Dipsikha Library, Howrah
Janbar Katha
Front matter
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
জানবার কথা
( ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর পাঠ্য )
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক
শ্ৰীযুক্ত বিশ্বপতি চৌধুরী
এম. এ.
লিখিত ভূমিকা সহ
পশুপতি চট্টোপাধ্যায় সঙ্কলিত
নতুন সব
সুলভকলিকাতা লাইব্রেরী
১০৪, অপাৰ চিৎপুব বােড়, কলিকাতা।
১৯৪০
মুল্য। না
একাক- প্রফুল্ল কুমার ধর সুলভকলিকাতা লাইব্রেরী ১০৪, অপার চিৎপুর রােড, কলিকাতা। IBRARY Ass c Det Huwrah যh * প্রাপ্তিস্থান ১। জে, সি, ব্যানার্জি, ২। সর্বমঙ্গলা লাইব্রেরী *, কলেজ স্কোয়ার। ক্যানিট। ৩। শিক্ষক সমবায় লাইব্রেরী, ৪। সিদ্দিক লাইব্রেরী, বর্ধমান। কল্যাণপুর, হাওড়া। ৫। বয়েজ লাইব্রেরী, ফরিদপুর। মুদ্রার প্রভাত কুমার চট্টোপাধ্যায় প্রভাত প্রেস কল্যাণপুর, হাওড়া।
ভূমিকা শ্ৰীযুক্ত পশুপতি চট্টোপাধ্যায় লিখিত ‘জানবার কখা পড়ি শুধু খুসী হই নাই, সেই সঙ্গে অনেক কিছু নূতন জিনিষ ফাকি দিয়া শিখিয়া লইয়াছি। এই শ্রেণীর পুস্তক শুধু ছাত্রদের নয়, ছাত্রদেব মাষ্টার মহাশয় এবং বাপ-সাকুদ্দাদেরও হাতের কাছে সব্বদা থাকা দরকার। গ্রন্থকার জ্ঞাতব্য বিষয়গুলিতে-ভৌগােলিক জ্ঞাতব্য’, ‘ঐতিহাসিক জ্ঞাতব্য’, ‘ভাবতীয় জ্ঞাতব্য’, ‘পৃথিবীর জ্ঞাতব্য’, ‘বিবিধ জ্ঞাতব্য’, ‘বাঙ্গালার স্মরণীয় স্থান, বার ভূইয়ার নাম’, ‘বিক্রমাদিত্যের নবরত্নের নাম, খেলা ধূলা ‘হিন্দু রাজাদের নাম’, ‘মুসলমান বাজাদের নাম’, ‘বিভিন্ন ধম্মের লােকসংখ্যা, ‘রেলপথ’ প্রভৃতি কয়েকটি শ্রেণীতে বি • ঞ কবিয়। এই একটা মস্ত বড় সুবিধা করিয়া দিয়াছেন যে, পাঠকগণকে জানিবার জন্য সারা বইখানি হাতড়াইয়া মরিতে হয় না। ঘরে বসিয়া বাতাবাতি সবজান্তা হইতে হইলে এই বইখানি যে গৃ. রাখা দরকার, সে কথা স্বীকাৰ কৰিতে আমি বাধ্য ; কারণ আমি দেখিয়াছি, বইখানির শুভাগমনে পর হতে আমাদের বাড়ীর ছােট ছােট ছেলেমেয়েগুলো পৰ্যন্ত ভয়ঙ্কর ভাবে সবজান্তা হইয়া উঠিয়াছে এবং তীক্ষ্ণ তীক্ষ প্রশ্নবর্ষণে গুরুজদিগকে শুধু 'বিত নয়, রীতিমত পরাজিত করিয়া প্রচুর বিজয় গর্ব অনুভব করিতেছে। ২৬, ১০, ৪০, শ্রীবিশ্বপতি চৌধুরী DIP SHIKHA LIORARY KASTOSANGRAM NO'RAH
No text on this page.
DIPSIKSI)
Des
Dutuwrah
নবাৱ
j
As
কথা
বিবিধ জ্ঞাতব্য
১। পৃখিবীর বয়স হ’ল ১৭২,৫০,০০,০০০ বছর।
২। আমেরিকার যুক্তরাজ্যের প্রেসিডেন্ট বাৎসরিক প্রায়
২০২,০০০ টাকা বেতন পান, আমাদের মহামান্য বড়লাট
বাহাদুর পান বাৎসরিক ২৫০,৮০০ টাকা।
৩। পৃথিবীর সমস্ত রেল লাইনের মধ্যে ইউনাইটেড ষ্টেট’-
এর রেল লাইন সব চেয়ে বেশী লম্বা। এখানকার রেল
লাইন সৰ্বশুদ্ধ ২৪৩,৮০০ মাইল। ভারতের রেল লাইন
দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪৩,০০০
৪। ভারতে বর্তমান লেখা পড়াজানা লােক, শতকরা ১০ জন।
মাইল।
২
জানবার কথা
৫। উত্তর মেরু বৎসরে ৭ ইঞ্চি করে দক্ষিণে সরে।
৬। স্বাস্থকর জায়গার মধ্যে অষ্ট্রেলিয়ার সিডনী সহরই
অন্যতম।
৭। পৃথিবীতে ৩৫,৭০০,০০০টী টেলিফোন আছে।
৮। পৃথিবীর সব চেয়ে ঠাণ্ডা জায়গা সাইবেরিয়ায় ভারখয়
আনস্ক, আর সব চেয়ে গরম জায়গা ভারতবর্ষের জ্যাকো-
বাকাবাদ এবং ইউরােপের ডেম্ ভ্যালি।
রেল ষ্টেশনের প্লাটফরমের মধ্যে পৃথিবীর সব চেয়ে লম্বা
হচ্ছে—বিহারের শােণপুর ষ্টেশনের প্লাটফরম। (২৪১৫
ফি)।
১০। সর্বাপেক্ষা বড় রেলওয়ে ষ্টেশন হচ্ছে নিউইয়র্কের গ্র্যাণ্ড
সেন্ট্রাল টারমিন্যাল ষ্টেশন। এখানে ৪৭টী প্লাটফরম
আছে।
১১। পৃথিবীর ধনীলােকের মধ্যে হায়দ্রাবাদের নিজাম,
বরদার গায়কোবাড়, আগা খাঁ (ভারতবর্ষ ), হেরি
ফোর্ড, রক ফেলার (আমেরিকা)।
১২। ইংরাজী ভাষায় সাত লক্ষ, জার্মান ভাষায় তিন লক্ষ,
ফরাসী ভাষায় দু’লক্ষ দশ হাজার, ইতালী ভাষায় এক
লক্ষ চল্লিশ হাজার কথা আছে।
১৩। পৃথিবীর মধ্যে সব চেয়ে লােকসংখ্যা বেশী চীনে, তারপর
হল ভারতবর্ষে।
১৪। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সহর লণ্ডন। লণ্ডনের লোক
জানবার কথা
৩
সংখ্যা ৮,৭৪৭,১৪৩. লক্ষ। কলিকাতার লােকসংখ্যা
১১,৯৬,৭৩৪।
১৫। সব চেয়ে বড় লাইব্রেরী প্যারীর “বাইবিলিয়ােথেক
যাশনেল”। তারপরই নাকি রাশিয়ার লেনিন
লাইব্রেরী”।
১৬। পৃথিবীর সংবাদপত্রের ৫০ ভাগ ইংরাজীতে ছাপা হয়।
১৭। সুমাত্রা দ্বীপে “রাফলেসিয়া” সব চেয়ে বড় ফুল।
১৮। পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় মেলা হয় রাশিয়ায়
“নিজ নিনভ গােরড, দেশে”। বিহারের শােণপুরের
মেলাও পৃথিবীর বড় মেলার মধ্যে স্থান পায়।
১৯। পৃথিবীর মধ্যে দীর্ঘতম রেলওয়ে সেতু হচ্চে নিউইয়র্কে
ইষ্ট নদীর উপরে “হেলগেট সেতু” দৈর্ঘ্যে ১৩৫৫৩ ফিট।
ভারতবর্ষে শােণ নদীর উপরে শােণ ব্রীজ।
২০। মােটরে স্যার এম, ক্যামবল ঘণ্টায় ১৩০৯১ মাইল ও
এবােপ্লেনে জার্মানীর পি, ওয়েণ্ডেল মিনিটে ৭০
মাইলেরও বেশী চালিয়ে রেকর্ড করেছেন।
২১। বৃটেনের গ্রেট ওয়েষ্টার্ণ রেলওয়েতে একটী ইঞ্জিন আছে।
এই ইঞ্জিনখানি হচ্ছে পৃথিবীর প্রাচীন ইঞ্জিন।
সালে উহা নির্মিত হয়। ১৮৭৯ সালে উহার সকল অংশ
বান হয়।
২২। বৃটেনে প্রাথমিক
নে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে মােট ছাত্রসংখ্যা
১৩৪৩ সালে ছিল ৪৬,০০,০০০। প্রতি ছাত্র বাবদ
১৮৫৭
জনিবার কথা
সরকার গড়ে খরচ করেন বৎসরে ১৪ পাউণ্ড, ১৪ শিলিং,
১০ পেন্স।
২৩। সমুদ্রের ৬,০০০ ফিট জলের নীচেতে উত্তাপ কখনও
পরিবর্তিত হয় না।
২৪। পৃথিবীর সবচেয়ে দামী ঘড়ি পোপ ব্যবহার করেন।
ইহার দাম প্রায় ৬০,০০০ পাউণ্ড।
২৫। অ্যাকটানিয়াম’ আজকাল পৃথিবীতে সব চেয়ে বড় ধাতু।
২৬। সব চেয়ে বড় এরােপ্লেন হচ্ছে জাৰ্মাণীর Hindenburg।
২৭। অষ্ট্রেলিয়ার “ক্রাকার্ড” বড় লবণের খনি।
২৮। কলিকাতায় ট্রাম লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩ বর্গ মাইল,
অবশ্য হাওড়া ছাড়া।
২৯। সানফ্রান্সিসকো থেকে ওকল্যাণ্ড পর্যন্ত ৮ মাইল পুল
তৈরী হয়েছে। সেইটাই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ পুল।
৩০। হ্রদের মধ্যে মৃত সাগর (Dead Sea ) এর জল সব
চেয়ে লােনা। আর বৈকাল হ্রদ সব চেয়ে গভীর।
সব চেয়ে বড় হ্রদ এশিয়ার ক্যাম্পিয়ান। (৭৩০ মাইল
লম্বা)
৩১। সব চেয়ে বড় দ্বীপ গ্রীল্যাণ্ড।
৩২। সব চেয়ে গভীর প্রশান্ত মহাসাগর (৩ মাইলের উপর)।
সব চেয়ে বড় মরুভূমি আফ্রিকার সাহারা।
৩৪। সব চেয়ে চওড়া নদী দক্ষিণ আমেরিকায় য়্যামেজ
(৩,৪০০ ফিট)।
জানবার কথা ৪০। সব চেয়ে বড় জলপ্রপাত উত্তর নিউজিল্যাণ্ডের ‘সাদার- ল্যাণ্ড’ (১,৯০৪ ফিট)। টুগেলা (নাটাল) ১,৮০৩ উচ্চ। মধ্য এশিয়ায় পামীর’ বড় মালভূমি। ৩৭। সব চেয়ে উচ্চ Platue তিব্বত । সব চেয়ে বড় যাদুঘর ইংলণ্ডের ‘ব্রিটিশ মিউজিয়ম'। ৩৯। টানেল বা সুড়ঙ্গ পথ ‘টানা’ (জাপান) ১২ মাইল। সব চেয়ে বড় দুরবীক্ষণ যন্ত্র আমেরিকায় উইলসন্স অব্জার ভেটারীর। ৪১। কাচ কাচ তৈয়ারী করবার জন্যে সব চেয়ে ভাল বালি নরফোকে ওয়েষ্ট দ্বীপপুঞ্জে পাওয়া যায়। ৪২। ভারতের সর্বপ্রথম মহিলা-মন্ত্রী পণ্ডিত জহরলাল নেহেরুর ভগ্নী বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিত। ৪৩। চীন হইতে সর্ব প্রথম সিঙ্কের গুটী পােকা ৪৪। পৃথিবীতে বাঙলা দেশ ও তাহার পার্শ্ববর্তী স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও পাট চাষ হয় না। ৪৫। পৃথিবীতে প্রায় ২৫৬৩ রকমের ভাষা আছে। :৪৬। মূল্যবান্ ডাকটিকিট ১৮৫৩ সালে বৃটিশ গায়নার এক সেন্টের টিকিট। ৪৭। পৃথিবীর ওজন ১৬২,০০০, :৪৮। পৃথিবীর মধ্যে বেশী পাগল বৰ্মায়, প্রতি লক্ষে ৮৮ আর অন্ধ আজমীর-মাড়ােয়ারে, প্রতি লক্ষে ৩৮৩ ১০০ টন্ । জন। ন।
জানবার কথা
৪৯। মানুষের খাদ্যের জন্য জীবহত্যা হয় সব চেয়ে আমে-
রিকার ‘চিকাগাে’ সহরে। তাই উহার নাম ‘পৃথিবীর
কসাইখানা'।
৫০। শিলা বৃষ্টিতে পৃথিবীতে বৎসরে ৬০০,০০০,০০০ টাকা
ক্ষতি হয়।
৫১। পৃথিবীর মধ্যে সব চেয়ে বড় পাতা হাওয়াই দ্বাপের ‘এপ,
এপ গাছের পাতা।
৫২। পৃথিবীর ভিতরে সব চেয়ে বড় কার্পেট আছে নিউ ইয়র্ক
সহরের Walddorf Astoria হােটেলে ।
সব চেয়ে বড় গ্রহ হ’ল জুপিটর।
৫৪। পৃথিবীর মধ্যে কলিকাতার টালাই বড় জলের ট্যাঙ্ক।
৫৫। পৃথিবীর মধ্যে কোহিনুরই উজ্জ্বল হীরা।
সব চেয়ে বড় গর্ত কালিফোর্নিয়া প্রদেশে। (গভীরতা
১০,০০০ ফিট)।
৫৭। পৃথিবীর মধ্যে নারী-ব্যারিষ্টার প্যারিস শহরে।
এক গ্ৰেণ সােনাকে পিটাইয়া ৫০০ ফুট দীর্ঘ করা যায়।
৫৯। হীরক দিয়া কঁচ কাটা হয়।
প্রত্যেক পুরুষ মানুষের মস্তিষ্কের (Brain) ওজন গড়ে
৩ পাউণ্ড ৮ আউন্স, স্ত্রীলােকের মস্তিষ্কের গড় ওজন
২ পাউণ্ড ১১ আউন্স।
৬১। টাটার। লােহার কারখানাই ভারতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট
লােইর কারখানা।
৫৮।
জানবার কথা
৬২। পৃথিবীর খৰ্বতম জাতি আন্দামানে বাস করে। এরা
আফ্রিকার পিগমীদের চেয়েও ঘােট।
৬৩। একটি ছুঁচ-তৈরী কলে সপ্তাহে ১৫০০০০০টী চুচ তৈরী
হয়।
৬৪। পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা পুরাতন ইঞ্জিন লায়ন ১৮৩৫
সালে নির্শিত হয়। উহা ১২ বৎসর কাল চলিয়া
আসিতেছে।
৬৫। সােভিয়েট রাশিয়ায় যত চিকিৎসক আছেন তাহার মধ্যে
অর্ধেক নারী, মােট ২১১৭২ জন নারী-চিকিৎসক
আছেন।
৬৬। পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় পুরাতন গৃহ মিশরের
“স্টেপ পিরামিড”। ৬,৩০০ বৎসরের পুরাতন।
৬৭। পৃথিবীর সব চেয়ে বেশী বৃষ্টিপাত হয় আসামের খাসিয়া
পৰ্বতের চেরাপুঞ্জে। উহার পরিমাণ বর্ষিক ৫০০
৬৮। পৃথিবীতে প্রত্যেক বৎসর ৩৩,০০০,০০০ লােকের মৃত্যু
হয়। মিনিটে ৬৩ জন লােক মারা যাচ্ছে, ঘন্টায়
৩৭৮০ জন।
৬৯। পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিমালয়ের এভারেষ্ট শৃঙ্গ।
ইহার উচ্চতা ২৯১৪২ ফিট্ । ইহার আবিষ্কর্তা সার্ভে
জেনারল অব ইণ্ডিয়া অফিসের কর্মচারী রাধানাথ
সিকদার।
জানবার কথা
৭। জাৰ্মাণীর নুনবার্গ সহরে এত খেলনা তৈরী হয় যে ইহাকে
খেলনা-জগতের রাজধানী বলে।
৭১। দালান ও মােটর-বাসই দ্বিতল দেখা যায়। কিন্তু প্যারীর
শহরতলীতে দ্বিতল রেল গাড়ী পর্যন্ত ব্যবহৃত হইতেছে।
৭২। আটলান্টিক মহাসাগরের টি নিদাদ দ্বীপে এক অদ্ভুত
আলকাতরার হ্রদ আছে।
৭৩। পৃথিবীর অর্ধেকের বেশী লবঙ্গ আফ্রিকার নিকটবর্তী
জাঞ্জিবার’ দ্বীপে উৎপন্ন হয়।
৭৪। প্যারীর সহরতলীতে ইস্পাত ও সিমেন্ট নির্মিত একটী
১৬ তলা অট্টালিকা আছে। সেই অট্টালিকায় ১৫০টী
কক্ষ আছে।
৭৫।
ডেনমার্কের লুথার লং জাম্পে পৃথিবী বিখ্যাত। তাহার
একটী পা নাই।
৭৬। চীনের প্রাচীর নির্মাণ করিতে যে সকল দ্রব্য পাগিয়াছে,
সেই দ্রব্যে পৃথিবীর চতুর্দিকে ৯ ফিট উচ্চ দেওয়াল দ্বারা
ঘেরা যাইতে পারে।
৭৭। ইংলণ্ডে তিরিশ লক্ষ লােক কাণে কম শশানে।
৭৮। পৃথিবীতে ছাপ্পান্ন হাজার বামন (খর্বাকৃতি) আছে।
এক গাছি চুল না ছিড়িয়া চার আউন্স ভার সহ্য করে।
৮০। পৃথিবীতে দু’ লক্ষ তেত্রিশ হাজার রকমের গাছ আছে।
৮১। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেঁটে লােক কে জান? মিঃ
টম থাম্ব,। ইনি ছিলেন মাত্র ১৮ ইঞ্চ লম্বা।
আর
জানবার কথা ৯ উচ্চ। লম্বা লােক ছিলেন ম্যাকগ্রাথ,। জাতিতে আইরিশ, লম্বা ৭ ফুট ৮ ইঞ্চ। ৮২। পৃথিবীর মধ্যে সব চেয়ে বড় মানচিত্র নােম নগরে। মান- চিত্রখানি পাশে ২০ হাত, লম্বায় ২৪ হাত এবং ২৪ হাত এতে খরচ পড়েছে ৪ লক্ষ টাকা। ৮৩। পৃথিবীতে ৯,৮০০ ০০ ০০ কোটী ম্যাগাজিন আছে। ৮৪। আন্দামান জেলের নাম পৃলিপােলাও। ৮৫। পৃথিবীতে প্রতি বৎসরে মােট ৩০,০০০ বার ভূমিকম্প হয়। ৮৬। নিউফাউন্ডল্যাণ্ডে প্রত্যেক বৎসর ৫৩,০০০ টন কাগজ তৈরী হয়। ৮৭। জার্মান দেশীয় ওয়েনডে নামক এক জন বৈমানিক ঘটায় ৪৬৯১১ মাইল বেগে একখানা বিমানপােত চালাইয়াছিলেন। ৮৮। কাফ্রীরা কখনও হাঁচে না। ৮৯। জন্ ক ( ব্রিটিশ) সাহেব ঘটায় ৩৬৮৮৫ মাইল বেগে একখানা মােটর চালাইয়াছিলেন। ৯০। ফ্লোরিডা দেশের একখানা রেলগাড়ী ঘণ্টায় ১২০ মাইল গিয়াছিল। ৯১। ভারতের ভিতর আহমদাবাদের মিউনিসিপ্যালিটী হ’ল সব চেয়ে পুরাতন। সব চেয়ে আগে চীন দেশের লােকেরা চা খেতে ধরেছিল। ৯২।
১০ জানবার কথা ৯৭। ৯৩। আটলান্টিক মহাসাগরের ১ টন জলে ৩১ পাউণ্ড লবণ আছে। ৯৪। আটলান্টিক মহাসাগরের মাপ হচ্ছে ৩১,৫৩০,০০০ কোটী । বর্গ মাইল। ৯৫। ক্যামেরা যখন প্রথম আবিষ্কৃত হয় তখন তাতে ছবি তুলতে ১৫ মিনিট সময়ের দরকার হত। ৯৬। অষ্ট্রেলিয়াতে যত লােক বাস করে তার চেয়ে লণ্ডনে বেশী লোেক বাস করে। অবরুদ্ধ জনপদে অস্থায়ীভাবে যে মুদ্রা চালান হয় তাহাকে “অবসিডিওন্যাল” বলা হয়। ৯৮। মিশর দেশীয় কৃষিজীবীদের ফেলাইন বলে। ৯৯। ভারতের মধ্যে প্রয়াগ, হরিদ্বার, উজ্জয়িনী ও নাসিকে কুম্ভমেলা হয়। প্রতি ১২ বছর অন্তর পূর্ণকুন্ত হয়ে থাকে, এবার হরিদ্বারে পূর্ণকুম্ভ হবে। ১০০। পৃথিবীর মধ্যে মৃত্যুহার সর্বাপক্ষা কম আসাম প্রদেশে। ১০১। পৃথিবীর মধ্যে যুক্তরাজ্যের লােকেরা সর্বাপেক্ষা অধিক কাগজ ব্যবহার করে। ব্যবহারের পরিমাণ বৎসরে গড়ে এক কোটী টন। ১০২। তিব্বত দেশীয় চাষীরা কোনও অভ্যাগত বিদেশী ভ- লােককে তাদের জিহ্বা ২১ মিনিটের জন্য বাহির করিয়া অভিবাদন জ্ঞাপন করে। ১৩। পৃথিবীতে বৎসরে ১৬,০০০,০০০ বার বজ্রপাত হয়।
জানবার কথা ১১ ১০৪। ইংলণ্ডের ক্রুসেভার্ণগণ প্রথমে উটপাখীর ডিম্বের ছাল দিয়া কাপ তৈয়ারী করিত। ১০৫। বড় পার্ক-ইয়ােলাে ষ্টোন ন্যাশন্যাল পার্ক (আমে- রিকা) ৩৩৫০ বর্গ মাইল। ১০। বড় সিনেমা হাউস-রকসি (নিউ ইয়র্ক) ৬০০০ লােক বসিতে পাবে। ১৭। বড় বেলুন ষ্টেশন-ক্ৰয়ডন সহরে। ১০৮। হাঙ্গেরীর আর্নেষ্ট হেন মােটর সাইকেল ঘণ্টায় ৫৭:১২ মাইল চালিয়ে রেকর্ড করেছেন। প্রথম আবিষ্কারের নির্ঘণ্ট নাম সাল আবিষ্কারক স্থান আমােরিকা আমেরিকা আমেরিকা আমেরিকা টেলিফোন ১৮৭৫ গ্ৰেহামবেল বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাম ১৮৩৫ মর এরােপ্লেন ১৯০৩ রাইট ভ্রাতৃদ্বয় ফটো ফিল্ম ১৮৮৩ ইষ্টম্যান বাষ্পীয় ইঞ্জিন ১৫৬৫ ওয়াট জেপেলীন ১৯০৮ কাউন্ট জেপেলীন এক্স-রে ১৮৯৫ রােয়েন্ট জেন রিভলভার ১৮৩৫ কোল্ট ইংলণ্ড আমেরিকা জার্মানী আমেরিকা ১২ জানবার কথা নাম মেসিন গান রেলের ইঞ্জিন ইংলণ্ড ইংলণ্ড টেলি ভিশন ডিনামাইট মার্কণী বেতার ধাতু নিম্মিত ছাপার অক্ষর বাষ্প চালিত ছাপার কল ট্রামগাড়ী ফাউন্টেন পেন সেফটী রেজার টকি সাল আবিষ্কারক স্থান ১৮৬১ গেটলিং আমেরিকা ১৮১৪ ষ্টিফেনসন্ ১৯২৬ বেয়ার্ড ১৮৬৭ নোবেল সুইডেন ইটালী ১৮৯৫ জগদীশচন্দ্র বসু বাঙ্গলা ১৪৫০ গুটেনবার্গ জাৰ্মানী ১৮১০ কুনি • জাৰ্মানী ১৮৩২ ট্রেণ আমেরিকা ১৮৬৪ ওয়াটারম্যান আমেরিকা ১৯০৪ গিলেট আমেরিকা ১৮৭৭ আমেরিকা ১৮৯৩ ১৮১৬ স্পিন। ইতালী ১৭৯২ থােমাস সেন্ট লণ্ডন ১৮৫৬ গ্যালিলিও ইতালী ১৮৮৪ কশ জাৰ্মানী ১৮৮০ ল্যাভেরাণ জাৰ্মানী এডিসন বায়স্কোপ চশমা দেশালাই-কল দূরবীক্ষণ যন্ত্র কলেরার বীজাণু ম্যালেরিয়ার বীজাণু
ভৌগােলিক জ্ঞাতব্য
১। আমাদের দেশের নাম ভারতবর্ষ । ইহা কয়েকটী প্রদেশে
বিভক্ত হইয়াছে। আমরা যে প্রদেশে বাস করি উহার
নাম বঙ্গ প্রদেশ।
বঙ্গ প্রদেশের উত্তরে সিকিম ও ভুটান, পূৰ্বে আসাম ও
ব্রহ্মদেশ, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমে উড়িষ্যা
বিহার।
বঙ্গ প্রদেশ পাচটি বিভাগে বিভক্ত :--
(১) প্রেসিডেন্সী (২) বর্ধমান (৩) ঢাকা
(৪) রাজশাহী (৫) চট্টগ্রাম।
৪। এই পাঁচটী বিভাগে মােট ২৮টি জেলা আছে ?
(ক) প্রেসিডেন্সী বিভাগে ?--- কলিকাতা, চব্বিশ পরগণা,
নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, যশােহর
ও খুলনা।
(খ) বর্ধমান বিভাগে ? - বর্ধমান, হাওড়া, হুগলী, বীরভূম,
মেদিনীপুর ও বাঁকুড়া।
(গ) ঢাকা বিভাগে ? ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও
বরিশাল।
(ঘ) রাজশাহী বিভাগে রাজশাহী, পাবনা, মালদহ, বগুড়া
দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, রংপুর
ও দার্জিলিং
জনিবার কথা (ঙ) চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, নােয়া- খালী ও ত্রিপুরা। ৫। ভাগীরথী নদীর তীরে কলিকাতা নগরী অবস্থিত। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে লণ্ডন’ ভিন্ন আর এত বড় নগর নাই। আয়তন-তেত্রিশ বর্গ মাইল। লােক সংখ্যা---প্রায় তের লক্ষ। কলিকাতার দ্রষ্টব্য ফোর্ট উইলিয়ম দুর্গ বা কেল্লা গড়ের মাঠ টেলিগ্রাফ অফিস জেনারেল পােষ্ট অফিস রাইটার্স বিল্ডিং চিড়িয়াখানা কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় টাউন হল মিউজিয়াম বা যাদুঘর অক্টালোনি মনুমেন্ট ভিক্টোরিয়া মেমােরিয়েল হল লাট সাহেবের বাড়ী হাইকোর্ট ইম্পিরিয়াল ব্যাঙ্ক জ্যাকেরিয়া স্ট্রাটে নাখােনা মসজিদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কারমাইকেল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল টালার জন্ধের ট্যাঙ্ক ইডেন গার্ডেন কারেন্সি অফিস প্রেসিডেন্সী কলেজ হগ মার্কেট কালীঘাটে কালীমন্দির পরেশ নাথের মন্দির ঢাকুরিয়া লেক
বাঙ্গলার স্মরণীয় স্থান
চব্বিশ পগলায়-
বারাকপুর-সৈন্যাবাস।
দমদম--বারুদের কারখানা।
মণিরামপুর --স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসস্থান।
দক্ষিণেশ্বর-রাণী রাসমণির প্রতিষ্ঠিত কালীবাড়ী।
ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনলােজিক্যাল কলেজ ।
যাদবপুর
যক্ষ্মা-নিবারণী হাসপাতাল।
টিটাগড়-কাগজের কল।
কাটালপাড়া--সাহিত্য-সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান ।
কুমারহট্ট সাধক রামপ্রসাদের জন্মস্থান।
নদীয়া জেলায়
কৃষ্ণনগর-রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজধানী।
কুষ্টিয়ামােহিনী মিল নামক কাপড়ের কল।
নবদ্বীপ—বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক শ্ৰীশ্রীচৈতন্য-মহাপ্রভুর জন্মভূমি।
পলাশী-১৭৫৭ সালে ইংরাজগণ নবাব সিরাজৌলাকে
পরাজিত করিয়া বাঙ্গলা অধিকার করেন।
ফুলিয়া-কবি কৃত্তিবাসের বাসস্থান ও বিজয়কৃষ্ণ গােম্বামীর
জন্মস্থান।
জানবার কথা মুর্শিদাবাদ জেলায় মুর্শিদাবাদ-মুশিদকুলি খাঁ এই নগর স্থাপন করিয়াছিলেন বলিয়া ইহার নাম মুর্শিদাবাদ হইয়াছে। এই নগরী এক সময়ে বাঙ্গালার রাজধানী ছিল। এই স্থানে হাজার দুয়ারী নামে নবাবী আমলে প্রস্তুত একটী বৃহৎ বাড়ী আছে। কাশিমবাজার-প্রাতঃস্মরণীয়া দানশীলা মহারাণী স্বর্ণময়ীর বাস- স্থান ও তদ্বংশীয় মহারাজ মণীন্দ্রচন্দ্র নন্দী মহােদয়ের রাজবাড়ী। যশােহর জেলায়- সাগর দাড়ি-কবিবর মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান । বুড়ল-পরলােক গত প্রসিদ্ধ বৈষ্ণব ভক্ত হরিদাসের জন্মস্থান। মহম্মদপুর-রাজা সীতারাম রায়ের রাজধানী ছিল । খুলনা জেলায় ঈশ্বরীপুর-ইহার প্রাচীন নাম “যশাের”। মহারাজ প্রতাপ আদিত্যের রাজধানী। সেনহাটী-স্বর্গীয় কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের জন্মস্থান। বাড়লী--বিজ্ঞানাচাৰ্য স্যার প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মস্থান। দৌলতপুর--এখানে একটী কলেজ আছে। সাতক্ষীরা-বাণিজ্য প্রধান স্থান।
জানবার কথা
১৭:
বর্ধমান জেলায়-
বর্ধমান-মহারাজাধিরাজের রাজবাড়ী।
তােড়কোণা-স্বর্গীয় স্যার রাসবিহারী ঘােষের জন্মস্থান।
সিঙ্গগ্রাম-কবি কাশীরাম দাসের জন্মস্থান।
দামুন্যা-কবিকঙ্কণ-কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর জন্মস্থান।
কালনা-বৈষ্ণবদিগের তীর্থস্থান। সাধক কমলাকান্তের জন্মস্থান
হাওড়া জেলায়-
শিবপুর—শিবপুর কলেজ ও বােটানিক্যাল গার্ডেন আছে।
বেলুড়গঙ্গাতীরে অবস্থিত। রামকৃষ্ণ দেবের মঠ আছে।
বালির পুল -ভাগীরথী নদীর উপর অবস্থিত। ইহার নাম
“উইলিংডন ব্রীজ”।
কল্যাণপুর-বঙ্গের সুপ্রসিদ্ধ নাট্যকার “জয়দেব” প্রণেতা স্বর্গীয়
হরিপদ চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের জন্মভূমি।
বাইনান--জষ্টিস্ নাসিম আলি মহােদয়ের বাসস্থান।
আগুন্সী—জাষ্টিস দ্বারিকানাথ মিত্রের জন্মভূমি।
সামতা নেড়-অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের
বাসস্থান। ইহা রূপনারায়ণ নদের তীরে অবস্থিত।
ছগলী জেলায়
হুগলী-জী মহম্মদ মহসীনের জন্মস্থান।
আছে।
এখানে ইমামবাড়ী
'১৮
জানবার কথা
রাধানগর-রাজা রামমােহন রায়ের জন্মস্থান।
কামার পুকুর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মস্থান।
বলাগড়—স্যার আশুতোেষ মুখখাপাধ্যায়ের পৈতৃক বাসস্থান।
ডালিটা কবিবর হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মস্থান।
মাহেশ—এখানে রথযাত্রায় বিরাট মেলা হয়।
বীরভূম জেলায়
বােলপুর-বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন বিশ্ববিদ্যালয়
আছে।
কেন্দুবিভক্তকবি জয়দেব গােস্বামীর জন্মস্থান।
নানুর—কবি চণ্ডীদাসের জন্মস্থান।
রায়পুর-স্বর্গীয় লর্ড সত্যেন্দ্র প্রসন্ন সিংহ (Tord S. P.
Singha) মহাশয়ের জন্মস্থান।
মেদিনীপুর জেলায়
বীরসিংহ—পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান।
বাঁকুড়া জেলায়
বিষ্ণুপুর—বিদ্রোহী-কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাসস্থান।
তাকা জেলায়
ঢাকা—বজের দ্বিতীয় রাজধানী। ইহার প্রাচীন নাম “জাহাঙ্গীর
নগর”। এখানে লাট সাহেবের বাড়ী, বিশ্ববিদ্যালয়,
জানবার কথা
১৯
নবাব বাড়ীর রঙ্গমহল, নর্থব্রুক হল, রমনা কালীবাড়ী,
ঢাকেশ্বরী মন্দির, লালবাগের কেল্লা প্রভৃতি বই দেখিবার
জিনিষ আছে।
তেলির বাগ-দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের জন্মস্থান।
রাড়িখাল—স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর জন্মস্থান ।
তেওত -কবি রজনীকান্ত গুপ্তের জন্মস্থান ।
ব্রাহ্মণগাঁও--শ্রীযুক্তা সরােজিনী নাইডুর পিত্রালয় ।
রামপাল-রাজা বল্লালসেনের বাজধানী ছিল ।
জয়দেবপুর ভাওয়াল রাজবাড়ীই প্রসিদ্ধ।
ময়মনসিংহ জেলায়
জয়সিদ্ধি-বাংলার আনন্দমােহন বসুর বাড়ী।
ফরিদপুর জেলায়
টিলাবাড়ী রাজা সীতারাম রায়ের দুর্গ ছিল ।
ফতেজপুর-এইখানে মানসিংহের সহিত যুদ্ধে কেদার রায়ের
মৃত্যু হয়।
কেদারবাড়ী-বঙ্গের ভূইয়াগণের অন্যতম উঁদ রায় ও কেদার
মায়ের দুর্গ ছিল।
রাজ নগর—এখানে রাজা রাজবল্লভের বহু কান্তি ছিল। পক্ষা
নদীর অতল গর্ভে সেই সমস্ত কীর্তি লুপ্ত হইয়াছে
বলিয়া পদ্মা নদীর ঐ অংশকে কীর্তিনাশা” বলে।
२०
জানবার কথা
বরিশাল জেলায়
বাটাজোড়—স্বর্গীয় অশ্বিনী কুমার দত্তের জন্মস্থান।
ফুল-মন-মঙ্গল-রচয়িতা কবি বিজয় গুপ্তের জন্মস্থান ।
রাজশাহী জেলায়
নাটোর-দানশীলা রাণী ভবানীর বাসভূমি।
পাবনা জেলায়
সাৱাঘাট--এখানে একটা প্রকাণ্ড রেল-সেতু আছে। ইহার
নাম “হার্ডিঞ্জ ব্রীজ”।
মালদহ জেলায়-
পাওয়া মুসলমান রাজত্বের সময় বঙ্গদেশের রাজধানী ছিল ।
গৌড়-বঙ্গের শেষ হিন্দু রাজা লক্ষণসেনে রাজধানী ছিল।
দিনাজপুর জেলায়-
দিনাজপুর—এইখানের “মহীপাল দীঘি” পালবংশীয় রাজা
মহীপালের অক্ষয় কীর্তি।
দাজিলিং জেলায়
সজ্জিলিং--বঙ্গের গভর্ণর বাহাদুরের গ্রীবাস।
মংপু-এখানে একটী কুইনাইনের কারখানা আছে।
চট্টগ্রাম জেলায়
নােয়াপাড়া-কবি নবীনচন্দ্র সেনের বাড়ী।
বঙ্গদেশের দেশীয় রাজ্য
কুচবিহার।
' ত্রিপুরা।
এই দুইটা রাজ্য পূর্বে বঙ্গদেশের গভর্ণর বাহাদুরের অধীনে
ছিল। গত ১৯৩৭ সালের ১লা এপ্রিল হইতে মহামান্য বড়লাট
বাহাদুরের অধীনে “ইষ্টার্ণ ষ্টেট এজেন্সী”র অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে।
সব চেয়ে বড়
মহাদেশ
দেশ
ติช
উপদ্বীপ
বদ্বীপ
আগ্নেয়গিরি
বাড়ী
मर्ड
মন্দির
এশিয়া
রাশিয়া
গ্রীনল্যাণ্ড
ভারতবর্ষ
সুন্দরবনের ডেল্টা
মৌনালােয়া
ভ্যাটিকান প্যালেস
লাসার ডুবু
রঙ্গম
সেন্ট পিটাস
টিন্টারেটের প্যারাডাইজ,
ছবি
বিশ্ব-আশ্চৰ্য্য নাম বিবরণ এাচীন যুগের শিরের পিরামিড মওলােলাসের স্মৃতিস্তম্ভ ৩৭০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে নির্মিত ৩৭০ ৩৩৫ ফিট উচ্চ ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান ৮৫ ফিট চওড়া ওলিম্পিয়ার জুপিটারের মূর্তি আলেকজান্দ্রিয়ার লাইট হাউস ৪৫০ খৃষ্ট পূঃ নির্মিত ৪০ ফিট উচ্চ ৩০০ খৃঃ পূর্বাব্দে নির্মিত ৪০০ ফিট উচ্চ ১২০ ফিট উচ্চ ছিল (২২৪ খৃঃ পূঃ ভূমিকম্পে নষ্ট ৩২৬ খৃঃ গথগণ কর্তৃক নষ্ট নােডসের কলােসা পিত্তল মূর্তি আয়নার মন্দির মধ্য যুগের রােমের কলােসিয়াম ৮২ খৃঃ নিখিত ৩০০ খৃঃ নির্মিত চীনের প্রাচীর ২৫৫ মাইল লম্বা ১৭০০ খৃঃ নিৰিত আগ্রার তাজমহল নােম কাটাকস
জানবার কথা
২৩
ইংলণ্ডের ষ্টোন হেঞ্জ
পিসার হেলান মিনার
নানকিনের চিনামাটীর মিনার
কনষ্টান্টিনােপলের সেন্ট সােফিয়ার মসজিদ
দিল্লীর জুম্মা মসজিদ
বর্তমান যুগের
রেডিয়াম
ফনােগ্রাফ
এরােপ্লেন
মটর ও ষ্টীম ইঞ্জিন
বায়স্কোপ ও টকি
টেলিভিশন
বেতার বার্তা
টেলিফোন
ইনজেকসন্
টেমস নদীর সুড়ঙ্গ
লণ্ডনের টীউব রেলপথ
সানফ্রানসিসকোর স্বর্ণ সেতু
নিউ ইয়র্কে এয়ার ষ্টেট বিল্ডিং
মিশরের আসাউন বাঁধ
বাঙ্গলার বার ভুইয়াগণের নাম মাম কন্দর্পনারায়ণ কংসনারায়ণ প্রতাপাদিত্য গণমাণিক্য মুকুন্দরাম চার রায় রাজধানী চন্দ্রদ্বীপ তাহিরপুর যশােহর ভুলুয়া ভূষণা বিক্রমপুর কেদার আয় রামচন্দ্ৰঠাকুর প্রতাপ রাজা গণেশ ফজল গাজী देना थी পুটিয়া চঁাদ গাজী দিনাজপুর ভাওয়াল খিজিরপুর রাজা বিক্রমাদিত্যের সভার নবরত্নের নাম ধন্বন্তরী ক্ষপণক অমরসিংহ শঙ্কু বেতালভট্ট ঘটকৰ্পর কালিদাস বরাহমিহির বররুচি ঐতিহাসিক জ্ঞাতব্য * পূর্বাব্দ মার্সেলিজ স্থাপন মাইলিটসের অধিবাসী হেকাটিসের প্রথম ভূগােল রচনা কার্থেজের হিমিলকো বৃটীশ দ্বীপে উপস্থিত হন ৪৫০ আলেজাণ্ডারের পারস্য জয় এরাটথিনিসের বৈজ্ঞানিক ভূগােল রচনা জুলিয়াস সিজারের গল দেশ জয় ৫৮-৫১ এ্যাগ্রিপ্পার মানচিত্র অঙ্কন ১২ খৃষ্টাব্দ টলেমির ভূগােল রচনা নাদি আইসল্যাণ্ড আবিষ্কার করেন গানবিয়বন গ্রীনল্যাণ্ড আবিষ্কার করেন লিফ নিউফাউণ্ডল্যাণ্ড, উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার করেন ১০০০ ভাইসে। ক্যানের কংগাে আবিষ্কার ১৪৮ কলােম্বসের জামাইকা দ্বীপ আবিষ্কার ১৪৯৩ ভাস্কো-ডিগামার গুড, হােপ অন্তরীপ পরিক্রমণ ১৪৯৭ কলােম্বসের টি নিডাড ও ওরিনিকে আবিষ্কার ১১৯ ওলন্দাজগণের গুয়েনা উপনিবেশ স্থাপন ১৫৮০ কংগ্রেস স্থাপন মহাত্মা গান্ধীর জন্ম ২রা অক্টোবর১৮৬৯ ৯০০ سالاد ৪ ২৬ জানবার কথা ১৮৫৭ ৯ই মে ১৮২১ ১২ই মার্চ ১৯১৭ ১৭৫৭ ১লা আগষ্ট ১৯১৪ ৪ঠা জুলাই ১৭৭৬ সিপাহী বিদ্রোহ নেপােলিয়ানের মৃত্যু রুশিয়ার বিপ্লব আন্দোলন পলাশী যুদ্ধ ও লর্ড ক্লাইভের জয়লাভ ইউরােপের মহাযুদ্ধ আরম্ভ আমেরিকার স্বাধীনতা লাভ মহারাণী ভিক্টোরিয়ার অভিষেক সম্রাট পঞ্চম জর্জের অভিষেক রাজা অষ্টম এডওয়ার্ডের সিংহাসন ত্যাগ চীন জাপানের যুদ্ধ প্যারিসে লিগ-অফ-নেসান সতীদাহ প্রথা নিবারণ ১৮৩ ১৯১১ ১৯৩৭ ১৯২০ ১৮১৯ ভারতীয় জ্ঞাব্য দেশীয় রাজ্য- ভারতবর্ষে সর্বসমেত ৭০০ দেশীয় রাজ্য আছে। ১। জম্মু ও কাশ্মীর ৩। মহীশূর ৪। বােদ ৫। ভূপাল ৬। ত্রিবাঙ্কুর ২। হায়দ্রাবাদ জানবার কথা ২৭ শিক্ষার হার ৯৯০ জন লগুন অস্ট্রিয়া ১৬ জাপান ৯১ ৯৯ ৩৩ ১০ ফ্রান্স জাৰ্মানী ইতালী ভারতবর্ষ ষ্টেশন ওপ্ল্যাটফর্ম সােনপুর খড়গপুর ঝান্সি লক্ষে গভর্ণরগণের গ্রীষ্মীবাস- ২৪১৫ ফিট ২০২৫ ২২৫০ ভারতবর্ষের ভাইসরয় বাঙ্গলার গভর্ণর মাদ্রাজের বােম্বাইয়ের সিমলা দাজ্জিলিং ওটাকামণ্ড মহাবালেশ্বর শিলং সিমলা রাঁচি ৪ আসামের পাঞ্জাবের বিহার-উড়িষ্যার ৮ জানবার কথা সর্বশ্রেষ্ঠ জন নায়িক কবি সাহিত্যিক বৈজ্ঞানিক চিত্রশিল্পী দার্শনিক বিদুষী মনীষী সমাজ সংস্কার ধৰ্ম্ম প্রচারক মহাত্মা গান্ধী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আচার্য জগদীশ বসু অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রজেন্দ্রনাথ শীল সরােজিনী নাইডু অরবিন্দ ঘােষ রাজা রামমােহন রায় স্বামী বিবেকানন্দ হজরৎ মহম্মদ (মুসলমান) উদয় শঙ্কর নৃত্যশিল্পী কুস্তিগীর গামা (পাঞ্জাব) খনিজ দ্রব্য লবণ স্বর্ণ কেরােসিন (नोर শ্লেট রৌপ্য চূণ ম্যাকানিজ পেট্রোল জানবার কথা ২৯ সর্বপ্রথম সার্জেন জেনারেল কর্ণেল মন্মথনাথ চৌধুরী আই, সি, এস সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর আই. সি. এস. ( শীর্ষস্থান লাভ) স্যার অতুলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যারিষ্টার জ্ঞানেন্দ্রমােহন ঠাকুর চিফ, জাষ্টিস্ স্যার রমেশচন্দ্র মিত্র কলিকাতার করােনার সৈয়দ আমীর আলী কেব্রজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাংলার আনন্দ মোহন বসু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট যদুনাথ বম্ব হাইকোটের জ… রমাপ্রসাদ রায় অ্যাড়ভভাকেট জেনারেল সত্যেন্দ্র প্রসন্ন সিংহ এরােপ্লেনের রমণী যাত্রী রাণী মৃণালিনী হাইকোটের আই. সি. এস. (জর্জ বিহারী লাল দত্ত ইংরেজী কাব্য লেখক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙ্গালী মহিলা এম, এ, পার্লামেন্টের মেম্বর দাদাভাই নওরােজী প্রিভিকাউন্সিলের সভ্য আমীর আলি বিলাতে ডাক্তারী পাশ গুডিভ চক্রবর্তী স্যার উপাধি রাধাকান্ত দেব বাহাদুর মধুসূদন দত্ত চন্দ্রমুখী বসু নবার কথা নােবল প্রাইজ বেলুনে উঠেন বাংল ভাষায় short-hand প্রবর্তক দ্বিজেন্দ্র নাথ সিংহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলিকাতা কর্পোরেশন মেয়র চিত্তরঞ্জন দাশ কলিকাতা সেরিফ দিগম্বর মিত্র কংগ্রেসের মহিলা সভানেত্রী সরােজিনী নাইডু কংগ্রেসের সভাপতি, উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম গভর্ণর লর্ড সিংহ ব্যারিষ্টারী পরীক্ষায় প্রথম নৃপেন্দ্রনাথ সরকার আই. সি. এস. পরীক্ষায় প্রথম স্যার অতুল চট্টোপাধ্যায় লণ্ডন এর সর্বপ্রথম ডি, এস. সি. স্যার জে. সি. রায়, বিশ্ববিদ্যালরের মহিলা গ্র্যাজুয়েট কাদম্বিনী গাঙ্গুলী এফ. আর. এস. জগদীশচন্দ্র বসু অনরারী ম্যাজিস্ট্রেট প্রভা বন্দ্যোপাধ্যায় অস্ত্রোপচারকারী মধুসূদন গুপ্ত এরােপ্লেনযুদ্ধে যােগদানকারী ইন্দ্রলাল রায় হিন্দু-সমাজে বিধবা বিবাহ প্রচলনকারী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংবাদপত্র হরকরা (ইংরাজী) বিলাত যাত্রী রাজা রামমােহন রায় মৃতুদণ্ডে দণ্ডিত ইংরাজ কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলে। সরলা রায় কর্পোরাল ফ্লেক্ জানবার কথা ৩১ বিভিন্ন ধর্মের লােক সংখ্যা- (১৯৩১ সালের গণনা অনুসারে ) ২৩৯১৯৫ ••• ৭৭৬৮০০ হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খৃষ্টান শিখ পাতা খুশি। ১২৭৮৭০০০ ৬২৯৭০ ০০ ৪৩৩১০০০ সহর ও লােকসংখ্যা- WHISTO ৪,২৯,৭৪৭ DS Diet Howrah লাহাের मिली মাদ্রাজ বােম্বাই কলিকাতা (হাওড়া সমেত) MILK srah ৪,৭৭,৪৪২ ৬,৪৭,২৩০ ১১,৬৮৩ ১৪,৮৫,৫৮২ রেলপথ ২০০৯ মাইল লম্বা ৩৯২ . ই. বি. আর. বি, এন, আর. জি. আই. পি. আর. ই. আই. আর এন, ডবলু, আর, ७१२१ ৪৩৯০ ৬৯৪৬, জানবার কথা স্থানবিশেষে সময়ের প্রভেদ ভারতবর্ষে ষ্ট্যাণ্ডার্ড বেলা দ্বিপ্রহর ১২ টায় কলিকাতা লগুন বার্লিন ১২-২৩ মিনিট দ্বিপ্রহর প্রাতঃ ৭-৩০ ৪ ৪ রােম ভিয়েনা চিকাগাে নিউইয়র্ক টোকিও ১২-৩০ রাত্রি দিবা ৩৩০ ১৮ অপরায়ু কন্যা ৬-৩ বড়নদী-- সিন্ধু ব্ৰহ্মপুত্র গা ১,৭০০ মাইল ১,৮০ ১,৫০০ বড়দ- নাম আয়তন ১০০ বর্গমাইল কোরি জানবার কথা বিশ্ববিদ্যালয় নাম ভাইস-চ্যান্সেলার কলিকাতা ১৮৫৭ খান বাহাদুর আজিজুল হক বােম্বাই আর. পি. ম্যাসানি মাদ্রাজ ডি. বি. ই. এস. রঙ্গনাথ পাঞ্জাব ১৮৮২ মিঞা আফজল হােসেন এলাহাবাদ ১৮৮৭ ডাঃ অমরনাথ ঝা বেনারস হিন্দু ১৯১৫ স্যার এস. রাধাকিষণ মহীশূর ১৯১৬ এন. এস. অন্ধরাও পাটনা ১৯২৭ ডাঃ সৰ্বানন্দ সিংহ ওসমানিয়া ১৯১৮ নবাব মেহদী ইয়ার জং লক্ষে ১৯২০ শেখ মহম্মদ হবীবুল্লাহ, ঢাকা ডাঃ রমেশচন্দ্র মজুমদার আলিগড় মুসলিম , স্যার শাহ, মহম্মদ সুলেমান मिल्लौ ১৯২২ স্যার মরিস্ গয়ার নাগপুর টি, জে. কেদার অন্ধ্র ১৯২৭ ওয়ান্টেয়ার সি. আর. রেডড়ী অগ্রি ১৯২৭ ডাঃ পি. সি. বস্তু আন্নামালাই ১৯২৯ মাননীয় ঐনিবাস শাস্ত্রী ত্রিবাঙ্কুর ১৯ ডাঃ সি. পি. রামস্বামী আয়ার পুনা (শ্রীমতী নথিবাঈ দামােদর থ্যাকারসে মহিলা) ১৯১৬ ডাঃ ডি, কে. কার্ডে বিশ্বভারতী ১৯২১ (বােলপুর) প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৩৪ জানবার কথা প্রাদেশিক বিবরণ প্রদেশ আয়তন (বঃ মাঃ ) গভর্ণরের শাসিত রাজধানী ৮২,২৭৭ বদেশ বােম্বাই ৭৭,২২১ ১,৪২,৩০০ মান্দ্রাজ কলিকাতা বােম্বাই মান্দ্রাজ গৌহাটী লক্ষে আসাম ৫৫,১৪ ১,০৭,০০ ১৩,৫১৮ পেশোয়ার ৯৯.৯২০ যুক্তপ্রদেশ উত্তর পশ্চিম সীমান্ত মধ্যপ্রদেশ সিন্ধুপ্রদেশ বিহার উড়িষ্যা পাঞ্জাব ৪৬,৩৭, নাগপুর করাচী পাটনা ৬৯,৩৪৮ কটক ৯৯,২০০ লাহোের ২,৭১১ চিফ কমিশনানের শাসিত- मिली ৫৭৩ আজমীর বেলুচিস্থান ৫৪,২২৮ আন্দামান ও নিকোবর ৩১৪৩ কুর্গ मिल्ली আজমীর কোয়েটা পাের্ট ব্লেয়ার ১,৫৯০ মেহের বড় পৃথিবীর জ্ঞাতব্য সাতটী ধর্মগ্রন্থ- পাল নি। হিন্দু বেদ বৌদ্ধ ত্রিপিটক মুসলমান কোর আন খৃষ্টান বাইবেল পারসিক জেন্দাভো শিখ গ্রন্থসাহেব চীনদের পঞ্চকিং রেলপথ নাম এশিয়া ইউরোপ মাইল নাম মাইল ৮১০০০ আফ্রিকা ৫৭০০০ ২৩৮০০ দঃ আমেরিকা ৩৫০০০ উত্তর আমেরিকা ৩১৬০০ বড় হ্রদ - ১৭০০০০ বর্গ মাইল ক্যাম্পিয়ান টাঙ্গানিকা বৈকাল আরল ইউরােপ ও এশিয়ার মধ্যে আফ্রিকায় রাশিয়ায় ১২৭০০ ১:৫৮ ২৪৪০০ জানবার কথা বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন পুস্তক- লেখকের নাম জাতি সেন্সপীয়ার ইংরাজ কালিদাস হিন্দু বাণভট্ট ভয়ভস্কি রাশিয়ান পুস্তকের নাম ম্যাকবেথ, মেঘদূতম্ কাদম্বরী ক্রাইম এণ্ড- পার্ল, বা এমিল জোলা রমেশ দত্ত আমেরিকান ইতালিয়ান হিন্দু পানিশমেন্ট দি গুড, আর্থ ড্রিম্ শপ সিভিলিজে শান অব্ ইণ্ডিয়া বু বার্ড মেটার লিঙ্ক এরিয়া নিমার্ক বেলজিয়ান জার্মান অল কোয়া- ইট অন্ দি ওয়েষ্টার্ণ, ফ্রন্ট, ফরাসী বিবাে সুইডীশ হিন্দু গীতাঞ্জলি স্প্যানিশ ডন্ কুইক্সোট ল্যাটিন ঈনীড, নরওয়েজীয়া গ্রোথ, অব, মার্টিন ডুগার্ড ম্পিটেলার রবীন্দ্রনাথ সার্ভেন্টিজ ভাজ্জিল মুটু হাসুন লাফিং টুথ দি সয়েল জানবার কথা যে তামার প্রয়ােজন হয় তাহা কোন কোন দেশ হইতেআসে- পরিমাণ দেশের নাম চিলি ৬৬১৫০০০ মণ আমেরিকা ৬৪৮ ১০০ কানাডা ৪০৫০০০ ৩ জাপান ১৯৪৪০০০ স্পেন ৯৯৯০০০ ভারতবর্ষ ৯০০০০ যে পেট্রোল খরচ হয় তাহা কোকোন্ দেশ হইতে অাসে- দেশের নাম পরিমাণ আমেরিকা ৩২৬৭০০০০০০ মণ মেক্সিকো ১২২৯৭৫৫৫০ ইষ্ট ইণ্ডি ১৪৭৪৩১০৯৭ রুমানিয়া ২২৬০ ০০৪ ০ পারস্য ১৯০ ০৪৫৬৩ ৬৪০০০০০ রুশিয়া ভারতবর্ষ ৫৬৫৩১ ৩৮ জানবার কথা। পাঁচতী সাগর ও মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর আটলান্টিক ৩৫৪০০ ফিট গভীর ২৪৪ ০ ০ ও । ২২৯৬৮ ১২২৭৬ ১) ভূমধ্য সাগর লােহিত ৭২৫৪ ) s, Rose জাতীয় চিহ্ন England এর Germany India Ituly France Japan U. S, A, ও Cornflower Lotu: White Lily Fleur-de-lis Chrysantheinum Goldenrod বড় নদী- মাইল নাম মাইল ২০০ ৪০০০ আমাজন ওবি ৩৫০০ ২০০০ নাম মিসিসিপি নাইল হােয়াংহে সিন্ধু জাম্বেসী ২৬০০ ভলগ। ১৭০০ ব্ৰহ্মপুত্র ৬০০ ১৫৪ জানবার কথা বড় পাহাড়- নাম হিমালয় উচ্চতা ২৯,০২ ফিট ১৮,৪৬৫ মাউন্ট এলবুজ মউনা কেয়া এশিয়া ইউরােপ অষ্ট্রেলিয়া আফ্রিকা উত্তর আমেরিকা দক্ষিণ কিলিমানজারাে ম্যাককিলি ২,৬৪ ২৩,৮১ একনকাকোয়। ০) বড় সহর ও লােকসংখ্যা- দেশের নাম লােক সংখ্যা লােক সংখ্যা ৮২,১,৮১৮ ৭৩,৬৩৬২৪ ৪২,৪২,৫০১ ৫৮,৭৫,৬৬৭ ৪৯৫,৫ ০ ০ ০ দেশের নাম নিউ ইয়র্ক বার্লিন প্যারিস কলিকাতা গ্লাসগাে লেলিনগ্রেড লগুন টোকিও "চিকাগাে ভিয়েনা বােম্বাই মাদ্রাজ ২৮,২৯,৭৪৩ ১৮৬৫,৭৮০ ১,৬১,৩৮৩ ৬৪,৭২,২৮ ১৪,৮৫,৫৮২ ১০,৮,৪১৭ ২৭,৭৬,৭০০ কে কোন বয়সে বই লিখিয়াছিলেন- বিশ বৎসর বয়সে কবি “বায়রণ” “Child Herold” লিখিয়াছিলেন। সাতান্ন বৎসর বয়সে কবি “মিল্টন” “Paradise Lost” লিখিয়াছিলেন।
।
৪০
জানবার কথা
চুয়াল্লিশ বৎসর বয়সে “ওয়ার্ডসওয়ার্থ” “The Excursion”
লিখিয়াছিলেন।
পচিশ বৎসর বয়সে কবি “স্কট” “Wild Huntsman”
লিখিয়াছিলেন।
পচিশ বৎসর বয়সে “ডিকেন্স” “Pickwick” লিখিয়াছিলেন।
ছত্রিশ বৎসর বয়সে “গােল্ডস্মিথ,” “Vieur of wakrild”
লিখিয়াছিলেন ।
ষাট বৎসর বয়সে “ভিক্টর হিউগাে’: I.es Miserables”
ও পঞ্চাশ বৎসর বয়সে “দান্তে” “Cominedie” লিখিয়াছিলেন।
কুড়ি বৎসর বয়সে কবি “গথে” “Sorrows of
Werther’ লিখিয়াছিলেন।
চব্বিশ বৎসর বয়সে “প্যারীচাঁদ মিত্র” “আলালের ঘরে
দুলাল” লিখিয়াছিলেন।
বারাে বৎসর বয়সে কবি “ঈশ্বর গুপ্ত” কবিতা লিখিতে আরম্ভ
করিয়াছিলেন।
একুশ বৎসর বয়সে বঙ্কিম বাবু” “দুর্গেশনন্দিনী” লিখিয়া-
ছিলেন।
বাইশ বৎসর বয়সে কবি ‘নবীন সেন” “অবকাশ রঞ্জিনী”
লিখিয়াছিলেন।
ষােল বৎসর বয়সে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ” “বাল্মিকী প্রতিভা
লিখিয়াছিলেন।
শারীর-বিজ্ঞান
মানবের শিরাসমূহ একত্র করিলে ৬০,০০০ হাজার মাইল
হয়।
২। আমাদের ফুসফুসের মধ্যে ৪০০,০০০,০০০ টা বায়ুকোষ
আছে।
৩। মানুষ বৎসরে দেড় মণের উপর কাৰ্বণ বা প্লাসের
সঙ্গে বাহির করে।
৪। আমাদের শরীরের ওজন নূন পক্ষে / সের।
৫। বুদ্ধিমান পুরুষ মানুষের মস্তিষ্কের ওজন প্রায় ১৫ সের,
স্ত্রীলােকের প্রায় ১০ সের।
মানবে শরীরের সমস্ত হাড়ের ওজন প্রায় ৭ মের।
৭। প্রফুল্লতাই হৃদয়ের শ্রেষ্ঠ “হজমী-গুলি”।
আমাদের শরীরে সর্বসমেত ২৬ খানি অস্থি আছে।
রাত্রে খাইবার অন্তত ২ ঘণ্টা পরে নিদ্রা যাওয়া উচিত।
১০। পাকাশয় দৈর্ঘ্যে ১ ফুট ও ওজনে ১০ পর্যন্ত হয়।
১১। সুস্থ মানবের হৃৎপিণ্ড ওজনে ৯ আউন্স অর্থাৎ প্রায়
• পােয়া পর্যন্ত হইতে পারে।
মানবের কজিতে যত বেশী পেশী আছে তাহার তিন গুণ
আছে বিড়ালের লেজে।
যে সব লােকের হৃদয় দুর্বল তাদের বেশী গরম কালে স্নান
করা ভাল নয়।
?
৪২
জানবার কথা
১৪। আহারের অব্যবহিত পরেই মানসিক বা শারীরিক
পরিশ্রম করা উচিত নয়।
১৫। চা, কফি প্রভৃতিতে হজম শক্তি কমিয়া যায়।
১৬। ভূমিষ্টের পর শিশু মিনিটে ৪০ বার শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ
করে।
১৭। এক জন সুস্থ মানবের যত ওজন সেই ওজনের খাবার
খেতে তার প্রায় চার মাস সময় লাগে।
১৮। দীর্ঘ নিশ্বাস লইলে ফুসফুদ্বয়ে ২২৫-২৩০ কিউবিক ইঞ্চ
বায়ু প্রবেশ করে।
১৯। শয়ন অপেক্ষা দাড়াইয়া শ্বাস বায়ু অধিক লওয়া যায়।
২। মানবের রক্তে হাজার করা ৭৯০ ভাগ জল আছে।
২১। গর্ভস্থ ভ্রণের হৃদ্স্পন্দন মিনিটে ১৬১-২০০ পর্যন্ত
হইতে দেখা যায়।
২২। সদ্য প্রসূত শিশুর ১৪০-১৫০ বার মিনিটে হৃদয় স্পন্দিত
২৩। জীব মাত্রেরই প্রশ্বাস অপেক্ষা নিঃশ্বাসের কাল কম।
২৪। জ্বর যত বেশী হয় নাড়ীর গতি তত দ্রুত হয়।
২৫। বাংলা দেশে যত শিশু জন্মে, তার তিন ভাগের এক ভাগ
মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
২৬। সুস্থ ব্যক্তির মিনিটে ১৭-২২ বার শ্বাস-প্রশ্বাস চলে।
২৭। সুস্থ যুবার হৃৎপিণ্ড মিনিটে ৭৫ বার স্পন্দিত হয়।
২৮। শরীরের ওজনের ১২-১৪ ভাগের এক ভাগ রক্ত।
জানবার কথা
২১। ১৫-১৬র মাঝামাঝি পর্যন্ত আমাদের দেশের বালিকাদের
দেহ সর্বাপেক্ষা বেশী বাড়ে।
৩০। প্রদাহ, যক্ষ্মা, টাইফয়েড, প্রভৃতি পীড়া পুনর্বিশ্রাম দ্বারা
অধিক আরােগ্য হয়।
৩১। রাত্রি ১২ টা হইতে ৪ টার মধ্যে শিশুকে দুগ্ধ খাওয়ান
উচিত নয়।
৩৩।
৩২। রূপা জলের বীজাণু নষ্ট করে ; তাই রূপার বাসন
স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী।
মানুষ গড়ে বৎসরে ১ টন জন পান করে।
৩৪। জীবনের ৫০ বৎসরের মধ্যে মানুষ প্রকৃত পক্ষে ৬০০০
দিন ঘুমাইয়া কাটায়।
দাত দুইবার মাজ। উচিত। বিশেষ রাত্রে আহারের পর
দন্ত পৱিষ্কার করিবে।
কোন মহামারীর সময় খালি পেটে খালি গায়ে থাকা
উচিত হয়।
জীব-জন্তু
১। আফ্রিকার “বুলগ” নামে এক রকম ভেক আছে তার
ওজন প্রায় ৬০ পর্যন্ত দেখা যায়।
জনবার কথা ২। এক পাউণ্ড মাকড়সার জালে সমস্ত পৃথিবীকে ঘিরিতে পারা যায়। ৩। চারি মাইল ব্যাপী-মাকড়সার জাল ওজন করিলে আধু রতি হয়। ৪। ফ্রাণে মশা নাই। জগতে জীব, জন্তু ও প্রাণীদের মধ্যে পিপীলিকার সংখ্যা সর্বাপেক্ষা বেশী। জাভায় এক প্রকার সর্প আছে, সেই সর্প নাকি গাছে গাছে উড়িতে পারে। তার বৈজ্ঞানিক নাম chrysopelca. ৭। ভাো, মাছি, বােল প্রভৃতি উড়িবার সময় যে শব্দ হয় তাহা তাহাদের মুখ হ'তে নয়, পাখা দ্বারাই শব্দ হয়। ৮। সরীসৃপ মাত্রেরই রক্ত ঠাণ্ডা। ৯। ঈগল-পাখী আহাৰ্য্য স্পর্শ না করিয়া কুড়ি দিন বাঁচে। ১০। টিয়া, ময়না প্রভৃতি পক্ষী আলাে অপেক্ষা অন্ধকারে শীঘ্র পড়িতে পারে। ১১। একটা মাত্র শুক্তি এক ঋতুতে প্রায় দশ লক্ষ ঝিনুকের দান করে। ১২। কাক বৎসরে গড়ে সাত লক্ষ কীট পতঙ্গ আহার করে। ১৩। তিমি মাছের অস্থিগুলির ওজন ৬৭৫ মণ। ১৪। হাতীর চোয়ালে উপর-নীচে মাত্র আটটী দাত আছে। ১৫। তিমি মাছের জিহ্বা হইতে প্রায় ২৮/• তৈল বাহির হয়।
জানবার কথা
১
১৬। সর্প জিহ্বা দ্বারা প্রবণ করে।
১৭। সব চেয়ে বড় জন্তু আফ্রিকার হাতী।
১৮। কোকিল কাকের বাসায় ডিম পাড়ে।
সব চেয়ে বিষাক্ত সর্প গােখুরা।
২০। হােমা পাখী আকাশে ডিম পাড়ে। মাটীতে পড়িবার
পূর্বেই ডিম ফুটিয়া বাচ্চা উড়িয়া যায়।
২১। চাতক পক্ষী বৃষ্টির জল ভিন্ন অন্য জল পান করে না।
২২। আফ্রিকার লিস্পােপাে নদীতে যত কুমীর আছে, ওরূপ
বােধ হয় পৃথিবীর আর কোথাও নাই।
২৩। কচ্ছপের দাত নাই।
২৪। মাছ চক্ষু
মাছ চক্ষু চাহিয়া ঘুমায়।
২৫। হাতীর শুড়ে ৪৩,০০০ হাজার মাংস ে ছে।
২৬। যে সকল জন্তুর গুর বিভক্ত তাহারাই বর কাটে।
২৭। মেকসিকোতে এক প্রকার মাছ তাহা। দু’ জোড়া চক্ষু।
২৮। জীব-জন্তুদের জীবিতকাল সম্বন্ধে প্রবাদ আছে, যথা :-
নরা গজা বিশে শয়।
তার অর্ধেক বাঁচে হয়।
বাইশ বা, তের ছাগলা ।
বলে গেছে বরা পাগল।
বৈজ্ঞানিক জ্ঞাতব্য
১। পূর্বে রেডিয়ামকেই সর্বাপেক্ষা মূল্যবান ধাতু বলিয়া গণ্য
করা হইত। বর্তমানে বৈজ্ঞানিকগণ অ্যাকটীনিয়া নামক
ধাতুকে সর্বাপেক্ষা মূল্যবান বলিয়া স্থির করিয়াছেন।
২। হাইড্রোজেন গ্যাস সর্বাপেক্ষা হালকা জিনিষ ।
৩। বৈজ্ঞানিকগণ রসায়ণের সাহায্যে হাইড্রোজেন ও অক্সি-
জেন গ্যাস একত্র করিয়া জল তৈয়ারী করেন।
৪। একটি মাটীর কলসীতে ৫ গ্যালন জল লইয়া উহাতে
সিকি আউন্স ফটকিরি মিশাইয়া জলকে বিশুদ্ধ করিয়া
লইলে ঐ জল পানের যোগ্য হইবে।
৫। দ্রাক্ষা ফলে বেশী করা আছে।
জলের চেয়ে হাল্ক। বরফ। এই জন্য বরফ জলে ভাসে।
বাতাসে জলীয় বাষ্প অধিক হইলেই কুয়াসা জন্মে।
৮। লাল, ঘাের শীল, ফিকা নীল, বেগুনে, হলদে, সবুজ,
কমলা--এই সাতটা রং সূর্যের আলােতে আছে।
এক দিকে মেঘ অপর দিকে সূর্য থাকিলে রামধনু দেখিতে
পাওয়া যায়।
১০। প্লটো গ্রহ ১৯৩০ সালে আবিষ্কৃত হইয়াছে।
যে জলে সাবান মিশাইলে শীই ফেনা হয় তাহাকে
নরম জল বলে। আর যে জলে ী ফেনা হয় না
তাহাকে কঠিন জল বলে।
৭।
জানবার কথা
৪৭
১২। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আছে। সেই শক্তি অনবরত
আমাদিগকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে টানে বলিয়া আমরা
বেশী উচ্চে লাফাইতে পারি না।
১৩। স্বাভাবিক অবস্থার মানুষের দেহের উত্তাপ ৯৮৪ ডিগ্রি
ফারেনহাইট।
১৪। প্রায় ২৫০ মাইল পুরু বাতাসের স্তর আমাদের পৃথিবীকে
বেষ্টন করিয়া আছে।
লবণাক্ত জল অত্যধিক গাঢ় বলিয়া আমরা সহজেই
লবণাক্ত জলে ভাসিতে পারি।
মেঘ খুব উচ্চে উঠিয়া হঠাৎ অত্যন্ত ঠাণ্ডা হইয়া যাইলে
বৃষ্টির জল বরফের আকার ধারণ করে। ইহাকে শিলা-
বৃষ্টি বলে।
১৭। শব্দ সকল ধাতুর অপেক্ষা লােহার মধ্য দিয়া দ্রুতগিততে
গমন করে।
১৮। যখন দেয়াশলাই আবিষ্কৃত হয় নাই তখন পাথরের
চকমকি বা আরুণি কাষ্ট ঘষিয়া আগুন জ্বালান হইত।
১৯। রেডিওর শব্দ-তরঙ্গ ইথারের সাহায্যে ভাসিয়া বেড়ায়।
২০। প্যারাসুট ছাতার মত বস্তু। আকাশপথে ভ্রমণের সময়
কোন বিপদ হইলে বৈমানিকেরা ইহার সাহায্যে মাটীতে
নামে।
২১। পশ্চিম ভারতে গ্রীষ্মকালে ভীষণ গরম বায়ু বহিতে
থাকে, ইহাকে লু বলে।
০
৪৪
জানবার কথা
২২। পূর্বে হাইড্রোজনই সবচেয়ে লঘু বাষ্প বলিয়া পরিগণিত
হইত, কিন্তু অধুনা হাইড্রোজেন অপেক্ষা হিলিয়াম নামে
এক লঘু বাষ্প আবিষ্কৃত হইয়াছে।
২৩। কোনও প্রব্যের উপর আলােক প্রতিফলিত হইলে সেই
প্রতিফলিত আলােকের দ্বারা আমরা জিনিষটী দেখিতে
পাই।
২৪। বিদ্যুৎ চমকাইলে আমরা প্রথমে আলােক ও পরে শব্দ
শুনিতে পাই। ইহা হইতেই প্রমাণ হয় যে, আলােকের
গতি শব্দ হইতে দ্রুত।
২৫। আলােক প্রতি সেকেণ্ডে ১৮৬০০০ মাইল গমন করে।
২৬। সূর্যের আলোেক পৃথিবীতে আসিতে ৮ মিঃ ১৮ সে সময়
লাগে।
২৭। মালয় উপদ্বীপে এক প্রকার গাছ জন্মায় তাহার আঠা
হইতে গাটাপার্চা প্রস্তুত হয়।
চায়ে ক্যাফিন ও ট্যানিন্ নামে দুই বিষাক্ত পদার্থ আছে।
২৯। সাগু পাম' নামক গাছকে চিরিয়া ফেলিলে উহার মধ্য
হতে সাবু দানা বাহির হয়।
৩। কাঠ কয়লা, সােরা ও গন্ধক দিয়া চীন দেশে সর্বপ্রথম
২৮।
৩১।
বৎসরের পর বৎসর ধরিয়া নদীগর্ভে পাহাড় ধােয়া
কাদার স্তর বসে, সেই শুর শুকাইলে প্লেট পাথর হয়।
গাছ পালা
উহারা
১। গাছ-পালার প্রাণীদের ন্যায় খাইবার জন্য মুখ নাই, তাহার
মাটা হইতে শিকড়ের সাহায্যে জলীয় খাদ্য টানিয়া লয়।
২। গাছপালার নিঃশ্বাস লইবার জন্য নাসিকা নাই।
পাতার সূক্ষ শিরার দ্বারা বাতাস গ্রহণ করে।
৩। ঈশ্বরের সৃষ্টি অদ্ভুত। মানুষ এবং অন্যান্য প্রাপ্ত বাতাস
হইতে অক্সিজেন বাষ্প গ্রহণ করে ও যে প্রবাস ত্যাগ
করে তাহা প্রাণীদের পক্ষে বিষাক্ত ; কিন্তু গাছ-পালার ঐ
বিষাক্ত বাষ্পই প্রাণস্বরূপ। তাহারা প্রশ্বাসের সহিত
অক্সিজেন বাষ্প পরিত্যাগ করে। এইরূপে বাতাসের
বিশুদ্ধতা রক্ষিত হইয়া উভয় শ্রেণীরই মঙ্গল হইতেছে।
গাছের গুড়ি কাটিলে সারি সারি গােল গােল দাগ দেখা
যায়। ঐ গুলি গণনা করিলেই গাছের বয়স নির্ণয়
করিতে পারা যায়।
৫। সিংহল ও জামাইকা দ্বীপে একরূপ ঘাের কালাে কাঠ
পাওয়া যায়, উহাকে আবলুস কাঠ বলে।
ফল পাকিলে যে গাছ মরিয়া যায় তাহাকে বলে।
৭। উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে সাদৃশ্য এই যে উভয়েরই জন্ম,
বৃদ্ধি ও মৃত্যু আছে। উভয়েই বংশ বৃদ্ধি করে।
বাংলা দেশের কোন কোন জলাতে ড্রেসের নামক এক
একার গাছ জন্মায় উহাদের গােলাকার পাতার উপর লাল
৪।
৭
জানবার কথা লাল কেশর থাকে ঐ কেশনের মুখে যে মধু থাকে তাহার লােভে কীট পতঙ্গ আসিলে কেশরগুলি তাহাদের চাপিয়া ধরে ও হজম করিয়া ফেলে। ৯। ফুল দুই প্রকার। সম্পূর্ণ ও অসম্পূর্ণ। যে ফুলে গর্ভ কেশর থাকে, কিন্তু পুঃ কেশর থাকে না তাহাকে অসম্পূর্ণ এবং যাহাতে উভয় কেশরই থাকে তাহাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। y০ ফেলা, শস ও আঁটি বা বীজ-এই নিট ফলের অংশ। ১১। ফুলের চারিটা অংশ। বৃতি, পাপড়ি, গর্ভকেশর ও পুং- ১৯. ' রামা, আলােকলতা প্রভৃতি বৃক্ষ অপর বৃ-কাণ্ডে মূল শ্রেথিত করিয়া খাদ্য সংগ্রহ করে। ইহারাই পরগাছা। জগৎ ১। আকাশে চন্দ্র সূৰ্য ব্যতীত আরও অনেক জ্যোতিষ্কের সমাবেশ আমরা দেখিতে পাই। ইহারা প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত –(১) গ্রহ (২) নক্ষত্র। এবং নক্ষত্র ব্যতীত আকাশে আরও চারি প্রকার বস্তু দেখা যায়-১) ছায়া পথ (২) নীহারিকা (৩) ধূম- কেতু (৪) উল্কা।
জনিবার
২।
গ্রহগণ আমাদের পৃথিবীর জ্ঞাতি। ইহারা পৃথিবীর মতই
সূর্যকে প্রদক্ষিণ করিয়া থাকে। নক্ষত্রগুলি এক একটা
সূর্যের মত। উহাদের কাহারও কাহারও সুৰ্য্যের মত
গ্রহ আছে। সূৰ্য্য হইতে বহু দূরে আছে বলিয়া উহাদের
এত ছােট দেখায়।
৩। নির্মল আকাশে রাত্রিকালে একটী তরল শুভ্র রেখা দেখা
যায় উহারই নাম ছায়াপথ। শক্তিশালী দূরবীণ দিয়া
দেখিলে উহার মধ্যে ঘােট ঘােট তারার সমষ্টি দেখিতে
পাওয়া যায়।
৪। শূন্যে নক্ষত্র অপেক্ষা বড়, বাষ্পে গঠিত ঝাপসা এক
প্রকার পদার্থ দেখা যায় ইহারাই নীহারিকা। জমাট
বাঁধিয় হয়ত ইহাবই এক দিন সূর্যের আকার ধারণ
করিবে।
৫। নীহারিকার ব্যয় বাষ্পে গঠিত এক প্রকার পদার্থ মাঝে
মাঝে আকাশে দৃষ্ট হয় ইহাদের নাম ধূমকেতু। ধূমকেতু
বহু আকারের লক্ষ্য করা যায়।
রাত্রে আকাশের দিকে চাহিয়া মাঝে মাঝে তােমরা তারার
ন্যায় উজ্জ্বল এক প্রকার পদার্থ আকাশ হইতে পৃথিবীর
দিকে বেগে পড়িতে দেখিয়াছ, অনেকে উহাকে নক্ষত্র-পাত
কিন্তু বাস্তবিক উহা উল্কাপাত। উল্কাপিণ্ড
পাথরের ন্যায় ছােট ছােট পদার্থ। ঐগুলি শূন্য পথে
বিচরণ করে, পৃথিবীর আকর্ষণ সীমার মধ্যে আসিলে বায়ু
বলে।
'৫২ জানবার কথা মণ্ডলের ঘর্ষণে উহা জ্বলিয়া উঠে এবং মধ্য পথে ছাই হইয়া উড়িয়া যায়। কখনও কখনও উহা পৃথিবীর উপর আসিয়া পড়ে। সৌরজগৎ ১। সৌর জগতের সামান্য পরিচয় তােমরা পূর্বেই পাইয়াছ। সূৰ্য্য এবং তাহার গ্রহ ও উপগ্রহদের লইয়া যে পরিবারের সৃষ্টি হইয়াছে তাহাকেই আমরা সৌরজগৎ বলিয়া অভিহিত করি। ২। সূৰ্য্য এক প্রকাণ্ড অগ্নিময় বাষ্পীয় গােলক। ইহা যে কত বড় তাহা আমরা ধারণাও করিতে পারি না। এবং ইহার অভ্যন্তরে যে অগ্নিলীলা চলিতেছে তাহার উত্তাপের আভাস মাত্র উপলব্ধি করিতে পারি না। আমাদের পৃথিবী সূৰ্য্য হইতে ৯২৯০০০০০০ মাইল দূরে অবস্থিত। ইলর ব্যাস ৮৬৫১০০ মাইল অর্থাৎ আমাদের পৃথিবীর স্যায় ৩৩৩৪৩২টা পৃথিবী একত্রে যোগ করিলে সূর্যের সমতুল্য হয়। এই সূৰ্য্য পৃথিবী হইতে কতদূরে জান ? একটা রেলগাড়ী যদি কোনও সময়ের জন্যও একটুও না থামিয়া ঘণ্টায় ৬০ মাইল বেগে দৌড়ায় তবে পৃথিবী হইতে সে ১৭৫ বৎসর পরে সূৰ্য্যে পৌছাইতে পারিবে। গ্রীষ্ম-
জানবার কথা
কালে দুপুর বেলায় গরম তােমাদের অসহ বােধ হয়। সূর্য
এতদূরে না থাকিলে তােমাদের কি অবস্থা হইত ভাবিতে
পার কি?
তােমাদের পূর্বেই বলিয়াছি সূর্যের একটা পরিবার
আছে। এই পরিবারটীর প্রধানতঃ নয়টী জ্যোতিষ্ক।
ইহাদের গ্রহ বলে। ইহারা অনবরত সূর্যকে প্রদক্ষিণ
করিয়া থাকে। এই নয়টী নাম সূৰ্য্য হইতে ক্রমপর্যায়ে
(ক) বুধ (খ) শুক্র (গ) পৃথিবী (ঘ)
মঙ্গল (৬) বৃহস্পতি (চ) শনি (ছ) ইউরেনাস
(জ) নেপচুন ও নূতন আবিষ্কৃত (ঝ) প্লুটো।
(ক) সূর্যের নিকটতম গ্রহ হইল বুধ। হয়ত ইহাতে
একদিন পৃথিবীর ন্যায় প্রাণী বাস করিত। কিন্তু
এখন ইহাতে প্রাণী, জীব, জন্তু, বৃক্ষ, লতা বা বায়ু
ও জল নাই তাই ইহাকে মৃত গ্রহ বলে। সূর্যের
অত্যন্ত নিকটে বলিয়া আমরা খালি চোখে উহাকে
দেখিতে পাই না।
(খ) শুক্রের অবস্থাও বুধের ন্যায়। ইহাও অধুনা মৃত
তবে পৃথিবীর নিকটতম জ্ঞাতি বলিয়া আমরা উহাকে
দেখিতে পাই। তােময় সন্ধ্যার সময় পশ্চিম আকাশে
শুভ্র যে নক্ষত্রটা (সান্ধ্য-তর) ও সময় সময় উষা-
কালে যে নক্ষত্রটা ( সুখ-তারা) দেখিতে পাও উহাই
শুভ্র গ্রহ।
জানবার কথা । চন্দ্র কি (গ) পৃথিবী সম্বন্ধে তােমাদের বােধ হয় বিশেষ কিছু বলিতে হইবে না। তবে ইহা যে মৃত নয় তাহা তােমাদের বুঝিতে কষ্ট না হওয়াই উচিত। তাহা জানিবার জন্য তােমরা বােধ হয় উৎসুক হইয়া উঠিয়াছ । সূর্যের যেমন গ্রহ আছে তেমনি কোন -কোন গ্রহেরও আবার গ্রহ আছে। ইহাদের উপগ্রহ বলে। চন্দ্র আমাদের পৃথিবীর উপগ্রহ। (ঘ) মঙ্গল গ্রহটাও পৃথিবীর আর একটা নিকটতম তি। ইহাকে লইয়া বড় বড় বৈজ্ঞানিকদের গবেষণার অন্ত নাই। তাহাদের মতে মঙ্গলে প্রাণী বিদ্যমান, উহা মৃত নহে। পৃথিবীর ন্যায় মঙ্গলেরও উপ গ্রহ আছে। তবে একটী নয় দুইটী। বৈজ্ঞানিকেরা উহাদের নাম দিয়াছেন-ফোবাে ডাইমাে। রাত্রিকালে আকাশে রক্তবর্ণ যে নক্ষত্রটী দেখা যায় উহাই মঙ্গল গ্রহ। নক্ষত্রগুলির আলাে মিটমিট করে, কিন্তু গ্রহের আলাে স্থির। তােমরা উহা হইতে গ্রহগুলি চিনিয়া লইও। (ঙ) সূর্যের পরিবারের মধ্যে বৃহস্পতি বৃহত্তম । কিন্তু আকারে বড় হইলে কি হয় ইহা এখনও বাপ- ময়-সে জন্য খুব হালকা। বৃহস্পতির আকাশ বাতাস এখনও ঠাণ্ডা হয় নাই বলিয়া উহার পৃষ্ঠ জমাট বাঁধিয়া জীবের বাসােপযােগী হয় নাই। ও ভবে বৃহস্পতিতে এখনও জীবের আবির্ভাব হয় নাই। বৃহস্পতির আকাশে আটটী চঁাদ । পূর্ণিমা রাত্রে তােমাদের পৃথিবী একটী চাঁদের আলোতেই ঝলমল করিতে থাকে আর আটটী চাদওলা বৃহস্পতির পূর্ণিমার সমারােহটা একবার ভাব দেখি ? জিৎ তােমাদেরই, কারণ বৃহস্পতি তাহার ঐশ্বৰ্য্য ডাকিয়া দেখাইতে পারে এমন একটা প্রাণীও তাহার বক্ষে নাই। খুব পরিষ্কার আকাশে, বৃহ- স্পতিকেও চেষ্টা করিলে দেখা যায়। (৬) এতক্ষণ তােমাদের যে গ্রহগুলির কথা বলিলাশ তাহাদের আকৃতি হইতে শনি গ্রহের আকৃতির যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান। শনি গ্রহকে বেষ্টন করিয়া একটি জ্যোতির্ময় বলয়ের মত পদার্থ আছে। শনি গ্রহ আমাদের পৃথিবী হইতে বহু দূরে অবস্থিত বলিয়া বৈজ্ঞানিকেরা ইহার ঘরকন্না বা প্রকৃতি সম্বন্ধে বিশেষ কিছুই বলিতে পারেন না। খালি চোখে শনি গ্রহকে দেখা যায় না। শনি গ্রহের চঁদ কিন্তু নয়টী -ভগবান কেবল তােমাদের পৃথিবীর বেলায় কৃপণতা করিয়াছেন, না ? (৭-৮) ইউরেনাস ও নেপচুন সূর্যের পরিবারের শেষ দুইটা গ্রহ। ইহারা পৃথিবী হইতে এত দূর যে, আমাদের বৈজ্ঞানিকেরা ইহাদের অস্তিত্ব ভিন্ন
৫৬
নবার কথা
ইহাদের সম্বন্ধে আর কিছুই জানিতে পারেন নাই,
তবে ইউরেনাসের চাঁদ যে চারিটী ও নেপচুনের
একটী তাহা তাহার নির্ণয় করিয়াছেন ।
(৯) আর প্লুটো ?—সে তো সে দিন আবিষ্কৃত হইয়াছে।
পৃথিবীর রাজ্যহীন রাজাগণ ,
দ্বিতীয় উইলিয়-জার্মানী। ত্রয়োদশ আলফালোস্পেন।
সম্রাট পুৰি-চীন।
কনস্টানটাইন—গ্রীল ।
আব্বাস হেলমি মিশর। সুলতান ষষ্ঠ মহম্মদ--তুরস্ক ।
রাঙ্গা জোগ—আলবেনিয়া । আমীর আমানুল্লা- আফগানিস্থান।
ফার্ডিনা--বুলগেরিয়া । হেইলে সেলসি-আবিসিনিয়া।
অষ্টম এডওয়ার্ড-ইংলও।
চার্লস-হাঙ্গেরী।
হুসেন -মা।
প্রজাবর্ধক-গ্রাম।
১৫•••• পাউ
জান কি ?
কুলিনান হীরকের মূল্য
ফোর্থ সেতু নির্মাণ করিতে খরচ হয় ১,৬•••••
তাজমহল নির্মাণ করিতে খরচ হয়
কুইন মেরী জাহাজ নির্মাণ করিতে খরচ হয় ৫,০০০.০০
ভাই প্রাসাদ নির্মাণ করিতে খরচ হয় ৪২•••••
0)
হিন্দু রাজাগণের নাম নাম সাল নাম সাল ৬০০ খৃষ্টাব্দ বিম্বিসার ৫৩০ খৃষ্ট পূর্ব প্রসেনজিত ৫৩০ অজাতশত্রু '৫০০ ১) ৬০৮ ১) ৩ হর্ষবর্ধন পুলকেশী বশাের্মন ললিতাদিত্য মহাপদ্ম নন্দ ৩৫০ ৭০০ ৩২১ १२३ ২৯৮ ११८ O ২৭৩ ৭০ of চন্দ্রগুপ্ত বিন্দুসার অশােক পুষ্যমিত্র বাসুদেব কনিক শতকণী ধৰ্ম্মপাল ৩য় গােবিন্দ ১৮৪ ৭৯৩ দেবপাল ১৫ o P ৭২ ৭৮ খৃষ্টাব্দ মহেন্দ্রপাল ৮৯০ ১ম-চন্দ্রগুপ্ত ৩২০ ধ ৯৫০ ৩ সমুদ্রগুপ্ত ৩৪ ২য়-চন্দ্রগুপ্ত ৩৭৫ কুমারগুপ্ত ৪১৩ রাজরাজ ৯৫ রাজেন্দ্র চোল ১১২ পরমার ভােজ ১০১৮ কলচুরি কর্ণ ১০৪১ অনন্তবর্মন ১০৭৬ ২য়-বিক্রমাদিত্য ৪৫৫ তােরমান যশােধৰ্ম্ম ৫২০ জনবার কথা নাম সাল নাম বিজয়সেন ১১০০ খৃষ্টাব্দ লক্ষণসেন ১১৭৫ খৃষ্টাব্দ বল্লালসেন ১১৫৯ ১১৭৫ পৃথ্বীরাজ সিজঘন য় ১১৭০ ১২১০ মুসলমান রাজাগণের নাম p দাস বংশ কুতুবুদ্দীন ১২০৬ খৃষ্টাব্দ বাহরাম ১২৪০ খৃষ্টাব্দ আরম ১২১০ मान ১২৪২ আলতাম ১২১১ নাসিরুদ্দীন ১২৪৬ রুকনুদ্দীন ১২৩৬ বলবন ১২৬৬ রিজিয়া ১২৩৬ কায়কোবাদ ১২৬ খিলজী বংশ জালালুদ্দীন ১২৯০ ,, আলাউদ্দীনের শিশু পুত্র ১৩১৬ আলাউদ্দীন ১২৯৬ ,, মােবারক ১:১৬ ১৩২ খৃষ্টাব্দ । গেল বংশ গিয়াসুদ্দীন ১৩২০ মহম্মদ ফিনােজ শাহ ১৩৫১ খৃষ্টাব্দ ১২৫ A নবার কথা বাহল লােদী বংশ ১৪৫ খৃষ্টাব্দ সিকন্দর ইব্রাহিম ১৫১৭ খৃষ্টাব্দ ১৮৯ খৃষ্টাব্দ মােগল সাম্রাজ্য বাবর ১৫২৬ খৃষ্টাব্দ ফররুখশীয়র ১৭১৩ খৃষ্টাব্দ হুমায়ুন ১৫৩০ রফিউদ ১৭১৯ শের শাহ ১৫৪০ নেকশীয়র হুমায়ুন (পু) ১৫৪৫ রফিউদ্দৌলা আকবর ১৫৫৬ মহম্মদ শাহ জাহাঙ্গীর ইব্রাহিম ১৭২০ সাজাহান ১৬২৮ আহমদ শাহ ১৭৪৮ 3) ঔরংজীব ১৬৫৮ ২য় আলমগীর ১৭৫৪ ১ম বহাদুর শাহ ১৭৭ ২য় শাহ আলম ১৭৫৯ সদর শাহ ১৭১২ ২য় আকবর ১৮০৬ ২ বাহাদুর শাহ ১৮৩৭ খৃষ্টাব্দ ১১ ব্রিটিশ-ভারতের শাসনকর্তাগণের নাম বাঙ্গলার গভর্ণর জেনারেলগণ তারকা চিহ্নিত নামগুলি অস্থায়ী গভর্ণর জেনারেলগণ। ওয়ারেন হেষ্টিংস ১৭৭৪ খ্রীষ্টাব্দ জানবার কথা ১৭৮৫ খ্রীষ্টাব্দ ১৭৬ ১৭৯৩ ১৭৯৮ ; 2 ১৮০৫ ১১ 'সা জন ম্যাকফান আল কর্ণওয়ালিস্ সার জশোর * সার এলিউর্ড ক্লার্ক মাকু ইস ওয়েলেসলী আল কর্ণওয়ালিস (পুনঃ) * সান্ জর্জ বার্সে। আল অফ মিন্টো (১ম) মাকুইস অফ হেষ্টিংস * জন এডাম ব্যারণ (আল) আমহাষ্ট উইলিয়ম বাটারওয়ার্থ বেইলি লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক ১০ , ১৮০৭ ১৮১৩ ১৮২৩ ১৮২৮ ভারতের গভর্ণর জেনারেলগণ ১৮৩৩ খ্রীষ্টাব্দ ১৮৩৫ ১) লর্ড উইলিয়ম বেন্টিক সার চার্লস মেটকাফ ব্যারণ অকল্যাণ্ড ব্যারণ এলেনবরা সার হেল্পী হার্ডিঞ্জ ১৮৩৬ ১৮৪২ ১৮৪১ জানবার কথা ১৮৪৮ খ্রীষ্টাব্দ আল ডালহৌসী ভায়কাউন্ট আল ক্যানিং ১৮৫৬ ভারতের গভর্ণর জেনারেল ও ভাইসরয়গণ ১৮৫৮ খ্রীষ্টাব্দ ১৮৬২ ১৮৬৩ ৪ ১৮৬৪ ১) ১৮৬৯ ১৮৭২ ৩ . 2 আল ক্যানিং আল অফ, এলগিন (১ম) # সার, রবার্ট নেপিয়ার * সার উইলিয়ম ডেনিসন সার, জন (লর্ড) লরেন্স আল অফ মেয়ে। * সার, জন ষ্ট্রাচী * লর্ড নেপিয়র ব্যারণ ( আল) নর্থব্রুক ব্যারণ (আল) লিটন মাকু ইস্ অফ রিপণ অল অফ ডাফরিণ মাকুইস্ অফল্যান্সডাউন তাল অফ এলগিন (য়) ব্যারণ (আল) কার্জন * লর্ড এম্পথিল ব্যারণ (আল কাজন (পুনঃ ) আল অফ মিন্টো (২য়) ১৮৭৬ وانا5 ১১ ১৮৮৪ ১৮৮ ১৮৯৪ ১৮৯৯ ১৯০৪ ১৯০৫ ৬২ ১৯১০ খ্রীষ্টাব্দ ১৯২১ 3 ব্যারণ হাড়ি ব্যাণ চেমসফোর্ড লর্ড রেলিং লর্ড আরউইন * শঙ গােসেন লর্ড আরউইন লর্ড উইলিংডন * সায় জর্জ স্ট্যালী লর্ড উইলিংডন লর্ড লিলিথগো ১৯৩ ১৯৩৪ n ১) ১৯৩৬ খেলা-ধুলা ১। খেলার ভূমির পরিমাণ :- খেলার নাম পরিমাণ দৈর্ঘ্য প্রস্থ ১৩০ গজ ১০০ গজ ফুটবল ব্যাটমিন্টন হকি ৪৪ ফিট ২০ ফিট ১০০ গজ জনর কথা খেলার নাম পরিমাণ দৈর্ঘ্য ৭৮ ফিট ৭৮ ফিট ৭৫ ফিট ৩৬ ফিট ২৭ ফিট ৪৫ ফিট টেনিস ডবল কোর্ট সিঙ্গেল কোর্ট বাস্কেট ওয়াটার পােলাে ৩০ গজ ( ইহা ফুটবলের ন্যায় জলে খেলা হয়) ২। প্রতি চারি বৎসর অন্তর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যে আন্ত- র্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযােগিতা হইয়া থাকে তাহাকে অলিম্পিক ক্রীড়া বলে। ৩। ইণ্ডিয়ান ফুটবল এসােসিয়েশন নামটীর সংক্ষিপ্ত নাম আই, এফ. এ. ৪। মেরিলিবাের্ন ক্রিকেট ক্লাব নামটীয় সংক্ষিপ্ত নাম এম. সি. সি. ৫। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত খেলােয়াড়গণকে অক্সফোর্ড ব্লু বলে। ৬। ইণ্ডিয়ান ফুটবল এসােশিয়েসনের লীগের খেলায় ১৯৩৪-৩৮ সাল পর্যন্ত পর পর পাঁচ বৎসর জয়লাভ করিয়া মহামেডান স্পাের্টিং দল লীগ চ্যাম্পিয়ান হইয়া- ছিল। ৭। প্রতি বৎসর বোম্বাইয়ে নােভাস কাপ ফুটবল খেলার প্রতিযােগিতা হয়।
জানবার কথা :
====
--এ লেট
স
৪
৮। নানাজাতীয় খেলায় নিম্নলিখিত কথাগুলি চলিত
আছে :
হকি খেলায় -বুলি অক ক্রিকেট খেলায়—এল. বি. ডবলু,
ক্রিকেট
-বাই।
-মেডেন ওভার টেনিস
-ফলাে অন
-এ ফল্ট
ওয়াইড বল
বাম্প বল
--নাে ট্রাম্প
১। টেনিস খেলায় উভয় প্রতিদ্বন্দ্বী খেলােয়াড় যদি ৩ পয়েন্ট
করিয়া পায় তাহাকে ডেল বলে।
১০। যদি কোন খেলােয়াড় টেনিস খেলায় নিয়ম : মানিয়া
সার্ভ করে তাহা হইলে সেই সার্ভিসকে ফল্ট বলে।
১১। ক্রিকেট খেলায় যে ওভারে কোন রান হয় না তাহাকে
মেডেন ওভার বলে।
১২। ক্রিকেট খেলায় ব্যাটসম্যান বল মারার পর যে বল
একবার মাটিতে লাগিয়া শূন্যে উঠিয়া যায় তাহাকে
বাম্প বল বলে ।
১৩। হকি খেলায় প্রথম বল মারিবার পূর্বে উভয় দলের দুই
জন খেলােয়াড় তাহাদের ষ্টিক তিন বার ঠোকাঠুকি
করিয়া থাকে তাহাকে বুলি অফ বলে।
জীবনী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলায় বীরসিংহ গ্রামে । পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতার নাম ভগবতী দেবী। ইনি সুপণ্ডিত ছিলেন বলিয়া বিদ্যাসাগর উপাধি প্রাপ্ত হন। বাঙলা দেশ ও বাঙ্গালীর উন্নতির জন্য তিনি কত চেষ্টা করেন, তােমরা বড় হইয়া তাহার জীবনী পাঠে অবগত হইও। তাহার রচিত বহু পুস্তকের মধ্যে বর্ণপরিচয়, বােপােদয়, ব্যাকরণ কৌমুদী, শকুন্তলা, উত্তম চরিত প্রভৃতি প্রধান। বর্ণ পরিচয় পড়িয়াই তােমরা লেখা পড়া আরম্ভ করিয়াছ। দারিদ্র্যের জন্য তাহার ছেলেবেলা অতি কষ্টে কাটিয়াছিল, তাই দরিদ্রের দুঃখ মােচন করিতে তিনি মুক্ত হস্ত ছিলেন। তিনি ১৮৯১ সালে কলিকাতায় হৈত্যাগ করেন। চৈতন্যদেব- ১৪৮৫ সালে নবদ্বীপে ইনি জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম জগন্নাথ মিশ্র ও মাতার নাম শচী দেবী। ছেলে বেলায় ইনি নানা শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। পরে ঈশ্বরীপুরী নামক এক সাধুর নিকট দীক্ষা লইয়া সন্ন্যাসী হন। পর্যটন করিয়া নীলাচলে ১৫৩৩ সালে ইনি দেহত্যাগ করেন। বৈষ্ণব ধর্মের ইনি প্রবর্তক। বই তীর্থ জানবার কথা রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে ১৮৩৩ সালে ইনি জন্ম- গ্রহণ করেন। পিতার নাম ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায়। জান্, বাজারের রাণী রাসমণি দক্ষিণেশ্বরে যে কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। ইনি তাহার পুরােহিত নিযুক্ত হন। পরমহংসদেব আজীবন ব্রহ্মচারী ছিলেন। কালী সাধনায় ইনি সিদ্ধিলাভ করেন। ১৮৮৬ সালে তাঁহার মৃত্যু হয়। বিবেকানন্দ- কলিকাতায় সিমুলিয়া নামক স্থানে ১৮৬২ সালে ইনি জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যে ইহার নাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিল। পিতার নাম বিশ্বনাথ দত্ত। ১৮৯৩ সালে আমি- রিকার শিকাগাে শহরে ধৰ্ম্ম সভায় ইনি যােগদান করেন। বেলুড় মঠ, আলমােড়ার ব্রহ্মচর্য বিদ্যালয় ও রামকৃষ্ণ মিশন সেবা সম্প্রদায় ইহার অতুল কীর্তি। জ্ঞানযােগ, ভক্তিযােগ, কৰ্ম্মযােগ প্রভৃতি অতি উপাদেয় গ্রন্থ সকল ইনি রচনা করেন। ১৯০২ সালে বিবেকানন্দ দেহত্যাগ করেন। চিত্তরঞ্জন দাশ ১৮৭০ সালে ইনি জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম ভুবন মােহন দাশ। আদিবাস তেলিরবাগ-ঢাকা। ব্যারিষ্টারী করিয়া ইনি বহু অর্থ উপার্জন করেন। গান্ধী প্রবর্তিত অসহযােগ-নীতি অবলম্বন করিয়া ইনি ব্যারিষ্টার ত্যাগ করেন ও ১৯২১ সালে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। চিত্তরঞ্জন
জানবার কথা
সাহিত্য সেবীও ছিলেন। মালঞ্চ, মালা, সাগর সঙ্গীত
প্রভৃতি রচনা করেন।
স্যার আশুতােষ মুখােপাধ্যায়
১৮৬৪ সালে কলিকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা
ডাঃ গঙ্গাপ্রসাদ মুখােপাধ্যায়। ১৮৮৮ সালে আইন পরী-
ক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়া হাইকোর্টে ওকালতি আরম্ভ করেন।
১৯০৪ সালে হাইকোর্টের অন্যতম জজ ও ১৯২০ সালে
কিছুদিনের জন্য প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন। চারিবার
ইনি বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর মনোনীত হন।
১৯২৩ সালে পাটনায় মামলা করিতে গিয়া ১৯২৪ সালে
ইনি সেইখানেই মারা যান। আশুতােষের অসাধারণ
তেজস্বিতা ছিল বলিয়া লোকে তাহাকে ‘বাঙ্গলার বাঘ’
বলিত।
ঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-
১৮৩৮ সালে রাণাঘাটের নিকট কাটাল পাড়ায় জন্মগ্রহণ
করেন। পিতা যাদব চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ইনি ১৮৫৮
সালে কলিকাতা বিশ্ব বিদ্যালয় হইতে প্রথম বি, এ, উপাধি
প্রাপ্ত হন। দুর্গেশনন্দিনী, কপাল কুণ্ডলা প্রভৃতি উপন্যাস
লেখেন। ইনি বন্দেমাতবম্ সঙ্গীতের স্রষ্টা। ১৮৯৪ সালে।
ইনি দেহত্যাগ করেন।
হাজি মহম্মদ মহসীন
১৭৩২ সালে হুগলী নগরীতে জন্ম। ইনি ভগ্নীর অর্থ প্রাপ্ত
ন
।
জানবার কথা হন ও অতিশয় দাতা ছিলেন। ১৮০৬ সালে ১৫৬০০০ টাকা আয়ের সম্পত্তি শিক্ষার জন্য দান করেন। হুগলীর ইমামবাড়ী, হুগলী কলেজ, মাদ্রাসা প্রভৃতি মহসীনের অর্থে স্থাপিত। যানিমান- ১৭৭৫ সালে সাক্সনের মাইসেন নগরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৭৭৯ সালে এম. ডি. উপাধি লাভ করেন। ইনি হােমিও- প্যাথিক চিকিৎসার আবিষ্কর্তা। অরগ্যানন ইহার অন্যতম প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। ১৮৪৩ সালে প্যারিসে ইহার মৃত্যু হয়। শিবাজী-- পিতা শাহজী ভোঁসলে। ১৬২৭ সালে শিবনের দুর্গে ইহার জন্ম। মাওয়ালী নামক পার্বত্য জাতিকে যুদ্ধ- বিদ্যা শিখাইয়া মুসলমানদিগের অধিকারে লুট পাট করিয়া ইনি দুর্গ ও অর্থ হস্তগত করেন। মহারাষ্ট্র রাজ্য প্রতি করিয়া ১৬৬৪ সালে শিবাজী রাজা উপাধি গ্রহণ করেন। মােগল সম্রাট অ':রঙ্গজেব কোন ক্রমেই ইহাকে দমন করিতে পারেন নাই। ১৬৮০ সালে সম্মানের সহিত রাজত্ব করিতে করিতে ইনি মৃত্যুমুখে পতিত হন। নেপােলিয়ান করসিকা দ্বীপের এজাশাে শহরে ১৭৬৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮০৪ সালে ফ্রান্সের রাজা হন ও যুদ্ধ করিয়া প্রায় সমগ্র ইউরােপ জয় করেন। বিভিন্ন দেশের রাজারা জনবার কথা মিলিত হইয়া ফ্রান্স আক্রমণ করিলে ইনি এলবা দ্বীপ চলিয়া যান। ১৮১৫ সালে আবার ফিরিয়া আসিলে ওয়াটারলু যুদ্ধে ওয়েলিংটন তাঁহাকে পরাজিত করেন। ১৮২১ সালে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত অবস্থায় ইমি মারা যান। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়- ১২৭০ সালে কৃষ্ণনগরে ইহার জন্ম। পিতা দেওয়ান কার্তিকেয় চন্দ্র রায়। ইনি কবি ও নাট্যকার ছিলেন। হাসির গান, আষাঢ়ে, মেবার পতন প্রভৃতি পুস্তক ইহার রচিত। ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকার ইনিই প্রতিষ্ঠাতা। মাইকেল মধুসূদন দত্ত- যশােহরের সাগর দাড়ি গ্রামে ইহার জন্ম। পিতা রাজ নারায়ণ দত্ত মাতার নাম জাহ্নবী। ১৮৪৩ সালে ইনি খৃষ্ট ধৰ্ম্ম অবলম্বন করেন ও মাইকেল উপাধি পান। শর্মিষ্ঠা পদ্মবতী, তিলােত্তমা সম্ভব, মেঘনাদ প্রভৃতি পুস্তক ইহার রচিত। বাঙ্গলা ভাষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। ১৮৭৩ সালে বহু কষ্ট পাইয়া তিনি মারা যান। গোখেল- জন্ম ১৮৬৬ সালে কোলাপুরে। বােম্বাইয়ের বিশিষ্ট রাজ- নৈতিক নেতা। নেতা। ১৯০৫ সালে ইনি বারাণসী কংগ্রেসের সভাপতি হন। ১৯১৫ সালে গােখেল মারা যান।
জানবার কথা
১৯৬৯ সালে লাহােরের তালবী গ্রামে জন্ম। পিতার নাম
কালু-মাতা ত্রিতপা।
২৭ বৎসর বয়সে ইনি সন্ন্যাস
গ্রহণ করিয়া গৃহত্যাগী হন। হার প্রবর্তিত ধর্মমতেই
শিখ ধর্ম। নানকের নিকট হিন্দু মুসলমানে প্রভেদ ছিল
। ১৫৩৯ সালে মৃত্যু হয়।
কালিদাস
বিখ্যাত সংস্কৃত কবি। ইনি মহারাজ বিক্রমাদিত্যের
সভার নবরত্রের অন্যতম। ইহার রচিত বিক্রমাের্বশী,
অভিজ্ঞান শকুন্তলম্, মেঘদূত, ঋভু সংহার প্রভৃতি প্রসিদ্ধ
নাটক ও কাব্য। সিংহল দ্বীপে ইনি নিহত হন বলিয়া
কিংবদন্তী প্রচলিত আছে।
দিসুলতানা
পিতা আহমদ নগররাজ হোসেন নিজাম শাহ। স্বামী
বিজাপুর আলি আদিল শাহ। ইনি অপূৰ্ব শৌৰ্য্যবর্তী
রমণী ছিলেন ও শব আক্রমণ হইতে স্বদেশ রক্ষার নিমিত্ত
যুদ্ধ ক্ষেত্রে প্রাণ বিসর্জন করেন।
রাণী ভবানী
'নাটোরের জমিদার রামকান্তের পত্নী। পিতা বগুড়া জেলার
ছাতিম গ্রামের আত্মারাম চৌধুরী। মাতা কস্তুরী দেবী।
১১৫৩ সালে ৩২ বৎসর বয়সে স্বামীর মৃত্যু হইলে ইনি
বাৎসরিক দেড় কোটী টাকা আয়ের সম্পত্তি লাভ করেন।
সমবায় কথা
মন্দির ও পুষ্করিণী প্রভৃতি প্রতিষ্ঠায় ও
কোটা টাকার অধিক ব্যয় করেন। ৭১ বৎস:
বড় নগরে তাহার মৃত্যু হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১২৬৮ সালে কলিকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। সাহিত্য, নাটক, কবিতা ও
উপন্যাস প্রভৃতি সকল বিভাগেই ইনি অসংখ্য পুস্তক রচনা
করিয়াছেন। তাঁহার গীতাঞ্জলি ইংরাজী অনুবাদ পাশ্চাত্যদেশে
সমাদৃত হয় এবং ১৯১২ সালে সর্বশ্রেষ্ঠ বলিয়া পুরস্কার
প্রাপ্ত হন। প্রাচীন ভারতের আশ্রমের অনুরূপ ইনি
বােলপুর শান্তি নিকেতন ও বিশ্ব ভারতী প্রতিষ্ঠা করেন।
গিরিশচন্দ্র ঘােষ
১২৫০ সালে কলিকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন ।
ইনি একজন
প্রসিদ্ধ অভিনেতা ও নাট্যকার। শঙ্করাচাৰ্য্য; প্রফুল্ল,
বলিদান প্রভৃতি প্রায় ৭• খানি নাটক রচনা করেন। এই
গুলি দেশে প্রাণের সাড়া আনিয়াছিল। লােকে ইহাকে
বাঙ্গলার গ্যারিক বলিত। ১৩১৮ সালে মৃত্যু হয়।
শেক্সপীয়র--
ইংলণ্ডের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার এবং পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ
কবিগণের অন্যতম। ১৫৬৪ সালে ইনি জন্মগ্রহণ করেন।
ইনি ৩৮ খানি নাটক ও কতকগুলি ক্ষুদ্র কবিতা রচনা
{
VEL. KASTOLA ROSE ২। জকি একখানি ব্য গ্রন্থ আছে ১৮৪৮ সালে কলিকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা ডাঃ সুগী গণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিলাতে I.C. 3 প কবিতা ইনি আলাৰে ম্যাজিষ্ট্রেট নিযুক্ত হন। ১৮৯৫ ১৯৯২ সালে ও আমেদাবাদ কংগে সঙ্গতি । -কিচ্ছত্র আন্দোলনের ইনি: প্রসিদ্ধ কে। * আলে ইনি বাঙলা গভর্ণমেন্টে স্বাস্থ্য ও প্রাণ শন বিভাগের মন্ত্রী হন। ১৯২৫ সালে পলক গ এ বিগ- ১৯ দলে রাখাঘাটে মাতুলালয়ে জন্ম হয়। খুব রিয়া ইনি এস সার্কাস কোম্পানীতে যোগদান এই শােন শহিক সুরেশচন কী ও না রিকায় পাগল ভাগ করিয়া * soA Dist. HOWRAR.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.