Ramkrishna Mission Institute Of Culture, Golpark
Krishna Bhaktirasamrita
Front matter
No text on this page.
TAKRISHWA MSGION INSTITUTI
कृष्णभक्तिरसामृतम्
श्रौताराकुमारकविरत्न-विरचितम् ।
E080
কৃষ্ণভক্তিরসামৃত
"क्वषिर्भूवाचकः शब्दो णश्च निर्वृतिवाचकः ।
নয়ী এ সময় জঘন্সমির্ষীয়ন”। (শীধারী )
‘কৃষি’ শব্দে ‘সৎ এবং ‘৭’ শব্দে ‘নিবৃতি’ অর্থাৎ চিদানন্দ। কৃষি এবং ‘৭’ এই দুই শব্দের
সংযোগে ‘কৃষ্ণ’ শব্দের উৎপত্তি। সচ্চিদানন পরব্রহ্মের নাম ‘কৃষ্ণ।
শ্ৰীতারাকুমারকবিরত্ন-বিরচিত
বঙ্গভাষানুবাদ প্রভৃতির সহিত।
Calcutta.
J. N. BANERJEE & SON, BANERJEE PRESS,
119, OLD BOYTAKIANA BAZAR ROAD,
সংবৎ ১৯৪৯।
PRINTED AND PUBLISHED BY
w
LIBRARY
RMIC LIBRARY
Acc No. 174984
Class No:
2010
May
Date 213-93
7t: Card
Class;
Cat:
3k, Card;
Checked
कि
उत्सर्गः।
प्रोम्
कृष्णाय स्वाहा।
पाशीर्वादः।
गृहाण काकिनाधीश श्रीमन् महिमरञ्जन ।
आशीर्वादसहस्राणि कतन्नहृदयस्य मे ॥
भक्तोभ्यो यत्त्वया दातुं कृष्णभक्तिरसामृतम् ।
प्रकाशित स्ववित्तेन गुणैर्बद्धोऽस्मि ते ततः ॥
भूतकारुण्यशान्तात्मन् सच्चिदानन्दसेवक ।
लोकद्दयजयी पुण्यैर्जीयास्त्व शाखतीः समाः ॥
द्योततेऽविचला नित्यं ध्रुवतारा यथा दिवि ।
तथानन्तपदोपान्ते भक्तिस्ते द्योततां सदा ॥
हर हर परदुःखं सौम्य मबैरुपायैः
कुरु कुरु करुणां त्वं सर्वजीवेष्वभिन्नाम् ।
चर चर परमेकं दुर्गतोद्धारधर्म
तर तर तरपण्यैरात्मपुण्यैर्भवाब्धिम् ॥
भीम्
॥ श्रीजयोऽभ्युदयोऽस्तु ॥
इष्टदेवतापादानुध्यातस्य
श्रीताराकुमारशर्मणः ।
No text on this page.
বিজ্ঞাপন। করিয়াছি ; “প্রয়ােজনমনুদ্দিশ্য ন মনোহপি প্ৰবৰ্ত্ততে” --নিতান্ত মুখও বিনাপ্রয়ােজনে কোনও বিষয়ে প্রবৃত্ত হয় না। অতএব আমার এ গ্রন্থরচনার প্রয়ােজন কি ? ইহার উত্তর এইমাত্র দিতে পারি, “ত্বয়া হৃষীকেশ হৃদি স্থিতেন যথা নিযুক্তোহস্মি তথা করােমি” হৃদয় হইতে যাহা বাহির হইয়াছে, তাহাই লিপিবদ্ধ ভাল মন্দ সেই হৃদয়েশ্বরী ইষ্টদেবতাই জানেন। কাকিনাধিপতি ভগবদ্ভক্ত শ্ৰী মান রাজা মহিমারঞ্জন রায় বাহাদুর স্বতঃপ্রবৃত্ত হইয়া, বিনামূল্যে বিতরণার্থ নিজ- ব্যয়ে ইহা প্রচারিত করিলেন। এস্থলে আর একটা কথা বলা আবশ্যক। এই গ্রন্থে ভগবানের যে সকল নাম আছে, তাহার একটীও সম্প্রদায়- বিশেষের জন্য নহে, সকল সম্প্রদায়ের সমান উপাস্য ভাবে গৃহীত হইয়াছে, অর্থাৎ ঐ সকল নামের প্রকৃত অর্থ অনু- সারে ব্যবহার করিয়াছি। যােগদর্শী মহর্ষিগণ বিশ্বজনীন ভাবে ঐ সকল নামের সৃষ্টি করিয়া, ঐ সকল নামকে মানব-
( ২ )
মাত্রেরই সেবনীয় করিয়াছেন। ঐ সকল নামের প্রকৃত
অর্থ অনুসন্ধান করিলে, হিন্দু, মুসলমান, খ্ৰীষ্টান, ব্রাহ্ম,
সকলকেই একবাক্যে বলিতে হইবে,
“ত্বয়ি ময়ি চান্যত্রৈকে বিষ্ণু
ব্যর্থং কুপ্যসি ময্যসহিষ্ণুঃ”। (মোহমুদার )
তুমি আমি সৰ্ব্ব ঘটে একই ঈশ্বর,
তবে কেন বৃথা দ্বন্দ্ব কর পরস্পর।
অনেকের এরূপ সংস্কার আছে, ‘কৃষ্ণ নাম শুধু এক
সম্প্রদায়ের জন্য, সকল সম্প্রদায়ের গ্রহণীয় নহে। কিন্তু
অমৃতময় নামের প্রকৃত অর্থ অবগত হইলে বােধ হয়
উহা গ্রহণ করিতে কাহারও দ্বিধা হইতে পারে না। স্বয়ং
বেদব্যাস ‘কৃষ্ণ নামের এইরূপ অর্থ করিয়াছেন,
“কৃষিভূবাচক শব্দে ণশ্চ নিবৃতিবাচক।
বিষ্ণুস্তম্ভাবভাবিত্বাৎ কৃষ্ণো ভবতি শাশ্বতঃ” ॥ (মহাভারত)
‘কৃষি’ শব্দে সত্তা, ‘ণ’ শব্দে পরমানন্দ ; ‘কৃষি’ ও ‘ণ’
এই উভয়ের সংযােগে ‘কৃষ্ণ নামের উৎপত্তি। অর্থাৎ
ভগবান্ অনাদি অনন্তকাল বিদ্যমান এবং পরমানন্দময় বলিয়া
‘কৃষ্ণ নামে অভিহিত (১)। এইরূপ সকল নামের
বিশ্বজনীন অর্থ ও বিশ্বজনীন ভাব।
-
(১) “কৃষ্ণ' নামের অর দু একটী ব্যুৎপত্তি যথা,-“ভক্তানাং পাপাদিদোষান্ কৃষতি
নিবারয়তি ইতি কৃষ্ণঃ”—যিনি ভক্তগণের সমস্ত পাপ তাপ নিবারণ করেন তাহাকে ‘কৃষ্ণ
বলে। “তেষাং দুর্লভানপি পুরুষার্থ আকৰ্ষতি প্রাপয়তি ইতি কৃষ্ণঃ– যিনি ভক্তগণকে
দুর্লভ পুরুষার্থ প্রদান করেন, তাহাকে ‘কৃষ্ণ বলে। “কতি আত্মনি সৰ্বলে কান্ ইতি
কৃষ্ণঃ" -যিনি প্রলয়কালে সমস্ত জগৎ আত্মমধ্যে আকর্ষণ করেন, তাহাকে ‘কৃষ্ণ' বলে।
“কর্ষত অল্পী ইতি কৃষঃ”—যিনি দুষ্টের দর্প হরণ করেন, তাহার নাম কৃষ্ণ। ইত্যাদি।
( ৩ )
এই গ্রন্থের শেষে ভগবানের নামাবলী-ব্যাখ্যা দিবার
ইচ্ছা ছিল, কিন্তু ঐ প্রবন্ধটী সুদীর্ঘ হওয়ায় বাহুল্যভয়ে
প্রদত্ত হইল না। ফলে, যাহার যে নামে ডাকিতে প্রাণ
চায়, তিনি সেই নামেই তাঁহাকে ডাকুন, তিনি মূলে ঠিক
থাকিলেই হইল।
“যেনৈব নাম্না ননু যত্র তত্র
ভক্ত্যা তমুদ্দিশ্য বলিং প্রযচ্ছ।
স তৎপদং যাস্যতি বিশ্বমূৰ্ত্তেঃ
ব্যাপ্তং যতাে বিশ্বমিদং পদেন”।
যে নামে যেখানে ইচ্ছা হইবে তােমার,
ভাই রে ! তাহারে তুমি দাও উপহার ;
ভক্তিভাবে যথা ইচ্ছা যে নামেই দিবে,
তব উপহার তার পদেই পড়িবে ;
বিশ্বরূপ বিশ্বাধার বিভু নারায়ণ,
পদতলে জুড়িয়া আছেন ত্রিভুবন।
( কৃষ্ণভক্তিরসামৃত, ৫৭ পৃষ্ঠা)
কলিকাতা।
নং ২৫, পটলডাঙ্গা ষ্ট্রীট।
৯ই চৈত্র। ১২৯৮ সাল।
শ্ৰীতাকুমার শর্মা।
सूचीपत्रम् ।
...
पृष्ठे। (छ)
१ (.)
३ (७)
प्रकरणम् । (सकतम)
१। आवाहनम् ( अतिरिन)
२। वैष्णवलक्षणम् (निश्चलकर )
३। तत्रैव रमते हरि: ( मरे शान
হরি বিহার করেন)
४। आत्मतीर्थम् ( भितीर्थ )
५। भक्तिमाहात्माम् (ललिमाशंशा) ...
६। नाममाहात्माम् (नांगशिष)
७। नामरूपभेदाः (नांगशाला)
८। आत्मनिवेदनम् ( अशिनिस्तान)
।। श्रीमूर्तिदर्शनम् ( बीति नि )
१०। मारपदाञ्जलि: (शिमलनि
অর্থাৎ ভগবানের মাতৃমূর্তির স্তব )•••
१६ (७)
२२ (२१)
२८ (२.)
२८ (b)
१०८ (20)
१२६ (१२७)
१३७ (२७१)
१४४ (388)
ग्रन्थक्कतो वंशाख्यानम्
परिशिष्टम्
श्रीम् कृष्णभक्तिरसामृतम्। आवाहनम्। एयेहि कृष्ण सक्कदेव भवातिथिस्त्वं हे भक्तवत्सल रहाण निमन्त्रणं मे । प्रेमाशुपाद्यपरिधौतपदाम्बुजे ते आत्मानमेव कुसुमाञ्जलिमुत्सृजामि ॥ १ ॥ ভকত-বৎসল হরি ! লহ নিমন্ত্রণ, বারেক আতিথ্য মাের কর হে গ্রহণ; ধােয়াব চরণ তব প্রেমাশ্রুধারায়, আত্মাকেই পুস্পাঞ্জলি দিব তব পায়। ১। एह्येहि कृष्ण सकदेव भवातिथिमें पादाम्बुजे तव निवेदनमेतदेव । प्राणेश हे हृदयकोमलपद्मतरूपे त्वां शाययामि सुचिरं न विसर्जयामि ॥२॥ এই নিবেদন হরি ! তােমার চরণে, বারেক অতিথি হও আমার ভবনে ; হৃদয়-কমল-রূপ কোমল শয্যায়, এস এস প্রাণনাথ! শোয়াব তােমায় ;
২
कृष्णभक्तिरसामृतम् ।
চিরকাল শয়ন করহ আসি তায়,
হরি হে। তােমায় কভু না দিব বিদায়। ২।
विश्वजीवनविमोहनच्छविः कोऽसि देव यदुदेषि मे पुरः ।
खां पिवामि हृदयेन निर्भरं तिष्ठ तिष्ठ सविधे क्षणं मम ॥ ३ ॥
মরি মরি কিবা রূপ ভুবনমােহন !
কে দেব! সম্মুখে আসি দিলে দরশন ?
ক্ষণেক সম্মুখে মাের কর অবস্থান,
প্রাণ ভরি ও মাধুরী করি আমি পান। ৩।
छायारूपमिवात्मानं दर्शयवेव लीयसे ।
पूर्ण दर्शय पूर्णामन् पूर्णो मेऽस्तु मनोरथः ॥ ४ ॥
ছায়া ছায়া হেন যেন চকিতের প্রায়
দরশন দিয়া হরি ! লুকালে কোথায় ?
পূর্ণরূপে পূর্ণব্রহ্ম! হও হে উদয়,
মনােবাঞ্ছা পূর্ণ কর ওহে দয়াময় !। ৪।
मयार्यते त्वचरणेऽयमात्मा प्रतीच्छ हे स्वस्य धनं स्वयं त्वम् ।
किञ्चिबिजखं नहि विद्यते मे यहीयते त्वचरणे मुकुन्द ॥ ५ ॥
এ আত্মা তােমার পদে করিনু অর্পণ,
তােমারি এ ধন তুমি করহে গ্রহণ;
কৃষ্ণ হে! তােমারি ধন দিনু তব পায়,
কি আছে আমার আমি দিব হে তােমায় ?। ৫।
हदासनमधिष्ठाय प्रसीद मम पूजया।
वयि प्रीते हषीकेश केश: संक्षीयतेऽखिलः ॥ ६ ॥
ক वैष्णवलक्षणम्। হৃদয়-আসনে মাের করি অধিষ্ঠান, ভক্তের পূজায় প্রীত হও ভগবান্ ; তুমি যদি হও প্রীত ওহে হৃষীকেশ ! ঘুচে যায় সমুদায় সংসারের ক্লেশ। ৬। अथ वैषणवलक्षणम् । शिव शक्ति शिवं शतौ वीक्ष्य यो रमते सदा। शिवशक्तिमये कृष्णे विष्णुभक्ताः स उच्यते ॥ १ ॥ শিব-মধ্যে শক্তি যেই করে দরশন, শক্তি-মধ্যে শিব যেই হেরে অনুক্ষণ; শিবশক্তিময় কৃষ্ণে যে করে রমণ সদাই পরমানন্দে, বৈষ্ণব সে জন। ১। आत्ममध्ये जगत् सर्वमिदं स्थावरजङ्गमम् । आत्ममध्ये च गोविन्द यः पश्यति स वैष्णवः ॥ २ ॥ স্থাবর জঙ্গম এই নিখিল ভুবন, যে জন আত্মার মধ্যে করে দরশন ; যে জন আত্মার মধ্যে হেরে নারায়ণ, প্রকৃত বিষ্ণুর ভক্ত জানিবে সে জন। ২। पामा नारायणो ब्रह्म चात्मैव सकलं जगत् । अहं स सोऽहमित्येव यो जानाति स वैष्णवः ॥ ३ ॥ আত্মাই ভুবন, আত্মা নারায়ণ ব্রহ্ম, ‘আমি তিনি’ ‘তিনি আমি’ জানে যেই জন ;
৪
कृष्णभक्तिरसामृतम् ।
এই আত্মজ্ঞানে যেই সদাই তন্ময়,
প্রকৃত বৈষ্ণব তারে জানিবে নিশ্চয়। ৩।
तिर्यगूईमधस्ताञ्च सर्व विष्णुमयं जगत् ।
तन्मयेनैव भावेन यः पश्यति स वैष्णवः ॥ ४ ॥
যে জন তন্ময়ভাবে হইয়া মগন,
তিৰ্য্য উদ্ধা অধােভাগে নিখিল ভুবন-
একমাত্র বিষ্ণুময় করে দরশন,
একান্ত বিষ্ণুর ভক্ত জানিবে সে জন। ৪।
मलाधारं वपुर्यस्य हरिस्मरणमात्रतः ।
सुधापूरायते सद्यो विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ ५ ॥
এ দেহ নরককুণ্ড মলের আধার,
হরিনামে সুধাপূর্ণ সদ্য হয় যার ;
হরিনামে যার প্রাণে সুধাস্রোত বয়,
প্রকৃত বৈষ্ণব সেই জানিবে নিশ্চয়। ৫।
मकरन्देऽरविन्दस्य निलीनइव षट्पदः ।
भगवत्प्रेमि लीनो यो विष्णुभक्तः स उद्यते ॥ ६ ॥
কমল-মধুর রসে যথা মধুকর-
নড়েনা চড়েনা লাগি থাকে গাঢ়তর ;
তেমনি কৃষ্ণের প্রেমে লীন যেই হয়,
প্রকৃত বৈষ্ণব সেই জানিবে নিশ্চয়। ৬।
यस्यात्मा मोहनिर्मुतो विधूमइव पावकः ।
प्रदीप्यते दिव्यभासा विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ ७ ॥
वैष्णवलक्षणम् । ५ কাটাইয়া ঘােরতর মােহ-অন্ধকার, ধূমশূন্য হুতাশন সম আত্মা যার— দিব্য তেজে প্রদীপ্ত হইয়া সদা রয়, প্রকৃত বৈষ্ণব তারে জানিবে নিশ্চয়। ৭। मतिरूई मुखी यस्य नैवाधो याति कर्हि चित् शिखा हुताशनस्येव विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ ८॥ প্রজ্বলিত পাবকের শিখার মতন, মতি যার উর্ধদিকে থাকে অনুক্ষণ; অধােদিকে কভু তাহা না করে গমন, প্রকৃত বিষ্ণুর ভক্ত জানিবে সে জন। ৮। लीलायते चन्द्रिकेव प्रोच्छलत्सिन्धुवीचिषु । वैष्णवी यस्य वै भक्तिर्मानसे सहि वैष्णवः ॥८॥ উচ্ছলিত সাগরের তরঙ্গে যেমন, মিশিয়া মিশিয়া খেলে চন্দ্রের কিরণ ; তেমনি শ্রীকৃষ্ণপ্রেম হৃদয়ে যাহার খেলিছে, বৈষ্ণব নাম সার্থক তাহার। ৯। निईन्हो निम्ममो भूखा निष्कामणान्तरालना। ध्येयइत्येव तं कृष्णं यो ध्यायेत् सहि वैष्णवः ॥ १० ॥ সুখে দুঃখে সদা যার সমজ্ঞান হয়, সংসারে মমতা মাত্র নাহি যার রয় ; ধ্যেয় বলি সেই কৃষ্ণে করে যেই ধ্যান- নিষ্কাম হৃদয়ে, সেই বৈষ্ণব প্রধান। ১০।
कृष्णभक्तिरसामृतम् । सर्वभूतमयं विष्णुं पश्यन् योऽव्यभिचारिणीम् । भक्तिं सर्वेषु भूतेषु कुरुते सहि वैष्णवः ॥ ११ ॥ সৰ্ব্বভূতে নারায়ণে হেরি একাকার, সৰ্ব্বভূতে ভক্ত যার রহে নির্বিকার ; এরূপে সর্বত্র যার বিষ্ণুভক্তি রয়, প্রকৃত বৈষ্ণব তারে জানিবে নিশ্চয়। ১১। श्रुत्वा हरिध्वनिं यस्य द्रवन्ति गिरयोऽपि च । विदीयंत्यपि दम्भोलिर्विष्णुभक्ताः स उच्यते । १२ ॥ যার মুখে হরিধ্বনি শ্রবণ করিয়া, তখনি গলিয়া যায় পাষাণের হিয়া ; বজ্রও বিদীর্ণ হয় যার হরিনামে, বিষ্ণুভক্ত সেই জন এই ধরাধামে। ১২। यस्य वै दर्शनात् स्पर्शात् संजल्पाच्च सहासनात् । क्षीयन्ते सर्वपापानि विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ १३ ॥ যে সাধুর দরশন কিম্বা পরশন, যার সনে সহবাস কিম্বা আলাপন ; অশেষ কলুষরাশি করয়ে হরণ, সে জন জানিবে ভবে বৈষ্ণবরতন। ১৩। अहौ हार मणौ लोटे विष्ठायां चन्दने तथा । वैष्णवं तं विजानीयात् सर्वत्र समदर्शनम् ॥ १४ ॥ বিষধরে আর হারে যার সমজ্ঞান, যার কাছে মণি লােষ্ট উভয় সমান ;
লম্বযন্ বিষ্ঠায় চন্দনে যার নাহি ভেদজ্ঞান, সেই জন এ ভুবনে বৈষ্ণৰ প্ৰধান। ১৪। যস্থিলগ্নি বায়াড় বাী লিনি দ্বন। इयोरेव समप्रीतियः स वैष्णव उच्यते ॥ १५ ॥ এক অঙ্গ একে করে কুঠারে ছেদন, অন্য অঙ্গে অন্যে করে চন্দন লেপন ; সমকালে উভয়েই তুল্য প্রেম যার, সার্থক বৈষ্ণব নাম জগতে তাহার (১)। ১৫। आत्मा योगरथारूढ़ो भित्त्वा संसारकुज्मटीम् । तैजसे रमते लोके यस्याऽसौ वैष्णवः स्मृतः ॥ १६ ॥ যোগ-রথে আরােহণ করি আত্মা যার, ভেদ করিয়াছে ঘাের সংসার-আঁধার ; তেজোময় বিষ্ণুধামে করিছে বিহার, প্রকৃত বৈষ্ণব নাম উপযুক্ত তার। ১৬। हृदयेऽनाहते चक्रे कृष्णमोकाररूपिणम् । अव्यक्तं ध्यानयोगेन यः पश्यति स वैष्णवः ॥ १७ ॥ (১) অর্থাৎ—যাহার এক বাহুতে এক ব্যক্তি কুঠার হানিতেছে, এবং অপর বাহুতে আর এক ব্যক্তি চন্দন মখাইতেছে, এস্থলে যিনি সেই ছেদনকারীর অকল্যাণ এবং সেই চন্দনলেপনকারীর কল্যাণ কামনা না করিয়া যুগপৎ সেই ইষ্টকারী ও অনিষ্টকারী উভয়কেই সমান প্রেমে দর্শন করেন, সেই নির্বিকার সাধুই প্রকৃত বৈষ্ণব।
জঘননি। হৃদয়ের অনাহত চক্রের মাঝারে, অব্যক্ত ওঙ্কাররূপী সেই নিরাকারে- ধ্যানযােগে নিত্য যেই করে দরশন, সার্থক বৈষ্ণব নাম ধরে সেই জন (১)। ১৭। कृष्णप्रेमामृतेनात्मा देहः प्रेमाथुवारिभिः । यस्याभिषिच्यते नित्यं विष्णुभताः स उच्यते ॥ १८ ॥ কৃষ্ণপ্রেম-সুধাময় রসে নিরন্তর, অভিষিক্ত হইতেছে যাহার অন্তর ; তিতিছে যাহার দেহ প্রেমাশ্রুধারায়, সেই ত বৈষ্ণবশ্রেষ্ঠ জানিবে ধরায়। ১৮। कृष्णानन्देन पूर्णामा कृष्णानन्द न पूर्णधीः । জনম দল য: অয়নি স দ্বাৰ: । (১) হৃদয়ের অনাহত চক্রের মাঝারে’,-যোগশাস্ত্রকারের। শরীরের অভ্যন্তরে যে ছয় প্রকার চক্র (যটুচক্র ) নির্দেশ করিয়াছেন, তন্মধ্যে চতুর্থ চক্রের নাম ‘অনাহত চক্র। ইহার দ্বাদশটি দল অর্থাৎ পত্র, এবং ইহার প্রভা অৰুণােদয়ের ন্যায়। এই চক্রের মধ্যে অযুত সূর্যের ন্যায় তেজোময় ওঙ্কারশব্দরূপী ব্ৰহ্ম অধিষ্ঠান করেন। আঘাত অর্থাৎ তাড়ন ব্যতিরেকেই এই ওঙ্কার শব্দ অব্যক্তভাবে স্বতই উদ্ভূত হয়, এজন্য ইহাকে ‘অনাহত শ’ বলে, এবং এই অনাহতশব্দের আধার বলিয়া হৃদয়স্থিত এই নিগুঢ় স্থানকে ও ‘অনাহত চক্র’ বলে। পরমানন্দনিকেতন শিবময় ওঙ্কাররূপী সেই পরমাত্মা হৃদয়ের এই নিভৃত গুহামধ্যে নিত্যই নিহিত আছেন। তিনি সকলের হৃদয়শায়ী হইলেও সমাধি ভিন্ন তাহার সাক্ষাৎ কার হয় না। মুমুক্ষু যােগীরা মহাযােগে নিমগ্ন হইয়া সেই অব্যক্ত ওঙ্কার- ব্ৰহ্ম হৃদয়মধ্যে দর্শন করেন, এবং মানসে তদীয় পুজা করিয়া থাকেন।
वैष्णवलक्षणम्। কৃষ্ণানন্দে যার আত্মা নিত্য উছলিত, কৃষ্ণানন্দে যার মন নিত্য পুলকিত ; কৃষ্ণানন্দময় বিশ্ব হেরে যেই জন, এ জগতে সেই সাধু বৈষ্ণব-রতন। ১৯। यस्तृणीकृतसंसारो गिरिराज इवाचलः । परमे पुरुषार्थेऽसौ वैष्णवः परिकीर्तितः ॥ २० ॥ এ সংসার তৃণতুল্য করিয়া গণন, অটল অচল গিরিরাজের মতন যে জন কৈবল্য-পথে করে অবস্থান, সে মহাপুরুষ ভবে বৈষ্ণব প্রধান। ২০। अनन्तात् जायते विश्वमनन्ते च प्रलीयते । इति विश्खरहस्यं यो बुध्यते स हि वैष्णवः ॥ २१ ॥ অনন্ত হইতে বিশ্ব হইছে উদয়, আবার অনন্তমাঝে পাইছে বিলয় ; এ বিশ্ব-রহস্য যেই বুঝিবারে পারে, প্রকৃত বৈষ্ণব বলি’ জানিবে তাহারে। ২১। विलीम भौतिक विखं यस्य विष्णुसमाधिना। कम्म कर्मफलं चैव स वैष्णववरः स्मृतः ॥ २२ ॥ বিষ্ণুপদে সমাহিত যাহার হৃদয়, এ জােতিক বিশ্ব যার চক্ষে পায় লয় ; কৰ্ম্ম কৰ্ম্মফল যার কিছু নাহি রয়, পরম বৈষ্ণব সেই জানিবে নিশ্চয়। ২২।
০ कृष्णभक्तिरसामृतम्। रोगशोकपरीतापायायामपि विलहितम् । प्रभवन्ति न यस्यासौ विष्णुभक्तः प्रकीर्तितः ॥ २३ ॥ রােগ শােক পরিতাপ আদি এ সংসারে, ছায়াও যাহার নাহি লঙ্ঘিবারে পারে ; সৰ্ব্বদুঃখ-মুক্ত সেই সাধু মহাশয়, বৈষ্ণবের চূড়ামণি জানিবে নিশ্চয় । ২৩। विश्वखरं विश्ववीज विश्वरूपं जनाईनम् । साधयन् सिद्धकामो यः स साधुर्वैष्णवः स्मृतः ॥ २४ ॥ বিশ্বরূপ বিশ্ববীজ বিশ্বের ঈশ্বর নারায়ণ সাধনা যে করে নিরন্তর সাধনা করিয়া যার সিদ্ধ হয় কাম, সার্থক তাহারি ভবে বৈষ্ণব এ নাম। ২৪। मोहं दम्भोलिदुर्भेद्यं निर्भिद्य रमते सदा । यस्यात्मा सच्चिदानन्दे विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ २५ ॥ কঠোর বজ্রেও যাহা ভেদিতে না পারে, অভেদ্য সে মােহ যেই ভেদিয়া সংসারে— নিত্যচিদানন্দে সদা করিছে বিহার, সার্থক বৈষ্ণব নাম জগতে তাহার। ২৫। प्रलयस्यापि हुङ्कारैर्महाचलविचालकैः । विक्षोभ नैति यस्यात्मा विष्णुभताः स उच्यते ॥ २६ ॥ মহামহীধরগণে করি’ উম্মলন, হুহুঙ্কারে আসে যদি প্রলয় ভীষণ ;
৫ং বঘৰযম্। তথাপি যাহার আত্মা ক্ষুব্ধ নাহি হয়, প্রকৃত বিষ্ণুর ভক্ত সেই মহাশয়। ২৬। रसयत्यनिशं यस्य रसनानलसा मुदा। हरिनामास्तरसं विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ २७ ॥ ভুঞ্জিতে সানন্দে হরিনামামৃত-রস, যাহার রসনা কভু না হয় অলস ; দিবানিশি হরিনাম যে করেছে সার, সার্থক বৈষ্ণব নাম জানিবে তাহার। ২৭। कृष्णप्रेमाशुसंसिक्तं यस्य नित्यं त्वमिन्द्रियम् । सत्त्वोट्रेकात् कण्टकितं विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ २८ ॥ সদাই নিমগ্ন যেই কৃষ্ণ-ভাবনায়, সৰ্বাঙ্গ তিতিছে যার প্রেমাশ্রুধারায় ; যে জন সাত্ত্বিক ভাবে নিত্য পুলকিত, বৈষ্ণবরতন সেই জানিবে নিশ্চিত (১)। ২৮। वीक्षते योगदृध्या यो नित्यबुद्धमधोक्षजम् । यन्मतिर्याति नान्यत्र विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ २८ ॥ অতীন্দ্রিয় নিত্যবুদ্ধ সেই নারায়ণ, যােগনেত্রে অনুক্ষণ হেরে যেই জন ; (১) সাত্বিকভাবে’-মন যখন রজ ও তমােগুণের বিকার হইতে সম্পূর্ণ বিমুক্ত হইয়া সেই অখণ্ড সচ্চিদানন্দময় স্ব প্রকাশ নারায়ণে বিশুদ্ধ- ভক্তিভাবে তন্ময় হয়, মনের সেই অবস্থাকে সাত্ত্বিকভাব বলে ; ভগবানে বশুদ্ধ ভক্তিভাবই সাত্ত্বিক কাব।
৫২ कृष्णभक्तिरसामतम्। তাহা বিনা অন্য দিকে নাহি যার মতি, যথার্থ তাহারি ভবে শ্রীকৃষ্ণে ভকতি (১)। ২৯। वेद्यान्सरस्पर्शशून्यो यो ध्यायति निरन्तरम् । पूर्ण नारायणं ब्रह्मा विष्णुभक्ताः स उच्यते ॥ ३० ॥ পূর্ণব্রহ্ম নারায়ণ বিশ্বমূলাধার, সেইমাত্র ধ্যান যার সেইমাত্র সার ; তাহা বিনা অন্য কিছু নাহি যার জ্ঞান, সেই ত প্রকৃত সাধু বৈষ্ণব প্রধান। ৩০। कृष्णसेवी कृष्णयाजी कृष्णधीः कृष्णपूजकः । कृष्णवित् कृष्णभक्तश्च कृष्णामा वैष्णवः মুন কৃষ্ণই যাহার যজ্ঞ, কৃষ্ণই ভজন, কৃষ্ণই যাহার বুদ্ধি, কৃষ্ণই পূজন, কৃষ্ণ ভক্তি, কৃষ্ণ আত্মা, কৃষ্ণ যার প্রাণ, বৈষ্ণবের চূড়ামণি সেই ভাগ্যবান্। ৩১। अहितेऽपि हितो नित्यं प्रियवाक् परुषेऽपि यः । विषामन्यमृतात्मा च विष्णुभक्तः स उच्यते ॥ ३२ ॥ অহিতকারীর হিত যে করে সাধন, নিষ্ঠুরভাষীরে কহে সুমিষ্ট বচন ; (১) অতীন্দ্রিয় নিত্যবুদ্ধ'—যিনি বাহ্য ইন্দ্রিয়ের অতীত, যাহাকে চক্ষু, কর্ণ, নাসিকাদি ইন্দ্রিয় দ্বারা প্রত্যক্ষ করা যায় না, ভক্তি দ্বারাই দেখা যায়, সেই ভগবানকে অতীন্দ্রিয়’ বলে। নিত্য বুদ্ধ’- যি সদাই জাগ্রৎ, অর্থাৎ অনন্ত দেশ ও অনন্ত কাল ব্যাপিয়া চৈতন্যরূ, অবস্থিত।
वैष्णवलक्षणम्।
৫২
বিষের বদলে সুধা যে করে প্রদান,
কে আছে বিষ্ণুর ভক্ত তাহার সমান ?। ৩২।
प्रदीप्यते दिव्यभासा सुमेरोहमशृङ्गवत् ।
सदैव हृदयं यस्य विष्णुभक्तः स उद्यते ॥ ३३ ॥
সুমেরুর স্বর্ণময় শিখরের প্রায়,
আত্মা যার দিব্য তেজে নিত্য শোভা পায় ;
যে জন অনন্ত উর্দ্ধে করিছে বিহার,
সার্থক বৈষ্ণব নাম জানিবে তাহার। ৩৩।
शान्तिपुण्याम्बुससिक्त भक्तिचन्दनचर्धिते ।
विष्णुप्रतिष्ठा हुत्पीठे यः करोति स वैष्णवः ॥ ३४ ॥
শান্তি-গঙ্গা-জলে আত্মা করিয়া ক্ষালন,
ভকতি-চন্দন তাহে করিয়া লেপন,
সেই পীঠে নারায়ণে যে করে স্থাপন,
এ ভুবনে সেই জন বৈষ্ণবরতন। ৩৪।
यस्य जागर्ति हृदये सर्वभीतिहरो हरिः ।
सदैवाखासपूर्णात्मा विष्णुभक्ताः स उच्यते ॥ ३५ ॥
সৰ্বভয়হারী সেই শ্রীমধুসূদন,
থাকেন জাগ্ৰৎ যার হৃদে অনুক্ষণ;
সদাই আশ্বাসপূর্ণ যাহার অন্তর,
বৈষ্ণবগণের শ্রেষ্ঠ সেই সাধুবর। ৩৫।
विखदास्यव्रतधरो निष्कामश्च सदा स्वयम् ।
বানাৰ ন য ব ঘন ঘন ॥ ২॥
१४ कृष्णभक्तिरसामृतम् । বিশ্বের দাসত্ব-ব্ৰত যেই জন লয়, (১) কৰ্ম্মফলে অণুমাত্র কামনা না রয় ; আত্মারাম নাহি শােক নাহি দুঃখজ্ঞান, বৈষ্ণবের (রােমণি সেই ভাগ্যবান। ৩৬। अज्ञाततापः संसारज्वालामध्यगतोऽपि यः । चिदानन्दसुधाशान्तः सदासौ वैष्णवः स्मृतः ॥ ३७ ॥ সংসার-অনলকুণ্ডে রয়েছে সদাই, তথাপি সন্তাপ যার অণুমাত্র নাই; চিরশান্তি করে ভােগ চিদানন্দ পিয়া, তাকেই জানিবে ভবে বৈষ্ণব বলিয়া। ৩৭। मुकुन्दपादाम्बुजसात्कृतात्मा दग्धीकतो वा शकलीकतो वा। नोपैति मृत्यु हरिरित्यभीक्ष्णं वदत्यही वैष्णव ते प्रभावः ॥ ३८ ॥ যে জন সঁপেছে আত্ম হরিপদতলে, খণ্ড খণ্ড কর তারে পােড়াও অনলে ; কিছুতেই নাহি মরে বলে হরি হরি, কি মহিমা বৈষ্ণবের আহা মরি মরি ।। ৩৮। चितागतस्यापि हि वैष्णवस्य कण्ठो न कुण्ठो हरिनामगाने (১) বিশ্বের দাসত্বব্রত’—সমস্ত জগৎকে বিষ্ণুম ভাবিয়া পরম ভক্তিভাবে সর্বজীবের পরিচর্যায় আত্মসমর্পণ করা।
ঘাবলম্ব। १५ भस्मावशेषेऽपि तदीयदेह না: প্রার্থী মিমি: # ২৫। বৈষ্ণবের শব দেহ দিলেও চিতায়, তথাপি তাহার কণ্ঠ হরিনাম গায় ; যদ্যপি তাহার দেহ পুড়ে হয় ছাই, তবু তাহে হরিনাম ভিন্ন কিছু নাই। ৩৯। गोविन्दभक्तस्य निशाचरस्य रामास्त्रविच्छिवशिरोधरस्य । कत्तोऽपि मूर्खा विलुठन् धरण्यां स राम रामत्यसक्वबभाषे ॥ ४० ॥ লঙ্কায় রাক্ষস ছিল বৈষ্ণব-রতন, রাম যবে মুও তার করিলা ছেদন, কাটা মুণ্ড সদ্য তার ভূমিতে পড়িয়া, ‘রাম-রাম’ বলিতে লাগিল গড়াইয়া (১)। ৪০। (১) স্বর্গ হৈতে দেব করে সুমঙ্গল ধ্বনি, যােড় হাতে রঘুনাথে কহিছে তরণি ; তােমার চরণ হেরে পরিহরি প্রাণ, পরলোকে প্রভু শ্রীচরণে দিও স্থান ; ।। দুই খণ্ড হয়ে বীর পড়ে ভূমিতলে, তরুণীর কাটামুণ্ড রাম-রাম’ বংল”। পুনশ্চ,-“সমুকুট মুণ্ড পড়ে সহিত কুণ্ডলে, অতিকায়-মুণ্ড গড়াগড়ি ভূমিতলে ; ভূমিতে পড়িয়া মুণ্ড ‘রাম-রাম’ বলে, প্রেমানন্দে বিভীষণ ভাসে অশ্রুজলে”। (কৃত্তিবাস-রামায়ণ ।)
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
तत्रैव रमते हरिः।
विष्णुभक्तिर्यथा साक्षाजीवनिस्तारकारिणी।
गृहिणी राजते यत्र तत्रैव रमते हरिः ॥ १ ॥
সর্বজীবনিস্তারিণী গৃহিণী যথায়,
বিরাজে সাক্ষাৎ যেন বিষ্ণুভক্তি প্রায় ;
গৃহস্থ-আশ্রম সেই পুণ্যনিকেতন,
নিত্য বিরাজেন তথা দেব নারায়ণ। ১।
पुण्यव्रतो रही यत्र रहिणी च पतिव्रता।
पिटभक्ताश्च सन्तानास्तत्रैव रमते हरिः ॥ २ ॥
যে গৃহে গৃহস্থ সদা পুণ্যকর্মে রত,
পতিমাত্র গৃহিণীর জীবনের ব্রত ;
পিতৃভক্ত গুণবান্ যে গৃহে সন্তান,
তথায় করেন হরি নিত্য অধিষ্ঠান। ২।
आतिथ्यं गुरुभक्विश्च पातिव्रत्यं दयाजवम् ।
सत्यं शौचं क्षमा यत्र तत्रैव रमते हरिः ॥ ३ ॥
সতীত্ব, আতিথ্য, দয়া, ভক্তি গুরুজনে,
সত্য, শৌচ, সরলতা, ক্ষমা যে ভবনে ;
সে গৃহ ধৰ্ম্মের ক্ষেত্র শান্তির আধার,
শ্রীহরি তথায় নিত্য করেন বিহার। ৩।
অভিভুল স্বীনীন।
सर्वभूताभयं यत्र तत्रैव रमते हरिः ॥ ४ ॥
तत्रैव रमते हरिः। যে ভবনে ছয় রিপু নিত্য বশে রয়, অভ্যাগত দীন হীন লভয়ে আশ্রয় ; যথা আসি’ সৰ্ব্বজীবে লভয়ে অভয়, বিহরেন নিত্য তথা হরি দয়াময়। ৪। पिता माता गुरुः पत्नी जातयो बान्धवास्तथा । यौते नित्यसन्तुष्टास्तवैव रमते हरिः ॥ ५ ॥ পিতা, মাতা, গুরু, পত্নী, পুলকিত মনে, লভয়ে অতুল তৃপ্তি নিত্য যে ভবনে ; জ্ঞাতি বন্ধুগণে যথা সদানন্দে রয়, বিহরেন হরি তথা সদানন্দময়। ৫। मोदन्ते शिशवो यत्र मोदन्ते च रहेऽङ्गनाः । तिर्यञ्चोऽपि प्रमोदन्ते तत्रैव रमते हरिः ॥ ६ ॥ যে ভবনে শিশুগণ প্রফুল্লবদন, প্রফুল্লবদন যথা কুলনারীগণ ; যে ভবনে পশু পক্ষী প্রফুলবদন, শ্রীহরি সদাই তথা করেন রমণ। ৬। थहान्नं रहिणा दत्तं भुञ्जते सर्वजन्तवः । प्रीत्या यच गृह नित्यं तवैव रमत हरिः ॥७॥ যে গৃহে গৃহস্থ নিত্য ভক্তিপূর্ণ মনে, অন্নদান মহাদান করে জীবগণে ; সকলে আনন্দে তাহা করয়ে আহার, সে গৃহে শ্রীহরি সদা করেন বিহার। ৭। ত জঘনজিদান। अहो हप्तोऽस्मि जीवानामिति नित्यं प्रवर्तते यत्रानन्दरवो गैहे तत्रैव रमते हरिः ॥ ८॥ ‘আহা! হইলাম তৃপ্ত’–এ আনন্দ-রবে, যে গৃহ করয়ে পূর্ণ জীবগণ সবে ; জীবের শান্তির স্থান ধন্য সে ভবন, নিত্য বিরাজেন তথা শ্রীমধুসূদন। ৮। अद्वैतभक्तिसूत्रेण बड़ा यत्र रहे जनाः । সলসিমন: সাৰৰ ৰমন হৰি ॥ ৫॥ পতি, পত্নী, পুত্র, ভৃত্য আদি পরিজনে, অদ্বৈত-ভকতি-সূত্রে বদ্ধ যে ভবনে ; সবার একই মন, একই পরাণ, শ্রীহরি করেন তথা নিত্য অধিষ্ঠান। ৯। यत्र निर्लिप्तभावेन संसार वर्तते ग्रही। धर्म चरति निष्कामं तत्रैव रमते हरिः ॥ १० ॥ নিষ্কাম নির্লিপ্তভাবে গৃহস্থ যথায়, সংসারে থাকিয়া ধৰ্ম্মে জীবন কাটায় ; ধরাধামে একমাত্র ধন্য সে ভবন, নিত্য বিরাজেন তথা দেব নারায়ণ। ১০ रही यताखिललेशान् लीलया सहते खयम् । हरत्याश्रितसन्तापं तत्रैव रमते हरिः ॥ ११ ॥ অশেষ ক্লেশের ভার গৃহী যে ভবনে, আপনি করিয়া সহ অম্লানবদনে ;
तत्रैव रमते हरिः।
?
প্রাণপপে আশ্রিতের হরে দুঃখভার,
নিত্য তথা নারায়ণ করেন বিহার। ১১।
परिश्रमो मिताचारो यत्र धर्मेण जीविका ।
देवातिथिगुरुश्रद्धा तत्रैव रमते हरिः ॥ १२ ॥
পরিশ্রম, মিতাচার, ধৰ্ম্মপথে আয়,
দেবতা-অতিথি-গুরু-অৰ্চনা যথায় ;
পরম পবিত্র সেই গৃহস্থ-ভ,
নিত্য বিরাজেন তথা দেব নারায়ণ। ১২।
प्रयत्नलालिता यत्र धेनवो नित्यदुग्धदाः ।
सुपुष्यफलदा वृक्षास्तत्रैव रमते हरिः ॥ १३ ॥
যতনে লালিত হয় যথা ধেনুগণ,
সুধাসম ক্ষীরধার করে বিতরণ ;
দিব্য ফল পুষ্প যথা দেয় তরুগণ,
সে গৃহে সতত হরি করেন রমণ। ১৩।
सुसंस्कृते सुसंमृष्टे यद्ग्रहे सर्वतः शुचौ ।
विशुद्धान्यन्नपानानि तत्रैव रमते हरिः ॥ १४ ॥
পরিষ্কৃত পরিচ্ছন্ন নিত্য যে ভবন,
পবিত্র পানীয় শয্যা অশন বসন ;
অশুচি দ্রব্যের যথা নাম গন্ধ নাই,
বিহরেন সেই স্থানে শ্রীহরি সদাই। ১৪।
सर्व यत्रावपानगदि ग्रही विशुनिवेदितम् ।
परिवारै तो भुजतो तत्रैव रमते हरिः ॥ १५ ॥
कृष्णभक्तिरसामृतम्। অন্ন পান সমস্তই গৃহী যে ভবনে, ভক্তিভাবে নিবেদন করে নারায়ণে ; পশ্চাৎ সকলে মিলি করয়ে আহার, সে গৃহে শ্রীহরি সদা করেন বিহার। ১৫। तुद्रे महति तुल्यैव ममता यत्र गेहिनः । नैवात्मीयपरज्ञानं तत्रैव रमते हरिः ॥ १६ ॥ গৃহী যথা বড় ছােট না করি বিচার, সকলেরে সমভাবে ভাবে আপনার ; আপনার পর জ্ঞান যে ভবনে নাই, শ্রীহরি বিহার তথা করেন সদাই। ১৬। शाकानं धर्मातो लब्धं भोजयन् वजनातिथीन् । शेषं यत्र यही भुक्त तत्रैव रमते हरिः ॥ १७ ॥ ধৰ্ম্মপথে শাক অন্ন করি আয়ােজন, ভােজন করায় অগ্রে অতিথি স্বজন ; যে গৃহে শেষান্ন গৃহী করয়ে ভােজন, বিরাজেন সেই গৃহে দেব নারায়ণ। ১৭। धेनुर्धान्यं पुष्करिणी यताबन्ध्याश्च पादपाः । आतिथ्यं दम्पतीप्रेम तत्रैव रमते हरिः ॥ १८ ॥ ধান্য যথা সুসঞ্চিত, বৃক্ষ ফলবান, স্বচ্ছ জলাশয়, ধেনু দুগ্ধ করে দান; যে গৃহে দম্পতীপ্রেম, অতিথি-সৎকার, নিত্য তথা নারায়ণ করেন বিহার। ১৮।
तत्रैव रमते हरिः । २१ আলালসালম: অকা। प्रवर्तते यत्र यन्तस्तत्रैव रमते हरिः ॥ १८ ॥ ব্ৰহ্ম হ’তে পরমাণু পর্যন্ত সবার, তৃপ্তির উদ্দেশে গৃহে নিত্য যজ্ঞ যার ; সৰ্বযজ্ঞেশ্বর হরি ভবনে তাহার, সদাই পরমানন্দে করেন বিহার। ১৯। वसुन्धरेव रहिणी यत्र सबंसहा रहे। सुख दुःखे निर्विकारा तत्रैव रमते हरिः ॥ २० ॥ সুখে দুঃখে নির্বিকার গৃহিণী যথায়, সকলি সহিয়া থাকে ধরণীর প্রায় ; গৃহস্থ-আশ্রম সেই আশ্রমের সার, গােলােকবিহারী তথা করেন বিহার। ২০। गृहिणा स्मर्य्यते यत्र सर्वकार्येषु माधवः । समाहितेन शचिना तत्रैव रमते हरिः ॥ २१ ॥ যে গৃহস্থ কায়মনােবাক্যে শুচি হয়, হরিপদে সমাহিত যাহার হৃদয় ; সর্বকাৰ্যে করে যেই শ্রীহরি স্মরণ, তারি গৃহে বিরাজেন প্রভু নারায়ণ। ২১। पुण्ये तपोवने वापि चण्डालभवनेऽथवा । यौवावाह्यते भक्त्या तवैव रमते हरिः ॥ २२ ॥ পূজনীয় মহর্ষির পুণ্য তপােবনে, অথবা ঘৃণিত অতি চণ্ডাল-ভবনে ; [798 THI RAMAKRISHNA MISSION INSTITUTE OF CULTURE २२ कृष्णभक्तिरसामृतम्। যে যেখানে ভক্তিভাবে করে আবাহন, বিরাজেন সেইখানে বৈকুণ্ঠরমণ। ২২। क्षुधातॊऽवं पातॊऽम्बु शोकात्तॊ यत्र सान्वनाम् । भीतोऽभयं च लभते तत्रैव रमते हरिः ॥ २३ ॥ ক্ষুধার্ত তৃষ্ণার্ত্ত যথা লভে অন্ন পান, শােকাত্তের হয় যথা শশাকের নির্বাণ ; যে গৃহে ভয়ার্ত জীব লভয়ে অভয়, নিত্য বিরাজেন তথা হরি দয়াময়। ২৩। शिरो नैव करोत्युच्चैः कुर्बबुच्चैरपि क्रियाः । यही यत्र सदा नम्रस्तत्रैव रमते हरिः ॥ २४ ॥ যে গৃহে গৃহস্থ কাজ করে উচু উচু, তথাপি সবার কাছে মাথা করে নিচু ; নাহি জানে অভিমান, সদা নম্র অতি, বিরাজেন সেই গৃহে কমলার পতি। ২৪। আব্দনীঘ। (১) प्रात्मैव परमं तीर्थ मुक्तिक्षेत्र सनातनम् । त्रितापहारिणी यत्र भक्तिगङ्गा विराजते ॥ १ ॥ (১) আত্মতীর্থের বিষয় মহাভারতে সবিস্তর বর্ণিত আছে। নিমে একটামাত্র শ্লোক উদ্ধৃত হইল। শান্তিপর্বে যুধিষ্ঠিরের প্রতি ভীষ্মের উক্তি যথা; "पारमा नदी संयमपुण्यतीर्था सत्यीदका शीलतटा दयीर्मिः নমামিন্ধ ৰূৰ দাল ! ন ৰাৰিা মুনি আনন্মা” ।
पात्मतीर्थम् । আত্মাই মুক্তির ক্ষেত্র তীর্থ সনাতন, কিবা আর আছে তীর্থ এ তীর্থ যেমন ; ত্ৰিতাপহারিণী যথা পতিতপাবনী, ভক্তিরূপে বিরাজিতা গঙ্গা নারায়ণী (১)। ১। तीर्थे तीर्थे परिभ्रम्य मूढ़ास्ताम्यन्ति मुक्तये । आत्मैव परमं तीर्थ यत्र मुक्तिमयो हरिः ॥ २ ॥ নানাতীর্থে মুক্তি-আশে করিয়া ভ্রমণ, বৃথাই অশেষ ক্লেশ সহে মূঢ়গণ ; আত্মাই পরম তীর্থ জানিবে নিশ্চিত, মুক্তিরূপে নারায়ণ যথা বিরাজিত। ২। परिभ्रमसि किं दूरं तुच्छकाचजिक्षया । मनः किं नाभिजानीषे गृहे चिन्तामणिं तव ॥ ३ ॥ আত্মাই পবিত্র নদী, বম তার ঘাট, সত্যই সলিল তার, শীল তার তটু; নিখিল জীবের প্রতি করুণা অপার, তরঙ্গরূপেতে তাহে উঠে বার বার ; সে নদীতে কর স্নান হে পাণ্ডু-তনয় ! অন্য জলে অন্তরাত্মা শুদ্ধ নাহি হয় । (১) “ৰিৱমুনা স্বাধিনানিলী। সময়মনী বাৰা বৰ মজা বনাননী” । যে দ্রবময়ী অনন্ত-প্রেমধারা, ঈশ্বররূপ মহাগিরি হইতে উৎপন্ন হইয়া ঈশ্বররূপ মহাসাগরে মিলিত হইয়াছে, তাহার নাম সনাতনী গঙ্গা। (সদ্ভাব, ২৭ শ্লোক)।
२४ कृष्णभक्तिरसामृतम्। কাচের আশায় দূরে ভ্রম কেন মন ! জান না কি গৃহে তব চিন্তামণি ধন ? (১)। ৩। न देवी विरत मन्चे न तन्त्रे न व्रतेऽपि वा। न तीर्थे प्रतिमायां वा भावगम्यो हि केशवः ॥ ४ ॥ মন্ত্রে তন্ত্রে জপে তপে ব্রতে প্রতিমায়, কিম্বা তীর্থে কভু কেহ নাহি পায় তঁায় ; ভকতবৎসল হরি ভকত-জীবন, কেবল ভকতি দিলে মিলে সেই ধন। ৪। अखण्डमण्डलाकार पूर्ण ज्योतिम्मयं विभुम् । एकमेवाद्वितीयं तमात्मन्येव विलोकय ॥ ५ ॥ অখণ্ডমণ্ডলাকার পূর্ণ সনাতন, জ্যোতির্ময় অদ্বিতীয় যিনি নারায়ণ ; ত্রিভুবনে অন্য কোথা না পাইবে তায়, ভক্তিযােগে হের তারে আপন আত্মায়। ৫। अजापुरुषयोर्यत्र गङ्गासागरयोरिव । अतः सङ्गमो ोकः स कृष्णस्तीर्थसत्तमः ॥ ६ ॥ প্রকৃতি পুরুষে গঙ্গাসাগরের প্রায়, একাধারে একাকারে মিলিত যথায় ; (১) ভক্তচূড়ামণি রাম প্রসাদ বলিয়াছেন, “মন! তুমি কাঙালি কিসে? তাের ঘরের মাঝে অমূল্য ধন চিনিলিন তা সর্বনেশে'।
प्रात्मतीर्थम्। একমাত্র সেই হরি সৰ্ব্বতীর্থসার, সে তীর্থে ডুবিলে মুক্তি সদ্যই তাহার। ৬। মা কাঙ্গী সন্থানীয় মিলন বনানন। नित्यं सविहितो यत्र राजराजेखरः शिवः ॥ ७ ॥ ভক্তের আত্মাইকাশী তীর্থ সনাতন, কি আছে মুক্তির ক্ষেত্র এ তীর্থ যেমন ? নিত্য বিরাজেন যথা জগতের গুরু, রাজরাজেশ্বর সেই শিব-কল্পতরু। ৭। तदेव भक्त हृदयं गयातीर्थ विमुक्तिदम् । पादपद्म विनिदधे यत्र देवो गदाधरः ॥ ८॥ গয়াতীর্থ মােক্ষম ভক্তের হৃদয়, গদাধর-পাদপদ্ম নিত্য যথা রয়। ৮। श्रीक्षेत्र परमं तीर्थं भतास्य हृदयं हि तत् । मुनिदाता खयं यत्र जगनाथो विराजते ॥ ८ ॥ F শ্রীক্ষেত্র পরম তীর্থ ভকতেরি চিত, . মুক্তিদাতা জগন্নাথ যথা বিরাজিত। ৯। नित्यानन्दमयो यत्र दये रमते हरिः । सर्वतीर्थोत्तम तहि सर्वतीर्थोत्तम हि तत् ॥ १० ॥ যে হৃদয়ে নিত্যানন্দ হরির বিহার, সৰ্ব্বতীর্থসার সেই সৰ্ব্বতীর্থসার। ১০। ৪ २६ कृष्णभक्तिरसामृतम्। त्रैलोक्य भ्रम रे जीव तृष्णाशान्त्यै निरन्तरम् । प्रामतीर्थ विना तृष्णा न ते कापि शमिष्यति ॥ ११ ॥ রে জী! ত্রৈলােক্য তুমি করহ ভ্রমণ, কোথাও তৃষ্ণার তব না হবে শমন ; আত্মকুণ্ডে ভক্তিজলে না করিলে স্নান, এ ঘোর পিপাসা কোথা হইবে নিৰ্বাণ ?। ১১। তীর্থে হও নিমগন, মুক্ত ! ম মাননীঘলজ্জ্বল धौतं ततः खलु भवेष्ट्रजएव वाह्यम् । नैवात्मतीर्थपरिषवणमन्तरण मालिन्यमान्तरमपैति न निर्वृतिर्वा ॥ १२ ॥ রে মূঢ়! সহস্র বাহিরের ধূলা তাহে হইবে ক্ষালন ; আত্মতীর্থে নাহি যদি কর যােগ-স্নান, যাবে না। মনের রজ, পাবে না নিৰ্বাণ (১)। ১২। टषाशान्त्यै भ्रान्तो धमसि किमु घोरे भवमरौ न जानीषे जीव स्वगृहगतमेवामृतनिधिम् । सुषुम्णानियेण्या सुखमधिगतो ब्रह्मविवरम् सुधाधार चक्र रसय परमानन्दमनिशम् ॥ १३ ॥ (১) ‘যােগ-ন’-যেমন অৰ্দ্ধোদয় প্রভৃতি যােগের সময় গঙ্গাস্নান করাকে ‘যােগ-স্নান' বলে, তেমনি পরমাত্মার ধ্যানে নিমগ্ন হওয়াকে ‘যোগ-গান’ বলে। ‘মনের রজ’--চিত্তমধ্যে কামক্রোধাদি রজোগুণ অর্থাৎ অপবিত্র ভাবসকল। রজ’-শব্দে ধূলি বুঝায় এবং রজোগুণকে ও বুঝায়।
पात्मतीर्थम् । २७ ঘাের ভব-মরুমাঝে ভ্রান্ত হয়ে হায় ! রে জীব! ভ্ৰমিছ কেন শান্তির আশায় ? জানি না কি সুধানিধি গৃহেরি ভিতরে ? যত চাও তত সুধা দেয় অকাতরে ; সুষুম্না-সােপান দিয়া ব্ৰহ্মরন্ধে গিয়া, সুধার অাধার চক্রে পড় ঝাঁপ দিয়া; পশি তথা চিদানন্দ-সুধা কর পান, অশেষ পিপাসা তব হইবে নির্বাণ (১)। ১৩। (১) ঈশ্বর মানবদেহকে যেমন আধিভৌতিক ভাবে তেমনি আধ্যা- মুক ভাবে নির্মাণ করিয়াছেন ; এজন্য মানবদেহ যেমন আধিভৌতিক প্রক্রিয়ার উপযােগী, তেমনি আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়ার উপযােগী। শাস্ত্র রেজা বলেন, "एवं विधे तु देहेऽस्मिन् मलसचयसंहते । प्रसाधयन्ति धीमन्ती भुक्ति मुक्तिमुपायतः ॥ ( रबाकरे)। অর্থাৎ-এই নাড়ীচক্রাদি ঘটিত মলমূত্রাদি-সমাকীর্ণ ভৌতিক দেহের ধ্যে ভগবান এমন এক শক্তি দিয়াছেন যে, তারা বিজ্ঞলােকেরা ভোগ ও মাক্ষ উভয়ই সাধনা করিতে পারেন। আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া সাধনের জন্য যাগ-শাস্ত্রকারের দেহতত্ত্বকে ছয় ভাগে বিভাগ করিয়াছেন। এই ছয়টা বভাগকে ষটচক্র’ বলে। পায়ু ও উপস্থের মধ্যস্থলে চতুর্দল পদ্মাকার ক্রের নাম ‘আধার-চক্র'। কুণ্ডলিনী নামক ব্ৰহ্মশক্তির আধার বলিয়াই হার নাম ‘আধার-চক্র। মৃণালসূত্রের ন্যায় কোমল ও সূক্ষ্ম শিরঃস্থিত রন্ধের মধ্যে সহস্রদল পদ্মার চক্রের নাম ‘সহস্ৰপত্ৰ-চক্র; এই চক্র (ধার আধার; এ স্থান হইতে অমৃতবাহিনী নাড়ী দিয়া অবিরত অমৃত- সধারা প্রবাহিত হইয়া দেহকে পরিবর্ধিত করিয়া থাকে ; ঐ অমৃত হিনী নাড়ীর নাম সুষুম্না। সুষুম্না নাড়ী আধারচক্র হইতে ব্ৰহ্মর ৰ্যন্ত বিস্তৃত। যেমন বাজীকর রজু পরিয়া উর্দ্ধে উঠিয়া নৃত্যগীতাদি ীড়া দেখায় এবং আবার সেই রঞ্জু ধরিয়া নিয়ে নামিয়া পড়ে, তেমনি २ कृष्णभक्तिरसामृतम्। भक्तिमाहात्माम् । (२) भस्मीकरोति पापानि बहुजन्मार्जितान्यपि । तूलराशिमिव चिमान् भक्तिस्तस्मिन् परात्परे ॥ १ ॥ জীবাত্মাও প্রাণ বায়ু কর্তৃক আলিঙ্গিত হইয়া সুষুম্নরূপ রঞ্জু বহিয়া উর্ধস্থিত ব্ৰহ্মরন্ধে, উঠিয়া সেই সুধার আধার সহস্ৰপত্ৰ-চক্রে নিমগ্ন হয়। তথায় নিমগ্ন হইবামাত্র জীবাত্মা পরমানন্দ ভােগ করত বিবিধ সাত্ত্বিক বিলাস প্রকাশ করে ; অনন্তর সুষুম্নারূপ রঞ্জু বহিয়া আবার নামিয়া পড়ে। “गदलिङ्गान्तरे चक्र माधाराव्यं चतुईलम् । अम्ति कुण्डलिनी ब्राशनिराधारपङ्कजे। श्राब्रह्मरन्धमजुतां नौतेयममृतप्रदा ॥ चक्र सहस्रपत्रं तु ब्रह्मरन्ध सुधाधरम् । तत् सुधासारधाराभिरभिवर्धयते तनुम् ॥ जीव: प्राणममारुढी रज्वा कोलाटिको यथा। सुषुम्णया ब्रह्मरन्धमारीहत्य वरीहति ॥ बह्मरन्धस्थिती जीवः सुधया संप्लुती यदा। नष्टो गीतादि कार्यालि संप्रकर्षाणि साधयेत्” । अपिच, "इड़ा वामे स्थिता नाड़ी पिङ्गला दक्षिणे मता। तथीमध्यगता नाड़ी सषुम्णा च समाहिता। पादाङ्गुष्ठ इयं याता शिखाभ्यां शिरसा पुनः । ब्रह्मस्थानं समापन्ना सोमसूर्याग्निरूपिणी ॥ तस्या मध्य गता नाड़ी चित्राख्या योगिवल्लभा । अमरम्ब विदुस्तव पद्मसूबनिभं परम्” ॥ इत्यादि । (योगशास्त्र) । (5) निकन यथा- "स्थायी भावी भगवति यचिदानन्द मङ्गले खतः प्रकाशते चित्ते सा तिरिति कथ्यते । यथेयोदयती भानो: निग्ध बालातपच्छटा । ब्रमण्युदबध्यमानस्य भक्तिजीवात्मनखथा।
ERISHA MALIITITI २८ भक्तिमाहात्माम्। প্রজ্বলিত বহ্নিশিখা মুহূর্তে যেমতি, তুলারাশি ভস্মসাৎ করে দ্রুতগতি তেমতি ভকতি সেই পরম ঈশ্বরে, বহু জনমের পাপ ভস্মসাৎ করে।১। क्षीयन्ते सर्वपापानि चीयन्ते पुण्यराशयः । सम्पद्यन्ते सर्वकामा हरिभक्त्युदये नृणाम् ॥ २ ॥ শ্রীকৃষ্ণে ভকতি হৃদে হইলে উদয়, অশেষ কলুষরাশি সদ্য পায় ক্ষয় ; অবিরত পুণ্যরাশি উছলিত হয়, পূর্ণ হয় সৰ্ব্ব কাম তৃষ্ণা নাহি রয়। ২। यथैवाग्ने: समायोगात् सर्वमग्निमयं भवेत् । ब्रह्मभक्तोस्तथा योगाद् ब्रह्मभूयं प्रपद्यते ॥ ३ ॥ भक्तिरदबोधयत्ये का वती: सर्वा हि सात्त्विकीः । যুব বিলী: মা সমাননৰসিনা। मज्जल्यात्मा भनिहोमी महामोहमये भवे । অক্ষুদ লিৰালৰিয ঘর; ॥ চিদানন্দময় মঙ্গলময় ভগবানের প্রতি যে স্থায়ী ভাব অর্থাৎ অচল ও ঐকান্তিক অনুরাগ ) স্বতই হৃদয়ে আবির্ভূত হয়, তাহাই ভক্তিনামে অভি- হিত। উদয়ােন্মুখ সূরে স্নিগ্ধ অরুণ-রাগ যেরূপ মধুর, পরম ব্রহ্মে নব প্রবুদ্ধ জীবাত্মার ভক্তিও সেইরূপ মধুর। যেমন প্রাতঃসূর্যের প্রভা নিদ্রিত নলিনীবৃন্দকে জাগরিত করে, তেমনি একমাত্র ভক্তিই হৃদয়ের সমস্ত দাত্ত্বিক ভাবকে জাগরিত করে। রঞ্জু ছিন্ন হইলে ঘই যেমন তমসাচ্ছন্ন কূপমধ্যে নিমগ্ন হয়, ভক্তিশূন্য হইলে আত্মাও তেমনি মহামােহময় সংসার- মধ্যে নিমগ্ন হয়।” (সম্ভাব, ৫ম পৃষ্ঠা)।
m, कृष्णभक्तिरसामृतम्। জ্বলন্ত অগ্নির সনে যেই দ্রব্য রয়, সে যেমন অগ্নিতেজে হয় অগ্নিময় তেমনি ব্রহ্মের ভাবে যে হয় তন্ময়, ব্ৰহ্মভাব লাভ সেই করয়ে নিশ্চয়। ৩। स्त्रीपुंसौ हिजचण्डालौ बालकस्थविरावपि । ईखराकिञ्चनौ वापि हरिभक्त्युदये समौ ॥ ४ ॥ যতক্ষণ হরিভক্তি না হয় উদয়, ততক্ষণ পরস্পরে ভেদজ্ঞান রয় ; স্ত্রী পুরুষ, শিশু ভক্তির উদয়ে বিপ্র চণ্ডাল সমান। ৪। t75 98) कुर्वन्ति भक्तिरहिताः शौचाशौचविचारणाम् । केशवे दृढभनीनां सर्व शौचमयं जगत् ॥ ५ ॥ নাহিক গােবিন্দ-পদে ভকতি যাহার, শুচি বা অশুচি বলি’ সে করে বিচার ; গােবিন্দভকতিময় যাহার হৃদয়, সমস্ত বিশ্বই তার পবিত্রতময়। ৫। বৃদ্ধ, নিঃস্ব ধনবান, चन्द्रोदये चन्द्रकान्तो यथा सद्यो द्रवीभवेत् । कृष्णभक्तपदये प्रेम्णा तथैवात्मा द्रवीभवेत् ॥ ६ ॥ চন্দ্রের উদয়মাত্রে চন্দ্রকান্তমণি, সুধারসে দ্রব হয়ে যায় সে যেমনি; তেমনি ভকতি কৃষ্ণে হইলে উদয়, প্রেমরসে অন্তরাত্মা দ্রবীভূত হয়। ৬।
भतिमाहात्माम्। ২। अतभतियोगेन येनात्मानन्तसात् कृतः । सहवानन्तदेवेन तेनाप्यानन्यमाप्यते ॥ ७ ॥ অদ্বৈত ভকতিযােগে আত্মা যেই জন, অনন্তদেবের পদে করে সমর্পণ ; অনন্তদেবের ন্যায় তাহারে জীবন, অনন্ত আনন্দভাব করয়ে ধারণ। ৭। अरुणोदयमावेण यथा वाह्यं तमोऽखिलम् । लीयते भगवद्भक्त्या तथैवाभ्यन्तरं तमः ॥ ८ ॥ উদিত হইবামাত্র অরুণ তপন, বাহিরের অন্ধকার পলায় যেমন ; শ্রীকৃষ্ণে ভকতি হৃদে উদিলে তেমনি, ভিতরের অন্ধকার পলায় অমনি। ৮। काले विलीयते सर्व जगत् स्थावरजङ्गमम् । समाहितात्मा गोविन्दे प्रलयेऽपि न लीयते ॥ ८ ॥ স্থাবর জঙ্গম এই জগম্মণ্ডল, কালে অবশ্যই লয় পাইবে সকল ; গােবিন্দে যাহার আত্মা সমাহিত হয়, সেইমাত্র প্রলয়েও নাহি পায় লয়। ৯। सुदुस्तरमिवाम्भोधि कम्मक्षेत्रमिमं भवम् । तरीतुं गतिरकास्ति दृढ़ा भक्तिर्जनाईने ॥ १० ॥ সুবিশাল কর্মভূমি এ বিশ্ব সংসার, অপার সিন্ধুর প্রায় সীমা নাহি তার ;
মমিন। তরিতে এ মহাসিন্ধু একমাত্র গতি, মুকুন্দ-পদারবিন্দে অচল ভকতি। ১০। यत्र जागर्ति हृदये सर्बभीतिहरो हरिः । तत्र वजप्रहारोऽपि शिरीषकुसुमायते ॥ ११ ॥ ज्वाला हालाहलस्यापि हदि तत्रामृतायते । कालदण्डोऽपि प्रक्षिप्तस्तव तूलकणायते ॥ १२ ॥ সৰ্বভীতিহারী হরি দেব ভগবান, যে হৃদয়ে সতত করেন অধিষ্ঠান; সে হৃদয়ে নিদারুণ বজ্রের প্রহার, শিরীষকুসুমসম হয় সুকুমার ; সে হৃদয়ে হলাহল সুধা বরিষয়, প্রচণ্ড যমের দণ্ড তুলকণা হয়। ১১। ১২। महाराजाधिराजोऽपि नमत्यन्तकसबिधी। कृष्णभक्तास्य तु पदे कृतान्तोऽपि भवेत्रतः ॥ १३ ॥ রাজরাজেশ্বর যিনি বিশ্বজয়ী বীর, তিনিও যমের কাছে হন নতশির ; যে জন কৃষ্ণের দাস কৃষ্ণের ভকত, কৃতান্তও তাঁর পদে হন অবনত। ১৩। सर्वेषां हृदयस्यं तमन्सर्यामिनमीवरम् । नैव पश्यति मोहान्धी भलो भावेन पश्यति ॥ १४ ॥ অন্তর্যামী নারায়ণ পরম ঈশ্বর, বিরাজেন সবার হৃদয়ে নিরন্তর ;
भक्तिमाहात्माम्। ই ২ দেখিতে পায় তায় মােহান্ধ যে জন, ভক্তি-চক্ষে ভক্ত সদা করে দরশন। ১৪। लीयते भौतिक विखं कर्म कम्फल तथा । নীলানা তুষ্ট নন্সি জঘ অৰ৷ ধু। ভক্তিযােগে তন্ময় হইয়া যেই জন, সেই কৃষ্ণ পরাৎপরে করে দরশন ; এ বিশ্ব ভৌতিক কাণ্ড লয় পায় তার, কৰ্ম্ম কৰ্ম্মফল তার নাহি থাকে আর। ১৫। मृतोऽपि जीवति चिरं हरिभक्तिपरायणः । हरिभक्तिविहीनस्तु श्वसनपि न जीवति ॥ १६ ॥ হরিভক্তিবিরহিত যাহার অন্তর, প্রাণবায়ু থাকিলেও মৃত সেই নর ; হরিভক্তিময় হয় যাহার হৃদয়, মরিয়াও সেই জন চিরজীবী হয়। ১৬। चीयते वैष्णवस्यायुर्नित्यं नैवापचीयते । विष्णुभक्तिविहीनस्य क्षीयते नैव चीयते ॥ १७ ॥ বিষ্ণুভক্তি-ৰত যেই করেছে গ্রহণ, কমে না তাহার আয়ু বাড়ে অনুক্ষণ ; বিষ্ণুভক্তিবিরহিত যেই জন হয়, বাড়ে না তাহার আয়ু নিত্য পায় ক্ষয়। ১৭। येन कायो मनो वाक्यं श्रीकृष्णचरणेऽर्पितम्। तस्य कायो मनो वाक् प्रलयेऽपि न लीयते ॥ १८॥ ৫ ক? अष्णभक्तिरसामृतम् । আপনার কায় মন বাক্য যেই জন, শ্রীকৃষ্ণের পাদপদ্মে করে সমর্পণ ; এ বিশ্ব প্রলয়কালে পাইলেও লয়, তার কায় মন বাক্য নাহি পায় ক্ষয় । ১৮। हरिभक्तिविहीनस्य सुधापि गरलायते । गोविन्दगतचित्तस्य विषमप्यमतायते ॥ १८ ॥ হরিভক্তি-বিরহিত যেই জন হয়, সুধাও তাহার পক্ষে হয় বিষময় ; গােবিলে যে জন মন করে সমর্পণ, বিষও তাহার পক্ষে অমৃত যেমন। ১৯। दावाग्निरपि शीतांशुवेदन्तहरिर्यदि। शीतांशरपि दावाग्निर्भवेत्रान्तह रियदि ॥ २० ॥ শ্রীহরি হৃদয়ে যার করেন বসতি, দাবাগ্নিও তার কাছে সুধাংশু যেমতি ; যার হৃদে শ্রীহরির নাহি অধিষ্ঠান, সুধাংশুও তার কাছে দাবাগ্নি সমান। ২০। भगवद्भतिरहिता महामोहनिमीलिताः । तैलयन्त्रे बलीवहइव पूर्णन्ति सर्वदा ॥ २१ ॥ ভগবানে যাহাদের নাহিক ভকতি, ঘাের মােহে অন্ধ তারা অতি মন্দমতি ; ভব-যন্ত্রে ঘুরে তারা মরে অনুক্ষণ, ঘানিগাছে চক্ষু ঢাকা বলদ যেমন। ২১।
भक्तिमाहात्माम्। , पाषाणे पतितं वीजं यथा नैव प्ररोहति । न फलत्युपदेशोऽपि भक्तिहीने तथा नरे ॥ २२ ॥ পাষাণে যদ্যপি বীজ হয় নিপতিত, সে বীজ কদাপি নাহি হয় অঙ্কুরিত ; তেমতি ভকতিহীন হৃদয় পাষাণ, নিষ্ফল তাহার কাছে উপদেশ দান। ২২। भक्तिहीना हि या बुद्धिः शास्त्रमानानुशीलनी। परमार्थ न सा वेत्ति दी पाकरसं यथा ॥ २३ ॥ ভক্তি নাই, শুধু করে শাস্ত্র আলােচন, হেন বুদ্ধি নাহি বুঝে পরমার্থ ধন ; দৰ্ব্বী দেখ! নাড়ে চাড়ে সুমিষ্ট ওদন, (১) তথাপি সে নাহি জানে মিষ্ট যে কেমন। ২৩। भवदुःखघरटेन पिष्यन्ते सर्वजन्तवः । दुःखमुताः सदानन्दः कृष्णभक्तो हि केवलः ॥ २४ ॥ সংসার-দুঃখের যন্ত্রে গােধুমের প্রায়, অহরহ চূর্ণ হয় জীব সমুদায় ; দৃঢ়ভাবে নারায়ণে যে করে আশ্রয়, দুঃখমুক্ত সেইমাত্র সদানন্দে রয়। ২৪। मज्जत्यामा भतिहीनो महामोहमये भवे । মজুদ নিস্থিলী অধ্য। ২৪। (১) দী’-হাতা, তাড়, খুন্তী ইত্যাদি। সুমিষ্ট ওদন’ -মিষ্টান্ন कष्णभक्तिरसामृतम्। হিঁড়িলে কণ্ঠের রজু কলস যেমন, অন্ধকার কূপগর্ভে হয় নিমগন ; ভকতি-ন্ধন-হীন আত্মাও তেমন, মােহময় ভবগর্ভে হয় নিমগন। ২৫। भगवद्भक्तिहीनस्य दुःखस्यान्तो न विद्यते । तरणी भतिरिकैव भवदुःखमहाम्बुधौ ॥ २६ ॥ হরিভক্তি-বিরহিত হয় যেই জন, তাহার দুঃখের অন্ত নাহি কদাচন ; অপার শােকের সিন্ধু এ ভবসংসার, একমাত্র হরিভক্তি তরণী তাহার। ২৬। अधर्मः सह संवासात् क्वष्णभक्तिपरामुखैः । वरं वासोऽपि नरके कमिकीटगणैः सह ॥ २७ ॥ হরিভক্তি-পরাঙ্খ অধমের সনে, বসতি করিতে যদি হয় এ ভুবনে ; তা হ’তে বরঞ্চ কৃমিকীটের সংহতি, সেও ভাল যদি হয় নরকে বসতি। ২৭। तत्रैव नाक: किल यत्र भक्तिः यत्राऽभिमानो नरकच तत्र । स्वर्गस्य मूलं हरिभक्तिरेका तथाऽभिमानो नरकस्य मूलम् ॥२८॥ স্বর্গ সেই স্থানে হরি-ভকতি যথায়, অভিমান যেই স্থানে নরক তথায় ;
भतिमाहात्माम्। ৩ হরিভক্তি একমাত্র স্বর্গের সােপান, অভিমান নরকের জানিবে নিদান। ২৮। स्रोतांसि सिन्धुं समुपेत्य सद्यः प्रशान्तवेगानि यथा भवन्ति । अनन्तमासाद्य तथेन्द्रियाणि विकारशून्यानि भवन्ति सद्यः ॥२८॥ মহার্ণবে নিপতিত হইলে যেমন, সমস্ত নদীর বেগ হয় নিবারণ ; ইন্দ্রিয় অনন্ত-পদে সঁপিলে তেমনি, সমস্ত বিকার তার পলায় তখনি। ২৯। यथाऽन्धो दृष्टिमासाद्य तथा लोको विलोकते। भगवद्भक्तिमासाद्य सर्वमेव नवं नवम् ॥ ३० ॥ জন্মান্ধ সহসা দৃষ্টি লভিলে যেমন, সকলি অপূৰ্বরূপ করে দরশন ; তেমতি ভকতি কৃষ্ণে হইলে উদয়, এ বিশ্ব সকলি যেন নবরূপ হয়। ৩০। भुज्यते कृष्णभतोन भोगो नित्यं नवो नवः । कष्णानन्दोपभोगानां परिच्छेदो न विद्यते ॥ ३१ ॥ যে জন শ্রীকৃষ্ণপ্রেমে হয় নিমগন, নিত্যই নূতন ভােগ ভুঞ্জে সেই জন ; কত যে আনন্দভােগ ভজিলে হারে, সে সুখের পরিসীমা কে করিতে পারে। ৩১।
काष्णभक्तिरसामृतम्। गतिर्नान्यास्ति जीवस्य भवदुःखविमुक्ताये । विना तो भगवद्भक्ति ध्रुवप्रसादसेविताम् ॥ ३२ ॥ একমাত্র বিনা সেই গােবিন্দে ভকতি, জীবের নিস্তার তরে নাহি অন্য গতি ; যে যােগ প্রহলাদ ধ্রুব করেছে সাধন, তাহা বিনা নাহি ঘুচে এ ভব-বন্ধন। ৩২। अनन्तचरणोपान्तं नितान्तं यदि वाग्छसि । ध्रुवप्रह्वादचरितां पदवौं भज रे मनः ॥ ३३ ॥ যদি সে অনন্তপদে মিশিবারে চাও, তবে কেন ভ্রান্ত হয়ে অন্য পথে যাও ? যে পথে প্রহ্লাদ ধ্রুব করেছে গমন, তুমিও সে ভক্তি-পথে চল ওরে মন!। ৩৩। लोकत्रयेऽपि धन्या सा गर्भ धारयते हि या। विष्णुभक्त महात्मानं सुपुत्रं कुलपावनम् ॥ ३४ ॥ ত্রিজগতে সেই ধন্যা, গর্ভে যেই ধরে, বিষ্ণুভক্ত কুলের পাবন পুত্রবরে। ৩৪। एकोऽपि भगवती यदि वंशे प्रजायते । श्रा मूलात् सकलं वंशं स पुनाति स्वजन्मना ॥ ३५॥ একটাও কৃষ্ণভক্ত হইলে তনয়, সমূলে সমস্ত বংশ পবিত্র হয়। ৩৫। दूरीकरोति दुरितं विमलीकरोति चेतो व्यलीकमखिलं चुलुकीकरोति ।
भक्तिमाहात्माम्। ২৫ भूतेषु कामपि कृपां बहुलीकरोति भक्तिहरौ किमु न मङ्गलमातनोति ॥ ३६ ॥ অশেষ দুরিতরাশি বিদূরিত হয়, সমস্ত হৃদয় হয় পবিত্রতাময় ; সৰ্বত্ৰ অপূৰ্ব দয়া প্রবাহিত হয়, রােগ শোক পরিতাপ কিছু নাহি রয় ; অতএব ভগবানে ভকতি যাহার, কিবা সুমঙ্গল লাভ না হয় তাহার ?। ৩৬। नो देशं नापि कालं न च विधिनियमान् गन्धमाल्यादिकं वा नो शिक्षा नापि दीक्षां न च कठिनतपःसाधनं वा धनं वा। नो मन्त्र नापि तन्त्र न च दुरधिगमानागमान् वा पुराणम् किञ्चिबापेक्षते सौ भवति मुरहरो भक्तिमात्रप्रसन्नः ॥ ३० ॥ তঁার আরাধনে সাধনে বা ধনে জপে তপে কিবা ফল ? তন্ত্র মন্ত্র বেদ দেশ-কাল-ভেদ নাহি চাই তপােবল ; শিক্ষায় দীক্ষায় নাহি পাবে তায় বৃথা গন্ধ মাল্য জল, কৃষ্ণ-কৃপাবল লভিতে সম্বল ভক্তিমাত্র নিরমল। ৩৭। भक्तिरेव हि नैवेद्य यविवेद्य जनाईने । अणुना भक्षित বৰল: ২০ এs to LIBRARY ৪০ कृष्णभक्तिरसामृतम्। ভকতিই একমাত্র নৈবেদ্য তাহার, নারায়ণে নিবেদিতে কিবা আছে আর ? ভক্তিভাবে একবিন্দু দেও যদি জল, তাহাতেই হন প্রীত ভকতবৎসল। ৩৮। अभिमानन यहत्तं तहत्तं भसिते एतम् । भक्त्या परमया दत्तममृतत्वाय कल्पते ॥ ३८ ॥ অভিমানে যাহা কিছু কর তুমি দান, সে শুধু ভস্মেতে ঘৃত ঢালার সমান ; যা দাও ভকতিভাবে হইয়া তন্ময়, তাহাই অমৃতরূপে পরিণত হয়। ৩৯। सर्वान् तोयाशयान् हित्वा नवाग्भ्रमिव चातकः । त्यत्वा भत्तोऽखिलान् कामान् भगवन्तमुदीक्षते ॥ ४० ॥ পরিহরি শত শত রম্য সরােবর, চাতক নিরখে যথা নব জলধর ; তেমতি সমস্ত কাম করি’ বিসর্জন, ভক্ত সদা ভগবানে করে নিরীক্ষণ । ৪০। मुकुन्दपदपजे मधुरिमाणमाखादयन् न कल्मषमलीमसं विषयभोगमासेवते । रसालरसमाधुरी स खलु येन भुक्ताऽसवत् न पल्खलजलं पिकः पिबति पङ्घसङ्गाविलम् ॥ ४१ ॥ হরিপদ-পদ্মে মধু করি’ আস্বাদন, বিষয়-কলুষরসে নাহি যায় মন ;
भतिमाहात्माम्। ४१ কোকিল রসাল-রস করি’ আস্বাদন, পঙ্কিল পম্বল-জল করে কি সেবন?। ৪১। रे रे मानसभृङ्गमा कुर मुधा झङ्गारकोलाहल निःशब्दं हरिपादफुल्लकमले माध्वीकमाखादय । तस्मिन् सर्वटषापहारिणि चिदानन्द मरन्दे सक्तत् निष्पीते कनु ते प्रयास्यति लयं साहङ्गतिझङ्गतिः ॥ ४२ ॥ ওরে মন-মধুকর ! বৃথা কেন ঘুরে মর, বৃথা কেন গণ্ডগােল কর রে ! ঝঙ্কার, হরির পদতলে সে প্রফুল্ল শতদলে নীরবে বসিয়া মধু পিয় একবার ; সে যে চিদানন্দ-সুধা শান্ত করে সৰ্ব্ব ক্ষুধা বারেক আস্বাদ তার পাইবে যেমনি, কোথা যাবে এ ঝঙ্কার ফুরাইবে অহঙ্কার অসাড় অস্পন্দ হয়ে পড়িৰে অমনি। ৪২। पदे पद मोहमदेन मत्तः স্থা মনিষি ৰিক্সামি। मोठं जहीम मधुकैटभं मे “স্ব স্ব সম্বমাে” ॥৪ই । মনে করি ভুলিব না কিন্তু আমি হয়। মােহমদে পদে পদে ভুলি যে তােমায় ; মধুকৈটভারি হরি ! এস একবার, এ মােহ-মধুকৈটভে কর হে! সংহার। ৪৩।
४२ कृष्णभक्तिरसामतम् । यथा शिशभूमितलेऽनुवार पतबुदञ्चन् पदमति मातुः । तथा कदा हा पतितोत्थितोऽई हरे धरिष्यामि पदं त्वदीयम् ॥ ४४ ॥ শিশু যথা বার বার পড়িয়া উঠিয়া, মায়ের পা খানি গিয়া ধরে জড়াইয়া ; পড়িয়া উঠিয়া হরি ! ভবে বার বার, আমিও ধরিব কবে চরণ তােমার। ৪৪। किमस्ति में नास्ति च किं न जाने किमर्थये त्वां नहि वेधि देव । जाने पर त्वच्चरणारविन्द भवे भवे तब रतिर्ममास्तु ॥ ४५ ॥ জানি না কি আছে মাের জানি না কি নাই, কি চাহিব তব কাছে ভাবিয়া না পাই ; সবে মাত্র জানি হরি! ও রাঙা চরণ, জন্ম জন্ম উহাতেই থাকে যেন মন। ৪৫। न धर्म न वाथै न काम न मोक्ष हर प्रार्थयेऽहं न वा किञ्चिदन्यत् । प्रये प्राणबन्धी मयि प्रेमसिन्धी कपालेशमीश प्रयच्छ प्रयच्छ । ४६ ॥ ধৰ্ম্ম অর্থ কাম মােক্ষ কিছু নাহি চাই, আর কিছুতেই হরি ! বাঞ্ছা মাের নাই;
भक्तिमाहात्माम्। 8 প্রাণবন্ধু ! প্রেমসিন্ধু ! করুণানিধান। কর কর এক বিন্দু করুণাপ্রদান। ৪৬। रामं यथाग्रे शरभनयोगी पश्यन् तर्नु होमशची जुहाव । तथा कदा त्वां पुरएव पश्यन् हरे चिताग्नौ तनुमुत्सृजामि ॥ ४० ॥ হেরিতে হেরিতে রামে সম্মুখে যেমন, শরভঙ্গ হােমানলে ত্যজিল জীবন ; (১) তেমনি তােমারে হরি! করি’ দরশন, চিতানলে কবে দেহ দিব বিসর্জন। ৪৭। पगुस्तरत्यपि सुदुस्तरमम्बुराशि हस्ते करोति शशिनं किल वामनोऽपि । यस्मिन् निपातयसि कष्ण कृपाकटाक्षं किं तस्य दुष्करमहो भुवनत्रयेऽपि ॥ ४८ ॥ পঙ্গুও দুস্তর সিন্ধু পারে লঙ্বািরে, বামনেও হাতে চাঁদ ধরিবারে পারে ; কৃপাদৃষ্টি কর কৃষ্ণ। যাহার উপর, ত্রিভুবনে বল ! তার কি আছে দুষ্কর। ৪৮। (১) রামচন্দ্র শরভঙ্গের আশ্রমে উপস্থিত হইলে, শরঙ্গমুনি রাম- ‘নে আপনাকে পূর্ণ কাম জ্ঞান করিলেন, এবং সম্মুখে সেই রামমূৰ্ত্তি খিতে দেখিতে হােমানলে নিজ দেহ আহুতি দিলেন, "ततोऽप्रिंस समाधाय हुत्या चाज्येन मन्त्रवत् । মপক্ষী নাৰ: অবিব সামল”। (আত্তি, রামু-আয়া-মুন বল ) ४४ कृष्णप्तिरसामूतम्। कल्पान्तकाले प्रचलेगि मेरुः নাম মামত্রি বনুষ্ঠা। श्रीकृष्णपादाम्बुजबद्धभक्तोः न जातु नाश: पतनं न वाऽस्ति ॥४॥ মেরুও প্রলয়কালে হয় বিচলিত, চন্দ্র সূৰ্য্য গ্রহ তারা হয় অস্তমিত ; শ্রীকৃষ্ণ-চরণপদ্মে বাঁধা যার মন, তাহারি নাহিক নাশ নাহিক পতন। ৪৯। चराचराणां भूतानां या घोरा कालयामिनी। सैव गोविन्दभत्तास्याऽरुणकोटिसमद्युतिः ॥ ५० ॥ সৰ্ব্বনাশী কালরাত্রি আসিয়া যখন, গ্রাস করে চরাচর সমস্ত ভুবন ; একমাত্র কৃষ্ণভক্ত জাগিয়া তখন, কোটি অরুণের প্রভা করে দরশন। ৫০ | || हरिप्रेम विहीनस्य सर्व विषमयं जगत् । हरिप्रेमाईचित्तस्य सर्वमेव सुधामयम् ॥ ५१ ॥ হরিপ্রেমরসে হায় ! বঞ্চিত যে জন, বিষময় হয় তার নিখিল ভুবন; হরিপ্রেমে আর্দ সদা যাহার হৃদয়, সকলি তাহার কাছে হয় সুধাময়। ৫১। हरिशून्यात्मनः शान्तिस्त्रैलोक्येऽपि न विद्यते । যিঝিল: মালিলিৰ জ্বৰ দ্মিনা। ২।
भक्तिमाहात्माम्। ৪ সৰ্ব্বশােহরী হরি হৃদে যার নাই, ত্রৈলােক্যেও শান্তি তার দেখিতে না পাই ; আর যার হৃদে হরি বিরাজে সদাই, তাহার শােকের শান্তি আপনারি ঠাই। ৫২। নানিয়ন যথা যন্ত্বনায়ন। तथाचारण पूर्तन भगवत्प्रेम सूच्यते ॥ ५३ ॥ হােমকুণ্ডে প্রজ্বলিত যজ্ঞ-হুতাশন, পবিত্র আহুতি-গন্ধে বুঝিবে যেমন ; লােকের ঈশ্বর-ভক্তি বুঝিবে তেমন, পবিত্র আচার তার করি দরশন। ৫৩। प्रमत्तमातङ्गसहस्रशक्ति मुमूर्षुरप्येति ययैव भक्त्या। तां देहि भक्ति तव पादपत्रे हे कृष्ण कारुण्यनिधे मुकुन्द ॥ ५४॥ যে ভক্তির গুণে ভক্ত মুমুষুদশায়, সহস্র হস্তীর বল নিজ দেহে পায় ; তব পদে সেই ভক্তি কর মােরে দান; ওহে মুরহর হরি করুণানিধান !! ৫৪। भक्तिगद्दकण्ठन तहतेनान्तरात्मना। कृष्णेति वद रे जीव ! विभषि शमनाद यदि ॥ ५५ ॥ ভীষণ শমন তব শিয়রে হেরিয়া, আতঙ্কে যদি রে জীব! উঠ শীহরিয়া ;
৪।
वचमतिरसामृतम्।
তবে ডাক কৃষ্ণ বলি’ সেই দয়াময়ে,
ভক্তিগদগদ কণ্ঠে তদগত হৃদয়ে। ৫৫।
मृतानां देहिनां पीत्वा विषयं विषम विषम् ।
केवला केशव भक्तिमतसनीवनी सुधा ॥ ५६ ॥
বিষয় বিষম বিষ পান করি যারা,
রােগে শশাকে পরিতাপে হয়ে আছে মরা ;
এ জগতে তাহাদের একমাত্ৰ গতি,
মৃতসঞ্জীবনী সুধ। শ্রীকৃষ্ণে ভকতি। ৫৬।
उमार्ग धावतां वेगादुद्दामन्द्रियदन्तिनाम् ।
एकएव नियन्तास्ति कष्णभक्तिमयोऽखुशः ॥ ५७ ॥
কুপথে প্রচণ্ড বেগে মত্ত হয়ে ধায়,
দুর্জয় ইন্দ্রিয়-হস্তী কে ফিরায় তায়?
এক মাত্র কৃষ্ণভক্তি-অঙ্কুশের ঘায়,
সে দুরন্ত মাতঙ্গেরে বশে রাখা যায়। ৫৭।
श्मशानमपि वैकुण्ठो भवेत् प्रेतोऽपि जीवितः ।
यत्रामा नृत्यति प्रेरणा प्रसन्नोऽस्तु स मे हरिः ॥ ५८ ॥
তব নামে শ্মশানে বৈকুণ্ঠ বিরাজিত,
মৃতও নাচে রে ! প্রেমে হ'য়ে পুলকিত;
ওহে হরি! দয়া করি হও হে উদয়,
সকাতরে ডাকে পাপী কোথা দয়াময় ।। ৫৮।
त्रैलोक्ये प्रतिकूलेऽपि का भीतिः सदये हरौ।
वैलोकोऽप्यनुकूले क: संरक्षेद विमुखे हरौ ॥ ५ ॥
भतिमाहात्माम्। ৪৩ ত্রৈলােক্য মিলিয়া যদি প্রতিকূল হয়, শ্রীকৃষ্ণ করিলে দয়া কিবা তার ভয় ? ত্রিভুবন যদি হয় সহায় তাহার, তিনি দয়া না করিলে নাহিক নিস্তার। ৫৯। कष्णयोगनिमग्नस्य स्थाणवविचलस्य मे । तन्मयस्य कदा देहो वल्मीकेषु निमयति ॥ ६ ॥ কবে আমি কৃষ্ণযােগে তন্ময় হইব, স্থাণুর সমান হয়ে নিশ্চল রহিব ; (১) এরূপে শরীর মাের হবে জীর্ণ শীর্ণ, বল্মীকরাশিতে কবে হইবে আকীর্ণ (২)। ৬০। शिवार्पितमन:प्राण: शिवेति मुहुरुहिरन् । शिवयोगनिमग्नात्मा कदा यामि तपोवनम् ॥ ११ ॥ সমর্পিব মন প্রাণ শিবের চরণে, অবিরাম শিব নাম বলিব বদনে ; কবে আমি শিবযােগে হইয়া তন্ময়, গৃহ ছাড়ি তপােৰন করিব আশ্রয়। ৬১। कदा भक्तिसुरोभादाद दिग्विदिग्ञानवर्जितः । परापरविचारान्धो वीचे विष्णुमयं जगत् ॥ १२ ॥ প্রাণ ভােরে ভক্তি-সুরা করি’ আমি পান, উম্মাদে হারাব কবে দিগবিদিক জ্ঞান ; (১) স্থাণু-মুড়া গাছ বা খোটা, তাহার ন্যায় নিশ্চল অর্থাৎ স্থির। (২) বল্মীশি’—উইমাটির ঢিবি।
४८ कृष्णभक्तिरसामतम्। ध्याय ঘুচিবে আপন পর বিচার আমার, বিষ্ণুময় সকলি হেরিব একাকার। ৬২। मृगष्णासमं बुवा विश्वमेतदतात्त्विकम् । चेतभिदानन्द तत् सत्यं शाश्वतं महः ॥ ६३ ॥ তুমি কার কে তােমার কেবা বল কার ? মৃগতৃষ্ণা সম মিথ্যা জানিবে সংসার ; পরম মঙ্গলময় সত্য সনাতন, সেই জ্যোতি সদা ধ্যান কর ওরে মন!। ৬৩। विखं प्रेममयं सम्बं स्वयं प्रेममयो हरिः । भक्तिर्मुतिश्च जीवस्य कृष्णप्रेम्णि प्रतिष्ठिता ॥ ६४ ॥ প্রেমময় হের! এই নিখিল ভুবন, আপনিই প্রেমময় দেব নারায়ণ ; একমাত্র সেই কৃষ্ণপ্রেমের উপর, ভুক্তি মুক্তি জীবাত্মার করয়ে নির্ভর। ৬৪। अनन्तगिरिराजोत्थाऽनन्तसागरसङ्गता। कृष्णप्रेममयी गङ्गा मां पुनातु सनातनी ॥ ६५ ॥ অনন্ত-গিরীন্দ্র হতে যাহার জনন, অনন্ত-সাগর সঙ্গে যাঁহার মিলন ; (১) (১) যেমন জড়মমী গঙ্গা ‘গিরীন্দ্র’ অর্থাৎ গিরিরাজ হিমালয় হইতে উৎপন্ন হইয়া সাগরে মিশিয়াছে, তেমনি ভক্তিরূপ চিন্ময়ী গঙ্গা অনন্ত অর্থাৎ নারায়ণরূপ গিরিরা।ইতে উৎপন্ন হইয়া ‘অনন্ত অর্থাৎ নারায়ণ রূপ মহাসাগরে মিশিয়া থাকে।
भक्तिमाहात्माम्। ৪ কৃষ্ণপ্রেমময়ী সেই গঙ্গা সনাতনী, পবিত্র করুন মােরে পতিতপাবনী। ৬৫। कदा तयानमग्नोऽहं हरे त्यच्यामि जीवितम् । कदा मे बान्धवाः सर्वे करिष्यन्ति हरिध्वनिम् ॥ ६६ ॥ হরি হে! তােমারি ধ্যানে হইয়া মগন, কবে আমি মহানন্দে ত্যজিব জীবন ; কবে মাের বন্ধুগণে মিলিয়া তখনি, করিবে উচ্চৈঃস্বরে হরি হরি ধ্বনি। ৬৬ | अन्ते नारायणं ब्रह्म स्मार स्मारं हृदा हरिम् । उत्ताननयन: प्राणानुत्सृजेयमह कदा ॥ ६ ॥ উলটি আঁখি কবে প্রাণ পরিহরি, অন্তে নারায়ণ ব্ৰহ্ম স্মরিয়া শ্রীহরি। ৬৭। ये गोविन्दगतामानो गोविन्दगतजीवनाः । शान्तिहि तेषां सर्वत्र छायेवानुगता सदा ॥ ६८ ॥ গােবিন্দে যাহারা আত্মা করে সমর্পণ, গােবিন্দে উৎসর্গ করে যাহারা জীবন ; সৰ্বত্র তাদের শান্তি জানিবে নিশ্চয়, ছায়ার মতন সদা সঙ্গে সঙ্গে রয় । ৬৮। न शान्तिरेखयविलासदीप्ते हमर सुरम्ये धरणीखरस्य । स्थूणावशेषेषु जरत्तृणेषु शान्तिः कुटीरेषु हि वैष्णवानाम् ॥ ६८ ॥ ৭
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
রম্য রাজগৃহ যথা ঐশ্বৰ্য-বিলাস,
সে স্থান কদাচ নহে শান্তির আবাস ;
ভক্তের কুটীর যাহা জীর্ণ শীর্ণ অতি,
সেই স্থানে সদাকাল শান্তির বসতি। ৬৯।
जलेऽनले वा गहने गिरी वा
रसातले वापि यमालये वा।
सर्वत्र भक्तः सुखमेव शैते
शिशुर्यथोत्सङ्गतले जनन्याः ॥ ७० ॥
পৰ্বতে গহনে কিম্বা জলে বা অনলে,
যমালয়ে কিম্বা যদি যায় রসাতলে ;
সর্বত্রই ভক্ত সুখে করয়ে শয়ন,
আপন মায়ের কোলে বালক যেমন। ৭০।
आत्मन्येव परात्मानं भक्तियोगेन पश्यतः ।
पामारामस्य निर्वाणमात्मन्येव प्रतिष्ठितम् ॥ ७१ ॥
ভক্তিযোেগে তন্ময় হইয়া যেই জন,
আত্মমধ্যে পরমাত্মা করে দরশন ;
আত্মানন্দে পরিপূর্ণ নাহি বাহ্যজ্ঞান,
তাহার আত্মার মাঝে বিরাজে নিৰ্বাণ। ৭১।
कामेऽनुरक्तिर्नरकार्तिपन्याः
মাভৈৰা ৰ জমমি:।
येनेष्टसिव्रिज तेन जीव
हावेव मार्गों पुरतस्तवैव ॥ ७२ ॥
भक्तिमाहात्माम्। ঘাের নরকের পথ কামে অভিরতি, মহানিৰ্বাণের পথ মুকুন্দে ভকতি ; সম্মুখে এ দুই পথ দেখ ওরে মন। যাহা ইষ্ট সেই পথে করহ গমন। ৭২। यो मुहुर्वार्यमाणोऽपि भूयएव प्रवईते । कामाम्नेस्तस्य शमनं केवलं सारणं हरेः ॥ ७३ ॥ নিবারিতে যত তারে কর প্রাণপণ, দুরন্ত দুর্জয় কাম না মানে বারণ ; এ ভীষণ হুতাশন করিতে শমন, একমাত্র শান্তি-বারি হরির স্মরণ। ৭৩। भव पञ्चतपा जीव ! भवे कामानहते। असिधाराव्रतमिदं चर वा भव भस्मसात् ॥ ७४ ॥ চারিদিকে কামানল জ্বলে ঘােরতর, তারি মাঝে বসি’ জীব! পঞ্চতপ কর ; এই অসিধারাব্ৰত যদি নাহি কর, তবে এ অনলকুণ্ডে জ্বলে পুড়ে মর (১)। ৭৪। (১) পঞ্চতপ’—প্রীষ্মকালে চারিদিকে চাৰিটী অগ্নি আলিয়া, সূর্যের কে স্থিরদৃষ্টি হইয়া যােগসাধন করাকে ‘পঞ্চতপ’ বলে। অসিধাবাব্রত’ -যুবতী একাসনে বসিয়া যোগসাধন করিবে, অথচ মুগ্ধস্বভাব দুই টী শিশুর ৭ উভয়ের মন সম্পূর্ণ নির্বকার থাকিবে, এইরূপ তপস্যাকে ‘অসিধা রত’ । অসিধার। অর্থাৎ খগের সুতীক্ষ্ণ ধার। সুতীক্ষ গড়ের ধারে গাত্রের বণের ন্যায় এই ব্রত অতি দুকর ; তাই ইহার নাম ‘অসিধারাব্রত। "युवा युवत्या सा यन्मुग्धभर्तृवदाचरेत् । খলিঙ্গ, ঘা অভিধারিন চি নম্ ॥”
५२
कृष्णविरसामृतम्।
भक्तिपूर्णी हि यस्थात्मा पूर्ण तस्याखिलं जगत् ।
भक्तिशून्यच यस्यात्मा शून्य तस्याखिलं जगत् ॥ ७५ ॥
হরিভক্তিপূর্ণ হয় হৃদয় যাহার,
তাহার নিকটে পূর্ণ এ বিশ্বসংসার ;
হবিভক্তি-শূন্য হয় হৃদয় যাহার,
जारात निकर भूय ५ विश्वममात्र । १० ।
अन्तर्यस्य हरिस्तस्य सर्वं ज्योतिम्मयं जगत् ।
नान्तर्यस्य हरिस्तस्य सर्वमेव तमोमयम् ॥ ७६ ॥
বিরাজে আত্মার মাঝে যার নারায়ণ,
তার কাছে জ্যোতিৰ্ম্ময় নিখিল ভুবন ;
হেরে হৃদয়ে যেই সেই নারায়ণ,
जगत कारक उरगांगन निथिन पूवन । १७ ।
यो हि विष्णुमयं विखं पश्यपि न पश्यति ।
चक्षुष्मानपि जन्मान्धो जीवबपि स वै मृतः ॥ ७७ ॥
"
বিষ্ণুময় চরাচর সমস্ত ভুবন,
দেখিয়াও নাহি দেখে যেই মূঢ় জন ;
চক্ষু থাকিতেও সেই জন্মান্ধ নিশ্চয়,
बाम थाकि८७७ (मरेड एग्न हुन । ११ ।
ये हृच्छयं नैव विदन्ति देवं
तं दूरतीर्थेषु च मार्गयन्ति ।
मन्दाकिनों हारि विहाय हा ते
कान्ति तोयं मृगणिकायाम् ॥ ७८ ॥
भक्तिमाहात्माम्। হৃদেই আছেন হরি তাহা না জানিয়া, দূরতীর্থে মরে যারা ঘুরিয়া ঘুরিয়া ; মন্দাকিনী ছাড়ি তারা ঘরের দুয়ারে, মৃগতৃষ্ণিকায় হায় ! জল আশা করে। ৭৮। विहाय गोविन्दपदेऽनुरक्तिं पुष्णाति मूढ़ो ममतां भवे यः । हित्वा स नूनं सुरपुष्पमाला व्याली विषोग्रा हृदये दधाति ॥ ७ ॥ গােবিন্দ-চরণে ভক্তি ছাড়ি যেই জন, সংসারে মমতা হায় ! করয়ে স্থাপন ; পারিজাত-মালা ফেলি’ সেই মূঢ় জন, কালসাপিনীরে বক্ষে করে আলিঙ্গন। ৭৯। रागोग्रग्राहकलिले सलिले विषयाभिधे । मा मज्ज मज्ज मा जीव जीवनं यदि वाञ्छसि ॥ ८ ॥ রাগরূপী জলজন্তু বড়ই ভীষণ, বিষম বিষয়-জলে করে বিচরণ (১); ডুব না ডুব না তাহে করি নিবারণ, রে জীব! জীবন যদি করিবে ধারণ। ৮০। वैकुण्ठो राजते यत्र वाम्छाकल्पतरहरिः । भक्तिरेव तमारोढुमेका सोपानपद्धतिः ॥ ८१ ॥ (১) রাগরূপী'—বিষয়বাসনারূপ । রাগ-বিষয়ভেগে আসক্তি। বরূপ, রস, গন্ধ প্রভৃতি ভােগ্য বস্তু।
५४ कृष्णभक्तिरसामृतम्। বাঞ্ছাকল্পতরু হরি বিরাজে যথায়, সে বৈকুণ্ঠধামে যেবা উঠিবারে চায় ; একমাত্র ভক্তি তার জানিবে সােপান, ভক্তিপ েহাতে হাতে মিলে ভগবান। ৮১। বিনিৰ্মিন মনস্থ त्रैलोक्यसारैः खचितेऽपि रौः । न मन्दिरेऽसौ समुदेति देवो हृदेव भत्तस्य गृहं तदीयम् ॥ ८२ ॥ সুমেরুর স্বর্ণশৃঙ্গ করি’ আহরণ, অপূৰ্ব্ব মন্দির তাহে করহ গঠন ; যাহা কিছু সার রত্ন আছে ত্রিভুবনে, সে সকল দিয়া তাহা সাজাও যতনে ; তবু তাহে দেবতার না হয় উদয়, মন্দির কেবল তার ভক্তের হৃদয়। ৮২। न प्रीयते सुरवनीरमणीयपुष्पैः न प्रीयते सकलगाङ्गजलैरपीशः । इत्पङ्कजं विमलभक्तिरसा मेव प्रीतिं हि भक्तदयितस्य करोति तस्य ॥ ८३ ॥ সমস্ত গঙ্গার জলে নন্দনের ফুলে, পূজিলেও হরি নাহি চান মুখ তুলে ; ভক্তি-জলে ভিজাইয়া হৃদয়-কমল— দিলেই হয়েন তুষ্ট ভকতবৎসল। ৮৩।
भक्तिमाहात्माम् । चेतचिन्तय रे नित्यं चिन्तामणिधनं हरिम् । तदन्यदखिलं विधि स्वपलब्धं यथा धनम् ॥ ८४ ॥ নিত্য চিন্তা কর মন ! চিন্তামণি হরিধন যে ধনের নাহিক নিধন, যাহা কিছু দেখ আর, সকলি অসার তার স্বপ্নলব্ধ ধনের মতন। ৮৪। जीव जीव चिरं जीव हरिभतिसुधां पिव । हरिभक्तिसुधां पीत्वा सद्यो मृत्युचयो भव ॥ ८५ ॥ চিরঞ্জীব হও জীব! কৃতান্তে কি ভয়! হরিভক্তি-সুধা পিয়া হও মৃত্যুঞ্জয়। ৮৫। कि जिया हरिगुणालपनालसा या किं वा करेण हरिकार्यपरा खेन । नेत्रेण किं हरिविलोकनवञ्चितन श्रोत्रेण किं हरिकथाश्रवणालसेन ॥ ८६ ॥ প্রেমে আর্ল হােয়ে যে না হরিগুণ গায়, কিবা প্রয়ােজন বল! সেই রসনায় ? হরির পূজায় যে না রত অনুক্ষণ, সে হস্ত থাকিযা বল। কি বা প্রয়ােজন? সৰ্বত্ৰ হরিকে যে না করে দরশন, কি ফল থাকিয়া বল ! সেরূপ নয়ন ? সাদরে যে হরি-কথা না করে শ্রবণ, সে কর্ণ থাকিয়া বল ! কি বা প্রয়ােজন ? ৮৬।
হৃথ্যমনি। सबैन्द्रियैः सर्वविधैरुपायैः सर्वप्रयत्नेन च सर्वशत्या। सर्वोपचारैः खलु सर्बदैव सर्वेख: श्रीहरिरेव सेव्यः । ८७॥ সমস্ত ইন্দ্রিয়-বৃত্তি, সমস্ত যতন, সমস্ত শকতি তব, সমস্ত সাধন, সর্বেশ্বর-পদে সৰ্ব্ব কর সমর্পণ, রে জীব ! করিবে যদি শ্রীহরি-সেবন। ৮৭। त्वां पश्यत्युपगूहते परिजपत्याभाषते कोशति त्वामाजिघ्रति संशृणोति रसयत्यासेवते ध्यायति । त्वामेवं सकलेन्द्रियैकविषयं हे कृष्ण नतान्दिवम् भक्तस्ते कुरुते रहःप्रणयिनी लब्धा यथा वल्लभम् ॥ ८८ ॥ ভক্ত সদা তােমাকেই করে দরশন, তব রূপে তব ধ্যানে থাকে নিমগন, হরি হে! তােমাকে হৃদে করে আলিঙ্গন, তােমারি সেবায় আত্মা করে সমর্পণ, প্রাণভােরে তােমাকেই করে আস্বাদন, তােমা বিনা অন্য কথা করে না শ্রবণ, তােমারি মধুর গন্ধ করয়ে আঘ্রাণ, তব সম্ভাষণ করে তােমাকে আহ্বান, বিরলে নায়িকা যথা বল্লভের প্রতি, সমস্ত ইন্দ্রিয় সঁপে তােমাতে তেমতি (১)।৮৮। (১) প্রিয়তমের জন্য নায়িকার মনে যেরূপ জ্বলন্ত তৃষ্ণা ও অতিম।
भक्तिमाहात्माम्। भक्तस्यैव सदाबानं शृणोति मधुसूदनः । आह्वानं भक्तिशून्यस्य शून्यएव विलीयते ॥ ८८ ॥ ভক্তিভাবে যে হারে করয়ে আহ্বান, তাহারি আহ্বানে কর্ণ দেন ভগবান্ ; ভক্তিশূন্য শুষ্ক কণ্ঠে ডাকিলে হায়, পহুছে তার কাছে শূন্যে লয় পায়। ৮৯। येनैव नाना ननु यत्र तत्र भक्त्या तभुद्दिश्य वलिं प्रयच्छ । स तत्पदं यास्यति विश्वमूर्तेः व्याप्तं यतो विखमिदं पदेन ॥ २० ॥ যে নামে যেখানে ইচ্ছা হইবে তােমার, ভাই রে ! তাহারে তুমি দাও উপহার ; ভক্তিভাবে যথা ইচ্ছা যে নামেই দিবে, তব উপহার তঁার পদেই পড়িবে ; বিশ্বরূপ বিশ্বাধার বিভু নারায়ণ, পদতলে জুড়িয়া আছেন ত্রিভুবন। ৯০। भत्ता हम्मन्दिरं तस्य वैकुण्ठभवनं हरेः । यत्रैव भगवद्भक्तिस्तत्रैव भगवान् हरिः ॥ ८१ ॥ ন্মাদ জন্মে, ভগবানের জন্য ভক্তেরও সেইরূপ তৃষ্ণা ও উন্মাদ জন্মে। সেই ৰ্বেশ্বরের জন্য উন্মত্তভাবে সাধনা করাকেই আরাধনা' বলে। রাধা অর্থাৎ সেই ‘আরাধনা’ এবং ‘কৃষ্ণ অর্থাৎ সেই ‘সর্বেশ্বর হরি। Iাধা-কৃষ্ণের ইহাই রহস্য।
कृष्णभक्तिरसामृतम्। ভক্তের হৃদয় দিব্য বৈকুণ্ঠভবন, নিত্য বিরাজেন যথা দেব নারায়ণ; সেই ভগবানে ভক্তি যেখানেই রয়, সেইখা; ভগবান হরিও নিশ্চয়। ৯১। अनन्तभक्त हृदयानन्तशय्यातले सदा। योगनिद्रां स भजले सह लक्ष्मया जनाई नः ॥ २ ॥ । অনন্ত ভক্তের হৃদে অনন্ত-শয়নে, যোগনিদ্রা যান হরি কমলার সনে (১)। ৯২। आभोग पूर्णचन्द्रस्य प्रतिपत्कलया यथा । पूर्ण ब्रह्म विजानीयादशमात्रेण वै तथा ॥ १३ ॥ প্রতিপদে কলামাত্র করি দরশন, পূর্ণচন্দ্রমার মূর্তি বুঝিবে যেমন ; অংশমাত্র নিরখিয়া বুঝিবে তেমন, অনন্ত-শকতি পূর্ণ ব্ৰহ্ম নারায়ণ। ৯৩। अखण्डमण्डलाकारः पूर्णः कृष्णसुधाकरः । भक्तस्यैव इदाकाशे नित्यमेव प्रभासते। ८४ ॥ অখণ্ডমণ্ডলাকার সুধার আকর, পূর্ণ সনাতন সেই কৃষ্ণ-সুধাকর ; (১) অনন্ত-শয়নে-অনন্ত-শয্যায়। বিষ্ণু লক্ষ্মীর সহিত অনন্ত-শয্যায় শয়ন করিয়া যােগনিদ্রা ভজনা করেন,ইহার তাৎপর্য এই যে,—সেই সৰ্ব্ব- শক্তিমান্ পুরুষ অসংখ্য ভক্তমণ্ডলীর হৃদয়মধ্যে পরম সুখে বিশ্রাম করেন। অনন্ত ভক্তের হৃদয়ই তাহার অনন্ত-শয্যা অর্থাৎ চির-বিশ্রাম-মন্দির।
भक्तिमाहात्माम् । মু ভক্তের হৃদয়াকাশে হইয়া উদয়, বিস্তার করেন জ্যোতি দিব্য সুধাময়। ৯৪। प्रसुप्तेष्वपि जागर्ति योऽव्यतामहदादिषु । नित्यबुद्धश्चिदानन्दो हदि भातु स मे हरिः ॥ ८५ ॥ অব্যক্ত মহৎ আদি বিশ্বকাণ্ড যত, প্ৰসুপ্ত হলেও যিনি রহেন জাগ্রত ; নিত্যই প্রবুদ্ধ যিনি চিদানন্দময়, সেই কৃষ্ণ হৃদে মাের হউন উদয় (১)। ৯৫। राक्षसीव भवे माया भोगो नरकभोगवत् । कामो विषवदाभाति हरिभक्त्युदये नृणाम् ॥ ८६ ॥ শ্রীকৃষ্ণে ভকতি হৃদে হইলে উদয়, মায়াকে রাক্ষসী হেন মনে জ্ঞান হয় ; ভােগ-সুখ মনে হয় নরক-সমান, বিষম বিষের ন্যায় কাম হয় জ্ঞান। ৯৬। यथा स्पर्शमणिस्पर्शात् लौहं भवति काञ्चनम् । खपाकोऽपि भवेविप्रः श्रीहरिस्मरणात्तथा ॥ ८७ ॥ লোহও সুবর্ণ হয় পরশ পাথরে, চণ্ডালেও হয় বিপ্র যদি হরি স্মরে। ৯৭। (১) অব্যক্ত’–সূক্ষ্ম ; মহৎ-স্থূল ; ‘সুপ্ত'—বিলীন। মহাপ্রলয়- 'লে স্থূল সূক্ষ্ম সমস্ত ব্রহ্মাণ্ডই লয় পায়, কেবল নারায়ণ অর্থাৎ মহাকালের |য় নাই।
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
মল্পি সমৰীসমীজানুন।
केवलं भगवद्भक्तिर्मुक्तिक्षेत्रं हि देहिताम् ॥ १८ ॥
জন্ম মৃত্যু জরা রোগ শােক নিরন্তর,
সমস্ত সংসার তাহে হের! জরজর ;
একমাত্র ভক্তি সেই দেব নারায়ণে,
জীবের মুক্তির ক্ষেত্র জানিবে ভুবনে। ৯৮।
मध्वाशया श्रयसि किं संसारविषपादपम् ।
भज कृष्णपदाम्भोजमयि चेतोमधुव्रत ॥ ८ ॥
এ সংসার বিষবৃক্ষ জানিবে ভীষণ,
ইথে কেন মধু-আশে করিছ ভ্রমণ ;
ভজ কৃষ্ণপদাম্বুজ পূর্ণ হবে আশা,
মন-মধুকর! তাের ঘুচিবে পিয়াসা। ৯৯।
असारं खलु संसारं वीक्ष्य कायं च भङ्गरम् ।
नित्यानन्दमयं कृष्णपदमाशय रे मनः ॥ १० ॥
বিনশ্বর এ সংসার সকলি অসার,
অনিত্য এ দেহ তব নহে আপনার ;
ইহা ভাবি ভজ মন ! সেই সনাতন,
অভয় আনন্দময় হরির চরণ। ১০০।
वाताभविभ्रमनिभे विभवे भवेऽस्मिन्
यः सौख्यबुद्धिमतिमन्दमति: करोति ।
आकाशपुष्पपरिकल्पितमेव माल्यं
नूनं स धारयितुमिच्छति कण्ठदेशे ॥ १०१ ॥
भक्तिमाहात्माम्। সন্ধ্যা-মেঘ-শােভা-সম ভবের বিভব, তাহে সুখ-আশা করে যে মূঢ় মানব ; আকাশ-কুসুমে মালা গাঁথিয়া সে জন, বাঞ্ছা করে নিজ কণ্ঠে করিতে ধারণ । ১০১। घोरसंसारदावाग्नौ किं पतस्यमृताशया। चेतश्चकोर पिव रे कृष्णचन्द्रसुधारसम् ॥ १०२ ॥ রে মন-চকোর! তুমি সুধার আশায়, সংসার-দাবাগ্নিমাঝে ধাইতেছ হায় ! একান্ত পিপাসা যদি করিবে নিৰ্বাণ, কৃষ্ণচন্দ্র-সুধারস কর গিয়া পান। ১০২। लोकं शोकहतं वीक्ष्य हाहाकारसमाकुलम् । अशोकं भज रे चेतस्तद्विष्णोः परमं पदम् ॥ १०३ ॥ শোকে হয়ে জ্ঞানহারা সমস্ত সংসার, যাতনায় নিরবধি করে হাহাকার ; ভবের দুর্গতি এই হেরি ওরে মন! ভজ সেই শােকহারী হরির চরণ। ১০৩। मोहोत्तप्तकटाहे किं पच्चसे मीनवन्मनः । कृष्णप्रेममये मज्ज तापवारिणि वारिणि ॥ १०४॥ ওরে মন! মােহরূপ জ্বলন্ত খােলায়, সৎস্য সম হও কেন ভাজাভাজি তায় ; কৃষ্ণপ্রেম সৰ্ব্ব তাপ করে নিবারণ, এ জ্বালা জুড়াও তাহে হইয়া মগন। ১০৪।
६
कृष्णभक्तिरसामृतम्
सानन्दं पिव रे जीव कृष्णभक्तिरसामृतम् ।
भव मृत्युञ्जयः सद्यः कृतान्तात् किमु ते भयम् ॥ १०५ ॥
কৃষ্ণভক্তি-সুধা পিয়া হও মৃত্যুঞ্জয়,
কি ভয় রে জীব! তাের কৃতান্তে কি ভয় ?।১০৫
दुरन्तादन्तकात् त्राणं नितान्तं यदि वाञ्छसि ।
अनन्तचरणोपान्ते खान्त शीघ्र निलीयताम् ॥ १०६ ॥
নিতান্ত বাঁচিবে যদি কৃতান্ত-কবলে,
রে মন! লুকাও শীঘ্র কৃষ্ণপদতলে। ১০৬।
भुक्तिमुक्तिप्रदं सर्वजीवतापनिवारणम् ।
एकमेवाश्रयं चेतस्तद्विष्णोः पदमाश्रय ॥ १०७ ॥
একাধারে ভুক্তি মুক্তি যে করে প্রদান,
জীবের অশেষ তাপ যে করে নিৰ্বাণ ;
সেই বিষ্ণুপদমাত্র ভবের আশ্রয়,
जगन ! लिलाव देगा उन्नाव।०१।
भवेद् योनिसहस्रेषु भ्रमणे मे न वेदना।
स्यान्मे कृष्णपदे भक्तिर्यदि जन्मनि जन्मनि ॥ १०८ ॥
সহস্র সহস্র যােনি করিতে ভ্রমণ,
অণুমাত্র কষ্ট আমি না করি গণন ;
জন্ম জন্ম কৃষ্ণপদে ভক্তি যদি রয়,
তবে আর জনমে মরণে কিবা ভয় ?। ১০৮ |
द्योततेऽविचला नित्यं ध्रुवतारा यथा दिवि ।
तथा कृष्णपदोपान्ते भक्तिरस्त्वचला मम ॥ १० ॥
LADDARRILA O UBISHI la T1:7 भक्तिमाहात्माम्। যেমতি অনন্তকাল আকাশের গায়, ধ্রুবতারা অচলা হইয়া শােভা পায় ; শ্রীকৃষ্ণচরণতলে আমার তেমতি, থাকে যেন চিরকাল অচলা ভকতি। ১০৯। पूरयन्नमृतैराशाः संहरन् शोकतामसम् । तापहारी हृदाकाशे कृष्णचन्द्रः प्रकाशताम् ॥ ११० ॥ সুধা-বরিষণে আশা করিয়া পূরণ, (১) শােক-অন্ধকার সদ্য করিয়া হরণ ; অশেষ সন্তাপরাশি করিয়া বিনাশ, কৃষ্ণচন্দ্র হৃদাকাশে হউন প্রকাশ। ১১০। तदेव भूतकल्याणं यदेव कुरुते हरिः । सर्बशोकविषघ्नोऽयमगदः पीयतां मनः ॥ १११ ॥ যা কিছু করেন হরি মঙ্গলনিধান, সে শুধু সাধিতে সদা জীবের কল্যাণ ; সৰ্ব্ব শােক-বিষ নাশ করে এই জ্ঞান, এ ঔষধ ভক্তিভাবে কর মন! পান। ১১১। शोकशल्यप्रहाराणां गाढ़हन्मभेदिनाम् । भवेऽस्मिन् भगवद्भक्तिरेकमेव महौषधम् ॥ ११२ ॥ মর্মভেদী শেল সম শােকের প্রহার, তাহে নিত্য জীবগণ করে হাহাকার ; (১) ‘আশা-শব্দে দিক ও মনােরথ বুঝায় ; চন্দ্রের পক্ষে আশা অর্থাৎ মণ্ডল। LIBRARY ১৫
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
কৃষ্ণভক্তি একমাত্র মহৌষধ তায়,
যাহার সেবনে সব যাতনা জুড়ায়। ১১২।
विहाय कृष्णं करुणानिधानम्
मूढो भवे यः कुरुते सुखाशाम् |
खच्छाम्बुपूणां सरितं स हित्वा
समीहते वारि मरीचिकायाम् ॥ ११३ ॥
করুণানিধান কৃষ্ণে ত্যজিয়া যে জন,
এ ভবে সুখের আশা করয়ে স্থাপন।
সে জন সুজলপূর্ণ নদী তেয়াগিয়া,
মৃগতৃষ্ণিকায় ধায় জলের লাগিয়া। ১১৩।
रे जीक सद्योऽखिलतापशान्त्यै
श्रीकृष्णकल्पद्रुममाश्रय त्वम् ।
त्रितापशान्तिः किल तस्य मूले
सदैव कैवल्यफलं स धत्ते ॥ ११४ ॥
রে জীব ! অশেষ তাপ মােচনের তরে,
শীঘ্র গিয়া ভজ কৃষ্ণ-কল্পতরুবরে ;
ত্রিতাপশান্তির ছায়া পাবে তার তলে,
সে বৃক্ষে কৈবল্য ফল নিত্যকাল ফলে। ১১৪
न पुत्चदारान् न ग्रहान् न बन्धून्
याचे न चोच्चैः कुलवित्तमानान् ।
भतिहरे त्वञ्चरणारविन्द
भवे भवे मेऽस्तु तव प्रसादात् ॥ ११५ ॥
भक्तिमाहात्माम्। হি না গৃহিণী সুত গৃহ পরিজন, কুল মান সম্পদে নাহিক প্রয়ােজন; এই ভিক্ষা দাও মােরে কৃষ্ণ দয়াময় ! জন্ম জন্ম তব পদে ভক্তি যেন রয়। ১১৫। आइतोऽपि मया मुहुर्वरद हे यत्नासि मे गोचरः महतोः स्खलनं हि तत् न हि कपासिन्धोः स दोषस्तव । सा भक्तिर्यदि मेऽभविष्यदचला त्वय्येव गोविन्द है तबूनं भवरौरवार्तिरनिशं नैवाभविष्यन्मम ॥ ११६ ॥ ডাকিয়াও যে তােমার দেখা নাহি পাই, সে মাের ভক্তির ত্রুটি, তব দোষ নাই; সে ভক্তি থাকিত যদি তােমাতে কেশব ? ভুগিতে হত না তবে এ ভব-রৌরব (১)। ১১৬। प्रसादनीः शीलयतश्चतस्रः मैत्रादिरूपा हृदि भावनास्ताः । उदेतु मे त्वत्कृपया विशोका ज्योतिष्मती केशव सत्त्ववृत्तिः ॥ ११७ ॥ হে কৃষ্ণ! একান্তভাবে করিয়া সাধনা চিত্তপ্রসাদনী মৈত্রী প্রভৃতি ভাবনা; তোমারি প্রসাদে মাের হউক উদয়, বিশােক সাত্ত্বিক ভাব নিত্য জ্যোতির্ময় (২)।১১৭। (১) ‘ভব-রৌরব’-সংসাররূপ নরক ; ঘাের নরবিশেষের নাম রব। (২) হে কৃষ্ণ! চিত্তপ্রসাদকারিণী চাৰিটী ভাবনার সাধনা করিতে अष्णभक्तिरसामृतम् हरे न पापी सदृशो ममास्ते न पापहारी सदृशस्तवास्ति । इत्येव चित्ते ननु चिन्तयित्वा यद्रोचते तत् कुरु दीनबन्धी ॥ ११८ ॥ কেবা বল ! আছে পাপী আমি হে যেমন, কেবা হরি! পাপহারী তােমার মতন ; দীনবন্ধু ! এই কথা ভেবে একবার, তার পর কোরো তুমি যা ইচ্ছা তােমার। ১১৮। করিতে, আমার অন্তরাত্মার মধ্যে তােমার কৃপায় যেন সেই শােকবিহিত জ্যোতির্ময় স্থায়ী সাত্ত্বিকভাবের উদয় হয়। যােগশাস্ত্রকারের। মৈত্রী, করুণা, মুদিতা ও উপেক্ষা, এই চারি প্রকার ভাবনার উল্লেখ করিয়াছেন। (১) মৈত্রী,-সৰ্ব্বভূতে মিত্ৰতা, অর্থাৎ সমভাবে সকলেরই হিতকামনা এবং সকলেরই সুখে আনন্দ অনুভব করা ; (২) করুণা,দুঃখিত প্রাণিমাত্রেরই দুঃখমােচনের জন্য ঐকান্তিক যত্ন ; (৩) মুদিতা,-পুণ্যশীলগণের পুণ্যকৰ্ম্মে সৰ্বান্তঃকরণে অনুমোদন ; (৪) উপেক্ষা,-পাপকাৰ্য অনুমােদন না কর। এবং পাপীর প্রতি ঘৃণা না করা। এই চারিটী ভাবনা চিত্ত প্রসদনী’ অর্থাৎ মনের সমস্ত মালিন্য দূর করিয়া মনকে সম্পূর্ণরূপে নিৰ্ম্মল করে। একান্ত ভাবে প্রতিনিয়ত এই চারিটী ভাবনার অভ্যাস দ্বারা অন্তরাত্মা নিৰ্ম্মল হইয়া এক অপূর্ব শান্তিময়ী আনন্দময়ী অবস্থা প্রাপ্ত হয়। সেই অবস্থার নাম সাত্বিক ভাব। মনুষ্য সেই অবস্থায় উপনীত হইলে কাম ক্রোধ লােভ মােহ প্রভৃতি রাজসিক ও তামসিক বিকার হইতে বিমুক্ত হইয়া বিশােক হয় অর্থাৎ সৰ্ব্বােক হইতে মুক্তিলাভ করে; এজন্য ঐ সাত্বিক ভাবকে ‘বিশােক’ বলে। ঐ সাত্ত্বিক ভাবকে জ্যোতির্ময়ও বলে ; স্বচ্ছ মণি যেমন সূর্যরশ্মির সংযােগে অপূৰ্ব্ব প্রভায় উদ্ভাসিত হয়, তেমনি নিৰ্ম্মল সাত্ত্বিকভাবও দিব্য ব্ৰহ্মালােকে অপূর্ব জ্যোতি ধারণ করে ।
भक्तिमाहात्माम्। सीदन्तमञानहतप्रबोध मां रक्ष हे कृष्ण जगत्प्रसूते । निद्रावसने विवशे सुते किं माता न संरक्षति तं निजा ॥ ११८ ॥ মােহনিদ্রাভরে আমি জ্ঞান হারাইয়া, অবসন্ন হয়ে ভবে পড়েছি ঢলিয়া জগত-জননি হরি! রাখ এ অজ্ঞানে, মাতা কি রাখে না কোলে ঘুমন্ত সন্তানে?।১১৯। एधेहि जीवेखर जीवबन्धी भवाब्धिमन्योस्थितरत्नसार। हृदो निधिं त्वां हृदये निधाय प्रमीलिताक्षो हदि निर्विशामि ॥ १२० ॥ প্রাণের ঈশ্বর তুমি হৃদয়ের ধন, ভব-জলধির তুমি অমূল্য রতন ; এস হে প্রাণের বঁধু ! হৃদয়ে রাখিয়া- হৃদয়ে ভুঞ্জিব তােমা নয়ন মুদিয়া। ১২০। मूर्यो यथा कमलिनों कुरुते प्रफुल्ला तारापति: कुमुदिनों च यथा करोति । नारायण स्मृतिपथे त्वमुदित्य तहत् सत्यं हि मे हृदयमुत्पुलकं करोषि ॥ १२१ ॥ নলিনী তপনে যথা করি’ দরশন, তারাপতি-দরশনে কুমুদী যেমন ;
कृष्णभक्तिरसामृतम्। সত্যই তেমনি হরি! স্মরণে তোমার, . পুলকে প্রফুল্ল হয় হৃদয় আমার। ১২১। श्रयन्ति परया भक्त्या ये परात्परमच्युतम् । सर्वभूतहिताः सन्तो दुर्गाण्यतितरन्ति ते ॥ १२२ ॥ পরম ভকতিভাবে হইয়া তন্ময়, পরাৎপর নারায়ণে যে করে আশ্রয় ; যে সাধুর সৰ্ব্বজীবে সমান প্রণয়, সমস্ত সঙ্কট সেই সুখে পার হয়। ১২২। नित्यानुषङ्गी सन्तोषी भक्तिशान्तान्तरात्मनाम् । कामोपहतचित्तानामसन्तोषः पदे पदे ॥ १२३ ॥ হরিভক্তিরসে শান্ত যাহার অন্তর, সন্তোষ জানিবে তার নিত্য-সহচর ; আর যার কামে সদা আকুলিত চিত, পদে পদে অসন্তোষ তাহার নিশ্চিত। ১২৩। प्रत्यक्षीकुरुषे मनः प्रतिपदं नित्यं यदीयां दयां तं हा हन्त तथापि विस्मरसि किं कारुण्य सिन्धुं हरिम् । तं प्राणं जगतां गतिं च परमां व्याप्य स्थितं रोदसी बुड्वाप्येवमनुक्षणं कथय किं मोहान्धवत् चेष्टसे ॥ १२४ ॥ পদে পদে যার দয়া হেরিছ রে মন । সেই কৃপাসিন্ধু হরি ভুল কি কারণ? জগতের প্রাণ তিনি অখিলের গতি, ব্যাপিয়া অনন্ত বিশ্ব তার অবস্থিতি ;
भक्तिमाहात्माम्। { জানিয়াও তঁারে কেন মূঢ়ের মতন, ভব-মােহে ক্ষণে ক্ষণে হারাও চেতন?। ১২৪ कालाकालविचारणां न कुरुते नापक्षते दीनतां हेष्यस्तस्य न वा प्रियोऽस्ति शमनः सर्व समं कर्षति । तं कालं विकराललोलरसनं दृष्ट्वाप्यदूर स्थित जीव खं नरकान्तकारिचरणे नाद्यापि किं लीयसे ॥१२५॥ নাহি মানে কালাকাল না মানে বারণ, কাকুতি মিনতি সে যে করে না শ্রবণ ; প্রিয় বা অপ্রিয় কেহ নাহি আছে তার, সমভাবে সকলেরে করয়ে সংহার ; করাল বিলােল জিহ্বা করিয়া বিস্তার, সম্মুখে শমন ওই দেখ রে ! তােমার ; এখনো যদি রে জীব! বাঁচিবারে চাও, নরকারি-পদে শীঘ্র কেন না লুকাও ?। ১২৫। स्रोतखती वहति चेन्नयनप्रवाहैः शोकस्य हन्त न तथाप्यवसानमस्ति । रे जीव रोदिषि भवेऽत्र कियच्चिरं वा सूर्ण मुरारिपदमाश्रय शोकहारि ॥ १२६ ॥ স্রোতস্বতী বহে যদি নয়নসলিলে, এ ভবে শােকের তবু অন্ত নাহি মিলে ; রে জীব! কত বা অার করিবে রােদন ? ভজ সেই শােকহারী হরির চরণ। ১২৬।
০ कृष्णभक्तिरसामृतम्। सुधाधाराधार दशशतदलाम्भोजनिलये निमग्ने मे जीवे विगलितभवाशेषविषयः । द्रवीभूतः प्रेम्ना मधुरहरिसंकीर्तनरतः कदाहं वै नेष्याम्यपि युगसहस्रं निमिषवत् ॥ १२७ ॥ দশশতদল-চক্র সুধার আধার, তাহে কবে হবে মগ্ন জীবাত্মা আমার ; (১) নিৰ্ব্বাণ হইবে সব সংসারের কাম, গাইব প্রেমাদ্ৰ হৃদে শ্রীহরির নাম ; গাইতে গাইতে যেন নিমেষের মত, কাটাইব কবে আমি যুগ শত শত। ১২৭। (১) দশশতদল-চক্র ইত্যাদি, -‘দশশতদল-চক্র' অর্থাৎ ব্রহ্মর স্থি সহস্ৰপত্র নামক চক্র। যােগশাস্ত্রকারের মানবদেহে যে ষট চক্রের নির্দে করিয়াছেন, তন্মধ্যে সহস্ৰপত্ৰ নামক চক্র ব্রহ্মরন্ধে, অবস্থিত। এই চক্র সুধার আধারস্বরূপ ; ইহা নিরন্তর অমৃতরস নিঃসরণ পূৰ্ব্বক সমস্ত দে পােষণ করিয়া থাকে। জীবাত্মা এই চক্ৰমধ্যে অবস্থান করিলে অমৃতপ্রবারে মগ্ন ও সমস্ত কামনা হইতে নিবৃত্ত হয়, এবং ভগবৎপ্রেমে তন্ময় হই। ভগবৎসংগীতে আসক্ত হয়। ব্ৰহ্মরন্ধু স্থিত জীবাত্মার যখন এই শান্তিম অবস্থা উপস্থিত হয়, তখনই ভগবৎসংগীতে সিদ্ধিলাভ হয়। যিনি ভরি যােগে ভগবৎসংগীতে সিদ্ধিলাভ করেন, তিনিই জীবন্মুক্ত। এই জন যােগশাস্ত্রকারের বলিয়াছেন, "जपकोटिगुणं ध्यानं ध्यानकोटिगुणी लयः । লহ্মীঘি সান লা ঘন সন্থি।” অর্থাৎ ধ্যান দ্বারা জপের কোটি গুণ ফললাভ হয় ; লয় অর্থাৎ চিত্তবৃতি সমাধি দ্বারা ধ্যানের কোটিগুণ ফললাভ হয় ; গান দ্বারা লয়ের কোটি! ফল লাভ হয়। অতএব গান অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আর কিছুই নাই।
भक्तिमाहात्माम्।
৩৫
छित्त्वा शृङ्गालबन्धनं दृढ़तरं सद्यो विहङ्गो यथा
वेगादुत्पतितः स्वजन्मविटपिकोड़ान्तरे लीयते ।
निर्मुतो भवबन्धनात् सुविषमाज्जीवो मदीयस्तथा
हे नारायण ते पदाननिलयस्यान्तः कदा मज्जति ॥ १२८॥
শিকল কাটিয়া টিয়া ধায় দ্রুতগতি,
জন্মতরু-ক্রোড়ে গিয়া লুকায় যেমতি;
তেমতি কাটিয়া কবে এ ভব-বন্ধন,
জীব মাের কৃষ্ণপদে হবে নিমগন। ১২৮ |
मास्तन्यरसं यथैव रसयन् हित्वा विलापं शिशुः
सद्यः कामपि याति मोदमदिरानिद्रायमाणां दशाम् ।
कृष्णप्रेमसुधां पिवबपि तथा कामप्यहो निर्वृति
संलीनाखिलरोगशोकनिचयः प्राप्नोति लोकोऽचिरात् ॥ १२८ ॥
বালক পাইবামাত্র জননীর স্তন,
অমনি ভুলিয়া যায় যােদন যেমন ;
কি এক আনন্দমদে বিভাের হইয়া,
নড়ে না চড়ে না থাকে নয়ন মুদিয়া;
তেমতি যে করে হরিপ্রেম-সুধা পান, '
রােগ শােক হয় তার সকলি নিৰ্বাণ,
সে জন হারায় জ্ঞান যােগনিদ্রাবশে, •
বিভাের হইয়া রয় চিদানন্দরসে। ১২৯।
हरिपादाश्रिताः प्राणैर्न मुच्यन्ते कदाचन ।
का भीतिर्वद रे चेतो जगदीश हरे जय ॥ १३० ॥
७२ कृष्णभक्तिरसामृतम्। হরিপদাশ্রয় যেই জন লয় সে কভু কি প্রাণে মরে, কি ভয় কি ভয় বল রে হৃদয়! “জয় জগদীশ হরে”।১৩০। क्षिपन्ति भनि हतं वाद्ययन्नपरा जनाः । श्रात्माग्नौ भक्तिहव्येन प्रीयते परमेश्वरः ॥ १३१ ॥ বাহিরে বিবিধ যজ্ঞ করিয়া সাধন, ভস্মেই কেবল ঘৃত ঢালে মূঢ়গণ ; আত্মাই পবিত্র বহ্নি, আহুতি ভকতি, প্রীত হন নারায়ণ যাহে বিশ্বপতি। ১৩১। ! कुरु जीव महायनं कृष्णप्रेमहुताशने । कृष्णाय नम इत्युक्त्वा निक्षिपात्मानमाहुतिम् ॥ १३२ ॥ রে জীব! একান্ত যদি লভিবে নিৰ্বাণ, তবে এই মহাযজ্ঞ কর অনুষ্ঠান ; যিনি যজ্ঞেশ্বর হরি, তারি প্রেমানলে, আত্মাকে আহুতি দাও ‘কৃষ্ণায় নমঃ' বলে।১৩২। कुरु जीव महागाई परमं पिटतर्पणम् । विश्वपित्रे मुकुन्दाय भक्त्या हृत्पिण्डमुत्सृज ॥ १३३ ॥ রে জীব ! এ মহাশ্ৰাদ্ধ কর অনুষ্ঠান, যাহে তব পিতৃলােক লভিবে নিৰ্বাণ ; বিশ্বপিতা শ্রীহরিকে করি’ আবাহন, শ্রদ্ধায় হৃদয়-পিণ্ড কর নিবেদন। ১৩৩।
भक्तिमाहात्माम्। पात्मा समाहितो येन मुकुन्दचरणाम्बुजे । किं भयं किं भयं तस्य किं भयं मरणादपि ॥ १३४ ॥ যে জন সঁপেছে মন হরির চরণে, কি ভয় কি ভয় তার কি ভয় মরণে?।১৩৪। त्वं माता के पिता कृष्ण पत्नी भ्राता सुतः पतिः । गतिस्त्वमसि सर्वस्वं चतुबंगौऽसि देहिनाम् ॥ १३५ ॥ তুমি মাতা তুমি পিতা দারা সুত ভাই, তুমি পতি তােমা বিনা গতি আর নাই; ধৰ্ম্ম অর্থ কাম তুমি সকল সম্পদ, এ ভবে জীবের হরি ! তুমি মােক্ষপদ। ১৩৫। अखण्डमण्डलाकारस्तेजोव्याप्तचराचरः । कृष्णचन्द्रः सदा पूर्ण: स्वान्तध्वान्तं निहन्तु मे ॥ १३६ ॥ অখণ্ডমণ্ডলাকার যিনি নারায়ণ, যার তেজে ব্যাপ্ত এই নিখিল ভুবন; সদা পূর্ণ যিনি সেই কৃষ্ণচন্দ্র মোর, হরুন মনের পাপ-অন্ধকার ঘাের।১৩৬। প্রীতি ভয়ৰ নৰ ত লক্ষ্মী িন লৰ। पूर्ण दर्शय मे रूपं पूर्णब्रह्मन् सनातन ॥ १३७ ॥ দেখি দেখি তবু দেখা পাই না যে হায় !, পাই পাই তবু নাহি পাই হে! তােমায় ; পূর্ণরূপে ওহে হরি ! দাও দরশন, হেরিব হৃদয়ে পূর্ণব্রহ্ম সনাতন। ১৩৭।
कृष्णभक्तिरसामृतम्। भवोच्छेदे यायवृदयमतियत्नं प्रकुरुते महामोहस्तावद्भवनिगढ़बन्धं द्रढ़यति । अये कृष्ण स्वामिन् सकलशिवशक्तिप्रद हरे ययाशेषः पाश: क्षयति मयि शक्तिं वितर ताम् ॥ १३८॥ কাটিয়া ফেলিতে মন যত যত্ন করে, এ ভব-বন্ধন তত জড়াইয়া ধরে ; এ কৃষ্ণ ! হে নাথ ! হরি ! শিবশক্তিময় । দাও শক্তি যাহে এ বন্ধন ছিন্ন হয়। ১৩৮। इह भवकाराभवने पतितम् कम्मनिगढ़बन्धनसहितम् । पापमलिनमतिमतिशयदीनम् त्राहि दयामय मां गतिहीनम् ॥ १३८ ॥ এ সংসার-কারাবাস তাহে দৃঢ় কৰ্ম্ম-পাশ দিবানিশি করিছে পীড়ন, পাপেতে মলিন মন আমি দীন অশরণ बाकत भजिउभावन ।। ७०। • हर परमेश्वर मम गुरुपापम् दीनदयामय खण्ड्य तापम् । अशरणशरणं यमभयहरणम् देहि जनाईन मम हृदि चरणम् ॥ १४० ॥ ॥ পরমেশ! পাপভার কর হে হরণ, দীনদয়াময়! তাপ কর নিবারণ ;
भक्तिमाहात्माम्। যাহার পরশে দূরে পলায় শমন, সেই পদ মম হৃদে দাও নারায়ণ !। ১৪০। ध्यायति यस्त्वां भक्त्या हृदये न पतति स पुन: संमृतिनिरये। न भजति मुक्ति भक्तिविहीन: चिरमिह सीदति रोदिति दीनः ॥ १४१ ॥ যে তােমারে ভক্তিভরে ডাকে নারায়ণ ! এ ভব-নরকে আর পড়ে না। সে জন ; ভক্তিহীন চিরদিন করে হাহাকার, শোকভার আর তার নেত্ৰজল সার। ১৪১। यदि मम मानस वाञ्छसि मुक्तिम् रजतधिया किमु भजसे शुक्तिम् । परिहर नखरविषयपिपासाम् मुरहरचरणे कुरु चरमाशाम् ॥ १४२ ॥ মায়ায় ভুলেছ হায় ! তাই তুচ্ছ শুক্তিকায় (১) করিয়াছ রজতের আশা, যদি মুক্তি চাও শেষে ভজ সেই পরমেশে ত্যজ মন ! বিষয়পিপাসা। ১৪২। जन्मजरामृतिवारणहेतुम् भीमभवाम्बुधितारणसेतुम् । (১) শক্তি কা–ঝিনুক। চকচকে সাদা ঝিনুক দেখিয়া রূপা বলিয়া প্রম হয়।
कृष्णभक्तिरसामृतम् । एकममृतमजमभयमशेषम् चिन्तय हृदय सदा परमेशम् ॥ १४३ ॥ জনম-মৰণ-কষ্ট সকলি হইবে নষ্ট ভবভয় হইবে ভঞ্জন, অভয় অমৃত অজ ভজ মন! সদা ভজ সেই সত্য নিত্য নিরঞ্জন। ১৪৩। तारय मामतिदीनं हीनम् तव शरणागतमगतिमधीनम् । মৰি এনিনননাযা पापविषमविषदाहनिवारी ॥ १४४ ॥ - হায় ! অসহায় আমি অতি দীনহীন, তোমারি শরণাগত তােমারি অধীন ; পাপতাপহারী তুমি পতিতপাবন, দয়া কোরে এ পাপীরে তার নারায়ণ !! ১৪৪। मुरहर विखेखर नरकार मां करुणाकर पाहि मुरारे । कुरु मयि करुणां भयभयविकले देहि पटं भयहर पदकमले ॥ १४५ ॥. নরকারি! হে মুরারি ! করুণানিধান ! ভয়হর ! বিশ্বনাথ ! কর পরিত্রাণ ; এ ভব-সঙ্কটে পড়ি’ হারায়েছি জ্ঞান, অভয় চরণে তৰ দাও মােরে স্থান। ১৪৫।
भक्तिमाहात्माम्। ৩৩) संसारज्वलदङ्गारज्वालाशान्तिं यदीच्छसि । निर्भर पिव रे जीव कृष्णभक्ति सुधां तदा ॥ १४६ ॥ জ্বলন্ত অঙ্গারসম এ ঘাের সংসার, এ জ্বালা হইতে যদি পাইবি নিস্তার ; কৃষ্ণভক্তি-সুধা পিয় আকণ্ঠ ভরিয়া, রে জীব! সকল জ্বালা যাবে জুড়াইয়া। ১৪৬। कृष्णप्रेमाम्बुधौ नात्वा क्षालिताशेषकल्मषः । कैवल्यं गच्छ रे जीव सर्वशोकहरं परम् ॥ १४७ ॥ কৃষ্ণপ্রেম-সুধার্ণবে করিয়া মজ্জন, অশেষ কলুষ-পঙ্ক করিয়া ক্ষালন ; সত্য সনাতন পদ মােক্ষ নাম যার, রে জীব! সে পদ শীঘ্র কর অধিকার। ১৪৭। अधिव्याधितरङ्गसङ्गविषमे मायातमःसङ्गुले বিলালল সনিসিন্ধান্ত্ৰীমদ্ভাভিন। मग्नं भग्नबलं नितान्तविकलं भीमे भवाम्भोनिधी दीनं मां गतिहीनमुद्दर कपालम्बेन विश्वम्भर ॥ १४८ ॥ ভীম ভব-পারাবার কুচিন্তা বিকট ক্ষার রােগ শােক তরঙ্গ তাহার, প্রবৃত্তি-ঝটিকা তাহে প্রচণ্ড বেগেতে বহে মায়াজাল ঘাের অন্ধকার ; নাহি বল নাহি তরি অকূলপাথারে মরি তাই ডাকি ওহে দয়াময় ।
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
তোমার করুণা-বল বিনা কে তারিবে বল ?
দীনজনে হও হে। সদয়। ১৪৮।
अपार'सारपयोधिपारम्
नेतुं यदेका तरणी नराणाम् ।
कीनाशपाशाभयडिण्डिमं तत्
चेतो भज श्रीहरिपादपद्मम् ॥ १४८ ॥
অপার দুস্তর এই ভব-পারাবার,
একমাত্র তরী যাহা করিবারে পার ;
দুরন্ত কৃতান্ত-পাশ যে করে খণ্ডন,
ভজ মন ! ভজ সেই শ্রীহরি-চরণ। ১৪৯।
अनन्तभूतेषु सदा ममत्वं
भवे वियोगस्य न विद्यतेऽन्तः ।
अती द्यपारः किल शोकसिन्धुः
हर त्वमेकोऽसि हि कर्णधारः । १५० ॥
মমতা অনন্ত ভূতে জনমে সদাই,
এ সংসারে বিচ্ছেদের অন্ত নাহি পাই ;
অতএব শােকসিন্ধু অনন্ত অপার,
অকূল পাথারে হরি ! তুমি কর্ণধার। ১৫০।
किं कालकूटमिव कामरसं निपीय
ज्वालावलीभिरनिशं परिदह्यसे त्वम् ।
श्रीकृष्णभक्तिरसपीयूषमेव तूर्ण
पपीय्यतां वृदय रे भवतापशान्त्यै ॥ १५१ ॥
भक्तिमाहात्माम्। বিষম বিষয়-রস যেন হালাহল, তাহ পিয়া কেন হও জ্বালায় বিকল ? শীঘ্র মন! কৃষ্ণভক্তি-সুধা কর পান, সংসারের সব জ্বালা হইবে নির্বাণ। ১৫১। ग्रीष्मार्कभीमकरतप्तमराविवास्मिन् ज्वालामये वत भवे कुतएव शान्तिः । শ্রীজঘন্যমনমালি- च्छायासुशीतलतलं भज जीवपान्थ ॥ १५२ ॥ প্রচণ্ড নিদাঘ-সূৰ্য্যে তপ্ত মরুপ্রায়, জ্বালাময় এ সংসারে শান্তি কোথা হায় ! কৃষ্ণ-কল্পতরু-মূল কর রে ! আশ্রয়, জীব-পান্থ ! চিরশান্তি বিরাজে যথয়। ১৫২। त्वद्भक्तिसौभाग्यविवर्जितः सन् न कामये स्वर्गपुरेऽपि वासम् । वसामि घोर नरकेऽपि कीट: भक्तिहरे त्वच्चरणे यदि स्यात् ॥ १५३ ॥ তব পদে ভক্তিহীন হয়ে নারায়ণ, স্বর্গেও করিতে বাস নাহি চায় মন ; একান্ত ভকতি যদি থাকে ও চরণে, নরকেও করি বাস কৃমিকীট সনে। ১৫৩। पीत्वा चिदानन्दरसं त्वदीयं ললী মন্ত্র জানয়ন ল স্কুঘ।
कृष्णभक्तिरसामृतम्। मन्दाकिनीहममृणालसेवी शम्बू कमन्विष्यति किं मराल: ॥ १५४ ॥ তব চিদানন্দরস করিলে সেবন, হরি হে ! সংসার আর নাহি চায় মন ; মন্দাকিনী-সলিলের কাঞ্চন-মৃণাল, সেবিয়া শম্বুক কভু চায় কি মরাল ?। ১৫৪। त्यता सहस्राण्यपि लोभनीया- न्यन्वेति भक्तो भगवन्तमेव । हित्वा सहस्राणि पयस्विनीनां गवां यथा मातरमेव वत्सः ॥ १५५ ॥ শত শত প্রলােভনে ফিরেও না চায়, একান্ত হৃদয়ে ভক্ত ভগবানে ধায় তেয়াগিয়া দুগ্ধবতী গাভী অগণন, মায়ের পশ্চাতে ধায় বাছুর যেমন। ১৫৫। हा वित्त हा वित्त सदा ब्रुवन्तः सबी धरामर्थक्वते भ्रमन्तः । •पश्यन्ति नो कृष्णनिधिं पुरस्तात् चिन्तामणिं वाञ्छितकल्पवृक्षम् ॥ १५६ ॥ ‘হা অর্থ ! হা অর্থ !'—সদা করে যেই জন, অর্থ তরে ঘুরে মরে সমস্ত ভুবন ; বাঞ্ছাকল্পতরু হরি চিন্তামণি ধন- সম্মুখেই তবু সে না করে দরশন। ১৫৬।
भलिमाहात्माम्। { यथा निशीथे समितं निशम्य शिशुः समालिङ्गति मानवक्षः । श्रुत्वा तथा भीमभवार्तनादं गाड़े मनो धारय कृष्णपादम् ॥ १५७ ॥ কড়মড় বজ্রনাদ নিশীথে শুনিয়া, শিশু যথা মাতৃবক্ষ ধরে জড়াইয়া ; এ সংসারে হাহাকার শুনিয়া তেমন, দৃঢ়রূপে ধর মন! হরির চরণ। ১৫৭। कष्णेतिनामाक्षरगाढ़मुद्रा चिरं यदीये हृदये विभाति । सर्वत्र नित्यं ह्यकुतोभयोऽसौ तत्राधिकारः शमनस्य नास्ति ॥ १५८ ॥ = ‘কৃষ্ণ এই নামমুদ্রা অক্ষয় অক্ষরে হৃদয়ে অঙ্কিত যার থাকে চিরতরে ; সৰ্বত্ৰ অকুতােভয়ে সে করে বিহার, তাহাতে যমের আর নাহি অধিকার। ১৫৮। गूढ़ माभैरिति गिरं व्यसनेऽभयदायिनीम् । श्रुत्वाखासपरीतात्मा भक्तो भवति ते हरे ॥ १५८ ॥ ‘মা ভৈ’-এই দৈববাণী অলক্ষ্য হইতে, বিপদে তােমার ভক্ত পায় হে! শুনিতে ; হরি হে ! অমনি তার দূরে যায় ভয়, বিপুল আশ্বাসে বুক দশ হাত হয়। ১৫৯।
২ कृष्णतिरसामृतम्। भक्तेषु वर्षति हरिः कपापीयूषसागरः । अविवान्तां शान्तिधारा धारां धाराधरो यथा ॥ १६० । বরষায় ধরাধর ধরায় যেমন, অবিশ্রান্ত বারিধারা করে বরষণ ; কৃপাসিন্ধু সেই হরিও তেমন, করেন ভক্তের হৃদে শান্তি বরষণ। ১৬০। यथा वीज विना क्षेत्र बख्य धाराशतैरपि । तथा भक्तिं विना कम व्यर्थं यत्नशतैरपि ॥ ११ ॥ যত কর করষণ যত ঢাল জল, বিনা বীজে ক্ষেত্ৰ কভু নাহি দেয় ফল ; তেমতি ভকতি বিনা সুকাৰ্যসকল, শত শত যতনেও না হয় সফল। ১৬১। যয় মানুষ লীয়ন মলয়াননা:। अमृतात्मा स देवो मे जागर्नु हृदि सर्वदा ॥ १६२ ॥ যাহারে বারেকমাত্র করিলে স্মরণ, সমস্ত যাতনা দূরে করে পলায়ন ; অপূৰ্ব অমৃতময় সেই ভগবান্, করুন হৃদয়ে মাের নিত্য অধিষ্ঠান। ১৬২। यथा भक्तास्य सर्वस्वं त्वमेव भगवन् हरे । तथा तवापि सर्वखं भक्तएव जनाईन ॥ १६३ ॥ ভক্তের সর্বস্ব ধন তুমি হে যেমন, ভক্তই সৰ্বস্ব হরি ! তােমার তেমন। ১৬৩।
. भक्तिमाहात्माम्। ६३ गहिनी च तनयो जहातु मां याति यातु विभवोऽथ बान्धवः । हे मुकुन्द तव पादपङ्कजे भतिरेव न जहातु जातु माम् ॥ १६४ ॥ দার। সুত আদি মােরে করুক বর্জন, যায় যাক্ সম্পদ আত্মীয় পরিজন; হরি হে ! ভকতি পদকমলে তােমার, কভু যেন নাহি মােরে করে পরিহার। ১৬৪। शूलं समारोपयतां वपुमें शस्त्रैः सुतीक्षौरथवा छिनत्तु । प्रात्मा हरे वहतएव चेन्मे व्यर्थों मयि स्यादपि कालदण्डः ॥ १६५ ॥ শূলে যদি দেহ মাের করয়ে প্রদান, অথবা শাণিত শস্ত্রে করে খান খান ; তােমাতে সঁপিলে আত্মা কিবা ভয় কারে ? যমদণ্ড সেও মাের কি করিতে পারে ?। ১৬৫। उन्मत्तमेव भुवनान्यपि मन्वतां मां निन्दन्तु मामुपहसन्वथवा स्तुवन्तु । चेदाममोदमदिराहतचेतन: स्याम् निन्दास्तवोपहसितानि न मां स्पृशेयुः ॥ १६६ ॥ পাগল বলিয়া লোকে যদি পরিহরে, নিন্দা বা প্রশংসা কিম্বা উপহাস করে;
s कृष्णभक्तिरसामृतम्। স্তুতি নিন্দা উপহাস না লাগিবে গায়, চিদানন্দে যদি মাের বাহজ্ঞান যায়। ১৬৬। नवं नवं मे व्यसनं भवेऽस्मिन् त्वय्येः भक्ति सुदृढ़ीकरोतु । दिवथुातानीव तव प्रसादात् पुष्पाणि दुःखानि भवन्तु नाथ ॥ १६ ॥ এ সংসারে নিত্য নিত্য নূতন নূতন আপদ বিপদ কত ঘটে অগণন ; সে সকলে কভু আমি না হয়ে কাতর, তােমাতেই ভক্তি যেন করি দৃঢ়তর ; সমস্ত বিপদ নাথ ! তােমারি কৃপায়, পুষ্পবৃষ্টি সম যেন ধরি হে! মাথায়। ১৬৭। सर्वमेव हररिच्छा भावाभावी सुखासुखे । सर्वचिन्ताविषघ्नोऽयमगदः पीयतां मनः ॥ १६८ ॥ সকলি হরির ইচ্ছা জীবন মরণ, বিপদ সম্পদ সুখ দুঃখ অগণন ; এ বিশ্বাস সৰ্ব্ব চিন্তা-বিষ নাশ করে, এ হেন ঔষধ মন! পিয় ভক্তিভরে। ১৬৮। নী : লক্ষ্মীনি নিন। अस्ति नैकान्तिको यस्य भावः सर्वेखर हरौ॥ १६८ ॥ সৰ্বেশ্বর শ্রীহরির চরণে যে জন, একান্ত ভকতি নাহি কৱয়ে স্থাপন ;
भक्तिमाहात्माम्।
८५
ব্ৰহ্মলােকে যদিও সে করে অবস্থান,
তথাপি দুঃখের তার নাহি অবসান। ১৬৯।
स देवो भावनायोगशान्तराजेऽन्तरात्मनि
स्थिरनिम्मलकासार शशाङ्क इव भासते ॥ १७ ॥
;
ধ্যানযােগে শান্ত শুদ্ধ যাহার হৃদয়,
তাহাতেই শ্রীহরির জানিবে উদয়
জলাশয় হয় যদি স্থির নিরমল,
তাহারি গরভে শােভে শশাঙ্কমণ্ডল। ১৭০।
किं तीर्थः किं तपोयः किं सध्याश्राद्धतर्पणैः ।
हृदये रसनायाञ्च हरिरेवास्ति चेत् सदा ॥ १७१ ॥
হরিই হৃদয়ে যার সদাই ভাবনা,
হরি বিনা বাণী যার না জানে রসনা ;
তীর্থ তপ যাগ সন্ধ্যা শ্রাদ্ধ বা তর্পণ,
এ সকলে বল ! তার কিবা প্রয়োজন ?। ১৭১।
मोहमूलमहङ्कारशाखं शोकफलप्रदम् ।
हरिभक्ति विना नास्ति शस्त्रं छत्तुं भवद्रुमम् ॥ १७२ ॥
মায়াময় ভব-বৃক্ষ মােহ মূল যার,
রােগ শােক ফল যার শাখা অহঙ্কার ;
সমূলে ও বিষবৃক্ষ করিতে সংহার,
হরিভক্তি একমাত্র জানিবে কুঠার। ১৭২।
यो भक्तो येन भावेन भगवन्तमभीसति।
उदेति तत्र तेनैव सर्वभावमयो हरिः ॥ १७३ ॥
कष्णभक्तिरसामृतम्। যে ভক্ত যে ভাবে তারে করে আবাহন, সেই ভাবে তারে তিনি দেন দরশন ; ভকতবৎসল হরি সর্বভাবময়, সৰ্বরূপে সর্বস্থানে তাহার উদয়। ১৭৩। कारुण्यसिन्धोऽखिलजीवबन्धी हरे कदोदेष्यसि मे हृदाले । अहम्मतिर्यास्यति वीतशोको द्रक्ष्यामि चानन्दमयं समस्तम् ॥ १७४ ॥ হরি হে জীবের বন্ধু! অপার করুণাসিন্ধু ! হৃদয়কমলে কবে হবে হে ! ঘুচে যাবে ‘আমি’ বলা জুড়াবে সকল জ্বালা সকলি হেরিব কবে সদানন্দময়। ১৭৪। উদয় ? पापापहारी नरकान्तकारी निस्तारकारी यमभीतिहारी। संसारवारांनिधिकर्णधारी বিন বীৰ ম ব সুবি। ২০৪ । । ভবের কাণ্ডারি যিনি নিস্তারকারণ, নরকান্তকারী যমভয়নিবারণ; সৰ্বপাপহারী সেই হরি দয়াময়, সদাই হৃদয়ে মাের হউন উদয় । ১৭৫। ओङ्कारमूर्तिस्वमनन्त विष्णो बिभर्षि मूर्तित्रितयेन विश्वम् ।
भक्तिमाहात्माम्। त्वां योगिनोऽनाहतचक्रमध्ये नित्यं विचिन्वन्ति समाधियोगात् ॥ १७६ ॥ ••• ওঙ্কারমূরতি তুমি ওহে নারায়ণ ! ত্রিমূৰ্ত্তি হইয়া বিশ্ব করিছ ধারণ ; অনাহত-চক্র-মাঝে যােগী ঋষিগণ, তােমাকে ওঙ্কাররূপে করে দরশন (১)। ১৭৬। वसन् विदूरेऽपि वसस्यदूर जराविहीनोऽसि पुरातनोऽपि । दुःखैरधृष्योऽपि दयाश्रयोऽसि कस्ते स्वरूपं वद वेद कृष्ण ॥ १७७ ॥ অতিদূরে আছ তবু নিকটেই রও, পুরাণ পুরুষ কিন্তু জরাগ্রস্ত নও; দুঃখের অতীত কিন্তু দয়ার আশ্রয়, হরি হে ! স্বরূপ তব কে করে নির্ণয় ? (২)১৭৭। अनादिमध्यो जगदादिमध्यो निरन्तकस्त्वं जगदन्तकोऽपि । (১) অনাহত চক্র'—(বৈষ্ণবলক্ষণ, ৮পৃষ্ঠা, ১৭নং শ্লোকের টীকা দেখ।) (২) অতিদূরে আছ’—অর্থাৎ তুমি সকলের অন্তর্যামী বলিয়া সকলের দয়মধ্যেই বাস করিতেছ, অথচ বাক্যমনের অগােচর বলিয়া সকলের দূরে হিয়াছ। পুরাণ পুরুষ কিন্তু জরাগ্রস্ত নও’—অর্থাৎ তুমি অনাদি চিরন্তন পরমপুরুষ, কিন্তু কখনই জীর্ণ হও না, আর সমস্তই পুরাতন হইলে জীর্ণ হইয়া যায়, কিন্তু তুমি অনন্তকালই অজরভাবে আছ। দুঃখের অতীত কিন্তু দয়ার আশ্রয়’—যাহার দয়া আছে সে পরের দুঃখে নিজে দুঃখবােধ করে, কিন্তু তুমি দয়াময় হইয়াও স্বয়ং দুঃখের অতীত।
জমিষােন। अगम्यरूपोऽपि समाधिगम्यः कस्ते स्वरूपं वद वेद कृष्ण ॥ १७८ ॥ জগতের আদি মধ্য তুমি ভগবান্ ! কিন্তু তব আদি মধ্য নাহি বিদ্যমান ; তুমি হে ! অনন্ত কিন্তু বিশ্ব অন্ত কর, অগােচর কিন্তু তুমি ধ্যানের গােচর ; অচিন্ত্য স্বরূপ তব অনন্ত মহিমা, কে জানিবে তব তত্ত্ব কে করিবে সীমা ?। ১৭৮। ? यथैव सूर्यस्य मरीचियोगात् ज्योतिम्मयं भाति शशाङ्कविम्बम् । सचेतनं भाति तथैव विखं तवैव चैतन्यमय प्रभावात् ॥ १७ ॥ যেমতি পাইয়া প্রভাকরের কিরণ, অপূৰ্ব আলােকে চন্দ্র হয় সুশােভন ; তেমতি চৈতন্যময়! প্রভাবে তােমার, সচেতন হয়ে রয় এ বিশ্ব সংসার। ১৭৯। अनन्तरूपेण चराचराणि व्याप्नोषि विखान्य खिलानि विष्णो। खं सर्वरूपाण्यपि रूपभिवः त्वं सर्वभूतान्यपि भूतभित्रः ॥ १८० ॥ হরি হে ! অনন্ত রূপ ধারণ করিয়া, স্থাবর জঙ্গম বিশ্ব রয়েছ জুড়িয়া ;
भक्तिमाहात्माम्। ৫ ভূত নহ কিন্তু তুমি সৰ্ব্বভূতময়, রূপ নহ কিন্তু সৰ্ব্ব রূপের আশ্রয় । ১৮০। खेच्छामयोऽसि सब ते खेच्छाधीनं प्रवर्तते कृष्ण हे भवदिच्छव पूर्णा भवति केवला ॥ १८१ ॥ সকলি তােমার ইচ্ছা তুমি ইচ্ছাময়, যা কৃষ্ণ ! তােমার ইচ্ছা তাই পূর্ণ হয়। ১৮১। दयामय त्वमेवासि द्याशा सत्या सनातनी। इन्द्रजालमिवान्याशा शून्यएव विलीयते ॥ १८२ ॥ সত্য সনাতন আশা তুমি দয়াময় ! অন্য আশা ভােজবাজি শূন্যে পায় লয়। ১৮২। तदेव मङ्गलं सत्यं यदेव कुरुषे हरे । जीवनं मरणं वापि मम तुल्यं त्वदिच्छया ॥ १८३ ॥ তুমি যাই কর তাই সত্য সুমঙ্গল, সত্যময় শিবময় তুমিই কেবল ; তােমার ইচ্ছায় মাের জীবন মরণ, একই আমার পক্ষে ওহে নারায়ণ !। ১৮৩। वं यं रक्षसि हे नाथ स एव खलु रक्षितः । वं चेन्न रक्षसि सदा कस्तं रक्षितुमीखरः ॥ १८४ ॥ তুমি যারে রাখ হরি ! সেই রক্ষা পায়, তুমি যারে না রাখিবে কে রাখিবে তায় ?। ১৮৪। इहकालं न जानामि परकालं च केशव । इहकालः परः कालस्वमेव सकलोऽसि मे ॥ १८५॥ ১২
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
।
ইহকাল পরকাল জানি না কেশব !
ইহকাল পরকাল তুমি মাের সব। ১৮৫।
टुष्कृतं सुक्कतं वापि हरे तुभ्यं समर्पये
त्राहि मां जहि वा नाथ यदिच्छसि तथा कुरु ॥ १८६
শুভাশুভ কৰ্ম্মফল যা কিছু আপন,
হরি হে ! তােমার কাছে কি আছে গােপন ?
সকলি সঁপিনু নাথ ! তােমারি চরণে,
রাখ বা মারহ মােরে যাহা ইচ্ছা মনে। ১৮৬।
पदे पदे तव पदे मोहतो मे कतागसे।
ज्ञानं तदेहि गोविन्द शोकमोहनिवारणम् ॥ १८७ ॥
পদে পদে মােহমদে হ'য়ে জ্ঞানহত,
তব পদে অপরাধ করিতেছি কত ;
যাহার প্রভাবে শােক মােহ দূরে যায়,
সেই জ্ঞান ভগবান্ ! দাও হে আমায়। ১৮৭।
भवदावानलज्वालां कारुण्यामृतविन्दुभिः ।
हरे हर कपासिन्धो दीनबन्धो जगत्पते ॥ १८८ ॥
সংসারে শােকের জ্বালা যেন দাবানল,
হৃদয়-কানন তাহে দহে অবিরল ;
দীনবন্ধু কৃপাসিন্ধু জগন্নাথ হরি!
নিবাও করুণামৃত বরষণ করি। ১৮৮।
कृष्णमेघामृतं देहि याचेऽहं भक्ताचातकः ।
जीवनं चातकस्ये ह जीमूतस्यैव जीवनम् ॥ १८८ ॥
- . gic8lua ki? *32 6, भक्तिमाहात्माम् । ? দাও হে অমৃতবারি কৃষ্ণ-জলধর। এ ভক্ত-চাতক তব তৃষ্ণায় কাতর ; জলধর ! জল যদি নাহি কর দান, চাতকের এ পিপাসা কে করে নির্বাণ ?। ১৮৯। क्षुद्रा देहतरी जीर्णाऽपारश्च भवसागरः । शरणं मे हरि हरि तवैव करुणा हरे ॥ १८० ॥ অপার সংসারসিন্ধু ভীষণমূরতি, তাহে ক্ষুদ্র দেহ-তরী জীর্ণশীর্ণ অতি ; কেমনে হইব পার কি হইবে দশা, হরি হে ! কেবল তব কৃপাই ভরসা। ১৯০। বনা: ঈমানিলিনা: অলিনা ৰূম: धूमावृता इव दिशः किल दृष्टिदोषात् । वाताहतेव कदली विकलाङ्गयष्टिः हाहा तथापि विषयान् न जहाति चेतः ॥ १८१ ॥ ক্রমে ক্রমে দন্ত গেল পক্ক হৈল কেশ, দৃষ্টিদোষে ধূমময় হেরি সর্ব দেশ ; ঝড়ে কদলীর প্রায় কঁপিছে শরীর, বিষয়তৃষ্ণায় মন তবুও অধীর। ১৯১। यातो दिवं जनयिता जननी च याता याताच बाल्यसुहृदोऽपि सहोदरास्ते । याताश्च हा सुतसुताश्च सुताश्च तासां हाहा तथापि विषयान न जहाति चेतः ॥ १८२ ॥ LIORARY গুণ ८२ कृष्णभक्तिरसामृतम् । সুরপুরে পিতা মাতা গিয়াছেন চলি, বাল্যসখা সহােদর গিয়াছে সকলি পুত্র কন্যা পৌত্র আদি হরিল শমন, তথাপি বিষয় হায় ! নাহি ছাড়ে মন। ১৯২। पश्चात् केशशिखां विकृत्य शमनो गर्जत्यही व्याघ्रवत् प्रोन्मुक्तं पुरतश्च घोरनरकहारं त्वदर्थ स्थितम् । हाहाद्यापि निपीय मोहमदिरां मत्तोऽसि नो चेतसे जीव वं नरकान्तकारिचरणं तूर्ण दृढ़ धारय ॥ १८३ ॥ পশ্চাৎ হইতে কেশে করিয়া ধারণ, ব্যাঘ্ৰসম গর্জিতেছে ভীষণ শমন ; উদঘাটিত হের জীব! সম্মুখে তােমার, সুদুস্তর ঘােরতর নরকের দ্বার ; তথাপি রয়েছ মত্ত মােহ-মদিরায়, এখনাে চেতনা তব না হইল হায় ! এখনাে যদ্যপি চাও মঙ্গল আপন, শীঘ্র ধর নরকারি হরির চরণ। ১৯৩। आशाभङ्गो भवति विरहो दुःसहश्चैव शोकः संसारेऽस्मिन् वत निदधतो मूढ़बुद्धेर्ममत्वम् । नाशाभङ्गो न खलु विरहो नैव शोको न तापो नित्यानन्दं रसयति पर सच्चिदानन्दभक्तः ॥ १८४ ॥ বিষয়ে আসক্তি যেই করে মূঢ় জন, পদে পদে হয় তার বিরহ ঘটন ;
भक्तिमाहात्माम् । অশাভঙ্গে মনস্তাপে হয় জরজর, অনিত্যে মমতা সৰ্ব্ব দুঃখের আকর ; যে জন সচ্চিদানন্দে সঁপে মন প্রাণ, না জানে বিরহদুঃখ সেই ভাগ্যবান ; আশাভঙ্গ নাহি তার, শােক নাহি জানে, সদানন্দে রয় চিদানন্দ-সুধা পানে। ১৯৪। सर्वषं विषममन्तकमन्तिके ते व्यात्ताननं विकटशब्दकरालदंष्टम् । जीव प्रसारितभुजं ग्रसनाय दृश्या तूणं मुरारिपदमाशय भीतिहारि ॥ १८५ ॥ কড়মড়ি ভীম দন্ত মেলিছে বদন, রে জীব! সম্মুখে দেখ ! কৃতান্ত ভীষণ ; করিল করিল গ্রাস! ধর শীঘ্র করি, ভয়হারী শ্রীহরির শ্রীচরণ-তরি। ১৯৫। जरठणलघीयो जीवनं मानवानां अचिररुचिविलोलान् कामभोगांश्च सर्वान् । ग्रहधनपरिवारान् स्वप्नरूपान् विदित्वा प्रविश हृदय तूर्णं सच्चिदानन्दसिन्धुम् ॥ १८६ ॥ জীর্ণ-তৃণকণা-সম জীবন অসার, স্বপ্নময় ধন জন গৃহ পরিবার ; জলদে চপলা-খেলা ক্ষণিক যেমন, এ ভবে বিষয়সুখ জানিবে তেমন ;
.৪
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
অতএব শীঘ্র মন! কর রে আশ্রয়,
নিত্য-চিদানন্দসিন্ধু হরি দয়াময়। ১৯৬।
सदा सदानन्दमये पदे ते
कृपानिधे कर्षसि मां मुकुन्द ।
तथापि हा पातकिनी मनी से
धावत्यभीक्षा भवशोकसिन्धौ ॥ १८७ ॥
তব সদানন্দময় পদে নিরন্তর,
টানিছ আমায় হরি করুণাসাগর ।
তবু পাপ মন হায়! ধায় বারে বারে,
এ ঘাের সংসার-শােকসিন্ধুর মাঝারে। ১৯৭।
त्वां निर्गुणं नाम वदन्तु वेदाः
कुत्रास्ति कोवा गुणवत्तरस्त्वत् ।
अहो गुणं पातकितारणं तं
हरे त्वदन्यो धरते भवे कः ॥ १०८ ॥
বেদেতে নিগুণ বলে বলুক তােমায়,
তােমা হেন গুণাধার কে আছে কোথায় ?
যে গুণে তরাও হরি ! মহাপাপিগণে,
সেই গুণ তােমা বিনা কে ধরে ভুবনে ?। ১৯৮।
किं ददामि ददामीति चिन्तयामि हरे सदा ।
यद्देयमस्ति मे तुभ्यं त्वं तदेव धनं मम ॥ १८८ ॥
८५ भक्तिमाहात्माम्। কি দিব কি দিব হরি! মনে করি আমি, যে ধন তােমারে দিব সেই ধন তুমি (১)। ১৯৯। यच्चिन्तयामि मनसा यदुदीरयामि कायेन वा यदखिलं प्रकरोमि कम्म । हे कृष्ण तत् तव पदार्पितमस्तु सव्वं । प्रीत्यै तवैव मम जन्म युगे युगेऽस्तु ॥ २०० ॥ যাহা করি যাহা বলি যাহা ভাবি মনে, সে সকলি সঁপি যেন তােমারি চরণে ; সাধিতে তােমারি প্রীতি ওহে নারায়ণ ! যুগে যুগে করি যেন জনম গ্রহণ। ২০০। हरे नो जानेऽहं सुक्तमथवा दुष्कृतफलं न दैवं मे चेतो न च पुरुषकारं गणयति । तवैवेच्छाधीनं सकलमिति चित्ते कलयतः परा भक्तिनित्यं वसतु तव पादे मम हृदि ॥ २०१ ॥ পাপও জানি না আমি পুণ্যও জানি না, দৈব বা পুরুষকার করি না গণনা ; হরি হে ! তােমারি ইচ্ছা সকলি জানিয়া, থাকি যেন তব প্রেমে নিমগ্ন হইয়া। ২০১। (১) সংস্কৃত মুল শেক টী বদন অধিকারীর যাত্রার গানের অবিকল অনুবাদ। শ্রীকৃষ্ণ যােগীর বেশ ধরিয়া রাধার নিকট আসিয়া ভিক্ষা চাহিলে, রাধা সেই ছদ্মবেশী প্রাণেশ্বরকে দেখিয়াই চিনিতে পারিলেন, এবং তাহার প্রার্থনায় উত্তর দিলেন, “কি দিব কি দিব বঁধু ! মনে করি আমি, যে ধন তােমারে দিব, (বঁধু !) সেই ধন (আমার) তুমি”।
कृष्णभक्तिरमामृतम्।
यत्र गत्वा न शोचन्ति तद्ब्रह्म परमं यया।
प्रासाद्यते नमस्तस्यै भक्तयेऽचिन्त्यशक्तये ॥ २०२ ॥
যাহাকে লহিলে আর শােক নাহি রয়,
সেই ব্ৰহ্ম যাহার প্রসাদে লাভ হয়
অচিন্ত্যশকতি সেই ভকতির পদে,
নমস্কার বার कति भटम भान । २०२ ।
रे काल भाययसि किं विकटाट्टहास्यैः
शोकानल त्वमसि रे मयि शान्ततापः ।
रे व्याधयः शरणमन्यविधं भजध्वम्
नैवाधिकार इह वो मयि कृष्णदासे ॥ २०३ ॥
রে কাল ! বিকট হাস্য করিয়া বিস্তার,
বৃথা কেন বিভীষিকা দেখাইছ আর ?
শােকানল ! মাের কাছে তুমিও নিৰ্বাণ,
ব্যাধিগণ ! স্থানান্তরে করহ প্রস্থান ;
আমি যে কৃষ্ণের দাস, কি ভয় আমার ?
अामार काशीत! आदि नारि अधिकात । २०७।
(गानम् )
देव परात्पर
जय जगदीखर
सर्वगुणाकर विश्वविधे।
प्रेमसुधाकर
सुमधुर सुन्दर
कलुषगरलहर शान्तिनिधे ॥२०४॥
भक्तिमाहात्माम्।
८७
जय भयभञ्जन
धानिकरचम
नित्य निरजन विखपते ।
पातकितारण
पापनिवारण
निर्वृतिकारण जीवगते ॥२०५॥
जय नारायण
परम परायण
शोकमहार्णवपारतरे।
सत्य सनातन
पुरुष पुरातन
मुक्तिनिकेतन कृष्ण हरे ॥२०६॥
जय महिमोज्ज्वल निष्कल निम्मेल
सकलसुमङ्गलकल्पतरो।
भवपथसम्बल
सर्वतपःफल
दुर्बलबल जगदेकगुरो ॥२०७॥
जय परमेश्वर
देव दिगम्बर
विश्वम्भर हर शङ्कर है।
जय दामोदर
भक्तामनोहर
मुरहर करुणासागर हे ॥२०॥
जय मुरमईन
नाथ जनाईन.
दुःखहरण मधुसूदन है।
त्रितापनाशन
विभूतिभूषण
दुष्टदनुजगणभीषण है ॥२०॥
कृष्णभक्तिरसामृतम्। नाममाहात्माम्। सर्वतीर्थानि तत्रैव सर्व सिहर्षिदेवताः । आविर्भवन्ति यत्वैव हरेर्नामानुकीर्तनम् ॥ १ ॥ ভক্তবৃন্দে প্রেমানন্দে হইয়া মগন, যেই স্থানে হরিনাম করে সঙ্কীৰ্ত্তন ; দেব ঋষি সিদ্ধ যত, যত তীর্থ স্থান, সেই স্থানে সকলেরি হয় অধিষ্ঠান।১। किं तेन भगवन्नाम्ना विना भक्त्या निषेवणम् । पौषधं नाममात्रेण व्याधिशान्तिं करोति किम् ॥ २ । মুখে শুধু হরিনাম করিলে কি হয় ? ভক্তিভাবে না সেবিলে নাহি ফলােদয় ; নিয়মে সেবন যদি নাহি করা যায়, ঔষধের নামমাত্রে রােগ কি পলায় ?। ২। किं तेन भगवबाम्ना प्रेमा, हृदयं न चेत् । भूमिरार्द्रा न चेवर्षेः किं फलं घनगर्जितैः ॥ ३ ॥ প্রেমরসে আদ্র যদি না হয় হৃদয়, মুখে শুধু হরিনাম করিলে কি হয় ? মাটি যদি নাহি ভিজে বারি-বরষণে, কিবা ফল ঘন ঘন ঘন-গরজনে?। ৩। न भक्तिशून्यैरावानर्भगवानधिगम्यते । যমুন্ময় ছক্কা: জি খিনি। ৪।
नाममाहात्मयम् । ভক্তিযােগ বিনা তারে করিলে আহ্বান, সে আহ্বানে কভু নাহি মিলে ভগবান ; বাণশূন্য ধনুকের শুধুই টঙ্কারে, কদাচ কি লক্ষ্যভেদ করিবারে পারে ?। ৪। प्राणान्तिको महाव्याधिर्विषयो विषमो नृणाम् । तस्य भक्त्यनुपानेन हरेर्नामेव भेषजम् ॥ ५ ॥ বিষয় বিষম ব্যাধি, তাহে নরগণ, অহরহ যমঘরে করিছে গমন ; এ রােগের একমাত্র শান্তির নিদান, হরিনাম মহৌষধ ভক্তি অনুপান । ৫। यदि वाञ्छसि वैकुण्ठममृतं नाम धाम तत् । निर्भयं पिव रे जीव हरिनामरसं तदा ॥ ६ ॥ যদি ওরে জীব । হ’বি চিরঞ্জীব লভিবি অমৃত ধাম, আকণ্ঠ পূরিয়া পিয় তবে হরিনাম। ৬। হৃদয় ভরিয়া हाहाकारसहस्राणि किं मुञ्चसि मनः सदा वद र सर्वशोकान्तं हरिरित्यक्षरहयम् ॥ ७ ॥ হাহাকার বারবার করিছ মােন, তাহে কি শােকের শান্তি পাইবি রে মন । বারেক ভকতিভরে কর হরিনাম, জুড়াইবে সব জ্বালা পূর্ণ হবে কাম। ৭।
क्षणभक्तिरसामृतम्। महासङ्कटमग्नानां शरणायावसीदताम् । शरणं तारकब्रमहरिनामैव केवलम् ॥ ८ ॥ পড়িয়া দুস্তর ঘাের সঙ্কট-সাগরে, অবসন্ন হয় যেই আশ্রয়ের তরে ; এ ভবে তারকব্রহ্ম হরিনাম তার, একমাত্র আছে গতি করিতে নিস্তার। ৮। प्रानन्दधाम्नि यदि यास्यसि जीव नूनं पाथेयमस्तु भवतो हरिनाम मार्गे । गच्छन्तमेव यदि कालफणी दशेत्त्वां नामैव तत् सकलशोकविषापहं स्यात् ॥८॥ নিতান্ত যাবে হে! যদি সে আনন্দধাম, পথের সম্বল জীব! কর হরিনাম ; যেতে যেতে পথে যদি দংশে কাল-ফণী, সে নামে কালের বিষ ছাড়িবে অমনি। ৯। धत्ते मरुः सुरवनीरमणीयशोभां प्रोद्दामदावदहनोऽप्यमृतांशशैत्यम् । येन श्मशानमपि दिव्यसुखास्पदत्वं तत् कृष्णनाम नियतं जप मानस त्वम् ॥ १० ॥ ८ যে নামে দাবাগ্নি হয় অমৃত-শীতল, बनन-वान मलिशान बल; যে নামে শ্মশান হয় আমলকানন, (मरे रजिनाय माना जान मन ! ।।
नाममाहात्मयम्। १०१ मा मा विश्वम्यतां जिले क्षणमेकमपि त्वया । हरे कृष्ण हरे कृष्ण कीर्त्तय त्वमनारतम् ॥ ११ ॥ ক্ষণমাত্র ক্ষান্ত নাহি হইও রসনে ! হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ বল রে ! সঘনে। ১১। विशुष्का विवशा यावदूसने नासि मृत्युना। तावदूसय रे शश्वत् कृष्णनामरसामृतम् ॥ १२ ॥ রে রসনে ! যমে আসি গ্রাসিবে যখন, বিশুদ্ধ বিবশ হয়ে পড়িবি তখন ; অতএব যতক্ষণ আছ সচেতন, কৃষ্ণনাম-সুধা সদা কর আস্বাদন। ১২। यथा भागीरथीस्रोतो विदार्य हिमवद्गुहाम् । तथा मे हृदयं भित्त्वा हरिनाम प्रवर्त्तताम् ॥ १३ ॥ তেজে হিমালয়-গুহা করি’ বিদারণ, গঙ্গার প্রবাহ ছােটে দিগন্তে যেমন ; তেমনি হৃদয় মাের ভেদিয়া সঘনে, হরিনাম মহাবেগে ছুটুক বদনে। ১৩। कतान्तोऽन्तर्धत्ते वहति मृददेहेऽमृतनदी विधूयान्तर्धान्तं किमपि पृथु धाम प्रसरति । हरे वनामेव प्रतरति भवाब्धिं यदि जनो न जाने श्रीजाने स्वयमसि तदा कीदृशगुणः ॥ १४ ॥ হরি হে! তােমার নামে যায় যমভয়, মৃতদেহে অমৃতের স্রোতস্বতী বয় ;
सष्णभक्तिरसामृतम्। মােহ-অন্ধকার আর কিছু নাহি রয়, অপূৰ্ব আলােকে আত্মা পুলকিত হয় ; যে জন ভকতিভরে তব নাম করে, এ ভব-সাগর সেই অনায়াসে তরে ; তােমার নামের যদি মহিমা এমন । জানি তােমার তবে মহিমা কেমন !। ১৪। क्षुधाषार्तिश्रमवैरिवारणम् जरारुजामृत्युभयप्रणाशनम् । अहर्निशं जीवविहङ्ग गीयताम् विमुलिदं श्रीहरिनाम केवलम् ॥ १५ ॥ ক্ষুধা তৃষ্ণা শ্ৰম বৈরী যে করে বারণ, জরা রােগ মৃত্যুভয় যে করে হরণ ; রে জীব-বিহঙ্গ ! তুমি কর কর গান, সেই হরিনাম যাহে লভিবে নিৰ্বাণ। ১৫। पालोको जीवलोकस्य जीवानां त्वं हि जीवनम् । पापिनां शरणं नाथ तव नामेव केवलम् ॥ १६ ॥ লােকের আলােক তুমি জীবের জীবন, হরি হে ! তােমারি নাম পাপীর শরণ। ১৬। तेनाधीतं श्रुतं तेन तेन सर्वमनुष्ठितम् । हरिनामरसेनार्दा रसना यस्य सर्वदा ॥ १७ ॥ সার্থক তাহারি বিদ্যা তাহারি সাধনা, হরিনাম-রসে আর্দ্র যাহার রসনা। ১৭।
नाममाहात्माम्। १०३ अज्ञानाद् यदि वा ज्ञानाद् येन यद् दुष्कृतं कृतम् । तत् सर्वं विलयं याति हरिनामानुकीर्तनात् ॥ १८ ॥ জ্ঞানে বা অজ্ঞানে লােক যত পাপ করে, ভক্তিভরে হরিনাম সে সকলি হরে। ১৮। भवेत् कृतान्तस्त्वयि भग्नदण्डः सम्पूर्णकामो भवितासि नूनम् । रे जीव भक्त्या परिपूर्णया त्वं कृष्णेति नाम स्मर नित्यमेव ॥ १८ ॥ ভক্তিভরে ও রে জীব! স্মর কৃষ্ণনাম, চূর্ণ হবে যমদণ্ড পূর্ণ হবে কাম। ১৯। ओम्-सत्यनारायण कृष्ण-नाम- ध्वनिः समुत्तिष्ठति यस्य नित्यम् । गुहां विनिर्भिद्य हृदन्तरस्था तत्राधिकारः शमनस्य नास्ति ॥ २० ॥ 'ॐ-महानाहान-वृक्ष' नांय यात- ভেদিয়া হৃদয়-গুহা উঠে বারবার ; কি ভয় কি ভয় তার এ জগতে আর, . তাহাতে যমের আর নাহি অধিকার। ২০। कृष्ण कृष्णेति कृष्णेति क्रोशतो मे मुहुर्मुहुः । दुर्गतिं हर गोविन्द महापापिनमुद्धर ॥ २१ ॥ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ বােলে ডাকি বারবার, এ মহাপাপীরে হরি ! কর হে উদ্ধার । ২১।
१०४ कृष्णभक्तिरसामृतम्। यथैव धेनुम् । अम्बे ति बालो जननी यथात: हम्बेति वत्सश्च वृषा यथा कोशति चातकोऽ हरे तथा खामहमास्यामि ॥ २२ ॥ ‘মা-মা’ বলে ডাকে যথা রােগাৰ্ত্ত বালক, জলধরে ডাকে যথা তৃষিত চাতক ; ধেনু তরে বৎস যথা করে হম্বারব, আমিও তেমতি তােমা ডাকি হে কেশব !। ২২। मा मेति विक्रोशति रुडकण्ठः (१) यथा शिशुः स्वममवेक्ष्य घोरम् । तथा भवे भीतिमवेक्ष्य शश्वत् क्रोशामि हाहा क दयामयेति ॥ २३ ॥ হেরি’ শিশু নিদ্রাবশে বিকট স্বপন, 'ना-गा' (वारल तनवरत सूकति रागन; তেমনি এ ভবে আমি পেয়ে মহাভয়, হাহাকারে ডাকি কোথা ওহে দয়াময়!। ২৩। न राहं न जनो न वैभवं न च मानो न कुलं न बान्धवः । चरमे भवसिन्धुतारणे तरपण्य हरिनाम केवलम् ॥ २४ ॥ - (१) 'मा' शब्दी मारवाचकः, यथा एकाक्षरकोष,- "मा शिवचन्द्रमा वेधा मा लमीय प्रकीर्तिता। मा च मातरि माने च बन्धन च समौषिता"।
नाममाहात्माम्। १०५ ধন মান কুল শীল গৃহ পরিবার, সঙ্গে নাহি যাবে কিছু, সকলি অসার ; অন্তিমে এ ভবসিন্ধু হইবারে পার, পারাণি কড়িটী সেই হরিনাম সার। ২৪। कृष्णनामजयवैजयन्तिका- মনন : লায়ন। भग्नदन्तइव कालपनगः दीनां च भजते स कामपि ॥ २५ ॥ কৃষ্ণনাম-জয়ধ্বজা করি দরশন, দূর হ’তে সসম্ভ্রমে পলায় শমন ; কালসর্প বিষদন্ত ভাঙ্গিলে যেমন, কৃষ্ণনামে শমনের দুর্গতি তেমন। ২৫। करोषि किं जीव तृषार्तनादं भक्त्या कुरु त्वं हरिनामपानम् । नामामृता, खलु यस्य चेत: সুন: যি নহৰ নয় । ২৪। রে জীব! তৃষ্ণায় কেন করিছ রােদন ও ভক্তিভরে হরিনাম করহ সেবন ; হরিনামামৃতে আর্দ যাহার হৃদয়, তার কি পিপাসা আর এ জনমে হয় ?। ২৬। वोऽपि पुष्पाधिकसौकुमार्य शिलापि येन द्रवतामुपैति । ৪ कृष्णभक्तिरसामृतम्। नाना हरेस्तेन न यस्य चेतः द्रवीभवेत् कोऽस्ति ततो दुरात्मा ॥ २७ ॥ যে নাম শুনলে গলে পাষাণ সকল, পুষ্পের অধিক হয় বর্জও কোমল ; হায় রে ! সে নামে যার নাহি গলে মন, কে আছে পাষণ্ড বল ! তাহার মতন। ২৭। ग्गृह्णाति यो नाम हरेन भक्त्या सक्कदिनान्तेऽपि सुमन्दबुद्धिः । तं भारभूतं खलु भूतधानवाः मा जातु गर्भ जननी दधातु ৷৷ ২০। দিনান্তেও একবার যেই মূঢ়জন, ভক্তি করি’ হরিনাম না করে গ্রহণ; পৃথিবীর ভার সেই, সে নহে মানব, হেন পুত্র মাতা যেন না করে প্রসব। ২৮। हरेन नामग्रहणेऽर्थहानि: निस्तारयेत् तत् कृतमेव भक्त्या । विनैव मूल्यं सुलभा सुधेयं न पीयते येन ततोऽस्ति कोऽनः ॥ २८ ॥ হরিনাম অর্থ দিয়া কিনিতে না হয়, ভক্তিভাবে করিলেই যায় মৃত্যুভয় ; বিনা মুল্যে হেন সুধা যে না করে পান, তাহার সমান আর কে আছে অজ্ঞান ?। ২৯।
नाममाहात्माम्। ध्याय रे जप रे कृष्ण कृष्णनामैव कीर्तय आत्मारामो भवात्मन् मे कृष्णानन्देन सर्वदा ॥ ३० ॥ স্মর কৃষ্ণ, জপ কৃষ্ণ, গাও কৃষ্ণনাম, কৃষ্ণানন্দে আত্মা মাের হও আত্মারাম। ৩০। यवाना शवजीर्णशीर्णविगलत्कङ्गालमालाप्यहो भूयो जीवनमागता पुलकिता प्रेम्णा नरीनृत्यते । यन्नाम्ना नरकापगापि च सुधापूरायते तत्क्षणं नित्यं श्रीहरिनाम वै विजयतां त्रैलोक्यसारं हि तत् ॥३१॥ যে নামে শবের অস্থি জীর্ণ বিগলিত, প্রাণ পেয়ে নাচে প্রেমে হ'য়ে পুলকিত ; যে নামে নরক-নদী হয় সুধাধার, জয় জয় হরিনাম ত্রিলােকীর সার। ৩১। विमुक्तासङ्गो निभृते निषसो हरे निशीथे परिषुप्तलोके । अहो विचित्रं गगनेऽहमीक्षे तारासु तारासु तवैव नाम ॥ ३२ ॥ গভীর নিশীথে সবে ঘুমায় যখন, একাকী বিরলে আমি বসিয়া তখন ; কি দেখি আকাশ পানে। কি বলিব হায় ! হরি হে! তােমারি নাম তারায় তারায়। ৩২।
মমিন। নামমা:। (২) सौरतेजो यथा मेघे नानावणे विभासते । भक्तचित्ते तथैकोऽपि नानारूपधरो हरिः ॥ १ ॥ (১) যে যত মা-বাপের আদুরে ছেলে হয়, তাহার নামের সংখ্যাও তত অধিক দেখিতে পাওয়া যায়। আদুরে ছেলেকে মা বাপের যতই আদরের যতই সােহাগের নাম দিয়া ডাকুক না কেন, কিছুতেই তাহাদের আশ মিটে না, এজন্য আদুরে ছেলের নাম নিত্য নিত্য নুতন । ভগবান অনন্ত ভক্তমণ্ডলীর আদুরে গােপাল, তাই তাহার নামেরও অন্ত নাই। যে ভক্ত যখন যে ভাবে তাহাকে ভাবনা করে, ভগবান্ সেই ভাবে তাহাব নিকট উপস্থিত হন। যে ভক্ত যখন যে নামে তাহাকে আহ্বান করে, ভগবান্ সেই নামে তাহার নিকট উপস্থিত হন। এই জন্যই, যিনি "सहसशीर्षा पुरुषः सहस्राक्ष: सहस्रपात् । ৰ মুনি নিস্বনী আদ্য অনিষ্টকুল” । সেই অনন্তদেব শ্রীকৃষ্ণের সহস্র নাম। সহস্র প্রকার ভক্তের একই ভগবদ্ভক্তির সহস্র প্রকার রূপভেদে একই ভগবানের সহস্র প্রকার রূপ ও সহস্র প্রকার নাম। তঁাহার সেই সহস্র প্রকার রূপ ও সহস্র প্রকার নাম একই ভক্তি-সাগরের বিবৰ্ত, অর্থাৎ রূপভেদ বা উপাধিভেদ মাত্র । এই জন্যই ভগবদ্ভক্ত মহাকবি কালিদাস বলিয়াছেন, "बहुधाऽप्यागमै भिन्नाः पन्थान: सिद्धिहेतवः । লঘৰ নিবনীঘা সাক্কনীয়া ৰাৰ”। অর্থাৎ-যেরূপ গঙ্গার প্রবাহসকল ভিন্ন ভিন্ন পথে প্রবাহিত হইয়াও সেই মহাসাগরে গিয়া পতিত হয়, সেইরূপ পুরুষার্থসিদ্ধির উপায় সকল শাস্ত্র- ভেদে ভিন্ন ভিন্ন প্রকার হইলেও একমাত্র সেই অনন্তদেবেই পর্যবসিত হয়। অতএব যে ভক্ত যে রূপে তাহাকে ধ্যান করে ও যে নামে তাহাকে আহ্বান করে, ভক্তবৎসল সিদ্ধিদাতা নারায়ণ সেই রূপেই ও সেই নামেই তাহাকে সিদ্ধি দান করিয়া থাকেন। কালীই বল আর দুর্গাই বল, লক্ষ্মীই বল আর সরস্বতীই বল, হরিই বল আর শঙ্করই বল, রামই বল আর গঙ্গাই नामरूपभेदाः। { যেমন সূর্যের রশ্মি মেঘের উপরে, শ্বেত পীত লােহিতাদি কত বর্ণ ধরে ; ভক্তগণে নিজ নিজ হৃদয়ে তেমন, এক কৃষ্ণ নানা ভাবে করে দরশন। ১। आभासते शक्तिभेदादेकः कृष्णोऽप्य नेकधा । एकोऽप्यनेकधा सूर्यो यथा वीचिषु भासते ॥ २ ॥ প্রতিবিম্ব পড়ে যদি তরঙ্গমালায়, যেমন একই সূৰ্য্য অসংখ্য দেখায় ; ভক্তের হৃদয়ে এক হরিও তেমন, শক্তিভেদে নানা মূৰ্ত্তি করেন ধারণ। ২। অনমনীয়: মনীৱিা ৰনি স মুৱী:। অমিল্লা: ন্তু না: স্বল যঃ সংহনি অভিন: । ২। । বল, যে নামেই ডাকনা কেন, তােমার ডাক প্রকৃত ভক্তির ডাক হইলে অবশ্যই তাহা তাহার নিকট পঁহুছিবে, এবং সেই ভক্তের ভগবান্ অবশ্যই তােমার প্রার্থনা শ্রবণ করিবেন। তিনি ভক্তেরই ভগবান, আর কাহার ও নহেন, তঁাহার অধিষ্ঠান ভক্তেরই হৃদয়-পীঠে; ভক্তের হৃদয়-পীঠই তাহার বৈকুণ্ঠধাম। এই জন্যই ভক্তচূড়ামণি প্রহলাদ বলিয়াছিলেন, "नमस्तस्यै नमस्तस्यै नमस्तस्मै परात्मने । নাম দ ন য রূী শ্ৰীনিৱনীন” ॥ (ৰি মুৰাৰ বৰ অঁম।) অর্থাৎ যিনি একমেবাদ্বিতীয়, যাহার কোনও নাম বা রূপ নাহ, যে স্ব প্ৰকাশ চৈতন্যময় পুরুষের জাজ্বল্যমান অস্তিত্ব ভক্তগণ আপনা আপনিই অনুভব করিয়া থাকেন, তাহাকে নমস্কার-নমস্কার-নমস্কার।
???
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
একাই অনন্তশক্তি সেই নারায়ণ,
শক্তিভেদে ভিন্ন তারে ভাবে মুঢ়জন ;
অনন্ত শতিব মধ্যে একই ঈশ্বর,
অভেদ-নয়নে জ্ঞানী হেরে নিরন্তর। ৩।
त्वं काली यमवारिणी त्वमसि वै ब्रह्मा हरिः शङ्करः
दुर्गा दुर्गतिहारिणी त्वमसि वाग्देवी च लक्ष्मीः स्वयम् ।
वं लोकत्रयपावनी सुरधुनी त्वं जानकीवल्लभः
किं वाच्चस्तव कृष्ण रूपमहिमाऽनन्तस्त्वमेकोऽपि यत् ॥ ४ ॥
কালী তুমি কালভয় কর নিবারণ,
তুমি শিব, তুমি ব্রহ্মা, তুমি নারায়ণ ;
জগদম্বা তুমি দুর্গা দুর্গতিহারিণী,
তুমি লক্ষী, তুমি বাণী বিজ্ঞানদায়িনী;
তুমি গঙ্গা সনাতনী, তুমি সীতাপতি,
শক্তিভেদে কৃষ্ণ! তব অনন্ত মুরতি। ৪।
লীয়ন সুমনারীনি: স্বীয়ন মন্বন।
यन्नाम्ना तमहं वन्दे शिवकल्पतरु शिवम् ॥ ५ ॥
যার নামে যম-ভয় হয় নিবারণ,
যার নামে ভব-পাশ হয় বিমােচন ;
সদাশিব যিনি সৰ্ব্ব-মঙ্গল-আধার,
সেই শঙ্করের পদে করি নমস্কার। ৫।
प्रत्यक्षाऽप्यपरिच्छेद्या चित्रा यस्य जगत्ततिः ।
ब्रह्माण्ड पितरं वन्दे तं ब्रमाणमहं मुदा ॥ ६ ॥
नामरूपभेदाः। १११ এ বিশ্বরচনা যার বিচিত্র মহিমা, নিরখি নয়নে কিন্তু নাহি পাই সীমা ; ব্রহ্মাণ্ডের পিতা সেই ব্ৰহ্মার চরণে, নমস্কার করি আমি পুলকিত মনে। ৬। भवभीमाधिमग्नोऽहं त्वामेव शरणं गतः । हरे मयि कपासिन्धो करुणां कुरु केशव ॥ ७॥ পড়েছি বিষম ঘাের সংসার-সাগরে, তাই হরি ! তােমাকেই ডাকি সকাতরে ; নারায়ণ ! হে কেশব ! ওহে দয়াময় ! কৃপা করি তার মােরে দিয়া পদাশ্রয়। ৭। संसारभावैः सविषैः शल्यैरिव निरन्तरम् । पीड़ितं पाहि मां मातर्दुर्गे दुर्गतिहारिणि ॥ ८ ॥ বিষমাখা শেল সম সংসার-ঘটনা, দহিছে আমারে আর সহেনা যাতনা ; তাই ডাকি ও মা দুর্গে দুর্গতিহারিণি ! নিস্তার কর গাে! মােরে নিস্তারকারিণি !। ৮। ! श्मशानं त्वां विना विखं लक्ष्मीस्त्वं लोकपालगी। तव भक्तास्य सर्वत्र विजयोऽभयमेव च ॥ ८ ॥ নারায়ণী তুমি লমী পালিছ ভুবনে, এ বিশ্ব শ্মশান হয় তােমার বিহনে ; তুমি যারে দয়া কোরে দাও পদায়, কি ভয় কি ভয় তার সর্বত্রই জয়। ৯।
११२
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
मृतसञ्जीवनी वीणा तव चेतयते जगत् ।
वाणि विज्ञानजननि त्वां वन्दे हर मे तमः ॥ १०॥
বীণাপাণি ! শুনি তব বীণার ঝঙ্কার,
মৃত দেহে প্রাণ পায় এ বিশ্বসংসার ;
বিজ্ঞানদায়িনি বাণি! হর অন্ধকার,
তব পদে ভক্তি ভাবে করি নমস্কার। ১০।
ब्रह्माद्यैरप्यनिर्वाच्ये मातः पतितपावनि ।
कमिकोटगते गङ्ग तारयाऽधमतारिणि ॥ ११ ॥
পতিতপাবনি! তব অপার মহিমা,
ব্রহ্মা বিষ্ণু শিব যার নাহি পায় সীমা ;
কৃমিকীটে তুমি গাে মা ! তরাইতে পার,
অধমতারিণি গঙ্গে! আমারে নিস্তার । ১১।
यन्नाम्ना दस्युचण्डाला अपि तीर्ण भवाम्बुधिम् ।
नवदूर्बादलश्यामं तं रामं शरणं भज ॥ १२ ॥
যে নামে চণ্ডাল দস্ত মহাপাপী নর,
অনায়াসে তরে গেল এ ভব-সাগর ;
নবদূর্বাদলশ্যাম পাতকি-তারণ,
সেই শ্রীরামের পদে লও রে! শরণ। ১২।
इन्द्रस्त्वं वरुणस्त्वमेव धनदः सोमस्त्वमर्को मरुद्
द्यौर्भूमिर्चलनो ग्रहाश्च वसवस्व धर्मराजोऽखिनौ ।
त्वं रुद्रास्त्वमहस्त्वमेव रजनी सन्ध्ये च वेदाः क्रतुः
किं वाच्चस्तव विश्वरूप महिमा त्वं वासुदेवो विराट् ॥१३॥
नामरूपभेदाः। ११३ তুমি ইন্দ্র, তুমি চন্দ্র, তুমি দিবাকর, কুবের, বরুণ, যা, তুমি বৈশ্বানর ; (১) তুমি বায়ু, বস্তু, রুদ্র, অশ্বিনীকুমার, স্বর্গ, মর্ত্য, গ্রহ, তারা, তুমি বিশ্বাধার ; দিবা, রাত্রি, সন্ধ্যা, বেদ, তুমি যজ্ঞেশ্বর, অনন্ত বিরাট তুমি ব্যাপ্ত চরাচর ; বিশ্বরূপ ! বাসুদেব ! তােমার মহিমা, কে পারে বর্ণিতে যার নাহি আছে সীমা। ১৩। (মাননী মায়লিনী) तारा ब्रह्ममयी क्षराक्षरमयी त्वं चिन्मयी हृन्मयी बुद्धिस्व प्रतिभा श्रुतिः स्मृतिरसि त्वं ज्ञानमिच्छा क्रिया। सृष्टिस्त्व स्थितिरेव संहृतिरसि त्वं पञ्चभूतानि च वं माया प्रकृतिस्त्वमेव जगतां मूलं ह्यमूला स्वयम् ॥ १४ ॥ ( ভগবানের মহাশক্তির স্তব ) তুমি তারা ব্রহ্মময়ী (২); তুমি ক্ষরস্বরূপ এবং অক্ষর- " (১) ‘বৈশ্বানর’-অগ্নি। (২) তার—অর্থাৎ তারণকৰ্তী ;-যথা তন্ত্রসারে,- "तारकत्वात् सदा तारा सुखमीक्षप्रदायिनी। ভাবনাৰিী যাৱনাৰ সীমিনা” । সুখমােক্ষ প্রদায়িনী ও তারণ কী বলিয়া ব্ৰহ্মশক্তি ‘তারা' নামে অভি। 'ত, এবং উগ্র অর্থাৎ ঘোর বিপদ হইতে ত্রাণ করায় ‘উগ্র তার নামে ভিহিত।
११४ कृष्णभक्तिरसामृतम्। ; স্বরূপা (১) ; তুমি চিন্ময়ী ও হৃদয়ময়ী শক্তি ; তুমি বুদ্ধি ও প্রতিভা; তুমি শ্রুতি ও স্মৃতি ; তুমি জ্ঞান, ইচ্ছা ও ক্রিয়া ; তুমিই সৃষ্টি, স্থিতি ও সংহার ; তুমিই পঞ্চভূত- প্রপঞ্চ ; তুমিই মায়া ও প্রকৃতি ; তােমার মূল নাই, অথচ তুমি সমস্ত জগতের মূল। ১৪। ; ; মানি মক্কৰি মুৰনবিদাৰি भक्त कपामयि शिवपददात्रि । जननि वराभयशोभितहस्ते जय जय भगवति देवि नमस्ते ॥ १५ ॥ হে সনাতনি শঙ্করি! হে বিশ্ববিধাত্রি! হে ভক্তকৃপাময়ি। হে শিবপদপ্রদায়িনি! জননি! তুমি এক হস্তে বর, অপর হস্তে অভয় ধারণ করিয়া শােভা পাইতেছ; জয় দেবি ভগবতি। তােমারি জয় ; তােমাকে নমস্কার। ১৫। मायामयं चक्रमतीवघोरम् আৰী মুনাৰিলালি মন। प्रवृत्तिमार्गेण विघूर्णयन्ती संसारधारां भवतों नमामि ॥ १६ ॥ (১) ক্ষর’ ও ‘অক্ষর; যথা গীতায়াম, "हाविमौ पुरुषी लोके तरवार एव च । বৰ; বলবি মুনালি কুয়াঘৰ বন”। অর্থাৎ যাহার বিকার আছে, সেই ব্রহ্মাদি স্থাবর পর্যন্ত সমস্ত ভৌতিক শরীরকে ‘ক্ষর’ বলে, এবং যাহার বিকার নাই, সেই বীজস্বরূপকে ‘অক্ষর বলে।
नामरूपमेदाः। ११५ তুমি নিখিল ভূমণ্ডলীকে ঘাের মায়া-চক্রে তুলিয়া বৃত্তিমার্গে অবিরত বিঘূর্ণিত করিতেছ, তুমি সংসারধারা- পণী, তােমাকে নমস্কার। ১৬। यथा नदी काष्ठणाण्यशेषा- ण्यादाय वेगात् जलधि प्रयाति । तथा त्वमादाय चराचराणि মুনাননাসিমূৰী সহাৰি । ২৩। স্রোতস্বতী যেমন সমস্ত তৃণকাষ্ঠাদি লইয়া মহাবেগে ন্ত সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়, তুমিও তেমনি চরাচর গ্রামকে লইয়া অনন্তদেবের অভিমুখে চলিয়াছ। ১৭। सनातनि ब्रह्मविभूतिमूर्ते तवैव रूपं प्रतिभाति विश्वम् । यथा जवायाः स्फटिकस्य भित्तिः त्वं ब्रह्मणो विम्बमहो बिभर्षि ॥ १८ ॥ হে সনাতনি! পরব্রহ্মের বিভূতির বিকাবস্থাই মার মুর্তি; এই বিশ্ব তােমারি মূর্তিরূপে প্রতিভাত হই- ছ; যেমন স্ফটিকময় স্তম্ভ জবপুষ্পের প্রতিবিম্ব ধারণ ব, তেমনি তুমি পরব্রহ্মের মূর্তি নিজ গর্ভে ধারণ করি- ছ (১)। ১৮। ১) এস্থলে প্রকৃতি স্ফটিকস্বরূপ, এবং ব্রহ্ম জবাপুস্পম্বরূপ। প্রকৃতি- ব্রহ্মের যে প্রতিবিম্ব পড়ে, সেই প্রতিবিম্বকেই জীবাত্মা বলিয়া বে। আবার, জীবাত্মার মধ্যে মনের যে প্রতিবিম্ব পড়ে তাহার নাম कृष्णभक्तिरसामृतम्। आद्यां योगीखराराध्यां महाविद्यां सदाशिवाम् । सिद्धेश्वरौं सिद्धिदात्रों भूतधात्रौं नमाम्यहम् ॥ १८ ॥ তুমি যােগীশ্বরের আরাধ্যা আদ্যাশক্তি, তুমি সদাশিবা মহাবিদ্যা,তুমি সিদ্ধেশ্বরী সিদ্ধিদাত্রী ও ভূত ধাত্ৰী; তােমাকে নমস্কার করি। ১৯। चन्द्रसूर्याग्निनयनां महाकालस्वरूपिणीम् । व्योमकेशौं भवानों त्वां भूयोभूयो नमाम्यहम् ॥ २० ॥ তুমি মহাকালরূপিণী ভবানী ; চন্দ্র, সূৰ্য্য ও অগ্নি তােমার নয়ন, ব্যোম তােমার কেশ ; তােমাকে বার বার নমস্কার। ২০। বন্ধ অর্থাৎ ভব বন্ধন। মন বা মনােবৃত্তি প্রকৃতিব একটা অবস্থা মাত্র। যেমন স্ফটিকের নিকট হইতে জবাপুষ্পকে অন্তরিত করিলে আর প্রতিবিম্ব- রূপ পৃথক্ পদার্থের অস্তিত্ব থাকে না, তেমনি প্রকৃতি হইতে ব্রহ্মকে অন্ত রিত করিয়া দেখিলে আর জীবাত্মারূপ পৃথক পদার্থের অস্তিত্ব থাকে না, জীবাত্মা তৎক্ষণাৎ ব্রহ্মেই লীন হইয়া যায়। অর্থাৎ যাবৎ প্রকৃতির মধ্যে ব্রহ্মের প্রতিবিম্ব ভাবে সম্বন্ধ দেখিবে, তাবৎ জীবাত্মার পৃথক অস্তিত্বেব উপলব্ধি হইবে ; অথৈত জ্ঞানে সেই প্রতিবিম্বভাব বিলয় পাইলে একমাত্র ব্রহ্ম ভিন্ন আর কিছুই থাকিবে না। এইরূপে জীবাত্মার অস্তিত্ব- বুদ্ধিব লয় হইলেই ভববন্ধনের মোচন অর্থাৎ মহানিৰ্ব্বাণ হয়। জীবাত্মার উপলব্ধি অর্থাৎ ‘আমি সুখী, আমি দুঃখী’–ইত্যাকার জ্ঞান প্রতিবিম্ববৎ পদার্থ ; এই জ্ঞান জীবাত্মার সঙ্গে সঙ্গেই লয় পায় । “সন: জিয়নকানি ব্য: ৰূম্মাণি সম:। মুরানিমুকান্মা কালকিনিনি মন”। (নীন) অর্থাৎ আমি চেতন, আমি করিতেছি,- এই রূপ প্রতীতি বুদ্ধির অর্থাৎ মহত্তত্বের পরিণাম মাত্র। || KHARRISHNA SON Ratitore नामरूपभेदाः। নম্নমুনি মনী গৰাৱৰসিয়া। प्रत्यक्षदेवतां वन्दे विश्वसंसारमोहिनीम् ॥ २१ ॥ তুমি পরমেশ্বৰ্য্যশালিনী ব্ৰহ্মমূৰ্ত্তি ; তুমি রাজরাজেশ্বর বিশ্বেশ্বরের প্রাণবল্লভ ; তুমি বিশ্বসংসারমােহিনী প্রত্যক্ষ দেবতা ; তোমাকে নমস্কার । ২১। सहस्रशीर्षसम्पन्नां सहस्रभुजशालिनीम् । सहस्रचरणां देवीं सहस्राक्षां नमाम्यहम् ॥ २२ ॥ তুমি সহস্র সহস্র শীর্ষে, সহস্র সহস্র হস্তে, সহস্র সহস্র চরণে, এবং সহস্র সহস্র নয়নে শােভা পাইতেছ ; তােমাকে নমস্কার। ২২। सकलाभिः कलाभिस्त्वां सम्पूणां पूर्णभूषणाम् । पूर्णानन्दमयों वन्दे पूर्णब्रह्मस्वरूपिणीम् ॥ २३ ॥ তুমি সৰ্বাংশেই সম্পূর্ণ। এবং পূর্ণ সজ্জায় বিরাজমানা; তুমি পূর্ণানন্দময়ী পূর্ণব্রহ্মরূপিণী ; তােমাকে নমস্কার। ২৩। জ্ঞানমমিনুনি লমরানবিনামিলী। अतोऽसि कीर्तिता वेदे महिषासुरमर्दिनी ॥ २४ ॥ হে ভগবতি! তুমি সেই স্বেচ্ছাময় ভগবানের সাক্ষাৎ জ্ঞানশক্তিরূপে মহামােহকে বিনাশ করিয়া থাক ; এজন্য বেদে তুমি ‘মহিষমর্দিনী’ নামে কীৰ্তিত হইয়াছ (১)। ২৪। (১) ভগবতী কাত্যায়নী মাহষাসুরকে বধ করিয়াছেন, এই পৌরাণিক রূপকের অর্থ এই যে,-পরব্রহ্মের জ্ঞানরূপা মহাশক্তির নাম কাত্যায়নী, LIBRARY অa & ११८ कृष्णभक्तिरसामृतम्। सर्वदुर्गतिसंहन्धि दुर्गे दुर्गविनाशिनि । महादेवमहापीठदेवते ते नमो नमः ॥ २५ ॥ হে সৰ্বদুর্গতিহারিণি! দুর্গবিনাশিনি দুর্গে ! তুমি মহা- দেবরূপ মহাপীঠের অধিষ্ঠাত্রী দেবতা, তােমাকে বার বার নমস্কার (১)। ২৫। এবং মহামােহের নাম ‘মহিষাসুর। ভগবানের জ্ঞানশক্তি অজ্ঞানকে বিনাশ করে বলিয়া উহার নাম ‘মহিষমর্দিনী। যথা বরাহপুরাণে, “অথবা গালমব্ধি: ৰা নর্মিীমালমুনিনা। মাল মালা না মন্বনীনি ন সময:। मूर्तिपने चेतिहासममूर्ते च कवद्धृदि । ख्यायते वेदवाकौस्तु तती महिषमर्दिनी ॥" অর্থাৎ ঈশ্বরের জ্ঞানশক্তির একটী নাম ‘মহিষমর্দিনী’। মূৰ্ত্তিমা অজ্ঞানকে ‘মহিষ’ বলে। অজ্ঞান যে জ্ঞানশক্তি দ্বারা বিনাশিত হয়, ইহাতে কোনও সংশয় নাই। যাহারা মূৰ্ত্তিবাদী, তাহারাই এ বিষয়ে পৌরাণিক ইতিহাস কল্পনা করিয়াছেন। আর যাহারা ব্ৰহ্মবাদী, তাহারা বেদবাক্য- মুসারে এই শক্তিকে ঈশ্বরের জ্ঞানশক্তি হইতে অভিন্ন ভাবিয়া থাকেন। (১) ভগবানের সর্বময়ী সৰ্বশক্তির নাম দুর্গা, “বলদিঘী মকি: মা তুতানি ব সন্তান”, অর্থাৎ ঈশ্বরের সৰ্বস্বরূপিণী শক্তিকেই দুর্গা বলে। যথা মুণ্ডমালায়াম, “মুনানি তুমী মূলনি তুলা না: নিস্বাদি সুৰাৰুৰাৰা:। यद्यद्धि दृश्यं खलु सैव दुर्गा दुर्गाखरू पादपरं न किञ्चित् ॥” অর্থাৎ সমস্ত ভূতমণ্ডলই দুর্গা, সমস্ত ভুবনমণ্ডলই দুর্গা; স্ত্রী, পুরুষ, দেব, দানব, মানবাদি সকলি দুর্গা; যাহা কিছু দৃশ্য, সে সকলি দুর্গা; দুর্গার স্বরূপ ছাড়া আর কিছুই নাই। যথা ব্রহ্মবৈবর্তে, "दुर्गो दैत्ये महाविघ्ने भवबन्ध कुकर्मणि । মীর্ষ : ব ল য ব জন্মলি। ০ नामरूपभेदाः। ?? नमामि सारदा देवौं विजयां सर्वमङ्गलाम् | माहेश्वरीं महाशक्तिमभयामपराजिताम् ॥ २६ ॥ হে দেবি! তুমি সারদা, বিজয়া ও সৰ্বমঙ্গলা ; তুমি মহেশ্বরের মহাশক্তি; তুমি অভয়া ও অপরাজিতা; তােমাকে নমস্কার। ২৬। सर्वतःपाणिपादां वां सर्वतोऽक्षिशिरोमुखाम् । सर्वेखरौं सर्वमयों सर्वाणों प्रणमाम्यहम् ॥ २७ ॥ তােমার হস্ত ও পদ সর্বত্রই প্রসারিত ; তােমার চক্ষু, মস্তক ও মুখ সর্বত্রই প্রসারিত ; তুমি সৰ্ব্বাণী, সর্বেশ্বরী ও সৰ্বময়ী; তোমাকে নমস্কার করি। ২৭। অনআযমনৰন্থৰাষিনী। অনন্যানিম্বা লা লাম্ ॥ ২৪ ৷ | महाभयेऽतिरीगे चाप्याशब्दा हन्तृवाचकः । एतान् हत्येव या देवी सा दुर्गा परिकीर्तिता" দৈত্য, মহাবিঘ্ন, ভববন্ধন, পাপ, শােক, দুঃখ, নরক, যমদ, জন্ম, মহাভয়, মহাব্যাধি, এই সকলকে দুর্গ বলে ; যে নারায়ণী শক্তি এই সকল দুর্গ অর্থাৎ সঙ্কটকে বিনাশ করে, তাহাকেই দুর্গা বলে। “ লিলি যা লি ৰা না যৰিীদিনা”। অপিচ, “স্মযা নাৰায়ী মুক্মি: খিনি ৰূাৰিষী। यया जयति विश्वं च यया सृष्टिः प्रजायते ।। যথা নিনা অন্নাদি”—-(অঙ্কুৰৰ ) সৃষ্টিস্থিতিসংহারকারিণী নারায়ণের আদ্য শক্তি, যাহা দ্বারা বিশ্বকে জয় করা যায়, যাহা দ্বারা সৃষ্টি হয়, যাহা ছাড়া জগতের অস্তিত্ব থাকে না তাহাকে দুর্গা বলে । } १२० कृष्णभतिरमामृतम्। তুমি অনন্তদেবের সঙ্গিনী, অনন্তশয্যাশায়িনী, তোমার শরীর অনন্ত জগতের আধারস্বরূপ; তােমাকে নমস্কার।২৮। कालरात्रि महाकाली वन्दे त्वां कालकामिनीम् । गिरन्तीमुहिरन्तीं च भूतग्रामं पुनः पुनः ॥ २८ ॥ তুমি কালরাত্রিরূপিণী, মহাকালের শক্তি মহাকালী; তুমি নিখিল ভূতগ্রামকে বারংবার গিলিতেছ ও উগারিতেছ; তোমাকে নমস্কার। ২৯। आब्रह्मस्तम्बपर्यन्तजगद्योनिमयोनिजाम् । अखण्डमण्डलाकारव्यापिनीं त्वां नमाम्यहम् ॥ ३० ॥ তুমি আব্রহ্ম-স্তম্ব-পৰ্য্যন্ত জগতের যােনি, কিন্তু স্বয়ং অযােনিজা; তুমি অখণ্ড মণ্ডলাকারে অখিল বিশ্ব ব্যাপিয়া আছ ; তোমাকে নমস্কার । ৩০। अन्नपूर्णां महामायां महेशहृदयेश्वरीम् । योगमायां योगनिद्रां जगडात्रौं नमाम्यहम् ॥ ३१ ॥ তুমি অন্নপূর্ণা, মহামায়া এবং মহেশ্বরের হৃদয়েশ্বরী ; তুমি জগদ্ধাত্রী, বােগমায়া এবং যােগনিদ্রা (১); তােমাকে নমস্কার। ৩১। मातः सावित्रि गायत्रि ब्रह्मविद्ये पुरातनि । पूर्णविद्ये नमस्तुभ्य शिवे सर्वार्थसाधिके ॥ ३२ ॥ (১) যোগনিদ্রা'—ব্রহ্মের পরমানন্দময়ী শক্তি। যােগমায়া'—ঈশ্বরের চিং-শক্তি, যাহা সৰ্ব্ব সঙ্কল্পের অধিষ্ঠান।
नामरूपभेदाः। १२१ হে মাতঃ ! তুমি সাবিত্রী ও গায়ত্ৰী; তুমি পুরাতনী ও ব্রহ্মবিদ্যা, তুমিই পূর্ণবিদ্যা; হে শিবে! হে সৰ্বার্থসাধিকে ! তােমাকে নমস্কার। ৩২। ৰ মানৱৰালনায় বিশ্বযুদ। त्वं सुप्तेष्वपि जागर्षि मूलप्रकतिरीखरी ॥ ३३ ॥ জননি! তুমি অচলা, অনন্তা ও জরাবিরহিত ; তুমি অক্ষরা ও নির্বিকার; তুমি বিশ্বের পালনকর্ত্তী; হে ঈশ্বরি। সমস্ত ভূতগ্রাম বিলীন হইলেও তুমি মূলপ্রকৃতিরূপে জাগ- রিত থাক। ৩৩। पञ्चप्राणात्मिका वन्दे प्राणाधिष्ठाटदेवताम् । अव्यक्ता महतों चैव भावाभावस्वरूपिणीम् ॥ ३४ ॥ তুমি সমস্ত প্রাণিগণের মধ্যে পঞ্চপ্রাণরূপে অধিষ্ঠান কর, তুমি প্রাণের অধিষ্ঠাত্রী দেবতা; তুমি সূক্ষরূপে (কারণ- রূপে) এবং তুমিই স্থূলরূপে (কাৰ্যরূপে ) বিদ্যমান আছ ; তুমি ভাবস্বরূপা এবং তুমিই অভাবস্বরূপা; তােমাকে নমস্কার করি। ৩৪। त्वां वन्दे राजसौं रत खेतवां च सात्त्विकीम् । तामसी कृष्णवर्णां च त्रिवर्णी त्रिगुणान्विताम् ॥ ३५ ॥ তুমি রক্তবর্ণা রাজসী শক্তি, শ্বেতবর্ণ। সাত্ত্বিকী শক্তি, এবং কৃষ্ণবর্ণা তামসী শক্তি ; তুমি ত্রিবর্ণা ও ত্রিগুণান্বিতা; তােমাকে নমস্কার। ৩৫।
২ क्षणभक्तिरसामृतम्। सूममात्मरमेनैवात्मानं पुष्णासि माटके । আমমৰ প্ৰান্সান সমনয়ৰি নিম: ॥ ২॥ হে মাতৃকে ! তুমি নলক্ষ্যভাবে আত্মরসেই আত্মাকে পোষণ করিতেছ, আত্মশক্তি দ্বারাই আত্মাকে নিত্য পরি- চালিত করিতেছ (১)। ৩৬। कान्तिं कीर्ति धृति मेधां तुष्टिं पुष्टिं दयां रतिम् । शान्ति क्षान्तिं शुद्धिमृद्धिं सत्यां त्वां प्रणमाम्यहम् ॥ ३७ ॥ তুমিই বিশ্বের কান্তি, কীর্তি, ধৃতি, মেধা, পুষ্টি, দয়া ও রতি; তুমিই শান্তি, ক্ষান্তি, শুদ্ধি, ঋদ্ধি ও সত্যস্বরূপ; তােমাকে নমস্কার করি। ৩৭। भक्ति भुक्तिं च मुक्तिं च श्रद्धां प्रीति नियं भियम् । प्रकाशां चाप्रकाशां त्वां विश्वाधारां नमाम्यहम् ॥ ३८ ॥ (১) ব্ৰহ্মশক্তি ভগবতী প্রকৃতিদেবী আপনার রসেই আপনাকে পােষণ করেন। তন্ত্রশাস্ত্রোক্ত ছিন্নমস্তার মূর্তি ইহারই রূপক মাত্র। ছিন্নমস্তা নিজদেহনিঃসৃত তিনটী শােণিতধারা নিজ মুণ্ডকেই পান করাইতেছেন। ঐ তিন শােণিতধারা দেহের প্রধান তিনটী নাড়ী হইতে প্রবাহিত হইতেছে ; ঐ তিন নাড়ীর নাম ইড়া, পিঙ্গলা ও সুষুম্না। সুষুম্না সৰ্ব্ব প্রধান, ইহা চন্দ্র, সূর্য ও অগ্নিস্বরূপা। ইড়া নাড়ীর মধ্যে চন্দ্রের সঞ্চার, পিঙ্গলার মধ্যে সূর্যের সঞ্চার, এবং সুষুম্নায় চন্দ্র ও সূৰ্য্য উভয়ের সঞ্চার। অর্থাৎ এই তিন নাড়ী চন্দ্রসূৰ্যাদি হইতে রস আকর্ষণ করিয়া অসংখ্য নাড়ীচক্রকে পােষণ পূৰ্ব্বক জীবদেহ রক্ষা করিতেছে। এই রূপক দ্বারা ইহাই বুঝা যায় যে, ত্রিগুণা প্রকৃতিদেবী চন্দ্র সূৰ্য্যাদিরূপ নিজ নাড়ী হইতে নিঃসৃত শােণিতাধি- রূপ রস ধাতু দ্বারা সৃষ্টি প্রবাহ পোষণ করিতেছেন।
नामरूपभेदाः । १२३ তুমিই ভক্তি, ভুক্তি ও মুক্তি ; তুমি শ্রদ্ধা ও প্রীতি; তুমি লজ্জা ও ভয় ; তুমি প্রকটরূপে এবং তুমিই অপ্রকটরূপে বিশ্বের আধারস্বরূপা; তােমাকে নমস্কার। ৩৮। ; अचिन्त्याव्यतारूपां त्वामवासनसगोचराम् । भूतसंयोगविश्लेषभवलीलाप्रकाशिकाम् ॥ ३८ ॥ তােমার স্বরূপ অচিন্ত্য ও অব্যক্ত; তােমার মহিমা বাক্য ও মনের অগোচর ; তুমি প্রতিক্ষণে পঞ্চভূতের সংযােগ ও বিশ্লেষ দ্বার। এই অপূৰ্ব্ব ভবলীল প্রকাশ করিতেছ। ৩৯ अर्डनारीखराकारां शिवशक्तिस्वरूपिणीम् । पितरं मातरं च त्वां जगतां प्रणमाम्यहम् ॥ ४० ॥ তুমি অর্ধনারীশ্বরমূৰ্ত্তি (১); তুমি শিবশক্তিস্বরূপ; তুমিই একাধারে জগতের পিতা-মাতা ; তােমাকে নমস্কার করি। ৪০ | न हैतं नासि चाहैतं हताहतं त्वमीखरि। न शिवो नापि शक्तिस्त्वं शिवशक्तिस्वरूपिणी ॥ ४१ ॥ (১) এই অর্ধনারীশ্বর মূর্তির চিত্রখানি স্কুল ভাবে দেখিলে জ্ঞান হয়, আধখানা প্রকৃতি ও আধখালা পুরুষ। কিন্তু সুক্ষ্ম ভাবে দেখিলে সে ভেদ ঘুচিয়া যায়। স্থূলদর্শীরা যে আধখানায় শুধু শক্তিমূর্তি দেখেন, সূক্ষ্মদর্শীরা তাহার প্রত্যেক পরমাণুতেই দেখিতে পান,শিবমূৰ্ত্তি জ্বলিতেছে। আবার, স্থূলদর্শীরা যে আধখানায় শুধু শিবমূর্তি দেখেন, সূক্ষ্মদর্শীরা তাহার প্রতি পরমাণুতেই দেখিতে পান, শক্তিমূৰ্ত্তি অলিতেছে। এইরূপে, শিবে শক্তি ও শক্তিতে শিব, দুয়ে এক, ইস্কাই অর্ধনারীশ্বরমুক্তি।
१२४
!
कृष्णभक्तिरसामृतम् ।
হে ঈশ্বরি ! তুমি দুইও নও, তুমি একও নও; তুমি
দুয়ে এক। তুমি শিবও নও, তুমি শক্তিও নও, তুমি একা-
ধারেই শিবশক্তি। ৪১।
हिरण्यगर्भ त्वदर्भ सत्यं ज्योतिः प्रदीप्यते ।
नमस्तुभ्यं नमस्तुभ्यं ब्रह्ममूर्तिप्रकाशिके ॥ ४२ ॥
হিরণ্যগর্ভে! তােমার গর্ভে সত্যস্বরূপ জ্যোতিঃ প্রদীপ্ত
হইতেছে ; মাতঃ! ব্ৰহ্মমূৰ্ত্তিপ্রকাশিকে ! তােমাকে বারবার
নমস্কার। ৪২।
नौमि भक्त्या महाशक्तिमोङ्कारब्रह्ममालकाम् ।
प्रसीद वरदे देवि स्तोत्रेऽस्मिन् सन्निधिं कुरु ॥ ४३ ॥
হে দেবি ! তুমি মহাশক্তি, তুমি ওঙ্কাররূপিণী ব্ৰহ্ম-
মাতৃকা ; আমি ভক্তিভাবে তােমার স্তব করিতেছি ; বরদে!
তুমি প্রসন্ন হইয়া এই স্তোত্রে অধিষ্ঠাম কর। ৪৩।
ओम् प्रीयतां ब्रह्ममयी स्तोत्रेणानेन सा मयि ।
शिवशक्तिमयं स्तोत्रं ब्रह्मार्पणमिदं कृतम् ॥ ४४ ॥
ওঁতার ব্রহ্মময়ী আমার এই স্তোত্রে প্রীত হউন; আমি এই
শিবশক্তিময় ব্রহ্মময়ী-স্তোত্ৰটী ব্রহ্মে অৰ্পণ করিলাম (১)।৪৪।
(১) ব্রহ্মে অর্পণ’ বা ‘ব্ৰহ্মাৰ্পণ’ ;-
“মা হীন য় স মুন্সীয়।
जीव दीयते चेति ब्रह्मार्पणमिदं परम् ॥ १
नाहं का सर्वमेतद् ब्रह्मैव कुरुते तथा ।
एतद ब्रह्मार्पणं प्रीतम षिभिस्तत्त्वदर्शिभिः ॥ २ ॥
नामरूपभेदाः। १२५ स्तोत्रे ममास्मिन् यदमध्यवत् स्यात् असत्यरूपं ह्यथवाऽप्रकामम् । অমাননী ন নমৰূিনী বা मुकुन्द मन्दस्खलितं क्षमख ॥ ४५ ॥ হে নারায়ণ ! আমার এই স্তোত্রে যদি কোনও অপ- বিত্র ভাব প্রবেশ করিয়া থাকে, যদি অসত্যের ছায়া পতিত হইয়া থাকে, যদি বক্তব্য বিষয় অসম্পূর্ণ হইয়া থাকে, তাহা আমার অজ্ঞান বা অশক্তি বশতঃ বলিয়া ক্ষমা কর। ৪৫। ! সীবানু মৰালীম: জন্মন্যানন স্বন। करीति सततं बुद्धया ब्रह्मार्पणमिदं परम् ॥ ३ ॥ यहा फलानां संन्यासं प्रकुर्यात् परमेश्वरे । জানাল লাল দালন” ॥৪॥ ( কূৰ্ম্মৰা) অর্থাৎ যাহা কিছু দিবার আমাকে ব্ৰহ্মই দিতেছেন, আমিও ব্রহ্মকেই সম্প্রদান করিতেছি, আমি যাহা কিছু সম্প্রদান করিতেছি, সে সকলি ব্ৰহ্ম, এইরূপ জ্ঞানকে ‘ব্ৰহ্মাৰ্পণ’ বলে। ১। আমি কিছুই করি না, সকলি ব্রহ্ম করিতেছেন, এই রূপ জ্ঞানকে তদশী ঋষিরা ‘ব্ৰহ্মাৰ্পণ' বলিয়া থাকেন। ২। এই কর্মে সেই শাশ্বত ভগবান ঈশ্বর প্রীত হউন,—সদাই এইরূপ বুদ্ধিতে কৰ্ম্ম করাকে ‘ব্ৰহ্মাৰ্পণ বলে। ৩। সমস্ত কৰ্ম্মফল ব্রহ্মেই সমর্পণ করিলাম, ইহাকেই সর্বোত্তম ব্ৰহ্মাৰ্পণ’ বলে । ( ইতি কূৰ্ম্মপুরাণে ৪র্থ অধ্যায়)। } १२६ कृष्णभक्तिरसामृतम्। आत्मनिवेदनम् । স্বনালিনা আমিনা নামান। एकमेवास्ति शरणं हरावात्मनिवेदनम् ॥ १ ॥ অনুতাপী পাতকীর শান্তির কারণ, একমাত্র গতি কৃষ্ণে আত্মনিবেদন। ১। अन्तर्याम्यसि गोविन्द किं वा तुभ्यं निवेदये । दह्यमाने कुरु कपामनुतापतुषाग्निना ॥ २ ॥ সকলের অন্তর্যামী তুমি নারায়ণ ! কি আর তােমার কাছে করি নিবেদন ; অনুতাপ-তুষানলে দহিছে হৃদয়, এ ঘোর পাপীরে দয়া কর দয়াময় !। ২। स्तनन्धयेऽपि तनये माता चेत्रिर्दया भवेत् । न लेवाऽकरुणोऽसि त्वमनुतापिनि पापिनि ॥ ३ ॥ ! স্তন্যপায়ী অব্ৰুবাণ শিশু আপনার, তাহাকেও মাতা যদি করে পরিহার ; তথাপি তুমি হে হরি ! কৃপা-পারাবার ! অনুতাপী পাপীরে না কর পরিহার। ৩। मलमूत्रपरीताङ्ग माता निजमिवार्भकम् । पापिनं मुञ्च मा नाथ कोड़े धारय धारय ॥ ४ ॥ মলমূত্রে মাখামাখি যদি শিশু হয়, তথাপি জননী তারে নিজ কোলে লয় ;
मात्मनिवेदनम्।
१२७
তেমতি তুমিও হরি ! আমি পাপী বােলে,
ফেলো না ফেলো না নাথ ! কর নিজ কোলে। ৪।
किं वाऽस्पृश्यं जगन्मातस्तव विश्वकपावन ।
स्वर्गवं निरयोऽप्येति स्पर्शात्ते स्वर्णतामयः ॥ ५ ॥
জগতজননী তুমি জগত-পাবন,
কি আছে অস্পৃশ্য তব ওহে নারায়ণ !
লোহও সুবর্ণ হয় তােমার পরশে,
নরক বৈকুণ্ঠ হয় তব কৃপারসে। ৫।
हाहाकारपरं पापज्वालयाऽङ्गारतां गतम् ।
सर्वत्यतं त्यजसि चेत् का गतिमें भवेत्तदा ॥ ६ ॥
পাপে তাপে পুড়ে আমি হইনু অঙ্গার,
হরি হে ! হয়েছে মাের হাহাকার সার ;
পাপী বােলে সকলেই করে পরিহার,
তুমিও ত্যজিলে গতি কি হবে আমার ?। ৬।
किं करोमि व गच्छामि कं वा शरणमाश्रये ।
विमुखे त्वयि गोविन्द हाहा पापी हतो हतः ॥ ७ ॥
কি করিব কোথ। যাব কে আছে আমার ?
হায় রে ! শমণ আর লইব কাহার ?
হে গােবিন্দ ! তুমি যদি না দাও আশ্রয়,
মরিল এ পাপী হায়! মরিল নিশ্চয়। ৭।
ব আথিনা: হৃথা মনৰামলানি।
चाहि मां भवभीमाब्धेस्तवैव शरणागतम् ॥ ८ ॥
१२८ कृष्णभक्तिरसामृतम् । ! ভবের কাণ্ডারি তুমি পাতকি-তারণ, তাই হরি ! তব পদে লয়েছি শরণ; এ পাপী শরণত নিতান্ত তােমার, এ ঘাের ভব-সাগরে কর মােরে পার। ৮। हरे कृपालो कुरु दृष्टिपातं पुत्वो मुमूर्षुः शरणं गतस्ते । यद्यस्मि पापी नितरां तथापि माता कुपुत्रे विमुखी भवेत् किम् ॥ ८ ॥ দয়া করি ওহে হরি ! দাও দরশন, মুমূর্য সন্তান তব মাগিছে শরণ মহাপাপী যদি হই, তােমারি সন্তান, মাতা কি কুপুত্রে কোলে নাহি দেয় স্থান। ৯। करालवदनोऽन्तकः पुरतएव मे जृम्भते निरीक्ष्य हृदयं महाभयविविग्नमुत्कम्पते । कुतोऽसि करुणानिधे सकलभीतिहारिन् हरे प्रयच्छ चरणाश्रयं शरणहीनदीनाय मे ॥ १० ॥ • শিয়রে শমন ওই বদন মেলিয়া ! হেরিয়া আতঙ্কে হিয়া উঠে শীহরিয়া ; সৰ্বভয়হারী হরি ! কোথা দয়াময় । দীনহীন অশরণে দাও পদায়। ১০ | ; हा कासि नाथ करुणामय रक्ष रक्ष जीवो ममातिविधुरः करुणं विरोति।
आत्मनिवेदनम्। मां पापिनं यदि न रक्षसि कोऽत्र भूयः संकीर्तयिष्यति नु पातकितारणं त्वाम् ॥ ११ ॥ রক্ষ রক্ষ দয়াময় । আছ হে কোথায় ? আকুল পরাণি মাের করে হায়, হায় ; তুমি যদি এ পাপীরে না কর উদ্ধার, পাতকিতারণ তােমা কে বলিবে আর ?। ১১। हा कृष्ण केशव कृपामय दीनबन्धो हाहा ज्वलाम्यविरतं निजपापतापैः । दावाग्निल जिततराविव मेघधाराः दीने मयि प्रपतन्तु कृपासुधास्ते ॥ १२ ॥ দীননাথ ! হা কেশব! কৃষ্ণ! কৃপাময়। পাপতাপে অবিরত জ্বলিছে হৃদয় ; দাবানলে দহমান পাদপে যেমন— মেঘের ধারায় দেয় নূতন জীবন, তেমতি করুণামৃত করি বরষণ, দগ্ধ প্রাণে দাও পুন নূতন জীবন। ১২। जीवो मे रोगशोकार्त्तश्छिन्नकण्ठइवाण्डजः । . कष्टं विचेष्टते शीघ्र त्राहि मां जीवजीवन ॥ १३ ॥ প্রাণ মাের ছিন্নকণ্ঠ বিহঙ্গের প্রায়, ছট ফট করে রােগশােকের জ্বালায় তুমি হরি ! একমাত্র জীবের জীবন, ত্বরা করি এ যাতনা কর নিবারণ। ১৩।
? ৩ कृष्णभक्तिरसामृतम्। गर्जन्ति कालफणिनो विषदर्दशन्ति माम् । हर हर विषज्वाला शान्सिपीयूषवर्षणैः ॥ १४ ॥ শত শত কাল, গর্জিয়া ভীষণ, তীব্রতর বিষদন্তে করিছে দংশন ; তাই ডাকি কোথা হরি! বারেক আসিয়া, জুড়াও বিষের জ্বালা শান্তি-সুধা দিয়া। ১৪। आहतं शोकशल्येन बाणविद्धमिवाण्डजम् । स्पृष्ट्वा ते पादपद्मन विशल्यं कुरु मा हरे ॥ १५ ॥ নিদারুণ শােক-শল্যে আহত হইয়া, বাণবিদ্ধ পক্ষী সম কাঁপে মাের হিয়া ; তব পাদপদ্ম হৃদে কর পরশন, মরম-যাতন হরি ! কর নিবারণ। ১৫। क्षणप्रभावत् क्षणमावदर्शनं हरे प्रदायैव कथं निलीयसे । पाथःकणो नैव षाप्तये মুয: पिपासैव ततोऽभिवईते ॥ १६ ॥ হায় হায় ! ক্ষণমাত্র বিদ্যুতের প্রায়, দেখা দিয়া ওহে হরি ! লুকাও কোথায় ? ঘাের তৃষ্ণা বিন্দুমাত্র সলিলে কি যায় ? বরঞ্চ পিয়াসা তায় আরাে বৃদ্ধি পায়। ১৬। हृपिण्डकोकनदमेव निकत्य सद्य- स्तेनैव ते पदमई परिपूजयामि ।
पात्मनिवेदनम्। ?? एहि देव करुणामय धत्व पूजा वं मे चिराभिलषितं सफलीकुरुष्व ॥ १७ ॥ এখনি হৃদয়-পিণ্ড করিয়া ছেদন, সেই রক্তপদ্মে তব পূজিব চরণ ; এস হে করুণাময় ! দাও দরশন, লহ পূজ। চির-আশা করহ পূরণ। ১৭। मादृशाः शरणापत्रा: कति नाम न सन्ति ते। त्वदन्यस्तु शरण्यो मे नास्ति हे कमलापते ॥ १८ ॥ অামা হেন কত শত আছে এ ভুবনে, যাহারা শরণাপন্ন তোমার চরণে ; তােমা বিনা কিন্তু ওহে কমলার পতি এ মহাপাপীর আর নাহি অন্য গতি। ১৮। प्रद्यापि लभते त्राणमिच्छामय यदीच्छसि । अन्यथाऽयं महापापी हाहा नाथ हतो हतः ॥ १८ ॥ E ইচ্ছাময় ! ইচ্ছা যদি কর ভগবান্ ! এখনো এ মহাপাপী পায় পরিত্রাণ ; যদি নাথ ! স্থান নাহি দাও পদতলে, গেল রে এ হাপাপী গেল রসাতলে। ১৯। भवमोहघरट्टेण पिष्टो गोधूमवत् सदा । मिये न सोढुं शक्नोमि त्राहि मां मधुसूदन ॥ २० ॥ পাষাণ-যন্ত্রের মাঝে গোধূম যেমন, এ ভব-মায়ার যন্ত্রে হতেছি পেষণ ;
१३२ कृष्णभक्तिरसामृतम् । সহে না সহে না আর গেল রে জীবন, जाग्न उन्ना गाँटन लीगभूमूमन ! । २० । मुहुः क्रोशत्ययं पार्पकासि हे करुणामय । अनुतापिमनःपीड़ामन्तर्यामिन् न वेत्सि किम् ॥ २१ ॥ আপনি আপন পাপে হয়ে অনুতাপী, পরিত্রাহি দয়াময়—ডাকে মহাপাপী ; অনুতপ্ত পাতকীর কি তীব্র বেদনা, অন্তর্যামী হরি ! কি তা জেনেও জান না?। ২১। चर्बयत्यनिशं मम्म मम मायानिशाचरी । क्कासि हे पूतनाघातिन् मायाकुहकनाशक ॥ २२ ॥ এ ঘাের সংসার মায়া রাক্ষসীর প্রায়, হৃদয়-মরম মাের চিবাইয়া খায় ; পূতনাঘাতি হরি ! এস একবার, কুহকিনী এ মায়ারে করহ সংহার। ২২। पद्मभ्रान्त्या विषमविषयव्यालभोगं श्रितोऽहं (१) माध्वीक व प्रबलगरलज्वालयान्तर्चलामि । सन्लप्तानां त्वमसि शरणं सर्वसन्तापहारिन् खान्तं शान्तं कुरु मम हरे शान्तिसिन्धो मुकुन्द ॥ २३ ॥ . . (१) विषमः परिणामदारुणः, तादृशी यो विषयः रूपरसादिः इन्द्रियार्थः, स एव व्यालः सर्पः, "व्याली भुजङ्गमे क्रूर श्वापदं दुष्टदन्तिनि" इति विश्वः । तस्य भीमः उपभीगः, पक्षे भीगः फण:, तम् , “भीगः सुखे स्त्रवादिताव ईश्च फणकाययो:” इत्यमर । सर्पविशेषस्थ फणमण्डले पद्माकारं चिङ्गम अस्ति, इति 'पद्मधान्या' इत्युक्तम । - प्रात्मनिवेदनम् । বিষয়-ফণীর চক্রে পঙ্কজ ভাবিয়া, মধু-আশে তাহা আমি সেবিলাম গিয়া মধু কোথা! জ্বলে প্রাণ বিষের জ্বালায়, সৰ্ব্বতাপহারী হরি ! জুড়াও আমায়। ২৩। ; सोढुं न भूयः प्रभवन्ति दुर्बला: प्राणा भवक्षोभमहोवतेदृशम् । हरे मुरारेऽखिलशक्तिधारक प्रयच्छ शक्ति सकलं यथा सहे ॥ २४ ॥ এ ভব-যন্ত্রণা ঘাের এ ভব-যন্ত্রণা ! দুৰ্বল পরাণে আর সহে না সহে না কোথা আছ ভগবান্ সৰ্বশক্তিমান ! এ দুঃখ সহিতে শক্তি কর হে প্রদান । ২৪। घोरेऽतिघोरे विषयान्धकार निमीलितः सीदति मेऽन्तरात्मा । कोऽन्यस्त्वदन्योऽस्ति हरे शरण्यः पदाथयं देहि निराश्रयाय ॥ २५ ॥ বিষয়-আঁধার এ যে অতি ঘোরতর, ডুবিতেছি অন্ধ হয়ে তাহে নিরন্তর ; তােমা বিনা জগদীশ ! কে আছে শরণ ? নিরাশ্রয়ে পদাশ্রয় দাও নারায়ণ !। ২৫। ! मदान्धव कुञ्जरो भवगभीरगर्ते पतन् क्षिपामि मुहुराकुलां चरमदृष्टिमद्य त्वयि ।
২৪ कृष्णभक्तिरमामृतम्। विभी पतितपावन त्वमसि मृत्युहारी हरिः समुद्धर कपानिधे निजकृपावलम्बेन माम् ॥ २६ ॥ মত্ত মাতঙ্গের প্রায় জ্ঞান হারাইয়া, এ ঘাের সংসার-গর্তে পতিত হইয়া, অন্তিম-সময়ে আজি আকুল পরাণে, বার বার দয়াময় ! চাহি তব পানে ; মৃত্যুহারী কোথা হরি ! এস নারায়ণ ! পতিতে উদ্ধার কর পতিতপাবন !। ২৬। मामुडर जगन्नाथ घोरसंसाररौरवात् । देहि नाथ पदे स्थानं नित्यानन्दमये तव ॥ २० ॥ এ নহে সংসার, এ যে ভীষণ রৌরব, (১) পড়িয়া তাহাতে সদা করি আৰ্ত্তরব ; জগবন্ধু জগন্নাথ ! কর পরিত্রাণ, নিত্যানন্দ পদে তব দাও মােরে স্থান। ২৭। भवोऽयमुन्मत्तनिबन्धकारा हमाम्यही रोदिमि चात्र बहः । पदे तवेयं मम देव भिक्षा विमोचयाम्माद्भवबन्धनान्माम् ॥ २८ ॥ কভু হাসি কভু কঁাদি একি চমৎকার ! পাগলের কারাগার এ বিশ্বসংসার ; (১) বৌরব’-ঘের নরবিশেষের নাম।
प्रात्मनिवेदनम् ।
তব পদে এই ভিক্ষ। ওহে নারায়ণ !
এ কারাবন্ধন মাের করহ মোচন। ২৮।
भवे ममत्वं वत कुर्खता मया
काल: फणी क्षीररसेन पोषितः ।
ज्वलामि पथादुगरलाग्निना विषं
कालाहि मे हर कालियान्तक ॥ २८ ॥
এ ভবে মমতা হায় ! করিয়া স্থাপন,
দুগ্ধ দিয়া কালসর্প করিনু পােষণ ;
বিষানলে জ্বলে প্রাণ, কালিয়দমন ।
এ কালসর্পের বিষ কর হে হরণ। ২৯।
पदेऽपराधोऽस्मि सहस्रशस्ते
दह्ये ततस्तीव्रतरानुतापैः ।
लालप्यमानस्य सुतस्य दीन
क्षमानिधे मर्षय मेऽपराधान् ॥ ३० ॥
কত শত অপরাধ করেছি ও পায়,
তাই ঘাের অনুতাপে জ্বলিতেছি হায় !
তব পদে এবে পুত্ৰ কঁাদে হাহাকারে,
ক্ষমার আধার হরি! ক্ষমহ আমারে। ৩০।
.
मातव पुत्वस्य सुमन्दबुद्दे:
क्षन्तुं शतान्यहसि मेऽपराधान् ।
साध्वौं च बुद्धिं ननु बुद्धिदातः
प्रयच्छ मह्यं भगवन् सदैव ॥ ३१ ॥
१३६ कृषणभक्तिरसामृतम्। মাতা যথা কুপুত্রের শত শত দোষ, ক্ষমা করে নিজ গুণে নাহি করে রােষ ; ক্ষম মম অপরাণ তুমিও তেমতি, বুদ্ধিদাতা হরি ! সদা দাও হে সুমতি। ৩১। आस्तां रतिस्त्वत्पदएव गाढ़ा मा दुष्कृते मे मतिरस्तु भूयः । त्वां पश्यतो मेरुणकोटिभासं मोहान्धकारो विलयं प्रयातु ॥ ३२ ॥ তােমারি চরণে যেন থাকে গাঢ় রতি, আর যেন পাপে হরি ! নাহি যায় মতি কোটি অরুণের ভাতি হেরিয়া তােমার, মােহ-অন্ধকার যেন নাহি থাকে আর। ৩২। মুননিসনিৰীনি মা कृत्वा भवस्वप्नविमुप्तचित्तम् । हरे विशोकं ह्यभयं पदं ते ज्योतिम्मयं दर्शय दर्शय त्वम् ॥ ३३ ॥ মােহ-নিদ্রা হ’তে মােরে কর জাগরিত, এ ঘাের সংসার-স্বপ্ন কর নিবারিত ; অশােক জ্যোতির্ময় অভয় চরণ, দেখাও দেখাও মোরে ওহে নারায়ণ!। ৩৩।
श्रीमूर्तिदर्शनम्। १३७ श्रीमूर्तिदर्शनम् । वासन्तचूतमुकुलेष्वलिझतेषु कुलेषु मञ्जकलकोकिलकूजितेषु । অদ্যমাঘৰযল सौन्दर्यसागर हरे तव मूर्तिमीक्षे ॥ १ ॥ মধুমাসের চুতমুকুলে, অলিকুলের ঝঙ্কারে, নিকুঞ্জবনে কলকণ্ঠ কোকিলের মধুর কুহুরবে এবং শারদীয় সুধাকরের পরিপূর্ণ মণ্ডলে, হে সৌন্দৰ্য্যসাগর হরি! আমি তােমারি মূর্তি দর্শন করি। ১। प्रफुल्लपद्धेषु सरोवरेषु ताराविचित्रेषु नभस्तलेषु । मातुः स्तने कारुणिकस्य चित्ते गोविन्द पश्यामि तवैव मूत्तिम् ॥ २ ॥ যখন কমলকুল বিকসিত হইয়া সরােবরসকলকে সুশােভিত করে, যখন সুনীল নভােমণ্ডলে বিচিত্র তারকাপুঞ্জ প্রস্ফুটিত হয়, যখন স্নেহময়ী জননীর স্তন হইতে অমৃতধারা নিঃসৃত হয়, যখন দয়ালুর হৃদয় দয়ারসে দ্রবীভূত হয়, তখন সেই সকল মধুময় দৃশ্যমধ্যে, হে গােবিন্দ ! আমি তােমারি মুর্তি দর্শন করি। ২। विचित्रपुष्पासु वनस्थलीषु सुगन्धमन्दानिलवीजितासु । विहङ्गसङ्गीतनिनादितासु गोविन्द पश्यामि तवैव मूर्तिम् ॥ ३ ॥ ১৮ ? कृष्णभक्तिरसामृतम् । যখন বনভূমিসকল বিচিত্র কুসুমমালায় সুসজ্জিত, সুগন্ধ গন্ধবহের মন্দ মন্দ হিল্লোলে আন্দোলিত এবং মধুর কণ্ঠ বিহঙ্গকুলের সঙ্গীতরবে নিদিত হয়, তখন সেই শান্তিময় দৃশ্যমধ্যে, হে গােবিন্দ ! আমি তােমারি মূর্তি দর্শন করি। ৩। शिखगिड़ केका नवमेघशब्दे भेकालिकण्ठाच नवाम्बुपाते । झिल्लीरवाः सुप्तजने निशीथे उद्बोधयन्त्यङ्ग तवैव मूर्तिम् ॥ ४ ॥ নব-মেঘ-গর্জনে শিখিগণের কে কারব, নববর্ষগমে ভেককুলের কোলাহল, নিস্তব্ধ গভীর নিশীথে ঝিল্লীরব, হৃদয়মধ্যে তােমারি মূর্তিকে উদ্বোধিত করে। ৪। प्रत्यासिन्दूररसै रिवाई बालासपैर्विच्छुरितऽन्तरीक्षे। पश्यामि सन्ध्याम्बुदविभ्रमेषु प्रेमाभिरामां तव कृष्ण मूर्तिम् ॥ ५ ॥ যখন উষাদেবী অভিনব সিন্দুররসের ন্যায় অপূৰ্ব অরুণা- লােকে গগনতলকে সুরঞ্জিত করেন, যখন অস্তগমনােমুখ সূর্যের আতা কিরণমালা সান্ধ্য মেঘস্তবকে প্রতিফলিত হইয়া ক্ষণে ক্ষণে নব নব বিলাসলহরী প্রকাশ করে, তখন আমি সেই ভুবনমােহন দৃশ্যপটে, হে কৃষ্ণ! তােমারি প্রেম- ময়ী মনোমােহিনী মূর্তি দর্শন করি। ৫।
बोभूतिदर्शनम् । उशिनगारुमतसुप्रकाशैः क्षेत्रेषु कीर्णेषु नवीनशस्यैः । निग्धेषु पश्यामि च पनवेषु विखाभिरामं तव कृष्ण रूपम् ॥ ६ ॥ যখন মরকতমণির ন্যায় শ্যামল নবীন শস্যসকল সমুদগত হইয়া ক্ষেত্রমণ্ডলকে অপূৰ্ব্ব বেশে বিভূষিত করে, যখন তরু- লতাসকল স্নিগ্ধ নবপল্লবে সুশােভিত হয়, তখন সেই কমনীয় দৃশ্যমধ্যে, হে কৃষ্ণ! আমি তােমারি বিশ্ববিমােহন রূপ দর্শন করি। ৬। कङ्कालमालाबहुलेऽतिरौद्रे श्मशानदेशे शवधूमधूमे। प्रचण्डवातक्षुभितऽर्णवे च प्रेक्षे महारुद्र तवैव मूर्तिम् ॥ ७ ॥ চিতা-ধূমে ধূম্রবর্ণ শব-কঙ্কালে সমাকীর্ণ বিভীষিকাময় শ্মশানমধ্যে এবং প্রচণ্ড ঝটিকায় বিক্ষোভিত সমুদ্রমধ্যে, হে মহারুদ্র ! আমি তােমারি মূর্তি দর্শন করি। ৭। । गाढ़ान्धकारासु कुरुक्षपासु दिग्वापिघोराभ्रघटासु चैव । दम्भोलिभीमध्वनितेषु वीचे महाविराजस्य तवैव मूर्तिम् ॥ ८ ॥ যখন অমানিশার নিবিড় অন্ধকারে দশদিক সমাচ্ছন্ন হয়, যখন ঘােরতর ঘনঘটায় গগনমণ্ডল পরিব্যাপ্ত হয়,
?৪ ০
कणभक्तिरसामृतम्।
যখন ভীষণ কড় কড় শব্দে বাগ্নি স্ফুটিত হয়, তখন
হে মহাবিরাট! আমি সেই লােমহর্ষণ দৃশ্যমধ্যে তােমারি
মূর্তি দর্শন করি। ৮।
আমাজ়না।সমিষিলামন্ি
तोयाशयान् स्वच्छजलान् समीक्ष्य ।
उदेति चित्ते तव कापि मूर्तिः
অনননবিনাময়ী অন্ধ। এ ।
যখন চন্দ্রনক্ষত্ৰমণ্ডিত অসীম আকাশপট স্বচ্ছ সরােবর-
গর্ভে এতিবিম্বিত হয়, তখন সেই অপরূপ দৃশ্য দর্শনে,
হে মুকুন্দ ! আমার হৃদয়মধ্যে তােমার অনন্ত বৈচিত্র্যময়ী
এক অনির্বচনীয় মূর্তি আবির্ভূত হয়। ৯।
पुण्यानि तीर्थानि तपोवनानि
दृष्ट्वा सरित्सागरसङ्गमांश्च ।
नामावशेषांथ पुराणदेशान्
पुरातनं त्वां पुरुषं स्मरामि ॥ १० ॥
পবিত্র তীর্থ সকল, তপােবন সকল,
নদী
সমুদ্রের সঙ্গম
সকল এবং নামাবশিষ্ট প্রাচীন স্থান সকল দর্শন করিয়া,
হে পুরাণ পুরুষ ! আমি তােমারি মূর্তি ধ্যান করি। ১০ |
लीलाः शिशूनां यहचत्वरेषु
गवां प्रचारेषु च वत्सलीलाः ।
जलेषु पश्यन् जलपक्षिलीलाः
स्मरामि लीलामयविग्रहं त्वाम् ॥ ११ ॥
AKRILA BIH INSTITUTE ৫৪৫ श्रीमूर्तिदर्शनम् । গৃহপ্রাঙ্গণে মধুরমূৰ্ত্তি শিশুগণের লীলা দর্শনে, গােষ্ঠে গােবৎসগণের লীলা দর্শনে, জলাশয়ে জলপক্ষিগণের লীলা দর্শনে, হে ভগবন! তােমার অনন্তলীলাময়ী মূর্তি আমার হৃদয়-মন্দিরে নৃত্য করিতে থাকে। ১১। स्तनन्धयानां स्तनदुग्धपाने मधुव्रतानां मकरन्दपाने । दाने दयालोरथ भक्त गाने पश्यामि मूर्ति करुणामयों ते ॥ १२ ॥ যখন স্তন্যপায়ী শিশুসন্তানকে স্তনদুগ্ধ পান করিতে দেখি, যখন মধুকরকে মকরন্দ পান করিতে দেখি, যখন দয়ালু ব্যক্তিকে দান করিতে দেখি, যখন ভক্তের মুখে ভগ- বৎসঙ্গীত শ্রবণ করি, তখন, হে ভগবন্! আমি তােমারি করুণাময়ী মূর্তি দর্শন করি। ১২। सतीषु नारीषु च सर्वभूत- प्रकामसन्तर्पणदीक्षितासु । पूर्णावपूर्णाविव लक्षयेऽहं মুনি" ছৰ স্বল্পময়ী নৰৰ ॥ ২॥ যাঁহারা পতিব্রতা, সৰ্বজীবের পরিপূর্ণ তৃপ্তিসাধনব্রতে দীক্ষিতা, গৃহস্থাশ্রমে পূর্ণ অন্নপূর্ণারূপে বিরাজমান, সেই সকল রমণী মূর্তি দর্শন করিলে জ্ঞান হয়, হরি হে ! যেন তােমারি সত্ত্বময়ী মাতৃমূর্তি প্রত্যক্ষ করিতেছি। ১৩। माणिक्यखण्डैरिव दीप्यमानैः खद्योतपुर्निचितानगण्यैः । ৪ LIBRARY १४२ कृष्णभक्तिरसामृतम् । वनद्रुमान् वीक्ष्य घनाञ्चकार स्मरामि ते मूर्तिमपूर्वरूपाम् ॥ १४ ॥ গাঢ় অন্ধকারে অগণ্য মাণিক্যখণ্ডের ন্যায় পুঞ্জ পুঞ্জ খদ্যোতমালায় যখন বনবৃক্ষসকল আপাদমস্তক প্রদীপ্ত হইতে থাকে, তখন আমি হৃদয়মধ্যে তােমারি অপরূপ মূর্তি मनि कति। 28। वनस्पती भूभृति निझरे वा कूले समुद्रस्य सरित्तटे वा । यौव चित्ते समुदेति भति: तत्रैव पश्यामि तवैव मूर्तिम् ॥ १५ ॥ কি বনস্পতি, কি ভূধর, কি নিঝর, কি সমুদ্রকূল, কি নদীতট, যখন যে দৃশ্য দর্শনেই মনে ভক্তির উদ্রেক হয়, তখন সেই দৃশ্যমধ্যেই তােমারি মূর্তি দর্শন করি। ১৫। कोटे पतङ्गे च सरीसृपेच मीने पशी पक्षिणि मानवे च । स्थूले च सूक्ष्म च जले स्थले खे पश्यामि ते रूपमनन्तरूप ॥ १६ ॥ কীট, পতঙ্গ, সরীসৃপ, মৎস্য, পশু, পক্ষী, মনুষ্য, স্কুল, সূক্ষম, জল, স্থল, অন্তরীক্ষ, যাহাতেই দৃষ্টি নিক্ষেপ করি, হে অনন্ত রূপ ! আমি তােমারি রূপ দর্শন করি। ১৬। भूतेषु सर्वेषु चराचरेषु दूरे समीपे च पुरश्च पश्चात् । .
१४३ श्रीमूर्त्तिदर्शनम्। विलोकयाम्यूईमधश्च तिर्यक् हे कृष्ण ते रूपमनन्तरूप ॥ १७॥ চরাচর সমস্ত পদার্থে, দূরে, সমীপে, অগ্রে, পশ্চাতে, উর্ধে, নিম্নে, তির্যক ভাগে, হে অনন্তরূপ কৃষ্ণ! আমি তােমারি রূপ দর্শন করি। ১৭। আমি অবাক্, अहो निमग्नस्तव रूपसिन्धी पश्यामि नान्तं न च मध्यमादिम् । अवाक् च निस्पन्दतरो विमूढ़ः कुत्रास्मि कोस्मीति न वेद्मि देव ॥ १८ ॥ অহহ! আমি তােমার রূপসাগরে নিমগ্ন হইয়া, আদি অন্ত মধ্য কিছুই দেখিতে পাইতেছি না; স্পন্দহীন ও সংজ্ঞাশূন্য হইয়াছি ; হে দেব ! কে আমি? কোথা আছি ? কিছুই জানিতে পারিতেছি না। ১৮। नमस्ते नमस्ते विभो विखमूत्ते नमस्ते नमस्ते हरेऽचिन्त्यशक्त । नमस्ते नमस्तेऽखिलाथय सिन्धी महादेव शम्भो नमस्ते नमस्ते ॥ १८॥ . হে বিভাে! বিশ্বৰ্তে ! তােমাকে নমস্কার নমস্কার ; হে অচিন্ত্যশক্তিধারি হরি ! তােমাকে নমস্কার নমস্কার ; হে নিখিল আশ্চর্যের আধার ! তােমাকে নমস্কার নমস্কার ; হে মহাদেব শম্ভো। তোমাকে নমস্কার নমস্কার । ১৯।
१४४
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
माटपदाञ्जलिः ।
(भगवतो माटमूर्तिस्तोत्रम् )
सर्बसुमङ्गलसन्ततिदात्रि
वरदेऽभयदे त्रिभुवनधात्रि ।
शङ्करि शङ्कारहदयविलासे
मयि कुरु करुणामयि तव दासे ॥ १ ॥
ও জননি! তুমি সৰ্বমঙ্গলদায়িনী,
অভয় বরদা তুমি ত্রিলােকপালিনী;
मोहन्नि ! विश्न इत-शनि-
मिशमान,
কিঙ্করে কৃতার্থ কর কৃপা-বিতরণে। ১।
सर्वजगन्मयि साधकसाध्ये
दीनदयामयि परमाराध्ये ।
तत्त्वं ज्ञातुं प्रभवति कस्ते
जय जय भगवति देवि नमस्ते ॥ २॥
সৰ্বময়ি ! সৰ্বঘটে তব অধিষ্ঠান,
সাধনার ধন তুমি আরাধ্য প্রধান ;
দয়াময়ি! তব তত্ত্ব কে জানিতে পারে,
জয় দেবি ভগবতি ! প্রণমি তােমারে। ২।
ब्राझि महेखरि वैष्णवि शतो
मयि कुरु करुणामयि तव भक्तो ।
त्वमसि गतिः किल जगति समस्ते
जय जय भगवति देवि नमस्ते ॥ ३ ॥
मारपदाचलिः। १४५ তুমি ব্রাহ্মী মহেশ্বরী বৈষ্ণবী শকতি, ভকতে করুণা কর ও মা ত্রিমূরতি । জগদম্বে ! ত্রিজগতে তুমিমাত্র গতি, জয় দেবি ভগবতি ! তব পদে নতি। ৩। ! सिद्धेश्वरि परमेश्वरि तारे सीदाम्यहमतिदुर्गतिभार। दुर्गे दुर्गतिहारिणि मातः चरणमहं तव शरणं यातः ॥ ४ ॥ তুমি গাে মা! সিদ্ধেশ্বরী পরম ঈশ্বরী, দুর্গতি-সাগরে দুর্গে ! তুমিমাত্র তরী ; দুর্গতি-সাগরে আমি হতেছি মগন, অভয় চরণে তাই লয়েছি শরণ। ৪। काञ्चनमय इव हरिणो राम कर्षति मोहो मामविरामं । मोहतिमिरशतभास्करभासं दर्शय तऽभयचरणविकास ॥ ५ ॥ সােনার হরিণ হেরি’ শ্রীরাম যেমন, লােভে ভুলি’ হারাইল সীতা হেন ধন ; মায়ার কুহকে আমি ভুলিয়া তেমন, হারায়ে রয়েছি হায় ! ও রাঙা চরণ; মােহ-অন্ধকারে শত সূৰ্য্য-পরকাশ, দেখাও অভয় পদ পূর্ণ কর আশ । ৫।
१४६ कृष्णभक्तिरसामृतम्। न मन्त्रं नो तन्वं जननि न च जाने स्तुतिकथां नचाहानं ध्यानं जननि न च जानेऽर्चनविधिम् । तपो वा योगं वा किनपि न हि जाने जड़मतिः परं जाने मातस्त्वदभयपदं निर्वृतिपदम् ॥ ६ ॥ ! মন্ত্র তন্ত্র জপ তপ ভজন পূজন, জননি! জানি না কিছু আমি অভাজন ; স্তুতি বা প্রণতি আমি জানি না কেমন, জানি না জননি! যােগ ধ্যান আবাহন ; ও মা তারা ! জানিমাত্ৰ অভয় চরণ, সৰ্ব্ব শােক সৰ্ব্ব দুঃখ যে করে হরণ। ৬। न ब्राह्मन च वैषणवं मम मनो नो शाम्भवं वैभवं खाराज्यं न च काझति क्षितिपतेः प्राज्यञ्च राज्यं न वा। वेधीविष्णुशिवादिकैरपि नुतं ध्यातञ्च योगीखरैः मातस्ते पदमेव देहि ननु मे स्वर्गापवर्गाधिकम् ॥ ७ ॥ ব্ৰহ্মপ, বিষ্ণুপদ, শিবের বৈভব, ইন্দ্রপদ, রাজপদ, চাহি না সে সব ; ব্রহ্মা বিষ্ণু শঙ্করেও করে যাহা গান, নারদাদি যােগিবরে করে যাহা ধ্যান ; স্বর্গ মােক্ষ যে পদের নহেক সমান, ७ मा ! जत मरेआम का मारत मान । १। मातब्रझमयि त्वदीयचरणे प्राणा मया खर्पिता: त्वं तान् रक्ष हराथवापि नरकज्वालानले वा क्षिप।
मारपदाञ्जलिः। १४७ खेच्छा ते स्वधने यदिच्छसि कुरु त्वं मातरिच्छामयी वक्ताश्यं परकीयवस्तुविषये नास्ये व किञ्चिन्मम ॥ ८ ॥ ও মা তার ব্রহ্মময়ি ! তব এ সন্তান- সঁপেছে তােমারি পদে আপনার প্রাণ ; সে প্রাণ রাখহ কিম্বা করহ সংহার, জ্বলন্ত নরকে গতি কর বা তাহার ; কর গাে মা ইচ্ছাময়ি! যাহা ইচ্ছা মনে, সম্পূর্ণ তােমারি ইচ্ছা আপনার ধনে ; যে দ্রব্যে নাহিক আর মম অধিকার, তাহার বিষয়ে আমি কি বলিব আর। ৮। ! छिन्धि वा भिन्धि वा मातमी वा मारय कुट्टय । नाहं जातु महापापी त्यजामि चरणं तव ॥ ८ ॥ কাটিয়াই ফেল মােরে অথবা কুটিয়া, কিম্বা দেবি ! ফেল মােরে ছিড়িয়া খুড়িয়া ; আমি যে মা ! মহাপাপী ধরেছি চরণ, কিছুতেই ছাড়িব না করিয়াছি পণ। ৯। स मारुतिर्दर्शितवान् हनूमान् विदार्य वज्ञः किल रामनाम । दासस्य मातस्तु तवास्य पश्य सर्वेषु देहाणुषु माटनाम ॥ १० ॥ বিদীর্ণ করিয়া নখে বক্ষ আপনার, ‘রাম’ নাম দেখাইল পবন-কুমার ;
१४८
कृष्णभक्तिरमामृतम् ।
কিন্তু তব এ দাসের দেখ মা ! তনুতে
'शा' नाम निप्छ जान्न गाउ ८७ । २० ।
चण्डाललोकोऽपि न चेत् स्पृशेत्त
कीटाधमथेदपि संत्यजेत्तम् ।
क्रोड़ीकरोत्येव तथापि माता
शक्नोति हातुं निजमङ्गजं किम् ॥ ११ ॥
চণ্ডালেও যদি তারে স্পর্শ নাহি করে,
নরককীটেও যদি তারে পরিহরে ;
তথাপি জননী তারে নিজ কোলে টানে,
মায়ে কি ফেলিতে পারে আপন সন্তানে ?। ১১।
व्यक्तुं सुतञ्चेदपि वाञ्छसि त्व
व्यक्तं न शक्नोम्यतिपातकी त्वां ।
दाहज्वरार्तिज्वलितः सुतः किं
त्यजेत् स्वमातुः शिशुरङ्गशय्यां ॥ १२ ॥
ত্যাজ্য পুত্র যদি মোরে চাহ করিবারে,
নারিবে এ মহাপাপী ছাড়িতে তােমারে ;
বিষম জ্বরের দাহে জ্বলে যার প্রাণ,
ছাড়ে কি মায়ের কোল সে শিশু সন্তান ?। ১২।
पापी महानग्यहमस्मि पुत्वः
पदे पदं चेत्र ददासि मातः ।
त्यजेत् कुपुत्त्रं जननीति लोके
भवेत् 'परीवादनवावतारः ॥ १३ ॥
मापदाञ्जलिः। ৫৪ যতই হই না পাপী, আমি ত সন্তান, আমায় যদি মা! পদে নাহি দাও স্থান ; “কুপুত্র বলিয়া মাতা করিল বর্জন”— মার নামে এ কলঙ্ক হইবে নূতন। ১৩। आवाहनान्ते प्रतिमां तवान्ये विसर्जयस्त्येव जलेषु मातः । तां ध्यानलब्धां प्रतिमामहं तु न प्राणबदामलमस्मि मोक्तुम् ॥ १४ ॥ অপরে প্রতিমা তব করি’ আবাহন, শেষে তাহা জলমাঝে করে বিসর্জন ; কিন্তু যে প্রতিমা আমি পেয়েছি ধেয়ানে, গাঁথিয়া রেখেছি তাহা পরাণে পরাণে; আগেতে পরাণ-গ্রন্থি না করি’ ছেদন, কেমনে প্রতিমা তব দিব বিসর্জন। ১৪। ध्यानं च दानं परिपूजनं वा होमो वलिपि तवैव नाम । तार कुमारस्य तवास्य सर्व तपःफलं मेऽम्ब तवैव नाम ॥ १५ ॥ আমি যে কুমার মার মা বিনা জানি না আর ও মা তারা! কুমারের তুমিই সাধনা, তুমি মাের দান ধ্যান পূজা হােম বলিদান ‘মা’-নামে পূরাই যত মনের বাসনা। ১৫।
कृष्णभशिरसामृतम्।
ओङ्कारहुजातिनिनादिनि देवि दुर्गे
ब्रह्माण्डकोटिपरिमण्डलमुण्डमाले ।
दुन्तिमोहमहिषासुरघातिनि त्वं
ज्ञानासिधारिणि शिवानि मयि प्रसीद ॥ १६ ॥
সঘনে ওঙ্কারশব্দে ছাড়ি’ হুহুঙ্কার,
নাস্তিক-দানব-দর্প করিছ সংহার ;
ব্ৰহ্মাণ্ড অনন্তকোটি হৃদয়-আধারে—
গাঁথিয়। পরেছ মুণ্ডমালার আকারে ;
অজ্ঞান-মহিষাসুর নাশিবার তরে,
ঝলসিছে জ্ঞান-অসি দেবি! তব করে ;
শিবময়ি ! তব পদে লয়েছি শরণ,
কিঙ্করে করুণাকণা কর বিতরণ। ১৬।
!
(गानम् )
जय भयवारिणि निर्वृतिकारिणि
दुर्गतिहारिणि तारिणि है
जय नारायणि देवि सनातनि
जननि त्रिभुवनपालनि है ।
श्मशानवासिनि रुद्रविलासिनि
कालि कलुषकुलनाशिनि है
जय जय शङ्करि भक्ताशुभकारि
विखखरि परमेश्वरि हे ॥ १७ ॥
मापदाञ्जलिः ।
१५१
अन्तिमप्रार्थना-
मायापुत्तलिकाभिरामजसुताजायादिभिः खेलया
तारे ब्रह्ममयि स्मृतं नहि मया नाम त्वदीयं सवत् ।
यातो जीवनभास्करोऽस्तमधुना कालत्रियामागता
हा मातः क गतासि सान्त्वय सुतं स्वोत्सङ्ग शय्यातले ॥१८॥
মায়ার পুতলী দারা সুত পরিজন,
সে সব লইয়। ছিনু খেলায় মগন ;
ও মা তারা ব্ৰহ্মময়ি! কি বলিব হায় !
ভুলেও বারেক নাহি ডাকি তােমায় ;
আয়ু-সূর্য অস্ত গেল ফুরাইল বেলা,
কালরাত্রি এল এবে সাঙ্গ হ’ল খেলা ;
হায় মা ! রহিলে কোথা ! কঁদিতেছে ছেলে,
সান্ত্বনা করহ তারে নিজ কোলে ফেলে। ১৮।
करालकालवदनाज्जृम्भमाणान्ममान्तिके ।
अगतिं रक्ष मां मातः कालि कालनिवारिणि ॥ १८ ॥
শিয়রে শমন ওই ! মেলিছে বদন—
मिल जागरित काम ! यागि याता;
তাই ডাকি ও মা কালি ! কালনিবারিণি !
করাল কালের গ্রাসে রক্ষ গো তারিণি !। ১৯।
पाषाणवत् सुकठिने हृदयेऽपि माता
नो जातु कालकवले विसृजत्यपत्यम् ।
मातस्त्रिलोकजननी करुणामयी खं
हाहा यमाय कथमेव ददासि पुत्रम् ॥ २० ॥
१५२ कृष्णभक्तिरसामृतम्। হলেও মায়ের প্রাণ পাষাণসমান, পারে যমেরে দিতে আপন সন্তান ; তুমি মা ! করুণাময়ী বিশ্বের জননী, (कान बालमित याम बासन बानि । २० । मा मेति वस्तुमसकद् यतते मनो मे (१) क्षीणादिनि:सरति किन्तु वचो न कण्ठात् । निस्पन्दता वपुषि हा खसितं च कण्ठे पुत्वेति मृत्युसमये सलदाह्वय त्वम् ॥ २१ ॥ মনে করি ‘মা’‘মা’ বােলে ডাকি বারবার, ক্ষীণ কণ্ঠে বাক্য কিন্তু না সরে আমার ; কণ্ঠশ্বাস হৈল দেহে স্পন্দ নাহি আর, ‘পুত্র’ বােলে মৃত্যুকালে ডাক একবার। ২১। पाणी न मे प्रसरतोऽनलिबन्धनाय नो मे शिरोऽपि जननि प्रणतो क्षमते। त्वबामकीर्तनविधी विवशा च जिह्वा देवि प्रतीच्छ मनसापचितिं मुमूर्षोः ॥ २२ ॥ কৈমনে মা ! করজোড়ে প্রণমি তােমায়, অসাড় হইল হস্ত তােলা নাহি যায় ; (१) माशब्दी मारवाचकः, "मा शिवश्चन्द्रमा वेधा मा लचीय प्रकीर्तिता। मा च मातरि माने च बन्धने च समौषिता" । (एकाचरकोष:)
मारपदावलिः । ?? ভাঙ্গিল ঘাড়ের ডগি কি করিব হয় । মাথা তুলি’ প্রণমিতে না পারি তােমায় ; হায় রে ! রসনা মাের বশে নাহি আর, বলনা কেমনে নাম লইব তােমার ; মানসে পূজিনু তাই অন্তিমে এখন, এস মা ! মানস-পূজা করহ গ্রহণ। ২২। परिक्षीणा नाड़ी पतति चरमोच्छासनिवहः हिमानः कायो मे तमसि निविड़े दृग् विशति च । अये तारे मातश्चरमसमये ब्रह्ममयि ते पदाम्भोजपशं मम शिरसि देहि क्षणमपि ॥ २३ ॥ ক্ষীণ হৈল প্রাণনাড়ী নাহিক চেতন, গভীর আঁধারে দৃষ্টি হৈল নিমগন ; বহিছে অন্তিম শ্বাস দেহ হিমময়, ও মা তারা ব্ৰহ্মময়ি ! কোথ। এ সময় । মৃত্যুকালে সন্তানেরে রহিলে কি ভুলে ? বারেক মাথায় দাও পাদপদ্ম তুলে। ২৩। एहि देहि पदस्पर्शमशिवेऽस्मिन् शवे शिवे । त्वत्पदस्पर्शमात्रेण शवोऽपि शिवतां व्रजेत् ॥ २४ ॥ এস মা! এস ম শিবে! দাও দরশন, এ অশিব শবে পদ কর পরশন ; ও পদ-মহি গো মা ! কি বলিব আর, শবেও শিবত্ব পায় পরশে উহার । ২৪। ! ২০
१५४
कृष्णभक्तिरसामृतम्।
"सर्वमङ्गलमङ्गल्ये शिवे सर्वार्थसाधिके ।
शरण्ये त्राम्बके गौरि नारायणि नमोऽस्तु ते" ॥
इति श्रीताराकुमारकविरब विरचितं
कृष्णभक्तिरसामृतं
समाप्तम्।
ओम्
॥ तत् सत् ॥
“কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হে
१३ ११० तु कुता कुन मा ३० (२।
কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ বক্ষ মাম্
११ १ ४० म त म कृत नारि भाग् ॥"
(बोट उपश)
परिशिष्टम् ।
ग्रन्थकतो वंशाख्यानम्।
गोत्रे पवित्रेऽजनि कौशिकानाम्
आचार्यचूड़ामणिनामरूढ़ः ।
विप्रः पवित्रीकतजीवलोको
दिवशुतो गाङ्गइव प्रवाहः ॥ १ ॥
পবিত্র কৌশিক গােত্রে আচাৰ্যচূড়ামণি নামে বিখ্যাত
এক ব্রাহ্মণ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যেন গঙ্গাপ্রবাহের
ন্যায় দিব্যলােক হইতে অবতীর্ণ হইয়। জীবলােককে পবিত্র
করিয়াছিলেন। ১।
श्रीरामनारायणतर्कपञ्चा-
ननोऽभवत् सिद्धकुले तदीये ।
যীযান্সিনীনিবাসি:
प्रोद्भासयामास दिशः शशीव ॥ २ ॥
সেই আচাৰ্য্যচূড়ামণির সিদ্ধবংশে শ্রীরামনারায়ণ তর্ক-
পঞ্চানন নামে মহাপুরুষ জন্মগ্রহণ করেন। তাহার পুণ্য
কৰ্ম্মজনিত যশােরাশি চন্দ্রমার ন্যায় দিgণ্ডল আলোকিত
করিয়াছিল। ২।
यस्मिन् दिव्यमहोराशी दीप्यमाने रवाविव ।
नान्ये सदास विहांसो दीपाइव दिदीपिर ॥ ३ ॥
२ परिशिष्टम् । অলৌকিক তেজোরাশি সেই তর্কপঞ্চানন যখন যে সভা আলােকিত করিতেন, তথায় আর সকল পণ্ডিত, সূর্যের নিকট দীপমালার ন্যায় নিষ্প হইয়া যাইতেন। ৩। नवदीपाधिपाद्या यं মৃন্ম: ख्यातकीर्तयः विद्ददरमसामान्यैर्दानमानैरपूजयन् ॥ ४ ॥ নবদ্বীপাধিপতি প্রভৃতি প্রখ্যাতকীৰ্ত্তি গুণজ্ঞ মহােদয়গণ সেই পণ্ডিতবরকে, সৰ্বোচ্চ দান ও সর্বোচ্চ সম্মান দ্বারা পূজা করিতেন (১)। ৪। व्यासनाम्ना जगुः केचित् केचियजेखराख्यया । यं दाक्षिणात्या मनुजा यत्प्रभावेण विस्मिताः ॥ ५ ॥ দাক্ষিণাত্য সমাজের লােকেরা তাঁহার প্রভাবদর্শনে (১) তদানীন্তন নবদ্বীপাধিপতির সভায় বঙ্গের ৫ জন পণ্ডিত সৰ্বোচ্চ বিদায় পাইতেন। তাহাদের একজন পরলােক গমন করায়, সেই পদ কাহাকে দেওয়া যায় এই বিষয় লইয়া আন্দোলন হইতে লাগিল। অনেকে অনেক পণ্ডিতের নাম করিলেন। কিন্তু কলিকাতার রাজা রাধাকান্তদেব বাহাদুর প্রভৃতি তর্কপঞ্চাননকেই যােগ্যপাত্র বলিয়া নির্দেশ করিলেন। নবদ্বীপাধিপতি স্বয়ং গুণের বিচার করিবার জন্য সমস্ত পণ্ডিতগণকে আহ্বান করিয়া সভা করিলেন। সভায় তর্কপঞ্চানন উপস্থিত হইবামাত্র তঁাহার মহাপুরুষােচিত অসামান্য মুক্তি দেখিয়াই রাজা সসন্ত্ৰমে উঠিয়া তঁাহার অভ্যর্থনা করিলেন। অনন্তর, দর্শনশাস্ত্রঘটিত অতি দুরূহ বিষয়ের মীমাংসার ভার তাহার উপর অর্পিত হইল। তিন দিন সভাশুদ্ধ সকলে স্তম্ভিত হইয়া তাহার ব্যাখ্যা শ্রবণ করিয়াছিলেন। তদবধি সর্বোচ্চ বিদায় তঁাহাকেই প্রদত্ত হইত।
হ परिशिष्टम्। বিস্মিত হইয়া, কেহ তাঁহাকে ‘ব্যাসদেব’-নামে, কেহ বা তাঁহাকে যজ্ঞেশ্বর’-নামে কীৰ্ত্তন করিতেন (১)। ৫। यं यान्तमनुयान्ति स्म परिवार्य स्थिताः स्थितम् । অনমী কাল্পস্বভা: নাৰি যুধিদ্ভিন্ ॥ সমাজের মান্য গণ্য শত শত ব্রাহ্মণ, তিনি গমন করিলে, সাক্ষাৎ যুধিষ্ঠিরের ন্যায় তাহার অনুগমন করিতেন, এবং তিনি বসিলে তাহাকে বেষ্টন করিয়া বসিতেন। ৬। यस्याज्ञा वेदवाणीव न व्याहन्यत कुत्रचित् । मालेव सादरं सर्वैरुह्यतेस्म स्वमौलिभिः ॥ ७ ॥ তাঁহার আদেশ বেদবাক্যের ন্যায় সর্বত্রই অপ্রতিহত ছিল ; সকলে তাহা মালার ন্যায় সাদরে শিরােধার্য্য করিতেন। ৭। (১) কলিকাতার ছয় ক্রোশ দক্ষিণে রাজপুর ও তৎসন্নিহিত অন্যান্য গ্রামে বহুসংখ্যক বৈদিক ব্রাহ্মণের বাস। তর্কপঞ্চানন ঐ অঞ্চলের বৈদিক- সমাজের দলপতি ছিলেন। রাজপুরের অনতিদুরে কোদালিয়া গ্রামে তিনি বাস করায়, এবং গ্রামের প্রান্তবর্তী ‘গোঘাটা' নামক ভূতপূৰ্ব্ব-গঙ্গার ঘাটে তিনি স্নান করায়, সকলে বলিত, “কোদালিয়া পুরী কাশী গােঘাটা মণিকর্ণিকা। তর্কপঞ্চাননে ব্যাসো রামনারায়ণঃ স্বয়”। অর্থাৎ-যথায় সাক্ষাৎ ব্যা.দেব রামনারায়ণ তর্কপঞ্চাননের অধিষ্ঠান সেই কোদালিয়া গ্রাম কাশীপুরী, এবং তত্ৰত্য গঙ্গার ঘাট মণিকর্ণিকা তীর্থ। এ প্রবাদ অদ্যাপি বৃদ্ধলােকের মুখে শুনা যায়। কোনও ক্রিয়া-বাটীতে তর্কপঞ্চাননের আগমনমাত্রেই সকলে পরমানন্দে বলিয়া উঠিতেন, যজ্ঞেশ্বরের অধিষ্ঠান হইয়াছে, এক্ষণে যজ্ঞ সম্পূর্ণ হইবে। তঁাহার নিজ বাটীতে মহাসমারােহে অবিশ্রান্ত ক্রিয়াকলাপ চলিত।
৪ परिशिष्टम्। श्रीकृष्णमोहनशिरोमणिरित्यनयों व्यासस्य तस्य शुकदेवइवात्मजोऽभूत् । नारायणः सुविमले सरसीव चन्द्रो यस्यान्तरात्मनि सदा प्रतिविम्बितोऽभूत् ॥ ८ ॥ ব্যাসদেবের পুত্র যেমন শুকদেব, তেমনি সেই রাম- নারায়ণের অমূল্য পুত্ররত্ন শ্রীকৃষ্ণমােহন শিরােমণি। যেমন স্বচ্ছ সরােবরগর্ভে পূর্ণচন্দ্র প্রতিবিম্বিত হয়, তেমনি তদীয় হৃদয়মধ্যে পূর্ণব্রহ্ম সদা প্রতিবিম্বিত ছিলেন। ৮। यो लोकोत्तरया भक्त्या श्रीकृष्णमपि मोहयन् । श्रीक्षामोहनाख्यां स्वामन्वर्थी कृतवान् भुवि ॥ ८ ॥ তিনি অলৌকিক ভক্তিগুণে শ্রীকৃষ্ণকেও মােহিত করিয়া ‘শ্রী কৃষ্ণমােহন’ এই নিজ নাম সার্থক করিয়াছিলেন। ৯। सर्वेषु भूतेषु दयाद्रचेताः मूर्तिः क्षमाया वशिनां वरिष्ठः । . यो योगदृष्ट्याखिलमेव विखं चराचरं विष्णुमयं ददर्श ॥ १० ॥ তাঁহার হৃদয় সৰ্ব্বভূতে দয়ারসে সদাই আর্দ্র ছিল ; তিনি ক্ষমাগুণের মূর্তিস্বরূপ এবং জিতেন্দ্রিয়গণের অগ্রগণ্য ছিলেন; তিনি যােগ-নেত্রে চরাচর নিখিল ব্ৰহ্মাণ্ডকে বিষ্ণুময় দর্শন করিতেন। ১০। निपीय यस्याननचन्द्रनिःसृताम् अपूर्व गोविन्दकथासुधा जनः ।
WAKRISHNA MAS ON INSTITUTI বৰিছি। निरस्तसंसारसमस्तयातनी न्यमज्जदानन्दमहोदधौ मुहुः ॥ ११ ॥ লোকসকল তঁহার মুখচন্দ্র-বিনিঃসৃত অপূৰ্ব শ্রীকৃষ্ণ- কথারূপ সুধা পান করিয়া, সংসারের সমস্ত যাতনা বিস্মৃত হইয়া, বারংবার আনন্দসাগরে নিমগ্ন হইত। ১১। सच्चिदानन्दयोगेन निलीन: सचिदात्मनि । নিস্তানায় ভাল বন্ধু যীঘিনিষ্টনি ॥ ৫২। তিনি সচ্চিদানন্দ-যােগে নিমগ্ন হইয়া, সেই সচ্চিদানন্দ- ময় নারায়ণে বিলীন হইয়া, এক্ষণে নিত্যানন্দময় বৈকুণ্ঠধামে বিরাজ করিতেছেন। ১২। ताराकुमारीण तदात्मजन तत्पादपद्मार्पितमानसेन। प्रीत्यै मुकुन्दस्य मुकुन्दभक्ति- रसात्मकं कायमिदं निबद्धम् ॥ १३ ॥ তাহার পুত্র তারাকুমার, সেই পিতৃদেবের পাদপদ্মে চিত্ত সমাহিত করিয়া, শ্রীকৃষ্ণের প্রীতিকামনায়, এই কৃষ্ণভক্তিরসাত্মক গ্রন্থ প্রণয়ন করিল। ১৩ | ওঁ “জয় জগদীশ হরে” LIBRARY # INC
โกอบ
I12
LIBRARY
ลง
20anual
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.