Udaynarayanpur Tarun Sangha, Howrah
Jog Bashistha-ramayan Ed.2
Front matter
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ
বঙ্গানুবাদ।
ভট্টপল্লী-নিবাসি-
পণ্ডিতবর শ্রীপঞ্চানন তর্ক কর্তৃক
সম্পাদিত
দ্বিতীয় সংরণ।
কলিকাতা,
।
৩৮২নং ভবানীচরণ দত্তের স্বাট, বাসাইলেন-মেশিন যত
শ্রীনটবর চাঁরা
মুদ্রিত ও এক।
সন ১৩১২াল।
কং টাকা,
No text on this page.
হঙ্গারাও এই-সব . অনন্তমনুষ্যের অনন্তপ্রকার যে, খবরও গেল তেমনই অন্তঃকরণ প্রত্যেক মনুষের বিলি। মেয়ে বিশেষ দ্বারা সামান্যরুপে কথিত হয়। ধর্মানুরক্ত, এর মোক্ত এইরূপ চক্রুশ্রেণী দ্বারা অন্তঃকরণে গামাত জে ভেদই অধিকারভেদের হেতু। কোন মানব কোন অনুসারে হয়। এই অপূর্ব গ্রন্থের আলোচনা করিয়া তাঁহারা বিয়ের সায়া লাভ করুন, মাস পর অন্য কথা। প্রথমেই কিন্তু সকল কি শ, লাব সনির্বন্ধ অনুরােধ। যেমন এ, তেমন অনুবাদ হইবার উৰ অনেক গ ব্যক্তি এই গ্রন্থের অনুবাদ করিয়াছেন এবং সম্পূর্ণ যােগবাণিষ্ঠের কে - অার নাই, এজন্য আশা করিতেছি, যাহারা সংস্কৃতষায় বুৎপন্ন গ্রন্থের সাহায্যে মূলগ্রন্থের মর্ম অবগত হইতে পারিবেন। এই গ্রন্থের অনুবাদক কাশীরাজৱ সভাপণ্ডিত ঐক্ত লিথ অন্যতম অধ্যপক শ্রীযুক্ত হৃষীকেশ শাস্ত্রী, সংস্কৃত কলেজের স্মৃতি তর্কভূষ, ভাটপাড়া সংস্কৃত কলেজের অজ অধ্যাপ যুক্ত কমলক টি, এন, জুবিলি-কলেজের অধ্যাপক যুক্ত নন্দগােপাল সরস্বতী, বর্তমান চতুষ্পাঠীর বেদান্ত’দি-অধ্যাপক শ্রীযুক্ত শশিভূষণ শিরােমণি, আটপাড়ায় পণ্ডিত বিদ্যাৰ্ণৰ, পণ্ডিতৰ শ্ৰীযুক্ত বীরেন্দ্রনাথ কাব্যতীর্থ এবং আমি। আমা দর শাস্ত্রের প্রধান লক্ষ্য মুক্তি , কিন্তু ঐ প্রকায় বিভিন্ন অধিকারী। সাধারণ লােকে ইহাতেই শাস্ত্রের মতো মনে করিয়া থাকে। যােণ এখন অবলম্বনীয় শাস্ত্র। ধর্মাধিকারী এহুতি মানবগণ 'এলােচ মােক্রাধিকার হইয়া থাকেন। নিজের অকণ নিজের অতি খাকে অনুরক্ত কি না শত্রু-মিত্র সমদশী কিনা, তাহা আমি যে বুঝিতে পারি আপনাকে মােক্রাধিকারী স্থির করিল যােগবাণিষ্টের সকল কথা আপনাতেই কিন্তু আমি যদি অবক হই, নিজে যােয় বিষয়াসক্ত হইও নােকর নিকট বলিষ প্রতিপন্ন হইতে প্রয়াস পাই, তাহা হইলে গেবার উর্দি-আচরণে আ অধিকারী। স্থলচর জীৰ উড়িতে যাইলে যে দু এ হয়, কনধিঃ মানৰ উ গ্রী হইতে যাইশেও সেই দুর্দশা ভােগ করে,অধপতিত হয়। সাধারণ যােগবশিষ্ট আলােচনা মূর্তি এমন কি বিস্তৃত, উপদেশ গ্রন্থ আর নাই। এই অনুবাদ অনেক স্কুলেই টাকার অনুযায়ী। কোন কোন স্কুলে অরুপ। যে যে সে টাকার মত পরিত্যক্ত হইয়াছে, টিপ্পনীতে অনেক মাল তার কারণ এশিত হইয়াছে। এসে পাঠকগণের তৃপ্তি হইলেই এন সাফল্য হয়। - দক- পঞ্চানন দেব।' ২৪ পরগণা। • । 1 +
No text on this page.
যােগবাদি সর্গ শ * ৮ ৮ট। ৫ম * ৪ ৮ - 0E ৮ ১১। Us ১২। উহা ১৩ সঃ। তিপ ১৪। রিনিরূপণ ১১। ১৫৭। সােবক্ষিপ ১৬ । সদাচারজি ১৭। সংকির্ণন ১৮ । টাকলিরূপণ ১১ । এমারি শ। সাতনিৱপণ T বিষ বৈরাগ্যকরণ। ১ম সর্গ। মঙ্গলাচরণ এবং পালক ২৪ সর্গ। সূত্রপাতনিক অ সঃ। যাত্রাকরণ ৪র্থ সঃ। দিবসব্যবহারনিরূপণ কাশ্যশিক্ষণ ৬১ সঃ। বিশ্বামিত্রত্যাগমন ৭ম সঃ। বিশ্বামিত্রবাক্য ১ম ঃ দরবাক ১ম সূঃ। বশিষ্ঠসমাধান •ম সঃ। রাধবিষাদ ১৭ সঃ। রাঘবশাখাসন ২ সঃ এমপরিতাপ ৩। সঃ লক্ষীনিরাকরণ ১৪শ সঃ। জীবিতনিন্দা শ সঃ। অহঙ্কারজুগুপ্সা স সং। চিত্তদৌরাত্ম্য এ সঃ। তৃত ৮শ সঃ। কাজুগুপ্সা ১শ সঃ। বাল্যজুঙ্গা •শ সঃ। যৌবনগণ ১শ । স্ত্রী ২ সঃ। জরাজু ৩ । কালাপবাদ 4मः। कानविनाम ৭ । কৃতান্তবিলসিত ৬ । দেহ বিলাসবর্ণন ৭শ সঃ। মুক্তির বিরােধিভাবের অনিত্যতাতিপাদন স। সর্বভাবের নিকাতর বিপৰ্যাসপ্রতিপালন ১ । সকল পদার্থের অনাস্থা প্রতিপাদন • । এজনকখন ১ । রাকের প্রশ্ন ২শ । আকাশচারীর সাধুবাদ ৩শ সঃ। আকাশচর ও ভূরের সম্মেলন . **** ২০ २४ উৎপতি-প্ররণ ২০। ১ম স ' বলেন ২ । আনিকাতর ৩ । যে স। বিন ৫ম । কারণ বেবস্বরূপ বল এ । এছাপদে ৭ম । এদিস চুসে সত্তা এতিল ২ । মিম শাকিল ১ম সঃ।* পানি ৩. ১০। মুকলে কি পায়ের বর্ণন ৩১। মশালি ০১৭। স। মুকুব্যবহারকরণ। সর্গ। নির্মাণ ঘ. পৃষ্ঠা . ১৪. २०५मा ১৭ ১৩ ১৪৪ ১৭ ১৪৭ ১০, ১১ ১৮ ২৮। ২। অব। ২। শিলিগ্রামবন ১। পাকান ৩০সঃ। যিএিকোটিবল ৩১। যুগ্ৰেনিকার্ণিল ৩। মুম ৩। যে পষর্ণল ৩। বুশীদিগের কথােপকল বর্ণন ৩৫ । বর্ণন ৩। অনলি ৩। এরপর ৩। আহবান ৩১। নিরিণর্যিাপ্ত রাত্রি যুক্ত বর্ণন ৪। ধূণর পা ৪১। ভাতিবিচারবলি ৪ । স্বাদ ৩শ ৯। অখিল গবন শ। এর sণ। সত্যকা আবিতা जमा विवाह or বিমােগম । ১৭। ভূয় •শ। বিমণবর্ণল ১ম দিন ।মুর পর দেহপ্রতিভাগের বন স। সংক্ষে ৫০ণস। মরি ৫। সংসার মরণান ৫। মােনর এক ৫ । যা বিচার ME नाचोदन শ। শনিবার ম । এমনি এ সঃ। অরূপ **। শৈবাল *ডিবিকার ৰ । বিকার যােনি স। বিচিত্র । ভি শম ল। সব ১৪ । বিহুটি কখন ৭। হানি ৭ম স। লুচিকার্নিলেন ৭২। চিতলএভাৰ ৩ । চীতগােবর্ণন ৭৪ সঃ। সূচীপপরিপাকবর্ণল ৭৫। সূচৗরীরলাভ নাম। অঙ্গাঅাথিক ৭৭ম সং। বিচার ৮ । এসএমন ৭১৯ সঃ। রাসপ্রশ্ন ৮ । এনভেন ৮১ম সঃ। পরমার্থগিণ্ডীকরণ ৮২ স। রাক্ষসীসৌহার্দ্য ৮৩ম । করাপুজন ৮ম সঃ। মনােহনােপাকথন ১৫ ৮৫ম সঃ। ব্রহ্মাদিত্যসমাগম ৮ । ঐবসমাধান ৮৭ম । দশজগগন ৮ম সঃ। ঐনবনিকঞ্চন ৮৯ম । কৃত্রিমৈবাক্য ১১০ ৯০ম । কৃত্রিম ইহল্যানুরা ৯১ম । জীবণক্রমােপদেশ ১১৩ ১২ম । মনােমহর্ণন ১১ ১ । উৎপজিশন ১১০ ১ম সঃ। ব্ৰহ্ম হইতে সকলের উৎপত্তি কখন ৯৫ম সঃ। কর্ম এবং পুরুষের এক প্রতিপাদন ১ম স। মনসংকটির ১১ ৯৭ম । চিলাকাশমাহা ১ম সঃ। চিত্তেপাখ্যান ১ম । চিতপাখ্যান ১০। ডিভােপলি ১০ম সঃ। বালকাখ্যায়িকা ১২ ১০ । উপকরণ ১৬] ১০। চিমাহাত্ম্য ১০ম । নৃপব্যানােহ ১২|১০ম ৮। রাবােধ ১০। চাণ্ডালীবিবাহ ১০৭ । আপনি ১৩ 1১০ম । একান ১৩]১০। চপলম se ১১ । চিত্তন ১৩ |১১। চিকিৎসা ১১২ : মুখােপIBকন ১১৩ শ বিবর্ণন ১৪ ল বখাতিলেবপরিহণ ১ ১৭০ ১৭১ ১২ ১৭৪ ১৭৭ ১৭ ১৮+ ৩ ১৩ ১৮৭ L ৭ ১১ दिवस ১৯৫ম সঃ। দুঃখভােত্বাপদেশ ১১৬ । সাধকআবতার ১১৭ম সঃ। অনভূৰিকাবর্ণন ১১৮ম । জ্ঞানভূমিকোপদে ১৯১ম সঃ। হেমােকিাপদেশ ১২ম সঃ। চাণ্ডালীশােন ১২১ম স। চিত্তাভাবপ্রতিপালন ১২২ম সঃ। স্বরূপনিরূপণ শ। '১৮ ৫। স্থিতিপ্রকরণ। २०७ • ২০৬ ৬ষ্ঠ স। ২০৮ । ৪ । ১১ • % । Cে ২শ । আকাশেখি ৫৩শ সঃ। সং, ৫৪৭ । সাটিকি ৫৭। বশিষ্ঠ ও = ৫৬। কৰিচাষে ৫মশ । পুশকা শবন ৫৬ । কল ৫ । কাজের ব্যবহার। ৬০ম । বিচারকলিজপ্রসঙ্গ ৩ । জনশতি ২ সঃ। যিতিকণা ২৮ ১ম সর্গ। অনিনিরাকরণ ২ । দ্বিতিবীজোপা ৩ । জগতের অনন্তবর্ণন ৪র্থ সঃ। স্থিতি অনুরকান ৫ম সঃ। ভার্গবনঃ ভাগবানেরাজ্য ৭ম সঃ। নসঙ্গম ৮ম সং। শুক্রের বিবিধঅনুভব ৯ম । ভার্গবকলেবরবর্ণন ১০ম স। কাল ১১শ সঃ। সংসারপ্ররদিন ১২সঃ। সংসারেংপতিবিস্তারবন ১৩ সঃ। ভূসমাখাসন ১৪ । ভাগবজন্মান্তরস্মরণবর্ণন ১৫শ সঃ। ভার্গবপরিদেবপ্রসঙ্গে উপদেশকথন ১৬শ সঃ। শুক্রের পুনজীবন ১৭ সঃ। মনেরাজ্যসম্মেলন ১৮ । জীবনখণ্ডকাবতার ১১স। জাগ্রপ্তযুগুতুরীয়স্বরূপবিচার •শ সঃ। মনােৰূপবর্ণন ১১ সঃ। বিজ্ঞান ২শ সঃ। অনুমপলবিলিবর্ণন ২৩৭ সঃ। শরীরনগরবিভূতিযােগ ২৪শ সঃ। মনেতে অসাপ্রতিপাদন ৫ণ সঃ। ম্যালকটের উৎপত্তিবর্ণন ২৬ স। দামব্যালকটের সংগ্রামবর্ণন ৭ । পিতামহৰাক্য ১৮। কামব্যাকটের পূনর্বযুদ্ধবর্ণন শ। অপরিভ্রংশ স। কামব্যালকটের অন্তরচরিত্রবর্ণন ১১। সমিকরণ ২ । চারনিরূপণ ৩ সঃ। অহঙ্কারবিচার ১৪ । ম্যালকটের উপাখ্যান সাপ্তি ২৮ ২৪১ ১ম সর্গ। অধিকর্ণন ২। লবন ૨૭ স। আসলে 4 ২৭ ২ ২২1 এ । মাপ্তির জন্য অনল ।
পৃষ্ঠা ৩৫৫ ৩৭ ১১ ৩২ ৩ ২১। ২ । বিলাস ও ২৩। বিনােদন 'ধূ ২০ । চিৰিচিকিসানেলা ২৫। ববিচিনিস্তােগাল ২৩। লুববাগ ২ সঃ। বলিলান্তি ফ। বলিসমাধান ২১ সা! বলির বিজ্ঞান ৩৭। হিরণ্যকশিপুঞ্জ ৩১ । নারায়ণকরণ ৩৭ স। বিখবাক্য ৩ । নাগিন o । এলাকায় যে, ৩৫ন । ব্রহ্মচিন্তা ৩০ : ত ৩৬। ১২ | ওম সর্গ। উপদেশ ২১৩ |৫ম । সহগিরির্ণন ২৯৪ | এ সঃ। অনিতাতিপাদন শম সঃ। অবিচার ২১৬ | মঞ্চ। সঙ্গচ্চিাযোগেপদেশ ২১৭]। শান্তিসতমােগােপদে ৭। অসঙ্গবিলােপদেশ ২১১ ৭ । লােদিবসের উপদেশ সমাপ্তি ৭২ । মেপে ৭ম । -বিচার ৩০২ ৭ম । কৈাগ্যোপ ৭৫ম । মুক্তামুক্তবিচার ৭ম । সংসারগরসাম্যপ্রতিপক্ষ ৭৭ম সঃ। জীবন্মুক্তম্বৰূপ বণ ৭৮ম । বেগবর্ণন ৭৯ । সমগজ্ঞানলক্ষণনিরূপণ ৮ম সঃ। দৃশ্যদর্শনসম্বন্ধ ৮১ম সঃ। চিত্তের অসত্তাপ্রতিপালন ৩১৩; ৮২ । ইন্ডিয়ানুশাসনবােগােপদেশ ৮মঃ । চিত্তসঙাবিচারযােগােপনে ৩১৮ ৮ম সং। বীহব্যমনে জগধর্ণন ৮৫ম সঃ। বতিত্ববাসমাধিস্বগোপদেশ ৩২ • '৮ম । ইশ্রিবর্ণনিরাকরণোপদেশ ৮৭ম সঃ। বাঁহব্যনিৰ্বাদেপদেশ ৮৮ম সঃ। বীতব্যবিশ্রান্তি ৩৩ ৮১ম স। সলিলসবিচ'রঘােগেপদেশ ৩; ১০ম । চিতোপদেশকিারযে গােপদেশ ১১ম সঃ। সংহতিবীজবিচারযোগোপদেশ ১২ম । তিনিরাকরণক্রমযােগগপদেশ ১৩ম । সমদর্শন ৩০৮ ৩৭; ৩৭৫ ৩০ ৩১ তাৰ ৩৪ ৩২২ ৩৪ ৩৫ ৩১ ৩৭ ৩২৭ ৩১১ ৩ ৩। এক । এমবি ৩১। মানে । এহবে, ৯। । ৩। প্রান্তি ৩০। গবিনাশ লে। সাত ৮। রত্র ৭ । এতক্ষালােকল ৭। যখন ১৭ । জনপ্রতি ৫ । বাবা বিয়ােগ ৫১ । উগমনােরখ ৫২। উলকবিচার ৫। ক্ষানবিচারবিলাস ৫ গ। উলকবিডি ৫৫। উজালকনি। ৫। নবিতার শ। তেমনিবাণ ৫। আবেগ স। মুরবিলি ৩। সুরধুনির্বাসন সক। রঘুপরিসর । সমাধিনি, এ। পরিসি ৩ ৩১ ৩১৭ ৩ নিৰ্বাণপ্রকরণ–পূর্বভাগ। ১মগর্গ। দিবসব্যবহ বর্ণন ২ । বিশ্রান্তিকরণ এ সঃ। ব্ৰক্ষৈকপ্রতিপালন ৪। চিৰপ্ৰতিপালন মস। এঘৰবিশ্রান্তিবর্ণন . এই সঃ। মােহ ৩১ ৪ । ইহা : এ স। অবিলবিলাসােপক্ষে ম । অবিকিরণ ১. গ। অবিষ্যাচিকিৎসা ১১। জীবন্মুক্তনিশ্চয়যােগেপদেশ ১২। জীবন্মুক্ষশনিরূপণ ৫১। নিবিচাযােগেপদে • s,৭ ৪০১ ৪১১ ৪১ ১ ৪ পৃষ্ঠা ১৯। গর্গ। । ২ | 1 ২৬ ৬৭ম ৮ ৪ ১ ১৮ ৪১ এবে উত্তাষ ৭ম ? १२२ ৪৩। ৭৩ । ৩৩ , ০৩ । ২৪৫। • | विश ১৪শ সঃ। মেরুশিখর বর্ণন ১৫ । ভূযুদন ১৬ সঃ বশিষ্ঠ ও দুমুখো সমাধােগ শ সঃ। ভুমুগুরূপবর্ণন ১৮ । মাতৃব্যবহারবর্ণন ১১। আল লাভ • সঃ। হুযুণ্ডের স্বরুপনিরূপণ ১শ স। চিরজীৰিত্রে বৃত্তান্ত কথন ২২ । চিরজীবিত বর্ণন ৩ । সমাধানসানিয়াকরণ ২০ণ স। এণবিচারণ ২৫শ । সমাধিবর্ণন ২৬ । চিরজীবিতের হেতু কথন [৭শ সঃ। ভূণ্ডেপাখ্যান সমাপ্ত ৮শ । পরমার্থ যোগের উপদেশ ১ । পরমাত্মময়ৱবর্ণন • সঃ। চেতত্যাখচিৰিচার ১১শ । মন এবং প্রাণের ঐক্য প্রতিপালন ১২শ । দেহপতি বিচার ৩:শ সঃ। দ্মৈতৈক্যতিপ’দন 35 স । শ্রীপরমেশ্বরপদেশ 1ণ । পআলীমন্ত কথন bশ সঃ। পরমের বর্ণন ১৭ণ সঃ। নিয়তিনৃত্য শ সঃ। বসুজন ০১ : সেবার্ডনবিবি • সঃ। দেবতাতত্ত্ববিচার ৪১শ স”। জগতের মিথ্যা প্রতিদান Bণ স। পরমাত্মাভিধান ৩ । বিশ্রান্তি বর্ণন Bণ সঃ। চিলাচন ৪৫ । বিলােপাখ্যান ৬ সঃ। শিলাকোষােপদেশ ১৭ । চিদম্বনােপদেশ B৮ সঃ। ব্রহ্মকাত্মতপ্রতিপাদন ৪১ সঃ। সংস্কৃতিবিচারযোেগ • সঃ। ' অসংবেল বিচারযােগ-উপদেশ ১৭ । ইলিয়াঘোপলবিচার ২ । নারায়ণবার কখন ৫৩৭ । অৰ্জ্জুনেপদেশ ৫৪। সঃ। আনেপদেশ ৫৫ । জীব নির্ণয় t৬ সঃ। চিনবর্ণন ৭ণস। অর্থলকিাতি বর্ণন ৮ স। অনর্থতা ১ । এগাববোধ মস। বিভূভিযােপােপদেশ ৩; ৭ । এন। ৫ ৭ , ৪s৩ '৭। ৯ । চুল ৮ম সং। পঞ্চকবিলাস 51 ৮ম । অগ্রীবােশখিটা ৮২ স। অণিমামিলাভষােগাে ৮৩। কিটোপাখানি | ৮৪স সঃ। শিখি , ১২ ৮ম স। মুখৰিচারঘােগােপদে ৪৫৮ম । ননন ৫৮ণৰ সঃ। শিখিকাৰণে ৫৬ ৮৮ম । মণিকাচোপাখ্যান ৮ম । হক্তিকোপান ১০ । চিনি এবং সাধক ১৬০ ১১ । হকির আপৰিব ১১ ১২ম । সাগর। ১৩ । খিলানাে ১৬ ১৪ । দখিবােক ? *৫; ১ম সঃ। এধিবিশ্রানি ৪৬ ১৭ ন। শিখিজাবনে ১৭ । যেন ১। বিজাৰবােন ৭ | ১। মিথিলাবােক या निविसमावबवायन ৪১ সঃ। যাঝে ০৭৮ ১। ফিজ ১। পুনরায় होता । पूरला भागमा লীবাহ, * ০৬১ s ৪৭০ । 8 ১ Sob চুলায় * ৬০ == = ১১ । ক ১৮। ১১ । মিখ্যাপকৰােপাখ্যান ১৯৪ম । পরমাণে ১১ । নিজে ১ম সঃ। গুলিভচিতলকশকশন ১শম ঃ। ইক্ষাকুমনুসংবাদ ১১ । ইকামসংবাদ ১১৯। কামনুসংবাদ ১২ম । সভূমিকাবিভাগ ১২ম । কাকুবােধন ১২২ম সঃ। ইক্ষাকুপ্রবােন ১২অস। অঞ্জলি এবং বিজ্ঞের কথন ১২৪ । মৃগায় ১২ন সঃ। ভুধে ধোয়কৰ ১ । মাবরূপন ২াম । ভাষাসন ১২ম । রামখান ১৪ ১৮ ৫ । পৃষ্ঠা। বিষ ২৩ । মিিনর্বাণ ২ । মস্কিবৈরাগ্য ২৫ সঃ। মন্ধিবােক ৫ | ২৭ । মঙ্কিনির্বাণসমাপ্তি ৫৫১৭ । মূখ্যবােপদেশ ২৮। স। শঙ্কাজসিদ্ধাপ্রতিপাঙ্গন ১১ স। ভাৰ শ্ৰতিপাদন ৩০ । পরমার্থোপস বােগ ৩১শ ৯। নির্বাণযুক্তি উপদেশ-বর্ণন ৩ সঃ। সভাবােবনােপমেশ ৩৩। সঃ। স্যার্থোপাস বােগ ৩৪শ সঃ। পরমার্থ-যােলােপদেশ ৩৫ণ । পরব্রহ্মস্বরূপ বর্ণন ৩৬। সংসাবী কথন ৩৭শ সঃ। দুগোপদেণযোগ ৩৮শ স। নির্বাণবর্ণন ৫৬৬ | ৩৯শ স। স্বভাববিশ্রান্তি-যােগােপদেশ ৪শ স। আত্মবিশ্রান্তি কথন ৫৬ ৪১স। স্বরূপবিশ্রান্তির নিমিত্ত উপদেশকরণ ৫৭১ ১২ । নির্বাণোপদেশ ৪৩ । ব্রহ্মেকতানভােপদেশ ৪৪ সঃ। মনােগবিপদৰ্ণন । ৪৫ণ সঃ। মনােহরিণকোপাখ্যান ৩৬ । সাম্যাববোধন ৪৭ সঃ। মুকুপ্রথমােপক্রম ৪৮ সঃ। বিবেকমাহাত্ম্য ৫৭৮ ৪১ সঃ। সর্বোপান্তি ৫০শ সঃ। জীবসপ্তকপ্রকাৰৰর্ণন ৫১ ৫১ সঃ। বিশ্রান্তিযােগােপদেশ ৮২ ৫১৭ । ব্রহ্মস্বপবর্ণন ৫৩। নির্বাণবন - ৫৪শ সঃ। অথৈতৈক্যপ্রতিপাদন ৫ । জগয়ে পরমার্থবান ৫৬৭ । বশিষ্ঠসমাধানৰ্ণন ৫৭শ স। বিদিতববদ্যাহঙ্কারবিচার ৮ । সৰ্গৰহ্মধপ্রতিপাদন ১। গজালৰর্ণন ৫৯] ৬০ম । জগলবর্ণন ১ম । গদাকাশকৰােধ ম । টিনৈক ১২] আ সঃ। জগত্তবৈক্যএতিপালন ১২ ম স। বিদ্যাথরীনবর্ণ মেক। শিখরীমব্যবহারবন স । শিলারবন घमः। जमवारमा ৬ । এমাণজিসিকালপত্তিান স ও 9. (৩) ૨ নির্ধণ—উত্তরভাগ। ১ম সর্গ। বিসাযোগপদে ২য় সব অবগােপদেশ প। ভূগাপমহােশােদেশ ৪। তানিয়াম অস। বিচাখকান্ন ত। বৈলাগালি । বর্ণন ৮ম সঃ। মায়ামগুপবর্ণন ১ম স। চিৎকাযােগােপমেশ ১ম । সাপগপ্রতিপত্তিযােলােপশে ১১ সঃ। যথভূবর্ণন ১২ । সঙ্কল এবং সর্গের একতিপালন ১৩ । এসরেণুর অন্তরার্গসলবর্ণন ১৪। সর্গ এবং সঙ্কলের একতাপ্রতিপাদন ১৫ সঃ। বিদ্যাধরনির্বাণ ১৭ । বিধরনির্বাণ ১৭। হাসযােগে। ১। লালকোষবিলাপ ১১। বিলাবলি শ। জীবনিশরাগােপলে। ২। আলবিতার । বল ২ :
Joe বিষয় মদ। শিগণিমহবাক্য Tw ৬৮ | ৭৫ | ১২০। ৩৩ এo শ ৭ ৩১ । ১ম ১৮। ১১ । কি ১১ । ৩৮] ১৩১ R t ৭০ I ". ১। ১৫ । যিাপ ১০ । ১০ম সঃ। এই ১মল। ঢিসর্বাত্মক প্রতি। ১০। একৰি ১। কলনাতি ১৪। লাল মস। নির্ধাণবর্ণল ম গ। বিয়াড়া বর্ণন ওম । বিন্যাড়াঘবন ৫ম । মহাকাখিবল ম সঃ। পুকৰকাৰৰণন ম । পক্ষাবর বিসংলগণন স। একার্ণবর্ণন স। বাসনাতিপালন ম । ভ্রান্তিমাত্ৰপ্ৰতিপালন ১ম । কালরাত্রিবান धनः শিবধরূপবর্ণন অস। বিরূপদর্শন ৪ । শিকজিবন ৫ম । প্রতিপূরুষক্রমবর্ণন মসঃ। জগৎবর্ণন -ম । পাৰিবধাতুর অন্তর্গতজগদানন্তাপ্রতিপাদন মস। ভূলগতবিশেষবন সস। দৃমনােমাত্র প্রতিপক্ষন ম । এমন ১ম মঃ। তৈজসজগয়ন ৪ । পরমার্থ এবং সর্গের ঐক্য এতিপদিন স। আকাশমণলিঙ্কসমাগমগাথাবন ম । এগং এবং বন্ধে ঐক্যাতিপাল মস। বশিষ্ঠশরীবর্ণন মস। অৱপ্রতিপাদন শম সঃ। বিবেকবীরবর্ণন ৮ম । সনসমাগমস ১ম । পরমার্থনিরূপণ • সঃ। নাস্তিক্যনিরাকরণ ০১৭ । পরশ উপণে •ম * মরণালি অভাব-উপদে। এ । পরমার্থৈকতাপ্রতিপালন • সঃ। পরে লত্তা প্রতিপালন ০৫ সঃ। গগৈকতিপালন এ । কাৰ্যকারাগনিস ৮ । বিদ্যাবএতিপালন মি। পাৰিবঞ্চবর্ণন স। অখিবেশনন্তরহেলা ১০ম । সংগ্রাম মস। চতুগিগতবদ্ৰৰণ ২১ । বলল সি' সমুদ্রবন মস। বিগলি ( সঃ। বিপরিপাবন স। কাককোকিমাকাবিল ১৪ । শিব দিবােল। ১০ম । পলাশ ১৫। অগ্রণযুগুলি স। সুভাষ * নাক ১৯। বন ১০। রয় ৭ a ৭ 1. ৫ । ১৫২ । মুনিরাঞ্জিল ১৫। কোকিল } ৭ ৭১৫৯#। লিখে ২ । । ৯৫। ফিরে সংসার আল সকলকেশন নি বিলি ও ৭-৩ বে। ৭৪ ২ ২ ৮৩১ bos b৩৬ ৩০ ৩৭ विदा পৃষ্ঠা ১৬। র ইকবােলােপদেশ ৭৮২ ১৯২ম । বিশ্রাতি-উপগমৰণন ১৬৫ম । আর ঐক্য-উপম ১১৩ম । বিশ্রান্তিকথন म। पिनाल ১৯ম । রামশ্রিান্তি উপগম জয়পুরি ভবতিপালন - ১৯৫ম সঃ। বােধকালীকরণযােগােপদেশ ১৮ম । শালতকেপিদেশ ৭৬ ১৯ম সঃ। চিমণিলভ ১৭১ । বিশ্রাতচিব ৭৮৯ ১ম ঃ। মাছ ১৭ । ব্যবহারনি । ৭৯০। ১৯৮ম সঃ। সদৃষ্টি প্রশংসা ১৭১ম স। হৈতৈক্যনিরাময়যােগে। ৭১২ | ১৯১। মুক্তপুরুষের স্থিতিবন ১৭২ স। অগতের ব্ৰহ্মত্বপ্রতিপা ৭৯৩ ••ম সঃ। সাধুবাদ এবং সপাদিষণন ১৭৩। পার্থোপশে ৭১৫ | ২০১৭ সঃ। বিভ্রান্তিপ্ৰকটীকরণ ১৭৪ম স। নির্বাশাপদেশ ৭১৭; ২০২ম । আত্মবিশ্রাতীকরণ ১৭৫ম সঃ। অত্যুক্তি ২৩ স। নির্বাণবর্ণন ১৭ । এখানে ১০ম স। চিলাকাশের এক প্রতিপালন ১৭৭ম । সত্যবর্ণন ২•ম । সর্গকারণনিরাল ১৭৮ম । ঐশৰােপাখ্যান ১০ম । মহান ১৭ম । এক্ষয়প্রতিপাদন ৭ম সঃ। মহাখার ১৮. গ। অগসােন ৮৭ ২০৮ম । মহামমােক্ষণ ১৮। গোশ্রমবনি ৮৮ | ২০৯ম সঃ। সকলের অন্তিনুভুতিন ১ম । গরবল ১ম । মহাপ্রশ্নোত্তরবক্যসমাধি ১০ম সঃ। সেখান ১১ {১১৭ । পরমার্থোপদেশ ১ । এপ। ২২২ম সঃ। পরমার্থনিরূপণ মি। ৫ ১৫ | ২১৩ সঃ। প্রাক্তনরামশিষ্যতোপখ্যান ১৮ সঃ। এই সঙ্গতিপাদনগােপদেল ৮১৫২১০ম দঃ। মহােদববর্ণন ১৮৭ম । কতিপা ২১৫ম । গ্রন্থপ্রশংসা ও তদাচদিবিধি | ২১। নির্বাণপ্রকরণসমাপ্তি শতশালন ৯০। বামৰিাতি । এবােধর ৪ । ৮০ ৫৪১ T ২ ৪৩ ট; ৪৮ ৮১ ৮৫৩ সূচীপত্র সপ্ত। == যােগবাশিষ্ঠ রামকান বৈজ্ঞাগ্য প্রথম সর্গ । যাহা হইতে সর্বভূতের আবির্ভাব, রক্ষা এবং পরিশেষে নমস্কার। Tহাতেই লয় হয়, সেই সত্যস্বরূপ পরব্রহ্মকে নমস্কাৰ, ব্দী নামে কোন জ্ঞতা ( ঈশ্বর ও প্রাজ্ঞ) জ্ঞান (অজ্ঞানবৃত্তিবিশেষ এক জ্ঞেয় | অগণি, অজ্ঞান), অষ্ট। (সুত্ৰাত্মা ও তৈজস) দর্শন (মনােবিশেষ) | জিজ্ঞাসা কথিত হোন। এবং দৃশ্য ( সূক্ষ্মবিষয়সমূহ), কর্তা (ব্বিাই ও বিখ) হেতু সুগনিত, আমার এক ইন্দ্ৰিব্যাপার) ক্রিয়া (বচনাদি এবং শম্পাদি অঙ্গ) যাহার ! অহায় সমান করিয়া দিন। , মধিষ্ঠানপ্রমুক্ত প্রকাশিত হন, সেই নিত্যজ্ঞানরূপী ব্ৰক্ষকে না- -পূক্তির কারণ— র , যে মহানন্দসাগরের কণিকাস্বরূপ বিষয়-আনলকণা ব্ৰহ্মাদিয়ার ঘরে নি করিয়া একটা बभिगमन, मलिन * সকলেরই উৎপতি স্থিতি লয় আছে, কিন্তু ক্ষের। কর ,সেইরূপ ও উচ্চ উৎপত্তি স্থিতি লয় নাই। তঁাহার সত্তা নিত্য। তঁাহার সত্তা ইয়াই, জগতের সত্তা ব্যবহৃত হয়। যেমন সূর্যের তেজ লইয়াই বলা যায় না : খন্ম একে জ্যোতির্ময় বলা যায়, তদ্রুপ। ব্ৰহ্ম জগতের উপদানকার | উপৰিচয় দিব নিমিও-কারণ। ব্ৰহ্ম উপাদান-কারণ বলিয়াই সভা, প্রকা। বয়েস চােয় এবং আনন্দ জগতেও আংশিকভাবে আছে , উপপলি-কারণ লগকে কথা বলা গাছ। । কাধে প্রকৃতপক্ষে ভেদ নাই। এই লয় অবস্থায় ব্রহ্ম। অর্থাৎ ফাহ শীত আর ভীত আর কিছুই থাকে না। সুতরাং ব্রহ্মই সত্যস্বরূপ | আমি লিখনিতেলি আইয়াজন ভাজা। তিনি সর্বময়, তাঁহাকে নমস্কার করিলে, আর ফুল | থাকে; সেন বিতাকেইনমস্কার করা অবশিষ্ট থাকি না। সুমীর খাকে। এফ আর পাত দিয় হয়, সে * আনন্দময়, বিনময়, মনােময়, প্রাণময় এবং অন্য, ইলৌকিকব্যাপারের অধীন লং, মালপােলের ইপঞ্চ কোষ। অবিদ্যা অর্থাৎ অজ্ঞান বা কাৰণদেহ আনন্দময় সেদিকে আগ্রণয় ওয়াই তখ চাষ, স্থূলদেহ অময় কোষ এবং অন্তঃকরণ ইন্দ্রিয় ও কি কঠোই ইথিয়-লেনিকে বিশিষ্ট কোষত্ৰয়—ইহার নামান্তর সূক্ষ্মদেহ। এই বিধি হোন এবং এমাইলেও এ মষ্টি এবং ব্যষ্টিক্ষপে দুইভাগে বিভক্ত। সাকিব- # কেন এ পহিত চৈত'ঈশ্বর', ব্যষ্টি-কাৰণদেহ-উপহিত চৈত হদের জ্ঞান ইন্দ্রিয়-ব্যাপার-স্যুত নয় বলিরা এ না যায় নাই, “জ্ঞাত’ বলা হইছে। সম-ি, ৬৪ সূত্রা, ব্যষ্টি- সুদেহ-উপহিত ৈ শ্রিয়-ব্যাপার-সভূত স্তন ইহাদের আছে কিন্তু হ লাগির সহিত সম্বন্ধ ইহাদের নাই বলিয়া ইনকে যােগবাণিষ্ঠ-কামায়ণ উম পূর্ব- কেবল বকে জ্ঞান হইতে মুক্তিলাভ আমাকে বলুন ,আমি জিজ্ঞাসু এবং কিত, উবেগ করিবেন না । য়ন, কিউবের সাহাটে মুক্তি হয়, এইজনিশ গান দেবদূত বলিলেন,-ভদ্রে। আকার বৃত্তান্ত আমি বিস্তার উকেই লেগ বিবেচনা করেন। ৪-1 এই তােমাকে বলিতেছি, এষণ কর, হে । উক্ত রাজা গান- দিয়ে তােমাকে এক ইতিহাস বলিতেছি-পূর্বকালে গল্পে অরুণ্যে দুকর তলায় প্রবৃত্ত হইলে, দোজ আমাকে এদিকে ঋষির পুরাশ্যবাৰক ব্রাহ্মণ বেঙ্গে অখ্যা আদেশ করিলে, দূত। অল্পােে-গন্ধ-সিদ্ধ-যক্ষ-কিন্নরাজি-পরি কবি, সেই সকলৰপৰী হইয়াছিলেন। গুম নিটে শােভিত, করতাল-বেণু-প্রভৃতি-বিধবাদ্য-নিনাদিত এই বিমা অধ্যয়ন সমাপ্ত করিয়া তিনি গত্যাগত হন। তখন তিনি লইয়া এক্স গন্ধমাদন-পর্বতে গমন কর। নালাপালপল সেই শয়াকুল-চিত্তেক পরিভাগ বাৰে গৃহে থাক্সিলেন। শুভ গিরিবরে উপস্থিত হইয়া রাজা অরিষ্টনেমিকে বিমানে রে- অনর পিতা গিলে খুঁকে পরিত্যাগী দেখিয়া হিতের হল কইয়া স্বৰ্গভোগের জন্য অমরাবতী নগরীতে লইয়া আইস। আর এই উত্তম কথা বলিকে যে, মুত্র! একি। স্বীয় কর্তব্য দূত বলিলেন, ইন্দ্রের এই আদেশ পাইয়া, বিবিধ প্রকারে সুসজ্জিত কর্ম পালন কৰিচ্ছে না যে? কার না হইলে, কিরূপে সেই বিমান গ্রহণ পূর্বক আমি গন্ধমাদন-পৰ্বতে গমন কৰি সিদ্ধিলাভ করিবে, তাহা ফল,(শি) এই কর্ম হইতে (আমার গমন এখন বুঝিতেছি অসব, আমি তথায় উপস্থিত ও নিরুত হইয়ছ, তাহার কারণই বা কি, তাহা নিৰেল কর। হইয়া রাজা অরিষ্টনেমির আশ্রয়ে গিয়, দেবরাজের সমন্ত আজ কারণ বলিলেন-আবর্শকপিছে এক নিত্য সন্ধা-উপাসনা, তাঁহাকে নিবেদন করিলাম। হে শুভে। আমার সেই কথা এইগৰ প্ৰবৃতিধর্ম ভিতি-বিদিত। ওন, কর্ণ বা সজ্ঞান শুনিয়া সংশয়াকুলচিতে রাজা আমাকে বলিলেন, হে দূত। উৎপাখন এরা মুক্তিলাভ হয় না, কিন্তু কখমাত্রেই তােমাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করিতেছি, তাহা তােমার আমাকে এখান অভিণ মুক্তিলাভ করিয়া মে (ইহাও তি), হে বলিতে হইবে , স্বর্গে কি কি গুণ আছে এবং কি কি দোষ আছে, কাে।এই বিবিধ কতির মধ্যে কেন পক্ষ আমার লক্ষনীয়। তাই আমার নিকট বল। সেস্থানের অবস্থা অবগত হইলে, এই প্রকার সম্পৰত্ৰমেই আমি পালনে তুফীভূত হইয়া যেমন রুচি হয়, তাহা করিব। ২১-৩৫ । দূত বলিলেন ছি। অগন্তি নিলেন সেই ব্রাহ্মণ কাশ্য এই পূণ্যফলে স্বর্গে পরম সুখ ভােগ করা হয় ক বলিয়া যৌন লখন । পিতা পুরুকে অবস্থাপন্ন বােগে উত্তম স্বৰ্গ, মধ্যম পুণ্যযােগে মধ্যম স্বর্গ এবং অল্পপুণ্যে লেখিল পুনরায় বলিলে। একটা কথা আমার নিকট অঙ্গস্বর্গ লাভ হইয়া থাকে। যাবৎকাল পুণ্যক্ষয় না হয় শু, তাহার নিখিল হয়ে ধারণ কর, তৎপরে যাহা তাবৎকালভােগ্য গর্গমধ্যে পৰোক-কাভ, সমানে সমানে ইচ্ছা তাহাই করিও। আর কামসন্তপ্ত মিরীগণ, কিরগণের শর্জা এবং নিম্নশ্রেণীদিগের প্রতি সন্তোষ পটিয়া থাকে। সহিত ক্রীড়াঙ্গসঙ্গ অপরাণি বিনাশী গঙ্গা-এবংপরিপূত পুণ্যয় হইলে, স্বর্গের লােক এই ম লােকে নিপতিত ময়ুগল সেলিম শিখরে অপলােগণশ্রেষ্ঠ মুফটি হন এবং দুর্লভ মানবজন্ম লাভ করেন , হে রাজন! অগে নার্থী এক কণী নাছিলেন।১২। ইত্যবারে সেই এই প্রকার দোষ-গুণ আছে। হে ভদ্রে। এই কথা শুনিয়া রাজা মহাভগ অঙ্গশ্রেষ্ঠ কচি গগনপথে ইশকে গমন করিতে অরিষ্টনেমি উত্তর করিলেন-হে দেবদূত। এই প্রকার ফলস মেকাি জয়াকে বলিলেন, হে মহাভাগ দেবদূত! কোথা হইতে স্বর্গ আমি ইচ্ছা করি না। অতঃপর সর্প যেরূপ ঋণ কখুক আপনি আসিতে, এখন কোথাই যাইবেন—এই সমস্ত কৃপা পরিত্যাগ করে, সেইরূপ আমি মহােগ্ৰতপস্যা করিয়া, অশুদ্ধ দেহ কৰিয় বলুন। যে বলিলেন, হে লুক! তুমি উত্তম জিজ্ঞাসা পরিত্যাগ করিব, আর ধারণ করিব না,মুক্তিলাভ করিব। হে কৰি তাের নিকট তাহা ঘৰৰ কাকডিহি। দেবদূত, এই বিমান লইয়া তুমি যেমন আসিয়াছ, সেইরূপেই রাজৰি এরিষে, জাৈগযুক্ত হইয়া পুৱকে অজ্য অর্পণপূর্বক ইসমীপে গমন কর, তােমাকে নমস্কার ৩৬-৪২। হে জে! পালগমন কৰিছেন, সেই এখন গান পর্বত রাজা আমাকে এই কথা বলিলে, আমি তাহাইমের নিকট নিয়ে উপ করিতেন। আৰিকাশন কমি, এখন সেই করিতে গমন করি। আমি যথাযথ সকল বৃত্তান্ত নিবেদন করি বান্ত নিবেদন করিবার ও হইতে ইনিখানে গমন কৰি ইভা সকলেই বিস্মিত হইলেন। দেবরাজ পুনর্বার তেছি। অপর বলিলেন-এ। সেরে বৃন্ত কিল মধুর বাক্যে কোমলভাবে আমাকে বলিলেন, দূত। পুনর্বার তুমি আর ও ব্রোগস বা আমিষ্টনেমিকে ও মুক্তির উপযােগী, অন্যত। এটান এতে মূল শ্লোকে বাৰীকি মুনির আশ্রমে আত্মজ্ঞানের অন্ত লইয়া যাও। তুমি মহৰি সর্ব দৃষ্টান্ত আজ। নাতে দৃষ্টান্তে আংশিক ৰেষ বাল্মীৰিকে আমার এই কথা বলিবে যে, হে মহুর্যে। ৈ এছ। অর্থাৎ কেন আকাশগশন উপশ্রেণী, তদ্রুপ যুক্ত, বিনীত এবং স্বৰ্গকামনাতেও পরমুখ এই রাজাকে অজ্ঞা ও মুক্তির উপযােগী এই লোকেরগ, লিপ বুৎ সায় পরিয়ে আকাশ ভাই এই-বৃত্ত কিনা সারের অন্তপ্রাপ্ত। সংসারের , আল মাহত মুক্তিলায় এ পর্যন্ত প্রাপ্ত রাজা অরিনেমী একাণে কিরূপ? এর জগতে। পরী ও এত—হে দেব। আমি তােমার কথারক্ষা করিয়া, साबणका मानन * আল জাতি পলিম টে। কিন্তু তােমায় নমস্কার করিতেছি। (বিন)সই তুমি যেমন আসিয়া = তেমনই ইলিশ . উপদেশ দিন , সংসার-দুখ-কাতর এই রাজা তাহা হইলেই যে মুক্তিলাভ করিবেন। হে মহামুনে। দেবরাজ এই কথা বলি দিয় আমাকে আপনার নিকট পাঠাইয়াছেন। ৪৩৭। (খি পুনৰ্ণার ভয় আসিয়া, রাজাকে মহর্ষি বাল্মীকির গোচর শা রাজার মােতো এবং তৎসম্বন্ধে মেরাজের কাৰ্যও সেই যু নিকট নিবেদন করিলাম । অনন্তর বাল্মীকিনি অতিরি সহকারে কুল-প্রশ্নবাক্যে রাজাকে অনায় জিজ্ঞাসা কলি। রাজা বলিলেন-হে ভগ। আপনি ধৰ্ম্মমাপনি ব্রহ্ম এবং লােকগণের শ্রেষ্ঠ , আপনার দর্শনলাভেই আলিফ শট ব্যাবহারিক এশাভি- হইয়াছি—সেই কৃতার্থতাই আমার কুশল। ভগব। আমি কিছু জসিক জয় হেতু ওঁ, আকাশ, পালে, অম জিজ্ঞাসা করিতে ইচ্ছা করিতেছি, নির্বিঘে তাহা বলুন-সংসার বাহিরে লেশমান, সেই সৰ্ব্বয় সু-ব্যাধি হইতে কিরূপে মুক্তিলাভ করি, বলুন। ৪। খলিলেন, আমি (সার- বাল্মীকি বলিলেন,-রাজ। অখণ্ড রামায়ণ কীৰ্ত্তন করিতেছি, এণ করায় কর, ইহা শ্ৰৰণ এবং যত্নপূর্বক তাহার অর্থাবধারণ কৰিলে সব শখের ফল হইবে; মুক্ত হইবে। হে রাজেন্দ্র। আমি আত্মতত্ত্ব জানিয়াছি, অসারে এ আমি তােমাকে রাম ও বশিষ্ঠের কথােপকথনরূপে মুক্তির উত্তম এ তােক শিতি উপায়-কথা বলিতেছি, হে জানি। তুমি তাহা শ্রবণ কর। রাজা মহাকাক কল কবিয়া, যে বলিলেন, রাম কে, কিরুপ এবং কাহার সামগ্রী? তিনি বন্ধ না পুরুপের এর কয়েন, মূক্ত। হে অবর। নিশ্চয় করিয়া এই জান আমাকে তিনি নি মুক্তি লাভ উপদেশ দিন। বাল্মীকি বলিলেন,-আদার ইষ্টদেব। নারায়ণই করেন। হে বিষ প্রদত্ত শাপবাক্য সফল করিবার ছলে রাজবেশে অবতীর্ণ হইয়া রামায় এনে ইচ্ছাপরিগৃহীত অজ্ঞানবশে অল্পজ্ঞরূপে প্রকাশিত হন। ৫২-৫৫। রামময় তুলি রাজা বলিলেন,—চিদানন্দময় রাম চৈস্যময় শরীর গ্রহণ করিয়াই ত্বপ্রাথীকে নিয়ে অবতীর্ণ হন , তঁাহার প্রতি শাপের কারণ কি এবং কে-ই বা শাপ একাগ্রভাবে জপ শন করি। দল, ইহা আমাকে বলুন। বাল্মীকি বলিলেন,-নিষ্কাম স মেরুল এক পেন কুমার ব্রহ্মলােকে ছিলেন, এমন সময় ত্রৈলােক্যাধিপতি এ বি ব্ৰাৱ নিকটেঞ্জিল কল; ও তথায় উপস্থিত হন। ব্রহ্মা এবং সত্যলােকসী সকলেই অথায় ভগবান নিয়ে এতিই আঁহাকে পূজা করেন, সনৎকুমার কোন পূজা করেন নাই, তাঁহাকে বলও। অলিতে-ভগব। দেখিয়া প্রভু ঈশ্বর বলিলেন,-সনৎকুমার। তুমি কাৰ্যাকাৰ্য , এ আমার রে কটি জ্ঞানহী, তােনার চেষ্টাও নিষ্কাম-গর্বের সূচক, অতএব তুমি লােকফিসে দুঃখ হইতে মুখি কামাসক্ত এবং শরজন্ম অর্থাৎ কার্তিকেয় নামে খ্যাত হও। এল কুমিইএ বিষয়ে বলীবিবি কুমারও বিষ্ণুকে এভিশাপ দিলেন,আপনার যে সর্বজ্ঞতা আর যে অপূর্ব প্রমাণ কৰি কিছুকাল তাহা পরিত্যাগ করিয়া, আপনি অজ্ঞানী হইৰে। কয়, অরণীতে ফেল পাহ স্থ, স্বীয় ভার্চাকে বিষ্ণুকর্তৃক নিহত দেখিয়া, অতি ক্রমে ক্রপ সমগ্র মােহ হইতে পালিকা বলিলেন, বিষ্ণো। তােমার ভাৰ্যার সহিত বিচ্ছেদ হইবে। কলা কে এই কথাশিল্পিকাহারে বাশার শুনে (খচুরী)বিষ্ণুকে শাপগ্রদান করেন, তুমি যে এত উপস্থিত। তাকে সম্বর পানি (পপি ৰাৱণ করিয়া আমার পাভি) করিলে, সেই বার পুলিশের ভূহিতরায়ণ ব্রহ্মা আমাকে আমার বাক্যে ভূমি বিরহ প্রাপ্ত হইবে। পয়ােফী-নদীতীরে | বলি৫ে নিয়মিত মহিলা আর কালিয়াছ অবস্থিত দেবদত্ত-পত্নী নৃসিংহরূপ বিষ্ণুকে দেখিয়া, পঞ্চত্ব প্রাপ্ত সংবলিয়া খি হন, দেবা ভার্য্যাবিরহে কাত্ম হইয়, দুজন নৃসিংহকেও পােগে বেশী যে সাপায় হয়, সেই এই অভিশাপপ্রদান করেন, তােমার পীৰিয়ােগ হইবে। বিষ্ণু এই লােক গ্রন্থের নয় মােয়-সঙ্কট হতে রুপে সনৎকুমার, ভৃগু, কলা এবং সেবা র অভিএও হবে। আমি সবাসি, শেখ * মহেশ্র সাধন রাঙ্গ মােখনং রাজক যোংকারে সাষণঞ্চ ইত্যর্থ নিবেদিতমিতি মূলা, লতু চাকাচ্চি হল কি ১১। এভুমারা এরূপ নয়। কিন্তু এ . Tযাকালিহওয়ায় বলি । তােহ। প যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ । কল- বলিলে, ওর পুনরায় আমাকে কহিলেন, ভগবান ৰহ্মা এই হইতেই নির্বাণ-মুক্তির পরম আনন্দ লাভ হইয়া থাকে। নতুবা বলিয়াছেন যে “সংসা-পাসহেতু অষণিী রামায়ণ সব স্বাভাবিক অজ্ঞানের বশবর্তী, সংসারচক্রে আবর্তনশীল ব্যক্তি লােক-হিন্দ্রে অনু” হে ভগল। আমাকে বলুন- বহুকল্পকাল শাস্ত্রগর্তে গড়াগড়ি দিলেও, আনন্দ লাভ করিতে পারে সাগটে আয়া, ভরত, ল, শক্রয়শঝিনী সীতা না। হে ৷ বাসনাহের যে নিষেপে পরিহার-ভাই এবং রামামুচ মহামতি পুত্রগণ সংসারী, না, জীবয়ে যায় প্রধান মুক্তি নামে অভিহিত, চিত্তশুদ্ধি হইতেই পরম্পরাক্রম ব্যবহার করিয়াছেন। ইহার ক্ষেপে দুধমুক্ত হইয়াছে, তাহা সেই মুক্তিলাভ হইয়া থাকে। ৫৮। হে ব্ৰহ্ম। শীত-অবসানে আমাকে স্পষ্ট করিয়া বলুন-নুরে আমি এবং উপদেশ- তুষারকণার স্যায় বাসনা হইলেই, চিত্ত সত্বর লয় প্রাপ্ত হয়। প্রাপ্ত সমস্ত ব্যক্তি দুধমুক্ত হইতে পারি, অতএব উপদেশ এগিণের পরস্থানীয় দেই, অন্তর্নিবিষ্ট সূক্ষ্ম সুত্রে মুক্তাকলাপের দিন। ১৭-২২।হে বাজে।জ সাদরে এই প্রকার প্রার্থনা যায়, বাসনাবলেই রক্ষিত হইয়া থাকে। কথিত আছে-বাসন কৰিলে, আমি এর আদেশপানে প্রবৃত্ত হইল-স। বিবি ,দ্ধা এবং মলিনা। মলিন-বাসনা হইতে অস্ব এবং ভরদ্বাজ। তুমি যাই জিজ্ঞাসা করিলে, অলিতেছি শ্রবণ কর। অবাসনা হইতে জঠর-যন্ত্রণ-বিনাশ হয়। পণ্ডিতে বলেন, ইহা শ্রবণ করিলে নােমল দূর করিতে পারিবে। হে জ্ঞ। মলিন বাসনা (কৃষিজীবিসদৃশ) প্রবল অহঙ্কারের গুণে অজ্ঞান- রাজীৰলােচন রাম, লক্ষণ, ভন্নত, মহামনা শক্রয়, কৌশল্যা, ক্ষেত্রে নিবিড়ভাবে উদ্ভূতা হইয়া, পুনর্জন্মরূপ ফল প্রসব করিয়া সুমিত্রা, গীতা, গল্প, কৃতান্ত্র ও বিরােধ নামে শ্রীরামের দুই খাকে। কথিত আছে-শুদ্ধ-বাসনা জ্ঞানের উপযােগিনী- বন্ধু, বশিষ্ঠ, বামদেব ও অপর একী—এই সকল জ্ঞানী পুনর্জন্মের অঙ্কুর পর্যন্ত তাহাতে থাকে না, তাই তৃষ্ট বীজের যেরূপ নির্লিপ্তভাবে ব্যবহার করিয়া আশ ভােগ করিয়াছেন, ন্যায় অবস্থিত, তাৎকালিক শরীর-থারণই তাহার ফল। তুমিও সেইরূপ ব্যবহার কর। ব্যক্তি জয়ন্ত, ভাস, সত্যবক্তা বানা-জীবন্মুক্ত পুরুষের দেহে চক্ৰ-ভ্রমণের স্থায় থাকে, পূর্ব- বিজয়, বিভীষণ, সুষেণ, হনুমা এবং সুগ্রীবসবি ইন্দ্রজিৎ জন্ম-সম্পাদনে সমর্থ হয় না*। যে সকল পুরুষ ভজ্ঞান- এই অষ্টমন্ত্রী সাদশী এবং সিটি। এই সকল মহাত্মা— ফলে শুদ্ধ-বাসনার আয় হইয়াছেন বলিষা, পুনর্জন্ম-যন্ত্রণা হইতে জীবন্মুক্ত এবং মাত্র । ইহাৱা যেরূপে হােম, ' মুক্ত, সেই সব মহামতিই জীবন্মুক্ত নামে কখিত হন। ১-১৫। কান, গুহ, বাস এবং কলিয়া থাকে, হে পুত্র' তুমি মহামতি রাম, যেরূপে জীবন্মুক্ত-পদ প্রাপ্ত হইয়াছে, তাহা যদি সেইরূপ ব্যবহার কসট হইতে মুক্ত হইতে পারিবে। বলিতেছি,-অরামরণ-শস্তির উদ্দেশে শ্রবণ কর। হে মহামতি অপার-সার-এ-ময় ক্তি পরম-যােগ-লাভে পরমমাংকৃষ্ট- ভরদ্বাজ। এই শুভ রামচরিত বলিতেছি শ্রবণ কর, জনশক্তি হই.কলৈ নিরভিমান ও নিত্যতৃপ্ত হইতেই নিখিল কালের নির্মল বন্ধু পরিজ্ঞাত হইবে। ৰে অবহিত হন। ৩। লােচন রাম বিদ্যালয় হইতে নিষ্ক্রান্ত হইয়া নিজগৃহে সর্গ সমাপ্ত ২ অকুতােভয়ে বিবিধ লীলায় কিছু দিন অতিবাহিত করিলেন। কিছু কাল অতীত হইল , রাজা দশরথের ভূমণ্ডল-পালন- গুণে প্ৰজাপুঞ্জ শােকহীন এবং জরদি-উপদ্রব। সেই সময় একদা গুণাকর রামচন্দ্রের চিত তীর্থ এবং পবিত্র আশ্রম- তৃতীয় সর্গ। মণ্ডলী দেখির অঙ্গ অন্তু উৎকণ্ঠিত হইল। ১৬২০। ভর বলিলেন, হে ব্ৰহ্মন। ক্রমে ক্রমে যেরূপে জীবন্মুক্ত শ্রীরাম এইরুপ উৎকণ্ঠিত-য়ে সমীপে আগমনপূর্বক হংসের অবস্থা হয়, আরামকে অবলম্বন করিয়া তাহা আমাকে বলুন, তাহা নবপ্রা-কমলযুগল-অবলম্বনের ন্যায়, নখর-কো-বিরাজিত পিতৃ হইলে আমি সুখী হতে পারিব। বালীকি বলিলেন-হে পদযুগল ধারণ করিয়া বলিলেন, হে তাত। হে প্রভাে। সাধাে । আশে বস্তুতঃ রূপ না থাকিলেও যেমন আকাশে নীলিমা তীখ, দেবালয়, বন এবং মুনিগণের আশ্রয়দর্শনে আমার চিত্ত ভ্রম হয়, দ্রুপ জগতের বাস্তবিক সত্তা না থাকিলেও ব্রহ্মেই উৎকণ্ঠিত হইয়াছে। আমার এই প্রথম প্রার্থনা সফল জগৎ-ভ্রম হয়, সেই ভ্রান্ত জগৎ কখন আর ননা আসে, এই করিতে আজ্ঞা হয়, হে নাথ । আপনি মান রক্ষা করেন নাই রূপ যে বিস্মরণ,তাহাই মুক্তির স্বরূপ-ইহা আমার অনুসিদ্ধ। এমন প্রাণী ত্রিভুবনে কেহ নাই। শ্রীরাম এইরূপ প্রার্থনা দৃশ্যমাত্রই একেবারেই অস্তিত্ব—এ জ্ঞান না হইলে, কেহ করিলে, রাজা দশরথ বশিষ্ঠের সহিত মন্ত্রণা করিয়া প্রথমপ্রাণী কখন পূর্বোক্ত মুক্তির স্বরূপ অনুভব করিতে পারে না, অব, রামকে তীর্ঘদিদর্শনে স্বাধীনতা দিলেন। ২-২৪। শুভদিন শুভ ( ভাল মানের সাধক) আত্মসাৎকারের অনুসন্ধান কর নক্ষত্রে, ভ্রাতৃদ্বয় (লক্ষ্মণ-ক্রয়) সহ রাব, মাল্য অলঙ্কার ( দৃমাত্রই যে অস্থি, সে জ্ঞান-আত্মসাক্ষাৎকারেরই ফল কিন)। এ শাস্ত্রে অধিকার হইলে আত্মসাক্ষাৎকার * চক্র একবার ঘুরাইয়া দিলে, কিয়ৎক্ষণ তাহা আপন দুইবারই সব; যদি তুমি আত্মসাক্ষাৎকার উদ্দেশে এই বিকৃত হইতেই ঘুরিতে থাকে, কিন্তু আর তাহাতে কেহ হস্তক্ষেপ না শাস্ত্র এক কর, তু, সেই ত্ব পাইবে,শব নহে। ৪। করিলে, সেই ভ্রমণ ক্রমে বন্ধ হয়—চক্ৰ স্থিরভাব ধারণ করে। এই ভ্রাতি-কল্পিত জগৎ সৃ হইলেও জীবন্মুক্ত পুরুষের শরীর শুদ্ধ-বসনার অধীন। একবার-ঘুৱাইয়া স্বর্ণের গয় এতিত্ব; শাস্ত্রোক্ত বিকালে ইহা অনায়াসেই দেওয়া চক্রের ন্যায় বাসনার অধীন শরীরও প্রায় অনুসারে ৮ বস্তু প্রকৃতপক্ষে মতিন, এই প্রকার চলিতে থাকে, কিন্তু মূল বাসনার যােগ না হওয়ায় একই অল রু হতে যদি ৮ বহু মুছিয়া যায় ও তাহা নিপন্দ হয়। তার পর আর শরীরান্ত হয় না। ।
অলঙ্কত হইলেন, দ্বিজগণ স্বস্ত্যয়ন করিলেন। বণিৱিত কখ জাগিমনে শাস্ত্রজ্ঞ ব্রহ্মগণ এবং প্রয়পাত্র প্রধান প্রধান কলিন , , রাজপুত্র সহচর হইলেন। মাতৃগণ আশীৰ্বাদ এবং যা কর ও . ৰ নাম আলিঙ্গন করিয়া সাজাইয়া দিলেন। এইরূপে জীবন না এর পূর্বে হি উদ্যত হইয়, স্বীয় নিকেজ হইতে নির্গত হই। বলতে পাক। পৌরগণ তুৰ্য্যধ্বনি করিতে লাগিল, পুরনারীগণ ভগ- বিৰু করিবিলি ইলা সতৃষ্ণ-দৃষ্টিপাত-পখবর্তী হইয়৷ শ্রীরাম রাজনী পবিভাগ "ীয় পান ঙ্গে। আর তিনি করিলেন। গ্রাম্য রমণীগণের কম্পিত-করকমল-জি লা ণির্জারি সহিত বিবি পকথন দিবসের প্রথম বণে তুষারজালে হিমালয়-পৰ্বরে স্যায়, ঐরামের কলের এহরন্ম অাহল করি জিমতে মইও ফোয় আবৃত হইল। শ্রীরাম, ব্রাহ্মণগণের মনােম এক পলির হ, মৃগয়াদিহিল অরণ্যে শয়ন শুজের আশীর্বাদ শ্রবণ এবং দিগদিগন্ত অবলোকন করু করি। ৬-১ (স) হইয়ে গৃহে জ্ঞানপূর্বক জাঙ্গল দেশ পরিক্রমণ করিলেন। ২৫-৩। শ্রীরাম আপ- গণি ব্যর্থ সর্মপন করার কথা সুং সমভিব্যাহারে দিগের কোশলমণ্ডল হইতে আরম্ভ করিয়া থানা) , ঢােকৱিকিপি করি। মাত্রায় গত নান, উপবাস এবং ধ্যান-অনুষ্ঠান সহকারে ক্রমে পবিত্র আরাম ভ্রাতৃসে য় এইপেই নৈক কার্য সম্পাল নদীতীর, পবিত্র অরণ্য, পবিত্র আশ্রম, জনপদ-প্রাবন্তী লিল, করত পিতৃগৃহে তেলিকে। হে অনুষ। রাজ সমুদ্রতট, পৰ্বতভূমি, শশাঙ্ক-ধবল মন্দাকিনী, ইন্দীবর-শ্যামল গণের প্রতি উপযু সালে প্রাপীযুষ-লশ- যমুনা, সরস্বতী, শ, ইরাবতী, চন্দ্রভাগা বেণী কক্ষনে, মুমধুর সু-কৌ নির্বিন্ধ, সরফু, চতী, বিতা, বাংলা, বিপাশা প্রকাগ, যাপন করুিতে শিলেন নৈমিষারণ্য, ধৰ্ম্মারণ্য, বারাণসী, গয়, কেদার, শ্রীশৈল, পূর, মানস-সলােবর, তীর্থ, * উত্তর-মানস, বড়বাথ, অতিথি মহাতীর্থ, ইন্দ্রদ্যুম-সরােবর—এই সকল তীর্থ, সৰিং-সরােবর ও নদ-শ্রেণী, স্বামী কার্তিকেয়, শালগ্রাম নারায়ণহরিহরের চলতি স্থান বিবিধ আশ্চৰ্যময় চতুঃসমুদ্রতীর বিন্ধ্য-মন্দর শৈলের বা বলিলেন,- নিকুঞ্জপুঞ্জ কুলাচলভূমি প্রধান প্রধান রাজা, ব্রহ্মর্ষি দে ও ব্রাহ্মণগণের শুভ-পাবন আশ্রমমণ্ডল সকল স দর্শন শরৎকালে নির্মল সরােবরে করিলেন। মানবন্ধন শ্রীরাম, এভম্বয়-সমভিব্যাহারে চতুর্দিকে হার বয়ফ্রেম উনঘােড় খে সমগ্র ভূমণ্ডলই বারংবার পরিভ্রমণ করিলেন। সুর- জ্ঞ সহায় আশকারী, কিন্নর-পূজিত রঘুনন্দন নিখিল ভূমণ্ডল অবসােন করিকা, কাপল।কলে আলা গান নিজ নগরে প্রত্যাগত হইলেন,-যেমন দেবাসিদেব দিগন্ত-বিহার নিয়মে পান করিতেন এবং সেই করিয়া কৈলাসে উপস্থিত হইলেন। ৩১-০১। রাজা পূরণের বিবাহের প্রতিদিন মণ (এদিকে) ৬ হার তথভ্রমণও করা হয়। তৃতীয় সর্গ সমাপ্ত ॥ ৩॥ রূপই সারিক কালে, * হইতে লাগিলেন। কুমার রায় বিন মুখমণ্ডল পায়র-জলতি ফুটিত শুরু চতুর্থ সর্গ। শতলের সা গু ১৫, ডি র লীৰ বাল্মীকি বলিলেন,-ইন্দ্রদয় জয়ন্ত যেরুপ স্বর্গে প্রবেশ এলে গত করি, গসনে জুলভাবে শিষ্ট করেন, পুরবাসি-জনগণের প্রদত্ত পূষ্পাঞ্জলিসমূহে পরিত হইয়া, হইয়া থাকিতেন। তিনি তিনি বিােগে কাজ বেগঞ্জ রাম সেইরূপ রাজভবনে প্রবিষ্ট হইলেন। অনার প্রথম এবং অন্য বিষয়মান হয় বিপিজে আয়, অবস্থান ; সমাগত রাঘব-পিতা, (মাত), বশিষ্ঠ, জ্ঞাতি-ভ্রাতৃগ, ব্রাহ্মণ করিতে, কাহায়ে গেলো , এবং ফুল-বৃদ্ধগণকে প্রণাম করিলেন। অনন্তর পিতা, মাতৃগণ যার প্রার্থণ করিলে, অরিগাই নি। এবং সুস্থধর্গ বারবার আলিঙ্গন করিলে, এম তাঁদের প্রতি তাঁহার মূখক খিক । যথাযােগ্য ব্যবহার কৱিষা আনন্দে শীত হইলেন। সেই গৃহে এইরূপ আপ শিয় গুরীয় আধিয়াশ অপ্রাপ্ত রামের মৃদুল মূরলী-র সশ সুমধুর প্রীতিপ্রদ কথােপকথনে (শ্ৰোতৃমণ্ডলীর) আশা পুরিতেই লাগিল, অাৎ প্রমের মর কাকার-তে-- শানে অর্থ দি । সু আরামে মু লনিন মজুর প্রিয়ষা) * টীকাকারমতে—মানস ক্রমস” এইরূপ পাঠােনার অনুশ ছার(গানদের আধিক্যের অনুবাদ—ক্রমে উপস্থিত মানস সরােবর। আনসংক্রম হট ভিজে পাঠের অবা-মানস-সৱেল্প এবং চতী।
বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ হইলেন। এইরূপে সেই পুত্রগণ খোযুক্ত এবং কৃশ হইতে নিবেদন করিল, (তিনি আর কেহ নহেন। স্বয়ং বিশ্বামিত্র মুনি থাকিলে, মহীপতি দশরথ পত্নীগমের সহিত চিন্তিত হইলেন। আসিয়াছেন। এই কথা শ্রবণমাত্র রাজসত্তম দশরথ যয়ীকের উপর ৬-১০। পুত্র' তােমার এত প্রবল চিন্তা কি ?”—মাজা বারংবার হইতে দৃষ্টি প্রত্যাহরণ না করিয়াই মন্ত্রী ও সামন্ত সমভিব্যাহারে নেহপূর্ণবাক্যে এই সিসা কৰিলেও, কমললোচন রাম, সুবর্ণ-সিংহাসন হইতে গাত্রোখান করিলেন। ১০-১৪। বয় কিছুই বলিলেন না, কেক “পিতঃ। আমার লে দুঃখ (চিন্তা) মহামুনি বিশ্বামিত্র অবস্থিত ছিলেন, রাজা দশর স্বতিপরায়ণ নাই”—ইহা বলিয়া পিতার ক্রোড়ে তুফীস্তাৰে বসিয়া রহিলেন। সামন্ত-রাজ-বুন্দে পরিবৃত হইয়া বশিষ্ঠ ও বামদেবের সহিত তৎ- অনন্তর রাজা দশরথ, কাগিৰৱ সৰ্বকাৰ্যাভিজ্ঞ বশিষ্ঠকে ক্ষণাৎ পদব্রজে আয় গমন করিলেন। রাজা, ব্ৰক্ষতেজ ও ক্ষত্রিয় জিজ্ঞাসা করিলেন, “রাম খেযু হই কেন?” তখন বণিমূলি মহাপ্রভাবে উজ্জ্বল দ্বারদেশে দণ্ডায়মান মুনিপুকে দেখিতে খ্যান করিয়া রাজাকে বলিলেন, এম রাজ। ইহার কারণ পাইলেন, বােধ হইল যেন সাক্ষাৎ সূৰ্যদেষ কোন কারণে ভূতলে আছে, তােমার কিন্তু দুঃখিত হইবার কথা কিছুই নাই। অবতরণ করিয়াছেন। তিনি অপরিণত নিরন্তর কঠোর তপশ্চা মহাপুরুষগণ সামান্য কারণে ক্রোধ, বিষাদ ৰা বিপুল হর্ণ প্রাপ্ত বশতঃ রুক্ষ। জটাজুট ঋষিবরের স্বদেশ আরত করাতে তিনি, হন না, রাজ। এই যে পৃথিবী প্রভৃতি পঞ্চমহাভূত জগতের সন্ধ্যাকালীন অরিক্ত জলদজালে মণ্ডিত পর্বতের ন্যায়, প্রতীয়মান অ-ইহারা কি সৃষ্টি বা সংহারবেগ ব্যতীত বিকারপ্রাপ্ত হইয়া হইতেছিলেন। ১৫-১৮। তঁাহার শরীর প্রশান্ত, কান্ত, দীপ্ত, থাকে? -১৫। অথবৃষ্য, বিনীত, উজ্জ্বল এবং সতেজ অবয়বে গঠিত। পঞ্চম সর্গ সমাপ্ত। কমনীয়-ভীষণ প্রসন্ন-জটিল বিশাল-গম্ভীর শারীরিক ভেজে তঁাহার প্রভামণ্ডল যেন অনুরঞ্জিত ছিল। করে—দীর্ঘজীসহচর সুমি প্রশস্ত কমণ্ডলু, চিত্ত প্রসন্ন । করণাপূর্ণ হৃদয়ের গুণে তিনি মধুর-সম্ভাষণ-সম্বলিত সৌম্যদর্শন দ্বারা নিখিল প্রজাগণকে যষ্ঠ পর্গ। যেন অনুতে অভিষিক্ত করিতেছিলেন। উপযুক্ত যজ্ঞােপবীত এখীকি বলিলেন,-মুনিবর এই কথা বলিলে, রাজার স্বৰূলম্বিত জগল শুভ্র ও সমুন্নত , যে এঁহাকে দেখিবে, তাহারই হইল, বিশেষ চিন্তাই; কিন্তু মৌনাবলম্বন করিয়া ' মনে যেন তিনি অসীম বিস্ময় ঢালিয়া দিতেছিলেন। ১১-২৩। কিছুকাল প্রতীক করিতে লাগিলেন। রাজ্ঞীগণ নুপ-নিকে | রাজা দশরথ দূর হইতেই মুনিকে অবলােকন করিয়া ভূতল- নে খিভাৰে এৰিত, এয়ামের প্রত্যেক আচরণে সকলে বিলুণ্ঠিত-শরীরে প্রণাম করিলেন রজার মৌলি-মণিমালা ভূতলে সর্বতােভাবে মনােযােগ আছে—এষন সময়ে বিশ্বামিত্র নামে বিগলিত হইল। সূর্য যেমন ইন্দ্রকে প্রত্যভিবাদন করেন, বিখ্যাত ছবি আঘােত দশরথের সহিত সাক্ষাৎ করিতে উজ্জপ খুনি বিশ্বমিত্রও উন্নত-মধুর আচনে অবনিপতিকে উপস্থিত হইলেন। যে বৰ্মপরায়ণ মহামতি মহর্ষির যজ্ঞ প্রত্যভিবাদন করিতেন। অনন্তর বশিষ্ঠপ্রমুখ সকল ব্রাহ্মণই অ-বীৰ্য-লে উম্মত রাক্ষসগণ এই প্রকারে ফিষ্ট করে যে, স্বাগত-প্রশ্নাদি-পরিপাট্যে সাদরে বিশ্বামিত্র মুনিকে আপ্যায়িত বন সেই সমাপ্ত করা তাহার নিজের পক্ষে অসাধ্য হয় , করিলেন। দশখ বলিলেন,—মহালয়। সূর্যোদয়ে কমলাকরের যৎ রক্ষাৰ আঁহার অসন্দর্শনে প্রবৃত্ত হইতে হইয়া- ন্যায় আমরা আপনার এই অতর্কিতলব্ধ পবিদর্শনে পরম অনু- । অনন্তর তপােনিধি মহাতেজা বিশ্বামিত্র সেই সকল গৃহীত হইলাম। মুনিবর। আপনার দর্শনে আমি বুঝি, সেই র কিনাশের নিমিত্ত উদ্যত হইয়া, অঘােধ্যানগরীতে সমাগত অনাদি অনন্ত অক্ষু আনন্দমুখ প্রাপ্ত হইলাম। আপনার তিনি ৰাজনে অভিলাষী হইয়া দ্বারপালগণকে আগমনের লক্ষ্য পাত্র হইয়াছি বলিয়া, আজ আমরা নিশ্চই শীঘ্র রাজাকে সংবাদ দেও, আমি গাথি-নক্ষন কৌশিক ধৰ্মৰলে ধন্যব্যক্তিগণের অগ্রগণ্য হইলাম। ২৪-২১। ভূপাল বলিলে, উপস্থিত হইয়ছি। তাঁহার সেই কথা শ্রবণে দ্বারপালগণ এবং মহর্ষিগণ এই প্রকার নানা কথা বলিতে বলিতে সভামণ্ডপে সম্র চিত্তে রাজভবনে গমন করি খামিত্র-বাক্য- আসিয়া স্ব আসনে উপবেশন করিলেন। রাজা অপূৰ্ববতপ- প্রেরিত আরপাগণ, বাজভবনে উপস্থিত হন বিশ্বামিত্র ঋল্পি শােভা-সমন্বিত ঋষিশ্রেষ্ঠকে অবলােকন করিয়া, অপরাধশখায় ভীত আমলসংবাদ আপনাদিগের কর্তাকে প্রদান করিল। ১। হইয়া, আপনিই হৃষ্টমুখে তাঁহাকে অর্থপ্রদান করিলেন। অনন্তর দ্বারপালান সেই বাষ্ঠীক সভাস্থলে সামন্ত-মণ্ডলধ্যে বিশ্বমিত্র মুনি শাস্ত্র বিধি অনুসারে রাজার নিকট অৰ্য প্ৰতিগ্ৰহ আসীন রাজার সমীপে ত্বরাখুক্ত হইয়া আগমন পুর্বক নিবেদন করিলেন। অনন্তর রাজা তাঁহাকে প্রদক্ষিণ করিলে, মুনিবর তাহাকে কলি,দেব।বেদিত দিবাকরের স্থায় উজ-কান্তি বিমান আপ্যায়িত করিলেন। তখন মুনিবর রাজা দশরথের পূজা প্রাপ্ত পুরুষ গরুদের উপস্থিত, হার আঠাজুট অনলশিখর ন্যায় হইয়া, প্রফুলমুখে রাজাকে দৈহিক এবং আর্থিক মল-প্রশ্ন অবর্ণ, উটনীপ্ত পতাকা, অ, হী, সৈন্য এবং অগ্রসহ করিলেন। অনন্তর মুনিবর বিশ্বামিত্র বশিষ্ঠের সহিত সম্মিলিত সেই স্থানকে তিনি স্বীয় তেজে যেন সুবর্ণাপ্ত করিয়াছেন। রাজা হইয়া, হামুখে তাঁহাকে যথাযােগ্য অর্চনা করিয়া মল-প্রশ্ন করি- বালকের প্রতিদ্বতিপাত করিলেন, যাজক বাক্যে নেন। মহারাজের আযেখাবােগ্য আসনে আসীন হার সক নেইমণকালের জন্য পরস্পর সমাগমে হৃষ্টচিত্তে পরস্পর আগর- টাকাকার বলেন-পি। আমার দুঃখ আপনি পরিহার আখ্যায়িত করিলে, (উৎসাহ-আনন্দে) পরস্পরেরই তেজোবৃদ্ধি করিতে পারিবেন না” ইহাই আল্লাম কথিত সংস্কৃত বাক্যের হইল, তখন তাঁহারা সাদরে পরে ফুল দিসা করিতে অপ। ৩ন এসে মিথ্যা সন হইল না। লাগিলেন। ৩০-৩। মহামতি বিশ্বামিত্র আসীন হইলে, রাজা বৈরাগ্য-এ- ৭-৩ তাঁহাকে বারংবার পা, অর্ধ এক গে নিবেন করিলেন। রাজ, বিশ্বামিত্রকে যথাবিধি পূজা করিয়া প্রীতমনে কৃতাঞ্জলিপুটে সংতভাবে এই কথা বলিলেন যে, আমাদের পক্ষে আপনার বিধাত্রি পরে সেই এ শুভাগমন-মানবের অমূলা অনাবৃষ্টিতে বর্ষণ এবং অফের বিভিন্ন মাগির গলিতে দর্শন লাভের তুল্য। আমাদের পক্ষে আপনার এই শুভাগমন- কালি ল কল্প এ পাখি সিকান পুরুষের অভিলষিত পত্নীসহযােগে পত্রপ্রাপ্তি এবং এ এক মন এ, ঐ জরিজের স্বপ্নদৃষ্ট অর্থপ্রাপ্তির তুল্য। আমাদের পক্ষে আপনার চােখ পের। আমি মনন- এই শুভাগমন—চিরদিনের অভীষ্ট বস্তুর প্রাপ্তি, বহুদূরগত প্রিয় গত কথা কবিস করিয়া কক্ষ। জনের গৃহাগমন এবং নষ্ট (হুরাণ) বনের পুনঃপ্রাপ্তির তুল্য। কর। ক। এ হে ব্ৰহ্ম। স্থলচর প্রাণীর আকাশগমনে যেমন আনন্দ হয়, করি, যে ইয়া সেই কবে বিঘ-সম্পাদন মৃত ব্যক্তি পুনরাগত হইলে আত্মীয়গণের যেমন আনন্দ হয়, করি s সময়ে দেশের উলে আপনার আগমনে আমাদেরও সেইরূপ অন হইয়াছে, হে । বি করে। ১—- মহবে। আপনার আগমনে কোন ক্লেশ হয় নাই ত? মুনির। আমি কিন্তু রাজপতিগণ ব্ৰহ্মলােকে বাস কাহার না প্রীতিপ্রদ ? আপনার আগমনও যে সকল আৰু (আকু) সেই ব্ৰহ্মলােকে বাসের তুল্য, ইহা আপনাকে সত্যই বলিতেছি। করিয়াছে। সেই হযর্থ হইলে, অনেক হে বিপ্র। আপনার মুখ্য প্রয়ােন কি ? এবং শ্রম করিয়াছিল, সেই স্থান হইতে অন্দতেছি। আমাকে কি করিতে হইবে? আপনি পরমবার্শ্বিক এবং আমার দেয়াল! আমার দানপাপেই উপস্থিত হইয়াছেন। ভগব। পূর্বে যখন আপনি কার্বও এক অয় না নাই। রাজর্ষি নামে অভিহিত হইতেন, তখনও আপনার মহিম। সেই একই অতিশয় ছিল , এখন ত অপােৰলে আপনি ব্ৰহ্মর্ষি হইয়া আমার তােমার হয়, পূজ্য হইয়াছেন। গঙ্গাজলে স্নান করিলে আমার দাদৃশ প্রীতি লাভ করিতে পারি হয়, ভবদীয় দর্শনজনিত তাদৃশ প্রীতি আমার অন্তঃকরণ শীল রক্ষা করা মাের উচিত, করিতেছে। হে রাজ। আপনার কামনা, ভয় ও ক্রোধ নিল। ৬-১ মাের পা নাই,-অনুরাগ আমিষ নাই, তথাপি যে আপনি আমার নিকট আত্ম বিক্রান্ত, বীরত্বে ইতূল্য সস উপস্থিত হইযাছেন, ইহা অতি বিচিত্র। হে তজ্ঞ-এরহে নৃপকূল। যেই সত্য- গম্পন্ন আমি আত্মবে পাপহীন, পবিত্র ধামে অবস্থিত এবং চন্দ্রমণ্ডলে জ্যেষ্ঠ পুত্র একে গুৰি আমাৰ স ভাসমান বিবেচনা করিতেছি , অর্থাৎ আপনার আগমনে আমার রক্ষিত হইয়-বিত কলম মশলা দি গহ পবিত্র ও আত্ম। পবিত্র হইল এবং আনন্দে বােধ হইতেছে- সমর্থ হইবে। আমি এবানের এরূপ অলীনের অপ- আমি চন্দ্রমণ্ডলে ভাসিতেছি। ৪৪-৪৮। আমি আপনার আগ- সাধন করি, হাতে ইনি ব্রিলােক- পূবৰ অঞ্চলে বনকেই সাক্ষাৎ বুহ্মার আগমন মনে করিতেছি, হে মুনে। ঐ সিংহকে অবলােকন করিলে হরিণগণ যে নিজে আপনার আগমনে আমি পবিত্র এবং অনুগৃহীত হইলাম। অসমর্থপেস বেয়সীন হইয়ন কতে হে সাবধা। আপনার আগমনপুণ্যে অনুরঞ্জিত হওয়াতে অদ্য গবে না। ১১-১৫। কুফতীত আমার জন্ম সফল হইল, জীবন সার্থক হইল। চলশনে সাগর- কোন এল নত হয় প্রতিবাভাতে উৎসাহিত হয় দলিলের বেমন সীমাভ্যন্তরে স্থান-সঙ্কুলান হয় না,প আপনাকে না, জাল মত আর কোন পুষই সেই সকল স্থানে সমাণ দেখিয়া এবং পুজা ও প্রণাম করিয়া আমারও যেন নিরিগতি ও উৎসাহ করে কৃষ্ণগিরি- রিরে স্থান সঙ্কুলন হইতেছে ন; ৩াৎ অসীম আনন্দে স্কীত শৃঙ্গ-গগিয়া গমণ খ গত এবং হইয়াছি। হে মুনিপুণ। খাই। আশকে করিতে হইবে এবং এয়- দূত, আয় ছিলি ফুলের ফায় ভীষণ। উদ্দেশে আপনি আসিয়াছেন,আপনি আমায় সঙত পূজনীয়, কিন্তু সে যেন বিলমেরুক আৱিল অ অতএব জানিবেন,—তাহা সম্পন্নই হইয়াছে। হে অশষ। খায়া সতে পান, কাপহারী রূমেৰু কৌশিক। আপনার প্রয়োজন সম্বন্ধে কুষ্ঠিত হইবার আবশ্যক নাই, যিকর সরিখে দুইৰ না। হে রানা সহ কেননা, আপনার কাষোপযােগী কোন বস্তুই আপনাকে আমার একলা ভােনা উচিত না,কেননা, মন দেয় দেয় নাই। (আবার বণি) কাৰ্যৰিচাৰ আপনাকে করিতে হইবে গতে ই ই। আর আমি কি সি এবং , আপনি যাহা আদেশ করিলে আমি তাহা গপে ভুমিও, সেই বিষ; কেক ফরিতে বাধ্য ,কেননা, আপনি পরম-দেবতা। বিশ্বামিত্র-খবৰ অম্মণি গণিজ বনা। ২. ' রাজা দশরথের এই প্রকার বিনীতভাবে কথিত শ্ৰৰণ-সুখকর অতিমধুর নুপ্রশস্ত ৰচনালীশ্রবণ করিয়া, প্রসিদ্ধ গুণাকৰ যশশী लिपि মুনিপু বিশ্বামিত্র অত্যন্ত আনন্দলাভ করিলেন। ৪১-৫৫। গছি. দূল করা সর্ষে কূটসংশ, बमा भया। मामालसा देश संकावासार।
যােগবাণিষ্ঠ রামায়ণ ম সর্গ। আমি কমলােল মহাত্মা রামকে আলি, হাঙে বশিষ্ঠ এবং হইয়াছে। এভােজন করিতে পারে না, গৃহভূমিতেও বিচৰণ করিতে অ যে সব জ্ঞানী আছেন, তাঁহারাও জানেন। খৰি পারে না, মনের খেলে কেবল তৃষ্ণীষ্টাৰে বসিয়া থাকে। হে ধ, মহত্ত্ব এবং শের আকাকা থাকে, তাহা হইলে মুনিবর। আমি তাহার অত পত্নী ও ভৃত্যগণসহ শরৎকালীন আমার অভিপ্রেত ভােমার পুত্রকে আমার নিকট অর্পণ মেঘের ন্যায়, সরহীন হইয়া পড়িতেছি। ৬-১২। আমার পুত্র করিবে। আমার এইবারে যজ্ঞ শরাত্র-নিশা, ইহাতেই বাম বালক এবং মনের খেলে ঈদৃশ অবস্থাপন্ন হইয়াছে, রাম আমার যজ্ঞবল্পী বিকর্তা রাসগণকে উন্নতি করিকেন। গণের সহিত যুদ্ধ করিবার অামি তাহাকে আপনার হন্তে কোন হে কাকু দরখ। খণিমুখ,তােমার সকল মন্ত্রণাদাতৃগণই করিয়া সমৰ্পণ করিব ? হে মহামতি সাধু। পুত্রশ্নেবযুবতী- এ বিষয়ে অনুমতি প্রদান করুন,এব রামকে আমার নিকট সংসর্গ মৃত্মস এবং রাজ্য অপেক্ষাও সুখজনক। ব্রিজগতে যে অর্পণ কর। ২১-২৪। হে সময় রাৰ। হাতে আমার সকল প্রধান কাৰ্য দুরন্ত এবং কষ্টজনক, অৰ্শিকেরাও পুত্রকােহে কাল অতীত না হয়, তাহা তােমার কর্তব্য, তােমার মঙ্গল হউক, নিঃসন্দেহে তাহা আচরণ করেন। হে মুনিবর। মনুষ্যগণ ধনবাণ পুত্রের অনিষ্টাশা-জনিত শােকে স্কুল দিও না। যথাকালে পত্নীকেও (সময়-বিশেষে) মুখে পরিত্যাগ করিতে পারে , সামা কাৰ্য করিলে তাহা উপলছ, , অসময়ে কিন্তু পুত্ৰ পরিত্যাগ করিতে পারে না ,ইহা প্রাণিমাত্রেরই উপকারার্থ মহৎ কা করিলেও অঞ্চিৎকর হয়। ধর্মাত্মা স্বভাব। রাক্ষসেরা ক্রুকৰ্ম্মা কুটযুদ্ধে বিচক্ষণ-রাম তাহাদিগের মহাতেজা মুনিবর বিশিত, এই বর্ষার্থ-সমন্বিত বা বলিয়া সহিত যুদ্ধ করুক এরূপ যুক্তিই অত্যন্ত অসম্ভব। ১৩-১৭। রিত হইলেন। মহাতব রাজা, মুর্নিয়ের কথা শ্রবণ করিয়া আমি রামৰিৱহে মুহূর্তকালও জীবিত থাকিতে পারি না, অতএব যক্তি উত্তর প্রদানের অন্ত (কিয়ৎশ)দুজ্জীভাবে থাকিলেন। আমাকে জীবিত রাখা যদি আপনার অভিপ্রেত হয়, ও রাসকে মি এবং অপূর্ণ-মনাের সাধারণ লোেক যুক্তিযুক্ত কথা লইয়া যাইবেন না। হে কৌশিক। আমার নবসহস্র বৎসর ৩। কনে ন *২৫-২৮। বয়সে। আমি অনেক কষ্টে এই চাৰিটা পুত্ৰ পাইয়াছি। তন্মধ্যে मराम मनियारा কমললোচন রামই প্রধান, রাম বিনা অন্ত লি অনেও জীবিত থাকিবে না। সেই রামকেই আপনি রাক্ষসগণের অভিমুখে যদি লইয়া যান, তাহা হইলে, জানিবেন, আমি শীঘ্রই পুত্রহীন মৃত্যুমুখে নিপতিত হইব। চারি পুনের মধ্যে রামেই আমার পরম প্রীতি। অতএব জ্যেষ্ঠ ধৰ্ম্মময় রামকে লইয়া যাইবে না। বাল্মীকি বলিলেন,বর দশরথ বিশ্বামিত্রের তাদৃশ বাক্য মূনে। যদি রাক্ষস সৈন্য বিনাশ করা আপনার অভিলষিত হয়, তাহা শ্রবণ করিয়া মূহুৰ্তান নিশ্চেষ্ট থাকিয়া কারভাবে বলিতে হইলে, আমাকে এবং আমার চতুরঙ্গিণী সেনাকে লইয়া চলুন। লাগিলে, কমলােচলমের বক্রম ঘােড় বৎসরেরও নুন ,| ১৮-২৩। সেই রাক্ষসগণের বীরককেন, কিরূপ আকার, নাম গণের সহিত যু, ফরিবার ক্ষমতা ত আমি ইহার দেখিতেছি কি, সংখা কত এবং তাহারা কারই বা পত্র ৭-ইহা সুস্পষ্ট • প্রভঙ্গ। এই পূর্ণ কোহিল সেনা আছে, আমি এই রূপে আমার নিকট বর্ণনা করুন। ব্ৰহ্মন। রাম অথবা মদীয় শিশু সার অধিপতি, এই সৈন্যমওলী-পরিবৃত হইয়া আমিই গণ, কিংবা আমি কিরূপে সেই কূটযােদ্ধা রাক্ষসগণের প্রতিকার রাক্ষণের সহিত যুদ্ধ করিব। আমার এই সৈন্যগণশৌর্য- করিব? এবং হে ভী। সেই দুষ্টভাগ্য রাক্ষসগণের মহাসমরে বিক্রমশল্প ও ম-বিশারদ। আমি স্বয়ং রণক্ষেত্রের সম্মুখে আমাকে কিরূপ অবস্থিত হইতে হইবে, তাহার অবধায়ণ এ রাসন গ্রহণ করিয়া ইহাদিগকে রক্ষা করিব। শি জিজ্ঞাসিত সকল বিষয় পরিষ্কার করিয়া বলুন, কেনা রাক্ষসগণ ন ও হন্তীর সহিত যুদ্ধ করে, তদ্রুপ আমিও ইহাদের বীর্যগর্বিত। শুনা যায়, মহাবীৰ্য্য রাবণ নামে রাক্ষস অত্যন্ত 'হায্যে ইস্রাধিক বীরবর্গের সহিত যুদ্ধ করিতে প্রস্তুত। ১-৫। বীর্যশালী, রাবণ কুবেরের সাক্ষাৎ ভ্রাতা এবং বিশ্রবা মুনির পুত্র। রান নি, সৈগণের কবল আনে না, নাম নগৰীমথ্যন্ত সেই দুর্মতি রাক্ষস যদি আপনার যজ্ঞবিঘ্নকারী হয়, তাহা হইলে খ্রীড়া-রণক্ষেত্র ব্যতীত প্রকৃত রণক্ষেত্র নাই। উত্তম সে দুরাত্মার সহিত যুদ্ধ করিতে আমরাও অসমর্থ। ২৪-২৮। অ-শও আহার আয়ত্ত নাই, সময়ে বিচক্ষণতা জয়ে নাই, ব্ৰহ্ম। প্রচুর বীৰ্য-বিভূতি সময়ে সময়ে পৃথক পৃথক্ প্রাণীতে (বিচ ত দূরের কথা) কোটি কোটি বীলের সমর-ভূমিতে সমাবিষ্ট এবং কালভেদে বিলীন হয়। উপস্থিত সময়ে আমরা যুদ্ধ কেমন করিয়া করিতে হয়, রাম অহাই এখনও শিখে নাই। রাবণমুখ শক্রর সম্মুখে অবস্থান করিতে অসমর্থ, ইহা নিয়ন্ত্রিই কেবল পুণ্যা, নগর, উপবন, উনান, বন এবং কুমেই সতত অবধারণ। অতএব হে থজ্ঞ। আমার শিশু পুত্রের এবং ভাগ্য চির করাই ক্ষনের অভ্যাস। শিশু রাম, বা রাজকুমারগণের আমার প্রতি অমুক পা করুন, আপনিই পরম দেবতা। পক্ষী, সহিত পুরােগহায়-সমাকীর্ণ স্বীয় প্রাণভূমিতেই বিহার করিতে পন্নগ, যক্ষ, গন্ধর্ব, দৈত্য-দানবেরা পৰ্যন্ত সমরক্ষেত্রে রাষণের আনে। হে ব্ৰল। অধুনা আর আমার দুর্ভাগ্যে ৰাম, সহিত যুকরিতে অসম, মানব ও কোন দর? রাৰণ, সময়ে তুষারপাতে কমলাফলের চাষ, হন এবং পাণ্ডুবর্ণ ও ক # “খন, প্রাণ, পত্নী এবং সুখও মানবে ছাড়িতে পারে হা * অপূর্তমনােরথ বুদ্ধিমান পুরুষ ফুজিবুক কথা যতীত টাকাসম্মত অনুবাদ। সােবলা করেন না। এইরূপ অনুবাল হইতে পারে। | ‘নকাং বৎসর পুত্র কামনা করিবার পর ইহা এস্থান্তর- কিন্তু এবার এহে। বাৰী অনুবাদ।
বৈরাগ্য-প্রকরণ। মহাবীরেরও বীৰ্য হরণ করে, আমরাও তাহার সহিত যুদ্ধ করিতে পুরুষ একাল কি পরি '। সে অশক্ত, বালকেরা তাহার কি করিবে। এই সেই কাল উপস্থিত, কোন দেশত, বব এবং পপ সমবেত এখন সজ্জনেরা দুর্বল, এমন কি, আমি রঘুকুলে জন্মগ্রহণ করিয়াও হইলেও মুলিশকে পারে না।—১৬। জরাজীর্ণতা যুক্ত কাভ-ভাবাপন্ন হইতেছি।২১-৩৪। অথবা কৌশিক বিশ্ব যখন রাত প্রাপ্ত , ভগন শত্রুর মর্গে হে ব্ৰহ্ম। যদি বলেন, মধুপুত্র লবণার আপনার যজ্ঞবিকারী, অন্ত কুখ খুল হকে কাল ফরেন। সেই শাখ-পু তাহা হইলেও আমি পুত্রকে ছাড়িব না। অথবা যদি বলেন, মূল অস্ত্র-দেবগ সংযুকায়ে রুক্ষ, স, দাখিশালী এ মা- উপরে যমােপম হয়য় (মারীচ মুবাহ) আপনার যজ্ঞ ভেজা, তাঁহারা বলিলে ? অয়া এক সুপ্রী, এই বিঘ্নকারী, তাহা হইলেও আমার পুত্রকে অর্পণ করিব না। মধ্যমা বণীদ্বয় এনে শর পত্নী)। তাঁর হে ব্ৰ। তথাপিযদি লইয়া যান, তবে আমাকেই আপনার উভয়ের শত সন্তান, সকলের দূর্জয়, ইহাই বন্ধু বিনাশ করা হয়। আর আমার বিনাশ ব্যতীত নিজের নিশ্চিত দেব)। এরা স্বামীর বরপাইয়—দেবলৈষ্টশনে। সক জয় (হিত) প্রকান্তরে ত দেখিতেছি না। মহাত্মা রঘুকুল বিনাশা পঞ্চাশত পু প্রবলেন, এই অন্না-পুত্র ব. শ্রেষ্ঠ শরথ, এইরূপে বিনীত বাক্য প্রমােণ করিয়াও বিশ্বামিত্রের চারী এবং উনে-কানে, মর্থ। সুতা অপল পঞ্চাশ আদিষ্ট কাৰ্যে উদ্দাম সংশয়ে নিপতিত হইয়া, উত্তাল-তরঙ্গসঙ্কুল পুর প্রসব করেন হাসই যষ্টি, দুম এবং দুররুতি সাগরে নিপতিত মানবের স্যায়, কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইলেন, ক্ষণ- সেই পুত্রগণের সময় মহাশ্বে বিশ্বামিত্র কালের ও কর্তব্য এবধার করিতে পারিলেন না। ৩৫-৩৮। এই প্রকার বীৰ্য্য সবিঝলমতি হইও না। হে অষ্টম সর্গ সমাপ্ত ৮ | সাঘাে। এই মহাস-এ মূল বিমির নিকটে থাকতে রক্ষকরূপে অবস্থিত হইলে, আসন্ন ব্যক্তি এ সে হয়, অতএব অজ্ঞ লােকের স্নায় কাতর কইও । ” নবম সর্গ সমা নাই। নবম সর্গ। জীবাশ্মীকি বলিলেন,-মেহাকুল নয়নে কথিত রাজবাক্য এবং করিয়া বিশ্বামিত্র সক্রোধে রাজাকে উত্তর দিলেন,তুমি প্রসিদ্ধ ম ও মা, আমার প্রয়ােজন সম্পাদন করিতে প্রতিজ্ঞারূঢ় হইয়া তােমর সেই প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করিতে যাওয়াতে, সিংহ হইয়া যেন শীবাল্মীকি বলিলেন, বশি মৃগ হইবার বাসনা করা হইতেছে। এই যে বৈপরীত্য, অতি আলাদিত-চিৰে পুত্ৰ কাম- ইহা পুকুলের অযুক্ত , চন্দ্র হইতে কখনই উষ্ণ কিরণ নিঃসৃত দৌবারিককে বলিলেন, এতিহর। মই হয় না। হে রাজন! হে কাকু। যদি তুমি সমর্থ নাই লক্ষ্মণের সঙ্গে লিলি দি লইয়া হও, ত আমি যথাস্থানে প্রস্থান করি , তুমি প্রতিজ্ঞা ভক্ত আছে। এইরূপ রাখেৰিত বোরিক একা করিয়া সবান্ধবে সুখে থাক।১৪। শ্ৰীবাশ্মীকি বলিলেন,—মহাত্মা মুহূৰ্ত্ত মধ্যে প্রত্যাগমন করুত ব্রাজিকে বলি কি বিশ্বামিত্র রোষাবিষ্ট হওয়াতে সমগ্র পৃথিবী কম্পিত হইলেন, শত্রু মহারাজ! রাবিগােয়ে ভ্রমর কমলে দেবগণে ভয়াবেশ হইল। ধৈৰ্যশালী মহামতি সুৰত বশিষ্ঠ, করে, শ্রীরামও সেইরূপ বিমলাইয়া নিজ গৃহে। মহামুলি বিশ্বামিত্রকে রােষাভিভূত বুঝিয়া বলিলেন, তুমি ইক্ষাকু- কালের মধ্যেই আসিতেছি’ ইয় জিন একে লিখেছেন, স্কুলে উৎপন্ন শ্ৰীমান দশরথ যেন মূর্তিমান দ্বিতীয় ধৰ্ম্ম, দিকে চিন্তা করিতেছেন, স্নালটি কি জিনি কাহারও ত্রিভুবন-গুণ-ভূষিত ধৈৰ্যশালী এবং সুব্রত হইয়া ধৰ্ম্ম পরিত্যাগ থাকিতে ইচ্ছা করেন না। ১৫। দৌৰান্ত্রিক এই কথা বলি, করা তােমার উচিত নহে। তুমি ত্রিলােকবিখ্যাত ধার্মিক ও তার সঙ্গে আগত রেটকে যায় পূর্বক যথাক্রমে ঘশশী, স্বধৰ্ম্ম রক্ষা কর, ধর্ম পরিত্যাগ করিও না। বিশ্বামিত্র সকল কথা তাহাকে নিয়ে কাম কি এর আ মুনির আদেশ পালন করা তােমার উচিত। ৫-৯। হে রাজ। এবং কেমন আছেন?” আর এম রামভুত সখেদে রাজাকে করিতে প্রতিজ্ঞা করিয়া তাহা না করিলে ২াপূর্ত বিনষ্ট হয়, এই বলিল, আর পুত্র রাখবেন বশত, ৪ নহে হওয়াতেই অতএব রামকে প্রদান কর। ইক্ষাকুবংশে উৎপন্ন হইয়া ও আমরাও কৃদেহ খানপূর্বক সঙ্গে মিছি। কমলন- স্বয়ং রাজা দশরথ হইয়াও যদি আবাক্য রক্ষা না কর, ত কে লােগ রাম ৰালগণসমতিৰাপে যবধি তীর্থযাত্রা কম্বিয়া আর করিবে? সাধারণ লােকে ভদৃশ সৎপুরুষের প্রবর্তিত প্রত্যাবৃত্ত হইয়াছে, , সেই অধিই জিন বিনামান। বহার দর্শনেই শাস্ত্রমাদার অবর্তী হয়, সেই মৰ্যাদা- আমাদের বই ও প্রাণির মান দৈনিক গণমুখে কথা ক্ষল তােমার কর্তব্য নহে। এই পুসিংহ-পরিক্ষিত করেন, তখন এ কল, ছুমান, বেলু, দা। অস্ত্রশিক্ষিতই হউন আর নাই হউন, তাহাকে রাক্ষসগণ এবং লেন প্রতি এক গগণ এবং তৃপ্তি , হিজাকার-পরিরক্ষিত অমৃতের ন্যায় দর্শন করিতে সমর্থ হয় পৰ্যন্ত না হয়, সে পায় কী ৰ অনুরোধ, | এই মুনি মূর্তিমান , ইনি জােৰীৰ্য্য-সম্পাদিগের তাঁহার খটে না। চলার গহিত ক্রীড়া করে, ঘন। ইনি বুদ্ধিবলে লােকের এবং তপক্ষার পরম আশ্রয়। তদ্রুপ নাম এখন আর साल বিবিধ অস্ত্র অবগত আছেন, আর ত্রৈলােকে কোন সহিত শােসহকারে হে আল ।
বােগবাণিষ্ঠ-ামায়ণ গননামুখ স্বৰ্গৰাসীকে স্বর্গ যেমন আনন্দি করে না, দ্রুপ এই তঁাহার বিস্ময় হয় না, (প্রত্যুত অলীক বলিয়া অবস্থাই খণিক্যমুকুল-খচিত কেয়ুর-কটকমলা রামনেও আনন্দিত করে হয়। অর্থাৎ আকাশ-কমলিনী বা আকাশ-কুসুম যেমন অলীক, না। ক্রীড়াপরায়ণ মণীগণের কটাক্ষপসমুদ্ভাসিত কুম- মনও সেই প্রকার অলীক, আকাশস্থ অরণ্য ও সােবর যেমন সমীরণ-সেৰিতলকু রাম বিষাদ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। অলীক, জগৎ ও সেই প্রকার অলীক, বুদ্ধি হইতে জগতের সৃষ্টি সেব্য রাজেচিত স্বাদু কোমল এবং মনােহর, তাহাতেই তিনি তাহাও কমলিনী হইতে অরণ্য ও জল শুষ্টির স্যায় অলীক, খেলধূক্ত হন এবং তাঁহাৱ নয়নমূল যেন বাষ্পপূর্ণ হইয়া উঠে। বিবেচনা করায় তাহার বিস্ময় হয় না*। ৩১-৩৫। শ্রীরাম এই দুখ লাম্বিনীগণ কি ? নৃত্য-বিলমে হাবভাবলাবণ্য- কামিনী-কুলের মধ্যে অবস্থিত হইলেও বৃষ্টি-জলধারা যেমন বঙী কামিনী পূৱমণীদিগকে কেন করিয়া রাম তাহাদিগকে দুর্ভেদ্য মহাপ্রস্তর ভেদ করিতে পারে না, দ্রুপ মদনবাণ সেই এইরূপ নিন্দা করিয়া থাকেন। ১৮-১৬। রাম, উন্মত্তের দুর্ভেদ্য মহাপুরুষকে বিদ্ধ করিতে অসমর্থ হয়। বিপদের এক- আর উত্তম ভােজ, শ্যা, ধান, আসন, মানীয় এবং বিলাসদব্য মাত্র আশ্রয় ধনের আকাভা কৰিছে কি ইহা বলিয়া সর্বস্বই অভিনন্দন করেন না। সম্পদ বিপদ, গৃহ এবং মনােরখে তিনি প্রার্থীকে প্রদান করেন। এই আপ আর এই সম্পদ এই কাজ কিএ সমস্তই ত অসার, শ্রীরাম এই কথা বলিয়া প্রকার কল্পনা-বিজতিত মােহ মন হইতেই উদ্ভূত এই মর্শ্বের একাকী চুপ করিয়া বসিয়া থাকেন। শ্রীরাম না পরিহাসে শ্লোকাবলী কীৰ্ত্তন করেন। হায় আমি মরিলাম, আমি অনাথ উদ্যত হন, না ভােগে আসক্ত হন, না কার্যে আস্থা স্থাপন করেন, হইলাম—এই প্রকার বিলাপ করিয়াও লােকে যে বৈরাগ্য প্রাপ্ত হয় তিনি কেবল চুপ করিয়াই থাকেন, দোদুল্যমান-অলকমঞ্জরী- না, ইহা আ' রাম এই কথাই বলেন। রঘুকূল-কাননের পরিশােভিতা লীলাচপল-নয়না রমণীগণ, অরণ্য-পালপপ হরিণীগণের শালতরতুল্য, বিপুসূদন রাম এইরূপ অবস্থাপন্ন হওয়াতে চায়, রাম-দয়ে আনন্দসঞ্চারে অসমর্থ হইয়াছে। ১৭-২০। আমরা অত্যন্ত খোয়িত হইয়াছি। ৩৬–৪। হে কমল-দল- মানবের নিকট বিক্রীত গ্রাম্য মানবের ন্যায় শ্রীরাম লােচন মহাবাহু। তাদৃশ মনােরক্তিসম্পন্ন শ্রীরামের আমরা এখন নির্জন দিগন্ত, তীরভূমি এবং বনমধ্যে থাকিতে ভাল কি করিব, বুঝিতেছি না, এ বিষয়ে আপনিই আমাদের অবলম্বন। ৰা। যে রাজন। অনু-পান গ্রহণে তা বিতৃষ্ণা দ্বারা প্রভাে! রাজা কি কোন ব্রাহ্মণ (তাহার আচরণের প্রতিকূলে) তিনি তপন্থী গব্রিাজকের শাভি করিয়াছেন। হে জননাখ। সম্মুখে উপদেশ করিতে আসিলে, ধীরভাবে উহার উদ্দেশে তিনি একাগ্রচিত্তে একাইজিন স্থানে বসিয়া থাকেন, হা হা করেন এবং অ-বাক্যের ন্যায় গুহার কথায় আস্থা-স্থাপন গান বা কােন কিছুই করেন । তিনি ‘পদ্মাসন’ করিয়া বাষ করেন না। অগং নামে এই যে বিশাল পদার্থ উঠিয়াছে, ইহা করলে কপােল আপনপূর্বক মনে কেবল বসিয়া থাকেন। নর, অতএব বঙ্গমধ্যে গণ্য নহে, ‘অহং' অর্থাৎ ‘আমি’ বললে তাঁহার অভিমান আসে রাজপদে অভিলাষ নাই, সুখ-দুঃ- আমরা যাহা বুঝি তাহাও বস্তু নহে, ইহা অবধারণ করিয়া সমাগমে হ-বিবাদ । ২১-২৫। তিনি কেন গমনাগমন শ্রীরাম, তজিজ্ঞাভবে অবস্থান করিতেছেন। হে বিভােগ। কমেন, কি করে, কি ভাবেন, কি অনুসন্ধান করুন, কেন অনু- শত্রু, মিত্র, রাজ্য, মাতা, এমন কি স্বীয় শরীর পর্যন্ত বাহ-পদার্থ সয়াল করেন এবং কি অভিলাষ করে আমরা জানি না। সমুহে বিপদ-সম্পদে ভঁহার আস্থা নাই। তিনি আস্থাহীন আশা- তিনি দিন দিন হইতেছেন, দিন দিন পাণ্ডুবর্ণ হইতে হান চেষ্টাহীন এবং শান্তিহীন , তিনি না মুঢ়, না মুক্ত, এইজন্যই দেন এবং দিন দিন বিরাগ-প্রাপ্ত হইতেছেন,-হেমন্তকালের আমরা বিশেষ অনুতাপ ভােগ করিতেছি। ৪১-৪৫। তিনি ধন, বুকের গায় ঠাহর অবস্থা হইয়াছে। রা। তদীয় অনুচর মাতৃগণ, রাজ্য এবং চেষ্টায় কোন ফল নাই, এইরূপ নিশ্চয় করিয়া লক্ষ্মণ-ক্রমও তাদৃশ অবস্থাপন্ন, ভঁহার প্রতিবিম্বের ন্যায় অবস্থান প্রাণত্যাগে অভিলাষী হইয়া আছেন। যেমন অনাবৃষ্টি চালকের করিতেছেন। ভৃত্যগণ, নৃপতিবর্গ এবং মাতৃগণ পুনঃপুনঃ উদ্বেগকারণ হয়, তদ্রুপ লােগ, আয়ুং বাজ, মিত্র, পিতা এবং জিজ্ঞাসা করিলেও শ্রীরাম ‘কিছুই না বলিয়া নিশ্চেষ্ট ভাবে চুপ মাতা এ সকলও তঁাহার পরম উদ্বেগের হেতু হইয়াছেন। আপনার করিয়া থাকেন। আপাত-মনােরম ভােগে মন দিও না” এই সন্তান সম্বন্ধে এই প্রকার বিপদ উপস্থিত, ক্রমেই তাহা উপদেশ পার্শ্ববর্তী শিষ্য সুজৎকে আরাম দিয়া থাকেন। ২৬-৩০। শাখাপ্রশাখাযুক্ত হইতেছে , আপনি দয়া করিয়া সেই আপদ রাম, এমােদসভা-সমাসীন বিপুলবি রমণীয় রমণীকুলের দূর করিতে উদযোগী হউন। প্রভাে। ভাদু-স্বভাবসলম এতি প্ৰীতি-প্রকাশ ত করেন না, প্রত্যুত সাক্ষাৎ মৃত্যুই যেন শ্ৰীৰাম কৃত্রিবেশ-সজিত সমগ্ৰবিভবপূর্ণ সংসারজানকে বিষবৎ সম্মুখে উপস্থিত ইহা বিবেচনা করেন। মুক্তিপদ-প্রাপ্তির অনুপযােগী চেষ্টায় আয়ু করা গেল” এইরূপ গান অফুট * টীকাকার মতে-আকাশ-সলােজিয়া, যষ্ঠী বিভক্তি, নখুরাকারে তিনি পুনঃপুনঃ করিয়া থাকেন। পার্শ্ববর্তী কোনও ‘আকাশমহাবনে’ সপ্তম বিভক্তি। সদৃশং উহু। অর্থাৎ যে জীবী আত্মহনন-পরায়ণ শ্রীরামকে সম্রাট হউন' এই কথা মনে বা সম্বন্ধে বিস্ময় উপস্থিত হয়, সেই মনই বিস্ময়াবহ, বর্ণিত, তিনি তাহাকে এলাপ-পাণ উল্পে মত করিয়া এ কেননা তাহা আকাশস্থিত মহাঅরণ্যে আকাশ কমলিনীর গায় উপহাস করেন। তিনি কথা বলিলে, তাহা শ্রবণ করেন না, অলীক-আকাশে যেমন অরণ্য অসতৰ এবং অরণ্যে যেমন সখের কর্নি করেন না, সকল বস্তুতেই, এমন কি, উত্তম এবং কমলিনী অসম্ভব, তদ্রুপ আত্মার মনঃসম্বন্ধ এবং মনে বিস্ময় অকৰলেও, তাহাতে বনি কল্লেন। আকাশ- সও "। আমার মতে সবজিঃ পঞ্চমী বিভক্তি, কমলিনী হইতে আকাশ মহারণ্য এবং আকাশ সরােবর-স্থষ্টি ‘মহাবনে প্রথম-দ্বিবচন। ‘মুল জগৎ মূল্প অগং দুইই গ্রাহ, একান্ত এলাক, অগং এ মনও (বুদ্ধিও) এই প্রকার অলীক এই অন্য দৃষ্টান্তেনি।
বৈরাগ্য-প্রকরণ। = প্রতিকূল জ্ঞান করেন। এই মহীষণ্ডলে এমন মহাশক্তিশালী সৰ্বার্থকাে গচ (আপনি ভিন্ন আর) কে আছেন, যিনি তাঁহাকে সাংসারিক ধারিণ রণযখযোজলকে ব্যবহারে নিবিষ্ট করিতে পারেন ? হায়। অত্যন্ত খেদযুক্ত ছিল, যেন ভিলী রীয় গ্রহণ হয়, তাঁহার মহামনা রাম মানসিক নিখিল-মােহ (সাংসারিক কাধে সেবা কৰিলে।১৬। শিরিকি শ্রাহ্মণগণ অনােযােগ) পরিত্যাগ করিয়া, ভূমণ্ডলে দিনকর যেরূপ (প্রভা এবং দশরতে রণও দূরদগিয়ে ছিলেন সবা, বিস্তার করিয়া) অন্ধকার হরণ করত নিজের ভাস্কর নাম সার্থক সকলসেব্য, গত এবং ব্যক্ত, সি-পর্বত করেন, উপ প্রজাপুঞ্জের দুঃখ হ করত আপনার সাধুতা (ক্ষপে ও গা) ক্ষামিশনার নিকট আসি- সার্থক করিবেন ত ?* ৪৬-৫১। ছেন,-তাহাররম, , ননী, প্ৰশ্যও ওপ্রিয় দশম সর্গ সমাপ্ত ১০ | দর্শন, বিপুল তিচ। প্রথম নেয় সম্পূর্ণ বিকাশ ও ব্যয়ের শব তাঁহাকে ভূষিত কাছে, তাঁহার মনােৰ পুৰ্ণয়, উ নাই, আর নাই fa সংসারথাত্ৰা-নিচারে নিরত এনিজ গুণে সিকৃষিত, নিখিল- একাদশ পর্গ। গুণাবলী এ মনৰ প্ৰতিই কেন তাঁহাকে আশ্রয় বিশ্বামিত্র বলিলেন,-হে মহামতিগণ। এইরূপ হইয়া থাকে, ভ- করিয়াছে। উত্ত, উন্নত উৎ বয় কর মুখপতি হরিণকে হরিণগণ যে লইয়া আসে, তদ্রুপ তােমরাও, তাহার সরকার প্রতি। ১০-১৯। এই প্রকার শম্র শ্রীরামকে এইখানে লইয়া আইস। রঘুনাথের এই ভাব গুণাবলী-বিভূষিত নীয় ঈষৎ সুনির্মল ও পয়িমিত আপদ-মুলক বা অনুরাগ-মুলক যে মােহ, তাহা নহে। কিন্তু হার ও বসনপাবে শােভিত রায়, দূর হইতে ণিকে বিবেক-বৈরাগ্য-সম্পন্ন পুরুষের পরম মঙ্গল প্রযােজক যে জ্ঞান, করিলেন,-খন চুণি-মরীচিমালার প্রযােজী তাহাই। শীঘ্রই রাম এইখানে আসুন, আমরাও এইস্থানে ক্ষণ ' শিরােভাগ, ভূমিকম্পে দোমান সুমেরু | মুনি। কালমধ্যে বামু যেন পর্বতের মেঘজাল অপসারিত করেন, দ্রুপ বর বিশ্বামিত্র পূর্বোক্ত কথা বলিতেছেন, হার অজ্ঞান অপনীত করিব। এই অজ্ঞান যুক্তিবলে অপনীত রাম পিতার চরবন্দনা করিতে হইলে, রাম আমাদেরই ন্যায় পরপদে বিশ্রামলাভ করিবেন। শ্রীরাম প্রথম পিতকে, অনন্তর মা সত্য-স্বকপত, অনিন্দ-সম্বলিত জ্ঞান, বিশ্রাম, তাপহীনতা, পীনতা মিত্র মুনিযুগলতে পরে বিগণ এবং উশুমবর্ণ-অমৃতপন করিলে যেমন হয়, (অজ্ঞান অপনীত বন্ধুগণকে পরিশেষ গুরুজনগণ হইলে শ্রীরামেরও সেইরূপ হইবে। তিনি পরিতৃপ্তচিত্ত ও ভূপালবৃন্দের আচৰিত এণতি-প মা হইয়া, স্বীয় প্রচলিত ব্যবহারপরস্পর সম্পূর্ণরূপে অনুষৰ্ত্তন চালন এবং সবাষণ জারা স্বীকার করিবেন। তখন তাহার জ্ঞানবল সত্ত্বগুণ বাড়িবে, তিনি জগন্ত্রে বিশ্বামিত্র 'শী কহিলে, সুসমচে কার্য-কারণ-ত জানিতে পারিবেন , সুখ-দুঃখের দশা থাকিবে পিতৃপার্ধে উপস্থিত হইলেন। অনন্তর অলি না, লোষ্ট প্রস্তর এবং সুবর্ণ সমজ্ঞান হইবে। ১৭। মুনিবর রাজশ্রেষ্ঠ কবি, পাশপ এরমকে এনে বিশ্বামিত্র এই কথা বলিলেন, রাজ পরিতৃপ্তমনে রামকে আনিবার শীঘ আলিঙ্গন করিয়া, রাজহংসে কমল , আর অন্য পুনরায় অনেকগুলি দূত পাঠাইলেন। অনন্তর এত ক্ষ। তাঁহাদের মন্তক চুম্বন করিলেন।পু। “ক্রেপেলে রাম পিতাকে দেখিবার জন্য, উদয়াচল হইতে সূর্যের ন্যায়, নিজ | কর।” রাজা এই কথা বলিলে,(আল কাহারী গাল । গহ-আসন হইতে উখিত হইলেন। তিনি কতিপয় ভৃত্য ও ভ্রাত পরিজনােপনীত অংএকাসনে আসীন হই। যা বলি, অয় সমভিব্যাহারে ইন্দ্রের অমরাবতীসদৃশ পবিত্র পিতৃসমীপে | বৎস! তুমি নিখিল-মঙ্গলের জল এবং আনী, জ্ঞানীর জায় যাত্রা করিলেন। এঁরাম দূর হইতেই দেখিতে পাইলেন, রাজা ' অক্ষমবুদ্ধির অধীন হইয়া যে করিও না। বৃদ্ধ শরথ রাজমণ্ডলে বেষ্টিত হইয়া, অমনিকর পরিবৃত বাসবের ন্যায়, ব্ৰায়ণ ও গুরুন যা বলেন, আর গান করিয়াই তােমায় বিরাজ করিতেছেন ,তাহার উ পার্শে বশিষ্ঠ ও বিশ্বামিত্র আশীন স্যায় ঝক্তি পৰিত্ৰ পা ঋইয়া থাকে, মােহের জ্বীন হইয়া নয়। . । আত্তম আর্তি, ভদন্তীতি আত্তী, অমেমতিনে সসণ ওশাণ। সবসমন্ত এবং ত্র। শতশস আর্তী, খিতম ইত্যর্থ। কিল সম্ভাবনায়াং খেলে চ। টীকাকার বা শৈত্যর এবং ‘হিক। এরা গৰক সমস্ত বলেন, 'আৰ্তিতম পদটা মােহইহার বিশেষণ। কিন্তু মােহশব্দ জনসেব্য অৰ সু মধুর এল। বিশ শত- বলিগ-শব্দসম্মত নহে। আর এ মতে পুর্ব শ্লোকের প্রধান দেশােপযুক্ত এলিন্দের পােৰ, সেমনীয় অগাধ ক ইটানিয়া আনিতে হয়। তাঁহার মতে সমূদয়ের শ্লোকানু, সুব্যক্ত শীলর আয়, ইহা হই। গত শ্লোকে খ্রিষ্ট মা -দিনকর যেমন ভূমণ্ডলে অন্ধকার-হরণ করত স্বীয় ভাস্কর উপমা অতি মখুর, খালায় বিজিপিইতে উমায় কিছুই মামের সার্থকতা সম্পাদন করে, দ্রুপ রাম-হয়-স্থিত আত্তি থাকে না, এই উপয়ে গিয়ে অনশণ গেল। প অন্ধকারের মুলীভূত মােহ দূর করিয়া, স্বীয় উপদেশক্তির ‘জলিন ওষক আ ফ বাসে কক্ষ র্থিকতা সম্পাদন করিতে পারেন, জগতে এরূপ মহামনা আর কে চুম্বনের , তাঁদে মন স্টোর করিয়া । এইরূপ করিবার নিয়ে।
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ হে পুত্র। যতদিন মােহকে প্রশ্রয় দেওয়া না যায়, ততদিনই জানিতে পারিলেও মূঢ় আমৱা সকলে কাহারও বিক্রীত না আপদ দূরে থাকে,' (নিকট আসিলেও) কিছু করিতে পারে না। হইয়াও ক্রিীবৎ পরাধীন হইয়া আছি।৮-১২। এই বিশ্ব- ২৫-৩১। বশিই বলিলেন-হে মহাবাহ রাজপুত্র। তুমি বীর, প্রপঞ্চে ভোগপদার্থটা কি? উহাও ত দুর্ভাগ্য মধ্যেই গণ্য , কেননা বিষয়ৰূপ শত্রু সুন্দর এবং দুঃসাধ্য হইলেও তাহাদিগকে আমরা বখা ভ্রান্তি বাতই আমাদের বাসনাকে ভােগের অধীন তুমি পরাজয় করিয়াই। কিন্তু তুমি অযােগ্য কল্লোল-ভূমিষ্ঠ করিয়া রাখিয়াছি। ও! বহুকালে বুঝিয়াছি, মুগগণ ভ্রান্তি বশত অড়হময় ভ্রান্তিসাগরে অজ্ঞানীর ন্যায় নিমগ্ন হইতেছ কেন ? যেরূপ গর্তে নিপতিত হয়, আমরাও তদ্রুপ অকারণ মােহগর্তে বিশ্বামিত্র বলিলেন, চপল-নীলকমল-নিকরের গায় নয়ন-মূলের নিপতিত হইয়াছি। আমি কে? এই দৃশ্যমান প্রপঞ্চ কি পদার্থ। মনােবিকাৰজনিত চাঞ্চল্য পরিত্যাগ করিয়া বল, কি কারণে তুমি কেন ইহা আসিল? আমার রাজ্য বা তােগে প্রয়ােজন কি? ভ্রান্ত হচ্ছেমুষিকে যেমন গৃহ নষ্ট করে, তদ্রুপ তােমার (আমি বুঝি ) ইহার মধ্যে যাহা অলীক, অহা অলীক হইয়ই যে মানসিক খেদ মনকে নষ্ট করিতে বসিয়াছে, তাহা কিরূপ? থাকুক, (সত্য পদার্থের ন্যায় তাহাকে লইয়া ব্যবহার করা উচিত তাহার অবলম্বন কি, কারণ কি এবং সংখ্যাই বা কত? আমি নহে) তাহাতে কাহার কি আসে যায় ? হে ব্ৰহ্ম। পথিকের বিবেচনা করি, তুমি সেই সমস্ত অসন্তুৰ মনপীড়ার যোগ্য নহ, যেমন মরুভূমিতে বিতৃষ্ণা, এইরূপ বিচার করাতে আমার সকল আপদের প্রতীকার ও তােমার (পিৎভাবে সিদ্ধ) চেষ্টা-সাপেক্ষ বিষয়ে তদ্রুপ বিতৃষ্ণা জন্মিয়াছে। হে ভগব। তবে ইহা উপদেশ নয়, মনঃপীড়াও ত(কারণ না থাকায় আপনা হইতেই অস্তিত্ব- করুন যে, এই দৃশ্যমান গংপ্রপঞ্চ (মরীচিকাজলের ন্যায় ) হীন। হে । শীঘ নােগত ভাব প্রকাশ কর, তাহা হইলে বিনষ্ট হয় কেন ? আবার উৎপন্ন হয় কেন এবং বুদ্ধি প্রাপ্তই সকল অতীষ্ট লাভ কৰি এবং আর আধিকিষ্ট হইবে না। অঞ্জ বা হয় কেন ? * জন্ম মৃত্যু জরা আপদ সম্পদ। এই সমগ্র দুঃখ- বিশ্বামিত্র এই প্রকার উচিৰ্থ প্ৰকাশক-সাক এবণ, মেঘ দায়ক সামগ্রীর পুনঃপুনঃ আবির্ভাব-তিরোভাবপ্রক্ত সংখ্যাবৃদ্ধিই গনে ময়ুরের ন্যায়, ইউসিদ্ধি অনুমান করিয়া বাম খেদ পরি- হইতেছ। দেখুন, পুরাতন তুচ্ছ ভােগেই এই আমরা, পানবেগে ত্যগ করিলেন।৩২-৩৮। গিরিশিখস্থিত উরুগণের ন্যায়, শিথিল হইয়া পড়িয়াছি। লােকে একাদশ সর্গ সমাপ্ত। ১১। যেন অচে, এ সব বুঝে না , যেমন চক নামে কোদল (ণ) বামুলে শায়মান হয়, তদ্রপ হবও প্ৰণ নামক ব্যয় বলেই শ করিয়া থাকে, কীচকের ন্যায় তাতে হাদিগের চৈতন্যের বা পুরুষত্বের পরিচয় নাই। ১০-২০। এ দুখ কেমন বাদশ সর্গ। করিয়া দূর হইবে এই চিন্তায়, কোটরস্থ উঃ অনলে জীর্ণ কক্ষের এবামীকি বলিলেন,মুনিবর বিশ্বামিত্র এই কথা বলিলে, রাঘব ন্যায়, আমি দগ্ধ হইতেছি। সংসাখে আমার হয়ে শশানের সম্পূর্ণ আখাস পাইয়া পূর্ণ-বাক্য মধুর ও নীভাবে বলিতে গয় কর্কশ, নীরঞ্জ (নাবেট) হইলেও আমি কেবল জনগণের লাগিলেন, জগলু। আপনি যখন জিজ্ঞাসা করিয়াছেন, তখন ভয়েই নয়নজলবিসর্জনপূর্ধক রােদন করিতে পারি না। কেবল আমি অজ্ঞান হইলেও এখন সমগ্ৰ কথা যথাযথ কীৰ্ত্তন কবিতেছি , মদীয় হৃদয়স্থিত বিবেক-অশ্রু-হীন-রোদনে বিরল নৈরাশ্যব্যঞ্জক সাধুবাক্য লক্ষন করিতে কে পারে ? পরিদৃশ্যমান অমি গ্রহণ | আমার তৎকালিক মুখের ভাব নির্জনে অবলােকন করিতে পার। করিয়া এই পিতৃগৃহেই ক্রমে ক্রমে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়াছি, পরে বিদ্যা- | বনবান্ পুরুষ শুভদৃষ্টের অবসানে দারিদ্র্য প্রাপ্ত হইলে, পূর্ব লাভ করিয়া এখানেই ছিলাম। হে মুনিবর। তাহার পর সদাচার-অবস্থা স্মরণ করিয়া যেমন মােহ প্রাপ্ত হয়, দ্রুপ আমিও সংসার- পরায়ণ হইয়া তীর্থধাত্রাপ্রসঙ্গে সাগর পরামণ্ডল পরিভ্রমণ করি- চেষ্টায় ব্যাপৃত হইলে, সংসারে উৎপতি-বিনাশ-নীল ! স্মরণ আছি। তৎপরে এতদিনে আমার মনে যে বিচার উপস্থিত হইয়াছে, করিয়া অত্যন্ত মোহগ্রস্ত হইয়া থাকি। ২১-২৪। কুহকিনী লক্ষী তাহাতেই সংসারে আস্থাশ হইয়াছি। আমি তাদৃশ বিবেকমুক্ত মানবের মন ভুলাইয়া গুণাবলী বিনাশ করত বিবিধঃখ প্রদান চিতে ভোগ-পরাধ বুদ্ধিতে স্বতই যে সেই বিচার করিয়াছি, করিয়া থাকে। মধু-চক্রে যেমন মধু সঞ্চিত থাকে, সেইরূপ যে তাহা এই এই যে সংসারচক্র, ইহাতে কি সুখ আছে? ইহাতে চক্রে কত চিন্তা সঞ্চিত থাকে—সেই চিন্তা-গল্প-চক্র ধনরাশি, কেবল লােকে মরিবার জন্য জমিতেছে এবং জন্মিবার জন্য অত্যন্ত-ভীষণ-বিপজ্জালপতিত ব্যক্তিগণের পক্ষে পুত্র-কল-সম- মরিতেছে। ১৭। এই যে চরাচর-চেষ্টা-সদ্ভুত ভােগ্য বিষয়, থিত গৃহের ন্যায়, আমার পক্ষে আনন্দপ্রদ হয় না। গর্তের উপর এ সমস্তই অস্থির, ইহা আপদের মূল এবং পাপের হেতু। ভঙ্গপ্রবণ কাষ্ঠাদি স্থাপনাদিরূপ কৌশলে বন্য হস্তীকে বন্ধন বিষয়সমূহের যে পরস্পর সম্বন্ধ,(ইহা হইতেই সুখের উৎপত্তি, করিতে হয়, জলবদ্ধ বঙ্গ হস্তী যেমন তাহা স্মরণপূর্বক অথবা প্রত্যেক বিষয় অস্থির হইলেও পরস্পর সম্বন্ধ বশতঃ আপনার বিবিধ দুরবস্থার বিষয় চিন্তা করিয়া মনে কিছুমাত্র অহা স্থির হয় যদি ইহা বল, ২. উক্তর এইতাহা ‘স্বস্তি লাভ করে না, দ্রুপ আমিও সংসারের বিশাল কারণ- বীয় মানসিক কল্পনামাত্র। কেননা ঐ বিষয়সমূহ লৌহশলাকার তায় পরস্পর সম্বন্ধহীন। এই কৃত্রিমবেশ-সজ্জিত অসৎ * এই জি প্রশ্নের উত্তরপ্রসঙ্গে উৎপত্তি, স্থিতি এবং উপশম মনেরই সম্পূর্ণ আয়ত্ত, মনও ত অস্তিত্বহীনের ন্যায় প্রতিভাত প্রকরণ কখিত হইবে। হয়, তবে আমরা কি অন্য মােহিত হইয়াছি। হায়। হরিণগণ নবরত্ব প্রভৃতি দোষে সম্পদ ও দুঃখের হেতু। অৱশ্যে যে মরীচিকায় জমে দূরে নীত হয়, তদ্রুপ মূঢ়তি ! ভাবাভাব তি—উৎপত্তি-বিনাশশীলতা। টীকাকার আরও অলীক বিষয়েই আকৃষ্ট হইয়া থাকি। হায়! মায়া বলিয়া বলেন, “বিষয়বিনাশবহুলা অবস্থা অথবা অজ্ঞানজনিত অবস্থা। T বৈরাগ্য-প্রকরণ ) পরম্পরার নশ্বরত্ব হেতু সংসারের বিবিধ দােষ এবং বিবিধ অৰ- দুর্লভ। এই বিনষী -পজখম হয় এবং প্রবল স্থার বিষয় চিন্তা করিয়া মনে শান্তি পাইতেছি না। অজ্ঞান-র মােহরূপ গজয়া বিশাল বিক্ষভভূমি। অর্থং পক্ষগণ নীতে নিশিত (তী অর্থাৎ দুর্ভেল) মেহজালরূপ প্রবল তুষারধুমে যেমন গহন গুহায় করিয়া থাকে এ গলগণ কেন বি জ্ঞানালােক অন্তর্হিত হইলে, শত শত বিষয়ক্লপ মহাচতুর ও খল পদ্ধে বিশাল মূৰি আৰু করিয়া থকে, উপ দুঃখ এবং চৌরগণ বিবেকর-হরণােদ্যত হইয়া সকল-সময়ে সকল স্থানেই প্রবল মােহল এই লক্ষ্মীকে আশ্রয় করিয়ই খধতি। ইনি ফিরিয়া থাকে, তত্ত্বগণ-ব্যতীত এমন নিপুণ যােদ্ধা কাহাৱা আছে, সংকাৰ্যরূপ কমলকুলের পক্ষে স্বরূপা, দুখৰূপ কৈরণস্কুলের সাহারা তাহাদিগের সঙ্গে যুদ্ধ করিতে পারে?২৫-২৮। পকে চন্দ্রিকা-রূপ, পরমার্থকৃপি কুপের পক্ষে ইনিঝতা, দশ সর্গ সমাপ্ত। ১২। মনােরথপরম্পরাক্সল বীচিমালা’পকে ইনিই তরলি। এই লীই ভলান্তি অনুপ্রেখম পবিবাদ-বিবকি। মূল, ইনিই বিকল্প কেবিগানা এবং বিশিষ্ণা কাল খেদের নিদানই ইতি। বৈরাগ-লতিকার ইনিই হিমানী, কামাটি এয়ােদ সর্গ বিকাররূপ পেচকলের ই কাশি, বিবেক-শশবের ইনিই রাম বলিলেন,-হে মুনিবর। মুগণ মনে করে, লক্ষ্মীই রাহদন্ত এবং ইনিই সৌ-অসুজশের কৌমুদী। ১১-১৫। (খনই) ইহসংসারে থাকিয়া সুখ প্রদান করেন, এইজন্য ইনি এই লক্ষ্মী ইস্রখর তায় অচিরস্থায়ী বিলিরাগে । মনােহব উৎকৃষ্টা। কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে লক্ষ্মীও লেকের মােহের এবং বিদ্যুতের ব্যয় চপলা, উৎপত্তি মাত্রেই ফিস্বল এবং এ অনিষ্টের হেতু। বর্ষাকালীন অগিণী যেরূপ আবিল-বিশাল আবৰ্তময় উত্তাল মহাতরঙ্গমালা ইতস্ততঃ পরিচালিত করে, তদ্রুপ পরশু, সংকুলসত ব্যক্তিতে ইই’র সলিলেই হয়। আশ্রয় করিয়া অবস্থিত। চাপলাশে ৰন্ত ও লীর নিকট এই লক্ষ উৎসাহ-বহুল-অনন্ত-মনােরথ-সম্পন্ন, অতীব আকুল প্রতারণ-পটুতায় করুণ মরীচিকও ই জিত। অনেক মুখকে পরিচালিত করিয়া থাকেন। তটিনী হইতে বীচি লহরী যেমন (জীলতা প্রযুক্ত করে কোথাও মালার ন্যায়, চিন্তানায়ী বহুতর দুহিতা লক্ষ্মী হইতে আবির্ভূত একরূপে অবস্থান করে না, অন্ধ্রপ ও ৪ ও এই দুহিতৃগণ দুষ্ট-চেষ্টায় প্রবর্জিত এবং তরঙ্গবং চপল। এই কোথাও একরূপে শাকেন না; শী । ভাগিনী লক্ষ্মী যেন চরণদহে কাতর হইয়া একস্থলে পদস্থাপন ইহার গতি ও স্থিতি অতর্কিত। সিংহাক করিয়া থাকিতে পারে না, কিন্তু অস্থিরভাবে ইতস্তত বিচরণ করিরাজকুলের সংহার স্বাভাবিক করিতে থাকে। যেমন দাপলেখা অঙ্গস্পমাত্রেই অত্যন্ত তাপ বলা হইলেও তা এবং সম্পাদন কর মধ্য হইতে কলপাতের হেতু হয়, তদ্রুপ বৈমূখ্যসম্পাদনী এই অভ্যা লক্ষ্মীও কিয়দংশে স্পর্শমাত্রেই অত্যন্ত তাপ সম্পাদন করত মধ্য- নিকটে ডাকিয়া লইয়া থাকে, ইহা দখাতেই সর্বনাশের হেতু হইয়া থাকেন। ১-৫। রাজপ্রকৃতির সুখ নাই। (সপত্নী-স) অলী ইহা যে निकाले স্যাষ মুটা ও আয়বহির্ভূতা লক্ষ্মী, যে পুরুষ কোনরূপে নিকটবর্তী হইতে দূরে সরাইয়া দিয়াছে, ছি ছি। এই হইতে পারিয়াছে, গুণাগুণ বিচার না করিয়া, তাহাকেই অবলম্বন লক্ষ্মী কি সেই পুরুষকে অগরে আবাহু, যেন আলি করেন। দুগ্ধ যেমন সর্পবেগ বদ্ধিত করে, দ্রুপ যে কৰ্ম্ম দোষ- করে। লক্ষ্মী সাহসভা এবং শতরা। পাগ যেগ বন্ধিত করিয়া থাকে, লক্ষ্মী সেই সেই কর্মেই বিস্তার প্রাপ্ত জীর্ণকূপাদি-সমৃদ্ভুত কুসুম-লতিকার স্যায় নােম। হন। বাত্যা-স্পর্শে তুষারের ন্যায়, মানব যে পৰ্যন্ত লক্ষ্মী-সংস্পর্শে বৃত্তি আয়ত্ত করিয়া থাকেন। ১৬-২। ৯। হইয়া না যায়, সে পৰ্যন্ত সে ব্যক্তি আয়-পরে শীতল ও একাদশ সর্গ সমাপ্ত।১০। দুস্পর্শ থাকে অর্থাৎ শত ও কোমল প্রকৃতির পরিচয় দিয়া থাকে। যাহার। প্রাজ্ঞ শুল, কৃতজ্ঞ, কোমল এবং বিনীতএকুতি, পলিমুষ্টি যেমন মণিকে মলিন করে, তদ্রুপ লক্ষ্মী তাহাদিগকেও মলিন করেন। ভগব। লক্ষ্মীর বৃদ্ধি সুখের হেতু নহে, কিন্তু চতুর্দশ সর্গ। দুঃখেরই মূল, তাহাকে রক্ষা করিলে সুরক্ষিতা বিমলর স্যায় রাম বলিলেন—পগ্রেশন সকিশার কায় অবি বিনাশের কারণই হইয়া থাকে। ৬—১০। লােকনিন্দাবর্জিত ধনী, আয়ু, উম্মতের স্যায় এই কুৎমিক শরীরবে সহসা পরিত্যাগ মাহীন বীর এবং অপক্ষপাতী প্রভু এই ত্রিবিধ পুরুষ জগতে করিয়া যায়। যাহারা বিষয়-বিষয়ের ফল অত্যন্ত চিত্ত এবং আত্ম-বিবেক-উষর ধাহনের হয় নাই, আয়ু ভাইদের পক্ষেই বিতরকরণকম্পিতৈঃ ইহার অর্থ-বিতনখ- দুঃখের হেতু। যাদের প্রাপ্ত হইয়া ব্রহ্মপদে শক্তিলাভ কারণপ্রসক্ত। চিন্তাবিষৎ সংসারং প্রতি কারণত্বাৎ চিন্তাপ্রতি প্রয়ােজক। ডাকাকায়মতে অনেমালিতাবানা সতত * টীকাকার , কুলদীপের পক্ষেই সন্তাবিত রংহেতুসমথি।ৈ “দেখবি পদার্থের সততসভা- বাতা এবং नयो দীপনি * বিত নশ্বরতারূপ যে হেতু তারা সমর্থিত ইতি অনুবাদ। করেন কি। । শুবিলুপ্ত এবং কর্কশ। টাকাকা-খতে-শুদ্ধ” 1 রানা এ ল; বিরে নহে, “অস”। অসৎ হই না উঠ” ইহা অনুবাদ। আশ্রয় মেঃ তাহা নয় কি। . * খােবাণিষ্ঠ-রামায়ণ করিয়াছে, লাভালাভে সমান উৎসাহশীল, তাহাদিগের জীবন মৃত্যু সেইরূপ গ্ৰাস করিবার জন্য অতি লােভ সহকারে আয়ুর সুখেরই অঙ্গ। হে মুনির। এই পরিমিত স্থূল শরীরেই প্রতি (অথবা জীবিত মনুষ্যের প্রতি লক্ষ্য করিয়া থাকে। গন্ধাদি- আমাদের আত্মনিয়; এই সংসার জলদজালে সৌদামিনী- গুণগর্জিল (জাপক্ষে-গন্ধাদি বিষয়াল যাহার উদরস্থ অর্থাৎ দৃশ ভঙ্গুর আয়ুতে আমার শান্তি নাই। বরং বায়ুবেষ্টন, যে অবস্থায় বিস্ময়ের স্মৃতি মাত্র আছে, ভােগসামর্থ্য ডিরােহিত আকাশের কর্তন এক অদমালার বােজনা সম্ভবপর হয়, কিন্তু হইয়াছে, বেশ্যাপলে-গন্ধরূপাদিসম্পন্ন) অসারা বেশ্যাশী আয়ুর প্রতি আস্থা একেবারেই অসম্ভব। ১৫। জীবন শরৎ- জরা, বহুভােজী পুরুষ যেমন অল্প জীর্ণ করে, সেইরূপ বলয়ের কালীন মেয়ের স্মা, হৈীন দীপের স্থায় অসার ও অস্থায়ী সঙ্গে আয়ু জীর্ণ করিয়া থাকে। সুজন যেমন দুর্জনকে কয়েকদিনেই এবং তরঙ্গের ন্যায় চঞ্চল; ইহাকে অতীতই মনে কর পরিচয় পাইয়া অবজ্ঞাপূর্বক পরিত্যাগ করে, যৌনও পুরুষকে ঠিক উচিত। তরঙ্গ, বিদ্যুৎ-প, চক্রের প্রতিৰিৰ এবং আকাশ- সেইরূপেই পরিত্যাগ করিয়া থাকে। রূপ যেমন বিনাশৎ জরা- কমাকে গ্রহণ করিতে আস্থা স্থাপন করিতে পারি, কিন্তু মরবন্ধু (বনয় অমরণ যাহার সাহায্যে শী হয়) বিটবরের অস্থির-জীবনে আস্থা স্থাপন করিতে পারি না। জীবন অসার লােভনীয়, সেইরূপ আয়ুও বিনাশ-সুইং, জরামরণ-বন্ধু (রােগ- হইলে ও বিমূঢ় ব্যক্তি ব্যাকুল-চিন্তে দীঘলীক কামনা করে, কিন্তু জরা-মৃত্যুর প্রভু) যমরাজের লোলীয় বস্তু। আয়ু যেমন স্থায়িত্ব হাজীর গর্ভকামনার স্থায় দুঃখেরই নিদান। হে ব্ৰহ্ম। হীন, প্রসিদ্ধ আনন্দলোকবিবর্জিত, অতি অসারণ-সম্বন্ধশূন্য সৃষ্টির-সাগরে শরীর-লতিকারূপ সলিলের ফেনস্বরূপ ( অতি এবং নরশের আয়ত্ত, এগতে এমন আর কিছুই নাই। ১৭-২৩। অস্থা) যে সার-ভ্রমণোপযোগী জীবন, তাহাতে আমার রুচি চতুর্দশ সর্গ সমাপ্ত ॥১৪। নাই । যদ্বারা পরম পুরুষার্থ-এপ্তি হয় এবং পুনর্জন্ম-যন্ত্রণা হইতে অব্যাহতি পাওয়া যায়, আর যাহা পরম শান্তির আস্পদ, তাহাই (প্রকৃত) জীবন-পথচ। ৬-১০। অরুণেরও জীবন পঞ্চদশ সর্গ। থাকে, পশুপকিগণেরও জীবন থাকে, সেরূপ জীবন কিন্তু জীবনই নয়), অজ্ঞানলে বাহার শন নিব, তাহার জীবনই রাম বলিলেন,-অহঙ্কারের মূল অজ্ঞান, কিন্তু এই অহারের প্রতীক। সংসারে যাহাদের পূনর্জন্ম হইবে না, জগতে সেই উৎপত্তি ও বৃদ্ধি একেবারেই নিরর্থক। এই মিথ্যাময় দুষ্ট শত্রু সকল প্রাণী যথার্থ জীষিত; এভভিন্ন দীর্ঘ আয়ু মাত্র যাহাদের অহঙ্কারের নিকট আমি ভীত। কৰ্ম্মফলাদিময় বিবিধ আকুতি-সম্পন্ন আছে তারা, ত এর। অবিবেকীর পক্ষে শাস্ত্র ভারভূত সংসার, জ্ঞানধনে বর্জিত দীন-হীনগণকে যে রাগ-দ্বেষপ্রযােজক (অর্থাৎ বা শ্রমের যে, কামনাপতন্ত্রের পক্ষে ভান ভারত, | ধনভাণ্ডারের তুচ্ছধনে আধিপত্য প্রদান করে, তাহার মূলও অহ- বাহার শান্তি নাই, নর পক্ষে ভারত এবং বাহার আত্মজ্ঞান | স্কার ( অহঙ্কার সহকারে যাগযজ্ঞাদি করিলে তাহার কলে ধনী নাই শরীরও তাহার ভভূত। যেমন ভার ভারবাহীর দুঃখের হওয়া যায়, কিন্তু বিষয়ে আসক্তি তাহাতে বাড়ে বৈ কমে না)। হেতু, সেইরূপ দুৰ্ম্মতি ব্যক্তির রূপ, আয়ু, মন, বুদ্ধি অংস্কার এবং এ বিপদ, দারুণ মনঃপীড়া এবং কামনা এসকলেরই মূল অহঙ্কার চেষ্টা সকলই দুঃখের হেতু হইয়া থাকে। আয়ই অশান্তি, অতৃপ্তি, অহঙ্কারই ত আমার রােগ। মুনিবর ' চিরদিনের পরম শত্রু সেই আপদু এবং পরিশ্রমের প্রধান হেতু, আয়ুই রােগ-বিহঙ্গগণের অহঙ্কারকে আশ্রয় করিয়া অন্নভােজন জলপান পর্যন্ত করিতে কুলস্বরূপ। মূষিক যেমন প্রতিদিনের কষ্ট গণনা না করিয়া চাহি না, বিষয় ভােগ কৰিব কি? ব্যাখ যেমন জাল বিস্তার করে, নিত্য অরে অজে পুৱা গৰ্ত কৰ্তন করিয়া থাকে, তদ্রুপ কালও সেইরূপ অহঙ্কাৰ-দোষও জীবের মনে মােহিনী মায়া বিস্তার উক্তরূপেই লােকের আয়ু কৰ্ত্তন করেন। ১৯—১৬। সর্প যেমন করে। সংসার-বিভাবরী যেমন দীর্ঘ, এই মােহিনী মায়াও তদনুরূপ বনবায়ু পান করে, দ্রুপ নােগও আয়ু পান (ণ) করিয়া থাকে, জীর্ণ *১৫। দীব (উচ্চ), বিষম (বন্ধুরত্ব) এবং মহান এই যােগসর্পকুলের আবাস শরীর-গতে , বিষদাহপ্রদান এবং খণি-পালপশ্রেণী যেমন পৰ্বত হইতে উৎপন্ন হয়, তদ্রুপ দীর্ঘ স্মতা ইহাদের ধৰ্ম্ম। ঘুণ যেমন অন্তরে থাকি। পুরাতন শুদ্ধ (বহুকালস্থায়ী) বিবম (নানাপ্রকার ) এবং মহান (এল) প্রসিদ্ধ অহাৰ্ত্তন করে, তদ্রুপ মােগদি দুঃখও অনুরে থাকিয়া আৰু দুখজাল এই অংঙ্কার হইতেই উৎপন্ন। অংস্কার শান্তি-শশধরের অবিচ্ছেরে করণ করা (দুপকে মরিতেছে। ১-দিপান এবং দুপক্ষে কাঠের গুড়া করান। পারে। ১৬শ শ্লোকের অনুভ্র পদ—জর ভ্রমিৰ এই সালে এ সমঝই অধি তুচ্ছতা (দুখপৰুে অসাৰতা এবং ঘূণপক্ষে এবং ১৮ণ শ্লোকে জর পদ অল্প কম ই এই সমাসে বিষয়সমূহেরহামের । মার্কায় যেরূপ মুষিককে লক্ষ্য করে নিষ্পন্ন করিতে হয়। মুষিকোপ, কাল প্রতিদিনের শ্রম গলা না করিয়া হলে অরে অথচ নিত্য গর্ভস বহু ব্যক্তিকে কর্তন করে কাকার-মতে—ৰে ৰ। এই সংসার-পৰ্যটনােপ- অর্থাৎ মুষিকে যেন গর্ত কর্তন করে ড্রপ কাল রঙ্ককে কর্তন যােগিনী শরীরলভিকা সৃষ্টিসাগরের সলিলফেল, এই অস্থায়ী করিয়া থাকে।১৬ নিয়নকারী কঠোর এবং তুচ্ছ গুৰবাসী পদার্থের জীবনে রুটি আমার নাই। আমার মতে কামালঃ ঘুণসহথরাণিসদৃশ বস্তুকে কৰ্ত্তন করিয়া থাকে। ১৮। এক পদ। এইবলে উভয় পদ বা উভয় পক্ষের বৃদ্ধি হইয়াছে। * চাকাকায় গড়ে—সার-বনী ধা' এই পদ গংসার- কারুপং বদ ও তফিকারঃ ইতি। খৰা কাৰ” বা দীর্ঘ এই বাক্যে নিপঙ্গ। 'সানরূপ অকারনীতে নেতৃতীয়া,সক প। খবছাই চাকার অনুবাদ। আমার মতে–সংসা- ? আশায় ভে–১৬ এবং ১৮শ্লোকের অর্থান্তর হইতে রক্ষনীর দীর্থংএই বাক, এই নুসারেই উপরের অনুবাদ।
বৈরাগ-প্রকরণ রাজ-বজ্র, অহঙ্কার গুণনিকর-কমলকুলের তুষারময় বজ, অহঙ্কার কাণ্ডক-নামক ক্ষমাশীল বেপত্র যেমন কনই পূর্ণ হয় সাম্য-জলধরের শরৎকাল,-আমি সেই অংস্কারকে পরিত্যাগ না, আপ অয়ছে কারাও পূর্ণ( পন্ধি) ল। মুনির। করিতে চাহি। আমি রাম নছি, আমার বিষয়-স্পৃহা নাই, মনই সত কার দুরাশা-জড়িত ম, শূন্যদিব খুভ দাশয় যে আমার নহে, আমি বুদ্ধদেবের স্যায় শান্তভাবে সৰ্ব্বভূতেই গায়, কখনই শক্তি বাতি করে না। মনের ভিতরোয় চঞ্চল আত্মবং ব্যবহার করিতে ইচ্ছা করি। আমি অহঙ্কারণে যে ভােজন কখন স্কুল-অবয়বের হবে বিশ্লেষ মনের আজই, করিয়াছি, যে আহুতি দিয়াছি এবং যাহা করিয়াছি, তৎসমস্তই এই স্কুল-অবয়ছিলেন এবং অন্ত্রক বিশ্লেষ অসার , এক স্কার-বর্জনই সার। অহং'ভাব থাকে ত আপদে বা শীর্ণত বিজ্ঞানুধে।। গুহা অহং-পদবাচা বা আমি দুঃখিত হইতে পারি, আর তাহা যদি না ত্যাগ করিয়া বিলাশক ও মণ ৪ না। থাকে ত কাহার দুঃখ হইবে? দুঃখ না হওয়াই সুখ, অব ১-৫। বিষানুসন্ধান- বিজন চলগতে লেনে নিরহঙ্কারভাবই ভাল। ৬—১০। মুনিবর। অহঙ্কার পরিত্যাগ উত্থাপিত ক্ষীরােল-সাগরের সকশর গাছ, পশফিকে ওমান বশতঃ মনের শান্তি হওয়ায় আমি নিরুদ্বেগে আছি, ভােগসমূহ হইতেছে। কল্লোললিতাক লর-গণপ্র এর খিলিপ- নশ্বর পদার্থের অধীন (তার এ ভাব আসিতে পারে না। যে বৃত্তিসম্প, সমুদপক্ষে-অভয় আর্তম) নামক পর্যন্ত অহঙ্কার-জলদজালের অ্যুদয়, কামনা-রূপিণী কুটকুসুম- পূর্ণ মানস-মহাসাগর রুদ্ধ করিতে খুব সমর্থ । মন- মরী সেই পর্যন্ত বিকশিত হইতে থাকে। আহার-লা। মপ-হরিণশাবকােপ বানাতে ঋ-মে লীন হইলে, কামনারূপিণ নবীন ল্পিত নিৰ্ব্বাণ-দীপশিখার ন্যায়, পতনের, মৃগপতে লজিঙ্কা না করিয়া দূর এবিমান অতি সত্বরই কোথায় অন্তর্হিত হইয়া যায়। মেঘ যেমন হইতেছে। আমার মনােবৃত্তি লিপু, বিক্ষোত উলনি গর্জন দ্বারা আড়ম্বর প্রকাশ করে, তদ্রুপ মনােরূপ মন্ত-মহাহা হইলে সমুদ্র সেন তা কাগ করিতে পারে না, জপ অহঙ্কাররূপী বিন্ধ্যপর্বতে নিরন্তর উৎসাহ দ্বারা আড়ম্বর প্রকাশ সেই আকুলবুলি সাহা মণীয় কই স্বী অনুব করিয়া থাকে। এই শরীর-রূপিণী অরণ্যানী মধ্যে এই যে প্রবল বিশীর্ণতা পরিত্যাগ করিতে সমর্থন অহঙ্গাররূপ কেশরী বিরাজ করিতেছেন, উহা হইতেই জগতের রােধ দ্বারা অন্ত বিস্বল্প বিস্তার। ১১-১৫। অনন্ত জন্মপরম্পরা কামনারূপ সূত্রে গ্রথিত, তবেই মনের এই অংশবিশ্লেষ বা অহঙ্গার-রূপী নটবরই মুক্তাবলীরূপে তাহা কণ্ঠে ধারণ করিয়াছেন। পারে-কি ব্যক্তিকে থাকিতে এই অহঙ্কার নামক বৈরীই জগতে পূত্র-মিত্র-কলত্রাদিরূপ চিন্তানিচয়ে চঞ্চল মন, করুন জাল বিস্তার করিয়াছে, অ-মন্ত্রে সে জাল হইতে অব্যাহতি পাওয়া বশে একত্ৰ স্থির হকিতে পারে । যায় না।‘অহং’ এই পদ দূরীকৃত হইলে, সকল দুরন্ত মনঃপীড়াই মিশ্রিত জল হইতে দুগে আবাৎ শীই আপনা হইতেই দূরীভূত হয়। অহঙ্কারূপিণী কুজঝটিকা উদ্বেগনাশক সামা-সুখকে (সৰ্ব্বভূতে আত্মকে। দূর হইলে, মনােগগনসংস্থিতা শক্তিনাশিনী মােহ-নীহার- সেইরূপ হরণ করিতে থাকে। হে শ্রেষ্ঠ বিবি কণিকা কোথায় লীন হইয়া যায়। ব্রহ্ম। আমি অহঙ্কার শয়ান চিত্তবৃত্তিসমুহ আগরিত হন, বর্জিত, কিন্তু অজ্ঞান বশতই দুঃখে অবসন্ন হইতেছি, আমার হইয়া দুখভােগ করিতেছি। ক্ষ। কেমন পক্ষে যাহা আবশ্যক তাহা বিবৃত করিতে আজ হয়। হে কৃখছি ক্রোড়ে রাবিয়া বিস্ত বিত আলে মহানুভব। যাহা অন্তরে থাকিলে সর্বপ্রকার বিপদ উপস্থিত সেইরূপ চিত্ত তৃষ্ণার দৃঢ় অস্থি মমতাদি খ্রমিকা হয়, সদগুণসম্পন্ন ব্যক্তি বা শান্তিপ্রভৃতি সদ্গুণ যাহাকে দ্বারাই আমাকে আবদ্ধ করিয়াছে। মুনিবর! এক বেকৃত পরিত্যাগ করিয়াছেন, সর্বতােভাবে দুঃখপ্রদ সেই অহঙ্কার চিন্তজালাকীর্ণ অগপৰ চিন্ত, এক ভুলে যায়, আমাকে গল্প কলকে আমি যন্ত্রপূর্বক ত্যাগ করিয়াছি, তাহার উপযোগিতা করিতেছে। ভাৰ্যালুগামী ' র ল' কে যেমন পরিত্যাগ করিয়া) অবশিষ্ট কর্তব্যের সঙ্গে আমাকে আত্মত ভােঙ্কন করে, তদ্রুপ তৃষ্ণাগামী সূচিত হন আশা উপদেশ দিন। ১৬৭১। উদরসাৎ করিতেছে। ১১-৫। হেল' উন্মভূমি- পল দাসপ্ত।১৫। চঞ্চল-তরল জন এ যেন ভী করে, সেই প্রকার গং এরি স্থায় অস্থির শালী অজ্ঞানসভূত চিত্তও আমাকে সহসা পরিত্যাগ বায়ু যেমন মধ্যপথে নিল ঘুরাইবা রচিত যােড় সর্গ। দূরে নীত করে, সেইরূপ চি আমাকে মধ্যপথে পক্ষেই এয়া বলিলেন,-মন, মুকুগণের অবশ্যক-সাংসেব নিপভিভ বা ক্ষয় এই য়ে কীট-পজল পরিত্যাগ করিয়া কামনা প্রভৃতি দোষের দৌরাত্ম্যে প্রকৃত মােন ভ্রমণ কাইব কুয়ো ফেলিয়ছে। প্রবাহ যে বলে অপটু হইয়া থাকে, আর বন বহিতে থাকিলে তাহার সেতু দ্বারা অবরুদ্ধ হয়, আমি সইতে গাইতে অন্তর্ভুক্ত ময়ুপির অগ্রভাগে কায় স্বাভাবিক চাই সর্বদা সচেষ্ট হই দিনে ইয়াছি চঞ্চল হইয় থাকে। গানের মধ্যে রুলের স্থায় মন অকারণ উ হইতে এখােদেশে অবনত এবং ঘােয়শ ইডে উদ্ধ ব্যাকুল ও সীলগৰে ইভ এবং দূরদূরান্তর ছুটাছুটি করে মন কোথাও বিপায় ন; এবং কোথাও ফরণি প্রাপ্ত হইলেও * হয়-হৃৎ+ ইতি পায়। বিষাদে।
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ ত উখিত ফুল রবারা কৃপকাষ্ঠের ন্যায়, আমিও কখন উগামী কখন অবােগাখী ৎসিত মন আরা বেষ্টিত হইয়াছি। বালক সপ্তদশ সর্গ। যেমন ভূৰিষ্ট হয়, দ্রুপ আমিও কুৎসিত চিকক আবিষ্ট শ্রীরাম বলিলেন,-গুসারে তৃষ্ণার উছেসাধনও দুষ্কর, এই হইয়াছি। এই চি-ভূত মিথ্যা, ইহার রূপের বাহুল্য কঙ্গনা- ফা আত্মত-উত্তাসনপকে অন্ধকার-রজনী, রাগৰেণি-পেচক বলেই হয়, আবার চিার করিয়া প্রকৃত বুঝিলে সরিষা যায়- বৃন্দ এই যখনীতেই জীবগগনে বিহার করিয়া থাকে। অন্তর্লাহ- মিখা বলিয়াই উপলব্ধি হয়। ১৬-২০। মনঃস্বরূপ যে ‘ভূত’, প্রদক্ষিনী দিনকর-কিরণমালা যেরূপ সরস কোমল পক্ষকে বিশুদ্ধ ইহাকে নিগৃহীত কৰা অতি কষ্টসাধ্য। ইহা ৰহি অপেক্ষা করে, অন্তর্ধাহ-প্রদায়িনী চিন্তাও মেহদয়াযুক্ত আমাকে তদ্রুপ অধিক সভাপক, ইহাকে অতিক্রম করা পর্বত অক্রিম অপেক্ষাও বিশুল্ক করিতেছে। আমার অজ্ঞান-তিমির-সঙ্কুল পৃঙ্গ মানস কষ্টকর, ইহার দৃঢ়তা বাপেক্ষাও এধিক। পক্ষী যেমন লােভীয় মহাৰনে আশা-পিশাচী অত্যন্তনুত করিতেছে। চণক-মারীই আমিৰে সহসা নিপতিত হয়, তপ চিত্তও সহসা বিষয়ে যেন চিন্তারূপে বিকশিত হইতেছে, বচাবাই এই শরীর সিক্ত হয়। বালক যেমন খেলনা পাইয়া ক্ষণকাল খেলার জীবনােপছােগিনী হিমকণা, কাঞ্চনরূপ উপবনেই ইহার অধিকতর পরেই তাহা হইতে বিরত হয়, দ্রুপ চিত্তও ক্ষণকালের মধ্যেই শােভা হইয়া থাকে। যেমন তরঙ্গ সমুদ্রস আলােড় প্রাপ্ত বিষয় হইতে বিব্রত হয়, অর্থাৎ চন মন কোন একটা করত অতিশয় আবর্তের সৃষ্টির জন্যই বন্ধুরভাবে সরণ করে বিষয়েই যে একাগ্ৰ থাকিতে পারে, তাহা নহে-একবার এ তদ্রুপ ফা মনের বিক্ষোভ সম্পাদন করত আন্তরিক অধিক জ্ব বিষয়, একবার এ-বিষয়—এই করিয়া বেড়ায় ।। হে ভাত। উৎপাদনের জন্যই বিষম উৎসাহ সঞ্চার করিয়া থাকে। ১৫। বহার প্রতি ( ড় সমুদ্রপকে-অল,) বৃত্তি বিপুল আবত্ত, বিবিধবিষয়-সঞ্চারিণী তৃষ্ণ, তরঙ্গিণীরূপেই আমার এই শরীর কামলি বড় বিপু সৰ্প, তাদৃশ বিমুজ মসমুদ্র আমাকে দূরে গিরিবরে প্রবাহিত হইয়াছে, উদ্দাম অসত্য-কথনাদিই এই ত করিতেছে। হে সাঘাে৷ মনকে বশ করা নিঃশেষে সমুদ্রপান, অঙ্গিণীর মহাতরধ্বনি, প্রবৃত্তিই ইহার বিলােল-তরঙ্গ। বাত্যা- পর্বত-উৎপাটন এবং অনলক্ষণ হইতেও কষ্টসাধ্য , বেগ-প্রতিপূলে উপিত জীর্ণ, শূলিময় বাতাশে যেমন কোন চিন্তই বিয়ের কারণ, চিৰ থাকিলেই লিগতের অস্তিত্ব চিত্ত অনির্দিষ্ট স্থানে অপসারিত হয়, তৃষ্ণাবেগ-নিবৃত্তির জন্য উদাত চিত্ত বাসনা হইলে জগ নষ্ট হয়, অতএব রােগের চাতকও থাের পায় কোন অনির্দিষ্ট দেশে সেইরূপ নীত হইয়া আয় প্রযত্নসহকারে মনেই চিকিৎসা করা উচিত। এই যে থাকে। অর্থাৎ চাতক তৃষ্ণাবেগ সংবরণের জন্য ‘টিক জল' রবে শত শত মূৰ-দুখ, ইহা বড় বড় পৰ্বত হইতে অরণ্যের খায়, মন | গগনে বা পাদপশাখায় উথিত হয়, কিন্তু কােষকরী দাশ হইতেই আসিয়া উপস্থিত হয়। হে মুনে' বিবেকবশে মন ক্ষীণ | পিপাসায় অধিক ক্ষণ স্থির থাকিতে পারে না, কোপায় উড়িয়া হইলে সেই সব দুখ দুখ বিনষ্ট হয়, ইহা আমি প্রকৃতই মনে খায়, চিত্তও তৃষ্ণবেগসংরণের জন্য ধৰ্ম্ম-উপার্জনে উদ্যত করিতেছি। ইহা জারাই কাম-কৰ্ম্মাদি-সহত অবিদ্যার জয় হইলেও পাপরূপিণী তৃষ্ণায় স্থানান্তরে নীত হয়। আমি বিবেক- হইবে'—এখান ব্যক্তিগণ মনের উপর এই আশা রাখেন, আমি ; বৈরাগ্যাদি-গুণ-সম্পত্তি বিষয়ে যে যে আস্থা স্থাপন করি, কুৎসিত তাহাকেই বােধ করিয়া তাহাকে এই দেহেই জয় করিবার | মূষিক যেমন স্ত্রীচ্ছেদন করে, তদ্রুপ ষ্ণা আমার সেই সেই এ উদ্যত হইয়াছি। অভাৱ নীলকান্তি জলদাবলীতে চন্দ্রের | আস্থা কৰ্ত্তন করিয়া দেয়। সলিলােপরি গলিত পত্রের ন্যায় বায়ু। কেমন অরুচি, জড়-মলিন-জন-বিলাসিনী লক্ষীর প্রতি বৈরাগ্যশে | প্রবাহে জীর্ণণের ন্যায় এবং গগনমণ্ডল শারদ জলধরের ন্যায় আমারও সেইরূপ আন্তরিক অরুচি হইয়াছে। ২১-২৭। আমি চিন্তাচক্রে ভ্রমণ করিতেছি। আমরা বুদ্ধিযোগে স্বস্থান- যােডন সর্গ সমাপ্ত ১৬ ॥ লাভে অসমর্থ হইয়া পলিগণ যেমন ভ্রান্ত হইয়া জালে পতিত হয়, তদ্রুপ চিন্তাজালে বিমুগভাবে নিপতিত হইতেছি। ভাত। আমি ভাজালায় এমন দগ্ধ হইয়াছি যে, অমৃত দ্বারা সেই দাহ- শান্তির আশা করিতে পারি না। ৬-১। ক্ষারূপিণ উন্মও * কুপের নিকট একটা বড় বাঁশ বক্রভাবে রাখিয়া দেওয়া হয়, বড়বা স্বস্থান হইতে দূরে দূরে গিয়া এবং বার বার প্রত্যার হই তাহার অগ্রভাগে দড়ি জড়ান থাকে আর গােড়ার দিকে প্রস্তুরালি দিগ্দিগন্তে এৰণ করিয়া থাকে। ফায় কৃপকাষ্ঠের অগ্রলম্বিত ভার-দ্রব্য বাঁধা থাকে। অগ্রভাগের দড়ি টানিলে দড়ির সঙ্গে সঙ্গে রজ্জর ভুল সংসর্গ উ-অধােগমনাগনন সফলন ও এ সেই লাশ নত হয়, তাহার পর রজবদ্ধ কলস কূপের অভ্যন্তরে উভয়েরই সাধ্য অর্থাৎ কৃপকাষ্ঠের জড়সংসর্গসলিল প্রবিষ্ট হইয়া জলপূর্ণ হইলে, দড়ির টান ছাড়িয়া দিলে বাঁশের সংস্পর্শ উর্দু-অধােগানাগান–উপর নীচে নামা উঠা সঞ্চলন গােড়ার খায়ের বলে দড়ির ফৰাল উপরে উঠিয়া থাকে, ঐ আকর্ষণ আর গ্রন্থিগট। ভূফার ড়ঃ বিয়সক্তি যে বাঁশ বা ভণ্ডুল্য কাষ্ঠ, তাহাকে কুপকাষ্ঠ বলে। অথােগান—স্বৰ্গনরক-গমনের হেতু, সঞ্চলন—অস্থিরতা এবং ৫ টাকাকার বলেন,‘বালক যেমন খেলনা পাইলে ক্ষণকালের গ্রন্থা—অজ্ঞন দেহের অভ্যন্তরে গ্রথিত সকলেরই আছে এই মধ্যেই অধ্যক্ষ হইতে নিবৃত্ত হয়, তদ্রুপ চিণ্ড বিষয় পাইলে কালের মধ্যেই সৎকাৰ্য হইতে নিবৃত্ত হয়। এ অর্থে অধ্যয়ন * নৈশনীহাৱৰতি নিকটষিত ভরুকানন-সঙ্গনেভি ( ইতাপি হৈ করিতে হয়। Fণকারীই যেন কিপ-নয় এলজড়িত সুৰ-কাশনাতিয়ে কাকার বলেন,—চিত্তের জয় হইলে কামাদি সহকৃত পাতুভাব-এজিলী চিরূপে বিকশিত হইছে। ই মূল বিচার হবে এই প্রান ব্যক্তিগণ কমিয়া থাকে। কাসকষ্টকলিত অর্থ। .
বৈরাগ্য-প্রকরণ। তুফালে নাসিকাভ্যন্তরে গ্রথিত সকল বলিবৰ্দেরই অচ্ছেদ্য রজু স্থানে স্থির থাঞ্চিতে পারে না, খাপ খেও যােগে বলীর্দের ন্যায়, লেকেও ভারবহন করিতে বাধ্য হইতেছে। অভাব না থাকিলেও বি আকা করে এবং নেক এক পুত্র-মিত্র-কাঁত্রাদি-রূপিণী কিরাত-রমণী, পণিসদৃশ লােক বতেই আসক্ত থাকে না তাহলেগ্ৰন। এই ত সাহে জাল বিস্তার করত সতত আকর্ষণ করিতেছে। অন্ধকার কাৰ্য—এবার তার পরেই সমস্তই ' এল কাৰ্য রজনীর ন্যায় তৃষ্ণ—আমি ধীর হইলেও আমাকে এত কম- এবং শুভাশুভ কার্ধেক --এং পর মছে; চক্ষু থাকিতে অন্ধ করিয়াছে এবং আনন্দময় হইলেও ঈশ্বরের ন্যায়ই কারণ। এরী কৃষ্ণ ও আকাশ কেমন দুঃখিত করিয়াছে। কুটিলা কোমলম্পর্ণা বিষবর্ষিণী (বিষ- ক্ষণে পাতাল এবং সে দিন মণ ফয়ি থাকে। তুল্য যে শত্রুতা প্রভৃতি কাৰ্য, তাহার হেতু, পক্ষান্তরে বিষমৰি সমস্ত সংসারদোষের মনে এ চিরদুখ এন করি উগারিণী) কালসৰ্পীসদৃশী এই তৃষ্ণাকে অতি অল্প স্পর্শ করিলেও থাকে, অন্তঃপুরে বাহার শাৎ তাহাকে দংশন করে। ১২-১৭। দুর্ভাগ্যদায়িনী লইয়া যাওয়া এই রই কল -৯। মো* নীঃ , পরি, মায়াময়-কাৰ্য-সম্পাদিকা সীনা তৃণ, কৃষ্ণরাক্ষসীর ন্যায়, পুরুষের বৃতা কৃষ্ণরূপিণী কুদ্ধটিক খেলে) পরম আগে * হৃদয় ভেদ করিয়া থাকে। ব্রহ্ম। আল-এয়ুক্ত-ছিন্ন করিয়া অত্যন্ত জাড্য প্রদান ফলিকে। (পরম আলোেক জীবনে পরিবেষ্টিত ফুটিত অলাবু লম্বি বীণা যেমন আনন্দ আত্মা, সূৰ্য। জাড্য--অজ্ঞত নক। ছিমবিশী কুজঝটিকা বা হিম উৎসবে শশাভা পায় না, তদ্রুপ নিদ্রা ও নাড়ীনিকর-পরিবেষ্টিত- সদৃশ-জল বিন্দুবষিণী জলদাপাঁ দিককণাবল এত করি। শরীরকোষশালিনী তৃষ্ণা, মহানততে বিরাজিত হয় না। শীত প্রদান করিয়া থাকে,আর সেই অবিবে পরিব্যপ্ত ফারূপিণী পৰ্বতগহবর-সন্তু লতা নিরন্তর অত্যন্ত মলিনা তৃ আমৃত আবরণ লোকে জ্ঞধিক জমাচ্ছে।) (নীচ প্রকৃতির হেতু, লতাপক্ষে—সবকিরণসংস্পর্শের অভাবে যেমন বহু পশুর কলশানৱকটা দী নর েগণ্ডি এলা), কইকোন্মাদায়িনী (বিষম-উদ-দায়িনী লতাপয়ে থাকে, তদ্রুপ সাংসারিক প্রাণীরই মা এই তৃষ্ণায় প্রতি কটুরসযুক্তা এবং উন্মাদকরী), দীর্ঘতী (বিস্তৃতা) এবং আছে। তৃষ্ণা আর খ-ইস, উই বিচিত মনম্নেহ ( প্রবল স্নেহের মূল, লতাপবেননির্যাসবতী )। বিগুণ, দীর্ঘ, মলিবল, শু এবং শয়। চি - তৃষ্ণা ক্ষীণমঞ্জরীর ন্যায় শূন্য, নিখলা কথা উন্নতা অমঙ্গল বিশি বিষয়রাগে রঞ্জিত, আচ নামিবি কী, নিরানন্দ-দায়িনী এবং কঠোরা। বৃদ্ধবেশ্যা-সদৃশী তৃষ্ণা দোষের মূল, অথচ ভাই বেকি মন হরণ করিতে না পারিলেও সকলেরই অনুসরণ করিয়া পুরুষে অবস্থিত, অথচ মেথর থাকে, অথচ কোন ফল প্রাপ্ত হয় না। বিবিধ-রসপূর্ণ মহা কিছুই নহে। সৃয়মন উপ া সংসারন্দে ভুবন । কুত্রিম রঙ্গমঞ্চে ওষ্ণাই পরিপক নকী। অথচ আকাশে উদিত ইনু ৰা তৃষ্ণারূপিণী বদ্ধমূল বিষণ | এই দীর্থসংসারজঙ্গলে বিস্তৃত হইয়া মধ্যে দেখা যায়—বিস্তৃত, তাই আছে। অরা ইহার পুষ্প, উন্নতি অবনতি ইহার কল। ১৮—২৩। কিন্তু অলকণা আর সূৰ্যতেজ লিউ নই। ঐ জরতীকীসদৃশী ষ্ণা অসাধ্য হলেও তাণ্ডব-গমন এবং বস্তুটা মরীচিকা-সলিলের স্থায়। গৰু নিরানন্দে নৃত্য করিয়া থাকে। চিন্তারূপিণী চপল ময়ুবী, বাসার আছে, ইহার ত1 নাই। বিষণে কার এবং সদৃশ মােহ বরণের সময়ে নৃত্য করে, বিবেকালেক প্রকাশিত কত বড়—অথচ কিছুই নহে-অবিল পড়া শেষ হইলে বিরত হয় এবং দুর্লঙ্গ স্থলে পদত্যাস অপ্রাপ্য বিষয়ে মূল, অজ্ঞান পুরুৰের অস। নেই কেy০-৩৫ আসক্তি, পক্ষান্তরে-দুর্গম স্থানে নীড়াদি নিশ্বাণ) করিয়া থাকে। এই তৃষ্ণাই বিৰোধি গুণস্বরূপ সমূহেরু, আপৎ- , বর্ষাকালমাত্ৰ-প্রবাহিণ অঙ্গিীর স্নায়, ক্ষণকালের জন্য কলনে শরৎকাল, নমলে নিী, নারের হেমন্ত উল্লসিত হইতেছে। জডকয়ে ললতা, সময়ান্তরে সম্পূর্ণরূপে রজনী, সংসারনাটঃ নট, গৃহকি পনিসাননে হরিণ শয়তা এবং তৎকালে মধ্যে মধ্যে বিচ্ছিন্নতা উভয়েরই থ (জড- এবং স্মরঙ্গীতে বিপক্ষী। তৃণই বাগযুদ্রের ভুল, তৃষ্ণই কল্লোল-বহুলতা—অজ্ঞানপ্রবৃত্তিাল, অথচ জলের তরাধিক্য। মােহরূপ হীকে শূর থিম আগিছে অহাৰ সন্মান্তরে সম্পূর্ণরূপে নুন্যতা-সকালে অলীকতা, অথচ বর্ষা- পলায়নে সুখ নাই, তুই খেয়ােছ- বাদে জলাভাৰ। তৎকালে মধ্যে মধ্যে বিচ্ছিন্নতা বিরােধিবৃত্তির বী(ঝুরি) এ তৃষ্ণাই যমে কেদী এই অ তৃষ্ণার বিচ্ছেদ, অথচ মধ্যে মধ্যে জলভাৰ)। ক্ষুধাতৃষ্ণা- তৃষ্ণাই আমরণ দুখের ত্বয়ীগকাটেআখ সেই ব্যাকুল পক্ষিণ যেমন বিনষ্ট বৃক্ষ পরিত্যাগপূর্বক বর্তমান ফারূপিণ নিত্য ও বিলাসিনী দে विनाम পাপ অবলম্বন করে, তদ্রুপ তুফাও এক পুরুষ পরিত্যাগ করিয়া সামগ্রী। কৃষ্ণা কাশপথেই লা, লোকন মালােক, পুরুষান্তর আশ্রয় করিয়াকে।২৫-২৮৷ কারূপিণ চঞ্চল-বানরা কখন অন্ধকার এবং কখন হিমন অফা, সেইরূপ অক্ষনীয় মূলেও পাস করে, পরিতৃপ্ত হইলেও কল আকাশ কখন ঈষধিৰেকাশ, ক অনেক অঞ্জন - করে, অনেক সময় এক স্থলে অবস্থি করেনা (লক্ষণীয় মূল রও সাধ্য। যেমন কলা সন হইলে প্রাপ্য ৰম্ভ, অথচ অতি উচ্চ স্থান ,পদা-আসক্তি, অথচ রাক্ষসগণ দূরে যা, ড্রপ তৃষ্ণায় উপকার শ্রম দূর পদৰেপ ,পরিতৃপ্তি—উদরপূর্ণতা, অথচ অভাব না থাকা, ফন- যেমন বিশিষজনিত বিটি বেগ যে সব নি ৷ বিষয়, অথচ গজের ফল। চশমালীতি উচ্চ আনে উঠিয়া হয়, সে সময় পর্যন্ত রোগী ব্যক্তির কাছ বিকে, উদর পূর্ণকিতেও এর ফল আহরণ করে আর এক থাকে, সেইরূপ ঞ্চাও যদিৰ নিবৃত্ত নাহয় " যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ পুরুষ না মুৰু ব্যাকুলচি ও মােগ্রন্ত হইয়া থাকে। বিমূঢ় আত্মার আশ্রয় বিবেকের অন্দুক শরীর দেহ অগণই টিয়া ত্যাগ করিলেই লেকে সকল দু হইতে অব্যাহতি পায়। করিয়া থাকে। দেহের অসেই আনন্দ এবং অলেই দু হয়, কথিত আছে,-চিশরিবর্তনই জাল বিচিকা রােগের উপ- অতএব দেহের ন্যায় নীচ, শােচনীয় এবং গুণহীন আর কিছুই মমন্ত্র। ৩–৪৩। যেমন হ্র-চারিণী মংসী ভূ পাষাণ কাষ্ঠ , নাই। গুল্ম (নােগবিশেষ ও মূল শিকড), ছায়া (কান্তি প্রভৃতি সকল বস্তুকেই আমিষভ্রম গ্রহণ করত বড়িশবিদ্ধ হইয়াও রৌদ্রের অভাব) এবং বিহঙ্গম-কুল্যায়-(মন ও পক্ষিনীড) ই থাৰিত হয়, তৃষ্ণাও প; অর্থাৎ অন্তসম পৰ্যন্ত সম্পন্ন, ছেলে-ভেলেিযাগ্য এই দেহরূপ কনস্পতি সময়- সকল বিষয়েই হার আসক্তিকে। যেরূপ দিনক-কিরণ বিশেষে উৎপত্তি বিনাশশালী, দর্শনকে রবিরাজিত, বিকশিত বলী কমকে উত্তাল (উবিকশিত) করে, সেইরূপ রােগ- স্মিকুমে ত , দশনিকররূপ বিহালের আয়- যন্ত্রণা আর কামিনীকামন গভীর মানবকেও উত্তান (অধীর) তন্তবৎ দণ্ডায়মান ভুজযুগল ইহার শাখ, দৃঢ় স্কন্ধই ( বাকর করিয়া থাকে। তৃষ্ণা বেষ্টির ন্যায় শুতা, গ্রন্থিসম্প, উপরিভাগ) বিশাল স্কন্ধ (শাখার মূল ), নয়ন ঘুগলই ভ্রমরকেট দীর্ঘাকুর-দীর্ঘকন্টকবিশিষ্ট এবং মুক্তামণি-প্রিয় (গ্রন্থি -শবীনাদি শিয়ােভাগই বৃহৎ ফল, কর্ণযুগলই কাষ্টকুটুক (কাঠঠোকরা) জড়পদাৰে চেতনতৃবুজি এবং গাঁট। তৃষ্ণার অঙ্কুর-চিন্তা; পক্ষীর চার-জনিত ছিদ্র, কর-চরণই পল্লব এবং জবরূপ কন্টক—ৰিবে। মুক্তামণির সামগ্রী আর মুক্তা নামক পথিকবৃন্দ ইহারই আশ্রয়ে বাস করে এবংবিধ দেহস্পতি হইতে উৎপন্ন হয়। কোর গর্ভ শূন্য, গ্রন্থি আছে, কাহার আত্মীয়, কাহারই বা পর, ইহাতে আবার আস্থা-অনাস্থা সুর ও কন্টক লীষ, লােকলােভনীয় মুক্তা বেণু হইতে উৎপন্ন কি ? হে অত। সংসারসাগর পার হইবার এই বারংবার হয়। তৃষ্ণাও অন্তঃসারশূন্য, শরীদি জড়পদার্থে চেজ-বুদ্ধিকপ আশ্রিত পােতপ্রতিম দেহলতাক আত্মা মনে করিবে কে ? ১-১ গ্রন্থি তৃষ্ণাতে আছে, চিন্তা, বিদ্বেষ কষ্টক এবং মণিমুক্তাপ্রীতি লােময়াজিরূপ অসংখ্য পাদসঙ্কুল, বহুবিবরণ দেনামক র )। ৪। অহহ। কি আশ্চৰ্য। কে শূন্য অরণ্যে চিরদিন নিঃশক্ষভাবে স করিতে কাহার বিশ্বাস করা দুঃসাধ্য হইলেও জানিগণ বিবেকৰূপ শাণিত থঙ্গে হে ভাত। ধ্বনিহীন সচ্ছিদ চৰ্ম্মাদিনির্মিত পটহে সূs ; ছেদন কষিয়া থাকেন। হে ব্ৰক্ষা। এই সুদয়সংস্থিত মার্জারের শা, আমি এই মাংস-স্নায়ু-লগিঠিত অসার চিই ন তীক্ষ্ম এঙ্গের বার, অশনির তেজ এবং অপ-লৌহ, শরীবে সাস “রিতেছি, কি উপায়ে ইহা হইতে নির্গত হওয়া অনলঘালাও তেমন তীক্ষ্ণ নহে। তৃষ্ণা-উজ্জ্বল, তীক্ষ, যাই সে উপদেশ-শব্দ ইহাতে পাইবার খাে নাই। কামনাম- মনি, জাহভয়ে দুঃ, মেহময়-দীর্ঘদশাসম্পন্ন, প্রত্যক্ষ- পথিক সেবি সচ্ছায়াসম্পন্ন ব্যায়ামরিস ছিদগর্ত উন্নত গের উৎকৃষ্ট দপয় ল্য , কেননা তৃষ্ণাতেও ঐ সুন্দল দেপী বটবৃক্ষ আমার সুখের হেতু ন (সরসচ্ছায়া- উজ্জ্বলতা থাকে, কিন্তু অগ্র-পশ্চাৎ পৰিণাম মলিন ও কষ্টকর, যৌবানি ও শীতল ছায়া , ব্যায়ামবিরস—শ্ৰমৰূ* দার্গ শাখার এবং দীর্ঘকালই নেই, কও অন্তর্দার জন্য অসহ, লােকের জুন সক্ষভব প্রাপ্ত , ছিপ উদৱই ছিদকপ । এই বটবুক শষ্ট উপলব্ধির বিষয়ও বটে। এক তৃষ্ণা, মুমতুল্য স্থির সংস'র অরণ্যে উদ্ভত অসীম দুৰূপ ঘুণ ক্ষত-বিক্ষত, চিনুরূপ এর এত্ত পুরুষপ্রধানকেও ভূবং অপদাৰ্শ করিয়া ফেলে। বানর ইহাতে বিহার করি। থাকে, চিপই ইহ'ল মঞ্জরী । বীণগহনলিনী নিবিড়লাল-পূলিবহুলা অন্ধকার-হিমানী পন্নগী, বেষ-বাস, নিখিল ইন্দিয়ৰূপী বিহঙ্গমগণ এবং অহাৰ- সম্পন্ন ভয়ঙ্কর বিভূমি আর তৃষ্ণা একই, কেন, এই তৃষ্ণাও খুধের এই রক্ষেই বাস, ঈষৎ হাস্থ ইছার পবিত্রতা, শুভ এই নানারূপে বিস্তীর্ণ এবং গহন দুর্লক্ষ্য) নিবিডজালসদৃশ রজোগুণ মহৎ সল, শখ, সুষ প্রাণ-বিকম্পিত অবয়- প্রচুর পরিমাণ হাতে আছে অজ্ঞানই ইহার ছিমনী, ভীষ- বই প্রকম্পিং-কলেবর পল্লবদল, উন আসন্তোয় এতা আছে। যেমন এক মাধুৰ্য্যশক্তি-সমুদয় সলিল অবস্থিত নিভাগ এবং কুম্ভলকলাপ-গীর্ঘদেশ-উৎপন্ন দ রাজি। হইলেও নদী-সমুদ্ৰাদির ক্ষৗর, উদক, অম্বু ইত্যাদি নামে প্রকাবে বিভক্ত বাসন'কপ জটাল চুলভাগ বেষ্টন করতে পরিচিত নানাবিধ সলিলে একপে লক্ষিত হয় না, তদ্রুপ এক এই দেহ-বটতকর উচ্ছেদ সাধন অত দুই। ১০-১৭। হে শরীরতৃষ্ণাই নিখিলভুবন যাবতীয় ভােগ্য বিষয়েই বদ্ধ ইলেও মুনিবর! অহঙ্গারূপ গৃহস্থের মামন্দির এই কলেবর ভলে ব্যবহারক্ষেত্রে তাহা সেই শরীরতৃষ্ণাৰূপেই লক্ষ্য হয় না। কিন্তু কিলভিই হউক বা স্থির হইয়া থাকুক—তাতে আমার কি ? আশা কাম ইত্যাদি রূপে লা হয়)। ৪৭-৫২। ইন্দিপশুগণ শ্রেণীবদ্ধভাবে অবস্থিত, সর্ব অবয়ব রাগে(সুরা সপ্তদশ সর্গ সমাপ্ত। ১৭। ও চিত্ৰণ দ্রব্য। রঞ্জিত, বলব না গৃহকামিনী—এমন যে কলেবরমন্দির, ইহাতে আমার ইষ্ট নাই। পৃষ্ঠকালরূপ কাঠ সহরি সংবােজনে আলকোটর এবং অন্ত্রময় রজ মারা কাদশ পর্গ । বদ্ধ শরীরনিকেন আমার অভিলষিত বস্তু নহে। বিস্তৃতপ্রায়- শ্রীরাম বলিলেন সরস-অ-নাডীজটিল বিকারক এবং সূত্র, শােণিতসলিলে কর্দমাক্ত, বার্ধক্যরূপ সুধাবিলেপনে ধবলিত এর যে যে সংস'র শােভা পায়, অহাও কেবল দুধের শরীরমন্দির আমার অতীষ্ট বস্তু নহে। চিত্তরূণী তোর সীম দিন। দেহ জ্ঞানহীন হইলেও পঞ্চকোৰবেষ্টিত আত্মার চেষ্টায় যাহা স্থিরভাবে ৩ায়মান, মিখা মােহই বার মহাভ, বিচিত্র সঙ্গে চেনে শ্রায় প্রতিভাত, অসার হইলেও মােকে তা শরীমন্দির অামার আকাতি য নহে। দুরূপী উপপে ,তাহা সাধারণ ডেরায় নহে এবং চেতনও নহে। বালকের শনধ্বনি পুলিশ শয্যাসজার সৌন, হচেষ্টা এই অফ কি চেজ এইরুপ পরে দেহুলশান এন এ রুপি দাসীর (পােড়া-চালায়)তি কেনে এছে, সেই - বৈরাগ্য-প্রকরণ ' শরীরনিকে আমার অভীষ্ট বস্তু নহে। দোবাতি বিষয়রূপী অধমের কি লজ্জা আছে। বীরকা প্রস্তুত করে, অসম্মার্জিত ভণ্ড ও গৃহােপকরণ-সমাকী, অক্ষানরূপী ক্ষার নানা ভােগ করে—ভপিউ কিরে না, তবে- স্থানে স্ফুটিত,—এমন যে শয়ীরমন্দির, ভাই আমার অভীষ্ট বস্তু পালনের প্রয়ােজন কিলী বিজয়ের পক্ষেই সমান নহে। জলাস্তরে আখরকাষ্ঠ গুল, জানুর উভাগ সেই বিশেষ ক্ষান তাহার নয় এরা এবং আয়ুশেষে মৃত্যু শুন্তের পদেশ, দীর্ঘ বাহুয়পী দারুঘােনায় দৃঢ়ীকৃত উভয়ের শরীরেই ঘটিক। ১। এই শবীররূপকল এতাদৃশ শরীরমন্দির আমার অভীষ্ট বন্ধু নহে। ১৮-২৫। -সংসার-সমুদ্রের গরু-বি: অতবৰে উদ্ধাৰচেষ্টায় হে ব্ৰহ্মণ। যথায় অজ্ঞারূপিণী গৃহিণী জ্ঞানেন্দ্রিয়রূপী গৰাক্ষের পরাসুখ হইয়া চুপ কলিজাৰ করে। অভ্যন্তরে ক্রীড়া করে এবং চিন্তা যথায় বিরাজ করে, সেই শরীর সমুদ্রে ভাসমান বহুতই কালো আর মাত্র ২২ােগ, মন্দির আমার অভীষ্ট বস্তু নহে। যাহার কুন্তলপাহদি (ছাদ), আত্মধ্যে কোন কোন (s সিযেকোগযুক্ত) দেই নহে। কর্ণযুগল—ছদি-আচ্ছাদিত শােভন শিয়ােগৃহ এবং অনতিদীর্ঘ চিরস্থায়ী, দৌরাত্ম্যরূপ নিশাণী, রূপ ফলভাকে অবনত অপিনিকরকাঠচিত্র, তাদৃশ শরীরমন্দির আমার অভীষ্ট বস্তু দেহলতায় বিবেকীর কোন মােন না। বিয়মে নিমগ্ন, নহে। সর্বাঙ্গ—কুড্য (দেয়াল ), তাহাতে উৎপন্ন ঘন রােমাবলী সহসা জরাগ্রস্ত শরীররূপ তু অতিকালের খ্যই কিপে ধবাঙ্কুর, উদচ্ছিদই অত্যন্ত-অবকাশ—এমন যে শরীর- কোথায় যাইবে জানা যায় না। কলাপীয়-পানের সমগ্র মন্দির, তাহা আমার অভীষ্ট নহে। যথায় নখরনিকর উর্ণনাভ কাৰ্যই নিঃসার (অসার ও নী), রমোগেই তার গতি জাল,ক্ষুধাকপিণী কুকুরী অঙ্করকে আকুল করিয়া থাকে, প্রাণাদি (অর্থাৎ ঝা-পবন পূমিতে থাকিলেছুম বুলি উন্নভীন হয়, পলা- রূপী প্রভঞ্জন যথয় ‘ভ। ভা’ (ভোঁ ভোঁ শব্দ করে, সেই শরীর- তরে রাজস প্রবৃত্তি অনুসারে ,কেহ ইকে মন্দির আমার ঈপিত নহে। যথার বেগবান্ সমীরণ বশ সংসারে প্রকৃতপক্ষে দেখিতে পান না। হে ভগ, ও নিঃসরণে সতত ব্যর্থ, ইন্দ্ৰিয়ৰূপী গবাক্ষ বিস্তীর্ণ, সেই গমন-আগমনীল (বি) বায়ু, এ মন গল্প । শরীরমন্দির আমার ইষ্ট নহে। জিরা-অলিযুক্ত বদনগার যাহাকে অবস্থা। বরং পরিজ্ঞাত হওয়া যায়, ভয়ঙ্কর করিয়া তুলিয়াছে, দত্তকপ নগদণ্ড-মন্থিখণ্ড যথায় পবি- কখনই পরিক্ষ্মত হওয়া যায় না। গরুর খামা- দৃশ্যমান, সেই শরীমন্দির আমব অভিলষিত নহে। ১৬-৩২। বলিনয় বিশ্বাস করে এবং অগতের স্থা বলিয়, বিশ্বাস করে এবং জগতের বিবাহ। স্মৰূপ সুধিলেপনে সুচিক্কণ, শ টালিগনান কম্পিত, মনঃস্বরূপ মােহমদিরায় উন্মত্ত , তাহাদিগকে বলছি এবি। চরজীবী মূষিককন্তুক উৎখাত শরীরমন্দির আমার অভীপিত দেহের সম্বন্ধ আমাতে নাই, আশর-ই, এই হে। কখ ঈষৎ হাঙ্গরূপ দীপপ্রভায় উক্ত সিত, কখন বা ও আমি এক নয়? এইরূপ বিচার করি। শােকদুঃখৰূপ অন্ধকারপটল পরিব্যাপ্ত শরীরমশির আমার করিয়াছেন, তাহারাই পাগশ্রেষ্ঠ। সমন, মভীতি নহে। সমস্ত রোগের আশয়, বলি (মাংসলােলত।) ও বিবিধ লাভ দেখাইয়া লেকের মনােরল হািতে পলিতের (পঞ্চকেতার) আবাসভূমি, সবিদ মনঃপীড়ারূপ আছে, তাদৃশ অজ্ঞানদৃষ্টি—দেহাত্মবাদী লিখন মারধনে পরিপূর্ণ এই শরীরমন্দির আমার অভীষ্ট নহে। এই করে। শরীর-বিব-শায়িনী কোমলঙ্গী পিশাচী হারজনিত ন্য দেহ-ময়ণ্য আমার অভিষিত নহে -ইহ। ইলিকপ বিষয়ক্ষার প্রতারণায় আমরা প্রতারিত হয়। ১। লুকগণের দৌরাত্ম্যে ভীষণ, ইহার নবদ্বার-কোটর অসার এবং হায়। দুর্বল। অসহায় নিখিল সদুরি এ দায়ি [ম দক্ষিণ প্রভৃতি অবয়বৰূপী নিকুঞ্জ অজানাকারপূর্ণ । বিশ্বাসে মূল-কারণ মিথ্যা-নিরূপিণী দু মাসীর এম হ মুনিবর। যেমন দুর্বল ব্যক্তি পঙ্কমগ হস্তীকে উদ্ধার করিতে হইয়া থাকে। এই পরিমান তে বিলমাত্র সজ্য না থাকিলেও পারে না, সেইরূপ আমিও এই শরীরনন্দির-ধারণে অক্ষম অস্তিত্বহীন দগ্ধ দেহ (পােড়া-গীয়)যে লোকসমূহকে প্রতারি ইতেছি। লক্ষ্মী, রাজ্য, দে এ বিষয়চেষ্টায এল কি ? করে, ইহ বিচিত্র। কিয়দ্দিসের মধ্যেই এরীরগঞ্জৰ পরিপক্ক হই, কতিপয় দিনের মধ্যেই কাল সকলই ত খণ্ডন কয়ি খকেন । প্রশ্রবণক্ষরিত গুণবিন্দুর গায়, আপনা-আপনিই খয় পড়ে। নিবর। এই রক্তমাংসম নশ্বর শরীরের কাহ অভ্যন্তর বিবে- সমুদ্রে জলবুদবুদর স্থায় কখনংসী এম নার এই না করিয়া বলুন, ইহার আবার রমণীয়তা কি? হে ভাত। মরণ- শরীর ভীষণ সাংসারিক কার্যাবর্তে ব্যথা দূণিত হয়। যে দিক । লে যাহারা জীবের অনুগামী না হয়, সেই কৃতঘ্ন শরীরবৃন্দের এই শরীয়মিথ্যাজ্ঞানেরই পৰিগাৰ, অথবং ভ্রামিয়ই নশ্বর ধতি (জম জন্মের কত শরীর ) বুদ্ধিমান্য লােকেরা আস্থাসম্পন্ন সকলেরই প্রত্যক্ষসিদ্ধ, এজন্য ইল প্রতি আমার কালের ইবে কেন ? শরীব—ম হস্তীর কর্ণগ্রের ন্যায় চঞ্চল, পতনােমুখ ও আস্থা নাই। গর্মনগর (মানসিক ভমে আকাশে যে লবিন্দুর স্যায় কাতর , এই শরীর আমাকে পরিত্যাগ করিতে তেজােময় গৃহাকার বস্তু কখন ও দৃষ্টিগোচর , তাহাই করিতে আমি ইহাকে পরিত্যাগ করি। ৩৩–৪০। এই কোমল গন্ধর্বনগর), শরৎকালের মে বিদ্যু’যাহার স্থায়িত্ব- বীর-পল্লব, প্রাণবায়ুস্পন্দনে চঞ্চল, ‘জর-জর এবং স্বভাৰত নিশ্চয় হয়, সেই ব্যক্তিই শাক খলিী খলিয়া গিস করুক দ্র, ইছা কটু এবং নীল, আমি ইহাকে ভাল বাসি না। অস্থায়িত্বের মূল অনেক দোষ শরীরে এইজন্যই ভঙ্গুর রীর চিরকাল পাল-ভােজন করিয়াও নবকিশলয়ের ন্যায় কোমলতা Hতা প্রাপ্ত হয় এবং কি কে ধ্বংসমুখে অগ্রসর হয়। * মৃত্যু হার অগেলি, অনরে অধ রীর, ভাবতাময় যে সকল সুখ-দুঃখ প্রতিবারেই ভােগ পতিত ইতি টাকা। র, পুনর্বার আহাই ভােগ করে, এ তি , যােগবাণি । এলে বহুতর শতকুর বহু অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ গন্ধর্বনগর প্রভৃতি যেমন ধনীর অনুবর্তী হয়, দ্রুপ যাবতীয় দুঃখ, যাবতীয় পদাষ এবং হইতে ইহার উৰুৰ , এতাশ এই শরীরকে জ্ঞান করিয়া যাবতীয় বিষম মনপীড়া বালকেই অনুবর্তন করিয়া থাকে। আমি হয়ে আছি। ৫২। শিশু যদি প্রতিদিন নূর নূতন প্রীতিকর সামগ্রী না পায়, তাহা সর্গ সমান্ত। হইলে কালকূটোপম দুসহ মনক্ষোভে কাতর হইয়া পড়ে। বালক কুকুয়বৎ অলেই বশীভূত হয়, অলেই অসন্তুষ্ট হয় এবং অতি অপজি-বস্থাতেই ক্রীড়া করিয়া থাকে। বাসিক্ত উত্তপ্ত মূলী একোনবিংশ সর্গ। এবং শিশু উভয়েই সমান; উভয়েই অজস্র বাষ্প (অথচ উমােগ) মােচন করে, উভয়েই কর্দমাক্ত কলেবর এবং জড় নাম বলিলেন,নাকাৰ্য কাপতঙ্গ-সহুল তরকার প্রকৃতি (অজ্ঞ এবং স্থাবর)। ১৩-২০। ভয়, আহার, চঞ্চল (অখির শরীরসন্ন এচ বিভেচঞ্চল) সংসার-সাগরে মনুষ্য- বুদ্ধি, সৃষ্ট ও অদৃষ্ট বস্তুতে অভিলাষ এবং কাজ, বল্যের ধৰ্ম্ম, জয়লাভেও ব্যাবস্থা কেবল দুঃখেরই মূল। অসামর্থ্য, নানা শরীর—কেবল দুখের জন্যই এতাদৃশ বাল্য অবস্থা ভােগ করে। আপ কৃষ্ণা, বাশক্তির অভাব, বুদ্ধিমােহ, ক্রীড়াদি বিষয়ে শিশু দুর্কল, নিজের অভিলষিত ৰঙ না পাইলেই তাহার জয়ের কামন, চাপল্য এবং কাতরতা, এ সমই বাল্যাবস্থার খন্ম। তাপ উপস্থিত হয়, হৃদয় উলিত হওয়ার স্লায় দুই ভােগ করে, যেমন হন্তী আলানে বন্ধ হইলে, বিবিধ অবস্থাপন্ন হয়, তদ্রুপ | বালকের যত দুঃখ, এত দুঃখ আর কাহারও নাই,, এই সকল মানবও বাল্য অবস্থায় আবদ্ধ হইয়া রােধ, মােন, দৌরাত্ম্য এবং 'দুঃখের মূল ‘দুরন্তপণ এবং দারুশতার হেতু বিবিধ চাতুরী। গ্রীষ্ম- তৈ জর্জরিত বিবিধ অবস্থা ভােগ করে। শৈশবে যে সব উত্তাপে বনস্থলী যেরূপ নিত্য উত্তপ্ত হয়, মনােরখের অনুগামী স্বীয় চিন্তা হৃদয় কর্তন করে, যৌনে, বার্ধক্যে, রােগে, বিপদে, এমন বেগশালী মন দ্বারা বালকও সেইরূপ নিত্য পরিতপ্ত হইয়া থাকে। কি মৃত্যুতে পর্যন্ত সে সকল চিন্তা থাকে না। শৈবচরিত- বিদালয়প্রবিষ্ট বালক আলানবদ্ধ গজরাজের ন্যায়, গরল-বিলাস- মন্ত্রণাধিক দুঃখপ্ৰ, সকলেই অবজ্ঞাত এবং চঞ্চল , তাহার কাও ভীষণ পরম যন্ত্রণা ভােগ করিয়া থকে। ২১২৫। নানামনােরখময় পপলীর কাৰ্যের অনুরূপ। ১৫। বাল্যাৰ-অজ্ঞান এবং মিথ্যাকজনভুষ্ঠি অসার আয়ের অস্পদ শৈশব অন্তু দীর্ঘ জনপ্রতিকিন্তু উভয় স্বরূপ * (অথবা প্রতিবিম্বসমন্বিত নিবিড়। দুঃখভােগেরই হেতু। যে অবস্থায় অজন বশতঃ ভুবন ভােজন অজ্ঞানের আশ্রয়) বিবিধ অস্থির সঙ্গে অসার এবং এবং আকাশ হইতে চ-আহরণের আশয়ে সৃষ্ট হয়, সেই বাক্য হাৈতে মন বিচ্ছিন্নচিতের ন্যায় সতত দুঃখিত থাকে , অতএ অবস্থা কেমন করিয়া সুখের মূল হইতে পারে ? হে মহামতে। বা কাহারও বনহে। শৈশনে অজ্ঞান বাত জল বালক আর রুক্ষ পার্থক্য কি আছে ? দেখুন) উভয়েরই অনল এবং বায়ু হইতে শচুর ভয়ে পদে পদে যে প্রকার দুঃখ- অন্তরে জ্ঞান অথচ শীত-রৌদ্র-নিবারণে শক্তি নাই। বালকের ভােলা হয়, সেরুল হুতে বিশেষ বিপদেও কোন (শৈশবাে- অ পাইলে ৰা সুখ হইলে, পক্ষীর ন্যায় পক্ষ বিস্তার করিয়া জীর্ণ ব্যক্তির নাকে? বালক লীলা ও দৌরাত্ম্য সূচক উড়িতে ইচ্ছা করিয়া থাকে। শৈশবে অধ্যাপক, মাতা, পিতা, বিলাসকষ্ট অভিপ্রায়ে প্রবলরুপে আসক্ত হইয়া অধিক অপরিচিত ব্যক্তি এবং জ্যেষ্ঠবালক হইতে ভয় হইয়া থাকে জ্ঞানের পরিবে। শৈৰে নিষ্ফল কার্যের জন্যও উদ্যোগ | অতএব শৈশব ভয়ের মন্দির। হে মহামুনে। যাহাতে সকল আড়ম্বর হয়, দুষ্টামি শৈশবের ধর্ম প্রতিষ্ঠাবর্জিত এবংবিৰ শৈশব দোষের অবস্থা হইতে অন্তঃকরণ মলিন হয়, যাহা অবিবেকরূপী পুরুষের শাসন-ভােগের জন্যই হয়, শান্তির জন্য নয়। দোষ,, বিলাসী পুরুষের আশ্রয়, তাদৃশ বাল্য-অবস্থা সংসাৱে কাহারও দুরন্ত দুরাচার এবং বিষম মনকষ্ট—এ সমস্যই, অন্ধকারগর্কে | সন্তোষনে সমর্থ হয় না। ২৬-৩১। পেচকো, শৈশবাবস্থাতেই এস্থিত। হে ব্ৰহ্মণ। যে সকল একোনৰিং সর্গ সমাপ্ত। ১৯। ফলবুতি ব্যক্তি, বাল্য-অবস্থাকে রম্য মনে করে, সেই চৈতন্য- হীন মূর্ব পুরুষদিগকে ধিক্ থাক। যে অবস্থায় চিত্ত সর্ববিধ ব্যব- হারেই দোদুল্যমান থাকে, জগতে অমঙ্গলাস্পদ সে অবস্থাও বিংশ শর্গ। কিরূপে সােকর হইতে পারে? ৬-১২। হে মূনে। সকল প্রাণীরই ৰাৰ সকল অবকাপে দশগুণ মন চঞ্চল হয়। শ্রীরাম বলিলেন-অনন্তর পুরুষ, শৈশবের অনর্থ হইতে মন ভাৰতই চঞ্চল, ব্যাবস্থাও ভ্যস্ত চাপ্যস, তদুভয়ের অব্যাহতি পইয়া এমাকুল হদয় যৌবনারূঢ় হয়, এই আর- এণজনিত কায়িক কুৎসিত চাপল্য হইতে কে পরিত্রাণ হণের ফল প্রপাত। অজ্ঞান যুবা, অনন্তবিলাসময় স্বীয় চপল করিতে সমর্থ হয়। ক্ষ। কামিনীকটাক্ষ, তড়িৎপূজ, অনল- চিভের বিবিধ বৃত্তিৰণে এক দুখ হইতে অপর দুঃখ ভােগ করিতে শিখাসমূহ এবং উশি একে মন হইতেই চপ শিক্ষা থাকে। হৃদয় বিষয়ে অবস্থিত বিবিধ সশ্রম (ভ্রান্তি) হে করিয়াছে। শৈশব এবং সকল সময়ে সকল কার্ধেই চঞ্চল। মদন-পিশাচ অক্ষম যুবাকে আয়ত্ত করিয়া ফেলে। অঞ্জন বেরূপ ঢাবি ও যুগলের স্থায় লক্ষিত হয়। লােকে বালকদিগকে (নয়নমােগ দূর করিয়া স্বচ্ছন্দচারী করে, ভদ্র অবশ মন রমণপ্রতিম চঞ্চলভাৰ চিন্তানিচকেও স্বচ্ছন্দগাম প্রতিবিম্বন ৎ নিড়িমাৎ প্রতিবিম্বৰলীকৃত মৰিত ৰ ইতি ৰা * টীকাকা বলেন, সমুখস্থ অং ভবতি সমধ্যে প্রতি ইভ্যর্থ। “ল অত্যর্থ এসূির্তির নিবিড় অজ্ঞানের আয়। ইতি টাকা।
বৈরাগ্য-প্রকরণ ৭১ করিয়া থাকে। হে মুনে। যৌবন-দূষিত ব্যসন-হেতু দোষনিচয় করত (একেবেই ) Hসা করেন না। সােবকপ-মুকাদশ কামচিন্তাধি-পরতত্র দুশ্চিন্তায় যুবাকে নষ্ট করিয়া থাকে। মা অভিমান-প্রাচুধে মত্ত গজরাসকৃবিবেকী পুরুষের যৌবনই নরকের মূলীভূত, সর্বদা ভ্রান্তি যৌবন যাহাদিগকে নষ্ট করিতে অধঃপাত ত্বে সতত ৰৱন ।১৫২২। হায়। যৌবই পারে না, সেই সব লােক আর কাহারও হন্তে নষ্ট হয় না। অন্তৰ্দাহজনিত বিশুষ্কতা ও লােলরূপী রাজির অরণ্য, মনই নালারসময় বিচিত্র-বৃত্তান্তনিচয়-পুর্ণা ভীষণ যৌকারণ্যভূমিকে এই অরাজির বিশাল মূল এবং শােপ ভুবলী তাহাতে যে পার হইতে পারিয়াছে, তাহাকে ধীর বলা যায় ( রস অবস্থিত। যৌবনকে দুশ্চিন্তারূপ বকুলের অরবিন বলি বিষয়ভিলাষ, এবং জল, যৌবনপক্ষে-বিবিধ বিষাভিলাষমন্ত্রী, জনিবে, সুখল–মকর, অনুরাগনি-কেশর এবং বিৰিণ অরণ্যভূমিপক্ষে দুস্তর জলমুয়ী, বিচিত্র বৃত্তান্ত—যৌবনপক্ষে অলীক বিকলই উহাৰ লশ্রেণী। নবৌৰ—পাপপুণরূপ অসার লােভ-কামাদির মাধ্য বিবরণ, অরণ্যভূমিপক্ষে-চোর-ব্যাঘ্রাজির পসম্পন্ন হৃদয়-সলােবর-তীয়বিহারী আধিব্যাধিরূপ বিহুকুলের বিচিত্র বিবরণ)। ৭। নিমেষকালমাত্র উদেহ চঞ্চল-ধন শ্রয়। নবযৌবন, অড়রূপ (জ্ঞানময় অথচ এলষয় ) বিরাজ- গর্জনসম্পন্ন সৌদামিনীর ন্যায় প্রকাশমান অমঙ্গলদায়ক যৌবন মন অসংখ্য বিকল্প-মহাভরজের কুলপ্লাবী সমুদ্র। আমার ভাল লাগে না (মেষকালমাত্র উজ্জ্বলদেহ অতি উদ্ধত করিয়া মােজালবিস্তারে সমর্থ প্রচণ্ড সমীরণ যেমন অল্পদিন দেহকে উল রাখে যে, অথচ ক্ষণকালমাত্র বাহার উানাভ-ভজলের অস্তিত্ব-পিলােপ-নে কুল, রাত ও দেহ উকুশ। চঞ্চল-ঘন-গর্জনসম্পন্ন—অভিমানাদিচক বহু তমোগুণ বৃদ্ধি হেতু বিষয় যৌবনকালও এষত্বসম্পাদিত সদগুণ- চপল-বাক্য-প্রয়াগ-হেতু অথচ অস্থির-মেঘ-গর্জনসম্পন্ন , ঘন সমূহের অস্তিত্ববিনাশে সেইরূপ । ২৩২৭। ইতস্তত নিবিড়, বহু এবং মেঘ )। আপাতমপুর এখরােচক পরিণামতিক্ত পরিচালিত ইন্দ্রিয়রূপ আবর্জনার সৎসর্গে দুঃসহ যৌবন- দোষাবত এবং দোষভূষণ—অতএব সুধারাশিসদৃশ যৌবন আমার ধূল্লিাশি, ঢোকের বদনগুলে পাণ্ডুবর্ণ সম্পালন করুত উন্নতির ভাল লাগে না। যৌবন এবং প্লে-শ্রীসঙ্গ—সমান্ত , উভয়ই পরাকাষ্ঠা প্রাপ্ত হয়। পাপ-সশনের বিলাস-হেতু-মানগণের অসত্য, কিন্তু সতাব প্রতীয়মান, এবং আশু প্রতারণায় সমর্থ , যৌবনােল্লাস নােযাবলী উদ্বোধন এবং গুণাবলী উমূল করিয়া এতাংশ যৌবন আমার ভাল লাগে না। ক্ষণিক মনো যুবতীয় থাকে। এই নবযৌবনরূপী চন্দ্র-শরীৱসয়ােজ-পরাগলােলুপা পদার্থের শ্রেষ্ঠ এবং সবল পুরুষেরই ক্ষম' (আকাশ) মনেহর মতিরূপিণী মধুরীকে (মুকুলিত-সরােজগঞ্জে) নিবদ্ধ করিয়া যৌবন—গন্ধর্ধনগরেরই সদৃশ, উহা আমার ভাল লাগে না। শর বিমােহিত করিয়া থাকে। শরীরূপ কাজে উদ্ভূত বশী পতন-কালমাত্ৰ (শরাসন-মুক্ত বাণ যতটুকু সময়ের মধ্যে ভূহলে যৌবন-কুনুমঞ্জরী উন্নতিলাভ করিয়া মানসংলকে সঙ্গমাত্রেই পতিত হয় ততটকু সময় অর্থাৎ অতি অল্প সময় সুখক, মােহিত করিয়া থাকে। মনােরূপ মৃগমুখীররূপ মরুভূমি দুঃখপূণ, সতত-হৃদয় দাহ-দোষহেতু যৌবন আমার ভাল লাগে হইতে কামভপসংসর্গে উদ্ভূত যৌনশৱীচিকার প্রতি (লিগবিলিগ না। বেশ্যাসংসর্গ এবং যৌবন আপাততঃ মুখহেতু, কিন্তু অন্তর জ্ঞানশূন্য ভাৰে) ধাবমান হইয়া বিষয়গর্তে নিপতিত হয়। যৌন মান অথচ পরিণামে সম্ভাবহীন, সেই বেশ্যাসংসর্গসদৃশ যৌবন শরীরদামিনীর চন্দ্রিকা, হৃদসিংহের টাকা এবং জীবন- আমার ভাল লাগে না। যে সকল কাৰ্য সকলেরই দুঃহেতু, সমুদ্রের অঙ্গ , ইহাতে আমার সন্তোষ নাই। যে যৌবনরূপ তৎসমস্তই, প্রলয়কালে প্রবল উপদ্রবের স্থায় যৌবনে অধিষ্ঠিত।। শরৎকাল, ইহা কয়েক দিনের দেহলে ফল হইয়া ৮–১৪। ভ্ৰমান্ধকারকারিণী যৌবনবিভূতি-অানরূপিণী রজনী- থাকে অতএব এই নয় যৌবনে আশ্বস্ত হওয়া উচিত নয়। সকাশে ভৈরতি ভগবানও বুঝি ভীত হইয়া থাকেন। ১৮৩৪। যেমন (বিশেষ সাধনা-ঝশে প্রাপ্ত) চিমণি যৌবনমােহ যে অত্যধিক ভ্রম প্রদান করে, তাহাতে সদাচার- কালমধ্যে মন্দভাগ্য ব্যক্তির হতভম্ভ হয়, সেইরূপ যৌন বিহু বিস্মরণ এবং বুদ্ধিহীনতাইপস্থিত হয়। শুরু যেমন দাবানলে বন্ধু অতি অল্পকালের মধ্যেই শরীর হতে উন্নিা বান্ন। যৌবন যে যে হয়, তদ্রুপ লােকেও বৌৰনে রমণী-বিবৃহ সস্তৃত হৃদয় দুঃসহ অনলে সময়ে পরম উৎকর্ষ প্রাপ্ত হয়, সেই সেই সময়ে যুবার কেক দগ্ধ হইয়া থাকে। বুদ্ধি সুনিল, বিস্তৃতা এবং বিশুদ্ধহেতু অধঃপাতের জন্যই সপসন্ধুল কাদের প্রাল্য হেয় থাকে। হইলেও, বর্ষাকালে নদীর ন্যায়, যৌবনে মলিনভাব প্রাপ্ত হয়। বাবৎ সন্ত যেীনমিনীর অবসান না হয়, ভাবৎকালই রাগবে- নকল্লোলমালিনী ভয়ারী নদী লজ্জন করিতে পারা যায় কিন্তু রূপী শিশচলের শ্রাবল্য থাকে। নানা-উপসৰল গণিী যৌনপল চিত্তচাঞ্চল্যকারিণী তৃষ্ণা অতিক্রম করতে পারা অসার যৌবনের প্রতি, মুমুধুপুত্রের , করুণাপ্রদর্শন কর্তব্য। যায় না। আহা। সেই কাভা, সেই পীনস্তনযুগল, সেই সব যে পুরুষ ক্ষণভঙ্গুর যৌবনে মহামুখ হইয়া এন- বাছাই হয়, বিলাস, সেই মুখ—এই সব চিন্তায় পুরুষ বৌনে অর র হয়। তাহার নাম নব-পত। যে ব্যক্তি মিমাহে আচ্ছন্ন হই যে যুবা পুরুষের জাপীড়া অস্থায়ী, গ (জীর্ণ অপেক্ষা মলমত যৌন অভিলাষ করে, সেই দুর্মতি চিরকাল যেই নতৃণের প্রশংসার ন্যায় বরং তাহার প্রশংসা করেন, কিন্তু তৃষ্ণা- অনুতপ্ত হইয়া থাকে। হে সাবা। আঁহার যৌবাট মাসে শড়া যাহাকে হেন করিয়াছে, তাহাকে গলিত তৃপের গায় জ্ঞান পায় হইয়াছে, তাহারা পূর্ণ হয় না এবং তাহারাই পৃথিবীতে পুরুষ। একল-কনিক-পৱি সাগও মুখে পার * টীকাকার লেন, সিন্ধান করলে অর্পণ করিলে ভূল নিধি দৰে সামৰূপ স্বচ্ছাচারিতানয়নপ্রভাব হয়।” টীকাকার বলেন, “সাধুগণচপলা ফুপুকে ছিল টীকাকার বলেন, “ভােগ কৃষ্ণা বা অন্তঃকরণ বিকারবি- জীর্ণ তৃণোস্তায় কেবল যে সম্মান করেন না। পরবঙ্গ জিনী যৌনচপলা তিতিতিক্রম। কৱিৱ থাকেন” ইহাই শ্লোকা। ।
ર যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ । হওয়া যায়, কিন্তু অনুরাগাদিকজেলবল-কী দোষসম্পন্ন কাৰ্য্য চঞ্চল-তারক নয়ন, পূর্ণচন্দ্রসদৃশ বদন, কুনুমকোমল হা, পুরুষের যৌবন উত্তীর্ণ হওয়া যায় না হে মুনিবর। বিনয়ভূষিত, সাধুজন- লীলাবিনােদন এবং কৰ্তব্য কৰ্ম্মের বিলােপসাধন-মনীরও আয়ত্ত। শান্তিভূমি, করুণােজ্জল গুণপরিবৃত যে যৌবন, আধু, সুযৌবন, এবংবিধা কামিনীরূপিণী হেমন্তবিভাবরী (কান্ধতা এবং সুষুপ্তি ইহ জগতে সেরূপ সুদৌবন আকাশ-কাননের আকাশ-কুসুম, দ্বারা) জ্ঞানহরণে পরমনিপুণা। কুসুমকমনীয়মধুর কর-কিশলয়- (আকাশ-কানুন একাতয়ায় দুর্লভ। ৩৫- ৪৩। শােভিত ভ্রমরসন্নিভনয়নবিভ্ৰমণালিনী সুৰকাকতিপসোথবিরাজিত। বি। সর্গ সমাপ্ত। পুকোরসন্নিভ গৌরাঙ্গী পুরুষশনপটীয়সী মতিনী, উন্মত্ত ভােক্তৃবৃন্দকে, কুমকমনীষমধুর। করসদৃশকিশলয় শোভিতা নয়ন- একবিংশ শর্গ। বিভ্ৰমসভি ভ্রমর শলিনী স্তনপ্রতিম-সুবকবিনম্র। পুষ্পকেশস্ত্রেী নথকারিণ বিষলতার ন্যায়, চেতনান করিয়া ফেলে। ১১-১৬ শ্রীরাম বলিলেন,-শিকঙ্কাল-গ্রন্থিশালিনী মাংস পুত্তল ভল্লুক-রমণী যেরূপ পন্নগদলনে উৎকণ্ঠিত হইয়া যাস আকর্ষণ রমণীর যাবৎ চঞ্চল অঙ্গসমূহে প্রকৃতপক্ষে শােভার সামগ্রী কি যােগে গত্ত হইতে সর্পকে আপনার আয় করে, তদ্রুপ কামিনী আছে? হে জীব। কুরজননার (খঞ্জনগন) লােচন, লম্পট-দলনে (সর্বস্বল্পণে ) উঠিত হইয়া অলীক আদর- মাংস, রক্ত এবং বাপজল বিশ্লেষ করিয়া দেখ রমণীয় হয় ত গৌরবের আভন মাত্রে সেই লম্পট জীবকে নিজের আত্মত্ত করিয়া আসক্ত হইও, নতুবা মুগ্ধ হওকেন? এখানে কেন ওখানে থাকে। মদন নামক কিরাত রমণীদিগকে মঙ্গচিত্ত মানৰ বিহঙ্গ শোণিত,–এই সব লইয়াই ত এমদার কলেবর, মহামতি ব্যক্তি কু-ের বন্ধন-ৰাগুরারূপে বিস্তারকারয়া রাখিয়াছে। বৃক্ষ। মনােরূপ এই নিন্দিত নারীদেহ লইয়া কি করবেন? অথে। যে সব মন্তহস্তী, ললনাকপী বিল বন্ধনস্ততে রতিশৃঙ্খলে আবদ্ধ হইয়া, অঙ্গ ব-অসুলেপন যারা বারংবার লালিত হইয়া থাকে, প্রাণী মুক অবস্থান করিয়া থাকে। পুরুষণ সংসা-পসুলের মৎস্য , মাত্রেরই সেই সকল অবয়বশৃগাল প্রভৃতি মাংসাশী জীব চিত্তরূপ কর্দম তাহাদিগের বির-ক্ষেত্র, দুষ্ট বাদন। সেই মৎস্য- উদাৎ করে। যে পােধরে, সুমেরুশিখরভূমি-সপারিণী সংগ্রহের বড়িশসূত্র এবং রমণীগণ সেই বড়িশাগত পিষ্টক-পিণ্ড মন্দাকিনী-জলধারার ব্যায়, মুক্তহারের অপূর্বশােভা নয়ন পিটুলির টোপ । যেমন ভূগণের মন্দুরা, ঝিন্দের আলান গােচর হইয়া কে, কালে, সারমেয়গণ রমণীর সেই এবং ঈর্পকুলে মন্ত্রই বন্ধনের উযােগী, দ্রুপ পুরুষগণের বণ পােথয়, গানের একপ্রান্তে, ক্ষুদ্র অপিণ্ডর ন্যায় কামিনীকুলই বন্ধন-হেতু। হে মুনব। নানারসসম্পন্ন। এই বিচিত্রা রুচিপুর্বক উরন্থ করিয়া থকে। ১। যেমন অরণ্যচর উষ্ট্রের ভোগড়ম রক্টর আশ্রয় পাইয়ই সংসারে বদ্ধমূল হইয়াছে। অবয়ব—অস্থি-মাংস-শােণিতে সঙ্গঠিত কামিনীরও তদ্রুপ, অব রমণী সব্বাৰৰ দোষত্ব'নওরের উৎকৃষ্ট সমুগি (কৌটা, এবং এহেন কামিনীর প্রতি এত আগ্রহ কেন? মুনিবর। (পরিণাম) দুঃখস্থিরীকরণে শৃঙ্খলা, এহেন রমণতে আমার প্রয়ােজন নাই। রমণী না থাকিলেও) রমণীর আপাত রমণীয়ভাই কেবল শুন •, চমু বল, নিখ বল, এ লকেবল মাংসই ত সকলের নিরীকৃত আছে; কিন্তু আমি বুঝিয়াছি, আপাতৰপীয়তাও সার।—তা, এমন অপদার্থ লহয়া আমি কি করি? ১৭-২৪। মগতে নাই তাহাও এ-প্রযুমাত্র। মদিরা এবং মদির- বন্ধ। ব্ৰহ্ম। কামিনী কতিপয় দিবসের মধ্যেই—এখানে মাংস, নম্বনায় কিছুমান প্রভেদ নাই, কেননা, মদমত্ততা বা মত্ততা ওখানে রক্ত, ঐখানে এরূপ বিশীর্ণ অবস্থা প্রাপ্ত হইয়া সশান দ্বারা বিপুল উল্লাস ও চিত্তবিকার উৎপাদন উভয়েই থাকে। হে অত। পুরুনামধারী স্কুলদী মানবগণ, যাহাদিগকে কাৰ্য। হে মুনিবর। ললনারূপ বন্ধনন্তন্তে বন্ধ হইয়া সুষুপ্ত প্রিয়াবােধে লালন ক রয়ছে মুনিবর! সে কামিনীগণ, করচর- মানবরূপ হস্তীবৃন্দ, শমরূপ দৃঢ় অঙ্কুশের তাড়নাতেও প্রবুদ্ধ ৭দি অবয়ব সকল শ্মশানে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত, তাহ-রা মহানিদ্রায় হয় না ৭-১০। কল-কুহুলশালিনা প্রিয়দর্শনা দুঃসহা শয়ন প্রিয়তম কামিনীর যে কয়নায় বনমণ্ডলে পরম প্রেমে দুছডি-এন-শিখারূপিণী রমণীতি পুরুষকে তৃণৰং দগ্ধ করিয়া পত্রাবলী রচনা করিয়াছ, আজ, তাহা জঙ্গলে বিথ হইতেছে। থাকে, দীর্ঘকাষ্ঠ দূলিত অনলেরও ইন্ধন হয়, সরল কয়েক দিনের মধ্যেই কামিনীর কুম্বলভার শ্মশানপাপে চারচিত্র থাকিলেও নীরস হইয়া যায় এবং দেখিতে সুন্দর হইলেও ক্রমে অর্পণ করে, আর কালীলা ভূলে তারকাপুঞ্জের শােভা প্রকাশ এ হইয়া দারুল অার-আকারে পরিণত হয়, এরূপ এইরূপ করে পুলিশটল এবং শৃগলে প্রভৃতি বিবিধ মাংসাশী জীবগণ কামিনীকুলও অতিদূরপ্রজ্বলিত নরকানলের ইন্ধনম্বরূপ, তাহা শোণিত শোষণ করে,শশালে চা চর্বণ করে এবং প্রাণ বায়ু আকাশে দেখিতে সয়স হইলেও প্রকৃত পক্ষে নীরস ( অস), সেই ইন্ধন উডিয়া যায়। ২৫-২৯ আমি যে খলিল, ললনাকুলের অবয়- আপাতত নােম হইও পলিম দারু(সংসারযন্ত্রণার মূল)। বের অবস্থা অচিরকালমথ্যেই ইরূপ হইয়া থাকে, (জীব- কবরীসদৃশ বিপুল অন্ধকার, চঞ্চলনয়নসদৃণ গতিশীল নক্ষত্র- গণ) ভ্রমের বশবর্তীও কেন ? পৃথিবী প্রভৃতি পঞ্চভূতের মেলনে প, বদনলীয় পূর্ণ শশধর, বুবনিকরের প্রকাশ, পুরুষের যে একটা আকার হয়, তাহারই নাম কামিনী (কামিনী একটা নীলাবিনােদন এবং কর্তব্য বিপন-হেমন্তবাহিনীর আত্মত্ত । অসামান্য বস্তু নয়, বুদ্ধিমান লােক, অনুরাগ বশে,সেই কামিনীতে আর সেই অন্ধকাৱসদৃশ বিপুল করীভার, সেই নক্ষত্রস। কি জন্ত আসক্ত হইবে । শাখা-প্রশাখা-জল দুঃখবরূপ-কটু ফলসা কাৰিষণি চিন্তা,শাখা-প্রশাখা জটিল বিপুল উল্লাস প্রদান ও বিকারসত্ময়ে উভয়েরই ধর্ম। কটুসযুক্ত অপরিপক্ক-ফলে এবং রসযুক্ত শুষ্ক-ফলে দুষতা বিকার বেগুড়তলাগিৰিকাৰ এবং কলহালিৰি” ইহা সুতালা নাৰী বনলতার ব্যায়, অভ্যন্তরক্তি প্রাপ্ত হইয়া থাকে। অতি কামনপর চিত্ত, যুগের গায়, সান্তা E বৈরাগ্য-এর। s - তাৰে আকুল হইয়া অত্যন্ত মােহগ্রস্ত হইয়া থাকে। সারে নয় দ হইয় থাকে। হে মুনে। শবরূপ আশিকে রুণীর প্রতি আসক্ত যুবা পুরুষ বিন্ধ্য শলের গর্ভে কপিলোলুপ অবতা কাকেন্দিনী অপকারিণী কারারুপিণ জী বৰু- স্ত্রীর ন্যায়, আবদ্ধ হইয়া অতীব শচনীয় দশা প্রাপ্ত হয়। যাহার বনিতা, রােগভুজঙ্গে আক্রান্ত হইয়া, যখন কাধ্বনি কৰিতে মণী আছে, তাই তােগকানা আছে, রমণী-বর্জিতে থাকে, প্রল-মূর্ণ-তিমিরপ্রয়াসী মৰণৰূপী পেচক সেই সময়ে তপস্থান কোথায় ? অতএব রমণভাগ কর্তব্য, কিন্তু বুম কোথা হইতে আসিয়া দৃষ্টিগোচর হইয়া থাকে। ৬-১৪। সাংসা কাগ করিলেই জগঃ পরিভাগ করা হয়, অগং পরিত্যাগ করলে উপস্থিত দেখিলেই অকাৰ পশ্চাৰিত হয়, কার শরীরে না দুখী হওয়া যায়। হে ব্ৰহ্ম। আপামাত্র রমণীয় ভ্রমপক্ষে উপস্থিত দেখিলেই মৃত্যু তাহার পশ্চাৰিত । শুনে। মরণ স্থায় ফেল অতি দুরতিক্রম জেগে আমি জয়া রােগ ও মাদির রূপী বানর, শরীর-বনম্পতিকে অকুমিত এলােকন করিলেই, ৩য় আসক্ত হই না, পরন্তু শান্তিগুণাবলী হইয়া প্ৰষত্বসহকারে সবেগে হাতে আপতিত হয়। শু নগর, লতাৰিক্ত পাদশ রিম পদ প্রাপ্ত হইব (এইরূপ অশা)। ৩০-৩৬। এবং অনাবৃষ্টিদগ্ধ দেশ শােভা পায়, কিন্তু জরাজীর্ণ শরীর শােভা একবিংশ সর্গ সুমাপ্ত ॥২১। পায় না। যেরূপ কূজনকারিণ গৃী কণমখ্য উঃখ করিবার জন্যই সবেগে আমিষ গ্রহণ করে, অপ কাসনিম্বন-বিধারিনী রে। কণমধ্যে গ্রাস করিবার জন্যই মেগে নরদেহ আয়ত্ত কৰি থাকে। যেন বালিকা কুমুদম দর্শনমাত্রেই ঔৎসুক্য সহকারে কাল দ্বাবিংশ সর্গ। মস্তকে ধারণপূৰ্ব্বক পরে ছিন্ন-ভিন্ন করিয়া ফেলে, ভদ্রুপ করা রাম বলিলেন, যৌবন অপূর্ণমনোরথ বলকে বলপূর্বকই দৃষ্টিত্রে দেন উৎকণ্ঠিত চিত্তেই ক্ষণকল শিয়ােদেশ আশ্রিম্ব করিয়া শান করিয়া থাকে, পর জৱা আবার যৌবনকে পান করে , অবশেষে সমগ্র দেহ জর্জরিত করিয়া দেয়। বেমন বুলি- দখন একবার পরস্পরের কর্কশ ব্যবহার। যেমন তুষাররূপী বস্ত্র মলিন প্রবল প্রভএনে শরীর শিহরিয়া উঠে, জর্মর তরুপলৰ স্কজের বিনাশ সাধন করে, যেমন প্রবলবায়ু শরতের বৃষ্টি * নিপতিত হয়, তদ্রুপ ধুলিসন্ত্রিত রুভাৰপ্ৰসূতি জরা উপস্থিত মপনীত করে এবং যেমন লক্ষমা নদী তীরস্থ পাপকে বিনষ্ট হইলে শরীর শিহরিতে থাকে এবং জর্জরীত শরীর নিপতিত বে, তদ্রুপ “র শরীরের বিনাশ সম্পাদন করিয়া থাকে। কাল- হয়।১৫-২০। জরাগ্রস্থ জীর্ণ-শীর্ণ দেই, যিমানসিক্ত মা চটকণাসদৃশী জরা লােকর সা গুজর করিয়া ‘ কিত-কিমা কমলের ন্যায়, প্রকাশ পাইয়া থাকে। অল্পকপিণ কৌমুদী শিরা- fার করিয়া ফে” হতেই বোধ হয়, জরা নিজেও খণ্ডি জণ- ভাগৰূপ পর্বতপৃষ্ঠ উদিত হইয়া বাতরােগ ও কাসগােগরূপা দহ। কামি গণ সঙ্গীণ-কলেবর যাবতীয় পুরুষকেই শিখিল কুনীকে উদ্যোগ-সহকারে বিকসিত করিয়া থাকে। মস্তকরূপী এ সঙ্কুচিত-দেহ বলিয়া গণভের ন্যায় (গণার চক্ষে অব কুষ্মাণ্ড জারূপ ক্ষারযােগে কুসরিত, সুতরাং পরিপক্ক হইয়াছে। লাকন করা থাকে। মানব, অবলীলাক্রমে দৈন্ত-প্রদায়িনী কলকপ প্রভু ইহা দেখিলে ভােজন রয়া থাকেন। এরারুপি জরা কর্তৃক আক্রান্ত হইলে বুদ্ধি সপত্নী-গাড়া সীমাতিনীর ন্যায়, জাহৰী সত্নর প্রবহমণ আয়ুলোতে শরীররূপ ভীৱনষ্পত্তির মূল পলায়ন করিয়া থাকে। ১-৫। স্ত্রী-পুত্র, সুদ-বান্ধব, দাস- উদ্যম সহকারে ছেদন করিয়া কেলেন। উন্নত এরীড়ালী যৌন বাসী—সকলেই অ-কাশ কুষকে ইন-বৈবাধে উপাস মূষিকৰুে ভক্ষণ করিয়া থাকে এবং খ্রীর- আযের লােভে অধিক করিয়া থাকে। গৃ যেমন অতি দীর্ঘ বনস্পতি আশ্রয় করে উল্লাসিত হইয়া থাকে। জরাশয়ীৱ-জলের শৃগলী, তাহার ড্রপ লােভ আসিয়া দুৰ্শ নিণ পরাক্রম-হীন কাতর জীণ কিট শব্দ, জগতে এরূপ অশুভহেতু আর কিছুই নাই।১২৬ বুদ্ধকে অবলম্বন করিয়া থাকে। হয়তাপপ্রণয়িনী লৈদোষশল্প খাতে এই জালা এলিতে থাকে, সে ও নিশ্চয়ই নবিং সিপন্সর প্রধান সচরী কামনা বাৰ্ধক-সময়ে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়া যায়, কাসাস এই জ্বালার কাৰ সৌ-নো শক) দুই হইম থাকে। জমি করিব কি—পরকালে যে প্রতীকারের ইহার ধুন্ধকার। হে তত! মানবগণের দেহ পুষ্পভরবনতা আযােগ্য দারুণ কষ্ট” –; ওদ্ধাবস্থায় এই ভন্ন বাড়িয়া থাকে। পঙিকার স্যা, অবয়বরূপী পৰে পূপভ্র কান্তি বহন করত করা- আমি দুজ। কি করি কেমন করিয়াই এ করি। চুপ করিয়াই প্রভাবে কীভূত হইয়া থাকে। অরূপ কপুর দ্বারা ধবলীকৃত কা ভল'-রদ্ধাবস্থায় এই রূপ নিরুৎসাহ- কাতা উপস্থিত শরীর কপূরকে মৃত্যুরূপ মা ক্ষণমধ্যেই উৎপাটিত মু। “কেমন করা, কবে কিরূপ স্বাদুভেঞ্জন আমার করিয়া থাকে। মুনির। মরণই রাজা, তাহার গিমন-শখ চুটিবে” এইরূপ অজন্দ্র চিন্তার রুদ্ধাবস্থায় মানু েমন জৰে আধ্যিাবি-সে গ্রে অগ্রৈ ধাবিত হয়, জয়া ভাবেই শুভ মরিয়া থাকে। অত্যন্ত স্পৃহা হয়, কিন্তু উল্লাসসহকারে উপভোগ চামর। হে মুনিবর! দেখুন, যাহাৱা শিৱিগহবরে প্রবিষ্ট থাকে, চরিতে শক্তি হয় না, বৃদ্ধাবস্থায় এইরূপণ অভাবে নাহ রিপুগণ তাহাদিগকে যুদ্ধে জয় করতে পারে না, কিন্তু এরারূপিণী জীর্ণরা তাহাদিগকেও চিরে জয় করিয়া থাকে। এরূপ * টাকার বলেন, “তৃণের অগ্রগতি জলবিন্দু সংহার শিশিরনিকরে পরিপূর্ণ শরীররূপগৃহান্তরে হয়রূপী শিশু। এলমাত্র স্পন্দিত হইতে সমর্থ হয় না।২৭-৩২। আল্লাহ্মণ { টাকাকার বলেন, “শিথিল নম্বমেহ বলিয়া উষ্ট্রের ন্যায় রমণী উত্তম নৃত করিয়া থাকে, দমক সঙ্গীতের তৃতীয় চরণে গণার চকে, অবলােকন করিয়া থাকে। নকার যেন পূনঃ চরণক্ষেপেষ্ট নীচ হতে হয়, সেরূপ 1 হায় আমি কি করিব। পরকালে যে প্রতীকারহীন হহারও ধরূপ তৃতীয় পক্ষের অবলম্বনে নিত হইতে হয়, (আর দারুণ-অবস্থা’- টাকার মত। বাগেরও জৰ নাই কেকা ও বাং ইহার মুর, র।'
যােগবাণিত-রামায়ণ [বাল। সংসার-রাজের ব্যবহার্য্য গমন্দিরে (বিভােগস্থান জগৎ সকল বিশীর্ণ করিয়া থাকে । কলি হকিস্বরূপে পরাক্রম অথচ চন্দন প্রভৃতি দ্রব্যের অনুলেপন-গৃহ) দেহ-মাষ্টর প্রকাশ করিয়া থাকে, অভিনীত জনসমূহের জীবাত্মারূপ শিরােভাগে চামরের শুভ্রতাই জরা নামে প্রকাশ পাইছে। মহারণ্যে তাহার আশ্রয়, শুভ এবং অশুভ কৰ্ম্মফলই তাহার মুনিবর। এবারূপী শশধরের উদার শরীরনগরী শুভ্রবর্ণ ধারণ দম্ভৱয়, প্রাণিৰূপ পৰসমূহ স্ত্রীর দশনগণে বিচ্ছিন্ন হইয়া কৰিলে । জীবন-সরােবরে) মরণরূপ কৈরব-কুম শমধ্যে থাকে। ব্ৰহ্মাণ্ডরূপ যেখার আছে তাহার মুল ব্ৰহ্মা, সল প্রস্ফুটিত হইয়া থাকে। জরারূপ সুধাবিলেপন দ্বারা শুভ্রত দেবতাগণ, ব্রহ্মরূপ বিশাল অরণ্য বৃশ বৃক্ষের আশ্রয়, কাল এই শরীররূপ অপভ্যন্তরে অশক্তি, পীড়া এবং বিপত্তি নয়ী অণ্যকে অধিকার এরিয়া অবস্থান করিতেছেন। এই কালপুরুষ, অরুনাগণ সুখে অবস্থান করে। হে মুনিবর। যে চতুর্বিং জীব- বঙ্গনীরূপ মধুকরে পূর্ণ দিবসরূপ-মঞ্জরী-বিরাজিত, বৎসর কর এবং দেহে জরা অগ্রসর হয় এবং পশ্চাৎ মৃত্যু আসিয়া জয় লাভ করে, কলা প্রভৃতিকপ লতিকাবলী অনবরত রচনা করিয়া কখনই তন্মধ্যে অন্যতম এই শরীরে—আমি মূঢ়মতি—আমারও ত দেযুক্ত হইতেছেন না ১১-১৫ ' হে মুনে। ধূর্তচুড়ামণি কাল ব্যক্তিত্ব বিশ্বাশ হয় না। হে ভাত। অৱগ্ৰস্ত হইয়াও বাচিত একমূর্তিতে ভন্ন হইলেও অন্যমূৰ্ত্তিতে ভগ্ন হয় না; একমূর্তিতে হইবে জীবনের প্রতি এত অনুচি-আগ্রহ কেন? জগত দগ্ধ হইলেও অমূর্তিতে আদায় এবং একত্তিতে দৃষ্ণ হইলেও জরাকে পরজ, করিতেও কেহ পারেনা এবং এই অজেয়। অমুর্তিতে অঙ্গ। একমূর্তি- অর্থে ব্যৰ্ত্তি-টপাদি। এরা সকল কামনাকেই অপূর্ণ করিয়া রাখে। ৩-৩৮। অমূজি-অর্থে কারণমূৰ্ত্তি- মাকা1)। বিস্তৃত কাল, মনঃ- বি। সর্গ সমাপ্ত। ২২। কল্পিত রাজ্যের ন্যায়, নিমেষত্রে কোন বাক উত্তমরূপে গঠন করিয়া থাকেন এ কোন বন্ধুকে একবারে অধপতিত করি। থাকেন। কাল, শরীঃ মক দব্যের সতি অভেদভাবপ্রাপ্ত এয়ােবিং সর্গ। জীবকে দুর্বিলাস-বাসিনী কপালিত যুগান্তকপ চেষ্টা দ্বারা আম বলিলেন, ভ্রান্তকল্পনামূলক বহু বাক্যপ্রয়ােগে বরংকার স্বর্গ-নরবে সম্মিলিত করেন। কল আন্তরিতাগুণে নিপুণ অল্পবুদ্ধি(অৰণী) ব্যক্তিগণ রাগ-শেষদির বিভেদশে তৃণ, পত্র, সূলি, ইল সুমেরু এবং সমূদ্রকেও উদরসা করিতে সলরুকুরে বহু'জমের অবতারণা করিয়া থাকে। এই বিষয় উদ্যত। কুরতা, লোভ, সবিং দুভাগ্য ও দুঃসহ চঞ্চল জাল পরে সন্দ্রে কিরূপে আস্থা হইতে পারে ও বালকগণই সমুদই কালে অবস্থিত ১৬-২০। যেমন কোন বালক গণপ্রতিবিম্বিত-ফলভোজনে অভিলাষী হয়। ঈদৃশ সংসারেও আপন (স্বীয়) ককবুল নিপ-ক্ষেপণপূর্বক কীড়া করে, বাহাদের অসার সুখভাবনা হয়,-মুৰিক যেমন নিঃশেষরূপে উৎ- সেই পপ কালও গগলণ্ডলে চন্দ কে প্রেরণ উদষ ) করত নাভ-ন্তু ছেদন করে—তদ্রুপ কল তাহাদিগকেও ছেদন করিয়া ক্রীড়া করিতেছেন। এই কাণ কান্তে সমুদয় প্রাণি-বিভাগ থাকে। এতে উৎপন্ন এমন বহু নাই, যাহত সমুদ্র বিনাশ করত তাহাদের পঞ্চকময় অস্থিমালায় আপামস্তক যেমন বাড়বানলের কবলে পতিত হয়, দ্রুপ—সর্বগ্রাসী কালের বেষ্টিত হইয় ক্রীড়া করিয়া থাকেন। কালের চরিত্র (কা) কনগ্রসে পড়িত না হয়। কাল—ভীষণ, কাল-মহের, স- অনিবার্য। প্রলয়কালে ইহারই অনিবাৰ্য। প্রলয়কালে ইহারই অঙ্গনিত মহাবায়ু সুমে সাধারণভাবে তিনি সমগ্র দৃশ্যৰস্তুর অস্তিত্বগ্রাসে উদ্যত। ১। পর্বতকেও ভূর্জপত্রের নয়, এ বিশীর্ণ করিয়া উড়াইয়া দেয় অনন্ত-বিশ্বগ্রাসী'বিশ্বরূপ কালদের প্রধান ব্যক্তিগণের ক্ষণমাত এই কাল কথন রুদ্র, কখন এক ইল, কখন অন্য ইন্দ্র, কখন কুবের পে। যেন না। কারণ, মপ ও আগা লকের আগের , আবার কখন কিছু নন অর্থাৎ তাঁহার কোন প্রকার রূপ যু, বৎসর, কাদি নামক ঔপাধিক-রূপে আংশিক একট হইয়া কে না। বদ্ধপ সমুদ্র স্বীয় শরীরে এক তরঙ্গমালা ধারণ করতই বি। অধিকারপুলক অবস্থান করিতেছেন। যাহা বাহার অন্য তরঙ্গমালার উৎপাদন ও সংসার করে, তদ্রুপ কালও আপ পদার্থ, যে সব বস্তুর গঠনপ্রণালী দৃঢ় এবং যে সব পথ সুমেরু নত এক সৃষ্টপ্রবাহ ধারণ কত অঙ্গ প্রবাহের উৎপাদন ও বা সুমেরু অপেক্ষাও সারবান, গড়-কবলিত পন্নগাবলীর খায়, সংহার নিরন্তর করি খাকেন। কাল মহাকরূপ বক্ষ হইতে দেবতা ভাহারও কাল-কবলিত হইয়া থাকে। নির্দয়, কঠিন, কুর, ও অসুররূপ পরু-ফলসমূহ পাতিত করিয়া থাকেন ২১-২৬ ঋষে। পরুষভাষী, কুপা এবং অন্যান্য কারণে অপরুষ্ট এমন কোন পতনশীল উডুগফল অসংত্ৰহ্মাও প্রাণী সকল খ্যক্তিত ব্যক্তি নাই, যে কালগ্রাসে পতিত না হয়। গ্রাস করতেই মশক, তাহারা বিছুকাল ঘুং ঘুং করি। থাকে , কাল এই উড়ুক্ষয়- কালের একান্ত ইচ্ছ, এক বস্তু গ্রাস করিবার সময়েও অন্য ফলের প্রসব-পাপ। মুনিবর। ব্রহ্ম—চন্দিকা জগতের সত্তা বস্তু-জিন তিনি করিয়া থাকেন, অনন্ত-লােকসমূ-ভােঙ্গনে কুমুদিনী,সেই চন্দ্রিকার সন্নিখান বশতঃ পরিস্ফুট সা-কুমুদিনীর এই মহুরে তৃপ্তিলাভ হয় না। ১০। -১০। কাল, নটর সাহায্যে কাল ঈীয় দ্বিতীয় শরীরের বিনােঙ্গ করিয়া থাকেন, চাষ, হরণ, অপ, সৃষ্টি, গ্রাস এবং সংহার আর সংসারনৃত্য তখন তাহার সহচরী প্রাণিগণের শুভাশুক্রিয়াকপিণী প্রিয়তমা। নানারুপে করিয়া থাকেন। যেমন শুক পক্ষী, অৱ আৰরণে কাল, অনন্ত-অগার প্রতিষ্ঠিত অর্থাৎ ভূৰে পূৰ্ব্বাপর-সীমাবর্জিত রুত বীজপূর্ণ দাড়িল বিদীর্ণ করে, তদ্রুপ কাল অতে বিভাগ অতি, অসত্যৰৰে এখ, প্রাণিরূপ বীজ টীকাকার বলেন, “ও যেন নাড়িষবীজ বিদীর্ণ করিয়া তােলন করে, কাল সেইরূপ সার গল্পে বিভক্ত প্রাণি কােলেহে অবগৰীও আর জয়লাভ করে বীজ সকলকে অস্তিত্বহীন করায় বােধ হয় যেন তাহাদিগকে বিদীর্ণ সরত অবাদ। করিয়ই ভােন করিয়া থাকে।” === বৈরাগ্য-প্রকরণ ৫ প্রদেশে প্রতিষ্ঠিত পৰ্ব্বতের ন্যায়, উত্তুঙ্গ অনন্ত অপপ্রতিষ্ঠিত ক্রীড়াপুষ্করিণ, বাড়বানল সেই পুষ্করিণীর পঞ্চজ। প্রাণিসমূহ কটু অথ ব্ৰহ্ম-প্রতিষ্ঠিত নিজ বপু অবলম্বন করিয়া অবস্থান করিতে তিক্ত-অক্সাদি-স্থানীয় এই সকল এবং দধিসমূদ্র ও কীরসমূদ্র ছেন। মহর্ষে। কাল কোথাও বা গাঢ় অন্ধকারের ন্যায় শ্যামবর্ণ, ৱি সহিত মিশ্রি জগৎস্বরূপ পষুষিত (পুরাতন ও বাসি) এ কোথাও বা মনীয়বর্ণ, কোথাও বা তা বর্জিত কাৰ্য্য উৎপাদন এরা যুব্বাজ কালের প্রাণভিক্ষ। নির্বাহ হয়। কালের করত অস্থিতি করিতেছেন।২৭-৩০। কাল, বিলুপ্ত-অসংখ্য-জীব- প্রণয়িনী কাত্রি। ব্যাস্ত্রীর ন্যায় কভুতবিনাশিনী সেই কাল- সংসারের সারভাগের ন্যায় অবশিষ্ট এবং পৃথিবীর ন্যায় ভারসহ স্বীয় রাত্রি মাতৃগণ-পরিবৃতা হয়নিরস্থর এই সংসাৰবনে বিহার করিয়া সত্তায় বদ্ধমূল হইয়াই আছেন। বহুশত মাকল অতীত হইলও থাকে। ১-৫। সৰ্বরস-সমন্বিত কমল-মুদ-ফার-বিলােল- কাল খেদান্বিত হন না, আদরও করেন না, কালের গতি, স্থিতি, সুখিকা-পাতা এই পৃথিবী কালের স্থিত বিশাল পানপাত্র। উদয় ও অন্ত বিছুই নাই। কাল অনায়াস-সম্পাদিত জগৎসৃষ্টিরূপ মহর্বে। যাহার ভুজাক্ষালন নিতান্ত দুঃসহ, যাহার কেশর নিতান্ত ক্রীড়ায় নিহষ্কারভাবে আপনিই বিস্তীরূপ আপনাকে পালন দুদশ ও স্বদেশ পীর, সেই সিংহনী নৃসিংহদেৰ সত্যরূপ ক্ষুদ্র- করিতেছেন। কাল, সবােবরসদৃশ নিজ স্বরূপে রজনীপঙ্কমিলিত পক্ষিধের অ কাল-যুবরাজের ভুজপিঞ্জর ক্রীড়া-কুফ ( বজ- অল-ভ্রমরচুম্বিত দিনরূপিণী কোকনদশ্রেণ থারণ করত অবস্থান পক্ষী) স্বরে বা আকারে বহু অলাবুঘটিত বীণার স্যায় সুন্দর করিতেছেন। কাল রূপণ-পুরুষ, রজনী তাহার কৃষ্ণবর্ণ পুরান শারদ-নিৰ্ম্মলনভােমণ্ডলসন্নিত-নীলকাতি সংহারভৈরব-নামখেয় সম্মার্জনী , ইহা দ্বারা উক্ত কৃপণ-পুরুষ সূর্যের আলোরূপ মকালও এই কাপনামক যুবরা েক্রীড়া-কোকিল কালভিয় সুবর্ণখণ্ড সুমেরুপা হইত আহরণ করিয়া থাকে। গৃহের কোণে রাজপুত্রের অভা নামে কোদণ্ড সর্বত্রই বিরাজমান। সে সুর কোথায় কি আছে, অঙ্গুলিঘােগে দীপসঞ্চালন করিয়া রুপণ ঋক্তি টগরর অনবরত শ্রুতিগােচর হয় এবং তাহা হইতে অঞ্জ তাহা দেখিয়া থাকে, কালেরও ঐরূপ করা আছে,-গর্য্যের দুঃখকণা নিকৃত ইয়া থাকে। কে ব্ৰহ্মন। অধিক- শিসচতুর ক্রিয়াই অঙ্গুলি—সূর্যই প্রদীপ, জগৎইগৃহ , কাল,ক্রিয়াজুলি দ্বার' রাক্ষ্মপুত্ৰ কাল নিক্ষে ধাবিত হইয়া ঈীয় পূর্ণমন লক্ষ্যকেও দুঃখবাণে ধদীপ সঞ্চালনপূর্বক ঐ গৃহের সকলদিকে কোথায় কি আছে বিদীর্ণ করিতেছে। এই কালনায়ক রাজপুত্ৰই এই জীণ জগৎ- দেখিয়া থাকে। কাল সূৰ্যৰূপ নেত্রে দিনৰূপী উন্মীলন-সায্যে কাননে মটদিগকে (বিষয় লালুপ ও বানর) অধিক চঞ্চল করত অবলোকন করিল জগৎকল রণ্য হইতে লোকপালকুপ পরু- উক্ত প্রকারে বিরাজমান থাকিয়া মৃগয়াবহার করিতেছে কল চয়ন কত ভক্ষণ করিতেছ। ৩১-৩৭। কাল, অস্বরুপ চতুর্বিংশ স সমাপ্ত। ২৪। জীর্ণকুটীরে বিবীণ মণিসছি গুণণালী লোকদিগকে অসহকারে ; মৃত্যুরূপ পেটিমধ্যে সংরাপিত করিয়া রাখে এবং রমালার প্রায় গুণ-গুচ্ছিত লোকসমূহকে ভূষণার্থ অঙ্গে ধারণ করিয়া পুনর্ধার পঞ্চবিং সর্গ। ছিন্নভিন্ন করিয়া থাকে। নিতান্ত চপল বাল, দিনকপ হংশাগত তারারূপ কেপ্রযুক্ত নিশাৰূপ ইন্দীবরমাল। বলয়িত করিয়া রাম বলিলেন-হে মর্ষে। কাল ফুলিদিগের চূড়ামণি ধারণ করিতেছে। শৈল, সিন্ধু, স্বর্গ ও পৃথিবী এই শূচতুষ্টয়শালা অর্থাৎ দুষ্টাশয়গণের বরিষ্ঠ। ইনি পূর্বোক্ত মহাকাল নহেন, খও অগপ মেয়ে হিংসক কাল-নক্ষত্ৰপুৰূপ অর্গীয় শেণিবিন্দু সন্দর্শনপূর্বক প্রত্যহ ভক্ষণ করিতেছে। কাল যৌবনরূপ নলিনীর রং করে ইহা অবস্থাভেদে কাশ ও দৈব দুই নামে আখ্যাত। কাল। এই কাল ইহলােকে পদার্থ নিচয় সৃজন করে, আবার সংহা- পক্ষে ছিমকর ও আয়ুরূপ মাতঙ্গের পক্ষে সিংহ, জগতে কি ক্ষু, একমাত্র ক্রিই কারের স্বরূপ। অন্য কোন স্বরূপ দৃষ্ট হয় না। কি কুৎ, এমন কোন বস্তু নই, কাল যাহা অপহরণ না করে। কর্মফল নিষ্পাদন ব্যতীত ইহার অন্য কোন কষ্য বা চেষ্টাও সংহারক কাল কক্সক্রীড়াবিলাস-চ্ছলে সমুদায় প্রাণী সংহার নই। যেমন খরতাপ দ্বারা হিমানী বিনষ্ট হয়, তদ্রুপ কৰ্ম্ম বা করিয়া অজ্ঞানপ্রকাশক আধিষ্ঠান বহ্মমাত্র অবলম্বনে অবস্থিতি কাল দ্বারা এই নিখিল ঘসার প্রাণিকুল বিনষ্ট হইতেছে। এই করে। কালই বিশ্বের কর্তা ভোক্তা, সংহত্তা ও স্মৰ্ত্তা এবং কলিই যে পরিমান বিশাল জগণ্ডল ইহা উক্ত কলের নর্তনাগারএবং সুভগ দুৰ্ভগরূপে সর্বত্র বিরাজমান , কেহই বুদ্ধির কৌশলে ইহাতে সে ন্তির নৃত্য করিতেছে দৈব নামক কাল পূর্বোক্ত কালের মহিমা অবগত হইতে সমর্থ নহে এবং সমুদায় জীবলােকের মহাকাল অপেক্ষা তৃতীয়। ইহার নামান্তর তান্ত। ভীষণ মও মধ্যে একমাত্র কালই সমধিক গবাে। ৩৮-৪৫। কাপালিক বেশে ইহা নৃত্য করা থাকে ১-৫। মহর্ষে এই এয়ােৰিংৰ সৰ্গ সমাপ্ত। ২৩। নর্তনশীল ও নিতান্ত অনুরক্তবং প্রতীয়মান কৃতান্ত যায় ভার্শা নিয়ন্ত্রি এত সাতিশয় অনুরক্ত। শশিকলা অনন্ত এবং শশিকলা ভিধাবিভক্ত গঙ্গাপ্রবাহ আর সংসাররূপ বলে চতুর্বিংশ সর্গ। উপৰীত ও বীত যুগলরূপে বিরাজিত। হে অন্। চল ও সূর্য রামচন্দ্র বলিতে লাগিলেন,-মহর্ষে ! কালের লীলা উট ও কালের করষণ এবং সুমেরু তাহায় ক্রীড়াসরোজ। কালে পরাক্রম অচিন্ত্য এই সংসারে রাজপুত্ররূপ (রাজ-ব্রহ্ম, তাহার বিচিত্র-নক্ষত্রবিশােণী পুষ্ক ও আবর্ত শৰক প্ৰলয়মেধ-যুগল- ত্রৈমূল) কালের চরিত্র বর্ণন ফরি, শ্রবণ করুন। ঐ রাজপুত্র রূপ পাব (পাড়) যুগপন্ন এই অসীম ভােষগুলরূপী এক কাল এই অত্যন্ত জীণ অরণ্যে মূল্প কাজ প্রাণিসমূহুরুপ বত্র একাণৰ জলে ধৌত হইয়া থাকে। এবং কালে পুয়ে- সিঙ্গুলের মৃগয়া করিতেছে। মহুর্যে। অগৎ-জলের প্রান্তে ভাগে নিয়তিদায়ী তায় নিত্যসহচরী কামিনী পরিতা বস্থিত কলন্তকালের মহাব, উক্ত মৃগন্যাচারী রাজপুত্রের অন্য প্রাণিভােগনুকুল কাৰ্যে ব্যাপৃতা থাকিয়া এনৱত নৃত্য করিত্রে। । गति যােগবাণিই রামায়ণ } - ৬-১০। প্রশিক্ষণও সেই চঞ্চল অনিবাৰ্যক্ৰিাশক্তিবিশিষ্টা করে, কিন্তু বােধ করে না, তেমনি কালও কত জৎ, বিবিধ নৃত্যশীল কৃতান্তকামিনীয় নৃত্যদর্শনার্থ অগপ মণ্ডপের অভ্যন্তরে দেশ বন, আখ ও বিবিধ জীবও তাহাদের স্থির অস্থির আচার- নিরন্তর যাতায়াত করিতেছে দেলােকাদি সমুদয় লােক উক্ত পরম্পরা সৃষ্টি করিয়া থাকেন, কিন্তু প্রান্ত হন না। ২৬-৩২। কালকামিনী নিয়তির অনােহর ভূষণ এবং পাতাদি নভলুল পবিসর্গ সমাপ্ত ২৫ পৰ্যন্ত তাহার লক্ষমান কেশ-কবরী।, নিয়তির পাপরূপ চরণে নকশ্রেণী নুপুরের চায় বিরাজমান ,সে নপুর দুগসূত্রে গ্রাণিত, নৱকানলে উজ্জ্বল এবং রোদনকোলাহল হার নি। চিত্রগুপ্ত -ভ-ক্রিয়ারূপা গুদয় সাকক উপকলিত করিকিউ বড়বিং সর্গ । কালকামিনী নিয়তির যমরূপ মুখমণ্ডলে উত্তমরূপে চিত্রিত করিয়া শীরাম কহিলেন—মহুর্বে মহানে। এই মহাকাল প্রভৃতির থাকে। এই কালকামিনী নিয়তি কলাসময়ে স্বীয় স্বামী। ইঙ্গিত উক্তরূপ লীলক্ষেত সংসবে মাদৃশ বক্তি কিপে আস্থাবান যুক্ত মুখভাব বুঝিয়া অতিশয় চাঞ্চল্য সহকারে নৃত্য করিয়া থাকে। ইতে পারে বসুন। হে মুনিবর। প্রপঞ্চর চতুর উক্ত দৈব তখন পৰ্বস্ফোটাদিজনিত ধক্ষর শব্দ তাহার নৰ্তনশীল চরণের প্রতি কর্তৃক যেন আমরা বিক্রীত এবং তদীয় মােহে অভিভূত ধ্বনিরূপে প্রতীয়মান হয়। ১১-১৫। নিয়তির পশ্চাদ্ভাগে লমান হই, অরণ্য নৃগের ন্যায়, অবস্থান করিতেছি। অনাৰ্য্যচরিত মূত কার্তিকেয়ষয়ুরগণ বণিত হয়, ইততেবিক্ষিপ্ত শিষপঞ্চমুণ্ড সংকুৱসমুধ্যত কাল, লােক সকলকে নিঃকর ওপসাগরে নিমগ্ন টাজ ও শশিকল। বিলেল ও লম্বমান নেত্রয়ের বৃহৎ গও করিতেছে। আমি যেমন দারুণভব হইয়া উষ্ণপ্রকাশ শিখা- ( বায়ুপ্রবেশ প্রযুক্ত ভোঁ ভোঁ শব্দ হওয়ায় প্রত্যেক মুগুই ভীষণ দ্বারা লােক এ বরে, সেইরূপ কালও দাণ চেষ্টায় দুরা ভাবাপন্ন (যে শু? কলকাপা লকের মুণ্ডমাশ) কচিরমশার উদ্দীপিত করিয়া লােকদিগকে দক্ষ করিয়া থকে। নিয়তি এই কুনুমতি গৌরীই চামর, লণ্ডৰমত পর্ব ৬াকার ভৈরবের। কলমৰ্যাদারুপ করে প্রিয়া আধা। সে সীবল চাপল্য- উদরই অলাবুপাত এবং শতচ্ছিদ্রযুক্ত কণিত বাসব শরীরস্কলই বশতঃ সমাধিপরায়ণ যােগীদিগকেও থেচু ও রয় থাকে। ভিকারুপাল আর শুষ্ক পুকঙ্কালই খট্টাঙ্গ হইয়া থকে। সর্ব- ১-৫। সর্প যেমন বায়ু ক্ষণ বরে, জুরষ্ঠ ৩ প্রাণিগণের সংরকারিণী নিতি এইরূপে নভেমও পরিপূর্ণ করত আপন তরুণশরীরে জরা উপস্থিত করিয়া হাবিশ’ৰ সেইরূপ গ্রাস আপন ভীত হইয়া থাকে। তাণ্ডবলােল নানাপ্রকার মরুপ করিতেছে । আওব্যক্তিও এই নৃশংস ও চত্রবর্তী কালের কমলমলিকা দ্বারা নিয়তি মহাপ্রলয়ে শােভা পাইয়া খাবেন পণাপত্র নহে। (কেবল কাল কেন, বলেই নির্দয়।) ১৮-২০। প্রলয়ােন্মত্ত পুর-বৰ্ত মেষপ উমবাদ্যের উট সভূতে জল্প উট রয় লােঞ্চ শুভ হে মুনিবর। শব্দে তুরু প্রভৃতি গন্ধগণ মাপ্রলয়ে কামিনীর নিকট অজ্ঞলােক যাকে ভোগন বলিয় জনে, সে সমস্তই দারুণ হইতে পলায়ন করেন মর্যে। চন্দ্রমণ্ডল তাদৃশ নৃত্যশল র দুঃখের এধর এ ভূণাদি ব্ৰক্ষা পর্যন্ত লােবণেও দুঃখের অভ্যন্তরস্থ সংজ্ঞাসিত তাকে তারকা চন্দ্রিকা বিরাজিত না- আবাসভূমি। তাদের ঐশ্বৰ্য্য নিতান্ত অমর। আয়ু নিতম্ভ মণ্ডলরূপী মপি কেশভূষণ । তাহাব এক কর্ণে হিমালয- চঞ্চল, মৃত্যু অত্যন্ত নিষ্ঠু, যৌন অচিরস্থ এবং বাল্যকাল পর্বল প্রদীপ্ত অস্থির আভরণ আর বামকৰ্ণ মেক-এম নাচ। লােক সকল বিষয়ানুসন্ধানে কলঙ্কিত, বন্ধু-বাঞ্চব নীয় কাঞ্চনময় কর্ণভষণ। চন্দ্র ও সূৰ্য কাল কুতন্তের গমণ্ডল বন্ধনের জু, ভোগ সঞ্চল সংসারের মারােগ এবং সুখ বিলম্বিত কুণ্ডল এবং লােকালােক পৰ্বত তদীয় কটিটের মেলা। মরীচিকাসদৃশ। ই-গণই পরমশত্র, সভা-সত্যবৎ প্রতীয়- পযে। ইতঃ বিলোল বিদ্যুৎ-কালের বল , অপি জলদল মাল, মনআত্মার পর-রিপু, আত্মা তৎসহবাসে আপনিই ইহার বিচিত্র অংশুপটিকা, এ অংশুপটিকা বায়ুবশ সঞ্চালিত আপনাকে ক্লেশ দিয়েছেন। ৬-১১। আই'— মানে হইয়া শােভা বিতরণ করিয়া থাকে। ২১২৫। পূৰ্ব্ব পূর্ণ কাজ করণ, বুদ্ধি-নিভন্ত মৃদু, ক্রিয়া-শেলবিনী, শীপ-রমণী বিনাশ হইলে উহা হইতে গিত মৃত্যুগণই যেন মিলিত হইয়া সঙ্গে পাপ্ত বাসনা-বিষয়ের প্রতিই ধাবমনা, আত্মণ্ডি মুষল-মুর-তীশূল প্রাস-তােমল পটি-রূপ পরিণত হইয়াছে, দুর্লভ, ক্ষণগণ—দোষুের সেনা, অনুরাগ—ঃস হইয়াছে। সরণশীল-জীব মৃগবন্ধনার্থ দীঘীকৃত উক্ত মাখালের কচ্যুত বন্ধু বন্ধু বলিয়া প্রতীত হইতেছে, চিত্ত অহঙ্কারে অর্পিত এবং অনন্তদেব প্রভৃতির শরীপ মাত্র দ্বার প্রস্তুত হতে হইয়াছে, বিষয় সকল কর্ণধ্বংসী বিষয়ের বনভূমি এবং উক্ত মুষদ এথিত হইয়া কৃতান্তের মালাকারে বিরাজমান হয়। আত্মাও প্রাপ্য হইয়াছেন। হে সাথে।। সকলেই নিরন্তর বিবিধরত্নসমুল গীবরূপ মকরণতি সপ্তসাগররূপ কণশ্রেণী দমান সকলেরই বুদ্ধি ব্যাকুশ এবং সকলেরই রাগরূপ লােগ জলীয় দ্বসের আভরণ। অপিচ অলৌকিক ও বদিক ব্যবহারৰূপ নিতান্তই প্রবল। সুজৎ বৈরাগ্য নিতান্ত দুর্লভ। লােকের নােমা (রােমের দূশি। যুক্ত সুখদুঃখপরম্পয়সূচক র দৃষ্টি রজোগুণে কলুষিত, যেগুণ অনবরত বর্ধিত হইতে, পূর্ণ তমােণ তদীয় কুরুবর্ণরোমাবলিরূপে বিরাজ করছে। সগুণ দূরে পলায়ন করিয়াছে, সঙগুণ জুরে পলায়ন করিয়াছে, কাজেই তান সুদূরপরাহত। এবংএকার কতরূপী কাল কাশেষে তাওবােম্ভব নৃত্যচেষ্টা জীষন এস্থির, মৃত্যু আগমননযু, ধৈৰ্য্য বিকল, আসক্তি কেবল উপসংহার করত বিশ্রাম করেন। পরে পুনৰ্বাৰ ৰহ্মাদির সহিত অসার বিষয় সুখে। ১২-১'। বুদ্ধি মূখতদেবে মলিনা , শরীর এই জগৎ সৃষ্টি করুত এই জন্ম-মরণ-শােক-খ-অভিব-বিভু বিনাশের বীভূত, আর এই শরীরে যেন অলিতেছে ও পাপ বিত সৃষ্টিরূপিণী গীয় নাট্যলীলা বিস্তার করিয়া থাকেন, অনবরত কূর্তি পাইতেছে। যৌন ৰ কৰিলেও থাকে না, বালক যেমন কৰি লইয়া নানাকার পুত্তলিকা প্রভৃতি নিৰ্মাণ সৎসঙ্গ দূরপরাহত, সত্যের উদয় কোথাও নাই, আর গতি নাই।
বৈরাগ্য-প্ররণ . অন্তঃকরণ মেহজালে আচ্ছ, মুদি-বৃত্তি (পরমাণসন্তোষ) কটাকে চঞ্চল চিত্ত সুস্থির করা মহাবিকেরও ক নয়। মহুর্বে। দূরে পলায়ন করিয়াছে, উজ্জল করুশারত্তি উদিত হয় না, কেবল বঁহারা পয়ােপকাৱকারণ ও পরকাজুলিয়া বুড়ির সাহা নীচতাই অদূরবর্তিনী হইতেছে। ধীরতা অধীর, লােক সকল জ্ঞান লাভ করি, আমি বিৰেচনা করি, তাহারাই সুখী। জন্মমৃত্যুপরায়ণ দুর্জনসঙ্গই সর্বত্র সুলভ ও সাধুসঙ্গ দুর্লভ। দৃ জীবিত-সাগরের উৎপাদ-বিনাশীল কালবাড়বানল-পৱিত মহা মাত্রেই জন্ম-মৃত্যুবশীভূত ও বিষয়বসনাবন্ধনের হেতু। মৃত্যু এই তরঙ্গাশির সংখ্যা করা কার সাধ্য ? মৃগ যেমন অরুণ্য মধ্যে জীবসমূহকে নিত্য কোথায় লইয়া যাইতেছে দিগুলও (মহা- লতাজলে বন্ধ হইয়া অবসন্ন হয়, সেইরূপ মানবগণও মােহ প্রণয়ে) অদৃশ্য হয়, দেশ অনামে ব্যবহৃত হয়, * পর্বত সকলও যত জীবনরূপ অরণ্যে দুরাশাপা বন্ধ হইয়া অবসন্ন হই বিশীর্ণ হয়, অর্থাৎ সকলই নশ্বর, এ অবস্থায় মাদৃশ ব্যক্তির প্রতি তেছে। হে ব্ৰহ্ম। লোক সকল পুনঃপুনঃ জন্মগ্রহপূর্বক আস্থা কি ? সংস্বরূপ ঈশ্বর আকাশ ও ভুবন গ্রাস করেন, সর্বং কুকর্মের অনুষ্ঠানে রত থাকিয়া স্ব স্ব আয়ু বৃথা নষ্ট করিতেছে। সহারও সংহার হয়, ওরাং মাদৃশ লােকের প্রতি আস্থা কি ?সমুদ্রও তাদিগের কাম্যফল—আকাশজাত বৃক্ষের লজ-বিরচিত কণ্ঠ- শুস্ক হ, নক্ষত্রপুঞ্জ বিশীর্ণ হয়, সিদ্ধগণও বিনষ্ট হন,-আমাদের রজ্জর তুল্য অর্থাৎ অলীক দুঃখপ্রদ , সেই ফল বিচর-বোর ন্যায় লােকের প্রতি স্থায়িত্ববিশ্বাস কি ? দানবেরাও বিদীর্ণ হয়, অজ্ঞেয়। ঋষিবর। লােক সকল ‘আজ উৎসব, আজ এই বের জীবনও চিরস্থায়ী নয়, অমরকুলেরও মৃত্যু আছে,-মাদৃশ ঋতু, আজ এই যাত্রা, এই আমার বন্ধু, এই সুখ, এই বিশিষ্ট ব্যক্তির প্রতি আস্থা কি? ১৮-২৬। দেবরাজ ইন্দ্রও কালবদনে লােগ—ইত্যাদি মিথ্যাভাবে ভাবিত হই এবং চপল-অসার- চৰ্বিত হন, যমও নিয়ন্ত্রিত হন, বায়ু প্ৰাণবায়ুশু , সােম বেঞ্চ বুদ্ধিবিস্কৃতিত সুখময়ী কল্পনায় মােহিত হইয়া দিবারাত্র বিগলিত ন, মণ্ডও খণ্ডিত হন, ভগবান্ অগ্নিও চিরকালের নিমিত্ত হইতেছে। ৩৫-৪৩। * নির্ধাপিত হন , সুতরাং আমার ন্যায় লােকের প্রতি স্থায়িক বডবিং সর্গ সমাপ্ত।২৬। বিশ্বাস বা অস্থা কি? ব্রহ্মার সমাপ্তি আছে, হও সংহারদশ প্রাপ্ত হন, সবাইর হরও অতৃবপ্রাপ্ত হন, সুতরাং মাদৃশ লার্কের প্রতি আস্থা বি * কালের কাণ, নিয়তির বিল ও আকাশের বিনাশ সপ্তবিং সর্গ। সুরি, সুতরাং মাদৃশ অসার ব্যক্তির প্রতি আস্থা কি? ব্রহ্ম। শব’ণদের এবি , বাগিংয়ের প্রাপ্য, চরাদি ইন্দ্রিয়ের রাম বলিলেন, তাত। আরও দেখুন এই ভিীব - অগোচৰ ও অজ্ঞাত-ও-এমন এক বন্ধু আছেন, তিনি আপনিই সিত অথচ ( অজ্ঞব্যক্তিগণের মনােরম জগতে এমন কোন পদার্থ আপনাতে আপনা ভ্রমদামিনী ম য়াশক্তি দ্বারা বিশ্বসুন নাই- যার চিত্ত পরম শক্তি লাভ করিতে পারে। বাল্যকাল খাইতেছেন লিওনলে এমন কিছুই নাই, যাহা তাঁহার অতীত, মনােরূপ নগ-কল্পনাপ্রসূত ক্রীড়ায় লােপ হইয়া বাধ্য নহে। f-মহাবিষ্ট হইয়া সত্ৰ বিরজখান। পত্নীৰূপ গিরিগররে জীর্ণদশা প্রাপ্ত (নিন্তে' এবং অসার শরীর রূপ প্রস্তরখও প্রণবেশ অবশ হইয়া পৰ্বত হইতে নিপতি জাগ্রস্ত হইলে লােকে কেবল কষ্ট ভোগ করে, তখন আর হয়, তদ্রুপ অস৮ি দিবার সেই পরমাত্মা-বস্তু কর্তৃক প্রেরিত নিস্তরের উপায় থাকে না। জরারূপ হিমানী-পাতেশণ শরীর- ২হয়। শিলা শেল এ প্রভৃতি প্রদেশে (রখের ন্যায় ) প চালিত কী কমলিনীকে অতি দূরে পরিত্যাগ করিয়া জীবন-মধুকর ক্ষণ- ইতেছেন যেন পৰু আক্ষোট-ল (অথরাট ) - কাল মধ্যে পলায়ন করিবামাত্র ইহলােকরূপী সােবর শুরু হইয়া বৈষ্টিত, এই সুবরগণের আশ্রয় ভুগােলও সেইরূপ উদীয় থাকে। জরার অভিশয্যরূপী নব প্রস্ফুটিত বহুমে পরিশােভিত ভাব-প্রতি জোফ্রে বেষ্টিত থাকে। ২৭৩,। স্বর্গ শিখি-বন্ধ দেহল, যতই পুরাতন হয় ওই প্রিয় হইতে বগণ, পৃথিবীতে শুষ্য শণ, পাতা ভুজগ, তাহারই কল্পনা থাকে । সমীপস্থিত সন্তোষ-পাদপের মুলােৎপাটনে সুনিপুণ সমূৎপন্ন এবং বিনষ্টই থাকে। দুরাচার কন্দর্প সেই গল্পী- তৃষ্ণরূপিণী টিনী প্রবল প্রবাহ দ্বারা এখল পদাথ উদরস্থ রের সমণে পরাক্রান্ত হইয়া নিতান্ত বিসদৃশৰূপে লােক সঙ্গকে করত ইহলােকে প্রবহমাথা আছে।১। চৰ্মাবরণে আবদ্ধ ক্রিমণপূৰ্পর্ক স্বীয় প্রভাব প্রদর্শক'রতেছে। যেমন মত্ত মাজ, বিবেক-কর্ণধা বিহীন শরীররূপিণী ভরণ আকুলিতভাবে সংসার- ৭ মদন করত চতুর্দিক মুভিও করে, তেমনি ঋতুরাজ বসন্ত সাগরে ভ্রল করত মনােমুখী হয়, তাহার উপর অবর পঞ্চ কসিত কুসুমের গন্ধে চতুর্দিক আমোদত করি লােকের ইন্দ্রিয়পী মকানিকর তাহাকে আলোড়িত করিয়া থাকে। তৃষ্ণা ঃকরণ বিচলিত করিয়া থাকে । অনুরাগিণী রমণীকুলের বিলােল কাননচারী এই মনােরূপী বানর কাম-পাপের শখ পরিভ্রমণ রিয়া বৃথ। কালক্ষেপ করে, ফললাভে সমর্থ হয় না। বিপদে * টক কার বলেন, “হে ঋষে। যেদিকে ভয় নাই, মৃত্যুভয় ঘঁহাদের বিষাদ ৰা মােহ হয় না, সম্পদে যাহারা গর্বহীনতা নবারিত আছে, তাহ। এ সংসারে দৃষ্টিগােচর হয় না। বাহা কমনীয় খুব সুন্দরীগণ যাহাদের অন্তঃকরণে আষাভনে অসমর্থ, দুপদেশ, তাহাও এ সংসারে বিরুদ্ধােব প্রাপ্ত হইতেছে।” ঘৃণমপুরুষগণ সংসারে অতি দুর্লভ ঘঁহারা গজখটা-তরf ভূ-পৃথিবী। গোল–বর্ভূল। পৃথিবী কষফুলর মত সঙ্গুল সমরসাশয় উত্তীর্ণ হন আমার বিবেচনায়, তাঁহাৱা শৌর্য- টলি। বিষ্ণচঞগে লতি চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ ও উপগ্রহ সম্পন্ন নহেন, কিন্তু ঘঁহারা হৃদয়-তরঙ্গবিন্দু শরীর-ইলিয়রূপ চুরি সংস্থান। বিষ্ণচক্রের এক নাম জ্যোতিক্র। চক্র সমুদ্র উত্তীর্ণ হন, তঁহারাই প্রকৃত শূৰ । বাহার চরম ফল পৰ্যন্ত | ভ্রমণ করে বলিয়া চক্র। তিচক্র পৃথিবী বোন * টীকাকার বলেন, “মৃত্যুর সন্তোষজনক হইতে থাকে?
য যােগণি-মায়। কারক নয় এবং দুরাশাগ্রস্তমনােরত্তিসৰ মনৰ যাহা এবং অনুরূপ সঙ্কেতমত কাৰ্যসম্পাদন (অনুরূপ সঙ্কেত অবলম্বন করিয়া শাতিলাভ করিতে পরে কোন পুরুষেরই এ পরস্পর উপযুক্ত ভাব প্রকাশ এবং অদৃষ্টানুরূপ ভগবৎপ্রেরণা কোন কাৰ্য্য দেখা যায় না ।৬—১০। যাহায়। প্রকৃত ধৈৰ্য্য হইলে উভয়েরই মূল।২১-২৫। প্রচুর দশা (ত্তি এবং অবস্থা) অনে চ্যুিত না হইয়া কীর্তিতে জগৎ, প্রতাপে দিল এবং সম্পদে স্নেহ সম্বন্ধ (মেই তৈল ও অনুরাগ) এবং অস্থিরতাযুক্ত নির্বা ভবন পূর্ণ করেন এং সক্কলে লক্ষ্মীকে পরিতৃপ্ত করেন, তাদৃশ পােম্মুখ প্রদীপ-তুল্য অসন্ন সংসারে সারতত্ত্ব কি, অবগত হও মহাপুরুষগণ সংসারে দুর্গত। পর্বত্তে প্রস্তরময় ভিডিও অন্ত ৰাধ না। সংসারপ্রবৃত্তিরূপ কুচর বর্ষাকালীন সলিলবৎ ক রালে অবস্থিত এবং বময় ভবনের অভ্যন্তরে আসীন হইলেও ভঙ্গুর হইলেও প্রমাদী পুরুষের চিত্তে নিজের চিরস্থিরত্ব বিশ্বা সকলেই সৰ্ব্বদা (অদৃষ্ট অনুশরে) সত্বর সিদ্ধি, বিবিধ সম্পদ লনে সমর্থ হয়। কমলেপম মানবের শরৎকালসমিত যৌবন এবং আপদ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। হে তাত। লােকে বুদ্ধিবলে কালে,ভো-সমূল যে সকল গুণ থাকে, অধুনা হেমন্তকালস কনা করে, পুৱ কলত্র এবং ধন-সমস্যই রসায়নের তুল্য, কিন্তু বার্ধক্যদশায় তৎসমস্তই নষ্ট , সম্বন্ধে আশ্বাস-প্রদান অতি রমণীয় ভােগ সকল যখন বিষমূৰ্ছাৰ যন্ত্রণাদায়ক হয়, তখন দূরপরাহত হইয়া থাকে। অদৃষ্টবশে উৎপন্ন বনস্পত্তি সেই অন্তকালে পুত্রাদি কোন উপকারেই লাগে না। দেহ এবং নিজের দেহভারে ছায়া-পুষ্প-ফলাদি-প্রদান দ্বারা লােকের বারংবা বুয়সের শেষ দশায় বিষম অবস্থায় বিষ মনে নিজের পূর্বকৃত ধৰ্ম্ম- উপকার করিলেও যখন কুঠার রা ছিন্ন হয়, তখন সংসা হীন কাৰ্য্য স্মরণ করিয়া জরাগ্রস্ত জীব অৰ্দাহে দন্ধ হয়। লােকে আখাসের সম্ভাবনা কি আছে? মনােরম হইলেও অতি দুষ্ট ধর্মাচরণের প্রতিবন্ধক অর্থ-কামের উপবােগী কাৰ্য্য দ্বারা প্রথমে স্বভাৱ এবং অন্তরের (অর্থাৎ শান্তির ও জীবনের) বিনাশে কালক্ষেপ কসে, পরে চলিত মপি হবং চঞ্চল চিত্ত কি জন্য উধিত বিষবৃন্দপ্রতিম লেকে সংসর্গে মেহর্থিই দুটি উপায়ে শাহিত করিবে ১১-১৫ সংকম্মের ফলও, নদীর থাকে। ২-৩০। দোষীন দৃষ্টি কৈ ? দুঃখদাহ-পরিশূন্য দিণ্ড উত্তুঙ্গ ভরঙ্গের ন্যায়, ভঙ্গপ্রবণ, সঞ্চিত থাকিলেও প্রায়ই তাহার কি? অবিনশ্বর প্রকৃতিপুঞ্জ কৈ ? ছলশূন্য লৌকিক কাৰ্য্যই । কৈ ভোগ হয় না, দৈৰৰ প্ৰাৱৰূপে পরিণত হইলেই ভাগ ব্রলোকৰসিগণের অবনও কলমক-ক্ষণমাত্রস্থায়ী , সুতর সময় উপস্থিত হয়, তখন দেহাদি অসার বস্তুতে আসক্ত জীবগণ কল্পসমূহের সংখ্যা করিতে প্রঃ হইলে । # খান, ব্রহ্মলােব (হাকে লাভ মনে বিয়া; বঞ্চিত হইয়া থকে। যাদের বাপীরাও অসত্য-নখব , (অর্থ, একটা কল ব্যতি যদি অ' অত বনরত ভাবনা করিত হয়, সেই সকল পরিণামরিস কাল না থকিত, তাহা হইলে বুঝতাম,হ্মলোব,সিগণ সকাল বর্তমান ও ভবিষ্যৰে কাৰ্যবলী রমী ও আত্মীয়গণের মনো- ব্যাপক , ত ত নয়, অসংখ্য কল, কালের অনুরে এত কল্প আর রনেই আমরণ লােকের চিত্ত রঞ্জর করিয়া থাকে। যেমন যে কালের পক্ষে কল্পও যা, ক্ষণও তাই ,সে কল্পমাত্রস্থায়ী যাহার বৃক্ষের পশ্রেণ উৎপন্ন হইয়া অচিরকাল মধ্যে জীর্ণ ও পরিশেষে তাহারাও ক্ষণিকের মধ্যেই গণ) এবং এই ক্ষণাদি ঘটি বিনষ্ট হয়, তদ্রুপ আত্মবিবেকহীন লোক সকল উৎপত্তির পর কালচক্রে অভা ও পাণা সন্ধে যে পরিজ্ঞন তাও মিথ্যা কতিপয় দিবসের মধ্যেই ধ্বংসমুখে পতিত হইয়া থাকে। দিনে সর্বত্রই পর্বত সকল প্রস্তর-বিকার, ভূমি অক্ষ দাময় এ যদি বিবেকি-রুষের অসণ ও সংকৰ্ম্ম না হয়ত ইতস্ততঃ সুদর জনগণ মাৎসালি-বিকারমাত্ৰ , লােকব্যবহারেই তাহারা বিভিন্ন এদেশে বিচার করিবার পর দিবাবসানে গৃহ প্রবিষ্ট হইলে রাত্রি- সংজ্ঞাপ্রাপ্ত (বক্তঃ পতাদি, প্রস্তৱাদি হতে অলি কালে কাহার নিদ্রা হয়। সমস্থ যিপুকুল নিদিত এবং সমগ্র সংসারে কোন পদাই কারণ হইতে অরিও নহে, এই ঐৰ্য-লাভ হওয়ায় যান নানাবিধ সুখভােগের সময় হয়, বিকারহীন ব্রহ্মেই সকলের পৰ্য্যবান হইয়া থাকে। হায় তখন মৃত্যু কোথা হতে আসিয়া উপস্থিত হয়। ১৫-২৭। পৃখিবী, জল, তেজ, বন্ধু এবং আকাশ পরস্পর মিলিত হইয়া বিষয়মাত্রেই ক্ষণকালের জন্য দৃষ্টিগােচর এবং মধ্যেই বিশ- পদার্থলীর লীলাক্ষেত্র এই জংশরূপে অফিবেকা পুরুষে শীল, তাহাদিগের অনার রূপ কোন অনির্দিষ্ট কারণে বৃদ্ধি প্রাপ্ত বুদ্ধিগোচর হইয়া থাকে, কিন্তু বিবেৰ্কিগণের বুদ্ধিগােচর হইয়া থাকে। অহহ। সেই বিষয়-রাশি-বিলােড়িত জগতের একটি করিয়া পঞ্চভূতমাত্র, আর কিছু নাই, অর্থাৎ ঘট প জলসমূহ উপস্থিত মুত্যুও অবগত হইতে পারে না। অজ্ঞানিগণ, ইত্যাদি নানামূৰ্ত্তি অবিবেকিগণের দৃশ্য, বিবেকগণ উহা কর্মপাশ-মেষতুল্য অর্থং মূঢ় জনগণকে যম-বদনের ন্যায় পঞ্চভূত হইতে অভিন্ন দর্শন করিয়া থাকেন। সাধে। মিথ ভাবিয়া থাকেন, উক্ত জুনিগণ সবিধ শরীর-বন্ধন হইতে জগতে মনস্বিগণের বিস্ময়কর ব্যবহার-বৈচিত্র্যও অসহৰ নহে মুক্ত, এই হেতু অসীমতা প্রাপ্ত হওয়ায় পূনর্জমভােগ ঠাৎ কেননা, স্বপ্নে মিথ্যা বিষয় লইয়াও ত অনেকের ব্যবহাবৈচি লিশকে করিতে হয় না। ওরঙ্গমালার ন্যায় ক্ষণভঙ্গুর অস্থির ঘটিয়া থাকে।৩১-৩৫। আকাশলতার ফলের ন্যায় অলী মােক-পরম্পরা ভগতে কোথা হইতে সবেগে অনবরত গতায়াত ভােগকল্পনা অজ্ঞানবশে প্রবল হইলে, সামান্য সােড় করিতেছে। বিষবৃক্ষে বিজড়িত এবং কামিনীগণ, সৌন্দৰ্য- আকুলচিত ব্যক্তিগণের নবীন বয়স অতীত হইলেও পরমায় গুণে পুরুষের মন হরণ , প্রাণহরণই কিন্তু তাহাদের মুখ্য সম্বন্ধে কথাও উঠে না। লােকে উৎকৃষ্ট ভােগস্থান-লা কাৰ্য, তাহাদের দুদ (অর্থাৎ পত্র এবং ওষ্টার) আরক্ত এবং ভ্রমন (অর্থাৎ অবরুপ নয়ন ও জুমর নয়ন সূচঞ্চল। * সেই নষ্ট খাবণী আশ্বাসনা অর্থাৎ চিত্তসমাধান এ ঘলিখলে পরশ-সমাগম এবং সংসারে মায়াবিভূতিগ্রী ও আঘাণ হইতে দূর হইয়া যায়। ইতি টীকাকারমত। সুহুং- ব্যর সমান। এখন হইতে ওখান হইতে আগমন । কাকার বলেন, “আপ করে গংগা অবগত হও (এপাড়-পাড় হইতে এবং স্বর্গ-মর্তর হইতে আগশন) ব্যয় না এমন যদি হইল । = বৈরাগ-প্রকরণ। ভিলাষী হইয়া নিজের মনের দোষেই অতর্কিতভাবে সংসাররূপ আরতটী-ব্যাপারে * (নন-বিচিত্ৰকাৰ্যকলাপসহুল অধঃপতিত হয়; ছাগাদি পশু, হরিতলতার ফলকামনায় গিরি- ব্যাপা) নৃত্যলীলাময়ী ন ন্যায় দৃষ্টিগােচর হইয়া থাকে। শিখর হইতেও অতর্কিত-পজ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। দুর্গমস্থানে কেননা, বন্ধুত্থাপন, ফটে সংক্ষিপ্ত এবং অপাজ-এই চারি অবস্থিত যদীয় ছায়া, লতা, পত্র, ফল এবং পপ সর্বাংশেই প্রকায় আতটাই জগৎ-অবস্থায় বিদ্যমান। মাঝাদি-বলে অলীক লাকোপকার-বহিত, সেই সকল গমধ্যস্থ কৃষ্ণ এবং আধুনিক পদার্থকে সত্যবৎ প্রতিপন্ন করাই বন্ধুত্থাপন,—বিবিধ ভ্রান্তির অজ্ঞানী) মানবগণের গুণ তাহাদের শরীররক্ষাতেই পৰ্য্যবসিত। মূল হওয়ায় জগতের অবস্থা ‘বখাপ-বিভূষিত ৰট, মনেরূপ- যেন কসার-মৃগগণ কোমল-প্রদেশে এবং কঠোর নিবিড় পবন-বেগে উদীয় ভূত-বন্দরূপ বুলি-ধূসরিত বন বিপৰ্যন্ত এবং অরণ্য-ভূগাগে বিচরণ করে, তদ্রুপ মানব্রোও কচিৎ কোমল পতন-উৎপতন-পরিবর্তন-পর-ভিনয়েও তাহা বিভূষিত (পর মনােরত্তি এবং কচিং কঠোর মনােরক্তিতে সঞ্চরণ করিয়া থাকে। অভিনয় কটীর দুটী অর্থ, এক-পরের অভিনয়, আর- শৰবং দয়া-মায়াত বিধাতার আপাতময় পরিণাম-ভীষণ পদাদি তৎপর অভিনয়—পনাদি প্রদর্শন। প্রথম অর্থ লইয়া নব নব কার্যাবলী চরমে যন্ত্রণাদায়ক বলিয়া আরতেও দূষিত সম্ফেট নামক আরভটার । আরােপ হইল। পরিবর্তন হইলেও অতি-অবিবেকী পুরুষগণের আসক্তিকর, কিন্তু সংক্ষিপ্ত আরী, পভন-উৎপল-অবপাতন আৰভটা কোন্ বিবেকী পুরুষ ইহার কাধে বিস্মিত না হন ? লােকে জগতের অব। পৰুে পতন-উৎপল-অর্থে—নক স্বর্গ)হে প্রায়ই বিবিধ কৌটিল্যান্সি-চেষ্টানিত এবং কামাসক্ত , বিবেকী রাজ সংসার-রচনা নকীর ন্যায় শােভ। পাইয়া থাকে, কেননা পুরুষ জগতে এখন স্বপ্নেও দুর্লভ, জানিনা, ক্রিয়াহুঃখ-সঙ্গিনী গন্ধৰ্ব্ব-নগরের ন্যায় ভ্রান্তি-উৎপাদন, কটাক্ষ-চাঞ্চল্যপূর্ণ কটাক্ষের অতি-খেদময়ী এই সমগ্র জীবিত অবস্থা কিরুপে অতিবাহিত ন্যায় চাঞ্চল্যপূর্ণ, অথচ কটাক্ষের চাঞ্চল্যপূর্ণ, উদার ব্যবহার হইবে। ৩৬১। এবং বিদ্যুচ্ছাম-প্ৰকাশচপল আলােকন (দর্শন দান অথচ আলাে ক) ইহার সাধ। এই ' সপ্তবিংশ সর্গ সমাপ্ত। ২৭। এবং পুনর্বার প্রত্যহ উৎপত্তি হইতেছে, কিন্তু এই হমুভি সংসারের অবসান ত নাই। মানুষ তিযােন প্রাপ্ত হই অষ্টাবিংশ সর্গ। তেছে, গিজাতি মনুষ্য পাইতেছে, বেতাগা দেবভাব হাৱাইতেছেন , অতএব হে বিতো। এগতে অস্থির কি আছে? শ্রীরাম বলিলেন, ব্ৰহ্ম। এই যে কিছু চরাচর-জগৎ দৃষ্টি কালরূপী সূৰ্য্য স্বীয় শিজালে পুনঃপুন দিবারাত্রি গঠন ও গোচর হইতেছে, তৎসমস্তই স্বপ্নসমাগমসদৃশ অস্থির। হে অর্জন করত প্রাণিকুলের বিনাশের সীমা নিরীক্ষণ করিতেছেন। মনে। আজ যাহা শুদ্ধ-সাগরসদৃশ খাতপে নয়নগােচর হই- ব্রহ্মা, বিষ্ণু, রুদ্র, অথবা এক কথায় বলতে গেলে সকল প্রাণি তেছে, প্রাতঃকালে হাই মেঘমালাপরিবেষ্টিত পর্বতরূপে পরিণত বৃন্দই, বাড়বানলানুবর্তী সলিলের ন্যায়, ধ্বংসমুখেই খাবিত হই- ইতে পারে। এই যে অরণ্য-বল গগনস্পর্শী মহাগিরি, ইহা তেছে। স্বৰ্গ, মত, বায়ু, আলশ, পর্বত, নদী এবং দিশগুল কয়েকদিনেই ভূমি-সমতল হতে পারে, কূপও হইতে পারে। সমস্তই ধ্বংসরূপী ৰাভবানলের বিওফ ইন্ধন। মৃত্যুগ্রস্ত ব্যক্তির সদ্য ধে অঙ্গ কৌযেয় বস্ত্র, মাল্য ও অনুলেপনে ভূষিত, কল্য পক্ষে ধন, ব, ভৃত্য, মিত্র এবং সম্পত্তি—কিছুই এপ্রিল হয় তাই বস্ত্ৰ-পৰ্য্যন্ত-বর্জিত হইয়া দূরতর-গর্তে বিশণ হইবে। না। মৃত্যুরাক্ষস যাবৎ স্মৃতিপথে উদিত না হয়,তৰংকলই বুদ্ধিমান দ্য যে স্থানে বিচিত্র কাচারপূর্ণ নগর অবলােকিত হইতেছে, ব্যক্তির উক্ত সমস্ত বিষয় ভাল লাগে। কাল ঐ, কাল স স্থানে কয়েকদিনের মধ্যেই শুন্য অরণ্যের সমাবেশ হইয়া দারিদ্র-ভােগ, ক্ষণকাল রােখ এবং রুশকাল আনােগ্য-লাভ কে। ১-৫। অন্য যে তেজস্বী পুরুষ মণ্ডলের অধীশ্বর, সেই হয়। ক্ষণে ক্ষণে ভ্রান্তিকারী বিশ্ব ভ্রমময় জগৎ কোন্ বুদ্ধিমানকে বরাজমান পুরুষই কয়েকদিনে ভস্মভূগরুপে পরিণত হয়। মােহিত না করে? ১৭২৬। আকাশমণ্ডল কোন সময়ে অঃ- মহাভীম গগনসদৃশ শূন্য বিস্তীর্ণ অরণ্যানীও (কালবশে) এমন । পপিণ্ডে বিলি এবং কোন সময়ে কনকদ্রব্য-কমনীয় আলােকে নগরীরুপে পরিণত হয় যে, তাহার পতাকাসমূহে গগনমণ্ডল বৃত থাকে। অন্য যাহা পতামণ্ডিত ভীম অরণেরূপে * মায়া, ইন্দ্রজাল, যুদ্ধ, ক্রোধ, উদভ্রান্ত-চেষ্টা, বদ এবং বন্ধন কাশমান, কয়েকদিনের মধ্যেই তাহা মরুভূমিরূপে পরিণত হইতে এই সকল কার্যকলাপ ব্যাপারের নাম আরতটী। কৌশিকী রে। জল-স্থল হয়, স্থল-জল হয়, কাজল-৭-সমর্থিত প্রভৃতি চারিতা বৃ-ি-নাট্যের বিশিষ্ট উপবােগী। আরতী খে মগ্র বিশ্বই পরিবর্তনশীল। বাল্য, যৌষ, শরীর এবং দ্রব্যসমূহ- তম। কলই অনিত্য , অঙ্গের স্থায় নিরন্তর এক অবস্থা হইতে অবস্থা ( ক্রুদ্ধ এবং সত্বর ব্যক্তিয়ের পরস্পর সংখসটে। বিপ্রাপ্তি তাহাদিগের ধর্ম। ৬-১০। জগতে জীবন, প্রজ্ঞন- ভূতরূপ-কানবিপাস ক্রোধ-সত্বরতার প্রকাশক, পরের ঐ প্রকার মধ্যস্থিত দীপশিখার স্যায় চঞ্চল , আর ত্রৈলােকের পদার্থলােভ, অভিনয় হইলেই সম্ফেট’ আরটা হয়। যে কাধ দ্বারা এক বিদ্যুৎ চমকের ন্যায়, অস্থির। অনবরত উপচয়-অপচয়-প্রাপ্ত বীজ ব্যক্তিকেই বিরুদ্ধচক্রান্ত বলিয়া অনুভব করা যায়, অহা শির ন্যায় সমগ্র পদার্থই পরিবর্তনশীল। জগতের অবস্থা সংক্ষিপ্ত আরষ্টা। প্রবেশ নিকমণ এভৃতি কাৰ্য্য মায়া অৰ- পাজ রঙটাহয়। * “নিখিল-দুঃখ-শূন্য-উপাবিবতি সমস্ত জীবিত অবস্থা জাফকারআৱভটা’ শব্দের অর্থ করিয়াছেন, “আড়ম্বয়াতি আর জোছোয়া-খাওয়া নে নাই। । T ঘ টাকাসম্মত অনুবাদ।
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ = পরিশােভিত হইয়া থাকে। আকাশ-বিষয় কোন সময়ে আলী রস-তারতম্য-শব্দ বিশ্ব সাংসারিক অবস্থা প্রতিদিনই অধিক রূপ নীল কর্মশালায় আচ্ছন্ন, কোন সময়ে উচ্চ শব্দে পূর্ণ এবং ভর কটু হইতেছে। রাজ। কটু হইতেছে। রাজ। করঞ্জবক্ষবৎ কর্কশ মানব- কোন সময়ে মূকবৎ নিঃশকে অবস্থিত। গগনমণ্ডল কোন সময়ে হৃদয়ে প্রতিদিন দুর্বলতার বৃদ্ধি এবং সৌজন্যের হ্রাস হইতেছে। নক্ষত্রখচিত, কোন সময়ে দিনক-পরিশােভিত, কোন সময়ে সাংসারিক অবস্থা, ৩ মাষণিষীর ন্যায়, অতি অল্প সময়ের শশধরবিরাজিত, কোন সময়ে বা নক্ষত্র চন্দ্র সূৰ্য্য কিছুই থাকে মধ্যেই ভগ্ন হইতেছে, প্রভেদের মধ্যে এই যে, মা-শিশী- না। উপচ-অপশালিনী উৎপতি-বিনাশশীলা জাগতিক অবস্থা ভঙ্গে টঙ্কার শব্দ হয় আর সংসার-অবস্থাভঙ্গে তাহা হয় না। দ্বারা সংসারে ভীত না হয় কে? রুণে আপদ আসিয়া উপস্থিত হে মুনিবর। রাজ্য এবং যাবতীয় ভােগ-চিতার আম্পদ , চিন্তা- হয়, ক্ষণে সম্পদ আসিয়া উপস্থিত হয়, ক্ষণে জন্ম এবং ক্ষণে সমুৰিবৰ্জিত নিৰ্জন-সেবা অপেক্ষা উত্তম। ১-৫। উদ্যানে মৃত্যু হইয়া থাকে, হে মুনে। কোন্ ৰক্ত কণিক নয়? পূর্বে আমার আনন্দ নাই, রমণীকুলে আমার সুখ নাই, ধনাশায় আশার এক অবস্থা, অকালে অন্য অবস্থা এবং কয়েক দিন পরে হর্ষ নাই, মনের সহিত আমার শান্তি-উপভোগেই আমার সব। পুনরায় অবস্থার মানবের খাটে, ভগব। সর্বদা এক প্রকার কিন্তু ভাত। জগৎ অনিত্য এবং সুখহীন, তৃষ্ণা দুর্নহ , চি স্থির বস্তু কিছুই নাই। খটও পট হয়, আবার পটও ঘট চাঞ্চল্যে দূষিত, আমি কেমন করিয়া শান্তি পাইব? আমি মরণ হয় (ঘট ভাঙ্গিয়া চুর করিয়া কার্পাসক্ষেত্রে নিক্ষেপ করিলে, আকাক্ষাও করি না, জীবন আকাঙ্ক্ষাও করি না, আমি যেমন তাহা জমে কার্পাসক্ষেপে, পরে ফল, অনন্তর তুল—সত্ৰ-পট থাকিতে হয়, নিশ্চিন্তভাবে তাই খাকি। রাজ্য, ভােগ, ধন এবং রূপে পরিণত হয়। বস্ত্র মৃত্তিকায় প্রোথিত করিলে, তাহা মৃত্তিক- কামনায় আমার কোন ফল নাই, কেননা এসমন্তেরই মূল যে রূপে এবং ক্রমে ঘটপে পরিণত হয়)। সংসারে এমন কোন অহঙ্কার, আমার তাহাই অপগত হইয়াছে। স্বীয় জন্মপরস্পর- বস্তু দৃষ্টিগােচর হয় না, যাহার পরিবর্তন নাই। বৃদ্ধি, পরিবত্তন, জবরায় অর্থাৎ চৰ্ম্মরতে (পাদুকাবিশেষ) যে সব দূর অপচয়, বিনাশ এবং পুনর্জন্ম মনুষ্যগণের নিকট, দিবারাত্রির ন্যায়, ইন্দ্রিয়-এম্বি বন্ধু আছে, তাহা মোচন করতে যাহারা উদ্ঘাণী নিয়ত পরিবর্তনশীল দুর্বলও বাবাকে নিহত করে, এক ব্যক্তিও তাহারা প্রশংসনীয় ব্যক্তি + ( এছিমােচনে বরত্র। শিশি হইলে, শত ব্যক্তিকে বিনষ্ট করে, নীচ-ক্তিগণও প্রভুত্ব প্রাপ্ত হয়, অনায়াসেই বরত্রা-উন্মোচনে সামৰ্ণ হয়)। ৬. ১০। যেক। এইকপ সমস্ত জগতেরই পরিবর্তন ঘটিয়া থাকে। ২৭-৩৫। হস্তী, পদ-নিষ্পেষণ দ্বারা কোমল কমলকুল ললিত করে, তদ্রুপ জড় অল সংসর্গ তরঙ্গাবলীর ন্যায় জনসমূহ নিরন্তর কন্দর্প কামিনীকুল দ্বারা পুরুষের হৃদয় দলিত করিয়া থাকে । বিপর্যস্ত হইতেছে। অল্পদিন বাল্য, তাহার পর যৌবনলােভ মুনিবর। নিৰ্ম্মল বুদ্ধিযােগে এখন যদি মনের চিকিৎসা কব, ন এবং ইহার পর জরা উপস্থিত হয়, এইকপে শরীরেই যখন পরি- যায়, তাহা হইলে ইহার পর আর তার চিকৎসার সময় পইৰ বৰ্ত্তন ঘটিয়া থাকে, তখন বাবর আর কথা কি? নন, নটের কোথায় ? বিষম বিষয়ই বিষ, লোকে যাহাকে বিষ বলে, ভাড়া ন্যায়, সকল বিষয়েই ক্ষণিক আনন্দ, ক্ষণিক বিষদ এবং ক্ষণিক বিষপদবাচ্য নয় , কেননা একজন্মের বিষয়বিষ জন্মান্তরেও মৃত্যুমুখে প্রসন্নতা অনুভব করে। এখানে হর্ষের বস্তু, এখানে বিষাদের বস্তু | নিপাতিত করে ( মােল'তে ব্যাঘাত জন্মায়, আর বিষ—এক- এবং অপর স্থানে মােয়র সামগ্রী—এইরূপে ইতস্ততঃ নিখিল-বস্তু | জশ্বের দেহই নষ্ট করিয়া থাকে' সুখ দুখ, এ মিত্র, মরণ রচনা করত বিধাতা ক্রীড়াব্যাপারে, বালকের ন্যায়, শান্তি বেথ জীবন—কিছুই তত্ত্বজ্ঞনীর চিত্তবন্ধনে সমর্থ হয় না। হে পূৰ্ব্বাপ- করেন না। বিধাতা জগতের উপচয়, অপচ, রূপান্তরপ্রাপণ, অভিজ্ঞ-প্ৰবৰ ব্ৰহ্মণ। যাতে আমি তজ্ঞালী হইয়া শাক, ভ সৃষ্টি এবং সংহার করিয়া থাকেন, আর হর্ষ বিষাদ প্রভৃতি বি এবং আত্মাস হইতে মুক্তিলাভ করিতে পারি, শী আমাকে সেই - বিধি-সৃষ্ট মানগণের পক্ষে দিবারাত্রির ন্যায় নিয়ত পরিবর্তন- উপদেশ দিন। ১১-১৫। ভাষণ অজ্ঞানরূপ অরণ্যানী বন- नौन । সংসাভোগী জনগণের আবির্ভাব-তিয়াভাব আছে- জালে জটিল, দুঃখকণ্টকে সঙ্কুল এবং নিশাত-উংপত । অ4, অর্থাৎ অস্থির। তাহাদের আপদ বিপদও অস্থির। এই কাল- বন্ধুরভূমি অথচ বিপদ-সম্প) ইহাতে অনেক। মুনিবর। আমি প্রায় সকলকেই বিপদ-সাগরে নিক্ষেপ করত ক্রীড়া করিতেছেন। করপত্রের (কাতের অগ্রভাগ দ্বারাও কত্তন সহ্ন করিতে পারি অবলীলাক্রমে নিখি-চতুরবন্দকেও বিচলিত করিবার ব্যাপারে কিন্তু সংসার-ব্যবহারসভুত আশ ও বিষয়কৃত কওঁন সঙ্ক করিতে কাল সুনিপুণ। ফ্রিলোক যাবতীয় প্রাণির কল-সমূহ স্বরূপ, পারি না। বায়ু যেমন ধূলিরাশি উদ্ধৃত করে,-এই আছে, এই সমপাক এব, বিষম-পাক বশতঃ তৎসমস্যই বিভিন্ন প্রকার। নাই-ইত্যাদি ব্যবহারৰূপ অজ্ঞানাঞ্জল-জশিত ভ্রন্তি-চঞ্চল মনকে সেই সব ফল সময়কাল সমীরণবেগে চালিত হইয়া বিশাল সেইরূপ চালিত করিয়া থাকে। সংসার হারস্বরূপ, তাহা তৃষ্ণৰূপ সংসৰু-পাদপ হইতে প্রতিদিন নিপতিত হইতে। ৩৬-৪৩। সূত্রে গ্রথিত, জীবসমূহ তাহার মুক্তকলাপ, সাক্ষি চৈত-নিসুল অষ্টাবিংশ সর্গ সমাপ্ত।২৮। মনই তাহার নিত্য ভাস্কর মণ্যমণি, তাহা কালরূপ লম্পটর অলঙ্কার,-সিংহ যেমন বগুরা ছেদন করে, আমি বৈৰাগ্যবNে কিন্তু ক্রোধাবিশে নহে—তদ্রুপ তাহা ছিন্ন করিতে ইচ্ছা করি। একোনত্রিং সঙ্গ। * টীকাকার বলেন, “দৃঢ় ইলিগ্রন্থিযােগে জন্মপরম্পরারূপ হীরাল কহিলেন, এইরূপ দোষ-মানলে প মণীর চরিতে আবদ্ধ জীবগণের মধ্যে শাহাৱা সেই বন্ধন-মোচনে বলবৎ চিত্তে সাের মরীচিকার ভয়, ভােগাভিলাষ উদিত হয় উদ্যত তাহার প্রশংসনীয়।” এ অর্থ মুলের কত হইতে না। নিত-সমাশ্রিতা ললিকায় স্থায়, সাময়িক পরিক আইসে না। = বৈরাগ্য-প্রকরণ। T আমার হৃদয়-স্থানের তুষাটিকানরূপ সাবাে। বথায় শোক নাই—সেই উপাধি-বক্রিত ভ্রান্তিনাশক, একার (নের অন্ধকার” টাকা) মুখজনক বিজ্ঞানগীপ যারা খেদহন সার বিশ্রামস্থান কি? জনক প্রভৃতি মহাপুরুষগণ নিকৃত করিত আ হ হে মহাত্মন। নিশাকরের উদরে নৈশ সাংসারিক ব্যবহার রক্ষা করিয়াছেন এবং সকল কাৰ্য কত অন্ধকারের ন্যায় সংসঙ্গে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না-এমন দুশ্চিন্তাই নাই। নির্বাহ করিয়াছেন, ভপি জ্ঞানী হইয়া শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করি- আয়ু, সমীরণ পরিচালিত-জলদল-মুক্ত সলিল-বিন্দুর স্যায় ক্ষণ. লেন কিরূপে? হে বহুমানপ্রদ মুনিবর! সংসারপঙ্ক নানাপ্রকারে ধ্বংশী, ভােগই মেষ-পটলমধ্যস্ফুরিত সৌদামিনীর স্যায় অলথ হইলেও পুরুষের হাতে লিপ্ত না হওয়া কিরূপে ঘটে? চঞ্চল,-যৌবনবিলাস জলস্রোতে স্থায় অস্থির, ইহা আমি অরি- ভবাদৃশ দোষশূন্য জীবন্মুক্ত মহাপুরুষ মহাশয়গণ কিরূপ- কাল মধ্যেই বিচার করিয়া এখন চিরশান্তির জন্য মন মুদ্রিত দৃষ্টিতে সংসাৱক্ষেত্রে বিচরণ করেন। কুটিলগতি ভয়প্রদ গল্পগো- করিয়াছি।১৬-২৩। পৰ ভােগভীষণ নয় অস্থির সম্পদ বিষয়জাল পরিঞ্জনে নরকের এই প্রবুদ্ধ করে, কিন্তু তাহা কি উপায়ে মঙ্গলাৰহ হইয়া একোনত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত। ২। থাকে।১-১৫। যেইরূপ মাতদের আলেডনে কনুষভাবাপন্ন বুদ্ধিরূপ সরোবর কিরূপে অত্যন্ত স্বচ্ছতালাভে সমর্থ হয়? লােক ত্রিংশ সর্গ। সংসার-ক্ষেত্রে ব্যবহারপারণ হইলেও কমলদলে সলিলের রায়, নিশিপ্ত থাকিতে পারে—ইহার কি উপায় ও লেকে কি উপায়ে শ্রীরাম বলিলেন,-এইরূপ উপস্থিত শ শ অনিষ্টল কামাদি-বৃত্তি স্পর্শ না করিয়া জগৎকে অন্তদৃষ্টিতে আত্মবৎ এবং মনােরক্তিকমপূর্ণ * সংসার-কোটরে অগকে নিমগ্ন দেখিয়া বাদৃষ্টিতে তৃণব বোধ করত পরমপদ প্রাপ্ত হইতে পারে ? पामाद मन যেন বর্ণিত হইতেছে ভয় হইতে এগং অজ্ঞানসমুদ্রের পারপ্রাপ্ত কোন মহাপুরুষের অনুরূপ আচরণ জীর্ণ বনস্পতির পত্ৰ-নিকরের ন্যায় আমার শরীর কম্পিত করিলে লােকে দুঃখভােগ হতে অব্যাহতি পায় ? প্রকৃতপক্ষে অ- ইতেছে। উত্তম সন্তোষ এবং ধৈর্য্যের ক্রোড না পাইয়া সরণীয় মঙ্গল কিরূপ এবং লভ্য ফল কিরূপ অসামঞ্জস্যপূর্ণ সংসারে মাকুশীভূত বুদ্ধি লক্ষহান অবস্থায়, দুর্বল-পলিখিতীয়া বালিকার কিরূপে ব্যবার করিতে হয়? ১৬০। প্রভাে। বিখাতুনিশ্রিত চায়, সংসারক্ষেত্রে ভীত হইছে , তুছ ভূপাদি-আচ্ছাদনে অস্থির জগতের পূর্বাপর যাহাতে অবগত হইতে পারি, এমন প্রতারিত মৃগগণ যেমন আচ্ছাদিত গর্তে নিপতিত হইবার জন্যই তত্ত্ব-উপদেশ কিছু আমাকে দিন। হে ব্রহ্ম। হুগমস্থান গগ- বলষ্ঠিত হয় – তুচ্ছ বিষয়ছে প্রতারিত মনােবৃত্তি সকলও মণ্ডলের শশধরগৰূপ-চ-উল অন্তঃকরণের মলিন তদ্রপ দুঃখভোগের জন্যই বিনুষ্ঠিত হইয়া থাকে। সামান্য যাহাতে দূর হয়, নির্বিঘ্নে অহা সম্পাদন করুন। সংসারে হেয় চক্ষুদি ইদিয়—অববেকী পুৰুষে অধিষ্ঠিত, ভ্রষ্ট অন্ধকূপ- কি উপাদেয় কি এবং অহয়-অনুপাদেয়ই বা কি? চঞ্চল- প্রাপ্ত ব্যক্তিগণের ন্যায় কষ্টকর স্থানে অধিকট -ত্যবতে চিত্ত কি উপায়ে পর্বতের স্যায় স্থিরভাব প্রাপ্ত হয়। শত-যন্ত্রণা এখিচ নহে।১-৫। জীবরূপী ঈশ্বরের অধীন চিন্তা প্রিয়- দায়িনী অঙ্গ-সংসাববিচক কোন পাবন-মন্ত্রে অনান্য নকতনে নববধুর ন্যায় স্থির থাকিতেও পারে না অভিলষিত উপশম প্রাপ্ত হয় ? আমি কোন উয়ে, পূর্ণচন্দ্রের ন্যায, বিষয় ও দেশ) লাভ সমর্থ হয় না। সহোগ, পৌষমাসের আনােদপ-মঞ্জরীরূপিণী পূর্ণ শীল প্রাপ্ত হইতে পারি ? সভিকার স্যায়, কোন কোন পুরাতন বন্ধু ( বিষয় ও পত্র) ত্যাগ আপনারা সাধু তঙ্কানী, আমাকে এইরূপ উপদেশ দিন, যেন এবং কোন কোন বস্তু গণি করত নেমেই তাবসাদও আমি আন্তরিক-অভাবশূন্য হওয়ায় পরিতৃপ্ত হইয়া পুনর্ধার দুঃখ- হইতেছে। oিতে অস্থিরতায় আমার সাংসারিক এবং পারমা- ভোগ না করি। ত মহান। যে ক্ষুঞ্জীব, সর্বশ্রেষ্ঠ পরমানন্দ- বিক সর্পবিধ সুখ দূর হইয়াছে, এক্ষণে সংসারের অবস্থা পদে অত্যন্তিক স্থিরতা প্রাপ্ত না হইছে,-যেরূপ কুকর অরণ্যে আমাকে কিয়দংশে পরিত্যাগ এবং কিয়দংশে গ্ৰণ করিয়া মৃতপ্রায় শরীরের দুর্দশা করে, মনােতি সঞ্চল তাহাকে তদ্রুপ অবস্থিত। আমার বুদ্ধি এণে আত্মতত্ত্ব-নিশ্চয়, সুতরাং দারুণ দুর্দশাগ্রস্ত করা থাকে। ২১-২৭। দূর হইতে) স্কন্ধ-বিহীন রক্তের মূল-ভাগ দর্শনে লােকে ত্রি শ সর্গ সমাপ্ত। ৩০। যেমন “এটা চোয় না-গাছের গোড়া” এইরূপ সংশয়ে আকুল হয়, তদ্রুপ আমার বুদ্ধিও “এটা , না- ঐট তও, এইরূপ শয়ে আকুল হইছে। চিত্ত চঞ্চল, বিবিধ-ভােগবাসনাগুণ এক, কি তাহার বিহার-ক্ষত্র , অমরগণ যেমন দ্রুতগামী একত্রিংশ সর্গ। ভােগ-সামগ্ৰৗপূর্ণ ত্রিভুবন-বিহারী স্ব স্ব বিমান পরিত্যাগ করেন না, তপ চিত্তও ভ্রান্তি। পরিত্যাগ করে না ৬-১০। অএব থে শ্রীরাম খলিলেন-আয়ু, উচ্চ পাপের কতিপত্ৰ-বিলম্বিত জলবিন্দুর স্থায়, পতনােখ, শরীর---চুড়ামণি শশিকলার স্যায় দেখিতেই পাওয়া বা না এবং বিকেবিহারী শব্দরিমান ভেক- “এইরূপ শত শত অনিষ্টসল সংসার-কোটরে জগৎকে কুলের গলনালীচর্মের ন্যায় অস্থির, বের হুৎ-পক্ষ- মগ্ন দেখিয়া আমার মন চিন্তাকামে মগ্ন হইয়াছে” ইহা সমাগম বাবাবেষ্টনস, বাসনারূপ সমীরণে পৰিবেষ্টিত, দুরাশ- কাকার কষ্টকলিত । রূপিণী-সৌদামিন-বিজড়িত, মােহরূপী ফের বুটিকায় লগ- । তাই টীকাকার। বীনি শনিপাত এবং গন করিতেছে লােভী এ যােগবাণি। উন্মত ময়ূর ভাণ্ডৰ-নৃত্য করিতেছে। অনরূপ কুটকুম ত্যাগ করি। নির্মলণশধৱকমনীয় রামচন্দ্র মহত্তর বিবেক-উ পাপ আক্ষোট (স্পর্ধা এবং কলিকাভেদ) সহকারে কিসিত মনে এই সৰ কীৰ্ত্তন করিয়া, মমেজালের সম্মুখে কেকার হইতেছে, জুর কুতান্ত-মার্জার সৰ্ব্বভূতরূপি-মুষিককুল-ভক্ষণে বিধায়ী ময়ুরের গয়, যেন শ্রান্তি শতই তুফীন অবলম্বন ব; কোথা হইতে নিরন্তর শ্রোতঃসম প্রাণিসঞ্চার হইতেছে, করিলেন। ২০-২৭। পতনের (অপতন ও বৃষ্টি) প্রাচুর্যও আছে—এমন অবস্থায় একত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩১ আমার উপায় কি? গতি কি ? আশ্রয় কি? কোন বিষয়ের চিন্তা কৰা যায়। এই জীবিত খণ্যের পরিনাম কিসে অৰহ না হয়। এমন কোন বস্তুই পৃথিবীতে, আকাশে বা স্বর্গে লাই—যাহা অতি তুচ্ছ হইলেও ভবা মহামতিগণের দ্বাত্রিংশ সর্গ। ইচ্ছায় রমণীয় হইতে না পারে। নিরন্তর দুঃখষণাকুল এই নীল মসংসার সুস্বাদু হইবে—কিন্তু মােহগ্রস্ত থাকিব না শ্ৰীশ্ৰীকি বলিলেন,-কমলদল-লোচন রাজনন প্রীরাম ইহার উপায় কি ? পথলিত বসন্ত-ঋতুষােগে বসুন্ধরার ন্যায়, মনের মােহবশক এইরূপ কথা বলিতে থাকিলে, এ সমস্ত পরিতৃপ্তিরূপ দুস্থানে সংসার কিরূপে রমণীয় হইবে? কিরূপ ব্যক্তি বিশ্বয়বশে বিকশিতনে হইলেন, তাহাদের নােমসমূহ কালন করিলে কামকলক্ষিত মনঃশশধরের মলয়সম্বন্ত অমৃত যেন সেই সকল বাক্যশ্রবণে ব্যগ্র হইয়াই বসনাবরণ ছিন্ন করিয়া ময়ী চন্দ্রিকা উদিত হইবে?'আমরা সংসাৰুগতিশীঐছি- ফেলিল। বরাগ্যবাসনায় তঁাহাদের সমস্ত সংসার-বাসনা আমুখিক ভােগশূন্য কোন মহাপুরুষের ন্যায় সংসার-অরণ্যানী দূরীভূত হইল তাঁরা মুহূর্তকাল অমৃতসাগরের লহরীমালায় মধ্যে বিচরণ কৰিব । রাগন্বেষ মহারােগর ভােগবহুল ঐশ্বর্যা- আন্দোলিত হইলেন। শ্রবণকুশল ব্যক্তিগণ আনন্দচিহ্নে পরিপুষ্ট রাশি, সংসারসমূদ্রচারী প্রাণীকে কি করিলে পীড়িত করে না। হইয়া চির্পিতৰং শ্রীরামের সেই সব কথা শ্রবণ করিলেন। সভা- হে বীরবর। সরূপী প্র পারদ অনলে পতিত হইলেও মণ্ডপে অবস্থিত বশিষ্ঠ বিমি প্রভৃতি মুনিগণ মন্ত্রণাকুশল জয়- যেমন দম্ভ হয় না, তদ্রুপ জ্ঞানরস-সম্পন্ন সংসারী সংসারালে বৃষ্টিপ্রমুখ সচিববৃন্দ দশরথ এবং ভংসদৃশ পল্লদেশাধিপতি প্রভৃতি পতিত হইলে কি উপায়ে সাহু হইতে অব্যাহতি পায়? ৭-১০। সামন্ত রাজগণ, পৌর, রাজপুত্রগণ, বেদবাকা ব্ৰক্ষাগণ, ভূভ্যগণ, যেমন সমু েপতিত হইলে জল লাগিবে না—এমন ভাবে অমাতাগণ এবং পঞ্জর বিচগগণ শ্রীবামের সেই সকল কথা শ্রবণ ভাসা যায় না, তদ্রুপ সংসারে পডি ব্যবহারকার্য করিতে করিতে কগিলেন ঐগগণ নিস্তব্ধভাবে, তুরঙ্গগণ চর্বণ হইবে না—এমন ভাবে থাকা যায় না। অনলের যেমন দাহ- বিরত হইয়া এবং কৌশল্যামুখ বনতল স্ব স্ব খাতায়নে হীন শিখা নাই, ভদ্রুপ রাগ-দ্বেষসম্পর্ক সুখদুঃখ-বিবর্জিত অবস্থিত হইয়া নিঃস্পন্দভবে গ্রীরামের কা শ্রবণ করিতে সনুষ্ঠানও সংসারে অাব এবং ত্রিভুবনের অস্তিত্ব মনােবৃভির লাগিলেন, তখন তাহাদের ভূষণধ্বনিও নি ছিল। উদ্যান-লতা- উপরেই আ—সেই অস্তিত্বের অবসান, তত্ত্ববােধক যুক্তি। পুজ এবং সৌধ বিটঙ্কে অধিষ্ঠিত পক্ষিগণ পক্ষন এবং কুল উপাসনা ব্যতীত হয় , অতএব সেই উত্তম যুক্তি বিশেষ করিয়া : নিবৃত্ত করিয়া রামের বাক্য শুনিতে লাগিল। সিদ্ধ গর্ব ফলুন। ব্যৰগর সম্পন্ন হইলে অথবা ব্যবহার ত্যাগ করিলেন। কিন্নর প্রভৃতি খেচরগণ, নারদ ব্যাস পুলহ প্রভৃতি মুনিশ্রেষ্ঠগণ দুভােগ হইবে না, এবিষয়ে যে উত্তম যােগােপদেশ, তা বিশেষ। এবং এতদ্ভিন্ন সুর সুবর বিদ্যাধর এবং মহাভুজগগণ সেই রূপে বলুন। যাহা করিলে মন পত্র এবং পরম শান্তিপ্রাপ্ত হয়, ' ত্রি-অর্থ-সম্পন্ন ঔদাৰ্যপূর্ণ সমবাক্য শ্রবণ করিলেন।১-১১। তাহা পূর্বে কোন মনস্বী করিয়াছেন, কিরূপে করিয়াছেন এবং অনন্তর রঘুকুল-গগন-সুধাকর শশধর-সুন্দর কমললােচন রাম কেনই বা করিয়াছেন? হে ভগবন। সাধুগণ যেরুপে দুখের হত ভুফীত হইলেন, গগনমণ্ডল হইতে সিঙ্গসমূহ সাধুবাদ এবং হইতে অব্যাহতি পাইছেন অহা যেমন অবগত আছেন, মােহ- পূষ্পবৃষ্টি করিলেন, সেই পুষ্পবর্ষণে নল যেন চাতপ-গত নিবৃত্তির জন্য সেইরূপই বলুন। ১০-১৯। হে ব্ৰহ্ম। আর যদি হইল। মারকুসুম-গর্ভে শুষুপ্ত মধুকমিবুন (ৰণবেগে প্রবুদ্ধ আদৃশ যুক্তি না থাকে, অথবা থাকিলেও আমাকে যদি কেহ তাহা হইয়া) ডাকিয়া উঠিল, মানবগণ তাহার মধুর-সৌরভ-মিশ্রিত স্পষ্টভাবে উপদেশ না দেন, অথবা উপদেশ পাইয়াও যদি সৌন্দর্যে আনন্দবিহ্বল হইল, তখন বােধ হইল, যেন প্রবহ-বায় আমি অত্যুত্তম শান্তিতে অধিকারী না হই, তাহা হইলে আমি তারকাচকে ভূলে নিক্ষেপ করিলেন, যেন অমরললনার হাদীপ্তি সর্বকামনা ও অহঙ্কার পরিত্যাগ করিব, কিছু আহার করিব না, অবনীপৃষ্ঠে নিপতি হইল, যেন বর্ষণ-বিমুখ স্বচ্ছ ও অখণ্ড ভূলে এল পান করিব না, বসন পরিধন করিব না, মান দান উপবেশ পরিভ্রষ্ট হইল, যেন রাশি রাশি হৈঙ্গবীনপিণ্ড ইতস্ততঃ বিবি প্রভৃতি কাৰ্যও করিব না। হে মুনে! সম্পদ বিপদ—কোন অবস্থা হইল, যেন মুক্তাহার নিক-সন্নিত মহতী শারষ্টি হইল, ফেন তেই কাৰ্যব্যাপৃত হইৰ , দেহত্যাগ ব্যতীত আর কিছু শশধৱের কিরণমালা অথবা কীস্লো-সাগরের উর্মিমাল্য বিস্তৃত আকাঙ্ক্ষাও করিব না। আশঙ্কা, মমতা এবং মৎসর ত্যাগ করিয়া হইল। সেই পূষ্পবৃষ্টি-কেবিরাজিত কৰশীর বিলােলন, বিভ্রান্সিলের ন্যায় কেবল মৌনভাবে কালথাপন কৰিব। অনন্তর কেতকী-সমূহের ঘূর্ণন, কুমুদনিকরের অফুরণ, কু-পাকলীর মে খস, এস ও জ্ঞান পরিত্যাগপূর্বক দেহ নামক এই পজ এবং কুবারকুলের বনে পরিশােভিত হইল; মক অনিষ্টজনক সামগ্রী পরিত্যাগ করিব। আমি দেহের নই, এ নিক চতুর্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল, শীৎকার-গীতিপরায়ণ সুরভি দেহও আয় নয়, এ দেহাদিও আমার নয়, 'আমি তৈলহীন এীপের বিবি হই-সকল পরিত্যাগ করিয়া কলেবরও টীকাকার বলেন, “বর্ষণকারী গর্জনন জিদও এখ”। | বৈরাগ-প্রকরণ। । মধুৰ সমীরণ কুসুম-নিবরের পরিচালনে নিযুক্ত হইল। নীলকমল- | পরিবার-সঙ্গ সকলেই উঠিয়া লড়াইলে। কান্তি নিল-গগনের অসঙ্কীর্ণ কুমবৃষ্টিতে আঙ্গশ-ভূমি, গৃহজ্জাদ খেচএবং ভূচরণ মিলিত হইয়া রুশ-সমাচ্ছাদনকর নেং- এবং গৃহ-চ (নােয়াক) পুর্ণ হইল, নগরবাসী নারী উগ্ৰীৰ প্ৰভায় চিগুণ উদ্ভাসিত করত যে পাইতে লাগিলেন। হইয়া দেখিতে লাগিল, তাদৃশ অপূর্ব ব্যাপার কেহ কখন দেখে তাঁহাদের হতে বেণু ও শীলাক, শিখায় দূর্বার এবং নাই,—সকলেই বিস্ময়ে অভিভূত হইল, আকাণে অব কুন্তলে চূড়ামণি পরিশােভিত। তাহাদের কপিলবর্ণ জটাজুট, অবস্থিত সিদ্ধগণের স্বহস্ত-নিক্ষিপ্ত কুমবৃষ্টি অর্থ দণ্ড কাল লিপ মন্তকের সম্মুখভাগ মাল্য-বেষ্টিত, হতে অক্ষয় এবং মঞ্জিকা- তিত হইল। ১২-২২। সভামণ্ডপ এবং সভ্যবৃন্দ বুমনিকরে বলয়, পরিধানে চীয়বল, মাল্য এবং কৌযেয়বসন পরিচ্ছ, আচ্ছন্ন হইল। ক্রমে এইরূপ পূষ্পরষ্টি বিরত হইলে সভ্যবৃন্দ মেখলাপান বিলাল এবং তাহারা দােদুল্যমান মুক্তাকশাপে দিজগণের নিম্নলিখিত ৰচনাবলী শুনিতে পাইলেন ,—“কল্পের পরিশােভিত। বশিষ্ঠ এবং বিশ্বামিত্র পাল, অর্ঘ্য এবং মধু- আরম্ভ হইতে স্বর্গের চতুর্দিকে সিদ্ধমণ্ডলী মধ্যে আমরা প্রমণ | বাক্যে সমাগত খেচৰ-বৃন্দকে যথাক্রমে অর্চনা করিলেন। করতেছি, কিন্তু আজ যাহা শ্রবণ করিলাম, ইতিপূর্বে এরূপ ' খেচত্বও পাল্য, অর্ধ ও মধৱবচনে সাদরে বশিষ্ঠ ও বিশ্বামিত্রকে শ্রবণসুখকর কথা কখন শ্রবণ করি নাই। রঘুকুলচন শ্রীরাম পুজা করিলেন। রাজা দশরথ সম্পূর্ণ সমাদরে সেই সিদ্ধাকে বৈরাগ্যবণে যে মহৎ বাক্য প্রযােগ করিলেন, তাহা বৃহস্পতিরও পুজা করিলেন, সিদ্ধগণও কুশলপ্রশ্ন ও সত্তাষণে রাজাকে আপ্যা- অগােচর। ওঃ। আজ আমরা এই শ্রীরাম-মুখ-নিঃসৃত হয়নি- খ্রিত করিলেন।১১-২০। খেচর এবং দুগণ খাবিধ সপ্রণয়- কর মহাপবিত্র বাক্য শ্রবণ করিলাম। এই শ্রীরঘুনন্দন, শান্তি- ব্যবহারে পরস্পর সৎকার-প্রাপ্ত হইয়া আসনে উপবেশন পীযুষ-মনােহর উৎক-প্রাপ্তির পরিচায়ক এই যে উচিত বাক্য করিলেন। নাম প্রণতিপূর্বক সমুহে দণ্ডায়মান হইলে, প্রয়ােগ করিলেন, অামব। তাহাতেই জ্ঞান লাভ করিলাম ৮২৩-২৭ মধুবাক্য,পুষ্পবর্ষণ এবং সাধুবাদে সকলেই তাঁহাকে সম্মানিত করিলেন। রাজ্য-লক্ষ্ম-ব্রিজিত শ্রীরামও (তাহাদের অনুমতি বাত্তি সর্গ সমাপ্ত। ৩২ | ক্রমে) তথায় আসীল হইলেন। বিশ্বামিত্র, বশিষ্ঠ, বখদেব, সচিবকুল, নারদ, দেবপুত্র, মুনিপুঙ্গব ব্যাস, মরীচি, দুর্বাসা, ত্রয়স্ত্রিংশ সর্গ। আজিরস মুনি, ক্রতু, পুলস্ত্য, পুনহ, মুনিবর শরণােমা, বাৎস্যায়ন, ভরদ্বাজ, মুনিপুঙ্গব বাল্মীকি, উদ্দালক, ঋচীক, শর্থতি চান সিদ্ধগণ বলিলেন,-রঘুবর শ্রীরাম যে পাবন কথা কীর্তন | এই সমস্ত এবং আরও বেগবেদাঙ্গপরায়ণ বহুতর শ্রেষ্ঠ অকৃত করিলেন, মহসিগণ ইহার উতরে যে সিদ্ধান্ত করিলেন, আমরা | মহাত্মগণ প্রায় উপবিষ্ট হইলেন। ২১-২৭। নারদ প্রভৃতি তাহ শুনিত অভিলানী। নারদ-ব্যাস-পুল-প্রমুখ মুনিপু | বেদগণ বশিষ্ট-বিশ্বামিত্রের সহিত মিলিত হইয়া, নতশিরে গণ এবং এতন্নি সত মহর্ষি আছেন, সকলেই নির্বিঘ্নে আগমন | অবস্থিত শ্রীরামকে এইকথা বলিলেন,-ও। কুমার শ্রীরাম করুন। যেরূপ মওকগণ কনকরুচির-কেশরমলিনী কমলিনীকে | বেরাগ্যরসপূর্ণ কল্যাণগুণশালিনী পরম উদাৰ কথা কীর্তন আশ্রয় করে, তদ্রুপ আমরাও কাঞ্চন-মণ্ডিত সমৃদ্ধ সশরখ- | করিয়াছেন। রাঘবের এই সব কথায় বক্তব্য বিষয়ের ব্যবস্থা। সতাকেও চতুর্দিক হইতে আশ্রয় করতে যত্ন করি। বিমান-স্থিত | আছে (অথবা বক্তব্য বিষ পরিসমাপ্ত হইয়াছে। জ্ঞানের সমগ্র দিব্য মুনিমণ্ডলী এই কথা বলিয়া সেই সভায় উপস্থিত পরিচয় সবিশেষ আছে এবং ইহা উপযুক্ত, সুব্যক্ত, উৎকৃষ্ট, হইলেন। সেই মুনিমণ্ডলীর অগ্রভাগে বীণাবাদনপায়ণ মি প্রিয়, অজনােচিত, বিশ্ববলতা-বিবর্জিত ও প্রাঞ্জল। ইহা নারদ এবং সজল-পীনঘনশ্যামল বেদব্যাস পশ্চাতে ছিলেন, আর বিশুদ্ধপদ, উচ্চারণ-দোষহীন, নিঃসংশয়ে হিজনক এবং সন্তোষের মধ্যে ছিলেন ভূগু অঙ্গিরাঃ পুলস্ত্য প্রভৃতি মুনিবরগণ এবং চ্যবন পরিচায়ক। এই শ্রীরাম-বাক্য কাহার না বিস্ময়কর হইতেছে। উদ্দালক, উণীয় ও শলােমা প্রভৃতি ঋষিরু। পরস্পরের গাত্র- শত বগ্নিগণের মধ্যে কোন একজন প্রধান পুরুষের বাক্যই সঙ্গর্ষে মৃগচর্ম ‘এলােমেলো হইয়া পড়িয়াছিল, তাহাদের সর্বাধনে উৎকৃষ্ট, চমৎকার এবং মনােগ-ভাব-প্রকাশে বিশেষ অরুমালা বিলােলিত, হন্তে উত্তম কমণ্ডলু। তেজের আতিশয্য- সমর্থ হইয়া থাকে। কুমার। এরূপিণী বিবেক-ফল-সমন্বিতা বশ পটলবণ সেই মুনিমণ্ডল, গগনমণ্ডলে নক্ষত্রপুঞ্জের বিশাল শরত-তােমা ব্যতীত আর কাহার প্রকৃষ্ট উপচয় প্রাপ্ত জায় এবং মুখমণ্ডলপ্রায় পরস্পরেই সূৰ্যশ্রেণীর ন্যায় দীপ্তি হইয়াছে? আত্মপ্রকাশিনী প্রঙ্গরূপিণী অসাধারণ আলােক- পাইতে লাগিলেন। তঁাহারা পরস্পরে রত্নাবলীর ন্যায় নানাবণ- প্রদখিনী দীপশিখা, রামের ন্যায়, যে পুরুষের হৃদয়ে প্রজ্বলিত, শােভিত এবং মুক্তামালার ন্যায় সুষমাসম্পন্ন। তাঁহাদের উদয়ে তিনিই পুরুষ। বহু ব্যক্তিই রক্ত মাংস ও অমিয় বক্স- যেন দ্বিতীয় কৌীবৃষ্টি, দ্বিতীয় সূৰ্যমগুলী এবৎ যেন স্বরূপ, তাহারা ঝর্ণাদি বিষয়জালে জড়িত , পূর্বোক্ত প্রজ্ঞা- চিসভৃত পূর্ণচন্দ্ৰশ্রেণীর প্রকাশ হইল। ১-১০। যথায় ব্যাস দীপধারী চেতনপুরুষ তাহাদের অন্তর্গত নহেন *। সেই সব অবস্থিত ছিলেন, আয় নত্রপুসমীপে জলখবের স্যায় ব্যক্তি পূখুন জন্ম-মৃত্যু-জরা-জাপা প্রাপ্ত হয়, সংসার বেকি, শােভা হইল এবং যেখানে নারদ ছিলেন, সেখানে দিল তাহা বুনিতে পারে না। হল যেহ পর এ সমীপে ধরের কার শােভা হইয়াছিল। মুনিমণ্ডলীমথ্যে হইয়াছে।২৮-৩৬। কোথাও কোন মতে একএকলা পূর্বাপৰ পুল, দেবমণ্ডলীমধ্যে মেরাজের আয়, এবং অজিরা সেবা বিচারকুল নিচে পুরুষ নােচর হইয়া থাকেন মধ্যে সূর্যের আয়, বিরাজ করিতে লাগিলেন। অনন্তর সেই সিক্ত সমূহ গল হইতে ভূল তিলে ভাব হইলে, মুনি টীকাকার বলেন তাহাদের আর সঙ্গে আআ নাই। T যােগবাণিষ্ঠ-আমায়ণ। যেন এই রিপুসুমন শ্রীরাম। অতি উৎকৃষ্ট মধুর ফলশালী অনু দোয়াসম্পন্ন লেব-হৃষ্টিশঠিত সংসারে সার অতীব দুর্লভ। সহকার-রোয় সাক্ষাৎকার-পরিণাম সৌত্তি মহাপুরুষ- যে সব যশেনিধিগণ বুজিলে সারাপ্তির জন্য যত্ন করেন,তাহারাই এ জগতে বিরল। মাননীয় মনীশ্বসম্পন্ন রাম এই বয়সেই , সজ্জণগণের অগ্রগণ্য এবং পুরুষশ্রেষ্ঠ। ইংলাকে রামের জরে আত্মৰিৰেকৰাধ অনুভব করিয়াছেন, অগঞ্জে অাও চায় বিবেক মহাত্মা আর কেহ নয়নগােচর হয় না, হইবেও স্য পরিজ্ঞাত হইয়াছেন। সুন্দর ফুল-পল্লব-শােভিত আগ্নোহ , ইহা আমার প্রাঙ্গণ। সকললােক-চমৎকারকারী রাম-লয়ের এ রাজি নানা দেশে উৎপন্ন হয় বটে, কিন্তু শন অভিমত-সিজি (আমাদের মার) যদি না হয়, তাহা হইলে নিশ্চয়ই উৎপন্ন হয় না; প্রতি নেই ফলপৰ-শােভিত বলে নিই মুনি-নামধারী আমাদের বুদ্ধি একেবারেই নিল। ৩৭=৪৬। সুপ্য হয় বটে, কিন্তু অপূর্ব শােভাস শবঙ্গ সর্বণ | আমি সর্গ সমান্ত। ৩০। সুড নহে। চন্দ্র হইতে শীতল জ্যোৎন্সর আয়, উত্তম পালপ হইত মন্ত্রীর গা, কুম হইতে পরিল-প্রবাহের আয়, বাম হইতে পুবের গান হইল। হে মিশ্রেষ্টগণ। উদ্দাম- ; বৈৰাগ-প্রকরণ সম্পূর্ণ।
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ সুব্যবহারণ। T প্রথম সগ। শৈলে নিনে সমাসীন পিতা মুনিবর কৃষ্ণদ্বৈপায়নকে ভক্তি পূর্বক জিজ্ঞাসা করিলেন, মুনিবর । এই সংসার-আy বামীকি বলিলেন,-সভায় উপস্থিত জনগণ উক্ত প্রকার বাক্য | কিরূপে উৎপন্ন হইয়াছে। কত কাল এবং কত দেশে ইহার চ্চৈঃস্বরে কীৰ্ত্তন কৰিলে, বিশ্বামিত্র, সম্মুখে অবস্থিত শ্রীরামকে অস্তিত্ব ? কবে এবং কিরুপে ইহার অবসান হয় ? ইহা নীতিসহকারে বলিলেন, হে ধ্বনি-প্ৰৰন রাখব। মোর আর দেহের না অপর কোন বস্তুর সামগ্রী? ১১-১৪। পুত্র এই কথা কছু জ্ঞভ্যা নাই, তুমি স্বীয় সূক্ষ্ম বুদ্ধিবলেই সমস্ত বিজ্ঞাত হই- | জিজ্ঞাসা করিলে, আত্মদ্ধ মুনি বেদব্যাস, নিখিল বক্তব্য ছি। তবে তােমার সব নিৰ্ম্মল বুদ্ধিরূপ দর্পণে কেবল স্বল্প বযথরূপে নির্মলভাবে তাহাকে বলিলেন। আমি পূর্কেও র্জনামান আবশ্যক (বুদ্ধির মার্জনা গুরুবাক্যাদি দ্বারা হয়)। এ সকল তত্ত্ব জানিতাম’ এইরুপ বিবেচন’ করিয়া শুকদেব সেই গন ব্যাসপুত্র শুকের ন্যায় তােমার বুদ্ধিও জ্ঞাত বিষয় অব- | পিকুবাক্য অপূৰ্কবােধে আদর করিতে পারিলেন না। ভগবান তি হইলেও অন্তরে শাস্তিমাত্ৰ অপক্ষা করিতেছে। রাম বেদব্যাসও পুত্রের ভাদৃশ ভাৰ বুঝিতে পারিয়া পুনরায় তাহাকে লিলেন-হে ভগব। ভগবান বেদব্যাসের পুত্র শুকদেবের ' বলিলেন, আমি এভদতিরিক্ত তত্ত্ব বাখরপে অবগত নহি, চুমণ্ডলে কি, বিচার দ্বারা জ্ঞানসামর্থ্য সত্ত্বেও প্রথমে শান্তি প্রাপ্ত হইল। অনক নামে এক রাজা আছেন, তিনি কাত্য বিন বখবি , কিন্তু পরে শান্তি পাইল কিরূপে ২১-৫। বিশ্বামিত্র বলি- অবগত আছেন, তাঁহার নিকট সমন্ত জানিতে পারিবে। পিতা ন-হে রাম! আমি শুকদেবের বৃতান্ত বলিতেছি,—নি। এইরূপ বলিলে, শুকদেব মুমেশৈল হইতে ভূলে সমাগত শ্রান্তের ন্যায় পুনর্জন্ম-নিৰ্ম্মলন সেই বৃত্তান্ত শ্রবণ কর। এই হইয়া জনক-পালিত মিথিলানগরীতে উপস্থিত হইলেন। অঞ্জনশৈলসভি, ভাস্করের ন্যায় তেজস্বী ভগবান, তােমার বাজন। বেদব্যাস-পুত্র শুক এই ঘরদেশে দণ্ডায়মান আছেন তার পাৰ্থে হৈম আসনে আসীন-ইনি ব্যাবন, ' এইরূপে দৌবারিকেরা মহাত্মা খনকের নিকটে শুকদেক্সে উপ- সু, মহাপ্রাজ্ঞ শুকদেব ইহার পুত্র , তিনি মুৰ্ত্তিমান যজ্ঞের ' দ্বিতি নিবেদন করিলে, জনক শুকবের পরীক্ষার্থ অবজ্ঞা য় অবস্থিত ছিলেন। সাংসারিক অবস্থা মনে মনে চিন্তা করিয়া বলিলেন,—তা থাক’; এই বলি সাত দিন আর কোন তে করিতে, তােমার যায়, তাঁহার মনেও এইকার বিবেক। কথা বলিলেন না। ১৫৭। ণ এক রে পস্থিত হইল। মহামনা শুকদেব স্বীয় বিবেকবলে নিজেই প্রাঙ্গণপ্রবেশের অনুমতি দিলেন, জিজ্ঞাসার জন্য উৎকণ্ঠিত দিন বিচার করিয়া, যাহা প্রকৃত, সুন্দর, সত্য, তাহাই প্রাপ্ত শুকদেব, সাত দিন প্রাঙ্গণে থাকিলেন। অনন্তর এক আপনা হইতে পরম বন্ধ প্রাপ্ত। শুকনেকে স্বীয় অন্তঃপুরে প্রবেশ কইলেন। এখন ভ রাজ ইলেও তাহার মনের শান্তি হয় নাই। ইহাই একতব’ | সাক্ষাৎকার হইবে না এইরূপ জানাইয়া কাজা জনকই সাতদিন বিশ্বাস তিনি হয়ে গ্রহণ করিতে পারেন নাই। চাতক | মনমত কামিনী, বিবিধ ভােজন এবং অন্য ভােগ্য বন্ধ মন বৃষ্টিধারা ব্যতীত অবিক্ষুব্ধ নদী প্রভৃতির এলেও বার চানন শুকদেবের পরিচর্চা করাইলেন। চেত্রেই #* অপ শুকদেরে অস্থির চিত্ত, কেবল ভর | খবরূপ, মন্দ সমীরণ যেমন মূশৈলসঞ্চনে এম ভােগে বিহইল। এক বিমলমতি শুকদেব সুমেরু {হয়, তদ্রপ ভােগ্যনি, বনপত্রের সেই স্থির বি- লিত করিতে সক্ষম হইল না। ২১৫। ‘ভুরিভলভ্যাংধারাভ্যঃ এইরূপ পাঠ ,-কার লুও পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় মুশম (আদর লাগছে শীত। থাভ্য' ধারাভিনভ ভূৰিলেঃ ইতি খ্রিষ্টপ। কি স্বস্থ ( শান্ত অথচ দ্যুলোকৰিত)মুচিত( অতি গরিণামেন ভূরিজাভ ইতি অর্থায়। কাকার অফ অনােজন) অবস্থায় দােলন নিলেন। রভ ই বিৰাইভমাহলি। এইরুপ রাজা নক করে তাকে পলি পালন। ইয়াছিলেন।
যােগবাণিরামায়ণ। অনন্তর মুদিতচিত্ত ব্যাসপুত্রকে (তাঁহার আদেশক্রমে সমীপে), দ্বিতীয় সর্গ। আনীত অবলােকন করিয়া প্রণাম করিলেন। অনন্তর রাজা স্বাগত প্রশ্ন করিয়া বলিলেন, আপনি জগতের সমুদয় কর্তব্য- বিশ্বামিত্র বলিলেন-ব্যাসপুত্র শুকদেবের যেরূপ সামাঙ্গ কাৰ্য সমাধা করিয়াছেন, আপনার নিখিল মনােরখ পরিপূ, একটু মল-মার্জনা আবশ্যক হইয়াছিল, হে রাম। তােমার আপনার অভিলষিত কি আছে? শুৰু বলিলেন, হে লে সেইরূপ একটু আবশ্যক আছে। হে মুমিশ্রেষ্ঠগ। এই সংসার-আড়ম্বর কিরুপে উৎপন্ন হইয়াছে ? কিরূপেই ৰ প্রীরাম, নিখিল জ্ঞাতব্যই পরিজ্ঞাত হইয়াছেন। কেননা, এই অবসান হয়? ইহা যথাযথভাবে শী আমাকে বলুন। বিশ্বা- মহামতি শ্রীরামের ভােগ সমূহে রোগের ব্যায়, বিতৃষ্ণা জন্মিয়াছে। মিত্র বলিলেন,-এইরূপ প্রশ্নে পুর্বে শুকদেবের পিতা মহাত্মা সমগ্র ভােগজালে অরুচিই অজ্ঞ-মনের লক্ষণ। সংসারবল বেদব্যাস যেরূপ উত্তর দিয়াছিলেন, তখন জনকও শুকদেবের বাস্তব না হইলেও ভােগ-ভাবনায় তাহা কৃঢ় হইতে থাকে, ভােগ- নিকট সেইরূপ উত্তর দিলেন। ২৬-৩০। শুক বলিলেন, ভাবনা-শান্তি দ্বারা তাহার ক্ষয় হইয়া থাকে। হে রাম। পণ্ডি আমি পূর্বে বিবেকবশে নিজেই এ তত্ব অবগত হই, জিজ্ঞাসা তেরা বাসনায়কেই মুক্তি এবং বিষধু-বাসনার আতিশয্যকেই করায় আমার পিতাও এইরূপ বলিয়াছেন। হে শাস্ত্রজ্ঞপ্রবর। ‘বন্ধন’ বলিয়া থাকেন।১৫। হে মুনে। আত্মতত্ত্ব সম্বন্ধে স্কুল আপনিও সেইরূপ বলিলেন, শাস্ত্রেও এইরূপ সিদ্ধান্ত অব জ্ঞান সামান্য প্রয়াসেই লােকের হইয়া থাকে, কিন্তু বিষয়বিতৃষ্ণা লােকন করা যায় যে, এই অসার দক্ষ-সংসার অজ্ঞান হইতে অতি ক্লেশে জমিয়া থাকে। অনুরাগ ও বিদ্বেষে যাহার জ্ঞান- উৎপন্ন এবং অজ্ঞানকায়ে ইহারও অবসান হয়, ইহা নিশ্চয়। শক্তি প্রতিহত না হয়, তিনিই প্রকৃত অজ্ঞ পণ্ডিত এবং যাহা হে মহাবাহে। ইহাই কি তবে সত্য ? আমার হাতে অনিবার, তাহাই তিনি জানিয়ছেন। সেই মহাত্মারই ভােগ সংশয় না থাকে, এমন ভাবে এই ত আমাকে উপদেশ করুন, বলবতী অরুচি। যিনি যশপ্রভৃতির উদ্দেশ না করিয়া লােগ ভসংশয় প্রযুক্ত ইতস্তত বর্ণমান এই কদয়ে যেন আপন তৃষ্ণা-বিরত হইয়াছেন, ভূমণ্ডলে তিনি জীবন্মুক্ত বলিয়া খ্যাত। হইতেই স্বৈ লাভ করিতে পারি। অনক বলিলেন, মুনে। জ্ঞাতব্য তবে পরিজন যত দিন না হয়, মরুভূমিতে লতা, তুমি যাহা স্বয়ং বুঝিতে পারিয়াছ এবং গুরুমুখ হইতে পুনর্বার উৎপত্তির ন্যায়, তত দিন লােকের বিষয়বিতৃষ্ণা হওয়া অসম্ভব, শ্ৰৰণ করিয়াছ, অতিরিক্ত জ্ঞাতব্য আর কিছু নাই। ৩০-৩৫। অতএব রঘুপ্রবর শ্রীরামকে তত্ত্বজ্ঞ বলিয়া অবগত হও, কেননা জগতে প্রকৃত পক্ষে অস্তিত্ব পুরুষেরই আছে, সমস্তই রমণীয় ভােগসামগ্রী ইহাকে আকৃষ্ট করিতে অসমর্থ হইয়াছে। অস্তিত্বহীন , অখণ্ড চৈতন্যই পুষের সরূপ ৬-১০। হে মুনিবরগণ। রাম অন্তরে যা জানিয়ছেন, তিনি অদ্বিতীয়। (পুরুষশকে আত্মা ব্ৰহ্ম) তিনি তাহাই সত্য, জ্ঞানী বশিষ্ঠের মুখে এই কথা শুনিলেই শান্তি অজ্ঞানরূপে সংসার এবং অজ্ঞানক্ষয়ে স্বরূপাৰস্থাপ্রাপ্ত হন। লাভ করিতে পারিবেন। যেরুপ শারদী শােভা মেধসম্পর্ক হে মহান। ভােগ না করিতেই সমস্ত দৃশ্য প্রপঞ্চে তােমার বিবর্জিত নীল নিল অক্ষরের অপেক্ষা করে, তদ্রুপ শ্রীরামের এখন বিড়া উপস্থিত হইয়াছে, অতএব তুমি জ্ঞাতব্য বিষয় বুদ্ধিও মাত্র কৈবল্যশান্তি অপেক্ষা কবিতেছে। এক্ষণে মহাত্মা সম্পূর্ণরূপই অবগত হইয়াছ। শৈশবেই তোমার বিষয়-বৈরাগ্যে রাখবেন চিত্তশান্তির জন্য, এই শ্ৰীমান ভগবান বশিষ্ঠই এত মহাবীরত্ব প্রকটিত, মহারােগরূপ ভােগজাল হইতে তােমার সম্বন্ধে উপদেশ প্রদান করুন। সমগ্র রঘুকুলের উপর এই বুদ্ধি বিরত হইয়াছে, আর কি শুনিতে চাহিচ্ছে? তােমার বশিষ্ঠেয়ই চিরন্তন প্রভুত্ব আছে, ইনি ইচ্চাদের স্কুলগুক, (তদ্ভিন্ন ) বেরুপ কামনা-নিত্তি হইয়াছে, সর্বজ্ঞান-মনিধি মহাতপাে- ইনি সর্ব, সৰ্বসাক্ষী এবং নির্মল ভাবে ত্রিকালদর্শী। (এই নিরত ত্বীয় পিতৃদেবেরও সেরূপ হয় নাই। বেদবাস অপেক্ষা জন্য শ্রীরামকে উপদেশ প্রদান মহর্ষি বশিষ্ঠেরই কর্তব্য)। হে আমার শ্রেষ্ঠত জন্মিয়াছে, আপনি বেদব্যাসের পুত্র এবং শিষ্য ভগব বশিষ্ঠ । স্বয়ং ভগবান ব্ৰহ্মা * আমাদিগের উভয়েব -ৈ টেন, কিন্তু পােগাভিলাষ-পরিহার দ্বারা আপনি আমা হইতেও শান্তির জন্য এবং মহামতি মুনিগণের মঙ্গলের জন্য সরল-পাপ- অনেক শ্রেষ্ঠ। ৩৬-৪০। যাহা লাভ করিতে হয়, সমস্তই পরিবৃত নিষধ-গিরিপ্রস্থে যে সকল জ্ঞান উপদেশ প্রদান করিয়া- আপনি লাভ করিয়াছেন, আপনার মনাের পূর্ণ হইয়াছে ছিলেন, তাই আপনার স্মরণ হইতেছে ত? ব্ৰহ্মন। সেই যুক্তিপূর্ণ ব্ৰহ্মদ। দৃপ্রপঞ্চে আর পতিত হইবেন না, ভ্রান্তি পরিত্যাগ জান উপদেশে সংসার-বাসনা, সুৰ্যোদয়ে রজনীর ন্যায়, অবসান কর, তুমি মুক্ত হইয়াছ। মহাত্মা জনক এইরূপ উপদেশ প্রাপ্ত হয়। ১১-১৫। ব্ৰহ্ম' সেই জ্ঞেয় অন্তু শিষ্য শ্রীরামকে করিলে, শুকদেব তুীভূত হইয়া নির্মল পরমপদে অধিষ্ঠিত যুক্তি সহকারে উপদে করুন তাহাতেই শ্রীরামের শান্তিলাভ হইলেন। তখন শুকদেব আয়াশেক-ভীতিবতি, নিসংশয় হইবে। এরূপ উপদেশ সম্পূর্ণ সার্থক, কেননা, শ্রীরাম— এবং নিষ্কাম হইয়া সমাধির জন্য প্রশান্ত সুমেরু-শিখরে গমন বিশুদ্ধ উপদেশপাত্র। নিল দর্পণেই অনায়াসে মুখ-প্রতিবি করলেন। প্রায় मनमरख दमन নির্বিকল-সমাধিবােগে পতিত হয়। হে সাধুবর। বৈরাগ্য-সন্ন তৎ-শিকে যে জ্ঞান অবস্থান করিয়া, তৈলবী দীপের আত্মস্বরূপে নির্বাণ প্রাপ্ত এবং শাস্ত্ৰাৰ্থ উপদেশ করা যায়, তাহাই সার্থক, এবং তদ্বাঝাই হইলেন। পার্থক্য ও মেধসন্ধবিযুক্ত হইয়া জলবিন্দু বেরূপ পাণ্ডিত্যের প্রশংসা হইয়া থাকে। ১৬-২০। বৈরাগ্যবতি গরে মিশিয়া যায়, ক্রপ শুকনেও সম্বন্ধ এবং অজ্ঞানের কুশিষ্য এবং এশিষ্টকে যে কিছু জ্ঞান উপদেশ করা যায়, কুকুর সালে নির্মল হইয়া সাক্ষম সহকারে নির্মল স্বরূপ পরুন পাত্রে গাে-দুধের চায়, তাহা অপৰিভাবাপন্ন হয়। বৈরাগ- শাপলা মিশিয়া গেলেন। ৪১-৫। এ লগ লও। মূলে ধ’ শুদ্ধ পাঠ। যা এত - } মুমুক্ষুব্যবহার-প্রকরণ সম্পন্ন, ভয়-ক্রোধ-হীন, নিরভিমান এবং নির্মলপ্রকৃতি ভবাদশ লোেক-মুষ্টিসমূহ তদুভয়ের মধ্যে কোন সৃষ্টিরই সর্শন নহে। সাধুগণ যে বিষয়ে উপদেশ করেন, উপদেশ করিতে করিতেই অর্থাৎ বর্তমান সৃষ্টি দ্বারা ব্রহ্মের অখণ্ডভাব বুঝান হয় না। । সেই ক্ষা তত্ত্বে বুদ্ধি-বিশ্রাম হইয়া থাকে। বিশ্বামিত্র এই উবে ভূত-ভবিষ্যৎ দ্বারা হইয়া থাকে, আপনার কৃপায় আমি কথা বলিলে, বেদব্যাস নারদ প্রভৃতি সেই সকল মুনি ঋষি ‘সাধু সেই অখণ্ড ব্ৰভ বুৰিাছি। বশিষ্ঠ (এই কথায় আনন্দিত সাধু বলি প্রশংসা করিলেন। অনন্তর রাজা দশরথের পায় হইয়া বলিলেন, পশু-পক্ষী, মনুষ্য ও সেবা প্রভৃতির মধ্যে আসনে আসীন ব্ৰহ্ম-নন্দন ব্ৰহ্মপ্রতিম মহাতেজা ভগবান্ বশিষ্ঠ যে প্রাণী যেস্থানে যখন বিনষ্ট হয়, সেই প্রাণীর জীবাত্মা তখন মুনি বলিতে লাগিলেন, মুনিবর। আপনি আমাকে যে আজ্ঞা | সেই স্থানেই আতিবাহিক নামক সূক্ষ্ম শরীরে স্বীয় হৃদয়কা করিতেছেন তাহা নিবিয়ে সম্পাদন করিতেছি , (আমি ত বাসনময় ত্রিজগৎ অবলােকন করিয়া থাকেন, প্রকৃতপক্ষে কিন্তু সামান্য লোক) ক্ষমতাপন্ন হইলেও কোন্ ব্যক্তি সজ্জনের বাক্য- | সেই জীবাত্মা ব্ৰহ্মসরূপ এবং জন্ম প্রভৃতি বিকার-বর্জিত। হয় ? ২১-২৫। আমি জ্ঞান উপদেশ দ্বারা এইরূপেই কোটি কোটি প্রাণিপণ মৃত্যুগ্ৰন্ত হইয়াছে, হইতেছে রাম প্রভৃতি রাজপুত্রগণের মানস অন্ধকার, দীপসাহায্যে নৈশ এবং হইবে। মৃত্যুসময়ে অনুভূমান বাসনাময় ব্রিজগৎ, অন্ধকারের ন্যায়, শীঘ্রই হরণ করিতেছি। পূর্বে ব্রহ্মা অম্মদীয় (অদৃষ্টবশে) দেবতা-মনুষ্যাদি ভেদে যে বিভিন্ন প্রকার বাসনা সংসারভ্রান্থি অপনীত করিবার জন্য নিষধ পর্বতে যে জ্ঞান | অর্থাৎ আমি দেবত হই বা মনুষ্য হই ইত্যাদির মধ্যে যে উপদেশ করেন, তাহ। ধারাবাহিক রূপে সমগ্রই আমার স্মৃতিপথে' কোন একটা বাস উদ্ৰিত করিয়া থাকে, তদনুসারেই ভােগ জাগরূক আছে। বাকি বলিলে, সেই মহাত্ম বশিষ্ট এইরূপ জীবাত্মার হইয়া থাকে। ৬—১০। মানস-পূজাকালে কলিত প্রতিজ্ঞা কবুত কটীবন্ধনদি-পূর্বক বক্তার উপযুক্ত শােভায় ' প্রাসাদ প্রভৃতি, মনঃকন্ধিত রাজ্য, ইন্দ্রজাল-রচিত শােভিত হইয়া এই পরম অবোধক শাস্ত্র অজ্ঞানশান্তির জন্য ' মালা, উপন্যাসের ঘটনা, বায়ুরােগ বশতঃ ভূমিকম্প, শিশু- বলিতে এর হইন। ২৬-২৮। বিভীষিকার জন্য কল্পিত ভূত, নির্মল আকাশে বিলম্বিত মুক্তা- দ্বিতীয় সর্গ সমাপ্ত | | মালা, নৌকারােহীর দৃষ্টিতে তীরন্থ বৃক্ষের প্রচলন, অগ্নকৃষ্ট নগরী এবং মনঃকল্পিত আকাশকুসুমের ন্যায় জগৎ-সংসারও অলীক। মৃত্যুকালে স্বীয় দয়াকাণে ইহা অনুভূত হইয়া থাকে। তৃতীয় সর্গ। মৃত্যুকালে অনুভূত বাসনাময় দৃশ্য প্রপঞ্চই অজ্ঞানজনিত অতি পরিচয় প্রভাবে পঞ্চীকরণক্রমে দৃঢ়প্রাপ্ত হইয়া জীবী বশিষ্ঠ বলিলেন,-পূর্ব সৃষ্টির প্রথমাবস্থায় ভগবান্ ব্ৰহ্ম। আকাশে ইহলােক নামে প্রকাশ পাইয়া থাকে। জন্ম, জীবন জগতের শান্তির জন্য যে জ্ঞানশাস্ত্র কীত্তন করিয়াছেন, আমি চেষ্টা এবং মরণাদি অনুভব সেই ইহলােকেই হইয়া থাকে, তাহা এই বলিতেছি। শ্রীরাম বলিলেন,—ভগবন। আপনি মৃত্যুর পরই তাহার পৱলোক হয়—পরলোকেও সেইরূপ জন্ম- বিস্তীর্ণ মুক্তি পরে বলিবেন, এক্ষণে আমার উপস্থিত সংশয় মরণাদি অনুভব হইয়া থাকে। অর্থাৎ বর্তমান এন্মে যে দূর করুন । শুকদেবের পিতা ও গুরু মহামতি বেদব্যাস ! ইহলোক, তাহাই অতীত জন্মের পরলােক এবং ভবিষ্যৎ জন্মের সৰ্বজ্ঞ হইয়াও কেনই বা নির্বাণমুক্তিলাভ করেন নাই, কিন্তু ইহলােকই বর্তমান জন্মের পরলােক। এই অঙ্গ দেবতা তাঁহার পুত্র শুকদেব নির্ধাণমুক্তিলাভ করিলেন, ইহারই বা প্রভৃতি বিবিধরূপে হইতে পারে। ১১-১৫। এই স্কুলকােহের কারণ কি? অর্থাৎ শুকরান্তে অবগত হওয়া যাইতেছে , অভ্যন্তরে অন্ত দেহ আছে। তাহার নাম সুদেহ, অহারও তত্ত্ব-জ্ঞানের ফল নির্ধাণমুক্তি। ব্যাস তত্ত্বজ্ঞ হইয়াও নির্বাণ অভ্যন্তরে অন্যদেই অর্থাৎ কারণ-দেহ আছে। কদলীকে যায় মুক্ত হইলেন না কেন ? যদি বলেন, তত্ত্বজ্ঞানের দল নির্বাণ অবস্থিত এই ত্রিবিধ দেহই সংসার-সংজ্ঞায় বিরাজমান। | মুক্তি নহে, মুক্তিমাত্র। তত্ত্বজ্ঞানীর দেহনাশ হইলে, তবে পৃথিবী প্রভৃতি পঞ্চভূত্রে সম্বন্ধ এবং পঞ্চভূত-সম্বন্ধের অধীন নির্বাণমুক্তি হয়, তাহাতে প্রশ্ন এই যে, অজ্ঞান হইলে অজ্ঞন- | জাগতিক নিয়ম-মৃত্যু অবস্থায় থাকে না, তথাপি সেই সব নিবৃওি হয়, অজ্ঞানই দেহের মল, অঙ্গননাশ হইলেই দেহ- | জীবের শংভ্রম হইয়া থাকে। অর্থাৎ স্থূলদেহ ব্যতীত নাশ হওয়া উচিত, সুতাং এক নির্বাণমুক্তিই জ্ঞানের সসার না থাকিলে, স্থূলদেহ-অবসানেই জীবের মুভি হইত, কল হইতে পারে ? জীবমুক্তি কথার কথা মাত্র। কিন্তু | কিন্তু তাহা ত হয় না। অতএব জগমের অন্য কামণ ব্যাস নির্বাশমুক্তিতে বঞ্চিত হওয়ায় তত্ত্বজ্ঞানের ফলে সংশয় | বা সংসার নামক আর কোন পদার্থ আছে, যাহা স্কুলদেব-নাশেও হইতেছে ? বশিষ্ঠ ( কিন্তু এই প্রশ্নের সাক্ষাৎ উত্তর না দিয়া বর্তমান থাকে, এই যুক্তিঘাৱা সূক্ষ্মদেহের অস্তিত্ব স্বিীকৃত ত্ব পরিস্কার করত) বলিলেন, মহাসূৰ্য্যরূপী পরমাত্মার প্রকাশ হইল। অড় অর্থাৎ সুষুপ্তি বা প্রকৃতির লয় অবস্থায় অনন্ত মান চৈতন্য-শক্তির মধ্যে কোটি কোটি ব্ৰহ্মাগুরূপী সরেণু আবিদ্যাই বর্তমান থাকে, তাহা হইতেই বিবিধ কাধের উৎপত্তি কত যে উখিত ও লীন হইতেছে, তাহা অসংখ্য। বর্তমান হয়। অচঞ্চলা মহানগী এবং সৃষ্টিবিক্ষুব্ধ বিশাল অবিদ্যা সময়েও ( এই একটা নহে এমন) যে কত কোটি কোটি ত্রিভুবন সমান। অর্থাৎ সুষুপ্তি অবস্থায় অবিদ্যা জহীন-সিলিলা আছে, তাহারও কেহ সংখ্যা করিতে সমর্থ নহে। ব্রহ্মস্বরূপ এবং স্বপ্নাদি সমরে অঙ্গবিন্দু বিশাল স্রোতস্বিনী। সুপ্তি সাগরে যে কত ত্রিভুবন-সৃষ্টিরূপী অঙ্গ উখিত হইবে, তাহার বা প্রকৃতিপয় অবস্থায় সূক্ষ্মদেহও থাকে না—অথচ নিজাম ও সংখ্যা করিবার কথাই নাই। ১৬। এরাম বলিলেন,- থাকে এবং সুষুপ্তি-অপগমে বা বিশেষ্টিসময়ে আবার দু- ভূত-ভবিষ্যৎ ত্রিভুবন-ষ্টিগ্রবাহ বিচারের বিষয় বটে, কিন্তু বর্তমান দেহ স্কুলদেব ইত্যাদির অস্তিত্ব অনুভূত হয়, সুং সেই . যােগবাশিষ্ট-রামায়ণ। । ভিনও সংসার আছে, নতুবা সূক্ষ্মদেবনাশেই জীবের মুক্তি অথবা—অনন্তর ব্ৰহ্মপদপ্রাপ্তির পর বিদেহৰুক্তি ইহার হইত। সুষুপ্তের আর বক্ষন থাকিত না। সেই সংসার-কারণ | হইবে” এইরূপ অখ)। ২৬-৩০। এই ব্যাস এক্ষণে জীবন্মুক্ত, দেহ-অবিদ্যাই সেই কারণদেহ । হে রাম। বিশাল ব্ৰহ্ম- ইনি মনােল্পী, শান্ত, মােহাচৰণ-বিমুক্ত এবং মমতারূপ অলীক সাগরে ভূরি ভূরি সংসারলহরী লীলাসদৃশপে এবং বিভিন্নরূপে | কল্পনা অবগত হওয়ায় ইহার শােক বা ভীতি কিছুই নাই। পুনঃপুনঃ হইয়া আসিতেছে। অর্থাৎ এই দেংয়ের সম্বন্ধ। এই যে ধন, জন, বয়ঃক্রম, কর্ম, বিদ্যা, বিজ্ঞান এবং চেষ্টায় অনাদিকাল ব্রহ্মের সহিতই আছে। দেহত্ৰয় হেতু ব্ৰহ্মইদেহ-। সদৃশ বহুজীব কোন সময়ে বর্তমান থাকে, কখন বা তাহাদের সম্বন্ধে জীবভাবে অ্যাত। উহার পুনঃপুন গৃহীত দেব কখন পরস্পর সাদৃশ্য থাকে না, কোন সময়ে শত শত সৃষ্টির মধ্যেও সমান কখন বা বিভিন্ন প্রকার হইয়া থাকে। নানা জীবের । তাহাদের উৎপত্তি হয় না, কখন বা ঐ সব সৃষ্টির প্রত্যেকটাতেই নানা জন্মের অনেক দেহরূপ সংসারত্যঙ্গসংশ, মানসিক গুণ তাহাদের উৎপত্তি হয়, এ সমস্তই মায়া , ইহার অবসান হয় না এবং রুপাদি দ্বারা সর্বতােভাবে সমান, কোন কোন দেহে অর্ধেক বলিলেও চলে। যেমন বাঙ্গাদি ৰীজরাণি মাপিবার সময় যতবার সাদৃত থাকে, কোন কোন দেহ বা সর্বাংশে সাদৃশহীন। মানপাত্রে পূর্ণ করিবে, ততবারই বিপৰ্যন্ত হইয়া থাকিবে-পূর্বে ১৬। আমার যতদূর বিজ্ঞানদৃষ্টি সম্ভব, তারা দেখি, যে ধান্যস্তরের উপর অপর স্তর সন্নিবেশিত ছিল, ঠিক সেইরূপ তেছি, সেই সংসারতরঙ্গ মধ্যে এই বেদব্যাস-দেহ দ্বাত্রিংশ রাতিক্রমে থাকে না।) তদ্রুপ—জীব-পরম্পরাও পূর্বাপেক্ষ ব্যাসদেহ, অর্থাৎ ইহার পুর্বে আর একত্রিংশং বাস ছিলেন।। বিপৰ্য্যভাবেও সন্নিবেশিত হয়। কাল-সাগরের লহরীমালা কথন স্মধ্যে দ্বাদশ ব্যাসদেহ কুল, আকৃতি এবং চেষ্টায় সদৃশ, কিন্তু পূর্বানুরূপ সংস্থানক্রমে কখন বা অন্যরূপে সৃষ্টি আকারে পূন- জ্ঞানাংশে ন, দশ দেহ সংশে সমান এবং অবশিষ্ট দশ পুন প্রকাশ পাইয়া থাকে। কিন্তু যিনি তত্ত্বানী, অজ্ঞান- দেহ বং- অং বংশাদিক্রমে)-বিসদৃশ। এখনও অন্য জনিত-বিকল্প-পরিশূন্য, তাহার এই সষ তরঙ্গে অন্তঃকরণ বিন্দুক অনেক ব্যাস, বাকি ভূত, অঙ্গিরা, পুলস্ত্য প্রভৃতি উৎপন্ন হয় না, তিনি পরম শান্তিনুধায় সপ্ত, আবরণ-অপগম বশত হইবেন, কাহারও কাহারও দেহ পূর্ববৎ হইবে কাহারও ' তিনি ব্ৰ-স্বকপেই অবস্থান করেন। (অতএব ভানের ফল কাহারও বা অন্য প্রকার হইবে। কত কত মনুষ্য, ' জীবনূক্তি বেদবাসের ত তাহ' হইয়াছে)। ৩১-৩৫। দেব ও দেববিগণ—এককালেই উৎপন্ন এবং এককালেই নয়- তৃতীয় সর্গ সমাপ্ত।। প্রাপ্ত হন, কখন ৰা পৃথক্ পৃথক্ উৎপন্ন ও বিলীন হইয়া থাকেন। ব্ৰহ্মকল্পের দ্বাসপ্ততী (৭২) তাে বর্তমান, ব্রঙ্গ- করে আসতী তো আবার অতীতও হইয়াছে, ভবিষ্যতেও হইবে। (অর্থাৎ রাবাহিক সংসারে কত কর অতীত, কত চতুর্থ সর্গ । কর ভবিষ্যৎ, তাহার ইয়ত্তা নাই। সেই সব কঙ্গেও ঘসপ্ততী এশিষ্ট বলিলেন,—সাগরের অঙ্গ অবস্থাই হউক আর নি। (৭) ত্রেতা ত আছে)। আমি বুনিতেছি—পূৰ্বত্রেতার অবস্থাই হউক, জলের জল, সকল অবস্থাতেই সমান। সেইরূপ স্যায় এণেও তুমি আমি এবং অন্যান্য লােকও আছে , তদ্ভিন্ন সুনিদিগের সদেহ অবস্থাই হউক আর বিদেহ অবস্থাই হউক, মুক্তি লােকও আছে। ২১-২৫। (এই কলে) অদ্ভুতকর্মা দীর্ঘদশী সকল অবস্থাতেই তুল্য। সদেহ-মুক্তিই হউক আর বিদেহ-মুক্তিই এই বর্তমান মহষি বাস-শরীর পরিচ্ছিন্ন জীবের দশম অবতার হউক অর্থাং জীবমুক্তিই হউক আর নির্বণ-মুক্তিই উক—মুক্তি পরিলক্ষিত হইতেছে। আমরাও অনেকবার ব্যাস-বীকি বিষয়ের অধীন নহে , বিষয়কে বিষয় বলিয়া শাহার আপাদন নাই, সমকালে আবির্ভূত হইয়াছি এবং আমরা ও ব্যাস বালীকি কহার বিষয়রসবোধ কিরুপে হইবে ? (যদি জীবমুক্তি অবস্থায় প্রভৃতি সকলে বঝর বিভিন্নকালেও আবির্ভূত হইয়াছি। বিষয়-রসের বােধ থাকিত, তাহা হইলে নির্বাণ-মুক্তির সহিত পূর্বে আমরা, ইষ্টার এবং অন্যান্য অনেক জ্ঞানী এইরূপ তাহার প্রভেদ এবং মুক্তিবিশেষের বিষয়সঙ্গ প্রমাণিত হইত, কিন্তু আকুতিসম্পন্ন হইয়াও আবির্ভূত হইয়াছি এবং অন্যবিধ আকার হাত নাই , বিষয়রসবোধ জীবন্মুক্তি কালেও থাকে না, নিৰ্ব্বাণ এবং এই জাতীয় মনােৰ লইয়াও জন্মগ্রহণ করিয়াছি। মুক্তি কালেও থাকে না। মুনিবর বেদব্যাস জীবন্মুক্ত, কেবল এই ব্যাস-শরীর পরিচ্ছিন্ন জীবকে এখনও আটবার ইহলােকে বট-পটালি পদার্থের ন্যায় এই ব্যাস-দেহ আমরা সম্মুখে দেখিতেছি জন্মগ্রহণ করিতে হইবে। এই ব্যাস-গ্রীব হইতেই (পূৰ্ব্বকল্প বটে কিন্তু ইহার আন্তল্পিক অশয় আমাদের অৰিদিত। জীবন্মুক্ত স্থিত ব্যাসীবের স্যায়) পুনর্বার মহাভারত ইতিহাস প্রকাশ ও নির্বাণ-মুক্ত উভষেই জ্ঞানস্বকপ, ইহাদের পরস্পর ভেদ নাই, হইবে, বিভাগ হইবে, বংশের খ্যাতি হইবে এবং অনন্তর আত্মার বিদেহ-মুক্তিসশান প্রযুক্ত ব্ৰহ্মভাবপ্রাপ্তি ইহার ঘটিবে । তারাষ্টকৰে হৈরণ্যগর্ভাধিকারস্যাপি পরকীয়াজানল স্বীক্ৰিয়তে তদা তাপি নাম কাময়নৈর্নাসােঢমেৰ। নমু কিমি- * ১৬-১৮ শ্লোকের টাকার ভাবান্তর প্রকাশ করিতে | মুচ্যতে ভবিষ্যদবতার পরকীয়াঙ্কনকলত্বমিতি চেৎ শৃণ- গি শ্লোকের কষ্টকলিত করিয়াছেন। যা টাদি ভােগ্যজাত অজ্ঞানিনং প্রত্যেৰ অনিষকে ৰ লৈমােণং কৃত্বা ব্ৰহ্ম ভাবং ইত্য। বৈদেহ সদিতি প্রতিভাসতে জলা জীবন্মুক্ত ব্যাসঃ জ্ঞানদন্নোহ মু িযােক্যাপারসনে ব্ৰহ্মবির ভবিষ্যতীতি, জ্ঞানবীজ ভবিষ্যৎঙ্গুলশৰীৱাৰিকপি এনিনং প্রত্যেক অঙ্গ- বাক্য। বন্ধ হরণ্যগর্জাধিকারমিতি কেটিং। মনাে জ্ঞানফলত প্রতিভাষিতে। একমেৰ গৰতত রামাদ্যতার ব, উত্তঝশ্লোকে ৰণিজীবসুক্তেরসঙ্গত্যাপকে। যদি ভৰি 'ৰূপপদ্যতে। অত এবাত্ৰাৰভারশপ্রয়ােগ ইতি ধোয়।
' । | এই উপদেশ অনপ আতা বিনষ্ট করে এবং শ্ৰৰ মােহরমহতু হইয়া থাকে। যে যে এবার বন্ধ করে, তাহার। মুমুক্ষুব্যবহার-প্রকরণ। ৯ (পূর্বেই ও বলিয়াছি) তর অবস্থাতেও যাহা জল, নিশ্চয় অবস্থাতেও তাহা ভাই থাকে (জলের লত্ব দূর হয় না)। পঞ্চম সর্গ। জীব ও নির্বাণ-মুক্তের অল্পমাত্ৰ ভেও নাই, প্রবাহিত বশিষ্ঠ বলিলেন,-যেরূপ গােক শেষ পীত প্রভৃতি বিভিন্ন হউক আর নাই হউক, বায়ু বায়ুই থাকে। ১৫। আমার বা বর্ণের অভিব্যক্তির প্রতি কারণ, অপ প্রবৃত্তিই শাস্ত্রানুসারী বেদব্যাসের পরমার্থকৃষ্টি, সদেহ-মুক্তি বা বিদেহ-মুক্তির প্রতি | অধিকাৰীদিগের সর্ববিধ প্রয়ােজন-সিদ্ধির হেতু। নাই, কিন্তু দ্বৈত-হীন জীব্রহ্মের অভেদই আমাদের পরমার্থদৃষ্টিয় ' মনে কামনা করিয়া শাস্ত্রানুসারী কর্ম দ্বারা তাহা সাধন না করা বিষয়ীভূত। অনন্তর প্রস্তুত তত্ত্বজ্ঞান উপদেশ করিতেছি, শ্রবণ উন্মর ক্রীড়ার তুল্য, তাহাতে প্রয়ােজনসিদ্ধি হয় না, প্রত্যুত ক্রিয়ের ভূষণস্বরূপ। হে রঘুনন্দন। ইহ সংসারে যথাযােগ্যরূপে | সেইরূপ কৰ্ম্ম টিয়া থাকে, দৈবও কর্ম ব্যতীত আর কিছু নহে। পূরুষার্থ প্রয়োগ করিলেই সকলে সকল বিষয় সর্বদা প্রাপ্ত হইয়া কৰ্ম মিষি-শাস্ত্রবির্ভূত এবং শত্র-নিয়ন্ত্রিত। তন্মধ্যে শান্ত- খাতে। ক্রিয়াস্বরূপ কালের নিয়মানুসারে, চন্দ্র হইতে যেমন শীতল ও আনন্দহেতু অমৃত লাভ হয় ভদ্রুপ পৌষ হইতেই সমবল এবং নূনাধিক বল-সম্পন্ন ঐহিক এবং প্রাক্তন কন্য, বহির্ভূত কর্ম অনিষ্টের মূল, শাস্ত্রনিয়ন্ত্রিত কৰ্ম্ম পরম-ইষ্ট-সাধক। আনপ্রাপ্তি দ্বারা কামাদি-সন্তাপনাশক জীবমুক্তিমুখ লাভ হইয়া মেয়ের স্থায় পরস্পর নিরাকরণে যত্ন করে, তন্মধ্যে যাহার থাকে অন্যরূপে হয় না। পুরুষকারের ফল কৰ্ম্ম,-পুরুষকার কৰ্ম্ম শক্তি অক্ষম হইয়া পড়ে, সেই নিৱন্ত হয়। (সমবল ঐহিক জারা দেশান্তর বা তৃপ্তি লাভ সম্পাদন করে, তাহা প্রত্যক্ষই দৃষ্ট। পত্ৰিক কৰ্ম্মও ঐহিক কৰ্ম্মান্তরের সাহায্যে নানাধিক বল-সন্ন হইয়া থাকে ( গমন ভােজন ইহার দৃষ্টান্ত)। দৈব ত মন্দমতি মূঢ় হইয়া উঠে)। অতএব লোকে শান্ত-নিয়ন্ত্রিত পুরুষ গণের করিত, প্রকৃতপক্ষে তাহা অলীক, (কেননা—দৈবও পূর্ব- জন্মের পুরুষকার ভিন্ন আর কিছু নহে ৬১০ সাধুর উপজিঃ কার সহকারে সেইরূপ যত্ন করিবে, যাহাতে (প্রাক্তন প্রতিদ্বন্দ্বী পন্থা অনুসারে মন বাক্য এবং শরীরের যে চালনঃ তাহাই প্রকৃত করিতে পারে। সবল এবং ন্যনাধিক বল-সম্পন্ন স্বীয় ও পরকীয় পুরুষকার এবং তাহাই সফল, অন্য পুরুষকার উম্মচেষ্টামাত্র। যে ব্যক্তি ধে বন্ধু প্রার্থনা করে, তাহার জন্য যদি শাম্নোক্ত প্রণালী কৰ্ম্ম, মেষ-দ্বয়ের ন্যায়, পরস্পর নিরাকরণে প্রবৃত্ত হয় (ইহার দৃষ্টান্ত মনুষ্যদিগের তপস্যায়—দেবতাদের বিচরণ), তন্মধ্যে বাজার অনুসারে চেষ্টা করে, তাহা হইলে অবশ্যই সেই প্রাপ্তি তাহার হইয়া থাকে, শাস্ত্রোক্ত প্রণালীর ব্যত্যয় ঘটিলে অঙ্গপৎ শক্তি অধিক হয়, তাহাই জয়ী হইয়া থাকে। যথায় শাস্ত্র-নিয়ন্ত্রিত হইতে নিবৃত্ত হইতে হয়। ত্রৈলােকের আধিপত্য হইতে যে কৰ্ম্ম করিলেও অনিষ্টপাত হয়, থায় বুঝিবে, অনিজনক ইলকে এত গৌরব, কোন জীববিশেষ পুরুষকার নামক প্ৰষত্নের স্বীয় দুক্ষ প্রবল আছে। অতি দৃঢ়ভাবে কাণ-জনক ঐহিক- ফলেই সেই ইষ্ণ প্রাপ্ত হইয়াছেন। কৰ্ম আশ্রয় করিয়া ফলােমুখ-প্রাত্তন দুঙ্ককেও জয় করতে কোন জীববিশেষ পারিবে। প্রাক্তন কর্ম আমাকে এই কার্যে নিযুক্ত করিতেছ- পুরুষকার নামক প্ৰষকলেই কমলাসনে ব্ৰহ্মপদে অধিষ্ঠিত। কোন ইত্যাকারক বুদ্ধিতে জোর করি। নিপাতিত করিবে, প্রত্যক্ষ কর্মের পুরুষ স্বীয় শ্রেষ্ঠ পুৰুষকার-বলেই গরুডধ্বজ পূবযভম হইয়- ছেন। ১১-১৫। ইহসংসারে কোনও এক প্রাণী পুরুষকার নামক : সংকর্ম আর প্রাক্তন দুরদৃষ্ট পরাস্ত হয়, ততক্ষণ ঐহিক সৎকন্দ্রে নিকট সে বুদ্ধি আধিত নাই। ৬-১০। যতক্ষণ না ঐহিক এধরুবলেই অনারীশ্বর শিবরূপে বিরাজ করিতেছেন। সেই পুরুষকার দ্বিবিধ-প্রাক্তন এবং অদ্যতন (বর্তমান)। প্রাক্তন ভাবী দােষ যে ঐহিক কর্ম দ্বারা দূরীভূত হয়, তাহাই এ বিষয়ের যত্ব করিবে। এজন দোষ ঐহিক কর্ম দ্বারা নিশ্চয়ই পদ্মান্ত হয় পুককার অর্থাৎ দৈব বর্তমান পুরুষকার দ্বারা জয় করা যায়। তৃষ্টান্ত। স্বীয় উদ্যােগল বুদ্ধিবল প্রাক্তন নিত্য অশুভ দূর সহায় এবং উৎসাহ সমন্বিত দৃঢ়ভ্যাসী যত্নশীল পুরুষগণ কত শত : করিয়া আপনাকে সৎসর হইতে উত্তীর্ণ করিবার জন্য শম দম সুমেরুকও জীর্ণ করিতে পারেন, প্রাক্তন পুরুষকারের কথা ত অতি সাধা। (মনে কর, তপস্যাৰলে কি না হয়। পুরুষের গণের সমান হওয়া অকত্তব, শাস্ত্রানুসারী উদ্যােগ ইহলােক প্রভৃতি লাভের উদ্দেশে যত্ন করিবে। উদ্যােগহীন পুরুষ-গর্দভ- যে প্র; শক্তিশাসিত কর্মসম্পাদনেই ৎপর, তাহাই সমগ্র এবং পরলােকের উপকারী। বিষ্ণু যেরূপ অনু-পর হইতে অভিমত সিন্ধির মূল-শাস্ত্ৰগহিত কর্মপ্রযােজক প্ৰষ, অনি- নির্গত হইয়াছিলেন, তদ্রুপ সংসার-কুহর হইতে স্বল্পং বল- ষ্টের মূল। (দেখ,) স্বীয় বিপথগামিতা বশতঃ কোন অবস্থায় পূৰ্ব্বক নির্গত হওয়া আবশ্যক। ১১-১৫। স্বীয় দেহ যে নশ্বর, পুরুষকার অলি-সন্ধোচ-সাহায্যে গণ্ডুষ করাও, দুঃসাধ্য হয় এবং ইহা প্রতিদিন বিবেচনা করিবে, গগণর দৃশ মুঢ়তা পরিত্যাগ পিপাসার ব্যবহারের জন্য সেই গধূষের এক বিন্দু জলও অতি করিবে, সৎপুরুষের কর্তব্য অবলম্বন করিলে। কীট যেমন ব্রণে আদরের সামগ্রী হয়। আবার স্বীয় সুপথগামিক কোন অবস্থায় পুরুষের এত দ্রব্যসত্তার হয় যে, পােয্যবর্গের উদ্দেশে। আপাত-রমণীয় বিষন্স আস্বাদন করিয়া বয়স ঙীভূত (মাটি) রস আস্বাদন করে, জাল গৃহে বনিতাভোগ ও আমপান প্রভৃতি, ভঙ্গ বিভাগ করিতে গিয়া সসাগর-গিরি-নগৰু-সখীপ বজরা- করা উচিত নয়। নিত্যই শুভকৰ্ম্ম দ্বারা শুভফলপ্রাপ্তি হয়, গুলকেও ক্ষুদ্রায় বােধ করিতে হয়।১৬-২০। অ= ক খারা অভ ফলাভ হয়, দৈৰ নামে স্বতন্ত্র বস্তু চতুর্থ সর্গ সমাপ্ত। ৪। আর কিছু নাই (অথবা ও ঐছিক কর্মে শুভ ফল এবং অশুভ ঐহিক কর্মে অভ ফল লাভ হয়, দৈব কোন কাৰ্যেৱই নহে)। প্রত্যক্ষমাণ পরিগ করিয়া অনুমানের আর অহণ করিলে বীয় ভুযুগল-গনে ভীত হইয়া সর্পভনে পলায়ন করিতে হয়। -- যােগবশিষ্ঠ-রামায়ণ “দৈবই আমাকে এই কার্যে নিযুক্ত করিতেছে” এইরূপ হতবুকি যষ্ঠ সর্গ। সম্পন্ন, বিশ্বামিত্র প্রভৃতির দৃষ্টান্তজ্ঞান, পুরুষকারহীন জনগণের মুখাবলােকন করিতে লক্ষ্মী পদ্মমুখী। ১৬২০। বশিষ্ঠ কহিলেন,অতএব প্রাক্তন পৌরুষ অর্থাৎ প্রাক্তন কর্ঘ অতএব মুমুক্ষু ব্যক্তি প্রথমেই নিত্যানিত্য বন্ধ-বিবেক প্রতি ব্যতীত স্বচ্ছ দৈব নাই, অতএব উক্ত দৈব দূরে পরিত্যাগ করিয়া সাধনচতুষ্টয় আশ্রয় করিবে এবং অধ্যাত্ম শাস্ত্র আলােচনা সাধুসঙ্গ ও সংশাস্ত্রের পালােচনা ঘাৱা বলপূর্বক জীবকে উদ্ধার করিবে। যে সকল মৃঢ় মনে মনে কোন অভিলাষ করিয়া যখ- করিতে হইবে করিতে হইবে যেরূপ যত্ন করা যাইবে, ফলও তাদৃশ হইবে, শাস্ত্র স্বীয় চেষ্টা দ্বারা তাহা সিদ্ধ করিতে প্রবৃত্ত না হয় তাহাদিগের এইরূপ যে পৌরুষ, দৈব তাহারই অনুগামী হইবে। যেমন দুঃখের ইষ্টভোগ লিগায় ধিক্। শাস্ত্রীয় পুরুষকারের যে অবধি নাই, সময় লােকে দুঃখে হা কষ্ট বলিয়া থাকে, সেইরূপ (পূর্বতন কর্মের তাহাও নয়, কিন্তু তাহা প্রত্নসাপেক্ষ, অথচ মহাষত্ব করিলেও অনুসরণ করিয়াই) হা অষ্ট এইরূপ কলিন্না থাকে। প্রাক্তন প্রস্তর হইতে রত্ন লাভ হয় না—অর্থাৎ প্রস্তর হইতে বুলাতে কৰ্ম্ম ব্যতীত দৈব আর নাই,প্রবল পুরুষ যেমন বালককে অনায়াসে বহু বধ করিলেও তা বিফল হয়, কিন্তু শাস্ত্রীয় কন্মে প্রষঙ্গ পরাভব করিতে পারে, সেইরূপ ঐহিক কৰ্ম্ম দ্বারা সেই বৈকেও কখনই নিস্ফল হয় না (তবে ফলতারতম্য আছে বটে) অনায়াসে জয় ( আয়ত্ত করা যাইতে পারে। পূর্বত অসৎকর্ষ যেমন বটের পরিমাণ আছে, পটের পরিমাণ আছে, তদ্রুপ যেমন সংকর্ম দ্বারা শুতে পরিণত করা যায়, প্রাক্তন কর্মও সেই- পুরুষার্থেরও নির্দিষ্ট পরিমাণ আছে—অর্থাৎ বট হইলেই যে রূপ করা যাইতে পারে। ১৫। যাহারা লােভপরবশ হইয়া সেই তাহাতে এক প্রকার জল ধরে তা নয়, বটের পরিমাণ অনুসারে দৈবের (প্রাক্তন কম্মের) (যত্ন করে না, সেই দৈবপরায়ণ নাধিক জল ধরিয়া থাকে, বস্ত্র হইলেই যে তাহা সকলেরই ব্যক্তিগণ দীন হীন পামর ও মূঢ়। যথায় পুরুষকারকুত কৰ্ম্ম দৈবাৎ পরিধানযোগ্য বা সমান হয় তা নয়, কিন্তু পরিমাণ অনুসারে বিফল হয়, তথায় বুঝিবে, সেই কম্মনাশক ব্যক্তির পুৰুষকার আরও তাহারও তারতম্য হয়, অন্ধ্রপ পুরুষার্থ হইলেই যে অহা সমান প্রবল। একবৃন্তস্থিত ফলম্বয়ের মধ্যে একটাকে রসশূন্য দেখা কলের হেতু, তাহা নই, পরিমাণনির্দেশ ইহাতেও আছে। যাইলে বুঝিতে হইবে, রসভােত্তার পূর্বকৰ্মই সেই ফলস- সং শাস্ত্রের বিধি অনুসারে সংসঙ্গে থাকিয়া এবং সদাচার পূর্বক বিধাতক । প্রসিদ্ধ জগৎ-পদার্থও যে ক্ষয় প্রাপ্ত হয়, এবিষয়ে পুরুষার্থ (ক) করিলে, তাহা সম্পূর্ণ ফল দান করিয়া থাকে, ক্ষয়কার প্রত্নেই মহৎ বল বুঝিতে হইবে। প্রাক্তন ও ঐহিক নতুবা উপযুক্তফলজনক হয় না, ইহাই কৰ্ম্মের স্বভাব। ২১-২৫। পুষকারজয়, মেয়ের ন্যায়, পরস্পর যুদ্ধ করে, উন্মধ্যে যাহার বল এই হই পুরুথের স্বরূপ। এই সব বুঝিয়া ব্যবহার করিতে অধিক হারই ক্ষান্তখ্যে জয় হইয়া থাকে। ৬-১০। রাজবংশের পারিলে, কোন মানবই কখন বিফল হয় না। হরিশ্চন্দ্র অভাবে আমাত্যগণ যদি মঙ্গলালঙ্কার ভূষিত গজাদিঘারভিক্ষুককে প্রভৃতি পুরুপ্রবরগণ দারিদ্র-দুঃখ শােকে কাত্ম হইয়াও পুরুষ- নূপ করে, সে বিষয়ে অমাত্য ও পৌরপ্রভৃতিরই ঘর বল কাগ্ৰতাৰে জেৰাজের সমকক্ষ হইয়াছেন। আশৈশব বিশেষ জানিবে। যেমন পুরুয়কারবলেই অন্ন লইয়া দন্ত দ্বারা চুণ করা রূপে বারংবার অনুষ্ঠিত শাস্ত্রচর্চা ও সংসঙ্গ প্রভৃতির গুণ দ্বারা হয়, সেইরূপ বলবান ব্যক্তি পৌরুষবলেই অন্যকে চুণিভ করিয়া স্বার্থলাভ পুরষকারের ফল—অতএব যাহারা প্রত্যক্ষদৃষ্ট অনুভূত থাকে। অতএব অল্পবল ব্যক্তিগণ প্রণালী বলবান ব্যক্তিগণের কত এবং অনুষ্ঠিত কাৰ্যাবণীকে দৈবায়ত্ত বলিয়া বিবেচনা করে, উপভােগ্য স্বরূপ, তাহারা দােষ্ট্রের ন্যায় স্বেচ্ছামত কন্মে নিযােজিত সেই সষ কুমতিমানবগণের অস্তিত্বই নাই। আলই যদি হইয়া থাকে। সমৰ্থ ব্যক্তির পুরুষকার দৃশই হউক বা অংশই এতে অনর্থহেতু না হইত, তাহা হইলে অড়ে বহুধনীর হউক, অক্ষম বুিদ্ধি ব্যক্তি তাহাকেই দৈব বলিয়া থাকে। সেই সুপণ্ডিত না হইত কে? আলস্যদোবেই এই সসাগর ধমণ্ডল সমৰ্থ ব্যক্তি অপেক্ষাও এবার সমর্থ ব্যক্তি আছে, দেব নাই ইহা মুখ ও দরিদ্র মানবে পরিপূর্ণ। ২৬-৩০। নিৱন্তৰ কলিত স্পষ্টই বুঝিতে হইবে। ১১-১৫। শাস্ত্র, অমাত্য, ২৪ ও ক্রীড়াচঞ্চল শৈব অতিক্রান্ত হইলে, মানৰ পপদার্থ-পরীক্ষায় পৌরগণের যে একমত স্বাভাবিক বুদ্ধি, তাহাই ভিক্ষুকের রাজ্য ব্যুৎপন্ন হইয়া যৌবন কাল হইতেই প্রযত্ন সহকারে সৎসঙ্গ কী, প্রজাস্থিতির ধারণকী। কোন স্কুলে ভিক্ষুককে যদি করিয়া স্বীয় ও দোষ বিচার করিবে (মুক্তির জন্য নিত্য-নিত্য- মালঙ্কারে ভূষিত করিয়া রাজা করা হয়, সে বিষয়ে ভিক্ষুকের বন্ধ-বিবেক প্রভৃতি সাধনচতুষ্টয় আয়ত্ত করিতে যত্ন করিবে। বলবান প্রাক্তন পৌরুষই কারণ। ঐহিক পৌরুষ প্রাক্তনকে নষ্ট এই সমস্ত বাল্মীকির কথা বলিয়া দেবদূত বলিলেন, বাল্মীকি মুনি করে, প্রাক্তন আবার ঐহিককে বলপূর্বক নষ্ট করে, সে স্থলে তরকে এই সব কথা বলিতেছিলেন, এমন সময়ে সায়ংকালের উদ্বেগহীন (অনল) ব্যক্তিরই জয়। প্রাক্তন ও ঐহিরে কাৰ্য নির্বাহের মূলীভূত সূৰ্যাপ্ত সম্পন্ন হইল, ভরদ্বাজার মধ্যে প্রত্যক্ষ বশির ঐহিকেরই কল অখিক বলিতে হইবে; মুনিসমিতিও বাল্মীকিকে নমস্কার করিয় স্নান করিতে গেলেন, একাৰণে বুৰা যেমন বালককে অনায়াসে জয় করিতে পারে অনন্তর রাত্রি অতীত হইলে সূৰ্য্য কিরণের সহিত এতকাল উপস্থিত হইল। ৩-৩২। বশিষ্ঠ এই কথা বলিতে থাকিলে সূৰ্যাস্ত হইল। নৃপতি ও পথম সর্গ সমাপ্ত। মুনিমণ্ডলীও বশিষ্ঠকে প্রণাম করিয়া স্নান করিতে গমন ইতি এখন কিনা। করিলেন। এই র্থে ভবিষৎ সন্দর্ভ বিরােধ হইবে কি না তাহা পরে বিচা। এক্ষণে এইটুকু জানিবে যে, দ্বিতীয় দিন * এই শ্লোকের বাসভূতি নির্দেশ চাকাকালের মতা- এগুজালে, বঙিলে যে কথা বলিতে আর করিলেন, তাহা সরে করিলাম। কিন্তু ইহার সরলার্থীকি বলিলেন, অলি লইয়াই পরবর্গ।
মুবাহার-প্রকরণ ৪) । = সেইরূপ লবকে যত্ন করিলে জয় করা যায়। সংসরে উপার্জিত করিয়া হৈমােহে নিময় হয়। হে শুভশয়। সমুদয় কাৰ্যকার কৃষকর শক্ত মেষে একদিনেই নষ্ট করিয়া থাকে, সে স্থলে উহা ! বিবর্তিত নিজ বিকলৰলে । কলিত মিথ্য। দৈবের অপেক্ষা না । মেঘের পুরুষার্থ, ফলত অধিক প্রযত্বশালী ব্যক্তিরই জয়।। করিয়া নিজ পৌরুষ আশ্রয় কর। বেদাদি শাস্ত্র সদাচার আর ১৬২০। উপার্জিত অর্থ নষ্ট হইয়া গেলে খেল করা উচিত প্রকাশিত দেশৰ্ম্ম (গণষ্ঠান) দ্বারা যে চিরপ্রসিদ্ধ চিত্তজিও নহে, আর যে বিষয়ে আমি অশ, ভজ, দুখ করাও বিষ। জ্ঞানরূপ ফল লাভ হয়, তাহা হৃদয়ে উপনত হইলে অংসানে যাহা করিতে পারি না, আহার নিমিত্ত যদি দুধ করি, তাহা হইলে, ও তৎপরে অর্থ শারীরচেষ্টা হয়, ইহাকেই পৌরুষ বলিয়া আমি মৃত্যুকেও ও মারিতে গরি না, অতএব আমার প্রত্যহই থাকে। ৩৫–৪০। বুৰূিলে পুরুষকার অবলম্বন করিয়া সভ লােদন করা উচিত। এই জগঞ্জে পদার্থসমূদয় দেশ, কাল, ক্রিয়া ত্ববান হওয়া উচিত, তাহার পর সংস্ক সাধুগণ ও পণ্ডিতগণের ও দণ্যের শক্তি অনুসারে স্কুরিত হয়, ইহাতে কেবল অধিক যত্ন- সেবা যারা ঐ বীকে সফল করা কর্তব্য। দৈষ ও পৌরুষের শালীরই জয়। অতএব পৌরুষবলে সংশাস্ত্র ও সৎসঙ্গ দ্বারা বুদ্ধি উক্তরূপ বিচারে পটু ব্যক্তিগণ এইরূপ পৌরুষ অবলম্বন করিয়া নিৰ্ম্মল করিয়া সংসারসমুদ্র পার হওয়া উচিত। এই নিখিল থাকেন, তাহাদের ইহাই সফল হয়, অতএব আৰ্যগণের সেবায় পুরুষরূপ অরণ্যের মধ্যে প্রাক্তন ও ঐহিক পুরুষকারয় ফলবান যন্ত্র করা বিধেয়। জীবগণ স্বাভাবিক ঐহিক পৌরুষকেই বৃক্ষস্বরূপ, ইহাদের যেটা অধিক হইবে তাহারই উৎকর্ষ। কাৰ্যসিদ্ধির উপায় ভাবিয়া নিত্য সন্তুষ্ট উৎকৃষ্ট পণ্ডিতগণের ২১-২৫। যে ব্যক্তি শুত চেষ্টা দ্বারা তুচ্ছ প্রাক্তন কর্মকে নষ্ট সেবাকপ অব্যর্থ মহৌষধ দ্বারা জন্মমৃত্যুরূপ রােগের শান্তি করে না, ঐ অজ্ঞ ব্যক্তি নিজ সুখ-দুঃখেও অসমর্থ হইয়া থাকে। কক। ৪১-৪৩। ঐ ব্যক্তি ঈশ্বরপ্রেরিত হইয়া পর্গ কিংবা নরকে যাইয়া থাকে বটে, ষষ্ঠ সর্গ সমাপ্ত।। কিন্তু ঐ ব্যক্তি সর্বদা পরাধীন পশুতুল্য, ইহাতে সন্দেহ নাই। যে ব্যক্তি প্রকৌশলসম্পন্ন ও সদাচাৰী, সে ব্যক্তি, সিংহ যেরূপ পিঞ্জর হইতে বহিত হয়, সেইরূপ এই জগৎ-মােহ হইতে বিনি- সপ্তম সর্গ। ক্রান্ত হয়। অর্থাৎ তাহার জগন্মোহ কিছুই থাকে না। পুরুষকার বশিষ্ঠ কহিলেন,-জীব, ব্যাবিঙ্গ অল্পমনঃকষ্টবিশিষ্ট দেহ ছাড়ি। যে ব্যক্তি আমাকে কাৰ্যে প্রেরণ করতেছেন এইপ্রকার প্রাপ্ত হইয়া, সেইরূপ আত্মসমাধান করুক, যাহাতে আর পুনর্জন্ম অনর্থ কুকল্পনায় অবস্থিত, সেই অধমকে দূর হইতে পরিত্যাগ করা লাভ করিতে না হয়। যিনি পুৰুষকার দ্বারা দৈনিরাকরণ করিতে উচিত। অর্থাৎ ব্যবহারী জীবতত্ত্বজ্ঞানহীন, তার দৃষ্টিতে ইচ্ছা ধরেন, তিনি ইহলােক ও পরলােকে সম্পূ। অতীষ্টলাভ জীবের শধীনতা আছে, সেই অজ্ঞ ব্যক্তিই সহসা কীর করিতে সমর্থ হন। যাহারা দৈবপরায়ণ হইয়া নিশ্চেষ্টভাবে অব- প্রসঙ্গ ঈশ্বর নির্ভর করিয়া নিসুখ ভোগ করিতে থাকে, স্থান করে, সেই আত্মবিদ্বেষ্টাগণ ধৰ্ম্ম, অর্থ ও কাম এই ক্রিয়ের তাহাদের কোন উপায় নাই—সে যেমন অধিকারী, তদনুসারে নাশ করিয়া থাকে। সংবিৎস্পন্দ (তত্ত্বজ্ঞানের বিকাশ) তৎপরে আলশ পরিহারপূর্বক কৰ্ম্মানুষ্ঠান করিয়া ক্রমে শান্তিলাভ মনস্পন্দ (পুরুষার্থ সাধনেচ্ছা), পরে ইন্দ্রিয়স্পন (অঙ্গচালনার্থ করিতে পারিবে। সহস্র সহস্র ব্যবহার আমাদের সম্মুখে কৰ্ম্মেন্দ্রিয় প্রবৃত্তি , এই তিনটা পুরুষার্থেব স্বরূপ, ইহা হইতেই আসছে ও যাতেছ, তাহাতে রাগ-দ্বেষ পরিত্যাগ করিয়া ফলােদয় ইয়া থাকে। চিত্তে যাদৃশ বিষয়ক্ষুৰ্ত্তি হয়, চিত্তও তাদৃশ শাস্ত্রানুসাবেই ব্যবহার করা উচিত। ২৬-৩। যে ব্যক্তি স্পন্দ প্রাপ্ত হয়, শারীয়চেষ্টাও থাবিধ হইয়া থাকে, ফসঙ্গেও যথাশাস্ত্র স্বীয় মর্যাদা পরিত্যাগ করে না, সাগর রত্বের ন্যায়, তদনুরূপ ঘটে।১৫। বাল্যাৰথি যে যে বিষয়ে যেরূপ ঘত্ব কর তাহার নিকট সমুদায় অভীষ্ট উপস্থিত হয়। সুখ ও দুঃখনিবৃত্তির যায় ফললাভও তাদৃশ হইয়া থাকে, দৈব কুত্রাপি দৃষ্ট হয় না, ঘটক অবশ্যকর্তব্য কর্মে যন্ত্রকেই বুধগণ পোক বলিয় নির্দেশ অতএব জগতে কেবলমাত্র পৌরুষই বিদ্যমান। বৃহস্পতি পুরুষ- করেন। সেই শাস্ত্রবিহিত যত্নই পরমপুরুষার্থ-লাভের হেতু। কার দ্বারা দেবগুরু হইয়াছেন, শুক্রাচাৰ্যও পুরুষকারলে দৈত্য- বুজিমা ব্যক্তিগণ শুক্রা, শ্রবণাদি ক্রিয়া, সাধুসঙ্গ ও সংশাস্ত্রের শুরু হইয়াছেন। হে সাবধা। প্রঘত্বশালী কত শত মানবগণ সৈ পৰ্যালোচনা দ্বারা বুদ্ধি নির্মল করিয়া স্বার্থ সাধন করেন। বুধগণ দারিদ্র্য দুষে পীড়িত হইয়াও পুরুষকারের বলে ইতুল্য হইয়া- অজ্ঞানত বৈষম্য-নিরভিকেই অসৗষ পুরুষাৰ্থ বলিয়া জানেন। ছেন। আবার অভূতপূর্ব সম্পত্তিশালী নহুষ প্রভৃতি রাজগণ যাহা দ্বারা তাহা লাভ করা যায়, সেই শাস্ত্র ও সাধুগণের সতত! বহুবিভব আস্বাদন করিয়া পৌরুষদোষে নরকের অতিথি সেবা করা বিধেয়। দেবলােক হইতে ভুক্তাবশিষ্ট-উভয়-লােক। হইয়াছেন। জীবগণ সহস্র সহ বিপৎ সম্পদ ও বিবিধ পশ হিতকারী প্রাক্তন পৌরুষকেই দৈব বলিয়া থাকে। ৩১-৩৫। ' নে পৌবলেই অতিক্রম করিয়া থাকে। ৬-১০। শালে- যাহারা অজ্ঞান প্রযুক্ত দৈনিক, তাহাদিগকে নিন্দা কৰি চনা, গুরুপদেশ ও স্বীয় প্রঘ, এই ত্ৰিভয়-সাহায্যেই সর্বত্র না, তবে যাহারা পুরুষকার পরিত্যাগ করিয়া মুকলিত দৈবকে পুরুষার্থসিদ্ধি হয়, ইহাতে কাচ দৈবের অপেক্ষা করে না। মাঙ্গ করে, তাহাদিগকে নিন্দা করি। তাহারা ক্ষয় প্রাপ্ত হয়। অশুভপথে প্রধাবিত চিত্তকে বলে শুভপথে লইয়া যাইতে সতত নিজ পৌরুষবলেই উভয় লোকের হিত সাধন হইয়া থাকে। হইবে, ইহাই সমুদয় শাস্ত্রের মুর্থ। “হে বৎস। যাহা মঙ্গলজনক, যেমন প্রাক্তন দুস্কাৰ্য্য সৎকর্ম দ্বারা হতে পরিণত হয়, এইরূপ যাহা যথার্থ সত্য ও যাহাতে কোন অপায়শঙ্কা নাই, তাদৃশ কই অদ্যজী ক্রিয়া দ্বারা প্রাণী ক্রিয়ার শোভা' হইয়া থাকে, যত্নপুৰ্ব্বক কৰিবে,"ইহাই গুরুগণ উপদেশ কনে। জামার যা অতএব যে ব্যক্তি কাৰ্যবান হইবে, তাহার পৌরুষৰলে, খিত আমলকের ন্যায়, ফল দৃষ্ট হইবে। মুঢ় ব্যক্তিই প্রত্যক্ষ পরিত্যাগ * নিল চিত্তবৃত্তি। = গ যােগণিষ্ঠ-রামায়ণ প্রযত্ন, ফলও শীঘ্র তাদৃশ ঘটিবে। সুতরাং পৌরুষবলেই আমি হইলে এই কৰ্ম্ম এই ফল হয় এই প্রকার বাক্যই বৈ নামে ফলগী, দৈববলে নহে। পৌষবলেই সিদ্ধি হয়, ধীমগণ প্রসিদ্ধ। আহাতেই মুমতি ব্যক্তিগণ ভ্রান্তিবশতঃ, রজুতে সর্প- পৌষ লইয়াই কাৰ্য্য করেন। যাহারা অল্পবুদ্ধি, দুঃখের সময় রোদন জ্ঞানের ন্যায়, দৈব আছে’ বলিয়া নিশ্চয় করিয়া বসিয়া আছে। করিতে থাকে, তাহাদিগকে আশ্বাস দিবার নিমিত্তই শৈশব্দের পূর্বতন কুকাৰ্য যেমন সৎকর্ম দ্বারা বিমল হইয়া শুভ পরিণত ব্যুহার। ১৯—১৫। এই লােকে দেশান্তর-গমনাদি পুরুষকার হয়, সেইরূপ প্রাক্তন কৰ্ম্মও হইবে, অতএব যন্ত্রপূর্বক সৎকার্যে প্রত্যক্ষ প্রমাণেই ফলবান্ দৃষ্ট হয়। ভােজনকারই তৃপ্তিলাভ হয়, চেষ্টিত হওয়া কর্তব্য। যে দুৰ্ম্মতি, মূঢ়ব্যক্তির অনুমানসিদ্ধ দৈৰ অভােক্তার কিরূপে তৃপ্তি হইবে? গমনশীল ব্যক্তিই গমন করে, মানিয়া থাকে, তাহার ‘জয়িতেও দৈবাৎ দগ্ধ হইবে না এই গতিহীন কিরূপে যাইবে ? বক্তাই বলে, অবক্তা কি বলিতে পারে ? স্থির করিয়া অগ্নিতে পড়া উচিত। ১-৫। এই জগতে অতএব মনুষের পৌরুষই সফল হয়। সুবুদ্ধি ব্যক্তিগণ পৌরুষ- দৈরেই যদি কর্তৃক থাকে, তাহা হইলে পুরুষের (সকল বলেই অনায়াসে দুরন্ত সঙ্কট হইতে উদ্ধার হন, জৈব অণয় কাৰ্য্যেই ) চেষ্টায় প্রমােন কি ? দৈবই স্নান, দান ও মন্ত্রে- করিয়া নিশ্চেষ্ট হইলে কিছুই করিতে পারেন না। যে যে ব্যক্তি চারণ প্রভৃতি কৰ্ম্ম করিবে। শস্ত্রোপদেশ কেন ? কাহাকে যেরূপ প্রধত্মবান্ হন, তিনি তত্তংকলভাগী হন, ভুঞ্জীভাব অবলম্বন কোন উপদেশ দিবারই বা প্রয়োজন কি? দৈবই সকল কন্য করিয়া থাকিলে কেহই কোন ফল লাভ করিতে পারে না। শুভ করিবে, পুরুষ নিশ্চেষ্ট হইয়া থাকুক। শবত্ব ব্যতীত এই জগতে পুৰুষকরে শুভ ফল লাভ করা যায়, অশুভ পৌরুষে অশুভ । নিস্পলভাব আর দেখা যায় না, স্পন (হস্তপদাজিচালন। হে রাম। তুমি যাহা ইচ্ছা করিবে, অহাই করিতে পার।১৬-২৬। হইতেই সলপ্রাপ্তি হইয়া থা*ে, অতএব দৈব নিয়ােজন। যিলক্ষেই হউক বা সত্বরই হউক দেশকালশে পৌরুষবলে যে মূৰ্ত্তিহীন দৈবের সহিত মুমিন পুরুষের সমান কর্তৃত্ব (সন্তবে ঘল লাভ করা যায়, তাহার্কেই দৈব কহে। চকু দ্বারা সৃষ্টি হয় না। দেখা যায় না, অতএব দৈব নিষ্প্রয়োজন। লেখনী বা সুর না বা লােকান্তরে অবস্থিত নহে, স্বর্গে বে কৰ্ম্মফলভােগ করা প্রভৃতি উপকরণ পাইলে হস্তয়ের পরস্পরের মধ্যে একটানা যায়, তাহাই দৈবশকে কথিত হয়। পুরুষ ইহলোকে জমিতেছে, একটী কর্তা হয়, যুগপৎ হস্তদ্বয় দ্বারা লেখন অসম্ভব হইলেও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইতেছে এবং পুনর্বার জরাগ্রস্ত হইতেছে কিন্তু তথায় অন্তত একটার কর্তৃত্ব থাকে, কিন্তু হস্তপদাদি অঙ্গ নষ্ট হইলে জা, যৌবন ও বাল্যের ন্যায়, দেবের প্রত্যক্ষতা ত হয় না। বুধগণ দিব কি কাহারও কিছু করিয়া দিয়া থাকে ? এই পরমার্থসাধক কাৰ্যে যত্ন-পতকেই পৌরষ কহেন, ইহাতেই এই জৈবকে গােপাল (রাখাল ) হইতে আরম্ভ করিয়া মহাজ্ঞ সমুদয় অভীষ্ট সিদ্ধ হয়। এক দেশ হইতে অন্য দেশে গমন, হস্ত পৰ্যন্ত কেহই মন ও বুদ্ধির ন্যায় প্রত্যক্ষ অনুভব করিতে পারেন দ্বারা দ্রব্যধারণ ও অন্যান্যরূপে আঙ্গিক ব্যাপার সমুদয়ই পৌরুষ- নাই। কৰ্ম্ম-নির্বাহের উপযােগিনৗ বুদ্ধি এবং দৈব যদি পৃথক বলে, দৈববলে নহে। অনর্থসাধক কার্যে যা করা উন্মত্তের চেষ্টা, হয়, তাহা হইলে, দৈৰকল্পনা নিরর্থক, যদি দৈব উক্ত প্রকার ইহা দ্বারা কিছুই লাভ করা যায় না। ২১-২৬। সৎসঙ্গওসং বুদ্ধিই হয়, তবে পুদ্ধি হইতে তাহার প্রভেদ থাকে না—অর্থাৎ শাস্ত্রের পালােচনা দ্বারা বুদ্ধি তীক্ষ করিয়া অস্পন্দ ব্যাপারে। দৈৰ একটা স্বতন্ত্রব, ইহু। মানা চলে না। কোন দুই ব্যক্তির স্বয়ংই স্বার্থসাধন হইয়া থাকে। অজ্ঞানকৃত-ব্যম-নিতিসহ | কখনিৰ্বাহহাপযােগিনী বুদ্ধি সমান, দুই জনেই কার্যের জন্য অসীম আনন্দলাভ করাকেই নিজ পরমার্থ ৰলিয়া পণ্ডিত পরিশ্রম করিয়াছে, কিন্তু এক জনের আশা পূর্ণ হষ নাই, আর আকার করেন, সেই পরমার্থ যাহাতে লাভ করা যায়, সে একজন পূর্ণমনােরখ হইয়াছে, ইহার কারণ কি, ন’ দেব- শচর্চা ও সাধুসে ষত্বপূৰ্ব্বক করা উচিত। যেমন থাকলে এইরূপ কল্পনাবলে দেব প্রমাণ করত তাদৃশ বৈষম্যের কারণ- সরোবর ও পদ্ম পরস্পর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়, সেইরূপ অভ্যাসবলে স্বরূপে-পৌরুষকেই কল্পনা না কর কেন? পৌরুষ-কল্পনায় বুদ্ধি দ্বারা সৎশাস্ত্র ও সৎসঙ্গের অনুশীলনশীলতা ও তার দোষ কি ? অকাশের সহিত যেমন শরীরীর সঙ্গ হইতে পারে বুদ্ধিবৃদ্ধি হইয়া থাকে। বল্যাবধি সৎশাস্ত্র ও সাধুসঙ্গ অভ্যাস না, সেইরূপ মূর্তিহীন দৈবের সহিত কাৰণান্তরের সংযােগ করিতে পারিলে তারা পৌরুষত্বেই হিঅগ্রদ স্বার্থসাধন হইয়া সম্ভব না, মুভিমান পদাথদ্বয়ই পরস্পর সংযুক্ত হয়, অতএব থাকে। বিষ্ণু পৌরুষবলেই দৈত্যবিজয়, জগৎসংস্থাপন ও দৈব নাই। এই অগয়ে দই বলি জীবসমূহের নিয়ােগ- জগৎচনা করিয়াছেন, দৈববলে নহে। হে রঘুনাথ। এজগতে কত্তা হয়, তাহা হইলে জীবসমূহ সকলে শয়ন করিয়া থাকুক, পুরুষকাৱই ইষ্টসিদ্ধির কারণ, হে সুগ। এখানে চিরকাল দৈবই সমূদয় করিবে। আমি দৈবপ্রেরিত হইয়া সমুদয় কাৰ্য অশঙ্কভাবে সেইরূপ যত্ন কর, যাহাতে পাদপ সরীল প্রভৃতি করি, সমস্তই জৈবসঙ্কলসি' ইহা আশ্বাস-বাকামাত্র, বক্স * প্রাপ্ত হইতে না হয়।২৬-৩২। দৈব নাই। ১১-১৫। মূঢ় ব্যক্তিরাই দেব কল্পনা করিয়াছে, সওম সর্গ সমাপ্ত। ৭। বাহার দৈবপরায়ণ, তাহারা কর প্রাপ্ত হয়, প্রাজ্ঞ ব্যক্তিগণ পুরুষকারেই মহৰ লাভ করিয়াছেন। যাহারা , যাহারা বিক্রমশালী, যাহারা বুদ্ধিমান ও যাহারা পণ্ডিত, ৰা দেখি, এই টম সর্গ। এতে তারা কি নিমিত্ত দৈবের প্রতীক্ষা করিবে? কালবিদগণ যাহাকে অতি চিরজীবী বলিয়া স্থির করিয়াছেন, সে ব্যক্তি বশিষ্ঠ কহিলেন—দব যে কি, তাহা বলা যায় না, উহা যদি ছিন্নমস্তক ইলে, জীবিত থাকে, তাহা হইলে (বলিব মিথ্যাজ্ঞানের ন্যায় রূঢ়, ঐ লৈবের আকার নাই, কোন কর্ম নাই, ফুট) সবই উত্তম। হে রাখব। দৈবজ্ঞগণ বলিয়াছেন যে, স্পন্দ নাই ও পরাক্রম নাই। ফলতঃ ধীর কর্মের ফল প্রাপ্ত এই ব্যক্তি পণ্ডিত হইবে” কিন্তু তাহাকে অধ্যয়ন না করাইলেও মুখ্যবহার-প্রকরণ s ১২ । যদি সে পণ্ডিত হয়, তাহা হইলে বলিব, দৈবই উত্তম কর, যাহাতে তােমার ‘ব নাই” এই বুদ্ধিই স্থির হইবে। হে রাম। বিশ্বামিত্র ঋষি দৈকে দূরে পরিত্যাগ করিয়া একমাত্র পুর্বে যে বহুবিধ মনােৰাসনা সমূদিত হয়, তাহাই মনুষ্যদিগের পুরুসকার-বলেই ব্রাহ্মণত্ব লাভ করিয়াছেন, অন্য কোন প্রকারে কবে পরিণত হয়। হে রাম। জীব যে বিষয়-বাসনা- নহে। ১১। হে রাম। আমরাও পৌরুষবলে মুনি হই- সম্পন্ন হয়, শীঘ্রই তদ্বিষয় কাৰ্যে পরিণত করে, কৰ্ম্ম এক প্রকার মাছি ও এই ত্রিভুবনমধ্যে বহু সময় ব্যাপিয়া আকাশগমন ও মনোভাব অন্য কার, এরূপ হয় না। যে গ্রামে গমনােত, করিতে শিখিয়াছি। দৈত্যাধিপতিগণ কেবল পৌরুষ-বলেই সে গ্রাম প্রাপ্ত হ'যে ব্যক্তি পূরগমনপ্ৰাখী, সেপুর প্রাপ্ত হয় , দেবসমূহকে উৎসাদিত করিয় ত্রিভুবনমধ্যে সাম্রাজ্য করিয়াছে। যাহার যেরূপ বাসনা সে সর্বদা সেই বিষয়েই যত্নবান হয়। আবার সুরপতিগণ পৌরুষৰলেই অৱগণের নিকট হইতে ১১—১৫। মূলাভিলাষের আতিশয্যে পূর্বে অতি যছে যে কর্ম বিচ্ছিন্ন, বিশণ এই বিশাল-অগং আহরণ করিয়া লয়েন। হে করুহ, তাহাই দেব-শব্দে কখিত হয়। দেব ঐরূপ করে রাম। পুরুষের যুক্তিবলেই বংশচ্ছিমধ্যে বহুক্ষণ যেমন পৰ্যায়মাত্র। কর্তৃকগণের সকল কর্মই উক্তরীতিতে সম্পন্ন মনোেহর জল অবস্থিত খাকে, দৈব কিছু সে স্থানে কারণ হইতে হয়, পরিপুষ্ট মনোবাসনাই কৰ্ম্ম, বাসনাও মন হইতে পৃথক পারে না। হে রাম। স্বজনপােষণ, বলপূর্বক শক্ররাজ্য-হরণ, নহে, মনও আত্মা হইতে বিভিন্ন নহে। হে সাদে। বাহাকে ভােগ বিলাস ও অন্যান্য কষ্টসাধ্য পুৰব্যাপারসমূদয় বিষয়েই দৈব বলিচ্ছে, তাহা কৰ্ম্ম , সেই কৰ্ম্ম-মন; সেই মন-পুরুষ , ওধবির স্যায়, দৈবের কোন ক্ষমতা দেখা যায় না। হে অমতে। অতএব পুরুষ বা আত্মা ভিন্ন, সকলই অসত্য, সুতরাং দৈবও তুমি সমুদয় কাৰ্য-কারণ-বিহীন নিজ ভ্রান্তিকল্পিত মিথ্যাভূত, দৈবের নাই, ইহা নিশ্চয়। এই জীবই মনঃস্বরূপে যে যে হিতকার্যের অপেক্ষা না করিয়া উত্তম পৌরুষ অবলম্বন কর। ২১-২৬। জন্য বন্ধ করে, স্বস্বরূপী সব হইতেই তকাবের সিদ্ধি লাভ অষ্টম সর্গ সমাপ্ত। ৮। করে। হে রাম। মন, চিৎ, বাসন কর্ম ও দৈব এই সমুদয় দুর্নিশ্চেয় মনোেভাবাপন্ন পুরুষের সংজ্ঞারূপে কখিত হইয়া থাকে। হে বাম ' এতাদৃশ পুরুষ দৃঢ় আৰনালে অনুক্ষণ নবম সর্গ। যেরূপ যা হয়, অনুসারে ফললাভ করিয়া থাকে। হে রঘুকুলপুরন্ধর। এই প্রকার পুরুষকারেই সমুদয় অভীষ্ট সিদ্ধ হয়, রাম কহিলেন-হে সৰ্ব্বং ভগষন ব্ৰহ্মণ। অদ্বি- অন্য কিছুতে নহে, অতএব সেই পুরুষকারই তােমার শুভক্ষণ- খ্যাত এই দেব-পদার্থ সত্য কি না তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ট প্রণ হউক। রাম কহিলেন,হে মুনিবর। প্রাক্তন বাসনা- কলন-হে রাখব। পৌরুষই সকল কাধের কত্তা ও ফল- সমুহ আমাকে খেপে নিয়ােজিত করিতেছে, আমি সেইরূপে ভেক্ত, অন্য কিছুই নহে, দৈব তখিষয়ে কারণ নহে। দৈব রহিয়াছি, আমি পরবশ , কি করিব বলুন' বশিষ্ঠ কহিলেন- কিছুই করে না, বিছুই ভােগ করে না, দৈবের অন্তি নাই, কেহ হে রাম। সেই জন্যই ত এক্ষণে প্রযত্বকৃত পুরুষকার দ্বারাই উহাকে দেখিতে পায় না এবং আদরও করে না উহা ঐ প্রকার তােমার শাশ্বত শ্রেয়ােলা করিতে হইবে, অন্য কোন প্রকারে কানামাত্র। ফলশালী পৌরুষ দ্বারা যে শুভ অশুভ হে রাম। শুভ অশুভ দ্বিবিধ প্রাক্তন বাসনাজাল সিদ্ধ হয়, তাহাকে লােকে বশকে নির্দেশ করে। পৌরুষ- তােমার আছে অথবা এভদ অথs হয় শুভ না হয় প্রমুক্ত যে ইষ্ট ও অনিষ্ট বস্তুর নিত্যই প্রাপ্তি হইতেছে, উহু। অশুভ বাসলাজাল তােমার আছে। অধুনা ইষ্টই হউক বা অনিষ্টই হউক, উহাকে অজ্ঞলােকে দৈব কহে। তুমি যজ প্রাক্তন শুভ বাসনাজালে পরিচালিত হও, ত, ভীষ ( অনিষ্ট-ব-লাভাৰ্থ কেহ পৌরুষ প্রয়োগ করে না, তবে ইষ্ট- মঙ্গলময় পরিণামকপ পৌরুষ দ্বারাই নিত্য-পদ প্রাপ্ত বোধে পৌরুষ প্রয়ােগ করে, পরে তাহা অনিষ্ট হইয়া যায়, কাজেই হইবে। আর যদি প্রাক্তন অশুভ-বাসনাল অনিষ্ট প্রাপ্তিও পৌরুষনিবন্ধন)। ১-৫। একমাত্র পুরুষাৰ্থ সন্ধটপথে প্রবর্তিত করে, ত, তাহাকে প্রত্নসহকারে বল- ঘাৱা মধ্যে অবশ্যম্ভাবী ফল এই জগতে দৈব নামে কষিত হয়। পূৰ্ব্বক পরাজয় করিবে। (দ্বিবিধ বাসনা থাকিলেও এই দৈব শৃঙ্গাকার, কোন দৈব কাহারও যে ফলজনক বুলি বিবেচিত উত্তর অর্থাৎ শুভাশুভ-বাসনা সবে শুভ-বাসনার প্রাবল্য পক্ষে হয়, তাহা ভম, বস্তুগত্যা দৈব কিছুই করে না। পুরুষার্থ অনুসারে ২৬ শ্লোক এবং অশুভ-বাসনার প্রাবল্য পক্ষে ২৭ শোক জানিবে ) শুভ বা অশুভ ফলপ্রাপ্তি হইলে,লােকে কথায় বলে, “ইহার অদৃষ্টে ভুমি প্রাজ্ঞ চেমাত্র, তুমি জড়াত্মকদেহ নহু , তুমি চিন্মত্রস্বরূপ, এইরূপ ছিল'—এই বাচিক ব্যবহারের বিষয়ই দৈব। কৰ্ম্মফল- এতএব অঙ্গ চেতন দ্বারা তুমি চেতিত নই অর্থাৎ অন্যের প্রাপ্তি হইলে পর, লােকে যে বলে, আমার এইরূপ বুদ্ধি এধীনতা ভােমাতে নাই। যদি তােমাকে অন্য কেহ চের্তিত হইয়াছিল, এইরূপ নিশ্চয় হইল, তবে ফল লাভ হইল এই করে, তাহা হইলে তাহাকে আবার কে চেতিত করিল? সেই উক্তিই দৈৰকল্পনাৰ মূল। ইষ্ট বা অনিষ্ট কলের প্রাপ্তি হইয়া চিয়িতারই বা আবার চেয়িতা কে? এইরূপ অবস্থা হয়, গলে এই প্রাক্তন কর্মই এই ফলের এগ” এই প্রকার তাহাই বসিণ্ডির প্রতিবন্ধক। এই বাসনা-নদী শুভ অশুভ আশ্বাস-বাক্যই দৈব। ৬—১০। রাম কহিলেন,হে সর্বজ্ঞ উভয় পথে প্রবাহিত। পৌরুষ-এ যারা উহাকে শুভ ভগব। যাহা পূৰ্ব্বকৰ্ম্মসঞ্চিত, তাহাই দৈব, আপনিই পথেই যেজিত করিতে হইবে। ২৬-৩০। হে বলিষ্ঠর। পুনঃপুনঃ ইহা বলিয়াছেন, এক্ষণে তাহার অপলাপ করিতে- তুমি, স্বীয় মন অশুভপথে প্রবিষ্ট হইলেও তাহাকে পুরুষাবলে ছন কিরূপে? বশিষ্ঠ কহিলেন,-হে রাঘব। তুমি ঠিক শুভপথে অবতীর্ণ করিবে। প্রাণীর চিত্ত শিশুর ন্যায় অস্থির , দিতে পার, তােনাকে আমি সমূদয় বলিতেছি, শ্রবণ তাহাকে অশুভ হইতে অপসারিত কৰিলে শুভপথে গমন করে, ক নহে। ২১-২৫। তোমাকে ৪ বােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ। . আবার শুত হইতে অপসারিত করিলেশুভশথে গমন করে থাকে। কারণের কারণত্ব এবং কার্যের কাৰ্য্যর। সেই অতএব চিত্তকে বলপূর্বক (শুভপথে) পরিচালিত করিবে । সতা হইতে অভিন্ন। সর্বত্র সমভাবে অবস্থিত ব্ৰহ্মসত্তাই যখন এইরূপে চিত্তরূপ শিশুকে সই উপায়ৰলে (রাগাদি বৈষম্য নিয়তি, তখন প্রতিকূলতার শঙ্কা নাই, আমার কথা শুন, ত্যাগ করাইয়া স্বাভাবিক সমতাপ্রাপ্ত করিবে, পরে শনৈঃ শনৈঃ মঙ্গললাভে অন্ত পৌরুষ অবলম্বনপূর্বক নিত্যবন্ধু চিত্তকেই একাগ্র আত্মস্বরুপে নিরােধৰূপ পৌরুষত্বে পালন করিবে, হঠাৎ ! কর, ইন্দ্রিয় সকল মনােৱথে আরােহণ কৰিলে মুক্তির বিকর নিবােধ করিবে না (কারণ তাহাতে সমাধান-এশ হইতে পারে)। ঐহিক সুখে নিপতিত হইয়া থাকে, অতএব ইহার যাহাতে তুমি পূর্বে শুত বা অশুভ বাসনাসমূহকে অভ্যাসবহুল গাঢ় মনােরথে না আরােহণ করে, সেইরূপ পুরুষকার সংৰত করিয়া করিয়াছ, অন্য কিন্তু শুভবাসনাকে প্রগ চ কর। হে অরিনি- নে সমতা সাধন কর। আমি তােমার নিকট মলােকবাসী সূদন। যখন পূর্বকৃত অভ্যাস-বলেই বাসনা প্রগাঢ় হইয়াছে ও স্বর্গবাসী অধিকাৰীদিগের জ্ঞানসিদ্ধির নিমিত্ত পুরুষখল- খন অভ্যাসকে নিস্ফল ভাবিতে পারি না। ৩১-৩৫। হে অনত্ব । প্ৰদাত্রী মােক্ষপায়ভূতা সারনিষুি সংহিতা কহিব (শ্রবণ এক্ষণেও অভ্যাসবশতঃ তোমার বাসনা প্রগাঢ়তা প্রাপ্ত হই- কল্প)। যাহার নিমিত্ত পুনর্জন্ম-নিয়াকরণার্থ সংসার বাসনা ত্যাগ তেছে, অতএব শুত অভ্যাস করিতে থাক। যদি মন কর, করিয়া উদারবুদ্ধিতে সম্পূর্ণ শম ও সন্তোষ অবলম্বন করিতে পূর্বতন দুর্বাসন অভ্যাসবশে প্রাঢ় হয় নাই, তাহা হইলে হয় , এবং কর্মকাণ্ড তিরূপ পূর্ববাক্য ও উপাসনাপর-শ্রুতি- এক্ষণও তাহা দুর্বাসনা বশে বন্ধিত হইতে পারিবে না, সুতরাং নামক উত্তবাক্যের অর্থবিচার পূর্বক বিষয়ে অসংলগ্ন এনকে হে বৎস! তােমার অনুখী হইবার কারণ নাই। অর্থাৎ দুর্ব- | সমরস(অর্থাৎ মনের স্বাভৰূপ একরসতা সম্পাদন করিয়া সন,বুদ্ধি প্রযুক্ত অনর্থ সম্ভবনা করির৷ ' বিষাদ করা তােমার আত্মানুনখান করিতে হয় সুখ-দুঃখের ক্ষয়হেতু মহানন্দর উচিত নহে। অভ্যাসবশতঃ বসন বৃদ্ধি হয় কি না, এইরূপ একমাত্র কারণ সেই মোক্ষের উপায় এই আমি বলিতেছি। সন্দেহ থাকিলেও তুম শুভ ব সন। আহরণ কর। শুভ আচরণে হে রাম' শ্রবণ কর। ১-৭। এই মােক, সমুদয় বিৰেকী শুভবাসনা বৃদ্ধি হইকেল দোষ নাই । এই জগতে যাহা ' পুৰুষদিগের সহিত শ্রবণ করিল অক্ষয় কুঃখশূন্য পরমপদ অভ্যান করা যায়, ভন্মই হওয়া যায় ইহার পরিচয় আললি রকে প্রাপ্ত হইবে। সদুঃখক্ষয়ক বুদ্ধির পরম আশাসন এই আছে। ইহাতে কোন সন্দেহ নাই। অতএব তুমি কল্যাণ- মালোপায় কলের আদিসময়ে পরমেষ্ঠী বা কও কথিত লাভের জন্য পরম পৌরুষ অবলম্বন করিয়া শুভবাসনাক্ত হই। রাম কহিলেন,-হে ব্ৰহ্ম। পূৰ্ব্ব পয়ঃ কি কারণে ইলিয়পক জয় কর। ৩৬-৪০। তুমি যতদিন পর্যন্ত মনের ইহা বলেন, আপনিই বা ভহা কিরুপে প্রাপ্ত হইলেন, প্রতে।। স্বরূপ অবস্থা না বুঝিবে এবং তংপদ অবগত হইতে না পরিবে, । আমাকে তংসদ বলুন। বশিষ্ঠ কহিলে-অন ম'য়িক ততদিন অর্থাৎ তক্ষন না হওয়া পর্যন্ত গুরু, শাস্ত্র ও সুজি ; বিলাসের অধিষ্ঠান, সাৰ্ব্বর্তী, সাধারু, চলাকা ও সর্ব অনুভবালি দ্বারা নিণত কৰ্ম্ম চরণ কর। অনন্তর রাগাদি হতে প্রদীপম্বরূপ, অবিনগর আত্মা আছেন। যায় ও মায়- বাসনাকষায় শিথিল হইয়া গেলে যখন আত্মণ অবগত হইবে, কার্যের স্পন্দ বা অস্পন্দ উভয় কালে সমনিকার অর্থ তখন তােমার মানস-দুঃখ কিছুই থাকিবে না, খন তােমার ঐ ' নির্বিকার সেই আত্মা হইতে বিক্ষোভ এবং স্থিরতা উভয় শুভবাসনাও থকিবেনা। অতএব তুমি আর্যগণ-সেবিত সেই অবস্থায় জলভাবাপন্ন, সাগর হইতে তরঙ্গের খায়, বিষ্ণুর উপজি অতি সুন্দর শুভপথে শুভবাসনাবুদ্ধিতে সর্বদাই অনুসরণ করত হয়। সেই বিষ্ণুর সুমেরুরূপ কণিকাসমখিত, দিকূপ দলবিশিষ্ট বিশােক (শোকহীন) পরম বন্ধু সক্ষ। কর, সেই ' ও তারকরূপ কেশরযুক্ত দুদয়পছু হইতে পরমেষ্ঠার উৎপওি শুভবাসনানুসরণও পরিত্যাগ করিয়া সংস্বরূপে অবস্থিত হয়। ৮-১০। মন যেমন বিকল্পসমূহ নির্মাণ করে, সেইকপ হও । ১৩। বেদ বেদার্থবিং সেই পরমেষ্ঠী দেবগণ ও মুনিগণ দ্বারা পরিবেষ্টিত নবম সর্গ সমাপ্ত।১। হইয়া * প্রাণিসমূহের সৃষ্টি করেন। তিনি জীপের একাংশ এই ভারতবর্ষে আধি ও ব্যাধি দ্বারা সমাক্রান্ত নসংহের সৃষ্টি কুরিলেন। এই প্রাণিসর্গে লাভ ও অলাতে নগণের অঙ্গ বিষণ হইতে লাগিল, জনগণ উৎপত্তি ও ধ্বংস দশম সর্গ। হইতে লাগিল এবং নানাবিধ বিষভােগ-বণনে সরুল হইয়া সশই বসেন, ব্ৰহ্মত সর্বত্র সমভ অবস্থিত, এই উঠিল। জনগণের ঈদৃশ দুঃখ অবলােকন করিয়া, পিতা যেমন জগৎ-এর সত্তা ব্ৰহ্মসম্বন্ধপ্রযুই ব্যবহৃত হয়। সেই পুঃখে কা হয়, সকলোককত্তা ঈশ্বর (ৰহ্মা) তদ্রুপ কার সত্তাই ভবিষ্যৎকালের সম্বন্ধপ্রাপ্ত হইয়া নিয়তি নামে অভিহিত হইয়া করুণাপ্রাপ্ত হইলেন। “হুতাশ অল্পায়ু এই জনগণের দুঃনিবৃত্তি কিরূপে হইবে ইহা ক্ষণকাল উহাদিগের কল্যাণার্থ এভামেৰ সমাহর’ মূলের এই পাঠ ও টাকার অনুসারে চিন্তা করিতে লাগিলেন। এইরূপ চিন্তা করিয়া ভগবান্ ঈশ্বর উজিখিত অনুবাদ হইয়াছে। ফলে ‘ইমেব সমাহর' এই পাঠ | শক্তিসম্পন্ন পরমেষ্ঠা, ভাপা, ধর্ম, দান, সত্য ও তীর্থের সৃষ্টি ত। শুভমে পাঠ প্রকৃত হইলে বিশেষ্য উষ করিয়া - শুভং ক্রিয়ামেব’ এইরূপ অর্থ করা উচিত। তাহার অনুবাদ * মূ-মণিমগুলমণ্ডিত' পাঠ হইলে ভাল হয়। তাহার হইবে—“পুনঃপুনঃ শুভক দ্বারা শুভবাসনা কৃতি বিষয়ে সন্দেহ অনুব-দেবতা ও মুনিগণে পরিশােভিত প্রাণি সৃষ্টি করেন শাকিলেও শুভকই বৱিত কর, ততকর্মে কোন দোষ নাই অর্থাৎ দেবতা ও মুনিগণ প্রভৃতি প্রাণিগণের স্বষ্টি করেন।
ব্যবস্থারণ। করিলেন। দেব-ভূতগণ-স্রষ্টা ইহা নিৰ্মাণ করিয়া পুনর্ব। কমলবােনি পিক আমি এইরূপে নিযুক্ত হইয়া, যাবৎকাল চিন্তা কইলেন, “কেবল ইহাতে পুরুষদিগের দুঃখনিবৃত্তি হইবে; অধিকারী জনগণ থাকিবে, আমিও ভাবৎকাল এইস্থানে থাকিব। না। যাহাতে জীবের জন্ম মৃত্যু কিছুই থাকিবে না, সেই আমার অন্য কোনই কর্তব্য প্রমােন নাই, নিৰ্মনস্ক হইয়া আমি পথ-পদ নিৰ্বাণ জ্ঞানলেই লাভ করা যায়। জীবের এই পৃথিবীতে রহিয়াছি। আমি নিভিমান ধীশক্তিসম্পন্ন রতি এই সংসার হইতে উদ্ধারের উপায় একমাত্র জ্ঞানই অগত্য, যারা খারাপ কাৰ্যের অনুবর্তন করি। সবুদ্ধি দ্বারা কিছুই দুনি বা খ ইহাৱা উপায় নহে। অতএব আমি হত্যা করি । ৪১-৪৫। এই জনগণের দুধ-বিমূক্তির নিমিত্ত সংসার হইতে উদ্ধারের দশম সর্গ সমাপ্ত। ১০। অভিনব সুদৃঢ় উপায় সত্বর প্রকাশ করি”।১৪-২৩। এই বিয়া ভগবান্ কমলযােনি মন ঘর সঙ্কল্পবলে আমাকে উৎপন্ন করি- কন। হে অনষ। আমি কোন স্থান হইতে উৎপন্ন হইয়াই একাদশ সর্গ। সর, তরঙ্গ যেমন তরঙ্গের নিকট গত হয়, সেইরূপ সেই পিতার সম্মুখ উপস্থিত হইম। আমি কমগুলু ও অক্ষমালা বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম । পৃথিবীতে যেরূপে জ্ঞানের অ- লইয়া কমণ্ডলুখারী অক্ষমালাবান সেই ব্রহ্মাকে বিনীতভাবে তরণ হইয়াছে, আমি যেরুপে জন্মগ্রহণ করিয়াছি ও আমার অভিবাদন করিলাম। তিনিও আমাকে ‘আইস পুত্র এই চেষ্টা ও কমলযােনর চেষ্টা সমুদয়ই তােমাকে কহিলাম। হে বলিয়া, শুক মেঘমণ্ডলে চন্দ্রের ক্ষা, স্বীয় আসনপদের উত্তরদলে অনঘ। বিপুল পুণ্যপরিপাক বশতই তােমার চিত অদ্য এই হণার পূর্বক উপবেশন করাইলেন। যেমন সুন্দর হংস পরম জ্ঞান শ্রবণ করিবার নিমিত্ত উৎকণ্ঠিত। রাম কহিলেন, সারসের মনোভাব প্রকাশ করে, তদ্রুপ মৃগচর্ম-পরিধানকারী ব্ৰহ্ম । ভগবান পরমেষ্ঠীর সৃষ্টির পরে এই লোকে জ্ঞানের অব- মদীয় পিতা ব্রহ্মা মৃগচমৃধারণকারী আমার নিকট অভিপ্রায় অণে বুদ্ধি প্রবৃত্ত হইল কেন ? বশিষ্ঠ কহিলেন, জলধিতে ব্যক্ত করিয়া বলিলেন, “হে বৎস! বানর জাতির ন্যায় চঞ্চল রঙ্গের ন্যায়, পরমব্রহ্মে স্বভাবশতঃ স্বয়ংই ক্রিয়াশক্তিময় অঙ্কন, শশধরে কলঙ্কের ন্যায়, তোমার চিত্তে মুহূর্তকাল হইয়া উৎপন্ন হন। পৱমের ঐ ব্ৰহ্মা স্বষ্ট জীবনিবহুকে প্রবশ করুক। আমি কঁহার এই প্রকার শাপে তাহার সঙ্কলের এইরূপ আতুর অর্থাৎ জন্ম-অলিগ্রস্ত দেখিয়া সমুদয় সৃষ্টির পরেই নিল পূর্ণস্বকপ ভুলিয়া যাইলাম। ২৪-৩০। অনন্তর ভূত ভবিষ্যং ও বর্তমান অবস্থা পৰ্যালেনা কবির আমি অথবদ্ধ বুদ্ধিতে দীনভাবাপন্ন হইয়া নির্দন লােকের দুঃখ দেখিলেন। ১। তথন প্রতু স্বর্ণ ও অপবর্গাদি সাধনের ও শোক সন্তপ্ত হইয়া রহিলাম। কেবল মনে মনে হয়। এই অনুষ্ঠান-যােগ সত্যসুগাদির ক্ষয় হইলে লােকগণের মােহ নসার নামক দেশ কেন উপস্থিত হইল” এইরূপ ভাবতাম । পৰ্যালােচনা কষি কারুণ্যপরবশ হইলেন। অনন্তর ব্রহ্মা এবং প্রস্তাবাপন্ন হইয়া থাকিতাম। অনন্তর সেই পিতা ' আমাকে সৃজন করিয়া বারংবার উপদেশে জ্ঞানযুক্ত করিয়া অামকে কহিলেন, “হে পুত্র। তুমি কি জন্য দুঃখিত হইয়া আছ ? ' লােকের অজ্ঞান-নিবারণাৰ্থ মহাভলে প্রেরণ করিলেন। আমাকে দুঃখনিষ। রক উপায় আমাকে জিজ্ঞাসা কর নিত্য সুখী হইবে।” । যেমন প্রেরণ করিলেন, এইরূপ সনৎকুমার ও নারদ প্রভৃতি বহু ঘনম্বর সুবাপ-দলস্থিত আমি সকলোক-নিম্মত সেই ' অপর মহর্ষিগণকেও প্রেরণ করিলেন। এইরূপে মনােমােহ-রূপ ভগবানকে সংসাররূপ ব্যাধির ঔষধ জিজ্ঞাসা করিলাম, 'হে আমঙ্গগ্রস্ত জনগণকে ক্রিয়াপরিপাটী পুণ্য ও জ্ঞানােপার্জন প্রভো। কিরূপে জীবের এই মহা দুঃখময় সংসার আসিল এবং ' দ্বারা উদ্ধার করিবার নিমিত্ত মহগণ নিযুক্ত হইলেন। অনন্তর কিকপেই বা ইহা ক্ষয় প্রাপ্ত হয় ?” এইরূপ অমাকক জিজ্ঞ- সত্যযুগয়ে বিশুদ্ধ ক্রিয়াকলাপও পৃথিবীতে ক্রমশ হ্রাস প্রাপ্ত লিত ইয়া তিনি সুবহু তজ্ঞান (তত্ত্বজ্ঞান) কহিলেন। আমি হইতে লাগিল। তখন ঐ মহর্ষিগণও ক্রিয়াকলাপানুষ্ঠান ও সেই পরম পবিত্র জ্ঞাত হইয়া পিতা অপেক্ষা অধিকনিৰ্মল মাদা নিয়মের নিমিখ পৃথক্ পৃথক দেশ বিভাগ করিয়া ভূপাল পরিপুষ্পিভাব তত্ত্বজ্ঞানরূপেই যেন অবস্থিত হইলাম। ৩১-৩৬। কল্পনা করিতে লাগিলেন। ৬-১০। তখন ধর্ম, কাম ও অর্থের অনন্তর বিভিনবদ্য নিজপ্রকৃতিপ্রাপ্ত আমাকে সকল কারণের সিদ্ধির নিমিত্ত ভূমণ্ডলে সমুচিত স্মৃতিশাস্ত্র ও যজ্ঞশাস্ত্র প্রচারিত বক্তা সেই জগৎকর্তা কহিলেন, “হে পুত্র। আমি সকল হইল। এইরূপ কালচক্রের পরিবর্তনে ক্রমশ বিশুদ্ধ ক্রিয়া- অধিকারীদিগের এই জ্ঞানসারসিদ্ধির নিমিত্ত অভিশাপ দ্বারা কলাপ বিলুপ্ত হইতে লাগিল, প্রত্যহ জনগণ নগ্রহ-তৎপর তােমাকে অজ্ঞ করিয়া পরে তােমাকে প্ৰষ্টা করিলাম। ও ভােজনব্যগ্র হইয়া উঠিল। বিষয় লইয়া রাজগণের বিবাদ এক্ষণ তােমার শাপ গত হইল, তুমি পরম জ্ঞান প্রাপ্ত | হইতে লাগিল। তখন পৃথিবীতে অনেক জনগণ (অত্যাচাকে) হইলে। মালিঙ্গসংসর্গে অৰুনকভাবাপন্ন কনক যেমন পুন | গুহ হইয়া উঠিল। ভূপগণ খন যুদ্ধ ব্যতিরেকে মহীপালনে শােধন দ্বারা কনকরপে অবস্থিত হয়, তুমিও ক্রপ আমার সমর্থ হইতে পারিত না, ক্রমে প্রজাগণের সহিত দীন-ভাবাপন্ন ঠায় এক আত্ম-ৰূপে অবস্থিত হইচ্ছে। হে সাথে। এক্ষণ তুমি হইয়া পড়িল। ১৯১৫। তখন আমাদিগকেও তাহাদের দৈন্যাপ জনগণের অগ্ৰহুর্থ মহীপৃষ্ঠে অধীপের মধ্যবর্তী ভারতবর্ষে নােসন ও আত্মত্ব-জ্ঞান প্রচার নিমিত্ত মহতী জ্ঞানদৃষ্টি প্রকটিত গমন কর। ৩৬-৪। হে পুত্র। তুমি মহাধী-শক্তি-সম্প, করিতে হইল। এই কারণে এই অ্যাঅলা এনে রাজ- তুমি ভথায় গিয়া ক্রিয়াকাপর খণকে ক্রিয়াকাণ্ডক্রম উপদেশ গণের নিকট খণিত হয়, পরে শােকে প্রচারিত হয়, এই এই দিবে। দে সানে। ভূৰি আলগী জ্ঞান দ্বারা বিচালি ও, অখ্যাগ-বিলাকে রাজৰিও ৰু, হে রাখৰরাজলিগের বিরক্তচিত্ত মহালজিগণকে উপদেশ দিবে।” হে রাখব। সেই ' এ অধ্যাত্মজ্ঞানরূপ উত্তম রাজৰিা লত হইয়া রাগ T মােগঞ্জি-রামাণ। দুঃখােলনে সব হইলেন। অনর অনেক নির্মল-কীর্তি । অদৃশ ব্যক্তিকে আখি কিছুই করিতে পারে না। অধিব্যাধিরূপ } দশরথ হইতে এক্ষণে জন্মগ্রহণ করিয়াছ। হে অরিমর্দন। ' ব্যক্তি, কলরকের ন্যায়, (কখনই) ভয় হয় না। অতএব বুদ্ধিমত তােমার অতিপ্ৰসন্নয়নে বিনা কারণে মনোহয় এই গ্যৈ ব্যক্তি, ত্ত জানিতে হইলে, এমাণটু প্রবুদ্ধাত্মা গীমান্য ব্যক্তিকে উৎপন্ন হইয়াছে। হে রাম। বিবেকীদিগের মধ্যে এসি সকল যত্ন সহকারে প্রণয়পূর্বক জিজ্ঞাসা করিবে। বন ধারা যেমন সাধুরও নির্বেদ প্রভৃতি কারণবিশেষেই প্রথম রাজবরাগ্য কুরুম গ্রহণ করা যায়, সেইরূপ উত্তমচেতা প্রামাণিক বক্তাকে উৎপন্ন হইয়া থাকে। কিন্তু তােমার এই অপূর্ব সুবিবেক জনিত জিজ্ঞাসা করিয়া যত্নপুৰ্ব্বক তাহার বাক্য গ্রহণ করা উচিত। সাকিবৈরাগ তাদৃশ কারণ ব্যতীতই উৎপন্ন হইয়াছে। ইহা হে গ্বিশ্রেষ্ঠ। অজ্ঞ উপদেশনে অযােগ্য ব্যক্তিকে যে সাধুদিগেরও বিস্ময়কর।১৬-২২। বীভৎস বিষয় দেখিয়া কে বিৱগী এই বিষয় জিজ্ঞাসা করে, তাহার অপেক্ষা অতি মূঢ় আর নাই। হয় না? কিন্তু সাধুগণের উত্তম বৈরাগ্য বিবেক বশতই হইয়া ৪১-৪৫। প্রামাণিক-তত্ত্ব-বক্তকে যন্ত্রপূর্বক জিজ্ঞাসা করিয়া থাকে। যাহাদের বিনা কারণে বৈরাগ্যের আবির্ভাব হয়, সেই তাহার ব্যাক্যানুসাৱে ৰে কাৰ্য্য না করে, তদপেক্ষাও নরাধম আর মহৎ ব্যক্তিগণই মহাজ্ঞ এবং তাঁহাদেরই মন নিৰ্ম্মল। বর- নাই। যে ব্যক্তি পূর্বেই বক্তার অবত্ব বা অজ্ঞত্ব নির্ণয় করিয়া মালা দ্বারা খুব যেরূপ শােভিত হয়, সেইরূপ বিবেক বশত কার্যের জন্য প্রশ্ন করে, সেই প্রশ্নকর্তাই মহামতিসম্পন্ন। যে উৎপন্ন বিষয়ক অভিমুখ্য নিবন্ধন বিরাগমুক্ত বুদ্ধি দ্বারা মুঢ় ব্যক্তি বক্তায় নির্ণয় না করিয়া প্রশ্ন করে, সেই প্রশ্নকর্তা লােক অধিকতর শােভিত হইয়া থাকে। যাহারা বিবেক অথম; সে কখনই পরমারে পাত্র হইতে পারে না। প্রাজ্ঞ ব্যক্তি আর এই সংসাররা বিচার করিয়া বৈরাগ্য অবলম্বন করে, পূর্বাপর বিবেচনা করিযা তত্ত্বাবধারণে সমর্থ অনিন্দিত ব্যক্তিকে হাই পুরুষদিগের শ্রেষ্ঠ। নিজ বিবেক বশতঃ বারংবার বিচার জিজ্ঞাসিত বিষয় বলিবেন, পশুধৰ্মী অধম ব্যক্তিকে (কোন কথা ) কি, ইন্দ্রজালের স্যায়, মায়িক এই দৃশ্যসমূহ বাহ ও আভ্যন্তর বলিবেন না। যে ব্যক্তি, বক্তার উপদেশ গ্রহণে প্রশ্নকর্তার ২, ইন্দ্রিয়, প্রাণ, মন, বুদ্ধি ও অবিদ্যা পৰ্যন্ত পরিত্যাগ সামর্থ্য বিচার না করিয়া উপদেশ দেন, প্রাজ্ঞগণ তাহাকে মূঢ়- (৪া উচিত। অনান, বিপদ ও সৈন্য দর্শন করিয়া কে বিরাগী না লােক বলিয়া জানেন। ৪৬-৫০। হে রঘুনন্দন! তুমি অত্যন্ত যে বৈরাগ্য স্বতই উদিত হয়, তাহাই শ্রেয়ু। তুমি অকৃত্রিম, ঋণপক্ষপাতী প্রশ্নকর্তা, আমিও সম্ব, আমাদের উভয়ের উপযুক্ত ব্বৈ ও অতিশয় মহত্ব প্রাপ্ত হইয়াছ, মৃদুল (নবম) স্কুল | সম্মিলনই হইয়াছে। হে শব্দার্থজ্ঞাননিপুণ। আমি যাহা বলিব, যেমন বীজবসনের যােগ্য, তুমিও সেইরূপ আত্মবিদ্যার পাত্র | তুমি তাহা পূর্বক “ইহাই তত্ব” এইরূপ ধারণ করিয়া হইয়াই। পরমেশ্বর পরমাত্মার প্রসাদেই ভদৃশ ব্যক্তির গুজ- অখণ্ডিতভাবে কার্য করিবে। তুমি মহৎ ব্যক্তি, তুমি বৈরাগ্য- ও বিবেকানুসৰিণী হইতেছে। ২৩-৩০। যজ্ঞদানাদি ক্রিয়া- বিশিষ্ট ও জীবের গতিবিষয় অবগত আছি, তােমাকে যাহা বলা কলাপ, মহং ভগ, নিয়ম ও তীর্থ্যাত্রা দ্বারা এবং চিরকাল যাইবে, সমুদয়ই তােমাতে, বস্ত্রে কুম-সলিলের ন্যায়, সংলগ্ন বিবেক-বশতঃ দুকৃত ক্ষয়প্রাপ্ত ইলে কাকতালীয়ায়ে মনুষের হইবে। যেমন আদিত্যপ্রভা জামধ্যে প্রবেশ করে, তেমনি পরমার্থবিচারে বুদ্ধি প্রবৃত হয়। জনগণ যাবৎকাল পরমপদ একাগ্রভাবে উপদেশ-গ্রহণে ও পরমার্থবিবেচনে সমর্থ, ত্বদীয় বুদ্ধি শন করিতে সমর্থ হয় * লংকাল চক্ৰৰং আৰ্ত্তনকারী তামধ্যে প্রবেশ করিতে পারিবে। আমি যাহা যাহা বলিব রাদি আর রত । ঐহিক আমুষ্মিক ভােগের সাখন তুমি অহা হৃদয়ে ষত্বপূর্বক গ্রহণ কর ও তদনুসারে কাৰ্য্য কর। ক্রয়াকলাপে প্রবৃত্ত হয়, সিনা পারকে ( বিবেক-বুদ্ধি দ্বার) নতুবা আমাকে নিরর্থক জিজ্ঞাসা করিও না। ৫১-৫৫। হে রম। প্রস্তুত প্রসার অবগত হই 'রুণ, গজ যেমন বঞ্চনস্তত্ত ছেদন এই চপল মন সংসাররূপবনের শাখামৃগস্বরূপ, ইহাকে সংশোধন করি পলায়ন করে, দ্রুপ' সাময়ী বৃদ্ধি পরিত্যাগ করিয়া করিয়া যপূর্ধক পরমার্স ব্যাক্য শ্রবণ কর। অবিবেকী অজ্ঞ অসং- তৎপদ প্রাপ্ত হওয়া যায়। হে রম। এই সংসারগতি অতি সংসর্গী লােকের সংসর্গ পরিত্যাগ করিয়া সাধুগণের পূজা করিবে। বিষ , ইহার অন্ত নাই। দেহযুক্ত মহাজন্তু জীব) জ্ঞান সত সৎসংসর্গে বিবেক উৎপন্ন হয়, ভােগ মােজ এই দুই ব্যতিরেকে উহার অসায়ী আ ত হইতে পারে না। ৩১-৩৫। বিবেক-বৃক্ষেরই ফল। শম, বিচার, সন্তোষ ও সাধুসঙ্গ এই হে ঘূহ। মহাবুদ্ধিগণ জ্ঞান-যুক্তিরূপ ভেলক দ্বারাই নিমেষ চারিটি নােন্দরে বারপালস্বরূপ কীৰ্ত্তিত হইয়াছে। এই চারিনী মধ্যে এই সুদুর অসাৰ-সমুদ্রের পারে গমন করিতে পারে। বাজিটা (অন্ততপক্ষে) দুইটাকে ঘষপুৰ্ব্বক সেবা করিবে, কারণ অতএব তুমি সংসার-সমুদ্র নিস্তারিণ এই জ্ঞানযুক্তি সতত ইহাৱা মােরাজের অর উদবাটিত করিয়া থাকে।৫৬–৬০। অথবা ; চারাভ্যাস-তৎপর বুদ্ধি যারা একান্তভাবে শ্রবণ কর। হেতু সর্বকায় যত্নসহকারে প্রাণ পরিত্যাগ করিয়াও ইহাদের মধ্যে নন্দি ঐ জ্ঞান যুক্তি ব্যতিরেকে অনন্তবেগসম্পন্ন জগতে এই একটাকেও আশ্ৰয় কৰিবে, কারণ ইহাদের একটা আয়ত্ত কৰূিতে ছুখীতি সকল চিরকাল অন্তরে শাহ উৎপন্ন করে। হে রাখব। পারিলে চাৰিটাই বীভূত হইতে পারে। বিবেকবান পুরুষই যুক্তি ব্যতীত সাধুগণ শীত, বাত ও আতপাদি দুধ কিরূপে শাস্ত্র, জল, তপা ও ভিন্ন পত্র হয়। সূৰ্য যেমন তেজপদার্থের “ করিবেন? ঐশীত ৰাত ও আতপালির দুচিন্তা অকণ মধ্যে ভাস্বরূপ, বিবেকী পুরুষও প (আনিবে)। মন্দচিত মুg জনের নিকট বকালে আপতিত হইছে, এবং অনলশিখার ব্যক্তিগণেরই বুজিনাল ক্রঃ এগাঢ় হইয়া যায়। শৈত্যের স্যাৰ দাহ করিত্রে।৩৫-৪০। বাসিক্ত অণকে যেমন আভিধ্য হেতুকই সলিল পাষাণের রায় কাঠিত প্রাপ্ত হয়। কিন্তু আমি দগ্ধ করিতে পারে না, সেইপ অধ্যায়-পাত্র যে হে গাব। তুমি সৌ, ওশাদৃষ্টি, দুর্যোদয়ে পরে বিচারক নিতে সমর্থ হয় এবং এল-সাক্ষাৎকারে সমর্থ, আয়, কিসিতাক্তকরণ এইয়াই। যে সাত। উৰীকৃত * শণিত কহিলেন-হে রাঘৰ। গেমার মন উক্ত মূহ অনেক কষ্ট ভােগ করতে হয়। এ রাখব। মুমুকুব্যবহার-প্রকা। জন্তু (কাগ প্রভৃতি) যেমন বীণাধ্বনি শুনিতে সমর্থ হয়, তদ্রপ করে, সেইরূপ বিবেকবাল পূরুষ অগ্রে এই সমূদয় বিপুলৰ তুমিই এই জ্ঞানবাক্য শুনিতে ও বুঝিতে সমর্থ হইবে। ৬১–৬৫। পরিত্যাগ করিবে, পরে সমগদর্শন লাভ করিয়া বিশ্বক্ষর ও হে রাম। বৈরাগ্যাভ্যাস বা সৌজসম্পদের উপার্জন কর, শীতলান্তঃকরণ হইয়া এই অখিল জগৎ, জলে যায় যাহাতে নাশ নাই। প্রথমে সংসার পরিত্যাগ নিমিত্ত শাস্ত্র ও করিবে। যে সষ্য দর্শন লাভ করে নাই, তাহার কেবলই হবে সজনেয় সংসর্গপূর্বক তপস্যা ও সম দ্বারা প্রজ্ঞাশক্তির বন্ধন | ভােগ। এই সংসারাসক্তি অতি বিকাশ, ইহা অনর্থ শাহন করিবে। সংস্কৃত বুদ্ধি দ্বারা শাস্ত্ৰপৰ্যালােচনা কৰিৰে মুখত্বের মােহ লােককে সর্পের স্যায় ঘন করে অর্সি শয়হান একেবারে ধ্বংস হইৰে আনিবে। এই সংসার-বিষবৃক্ষ এক আপ করে, কুত্তান্ত্রের ন্যায় বিদ্ধ করে, বন্ধুরা বগুন রে, অগ্নির দের আশ্রয়স্থল,ইহা অজ্ঞ ব্যক্তিকে সতত মুগ্ধ করে, অতএব মুগ্ধত্ব ন্যায় দগ্ধ করে, রাত্রির স্যায় দৃষ্টিহীন কবে, পাশের সি অশ যত্বপূর্ধক নাশ করিবে। দুরাশাবশতঃ সপের স্থায় কুটিলগতিসম্পন্ন করিয়া ফেলে, বুদ্ধিবৃত্তি ও স্থিত (মল) ন ক লেয়, মুখত হৃদয়ে সংলগ্ন কলে চিত্ত, অনলসংলগ্ন চর্মর ন্যায়, সন্ধু- মােহান্ধ-কূপে নিপাতিত করে এবং ভোলিৰে পূৰ্কেক চিত হয়। ৬৬–৭। এই যথার্থ ভদৃষ্টি, জলদহীন নভােমগুলে বারে জীর্ণ করিয়া ফেলে। এমন দুঃখ নাই, শায়ী ব্যক্তি। নির্মল চন্দ্রমণ্ডলে দৃষ্টির স্যায়, প্রাজ্ঞ ব্যক্তিতেই প্রসন্নভাবে পরি ভােগ ফয়ে না। এই দুরন্ত বিষয়-বিন্তিকার জি চিকিৎসা, ফুরিত হয়। যাহার বুদ্ধি পূৰ্ব্বাপর বিচারপূর্বক অর্থজ্ঞানে সুচারু- করা হয়, তাহা হইলে নরকের নগরস্বরূপ শরীরসমূহে আপনার ও চতুরতা সম্পন্ন হয়, সেই ব্যক্তিই পুরুষপদবাচ্য। অমােনিরসন- স্বর্গের দেহে পুরুষকে ও বন্ধ করে এবং সেই সে নবুক- কারী নির্মল শশধর দ্বারা আকাশ যেমন শােভা পায়, সেইরূপ তুমি, দুর্দশা ভােগ করায়। ১১-১৫। (সেই নরকে। শলাক্ষণ, অলি- বিকসিত নিল তমােদূরকারী বঙ্গবিচারণতৎপর গণশালী হৃদয় | ৰাৱা খণ্ডন ( পর্বতাদি হইতে পতন, এখত আছ, বরিশােভিত হইতেছে। ৭১-৭৩। হিমসেক, অঞ্জন চনকাষ্টের স্নায় শিলায় গণ, সর্বাত কাষ্ঠযন্ত্রপীড়, তঞ্চলৌহশৃখলাদি বেষ্টন কন্টকমানী ভূয়রী , একা-সর্গ সমাপ্ত।১১। মার্জন, যুদ্ধে অনবরত অনন্যদশারী নাচ ‘বর্ষণ, (ছায়। ব্যতীত) গ্রীষ্ম কালাতিপাত, শতকালে ধৱহেভি ' দ্বাদশ শর্গ। বর্ষণ, শিরচ্ছেদ, সুখনিদ্রাভাব, মুখ খুল, অঙ্গ সকল ক্ষেত হওয়ায় ব্যবহারে অশক্তি, (পর্ষজ্ঞে ব্যায়) লেংটি ইত্যাঝি বিষ নাই পূর্ণ, তুমি জিজ্ঞাসা করিতে জান এবং কথিত বিষয় বুঝিড়েও চেষ্টাসহস্রে এই সংসারধ অভিভীষণ, ইহাতে অংশে পর, এই কারণে আমি সাদরে বলিতে প্রবৃত্ত হইয়াছি। তুমি করিবে না। শাস্ত্ৰবিচারে শ্রেষেলা হয়, ইহা অবশ্যই চি’ লনিবার নিমিত্ত, রজ ও তমােণ শুদ্ধ সানুগামিনী করিয়া বুঝা উচিত। হে বন্ধু। আরও যে, যদিও মতি আত্মাতে স্থাপন কর এবং স্থির হও। তােমাতে প্রশ্নকর্তার এই মহামুনিগণ, মহর্ষিগণ ও রা* নব যারা আমীরু সমূদয় গুণাবলীই রহিয়াছে, আমাতেও, সাগরে রত্নর স্যায়, ও দুঃখন হইয়াও দুখকরী মন্মে বিপুর্বক এই সংসার- বক্তার গুণাবলী রহিয়াছে। হে বৎস! তুমি বিবেক ও অসঙ্গ প্রপীড়ল অনুভব করিয়া থাকে নি হইলেও,হাৱা সতত হইতে উৎপন্ন বৈরাগ্য প্রাপ্ত হইয়াছ, তাহাতে, চকিরণ-সম্পর্কে দুষ্টচিত্ত ছিলেন ও থাকেন। যে পাটাহ ও ব্রহ্মা প্রতি। চত্ৰকান্ত মণির স্থায়, (তােমার চি) আষ্ঠাবাপন্ন হইয়াছে। দেবতারা এই সংসারে কে ধগণ ও বিভাগহীন হইয়া। পর যেমন বিশুদ্ধ সগুণের (অন্তু ওসৌরভ্যাদি) সহিত সম্পৃক্ত | আছেন, বিশুদ্ধচিত্ত মানবােণ ইরূপ আত্মণীপ প্রাপ্ত হয়, তােরও সেইরূপ শৈশবাবধি শুদ্ধ অবিচ্ছিন্ন সদগুণের | হইয়া অবস্থিত হন। মােহ ২া গেছে, যা জননে অভ্যাস আছে। ১৫। অতএব আমি যে কথা বলিব, তাহা শ্রবণ। উদিত হইলে বিচ্ছিন্ন আত্ম প্রাপ্ত হল যায়, তখন কর। তুমিই ঈ উপদেশের পাত্র, চন্দ্র ব্যতিরেকে বিশুদ্ধ কুমু- ¥ আকৃশ জীবের জগদভ্রমণ সুখৰহ ক্রীড়াব্যাপার স্ট্রয়া উঠে নিন বিকাস হয় না। এই যাহা কিছু (বাহ) আড়ম্বরও দৃষ্টি, (ফাত কোন কষ্টদায়ক হয় না)।১১।হে রুখ। আরও এসমূণই পরপদ দৃষ্ট হইলে শান্তি প্রাপ্ত (অর্থাৎ বিলীন) হইয়া যদি, চৈমাত্ৰশ্বৰ আত্মা প্রজ্ঞ হইলে পরম শাস্তিয় উল যায়। যদি সাধুনা ব্যক্তিৰ (এই উপদেশ শ্রবলে) নিলাভ হয়, সমুদয় বুদ্ধিবৃত্তি শান্তির স্বরুপ হয় তখন অন্তঃকরণ জনিত বিশ্রাম মুখ না হইত, তাহা হইলে এই সংসারে কোন ব্যাপার ব্রহ্মস অপূর্বক সমাপ হয় (অর্থাৎ গং বিবেকী পুরুষ এইরূপ চিন্তামূঢ়তা সঙ্ক করি? প্রলৱদিবাকরগণ আত্মা একই এইরুপ ভাল হয়)। কালে জ্ঞানীঘিক্ষে সম্পর্কে কুলশৈলগণ যেন বিলীন হইয়া যায়, তদ্রুপ পরপদ প্রাপ্ত এই অভ্রমণ সুখকর-ক্রীড়াস্বরূপই (সে বিষয়ে নাই) হইলে সময় মক্যাপার বিলীন (ক প্রাপ্ত হইয়া যায়। হে আরও দেখ, হিম রায় অচল এই দেহ থরুপ, ইত্রিক মাম। এই দুঃসহ সংসারবিষের আবেশজনিত বিচিকা পৰিত্ৰ গতি বৰগতিরূপ, পাণবায়ু আর এই গণ চালিত হইভেঙ্গে কাগজপ গাড়ময় যারা অশান্ত হয়। ১০। সেই পরমাৰ মন ইহার রশ্মি, আনন্দ এই বখের গন্তব্য যি, এই দেহ। জ্ঞানরূপ (গরুড়ঙ্গসজনের সহিত নির্ণয়ে নিশ্চয়ই লাভ আরােহী দেবী (জীব) ফু হলেও সমাধিষষ মহৎ, মা যায়। বিচার করিলে সকল দুখের, ইহা অবশ্যই নিস্পাপ বুজি যারা অদর্শন হইলে এই অগভ্রমণ শখে নানিতে হইবে; অতএব বিচার দৃষ্টিকে অবজ্ঞা পূর্বক দেখা ক্রীড়া। ২১২। উচিত নহে। অর্ণকেন পুরাতন করুক(খােলােম পরিত্যাগ । সর্গ। ১২ -- 7 যােগবাণিঠ-রামিণ গুরুষার্থ সিদ্ধ করিতে হইলে যত্বপূৰ্ব্বক সেই আত্মপদৰ সাধন ত্রয়ােদশ সগ। করা উচিত। আহাদের মন সর্বোত্তম পদ অৰষন কবিয় ফশিষ্ট কহিলেন-ৰব। এই সংসারে সুবুদ্ধিগণ এই জ্ঞান বিগতর হইয়াছে, সেই পুরুষশ্রেষ্ঠগণই পুরুষার্থের ভাঙন দৃষ্টিভ করিয়া আত্ম-সাক্ষাৎকার করত, মায়াপ্ত ব্যক্তির হইয়া থাকেন। ২১২৫। যাহার রাজ্যাদি-মুখসখােগ মাত্রেই যায়, মহান্ হইয়া বিচরণ করেন। ইহার। শােক করেন না, কোন সন্তুষ্ট হয়, সেই দুষ্টমনগণকে অন্ধ-কেস্বরূপ জালিবে। দুরন্ত, বিষয় বাধ্য করেন না, শুভাশুভ কিছুই প্রার্থনা করেন নাইহারা ঠি, দুষ্কৃতকারী ও সদ্যোগী মিত্ররূপী শত্ৰুদিগের প্রতি যাহারা সকল কাৰ্য্যই করেন অথচ কিছুই করেন না। তাহারা বিশুদ্ধ ভক্ত হয়, মােহন্দবুদ্ধি সেই মুগণ সঙ্কট হইতে সঙ্কট, মুখ ভাবেই অবস্থান করেন, যাহা কিছু করেন, তাহা সমুদষই বিশুদ্ধ ' হইতে দুঃখ, ভয় হইতে ভয় ওনক হইতে নরক প্রাপ্ত হয়। ও বিশুদ্ধ পথেই গমন করে। ইহারা “ইহা হে, ইহা উপাদেয়” সুখ-দুঃখের অবস্থা পরস্পর-বিনাশশ্মল বিদ্যুৎবিকাশের ন্যায় + এরূপ জ্ঞান বর্জিত হইয়া আত্মনিষ্ঠ হন। ইহাদের গতায়াতও ভঙ্গুর, সুতরাং কখনই লােকে আত্যন্তিক শ্ৰেয়ােলাভে সমর্থ হয় বুদ্ধি-পূৰ্ব্বক নহে। যাহকিছু করেন এবং বলেন, তাহাও না। যে মহগণ তােমার ন্যায় বিরক্ত ও সমগ বিবেকী, সেই -বুদ্ধিপুৰ্ব্বক নহে। পরম পদ অধিগত হইলে, যাহা কিছু কাধ ও পুরুষগণই ভােগ মােক্ষের পাত্র ও বন্দনীয় জানিবে। ২৬-৩০। যে কোন দর্শন, তাহাও হেয়-উপাদেয় এই ভাব-বিবর্জিত পরম বিবেক আশ্রয় করিয়া বৈরাগাভ্যাস করিতে পারিলে এই হইয়া কয় প্রাপ্ত হয়। ১-৫। সর্বপ্রকার-চেষ্টার্জিত মন ঘাের সংসার-নদীরূপ আপদ হইতে উত্তীর্ণ হওয়া যায়। বিবেকী মধুর বৃত্তি-বিশিষ্ট হইয়া, ফেন চৰিষে নিলীন হইয়াই সবিধ জ্ঞানবান ব্যক্তি, বিষমূৰ্ছার স্যায়, মােহদামিনী এই সংসার-মায়ায় সুখ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। যেমন পূর্ণচন্দ্ৰস্থিত সুধারসের পরিমাণ নিদ্রিত হওয়া উচিত নহে। যে ব্যক্তি এই সংসার প্রাপ্ত হইয়া করা যায় না, তেমনই বিষয়াভিলাষ অখিলকৌতুক-পরিত্যাগী অবহেলা সহকারে অবস্থান করে, সেই ব্যক্তি প্রজ্বলিত গৃহের মধ্যে মনের মুখের পরিমাণ করা যায় না। (আত্ম-দশী) ইন্দ্রজাল তৃণশয্যায় শয়ন করিয়া থাকে। যে পদ প্রাপ্ত হইলে লােকে দেখে না, বাসনায় অনুসরণ করে না, সে বলচাপল্য পরিত্যাগ পুনর্বার আর নিবৃত্ত হয় না, যাহা প্রাপ্ত হইলে কাহাকেও আর করিয়া পরমাত্মখে বিরাজ করে। এই প্রকার জীবমুক্তবা আত্ম- শােক করিতে হয় না, সেই ব্ৰহ্ম) পদ কেবল মাত্র বুদ্ধি দ্বারা -পশনেই লাভ করা যায়, অন্য কোন প্রকারে হয় না। অতএব লভ্য হয়ই, এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। যদি বল—ব্রহ্ম নাই, বিচাৰ-পূৰ্ব্বক পুরুষের যাবজ্জীবন আত্মারই অন্বেষণে উপাসনা ও তাহা হইলেও বিচার করিতে দোষ কি? যদি থাকে, তাহা হইলে জ্ঞান কচিত, আর কিছুই নহে। ৬—১০। যিনি অভ্যাস বিচার দ্বারা ভবাণৰ হইতে উত্তীর্ণ হইতে পারিবে। ৩১-৩৫। মায়া অনুভবণী শাস্ত্রানুল ও গুরূপদেশ-গ্রহণে তৎপর যখন পুরুষের মােক্ষের উপায় বিচারণে প্রবৃত্তি হইবে,তখন তাহাকে হন, তিনিই আত্ম-দর্শনে সমর্থ হন। ঐরূপ ব্যক্তি শান্ধার্থের মােক্ষ-ভাগী বলা যাইবে। এই ভুবনয়ে কেীভাব (মুক্তি। অবহেলাকারী মহাজনের অবজ্ঞাপটু মুক্ত লেকের ন্যায় সুখে কষ্ট ব্যতীত অনপায়ী আশক্ষশূন্য বিভ্রমরহিত স্বাস্থ্য আৰু নাই। পায় না। মনুষ্যলিগের শীরন্থ একাত্ৰ মূৰ্থতা ধাশ কষ্টকর, | মােক্ষেপাযের প্রতি প্রাপ্ত হইলে কৈবল্য-প্রাপ্তি বিষয়ে আর ভূতলে ব্যাধি, আধি, আপদ ও বিশ্ব সেরূপ কষ্টকর নহে। | ক্লেশ হয় না। ধন, মিত্র, বান্ধব, হস্ত-পা-চালন, দেশান্তরগমন, কিঞ্চিৎ সংস্কারপন বুদ্ধিশালীদিগের এই শাস্ত্ৰ শ্ৰষবেন মুখ | কারুশ-কাতরতা ও তীর্থাদিসে সেই পদপ্রাপ্তির কোন ৰে নষ্ট হয়, অন্য কোন গায়ে তেমন হয় না। বঁাহারা পর উপকারী হয় না। কেবল পুরুষার্থ-সাধ্য ব্ৰহ্মাকার দৃঢ়-বাসারূপ মাকে প্রিয়তম বন্ধু বলিয়া স্বাকার করেন, তাহাদের মনোহর কৰ্ম দ্বারা একমাত্র মনােজয়েই ঐ পদ প্রাপ্ত হওয়া যায় দৃষ্টান্ত-সমন্বিত এই সুখকর শাস্ত্র শ্রবণ করা উচিত। ১১-১৫। ঐ ব্ৰহ্মপদ কেবলমাত্র বিচার দ্বারাই নিশ্চয়- যেমন খলির বৃক্ষ হইতে কষ্টক উৎপন্ন হয়, সেইরূপ দুনিবাৰ্য করণযোগ, উহা দুঃনিবহনকারী মনুষ্যেরই লভ্য হইয়া বিপদ ও তুচ্ছ ফুষােনিসমূহ মুখত হইতেই প্রঙ হয়। হে থাকে। যে ব্যক্তি মুখসেব্য আসনে বসিয়া গং বিচার করত রাম। যদি শরাব হতে করিয়া চাল-ভবন-রয় ভিক্ষা ব্ৰহ্মপণ প্রাপ্ত হয়, তাহাকে আর শােক করিতে হয় না করিতে যাইতে হয়, তাহাও ভাল, কিন্তু মৌ-দূষিত জীবন ভাল এৰু পুনর্জন্ম লাভ করিতে হয় না। সাধুগণ সেই নহে। বরং ঘাের অন্ধকূপে বা বৃক্ষকোটরের একান্তে অন্ধ- ব্ৰহ্মপদকে সমস্ত মুখ থারায় (ধ্যানপরদিগের) এধি সর্বোত্তম কীট হইয়া থাকা ভাল, কিন্তু মূর্খতা-দূষিত জীবন কিছুই নহে। নিস্প স্বরূপ পরম বুসান বলিয়া জানেন। সকল পদার্থে মেজের উপায়ীভূত এই আলোক ( জ্ঞানলােক) পাইলে কোন নৱত্বনিবন্ধন স্বর্গ ও মত্ত এভয়ে মৃগতৃষিকায় কালের ব্যায় | লোকই হাকারে অগ্ধ হয় না। যৰং কাল বিবেক-সূর্যের সুখ নাই (ই বিই), অতএব শান্তি ও সন্তোষ ঘা সখ বিমল জ্যোতি প্রকাশিত না হয়, তাবৎকাল, কৃষ্ণা মানব-পকে মনোেজমের এই চিন্তা করা উচিত, সেই মনােজয় হইভেইন। গচিত বরে। ১৬। হে রাখব। সংসারু বিমােন কহ্মে সমান সংঘােগ (একরসভা) রূপ আনন্দ প্রান্ত হওয়া যায়। কলির নিমিত্ত মাদৃশ বন্ধুগণের সহিত গুরু শাস্ত্র প্রমাণ করত ৪১-৪৫। বিকসিত শক্তিরূপ-পুস্পসমধি, বিবেক্ষণ উচ্চকক্ষের স্বরূপ অবগত হই, হরি হর ও অঙ্গ মহর্ষিগণ যেমন ফল স্বরূপ, মন্তিস সেই পাৰ মুখ, স্থিতিশয় বা না, শক্ত হইয়া মুখে বিচৰণ করিত্মছিলেন, সেইরূপে সুখে ও পঙ্গপর কিম্বা ভ্রমণপত্ন রাগ, দলব নেৰ কিবা মনুষ বিণ কম। এই সংসারে সুখই অনন্তমুখ তৃণলৰ সদৃশ, সকলেরই লভ্য হইয়া থাকে। যে ব্যক্তিই মুখ এপ্ত হইয়াছে, অতএব মুৰব্বী মুখের দিকে দৃষ্টিপাত কৰিৰে না। যাহা সে ব্যবহার হলেও সেই বিধায় কাসমূহ লাভ করিতে এ এবং আয়া (খেন,) জন পুরুষের পরম পারে না। কিন্তু বহু গয়, অহা পরিত্যাগ করে না, ৩-3 ব্যাব-একাণ। ব্যাপক প্রাপ্ত হয় না। মন যদি থাকে তথাপি ভাজা প্রশান্ত , শাক্তপাচ হয়। যে ব্যক্তি সর্বভূতে সমদশী, যন্ত্রপূর্বক অভিনিল, বিশ্রান্ত, বিগ, অনীহ ও অভীষ্ট হওয়ায় ইম্বিকা কৰিয়ছেন এবং তাৰী মুখাদির আকা কয়েন না, ব্যবহার-কাৰ্যবিষয়ক বায়ু ও আগ কিছুই থাকে না। আমি এবং আগুৰিৰ পরিত্যাগ করেন না, তিনিই প্রকৃত শান্ত বলি এই মােৰাৱস্থিত থাকার বিষযথাক্রমেলিতেছি, শ্রবণ কর, কথিত হন। যিনি পায়ে কোচিদি অবগত হইয়া অরে ইহাদের মধ্যে কোন একটাতে অভ্যসক্তি হইলেই মােৰাৰে বাহিরে বুদ্ধিতে কার্য করেন, তাঁহাকে শান্ত বলিয়া আনিবে। প্রবেশ লাভ করিতে পারিবে । ৪৬-৫। মুখণরূপ পিপাসা; ৬১-৭৪। বাহার ফল চন্দ্রবিসতি নির্মল, মরণ, উৎসব দেশে দুর্লজ্য এই সংসাররূপ মফস্বলীদখির প্রভার আয় | বাবু সকল সময়েই নিরাকুল থাকে, তাহাকে শান্ত বলা গুণ দ্বারা জীবের নিকট শীতলতা প্রাপ্ত। শমগুশ্রেয়ে যায়। যিনি অষুপ্তের চায় স্বস্থিত হইলেও দিত নহেন, হর্ষ লাভ হয়, শমগুণই সেই পরম পদ, শমই শিব, শান্তি ও শমই বা কোন কিছুই হয় নাই, তাহাকেও শান্ত বলিয়া জানিৰে। ভ্রান্তি নিবারক। যে ব্যক্তি শম দ্বারা ভূষিতচিত্ত, তপ্ত ও শীতল ও অমৃতলের ন্যায় সুন্দর যাহার দৃষ্টি সকল লোকের প্রতিই নিৰ্মলা হইয়াছে, তাহায় শত্রু মিত্র হইয়া থাকে। যাহাদের প্রভাবে প্রসারিত হয়, তাহাকেই শান্ত কহে। যাহা চিত্ত শমরূপ চন্দ্র দ্বারা অলঙ্কত, ক্ষীরােদসাগরের ন্যায় তাহাদের অন্তর শীতল হইয়াছে ও যিনি বিষয়সমূহে ব্যবহারী হইলেও পরম শুদ্ধি হইয়া থাকে। যে সাধুগণের জংপন্থকোষে শমপন্ন মুঢ় ব্যক্তির ন্যায় আসক্ত হন না, তাঁহাকে শান্ত বলে। ঘঁহার বিকসিত হইয়াছে, সেই জংপন্থ-দ্ধয়-সম্পন্ন ব্যক্তিগণ হরির তুল্য মনে দুরন্তু আপৎ-সংঘে বা মহাপ্রলয় সময়েও নশ্বর দেহান্দিতে (হরিরও ইংপদের বাহিরে ব্রহ্মার আসনপদ্ম থাকায় পয়সম্পন্ন অহস্তাব নাই, তিনিই শান্তপদবাচ্য হন। ব্যবহারী হইলেও হয়)। ৫১-৫৫। যাহাদের অকলঙ্কিত মুখচন্দ্র মন্ত্রী শােভা যে পুরুষের বুদ্ধি আকাশসদৃশ স্বচ্ছ- কখনই। কলঙ্কপ্রাপ্ত হয় পায় সেই গুণবশীকতেন্দ্রিয় সংকুলচন্দ্র ব্যক্তিগণ লােকবলিত হন। না, তাহাকেও শান্ত ৰলিয়া থাকে। তপন্থী, বহুদী, যাজক, নৃপ, সাম্রাজ্যসৎসম ন শমৰিভৃতি যেমন আনন্দপ্রদ, ত্রৈলোক্য- বলবান ও গুণবান সকলের মধ্যেই শমনই অধিক শােভিত মধ্যবস্থা সম্পত্তি তাদৃশ আন-প্রদ হয় না। দুঃখ, সৃষ্ণা ও হইয়া থাকেন। যেমন চন্দ্র হইতে জ্যোংলা বিনির্গত হয়, সেইরূপ দুঃসহ দুরধি, এ সমুদয় শংকব্যক্তির চিত্তে সর্ষে মােনাশের ¥ শমাসক্তচিত্ত গুণগালী মহৎ ব্যক্তির চিত্ত হইতে নিৰ্বাভই (সুখ স্থায়, লংসপ্রাপ্ত হয়। সর্বভরে মন অনির্বচনীয় আনন্দ প্রাপ্ত | অনবরত) উৎপন্ন হয়, কদাচ সঁহারা দুঃখভােগ করেন হয় বলিয়া শান্ত ব্যক্তিতে যেরূপ প্রসন্ন হয়, চলেও সেরুপ হয় গুণসমূহের অবধিস্বরূপ পৌরুষর প্রধান ভূষণসম্পন্ন শান্তিই না। শমবিশিষ্ট, সর্ব প্রাণীর প্রতি সৌহার্দাসম্পন্ন সজ্জনে পরমত সঙ্কট ও ভয়স্থানে (অক্ষুণ্ডভাবে) বিরাজমান থাকে। হে বন্ধু- বয়ংই প্রতিফলিত হয়। বিষম (ক্রু-কুটিলাশ) কিংবা মৃদু | ভনয়। যেমন মানুষ ব্যক্তিগণ পরকৃত হরণের অযােগ্য কণ প্রাণীই শমশালী ব্যক্তিতে মাতার ন্যায় বিশ্বাসপ্রাপ্ত হইয়া আৰ্যগ-কতৃক রক্ষিত শ্রেষ্ঠ শমরুপ অমৃত অবলম্বন করিয়া থাকে। মন শদ্বার যেমন সুখপ্রাপ্ত হয়, সুখ-রসায়নপান বা ' পরমপদ প্রাপ্ত হইয়াছেন, তুমিও কাৰ্যসিদ্ধির নিমিত্তাহাদের শীর আলিঙ্গনেও সেরূপ হয় না। হে রাখব। সর্বপ্রকার ক্রম পালন কর। ৭৫-৮। আধি ও ব্যাধি দ্বারা বিচলিত রূপ কৰ্ম্মরজু দ্বারা আকৃষ্ট ত্রয়ােদশ সর্গ সমাপ্ত ১৩৪ মনকে শান্তিরূপ অমুতের সেন দারা সমাপ্ত কর '৫৬-৬০। হে বংস। শম-ঘারা-শীতল বুদ্ধি দ্বারা যাহা করিবে ও যাহা ভােজন করিবে, তাহা মনে অতি উপাদেয় বােধ হইবে, অন্য কিছুই হইবে । চতুর্দশ সর্গ । । হে রাঘৰ । মন শান্তিরূপ-অনুত্তে রসে আচ্ছন্ন হইয়া যনিৰ্ব্বতি (খ) প্রাপ্ত হয়, আমি বােধ করি, সেই নিৰ্ব্বতিতে বশিষ্ঠ কহিকোরণজ্ঞ ব্যক্তি, শাস্ত্রজ্ঞান দ্বারা নির্মল মুখে ছিন্ন অঙ্গও পুনঃ প্ররােহিত হয়। শমশালী ব্যক্তি পরম পবিত্র বুদ্ধি দ্বারা সতত আত্মবিচার করিবেন। বুদ্ধি বিচার- পশাচ, রাক্ষস, দৈত্য শত্ৰু, ব্যাস্ত ও ভুজঙ্গ এ সকলের কাহারই হেতুই তীব্রতা প্রাপ্ত হইয়া পরমপদ প্রাপ্ত হইবে। ছাই যে পত্র হয় না। ৰাণ যেমন বজ্ৰশিলাকে বিদ্ধ করিতে এই দীর্থসাররূপ রােগের মহৌষধৰূপ। অনন্ত শক্তি রে না, সেইরূপ শম-সুধারূপ বন্ম যাহার সমস্ত অ প্রবৃত্তি বাহার পলৰ সেই আপৎক্লপ অরণ্য বিচাররূপ করপত্র সেদ্ধ হইয়াছে, দুঃখ তাহাকে বিদ্ধ করিতে পারে না। সম,. (করাত অস্ত্র) দ্বারা ভিন্ন হইলে আয় এরূট (অঙ্কুরিত) হইবে চ্ছি, উপমীল বুদ্ধি দ্বারা পুরুষ যেমন শােভিত হয়, অন্তঃপুরস্থিত| না। হে মহাগ্ৰাজ্ঞ। বন্ধুরা সঙ্কট এভৃতি দুখস্থান সর্বত্রই জিও ৩শ ভােসম্পন্ন হন না। মনুষ্য নােহে পরিব্যাপ্ত, সুতরাং বিচারই সাধুগণের গতি (বিচার না মাশয় ব্যক্তিকে দেখিয়া যেরূপ শান্তি ও ভুষ্টি প্রাপ্ত হয়, প্রাণ হইশে শােহ হইবে না)। বিচার ব্যতীত বিপশ্চিদশণের অ পেক্ষা প্রিয়তকে দেখিয়া অদৃশ তুষ্টিপ্রাপ্ত হয় না। যে কোন উপায় নাই, সাধুগণের বুদ্ধি বিচারলেই অশুভ পৰিভ্যা ক্তি সম শমশালী লােক-প্রশংসিত বৃত্তি অবলম্বনপূর্বক করিয়া শুত প্রাপ্ত হইয়া থাকে।১৫ বিচায় রাই বীমাগণের দুভাবে অবস্থান করে, তাহারই জীবন সফল হয়, অন্য কাহারও বল, বুদ্ধি, তেজ, প্রতিপত্তি, ক্রিয়ানুষ্ঠান ওৎফল এই সাই হ। অনুগ্ধচিত্ত শান্ত সাধু ব্যক্তি যে কর্ম করে, এই প্রাণি সফল হইয়া থাকে। যুক্ত ও অকুতে প্রকাশে মহাদীস্বরূপ মূহ সকলেই আমার ঐ সকল করে অভিনন্দন করিয়া অঙীষ্টােক আজ বিচার আশ্রয় করিতে পারিলে সংসাৰসমূহ কে। যে ব্যক্তি ওজন, শনি, এণ, ভােল ৰা হইতে উহও যায়। বিভিন্ন নামক সিনােক ভিজলে স্নান করিয়াই ৰা গ্লানিমুক্ত হয় না, সেই ব্যক্তিই হয় বিবেকপবিদারক মহাশােহরূপ হীদিগকে বিলীণ করিয়া T বােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ থাকে। সাৰু-সমুদ্রের গােপায়ে ব্যগ্র হইয়া, হতবুদ্ধি নােক উদয় কিছুই থাকে না। তৎকালে পুরুষ এই বিশাল এগৰ কেবল সকল বে কালৰণে পরমপদ প্রাপ্ত হয়, তাহাও বিচাৱরূপ প্রদীপে সাক্ষীর স্যায় অবলােকন করত অবস্থান করে অর্থাৎ অপদার্থে রই সর্বোজন প্রকাশ। হে রাখব। রাজ, বিশাল সশ ভােগ অনুরাগৰশতঃ মন প্রদান বা কোন বস্তুর গ্রহণ ও উন্নমন কিছুই ও নিত্য মােন এ সময় বিচাররূপ কাবুলের ফল। ১০। করে না, কেবল তাবে অবস্থান করে। ওন আহা কি যেমন বারিতে শুদ্ধ তুখীল মগ্ন হয় না, সেইরূপ মহদব্যক্তি অন্তরে কি বাহে কোথাও অবস্থিতি করে না, কোন রূপেই গণের বিবেক দ্বারা বিকসিত বুদ্ধি বিপ নিমগ্ন হয় না। যাহারা বিষণ প্রাপ্ত হয় না, কোন কৰ্ম্ম আসক্ত হয় না এবং নৈস্ক বিচারবতী বুদ্ধি দ্বারা ব্যাহারপর হয়, তাহারাই শ্রেষ্ঠ ফলের অধি- লাভার্থও থত্বপর হয় না। গত বস্তুর উপেক্ষা করে, প্রাপ্ত বিষয়ের কারী হয়। দুঃখীতি, পুৰুষাৰ্থবিষয়ক আশার (মুমুক্ষার প্রথম অনুবর্তন করে, কিন্তু কিছুতেই, পূর্ণ জলধির স্যায়, ক্ষুব্ধ হয় না রােখক, মুদিগের হৃদয়কাননখিত অবিচাররূপ করবলীর মঞ্জরী- এবং অনুকও হয় না। মহাত্মা মহাশয় যােগিগণ এইরূপে স্বরূপ। হে রাখব ! কজ্জলচুর্ণের ন্যায় মলিন, মদিরামসদৃশ পূর্ণমনে জীবন্মুক্ত হইয়া এই জগতে বিচরণ করেন। ৩১-৩৫। তােমার অবিচারমন্ত্রী নিদ্রা প্রাপ্ত হউক। তেজোরাণি যেমন সেই জীবন্মুক্ত ধীরগণ ইচ্ছানুসারে বহুকাল বাস করি পরে অন্ধকারে নিমগ্ন হয় না, সেইরূপ সখিচারতৎপর মানব, বিষম উপাধি আভাসও পরিত্যাগ করিয়া অপরিচ্ছিন্ন বিদে-মুক্তি প্রাপ্ত বিপদসঙ্কুশ অতিদীর্ঘ মােহে নিমগ্ন হয়না। ১১-১৫। ধাহার স্বচ্ছ হইয়া থাকে। ধীমান ব্যক্তি আপৎকালেও আমি কে ? এই মানসসরােবরে বিচাররূপ কমানির প্রস্ফুটিত হইয়াছে, সে, সংসার কাহার ৭” যত্নসহকারে প্রতীকারপার সহিত এই প্রকার হিমালয়ের স্থায় শােভিত হয়। যে মূঢ় ব্যক্তির বুদ্ধি বিচারবিষয়ে চিন্তা করিতে হে রাখব। রাজা, কোন অবশ্য কণ্য কষ্টসাধ্য মন্থর, তাহার নিকট, শিশুর সমীপে যক্ষাবির্ভারে ন্যায়, মােহ- কাৰ্যে সন্দেহ উপস্থিত হইলে ইহা সফল হইবে, কি বিফল বশ চন্দ্র হইতেও অশনি উৎপন্ন হয়। হে রাম। বিপদরূপ হইবে' বিচার দ্বারাই অবগত হইয়া থাকেন, অন্য কোন প্রকারে নবলতার বসন্তস্বরূপ অতি দুল দুঃখবীজের আখনি-পাত্র বিবেক নহে। রাত্রিকালে দীপ দ্বারা যেমন ভূমি-নিণয হয়, সেইরূপ হীন নরাধমকে পরিত্যাগ করিবে। যেমন অন্ধকারে ‘ঐ বেতাল' বিচার দ্বারাই বেদ-বেদান্তের সিদ্ধান্ত পুরুষার্থ-প্রতিষ্ঠার কারণ, এইপ্রকার ভষ হইয়া থাকে, সেইরূপ যে কিছু দুস্কাৰ্য, দুর্ব্যহার ও ইহা নিণীত হইয়া থাকে। এই বিচাররূপ চা-নয়ন, অন্ধকারে দুরাখি,এই সমুদয়ই অবিচার-বশতই প্রতিভাত হইয়া থাকে। নষ্ট হয় না, ৰং তেজে পড়িলে মস্থর হয় না ও বাহিতবিষয়ও হে দুকুলশ্রেষ্ঠ। তুমি, সংকাৰ্য্যে অক্ষম নির্জন স্থিতা কনবৃক্ষের দর্শন করিতে পারে। ৩৬–৪০। যে ব্যক্তি বিবেকান্ধ সেই সমান অঙ্কিারী ব্যক্তিকে দূরে পরিত্যাগ করিবে। ১৬-২।যেমন ব্যক্তিই প্রকৃত অন্ধ, সেই দুৰ্ম্মতি সকলেরই শােচনীয় বিবেক- পূর্ণচন্দ্র-গনে মন অত্যন্ত সুখী হয়, সেইরূপ জল্পে আশার প্রধান পুরুষ দিব্যচক্ষু হইয়া জয়ী অর্থাৎ আপদ কতা ও অনায় বিচারবিশিষ্ট মন পরমাত্মায় অভিনয় সুখ অনুভব করে। পুরুষার্থলাভে সমর্থ হয়। বিচার অতি চমৎকত বন্ত , পরমাস্বরূপ যেমন জ্যোৎন্সা ভুবনমণ্ডলকে শীতলও অলঙ্কত করে, সেইরূপ মহান উহা দ্বারা সাধিত হয়, এই অঞ্চ উহা মাননীয় ও ক্ষণ- মানবদেহে সমুদিত বিবেক সকলকে অত্যন্ত বল করে এবং কালের জন্যও ত্যাজ্য নহে। বিচায়নিপুণ পুরুষ, পানিবজন সাতিশয় অলস্কৃত করে। রজনীতে চন্দ্রমা যেমন বিরাজিত হয়, মাধুর্থতিশয়-সম্পন্ন আমলের শ্যাম্ব, মহৎ ব্যক্তিগণেও রুচি- সেইরূপ জীবের, পরমার্থের পতাকা স্বরূপ, তবুদ্ধির খবল চামর জনক। বিচার দ্বারা কমনীয়বুদ্ধি নরগণ অধ্বগতি অবগত হইতে সক, বিচার বিরাজমান হয়। বিচারচাক উভয়-নিবারণকারী পারিয়াছে, এ কারণে তহারা বহুদুঃখরূপ গত্তে বারংবার পতিত জীবগণ, দিবাকরে খায়, দশদিক উজ্জ্বল করত শােভিত হইয়া হয় না। অবিচার দ্বারা যে ব্যক্তি আত্মাকে বিদাশিতপ্রায় থাকে। (বিচারই ভবভনিরুক্সি হেতু) দেখ, রাত্রিকালে ভাে- করিয়াছে, সেই অশু ব্যক্তি যেমন জন্ম পরম্পরায় নােদল করিয়া মণ্ডলে বালকের মনােমােহকল্পিত যে বেতাল ণ পর্যন্ত হরণ বেড়ায়, বিষণখাতাদি দ্বারা শিথিলা রােগীও তাদৃশ ফ্রেশ করিতে সমর্থ হয়, কিন্তু বিচার দ্বারা সেই বেতাই আবার বিলয়- অনুভব করে না। ৪১-৪৫। যদি কর্দমে ভেক হইয়া থাকিতে প্রাপ্ত হইয়া থাকে। ২১-২৫। এই সমুদ, জগৎপদার্থই হয়, তাহাও ভাল , মল-কীট হইয়া থাকিতে হয়, তাহাও ভাল, অবিচারে মনােদর দেখায়, বিচারে উহা, শিলালিত লােরে কিংবা যদি অন্ধকারাচ্ছন্ন গুহায় সর্প হইয়া থাকিতে হয় হাও স্থায় অসার হইয়া মিথ্যা হইয়া যায়। এই সারক্ষপ বিখ্যাত ভাল, তথাপি বিচারহীন মানব হওয়াও কোনক্রমেই ভাল নহে। বেতাল, পুরুষের নিজ মনােমােহ-কলিত হইয়া, হু দুঃখ প্রদান সকল অনর্থের আবাসভূমি, সকল সাধুগণ কর্তৃক রিস্কৃত সর্ব- করে, কিন্তু উহাৱা বিচারবার বলা হইয়া থাকে। অ- প্রকার দুঃখের অধিশ্বরূপ অবিচার পরিত্যাগ করা উচিত। বৈষম্য, সুখ, বালখিত অনাধীন নয় এই কৈবল্য মহানুঙৰ ব্যক্তি সর্বদাই বিচার-পরায়ণ হইবে, অন্ধকূপে বিচাররূপ উন্নত বৰ ফলস্বরূপ। চক্রের উদয় হইলে বেমন পড়িয়া গেলে বিচারই অঞ্চন অবলম্বন হয়। বিচারবলে স্বয়ংই শৈত্য উদিত হয়, সেইরূপ বিচার ব্যয় মােকাউয়ে নিশ্চল, আত্মাকে স্থির করিয়া সংসার-মােহরুণ সমুদ্র হইতে নিল উদার, আনন্দসম্বরূপ সিফাত উদিত হইয়া থাকে। পুরুষ মনােৰূপ মৃগকে উত্তীর্ণ করিবে। “আমি কে? এই সংসায়নামক উলঙ্গ চিৰিত বিচারুরূপ মহৌৰি এৱা সিহইলে, কোন দােষ কিরুপে আসিল” ক্ষতিপ্রভৃতি গণিত-যুক্তিবলে এই প্রকার দি কা করে না এবং কোন বি ভাগও করে না। আমাকে বিচার কহে। ৪৬। অবিচারী দুর্মতি ব্যক্তির ৩। বন চিত্ত তৎপর অবলম্বন কৰিয়ছে তখন সেই য় শিলার রায় ও অন্ধ অপেক্ষাও গরু, মােহৰলে অকূট তিনি। প্রভৃতি সন্তই দূরীভূত হয় তৎকালে অৱে হইয়া কে চিরদুঃখের হেতু হইয়া থাকে। হে রাখব। যাহার ৰাৰ অতি বিস্তৃত হওয়ায়, আকাশের ন্যায় অত্র অঞ্চ ও সত বিষয়ে গ্রহণ ও অসত্য বিষধের ভাগ কম্বিতে সমর্থ অনুশ এখন কি ? পরিদ। বুয়্যবহার-প্রকরণ বিচক্ষণ লােকদিগেরও বিচার ব্যতীত কোন প্রকার অন্ধ সম্যক প্রশমিত হয়। হে আম! কাহীন সুশীল বিও চিত্তবৃত্তি পরিজ্ঞাত হয় না। বিচার হইতে অজ্ঞান হয়, অজ্ঞান হইতে ঘাৱা পুরুষ পূর্ণচরে স্থায়, শোভিত হইয়া থাকে। সর্বত্র-সন্তোষ আত্মবিশ্রান্তি, আত্মবিশ্রান্তি হইতে মনে শান্তভাব এবং সেই শান্ত- নিবন্ধন অবৈষম্য-বুদ্ধি হেতু সুন্দর পুরুষের বদনমণ্ডল নিরীক্ষণ ভাষই সৰ্ব্ব-দুঃখকর জালিবে। লোক সকল বিচারদৃষ্টি দ্বারাই | করিয়া লােকে যাদৃশ সন্তোষ লাভ করে, ধনসঞ্চয় যায় তাশ (লৌকিক ও রদিক) কৰ্ম্মসমূহের সাফল্য লাভ করিয়া উত্তমত | আনন্দ লাভ করিতে পারে না। হে রঘুনন্দন! যে পুরুষ প্রণালী প্রাপ্ত হইয়া থাকে। অতএব হে রাঘব। তুমি শমন, তােমারও দিগের অভিমত অবৈষম্য-বুদ্ধি দ্বারা সমলত, দেবগণ ও মামুলি- এই বিচার প্রীতিকর হউক। ৫১-৫৪। গণও সেই নির্মল ব্যাক্তিকে প্রণাম করিয়া থাকেন। ১০-২০। চতুর্দশ সর্গ সমাপ্ত।১৪। পঞ্চদশ সর্গ।১৫। পঞ্চদশ সর্গ। ষােড়শ সর্গ। বশিষ্ঠ কহিলন,—হে অরিন! (মোকের তৃতীয় দ্বারপাল ) বশিষ্ঠ কহিলেন,হে মহামত। সাধুসমাগমও মনুষ্যদিগের সন্তোষ । সন্তোষই পরম মঙ্গল, সন্তোষকেই সুখ বলা হয়, সংসারতরণে বিশিষ্ট উপকারী। যে মাগণ ঐ সাধু- সন্তুষ্ট ব্যক্তি পরম বিশম প্রাপ্ত হইয়া থাকে। যাহারা সন্তোষ- সঙ্গৰূপ বক্ষ হইতে উৎপন্ন বিবেকরূপ কুমের রক্ষা-বিধান রূপ ঐশ্বর্যমুখ লাভ করিয়াছে, তাহারা চিকে চিরবিশ্রাম প্রাপ্ত করেন, তাঁহারাই দসসম্পত্তি পাইয়া থাকেন। বিদ্বান্ লােকের হইয়াছে। তাদৃশ শান্ত ব্যক্তিদিগের নিকট সাম্রাজ্য, জীণ সমাগমে শূন্য স্কানও জনসীৰ্ণ বােধ হয়, মৃত্যুও উৎসবের ৩৭খণ্ডের স্লাষ, অতি তুচ্ছ। হে রাম! সন্তোষ-সম্পন্না বুদ্ধি, ন্যায় হয় এবং আপও সম্পদের ন্যায় বিষম সংসার ব্যপাবে কপন উদ্বিগ্ন হয় না ও কখনও হীনতা অপরুপ পদুিনীর হিমস্বরূপ মােহরূপ শিশিরের মলয়-মারুত- প্রাপ্ত হয় না। যে শ’ ব্যক্তিগণ সন্তোষপ অমৃত পান করিয়া স্বরূপ এবং জগতে একমাত্র প্রশস্থ সাধুসমাগমের জয় হউক। এই প্তিলাভ করিয়াছেন তাহাদের নিকট অতুল ভােগসম্প- সাধুসমাগমে বুদ্ধিবৃদ্ধি, অজ্ঞানরূপ তরুর ছেদ ও আধিসমূহের বিষসদৃশ, আশা-দাদি-দোষ-নাশক অতি মধুরাদ সন্তোষ উচ্ছেদ হইয়া থাকে, অানিবে। ১৫। উদ্যানে যেমন জলসেকে গেকপ সুখকর হয়, অমৃত-সতরঙ্গও তাদৃশ সুখপ্রদানে সমর্থ হ8 পুষ্পগুচ্ছ উৎপন্ন হয়, সেইরূপ সাধুসমাগম হইতে মনােহর না। ১--৫। যে ব্যক্তির অপ্রাপ্ত বিষয়ের বাঞ্ছা নাই এবং প্রাপ্ত উজ্জ্বলদীপ স্বরূপ পরম বিবেক সমুদষ্কৃত হয়। সাধুসঙ্গরূপ সমৃদ্ধি, বিষয়েও ত,প্রাপ্তিনিবন্ধন হর্ষাদি নাই, সুখ দুঃখ অনুভব করিতে অপাষহীন বিঘশন্য নিত্যই বর্তমান পরষ মুখ প্রদান করিয়া হয় না, তা ব্যক্তিকেই সন্তুষ্ট বলা হয়। মন যাবৎকাল থাকে। কষ্ট অবস্থায় পড়িয়া বিবশ হইয়া পড়িলেও সাধুসঙ্গ আপনিই আপনাতে সন্তোষ প্রাপ্ত না হয়, তাবৎকাল মনােৰূপ একটুকুও ভাগ করা মানবগণের উচিত নহে। এই সাধুসঙ্গতি, বিল হইতে আপদ-লতা উদ্ধৃত হইতে থাকে। যেমন সূর্যকিরণে লােকে যতক্ষণ অজ্ঞানরাত্রি থাকে, ততক্ষণ সকলের সাটারের পদ বিকসিত হয়, সেইরূপ সন্তোষ দ্বারা শীতল চিত্তই বিশুদ্ধ দীপিকারূপে বিরাজমান থাকিয়া ঈদগত অন্ধকার দূর করিতে বিজ্ঞান দৃষ্টিদ্বারা অশিণ বিকাশ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। যেরূপ থাকে; পয়ে জ্ঞানরূপ সূৰ্য্যের কিরণরূপে পরিণত হয়। সে দিন দর্পণে মুখের প্রতিবিম্ব দেখা যায় না, সেইরূপ আশার ব্যক্তি শীজ ও শুভ সাধুসঙ্গতিরূপ গঙ্গায় স্থান করিয়াছে, তাহার অধীনতা হেতু ব্যাকুল সন্তোষহীন মানসে জ্ঞান প্রলিলিত দান, তীর্থ, যজ্ঞ ও তপস্যার প্রয়ােজন কি ? ১০। হয় না। যাহার সন্তোষ-ভম্বর সতত উদিত রহিয়াছে, তাদৃশ অনখ। রাগ সন্দেহচ্ছেদনকারী গ্রন্থিহীন সাধুগণ বিদ্যমান প্রাপ্ত হয় না। ৬-১০। তাঁহার মন সন্তুষ্ট, তাহার মনপীড়া ও যেমন মণি গর্শন করে, সেইরূপ পরত্বে, শতচিত্ত ধ কোন প্রকার ব্যাধি থাকে না, ঐরূপ ব্যক্তি অকিঞ্চন হইলেও সাধুগণকে দেখা উচিত। যেমন বিদ্যাধরীসমূহে সর্বদাই সাম্রাজ্যমুখ ভােগ করিয়া থাকে। যে ব্যক্তি অপ্রাপ্ত বিষয়ের বাঞ্চা এ বিরাজমান, সেইরূপ ধীমাদিগের সর্বদাই সাধুসমাগমরুপ করে না, যথাক্রমে প্রাপ্ত সুখ-দুঃখ ভােগ করে, সাধুসমাচার- সৌন্দৰ্যশালিনী বুদ্ধি বিরাজমান থাকে। যে ধন্য ব্যক্তি সাধুসঙ্গ সম্পন্ন ঐ ব্যক্তিকেই সন্তুষ্ট বলা হয়। সন্তোষ আয়া পরম-প্ত ত্যাগ করে না, সেই ব্যক্তিই নিৰ্ম-বিচার্য (ব্রহ্ম) পদকে চিত্ত বিশুদ্ধ মহৎ ব্যক্তির মুখে, ক্ষীরসমুদ্রের ন্যায়, লক্ষ্মী বাস শিলােভুবণ স্বরূপ করিয়া প্রথিত করে। বিচ্ছিন্নগ্রন্থি পরম- কেন (অর্থাৎ মুখপ্রসন্নতাই সন্তোষের চিন্তু)। স্বয়ংই আপনাতে পদভ সর্বসম্মত সাধুগণ সকল উপায়ে সেবনীয়, কারণ শষ আনন্দৰূপ পূর্ণতা অবলম্বন করিয়া পৌরুষ-প্ৰষত্রে সর্ব- ভবসমুদ্রপারে তাঁহারাই উপায়। ১৯—১৫। যাহারা নরকরূপ এই তৃষ্ণাকে জয় করিবে যে ব্যক্তি, শীত স্থায়, সন্তোষরূপ অস্থির যেরূপ (অর্থাৎ নকশনহেতু) সাধুগণকে বা- মৃত দ্বারা পূর্ণ, তাহার চিত্ত শান্ত শীতল বুদ্ধি দ্বারা স্বয়ংই নিত্য- পূর্বক দর্শন করে, তাহারাই নরকাশিতক কাষ্টম্বরূপ হইয়া স্থৈর্য্য প্রাপ্ত হয়। ১১-১৫। যেমন ভ্যগণ রাজার উপাসনা থাকে। পারি, মরণ ও দুঃখ প্রভৃতি বিষয়ে সাধুসমাপকাণ , সেইরূপ সন্তোষ-পরিপুষ্টচিত লােকের মহতী সমৃদ্ধি সকল ঔষণে সমুলে শান্তিপ্রাপ্ত হয়। সন্তোষ, সাধু, কিন্ধ ও কঙ্করের ন্যা, সুগত হইয়া থাকে। যেমন বর্ষাকালে ধূলি শম, এই (মােক্ষরলাল চকুয়) চাৰিা এবিগে আয়- শিমিত হয়, সেইরূপ স্বয়ংই ঘসই ব্যক্তিতে সমুদয় আধি সমুদ্রতরণের উপায়স্বরূপ। সন্তোষই পরম লাভ, সসই পরশ যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ T --- T । গতি, বিচারই পরম জ্ঞান শমই পরম সুখ। যাহাৱা, সংসার । উক্ত (বিচার) গুণসম্পদ আছে, অতএব আমি যে মনােমােহ- ভেশনের নির্মূল উপায়স্বরূপ এই চারিটি অভ্যাস করিয়াছে, হরণকারী বাক্য বলিব, তাহা শ্রবণ কর। যাহাৰ পুণ্য-কল্পবৃক্ষ হারাই মােহরূপজলের আধার ভবসমুদ্র হইতে উত্তীর্ণ । দলরে নত হইয়া আছে, সেই ব্যক্তিরই মুক্তির নিমিত্ত এই হইয়াছে। ১৬-২০। ঐ চতুষ্টয়র একটী যদি অভ্যাস করা যায়, বিষয় শ্রবণের উদ্যম হইয়া থাকে। যে ব্যক্তি উক্ত গুণসম্পন্ন, তাহা হইলে, হে সুধীবর। চারিটাই অভ্যাস করা হয়। উহাদের সেই ব্যক্তিই উন্নতির নিমিত্ত পরম পবিত্র পরম জ্ঞানপ্রণ এক একটা হইতেই চারিটা উৎপন্ন হইয়া থাকে, অতএব সকল উপদেশের পাত্র হইয়া থাকে, অধম (উক্ত গুণ যাহার নাই) সিদ্ধির নিমিত যত্নপূর্বক একটাকেও (অন্তঃ) আশ্ৰয় কৰিব। ব্যক্তি নয়। ১-৫। সারপতি এই হিতার মােকোপায় যেমন মহাপােত সকল সমুদেই গিয়া থাকে, সেইরূপ সাধুসঙ্গ কথিত হইয়াছে ইহা অবগত হইতে পারিলে মুক্তিলাভ করা সন্তোষ ও বিচার অতি সাবধানভাবে শমগুণ দ্বারা নির্মুলীত যায়, ইহার শোকসংখ্যা ত্রিৎশংসহস্র । রাত্রিংশংসহ । প্রজ্বলিত দীপ ব্যক্তির নিকট গমন করে। যেমন কল্পক্ষের আশ্বষ কারী ব্যক্তিৰ অভিমুখে থাকিণে সুপ্ত ব্যক্তি অনিচ্ছাসত্তেও যেমন আলােক নিকট ঐ উপস্থিত হয়, সেইরূপ বিচার, সন্তোষ ও সাধুসঙ্গ পায়, সেইরূপ এই সংহিতাপাঠে অনিচ্ছাসত্ত্বেও (অনায়াসে। বাহর আছে, তাহার নিকট জ্ঞানসম্পদ উপস্থিত হয়। যেমন নির্মাণ প্রাপ্ত হওয়া যায়, যেমন গঙ্গা সম্যকরূপে বর্ণিত, পূর্ণচন্দ্ৰে সৌন্দৰ্যাদি গুণ আপনিই আসে সেইকপ বিচাৰ, জ্ঞাত ও শ্রুত হইলে ভহিদ ( এম হেতু পপ তাপের সংস শম ও সন্তোষ যাহার আছে তাদৃশ ব্যক্তির প্রসাদাদি নিবারণ করত সুখ প্রদান করিয়া থাকেন, তেনি এই সংহিত গুণ স্বয়ংই হইয়া থাকে। ২১-২৫। যেমন মর্থি, গোপন সম্যক অনুশীলন দ্বারা বর্ণিত জুতি ও শ্রুত হইলে ভ্রান্তির করি। কারী বাজার নিকট জয়লক্ষী উপস্থিত হয়, সেইরূপ সৎসঙ্গ, অনির্বচনীয় যুব প্রদান করে। যেমন দ্রুত অবত হইলে সন্তোষ, শম ও বিচার যার আছে, তাদৃশ মতিমান ব্যক্তিতে তে সর্পএম বিরিত হয়, সেইকপ এই সংহিতা অবগত হইতে স্বয়ংই জয়ী উপগত হয়। অতএব হে বুদুনন্দন। পৌৰ দ্বারা পারিলে সংস'রঃখ দর ২। খক। এই সংহিতায় ছটা নােজয় করিয়া মহাদের মধ্যে একটা গুণ যপক তত প্রকরণ , তাহত সিক্ত অর্থ সম্পন্ন বাকালী ও উম উত্তম অবলম্বন করিবে। ষাবংকাল চিত্তহস্তকে পাপোস দ্বারা দৃষ্টান্ত প্রসঙ্গে অখ্যায়িকা বণিত হইয়াছে। ৮-১০। ইহার জয় করিয়া ঐ চতুষ্টয় গুণ একটীবে অন্তর্গত করিতে না পাকা ; প্রথম প্রকরণের নাম বৈরাগ্য এই বৈরাগ্যবরণ পাঠ করিলে যায়, তাবং উত্তমগতি লভের উপায় নাই। হে বাম। যতক্ষণ জশসেক দ্বাৰা মমিতেও যেমন ক্ষ বাণ ৰ, সেইকপ পর্যন্ত উক্ত গুণের অর্জনে তােমার মন আসক্ত না হয়, ততক্ষণ। গৈ। বদিত হইয়া থাকে' (ইহাতে সালন্ধ কাল ঃ নিকপিত পৌষ-প্রযত্নে দার বিচূর্ণন করিরে । হে মহাবাহো। হইয়াছে । লৰাগ্য প্রকরণ সংখ্যা frড় হ, র্ডন তুমি দেব হও, যক্ষ হও, বা পুরুষ হও বা রুক্ষ হও উক্ত গুণর্জন দ্বারা মনিব নেন মলিনতা হয়, তরূপ এই বৈরাগ-প্রবণস্থিত যাব না হয়, তাৰং কোন প্রকারই উপায় নাই। ২৬-৩. *''কসমূহের বিচারা জ্ঞানজনিত বুদ্ধিমালিও বিনষ্ট হয়। উহাদের মধ্যে একটা গুণ বৰং হইয়া ফলপ্রদ হইলে বাশ. হার পর ব্যবহার-প্রকরণ, তার লোকসংহ্যা এক হাজার চিত্তের সমুদায় দোষই সংর ক্ষয়প্রাপ্ত হইম্মা থাকে, গুণবুদ্ধি মা যুক্তিযুক্ত উপদেশাবলি থাকায় ইহা অতি সুন্দর। উহাতে হইলে দোষক্ষকারী অন্য গুণসনুদায়ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়া থাকে, মৃগু মনুষ্যদিগের সব বর্ণিত হইয়াছে। অনন্তর উৎপত্তি আবার দোসরুদ্দি হইলে গুণবিনাশক দোষ সকল কৃদ্ধিপ্রাপ্ত নামক তৃতীয় প্রকরণ। ইহাতে নানাবিধ দৃষ্টান্ত ও আখ্যায়িকা হয়। এই মনমােহরূপ অরণ্যে বোৰতী বাসনারূপ নদী, ইহার আছে এই জ্ঞানপ্রতিপাদক প্রভা সপ্তসহ কে সমাপ্ত। শুভ অশুভ এই দুইটি হেং তীর, উহ জীবসমূহের উপর সতত হাতে ‘আমি “তুমি’ ইত্যাদিকপ লৌকিক দৃশ্যভেদ কথিত প্রবাহিত হইতেছে। নিজ যত দ্বারা উহার স্রোত যে-তাবে হইয়াছে। ঐ দুস্থভেদ অনুৎপন্ন হইলেও উৎপনেয়ায় প্রতীত নয়া যায়, সেই-তীর দ্বারাই প্রতি হইয়া থাকে অতএব হয় ইহা বর্ণিত হইয়াছে। এই প্রকরণ শুললে শ্রোতার হৃদয়ে ইচ্ছানুসারে কৰ্ম্ম কর। হে রাম। এই চিত্তারণ্যে পৌরুষবলে আমি, তুমি, ব্রহ্মাণ্ডবি'র, সমুদর লােক, আকাশ ও পকাত প্রভৃতি ঐ বাসনা-নদীকে ক্রমে শুভানুগার্দিনী কর। হে শুদ্দমতে। সমুদয় স্থাবরজঙ্গমাত্মক জগজিন, অমুলক এবং পবস্থিত তাহতে কদাচ অশুভ প্রবাহে নীত হইবে ন, ৩১-৩৫। পৃথিবী প্রভৃতি কৃতবিহীন বলিয়া প্রতিভাত হয়। এই প্রকরণ শলিগ করিলে, মনঃকল্পিত নগর, স্বপ্নদৃষ্ট পদার্থ ও মনােরাজ্যের যােড়শ সর্গ সমাপ্ত।১৬। ন্যায় এই সংসার নামমাতে বিস্তৃত পরিলক্ষিত হয়। সংসার, গন্ধ পনগর মরীচিকাজল এবং মসৃষ্ট চন্দ্রয়ের ব্যায়, অলীক বলিয়া অনুভূত হয়। নৌকাগমন কাণে, নৌকরো- হীর দৃষ্টিতে পদিসঞ্চলনের ন্যায়, অকল্পিত নিশাচের আয়--সত্য কারণ না থাকিলেও সময়বিশেষে প্রকাশমান বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাখব। যে ব্যক্তির অন্তরে বিবেকোয় এই সংসার তখন—অলীকরপেই প্রতীয়মান হয়। বর্ণনা- হইয়াছে, সেই মহান ব্যাই, রাজা যেমন নীতিবাক্য-শ্রবণা, প্রভাবে প্রত্যক্ষবং, দয়প্রতিভাত পদার্থের ন্যায় ও গগন সেইরূপ এই জ্ঞানগর্ভক্য শ্রবণের যােগ্য। যেমন মেধস মুক্তাবলীর খায়, সংসারও তখন মিথ্যা বলিয়া উপলব্ধি হয়, বুহিত গগনমণ্ডল শারদের অবস্থানযােগ্য, সেইরুপ মুখসঙ্গবিহীন, কেননা, তখন বুঝা যায়, সংসারে সার কিছু নাই, প্রকৃত সত্তা নির্মল হাশয় ব্যক্তি নির্মল বিচারের যােগ্য পাত্র। তােমার নাই। “যেমন সুবর্ণবলয় এবং অঙ্গ মিথ্য—সুবর্ণ ও জন ব্যতীত = সপ্তদশ সর্গ।
মুমুক্ষুব্যবহার-প্রকরণ T ভাই। আর কিছুই নহে, তদ্রুপ অগৎও মিথ্যা, তাহাও অধিষ্ঠান তখন সেইরূপ সত্য—অর্থাৎ অসত্য বলি। প্রতীত হয় । ব্ৰহ্ম ব্যতীত আর কিছুই নহে এবং ইহা আকাশে নীলরূপের (যাহার উপশম পূৰ্ব্বাপেক্ষা কিঞ্চিৎ নুন, তাহার পক্ষে) অকুট- ন্যায় অসং অথচ সদা-প্রতীত হইতেছে। বস্তুত উহা ভিত্তিহীন, চিত্রাবলী-রচনায় পরিব্যাপ্ত ভিভিভূমির ন্যায় ও বিস্মৃতিবিলুপ্ত বর্ণহীন, কড়হীন। চিত্র যেমন স্বপ্নে বা আকাশে এমৰে পূৰ্বানু- প্রায় কল্পনাপ্রসূত নগরীর ন্যায় সংসারও অস্পষ্ট ছায়ামাত্রে ভবের স্মৃতিমাত্রে প্রকাশিত হয়, সেইরূপই এই জগৎ। চিত্রিত পর্যবসিত হয়। সকল ঋতুতেই সমভাবসম্পন্ন যে অরণ্য ভবিষ্যৎ বহ্নি যেমন বহ্নি না হইলেও বহ্নির ন্যায় দেখায়, সেইরূপ গর্তে নিহিত, তাহার সঞ্চলনের ন্যায়, কল্পনামাত্রে ভাবিক মকাননে সংসার অসৎ হইলেও জগৎপদবাচ্য হইয়, থাকে জলতরঙ্গে বসন্তসমাগমের ন্যায়, সংসারও কল্পনাপ্রসূত বলিয়া অনুভূত হয়। উৎপলমান-ভ্রমের ন্যায়, পুবদৃষ্ট মুত্যের পুনঃরণে সক্ষা কেহ বা এই সংসারকে অন্তর্নিহিত ভবঙ্গরাজি প্রসন্ন-সলিলা নদীর অনুভবের ন্যাম, চক-চীংকার-পূর্ণ গগনমণ্ডলে জলাশয়- ন্যায় প্রশান্ত অনুভব করে। ৩৭৪। তারপর নির্ধাণনামক কল্পনাব ন্যায়, এই সংসার-কল্পনা তুচ্ছ।” উৎপত্তি-প্রকরণ এবণে ষষ্ঠ অবরুণ , ইহার শ্লোকসংখ্যা সাৰ্দ্ধচতুর্দশ সহস্র। এই প্রকরণ এইরূপ জ্ঞ ন হইয়া থাকে। এই সংসার, গ্রীষ্মকালের শপণ জ্ঞানবাপ-মহাপ্রদ। এই প্রকরণ অবগত হইলে (মূল অবিদ্যার ছাঘা পােভা-ফলাদি-বিধান অবণের ন্যায়, নীরস ও অসার ইহাও উচ্ছেদ হেতু) কল্পনাসমূহ বিদূরিত হইয়া যায় এবং নির্বাণ উপ-প্রকরণ-শ্রোতৃবৃন্দের নিকট প্রতিপন্ন হয়। ১৬ -৫। এই ৰূপ (মােক্ষ শ্ৰেয়েলাভ হইয়া থাকে। তখন অত। নিযিয় সংস 1 ভুখপতিত জনের চিত্তের ঋায়, সিকুল ও অস্থির, চিংপ্রকাশ বিজ্ঞানময় নিরাময় আত্মারূপে প্রতিষ্ঠিত হন। তখন সব্বতের গুহার ন্যায়, অন্ধকারাচ্ছন্ন শূন্য ও ভীষণ উহা তিমিরাত তার সমুদয় সংসারজম অপগত হয়, পরম আকাশকোষের গুহায় এক-ত্যের ন্যায়, উশুকাৰ্য্যবং প্রতিভাত হয়। সুস্থ, ন্যাম স্বচ্ছ হন। তখন তার জগদ যাত্রা নির্ধানপ্রাপ্ত হয়, সণ, লিখিত বিনিতি সচেতন প্রতিক্তি ও অচেতন ব্যকৰ্ম্মের সম্পাদন হওয়ায় তিনি তখন সুস্থির হন। হীরক- পদাৰা এই সংসারও দে অস, অs উপাদান ব্যতীত মণিশু যেপ প্রতিবিশ্বকাপে সমাগত সমুদয় লেক ও তদীয় স্বতঃ না তাহা নাই, ইহা সুম। ফয । পম-দর্শন এই বাৰ্য্যের আশ্রয়, তদ্রুপ তিনিও তখন পুর্ণকপ হইয়া সমুদয় লোক সংসার তাননাহার বিনিময় শরদাকাশ অং সন্ধ ও তদীয় কার্যাবলীর আশ্ৰয়ৰূপে বিরাজিত হন। এই সমুদয় বাতই অ» কিছুই নহে। তার পর : নামক চতুর্থ ' জগ ও ভক্ষণ করেন বলিয়াই যেন তিনি পরিতৃপ্ত হন। হার প্রবণ ইহা সংখ্যা তিন হাজার। ২। সবিস্তর সমুদয় বাঙ্গেতিগ ও চিত্ত চিলাকাশে পরিণত হয়। তখন -পশ পরমাণবখ্য, ও নানাবিধ আখ্যায়িক পরিপূর্ণ। সঁহার সমুদয় কাৰ্য কারণ ও কর্তৃত্বের প্রতি হেয়ত্ব ও এ গ; অসুবিপে স্থিতিপ্রাপ্ত হইয়াছে এবং দুষ্টাও উপাদেযও ন থাকে না। তিনি তখন সদেহ হইলেও শ্যের ক্রম ইহাতে বীত হইয়াছে, বিস্তৃত দশদি গুলে নির্দে, সংসারসমন্বিত হইলেও অসংসার হন। ৪১-৪৫। তিনি ভার এই জিগং কিরূপে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়াছে, তাহাও কঠিন পাষানােদরের ন্যায় নিহি, অর্থাৎ অখণ্ড চির অবস্থায় কহি হইছে। অনন্তর পম উপশান্তি-প্রকরণ ইহার উপনীত হন। তখন তিনি লােকপ্রকাশক পরম জ্যোতির্ময় শ্লোকসংখ্য পাচ হাজার। উহা অতি পবিত্র ও নানা বািদে চিদাদিত্য। কিন্তু তাহার পক্ষে দৃশ্যমাত্রই বিনষ্ট হওয়ায় তিনি অতি শােভন। এই জগৎ আমি, তুমি, সে এই প্রকার উৎপন্ন যেন গাঢ় অন্ধকাৰশিলাসম দুর্ভেদ্য অন্ধতা প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। ম যেরূপে প্রশান্ত যু, তাহা ইহাতে কথিত হইযাছে।২৬-৩২। তাহার কুৎসিত সংসারলীলা আশারুপিণী বিহুটিকা এবং এই উপশতি-প্রকরণ এবণ করিলে ক্রমশঃ সংসারের উপশম অহররূপী বেতাল বিনষ্ট হয়। তঁহার দেহ থাকিলেও (আমাদের হইতে থাকে অর্থাৎ তখন এই সংসার চিত্রিত বিশৰ্ণ সৈন্যের জ্ঞানগম্য হইলেও) তিনি দেহ-হীন অর্থাৎ দেহে দেহত্বজ্ঞান- ন্যায় কবি-এ লক্ষিত হইতে থাকে। ইহার প্রান্তরুপ ক্রমশ পরিশূন্য হন। যেমন সুমেরুপৰ্বতস্থিত কোন পুষ্পে ভ্রমরী থাকে, শান্ত হওয়ায় শতাংশের একাংশে অবশিষ্ট হয়। কোন পুরুষ সেইরূপ তাঁহার রােমাগ্রের ন্যায় পরিচ্ছিন্ন অবিদ্যার কোন এক মনে মনে কল্পনা করিয়াছে। তাহার পর্গে আর এক অংশে এই জগৎসমৃদ্ধি অবস্থিত ।। চিন্ময় আকাশ নিজ অন্তরে ব্যক্তি স্বপ্নে রাজ্যভেংগ করিতেছে। স্বপ্নে সে রাজ্যের জন্য কল্পিত আকাশরূপ প্রত্যেক পরমাণু সহস্ৰ জগৎসমুদ্ধি উৎপন্ন বুদ্ধ করিতেছে শব্দ করিতেছে—কিন্তু তাহা হইতে প্রকৃতপক্ষে করিতে পারেন ও দর্শন করিতে পারেন। মামতি জীবন্মুক্তের কিছুমাত্র লাভ নই। এ রাজ্য-কল্পনাকারীর পক্ষে ঈষৎ লক্ষ্য ও স্বপ্নদশীর পক্ষে সম্পূর্ণ লক্ষ্য হইলেও প্রকৃতপক্ষে * ‘তা বন্ধ্যায় হিয়া উচ্যমান। যে উগ্ৰাঃ স্বপুযুদ্ধাদি- অসত, ত প সংসার, ব্যক্তিবিশেষের পক্ষে ঈষৎ লক্ষ্য ও কথা ইত্যর্থং টীকাদাহ। ল তা ইত্যষ যষ্ঠীপ্রতিষেধেন- সাধারণের পক্ষে সম্পূর্ণ লক্ষ্য হইলেও প্রপক্ষে অসত্য। সাধুত্ব, ‘ জিয়া ইতি পদ অনর্থক্যাৎ, স্বত্ৰেত্যতাপ্রাপ্ত- ক্রমশঃ উহ। সঙ্গোপমে সকলকলিত বের ধন-টার তৃঙ্গ। স্মাৎ ‘ত অজিহােচ্যমান’ ইতি পদচ্ছেদ এব সাথী- ভীষণধ্বনির ন্যায় মিথ্যা এবং স্বপ্নকল্পিত ৰা সকল্পিত আন্। অত্র প্রথমকল্পে পূৰ্বাৰ্দ্ধস্থ অনুপৎ পুত্ৰপর, দ্বিতীয়- অর্থাৎ মনঃকল্পিত নগরের বিস্মৃতির ন্যায়, শূন্যময় হইয়া বলে প্রসবপর ইতি বােধ্য। যায়। ৩-৩৬। এই সার তখন, ভাবী নগরােদ্যানে বন্ধ্যা ! সঙ্কীর্ণ প্রদেশে অতি বিস্তৃত জগৎকল্পনা কিরূপে সঙ্গত হয়, নারীর সন্তান-প্রসবের ন্যায় শুন্য—অলীক হইয়া থাকে এবং এই আশঙ্কায় ৪৯শ শোক কথিত হইতেছে তাহার ভাৰ এই জিবহীন পুরুষকর্তৃক বন্ধ্যাপুত্রের বীয়-চরিত্র বর্ণন্মরু অথবা যে, দর্পণ মধ্যে যেমন গ্রহনক্ষত্র সমন্বিত আকাশের প্রতিবিম্ব বন্ধ্যার প্রসবযন্ত্রণা বর্ণনায় অর্থানুকাৰ যেমন সত্য, সংসারও পড়ে, সেইরূপ অবিদ্যাৰণে ঐরূপ জগৎকল্পনাও হইতে পারে।
বােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ - Sলয় পরমাত্মা, বিস্তারে শত লক্ষ হরিহরাদির সহিত তাহার , কেননা, সংসার দৃষ্টির দোষ সেই ব্যক্তির পরিজ্ঞাত হয়। বাণ তুলনা হইতে পারে না (অর্থাৎ তদপেক্ষাও বিস্তৃত), যেহেতু ' যেমন কঠিন প্রস্তরকে ভেদ করিতে পারে না, সেইরূপ প্রকৃত সত্তা আনত্য ও আনন্দে যিনি সর্বোত্তম , সেই আত্মর সর্বোৎ শাস্ত্রজ্ঞ ব্যক্তি ভয়হেতুর অগ্রে থাকিলেও ভীষণ সংসারীতি কষ্ট বিস্তার তদীয় হৃদরে বর্তমান। ৪-৫ তাহার হৃদয় ভেদ-করণে সমর্থ হয় না।১১–১৫। অগ্রই তম, সও সর্গ সমাখ১৭। তাহার পর কর্ম , না, অগ্ৰে কৰ্ম্ম, তাহার পর জন্ম, দৈৰ অগ্র, না, পুরুষকার অগ্রে ? ইত্যাদি সংশয়সমূহ, দিবাভাগে অন্ধকারের ন্যায়, ভত্ত্বদর্শীর নিকট বিদূরিত হয়। যেমন সূর্যালােক আসিলে যামিনী অপগত হয়, সেইরূপ প্রজ্ঞরূপ আলােক সমুদিত হইলে অষ্টাদশ সর্গ। সমুদয় পদার্থে রাগ-দ্বেষাদি ক্ষোভ বিদূরিত হয়। এতৎ-শাস্ত্র বশিষ্ঠ বহিলেন,—যেমন- বিশিষ্টক্ষেত্রে যথাকালে উৎকৃষ্ট বীজ বিচারশীল ব্যক্তি সমুদ্রের গায় গম্ভীর হন, সুমেরু পর্বতের ন্যায় বপন কৰিলে অবশ্যই উৎরুষ্ট ফল লাভ করা যায়, সেইরূপ এই ধীর হল ও চন্দ্রের ন্যায় অন্তঃশীল হন। সেই ব্যক্তি ক্রমে টু-প্রবণময় মেঙ্গোপাধু-সংহিতা পাঠ করিলে বা কাইলেও জীবন্মুক্ত হন, ক্রমশঃ তাহার অজ্ঞানকৃত সমুদয় বেলক্ষণ প্রশান্ত জ্ঞান লাভ হয়। যে শাস্ত্র, যুক্তিদ্বারা নির্ণয়ের অনুকূল, তাহা হয়। সেই জীবমুক্তি অবস্থা বাক্যের অগােচর। শারদীয় চত্র- মানুষ-প্রণীত হইলেও গ্রাহ, আর সাহা সেরূপ নহে, এমন শাস্ত্র জ্যোৎস্নার ন্যায় হার (এই গ্রস্থবিচারকের বুদ্ধি পরম আত্মার বেদের অন্তর্গত হইলেও উপাদেয় নহে, ফলে স্বায়সম্বলিত সাক্ষাৎকারপ্রদ সৰ্বার্থশীতল ও বিশুদ্ধ হইয়া পরমোজ্জ্বল ভাব মার্গ সেবা করাই লােকের উচিত। (এই শ্লোকের ভাবার্থ ধারণ করিয়া থাকে। ১৬২০। বিবেক-দিবাকর-সমন্বিত শম এই যে, যথাপদ্ধতি ক্রমে ব্ৰহ্ম জ্ঞানের অনুকূল খামাত্রই মুমুমুর দ্বারা প্রকাশিত তদীয় নিম্মল হাদয়কাশে অনর্থকারী কামাদি- গ্রাহ, কিন্তু কাম-কৰ্ম্ম-প্রতিপাদক বেদবাক্য মুমুর গ্রাহ ধূমকেতু উদিত হয় না। যেমন স্বচ্ছ জলে কৃষ্ণ প্রশান্ত হয় নহে। কাম্য বর্জন না করিলে জিজ্ঞাসার অধিকারই হয় না।) এবং শরৎকালে মেঘমালা প্রশান্ত হয়, সেইরূপ সেই জীবন্মুক্তগণ যুক্তিযুক্ত বাক্য বালকের নিকট হইতেও গ্রহণ করা উচিত, সৰ্বোন্নত সুস্থির আত্মপদে প্রশান্ত হইয়া শুব্ধ ও সৌম্যভাবে ব্ৰহ্মাক কথিত হইলেও অযুক্ত বাক্য ভুণের ন্যায়, পরি অবস্থান করেন। তখন তাহাদিগের পরবিদ্বেষাঙ্কিারিণী পর- ত্যাগ করা উচিত। যে ব্যক্তি অগ্রবর্তী গঙ্গাজল ত্যাগ করিয়া মুখস্লানি-বিয়িনী ক্রুর অশ্লীলবাদিতা, সি পিশাচক্ৰীডার “ইহা আমার পিতার কৃপ" এই বলিয়া কুপােদক পান করে, ন্যায় বিরত হয়। অতি স্থির ধভিত্তিতে দৃঢ়কপে সংলগ্ন বুদ্ধিকে অদৃশ অত্যনুরাগী ব্যক্তিকে কে উপদেশ দিৰে? যেমন এভাত আবি সকল বায়ু যেমন চিত্রিত লতাকে বিকম্পিত করিতে পারে হইলে আলােক অবশ্যই হইয়া থাকে, সেইরূপ এই সংহিতা পাঠে না সেইরূপ বিচালিত করিতে পারে না। ভজ্ঞ পুরুষ বিষয়া- সুবিবেক অবশ্যই হয়। ১৫। আদ্যোপান্ত এই সংহিতা সঙ্গরূপ মোহগর্তে নিপতিত হন না, কোন অধ্ব ব্যক্তি গত্তের প্রাজ্ঞ ব্যক্তির মুখে শ্রবণ করিয়া বুঝিতে পারিলে ক্রমে বুদ্ধি দিকে দৌডিয়া থাকে ? ২১-২৫। তাই বলিয়া তাহারা যথেষ্টাচারী বিচার-বলে সংস্কারপন্ন হইয়া থাকে। পরে বিশুদ্ধা লতার ভয় হন না তাঁহাদের বুদ্ধি সশস্ত্র ও সদাচারের অষিদ্ধ বখাপ্রাপ্ত সভাস্থানের ভূষণ স্বরূপ আন্তরিক সংস্কারপন্ন বাণ লাভ করা যায় কর্মেই অন্তঃপুরে সাধ্বী স্ত্রীর ন্যায়, অসক্ত থাকে। কোটি লক্ষ এবং মহুগুণসম্পন্ন পরম চাতুৰ্য্য লাভ করায় সেই চতুরতাগুণে জগতে যত পরমাণু আছে, তাহাদের এক একটাই ব্ৰহ্মাণ্ড, অসা- রাজগণ ও পণ্ডিতগণের স্নেহের পাত্র হওয়া যায়। যেমন শনি বুদ্ধি পুরুষ ঐ সমূদয় ব্রহ্মাণ্ড অঙ্গর মধ্যেই নিরীক্ষণ করেন। শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি রাত্রিকালে প্রদীপ হতে করিয়া সমুদয় পদার্থ যে ব্যক্তি মােক্ষেপায় অবগত হইয়া শুদ্ধচিত্ত হইয়াছে, ভােগসমূহ অবগত হইতে পারে, সেইরূপ এই শাস্ত্রজ্ঞান-প্রভাবে মানব বুজি তাহাকে কখন দুঃখিত করিতে পারে না এবং আনন্দিতও করিতে মান পূৰ্ব্বাপরদী ও সমুদয় পদার্থ-তত্বে অভিজ্ঞতা লাভ করিতে পারে না। প্রত্যেক পরমাণুতে কতই ব্রহ্মাণ্ড অসঙ্কীর্ণভাবে পারে। শরৎপ্রান্তে দশদিকের যেমন নীহারমালিং অপগত রহিয়াছে, তৎসমূদয় জলতরঙ্গবং উখিত ও পতিত হইতেছে, হয়, এই শাস্ত্ৰসাহায্যে সেইরূপ বুদ্ধি লােভ-মােহদি দোষসমুদয় জীবন্মুক্ত তৎসমূদই দেখিতে পান। এই জীবন্মুক্ত কাৰ্যফলাদি ক্ষীণ হইতে থাকে।—১০। এক্ষণে তােমার বুদ্ধির বিবেক জ্ঞানসম্পন্ন হইলেও জড় কক্ষের ন্যায় কাৰ্যপ্রবৃত্তির প্রতি কােষ বা ভ্যাস আৰশ্যক হইয়াছে, কারণ কোন ক্রিয়াই অভ্যাস ব্যতীত কাৰ্যনিবৃত্তির আকাক্ষা করেন না। ২৬-৩০। জীবমুক্ত ফলবতী হয় না। এই শাস্ত্র-বিচার-ফলে—মন শরৎকালে সরাে- পুরুষ ব্যবহারে সাধারণ লােকের ন্যায়, ইষ্ট ও অনিষ্ট যে ফল যখন বল্পের স্থায়, নির্মল এবং মৰিলােড়ন-পরিশু সাগরের ন্যায়, উপস্থিত হয়, তখন সেই ফলই ভােগ করেন। অতএব এই শাস্ত্র নির্বিকার হইয়া থাকে। মােহন্দলবিহীন অজ্ঞান-তিমির-বিলা- আদ্যোপান্ত পাঠ করিয়া অথাবগতি পূৰ্ব্বক বিবেচনা কর; ইহা লিী পদার্থসমূহ-বিভাগ-সাধনী (অসামান্য) ধীশক্তি, রত্নদীপ- কেবল কথায়-কথা নহে, ইহা হইতে, বর ও অভিশাপের স্থায়, শিখার ন্যায়, অনুক্ষণ (উজ্জ্বল) হইতে থাকে। বাণপৰম্পৰা যেমন প্রত্যক্ষ ফল অনুভব করিবে। এই শাস্ত্র অনায়াসে বােধগম্য, ইহা সন্ন ব্যক্তিকে বিদ্ধ করিতে পারে না, সেইরূপ লৈদাৱিাদিদেব মনােহরদৃষ্টান্তে পরিপূর্ণ, অলঙ্কা-বিভূষিত একখানি সময় কাব্য। পূর্ণ সারদৃষ্টি এতৎশস্বজ্ঞ ব্যক্তির মর্মভে করিতে পারে না, যাহার পদ-পদার্থে কিঞ্চিৎ জ্ঞান আছে, তিনি স্বয়ংই ইহা বুঝিতে পারিবেন, যাহার তাহা নাই, তিনি পণ্ডিতের * এই স্কুলের যুক্তি আর ব্রহ্মজ্ঞান শব্দের অর্থ—এখনকার নিকট শ্রবণ করিয়া ইহার অর্থ অবগত হইবেন। এই গ্রন্থ প্রচলিত নহে। তাহাজৰিলেই বিভাই। শ্ৰৰণ করিয়া বিচারপূর্বক ইহার অর্থ অবগত হইতে পারিলে ৫৫ T মুনুকুল্যবহার-প্রকরণ। মনুষ্যের মােক্ষপ্তিৰিষয়ে তপা খান ও অপ প্রভৃতি কিছুই উখিত হইতে পারে না। (দৃষ্টাত্মকথন অনুমানের উপযোগী। প্রয়োজন হইবে না। ৩১-৩৫। এই শাস্ত্র পূনঃপুনঃ দর্শন ও বেন-যে যে স্থান ফুমে আশ্রয়, সেই সেই ন বাহির আশ্রয় বিশিষ্টরূপে অভ্যাস করিতে পারিলে চিত্তসংস্কার-সংকৃত অপূর্ব হইবেই, দৃষ্টান্ত রন্ধনশালা। ধূম যেখানে দেখা যাইবে ঐ রন্ধন- পাণ্ডিত্য লাভ করা যায়। যেমন সূৰ্যোদয়ে পিশাচ থাকে না, শালার দৃষ্টান্তে সেই খানেই বহ্নির অনুমান হইবে। কিন্তু কেননা, সেইরূপ এই শাস্ত্রাধ্যয়নে অনায়াসেই আমি, জগৎ ইত্যাদি বোমতে দৃষ্টান্ত কোন কাধ্যেরই উপযােগী নহে প্রকার দুষ্ট ভেদ-পিশাচ অংই বিরক্ত হয়। জগৎ ও অনুমান করিতে হইলে, যপ্তিজ্ঞানাদি আবশ্যক, যে যে স্থান আমি,-এই ভ্ৰম থাকিলেও উপশম প্রাপ্ত হয়, স্বপ্ন-মােহ যেমন ধূমের আশ্রয়, সেই সেই স্থান বহ্নির অাশ্রয় হইবেই এইরূপ পরিজ্ঞাত হইলে আর বিচলিত করে না, সেইরূপ উহা আর ভম বাক্যপ্রয়ােগ দ্বারাই ব্যাণ্ডিজ্ঞান হয়। তাহার পর যখন আনিতে অনক হয় না। যেমন মনঃকল্পিত নগর কল্পনামাত্র বলিয়া বিজ্ঞাত পারে যে, তাদৃশ ধূম এই পর্বতে বর্তমান,তখন সেই পৰ্ব্বতে বহি হইলে -বিষাদ পুরুষের কোন কষ্টদায়ক বা সুখদায়ক হয় না, অজ্ঞান হয়—এই জ্ঞানই অনুমান বা অনুমিতি। কিন্তু ব্যাপ্তি অলীক সেইরূপ জগদ্ভ্রম জ্ঞাত হইলে কোন প্রকার পীড়াদায়ক হয়না। হইলে, ব্যাপ্যাসিদ্ধিমক হেত্বাভাস দোষ থাকে।) যখন যেমন চিত্রিত সর্প পরিজ্ঞাত হইলে সর্পভয় প্রদান করে না, সেই দৃশ্যমাত্রই মিথ্যা, তখন ব্যাপ্যত্বসিদ্ধি নামক হেত্বাভাস এবং বাহা অমনি রূপ এই দৃশ্য জগৎসর্প পরিজ্ঞাত হইলে সুখ-দুঃখপ্রদ হয় না। জগতিক হেত্ব ও বিরােধ নামক হেত্বাভাসে দুষ্ট। ৩৬–৪। যেমন ইহা চিত্রিত' এইরূপ জ্ঞান হইলে, চিত্র- করিবে, তাহায় আশ্রয় হেতু না থাকিলেই বিরোধ-হেত্বাভাস চিত্রিত সৰ্পেৰ সৰ্প নষ্ট হয়, সেইরূপ—জানলে এই সংসার ! হয়, ব্রহ্মে সত্তা প্রভৃতির সমান সুলেও কোন জাগতিক হে অধিষ্ঠানরূপে পর্যবসিত হইয়াই উপশান্ত হইয়া যায়। পুষ্প ও | ব্রহ্মে থাকে না। ব্রহ্মে থাকে না। তএব বিরােধ-ভােস হয় এইরূপ দোষ পল্লবের মনে একট যত্ন করিতে হয় কিন্তু পরামার্থ লাভ করিতে প্রদর্শন পুর্মক অপর সম্প্রদায় অর্থাৎ তার্কিকেরা বেদান্ত- কিস্মিতও ঘরে প্রয়ােজন হয় না। অর্থাৎ জ্ঞানপ্রভাবে স্বতই! দৃষ্টান্ত দৃষিয়া থাকেন বটে, কিন্তু তাতে কিছু ফল হয় না; এই এপঞ্চ অলীক হইয়া পরম ব্রহ্মে পরিণত হয়)। গল্প ও কেননা জগৎ স্বপ্ন-সদৃশ। জাগ্ৰদবস্থায় যে সকল হেতু ব্যাপ্যত্ব- পল্লষের মনে অঙ্গ-পরিষ্প আবশ্যক হয়, কিন্তু এই পরমাগলাতে । সিদ্ধ বা বিরুদ্ধ, স্বপ্নাবস্থায় তাহা সিদ্ধ এবং অবরুদ্ধ হইতে বুদ্ধিমত্রও স্পন্সরােধেবই প্রয়োজন হয়, অঙ্গচালনার ত আৰশাক পারে, তারা স্বপ্নাবস্থায় নির্দোষ অনুমানও হইতে পারে, নাইই সংসারশান্তিপ্রদ মহাজ্ঞান লাভ করিতে হইলে সুখাসনে স্বপ্নাবস্থায় তাহাতে অসিন্ধি বা বিরােধ থাকিলেই সপ্তাবস্থায় উপবেশন, যথাসম্ভব ভােগাভােগ, সদাচারবিরুদ্ধ কাধ না করা, সেই হেতু হেত্বাভাসদুষ্ট হইবে, নতুবা নহে। তদ্রুপ ব্যবহারক্ষেত্রে যথাসমত্ম গুরুর আদেশ মত যথাসম্ভব সংসঙ্গে অবস্থিতিও এই এ অনুমান অসঙ্গত হইতে পারে না। ৫৬৫৭। ভূত ভবিষ্যৎ শারে বা (এতাদৃশ) অন্য শাস্ত্রের বিচার আবশ্যক। সেই কালে যাহার অন্তি নাই, বর্তমানেও যাহা বিচার দ্বারা প্রতিপন্ন হয় মহান লাভ হইলে পুনর্জন্ম ও ঘনিষন্ত্রে পতিত হইয়া কষ্ট পূল্পে তাহা মৃত্তিকামাত্র , বিনাশের পরেও মৃত্তিকা মাত্র, সূরা অবস্তু বলিয়াই প্রতিপন্ন হয়। (মনে কর-ঘট, উৎপত্তির পাইতে হয় না। ৪১-৪৫। যে পাপিগণ এই (অনায়াসসাধ্য ) কম্মেও ভীত হইয়া ভােগরসে আসক্ত হয়, সেই অধমগণ নিজ বর্তমানেও তাহা মৃত্তিকা ভিন্ন আর কিছু নয়। ঘট—মৃত্তিকার মাতর বিষ্ঠায় কৃমি বলিয়া কীর্তিত হয়। হে রাখব। আমি এক্ষণে সময়বিশেষের নাম মাত্র) তাদৃশ আশৈশব সহচর জাগ্র-প্রপঞ্চ বিবেকবুদ্ধিগ্ৰাহ সারতর বিষয়সমূহের অবধিস্বরূপ এই জ্ঞান বিষয়ক স্বপ্ন হয়, স্বপ্নে কাৰ্যাকাৰ্য্য বিচার করা যায়, স্বপ্নে চিন্তা- এবং স্বপ্ন-প্রপঞ্চ উভয়ই সমান অর্থাৎ উভয়ই মিথ্যা। নিদ্রা- বিস্তারক শাস্ত্র কহিতেছি, শ্রবণ কর। যে দৃষ্টান্ত ও পরিভাষা পুজাদি করা যায়, স্বপ্নেও দেবতা বা ঋষির অনুগ্রহ বা নিগ্রহের ( অর্থs পক্রম উপসংহাদিরূপ তােধের উপযােগী সঙ্কেত) দ্বারা এই শাস্ত্রের শ্রৰণ ও সম্যক্ অর্থের বিচার হয়, তত্তদ্বিষয়ের ঘষস্থাতেও ফলিয়া থাকে, এই স্বপ্নের যে ধৰ্ম, সংসার বাত্রারই পাত্র হওয়া যায়, স্বপ্নে ঔষদিও পাওয়া যায়—অথচ তাহার ফল অবধারণরূপ অবতরণিকা এক্ষণে শ্রবণ কর। যে দৃষ্ট অর্থ (অর্থাৎ সেই খ, সুতরাং স্বপ্নদৃষ্টান্তই মিথ্যা নহে অথবা স্বপ্নে বর অভি- সাধনা দ্বারা অনুভূত অর্থের বােধ হয়, সেই বোধােপবার রূপ শাপ ঔষখাদি লাভ, ধারণানুসারে বর অভিশাপ ঔষধাদি লাভ এবং গলের প্রদানকারী বিষয়কে দৃষ্টান্ত কহে। ৫৬–৫। হে রাম। যেমন কালে গৃহস্থিত দ্রব্যাদি দীপের সাহায্য ব্যতীত দৃষ্ট হয় সংসার-বাত্রাতেই সেই ভাব—সুতরাং স্বপ্ন, ধারণা বা সঙ্কর এক ধ্যানভাবে যদি নাত গ্রস্থাতেও কার্যকর হয়—সমগ্র না ভদ্রুপ দৃষ্টান্ত ব্যতীত অপূর্ব অর্থের বোধ হয় না। হে ধ্যান (চিন্তাই) সংসারের দৃষ্টান্ত। এই মােক্ষোপায় গ্রন্তের কাকুৎস্য। তােমাকে আমি যে যে দৃষ্টান্ত দ্বারা বুঝাই, সে সমুদয় রচয়িতা বাল্মীকি অন্য যে সমূদয় গ্রন্থ প্রণয়ন করিয়াছেন, দৃষ্টান্তই কারণ-সমন্বিত, কেবল সেই জ্ঞেয় পরমার্থ সত্য পদার্থই তাহাতেও এই নিয়ম জানিবে যে, দৃষ্টান্তসমূহের সম্ভবপর কারণবিহীন ( অর্থাৎ নিত্য)। কেৰল পরম ব্ৰহ্ম ব্যতীত সমুদয় অংশের সহিতই সাম্য। ৫৮-৬। এই জগৎ যে স্বপ্নতুল্য, তাহা উপমল উপমম-পদার্থেরই কাৰ্য-কারণভাব বিদ্যমান আছে। এই শাস্ত্র শ্রবণে শীঘ্রইনে অবগত হইবে, ইহা বলিতে পারা এই ব্রহ্মোপদেশ বিষয়ে তােমাকে আমি যে দৃষ্টান্ত কহিব, সেই যায় না, কারণ, বাক্যও ত যথাক্রমে শ্রোতাকে আয়ত্ত করিবে। দৃষ্টান্তে পরব্রহ্মের আংশিক সাধই গৃহীত হইবে। এই (শ্রোতার কুসংস্কার-জাল ক্রমে বিনষ্ট করিয়া তবে ত বিশেষ অর্থ- ক্ষত বুঝাইবার নিমিত্ত যে যে দৃষ্টান্ত প্রদত্ত হইবে, সমুদয় গ্রহ করাইবে। দেহেতু এই জগৎ-স্বপ্ন, মনঃকল্পিত ও ধ্যান- পাতের ন্যায় মিথ্যাভূত জগতের অন্তর্গত এনিবে। ৫১-৫৫। কল্পিত নগরে স্য, অতএব সেই স্বপ্নাদিই এই গ্রন্থের দৃষ্টান্ত, এ অতএব “খন এক লিয়াকায়, তখন সাকার দৃষ্টান্ত সঙ্গত হয় দৃষ্টান্ত নাই। সুবর্ণ যেমন ফুলের কারণ, ব্ৰহ্মও সেইরূপ জগৎ- করূপে?" মূর্বদিগের মধ্যে এইপ্রকার বিকল্প-অঞ্জনা (তবাদ। কারণ, ব্রহ্ম পদার্থ বুঝাইবার এই এই উপমা দেওয়া হই ।
মােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ । কিন্তু সুবর্ণের যেমন বিকাব আছে ব্রহ্মে অহা নাই, অতএব বিচার ও শান্তিরূপ শাস্বার্থ গ্রণপুক প্রযত্নসহকারে দৃষ্টান্ত উপমা প্রয়ােগ প্রযত্ন বলে, সুবর্ণের সম্পূর্ণরূপ সমতা ব্রহ্মে প্রতিপাদিত পরমপদ আয় করা উচিত। যাবৎকাল আত্মবিশ্রান্তি সিন্ধ হয় না। নির্বিবাদ ধীমান্য ব্যক্তি তত্ত্বাবগতির অনুরােধে না হয়, আৰু কাল ব্যক্তি শাস্ত্রোপদে শ্রবণ, সৌভাব- একাংশমাত্রে উপমানের সহিত উপমেয়ের সাথৰ্য স্বীকার লগন বুদ্ধি, তজ্ঞ ব্যক্তির সমাগম বলে যামে ধৰ্ম্ম, গুরু- করিবেন। পদার্থদর্শনে দীপের আলােক ব্যতীত আধার তৈল শুশষাদির উপদােগী অর্থ এবং শাস্ত্রের অপূর্ণ অর্থ সংগ্রহ বত্তি প্রভৃতি কিছুই প্রয়ােজনে লাগে না। ৬১-৫৬। পদার্থ করত বিচারপরায়ণ হইবেন। হা হইলে, অক্ষয় তুৰ্যপদ প্রকাশে দীপের আলোকমাত্রই যেমন উপযোগী, সেইরূপ উপমা নাম্নী শান্তি প্রাপ্ত হইবেন। যে ব্যক্তি তুৰ্যপদে বিশান্তি লাভ এক দেশের শক্তি দ্বার ই উপমেয়ের অবগতি করাইতে পারে। করিয়াছেন এবং ভবসমুদ্র হইতে সমুণ্ডীর্ণ হইয়াছেন, তিনি দৃষ্টান্তের অংশ মন 'হণ করিয়া ব্যপদার্থ সম্বন্ধে পরিজ্ঞান গৃহস্থই হউন বা যতই হউন, তিনি শ্রবণ মনন কন বা হইল মহাৰাকাৰ্থ বোধ-বন্ধ নিশ্চয় করিবে। কুর্কি না করুন, হাতে ঐহিক ও পারলৌকিক কোন ফলই নাই। হইয়া অনুভবে অপলাপ হ’ এই প্রকার চরম কুতর্ক দ্বারা জিন মন্দর-বিলােডমুক্ত সাগরের নাম, নিশ্চলভাবে অল- তত্ত্বজ্ঞান বিনষ্ট করা উচিত নহে। বিচার করিয়া দেখিলে স্থিত হন। ৬-১০। বোধ্য ভক্তের বোধের নিমিও উপ- বুলিতে পারি, যাগদিগকে শত্রু ভাবিতেছ, সেই সংসার মান উপমেয়ের একাংশ-সাধৰ্ম্মই বুঝিতে হইবে, বােধ কেবল দোষদর্শক ঋষিগণের বাক্য পরবে । বুহ্মের) জনপ্রদ মুখ করিযা খাকা উচিত নহে অং হাদয়ঙ্গম কৰা উচিত । বলিয়া আমাদিগের উপাদেয় , পরমার্থতত্ব যাতে নাই, ভাদুশ যে কোন যুক্তির দ্বারা বোবা বিষয়ের অবশ্য বে ধ + উচিত। বাক্য স্বীয় প্রেস কর্তৃক কথিত হইলেও প্রলাপ বাক্যমাত্র, তাহা যাহাবা সােচু, তারা ব্যকুল হইয়া যুক্ত অযুক্ত বিছুই কখন আগম হইবে না। হে রাম। যে বুদ্ধিবলে ব্ৰহ্মসাক্ষাৎকার দেখিতে পায় না। যে ব্যক্তি দত্মবিশান্ত অনুভবম্ব। সংবিদা- প্রাপ্ত হওয়া ", তাদৃশ বুদ্ধি আমাদের আছে। তারা পূর্বোক্ত কাশ প্রঙ্গ বন্দুতে অনর্থ কল্পনা করে, ' হক (পিচুপ ৰূপে সকল অধ্যা শাস্ত্রেরই এক মহাবাক্যের অর্থ—এক অদ্বিতীয় বল যায় । মেষ যেমন নিল আসাশকে লন করে, অ- অখণ্ড আতঙে তাৎপৰ্য নির্ণীত হইয়াছে। এই আত্মত প্রবাৰ বোধচু ব্যক্তি অভিমান নিবণশ দাশ, বনসাধন অপৰ্যাবধারণই পরম » সার্থ-সাক্ষাৎকারের উপযেণী। বেদান্ত রসিকপ জ্ঞানে বিকল্প উথাপিত বৰত নইকপ বােবকে মলিন বিরােধী শাস্তু তিব তাৎপৰ্য-ক্ষার অননুকুল তর্ক দি দ্বারা করে। ১১-১৫। সমুদ যেমন জলরাশি অখন, ভদ্র পরিপুষ্ট। তামসি' ইত্যদি মহাবাক্য তাহাদিগের মতপরি. সমুদয় প্রমাণ প্রামাণ্যর অকপ এক মাত্র প্রত্যক্ষই পোষক নহে, বিক্ত 'মাদিগের মতপরিপােষক। সুতরাং ইহাই মুগ , অতএব আমি তাই বলতেছি, শৰণ কৰ। সুর বেদনুগত। ৬৬–৭০। প্রত্যক্ষ মধ্যে অপরােক্ষ জ্ঞানকেই উনুগণ সুর বলিয়া অষ্টাদশ সর্গ সমাপ্ত। ১৮ | জানেন, সেই জ্ঞান-জ্ঞান জ্ঞেয় এবঙ্গ-প্রত্যন্ত দ্বারা নিশ্চিতু। সেই অপরাহ্ন জ্ঞানও প্রত্যক্ষ। (নি-জ্ঞা-য়ে- তদ্রুপে বিষয় ব্যপ্তি এবং জ্ঞানকপে উষ্কাসিত জ্ঞান-জ্ঞy যথাক্রমে বেদন, প্রতিপত্তি এবং অনুভব পদা।) এই অনুভব, একোনবিংশ শর্গ। বেদন এবং প্রতিপত্তি এতয়বচ্ছিন্ন সাক্ষী চৈতন্য প্রত্যক্ষ পদের যোগার্থ। আমাদের মতে তিনিই জীব। তাহাই বশিষ্ট কহিলেন—বিশিষ্ট অংশের সাধই উপমাস্থলে গৃহীত বৃত্তি-আকারে সংবিৎ জ্ঞানপদবাচ্য হয়, হয়, সর্বাংশে সাদা হইলে উপমান-উপমেয়ের পার্থক্য রহিল নাত্মক পুরুষই তাষে সংবিত্তি অর্থাৎ ঘটাদি বিষাকরি নি কি ? জীবন্ধের পকপ’বাধনে উপযােগী দৃষ্টান্ত জ্ঞাত হইলে, দার। তঁার বাহরূপ আবির্ভাব হয়, তাহাকে বিসয় অর্থাৎ অখণ্ডাকার চিত্ততির উদয় হয়। মহাব্যকাৰ্থ আত্মতত্ত্ব শূক্তি জ্ঞেয় কহে। জল যেমন তরঙ্গাঙ্গিরূপে প্রকাশিত হয়, সেই তাহাতেই হয়, সেই স্ফুরণ হইতেই অঙ্গন ও অজ্ঞান-কাৰ্য্যের রূপ সেই চৈতন্য মঙ্গল-বিল-প্রভৃতি নানাবিধ নন্তিক্রমে শান্তি হয়, তাই নিৰ্মাণ, সুতরাং নিৰ্ব্বাণই দৃষ্টান্ত-জ্ঞানের কল । শংকুপে প্রতিভাসমান হয়। নেই একা অএব এই দৃষ্টান্ত সর্বাংশে না কতিপয় ধৰ্মাণে? দৃষ্টান্ত ও চৈতন্য পূর্বে সৃষ্টির কারণীভূত না হইয়াও স্বাভাবাপন্ন দষ্টান্তিক অর্থাৎ দৃষ্টান্ত বোধ্য ব্ৰহ্মৰূপ) সম্বন্ধে এইরুপ আপনার কারণ হইয়া উঠিয়াছেন। অবিচারোপন্ন জীবের বিতর্কে প্রয়োজন নাই, যে কোন যুক্তি দ্বারা মহাবাক্যার্থেই অজ্ঞান অসত্য হইলেও কাৰণৰূপে প্রতিপন্ন , সুতরাং সত্যবৎ আশ্রয় দিবে। শান্তিই পরম শ্রেয় জানিবে এবং সেই প্রতীয়মান। অবিচার-সম্বলিত এই অস্বরূপ প্রকৃতিতে জগৎ- শান্তি লাভেই যত্নবান্ হইবে। অন্ন পাইলে জেন করিবে প্রপঞ্চ ও সতাবৎ স্কুরিত হইতেছে। বিচার করিয়া দেখিলে কিরূপে তাল প্রস্তুত হইল ইহার তর্কে প্রয়ােজন কি ? এক সেই প্রত্যক্ষ চদ্য স্বত উৎপন্ন শরীর অর্থাৎ জগংকে আপনিই কারণ-শূন্য, অতর কারণ-সম্পন্ন—উপমান-উপমেয়ের এইরূপ নষ্ট করিয়া পরম মহৎরূপে পরিস্ফুরিত হন। তপন বিচারবান বৈষম্যসত্ত্বেও পরস্পবে, কিয়দংশে সাম্য হইয়াই উপমান পুরুষ আত্মাকে অবগত হইতে পারিলে বিচার ও শালির উপমেয় প্রয়ােগ পূর্ষক সাদৃশ্য প্রদর্শন করা হয়। (তাহার অবিষয়ীভূত পরষে পর্যবসিত হন। मन मा ७ निद्रौर ফল উপমেয়-জ্ঞান)। ১-৫। বিবেকবিহীন হইয়া, পাষাণমধ্যে হইলে, স্বীয় জ্ঞানেক্রিয়ের কার্য্য অনুষ্ঠিত হইলেও কোন ফল জাত স্কুল অন্ধ ভেকের ন্যায় ভােগে আসক্ত থাকা উচিত নহে। নাই, অনুষ্ঠিত না হইলেও কোন ফল নাই, কেন সেই কাৰ্য ১৬-২০।
মুমুক্ষুব্যবহার-প্রকরণ T । অর্থাৎ তাদৃশ জ্ঞান হইতে সংস্কার-উৎপত্তির সম্ভাবনা নাই। মৃত্তিকার ক্ষণিক সংজ্ঞামাত্র, ঘটশরাদি প্রকৃত পক্ষে মৃত্তিকা (বিষয়ব সহিত জ্ঞানেন্দ্রিয়ের সম্বন্ধ হইলে, বিষয়াগ হয়, ভিন্ন আর কিছুই নহে, এইরূপ সকল কার্য সন্ধেই প্রতাক্ষ সেই ভােগ জন্য সংস্কার হইয়া থাকে, তাহাই না, সেই ' করা যায় যে, তাহার কারণই সত্য—কাৰ্য্য মিথ্যা—ব্যবহার বাসনাই জন্মান্তরের মূল, মন শাস্ত্র হইলে, কিছুতেই তাদৃশ করিবার সংজ্ঞাষা। যতদূর প্রত্যক্ষ চলে, তদূর এইরূপই সংস্কার জমে না, সংস্কার না হওয়ায় জন্মান্তরও হয় না। দেখিবে, প্রত্যক্ষ না চলিলে অনুমানাদি যারা বুঝিৰে, কাৰ্যতাৰ সুতরাং সে অবস্থায় বিষয় ভোগ হওয়া না হওয়া সমান )। বা জব কদূর পর্যন্ত আছে। বা জন্তভাব কতদূর পর্য্যন্ত আছে। ঘটের কারণ মৃত্তিকা, পরমাণ ২১-২৫। মন নিরীহ ও শান্ত হইলে, তোমার কর্শ্বেক্রিয়গণ হইতে উৎপন্ন , সুতরাৎ ঘটের তুলনায় ঘট-কারণ মৃৎপিণ্ড ত কর্মে প্রবৃত্তই হইবে না। যেমন যন্ত্ৰী না চাইলে, যন্ত সত্য হইলেও প্রকৃতপক্ষে তাহা মিথ্যা, কেননা মপিণ্ডের কোন কম্বেই উপযােগী হয় না, তদ্রুপ। দুইটা ফাইনালিকার। কারণ পার্থিব পরমাণুই মৃত্তিকার প্রকৃত অবস্থা--মৎপিণ্ড সংজ্ঞা- অফরে দুইটা কাষ্ঠময় মেষ থাকে, অন্তর্গত সূত্র টানিয়া মাত্র, এইরূপ কারণ-পরম্পরা আলোচনা করিলে বুখিবে, যাহ। তাহাদিগকে লড়াই করাইতে হয়, অতএব অন্তরের সূলেই ! প্রকৃত সত্য, তাহার কারণ নাই। কারণ খাকিলে প্রকৃত সত্য সেই কাঠমেষের সংঘণের হেতু তদ্রুপ মনোখন্ত্রের গানে বা পারমার্থিক সং' হয় না। যাহাতে সৰ্ধকারণের পৰ্য্যবসান, মূল বিষয় বাসন। * মন হইতেই বিষয়ে আবির্ভ হয়, , যাহার কারণ নাই তিনিই পরমার্থ সৎ, সেই সংবই ব্ৰহ্ম। সুল্লাহ বিনবাসন ন হইলে মন সঞ্চণিত হয় না, এ কথা স্বী প্রাক্তন প্রধঃ ভিন্ন দৈব । আর কিছুই নহে। যে পুরুষ জিকপে বলা য স ? ইহার উওৰ এই যে যেমন বানুর অভ্যন্তরে । সাধক অর্থাৎ মুমু, তিনি ইন্দ্রিয়াদি বিজয় দ্বারা শরপে পরিচিত তাহার সচপলন শক্ত নহিত আছে, উদ্ধপ বিনয়বাসনার 'ইয়া সেই দৈ-পদাশাক দূরে পরিহার করত স্বীয় পৌরুষপ্রতাৰে অভ্যন্তবেই শফিক ভোগ ও চিন্তার বিষবীভূত অং সংস্কার- নিজ দিয়েই উম ব্ৰক্ষ সাক্ষাৎকার প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। যে কাপ বিরাজিত ।। সংস্কার অবস্থায় পবিণত বিজলি পর্ব ঈীয় বুদ্ধি অনন্ত বঙ্গ সাক্ষাৎ না করতে পার, সে বাসন-বিন্দু মন হইতে—Fশরূপে প্রকাশ পাইয়া থাকে)। পর্ণা চার্চগণের প্রাণসিদ্ধ সত্য মত অনুসরণ পূর্বক ঈশ্বৰ সঙ-ও। প্রান বামনা উদিত হইব। মাত্র বিশাল : বিচার কর। ৩১-৩৫। দিম গুলা বলি এবং বহ অভ্যন্তরকপ ইত্যাদি কপে সেই বাসনার । একোনবিশ সর্গ সমাপ্ত। ১৯ প্রকাশ হইয়া থকে। অনন্থর ঈশ্বরই বিভিন্ন মলিন-উপাধির ন সর্গ দেহাদি দৃষ্ণ বকেই নিজের সকপ মনে করি, শ্রী' অবস্থান করেন। স্বৰূপ প্রকাশ নিজের ধারণ- বিংশ সর্গ। সাবই হইয়া থাকে। ১৬-৩০। সেই সাত্মা,—যথায় যে ভাবে সমুরসি, তথায় সেই ভাবে তদৃশ রূপ প্রাপ্ত বশিষ্ঠ বলিলন --মুমু ব্যক্ত প্রথমে সাধুসঙ্গ, সাধুজলে থাকেন। সৰ্বদশী পরমাত্ম। সসকপ বগ্ন যেন দৃশ্য- উপদেশগ্রহণ ওদাচ'রশিক্ষ' দ্বারা স্বীয় প্রজ্ঞা বর্ধিত করিবে। ৰূপীও হইয়া থাকেন কিন্তু দুষ্টা থাকিলে তবে ৩ প্রকৃত অনন্ত মহাপুরুষের লক্ষণসরে স্বীয় মহাপুরুষত্ব সম্পাদন শ হইবেন? (যদি সকলেই দৃশ্য, তবে দ্রষ্টা হইবে কে?) করিব ' যদি সমগ্ৰ মহাপুরুষ-লক্ষণ কোন এক পুরুষে না আর বাস্তবিক পক্ষে তিনি দৃঙ্গই আছেন। অর্থাৎ কাৰ্য্য পাওয়া যায় ত যে পুরুষ যে গুণের প্রজবে জনধারণ হইতে মাত্রই ভোগা এবং সেই ভােগ্য বিষয় মাত্রই মরিচীকা উচ্চাসনে দেদীপ্যমান, সেই পুরুষের সেই গুণ শিক্ষা করিয়া সলিলের শ্যাষ মিথ্য, যেরূপ ভ্ৰম-সলিলের আশ্রয় মরীচিকা, , তারা প্রজ্ঞা রদ্ধি করবে। হে রাম। শমম'দি গুণ ও প্রকৃষ্ট সেইপ ভোগ্য বস্তুরও অশিয় বন্ধ। কিন্তু দৃষ্টিশক্তির দোষে প্রজ্ঞাই মহাপুষের লক্ষণ' গম জ্ঞান ব্যতীত এই নবীচিকায় যেমন জম হয়, অজ্ঞান দোষে এক্ষেই সেইরূপ। মহাপুষত্ব সিদ্ধ হয় না। যেমন নব অঙ্কুর—বৃষ্টিসলিলে জগৎ এম হয়। আশয়-প্রত্যক্ষ হইলে, ভম অপনীত হয়, বুদ্ধিপ্রাপ্ত হই। ক্রমে ফলসম্পদে প্রশস্ত হয়, তদ্রুপ মদমাদি মরীচিকা প্রত্যক্ষ হইলে তাহাতে আর জল-ভ্রম থাকে না। সদাচার জ্ঞানপ্রভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়া আন্তরিক দল—আত্মসুল ত ল বন্ধ প্রতাক্ষ হইলেও হাতে আর জগম উৎপাদন করত শ্নধ্য হইয়া থাকে। অন্ন দ্বারা যজ্ঞ করিলে থাকে না বটে, কিন্তু যতদিন তাহা না হয়, ততদিন ব্ৰসই বৃষ্টি হয়, বৃষ্টি হইলে আবার অন্ন উৎপত্তি হয়, সেইরূপ জ্ঞান জগংকপে প্রতিভাত হন। অতএব তিনি যদিচ ভােগ্যমধ্যে দ্বারা শমমাদি গুণের বৃদ্ধি হয়, আবার শমমাদি গুণ হইতে গণনীধু হইবার উপযুক্ত, তথাপি মরীচিকা প্রতিভাত সলিলের ধন্স, উত্তম জ্ঞানের বৃদ্ধি হয়।–৫। যেমন পদ্ম হইতে সমােবরের শৈত্য প্রভৃতি প্রকৃত পক্ষে যেরূপ মরীচিকায় থাকে না, সেইরূপ শ্রীবৃদ্ধি এবং সরােবর হইতে পরে শ্রীবৃদ্ধি হয়, তদ্রপ জ্ঞান ভোগ্য তাৰা দৃশ্য তা ব্ৰহ্মও প্রকৃত পক্ষে নাই। অন্য মাত্রই হইতে শমমাদির বৃদ্ধি এবং শমলমাদি হইতে জ্ঞানের বৃদ্ধি হয়। যখন মিথ্যা, তখন—সত্য স্বরূপ এই অষের কারণায় নাই, সদাচার হইতে জ্ঞানবৃদ্ধি হয় এবং জ্ঞান হইতে সদাচারের বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ তত্ব আলোচনাতেও এই অদ্বিতীয় ব্রহ্মসিদ্ধি হয়। হয়। এই জ্ঞান ও সদাচার পরস্পর পরস্পর বর্ধক। শম আর অনুমানাদি ত প্রত্যক্ষেরই অংশভেদ। অর্থাৎ ঘটশরাবাদি দম প্ৰভন্ন প্রভৃতি দ্বারা সুনিপুণ মহাপুরুষের চরিত্র আদর্শ = সহ মনসি শাস্তে সতি টীকাকার—প্রাক্তত্বমাত্রে দৈমিতি কলক্ষিত অধীনােহমিতি পালপরো ঘঃ পুরুষ ইত্যাখ্যাই।
৫ যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। করিয়া মতিমান মুকু জ্ঞান ও মহাপুরুষাচার অভ্যাস করিবে। সদাচার তােমাকে উপদেশ দিলাম। এক্ষণে উত্তর প্রকরণে হে বংশ। যে পর্যন্ত জ্ঞান ও সদাচার যুগপৎ অভান্ত না হয়, ¥ জ্ঞানের প্রধান করিব। এই যশঙ্কর, আয়ুস্কর, মােক্ষপণ সে পর্যন্ত, দুভয়ের কোনটাই সম্পূর্ণ আয়ত্ত হয় না। যেমন । সৎশস্ত্র তৎ-তত্ত্বজ্ঞ বিশ্বস্ত পুরুষের নিকট মভিমান কলমধান্যরক্ষিকা কষককামিনী উচ্চ করতালি দিয়া ক মুমুক্ষু শ্রবণ করিবে। তুমি এক্ষণে ইহা শ্রবণ করিয়া পরম পদ করায়, কলম-খান-ক্ষণার্থী বিমলের নির্বাকরণ এবং সঙ্গীত প্রাপ্তিহেতু মানসিক নিন্মলতা তৎক্ষণাৎ প্রাপ্ত হইবে, যেমন প্রমােদ উতাই প্রাপ্ত হইয়া থাকে, তদ্রুপ মুক্ষু পুরুষ, ক- অবিল সলিল, কতক (নির্মল বীজ) সংসর্গে নির্মলতা প্রাপ্ত ভিমান পরিত্যাগ ও বিষয়-বমনা বর্জন দ্বারা জ্ঞান এবং হয়—ড্রপ। প্রকৃত সাধনপ্রভাবে মননশীল মুমুক্ষুর অন্তঃকরণ সদাচাৰ পদ যুগপৎ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। * হে রঘুনন্দন। আমি অজ্ঞান প্রাপ্ত হইলে, নিজের প্রেরণা না থাকিলেও পৰম পদে প্রবিষ্ট হয়, শুধু যে প্রবিষ্ট হয়, তাহা নহে, তত্ত্বজ্ঞান এভাবে * অত্র পক্ষে জ্ঞানসংকুরুযহাভ্যামি ভেদে তৃতীয়। অস্ক | অনাদি নিরাকরণ পূর্বক যে পরম পদ প্রকাশিত হইয়াছে, পদমিত্যনননা। টীকাকারমতে—নিস্পৃহ কর্তৃত্বহীন মুমুক্ষু। অন্তঃকরণ তাহাকে আর পরিভাগ করিতে পারে না, পুরুষ জ্ঞন সদাচার অনুষ্ঠান দ্বারা আনুষঙ্গিক বিনাশের সহিত বিংশ শর্গ সমাপ্ত।২০। পরম পদ প্রাপ্ত হন—এইরূপ সুদ। মুমুক্ষুব্যবহার-প্রকরণ সম্পূর্ণ। ।
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ ৫ উৎপত্তি-প্রকরণ। । বলি, শ্রবণ কর। অনন্তর তােমায় ইচ্ছানুসারে ইহার বিস্তৃত বিবরণ প্রথম সর্গ। বলিব। স্বপ্ন যেমন সুপ্তিতে লয় প্রাপ্ত হয়, তদ্রুপ এই চরাচর বশিষ্ঠ বলিলেন,-জীব-ব্ৰক্ষের অভেদবোধক তত্ত্বমসি' প্রভৃতি জগৎও প্রলয়ে বিনষ্ট হইয়া থাকে। ৬—১০। ওকাল যে ক্ষতি-বাক্যের অর্থ-পর্যালোচনা গুণে যে ব্ৰন্ধেব অর্থ্যৎ জীবের অনির্বচনীয় সংপদার্থ অবশিষ্ট থাকেন, তঁাহার নাম নাই, তিনি ও ব্রহ্ম এক কিন') আত্মপ্রকাশ হইয়াছে, তিনি আত্মতত্ত্ব তখন অভিব্যক্তি, তিনি ভেজ নহেন, অন্ধকারও নহেন, তিনি সাক্ষাৎ করিয়া পারমাণিক সত্য মুক্ত পূর্ণবক্ষপেই প্রকাশ পান নিক্রিয় এবং অপরিচ্ছিন্ন। পণ্ডিতগৰ বাক্য-এয়ােগ-ব্যবহার- কেননা, জীব যে কারণে ব্রহ্মরূপে প্রকাশ পায় না, সেই সংসারবন্ধন সিদ্ধির জন্য পরমাত্মার ঋত, আত্মা, পরব্রহ্ম, সত্য, ইত্যাদি নাম -জীবে । প্রত্যক্ আত্ময়) স্ববং অবস্থিত। (সুতরাং জাগরণে কল্পনা করি থাকেন। তিনি শুদ্ধচিংঙ্গভাব হইলেও সৃষ্টির [যেমন গরে অবসান হয়, তদ্রুপ আত্মপ্রকাশেই সেই বন্ধনেও সময় আপনিই আত্মমায়ায় জডকপে বিবর্তিত হইয়া জীবনাম অপনয়ন হইয়া থাকে)। এখনও যে সব মান অধিকারী বেঙ্গ- ' বিড়ম্বিত জীবতাৰ যেন পরিগ্রহ করিয়া থাকেন (তিনি ঈশ্বর)। বাক-শ্রবণাদি-উপায়ুযােগ ব্রহ্মের স্বরূপ অবগত হন, তাহ'রও । অনন্তর সেই চৈতন্যময় য মনােব প্রাপ্ত হইয়া সঙ্কর বিকল্প বৃক্ষপে বিরাজ করেন। সংক্ষেপে যাহা বলিয়াছি, তাহ'র মৰ্ম্মানু- | অবলন হেতু জড় ভাৱে সম্বন্ধ বাহুল্য প্রাপ্ত হইলে পর প্রাণ পারে সিদ্ধ হইল, জগৎ প্রপক্ষ (রজ্জতে ভ্ৰম-সর্পের স্যায়| বাপ ও পভূতরূপ পরিগ্রহ করেন। মনােভাবপ্রাপ্তির পর যেরূপে, ঙ্গেই অধিষ্ঠিত, (ব্রহ্মেই পৰ্যবসিত ব্ৰহ্ম ভিন্ন স্ব-সত্তা' প্রণকপালি গ্রহণ করেন, তাহার পদ্ধতি এই যে, মনােভাবপ্রাপ্তি তার নাই । সুতরাং ইহা কি, কাহার সৃষ্টি এবং কাহাতে ' হেতু স্বীয় পরমাত্মভাব যিৰণ হওয়ায়,সুস্থির সাগর হইতে অস্থিব অবস্থিত ইত্যাদি সমুদয় প্রশ্নেরই উত্তর হইয়াছে। হে বিচক্ষণ। তরঙ্গের ন্যায়, সেই চৈতন্য হইতেই সঙ্কল-বিকাজি মননধৰ্ম্ম এই সমস্ত বিষয়ের বিবরণ জ্ঞান, বস্তু, ক্রম ও স্বভাব অনুসারে প্রকটিত হয়। ১১-১৫। সেই সমষ্টি মনােবপ্রাপ্ত হিরণ্যগর্ভ আমি বিদ্যুত করিব, বণ কর। আত্মার স্বরূপ আকাশবং নিরাকার নামক চেষ্যই আপনিই পূৰ্ব্ব সংস্কার অনুসারে বিবিধ সম্বল এবং চৈতন্য সরূপ। তিনি জীবরূপী হইয়া জগৎ দেখিতেছেন, করেন। সেই সত্যসঙ্গ এভাবেই প্রণদিব-প্রাপ্তি-পুরার এই জগৎ-দর্শন পদ্মশনের তুল্য। তুমি, আমি, ইত্যাদিরূপ ইজলেপম এই জগতের আবির্ভাব হয়। যেমন সুবর্ণবল সুবর্ণ তীয়মান জগৎসংসার স্বপ্ন-উপমায় উপমেয়। অর্থাৎ জগৎসর্শন ' হইতে পৃথক্ নয় এব বলয়ের সুবর্ণকেও সুষরলয় হইতে পৃথক্ ত্যি, কিন্তু জগৎ মিথ্যা, যেমন স্বপ্নদর্শন সত্য, কিন্তু স্বপ্নদৃষ্ট বিষয় । বলা যায় না, ড্রপ ব্রহ্মের সত্তায় যাহার সত্তা—সেই জগৎ বৃক্ষ মিখ্যা হয়। মুমুক্ষুব্যবহার প্রকরণ কীত্তনের পর এক্ষণে জগতের হইতে পৃথক্ নহে, ব্রহ্মও জগৎ হইতে বিভিন্ন নহেন। এই পরি- উৎপত্তি-গকরণ কীৰ্ত্তন করিতেছি, শ্রবণ কর। ১-৫। দৃশ্যপ্রপঞ্চ ' দৃশ্যমান জগতের প্রকৃত অস্তিত্ব ভ্রমভাবেই পৰ্যবসিত, কিন্তু জগ- কাছে বলিয়াই বন্ধন। সুজাং দৃশ্যের অভাব হইলে আর বঞ্চন ভাবে পৰ্য্যবসিত নহে, যেমন সুবর্ণবলয়ের অস্তিতা সুবর্ণভাবেই কে না। যে প্রকারে দৃশ্য অভাবপ্রাপ্ত হয়, তাহা বলি, মে পর্যবসিত, বলয়ভাবে নহে, (বলয়ত কণিক নামমাত্র—সুবর্ণ- বণ কর। এই জগতে যে জন্মে, সেই বৃদ্ধি পায়, সেই মুক্ত হয় । বলয়কে যদি সত্য বলিতে হয়, তাহা হইলে, হার সুবর্ণভাবকে এবং স্বর্গ নরক ভোগ করে। যেহেতু তুমি নিজের স্বরূপজ্ঞান | গ্রহণ করিয়াই বলিতে হইবে। যেমন মরু-মরীচিকায় নদীঅঙ্গ বা খাকায় বন্ধ আছ, সেই হেতুঙ্খা পূর্বে যেমন থাকেন, { অসভ হইলেও গভৰং প্রতীয়মান হয়, তদ্রুপ এই ইন্দ্রজাল রেও সেইরূপ থাকিয়াই সংসারক্ষেত্রে উৎপত্তি সম্বন্ধ প্রাপ্ত হন, ময় জগৎ অসত্য হইলেও মনের প্রভাৰে সত্যবৎ প্রতীয়মান হয়। এই সমস্ত বিষয় তােমার আত্মস্বরূপ-জনার্থ বনি করিব। হে সেই কারণে তত্ত্বশী পণ্ডিতগণ এই অগরে অবিদ্যা, বি। এই প্রকরণের প্রতিপাদ্য—সংসারের উৎপত্তি সংক্ষেপে সংস্কৃতি, বন্ধ, মায়া, মােহ, মহৎ, , এই সাতটা নাম প্রদান যােগবাশিষ্ট-রামায়ণ। -০। অতএব ইহাই করিয়া থাকেন। ১৬২০। হে চান। আমি প্রথমে তােমার পাষাণ-ভাবনায় পাবণপরিণামে স্থাপিত করিয়া অবান করেন নিকট ফের স্বরূপ কীর্তন কৰি শ্ৰবণ কর পরে মেরে স্বরূপ তাহা হইলে,সে পরিণামের অবসানে পুনর্বার তাহার দৃশ্য দর্শন বর্ণন করি। বংসা দর্শনকার প্রতিষিচৈতন্যের দৃশ্যপদার্থের হইবেই হবে এবং এ পর্যন্ত কোনও যােগীর নির্বিকল্প সমাধি সহিত যে সম্বন্ধ, হাই বন। উক্ত দ্রষ্টাই দৃশ্য দ্বারা বদ্ধ এক পাষাণতুল্য হইয়া অনন্তকাল স্থিতিপ্রাপ্ত হয় না, ইহা সকলেরই দৃশ্যের অভাবে মুক্ত। “তুমি, আমি” ইত্যাদিবিধ মিথ্যাভেফজিত অনুভবসিদ্ধ। পাষাক-পরিণামী নির্বিকল্প সমাধি অনন্তকাল ছির জংই দৃশ্য নামে অভিহিত হয়। যাবৎ ঐরূপ জগৎ বিদ্যমান থাকিলেও তাহাড়পরিণতি) অনাদি অনন্ত শান্ত শ্রেষ্ঠ জ্ঞান থাকে, ভবং মুক্তিলাভ হয় না। অনর্থক প্রলাপ বাক্যের ন্যায় 'ই স্বৰূপ মুক্তিপ্রদ হইতে পারে না। নাই, এ সকল অলীক” ইত্যাদিবিধ বাক্য উচ্চারণ করিলে দৃষ্ট সিদ্ধান্ত যে দৃশ্য যদি সত্য হইত, তবে কখনই তাহার অবসান বেবরূপ ব্যাধির শান্তি হয় না, অধিকন্তু তাহা বৃব্ধিই পায় , কেননা, হইত না। তপ, জপ ও ধ্যান করিলে দৃশ্যের পরিহার সাধিত ঐসকল মৌখিক বাক্য,মানসিক বিক্ষেপের জনকই হইয়া থাকে। হ, ইহাও অনভিভের কানামাত্র। (তবে 'তপাদি চিত্ত- বিচারকগণ বলিয়াছেন, অর্কের আতিশয্যে তীর্থসেবায় ও নিয়মাদ্রির শুদ্ধির হেতু বটে)। যেমন পদ্মমধ্যে ভবিষ্যৎ কমললতিকার শূন্ম অনুষ্ঠানে এই সত্যৰং প্রতীয়মান দৃশ্য জগৎকে তুচ্ছ করা যায় না। অবস্থা—পদ্মবীজ লুক্কায়িত থাকে, তেমনি, ভ্রষ্টাতে দৃশ্য- কিন্তু যিনি মনকে আত্মবিচারে নিযুক্ত করেন, তিনি জগংকে অবস্থা—দৃশ্যবুদ্ধি লীন অর্থাৎ সংস্কাররূপে নিহিত থাকে। পদার্থ- উপেক্ষা করিয়া চলিয়া যান । এই দৃশ্য জগৎ যদি সত্য সত্যই বিশেষে রস, তিলে তৈল ও কুসুমে সুগন্ধের স্যায় দর্শনকাতে থাকে ত কদাচ ইহার অবসান হইতে পারে না। কারণ, দৃশ্য বিদ্যমান থাকে। যেমন পূদি পদার্থ যে স্থানেই থাকুক অসতের সত্তা ও সরে অভাব সখা অসম্ভব। অপরিজ্ঞেয় না কেন, সেই স্থানেই গন্ধ উদ্ভব করে, সেইরূপ জীবভাবাপন্ন চৈতন্যম্বরূপ আত্মসাৎ দৃশ্যনিবৃত্তি না হয়, তাবৎ—যথায় যথায় চিদাঝা যেখানে থাকুন, ভদীয় উদরে দৃশ্যজগর উদ্ভব হইবেই। অবস্থান করিবেন, তথায় তথায় এমনকি পরমাণুগর্তেও তাহার যেমন তুমি স্বীয় অনুভববলেই হৃদয়ে স্বপ্নসঙ্কস এবং মানস দৃঙ্গ দর্শন হইবে। আমি সেই কারণেই সুরাপানে তৃপ্তি রাজ্যাদি বুঝিতে পারি, তদ্রুপ দৃশ্যপদার্থও হৃদয়ে আছে ইহা আছে এই ধারণার পরিত্যাগ করার গল্প ‘দৃশ্য জগতের বুঝিতে পারিবে। যেমন স্বচিন্তের কল্পনাপ্রভব পিশাচ বালকগণকে অস্তিত্ব আছে এইরূপ ভ্ৰম, তপস্থা ধ্যান ও জপের অভ্যাসে বিনাশ করে, তেমনি, এই দৃশ্যরূপিণী পিশাচী ভষ্টাকেই হনন চিত্তশুদ্ধি সাধনপূর্বক পরিত্যাগ করিয়াছি। এক্ষণে কোথাও করিয়া থাকে। যেপ বীজের অন্তর্গত অঙ্কুর উপমুক্ত দেশ কাল তাহার কলঙ্কলেপ দেখা যায় না। হে রাম! যাবং জগতের প্রাপ্ত হইলে বৃহৎ বৃক্ষ হয়, সেইরূপ, অন্তঃস্ক চিৎসংযুক্ত চিত্তে দর্শন ঘটিবে, তাৰং পরমাণু মধ্যে থাকিলেও চিংস্বরূপ দশে সংস্কাররপে অবস্থিত দৃঙ্খনও দেশ কাল ও অবস্থাদিক্রমে বন্ধ জগতের প্রতিবিম্বপাত হইবেই হইবে। যেমন দর্পণ বিস্তৃত প্রাপ্ত হয়। যেমন বীজাদির অন্তরে বৃক্ষশক্তি সর্বদাই বিদ্যমান ৰা সঙ্কীর্ণ যে স্থানেই থাকিবে, সেই স্থানেই তাহাতে শৈল সার থাকে, কিন্তু কখন সে শক্তি বিলুপ্ত, কখন বা পরিত্যক্ত বােধ ভুল সলিল ও নদী প্রতিবিম্বিত হইবে, চিস্বরূপ দর্পণেও হয়, সেইরূপ চিত্ৰশরীর জীবের অনুব্রও তদীয় স্বভাবরূপ অজ। সেই প্রতিবিম্বপাত বশতই চিৎস্বরূপ আত্মায় পুনপুনঃ জগং সর্বদা অবস্থিত রহিয়াছে। সময়ভেদে মাত্র গুপ্ত বা ভক্ত পরিবর্তনশীল, দুঃখ, জরা, মরণ, জন্ম, জাগ্ন, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি ঘটিয়া বােধ হয়। ৪৩–৪৮। থাকে। সমাধিকালেও আমি দু দেখিতেছি না, তাহা মার্জন প্রথম সর্গ সমাপ্ত ১ করিয়া অবখিতি করিতেছি এইরূপ সংস্কার বিদ্যমান থাকে। সেই সংস্কার সংসার-স্মরণের অক্ষয় বীজ (সেই বীজ পুনঃপুনঃ সংঝরাহুর প্রসব করে। অতএব সবিকল্প সমাধি দৃঙ্গ মার্জনের দ্বিতীয় সর্গ। হেতু নহে)। তবে নির্বিকল্প সমাধি হইলে চৈতন্যরূপত্ব এমন কি নির্বাণ পৰ্যন্ত হইতে পারে বটে, কিন্তু দৃশ্যসত্বে নির্বিকল বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রাঘব। ঐতি-সুখকর আকাশ, সমাধি হইবে কিরূপে? যেমন সুবুপ্তির অবসানে সমুদায় পূর্বতন (হিরণ্যগর্ভ ) বিপ্রের উপাখ্যান শ্রবণ কর। ইহা শ্রবণ করিলে জ্ঞানের উদয় হয়, তদ্রুপ সমাধি হইতে উখিত হইলেও পুনর্বার উৎপত্তি-প্রকরণ সম্যকরূপে বুঝিতে পারিবে। ধ্যানপরায়ণ, পূৰ্ববং অখণ্ডিত-দুঃখ-পরিপূর্ণ জগৎ প্রতিভাত হইয়া থাকে। সতত পরহিত-তৎপর, পরম ধাৰ্মিক আকাশজ নামে এক বিল রাম। পুনর্বার যখন অনর্থভােগে নিপতিত হইতে হস্তু, তখন এরূপ বাস করেন। তাহাকে চিরজীবী দেখিয়া মৃত্যু চিন্তা করিলেন, ক্ষণিক সমতা-সুখে ফল কি? ৩১-৩৫। যদি মনে কর, কস্মিন্ “আমি অৰিনশী এবং ক্রমশঃ সকল প্রাণীকেই ভক্ষণ করি কালেও নির্বিকল্প সমাধি ভঙ্গ না হইলে অনন্ত সুবুথিসম আমল কিন্তু এই আকাশজ বিপ্লকে কি নিমিত্ত ভক্ষণ করিতে পারি ব্ৰহ্মপদ লাভ হইতে পারে , ত তাহার উত্তর এই যে, মনােনামক নাগধারা যেমন পাষাণকর্তনে পয়ালু হয়, সেইরূপ এই মূল দৃষ্ণ যখন আছে, তখন যত্ন যোেগীরাও সম্পূর্ণরূপ দৃ মার্কিন ব্রাহ্মণে আমার শক্তি পরাহত হয়। এই ভাবিয়া মৃত্যু সেই করিবেন কিরূপে? তাশ চিত্ত যে যে বিষয়ে নিবিষ্ট হইবে সেই ব্রাহ্মণকে হনন করিতে (পুনরপি) গৃহে গমন করিলেন। সেই বিষয়েই জগদ্ভ্রম হইবে, ড্রষ্টা যদি আপনাকে বলপূর্বক কোন উদযােগশীলপুরুষ স্বৰুৰ্ম্মে উদ্যমত্যাগ করে না। ১-৫। অনন্তর মৃত্যু যখন ভগৃহে প্রবেশ করেন, তখন কমান্তবচ্ছিল। * বিচারং কারয়তি ইতি কিপ বিচারকা। ষষ্ঠী চালারে। অনল ইহাকে দগ্ধ করিতে লাগিলেন। (পি) মৃত্যু অগ্নিশিখা টীকাকার বিচারকাইতি সম্বোধনে, কর্তৃপঞ্চোইমিত্যভিএতি। বলয়ভেদ করিয়া অভ্যন্তরে প্রবেশ করি অাহ্মণকে দেখিয়া কর ।
উৎপতি-প্রকরণ বাঝা যত্নসহকারে খরিতে ইচ্ছা করিলেন, কিন্তু মৃত্যু বলবান , অভাবে যাহা উন্নপন্ন হয়, তাহা স্ককারণ হইতে চিত্র নহে, ইহা হইয়াও সঙ্কলিত পুরুষকে যেমন ধরা যায় না, সেইরূপ ' অনুভবসিদ্ধ। ইহার অন্য কোন কাৰণ নাই, সেই জন্য ইহাকে ঐ ব্রাহ্মণকে সম্মুখে দেখিলেও হতশত দ্বারা ধরিতে সমর্থ হইলেন ব্যয় (আপনিই উৎপন্ন) বলা হয়। ২৬–৩০। ইহার পূর্বে অনন্তর মৃত্যু, রুচ্ছেদকা থমকে আসিয়া জিজ্ঞাসা অধুনাও যখন কোন কর্তৃত্ব নাই, তখন উহাকে কিরুপে আক্রমণ কৰিলেন, “হে প্রভো! আমি আকাশ বিপ্লকে কি নিমিত্ত কৰিৰে সত্যসঙ্কল্প নে জীব ‘আমি পৃথিবী প্রভৃতি পঞ্চভুতেই জােন করিতে সমর্থ হইতেছি না?..যম কহিলেন, “তো। কা' এইরূপ দৃঢনিসম্পন্ন হইবেন, তখন তিনি পার্থিব বলিয়া তুমি একাকীত্ব দ্বারা উহাকে মারিতে পারিবে না। বন্ধু ব্যক্তি। পরিগণিত হইবেন এবং এই হিরণ্যগর্ত ও বুদ্ধিতে মৃত্যুকনা কই(এসঞ্চি ক) ধের হেতু, সেই কর্ম উহার নাই' করিবেন। তৎকালেই হিরণ্যগর্ভের ব্যষ্টিভূত জীবকে ঝটিতি বলিয়াই উহাকে তুমি বধ করিতে পারিতেছ না, অন্য কোন কারণে | আক্রমণ করিতেও পারা যায়। পৃথিবী এভূতিৰ সম্বন্ধ জ্ঞান নহে। ৬-১০। অতএব তুমি যত্ন পূর্বক বিনাশনীয় এই বিপ্রের না থাকাতেই ইকোন আকার নাই। আকাশকে যেমন দৃঢ়- কৰ্ম্ম সকলম্বেষণ করিয়া আইস, তাহার সাহায্যেই ইহাকে উদয় রজু-দারা গ্রহণ করিতে পারা যায় না, সেইরূপ নিরাকার ঐ সাৎ করিতে পারিবে। অনন্তর মৃত্যু হার কন্বেষণে তৎপর বিকে গ্রহণ করিতে পারিবে না। মৃত্যু কহিলেন ভগব। হইয়া চতুর্দিকৃনদী, সরােবর, বন-জঙ্গল, পর্বত, দেশদেশান্তর- আকাশ শূন্য, তাহা হইতে কিরুপে উনি উৎপন্ন হইলেন? পৃথিবী সাগরতীর, দ্বীপান্তর, গ্রাম, নিখিল রাষ্ট্র ও নগরসমূহে ভ্রমণ করিতে প্রভূরি কখন সত্তা ও কখন অসত্তা হয় কেন? আমাকে বলুন। লাগিলেন। সেই মৃত্যু এইরূপ যত্বপরায়ণ হইয়া ভূমণ্ডল ভ্রমণ যম কহিলেন, ঐ আকাশজ বিপ্র কখনই উৎপন্ন হন নাই, চির করিলেন, কিন্তু বন্ধ্যাপুত্র যেমন পাওয়া যায় না, একের সঙ্গণিত দিন বিদ্যমান আছেন। উনি কেবলমাত্র বিজ্ঞান প্রভা ও পর্বত যেমন অঙ্গে পায় না, সেইরূপ কোন স্থানেই সেই আকাশজ নিরাকার পে অবস্থিত। ৩১-৩৫। মহাপ্রলয়কালে কিছুই বিপ্রের কর্মের অনুসন্ধান পাইলেন না। ১১-১৫। অনন্তর অবশিষ্ট থাকে না, কেবল একমাত্র শান্ত শুন্য নিত্য প্রকাশমান সাকোবিদ যমের নিকট আসিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন। অনুজীবি- মৃন্ম নিরুপাধি অনন্ত অজর পরব্রহ্মই থাকেন (সেই এই ইছর গণের কোন কষ্য কাৰ্য্যে সংশয় উপস্থিত হইলে প্রভুরাই তাহার স্বরূপ)। তাহার পর সৃষ্টিপ্রান্তে বাসনা ও অদৃষ্টসঞ্চিত জীবের মীমা স করিয়া দেন। মৃত্যু কহিলেন, প্রভাে। আকাশজ বিপ্রের অবিদ্যানিবন্ধন, জ্ঞানমা-স্বভাব ঐ ব্রহ্মের অতিন্নিধানেই পৰ্বত- ক কোথায় আছে বলুন। অনন্তর ধৰ্ম্মরাজ যতক্ষণ চিন্তা করিয়া প্রমাণ ‘আমি দেহ’ইত্যাকার তেজােময় বিরাটুরীর ঈষৎ স্কুরিত বলিতে লাগিলেন, “হে মৃত্যো।" আকাশজ বিপ্রের কোন কম্মই হয়, তখন সেই অবিদ্যকারণে ঐ মিথ্যাভূত আকার কাকতালীয়- নই, এই আকাশজ বিপ্র কেবল আকাশ হইতেই উৎপন্ন হই- বং সহসা দৃষ্টিগােচর হইয়া থাকে। (ব্ৰহ্ম আকাশবৎ, হিরণ্য। যাছন। যে পদার্থ আকাশ হইতে উৎপন্ন, তাহা নিৰ্ম্মল আকাশই গর্ভের উপাধি—অজ্জল জলাশয়তুল্য, ব্ৰহ্মপ্রতিবিশ সেই উপা ইবে অভিমান বি-বাসনদি মরণের সহকারী কারণ, ঐহিক ধিতে নিপতিত হইয়া জলাশয়ের ধন্য বিক্ষোভাদির আশ্রয় হন কম্ম ইছর নাই। বাপুত্র ও অনুৎপন্ন পদার্থের সম্বন্ধের ন্যায় সেই উপাধিই তেজোময় বিরাটু শরীর নামে কথিত। জলাশয়ের প্রাল কঘের সহিত ইহার সম্বন্ধও একেবারেই অলীক। ব্যষ্টি যেমন জলের কিয়দংশ, দ্রুপ হিরণ্যগর্ভের ব্যক্তি প্রক ১৬-০। যখন অাকাশ ভিন্ন অন্য কোন কারণই নাই, তখন তিনি সাপ্লজীব) সেই হিরণ্যগর্ভই এই আকাশজ ব্রাহ্মণ। ইনি সৃষ্টি- অকাই। আকাশে মহাক্ষের ন্যায়, ইহাতে প্রাক্তন কর্ম প্রান্তেও আকাশশারে নির্বিকল আকাশরূপ অবলম্বন করিয়া নাই। পূৰ্ব্বকৰ্ম্ম না থাকায়, ইহার চিত্ত অবশীভুত নহে অবস্থিত। ইহার দেই, কর্ম, কর্তৃত্ব, ৰা ৰাসনা কিছুই নাই। ইনি এবং এই ব্রাহ্মণ অদ্য ভােগ্য কোন কৰ্ম্মই সরুদ্ধ করেন নাই, বিশুদ্ধ চিদাকাশ বিজ্ঞানমনরূপে ফুরিত আছেন। ইহার প্রাক্তন তরাং এই আকাশজ বিপ্র অকাশকোষাত্মা বিশদাকাশরূপ বাসনা-জল কিছুই নাই। যেমন তেলের দীপ্তিই রূপ, সেইরূপ কারণেই (ব্রহ্মে) অবস্থিত এবং নিত্য , অন্য কোন কারণই আকাশ-রূপী ঐ ভক্ষার আকা ব্যতীত আর কোন রূপই নাই। ( আকাশ ব্যতীত ) ইহার নাই। ইহার কোন প্রাক্তন কর্ম নাই বেদনা অর্থাৎ বহির্মুখচিৎপ্রবৃত্তি পর্যন্ত শান্ত হইয়া গেলে উহার ঐ এবং অদ্যতন কও ইনি কিছুই করেন না। ইনি কেবল প্রতিভাসিক শরীরও থাকে না। চিদাকাশের সরূপ পরিচয় বেদনা- বিজ্ঞান ও আকাশ স্বরূপ। তবে যে আমরা ইহার প্রাণ শান্তির হেতু। অতএব ইহাতে পৃথিবী প্রভূক্সি সম্বন্ধ নাই। হে ও দেহাদির ক্রিয়া লখিত করি, তাহা কেবল স্বীয় মৃত্যো ! অতএব ইহঁর আক্রমণে যত্নবান হইওনা। আকাশকে অবিদ্যা-ভ্রম মাত্র। বাস্তবিক ইছার হাতে কৰ্ম্মবুদ্ধি কেহ কখন গ্ৰহণ করিতে পারে না। মৃত্যু ইহা শ্রবণ করিয়া নাই। ২১-২৫। যেমন লুকোদিত কাষ্ঠপুত্তলিকা প্রন্তু বিস্মিত হইয়া স্বমন্দিরে গমন করিল (৩১-৪৪। রাম কহিলেন, হইতে অভিজ্ঞ হইলেও উহা হইতে বিভিন্ন-আকার দেখায়, ভগ। আমি বােধ করি, আপনি সেই স্বয়ম্ভূ অজ একাত্ম সেইরূপ চিন্ময় ব্রহ্মে অধিষ্ঠিত চিন্ময়ী প্রপঞ্চ-বনাও স্বীয় বিজ্ঞানময় (জীবসমষ্টি স্বরূপ) মদীর প্রপিতামহ ব্রহ্মার কথাই আকার চিৎ হইতে বিভিন্ন দেখাইয়া থাকে। ফলত ঐ বলিলেন। বশিষ্ঠ কহিলেন,—তাহাই বটে, আমি তােমাকে ঐ ব্রাহ্মণ আকাশ হইয়া অবস্থিত। যেমন জলে ভ্ৰত্ব, আকাশে ব্ৰহ্মা কথাই বলিলাম, পুর্বে মৃত্যু ইহার নিমিভই যমের সহিত পৃষ্ণ এবং বায়ুতে শব্দ অবস্থিত, সেইরূপ এই আকাশজ বিতর্ক করেন। যতরকালে সর্বভক মৃত্যু যখন প্রজাসমূহ বির পরম পদে অবস্থিত (অর্থাৎ তাহা হইতে ভিন্ন)। ভক্ত করায় বলবান হইয়া ঐ ব্রহ্মাকে আক্রমণ করিতে উদযােগ ইষ্টার ইদানীন্তন কসঞ্চিত নাই এবং পূর্বকও নাই, করেন, তখন রাজ বম ভাঙ্গকে ঐরূপ, উপদেশ দেন। যে সেই কারণে সংসারের খাতাও হন না। সহকারী কারণে যাহা নিত্য করে, তাহাতেই তাহার (অভ্যাস বশত) প্রবৃত্তি হয়।
T মরে নগরভ্রমের ন্যায় (পাব না হইলেও ) যােগবাশি-রামায়ণ (মৃত্যুও গ্যাস ব্ৰহ্মাকে আক্রমণ করিতে গিয়াছিলেন। গর্ভের নাই, তাদৃশ শরীর-সম্বন্ধও নাই।) রাম পুনরপি প্রশ্ন এই ব্রহ্মা কাশনী, ইহাকে আক্রমণ করিবে কি রূপে । ঐ করিলেন, ভগ। সকল প্রাণীরই আভিবাহিক ও বিজেতিক ব্ৰহ্মা মনোমাত্র—পৃশ্যালি-কাৰ-বিহীন সঙ্কমাত্ৰ। যিনি চিলাকা এই বিবিধ দেহ আছে, ব্রহ্মার এক দেহ কেন? (আমাকে বলুন। রপেই আকারের মূল কক্ষে, তিনি চিনাকাশই, হায় কোন বশিষ্ঠ কহিলেন,-অন্য সকল প্রাণীর চাদি ব্যবহারিক প্রমাণ কারণ (উৎপাদক) নাই এবং তিনি কাহারও কাৰ্য্য (উৎপাদ) দ্বারা জ্ঞেয় পঙ্গীত-সমষ্টিরূপ কারণ আছে বলিয়া দুইশরীর নহেন। ৪-৫। যেমন এই আকাশ পার্থিব না হলেও আছে। কিন্তু লহ্মাৰাত কারণ না থাকায় একই আছি- ইন্দ্রনীলময় মহা টাহৎ প্রকাশ পায়, মননশষে সঙ্কলিত ব্যহিক ছু আধিভৌতিক দেহ নাই। এই অক্ষা সকুল পুরুষের আকার যেমন লক্ষিত হয়, তেমনি ইনি পৃাজি-রহিত ভুতের পরম কারণ, কিন্তু ইনি অবিক্রিত বলিয়া ইহার কোন হইলেও আপনি প্রকাশমান হন, সেই ইহাকে স্বল্প বলা কারণ নাই,সেই কারণে ইহার এক দেহ। এই প্রথম প্রজাপতির যায়। পৃথিব্যালি না থাকিলে নির্মল আকাশে মুক্তাবলী ভ্রম এবং আধিভৌতিক দেহ নাই, ইনি কেবল অতিবাহিক দেহধারী ও ঐশয় শরীরের প্রকাশ হইয়া থাকে। ইনি কেবল পরমাত্মা, মাত্র-শরীর, পৃথিবী প্রভৃতির ক্রম সম্বন্ধ তাহাতে নাই। ঐ আদ্য সেই জন্য ইহাতে ভ্রষ্টত্বত্ব কিই নাই। কেবল চিত্র প্রজাপতি আকাশ-শরীর হইয়া প্রজাসমূহের সৃষ্টি করেন। সেই স্বভাবতই লক্ষিত হয়, বাপি ইনি স্বয়ম্ভু হইয়া প্রকাশমান সমূদয় এজাও চিলাকাশস্বরূপ, কারণানন্তর সহকার ব্যতীত যাহা হন। সকলই মনের রূপ, সেই মনকেই অর্থাৎ মনোভাবাপন্ন যাহা হইতে উৎপন্ন, তাহা আহাই (কারণই), ইহা সকলেরই চৈতঙ্গকেই ৰহ্মা বলা হয়, এই পুরুষ সঙ্কলকাশরূপী, অনুভসিদ্ধ। পরমবােধ স্বরূপ নিবাণ পুরুষ ভান্তিবশত চিত- ইহাতে পৃথ্যাদি নাই। যেমন চিত্রকরের অন্তঃকরণে (পুত্তলিকা মাত্র হইলেও তিনি বাস্তবিক চিলাকাশ, ভৌতিক-পুরুষাদিক নির্মাণের পূর্বে ), দেহহীন পুত্তলিকা উদিত হয়, সেইরূপ প্রাপ্তি সঁহার হয় না। ঐ চিত্তদেহ সংসারব্যবহারী সমুদয় জীবের এই ব্রহ্মা চিমাকাশের স্বচ্ছ প্রতিবিম্বগ্রাহক মনস্বরূপ হইয়া প্রথম প্রম্প ও তাহা হইতে প্রথম অহতাবের উদয় হয়। যেমন চিলাকাশে প্রকাশমান হন। আদি-মধ্যবিহীন অনন্ত কেবল বায়ু হইতে স্পণ উৎপন্ন হয়, সেইরূপ ঐ প্রথম প্রতিস্পন্দ, ব্ৰহ্ম) চিলাকাণই ঐ ব্ৰহ্মা, ইনি স্বয়ম্ভু হইয়াও নিজচিত্ত দ্বারা আকার- হইতে অবিভিন্ন অর্থাৎ তৎস্বরূপ প্রজাসমূহের বিস্তার হয়। বা পুরুষের ন্যায় প্রকাশিত হন। বাস্তবিক ইহার শরীর ১১-১৫। এই জীবনমূহ পরমার্থ চিন্মাত্রাকার ব্রহ্ম হইতে উৎপন্ন বাপুত্রের ন্যায় মিখ্যা। ৫১৪। হওয়ায় টিমাত্র স্বরূপ হইলেও এই প্রত্যক্ষ অচিন্ময় আকারে অর্থাৎ দ্বিতীয় সর্গ সমাপ্ত। জড়াকারে প্রকাশমান হইতেছে এবং ইহাই সত্য বলিয়া জীবের অনুভব হইতেছে। অসও যে সত্যবং কার্যকর হয়, তাহার দৃষ্টান্তস্বপ্নের মধ্যে অস্ত্রী-মুরত। ঐ স্বপ্নসঙ্গম অলীক হইলেও যেমন সত্যের ন্যায় কার্যকারী (খাতু-ক্ষয়াদি) হওয়ায় তৃত গর্গ। সত্য বলিয়া প্রকাশমান হয় । সমস্ত ভূতের ঈশ্বর আকাশীকৃতি রাম কহিলেন,—গবন। আপনি মনকে শুদ্ধ ও পৃথ্যিাদি আত্মপৃথ্যাদি-বিহীন ও দেহবিবর্জিত হইলেও দেহবান পুরুষের বহিত কহিলেন, পৃথ্যাদিরহিত ঐ মনটু ব্রহ্মা কহিলেন ইহা সত্য কায় প্রকাশিত হন। ঐ ব্ৰহ্মা সংবিৎ ও সরূপ এবং স্বীয় বটে, কিন্তু ব্ৰহ্ম। যেমন আপনার আমার ও অন্যান্য প্রাণিবর্গের স্বভাবের (রুপের) স্বায়ত্ত নিবন্ধন কখন সমুদিত হন না, কখন শরীরের প্রতি প্রাক্তনী স্মৃতি কারণ হয়, সেইরূপ এই ব্ৰহ্মণবীরের বা লমুদিত হন। এইরূপ পৃথ্যাদি-বিবর্জিত চিত্র-শরীর প্রতি প্রানী স্মৃতি (সংস্কার কারণ হয় না কেন? অহা সঙ্কলপুরুষ ব্ৰহ্মাই কেবল ব্রিজগৎস্থিতির কারণ।১৬-২০। আমাকে বলুন। (পূৰ্বে ৰশিষ্ট ব্ৰহ্মাকে মনােক্সপ বলিয়াছেন, প্রাণিগণের ফর্মের অনুসারে এই স্বল্পস্তুর সঞ্চল যেরূপ আকারে বাসনাজলকেই মন বলা হয়, অবে এই ব্রহ্মার প্রাক্তন বাসনাজাল প্রকাশিত হয়, তখন তিনি তােমার সঙ্কল-প্রতিভাত পর্বতের কিছুই নাই, ইহা বলা সঙ্গত হয় কিরূপে? এই কলহে রাম ঐরূপ স্যায় সেইরূপ ভাবে প্রকাশিত হন। সংসারী প্রাণীগণ, সুদৃঢ় জিজ্ঞাসা করিলেন)। বশিষ্ঠ উত্তর করিলেন—যাহার পূর্বকৰ্ম্ম অবিস্মৃতি যার আভিবাহিক দেহ অর্থাৎ নিরাকার ভুলিয়া সমলিত পূর্ব অর্থাৎ নিজদেহ বিদ্যমান আছে, তাহারই প্রাক্তনী গিয়া আধিভৌতিক নেহ জ্ঞানে, পিচেরায়, প্রতিভাত হইতে স্মৃতি শরীরের কারণ হয়। ব্ৰহ্মার যখন কোনপ্রকারই প্রাক্তন কৰ্ম্ম থাকে। কিন্তু এই বিরিঞ্চির রূপ মাশবলিত ব্রহ্মের সাহায্যে নাই, তখন কিরূপে তাহার প্রানী স্মৃতি শরীয়ের কারণ হইবে। উৎপল এবং সমুদয় কুলপ্রপঞ্চ অপেক্ষায় মূলকারণ সূক্ষ্মভূতাত্মক ও অতএব উহার শরীর স্বতই উৎপন্ন অথবা টিস্বরূপ যে মন, সেই ভূতসলেই প্রত্যক্ষ আবিভূত, অতএব উহাতে মাে- তাহাই সেই শরীরের কারণ। এই চিৎ হইতে তিনি পৃথক নহেন, অণের আহ্বান নাই এবং শুভ সংবিবরূপ; এইকারণে তাহার এতএব তাহাকে যতই উৎপন্ন বলা যায়, এই এক হয় না। আভিবাহিক ভাবে বিস্মৃতি হয় না। প্রথমে আধিভৌতিক দেহ- অয়। ১৫। হেম! এই স্বল্পর কাতিবাহিক দেহই আছে। এত উৎপন্ন হয় না, এই নিমিত্ত এই বিরিধিৰ মন্ত্ৰীচিকার গায় ইলিযখন অবিবতি, তখন ইহার আধিভৌতিক দেহ উৎপন্ন মিখ্যাত ও জাতি-কাপ-পিচিকা ( আধিভৌভিক ভল) হয় না। (বাসন প্রভৃতি অজৰ হিরণ্যগর্ত খাৰৰ উৎপন্ন হয় না। যখন একা একমাত্র অপ, পৃথ্যাদি স্বরুপ ব্ৰহ্মৰণ করিয়াই কৃথিত হইয়াছে। ফুলেমুখী বাসনা- নহেল অব এইচ বি নিঃস্বরূপইমিং ইয়াতেও ফলে মৃত্যুর অধিকার নেীর সম্বন্ধ হয়, তাদৃশ বা হির- বাৰিক এভিীতিক ভাৰ নাইকা যে ৰম্ভ হইতে f উৎপতি-এর। উৎপন্ন, তাহা আহাই, দৃষ্টান্তমূৰণ কুণ্ডল। ২১৫। এবান করিতে লাগিলেন। অত্রত কিঞ্চিপজলও শরহিত বিবর্জিত ব্ৰহ্মার কোন সহকারী কাৰণ নাই। সেই কারণে পস্থিত হায়ীত ও শুকপক্ষী সকল ক্রীড়ায় বিমুখ হইয়া সেই ব্রহ্মা হইতে উৎপন্ন এই জগতেরও কেন সহকারী ছিল। এগণের স্বত্ব বিলাল বিস্মৃত হইয়াছিল এ তথা কারণ নাই। কারণ হইতে কাধ্যের বৈচিত্র্য কিছুমাত্র নাই; সমবেত সকলেই নিয়ে যায় অবস্থান করিতেছিল। যাণ বিশুদ্ধ কারণ, কাৰ্যও তাদৃশ হইবে, ইহা হির। কাৰ্য অখন মুহূৰ্তাৰণিষ্ট দিবস সহনীয়াত হইতে বিকিরণের সহিতই ও কারণের যখন বাস্তবিক কোন পার্থক্যই উপশম হয় না, লােকের ব্যবহারসমূদয় অভাব ধারণ করিল এবং প্রল-প, তখন পরব্রহ্মও যাদৃশ, এই জগয়ও অদৃশ্য (তাহার কোন গন্ধহী সুখম্পূর্ণ সান্ধ্য সমীরণও সেই বাক্য এ জন্যই যেন মৃদু সন্দেহ নাই। যখন ব্রহ্ম মনােভাবাপন্ন হইয়া এই জগতের মৃদু হিতে লাগিল। সুৰ্য যেন বশিষ্ঠেপদেশের সদর্থ অবধারণ সৃষ্টি করিয়াছেন, তখন সলের জৰ যেমন হইতে করিবার ভাই দিন রচনা হেতু ভ্রমণ-কাৰ্য্য পরিত্যাগ করিয়া বিশুদ্ধ (অর্থাৎ অবিন্যা- অস্তাচলের নিল-এদেশে গমন করিলেন এবং বিজ্ঞান শ্রবণে সম্পর্কবিহীন) আত্মা হইতে পৃথক নহে। মনই সঙ্কলনগরের অলীলতা শান্তির ন্যায় তুষারপাতজনিত একাকারানভূমিকে স্যায় ও গন্ধপুরের ন্যায় বিখ্যাত এই বিশাল প্রপঞ্চ আশ্রয় করিল। প্রাণিগণ স্ব স্ব কাৰ্যত্যাগ করিয়া একাগ্রচিত্তে বিস্তার করিয়া। ২৬-৩০। বুজতে সত্বের ন্যায় বাস্তবিক | বাক্য-শ্রবণার্থে সমবেত হওয়ায়, দশদিক তাহাদের গমনাগমন আধিভৌতিকতা তাহাতে নাই। ব্ৰহ্মপ্রভৃতি তত্ত্বজ্ঞগণ প্রবন্ধ, রহিত ছিল এবং তখন সকল বস্তুর ছায়া দীর্ঘা হওয়ায় যেন বশি তাঁহালের ত আধিভৌতিকতা থাকিবার সন্তালাই নাই। যখন বাক্য শ্রবণ বাসাতে স্কন্ধ উন্নমিত করিয়াছে বলিয়া বােধ হইল। এলুমতির আবািহিক দেহই নাই, তখন তাহাদিগের আখি- | এমন সময় বরপাল আসিয়া সমুখে নম্র হইয়া মহারাজকে ভৌতিক দেহের কথাই হইতে পারে না। এই জগৎ বিরিঞ্চি- কহিল, হে দেব। স্নানের ও দেবাৰ্চনার কাল অতীত হইছে। অকারধারী মনােমক মনুষের মনােরজ হইলেও ইলােক- ইহা শুনিয়া বশিষ্ঠ স্বীয় মধুর বাক্যের উপসংহার করিয়া কহিলেন, দিগের নিকট তাহা সত্য বলিয়া প্রতীত হয়। মনই বিরিঞ্চির' হে মহারাজ। অদ্য আপনারা এই পৰ্যন্তই নিলেন, প্রভাতে শরীর, ও সঙ্কলাত্মক, সেই সক্ষমাত্মক মনরূপী ব্ৰহ্মাই অবশিষ্ট কহিব। ইহাতে রাজা স্বীকার করিয়া কাল বাসনায় সশরীর (সঙ্গম) বিস্তার করিয়া এই বিশ্ব সৃজন করিয়াছেন। পুপ পদ্য অর্থ দক্ষিশাদি প্রদানে দেবতা ঋষি মুনি ও বিরিঞ্চি মনের কপ, বিরিঞ্চির শরীর মন, পৃথ্যাদি ইহাতে ব্রাহ্মণদিগকে অতি সমাদরে পূজা করিলেন। ১-১৩। নাই, কিন্তু মন দ্বারাই ইহাতে পৃথ্যাদি কল্পিত হয়। পদ্মবীজে সভ্যস্থ নৃপতিগণ মুনিগণ ও অন্যান্য সকলেই গাত্রদান কমললতিকার অবস্থিতির ন্যায় মনােমধ্যে দৃর্গ অবস্থিত। করিলেন। তাঁহাদিগের মুখমণ্ডল মণ্ডলাকৃতি মন্ত্রালঙ্কারে ব্রিাজিত মন ও দৃশ্যকে কখন কেহই ভিন্ন বলিতে পারে না, (মনের স্বর্ণপট্টোপম বল সুন্দরহারে সুশােভিত এবং পরস্পরের সত্ততেই ঐ দৃশ্য দর্শন হইয়া থাকে, মনের উদ্দে হইলে অঙ্গসর্বণে কেয়ুর ও কঙ্কণভূষণের ধ্বনি হইতে লাগিল। দৃত দর্শনেরও উদ্দে হইয়া থাকে।) ৩১-৩৬। যেমন তাঁহাদিগের শিরস্থিত পুষ্পমানের অভ্যন্তরে ভ্রমরনিক নিশ্রিত তােমার মনােমধ্যে সপ্ত, সঙ্কলও মনােগঠিত রাজ্য অনুভূত হয়, ছিল, এক্ষণে তাহারা প্রবুদ্ধ হইয়া ‘ গুন’ ধ্বনি করিতে থাকা দৃশ্যও সেইরূপ হৃদয়েই বিজ্ঞেয়। অতএব বর্ণকের চিত্রকল্পনা- বােধ হইল যেন তাহাদিগের কেশকলাপ উপদেশ শ্রবণ-জনিত সস্তৃত পিশাচ যেমন বালককে ভয় প্রদর্শন পুৰ্ব্বক মৃতপ্রায় করে, সন্তােষ বা প্রকাশ করিতেছে। তাহাদিগের স্বর্ণাভরণের প্রভায় ( অর্থাৎ ফলতঃ ঐ পিশাচ অলীক, সেইরূপ ভ্রষ্টারই অন্তর কল্পিত দিঘল সুবর্ণময় প্রতীয়মান হইতে লাগিল এবং সমবেত খে দ্রষ্টাকে বিভীষিকা দেখার ফল ইহাও ঐরূপ অলীক » ও ভূগণ বশিষ্ঠ-বাক্যের সম্যক্ অর্থবােব ইরিতি খে যেমন বীজের অন্তস্থ অতু উপযুক্ত দেশে ও কালে বৃহদাকার করিয়া স্ব স্ব স্থানে গমন করিলেন ও নিজ নিভু ভবনে দৈনিক কাকা ধারণ করে সেইরূপ এই দৃশ্য (মন) দেশ-কাল প্রাপ্ত হইয়া সম্পন করিলেন। এমন সময় শ্যামবর্ণা রানী এনসঙ্গ-নিজ স্কুলরূপে বাহিরে প্রকাশ পায়। দৃশ্য যদি সত্য হয়, তাহা যুবতী কামিনীর মত নয়নগােরা হইল। দিবাকর দেশান্তর এক- হইলে কাচ দৃ দুখের শান্তি হয় না, দৃশ্যের উপশম না শিত করিবার জন্য গমন করিলেন, সর্বত্র সমান ভাবে আলােকমান হইলে বােজ কৈবল্য লাভ করিতে পারেন না। অসম্ভব করাই সংরুষের ব্রত। ক্রমে ক্রুটি কিংশুককাননা বসােভার হইলে যােজাতে বােৰ শত হয়, সেই বােধ্য-বােদ্ধভাৰ স্থায় নবনিয়শালিনী সন্ধ্যা দেবী উদিত হইলেন। খুব শান্তিনিবন কেলকেই পণ্ডিতগণমোকছেন। ৩৭-৪০। চিতে বি-ব্যবহারের মত পলিগণ চুত কদ ও নীল রক্ষের অগ্রভাগে গ্রামের চৈতেও গৃহাভ্যন্তরে স্ব স্ব নীড়ে আশ্রয় গ্রহণ তৃতীয় সর্গ সমা।। করিল। তখন পশ্চিমাঞ্চল, কুহুকান্তি-সদৃশ তেমুখ দিবা দ্বিতীয় দিবস সমাপ্ত। করে কিরলে সুরঞ্জিত যে সমূহ ধারণ করা যােব হইলালিল কেন ঐ গভরা মরুপ পতন ও নক্ষত্র- মালাকপহার ধারণপূর্বক বিষ্ণুর ন্যায় অবস্থিত হয়- চতুর্থ পর্গ। লে। ক্রমে সব পূজা গ্রহণপূর্বক প্রস্থান করিলে, বন্ধীকি কহিলেন-হে বৎস! শংলি মণিষ্ঠ প্রকাকে দেখারী বেতালের ভীষণরকার সফল সমাগত হইল এবং এই প্ৰকাৰ সাৱধান পকেউ দিতে থাকি, তা হিনশাহীনশীল বাৰু পৰিচয়কে মূহ শিত সমবেত ব্যক্তি বা শেলী হইয়া একাগ্রচিত্তে কৰিয়াৰতে লাগিল। তখন পর্যন্ত চাহ একাশিত মােগবাশি-জামায়ণ। না হওয়ায় দি সকল দীর্ঘ-কৃষ্ণ-কে-শালিনী শােকাজা কিবা কল এবং স্বল্পসৃষ্ট অট্টালিকার ভিত্তি দর্শন সকলই অলীক, কামিনীর মত অপ্রাপ্ত হইতে লাগিল। অন্তর অমৃতময় জঙ্কপ ভ্রষ্টীয় বুদ্ধি ভম শত্র। এই দৃশ্য সফল যে দুষ্টায় চত্ররূপ ক্ষীরসাগর জোরূপ দুপ্রবাহে ত্রিভুবন পুরিত করত উক্তপ্রকার অভিন্ন ভাবে অবস্থিতি করিতেছে, তাহা তুমি আকাশে উপস্থিত হইলেন। ৭। বশিষ্ঠের জ্ঞানগর্ভ উপদেশ অচিরাৎ বােধগম্য করিতে পারিবে। হে রাম। শীঘ্রই আমি এবশে রাজাদিগের চিত্ত হইতে অজ্ঞানের ন্যায় তিমিরনিকর পলা- তােমার চিত্ত-ষপণের উক্ত মালিন্য দূর করিব। ৪০-৫২ মুনপূর্বক কোথায় অদৃ হইল। ঋষি মুনি আহ্মণ ও নৃপতিরা তােমার মন দৃশ্য অর্থাৎ বি লেখিতেছে, তাহাই ত্বীয় ভিতের সকলেই আশ্চৰ্য্যাবিত হইয়া স্ব স্ব আশ্রমে বিশ্রাম করিতে মালি, তাহা পরিমার্জিত হইলে তখন আর দৃশ্য দর্শন হইবে লাগিলেন। ক্রমে যমের ন্যায় ভীমাকৃতি অন্ধকারময়ী রজনী না এবং তখন তুমি নির্মল অর্পণের স্থায় স্বচ্ছ হইবে। ফলের অগস্ত হইতে থাকিলে হিমশালিনী ঊষাদেবী লক্ষনগােগাচর হই- অভাব হইলে জটা যে অদষ্টা হয়, তাহারই নাম কৈল। ঐ সময় নেন। এভাতপনের সম্পর্কে-নিপতিত পূনিকরের ন্যায় আকাশ সমস্তই সপ আঁয় অবশেষিত হয়। যেমন বায়ু স্পন্দন- হইতে প্রদীপ্ত নক্ষত্রনির অন্তর্হিত হইল। মহাত্মদিগের অন্তঃ- হইলে বৃক্ষলতাদি লিঙ্ক হয়, সেইরূপ আত্মার সহিত একতা বিবেক-বুদ্ধির ন্যায় প্রভাশালী দিবাকর পুনরায় অন্তরীক্ষে হইলে চিত্তস্পন্দন অপগত হইলে চিস্থিত জগন্বেষাদ ও বাসনা- দৃষ্টিগােচর হইলেন। এক্ষয়ে পূৰ্ব্বাচলও ফুফুরাগের ন্যায় উদয়েন্মুখ নিচয় দূৰীভূত হয়। যে প্রকাশে চৈতময় জ্ঞান দিক ভূমি সূর্যের কিরণজালে সুরঞ্জিত মেঘখণ্ড ধারণ করায় বােধ হইতে আকুশ ইত্যাদি প্রকাশ্য জ্ঞেষ প্রকাশ পাইয়া থাকে, সে লাগিল যে, ঐ গিরিবর মেম্বরূপ পীতবসন ও নক্ষত্ররাজি-রূপ হার প্রকাশ প্রকাশ্যহীন অর্থাৎ দিগদিহীন হইলে মহুক্ত নির্মল ধারণ করিয়া বির মত জরীতে উপস্থিত হইলেন। ক্রমে আত্মপ্রকাশের উদাহরণ হইতে পারে। যখন তুমি আমি, ত্রিজগৎ খেচর ও ভূচর প্রাণিগণ নিজ নিজ প্রাত্য সমাপন করিয়া সমুদয় দৃশ্য অসং বলিয়া বোধগম্য হইবে, তখনই জানিবে দর্শক সমবেত হইলে পূর্বের স্যায় পুনরায় সভা গঠিত হইয়া বায়ুস্পর্শ- মল ও কল্যপ্রাপ্ত হইয়াছেন। যেমন দর্পণে শৈল প্রভৃতি + নিম্পন্দা পর্কিনীর ন্যায় শােভা পাইতে লাগিল। অনন্তর বহিঃপদার্থের প্রতিবিম্ব না পড়িলে দর্পণ কেবল হয়, তেমনি রামচন্দ্র কোন একটা প্রস্তাব করিয়া বাগ্বিশ্রেষ্ঠ মুনিবর দ্ৰষ্টায় তুমি আমি জগৎ' এভাব না হইলে বা এ দর্শন না বশিষ্ঠকে মধুর বাক্যে কহিলেন,হে প্রভােবর হইতে এই থাকিলে ড্রষ্টারও আত্মকৈবল্য হইয়া থাকে। রামচ কহিলেন, নিখিল সংসার প্রকাশিত হইয়াছে সেই মনের কি প্রকার হে প্রভে। যাহা সৎ, তাহা নষ্ট হইবার নহে এবং যাহা অসৎ রূপ, ভাই আমাকে স্পষ্টরূপে বসুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, অথং অবিদ্যমান, তাহারও ভাব অর্থাৎ উৎপত্তি অসন্তুব। এই হে রাম। যেমন শূন্যময় জড় আকাশের নাম ভিন্ন আর কিছুই অশেষ দোষ সঙ্কুল সৎপে প্রতীয়মান দৃশ্য যে অসং তাহা আমি নাই, দ্রুপ এই শৃঙ্গাত্মক মনের কোন প্রকার রূপ দেখা যায় বুঝিতে পারিতেছি না। হে দেব ' সেই কারণেই বলিতেছি, কিরূপে না; এই মন কি বাহিরে কি অভ্যন্তরে কোন স্থানেই কোনরূপে আমার এই ভ্রমকারিণী ও নানা দুঃখদায়িনী দৃশ্য-বিচিকার শান্তি নাই, অথচ সর্বত্রই আকাশের ন্যায় অবস্থান করিতেছে। হইবে, তাহ। বলুন। ৫৩-৫৯। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম । ৮১। সেই মন হইতে মৃগতৃষ্ণা-জলের ন্যায় এই সংসার এই দৃশ্য-পিশাচের শান্তির জন্য মন্ত্র বলিতেছি শ্রবণ কর , যাহা উৎপন্ন হইয়াছে; সুজ্ঞাৎ তাহার রূপ নর সঙ্গত-জণিত শুনিলে ঐ সমুদয় দূরীভূত হইবে । হে রাঘব। যাহা আছে, দ্বিতীয়-চত্র দর্শনের স্যায় ভ্রমপূর্ণ। পূর্বে নহে, পূরেও নহে, মধ্যে তাহার কদাচ বিকাশ নাই, পর পর অবস্থা দ্বারা পূর্ব পুৰু যে সৎ অথবা অসং বিষয়ক জ্ঞান হয়, তাহাই মনের আকার, অবস্থার পরিবতন হয় মাত্র। সেই প্রদর্শনপ্রাপ্ত দূরে ইহা অবগত হও—অর্থাৎ যাহা অন্তরে ও বাহিরে বন্ধুর আকারে বী (সংস্কার) বুদ্ধিতে সুপ্তিকারে বুদ্ধিতে ও মহাপ্রলয়ে প্রকাশ পায়, তাহাই মন, এতদ্ব্যতীত মনে অন্য আকার নাই। প্রকৃতিতে) অবস্থিত থাকে। সেই বীজ (অর্থাৎ সংস্কারীভূত সুলই মন। যেমন দ্রব হইতে সলিল ও স্পন্দতা হইতে বায়ু জগৎ। আবার চিলাকাশে পুনর্বার লােক ও পৰ্বতাদি সমুদয় ভিন্ন নহে, সেইরূপ মনও সঙ্কল্প হইতে ভিন্ন নহে , পাহাড়ে দৃশ্য অষ্টরূপে প্রকাশিত হয়, তাহা হইলে সংসারই হইত, মুক্তি সঙ্কল্প, তাহাতেই মন ; দুঃসঙ্গ ও মন ভিন্ন নহে মন হইত না, যেহেতু অনেক নেতা ঋষি ও মুনিদিগকে জীবন্ম সত্য হউক বা মিথ্যা হউক, পদার্থরূপে প্রকাশিত হওয়াই মন দেখা যায়, ইহাতে যদি এই দৃশ্য-জগৎ সত্য সত্যই থাকিত, তাহা এবং উহাকেই অর্থাৎ সেই মনােভাবাপন্ন চৈতই পিতামহ হইলে কেহই মুক্ত হইলে পারিতেন না। দৃশ্য বাহিরে থাকে ব্রহ্মা বলিয়া জালিবে। হে রাম। আভিবাহিক-দেহরূপ ব্ৰহ্মাই থাকুক, হাতে ক্ষতি নাই, পরন্তু তাহা অন্তরে থাকাই লাশের মনােনামে খ্যাত হইয়া আধিভৌতিক বুদ্ধি প্রদান করেন। কারণ অর্থাৎ অন্তরে ঐ দৃশ্য দর্শন হইলে মুক্তি হয় না। হে রাম। মনীষিগণ এই দৃশ্যমান প্রপঞ্চে বিদ্যা, সংস্কৃতি, চিত্ত, মা, আমার ভীষণ প্রতিজ্ঞা শ্রবণ কর, যায় বক্ষমাণ বাৰুে তােমাকে বল, মল এবং তমঃ এই প্রকার অনেক নামের উল্লেখ বুঝাইব। এই যেসম্মুখে আকাশ ভূতাদি ও অন্তরে অহংরূপ প্রভৃতি করেন। এই প্রপঞ্চ যতীত মলের অন্যবিধ রূপ নাই এবং দৃশ্যমান হইতেছে, সেই সমুদয় ব্যবহার-দশায় জগৎ,কিন্তু পরমার্থ এই বৃও বাস্তবিক উৎপন্ন নহে। যেমন কমলবীজে কমল-বারী দশায় অজর অমর ও অয় অন্ধ, ব্ৰহ্মব্যতিরেকে জগৎ (স্বাস্থ) অবস্থান করে, সেই মত মহাটি পরমাণুর মধ্যে শব্দের নামান্তর নাই। পুর্ণে পত্রে প্রকাশ, শান্তে শাস্তের অবস্থান, এই সিজগৎ অবস্থান করে , যেমন পিলার্থে আলােক, আকাশে আকাশের উম ও ব্রহ্মেই অন্ধ অবস্থান করিয়াকে। বায়ুতে চালতা এবং এলে তরুলতা, সেইরূপ দ্রষ্টা পরমাত্মায় যত অষ্টা ও ননাই, ইহা শত এ অঞ্চও নয়, কেবল তাকে নিয়ত অবধি এবং যেমন সুবর্ণে বলম্ব, মরীচিকায় শান্তিময়। ৬১-৭০। রামচ লেগেছে। বাজ ।
উতি -এর। ৫ পর্বত পেষণ করিতে গান কৰিছে, এ সময় ও ওদিগে দেহে, এগুয়ে, সলিলে, লতা, ফুলিতে, ভুল বিস্তার করিয়া নৃত্য করিতেছে, বালুকারাশি হইতে ৰৈ পৰ্ব্বতে, বামুতেও পাতালে নিত্য স্থিত আছেন; যিনি হইতেছে, অন্তরের পুত্তলিকা (পুতুল) অধ্যয়ন কৰিলে, চিত্রিত কর্মেন্দ্রিয় জ্ঞানের প্রভৃতিকে ব্যাপারে প্রয়ােগ করিতে যে গর্জন করিতেছে, যেমন এইরূপ বহুভর বাক্যই আছে, লে. মুঢ় যা হতেই মূক হইছে, যিনি শিল- আপনার কথাও তাহারই অন্যতম বলিয়া জানিহে; কারণ যদি সময়ে নি, আকুকে, পৰ্বকে কঠিনকে এই জরামরণালি-সহুল পতাকান্দিময় সংসার কিছুই তরুন করিয়াছেন, দীপ ও রৰি যাহার এভাবেই প্রকাশ পাইয়া 'নাই, তবে এ সমুদায় কি দেখিতেছি? হে ব্রহ্ম। এই বিষ পূর্বে থাকে।১৩। অক্ষম সলিলপূর্ণ যে হইতে নিয়ত বর্ষণের কিছুই ছিল না, কিছু উৎপন্ন হয়ও নাই, উপস্থিতও কিছু নয়, ব্যায়, অক্ষয় সুৰে পৰিপূর্ণ, কায়, অনুৰে পৰিপূর্ণ, যাহা হইতে বিচিত্র সংসারের ইহার মর্ম কি,তাহা আমাকে নিশ্চয় করিয়া বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, আসারবৃষ্টিৰৰণ হইতেছে, মরুভূমিতে মরীচিকার কায় এই -হে রামচন্দ্র। আমার বাক্য অসঙ্গত নহে, যাহা বলিতেছি, শ্রবণ ত্রিভুন-তরঙ্গ বাহার আবির্ভাব ও তিরােভাব স্বরূপে প্রকাশ পায়, কর। সত্যই ইহা বন্ধ্যাপুত্রের ন্যায় অলীক , তথাপি যে প্রকাশ যিনি সর্বজীবের অভ্যন্তরে অবস্থিত ও স্বয়ং অবিনাশী হইলে পাইতেছে, ইহা কিছুই নহে, ইহা পূর্বে সৃষ্টিকালে উৎপন্ন হয় না, যিনি সর্বাডিয়ী হইয়াও শুবে সৰ্বভাবে অবস্থিত নাই বলিয়া ইয়া নাই। ইহা কেবল স্বপ্নানুভূত গৃহাদির স্যায় আছেন; যিনি বায়রূপী হইয়া স্বচিদাকানস্থাঙ্কিনী ইন্দ্রিয়- মনেরই ভাব মাত্র। ঐ মনও বাস্তুবিক অনুৎপন্ন ও অশরীরী। দলনিী ব্ৰহ্মাগুরূপফল-শালিনী চিমূলা প্রকৃতিরূপা লতকে যাহা বলিলে এ বিষয় বুঝিবে, তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। স্বপ্ন নৰ্তিতা করিয়া থাকেন, যিনি প্রত্যেক দেহরূপ সম্পুটকে চিন্ময় যেরূপ অগ্নান্তরকে দর্শন করায়, সেই মত মন স্বয়ং অসৎ হইলেও মনে স্থাপন করিয়াছেন, যাহার প্রশান্ত চিনে অর্থাৎ চিপা- স্বকীয় ইচ্ছায় অগ্রে স্বদেহ কল্পনা করিয়া তাহারই দ্বারা ইন্দ্রজাল কাশরূপ মেলে সৃষ্টিরূপ বিদ্যুতের প্রকাশ ও প্রাণরূপ জলবর্ষণ শােভার ন্যায়, এই জগৎ-শোভা বিস্তার করিয়া থাকে। একমাত্র হইয়া থাকে, বাহার এভায় সমস্ত বস্তুর প্রকাশ হয়, যিনি চলৎশক্তিমান্ মাই স্কুরিত হইতেছে, ভ্রমণ করিতেছে, যাতায়াত অসম্ভর সৃষ্টি করিয়াছেন, যাহা হইতেই সম্বল্ড সভা হইয়াছে, করিতেছে, প্রার্থনা করিতেছে, মিথ হইতেছে, সংহার করিতেছে, যাহার সন্নিধান বশতই এই জড়-শরীর চলচ্ছক্তি-সম্পন্ন, নীচগামী হইতেছে ও মুক্তিলাভ করিতেছে। সকলই মনের কার্য, সর্বসত্তাতিগামী যাহা হইতেই নিয়তি, দেশ, কাল ও চলন- মন ব্যতীত বিশ্ব নাই(সেই মনই যদি অসৎ, তবে তদুভূত স্পন্দনাদিক্রিয়া সকল সুসম্পন্ন হইতেছে, শুদ্ধ চিন্ময় যিনি বিশও তাহাই)। ১-৮ ব্যোম-চিতায় আকাশরূপ, পদার্থ-চিন্তায় পদার্থ ভাব ধারণ করিতেছেন, যিনি এই বিপুল ব্ৰহ্মাণ্ড সৃজন করিয়া কিছুই চতুর্থ সর্গ সমাপ্ত। ৪। করেন নাই এবং যিনি নির্বিকল্পস্বরূপ ও উদয়াস্ত-স্থিতি-গড়ি- বিহীন নির্বিকার অদ্বৈত আচ্ছায় অবস্থিত আছেন, তিনি ত্রি আর কিছুই নাই। ১৪-৪। পঞ্চম সর্গ। পঞ্চম সর্গ সমাপ্ত। ৫। রাম কহিলেন-হে মুনিবর। এই মনও যে মিথ্যা, ইহার কারণ কি এবং এই মায়াময় মন কোথা হইতে কিরূপে উৎপন্ন হইয়াছে ? হে বাগিব। হামামাকে সংকেপে বলুন, পরে অবশিষ্ট বক্তব্য বলিবেন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। মহালয় বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! এই দেবদেব পরমাত্মার সহিত কালে সমুদয় দৃষ্টির লয় হইলে একমাত্র প্রশান্ত ব্ৰহ্মই একসিদ্ধি জ্ঞানযােগেই লাভ করা যায়, অন্য ক্লেশকর অনু- অবস্থান করেন, তাহার জন্ম, প্রকাশ বা বিকার নাই, তিনি নিত্য চাদিতে তাহা হয় না। মরীচিকায় জলভ্রমের ন্যায় এই সর্বস্বরূপ, সর্বশক্তিমান, পরমাত্মা এবং মহেশ্বর। যাহাকে বাক্য সংসারভ্রমের একমাত্র শান্তিকারকরূপে অজ্ঞানই নিরূপিত ৰাৱা বুঝা যায় না, কেবল মুক্ত পুরুষেরাই সঁহাকে জ্ঞাত হন , আছে, জন ভিন্ন কিছুই উপযােগী নহে। পরমাত্মা দূরস্থ নহেন, আঁহার আত্মা ব্ৰহ্ম প্রভৃতি নাম সকল কাভাবিক নহে, কলিত মাত্র; নিকটও নহেন, সুলতও নহেন, হলও নহেন, সেই পূৰ্ণানন্দ যিনি সাংখ্যমতের পুরুষ ও বেদাত্তীদিগের বৃক্ষ, বিজ্ঞানবাদীদের ব্রহ্মকে নিজ শরীরেই প্রাপ্ত হওয়া যায়। অপা দান ৰা ব্ৰভাজি, সুনির্মল বিজ্ঞান, শুলবাদীর শু, সূৰ্যাদি ডেমীদেরও প্রকাশক, এ সমুদায় জ্ঞানের উপকারী নহে, স্বরূপে অবস্থান ব্যতীত যিনিই বক্তা, অনুমকা, কােকা, দ্রষ্টা ও কাপে প্রকাশ ইহার অ উপায় নাই; মােহজালের অকৃত্রিম বিনাশ-সাধন, পাইতেছেন এবং বিজি সৎ হইয়াও অসৎ ও চেংমধ্যবর্তী হইয়া সাধুসঙ্গ ও সচ্ছান্ত্রের অনুশীলন এই দুইটা সেই জ্ঞানের দূৱস্থিত; সূৰ্যালিভাৱ জায় যিনি চিৎকাশ, এক সূৰ্য্য হইতে উপায়। ইনি সেই দেব পরমাত্মা এই জ্ঞান যাহাৰ হয়, তাহার কিরণ-জালের স্থায় যাহা হইতে ব্রহ্মা বিষ্ণু প্রভৃতি দেবগণ প্রকাশ দুঃখভোগ হয় না এবং তিনি জীবন্মুক্ত হন। রহিলেন-৫ গাইয়াছেন; সমুদ্রে বুলের হাতে এই নিখিল বিশ্ব প্রকাশ প্রভাে! নিল যিনি আত্মঘােগে সেই পরমাত্মাকে জানিতে পাইজে, খুলায় যেমন সমুদ্রাভিমুখে যায়, দ্রুপ সাত পাকেন, তাঁহাকে আয় মরণাদি দোষ-নিচ আক্রমণ করে না। দৃক যভিমুখেই গমন করিয়া থাকে; যিনি দীপের আয় - কিন্তু সেই নেমেষকে দূরস্থ ব্যক্তি কিরূপ তীব্র জল । নাকে ও সমস্ত পদাকে করিতেছেন; এক যিনি আকাশে কিরূপ ক্লেশকর অনুষ্ঠানে পাইয়া থাকেন অহা । ৰশিষ্ট । n যন্ত সর্গ। ; ।
যােগ- কহিলেন-হে আম। পুরু শী শৌখিক দ্বারা কী আৰক কি? বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। যদি তুমি বিশ্বকে বিরূপ উপায়ে, দেহেই সেই রে সাক্ষাৎকার পাত্র, চিত্ৰ বা চেলিয়া আত হইয়া থাক, তাহা হইলে তুমি উমাতে অপা ও মানি অনুষ্ঠান কিছুই নহে। হে রাম! কিছুমাত্র সংসারক্লেশ-বিনাশল্পে উপায় জানতে পার নাই। ব, যে , তাে, ও মৎস পরিণ ব্যতীত কারণ এই পশুসংকটে জীবই সৎসার নামে অভিহিত হয় मानामिवर नवाज, हिरे पानी नए। এবং ইহইতে আমলদি উৎপন্ন হয়। এই হীৰ স্বয়ং ১। আগালিরবীভূত হইয়া বঞ্চনা করিয়া যে এল অন অজ্ঞ হইয়া দুখের একমাত্র একর ও অশরীরী আপনাকে করা হয়, তাই গান করিলে পূৰ্বস্বামীই ফলভাগী হন এবং অবগত হইতে পারে না ও নিজ চৈতে পৰিব্যাথু অন্তঃকরণে পুরুষ রাগানিয় বশীভূত হইয়া যে কিছু ব্ৰতাৰি থকারে অবস্থিত থাকাতেই কথা অনর্থ ফল মুল করিছে, অতএব অনুষ্ঠান করেন সে সকলই দন্তময় হয়, তাহাতে কিছুমাত্র ফল পূর্ণস্বভাব ও নিত্যচেল আত্মার চেষ্যদর্শন অর্থাৎ আপনি হয় না। অতএব সাতিশয় যত্ন অবলন করিয়া সংসাররূপ নিরত্ত হইলে অথবা বহির্মুখী গতি রুদ্ধ হইয়া অন্তর্মুখী গতি কাশির বিনাশন সচ্ছানুশীলন ও সাধু এই দুইটা মহৌ- (আত্মাৰগাহী জ্ঞান) উৎপন্ন হইলে তাহার তৎকালিক যে সংগ্রহ করিবে। উক্ত রােগের উপশম বিষয়ে আত্যন্তিক পূর্ণাবস্থা প্রকাশ পায়, তাহারই নাম তত্ত্বসাক্ষাৎকার , অহা দুঃখবিনাশেছুর পক্ষে একমাত্র পুরুষকার ব্যতীত অন্য উপায় জানিতে পারিলে আর শােক-মােদির বশীভূত হয় না। সেই নাই। হে রাম। কিরুপে পৌরুষে জ্ঞান লাভ হয়, তাহা পরাপর ব্রহ্মকে যিনি জানিতে পারেন, তাহার হৃদগ্রন্থি অর্থাৎ এবণ কর, যাহাকে আশ্রয় করিলে সমস্ত রাগষেদি ব্যাধিরও মায়ামােহ বিচ্ছিন্ন হয়, সমুদয় সন্দেহ দূর হয় এবং সঞ্চিত ক উপশম হইয়া খাকে। অজ্ঞানের জন্য প্রথমে লােক ও শারে সকল লয় প্রাপ্ত হয়। ১—১০ চিনিনােথ করিলে চেত অবিরােধী যথাসম্ভব জীবিকায় সন্তুষ্ট থাকিয়া ভােগবাসনা (ছ) দর্শন লুপ্ত হয় না, একমাত্র ‘দৃশ্য সকল মিথ্যা, ভ্রান্তির পরিত্যাগ করিবে এবং অদ্বিগ্নচিতে যথাসম্ভব উদ্যোগী হইয়া পরিণাম এ স্থান ব্যতীত চিত্তের চেতত্যান্মুখত নিরােধ করা সাধুসল ও সচ্ছাক্সের অনুশীলন করিবে। যে ব্যক্তি যথালাভে যায় না, সুজাং দৃশনের শাস্তি হওয়াও অসম্ভব। “দৃশ্য মাত্রেই সন্তুষ্ট থাকি বেদবিরােধী কর্ম পরিত্যাগপূর্বক সাংসদ ও অসম্ভব অর্থাৎ মিথ্যা” এ বোধ ব্যতীত দৃশ্যাতীত চিৎস্বরূপ সচ্ছাশ্রণীলন করেন, তিনিই শ মুক্ত হন। যে মহামতি মােক্ষেরও সম্ভাবনা নাই। যােগ দ্বারা দৃশ্য-মশনের নিরােধে ফুল সক রাব্ৰহ্মস্বরূপ অবগত হন, তঁাহার প্রতি ব্রহ্মা বিষ্ণু নাই, তাহাতে জগতের স্বরূপ সাক্ষাৎকার হয় না। রামচন্দ্র মহেশ্বর ও ইন্দ্রাদি দেবগণ দয়া করিয়া থাকেন। দেশের মধ্যে কহিলেন-হে দেব। যাহাকে জীব বলিয়া জানায় সারণার সজন লােকেরা যাহাকে সাধু বলিয়া কীর্তন করেন, তিনিই বিশিষ্ট মােন হইতেছে না, সেই ব্যোমরূপী ও অজ্ঞ জীব কোন্ আধারে (অর্থাৎবৈরগ্যানিণযুক্ত) সাধু; তাঁহাকেই পরম যত্নে আশ্রয় কিরূপে অবস্থান করিতেছে এবং ভবরে উদ্ধারক যে লইবে। অধ্যাত্মবিদ্যা অর্থাৎ অজ্ঞান সকল বিদ্যার শ্রেষ্ঠ ; পরমাত্মাকে সাধুসঙ্গ ও সচ্ছানুশীলন দ্বারাই জ্ঞাত হওয়া উক্তজনকথ-সম্বলিত যে শাস্ত্র, তাহারই নাম সচ্ছা, ইহার যায়, তাহারই বা স্বরুপ কি, তাহা আমাকে বলুন।১১-১৫। আলােচনায় মুক্তিলাভ করা । যেমন কতফলের (নিৰ্ম্মলী বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। এই যে চেতল জীব জন্মরূপ কলর) সম্পর্কে জরে কলুষতা নষ্ট হয়, অপ যােগাভ্যাসে নির্জন অরণে বিশীর্ণ হইতেছেন, ইহাকে যাহারা পরমাত্মা বুরি মাণিত দূর হয় এবং সচ্ছার অনুশীলনে ও সাধুসঙ্গে বলিয়া জ্ঞান করেন, তাহারা পণ্ডিত হইয়াও মুখ; কারণ যে বৈরাগ্য উৎপন্ন হয়, তাহাতে বিদ্যা অর্থাৎ সংসামায় এই জীববুজিই সংসার ও দুঃখসমূল্পের কারণ, সুজাং বিনষ্ট হয়। ১৯৭২। ইকে জানিলে কিছুই জানা হয় না। যদি পরমাত্মাকে ষষ্ঠ সর্গ সমাপ্ত জ্ঞাত হওয়া যায় অর্থাৎ জীবের জীবভাব পরিহারপূর্বক পরম ভাব গ্রহণ করা হয়, তবেই, বিষবেগ উপশান্ত হইলে বিহুটিকা রােগের ব্যায়, দুঃসমূদয় এককালে বিদূরিত হইয়া থাকে। রাম কহিলেন-হে ব্ৰহ্ম। এক্ষণে সেই পরমাত্মার সপ্তম সর্গ। যােক রূপ বর্ণন করুন, যাহাকে দেখিতে পাৰিলে সমস্ত রম কহিলেন-হে প্রভে। আপনি যাহার কথা বলিতে, মেহ হইতে উত্তীর্ণ হওয়া যায়। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে বৎস। জেন, যাহাকে জানিতে পারিলে মুক্তি লাভ করে, সেই দেব েজ্ঞানের শরীর নিমেষে দেশ হইতে দেশভর গান কোথায় আছেন আমি কি প্রকারে তাহাকে নিতে পারি, করে, সেই জ্ঞানই পরমাত্মার রূপ ; যে জানরূপ মহাসমুদ্রে আহা কুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! আমি যাহার কণা সংসারস্থিতি ত্ৰৈকালিক ভাৰ হিয়াছে, তাহাই পরমাত্মার বলিতেছি, তিনি অতি সন্নিকট আমাদের এবীরমধ্যেই চৈ, রূপ, যাহাতে দ্রষ্টা ও দর্শন থাকিয়াও নাই ও যাহা কাশ না রুপে নিত্য অবস্থিত আছেন। এই বিসংসারই তিনি, অথচ হইয়াও বিপুলভায় আকাশের সহিত তুলি, তাহাই পরমাত্মার ইলি বন বিনহেন, কারণ তিনিই একমা আছেন, বি- রূপ,এই এপঞ্চ অসৎ হইয়াও যাতে সপে অতি আছে শক পৃথক দৃ নাই। সেই চিন্ময়ৰশ্নই ছবি এবং জিনই বিবাহ অনাদি হইলেও এই অসৎ বাহাতে মিখ্যারূপেই তিনিই ব্রহ্মা ও তাহাকেই পূর্ব বলিয়া আনিবে। মাম অৰভাসিত হয়, তাহাই পরমাত্মার রূপ। বিলি মহাচিন্ময় -হে দেব! জি বি চেষপ হইভ, তাহা হইলে হইয়াও বৃহৎ পাষাণে তা নিয়ে ওই বিনি লােকোহা জানিতে পায়িত; অ ই আনিতে উপদেশের জড়, হাই পরীক্ষার রূপ এ কন এক ও আভ্যন্তরিক 2 উৎপত্তি। বিষয় যে ৰয় সহিত সঙ্গত হইয়াই ব্যবহারযোগ্য হল, তাহাই পরমাত্মার অস্তিত্ব কোথায়? যেমন বর পুত্র নাই, মমিতে জল রূপ। যেমন প্রকাশক পদার্থের আলােকও আকাশের শূন্যতাই নাই ও আকাশে কাচ বক্ষে সম্ভব হয় না, সেই সৎ রূপ, ভদ্রুপ হাতে এই পরমাত্মা অবস্থিত আছেন তাহাই কিছুই নহে—এম মাত্র। যেম। যে কিছু দেখিচ্ছে, সমস্তই মার রূপ জানিবে। ১৬-২৫। রাম কছিলেন-হে সেই ব্ল; এ বিষয়ে তােন্তাকে পরে বিশেষ যুক্তি বুলি। এতে। পরমাত্মা যে সন্ধ্রপ এবং এই কৃ-জগৎ সকলই হে উনাতে রাম! অজ্ঞানীরা যুক্তিপূবে সফল উপদেশ মিথ্যা, ইহা কিরুপে বুঝিব, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে দেন, তাহাতে অবহেলা করা উচিত নহে, যে মূঢ় সেইসমুদায় রাম। যেমন রূপহীন আকাশে নীলাদি গুণ দেখা যায় তেমনি যুক্তিপূর্ণ বাক্যে অনাদর করিয়া অযৌক্তিক বাক্যে আর করে, চিন্ময় বঙ্গে এই ভম-জগৎ সৃষ্ট হইতেছে, এই জ্ঞানের উদয় পণ্ডিতেরা তাহাকে অজ্ঞ বলিয়া থাকেন। ৩৭৪৫। হইলেই ৰহ্মস্বরূপ জ্ঞাত হওা যায় এই দূরে মিথ্যাত্বজ্ঞান সপ্তম সর্গ সমাপ্ত। ব্যতীত ব্ৰহ্মজ্ঞানের অন্য উপায় নাই। প্রলয়কালে এই দৃশ্য- সমূদয় কিছুই থাকে না, একমাত্র সেই পরম-পুরুষই থাকেন ও দিলেন, তিনি বােধ স্বরূপ, তাহা হইতেই এই সকল উৎপন্ন হইয়াছে। হে রাম। যদি কৃষ্ণবুজি না থাকে তাহা হইলে অষ্টম সর্গ। সেই ব্রহ্মের প্রতিবিম্ব পর্যন্ত থাকে এবং যেমন দর্পণালি মমি কহিলেন-হে এভাে। ব্রহ্মজ্ঞান কি? তাহা কোন প্রতিবিম্ব ব্যতীত থাকে না, তদ্রুপ বাহিরে প্রপঞ্চসমূদয় ব্রহ্মেরই যুক্তিতে অবগত হওয়া যায়, তাহা বলুন এবং বলি যুক্তি যারাই এতিবিন্দু মাত্র। সেই জন্য কেহই কখন জগৎনামক দৃশ্যের আহা জানিতে পারি, তাহা হইলে আমার অসত্তাবধারণ ব্যতীত কোন প্রকারে পরমতও জ্ঞাত হইতে হইবে। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। এই জগৎ নামক মিথ্যা- পারেন নাই। ২৬-৩১। রামচন্দ্র কহিলেন-হে মুনির। জ্ঞানরূপ নােগ বহুকাল হইতেই বদ্ধমূল হইয়া আসিতেছে, অল্প এই দৃশ্যমান ব্ৰহ্মাণ্ডের কিরূপে অসত্তা ও কেমনেই এই সপ জ্ঞান ব্যতীত ইহার কোন উপায়েই শান্তি হইবে না। হে মধ্যে সুমেরুর অবস্থানের স্থায়, সূক্ষ্ম ব্ৰহ্মে এই স্কুল ব্রহ্মাণ্ড সাথে! আমি তােমার জ্ঞানসিদ্ধির জন্য যে সকল আখ্যায়িকা অবস্থিত আছে, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। বলিব, তাহা যদি শ্রবণ কর, তাহা হইলে বুঝিতে পারিবে যে, তুমি তুমি যদি কিছুদিন অনুদ্বিগ্নচিত্ত হইয়া সাধুসঙ্গ ও সচ্ছাস্ত্রের সুবােধ ও মুক্তস্বভাব। আর যদি উকা বশতঃ তাহার আদ্ধেক অনুশীলন কর, তাহা হইলে আমি তোমার চিতের, মরীচিকার শুনিয়াই উঠিয়া যাও, তাহা হইলে তুমি শাশ্রণের অযােগ্য তায়, ভ্রান্তি পরিমার্জিত করিব। যখন দৃশ্যজ্ঞান পরিমার্জিত পশুখী হইবে ও তােমার সিদ্ধি লাভ হইবে না। যে যাহা এখন। হইবে, তখন ত্ব-জ্ঞানও লুপ্ত হইবে। দেখা যাইতেছে করে, সে বিষয়ে ত্বও করে এবং সেই ফদের ফলও অতি প্রাপ্ত ও দেখিতেছি, এ বােধের বিনাশ হইলে চৈতন্য মাত্র অবশিষ্ট হয়। যদি যত্ন করিতে পরিশ্রম বােধ করে, তাহা লইতে তাহার থাকিবে, দেখা যাইতেছে, এবােধ থাকিলেই, দেখিতেছি, এবােধ অতীষ্ট লাভ হয় না। হে রাম। যদি তুমি সাধুসঙ্গ ও সন্ত্র থাকিবে , দেখিতেছি, এ বােধ থাকিলেও, দেখা যাইতেছে, এ বােধ পরায়ণ হইতে পার, তাহা হইলে তৎসংখ্য দিন বা মাসে পরম- থাকিবে অর্থাৎ দর্শক দৃশ্যেরই অন্তর্গত যেমন দুয়ের অন্তর্গত এক, পদ পাইতে পারিবে।১৬। রাম কহিলেন-হে পণ্ডিত। তেমনি এক দুয়ের অন্তর্গত না হইলেও দুয়ের অধীন হইয়া যে সকল শাস্ত্রের অনুশীলনে আত্মজ্ঞানের বিকাশ হয়, তাহার থাকে। এক আর এক যােগে দুই হয় বলিয়া এক দুক্ষের অন্তর্গত, মধ্যে কোনটী প্রধান, যাহার আলােচনা করিলে জীব শেকমুক্ত অর্থাৎ এই দ্বৈতবােধ প্রলুপ্ত হইলে একত্ববােধ প্রলুপ্ত হইয়া যায়, হয় না, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে মহামতে। আত্মজ্ঞান- অতএব যেমন একযােগী দ্বিত্বের অভাবে কেবলমাত্র তদবিদ্ধ প্রতিপালক যে সকল শাস্ত্র আছে, তাহার মধ্যে এই মহারাণই অন্তি প্রতিষ্টিত থাকে, তেমনি দুইভাৰ অন্তর্হিত হইলে, উত্তম এবং ইহা যাবৎ ইতিহাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইতিহাস; যেহেতু তষের আশ্রয়ীভূত কেবল মাত্র সত্তাই সুস্থিরা হয়। ইহা শ্রবণ মাত্রেই জন জমিয়া থাকে। যে কারণে এই বায় ৩২-৩৬। হে রাম! আমি তােমার চিত্তরূপ অর্পণের, জগতে শাস্ত্র রামায়ণ শ্রবণ করিলেন অক্ষয় জীবনূক্তি লাভ করা যায়, মিথ্যাত্ববােধসত “অহং” ইত্যাদি জ্ঞানরূপ মল সৰল দূর করিব। সেই হেতু ইহাপৱম পত্রি। যেমন স্বপ্নদর্শনের পর, ইহা স্বপ্ন বাহা বাস্তবিক অসং, তাহার কোনকালেও অন্তি নাই, যাহা বলিয়া বুঝিলে হার সত্যতা থাকে না, জ্বর এই অৎ ধূ সং, কাহারও কদাচ অসত্তা নাই, সুতরাং যাহা, স্বাভাবিক মিথ্যা, হইলেও শানে বিচার করিলে ইহা মিখাই প্রমাণ হইবে। তাহার উন্মর্জনে কিছুই ক্লেশ নাই। এই যে বিপুল ব্ৰহ্মাণ্ড, ইহাতে ঘাহা আছে, তাহা শাস্ত্রেও আছে, যাহা ইহাতে যাহা দেখা যাইতেছে, ইহা কখন উৎপন্ন হয় নাই; হৈ সেই নাই, অহা কুপি নাই। সূরাং পণ্ডিত্যে এই শাকে নির্মল ব্ৰহ্মচৈতনেই কল্পিত অর্থাৎ তাঁহারই স্বরূপ। এখন সকল বিন শাস্ত্রের কোলে কীর্তন করেন। ১২। অগং নামে কোনই বহু নাই, কখন হয় নাই ও দেখাও যায় না, যে ব্যক্তি এই শান্ত প্রত্যহ এষণ করেন, সেই মহামতি বুজি আং অহার পরিমান আর পরিশ্রম কি? এ ক্ষেপে অমন লোকনকে এর ইতে তুমি সহজে সেই ব্ৰহ্মত বুঝিতে পারিবে, সেইজৰে বহুযুক্তি সহনাই। হায় ভক্ত এই রুটি না হইবে, আরা বিন্তারপূর্বক বলিতেছি এবং ফর। হে বাহ! বেন সে নি এম এ কোন বা এ আলােচনা মরুভূমিতে জলাশয় ও চন্দ্রের নিত্ব একান্তই অসম্ভব, আপ করা উচিত। যেমন কোন কমিয়া রোগ सान परेर पो समाद, ऐण्ड सम्बनमालकीन माविमासा बरे যােগবাছিমাণ। নবম সর্গ। শাত্ৰ এৰণ করিলে শ্রেয় নিয়ে বুঝিতে পারিবেন যে, আমি ইহার তিনি হিমালয়ালি কুলাচল হইয়া ঋষি, দেবতা বিষয় যেরূপ বলিলাম, বর বা ভিপের ব্যয় সে সকল মিথ্যা অপুর ও লােকপালশিকে ধারণ করিতেছেন। ১২-১৭। নহে। হে রাম। আািন্ত ও আত্মকথা ব্যতীত ভােৱ জিন ভূমি হইয়া এই পূর্ণসংসারকে ৰহন করিতেছেন, তৃণ, সংসারণে নষ্ট হবে না,নেদান, পা, বোপ ও গুম ও দি হইয়া অপূর্ব যশরাণি প্রদান করিতে বেদোক্ত কাৰে অনুষ্ঠানের অন্ত বহুত বন্ধ কর, কিছুতেই মুখী হন। তিনিই এরূপ হইয়া দুৰত্বকে ও অগিরূপ দুইবেন। ১০-১৭। হইয়া উকতাকে ধারণ করিডে, চন্দ্র হইয়া মুখার্বণ সর্গ সমাপ্ত। করিতেছেন হলাহল বিষ হইয়া মৃত্যুকে বিধান করিতে ছেন এবং দি হইয়া তেজঃপ্রকাশ ও মােরূপে অন্ধকার বিস্তার করিতেছেন। ইনিই শূন্যরূপ হইয়া আকাশকে ও পৰ্বত হইয়া বহুদেশকে আবরণ করিতেছেন। ইনিই ব্যক্ত চৈত হইয়া অঙ্গমের ও অক্ষুট চৈতন্যরূপে স্থাবরালির সৃষ্টি বণি কহিলেন-হেম। যারা ব্রহ্মে চিত্তস্থাপন করত করিতেছেন এবং সমুদ্র হইয়া দুরূপা রমণীর বলয়ের ব্যায়, তুষ ব্রহ্মগতপ্রাণ হইয়া পরস্পর ব্রহ্মকথায়ই নিত্য আলাপ করেন হইয়া থাকেন। ইনিই অনারত-চিলাকালে এই বিশাল যি তাঁহারাই সন্তুষ্ট থাকেন ও আনন্দিত হন এবং সেই ব্ৰহ্মজ্ঞানবিচারী প্রকাশ করিয়া শান্তরূপে অবস্থান করিয়া থাকেন, অধিক কি, এহ্মজ্ঞান-প সাধুদিগেরই জীবমুক্তি হইয়া থাকে, যাহা ভূত, ভবিষ্যৎ ও বর্তমান এই ত্ৰিকালেই যাহা প্রকাশ পাইয়াছে, সাধারণ মহাত্মাদের দেহান্তেই লাভ হয়। রাম কহিলেন, পাইবে ও পাইতেছে, সে সমূদয় দৃশ্যই তিনি। ১৮-২৩। হে প্রভােগ। যেহান্তে মূক্ত ও জীবন্মুক্ত এই উভয়ের লক্ষণ কি, কাম কহিলেন,হে ব্ৰহ্ম। সাধারণের সমদৃষ্টি দুষ্কর বলিয়া, ঐরূপ তাহা বলুন, সে বিষয়ে আমি শাস্ত্ররূপ চক্ষু ও বুদ্ধি দ্বারা খত্ব মুক্তি নিতাত দুষ্প্রাপ্য এবং চিত্তের অস্থিরতা নিবন্ধন কোন করিব। যঠি কহিলেন-হে রাম। যিনি শাস্ত্রোক্ত বিধির উপায়েই সুলত নহে। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। এই আঁকে অনুষ্ঠায়ী হইয়াও এই যথস্থিত বিশ্বকে আকাশের ন্যায়, স্বরূপ- মুক্তি বলিতেছি, ইনিই ব্ৰহ্ম এবং ইহাই নিৰ্মাণ যে উপায়ে উহা শত বােধ করেন, তিনিই জীবমুক্ত এবং যিনি ব্যবহা হইয়াও পাওয়া যায়, বলিতেছি শ্রবণ কর। যে কিছু অহংবুদ্ধি-সংশ্লিষ্ট আনমাত্ৰ-পয়জ্ঞ ও জলবস্থাতেও সুযুপ্তের স্থায় নির্বিকার, দৃশ্য জগৎ দেখা যাইতেছে, এ সকই বন্ধ্যাপুত্রের ন্যায় অলীক, তিনিও জীবন্মুক্ত। যাহায় মুখশ্রী সুখে প্রফুল ও দুখকালে মলিন এই বুদ্ধি হইতে মুক্তিলাভ হয়। রামচন্দ্র বলিলেন,-হে বেদজ্ঞ হয় না, সেই যথাপ্রাপ্ত জীবিকায় অবস্থিত ব্যক্তিকেও জীবন্মুক্ত শ্রেষ্ঠ। আপনি যে বলিলেন, বিদেহ মুক্তেরাই ত্রৈলােক্য সম্পাদন জনিবে। ১৬। যিনি নির্বিকার আশ্রয়, সুষুপ্তের খায়, করিতেছেন, ইহাতে আমি বিবেচনা করিতেছি, তঁাহারাই এরূপ থাকিয়াও অবিদ্যার বিনাশহেতু সর্বদা জাগ্ৰৎ থাকে, যাহার সংসারভাষকে প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। বশিষ্ঠ বলিলেন-হে রাম! লােকসি জাগ্ৰৎ নাই এবং যাহার জ্ঞান বাগৰিৱহিত, যদি ত্রিভুবন থাকে, তবে সেই বিদেহ-মুক্তোই তৎস্বরূপ্য প্রাপ্ত তিনিও জীবমুক্ত, আর যিনি নটের স্যায় বাহিরে রাগ দ্বেষ ও হইতে পারেন, কিন্তু ত্রৈলােক্য-সংজ্ঞায় কোন পদার্থই নাই। সেই ভলির অনুরূপ ব্যবহার করিয়াও অন্তুরে, আকাশের ন্যায়, ব্রহ্মই চিৎশক্তিতে সংসারভাব প্রাপ্ত হন, এ বােধও ভ্ৰমমাত্র, স্বচ্ছ চিংস্বরূপে অবস্থান করেন, তিনিও জীবন্মুক্ত। যাহার কোন সুতরাং এই জগৎশব্দ নিতান্ত কাল্পনিক। আকাশের ন্যায় নির্মল, অভাবই অহংজ্ঞানে হয় না ও কর্তা বা অকর্তা হইলেও হার শান্ত, অদ্বিতীয় ব্ৰহ্মই জগৎ। হে রাম। আমি বিচার করিয়াও বুদ্ধি পাপপুণ্যাদিতে লিপ্ত হয় না, তিনিই জীবন্মুক্ত। যে সুবর্ণময় কলম্বের বিশুদ্ধ সুবর্ণ ব্যতিরেকে বলয়ত্বরূপ কিছুই চিলার উন্মেষে ত্রিভুনের প্রলয় ও উৎপত্তি হয়, তিনি প্রকৃত স্বরূপ দেখিতে পাই না এবং জলপ্রবাহে জল ভিন্ন প্রবাহ জীবন্মুক্ত। যাহা হইতে লােকের উদ্বেগ হয় না ও যিনি লােক বলিয়া কিছুই দেখিতে পাই না—সে সমস্তই জল, আর হইতে উদ্বিগ্ন হন না এবং পােক বা আনন্দ আঁহাকে আশ্রয় করে যেমন স্পন্দন, বায়ু হইতে ভিন্ন নহে—সে সকলই বায়ু এবং না, তিনিও জীবমুক্ত। ৭-১১। যিনি সংসারে অনাসক্ত এবং যেমন আকাণের শূন্যতা, মরুর তাপ ও অলােকের তেল দেহী হইয়াও নিরাকার ও চিত্তবান হইলেও চিত্তরহিতের ন্যায়, এ সমুদয় অভিজ্রপ এ ত্রিভুবনও সেই পরব্রহ্ম তিনিও জীবন্মুক্ত। যিনি সমুদয় বিষয়-ব্যাপারে বিদ্যমান থাকিয়াও হইতে অভিন্ন-তিনিই সমস্ত। ২৪-৩৪। রাম কহিলেন, রাগাদি কর্তৃক উপভাপিত হল না এবং সমুদয় পদার্থে ঘাহার হে মুনিবর। অত্যন্তাভাব-জ্ঞানে দৃশ্য-জগতের দর্শন পূর্ণত আছে, তিনিও জীবন্মুক্ত। এবংবিথ জীবন্মুক্ত পুরুষ হয়না, কোন যুক্তিতে সেই জানের উদয় হয়, তাহা দেহান্তে জীবমুক্তিপদ পরিত্যাগপূর্বক বিদেহমুক্ত হন। যেমন, আমাকে বলুন। হে দেব। পরস্পর-সাপেক্ষ ব্রষ্টা ও সৃষ্ণ এই বায়ু চাঞ্চল্য ত্যাগ করিয়া প্রিয়ভাৰ গ্রহণ করেন, এইরূপ উভয়ের অভাব হইলে বে প্রকারে নির্বাণই অবশিষ্ট থাকে, হিমুক্ত পুরুষ উদিত হন না, অগতও হন না এবং অগতে ভ্যাজাৰ, এই বুড়ি দ্বারা যে স্বস্থিত ব্রহ্মকে তিনি সৎ বা ২ হন না, দূরে বা নিকটে থাকেন না এবং অবগত হয় যায় এবং এ যুক্তি যারা ব্রহ্মজ্ঞানসিদ্ধি হয়, যাহা আমি ও ভিন্ন” এ ভেজাল তাহার থাকে না। তিনি ব্রহ্মপল পাইলে আর সাধনের প্রয়ােজন হয় না, হে মুনি। সে হন বলিয়া তিনিই দুরূপে উত্তাপ দেন, বিলুপে ব্রিজগৎ রক্ষা বিষয় আমাকে উপদেশ দিন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! এ পেস কেন, এই বিদায় করেন এক মনুষ্যের ‘জৎ' এই জ্ঞানটা বকাল হইতে বদ্ধমূল রহিয়াছে, তিনি হইয়া পলাৎ (বান্ধা) করণ করিতে কিন্তু যি এশিনপূর্বক বিচার করিলে তাহা দূর হইতে T উৎপত্তিপ্রকরণ হে মম। পারে। কিন্তু যেমন সমােন্নত পর্বতে আরোহণ ও অনােহশ শ হইয়াও সমূদয় ইন্দ্রিয়কার্য করিয়া থাকেন; হয় দুঃসাধ্য, তদ্রুপ ঐ জ্ঞান সহসা উৎসারিত করা যায় না, তবে যেরূপ মন না থাকিলেও সমস্ত মানসকার্য সম্পন্ন হইয়া থাকে, অভ্যাসযােগ, যুক্তি ও সঙ্গত উপদেশ দ্বারা এই অগভম শান্ত ঘাঁহাকে না দেখিতে পাইয়ই জীবের ভান সাক্ষণ হয়, তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। হে নাম। এক্ষণে তােমার সর্প হইতে অত্যভিক ভ হইয়া থাকে, আঁহাকে দেখিলে এনসিদ্ধির জন্য যে আখ্যায়িকা বলিতেছ, তাহা যদি এৰণ কর, সে সকল ভয় ও কামনা-সমূদয় দূৰীভূত হয়, এ যেন অহা হইলে তুমি নিশ্চয়ই জ্ঞানলাভ করিতে পারিবে। ৩৫-৪২ নট, সুপ্রকাশ দীপ থাকিলেই নিজকাৰ্য্য করিতে সমর্থ হয়, এখলে আমি তোমায় উৎপত্তিপ্রকরণ বলিতেছি, তদ্রুপ বিনি সবিস্বরূপ আকাজেই চিন্তে পূর্বক চেষ্টা তাহা শ্রবণ করিলে নিই মাের সংসারন্ধন মুক্ত হইবে। প্রবর্তিত হইয়া থাকে, যেমন সমুদ্র হইতে তরঙ্গ বীচি এই জগদূম জন্মশূন্য আকাশের ন্যায় প্রতিভাত হইতেছে, ইহা কােল প্রভৃতি বহশত জলের ক্রিয়া হয়, জাপ ঘহা হইতেই আমি সম্প্রতি উৎপতি-প্রকরণে বলিতেছি। হে রাম। এই যে ঘটটাদি অসংখ্য পদার্থ প্ৰকাশ পাইয়া থাকে এবং যেমন এক দেবতা, দানৰ ও কিরে অধিষ্ঠিত এবং সর্ব প্রকার পদার্থে পরিপূর্ণ সুষই কটক, কেয়ুর, অঙ্গদ ও নূপুর প্রভৃতি আকারে সৃষ্টি হয়, স্থাবর ও জঙ্গম বিশ্ব দেখা যাইতেছে, এ সমস্তই মহাপ্রলয়সময়ে ভদ্রুপ সেই এক ব্ৰহ্মই বহুশত পদার্থে পৃথরুপে সৃষ্ট হইয়া বিনষ্ট হইবে, রুদ্রাদি দেবগণও অদৃশ্য হইবেন, তখন আলােক থাকেন।৫৩৭ হে রাম। তােমার আত্মায় সেই চিন্মম্বের একাশ বা অন্ধকার কিছুই থাকিবে না, কেবল এক অনির্দেশ অনাখ্যেয় হইলে বুৰিৰে যে, কাহারও সহিত ভেমার জেল নাই, কিন্তু সংই অবশিষ্ট থাকিবেন। তাহা শূন্য নহে, স্থাপি নিরাকার যদি তুমি জ্ঞান লাভ করিতে না পায়, তাহা হইলে তুমি, আমি, এবং দৃশ্য নহে, দর্শনও নহে, পঞ্চভুতের অন্যতম নহে, কোন ইহাৱা এ সকলই তােমায় পৃথঙ্গোধ হইবে। যেমন সলিলে অঙ্গ- পদার্থইনহে, কোনরূপ অনিৰ্দেশ্য, পূর্ণ হইতেও পূর্ণ, সৎ নহে, নিচয় হইয়া থাকে, ড্রপ তাহা হইতেই এ ভর কৃ-জগৎ অসং নহে, ভাব নহে, অভাব নহে, তবে তাহা কেবল চিন্ময় প্রকাশ পাইতেছে। ইহা বাহ-দর্শনে ভঁহা হইতে পৃথক্ হইলেও অনন্ত আদিমধ্যশূন্য অজর নিরাময় মঙ্গলস্বরূপ। যেমন হংসা- বাস্তবিক তাহা নহে। যাহা হইতে দৃশ্য-অগৎ দৃষ্ট, কালের কৃতি মুক্তবিকারে হংসের বিকাশ দৃষ্ট হইয়া থাকে, তদ্রুপ উৎপত্তি হয়, তেজের প্রকাশ ও মালয়ী সৃষ্টি হইয়া থাকে, হে তাহাতেই এই জগতের বিকাশ হইতেছে। সেই সদসদ্ধপী দেব রাম। ক্রিয়ারূপগন্ধ,শব্দ,স্পর্শ ও চেতনাদি যাহা কিছু জানিচ্ছে, সর্লস্বরূপ হইয়ও কিছুই মহেন, তাহার চক্ষু কর্ণ নাসিকা এ সকলই সেই দেব এবং যাহার প্রভাবে নিজে তাহাও তিনি। জিহ্ব ও কৃ এ সকল কিছুই না থাকিলেও তিনি এষণ প্রাণ হে সাবধ! দ্রষ্টা, দৃশ্য ও দর্শন এ তিনের মধ্যে সাক্ষী হইয়া যিনি স্পর্শ দর্শন ও আস্বাদন করিয়া থাকেন। ৪৩-৫। যে আছেন, একাগ্রচিত্তে সেখ, সেই আত্মাকেই দেখিতে পাইবে এবং আলোকে সদসদ্ৰপ দৃষ্ট হইয়া থাকে এবং যিনি অনাদি অনন্ত তাহাতে তােমার অনলাভ হইবে। সেই ব্ৰহ্ম অজ, অয়, হইয়া সৃষ্টি কৰিচ্ছেন, সেই নিরঞ্জন স্বশ্বরূপ আলােকও তিনি। অনাদি, নিত শুদ্ধ, মঙ্গলময়, সকলেরই বন্দনীয়, শুরূপী, যিনি অসঙ্কোচ দ্বষের মধ্যে সদাভাস অগতের স্বরূপ সকল কারণের কারণভূত, অজ্ঞেয়, স্বানুল-সংবেদ্য এবং বিশ অবলোকন করেন, তিনিই সেই আকাশরূপী। যে প্রভুর মধ্যে একমাত্র বেদ্য ।৭১-৭৬। কারণের, শশশৃঙ্গের ন্যায়, নিতান্ত অভাব এক জলরাশির নবম সর্গ সমাপ্ত প্রবাহরূপ কার্যের ন্যায় যাহারই এই অগকাৰ্য্য হইতেছে , যিনি চিন্মাত্র দীপষপ হইয়া নিরন্তর চিত্তস্থানে অবস্থান করত, তেজ দ্বারা ভিগকে উজ্জ্বলিত করিতেছেন, সূৰ্য্যালি দশম সর্গ। প্রকাশ পদার্থও শাহ ব্যতিরেকে, অন্ধকারের স্থায়, নিত কাম কহিলেন-হে নেব। মহাপ্রলয় হইলে যে সং অষ্টি হয়, বঁহাকে পাইলে এই ত্রিভুবন, মরীচিকার ন্যায়, মিথ্যা থাকেন, তাহা নিরাকারও নির্নাম, এ বিষয়ে সন্দেহ নাই; কিন্তু বলিয়া বিবেচনা হয়, যিনি সচেষ্ট হইলে, প্রজ্বলিত অগ্নির তাহা যে শূন্য নহে—প্রকাশও নহে, অন্ধকার নহে-আলােকও ফুলিঙ্গের ন্যায়, জগতের প্রকাশ ও নিশ্চেষ্ট থাকিলে, উহার নহে, চিংস্বরূপ নহেবও নহে, বুজিত নহেমনও নহে, লয় হয়, জগতের নির্মাণ ও লয় যাহার বিকাশ ও যে সৰ্ব্ব- অধিক কি, কিছুই নহে, অথচ তিনিই সমস্ত , আপনার এই ব্যাপী মহতের অক্ষয় ও নির্মল স্বভাব স্পণ ও অস্পন্দরূপী সমন্ত বাক্যে আমি বড়ই মােহময় হইতেছি, ইহার প্রতিবিধান হইয়া থাকে, বায়ুর স্থায় হার স্পন্দাময়ী সর্বব্যাপিনী করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। তুমি যে প্রশ্ন করিলে, তাহা সন্ত নামতই ভিন্ন, বাস্তবিক নহে, যিনি সর্বদাই নিদ্রিত অতি বিষ হইলেও, সূৰ্য যেমন অন্ধকারকে নাশ করেন, অপ ও সদাই জাগরিত, যিনি সদাই সর্বস্থানে নিদ্রিত থাকেন। আমি তােমার সে সহে অনায়াসে দূর করিতেছি। মহালয় হইলে না, জাগরিত থাকেন না, যিনি পপে গন্ধের আয় নয়। কেবল যে সৎ অবস্থান করেন, তিনি যে কারণে নহেন, পদার্থে খাকিয়াও বিনষ্ট হন না, শুক্রের শুক্লতার স্বাৱ আহা বলিতেছি, এবণ কর। বেশ তে কোতির গায় প্রত্যক্ষ হইয়াও অপ্রত্যক্ষ, মূক হইয়াও বাশক্তিসম্পন্ন, অশোধিত অবস্থায়ও কৃত্রিম পুলিকা বল করে, কাপ অন্ততুল্য হইয়াও মননশীল, নিত্য পরিতুষ্ট থাকিয়াও এই বিষ হাতেই বহিয়াছে বলিয়া উহ + নহে। এই ভেজা, ফ্রিতীত হইয়াও সব কর্মেরই কর্তা; যিনি বিশালহ্মাও সত্য হউক আর মিখাই হউক, যেখানেই থাকুক, নিরাকার হইয়াও অসংখ্য হাদি সাবনুল ইয়া- ইহার পূজা নাই। সে যেতে নির্মিত নিখিলখিকে বালিয়া আছেন, যিনি ইজিশক্তি অহা পুলিকা নয় সেইমত ও শক্তি ।
বােগণিষ্ঠ-রামায়ণ সুতা কাপ শত নহে। আয় যেমন প্রসলিলে ভরণ, ব্যয় প্রতিভাত হইতেছে এবং ইহা ব্রহ্মেরই এভিৰিৰ মাত্ৰ। আছেও নাই, সেইমত এই বিশ্ব পরমব্রহ্মে শুত ও অঙ্গ যে ব্রহ্ম শুদ্ধ, সূর ও আকাশের অভ্যন্তর অপেক্ষাও পরশ- বিয়গেই অবস্থিত আছে। যেমন দেশ-কাল-পাত্রের সম্ভাব প্রশান্ত, তাহার কোন রূপ নাই ও দিক্-দেশ-কালে তাহার থাকিলেও, শিল্পীর ইচ্ছা ব্যতীত কাষ্ঠে পুত্তলিকা প্রস্তুত হয় না, সীমা নাই, তিনি অনাদি ও স্বপ্রকাশ। যথায় চিপ নাই, তদ্রুপ কতসময়ে ব্রহ্মের ইচ্ছা ভিন্ন জগৎসৃষ্টি হয় না। হে সে স্থানে নিত্য-বাসনা, বুদ্ধিতা, চিত্ততা ও ইলিয়ত্ব, অধিক কি রাম। এই তে-পূলিকাদিতে জগৎসৃষ্টির সাদৃশ্য রাখিলাম, জীবভাব পৰ্যন্ত থাকে না। হে রাম। এইরূপে সেই পূর্ণ, অজর, ইহা আংশিক উপমা জানিৰে, সৰ্বাংশে নহে; বাস্তবিক এই আকাশপেক্ষা শূন্য ও প্রশান্ত পরমপদ আমাদিগের দৃষ্টিগােচর সংসার কখনই বন্ধ হইতে উদয় বা অন্ত প্রাপ্ত হয় না, তবে হইয়া থাকেন। আমি কহিলেন, হে দেব। অনন্ত চিাকতি ইহা ক্ষতি নহে বলিয়া, সেই সৎস্বরূপ ব্রহ্মে নিত্য অবস্থিত পরমার্থের রূপ কি প্রকার, তাহা পুনরায় আমার জ্ঞান-বুদ্ধির অন্য আছে।১-১৩। বিশ্বের শৃষ্ণ-কল্পনা অপেক্ষায়, টং সূত্মরূপে বলুন। ২৫-৩৭। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! মহা- অশূন্য হইতে শূন্যতা ও অশুন্যতা এই উভয়ের কিরূপে সম্ভব হয়। প্রলয় হইলে সেই কারণ-সমুদ্রেরও কাৰণরূপী এক পরমব্রহ্মই আর সেই ব্রহ্মে অলােক, সূৰ্য, অয়ি, চন্দ্র ও তারাদি কোন যেৰূপে অবস্থান করেন, তাহা তােমার নিকট বর্ণন করিতেছি, ভূত হইতেই হয় না, কারণ অব্যয় পরমাত্মায় তাদৃশ ভৌতিক শ্রবণ কৃর। ঐ সময় তিনি সমাধি দ্বারা স্বীয় চিত্তের বৃত্তি সকল ভেজের সব নাই। ভৌতিক তেজের অভাবকেই তম নিরােধ করিয়া, স্বপ্রতিবিম্ব জগতের ধ্বংস করত সৎরূপে অবস্থান বলিয়াছি, যদিচ ৰন্ধে ঐ তেওঁ সকলের গতি নাই, তথাপি করেন , তাহার তদবস্থা বাক্যের অতীত হইলেও বলিতেছি। তাহাতে স্বীয় প্রকাশ থাকায় তিনি তমঃ নহেন এবং প্রকাশ দুজগং নষ্ট হইলে দৃশ্যের অভাবে দ্রষ্টার বিলয় হয়, তখন স্বরূপ ব্ৰহ্ম প্রকাশ হইয়া বুদ্ধাদির মধ্যে অবস্থান করত তাহা- যে প্রকাশ থাকে, তাহাই ব্রহ্মের রূপ। জীবস্বভাব চৈতন্ত্রের দিগকেও প্রকাশ করিতেছেন, তাঁহাকে কেহই প্রকাশ করিতে চেত্যভাব বিলুপ্ত হইলে যে প্রশান্ত বিমল চিত্র বিদ্যমান থাকে, পারে না। ব্ৰহ্ম তমঃ ও প্রকাশের অতীত, আং ব্ৰহ্মপদ আহাই পরমাত্মার রূপ এবং যখন জীবদ্দেহে বাতদিস্পর্শ হইলেও অজর ও অব্যয় এবং আকাশকোষের ন্যায় অসীম জগৎস্থিতির অচিত্তে স্পর্শজনিত বিকার না হয়, চিত্তের তাদৃশ রূপই পর- কোষ অর্থাৎ আমার স্বরূপ। যেমন বিশ্বফলের সহিত তাহার মাত্মার রূপ। হে অনন্ধ। মন স্বপ্নশূন্য, জuরহিত ও অপরিচ্ছিন্ন অভ্যন্তরের কিছুই ওভদ নাই, সেইরূপ ব্ৰহ্ম ও জগতে কিছুই হইলে ও সুষুপ্তি-দশা হয়, সেই রূপই মহাপ্রলয়ে অবশিষ্ট পার্থক্য নাই এবং জমধ্যে ভঙ্গের কায়, মৃত্তিকায় ঋটে স্যায়, থাকে। আকাশ, পৰ্বত ও বায়ুর যাহা উদয় ও অচেত্যভাব, সেই ব্ৰহ্মে জগৎসা রহিয়াছে সুং তাহা কিরূপে শূন্য তাহাই চিন্ময় ব্রহ্মের রূপ। চেত্যভাব ও চিণ্ডভাৰ-বিরহিত জীরে হইবে? বস্তুতঃ ভূওি জলাদি সাকার বস্তুর সহিত ব্ৰহ্ম-জন্ম যে শাস্তিরূপা সভা অবশিষ্ট থাকে, তাহাই আদিবন্তু এফের ঙ্গে তুলনা সুসদৃশী নহে, কারণ আকাশের ন্যায় শূন্যস্বরূপ রূপ এবং যাহা চিংপ্রকাশের অন্তরে, আকাশ-প্রকাশের ব্ৰহ্ম, তাহার মধ্যস্থিত জগৎও শূন্য, এ বিষয়ে সন্দেহ নাই। | অরে ও ইন্দ্রিয়-রক্তির অন্তরে বিকাশ পায়, তাহাই ব্রহ্মের আকাশপ চিন্ময় ব্ৰহ্ম আকাশ অপেক্ষাও স্বচ্ছ বলিয়া তাহার রূপ। যাহা হইতে দৃশ্য ঘটাদি ও অন্ধকার জ্ঞাত হওয়া যায়, মধ্যবর্তী জগৎ-সংঙ্কিত দৃশ্যও তদ্রুপ নিরাকার , কিন্তু যেমন সূৰ্য- সেই অনাদি অনন্ত চিৎশক্তিই পরমাত্মার রূপ এবং নিত্য কিরণের তীরুতা ব্যতীত ডােক্তার আর কিছুই অনুভব হয় না, প্রকাশস্বরূপ এই জগৎ যাহা হইতেই উদিত হইয়া, ব্ৰহ্ম হইতে সেই মুত চিলাকাশে চিময়েরই দর্শন হইয়া থাকে, চিং অভিন্ন হইলেও ভিন্নের ন্যায় দৃষ্ট হয়, তাহাও ব্রহ্মের পারমার্থিক অচিং উভয়ই পরমাত্মায় অবস্থিত আছেন, এবং বাহিরে রূপ। যিনি ব্যবহারপর হইও প্রস্তরের মত নিশ্চেষ্টভাবে রূপততকাদিতে ও অন্তরে মনঃপ্রভৃতিতে উভয়বিধ জগৎও অবস্থিত আছেন এবং যা অাণ না হইয়াও আকাশস্বরূপ, সেইরই অবস্থান করিতেছে। ১৪। রূপাদি বাহ্নদর্শন ও তাহাই পরমাত্মার রূপ। যাহা হইতে জ্ঞেয়, জ্ঞাতা ও জ্ঞান অন্তর্বিজ্ঞান—সকলই তিনি, অন্য কিছুই নহে। বিশ্ব যে ভাবেই এই ত্রিবিধ রূপেরই উদয় ও অন্ত হয়, তাহাই পরম দুর্লভ থাকুক, শেষে ময়ুপ্ত বা দুরী-দশায় থাকিবে, সুজা শান্ত- পরমাত্মার রূপ। ৩৮-৫০। বৃহৎ অর্পণে সাধারণ চিত্ত যােগী ব্যবহার-পরায়ণ হইয়াও সুপাত্মা হই। সর্বপ্রকাশক প্রতিদিনের ন্যায়, হাতেই জ্ঞেয়, জ্ঞাত ও জ্ঞান এই ভিনাই অথচ অগ্রকাশ শাই এবস্থান করেন। যেমন প্রশাসু- প্রতিবিম্বিত হয়, তাহাই ব্রহ্মের রূপ। মন স্বপ্ন ও জাগ্ৰদ্দশ- সলিলে নাকারে অঙ্গ সকল সৃষ্ট হয়, তদ্রুপ নিরাকার পরব্রহ্মে বিহীন হইলে মহাচৈতন্য যে সুযুগুলশায় ।বস্থান করে, চরাচর জুল্য এই জগৎ অবস্থিত আছে এবং পূর্ণব্রহ্ম হইতে যে বিষয় লয় হইলে তাহাই পরমাত্মার রূপ অবশিষ্ট থাকে। কিছু ঔপাধিক-তে প্রকাশ পায়, তাহাও নিরাকার। পুর্ণব্রহ্ম স্থাৰক্সের রূপ যদি চৈতালী হয় ও আহাতে মন বা বুদ্ধি হইতে বিশ্বের একাশ হইয়াছে, ইহাও স্বশ্বরূপে দৃষ্ট হইয়া প্রভৃতি ইলিয়নিয়মের অধিষ্ঠান না থাকে, তাহা হইলে তাহার থাকে। যাহা পূর্ণ হইতে নির্গত হইয়া থাকে, তাহাও পুর্ণ, সহিত পরমাত্মার তুলনা করা যায়। হে রাম! এই ব্রহ্মা, সূর্য, সুৎ বিতৎপন্ন হইয়াও অকুৎপন্ন। জ্ঞানীর পকেনের বিষ্ণু, শিব ও সদাশিদি দেবগণ শয় প্রাপ্ত হইতে, একমাত্র এই অতৰ হেতু ব্রহ্মের সহিত অগৎশব্দের প্রতীতি একই হইয়া পরম-শিবই অবস্থান করেন। তৎকালে ইহার কোন উপাধিই থাকে। যেমন অসুৰী লােৰু না থাকিলে, সূর্যরশ্মির তীরুতা থাকে না বলিয়া নির্বিকলস্বরূপ হন এবং তখন ইনিই বিশ্ব জত হওয়া যায় না, দ্রুপ অজ্ঞানীর পক্ষে পূর্ব প্রভাতি হয় সংজ পরিত্যাগ করত চৈতময় এ হন। ৫১-৫। না। এই সকল চেতজৰ ও চিত্ত মিখা হইলেও সত্যের দশম সর্গ ১০ বন উৎপত্তি এ একাদশ সর্গ। কে; একটা শাকিলেই উল্পেই বলে থাকে ও রে অভাবে উভয়েরই মুক্তি হয়, অতএব যাৰ বজিতে কি রাম কহিলেন-হে ব্ৰহ্মন। এই যে স্থাবর-অমাত্মক জগৎ, অভ্যভামাৰ বা এ না হইবে, সে পর্যন্ত দুষ্টায় নি যাহা অতিবিশদরূপেই দৃষ্ট হইতেছে, ইহামহাপ্রলম্ব হইলে কোথায় হইবে ও আহাতেই জ্ঞান এখাইবে না। আর যদি অগ্রে জ্ঞান অবস্থান করিবে, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। বন্ধ্যা- হইয়া পশ্চাৎ, অপ্রাপ্ত হয়, তাহা হইলেও দলে পুত্র কিরূপ ও কোখা হইতে আসিয়া কোথায় গমন করে এবং পুনরায় পূর্বস্কার হয় বলিয়া কিছুই অনর্থশান্তি হইবে না। আকাশ-কাননই বা কোথায় যায়, কোথা হইতে আসে, তাহ৷ যেমন আদুরে কোন স্থানে থাকিলেও প্রতিবিম্বগ্রহণে সমর্থ আগ্নে বল? রাম কহিলেন-হে প্রতে। বন্ধ্যার পুত্র ও আকাশে হয়, তদ্রপ চিদশ যে কোন অবস্থায় থাকিলেও তাহাতে কানন, এ দুটী কখনই নাই ও কদাপি হইবারও সম্ভাবনা নাই; স্মৃতি সংসার-সংস্কার প্রতিবিম্বিত হইয়া থাকে। যদি সুজ্জৎ তাহার অস্তিত্বই বা কি মার অভাবই বা কিরূপ ? বশিষ্ট আদৌ উৎপন্ন না হইয়া থাকেও যদি তাহা সত্যই না থাকে, কহিলেন, হে রাম। যেমন বন্ধপুত্র ও আকাশ-কালন কখনই তাহা হইলে দ্রষ্টা মুক্ত হইতে পারেন। হৈ আত্মবির! নাই, দ্রুপ এই সমগ্র নৃ-জগৎ কদাচ নাই এবং অনুৎপন্ন , সুষ আমার মুক্তির অভ্যন্তাসম্ভব -জ্ঞানলি হাতে আদিতেও কিছু ছিল না, সুতরাৎ ইহার উৎপত্তি ও বিকাশ উৎসারিত হয়, তাহা সদযুক্তি দ্বারা উপদেশ দিন। ১৮-২৭। কোথায় ? ১। রাম কহিলেন--হে দেব। যেমন ব্যাপত্র ও বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। এই সৰ্বস্বরূপ জগৎ অসৎ হইলেও আকাশ-কক্ষের কল্পনা আছে ও ইহার নাশ ও উৎপত্তি আছে, যেরুপে সংরুপে প্রতিভাত হইতেছে, তাহা তোমাকে দীর্ঘ উপাখ্যান ভদ্রুপ কেননা জগতের হইবে ? বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। দ্বারা বুঝাইতেছি, শ্রবণ কর। আমি যাবৎ প্রাচীন উপাখান দ্বারা যাহার প্রতিবিম্ব নাই, সে পদার্থের তুলনা পণ্ডিতেরা তাহারই ঐ বিষয় বর্ণনা না করিতেছি, যতক্ষণ, হ্রদ হইতে যেমন খুলি সহিত করেন, এখানেও বন্ধ্যাত্ৰাদির সহিত জগতের সাদৃশ্য উখিত হয় না, তেমনি তোমার অন্তর হইতে বুদ্ধি অপনীত হইয়া থাকে। যেমন সুবর্ণবলয়ে প্রত্যক্ষ দেখা যাইলেও বত্ব ' হইবে না। হে রাম। তুমি এই জগতের অবস্থানকে সম্পূর্ণ নাই, সুবর্ণই আহা, এবং আকাশে আকাশত্ব ব্যতীত পৃথকৃ- ভ্রমাত্মক মিথ্যা বিবেচনা করিয়া এক ব্রহ্মের চিন্তাতেই নিমগ্ন শূন্যতা পদার্থ নাই, সেই মত দৃশ্য-জগৎ পরব্রহ্মে পৃথকৃরুপে থাকি ধ্যবহার-পর হইবে, তাহা হইলে, যেমন মহাপৰ্ব্বভূকে নাই। যেমন জলের সহিত শ্যামর ও হিমের সহিত পত্যের কোন বাণই বিদারণ করিতে সমর্থ হয় না, তজ্জপ ভাৰগ্ৰহ, অগৰু পার্থক্য নাই, তদ্রুপ ব্রহ্মের সহিত জগত পার্থক্য নাই, এবং গ্রহ, স্থূল-সূক্ষ্মণ-রুম, হিবােধ, অস্থিরবেশ ও ব্যবহারদর্শন এ যেমন চন্দ্র ওহিমের সহিত শীতলতার কিছুই প্রভেদ নাই, সকল তােমাকে আক্রমণ করতে পারিবে না। হে ব্রাম! সেইমত ব্রহ্মের সহিত সৃষ্টির কোন অংশে পার্থক্য নাই। যেমন সেই একমাত্র আত্মাই আছেন, তাহার প্রিয় কল্পনা নাই। মরুস্থলীয় নদীর জল ও দ্বিতীয় চন্দ্র উভয়েরই অভ্যস্তাভাব, তদ্রুপ তাহাতে যেরূপে এই জগৎ উৎপন্ন হইয়াছে, তাহা বলিতেছি। এই জগৎ দূষ্ট হইলেও শুদ্ধসত্ত্ব ব্রহ্মে ইহার অভাব নিশ্চিত। তাহা হইতেই এই চলচিৰ বিষ প্রকাশ পাইয়াছে এবং সেই যাহা করিণের অভাষ বশতঃ অগ্রে ছিল না, বর্তমানে নাই, মহাত্মাই চক্ষুরাখি-গ্রান্থ রূপাযিদর্শন ও অরিন্দ্রিয়গ্রহ মননালি সুউরাং তাহার আবার নাশ কোথায় ? পৃথী প্রভৃতি জড়বস্তুর সমুদয় পদার্থরূপে স্বয়ং প্রকাশ পাইতেছেন ও আপনিই কারণ জড়বস্তুই হইতে পারে, ব্ৰহ্ম জড় নহেন, সুতরাং যেমন বিলীল হইতেছে। ২৮-৩৩। আতপ ছায়ার কারণ হইতে পারে না, তদ্রুপ ব্রহ্ম জগতের একাদশ পর্গ সমাপ্ত।১১। কারণ হইতে পারে না। কারণের অভাবে কোন কাৰ্যই হয় না সত্য, কিন্তু এলে সেই আদি কারণ ব্ৰহ্ম, জিনই কাৰ্য- রূপে বিকারে অবস্থিত আছেন এবং যদি জ্ঞান বিগের কারণ ইতেছে, কিন্তু উহা হইতে বিশ্বের স্মৃষ্ট হইতেছে না, কেবল আভাসিত হয় মাত্র। সুতরাং স্বল্পকালীন ব-দর্শনের স্থায়ই বশ কহিলেন-হে রাম। সেই পরম পবিত্র ও পরম শান্ত এই অগ্ৰদ্দশায় দৃষ্ট হইতেছে। যেমন স্বপ্নে সমুদয় প্রত্যক্ষ হইলেও ব্রহ্মপদ হইতে যেরূপে এই দৃশ্যমান বিশ্ব উৎপন্ন হইয়াছে, তাহা সে সকল কিছুই নহে, ড্রপ ব্রহ্মে জগন্দ্রপ বস্তু না থাকিলেও বলিতেছি, একাগ্রমনে শ্রবণ কর। যেমন সুস্থ স্বপ্ন-বিশিষ্ট এজ্ঞান বশতই দৃষ্টিগােচর হয়। ৬-১৭। হে রাম! যে কিছু লেখা হইয়া দীপ্তি পায়, তেমনি যেরুপে সৰ্বস্বরূপ ব্ৰহ্মও সৃষ্টিযুক্ত খাইছে, এ সমগ্র জগৎই পরমাত্মায় নিত্য অবস্থিত আছে, হইয়া প্রতিভাত হন, তাহাও কহিতেছি, শ্রবণ কর। এই কি ইহা কখন উদয় বা প্রাপ্ত হয় না। যেমন সলিল এবভবে, অনন্ত-প্রকাশ অনন্ত টি পরমাত্মার স্বাভাবিক সত্তা ব্যতীত প্রকাশ প্রভার আকারে স্থান করে অজ্ঞা আর কিছুই। ১৩। তিনি আকাশ অপেক্ষা সূক্ষ্ম ও ব্ৰহ্মও ত্ৰিভুৰনাকারে অবস্থিত আছেন। যেমন স্বভার নিল, তাহাতে প্রথমে যে কিছু চ্যের প্রকাশ হয়, সেই চেত বিজ্ঞানই অন্তুরে নগরদিরূপে পরিণত হয়, অপ স্বীয় আত্মাই জ্ঞান সংজ্ঞানপূর্বক হইয়া থাকে ও তাহাতেই সকল জ্ঞান ব্রহ্মে জগাকারে লােজ পান। রাম কহিলেন-হে ব্ৰহ্মণ! সংস্কার হয়। তাই আমাদিগের সল্পরবিশিষ্টচিরে উ-ে যদি এই বিষয় -জৎ, স্বপ্নানুভূজােয় মিয়া, অৰে কিরুপে এক। এল, সেই চিত্তবৃত্তির আয় বৃত্তিশালী চেঙ্গাত্মক ইহাতে অনাদিকাল হইতেই মায্যের বির বিশ্বাস বহিয়াছে ব্ৰহ্মসভাই অনতিরিক্ত চিন্ময়ী মশা-রুপে বলা হন,পরে এবং দৃ থাকিলেই দ্রষ্টা থাকে ও অষ্টা ঋকিলেই দৃ যন তিনি চিরায়ত্ত বেতন- দ্বাদশ সর্গ যােগ রামায়ণ তিনি আত্মভাব বিস্মৃত ও পরমপদ ত্যাগ করত পুন সংসারে- ক্ষমধ্যে পিছু হইয়া সুল হইতেছে এবং সজাত্মিক পবিক জীবভাব াপ্ত হন। জীবভাব প্রাপ্ত হইলেও তঁাহার চিশক্তিই আঁশ হইয়া সরেণুর (পরমানুষের আকার ব্রহ্মভাব দূর হয় না, কারণ পূর্বোক্ত ব্ৰহ্মনই ভাবনাবিশেষ ধারণ করিতেছে, কখন বা নিরাকার দৃষ্টা হইতেছে। হে তারা প্রকাশেমুখী হ, তাহাতে তাহার কোনরূপ বিকৃতি হয় না। রাম। পঞ্চতন্ত্রই এই জগতের কারণ এবং পরমাত্মায় ঐ জীবসত্তার পন্যেই শুন্যতা-স্বরূপিণ আকসত্তার আবির্ভাব সহিত নিত্য সম্ব। আদি শক্তিই সেই পঞ্চ-ভমাত্রেরও হয়, তাহাই নাকি ণের ও অক্লাশাদি ভাৰী শংজ্ঞার কারণ। কারণ এবং অনুভূতিগ্রাহ্ন আদিভূত আজ চিত্র সেই আলি পরে কালের সবধরণের সহিত জীবের, অহং প্রভৃতি শক্তিরও কারণ। এই কারণ-পরম্পরায় অগংলম্বীর বিকাশ অভিমান অখিয়া থাকে, তাহাই ভাবিসৃষ্টি ও অগস্থিতির মুল হইতেছে। ২৯–৩২। এবং সেই পরমসত্তা হইতেই এই আত্মসংবেদ্য অপদ্রপ জগৎ আদ সর্গ সমাপ্ত । ১২। উৎপন্ন হইয়া সতে মত প্রকাশিত হইতেছে। এইরূপ অহং অাণিসম্বলিত সংবিদ্ সল্পরূপ রক্ষের বীজস্বরুপ। তাহার অংশ ইতেই স্পন্দনধর্মী বায়ুর উৎপত্তি হইয়াছে, সেইজন্য সেই অহ- ভাব-বিশিষ্ট আকাশপ সত্তাকে শব্দমাত্র কহে ও তাহা হইতেই এয়ােদশ সর্গ। ক্রমে ক্রমে আকাণতন্মাত্র হইয়া থাকে। উক্ত কতই বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। নও, তেজ, তমঃ, সমস্তই শব্দময় ফেরও কারণ, যে বৃক্ষ হইতে পদ বাক্য ও প্রমাণ | অনুৎপন্ন , উহাদের সত্তার কারণ চিহ্মি পরব্রহ্ম। সমন্বিত যোনিচয় প্রকাশ পাইয়াছে। নিখিল-অর্থে সমবেত 'ডিআই মায়াকাষে বিকাশ পাইয়া প্রথমে চেত্যবিষৱিৰ কল্প- শব্দরলে পরিণত বেদান্য ব্ৰহ্ম হইতে এই অসীম জগলী উদয় নাকে, পরে তৎসংযুক্ত জীবভাবকে ও অহংজ্ঞানকে উৎপাদন পাইছে। যে সমুদয় বাব্বান্দি ভূতচয়ের উল্লেখ হইয়াছে, তদযুক্ত করে। উক্ত অহংতার পরিণামে বুদ্ধি বিকাশ হয় ও বুদ্ধি চিন্ময় ব্রহ্মই জীব নামে অভিহিত হন, ইনিই ইক্রিয়গ্রাহ্ন রূপালির হইতেই মননধী মনের উৎপত্তি অর্থাৎ বুদ্ধিই শব্দতত্র- কারণ এবং সেই মহাবায়ু হইতেই এই চতুর্দশ ভুবন ও জরায়ু কাদি-বিশিষ্ট হইয়া মন হন। এই মনই তাত্রপঞ্চকের মেনে প্রাণিনিচয় সভূত হইয়াছে। ৪–১৭। সেই চিৎশক্তির ক্ষুরণে মহাভূক্সকারে বর্ধিত হইয়া জগদাকার মহান দৃষ্ট হন। দেহের বিকাশ হইয়া থাকে এবং তাহাকেই তমাত্র কহে যেমন স্বপ্নে অকৃত বা অদৃষ্ট বস্তুকে হঠাৎ দেখা যায়, দ্রুপ ও সেই শতন্মাত্ৰ-ৰূপ বৃক্ষ হইতে একোনপঞ্চাশৎ বায়ুস্কন্ধের চিদা মনের আশে জগৎ দেখিতেছেন, সন্ত্রাং এই বিশ্ব বিস্তার হইতেছ ও সর্পভুতের স্পন্দনকাৰ্য সম্পাদিত হইতেছে। চিন্ময় আকাশে বারবার উৎপন্ন ও বিনষ্ট হইতেছে। ৬। তাহাতেই চিৎশক্তির বিলাসে তেজুত্রের উৎপত্তি হইয়াছে। চিত্মাই জগদ্ধপ কল্পবৃক্ষকুরে অনুপ্ত বীজ। উক্ত বীজ কিতি উক্ত তন্মাত্র আলােকে রক্ষ বলিয়া উহা হইতেই সূৰ্য্য অগ্নি ও বারি ও তেজের অপেক্ষা না করিয়াই স্বয়ং অঙ্কুরিত হয়। যাহা বিদ্যুৎ এভৃতি তেজের উৎপত্তি হইয়াছে এবং পবিভাগ সংসার কেবল চিৎ, তাহাই স্বপ্নদৃষ্টের ন্যায় পৃথ্যাদি সৃষ্টি করিতেছেন ও বিস্তৃত হইয়াছে। তিনিই সঙ্কলমাত্র জলময় শরীর প্রাপ্ত যাহা কেবল চিন্ময় অর্থাৎ বিশুদ্ধ চৈত, তাহা যেখানেই হন ওঠাঁহারই আস্বাদনকে রস কহে। ইহাই বাবৎ এ খাকুক সর্বত্রই অগস্তুর তাহাকে পরিহার করিয়া আছে, স্কুল- পদার্থের কারণ ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্ন হইয়া সারের বিস্তার করি- জগতের বী পঞ্চতত্র ও পঞ্চতন্মত্রেয় বী ভেদ্রে। কল্পনায় আত্মাই স্বীয় কল্পনাপ্রভাবে গভমাক্সকে অব চিৎ, যুদ্ধা বীজ, তাই ফল। সে ভাবেও এ ব্ৰহ্মময়। লােকন করিয়া থাকেন এবং উক্ত মনুষ্যাদির আকৃতিস্বরূপা এইরূপে সৃষ্টির পুর্বে মহাৰণ আত্রপক থাকে। চিৎই ওজলের আধারভূ গন্ধভন্মাত্ৰময়ী ভাবী ভূগোলকেরও মূল- স্বামর্থ্যে পঞ্চাত্রার কল্পনা করেন, আং অহা বাস্তব স্বরূপিণী পৃথিবী হইতে সংসাৰৰ প্ৰভ হইতেছে। যেমন নহে। সেই পঞ্চতন্মাত্রা বর্ধিত হইয়াই স্থূল-জগৎ হইয়া থাকে, বুনিচয় জলেই পরিণত হয়, তদ্রুপ চিৎশক্তির ভাবনায় সুতরাং যাহা সৎ ও কল্পনাধিষ্ঠান, তাহাতে স্বপ্নকল্পনার সমুভূত তাত্রনিচয়ই পরস্পর মিলিত হইয়া ব্ৰহ্মাস্তাকারে স্যায় কল্পিতভাবে অবস্থিত থাকায় এ সমস্তই ভৎসরূপ, তাহার পরিণত হইতেছে। ইহার কিছুকাল মিলিত থাকে, পরে অতিরিক্ত নহে। যাহা কেবল কল্পনাৰাত, তাহা কিরুপে সত্য পুনরায় বিশেষ প্রাপ্ত হয়, যাবং সকলের ধ্বংস অর্থাৎ মহাপ্রলয় হইবে? যেমন আত্ৰপঞ্চক ব্রহ্মে অধিষ্ঠিত আছে, সেইমত সৃষ্টির না হয়, সে পৰ্যন্ত ইদিগকে বিশুদ্ধ চিৎশক্তিসশয় বলিয়া আদিকালে ব্ৰহ্মঘরূপ বুদ্ধিতে জ্ঞানে ভাসভূত এই ত্রিভুখনও জানা যায় না। যেমন সূক্ষ্ম বটীমের মধ্যে অসংখ্য বটবৃক্ষ ব্ৰহ্মচৈতন্তেই বিকাশ পাইয়া থাকে, যেহেতু ব্ৰহ্মই জগতের কাৰ্য নিবিষ্ট আছে, ভদ্রুপ এই মাত্র সকল গগনধ্যেই হইয়াও কারণ হইতেছেন বলিয়া অগৎ নামে কোন পৃথক্ পদার্থ বস্থান করে, পূনরায় ইহাদিগের হইতেই গগলাদি প্রকাশ এ পর্যন্ত জন্মায় নাই ওত বলিয়া দৃষ্টও হয় নাই। যেমন হইয়া থাকে। ১৮২৮। অঙ্কুলের উলাম, শতখাকারে প্রকাশ স্বপ্ন-মগরাদি অসং হইলেও সতের ন্যায় অনুভূত হয়, জেনি এবং কমধ্যে ফলবান্ বৃক্ষে পরিণতি—সু পরমাণমধ্যেও পরমপ্রকাশ ব্ৰহ্মাকাশসংজ্ঞক পরমাত্মার জীবাকাণের কাজনিক এৰি টির বিষয়ীভূত হইয়া থাকে। (অগ্নাবস্থায় অতি সূক্ষ্মনাড়া অস্তিত্ব দেখা যায়। পূর্বোক্তরূপে বিশুদ্ধ চিন্ময় আত্মায় পৃথিব্যাদির ছিঞ্জেও বৃহৎ বস্তুর সনি ঘটে।) এ পুণৰ বাস্তবিক নহে। অবস্থানের এসব হেতু, অফশে গন্ধর্ষনগরাদি দর্শনের আয়, একশন বিবৰ্ত্তকে অনুসরণ কব্ধিতে, পূনরায় বিবর্তক ব্রহ্মে জীবের প্রকাশ করায় কথিত হইয়া থাকে। ৭–১৭। যা খাটিভে; কখন বা চিলাৰায়ে ই হইতেছেও হে রাম। সেই পরনেমেই জীবসকল আৰু সংরূপে উৎপতি-প্রকরণ। প্রতীয়মান হইয়াও যেরুপে এই স্কুল দেহ আনা করেন, তাহা ব্রহ্মাণ্ডের কিছুই হয় নাই, কিছু নাই ও কিছুই দেখা যায় না। বলিতেছি, শ্ৰৰণ কর। এখনে পরমেশ্বরের কতি জীবের কল্পনা কেবল সেই অনন্ত আকাশের ন্যায় ব্রহ্মাকাশই অবস্থিত আনুন। অগ্নিস্ফুলিঙ্গের ন্যায় অল উদিত হয় ও তাদৃশ কজনবলে স্থূল ইহা সৎ বলিয়া জ্ঞাত হইলেও, স্বপ্নদৃষ্ট নগরের ন্যায় অলীক জীবে প্রকাশ হয়; যেমন সঙ্কলিত চন্দ্র মিথ্যা হইলেও সত্য এবং ইহা কোন ব্র্যনিৰ্মত বা অতি না হইলেও ইহা বলিয়া জ্ঞাত হয়, তদ্রুপ ঐ ভাব অসং হইলেও সত্যের ন্যায় অত্যাশ্চৰ্য-পেই প্রকাশ পাইয়া থাকে এবং এই অলীক সৃ প্রতীয়মান হইতে থাকে ও ক্রমে ভাবনাবলেই অষ্টার দৃশ্যরূপে কাহা কর্তৃক কৃত বা অনুভূত হইলেও সত্যের ন্যায় অতীত পরিণত হয়। পরে সেই সূক্ষ্ম তে, স্ফুলিঙ্গভাব পরিত্যাগপূর্বক হয়। যখন মহাথলয়ে ব্ৰহ্মাদিরও নয় নিশ্চিত, তখন তাহা- আপনাকে তারকার স্যায় বুঝিতে থাকেন, তাহাতে তিনি স্কুল বন। দিগেরই সৃষ্ট এই গতের কথা কি বলিব, ইহার শ্রষ্টা যেরূপ স্বপ্নে নিজ মৃত্যুর অনুভবের ন্যায় একই বস্তু বিরূপ হন,কিন্তু তাহা এই তৎষ্ট জগৎও সেরূপ জানিৰে, যে পরমাত্মা এই সৃষ্টিকাধ্যের বাস্তবিক দুইটা নহে। সেই লিঙ্গদেহ জ্ঞান ও চিত্রকল্পনা বশতঃ কারণরূপে আছেন, এই জগৎ স্বপ্নের অন্তর্ধান হইলে তিনিই স্থূল শরীর গ্রহণ করিয়া সেই সেই উপাধিতে ‘সােহহং’ ভাবে কেবল অর্থ ব্ৰহ্ম-অক্ষপে বান করেন। তৎকালে এ সমুন ভাবিত হয় , তাহার তারকাকার লিবই ভবিষ্যৎ ভুল দেহের দৃশ্য থাকে না, স্বপ্ন দর্শনের পর যেমন স্বপ্নদৃষ্ট গৃহাদি কেবল গরণ। পুরুষ .যমন স্বপ্নে নিজের পথিকতা অনুভব করে, তেমনি স্মৃজি আকারেই অনুভূত হয়, আকাশপ জগৎকারণও দ্রুপ জীবও আপনাকে শরীরী বলিয়া বোধ করে। চিত্ত যেমন যেমন হন। বত্ব যেমন জল হইতে পূখ নহে, সেইমত সৃষ্টিও পরম চেত্যাকার অর্থাৎ বিষ-স্বৰূপ ধারণ করে, জীবও সেইমত উপাধি হইতে অতিরিক্ত। এই ব্রহ্মাণ্ড, আকাশের গায় অতি নিল অবলম্বন করে। পৰ্বত যেমন বহিঃস্থ হইয়াও দপণাদিতে তাহার ও প্রশান্ত এবং নিরাপার, নিরাধেয় অদ্বয়, অনুপম, ইহা ॥ মধ্যবর্তী বলিয়া দৃষ্ট হয় ও এই বহু দেহ যেমন কৃপণধ্যে হইতে উৰপন্ন হইয়াও কিছুই হয় নাই। যাহা কিছু রহিয়াছে ইহা নিপতিত হইলে কূপমাত্রেই গতিবিধি করে, অন্যত্র যাইতে পারে পরমাকাশের ন্যায় শূন্য ও নির্মল। বাস্তবিক সংসার বলিয়া কিছুই না, তদ্রুপ এই সর্বগামী অত্মাও তারকামধ্যে অর্থাৎ জোতির্ময় নহে ইহা আধেয় বাবার ও ভ্রষ্ট বা দৃশ্য নহে, অধিক কি লিঙ্গশরীরের মধ্যেই অহং অভিমান ধারণ করত অবস্থান ব্রহ্মা বা ব্রহ্মাণ্ড নামেও কোন পদার্থই নাই , এ সক বিতণ্ড- করিতেছেন বলিয়া বিবেচনা করেন। যেমন স্বপ্নদর্শন ও সঙ্কল দেহ কমাত্র। ৩৯–৫০। হে রাম। জঙ্গম বা আর কিছুই নাই, মধোই হইয়া থাকে, তদ্ধ জীব স্ফুলিঙ্গৰূপ উপাধিতে অহঙ্কার সকলই, জলে আত্তাদির প্রকাশের ন্যায়, সেই ব্রহ্মই আপ- সযোগে তন্মধ্যস্থিতের ন্যায় থাকি। কলনাময় দেহ অতৰ নাতে আপনি প্রকাশ পাইয়া বিলীন হইতেছেন, সুজাং ইহা করেন। ১৮-২৬। সেই জীবাকাশ বুদ্ধি, চিজ্ঞান ও সত্তাদি দশায় অসতের ন্যায় প্রকাশ পাইয়াও সদ্রপে অনুভূত স্বরূপে সতই অ্যােতিকাশমধ্যে অবস্থান করিতেছেন। আমি হইয়া থাকে। যেমন স্বপ্নে স্বমরণ দেখিয়া নিদ্রাবসানে তার দেখিব” এই ভাবের উদয় হইলেই ভবিষ্যদ্বাহ্ন দৃশ্য দেখিবার জন্য অলীক বলিয়া প্রতীত হয়, প ন জন্মিলে এই সংসার আকাশে ছিদ্রঘয়ে অর্থাং নেত্রয়ের দ্বারা দৃষ্টিপ্রস্ত হয়। যাহা দ্বার মিথ্যা বলিয়া বোধ হয় ও কেবল সেই অখণ্ড অনাদি ব্ৰহ্মকেই দেখা যায়, তাহার নাম নয়ন, যাহা দ্বারা স্পর্শ করা যায়, তাহা , জ্ঞানরূপ আকাশের মধ্যে দর্শন করা যায়। যে আদি প্রজাপতি যাহা দ্বারা শ্রবণ করা যায়, তাহার নাম কর্ণ, যাহাতে ভ্ৰাণকাৰ্য হয়, সেই পরম আকনে স্বয়ং - স্বরূপে নিত্য অবস্থিত আছে, তাহাকে নাসিকা বলে এবং তাহারই নাৰ লি, বা কারা বর তিনি অতিবাহিত দেহধারী, তাহার দেহ পাঞ্চভৌতিক নহে, আস্বাদন হয়। যাহা হইতে চেষ্টা ও কর্মেন্দ্রিয়ের বিকাশ হয় ও মৃৎ, অত শশঙ্গাদির ন্যায় এই ভৎসত পৃথিবী যাহা স্পন্দিত হইতেছে, তাহাকে রায়ু বলে,এই বায়ুই বাহুবিজ্ঞান প্রভৃতিও সং নহে জালিবে। ৫১-৫। ও অতর্বিজ্ঞান সম্পাদন করিতেছেন। এইরূপে অভিবাহিকদেহী এম সর্গ সমাপ্ত। ১৩। ব্রহ্মেরই জুলাকার হওয়ায় দুলদর্শন হয় এসৎ তিনিই ফুলিলাদি বাহ্ন বিষয়ের মধ্যে আকাশের ন্যায় স্থিত আছেন। হে রাম। এইরূপে অসত্য হইলেও সত্যার ন্যায় প্রতীয়মান। কনাকে চতুর্দশ সর্গ। আয় করিই ব্ৰহ্ম, জীবাপর নাম গ্রহণ করিয়াছেন ও সেই বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রাম। এই সকল অহংভাবাপন্ন আজিৰাহিদেহী পরমাত্মা স্থূল দেহাবরণে থাকিয়া বুদ্ধি-কল্পিত জলণি দৃশ্যসমুদয় কিছুই নহে, ইহা অজত বলিয়াই ইহা নাই। ব্ৰহ্মাণ্ডকে অবলােকন করিতেছেন, তন্মধ্যে কোন জীব জগৎকে, এক ব্ৰহ্মই সৎ, অন্য কিছুই নহে। যেমন নিশ্চল সাগরই চঞ্চল কেহ সম্রাট-স্বরূপকে, কেই বা ভাবী ব্ৰহ্মাণ্ডকে নিও অনুভবও তাকারে পরিণত হয়, তা এখমে পরমাকাশই স্বয়ং আকাশ- করিতেছেন। জীব নিজ অত্যন্ত-গৃহুরূপ চিত্ত হই কল্পনা - রূপ পৰিগ না করিয়া জীবরূপে প্রকাশ পান। সঙ্কল্পরূপা টি- সারে দেশ, কাল, কাৰ্য্য ও জ্বরে কল্পনাও জব করিতেন ও বৃত্তিই অসংখ্য জীবরূপ ধারণ করেন। প্রথমাবির্ভূত জীব ব্রহ্মা সেই সেই সেই শব্দ দ্বারা বদ্ধ হইয়া আছেন। বস্তুত ইহা স্বগ্নকজিতের বিরাটুরূপী প্রজাপতির চিৎস্বরূপ নভেময় দেহেরই অভিহিক ন্যায় অসং বলিয়া অত্যন্ত অলীক, সেই কারণেই ইহাকে সংজ্ঞাহইয়াছে; উহা স্বাচলে যায় আভাসিত মাত্র এবং অনুৎপন্ন বলে। বাস্তবিক অনুৎপন্ন হইলেও বিশ্বরূপ আদি প্রভু চিত্রকরের স্থিরচিতে কল্পিত সেনাদলের সহিত তাহার উল হইতে স্বয়ই উক্ত প্রকারে উৎপন্ন হইভেন বলিয়া কীর্তন করা যায়। পারে। যদি কোন মহাকাতে শালজিকা অনুৎকীর্ণ থাকে, তাহা ২৭-৩৮। এই উপস্থিত ব্রহ্মাণ্ডকার অমে অভিবাহিক-নে- হইলে, তাহার সহিতই সেই স্নািইপুরুষের তুলনা হইতে পারে। রূপ আএিভু প্রজাপতি ব্যতিরেকে আর কিছুই নাই; এবং ৬। দি এজাপতি এ কার অতৰ হেতু ৭০, বােগাৰায়ণ। ; বিহীন অং সামান্য প্রাণীর স্নায় তাহার উৎপাদক কাৰণ নাই, অঞ্জনসম্বন্ধেও প জানিবে। এইরূপে সিদ্ধান্ত হইল যে, পূৰ্ব্বপূর্ণ পিতামহগ মহাপ্রলয় সময়ে মূক্ত হইয়াছেন, প্রাক্তন ব্রহ্মা জীব। তিনি অপরিচ্ছিন্ন, অখণ্ড, সর্বশক্তিমান, ক তাহাদিগকে আবদ্ধ করে নাই। আদি প্ৰহ্মপতি মণ প্রতি অনাদি, অনন্ত এবং সত্য, চৈতন্য তাহার স্বরূপ। ২২-২৬। বিম্বিত কুড্যের হাই হইলেও পৃথক্ সা না থাকায় দলের সেই এই সৰস্বরূপ, কিছুই তাহা হইতে লি নহে। অযোগ্য, তিনি দৃশ্য দর্শক ও শ্রষ্টা কিছুই না হইলেও সকলই তিনি। অতএব এই ৰে অগণকৌশল, তাহাও সেই ব্ৰহ্ম স্বরূপই যেমন দীপ হইতে দীপসমূহের উৎপত্তি হয়, তাহা হইভে অপনােক্ষানুজৰে পৰ্য্যবসিত হয়। নাম বলিলেন-হে ব্ৰহ্ম। এই জীবসমষ্টি উৎপন্ন হইয়াছে। যেমন সঙ্কল হইতে সঙ্কলের ই এইরূপই বটে, কিত মহাজীব অর্থাৎ জীবসমষ্টি ও ক্ষুদ্র বা ও স্বপ্ন হইতে গান্তরের উৎপত্তি, সেইরূপ হা হইতেই এই ব্যষ্টিজীব যখন এক, তখন একমাত্র ব্যষ্টিজীবের ইচ্ছায় জগতের অগল্পে উৎপত্তি হইয়াছে যেমন বৃক্ষ হইতে শাখার প্রকাশ, যাবতীয় ব্যষ্টিজীব সম্পৃক্ত না হয় কেন? অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জীব- তদ্রুপ সেই ব্রহ্মের স্পন্দনেই জীবের উৎপত্তি। সহকারী কারণ না সমষ্টিই মহাজীব; মহাজীবের অঙ্গীভূত এক ক্ষুদ্রজীবে কোন থাকিলেই কাৰ্যও কারণ উভয়ে এক অর্থাৎ অভিজ্ঞ হইয়া থাকে, বিষয়ে ইচ্ছাবিকাশ হইলে, সমগ্র জীৰেই ইচ্ছা হওয়া উচিত। আং সৃষ্টি ও পরমাত্মা উভয়েই এক। যাহা হইতে এই পরম্পর জীবের কোন ভেদ নাই? বশিষ্ঠ বলিলেন,-ব্ৰহ্মই পৃঞ্চাদি অলীক বস্তু সকল দৃষ্ট হইয়াছে, তিনি জীবাকাশ স্বরূপ সমষ্টিজীবরূপ হইয়া, পরে ব্যক্তিজীবের স্বরূপ হন, জগতের আদি ব্রহ্মা এবং তিনিই বিরাভা বলিয়া নির্দিষ্ট অাছেন। ব্যবস্থা যাহাতে সুসিদ্ধ হয়, সেইকার ইচ্ছা, সর্বশক্তিমান রামচন্দ কহিলেন,“হে মুনে। এই জীব কি অপরিমিত না মহাজীবরূপী অখণ্ড ব্রহ্মে থাকে, তিনি নিরন্তর যাহা ইচ্ছা করেন পরিমাণ আছে ? কিংবা লংখ্য বা সংখ্যা আছে? অথব-অসংখ্য তাহাই সত্বর সফল হইয়া থাকে। সত্যসঙ্কল্প তাহার ইচ্ছার হইলেও অচলের ন্যায় অনন্ত-স্বরূপ । হে প্রভাে। সে হইতে বিষয়ীভূত, পূর্বে তাহা থাকায়, ব্যষ্টিবিভাগ উৎপন্ন হইয়া থাকে। জলধারার ন্যায়, সমুদ্র হইতে জলকণার ন্যায়, অপ্ত লৌহপিণ্ড অর্থাৎ সমধিজীব যে, ব্যক্তিজীবরূপে বিভক্ত হন, তাহ। সেই সমষ্টি হইতে কুলিঙ্গপ্রকাশের ন্যায়, এই জীবসন্স কোথা হইতে জীবরূপী ব্রহ্মেরই ইচ্ছালীমাত্র। ২৭-এ। পরে সেই বিভক্ত একাণ ইতেছে, তাহা আমার নিকট বর্ণন করুন এবং শীয় অংশ জীবসমষ্টির ব্যপদ্ধতি এইরূপে হইয়া থাকে” যদি আমি আপনার উপদেশে প্রায় সমস্তই জালিয়াছি, তথাপি এই প্রণালী অনুসারে তিনি কল্পনা করিয়া দিয়াছেন। কার্যপদ্ধতি সবিশেষ ব্যক্ত করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। যখন একটাও অবলম্বন না করিলে, কাৰ্যসিদ্ধি হইবেই না। অর্থাৎ সমষ্টিজীবের জীব নাই তখন জীবশি কোথায়? শশৃঙ্গের উডডয়নের সঞ্চত্রে কাৰ্যসিদ্ধি হয়, ব্যষ্টিজীবের যত্ন ও ব্যাপার দ্বারা কাৰ্য- স্যায় তােমার বাক্য সম্পূর্ণ অলীক। জীবও নাই, জীব রাশিও সিদ্ধি হয়, ব্যষ্টিজীবের পক্ষে এই নিয়মসধও কোথাও কোথাও নাই এবং পর্বতের স্থায় জীপিও নাই। জীব এভিভাস যে, তাহার ব্যতিক্রম দেখা যায়, অর্থাৎ মুনি-ঋষিদিগ্রে সঙ্কল্প- ব্যতীত অন্য কিছুই নহে। শুদ্ধ চিন্ময় সর্বগ অমল ব্ৰহ্ম মাত্রেই কাৰ্যসিদ্ধি দৃষ্টিগােচর হইয়া থাকে, তাহাতেও মহাজীবের ব্যতিরেকে অন্য কিছুই নাই। তিনি সর্বশক্তিমান্ সুতরাং সর্ব ইচ্ছা অনুমান করিতে হয়। যে ব্যষ্টিজীবের ইচ্ছা হইয়া থাকে, একার কল্পনাকৌশল হাতেই প্রতিষ্ঠিত রহিয়াছে। ৭-২১। সেই ব্যক্তিজীবের পক্ষে সমষ্টিজীবের শক্তিই কাৰ্যকরী। ইহার সক্রিমে নিপতিত চৈতন্য প্রতিবিম্বের সম্বন্ধী বশত সেই সফলতার পক্ষে তাহাই। সমষ্টিজীবশক্তির নিয়মানুষ্ঠান ব্যতীত কলন-কৌশলই সাকার ও নিরাকার পদার্থরূপে আবির্ভূত হয়, ইচ্ছা সাফল্যলাভও হয় না। সমষ্টিজীবের ইচ্ছা, ফলসিদ্ধির ইহাসেই ব্রহ্মেরই দৃষ্টিচের হইয়া থাকে। এই কল্পনারত্তির অনুকুল হইলেই, বাজীবের ফললাভ হইয়া থাকে। কেননা, এ ক্রমবিকাশ প্রফুল্লকুমশালিনী লতার অনুরূপ, অর্থাৎ লতা সমতই ঈশ্বরের অধীন; অতএব ব্যক্তিজীবের ইচ্ছাত্রে যেরূপ প্রথমে ক্ষুদ্রকায়, ক্রমে বর্ধিত হইতে বইতে কুষকাকে কখনই ফললাভ হয় না। এইরূপ ব্ৰহ্মরূপ মহাখীৰ নাদি শালিনী হয়, অনন্তর প্রফুলকুমকুশােভিত হইয়া থাকে, উপ অনন্ত, যিনিই কোটি কোটি জীব এবং কোটি কোটি মহাজীব অংকলনাকৌশলও চৈতন্যসংসর্গে ক্রমে বিকশিত হইয়া থাকে। স্বরূপ; তিনি ভিন্ন আর কিছুই নাই। জ্ঞানশক্তি, ইচ্ছাশক্তি তাহার দর্শনকর্তাও ব্ৰহ্ম। ভিন্ন আর কেহ নাই। জীব, বুদ্ধি, এবং নিম্নশক্তি এই তিনটা কারণ মৃন্ম এবং স্থূল শরীরের ধর্ম, ক্রিয়া, স্পন্দন, মন, দ্বৈতভাব এবং একত্র এইরূপ প্রতিভাত সৰিীৰ এবং ব্যক্তি এক হই তাঁহাদিগের জ্ঞানশক্তি- ব্ৰহ্মসই তাহার জ্ঞানগম্য হইয়া থাকে, অর্থাৎ অস্তিত্ব এক প্রভৃতিও এক হইয়া পড়ে—এই প্রশ্নের উত্তরে পিষ্ট খাই মাত্র ব্রহ্মোই বিদ্যমান, অত পদার্থের অস্তিত্ব ব্রহ্মের অস্তিত্ব বলিলেন, তাহাৱ মৰ্থ এই যে, জীবের চৈতাংশ এক হইলেও লইয়াই হইয়া থাকে। তবে ব্রষড়াকে তত্ত্ব বুঝিতে না উপাধিরও কোল অংশ এক হইলেও, সম্পূর্ণ উপাধির জে গাতেই, তাহা অঙ্গের সৱা ৰা অন্তিরূপে প্রতিভাত হয়। আছেই। জীবসমষ্টি যাহাকে বলা হয়, তিনি কারণ এবং আর ত্বতঃ পরিজ্ঞাত হইতে, অহা ভিন্ন আকিছুই নহে। যে সু-শরীরবিশিষ্ট ব্যষ্টিৰীৰ সু-শীৱবিশিষ্ট হইলেও তাহার লক্ষসকে বরণ করিয়া আছে, আতনি অহাৰ শিক। কিন্তু সেই অজ্ঞান যে কি, তাহা গত্য কি অসঙ্গ * মুনিঋষিদিগের ইচ্ছা যে, সক্ষমাত্রই সফল হয়, অহাও যা বুঝা যায় না। যেমন দিবালােকের প্রকাশে অন্ধকার সমষ্টিীরে শক্তি। সেই সমষ্টিজীৰ ঈশ্বরের নিয়ম-বহির্ভূত বিনষ্ট হয়, কিন্তু সে অন্ধকারের এ পরি হওয়া যায় না, কোন কার্যই হয়না। খুবিই করিশেই কাসিটি হইবে, প জৱিক নিৰ আকাজেই ঐরূপ হইয়া থাকে। ইহা কাকার এবােধ এৰ দুভ ইত্যাহঙ্গিতি। কাকামত ।
উৎপতি-এর। । আর একটা উপাধি স্থূল শরীয়। এই স্কুল স্লীরই ক্রিয়ায় যেরূপ ভহাই স্কুণরূপী জগতের রূপ। মন, বুদ্ধি, অহঙ্কার, আশ্রয়। এই উপাধিটিত ভাৰতম্যই বৃত্তিজ্ঞান, ইচ্ছা এবং ফল গত দুধ, ঘি-ইত্যাকার যে যে বচন, সমকাই তারতম্যের কারণ। অড়বর সংসর্গেই ব্রহ্মার জীবভাব-প্রাপ্তি চৈৰচনা মাত্র। কেননা, এগৎপথে। স্বরূপ চৈই এবং সংসার হইয়া থাকে, সেই সংসর্গ দূর হইলেই স্বীয় সম- পর্যবসিত। জানিৰে জগৎএপ চিৎশক্তির এ মাত্র। জুৎ স্বরূপ লাভ হইয়া থাকে ৩-৩৮ জীবের ব্রহ্মভাবপ্রাপ্তি সতি গরিয়াগ কৰিলে, চিৎশক্তিরও শক্তিত্ব থাকে না। অগত্তাব জীষাপ্তি হইয়াও ইয়া থাকে, তাহা হইয়াও হইয়া থাকে, দূর হইলে, অপদার্থের পরিণামও চিৎশক্তিতে পর্যবসিত হয়, যেমন ভাস্ত্রের সুবর্ণাবপ্রাপ্তি রমঔষদির যােগে পাক করিলেও এবং তাহা দূর হইলেই ডেজ্ঞান হইয়া থাকে। কখন হয়, কখন বা শমণির স্পর্শমাত্রেই সুবর্ণভাৰপ্রাপ্তি জগতের আর স্বতন্ত্র অস্তিত্ব কোথায় ? চিৎশক্তির যে প্রপঞ্চ- হইয়া থাকে। এই হৃদয় প্রকাশিত কাশরূপী আত্মায় এই প্রকটনশক্তি, তাহাই জীব এবং ভরপে প্রতিভাত হইয়া, জগৎপ্রপঞ্চ অসৎ হইলেও, অদ্ধপে প্রতীয়মান হইয়া থাকে। জগৎএপঞ্চরূপে অবস্থান করিতেছে। চিৎভবপ্রযুক্ত চিৎশক্তির কিন্তু তাহা চৈতন্য-চমৎকারী আত্ম ভিন্ন আর কিছুই নহে। এই অহংভবরুপে যে স্বীয় শক্তিস্ফূর্তি, তাহাই প্রাণ-সম্বলিত জীবরূপে যে চৈতন্য-মূর্তি, ইনি আপনিই ভবিষ্যৎ নাম এবং রূপ পরিগ্রহ অভিহিত হইয়া থাকে। চিৎশক্তি এবং চিৎশক্তিত্বের যে ক্ষুক্তি, করিয়া থাকেন। এই স্কুর্তির নামই অহংভাবনা। চৈতন্য- তাহা অহস্তাব প্রভৃতি বিকার দ্বারা ব্যবছিন্ন হইয়া জীবালি বি, চিৰাভাস-প্রতিবিম্ব, এই চিদাভাস চিন্ময় ভিন্ন আর কিছুই সংজ্ঞার মূল হইলেও ব্যবচ্ছেদ-ধৰ্ম অলীক বলিয়া তাহার বন্ধু- নহে, অতএব ইহাও অনন্ত। সেই চিদাভাসই জগৎ পঞ্চরূপে গত্যা ভেদ নাই। চৈতন্য প্রধান অহঙ্কার—কর্তা, ক্রিয়াপ্রধান প্রাণ আত্মচৈতন্যে প্রতিবিম্বিত হইয়া থাকে। এইরূপ স্ফুর্তিই চৈত -কৰ্ম্ম, কৰ্ত্তা ও কর্মে ভেদ নাই (কর্মকর্তারই ধর্মবিশেষ ভিন্ন ঘূর্তি। সেই চিদাভাস চৈতন্ঠ নিত্য এবং বিশ্ব চৈতন্য হইতে আর কিছু নয়)। অতএব যাহা কৰ্ম্ম, তাহাই প্রকৃতপক্ষে জীব অভিজ্ঞ হইলেও পরিণাম প্রভৃতি শব্দ দ্বারা বিভিন্নবৎ পরিজ্ঞাত অর্থাৎ ক্রিয়া, চিশক্তি-সমাবেশই জীব-পদবাচ্য। এই যে ক্রিয়াময় হইয়া থাকেন, তাহাও তাহার স্বীয় শক্তি। চেতন, জুড় এবং জীব, ইনিই পুরুষের চিত্ত , সেই চিত্তই ইন্দ্রিয়রূপে প্রকটিত হইয়া জড়ের প্রকাশ এত্রয়ের শরূপে যে অনুৰ, তাহাই ভ্রান্তি- নানা আকারে প্রতীয়মান হয়। অর্থাৎ ক্রিয়া ও চৈ উভয়- বশে জগৎপঞ্চৰূপে ব্যবহৃত হইতেছে। চিৎ ৰা চেতনরূপ সম্মিলনে জীব-পদার্থ হইলে আঘাততঃ জীবের দুইটা অংশ ক্ষের বিশাল শক্তি আকাশ হইতেও সূক্ষ, অহংভাব দন দেখা যায়—একটী জ্ঞান ও একটা ক্রিয়া। ক্রিয়াংশই চিত্ত- তাহাতেই হইয়া থাকে। এই চিৎশক্তির অন্তরে জলতরঙ্গের পদার্থ, সুতরাং এই চিত্ত জীব হইতে অভিন্ন, আবার এই গায় যাহা প্রকৃত পক্ষে অখিল হইলেও ভিন্নৰং পরিস্ফুরিত হয়, চিত্তেরই আকার ইন্দ্রিয়—ং ইন্দ্রিয়াদিও জীব হইতে সেই অহম্ভাবমূলক ব্রহ্মাণ্ড পৰ্যন্ত প্রপঞ্চ আত্মস্বপে আপনার অভিন্ন। আর এই জীব যে ব্ৰহ্ম হইতে অভিন্ন, ইহা বারংবার লারাই ইনি স্বয়ং দর্শন করিয়া থাকেন। ৩৭-০৪। এই ডি কথিত হইয়াছে। এই জগতের কাৰ্য-কারণভাব অলীক । শক্তি নিৰূপে স্বয়ং বে নােহর বিবর্ত-বৈচিত্র্য সম্পাদন জগৎ চিৎপ্রকাশেরই অংশমাত্র।' অতএব জগতের স্বরূপ তেল করুন, তাহারই নাম । হে রাখব। বুদ্ধি, অহঙ্কার চৈত একেবারেই নাই। ছো, জাহ, ক্লিন্নভাব বা ওঙ্ক অনুৎ- বা চিৎশক্তিরই বিবর্তবিকাশ মাত্র, অতএব তাহা কল্পনা ভিন্ন পদবাচ্য অর্থাৎ আত্মার নাই; আত্ম নিত্য সর্বত্র বিরতর আর কিছুই নহে। পঞ্চ-তমাত্রাদিও চৈতবিবর্ত ভিন্ন অর এবং অচল অর্থাৎ সর্ববিকার-বর্জিত। নিজের কিছুই নহে। অএব দ্বৈতভাব এবং একত্বের ত কথাই নাই। মে অপরকে নিপাতিত করা আর এই শাস্ত্র না বুঝিয়া বাসনা এবং কাদি পরিত্যাগ করিয়া তুমি আমি’ ইভদি ভেদ- বিবাদ করা সমান , আমাদের ভ্রম দূর হইয়াছে, এই ব্রহ্মতত্ত্ব কঙ্গনা পরিত্যাগ কর। তাহা হইলে সং এ আসরে মধ্যে বুঝিয়াছি। অঙ্কের নিকটেই দৃশ্যপঞ্চ মূর্তিমান ও তাহার সভামাত্রেই পৰ্যবসান হইবে আকাশে মে হইলে আকাশের বিকারাদি পাথকা পরিস্ফুট , কিন্তু অজ্ঞ ব্যক্তির নিকট - স্বরূপ অনুভূত হয় না, মেঘ দূর হইলে, আকাশ আৰু পুৰুৰ প্রপঞ্চ মূর্তিহীন, তাঁহার নিকট পরিঙ্কুরিত চিদাকাশে সৎ অসৎ স্বচ্ছ হইয়া থাকে। এই আকাশের অস্তিত্বও আকাশপেই সকল ভাবেরই পৰ্যবান। মায়ারূপ সম্ভসমাগম জড়পদার্থে প্রতীয়ন হয়, সেইপ -প্রপঞ্চের অবসান হইলে, চিৎ আসক্তিরুপ রুসসার-সাহায্যে চিৎপাদপ আকাশ-বিকশিনী শক্তির স্বল্পৰিক সত্তা উদিত হইয়া থাকে। এই সত্তার অস্তিত্বও কালবিয়ী মঞ্জরী বিকসিত করিয়া থাকেন। আকাশ, অপূর্ব- তাহা হইতে ভিন্ন নহে। আমরা সত্তা বা অসত্তা জানি না, তিনি শশী বায়ু, তেজ, অব জলরাশি, দেবাসুর-মনুষ্যভােগ্য। বসুন্ধরা, অন স্বচ্ছ স্বরূপে অবস্থিত হন, এইটুকুই বলিতে পারি। এই বিবি-ওষধিয়ার-কারণ চলমা এবং মহালোক সূৰ্য্য এই মনশেন্তারূপ জগৎ খুন মাত্র। আর ইক্রিয়াধিটিসু দেহ সমন্তক্ষণেই স্বয়ং ব্রহ্মই পরিৱিত। ব্ৰহ্মসত্তা ভিন্ন ইহাদের এবং দেববাস-যােগ একাণ্ড - ৰাত্র। * মমতই সেই অঞ্জ সত্তা নাই। স্বরূপঞ্জনে দৃশ্যপক্ষের অবসান হইলে চৈলের বিবর্ত-পরিবর্তন মাত্র। তাহা হইতে ভিন্ন কিছু নাই। চিৎ-ব্রহ্ম পূর্ণভাবে অবস্থিত হন। সুষুপ্তি, অগ্রণ এবং স্বল্প ৪৫-০৯। যে পদার্থ যাহা হইতে উৎপল, তাহা হা হইতে ভাবে মাত্রই খুণ হয়। জড়তা মুণ ক্রিয়া এবং কদাচ লি নহে। সাবয়ব পদার্থ সম্বন্ধেও যখন এই নিয়ম, মনােভাব প্রাপ্তি হইতেই এই অবস্থায়। ব্ৰহ্মসভা লইয়াই তখন শিল্পবয়ব পার্থ সখছে আর বব কি আছে? একা কারণের কােলে বৃষ্টান্তবর্ণহল, মুক্তিকাটত্যাদি।” চি কাকার বিচাৰি খাদ্যানে শক্তি একাণ। আঁহার নামই নাই, পরি মাই, তাহার শপিসাৰ্যেৰ ভি ইভ্যাজাই।
যােগবাশিষ্ঠকানায়। । আগয়ে সত্তা, স্বরূপঃ কিন্তু জগৎ অসত্য। জগৎ চিৎখরূপ ব্যবহাৰিক মা অসত্তা আছে, কিন্তু এতে ভেজ্ঞ অসত্তা মহাকাশের একমাত্র শূন্য ভাব, অগং চিৎস্বরূপ সমীরণের ব্যবহার দ্বারাও এসি,কেননা,-দেখা যায়, বীজ হইতে অদূরে শক্তি, জগৎ ক্লিস্বরূপ ঘন্ধকারের কালিমা, জগৎ চিৎস্বরূপ চায় যাহা থাকে, তাহারই উদয় হয়। হে রাম! গগনবৎ এই সূৰ্য্যালােকের নিচন। সুভাষ তাহা স্বরূপঃ অসত্য, কিন্তু মহাচিতের অন্তরে যে এই তেল বিন আছে, তাহাতে অধিষ্ঠানরূপে সত্য। স্থায়িত্বপকে কজ্জল ও লৈযুক্ত দীপল্পিখার অনুভৰ দ্বারা এ সমস্ত দৃশ্যই ব্ৰহ্মরূপ এই প্রকার নিশ্চয় যেমন ভাৰ চিৎ ও জগতের সেই ভাব, অর্থাৎ তৈল-দীপশিখা সম্পন্ন হও। মুনিবর এই কথা বলছেন, এমন সময়ে নির্ধাও হইলে তাহার কলরেখা মাত্র থাকে, জগনাশেও ব্ৰহ্ম দিবাবসান হইল, সায়ন্তন বিধির নির্মাহহেতু সূৰ্যাস্ত হইল, মাত্র থাকেন। ৬১-৭১। জগৎ চিৎস্বরূপ অনলের উষ্ণতা, সায়ন্তন গানের অ নমস্কারপূর্বক সভ্যং প্রস্থান করিলেন। চিৎযক্রপ শখের শুকতা এবং চিংস্বরূপ পর্বতের কন্দর, জগৎ অনন্তর রিপ্রভা মালীয় জলের সহিত তাঁহারা চিংস্বরুপ সলিলের এবভাব, চিংস্বরূপ ইফুরসের মধুরতা এবং আবার উপস্থিত হইলেন। ৭–৮৬। চিংস্বরূপ দুগ্ধের মেহতাব, অগং চিংস্বরূপ তুষারের শীতলতা, চতুর্থ সর্গ সমাপ্ত।১৪। চিংস্বরূপ অনলশিবার উজ্জ্বলতা বা দাহিকা শক্তি এবং চিং ইতি তৃতীয় দিবস। স্বরূপ সৰ্ষপের তেলস্বরূপ, জগৎ চিং-শ্রোতস্বতীর রঙ্গ, চিৎ- মধুর মিষ্টতা এবং চিং-বর্ণের কেয়ূর , জগৎ চিৎ-কুসুমের সৌরভ, চিং-লতাগ্রের ফল, চিৎ-সাই জগতের সতা এবং জগৎ-সভাই চিংসতার আকার । ৭২-৭৫। আকাশে নীলিমার পঞ্চদশ সর্গ গায়, ভে-বিকারাদি প্রতীত হইলেও ব্রহ্মে তাহা নাই। ভুবন বশিষ্ঠ কহিলেন,“হে রাম। এই দৃশ্যজগৎ চিলাকাল ব্যতীত এর অসৎ হইলেও এইরূপে সন্ময় বলিয়া সং’ শব্দে ব্যবহার অন্য কিছুই নহে। যেমন নির্মল আকাশে মুক্তাত্রম হয়, তদ্রুপ বােগা। রসরে স্থায়, কল্পিত পদার্থের সত্তা বা অসত্তা নিৰ্ম্মল আত্মায় জুভ্রম হইয়া থাকে। এই ত্রিভুবনরূপ শাল- সং যে বিষ্ঠান, ততি আর কিছুই নহে , ওরাং ভ্রান্ত পদার্থের ভগ্রিকা (কৃত্রিম পুত্তলিকা) চিলতে অকীর্ণাই রহিয়াছে। সাও অসত্তা সমানই। যাহারা মরু অপলাপ হয়' বলিয়া ইার কেহ উৎকৰ্ত্তা নাই বলিয়া সর্বদাই অলোকিত থাকে। অবয়ব-অববি শব্দের অর্থ কানা করিয়া “নিয়কার সাকারের যেমন সাগরসলিলের বেগ ও চাঞ্চল্য ভাবেই হয়, দ্রুশ এই সমান সত্তা হয় না এইরূপ দোষ দেয়, তাহাদিগকে থি, ঐরূপ দৃঙ্গ-জগতেরও পরম বন্ধে প্রতীতি হইয়া থকে। এই অ শব্দার্থ-কল্পনাও যে তাহাদের শষৎ অলীক, ইহা বুঝা উচিত অজ্ঞান দৃষ্টিতে স্কুল হইলেও, গবাক্ষচ্ছিদ্রে নিপতিত সূৰ্য-কিরণে যথায় নদ-নদী-শৈল-পাগলিনী মেদিনীরও স্বত্র অস্তিত্ব নাই, সাহায্যে পরমাণ-সমষ্টির খায়, জ্ঞানীয় জ্ঞান-দৃষ্টিতে পরমাণু তথায় অবদি ভ্রমকল্পনার প্রসক্তি কি আছে, এটুকু তাহাদের সৃপে প্রতীয়মান হয়, যেমন গৰাক্ষদ্বারে নিহত সূৰ্য্য বুঝা উচিত। ক্ষটি শিলা অন্তর্বাহে পরিপূর্ণবং হইলেও তাহার | কিরণের অভাবে পরমাণুশ্চিয় দৃষ্টিগােচর হয় না, তদ্রুপ ব্ৰহ্মান বাৰু-অভ্যন্তরে আকাশ আছে, সেই আকাশ স্বচ্ছ। অথচ সেই ব্যতিরেকে এই জগতের সূক্ষ্মভাব জ্ঞাত হওয়া যায় না। এই শিলা বানাপার্থের প্রতিবিশ্বাধিষ্ঠান হইয়া থাকে, সেই স্ফটিক চিলাকাশ-স্বরূপ অগং পৃখিবালিরূপে অনুভূত হইলেও, প্ল- শিলা প্রতিবিম্ব আকাশেরও আশ্রয় হয়, সেই নক্ষত্র-মালাখচিত | সার কল্পনায় , অলীক এবং মরুভূমির নদীতে সলিল-সব আকাশ স্ফটিকের মঞ্জিতালি দেন মলিনরুপেও প্রতিভাত হয়, বের গয়, এই বিজ্ঞান কোষ ধপ জগতের অবয়ব-জ্ঞান কখনই ভপ) মিয়ী মায়াও অন্তর্বাহে জড়রূপ হইলেও তাহার বহু সন্তৰ হইতে পারে না। মরুভূমিতে নদীপ্রবাহের ন্যায় এই অভ্যন্তরে চিৎ বিরাজমান, (চিংপ্রতিবিম্ব তাহাতে নিপতিত) সঙ্কলনগনােপম কিার জগৎ যে দৃণ হইতেছে, তাহা প্রম সেই চিপ্রতিবিম্ব-সমন্বত মায়াতেই নিখিল অলীক জং প্রতি ব্যতীতত কিছুই নহে। যেমন গ্রন্থায় স্বপ্নদৃষ্টের অসহােব ভাত (মায়াদোৰ অতিৰিবি-চিতে টিং-দোষরূপে প্রতীত হয়)। হয়, গুণ জ্ঞানীরা এই দৃগতের শােভাকে অপরূপে বুঝিয়া যখন পদার্থসমূহের অন্তর্গত ফুল আকাশে আকাশজনিত বায়ু ব্ৰহ্ম জপের অতিরিক্ত বলয় বিবেচনা করুন। অরোই প্রভৃতির মলসম্পর্ক নাই, তখন তােমাতে অর্থাৎ চিদাকাশে ত এদেৱ সহিত জগৎ-শব্দের পার্থক্য বুকা থাকে। বাস্তবিক সন্তা, অসত্য বা তুমি আমি-রূপ মালিঙ্গের আশ্লেষ নাই। পৰুে জগৎ ও শব্দের অর্থে কিছুই প্রভে নাই। যেমন পাবে অন্তরে বেৰৰ শিরারেখা থাকে, তাহা পল্লব হইতে অভিন্ন আকাশে সূর্যালােক ও সূৰ মেখে গঙ্গাত্মক মেধ এতিত হইলেও বিভিন্নরূপে প্রতীয়মান হয়। এই পাবলিরেখা-সম্বন্ধবৎ হয়, তদ্রপ এই জগৎও চিন্ময়-জ্বন্ধে প্রকাশ পাইতেছে। যে ব্রহ্ম-জগৎস জানিবে। ব্রহ্ম জগৎ হইতে ও জগৎ ব্ৰহ্ম হইতে স্বপ্নদৃষ্ট নগর জাগ্ৰত্বই নগরের সমান, আদ্রুপ এই নির্মল দৃ অভিন্ন হইলেও এই অংকে বন্ধ থারণ করিতেছেন। ব্রহ্মা অগং সঙ্গে-জগতেই সমান অর্থাৎ অলীক।১–১২। সেই সাত কারণজালের আদিকারণ, সেই ব্রহ্মা চিত্তাধিচিত চিৎ, কারণেই জগৎ চিন্ময় আকাশ ভিন্ন কিছুই নহে, সুন্নাহ ধপ সেই চিতের কারণ নাই অর্থাৎ চিত্তে ৰা সকল পদার্থে এই জগৎ ও মহাকাশ, একাকি চিন্ময় এই রুশাকার এই অরূপবস্থা ৰহ্ম। যেখানে বলা হইয়াছে, চিত্তের কারণ নাই, এবং এই কারণে আগাদি জাত কিছুই উৎপন্ন হয় নাই, ইহা সেখানে চিত্তের স্বরূপাব লক্ষ্য করা হইছে; যেখানে কারণে নিরুপাধি ও একা হইয়া যেভাবে অবস্থান করিতেছি, উ আছে সেখানে তাহার পার্থিক অবস্থা লক্ষ্য করা হাই হিয়াছে। এইরূপে জগৎ মহাকাশে মুহিয়া, তথাপি হইয়াছে। এই চিত্ত অবগম্য অর্থাৎ চেত; চেত্য পার্থের ঐ চিক)হাতে আর নহেন, এই কলি নং H উৎপত্তি-এর। চিলাশের অণুমাত্রও আবরণ করিতে পারে না, ইহা আকাশের গৃহে, কখন অন্তঃপুন পুশয্যায়, কখনপুপেয় কৃত্রিম বীতে জায় নির্মল ও নিরাকার হইয়া সঙ্কল নগরের জয় মহাকাশেই কখন চিয়বসন্ত-শােভিত উদ্যান দোলায়, কখন কৃত্রিম পুষ্করিণীতে, আকাশময় চিত্র অক্ষপে অবস্থান কৰিছে। হে রাম! আমি কখন চক্ষন কে, কখন পারিজাত বলে, কখন কাখালি রুমের এ বিষয়ে মণ্ডপােপাখান নামে একটা গ্রুতিমধুর বৃত্তান্ত বলিতেছি, কৃত্রিম গৃহে, কখন বা বিকসিত কুশলাদি পুষ্পের সৌরভ তাহা শ্রবণ কর, হাশ্রবণ করিলে তােমাৱ চিত্তের সন্দেহ দূর না কোকিল-ধ্বনিযুক্ত বনরাজিতে, কখন পীঞ্চিালী তৃণ-পূর্ব হইবে ও শান্তি লাভ করিবে। রাম কহিলেন-হে ব্ৰহ্মণ! আপনি বলতে, কখন যা শীকরাসারী নির্বপ্রদেশে, কখন মণি আমার নিকট নিবুদ্ধির উপায়ীভূত সমগ্র মণ্ডপােপাখ্যান মাণিক্যাদি-পরিপূর্ণ পর্বতপ্রদেশে, কখন বা সেবালয়ে ও মুনিগণের সংক্ষেপে বর্ণন করুন, যাহা শ্রবণ করিলে জ্ঞানের বৃদ্ধি হয়। পবিত্র আশ্রমে, কখন বা কুমুলক বিকশিত হইলে রাত্রিকালে, ৰণি কহিলেন-হে ৰাম এই ভূমণ্ডলে নিজ বংশরূপ সমােন কখন পদ্মাল প্রস্ফুটিত হইলে দিগে পূফলাদিপরিপুর্ণ বন- বিকসিত পদ্মের স্বরূপ বিবেকশাণী ঐশ্বৰ্য্যসম্পন্ন বহুপুত্রবান স্থলীতে অবস্থান করিয়া পরস্পর প্রেমরসের উদ্দীপক সুরভৃতি মা পদ্ম নামে এক নৱপতি ছিলেন। তিনি মাদপালনে বিবিধ রমণীষ সবিলাস ব্যবহারে কালাতিপাত কৰিলে। ১-১। সমূদ্রস্বরূপ, শত্ৰুৰূপ অন্ধকারের সূৰ্য্যস্বরূপ কান্তারূপ কুমুদিনীর তাহারা কোন সময় পরিহাস-বাক্যে, কখন প্রাচীন ইতিহাস-পৰ্যা- চস্বরূপ ও দোষরূপ ভূণরাশির অগ্নিশ্বরূপ ছিলেন এবং তিনি লােচনায়, কখন বা নাটিকা আখ্যায়িকা বিশ্লোক ও চতুর্থ দেবগণের সুৰেক, তব সমুদ্রের যশোরূপ চলমা, সদগুরূপ হংস পা-শ্লোক আলােচনা করিয়া, কখন কাল-দেশ-পাত্রানুসারে বিচিত্র শ্রেণীর সরােবর, গস্নশ্রেণীর নিৰ্ম্মল সূৰ্য্যস্বরূপ, সংগ্রামরূপ লতার ব্যবহারে, কখন বিবিধ অলঙ্কারে ও পুষ্পমাল্য বিভূষিত থাকিয়া, পবন ও মনোরূপ হস্থীর পক্ষে সিংহস্বরূপ ছিলেন। সেই সলািসগমনে বিচিত্র আনুভক্ষের ভোজনে, কুম-পূৰুবাসিত সকল আশ্চর্য গুণের আধার স্বরূপ রাজা সমগ্র বিদ্যার প্রিয় আর্ন তালের চর্ধণে, কখন বা পুষ্পিত লতা-কুজের মধ্যে আত্ম- ছিলেন ও সমুদ্রমন্থন-কালে দেবদানবগণ পরিচালিত মন্দর- দেহের গোপনে, কখন নখণে, কখন পরস্পর মাল্য-প্রহরণে, কখন পর্বতের ন্যায় সহি, বিলাসরুপ পুষ্পরাশির বসন্তকাল,সৌভাগ্যের আলিঙ্গনে, বন ভবনমধ্যে পুরে দোলায় পরস্পরের দোলনে, কামদেব লীলারূপিণী লতার বিলাসবায়ু এবং সাহস ও উৎসাহে কখন বানৌকায় হন্তীতে অখে ও উইঘানে গমনে, কখন জল বিষ্ণু-স্বরুপ ছিলেন। তিনি সৌরূপ কুমুদের পক্ষে চলমাস্বরূপ ক্রীড়ায় পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পৃহদনে, কখন ৰা নৃত্যগীত দুষ্টোরূপ বিফলতার নিকট অগ্নিস্বরূপ ছিলেন। তাঁহার লীলা বীণা-মুজাদি-দ্যের যাদনে ব্যাপৃত থাকিয়া, কখন উদ্যানে, কখন নামে বিলাসিনী সৌভাগ্যবতী ভাৰ্যা ছিল। তিনি সর্বসৌভাগ্য- গৃহমধ্যে, কখন নদীতীরে বিহার করিতেন। এইরূপে গরম দুখিনী সশন্না ছিলেন বলিয়া ভূমণ্ডলে অবতীর্ণ। লক্ষ্মীরায় প্রতীয়মানা সেই রাজার প্রিয়তমা প্রণয়িনী লীলা একদা মনে মনে চিন্তা হইনে সেই মধুরভাষিণী শীলা স্বামী ও জনগণের সর্বাই করিলেন, আমার স্বামী পৃথিবীর যুবা ও প্রাণ অপেক্ষা প্রিয়তম, অনুবৃত্তি করিতেন এবং সেই মৃদুমন্দ মিনীর হাকালে দ্বিতীয় ইনি কোন উপায়ে অজর ও অমর হইয়া চিরকাল যুব ও ক্রমান চলমার উদয় অনুবইত। ১২-২৬। সেই গৌরাঙ্গী শীলার থাকিবেন, আমি চিরযুবতী খাকি কুসুম-ভবনে ইহার সহিত মুখপ অলকরূপ অলিজালে মনোহর থাকিত বলিয়া তিনি, শতমুখ কাল মুখে অতিবাহিত করিব। এক্ষণে আমি তপন্স জপ ও গতিশীল। রােজিনী ন্যায়, শােভা পাইতেন এবং লতাপরি সংযমাদি দ্বারা সেইরূপ যত্ন করিব, যাহাতে আমার চদন রাজা- বিকসিত পুপে বিভূষিতা সুরসিকা প্রবালধারিণ লীলা ঐপ স্বামী অজর ও অমর হন। এক্ষণে আঁমি জ্ঞানবৃদ্ধ পােবৃদ্ধ পশােভায় বিভূষিতা মুত্তিমতী বসন্তলক্ষ্মীয় স্থায় বিরাজ ও বিদ্যার ব্রাহ্মণদিগকে জিজ্ঞাসা করি যে, কি করিলে মনুষ্যের করিতে। সেই নির্মলকান্তি গঙ্গার ন্যায় পবিত্রতমা লীলাকে মৃত্যু হয় না। লীলা এই বিবেচনা করিয়া তাদৃশ ব্রাহ্মণদিগকে স্পর্শ করিলেও অসাধারণ আনন্দ লাভ হইত ও তঁাহাকে আনয়ন করত যথাবিধান প্রণমাদি-ৰাৱা সৎকার করিয়া বারংবার দেখিলে জীবগণের আনন্দধারী ভূতগত স্বপতি কাগৰৰয় কি উপায়ে অমর হওয়া যায়, এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলেন। ব্রাহ্ম- পরিচর্যা কবিবার মানলে সমাগতা সৎ রতি বলিয়া বিবেচনা গণ কহিলেন-হে দেবি। তপ-প ও সংযম করিলে সমস্ত হইত। তিনি নিজ স্বামীকে উখি দেখিলে উখি, আনন্দিত সিদ্ধিই প্রাপ্ত হওয়া যায়, কেবল অমরত্ব কাচ লাভ করা যায় না। দেখিলে’আনন্দিতা, ব্যাকুল দেখিলে ব্যাকুলা, কুপিত দেখিলে ১০-২৫। ব্রাহ্মণদিগের নিকট এইকথা শুনিয়া লীলা ভাবী প্রিয়- কেবল ভীতা হইয়া, স্বামীর ছায়ার ন্যায় থাকিয়া পাতিব্ৰত্য বিয়ােগে দুঃখিত হইয়া বুদ্ধিপ্রভাবে পূনরায় এইরূপ করিয়া- ধর্ম প্রতিপালন কৰিলে। ২৭-৩১। ছিলেন—যদি গৈৰখটনায় স্বামীর অর্থেই আমার মরণ হয়, তাহা হইলেই আমি সকল দুঃখ অতিক্রম করিয়া লাভ করিতে পারি। পঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। ১৫। আর যদি স্বামী সহবর্ষ পরেও আমায় আগেই প্রাপ্ত হন, তাহা হইলে এমন উপায় করি, যাহাতে স্বামীর জীব গৃহ হইতে বহির্গত হইতে না পারেন। তখন পঞ্জিীব এই অতপুরগৃহেই বেড় গর্গ। ভ্রমণ করিবেন, আমি কর্তৃক বিলােকিতাহইয়া যাবীব সুখে বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! 'মহারাজ পদ্ধভূতচারিণ অবস্থান করিব। অতএব আলি অবধি স্বামীর অমরগানের অপরায় সদৃশ সেই কান্ধার সহিত অকৃত্রিম প্রেমরস অজৰ অ অগ-উপসাদির অনুষ্ঠান করি সরস্বতী দেবীর আরাধনা করিবার এ বক্ষ্যমাণ খালয়ে ক্রীড়া করিলে। কন করিব। লীলা দেবী এইরূপ স্থির করিয়া স্বামীকে জিজ্ঞাসা উদ্যানে, কখন মালনে, কখন রমণীয় পুপমপে, কখন - না করিয়াই শান্তানুসারে কঠোর নিয়ম চিরণ করিতে লাগিলেন।
যােশবাশিরামায়ণ হউন। তিনি (উপজিলীফিয়া। দেখলাম, গুরু ও পণ্ডিত সপ্তদশ সর্গ। বিগৰ পূজাৰ পৰা হইয়া প্রতি মিরাজের অন্তে পায় কৰিভেল ;গান, গান তপও থালজি কেশবু কাৰে শৰীৰকে শ্রীসরস্বতী কহিলেন,-হে বৎস! তুমি এই শবরূপে লিত রাবিয়া সন্তিক ও সদাচারেয় অনুষ্ঠান করিতে পরিণত স্বামীকে পুলশি থাৱা আচ্ছাফন করিয়া রক্ষা কর, এবং স্বামী অজ্ঞাত ভাবে যথাসময়ে শাস্ত্রানুসারে তাহার বা পূরায় প্রাপ্ত হইবে এবং দেখিবে ঐ সমূদয় পূল্পের একটা করিয়া সমােৰােখন করিতেন। সেই বালিকা শীলা এইরূপ মন হইবে না ও ভােলায় মৃত স্বামীর দেহও নষ্ট হইবে না, পর কষ্টকর অপশায় নিরতা থাকিয়া একশত ত্রিরাত্রত্ৰত করিলেন। পুনরায় ইনি জীবিত হইয়া তােমাকে অণ করিবেন এবং পরে শসংখ্যক ত্রিরাত্র ব্রত দ্বারা আরাধিতা ও সম্মানিত ভগবতী আকাশের স্থায় নিন এবীয় জীবাত্মা তােমার অন্তঃপুর হইড় বগুনী শীলার প্রতি সন্তুষ্ট হইয়া জীয় দৃষ্টিপথে আসিয়া কুত্রাপি গমন করিবেন না।—৩। সেলীলা বন্ধুগণের সহিত কহিলেন-হে বৎসে। তােমায় স্বামিভক্তিসকৃত এই কঠোর এবংবিং দৈববাণী শ্রবণ করত, নির্জন স্থানের পৱিনীতে জলসম্পর্কের গায় বড়ই প্রীত হইয়াছি, এক্ষণে অভিলষিত বর প্রার্থনা গায় আবাসিত হইয়া পতিদেহ পুষ্পরাণির মধ্যে রক্ষা করিয়া, কর। রাজী কহিলেন-হে দেবি। আপনি জন্ম ও জরারূপ ওগুনি দরিদ্রার স্যায় দীলভাবে অবস্থান করিতে লাগিলেন। অগিতে দৰ জীবের নিকট জ্যোৎক্সা-স্বরূপিণী এবং মূঢ়দিগের ঐদিবস অর্ধরাত্র সময়ে সমস্ত পরিজনবর্গ নিদ্রিত হইলে লীলা হৃদয়ে অন্ধকাররাশির পক্ষে সূর্য-কিরণরূপিণ, আপনি জয়যুক্ত ব্যানপরায়ণ হইয়া অতি দুঃখ সহকারে ভগবতী সরস্বতীকে হে মা। আপনি ত্রিভুবনের জননী। আহবান করিলে, তাহাতে ভগবতী আসিয়া তাহাকে লিলেন- আমি দুইটা বর প্রার্থনা করিতেছি, তাহা প্রদান করিয়া হে বৎসে। কি আমাকে স্মরণ করি, কেনই বা এই দুঃখিনী কন্যাকে রক্ষা করুন। প্রথম বর এই যে, শােকাকুলা হইছে? তুমি কি জান না যে, এই সংসার ভ্ৰমময় ও হে মাতঃ। আমার স্বামীর দেহাবসান হইলেও যেন তাহার মৃগতৃষ্ণা-সলিলের ন্যায় নিতান্ত মিথ্যা। লীলা কহিলেন-হে জীব এই মদীয় অন্তঃপুর-ভবন হইতে স্থানান্তরে গমন না মা। আমার স্বামী এখানে কোথায় বহিয়াছেন ও কি অবস্থায় করেন। হে মহাদেবি। দ্বিতীয় বর এই প্রার্থনা করি যে, যখনি থাকিয়া কোন কর্ম করিতেছেন, আমাকে তাঁহার নিকট লইয়া আপনাকে দেখতে বাসনা করিব, উনি যেন আপনার দর্শন চলুন, আমি একাকিনী জীবন ধারণ করিতে পারিতেছি না। দেবী পাই। লীলার এবংবিধ বাক্য শ্রবণ করত, 'হাই হইবে কলিলেন-হে বসে। চিত্তাকাশ, চিকণ ও আকা এই এই স্বীকার করিয়া অগজননী সমুদ্রে উখিত উখির ন্যায় ত্রিবিধ আকাশের মধ্যে চিদাকাশকেন্যভর আনিবে। ঐচিদাকান অন্তর্হিত হইলেন। ২৫-০১ অনন্তর রাজমহিষী ইষ্টদেব- | কোবেই তােমার পতির জন্য অবস্থান করিতেছে, তুমি চিদা- তাকে সন্তুষ্ট জানিয়া, গান-ভৎপুর মৃগীর ন্যায়, অনিন্দে কাশের ধ্যান কর, তাহা হইলে সেই স্থান দেখিতে পাইবে ও ক্রমে বিলাহইলেন। পরে পক্ষ মাস ও ঋতু বাহার বল, বিল বাগমন করিয়া সমস্ত কনুভবও করিতে পারিবে। নিমেষ যাহার শ ব হায়, যাহার নান্তুি সেই সূৰ্য্যালির সময় মধ্যে চিত্ত দূর হইতে দূর প্রদেশে গমন করে, কিন্তু সে নময় কালরূপ চক্র পরিবর্তিত হইতে থাকিতে পত্রের সমুদয় চিলাকাশ ও তাহাকেই সংবিৎ বলিয়া আনিবে। যদি তুমি রসের ন্যায়, লীলার স্বামীর দুলদেহের চৈত দেখিতে দেখিতে গিয়ে সমুদয় সঙ্কল্প পরিত্যাগ করিয়া চিলাকাশে স্থিতিলাভ লিঙ্গদেহে অস্তমিত হইল। তখন লীলা স্বামীকে গৃহ মধ্যে মৃত করিতে পার, তাহা হইলে নিঃসন্দেহে সর্বাত্মক পরম তত্ত্ব দেখিয়া জলশূন্য স্থানের নলিনীর আয় অত্যন্ত মানৰ ধারণ করিতে পারিবে এবং তত্বলাত হইলে দৃশ্য অতের আভ্যন্তিক কৰিলেন, তাঁহার মুগীর্ঘ উষ্ণ নিশ্বাসে অধরপল্লব মলিন হইতে অভাৰ অনুভব হইবে, কিন্তু জ্ঞান জীবের দুঃসাধ্য হইলেও লাগিল। এমন কি, কিনিও শল্যবিদ্যা মৃগীর ন্যায়, মৃত হইলেন আমি বর দিলা তাহার প্রভাবে তুমি সহজেই জ্ঞান প্রাপ্ত এবং যেমন দীপ জ্যোতিহীন হইলে অন্ধকার গৃহভাের হ্রাস হইবে বশিষ্ঠ কহিলেন, হে মা সরস্বতী দেবী এইরূপ হয়, তেমনি স্বামীর মৃত্যুতে লীলা তমসাচ্ছন্ন হইয়া প্রবাহের উপদেশ দিয়া কালে এ কৰিলে গয় লীলা দেবী তাঁহার অভাবে নদীর দুর্দশার ন্যায় ক্ষণকাল মধ্যে ক্ষীণ হইয়া পড়িলেন বনােয়াসে সমাধি আশ্রয় করিলেন, এবং পলি যেমন স্বনীড় এবং কখন নােন, কখন মৌনী, কখন বা চক্রবাকীর স্থায় পরিত্যাগ করিয়া মতে আকাশে উডলা হয়, পলীলাও মলিনী ও কখন মরণে কৃভনিশ্চয় হইতে লাগিলেন। যেমন লৌহপরের স্যায় দুর্ভেদ্য অন্তঃকরণ-সমন্বিত নিজ সুলদেহ পরি- হ্রদের শুভাব দেখিয়া নিতান্ত দুঃখিত শরীর প্রতি প্রথম হারপূর্বক চিলাকাশে গমন করিলেন ও সেই চিকাশ ভবনে বৃষ্টিপাতই দয়ার কা করে, প পতিবিমােগৰিধুর এই লীলার নিজ স্বামী পৃথিবীর পদ্মকে অসংখ্য রাগণে পরিবৃত সকালে প্রতি আকাশবাণী সাহা হইলেন। ৪২-৫১। সিনােপরি সমারূঢ় দেখিলেন ।—১৭ ঐসভাগৃহ পতাকা- মণ্ডলে পরিব্যাপ্ত উহার পূর্বয়ার সংখ্য মুনি ঋষি ও ব্রাহ্মণ বােভ সর্গ সমাধ। ১৬। অকবিগন্ধ নরপতিকে জয় ৰ "ইকার আবাদ করিমে, শিকারে সং রাজা মহারায় বয়ান নিউররে বসত রথ তীর রক্ষিত আছে ও শচিরে । অ আ করিতেন; কোন এ অ আলি পিয়ে খুন বলি; কেক বলিতোটািিত পুলিশ আণ কৰিলে, কেহ ; বিলে নিতে মহারাজ। পুলিতি উল্পে জে এন শীল নিতিকৃত সীকে জাগরিত করিয়া দিগকে বশীভূত করিয়াছেন; কোন এক দূত আসিম্বা লব নে বলিলেন আমার বড়ই হইতেছে, আমাকে সৰলইয়া আরে ওসমস্ত পাশ্চাত ভূমির বিদ্রোহের বলিতেছে চল। আমি আবার স্বামীর সিংসনের পার্শে থাকি যদি পুর্বের কেহ বা গলি সমুদ্রের ভটস্থিত লঙ্কানগরীর আক্রমণের সংবা আয় সত্য কে দেখিতে পাই, সেই শটিব, নচেৎ প্রাণভাগ দিতে। পূর্বসমুদ্রের তটবাসী কোন এক তখসিয়া সংবাদ করি। তাঁহার এই কথা ক্রমশঃ সমস্ত পুবাসিগণ এৰণ করিয়া দিল, মহারাজ মহেন পক্সে যে স্থানে গঙ্গা এবাহিতা আছেন, নিদ্রা ত্যাগ করত এণপণে তীর এই সাধনের আয় কত তার বিদ্রোহ উদিত হইয়াছে। কোন এক দূত আসিয়া বলি। সঙ্কল হইল। তখন বৃষ্টিধারী ভন্ন রাজকার্যের আলােচনার উভয়-সমুদ্রের তটে কুবোচর গুৰকলিগের সহিত ভয়ঙ্কর সংগ্রাম অঞ্চ পুরবাসী সভ্যদিগকে অনিয়ম করিতে গমন করিল এবং উপস্থিত। পশ্চিম সমূদ্রের তটবাসী দূত আসিয়া নিবেদন করিল, যেমন বর্ষাকালীন যে-সশকে মলিন জাকাশকে শরৎকালীন মহারাজ! অথায় যাের যুদ্ধ হইতেছে। আরও দেখিলেন, ঐ দিবস পরিস্কৃত করে, দ্রুপ অন্য পরিজনেরা সভাস্থল পৱিষ্কার সাগৃহের প্রাঙ্গণে বহুত নৃপতি সমবেত আছে, যজ্ঞাগারে করিতে লাগিল। ৩১-৪৭। তথায় স্থানে স্থানে আশ্চৰ্য্য দর্শনের ব্রাহ্মণগণের বেঠে মধুর বাসধ্বনিও তিরস্কৃত হইতেছে এবং অন্য সমাগত নক্ষবৃন্দের স্যায় দীপ্যমান দীপমালা এললিতা হইয়া বন্ধ হস্তী সকল বন্দিগণের কোলাহলের প্রতিধ্বনি করিতেছে। অন্ধকাররূপ সলিল পান করিতে লাগিল যেমন প্রলয়কালে শুষ্ক গান ও নাদের মধুর শব্দে গগনতল ধ্বনিত হইতেছিল। অথ, হস্তী সমুদ্র জলবণে পরিপূর্ণ হয়, সেই মত কণকাল মধ্যে সেই ও রথলিতে উত্থাপিত ধূলিনিচয়ে আকাশ মেঘারত বলিয়া সভাস্থল অনতায় পরিপূর্ণ হইল। যেমন সৃষ্টির প্রারম্ভে অনুমিত হইতেছিল এবং ঐ সভাগৃহ পুষ্প-কপূর-দূপাদির গদ্ধে প্রথমে একে একে লােকপালগণ আবির্ভূত হইয়া আপন আপন আমােলিত হইতেছিল ও মণ্ডলের রাজগণ নানাবিধ উপঢৌকন পিকু অধিকার করেন, সেই মত মন্ত্রী ও সাম নরপতিগণ আসিয়া আনিয়া পদ্ব-রাজার আদেশ প্রতিপালন করিতেছিল। যশােরাশির আপন আপন আসন অধিকার করিলেন। তখন কপূরণ ও ন্যায় ধবল অত্যুচ্চ প্রায় সকল গগন স্পর্শ করিয়া তাদৃশ স্তন্ত- হিমকণা পাতে শীতলস্পর্শ ও বিকশিত-কুসুম সৌরঙহী বায়ু সমুহে নিরতিশয় শােল বিস্তার করিতেছিল এবং কােন স্থানে বা বহিতে লাগিল এবং বেন ঋষ্যমুক পর্বতে সূর্যকিরণ-সন্তপ্ত ঋষি- অধীনস্থ রাজগণ গুরুতর কাৰ্য সকলের আয়ত্তে নিতান্ত ব্যগ্র জনের শ্রান্তিরীকরণের জন্য মেলা উদিত হয়, তখন মনি হইতেছেন ও বহুত নগরাদির নির্মাণকার্যে আপনারা উদ্যোগী সেই সভার প্রতিদ্বারে দ্বারপালগণ শুরু পৰিধানপুৰক কয় হইয়া সুদক্ষ ভৃত্য নিযুক্ত করিতেছেন। ১৮-৩০। যেমন মান হইল। যেমন এলয়-কালীন বায়ুর তাড়নায় অন্তরীক্ষ হইতে অন্তরীক্ষ হইতে হিল নিপতিত হয়, ভদ্রুপ সেই আকাশ- নক্ষত্ররাশি বিহি, প রত্ম নৃপতি, সকালে পুরাশি শরীরি লীলা এই সকল দর্শন করিয়া সকলের অদৃশ্য থাকিয়া নিপতিত হইয়া মাের দূর করতে গিল এবং যেমন হংস নিজ স্বামী পদ্ম নরপতির যোমময়ী সুভায় উপস্থিত হইলেন , শ্রেণী প্রফুর কমলা সরােবরের শােভাবৃত্তি করিয়া থাকে, কিন্তু যেমন স্বসঙ্কল্পবলে রচিতা কে কে দেখিতে পায় জ্বগ পদ্ম নবি এনুযায়ী রাজস্বর্গ আসিয়া সেই সভাস্থল না, তেমনি সভায় সমাগত হইলেও ভাই কোন ব্যক্তিই মূলােভি করিয়াছিল। কামাতুরে চিত্তে শৃঙ্গাচেষ্টার স্থায় সেই লীলাকে দেখিতে পাইল না এবং যে কল্পনায় এটি নগরীকে রাষ্ট্রী লীলাদেবী সিংহাসনের সমীপে রচিত নন স্বাসনে উপ- কেহ দেখিতে পায় না, অপ তখন শীলা সম্মুখে বিচরণ করিলেও বেশ করিয়া পূর্বের কায় যথাৰবি আবর্গ, রুন, বাহারই দৃষ্টিগােচর হইলেন না। লীলা দেখিলেন, মহারাজ শ্রীজন, নুহ, সখী, হান্বিজন, বান্ধবকে অবলােকন সমস্তই পূর্বতন অনুচর ভৃত্যাদিতে পরিবেষ্টিত আছেন,- কৰিলে। সেই পূর্বের ইসমত রহিয়াছে দেখি, যেন তিনি ভিন্নস্থানে নগর উঠাইয়া লইয়াছেন। অনুরদিগের পরমানন্দ লাভ করিলেন এবং যিয় কমিয়েন যে, মহাৰাজ ৰাষ্ঠী সেই’পুর মত লে ও আচার, সেই বিশ্বস্ত ময়, সেই সকলেই জীবিত আছেন, এ বিষয়ে সন্দেহ নাই। ৪৮-৫৭। সমুদয় বালক ও বালি, সেই সময় অধীন রাজা পূর্বের সর্গ যাও।। পণ্ডিতগণ সেই সকল বুহবো সখিগণ এবং সেই সকল পুরবাসী মুছলণ প নরপভিজ্ঞ এবঙ কৰিছে। অথায় সেই মধ্যাহকাল, সেই দাবানল দি এক সেই চন্দ্র, সূৰ্য, অন্তর, মষ ও বায়ু রহিয়াছে। ঐ স্থান সেই বক্ষ, লতা, না, পর্বত, অষ্টাদশ সর্গ। না নগর-বিন্যাস, গ্রাম, অঙ্গ ও সেই সমূহ রমণীয় ভষনাদিতে বশিষ্ট বললেন-হে রামলীলা কার ইতি ব্যারা “আমি পরিপূর্ণ মহিয়া। অনতা ও এমবাসী লােক সমুদয় সমই এইরণে দুৰিত চিত্তে বিনােদন কবিতেছি” এই কথা সমবেত পুর্বের ন্যায় কেবল রাজই এজন অণ দেহ পরিত্যাগ রাজগণকে বুঝাইয় সাল হইতে উঠিলে এবং তা হইতে করিয়া ঘােড়শীয় হইয়া কাজ করিয়েছেন। রাজী শীল এই আসিয়া অপুর মধ্যে যে স্থানে পৰিহে পলারি ভিত সমূহ নিরীক্ষণ কৰিম চিন্তা করলে কি মহারাজের অতি গাছ, প িপালনে উপবেশন কম্বিয়া চিন্তা সহিত নগরবাসী তাবৎ নাের মৃত্যুমুখে পতিত হইয়া করিতে লাগিলেন, শা! এই পৌয়নের এখানে আসি?এইwপকিরিতে করিতে দেশী এহে বাহিয়ে যেরূপ এই ফুলনেৰে সন্নিখানে রহিয়াছে, আমি লীলার মাৰিতহত; এতে গেলাম গমনেই আরে টিকবে গতি ঝােহের পার্কে এইরুপই ইহা ন ও পাৱিকাৰপুৰৎ শিখি দেন। কে দেখিছি। এখানে কেন অ- হিলারি T হইলেও সকলের প্রকাশক এবং নিরাবরণ।-১১। দিক, কোন এক অংশে আকাশপ কাদশে সাদিকপ সংসার মােগণিত-মায়। পর্বতশ্রেণ দেখিতেছি, তথায় এই সকলই দেখিয়াছি। লীলা করিলেৰি! এ আমার বােধ হইতেছে, এ আছে মায়ায় মােহিনী শক্তি! কেমন ক্ষণের মধ্যে ও বাহিরে একই স্বামীয় উজ খুবিই কারণ অতীয় জল, তাহাই বুড়ি পত ঘুষ্ট হইয়া থাকে, জ্বগ বাহিরে ও আন্তরিক চিয়ার্পণে পাইয়া সিশান করিত্রে। ১৮-২৪। দেৰী কহিলেন, সৃষ্টিকেও সমানই দেখিতেছি। কোন্ সৃষ্টি ভ্রান্তিকোন্টাই হে বসে। সংস্কার আকাশ স্বরূপ বুলি তােমার ভর্তা ৰা ভ্রমন, এ বিষয়ে এক্ষণেই বাদেশীকে আরাধনা করিয়া উক্ত সংস্কারসত ঋষ্টি অনুভূত হইলেও আকাশময়ী জিজ্ঞাসা করুত সন্দেহ দূর করিব। লীল। এইরূপ স্থির করিয়া জানিবে। লীলা কহিলেন,-৫ দেবি? আলি বলিলেন, দেবীর পূজা করিলেন এবং সই কুমারী-রূপধারিণী ভগবতীকে আমার স্বামীর সৃষ্টি স্মৃতি-সহ বলিয়াই আকাশস্বরূপ; ইহাতে সমাগত দেখিতে পাইলেন। তখন লীলা মহাশক্তি-স্বরূপিণ দৃশ্যমান সৃষ্টি ও পূৰ্ব্ব দৃষ্টান্তে আকাশ অপই বলিয়া বিবেচনা সরস্বতী দেবীকে ভদ্রাসনে উপবেশন করাইয়া তাহার সম্মুখে করিতেছি। দেবী কহিলেন-হে ৰসে। ভূমি বহ। ভূমিলে দণ্ডায়মান হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন-হে পরমেশ্বরি।, বুঝচ্ছে, তাহাই সত্য , তােমার স্বামীর অসৎ সৃষ্টির স্থায় এই আপনি যে সৃষ্টির আদিতে মাদা স্থাপন করিয়াছেন, তদ্বিষয়ে ' দৃশ্যমান যাবৎ সৃষ্টিই এন্তিত হইছে, ইহা আমি দেখিতেছি। আমার অত্যন্ত উদ্বেগ উপস্থিত হওয়ায় আগন্মকে যাহা জিজ্ঞাসা লীলা কহিলেহ দেবি। এই মুক্তি আকাশ স্বরূপ করিতেছি, যদি আপনি বলেন, তাহা হইলে আমার প্রতি আপ সৃষ্টি হইতে যেরূপে আমার স্বামীর সেই ভাত্মক সৃষ্টি হইয়াছে, নার যে সয়া আছে, তাই ফলবতী হইবে। এতে আদর্শ আমার অগম্ভ্রম দূৰীকৰণাৰ্থ আমার নিকট সেই বিষয় বর্ণন আকাশ এপেক্ষাও নিল এবং তাঁহার নিকট কোটীযোজন বিস্তীর্ণ করুন। দেবী কহিলেন, হে বৎসে। পূর্বস্মৃতি হইতেই দৃশও ক্ষুদ্র হয়, তাঁহাকেই বেদোক্ত মহাবাক্যে জ্যোতির্ময়, যেরূপে, স্বপ্নভমের ন্যায়, এই অষয় ভ্রমরূপ পরসৃষ্টি প্রকাশ মৃন্দ ওশীতল বলিয়া নির্দেশ আছে। তিনি কাহা কর্তৃক প্রকাশ্য পাইয়াছে, তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। কোন এক চিদাকাশের কাল ও আকাশ তাহা হইতেই প্রকাশ পাইতেছে। তিনিই রূপ মণ্ডপ অবস্থিত আছে। ঐ গৃহের স্থানীয় সুমেরুপৰ্বতে নিয়তির পরিণাম নির্দেশ করিয়াছেন। অধিক কি, হাতেই সন্তু লােকপাগল অবস্থান করেন। উহাতে নুরনারীরূপ কোঙ্গিত শাল- জতি প্রতিবিম্বিত হইয়া তাহাতেই যিলয় প্রাপ্ত হইতেছে। পঞ্জিকা অছে এবং চতুর্দশ ভুকন উক্ত গৃহের অনুগৃহস্বরূপ। ত্রিভূবনের প্রতিবিম্ব সেই চিদাশের বাহে ও অন্তরে উভয়ই ত্রিভুবন-বিবর উহার গর্ষ, সূৰ্য্য উহার দীপ এবং প্রাণী সকল সংস্থিত রহিয়াছে; কিন্তু উভয়ের মধ্যে কোন প্রতিবিম্বটী কৃত্রিম কোণস্থিত ফীকরাশি ও পৰ্বত সকল লােষ্ট্র সরূপ এবং বহুপুত্র ওটো অকৃত্রি, অহা বুঝিতেছি না। দেৰী কহিলেন,হে বুদ্ধ প্রজাপতি ইহার ব্রাহ্মণ। জীবগণ ইহাতে কোষকার কীটের সারি। সৃষ্টির অফার কৃত্রিমত্ব জি অকৃত্রিমত্বই বা কি, তা ন্যায় আপনা আপনি বন্ধ হ। বোমাল উহা ধূমণ স্বরূপ আমর নিট এ বর্ণন কর। শীলা কহিলেন-হে জেবি। এই এবং তীক্ষচারী সিদ্ধগণ ঐ গৃহের দশক। উহার কোণ মেষ- যে আমি ও আপনি উভয়ে এ স্থানে রহিয়াছি, ইহাই অকৃত্রিম নিচরণ ধুমরাতে পরিও এবং উহাতে বায়ুপথ সকল সা এবং এক্ষণে আমার স্বামী যেখানে রহিয়ান্তাই কৃত্রিম বৃহৎ বৃহৎ ৰংশ। কিনচারীরা উহার কীট এবং ঐ গৃহক্রীড়া সৃষ্টি, ইহা আমি বিবেচনা করিতেছি, কারণ-জাহা শূ এবং দেশ স সুয়ানুরাদিরূপ বালকণের কলকলে পরিপূর্ণ। লোকান্তর ও কাল ভাহাকে পরিচ্ছেদ করিতে পারে না। ১২-১৭। দেশী নগর ও গ্রাম সকল উহার ভাণ্ডবরূপ ও উহার ভূতল সমুদ্ররূপ কহিলেন, হে বৎসে। অকৃত্রিম সুতি হইতে কৃত্রিম সৃষ্টি কখন সােবরের সলিলে সিক্ত হইয়া আছে। পাহলি, দুতল ও অর্গ উৎপন্ন হয় না, যেহেতু কোন সময়ে কাল হইতে বিজাতীয় ঐ গৃহের গর্তস্বরূপ এবং উহার এক একটা কোণে পৰ্বতরূপ কাৰ্যা অইতে পারেন শীলা কহিলেন,হে অবিকে। কারণ লােথ্রর নগদেশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খামরূপ এক একটা গর্ত আছে। হইতে যে বিসদৃশ কাৰ্য্য উৎপন্ন হয়, তাহার দৃষ্টান্ত বহুতরই সেই না পথ ও বাছুল স্থানে সাকি, পুত্র, নীরোগ আছে। দেখুন, ঘটারণীভূত মৃত্তিক এলধাণে অসমর্থ হইলেও এক ব্রাহ্ম স্ত্রীর সহিত বাস কৰিলে। এই ধার্মিক জঙি- অদুপ, খট তাহাতে সমর্থ হয়। দেৰী কহিলেন,-ধে কাধ ৰোগরণ ব্রাহ্মণের বহর পখিলী গাভী ছিলও কখন সহকারিকরণ-সহযোগে উৎপন্ন হয়, তাহাতেই মুখ্য কারণে তাহার রুপেদ্রব ছিল। ২৫-৩। জৈাত্য কিছুই হইয়া থাকে। বল দেখি, তোমার সেই জায় এটা সৰ্ণ সমাপ্ত। ১৮। সৃষ্টি বিষয়ে এমন কাণৰিবেৰ কিছে, যাহাতে তিনি এখানে একরূপ থাকিয়া ভিন্নরূপ হইবেন ? অতএব জানিবে, এই পৃথিৰাদি পঞ্চভূত জেমা র কাৰণ হে। বলি, এই স্থানে এশিয়া যায় এমন করিয়াছে, তাহা হইলে এই ভু একোনবিংশ মর্গ। ॥লই কোখাও এবং ইবাই কি খায় গমন করে? অথচ কেছিলেন বলে । সেই ব্রাহ্মন বি, যক্ষস, বিন্যা, অয় না ফাইলে অরূপ দৃষ্টি কিরুপ হইতেছে। এ পরিহ পৰিস্থ ও সকল নেই শিষ্টের ভুল নি। তােমায় আমার সৃষ্টি বিষয়ে ভিন্নতকালক কোনই সহকারী লয়ণ কেবল এশলে মুকা পৌয়োহি-কাৰ্য্য অপেক্ষা নাই; তাহা না থাকায় ইহাই স্থির যে, এ কাৰণ না একি রুতি। তিনি বণি নামে এ বিকে। থাকিলেও রেবে উংপা হইতেছে, তাহাদের পূর্ব পূৰ্ম, সুষ্টি উহার লকুল সাবিলিল সঙ্গী নামে ছাত্র ছিল। কালীন শণি পর পর সুর কারণ হয়েছে। তিনি নি, বয়স, বি. এতি গাই ১ পৰীক সী ছিলেন। কেবল ৰতিপথী অরুন্ধতীর সহিত এবং নদী যেমন সমুদ্রোভিমূখে থাবমান হয়, দ্রুপ তিনি স্বামীর তাঁহার এইমাত্র তো ছিল যে, তিনি খচারিণ ও ব্রাহ্মণপয়ী নিকট বাই, বাসন্তীর রায়, শােকাহইয়া আমি রিণী ছিলেন। মুদ্রমন্থগামিনী মধুহাসিনী আতী সেই হইলেন। আজ আট দিন হইল মৃত সেই ব্রাহ্মণবীর ব্রাহ্মণের অকৃত্রিম প্রেমরসের আশা ও সংসারের সর্বস্ব জীৰ গিরিগ্রামে অবনমধ্যেই ফুলশীর ঘড়ি অবদান ছিলেন। সেই ব্রাহ্মণ সে সময়ে অত গর্বতের হৰিণ করিতেছেন। আর তাহার ভূমি ও স্থাবর অস্থাবর সব সাকীর্ণ তট দেশে উপৰি থাকি তাহার নিমঙ্গণে গৃহাদি সকলই সেইভাবে রহিয়াছে। ১৭। লেলিন, এক রাজা মৃগয়া-মানসে স লগ পরিক একবিসর্গ নাও। হইয়া গমন করিতেছেন। হার সৈলিগের ভীষণ লিনা সুনকেও বিদীর্ণ করিতেছিল; তদীয় চামর ওপতাকায়ালি আর লষন তৎকাম হইতেছিল এবং শেত-চ্ছত্ৰসমূহ ব্যয়ী আকাশ রৌপ্যসৌধ-সমা বলি বােধ হইতেছিল। অলী বিংশ সর্গ। এদিগের তাণােৎখাত ভূলের দূলিপটল আর অম্বল দেৰী কহিলেন-হে বসে। সেই ব্রাহ্মণই তােমার স্বামী, সমাচ্ছন্ন ওহীদিগের পৃষ্ঠস্থিত আন্তরণগৃহ দ্বারা বায়ুর গতিবােধ যিনি অন্য রাজত্ব পাইয়াছেন, আর যে অরুন্ধতী নামে ব্রাহ্মণপত্নী, হইতেছিল। সৈন্যের কোলাহলে মিণ্ডল পুরিত হইতেছিল সে তুমিই তােমরাই পূর্বে ভূমিস্থিত হরপার্বতীর গায়, এবং আত্ৰত্য সকল ব্যক্তিই মণিখচিত সুবর্ণহার ও কেরাদি ব্রকাশনশতী ছিলে, একাণে চক্রবাক-মিথুনের ব্যায়বিহ প্রাপ্ত এলস্কার সমধিক শােভা পাইতেছিল। এখন ব্রাহ্মণ রাজাকে হইয়া রাজত্ব করিতেছ। পূর্বসৃষ্টি যেরূপ ভ্রমপূর্ণ, তাহা তােমাকে একলােকন করিয়া চিন্তা করিতে লাগিলেন, সৰ্ব্বসৌভাগ্যশালিনী কহিলাম ৰক্ষাকাশই ভলের প্রভাবে জীবরূপ গ্রহণ করেন। এই রাজত কি অপূৰ্বরমণীয়া । কৰে আমি ইহার ন্যায় রাজা হইয়া এম হইতে চিমাকাশেমের প্রতিবিম্ব হয়। ইহা সত্য কিমিখা, হস্তী, অধ, রথ, পদাতি, ছত্র, পতাকা ও চামরাদি দ্বারা দিল যখন ইহা স্থির হইবে, তখন আর কিছুই থাকিবে না, সুতা পরিপূর্ণ করিব ? কবে কুন্দ-মকর-সম্পর্কে সুগন্ধি পরুন আমার কোটা ভ্রমত, কোটী ৰা এমপূর্ণ ইহা আনিবার প্রয়াস পাইলে অন্তঃপুরুচারিণী নারীদিগের সুরতম-সঞ্জাত স্বেদবিন্দুকে দূর দেখিবে সৃষ্টি আত্যন্তিক শত জ্ঞান ভিন্ন আর কিছুই নহে। করিবে? কত দিনেই বা আমি কপূদি দ্বারা পুরবাসিনী স্ত্রীগণের বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। লীলা বিস্ময়ে বিশ্বরিতনো হইয় মুখমণ্ডলকে ও যশ দ্বারা দিমুলকে পূর্ণ করিয়া চন্দ্রোদয়ের স্থায়, সরস্বতীর এইরূপ সুন্দর বাক্য সকল শ্রবণ করিয়া মৃদুবাক্য- সুপ্রকাশিত করিব ? সেই ধাৰ্মিক ব্রাহ্মণ ভাবধি যাবজ্জীবন বিন্যাসে কহিতে লাগিলেন, দেবি । আপনার বা নিত্য ঐরূপ সঙ্কল্প করিয়া কালাতিপত করিতে লাগিলেন। মিথ্যা বলিয়া বােধ হইতেছে, কারণ কিক্ষপে এ ঘটনা হইবে? সলিলমধ্যস্থিত পদ্মজালকে যেমন হিমরূপ বত্র বিরূপ করে, দ্রুপ কোথায় ক্ষুদ্ৰ নিৰ গৃহমধ্যে সেই ব্রাহ্মণের জীব, আর ক্রমশ অরা আসিয়া ব্রাহ্মণকে আক্রমণ করিয়া জীর্ণ করিতে কোথায় বা নিল ভবনে আমরা অবস্থান, করিতেছি। আর লাগিণ। তখন তাঁহার ভার্যা স্বামীর মৱণ উপস্থিত দেখিয়া, আমার স্বামীকে যে স্থানে অবস্থিত দেখিলাম, সেই লােকান্তর, বসন্তকালীন লতা যেমন গ্ৰীসমাগম-তে না হইয়া যায়, ভদ্রুপ সেই পৃথিবী, সেই পৰ্বতনিচয় ও সেই দশ দিক কিরূপে ক্ষুদ্র দিন দিন মানব ধারণ করিতে লাগিলেন।১-১৬। অনন্তর বিপ্ৰভবনে সন্ধিবিষ্ট থাকিৰে। সৰ্ষপের মধ্যে কি মত ঐরাবতকে সেই বিপত্নীও অমরত্ব সুদুর্লভ জানিয়া আমার আরাধনা করিয়া বাঁধা যায় ? কিংবাশক কি কন সিংহদিসের সহিত যুদ্ধ করিতে এই বরটা প্রার্থনা করিলেন-হে দেবি! আমার স্বামীর মৃত্যু পারে? ভূজশাবক কর্তৃক পচক্রের মধ্যে সুমেরু পর্বকে গ্রাস হইলেও যেন তাহার জীব আমার এই গৃহ হইতে অত্র গমন না করা যেমন নিতান্ত অসন্তৰ এৰৎ যেমন করা যেমন নিতান্ত অসম্ভব এবং যেমন অদৃষ্ট মেয়ের গর্জন ইহাতে আমিও তাহাই হইবে বলিয়া স্বীকার করিলাম । এবণ করিয়া মরদিগের নৃত্য বড়ই অসঙ্গত কথা, হে সবেয়ে পরে কালক্রমে সেই অণ পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হইলে তদীয় বাকাশ খরি। অপ এই খামাত বিভকামধ্যেও পৃথিবী ও পর্ব- পূৰ্বার্মিত বিপূল বাসনা-প্রভাবে সেই গৃহাকাশেই অবস্থান আলির সন্নিবেশ বড়ই অসঙ্গত বাক্য বলিয়া বুঝিতেছি; সুত্রাং করিতে লাগিলেন এবং তিনি সেই আকাশেই পরমশক্তিসম্পন্ন হে দেবি নির্মল-বুদ্ধি-প্রদায়ক বাক্য দ্বারা বুঝাইয়া দিন, রাজা হইলেন। তিনি প্রভাবে পৃথিবী জয়, প্রপে আক্রমণ কারণ আর অনুগ্রহ ব্যক্তির অযথামেও উৰেজিত হন ও দয়া পাতালে অধিষ্ঠান করিয়া ত্রিভুবনতাে হইলেন এবং না। যেৰী কহিলেন-হে সুরি। আমি কিছুই মিথ্যা বলি তিনি রূপ ঝুকের প্রতি শ্রীগণের কামদেব, বিরুপ নাই; পুনরায় বলিতেছি, ভবণ কর। কেহ মিথ্যা বলিবেন, বায়ুর সুমেরু, সাধুরূপ পথের দিব, সকল শাস্ত্রের আদর্শ, এ নিয়ে আমাদেরই পিত, সুতরাং আমরা কিরূপেতাহা শঙ্কন বাকদিগের পক্ষে কল ব্রাহ্মণলিগের চরণস্থান ও যথা- কারব? বিশেষতঃ নিয়ম যদি আমৱাই গ্রা, না করি, কে কন্নের পুণিমাতিথি ছিলেন। ব্রাহ্মণ পাতৌভিক মুলে ইহা পালন করিবে কোন ব্যক্তি-১৪। হে শীলে। সেই পরিপুর্বক নিগৃহীত আকাণে চিকাণ শৰীৰ ব্ৰাহী আকাশপ ও নে আকাশৰাজল এখ ধারণ করলে লীৰ স্বামীকে বীভূত লেখিকা তলােকে এই কারা সলনি কবিনে, যেমন রে আশার কান্না হইলেও তার হৃদয় মামণিৰীয় , বিছু স্মৃতি বিলুপ্ত হয়, তেমনি মরণ হইলে পূর্বসূতি কিছুই থাকে না হইয়া গেল; হাতে জিনিষ বীভূত হইয়া মনে আল সুত্রং তােমাদের এ বিভকালীন বৃত্তান্ত অৱণ করত অতিৰিক হৈ যাব এর সম লি হতো। যেমন কেন তিনি মনে বােগাশিমায়ণ = নি, সেই গৃহাকাশয্যে ব্রাহ্মণের বনলতানিলা বলিয়া উহার অস্তিত্ব নাই এবং উহার অভাৰ বলিয়া অত ও পৃথিবীয় দর্শনও জাপ। ক্ষুদ্রতম আদর্শে বৃহত্তম বন্ত ওয়তম তাহাতেই খর, কিন্তু সে কিন্তু এতিভাত হয়, তার চিৎ লি এতকরণে অতি বৃহৎ অগনি যেন মিখা, ড্রপ ও কিছুইনহে। ঐচিং সর্বাবস্থাতেই আকাশ-রূপিণ। ধূ পৃথিব্যাদিও সেইরূপ চিতোমের প্রতিফলন মাত্র, সুতরাং সকল ষ্টীতে আরােপিত মাত্ৰ-কাহারও সা নাই এবং যেমন নির্মল ঘোষ আয় মধ্যে সমুদয় অসত্য পরে গা তরল জলের এনজি, দ্রুপ এই আরোণিত সূচি- প্রতীয়মান হয়। ফলত এগতের সভ্যতা নাই, কোৰাতত চি- কাশের অতিরিক্ত যেন ভরল নিত্য মি, প চিকা আর সততাই আরােপিত জগতে প্রতিবিম্বিত হয়, যেন মরীচিকা হইতে ভিন্ন ও নাই, একমাত্র চিকাই ভালো- নীয় ভর সৎ নহে, সেই মত অসভ্য স্মৃতি হইতে সমুৎপন্ন কাজে দৃষ্ট হইয়া থাকে। সুভাষ পদার্থ কিছু নাই বলিয়াই পৃথিব্যাণিও সৎ নহে। এই তােমার গৃহে ও গৃহকাণমধ্যে দ্রষ্টা ও দৃষ্ণ বােধ কিছুই নাই। ২১-৪৪। যেমন জীবের বিত তুমি, আমি ও সকল বস্তুই চিকাশ ব্যতীত অঙ্গ কিছুই মরণরূপ মােহের পর নিমেষকাল মধ্যেই ত্রিভুবনরূপ দৃ প্রতি নহে। দীপ যেমন অমােন্বত বস্তুরই বােধের প্রতি প্রধান কারণ, ভাত হয়, তাহা পূৰ্ব্বতি-অনুসারী অর্থাৎ জীব পূর্বে যে সেই মত স্বপ্ন, সন্ত্র, সঙ্কল্প ও স্বানুভূতি প্রভৃতি উপাদান সকল কাল, যেমন ভারত ও বোন ক্রমে জগৎ দেখিয়াছিল এবং পূর্বে অন্নে মিথ্যাত্ববােধের প্রতি প্রধান এবং ব্রাহ্মণ-গৃহের মধ্যে পিতা, মাতা, বয়স, জ্ঞান, বন্ধু, ভূত, চেষ্টা, স্থান, কম, উদয় এ চিলাকালে সেই বিভীব অবস্থিত আছে, এর যেরূপ সমস্ত যেমন যেমন ছিল, চিজ্জরীরে জন্ম লাভ করিয়া ঐ সমুদয় পথৈকদেশে অবস্থান করে, দ্রুপ সসাগরা পৃথিবীও তন্মধ্যেই সেইরূপেই অনুভব করে। এই আমি জন্মিলাম, আমি বালক অবস্থিত আছে এবং সেই আকাশের এক কোণে এই গৃহ ছিলাম, এই আমার মাতাও ইনি পিত, এই প্রকার বােধ তাহার দেখালি সমুদয় পদার্থই, অম্বরতলে ভ্রম বশতঃ নীল কুঞ্চিত পূস্মৃবিলেই হইয়া থাকে এবং পরে, পুষ্প হইতে ফলাে- দেমের ন্যায় অবস্থিত আছে। হে ভখি! এক সনের পভির ন্যায়, যখন তাহার পুৰ্ব্বতি হয়, তখন হরিশ্চন্দ যেমন এক মধ্যে জগদৱক্ষের ন্যায় সেই বিপ্রভবনে আশ নগরােপনালি রাত্রিকে দশবৎসর বােধ করিয়াছিলেন ও কাভাবিৱহীরা নামেই থাকিতে পারে। হে বসে! যদি চিময় পরমাণু যেরূপ একটা দিনকে একবৰ বিবেচনা করে, দ্রুপ তাঁহার নিকট অর্থাৎ অরিত্রিয় মনের মধ্যে জগৎ থাকিতে পারে, তবে কি অন্য নিমেষ-পরিমিত কাল একটা কর বলিয়া বােধ হইবে এবং তখন তুমি সামান্য বিষয়ে আশঙ্কা করিছে? লীলা কহিলেন,হে তাহার, অভুক্ত ব্যক্তির ভেজনভ্রান্তির স্যায়, আমি জাভ, আমি পরমেশ্বরি। আপনি বলিলেন, সেই শ অ আট দিন মৃত, এই আমার পিতা, এই আমার মা, এইরূপ বুজি উৎপন্ন রিয়াছেন, কিন্তু আমরা ত বহুবৎসর রাজত্ব করিতেছি, তবে ইহা হইবে। শুন্যস্থান জনাকী, বিপদ উৎসবময় ও প্রতারণা লাভের কিরূপে সম্ভব হইবে। দেবী কহিলেন—হ বলে। যেমন গায় জ্ঞান হইবে। শরীবীজে যেরূপ তীত এবং গুপ্তের দেশের দৈর্ঘ্য বা স্বভাৰ নাই, আপ যে প্রকারে কালের মধ্যে অন্দোলিত পুত্তলিকা এই উভয়ের মত ভ্ৰমময় গীবতা আলতা নাই, তাহা বলিতেছি প্রবণ কর। ১৫৭। সমূদয় সেই অজ নিত্য পুরুষে অবস্থিত থাকিলেও উহার পৃথ যেমন এই জগৎ এক প্রকার প্রতিভাসমা, অত কিছুই নহে, সভা নাই, সকলই ব্রহ্মের আশ্রিত ও শীয় অজ্ঞানের বিলাস সেইমত ক্ষ হইতে কল পর্যন্ত কালসমূদয়ও চিন্ময়েরই বলিয়াই মুক্তপুরুষেরা আত হইয়া থাকেন। পতিতাল মাত্র এবং শাদি কলকাত, বিহুন ও অভ্য কি সর্গ সমাপ্ত।২• | তুমি আমি এ সকলই পরমাত্মার প্রতিভাস। বেরুলেইহার ঘটনা হইতেছে, তাহা বলিঙেছ শ্রবণ কর। অবশকাল মিখ্যা মরণমােহ অনুতৰ কৰিয়াই প্রাক্তন ফায় বিস্মৃত হইয়া রূপ একবিংশ লর্ণ। অবলােকন করে। তখন ঐ চিলাকাশে আকাশরূপ জীব বিবেচনা করে এই আমি খেয়ই এই আরে রহিমি, গেী কহিলেন, পত্রি। যেন চমীলন করিলে এই হস্তপদণি-বিশিষ্ট নেই আমারই; এই পিতার পুত্র নবিধ রূপ দেখিতে পাওয়া যায়, সেইমত ভীরে অর্ডার ইয়া এত বয়স অতিবাহিত করিলাম; এই সকল বাবও পরণেই অংখ্য ফুৎ ছুষ্টিগােচর হইয়া থাকে এবং দেখিয়া সুরম্য ভাজি আমারই এবং আমি জমিটি, বালক দিলাম, কে-লি, কাল, আকাশ, ধর্ম, বর্ণ ও সুন্নস্থায়ী অসুখ এতে যুক্ত হইয়াছি ও সেই সকল বাবগণ পূর্বের মত আমাৱৰ বহুনিচয় সেই চিত্মায় প্রস্ফুরিত হইছে। জীব যাহা কখন রহিয়াছে। হে শীলে। চিতকাশের প্রভাবেই এতাদৃশ মুভব করে নাই, দেখে নাই ওয়ে নাই, স্বপ্নে নিজসৱস্থা, এমন হইয়া থাকে। যেমন স্বাবস্থায় হয়, তেমনি পয়লােকাক সেই সকলও তংণেই অৱণপথে উপস্থিত হয়। এই অভ্রান্তি যাতেও হয়, এইজই লিছি, দ্রষ্টা ও সকলই চিৎ, কাল্পনিক নগরীয় কায়, জিতিহইয়া চিনাকাশে অবস্থান করে ৰাধিক এ সমুদয় নিল-বোৰ লিখার কিছুই নহে। সেই এবং তখন এই ৎ, এই সূ, ইয় দূর, ইহা নিকট, ইহা , সর্বগা চিৎশক্তিই স্ত্রী এবং তিনিই ও নিপিগ, ইহা অকাল ইত্যাকার ভ্রমরূপে পৰিণত হইয়া পূর্বমূতিই তিনি যেন গ্নে উদিতা হল, জল পরলােকেও উদ পাই বিকাশ পাইতে থাকে। অনুভূত ভূত তালি স্মরণই চিং- অলে। যেমন জল, বীচি ও ৬৪ রি ডে নাই, অঞ্জ স্বপেবস্থান করে; যাহা কখন অনুভূত হয়নাই, আগেও বয়ােক, পরলােক ও খাগলােকে নিই এক নাই। জে- অনুভূজ্ঞে আয় ভ্রম কেন কালীন কিংবা পিতার স্থায় বুমিইই উৎপন্ন ইয়া থাকে; পলিম মেশিনে পিস ম হয় একে। এই সংসার উৎপতি-প্রকরণ সাকালেও বিধাতার কল্পনারূপেই অবস্থিত ছিল, পরে তাহাই স্কুল কারণ এই স্কুল নেই সেইষ্টিশনের প্রতিবন্ধক হইয়া থাকে। হইয়া বিভক্তাকারে প্রকাশ পাইয়া থাকে। হে ভৰি ! এই ১৮৩০। লীলা কহিলেন, দেবি। এই দেহেই লগ- ত্রিভুবনালি জাত কাহারও মুভিতে অনুভাকারে থাকে, নি কেন হয় না, সে বিষয়ে বাহা যুক্তি আমার প্রতি দয়া কাহাদের বা স্মৃতিতে অনুভূত হয়, কাহারও বা কাকতালীয় জ্ঞায়ে করিয়া তাহালুন। দেবী কাইলেন,-হল। এই স্মরণ যতিরেকেও অনুভূত হয়। বাগৰিক এই সংসারের অভাত বৰিক মূর্তি, ভৰে মিখ্যা-জনেই মুর্তিমান বলিয়া বােধহয় বিভিই মুক্তি। সুতরাং ইহাতে কোন ব্যক্তিরই কিছু প্রার্থনীয় বা যেমন ভােলা মুৰণ আলিয়াও তাহাকে অনুরীয় বলিচ্ছে, কিন্তু অর্থনীয় নাই। অহংজ্ঞান ও বুজুগঞ্জে আত্যন্তিক অভাৱ অঙ্গুরীয়কাকৃতি বর্ণেযেমন বাস্তবিক অসূরীক নাই, ভদ্রুপ যতীত এই নিতা মুক্তি পাইবার উপায় নাই। যে পর্যন্ত সর্দশক ধূকে জগজ্জগে দেখিলে পরব্রহ্মে ইহার সত্তা নাই। এই অঙ্গা- ও সেই শব্দের অর্থ রজুতে ভ্রমরূপে অবস্থান করিবে,তাবৎ সর্পভয় কাশব্ৰহ্ম ভিন্ন কিছুই নহে, তবে সমূত্রে প্রতিবিম্বলি যেরূপ শান্ত হইবে না। যােগ-সাহায্যে নিগৃহীত চিত্তের যে শান্তি দেখা যায়, সেইমত অমূর্ত-রহ্মেরও মিথ্যা জগন্মুক্তির দল হইয়া তুই এত শক্তি নহে, যেমন এক পিশাচর পর অন্য পিশাচ থাকে। এই প্রপঞ্চ মিথ্যা, কেবল আমি ব্ৰহ্ম এই জ্ঞানই সত্য, আসিয়া মৃঢ়কে আশ্রয় করে, ভদ্রুপ ঐ যােগীর সমাধির অবসানেই এ বিষয়ে তবিদ সুরুজন আত্মানুভব এই দুইটা প্রমাণ। পুনরায় সংসার উপস্থিত হয়। অতএব তত্ত্বজ্ঞানই মুক্তির কারণ, ব্ৰহ্মই ব্ৰহ্মকে দেখিতে পান; যিনি ব্রহ্ম নহেন, তিনি দেখিতে ঐ জ্ঞান জন্মিলে অসীম সংসারকে পরব্রহ্ম ব্যতীত আর কিছুই পান না, এবং ব্রহ্মের এই স্বভাব যে, তিনি নিজকল্পিত সৃষ্টি বােধ হইবে না। লীলা বলিলেন,-দেবি। আপনার বাক্যে জগদাদি নামে অভিহিত হইয়া থাকেন। ব্রহ্মে জারে কাৰ্য বা আনিলাম, পূৰ্বসংস্কার সকলেরই কারণ। এক্ষণে যে ব্রাহ্মণ-বাক্ষ কারণের উদয় নাই, কারণ তাহাতে কোনরূপ সহকারী কাৰণ পীর সৃষ্টি দেখিয়াছি, তাহার সংস্কার আমার কোথা হইতে উৎপন্ন থাকে না। অভ্যাসযােগে যাবৎ তােমার ভেদজ্ঞান দূর না হইবে, হইল, আমি ত কখন উক্ত সৃষ্টির অনুভব করি নাই। ১-১৬। সে পর্যন্ত তুমি ব্ৰহ্মস্বরূপ প্রাপ্ত হইয়া ৰহ্ম দর্শন করিতে পারিবে দেবী কহিলেন,হে শীলে। মরণ-মােহের পর দৃশ্য-দর্শনের প্রতি না। এই আমরা সকলে যদি অভাবলে ব্ৰহ্মবিষয়ে দৃঢ় জ্ঞান জীবের সংস্কারই কারণ নহে, স্রষ্টার স্মৃতিও কারণ হইয়া থাকে। লাভ করিতে পারি, তাহা হইলে আমরাও সেই পরমপদ দর্শনের কিন্তু ব্রহ্মা মুক্ত বলিয়া তাহার পূর্বসৃষ্টির স্মৃতি পরকীয় সৃষ্টির অধিকারী হইতে পাষি। আমার এই যে, সঙ্কলনগরের আয়, প্রতি কারণ হয় না, অতএব যে মায়ায় পূৰ্ব্বকীয় ব্রহ্মার দেহাদি আকাশ-স্বরূপ, সুজাং ইহার মধ্যেও আমি ব্ৰহ্মপদ দেখিতে জড়িত ছিল, সেই মায়ার প্রভাবেই খােপহিত চৈতন্য মূল পাই। এবং এটি মহাকালের দেহও বিজ্ঞানময় গ ব্ৰহ্মাকারে পরিণত হন, এইরূপে প্রজাপতি হইতে প্রজাপতি ব্রহ্মস্বরূপ জগতে থাকিয়াও ব্ৰহ্ম দেখিতেছেন। হে বালে। উৎপন্ন হন। তাহার এইমাত্র জ্ঞান থাকে যে, আমি প্রতি অভ্যাসের অভাবেই তােমার দেহ এখপ হয় নাই এবং ছিলাম। কিন্তু ইহার মধ্যে কাহারও বা কাকতালীয় দ্যানে সময় তাহাতেই তুমি আকাশনগয় দেখিতে পাইতেনা। তুমি যখন কি পূর্বস্মৃতি সহকারে প্রতিভার বিকাশ হইয়া থাকে। সৃষ্টির সেহেই নিজের সঙ্কলনগর দেখিতে পাইচ্ছে না, তখন কিরূপে ঐরূপ মিথ্যাভাবেই চৈতন্যাকাশে উদিত হয় ও দৃষ্ট হয়, অথচ অ হে আশ্রয় করিয়া অঙ্গের সঙ্কলনগর দেখিতে পাইৰে। সত্যরূপে কখন কিছু হয় না বা জন্মে না। পুৰ্ব্বাদুভবজনিত ব্ৰহ্মার হে কাৰ্যজ্ঞে। সুতরাং এই দেহত্যাগ করিয়া দিয়ে স্বরূপ আশ্রয় অনাদি এই দ্বিবিধ স্মৃইি কারণ পরমব্রহ্ম , তিনি একমাত্র হুইয়া কর, তবেই শীঘ্ন তুমি ঐ সজলপর দেখিতে পাইবে। কাৰ্য্যের ও কারণের ব্যরূপ আশ্রয় করত চিলাকালে অবস্থান সঙ্কল্পিত নগমের বনি ও বিকাধে সই সভ অর্থাৎ করিতেছেন। কাৰ্য্য, কারণ ও সহকারী কারণ হাতেই আছে, মানস-শরীরেই মাননগর ন হয়, অষ্ট শরীরে হয় না। কাৰ্য-কারণের অভেদজ্ঞানে মুক্তি, নচেৎ জ্ঞান লাভ হয় না হে সৃষ্টির প্রারকাল হইতে অগভ্রম বেক্ষপে দিতিপ্রাপ্ত হইয়াছে, লীলে। অতএব পুৰ্ব্বতিকেই অখণ্ড চিন্ময় বলিয়া জানিবে, অবধি সেইরূপে জীবের আটলাশি বজমুল হইয়া রহিয়াছে। তাঁহাতেই কাৰ্য-কারণ-শব্দ রহিয়াছে, বাস্তবিক উহা ভিন্ন নহে, ৩১-৪৫। নীলা কহিলেন-হে দেৰি। আপনি বলিলেন, আমরা এই বলিয়াছি, জগদাদি বৃক্ষ কিছুই উৎপন্ন হয় নাই, কেবল উভয়ে সেই বিভীর জগতে গমন করিব, এক্ষণে বলিতেছি, পরমাপ চিদাকাশেই চিলাকাশ অতি আছে। লীলা হে মাতঃ। কি উপায়ে তার গান করি, আমি এইখানে হে কছিলেন-হে দেৰি। আপনি আমাকে যে দিদৃষ্টি প্রদান করি- রাখিয়া বিশুদ্ধ সন্ত্রস্বরূপ চিমাত্র অবলম্বন করিয়া যায় যাইতেছি, লে, তাহাতে আজকালে সূর্যালােকে দুল চকু যেমন যদি আপনি কিপ যাইবেন, অফলুন। সেখীৰলিলেন-হেসে। গনি করে, আমিও পরম জ্ঞান লাভ করিয়াছি এলে সেই ব্রাহ্ম। যেমন তাের কানি বৃষ্ট হইলেও আকবরূপ, দ্রুপ গৃহ দেখিতে কৌতুহল হইতেছে, আপনি আমাকে সেই গিরি- মার দেহও আকাশময় জানিবে। কুড্যই ফুডকে তে করতে গ্রামের গৃহে লইয়া চলু, যে গৃহে ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণর সহিত সুখে পারে, উভয়ে মূর্তি হইলে কেৱই কাহার একিত করে অবস্থান করিলেপ দেবী কহিলেন,হে শীলে। তুমি অন্ত্রে না। আমার দেহ একমাত্র অলশে নিক্ষিত বলিয়াই চিৎ সমাধি-এভাবে স্কুলদেহ পরিত্যাগপূর্বক অচেত্য চিপময়ী অক্ষপের প্রতিভাসমাত্র; আঃ পরশকে সহিত কিছু পৰিছি অবলম্বন করিয়া মামলা হও, তাহা হইলে পরে, মর্ত্য এতে নাই এবং আরও এইদহ পরিত্যাগ করিল সাইবার যালী জীযেরূপ কল্পনাবলে শুরীকে নগর নিকবে তুমিও আবক নাই। আমি এই দেহেই অতীষ্ঠানে যাইব, যেমন চিলাকাশস্থিত বােশ্বরূপটি দর্শন করিতে পারিবে ও এইরূপ গরে সহিত যায়, গেৱ সহিত , অগির সহিত এমি ও বায়ু হইলে, আমরা উভয়েই এখন সেই সর্গ সনি করিতে পারি; সহিত বায়ু মিলিত হয়, ক্রপ আমর নােমর সেই শােক ।
৪ যােগণিত-মায়ণ - দেহের সহিতই মিলিত হইবে। যেমন করুনাময় শৈলের কিঞ্চিৎ অন্তরিত হইয়া থাকিলেও রাগমোদি ভাব-সমূলে সহিত বস্তশৈলের কখন এতিত হয় না, তদ্রুপ পাৰিবল বিলােপ হইয়া থাকে এবং সংসারের কারণ রাগযযাদি নিতি অপার্থিবজ্ঞানের সহিত মিলিত হয় না। এই দেহ অভিষিক্ত হওয়ায় নির্মূল হইয়াই যায়, নির্বিকল্প সমাধি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। হইলেও চিরকাল আধিভৌভিক যেধে বিবেচিত হওয়ায়, পার্থিব হেলীল। এইরূপে সমাণির অভ্যাসে তােমার সংসারভাষারূপ প্রাপ্ত হই; এবং কেমন স্বপ্নে দীর্ঘকালচিস্তায়, ভযে, সরে কালিমা দূর হইবে ও কিছুকাল মখে, আকাশমধ্যে ব্যায়, নির্মল ৰাগৰ্বনগরে তৎ জ্ঞানের অন্তত হইতে থাকিলে উহাদের ক্ষ পায় অবলম্বনে কাপ কাৰ্য্যের ও তৎকাৰণীভুত সঙ্কজের হয়, ক্রপ তােমার বাসনাসমুল যখনই কী হইবে, তখন নাশক মোক্ষ প্রাপ্ত হইতে পারিবে।২-৭১। তােমার দেহে পাখিজাব ক্ষয় হইয়া আলিবাহিকতাৰ আসিয়া একবিং সর্গ সমাপ্ত ১১ য় করিবে। লীলা কহিলেন,দেবি! সমাধি এভৃতি উপায়ে আভিবাদিক নেতৃজ্ঞান সুদৃঢ় হইলে এই দেহের কোন অবস্থান্তর হয় কিংবা বিনষ্ট হইয়া যায় ? কে কহিলেন-হে লীলে! যাহা আছে, তাহার না ৰা নাৰাভাৰ হইয়া থাকে, কিন্তু বাস্তবিক কলি সর্গ। যাহার অভাব, অহার আবার না কি একার? যেমন বন্ধুতে দেবী কহিলেন-হে বৎস! যেমন বলি জ্ঞান হইলে, সর্পভ্রমের পর রজু বলিয়া সত্য জ্ঞান হইলে, সর্প কোথায় গেল বা স্বপ্নের মিথ্যাত্বই অবধারিত হয়, তদ্রুপ বাসনার ক্ষয় হইলে, স্কুল- বিনষ্ট হইল এ বিষয়ে কোন অর্ক হয় না এবং সত্যজ্ঞানের পর দেহ অনুভূত হইলেও অসৎস্বরূপে প্রতীয়মান হয়, যেমন স্বপ্ন যেমন তে আর সর্প দেখা যায় না, সেই মত মাতিবাহিক জ্ঞানের পর স্বপ্নদেহ থাকে না, সেইরূপ বাসনাক্ষয়ে জাগ্রন্দেহের জ্ঞানের পর আধিভৌতিক ভাব আর কে না। যদি কম৷ ক্ষয় হইয়া থাকে এবং যেমন স্বপ্ন বা সঙ্গ দূর হইলে স্কুল কাহারও কলিতা হয়, তাহা হইলে উপদেশে তাহা শান্ত হইবে , দেহের দর্শন হয়, দ্রুপ জাগ্রন্থাবনার অবসানে আবািহিক দেহ যেমন বেশি কখন নাই, তাহার অত্যন্তাভাব রহিয়াছে। এই প্রকাশ পাইয়া থাকে। যেমন বাসনাৰিহিত স্বপ্নাবস্থায় সুষুপ্তি দেহাদি সমস্ত সেই পরমব্রহ্মেই পরিপূর্ণভাবে অবস্থিত আছে, হইয়া থাকে, তদ্রুপ স্কুল-দেহেও বাসনাবীজ ক্ষয় প্রাপ্ত হইলে ইহা আমরা সত্যস্বকপে অবলোকন করিতেছি। খেমার ভাদৃশ মুক্ত হইতে পারা যায়, জীবন্মুক্তদিগের যে বাসনা, তাহা বাসনা জ্ঞান না থাকায় তুমি দেখিতে পাইছে না। ৪৬–৬১। সৃষ্টির নহে, তাহা কেবল শুদ্ধসত্ত্ব নাশক সামাসা নামে অভিহিত আন্তে চিৎভাব যেরূপ কল্পনা কর্মিত হইয়াছে, তদবধি এক হইয়া থাকে। নিদ্রাকালে বাসনার অভাব হইলেই মুষুপ্তি হয়, য় সত্তাই দৃশ্যরূপে গৃহীত হইতেছে। লীলা বলিলেন,-হে আর জাগ্ৰদ্দশায় বাসনার নাশক মােহ কহে , বাসনা নিদ্রা দেবি। কাল ও দিগদিতে অসম্বন্ধ সেই অদ্বয় পরমতই বিদ- বা বাসনা জাগ্ৰদ্দশ উভয়কে তুরীয় কহে, তুরীয় লাভকে মান, আর কিছু নাই, এস্থলে কল্পনার অবসর কোথায় ? দেবী ব্ৰহ্মপ্রাপ্তি কহে, উহা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট কিছু নাই। সংসারে কহিলেন, হে বৎসে! যেমন সুৰণে কটকতা, জলে তরঙ্গতা ও জীবিত ব্যক্তিদের যে বাসনাশূন্য জীবন, তাহাই জীবন্মুক্ত পদ, স্বপ্ন এবং সঙ্কলনগার্দিতে সত্যতা নাই, সেইরূপ বিশুদ্ধ সত্বস্বভাৰ সংসারবদ্ধ ব্যক্তিরা উহা অনুভব করিতে পারে না। যেমন নিরাময় ব্রহ্মে কল্পনা নাই। যেমন আকাশে ধূলি নাই, তদ্রুপ অপসংঘােগে হিমনিক দ্রব্য হইয়া জলাকারে পরিণত হয়, তদ্রুপ পরব্রহ্মে কোনরূপ সৃষ্ট্যাদি নাই, তিনি শান্ত, অদ্বিতীয় ও অজ। বাসনাশূচি শুদ্ধসময় হইলেই অতিবাহিকতা প্রাপ্ত হয়। যে কিছু প্রকাশ পাইতেছে, সকলই মণি হইতে অভিন্ন, মণিব জ্ঞানৰলে প্রবুদ্ধ ও অতিবাহিকপ্রাপ্ত চিত্তই অই চিত্তের এতিচ্ছায়ার স্থায় সেই নিরাময় ব্রহ্মেরই প্রতিবিম্ব। শীল৷ সহিত এবং জন্মান্তরীয় ও সৃষ্ট্যন্তরীয় পদার্থের সহিত মিলিত কহিলেন-হে দেবি! আমাগিকে এতকাল কোন ব্যক্তি দ্বৈতা হইতে পারে। হে বৎসে। যখন তােমার অভ্যাসৰলে দেহাভি- দ্বৈত জ্ঞানে মুঢ় করিয়া ভ্রমণ করাইতেছে, তাহা বলুন। দেবী মান দূর হইবে, তখন তোমার দৃশ্যজ্ঞান দূর হইবে ও বিশাল কহিলেন,হে চঞ্চলে। এতকাল তােমাকে স্বীয় অবিচাররূপ জ্ঞান প্রকাশ পাইবে। জ্ঞান প্রকাশ পাইবে। যখন তােমার আবািহিক-জ্ঞান নিত্য মােহই ভ্রমণ করাইয়াছে। নিজ স্বভাব হইতে অবিচারের স্থিতি প্রাপ্ত হইবে, তখন তুমি সঞ্জ-বিরহিত পত্রি লােক প্রাণ এবং বিলম্পর্কে উহার নিমেষমধ্যে নাশ হয়, সে সকল দর্শন করিতে সমর্থ হইবে। হে আনন্দিত। এক্ষণে যে অবিন্যাও অনন্তসত্তার অতিরিক্ত নহে, মুৎ অবিচার উপায়ে বাসনাক্ষয় হয়, তাহাতেই যত্ন কর, বাসনায় স্থিরতর নাই, অবিদ্যা নাই, বন্ধন নাই ও নির্বাধ মােক্ষ নাই, কেবল হইলে তুমি জীবন্মুক্তা হইতে পারিবে। যে পৰ্যন্ত তোমার সুশীতল বিশুদ্ধ জ্ঞানই আছে, যাহাতে এই অগৎ ব্যাপ্ত রহিয়াছে। বোধচত্র পরিপূর্ণ না হয়, তাৰং এই স্থূলদেহ এখানে রাখিয়া হে বৎসে। তুমি এতাবৎকাল ইহার কিছু বিচার কর নাই লােকান্তর দর্শন কর। মাংসয় দেহ মাংস-দেহের সহিতেই বলিয়া ভ্রান্তিতে সমাকুল ছিলে, এক্ষণে বুঝিতে পারিয়াছ, মিলিত হয়, অদিত চিন্ময় দেহের সহিত সংশ্লিষ্ট হইয়া কোনই এল্যাবধি তুমি বুঝা হইছি, বিবেক-ন পাইয়াহ ও তাহা-ব্যান্থারিক কাৰ্য্য করিতে সমর্থ হয় না, সুতরাং তুমি আমার তেই মুক্তিলাভ কৰিছ, তােমার চিত্তে সংসা-নামক দৃশ্য দেহ অবলশন করিয়া যাইতে পারিবে না। আমি তােমকে এর উৎপন্ন হইবে না এবং হাতে জৈব তােমাকে আর নিজের অন্ত অনুসারেই এই সময় কথা বলিলাম , বালক আক্রমণ করিতে পারিবে না। কারণ নিৰিকল-সমাধি এ চিত্ত হইতে বুদ্ধ পর্যন্ত সকলের ইহাই অনুভবে আছে, ইহাৰৰ ৰা সন্ধে অবস্থান করিলে তাহাতে এটা, ও লি র অভিশাপের কাম সিক্ষব্যক্তিদের নমিত্তিক, বাক্য নহে। নিরন্তর কিকে না এবং আপন অক্ষেত্রে বালাপ এবী নাভাসে সংসাৱেৱ ৰাসনাচ্চিয় কী হইলে, এই দেহেই } উৎপত্তি-এর b আভিবাহিক শরীর নিসই লাভ করা যায়, মরণের পর জীৰ যাইতেছে এবং সেই স্থান বিবিধ পুষ্পরারি মনােহর পয়ে মাত্রেই আভিবাহিক দেহ পাইয়া থাকে, কিন্তু সেই আভিবাহিক আমােদিত রহিয়াছে। বে স্থানে রাজার মৃতদেহ অজ্ঞানপুণমাল্যে দেহকে কেহই উৎপন্ন হইতে দেখিতে পায় না, লােকে কেবল সমাবৃত রহিয়াছে, তাহার পার্থে তাঁহারা উগনেশন করিয়া মৃতজীবের মুল দেহই দান করিয়া থাকে। ১—১৮। মুক্ত সমাধি আশ্রয় করত নিশ্চল দেহে অবস্থান করিতে লাগিলেন, তখন পুরুষের সৃষ্টিতে এই দেহের উৎপত্তিও নাই, বিনাশও নাই; তাঁহাদের পরিপূর্ণ চন্দ্রের ন্যায় নির্মল মুখায় চতুর্দিক তাঁহারা মরণ ও জীবনকে স্বপ্ন ও সঙ্কলের স্থায় ভুম মাত্র বলিয়া আলােকিত হইতেছিল , তাঁহাৱা রঙ্গন্তে লোদিত চিত্রের থাকেন। হে পুত্রি! সঙ্কলনির্মিত-পুরুষের জীবন ও মরণ ব্যায় শােভ পাইতেছিলেন এবং সায়ংকালে পদ্মিনীযুগল যেমন যেরূপ মিথ্যা, সেইমত এই দেহের জীবন-মরণও অবাস্তব সঙ্কোচ পাইতে থাকে, তদ্রুপ সঙ্কুচিত ও সমুদয় ইলিয়-ব্যাপার- আনিবে। লীলা কহিলেন-হে দেবি। আপনি যে সকল রহিত হইতে থাকিলেন। নিৰ্বাত শরৎকালে পর্বতের অর্থ- জানােপদেশ প্রদান কৰিলেন, তাহা আমার কর্ণ-বিবরে যাইয়া ভাগে মেঘমালা যেরূপ নিলভাবে থাকে, সেই মত হার। দৃশ্য-দর্শনরূপ রােগ নাশ করিতেছে, কিন্তু এক্ষণে দয়া করিয়া দুইজনেও নিশ্চলভাবে অবস্থান করিতে লাগিলেন এবং কল্পবৃক্ষ বলুন, অভ্যাস কিরূপ কর্তব্য এবং ঐ অভ্যাসের কি উপায়ে লতা বেরূপ পত্ৰাপগমাদি দ্বারা পূর্ব পুর্ব ঋতুর রস ত্যাগ করে, পুষ্টিসাধন করা যাইবে ও তাহা করিলেই বা কি ফল হইবে ? তরূপ তাহার হনেও নির্বিকল্প সমাধি অবলম্বন করত বাই- দেবী কহিলেন,হে বংসে। যে ব্যক্তিই যখন যখন যে কিছু জ্ঞান পরিত্যাগ করিয়াছিলেন। যখনই হারা জানিলেন যে কাৰ্য করেন, তাহা অ্যাসব্যতিরেকে সুসম্পন্ন হয় না, সুজাং আমি ও এই ভ্রমজগৎ এই দুয়ের ঐকান্তিক উৎপত্তি নাই, সেই ব্রহ্মের চিন্তা, ব্ৰহ্মকথালাপ, পরস্পর তৎকথারই উপদেশ ও তখনই হাসের অন্তর হইতে দৃ-পিচিকা দূরীভূত হইল। তৎপরতা, ইহাকে পণ্ডিতেরা ব্ৰহ্মবিষয়ক অভ্যাস বলেন। যে হে রামচ। আমাদিগের নিকটেও যাহা শশশৃঙ্গের ন্যায় পূর্বে মাত্মগণ সংসারে বিরক্ত হইয়া জন্মজরাদি-জয়ের জন্য অন্তরে কখন ছিল না এবং বর্তমানেও নাই, তাহা মৃগতৃষ্ণাৰারির ন্যায়ই ভােগবাসনাকে স্থান না দেন, তাহারাই ভুবনে জয়ী হইয়া প্রতিভাত হইয়া থাকে। হে রাম! তখন সেই স্বীয় দৃশ্য-দর্শন থাকেন। ঘঁহাদের বুদ্ধি ঔদাৰ্যরূপ সৌন্দর্যে সুরূপা ও মুক্ত হইয়, সূর্য-চন্দ্রাদি অন্তরীক্ষের ন্যায়, শান্তভাৰ বৈরাগ্য-রসে আপ্লুত হইযা পরমানন্দ অনুভব করে, তাঁহারাই অবলম্বন করিলেন এবং সরস্বতী দেবী জ্ঞানময় দেহে ও মানবী শ্রেষ্ঠ, অভ্যাসী এবং যাহারা যুক্তির সহিত শাস্ত্রের আলােচনা লীলা ভৌতিকাভিমান-শূহ ধ্যান ও জ্ঞানময় দেহ অবলম্বন করিয়া জ্ঞাতা ও জ্ঞেয় বস্তুর অত্যন্তাভাব জানিতে পারেন, করিয়া বিচরণ করিতে লাগিলেন। তাঁহারা সেই গৃহের দেশ- তাহারাও ব্রহ্মাভ্যাসী। সৃষ্টির আদিতেও দৃশ্য হয় নাই ও সর্বদা পরিমিত গৃহাকাশে থাকিয়াই দূর আকাশে চিদাকাশস্বরূপ নাই , সুব্রাং জগৎ নাই, তুমি নহ, আমি নহি' ইত্যাকার অবলম্বন করিলেন। অনন্তর সেই ললিতলােচনা ললনা জ্ঞানকেই জ্ঞানাভ্যাস বলে। এইরূপে দৃশ্য নাই বলিয়া অসম্ভব পূর্বজ্ঞানের বশবর্তিনী হইয়াই আকাশে বহুদূর গমন করিলেন প্রযুক্ত রগন্বেষাদি ক্ষয়প্রাপ্ত হইলে পরমাত্মায় যে রতি হয়, ও তথায় থাকিয়াই চিরুন্নি সাহায্যে কোটিযােজনবিতীর্ণ ভাহাকেই ব্রহ্মাভ্যাস বলে। দৃশ্যের অসম্ভব-জ্ঞান ও রাগম্বেষাদির আকাশের দূর হইতে দূরত্মপ্রদেশে ভ্রমণ করিতে লাগিলেন। ক্ষয় ব্যতীত যে তপস্যা করা হয়, তাহা অজ্ঞান ও দুঃখের আশ্রয়। সেই সময়ের সেই যদিও চিদাকাশময়, তথাপি তঁাহারা জগৎ- | দৃশ্যের অসম্ভষ-বোধই জ্ঞান ও জ্ঞেয় নামে কথিত হইয়া থাকুে, প্রপঞ্চের সঙ্কন-সমৰিত মনস্বরূপ নিজ স্বভাৰখলে পরস্পরের তাহার অভ্যাসই মহা অভ্যাস ও তাহাকেই নির্বাণ ঋছে। আকার অলক্ষনপূর্বক পম্পর মেসে অভিষিক্ত হইতে যেমন শরৎকালে নীহারপাত প্রবল হিমশীতল জলপাতে অপগত লাগিলেন।১-১৬। হয়, তদ্রুপ নিরন্তর বিবেক-বিসেকে চিতের সংসাররূপ- ভয়ে সর্গ সপ্ত। ২৩ কৃষ্ণপক্ষনিশায় গাটানুরাগরূপ নিদ্রা দূর হইয়া থাকে। মধি বশিষ্ঠ এইরূপ উপদেশ দিতেছেন, এমন সময়ে চিনাবসান হইল, সাগুন বিধিব নির্বাহন্ত সূৰ্য্যদেব অন্ত গমন করিলেন, চতুর্বিংশ সর্গ। স্যবৃন্দ সায়ন্তন মানের অর্থ নমস্কারপুর্বক প্রস্থান করিলেন। পরে রানা প্রাতে তাহারা আবার কিরণের সহিত পূর্বমত বশিষ্ঠ কহিলেন—তাহারা পরস্পর হস্তধারণপূর্বক অরি- সমবেত হইলেন। ১৯৩৩। প্রদেশ লক্ষন করিয়া ক্রমশ উন্নত স্থানে অধিরূঢ় হইয়া নলে- মও নিরীশ করিতে লাগিলেন। তাঁহারা বােধ করিতে লাগি যাবিসর্গ সমাপ্ত।। লেন, ঐ আকাশমণ্ডল এর অর্ণববৎ বহু বিস্তৃত, গম্ভীর, নির্মল, ইতি চতুর্থ দিবস। কোমল ও মৃতপর্ণে অতিথপ্রদ। আরও অনুভব করিতে লাগিলেন, ঐ গগনমণ্ডল চিতা লাফারী অতি সুন্দর, শূন্যময় প্রতীত হওয়ায় অভিগভীর, জালিম-জনিত সুখানুভব হওয়ায় এয়ােবিং সর্গ। অতিশুদ্ধ ও সনের চিত্ত অপেক্ষাও প্রসন্ন। তাহার চতুর্দিকে ' বশিষ্ঠ কহিলেহ রাম। লীলা ও সরস্বতী উত্তরে সেই মধ্যে মধ্যে সুমেরুশেখৱস্থিত জলখকের ন্যায়, সুবিশাল পুর্ণ- রাত্রিকালে প্রায় এইরূপ এখােপকথন করিয়া দেখিলে, সেই চক্রের অন্তরের আয় দিল দেবগণের অট্টালিকায় বিশ্রাম গৃহের সমস্ত আর রু করি পরিজনেরা বিশ্ব-চিতে নিদ্ৰা করিতে লাগিলেন। তাঁহারা মণ্ডল অভিজ্ঞম করিয়া } 1 ৬ বােগণিষ্ঠ-রামায়ণ। সি ও গন্ধর্বদিগের মার-কুমাল্যের সৌরভবাহী সুমধুর বায়ু মেথসমূহ আশ্রয় গ্রহণ করায় পার্শ্ববর্তী হিমাচল, মেরু ও মন্দ সেবন করত আনন্দানুভব কলিতে লাগিলেন।১-৫। সঁহাৱা পৰ্ব্বসমূহ অংকপরিবেষ্টিত বলিয়া বােধ হইতেছে। কোন এক বহু গ্রীপ অনুভব করিতেন, তখন রক্তকমল-সতি স্কুলে চারিদিকে রাশি রাশি বাস, পেচক, শকুনি ও সপলিশ সৌদামিনীস অন্তর জলদমণ্ডলে সমােবরের স্থায়, আন যিরিয়া রহিয়াছে। সাগরতঙ্গেয় স্থায় কোন স্থলে ডাকিনীগণ করিয়া পরিতৃপ্তি লাভ করিতে লাগিলেন। তাহাৱা চতুর্দিকে নৃত্য করিতেছে। কোথাও বা কুকুরমুখী, কাকমুখী, উদ্ভমুখী ও বহু ভূ, নহাশৈল ও কোটি কোটি মুলারে স্বচ্ছন্দে ভ্রমণ খরমুখী যােগিনীগণ নিরর্থক শযােন ভ্রমণ করিয়া পুনর্বার কত, সরোবর সচ্ছমণকারিণী ভ্রমরীয়ের সাদৃ অনু- একত্র সমবেত হইতেছে।২১-২৫। কোথাও বা ধূমাঝারে করণ করিয়াছিলেন। তাঁহার গঙ্গাপ্রবাহসম্পৃক্ত বায়ুবিচালিত সমাচ্ছন্ন আমন্দিরে সিদ্ধ ও গন্ধর্বমিথুন লােকপালগণের অগ্রেই মেমরূপ মণ্ডপে থারাগৃহ (ফোয়ার ভয়ে বিচরণ করিতে সুরতােৎসব করিতে আরম্ভ করিয়াছে। কোল্পও অধ্বগামী জীবগণ লাগিলেন। অনন্তর মধুরগামিনী ঐ রমণীদ্বয় ধীয় শক্তির অনুরূপ অগীয় গীত ও ন্তৰে উন্মত্ত হইতেছে। অনবরত ভ্রাম্যমাণ জ্যোতি- পৰিশ্রম ও বিশ্রাম করত শূন্যপথে মহাতে অতিমস্থর আকাশছে। শুক্র শুরু কৃষ্ণ উভয় পক্ষের বিভাগ লক্ষিত হইতেছে। স্থির- নিরীক্ষণ করিলেন। ঐ আকাশদের অত্যন্তরভাগ বহু ভুবনে বায়ুর উপরে অবস্থিত আকাশগঙ্গার জল প্রবাহিত হইতেছে। পরস্পর পরিব্যাপ্ত , উহা এত বিস্তৃত যে, শতকোটি জগতেও দেব-বালকগণ ঐ আশ্চৰ্য্যসন্দর্শনার্থ ব্যগ্র হইয়া থাৰিত হইতেছে। পরিপূর্ণ হয় না অর্থাৎ উহার অভ্যন্তরে অনেক স্থল শূন্য রহিয়াছে। কোন স্থানে বস্ত্র, চক্র, শূল, অসি ও শক্তিপ্রভৃতি অস্ত্রগণ দেহ- ৬-১০। উহার উপর্যুপরিভাগে বিচিত্রবিশােভিত বিচিত্তাকার ধারণ করিয়া সঞ্চরণ করিতেছে। কোন স্থানে ভিত্তিহীন গৃহ সুবিমান-সমন্বিত সমুন্নত অসংখ্যভূভাগ পৃথক পৃথক ভাবে পরি- রহিয়াছে, কোথাও নারদ ও তুষুষ্ণ গান করিতেছেন। কোথাও বা বেষ্টিত রহিয়াছে। চতুর্দিকে অবস্থিত গগনমণ্ডলব্যাপী সুমেরু এভৃতি মেঘপথে মুহৎ মেঘ সকল মহার-সমলিত হইয়া রহিয়াছে। কুলপর্বসমূহেয় পদ্মরাগ-মণিময় তটপ্রদেশের আলােকে, উহার কোথাও বা গর্জনহীন নিল মেধ সকল চিত্রার্পিতবৎ প্রতীত অভ্যন্তরভাগ প্রয়াশলশিখাবৎ প্রতীত হইতেছে। উহার কোন হইতেছে। ২৬-৩০। কোন স্থলে কল-পর্বত্রে ন্যায় সুন্দর মূল মুক্তাময় শিখরের কিরণজালে হিমাদ্রিসাবং সুন্দর ও কোন জলদমালা উখিত হইতেছে। কোথাও আতপাৰনে (সায়ংকালে) কোন মূল কাঞ্চনপর্বত্বে এভাৰ কাঞ্চনমী লীর ন্যায় দেদীপ্য অস্ত্র মেধ সকল কনকনিষ্যৎ দৃষ্ট হইতেছে। কোন স্থানে যান লকিত হইতেছে। মহামাকত-মণির আভায় কোন স্থল,শপ দিগাহে উত্তপ্ত শব্দহীন মেষ সকল, শুভ্র বসনের ন্যায় লক্ষিত গামল ভূভাগের ন্যায়, নীলিমাক্রান্ত বােধ হইভেচ্ছ, যেন দ্রষ্ট দৃশ্যের হইতেছে। কোথাও বা শুভাগ, নিৰ্বাত নিশ্চল জলধি-সলিলের নিবন্ধন সমুভুত অন্ধকালের কালিমা। কোন স্থলে পারিজাত যায়, তৃষ্ট হইতেছে। কোথাও বা বায়ুরূপনদীর মধ্যে প্রধাৰিত বৃক্ষের শাখায় আহত হইয়া বিমানসমূহের ধ্বজা চফলিত বিমানগণ তৃণপল্লবের সমান দৃষ্ট হইতেছে। কোন স্থানে উড়ডীয়- হইতেছে। তৎ স্থানে বােধ হইতেছে যেন মজৰিকাকার বৈদূৰ্য্য- মান ভ্রমরবৃন্দের নির্মূল পৃষ্ঠৰ্ম্মের কান্তি শোভিত হইতেছে। কোন মণিময় ভূমিভাগ। ১১-১৫। কোথাও বামনের ন্যায় বেগগামী স্থান বায়ুচালিত ধূলিপটলে মেরুনদীর স্যায় ধূসরবণ দৃষ্ট হইতেছে। মহাসিগণ গমনবেগে ৰায়কেও পরাজিত করিতেছে। বিমান কোন স্থলে বিমানচারী বিচিত্রবণশালী প্রভাশালী দেবগণ গৃহে দেবীগণ গীতবাদ্য কৰিতেছে। ঐ ভুবনের অভ্যন্তরভাগে সুশোভিত রহিয়াছেন। কোন স্কুলে অম্বরবিহীন উত্তম মাতৃমণ্ডল ত্রিভুবনের শীষসমূহ-সরণেও নাকীর্ণত হয় না। ইহা কোথাও নব উন্মত্ত, ক্ষুব্ধ, বােগীশরীগণ এবং কোথাও শান্ত সমাধি- এত বিস্তৃত যে, বহু সংখ্যক মুয়ণ ও অসুরগণ পরস্পর পরস্পরের স্থিত বিভ্রান্ত মুনিগা ৰস্থিতি করিতেছেন। ঐ সকল স্থান সঞ্চাশ-ব্যাপার অবগত হইতে লিখেছেনা। পর্যন্ত প্রদেশে নির্বাপার নিশ্চল সাধূচিত্তের গায় নােহ। ৩১-৩৬। কোন কুম্মাও (পিশাচবিশেষ), রাক্ষস ও পিশাচে অবস্থিত রহিয়াছে। স্থানে কিন্নর গন্ধ ও দেবীগণ গান করিতেছেন। কোন স্থান কোথাও বা বৈমানিকগণ ৰয়ুভরে অতিবেগে গমন করিতেছে।' নিস্তব্ধ পুরী দ্বারা সমাকীর্ণ, কোন স্থান কোলাহলপূর্ণ বিশাল কোন স্কুলে প্রচলিত বিমানসমূহের ধ্বনির নিকট মেঘধ্বনি পুরী পরিব্যাপ্ত। কোন স্থানে রুদ্রপুরী, খাও ব্রহ্মার মহাপুরী, স্বজ বলিয়া প্রতীত হইতেছে। সেই ভুবনের আকাশমণ্ডলে গ্রহ, কোথাও মায়াজিতপুরী, কোথাও ভবিষ্যনগর, কোথাও চঞ্চল নক্ষত্রের সঞ্চাৰ হেতু বায়ু প্রচলিত হইতেছে। সূর্যের চন্দ্রসরােবর, কোথাও বা নিপল সােব, কোন স্থানে সন্নিকটবর্তী অসিদ্ধ সিগণ আতপদ হইয়া স্থানত্যাগ করি- সিদ্ধগণ গতাগতি করিতেছে, কোথাও বা চলোদয় হইয়াছে। তেছে। পূৰ্যসন্ধিবিগত সােকদিগের বিমানসকল আতপ কোন স্থানে সূর্যোদয়, কোন স্থানে তিমিরাত মনী, কোন গন্ধ ও সূর্যায়ে মুখবায়ুতন্তত ক্ষিপ্ত হইতে। ১৬-২০। স্থান সারাগে পিঙ্গলবর্ণ, কোন স্থান দুররাজি দ্বারা ধূসর। কোন কোন ল সােপাল ও অল্পবােগণের গমনাগমন- ৩৭—৪। কোন স্থান বিসদৃশ মেখে ধবল, কোথাও বা ব্যাপারে পরিস্পন্দন-ব্যাপারুবিশি, কোথাও বা অতঃপুরবাসিনী মেষ হইতে বৃষ্টি হইতেছে। কোন স্থানে ভূতলের ন্যায় দেবী দ্বারা বন্ধ কূপের ধূলিতে মেঘমালারত বােধ আকাশদেশেও লােৰুপালগণ বিশ্রাম করিতেছে। কোন স্থানে হইতেছে। স্বর্গে সহ হইয়া গ্রে আমি যাইৰ অগ্রে সুরাসুরগণ কেহ উদেশে, কেহ অধ্যােদশে গমনে ব্যর্থ হই- আমি যাই” এই একার পর সঙ্গে গলােস্যত নেত্রী- েেছ। কোন স্থানে পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ দিস পণের জ হইতে দূষণসমূহ পর্নচ্যুত হইতে। কোন কোন সঞ্চারে সঙ্কীণ। কোথাও বা যে অপী স্থানের খে এলে সিজলের তেলুকে অকারনিং অলীকৃত হইয়া দুর পায়া যায় না, কোন স্থান বা ভূলিখ (গাঢ়) মধ্যেমে যাইহে। বল সিগণের শাসনামল-সম্পর্কে ছিন্ন ভিন্ন হইয়া পরিব্যাপ্ত হওয়ায় পর্বতে ওরি য় ফ হইতেছে। কোন - উৎপত্তি-এর। স্থান বাণী মহা ভেজোন্নাতি যারা পরিপূর্ণ হওয়ায় সূও (উচ্চদশ হইতে)পুলও হিবি গাত্রে পতি মায়ায় । অনলের সমান গতি হইতেছে। কোন স্থানে চালিত বিনালি বা বিনত হইতেছে। সেই সব হিমালি আর অভি শীল। কোন স্থানে কল্পবৃক্ষ লতার (লীলাওসয়স্বতী) এই আমের মধ্যে ভূসমূহ, উব বন। কোথাও উদ দেবপুরী দৈত্যকর্তৃক ভয় হইয় নিয়ে মধ্যগত মশকের , গরিমণ করিতেছে, তৎসমুদয় দৃষ্টি পতিত হইতেছে।৪১–৫। কোন স্থানে বৈমানিকগণ নিয়ে গাের করিয়া ক্রিম করিলেন। নিউ নভােমণ্ডত পতিত হইতেছে, দেখিলে বােধ হয় যেন বহ্নি রেখা। কোন করিয়া পুনর্বার মহীগুলে গমনােদ্যত হইলেন। ১৫। বানে শত শত পতাকা গৱম্পর সংঘর্ষণ প্রাপ্ত হইয়া উডডীন জুশি সর্গ সমাপ্ত।২৪। হইতেছে। কোন স্থানে ও গ্রহগণ উন্নত স্থানে অধিকছু রহি- মাছ। কোন স্থান ত্রির অন্ধকারে পরিব্যাপ্ত, কোন স্থান দিবলােকে প্রণীপ্ত,কোন স্থানে মেঘ গর্জন করিতেছে, কোন স্থানে নির্মল যেখাবণী নিকি ইয়া রহিয়াছে। কোন পঞ্চবিং সর্গ। স্থানে বিচ্ছিন্ন শুভ্র মেঘমণ্ডল সকল শুভ্র পুলের স্যায় লক্ষিত বশিষ্ঠ কহিলেন,—সেই রমণীদ্বয়, নসুল হইতে কোন গিরি- হইছে। কোন স্থান, পরপদজ্ঞ ব্যক্তির হৃদয়ের আয়, অত্যন্ত গ্রামে যাইতে যাইতে জ্ঞপ্তিদেবীর চিস্থিত ভূমিতল সলনি করি- , অবাভ, অবকাশবিহীন, আনন্দময়, মৃদু, শান্ত, নির্মল ও লেন। (সরস্বতী দেবী শীলাকে ভূমিতল দেখাইবার অভিপ্রায়ে বিস্তৃত। কোন নেবাহন ভেকসমূহ গলদেশ বিস্ফারিত তাঁহাকে কল্পনা বলে দেখাইলেন)। ঐ ভূমণ্ডল, ব্ৰহ্মাণ্ডরূপ করিয়া ধ্বনি করিতেছে। আকাশবাসীদিগের ক্ষেত্র শময় ঠিক মনুষ্যের হৃদষপ, অষ্টফিকু উহার দল, উহার চকুপান্থ পর্বত কেন স্বচ্ছ জলময় বলিয়া বােধ হইতেছে। ৬৫। কোন স্থান রাজি কেশরস্বরূপ, ঐ ভূমণ্ডলপ স্বকীয় আমােদভরেই সুন্দর। মা ও হেমচুড় প্রভৃতি পথিগণ দ্বারা সমাকীর্ণ, তৎ পক্ষিপণ নদীমূহ উহার কেশরিকানাল, অন্তর্গত জল উহার হিমৰি বিদ্যাধরী ও দেবনারীগণের বাহনরূপে কতি। কোন স্থানে শরীরূপ ভ্রমরী উহার চতুর্থে ঘুরিতেছে। প্রাণিসমূহ ইহার মেঘমগুলের মধ্যে কার্তিকেয়ের বাহন ময়ূর হ নৃত্য করিতেছে। মশক। উহার অন্তর গুণগণে আকীর্ণ স্থানে স্থানে ছিদ্র, পয়ঃপ্রবাহ কোন স্থান শুকপক্ষিসমাকীর্ণ শানস্থলের ন্যায় এমিবর্ণ সৃষ্ট উহার চতুষ্পার্শ্বে প্রবাহিত, দিবালােকে উহা সুশােভিত হয়। ঐ হইতেছে। কোন স্থানে যমরাজের মহিষ স্বানুরূপ বলিয়া ভূপদ্ম সে আর্ড, আকাশে ক্রমণকারী সূৰ্য্য ইহার হংস, রাত্রিকালে প্রতিদ্বন্দিভ্রমে ধূম্র মেখমণ্ডলকে অধঃকৃত করিতেছে। কোথাও ঐ পৰ্ব সঙ্কুচিত হইয়া থাকে। পাতালরূপ পঙ্কে নিমগ বাকি বা অগণ তৃণভষে কৃষ্ণবর্ণ মেঘশশুকে গ্রাস করিতেছে। ইহার মৃণাল। ১-৫। সমূদ্র এই পথে আস্পদ, কখন কখন কোন স্থানে দেবপুরী, কোথাও বা দৈত্যপুরীর মধ্যে পর্বভেদ- সমুদ্রের কম্পে ঐ পদ্মের দিল-সমুদয় কম্পিত হইয়া থাকে। কাৰী প্ৰবল অনি প্রবাহিত হওয়ায় ঐ নগরী সকল পরস্পরের এই দুপক্ষের অবােলগত অংশ দৈত্যদানব ইহার কন্টকস্বরূপ। প্রাপ্য। কোন স্থানে কুদতে চায় যুহদাকার ভৈরবগণ পর্বতসমূহ ইহার মহাবী, সেই মহাবীতে ভূসমূহের বীভূত নৃত্য করিতেছে। কোথাও বা পক্ষ বিশাল পর্বতের গায় সন্তোগ-সুমাস্তী অষীগণরূপ বারী (লতা) আশ্রয় করিয়া গরুড়পক্ষী নৃত্য করিতেছে ৫১-৫৫। কোন স্কুলে প্রবল থাকে। অনূখীপ দে ইহার এক বিপূল কণিকা আছে, না- বাত্যায় পবানু পর্বত উড্ডীন হইতেছে। কোন গান গন্ধর্ব, সমুহ সেই কণিকার নাল, নগর ও গ্রামসমূহ তাহার কেয়। ঐ নগর ও দেবীসমুহে সঙ্কীর্ণ। কোথাও প্রচলিত গিরি হতে কণিকা উজ-ও-কুলাচলরূপৰীতে সুশােভিত, উহায় মধ্যবর্তী পতিত লক্ষ লক্ষ বৃক্ষরাজি দ্বারা মেমণ্ডল সমুন্নত দেখা যাই. সুমেরুপৰ্বরূপ বীর নল আক্রমণ করিয়া রহিয়াছে। সমূদ নে। কোন স্থান মায়াকল্পিত আকাশনলিনী-গলিলে শীতল। সরােবর ঐ কণিকাৰ বিষৰুণা, অরণ্য-অল ইহার খুলি, ঐ ভূয়- কোন স্থলে চকিরণকৰী আহলালক শীতল বায়ু বহিছে। কর্ণিকায় নও-মধ্যবর্তী স্থল-দশ জীবগণ ইহার অলিগণ। কোন স্থলে উওপ্ত নিলে মরাজি, পর্বসমূহ ও নদ ১০। ঐ কর্ণিকাকে (অমূখীপকে), প্রত্যেক পুণিমায় পঙিক্ত হইয়া যাইতেছে। কোন স্থানে অতিক্রান্ত সই- শভযােন দীর্ঘ দিকট-সমন্বিত সাগরূপ ভ্রমরসমূহ প্রবােধিত ব্রণ নিবে প্রবাহিত হইতেছে। কোন স্থলে পতুল্য হইয়া (জাগরিত অথচ বর্জিত উচ্ছলিত-সলিল) বেষ্টন করি। শত শত শৃঙ্গবিশিষ্ট বের উদয় হইয়াছে। কোথাও না থাকে। ইহার অষ্টদিনে মুগণ ও সগণরূপ টুপ বিশ্রাম বর্ষাকালের উন্মত্ত মেলা সরগর্জন কৰিছে। কোন গান করিতেছে। ভ্রাতৃস্বরূপ নয়ন দুপতি ইয়াকে (এই অপরূপ বুঝায়ণের যুদ্ধব্যাপারে দুর্গ হইয়া উঠিয়াছে। ৫-৬। কণিকাকে) নাগে বিভক্ত করিয়াছে। এই মহীপ যােক স্থানে আকাশ-ক-বিহারিণী হংসীগণের দ্বারা বিস্তীর্ণ, করণে আকাণ, নানাবিধ অপদসমূহ ইহায় হায় হংলগণ আহত হইতে। কোন রে মন্দাকিনীতীরে নিল হিমৰি। এই শ পেযি+পরিমাণ লবণসমূদ্র হাৈর নলিনীর সৌরভ হরণ করিতেছে। শাদি নদীর ভিধ্য বা বহির্ভাগে, শখ (ছ)যেমন প্রকোষ্ঠ বেষ্টন করিয়া থাকে, । শং, মকর, কুলীয়ক, শকুৰ্ম প্রভৃতি জগণ সশরীরে সেইরূপ বেষ্টন কৰি আছে। ইহার পরে ইহার বিকল্প উন্ডীন হইতেছে। পূর্ব পাতালগামী হওয়ায়, কোন সুলে পাকশীপ বলয়াকারে ববি। ১-১৫।ইহার দুনি। পৃথিবীর ছায়া পতিত হওয়ায়, কোন কোন মণ্ডলে গ্রহণ, প্রমাণ অভিনৰ-নীলপূর্ণ সুস্বাদু তল সমুদ্র শীল্পসমূদ্রবেষ্টিত কোথাও (কপে গ্রহণ ইতে। আছে। অহাৰ গৱে ইংল্প বিকন দূষিত হয়। স্বর্গীয় পর মায়- হল বিনি ইচ্ছে কোথাও যােচ্ছ। আর চলাশেপে। হি দেবগণের T যােগবাণিষ্ঠকানায় ভূথিকাধিসমূদ্র বেষ্টন করিল রুহিয়াছে। তাহার পরে এইরূপ ব্যয় ও হিমাহত পৱিনীর শ্যাষ হইয়াছে। ঐপুরী মহ ক্রৌঞ্চলীপ। পরিখা খাৱা নব রাজপুরী যেন বেষ্টিত থাকে, সেই অজবর্তিীপের আয় হীনভ হইয়া পড়িয়াছে। ১। রূপ ক্রৌঞ্চদ্বীপ থাকা উহা পরিবেষ্টিত। তাহার পরে ঐরূপ প্রমাণ গৃহপতির বিরহে সেই গৃহঁ অসম-মৃত্যু-ব্যক্তির কার মুখ- সমুদ্রে ঐ দ্বীপ বেষ্টিত আছে। তাহার পরে মলপূর্ণ শাল্মলী মণ্ডলের স্থায় জীপেরুক্ষাদিসশস্ত্র অরণ্যের আয় ও বৃষ্টির বীপ ১৬২। অনন্তনাগের নেহলতা যেমন নারায়ণের মূর্তি অভাবে দূলি-ধূসর, এদেশের স্থায় রুক্ষ হইয়াছে। বশিষ্ঠ বেষ্টন করিয়া থাকে, সেইরূপ পশুভ্র সুরাসমুদ্র ঐ শাল্মলী কহিলেন-অনন্তর নির্মলঙ্গনের চিরাভ্যাস বশত সত্যসঙ্কজ দ্বীপের চতুর্যে বেষ্টন করিয়া রহিয়াছে। তাহার পরে এইরূপ দেবতার গায় গাধীমনােরখা সুন্দরী সেই রাজমহিষী মনে প্রমাণ গােমেক প, উহাকেও ঐরূপ হিমালয়-সানুসস্পর্কে মনে চিন্তা করিতে লাগিলেন, “এই বন্ধুগণ এই দেবীকে এবং বিশুদ্ধ ইসমুদ্র বেষ্টন করিয়া রহিয়াছে। তাহার পরে দ্বিগুণ আমাকে সামান্য রমণীর ন্যায় দর্শন কক।” তাহার (উক্ত পক্ষীপ, তার পাও ঐরূপ স্বাদুসলিল এক সমুদ্রে বেষ্টিত। সঙ্কলের পরক্ষণেই) এত গহজনকল মন্দিবালোককারি তাহার পর দশগুণপরিমিত পাতালগামী নিম্নভূমি সেই অনায়কে কী ও গৌরীর ন্যায় অবলােকন করিল। গর্তরূপে বিরামান, পাতাল-পৰ্যন্তগামী দীর্ঘ পথ ঐ ভুমি অতি সহারা দেখিল, ঐ রমণীদ্বয় পাদপৰ্য্যন্ত-বিলম্বী বিবিধ কুসুমের ভীষণ। এই সমুদয় পাতালগামী পথের দশগুণ উচ্চে অবস্থিত মাল্যে সুশােভিত, ঠিক যেন কাননামমাদকারিণী বসলখায় ; আকাশ পর্যন্ত চতুদ্দিকে গর্তসমূহে ভীষণ লেকালেক-পৰ্বত, উছারা স্বীয় গাত্রচন্দ্রিকা দ্বারা নিকটস্থ ওষধি, অরণ্য ও গ্রাম পূর্ণ বিপুল উদ্দাম-মলারূপে অবস্থিত, উহার অন্ধভাগ অন্ধকারে করিতেছেন। আলাদ-সুখকঃ উহাদের গােয় চতুর্দিক আবৃত, দেখিলে বােথ হয়, যেন নীলােৎপলমালায় আরত। উহার বল হইয়া যাইতেছে, ঠিক যেন চধয় উদিত হইয়াছে। শিখর-দেশ নানা মাণিক্য ও কুমুদ-কলারাদিতে ভূষিত । এই পর্ব- ৬১। ইহারা সমান অলকদামে বিলােল স্বীয় নয়নমর ভের অন্ধকারাবৃত অর্ধাংশ দেখিলে বােধ হয়, যেন ত্রিভুবন-লক্ষ্মীর ইতস্ততঃ সঞ্চালিত করত চতুর্দিকে যেন কুয়সন্মিশ্র মালতী- কেশদাম বিভূষিত রহিয়াছে। ২১-৭। ইহার পরে ইহার কুমাবলি বিকিরণ করিতেছেন এবং গলিত সুবর্ণরসের দশগুপ্ৰমাণ প্রাণসঞ্চাররহিত এক অরণ্য। তাহার পরে ঐ প্রবাহপূর্ণ নদীপ্রবাহে সমান, স্বকীয় দেহপ্রবাহে অরণস্থলী সমুদয়ের দশগুণপ্রমাণ অগাধ সলিলরাশি, আকাশের ন্যায় বেষ্টন যেন সুবর্ণময়ী করিয়া তুলিয়াছেন। ইহঁদের সহজশরীর-লাবণ্য করিয়া আছে। তাহার পর ঐ সমূমের গণপ্রমাণ মেরু- বিলাসের দোলা ও তরঙ্গপূর্ণ যেন বারিধি। অরুণবর্ণকম্বয়ধূক্ত প্রভৃতি পৰ্গতসমূহের ভস্মীকরণােত আর্থিশিখাসমূহে পরিব্যাপ্ত। ইহাদের বিলােল বালতিকাষের বিন্যাসে বােধ হইতেছে, যেন তাহার পর এতৎসমূদয়ের দশগুণ অধিক অচলেবিদারণকারী ইতস্তত নব নব হেমময় কল্পতরুলতান বিকীর্ণ হইতেছে এবলবেগশালী বায়ু প্রবাহিত হইতেছে। ঐ বায়ু মেরু প্রভৃতি ১২-১৫। ইহারা অম্লান পুষ্পপসের ন্যায় সুকোমল স্থলপদ্ম পর্বতসমূহকে তৃণ ও ধূলির স্থায় ইতস্তত বিক্ষিপ্ত করিতেছে। মালা সদৃশ চরণযুগল দ্বারা ভূতলস্পর্শ করিলেন। তাহাদের শষে বলিয়া ঐ বায়ুর কোন একই নাই। তাহার পর ঐ অবলােকন-সুর সেকে শুষ্ক পাণ্ডুবর্ণ তালী ও মালক্ষে সমুমের দশগুণপরিমিত শত একাকার আকাশদেশে পরিব্যাপ্ত। যেন নববােদয় হইল। অনন্তর জ্যেষ্ঠশৰ্মা গৃহসভি- তাহার পর প্রদেশ শতকোটিবােজনব্যাপী নরূপ সুবর্ণমর ব্যাবহারে “দেবীকে প্রণাম” এই বলিয়া কুসুমাঞ্জলি প্রদান যিপ ব্ৰহ্মগুভিত্তিতে পরিব্যাপ্ত। সেই মানবী লীলা এইরূপে করিল। সেই ফুসুমাঞ্জলি, পদ্মিনীর পদ্মঘয়ে হিমবিন্দুপাতের সাগর, মহাচল, লােকপালগণ, দেবপুরী, অর ও ভূতলে পরিব্যাপ্ত হয়, সেই দেবীদ্বয়ের রসুলে পতিত হইল জ্যেষ্ঠ প্রভৃতি জুনােদর অবলােকন করি, পরে তুগুল ময্যে স্বীয় মন্দির সকলে কহিলেন-“হে বনদেবীয়। আপানাদিগের জন্ধ হউক, কোটর গনি করিলেন।১৮৩৫। আপনারা আমাদিগের দু-নিবারণা আসিয়াছেন, প্রায়ই পরের রক্ষা করাই সাধুগণের স্বীয় কৰ্ম্ম।” ১৬২। তাহাদের পঞ্চবিং পর্গ সমাপ্ত।৫। এই ক্যাসানে দেবীয় কহিলেন, এই সকল ব্যক্তি যে দুঃখিত লক্ষি হইতেছে, তাহা বল। অনন্তর জ্যেষ্ঠশৰ্মা বড়বিং সর্গ। প্রভৃতি সকলেই সেই দেবীদ্বয়কে যথাক্রমে বিজদম্পতীর বিগজনিত দুখ বর্ণন করিলেন। শো প্রভৃতি সকলে বশিষ্ট কহিলেন, সেই বরবন্দিনী এইরূপে সেই ব্রহ্মাণ্ড কহিতে লাগিলেন,—“হে দেবীদ্বয়। এই স্থানে অতিথিবর্গের মণ্ডল হইতে নির্গত হইয়া, যেনে সেই ব্রাহ্মণের আবাস, আশ্রয়দাতা, ব্রাহ্মণস্থিতি স্বরূপ, দীনবর্গে স্নেহপরায়ণ সেইবানে উপস্থিত হইলেন। অনন্তর সেই সিদ্ধমীয় ব্রাহ্মণশতী ছিলেন। উহারা মাস পিতা মাতা, অন্য লােকসাধারণের অদৃত হইয়া স্বীয় গৃহ সেই ব্রাহ্মণগুণ দর্শন তাহারা পুব-পরিজন পরিত্যাগ করিয়া স্বর্গে গিয়াছেন। কৰিলে। দেখিলেন, তথায় আসীগণ চিন্তায় কাজ হইয়া সেইজ আমরা সকলেই এই অগত্ৰয় হ দেখিতেছি যায়। রমণীগণের বদনখল বাপজলে ক্লি, সকলেই ঐ দেখুন, বিহগণ গৃহহাপরি আরোহণ করিয়া প্রতিক্ষণে পক্ষ- বলল বিষণ, (ঠি দেন ) বিশীর্ণণণ খুলের সাধারণ বিক্ষেপ কত করুশরে ভক্তিপূর্বক এই মৃতদেহের উপর শােক মাছে। সে পুরীতে আর উৎসব নাই, শব্যপীত সাগরের একাশ করিতেছে। ঐ পর্বত হারূপ মুখের রশ্যিা ম হইয়াছে। সেই পুরীর অবস্থা কালে, গ্রীল বিলাপ নদীরূপ স্থূল অখাৱা বিসাল কত দুঃখ প্রকাশ উলা হিভ জানি না, বাতৰিচ্ছিন্ন অলংয়ের করিতেছে।১৬। ঐদি সকল মুক্তা-গয্যের হইয়া ভণ্ড মি। লাসপনে বিধ্বস্ত ও প্রাপ্ত হইয়া দেবগণের দুঃখপ্রদ কারি হইয়া থাকে। কে পৃথ্বালিপে করি হইয়া উঠিয়াছে। এই সমুদয় গ্রামবাসী তােক সর্বাদে উহা ক্ষণকাল মধ্যে পৃথ্যাদিরুপে প্রতিভাত হয়। মূৰ্দাবস্থায় ক্ষতবিক্ষত, উপবাসপরাহ্মণ ও সমভাবাপন্ন হইয়া করুশষয়ে পরলােকও এভ্য অনুভূত হইয়া থাকে। বালক আকাশকে বিলাপ ফয়ত মরণােন্মুখ হইয়াছে। এনি পপসমুহের বেতল বলিয়া জ্ঞান করে, মুমূর্ষ ব্যক্তি আকাশে অন্য অ- পরূপ লেচেনকোষ হইতে পাের হিমরূপ অশ্রুবিন্দু শােকন করে, কেহ বা কেশােক ৰলিয়া জ্ঞান করে, কেহ বা অধ্যােেেণ পতিত হইতেছে। যথা সমুদায় সঞ্চার-বহিত মুক্তা বলিয়া জ্ঞান করে, আবার কেহ জাকাৰলিয়াই নিয়ে। আনহীন শূহৃদয় বিধবার স্থায় ধূসর খায়ণ করত অবস্থান ৪৩। যাহারা ভীত, উন্মত্ত, অর্ধনিদ্রিত বা, নৌকায়েহী, করিতেছে। উঝোক সিপন বিশিষ্ট বৃষ্টিরূপ ধাপে আহত তাহারা সর্বদাই আকাশে বেতাল, অরণ্য এবং বৃক্ষাদি ঘন কয়ে লতাজি-সমুদয় কোকিল-নিকরের প্রলাপ-ব্যপদেশে রােদন করত ও অনুভবও করে। অতএব এই পদার্থসমূদয়ের আকার পড়-পাণি দ্বারা দেহে আঘাত করিতেছে। ভাতও এই অভ্যাসবণে ভাষারূপই প্রতীত হইয়া থাকে, পারমার্থিক নিঝর সকল আপনাকে শতধা করিবার অভিঘারে মাত্র ইহাদের একটারও আকার নাই। কিন্তু লীলা পূৰ্যাদির যথাযথ শিলাতলে নিপতিত হইতেছে। গত নিস্তব্ধ অন্ধতপূর্ণ নাস্তিই অনুভব করিয়াছেন। তিনি বুঝিয়াছিনে, একমাত্র চিদা- গৃহ সকল অরণ্যে পরিণত হইতেছে। ১০০ কাশ ভ্রাতিষলে নানারূপে প্রতিভাত হয়। একমাত্র চিকা জয়ধ্বনিব্যাজে লােদনপরায়ণ উদ্যামস্থিত পুষ্পরাজি হইতে ব্রহ্মই সমুদয় , যিনি সুফিয়াছেন, সেই মুনির নিকটে পুত্র, মিত্র ও বিনিগত সুগন্ধ পূতি এর ব্যয় অনুভূত হইতেছে। চৈত্য কলত্র কখন কি সমুদিত হইতে পারে ? অর্থাৎ তাঁহার এ সমূহের শাখাসমুদয় দিন দিন বিরস ও কুল হইতেছে, উহাদের সমুদয়ের জ্ঞান থাকেই না)। প্রথমে কৃষ্ণ পদার্থের উৎপতিই হয় গুচ্ছরূপ লােচনপঙিক্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হইয়া যাইতেছে। নাই , যাহা কিছু দেখিতেছ, তাহা সমুদষই সেই অজ ব্ৰহ্মই। কলকলধ্বনিকারিণী নদী সকল জলধিতে দেহৰিক্ষেপ করিবার যাহাদের সম্যক জ্ঞানলাভ হইয়াছে, তাহাদের রাগ-দেযদৃষ্টি নিমিত্তই গমনাদ্যত হইয়া ভূতলে দেহ দোলায়িত করিতেছে। কিরূপে হইতে পারে? লীলা জ্যেষ্ঠতার নন্তকে যে বাপী সকল এইরূপ ভাবে নিঃস্পণ রহিয়াছে যে, উহাদিগের প্রদান করিয়াছে, তাহা সেই যেষ্ঠশৰ্মার পূর্বঞ্চিত সুরে মশকপজনিত স্পন্দও অতি চঞ্চল বলিয়া বােধ হইতেছে। প্রভাবে সংবুদ্ধ চিতির রুল (পুত্ৰহে প্রযুক্ত নহে)। হে রাখব। নিশ্চয় আজ আমার পিছুদেবের আগমনজনিত আনন্দেই নভাে- যখন বােধ সমূদিত হয়, তখন আকাশপেক্ষা সুষ অতি বিশুদ্ধ মণ্ডলে, কিন্নর, গন্ধর্ব, বিদ্যাধর ও দেবীগণ গান করিতেছেন। ব্ৰহ্ম পদার্থেই প্রতীতি হয়। স্বল্পকালে ব সকল্পিত পুরীতে ৩৪-৩৮। অতএব হে দেবীদ্বয়। অদ্য আমাদের শােকদূর যাহা যাহা অনুভূত হইয়াছে, সেই সমস্ত পদার্থই একমাত্র এ করুন, মহুরে দর্শন কাচ নিষ্ফল হয় না। সেই লীলা পুত্রের ব্যতীত আর কিছুই নহে। ৫১-৫৫। (জেশৰ্ম্মার) ঐ কথা শ্রবণ করিয়া কর দ্বারা পুত্রের মস্তক স্পর্শ করিলেন। বােধ হইল যেন পদ্মিনী আনত হই৷ পৰ ডুবিংশ সর্গ সমাপ্ত।২৬। দ্বারা স্বীয় মুলখি স্পর্শ করল। পর্বত যেমন বর্ষাকালীন জদের স্পর্শে শ্ৰীঘাপ হইতে বিযুক্ত হয়, সেইরূপ ঐ সপ্তবিং সর্গ। জ্যেষ্ঠপর্শ। তঁাহার স্পর্শে দুদৌর্ভাগ্য-সঙ্কট হইতে বিমুক্ত হইল। অনন্তর সেই দেবীদ্বয়ের অবলােকনে সমুদয় গৃহন দুঃখন্মুিক্ত বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই রমণীয় গিৰিতটবর্তী গ্রাম সেই ও ঐশ হইল। ৩৯-৪২। রাম জিজ্ঞাসা করিলেন—সেই ব্রাহ্মণের মন্দির মধ্যে থাকিয়াই সহসা অন্তর্হিত ( অদৃশ্য ) লীলা মাতা হইয়া পুত্ৰ জ্যেষ্ঠশর্মাকে কি নিমিত্ত মাশরীরে দর্শন ইন। “বনৰীয় আমাদিগের প্রতি অনুগ্রহ করিয়াছেন দিলেন না, আপনি আমার এই বিষয়ের সংশয় দূর করুন। যশিষ্ট এই ভাবিয়া তথাকার গহনসকলে শাশুদুঃখ হইয়া স্ব স্ব উত্তর করিলেন-যে ব্যক্তি এই ফিত্যাদি পদার্থ ফিত্যাদি পে ব্যাপারে নিযুক্ত হইল। এদিকে সেই মণ্ডপের আকাশলেনে অবগত হয়, তাহার নিকট উহা দ্রুপে এভিত হয় , অন্যের লীনা, বিস্ময়ে তুফাবাপন্ন, আকাশরূপিণী লীলাকে আকাশ- নিকট উহা আকাশ মাত্র। পৃত্থাদিভাবে জ্ঞান থাকিলে অসং রূপিণী সরস্বতী কহিতে লাগিলেন। (এই স্থলে বশিষ্ঠ রাকে পদার্থ সংরূপে প্রতিত হয়। যদি বেতাল বলিয়া একটা পদার্থ অদৃশ্য মণীষয়ের কথােপকথনে একটু সন্দিহান দেখিয়া আছে, এইরূপ জ্ঞান না থাকে, তাহা হইলে কখনই বালকের বলিলেন,) রান। যাহাদের দেবানুগ্রহ সঙ্কজ বা স্বপ্নে পরস্পর চিত্তে বেতালমূর্তি প্রতিভাত হয় না। যেমন স্বপ্নে ইহা স্বপ্ন কন্যাপকথন হয়, তাহাদিগের সেই কথােপকখনও কাৰ্যেপরিণিত এইরূপ জ্ঞান হইলে ও তাহা দেখা যায় না ( অর্থাৎ স্বপ্নদৃষ্ট হইভেচ্ছ, সেইরূপ আভাবে থাকিলে তাহাদের কথােপকশন- পদার্থ অলীক হইয়া যায় সেইরূপ জাগ্রং অবস্থায়ও জ্ঞান হইলে ব্যাপারও কার্যে পরিণত হইয়াছিল। তাঁহাদের পার্থিব শরীর পৃথ্যাদিরূপে ফুর্কিত পদার্থও ক্ষণকাল মধ্যে অলীক হইয়া যায় নাড়ী ও প্রণালি না থাকিলেও স্বপ্ন ও সঙ্কজের গায় পরস্পর (অর্থাৎ আর পৃধাদি বলিয়া বােধ হয় না)। পৃথিবী প্রভৃতি আকাশ জ্ঞান হইলে উহা আকাশরূপেই অনুভূত হইতে থাকে। * ভাৰা এই-শীলার জলের উদয় হওয়ায় জােয়ার দেখ নাকের, বিক্ষিপ্তচিত্ত পুরুষের ভিত্তিতেও শুত বলিয়া ভয় প্রতি পুত্রধন নাই, কাজেই মাতৃভাবে নি কেন নাই হইয়া থাকে। স্বল্পকালে নগর বা পৃথিবী শূহ বা শিয়া মস্তকে হত প্রদান জ্যেষ্ঠশায় অজ্ঞানােযাগের নিমিত, তাও জন হয়, আবার স্বপ্নদৃষ্ট কামিনী হইলেও মালগয়ে কার্য তাহার পুঞ্চিত মুকুল ফল।
যোবারণ। • নে L যােপখলে চো হইয়াছিল * সরস্বতী প্রথমে লীলাকে সমীপে লইয়া যাই, তাহা বল। এই সায় অন্য প্রকার, সেই ভিসা করিলেন, তােমার বাহা জাত অহা নিরবশেষে বহ্মগুমণ্ডপ আর একার,হে বসে!থাকার ব্যবহার করা ত হইয়াহ। এই দৃশ্য-পদার্থসমূহও দেখিলে। এই ব্ৰহ্মসভা অন্য প্রকার ২১-২৬। সে সমূল সার(জন এইরূপই (অর্থাৎ অজ্ঞান অবস্থায় জগৎভ্রম দেখায়, আনােগয়ে দৃষ্টিতে) মাের পর্থেরহিয়াছে বটে, কিন্তু সংসাৰদৃষ্টিতে) বমাত্রে প্রকাশ পায়। এক্ষণে ভােমার জিজ্ঞাস্য কি আছে, তাহা কোটি-যােন দূরে অবস্থিত। জ্ঞানদৃষ্টিতে এই সংসার- আৰল। ১-- লীলা কহিলেন,—যে স্থানে আমার ভর্তার সমূদয়ের আকার আকাশ মাত্র; ইহাতেই আবার কোটি কোটি ঐ জীব রা কৃরিতেছেন, তথায় আমাকে আর কেহ দেখিতে মন্দর প্রভৃতি পৰ্বত এবস্থিত। যেমন সূর্যকিরণে অনেক কমে। পায় নাই অথচ আমার পুত্র দৈখিতে পাইল কেন? সরস্বতী ফুরিত হইতে থাকে, সেইরূপ মহাচৈত হইতে অনন্ত সৃষ্টি কহিলেন,সে। অভ্যাস না হওয়াতেই তখন ভােমার মৈত সমূহ প্রত্যেক পরমাণুতে নিরলভাবে বিকাশিত থাকে। ঐ নিশ্চয় ছিল; হে বরবলিনি। ঐ দ্বৈতভাব এখনও তােমার নিশ্চয় ব্রহ্মাণ্ডসমূহ যতই মহারক্তশালী ও গুরু হউক না কেন, চিষ্টি অপত হত্ব নাই। যে ব্যক্তি অদ্বৈতভাবাপন্ন হয় নাই, সে কখনই তুলনায় উহাটীল-প্রমাণ হয় না।২৭-৩০। এতে কর্মের ফল প্রাপ্ত হয় না, আপন্বিত ব্যক্তি কি ছায়াৰ- আকাশ নানাবিধ বিমল রকিরণ অরণ্যবৎ প্রতিভাত হয়, (জগৎ স্থান-সুখ অনুভব করিতে পারে ? অভ্যাস না থাকায় যখন সেইরূপ) ফল চিহ্মিপে চিন্তা করিলে উহা পৃথিব্যালি ভূহ ভােমার ‘‘আমি রাজমহিষী নীলা এ ভাব অপগত হয় নাই, বলিয়াই বােধ হইবে, এই আত্মাতে জ্ঞপ্তিই (ভ্রান্তি) এ কাজেই তােমার সত্যসঙ্কল্প হয় নাই। ৭-১০। আজ তুমি সত্য- জরূপে কুরিত হয়, বস্তুত সৃষ্টির আদিকালে পৃথ্যাদিস সঙ্কল হইয়াহ, হে সুরি! একারণে তােমার পুত্র আমাকে দর্শন কোন পদার্থ ছিল না। যেমন সনােক্করে তরঙ্গ বারংবার উৎপন্ন এই অভিলাষ সফল হইয়াছে। এক্ষণে যদি তুমি তােমার হইয়া বিলীন হয়, তেমনি বিচিত্রাকার কালের অঙ্গ দিবা, রাত্রি, ভর্তার নিকটে যাও, তাহা হইলে তঁাহর সহিত তােমার পুৰ্ব্ববৎ গরু ও মাসাদি দেশ-সমুদয়ই জ্ঞপ্তিতে (জ্ঞানরূপ চৈতে) ব্যবহার চলিবে। লীলা কছিলেন, এই মন্দিরাকাশেই এই ব্রাহ্মণ পুনঃপুনঃ উখিত ও বিলীন হইয়া থাকে। লীলা কহিলেন, আমার পতি হইয়াছিলেন, এই স্থানেই তিনি দেহ ত্যাগ করিয়া জগত। ইহা এইরূপই বটে, এক্ষণে আমার স্মরণ হইল, বনুখিপ হইয়াছিলেন। এই সংসারেই সেই এই ভূমণ্ডলের আমার এ রাজস জন্ম, তামসিক বাত্ত্বিক জন্ম নহে। আমি মধ্যেই সেই রাজধানীতেই আমি হার স্ত্রী ছিলাম। এই সেই ব্রহ্ম হইতে অবতীর্ণ হইয়া নানা যােনিতে অষ্টাধিকশত জন্ম অতি- অপরেই আমার ভূপতি মৃত হইয়া আছেন। এই সেই পুরের বাহিত করিয়াছি, ইহা এক্ষণে পুনৰ্ব্বার স্পষ্ট দেখিতে পাইতেছি। এই অন্তঃপুরাকাণেই সেই এই ভূমণ্ডলেই নানা জনপদের অধি- ৩১-৩৫। হে দেবি! আমি পূর্বে কোন সংসারমণ্ডলে পতি রাজা হইয়াছিলেন। ১৯—১৫। যেমন সম্পুটক মধ্যে সর্বপ বিদ্যাধর-লােকরূপ-পদ্মের ভমরীস্বরূপ বিদ্যাধরণী ছিলাম। রাজি অবস্থিত থাকে, আমার বােধ হয়, সেইরূপ এই গৃহাকাশেই পরে দুর্বাসনাকলুষিত হইয়া মানুষী হইয়াছিলাম, পরে অঙ্গ সমুদয় ব্রহ্মাণ্ডভূমি অবস্থিত রহিয়াছে। মদীয় ভর্তার সেই সারমণ্ডলে পগেশ্বরপত্নী হই। অনন্তর আমি কম, কুল, প আমি সর্বদ অদূরে স্থিত বলিয়া শেষ করি, আমি যাহাতে জন্ধীর ও করঞ্জের অরণে পত্রবসনধারিণী কৃষ্ণবর্ণা চালী তাহা এই পার্শ্বে অবস্থিত দেখিতে পাই, তাহা করুন। সরস্বতী হইয়া জন্মগ্রহণ করিয়াছিলাম। সেই জন্থে আমি বনবাসহেতু ধর্ম কহিলেন-হে পুলি! ভুলের আরতি। তােমাৱ ভর্তা অনেক, কার্যে মুগ্ধ উদ্ধতা ছিলাম; সে কারণে তাহার পরে গুনয়না খ্যে ভূঁয় তােমার এক্ষণে হইয়াছে। সেই সমিহিত ভর্তৃ- পল্লবস্তা বনবাসিনী লতা হইয়া জন্মগ্রহণ করি। আমি আয়ের মধ্যে (বশিষ্ঠ ) ব্রাহ্মণ ভস্মীভূত হইয়া (পদ্ম নামক) রাজা পুণাশ্রমের লতা ছিলাম, সে কাৰণে ঋষিদিগের সংসর্গে পবিত্র হইয়াছিলেন, তাঁহারই নেই অন্তঃপুরে পুষ্পমাল্য হইয়াছিলাম। পরে সেই বনে জানলে অন্ধ হইয়া ত্ৰত পিত ছিল। ১৬। আবার তিনি এই সংসারগুলে তৃতীয় মহামুনির কন্যা হইয়া জন্মগ্রহণ করি। ৩৬-৪০। শ্রীনাশক (বিদূৎ নামে) বসুথিপ হইয়াছেন। তিনি এক্ষণে মহাসংসার কর্মের ফলে আমি রাজা হইয়া সুরাষ্ট্রপ্রদেশে শত বৎসর রাজত্ব অধিতে পতিত হইয়া ভ্রান্ত হইয়া পড়িয়াছেন। (সংসার সাগ- করি। সেই রায় দুর্ঘম্মে ফলে দেহ ত্যাগ করিয়া রের ভােগ-কল্লোলে পড়িয়া তিনি বিকল হইয়াছেন, তাঁহার তালতলস্থ জলপ্রায় শে নকুলী হইয়া জন্মগ্রহণ করি। তথায় চেতলা মলিন হইয়াছে, চিত্তি জড়তায় জীর্ণয় হইয়াছে, কুষ্ঠরোগে গলিতাবা ইয়া নয় বৎসর অতীত করি। হে এক্ষণে তিনি সংসারসাগরের কচ্ছপস্বরূপ হইয়া বিষম বিচিত্র দেবি। তার পর দেশে গােজাতিতে জামিয়া দুর্জন দুই অকাধে ব্যর্থ হইয়াছেন এবং তিনি এক্ষণে সুপ্ত হইয়াছেন, অজ্ঞ গোপশিশুদিগের সহিত লীলায় আট বৎসর অভিহিত আভ্য বা সংসার-ভ্রমে তিনি জাগরিত হইতে পারিতেছেন না। করি। তাহার পরে বনভূমিতে বিহুজী একদিন বাধৰাগুরায় আমি ঈশ্বর, আর্মি ভােগী, আমি সিদ্ধ, বলবান্ ও সুখী” এই পতিত হইয়া অতি ক্লেশে অধম বাসনার আয় সেই যাচ্ছে একার নর্থরূপ মহার দ্বারা আবদ্ধ হইয়া তিনি অবশ হইয়া করি। তাহার এরী হইয়া পদ্মকণিকার অভ্যন্তরায় গজিছেন। অতএব হে বলিনি। বাতা যে গন্ধকণা এক ভ্রমরের সহিত একত্রে বিশ্রাম করিতাম। কখনও পর- কনতে বনান্তরে লইয়া যায়, সেইরূপ ভােমাকে কোন ভর্তার কোরককোষে কিন্তু ভোজন কৰিম। ৪১–৫। তাহার পর নাৱাৰী হরিণী হইয়া উশৃঙ্গ-বিশিষ্ট বয় বললীতে •্যাপারও অনেক সময়ে মত্য হইতে দেখা যায়, তখন ভ্রমণ করি। একদিন এক কর্তৃক মলে আহত ইজৰে, অহায় আশ্চর্য কি? হইয়া দেহাগ করি। আর র মৎসী হইয়া সকলাে ও অববধু রূপ মধুকনগণের সঙোৰ উৎপাদন করি। হয়, সেইরূপ খচিত কল্পনাৰলেই এই অনত আখ্যাকাণ আৰ- উৎপত্তিকরণ। ভাসিতে ভাষিতে একদিন এক কচ্ছপের পূর্ণ আয়োৰণ কৰি।, করেন। বঙ সেই লীলা(জপিদেবীর সহিত) সেই গৃহেরই তখন ধৰয়াহত হইয়াছিল; কিন্তু সে বল্লামাত বিফল মাগত প্রদেশপ্ৰমাণ কাশদেশেই নিদ্রিত ব্যক্তি যেমন এক হইয়াছিল, আমি সমুদ্রজলে পতিত হইয়াছিলাম। তাহার পর যখ দেখিয়া আবার বিশ্ব স্বপ্ন নি করে, সেইরূপ ব্রহ্মাণ্ডার চর্শতী নদীর তীরে কির্তী হয় অগ্রহণ করি। এখন প্রাপ্তি, শিগ্ৰিামৰ্শন বা হইতে ব্রহ্মাণ্ডাগন পুনর্বার মধুস্বরে গান করিতাম ও প্রিসাবসানে নারিকেলমধু স্বগৃহে অবস্থিতি, এই সমুণৰ অনুভব করেন। ফলতঃ এ সমুদয়ই পান করিম। তাহার পরে সারসী হইয়া জন্মগ্রহণ করি। প্রতিমাত্র, সমুদয়ই আকাশমাত্র, ব্ৰহ্মাণ্ড, সংসার, ভিত্তিপ্রভৃতি তখন কার ও মধুরষরে এবং শরীড়ায় স্বৈরভাবে সারসে ও দূরত্ব এসমূদয় কিছুই নহে। কেবলমাত্র বাসবশেই নিজ ঘরের মনােরঞ্জন করিতাম। কখন কখন অল-আলতুজে লালন ডিভে তাঁহাদের সেই প্রকার মনােহর এ লতিফলিত হইয়া- নয়নে মদিনােন্বত দৃষ্টিতে কাকাকে অবলােকন করিতাম।৪-৫ ছিল। ব্ৰহ্মাণ্ডই বা কোথায়, আর সাই বা কোথায়। তাহার পর স্বর্গে অন্দর হইয়া পদ্ধিনীর দ্যা কনকলসুন্দর ১০। যেমনকাশকেই স্পষণে মারুরূপে কানা কয়। ভকালে কখনও সুমেরুপতে কনরকের বনে মণি, মাণিক্য, রহিত ব্ৰহ্মারূপে কল্পিত হয়। এই ছিদাকাশ সর্বত্র সবাই ও মুক্তানিকরে বিভূষিতভূতলে ফুৰাপুরুষের সহিত জন্মরহিত ও শান্ত; ইহাই চিত্রকল্পনায় স্বয়ংই আত্মাতে অগৎরণে ক্রীড়া করিতাম। তদনন্তর সমুদ্রের তরকুল কচ্ছপ্রদেশে প্রকাশিত হয়। যিনি বুঝিতে পাখিয়াছেন, তাঁহার নিকটে ইহা লগুৰিশিষ্ট কুলে বনরাজির মধ্যগত গুহায় কচ্ছপ হইয়া আকাশ অপেক্ষাও শূন্য বলিয়া বােধ হইবে। যে বুঝিতে পারে বহুদিন অতিবাহিত করি। তহার পর উত্তালভঙ্গাকুল সরােবরের নাই, তাহার নিকট বা অচলের স্থায় বােধ হবে। যেমন তীরে অক্ষচালিত পত্রবিশিষ্ট বৃক্ষের উপরে রাজহংসী হইয়া সুদর্শন কালে গ থাকিয়াই উজ্জন নি করা যায়, সেই দুলিতাম। তাহার পর শালীক্ষের পত্রে মশকালিকে দুণিতে রূপ পিদার্থে এই সংসার ৎ হইলেও (সৎ ও) উজ্জণরূপে দেখিয়া আমার ঐরূপ দুবাির ইচ্ছা হইয়াছিল, সে কারণে প্রতিভাত হয়। যেমন মরুভূমিতে অজ্ঞান অবর্ণে কটক মশক হইয়া জন্মগ্রহণ করি। ৫১-৫৫। তাহার পরে বেতসলত হয়, সেইরূপ আত্মাতে এই দৃশ্যসময় অসৎ হইলেও সৎ বলিয়া হইয়া উত্তালতরঙ্গাকুল শৈলণীতে বিলােল তরঙ্গ দ্বারা আহত বােৰ । ১৯১৫। ললিতাকৃতি সেই ললনার এইরূপ হইয়া ফিলিত হইতাম। অনন্তর বিদ্যাথরকুলে জন্মগ্রহণ করি, কহিতে কহিতে ললিতপলবিক্ষেপ করত গৃহের বাহিরে উপস্থিত ভথায় গন্ধমাদনপর্বতের মন্দাক-তরুরাজিমণ্ডিত মন্দিরে বিদ্যাধর হইলেন। গ্রাম্য-লােকের অদৃশ্য হইয়াই বহির্দেশে সম্মুখেই এক কুমারগণ মদনাতুর হইয়া আমার পদে পতিত হইত। সেখানে গিরি মনি করিলেন। ঐ গিরি যেন গগনমণ্ডল ভেদ করিয়া চন্দ্রমণ্ডলে চকান্তি যেমন অবস্থিত হয়, সেইরূপ কপূর-বিকীর্ণ আদিত্যমগুল স্পর্শ করিয়াছে। ঐ পৰ্ব্বতের অরণ্যপ্রদেশে অঙ্গে শয়ন করিতাম বটে, কিন্তু প্রায়ই অনেক সময়ে বিপন্ন নানাবর্ণের নানাবিধ বিচিত্র অজিতে বিকসিতপূপসমূহে হইয়া কালাতিপাত করিয়াছি। যেমন দুর্বার বাড়ায় হরিণ অতি মুনিৰ্ম্মল হইয়াছে। কোথাও নিকারের ধ্বনি, কোথাও বা বিভ্রান্ত হইয়া বেড়ায়, সেইরূপ আমি অনেকবিধ দুঃখসমাকুল নবিহঙ্গমগণ কুজন করিতেছে। কোথাও অমুণমণ্ডল বিচি নানা বােনিতে জন্মগ্রহণ করিয়া সাররূপ দীর্ঘতটিনীর উত্তাল মঞ্জরীপুজে পিরবর্ণ হইয়াছে। কোথাও পূপগুচ্ছাগ্রে সারস- তমালায় কখন উন্নত, কখন অবসন্ন হইয়া ব্যাকুলছাবে ভ্রমণ পক্ষিগণ বিশ্রাম করিতেছে। এত নিখিল নদীতট বিস্তৃত করিয়াছি। ৫৮-৫৯। বেসবনে রত শিলাগর্তে লতাজি জড়িত থাকায় অয় বায়ত গতিরোধ হইতেছে। ১৬-২। কোথাও বা বিকসিতপুষ্পসমাচ্ছন্ন সবি। সর্গ সমাপ্ত।২৭। # আকাশপেন্বিত এলামকে, সমাচ্ছন্ন করিয়াছে। কোথাও বাধ নিঝর নদহইতে শ্ৰোত পাষাণে পতিত হইতেছে; অষ্টাবিংশ । সেই স্রোতের চতুর্দিকে জলবিন্দুসমূহ মুক্তাকলাপের ন্যায় প্রকাশ পাইতেছে। কোথাও বা নদীতটে বায়ু দ্বারা বাসঙ্কুল বনরাজি রাম কহিলেন-সেই অবলায়, কোটিযােজন-বিস্তৃত বিচালিত হইতেছে। ত্ৰত্য নিবিড় বনভূমির ছায়া সই বাবয়ব কঠিন নিবিড় ব্রহ্মাণ্ডমণ্ডল করিয়া কিপে লিঙ নীল রহিয়াছে অনন্তর তথায় এই ললনায় তখন নলে হইল? বলিষ্ঠ কহিলেন-াম।সেই ব্রহ্ম কোথায় ? সেই মণ্ডল হইতে পতিত স্বর্গখণ্ডের গায় সেই গিরিগ্রাম অবলােক ভিত্তিই বা কোথায়, আর ঐ সরতই বা কোথায়? সেই করিলেন। সেই গ্রামের মধ্যে কোথাও ঘটষয়াদি প্রণালী সকল অন্তঃপুরাকাশেই সেই দেবী ছিলেন, ইহা নিশ্চয় জানিও। হইতে নির্গমধ্বনি নির্গত হইতেছে। স্থানে স্থানে পুষ্করিণ- সেই কণিষ্ট-নামা ব্রাহ্মণ সেই গিরিগ্রামেই সেই গৃহাকাশেই রাজ্য সমূহ জলপূর্ণ রহিয়াছে। জলপ্রায় প্রদেশ গর্তসমূহ ফুচকুচধ্বনি- ভােগ করিয়াছিলেন। সেই মজ, সুমাত্র সেই মণ্ডপাকাশেই কারী বিহঙ্গগণের ধ্বনিতে প্রতিধ্বনিতু হইতেছে। কোথাও চতুসমুদ্র পর্যন্ত ভূমণ্ডল অনুভব করিয়াছেন। সেই কাজ ও গােখ গমন করিতে করিতে প্রস্কারধ্বনি করত নিখিল ভুবন সেই অন্ধতী সেই আকাশেই যে ভুলগুল সে ভূমণ্ডলে রাজপুরী ভীষণ করিয়া তুর্ণিয়াছে। সেই কুনের মধ্যে কোথাও প্রক ও গৃহ অভৰ কৰিছেন। ৫। সেই অতীয় খণ্ডে পরিপূর্ণ, কোখাও বা যকসপূর্ণ ছায়াসমৰিত নিবিড় শাল- আয় বল নামে উৎপন্ন হন, তিনি বিদেবীর ল কল্লেন ভূমি। ২১-৫। সেই অরণ্যের স্থানে স্থানে সূর্যকিরণেরও এবং এপ্তিমেৰীৱ সহিত আশ্চর্য মনের কাণৰ লক্ষন প্রবেশ য় না, মানে নে পাষণ ও শিশিরে খুসৱবৰ্ণইয়াছে।
যােগবাশিষ্ঠ-আমায় દર উগ্র মজৰীপুজে কোন কোন স্থানে বৃক্ষশাখাসমূহ জটার ন্যায়, কণবাহী মারুত ৰাৱা আদ্রীকৃত হইছে। স্থানে স্থানে গৃহাচ্ছন- অনুষাল হইয়া আছে। কোন কোন স্কুলে শিলাতুহরে জলাশ্যাল তুখােপরি তৃণ যারা কলমূকুল নির্মাণ করিয়াছে। ৪১-৪৫। হেতু মুজাসদৃশ বিসমূহ চতুর্দিকে বিকীর্ণ হইতেছে, দেখিলে কোন স্থানে বেষ্টিত ললল ছেদন করিয়া দেওয়ায় কেতকীর মরাল-বিকুনিত রোদ-সাগরের জলশােভা স্মৃতিপথে উদিত বিকসিত পুষ্পরাজি যায়। পাণ্ডুবর্ণ হইয়াছে। কোন স্থানে হয়। স্থানে স্থানে অবস্থিত বৃক্ষরাজি বিবিধ-ফললােভী ও প্রবাহিত জলপ্রণালী হইতে গুরগুর ধ্বনি নির্গত হইতেছে। পুষ্পভরধারী হইয়া অবস্থান করিতেছে। কোথাও বা অঙ্গ- কোথাও সৌধন্য বিশ্রান্ত ব্যরিদগণ বাতাসুন-পথ দ্বারা নির্গত বস্কারকারীতে বিকম্পিত হইয়া বৃক্ষসমূহও রসাল হইয়া হইতেছে। কোন কোন মূলে জলপূর্ণ সরোবরে পূর্ণচন্দ্রে অখিসমূহে পবর্ষণ কৱিতেছে। কোন ব্যতিতাকে কমলনিকর বিকসিত হইয়া রমণীয় হইয়াছে। নিৰ্ম্মল শালস্থলী অবস্থিত পক্ষিগণ শঙ্কা না থাকিলেও শিশির হইতে পতিত নিবিড় বিটপিচ্ছায়ায় শীতল হইয়াছে। কোন কোন স্থানে জলবিন্দুর ধ্বনি শ্রবণ করিয়া কান্মুকরব ভ্রমে ভীত ও বৃক্ষশাখা- শম্পশ্রেণীর উপরে বারিবিন্দু নিপতিত হইয়া তারকানিকলের বিলীন হইয়া কলরব করিতেছে। ২৬-৩০। কোন স্থানে শোভা ধারণ করিয়াছে। অনবরত পতিত পূষ্প ও তুষারে মন্দি নদর উত্তাল অঙ্গমালায় সমালীনধান্ত হংসগণ তরণীকর- সকল শুক্লবর্ণ হইয়াছে। কোন কোনস্থলে পাপসমূহে বিচিত্র স্বাদনে ব্যগ্র হইয়া নক্ষত্রের ন্যায় এক দিক হতে অপর নিকে পুষ্পমঞ্জরী ও মধুর ফলসমূহ সুশোভিত রহিয়াছে। কেন পতিত হয়েছে। কােথাও বাপ্রাতর্ভাজ্যগ্রহী বালকগণ বিশাল | স্থলে চির-পিতৃগৃহবাসিনী রমণীগণ গৃহক নিলীল মেঘের তালরুকে অবস্থিত বয়স দেখিয়া তাহার পাজে ভােজন করে উপরিভাগে শয়ন করিয়া আছে। সর্বদা সৌধস্থিত মেখে এই শঙ্কায় আমিক্ষাখণ্ড গোপন করিয়া রাখিতেছে। কোন স্থানে বিদ্যুৎ থাকায় কোন কোন গৃহে প্রদীপের প্রয়ােজন হয় না। পুষ্পশেরখারী বসন-পরহিত গ্রাম্য বালকগণ ক্রী-কজি। ৪৬-৫০। কোথাও পৰ্বতগুহামাৰুতে ভাঙ্কারররে গৃহসকল কোন কোন স্থান খঞ্জুর, নিষ ও বীরবনে অবল হইয়াছে। প্রতিধ্বনিত হইতেছে। চকোর, হরীত ও হরিণীগণ বিচরণ সেই সমুদয় অণ্যের মধ্যবর্তী রখ্যায় গ্রামকীটের আয় করায় কোন কোন স্থলে গৃহসমূহ সুন্দর দেখাইতেছে। অথম দরিদ্র নীচ লােকদিগের অনাগণ পূষ্পমঞ্জরীভূষিতকর্ণা, কোন কোন স্থলে বিকসিত কন্দলীপুপ হইতে বিনির্গত, অতি অসীলাম্বরধারিণী ও ক্ষুধায় কাতর হইয়া লস্থান করিতেছে। সুগন্ধে সুরভিত মৃদুমন্দ সমীরণ দ্বারা পল্পবসমূহ চলিত কোন কোন স্থানে নদীর রঙ্গের পরস্পর আঘাতজনিত হইতেছে। কোন কোন স্থলে ললনাগণ নিশ্চল হইয়া লাবক তার-ধ্বনিতে শােকের কথােপকথন এৰণগোচর হইতেছে না। প্রভৃতি বিহগগণের আলাপ শ্রবণ করিতেছে। কোথাও বা কোথাও ৰা কৰ্মম ভীত অলস ব্যক্তিগণ নির্জনে মুখাবস্থান কাক, কোকিল ও দ্রোণকাকগণ কোলাহল করিতেছে। কোন কামনা করিতেছে। ৩১-৩৫। কোথাও বা নগ্ন গােময়কর্দম- কোন স্থল ফলণালী তাল, নীল, আল ও শালঙ্গণে লিখা শিশুগণ মুখ, হস্ত ও স্কন্ধে বধি লেপন করিয়া সুরম্য সমাকীর্ণ। কোথাও বক্ষসমূহে লতাবলয় সুন্দরভাবে বেষ্টন পুষ্প ও লতা লইয়া ক্রীড়া করত এঙ্গণভূমিতে ক্রীড়ামন্ড হই- কৰিষা আছে। কোন স্থলে বিলােল পল্লবলতা দ্বারা পথ রুদ্ধ েৈছ। কোথাও বা অধিকারের গন্ধে মত্ত মক্ষিকাগণ মন্দ ম হইয়া আছে। কোন কোন স্থল বিকশিত কন্দলী ও শিশীর্জপূল্পে ভাবে উড়ডীন হইছে। কোথাও লােগপীড়িত বালকগণ মুরভিত। কোন স্কুলে তালতলপত্র যারা গৃহ নিৰ্মিত রহি- স্বেচ্ছা ভোজনার্থে রােদন করিয়া বাস্পর্শর হইতেছে। কোথাও আছে। কোন স্কুলে উদ্যানভূমি সকল বিকসিত পূষ্পসম্ভার-সমন্বিত বা গৃহনিরত নারীগণ কর ও ফয়ে গােয়-লেপ-নিবন্ধন বিটপিশ্রেণীতে তিল। ৫১-৫৫। কোথাও বা গােক হরবে অসৌধে ক্রুদ্ধ হইতেছে। লেখাও বা কেশবন্ধলব্যাকুলা জল হইতে উত্তীর্ণ হইতেছে, কোন প্রদেশ সুনীল শক্ত ও কুসু লােক-দর্শনশঞ্চিত রীগণকে দেখিয়া পজিনবর্গ উহাস নিকরে সুশােভিত। ভীরভাজি দ্বারা কোন কোন নদীর প্রবাহ করিতেছে। কোন স্থানে ঋষিদিগের খলকর্মে প্রদত্ত এতা- আবদ্ধ হইতেছে। কোথাও বা বিকসিত নিবিড় লতাজাল দির কােন-সমাগত পৰ্বতীয় বায়লগণকে ভিক্রোধ ঋষিগণ বিতানের (চাঁদেয়া শােভা ধারণ করিয়াছে। কোথাও উদ্যান- পল বাপত্র দ্বারা নিঃসরিত করিতেছেন। স্থানে স্থানে কুমভূমি সকল, সুন্দপুষ্পের মরকন্দে সৌরভযুক্ত, আর কালে গৃহনির্গম পথের উপরে কঠিন কুরন্ট বিকীর্ণ রহিয়াছে। গন্ধাব্দ ভ্রমরসমূহ পদ্মের উপরিভাগ আচ্ছাদন করিতেছে। কোথাও প্রাণে গৃহপাখাতি কু হইতে প্রতিদিন বুমরাশি কোথাও বা সুর্য মন্দিরশ্রেণী, তাহার নিকট পুরন্দনপুরী পড়িয়া গুলফরমাণ আকীর্ণ হইয়া আছে। ৩৬-৪১। কোথাও পরাজিত হয়। কোথাও অস্বরতল পন্থপরাগে অরুণিত। বা অখণ্ডমণ চর ও সারগণ বিচরণ করিতেছে, কোথাও বেগপ্রবাহিত শিল্পিনদীর ঘর্ঘরনি। কোথাও কুলা- কোথাও বা গুবনমধ্যে সঞ্জাত ঘাসের উপরে মৃগশিগণ জাত জলদমালা, কোথাও অট্টালিকোপরি বিকসিত লসহ শয়ন করিয়া আছে। কোথাও বা এক পার্কে সুপ্ত গােবৎস- সুশোভিত। কোন স্থলে কলকণ্ঠ বিহঙ্গণ ক্রীড়ামত হইয়াছে। গণের কর্ণচালনে মক্ষিকনিকর নিরাসিত হইড়েছে। কোথাও কোথাও বিকসিত কুসুমের আস্তরণে যুবকগণ শয়ান। কোখও বা খােপগণের মূলগ্ন দধিকার উপরে মনি পতিত হইয় পাপৰ্য্যন্ত লম্বমান মাল্য ধারণ করিয়া বিলাসিনীগণ অবস্থান স্পন্দন করিতেছে। কোন কোন স্কুলে গৃহপতিগণ কর্তৃক করিতেছে। অনেক মূলে সুন্দর নবাহু সুশোভি। কোন স্থলে মনিকানিকর তাড়াইয়া গৃহমথ্যে মধু আনীত হইছে। কোন শরতম্ব সুশােভিত লতাজড়িত রহিয়াছে। কোথাও কোমল স্থানে শােকৰিটপর উদ্যালথে জতুগৃহ নির্মিত হইতেছে। লতা ও পল সাত হইয়াছে। কোন মূলে বনধ্যে কোন কোন স্থানে বিকসিত পপজিসমর্থিত সমূহ, সলিল গােপডিক পটোয় অবস্থিত রহিয়াছে। কোন কোন মূল উৎপত্তি এক নীহারবিনুরূপ হারে মুভি; কোন স্থানে সেখস্থিত মেয়ের সমি, শাক, গােয় ও ইনের সংগ্রহে সতত বত্র থাকিতাম। বিদ্যুতে অঙ্গগণ চমকিত হইতেছে। স্থানে স্থানে নীলােৎপল কখন গােৰৎসাগণের কণমূল কৃষি-নিফাসনে তৎপর থাকি- হইতে সৌৱত বিনির্গত হওয়ায় ক্ষয় হইয়ছে, কোথাও বা ভাই এবং গৃহসন্নিহিত শাকক্ষেত্রে কপূর আর অলসে গােমুখ নােয় হস্বাৱৰ করিতে করিতে হরি-কল কলে উম্মুখে কৱিতাম। কখন নদীতীরজাত নীলবর্ণ বকস আরা সােসগণের হইছে। কোন স্কুলে মুগ্ধ মৃগণ গৃহপ্রাণে বিশ্বস্তভাবে পরিতৃপ্তি সাধন করিম। প্রতিশে গৃহরে আলেপ দিয়া অবস্থান কৱিতেছে। খননকাৰী নিরের খনি শ্রবণ করিয়া তাহাতে বাঙালি চিত্রিত করিতাম। আমি নিজে সমুজ-বেলার ময়ূরগণ মেখনি-মে নৃত্য করিতেছে। স্থানে গানে যায় মাদানি হইতে কখন কালিত হইতাম না এবং গৃহ- সুগন্ধ বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় জনগণের বৈক্রব্য নিয়াসিত হইতেছে, ভূতগণকে নিয়াচারাদি শিক্ষা দিবার নিত তাহারা কোন বস্থিত ধৰি সকলের দীপ্তিতে থাকার জনগণ প্রদীপ- একা করিলে অহাৰু নিন্দা করিম। এইরূপে কিছু কাল লােক বিস্মৃত হইয়া গিয়াছে। বিহগনীড়সমূহ সর্বদাই অতীত হইলে মণীয় দেহ পর্ণ-সমান হইয়া উঠিল, শিল্প- কোলাহলে পরিপূর্ণ। কোন স্থানে সরিৎকুলের কল কল রবে কশনিবন্ধন কর্ণকম্পনে কর্ণ ঠিক দেলার হইল। তখন জনসংলাপ শ্রুতিগােচর হইতেছে না। মানে আনে মুক্তা- যষ্টিতাডনভীত ব্যক্তির স্যায় জরাগমনে ভীত হইতে লাগিলাম, ফলের চায় সুন্দর বিপতে নিখিল বৃক্ষ, লতা, তৃণ ও পল্লব ক্রমশঃ বাৰ্ধক্য-চিহ্ন পরিস্ফুট হইল। ১১-১৫। সেই লীলা সমূহ শীতল হইতেছে। বৃক্ষসমূহে সর্বদাই কুমরাজি বিকসিত। এইরূপ ৰলিয়া, বই পৰ্বতে ভ্রমণ করত, সঙ্গে বিচরমাণ সয়- এধিক আর কি বলিব, ঐ গিরিগ্রাম মন্দিরসমূহের সৌন্দৰ্য- স্বতীকে সবিস্ময়ে সমূদ দেখাইতে লাগিলেন,এই আমার সমুদয় বর্ণনা করিয়া উঠা দুঃসাধ্য। ৫৬–৬৩। পাটলক্ষ-বিমণ্ডিত পুষ্পবাটিকা, এই আমার উদ্যানগুপে অল্পবিংশ সর্গ সমাপ্তা২৮। পুষ্পিত অশােকক্ষে বন। এই আয পুষ্করিণীতা কমে অজু দ্বারা আবদ্ধ সাক্ষাত গােশিশু, এই আমার বিয়ােগ দুঃখকাতরা কণিকালামী গোবসা। এই আমার বিয়ােগ এনেত্রিংশ সর্গ। কাৰ্য্যে অলস পূলিলুসরাজী দীন জলবাহিকা (পরিচারিকা) ৰাষ্পাকুলিনয়নে আজ আট দিন রােদন করিতেছে। হে দেখি। বশিষ্ঠ কহিলেন,-শান্তাদি-সাধনসম্পন্ন আত্মভ পুরুষে আমি এইস্থানে ভােজন করিতাম, এইস্থানে বসিতাম, এইস্থানে ভােগ ও মােক্ষ যেমন সমুপস্থিত হয়, সেইরূপ সেই দেবীদ্বয় বাস করি আম, এইস্থানে নিদ্রা যাইতাম, এইস্থানে , জলপান অন্তঃসুশীতল সেই গ্রামমধ্যে অবতীর্ণ হইলেন। সেই লীলা করিম, এইস্থানে আমার মনিকাৰ্যসমাধা হইত এবং এইস্থানে এতদিনে সেই অভ্যসলেই জ্ঞানময় দেহ হওয়ায় দ্রব্যাদি সংগ্রহ করিয়া রাখিতাম। ১৬-২০। পরিস্ফুটভাবে ত্রিকালদর্শিনী হইয়াছিলেন। অনন্তর (এই জ্যেষ্ঠশৰ্মা নামে জয় এই মন্দিরে রােদন করিতেছে। এই জঙ্গলে কারণেই। সেই লীলা অনায়াসে পূর্বতন জন্মমৃত্যু প্রভৃতি সেই এই আমার দুগ্ধবতী গতি শাল ভূমিতে বিচরণ করতেছে। সেই সমুদয় সংসারগতি স্মৃতিপথারূঢ করিলেন। লীলা এই আমার গৃহে বসন্তে অগ্নি পূসরিত গবাক্ষপঞ্চক কহিলেন,-দেবি। আমি আপনার প্রসাদেই এই দেশ দর্শন সমর্থিত গৃহবারখকো , এই স্থানটা আমার স্বদেহের ন্যায় করিয়া সমুদয় প্রাক্তন ব্যাপার স্মরণ করিতে পারিয়াছি। আমি প্রিয়। এই আমার পাকশালার উপরিভাগে আমার প্রতিপালিত এই স্থানে পুর্বে জার্ণা, শিরালজী, কুশা, মলিলা ব্রাহ্মণী উগ্ৰ অলাবুবল্পী সকল বেষ্টন করিয়া রহিয়াছে। এই গৃহ হইয়াছিলাম , গুদ কুশাএ ছেদন করিয়া কালে আমার যেন অপর একটী দেহ। এই আমার বান্ধবগণ আমার বিরহ- পাণি-মধ্যভাগ রুক্ষ হইয়াছিল। ১৫। আমি দোহনপাত্র ও নিবন্ধন বৈরাগ্যে পাত্রের বলয়ারণস্থলে রুদ্রাকমালা পরিধান মন্থদণ্ড থারণ করত তার কুলকরী ভূা ছিলাম, আমি করুত রোদন করিয়া লােহিভনয়ণ হইয়া (প্রাণপরিত্যাগার্থ) বহুপুরে মাতা ও অতিথিদিগের প্রীতিসাধন-পরা ছিলাম। আমি অগ্নি ও কাষ্ঠ আহরণ করিতেছে। ২১-২৪। এই আমার ভনব, দ্বিজ ও সাধুগণের প্রতি ভক্তি কৃরিতাম, গৃহকর্মের গ্রামের কৃত্রিম নদীতে পরিবেষ্টিত গৃহমন, এই নদীতীরস্থিত কাটে ঘূত্বও গােরসে সিক্তগাত্রী খাকিম এবং ভন-পা, বক্ষসমূহের অবনত শাখাগুচ্ছ শিলাময় অলপ্রায় দেশে জলতরঙ্গে চরুস্থালী ও কুপ্ত প্রভৃতি গৃহেপকরণ পরিশুদ্ধ করিতাম। আমার অনবরত আস্ফাণিত হইতেছে এ স্থানে বক্ষসমূহের অবনত কর-প্রকোষ্ঠ-পরিহিত একমাত্র কাচৰলয় সতত অকণাক্ত শাখারাজি কখন কখন তরঙ্গে আবৃত হইয়া তীরভূমি স্পর্শ থাকিত। আমি জামাতা, দুহিতা, ভ্রাতা, পিতা ও মাতার পুজাজি করিতেছে; ঐ বৃক্ষসমূহের শাখাসমূহে অঙ্গ-সংস্পর্শে তথা করিতাম। যতদিন পর্যন্ত আমার শরীরপাত না হইয়াছিল, মথ্যাহ্ন-তপন-কিরণও তল হইয়া আছে। চতুর্দিকে কিংশুক তৎক পৰ্যন্ত গৃহকর্মে দিনরাত্রি অতিবাহিত কৰিভাষ। পরিজন পুষ্প বিকসিত ঠিক যেন বিক্রমজি রহিয়াছে। বিকসিত পুষ্প- বর্গের প্রতি গৃহকর্মের স্বরায় সবাই “সর কাৰ্য্য, কর, বিল রাশিতে এই স্থানের কেমন শোভা হইয়াছে। বিকসিত পপ- করিতেছ কেন?” এইরূপ বলিয়া ব্যাকুল হইলাম। আমি যেমন সমুহে বিচরণরী অমর সূহের নৱৰে ভটস্থিত বৃক্ষরাজিলে ছিলাম, শ্রোতৃধন দুর্ব জিমদীয় স্বামীও দৃণ গৃহকর্মাসক্ত উৎকথিত রহিয়াছে। এই নদীর ওটস্থিত সুন্দর লতায়ালি ছিলেন, আমি কে? সংসারই বা কি?”—এইরূপ ভাবনা ফণা পৰিষাপ্ত হইছে। লিলিকে রাখতে এনে মাদের স্বপ্নেও সমুদিত হয় নাই। ১০। আমি, রি- স্থানে ছুর্দিকে কেবিশিৎপল-সৌরভ-মাঝিরে উখিত সমন্বিত গাত্রে মলিন কল টেন কৰি থাকিতাম এক হইবে। এই নদীর প্রবাহ আসল প্রভৃতি গ্রড। .
বােগাষ্ঠি-আমায়। উৎসুক হইয়া গ্রাম্য-বালকগণ আকুল হইতেছে। এই নদী মহান একুপের মধ্যবর্তী এতে দৃষ্ট হয় না, সেইরূপ পশ্চা- মহাকাল-পূর্ণ আবর্তে অভিভীষণ এবং ইহার ভলস্থ উপল- গামী হইলে এখান ডে থােৰঙী সূৰ্য কৃ হয় না। লীলা সমূহ অস্ফালনে ধৌত ও সুনিল হইয়াছে। এই গৃহমণ্ডপের কহিলেন,-কি আর্শ। আমরা এতদূরে আসিয়াছি যে, নিমে স্থানে স্থানে ধন-পর্ণাৰিশিষ্ট ভাজি খায়া সমাচ্ছন্ন হওয়ায় দূধদেব অণুকায় গা এলমাত্র দুই হইতেছে না। জলহু মায়ণে অতি শীতল। এই গৃহমণ্ডপ স্থানে স্থানে ০৭-০। মাইহার পরে আর কি পথ আছে? সে পথ বিকসিত লতাপজি-বেষ্টিত হওয়ায় অতি সুন্দর দেখাইতেছে। কিরূপ, আমারই বা সে পথে কিরুপে যাইব, হে দেৰি। ইহা ইহার গৰমাৰ্গ বিদিতপুষ্প ও ফলগুজে সমাচ্ছন্ন। ২৫-৩১। আ কে বলুন। শরতী কহিলেন,-র পরে তােমার মুখে এই গৃহপ মনীয় ভাৱ জীব জীবাকাশ প্রযুক্ত নিক্রিয় ব্রহ্মপুটের* গর্পর মোবাইতেছে; এই প্রভৃতি তেল হইলেও চতুঃসাগররূপ-মেখলাধারুি। ধরণীর অধীশ্বর পদার্থগণ ঐ খর্ণর হইতে সমুখিত ধূলিকণা। বশিষ্ঠ কহিলেন, হইয়াছেন। এক্ষণে আমার স্মরণ হইল, ইনি পূর্বে দৃঢ় অধ্যবসায় ভ্রমরীষ্ময় যেমন নিচ্ছিদ্র শৈলভিত্তি প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ তাহার সহকারে আ িীঘ্রই রাজা হইব এইরূপ অভিলাষ করিয়া- এইরূপ দিতে থলিতে ব্ৰহ্মাণ্ডখণরে উপনীত হইলেন। তখ ছিলেন। হে পরমেশ্বরি। সেই ব্যবসায় ও অভিলাষের ফলে হইতে তাহার প্রদেশের ন্যায় অক্লেশে নির্গত হইলেন। ইনি আট দিনের মধ্যেই চিরাভিলষিত সমৃদ্ধ রাজ্য প্রাপ্ত হইয়া যাহাতে সত্যবুজি আছে, আহাৰৰং কঠিন বােধ হয়, বতে ছেন। যেমন আকাশে বায়ু ও অনিলে সৌরভ অদৃশ্যভাবে মিথ্যাত্বান আছে, তাহাকে বলিয়া জানেন (সেই কারণেই অবস্থান করে, সেইরূপ মসীয় ভর্তার জীবকাশ নৃপ হইয়াও এই ইহার মূট ব্যক্তির সত্যবুদ্ধিতে বসারবং কঠিনরূপে কল্পিত ঐ গৃহাঝাশে অদৃশ্যভাবে অবস্থান করিতেছে। ৩৪-৩৫। এই খর্পর অনায়াসে শুতের ন্যায় অতিক্রম করিলেন। তাহার পরে অষ্ঠম আকাশেই কালীয় ভর্তুরাজ্য অবস্থিত কিন্তু ভ্রান্তি বশতঃ অনাবরণ প্রজ্ঞা সেই রমণীয় ব্রহ্মাণ্ডের পারে অতি মনােহর আল- উহা কোটিযােজন-ব্যাপী বলিয়া বােধ হইছে। হে ঈরি। রূপ প্রথম আবরণ দেখিলেন (অৱণ অর্থাৎ প্রাচীরের স্যায় আমরা দুইজন (ভর্তা এবং আমি আকাশই এক মদীয় ভর্তার চতুর্দিক বেষ্টিত জল ); ৫১-৫৫। তথায় ব্রহ্মাণ্ড অপেক্ষা দশগুণ রাজ্য আকাশে, তথাপি এই বিস্তৃহামায়ার এমনি মহিমা অধিক জল সেই ব্ৰহ্মপুটকে, আজোটবীজের পৃষ্ঠস্থিত হকের যে, ঐ রাজ্য সহস্র সহস্র শৈলে পরিপূর্ণ রহিয়াছে। হে দেৰি। স্যায় বেষ্টন করিয়া রহিয়াছে। তাহার পরে তাহার দশগুণ বহ্নি, আমার ঐ রাজ্য পুৰ্ব্বার দেখিবার ইচ্ছা হইয়াছে, অতএব তাহার পরে ঐ সমুদয়ের দশগুণ যায়, তাহার পর ভদগুণ আসুন আমরা আই; ব্যবসায়ীগের আবার দূর কি? (অর্থাৎ বিশুদ্ধ চিদাকাশ। সেই পরমাকাশে, বন্ধ্যাত্রের কথার স্থায় কৃঢ় অধ্যয়বলে দূর হইলেও ঐ স্থানে আমরা যাইতে সমর্থ কোন প্রকারই আদি মধ্য ও অকল্পনা নাই, অর্থাৎ ঐ পরমা- হইব)। বশিষ্ঠ কহিলেন,—সেই লীলা এই বলিয়া দেবীকে কাশ আদি মধ্য ও অন্তবিহীন। ঐ বিশাল, শান্ত, অনাদি, অন্ত- প্রণাম করিয়া সেই মণ্ডপে ঝটিভি প্রবেশ করত নিশিত- মধ্যবিহীন পরমাকাশ মহান আত্মায় অবস্থিত ; উহাতে কোন বারিসম স্বচ্ছ নভেমণ্ডলে বিহুগীর স্যায় দেবীর সহিত উডীন প্রকার অবিষ্কাম নাই। অধিক কি, যদি উদেশ হইতে সেই হইলেন। তাহার র ভিন্নাগানের গায়, নারায়ণের অঙ্গের স্থানে অভিৰেগে কলপৰ্যন্ত লি পতিত হয়, যদি অতিবেগে ন্যায় ও ভ্রমরপৃষ্ঠের ন্যায় শ্যামল ও মিল মেপঙিক্র ভেদ করতে পগরাজ তথায় উপস্থিত হয়, যদি আকন্তু অতিবেগশালী মাকৃত মেমার্গ অতিক্রম করিলেন। তাহার পরে ক্রমে বায়ুপথ, সূৰ্যপথ প্রবাহিত হয়, তথাপি ঐ নির্মল আকাশের সীমা প্রাপ্ত হওয়া ও চপথ অতিক্রম করিলেন। ৬৬৪১। জনার ধ্রুবলােকে যাইয়ে না। ৫৫-৬০। গমন করিলেন। ধ্রুবলােক হইতে সাশ্যলােক, সাথ্যােক হইতে একোনত্রিংশ স সমাখা সিদ্ধলক ও সিদ্ধলােকইতে উৱীলােক অতিক্রম করিয়া বা লােকে গমন করিলেন। পরে স্বর্গলােক হইতে ব্রহ্মকে এক হইতে নিত্যসন্তুষ্ট ব্যক্তিগণের আবাসস্থান বৈকুলােকে গমন ব্রিংশ সর্গ। করিলেন। তাহার পর বৈঠলোক হইতে শিবপােক, শিবলােক হইতে বিদেহ ও সপেহলিগের লোক অতিক্রম করিলেন। অনন্তর বশিষ্ঠ কহিলেন-তাহারা কাল মধ্যে সেই হ্মাণ্ডখরে শীলা দূর হইতে দূরগখ অত করিয়া নিজ অপরিচ্ছিন্ন স্বরূপতা পর পর দশগুণ এথিক পৃথিবী গলি, তেজ, বায়ু ও আকাশ- বিস্মৃত হইয়া কিঞ্চিৎ বুদ্ধ হইলেন। পরে পশ্চাদ্ভাসে অতীত রূপ আবরণ অতিক্রম করিয়া, প্রমাণবিবর্জিত সেই পরমাকান নস্থলে দৃষ্টিপাত করিলেন কিন্তু অবােৰী চত্ৰ সূৰ্য্য ও তাৱাদি দর্শন করিলেন এবং সেই নাকাশে এই বিশাল জগৎ এবং কিছুই লক্ষ্য করিতে পারিলেন না; কেবলমাত্র দশলিগ্যাপী অণ্ডপ্রমণ অপর অখ্য ব্রহ্মাণ্ড শন কৱিলেন। যেমন একাণবার পাষাণোদরের ‘ায় গাঢ় গভীর অন্ধকার দেখিতে আকাশে সূৰ্য্যাপে কোটি সয়ে ফুরিত দেখা যায়, তদ্রপ সেই লাগিলেন।২-৪৬। লীল্লা (তাহা দেখিয়া । সতীকে জিজ্ঞাসা ব্ৰহ্মাণ্ডসমূহে পূর্বোক্ত প্রকার আবক্ষণমূহ গর্শন করিলে। করিলেন,হে দেবি । অধোদেশবন্তী সেই সূতেজ কোথায় আরও দেণিলেন, মহাকাশরূপ মহাসমূহের মহত্ব অবিল- গেল? কেবল শিলাঙ্গঠরের ন্যায় নিশ্চল মুক্তিগ্রাহ নিবিড় এই রূপ জলে মহাচিতে জ্বৰৰ হইতে সমুৎপন্ন অপপ্রমাণ জল অপুকোথা হইতে আসিল, তাহা আমাকে কলুন। দেবী কলেসে। তুমি এতদূরে আসিয়া পড়িয়াছবে, তাহাতে এটা ঠিক দুইখানি উপুড় করা কটায়েয়ায় তাকে আধাের্তী সূৰ্য্যালি-তে কিছুই লক্ষ্য হইতেছে না। যেমন ভূমি ও স্বর্ণালি বতি।(খণরভাহার খােল)।
উৎপত্তিকরণ । বুথরূপ অসংখ্য ব্রহ্মাণ্ডের কত অধ্যাদেশে পতিত হইতে বিদ্যুৎ ও গৰ্বত প্রভৃতি (ভুবন দন্ধ করিয়া) গলিতে গত কতক উলশে গমন করিতেছ, কতক ভাবে গমন করি- 'করিয়াছে। কতক বাধা না পাইয়া আৰু যে- তেছে এবং কতক নিশ্চল হইয়া রহিয়াছে, ঐসমুলায়ই তত্ত- আগে নিপতিত হইতেছে। সকল ৰক্ষাৰে পস, আআিনী জীবসহ সবি অনুসারেই হইতেছে। ১-৫। তাহা মনে করিও না, যখন সমুদয়ই সংবিস্বরুপ, নন কোন দেবে এলে যাহাদেৱ যাহাদের সংবিদ বে যে একায়ে ফুরিত কক্ষ হইতে পারে,-ব্রহ্মাণ্ডের পতন উৎপজ সমতই সম্ভব হয়, সেই সেই স্থানে তাহাদের নিকট সেই সেইর আকৃতি পরি হয়। কোন কোন ব্ৰক্ষাও আবার স্তব্ধ হইয়া রহিয়াছে। বোন স্কুরিত হয় (বি-প্রাক্তনােপাসনা-জনিত সংস্কারে লন)। আকাশে কেশােক, স্নায়ুর প, সেইরূপ উক্ত প্রকার সংৰিলে ফলত গ্রির নিকট , অৰহ্মাণ্ডসমূহের গত- উদয়। যিনি পূর্বকৰ্মার্জিত জ্ঞানের অনুষ্ঠানরূপ আচার গতি কিছু নাই কেবলমাত্র অবাস- দিগ্বিভাদি থৈত যারা এই ব্রহ্মাণ্ডার বিধাতা, তাঁহার সৃষ্ট ব্রহ্মাণ্ডের সহিত ভৰশ পরম পাই অবড়ি; পুর্ববর্ণিত ব্রহ্মাণ্ডসমুহ কেবল অন্যসৃষ্ট ব্রহ্মাণ্ডের বৈলক্ষণ্য হইতে পারে, উহা শাসিত অজসৃষ্টিতে সেঞপ্তি অভিপ্রায়ে কল্পিত হত। সংবিলের (আমি যে ব্ৰহ্মগুসমূহেয় পরস্পর বৈলক্ষণ দেখাইয়াছি, তাহা তাৰণেই সেই পরমপদে এই ব্ৰহ্মণ্ডসমূহ, বালকের চিত্ত উক্ত প্রকারে , নচেৎ এক বিধাতার পরপর দুই ব্রহ্মাণ্ডে সার্থক্য কল্পনাসমূহের ন্যায়, স্বয়ং উৎপন্ন হইয়া থাকে এবং অসঙ্কলবলেই থাকে না, তাহাই বিরুদ্ধ হয়। কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডের অলি- শান্তি প্রাপ্ত হয়। রাম জিজ্ঞাসা করিলেন,-ব্ৰহ্ম' ফুদি এই পুরুষ ব্রহ্মা কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডের বিষ্ণু, কোন ব্রহ্মাণ্ডের অ ব্ৰহ্মাণ্ডাধারে, অধঃ, উদ্ধও তিক্ত না থাকে, তাহা হইলে এই প্রজাপতি এবং কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডের কেহ নিয়ন্তা নাই, তাহা কজিত সমুজ্জল ব্রহ্মাণ্ডে উক্তবিধ কল্পনা কিরূপে হইতে পারে এবং কেবল মুগ-প্যাদি -জন্তুপূর্ণ। ২১-২৫। কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডের কাহাকেই বা উ, অধঃ ও তির্যকৃভাগ কহে? বশিষ্ঠ কহিলেন, সর্শাধিত বিচিত্র প্রকার (অনেকে মিলিত হইয়া সৃজন করেন, তিমির-দূষিত-দৃষ্টি-ব্যক্তি যেমন আকাশে কেশাে দর্শন করে, কোন কোন ব্ৰহ্মাণ্ড একাকার অর্ণবে পরিপূর্ণ, কতকগুলির উক্তি সেইরূপ অবিবর্জিত মহৎপদে সমুদয় আবরণ সহিত এই নাই, কোন কোন ব্ৰহ্মাণ্ড অরবর্জিত, উৎপত্তিবিহীন। কোন ব্ৰহ্মাণ্ডসমূহ অবিদ্যাৰণেই দৃষ্ট হয় ।৬–১০। সমুদয় পদার্থ ব্ৰহ্মাণ্ড কেবল পাষাণ, কোনগুলি বা কৃমিময়, কোন ব্রহ্মাণ্ডে ঈশ্বরের ইচ্ছানুসারেই প্রথাবিত হয়, ভহাদের নাই। কেবল দেবগণের বাস, কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডে কেৰল মনুষের বাস। এই ব্রহ্মাণ্ডে পার্থিব ভাগ অধঃপ্রদেশ, তাহার বিপরীতভাগ উছ কতকগুলি ব্ৰহ্মাণ্ড সতত অন্ধকারে পরিপূর্ণ ও মধ্যে মধ্যে অন্ধকার প্রদেশ। আকাশভাগে অবস্থিত বর্তুলাকার মৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠে প্রিয় পেচকাদি অন্তু দ্বারা সমাকীর্ণ, কোন ব্রহ্মাণ্ড প্রকাশ সংলগ পিপীলিকার চরণ অপ্রদেশ ও তাহার পৃষ্ঠ উপদেশ, ও প্রাণীদিগের নিবাসভূমি। কোন কোন ব্ৰহ্মাণ্ড কেবল মশকপুর্ণ ইহা শাস্ত্রে-কখিত হইয়াছে। কোন কোন বাতের অন্তর্গত হওয়ায়, মকপূর্ণ উডুম্বর-ফলের শােভা ধারণ করিয়াছে। কত ভূল বৃক্ষ ও বীকসমূহে বেষ্টিত অর্থাৎ মনুষ্য তাহাতে নাই, ওলি ব্রহ্মাণ্ড শমধ্য, কোন কোন ব্ৰহ্মাণ্ড নিঃশবপূর্ণ। আর তাহার আকাশভাগ দেব, কিন্নয় ও দৈত্যগণে বেষ্টিত। তথাবিধ সৃষ্টিপূর্ণ এত ব্ৰহ্মাণ্ড আছে যে, তৎসমুদয় ঘােগিগণেরও আক্ষোটবৃক্ষের ফল যেমন ত্বকের সহিত উৎপন্ন হয়, সেইরূপ কল্পনাতীত। এই ব্রহ্মাণ্ডসমুহে, বেপূর্ণ অচলের স্থায় একমাত্র কোন কোন ব্ৰহ্মাণ্ড সদ্যঃ কল্পনাত্মক চতুর্বিং বলিবর্গ, গ্রা, আকাশই অর্থাৎ শূন্যতাই অবস্থিত, ফলত ঐ সমূদয় বিস্তৃত এক পুর ও পর্বত্রে সহিত উৎপন্ন হইয়া থাকে। যেমন বিন্ধা মহাকাশ, বিষ্ণু প্রভৃতি দেবগণ আজীবন ধাৰিত হইলেও ঐ মহ- চলের কোন কোন অরুণ্যভাগে হস্তী উৎপন্ন হয়, সেইরূপ কাশের পরিমাণ করিতে পারেন না। ২৬–৩। যেমন কটকে পরমাত্মার মায়াসম্বলিত অংশে সরে সদৃশ অনেক ও রত্ন পরিব্যাপ্ত থাকে, সেইরূপ ঐ প্রত্যেক ব্রহ্মাণ্ডের ভূতাকৰণকারী উৎপন্ন হয়। ১৯১৫। এই সমুদয় সেই চিমাকাশেই অবস্থিত পার্থিব শক্তিবিশেষ স্বকীয় স্বভাবেই অবস্থিত, (এই কারণেই চিকাশ হইতেই উৎপন্ন এবং চিমাকাশেই শীন হয়, ঐ উহাদের বহু জলদি আবরণের বিশ্লেল হয় না)। হে মহামতে। চিদাকাশ কাহারও অণু হয়, সমুদয় চিনাকাণের অণু। শুধ- এই জগৎ-বৰ্ণন বিষয়ে আমার যাহা ক্ষমতা, সমুদয় দেখাইলাম, বােধশ্বরূপ সেই চিকাশরূপ সমুদ্রে বহু ব্ৰহ্ম নামক তরমালা আর অধিক আমার বলিবার শক্তি নাই। যেমন ভীমাকারপূর্ণ অনবরত খত হইতে েএবং তাহাতেই বিলীন হইতেছে। মহারণ্যে যক্ষগণ উন্মত্ত হইয়া আসবে নৃত্য করে, সেইরূপ সেই চিলাকাশ-সাগরের মধ্যে অনেক বখাগুতর এখনও দুৎ বিত এই মহাকাশের মধ্যে কত শত মহাজগৎ অভাবে পন্ন অর্থাৎ পরে হইবে, কোন কোন অঙ্গ সঙ্কলন হেতুকার- অবস্থিত (তৎসংদয় বর্ণনাতীত )। ৩১-৩৪। স্বরূপ হইয়া সুযুধ অমিত, সমুদ্রসলিলে অনুমান দ্বারা ভাবী ত্রিং সর্গ সমাপ্ত ৩। তরঙ্গের বােধ হয়, সেই সেই শূন্যতাসমুদ্রে ঐ সমুদয় ব্রহ্মাণ্ডভঙ্গ ভকিত হইতেছে। কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডতরঙ্গের কলাত এর ঘর্থরৱৰ, স্বাভাবিক হে বিবসাকুল অ অ কতি একত্রিংশ সর্গ। গােচর বা বুজিগোচর নাই। বেশ সিক্ত করে কোয় ৩য় যে, সেইপ কোন কোন মামার ব্রহ্ম বিশুদ্ধ এশিষ্ট কহিলেন-সেই শীলা ও সরস্বতী এইরূপ কথােপক ভুবনে বিশুদ্ধ বলহের সৃষ্টি হবে। ১৬-২। যেমন করিতে করিতে নিজ জগৎ হইতে ষাটতি নির্গত হই, অতপূৰ তাযােগে ও হিন্দি গলিতে থাকে, সেইরূপ এই মণি করিলেন। দেখিলেন তথায় পালিত ম নিয়ে কোন কোন প্রান্তে মণ উপমিত হওয়ায় সূর্য, রাজের শবদেহ রহিয়াছে, তাহার পার্থে সমাধি লীলাদেও বােগবাণিষ্ঠ-ৰামায়ণ অবস্থিত। শােকণীৰ সেই রাত্রিতে আয় জগ অআজ নিদ্রায় বিজয় ঘােগ শুরু ঋণে দিবাকর চত্ৰীকৃত হইতেছেন। সমাচ্ছন্ন, ধূপ, চন্দন ও কুমের সৌরছে চতুর্দিকৃ আমােদিত কছিলে-ভগব। কীদৃশ যোদ্ধাকে শুরু কহে এবং কে স্বর্গের করিয়াছে। লীলা ভয় সেই কবি সংসার এবলােকল অলঙ্কারস্বরূপ হয়, আর কে বা স্বর্গের অনুপযুক্ত। বশিষ্ঠ কহি- কৰিষা খায় গমন করিতে সঙ্ক করিলেন এবং সঙ্কলদেহেই লেন-যে ব্যক্তি, শাস্ত্রবিহিত ব্যবহারপুরায়ণ প্রভুর মােন- (অভিহিক শরীৰে। সেই মণ্ডপাকাশে পতিত হইলেন। সিন্ধির নিমিত্ত সে প্রাণ করে জয়ী হয়, তাহাকে শর এবার ব্রহ্মপন্ন ও সৎসারাবরণ ভেদ করিয়া বিভত সেই কহে; সেই ব্যক্তিই মৃত হইলে লােকে গমন করে। কােকি ভর্তার সঙ্কলসৎসারে প্রবেশ করিলেন। ১-৫। সেই দেবীর উত্তপ্রকার আচারের বিরুচারী প্রভূর নিমিত্ত রণে মিলাদ সহিত প্রবেশ করত আবরণযুক্ত বিস্ফারিত ব্রহ্মাণ্ডমণ্ডপ প্রাপ্ত হইয়া প্রাণত্যাগ করে, সে স্বর্গের অনুপযুক্ত, নরকে তার গতি হইয়া, অতি জ্বলায় তথায় প্রবেশ করি।ে প্রবেশ করি, হয়াংবে ব্যক্তি অষখাশব্যবহারাঅনুরানত সংগ্রামে পল্লি পক্সলের ন্যায় ভর্তায় সঞ্জ-জগৎ এলাকন করিলেন। হত হয়, তাহার নৱকসহয়। ব্যক্তি খবৰ সিংহী যেমন অন্ধকার ও মেঘে পঙ্কিল শৈলকুহরে প্রবেশ করে মােদিত লৌকিকচারেন্স অনুসরণ করুত আবিষ প্রভুর অনুমতি এক পিপীলিকায় যেমন পৰু বিন্ধে প্রবেশ করে, সেইরূপ আকাশ ক্রমে যুদ্ধ করে, অংকের কহো হে সামুমতে। যে ব্যক্তি রীরা সেই দেবীদ্বয় সেই ব্ৰহ্মান্তৰ্গত আকাশে প্রবেশ করলেন। পাে, ব্রাহ্মণ বা মিত্রের নিমিত্ত বা শরণাগত পালনার্থ যুদ্ধ করিয়া সেই ব্রহ্মাণ্ডাকাশে পােকাত্তর, পর্বত ও আন্তরিক অভিম মৃত হয়, সে ব্যক্তি স্বর্গের অলঙ্কারস্বরূপ। যে রাজা একমাত্র অবশ্য কৰিয়া পর্বতসমূহ-সঙ্কুল, অভেৰিবেষ্টিত, সুমেরু দ্বারা অলঙ্কৃত, প্রতি ল্য স্বদেশের পালনে যত্নবান হয়, তাহার নিমিত্ত যাহারা নৰ খণ্ডে বিভক্ত অমূখীপ-ভূমিতে গমন করত ভারতবর্ষে শীলা- প্রাণত্যাগ করে, সেই বীরগণ বীরলােকে গমন করে। যাহারা প্রজা- নাথের রাষ্ট্রে প্রবেশ করিলেন। ৬—১০। যখন লীও সর- গণের উপদ্ৰবকারী রাজা বা অন্য প্রভুর নিমিত্ত যুদ্ধে প্রাণপরিত্যাগ তী তথায় গমন করিলেন, তখন সামন্ত নরপতিগণের সাহায্যে করে, তাহারা নরকগামী হয়। ২৬-৩০। যাহারা, রাজাই হউন উত্তেজিত সিন্ধুরাল নামক কোন ভূপতি সেই লীলানাথের বা অরাজাই হউন, অযথা-শাস্ত্রব্যবহারী, তাহাদের নিমিত্ত যাহারা (বিদূরথের) মখলে আসিয়া সৈন্যামণ করিয়াছে। সেই রণে ছিন্ন হইয়া দেহবিসর্জন করে, তাহারা নরকগামী হয়। যে কারণে বিদূরখের সহিত তাহার মহাসংগ্রাম উপস্থিত হইয়াছে, কোন প্রকারেই হউক যদি ধৰ্ম্মসঙ্গত যুদ্ধ হয়, তাহা হইলে স্বর্গে তাহা দেখিবার নিমিত্ত সমুপস্থিত ত্রিভুবনস্থ সমুদয় প্রাণিগণ বাস হইব্রে । যদি অধৰ্ম যুদ্ধে হত ব্যক্তি স্বৰ্গৰসেব ব্যবস্থা হইত, ভত্ৰত্য নভােমণ্ডল পরিব্যাপ্ত করিয়া রহিয়াছে। লীলাও সর- তাহা হইলে পরলোক ভয় শূন্য হইয়া অধৰ্ম্মযুদ্ধেও মত্ত হইবে স্বর্তী নিঃশঙ্কভাবে সেই প্রকাশে গমন করিয়া দেখিতে লাগিলেন, এবং অপরের প্রণ বিনাশ করিবে। বীরপুরুষগণ সংগ্রামে হত আকাশদেশ গনচরগণ দ্বারা আক্রান্ত হওয়ায় যেন মেঘমালা- হুইলে স্বর্গে যাইবেন ইহা প্রবাদমাত্র , ধৰ্ম্মযুদ্ধে হত ব্যক্তিই কৃত বলিয়া বোধ হইতেছে। সেই আকাশ সিদ্ধগণ, চারণগণ, স্বর্গলাভ হয়, ইহাই শাকারগণের মত। যাহারা সদাচার-পরায়ণ গগণ ও বিদ্যাধরগণে বেষ্টিত। প্রায় স্বর্গীয় অনােগশ ব্যক্তিগণের নিমিত্ত অঙ্গধারা সহ করে অর্থাৎ যুদ্ধ করে, তাহা- বীরপুরুষের সংগ্রহে বস্তু। রক্তমাংসলােলুপ ভূত, পিশাচ দিগকেই শুর কহে, আর সমুদয়ই বালকযুদ্ধে হত অর্থাৎ স্বর্গে ও রাক্ষসগণ আনন্দে নৃত্য করিতেছে। বিদ্যাধরী(বিজয়ী যাইতে পারে না। ধর্মযুদ্ধকারী শরণশকে লক্ষ্য করিয়া গগনতল- পুরুষের গাত্রে নিক্ষেপার্থ) পূষ্পভার হতে করিয়া রহিয়াছে। চারিণী মুরমিনীগণ উৎকণ্ঠিতচিত্তে বলিয়া থাকেন, “শরা ১১-১৫। যুদ্ধদর্শনােক বেতাল য ও কুষ্মাণ্ড নামক মহাবলশালী এই শুরগণের সম্বিত হইব।" সেই সংগ্রাম স্থলে একজাতীয় পিশাগণ অস্ত্রপাত-ভয়ে পৰ্বত আয় লইয়া আকাশমণ্ডলে বিদ্যাধরীগণ নে স্থানে সুমধুর গান করিতেছে, অবস্থান করিতেছে। আকাশের যে যে আগে অন্ত্রসমূহের গত সেবাও বা কামিনীগণ শুরবন্ধে প্রদান করিবার নিমিত্ত মন্দার- গতি, তথা হইতে ভূতগণ স্থানগুরে পলায়ন করিতেছে। পুষ্পের মাপ্য গ্রস্থলে ব্যাকুলা, কোন কোন স্থলে দেবগণ ও সিদ্ধ বােন্ধগণ স্ব স্ব অহমিকা সহকারে যুদ্ধ করত দর্শকবৃন্দের গণের সুন্দর বিমানপাক্ত বিশ্রাম করিতেছে, ঐ সময়ে আকাশ আনন্দ বন্ধন করিতেছে। সেই ভীষণ যুদ্ধ দর্শনে দর্শকবৃন্দ সুশােভিত উৎসবময় স্থানের ন্যায় হইয়াছিল ৩১-৩৬। পরস্পর ভীষসেনের যুদ্ধবার্তা স্মরণ করিতেছে। গগনতলে একত্ৰিণ সর্গ সমাপ্ত। ৩১। শীলা-হাস-বিলাসে সমুৎ সুন্দরীগণ (স্ব স্ব নায়কের অন্তিকে) চামর ধারণ করিয়া রহিয়াছে। ঐ ভীষণ যুদ্ধ দেখিয়া অন্তরীক্ষবাসী, ধৰ্ম্মবলে অন্যের অঙ্গভাবাপন্ন, বেগপরায়ণ বাত্রিংশ সর্গ। মুনিগণ জগতের মঙ্গল দেব পাঠ করিতেছেন। সেই বশিষ্ঠ কহিলেন,-মেলেৰীয়রগণের উৎকণ্ঠায় অপনােগিন অবসরে লোকপালৰনিতাগণ গুৰ পাঠ করিতেছে। স্বর্গবস- নৃত্য করিতেছে, সেই নামগুলে লীলা সরস্বতীসমখিতা হইয়া, বােগ্য পূরণের আনয়নার্থ ইন্দ্রদূতগণ ব্যগ্র হইতেছে। কেহ সৈসমূহ-মৰিত গুৰ্তার বামণ্ডনে চিতীয় আকাশের গায়, কেহ বা শূরগণের আনয়ার্থ ঐরাবত প্রভৃতি গজ এলস্কৃত ভীষণ বিস্তৃত আগে দেখিতে লাগিলেন, ভূমণ্ডলে উয় করিতেছে। ১৬। স্বৰ্গাগমনকারী শুরগণের সমার্থ পক্ষীয় সৈন্যসল অশাখ শরমের গল্প দূর হইয়া মহার- গচারণগণ উন্মুখ হইছে। আগত শুণের সমাগমাজি সমর্থিত ও মত্ত হইয়া অন করিতেছে। উপায় যাও শনি সী উত্তমভটগণের প্রতি কটাকপাত করিতেছে; তথায় সমাসীন। মুসৰিশিষ্ট চান্বত শৈল প্রণীত বীৰ ৰাহখালিলনার্থ মণীগণ ব্যর্থ হইতেছে এবং সূরগণের শলের কাহিইতেছে। কে কে পূর্বময়ও উৎপতি-প্রকরণ। . সুদৃষ্টিতে লক্ষ্য করিতেছে। কেহ কে উদ্যত অমল খারা বিতাড়িত করিতে। কোন স্থানে নেহরূপ সৈ অধারার ন্যায় বহন করিতেছে। স্থানে স্থানে পশু, প্রায় তিনি নিবাষ হইতে তারানি নির্গত হইতেছে। পরস্পর যােদর পাল, যষ্টি ও মুগৰ অসমূহ শােভিত হইতেছে। ১৫। পঙ্গ- ভুজক্ষোটে ভূরি ভূরি সেনা নিঃশেষে যুদ্ধক্ষেত্রে নিপতিত হইতে রাজ গড়ের পবিধূলে বিকম্পিত বনরাজির স্থায় সমস্থল লাগিল। বিবিধ বুহবিল হইতে বীরগণের উচচনি নির্গত কম্পিত হইতে লাগিল, দিন-কিরণের ন্যায় কনকককের হইতেছে। কোথাও বীরগণ কর দ্বারা উত্তোলন করিয়া কাতিটা ইতস্ততঃ মিলিপ্ত হইতে লাগিল। যােঙ্কগণ পরস্পরের মুদগরসমূহ বিঘূণিত করিতেছে। শ্যামবর্ণ অজালের কান্তি- মুখাবলােকনপুৰ্ব্বক সকোপে আয়ুখনিক্ষে করিতেছে। ক্রুদ্ধ বােধগণ জুটারূপ জলপটনে সূর্যদেব গমবর্ণ হইয়া গেলেন। পরস্পরের প্রতি নিলাবে দৃষ্টিপাত করিতেছে , দেখিলে ভিত্তি অনিহিত পলল-ণ হইতে যেমন শক নির্গত হয়, সেইরূপ ক্ষোদিত চিত্র বলিয়া বােধ হয়। উভয় পক্ষীয় সেনাঘয়ের স্থাপিত তথায় নিক্ষিপ্ত শসমূহের সূৎসূৎ' ইত্যাকার শনির্গত হইতে মধ্যরেখা অক্রিম করিয়াকেহই যুদ্ধ করিতেছে না, চতুর্দিকে লাগিল। সেই উভয়পক্ষীয় সৈন্য, কল্পকালীন পূর-আবৰ্ত্তক অনিবাৰ্য সৈঙ্গ-ঝকারে লেকের আলাপ শুনা যাইতেছে না। প্রভৃতি মেষের ন্যায়, প্রলয়বায়ু-বিক্ষোভিত একাকার অরে কোন স্কুলে যুদ্ধান্তের পূর্বেই যােধগণের প্রহারে বিস্মিত হইয়া ন্যায়, সদ্যত্তিত সুমেপর্বতের পায়ের ব্যায়, বায়ুবিনিত দু-তিধ্বনি কণকাল বিরত হইতেছে , (ঐরূপ স্থলে যুমালা কলপর্বতের ন্যায় ও পাতালকুহর হইতে উদগত গাঢ় অতিক্রান্ত হইতেছে। যােধগণ সেই কারণে প্রধান সৈন্যগণকে অন্ধকারের ন্যায় ভীষণদৃশ্য হইল। দেখিয়া বােধ হইল, যেন অগ্ৰে, তৎপরে তদপেক্ষা হীনবল,-এইরূপ ক্রমে সৈন্য স্থাপন লোকালােক পর্বত মহানরকসমূহ জেল করিয়া ভূমণ্ডলে অবতীর্ণ করিতেছে। প্রলয়বাত্যা উদ্বেল একার্ণবকে দ্বিধা বিভক্ত করিলে হইয়াছে এবং তদীয় তট সকল, উন্মত্তের ন্যায়, নৃত্য করিতেছে। যেমন দৃশ্য হয়, সেইরূপ উভয় পক্ষের সৈঙ্গদলের মধ্যপ্রদেশে সেই রণস্থলে বিচলিত কুন্ত, মুষল, অসি, পরশু প্রভৃতি রে দুই ধনুক-প্রমাণ স্থান, সেতুর ন্যায় বিভক্ত (স্বাক ) হওয়ায় অতি কিরণজালে শ্যামবর্ণ দিনকর-কিরণরূপ অগাধ জন-প্রবাহ ভীষণ কৃ হইতেছে। ৬-১০। ঘোরতর যুদ্ধ-ব্যাপার দেখিয়া অনন্ত প্রবাহ দ্বারা এই ভুবনকে যেন অচিরে একাগৰ উভয় পক্ষীয় অধিপতি চিন্তামগ্ন হইলেন, ভয়ে ভীরুগণের করিতে প্রবৃত্ত হইয়াছে। ১১-২৮। কষগুছা, রকারী ভেকর কণ্ঠ কেক খায়, ঈপিতে লাগিল। দ্বাত্ৰিণ সর্গ সমাপ্ত। ৩২। অসংখ্য সৈন্যগণ প্রাণ-সর্বস্ব-পণ করিয়া যুদ্ধব্যাপারে উদযোগী হইতেছে। ধনুর্ধরগণ শনিকর, আকর্ণ আকর্ষণ করিয়া নিক্ষেপ করিতেছে। আবার কোন দিন অসংখ্য সৈন্য অন্তত ও ময়খ্রিংশ সর্গ। শরপতন নিন-নেত্রে নিরীক্ষণ করিতেছে। কেহ কেহ যুদ্ধোৎকণ্ঠায় পরস্পর কোপে এত করিতেছে। পরপর মি বলিলেন,-ভগব। ঐ যুদ্ধাপর আমার নিকট সংঘর্ষণে কক্ষকের কটু-টঙ্কার নির্গত হইতেছে। বীর-মাগমে সংক্ষেপে বর্ণন করুন, আপনি যাহা যাহা বর্ণন করিলেন তাহাতে কর্কশ-বচনানলে দগ্ধ হইয়া ভীগণ নিজ নিজ গিৰিকোটরে আমার ঐ যুদ্ধব্যাপার অভি তিসুখকর বলিয়া বেশ হইল। গমন করিতেছে। দুর্বল ঘােথগণ পরস্পর যুদ্ধক্ষেত্র গর্শন বশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্তর সেই দেবীদ্বয় সেই সংগ্রাম দেখিবার করিয়াই জীবনরক্ষায় সন্দেহ করিতেছে, হী ও মাস- দমিত সত্যসঙ্কলে কম্পিত মনােহর বিমান আকাশে নিলভাবে গণের সকল লােমে ধূলি লাগায় তাহাদের অপুষ্টি এক্ষিত স্থাপিত করিয়া তাহাতে আরােহণ করিলেন। ঐ সময়ে বিপন্ন হইতেছে ১১-১৫। প্রথম প্রহার-বিলোকনে সােধগণ ব্যাকুল পক্ষ হইলেয়-গৱতরঙ্গের স্যায় সৈন্ত আলি নিয়চিত্তে হইলে, ভয়ে সকলেরই সরব নিবৃত্ত হইল, (কণকামধ্যে প্রহার করিতে আরম্ভ কৰিলে, লীলাপতি (বিদূৰখ) তাহা সহ ঐ স্থান নিদ্রাক্রান্ত নীয় স্থায় নিস্তব্ধ হইয়া গেল। শঙ্খধ্বনি, করিতে না পারিয়া পর্বতে উদেশেই শিলাক্ষেপের ব্যায়, তুনিনাদ, দুন্দুভিধ্বনি সমূদয় নিবৃত্ত হইয়া গেল। ভুল ও বিপক্ষে মূলগরক্ষেপ করিতে লাগিলেন। অনন্তর প্রলয়বের আকাশ আচ্ছাপন করত ধুলিপটল, অধরের ন্যায় দৃষ্ট হইতে ন্যায় উভয়পক্ষীয় সৈকল আসিয়া শন্ত্র নিক্ষেপ করিতে আর লাগিল। ভীরু-ঘােধগণ সেনানায়ককে পশ্চাতে পরিত্যাগ করিয়া করিল,-বিদ্যুতের স্থায় প্রভাশালী নিক্ষিপ্ত শাণিত -- পলায়ন করিতে লাগিল। পরে চতুর্দিকে স্যাকার ও মকরাকার সমূহ হইতে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বিনির্গত হইতে লাগিল।১৫। আকাণে ব্যুহ বিষণ করত যুদ্ধ করিতে লাগিল, তৎস্থান ঠিক সাগরের প্রধান শসমূহের অল থাৱা যারা নভরেখাঙ্কিত হইল। আয় বৃ হইল। পতাকা উখি হইয়া গগনতল চতুর্দিকে ধনুকের টঙ্কার শসমূহের কণক জঙ্গিগােচর তারকানিকর সমাচ্ছামি করিয়া তুলিল। হস্তিসমূহ তাও হইতে লগিল। কোন স্থানে বীরগণের হুঙ্কারধ্বনির সহিত উত্তোলন করত নভােমণ্ডলকে কালনের গান করিল। কলকাল মিশ্রিত বরধ্বনি উখিত হইতেছে। শরধারাসমূহ প্রতিবিম্বিত পরে আবার নিক্ষিপ্ত আত্ম-সকল তরল কাতিপুর লক্ষন ভাৱকিরণালি, বিভানের চায়, দূত হইতে। বােশখের বলিয়া রােধ হইতে লাগিল। শখ জেরী এভৃতিৰ ধ ধম্ শব্দে বৰ্ম্ম হইতে টঙ্কারধ্বনির সহিত অগ্নিস্ফুলি উথিত হইছে। গগনমণ্ডল পন্বিব্যাপ্ত হইল। ১৬— চক্রাকার-ব্যঞ্জকারী নভলে উড্ডীয়মান হেজিমুহরূপ বিহগশ্রেণী পরস্পর এতে বোধগণ দুর্ব বিপন আক্রমণকৰিছে, দেখিলে যে ডিজ্ঞি হইতে লাগিল। হ, কে সুরগণ নবগকে আক্রমণ কৰিছে। কোথাও বা গগনমণ্ডল আর ন্যায় দুইল। কাকে কোলৰে । যে গরুড়ব্যুহ মিশকাত নগণকে ( নওগজ) বিমানচারীদিগের অনাগণ ভয়ে পান করিতে লাঞ্চি।
বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ T । কে হল নিতে বেননি, ভ্রমরনির , আজ ব্যাকুল বিলাই যগণ যােগ করিতে লাগিল। স্থানে স্থানে কলি বােধ হইতে লাগিল। যেমন নির্বিকল্প সমাধিকালে কুঠারাতে গেণের মস্তক বিদীর্ণ হইল। এগসমূহ কোন বহু শব্দ শুনা যায় না, সেইরূপ সেই সংগ্রামে ঐরূপ বহুদূর আকাশে উখিত হওয়ায় বােধ হইল, কেন আকাশ ধনি ব্যতীত অন্য কোন শ জিগােছর হইল না। ১০। আমি হইয়াছে। বলপূর্বক নিক্ষিপ্ত শক্তি-অসমূহ দ্বারা নাৱাচ- খাগ্রে খাতে শৃগণের উমাঙ্গ-প্রদেশ ছিন্ন হইতে হহি ফিরিত হইল। আর স্থানে স্থানে বেতাল-ললনাগণ লাগিল। পৱস্পরের স্কন্ধষর্ষণে বৰ্মসমূহের ঝন ঝন শব্দ হইতে সৈন্যগণের উপরে মুরনিক্ষেপ করিতে গি। শুরগণ কর্তৃক লাগিল। হেতি-স্ত্রসমূহের সজনিত কটু বীরগণের গণনােৎক্ষিপ্ত তােমরাস্ত্রনিকর, তোরণের ন্যায়, শােভিত হইয়া হঙ্কারধ্বনিতে প্রতি হইতে লাগিল। শধার-ভঙ্গসমূহ উঠিল। কোন স্থানে ভুযুণ্ডী-অত্র দ্বারা ভগ অঙ্গসমূহের উখিত হইয়সমুদয় দিগুল, মেঘের ন্যায়, আচ্ছাদন করিল। খণ্ড সকল আকাশের কেবিৎ প্রতীত হইতে লাগিল। হেতিসমূহের সটে অতিপ্রবল ঝননি নির্গত হইতে নভােমণ্ডলে উৎক্ষিপ্ত কুন্তাসমুক্ত স্বীয় কাতিটা দাখিলঙ্ক লাগিল। বীরগণের পরস্পর ভুজাখাতে চটচট ধ্বনি উখিত বেণুবনের নোভা ধারণ করিল। কোথাও বা রাজগণ স্ব স্ব হইতে লাগিল। কোষ-নিষ্কাশিত সমূহ হইতে ‘স’ সৈনিকগণকে খঙ্গ ও ঋষ্টি অন্ত্র বর্ষণ করতে দেখিয়া তাহাদের বব নির্গত হইতে লাগিল। কাকনির্গত শসমূহের পথে খরখর শৌর্ঘশ্বাস করিলেন। কোথাও বা অপরাগণ শূলনিলিও ধ্বনি নির্গত হইতে লাগিল। ছিমক ব্যক্তিগণের প্রাণনির্গমের মৃতপ্রায় শূগণের গ্রহণে উদ্যম করিতে লাগিল। ২৬-৩০। সহিত কণ্ঠ হইতে থকৃথক করিয়া রক্ত নির্গত হইতে লাগিল। গদারূপ তুষারপাতে কেয়ুরধারী ভটগণের মুখমল বিলীণ হইয়া আহত ব্যক্তিগণের ছিন্ন বাহু, মস্তক ও খঙ্গধারয় আকাশদেশ গেল। প্রাসাস্ত্র দ্বারা সহসা পিষ্ট হইয়া কোন স্থানে যােধগণ অবকাল হইল। ১১-১৫। পরম্পসর্বে বীরগণের হীনচেষ্ট হইয়া পড়িল। কোথাও চক্র ও কাস্ত্রের আতে ককুক হইতে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ নির্গত হইয়া, লােকের মস্তক স্পর্শ অখ, নর ও হুন্তিগণ ছিন্ন হইতে লাগিল। স্থানে স্থানে করিতে লাগিল। যে স্থানে নিপতিত অসি-সমূহ হইতে পরশু-অসমূহের অপে সমদ গজগণ নিপতিত হইল। বিকট ঝনুক শক নির্গত হইতে লাগিল। কুন্ত্র প্রার। আহত কোথাও বা অবলপরাক্রম ভটগণ বহুমষ্টি লইয়া লন্দ প্রদান মাগণের দেহ হইতে তরঙ্গের ন্যায়, রক্তপ্রবাহ নির্গত হইতে করিল। পেশীঘমুক্ত পৰণসমূহের নিতে পতাকা, রখ ও লাগিল। কোন স্থানে হদিস্তনিপিষ্ট হইয়া জনগণ তরঙ্গবে বক্ষসমূহ সম্পিষ্ট হইয়া গেল। বােধগণের শিরােভূষণ পদ্ম ও চীৎকার করিতে লাগিল। মহা মুষলতে পিষ্ট ব্যক্তিগণের ছত্ৰসমূহ কবাল দ্বারা ছিন্নাগ্র হইল। কোথাও বা সন্নিহিত করুশ নিনাদ কোথাও ক্ষত হইতে লাগিল। আহত বীর ছিম আসন্ন গােধগণের আলিঙ্গনে সম্মুখস্থ ষােধগণ গণের শিরঃকমলসমূহে আকাশদেশ সমাচ্ছন্ন হইল। বােগও পতিত হওয়ায় পাবর্তী জনগণ সস্পিষ্ট হইয়া গেল। কোন নভােমণ্ডলে বৃহদাকার ভুজঙ্গের ন্যায় আহত যােধগণের স্ব হপিকদিগের অশাঘাতে আহত হইলেও, যুদ্ধতি বাসমূহ উৎপতিত হইল। অলপমালা ধূলিসমাচ্ছন্ন হইল। বীগণহাদের হস্তিসমূহকে পরাজুখ করিয়া নিষ্কাশিত করিতে কোন স্থানে অস্ত্রহীন জনগণ কেকেশি যুদ্ধ আর করিল। গিল। ৩১-৩৫। পশু-অঝের আঘাতে কোথাও মহতী কোন স্থানে বা ননথি যুদ্ধ কমিয়া পরস্পর অক্ষি, কর্ণ, নাসিকা, নিপতিত হুইল। কোথাও যুদ্ধবিশারদ বীরগণ পাশ অল্প ওষ্ঠ ও বানেশ ছিন্ন করিয়া ফেলিল। কোথাও ছিন্নমুখী নই। শিবিয়োগে কাক্স হইয়া যুদ্ধ করিতে লাগিল। কোথাও মামগণ অিস্কার ও বামুদ্ধ দ্বারা জয় লাভ করিতে লাগিল। জনগণ বিপক্ষগণের রিকাত্রের আঘাতে, বিদীর্ণকুকি, ভিদঃ ১৬*২। উন্মত্ত মাগণ যখন মৃণা হই নিপতিত হইয়া নিপতিত হইল। বাগণ জিন লইয়া, শক্ষরেরায়, নৃত্য হইতেছিল, তখন ধাবমান দুর্বল যােধগণ বিকশিত হইয়া করিতে লাগিল। নুরী ধােধগণ ম অস্ফুটধ্বনি করত ধাবিত মহীতলে লুষ্ঠিত হতে লাগিল। অথচ প্রণালী দ্বারা হইতে লাগিল। কোথাও যােধগণ ভিদিপাপ কেশর সমুন্নত রক্তনদী প্রবাহিত হইল। স্থানে স্থানে উখিত ধূলিপটলে করিয়া, সর্বৈ হস্কারধ্বনি করত নৃসিংহবেশধারী টের খায়, আকাশদেশ নীহারাচ্ছন্ন বলিয়া বোধ হইতেছিল। স্থানে স্থানে দৃষ্ট হইতে লাগিল। ন স্থানে এল যোধগণ যগণের আয়ুধসমূহ বিদাৰিত হইয়া দীপ্তিমান হইতেছিল, কোন কোন মুক্তি যারা নিপিষ্ট হইয়া গেল। বই যারা নিপিষ্ট হইয়া গেল। কিন্তু পটিশ অস্ত্রসমুহ হন নেবধ্বনি সৈন্যগলির সহিত মিশ্রিত হইল, ঐ খুলে নভেমার্গে, নেপক, উৎগতিত হইতে লাগিল। ৰীক দেখিলেবােণ হয়, যেন মৃত্যু বিকট হা করত জীব- স্থানে বিপক্ষগণের অনুশাস্ত্র দ্বারা প্রবল বীরগণ, রাহী, সমূহু চৰণ করিতে প্রবৃত্ত ইতেছেন। বড় বড় পর্বতের ন্যায় অ ও পতাকাসমূহ আকৃষ্ট হইল। কোথাও বা কুলাচলবৎ উন্নত বৃহদাকার হস্তিসমূহ সগর্বে গর্জন করত মেগঞ্জকে পরাভূত ক্রমণ হলফুজকতক হত ও এত হইতে লাগিল। ৩৬-৪০। করিতেছিল। চক্র, শক্তি, খ ও মূল্প দ্বারা বক্ষ, গর্ত ও আল কায় উন্নত পুরুষগণ কুলা যারা বণভূমি উম্মলিত ও টদেশ সমাচ্ছন্ন হইল। মানে স্থানে বােধগণরূপ পৰ্ষত সমীকুকরিল। অর্থনবি যাণ ঘর যাইতে পারে, যেখাদেশ অণসমূহুরূপ উ (মাকলা-জল) এয়া ( মাকড়সা-এল) এয়া দূর যুদ্ধভূমি- বিবার্থ লােকসমূহ ও পাষাণসমূহ সারিত আচ্ছাদিত হইয়া গেল। বােবগণের উজ্জীল পতাকাবস্ত্র ও করি গিল। চায়ে উভয় গার্গ দ্বারা মত্ত ছিল মূখ নেগমনাগমনে বিচ্ছিন্ন হইয়া যাইল। নেপণ জি হইতে লাগিল, সংগ্রাম শে মূত্র মারা যােব। বিমুক্ত পাৰাও চঞসয়ে নিতে যে অগণ বহুদূর , প ত চুর্ণ হতে লাগিল। মনে রূপ লয়। লনয়িকে লাগিল। ২০২৫। কোথাও বা মন্ত্রণ সৈগণ বিশ্বৰ ৰন্ধ হইতে আমি এক ভয় কি । - উৎপত্তি-একর। চতুস্ত্রিংশ সর্গ। তরবারিধারী যখগণ কর্তৃক খড়গ দ্বারা বৈওভবনে নীত সহিত চিত্ৰনাশক চক্রান্ত ঘুরাইতে ঘুরাইতে সগে, যমের হইল। স্থানে স্থানে ব্যাদি অগণ যুদ্ধপতি বীর বোধগণকে স্থায়, দক্ষিণ দিক হইতে আসিতে েএবং চতুদ্দিকে সৈংহার একে একে লইয়া যাইতে লাগিল। অমৃত ঘােধগণ চীৎকার ধ্বলি করিতেছে; আইস, আমরা যেমন আসিয়াছি, অলি ফিরি করিতে লাগিল। কোথাও বা বােধগণ অক্ষুণ্ঠনৰ পুক- যাই। ঐ দেখ, রানে অলরুলের গায় সমুন্নত রুগণ নৃত্য পূর্বক শর নিক্ষেপ করিল, তাহার শব্দের সহিত অন্য এক কল্পিতেছে, উহাদের সন্তোনিও মন্তকের শর্তে কপলিং মিশ্রিত হওয়ায়, মরিচমিশ্র ব্যন ন্যায়, সুমধুর হইয়া উঠিল। রক্তপার্থ বসিতেছে। দেবগণের সভাতেও পরশর কথােপ- “সৈন্যগণ কর্তৃক বিক্ষিপ্ত কুক্ষ্মি দ্বারা বন্ধ হইয়া যেখগণ আৰুধ কখন হইতে লাগিল,-কোন বীরগণ কখন কিরূপে লোকান্তর নিক্ষেপ করিতে লাগিল, সৈনিক্ষিপ্ত কুগির উত্তপ্ত অঙ্গারে গত হইবে? ১১-১৫। হায় হায়, ঐ সেনাশ, নদীর গায়, কাহারও বা চক্ষু দগ্ধ হইতে লাগিল। কোথাও বা সৈন্যগণ কুন্ত মৎস্যমকরহ সমেত আসিতেছিল, সহসা বিজ আসিয়া করিল বিষবালি নিক্ষেপ করিল , তাহাতে বিপক্ষ সৈন্যগণ বিশীর্ণ সাগরের স্থায়, উহাদিগকে গ্রাস করিল। করিগণের দেশে নারা হইয়া গেল। স্থানে স্থানে বীরগণরূপ মেলা নাচ-অক্সরূপ অ-সমূহের ধারা পতিত হওয়ায়, বােধ হইতেছে, কেন পর্বত অল বর্ষণ করিতে লাগিল, কোথাও বা কবন্ধগণ ময়ুরের স্থায় শিখরে স্কুল বারিবিন্দু বৃষ্টি হইতেছে। কুত্তান্ত্রে ছিন্নমস্তক যেন কোন মৃত করিতে লাগিল, কোথাও বা অচলাকায় মাতজগণ বেগে ব্যক্তি হায়, কুঞ্জে আমার মস্তক লইয়া গেল এই বলিতে বিচরণ করিতে লাগিল। অতএব ঐ রণস্থল যেন কন্সন্তকালের বলিতে তাহার মস্তক আকাশে উড়ান হইয়া, স্বীয় উৎসব ন্যায় দৃষ্ট হইতে লাগিল। ৪১-৪৭। সন্দর্শনে“আমার মস্তক জীবিত আছে এই প্রকার বিহগের ত্রয়ক্সিং সর্গ সমাপ্ত ॥ ৩৩। জায় শব্দ করিল। ঐ যে সৈন্য আমাদিগের প্রতি যন্ত্রপাষাণ নিক্ষেপ করিতেছ, উহাকে বলপূর্বক শৃঙ্খলাবন্ধ কর। ১৬-১৯। ঐ দেখ স্বামীর যুদ্ধাগরে পুর্বে পত্ৰি বীরনারী দেহত্যাগ করিয়া স্বর্গের অপ্সরা হইয়া অবস্থান করিতেছে, এক্ষণে তাহার স্বামী রণে দেহত্যাগ করিয়া, দেবভাবাপন্ন হইয়া আসিতেছে ৰশষ্ঠ কহিলেন,অনন্তর যুদ্ধে রাজগণ, অন্যান্য যোধগণ, দেখিয়া সাদরে গ্রহণ করিতেছে। ঐ কুন্তাস্ত্রসমূহ আকাশ- মন্ত্রিগণ ও আকাশমণ্ডল দর্শকদের এইরূপ বাক্য শুনা মণ্ডলে উখিত স্বর্গপৰ্যন্ত এইরূপভাবে বিকীর্ণ হইতেছে, যেন যাইতে লাগিল -শুরগণের ছিন্নমস্তকে আকীর্ণ হওয়ায়, এই বীরগণের স্বর্গে আরােহণের সােপানপঙিক্ত হইয়াছে। ঐ যে সংগ্রামভূমির নভেমাৰ্গ, 'চলিপদ্ম বিহ মূহাচ্ছন্ন সমােবরের বমিনীকে সর্ণে বিভূষিতাঙ্গ বুদ্ধত স্বামীর বন্ধস্থলে মৃত ন্যায় ও তারকারাজি-সমন্বিত্রে ন্যায় শােভিত হইতেছে। ঐ দেখিয়াছি, এক্ষণে সে দেবনারী হইয়া স্বর্গে ভর্তার অন্বেষণ দেখ, বহুমান সমীরণ রক্তবিন্দুনিকরে, সিন্দুরের ন্যায়, অরুণবর্ণ কতছে। যােৰগণ পরস্পর বলাবলি করিতেছে- হায় হায়। হওয়ায় মধ্যাহ্নকালে এই দিবাকরকিরণ ও মেঘমালা সকাল- মহাপ্রলয়কালে সাগরজে সুমেরুগিরি যেমন আহত হয়, বং লোহিতবর্ণ প্রতীত হইতেছে। (কোন ব্যক্তি মাস্ক ব্যক্তিকে সেইরূপ বিপক্ষ বােৰগণ ফুট মুষ্টি যারা আমাদের সন্যগণকে জিজ্ঞাস' করিতেছে) ভগবন। এ কি? সহসা আকাশ পলালময় অাহত করিতেছে। হে মূঢ়গণ। সম্মুখে গিয়া যুদ্ধ কর, অর্থমত ( তৃণপুর) হইল কেন ? (সে উত্তর করিল) না, ইহা পল ব্যক্তিগণকে অপসারিত কর। হে অধমগণ। কর কি এই নহে, ইহাবীরগণের বিক্ষিপ্ত শরনিকর। কেহ কেহ বীরগণকে অস্ত্রীয়গণকে পদদলিত করিতেছ কেন? (অন্তরীকে নভশ্চরগণ কহিতেছে, এই রণভূমিতে যত রেণু রুধিরসিক্ত হইয়াছে, যুদ্ধত কহিতেছেন) ঐ দেখ, টগণ দিব্যশরীর প্রাপ্ত হইয়া কেশ- বীরগণ তত সহ বৎসর র্গে অবস্থান করিবেন।১-t। ওহে বনব্যগ্রা উৎকন্ঠিতা অাগণের পাশে স্থান করিতেছে। বীরগণ! তােমরা ভয় করিও না, ঐ যে নীলােৎপলদলকান্তি যুদ্ধহত বীরগণ আসিলে গুন্সরাগণ বলা করিতেছে, ইনি নিশি দেখিতেছ উহা নিল্পিংশ নহে, উহা বীরনাগতা দূর হইতে আসিয়াছেইহাকে যিকাসি-সুবর্ণপদাসশখিত মুচ্ছায় জয়লক্ষ্মীর নয়নবিলম। নভশ্চরগণ কহিতেছে, হে জীগণ। তটীতে লইয়া গিয়া শীতল-শলিল ও ব্যঞ্জনানিল দ্বারা সুস্থ কর্ণ দেব, তােমাদিগের আলিঙ্গনে উৎসুকা সুরসুন্দরীগণের কর। ২-২৬। নভশ্চরগণ কহিতেছে, ঐ দেখ, বিবিধ অস্ত্র দ্বারা নিস্থিত মেখলা (চন্দ্রহার ) শিথিল করিত প্রবৃত্ত হইয়াছেন বিচূর্ণিত অসংখ্য নরাস্থি আকাশে উখিত হইয়া কণ কণ এবং তােমাদের আগমনের আশায়, বিলােল-ভুজতাশালী রক্ত শব্দ কুরত বিসারী তারকারাজির , শোভিত হইতেছে। কাপৰ মধুগন্ধে সুরভিত নদোন দেবগণ, মঞ্জরীর ন্যায়, ঐ আকাশে জীবন-বাহিনী নদীর প্রবহিত শনিকররূপ জলের সম-নয়নে বৃষ্টিপাত ও মধুরভাবে গান করত নৃত্য করিতে প্রবৃত্ত মধ্যে চক্ররূপ আবির্তসহ এইরূপ ঘুর্ণিত হইতেছে যে, উহাতে হইয়াছে। কামিনী যেমন দৃষ্টিবিলাসে প্রিয়তমকে নিহপ্রায় পৰ্বত সকলও পতিত হইলে ধূলিরূপে পরিণত হইয়া পঙ্কিলতাব কতে, সেইরূপ এই সেনাপতি কঠিন কুয়ার প্রতিপক সঙ্ককে ধারণ করে। আকাশে গৃহপথে বীরভূণের মন্তকসমূহ নিহত করিতেছে। ৬-১০। কোন মােধ কহিতেছে, সূর্যগ্রহণ পরে স্থায় ভ্রমণ করায়, নভােমণ্ডল বিচলিতপসরােবরের সাম্য সময় যেমন রান্ডকে সূর্যের নিকটে লইয়া যায়, হায়। সেইপ থারণ করিয়াছে। কারণ আয়ুধকিরণরূপ লতানালে অসিদলরূপ মদীয় পির উজল-কুঋণ-সমেত মক, অস্ত্র দ্বারা সূর্যের কন্টকসমূহ সংলগ্ন দুইয়াছে। পতফাপট ঠিক মুণালের ন্যা নিকটেত হইতেছে। (আর কেহ কৰিঙেছে।ঐ দেখ,উ' হছে, শিলীমুখ ( ভ্রময় ও বাসমূহ) ভ কৰিতেছে। বাইক যােদ্ধা পাখিী শৃঙ্খলা আর আজ স্কুল পাণয়ের পর্বতে পিলিকা যেমন শীল থাকে ও কানে কাশিনী বােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ T যেমন বিলীন থাকে, ঐ দেখ সেইরূপ রাণীকৃত মৃত হতিসমূহের পরস্পর প্রহরনিবন্ধন ঝন্ঝন্ শব্দ নির্গত হওয়ায়, বোধ হইতেছে, মধ্যে যুদ্ধভীরু ব্যক্তিগণ বিলীন অর্থাৎ পলায়িত রহিয়াছে। যেন রণভৈরব, অনক্ষয়ে হইয়া গান, করিতেছে। চতুর্দিকে ঐ দেখ, বিদ্যাধররমণীদিগের অলকোলাসী অপূৰ্বসৌন্দৰ্য চুর্ণ-বিচুর্ণ অসমুহ পতিত হওয়ায় এই রণসমুদ্র যেন বালুকাময় প্রিয়তমের সমাগম সমীরণ বহিতেছে । ২৭-৩৪। হইয়া গিয়াছে এবং এই রণসমুদ্রে ছিন্নভিন্ন ছত্ৰসমূহ অঙ্গের ন্যায় হত্ৰসমূহ উড্ডীন হওয়ায় নভােমণ্ডল চন্দময় হইয়াছে। বােধ দৃষ্ট হইতেছে। ৪৪-৫। চতুর্দিক হইতে উখিত রণতুৰ্য্যের হইতেছে, যেন বিজয়ী বীরগণের মূর্তিমান কীর্তিচত্রেই সুমধুর নিনাদ-প্রতিধ্বনিতে দিকৃপালুলােক পৰ্যন্ত পরিপূর্ণ করি- গগনতল ঐরূপ খেত ত্র-সঙ্কুল দেখাইতেছে। ঐ দেখ, আহত তেছে। তেছে। এই সংগ্রামস্থানরূপপর্বত পরস্পৰু প্রতিকুলতাৰে ভগ। মরণ মুচ্ছার অবসনেই নিজকৰ্ম্মরূপ শিল্পী দ্বারা প্রচলিত উভয়পক্ষীয় সৈন্যগণরূপ পক্ষদ্বয় আরা, প্রলয়কাল উল নিৰ্মিত অমরদেহ, স্বল্পলব্ধ পুরীর ন্যায়, নিমেষমধ্যে লাভ স্থিত হওয়ায়, যেন আকাশে উড়িতে প্রবৃত্ত হইতেছে। বাণসমূহ করিতেছে। আকাশ-সাগরের মধ্যে শূল শক্তি, ঋষ্টি, ও চাৰু বিপঙ্কলিগের বশে পতিত হইয়া বিফল হওয়ায়, ধীরগণ পরস্পর অসমূহের বর্ষণে ঐ আকাশ-সাগর যেন মৎস্যমকরসন্ধু ও বলিতেছে-“হায় হায়, ক্রেস্কার-রবে ধনুর্জা হইতে নিকৃত অসন্তোষশীল ব্যক্তির ন্যায় ব্যর্থ অর্থাৎ চঞ্চল হইতেছে। আমাদের শরনিকর অতিকঠিন বিপক্ষদিগের বর্ম ভেদ করিতে পরনিক গারা কৰ্তিত শ্বেতচ্ছত্ৰসমূহ, কলহংসশ্রেণীর ন্যায়, পারিতেছে না, পরন্তু ঐ বর্মে আঘাতে বিদ্যুচ্ছটায় অগ্নিস্ফুলিঙ্গ আকাশে উখিত হওয়ায় ক্লেথ হইতেছে যেন আকাশ লক্ষ লক্ষ নির্গত হওয়ায় তপ্ত হইয়া অবশেষে পর্বতশিলা ভেদ করিতেছে। পূর্ণচন্দ্রমণ্ডলে আবৃত। আকাশে উডডীন চামরসমুহ বায়ুচালিত যুদ্ধ-পরিশ্রান্ত কোন ব্যক্তি তাদৃশ কোন বন্ধুকে কহিতেছে,—“হে ভয়ঙ্গমালার সুষমা ধারণ করিয়াছে' ৩৩-৩৭। হেতি অস্ত্রে যুদ্ধবিশ্রান্ত মিত্র। অলদনলসদৃশ ঐ শনিকর আসিয়া ঘাবৎকাল- বিদলিত ছত, চামর ও পতাকানিচয় আকাশে উশিত হওয়ায় মধ্যে আমাদের শরীর ভেদ না করে, তাহার মধ্যেই সত্বর আইস, বােধ হইতেছে, যেন আকাশরূপ ক্ষেত্রে যশোরূপ শালিধাপঙিক্ত আমরা পলায়ন করি। এই চতুর্থ প্রহর যমদিনব লোকক্ষয়ে বপন করা হইয়াছে। হে মােস্পদগণ। ঐ দেখ, ঐ যে শক্তি প্রকৃভ, এক্ষণে আমাদের আর থাকা উচিত নহে। আমার সমূহ আকাশে আদিছিল শলতে (পঙ্গপালে) যেমন শস্য- হিতকথা শ্রবণ কর। ৫১-৫৩। শেতা নষ্ট করে, সেইরূপ ক্ষণকালমণে ঐ শক্তিসমূহ শরবণে চতুঞ্জিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩৪ | বিনষ্ট হইতেছে। বাহুদণ্ড প্রসারিত করিয়া থােঙ্কা কর্তৃক বর্মা | জাদিত বিপক্ষদেহে খাঘাত করায় ঐ যে ছটাং করিয়া শব্দ হইল, উহা মৃত্যুবই হুঙ্কারধ্বনি। এই জনসমুহের ক্ষয়কাণে হেতি অরূপ-কলান্তবায়ু দ্বারা আহত ঐ নাগগণ, পর্বতের ন্যায়, ' পত্রিং সর্গ অন্তরূপ নিঝরবারি বিরিত করত ভগ্ন (মৃত্ত্ব বিদীর্ণ হইয়া যাইতেছে। হায় হায়, ঐ রথসমূহ নায়ক, সারথি, অ ও চক্রের । বশিষ্ঠ কহিলেন,-রাঘব। সেই সংগ্রামসাগর জমশঃ উ সহিত রক্ত মহলে নিমগ হইয়া রুদ্ধগতি হওয়ায় ছটফট ও ভীষণ হইয়া উঠিল, উম্মিমালার ন্যায় তথায় অশ্ব সকল সকলিত করিতেছে। খাতে বােধগণের কর ও বৰ্ম্ম হইতে যে টঙ্কার | হইতে লাগিল। সেই সংগ্রামসাগরে ছত্ৰসমূহ ফেনপটলের ধ্বনি নির্গত হইতেছে, উহাটঙ্কারধ্বনি নহে, কালরাত্রি নৃত্য ন্যা শুভ্র শরনির শরীসমূহের ন্যায় ও অশ্বারোহী সৈন্যগণ করত রণবীণা বাজাইতেছেন, তাহারই ঐ শব্দ। ৩৮-৪৩। মহাজের স্থায় দৃষ্ট হইতে লাগিল। বিবিধ আয়ুধরূপ নদীপ্রবাহ নিহত নর, হন্তী ও বাজী হইতে যে রক্তপ্রবাহ গলিত হইতেছে, ঐ সাগরের মধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া প্রবাহিড় হইতে লাগিল। তখধ্যে ঐ দেখ,ঐ রক্তবিসি বায়ুতে চতুর্দি লােহিতবর্ণ হইয়া গেল। লিপতিত সৈন্যসমুহ আবৰ্তবং মূণিত হইতে লাগিল। ঐ সাগরের অস্ত্রসমূহের কিরণে তামণ্ডল জলদময় ও ভগবতী কালীর অভ্যন্তরবর্তী মাগণ, মরাদি পৰ্ব্বতের ন্যায়, শোভ গাইডে কেওকলাপের ন্যায়, শ্যামল হইয়াছে। ঐ আকাশে কলিকাকার লাগিল। ঘুণমান চক্ৰসমূহৰূপ আৰত্তের মধ্যে নিপতিত ছিন্ন শরসমূহ, পুষ্পমালার ন্যায়, উন্মীলিত হইছে , দেখিয়া ঘােথ মুণ্ডসমূহ আবৰ্তপাতত তৃণের অবস্থা প্রাপ্ত হইল। পুলিসমূহ- হইতেছে, যেন মেয়ে বিদ্যুৎ চমকিত হইতেছে। সমুদয় ভূতল মেজালে খাতারূপ সলিল পান করিতে লাগিল। মকরহের ও অস্ত্র রক্তাক্ত হওয়ায় বােধ হইতেছে, যেন জগৎ অগ্নিময় অভ্যন্তরে পতিত হইয়া ভাটগণরূপ তরণিসকল ভয় ও অর্থ হইয়া গিয়াছে। যখগণের হস্ত হইতে ভুযুণ্ডী, শক্তি, শূল, হইতে লাগিল (মকরছ—ভটগণপক্ষে বিপক্ষদিগের সেনা- অলি, মুষল ও প্রাস অন্ত্রসমূহ পরস্পর ছিন্নভিন্ন হইয়া চতুর্দিকে সন্নিবেশ। নৌকাপকে জলজন্তুস)। ভীষণ গুড় গুড় রবে মেষ- নিপতিত হইতেছে। স্বল্পযুজসদৃশ সেই যুদ্ধ আমার দৃষ্টিগােচর কর প্রতিধ্বনিত হইতে লাগিল ।৫। মীনহ ( করিয়া হইল। স্বগ্নযুদ্ধের বীরগণ প্রকৃতপক্ষে ক্রিয়াহীন একমাত্র বীররূপী, শসমূহৰূপ জি বিনির্গত হইতে লাগিল (মীনহ-শপক্ষে জাগ্ৰদবস্থায় সেই স্বপ্নৰীষ্মণের বিনাশক রাক্ষসী মায়ার ন্যায় সেই মৃজনসহ। ডিম্বক্ষে সমূহ। মৎশুডি উদর ভেদ করিয়া যুদ্ধচেষ্টাও অলীক। আবেশশে সে অবস্থায় আত্মপ্রজ্ঞার ক্ষুক্তি নিত হইয়া থাকে)। এজতন্নমালার আঘাতে পরকাল হইয়া থাকে। অন্ধ্রপ এই যুদ্ধের এক পক্ষের বীরগণ নিঃশব্দ তরমাল ছিন্ন-ভিন্ন হইয়া গেল। শরূপ অলপ্রবাহ স্থানে স্থানে এ বিপক্ষে কোন প্রধান বী, তাহাদিগকে অধিক প্রহার মেরে আয়, কুলায় আৰুৰূপে পৰিশােভিত হইতে লাগিল। করেছে, এ সেই বীরবরের কাৰ্যসীমান্নাসদৃশ, অন্যান্য জোখা সৈন্যগণ, তিমি ও তিমিজিল প্রভৃতি ভীষণ মনে ন্যায়, বেশেদ বুদ্ধিও ক্রোধান্বিষ্ট। এই রণত হইতে অনবরত ঘন ঘন বিচরণ করিতে লাগিল। লৌহককাবৃত সৈন্যগণরুপ ।
উৎপতি-প্রকরণ সলিলরাশিতে সেই স্থান ভীষণ হই। শত শত কবরূপ প্রদীপ্ত অগণ পম্পর পরস্পরকে বিদলন করত শক করিতে আবাঙ্গির মধ্যে সৈাদির অলঙ্কারসমূহ শােভিত হইতে কাঁতে দশ দিকে ভ্রমণ করত প্রলয়বায়ু-চালিত পদ্ম-সমুহের ললি। শশীজনীহারে নি সকল অন্ধকারাবৃত হইল। হত্ৰত্য শােভা ধারণ করিতে লাগিল। ২১-- ভীষণ ধ্বনিতে অন্যধ্বনি শ্রুতিগােচর হইতে পারিল না। সৈ- পত্রিৎশ সর্গ সমাপ্ত। ৩৫ গণের ছিন্ন মস্তক সকল এই মহার্ণব হইতে শীকরনিকরের স্থায় উগত ও অঞ্চপতিত হইতে লাগিল এবং চক্ৰহরূপ অর্ধের মধ্যে ভটরূপ কাষ্ঠ সকল পরিভ্রান্ত হইতে লাগিল। ৬-১০। যত্রিংশ সর্গ। শায়মান এভিযােন্ধার কোদগুরূপ সপশরীরের ছেদনে যােদ্ধাগণ বশিষ্ঠ কহিলেন,-হে রাঘব। অনন্তর সংগ্রামলে বিসমূহ ব্যাপৃত হইল। সবাল্য দেখিয়া অনুমান হইতে লাগিল, বেন শৃঙ্গপ্রমাণ হইয়া অবস্থান করিতে লাগিল, ভীরু যােদ্ধাগণ পাতাল হইতে এই সৈতরঙ্গ উখিত হইতেছে। এই সংগ্রাম পরাজিত হইয়া দশদিকে পলান করিল। এলাকার পতিত সাগর অনবরত গতায়াতকারী পতাকা ও ছত্ৰ দ্বারা ফেনযুক্ত ইয়া- মাগণের শবসমুহৰূপ অসুদরাজি এক্ষণে বিশ্রামসুখ অনুভব ছিল। রক্তনদীর স্রোত বহিতেছিল, যোদ্ধাগণ রথৰূপ ক্রমে আরেঃ- কষ্টিতে লাগিল, কেননা য, রুক্ষ ও পিশাগণ সেই রুধিরাষে হণ করিয়াছিল। গজপ্রতিম সমূগত মহাবি সকল বুদবুদীকার ক্রীড়া করিতে লাগিল। তখন ধ ও সৎ-স্বভাবসম্পন্ন, ফল ও সব ধারণ করিয়াছিল। প্রবাহে অশ্ব ও হস্তিরূপ জলচরগণ বিচরণ গুলে বিভূষিত, অপরাজুখ, বিশুদ্ধ কুলের উজ্জ্বলকারী বীরগণ করিতে লাগিল। সেই সংগ্রাম দশকরন্দের গন্ধর্বনগরের ন্যায়, মেঘের স্থায়, গর্জন করত যুদ্ধ করিতে লাগিল। তাহারা পর- আশ্চৰ্যকর হইল। প্রলয়কালীন ভূকলে অচলগণ যেরূপ কম্পিত স্পরকে অভিভৰ করিতে উদ্যত হইয়া, আপগাপ্রবাহের স্যায়, হয়, তদ্রুপ ঐ রণসাগর কম্পিত হইতে লাগিল। তখন বিহুরূপ মিলিত হইল। যেমন সমুদ্রতরঙ্গ গান করত পরস্পর মিলিত হয়, তরঙ্গমালা প্রবাহিত করিসমূহৰূপ পৰ্ব্বতশৃঙ্গে পতিত ও ভীত সৈ- তদ্রুপ সেই রণক্ষেত্রে মাতঙ্গগণ মাতজসমূহের সহিত ও অ কপ ভীরু মৃগগণের ঘুরঘুর শব্দ সমুখিত হইতে লাগিল।১১-১৫। অশ্বগণের সহিত মিলিত হইল , দেখিলে বােধ হয়, যেন অরণ্য ইতস্ত বিক্ষিপ্ত শরসমূহৰূপ শলভগণ দ্বারা সৈনিকগণ ভঙ্গুরপ্রায় পরিবৃত পর্বত প্রতিপৰ্ব্বতের সহিত বলদর্পে মিলিত হইয়াছে। হইল। তুরঙ্গরূপ শরত সকল সেই স্থানে সন্তরণ করিতে লাগিল। নৱসৈন্যগণ অস্ত্র ধারণ করত, বায়ুচালিত বেণুসমূহের ন্যায়, খুদ্ধে শরধারী যোধমণ্ডল, বনসঙ্কুল ভূমির ন্যায় দৃষ্ট হইতে লাগিল। প্ৰৱন্ত হইল। দৈব নগর দ্বারা যেমন আমুর নগর নিষ্পেষিত এচলিত দ্বিরেফগণের নিনাদ-বাদ্যধ্বনিতে পৰ্বতগুহা প্রতিধ্বনিত হয়, দ্রুপ বীরগণের রথসমুহ দ্বারা রথসমূহ নিষ্পেষিত হইতে হইতে লাগিল। তথায় সৈন্যগণরূপ মেষসমূহ ও যােদ্ধগণৰূপ লাগিল। ১-৮। ধর্মুক্ত বাণসমূহ আকাশে উখিত হইয়া, সিংহগণ বিচরণ করিতে লাগিল। ধূলিপটলরূপ জলদজাল বিস্তৃত, অপু বারিদের আয়, প্রতীয়মান হইতে লাগিল। ধনুর্ধরগণের সরূপ পর্বতসমূহ বিগলিত, মহারথের অঙ্গসমূহ নিপতিত, কোন পতাকিনীগণ আকাশদেশ আচ্ছাদিত করিয়া যুদ্ধ করিতে গুনে খামণ্ডল পতিত, কোথাও সৈন্যগণের পদপ কুসুম- লাগিল। কোমলপ্রকৃতি যােদ্ধগণ বিষম আয়ুযুদ্ধ সহ করিতে না সনুছ পতিত, কোথাও পতাকা ও ছত্ররূপ রিমণ্ডল সমুখিত পারিয়া, উপায়ান্তর না দেখিয়া, পলায়ন করিলে পর, রণরূপ এবং কোথাও বনদীপ্রবাহে বারণগণ চীৎকার করত পতিত হইতে প্রলয়াত্মিস্থলে মিথিত হইয়া চক্ৰধারিগণ চক্ৰথায়ীর সহিত ধনু- লগিল। সেই সময় প্রলয়কাল অলংকলনে উদ্যত বলিয়া ধারিগণ ধনুর্ধারীর সহিত থারিগণ খড়গধারীর সহিত, পথ হইতে লাগিল। ইতঃ ধরুজ, ছত, পতাকাযুক্ত প্রখসমূহে ভুমুণ্ডী-অস্ত্রধারী ভুমুণ্ডী-অস্ত্রধারীর সহিত, মুষলধারী মুফল- বিধ্বস্ত হইয়া পতিত হইতে লাগিল। ১৬-২০। নিপতি নিৰ্ম্মল ধারীর সহিত, কুসুধী ধারীর সহিত, লিখারী ঋষ্টিধারীর অস্ত্র সকল প্রদীপ্ত বং দৃষ্ট হইতে লাগিল। আহত যােদ্ধগণের সহিত, এসপানি প্রাসধারীর ছিত, মুগরী গিৱধারীর সহিত, কঠিন জীবনতপে সকলের মানস সন্তপ্ত হইতে লাগিল। কোদণ্ড গদাধায় গদাধারীর সহি, শক্তিশালী শতিকারীর সহিত, শূল- রূপ পুষ্কর ও আবর্তনক মেম্ব হইতে অনবরত শররূপ বারিধারা বিশারদগণ শুলধারীর সহিত, পরধারী পরধারীর সহিত, লট- পতিত হইতে লাগিল। খঙ্গসমূহের উজ্জ্বল কান্তিতে অম্বরপ্রদেশ ধারী লকুটীর সহিত, উপলথায়ী উপলীর সহিত, পাশধারী পাশ- বিদ্যুন্ময় হইয়া উঠিল। আহত ব্যক্তির রক্তসমুদ্রে মাতরূপ, পাণির সহিত, শম্বুখারী শরীর সহিত, ক্ষুরিকাঘারী মুরিকা- কুলাচলগণ নিপতিত, শােণিত-বিন্দুৰূপ তারকানিকর নভােমণ্ডল ধারীর সুহিত, ভিপিলধারী ভিদিপালীর সহিত, বস্ত্রধর বীর হইতে বিকীর্ণ ও পতিত হুইতে লাগিল। অরূপ কলাম্বি দ্বারা সহিত অঙ্কুশযুদ্ধনিপুণ অবানের সহিত, হলধারী হলধয়েব দগ্ধ হইয়া সৈন্যগণ লােকান্তরে গমন করিতে লাগিল, ভূতল ও সহিত, ত্রিশূলধারী ত্রিশূলীর সহিত এবং শৃঙ্খলাকালধারী শৃঙ্খলা- নির্মল ভুধরগণ অবরূপ বর্জ থারা আচ্ছন্ন হইল। গম্রাজ ও ফুখের সহিত, এলাভিত সাগরভঙ্গ-মাতার চায়, বিক্ষুব্ধ গিরিগণের পতন আরা লােকগণ পিষ্ট হইতে লাগিল। শােয় হইয়া যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইল। ভ্রাম্যমাণ চক্র বাহার আবর্ত, ও সত্যরূপ মেঘে মহী ওমােমণ্ডল পরিব্যাপ্ত হইল। ক্রমে বিধি শরসমূহ যাহার নবুক বায়ু, ভ্রমণশীল হেতি মহ। সৈঙ্গরূপ অবেৱ সংক্ষেত দ্বারা মহা সংঘটু উপস্থিত হইল। সকল যাহার কর, উৎফুল্ল আয়ুথ সকল যাহার কল্লোল এবং “রুম্প আঘাতে প্রবৃত্ত অসংখ্য অনিকৰেণভূমি পৰিষাও শিরাসমূহ বাহার জলচর অ, দ্যাপৃথিবীর রালতি ওয়াতে বােধ হইতে লাগিল, যেন কল্পকালীন প্রচণ্ড মারুত সেইণমহাজ তখন অমরগণেরও দুস্তর হইয়া ঠিয়াছিল। ধারা জলচর সর্গগণ সবেগে উখিত হইয়া সমুদ্র পরে আশ্রয় ১-১৯। বাবাদের বিদ্যা, বুড়ি বল, শৌর্য, অ, আ, মুখ গ্রহণ করিয়াছে, শূল, অসি, চক্র, গদা, ভুসুখী ও গ্রাম প্রভৃতি ও ধনু এই অষ্টক সংগ্রাম-সহায় অপ্রতিহত; সেই দুই পকীয় যােগবাশিষ্ঠবামায়ণ যােখগণ সমান অর্থভাগে উপস্থিত হইয়া পরস্পর কুপিত হইলে, হিমবান, ক্রৌঞ্চ, মধুমাল, কৈলাস, বনুমান ও মেরু এবং সিরাজ ও বিদূর রাজও নিজ নিজ সৈন্যের আনুকুল্য তাহাদের প্রত্যন্ত-পৰ্ববাসী রাজগণ, মার, মালব ও নূর- করিতে লাগিলেন। হে রাখব। এই সময়ে শীলানাথ ও সেনীয় যোগ, ব্রিগর্ত,একপাৎ, ক্ষুদ্র, মবল, প্রবাসী মনগণ, পদ্ধের সাহায্যা পূর্বদিক হইতে এই যে বীরগণ সমাগত অছল প্রখ, শাক, ক্ষেমমূর্তি, শখান, থানদ, সরক, বাটখানক, হইয়াছিলেন, ইহাদিগের জনপদ-নাম শ্রবণ কর। পূৰ্বদিক অন্তরীপ ও গাজাৰদেশীয় জনগণ, অবন্তিপুরগণ, শিলা, হইতে কেশ, কালী, মগণ, মিথিলা, উৎকল, মেক, কক, উৰীলগােধনী, বিখ্যাত পুরাবর্ত যশােৰতী মহী, নাভিমতি, মুদ্র, সংগ্রামশৌণ্ড মূখ্যাহিম, রুদ্রমূখ্য, তাম্রলিপ্ত, প্রাগজ্যোতিষ, ভিক্ষাকালবর, কাহকনগর, সুরভূতিপুর, রতিকাদর্শ, অন্তরাণশ, বাজিমুখ অস্বষ্ট, নিষাদ, বর্ণকোষ্ঠ সবিশ্বে, আমমীনাশন, পিঙ্গলপাণ্ড্য, যমুনাবাসী ধাতুনকগণ, হেমতারদেশীয় স্বম্বমুখ- ব্যাস্ত্র, কিরাত, সৌবীর, একপাদক, মাল্যবান্ পৰ্বত, শিবি, মানবগণ, হিমবান, বসুষা, ক্রৌঞ্চ, কৈলাস-পতে অধিত্যকা আয়ু বৃষলধ্বজ ৪ পদ্মা, এই সকল দেশবাসী নূপগণ বাসী জনগণ এবং তদন, অশীতিশতবেজনপরিমিত জনপদ আসিয়াছিছেন। পূর্ব-দক্ষিণ হইতে বিস্ক্যাদিবাসিগণ, চেদিগণ, ভূমি হইতে বীরগণ আসিতে লাগিলেন। অনন্তর পুর্বোত্তর বৎস ও শার্ণ দেশবাসিগণ, অন্ধ, বঙ্গ, উপবঙ্গ কলিঙ্গ, প, দিঘী জনপদের নাম শ্রবণ কর, ক্ৰমে কীর্তন করিতেছি। জঠর, বিদর্ভ, মেকল, শৰনন, শবরবর্ণ, কর্ণ, ত্রিপুরপূরক, কালুতা, ব্রহ্মপুত্র, কুলি, খদিন, মাল, রাজ্য, বনরাজ্য, কষ্টকস্থল, পূখীপ, কোমল, কর্ণা চৌলিক, চাৰ্ম্মত, কেড়বন্ত সিংহপুত্র, সাবক, আপলবহ, কামী দরদ, অভিসাদ, কাকক, হেমকুভ্য, খবর, বলিগ্ৰীৰ, মহাগ্রীব, কিষ্কিন্ধা, ও নালি- অর্বোক, পলােল, কুৰিকৌতুক, কিরাত, যামুপাত, স্বর্ণহী, কেৱীবাসী বীরগণ আসিয়াছিলেন। ২০-২১। অনন্তর লীলা- দেবহুল, উপবনভূমি, সম্পন্ন বিশ্বাবসুর উত্তম মন্দিরভূমি, নাখের দক্ষিণদি হইতে এই নৃপগণ আসিঙ্গছিলেন,—বিন্ধ্য কৈলাসভূমি, ময়ূবন, শৈল এবং বিদ্যাধর ও অমরগণের বিমানসদৃশ কুসুমাড় মহেন্দ্র, দয়, মলয়, সূৰ্যবাদ, সমৃদ্ধ গণরাজ, অবন্তী, ভূমি হইতে যােণ সমবেত হইয়া লীলানাথের প্রতিপক্ষত এম্ববতী, দশপুর-কথাচক্র রেযিক, আতুর, কচ্ছপ বনবাসােপ- করিতে লাগিলেন। ৫১-৬৭ গিরি, ভগিরি, নাগর, দণ্ডক গণরাষ্ট্র, রাষ্ট্র, সাহা, শৈব, ঋষ্যমুক ত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩৬ | কলেট, বনবিশিল, পম্পানিবাসী,কৈরকগণ, কর্কবীরকগণ, শৈরিক- গণ যাসিকগণ, ধর্মপত্তন, পঞ্জিকগণ, কাশি, ৩ যলুল, যাদগণ, তাম্রপর্ণক, গােনন্দ, কণক, দীনপন তাত্ৰীক, দন্তর, , সহকার, এক, বৈক, তুম্বন, লাজীনথীপ, কণিক, কণিকাভ, সপ্তত্রিংশ সর্গ শিবি, কৌঙ্কণ, চিত্রকুটক, কর্ণাট, মন্টবটক, মটকিক, অস্ত্র বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাঘব। সেই হত বিধ্বস্ত নরবারণ- কোলগিরি, অচলান্তক, বিবেষিক, দেবক, ক্রোবাহ, শিলা সঙ্কুল রণস্থলে, যােধগণ অহহমিকায় অগ্রসহকারে অগ্রগামী কাবােদ, জােনন্দ মর্দল, মলয় ৰমক চিত্রকুটশিখর এবং লক্ষাস্থিত হইয়া পাবকে শলভৰৎ ভক্ষাৎ হইতে লাগিল। এই স্থলে রাক্ষসগণ। ৩-৩৯। অনন্তর দক্ষিণ দিক হইতে যে রাজগণ লীলানাথের পক্ষীয়মধ্যদেশবর্তী বীরগণের নাম পূর্থে বলা হয় আসিয়াছে, তাহাদের নাম যখা-মহারাজ সুয়া, সিন্ধু, সৌবী, | নাই, হে রাঘব। এক্ষণে বলিতেছি শ্রবণ কর। অন্দেহিক, শূদ্র, আভীর, দুৰিড়, কীট, সিদ্ধখণ্ড, কালিরুহু, হেমগিরি, শূরসেন, গুড়, আখাদ্যনায়ক, উত্তম জ্যোতি, মদমধ্যমিকাদি, (শৈল) রৈবতক, জয়কচ্ছ, ময়বর, যবন, বালীক, মণি, অবন্ত, শালুক, কেদমাল, দৌর্জেয়, পরায়ন, মাণ্ডব্য, পানগর, বুম, তুষ, লাভ ও ভক্র্য গিরিবাসী এবং সমুদ্রতটবাসী সৌগ্রীব রুগ্রহ, পারিপাত্র, সূরা, যামুন, উদুম্বর, রাজনামা, অসংখ্য লীলাপভি পর্দায় নৃপগণ সমাগত হইল। রাঘব। অনন্তর উজিহান কালকোটী, মাগুর, পাঞ্চালদেশস্থ ধারণা এবং তাহার পশ্চিম দিক্ হইতে আগত লীলানাথের প্রতিপক্ষ বীর ও উত্তর-মধ্যস্থিত জনপদবাসিগণ, পাঞ্চালক, কুরুক্ষেত্র, সারস্বত ভদ্দেসমূহ শ্রবণ কর। পশ্চিমদিকৃস্থ তাহাদে অধিষ্ঠিত মহা- জনপদগণ। অবন্তীবাসীর রথসমূহ, কুন্তি ও পঞ্চনদদেশীয় বীর- পর্বতের বিবরণ অর্থে বলিতেছি,-মণিমানু, কুমাৰ্পণ, বনােকই, গণের তাড়নে কম্পিত হইয়া মহাগিরি-প্রপাতে গিয়া পড়িল। যেভব ও চক্ৰবাড় পর্বত, এই সকল পসী বীরগণ ও পক্ষ ও ব্ৰহ্মাসন জনপদবাসিগণ, বশ্বিবতীদেশীয়কর্তৃক ছিন্ন জন, কাণ, ব্রহ্মচর, ক, ভারত, পারক, শাভিক, শৈব্য ররক হইয়া ভূতলে পতিত ও মহন্তী সারা বিমর্দিত হইতে ছায়া, হক, নিয়ম, হৈয়, মুহগা, ভাজিক, হ্রণক, কতকদ্বয়ের লাগিল।১১। বাশক্ষিতি সিন কর্তৃক দশপুরবাসী বীরগণ পার্শ্বস্থ কর্ক, গিরিপর্ণ, ধৰ্মমর্যাদাতাগী অধম মেজাজাতি ও ত্ম দ্বারা ভিমােদর ও ছিন্নগ্রীব হইয়া পলায়ন করত যােজন- দ্বিশভযােন পরিমিত জলপদ-ভূমি, ভংপৰ্ববর্তী মহেন্দ্ৰ পৰ্ব্বত, । ব্যাপী হ্রদে নিমজ্জিত হইল। • রাত্রিকালে ঘােখগণের বিদীর্ণ- মুক্তামণিময়-অনি শ পৰ্বত পৰ্বত, ভীম মহাব এবং উদনিহত অন্ত্ৰীসমূ পিশাচগণ কর্তৃক চর্বিত হইল, তত্তটবর্তী পালিপাত্রগিরি। ৪। পশ্চিমােত্তর দিগভাগে ভৎস্থান শ্মশনময় হওয়াতে লােকের অগম্য হইয়া উঠিল। পার্বত্য-দেশ, ঙ্খা হইতে বেপতি, উৎসবশালী নপতি, বগলীক্ষিত ভদ্রগিরিবাসী বীরগণ গভীর নিদু করত মগ- নক, মা, অনেকৰেত্ৰক, পুকুক, পার, ভানুমণ্ডল- দেশীয় বীরগণকে কুমঠবৎ ফৌপৃষ্টে নিক্ষেপ করিতে লাগিল। ভাবনা, বমি নমিনেশ দীর্ঘ দীর্থ সে অল ও বাঁ হৈয়য়দেশীয় ৰীরগণ কর্তৃক কোনগরবাসী মহাশবিভ্রাবণ- বিউ, মা, শুনিক, গুহ, ও লুমেগণ এবং গােৱষা কারী বীরগণ বিভ্রাবিও রক্তাক্তদেহ হই, বাতী হরিণের পত্যঙ্গেীরদেশীয় আসিয়াছিলেন। উত্তরদি হইতে 'ন্যায়, পলায়ন করিল। শত্রুদলনকারী দলেশীয় ধীরগণ - উৎপত্তি-প্রকরণ দিগের শত আৱা বিদাৰিত হইয়া রঙহাসবিতে শ্রোতে বৃক্ষ করিল। চোকুত কুমিত কুরে খায় এহ্মাৎসনায় পবের ভায় ভাসিয়া গেল। চীনদেশীয় বীরগণ নারাচ এ বীরগণ নীবাসীদের চক্রান্ত্রে ভিন্ন হইয়া অসং ভূলত হইল। নাৱা আহত হইয়া জীর্ণ ও মৃতপ্রায় হইয়া ভারত দেহসমূহ জঠদেশীয়দের কুঠারে যেভায়দিয়ে মুখ ছিন্ন হইল লাবন্তী অলখিতে পরিত্যাগ করিতে লাগিল। দেশীয় বীরগণ কর্ণাট- ভদ্রেশগণ শরবহ্নি দ্বারা ইহাকে আবার বন্ধ করিল। এ গীয় সুভটশণের কুন্তাত্রে ডিগ্রীব হইয়া, আকানিকরের ন্যায়, দেশীয় বীরগণরূপ মঙ্গকাষ্ঠ যুদ্ধনিপুণ বীরগণরূপ মহাগকে ভগ হইতে লাগিল। লাশক ও শকদশীয় বীরগণ করী ও নিমগ্ন হইয়া, প্রদীপ্তবহিপতিত ইনেয়, লয় প্রাপ্ত হইল। মকরসমূহের বেগে বিফল হইয়া কেশাকেশি যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইল। মিত্ৰগর্তদেশীয় ৰীরগণ ব্রিগর্তদেশীয় বীরগণকর্তৃক আক্রান্ত হইয়া, পর্ণগণ, পাপদেীয়-ঘােধগণ-বিমুক্ত শৃঙ্খল জলের হয়ে যেত- তৃণের ন্যায় উদেশে ভ্রমণ কর অঞ্চশিরা হইয়া যেন পাতালে বনাশ্রমী তিন-মৎস্তের স্থায় রক্ত জলে নিলীন হইয়া রহিল। প্রবেশ করিতে লাগিল। ৩৬-৪। বলিলদেশীয় ৰীরগণ, ভশদেীয় বোধগণ, শত শত অসি ও শষ্ণু অস্ত্র দ্বারা গুজ্জরী মন্দবায়ুচালিত অভ্যোধির ন্যায় পরিদৃশ্যমান মাগৰ সৈজের মধ্যে সৈন্য ধ্বংস করিয়া মীলিগের দেলুণ্ঠন করিল। অগ্রভার পতিত হইয়া, পক্ষপতিত গাজর ন্যায়, অবসর প্রাপ্ত হইল। হেতিপ্রভ-সম্পন্ন নিগড়দেশীয় যোধগণ, শরধারা দ্বারা বনরূপ যেমন সূর্যতাপ পখিস্থিত পর্যুষিত পুষ্পের সৌকুমার্য অপহরণ এইদেশীয় বীরগণকে অভিষিক্ত করি। ১১-২০। শত্রুগণের কর, তদ্রুপ রণকে চোদেশীয় বীরগণ অণবাসীদের চেন মগুলোদ্যত ভুযুণ্ডী অর্কমণ্ডলকে আচ্ছাদিত কবত আভীরদেশীয় | অপহরণ করিল। অস্তকসদৃশ কৌশলগণ পৌরবলিগের ভীষণ যােধগণকে বিনষ্ট করিল। তাজাখ্য ঘবনগণের ঝহিনীগণ গর্জন ও গলা, পাস, শর ও শক্তি বর্ষণ করিতে না পারি, নানাবিধ কাপনে বিভূষিত হইয়া আসিয়াছিল, গৌ দেশীয় যােব- তাহাদের ভান্ত্রে নিদেহ হইয়া, পীতে বিল বক্ষের স্থায়, গণ দ্বারা তাহারা নখ ও শোকৰ্ষণ-পূৰ্ব্বক উপভুক্ত হইয়া- রক্তাক্তকলেবর হইল। দৃশ মহাবীরগণকে শত্রু আক্রমণ ছিল। গ্রামস্থলে ভাসকগণ তক্ষণদিগের অদ্রিচ্ছেদনে সমর্থ করিয়াছে বলিয়া তাহাদের অণুমাত্র বিস্ময়ের আবির্ভাব হইল অসংখ্য চক্ৰসমূহ নিকৃগুন কয়া তাহাদিগকে খণ্ড খণ্ড করত না, অনন্তর তাহারা নাচসমুহ ও মহাহেতি অরূপ মারুত গৃধকঙ্কসমাকুল স্থানে নিক্ষেপ করিল। গৌড়দেশীয় যোধগণের দ্বারা বিকশিতদেহ হইয়া ভ্রমসমূহ তুল্য কৃষ্ণবর্ণ ও জলধরের বির্ণিত লগুড়ের ডুড-ধ্বনি শ্রবণ করিয়া গান্ধারদেশীয় বীরগণ স্যায়, বিকম্পিত হইতে লাগিল। ৪১-৪৫। তখন বােধ সম্মুখে প্রধাবিত হইল। আকাশগামী সমুদ্রের ন্যায় শকদেশীয় হইতে লাগিল যেন শরধারধর মে সকল কিংবা শররূপ-উণাপূর্ণ বীরগণকে পৰ্বত হইতে অবতরণ করিতে দেখিয়া পারসৗকগণের মেঘ সকল অথবা শরপারত জৰ সকল ভ্রমণ করিতেছে ও নৈশ-অন্ধকার ভ্রান্তি হইতেছিল। (শকদেয়গণ নীলাম্বরধারীও গজের ৪ায় গর্জন করিতেছে; এবং শাকস্থলসী জন্তুগণ - পরীকগণ শুকুাম্বরধারী, এই কারণেই ঐ ভ্রম হয়)। ২১-২৫। রাখবাসী বীরুরূপ করা যায়। আক্রান্ত ও জীর্ণ হইয়া, কোমল যােবগণের বির্ণিত আয়ুধ সকল ক্ষীরসমুদ্র-মধ্যে আলােভিত সুত্রের ন্যায়, ছি হইতে লাগিল। রথসমূহের চক্র গর্তে বিধ্ব মর পর্বত্তে বন (বহু পর্বত) বলিয়া এভীত হইতে লাগিল। হওয়ায় তদুপরিস্থিত জনসমূহ বনপর্বতে মেষসমূহের স্যায় পতিত নভােমাগে ধীরগণ-চালিত অস্ত্রসমূহের গতি সমুদ্রের তরঙ্গমালার হইতে লাগিল। শাল ও তার বুকের স্যায় উন্নতকায় ঘােধগণরূপ শত গতি বলিয়া বােধ হইতে লাগিল। বিক্ষিপ্ত শক্তি অন্ত্রে পরি- মহাবন সমরক্ষেত্ররূপ মহাবনে আগত হইয়া পরস্পর পরস্পরের ন্যাপ্ত আকাশে শুভ্রবর্ণ সকল শতচকার ও রসমূহ শলভ ভুল ও মস্তক দেন করিলে, সেই সমর-ক্ষেত্ররূপ মহান যেন সমূহের ন্যায় দৃষ্ট হইতে লাগিল। কেকগণ শত্রুগণকে কঙ্কাস্ত্র উন্নত স্থাণুশ্রেণ দ্বারা শােন হইল ৪৬-৪১। যুদ্ধমৃত কারা ক্ষতবিক্ষতাঙ্গ ও ভীষণ আর্তনাদকারী করিয়া আব -মণ্ডল ধীরগণের আশ্রিত মত-যৌবনা রসুন্দরীগণ নন্দনকাননে, সুমেরু সমাচ্ছন্ন করিয়া তুলিল। অঙ্গদেশীয় বীরগণ কিরা সন্যরূপ পর্বতে উপবন প্রদেশে এইরূপ জল্পনা কত লাগিল। এই কাগণকে কলকল রব করিতে করিতে অনত্ব ( অঙ্গহীনত্ব) রণাঙ্গণে সৈন্যরূপ ক্লান, যাবৎ পরপক্ষীয় এলয়-হতাশ সদৃশ প্রদান করিয়া বৈগণের স্থায় ভীষণ গর্জন করিতে লাগিল। অগ্নিশিখা প্রাপ্ত না হইল, ভাবৎ শােভাসম্পন্ন হইয়া উচ্চ ২৬-৩০। কাশদেশীয় বীরগণ মায়াবলে পকিরূপ ধারণ করিয়া, নিনাদ করিতেছিল। কামৰূপদেশীয় পিশাচগণের সহিত যুদ্ধ পনোডীৰ ধূলিপটলের ন্যায়, সঞ্চালিত স্বীয় পক্ষ দ্বারা আকাশ- প্রবৃত্ত দশর্ণদেশীয়গণ ভূতগণ কর্তৃক অপহৃত হইয়া, কের মণ্ডলে উখত হইয়া অভাবে অধিক-নিবাসী বীরগল্পে বিন ন্যায়, পলায়নপর হইয়া পথিমধ্যে কর্ণপাত করিয়া গমন করিতে সাধন করিল। সমুদ্ধত নগণ ক্রোধে উন্মত্ত হইয়া শক্ৰমধ্যে লাগিল। হতম্বামিক সৈগম ভাজিগীষবনদেশীয়দিগের ক হেতি অস্ত্র প্রয়োগ কর হাস্য, নৃত্য ও গান করিতে লাগিল। এভাবে সরের শুল্ক হওয়ায় কলের মত, কান্তিহীন হই। বােসলের কণক শব্দকারী কিঙ্কিণীল গঞ্জের বাণে খণ্ড তুষাকামেসনবাসী জনগণ কর্তৃক শর শক্তি অসিমূলারলি দ্বারা বিখণ্ড হইয়া বিৰূপে পরিণত হইল। শৈব্যগণ কুন্তীদেশীয় ইতস্তত বিক্ষিপ্ত পলায়ন কটনবাসিগণ নরকবাসী বীরগণের নিক্ষিপ্তকুত্তান্ত্রে হত হইয়া প্রাণত্যাগ করিল ও বিদ্যা জিন্সের প্রহায়ে ব্যতিব্যস্ত হইল প্রবাসী ঘােধগণ কর্তৃক ধরের ন্যায় স্বর্গে গমন কয়ল। যুভূমির আক্রমণে পটু ধীর আক্রান্ত কৌত্তজেন্দ্রীয় বীরগণ, খলাক্রান্ত গুণের স্থায় স্পাই অহীনদেশীয় সৈন্যগণ সেলসে গমন করিয়াই পাতুনগরীর বর- অসমর্থ হইয়া পড়ি। ফিপিগণ অত্র আয়া ক্ষণকাল মধ্যে গণকে সুজিত করিল। মজ বোন বৃক্ষস বাহনদিগের কমল সুশ মন্তক ছেদন করিয়া গান দলন করে, তদ্রুপ পঞ্চন-দিবাসী বুলােত বীরগণ কু, রিল। দ্বিতীতীরস্থ বীরগণ সমস্ত দিন পরস্পর যুদ্ধ কৰি ও তে নিপুণ লেখক-নিবাসী বীরগণকে বিদলিত ' পণ্ডিতগণ যেমন বাদে উদ্বিগ্ন বা পরাজিত হন না, ভগ উৰি যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ বা পরাজিত হইল না। ক্ষুদ্র খর্বগগণ সময়ে বিভ্রাবিত হইলেও শান্ত ও সমতা প্রাপ্ত হইল। বিকটার উগাবৎ ভীষণ রাঙ্গণ লঙ্কাস্থিত যখনগণের সাহায্য পাইয়া নির্বাণােন্মুখ অখি যেমন ক্রমে মুহুর্তের মধ্যে, অগত্যপীত সমুদ্রের ন্যায় শূন্য হইয়া গেল। পূইজনপ্রদীপ্ত হয়, প পম তেজ প্রাপ্ত হইল। হে রাম। কোথাও রাশীকৃত শৰসমূহ, কোথাও রক্তনদ প্রবাহিত হইল, আমি এই ফুলু বিষয় আর কত বর্ণন করিতে সমর্থ হইৰ ? এই দেখিলে বােধ হয়, যেন ভীষণ অরণ্যে বিল্পীগণ ঝঙ্কার করিতেছে। রণ বর্ণন করিবার নিমিত্ত ব্যাকুল হইয়া বাকিও সহ জিহ্বা প্রবাহিত রক্তনদীর স্রোতে অরজন হইতেছিল। দ্বারা ইহা বর্ণল করিতে হন না। ১৫ মানবগণ উচ্চৈঃস্বরে প্রাণব্যগ্র মানবগণকে আহবান করিতে সপ্তত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত।৩৭। লাগিল। মৃত ও অমৃত জীবগণের দেহ হইতে নির্গত রক্তধার নিরাকারে প্রবাহিত হইতে লাগিল। সঞ্জীব দেহের স্পন্দনে তৎপৃষ্ঠস্থিত মৃতদেহ সকল স্পর্মিত হওয়ায় সেই সেই মৃত দেহ সজীৰ বলিয়া ভম হইতে লাগিল। ১১-২০। যেসমূহ অষ্টত্রিংশ সর্গ। (পর্বমে) মৃত রীলিগের দেহরাশিতে অবস্থান করিতে বশিষ্ঠ কহিলেন—রাষৰ। যখন ঐরূপ যুদ্ধস্থল মন্তকাশীদিগের (বিশ্রাম করিতে লাগিল। বিশীর্ণ রখসমূহ, বাতচ্ছিন্ন মহানের আস্ফোটে ও পরাভূতদিগের ভয়ে সহুল ও অত্যাকুল হইয়া উঠিল, ন্যায়, দৃষ্ট হইতে লাগিল। রক্তনদীর প্রবাহে অর্থ ও গজগণের বীরগণের ভীষণ শরজালে সূৰ্য্যদেব অন্ধকারারত হইয়া পড়িলেন, দে ভাসিতে লাগল। শর, শক্তি, ঋষ্টি, মুষল, গদা, প্রাস, অসি তখন বীরগণের বিদীর্ণ হইতে রক্ত প্রবাহিত হইল এবং ও অসিকোষ সকল দ্বারা তৎহন সঙ্কুল হইয়া উঠিল। পাণবন, কোথাও উদেশেশুষ্টি,ইতে লাগিল, কোথাও বা প্রস্তাবৃষ্টি ও সল্লাহ কবচ দ্বারা ভূতল সমাচ্ছন্ন, কেতু ও চামর-সমুহ দ্বারা পাত হইতে লাগিল, প্ৰস্তক্ষেপে নদীস্থ পদ্মজাল ছিন্ন ভিন্ন হইয়া শবশরীর সকল আচ্ছন্ন রহিল। ফণিফণার ন্যায় সমুচ্ছিত সচ্ছিদ্র গেল। তৎকালে শরণাগ্রসমূহ হইতে নির্গত বহ্নিবিন্দুসমন্বিত তুণীর মধ্যে বায়ুর আঘাত লাগিয়া, বায়ু বেণুরন্ধ্রপ্রবিষ্ট হইলে যেরূপ শানদীগণ দূব্যাপী-বাহসমলিত হইয়া (ইতস্তত) গমনাগমন শব্দ হয়, তদ্রুপ শব্দ হইতে লাগি। শবরাণিকপ পলালশয্যায় করিতে লাগিল। বােধগণের ছিন্নমস্তকরূপ পথসমুহ পরিব্যাপ্ত পিশাচগণ শুইয়া রহিল। যুহত রাজগণের চূড়ামণি ও অক্ষদের চসমূহ যহার আবৰ্ত্ত, অদৃশ তরঙ্গিত হেতিবৃন্দরূপ মন্দাকিনীগণে প্রভাষ চতুর্দিকে ইন্দ্রধনুর বন হইয়া উঠিল। এই সময়ে কক্কর ও আকাশৰ্ণব পরিপূর্ণ হইল। সেই সময়ে কপিকবাসীদিগের শৃগালগণ শসমূহের উদর হইতে সাজ অসমূহৰূপ দীর্ঘ ব্যথাদায়ী বায়ু সদৃশ কাকনৃধ্বনিসম্পন্ন শসমূহ নিবিড় মেঘ আকর্ষণ করিতে লাগিল। রণক্ষেত্রে আমৃত্যু জীবগণ উদঘাটিত- মালার ন্যায়, গগনমণ্ডল সমাছন্ন করিতেছিল, তখন সিদ্ধগণ দত্ত হইয়া চীৎকার করিতে লাগিল। রক্তকপ কর্দম সজীব প্রলয়কাল বিবেচনা করিয়া সন্ধি হইয়াছিল। তখন দিবসের নরগণরূপ ভেকগণ নিমগ্ন হইয়া গেল। তথায় উৎপাটিত ঘােধগণের অষ্টম ভাগ শেষ হওয়ায়, বেথ হই, বিবাও যেন স্মাহত বীর অফিসমূহ বিচিত্র কুকশােভা ধারণ করিল। ধাের রতনদীসমূহের গণের স্থায় ক্ষীপ্রসন্ন হইল। তখন অখ ও হগিণ স্রোতে নিহত বীরগণের বাহু ও উক সকল, কাষ্ঠসমূহের ন্যায় পরিশ্রান্ত, হেতিসমূহের দীপ্তিশীলন এবং সৈন্যগণ দিবসের ভাসিতে লাগিল। মৃত ও অর্ধযুত মানবগণকে বেষ্টিত করিয়া তদীয় সহিত মদপ্রতাপ হইল। উভয় পক্ষীয় সেনাপতি মন্ত্রিগণের বন্ধুগণ ক্রন্দন করিতে লাগিল। শর, আয়ুধ, অৰ, হন্তী ও পৰ্যাণ সহিত বিচার করিয়া যুদ্ধসংহারার্থ পরস্পর দূত প্রেরণ করিতে প্রভৃতি দ্বারা যেই স্থান সমাচ্ছন্ন ছিল। নৃত্যপরায়। কবন্ধগণের লাগিল, তৎকালে তাহাদের যন্ত, শ, ও পরাক্রম মন হওয়া সক সমুন্নত বাহুণ্ডে অম্বরদেশ পরিব্যাপ্ত হইয়াছিল। পীড়াদায়ক লেই যুদ্ধবিরিতি স্বীকার করিল। তখন উভয় পক্ষীয় সৈন্যের মধ্যে হস্তিমদ ও বসার দুর্গন্ধে জনগণের ভাণর আর্দ হইয়াছিল। এক একটি যোদ্ধা মহুখের উড়ু-কেতু-প্রান্তবর্তী স্তয়ে আরো অর্ধমৃত উতালু হন্তী ও অগণের বিমর্দে অল্পজীবিত প্রাণিগণ হণ করিয়া, নক্ষত্র হয়, শােভা পাইতে লাগিল। ১-১০ মরিয়া যাইতে লাগিল। প্রবাহিত রক্তনদীর ভাঙ্গাঘাতে নিপতিত পতাকাস্তস্থিত সেই যােধষয় পরস্পর উভ পক্ষীয় গৈণের দুন্দুডিশব্দ সকলের শব্দ হইতে লাগিল। ২৬-৩০। মৃত নরসৈন্য- যুদ্ধবিমাৰ্থ সঙ্কেতপ্রদান মানসে, ত্রি যেমন শুদ্ধ চন্দ্রকে ভ্রমণ লিগের ফুংকারে হাদিগের মূখ হইতে শােণিতপ্রণালী নির্গত করায়, ড্রপ সিত পতাকাবস্ত্র ঘুরাইতে লাগিল। অনন্তর মহা- হইতে লাগিল। শত শত শােণিতনদীতে মৃত হস্তী-অরূপ মকর প্রলয় সময়ে পূঙ্কর ও আবর্ত মেঘের গর্জনের ব্যায়, দুন্দুভি হিত হইতে লাগিল। শরণমুখ স্বল্পজীবনাবশিষ্ট গৈণের ধ্বনিতে চতুর্দিক প্রতিধ্বনিত হইল। যেৰ মানস সবাের ক্রন্দনধ্বনি অবরুদ্ধ হইয়াছিল। ক্ষণকাল ঐ স্থানে থাকিলে হইতে সরিলগণ নিস্পতিবন্ধে নিয়ে আগমন করে, সেইরূপ, শরাদি পিতার অর্থাৎ বামকুলি মাংসখণ্ডের বসাগজে সংপৃক্ত হেভিরূপ সরিগণ বিস্তীর্ণ গগনপৰে নিৰ্বৰে আগমন করিতে বায়ুতে শরীৱস্থ শােণিত নীভূত হইয়া যায়। তথায় অন্ধ- (ভূতলে পড়িতে লাগিল। যেমন দুনের পর কনকম্পন মৃত উদ্ধনাসিক হস্তিগণ ও আর কবন্ধুগণকে আক্রমণ ও শয়ৎকালে অর্ণব (এক হয়, দ্রুপ বােগরে ভূজ করিয়াছিল। হবিগহীন অনিত হতী ও অগণ ফসঞ্চালন ক্রমণ প্রশান্ত হইল। যেমন প্রলয়কালে সমুদ্র উন্নত কবন্ধগণকে নিপাতিত করিয়া ফেলিয়াছিল। ক্রন্দনকারী হইতে বারিপুর সবেগে চতুর্দিকে ধাৰিত, অপ উজ পক্ষীয় ও নিপতিত সজীব ও মৃতগণ দ্বারা প্রবাহ উদিত হইতে গৈ সংমল হইতে বর্ণিত মুইতে আরম্ভ করিল। লাগিল। কুলাঙ্গনা মৃত ভর্তার গলে আলিন করত শস্ত্র যেমন মন্থনাতে মার পর্বত উত্তোলন করিয়া বলে সখু যারা প্রাণপরিত্যাগ করিতে লাগিল। বিদেশী অনগণ স্ব এ নিবতা প্রাপ্ত লইয়াছিল, দ্রুণ শৈতাবৰ্ত ক্রমশ স্বামীর আদেশে আসিলা সংস্কার করিবার মানসে ভীরুশ ।
উৎপতিএকরণ। ১০ সব আত্মীয়বর্গের সব পরীক্ষা করিতে লাগিল, শবানন- রনিৰ্গলের সভাঙ্কারওকেংকায় শব্দ কত ইতে প্রবৃত্ত সেই সেই মানষগণ কর্তৃক তথায় পতিত জীবিত অনুচর- লাগিল। গগণ পক্ষবিনন দ্বারা দূলির উদাম কৱ শিলামুখ- বর্গ করাকর্ষণ এর স্থাান্তরে নীত হইতে লাগিল। ৩১-৩৫। লগ্ন রখারা পার্থ হইল। উত্তাল ৰূেলগণ জলে ভালে ত্ৰত্য রক্তনদীসমুহে মৃত ব্যক্তির কেশগণ শৈবাল, ক্রসমূহ পঃ, নৃত্য করিতে লাগিল। জীবত ভটগণ পণ্ডিত বখকাষ্ঠ কার। চক্রান্ত্রসমূহ আবৰ্ত্ত এবং ভাসমান তুরসমূহ তরুপে শােভিত অাচ্ছাদিত হইয়া গেল। অন্তৰ্জীবিত ভটগণের স্পন্দন দেখিয়া হইতে লাগিল। অর্ধমৃত মানবগণ অঙ্গলগ্ন আয়ুধতােনলে ব্যর্থ লােকের হইতে লাগিল। রক্তকন্দমাক্তবদন অক্সষ্টেজ হইতে লাগিল। কোন বিদেশী স্বজনসন হওয়ায় ব্যাকুল হইয়া মৃতকল্প লােকগণ কৃপাপরবশ ব্যক্তিগণ দ্বারা স্থানান্তরে নত তদীয় অঙ্গভূষণাদি ও গজাদি অন্যকে প্রদান করিতে লাগিল। হইল। ঈষজ্জীবিত নরগণ উদগ্রীব হইয়া অতি দুখ কুকুরও সৈন্যগণ প্রাণত্যাগকালে স্বর মাতা, পুত্র, ইষ্টদেব ও পরমেশ্বরের বয়স প্রভৃতির দিকে দৃষ্টিপাত করিতে লাগিল। শষ-ভক্ষণে নাম কী করিতে লাগিল এবং মধুব্যথায় হাহা ও হীহ ধ্বনি একাধিপ সইতে ব্যগ্র দিগণের পরস্পর যুদ্ধকোলাহলে করিতে লাগিল মরণকালে যোগণ, স্ব স্ব প্রবন্ধক যাহার তংস্থান সাকুল হইয়া সেই বিপদে পরাজিত কোন কোন যাহা অসমাপ্ত আছে, ওজন্য অনুতাপ করিতে লাৰিল। দস্তযুদ্ধে বালকে প্রাণ পাগও করাইতে লাগিল । এইরূপ নৃত অসমর্থ মৃতপ্রায় ব্যক্তিরা জন্তিগণনিকটে অবস্থান করত তাহাদের অসংখ্য অশ, হস্তী, মানবগণ ও উদ্বিগের গ্রীবাদেশ হইতে দন্তনিষ্পেষণভয়ে স্ব স্ব ইষ্টদেবতার স্মরণ করিতে লাগিল। রক্তনদী প্রবাহিত হলে রক্তশেকে অনুধলতা কল নবিত মরণােন্মুখ ব্যক্তির উপর শত্রুদের পাদাখাতাদি অপমান দেখিয়া হওয়ায় প্রলয় বলে পরে সতি পৰ্যাগ প্রাপ্ত অখিল পনসমর্থ মৃতপ্রায় শূরগণ পলায়ন করিতে লাগিল , পলায়ন জগতের ন্যায় পরিদৃশ্যমান ঐ রণভূমি মৃত্যুৰ উপবন বলিয়া ব্যগ্রতায় তাহারা ভীষণ রক্তনদীর অবস্থানে গমনে শঙ্কা কমল বোধ হইতে লাগিল ৫১=৫৮। । ৩৬-৪০। সৰ্ম্মভেদী-শরাঘাত ব্যখা পাইয়া বীরগণ জন্মান্ত- অষ্টত্রিশ সর্গ মাপ্ত। বীণ দুরুন্তিকে ইহার কারণ অনুমান করিতে লাগল। কবন্ধগণের বদননিৰ্গত-শোণিত-পানশায় বেতালগণ তাহাদের ছিন্ন মস্তক আকৰণ করিতে লাগিল। রক্তস্রোতে বল, ছাত্র ও চারুচামরূপ কোনচত্বারিংশ । পঙ্কজগণ বাহিত এবং রক্তনদীতে সন্ধ্যারাগ প্রতিফলিত হওয়ায় অরুণবর্ণ রক্তপদ্মকার তেজসমূহ নির্গত হইতে লাগিল। বণিষ্ঠ বলিলেন,-হে রাম। তখন বীরের য় সূৰ্য্যদেব বখ, চক্র ও পৰ্বতৰূপ আৰসমন্বিত, পতাকাৰূপ ফেনপুর আরক্ত হইয়া অনুহিত হইলে, অস্থতেজে পরিক্সান তঁাহার পরিপুর্ণ চাক-চামররূপ বুদবুদে পরিব্যাপ্ত রণস্থল অষ্টম রকার্ণৰ প্ৰতাপ অব্ধিতে পতিত হইল। সূৰ্য্যপ অশ্বের মকছেদ বলিয়া প্রীত হইতে লাগিল। বুথ সকল উল্টাইয়া পড়িয়া হইলে আকাশদর্পণ-প্রতিবিমি ৩য় রক্তকান্তি অকাদশ ছিল। ভূমি সকল, পঙ্কমগ পূরের ন্যায়, দৃষ্ট হইতে লাগিল। পরিত্যাগ করিল অর্থাৎ আকাশের রক্তিম গেল, কালের খে সৈন্যগণ, উৎপাত-বাতৰিকম্পিত মর্জি-সমন্বিত অরণ্যের সন্ধ্যা হইল। তখন প্রলয় লখির জলসমূহের ন্যায় ভূ, পাতাল, ন্যায়, অথায় অবস্থিতি করিতে লাগিল। প্রলয় জগতের স্যায়, ভােমণ্ডল ও চতুর্দিক হইতে করতাল ধ্বনি করিতে করিতে অগস্ত্যপীত সমুদ্রে স্যা, অতিবৃষ্টিহত দেশের ইম, এই জলঙ্গ বেলগণ বকা আলিয়া উপস্থিত হইল। দিনরূপ নাগেক্ষের বণভূমি ভুষণ ও অস্ত্রাদি দ্বারা পরিব্যাপ্ত, ভূযুণ্ডীমণ্ডল ধারী | মন্তক অন্ধকাররূপ নিশিত অসি দ্বারা খণ্ডিত হইলে সন্ধ্যা-রক্তিমায় সমাকুল এবং হস্তীর ন্যায় শবদেহ সক, সর্পের তোমর ও অরুণবর্ণ তারাসমূহকপ মৌক্তিকগণ চতুর্দিকে ছড়াইয়া পড়িল। মূল দ্বারা সমাচ্ছন্ন হইয়াছিল। রক্তনদীর তীরে ভুতরূপ কম যােধগণের হৃদয়পদ্ম, এণরূপ হংসমিন ও মােহন্ধকারে সকল উর্জেত হইয়াছিল। শিলাশিখরজাত তালবৃক্ষসমূহের সমাচ্ছন্ন হইয়া শঙ্কোচ প্রাপ্ত হইল।১৫। মৃতগণের অঙ্গে স্যায় সেই স্থান দৃষ্ট হইতে লাগিল। গজলিগের মঙ্গলােত বিদ্ধ গরু অস্ত্র সকল এইরূপ ভাবে উগত হইয়া ছিল হতিসমূহরূপ বৃক্ষের কিরণ- কুমালে ভৎস্থান পরিব্যাপ্ত হইল। যে, দূর হইতে দেখিলে, বোধ হয়, যেন পক্ষিগণ কুলায়ে উদগ্রীব রক্তসয়ােরর উস্থ উডীয়মান পতাকাগণ, নলিনীসমূহের ন্যায়, হইয়া অস্থিতি করিতেছে। বরপক্ষীয় লীর ন্যায় কুমুদালি শােভিত হইল। রক্ত-কর্দম-পতিত নরগণ নিজ নিজ সুগকে পুষ্পগণ চন্দ্রালোকে প্রফুল্ল হইয়া উঠিক। যাহার অঙ্গে শিলী- আহবান করিতে লাগিল। মৃত করীগণের পতনে ভগদেহ মুখ সকল (ভ্রমর ও গণ) গুপ্ত (পদ্মপয়ে মুদ্রিত পত্রের মধ্যে জনগণ তথা হইতে অপহৃত হইয়া তথায় পুনঃ বৃষ্টিপাত করিতে রণভূমির পক্ষে-রাদির মধ্যে।) রহিয়াছে, তখাবিধ রক্তরূপা লাগিল। ৪১-৫। কবন্ধগণকে ছিন্নশাখ বৃক্ষরাজি বলয়া লােকের জলময়ী রণভূমি, পৱিনীর ন্যায়, মুখপৱ সঙ্কুচিত হইল ভ্রম হইতে লাগিল। অনদীতে প্লবমান হস্তিগণের কটস্থল ও উদেশে আকাশরূপ সরােবর নক্ষত্রগণরূপ কুমূদে মঞ্জিত হইল, পৰ্যাণবন্ত্র নৌকা বলিয়া বের হইতে লাগিল। রক্তস্রোতে শুরু অধােদেশের সমােবরে তারকারূপ লগণ বিকসিত হইল। যেমন সকল ফেনপিণ্ডে ভাসিতে লাগিল। আদিষ্ট তৃভ্যগণ রণক্ষেত্রে অতিক্রমী সমধিক সলিলশি সেতুই হইলে চতুর্দিকে যন্ত্র আসিয়া সঞ্চরণ করত, কে জীবিত বা মৃত, তাহার তত্ত্বাবধান গমন করে, অপ সেই অন্ধকারে ভূতগণ নির্ভীক হইয়া চতুর্দি করিতে লাগিল। ইতত কবরূপ নব লালনগণ নিপতিত হইতে হইতে মিলিত হইল। ১০। সেই রণাঙ্গনে বেলসমূহে লাগিল। উর্দ ও খুলছিদ্র চক্ৰসমূহ দ্বারা বিচ্ছিন্ন ও চুরীকৃত গান করিতে লাগিল, কণকণকারী নরসরে অস্কোপরি হইল সৈন্যগণ পলায়ন করিতে লাগিল। এত মানবগণের কষ্ট ও কাকোল প্রভৃতি মাংসাশী পক্ষিগণ ক্রীড়া করিতে - যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ। লাগিল। বীরগণের চিতাগ্নি হতে অনন্ত এখাসমূহ-উতি । ভলীয় নির্দেশ এবং গুহামথ্য সকল পিণ্ডাকৃতি অতি নিবিড় হইয়া তাল্পনিকসদুল ভােমণ্ডল ভাস্বর করিয়া তুলিল। চিতালে অন্ধকাররূপ মেষসমূহে পরিব্যাপ্ত হইলে চঞ্চল ভূগণের সমারােহে মেদ ও মাংসের পচা শব্দ ও অস্থিচ স্কুটন শব্দ হইতে সমাকুল সেই রণস্থল, কলাৰায়ু-বিক্ষোভিত ব্রহ্মাণ্ডের ন্যায়, লাগিল। বেশী লাভ করিতে লাগিল। সেই ভীষণ হইয়া উঠিল।২৬-৩। রণস্থল কুকুর, কাক, য, বেতাল ও ভূগণের কোলাহলে ঋণ একোনটারিং সর্গ সমাপ্ত।৩১। হই উঠিল। ভূতগণের গমনাগমনে তংস্থান, উডীয়মান অর , হইয়া উঠিল। অকিনীগণ রক্ত, মাংস, বা ও মেদ প্রভৃতি অপহরণে ব্যর্থ হইল। ক্ত, মা ও বসা চলে চারিং সর্গ। প্রবৃত্ত পিশাচগণের ওপ্রান্ত হইতে রক্তাদি রিত হইতে লাগিব। ১১-১৫। সেই ভীষণ অন্ধকারের মধ্যেশ্যে চিতার বশিষ্ঠ কহিলেন,—এইরুপ নিশাচরগণের ব্যবহার অতি আলােকে রক্ত ও শসমূহ দেখা যাইতে লাগিল।, পূজাগণ ভৗষণ রণাঙ্গণে যমদূত ও পিশাচদিগের কাৰ্যকলাপ, দিবাভাগে শাশি ঋন্ধে করিয়া লইয়া যাইতে লাগিল উগ্রমূৰ্ত্তি কুণ্ডাওন লােকদেষ্টার ন্যায়, অঙ্কিত ভাবে সম্পন্ন হইতে থাকিল। দলে দলে সঞ্চরণ করত রণস্থল ভীষণ করিল। চিতানলে ছিম হস্ত দ্বারা বহন করিতে পারায়, এইরুপ অতি গাঢ় অন্ধকার ছিম শ লাগিল। মম ও রসমূহের মজালে তংস্কল পিণ্ড যাহার ভিওি, তাদৃশ রাত্রিরূপ গৃহে, ভুতসমূহ ভস্রব্য মেখময় হইয়া গেল। বাতি রক্তনীর তেখেচর ভূত লাভ করিয়া সন্ধিপূর্ণ হইয়া আনন্দ সহকারে নৃত্য ক করিতে গণের পদ নিমগ্ন হওয়ায় তাহারা ভূচরের ন্যায় দৃষ্ট হইতে লাগিল। সেই গাঢ় অন্ধকারে চতুর্দিস্থ প্রাণিগণ সকই লাগিল। কাকোল-পক্ষিগণ বেতালকুলাঙ্গত আকৃষ্ট কঙ্কালসমূহ নির্ধক্রান্ত ও নিঃশব্দ হইলে তখন উদাত্মা লীলাপতি কিছু আকর্ষণ করিতে লাগিল। বেতাল-বালকগণ মৃত মাতঙ্গগণের দুঃখিতচিত্ত হইয়া মন্ত্রণা-নিপুণ মন্ত্রিগণের সহিত পরদিনের কত্ত উদর পেটিকায় শয়ন ক তে লাগিল। বিবিক্ত রণস্থলে রাক্ষস অবধারণ করিয়া চন্দ্রোদানিত শিশির-কোট-বিশিষ্ট মনােহর গণ রক্তপান করত ক্রীড়া করিতে লাগিল। বেতালগণ উন্মত্ত গৃহে দীর্ঘ-চন্দ্রাকৃতি ও হিমের ব্যয় শীতল শয্যায় শয়ন করত হইয়া চিজার লইয়া পরস্পর কলহ করিতে লাগিল। তথাকার নয়ন মুদ্রিত করিয়া ক্ষণ কাল নিদ্রিত হইন।১-৫। অনন্তর বায়ু রক্ত ও বসগন্ধে পরিপূর্ণ হইল। ১৬-২০। পূআগণের জ্ঞপ্তি ও লীলাঁনামে সেই ললনায় আকাশ পরিণাগ করিয়া করঞ্চের (পােটিকার ) বুট বুট ক শুনা যাইতে লাগিল। যকগণ বাতলেখা যেমন অজমকুলে প্রবেশ করে তদ্রুপ, ছিদ্র দ্বারা সেই অরূপ বগণের আস্বাদ পাইয়া তাহার জন্য পরম্পর কলহ গরে প্রবেশ করিলেন। রাম বলিলেন, হে বিদাৎ বর। করতে লগিল। নিশাচর পক্ষিগণ উন্নত বঙ্গ, কলিঙ্গ, অঙ্গ ও হে প্রভাে। এত বড় এই স্কুল দেহ সূক্ষ্ম রন্ধ্র দ্বারা কিরূপে প্রবেশ দেশবাসীদিগের অঙ্গে সংলগ্ন রহিল। রূপিকগণের করি, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন,হে পাৰন (রাম)। যাহার হাস্যকালে তাদিগের মুখ হইতে তারাপাতােপম প্রভা নিৰ্গত “আমি আধিভৌতিক দেহশালী" এইরূপ মতিভ্রম আছে, তাহার হইতে লাগিল , তাহাতে বােধ হইতে লাগিল, যেন তাহাদিগের ঐ স্থূলদেহ অণুপ্রমাণ রক্ত দ্বারা প্রবেশ করিতে পারে না, সম্মুখ অগ্নি-জ্বালা অবস্থিত রহিয়াছে। রক্তপিচ্ছিল স্থলে বেতাল- আমি স্কুল-শরীরে নিরুদ্ধ, আমি এই ছিদ্রে যাইতে পারি না গণকে নিপতিত দেখিয়া রক্তপ্রিয়া-মৰ্তীবিরূ কাগণ হা এটপ বুদ্ধি পূর্ব হতে যাছার রহিয়াছে সে যে যাইতে পারে বরিয়া উঠিল। পিচগণ ঋেগিনী নায়কগণকে নিকটে আহ্বান না, ইহা অনুসিদ্ধ। কিন্তু যে ব্যক্তির স্কুল নরদেহ-বুদ্ধি করিতে লাগিল। পিশাচগণ বীরগণের অস্ত্র আকর্ষণ করিতে নাই, আর আত্যিহিক-দেহত্ব নিশ্চয় আছে, সেই ব্যক্তি লাগিল, তাহাতে ঠিক এর জয় ধ্বনি হইতে লাগিল। পিশাচ পূর্বকালীন দৃঢ়সংখীরবলে সূমে গমনাগমন করিতে পারে। ভাবনায় মানবগণও পিশাচপ্রায় হইয়া গেল। জীবিত উট- ৬—১০। যে ব্যক্তি পূর্বে বহুবার অনুভব করিয়াছে যে, গণ ক্লিপকা অবলােকন কৰি অতি ভয়ে অর্ধমৃত হইয়া আমি অন দ্ধস্বভাব, সেজন্য আমি সূক্ষ্মতম ছিদ্রে গমন করিতে গেল। কোন কোন স্বলে বেতাল ও রক্ষেণ আনন্দোৎসব পারি, তাহা জীবচৈতন্যে তাদৃশ স্বভাব আবির্ভূত হইয়া থাকে। করিতে লাগিল। ২১-২৫। রাক্ষসীগণের স্কন্ধে নিপতিত শব- তখন সে সর্বত্রই অব্যাহত ভাবে গতি অবলম্বন করিতে পারে। রাশির শব্দে রাক্ষসগণতী হইল। ভূতগণের পেকে পেটায়) যৌন অন্তরে, বােিরও ভদ্রুপ। যে বস্তুর যে ভাও, তাহা নভােমার্গ সঙ্কট হইয়া উঠিল। মৃত নররূপ আমিষ পিশাচগণ সেইরূপ হইয়া থাকে,রি কখনও উদ্ধগামী হয় , পাৰক কখন কন্তুক অতি যত্নে আহত হইতে লাগিল' যে সমস্ত পিশাচগণ অধােদেশে গমন করে না, ছায়ায় বসিলে তাপ কিরুপে লাগিবে? শবভক্ষণার্থ অপেক্ষা করিতেছিল, তাহাদের ত্মীয়গণ রাশি রাশি পরমাত্মা সম্যক্রুপে বিদিত থাকিলে কোন প্রকার দুঃখ থাকে শব লইয়া তাহাদের সম্মুখে আনিয়া দিতে লাগিল। ক্ষতবিক্ষত না। ১১-১২। চিত্ত চৈতন্যের অনুগামী হয়। এতে যেমন বক্তাক্তদেহ মানবগণ মূৰ্ছাকে সংজ্ঞপ্রাপ্ত হইয়া অনূগণের সর্পভ্রম জ্ঞানবুলে বিনষ্ট হয়, রজ্জ্বজ্ঞানথাই থাকে, সেইরূপ মুখনিৰ্গত অগ্নিশিখােপম উজ্জ্বল আলােকে আশােক-পপ প্রষশেষ-শক্তিতে সম্বিৎপদার্থে ভ্রান্তিৰিলসিত চিরনিক্সট গায়, দুই হইতে লাগিল। বেতা-বালকগণ কবদিগের করা- মেন্যর অন্যথা হয়ে থাকে। চিত্ত যেমন সনির অনুসারী, দেশে ছিন্ন স্তক যােজনা করত ক্রীড়া করিতে লাগিল। সেইরূপ চেষ্টাও চিতের অনুসারিণ ইহা বালকেরও লুভব আকাশে ভ্রমণকারী য, রক্ষ ও পিশাচালি উলু (জলন্ত সিদ্ধ। যাহার প্রকৃত আকার স্বপ্নের ও সম-পুরুষের অনুরূপ অঙ্গার) আকাশমণ্ডকে প্রদীপ্ত করিয়া তুলি। আকাশ, ভুখর ও অথবা আকাশের সৎ, কিরুপে তাহা অবরুদ্ধ হতে পায়ে? ।
উৎপতি-প্রকরণ ০৭ চি- ব্রাকৃতি আভিবাহিক দেহ কোন প্রকারে অরু মুক্ত হই থাকে, এব তাঁহাদের স্মৃতি থাকারই সব নাই। হা না। হলগলন-প্রভাবে এই ভৌতিক শরীর অতি যখন তত্ত্ববিধ সৱা অব মুক্ত হইব, এখন যে পদ্ধতি দেব- বাহিকত্ব প্রাপ্ত হইয়া থাকে এবং চিত্তবৃত্তির উফয়ান্তানুসারে তাৱাৰিমুক্ত হইবেন, অহা বলা বাহুল্য। তােমাঝায়, অপর যে এই ভৌতিক দেহেরও উদয় ও অস্ত হইয়া থাকে, জ্ঞান ও কর্ম সকল জীব প্রবুদ্ধ থাকে, মােক্ষভাব বশ হলেই মৃত্যু অনুসারে উৎপন্ন উৎপন্ন ভূত সকলের একীভাবই স্কুলদহের স্মৃতিমূলক, অর্থাৎ প্রাক্তন সংস্কারই তাহাদের জন্মমৃত্যুর কারণ কারণ। অবিনাভাব-প্রভাবে চিত্তাকা, চিদাকান ও মহাকাশ এই মরণমূৰ্ছার পরেই জীবের অন্তরে যে অঙ্গ সৃষ্টির ভাব উখিয়া ত্রিজ্ঞ এক জানিবে এই চিতরীর সকল বন্ধুতেই আবির্ভূত অকিত হয়, তাহাই পরদিতে সৃষ্টির প্রকৃতি বলিয়া উদাত হইয়া থাকে। যেরূপ সংবেদনেচ্ছা হইবে, তদ্রুপই সংবেদনােয় আছে। তাহাকেই ষোমপ্রকৃতি বলা হয়, উহা অব্যক্ত, অড় ও হইবে। এই চিত্তশরীর এত সুন্ম যে, তাহা ব্রসরেণু মধ্যে অজড়ও বটে , সংসারােদয়ে সর্গ ও প্রলয়ের আদ্যন্ত অবধি এই অবস্থিত নেরে অনুহিত, অঙ্কুরমধ্যে বিলীন ও পল্লবমধ্যে সেই ব্যোমাঝিকা প্রকৃতি যখন প্রবুদ্ধা বা চিংপ্রতিফলিত হয় রপে অবস্থি করে। ১৩-২১। তাহাই জলে তরঙ্গতাব অর্থাৎ যখন তাহাতে অহতাবের উদয় হয়, তখন তাহাতে প্রাপ্ত হইয়া উল্লসিত হয়, শিলােদর নৃত্য করে, অম্বুদাপে তন্মাত্রাপঞ্চক, দি ও কাল প্রভৃতি সূক্ষ্ম ভাব সকল প্রৰিত ৰা জলধারা বর্ষণ করে শিলারূপে অবস্থান করে, যথেচ্ছায় অকালে প্রকাশিত হইয়া থাকে। ৩৪-৪•। অনন্তর তাই কিঞ্চিৎ যাইতে পারে এবং পরে জঠরেও যাইয়া থাকে। এই শরীর দুল, হইয়া সূক্ষ্ম ইন্দ্রিয়পক বিস্তারিত করে। সেই যে অনন্তআকাশব্যাপী হইয়াও পরমাণু হইয়া থাকে। এই শরীর সূক্ষ্ম দিন ইলিয়া হাই কে এভিহিত শরীর। অস্পশী অত্রিরুপে অবস্থান করে, দৃঢ়মূল হয়, দেহের বাহিরে ও অনেক কাল প্রৱে-মেই আভিবাহিক দেহ ‘আমি পুত্র’ এই অন্তরে বনরূপ দুরুহ ধারণ করিয়া থাকে। যেমন সমুদ্রের প্রকার কল্পনা দ্বারা পরিপুষ্ট হইয়া আধিভৌতিজ্ঞতা প্রাপ্ত হয়। অবৰ্ত্তর না সমুদ্র হইতে পৃথক্ নহে, সেইরূপ কোটি ব্ৰহ্মাণ্ড তখন সুলদেহাতি চক্ষুদির বশবর্তিতা বশতঃ তনুদেশকাল- বচনাও চিত্তস্বরূপের ভিন্ন নহে। এই চিরদেহই সৃষ্টির আদিতে গত পদার্থ সকল, বায়ুর স্পন্দন ক্রিয়ার চায়, তাহারই অধীনে মনুদ্বিগ্ন প্ৰৰোধকপে অবস্থিতি করে, পরে আকাশাত্মা ইয়া মহান তাহাতেই মিথ্যাভাবে উৎপন্ন হইয়া থাকে। এই প্রকার হয় ও প্রারব্ধ-কৰ্ম্মানুপে প্রবৃত্তি প্রাপ্ত হয়। যেমন কমরীচিকাতে ভবন্ত বৃথাই বুদ্ধি প্রাপ্ত হইয়া থাকে অসতই জলত্ববুদ্ধি দ্বারা উদিত হয়, এবং যেমন ‘এই বন্ধ্যাপুত্ৰ সহােগর গায় অনুভূত হইয়াও অসত্য হইয়া যায়। জীব সহি যাছে এইরূপ প্রীতি হয়, তদ্রুপ সেই আকাশও খনিষ্ঠ যেখানে মরে, সেই স্থানেই তৎক্ষণাৎ তাহাব উক্ত প্রকার জ্ঞান অসন্ধি দ্বাৰ। মহান ব্ৰহ্মাণ্ড হইয়া বিস্তৃত হন। রামচন্দ্র কহি হয়, সুং সেই স্থানেই ভুবন দর্শন ঘটিয়া থাকে। ৪১-৪৫। পেন,-গ। আমার এই চিত্ত কিঐ শক্তিসম্পন্ন ? আর হে রম। ঐ প্রকারে আকাশ-সম সূক্ষ্ম জীব বান্তব অলিশূন্য চিৎ সবই বা কেন নয় এবং আমাদের প্রত্যেকের চিন্তু ভিন্ন হইলেও আগন্তুক দেহাদি-ভাবনার বশবর্তী হইয়া আমি ভিন্ন জগৎ অনুভব করে, কি এক অভিন্ন জগং দর্শন করে বশিষ্ট জন্মিয়াছি’, ‘আমি জগৎ দেখিতেছি’ এই প্রকার বিবিধ কজিনে-হে রা। প্রত্যেক চিত্তই ঐপ শক্তিসম্পন্ন এবং ভ্রম অনুভব করে। নভােমণ্ডল গতঃ নিৰ্ম্মল অথচ অজ্ঞ লােকে প্রত্যেক চিন্তই পৃথক পৃথক অগভ্রম ধারণ করে। মহাপ্রলয়ের তা'তে ইন্দ্রনীল-কটাহাকার তল, মালি, কেশােক ও পর সৃষ্টি" এ প্রবল যেরূপে সঙ্গত হয়, অহা বলিতেছি, সুরওনাদির। জগদভ্রমের বিশেষণ অনেক। ম ক্ষণকাল মধ্যে অসখ্য ও অনন্ত জগৎ সমুদিত ও বিগলিত হয় ও মবাসী, স্বর্গ ও গবাসী ইতি দেবতা, তাহাদের বাসস্থান তাহাও বলি তছি শ্রবণ কর। এই জগতে মরণমু সকলেই অমরাবতী, সুমেরু প্রভৃতি পর্বত, তাহার প্রদক্ষিণকারী চুল অনুভব করিয়া থাকে। হে সুমভে। ঐমূর্ভাই মহাপ্রলয়ের বামিনী ও তারানিকর, ইহা মর্ত্যলোক, অত্র মানব, তাহাদের অা অকপ, সেই প্রলয়লি প্রভাতা হইলে সকলেই পৃ পৃথক্ মরণ বৈকুণ্য ব্যাধি ও সঙ্কর, অনুকূল বিষয়ে উদযােগ ও প্রতিকুল সৃষ্টি বিস্তার করে। যাহার যেমন জ্ঞান ও যেমন কর্ম, ও তদনুরূল বিষয়ে অনুযােগ, ঐ সকলে সম্পন্ন স্কুল সূক্ষ্ম চর ও অচৰু প্রাণি সৃষ্টি দর্শন ও অনুভব করে, অর্থাৎ যেমন বিকারগ্রস্ত রােগী সমূহ, সমুদ্র, পর্বত, পৃথিবী, নদী, অধিপতি, দিবা, রাত্রি, ক্ষণ চিত্তব্যামােহে পরে নৃত্য দেখে তাহার ন্যায়, অনাদি বিদ্যার ও কল্প এবং আমি এই স্থানে, এই আমি, এই পিতাকর্তৃক জন্ম- প্রভাবে সংসারের সৃষ্টি অনুভূত হয়। যেরূপ মহাপ্রলয়ের অবসান গ্রহণ করিয়াছি, এই আমার আধার, এই আমার সুকুত, এই হইলে সমষ্টি-নেপু হিরণ্যগর্ভ সমষ্টি-জোপক বিস্তার করেন, আমার দুষ্কৃত, পূর্বে বালক ছিলাম, এক্ষণে যুবা হইয়াছি, হৃদয়ে তাহার ন্যায়, ব্যষ্টি মনোষপু জীবও মৃত্যুর পরে স্ব স্ব ভােগ্য আমার বহু ভাব বিলাস করিতেছে, প্রত্যেকেরই হৃদয়ে এইরূপ অনাদি ব্যষ্টিপ্রপঞ্চ বিস্তার করেন। ২২-৩০। রাম কহিলেন,- ভ্রমে সংসারুরূপ নখণ্ড উদিত হয়, যে বনখণ্ড ভারাক্ষণ দ্বারা ভগব। যেমন ব্যষ্টিমনােৰপু জীব মৃত্যুর পরে স্মৃতি দ্বারা স্বকৃত কুসুমিত ওনীল মেঘখণ্ড দ্বারা পুজৰিত, বিচরণকারী নরগণ যাহার সৃষ্টি অনুভব করেন, সেইরূপ সমষ্টি ও মহাপ্রলয়ের পর স্বকীয় মৃগগণ ও সুরাসুরগণ বিহঙ্গমস্বরূপ। আলােক ইহার কুসুমরাজি যথার্থ স্মৃতি দ্বারা সৃষ্টিপ্রপক অনুভব করেন। অতএব এই বিশ্ব পরাগ, অন্ধকারবিহ ইহার গহনকুঞ্জ, সমুদ্র ইহার পুষ্করিণী, অকারণ অর্থাৎ ব্রহ্মা ভিন্ন অপর সত্যকারণ, ইহা হইতে মেরু প্রভৃতি পর্বতগণ ইহার লােয়াশি, চিত্ত ইহার পুৰীজ পারে না। কেননা, সত্যসঙ্কল্প হিগর্ভের সত্য সঙ্কলে যাহা এবং তার অন্তরে অনুভবরূপ অন্তুর নিহিত রৰিছে।৪৬-৫৩ উৎপন্ন হইয়াছে, তাহা অসত্য দুইবার কোন কারণ নাই। বশিষ্ঠ যে মূলে এই জীবদিগের মৃত্যু হয়, তথায় তাহারা কাল মধ্যে কহিলেন, রাম। মহাপ্রলয়ে হরিহরদি সকলেই বিদেহ- এই সমস্ত সংসার-বনখণ্ড দর্শন করে। কোন কোটা ব্রহ্মা, রুদ্র, যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ •• একমাত্র । মরুৎ, বি বিষন, গিরি, অমিণ্ডল ও প গত হইয়াছে। , বিকশিত তীররক্ষ যেমন পদ্মিনীর পদ্মদয়ে পুষ্পপ্রক্ষেপ কবে, নিরাকার পরঙ্গে যে কত অসংস্বরূপ আবির্ভূত হইয়াছে ও সেইরূপ রাজা তাহাদিগের পাদপদ্মে সেই কুসুমাঞ্জলি প্রদান হইবে, তাহা কে নিরূপণ করিতে পারে? এই ভিত্তি স্থূল | করিলেন। ৬-১০। অনন্তর ঈশ্বরী সরস্বতী শীলাকে ভূপের বিশ মনন ব্যতীত আর কিছুই নহে। যদি বল মন চঞ্চলম্বভাব, জন্ম বলিবার নিমিত্ত পান্থ মন্ত্রীকে সঙ্গ দ্বারা জাগরিত ফুল স্থিরভাব; বিচার করিয়া দেখ ইহাও চঞ্চল (ফতর) করিনে। মন্ত্রিবয় জাগরিত হইয়া অঙ্গরায়কে অবলােক যাহাকে চিদাকাশ লা হইয়াছে, তাহাই মনন অর্থাৎ তাহা মনে করিলেন এবং প্রণাম করিয়া নত ও অগ্রবর্তী হইয়া উহাদিগের অব্যতিরিক্ত আশ্রয়, যা চিদাকা, পরমার্থদৃষ্টিতে তাহাই পাদপদ্মে কুমাঞ্জলি প্রদান করিলেন। দেশী কলিলেন,-হে পরমপদ। যা জল তাহাই আব; যাহা দৃশ্য তাহাই দ্রষ্টা। | রাজন । তুমি কে ? কাহার পুত্র ? কিরূপে জন্মগ্রহণ করিয়াছ ? জলের ও আবর্তের অভিন্নতার দৃষ্টান্তে দৃও দ্রষ্টা হইতে ভিন্ন এই স্থলে কখন আসিলে? মন্ত্রী সরস্বতীর এই প্রশ্ন গুনিয়া নহে। যেমন ঐজালিক মণি আকাশমণ্ডলে বিবিধ ছিদ্র ও কহিতে লাগিলেন, হে দেবীদ্বয়। আপনাদের অগ্ৰেযে আমি তন্মধ্যে নানবিধ বিচিত্র বম্ব প্রতীয়মান করায়, তেমনি মিথ্যারূপী বলিতে প্রবৃত্ত হইতেছি, ইহা কেবল আপনাদের অনুগ্রহ, আমার অনাদি কষাও চিকাশে অথবা সূক্ষ্মভূত-বিরচিত চিত্তাকাশে প্রভুর জন্মবৃত্তান্ত কহিতেছি, শ্রবণ করুন। ইস্ফাকুবংশেৎপন্ন নামৰূপাদিসম্পন্ন বিবিধ-বস্তু-দর্শনকারী জীবভাবের স্মরণ করাইয়া পদ্মনয়ন শ্রীমান মুকুন্দরখ নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি বাহু- খাকে। চিত্রের সেই সেই ফুরণ এক্ষণে জগৎ। বলে সমস্ত ভূমণ্ডল আক্রমণ করিয়াছিলেন,। ১১-১৫ ভথ ‘আমি’ এই জ্ঞান থাকিলই আগৎ শব্দ পরমার্থরূপে অনুভূত নামে তাহার এক চন্দ্রবদন তনয় হয়। তাহার পুল বিশ্ববশ, বিশ্ব- হয় কিন্তু তুমি এইরূপ জ্ঞান দ্বারা জংশ অলরাপিত রথের পুত্র বৃহদ্বথ, বৃহদ্রথের পুত্র সিন্ধুরখ, সিরথের পুত্র শৈশ, বুলি বোধ হয়। হে রাঘব। চিপাকাশরূপিণ পরমাত্ম- শৈলরখের পুত্র কামরখ, কামরথের পুত্র মহাবখ, মহারখের পুত্র স্থিতা অপ্রতিহতগামিনী সেই লীলা ও সরসতী এই কারণে বিসুখ এবং বিসুরথের পুত্র নভেরখ। সে নলােরখে পুত্র উক্ত প্রকারে নিজ নিচ্ছানুসাৰে বিন্দুরখগৃহে আবির্ভূত আমাদের এই প্রভু , ইনি ক্ষীরােদসাগরের চন্দ্রমার ন্যায় অমৃত হইতে পারেয়াছিলেন। চি সৰ্বগামী এবং হাতেই যথার্থ সদৃশ মেমৰ্যাদি গুণসম্ভারে সমুদয় লোককে সন্তপিত কবেন। জ্ঞানের উদয় হয় আর তাহা আতিবাহিক ও সূক্ষ্ম। অতএএমন ইনি মহৎ পূণালঙ্কার বিখ্যাত ও দিবথ নামে পরিচিত। যেমন কি আছে যে তাদৃশ সূক্ষ্ম ও সততাগামী আতিবাহিক দেহকে কার্তিকেয় গৌরী মাতার গর্ভে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন, তদ্রুপ মুমিল। অবরােধ করতে পারে ? ৫১-৬৪। মতার গর্ভ ইন জন্মগ্রহণ করিয়াছেন । পিতা ইহাকে দশবর্ষবয়সে চরিংগ সর্গ সমাপ্ত। ৭০ । রাজ্য প্রদান করিয়া বনে গিয়াছেন। ১৬-২০। তদবধি ইনি ধৰ্ম্মতঃ ভূমণ্ডল প্রতিপালন করিতেছেন। অদ্য আপনাদিগের আগমনে আমাদিগের পুণ্য রক্ষ সলিত হইল। শত শত কষ্ট তপস্যা কাল ব্যাপিয়া করিলেও আপনাদিগের দর্শন ঘাট না। একচবাৱিংশ সগ হে দেবীদ্বয়। এই বসুধাশ আজ আপনাদের অনুগ্রহে অতি বশিষ্ঠ কহিলেন,-মনন্তর সেই দেবীদ্বয় সেই রাজগৃহে পবিত্র হইলেন। মন্ত্রী এই কথা বলিয়া তৃষ্ণীস্তাব অবলম্বন করিলেন, প্রবেশ করিলে, চন্দদয়ের উদয়ে ঘেরপ অলােক , সেইরূপ অলিপতিও কৃতঞ্জলি ও নমনে অবনিতলে পদ্মানে অবস্থান ধবল আলােকে সেই গৃহ সুখেতিত হইল এবং মন্দার কুসুমের করিতে লাগিলেন। অনন্তর সরস্বতী " রাজন। বিবেক দ্বারা গন্ধবহীকোমল বায়ু প্রবাহিত হইতে লাগিল। সেই দেবীদ্বয়ের পূৰ্ব্বতি স্মল কর' এই বলিতে বলিতে তাহার মস্তকে করস্পর্শ প্রভাবে সেই গৃহে বা ভিন্ন অপর সকলেই নিদ্রিত হইয়া করিলেন , অতঃপর পদ্মভূপভির ঈদয়স্থ জীবের আবরক সমােমায়। বহিল। সেই স্থান সৌভাগ্যে নন্দনকাননের ন্যায়, তথায় যাধি- দূর হইল ২১-২৫। জ্ঞপ্তিদেবীর স্পর্শে তঁাহার হৃদয় বিকাশিত পীড়া একেবারে রহিল না, সুতরাং বসন্তলীন বনের ন্যায় এবং হইল। তিন সমুদয় পূর্বজাতিবৃত্তান্ত স্মরণ করিলেন। তিনি প্রাতঃকালীন অসুজের গায় প্রযুন্ন হইয়া রহিল চন্দ্রের ক্ষরিত সম্রাট ছিলেন, তাহার লীলানী মহিষী ছিল, তিনি রাজ্য ও দেহ গিজালে আৰু শীল তাহাদের দেহপ্রতপ্রবাহ রাজ যেন পরিত্যাগ করিয়াছিলেন, প্রজ্ঞপ্তিম্ভ, লীলার বিলাস ও আত্ম- অমৃতসিক্ত ও আহলাদিত হই জাগরিত হইলেন এবং দেখিলেন, বৃত্তান্ত সমস্ত জানিতে পারিয়া সমুদ্রে যেন ভাসিতে লাগিলেন। মেরুশঙ্গয়ে উদিত চন্দ্রবিম্বরের স্যায় আসছে সেই অপরায় মন মনে বলিতে লাগিলেন, কি আশ্চর্য। বিস্তৃত সংসারে লােভিত রহিয়াছেন। ১৫। সেই রাজা বিশ্বিলচিত্তে নিমেষ এই মায়া আমি এক্ষণে দেবীদ্বয়ের অনুগ্রহে জানিতে পারি- কাল চিন্তা কবিয়া, অনন্তশয্যা হইতে চক্রগধরের ন্যায় শয্যা অম। রাজা কহিলেন-হে দেবীদয়। এ কি, আমি যে একদিন হইতে উঠিলেন। কলম্বি মা, হার ও অপােবাস সংঘমিত মরিয়াছি , কিন্তু আমার বয়স এক্ষণে সপ্ততি বন্ধ হইয়াছে। (মিড্রাৰেৰে বিপৰ্যন্ত ছিল, এলো যথাস্থানে নিবেশিত) করিয়া কি আশ্চর্য্য । আমার এক্ষণে সকল কাব্যের অন্ত্রণ হইতেছে। পুষ্পহারের ন্যায় উপধন প্রদেশে পূষ্পবশুরু হইতে উৎফুর প্রপিশহকে স্মরণ করিতেছি, বাল্য, যৌবন, মিত্র, বন্ধু ও পরি- কুসুমাঞ্জলি গ্রহণ করিলেন এবং আনত হইয়া ভূমিতে পদ্মাসনে ছ সমই স্মৃতিতে আসিয়াছে। ২৬–৩। জ্ঞপ্তিদেবী অবস্থান কর কহিতে লাগিলেন,-'হে অল্প দুথ ও ত্রিবিধ কহিলেন,-াজন। মৃত্যুমূৰ্ছার পর এই তােমার গৃহে ত্বধিষ্ঠিত তাপের শিপ্রভাস্বরূপা, বাহ ও অন্তর্গত মেৰিদূরকরণে রবি- চিদাকাশ মায়াবরণ দ্বারা তিরােহিত হইলে গিন্নিগ্রামবাসী বিয়ে প্রভাস্বরূপ বেষয়। আপনাদের জয় হউক। এই কথা বলিয়া, গৃহ, পদ্মভূতিরাজ্য এবং তথ্য প্রধান গৃহ ওগৃহাকাশ সমস্তই উৎপত্তি-প্ররণ কিংবা সত্য নহে, তাের অন্তরাকাশে প্রসিজি হইয়াছিল। তুমি যাই। যাহা করিতেছি, এ সমস্তই সেই গৃহাকাশে অবস্থিত। সে মণ্ডপাকাশ দেখিয়ছ, তাহা সমস্তই উক্ত ব্ৰহ্মাণ্ডমণ্ডপে অন্য কোথাও নহে । কি? সে এলাকাশ-নিৰ্ম্মল ব্রহ্ম। যেই মণ্ডপে মই, পতন, প্রত্যেক জগতই ঐরূপ। তমারই জীব সেই গৃহাকাশে আমার বন, ল, সরিৎ, অর্ণব, মানবগণ ও পর্বত প্রভৃতি কিছুই নাই। উপাসক হইয়া অবস্থিত ও সেই প্রকারে প্রাথিত হইয়াছিল। সেই জনগণের ভ্রমণ ও পরস্পর দর্শনাদি সমস্তই মিথ্যা এবং সমতই স্থানে তােমার জীব ছিল, সেই স্থানেই পদ্মপালের পৃথিবী এবং চিত্র পরিপূর্ণ। ৪৬–৬১। বিদূরখ কহিলেন-হে দেৰি। সেই পৃথিবীতেই তাহার জ্যাদি ও সেই নেই তোমার ঐ যদি এ সমস্ত কিছুই নহে, তবে আমার এই সমস্ত অনুচরগণ কি এরমধর গৃহ রহিয়াছে। নিৰ্ম্মল আকাশ অপেক্ষাও মুনিৰ্ম্মল আ হইতে সমুৎপন্ন হইয়া আত্মাতেই অবস্থিত আছে, অথবা ত্বদীয় চিদাকাশে ঐ সকল ব্যবহারসমূহের বিস্তার প্রতিভাত অন্য কিছুতে অবস্থিত আছে ? যদি এই জগৎ স্বপ্নানুভুত পদার্থের হইয়াছিল “আমার এই নাম, এই জন্ম, এই আমার ইক্ষাকুকুল ব্যায় হইল, তবে তত্ৰত্য নরগণ স্বপ্নানুভূত পদার্থ হইয়া কিরুপে এই একার নামে এই আর পিমহদি পূর্যে হইয়াছিলেন আত্মাতে সত্যপে অবস্থিতি করিতেছে? আমি জম্ময়াছি, আমি বলক—শবর্যবয়স্ক ; আমাকে রাজ্যপ্রদান তাহা আমার নিকটে প্রকাশ করিয়া বলুন। সরস্বতী কহিলেন- করিয়া আমার পিতা পরিক হয়া বিপিনে গিয়াছেন, তার রাজন। বিদিতবেদ্য শুদ্ধবােধ একরূপী চিঘাম আসমূহে পর আমি দিবিজয় করত নিকন্টক জে ঐ পুরবাসী মন্ত্রিগণের ¥ সপ কিছুই নাই সপ কিছুই নাই। সুবোধ আত্মার কিরূপে অগভম হইতে সহিত পৃথিবী পালন করিতেছি। আমি যজ্ঞক্রিয়ানিরত পারে ? রজ্জতে সর্পভ্রম নিত হইলে পুনঃ সৰ্পৰম কিরূপে হইয়া ধৰ্ম্মত প্রজাপালন করিতেছি , আমার সপ্ততিবর্ষ বয়স হইবে ? অসত্তাই যখন প্রতিপাদিত হইল, তখন অগমে সত্তা অতীত হইয়াছে এই শত্রুবল উপস্থিত, দারুণ যুদ্ধ হইতেছে, কি হেতু হইবে ? মৃগতৃকার প্রখ্য অবগত হইলে তথায় আর এই যুদ্ধ করিয়া আসিয়া গৃহে উপস্থিত আছি, এইদেবীদ্বয় এইদেবীদ্বয় জলভ্রম হয় না। স্বপকালে প্রবোধ দ্বারা স্বল জগতে আমার গৃহে আসিয়াছেন, ইহাদিগকে আমি পূজা করি ইলে স্বল্পমৃত্যু কিরূপে হইবে? যে মৃত নয়, স্বপ্নে স্বপ্নভয় দেবগণ পূজিত হইলে অভিলষিত প্রদান করিয়া থাকেন, তাহাই হইয়া থাকে। হে মহারাজ। অজ্ঞানরূপ মেঘের আবরণ ইহাদের দুইজনের মধ্যে এই দেবী, সূর্যকিরণ যেমন পদ্ম বিকা- ঘূচিলে, শরৎকালীন নভশ্রীর ন্যায়, স্বচ্ছ অবদাত ও অতি বিস্তৃতা- শিত করে, দ্রুপ সেই আমার জাতিতিপ্রদ জ্ঞানের বিকাসন শয় তত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তির এই আমি, এই জগৎ' এ প্রকার কুৎসিত করিয়াছেন এক্ষণে কৃতকৃত্য হইয়াছি , আমার সংশয় দূর শব্দার্থ হয় না, বাস্তবিক তাহা বাচিকমাত্র। বশিষ্ঠ মুনি এইরূপ হইয়াছে, এক্ষণে আমার কোন দুঃখ নাই আমি সর্বতােভাৰে বলিতে বলিতে জিৰাবসান হইল, সায়ন্তন-বিধি অনুষ্ঠানাথ সুখী হইলাম.” (প্রিদেবী কহিলেন,-মহারাজ। এইপ্রকার রবি, অস্তাচলে গমন করিলেন। সভাস্থ সভ্যগণও পরস্পর লোকান্তরচার বহুবিধ ভ্রান্তিই তােমায় বিস্তৃত হইয়াছে, আর অভিবাদন করিয়া মান ও সায়ন্তন কাৰ্য্যার্থে উঠিলেন, পরে রাত্রি কিছুই নাই। পূর্বে তুমি যে মুহূর্তে মৃত্যুগ্রস্থ হইয়াছিলে তখনই অপগত হইলে, তাঁহারা আবার সূর্যকিরণের সহিত সমাগত তােমার উদরে এই প্রতিভা স্বয়ং উদিত হয়। যেমন নীহ হইলেন ৷ ৬২-৬৯। এক আবও পরিত্যাগ করিয়া অন্ত আবর্তচলন গ্রহণ করে, জ্ঞান- একচত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪১। প্রবাহও সেইরূপ এক দৃশ্য ত্যাগ করিয়া অন্য দৃশ্য প্রতিভাসিত ইতি পঞ্চম দিবস। করে। যেন আ অ আবর্নের সহিত সংমিশ্র হইয়া প্ৰবৰ্ত্ত হয়, তদ্রুপ সৃষ্টিীমি ওঅমিশ্রভাবে প্রবর্তিত হয়। ৩১-৪৫, এই জগজ্জাল সেই মৃত্যুহূর্তে তােমার চিৎক্লপ ভানুর নিকট প্রতিভাত হইয়াছিল, এই সমস্তই অসংরূপ। যেমন স্বল্পক্ষণমধ্যে খিটরিংশ সর্গ। সংবৎসর এম হয়, যেমন সঙ্করচনায় জীবন ও পুরণ হয়, যেমন গন্ধর্বনগরে ভিত্তিশােভার পরিজ্ঞান, নৌকাগমনৰেগে যেমন বৃক্ষ বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রাম! যে ব্যক্তি মৃঢ় অবুদ্ধমতি ও পরম পর্বতাদির কম্পন অনুভূত হয় যেমন স্বীয় বাতপিত্তশ্লেষ্মর প্রকোপ পদে দৃব্যুৎপন্ন হয়ু নাই, এই অসং জগৎ তাহার নিকটে বক্সের জাত সন্নিপাতরোগে অপুর্ব পর্যনৃত্য দেখায় ও যেমন স্বপ্নে নিজ দৃঢ় ও সৎ ৰলিয়া বােখ হয়। বেতাল যেরূপ বালকের মরণ মস্তক কৰ্ত্তন অনুভূত হয়, বিস্তৃতরূপ এই ভ্রান্তিও তদ্রুপ মিথ্যা, পৰ্য্যন্ত দুঃখ প্রদান করিয়া থাকে, সেইরূপ অসদাকার এই জগৎ বন্ধু তুমি জন্মগ্রহণ কর নাই বা কখনই মৃত হও নই। তুমি মূঢমতির নিকটে আকারসম্পন্ন হইয়া দুঃখপ্রদ হইয়া থাকে। শুদ্ধৰিজ্ঞানস্বরূপ শান্ত পরমাত্মায় অবস্থিতি কৰিচ্ছে। তুমি এই মরুভূমিস্থ সূৰ্য্যকিরণ বেরূপ বারির ন্যায় দৃশ্য হইয়া মৃগদিগের ভ্রম অখিল জগৎ দর্শন করিছে অথচ কিছুই দেখিতেছ না, সর্বাত্ম উৎপাদন করে, অপ মূঢ়মতির সকাশে অসত্য এই জগং সত্য- কত হেতু তুমি আপনি আপন আত্মায় প্রকাশিত হইছে, এই যে রূপে প্রতিভাত হয়। যেমন প্রাণীর স্বপ্নদৃষ্ট মৃত্যু অসত্য হইলেও মহামণির ন্যায় উল ও সূর্বের ন্যায় ভাস্বর ভুঠ, ইছা যাধিক সত্য বলিয়া ভীত হইয়া শােকখাদি কার্যের হেতু ভূপঠ নহে, দুমিও বাৰিক ঐরূপ নহ। এই সমস্ত গিরি বা হয়, অপই মূঢ়ক্ষতির নিকট এই জগৎ। অভিজ্ঞ ব্যক্তির নিকটে গ্রাম নহে, এই আমরা কিছুই নহি। গিরিবাসী বিনি যেমন কনক, কনও কট কটকবুদ্ধিই থাকে, অণুমাত্রও মণ্ডপাকাশে সর্তৃক লীলার সহিত গম্বর জগৎ এতিভাত হেমবুদ্ধি হয় না, সেইরূপ অজ্ঞ ব্যক্তির পূর, সুগার, নগ ও হইতেছে। সেই যে গৃহাকাশবিত আকাশমণ্ডল নীল-রা নাগেশ্র প্রভৃতিৰ তৃত হয়— পকৃষ্টি হয় না। ১-৫। ধানীতে মুভি হিয়াছে, আমরা কে এই আগতে অবস্থিতি নগেমনে মুক্তালি, পিস্থ ও শােক প্রভৃতি অত্য যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। T - ২২লেও সত্য বলিয়া বােধ হয়, সেইরূপ পরমার্থকৃষ্টিহীন ব্যক্তির থাকিয়া প্রয়ােজন কি? বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! দেবী নিকটে এগং বােধ । অহতাবনিযুক্ত এই বিশ্ব দীর্ঘ, স্বপ্ন সরস্বতী মধুরকে এইরূপ কহিলে ধীমান্ বিদূরণ মহীপতি বলিয়া জনিবে। এই বিশ্বে ঋতিরিক্ত স্বপ্নদৃষ্ট পুরুষপ্রায় পুরুষগণ কহিতে লাগিলেন,হে দেবি। যাচকের নিকট আমার রহিয়াছে, তাহারা কতদূর সত্য তাহা প্রবণ কর। ঐ যে অচেত্য পশন যখন বিফল হয় না, তখন মহাৰুল-প্ৰদাত্রী আপনকার চিত্ৰপু, শান্ত, নিরতিশয় সত্য, পরমাকাশ বিস্তৃত রহিয়াছে, দর্শন কি এ বিফল হইবে ? ২৬–৩। হে দেবি। স্বল্প অহাই সর্বগত সর্বশক্তিমানু ও সর্বাত্মক। ইনি স্বীয় পূর্বর হইতে স্বপ্নার ভিন্ন স্থায় আমি ই দেহ পরিত্যাগ করিয়া ও সর্বশক্তি বলিয়া যে যে স্থানে অর্থাক্রয়ােপৰােগী হইয়া উদিত স্বীয় প্রাক্তন সেই প্রাপ্ত হই, আপনি আদেশ করুন। হন, সেই সেই স্থানে তদনুরূপ ক্রিয়াদি প্রথিত হইয়া থাকে মত। এই বিপন্ন মাগতকে অবলােকন করুন। হে বরদাত্রি। ৬-১০। এই বিশ্বকাপ স্বপ্নপুরে গর্শক বাহাকে পুরবাসী ভক্তের প্রতি অবহেলা মহব্যক্তির শােভা পায় না। আমি যে নগণ বলিয়া জানে, তাহার নিকট ক্ষণকালের অন্ত সে নর বলিয়া প্রদেশে গমন করিব, আয় আমার এই মন্ত্রী ও এই কুমারী প্রতিভাত হয়। দ্রষ্টার স্বরূপ কত স্বপ্নাকাশের অন্তরে যেন গমন করিতে পারে, আমার প্রতি দয়া করুন। সরস্বতী অবস্থিসেই চৈতন্য স্বপ্নদ্রষ্টার বাসনানুসারে বাসনার আধার কহিলেন-হে মহারাজ। তুমি আই নিঃশঙ্কচিত্তে খাবােশ্য চিত্তের সহিত এক হইয়া প্রকাশ পায়, তংভাবেই সে আপনাকে বিলাসসম্পন্ন রাজ্য পালন কর। আমাদিগেরােরা কোন নর বলিয়া বােধ করে। সেই চৈতন্যের প্রভাবেই নরত্ব খাচকের মনােরথ নিয়াকৃত হইয়াছে, ইহাকেই কখনও দেখে নাই বােধ হয়। এই কারণে চিনেই দুইয়েরই সত্যতা প্রকাশ পায়। জালিবে ৩১-৩৪। রাম কহিলেন-হে মৃনে। যদি মাঝমাত্ৰশরীরী স্বপ্নে স্বপ্ন দ্বিচারিং সর্গ সমাপ্ত। ২। প স না হয়, তাহা হইলে দোষ কি, আপনি বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। স্বপ্নালেও পুরবান্তব্য প্রভৃতি সত্যরূপে প্রতীয়মান হয়, প্রত্যক্ষ ভিন্ন এ বিষয়ের অঙ্গ জিচারি সর্গ কোন প্রাণ নাই।১১-১৫। সৃষ্টির প্রথমে স্বয়ম্ভু স্বপ্নাত সরস্বতী কহিলেন-হে মহারাজ। এই মহারণস্থলে তোমাকে ও অনুভবাত্মক ইয়া প্রকাশ পান। তাঁহার সঞ্চলের ফলস্বরূপ মরিতে হইবে। অনন্তর তুমি সমস্ত প্রাক্তন রাজ্য প্রত্যক্ষই প্রাপ্ত এই বিশ্ব স্বপ্নতুল্যই। হে রাম! এইরূপে এই বিশ্ব স্বপ্নসদৃশ, হইবে। তুমি, তােমার মন্ত্রী ও কুমারী সেই প্রাক্তন পুরে খাইতে এবিষয়ে তুমি যেরূপ আমার সম্বন্ধে সভ্য, নগণের নিকট পারিবে এবং তথায় শীভূত তশরীর প্রাপ্ত হইবে । আমরা অন্য নগণও সেইরূপ সত্য ,যদি স্বপ্নে নগরবাসীরা সত্য না হয়, দুইজনেও যেমন আসিয়াছি, ভয় প যাই, তুমি বায়ুপে তাহা হইলে আমার ভদাকা-ইহাতেও অণুমাত্রও সত্যবুদ্ধি তথায় যাইবে, সেই স্থানে কুমারী ও মন্ত্রীও যাইবে। হয় না। তােমার নিকট আমি যেরূপ সত্যা, আমার নিকট গতি অন্তৰিধ, র ও উষ্ট্রের গতিও অপর প্রকার, মদাগিস্থল সেইরূপ সকলই সত্যাত্মা। সপ্তকর এই সংসারে পরস্পর সিদ্ধির দীর গতিও ভিন্নপ্রকার। যখন মধুরভাষী রাজা ও সরস্বতীর এই প্রমাণ। বিপুল সংসারে স্বপ্নে আমি যেন তােমার নিকট এই একার পরস্পর কথােপকথন হইতেছিল, তখন সসম্ভ্রমে সত্য, সেইরূপ তুমিও আমার নিকট সত্য, স্বপ্নের এই ক্রম। উর্ঘদিক্ দিয়া একটা লোক আসিয়া রাজার নিকট কহিল শ্রীরামচন্দ্র কহিলেন, হে ভগব। আমার বােধ হইতে, দেব। সমুদ্ধত উদ্দেল মহাসাগরের ন্যায় দৃশ্যক্ষন একল বিপক্ষ স্বপ্নদ্রষ্টা নিদ্রিত হইলেও ভদ্রষ্টার স্বপ্নদৃষ্ট নগয়াদি সজ্রপ বলিয়া গায়ক, চক্র, গল্প ও পল্লি অস্ত্র বর্ষণ করিতে করিতে উপস্থিত সোপই থাকে। বশিষ্ঠ কহিলেন-তুমি যাহা মনে করিয়াছ, হইয়াছে। তাহারা পরম আনন্দ ও উৎসাহ সহকারে, তাহা ঠিক, স্বপ্নদৃষ্ট পনাদি সত্য বলিয়া তাহাই থাকে, স্বপ্নদ্রষ্টা এলবাতচালিত কুল হইতে শিলাবণের ন্যায়, গ, শক্তি ও নিদ্র ইলেও আকাশের ন্যায় বিশদাকার থাকে। এ বিষয় ভুমুখী অস্ত্রের বর্ষণ করিতেছে। নগসদৃশ এই নগরের চতুর্দিকে এক্ষণে থাকুক। বাহা জাগ্র বলিয়া মনে করিছে, তাহাও আন লাগিয়া চটচটা শব্দে এই শোভা পুরী দগ্ধ করিতেছে। অস্বাপদেশকালাঁদপুরক স্বপ্ন বলিয়া জানিযে। এইরূপ এ এলয়মেধসমূহের ন্যায় সেই অগ্নির ধুমরাশিরূপ মহাদ্রি সকল সমই সত্য নহে, সত্যের স্থায় অবস্থিত, স্বপ্নানুভূত মুরতে পক্রিয়াজের স্থায় উড্ডয়ন করিতেছে। বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই চায় মিথ্যা মানকারী। সমস্তই দেহের বাহিরে ও অন্তরে পুরুষ সসমে এইরূপ বলিতে লাগিলে বহির্দেশে গভীর সর্বত্রই বিদ্যমান রহিয়াছে। সংবিদ সর্বদেশকালাদিপূরক শব্দে ছুর্দিব্যাপী মহা কোলাহল হইয়া উঠিল। ১০। বলিয়া সত্য ও মায়াশক্তিপ্ৰতাৰে সৰ্বত্ৰই সৰ্বভাবে স্কুরিত কোথা হইতে বলপূর্বক আৰুণা শবর্ষী থলুর শষ হইতে হয়। ২১-২৫। ধনাগারের জন্য রহিয়াছে, স্রষ্টা তাহা লাভ লাগিল,কোথাও বা এতিমও বেগবান্ ফুরের কাহিনি ক্ষতি করিয়া থাকে, সেইরূপ চিকাণে গত রহিয়াছে, এই গােচর হইতে লাগিল। ও রহিয়াছে, এই গােচর হইতে লাগিল। পুরাহ হতানের চটচটা শা, চিনাকাশই তাহা দেখায়। নত দেবী জ্ঞপ্তি বিদূখের গন্ধ পুরবাসীদের মহা কোলাহল, ইলেবিকীর্ণ-অগ্নি- জানাসেকরা জ্ঞানার উৎপন্ন কনিকা কহিতে লাগিলেন, জ টাঙ্কারধ্বনি এবং জ্বলিত অগির গ বগ শব্দ হোল। আমি লীলাৱ নিমিত্ত তােমার নিকট এই সমস্ত ভিগেইল। অনকার বেবী, রাজা বিয়েখ ও বল কৰিণে তেমার মল হউক, আমরা ভাল হতে দেখিলে, সেই মহানিশায় মহানগরী নগন করি। লীলা ত্বদীয় মণ্ডপাত ও কলনারূপ শব্দে পরিপূর্ণ, জানলে জোতপ্রাপ্ত মহাশূন্দ্রের আয় বেগ- बाल विधान দৃষ্টান্ত দর্শন করিনে। আমার আমাদের সশ, হেভিরূপ যে ক ক সমাজ উৎপতি-প্রকরণ । প্রক্ষিতে বহমান ভূরের ন্যায় পৰিমান আকাশব্যাপী এই নারী অগ্নিান্ধ না হইলে লােক হইতেছে। অগির মহাশিখা সকল পুরাহ করিতেছে ১১-১৬। তথায় সত্বর আইস, তােমার এই মন্দির অঙ্গাররূপে পরিণত হন। প্রলয়- গণ পরশলুণ্ঠনে ব্যাপৃত হইয়া মেয়ের স্থায় ভীষণ কালে সুমেরুলতের রায় পতনোন্মুখ হইতে। তর্জন গর্জন করিতে লাগিল। পুর ও আবৰ্ত্ত মেঘের সমান শর, শিলা, শক্তি, কু, এস ও অসি প্রভৃতি এলভের ধূমাবলি খরা আকাশমণ্ডল আচ্ছাদিত হইল ও প্রােডীয়মান গায় গবাক্ষমার্গ দ্বারা গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করিতে লাগিল। যেমন হেমসদৃশ অগ্নিশিপুকে পরিপূর্ণ হইল। অলংকাষ্ঠরূপ তল্লা- অর্ণব হইতে জলপ্রবাহ উল বুড়বানলে প্রবেশ করে, হায় হায়। সমূহে অম্বরল সন্দী হইয়া উঠিল প্রজ্বলিত গৃহসমূহ জপ অস্ত্রপ্রবাহ এই পুরীতে হুশনে প্রবেশ করিতেছে। হইতে সমুখিত অগ্নিশিখাসমূহ স্পর মিলিত হইয়া প্রজ্বলিত ধূম সকল মহামেখে লীন হইতেছে। অগ্নিশিখা, সমুদয় পরাজির শােভা বারণ করিল। আহত সৈঙ্গগণ পুরমধ্যে প্রাসাদ-শিধরের অগ্রভাগে উঠিতেছে। রাগীদিগের দুদয়ের প্রবেশ করিতে লাগিল। বিকীর্ণ অঙ্গারসমূহ মেচ্ছিদ্রের ন্যায় গায় সরসন্তান উদ্যান বাপী প্রভৃতি অগ্নির উত্তাপে শুল্ক লক্ষিত হইতে লাগিল। অগ্নিদগ্ধ মানবগণ কর্কশ আক্রন্দন ও হইতে লাগিল। দক্ষিণ চীৎকার করত কটকটা শকে আলান- উগ্র গর্জন করিতে লাগিল। অগ্নিস্ফুলিঙ্গরূপ নারাচসমূহ শুভ্রমে ক্রোধে বৃক্ষশ্রেণ ভয় করিয়া ফেলিতেছে। ফৰপুদি- অন্যরতল নিরন্তর হইয়া উঠিল। দগ্ধ পুরবাসিগণ বহু হেতি পূর্ণ বৃহৎস্কন্ধ গ্রামা রক্ষসমুহ অগ্নি থারা সাঙ্গ দগ্ধ হওয়ায় কাভি- অস্বরূপ শিলাজালে আহত হইয়া ভূলশায়ী হইতে লাগিল হীন ও তথাকা গৃহকের স্যায় দীনভাবাপন্ন হইল। ২৮-৪। রণস্থলে হস্তিসমূহের সম্বৰ্ষণে প্রবলপরাক্রম ধীরগণ চুর্ণ-বিচু হায়! পিতা ও মাতা কর্তৃক পরিত্যক্ত বালকগণ বাণসমূহ পরি- হইয়া যাই। দ্রুতবেগে পলায়মান তরসমূহের মকচ্ছেদনে ব্যাপ্ত অধ্যায় পতিত হইয়া ভিত্তিপতনে প্রাণ হারাইল! রণাঙ্গণে হাদিগের অপত মহান পথে বিকীর্ণ হইতে লাগিল, অঙ্গালেদগারী বক্ষসমূহের আচ্ছাদন সকল বাস দ্বারা উদ্ভাষিত অঙ্গাররাশির আঘাতে নিপতিত হইয়া নরনারীগণ উগ্র রােপন ও পতিত হওয়ায় করিণীগণ ভীত হইতে লাগিল। হায় হায়। করিতে আরম্ভ করিল। জলি কাষ্টসমূহ চটচটাশকে চতুর্দিকে তথায় অনিভিন্ন পুরুষ স্কন্ধে অঙ্গারপগুনে একেই মৃতকল্প হইয়া নিপতিত হইল। বিপুল জ্বলন্ত অঙ্গারসমূহ নােমণ্ডলে ছিল, তদুপরি আবার বস্ত্রকল্প যন্ত্র যাণ পতিত হইল। অহে। চক্রাকারে উখিত হইয়া শত সূর্যের গান শােভা পারণ করিল। গে, অশ্ব, মহিষ, হস্তী, কুকুর, শৃগাল ও মেষপাল আকুল হইয়া জলন্ত অঙ্গারসমূহে সমস্ত বসুধাতল সমাকীর্ণ হইয়া গেল। দগ্ধ যেন যুদ্ধ করিতেছ। দেখ, খগণ অগ্নিভয়ে এলার্স বসন পরিধান কাষ্ঠসমূহের ক্রেঙ্কাররবের সহিত জ্বলন্ত বেণুসমূহের ধ্বনি করিয়া গমন করিতেছে, তাদের দেখিলে বােধ হয়, যেন স্থলপথ উখিত হইতে লাগিল। দগ্ধ প্রাণীদিগের ঘাের চীৎকারে বেষ্টিত রহিয়াছে, উহাদের ঐ বসনের পটপটা শব্দ হইতেছে। সল সৈন্যগণ রােদন করিতে লাগিল। লি শেষ করিয়া ঐ দেখ, করগণ যেমন প্রলম্বিত রুক্ষ শাখা আস্বাদনাৰ্থ অবলগন রাজশ্রী দগ্ধ করত হুতাশন প্রবৃদ্ধ ও পরিতৃপ্ত হইয়া উঠিল। করে, তদ্রুপ অখিলির সকল স্ত্রীগণের অলকাবলী অবলম্বন অস্থিরূপ মহা অদ্মর সর্বগ্রাসে আরম্ভ ও উদ্যোগ করিতে করত অশােকপুষ্পের শােভা বিস্তার কল্পিতছে। হায় হা। লাগিলেন। সহসা দগণ আসিয়া গৃহস্বামীদিগকে প্রহার হরিণ-নয়াদিগের ভ্রমরপক্ষসদৃশ অক্ষিলােমে (চোকের পাতায়। করিয়া সর্বস্ব গ্রহণ করিতে লাগিল, গৃবামীরা চীৎকার করিতে কুলানুশিখা সকল নিপতিত হইতেছে! মনুষ্যগণ দগ্ধ হইয়াও লাগিল। অসংখ্য প্রাণিগণের ভোেজ সকল বইতে ভস্মসাৎ ভাৰ্যাকে বহিস্কৃত না করতে পারায় বহির্গত হইতে পারিতেছে না হইয়া গেলে অবশিষ্ট ব্য সকল কেহ কেহ বহিরুত করিতে অহহ। ( মনুষ্যদিগের) প্রাণিগণের মেঘগুরা কি ভয়ানক আরম্ভ করিল। ১৭-২৭। অনন্তর রাজা বিদূথ দগ্ধ স্ত্রী- দুচ্ছেদ্য। করী আলান বৃক্ষ সকল অগ্নিদগ্ধ হওয়ায় বেগে পুত্রাদির গর্শন-মানসে অভিধাবিত বােধগণে এই বাক্য শ্রবণ সেই বক্ষ ভয় করিয়া দণ্ড হইয়া পসরোবরে গিয়া নিমগ্ন করিতে লাগিলেন ,-“হায় হায় ! আপনিবারক অতি উন্নত হইতেছে। অন্তরে বহ্নিশিখারূপ বিদ্যুত লইয়া এ সকল আমাদের গৃহপ সকল উমূলিত করিতে প্রচণ্ড বায়ু প্রথৰ উখিত হইয়া মেঘাকার ধারণ করত অঙ্গাররূপ নারাচ-অন্ত্র বর্ষণ শব্দ করিতে করিতে আসিতেছে। হায় হায়। দারগণ পূর্বে করিতেছে।”। ৪১-৫। কেহ রাজাকে সম্বােধন করিয়া কহিল শীতে জড়ীভূত ছিল, এক্ষণে অগ্নিদগ্ধ হইয়া মহতের চিত্তে যে দেব। ঐ দেখুন, আকাশে ধূমের মধ্যে বহ্নিকণা আৰুত্তর স্যায় বিজ্ঞানমূক্তি যেমন মগ্ন হয়, দ্রুপ মৃত পতিগণের দেহে নিমগ্ন ঘুরিতেছে। শিখারূপ তরঙ্গবিশিষ্ট ত্বপূর্ণ অর্ণব যেন আকাশপথে হইয়া প্রচ্ছন্ন হইয়া রহিয়াছে। হা ভাত। আগ্নেয়াস্ত্র সকল শােভিত হইতেছে। নভােমণ্ডল বহ্নিশিখাৰ তেজে পীতবর্ণ হওয়ায় শীগণের কেশকলাপ-তৃশেলগ হইয়া বীরগণ-প্রহিত মারুতা বােধ হইল যেন মৃত্যুদেব জীবহিংসা উৎসবে কুমাক্ত পেটক দ্বারা চালিত হইলে, তাহাদের কোলাপ, শুষ্ক পর্ণসমূহের ন্যায়, যারা বিশধুগণকে বিভূষিত করিতেছেন। অহে! কি বিষম অসদ- দগ্ধ হইতে লাগিল। ঐ দেখ, ধূম-ধমূনা উদেশে তরঙ্গ বিক্ষেপ ব্যবহার উপস্থিত, যে তু বৈৰিবীণ উদ্যতায়ু হইয়া রানারী- করিতে করিতে নদীর আয় ধ ধ আৰও পরিচালিত করত দিকে ধরিল লইতেছে। ঐকে মণীগণের এ কীভারে আকাশগঙ্গার দিকে প্রধাবিত হইতের! ধূমরাজি নদী হইয়া বলল ও স্তনমণ্ডল বিদীর্ণ হইয়াছে। উহাদের অঙ্গামনমে উদেশে গমন করত বিমানচারীদিশকে অন্ধ করিয়া তুলি। মার্গ সকল চাকবিশিষ্ট হইয়াছে। আলােকশ্বচ্ছ বসনে ধূমলণীতে বলাকাষ্ঠ সকল ভাসিয়া যাইতেছে। উহাদের নিত-অনল দেখা যাইতেছে। বিতিতমণি- বলয় থাকা অবনিত সকল হইয়াছে। নারীগণের ছিন্ন একাত, পিতা, ভ্রাত ও নয় নিল বন্ধ হওয়াতে, হালহইতে মল মেজিকাল লিপতিত হইতেছে। উহা E ১১ মােগণিরামায়ণ । দিগের কনসগুলের পার্শ্ব হইতে কলকপ্ৰভা যিনির্গত হইতেছে। করিয়া অপদ আসিয়াছে, আপনি ব্যতীত এ আপদে, উবের কুরীগণের ন্যায় ঐ নারীগণের কলরবে সংগ্রামস্থলের কলরব অন্য উপায় নাই।”১-১১। । এই কথা শ্রবণ কৰিষা মন্দীভূত হইয়াছে। উহার এত চীংকার করিতেছে যে, ঐ দেবীদ্বয়কে গর্শন করিয়া কহিলেন-হে দেবীদ্বয়। আমি যুদ্ধে চাংকারে রমণীগণের তুলিপা যেন বিদীর্ণ হইয়া যাইতেছে। গমন করিতেছি, আপনারা ক্ষমা করিবেন। আমার এই ভাৰ্য্যা বক্তকর্দম ও বাপজলে উহাদের পরিধেয় সন ভিজিয়া গিয়াছে। আপনাদিগের পাদপদ্মের এমরী (রক্ষণীয়া) হইয়া রহিল। অচেতনপ্রায় ঐ নারীগণের বাহুলে ধরিয়া জনগণ বলপূর্বক রাজা এই কথা লিয় মত্ত হস্তীর বিদারণকারী কেশরী যেমন লইয়া যাইতেছে। যখন ঐ নারীগণকে আমাদিগকে পরিত্রাণ অরণ্য হইতে নির্গত হয়, দ্রুপ ক্ৰোধারনয়নে বহির্গত হইলেন । কবিৰে” এই বলিয়া কান্নভাবে ইতত দৃষ্টিনিক্ষেপ করিতেছে, অনম্বর প্রবুদ্ধলীলা, চারুল (রাজমহিষী) লীলাকে, আদর্শে তখন জোধ হইতেছে, উৎপলসমূহ বর্ষণ হইতেছে, সৈনিকগণ প্রতিবিম্বিত নিজ আকৃতির ন্যায় দর্শন করিতে লাগিলেন। প্রবুদ্ধ ভদ্দর্শনে রােদন করিতেছে। মৃণালের ন্যায় কোমল ও সুনিল শীলা সরস্বতীকে কহিলেন-হে দেবি। এ কি! কি প্রকারে ঐ নারীগণের উমূল সকল স্বচ্ছ অম্বর দ্বারা দৃষ্ট হওয়ায় ইনি আমার সদৃশী ? আমি পুঝে যাদৃশ হইয়াছিলাম, ইনিও বােধ হইল যেন আকাশনলিনীসমূহ বিজিত রহিয়াছে। ঐ আমার স্যার কেন হইলেন, তাহা বলুন। মন্ত্রী প্রভৃতি পৌরগণ নারীগণের মাল্য বসন ও অঙ্গরাগ সকল আলােল (অং সৈন্য ও বাহনাদি সমেত যোধগণ সমস্তই সেইরূপ রহিয়াছে, বিসর্জিত বিকশিত), উহাদিগের অলকলতা বাষ্প আরা আকুল পূর্বরাগ্যস্থিত বলিয়া বোধ হইতেছে। হে দেবী। ইহারা ও ইতস্তত বিকীর্ণ, উহারা যেন অনিন্দরূপ মন্দরপত আদর্শ-প্রতিবিম্বের ন্যায় আমার বাহে ও অন্তরেও কিরূপে থার নিরস্থর বিমথিত কামসমুদ্র হতে উখিত রাজলক্ষ্মী অবস্থান করিতেছে। ইহাৱা কি সচেতন ? ১১-১৭। দেবী সলিম বোধ হইতে লাগিল। ৫১-৬১। কহিলেন,—অন্তরে যেমন জ্ঞপ্তি উদিত হয়, দ্রুপই ক্ষণ- চিরিং সর্গ সমাপ্ত ॥ ৩ | কাল অনুভূতি হইয়া থাকে। যেমন চিত্ত স্বল্পসময়ে জাদভূত পদার্থের আকার ধারণ করে, ইরূপ চিতিও (চিৎশক্তি) চেত্যাক্ষরিত্ব (চিত্তের আকার প্রাপ্ত হয়। সংস্কারাত্মক জগৎ সেই চিত্তে ও চৈতযেমন প্রতিফলিত হয়, সেইরূপই উদ্বেগ- চতুশ্চত্বারিংশ সর্গ । কালে উদিত হয়। ভবিষয়ে দেশ ও কালের দীর্ঘতা ও পদার্থের বশিষ্ঠ কহিলেন,-এই অবসরে আলােলমাল্যবান। ভয়বিলা রচিত প্রতিবন্ধক হয় না। অন্তঃস্থ চৈতন্য অথ্যস্ত থাকিলেও ভয়কম্পে বিচ্ছিন্নর-লাখারিণী পূর্ণযৌবন। রাজমহিষী বয়া ও বাহ বলিয়া বােধ হয়, সাথ এ বিষয়ের নিদর্শন। যেমন স্বপ্ন দাসীগণকে লইয়া, লক্ষ্মী যেমন পদ্মকোটরে প্রবেশ করেন তদ্রুপ রচিত ও সঙ্কল্পনিয়ত পুরী অম্ভবে কল্পিত ও অবস্থিত হইলেও সেই রাজভবনে প্রবেশ করলেন। চাননা অবদান-কলেবরা বহির্বিদ্যমানের ন্যায় বোধ হয়, তেমনি অন্তঃপরিকল্পিত জগৎও নিশ্বাস-কম্পিত-পয়ােথরা তারকারাজিসম-দশন-শোভিতা ঐ চৈতন্যের সর্বব্যাপিংনিবন্ধন বাহরূপে প্রতীত হইতে থাকে। রাজমহিষী মূর্তিমতী আকাশ-দেবীর ন্যায় প্রায় গিয়া অবস্থান ১৮-২০। এই কারণে অন্তরে উদীয়মান মিথ্য। জগৎ চির। করিতে লাগিলেন। অনন্তর প্রাণিসমূহের মহাসংগ্রাম উপস্থিত ভ্যাস বশতঃ অবাধে বাহিৰে সত্যের ন্যায় প্রতীত হইয়া থাকে। হইলে, অপরাগণ যেমন অমরনাথের নিকট তাহার বৃত্তান্ত অবগত তােমার ভাঙ্গখন সেই পুরে যেরূপভাবে মৃত্যুগ্রস্ত হন, সেই করিয়া থাকে তদ্রপ মহিষীর এক বন্ধু রাজাকে ঐ যুদ্ধসংক্ষোভ স্থানেই সেইরূপভাবে উপস্থিত হইয়াছেন। মন্ত্রী প্রভৃতি এই জানাইতে লাগিলেন,-“মহারাজ। বাতবিকশিত লতা যেমন সমস্ত ব্যক্তিগণ আকারগত সাদৃ েইহার পূর্বমন্ত্রী প্রভৃতির ন্যায় ক্রমের আশ্রয় গ্রহণ করে, তদ্রুপ এই মহিষী অন্তঃপুর হইতে হইলেও তাহাদিগের সহিত ইহা অভিন্ন নহে, সম্পূর্ণ বিভিন্ন। আমাদিগকে সঙ্গে লইয়া পলায়ন করিয়া আপনার শরণাগত রাখার অনুভূত বিষয় তাহার চিৎসত্যতয় সত্য , স্বপ্ন ও জাগ্ৰত্রে হইয়াছেন। মহাসমুদ্রের তরঙ্গলাল যেমন তীক্ষমতা-সমূহকে এই প্রভেদ যে, জানুভূত বস্তু যথাৰ্থত হইলেও ব্যবহারে আহরণ করিয়া লয়, ভদ্রুপ বলা যােবগণ আয়ুধহস্তে আপনার তত্ত্বের ন্যায় অবিসংবাদী। উত্তরকালে অদূরত্বনিবন্ধন যখন অব অন্য দারগণকে হরণ করিয়া লইয়া গিয়াছে। সমস্ত অন্তঃপুর- হইল, তখন তাহার কিরূপে সত্যতা হইতে পারে ? এ সমস্তই রক্ষকগণকে উদ্ধত শত্রুগণ পিষিয়া মারিয়া ফেলিয়াছে। যেমন এইরূপ নস্তিতার অধিক কিছুতেই নাই। স্বপ্নে জাগ্রত যেরূপ বেগসমুখিত বায়ুতে বড় বড় বৃক্ষশ্রেণকে চুর্ণ করিয়া ফেলে, অসংরূপ, জাগ্ৰৎ অবস্থায় স্বপ্ন দ্রুণ অসন্ময় হইয়া থাকে। বর্ষাকালের রাত্রিকালে মেঘবৃষ্ট সলিলধারা সশব্দে কমলবন ২১-২৫। জন্ম সময়ে মৃত্যু যেরূপ রূপ, তেমনি মৃত্যুকলেও যেমত উলুণ্ঠন করিয়া থাকে, তক্রপশত্রুগণ নিশঙ্কভাবে দূর হইতে জন্ম অসপ হইয়া থাকে। বস্তু সকল নাশকালে অবয়ব-ধ্বংস- আসিয়া আমাদের পুর লুণ্ঠন করিয়াছে নগ্রসনোগত ভীষণ পূর্বক অগ্রস্ত হয় এবং ৰাধকালে তদ্বিষয়ক অনুভবের আলাসম্ভারসমন্বিত ধূমবর্ষণকারী বহ্নিরাশি ভীষণ নিনাদে আমাদের বিপৰ্যয় হয়। এইরূপে এই অগং সৎও নয় এবং অসৎও নগর আক্রমণ করিয়াছে, বহুভৱ শত্রুষােঙ্কগণ পূমের ন্যায় শ্যামবর্ণ নয়, কেবল ভ্রান্তিমত্ৰে বিৰাজ করে। মহাপ্রলয়ে অদ্যাপি বাহ। কটধারী ও উগ্র সমুহ লইয়া নগরের চতুর্দি বেষ্টিত থাকে না, তাহা কখনই সত্য হইতে পারে না, এক এই করিয়াছে। যেমন ববিগণ কেন ধরিয়া রীগণকে লইয়া যায় অগং; মধ্যে সৃষ্টি নামিকা এই ভ্রান্তিই দিছে। যেমন জ্ব শত্রুসৈগণ ক্রন্দনকারী দেবীগণকেকেশে ধরিয়া পূর্বক জলধিতে অঙ্গ, তেমনি এই সৃষ্টি। প্রবল বায়ু হইয়া উঠিলে লইয়া গিয়াছে। আমাদের এই ৫ খা প্রশাখা বিস্তার ধূলি বেশন উঠিয়া পৰিকা যায়, তদ্রুপ এই সৃষ্টি উৎপন্ন হই। ।
উৎপত্তি-এক . এৰ আবার শীল হয়। অতএব “তুমি আমি এই একার বিভাগাজা সেইই মত হবে। ফুরিত। অপর গণও ভাভিম অাভাসমাত্র। মৃগতৃষ্ণা-জলের আয় লাপটভপ্রায় সমস্তুকে টিকাশরূপ বিশ্বের জঠর বলিয়া জানেন। হে লে? এই এপথে আবার আস্থা কি? যাহাতে কোন প্রকার ভ্রান্তি তুমিও তাহাই আনিবে, তাহা হইলে তুমিও অবস্থিত । নই, এছাই পরমপদ। গাঢ় অন্ধকারে বালকদিগের মল-ভ্রান্তি নির্মলাহইয়া শান্তভাবে অবস্থিতি করিবে। ৪০-৫২। থাকে, বাস্তবিক তাহা য নহে, অকাই। চতুশ্চত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৪। এই জন্ম-মৃত্যু-অজ্ঞান-মোহমাত্র এই বিতত জগৎ শান্তি হইলে যাহা অবশিষ্ট থাকে, তাহাই সমহাক, ব্ৰহ্ম , এই ব্রহ্মান্নি সত্য আর কিছুই নাই। আর যাহা দেখা যাইতেছে, তাহা পঞ্চচারিংশ সর্গ । সত্য নহে। সভ ও অসত এই উতধী পদার্থ হয় না। আকাণে পরমাণুর মধ্যে ও দ্রব্যান্ধির অণুকের মধ্যেও যে যে সরস্বতী সমাগত। লীলাকে কহিলেন-হে শীল। তােমার স্থানে জীবাণু আছে, সেই স্থানেই এই জগৎ নিজাকার জানিতে ভর্তা এই বিদূর রণাঙ্গনে শরীর পৰিত্যাগ করিয়া সেই অন্তঃ- পারে। যেমন অগ্নি নিজভাবনাক্রমে উষ্ণতা নিগ্ন থাকে, পূর্ব প্রাপ্ত হইবেন এবং সেই পদ্মভূপালরূপে অবস্থিতি করিবেন। বিশুদ্ধ চিত্মাও সেইরূপ এই জগৎকে আত্মভূত দেখিয়া বশিষ্ঠ কহিলেন-সেই দ্বিতীয় লীলা সরস্বতীর বাক শ্রবণ করিয়া থাকেন। ২৬-৩৫। যেমন সূর্যোদয় হইলে গৃহে ত্রসরেণু সল বিন হই কৃতাঞ্জলিপুটে কহিতে লাগিলেন, আমি ভগবতী ভ্রমণ করিতেছে দেখা যায়, সেইরূপ পরমাকামে ইব্রাহ্মাণ্ড জুপ্তিদেবীকে নিত্যই অর্চনা করিয়াছি। হে দেৰি। তিনি রাত্রি- রূপ ব্ৰাণ্ডে সকল ভ্রমণ করিতেছে। যেমন বায়ুতে স্পন্দ ও কালে স্বল্পসময়ে আমাকে দৰি দিয়া থাকেন। হে মাত দেবেশি। আমােণ এবং আকাশে শূন্য থাকে, সেইরূপ এই বিশ্ব তিৰি যাদৃত, আপনিও সেইরূপ। হে বলনে। অতএব শীলের হৌল্যরহিত, সেইরূপ আবির্ভাব, তিরােভাব, উপাদান, উৎসর্গ, প্রতি আয় করিয়া আমাকে বরপ্রদান করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন- সুল, সূক্ষ্ম, চরাচর সকল আঁৰৰবিহীন ব্রহ্মেরই অংশ- দ্বিতীয় লীলা এইরূপ কহিলে ভগবতী জ্ঞপ্তিৰেী তাহার ভক্তির মাত্র। অতএব তুমি এক্ষণে সাকারত্ববােষের অঞ্চ নিরবয়ব এই বিষয় স্মরণ করিয়া প্রসন্ন হইয়া অগ্রবর্তিনী সেই শীলকে বিশ্বকে তাদৃশ আত্মা হইতে অভিন্ন বলিয়া আনিবে। ৩৬–৩৯। বলিলেন-হে বৎসে। তুমি যা জীবন আমাকে অন্য মনে নিজভাবনাক্রমে উদিত এই বিশ্ব পুর্ণব্রহ্মে অবস্থিতিনিবন্ধন ভক্তি করিয়া আসিয়াছ, অ আমি পরিতুষ্ট হইয়াছি, অভিমত অর্থশূন্য নহে। বৰ্জ্জুতে সর্পভ্রমের ন্যায় সত্য নয়, অসত্যও ঘর গ্রহণ কর। সমাগত শীৰা কহিলেন, হে দেবি। আমার নয় , মিথ্যা অনুভূতি-নিবন্ধন সত্য পরীক্ষা করিলে অসত্য হইয়া পতি রণে দেহ পরিত্যাগ করিয়া যথায় থাকিবে, অথায় আমি ধায় । মাঝাপিহিতস্বরূপ হেতু জীবত্ব পরম কারণ, চিরকাল এই শরীরেই যেন ইহার অঙ্গনা হইয়া থাকিতে পারি। দেবী অনুভব হেতু স্পষ্ট জীবত্বলাভ হইয়া থাকে। ফলতঃ এই জগৎ কহিলেন,সে। তুমি অবশ্য মনে বহু পুষ্প ধূপাদি দ্বারা সত্যই হউক বা অসত্যই হউক, চিদাকাণ ব্যতীত আর কোন অনেক দিন কাল ব্যাপিয়া আমার পূজা করিয়াই, তােমার স্থানেই নাই। জীবের যে ভােগেচ্ছা, তাহাই সংসারের উৎপাদক অভীষ্ট পূর্ণ হউক। বশিষ্ঠ কহিলেন-অনন্তর দেবীর বরপ্রদানে কারণ, সে অংশে সত্য-মিথ্যার উপযােগিতা নাই। বিষয় সমাগত। লীলা সন্তুষ্ট হইলে পূৰ্বলীলা সন্দেহলােলচিত হইয়া সত্যই হউক বা অসত্যই হউক, তাহার অনুরঞ্জনাই সংসারের যেৰীকে কহিলেন—বাশ সত্যকামনাপর ব্রহ্মরূপী এইরুপ উৎপত্তির মূল কারণ। জীব অগ্র স্বেচ্ছাকৃত বিষয়ানুভবে সফল ব্যক্তিগণের সমস্ত অভিলষিতই সন্ধর সিদ্ধ হয়। হে অনুরঞ্জিত হয়, পরে সেই পুৰ্ব্বাত বিষয় সকল পূনৰ করে, ইরি। তবে আমি কি নিমিও সেই শরীরে এই লােকান্তরে অনুভবের মহিমা এমনি অপু, কখনও তাহা পূৰ্ব্বাবুবের গিরিগ্রামকে নীত হই নাই, বলুন।১-১০। দেৰী কহি- অবিকল মুর্ভি দেখায় এবং কখন স্কুল ও অর্ধসমান এক দেহেরনি। আমি নিজে কাহারও কিছুই করি না। নীয় উপস্থিত করাইয়া পুনঃপুন তাহাদের অনুভব করায় , কিন্তু জীবগণ এই সমস্ত , অভিপ্রেত কাৰ্য্য সম্পাদন করিয়া সে সমস্তই অসত্য ও জীৰাকাশে অবস্থিত। প্রতিভানে সেই একে। আমি সংৰিদমাত্রের অধিষ্ঠাত্রী দেবতা জ্ঞপ্তি। আমি কুললাংপন্ন সেই প্রকার আচার, আম ও চেষ্টা-সমর্থিত, সেই সর্মগ্রীর অভিলষিত শুভ প্রকাশ করি, জীবশক্তিস্বরূপ মন্ত্রী ও পৌরগণই বােধ হইয়া থাকে। বঙ তাহারা দেশ কালও চিৎশক্তি প্রত্যেকেই আছে। যে যে জীবের যে শক্তি যেরূপে আচার বিষয়ে সমল হইলে আত্মভাবে সভ্যস্বরূপে অবস্থিত। উদিত, অ জীবের সেই শক্তি নিত্যই সেই সেই প্রকারে সর্বগামী আত্মস্বরূপ প্রতির এই দ্বিতি। যেমন রায় প্রদ হইয়া থাকে। আমাকে যখন তুমি আরাধনা করিয়াছিলে, আত্মকাণে সত্যবৎ প্রতিজ্ঞা উদিত হইতেছে, তদ্রুপ অ্যাকুত ভাল ভােমাৰ জীৱশক্তি ‘আমি মুক্ত হইয়া থাকিব এই আকাশরূপ ঈশ্বৰে সত্যসঙ্কলপা এতিজা উদিত হয়। এই প্রকার ছিল। আমিও তােমাকে সেই সেই প্রকাৱেই এবােৰ কাৱণে এই লীলা ভােমার মা ঘৰ, সমাচা, ফুল ও আকার- দিছিল তোমাকে যুক্তিপূর্বক ঐ একান্ত অমলভাৰ এদান বিশিষ্ট। সর্বগামী বিজার্শে এভিএতিবিম্বিত হইয়া থাকে। করিয়াছি। ১১-১৬। তােমার ন মুক্ত হইবার বুদ্ধি বি, ঘেস্থানে বেজপ,সেই সালে নিরন্তর সেইরূপই এতিউনিত বীয় ভিজিন (সা) সেই বিয়াই প্রাপ্ত হইয়ছ। হয়। ভিত জীবাকাশের রেসতি পশ্চাৎ বাহিরে যে ব্যক্তির প্রকার প্রিয় চিরকাল উদিত কালে প্রকাশিত হয়। এভিৰিৰণতই এইয়ণে অস্থিত। এই তুমি, তাহার সেইৰ ফল খকে। আর চিৎশক্তিই আমি, আকাশ, দু পৃথিবী ও র এ সময় ডিআখৰ; অপা বা হয়, আশ-বলের আয়, ন প্রদান কবির যে বহি রামায়ণ । । থাকে। স্বীয় চিৎপ্রযত্ন ব্যতীত আর কিছুই নাই। তাহাতেই গমন কৰিলে, যেমন প্রয়ে মহাবের পরে অ একাণৰ আগুল পাওয়া যায়। তুমি যেরূপ ইচ্ছা কর, তাহাই প্রাপ্ত হইলে বাড়বানল প্রশমিত হয়, তদ্রুপ নগর-লুঠকদিগের হইবে। চিতিভাবই বগগত অন্তরাত্মা, সে বাঁহাতে ব্যাপৃত বা কটকটাশৰ প্ৰশত হইল। যেন প্রন সুমেরুপবত অষ-পর হইবে তখন তাহারই ফলরূপা এ উদিত হয়। উডডীন হইয়া সমূত্রমধ্যে প্রবেশ করে, দ্রুপ বিদূর রাজা বাহা রম্য বা বাহা অরম্য, তাহা বিচার করিয়া দেখ, বাহা স্বপক্ষ ও বিপকদিগের সৈ-সাগলের প্রভেদ (ভারতম) না পত্রি তাহাই বুঝিয়া করিবে। ১৭-২১। জনিয়াই গৈ মধ্যে প্রবেশ করিলেন। ১৬-২। অনন্তর পঞ্চচত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৫। ধনুর চটচট শব্দ হইতে লাগিল। অসমূহের মালকান্তি- রূপ মেঘরাজি সৃজন করিয়া শত্রুগণ ভ্রমণ করিতে লালি। নানাবিধ অস্ত্রকপ বিষগণ আকাশপথে গমনাগমন করিতে ঘটচত্বারিংশ সর্গ। লাগিল। শয়সমূহের কান্তি পরণাপহরণ-জনিত পাপেই আম জিজ্ঞাসা করিলেন,-ই গৃহের মধ্যে যখন তাহাৱা যেন মলিন হইল। উলুকাগ্নিবৎ শসমূহ হইতে অগ্নি প্রজ্বলিত এইরূপ কথােপকথন করিতেছিলেন, তাহার পূর্বে বিদূৱখ ক্রোধে হইতে লাগিল। বীরগণরূপ বারিদসমূহ শরধারা বর্ষণ কত গৃহ হইতে বহির্গত হইয়াছিলেন, তিনি তখন কি করিতেছিলেন ? গর্জন করিতে লাগিল। করপত্রের জায় এবার অসমূহ বশিষ্ঠ কহিলেন,—বিদূখ গৃহ হইতে নির্গত হইয়া, নক্ষত্রসমূহ বীরগণের অঙ্গে প্রবেশ করিতে লাগিল। নতঃপ্রণে ঙ্গা বেষ্টিত এর আয়, সৈ-পরিবৃত হই সর্বাঙ্গে কবচ প্রহারের টিপটা শব্দ হইতে লাগিল, শানলদীপে অন্ধকার দূর পৰিধান করিয়া, হারবিভূষণ যথাস্থানে দিয়া, সুরপতির হায়, হইল, অখিল সেনাগণ নাচ অন্ত্রে অঙ্গ বিদ্ধ হওয়ায়, রােমশ মহা জয় জয় শকে বাহির হইয়াছিলেন। রাজা বােধশণকে পুরুষের স্থায়, দৃষ্ট হইতে লাগিল। ২১-২৫। কবন্ধৰূপ নটশ্রেণী আদেশ করিলেন, মন্ত্রিগণের নিকট সৈন্যগণের অস্থিতিক্রম ঘমারাধনধাত্রা মহােৎসব করিতে উঠিল, পিশাচগণ, নটকন্যার নিলেন এবং বীরগণকে অবলােকন করত রথে আলােহণ করি- ন্যায়, তাহাদের সহিত গান করিতে লাগিল। দন্তিগণের দসমূহের নেন। তদীয় রথ পৰ্বতশিখরের গম উচ্চ ও মুক্তা-মাণিক্য সজনিত টঙ্কারধ্বনি উথিত হইতে লাগিল। নভােমণ্ডলে ফিও যায় বিমণ্ডিত পাঁচটা পতাকা জুপরি উড্ডীন। উহার চক্র পাষাণসমূহের মহানন প্রবাহিত হইল। বায়ুচালিত শুপর্ণের ভিত্তিতে স্বর্ণকীল নিখাত রহিয়াছে, এবং ইহার অগ্রভাগ মুক্ত ন্যায় শরসমূহ পতিত হইতে লাগিল। প্রাণিমরণরূপ বৃষ্টি দ্বারা আলে বিশ্বণ্ডিত। ঐ রথখানি দেখিবোেধ হয় যেন স্বগী বিমান। পাবিত রণপৰ্বত হইতে রক্তনদীশ্রেণী নির্গত হইতে লাগিল। সুসম্পন্ন সুগ্রীব এন্ত আটটা এ বিখ্যাপ হ্রষাব অনবরত রক্তপাতে ধূলি প্রশান্ত হইল। আয়ুধবহ্নিতে অন্ধকার করিতে করিতে ঐ রথ লইয়া যাইতেছিল। ঐ অগণ এত বেগে দূরীভূত হইল। যুতে না হওয়ায় বীরগণের পরস্পর বাইতেছিল যে, দেখিলে বােধ হয়, যেন সেগণকে এগুরীকে লইয়া বাৰিাশক নিবৃত্ত হইলে, স্ব স্ব মরণনিশ্চয়ে অনেক প্রাণী বাইতেছে। বার অপেক্ষা হালের গানবেগ অধিক বলিলে ভয়ে আকুল হইল। সেই যুদ্ধস্থল কেবল নিঃশব্দ প্রাণিগণের অত্যুক্তি হয় না, গমনকালে বােধ হয়, কেন পশ্চার্থ বহন সমরহিত ও খঙ্গের কিরণসমূহে বিদ্যোতিত হওয়ায়, নিত- কতকা-পানাই উন্মুখ হইছে। উহাদের চামর সকল নিফশ অবাহের যায়, ১ দৃষ্ট হইতে লাগিল। তথায় সমূহের পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় দীপ্তিশালী ।। অনন্তর উন্দামগঅরূপ খণখদ ধ্বনি নির্গত হইতে লাগিল, টকটক শকে সুখীগণ মেঘের গর্জন-মিশ্রিত দুন্দুভিখনি শৈলভিত্তিতে এভিনিত পতিত হইতে লাগিল এবং মহাশসমুহ ঝনঝন শকে পরস্পর হইয়া ভীষণ হইয়া উঠিল। এত সৈগণের কলকল ধ্বনি, আঘাতপ্রাপ্ত হইতে লাগিল অতএব সেই রণস্থল তিমিতিমি কিঞ্চিপাল ও হেতিসমূহেয় ধ্বনি, ধনুকের চটা শ, শলের প্রহার-জুনিতে দুস্তর হইয়া উঠিল। ২৬—৩১। জীৎকার শব্দ, পরস্পরের মাসে বিশিষ্টসমূহের অন্য শব্দ, যাচারি সর্গ সমাপ্ত। ৪৬। বলন্ত হতাশয়ে টপকার, পড়িত ব্যক্তিগণের টৎকার, বােজদের রক্ষার আহ্বান নিত ধ্বনি এবং বন্দীলিগের ৎসিত ওকাত গেল জনধ্বনিসমূহে সমস্ত ব্ৰহ্মাহর, निगा সপ্তৱিংশ সর্গ। , নীভূত করিল। পিকু-পৰিপূৰক ঐ সমস্ত ধ্বনি এত ভীষণ হইয়া উঠিল, যেন হয় যারা গ্রহণ করা যাইতে পারে। যষ্ঠি কহিলেন,এই কলম ক্রমশঃ ভীষণ হইয়া অনর সূপখের নিরােধকারী ধূলিসমূহৰণে ভূপৃষ্ঠ আকাশে উঠিল, লীলায় ভগবতী জ্ঞখিদেশকে পুনর্বার জিজ্ঞাসা করি- যেন উডডয়ন করিতে লাগিল। ১০। সেই মহাপুৰ লেন-হে দেবি। এই গ্রামে আপনি প্রসঙ্গ থাকিলেও সেই অন্ধকারে যােথ হইতে লাগিল, নে গর্ভস করিছে। আমাদের ভর্তা সহসা জয় লাভ করিতে পারিতেছেন না , যৌন যেমন মােন এখন হ, ল ভ (অকার) অহা বলুন। সরস্বতী উত্তর করিলেন-হে পুত্রি। এই বিদ্যুৎ ভিট হইয়া উঠিল। দিবসে যেমন কারালি নুপেয় শক্ত এই ফুয়েলাভ অনেকদিন আমার আয়না পাওয়া যায় না ত দীপসমূহ ম হইল। নিশাচরণ কষিয়াছে, বিশ দুপতি হা করেন নাই, সেই কাৰণে সেইবে আসিয়া উপস্থিত হইত। দেশীয় প্রসাদে ঘি- যিদ-এর জয় হইল, শিরথ পাতি হইলেন। আমি ত এত কৰি ৰেল সেই • বিরনেই সকলেরই মনােত বি; ন যে আমাকে বেরুলে এ দেখিতে লাগিলেন। সেই যুগে বিদূর নৃপতি কামাসনালে নােমুখ করে, তখন আমি তাহার ।
উৎপত্তি একাণ । কার্য সম্পাদন বলি, তাহার সেই ফলই প্রদান করি। বহ্নির প্রভৃতি অসমূহ দেগীপ্যমান। উহার চতুর্থে সহ উষ্ণতাণের ন্যায় স্বভাবের অহয় না। এই বিদূথ “আমি সহস্র বীরগণ বিরিয়া রহিয়াছে; ঐ রথষয় বিতৰে মণ্ডল মুক্ত হইৰ” এইরূপে আমাকে প্রতিভারূপে ভাৰিছেন, সেই গতিতে বিচরণ করিতেকে উহার বৃহৎ চক্র দ্বারা অনেক লোক কারণে মুক্তই হইবেন। এতদীয় শত্রু সিনামা মহীপতি নিষ্পেষিত হইয়া চীৎকার করত মৃত ও অর্জত হইতেছে। সংগ্রামে আমি জয়লাভ করি” এই কামনায় আমাকে পূজা মত্ত বারণের ন্যায় অবলীলাক্রমে ঐ রথ রনদীতে ভাসি করিতেন। অতএব এই বিখ মেহমুক্তির পর, ভােমার ও ইহার লাগিল। ২১-২৬। ঐ রক্তনদীর বালমৃত ব্যক্তির সহিত মুক্ত হইবেন এবং অলীয় শত্রু সিন্দু মহীপতি ইহাকে কেশসমূহ, চক্ৰসমূহ—উহার চক্রবাক ও প্রতিবিম্বিত বিনা করিয়া ইহার রাজ্যের অধিপতি হইকেন।১৯। বশিষ্ঠ ইন্দু। চক্রাঘাতে হস্তিগণ নিষ্পেষিত হইয়া পতিত হইতেছে। কহিলেন, হে রাম! দেখি এইরূপ বলিতেছেন, উভয় পক্ষীয় মণি-মুক্তা ও রখবরকে ধ্বনি এবং বায়ুচালিত পতাকার পটপটা সৈগণ যুদ্ধ করিড়েছে, এমন সময় দেব অদ্ভুত যুদ্ধ দেখিবার শব্দ হইতেছে। যাহাদের সৈনিকগণ ভীরু, বিখ মহাবীর নিষিই যেন উদয়াচলে আগমন করিলেন। যাহাদের প্রভাবে | কুন্ত, ধনুৰ্ব্ব, শক্তি, প্রাস, শঙ্কু ও চক্র অস্ত্র লইয়া যুদ্ধ করিবার রাত্রিকালে কৃারকারাজির ন্যায় পিশাচালি জীবসমূহ আবির্ভূত নিমিত্ত আসিয়া ঐ রথের পশ্চাদগামী হইতেছে, সম্মুখে হইয়াছিল, সূর্যের আগমনে তাঁহার সেই অরিরূপী অন্ধকারসমূহ আসিতে পারিতেছে না। তথায় সেই থম্বয়, ক্ষণকাল রণভূমির সৈন্যগণের স্থায়, চিলিত (পলায়নপর) হইল। শনৈঃ শনৈঃ কুগুলের ন্যায় আবগতি করত মুখামুখি হইয়া পরস্পর অর্থ কল, আকাশ ও পর্বতভূমি সকল প্রকাশ পাইতে লাগিল। শােভা ধারণ করিল ২৭-৩০। তখন সেই। রাজদ্বয় নারাচ- অন্ধকারাপগমে বােধ হইতে লাগিল, যেন এই গণ্ডল ধারানিকর বর্ষণ ও কুন্ত প্রভৃতি শিলা বিক্ষেপ করত, মত্ত সমুদ্র ও কলসমুদ্র হইতে নানীত হইল। যুদ্ধস্থলে বীরগণের পাত্রে মেঘের খায়, গর্জন করিতে লাগিলেন। পরস্পর-এহারকারী যেমন চতুর্দিক হইতে রক্তপাত হইতেছে, সেইরূপ সেই পৃখিবা-নরসিংহদ্বয়ের পাষাণ ও মুষলের ন্যায় দীর্ঘ দীর্ঘ বাণ- সূর্যদেবে, কনকনিন্দের ন্যায়, সুন্দর রাখ পর্বতাপরি পতিত পরম্পরায় নভােমণ্ডল সমাচ্ছন্ন হইয়া উঠিল। তাহাদের বা হইতে লাগিল। তখন নভােমণ্ডল ও রণভূমিনে দেখা যাইতে সমূহ কতকগুলি করবালমুখ, কতকগুলি মূলারমুখ, কোনগুলি লাগিল, বীরগণের বাহুরূপ ভুজগগণ ইতস্ততঃ পরিচালিত নিশিত চক্রসদৃশ-মুখসম্পন, কাহারও মুখ পরশুরায়, কাহারও হইতেছে , সূর্যের কিরণাবলি, কাঞ্চনকাহির ন্যায়, নিবতিত মুখ শক্তিসদৃশ, কোনগুলির মুখ শূলশিখার সমান, কতকগুলি হইতেছে, কুণ্ডলের রসমূহ চতুর্দিকে বিক্ষিপ্ত হইতেছে। নিপতিত ত্রিশূলদল, কোনগুলি মহাশিবার স্যায় স্কুল। তখন প্রলয়- বীরগণের মস্তকাবলি পদ্মের ন্যায় দেখা গেল। বিক্ষিপ্ত অস্ত্রসমুহ পবনে নিপাতি শিলাসমূহের ন্যায় বাণসমূহ ইতস্তত পড়িতে দর্শনে বােধ হইতে লাগি যেন ইতস্ততঃ খঙ্গী মৃগগণ প্রথাবিত লাগিল। তৎকালে প্রলয়বিবর্ধিত সমুদ্রয়ের মেলনের ন্যায় হইতেছে, শরসমূহ শাভের স্যায় পড়িতেছে। চতুর্দিকে রক্তধারা সেই রাজয়ের পরস্পর যুদ্ধার্থ সমাগম অভিভীষণ বলিৱা বােধ প্রবাহিত হওয়ায় পুনঃ সন্ধ্যাকাল বলিয়া ভম হইতে লাগিল। হইতে লাগিল। ৩১-৩৫। নিপতিত শসমূহ দর্শনে সিদ্ধ পুরুষগণ সমাধিপর হইয়াছে। সত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৭। বলিয়া বোধ হইতে লাগিল। ১০-১৬। সর্লনিৰ্ম্মোকের ন্যায়, দৃষ্ট হইতে লাগিল। সেই স্থান কঙ্কটসমূহে পরিব্যাপ্ত। পতাকাসমূহ লতার স্যায় দেখা যাইতে লাগিল। বীর- এইচদারিং সর্গ। গণের ছিন্ন উরুসমূহ তােরণের স্থায় পড়িছে। সেই স্থানে ছিন্ন হন্ত ও পদ-সমূহ পল্লবের স্যায় ও পৰ্তিত শসমূহ শৰণ বশিষ্ঠ কহিলেন,-বিদূথ নৃপতি, উন্মগ্রীব সিরাজকে সদৃশ দৃষ্টিগোচর হইল, শয়ের কিরণ-সমূহে সেই ভূমি শাল- অভিমুখে আগত দেখিয়া, মধ্যাহতপনের আয়, ক্রোধে জলিয়া ভূমির ন্যায় শ্যামল তুণসমূহে কেতকীকুম-কাননবং এবং আয়ু- উঠিলেন। রপল বেন মেরুগিরিয় তটকে আন্দালিত করে, মালা দ্বারা উন্মত্ত-ভৈৰৰৎ সৃষ্ট হইতে লাগিল। শসমুহের তদ্রুপ তিনি ধনুয়াশ্যালন করত চতুর্দিক প্রতিধ্বনিত করিয়া সঙ্গষণ-জনিত অনলে তংস্থান বিকসিত অশােকনের আকার তুলিলেন। প্রলয়কালে সূর্য যেমন অসহনীয় কিরণ প্রদানে বারণ করিল। উখির গায় ঘুমঘুরবে বড় বড় বীরগণ বিক্র সমস্ত জ্বলিত করে, তেমনি অসীমপরাক্রম ঐ রাজা তুররূপ হইতে লাগিল। অচিৰদিত সুর্যের আয়, রক্তাক্ত অরুণকান্তিতে পদ্ধে আবদ্ধ শিলীমুখ (ৰাণ, পদ্মপক্ষে ভ্রমর) বিক্ষেপ তখন সুবর্ণ-নগরাকারে প্রতীমাল হইতে লাগিল। ১৭-২। করিতে লাগিলেন। তাঁহার হইতে বাণ ৰখন নিক্ষিপ্ত হয়, প্রাস, অসি, শক্তি, চ, এটিও মূত্রের ধ্বনিতে অস্বরত তখন একটা বলিয়া বােধ হয়; আকাশে খাইলে সই হয় এবং আরবি হইতে লাগিল। রক্তনদীর প্রবাহে শব-সমূহ ভাসিতে পড়িবার সময় লক্ষ লক্ষ বােধ হয়। সিগারেও সেই থাকিল। সুখী, শক্তি, কুন্ত, সি, শূল ও পাষাণ এরা - রূপ সামর্থ্য ও চিকারিত দৈখা গিছিল, কারণ তাহারা উক্ত- স্থান সঙ্কুল হইয়া উঠিল; শূলস্রাতে কসমুহ ই নেই বিষ্ণুর আরাধনায় লাভ করিয়া সমান পাই- পড়িতে লাগিল। বেতাগণ নৃত্য করত কোলাহল করিতে ছিলেন।১। তাঁহাদের নিক্ষিপ্ত মুলাকার গক, ক্রমণ গণজন অন হই উঠিল, কেবল পর কান্তর , জাল ধ্বনি কত আকাশনে সব ভূপতি ও সিরাজের রণয়, নগেমও চলবের গা, দেখা কমিমি। শৌবণ নাচ সমূহ আকাশেশ করত বইতে লাগিল। সেই সুখে , শ, সুখী, টি, এস এলবাািলিত 'তায়ারাজির , পুনঃ পতিত হইতে নিপতিত হারসমূহ লাখিল।
১১৬ যােগবাণ-রামায়ণ কে লাগিল। যেমন সূৰ্য্য হইতে মরীচিসমূহ নির্গত হয়, সমূদ্র করত প্রবাহিত হইতে লাগিল। অনন্তঃ মহাবৎ বিখ হইতে গন্ধপুর নির্গত হয়, প্রচণ্ড পবন-কম্পিত মহাজ্ঞ হইতে গরুড়াস্ত্র নিক্ষেপ করিলেন, সেই গরুড়াস্ত্র নিক্ষিপ্ত হইলে চতু পপসমূহ পতিত হয়, উত্তপ্ত তাড়িত লৌহপিণ্ড হইতে কণাসমূহ র্দিকে পর্বতাকার গরুড় পাল উড়িতে লাগিল। সৰ্ববিগব্যাপ নিগও হয়, যে হইতে জলধারা পড়ে, নিঝর হইতে যেমন ঐ গরুড় সকল সকল দিক সুবর্ণবর্ণে রঞ্জিত করিয়া পতাকার কর নিতে হয় এবং সেই পুরাহের অগ্নি হইতে যেমন পক্ষের বেগে প্রলয়কালের ন্যায়, প্রবল বায়ু উৎপাদিত করিল; কুলিঙ্গ নির্গত হইতেছিল, তদ্রুপ বিদূরথের থ হইতে অজস্র শর নসিকা-বায়ুতে সর্পমণ্ডল আকর্ষণ করিতে লাগিল। ভাহালের বর্ষণ হইতে লাগিল। ৬-১০। সেই রায়ের কোনওয়ের মহা ঘূরঘুর শষ সমুদ্র-পৰ্যন্ত-ব্যাপী হইতে লাগিল। চটচট শবণ করিয়া উভয় পক্ষীয় সৈগণ নির্ণা ও জল- অগস্তামনি সমুদ্র পান করিয়াছিলেন, ড্রপ ঐ গরুড়সমূহ ভুল- রিয়ায় শান্ত হইয়া রহিল। বিদূরথের ঘর্ঘরা-বযুক্ত বেগবান ব্যাপী সর্পসমূহ পান করিয়া ফেলিল। ৩১-৩৫। তখন ভূমণ্ডল শরসমুহ অম্বরলে, গজাপ্রবাহের স্যায়, সিছুর অভিমুখে পড়িতে সর্পমণ্ডরূপ অবণ হইতে নিযুক্ত হই, বারিয়াণি হইতে লাগিল (সিন্ধু-জ। গঙ্গাপ্রবাহপক্ষে সমূদ্র)। তাঁর ধনুমেষ উদ্ভূত হইয়া বেরূপ দৃশ্য হইয়াছিল, অরূপ শােভা ধারণ করিল। হইতে অনবরত শরশকে সৌর্ণ নারাচ ও শরবর্ষণ হইতে যেমন বায়ুতে দীপমণ্ডল নির্বাণ হয় শরৎকালে যেন মেখমণ্ডল লাগিল। পুরবাসিনী শীল হইতে দেখিতে লাগিলেন, অদৃষ্ট হয়, বগুয়ে পক্ষ পর্বত সকল আলীর বাণরূপ লাকিনীগ্রবাহ সিন্ধুপুরণার্থ গমন করি- করিয়াছিল এবং স্বপ্নদৃষ্ট জগৎ ও সল্পস্থাপিত পুরসমূহ তেছে। সেই সমূহ দেখিয়া লীগা ভর্তার অয়াশা করিয়া তৎক্ষণেই অদৃশ্য হয় ড্রপ সেই গরুড়লল কোথায় অঙ্গ আনন্দোৎযুবদনে কহিলেন-হে দেবি। আর জয় হউক। হইয়া গেল। 'অনন্তর সিরাজ গান্ধকার মােহন্দ্র কিক্ষেপ ঐ দেখুন, আমাদের নাথ জয় কৰিলেছেন। আরও দেখুন, করিলেন; তাহাতে দ্যাপৃথিবীর অন্তরালে, ভূগর্ভের স্যায়, যার ইহার শসমুহে সুমেরুও বিচূর্ণ হইয়া যাইতেছে। ১১-১৬। কৃষ্ণবর্ণ অন্ধকার বাড়িতে লাগিণ। জন সমতল একাণৰ সে বিদূর-ভাৰ্যা প্রগাঢ় মেহভরে আকুল হইয়া এইরূপ বলিতে হইয়া গেল। সৈন্যগণ সাগরের মৎস্যের ন্যায় হইয়াছিল যুদ্ধবনব্যগ্র সেই দেবীদ্বয় অপ্রবুদ্ধা লীলার কথায় মনে মনে এবং তারকাগ তাহার মণি হইয়াছিল। ৩৬–৪০। সেই হা করিতে লাগিলেন। অ সিন্ধুরূপ বাড়বানল শর- গাঢ় অন্ধকারে বােধ হইল, যেন দিক্ সকল কৃষ্ণবর্ণ পঙ্কে নিমগ্ন সন্তাপরূপ অগস্ত্য মুনি দ্বারা বিদূর-বিলিপ্ত অগাধ শসাগর হইয়াছে, কিংবা প্রলয়বায়ু যেন কজ্জলপর্বতসমূহ উৎপাদিত পান করিয়া ফেলিলেন। সিন্ধু-ভূপতি বাণবর্ষণ দ্বারা বিদূরথের করিয়াছে। সকল লােক যেন অন্ধকূপে নিপতিত হইল। বাণরূপ মহামে সকল খণ্ড খণ্ড করত ধূলি করিয়া ফেলিলেন হইল, চতুর্দিকের ব্যবহার সকল যেন কান্তে শান্ত হইয়াছে। এবং গণনাবে নিক্ষেপ করিলেন। যেমন দীপ নির্বাণ হইতে অনন্তর মন্ত্রদিগের অগ্রগণ্য বিল ব্ৰহ্মাণ্ডগৃহের প্রদীপ তাহা কোথায় যায় জানা যায় না, তদ্রুপ সেই বাণসমূহ কোথায় স্বরূপ সূৰ্যাস্ত্র প্রয়োগ করিয়া, গুপ্তবিচার অপেক্ষা না করিয়াই গেল, তাহা জানিতে পারা গেল না। ১৭-২০। শরশাধিত জগতের পুশ্চেষ্টা করাইলেন। যেমন নিৰ্ম্মল শরৎকাল কৃষ্ণমে বাবারা সকল আকাশে বিকীর্ণ হইতে লাগিল। কান্তবায়ু পণ করিয়া ফেলে, তেমনি সূৰ্যরূপ অগস্ত্য কিরণ দ্বারা সেই যেমন মত্ত অলধরকে নিবারিত করে, বিদূর তেমনি সেই অন্ধকারসমুদ্র পার্ম করিয়া ফেলিলেন। তখন ভূপতির অগ্র বাণধারা উত্তম উত্তম সাত্মক যারা প্রশান্ত করিতে লাগিলেন। অন্ধকাররূপ অস্বর যারা বিমুক্ত হইয়া মা পরােধর নিল কি মহীপতিদ্বয় পরস্পর এইরূপ কেপ ও তাহার প্রতীকার করত সকল, ববিযুক্ত ব্যপয়ােধর কান্তার স্যায়, পােভা পাইতে উভয়েই উভয়ের প্রহার ব্যর্থ করিয়া কাল অতিবাহিত করিতে লাগিল (পয়োধর-মে। কান্তাপকে গুন) লােভরূপ কল- লাগিলে। অনন্ত সিরাল গন্ধর্বের সহিত সৌহাৰ্ণ করিয়া শূণ্ঠ সাদিগের বুরি খায় সমস্ত বনরাজির মধ্য পৰ্যন্ত প্রকাশ প্রাপ্ত মােহনাস্ত্র নিক্ষেপ কৱিলেন, সেই অন্ত্রে বিদ্রথ ব্যতীত পাইতে লাগিল। ১-৪৬। অনন্তর নরপতি সিন্ধু ক্রুদ্ধ হইয়া সকলেই শােইখ হইল। যেহপ্রাপ্ত যাবগণ ব্যস্ত শাস্ত্র মতে মহাম্মদ শরাত্মক ক্ষশাস্ত্র প্রয়ােগ করিলেন। নিৰ্বাৰু বিষানেক্ষণ চিত্ৰাপিতের ন্যায় মৃত অবস্থায় পতিত পাতলবাসী গজের ফুৎকারে মহার্ণব যেন মুভিত হয়, দ্রুপ হইলেবিদূর তাহার নােহাপনের অন্য উপায় না দেখিয়া মূভিত ভীষণ রাক্ষসগণ চতুর্দিক হইতে আসিতে লাগিল। প্রৰােখ লইকে। ২৬। অনতর সৈন্যগণ প্রববধান্তের তাহাদের দীর্ঘ দীর্ঘ জটা সফল পিঙ্গলবর্ণ, দীর্ঘ তিসমূহ সাহায্যে তালে পরে আয়, এবােধ প্রাপ্ত হইলে, পূর্বে সকশকে গ্রাস করিবার আশায় বন বহিস্কৃত হইতে লাগিল। সূৰ্য্য যেমন মনেহাখ রাক্ষসের প্রতি ক্রু হইয়াছিলেন, তদ্রুপ পূত্রকৃতি ঐ রাক্ষসগণ, আকাঙ্খলিত বহ্নির ব্যায়, চটচট সিন্ধুরজ বিরথের প্রতি ক্রুদ্ধ হইলেন। সিরাজ তখন পাশ ধ্বনি করিতে লাগিল। পুরাকালে নিবিড় ধূমজাল যেমন বঙ্কন করিবার নিমিত্ত নাগা লইলেন তাহাতে নভােমণ্ডল চতুর্দিক অন্ধকার করিয়া ফেলে, সেইরূপ চতুর্দি অফায় পর্বতসঞ্জিত সর্পণে পরিত্যক্ত বল। যেমন সরােষরে মৃণা করিয়া তাহা কীষণ চীৎকার করিতে করিতে আকাশে মওলা- শােভা পায়, দ্রুপ সর্পসমূহ ভূমিতে বিলাস করিতে লাগিল। কাৰে যি করিতে লাগিল। হালের দারূপ মৃণালজাল পিয়িসমূহ খন কর্পে পরিপূর্ণ হইল; সকল পদার্থ বিষয় মুক্তে রহিয়াছে, পুরাতন সংস্কৃত জলাশয়ের ট এলে গেল; পর্বত, বন ও মহীমও লি অরিত হইয়া শেষ গায় লােশজলে তাহাগের দেহ সকল আবৃত। উঠল।-। শিশিৱসও তখন, বিধিকৃত পুজাের স্যায় জটাজালে মিণ্ডিত ঐ রাক্ষসগণ, সরল হয় উলেণু-সম হইহুদিকে বিকেল ভী গন করুত প্রণাৰিত হইয়া সকলকে গ্রাস কৰিভের উৎপতি-প্রকরণ । । হইল। এই সৰুৰে পাপতি বিদূর সেই দুষ্ট ভূগণের ফেলিল, দেখিয়া বােধ হইল, যেন বহরাত্রির একত্র সমাগম নিবারণাৰ্থ নারায়ণাস্ত্র প্রয়ােগ করিলেন। ৪৭-৪৩। ঐ অস্ত্র হইয়াছে। ৰারিভরে নত ঐ যে সকল ভীষণ গলন করত প্রয়োগ মাত্রেই রাক্ষসাস্ত্র সমুদয়, সূর্যোলয়ে অন্ধকারের স্থায়, চতুর্দিকে মন্দ মন্দ বিচরণ করিয়া জলধাৱ বৰ্ষণ করিতে শরৎকালে যেমন জলধর হইয়া লাগিল। শিশির-জলক-বাহী সমীরণ মোড়ম্বর জেল করত নােমণ্ডল নিৰ্ম্মল হয়, সেইরূপ ভুবনয় রাক্ষসশূন্য হওয়ায় মন্দ মন্দ প্রবাহিত হইতে লাগিল। সেই মেখে, সুবর্গর প্রশান্ত হইয়া গেল। সম্ভর সিন্ধু আগ্নেয়াস্ত্র প্রয়ােগ করিলে ব্যায়, বিদ্যুৎ বিদ্যন্ত্ৰী-কটাক্ষর স্থায় স্কুরিত হইতে লাগিল। আকাশমণ্ডল ও দিকসমূহ কল্পায়ি দ্বারা যেন প্রহ্মলিত হইয়া মাঙ্গ সিংহ প্রভৃতি স্থায় ভীষণ গর্জন করত যেও উঠিল। সকল দিক ধূম-জলদরে আচ্ছন্ন হইল। বোধ চতুর্দিক পরিত করিল। মহা মূষলধারে জলধারা বর্ষণ হইতে হইল, বেশ পাতাল-প্লেখিত তিমিপটল আসিয়া সকল দিক্ লাগিল। কৃতান্তদৃষ্টির ন্যায় কঠিন কাকাপাত হইতে লাগিল। অন্ধকার কুরিয়া তুলিছে। এজলিত পর্বতগণ কানকাতি প্রথম বৃষ্টিপাতেই অৱন্দের সহিত যুদ্ধ করিবার অংশষেই যেন ধারণ করিল, বােধ হইল, যেন পৰ্বতসমুদয় বিকসিত চম্পক- শৌর্ঘ্যবিলাস সহকারে পাতাল হইতে অনলত উষ্ণবাপ উঠিতে বনে পরিপূর্ণ হইয়াছে। অগ্নিশিখাসমূহে পরিব্যাপ্ত আকাশ, লাগিল । আত্মসাক্ষাৎকারে দেন সংসারবানী নিরস্ত হয়, পর্বত ও দিকসমূদয় বক্তবর্ণ ধারণ করায়, যমরাজের এই তদ্রুপ নিমেষ মাত্রেই মেধাস্ত্র দ্বারা সেই আতপ প্রশান্ত মখেৎসবে কুমলিপ্ত মাল্য বলিয়া বােধ হইতে লাগিল। এ হইয়া গেল, সমস্ত ভূমণ্ডল পন্সিল হইয়া জনগণের অগম্য জগৎ কেবল বহ্নি আর কিছুই নহে, এইরূপ শঙ্কাকুল জনসমূহ, হইয়া উঠিল। যেমন জলধারায় সিন্ধু (নদী) পূর্ণ হয়, তা ঐ সাগর হইতে লৌংসহস্র দ্বারা আনীত নভােমণ্ডলব্যাপী বাড়- মেথাস্ত্রের বারিধারায় ঐ সিন্ধু আছন্ন হইলেন। তখন সিন্ধু, প্রলয়- বানলে যেন প্রজ্বলিত হইতে লাগিল। তখন বিদূরথ যাহাতে কালে নৃত্যোগত উন্মত্ত বিকট-টীকারপর ভৈরবের ন্যায়, ভীষণ ঐ আগ্নেয়াস্ত্র প্রশমিত করিয়া শত্রুকে প্রহার করিতে পারেন আকাশতলব্যাপী বায়াস্ত্র প্রয়ােগ করিলেন। তখন বজ্রপাতে এইরূপ ভাবে বরুণাস্ত্র পূজা করত প্রয়ােগ করিলেন। ৫৪-৬৯। জনগণের অঙ্গ পীড়িত হইল, শিলাসমুহ বিদারিত হইয়া দিমুখে অন্ধকার-প্রবাহের ন্যায় চতুর্দিকে জলপ্রবাহ বহিতে লাগিল; বিক্ষিপ্ত হইল। প্রলয়-কাল-সূচক বায়ু, উটগণের শিলাত- বােধ হইল যেন অধ ও উর্ধদিক্ হইতে গিরিসমূহ জলরূপে ধ্বনির সহিত প্রবাহিত হইতে লাগিল। ৭৬৮৬। পরিণত হইয়া পতিত হইতেছে ধন আরও বোধ হইল, অষ্টচত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৮। নভোমণ্ডলে জলদসমুহ যেন বদ্ধগতি হইয়াছে, মহাসমুদ্রসমূহ যেন উপরে উঠিয়াছে। কুলপৰ্বল্পে প্রস্তররাজি ও তমালবন যেন উড়িতেছে, যেমন সমুদয় কালই রাত্ৰিময় হইয়াছে, ঊনপঞ্চাশ সর্গ। লোকালােক পর্বতসমূহ হইতে যেন কলসমূহ উদ্ভূত হইয়াছে, পাতালগুহা সকল মহা ঘুরঘুর শব্দের বেগে শীত-কলেবর ইয়া বশিষ্ঠ কহিলেন—তখন রকণবাহী ধূলি-সমূহ-পরিব্যাপ্ত যেন আকাশদর্শনে আসিয়াছে। যেমন কৃষ্ণ রাত্রি সত্বর সন্ধ্যার বায়ু চতুর্দিকে বনপত্র বিক্ষিপ্ত ও বৃক্ষসমূহ কম্পিত করত প্রবাহিত অবসান করিয়াদয়, তদ্রুপ জগাপী সেই জলধারা সেই অগি- হইতে লাগিল, বায়ুবেগে বৃক্ষগণ পৰিং ঘুরিতে লাগিল, ভাটগণ সমূহকে নির্বাণ করিয়া ফেলিল।-৬৬। যেমন নিদ্রা পতিত ও উৎপতিত হইতে লাগিল, অট্টালিকায় চুর্ণ-বিচূর্ণ নগনে আসিয়া ক্রমশঃ মানবের সর্বাঙ্গ ব্যাপিয়া অবসন্ন করে, মেষসমূহ ছিন্ন-ভিন্ন হইয়া গেল। সেই অভিীষণ বায়ুতে, জীর্ণ তদ্রুপ সেই জল অগ্নিসমূহ নির্বাণ করিয়া সকল ভূত শুফ পল্লব যেমন নদীতে হিত ও ঘূৰিত হয়, বিদূরথের সরে পরিব্যাপ্ত করিল। তখন মহারাজ সিন্ধুর সঙ্গও সৈন্যরক্ষকগণ অবস্থা ভদ্রুপ হইল। অনন্তর মহাজ্ঞ বিদূরখ পর্বতাস্ত্র ত্যাগ সেই জলে, তৃণের ন্যায় ভাসিতে লাগিল। তাঁহার রুখও করিলেন , তখন ঐ পােত্র যেন মেহােদকের সহিত আকাশ- জলে ভাসিতে লাগিল। এই অবকাশে সিন্ধু শােষণ ক্ষণ গ্রাসে প্রবৃত্ত হইল। যেমন চৈত-শান্তি (তত্ত্বাবধােণ হওয়ায় করিলেন এবং আপাণার্থ শরূপী ঐ শােষণ প্ৰয়ে চৈতন্যের মাধ্যলক্ষণ কারণ শান্তি) হইলে বিরাট প্রাণীরণ শান্ত করিলেন। ৬৭-০। সূৰ্য্য উঠিলে রাত্রি যেমন নিবৃত্ত হয়, হয়, তদ্রুপ সেই শৈলাতে বিস্তৃত বায়ুশান্ত হইয়া গেল। দ্রুপ শােষণাস্ত্রে ঐ জলময়ী মায়া নিবৃত্ত হইল। যাহারা ১-৫। বায়ুগে অন্তরী-নীত বৃক্ষ সকল, কাকহের ন্যায়, মরিয়াছে, তাহাৱা মৃতই রহিল। ঐ শােষণাস্ত্রে ভূল শুষ্ক হইয়া ভূতল শহোপরি পতিত হইতে দেখা গেল এবং চতুর্দিকুহু গেল। অনন্তয় শুদ্ধপর্ণাকীর্ণ বনভূমির আয় কর্কশ অনুতাপ পুর, গ্রাম, বন, বীরু, মনুষ্য প্রভৃতির সূৎকার (নিশ্বাস), বৰ্ধিত হইয়া, মূর্ণ ব্যক্তির জোরে গায়, অলগণকে উত্তাপিত লুণ্ঠনশ, ভাঙ্গার ও চীৎকার শব্দ সকল শান্ত হইয়া গেল। যেমন খন কনকদ্রব্যতুল্য অভাপ, পত্নীগণের সিন্ধু (সাগর), উৎপৰু মৈনাকালি পর্বত সকলকে ইতস্তত উঠিতে অঙ্গরাগের ন্যায়, দি সকলকে রঞ্জিত করিতে লাগিল। সেই দেখিয়াছিল, অদ্রুপ সিজও আকাশ-পর্ণবৎ ভিত পর্বসমূহ অপে, গ্রীষ্মপ-প্ত মৃদু পরে গায়, বিদূরখ-সৈন্যগণ দেখিতে লাগিলেন। তখন তিনি ক্রাস্ত্র নিক্ষেপ করিলেন, তাহাতে ঘর্মাক্ত-কলেবর হইয়া মূৰ্ছা-প্রাপ্ত হইল। তখন বিদূর জাল ইন্তত চালিত হইয়া আমি যেমন কাষ্টকে গ্রাস করে, তদ্রুপ করিতে করিতে কোদণ্ড কুণ্ডলীকৃতকরিয়া মেধাস্ত্র প্রয়ােগ করি- ঐ বৃহৎ পর্বতরূপ তিমির গ্রাস করিতে লাগিল। ঐআস্ত্রের লেন। ৭১-৭৫। আহাতে লন্থর তমাল-বিপিনের স্থায় চলৰ অগ্রভাগ দ্বারা সেই পন্সমূহ খণ্ডিত হইয়া যাচ্ছি ॥ সমস্ত অগৰ অৱকাময় করিয়া ফলসহর গ তুলে পড়িতে লাগিল। ৬-১০। নয় করিয়া তুলিল। :1;;
কর্ণ এক হৰু হইতে অর্থাৎ মাংস-বড় ক্ষরিত হই, নাগিল। বার বসমূহে আকাশ, তৃরাজি দ্বারা সমান। মােগঠিয়ামায়ণ। বিদূথ বাক্স-নিবাৰণাৰ্থ ৰহ্মাত্র ত্যাগ করিলেন, তখন সেই জলে নিমগ্ন ও উন্ময় হইতে লাগিল এবং রক্ত-মাংসরূপ স্ত্র ও ব্রহ্মাস্ত্র যুগপৎ প্রশান্ত হইয়া গেল। তারপর সিন্ধু মহাপঙ্কে পড়িয়া পরস্পর আলিঙ্গন অভ্যাস করিতে লাগিল। ভৰিায় হােরমবর্ণ পিশাচন্ত্রি প্রয়ােগ করিলেন , তাহাতে তখন মন্দর পর্ষত দ্বারা মধ্যমান দুগ্নসমুদ্রের ন্যায় ভীষণ কলকল অত্যন্ত ভীতিপ্রদ পিশাচশ্রেণী উদগত হইতে লাগিল। সকালে ধ্বনি উখিত হইতে লাগিল। বিদূর পূর্বে মায়াসঞ্চার করিয়া- মেন দিবস আমবর্ণ হইয়া থাকে, দ্রুপ পিশাচ-ভয়েই যেন দিবস। ছেন—সিরাজ অহা বুঝিতে পারিয়া তাহার প্রশমনর্থ বেতালা শ্যামবর্ণ হইল। অন্ধকারপুঞ্জের ন্যায় পিশাচসমূহ আসিতে | গ্রহণ করিলেন। সেই বেতালাবেশে সঞ্চালিত মস্তকহীন ও লাগিল। সেই পিশাচগণ দাসদৃশ, তাল প্রদান করুত উদ্ধ। সমস্তক শসমূহ উর্ধে উখিত হইল। ৩১-৩৫। তখন পিশাচ, তাৰে নৃত্যপরায়ণ ও ভীষণাকৃতি, মুষ্টি দ্বারা উহাদিগকে ধরিতে বেল ও পুনাগণ এক মিলিত হইলে সেই সৈন্যসমূহ, পান্না যায় না। ইহারা কুশাঙ্গ, দীর্ঘকেশ, কেহ কেহ জিসম্পন্ন ‘সমুদয় পৃথিবীকে গ্রাস করতে সমর্থ হইয়াছিল। অনন্তয় কলেবর, দরিদ্র জনসদৃশ মলিন ও আকাশসঞ্চারী, উহাদের। ভূপতি ৰিদূরখ সেই মায়া সংহার করিয়া লােক্য এস করিতে হতে অস্থি প্রভৃতি ছিল। মূঢ় লোকেরা ইহাদিগকে সভরে সমর্থ রাক্ষসাস্ত্র প্রয়ােগ করিলেন। তখন চতুর্দিক হইতে দেখিতে লাগিল। ঐ পিশাগণ মালেকের ন্যায়, দীনস্বভাব পৰ্ব্বতপ্রমাণ স্থূল রাক্ষসগণ আবির্ভূত হইল, বােধ হইল, যেন পন্ন, বস্ত্র ও অসি অপেক্ষাও উহারা কঠিন, বৃক্ষ, কর্দম, রখ্যামধ্য । নৱকগণ দেহ অবলম্বন করিয়া পাতাল হইতে বহির্গত হইল। এ গৃহে থাকিতে বাসে এবং ইহার চঞ্চল সৃষ্ণকায় লেহন সেই সৈন্যমণ্ডল নুরাসুরগণের ভয় অতিভীষণ হইয়া উঠিল। করিতেছিল। উহাদের আকার পেয়ে স্থায়। তখন তাহার উম্মত গর্জনকারী রাক্ষসদিগের মহাধ্বনিরূপ বাদ্যের সহিত কৰক্ষ- হইয়া হতবশিষ্ট শত্রুসৈন্য আমণ করিতে লাগিল। বিদূরথের রুধিরসিষপান্তী উম্মত বেতালগণ নৃত্য করিতে লাগিল। ভূতগণ গণ নৃত্য বলিতে লাগিল। ধন মেগো-মাংস-চৰ-পরায়ণ সৈগণ ভিন্ন, চেঙ্গাহীন, আয়ুধ ও বৃহীন, ব্যাকুলপ্রাণ এবং খলিতগতি হইয়া নে, অঙ্গ ও মুখ বার ঐ পিশাচাবেশ-বিকার কুয়াগুক নামক প্রেগণের তাওবােন্ধত বিজাতীয় পদাঘাতে প্ৰকাশ কৰিতে গিল এবং কৌপীন-বসনালি পরিত্যাগ করিয়া উচ্ছলিত শােণিততরঙ্গে অভিষিক্ত হওয়ায়, সন্ধ্যাকালীন আমল বিষ্ঠামূত্র পরিত্যাগ করত নৃত্য করিতে লাগিল। ১৯-২০। ঐ ঘনঘটার ন্যায়, রঞ্জিত হইয়া সেই সৈন্যসাগরের শােণিস্রোতে পিশাচশ্রেণী বিদূরখকে আক্রমণ করিতে উদ্যত হইলে ঐ বিচক্ষণ সেতুম্বরূপ হইয়া গঁড়াইল। ৩৬–৪১। নরপতি তাহা জানিতে পারিলেন। তিনি পিচসংগ্রামকারী মায়া উনপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। ৪১। জানিতেন; সেই মায়া দ্বারা পিচসৈয় শত্রুসৈঙ্গে নিয়ে- জিত কৰিলে। তখন বিদূরখের সৈগণ কিঞ্চিৎ প্রকৃতিস্থ হইল, -যােঙ্কগণ পিশাচাবিষ্ট হইল। তাহার পর বিদূরখ ক্রুদ্ধ হইয়া পঞ্চাশ সর্গ । ঐ পিশছি- সৈন্যের সাহায্যার্থ অপ পূতনাস্ত্র প্রয়ােগ করিলেন। তখন উজকেশী পূজাগণ ভুতল ও গগনতল হইতে উঠিতে শিষ্ঠ কহিলেন, তখন সেই ঘাের সংগ্রামবিভ্রম দেখিয়া লাগিল। উহাদের বিকাল নয়ন কোটময় ও গমনবেগে শ্রোণি ! অধিক-ধৈৰ্যশালী সিন্ধুরাজ স্বৰল রক্ষা ও সমস্ত শত্রুসৈন্ত বিনাশ ওনােথ বিকশিত হইতে লাগিল। উহাদের মধ্যে কেহ উক্তি করিবার মানসে অসাধারণ কালকদ্রবং সংহারকারী বৈষ্ণবাস্ত্র স্মরণ যৌবনা (নবযুবতি), কেহ বড়, কেহ পীরাঙ্গী, কেহ জীর্ণা। করিলেন। অনন্তর ঐ ৰাস্ত-বিনিম্মুক্ত শরের ফলা হইতে উহাদের অনশগুল আকারের অনুরুপ, নাভিমশুল বিকট উকপ্রভৃতি অস্ত্রসমূহ নির্গত হইতে লাগিল। এবং উহাদিগের যােনিমণ্ডল অতি বিস্তৃত। উহাদিগের হতে বিনির্গত চক্ৰসমূহ চতুর্দিকে, শত পূর্বের ন্যায়, প্রকাশ পাইতে মনুষ্যদিগের রক্ত ও শির অবস্থিত। ত্রিমণ্ডল সন্ধ্যারাগের স্থায় লাগিল। গৰাসমূহ গনতলে, শত বংশের রায়, শােভা পাইতে - তাহা হইতে ভেচ্ছ, উহাদের নানাবিধ অব চেষ্টাসম্পন্ন। উহাদিগের উরু, পলের খায়, দৃষ্ট হইল একা বহুশাখাসমথিত পট্রিশ অন্ত্রে কটি, পাবেশ, কর প্রভৃতি সমুদয় শিলার ন্যায় কঠিন ও কাশ নময়, নিশিত খঙ্গে পূজালময় ও শ্যামল খুজে ভুগণের আয় বক্র। বীরদপী, উদ্ধত ব্যক্তিরাও উহাদিগের পত্ররাশিময় হইয়া উঠিল অনন্তর বিদূথ নরপতিও দর্শনে নত হয়। উহুয়া শিশুবসমূহ । মাল্য-নিৰ্মাণ সেই বৈষ্ণবা-প্রশমনর্থ অন্য বৈষ্ণবান্ত্রের প্রয়োগ করিলেন, করিয়াছে, হত দ্বারা আরজু আকৰ্ষণ করিতেছে। কুকুর, তাহা হইতেই শর, শক্তি, গলা, বাস ও পট্রিশ প্রভৃতি অলরূপ বায়স ও উলুকের ন্যায় উহাদের বদন এবং ক ও হনুর মধুভাগ অন্যান্থ অন্ত্রের পরাভবকারী নদী নির্গত হইতে লাগিল। নত। তাহারা, দুষ্কৃতপরায়ণ দুর্বল বালকের স্কয়, ঐ পিশাচ- গগনউলে সেই শহীসমূহের পর যুদ্ধ হইতে লাগিল। গণকে গিয়া পড়ি গ্রহণ করিল। জন সেই পিশাচ ও সেই অসমূহে কুলপত সকল বিদীর্ণ হইয়া যাইতে পূনা-সৈগণ একতপ্ত হই, ক্রীড়াসে মগ্ন হইয়া তাহারা লাগিল ও ব্যাপৃথিবী নিরবকাল হইয়া উঠিল। এর মারা উত্তাল বদন, নয়ন ও অঙ্গ সকলের পরিচালন এবং নর্জল করত , শূল ও অসিসমূহ পতিত হইতে লাগিল। খঙ্গ যারা পরস্পরকে আকর্ষণ করিয়া ইতস্ততঃ প্ৰধাবিত হইতে লাগিল। পশগণ চুর্ণ-বিচুর্ণ হইয়া গেল। মূল, আস ও মূল অর ২১-৩০। তাহারা মহজিবা বিকাশিত কবিয়া নানা মুখবিকার থাৱা শক্তি-অসমূহ ছিন্ন হইল। ৭-১০। মূলগঞ্জ মরে করত বই সমূহ পরস্পর আহরণ করিতে লাগিল। ঐসকল শরসমূদ্র মথিত হইতে লাল। শরসমূদ্র মথিত হইতে লালি। পদাৰণন হইতে দুর্বা অসি ঘােম, নবাহ, লম্বকর্ণ, যৌষ্ট, লঞ্চলিকপশাচিশ মুক্ত সমূহ নির্গত হইতে লাগিল। স্ব স্ব সৈন্য-হনরূপ উলরি। কুরূপ ইমগুল ভ্রমণ করিতে লাগিল। এসি লক, অ সিগাপূনরানীত মে মাৰোহণ করিতে প্রবৃত্ত হইতেছে। বিনাশােনত কুকালে স্থা, ভ্রমণ করিতে লাগিল। সামুখ- দেবি। খুন, বেন -নিপাত নিবাতকবচগণের মৌ শিকারী উগামী অস্ত্র সকল চক্রান্ত্র দ্বারা এণ্ডিত হইল। নগর বিমূর্ণিত হইয়াছিল, ক্রপ ঐ মুখ মুদারাঘাতে বিচুণিত পরস্পর যুজোত সমূহের ভীষণ ধ্বনিতে ৰােষ হইল ফেন হইল। আমার এই বাৰীও বিচূর্ণিত আনীত ঐ সিন্দুতে ব্ৰহ্মাণ্ড ফুটিত ও কুলপৰ্কত সকল ভ হইল। মায়া লুৎকায় সিন্ধুকে বলা করিয়া আমােহণ করিয়া যেগে লিয়াছেন। বিশিষ্ট শূল অস্ত্র ও 'শিলাসমূহ এবং ডুমুখী যারা উদ্ধত ৩০-৩৬। হায়, হায়! কি কষ্ট, ঐ সিজ আবার হরিণ ডিশিপালসমূহ নির্জিত হইতে দেখা গেল। ১১-১৫। স কর আয় উন্নত ঐ মারুত আৰ্যপুত্রকে নিড়িত করিল। সংহাৱসমর্থ উৎকৃষ্ট শুলধারী চক্রের চায় এক একটা শূল, ঐ আপুত্রবার দিঘ, হিমখ, হতা, নিহতসারথি, ছি- সমূদয়কে কুষ্ঠিত করিতে লাগিল। নির্গত ভিন্ন অঞ্জসমূহ কুটি মূক ও ছিয়কবচ এবং সর্বাঙ্গ সিরিত হওয়ায় আকুল হইয়া- ও বিষমভাবে পড়িতে লাগিল। তাহাদের চটচটাশকের বেগে ছেন। ৩৭–৪। হায়, হায়! ঐ সিন্ধুরা এবার শিলাগষ্ট্রের আকাশগঙ্গার বেগ নিরুদ্ধ হইল। বিচুর্ণ হেতি অস্ত্রসমূহ নারা কায় দৃঢ়,মদীয় স্বামীকে বলল ওপর মন্তকে সম বাশ খায় গগনমণ্ডল ধূমজাল-সমাচ্ছন্ন করিল। এইরূপে আকাশে অক্স আহত করিয়া বিপতিত করিল। ঐ মহারাজ চেনলাভ করত সমূহ পরস্পর যুদ্ধ করিতে প্রবৃত্ত হইলে বিদ্যুত্রে ন্যায়, অগিশিখা সমানীত অন্য ৰে আরােহণ করিতেছেন। হায়, হায়। ঐ দুর্বত্ত সমূহ নির্গত হইতে লাগিল। সিরাজ ইহা দর্শন করিয়া ইহার দেশ ছেদন করিল দেখুন। পদ্মরাগগিরির আরক্ত মনে করিলেন যে, বিদুরথ কেবল আমার আত্মনিরণে কালক্ষেপ এর আয় মন ভর্তার দেহ হইতে রক্ত নির্গত হইতেছে। করিতেছে, আমার নিকট ইহার বল অভিতুচ্ছ। এই মনে হায়, হায়। কি কই। কি কষ্ট। ঐ সিন্ধু খরা দ্বারা, কচ করিয়া সিন্ধুরা অবহেলা করত অবস্থান করিতেছেন, এমন দ্বারা বৃক্ষের ন্যায়, মণীয় ভর্তার এলাকায় ছেদন করিল। গায়, সময়ে বিদুখ, ব-নিনাদের ন্যায়, গভীৱধ্বনি উত্থাপন করত হয়। আমার কপাল পুড়িল। মৰিলাম, আমার সর্বনাশ হইল। আগ্নেয়াস্ত্র পরিত্যাগ করিলেন। ১৬। তখন সেই অস্ত্রের আমার পতির অনুষও মৃণালবৎ ছিন্ন করিল। এই বলিয়া এভাবে সিরাজের রথ, এক্ষণের ন্যায়, প্রজ্জ্বলিত হইতে লাগিল। ভর্তায় সেই অবস্থানে ভাতুরা সেই গলা মুভি হইয়া, ঐ অবসরে হেতিপূর্ণ অম্বরতলে রাজয়ের অস্ত্রসমূহ, বর্ষাকালীন পরশুচ্ছিন্ন লতার ন্যায়, ভূতলে পতিত হইলেন। ৪১-৪৫। পয়দ ও নদীয় বেগের ন্যায়, বেগে পরস্পর ভীষণ যুদ্ধ করিয়া বিদূরখ অনুরহিত হইয়াও শত্রুকে প্রহার করত নিমূল প্রশান্ত হইলে, বিরুখের আগ্নেয়াস্ত্রের অগ্নি সিরাজের রথ বৃক্ষের ন্যায়, রথের অপােদেশে পতিত হলেন। পতিত ভস্মসাৎ করিয়া, বনল বনদাহ করিয়া গুহা ইতে সিংহকে এইমাত্র ইহাকে সাৱৰি সিয়া বুথে শইকা স্থানান্তরে লইয়া যেমন আক্রমণ করে, তদ্রুপ সিন্ধুকে আক্রমণ করিল। সিন্ধুও গেল। কিন্তু উদ্ধত সিল তখনই ভয় কত খগাখাত বারুশাস্ত্রের প্রয়ােগে সেই অগ্নি প্রশমিত করিয়া, রথ পরিত্যাগ করিলেন। বিদূর ভস্কি ইয়, কিরণ যেমন পরে পূর্বক অবনীলে অবতীর্ণ হইয়া থজা লইয়া, যুদ্ধের প্রবেশ করে, ক্রপ সারণিকক ক্ষন ধারা গৃহে প্রবেশিত হইলেন এবং অনিমেষমাত্রেই অনায়াসে করবাল দ্বারা মৃণালের হইলেন। যেমন মশক অগ্নিশিখামধ্যে প্রবেশ করিতে পারে না, ন্যায়, বিদূরথে খাখের খুরচ্ছেদন করিয়া দিলেন। বিদূরখও ভট্রপ ঐ সিন্ধু সরস্বতীর প্রভাবপূর্ণ গৃহ প্রবেশ করিতে বিরথ হইয়া খামাত্র সহায় হইবে। ২১-২৬। তাহারা পারিলেন না। তখন সামি আসিচ্ছিন্ন গলদেশ হইতে বিলিঃ উভয়ে তুল্য উৎসাহসম্পন্ন ও সমানায়ুধ হইয়া সৈঙ্গমগুলের মধ্যে সৃত রক্তধাৱা ব্যৱা বিলিপ্ত সাদ বিন্দুকে সেই গৃহমধ্যে বিচরণ করিতে লাগিলেন। তঁাহাদের উভয়ের পরস্পরের প্রহারে প্রবেশ কইয়া, ভগবতী সতীর সম্মুখে সুখ-শরণযােগ্য কোন উভয়ের খবরপত্র হইয়া গেল। চুরি যা পরিত্যাগ শয্যায় শয়ন করাইল। সিরাজ ফিরিয়া গেলেন। ৪৬-৫০। করিয়া শক্তি অত্র লইয়া সিরাজের উপরে নিক্ষেপ করিলেন। পঞ্চাণ সমাপ্ত। সেই শক্তি সমুদু-তরঙ্গের যায়, বরণকে মহােপাত-কাচক প্রলয়কালীন অশনির ন্যায় অবিচ্ছিন্নভাবে, সিছুয়াজের পতিত হইল। কামিনী যে ভর্তার অপ্রিয় অনুষ্ঠান করে একপাশ সর্গ। , ক্রপ সেই শক্তিও সিরাজের কোন অনিষ্ট করিল না, কেবল হস্তী যেমন শুণ্ড থাৱা জল গীর্ণ করে, সিরাজও বশিষ্ঠ কহিলেন,- সেই বুজে এভূপতি সিন্ধু “রাজা হত তেমনি কৰিখাৱা বন করিতে লাগিলেন। তখন অবুদ্ধ হইয়াছে, রাজ হত হইয়াছে, এইরূপ ধ্বনি করিতে লাগিলে, লীল, নিশাকাহত অন্ধকারের আয়, সেই সিরাজকে আহত সেই রিখ-রাষ্ট্র প্রতি আবদ্ধ হইয়া উঠিল। কোথাও নানা দেখিয়া সাতিশ আলালিত হইয়া পূর্বশীলাকে কহিলেন- দ্রব্য-সত্তায়-পূর্ব শকট-সমূহ বেগে গমন করিতে লাগিল; দেবি। ঈদেখুন, আমাদের স্বামী নৃসিংহ, উন্নীৰঐ সিরাজকে কোথাও আর্ত নারীগণের ক্রন্দন ত হইড়ে লাগিল; কোন হিরণ্যকশিপু দৈত্যের জয় শক্তি থাকারূপ নখ দ্বারা এর স্থান পায় নগরবাসীদের সর্ষে দুর্গম হইল, কোথাও বা করিয়াছেন।২৭-৩২। ঐদেখুন, এলাণান্বিত লাগেলে আর্তনাদ কত পলায়মান গণ আহত হইতে লাগিল, লােক- হইতে ফুৎকৃত ৰারি যেমন নিহ, জগইহার নিষ্পেষিত গণ পরস্পরের দৃশ্য ন করিতে লাগিল। সিরাজের সৈন্য- বল হইতে চুলচুশকে রক্তস্রাব হইতেছে। হায়! পুৱাৰ গণের সােলায়নি ও নৃত্য হইতে লাগিল। আগ্নেহিত *মেরুপৰ্বতের সৌৰ আরােহণ করে ঐ হাওখেরকুৰ এবং কলাট-পাটনশব্দ মিলিত হইয়া ভীষ। * * যােগবাশি-রামায়ণ - হইয়া উঠিল। কৌশেয়-য-পরিধাৰী ভটগণের নিকট দাগ দ্বিপঞ্চাশ সর্গ। যানি-মার্থ অিিবত হইতে লাগিল। তখন চোরের উপত্র এই বাড়ি যে, মৃত রাজার গৃহন্থিত অনগণের গাত্রাদি কর্তন বণিত কৰিলেহে রাফ এদিকে সরস্বতী-নিকটভি করি গণ অলঙ্কারাদি অপহরণ করিতে লাগিল। রাজয় লীলা সমুখৰিত ভর্তাকে খাসমাত্রাবশিষ্ট মুক্তি দেখিয়া অতপুরে খাল ও খপ প্রভৃতি হীনভীয়গণ মুখে বিশ্রাম সরস্বতীকে কহিলেন,-আশ্বিকে। এই মনীয় ভর্তা সেই ভাগ করিতে লাগিল। ১৩। পামগণ রাজগৃহ হইতে গেল এব্য করিতে এত্ত হইয়াছেন। সরস্বতী কহিলেন,—এইরূপ মহা- অপহরণ করিল ভােজন করিতে লাগিল; হেমহার-লােতে প্রবল রঙে অদ্ভুত সংগ্রাম ও রাষ্ট্রবিপ্লব উপস্থিত হইলে রাষ্ট্র ও দ্যগণ নানা অলঙ্কারে মণ্ডিত রাশিকে পত করিয়া মহীভলেয় কিছুই হয় নাই; কারণ এই স্বপ্নাত্মক জগৎ কোথাও কাড়িয়া লইতে লাগিল, অসহায় বালক রােদন করিতে লাগিল। স্থির নাই। হে অনয়ে! মোর তার এই রাজ্য ভূপতি-পদ্যের দুয়ায় যুবকেরা অন্তঃপুর-নারীগণের কেশৰণ করিতে লাগিল। গৃহাকাশে এবং ভূপতি-পদ্ধের রাও সেই বশিষ্ঠ-ব্রাহ্মণের গৃহ- এব্যসভার লইয়া পলায়নপর পাগলের মত হইতে পতিত কাশে অবস্থান করিতেছে।১-৫। সেই বশিষ্ঠ-ব্রাহ্মণের অমূল্য রত্নরাশি পথে পড়িয়া রহিল। সামন্ত রাজগণ নিজ গৃহমথ্যে শৰগৃহে এই জগৎ ও এই জগন্মধ্যে বিদূরখ-ব্রহ্মাণ্ড এই নিজ হস্ত সংগ্রহপূর্বক এত্ত স্থাপনে ব্যর্থ হইল। সিন্ধু- উই অবস্থিত রহিয়াছে। ভূমি, আমি, এই শালা, এই রাজের মণি অভিষেকোনোগের আদেশ দিতে লাগিল। বিদূরখ ও সসাগরা এই অবনীমণ্ডল সেই গিরিগ্রামবাসী বিদ্রের প্রধান প্রধান স্থপতিগণ (ণিজিগণ ) রাজধানী নিৰ্মাণ করিতে গৃহাভ্যন্তরস্থ গগলকোষে অবস্থান করিতেছে। স্বীয় আত্মাই আরম্ভ করিল। বাবপুরুষগণ কারুপণকৃত গবাকবির দিয়া কখন বখা প্রকাশ পায়, কখনও বা কোনও স্থানে প্রকাশিত হয় অপূর্ব নগর-সৌন্দৰ্য-গর্শনার্থ প্রবেশ করিতে লাগিল। ৭-১০। । সেই খাই উৎপত্তিরহিত পরমপদ আনিবে। সেই সিরাজের পুত্র অভিষিক্ত হইলে জয়শষ উদেবাষিত হইতে অনাময় শান্ত পরমাত্মা স্বপ্রকাশ, তিনিই মণ্ডপান্তে স্বীয় চিত্র লাগিল। সিন্ধুপক্ষীয় রাজন্যবর্গ সিন্ধুরাজের রাষ্ট্ৰস্থিতি রক্ষণা- স্বভাব যারা স্বয়ংই আপনাতে সমুদিত আছেন। ৬-১০।সেই বেশ করিতে লাগিল। যিখের প্রিয় রাজপুরুষগণ প্রচ্ছ- মণ্ডপয়মের মধ্যে যে আকাশ আছে, তাহা মাত্র, ভন্তি- ভাবে অবস্থান করিলেও বিপক্ষগণ কর্তৃক আক্রান্ত হইয়া পলায়ন জগৎ নাই। ভ্ৰমণীর যদি অভাব হইল, তবে ভ্ৰমবিষয়ক করিতে লাগিল। অসংখ্য চৌরগণ চৌাভিলাষে পথরােধ করিয়া ভয় আবার কিরূপ? এই কারণে ভ্ৰমস্যাই হইতে পারে না, অবস্থা করিতে লাগিল। মহানুভব বিদূরথের বিরহে দিনাতপও কেবলমাত্র সেই উৎপত্তি রহিত পরমপদ অবস্থিত আছেন। দ্রষ্টার আজ নীহারময় বলিয়া বােধ হইতে লাগিল। মৃভবন্ধু জনগণের ব্যাপার-ফলের আধারই দৃশ্য, কোনও দষ্টা আপনাতে আপনার আৰ্তনাদ, বিপণিগের সানন্দ ৰ ও হত্য-রথসমূত্রে ব্যাপার আহিত করিতে পারে না। একত্র কর্তৃত্ব ও কর্মুতু এ ধ্বনি মিশ্রিত হইয়া এত জীষণ হইল, যেন তাহা পিণ্ডাকায়ে উভয়ের সভা অসম্ভব, অতএব দ্রষ্ট-দুক্ষের দৃষ্টম অদ্বৈতবাদের যৱিতে পারা স্বয়। জনগণ “ভূমণ্ডলের একচ্ছত্র অধিপতি সিন্ধু ভুষণ উৎপত্তিনাশরহিত স্বয়ং প্রতিভাত শান্তি আদ্যভূত অনাময় রাফের জয়বলিয়া ভেরীবাল্য করিতে লাগিল। ১১-১৫।যেমন সেইই পরমপ জানিৰে। সেই মণ্ডপগৃহে জনগণ স্বভাবে সমু এক মনুর অবসন যুগান্তে প্রজাষ্টির নিমিত্ত অপর মনু তে দিলা হইয়া অবস্থাতেই বিহার করিতেছে। ১১-১৫। উপস্থিত হন, দ্রুপ উন্নতঞ্চঙ্কর সিরাজ রাজধানীতে প্রবেশ তাহাতে জগৎ বা সৃষ্টি কিই অনুভূত হয় না, সেই কারণেই জগৎ করিলেন। যেমন রঙ্গসমূহ অমধ্যে গমন করে, দ্রুপ আজ ও আকাশস্বরূপ। এই মন্ত মেরু প্রভৃতি গিরিসমূহ অজ্ঞতা- দশদি হইতে পিন্ধুরাজপুরে কন্তু আসিতে লাগি। মন্ত্রিগণ বিভূতি, এই সকল কুড্যময় কিছুই নয়, স্বপ্নদৃষ্ট মংপুরের কাল মধ্যে চতুর্দিকে রাজনামাঙ্কিত হি, শাসন ও নিয়মাদি আম দৃষ্ট হয়। মনুরো স্বপ্নে দেশপরিমিজ স্থানে তৎপ্রদেশ স্থাপন করিতে লাগিল। প্রত্যেক দেশে ও নগরে অচিরকালেই আত্মচৈতই লক্ষ লক্ষ গর্বঅদিময় জগৎ বলিয়া দেখে। অ4 বষের ন্যায় কঠোর নিয়ম প্রবর্তিত হইল। যেমন উৎপাত-বায়ু পরিমিতি স্থানেও বিবিধবেশে কদলীত্বকের ন্যায় করে স্তরে সুষ প্রশান্ত হইলে তৃণ-পর্ণাদি লর্থনিচয়ের আবর্তন প্রশান্ত হয়, এ অবস্থিত রহিয়াছে। স্বপ্নলিম্মি পূর ও নগরাজির স্থায় ভদ্রুপ নিমেষগুখ্যে রাজার কঠোরনিয়মে দেখােপক্সব-সমুদয় চিনর মধ্যে এই ব্রিজগৎ অবত। সেই ব্রিজগভে মধ্যে প্রশান্ত হইয়া গেল। তখন মনসানে উত-মশর ক্ষীয়ােদ চিলও চিনণুর মধ্যে আরও এক একটা জগৎ অবস্থিত সাগরের ন্যায় দশদি এহইল। তৎকালে কর্ণবাহী মৃদু রহিয়াছে। ১৬ • হে শুতে। সেই সকল জগতের মধ্যে সমীরণ সিলেবাসিনী কামিনীগণের মুখমলে ভ্রমরগণ সদৃশ এই পদ্ম-রাজারও শব অবস্থিত আছে। তােমার পূর্ব সপত্নী কাবলি মৃদুভাবে সঞ্চালিত করত এ সভাপ-দুর্গানির শীল তথায় আগেই গিন্ধছেন। তােমার সম্মুখে এই লীল উপশম করত প্রবাহিত হইতে লাগিল। ১২। যখনই মুচ্ছিত হইলেন, তখনই তা পরে শব-সলিখলে একপসর্গসমা। অবস্থিত হইয়াছেন। লীলা কহিলেন,দেবি! ইনি ভয় কি প্রকারে দেহলি হইছিলেন, আমিই বা কিরূপে তাঁহার শত্রী হইছি আর সেই মহারাজ পদ্মের গৃহবাসী জনগণার রূপ কিরূপ দেখিতেমন এ কি বলিতেছে, ইহা আমার নিকট সংক্ষেপে ব্যক্ত করুন। দেৰী কহিলেন,-লীলাভূমি যাহা ভিসা করিলে, আমি অহা সংক্ষেপে বলি ।
এই ভাবে আনা কমিবিবেন এক্স “মি যেন বিধবা না হই যেন সব ফল থাকিলে তাহা গণি ওঠা যায় না, তা উৎপতি-প্রকরণ . কর। শুনিলে নি বৃত্তান্ত ও দুর্দশা সকল অবগত হতে লীলায় জীব এণবায়ু-সহকারে উহার দেহ হইতে নির্গত পারিবে। ২১-২৭। তােমায় এই স্বামী বিৱখরূপ সেই পদ্ম, হইল। অনন্তর লীলা ময়ণ-মূৰ্ছাবসনে স্বীয় সঙ্কলরচিত বুলি সেই শৰায়গৃহে নগয়াদি বিতত জগন্ময়ী ভ্রান্তি গনি আকাণে সেই সেই ৰ অনুভব করিতে প্রবৃত্ত হই। করিতেছেন। এ যুদ্ধও ভ্রান্তিযুদ্ধ, এই সমস্ত অনও ভ্রান্তিমূলক বাসনার উৎকর্ষে তিনি পূৰ্ব্ব-দেহ স্মরণ করিয়া, রবিলি এবং মরণও ভ্রান্তি বণ হইয়া থাকে। এই ভ্রান্তিক্রমেই লীলা বিকশিত নলিনীর য়, বাসানুরূপ বিকাশ প্রাপ্ত হইলে ইহার দম্বিত হইয়াছে। যে কােহে। তুমি এবং ঐ লীলাও স্বীয় মনােহর কান্তকে উপভােগ করিবার নিমিত্ত পূর্বশ্বতি খালা স্বপ্নমাত্র। যেমন তােমরাও ইহার নিকট অভিভাভ, তােম। ভূপতি পদ্মের মণ্ডপ গমন করত নিজ ভর্তার সহিত মিলিত দিগের নিকটও অদ্রুপ এই তােমার ভর্তা এ আমি স্বপ্নে হইলেন। ৪৭-৫২। দুপতি পথে মণ্ডপে গমন করুত নিজ ভয় সহিত মিলিত প্রতিভাত হইতেছি। এই অগং এইরূপেই প্রকাশিত হয়, এজন্য দ্বিগৰুণ শৰ্গ সমাপ্ত। ২। দৃপদে অভিহিতও হয়, সবিশেষ তত্ব অবগত হইলে দৃশ্যত্ব নষ্ট হইয়া যায়। ২৬-৩০। কেবল আত্মাই পরিপূর্ণ সত্য, তাঁহার আশ্রয়ে তুমি আমি ইনি ও এই রাজা তদীয় ভ্রান্তিবিস্কৃন্তিত। ত্রিপঞ্চাশ সর্গ। এই রাজা প্রভৃতি ও আমরা সকলে যে কারে চিনের সর্বাত্মরূপে সংস্থিতি (মিথ্যাকঙ্গনা হেতু) সম্পন্ন হইতেছে, বশিষ্ঠ কহিলেন-অনন্তর লব লীলা ই দেহেই শহী- সুহাসিনী, বিলাসিনী, চঞ্চলবদনা, নৰৰৌবনশালিনী, কোমল পতি পতিকে পাইবার নিমিত্ত নভেমার্গে গমন করিতে লাগিলেন। উদারভাবা, মধুরহাসিনী, কোকিলের ায় মধুর-ধ্বনিসম্পন্ন, তিনি “পতি পাইবেন” এই আনন্দে কামাতুর হইয়া, কোষলাকার মা ও কাবেশে মগতি, অসিতােৎপলাক্ষী, পীনপয়ােৰা, পক্ষিণীর ন্যায়, নভস্কল অতিক্রম করিতে লাগিলেন। জয় কাঞ্চনবৎ গৌরাঙ্গী, পবিম্ববৎ রাখা, রাজমহিষী নীলাও তিনি জ্ঞপ্তিদেবীপ্রেরিত প্রিয় কুমারীকে প্রাপ্ত হইলেন, কেন সেইরূপে উৎপন্ন হয়, তােমারই মনঃকজিভ ভর্তার মনােরক্তিময়ী তিনি লীলার সঙ্কল্পরূপ মহানগণহইতে অগ্রই নির্গত হইয়াছে। এই লীলা। ৩১-৩৬। যে দিন তােমার ভার চিত্ত লীলা লীলার নিকটবর্তিনী হইয়া কুমারী কহিলেন,হে জণ্ডিসহচরি। মূর্তির বাসনায় বাসিত হইয়াছিল, সেইদিন চমৎকারভাষ আমি আর দুহিতা, আপনার মুখে আগমন ? আমি চৈতন্যাকাণে তোমার স্যায় আকারবিশিষ্ট এই লীলা দৃত্বে আপনার প্রতীক্ষায় আকাশপথে অবস্থিত রহিয়াছি। লীলা পরিণত হইয়াছিল। তােমার ভর্তার মরণদিনে তিনি, বাসনাময়ী কুমারীকে দেবীজ্ঞানে কহিলেন,হে দেৰি পলােচনে। আমাকে তােমার প্রতিৰিষয়ী এই লীলাকে দেখিতে পাইয়াছিলেন। তার সমীপে লইয়া যান, যেহেতু মহতের নি কাচ নিষ চিত্র ঘখন আধিভৌতিক ভাবু অনুভব করে, তখন অধিভৌতিক হয় না। ১৫। বশিষ্ঠ কহিলেন,-“আন, আমরা উভয়ে ভাবুকে সংস্বরূপ ও অভিহিক ভাবকে কুঙ্খিত জ্ঞান করে। তথায় যাই” এই বলিয়া সেই কুমারী তাহার অর্থে অর্থে যাইতে আৰু যখন চিত্ত আধিক্সেভিক ভাবকে অসং বিবেচনা করে, তখন লাগিলেন এবং পথ অবলােকন করিতে লাগিলেন। এর আজিম্মাহি-সঞ্চাই সত্রায়। তােমার ভত্তা মরণ-মুচ্ছায় অব- ভুবি শুভাশুভলক্ষণস্বরূপ বিধাতুকুতু কররেখা যেমন দিন। সানে পূননিময় ভ্রমে পতিত হইয়া এই বাসনামন্ত্রী লীলার সহিত করসমূহে গমন করে, তদ্রুপ সেই লাও তাহার অনুগামিনী মিলিত হইয়াছিলেন, মুজ্জং সে লীলাও তুমি। ৩৭—৪। হইয়া ব্ৰহ্মাণ্ডচ্ছিদ্র স্বরূপ অম্বতলে গমন করিতে লাগিলেন। চিদাত্মার সর্বগৰ হেতু তুমিও আপনার বাসনায় শরীরাম্ভর অনন্তর মেঘপথ অতিক্রম করিয়া বায়ুদ্ধধ্যে গমন করিকেন, দেখিয়াছ এবং বাসনাময়ী লীগও তােমাকে দেখিয়াছে। এ হা হইতে সূৰ্যমার্গ এতিম ও সুমণ্ডল হইতে ভারাপ সমস্তই তােমার বুদ্ধি বাসনার বিলাস। সুবগামী ব্ৰহ্ম, যে কানে অতিক্রম করিয়া অনায়াসে ক্রমে বায়ু ইন্দ্র প্রভৃতি দেবগণ ও যেরূপ বাসনা উদিত হয়, অলজের আয়, তথা সেইরূপ শ সিদ্ধগণের লােক অতিক্রম করত ব্রহ্মা, বিষ্ণু শহরের লোেক হন। আত্মা সৰ্বব্যাপী ওঁ সৰ্বশক্তিসম্পন্ন , দৃঢ় অভিনিবেশ- লক্ষনপুর্ব ব্রহ্মাণ্ডখণর এথ হইলেন। জয় শৈত্য যেমন বাসনায় যখন যে শক্তির উদয় হয়, তখন তাহারই অনুরূপে আছি। তেও বহির্ভাগে নির্গত হয়, তেমনি সঙ্কজসিদ্ধ হন, অবস্থিতি করেন ও প্রকাশিত হন। এই দম্পতি(পদ্ধও সেই লীলা ব্রহ্মাণ্ডের বহির্দেশে নিগৃত হই। ৬-১০। লীলা) পূর্বে মরণ-মুচ্ছাক্ষণে প্রতিভা বশত মনে মনে এই চিত্রলেখা সেই লীলা সঙ্কল-স্বভাবজাত ঐসকল বিভ্রম স্বীয় অবগত হইয়াছিলেন, “এই আমাক্ষে পিতা, এই আমাদের অন্তরেই অনুভব করিয়াছিলেন। তিনি ঐ কারে ব্রহ্মাদি লােৰু মা, এই আমাদের দেশ, এই আমাদের ধন এবং এই আমাদের অতিক্রমপুৰ্ব্বক তৎপর-এপ্তির গৱে ব্রহ্মাণ্ডের পারগতা পূর্বকৃত কৰ্ম্ম। এই আম বিবাহিত হইয়া এইরূপে এক হইয়া আলাদি আবরণ লক্ষন করিলে এক গড়ও শত প্রাপ্ত হইয়াছি, এই আমাদের সেই পরিজনৰগ। ১৪। কোটি রুল অতিবেগে ধাবিত হইয়া যাহার পার দেখিয়ে গণৰ मोन ! এ বিয়ের প্রত্যক্ষ খৃষ্টান্ত স্বপ্ন। এই শীলা আমাকে নহেন, সেই মহাচিরকাশের অঙ্কর প্রাপ্ত হইলে। নবউন । এইরূপ প্রার্থনা করিয়াছিলেন, তাই আমিও ঐ বর দিয়ামি, অথায় লং লক্ষ লক্ষ ব্রহ্মাণ্ড রহিয়াছে,ঐ সকল ৩ এই কারণেই ইজি পূর্বেই আছে, এখন ইলি বালিকা। পরস্পরের গৃহে (অর্থাৎ এক ও অগ-বায়ে বিজ্ঞা আমি তােমাদের চেনাশের চেতন-ধর্মিণী কুলদেবী ও সদাই মহে)। পরে কীট বেল বেগে এবিষ্ট হয়, তেমনি পুনীয়া। আমি স্বতই এই কনিন্ম থাকি। আর সেই সেই অসংখ্য ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে পুরােধী বিস্তৃত আবরণযুক্ত এক যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ এতে প্রবেশ করিলেন। পুনর্বার ব্রহ্মা, ইন্দ্র ও বিষ্ণু প্রভৃত্তি হইয়াছে” এই প্রকার যে মিথ্যা অনুভব হয় ইহা পরিপুষ্ট লােক অতিক্রম করিয়া প্রকাশমণ্ডলের আঘােৰী সেই পদ্ম- পূর্বাভ্যাসেই বিকৃতমাত্র। আসুভূত অগজালে সংস্কৃতি- ভূপতির মহীমণ্ডল প্রাপ্ত হইলেন।১৯-১৬। সেই মহীমণ্ডল ভম অনায়াসেই হয়। এই প্রকার সৃষ্টি প্রভৃতি অভ্যাস অন্য প্রাপ্ত হইয়া অথায় প-ভূপতির পুরে গমনপূর্বক মণ্ডপে অর্থাৎ হিরণ্যগর্ভ-সঙ্কলিত। অৰিত-ভদৃষ্টি ব্যক্তিদিগের • প্রবেশ করিয়া পুপাত সেই শরে নিকটে অবস্থান করিতে অন্তরেই এই সংস্কৃতি সমুদিত হয়, বিম্বিত মল যেমন লাগিলেন। ঐ লালা লীলা, পরিজ্ঞাত হইলে মারা যেন আর শমধ্যগত বলি বােধ হয়, বাহিরে বােধ হয় না, অজাপ দেখা যায় না, ক্রপ সেই কুমারীকে আর দেখিতে পাইলেন না। উহা বাহিরে আছে, তাহা ৰােধ হয় না। ৩৬-৪০। লীলা শপ স্বভার মুখ দেখিয়া স্বীয় প্রতিভাবলে বুঝিতে ত্রিপালসর্গ সমাপ্ত। পারিতেন। দেখিলেন, সংগ্রামে সিন্ধুকর্তৃক নিহত আমার এই ভ। এই ধীরগণকে লইয়া মুখে নিদ্রা যাইতেছেন। ১৭-২০। আৰিৰেীর এসাদে সশরীরেই ঈদৃশ ভর্তাকে প্রাপ্ত হইয়াছি সদৃশী গঙ্গা আর কেহ নাই। এইরূপ চিন্তা করিয়া সেই শীল। চতুঃপঞ্চাশ সর্গ। তে চামর লইয়া, আকাশ যেন চপ চামরে অবনিমণ্ডল ৰেী কহিলেন-হারা অজ্ঞ এবং যােগা সজনিত ধীজিত করে, তা বীন করিতে লাগিলেন। প্রবুদ্ধ-লীলা ধর্ম লাভ করিয়াছে, তাহারাই অতিবাহিক লােকে যাইতে প্তিদেবীকে জিজ্ঞাসা করিলেন-দেবি। সেই পদ্ম-ভূপতির ভৃত্য পারে, অপর পারে না। আধিভৌতিক দেহ মিখ্যা ভ্রমময়, ও জাসীগণ এই ও সেই পদ্ম-ভূপতিও এই রহিয়াছেন, এক্ষণে উহা কিরূপে সত্য পদার্থে স্থিতি লাভ করিতে পারিবে ?—আতপে জিজ্ঞাসা করি, ইহা সমাগতা লীলাকে কিরূপে বুঝিতে পারি- কি মায়া থাকে। আমাদের এই লীলা অজ্ঞ, পরম ধৰ্ম্ম লাভ কেন? দেৰী কহিলেন,—সেই রাজা, শীলা ও ভৃত্যগণ ইহাৱা করিয়াছেন, সেই কারণেই কেবল ভর্তৃকল্পিত নগরে যাইতে সকলেই চিলাকাশের একতাবেশ ও আমাদের প্রভাব হেতু এবং পারিলেন। প্রবুদ্ধ-লীলা কহিলেন,-“এই লীলা এইরূপে ভর্তৃ- ময়টিসে এতিম ও মহানিয়ন্ত্রি প্রেরণা পরস্পর পরস্পরকে অপরিচিত বলিয়া জানিতেছে। রাখ “এই আমার সহজ আধা লােকগত হইতে পারে, আমি বুঝিলাম, কিন্তু হে অম্বিকে। “এই আমার সহজ সখী” “এই আমার সহজ ভৃত্য” এই প্রকারে দেখুন, মদীয় এই ভর্তা প্রাণত্যাগ করিতে প্রবৃত্ত হইয়াছেন, এক্ষণে কি কর্তব্যদেহদির জীবন-মুখাদি-ভাবে ও দুঃখ- অনুভব করিতেছে, কেবল তুমি, সেই লীলা এবং আমি সৌভাগ্যাদি-অভাবে পুর্বে কি প্রকারে নিয়তি হইল এবং কি এখণ্ডিত এই আখ্য বান্ত জানি, অপর কেহ জানে না। ২১। প্রবুদ্ধগীল। কছিলেন,হে দেৰি। এই মধুর- উপস্থিত হইল। স্বভাব-সিদ্ধি কিরূপে হইল? পদার্থগত প্রকারেই বা আবার জন্ম-মৃত্যু দ্বারা সূচিত অনিয়তি আসিয়া জপি শীলা আপনার বর-বলে এই মীরে পরি নিকট যাইতে পারে নাই কেন? দেবী কহিলেন,—যেমন মায়া আপের সেদিwে এবং কাল- ভ্রাজিভে সু কিরুপে ভুত সক্স কিরুপেটিল। অগ্ন্যাদিতে উষ্ণত, পৃথিবী প্রভৃতিতে স্থিরত্ব, নিকট যাইতে পারেনা তদ্রুপ অবু-বুদ্ধি ব্যক্তিরা পুণ্য আগু সিলােকে মণবীরতে পারেন। “সত্যসঞ্চয় হয় ? আবাভাবের গ্রহণ ও উৎসর্গ-পর্থের সুলতাও মূলত হিরণ্যগর্ভপ্রভৃতি রণষ্টির আদিতেই এই নিয়ম করিয়াছেন, সত্য ইত্যাদি নিয়ম কিরূপে সজ্জটিত হয় ? তৃণ-গুঝ ও লতাদির উচ্চ অলীকের হত কাচ মিশ্রিত হয় না। দেখ, বালকের যেমন ও নীচ কি প্রকারে সংসিদ্ধ হয়? কৃপ সকল শাল-ভাতাদির বেতাল-সঙ্ক থাকে, যাহাদের বেতবুদ্ধি আনে নাই, তাহাফের তায় উচ্চ না হয় কেন?—ইত্যাদি বিষয় আমাকে বলুন। দেবী কহিলেন-মহাপ্রলয় হইলে, সকল পদার্থ বিনষ্ট হইলে, কেবল নিকট সেরূপ বেতালের বুদ্ধি হয় না। ২৮-৩১। বাৰৎ কাল একমাত্র অনন্ত আকাশ-স্বরূপ প্রশান্ত সৎ ব্রহ্মই অবস্থান করেন। আতে অবিবেকরের উষ্ণতা বিদ্যমান থাকে, তখন বিবেকচয়ে তৈ কিরুপে সমুন্নিত হইবে। “আমি পৃথ্যাদি- তুমি যেমন স্বপ্নে আকাশ-পমণি অনুভব করিয়া থাক, তেমনি দেহখারী, আকাশপথে আম গতি নাই” এইরূপ সিয়ত সেই ব্ৰহ্ম চিপে ‘আমি ভেজণ এইরূপ অনুভব করেন। ৬-১০। ঐ তেজকণ আমার আত্মা ভিন্নরূপে কল্পিত জলদি বাহার হৃদরে নিহিত, তাহার জন্য সিকান্ত কিরূপে হইলে এই কারণে জ্ঞান-ঝিৰেক পুর্ণ ও বরের সামধ্যে জনগণ এই পুণদেহে পরিমাণ ব্রহ্মাণ্ড অসত্য হইলেও সত্যাভরূপে প্রকাশিত হয়। আবরণে কানাবলে অন্তস্থূলত্ব লাভ করেন; এই সেই ভুলরূপে পরলােকে গিয়া থাকে। একপর্ণমেন ত ারে পড়িলে সহজেই দ হয়, এই স্কুল-শৱীয় জ্বগ অহঙ্কায়-বাসনায় ব্রহ্মা ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে অবস্থিতি করত “মি হিরণ্যগর্ভাখ আভিযাহিক হে আহইতে কই বিশ হয়। ৩২-৩৫। ব্ৰহ্মা” এইরূপ অনুভব করে এবং মনােরাজ্য বিস্তৃত করুন ঝ এবং শাপও প্রাক্তন-বাসনুরুপ কর্মের অনুসারেই হইয়া সেই সত্যসঙ্কল মনােরাজই এই জগৎ। সৃষ্টির প্রারম্ভে ক্লেপ সঙ্কল্পবৃত্তি নিয়ম প্রকাশিত হয়, তাহাই অ্যাপি নিশ্চলজৰে থাকে। যেমন কোন অভ্যস্ত বিষয় বিশ্বত হইবার পর তাহা স্মরণ রহিয়াছে। চিত্ত যে একান্তে এক্ষুরিত দুষ, এই আত্মচৈতও কৰিষাৰ আৰক হইলে, শরণ হইল না কিন্তু যদি কেহ স্মরণ সেইভাবে প্রস্ফুরিত হয়। সেই কারণে এই জগতে অনিয়ত কাইয়া দেয়, জন স্মরণ হয়, পাপ ও বরও ঐরূপ পূর্ণবাসনা সক স্মরণ করাইয়া দেয়। জুতে সর্পভ হয় বটে, কিন্তু কোন কার্য সম্পন্ন হয় না। বিশ্বরূপৰ সমন্ত-বস্তু শূন্যত্বক হয় না, বর্ণ কঙ ফটক ও পিরাদির অন্যতম সেকি কাণ্ড করিতে পারে? সেইরুপ যাহা আত্মাতে নাই, ভৰি পরিত্যাগ করিয়া থাকিতে পারে না। ৯-১৫। সৃষ্টির অর্থাৎ এই ভ্রান্তিমূলক তাহার আবাৱ কাৰ্যকৱিত কি?“ইহা আদিতে যে বস্তু যেভাবে আবির্ভূত হয়, এখনও তাহা তত্ত্ব ?
উৎপত্তি -প্রকরণ। ভাবে অবস্থিত আছে, সেই কারণে মাঝাশবলিত ব্রহ্মের স্বত্তা উদয় দেখে। তখন তাহারা মর্মব্যথায় নিপীড়িত হয়, কনুখকে পরিত্যাগ করা সঙ্গত হয় না। চিৎ যখন অতি, অখন এ আকাশের গায় দেখে, আকাশ র য় দেখে, দিলও নিয়তিও বিনষ্ট হয় না। সৃষ্টিতে ব্যোমরূপী পার্থিবও যেরূপে যেন তাহাদের নিকট ঘুৰিতে থাকে, দৃষ্টিমণ্ডল ঘুরিতে থাকে এবং প্রকাশিত অাপি তাবিথ অবস্থিত। প্রতিপক্ষ ব্যতীত আপনাকে কখন যেন সমুদ্রে নিক্ষিপ্ত, কখন আকাণে নীত, চিং যেরূপে প্রকাশিত হইয়াছে, সেই চিং বেদনাভ্যাসবলে তাহা কখন প্রগাঢ় নিদ্রাবিষ্ট, কখন একুপে পতিত এবং কখন হইতে একফি হয় না। বস্তুতঃ জগৎ আলো উৎপন্ন হয় নাই; এরমধ্যে বিক্ষিপ্ত বােধ করে এবং বলিবার ইচ্ছা থাকিলেও এই অহা স্বপ্নে স্ত্রী-পুরুষবং মিথ্যা, চিমাকাশের বাক্যের জড়তা নিন কিছুই বলিতে পারে না, কয় যেন যি বিকাশমাত্র । লত হইলেই যে মতব্ধ হইয়া যায়। তাহারা কখন তৃণাবর্তের ন্যায় নলেমার্গ হইতে ভূতনে প্রতিভাত হয়, তাহার অবস্থান ও অনুভব স্বভাবের মহিমা। বিকাশ পতিত হয়, কখনও কতগতি রখে সমারূঢ হয়, কখন তুষারের ন্যায় স্বভাৰ সংবিৎ সৰ্গাদিতে যেরূপে প্রকটিত হয়, তাহা এ্যাপি অন্য গনিত বলিয়া বােধ করে। ৩১-৪৫। তখন তারা সংসার- যারা অবিপর্যস্তভাবে রহিয়াছে। সেই চিনাকাশই ব্যোমসংবিদ দুঃ বিস্তার করিয়া অন্যকে যেন দেখায়, বান্ধবগণের অস্পৃশ্য হণ করিয়া ব্যোমত্ব প্রাপ্ত হয়, কালসংবিদ প্রাপ্ত হওয়ায় কালত্ব হইয়া যেন ক্ষেপণষন্ত্রে নিক্ষিপ্ত ও উৎক্ষিপ্ত হয় এবং কখন বায়ুষত্র প্রাপ্ত হইয়াছে, এলসবিদ গ্রহণ করায় বারিবৎ অবস্থিত বিমান, কখন ভ্রমনে অবস্থিত, কখনও কেন তাহলে বুসনা রহিয়াছে। স্বপ্নে যেমন পুরুষ আত্মতে বারিন্দা অবলােকন করে, কেহ আকর্ষণ করিয়া লয়, জলাওঁ যেন ঘুরিতে থাকে, শষয়ে সেইরূপ চিৎশক্তিও অকালি দর্শন করে। মায়ার এমনই চাতুর্য যেন অর্পিত হয় এবং ঝড়বৃষ্টির সময়ে তৃণের ন্যায় জলপ্রবাহ বে, অসৎকে সত্য বলিয়া বিতর্কিত কয়ে। এই চিতি স্বপ্নের সমুদ্রে উৎক্ষিপ্ত হয়। তাহারা কখনও অনন্ত আকাশে কখনও স্যায় সঙ্কল্পধ্যানে আকাশ এলত্ব, পৃথিবী, অগ্নিত্ব ও বায়ুত্ব গর্তে ও কখনও চক্রবর্তে যেন নিপতিত হয়, সমূদ্র ও পৃথিবীর অসৎ হইলেও, অন্তরে অনুভব করে। আমি তােমার সংশয়- যেন বিপৰ্যাস-শশা অনুভব করিতে থাকে। তাহারা কখনও মনে নিরাস-মানসে তােমারসন্নিধানে জীবগণের মরণানন্তর স্বকৰ্ম্ম করে, অনবরত উহইতে পড়িতেছে ও উঠিতেছে, স্বীয় নিখাস- নুরূপ ফলাভৰ-ক্রম বলিতেছি, শ্রবণ কর, ইহা শ্রবণ করিল | ধ্বনি শ্রবণ করিয়া ব্যাকুল হয় ও ইন্দ্রিয়সমূহে ব্ৰণজনিত পীড়া লােকের মৃত্যুকালে কল্যাণকর হয়। সৃষ্টির আদি সময়ে পক্ষগণে | অনুভব করে।৪৬-৫০ সূৰ্য্য অন্তগত হইলে আলােকহীন হওয়ায় আয়ুর সংখ্যা এরূপ নিয়মিত হয়, যথা-সত্যযুগে চারিশত বর্ষ, | দি সকল যেমন শ্যামল হয়, তেমনি তাহাদের চরাদি ইন্দ্রিয়গণ ত্রোয় ত্রিশত, দ্বাপরে দুইশত এবং কলিতে একশত এবং নর-আলােকহীন হইয়া মলিনভাৰ অবলম্বন করে, তখন তাহাদের গণের স্বম্ব কর্মের দেশ, কাল, ক্রিয়া ও দ্রব্যের শুদ্ধি এবং অশুদ্ধিও স্মৃতিশক্তি ক্ষীণ হইয়া যায় পূৰ্ব্বাপর জ্ঞান থাকে না। সন্ধ্যা সমাগত আয়ুর নানাধিক্যের হেতু ধীয় ধৰ্ম্মকাৰ্য্যের হ্রাস হইলে আয়ুব হ্রাস | হইলে যেমন অধিক দৃষ্টিগােচর হয় না, তেমনি তাহাদেরও বজি হইলে আয়ু বৃদ্ধি এবং সাম্য থাকিলে সুষ হইয়া সৃষ্টির অবস্থা হয় না। এই সময়ে তাহারা মনের কল্পনা-সামর্থ্য- খাকে।২৬-৩০। বাল্যকালে মৃত্যু কৰ্ম্ম করিলে বাল্যাবস্থায়ই রতি ও বিবেকহীন হইয়া মহামােহে পতিত হয়। যাবৎকাল মৃত্যু ঘটে, যৌবনে মৃত্যুপ্রদ কর্শে তরুণ বয়সেই মরিয়া থাকে ও প্রাণবায়ু তাহাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কীভূত না করে, উভক্ষণ তাহারা বৃদ্ধাবস্থায় মৃত্যুদ কৰ্ম্ম করিলে বার্ধক্যেই মৃত্যু সংঘটিত হয়। যে মােহাভিভূত হইয়া অবস্থিত থাকে। তখন মােহ, পূৰ্ব্বসংস্কার ব্যক্তি যথশাস্ত্র আরব্ধ করিয়া করে অনুষ্ঠান করেন, সেই ওন্তি পরস্পর পরিপুষ্ট হওয়ায় অন্ত, পাষাণের ন্যায় অড় হইয়া এীমান্য ব্যক্তিই শাস্ত্রনির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল ভােগ করিয়া থাকেন। থাকে। ৫১-৫৫। প্রবুদ্ধলীলা কহিলেন,দেৰি। মন্তক, হস্ত, এইরূপ কৰ্ম্মানুসারেই অন্তু অন্তিম দশায় উপনীত হয়। মুত্যুকালে পাদ, গুহ, নাভি প্রভৃতি অঙ্গ-সম্পন্ন হইলেও ঐ দেহে এইরূপ মনে-বেন। প্রত্যক্ষ-সিদ্ধ। প্রবু-লীলা কহিলেন, হে ৰখা, মােহ, মূর্খ, ভক্তি, ব্যাধ ও অচেভাবস্থা কেন উপস্থিত ইনুবদনে। আপনি যে মরণ-দুখের কথা কহিলেন, উহা কি হয়? দেবী কহিলেন,—ক্রিয়াশক্তিপ্রধান ঈশ্বর এইরূপ কী- সকলেরই সমান অথবা কাহারও বা মুখ ? এবং মরণের পর সঙ্কজ বিধান করেন যে, আইডে অভিন্ন জীব বাল্য, যৌবন কাহার কিরূপ গতি, তাহা আমার নিকটে সংক্ষেপে ব্যক্ত করুন। ওবার্ধক্যে এই এই প্রকার দুঃখভােগ করিবে। জীব স্বয়ংই দেৰী কহিলেন,-মুরুষ বিবিধ -মুখ, ধারণাধী, ও ফুজিমান চিন্তপরিকল্পিত উরুগুবৎ ঋসঙ্কল-স্বভাবজনিত সেই দুঃখভােগ এই ত্রিবিধ মধু ব্যক্তিগণের মতে অভ্যাসলে যে ধারণালিষ্ঠ করিয়া থাকে। যখন জীবগণের দেহস্থিত নাড়ীগণ এতপিত্তনি হইয়াছে ও মে মুজিমুত তারা স্কুলে নহ পরিত্যাগ করিয়ে রসপুরিত হওয়ায় স্বীয় সঙ্কোচও বিকাসন ৰাৱা বৈষমে ভুক্ত সম। যাহার ধারণা অত্যন্ত হয় নাই যে যুক্তি নহে, যেই আ ও পানীয় জব্যের বস গ্রহণ করেন কে সমান বায়ু মুগ্ধ। ঐ অবশ ব্যক্তি মৃত্যুকালে শেষ দুঃখভােগ করে, ঐবিষয়া- একীয় ভুক্ত পানীয়াদির সমীকরণরূপ দ্বিতি পরিত্যাগ সক্ত ব্যক্তি বাসনার আবেশে বীভূত হইয়া মৃত্যুকালে, খণ্ডিত করে। যখন নাড়ীঘরে এবিষ্ট বায়ু নির্গত হয় না ও নির্গত পত্রের গায়, অতিশয় দীপন্ন হয়। যার বুদ্ধি সংস্কৃত হইলে প্রবেশ করে না, তখন নাড়া-ব্যাপার প্রান্ত হওয়ায় নহে এবং অসৎসঙ্গপরায়ণ, সে ব্যক্তি অলিপজিভের স্যায়, মরণ- চক্ষুণি নিঃশব্দ হয় এবং ইন্দ্রিয়জ্ঞান ফিহয় ৫৬–৬০। কালে অশেষ দুঃখভোগ করে। যখন ঐ অবিবেকৰা অসত্যু যখন শরীর-লাড়ীর ব্যাপারৰিৱতি হইলে বায়ুর চলাচল বন্ধ হইয়া বরকত এবং দৃষ্টি ও বর্ণের বৈজ প্রাপ্ত হয়, তখন তাহারা , তখনই জীৰ মৃত । আমি অহণ কৰিব ও এই জতি কাতর হইয়া পড়ে, দি সকল এলাক-বিধান অন্ধকারময় কালে মরি” এইরূপ প্রাক্তন চিসলিমতিই দেখে, লি গামছন্ন ছিলেন করে, নিজেও তারার কারণ। আমি এই স্থানে এইরূপ হইয” এই একার সৃষ্টি , ১০ যােগবাণিষ্ঠ-নামায়ণ রসত সঙ্কমায়াশক্তি, কখনও নশ প্রাপ্ত হয় না ; সপ পরলােকগমন ও ভাত জােগালি অবিশৰ সেই সৰু মায়াশক্তির না ও বিশ্লেষ হয় না। অনুব করে এসেই এনে আবার পূর্বজন্মের স্যায় নি আদিসর্গসত সংবিদূষক জ্ঞান স্বভাব হইতে ভিন্ন নহে এবং হইয়া পুনর্ধাৰ মূৰ্জিা করত অষ্ণ,শরীর অনুভব করে। স্বরূপ সংৰিদ হইতে ও মৃত্যু উভয়ে ভিন্ন নহে। যেমন আকাশ, পৃথিবী সমুদয় বিশ্ব মৃতরুষের আত্মায়, আকাশে নদীর জল কোন স্থানে অবর্তযুক্ত ও কলুষিত এবং কোন মেঘঘটার স্যায়, দৃষ্ট হইয়া থাকে। পরে তাহা দেখিতে পায় না, স্থানে নির্মল, সেইরূপ এ চেতনও কখন সখিনাদি দ্বারা নির্মল কেবল তাহারা গৃহাকাশই দেখে। ৬-১০। প্রেত ঘ-এর , ও কখন এবং রাগ-দ্বেষাদি দ্বারা কলুষিত। ১৬৫। তাহার জে বলিতেছি, এৰণ কর। সামান্য-পাপী, মুখ্যপা যেমন গর্ঘ লতার মধ্যে মধ্যে গ্রন্থি, সেইরূপ এই অচে- ঘূলপাপী, সামাখ, মুখ্যমর্শ ও উত্তমধৰ্ম্ম, ইহাদের সভারও মধ্যে অন্ম-মৃত্যুরূপ গ্রন্থিসমূদয় আছে; কিন্তু চেতল- মধ্যে কান্নার ভেদ দুই প্রকার, কাহারও বা তিন প্রকার ভেদ। পুরুষ কখন জাত বা মৃত হয় না, এই প্রপঞ্চ কেবল স্বপ্নবৎ উহাদের মধ্যে কোন মহাপাতকী পাষাণের ন্যায় জড়ীভূত হইয়া ভ্রান্ত দেখে। পুরুষ চেতনমাত্র, তাহার কখনও নাশ নাই , যাহা একবৎসরকাল মরণমূৰ্ছা অনুভব করিতে থাকে। পরে যথা- চেতন-ব্যতিরিক্ত, তাহাতে পুরুষত্ব কিরূপে থাকিবে ? কাহার কালে প্রবুদ্ধ হইয়া বাসনার জঠরে অবস্থান করত বহুকাল নরক- চেতন মৃত হইয়াছে, বল দেখি। কেবল লক্ষ লক্ষ দেহই নষ্ট দুঃখ ভােগ ও শত শত যােনিতে জন্মগ্রহণ-পূর্বক বহুদুঃখ অনুভব হইয়া থাকে, চেতন অক্ষয়ভাবেই অবস্থিত থাকে। চেতনের নাশ করে। তাহার পর কখনও এই সংসাররূপ স্বপ্লব্যাপারে শান্তি স্বীকার করিলে, সকল জীর যখন এক চৈত, তখন একব্যক্তি (নির্বাণ লাভ করে। ১১-১৫। আবার কেহ মরণমোহের পর গত চৈতন্যের ক্ষণে অপরের অবস্থিতি সম্ভব হইতে পারে না। বহুদুঃধপূর্ণ জড়াদি-ভাব হৃদয়ে অনুভব করে, পরে বাসনা ৬৭। ফল এই জীবের জন্ম-মৃত্যু বাস্তব নহে, তাহা | রূপ নকদুঃখভােগ করিয়া ভূতলে বংযােনিতে 9ণ কয়ে। কেবল বাসনার বৈচিত্র্য ত্র। নাম কেবল তাহাদের জন্ম- 'ষড়বিধ প্রেতের মধ্যে যে মধ্যপাপ, সে মরণমূচ্ছার পর কিছুকাল মৃত্যু পরিকল্পিত হয়, জীবের জন্ম বা মৃত্যু কিছুই নাই, কেবল শিলাজঠরের ন্যয় অভ্য অসুল ফয়ে, অনন্তর যথাকালে প্রবুদ্ধ বাসনারূপ আবর্ত-গর্তে লুষ্ঠিত হয়। দৃঢ়বিচার আর স্ত বস্তুর ৫ইয়া তির্যগাদিক্রমে বইঘােনিতে ভ্রমণ করিয়া বেড়ায়। যে অত্যন্ত অসম্ভব বােধ সমুদিত হইলে বাস সকল বিনাশ প্রাপ্ত সামান্যপাতকী, সে মরিয়াই স্ববাসনানুসারে উৎপন্ন অক্ষত দেহ হয়, তখন আর দৃসত্যতা থাকে না। বৈরাগ্যাদি-সাধন-সম্পন্ন অনুভব করে এবং সেসঙ্কজের স্যায়, স্বপ্নের ব্যায়, তাদৃশ দেহ অবিকারী জীব, ভ্রান্তি-সমুর্দিত এই জগৎপ্রপঞ্চ অদৃষ্টি দ্বারা মিথ্যা অনুভব করত তৎকালে জননমরণাদির স্মরণ করিতে থাকে। ভাবে অবলােকন করিয়া দ্বৈতবাসনাধীন হইয়া ভৰভয় হইতে যাহারা উত্তমপুণ্যশালী, তাহারা মরণমুচ্ছার পর স্মৃতি দ্বারা স্বর্গ- ক্তি হয়, এই বিমুক্ত আত্মাই সত্যপদার্থ, আর সমস্তই বিদ্যাধরপুর অনুভব করিতে থাকে। তাহার পরে অন্যত্র স্বকৰ্ম্মা- অনীক। ৭১-৭৪। মুরূপ ফললােগ করিয়া প্রীযুক্ত সজ্জালিয় মানুষ-লােকে দুগ্ম- পঞ্চ সর্গ সমাপ্ত। ৫৪। গ্রহণ করে। ১৬-২৩। যাহারা মমধর্মাবলম্বী হারু মর মােহানন্তর ব্যোময়-চালিত হইয়া ওষধিপ্রধান চৈত্ররথাদি বলে কিন্নরাশিরীরে গমন করে। তথায় সুফল ভােগপূলক তথা পঞ্চপঞ্চাশ সর্গ । হইতে প্রচ্যুত হইয়া খাদ্যের সংরুষে ব্রাহ্মণাদি নরগণের হৃদয়ে প্রবেশ করিয়া তাহাদিগের রেতঃক্রমে নারীগণের গর্ত বাস প্রবুদ্ধশীলা কহিলেন, হে দেবেশ। জল যেরূপে মরে করত জন্মগ্রহণ করে। মৃতব্যক্তি মাত্রেই ক্রমেই হউক এ এবং পুনর্জন্ম লাভ করে, তাহা আমার নিকট বুলি জ্ঞান অনেমেই হউক, মৃতি স্থানে বাসনানুরূপ এই নিয়ম অনুভব প্রদান করুন। দেবী কহিলেন,এড়া নিষ্প হইলে ঘখন করিয় থাকে। তাহার মৃত্যুর পরে যাহা যাহা অনুভব করে, এর আণবায়ু এন্ত হয়, তখুন ইহার চেনা যেন শান্ত হইল বলিতেছি। তাহারা অর্থাভঙ্গের পর 'আমি মরিয়াছি” এইরূপ বলিয়া বােধ হয়। বস্তুতঃ চেতন শুদ্ধ ও নিত্য (এম), উছার মনে করে , পরে লাইকাৰ্য্যেৰ পর পুত্রাদি দ্বারা পিণ্ডাদি দেওয়া অয়ােঙ্গয় নাই, স্থাবর,,জঙ্গম, আকাশ, শৈল, অন্ধি ও পবন হইলে আমার শত্রীর হইয়াছে” এইরূপ অনুভব করে। সে প্রভৃতি সমগ্ৰ পদার্থেই বিরাজ করিতেছে। কেবল বায়ুবােধ বলয়গমনকালে অনুভব করে, “এই কালপাশযুক্ত যতটগণ বশতঃ নাড়ীস্পন্দন প্রশান্ত হয়,তখন ঐ আড়দেহ মৃত হইল, এই আমাকে যমপুরে লইয়া যাইতেছে।” যমাল গিয়া উত্তম বলা হয়। সেই যে শপে পরিণত হইলেও প্রাণবায়ু মহ- পুণ্যশালী প্রেগণ তথায় স্বকৰ্ম্মল উত্তম উল্যান ও দিল্যিান নিলে লীন হুইল চেতনা বসন্যযুক্ত হইয়া স্বত্বে অবস্থিত অনুভব করে। পাপিষ্টেয়া বােধ করে, “আমরা স্বকৰ্ম্মফলে হিম, য়। ১-৫। কিন্তু ঐ চো পুনর্জন্মেৰ ৰীজীভূত বাসনা- কন্টক, গর্ত, শসহুল অরণ্য প্রভৃতি পাইয়াছি।” ২৪-৩০। বিশিষ্ট হইয়া থাকায় জীব নামে কৰিত হয়। সেই বাসলে মধ্যমপূণশীলেরা “এই সুন্দর দল তৃণমুক্ত পন্থা, এই বিশ্বচ্ছায়া পৃখক পদার্থ না হইলে উহা শসমূরে অবস্থিতিস্থান গগনেই এই বাপী অগ্রে রদ্বিয়াচ্ছ, এই আমি ঝমপুরে আসিয়াছি, এই একে, পরলােকগমন বাস্তব নয়। সেই জীবকেই ব্যবহারিণ প্রেত ভূপতি বম, এই কার্যের কিার হইতেছে” এই প্রকার অনু কে নির্দেশ করে। যেমন বায়ুতে সুখ থাকে, তেমনি তেনে করে। মরণের পর প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন পারলৌকিক অনুৰ মিশ্রিত থাকে। যখন জীবনে সেহদি হয়, পর, সকলেই একশোর বিশাল সংসারকে পবিজ্ঞা করিয়া এ দৃ-নেহাদি দর্শনে অরত হয়, তখন সে সত্য বলি বােথ করে। স্বরূপ দৃষ্টি থাকিলে তাহাৱা বুঝিতে তি- গান্বিত, একমাত্র আকাশসদৃশ অমূর্ত অহয় আই প্রবুদ্ধ এবং একার বৃক্ষ ও শিলা প্রভৃতি মূর্তিপরিগ্রহ করেন। তিনি যখন দেশ, কাল, ক্রিয়া ওযুখ-পাখালি আকারবিশিষ্ট সমূহ সত্য যেরূপ সঙ্কল করেন তখন সেইরূপে অবস্থিতি করেন। ৫১-৫৫। নহে। পরে খমপুৰণীত ব্যক্তিগণ “এই আমাকে যমরাজ খ ব প্রভৃতি জড়পদার্থ যেরূপ ভাবনায় অবহিত ছিল, সেই ফলভােগ নিয়ােগ করিলেন এই আমি সত্বর স্বর্গে ই, এই বক্ষ শিলাও তৃণ প্রভৃতি সেইরূপেই ভাবিত হইয়া আছে। জড় আমি নয়কে চলিলাম, এই আমি স্বৰ্গ আৰা নৱকােপ নামক পৃথক পদার্থ নাই অথবা চুনামও পৃথক প্রার্থ করিলাম, এই আমি পখাদিঘােনিতে জন্মগ্রহণ করিলম, নাই। অদিষ্টি হইতে এর সহিতু চেতনের সুভাসামার পুনরায় মসূয্য-সংসারে আসিলাম, এই আমি থাঙ্কুর হইলাম ভেদ রহিয়াছে। বৃক্ষ-উপাখির অন্তরে যে খসবিদ নিহিত এবং ক্রমে ফলরূপে অবস্থিত হইলাম এই প্রকার উত্তরকাল- আছে, তাহা বুদ্ধাদি কলিত, বাস্তব নহে, উহাদের নাম ও ফল অনুভব করিতে থাকে। ৩১-৩৭। শরীভাৰে বাহান্তঃকরণ ক্লাদি সমস্তই তৎকৃত বিগত বৃক্ষ শৈল ইত্যাদি ক্রিয়ায় ঐ স্যার মনুষ্যশরীরে ভুক্তার দ্বারা রেভােব প্রাপ্ত নাম সঙ্কেত ব্যতীত আর কিছুই নহে। কৃমি, কীট ও হয় এবং তাহাই বােনি দ্বারা মহাগর্তে প্রবিষ্ট হইয়া গভরূপ প প্রভৃত্তি অন্যান্য সংবিদই বুদ্ধি প্রভৃতি; ঐ বুঙ্কারির ধারণ করে। সেই গর্তই এই লােকে পূৰ্ব্বকর্মানুসারে সৌভাগ্য- বিকায়ভেদে তাহাদের ঐ প্রকায় পৃথক পৃথক আখা হইয়া শালী বা সৌভাগ্যশালী সুন্দরাকৃতি বালক হইয়া জন্মগ্রহণ থাকে। ৫৬। যেমন কেহ না জানাইলে উত্তর-সমূদ্র- করে। পরে ইন্দুৰৎ উপচপচয়বী মনােহর মাননান্মুখ যৌবন স্থিত জনগণ যদিশসমুদ্রস্থিত জনগণের কিছু সংবাদ জমিতে অদ্ভব করে। তৎপরে পদ্মমুখে যখন হিমরূপ অশনি চ্যুত হইয়া পরে না, তেমনি সংবিদ ব্যতিরেকে এই মন্ত স্থাবর- ভাহা নষ্ট করে, তদ্রুপ জয়া আসিয়া ঐ যৌবনকে বিকৃত করিয়া সসফুণ লাভ করিতে পারে না, সকলেই সুস্ব-চৈ9সায়িক ফেলে। ৩৮-৪০। তাহার পর যাধি, মরণ, তাহার পর ব্যাধি, মরণ, পুনধুরণচ্ছা জ্ঞান লইয়া অবদিত, বন্ধি কানা অবগত নহে, সমস্তই এবং বন্ধুদও ঔদ্ধদেহিক পিণ্ডের সাহায্যে স্বল্পবং দেহান্তর পরস্পর বুদ্ধিসঙ্কেত-সাল। আরও বুঝিতে হইবে যে সচ্চিদ্রুপ পরিগ্রহ করে, পুনর্বার যমলােকে গমন করে এবং ভূয়ােভুরু পরব্রহ্মে বায়ু প্রভৃতি জড়পদার্থের যথার্থ সত্তা না থাকিলেও ভাও অনুভব করত নানাযােনিতে বিচরণ করে। আকাশরূপী উহা যেমন কল্পনানুগত উক্তকাৰণাধীন নহে, যেমন প্রস্তর আত্ম। আকাশেই জীষভাবপ্রাপ্তি অবধি মোক্ষ পৰ্যন্ত ঐ প্রকার মধ্যস্থিত ডেক ও তহিঃস্থ ভেক পরস্পর পরস্পরের কল্পনায় মনোহর পরিবর্তন বারংবার অনুভৱ করিয়া থাকে। বুদ্ধ অন্তঃসবিদ অস্থিতিশীল, সল পদাৰই সেইরূপ অবস্থা। লীলা কহিলেন,-দেবি। বেরূপে সৃষ্টির প্রথমে এই ভ্রম হয়, মুহাপ্রলয়ে মায়ায় গুলীন সর্বাত্মক, সর্বগত সমষ্টিচিত্ত যাহা তা জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য আমার নিকট অনুগ্ৰহ করিয়া ব্যক্ত এই জগতের আস্থা; পুনঃসৃষ্টির প্রারন্তে তাহা প্রভ করুন। দেবী কহিলেন,হে বংদে। এই যত পর্বত, বক্ষ, চৈতনামক চিলাকাশ আরা যেরূপ ও যাবে চেতি ও আকাশছে, উহা সমই খাপুর্ণ অর্থাৎ হইয়াছিল, তাহা অ্যাপিও সেইরূপে সেইভাবেই চেতিত বিশুদ্ধ-চৈত-৫-ই এই নি (সুত) হইয়া আসিতেছে। সৃষ্টিরন্তে বাহা স্পন- প্রতিভাস মায়ার প্রভাবে উদিত হয়। এগুচু ঈশাক শীল বায়ুরূপে চেতিত হয়, তাহা অধ্যাপি সেইরূপ ভাবে তিনি যখন যেখানে যেলে উদিত হন, তখন সেইরূপেই প্ৰখিত অবস্থিত।৬১–৬। যাহা ছিদ্ৰতাৰে চেভিত হয়, তাহা এখনও হইয়া থাকেন। তিনি স্বপ্ন অথবা সঙ্কল্পবা পুরুষের ন্যায় জীবসমষ্টি- আকাশরূপে অবস্থিত; ঐ আকশে পাত্মা অদ্যাপি রূপ প্রজাপতি হইয়া, সৃজসঙ্গলবান হইয়া সগুলােকাকারে বিবর্তিত অবস্থিত রহিয়াছে। যেমন বায়ু সর্বব্যাপী হইলেও তারা হন , তাহার হষ্টিকালের সঙ্কল্প অদ্যাপি রহিয়াছে। ঐ প্রজাপতি শুকতৃণাদি পদার্থ ব্যতীত অলঘুপদার্থ স্পন্দিত হয় না, ঈগল্পের প্রথম সাগজিকরূপ এবং পদার্থসমূহের প্রতিবিম্বরূপ ইহা তেমন চিত্ত সর্শগামী ও সত্ৰাৰস্থিত হইলেও শান্ত্রীর বায়ুর হইতে যাই। প্রতিবিম্বিত হইয়াছে, তাহা অ্যাপি রহিয়াছে। দেহ- প্রচলন ওএলন হেতু কার ও জঙ্গম এই দ্বিবিধ বিশেষ সমুহের ছিদ্রগত অনিল অঙ্গ সকলকে রিম্পক্ষিত কমে, এই ধারণ করিয়াছে। এইরূপে সে বি-চৈতয়ে উমময় বিশ্বের ঐ দেহকে জীবী বলা হয়। উহাদিগকে কম বলে, চেতন কেযে পা, কিয়রে আয়, আদিষ্টকালে যে যে বেক্ষপে ক্ষুরিত হইলেও স্পণহীন পাপাদিকে স্থাধর কহে। ৪৬-৫০। চিল- হইয়াছিল, সেই সেইক্ষুরণ অ্যাপি চলিতেছে। হে ললে। কাশই অর্থাৎ ঈশ্বরই চেতনাৰিত অংশ অর্থাৎ জীৰিা এই বিশ্বনাথের স্বভাৰ-বি অসভ্য হইলেও সতারুপে ফরিদা কেন, সেই অণই সংবিও না ফণিত হয়, উহার শেয় অভিযু, হাতেমার নিকট কীৰ্তন কৰিলাম। এখন দেখ, অর্থাৎ ক্ষয় নাই। বুদ্ধি দ্বারা অনুপ্রবিষ্ট সেই চিশ মরু এই ফিগা'য় অমিত; নৈ, তিনি মৃত হইয়া শরীররূপ নগর প্রাপ্ত হইয়া চদি খেলকান প্রান্ত হয় এবং আলগিতিশীভূত লোয় সেই কাপ-শগভির হৃৎ চাক্ষুষাদি বুদ্ধিবৃত্তি যারা বাহার্থের প্রকাশ করে। কিন্তু দি পথে যাইবার উপক্রম ককিয়েছেন। এবুজ-শীলাকহিলেন- ইসি এল চে হে; যে বিয়ে এখালে বেনেমেণি? আনুন, ইনি কে পর রিসে বনগুপে গমন মাত্রই কিছুরই জনবসা হয় না বুলি কেন, এ নিয়াৰক ৰে। সে কহিলেন, যে, সর্ব-ব্যবস্থাপক চিৎসংলই এই ' বিলায় কারণ। এলাঞ্জন্মিয় জীষ আমি-ল অপরলাের যাইতেছি” এই শাকায় চিৎসই 'শ, একান্ত সফলই তুমি কবিও শ খ এলন করিয়া এবং এলশক্তিসম্পন্ন চিৎসকলই তিনিই এই আসওএ শ মি সঙ্কর যারা কম এবং সব। খবর। চিৎ । শাহেদুমহে অর্থ তাহাতে সে .
যােবা আমার - হইতে পারে। বশিষ্ঠ কহিলে-সরস্বর ঐ বাকপ অপুরে গিয়া পড়িকে। বায়ুশে যেমন যে প্রবিষ্ট হয় আৱা নৃপতিবর-কন্যা শীলাদেবীয় বিশুদ্ধ অকরণের সকল সূর্য যেন এক গিয়া পড়ে, সৌগ যেমন পবনে গিয়া সন্তাপ বিদূরিত হইল এবং বিবােণ (জ্ঞানরূপ) সূৰ্য আবির্ভূত মিশ্রিত হয়, দ্রুপ আঁহাৱা ক্ষণকামধ্যে এই লােক-লােকান্তর হইল। ঐসময় নৃপতি বিদূরখও বিগনিতচিত্ত, মুচ্ছিত ও অতিক্রম করিয়া লীলার অপুরমণ্ডপে প্রবেশ করিলেন। রাম বিন হইয়া পড়িলেন। ৭১-৭৩। কহিলেন,ব্রহ্ম। সেই মৃত লীলার জীব কুমারীর সাহায্যে পথ পঞ্চপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। চিনিতে পারিয়া পদ্মরাজপুৰ খাইতে পারিয়াছিল, কিন্তু বিয়ের জীবনাকিরুপে পথ চিনিয়া ঐ বের নিকট গৃহে গমন করি, অহা আমার নিকট ব্যক্ত করিয়া বলুন। ১৫-২। বণি কহি- ষটপঞ্চাশ সর্গ। লেন-হে রাম! সেই বির-জীবের অন্তরে পদ্মরাজ-রীরের অহাব বাসনাবলে নিহিত ছিল, একারণে তদীয় পথ প্রভৃতি ৰণি কহিলেন—ঐ সময় রাজা মূর্ধিত হইয়া পড়িলেন। সমস্তই তাহার গত লি, সেই কারণেই পদ্ম-রাজভবনে তাঁহার পিয়া বিঘূৰিত হইতে লাগিল, অথর শুষ্ক হইল, পথ চিনিয়া যাইতে পারিয়াছিল। যেমন বটবীজ আপনার অন্য কেবলমাত্র প্রাণ অবশিষ্ট রহিল। অলীয় সেহকাত্তি জীর্ণপর্ণ সদৃশ, সূক্ষপে অবস্থিত বটবৃক্ষকে যথাসময়ে ও করবেন মুখচ্ছবি কী ও পাণ্ডুবর্ণ, ভূধ্বনির ন্যায়, প্রাথৰায়ুর প্রচলন পরিপুষ্ট দর্শন করে, তেমনি জীবের উপাধি মূল অন্তঃকরণে ধ্বনি নাসিকার হইতে নির্গত হইতে লাগিল। মৃত্যু-মূর্ণ বাসাময় অসংখ্য ভ্রান্তিনির্মিত সূত্র জগৎ অবস্থিত থাকে; উহাে- রূপ মহা-অন্ধকূপে তাহার মন নিমগ্ন সমস্ত ইলিয়াপার আয় ধরা যাহা যখন পরিপুষ্ট হয়, তাহাই তখন সে অনুভব করে। নিশীন ইল। জহর সকল অবয়ব নিঃস্পল, অচেতন যেমন সজীব বীজ অন্তরে অন্ধুর অনুভব করে, তেমনি চিৎকলা অবস্থায় তাঁহাকে চিত্রন্ত ও প্ররাতিয় দেখা যাইতে জীবও শীয় বুদ্ধিতে সহঙ্কারীভূত দ্রৈলােক্য অনুভব করে। যেমন লাগিল। অধিক আর কি বলিব, অল্পক্ষণমধ্যেই অন্তরীগামী সৰ্ব্বদা ভাবনাবলে একদেশতি নর দূরদেশস্থিত স্বীয় নিন পক্ষী যেমন স্বীয় রক্ত পরিত্যাগ করে, দ্রুপ অণীয় প্রাণবায়ু দে (রাদি) মনে মনে দর্শন করে, মেনি জীষও শত অতিক্রম পরিত্যাগ করিল।১-৫। যেমন প্রাণ-ব্যাপর নিহিত সংবিৎ করিয়া ভমে পতিত হইলেও স্ববাসনার অন্তঃস্থ অভীষ্ট দর্শন অনিলস্থিত সূক্ষ্ম গন্ধলেশকে দুভব করে, সেইরূপ বিদৃষ্টি করিয়া থাকে (উহা ভ্রান্তিমূলক হইলেও তাহাদের নিকট সত্যরূপে সেই রমণীর রাজার হইতে নিজ নভােগত সেইনবকে এজত হয়।) ২১-২৫। রাম কহিলেন,-গবন। যাহাকে পনি করিতে লাগিলেন। সেই ৰিদূরথের জীবচেগগনে পিণ্ড দেওয়া হয় নাই, তাহার ত পিণ্ডদানাদি বাসনা নাই, লিত হইয়া বাসনানুসারে দূর আকাশপথে খাইতে আর সে কিরুপে সশরীয় হয়, তাহা আমার নিকট ব্যক্ত করুন। বশিষ্ঠ কৰিলেন। অনন্তর যেমন শরীর বায়ুল গন্ধগেণের অনুসরণ কহিলেন,-পিজান হউক বা না হউক, মত জীব “খুলি সেইরূপ সেই স্ত্রীর সেই জীব-সংৰিলে অনুসরণ করিতে ' নেওয়া ইয়া” এই এর বাসনা ই নিহিত রায়ে ভায়া লাগিলেন। অণর মুহূর্ত মধ্যে ময়মুচ্ছালাত হইলে সেই হইলে ফুিল প্রাপ্ত হয়। চিত্ত যেরূপ, জীষও তন্ময় অর্থাৎ জীববিদ, বায়ুতে গলেরে খায়, অস্বরতলে আসুব-সম্পন্ন অকৃতি, ইহা বিলিগের অবসি, জীবিতই হউক বা হইয়া বােরিতে লাগিল, যেন বন্ধুগণের পিণ্ড প্রদানে নিজ মৃতই হউক কখনই ঐ নিয়মের ব্যচ্চিার হয় না। যে পিণ্ড পায় শরীর উৎপন্ন হইল, মভট আসিয়া সেই শরীর শইয়া যাইতে নাই, সে সপিণ্ড হইলাম” এইরূপ জ্ঞানে সপিণ্ড হয় অর্থাৎ পিণ্ড লাগিল এবং অতি দূরপথে স্থিত, প্রাণিণের কর্মপ্রকাশক ও লাভ করে, কিন্তু পিণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি পিও পাই নাই' এইরূপ জ্ঞান জন্তুগণপরিবেষ্টিত ঘুমনগয়ে সিয়া উপস্থিত হইল। অমর উদিত হইলে পিওবা হয় না অর্থাৎ পিওনাতে ফল প্রাপ্ত হয় স্বৈতত্বে উপস্থিত ঐ জীকে দেখিয়া দূগণকে যা আদেশ না। অনাবলেই এই পদার্থসমূহেয় সত্যতা অনুভূত হয়, সেই কৰিলেন, ইহার পাপকা সজটিত হয় নাই এই ব্যক্তি অন্য কারণীভূত পদ হইতে সমৃদিত হয়। ২৬-৩০। যেমন নিত্যই পৰিত্ৰ কৰ্ম কৰিছেন, জলবী সরস্বতীর বেইলি পনি ভাবলে প্রাণিগণের বিষও এমৃততুল্য হয়, সেইরূপ অসত্য বণ্ডি ইহাৰ খাত প্রাক্তন নেই কোন রহিয়াহ, পাণও ভাবনাকে সত্য হইয়া থাকে। কারণ ব্যতীত কখনও অতএব ইহাকে মুড়ি দাও, ইনি সেই দেহে গিয়া ৰেশ করুন। হারও কোন লা উদিত না, হা সত্য জানিও। কেন্দ্র ৬—১৪। অনন্তর জেল হতে পরিচ্যুত এগােয় ব্রহ্মই হত নিত্য প্রকাশ, উহার কারণ কিছুই নাই; অতীত পরিত্যক্ত হইয়া ঐ লশে পতিত হইল। জল মহাল পৰ্যন্ত এই জগতে কোন কাই কারণ ব্যতীত সরস্বতী ঠাহার এতীকায় আকাশৰে ৰহিত ছিলেন। সর কধুনও দেখে নাই বা শ্রবণ করে নাই (ইহার গ্গ্নাভিপ্রায় এই বির জীব আকাশপথে গমন করি এ ইলে, ইহাও নিত্য বস্তুর সভাতিপাদন করিতে গেলে কারণের অর্থাৎ পশ্চাৎ পগং গমন করিতে লাগিলেন। আকৃতি পাইলও খুজি মােজায় থাকে)। বিচিত্ৰই বসল, তাই ঐ ৰমণীকে রিখ-শীৰ ফেরে নাই। সে খেয় যা বলা হয় কারে এতিতি কী সেইলের কল বল হাতে। রাম কমিদি মৃত ব্যক্তি আমার ধর্থ নাই ব্যতিক্রম নয় এগৰ দুইগিত হইলে এইএফ বানাচ্ছি এবং আমার বন্ধু যদি শেষ এগিনি। আয় ইয়া না করে, তাইলে সেই প্রেলে ফলক হয় কি না, সেলে পিসের সেই জীবের যত হইয়া তোর বাসনা নিয়ে সভা এবং তে বাসনা নকভি। যেমন লােক প্রাণ উৎপতি-প্রকরণ সভাৰ্থ, এতে কোন্ ৰাসনায় এল বলিবেন?৩১-৩৬। করিয়া আনতাবে রহিয়াছে। দুসমূহের বিলি পুশ- বশিষ্ঠ কহিলেন—শাস্রোত দেশ, কাল, ক্রিয়া, ব্যও সম্পত্তিতে সমুহের ফুরিত হওয়ায় তিনি পাবনমূলীর আয় শে- সেই অদবাসন উর্মিত হইয়া থাকে, সেলে প্রেতবাসনা অপেক্ষা ভিত হইয়াছেন, চতুর্দিকে দৃষ্টিপাত করত যেন মালভী-প সুদসন বলবতী কাৰণ প্রেতবাসনা শাস্ত্রমাণিত নহে। ওউপল বৰণ করিতেছ, আত্মদাৰণে যেন আকাশত শত বার বাসনা বান্না সেনা পরিপূর্ণ হয় অর্থাৎ “আমি ই বিক্ষেপ করিতেন, যেন ইলি নরপালরূপ বি এমী থাকি” এই প্রকার বাসনা জন্মে, অবশ্য শ্ৰেত যদি বেষিটো কিংবা যেন পপসম্ভার লইয় সমাগতা বসন্তলম্বী। তিনি নাস্তিক হয়, তবে সেইস্থলে বহুবাসনা প্রেতবাসনার নিকটে দুর্বল ভর্তার বদনমণ্ডল সাভিলাষ দৃষ্টি নিক্ষেপ করিতেছিলেন, এবং হয়। এইরূপ পরস্পর স্কুলে অভিীবনেরই জয় হইয়া থাকে, তাঁহার মুখমণ্ডল কিঞ্চিৎ মন হওয়ায় চাচা নিলায় , এএৰ অতিত্বে জাভ্যাস করা উচিত। রাম কহিলেন,হে পরিলক্ষিত হইতে অগিলেন। প্রবুদ্ধশীলা ও দেবী ব্ৰহ্মন। যদি দেশকালদি বার বাসনা সমুদিত হয়, তাহা হইলে তাঁহাকে দেখিতে পাইলেন, তিনি কিন্তু তাঁহাদিগকে দেখিতে মহাকাসৃষ্টির প্রারকে দেশকাণাদি নাই, এমষ্টির কারণীভূত পাইলেন না। কারণ তাঁহাৱা সত্যসঙ্কল, ইনি তাহা নহেন। রাম বামনা কখন কিরূপে উৎপন্ন হইয়াছিল? যদি সমুদয় বাস কহিলেন,-ভগন! আপনি পূর্বে বর্ণন করিয়াছেন, পূর্বশীল কাৰ্য্য হয়, তাহা হইলে তখন (সৃষ্টির প্রারতে) দেশকালাদি- সেই প্রদেশে (পদ্মভবনে) দেহ রাখিয়া ধানযােগে থিদেবীর সহকারি-কাৰণভাবে কিরূপে বাসনা সমলিত হইল? ৩৭-৪১। সহিত ফিরখভবনে গিয়াছিলেন, কিন্তু এখন ত তথায় শীলার বশি কহিলেন-হে মহাবাহহা। তুমি যাহা বলিলে, তাহা সত্য। দেহের কথা বর্ণন কারলেন না। তাঁহার সেই দেহ কি হইল। মহা-প্রলয়ের পর সৃষ্টির প্রারম্ভে দেশকাল কিছুই নাই। সহকারি- কোথায় গেল? প্রভো। এই বিষয় আমানিকট শুরু করুন। কারণের জৰে পদার্থের উৎপত্তি বা স্কুক্তি হয় না। ঘূখ- ১-১১। বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই সমধ্যে পদার্থের অসম্ভব নিবন্ধন দৃশ্যৰ অভাবশালী, সেই হেতু এই তাহার কি সত্যতা আছে? মরুভূমিতেলবুরি ন্যায় তাকে। যাহা কিছু দেখা যায়, তাহা অচিনাকার অনাময় ব্রহ্মই, অপর কিছুই ভ্রান্তিমাত্র। এই জগৎ-সমৃদয় আত্মাই, ইহাতে দেহালিকানা নলে এবিষয় বহুযুক্তি দেখাইয়া তােমার নিকট বলিব, এই কথা কিরূপে হইতে পারে ? যাহা কিছু দেখিচ্ছে, সমুদয়ই আনন্দ- বুঝাইবার জন্যই আমার এই প্রত্ব। এক্ষণে বর্তমান কথা শ্রবণ রূপ চিন্ময় ব্রহ্ম। শীলার বােধ কমে যতই পরিণত (অর্থাৎ কর। ৪২-৪৫। সেই জ্ঞপ্তিদেবী ও লীলা এইরূপে চতুর্দিকে পরিপক্ক হইয়াছে, দেহও তেমনি হিমবৎ বিগলিত হইয়াছে পপসমাচ্ছাদিত বসন্তকালের স্থায় মনেহয় ও শীতল সেই পদ্ধ- (নাই বলিয়া স্থির করিয়াছে)। এক্ষণেশীলা আবিবিদেহে ভূপতির মন্দিরে প্রবেশ করিলেন, দেখিলেন, রাজকাৰ্য্য পরিত্যাগ যে দৃষ্ণ সকল দর্শন করিতেছে ইহাই পুর্বে ভূম্যাদি নামে কুলিত করিয়া রাজধানীস্থ জানিবহ তথায় রহিয়াছে। মন্দার-কুন্দপুপালির ও আধিভৌতিকরূপে অবস্থিত ছিল।১২-১৫। বস্তুতঃ খ মাল আজাজিত ও সেই স্থানে রহিয়াছে, শরশয্যার ভৌতিক কিছুই নাই , শ অর্থ কিছুই সত্য নয়, সকলই শ- শিক্ষভাগে পূর্ণকুত্তাদি মাদ্রব্য, স্বপিত রহিয়াছে, গৃহৱ শৃঙ্গবৎ । স্বপ্নকালে যে পুরুষে আমি হরিণ এই প্রকার পক্ষে কঠিন অল অনুদঘাটিত আছে প্রদীপাশােক মতি উদিত হয়, সে কি আপনার মৃত্ব পরীক্ষায় অ মৃগ প্রশান্ত প্রায় হওয়ায় নির্মল গৃহভিত্তি মল হইয়াছে, গৃহের অন্বেষণ করে? (অর্থাৎ আমি আধিভৌতিক' এইরূপ এই একপার্শ্বে শৰত এনগণের নিশ্বাসশষ সমবে নিঃসৃত হইতেছে। স্থিরীকৃত হইলে তখন তাহার আমি আধিভৌক্তি কি আতি এই গৃহের বহির্দেনে পূর্ণচত্রের আলােকে আলােকিত অভ্যন্তর- যহিক সে বিচার থাকে না)। বুজুতে সর্পন অপগত হইতে দেশ, গৰান্য নারায়ণের নাভিপদ্ধ-মুকুরে খায়, সুশােভমান, ভ্রমনের ভ্রান্তি যেমন বিদূরিত হইয়া উহা ভাভিমাত্র এই পুরুষন্দির, সৌন্দর্যের ঐ মন্দিরের নিকট পরাজিত। ইবৎ বােধ উদিত হয়, তেমনি ভ্রান্ত ব্যক্তিদের ভ্রান্তি দূর হইলে বাহা মনােহর ঐ মন্দির নিঃশষ মুফের স্যায় চিত। ৪৬-৫। সত্য, তাহাই জ্ঞানে স্কুরিত হয়। এই সমস্ত অভিৗতিক পঞ্চাশ সর্গ সমা। করে, (অর্থাৎ নৌকাদি আরােহণের পর তেমনি অজ্ঞ- যক্তিরা স্বগােপম এই সৃষ্টিব্যাপার অনুভব করিয়া থাকে। ১৬। রাষচত্র কহিলেন-হে । আপ-এ সপ্তপঞ্চাশস। যােগীর দেহ আিিহকতা এও হয়, উহা আধিভৌতিতা বশিষ্ঠ কহিলেন-অনশুর জ্ঞধিদেবী ও বুজ-শীলা তথায় এণ্ড । এদিকে বলিলে, এতিহিক দেহ অ৩ লেখিলেন যে, সেই আবুলী বিদূরখের আগেই মৰিা এনে অবিলৰ হা হইলে লােকে ঐ অতিবাহিক যােগিদে কিনে আসিয়া শবশষ্যার এক পার্কে বসিয়া আছেন। সেই লীলার অন করে এবং উহা মুক্তিকালেও বিমান থাকে কি না? বয়ার সেনা, আকার, রূণ, অবল, পরিধেয় বশিষ্ঠ কহিতে-যেমন রে পূর্ব পরিত না হইলে বস্ত্র ও জুত সমান; কেবল প্রাক্তন বিখ- এক সেইতে হয়, সেগীলিশও পরিত্যাগ করিয়া সার বিত আছেন। তিনি জাময় এই অভিষিক নেমেই দেহান্তরকি সমুভি । এ করিয়া মহগতিকে কছিল; ত্রায়ে যেমন কোন মূলে ছিল এ শরৎকালে কালে যে আকাশের শাে হয় জল আঁকান সেই মহান হইলেও হইয়া যায়; জেনিতেই বিভূষিত। তিনি বা হতে যানে বিত করত মৌলান বy । টতি হউক এই চুলের বােগবাণিষ্ঠায় s কোন কোন যােগীয় নেই আকাশে উড্ডীন পীর গায়, এত লােষ্ট্র বুকে লাগিয়া বৃক্ষমধ্যে প্রবিষ্ট হইতে গরে না, অই নম্র এ হয় যে, অপরের কথা দূরে থাকুক ফেগীরাও অহা চূর্ণ হইয়া যায়, মেনি জ্ঞানহীন জনগণ, পর স্থায় কেন লক্ষ করিতে পারেন না। কখন কোন কোন ব্যক্তি এই বিয়ের নির্ণয়ে সমর্থ হয় না অর্থাৎ পার্থের অনিবেশে বেগী মতও এই যােগী জীবিত এই প্রকার ঘােগিদেই নি তাহাদের কোন সামর্থ্য নাই, তাহারা শরীর প্রভৃতি সেইরূপ কর, আহা আহার স্ববানভমমাত্র।২১-২৫। যেমন প্রত্যক্ষ করে। যেমন ব্যয় বস্তু আগণের পর কোথায় যায়, সত্যবােণ হইলে রজুতে সর্পল ডিরােহিত হয় অর্থাৎ জু জানা যায় না, সেই বিচারকম ব্যক্তিদের নিকট এই আখি ইলিয়াই ৰােখ হয়, তেমনি জানােদয় হইলে পুর্বেয় দেহদর্শন ভৌতিক দেহ অসত্য হইয়া যায়। রাম কহিলেন,-গৰণ। ডন কবির বােধ হয়। তখন বােধ হয় দেহই বা কি তাহার প্রৰােৰস্থায় স্বপ্নশিখরী কোথায় যায়? বায়ু যেমন রমে সও নাশই বা কি? অর্থাৎ সমস্তই অলীক , যাহা ছিল তাহা সহজে ছিন্ন করিতে পারে, প আমার এই সংশয় হে করিয়া তাহাই আছে, কেবল অবােধই গিয়াছে। রাম কহিলেন,-প্রভাে৷ জিউন। বশিষ্ঠ কহিলেন,যেন স্পন্দন এনিলেই বিলীন বােগীদিগের আধিভৌতিক দেহই কিবােগবলে আতিবাহি হয়, তদ্রুপ স্বপ্নভ্রম বা সঙ্কলক্ষণে অনুভূত পৰ্বতাদি পদার্থ সকল কত প্রাপ্ত হয় কিংবা উহা পৃথকু, ইহা আমার নিকট বলুন। সংবিদের মধ্যেই বিলীন হইয়া যায়। যেন স্পন্দহীন, বানু বশিষ্ঠ কহিলেন-আমি ভােমাকে এ বিষয় বার বলিয়াছি, মধ্যে সম্পদ বায়ু প্রবিষ্ট হয়, তেমনি ভকিস্বরূপ— এই মি তাহা গ্রহণ করিতে না কেন? একমাত্র আভিবাহিকই স্বাপ্রপদার্থও সবিদের মলস্বরুপ অর্থাৎ তাহার আবরক হইয়া আছে আধিভৌতিক নাই। অতিবাহিকে আধিতেত্তি তন্মধ্যে প্রবিষ্ট হয়। ৪১-৪৫। স্বাপ্পালি পদার্থরূপে হা কুবুরি অধ্যা রাই হইয়া থাকে। যখন অ্যাসের উপশষ প্রস্ফুরিত, তাহা সংৰিদ অর্থাৎ আত্মচৈতন্যই। যখন তাহার ঐ ২ জুন সেই প্রাক্তন অিিহকতাই উদিত হয়। যেমন প্রকার ক্ষুণ থাকে না, তখন তাহা অদ্বয় আত্মা থাকে। যেমন এবু হইলে স্বপ্ননগরের কাঠিন্যাদি থাকে না অর্থাৎ তাহার জল ও এবত্বে (অলরে) পার্থক্য করা যায় না এবং বায়ু ও কাঠিন্সাবিজ্ঞান তিরােহিত হইয়া যায়, জেনি অতিবাহিক- স্পরেও বিধাত্ব হয় না, জেনি সবিদ (আত্মচৈতন্য)ও স্বপ্ন জ্ঞান সমুদিত হইলে এ দেহের আর গুরুত্ব-কাঠিন্যাদি জ্ঞান পদার্থের কাচ পার্থক্য উপলব্ধি হয় না। সেই স্বপ্নপদার্থ ও আত্ম- থাকে, সমই লয় প্রাপ্ত হয়। ২৬-৩১। যেমন স্বপ্নে চত একত্ব বোধ না থাকার অমই সর্বোত্তম অজ্ঞান। ঐ অব- (ইহা স্বপ্ন এইরুপ জ্ঞান হইলে স্বপ্নদৃষ্ট স্বপ্নের বাধ হইয়া স্থাকেই মুিখাজ্জনক সংসার কলা যায়। স্বপ্নে যে সংবিদ ও স্বপ্ন- বাত, সেইরূপ আতিহিক বােধ সমুদিত হইলেই আধি- পদার্থের পার্থক্য অনুভূত হয়, তাহা সহকারিকারণভাবে নিরর্থক। বেজে ৰাধ হইয়া যায় এবং আধিভৌতিকের বাধ হইলে স্বপ্ন ও জাগ্ৰ-পদার্থ সমন্তই এক প্রকার, এ বিষয়ে সন্দেহ নাই, বেশীদিগেৱ দেহ তু লঘু প্রাপ্ত হয়। যেমন স্বপ্নকালে কারণ, স্বপ্নদৃষ্ট পুরনগরালি যেমন অসং, সৃষ্টির আদিতে অনুভূত আমি স্বপ্ন দেখিতেছি এইরূপ পরিজ্ঞান হইলে দেহ লঘু হইয়া (প্রতিভাত এই জগৎও অদ্রুপ অসৎ। ৪৬। ব্য- যায় অর্থাৎ দেহের গুরুত্ব অনুভব হয় না, তদ্রপ বলয় হইলে পদার্থ সত্য হইতে পারে না, কেবলমাত্র সৰিদই (আত্মা) এই সুল-ফেং প্লনশীল অর্থাৎ আকাশ-গমনযােগ হইয়া নিত্য ও স্য, স্বল্পপার্থ সমুদয় অস। যেমন জাগরিত হইলে থাকে। গুহারা অনেক দিন ব্যাপিয়া সঞ্চয় দেহে অবস্থিত স্বপ্নদৃষ্ট পর্বত আকাশ হইয়া যায়, উপ অন হইলে এই আধি- হন, তাহাদের সেই গন্ধ হউক ৰা শৰীভূত হইয়া থাকুক, ভৌতিক দেহাদি আকাশে অর্থাৎ শূন্যতায় পরিণত হইয়া যায়। তাদেরও লঘুদেহের অনুভব অবজাবী, কিন্তু যােগীদের নিকটস্থিত ব্যক্তি আভিবাহিকতা-প্রান্ত পরমপুরুষকে এ মৃত প্রবােষের আতিশয্য হেতু জীবিতাবস্থায়ও ঐ প্রকার - বা উভড়ন এই প্রকার দর্শন করে, তাহাদের অজ্ঞানস্বভাবই সে ব হইয়া থাকে। ৩২-৩৫। বগকালে জ্ঞানীদিগের তাহার কারণ। এই অংস্কৃষ্টি, মিস্যা সৃষ্টি, মেহদৃষ্টি বা মায়া- আমি সখা এই একার স্মৃতি হইলে দেহ যে একার দৃষ্টি কিংভ্রান্তি, ফলে উহা স্বপ্নদৃষ্ট পদার্থানুৰ সদৃশ শূন্যতায় মেচ্ছায় আকাশৰিহাক্ষম সূক্ষ্ম অনুভূত হয়, বােধশত পরিণত। অনানি অপুহে নিপতিত পুরুষ মরণ-চ্ছার হইয়া থাকে। রুজুতে ভুমের ব্যায়, এই স্থূলদেহানুজ আকৃষ্ণণে অতিবাহিক-শরীয় প্রাপ্ত হইয়া প্রান্তিক্রমে ভবিষ্যৎ ভ্রাভিমাত্র। এই ভ্রান্তি বিদূরিত হইলে সকলই বিদূরিত হয়, ভোগের উপযুক্ত সৃষ্টিপ্রতিভাস যাহা যাহা অনুজ করে, সে এই জাতি হইলে সকলই হই পায়ে। রাম কহিলেন,-হে সমস্তই তাহাদের নােমধ্যে, বাহিরে না, কিন্তু ভাঙিবলে বহি প্রতে। যদি পপুর সি শীলাকে আঙিবাহিক দেহধারী বলিয়া বলিয়া বিবেচনা করে। ৫১-৫৫। নিষাগ্য হইলেও লাৰ সত্যসঙ্কলতাহেও (অর্থাৎ ইহারা সন্তপঞ্চাশ সর্গসমাপ্ত।৫৭। আমাকে খুক এ একার সময় যারা) দেখে তাহা ইলে উহাকে বিপবোধ করিবে? বশিষ্ঠ কহিলেন—তাহারা এই বােব করিবে তে, ইনিআমাসেই রাজীই দুঃখিত অস্টপঞ্চাশ সর্গ। মনে অবস্থান করিলেন। তিীয় নাকে ইহার কোন সব লে হুইসিয়াছে, এইরুপ ৰােখ করিবে। দ্বিতীয় বশিষ্ঠ কহিলেন-ঐবসরে জ্ঞপ্তিদেৰী সক্ষঅবলেই মনের নীলপত্র বলিয়া কোল-সলেই হবে না; কারণ, অৰি- শনবােষের কায়, বিখসরী"জীবেয় বােধ করিলেন অe নেকী গণমাখাপই ব্যবহার করিয়া থাকে; ইহাদের দেহে প্রবেশ করিতে দিলেন না। লীলা কহিলেন, চারপতি নিপে স?ে৩-৪। লেপাক একি কতকাল এই মপির আমি সমাধিমগ আছি ও মহাৱা শবন উৎপতি-প্রকরণ। ৯ - অবস্থান করিতেছে জ্ঞথিদেবী উত্তর কষিলেন, একমাস স্যায়, বিষ্টৱে উপবেশন করিলেন। জ্ঞপ্তি কহিলেন, হে হইবে, এই তেমার দাসীয় দেহরাথ অবহিত হইয়া বাসগৃহে তুমি অগ্রে এস্থানে কিরূপে আসিল, তাহা বল। শয়ান আছে। হে বর্ণিনি। তোমার দেহের কি হইয়াছিল হইয়াছে, পথে এবং কোনস্থানে কিছু দর্শন করিয়াছ শ্রবণ কর। তােমার শরীর পঞ্চদশ দিনে ক্লিন্ন হইয়া বাষ্পভাব প্রাপ্ত বল। ১৬২৫। যিদূরখ-শীলা কহিলেন, দেবি। আমি সেই হয়। যেমন শুকপল্লব ভূমিতে পতিত থাকে, তেমনি নির্জীব প্রদেশে কান্ত-ঘালাহত দ্বিতীয় কলার গয় সূক্ষ্ম ও গ অবস্থায় পতিত ছিল। তখন তােমার ঐ শবদেহ কাষ্ঠকুড্যতুল্য হইয়াছিলাম। তখন আমার সম-বিষ-জ্ঞান কিছুই ছিল না কঠিন ও হিমের =ায় শীতল হইয়া পড়িল। ১। অনন্তর হে পরমেশ্বরি। তারপর আমি তরলপ নয়নয় নিমীলিত মন্ত্রিগণ দেহের ঐ অবস্থা দেখিয়া “নি মরিয়াছেন” এই স্থির হইল। পরে মরণ-মূৰ্ছ। ভাঙ্গিয়া গেলে জাগরিত হইয়া দেখিলাম, করিয়া গৃহ হইতে বাহিরে লইয়া গেল অধিক আর কি বলিব, আমি গগনলে আপ্লুত হইয়াছি। পরে অনিলয়খে সমারূঢ় দুই, তাহারা চিতানলে প্রক্ষেপ করিয়া ঐ দেহ ভক্ষনষ্ঠ ও দূতাদি দ্বারা গলেখার ন্যায়, এইহানে উপনীত হইলাম। দেবি। তার পরে ল্প করত ভস্মসাৎ করিল। অনন্তর তােমার পরিজন জ্জ এস্থানে আসিয়া দেখিলাম, এই গৃহ নক্ষকে অলঙ্কত, দীপ যা মরিয়াছেন বলিয়া অতিব্যাকুল হইয়া হাহাৰে রােদন করত উজ্জলিত, বিবিক্ত ও মহা-শয়নাথিত। ২৬-৩০। এই আমার ত্বদীয় ঔদহিক ক্রিয়া সম্পন্ন করিল। পরন্তু তোমাকে এক্ষণে পতিকে দেখিতে পাইলাম। পুষ্পোদ্যানে বসন্ত যেমন অধিষ্ঠিত সশরীরে সমাগত দেখিলে পরলোকগত ভাবিয়া তাহারা আশ্চৰ্যা- হইয়া থাকে, তদ্রুপ ইনি পূষ্পচ্ছাদিত হইয়া শয়ন করি থিত হইবে। হে সুতে। তুমি এক্ষণে অতিবাহিকদেহা বলিয়া আছেন। হে দেবের। ইনি সংগ্ৰামব্যাপারে পরিশ্রান্ত হইয়া অদৃশ্য হইলে, তোমার সত্যসঙ্গত প্রভাবে স্বচ্ছ এই আতিবাহিক নিদ্রিত আছেন, এজন্য ইহার নিদ্রাভঙ্গ করি নাই। তাহার পর দেহ অবলােকন করিয়া আশ্চৰ্য্যত হইবে। ১০। হে আপনারা এই স্থানে আসিয়াছেন। হে মদীয়-অনুগ্রহকারিনি। বলে। তােমার পূর্বতন দেহের প্রতি মাদৃশ বাসনা ছিল, তেমার আমি যাহা যাহা অনুভব করিয়াছি, সমই কহিলাম। জ্ঞপ্তিদেবী। দেহ উদরূপ রূপলাবণ্যসম্পন্ন হইয়াছে। সকলেই স্বম্ব বাসনা- কহিলেন-হে হংসমিনী ললিওলােচনা লীলাদ্বয়, আমি শব- বগারেশন করিয়া থাকে, বালকদিগের বেলদর্শন এ শয্যাগত এই নৃপতিকে উঠাইতেছি। এই কথা বলিয়া, পদ্মিনী মিসিংদী নিদর্শন। সুন্দরি। তুমি এক্ষণে অতিবাহিক ,যেমন আমােদবিকিরণ করে, তদ্রুপ বিদূর-জীব পরিত্যাগ দেহসম্পন্ন এবং সিদ্ধ হইয়াছ, মাের সেই প্রত্তন-বাসনা করিলেন। বায়ুরূপী সেই জীব বিদূরখ-শবের না-নিটে সম্পন্ন দেহ” ভুলিয়া গিয়াছ। অতিবাহিক বৃষ্টি প্রথিত হইলে উপস্থিত হইল এবং অনিল যেমন বংশরন্ধ্রে প্রবেশ করে, আধিভৌতিক দেহ প্রশান্ত হয়। ঐ অবিভৗতিক দেহ অপ্রবুদ্ধ নাধিবরে প্রবেশ করিল। সমুদুধ্যে যেমন শত শত মণি থাকে, বারি দৃণ হইলেও প্রবুদ্ধ ব্যক্তির নিকটে উহা শরমেঘৰং ভদ্রুপ এ জীবের অন্তরে শত শত বাসনা নিহিত রহিয়া ঋণদৃশ্য হইয়া থাকে। অতিবাহিক ভাব বদ্ধমূল হইলে বদনাভ্যন্তরে জীব প্রবিষ্ট হইলে তদীয় ৰদন, অনাবৃষ্টির পর সবল দেহই জলহীন জলদ ও সৌরভরহিত কুসুমের সাম্য বৃষ্টি হইলে পদের ন্যায়, কান্তি ধারণ করিল। সেই রাজার অঙ্গ- ধারণ করে। ১৯—১৫। অতিহিক জন ধূচীভূত হইলে প্রত্যক্ষসমুদয়, বসন্তকালে লতজালের ন্যায়, সরসভাব ধারণ করত নদ্ধ সনাশালী * ব্য: গণের, যৌবনে বাল্যবিরণের স্থায়, দেহ প্রকাশ পাইতে লাগিল। অনন্তর রাজা পুর্ণন্দ্রের ন্যায়, বদনে- আধিভৌতিক) কিরণ হয়। একত্রিশ দিবস অতীত হইল, কাভি দ্বারা জগৎ উদ্যোতিত করত সুশােভিত হলেন। সরস, আজ প্রভাতে আমরা অম্বরতলে আসিয়াছি। এক্ষণে এই মূহ ও নাঙ্গলকান্তি দীর অবয়ব, বায়ত্ত-পল্লবের ন্যায়, তােমার দাশয়কে আমি নিদ্রা দ্বারা মােহিত করিয়া রাখিয়াছি। পরিস্ফুরিত হইতে লাগিল। ৩১-৪০। এই জগৎ যেমন চ (হ লালে। অইস, অামরা সত্যসঙ্কল্প দ্বারা এই লীলাকে সূৰ্য্যরূপ নয়নয় উলিত করে, তজপ সেই রা। বিমলতারা- দর্শন দেই এবং আমাদের মনুযযাচিত ব্যবহার হউক। বশিষ্ট সুশােভিত সুন্দর ও বিশাল নয়ন উলিত নিলেন। তর বহিলেন,—“ঞ্চিদেবী আমাদিগকে এই শীলা প্রত্যক্ষ করুক’ শিল বিশ্ববিতের ন্যায়, মহারাজ উল্লসিত হইয়া উঠিলেন এই প্রকার চিন্তা করিলে কৃপ্তি ও শাল। প্রদীপ্তভাবে দৃশ্য | এবং অল-গম্ভীর স্বরে কহিলেন, “এ স্থানে কে আছ ? হইলেন। তাহাদের তৈজপুনে সেই গৃহ আলোকিত হওয়ায় লীলার অগ্রবর্তী হইয়া কহিলেন, "আদেশ করুন কি করিতে বিদূর-লীলা ব্যাকুলদৃষ্টিতে গৃহ অবলোকন করিতে লাগিলেন। হইবে ?” অনন্তর বিদ্রথ স্বীয় মুখে দেখিলেন যে, আচার, সেই গৃহ যেন চন্দ্রমণ্ডল খুইয়ে উৎকীর্ণ হইল, যেন সুবর্ণদ্ৰৰ দ্বাৰা আকার, রূপ, মৰ্যাদা, বাক্য, উদলে, আনন্দ ও উদয়ে গরু ধৌত হইল ,সৈই প্তি ও লীলার শীতল-কন্তিৰে গৃহভিত্তি শীলা ভাবে অবস্থিত। হাদিগকে দেখিয়া জিজ্ঞা বিলিপ্ত হইল। লীলা তাহাদিগকে গর্শন কক্লিয়া সসন্ত্রনে উঠিয়া করলেন, “তুমি কে, ইনিই বা কে? কি এই ৰা আসি- তাহাদের পদতলে পতিত হইলেন। হে দেবীদ্বয় ! আপনারা যেন লীলা তাঁহাকে কহিলেন-হে দেব। আমি যাহা আমার ওয়ার্থ আগত হইয়াছেন, আপনারা আমার জীবন, কহিতেছি, শ্রবণ করুন। আমি আপনার পূর্ণ সংবলি পিনাদের পরিচারিকা আমি পূর্বেই এইলে আসিয়াছি। লীলা। বাক্য যেন অর্থের সহিত নিভাই, আমি সেইরূপ লীলা এইরূপ অত্যুথান করিলে তাহারা সকলে, সুমেরুশৃঙ্গে লতর আপনকার নিত্যসহচরী। এই দ্বিতীয় লীলাও আগায় মহিল, আপনার নিমিত্তই ইহাকে আর যাহাদের আদৌ বাসনা নই, এমই তাহাদেয় আছি রুপে উপার্জন করি। - আর এই মিশ বাহিক দেহও হয় না। অলর শিরােগে বৈমানে উকি আছেন, যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ ননী ভগবতী সরখ। আমাদিগের পূণ্যলে আম- জীবমুক্ত মহাখীস লীলায় ও রান পূর্বজন্মেয় রাত লিগৰ সলাতে উপগত হইয়াছেন। হে মহীপতে। ইনি কথােপকথন করত (সুরতের ব্যায়) আনন্দ অনুভব করিতে আমাগিকে পরলােক হইতে আসিয়াছেন।” এই কথা শ্রবণ লাগিলেন। পদ্মভূপতি এইরূপ সরস্বতীর অনুগ্রহে নিজ পূণ্য- কৰিয় রাজীলেল রূজা সসন্ত্ৰমে উঠিয়া বিলম্বিত মান ও বসন বলে ব্রিলােকমধ্যে শ্লখনীয় ঐরূপ পুনর্জীবন, রাজ্য ও জ্ঞানালি এটাইয়া লইয়া জ্ঞপ্তিদেবীর পাদপদ্মে পতিত হইয়া কহিতে প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। ১১-১৫। সেই রাজা সরস্বতীয় উপদেশে লাগিলেন-হে সহিতপ্রদে দেবি সরস্বতি! আপনাকে আত্ম হইয়া লীলাম্বয়ং আনন্দিত অবে অষ্ট অমূভব নমস করি। হে ৰয়দে। আপনি মেধা, দীর্ঘায়ু ও ধন প্রদান রাজ্য করিয়াছিলেন। তাহারা প্রকৃতিপুরে সর্বদা উন্নতি- করুন। আজ এই কথা বলিলে জ্ঞপ্তিৰেী তাঁর গাত্রে হস্ত- সাধন, বিদ্যাবত্তা ও প্রতারজন যারা প্রকার-দােষরহিত, শত কহিলেন-হে বৎস। তুমি অভিমত অর্থ লাভ যশস্বী, কর্মি, সৌদি-গুণসমন্বিত হইয়া সন্তুষ্টভাবে কত গৃহে অবস্থান কর। গেমার সকল আপদ ও দুস্কৃতদৃষ্টি- বহুদিন রাজ্যপালন করিয়া জীবন্মুক্ত, সিদ্ধসংবিদ ও বিদেহমুক্ত সব দত্মহউক, অনন্ত সুখলাভ কর। স্বীয় প্রজাগণ নিত্য- হইছিলেন। ১৬-১৮। সুখী হউক এবং তােমার রাজ্যে লক্ষ্মী অচল হইয়া অবস্থান একেনবষ্টিম সর্গ সমাপ্ত ॥ ৫১। পালস সমাপ্ত।৮। বষ্টিতম সর্গ। } একোষষ্টিতম সর্গ। বশিষ্ঠ কহিলেন,হে মচ। দোষ নিবৃত্তির নিমিত তােমার নিকট এই শীলেপান কীর্তন করিলাম , তুমি এলে ৰণিঠ কহিলেন,সরস্বতী তথা ৰলিয়া ভােয় অতর্হিত এই জগতের সত্যতা পরিত্যাগ কর। ফুপদার্থের সত্যতা- হই। এহইলে পদ্বের সহিত সকল শােক প্রবুদ্ধ হইল। পরিত্যাগ ব্যতীতু দৃমার্জনের উপায় নাই। যুক্ষ সভ্যতবলি রাজসেই লীলাকে আলিঙ্গন করিলেন। লীলাও মরণানন্ত, থাকিবে, মার্জনকে ততক্ষণ থাকে, সুভ্যতালদ্ধি অপগত হইলে উবিত বিতকে পূনঃ আলিঙ্গন করিতে লাগিলেন। সেই উহা আর থাকে না। জ্ঞানিগশ দৃশ্যপদার্থের স্বৰূপ আকাশের ন্যায় ভবন এল-মখময় জনগণে পরিপূর্ণ ও বাল্যগীতালিধ্বনিতে বােধ করেন। এই সমস্ত প্রপঞ্চ এক অধরতুল্য এক পরম পুরুষ সমাকুল হইল এবং জয় মঙ্গল ও পুণ্যাহধ্বনি হইতে লাগিল। বিদ্যমান আছেন। পৃথ্যাদিরহিত চিত্ৰৰপু স্বগন্তু আপনাতে সই পরিপুষ্ট জনগণ ও রাজগণে রাজতন-চত্বর পরিপন হইল। যে কিছু বিবর্তষ্টি করিয়াছেন, তৎ সমুদায়ই সেই চিন্মাত্রস্বভাৰ সিদ্ধ ও বিদ্যাখরগণ সহস্র সহ পুষ্পবৃষ্টি করিতে লাগিল। মৃদঙ্গ, পরমাত্মার মাষিক আভাস। সেই চৈতন্যরূপ স্বয়ষ্ণু যখন যে মুর, কাহল, শখ ও দুন্দুভিধ্বনি হইতে লাগিল; হস্তিগণ প্রকার ষত্ব করেন, তখন সেই প্রকারই হন। সৃষ্টিবিং স্বয়র ও উৎক্ষিপ্ত করত গভীর গর্জন করিতে লাগিল , রাজাঙ্গন সৃষ্টিষত্বে সৃষ্টি, স্থিতিত্বে স্থিতি এলষয়ে প্রলয় হইয়া থাকে, প্রদেশে অনাগণ, আনন্দে নৃত্য করিতে লাগিল, চতুর্দিক তার অন্যথা হয় না। ১-৫। যদ্যপি ব্ৰহ্মাঅরূপ নির্মল হইতে উপঢৌকদ্রব্য লইয়া জনগণরাজবাটা সঙ্কীর্ণ করিয়া চিদাকাশে এই জগৎ আভাসিত (অর্থাৎ তদনুসারে জগৎ লিল। সেই রাজসংসার উপহার-প্রদত্ত পূল্যে পরিপূর্ণ ব্ৰহ্মস্বষ্ট বলিয়া বােধ হয়), ৰত ভাহা পরমার্থ অপরিচ্ছিন্ন ল। ১৭। মন্ত্রী, সাত্ত ও নগরবাসিগণ ইতস্ততঃ কুষম ভাবে ব্ৰহ্মৰতে স্থান পায় না, সে বােধ বুদ্ধিারকার বলিয়া এলার্জি সাইতে লাগিল, তাহাতে অম্বল যেন পট্টবস্ত্রময় বুদ্ধিপরিচ্ছিন্ন জীবে অস্থিতি করিতেছে। এই প্রকার এই বােইতে লাগিল। অকালে নৃত্যপরায়ণ নকীগণের উর্ব বৃথা জাকির আবার সত্তা বা বাসনা কি? আস্থা কি? নিয়তি চালিত বৰণ করনিকয়ে নমেণ্ডল পদ্মময় বলিনা বােধ হইতে কি? অবশ্যবিত্রই বা কি বল দেখি। মান্ত-মুদ্রিত লাগিল। আনন্দভ নারীগণের গ্রীবালে (তাঁহাদের গমূল এই সমুদয় প্রপঞ্চ যথাদৃষ্ট হইলে পরমার্থষ্টিতে উহা কি শনের বেগে) ফুল সকল আন্দোলিত হইতে লাগিল। জনগণের নয়, এই সৃষ্টি অন মায়ার কাৰ্য। বস্তুগত্যা মাগs এল-সবজনিত পাকাতে নিপতিত পপনিকর বিষকি সত্য নহে। রাম কহিলেন,-ভগব। আপনি পরম সুতি আপথ সলপুণরসেময় হইল। স্থানে স্থানে উ দেখাইলেন; যেমন ই-কলা ফ্লাবানল তৃণসমূহের নিবারক, সৰখ আৰু-সঙ্গিত পন্ত্রের বিতানক (চাকা) সহিত এই দৃষ্টি তেমনি সংসারপতপ্ত ব্যক্তিলিশের শান্তি। আমি হইল। (উংস মিলিত)মাজগণের মুখন্ত্রে মােম আজ বহুদিনের পর বিষয় অবগত হইলাম। বড়ই আজ নেলসমন্বিত হইল। ১০। জনগণ কে দেশান্তরে যে বিষয়। যেরূপভাবে যখন হাতব্য, তাহা আমার মত শীতঘরে কীর্তন করিতে নিল যে, মহারাজ ওয়াক্স পরলােক নাই।—১০। হে দ্বিশ্রেষ্ঠ। আর এই অপূর্ব আর ইতে ফিরিয়া আসিন পথতি সনেপোক্ত গম ও শব্যাখা মন করিয়া বিটা কত অ অ বুঅত শৰণ কৰিয়া সাগর-সমানীত দ্বারা স্নান করিলেন, আমি যেন শান্ত ৰা নিৰ্মাণপ্রাপ্ত হইলাম। হে সর্বজ্ঞ। গণসন সমুচ-বয় প্রাণ ক্ষের অভিষেক ভগব। আপনার মাত্র আর পান করিয়া । 'परिचारिका का विमति . बाबाच यौन কি ও রাজার অধীন তৃপ্তিলাভ করিতে পারি এতে আমার এই সব শ। পুলিশে সেই নরপতি জিষেক কলিন। করুন। বাটি,গায় ও বৈদূর হতে লীলাখানীয় সময় উৎপতি-প্রকরণ এভীত হইয়াছে, তাহা কি আহােমত্রলীৰ মাসাত্মক কিংবা বহু অভিনয়, এই অরূপে বিতণ্ডা হয়। গগনে মাসয়াম ব্যাপী বা অস্থায়ী আগৰ গীকালী, ইহা আমার সনে অখ, উ কোন পার্থ নহে। কে যেন মিলে হয় বিষয়। সুগ। অনুগ্রহ করিয়া উহা আমার নিকট যথাযথ কল্পিত পিশাচন গলবে, হাও তদ্রপ হয়। অৰু করুন , একগিপতিত জলবির স্থায় একবার বিয়ের আত্মমাত্ৰকলিত ব্যক্তির অভাবে এপলের বােধ এলে উহা আমার মনে ধরে নাই।১১-৫ বশিষ্ঠ কহিলেন - শক্তিহীন ও বােধক পরিমান ভাস্বর এই শখকে হে অনথ। যে ব্যক্তি যখন বখন যে বিষয়ে যে যে এল জ্ঞান নিদ্রিত মনুষ্যের পূর্ব অল্প বলি নেন। লাভ করে, তখন তখন তার সেই প্রকাতেই সে বিষয়ে অনুভূতি (থান বা খোঁটা) যেমন আপনাতে কি বলিয়া এথিত ইয়া থাকে। গল অমৃত বলিয়া ভাবিলে বিষও অমৃত হইয়া করে, সেই পরমার্থ সাখার চিন্ময় আরূপ মহাতও সেইরূপ যায়। মিত্ৰ ভাবিলে শত্রু মিত্র হয় পদার্থ সকল বেভাবে ও দৃষ্টি দেখে। স্বপ্নেৎপার্কে মহামাগণকর্তৃক ক্ষোভিত মনুষ আকারে ভাবিত হয়, ভাবলার আভাস ও প্রভাবের বলে সে প্রবুদ্ধ হইয়াও মুমুখবৎ অর্থাৎ অজ্ঞানার্জন, এটিও সকল সেই সেইভাবেই নিভিব হয়। ফুরণশীল সংবিচিত্ত অপ শীত-তুর অবসানে, বসন্তপারতে, পূণিরূপে পরিণত সঙ্কল দ্বারা যে গ্রামে ও যে ভাবে প্রস্ফুরিত হয়, সেই ভাব হইবার নিমিত্ত, তৃণগুঝাধিযুক্ত রস ভূমিতে অবস্থিত হয়, গুণ ও সেই আকারে অনুসারী অর্থ ক্রিয়াকারী হয়। তাহার দৃষ্টান্ত এই জগৎষ্টিও পরমপদে অবস্থিত ।৩৩। যেমন সুবর্ণ যদি এক নিমেষ সময়ে ফলসমূহের সংৰি লাভকরা যায়, তাহা , ভ্যন্তরে অপ্রকাশিত ভাবে ৰত্ব থাকে, দ্রুপ সুন্ম পরমচৈত, হইলে সেই নিমেষই ককপে পরিচিত হয় সন্দেহ নাই। এই দৃষ্টিপ্রপঞ্চ অবস্থিত। যেমন অঙ্গসন্নিবেল শীভূত আw ১৬। আবার কল্পসময়ে যদি নিমেষসময়ের সংবিলাত হইতে অপৃথগ ভূত সেইরূপ এই জগৎ জীবাত্মা হইতে অভিন্ন হয়, তাহা হইলে উহাও নিমেষপদবাচ্য হয়। কারণ চিত্তের | পরমাত্মা হইতে পৃথক্ নহে; কিন্তু সেই পরমাত্মা নির। যেমন স্বরুপই ঐরূপ। দুঃখিত ব্যক্তির রাত্রি কল বলিয়া বােধ হয়, সুখী! স্বপ্নে এক ব্যক্তি অপরের সহিত নিজের যুদ্ধ হইতে দেখি, ব্যক্তির পক্ষে তাহ। ক্ষণ, স্বল্পকালে ক্ষণসময় কাবৎ প্রতীত : উহা স্বপ্নদ্রষ্টার তৎকালে সত্য বলিয়া বােধ হইল, অপরের নিকট হয়, কও ক্ষণবং প্রতীত হয়। কারণ স্বপ্নে আমি এই মরিয়া | উহা মিথ্যা, তদ্রুপ মায়িকদৃষ্টিতে এই জগৎ সত্য বলিবােধ জন্মগ্রহণ করিলাম, এই যুবা হইলাম, এই শভযোজন পথ গমন হয়, বিশুদ্ধদৃষ্টিতে যে দেখে, তাহার নিকট সত্য বলিয়া বােধ করিলাম, এই প্রকার অনুভূতি হইয়া থাকে। হরিশ্চন্দ্র এক ' হয়। সৃষ্টির প্রান্ত হইতে মহালয় পর্যন্ত এ অগৎ চিন্ময় রাত্রিকে দ্বাদশবর্ষ বলিয়া অনুভব করিয়াছিলেন, লবণ নামে রাজা পরমাত্মার স্বভাবমাত্রেই গুলিত হয়। মুক্ত পদার্থ এক রাত্রিতে শতবর্ষের আয়ুকাল ভােগ করিয়াছিলেন। প্রজাপতির যদি স্মৃতিলিত অপর ব্রহ্মের সতা কল্পিত হয়, তাহা হইলেও আহা মুহূর্ত মহর্ষি মনুর তাহা জীবনকাল, হাের জীবিতকাল স্মৃতি জিনিত এই সৃষ্টিপ্রপঞ্চে খিমাত্ৰই পৰ্য্যসত সভা- আবার চক্রপাণির দিবস, বিষ্ণুর যাহা জীবনতল, বুষভবাহনের পদার্থ, অতিরিক্ত আর কিছুই নাই। ০১-০৫। রাম কহি- অহ দিন। ২১-২৫। যে ব্যক্তি নির্বিকল্প সমাধিতে শীল। লেন,-আয় বিদূখ-কুলক্রম পুরসী ও মন্ত্রিগণ সকলেই যােগী, তাহার দিনও নাই, রাত্রিও নাই পদার্থ যা সভ্য একরূপ প্রতিভাত হইল কেন? বশিষ্ঠ উত্তর রিলেন-যেন জগৎ কিছুই নাই। সহায় কেবল আত্মাই সতপার্থ। সামা বায়ুলেখা বিপুল তার অনুসরণ করে, দ্রুপ কল মপুরকে কটুভাবে চিন্তা করিলে তা কইই প্রাপ্ত হয়; দুবার প্রকার সংবিদ সেই মূখা চিতির সুবৰ্তন করিয়া থাকে। সেই মধুরভাবে চিন্তা করিলে, কটুও মধুরতা প্রাপ্ত হয়। মিত্রবুর্তিতে কারণে প্রজাপাল মন্ত্রী ও অন্যান্ত নগরবাসী প্রজাগণ পরস্পরা। শত্রু মিত্র ইয়, বিপুবুদ্ধিতে মিও রিপু হয়। হৰহাৰাছে।। ছো।. সারে একপেই প্রতিভাত হইয়াছে। “ইনি আমাদের রাজা ও এই এই জগৎ সংযেণনানুসারী। শাস্ত্রপাঠ ও জল প্রভৃতি বিষয়। বংশ হইতে উৎপন্ন” বৈদূর পরবাসিগণ এপেই কথিতুই অনভ্যস্ত থাকিলে, আয় করা অতি দুরুহ বলিয়া বােধ হয়। | আছে। সংৰি ঐরূপ আয়োপিত বিষরৈ সত। জন্মায়, উহার আবার সমান্ জ্ঞানও পূনপূনঃ অনুশীলিত থাকিলে সলে ' কারণ ঈথেষণ ক যুক্ত নহে—কারণ উন্নস্বভাবতই হইয়া থাকে আয়ত্ত হয়। নৌকারােহী বলগণ নিভিস্থ ভগবত ৰােখ স্বয়ং উদাসীন অর্থৎ প্রভাকে অত্র প্রসারিত করিবার ক্ষমতা করে-তীরস্থ ভূমিও ধূলিতেছে। যাহারা ভরন্থ ৎ ঐরূপ না থাকিলেও চিন্তামণির প্রত, আত্ৰ বেমন স্বভাবতই প্রস্ত হয়, ভ্রম যাহাদের নাই, তাহাদের পক্ষে এই প্রকার ঘুর্ণন সুতৰ উহাও জ্বল। চিন্তামণি যেমন অভিষানুরূপ অর্থ প্রস হয় না। অসং বেদম গভঃ অষ্টির ন্যায়, শুঙ্গও আকীর্ণ করে, “আমি এইরূপ বংণে এইপ আচারুবিশিষ্ট রাজু হই বলিয়া বােধ হয়। বেদন বশত শীর্ণ পাৰ নীল বা শুরু এই বাসনালে, বিদূর-জীবচৈতও আৰিখ ইয়াছে। বলিয়া বােধ হয়। উৎসৰকালেও যে বিকালের ন্যায় কষ্ট নেবে সৃষ্টিকালে যাৰতীয় জীব-চৈ ভূলরূপে অন্তু হয়, অনুভব হইয়া থাকে, তাহাও মােহাধীন। ২৬-৩২। বিবেকী অসমূয়ই চিৎপদার্থের সর্বগামিতা হুে পৰম্পর আদর্শ- ব্যক্তির ভিত্তিতেও এ ভ্রম হইয়া থাকে। বেদ দ্বারা উপস্থিত অবাপন্ন হইয়ছ। সেই জীব-চৈতন্যের মধেজীচৈত করিলে, মিথ্যা প্রাণ হইয়া থাকে। সত্তজ্ঞানবশতঃ ব্ৰহ্মাকায়ে জাতি ও বিষয়শেষে বিচলিত নহে সেই জীৰ স্বপ্নদৃষ্ট বনিতা জাগ্রং অবকার মত রুতি হইয়া থাকে। চৈই মােৰু পর্যন্ত এর অবস্থান করে বেত্ৰপ'ৰা ভাসমান হয়, তাই তারা নিয়ত আন্ত হয়। মূক্ত হইয়া যায়। বলৰে চিৰ অৰ পরিশুরা জগৎ সমূষই মিথ্যা আকাশ;ঐকাশই নিজয় চিময় যে খৃতাৰ সকল পরস্পর টি বই বিলিম্বিত আত্মতে মেজম কল্পনাতে শত মিটা-নটের হইয়াকে। ঐরূপ চিন্ময় এলাকার পরিভিত তর 3.
যােবা।তামায়ণ হলেও সত্যসংবিনের অপলাপ হয় না। সমুদ্রগামিনী মহানলী সৰ এর অন্তরে যুগপৎ যে পরব্রজে ব্ৰহ্মত্রে অয়লের যেমন অত ক্ষুণী আত্মসাৎ করে, তদ্রুপ সত এহ্মাকার অজ্ঞন, তাহাই জগৎ ও জমি এই নানাকারে সমান সংশিদ জগলাকায় চিঘিলা সমুদয় অধীন ঝরে, অর্থাৎ হয়। যেমন বনরাজি-প্রতিবিশ্ব স্ফটিক বিলাতে অভিন্ন হইলেও মুক্তিমার্গ হতে একেবায়ে যায় না। ৫২-৫৫। যে সমস্ত পৃথক সন্নিবিষ্ট বলয় সৃষ্ট হয়, তদ্রপ চুিময় পরমেশ্বর এই জীবচেয়ে এলাকার দৃভাবে পরিঙ্কুরিত নাই, হালের জগৎ ও আমি অভিন্ন হইলেও বিভিন্নরূপ সৃষ্টি হয়। যেমন ধ্যে একে ব্রহ্মাকর পরিফুরণ। অপরের বন্ধাকারে এলে অঙ্গ উঠিতেছে ও বিলীন হইতেছে, অথচ ঐ জল পমিকু হইলে, অবশিষ্টেরা ব্ৰহ্মাকারে প্রতিষ্ঠিত হইতে যত্ন জল ভিন্ন আর কিই নহে, তেমনি পরমেশ্বৰে এই সৃষ্টি করে (মধ্যম অবস্থাপন্ন বহু ব্যক্তির মধ্যে চেষ্টাবলে একের | উখিত ও বিলীন হইতেছে ও তাহা হইতে পৃথক্ নহে। পর- তিও নিষ্টেতায় অপরের অধোগতি দেখিলে অবশিষ্ট- ব্ৰহ্ম সৃষ্টিতে অবস্থিত নন, সৃষ্টিও পরব্রহ্মে যস্থিত নহে, বিগের চেষ্টা উন্নতি করিতেই প্রতি স্বতঃসিদ্ধ)। বাহ অবয়ব অক্মবীর ন্যায় অনবয়বেই, তাহাদিগের সত্ত। ৬-১০ | পরিসীমা করিয়া পরমাণুকণা হইতে প্রাপ্তি বশতঃ কত সৃষ্টি বায়ুতে যেমন স্পন্দনকল্পনা হয়, তদ্রুপ বিদ্যা-প্রতিফলিত হইল এবং ভ্রাত্যপগৰে সমস্তই বিলীন হইয়া গেল; বস্তু জীব- স্বসংবিত্তি আর চিন্ময় পরব্রহ্ম আত্মাতে অপর চিত্ররূপ কখনও কিছুই প্রাপ্ত হয় নাই এবং উদাসীন হইয়াও কিছুই আত্মপ্রপঞ্চ কলিত করে। কালে কালীন শব্দতত্র করিতে পারে নাই। যাহা যথার্থ অলীক, তাহার প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি আকাশরূপে আবির্ভূত হয়। সেই আকাশভূত ব্ৰহ্মই স্পৰ্শতন্মাত্র দুইয়ের কিছুই হইতে পারে না। কেবল এই ভিৰ্তিশূন্য শত সমন্বিত অনিলত্ব অনুভব করে স্থির পবন যেমন চলাকাশই অবস্থিত। বিবেককৃষ্টি এই নিনিত্ৰ স্বপ্ন আভাসিত সময়ে স্পন্দত্ব অনুভব করে, ইহাও তদ্রুপ। সেই বায়ুৰূপতপন্ন হইতেছে। অধিষ্ঠাত্মসাক্ষাৎকার অবতাবী হইলেও এবং ব্রহ্মই তেজঃপ্রকাশের ন্যায়, রূপাত্র-সমন্বিত তেজোময়ত্ব প্রাপ্ত পূর্বে অনুভূত হইলেও উহা মিথ্যা। যেমন পত্র পুষ্প ফারুপে হন। সেই তেজোৰূপতাপন্ন ব্ৰহ্মই স্বয়ং রসত্ৰসমণিত নিজ একই পদার্থ, তেমনি অসীম সকল শক্তিসম্পন্ন নানা- সাত্মক কালত্ব প্রাপ্ত হন। উহা সলিলের দ্রবপ্রাপ্তি এর পঙ্কুিরিত এই আত্মা একই বিভু। ৫৬–৬০। প্ৰমাতা, জানিবে । ১৯১৫। উব্বী যেমন স্থ্যৈকলা অনুভব করে উপ এসময় ও প্রমাণ আদি মায়াময় এই স্মরহিত পরম পদ যেই জলরূপতপন্ন ব্রক্ষই, গন্ধভন্মসহিত সচিকৈাময় পরিতলে, কদাচ বিস্মৃত হওয়া যায় না। আত্ম। উদয়াস্ত পৃথিবীত্ব প্রাপ্ত হন। এই যে চিন্ময়ের জগদ,কার প্রকাশ, উহা মঃপ্রকাশক দিককালাপী হইলেও এক সুদ্ধ ও আদমধ্য নিমেষের অলক্ষ লক্ষ ভাগের মধ্যে সঙ্গটিত হয়। কিন্তু মুহিত, ঐ আত্মা সৌম্যতা ও মূতরঙ্গ-সঞ্চলনযুক্ত বিল অ- উহাই কল্পকোটি-সমস্বব্যাপী সৃষ্টিপরস্পর। শুদ্ধ সংপ্রতিভাত, তুল্য অত। দ্বৈত ও ঐক্যের সঙ্কল্প ও বিকল্পরূপ রইতে অন্তরে সৃষ্টি-প্রলয়সমথিত, অনামৰ, উদয়াকরহিত ব্ৰহ্ম জমাধারেই আমি তুমি এইপ্রকার জগৎপ্রপক্ষ প্রতিভাত হয়, উহা বিশুদ্ধ স্বীকাছেন। যাঁও পরমাংস। বৈষম্যবহিত সেই পরমাত্মা বােম্বরূপ ব্রহ্মেরই প্রকাশ মাত্র। যেন আকাশমধ্যে আকাশের সৃষ্টিসমদিত তথাপি বুদ্ধ হইলে অপবাসমতি অং মুক্ত হন। শূন্যতাই তলমালিঙ্গ, গৌক্তিক কেশ উক কটাহাদি আকারে দুণের মধ্যে যাহা স্ব স্ব আস্বাতে ঐ চিন্ময় কে যেকপে পঙ্কুিরিত হয়, তেমনি ব্রহ্মেও উহা প্রকাশিত হয়। ৫৭-৬৩। অবগত হন, মায়াবলে তিনি দ্রুপেই ৰিত হন।কারণ উহাতে যষ্টিম সর্গ সমাপ্ত।। সকল প্রকার মায়াশকিই নিতি আছে। ১৬-২০। সেই কারণে বলতেছি এই জগৎ সেই ৰহ্মের বিলাসানুৰ ব্যতীত অন্য আর কিছু হে। মনঃপ্রভৃতি ছয় ইন্দ্রিয় বহিপী ব্যক্তি দ্বার। * একষষ্টিতম সর্গ। আহা যা দেখে, নে ও অনুভব করে, সে সমস্ত কেবল নাম ও কেবল কল্পনা, সুতরাং অসত্য। যেমন বায়ুতে গতি রামচন্দ্র কহিলেন-ব্ৰহ্ম! আমি ও সৎ ওই প্রকার সামনি পরহ্মে জগৎ। বায়ু যেমন সঞ্চরণকালে সত্য ভ্রান্তি নিলা থাকিলেও যে প্রকারে সমুদিত হয়, তা আমার অর্থাৎ আছে বলিয়া প্রতীয়মান হয়, কিন্তু স্থিভাবে অবস্থিত নিকট পুনর্বার সমীকরূপে বর্ণন করুন। বশিষ্ট কছিলেন, থাকিলেও সত্য বলিয়া অর্থাৎ আছে বলিয়া অনুভূত হয় না, বােজ, ই সমূদয় ভ্রান্তি রূপ চৈতন্যের অন্তর্গত কয় সেইরূপ, এই জগৎও অজ্ঞান দ্বারা সত্য অর্থাৎ আছে বলিয়া বুঝিতে পারেন, তহির্ভূত পদার্থও নহে ও বিষম পার্থও নয়, এবং তত্ত্বজ্ঞান দ্বারা অসৎ অর্থাৎ নাই বলিয়া প্রতীয়মান হয়। উহাসর্বদাই সৰুজন ব্রহ্মাই বাস্তবিক। এই সমুদয় ভেঞ্জকে আলােক-দৃষ্টিতে না খেলে (আলােক না ভৰিলে) তাহা শাখা পৃথক পণ নহে। বিষয়ীভূত ঐ শব্দার্থের অসত্য এবং দে ও আলােক অভিন্ন, এ ভাবে দেখিলে রূপ নাই। ফটক সুবর্ণ হইতে পৃ নহে, ল তাহা সত্য। এই যেমন দৃষ্টান্ত-তেনি ভেদ-ভাবে দেখিলে হইতে পৃথক্ নহে; ইরূপ এই অগও ঈশ্বর হইতে পৃথক্ ভিন্ন, অভেদ দৃষ্টিতে দেখিলে অভিযেন তেজপদার্থ নহে। এই খরই জগজ্জলে ফুরিত হন, অথচ অগপ প্রকারভদে লোেক তেমনি বিরহ্মের প্রকারভেদ এই বিট ঈশ্বরে নাই।-সুবর্ণই কটকৰি অথচ কটকত্ব বর্ণেমাই ৷ অতএব বিশ্ব দৃষ্টিভেদে সত্য ও অসত্য উভয়রূপে প্রতীয়মান । যেন অবীর রূপ অনেক অবয়বাত্মক, তেমনি হয়। যেন মৃত্তিকা এক হইলেও চিন্ময়ের সর্বার্থকতা হেতু অনেক সি অংকীর্ণ অবস্থানে অবস্থিত থাকে, সেইরূপ এই জগৎ। কাষ্ঠপুত্তলিকায় ও মসীতে । হয় (এ এক বিমাত্মা অনেক আত্মরূপে ভাসন) এক সময় পক্ষে(সৃষ্টির পূর্বে ) অব্যক্ত অবদায় স্থিছিল।
উৎপতি-প্রকরণ। ইদানীং সেই পরব্রহ্মরূপ মরুভূমিতে এই-ত্রিশগৎরূপ অসত্য স্পষ্ট ভূত , সেইরূপ এই বৃর্তমান অতীতু ও অবিৎ মৃগতৃষ্ণিকাসকােন্তি গায় প্রতীয়মান হইতেছে। ২১-২৫। বীজ সৃষ্টিরম্পরা সত্যরূপে গ্রত হইতেছে। নদী ও তাহার যেমন স্বাতন্তর জ্বলে বিসিত করে, তেমনি চিন্ময়ব্ৰহ্ম ভীরস্থিত বৃক্ষও হইতে মরুভূমিতে পূষ্প ৰৱণ যেমন একান্ত ভ্রান্তি বশতঃ জীবরূপে পরিণত হইয়া, সৰ্গক্রম অনুভব করে। মিখ্যা, সেইরূপ এই মুক্তি মিম্বাই জানিয়ে তদৃষ্টিতে উহা পৱৰহ্ম ব্যতীত আর কিছুই লক্ষিত হয় না। ইন্দ্রজালক্রিয়ায় দৃষ্টি পুখী, কানিক নগরী ও পর্বত প্রভৃতি যেমন ক্ষীরের মাধু, মরিচের তৈক, জলের অবক ও পবনময় অসত্য হইলেও যেন অনুভূত হয়, সেইরূথ এই স্পন্দন, ভিন্ন হইলে, কিছুই না, অর্থাৎ অসভ্য হইয়া যায় , অসত হলেও সকালে অনুষিই ঋকে। অভিন্ন হইলে সন্ত্রা অনুভূত হয়, দ্রুপ এই পরব্রহ্ম সৃষ্টির রাম কহিলেন, প্রবন্ধ। বন বিদূরে সম্যক সহিত অসম্পৃক্ত হইলে, সভাৰূপে প্রতিভাত হয়, সৃষ্টিরূপে বিচারবলে এক আত্মরূপে নির্বক পরমাত্মার বিজ্ঞান হয়, পৃথকু লইলে অসভ্য হইয়া যায়। ব্ৰহ্মরত্বের জগংরুপে প্রতিজস তখন তঁাহর দৈৰাক্রান্ত বলি প্রভৃতি বৎ দেহ থাকে নিকার। কারণ ঐ ব্ৰহ্ম অতিরিক্ত হইতে পারে না। ব্রহ্মের কে? উহাদের সম্বন্ধে দৈৰই বা কি প্রকার। আমাকে জগৎপে প্রশয় কারণ নাই। তবে বেসনা চিত্ত জীবাদির বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন,-দপিণী আবাবিল এল অনুভব হয়, উছান হইতে উৎপন্ন। জ্ঞানযােগ ও দৃঢ় অভ্যাস করুগামিনী ব্রজের চিৎশক্তি, অ্যাধি মনিয়তি; (অর্থাৎ রূপ পুরুষের যন্ত্র মনর নশ হইলে উহা আর উদিত হয় প্রাণীর অষ্ট, যশক্তি ও ঈরস এই ব্রিসমাবে । ২৬-৩০। সৰ্বাত্মক, শত, অজ, চিন্ময়, ব্ৰহ্ম নিতপ্রকাশ। মহানিয়তি হয়, ঐ নিয়তিলে তত্ত্ব বক্তিগণের লৌকিক তাহার কখনও নাশ বা উদয় নাই । পরমাণুর উপরে এই ব্যবহারের ফক্স দেহধারণ হয়)। ঐ নিয়তি আদি-সু সৃষ্টিপরম্পরা প্রতিভাসিত হয়। উহু চিত্তসাহায্যে বহুভ্রান্তিই কালেই বছি, এইপলদি খুস সব জানিবে । পরমানুর মধ্যে সৃষ্টিসমূহ কিরূপে অবস্থিত হইতে হইব্রে” এইরূপ অঙ্কর পরুলের গন্ধ তিপৈত পারে ? উহা সমস্তই মিথ্যা। যেমন জলের মধ্যে উম্মি প্রভৃতি হয়। ঐ মহানিয়তিই, মুহাস, মুহাচিতি, মুহাশক্তি, মহাল গুপ্ত ও ঋগুপ্তভাবে অবস্থান কর, তদ্রুপ এই জীবের মধ্যে মুহাতিয়া, মুহােদ্ভুব, মাপ ও মুহাত্মফপে অভিহিত হইয়া জৎ স্বপ্ন ও সুষপ্ত প্রভৃতি অবস্থিতি করে। শ্রুতিতে অভিহিত থাকে। ১১। ঐ অনিয়তিলেই ব্ৰক্ষ কর্তৃক অগৎ- আছে যে ভােগ বিলাসের প্রতি প্রাণীর যদি অধুমাত্র বিরাগ সমূহ এইরুপে তৃণের ন্যায় পরিবর্তিত এবং এই ভেগ, জন্মে, তাহাতেই ঐ জীব উচ্চপদ প্রাপ্ত হইতে পারে, সৰ্বতে দেবগণ, এই লাগগণ প্রভৃতি এই প্রকার কাৰধি ব্যবস্থাপিত ভাবে বিরাগ উপস্থিত হইলে, তখন জীব মুক্ত হইয়া যায়। হইতেছে। যদি কখন ব্ৰহ্মপত্তার ব্যভিচার-অনুমান করা যায় অতএব দেহাদিতে অহাৰ যে না দেখে, সে কখন জন্মমৃত্যুভ্রান্তি এবং আকাশফলকে চিত্রলেপন অনুমান করা যায় অর্থis উহা প্রাপ্ত হয় না। ৩১-৩৫। যাহারা ঈশ্বরচৈস্যাত্মিক ও জীব- অত্যন্ত অষদ্ভব হইলেও অনুমান করা যাইতে পারে, কিন্তু উক্ত চৈতাম্মিকা চিেিক নামৰূপাত্মক জগৎকল্পনা-উপাধিশূন্য চরাচর নিয়তির কদাচ অন্যখা হয় না। ব্ৰহ্ম ঐ জিভি এবং সর্গ, ইহা দেহাদিরূপ নিষ্ট উপাধিত বলিয়া জানিতে সমর্থ হইয়াছে, তত্ত্বজ্ঞ বিরিঞ্চি প্রভৃতির জ্ঞানে একই, কেন অজ্ঞ ব্যক্তিগণের তাহদের জয়। অর্থাৎ সংসারভােগ আর তাহাদিগের করিতে বােধের নিমিত্ত বিরিঞ্চি প্রভৃতি অগণ পিণ ঐ নিয়তিকে হয় না। জলে তরঙ্গের ন্যায়, জীবচৈতন্য, ঈশ্বরচৈতন্য হইতে সৰ্গনামে অভিহিত করেন। ঐ ব্ৰহ্ম অচল হইলেও বৃষ্টিতে পৃথক্ নহে , উহা অদ্বিতীয় ও স্বপ্রকাশ। সেই টই চল প্রতীত হয়। অজ্ঞ ব্যক্তির দৃষ্টিতেই এই , আকাশে অহাবাপন্ন হইয়া, এই জগৎভাব ধারণ করে। ইরচৈতন্যাত্মক, রস্থিতির ন্যায় আজিমখনি ঐ ব্ৰই ব্যবস্থিত রহিয়াছে। এই জগৎ সং নহে ও অসং নহে (অর্থাৎ ঈশ্বরচৈতন্য বলিয়া ১২-১৫। যেমন টিকোলের এ বনরেখা ঐ মণির সংও পৃথক করিতে গেলে কী হইয়া যায়। অহতাবাপন্ন যে উচ্চতা বা একাতি হয়, সেই মায়লিভ ব্রহ্মে ববস্থান চিন্ময় ব্রহ্মের ভাৰনা, তাহাই সঙ্কভেদে এই বিশ্ব বিস্তার করে কুরত্ত প্রজাপতি, প্রশ্নও যুক্তি তা আগে কজনাব, * এবং উহা অনন্ত (বি) নিমিষের কোটিভাগের একাংশ সময়ে সুমায়ার অন্তরস্থিত নিতিবিজ্ঞাত দুই অনুরূপ, দুটি যুগান্ত অনুভব করে। (উহা অপুর্ব মায়ার ফল) করল। কেমন দেবীর মেয়ে হপলিপে দেখসমূহ পৃথক একষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৬১। ? লক্ষিত করা হয়, সেইরূপ ঐ ব্ৰহ্ম হিরন্যগর্ভ-যাপন্ন হইয়া চিস্বভাৱলে নিয়জি প্রভৃতি অসমূহ খালি হইলেও পৃথক দর্শন করেন। এই হানিলিকেই লৈ বলে, উহাই কম বিষটিম সর্গ সর্বকালনী এবং সকল বব্যাপী। উহাই হিমোরে সহিত এই চৈশে বিg। “এই পার্থ বশিষ্ট কৰিলেন—নাপ্ৰতাৰে এক পয়ষাণুকে লগ এই প্রকারে স্পর্শিত হইবে এইরূপে এই একরে এই সময়ে করিলেও এক বিয়েকে লক্ষ্যাগ করিতে হায় এক এক উৎপন্ন হইৰে ইত্যাকার অবশ্যবিতাকে যৈন্ত ৰূহে। ইহাকেই আগে এই সন্ত্র এবং মন্দ কর, সত্যের স্যায় প্রতীত হইয়া গুরুষ, নিখিল শনিসমূহ ,এভূতি দিবারানি খাকে। সেই আবার সেই সঙ্গে মধ্যগত প্রত্যেক পর- কাল ও ক্রিয়া বলা হয়। ১৬। এই নিডিলেই মপুতে ঐরূপ প্রতি দু দুৰূল। ইহাই অমীয় ব্রাজি পুরুষদের সক এবং আ গুলা এই নিয়ভিৱ সভা বুলয় অলিতে। যেল মলিলারি অব অনুপৰিবর্তন নিয়ে অধিষি কাল কি কি ক্ষ; পর ৪ বােগবাশি-মায়ণ করিও; ৪ মহাপ্রলয় হইলে পুরুষ ও ঐ নিয়তি এক আত্মরণে সর্বশক্তিমান বলি কোন স্থানে চিশক্তি প্রকাশ করে অবস্থিত হয় (হ্মের সহিত মিলিত হইয়া যায়)। ঐ নিতি কোথাও (সার্বিক উপাধিতে) শান্তি, কোথাও (প্রস উপাধিতে) ও পুরুষকার পুকুরে প্রমাণ। হে রাম! অধিক কি, জড়শক্তি কোথাও (রাজস উপাধিতে রাগ লােভ প্রতি তুমি যে আমাকে দৈব ও পুরুষকারের নির্ণয় জিজ্ঞাসা করিবে প্রভৃতিজপউল্লাস অনুপে প্রকাশ করেন এবং কোষও (সুষুপ্তি ৩ এবং আম্রি যে পুরুষকার করিতে বলি, তাহা তুমি পালন প্রলয়কালে) কিছুই প্রকাশ করেন না। ঐআত্মা যখন যেখানে যে ইহাও ঐ নিয়তির ফল। যে ব্যক্তি সৈৰপরায়ণ হইয়া প্রকার যেরূপ ভাবান (সত্যুসবান) হন সেই স্থান তখন সব মাকে ভােজ কইৰে এই বিবেচনায় নিকিয়ভাবে তাহাই অবলােকন করেন। সর্বশক্তিময় ব্রহ্মের যে বেশক্তি যখন অবস্থান করে, ঐ নিস্ক্রিয়তাও নিতির ফল সহে নাই। উদিত হয়, তখন তাই সেই প্রকারেই পরিণত হইয়া থাকে। পুরুষ যদি পূর্ণ হইতেই নিষ্ক্রিয় হইয়া থাকিত, তাহা হইলে তাহার ঐ নানারূপিণ শক্তি ব্যবহার-দৃষ্টিতে বিভিন্ন বােধ হয় তাহার বুদ্ধি, বুদ্ধিপ্রযুক্ত কৰ্ম্ম এবং ঐ প্রযুক্ত ভৌতিক কিন্তু পরমার্থদৃষ্টিতে ঐ সমূদয় শক্তি একই আত্মা, পৃথকৃ নহে। বিকার ও আকার প্রভৃতি কিছুই হইত না, অতএব করি ১৫। ধীমান্গণ লৌকিক ব্যবহারার্থ এই বিকল্পসমূহ ইতে কষ্ঠ পৰ্যন্ত পুরুষক্রিয়মূল যে কিছু ব্যবহার চলি- (চিৎশক্তির ভেদ কল্পনা করিয়াছেন, বাস্তবিক উহা আত্মা তেছে তৎসমূহ ঐ নিয়শিই হইয়া থাকে। ১-২৫। হইতে পৃথক্ নহে। যেমন জল, অঙ্গ ও সগরে পরস্পর ভেদ এই অবশ্যম্ভাবনী নিয়মিহা করিবে, এছা রুদ্র প্রতিগণের কাল্পনিক , কটক, অঙ্গদ ও কেরাদিতে সুবর্ণেৱ ভেদ অবান্তৰ বুদ্ধি দ্বারা ধনীয় হয় না। অতএব ধীমন ব্যক্তি এই নিয়তি এবং অল্পব ও অৰয়ৰীর ভেদ কাল্পনিক, পরমার্থত উহা একই, আশ্রয় করিয়া ত্যাগ করিবেন না। কারণ, নিয়তি পুরুষ- সেইরূপ ব্ৰহ্ম ও ব্রহ্মশক্তি বাস্তবিক অভিজ্ঞ, উহার একই বা কার অরেই নিয়ন্ত হয়। ঐ নিয়তি যখন পুরুষপ্রধরে বিক। রজ্জুতে সর্পজ্ঞানের ন্যায়, যাহা যেরূপে বুদ্ধির বিষয় হয়, বিনিউমাত্রেই জহিরে লিডি বাফদৃষ্টিতে তাহা সেইরূপ সমুদিত হইয়া থাকে, পৱমার্থদৃষ্টিতে পৰাগ হয় এবং যখন সৃষ্টিফলক , খন তাহাকে উহা তথাবিধ নহে। এই ব্ৰহ্ম সর্বাত্মা বলিয়া সৰ্ব্বত্রই সমভাবে পুরুষকার কহে, অতএব পুরুষকারণে পরিণত না হইলেনিয়তি প্রকাশিত হন, (অর্থাৎ সর্বসাকী) জন্তিবশতঃ কােথাও কিছু অন্য কোন ফল হয় না, পুরুষকারে পরিণত হইলেই সফল হয়। দেখেন, সর্বত্র নহে এবং ঐ প্রকার দর্শন বাস্তৰিকও নহে। এই যে ব্যক্তি নিয়তি আশ্রয়পূর্বক নিষ্ক্রিয় হইয়া অবস্থান করে, সমুদয় প্রপঞ্চ সৰ্বাকারায় ব্রহ্মই। যাহারা মিথ্যাজ্ঞানব ভাঙ্গার প্রাণবায়ুর স্পন্দ কোথায় যাইবে? অর্থাং ক্ষুধাতুর হইলেও (অর্থাং ভ্রন্ত ), তাহারই এই শক্তি ও শক্তিময় এবং অবয়ব নিষি হইয়া অবস্থান করার যে কলকাল জীবিত থাকে, তাহারও ও অবয়বিত্ব কল্পনা করিয়াছে, উহা পারমার্থিক নহে। मआई প্রাণবায়ুসঞ্চালন্মে অমুকুল যত্ন ও পুরুষকার থাকে, যখন তাহার হউক, অসত্যই হউক, চিৎ যাহা সম্বল করে এবং মন্বিয়ে অতি অভাব হয়, তখন আরও অভাব হয়। নিধিবকল্পসমাধি ঋলে নিবিষ্ট হয়, তাহা জ্বপেই বলােকন করে, ফলতঃ ঐ সমুদয় সে চিবিশমিপ্রদ বায়ুর রােধ করিয়া অবস্থান করে এবং সে একমাত্র সত্য ব্ৰহ্মই। ৬-১১। স, অর্থাং যে সকল পৌষের ফলস্বরূপ মােক প্রাপ্ত হয়, ত্ৰিষষ্টিভম সর্গ সমাপ্ত || ৬৩। হও হার প্রাণনিলােখাদিরূপ পুরুষকারের ফল, সুতরাং পুরুষকার ব্যতীত ফল, ইহা কিরূপে বলা যাইবে। ২৬-৩০ এতএব শাস্ত্রীয় বিধি অনুসারে পুরুষকার অবলম্বন করা শ্রেয়, চতুঃষষ্টিতম সর্গ। সিন্ধিকালে ফলস্থানীয় অত্যন্ত নির্মাত্মক মােক্ষও পরম শ্রেয়। সাত দুই শ্রেয় নিদিগের বশিষ্ঠ কহিলেন-এই যে সর্বগামী নির্মল প্রকাশ আনন্দ- বস্থা ভৰাই । নিলিশে নিশিষ্ট্রে কেন—ছ স্বরূপ মহেশ্বর এই আদ্য-বিবতি পরমাত্মা, বিশুদ্ধ চিত্র- লেণনাই; উহাতে অবিশই থাকে। এই নিনিতি স্বরূপরমানন্দময় পরমাত্মা হইতেই প্রথমে চিত্তবা জীব অর্থাৎ রূপ ব্ৰহ্মৰয়রণে যদি পরিণত হন , লা--ইলে ব্রহ্মের উৎপত্তি হয় ;তাহার পর তাঁহার সেই চিত্ত হইতে জগতের অয়ই পরমঃ পরমপ্রাপ্তি ও পরগতি জানিবে। এমন সৃষ্টি হইয়া থাকে। রাম কহিলেন,-অপরিচ্ছিন্ন অদ্বিতীয় জলেরই জ্বৰত্ব, লতা, কক্ষ প্রতিরূপে ধরাতলে ক্ষুরিত হয় প্রকাশ অখণ্ড ব্ৰহ্মে এই পরিচ্ছিন্ন সখও জীব কিরুপে পৃথক সেইরূপ সর্বগামী ব্রহ্মই প্রকার নিতি বিভাগে স্কুরিত সয়লাভ কবে ? বশিষ্ঠ কহিলেন,-এই ব্রহ্মে মিখ্যাত দ্বৈতভান হইয়া থাকে, এই জন্ধ নিৰ্ম ও সর্বব্যাপী, ইছায় বিশাল যিতম সর্গ সমাপ্ত। চিকার আত্মদর্শনে অসমর্থ ব্যক্তিগণের নিকট অতি ভীষণ। ইনি আনন্দময় এবং নিত্য অবস্থিত। তাঁহার যে উপাধিবিহীন পরিপূর্ণ সত্বাবস্থা, তাহা পণ্ডিতগণও নির্দেশকৃবি দেখাইতে পারেন বিষষ্টিতম সর্গ। , উহাকে শান্ত পরমপদ কহে। উহাই পরমাত্মার আদ্য- স্বরূপ)। ৫। সেই ব্রহ্মের পরিচলনশক্তিরূপ প্রাণ- ৰণি কহিল-এই বেহৃতরে ক বলিলাম, ঐ এ ধারণক যে রূপ উদিত বলিয়া বােধ হয়, মং না উক্ত ভাবের সর্বদা সকল দেশে সকল শক্তি ও সকল প্রকার আকারস শান্তি হয় ( মুক্তি পক্ত ) এবং ঐরূপ জীবশব্দবাচ্য হইয়া সকলের ঈসর্বগামী সৰ্বময়। এই ব্রহ্মই আত্মা; ইনি থকে। সেই দিাকাশস্বরূপ পরমাদর্শে অসংখ্য অনুক উৎপতি-প্রকরণ . আৎ প্রতিবিম্বিত হইতেছে। হে রাখব। বায়জবির স্যা, এবং তখনর বাহিরে হাইনিৰ্মাণ করি, জীবও ভদ্রণ প্রথমে নির্বতীয়ে ঐমের যৎক্লিখিরাকে (চাঞ্চল্যকে) নিষ্ক্রিয় হইয়া অবস্থান করে, পরে সবচনা করে এবং এই জীৰ কহ। হে রম। ঐ নির্মল হ্মের প্রাণচন এধ্য নােপ পর জমে কলাপ বিস্তার করে। যেমন বীজমধ্যে এ হওয়ায় নিস্ক্রিয়তা অপগত হইলে, চিলাকাশের পরিয়ে অন্ধুর সূক্ষ্মভাবে উৎপন্ন হয়, পরে তাহাই পরিবর্তিত হইয়া । (আমি ইত্যাকার। যে স্বাভাৰিক খু, তাহাই জীব। যেমন কাণ্ড শাখা পল্লব ও পূল কবিরপে পরিণত হইয়া উঠে, অগ্নিউকতা ও সুরের শতত,ঐ আত্মার চাঞ্চল্যরূপ জীবত্বও সেইরূপ হিরণ্যগর্ভজীবের মধ্যে জীবসমূহ ভাবে অবহিত সেইরূপ (মুক্তি পৰ্য্যন্ত স্বাভাবিক হইয়া থাকে)। ৬-১০। সেই ছিল, পরে তাহাৱা সক্ষগণে এইরূপে নানাবিধ হইয়াছে। চিপী আত্মতত্বের ভাৰত অৱৎ যে যৎকিঞ্চিৎ সংবেদন যষ্টিভূত জীবসমূহও আত্মাতে বাসনারূপে অঙ্কিত এইপ্রকার (পরিচ্ছিন্নতা), তাহাই জীবনামে অভিহিত হয়। যেমন দেহাদি আকার প্রাপ্ত হইয়াছে। তাহারা, হিরণ্যগর্ভীক অপ্রমাণ ৰহি ইন্ধনধ্য বীত স্বকীয় প্রাক প্রাপ্ত সঙ্কমের পূর্বে উৎপন্ন ব্রহ্মাণ্ডে মাতা পিতা প্রভৃদ্ধি পেয়ে প্রকার (উদাপিত হয় কােপ ঐ ব্রহ্মের পরিবেক জীব গাঢ়- প্রাণিগণ অবস্থিত ছিল, তদনুরূপ দেহস্থিতি লাভ করিয়া থাকে। বাসনাবলে ক্রম অনুত্তাবাপন্ন হইয়া থাকে। যেমন আকাশ তদনন্তর জন্ম ও মৃত্যুর কারণসরূপ স্ব স্ব কৰ্ম্ম অনুসারে দেশে বাস্তবিক নীলিমাক্রান্ত না হইলেও ঐ আকাশের যে ভাগ বা অধােদেশে গমন করে। ঐ কৰ্ম্ম চিৎপল ব্যতীত আর দর্শকের দৃষ্টিগােচর হয় না অর্থাৎ যে ভ দৃষ্টিপথের অতীত, কিছুই নহে। ঐ চিংশই কম, দৈবও ঐ চিৎশ তাহা নীলিমাক্রান্ত দেখায়, সেইরূপ ঐ জীব অস্থাববিবর্জিত এবং শুভাশুভ চিত্তও ঐ চিংস্পন ব্যতীত আর কিছু নহে। হইলেও আপনাতে আত্মদর্শন না হওয়ায় আপনাকে অহাবাপন্ন' যেমন ভয় হইতে তদীয় অভূত ফুমে পুর্বে উৎপন্ন হই। বােধ করে। যেমন আকাশ এই প্রত্যক্ষ গাঢ়তানিবন্ধন নীলিমা আবার পরে উৎপন্ন হয়, সেইরূপ ঐ প্রথম চিৎ হই গ্রহণ করে অর্থাৎ নীলবর্ণ বলিয়া বােধ হয়, সেইরূপ উদ্বুদ্ধ জগৎসমূহ পুনঃপুনঃউৎপন্ন হইতেছে। ২৬-৩১। পূর্ব সঙ্কল্প সংস্কারের অধ্যাসে জীব অহঙ্কর উষনা করে। চতুঃষষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত ৬৪ ঐ অহাৰ দেশকালদি রূপে পৰিচ্ছিন্ন হইয়া সুকায় সল্প- বলে দেহাদি আকার ধারণ করিয়া, বাতস্পশের ন্যায়, স্কুরিত হইতে থাকে। ১৯-১৫। পরে সঙ্কল্লোমুখী ঐ অহঙ্গার পঞ্চবষ্টিতম সর্গ। চিত্ত, জীব, মন, মায়া ও প্রকৃতি নামে অভিহিত হয়। সেই সাত্মক চিত্ত (ব্ৰহ্মা) সৰলে ভূতত্র কল্পনা করত বশিষ্ঠ কহিলেন—সেই পরমকারণ হইতে এখনে মনে চেনাত্মক পূৰ্ব্বাবস্থা হইতে প্রচ্যুত হয় এবং জড়পঞ্চীভাব অপতি হয়। ভােগ্যবত্রই তদাত্মক অর্থাৎ মনােখ। প্রাপ্ত হইয়া থাকে। সেই তন্মাত্র ও পঞ্চীভাব প্রাপ্ত হইয়া দৃষ্ণ-পদার্থের স্থিতি মনে এবং মনও কারণে অতিরিক্ত। চিন্তই অনুৎপন্ন, জগৎ আকাশে অক্ষুট-প্ৰক তারকার ন্যায়, দোলার মত মন নিয়ত এদিক-ওদিক পরিষক্ত হইয়া থাকে। তেজঃকণৰূপে পরিণত হয়। ঐ চিত্ত আত্ৰ-কল্পনাহেতু অব রাম। প্রপক্ষের সমস্ত ভেদই মনকত, সেই অন্য স্বকীয় পরিস্পণ বশত বীজের অঙ্কুর প্রাপ্তির স্থায়, শনৈঃ মনের অপগমে এই সকল প্রপঞ্চের অথবা ভেদেরও অপগম হয় শকৈ ঐ তেজকত্ব গ্রহণ করে। তাহার পর ঐ ভেজাকণার এবং একমাত্র বস্তুর প্রতিষ্ঠা হইয়া থাকে। মনের বিলয় হইতে অরে ব্রহ্মা স্কুরিত হইতে থাকে এবং উহা করুন। আর, জলের একমাত্র আত্মাই অবস্থিতি করেন, তখন ব্ৰহ্ম (ব্রহ্ম, জীব, করকান্দি ঘনীভাবপ্রাপ্তির স্যায়, অণ্ডত্ব প্রাপ্ত হয়। ১৬-২০। মন, মায়া, কর্তা, কর্ম, জগৎ এসময় তো কিছুই থাকে না। তাহার পর ঐ তেজঃকণ দিবদেহাদিলনায় ঝটিতি দিব্যদেহ আত্মা স্বয়ং আনলিলময় চিগাৰে নিমগ্ন রহিয়াছেন। এই প্রাপ্ত হইয়া অহস্তাবশুন্য পদার্থে অস্তষকপে ভ্রান্তিপ্রাপ্ত হয় এবং এ ও চিত্ত অনিত্য, সুতরাং অস, এবং আপাততঃ অজ্ঞানীর গন্ধৰ্বাদিপালিত অমরাবতী প্রভৃতি পুরীতে গমন করে। কেহ নিকটে সভ্যৎ প্রতিভাসমান হইয়া একে, অতএব ইহাকে স্থাবরভাব প্রাপ্ত হয়, কেহ অঙ্গমত্ব লাভ করে এবং কেহ বা খেচর সংও বলা যায়, সুজাৎ এই অ সদসাত্মক। অগৎ ও চিত্ত হয়, এই সমুদয়ই স্বীয় সঙ্কা-মহিমায় হইয়া থাকে। সৃষ্টির উভয়ই স্বপ্নের ব্যায় অলীক ।। চিরে এগৰ এক প্রাক্কালে সঙ্কল্পস প্রথম যে জীবদেহ, তাহাই ক্রমে প্রকাৱ সৎ অর্থাৎ অজ্ঞাণীর নিকট এই জগৎ সত্য এবং অনীর বিরিঞ্চিপদ প্রাপ্ত হইয়া জগৎ নির্মাণ করে। ঐ স্বল্প বিরিধি নিকট অসৎ (অসত্য)। মনই এই সংসারূপ বৃথাস্বপ্ন নি বাহা সঙ্কজ করেন শালম স্বভাববশতঃ তাহাই উৎপন্ন কৰিলে। যেরূপ ব্যক্তি স্থাতে যেরূপ জ্বাস্থ্যক্তি খাতে পুরুষ বল করে, দেখেন। তিনি চিংস্বভাবশতঃ সকলের কৃারণস্বরূপ ব্ৰহ্মৰ সেইরূপ আজব-এযুক্ত আসলামুক্ত মনও পরমাত্মা মনও পরমাত্মা খি- প্রাপ্ত হন, তাহার পর সংসারের কারণ হইয়া কৰ্ম্মনির্মাণ করিতে কর্নি করিতেছে। ৪ে অব্যক্ত সর্বশাস্তিস্বরূপ আল থাকেন। ১৯৭৫। যেমন জল হইতে স্বভাবতই ফেলা উৎপন্ন চেতোমুখ (নেচ্ছা) হইতে চি, চিত্ত হইতে জীব হয়, সেইরূপ স্বভাবতই চি হইতে চিত জুৰিত (উৎপন্ন ) জীবত্ব হইতে অহঙ্কার, অহঙ্কার হইতে চিতা (চিত্তের বিষয় হয়, পরে তাহা, ঐ কেন যেমন নৌকারজুতে আবদ্ধ অব্রা), চিত্ততা হইতে ইলিয়াদি, ইলিয়াতি হইতে নেহানি (সংলগ ) হয়, কিছুই আবদ্ধ হয় ন), সেইরূপ ঐ চিত্ত যেহাদি হইতে দেহাদিগভমােহ এবং মাত্র দুই বীভুরবৎ কর্মে আবদ্ধ হয়। চিৎ বজ না। আমরা যেমন প্রথমে নেই, কর্ম, বরুন, নােক, স্বর্গ ও নরকারি বিস্তৃত হইয়াছে। নিসুফল থাকি, পরে মনে মনে সফল যায় টপটালি মচনা করি যেরূপ চিমত্মা, ব্ৰহ্ম ও জীব এই জি বা বাস্তবিক একই;
যোগবাণিষ্ঠ রামায়ণ । সেইরূপ জীয় ও চিত্ত এ উয়েও এক পার্থ। যেরূপ জীব ও নিকিলাই চৈতন্যের প্রকাধিক্য হয়। সেই অতি চি, অলি, সেইরূপ কেহ ও কর্ম পরার অভিজ্ঞ। এটিইনিবি-সাrিeঢ় ব্যক্তি, ববি কর্ম ভিন্ন দেহের পৃথক সত্তা নাই। সুতরাং সেই চিন্তই নির্দিষয় হইয়া থাকে। শুদ্ধ চৈতই চিত্ত যাতে কুরি চিত্ত, সেই চিতই অহংজ্জনবিশিষ্ট জীব এবং সেই অর্থ বিষয়ষিশিভাবাপন্ন হইয়া থাকে এবং পমি কর্তা, মই আৰৱ ব্ৰিহ্মস্বরূপ।৬-১৩। আমি দুষ্ট” ইত্যাদি ভ্রম সকল সত্যব অনুভব করে। শর ষষ্টিমস সখ।। ব্যতীত যেরূপ বায়ুর সত্তা নাই, সেইরূপ তেতিরিক্ত দিয়েও সত্তা নাই। উষ্ণতার সহিত বহ্নির অপগমেরজায় চেত অর্থাৎ বিষয়বিলােপের সহিত চিত্তেও অপগম হইয়াকে। যষ্টিতম সর্গ। ঢির্থাৎ চৈতন্যের অনুভুত বিষয়ের নাম চেত্য। মিজ্ঞান দিৰৱন-যেন সর্পভ্র* ঘটিয়া থাকে, সেই জমি- বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাখব। যেরূপ এক দীপ হইতে অনেক নিদ-সৈমিতি-হয় অর্থাৎ জ্ঞানই দীপ উৎপন্ন হয় সেইরূপ একমাত্র পরমাত্মাই নানারূপে প্রতি এই সংসারবধির একত্র ঔষধ। চিত্রে নিয়া (সাধি) ভাসিত হন, সুতরাং বিচার-চকে হার যথার্থ রূপই দৃষ্ট হইয়া ব্যতীত ঐ জ্ঞানার্জনের আর অন্য উপায় নাই। হে রাম। কে। পরমনে চিত্তের জীবত্বক ও তাহার বন্ধন যদি তুমি বহু দর্ম ও অন্তরের বাসনাদি পরিত্যাগ করিতে মিথ্যা বলিয়া বােধ হয়। সুতরাং মােক্ষ হইয়া থাকে, কারণ, পায়, তাহা হইলেই আও মুক্ত হইতে পারিবে। যেরূপ প্রমান আত্মণ নানারূপ-র্জা চিতই জীবরূপে প্রতিভাসিত হইয়া হইলে রজুতে সর্পভ্রান্তির অপগম হয়, সেইরূপ আত্মজ্ঞান থাকে, সুতরাং বিচার দ্বারা চিত্তের অপগম হইলে এই চিত্তারাে- আর পরমাত্মার সংসারভ্রান্তির অপম হইয়া থাকে।হে সুধীর। পিত প্ৰপপও অপগত হয়। যে অঙ্গনের পথয় চৰ্ম্মপাদুকা- বিষয়সলা পরিত্যাগ করিলে নিশ্চয় মােক্ষলাভ করা যায়। আচ্ছাদিত, সে যেরূপ পৃথিবীকেও চৰ্মাচ্ছাদিত মনে করে, সেইরূপ সুতরাং মােক অধিক দুকর নহে। অভীতি বস্তুর অত অজ্ঞানাচ্ছন্ন ব্যক্তিও নিম্মুক্ত পরমাত্মাকে অজ্ঞানাচ্ছন্ন বলিয়া মনে যখন প্রিয়তম প্রাণকেও তৃণের ন্যায় পরিত্যাগ করিতে পারা করিয়া থাকে। যেমন কতকগুলি পত্ৰসমষ্টিই কদলীতরুরূপে প্ৰকা যায়, তখন কেবলমাত্র অভিলাষগের জন্য কেন কৃপণ হইবে । শিত হয়, সেইরূপ অজ্ঞানই প্রপঞ্চরূপে প্রকাশিত রহিয়াছে। জুম যদি ইচ্ছা ও ঈপ্সিত এই উভয় পরিত্যাগ করিয়া নির্বিকার- ভ্রমবশতঃ চিত্তই আপনার জন্ম, বাল্য, যৌবন, বার্ধক্য, মরণ, চিত্তে অবস্থান করিতে পার, তাহা হইলে চুত্তেই কৃতার্থ নয়ক প্রভৃতি পরিবর্তন দর্শন করতেছে। ১৫। যেমন হইবে। করতলগত বিফলের ন্যায়, সম্মুখস্থ পর্বত ও প্রাসাদের সুরাপান করিলে নিরাকার আকাশে অসংখ্য বুদবুদপূর্ব সৃষ্ট ন্যায়, পরমাত্মার জন্ম মরণাদি বিকারশূন্যতা প্রত্যক্ষ। অভেল হইয়া থাকে, অজ্ঞানপ্রযুক্ত চিত্তেও সেইরূপ নানাপ্রকার বিচিত্র ভিন্ন অপ্রমেয়-সমুদ্রের মত একমাত্র অপ্রমেয় পরমাত্মা অজ্ঞ হষ্টি পরিলক্ষিত হয়। যেরূপ পিভদোষদূষিত ব্যক্তির চক্ষু দিগের নিকট প্রপঞ্চকপে প্রতিভাত হইতেছেন, তঁাহাকে অবর্ণ শকৈও শীতবর্ণ দর্শন করে এবং দৃষিত-চক্ষু কখন কখন পরিজ্ঞাত হইলে মােক ও সিদ্ধি করতলস্থ হয়, কিন্তু তাহাকে না দিরও বিধ দর্শন করে, সেইরূপ চিত্তরােগাক্রান্ত চৈতন্যও আলিলে এই সংসারন্ধন অপরিহার্য হইয়া উঠে।১৯-২৫। এইরূপ সংসারভ্রান্তি লি করিতেছে যেরূপ সুরাপানে মত্ততা বটবষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত ৬৬ প্রযুক্ত কখন কখন বৃক্ষকেও এম বলিয়া বােধ হয়, সেইরূপ ডিসক্রান্ত হইয়া চৈকেও সংসার বলিরা বােধ হয়। নকীড়া করিতে করিতে বালকগণ যেমন কেও কুন্তকার তম সর্গ। ক্রের মত ভ্রমণশীল-বলিয়া ঘােথ করে, সেইরূপ চিরেই পরিবর্তন শক্ত এই সকল বিচিত্র দৃত অনুভূত হয়। হে বৎস। রামচন্দ্ৰ কহিলেন-হে ভগবান! আপনি ৰে মন-উপাধিক চিত্তের কিনুভবকালেই একত্বেদ্বিভ্রম হয় এবং দ্বিত্বানুভূতির জীৰে ৰা বলিলেন, তাহার সহিত পরমাত্মার কি প্রকার ইলুই বৈএপরও বিলয় হইয়া একমাত্র প্রতিষ্ঠা হয়। সন্ধ? সেই জীবই বা কাহাকে বলে এবং কি প্রকায়েই বা হে বসরাধৰ। ইনাভাবে বেরূপ আমি নির্বাশিত হয়, সেইরূপ উহা পরমাত্মা হইতে উৎপন্ন হইয়াছে? এই সকল বিষয় ভ্যাস করিতে করিতে বিষয়লের অভাবে চিতেরও অপশম আমার নিকট পুনৰ্ব্বার, বিশারণে ব্যক্ত করুন। বশি হইয়া থাকে। চিতে অতিরিক্ত বিষয় কিছুই নাই, এইরূপ কহিলেন,-হ্ম অবিদ্যোপতি হইয়া ঘন যে শক্তিতে প্রকটিত ওমুকুল সমাধি অভ্যাস দ্বারা চিত্রে বিষয়গন বিলুপ্ত হন, তখন আপনাকে তিনি সেই শক্তিসম্পন্ন বলিয়াই বােধ হয়। ৬-১৯। এইরূপ অভ্যাস করিতে করিতে জীব যখন তা করেন। অনাদিকাল হইতে ব্ৰহ্ম যে, চেতনরূপিণ শক্তিতে জ্ঞানযুক্ত হন, তখন তিনি শত থাকিলেও মুক্তৰ বলিয়া প্রকটিত রহিয়াছেন, সেই চিৎশক্তি, নামই জীব। সরুল- অভিহিত হইয়া থাকেন। বাপান প্রযুক্ত অল্প মত হইলে, অরূপিণী চিত্তাময়ী চিৎশক্তি আপনা-আপনিই সঞ্চলের মৃষ্যের যেরূপ চিত্তবিক্ষোভ হইয়া থাকে, সেইরূপ চৈতন্যের উদ্রেকহেতু দ্বৈতভাব ও অনন-ময়শাদি নানাপ্রকার খােপছিত প্রকাশে চিল্পে বিনিশাত্ৰ ই এবং মত্তত অধিক হন। রামচন্দ্র কহিলেন-হে মুনিবর। চিৎশক্তিই যদি যায়- ইলে মনুষ্য যেরূপ অড়বৎ নিশ্চেষ্ট হয়, সেইরূণ চৈতর বা নন-মরণালি নানাভাব প্রাপ্ত হন তবে ইহা শৈ, একাকে চেত্য বিষয়দর্শনে বিলােপ অটম কে। ইহা কৰ্ম ওই কারণ এই সকল করা কি উৎ-কে। ১৭ কহিলেন,-এংস। বেল শাম্প অববিশিষ্ট অধু তিন অতীত বুলিয়া আনিবে। সেই বিশুদ্ধ আত্র ও নিরাময় জু আকাশের অজ্ঞ পাপ স্বজাৰ নাই, সেইরূপ স্পাম্প অর্থাৎ অবস্থাতীত গলে স্থিত হলে শােক ও সলে অভাবিশিষ্ট চিৎ ভিন্ন এই বিবে অঙ্ক কাহারও সগীকার বিনষ্ট হয়। বেশন নির্মল আকাশে মিথ্যা মুক্তার জান করা যায় না। চিং সর্বদাই শান্ত বা, কেবল যখন তাহা হইয়া জাবার হাতেই বিলীন হইয়া যায়, সেইরূপ দুধ অর্থাৎ শুখতাব প্রকটিত হয়, তখনই তিনি সুখী হন। অলিচু পমপদে এই ব্রহ্মাণ্ডেব ভাল হইয়া আর তাহলেই বিলীন চিৎ ঘুখন স্বীয় ডিভাবকে চিত্ত বলিয়া হইয়া যায়। বাস্তবিক যেরূপ মিথ্যা মুক্তাবলীর সভা নাই এবং কুলা করেন , পণ্ডিতগণ তাহাতেই চিৎম্পদ বলিয়া থাকেন। নিৰ্ম্মল আকাশও উহার আধার নহে, সেইরূপ ব্রহ্মাণ্ডের সেই চিংই সংসার এবং অস্পন্দই ব্ৰহ্ম। এর কারণ, সত্তা নাই এবং পরমপদ ব্রহ্মেও উহা অধিচিত নহে। বৃক্ষরি ক ও সব এই চিপলেই অবস্থাভের ভিন্ন ভিন্ন নামমাত্র কারণ আকাশ না হইলেও অনিবারক বলিয়াযেরূপ লােকে ও ও সাক্ষম অনুভূতিস্বরূপ চৈতই চিংস্পন্দ্র এবং চিৎস্পন্দই শাস্ত্রে আকাশকে বৃক্ষোঙ্গতির কারণ বলিয়া নির্দেশ করে, সেইরুপ, সংসারকারণ বাদি নামে অভিহিত হ। চিৎ স্বাশ্রিত নিস্ক্রিয় পরমাত্মা কাহারও কারণ না হইলেও অনিবারক হেতু বিদ্যায় এতবিম্বিত হইলে যে চিদাভাসরূপ দ্বৈতভ্রমের এই মায়াৰিঙ্কিত সৃষ্টির কারণে অখ্যাতন। উৎপত্তি হয়, তাহাই দেহাদির কারণ বলিয়া নির্দিষ্ট। অতএব সন্নিধানমাত্র কারণে আদর্শকে প্রতিবিহেল্প কারণ বলা হয়, চিৎ বিষয়ক অজ্ঞান দ্বারা সৃষ্টি হইতে নানারূপ ধারণ সেইরূপ সন্নিহেতু আত্মচৈতওএইসরুল নের কারণ করেন এবং সঙ্কমুসারে বিবিধ যােনি প্রাপ্ত হন , সেই সকল বলিয়া অতিত হন। যেমন ফজ হইতে অঙ্কুর, পত্রালি ও বোনির মধ্যে কোন কোন জীব সহ জন্মে, কেহবা এত জন্মেই কমে ফলের উৎপত্তি হয়, সেইরূপ চিৎ হইতে চিত্ত, জালি মুক্ত হথকে। ১। চিৎ যে উপাধির সহিত আকৃষ্ট ও মে মনের উৎপত্তি হয়। সেজীব রজিলবিন্দুর সহিত হয়, সেই উপাধির আকারে অকারিত হইয়া থাকে, সেই জন্য কণাদিতে প্রবেশ করে এবং পুনৰ্ব্বার বীজকপোখরণত হয়, খােৎপন্ন-দেহকার সূক্ষ্মভূতের সহিত একপ্রাপ্ত হইয়া পিতৃ সেইরূপ জীবাসনাময় চৈত ও প্রলয়াকসানে পুনর্থার সৃষ্টির বীর হইতে শুদিরূপে বহির্গত হয় এবং স্বর্গ-মােক্ষঙ্গের আকারে বিবর্তিত হয়। বীজের জনশক্তি এবং ব্রহ্মের কারণ দেহ লাভ করিয়া থাকে। অতএ রাম। পিতাপুত্রের জগজ্জননশক্তি একাংশে সমান হইলেও উভয়ের মধ্যে শক্তি প্রভে উপথিকৃত। চত এই কেবল ভিন্ন ভিন্ন হেরুপ ভেদের অস্তিত্ব দৃষ্ট হয়। বই বুক, এই জ্ঞান হইলেও বঙ্গ উপাধি দ্বারাই ভিন্ন বংবােধ হয়। যেরূপ সমস্ত, সুবর্ণ এক ভিন্ন বৃক্ষর অপ্তিকে তিরােহিত হয় না, কিন্তু এই বিশ্ব এ হইলেও বশয়ঙ্কণ প্রভৃতির আকারগত পার্থক্য দ্বারা ভিন্ন বলিয়া আন উপস্থিত হইতে, ব্ৰহ্ম ভিন্ন বিশ্বের অক্তি থে লােপ হয়। বোধ হয়, সেইরূপ চৈতন্য একমাত্র পদার্থ হইলেও পৃথকৃষেই দীপে রূপাভিব্যক্তির স্যায় ব্রহ্মতত্ত্বের অভিব্যক্তি হয়। পৃথিবীর আশ্রয় দ্বারা ভিন্ন বলিয়া ভ্রম হয়। দেহের উপাদান, পঞ্চমহাভূত যেস্থানে খনন করা যায়, সেই স্থানেই কেন আকাশ সৃষ্ট হয়, সর্বদাই নানা প্রকার বিকারগ্রস্ত হয়, এইজন্য তাহার প্রভেদও সেইরূপ প্রত্যেক প্রপঞ্চই বিচারবিরূঢ় হইলে একমাত্র চৈতই অনেক প্রকার। চিং নিত্য হইলেও ঐ সকল কারণে “আমি পর্যবসিত হয়। যেরূপ অজ্ঞ লােকেরা ক্ষটির উদরে বসের জাত, আমি মৃত’ ইত্যাদি ভ্রান্তিবােধ করে। যেরূপ স্বপ্নাদিত্বে প্রতিবিম্ব দেখিয়া সত্যই বন বলিয়া চােখ করে, সেইরূপ আপনার মিখ্যাপতু সত্যৰু অনুভূত সেইরূপ মমতালি আবিদ্যামােহিত ব্যক্তি ক্ষের উপরেও জগদ্দশনি করিতেছে। ভ্রান্তিবিশিষ্ট চিডও অনন-মরণাদি মুখার্ত অনুভব করে। যেমন স্বটিও বাস্তবিক বা না হইলেও কলতাদি ও চণ্ডল দ্বারা প্রতিপালিত মথুরারাজের যেরূপ আপনাকে চণ্ডাল- তাহাদের অাধার মুক্তিকারূপে প্রতিভাত হইতেছে, সেইরূপ ব্ৰহ্মও ভ্রম হইয়াছিল, সেইরূপ অবিদ মােহিত চিত্তেরও আজতে এই সকল দৃশ্য প্রপঞ্চলে প্রতিভাত হন। ২০-৩৬। রামচন্দ্র জগৎভ্রম ঘটিছে। যেরূপ প্রশান্ত সমুদ্র হইতে অল্প তরঙ্গ কহিলেন-হে মহর্ষে। কি আশ্চর্য্য! এই পরিমান অসৎ একটিত হয়, এসইরূপ শান্তিময় আজিকারণ পরমাত্মা হইতে সম্পূর্ণরূপে অসত্য হইয়াও সত্যবৎ প্ৰঙীড় খুইডেছে। পুজাে। সৃষ্টমুখী চিৎ সমুদিত হইয়া থাকে। সেই চিৰসলিম ব্রহ্ম- অগং যে প্রকারে বৃহৎ,যেরূপে স্বচ্ছ ও প্রস্ফুট এবংযেরূপে হয়, সাগরে জীবরুপ আবর্ত, চির তরঙ্গ ও স্বৰ্গনকাদি বুদবুদের ভাতা সকলই শ্রবণ করিলাম , ৰেপে ব্রহ্মেই নীহার- উৎপত্তি হয়। ১২-১৯। হে রাঘব। দৃষ্ণুমাত্রেই সেই কণসদৃশ মাত্রণ-স ব্ৰহ্মাণ্ড প্রস্তুতি হইছে তাহা অবিদ্যাবিনাশক পরমাত্মার আত্মনিষ্ঠ। মায়াবি এবং তাহাই শষ করিম ; এলে যেরূপে সমষ্টি, কষ্টিদেহ ওহম জীবরূপে অবস্থিত। অবসুক্ষণাত্মক মন, বুদ্ধি, চিত্ত, অহঙ্কা, মায় বটিসু জােভিমানী ৰখাম ও বিশ্ব উৎপন্ন হন, তাহা ইত্যাদি চিজেই বিভিন্ন আঞ্জামাত্র। মুনই ভন্মাত্রাদি কল্পনা, আমার নিকট বিড করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, বের পুর্বক গলিগত্রের মত মিখ্যাগকে সত্যে মত বিস্তার হয়ে নিরাকার ভূজ যেরূপ আফারবিশিষ্টের মত প্রকাশিত করিয়াছে। চিতের, অগর্শন, আকাশে মিথ্যা মুক্তাবলীও হয়, ফেইল জীষ নিরাকার হইলেও প্রথমে গন্ধে আগে ভ্রান্তিদশনে রাশিরশন নিবিরু পরমাত্মা একই রূপে প্রকাশিত হয়। পূর্বকীয় কে আসন সৎ সন্ধায় অবস্থিত; তিনি কাহারও অষ্টা নহে, এখন স্বরচিত এই খাকায় এক্ষে ঐরূপ জীবজন এলখিত সুখ দীৰ চিত্তম অমুক করুন। অতএ হেয়াম। তুমি এই মিথ্যা একদিকে শুদ্ধ অথচ বা, সত অথচ অস, অলনিকে এবার মত, কার ও চিত্তকে যথাক্রৰে স্বপ্ন জলি অফ পক্ষ হইতে বৃদ্ধ, নয়মাস্তায় ও প্রযুখির ভীত এ চিকে দুধ ওই অবস্থায় বিশেষ। বেল জীবকনা গল্প পদ্ধ, জীবন্ত প্রাপ্ত ১৩ যােগবাশিষ্ঠ-রামাণ। * - হন, সেইরূপ মননজ্ঞান দ্বারা জীবও মনােকাপে প্রকাশিত বলিয়া বােধ হয়, আবার অজ্ঞান অপগত হইলে সকলেই হইয়া থাকেন মনঃ ত্রিবিষয়ক মনন যারা আপনিই অসং। কীট হইতে ব্রহ্মা অবধি সকলের উৎপত্তিই সমান, আত্রারূপে আবির্ভূত হন। পরে সেই বায়বীয় পরমাণু অৰে বিৰ-সন্ধপ্রধান বলিয়া ব্ৰহ্মা মহৎ ও মলিনসত্ব প্রধান অপেক্ষাও সূক্ষ্ম তন্মাত্ৰক অধিচ্ছিন্ন চৈতন্যরূপ মন চিনাকাশে বুলিয়া,কীটছি তুচ্ছ-উপাধি যেরূপ সেইরূপ জীব এবং ফুর্তি পায়। যেমন সূর্যালােকে আকাশে অসংখ্য-নীহার-কণা পৌরুষও অপ, আবার পৌরুষ যেপ, সেইরূপ কৰ্ম্ম এবং ভাসমান হয়, তেমনি পূৰ্ষোক্ত চিত্তে (সমষ্টি মনােরূপ হিরণ্য ফলানুভবও তদ্রুপ। সুতর ফলে ব্রহ্মারকও, দুস্কৃতির গর্তে) অসংখ্য ব্ৰহ্মাণ্ড ও তদন্তৰ্গত মূৰ দেহাদি, চিত্রিতের কটাদির উৎপত্তি, চিন্মাত্র জ্ঞানের অভাবেই এই সকল জে ব্যায়, প্রকাশ পায়। তখন সেই চৈতন্য স্বরূপ মনঃ তাদৃশ আকার- বোধু হইয়া থাকে, আননদয়ে এই সকল ভেদের নাম বিশিষ্ট হইয়া আপনার বিশেষ পরিচয় পান না, মুজাং হয়। জ্ঞা, জ্ঞাতা ও জ্ঞেয় চিত্র হইতে ভিন্ন নহে, কি, এইরূপ সংবিদ অর্থাৎ অক্ষুটজ্ঞান অনুভব করেন। সুতরাং দ্বৈতাদ্বৈত ভেদ আকাশপ ও শশৰিষ্ণণের তুল্য। পরে পুরুষাবিচার গতি প্রাক্তন সংস্কারের উদয় হইলে জগত্তত্ব কোষকার কৃমি যেরূপ আপনার লালাদাচে আপনারই বন্ধন শব্দার্থ ও ত দূৰিাখক অকুট জ্ঞানের উদয় হয়। সেই অস্ফুট অনুভব করে, সেইরূপ আনন্দস্বরূপ আপনারই মায়া দ্বারা দ্বৈত এহস্তাব দেপেরি প্রস্ফুট হওয়ায় বহির্ভাগে রসের ও ভিতরে অনুভব করেন। সমষ্ঠি মনােরূপ প্রজাপতি ব্যষ্টি জীবের কৰ্ম্মানু- রসগ্রাহক ইন্দ্রিয় বিার পন্তি অনুভব করেন। ঐ প্রকারে সারে যে বন্ধুকে যেকপে ইচ্ছা সৃষ্টি করেন, সুত্রাং এই প্রপঞ্চের রূপ ও রূপাহৰু ইঙিয় চক্ষু এবং গন্ধ ও গন্ধহক ইন্দ্রিয় উৎপত্তি, বুদ্ধি, স্থিতি ও নাশ সমুদায়ই অলীক। ৬৩ -৩৬। নাসিকার উপওি অনুভব করেন। শ্রোত্রদিপে অবস্থিতি আত্মজ্ঞানের অভাবে শুদ্ধ, সর্বব্যাপী একমাত্র অনন্ত ব্ৰহ্মকেও করিবার সময় জীব ঐকই শাদি অনুভব করিতে বাধ্য অশুদ্ধ, অসং, পরিসীম ও অনেকরূপে বোধ হয়। অমতিগণ হন। অন্য ঐরূপ কাকতালীয় ন্যাম অঙ্গে অঙ্গে আপনার যেরূপ জল ও তরঙ্গকে ভিন্ন বােধ করে, সেইরূপ অতত্ত্বাবগণ, দেহিত্ব অনুভব করেন। সেই জীবমূল মিথ্যা হইলেও সত্যের রজ্জুতে সর্পবোধের ন্যায়, এই সকল ভেদ বােধ করিতেছে, স্যায় সম্পন্ন বোধ হয়। জীবাত্মা আপনার যে অংশে শব্দগ্রহণ বাস্তবিক ঐ সকল ভেদ কিছুই নহে। যেক একই ব্যক্তিতে হয়, তাহাকে শেত্ৰ , যে অংশে স্পর্শগ্রহণ হয়, তাহাকে ত্বক, সম্বর্ণভেদে পরস্পরবিরোধী শত্রুতা ও মিত্রতা অবস্থান করে, যে অংশে রহণ হয়, তাহাকে সনা, যে অংশে রূপগ্ৰহণ সেইরূপ একই ব্রহ্মে পরস্পরবিরােধী, ভেদাভেদশক্তিও অবস্থান যু তাহাকে চক্ষু এবং যে অংশ গ্রহণ হয়, তাহাকে করিয়া থাকে। যেরূপ সলিলে তরঙ্গ কল্পনা করিলে কখন সলিল ও নাসিকা বলিল্প বাধ করেন। ঐকুপে ভাবময় ইন্দ্রিয় দ্বারা তরঙ্গ দুইটা পৃথক্ বলিয়া ফুরিত হয়, দুণের বলয় বলিলে সুবর্ণ জীবাত্মা ভবময় দেহকে বাহৰিষ-প্রকাশকরণক্ষম ইলিয়াখ্য ও বলয় দুইটা পৃথক বস্তু বলিয়া ফুরিত হয়, সেইরূপ একমাত্র রন্ধবিশিষ্ট বােধ করেন। রাঘব। এইকপে আদিজীব (সমষ্টি) বস্তু ব্ৰহ্মেও জগদি অবস্তর আরোপ করিলে ব্ৰহ্ম ও জগৎ ব্ৰহ্মার এবং আদ্য জীবের (ব্যষ্টি জীবের) ভাৰময় আতি পরস্পর ভিন্ন বলিয়া বোধ হয়, সুতরাং তাহাতে দ্বৈত ও অদ্বৈত, বাহিক দেহ উকা হয়। অব্যক্ত পরমাত্মাই অনারত হইয়া পৃথক্ ও অভিন্ন সমস্তই রহিয়াছে। আত্মাই প্রথমে মনেরূপে আতিবাহিক দেহ ব্ৰাপ্ত হন এবং অজ্ঞান বিগত হইলে আর প্রকাশিত হন, সেই মন হইতেই অহঙ্কারের উৎপত্তি। মন তাহার সন্ধা থাকে না। পরমাত্মজ্ঞান হইলে যখন প্রমাক্ত প্রথমে নির্বিক প্রক্ষের অপ, পরে হই কল্পনার প্রমেয় ও প্রমাণ ইহাদের কিছুই ভেদ শাকে না, তখন আতি- প্রভাবে আহত বৰিশি হয়। সেই অহাৰবশিষ্ট মন হইতে বাহিক দেহেরু-প্রসঙ্গ কোথায়? সেই পরা সাই ব্ৰহ্মভাবনা দ্বারা পূর্বানুভূত স্মৃতি দ্বারা তন্মাত্রার সৃষ্টি হয়। ঐরুপে ভূততন্মাত্র- ব্ৰহ্মৰূপ এবং অন্য ভাবনা দ্বারা অন্যরূপে প্রতিভাত হন। রামচন্দ্র বানর পর চিত্তাত্মা জীৰ ব্ৰহ্মে কাকতালীয়বং জগদ্দর্শন কহিলেন,-চিত্র অন্ধে অজ্ঞান অবস্থান মসন্তুষ, অতএব ব্রহ্মের করেন। #ই হউক, অসৎই হউক, মন দীর্ঘকাল যাহাই অদ্বৈতভাৰ স্বসিদ্ধ, তবে মােক, বিচার প্রভৃতির ভেকশনার সংবলিয়া ভাবনা করেন, তাহা সংরূপেই প্রতিভাত হইয়া আবশ্যক কি? বশিষ্ঠ কহিলেন, রান। তুমি উপযুক্ত প্রমই করিয়াই। যেরূপ শােভনা হইলেও অকাল- সপ্তষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৬৭ । মলাে অমঙ্গলজনক বলিয়া আদৃত হয় না, সেইরূপ অসাময়িক প্রশ্নও ফলদায়ক হয় না। বস্তু - সকল বাবােগ্য কালেই শোভা প্রাপ্ত হইয়া থাকে। ৩৭–৬২। জীবাত্মা যথাকালে অষ্টষট্টিতম । আপনাতে পিতামহত্ব অনুভব করিয়া স্বপ্না অর্থাৎ হিরণ্য- গভরূপে আবির্ভূত হন। সেই হিরণ্যগর্ভ ওঙ্কাররূপ প্রণব বশিষ্ঠ কহিলেন,-মম। অতঃপর আমি তােমার নিকট উচ্চারণ ও তদর্থ সংবেদন পূর্বক মনােরাতে বিস্তৃত রহিয়- রাক্ষসীর জটিল প্রশ্ন-সমন্বিত এক প্রাচীন ইতিহাস উদাহরণস্বরূপ ছে। সমষ্টিমনারাজ পরমাত্মায় যেরূপ অসৎ, ব্যষ্টি- কীৰ্ত্তন করিতেছি, মযোেগ পূর্বক শ্রবণ কর। হিমগিরির মনােরাজরূপ জe চিদাকাশে সেইরূপ অসৎ। এই জগতে উত্তরে কটা নামী এক ভয়ঙ্কর রাক্ষসী বাস করিত। ইহার বাস্তবিক কেহ জাত অথবা মৃত হয় না, ব্রহ্মই জং ও গন্ধর্ব- আরও দুইটা নাম বিহুটিকা ও অন্যায়বাধিকা। ইহার বর্ণ জলের নগরাদিপে প্রকাশিত রহিয়াছেন। পঞ্চমদানি হইতে সরী ব্যায় এবং কাৰ্য্য সকলও অতি ভয়ানক। ঐ কায়া রাক্ষসী পৰ্যন্ত সকলের সত্তাই সদসম্ময়ী অর্থাং অঞ্জননিবন্ধন সকলেই দেখিতে ওক, বিটীর সৎ ইহার ফল অসামা, চক্ষু যখাস থাকে। ৭৭।
উৎপত্তি-প্রকরণ। কোটরগত ও আখির ন্যায় উজ্জ্বল এবং নীস্বর পরিধান করাতে বিভিন্ন অ আমি কি শ গ্ৰহণ কৰিব ? অনেবে সে কি ৰােথ হইতেছিল যেন, মুর্তিমতী ৰাত্ৰিই ইহার দেহে আবদ্ধ করিল, যাহাতে আমি অসী (ব্যাধিরূপা জীষী) এবং রহিয়াছে। ইহার উত্তরীয় বস্তু সকল জল-জলদের ন্যায়। রাক্ষসী আয়শলৌহময়ী জীব) সূচী হইতে পারি, বিভুর নিকট লমান মেখবিম্বের স্লাম্ব নিয়তই উল্লসিতাখাকি, ইহার কেশ এরূপ বর গ্রহণ করি। এইরূপে বিবিধ সূচী হইয়া কুই সকল উমুখ ও তিমিরের ন্যায়, নেত্ৰদ্ধয় বিদ্যুৎ উজ্জল,জানুঘয় সুরতিক্ষায় আমি মনুষ্যহৃদয়ে শেয়াসে প্রবেশ কৰিৰ এৰ ফালতরুর স্থায় বিশাল শপাগ্রসদৃশ নখ সকল বৈদূর্যমণির ন্যায় যথাভিমত সকল জগৎ গ্রাস করিয়া ফেলিল; তাহা হইলেই ট্রইলা যখন হা কুরিত বােম হইও যেন ভস্ম ক্রমে ক্রমে আমার ক্ষুধাশক্তি হইবে। দিনাই পরম সুখ। অথবা নীহার সকল নির্গত হইভেL নুরকুলমালাই ইহার সেই জীমূতের ন্যায় গলধ্বনিকারিণী রাক্ষসীকে এইরূপ চিন্তা পুষ্পমালাস্বরূপ ছিল। রাক্ষসী যখন বেতালগণের সহিত নৃত্য করিতে দেখিয়া ভগবান ব্রহ্মা মধুরবনে কহিলেন, পত্ৰি কৰ্কটিকে। করিত, তখন নরকুলকুণ্ডলও ভীষণরূপে চালিত হইত, তখন তুমি রাক্ষসকুলশৈলের অভ্রমলস্বৰূপ। আমুিজেমার তপস্যায় ইহার উর্জোথিত ভুজয় দেখিলে বােধ হইত ঘেন, সূৰ্য্যকেই সন্তুষ্ট হইয়াছি, তুমি উঠিয়া যথাভিমত বরণ কর। কর্কটা গ্রাস করিবে। উদভরণের উপযুক্ত আহার না পাওয়ায় ঐ কহিল,-হে ভুতভবেশ ভগব। যদি আপনার বর দেওয়াই বিপুলকায়। রাক্ষসীর জঠরল সর্বদাই, বাড়বানলের ন্যায়, অতৃপ্ত অভিলাষ হইয়া থাকে, তবে যাহাতে আমি অনায়লী এবং আত্মসী থাকিত। ১-১। একদা রাক্ষসী ক্ষুধার্তা হইয়া চিন্তা করিল জীবীকা হইতে পারি, একপ বর লন রুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, সমুদ্র যেরূপ নদী সকল গ্রাস করে, আমি যদি সেইরূপ এই জন্ধু- লােকপিতামহ ব্রহ্মা রাক্ষসীকে সেইরূপ বর দান করিয়া দ্বীপস্থ সমস্ত জন্তু একনিশ্বাসে গ্রাস করি, তাহইলে আমার সুখ কহিলেন,-বংসে। তুমি সূচিকুৰূপাই হইবে এবং উপসর্চের কথাৎ প্রশমিত হইতে পারে, কিন্তু এককালে সকল লোক যেগে বিচিক রোগবিশেষ রূপও হবে। তুমি অতি সূক্ষ্ম ভক্ষণ করিতে যাওয়াও যুক্তিসিদ্ধ কিনা ? এই সকল লােকের মধ্যে মায়া অবলগন পূৰ্ব্বক কুলভাজী, কুৰ্ম্মরতও কুলেশবাসী ব্যক্তিবিগকে অনেকেই মন্ত্র, ঔষধ, নীতি, দান ও দেবপূজাদি জারা সুরক্ষিত, সর্বদা হিংসা করিবে। তুমি স্বায়বীয়পরমাণুতুল্য হইয়া জীবের সুতরাং এই সকল ব্যক্তিকে যুগপৎ গ্রাস করা কখনই সুসাধ্য শ্বাস-প্রশ্বাস অবলম্বনে তাহাদের অপদেশ হইতে তাহাদের নহে। যাহা হউক আমি এরূপ উগ্রতম তপ করিব, যাহাতে সময় পর্যন্ত আক্রমণ করিবে এবং হুংপন্নহিত প্লীহা, যকৃৎ ও ঐ সকল লোক যুগপৎ ভক্ষণ করিতে পারি , কারণ, শুনিয়াছি, বস্তি শিরাদির পীড়া উৎপাদন পূর্বক তাহাদিগকে বিনাশ করিবে। দুর্লভ বস্তুও তপস্যা দ্বারা সুলভ য়। ১০-১৪। ঐরূপ চিন্তা তুমি বাতলেখাত্মিক বিশুচিকা ব্যাধি হইয়া গুণবা কিংবা গুণহীন কবিয়া খিলবিদ্যুৎ-লোচনবিশিষ্ট রাক্ষসী, হস্তপদাদি-অবয়ব- উভয় ব্যক্তিকেই আক্রমণ করিতে পারিলে। বং েশুদ্ধাচার, বিশিষ্ট শ্যামল মেঘসমূহের ন্যায়, অতি দুর্গম হিমালয়শূঙ্গে তপস্যার্থ গুণমান ব্যক্তিদিগের চিকিৎসাৰ্থ আমি এই মন্ত্র কহিতেছি, আরোহণ করিল এবং তথায় গমনপূৰ্ব্বক একপদে ভর করিয়া হিমদি। উত্তরপার্গেকৰ্কটা নাম্নী এক রাক্ষসী আছে; বিচিকা ভপার্থ দণ্ডায়মান হইল। তখন তাহার স্থির নেত্রয় দেখিয়া (বোপষি) ও অন্যায়বাধিকা (কুপথগামিদিগের হিংসাকারী) বােধ হইল যেন, এক চন্দ ও অপরটি সূৰ্য্য। এইরূপে তপস্যা তাহার আরও দুইটা নাম। (দীয় মন্ত্রা—ওঙ্কারাদি- করিতে করিতে দিন, পক্ষ, মাস ও ঋতু সকল অতিবাহিত হইতে বীজরূপা বিষ্ণুশক্তিকে নমস্কার। হে ভগবতি কিকে। তােমার, লামিল। শীতাতপে রাক্ষসীর শরীর ক্রমে ক্রমে এতই কুশ অংশরূপা রােগাত্মিক বিক্তিকে হরণ কর হরণ ক গ্রহণ কর ইতে লাগিল, যেন শৈলের সহিত লীনা ইয়া রহিয়াছে। উ গ্রহণ কর, পচন কর পচন কর, মন্থন কর মন্থন কর, উৎপাদন কৃষ্ণকেশ-সমন্বিত রাক্ষসী, স্থির অভপটলের ন্যায়, স্তিমিতকুতি কর দূর কর। হে স্বাহাক্ষপিণি রোগশক্তে। তুমি তােমার স্বস্থান হইয়া তপা কল্পিতে লাগিল। কে হইল যেন, আকাশ গ্রাস চন্দ্রমণ্ডলে গমন কর।” মন্ত্রজ্ঞ ব্যক্তি এই মহামন্ত্র করতলে করিবে বলিষ্মাই তাহার দেহ উন্নত হইয়াছে। ভগবান পদ্মশােন লিখিয়া রােগীর দেহ ঐ হস্ত কারা মার্জনা করিবেন এবং সংষত দেখিলেন, শীত তে রাক্ষসীরু শরীর জর্জরিত, তার রুশাঙ্গে চিত্ত হইয়া চিন্তা করিবেন যে, কাটা মরূপ মুর দ্বারা মর্পিত লােল চর্শ সকল, বঙ্কলের ন্যায়, লম্বমল কুঁহিয়াছে এবং তাহার হইয়া রােগীর দেহ হইতে বাঁদিতে কাদিতে গিলয় অভিমুখে উর্ধগামী রক্ষকুশ সকল ভারঝর নিকটবর্তী হওয়াতে বৈধ পলায়ন করিল। রােগীকে চন্দ্রমণ্ডল অভিমধ্যস্থ, সব্যাধি- হইতেছিল, কেশাগ্র সকল যেন মুক্তামালায় সুশােভিত।১৫-২০ বিমুক্ত, জরামরণবর্জিত রূপে চিন্তা করিবেন। সাধক এচি হইয়া আচমন পূর্বক সম্মতি চিত্তেএই সকল বিধির অনুষ্ঠান গ্রিলে অষ্টমষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৮। সকল প্রকার বিচিকা নষ্ট হয়। ত্রিলােকনাথ ব্রহ্মা এইরূপ কহিয়া আকাশমার্গে যাইতে যাইতে ‘সিদ্ধগণ কর্তৃক অভিহিত হইয় গগনতলে সমাগত পুরন্দরকে উক্ত মন্ত্র প্রদান পূর্বক একানসপ্ততিতম শর্গ। অথামে গমন করিলেন। ১-১৮। বশিষ্ঠ কহিলেন,-রাম। কর্কটা এইরপে সহশ্রবংসর পা একোনসঙিতম সর্গ সপ্ত, কৰিলে ভগবান্ ব্রহ্মা কৃপান্বিত হইয়া যায় আগমন করিলেন। অতি দুঙ্কর তপস্যাদ্ধারা বিষ এবং অখিও শীতলতা প্রাপ্ত হয়, করুণাময় ব্রহ্মার কথা কি? বালী ব্রহ্মাকে মনে মনে প্রণাম করিয়া সেই স্থানেই স্থিরভাবে রহিল এবং চিন্তা করিতে লাগিল, । ১ যােগবায়ণ সপ্ততিতম,সর্গ। লাগিল। আমি হচীভাব গ্রহণ করিয়া কি মুগ্ধতার কাজই কুরিয়াছি। স্বাক্ষসী মনে মনে কি গ্রামের বিষই জাবিতে বশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্তর অট্রিশিয়সালা মিলি সেই লাগিল, সূচীভাবাপন্ন হইমে যে তুচ্ছ ইইয়া গিয়াছে, তাহা রাক্ষসী, অঞ্জন ও লেখা ন্যায়, রুমে ীণ হইতে লাগিল। ভাবিল না, চিৰ অভিলষিত বিষয়েই ধাবিত হয়।* ফুটবুদ্ধি প্রথমে সেই যশ মেম্বসী পরে বৃক্ষশাখারূপিণ, তয়ার পর সেই রাক্ষসী বিচার না কৰিষই সূচী গ্রহণ করিয়াছিল পুরুষপ্রমাণা, তরুনরহমাত্রাতি, তাহার পর মাষশিক্ষার স্যায়, দুর্বদ্ধির কখন পূর্বাপরুবিচার করিবার ক্ষুণতা থাকে না। অনন্তর স্থূলমূচীর সদ, পরে লেষেয়বস্ত্র-সীবনপযােগী সুচীৰ বিষয়ে অতির্বি শ্রেয়স্কর নছে, কারণ, তায় অভি সূক্ষ্ম হইয়া উঠিল। তখন পদ্মকিফের স্যায় সুন্দর দৃশ্য পরি- দৃঢ়প্রযত্বের বলে অন্যবিধ হই যায়, দর্পণকে অতিশয় আগ্রহে লজি হইল। শিখরসমাকার সেই রাক্ষসী ক্রমে সঙ্কলকলিত পুনঃপুনঃ সন্মুখবর্তী করিলে নিশ্বাসে তাহা মলিন হইয়া যায়, ভরেয় জায় প্রমাণ ( অতি সূক) হইয়া গেল। এইকপে ঐ সুতরাং তাহাতে মুখদর্শনরূপ অভীষ্ট্রসিদ্ধি হয় না। ঐ রাক্ষসী বাসা মলিনব। অয়ােময়ী মূচিকা ও জীবচিকার আকার তৎকালে পীরদেহ ত্যাগপুর্বক সচীভাব প্রাপ্ত হইয়া মনে বারণ করিয়া শােভিত হইতে লাগিল। ভাইয় পরে এই রাক্ষসী মনে ভাবিতে লাগিল, “ইহা অপেক্ষা. মমত্যুও সুখের অতিসূক্ষ্ম হইও আকাশমণ্ডল অবস্থান করত আকাশে ও অহো। এক বস্তুতে অত্যন্ত অনুরা কি বিষম গতি। যে পূর্বষ্টক অর্থাৎ মহাভূত কর্ষেক্রিয়, জ্ঞানেন্দ্রিয়, প্রাণ, অতঃকরণ, হেতু, ঐ রাক্ষসী সেচ্ছায় নিজ চ্ছে, তৃণবং পরিত্যাগ করিল। অবিদ্যা, কাম, কৰ্ম্ম এই সকলের সহিত গতায়াত করিতে লাগিল। এক বন্ধুতে অত্যাস হইলে অঙ্গ বিষয়ে জ্ঞান- বিনষ্ট হই ১৫। ঐ রাক্ষসী শোহসূচীর ন্যায় দৃষ্ট হইলেও বাস্তবিক উহাতে হ্যায়, রাক্ষসী গ্রাস বিষয়েই অত্যাসক্ত ছিল, সুতাং দেহনাশ লৌহ নাই। এই লত। বিদভ্রমসমূহের অঞ্চত ভমস্বরূপা লক্ষিত করিতে পারে নাই। এক বগুতে অতিরাগী অজ্ঞ ব্যক্তি ও সূচীৰ লক্ষিত হইতে লাগিল। বৈদূৰ্য্যমণির কিরণরাজিত ও বিনাশেও সুখ অনুভব করে , ঐ লাসী চীভাবাপন্ন হইয়া চাকচিক্যালিনী রত্বসূচিকাতে সূর্যকিরণ প্রবিষ্ট হইলে যেমন দেহশূন্য হইলেও সন্তুষ্ট ছিল। সে যে অন্যপ্রকার জীব- সুন্দর দেখায়, রাক্ষসী সেইরূপ দৃষ্ট হইতে লাগিল, অৰে বিচিকা (জীবব্যাধস্বরূপা) হইয়াছিল, ঐ বিচিকা আকাশের উহাতে মনােমনন কি ঐ রাক্ষসী বায়ুক আহত কল- ন্যায় সূক্ষ্মভাব ও লিঙ্গশল্পীরাত্মক। উহার প্রত্যক্ষ কোন ময় মেঘের কণিকাবং বিরাজ করিতে লাগিল। সূক্ষ্মবিরমধ্যে আবার নাই, উহা কেবল ব্যোমত্মক। ১৬-২৪। এই দৃষ্টিপ্রবেশ করাইলে তাহাতে যে মলিনবর্ণ জ্যোতি অবলােকিত বিচিকা, সূক্ষ্মতেজঃপ্রবাহের ন্যায় এবং প্রাণময়ী। উহার হয়, ঐ রাখার চকণীনিকায়ও তদ্রুপ দৃষ্ট হইতে লাগিল। আকার কুণ্ডলিনী শক্তির ন্যায়, চর্ণ ও সুর্যের কিরণের ন্যায় রাক্ষসী বরপ্রাপ্ত পরমাণুক সূক্ষ্মপুচ্ছগ্রবৎ অচীরূপ প্রসন্নবদনে উহা উল। ঐ রাক্ষসীর পাত্মিকা অসিকারার ন্যায় ভুয়া গ্রহণ করায় বােধ হইয়াছিল যেন সে স্বকীয় শরীরের সুলত- মনোবৃত্তি পৃথই ছিল। ঐ পাপবিলে কুদুমগন্ধকণৰ নিবারণের নিমিত্তই মৌনব্রত অর্থাৎ আস্থা করিয়াছিল তাহার অতিসূক্ষ্ম হইয়াও লােকের হৃদয়ে প্রবেশ করত চতুরতার সহিত নেয় দূর হইতে সুদাপের ন্যায় দৃষ্ট হইতে লাগিল, উহার হিংসাদি ব্যাপার সম্পাদন কবিত। বিশেষতঃ প্রাণিগণের প্রাণ- সূক্ষ্মসুচী শরীর না হওয়ায় আকাশের সাম্য ধারণ করিল। হরণই উহার পরম অতঃসিদ্ধি ছিল। এই একারে (চ্যা- উহার শরীর খস্থিত আকাশ শরীরসূক্ষতার সহিত সূক্ষ্ম হওয়ায় কার দেহ ও পাপড়ি এই দ্বিবিধ প্রকারে) নীহারকণবং রুল ও বোধ হইল যেন, প্রসন্নবদনে ঐ অন্তর্গত আকাশ উদগীরণ করিয়া কার্পাসধং অতি দুইটা দু, সূচীদ্বয়ের ন্যায়, অস্থিত ফেলিল। ৬-১০। নবপ্রসূত সদ্যশ্নাত শিশুর কেশ যেমন রহিল। ক্রুরা রাজনী ঐ শরীরখয়ে নৱহৃদয়ে প্রবেশ করিয়া দেখায়, দূরপ্রসারী দীপকিরণের ন্যায় সূক্ষ্ম ঐ রাক্ষসী একাগ্র- তাহাদের হৃদয় বিদ্ধ তাহাদের হৃদয় বিদ্ধ করতঃ দশদিকে পরিভ্রমণ করিতে চিত্তে চক্ষুঃ কৃঞ্চিত করি দেখিলেও দ্রুপ তুষ্ট হইতে লাগিল। লাগিল। সকলেই স্বকীয় সঙ্কল্পবলে লঘু অথবা গুৰু হইতে ঐ রাক্ষসীকে দেখলে বের হইত যেন বহিঃসঞ্চরণ কোতুহলে পারে। রাক্ষসীও উক্তপ্ৰক সঙ্কল্পবলেই উ: অতি পরিত্যাগ সূর্ণাসহুত্ৰ উডউন হইতেছে, কিংবা ব্ৰক্ষনাড়ী (যুন্না) ব্ৰহ্মর করিয়া সূচীভব স্বীকার করিয়াছিল। ২৫-৩০। ক্ষুদ্রচেতা হইতে নির্গত হই। মিনােত হইতেছে। যথাঘৰ স্থানে ব্যক্তিগণ তুচ্ছ বিষয়ের প্রার্থনা করিয়া থাকে, যে হেতু, রাক্ষসী ইন্দ্রিয়শক্ষুি-সমন্বিত কেবল লিঙ্গদেহে বহির্দেশে অবস্থিত। সেই তপস্যা করিয়া ঐ তুচ্ছ চীভাবে পিশী বহণ করিয়াছিল। রাগ, বেল ও তার্কিকদিগের বিঞ্জান সাধারণ লোকের সৎকর্ম দ্বারা পৰিদহ হইলেও, স্বকীয় নীচজাৰুি কাচ অলক্ষ্যভাবে অবস্থান করিতে লাগিল। অত্যন্ত অদৃশ্য বলিয়া বিলুপ্ত হয় না, সেই কারণেই রাক্ষসী তপা দ্বারা পবিত্র বােৰ হইতে লাগিল যেন ঐ রাক্ষসীই বারী সিদ্ধার্থগণকে হইও সুহ্ম-সূচীভাবপ্রাপ্তির সহিত রাক্ষসৗভাবই প্রাপ্ত প্রসব করিয়াছে। নলােগতের হায় নীলিমমন্ত্রী ঐ রাক্ষসী তিশব্দ হইয়াছিল, তাহার সে স্বজাতীয় ভাব অপগত হয় নাই। নম্বর ভাবে অদৃশ্য শচীময় সূক্ষ্ম-লিশরীরে সতত অবস্থন করিতে মহুনিল-চালিত শরভের গায় সেই রাক্ষ খুলদেহ বিগলিত লাগিল। মনােত্তিতে প্রতিফলিত ৰাসমাত্ৰসার চিদাভাসরূপে হইলে সে সূক্ষ্মীদের প্রাপ্ত হইয়া চতুর্দিক পরিভ্রমণ করিতে ঐ রাণীর জন্মসূচী, সূক্ষ্মদীপস্মিণের ন্যায়, অদৃশ্য ও তীক্ষভাবে প্রবৃত্ত হইল। অল দুষ্টবুদ্ধি সেই রাক্ষসীর জীবটা বিশাল অবস্থান করিতে লাগিল। ১১-১৫। ঐ রাক্ষসী গ্রামের সুবিধার কীওকুল এনগণের অন্তরে অতি বিহুচিকা ব্যাধিসে এবং নিমিত্ত | স্বরাচীতাব প্রাপ্ত হইল বটে, কিন্তু উদর না ক্ষুদ্র মেহ, স্বস্থ ও সুখী জনগণের হৃদয়ে অস্থিচিকারূপে থাকায় তাহা বিফল হইল। অন সে মনে মনে বিচার করিতে প্রবেশ মনােথ পরিতৃপ্ত করিতে লাগিল। কখনও কখনও - উলরি। e বিচক্ষণ জনগণ কর্তৃক পূণ্য মৗেষধি ও পানিয়ম ঘরাও ক্রুর ব্যক্তিরাও দয়াপরবশ হইয়া ঐতিপালন করে, এ বিষয়ে কোন উচ্ছেদিত হইতে লাগিল। রাক্ষসী এইরূপে দেহয়ে গমন। সন্দেহ নাই; কারণ, সূচীভূত জুয়া ঐ রাক্ষসী জীর্ণ বখণ্ডকে করত বহুবর্ষ ভূতল ও নভােমণ্ডলে ভ্রমণ করিতে লাগিল। সূত্র দ্বারা পূর্ণ করিত, ইহা প্রত্যক্ষ দেখা গিয়ছে। (ঐ রাগী ঐ সী ভূমিতে র দ্বারা, হন্তে অঙ্গুলি দ্বারা, আকাশে স্বৰ্কীয় জল্পপত্তির নিমিত্ত প" কম্মিছিল সঞ্জ, কিন্তু তাহা একা থাকা ও যন্ত্রে পুত্র রা তিরােহিত হইতে আর | পরকীর উদরপূণে পরিণত হইল)। ৪৮-৫। ঐ রাক্ষস বিল। সে প্রাণিগণের অন্তঃস্থিত আয়ুপথে, ব্যভিচারছি। তপস্যা দ্বারা সূত্ৰগ্ৰেম প্রবেশ ও নিমর লেগ্য জয় লাভ প্রাং পাণ্ডুতি শু নদীতে, হন্তপদি খারূপ করিয়াছিল, ঐ সূচীৰূপে প্রকাশও হার কিরণের কাজ নদীখাতে, সূরােমরেখারূপ অর্ণতৃণে, সৌভাগ্যলক্ষণহীন | পরপূরণ অর্থাৎ পটাদিসীবনেই পর্যবসিত হইয়াছি, মনেমত অঙ্গে, কান্তিহীন স্থানে মক্ষিকাসঙ্কুল দুর্গন্ধবাদূষিত প্রদেশে, | স্বীয় উদরপূর্ণে সমর্থ হয় নাই। ঐ রাক্ষসী কালােসরকারী বিগাদি-বিবর্জিত অপৰিত্ৰ দেশে, মূতনরাদির অস্থিরূপ | তপস্যার ঐরূপ দুষ্পরিণামে অনুতপ্ত হইয়াছিল,ভপি সে, নদী- গ্রন্থিসঙ্কুল স্থানে, বাতা িকম্পিত প্রদেশে, নিৰ্ম্মল আত্মনিষ্ট | প্রবাহের ন্যায়, স্বীয় রাক্ষসীভাবে ও ঐ সূচী ভাবে লােকবেন নীহারবং পরসপরী সাধুগণ কর্তৃক বিবর্জিত ৰে| কাৰ্যেই ব্যাপৃত থাকিল। যেমন মণবলে বের কলদি অপবিত্র বসনধারী অশিষ্ট জনের সঞ্চরণস্থানে, মধুমক্ষিকা, | বিষয়ে সুদীর্ঘ বাসনাপ তন্তু উদত হইয়া অনুরূপ শরীরে কোকিল ও বাসগণের বিহলে, ছিন্নবৃক্ষ, গেটপ্রদেশে, জীবচে সঞ্চারিত করে তাদৃশ ফুল বশতঃ রমণীশরীরাদি- শুদ্ধ বাতাসের শব্দসমষ্ঠিত অলিক শাখাশালী বৃক্ষসমুহের | পরি এই হয় ), তক্রপ ঐ সূচী চতুরতার সহিত বস্ত্রে সুত্র সঞ্চারিত অৱশ্যে, শ্রেণীবদ্ধ নীহারপটলের সরণ স্থানে, লােকসমূহের করিত। সেই সূচী সীবনকার কর্তৃক পটে সঞ্চারিত হইয়া বিদীর্ণ (ক্ষত) অক্ষুলিবিবরে, হিমবিন্দুসংক্রান্ত দেশে, পুরুষ তাহাদের দৃষ্টিপথে পতিত হইলে নিজ মুখ ও গােপন করিয়াই পাদচিহ্নস্থানে, বর্শীকপিণ্ডে, পর্বত, মকমিতে, ব্যাঘাদিতীষণ যেন বিদ্ধ করিত, দুর্জনের মুখ না দেখাইয়ই পরের মর্ম অরণ্যে, যাকাণ স্থলে, ভয়ে পলান পৰিকগণের অধিষ্ঠিত- বেথুন কল্পে। ৫'-৬০। কখন কখন রমণীগণের কণ্ঠলগ্ন বক্সে স্থানে, সিতাতি শুকাৰ পিশাচদি ক ? দষ্ট অঙ্কুশল বিদ্ধ হইয়া ঐ সুচা তাহাদের মুখবিলােকনপুক চিন্তা করি, সারা বেষ্টিত ভূ-জলপ্রয় দেশে, কুল্যাদি এলাশয়ের উভয়- | কিকপে ইহাদিগকে বিদ্ধ করিব ?” দুর্জনগণের মনােবই পবা শত-ৰাণুসমহিত পকিনের বিশ্রামস্থানে এইবার; ঐ সূচী কি উৎকৃষ্ট কৌশশয় বস্ত্রে ও কি কাঠিন্যদি- যুকস গুসকরায় তাদের উদরস্থিত নরক্তে লিপ্তবদন দোষযুক্ত ক্ষৌণ বন্ত্রে, সকল বন্তেই তুরুপের প্রবিষ্ট হইত, লিখুনখ ও লিপ্ত বানরপির দীর্ঘাঙ্গুলিসমতি অপবিত্র মুখ কি কখন বছর গুণাগুণ দেখিয়া থাকে ? সেই সূচী যখন দে চিপ করিয়া বেড়াইতে লাগিল। ৩১--৫৭। নানাবিধ সীবনকারীর অষ্টাঙ্গুলি দ্বারা নিপীড়িত হইয়া বিস্তৃত সূত্র ধারণ বিচিত্ৰ পটাদিশাভিত নগর ও সত্ৰই গতায়ত করিয়া ঐ করিত, তখন বোধ হত যেন উহার উদরের অভ্যন্তরে অবকাশ পক্ষসী সাতিশয় পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িল। বলীব যেন সুষ্ট না পাওয়ায় অস্ত্র সকল উদীণ হইতে। ঐ সূচীর অন্তর ইষ। দৃওিকা ভেদ করে, সেইরূপ রাক্ষসীও নগর ও গ্রামে হৃদয়শূন্য বলি। ভাল মন্দ বিবেচনা ছিল না, এই কারণে সূত্রলয় রধাপ্রক্ষিপ্ত বদি সংগ্রহপূর্বক রাদিন্তপ্ত প্রাণিগণের হইযা সরস ও নীরস সকল পদাথেই প্রবেশ করিত। ঐ দুটা দেহবন দে কবিয়া হাতে প্রবেশ করিল। তখন সুচীবপিণী | নিষ্ঠুরভাষিণী না হইলেও মুখে মুত্র দ্বারা আবদ্ধ, পরসাপিনী সেই বসাকে কেহ কেহ বিন কাৰ্য্যের নিমিও এণ করিলে ঐ| হইলেও স্বয়ং অনুতপ্ত, ছিজৰতী হইলেও উদচ্ছিদ্রবিহীন। ৪াগী ৫ান সীবন বাধ্যে পরিশোন্ত হইত অমনি তাহাদের হায় । সূটীর কি দুর্দশা। যেমন কোন রাজকা ভাগ্যহীনা হয়, হাত হইয় যাইত এবং স্থানাঙরে লীন হইয় আ. এই টাও তদ্রুপ বুদ্ধিদাষে দুর্ভাগ্য, ৬১–৬৫। সেই তী হইত। সেই রাক্ষসী ক্রুরা নত, কিন্তু কৌতুক বশতঃ সীবন- | সূচী নিরপরাধে জনগণের বধসাধন ইচ্ছা কুরিত, এক্ষণে সেই ব্যাপারে আসক্ত হইত বলি সীবনকর্তার হস্ত বিদ্ধ করিত না । পাশে নিজবুদ্ধিদোষে সূত্রে রুদ্ধ হইয়া অকপাশে আবদ্ধ পার সীয় চী, স্বভাব ত্যাগ করিয়া অপত হইলে আয় হইল। যখন ঐ সূচী সীবনকুরীর যখন ঐ সূচী সীবলকুরীর চুডি হইত, উন সৗনকারীর হস্ত বিদ্ধ করতে সমর্থ হইত না। নেকাবদ্ধ করস্পর্শের অযোগ্য মব অধোবী অহাদের গরােমের গুৰু শিলাখণ্ড যেমন নৌকার সহিত ভ্রমণ করে, আযেমন , সহিত মিত্ৰতাৰশই যেন তাহাদের সহিত নিলীন হই -রুন পলিঅ খুদ্ধের সহচরী হয়, সেইকপ ঐ অচী ঐজীব- | করিত অংং কাৰে থাকিত, অনুকপ মিত্র কহিয়না প্রীতি- সুচীর সহিত চতুর্দিকে ভ্রমণ ঋবিতে লাগিল। বায়ুচালিত তুষকণ| কর হয়? ঐ রাক্ষসী মুচিত ব্যক্তির সংসর্গেই থাকিত যেমন ইতস্ততঃ বিকর্ণ হয়, তদ্রুপ সেই সূচী মনঃসমন্বিত-পজ কে পরিতজা করিতে ইচ্ছা এরে? ঐটা হইয়া দিগ্দিগয়ে ভ্রমণ করিতে আত করিল। ঐ রাক্ষসী | যদি কনলৌহচৗৱ সহি লৌহকারের হগড় হইয়া তাহাদের চীভাবাপন্ন হইয়া পরপ্রযুক্ত সূক্ষ্ম সূত্র মুখ দ্বারা গ্রাস করিত লৌহন অগ্নিতে পতিত হইত, তাহা হইলে তখন চার বলিয়াই যেন, পরুজার উদরপূর্তি হইয়াছে ভাবিয়া ঝটিতি সুস্থ- | ঝরে বিচলিত হইয়া আকাশে উঠিয়া তিরােহিত হইয়া যাইত। চিত্ত হইত। ঐ সূৗ পথপ্রযুক্ত উদরপূষণের ইচ্ছায়, | কখন কখন ঐ সূচী জনগণের প্রাণ ও পানবায়ুর প্রতি ভপাত্রে দ্বারা স্বীয় মনকে উল্লাসিত করিয়াছে, এই কারণে | হৃৎপদ্মে বিচরণ করত দুঃখপ্রকা মহাজােয়া, তাহাদের, জীবশক্তি- কেন সে পরমুক্ত সুত্র যখন অনবরত মুল পতিত হইত, | রূপে অবস্থান করিত। ৬-', 'ঐ রুপে কখন বিপরীভাবে খন সে নিশ্চল হইয়া থাকিত। দার্কিডনি ড়িত জনগণকে তাহাদের সমান, উদান ও বাছুর সহিত গমন করুত তাহাদের ।
যােগবাশিমায়ণ = । সর্বাঙ্গে রসসঞ্চার করিয়া ব্যাধি উৎপাজন করিত, কখনও বা একসপ্ততিতম সর্গ। জনগণের শূলরােগাক বায়ুতে প্রবেশ করিয়া তাহাদের হৃদয় ও । ক েবৈব উৎপাদন ও তাহাদের উন্মাদ এন করিত; কখন বশিষ্ঠ কহিলেন-পূর্বে ঐ কৰ্কটা রাক্ষসী বহুকাল ্যাগিয়া কখন কম্বদিসীনকালে মেষপালকের হস্তগত হইয়ামেষের অসংখ্য নরমাংস ভােলপুৰ্বকও তৃপ্তিলাভ করিতে পারে গন্ধযুক্ত লােকোটরে শয়ন করিত; কখন বালকগণের হস্তে নাই, কিন্তু সেই রাক্ষসী সূচীভাবাপন্ন হইয়া গ্রিবিন্দু অবস্থানপূর্বক তাহাতে হস্তাকুলি বিদ্ধ করিত, কখনও লােকের ভােঙ্গনেই ঐ সময় তৃপ্তিলাভ করিত। সূচীর অভ্যন্তরে আর পাদবি হরুধির পান করিত, কখন পুষ্পমালা-গ্রহণসময়ে কতই রবে, তথাপি ঐ সূচীর ক্ষুধা দুরী ছিল। যমান্ত পপগুচ্ছ ভােজন করিয়াই পরিখ হইত এবং কখন রাক্ষসী চিন্তা করিতে লাগিল-হাফ কি কষ্ট। আমি কেন সূচী কর্মমকোবে অবস্থানপূর্বক চিরকালের নিমিত্ত অধমুখী হইয়া হইলাম । আমি এক্ষণে সূক্ষ্ম হইয়াছি, আমার শক্তি নষ্ট শয়ন করিত-ইচ্ছানুরূপ স্থান পাহলে কে তাহা পরিত্যাগ করিয়া হইয়াছে, আমার উদরে আর ক্ষ্যদ্রব্য স্থান পায় না। আমার থাকে ? ৭১-৭৫। ঐ রাক্ষসী স্বার্থ না থাকিলেও ক্রুরতাবশত সেই বিশাল অঙ্গসমূহ কোথায় গেল আমার বুদ্ধিদোষে সেই পরহিংসা দর আত্মাকে দূষিত করিত;কারণ, ক্ষুদ্র ব্যক্তিগণ সমুর বিশাল দেহ, প্রলয়মেষের ন্যায় ও মণিপণবৎ, বিশীর্ণ হইয়া উৎসব অপেক্ষা লােকের সহিত কলহ করাই মুখবােধ করে, গেল। আমি এমনি হতভাগিনী যে, এক্ষণে আর বগন্ধী অর্থাৎ তাহাতেই ঐ রাসুখ ৰােধ করিত। কৃপণ ব্যক্তি এক স্বাম:ংস মামার মধ্যে প্রবেশ উদরে স্থান পায় না। কপর্দকের অর্থভাগ পাইলে যথেষ্ট পাইলাম মনে করে, এই ১৫। আমি কখন কমধ্যে নিমগ্ন হই, কখন প্রণীত কারণেই সে রাক্ষন অঙ্গর-লােতে জীবহত্যা করিত। প্রাণি- পতিত হই, কখন জনসমূহের পাহত হই এবং কখন বা গণের অহীর দুচ্ছেদ্য, এইজন্য তাহার রাক্ষসকুললাচিত শুক্ৰধাতুতে মলিন হইয়া খাকি! হয়। আমি মরিলাম, আমি হিংসাভিমান অনিষ্ট ছিল। সেই বৃক্ষসৗ বিমূঢ়চিত্তে মনে অনাথা হইলাম, আমাকে অবাস দিবার কেহ নাই। আমি মনে বিতর্ক করিত যে, জীবনী ও লৌহী এই দুই প্রকার আস্পদবিহীন হইয়া অতি দুখে পতিত হইযাছি, অতি সঙ্কটে সূচী খারাই সমূদয় প্রাণীর বধ সাধন করিতে পারি, মুঢ়াগের ‘পতিত হইয়াছি। আমার সখী, দা, মাতা, পিতা, বন্ধু, ভূত, স্বার্থবিষয়ে যে মােহের উদয় হয় না, ইহাই আশ্চৰ্য। “আমি ভাতা ও পুত্র কেহই নাই। অধিক কি, আমার দেহ পৰ্য্যন্ত নাই, এই যে বস্তু ভেদ করিতেছি, ইহাতে পরহিংস রত্তি অভ্যাস আমার থাকিবার স্থান নাই, আশ্রয়দাতা কেহ নাই, এক স্থানে করিতে পারি এই প্রকার ধারণ করিয়াই সেই রাক্ষসী মুখিনী আমি অবস্থান করিতে পাই না, বনের শুরুবং নানাস্থানে হইত। যেমন লৌহসূচী মুতিকায় ঘর্ষণ না করিলে মলিন হইয়া ভ্রমণ করিয়া বেড়াইতেছি। আমি বিপদের চরমসীমায় অবস্থান যায়, সেইরূপ সেই রাক্ষসী যখন পরহিংসা করিতে পারিত না, করিতেছি, সুদারুণ বিষয়ে আমি নিবিষ্ট হইয়াছি, আমি ইচ্ছা তখন তাহার বড়ই কষ্টৰোধ হইত। ৭৬৮। দৈবের উৎপাত করি, আমার বৃত্যু হউক , কিন্তু তাহাও হয় না। ৬। আমি চেষ্টার কায় তুরা পরলো তীক্ষ্ম সূক্ষ্ম অদৃশ্যরূপা এ সূচী- মােহবশতঃ কাচবুদ্ধিতে হস্ত হইতে চিন্তামণি ত্যাগ করার রূপিণী রাক্ষসী ক্ষণে ক্ষণে আত্মবিডি লাভ করিত। সে সূত্র বিদ্ধ ক্ষায়, স্বীয় দেহ পরিত্যাগ করিয়াছি। আমার মনই মোহাকুল করিয়াই কে হত করিলাম” এই ভাবিয়া সন্তুষ্ট হইত, হইয়া এই বিপদ উপস্থিত করিয়াছে, পশ্চাৎ ঐ বিপদ নানাবিধ দুর্জন যে কোন প্রকারে হিংসারভি চরিতার্থ করিতে পারিলেই অনর্থরূপে প্রকাশিত হইতেছে ? হায়। আমার দুঃখের অবধি ষ্ট হইয়া থাকে। ঐ রাক্ষসী এইরূপে কন পঙ্কে নিমগ্ন থাকিত, নাই, আমি কখন পূমময় স্থানে অবস্থান করি, কখন পথিমধ্যে কখন আকাশে গমন করিত, কখন আকাশীয় বায়ুর সহিত পতিত হইয়া সিমর্পিত হই, কখন বা তৃণমধ্যে প্রােষিত হই। দিক্টে বিহার করিত এবং কখন পাংশুপটলে, কখন ভূতলে, আমি এক্ষণে পরপ্রেষিত ও সতত পরসঞ্চারিত হইতেছি, আমি কখন অরণ্যে, কন অন্তরে, কথন পৰ্যরে পটাশুণে, কখন অভিশয় কাতরা হইয়াছি, আমি এক্ষণে অত্যন্ত পরাধীন। নগণের হন্তে, ন কর্ণপলে, কখন মেয়ােমের রাশিতে, কখন আমি তুচ্ছ রক্তাবাদনবিষয়ে অভিলাষ করি, তাহাও আমার কাঁঠ ও মৃত্তিকার দিয়ে প্রযুক্ত শয়ন করিত এবং পরবেখন ব্যতীত অন্য কোন মলে (আদালনে পরিণত হয় প্রাণিগণের হৃদয়ে স্থান লাভ করিত। মণিমাদি দ্রব্যের না! হায়! আমি এমনি মন্দগিনী যে, আর দৌর্ভাগ্যের শক্তি মায়বীব যােগী পুরুষ যেমন যথেষ্ট সূত্র বিচরণ করে, সীমা নাই। ১১-১৫। আমি তপন্স করিয়া সৰ্ব্বনাশ করিলাম। ঐ বাসাওউদ্ধৃপকলনেই যথেচ্ছ বিচরণ করিত। বাল্মীকি আমি বেতালশান্তি করিতে গেলাম, কিন্তু তাই না হইয়া কহিলেন, মুনিবর বশিষ্টের এইরূপ কথা কহিতে কহিতে সেই সেই বেলেরই পুনর্বার আবির্ভব হইল। আমি মূঢ়বুদ্ধিতে দিবস শেষ হইল। সূর্যদে সাংকৃত্য অকালে লেখা সেই বিশালদেহ ত্যাগ করিলাম। আমার এইরূপ গমন করলেন। সভাস্থ সকল লােৰু পর অভিবাদনপুর্বক সর্বনাশ হইবে বলিয়া শ দুর্বদ্ধি ঘটিছিল। আমি এত আনালি- ক্রিসমাপনার্থ উঠলেন এবং আবার রাত্রিশেষ হইলে মৃন্ম হইয়াছি যে, পরাণি দ্বারা আবৃত হইয়া কটিদেহের লুকিণের সহিত (সূর্যোদয় সমে) সকলে সভায় গমন অভ্যন্তরে নিমগ্ন হইতেছি। আমাকে কে উর করিবে? কে কলিন। ৮২-৮৫। এনিতে পারিবে। পর্বতােপল্লিবাসীদিগের নিকট যেমন গ্রাম সমিসর্গ সমাধ। ওমার্গের ভূ উপগত হয় না, সেইরূপ গিরিবাসী বিবিকৃতি ইতি দিবস। শ্বশী যােগিগণের দৃষ্টিৰে কি মা হতভাগ্য পতিত হইবে বে, হারা আমাকে উদ্ধার করিকেন? আমি মােসজে পতিত E 3 উৎপতি-প্রকরণ আছি, আমার কিরূপে মঙ্গল হইবে ? অন্ধ কি কখনও খদ্যোভেন্ন মনিকার গজাগ্র সংম্প আমি”চালিত হই, এত ক্ষুদ্র হইয়াছি। অনুসরণে আলােক পায় ? ১৬-২০। অতএব আমাকে যে হে স্কুল বৃক্ষমূলত গহবরের বিশাল ফোলিচ্চিত্রে কতদিন এইরুপ বিপন্ন ও মােহ হইয়া বিপদূরূপ-গর্তে লুষ্ঠিত মুভিমান বিন্ধ্যাচল অপেক্ষা বিপুল নির্মল নিমণ্ডল। হইতে হইবে তাহা জানিনা। আবার কবে আমি অঞ্জন- তুমি এক্ষণে কোথায়? আর সেই গগনপুরক মহান আকার মহাশেলের ময়লপিৰ অর্থাৎ তাহার ন্যায় কৃষ্ণবর্ণ বিশাল- কোথায় এবং এ নৃ সূচীদেহই বা কোথায় আমার সেই দেহধারিণী হইয়া স্বর্গ ও পৃথিবীর অন্তরূপে অবস্থান করত দ্যাপৃথিবীর অন্তরালসম মুখগহবকোথায় আর এই সূচীমুখই প্রাণি হারে প্রবৃত্ত হই। আবার কবে আমি মেলায় বা কোথাকা আমার সেই বহল মাংসভায়গ্রাস কোথায় এবং স্নায় দীর্ঘবাহুযুগলশালিনী, বিদ্যুতের ন্যায় নয়নয়শােভিনী, এক্ষণে সূচীমুখ দ্বারা জলবিন্দুপান বা কোথায় কি আশ্চর্য্য। নীহারজালসম বসনে আবৃত, গনতলস্পণী কেশকলাপে ভূষিতা, আমি এত সূক্ষ্ম হইয়াছি! হায়! হায় আমি নিজেই এই লম্বনেন্তনী শ্যামা ও শরীরসঞ্চালন-সমীরণে লােকায়িতপয়ারা আত্মথ-নাটকের অভিনয় করিলাম।” ৩৬৪২। হইয়া মেঘদর্শনে নৃত্যপরায়ণ শিখণ্ডিনীর ন্যায়, শােভমান হইব। একসপ্ততিতম সর্গ সপ্ত। ৭৯ ভষদাত হাসচ্ছটায় কবে আমি মণ্ডল আচ্ছন্ন কৰিব। কবেই বা কুতান্তের চায় সমুদয় জীবের গ্রামে ব্যাপৃত। হই। ১৫। আমি আবার কবে কণার ন্যায় এজ- লিপ্ততিতম পর্গ । লিত ও উদ্খলের স্থায় অহর্নিমগ্ন নেয়ে সুশােভমানা হইয়া বিশ্বের ন্যায় মাল্যভার ধারণ করত এ পর্বত হতে অন্য বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই সূচী এইরূপ ক্ষেপের পর ক্ষণকাল পর্বতের শৃঙ্গে পাদবিক্ষেপপূর্বক বিহার করিয়া বেড়াইৰ। মৌনবলন করিয়া ভবিল, “আমি পুনর্বার দোভের নিমিত কবে আমি সুবিশাল গতের ন্যায় মনােহর সেই মহা উদর লাভ তপক্ষা করিব।” এই চিন্তা করত সেই রাক্ষসী জীবহিংসা হইতে করিব, কবেই বা শারদীয় মেঘবৎ নিৰ্ম্মল নখরপঙিক্ত লাভ বিরত হইয়া সেই হিমালয়শিখরে গমনপূর্বক তপস্যা করিতে করিব। কবে আমার মহারাক্ষসের হৃদয়বিদারণকারী হয় লাগিল। ঐ রাক্ষসী প্রথমে আত্মতে মনঃকজিত সূচীত্বই এক- হইবে। কবে আমি স্বকীয় কটিদেশ বানপূর্বক অরণ্যমধ্যে লােকন করিল, পরে প্রাণবায়ুমন্ত্রী হইয়া ঐ সূচীভাবে প্রাণ ও আনন্দে নৃত্য করিয়া বেড়াইব। কবে আমি কলসী কলসী মনের সংযােগ করি তখন আত্মতে মনােময় সূচীত্ব অনুভব বসা, মদ্য, মৃতপ্রাণীর মাংসও অস্থিসমূহ অনবরত ভেজন রিল এবং ঐ প্রাণবায়ুক্ত শরীরে হিলয়-শিখগেমন করিল। করি বিশাল উদরের পুর্তি করিব। কবে আমি সদর্পে বৃহৎ অের্থাৎ অক্ষ্মা নিষ্ক্রিয় সূচীও ইক্রিয়হীন, অতএব উহা দ্বারা প্রাণীর জধির পান করিয়া উন্মও ও আনন্দিত হইয়া পরে নিদ্রাবিষ্ট ক্রিয়া অসম্ভব, সুতরাং রাক্ষসীর ঐ ভাবে হিমালয়শিখরে গমন হইব। ২৮-৩০। আমি স্বীয় বুদ্ধিদোষেই কুতপস্যানলে, অসহব, এই কারণে এমণে কল্পনাৰলে সে স্বীয় সুচীদেহে জীব- অনলে সুবর্ণীকরণের ব্যায়, স্বকীয় বিশাল উজ্জ্বল দেহ ভস্ম দেহ নিবেশপূৰণ মন বিনা করিয়া সিক্তি লাভ করিল করিয়া এই সূচীভাৰ গ্ৰহণ করিয়াছি। আমার সেই অঞ্জন- ও হিমালয়শিখরে গমন করিল।), মহান্ ইনীলমণির স্নায় শৈলসদৃশ দিগুলব্যাপী বিশাল দেহ কোথায়। আর দীর্ঘচরণ দৃশমালা ঐ রাঙ্কফু সেই হিমালয়-শৃঙ্গেরু কুহুৰিৰক্ষিত সূর (মাকড়সার) খুরমাণ তৃণবং কোমল এই সূচীভাব বা দাবানলদগ্ধ ভক ধূলিধূসরিত তৃণহীন বিস্তৃত স্থানে অবস্থান কোথায় ? (হয়। বিধিবিপৰ্যয়) যেমন অজ্ঞ ব্যক্তি মৃত্তিকাবােধে করিতে লাগিল, ঐ স্থান দেখিলে বােধ হয় যেন মরুভূমিতে সহ কনককেয়ুর পরিত্যাগ করে, তদ্রুপ অমি সূচী লাভ করিয়া তৃণাঙ্কুর উৎপন্ন হইয়া শুরু হইয়া রহিয়াছে।১৬। ঐ রাক্ষী সেই উজ্জ্বল দেহ পরিত্যাগ করিলাম। হে চিলের সূচীময়ী হইলেও কল্পনাবলে মনুষ্য-তপস্বীর ন্যায় দ্বিপদ ভাবনা নীহারাচ্ছন্ন গুহাসন্নিভ মহােদর। হায় । এক্ষণে ভুমি সিংহ, করিয়া এক চরণে তপস্যা করিতে লাগিল। সেসূক্ষ্ম পাদাগ দ্বারা মৃগ ও হস্তিগণের বিনাশ করিতেছ না কেন। হায়! হয়। ভূরে বিদ্ধ করত যত্নপূর্বক অগ্র, পা ও পশ্চাদভাগে প্রস্ত তােমার ভরে অট্রিশিখর ভগ্ন হইত, এক্ষণে তােমর চন্দ্রাকার নােধপুৰ্ব্বক উমুখে অবস্থান করিতে গিণ। (যদিও নখর দ্বারা চক্রকে পুরােভাশ (পিষ্টক) ভ্রমে বিদীর্ণ করি- দ্দিকের দৃষ্টিবােধ করিয়া ঐরূপধূলির উপরে’পালাগ্রে থাকা যায় না ছে না কেন? ৩১-৩৫। হে বৈদূৰ্য্যমণিময় গিরীটসদৃশ তথাপি) ঐ রাক্ষসী কৃষ্ণবর্ণল, হিংসাবৃত্তি নিবন্ধন ভী বায়ু- সুন্দর মদীয় বক্ষস্থল। তুমি এক্ষণে পূর্বের ন্যায় বুরূপ ভােজনের অভ্যাসে হৈ সম্পাদন করিয়াছিল, সেই হৈ সিহাদি পরিবৃত নােমন ধারণ কৰিচ্ছে না কেন? হে এনে ঐরূপ ভাবেনি করত উদৃষ্টি হইয়া থাকিতে সমর্থ কৃষ্ণপক্ষীয় রজনীর অন্ধকাররূপ শুষ্ক কাঠের উদ্দীপক মণীয় হইল। একশে উমুখে অবস্থিত ঐ সূচীরূপা রাজশী ঠিক লােনযুগল। তােমরা এক্ষণে দৃষ্টি আলাসমূহ দ্বারা দিক্- বনমথ্যে খাতুর জনগণের দূর হইতে দর্শনসে উনি মণ্ডলকে বিভূষিত করি না কেন ? হা বন্ধে স্ক। তুমি ভূলির অগ্রভাগে পুচ্ছগ্র দ্বারা স্থিও বায়ুজনিত স্পন্দ কি আমাকর্তৃক মহীতলেরিক্ত হইয়া ফাল কর্তৃক নিতে লোকার লোকের ন্যায় ৮ হইয়াছিল। • • তাহার ও শিলাভনে গঠিত হওয়ায় বিনষ্ট হইলে ? হে এলয়ন মুখবিবর হইতে নির্গত ইয়া ভাষণীধিতি (হুটীতে প্রতিৰিৰিত এবং মনােহর গামবর্ণ মণীয় মুখ। তােমার রশ্মি আজ সূর্যকিরণ) হুচীয়ায় হওয়ায় বােহইল যে, উকা লীয় কোণীয় গেল। বিপুলাকার হয়। তােমরা অন্য কোথায় সহচরী হইয়া তাহার পক্ষয়িত লাগিল। আত্মীয় খনন করিলে আমি অন্য অতিন্দু মহাচী হইয়াছি; ব্যক্তি ক্ষুদ্র হইলেও হয় প্রতি লােকের দেহ থাকে; যেহেতু * । বা অবিকশিত নুহের পরাগ দেবতাকে না দিয়া ভাব দেয় যােশবাশিষ্ঠরামায়ণ সুটকিরণসংমিশ্র ভারপতিউহার সখী হইয়াছিল। চীভূত। ত্রিসপ্ততিত সর্গ সেই রাক্ষসীর পীয় ছাপনা অপসীর স্যায় হইয়াছিল। সেই সূচী আপনার ব্যায় মলিন। ঐ ছায়াকে যেন পৃষ্ঠর লকা বশিষ্ঠ কহিলেন,-সব কটার ঐ সমুদয় অপেকান্ত শ্রবণ- কৰিয়ছিল। ঐ সূচীমুখবিনির্গত সূৰ্যণীধিতি ছায়সুচীতে পূর্বক কৌতুহলক্রান্ত হইয়া পুনর্বার নারদকে জিজ্ঞাসা করি- গ্রথিত হই।তাহার নেস্বরূপ হইল, ঐ সম সূৰ্য্যদীধিতি লেন-হে মুনিবর। শিশিরে জড়তাণন্না মৰুটার ন্যায় ভাবা ছায়াটী ও সূচী ই বা সীভাবে একত্র হইলে বােধ হইল যেন সেই কট অপােবলে সূচীত্ব ও পিশাচের ন্যায় অদৃশ্যক্ষভাৰ পরস্পর সূচীর স্থ্যৈ-সাহায্যরূপ সাধু ব্যবহার করিতে লাগিল। উপার্জন করি। কি কি প্রকার ঐশ্বৰ্য্য ভােগ করি। ঐটার তপস্যা দেখিয়া সম্মুখস্থ বলতাদিরও সদ্ধি হইল , আমাকে বন। নারদ কহিলেন—হে শত্রু। সে কৰ্কটার জীব- ঐ মহাতপগিনী সুকে দেখিয়া কাহার না উৎকণ্ঠা হইল। চী পিশাচৰং অদৃশ্যভাব। হইলে কৃষ্ণৰণ। লৌহময়ী শুটা তাহার ১১-১৫। মলতাদিগণ তপন্স বিষয়ে স্বীয় মনারক্তির ন্যায় আশ্রয় ও মল হইল। তদবিই সে আওয়শ্বরূপলৗহ- উদগতা স্থিরবদ্ধপদা ঐ স্থাকে মুখনিৰ্গত ভাষার রবে যেন সূচী পরিত্যাগ করিয়া আকাশগামী বায়ুৰূপ রথে অবস্থান করত বাসুভক্ষণ করাল। আরও বোধ হইল সেন, লতাগণ বিকসিত প্রাণিবর্গের দেহমধ্যে প্রাণবায়ুপথ দ্বারা প্রবেশ করিত। সেই বিবেচনায় ঐ সূচীর মূখে প্রদান বন্নত উহার মুখ পরিপূর্ণ দ্বারা দেংমধ্যে প্রবেশ কবত পক্ষীর স্টায় গুপ্তভাবে অবস্থান করিল। অপােবনসে বাস-প্রেরি আমিষজ বাঁচালিত কুরিত। ১। জীবগণের যে নাভীতে রােগাশ্রয় বাহবায়ু প্রব- হইয়া ঐ সচীর ছিদ্রখে প্রবেশ করিল ও ঐ চীতা রাক্ষণী হিত হও, সেই বায়ুভরে সেই নাড়াতে। শিরাতে প্রবেশ কত তাহা গলাধণ করিল না, কারণ, তাহাতাহার অপবিত্র বলিয়া অবস্থান বতি এবং কৈলাসপত বটবৃক্ষে যেমন শিমুল দৃঢ় থারণ হইল। ক্ষুদ্র ব্যক্তিও অন্তরে সারভাগ উপস্থিত প্রােথিত থাকে, সেইরূপ ভংশিরায় শূলরােগ জন্মাইয়া দিত। হইলে ককশে অসাবধান হয় না। রাক্ষসী মুখমধ্যগত ঐ সমুদয় প্রাণিগণের শরীরে ইন্দ্রিয়পথ দ্বারা প্রবেশপূর্বক পুষ্পপরাগ ভক্ষণ করিল না দেখিয়া ই-প্রেরিত পবন মেরু উন্মা উদরমব্যহিত অহাযজাত ও পরিষ তাহাদের মাংস পৰ্যন্ত লিঙ হইলে যেরূপ বিস্মিত হইতে হন, তদপেক্ষা অধিক বিকৃত ভোজন করিয়া ফেলিত। প্রিয়তরে বক্ষস্থলে শয়ানা, অহাদের হইলেন। ১৮-২০। ঐ টী তপবিনীখন মক পন্থ পক্ষে বক্ষস্থলের মনে বিদিতপত্র-রচনা ও ব পুষ্পমাল্যে বিভূষিত। আচ্ছন্ন, কখন জলপূর্ণ,কখন বাতথুিনিতা কখা বললে বুবতিগণেব সাই৩ কন কন শর্থন করত সে তাহাদের কখন শিলাপাতে বিদীর্ণ-নেহা এবং বিদ্যুৎ ও মেঘগর্জনে সুহ্ম। প্রাণসংহার করি। এখন কল্পলের পুষ্প অপেক্ষা দ্বিগুণ হইলেও বর্ধসহস্র ব্যাপিয় দৃঢ় নিয়ে চবণাগ্ৰ পৰ্যন্ত ভলীন সৌরভশালী পদ্মপুখেতে ভূষিত সুখকর অরণ্যপথে হইয়া তপস্যা করত নিশ্চল ভাবে অবস্থান করিল। ঐ সুটী বহীব শরীরে প্রবেশ নিবিহার করিয়া বেড়াইত। কখন বহিঃস্পন্দ হইতেনিও হইয়া বহুল পরিল। অনন্তব দেব অংঘেরু প্রভূমি অশ্যভা•ে এমীদেহে প্রবেশ সত্য অবিচার করিতে করিতে ৩হার আত্মাতে নময় করিয়! এমরের সহিত করুত মুভি কারম্পের মরণ আত্মা ৰিত (ইলেন। তখন সেই চেী পরীবরদর্শিনী ও মধুশন করিত। ৬-১০। কখন বৃদ্ধ শকুনিশরীরে প্রবেশ নিল হইল, তাহার সুভাৰ অপগত হইয়া যাওয়ায় করিয়া শবদেহ চকণ করিত। কখন যুদ্ধক্ষেত্রে নিশিত খধারায় পরম পবিত্র হইয়া উঠিল। ২১২৫। তখন ঐ রাক্ষসী নিলীন হইয়া বীরদেহ কল করিত। যেমন বাংলেখা সকল তপােবলে বুদ্ধি দ্বারাই বেদাপদার্থের জ্ঞানলাভ করিল। তপস্যা দিকেই মুগপপ্রবাহিত হয়, সেইরূপ ঐ সূচী সমুদয়ু প্রাণীর অঙ্গ যারা তহির পাপক্ষয় হওয়ায় সে সূচীদেহেই সুখানুভব করিতে ও নাড়াতে খুগপৎ প্রবিষ্ট ও নিড হইত এবং কাচসমূহের ন্যায় লাগিল। সেই সূচী উখী হইয়া এইরূপে সহস্র সহস্র পচ্ছ নভোযাগে উড়িয়া বেড়াইত। বিড়াঝা অs ব্রহ্মার বৎসর পঙ্গ করিল । তাহার তপস্যায় চতুর্দশ স্টুন ও ২দয়ে সমুদয় প্রণবায়ুসমষ্টির স্প ফুরিত হয় এবং সমুদ ভুরাদি লোক সন্তপ্ত হইয়া উঠিল। প্রলমানলের ন্যায় ভীষণ প্রাণীর শরীরে যেমন চিৎশক্তি কুরিত হয়, সেরূপ প্রত্যেক তদীয় তপস্যায় সেই মহগিরি প্রজ্জলিত হইল, তাহাতে বােধ দেহরূপ গৃহে ঐ সূচী স্কুরিত হইত। চিৎশক্তির প্রভায় হইযেন, জগৎ প্রজ্বলিত হইয়াছে। অনন্তর সুররাজ নারদকে প্রকাশিত হইয়া, স্বগৃহে দীপপ্রভায় আলোকপ্রাপ্ত গৃহাধি- জিজ্ঞাসা করিলেন, “কাহার উপায় এই জগৎ আক্রান্ত হইল ? কারীর ন্যায় স্বচ্ছন্দে সর্বত্র বিচরণ করিত। ঐ রাক্ষসী জলে নারদ সেই সূচীতপস্যা ব্যক্ত বরিলেন। কহিলেন, “সূচীভূত প্রশক্তির শামু, জীবরুধিরে প্রবেশ করিয়া সমধ্যে আর্তের কর্কটা রাক্ষসী সপ্তসহস্র বৎসর দীর্ঘ অপা করিয়া বিজ্ঞান- গায় প্রাণিজঠরে বঞ্জিত হত। ১১-১৫ ফণিরাজদেহে দেহা হইয়াছে তাহাতেই এই জগৎ প্রজ্বলিত হইয়াছে, বিষ্ণুর মা ও মেদের উপরি ঐ রাক্ষী শয়ন কল্পিত নাগগশ দীর্ঘনিশ্বাস ত্যাগ করেছে, পর্বতসমূহ বিকশিত এবং পানলে প্রাণদিগের দেহগন্ধ অস্ত্রে স্যায় আস্বাদন হইতেছে, বিমানচারিগণ ভূতলে পতিত হইতেছে, সমুদ্র ও মেষ কুরিত। সে প্রাণীর বলারােগ্যবিব শুরু, গুন্ম ও ওষধি সহ ওক হইয়া যাইতেছে এবং দেব ও দিমণ্ডল মলিন প্রভৃতির অনুকু রস ও নির্যাসাদি বাকপিণী হইয়া উল কন্বিত হইতেছে। হে অরে। ঐ সমুদয় ভৗব্যাপারে কারণ এব, লোকহিংসা-মানসে অবশিষ্ট তদায় সাদি ব্যাধিরূপে এডের সরল হাস” ২৬১। পরিণত করিত। এক্ষণে সেই রাক্ষসী- আমি জীবী সিজি লগ শাখ। সূচী ইব” এই হিরসঙ্গে পর্কিনী ই পরম উৎপত্তি-এ।। পাপরহিত চৈতন্যময়ী হইয়াছে। এই জীচীই পুর্বে অদৃশ্য- আচৈতঃ এক কন) সেইরূপ ঐ গৃ সেই পৰ্বতের মধ্যে ভাবে বায়ুৰূপ-তুরঙ্গে রূঢ়া হইয়া লৌসূচীর সাহায্যে বায়ুবেগে নির্জ ছাৱশ্যে সেই সূচীকে নিক্ষেপ করিল। অনন্তর সেই চতুর্দিকে অবাধে গতায়াত করিত, এবং অসংখ্য প্রাণিদেহে সূচৗ সেই গিরিতে একচরণের একভাগ দ্বারা নিশ্চলভাবে অবস্থান প্রবেশ করিয়া স্বচ্ছভাবে পান, জোন, দান, আহরণ, নৃত্য, করিতে লাগিল, বােধ হইল যে, সেই ঘূত্র অভিশিখরে এক গীত, বিলাস, শয়ন ও উপবেশনাদি ক্রিয়া সম্পাদন করিত। দেবতাপ্রতিমা প্রতিষ্ঠিত করিল। সেই সূচী গিরিশিখরে ঐরূপে ১৬-২০। আকাশরূপিণী ঐশী মন ও বায়ুন্দেহে যখন ছিল, ধূলিকাস্থিত পরমাণুর অগ্রে সূক্ষ্মতম চরণামাত্র গন্ত করিয়া তখন অদৃশ্যভাবে করে নাই, এমন কাৰ্য্য নাই। ঐ সূচী সমুদয় ময়ূহের স্যায় উদগ্রীব হইয়া অবস্থিতি করিতে লাগিল। প্রাণীর সংহারে সমর্থ হইলেও কেক কতিপয় প্রাণীর রক্তাস্বাদে ৩৬-৪০। গৃস্থাপিত ঐ সূচৗ উখে অবস্থান করিল, জীবী মত্ত হইয়া মদমত্ত কৰিণীর ন্যায় কতিপয় প্রাণীর আন্তঃকাল- বিহুগরীর বইতে বহির হইতে আরম্ভ করিল। অনন্তর বায়ু রূপ অন (বন্ধন) ভগ্ন করিত। প্রাণিদেহবিক্ষোভকারণ ঐ হইতে সৌরভকণা যেমন ঘ্রাণবয়ুর অভিমুখে গমন করে, তদ্রুপ সূচী বল তরঙ্গাকুল প্রাণিদেহ-রূপ প্রত্যক্ষ নদীতে উন্মত্ত হইয়া জীবসূচী খগদেহ হইতে নির্গত হইয়া লৌহসূচীকে আশ্রয় করিলে মকরের স্থায় সবেগে ভ্রমণ করি। ঐ সূচী প্রভূত মেদ মাংস লৌহসূচী তখন চেতনাবতী হইল । ভল্লবাহী যেমন স্বকীয় ভোজন করিতে সমর্থ ইত না বলিয়া, কখন কখন ভোজন- মস্তকেরাম নামাইলে সুস্থতা বোধ করে, তদ্রুপ গৃপ্ত ঐ সূচী লোলুণ অথচ ভোজরাম, ধনাঢ্য বৃদ্ধ ও আতুরের ন্যায় রােদ ত্যাগ করিয়া নির্ধাৰি-পুরুষের ন্যায় অশুরে স্বাস্থ্য লাভ করত করিত। বঙ্গস্থলে নর্তকীর ননকালে তদীয় বলয়াদি ভূষণও স্বীয় আবাসে গমন করিল। অকপ পদার্থেরই পরস্পর যেজনৰ্তিত হয়, সেইরূপ ঐ রাক্ষসী, যখন, ছাগ, উ, হস্তী, যােগ হইলে শােভা হইয়া থাকে, এই কারণেই সেই জীব- অগ, সিংহ ও ব্যাগ্রাদির শরীরে প্রবেশ করত আনপেত্য করিত লৌহসূচীকেই তপস্যার সুদৃঢ় আধার কল্পনা করিয়াছে। যাহার তখন ঐ ছাগাদি জন্তুগণও নতি হইত। ২১-২৫। ঐ বােগরূপা মুত্তি নাই, তাহার আধার ব্যতীত ক্রিয়াসিদ্ধি হয় না। এই সূচা গন্ধকণার ন্যায়, বহিতে মিশ্রিত হইয়া বধুর সহিত কারণে ঐ জীবসূচী আরস্থিত হইয়া তপস্যায় প্রবৃত্ত হইয়াছে। জনগণের অন্তরে প্রবেশ করিত। কোন কোন দেহে প্রবিষ্ট ৪১-৪৫। সিশাচী যেমন শিপপার ব্যাপিয়া থাকে এবং হইয়া মন্ত্র, ওমণি, তপস্য, দান ও দেবানাদি আর ভাড়িত হইলে প্রবল সমীরণ যেমন গন্ধক ব্যাপিরা থাকে, সেইরূপ জীবনী তভদ্দেহে অবস্থান করিতে না পারায় গিরিনদীর ভুরুতরঙ্গমালার লৌহসূচী ব্যাপিয়া রহিয়াছে। হে শত্রু। সেই অবধি এই সূচী স্যায় বেগে বহির্দেশে ধাবিত হইত। তাহার পর আ হইতে সেই মহারণ্যমধ্যে বহুবর্ষ ব্যাপিয়া ঘাের তপস্যা করিতেছে। হে নির্গত হইয়া দীপপ্রভার ন্যায় অন্যভাবে লৌহচাতে বিণীন কর্তব্য-কোবিদ হরপতে' আপনি এক্ষণে সেই সূচীকে বর-প্রদা- হইত এবং অনন-সন্নিধানে অবস্থিত সন্তান যাদৃশ সুখানুভব নর্থ যত্নবান হউন, কারণ তদীয় উগ্র পা এক্ষণে আপনার চির- করে, সেইরূপ সেই রাক্ষসী লোহচীতে অবস্থান করুত মুখ-বোধ সঞ্চিত লােকসমূহ দক্ষ করিতে সমর্থ হইয়াছে। বশিষ্ঠ কহিলেন, করিত। সকলেই শ প রুশনানুরূপ আশ্রয় লাভ করিয়া থাকে, ররাজ মহর্ষি নারদের এইবাক্য শ্রবণ করিয়া শচীকে দেখিবার রাক্ষসীও সুচাৰ আশ্ৰয় বাসনা করায় তাহাই লাভ করিয়াছিল। নিমিত্ত বায়ুকে দশদিকে প্রেরণ করিলেন। অনন্তর মারুত যেমন ডব্যক্তি সকল-দিক্ এণ করিয়া পরিশেষে বিপন্ন হইয়া দিব্যদৃষ্টি দ্বারা তাহাকে ( সূচৗকে) দেখিবার নিমিও গমন পড়িলে স্বকীয় আশয়হলে উপস্থিত হয়, সেইরূপ ঐ রাক্ষসীর করিতে লাগিলেন। পরে গগন-মার্গ অতিক্রম করিয়া রা-সহকারে জীবচা কোন স্থানে প্রতিহত হইতে লৌহ চীনে আসিয়া লীন মণ্ডলে বিচরণ করিতে লাগিলেন। ৪৬-৫০। পরম-ব্ৰহ্মখ্যোতিঃ হইত। ২৬–৩০। সেই রাক্ষসী এইরূপ সেচ্ছামত দশ-দিকে যেমন অবাধে সৰ্বগত হইয়া সমুদয় পদার্থকে স্বগােচর করে, সেই বিহার করিয়া কেবল মনসী তৃপ্তি লাভ করিত, কদাচ শারীরিক রূপ সেই মারুতের সংবিং (দিব্যদৃষ্টিরূপ জ্ঞান) একাংশের ধরা তৃপ্তি লাভ করতে সমর্থ হইত না (কারণ তাহার শরীর ছিল ঝটিতি সৰ্ব্বস্থলব্যাপী হইয়া নিবে সমুদয় প্রত্যক্ষ্য বরিল। ন)। গুণের আশ্রয় থাকিলেই গুণ থাকে নতুবা কিরূপে থাকিৰে? মারুত দেখিলেন, পৃথিবীর সপ্তসমুদ্রের পরে লােকালােক পরুপ শরীজ সৃপ্তি শরীরের গুণ, শরীর না থাকিলে তাহা কিরূপে মেশায় মণ্ডিত, জলশূন্য বিপুল কাঞ্চনভূমি, তাহার পরে সমুদ্র- হইবে ? অনন্তর একদিন প্রাক্তন-দেহ-জনিত তৃপ্তি স্মরণ করিয়া বলয়ে বেষ্টিত স্বাদুসলিলা মণিময় ভূমি ও দিঘণ্ডল ও অন্তরাল সেই রাক্ষসী দুঃখিত হইয়া সেই প্রাক্তন বিশাল-জঠরের সুখ ইচ্ছা যুক্ত পুস্কর-খীপমণ্ডল, হার মধ্যে পরিমণ্ডল, তাহার পর মদির- করিল। অনন্তর রাক্ষসী “প্রাক্তন-দেহের নিমিত্ত কঠোর তপস্যা সমুদ্রে বেষ্টিত জলচর-প্রাণিসঙুল নানাপদাৰ্থপূর্ণ গােযেদীপ। করিব” এই চিন্তা করিয়া তপস্যার স্থান নির্ণয় করিল। তাহার তাহার পরে ইসমুদ্রে পরিবৃত বিশৃঙ্খলভাবে পৰ্বতসমাকীর্ণ পর কুলষি-বাসিৰী বিহুগী যেমন কুলায়ের বিষয়ে প্রবেশ করে, ফখীপভূভাগ। ৫১--৫৫। তাহার পরে চতুপার্ধে মুক্তা- সেইরূপ প্রাণবায়ুর পথ দ্বারা আকাশগামী কোন ভরুণবয়স্ক গুদ্রের বলয়াকারে কারসমূদ্র দ্বাঝা বেষ্টিত মধ্যে নায়কশােভিত (নায়ক- হৃদয়ে প্রবেশ করিল। ৩১-৩৫। অন্য ঐ সূচীরুরা আবিষ্ট অধিপতি, মুক্তাবলয় পক্ষে মধ্যমণি। প্রাণিগণের বিভাগ-সমন্বিত গৃপ্ত ঐ সূচকর্তৃক চলি হইয়া, ঐ সূচীরই অভিলষিত কৰ্ম্ম খেতীপমণ্ডল। তাহার পরে ঘৃতসমুদ্রে বেষ্টি, মধ্যে নানাবিধ করিতে প্রবৃত্ত হইল। ঐ ঘূত্র সুচীকে অন্তরে লইয়া বায়ুচালিত নগর ও মন্দিরে সুশােভিত কুশদ্বীপ, উহার স্থানে স্থানে মহা- মেখে গায় অন্তর ঐ সূচী দ্বারা চালিত হইয়া সূচীর অভিপ্রেত শৈল বিমান। তৎপরে দধিসমূহে বেষ্টিত, মধ্যে অসমূহ-কর্তৃক গিনি গান করিল। যেমন যােগী-পুরুষ সর্বসাৱহিত পর অধিষ্ঠিত শাকপলা, আহাৱৰ বণ-সমুদ্রে বেষ্টিত অস্থে স্বীয় চৈনি (২ গলে সহিত স্বীয় অনুপ, লেপৰতৰোত মহাসু মরু পর্বত, ভয়ে বই - ܟ ১ যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ } লােকালয় বিদ্যমান। সেই অনলসংবিৎ গুণ হইতে নির্গত প্রণাম করিয়া জয় ভয়ে তাহার সম্মুখে উপস্থিত হইলেন। ঐ হইয়া যুগপং ঐ সঙ্গে প্রত্যক্ষ করিল। বায়ু ঐরূপে যে সেই পরুন অলীয় তে যারা নির্মিত হইয়া হতবুদিহইয়া গেলে, এই ভূভাগে (অধীপে অবতীর্ণ হইলেন। ৫৬–০। অনন্তর - মহাপলিনী সূচী কি নিমিত্ত তপন্স করিতেছ, উহা জিজ্ঞাসা দ্বীপ অবলােক কয় যেস্থানে সূচী তপ করিতেছে, সেই করিতে পারিলেন না। কেবল “উঃ। ভগবতী মহাশূচীর কি হিমাদ্রিশিখরে গান করিলেন। তৎপরে বায়ু হিমালয়ের বিশাল অপূর্ব তপা।” এইরূপ চিন্তা করিতে কৱিতে গগনতলে উখিত শৃঙ্গের উপরিভাগে দ্বিতীয় আকাশের ফায় বিস্তৃত প্রাণীদিগের হইলেন। তাহার পর পবন ক্রমে মেঘপথ, বায়ুপথ অতিক্রম ক্রিয়া-বিবহিবিশাল অরণ্যস্থলী প্রাপ্ত হইলেন। সেই অরণ্য- করিয়া সিদ্ধ লােকে গমন করিলেন, সিদ্ধলােক হইতে সূৰ্যপ জুলী সুর্যের নিকটবন্তী বলিয়া আর দাদি উৎপন্ন হয় না, অতিক্রম করিয়া বিমানপথের উর্ধে উঠিয়া ইবনে উপস্থিত ঐ অরণমূলী কেবল বস্তার সংসাররার ব্যয় রজোময়ী হইলেন। পুরন্দর চীনে পবিত্র ঐ পবনদেবকে দর্শন করিয়াই (ধূলিময়ী) সৎসারপক্ষে জোগুণের বিকার স্বরূপ) ॥ঐ বনস্থলীতে আলিঙ্গনপূর্বক জিজ্ঞসা করিলেন। অনন্তর বায়ু সুরগণ বেষ্টিত মরীচিকা নদীর ন্যায় সমুদ্র পর্যন্ত ধাবিত হইতেছে। তথায় দেবরাজের সম্মুখে উপবেশন করিয়া বলিতে লাগিলেন,দেবরাজ। ইনুর ন্যায় শতশত মরীচিকানলী বিদ্যমান। লােকপালগণও আমি সমুদয় দেখিয়া আসিলাম, শ্রবণ করুন। জম্বুদ্বীপে হিমালয় উজার মধ্যবর্তী অনন্ত স্থানসমূহ দেখিয়া তাহার ইয়ত্তা করিয়া নামে অতি উচ্চ এক মহাগিরি আছে, গবান শশি-শেখর সেই উঠতে পারেন না। দুইপার্শে প্রবলৰাতবেগে কুণ্ডলাকারে মহাগিরির সাক্ষাৎ জামাতাহার উত্তরানিকুস্থিত মুহাঙ্গের ধূলিপটল উখিত হইতেছে। ঐ বনস্থলী সূর্যকিরণরূপ ফুমে পৃষ্ঠে, পরম রূপবতী তপস্বিনী সূচী কঠোর তপশ্চর্যা করিতেছেন। লিপ্ত, চকিরণরূপ চন্দনে চৰ্চিত সতত বায়ুবেগে শজিত হওয়ায় তাঁহার তপস্যা বিষয়ে অধিক আর কি বলিব, তিনি বায়ুভ ও বােথ হয় যেন ঐ বনস্থলী, কান্তালিঙ্গন অন্য মুৎকারধ্বনিকারিণী ত্যাগ করিবার জন্য স্বকীয় উদাবিবর পিণ্ডাকার করিয়া লৌহের- গগনরূপ নায়কের নায়িকা। ঐ বিশাল গিরিস্থলী যেন ভ্রমরনীল গায় ঘন করিয়াছেন। বায়ুভক্ষণও যাহাতে নিবারিত হয়, এই (ভ্রমরের ন্যায় নীলবর্ণ) গগনের অঙ্গে সংলগ রহিয়াছে (চতুর্দি অভিপ্রায়েই বােধ হয়, ঐ সূচী অতি সূক্ষ্ম-ছিদ্র-বিশিষ্ট মুখকুর শূন্য বলিয়া ঐরূপ বােধ হইতেছে)। অনন্তর দিঙমণ্ডলব্যাপী বিকসিত করিয়া তাহাতে অনুপ্রমাণ ধূলি-নিক্ষেপপূর্বক দ্বার রুদ্ধ বিশাল দেহে সেই পবন, সপ্ত দ্বীপ, সপ্ত সমুদ্র ও সমগ্র ভুপীঠ করিয়া দিয়াছেন। ১-১৫। হে দেব। তদীয় তীব্র তপস্যায়, পরিভ্রমণ করিয়া পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িয়াছিলেন, ঐ গিরিস্থলীতে এক্ষণে হিমাচল শৈত্যতাৰ পরিত্যাগ করিয়া অমিয় লৌহ-পিণ্ডের আসিয়া বিশ্রাম করিতে লাগিলেন। ৬১-৬৭। ডায় উত্তপ্ত হইয়া দুঃসেব্য হইয়া উঠিয়াছে। অতএব হে সুরগতে, সিপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭০। গাত্রোখান করুন, আমরা সকলে তাকে বর দিবার নিমিত্ত পিতামহের নিকট যাই, নচেৎ তদীয় কঠোর তপস্যা অনর্থকর হইবে জানিবেন। এই প্রকার বায়ুকর্তৃক উত্তেজিত হইয়া বাস, সপ্ততিতম সর্গ দেবগণ সমভিব্যাহারে ব্রহ্মলােকে গল্প বরিলেন এবং প্রভু পিতামহের নিকট উক্ত বিষয় প্রার্থনা করিলেন। ব্ৰহ্মা ইরে বশিষ্ট কহিলেন,-পক তথায় অবস্থান করত দেখিলেন, প্রার্থনায় অঙ্গীকার করিলেন যে, “আমি সূচীকে বরদিবার নিমিত্ত সেই গিরির উশৃঙ্গে মহাৰণভূমিতে সূচী উমুখে তপন্য হিমাচল-শিখরে গমন করিতেছি, তাহার পর ইদ্র স্বর্গে গমন করিতেছে, দেখিলে বােধ হয় বেন, সেই শৃঙ্গের মধ্যবর্তী শিন করিলেন। ১৬-২। এদিকে সূচী সঞ্চসহ বৎসর তপস্যা ঐচী একপালে অবস্থান করত তপ করিতেছে, উগ্র রবি- করিয়া, অতিপবিত্রা হইল। ভদীয় তপপে অমরমন্দির পর্যন্ত তাপে শুদ্ধ হইয়া গিয়াছে,বােধ হইতেছে যেন বহুদিন অন- তাপিত হইল। সূচী মুখবিবরগত অৰ্কক (চতুর্দিকে প্রসারিত নে তাহার উদর- শুষ্ক পিণ্ডাকার হইয়া গিয়াছে। এক হওয়ায় বােধ হইল যেন, সেই সূচী মুখপ্রবিষ্ট ঐ সূৰ্যকিরণরূপ একবার আবিস্তারপুর্বক আতল ও অনিল গ্রহণ করিয়া দৃষ্টি দ্বারা চিতগত তপসঙ্কলিত বন্ধ অবলােকন করিতে। ঐ যে উদরে রাখিবার স্থান হইতেছে না বলিয়া পশ্চাৎ পরিত্যাগ চীর ছায়া রাত্রিকালে দূচীকে পরিত্যাগ করিয়া বাইত কেন? করিতেছে। সূৰ্যকিরণে উহার লেহ শুষ্ক ও অরণ্য-সমীরণে ইহার কারণ বােধ হয় যে, ঐ হুটীর দুৈগুণে পরাজিত হইয়া প্রায় হইয়া গিয়াছে ঐ দূচী স্বস্থান হইতে বিচলিত কুমেরু-পর্বত লজ্জায় নিমগ্ন হইয়া যাইতেছে কিনা, ইহা দেখিবার হইতেছেন, নিস্পন্দভাবে অবস্থান করিতে ও, চরখিতে নিমিত্ত স্যাকাণে সূচী-ছায়া দীর্ঘ হইয়া পর্বতের পার্শ্বে দেখিতে স্নান করিয়া লইতেছে। এই অণু বিধিমাত্র রথ উহার বাইয়া রাত্রি অভিহিত করিত। মধ্যাহ্নকালে ছায়া সূচীতে মকদেশ আচ্ছন্ন করিয় রহিয়াছে, তাহাতে অন্য বই অমন নিশীল হইয়া যাইত, এই কারণে কৃষ্ণ হইত না। কিন্তু, আমার পাইতেছে না, ইহাতে ৰােণ হতেছে যে, সূচী সেই পূরিজ বােধ হয়, সূচী ঐ সময়ে মধ্যাহ্নপতন্ত্রের মধ্যে নিশীন হইয়া পাইয়া তাহাতে কৃতার্থ হইয়া অন্য কে আর স্থান দিতেন। থাকিত। প্রাকালে ছাত্মা আসিয়া ঐ দূচীর প্রতি গৌরযেই যেন ১৫। ঐশূন্য অরণ্যমধ্যে সূচীর আকার দেখিলে বােধ হয়, তাহাকে দূর হইতে দেখিত। মাকে সেই ছায়া সূচীকে যেন উহা লুটী নহে, তবে ঐ অরণ্যস্থল অরণ্যকে বিল গেণিত বটে, কিন্তু তৎকালে তীব্রণ-য়ে অঙ্গীয় এলে নিমগ্ন এ করি, তপস্যা দ্বারা ঐ মুট রূপ চড় লাভ করিয়াছে। হইয়াগড়িত। লােক বিপদে পড়িলে নেয় সম্মান করিতে বিজুট লাভ করিয়াছে। পীকে বন্ধ দেখিয়া বিস্মৃত হয়ে যায়। ২১২। লৌহ, মালুচী ও সতীয় বিচিতে বা অবলােকন করিতে লাগিলেন; অতি ক্রিকোণায়ালীখনে গী, বয় .
উৎপতি-প্রকরণ ওগ। এই ত্রিদ্ধের মধ্যস্থিত স্থানের ন্যায় অতি পবিত্র হইয়া পরিস্পলে বিশাস করিবে; হে পুত্রি। যদি কখন বাহরূপিণী ছিল। মূর্তিহীনা শ্যামা শুক্লা এই ত্রিবর্ণ সুচীরূপ নদী দ্বারা অর্থাৎ নির্বিকল্প সমাধি হইতে বুখিত হও, তাহা হইলে রাক্ষ পরিখায়িত ত্রিকোণ-স্থান দিয়া যে বায়ু বা ধূলিপটল গতায়াত করিত সােচিত শাস্ত্রীয় হিংসাণি হইতে সর্বদা বিরত থাকিয়া কেবল তাহারাও পম মুক্তি লাভ করিত। হে রাঘব' এতদিনের পর ক্ষুধানিবৃত্তির অঞ্চ ন্যায়ানুসারে জীবহিংসা করিবে । ১১-১৫। অদ্য সুচী স্বয়ং প্রত্যগাত্ম-বিচার করিয়া পরম-কারণ পরব্রহ্মের জীবন্মুক্তনিবন্ধন লােকসমাজে তােমার অন্যায়বৃত্তির বিরােধিনী সাক্ষাৎকার করিয়াছে। উহার উক্ত সাক্ষাৎকার সম্পাদনে অন্তু স্বকীয় বিবেকের বক্ষণকত্ৰী ন্যায়বৃত্তি থাকিবেই। ব্রহ্মা সূচকে কেহ গুরু ছিল না, আত্মবিচারেই সে সাক্ষাৎকার লাভ করিয়া- এইরূপ বর দিয় গগনতলে গমন করিলেন। পরে সূচী চিন্তা ছিল, কারণ আপনিই আত্মবিচার করিতে পারিলে অন্তৰ করিতে লাগিল “ব্রহ্মা যাহা বলিলেন, আমার হাই হউক, ক্ষতি প্রয়ােজন হয় না, সুহূত আত্মবিচারই পরম-গুকু। ২৬-২৮। কি? কমলো ব্রহ্মার বাক্য বিফল করিবার আমার প্রয়ােজন কি ?” এই ভাবিয়া সূচী মনে মনে কিঞ্চিৎ পূর্বশরীর প্রাপ্ত হইল, চতুঃসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৪ । প্রথমে প্রাদেশপ্রমাণ হইল, পরে হস্তপ্রমাণ, তাহার পর দুইবাহ- প্রমাণ, তাহার পর বাবা-প্রমাণ, তাহার পর মেঘমাল-প্রমাণ সপ্ততিতম সর্গ। হইল। এইরূপে সেই সূচী নিমেষমধ্যে সকল্পিত বৃক্ষের বশিষ্ঠ, কহিলেন-অনন্তর আর এক সহস্র বৎসর অতীত বীজ অঙ্কুরাদির ন্যায় ক্রমে বিশাল দেহ প্রাপ্ত হইল। ১৬-২০। হইলে পিতামহ নেই চীর নিকট আগমন করিয়া গগনতল সেই দেহে পূর্বতন ইন্দ্রিয়সমূহ ও তৎশক্তি অবিকল উদ্ভূত হইতে কহিলেন “বসে, বর গ্রহণ কর”। সূচী কেবলমাৰ জীষ হইল, সঙ্গলবৃক্ষের পুষ্পের ন্যায় তাহার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সমুদয়ও কলায় অবস্থিত, তাহার কৰ্ম্মেলিয় নাই, একারণে সে ব্ৰক্ষাকে | অবিকল আবির্ভূত হইল। ২১। কোন উত্তর দিতে পারিল না। কেবল চিন্তা করিতে লাগিল, পঞ্চসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৫। আমি পূর্ণরূপ হইয়াছি, আমার সন্দেহ এক্ষণে অপগত হই- খছে আমি বর লইয়া কি করিব ? আমি শান্তা ও নির্মাণপদ প্রাপ্তা হই নিরবচ্ছিন্ন আত্মহুখে অবস্থান কবিতেছি। নিখিল- ষপ্ততিতম সর্গ। তব্য বিষয় আমার জানা হইয়াছে, আমার সমগ্র সন্দেহজালও বশিষ্ঠ কহিলেন,—যেমন অতি মেঘখণ্ডই বর্ষাকাল উপ- গিয়াছে, আমার বিবেক এক্ষণে বিকাসপ্রাপ্ত, এক্ষণে আমার অন্য স্থিত হইলে বিশালতা-ভাব ধারণ করে, ড্রপ সেই সূক্ষ্মসূচী বিষয়ে প্রয়ােজন কি ? আমি এইস্থানে যেরূপে অবস্থান করিতেছি পুনৰ্ব্বার বিকটাকুতি কর্কটী-রাক্ষীর দেহ প্রাপ্ত হইল। কিন্তু সেইরূপেই থাকিব। আমি সত্য (পরমার্থ) স্বকপা, সেই সত্যকলা সে রাক্ষসী তথাত্মসাক্ষাৎকার-নিবন্ধন প্রাক্তন বিশাল রাক্ষসঙৰ (পৰমাৰ্থ-সকপতা পরিত্যাগ করিয়া মিথ্যা অপর বিষয়ে আমার ভুজঙ্গনিম্মোকৰং পরিত্যাগ করিল। রানী পদ্মাসনবন্ধনপূর্বক ক লাভ ?। ১৫। যেমন মূৰ্জি বালিকা সঙ্কলষ্ট বেতালের অবস্থান করিয়া শুদ্ধ সন্ধি অবলম্বনে ধ্যান-পরায়ণা হইয়া সেই স্বরা আবিষ্ট হয়, আমি সেইরূপ এতাবৎকাল অধিবেকাক্রান্ত। হিমালয়ঙ্গেই গিরিশৃঙ্গের ন্যায় নিশ্চলভাবে অবস্থান করিতে ছিলাম। এক্ষণে আমার স্ববিবেকবলে ঐ অবিবেক নিবৃত্ত হইয়াছে, { লাগিল। অনন্তর জলদনিনাদে শিখণ্ডিনী যেমন কামােন্মত্ত হয়, এক্ষণে আমার ঈপিত অনাপিত কোন বিষয়েই প্রয়োজন নাই। সেইরূপ সেই সূচী ছয় মাসের পর উক্ত সমাধি হইতে প্রবুদ্ধ এইরূপ নিশ্চয়-মুক্তা কৰ্ম্মেলিয়বিহীনা সেই সূচীকে তুফৗস্তাবে হইল। তখন সে বহিৰ্ব্বত্তি অবলম্বন করিয়া ক্ষুধাক্লেশ অনুভব অবস্থিত দেখিয়া কৰ্ম্মফলের অববিতার নিয়ামক ঈশ্বরসঙ্কল্পের | করিতে লাগিল। যতদিন দেহ থাকে ততদিনই ক্ষুধাঙ্গি-স্বভাৰ সহচর সেই পিতামহ তাহাকে নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। নিবৃত্ত হয় না। ১৫। রাক্ষসী ক্ষুধাতুরা হইয়া ভাবিতে লাগিল, প্রসন্নবুদ্ধি ব্ৰহ্মা বীতরাগা ঐসূচীকে পুনর্বার কহিলেন, “পুত্রি, ভূমি আমি এক্ষণে কি গ্রাস করি, অন্যায়ে ত আর্মি জীবভক্ষণ করিতে বর গ্রহণ কর এক্ষণে কিছুকাল ভূমণ্ডলে ভােগবৃত্তি চরিতার্থ কর পারিব না। যাহা আৰ্যজন-বিদাত ও অন্যায়ে উপার্জিত তাহার পর নির্বাণ-পদপ্রাপ্ত হইবে। আমি যাহা বলিতেছি, তাহা হা ভক্ষণ করা অপেক্ষা, দেহীদিগের মৃত্যুও ভাল বিবেচনা করি। সকলের অনিবাৰ্য নিয়ন্ত্রিই নিশ্চয় জানিবে। ৬-১০। হে উত্তমে। যদি ন্যায়ানুসারে এসি উপার্জন কৰি পারিয়া দেহত্যাগ করি, এই তপস্যায় তােমার সঙ্কল সফল হউক। তুমি পুনর্বার হিমা- তাহা হইলে কোন অন্যায় হয় না, অন্যায়ে উপার্জিত খাদ্য ভক্ষণ লয়ের কাননে বিশাল রাক্ষসী-দেহ ধারণ কর। হে পুত্রি। তুমি করিলে তাহা বিষে পরিণত হয়। যাহা লােকসম্মত স্যায়-উপ- যে দেহ হইতে বিমুক্ত হইয়াছ, বীজের অন্তর্গত অঙ্কুরের বিশাল জিত মহে, তাহা ভক্ষণ করিয়া কি হইবে ? ফলতঃ আমার জীবন পক্ষতা-প্রাপ্তির স্যায় সেই বিশাল-দেহ প্রাপ্ত হইবে, তুমি এক্ষণে বা মরণে কোনই ইষ্টনিষ্ট নাই। আমি কে? আমি যে মননামাত্র বীজ-সরূপা হইয়া আছ, অলসেকে অঙ্গুর হইতে লতার স্যায়, ছিলাম ঐ মন, দেহ প্রভূতি মাত্র, আত্মজ্ঞান লাভ লইলে তােমার এই সূচীদেহ হইতে বাসনাবলে সেই দেহ উৎপন্ন হইবে। ঐ ম ত কিছুই থাকে না, তখন আবার জীবনমরণ-ম কোথায় ? তুমি এক্ষণে বিদিতবেদ্য, ঐ জ্ঞান লাভ করিয়াছ, এজন্য অর্থাৎ সমস্তই অলীক বলিয়া প্রতিপন্ন হইবে। ৬-১০। বর্ণিত কাহারও বাধা উৎপাদন করিবে না, শারদীয় মেঘমালার ন্যায় ' কহিলেন, সাক্ষী এই ভাবিয়া মৌমাবলম্বন করিয়া রহিল। অন্তর্নিলিও কেবল শৰতী হইয়া থাকিবে। তুমি সর্বঅধ্যান- ইত্যবসরে পৰ, রাগীর রাজসভাৰ-ভ্যাগ দেখিয়া রূপিণী দুই অবিশ্রান্ত ধ্যানে বিরত হইবে এবং ব্যবহারাত্মক আকাশ হইতে তাহাকে শুইয়া বলিলেন-হে কৰ্কট। ধ্যান-ধারণার এখায়-স্বরূপা হইয়া বায়ুস্বভাবের স্যায় কেবল দেহ ভূমি যাও, মুঢ় ব্যক্তিগণকে স অন এয় T যােগবাশি-রামায়ণ •• এবােধিত কর, মূঢ় ব্যক্তির উদ্ধার করাই মহতের কাৰ্য। পেচক অন্ধ হওয়ায় কাকের নিকট সে ভয় করে কোন কোন গৃহস্থ তােমাকর্তৃক প্রবােধিত হইয়াও যে ব্যক্তি প্রবুদ্ধ হইবে না, সে ভরাক্রান্ত হই ভয়ে চীৎকার করিতেছে। ৬-১০। আপনার বিনাশৰ্থই উৎপন্ন হইয়াছে, সুতরাং সেই তােমার বনভূমি ঈষৎ নিস্তব্ধ , নগরবাসিগণ সকলে নিদ্রিত, সুতরাং যথার্থ ভক্ষ্য হইবে, তুমি তাজকে ভক্ষণ করিয়া জীবন ধারণ নগর একেবারে নিস্তব্ধ। অরণ্যে বায়ু সঞ্চারিত হইতেছে , করিবে।” কললিপ্ত অচলের ন্যায় দর্শনীয়া কৰ্কটা ঐ বাক্য কুলায়ে বিহগগণ নিষ্পলতাবে অবস্থান করিতেছে। পর্বতগুহায় শ্রবণ করিয়া উত্তর করিল, “আপনার নিকট আমি অনুগৃহীত সিংহগণ লুপ্ত, কুঞ্জমধ্যে হরিণগৰ নিদ্রিত, আকাশে হিম- হইলাম এই বলিয়া গাত্রোখানপূর্বক শনৈঃ শনৈঃ পর্বতশিখর যিনুপাত হইতেছে, অরণ্য-ভূষি মৌনভাবে অবস্থিত । ঐ হইতে অবতরণ করিল। কাটতি পর্বতের অধিত্যকা হইতে রজনী কজ্জল-অলংয়ের মধ্যভাগের স্থায় শ্যামল । তৎকালে উপত্যকায় গান করিল, তথায় গিয়া হিমাচলের পার্শ্ববর্তী এক কাচশৈলের সহিত ঐ সজনীর উপমা দেওয়া যাইতে পারে, ঐ পর্বতে কিরাতনগরে প্রবেশ করিল। ১১—১৫। সেই রজনীর অন্ধকার পপিণ্ডের স্থায় গাঢ়, যেন এ বার ছেদ্য। কিরাতনগরে যথেষ্ট অনু, পশু, মনুষ্য, শপ, ওষধি, মাংস, মূল, প্রলয়ানলে বিক্ষুদ্ধ হইলে অঞ্জন-পর্বতের যেমন শােভা পানীয়, কীট, পক্ষী প্রভৃতি তাহার খাদ্য বিদ্যমান। ঐ হয় এবং প্রলয়কালে জগং একার্ণব হইয়া গেলে পক্ষাকৃত কিরাহনগর যে পর্বতে ছিল, ঐ পর্বত হিমাচলের পাদদেশে অব- পর্বতের মধ্যভাগে যেমন শােভা হয়, ঐ রজনী সেইৰূপে স্থিত। রাক্ষসী যখন ভথায় গমন করে, তখন ঘাের-তিমিরাচ্ছন্ন গাট-অন্ধকারে অপুর্বশােভা ধারণ করিয়াছে। ঐ রাত্রি দন্ধকাষ্ঠের রাত্রি, অন্ধকারে সমস্ত পথ একেবারে অদৃশ্য হইয়াছিল। ১৬১৭। কোটরের ন্যায় শ্যামলা, গাঢ় অঞ্জনের ন্যায় সুন্দর, অজ্ঞান-নিদ্রার মটুসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত ॥ ৭ | ন্যায় নিবিডা ও ভূপৃষ্ঠের ন্যায় অমলছবি। ১১-১৫ ' ঐ ভীষণ রজনীতে কিরাত-নগরের সুধীবাত্মা কোন এক বিনম নামে নরপতি সুপ্তনাগর নগর হইতে মঙ্গি-সমভিব্যাহারে নিতি হইয়া তস্কর্যদিব্যার্থ বিষম অটবৗমধ্যে প্রবেশ করিলেন। সেই কর্কটা সসপ্ততিতম সর্গ। সেই অন্ধকার-রাত্রিতে বেহালদশনােন্মুখ অস্ত্রধারী ধীর ঐ বশিষ্ঠ কহিলেন-যে সময় কর্কটা কিরাত-জনপদে উপস্থিত রাজা ও ঐ মন্ত্রীকে অটবীমধে। বিচরণ করিতে দেখিল। অনন্তর হইল, তখন কৃষ্ণপক্ষীয় রাত্রি ; মুষ্টিগ্রাহ ঘোর অন্ধকারে আচ্ছন্ন কর্কটা এনে মনে চিন্তা করিতে লাগিল, 'আমি আজ ভাগবলে গগনমণ্ডল চশূন্য, কেবল নীলবর্ণ মেঘমালায় আবৃত, স্থানে ভক্ষ্য লাভ করিলাম, এই দুইজন অনাত্মজ্ঞ ও ,ইহাদের দেহ, স্থানে মালবনে অতিগাঢ় অন্ধকার। দেখিলে বােধ হয় যেন । ধাৰণকেবল ভারৰূপ। মৃঢ় ব্যক্তি বেল ইহলােকে আত্মনাশে রজনীর নেত্র-কজ্জল চতুর্দিকে প্রলিপ্ত হইতেছে মধ্যে মধ্যে নিমিও ও পরলােকে দুখভােগের নিমিত্ত জীবন ধারণ করে । লতাসমূহের বন , দেখিলে অনুমান হয়, রজনীও তথায় অন্ধকার; ঐ মুচকে আমার খপূর্ধক বিনাশ করিতে হইবে, কারণ অনর্থককে বলিয়া মহুরভাবে সরণ করিতেছে। নগরমধ্যে প্রত্যেক গৃহচরে যক্ষার দল নাই। ১৮—১০। যখন মূঢ়ব্যক্তি স্বকীয় আত্মদর্শনে দীপমালা সঞ্চারিত হইয়া অন্ধকার রাত্রিতে নবযৌবনা অভিসারিকা। অসমর্থ, তখন তাহার জীবন মরণ একই কথা, বরং উঙ্গার মৃত্যুতে কমিনার স্থায় শােভা পাইতে লাগিল। গবাক্ষবির হইতে দীপা- অভ্যুদয় আছে, কারণ তাহাতে আর পাপৰ্জন করিতে হয় না, লােক বাহিরে নির্গত হইয়া অন্ধকারমধ্যে অপূর্বশোভা ধারণ জীবিত থাকিলে কেবল পাপার্জনই করিবে। সৃষ্টির প্রাক্কালেই করিল , অন্ধকারবাহুল্যে প্রদীপালােক মন্দীভূত হইল। ঐ কৃষ্ণা পদ্মযোনি নিয়ম করিয়াছেন যে, মু ব্যক্তিই হিংশ্রগণের ভােজ্য বিভাবরী যেন কৰ্কটৰ বয়স্যা; ঐ সময়ে রজনীতে স্থানে স্থানে হইবে, আত্মদর্শী মহাপুরুষ নহে। এই দুইজন অদ্য আমার পিশাচী নৃত্যকরিতেছে এবং বেতালগণ উন্মত্ত হইয়া নরকঙ্কাল। ভােজাপে উপস্থিত হইয়াছে, এব ইহাদিগকে আমার আহরণ করিতেছে। রজনী যেন উহাদিগকে নিবারণ করিতে না ভােজন কলিতেই হইবে। অভাগ্য-ব্যক্তিই নির্দোষ-সামগ্রী পারায় কাষ্ঠবং মৌনাবলম্বন করিয়া (নিস্তব্ধভাবে অবস্থান আসিলে তাহার উপেক্ষা করে। কিন্তু যদি ইহারা গুণযুক্ত করিতেছে। ১৫। মৃগালি জীবনিবহ প্রমুপ্ত হওয়ায় এবং ঘন- মহাশয় (আত্মদশী) হয়, তাহা হইলে ইহাদের বধ করা নীহারের পাত হইতে থাকায় রজনীর অপূর্ব শোভা হইল , মন্দ আমার উচিত হইবে না। অতএব অর্থে আমি ইহাদিগকে পরীক্ষা মন্দ সমীরণসঞ্চারে হিমশকির ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হইল। তথা- করিয়া দেখি, যদি তাদৃশ গুণশালী হয়, তাহা হইলে কার সরােবর মক্কনিক পরিব্যাপ্ত , বটর বয়সগণে পরিপূর্ণ, ভক্ষণ করিব না; কারণ আমি কখনই গুণবানের হিংসা তৎকালে অন্তঃপুরমধ্যে রমণকালে দম্পতীর সমালাপ ক্ষত হইতে করি না। ২১২৫। যে বক্তি অকৃত্রিম সুখ, কীর্তি ও আয়ু লাগিল। জলসমুদয় প্রলয়ানলৰ দাবানলে জ্বলিতে আর বাঞ্ছা কবেন তাঁহার সমুদয় অভিমত প্রদান করিয়াও গুণবান করিল। ক্ষেত্রপ্রদেশে জলকে আর্দ্র পরিপক্ক শস্থশ্রেণী শোভ- ব্যক্তিগণের পূজা করা উচিত। যদি আমার দেহ নষ্ট হয়, তাহা বিস্তার করিতেছে। দেখা গেল, নােমণ্ডলে নক্ষত্রবৃন্দ যেন স্পন্দিত ভাল কিন্তু কদাচ গুণান্বিত ব্যক্তিকে ভােজন করিব না, কারণ হইয়া বিভক্ত হইয়াছে। বনভূমিতে মারুতসঞ্চারে মরাজি হইতে সাধুগণ স্বকীয় জীবন অপেক্ষাও চিত্ত-সুখকর হন। জীবন দিয়াও পুষ্প ও ফলসমূহ পতিত হইতেছে। বকোটরে পেচকনি শ্রবণ গুণী ব্যক্তির পরিপালন সততভাবে বিধেয়, গুণনের সহবাসরূপ করিয়া বাসগণ নিঃশব্দভাবে অস্থিতি করিতেছে, (পেচক ও ঔষধিতে মৃত্যুও মিত্র হইয়া থাকেন। যখন আমি রাক্ষসী হইয়াও ককের পরস্পর শত্রুতা আছে। রাত্রিকালে পেচকের নিক্তি গুণবানের রক্ষা করিতে উদ্যত, তখন অন্য কোন্য ব্যক্তি সেই ভেবধিত হয়, তখন কাক পেচককে ভয় করে, দিবাভাগে গুণীকে হৃদয়ে অমলহারের স্বাসষত্বে ধারণ করবে না ? -- । । - উৎপতি-প্রকরণ । এ উমরণশালী যে সাধুগণ এই ভূমণ্ডলে বিহার করেন, সেই বায়ু যখন নাসিকা দ্বারা দেহরঞ্জে প্রবিষ্ট হয়, তখন উহার একটা ধরাতলচন্দ্র-সাধুগণের সংসর্গে এই ধরাতল অতিশীতল হয়। বিকট ভাঙ্কার ভাং ভাং ইত্যাকার) ধ্বনি হইতে লাগিল। উহার ২৬-৩০। গুণী ব্যক্তিকে তিরস্কার করাই মৃত্যু এবং তাঁহার মস্তকে মুষল, উদূখী, অঙ্গার, ল, শূর্প, শেখর (শিরােভূষণ) রুপে সহবাসে থাকাই জীবন-কারণ, এই ভুমগুলে জীবিত থাকিয়া অবস্থিত। ১১-১৫। যেন প্রলয়কালের বৈদূৰ্য্যমণি-পর্বতের শিখর- গুণি-সহবাস দ্বারাই স্বর্গ ওমােপ্রভৃতি ফল লাভ করা যায়। স্বলী উদ্ভূত হইল, উহার বিকট হাস্যে দানবগণ মৃতপ্রায় হইতে অতএব আমি এই পলোচন পুরুষ-দ্বয়কে কতকগুলি প্রশ্ন করিয়া লাগিল, বােধ হইল যেন রাক্ষসী কালরাত্রিস্বরূপে উদিত হইয়াছে। ইহাদের কদর জ্ঞান তাহা পরীক্ষা করি। প্রথমে ইহার গুণী শারদীয় লাগগনাটৰীযেন মূর্তি পরিগ্রহ করিয়া উপস্থিত হইয়াছে, কি অগুণী, তাহা বিচার করিয়া দেখি পরে যদি গুণশালী হয় সে মেঘাচ্ছন্ন কৃষ্ণপক্ষীয়া লিবিডারজনী সাক্ষাৎ মূর্তি ধারণ করিল। ভালই, নচেং ইহাদিগকে যথাথ দণ্ড প্রদান করিতে হইবে। উপস্থিত হইয়াছে, যেন রাহু চন্দ্র ও সূর্যের সহিত যুদ্ধ করি- যদি আমা অপেক্ষা অধিকরণশালী হয়, তাহা হইলে আর বার মানসে ভুপৃষ্ঠে উপস্থিত হইয়াছে। উহার অসিতবর্ণ নয় বধ করা যুক্তিযুক্ত হইবে না। ৩১ ৩৩। ইলুনীলমণির ন্যায় নীলবর্ণ এবং লম্বমান মেঘদয়ের সহিত উপমিত সপ্তসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭। এবং উদূখলাদি হারসমূহে ভূষিত , উহার বিশালদেহ অঙ্গার কাঠের ধারা লাঞ্ছিত ও অঙ্গারের সমান বর্ণশালী। উহার বক্ষসদৃশ বিশাল শিল ভুজলতাদ্বয় নিস্পন্দভাবে শােভমান সেই মগবীর- অষ্টসপ্ততিতম স ন । দ্বয় তাদৃশ কর দর্শন করিয়াও সেইরূপ অক্ষুব্ধভাবে অবস্থান করিলেন , বিবেকশালী চিন্তু সত্য বা মিথ্যা কিছুতেই বিমুগ্ধ হয় বশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্তর রাক্ষসকুলকাননের মঞ্জরীরূপা না। অনন্তর মন্ত্রী কহিলেন, “হে মহারাক্ষসি। তুমি যদি মহাত্মা সেই রাক্ষী, অন্ধকার রাত্রিতে েেষর ন্যায় গভীর গর্জন করিয়া হও তাহা হইলে তোমার ঈদৃশ সংরক্ত (কোপ) কেন ?। লঘু উঠি। যেমন গর্জনের পর মেঘ হইতে কবকা ও অশনিপাত ব্যক্তিরাই সামান্য কাৰ্য্যে অতি সশ্রমশালী হয়। তুমি ক্রোধ পরি- হই। শব্দ হয় এপ ঐ বানী পীর গর্জনের পর হুম্বার ত্যাগ বর, তােদর এরূপ অস্বর শােভা পায় না, বুদ্ধিমানেরা করুত খতি কর্কশভাবে বলিতে লাগিল, ওহ মহামায়াহ্মকার- ক্রোধ পরিত্যাগ করিয়াই কর্তব্য কার্যের সাধন করিয়া থাকেন। স্বপশিণাকোটরের কাটদয়। তোমর। কে ? এই ঘাের অটবী- হে অবলে। তোমার ন্যায় সহস্র সহস্র মশক আমাদের ধৈৰ্য্যরূপ স্ব। শ+শে শশী ও তার স্বরূপ হইয়া আসিয়াছি , তোমরা বাত্যায় শুষ-পর্ণের ন্যায় উড়িয়া গিয়াছে। ব্যক্তি ক্রোধরূপ মাহাদিগম্পন্ন বা দুর্বুদ্দি, তোমরা মদীয় গ্রাসপথে আসিয়া মরণ উপায় অবলম্বন না করিয়া সমতানিৰ্মল বুদ্ধি ও প্রাজ্ঞেচিত যুক্তি প্রাপ্ত হবে কি? রজা উওর করিলেন —ওহে ভূত' তুমি কে ? দ্বারা কর্যসিদ্ধি করিয়া থাকেন। ১৬২৪। সমুচিত ব্যবহারে তুমি যে থাক। তোমার দেহ দেখাও। ভ্রমরীধ্বনিসদৃশ কাষ্যসিদ্ধি হউক বা না হউক, তথাপি এই সামগুণবলম্বন মহা- তোমার ঐ বাক্য মাত্রে কে ভাত হয় ।১৫। অর্থিণণ অর্থো- নিতি-সিদ্ধ , কদাচ ভ্রান্তজনােচিত সংরও অবলগন করা বিধেয় পরি নি হবং মহাবেণে পতিত হইয়া থাকে, তুমি ক্রোধাপর নহে, তুমি কি প্রার্থনা করিতেছ, তােমার অভিমত বিষয় প্রকাশ ভ্যান করিয়া স্বকীয় সামর্থ্য দেখাও। হে তে। তুমি কি প্রার্থনা করিয়া বল স্বপ্নেও কখন আমাদের নিকট অথী বিমুখ হইয়া করিছে বল আমি তাহ। প্রদান করিতেছি , ক্রোধগর্জনে যায় নাই। মন্ত্রী এইকব বলিলে সেই রাক্ষসী মনে মনে চিন্তা আমাদিগকে ভয় দেখাইতেছ কেন? তুমি কি ভীত হইয়াছ? করিতে লাগিল, এই পুরুষ-সিংহদ্বয়ের বিমল আচার ও ধৈৰ্য্য সব নামলে শবীর কল্পনা করিয়া আমার সম্মুখে গর্জন কর। অতি অদ্ভুত। আমার বোধ হয়, ইহার সামান্য লােক নহেন। দীদিগের আত্মক্ষয় ব্যতীত কোন কাৰ্য্য সিদ্ধ হয় না। কি চমংকার। ইহাদের আলাপ ও মুখ দর্শনেই মনগত ভাব ব্যক্ত রা, এই কহিলে রাক্ষস চিন্তা করিল, ইহার উত্তম বলিয়াছে।” হইতেছে। যেমন বিভিন্ন নদীসমূহের জলরাশি পরস্পর মিলিত তহুর পর রাক্ষসী আত্মপ্রকাশের নিমিত্ত অধীরা হইয়া হইলে এক হইয়া যায়, সেইরূপ রাক, মুখ ও নয়ন দ্বারা মান- ভীষণ নিনাল ও হা করিতে লাগিল। ক্ষণকাল্মধ্যেই গণের পরস্পর মনােগত ভাব একীভূত হইয়া থাকে। (অর্থাৎ এক রাজা ও মন্ত্রী সম্মুখে দেখিলেন,—বিকটাকুতি এক রাক্ষস অই বলিয়া বােধ হয়)। ২৫এ। ইহারা আমার মনােগত ভাব প্রায় হারে ঘন পুঞ্জ চতুর্দিক আলােকিত করত বিকটরকে অবগত হইয়াছেন, আমিও ইহাদের মনােগতভাব বুঝিয়াছি, দশদি পূর্ণ করিয়াছে। ৬-১০। তদীয় বিশাল দেহ যেন প্রলয়- ইহারা আমার বধ্য নহেন, স্বয়ংই ইহার অনশ্বর, কারণ আমি অলবরের অশনি দ্বারা নিষ্পিষ্ট অদ্রিতট, রাক্ষসী স্বকীয় নেত্রদ্বয়রূপ বােধ করি, ইহারা আত্মজ্ঞ হইবেন। আত্মজ্ঞানব্যতীত কলাম অন্য বিদ্যুৎ ও শুৰলয়ৰূপ বলাকা দ্বারা অস্বরতল সমুজ্জ্বল করিল। উপায়ে নিশ্চয়ই জন্মমৃত্যুপ্রাপ্তি অবগত হয় না, সুতরাং মরলেও রাক্ষসী যেন সেই ভীষণ অন্ধকারস্বরূপ একাষের মধ্যে বাড়বা- এইরূপ নির্ভীকতা হয় না। অতএব এক্ষণে আমি ইহাদিগকে নলের জ্বালা, তদীয় কৃষ্ণবর্ণ বা অলি। ঐ রাক্ষসী ঘনঘটার আমার মনােগত সন্দেহের বিষয় কিছু জিজ্ঞাসা করি। যাহারা স্যায় গভীর গর্জন করিতে লাগিল। উহার দন্তঘর্ষণের কড় কড় প্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রাপ্ত হইয়া সন্দেহের বিষয় জিজ্ঞাসা না করে নিনাদে নিশাচরগণ ভয়ে হাহা ধ্বনি করত মরিয়া যাইতে লাগিল। তাহারা নরাধম। রাক্ষসী এইরূপ চিন্তা করিয়া অকাল-প্রলষের ঐ রাক্ষণী যেন ব্যাপৃথিবীর কজ্জলন্তস্তরূপে আবির্ভূত হইল। কায় বিকট হারব সংবরণ করিয়া জিজ্ঞাসা করিল,-“হে উকেরালালী কপিললী অন্ধকারময়ী ঐ রাশীষর ও অন ধর না। তােমরা কে আমাকে বল, তোমাদের পিশাচগণেরও অনর্থ ও ভয়ের হেতু হইয়া উঠিল। উহার নিশ্বাস- প্রতি আমার সৌহার্দ উদিত হইতেছে, করণ নিশচিত্ত ব্যক্তি } । • যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ গলের দর্শন মতেই মিত্রত হইয়া থাকে।' ৩১-৩৫। মন্ত্রী উত্তর অনু মােৰূপী হইয়াও প্রকাশ হয়। কোন্ অণুর সত্তা ও অসত্ত? করিলেন, 'ইনি, কিরাতদিগের রাজা,আমি ইহার মন্ত্রী, আমরা এই কোন অনু দূরে থাকিয়াও অদূরে অবস্থিত ? অবস্থিত ? কোন অপু রাত্রিতে তোমার স্যায় দুষ্ট জনগণের নিগ্রহার্য উদ্যত হইয়াছি। মহাগিরি ? কে নিমেষ হইয়াও কল্প? কে কল্প হইয়াও নিমেষ ? দিবারাত্র দুষ্ট-প্রাণিগণের নিগ্রহ বরাই রাজার ধর্ম, যাহারা স্বধর্ষ- কোন প্রত্যক্ষ অসদ্ধপ কে চেতন অচেত?। ৬-১০ | ত্যাগী, তাহাদের অনলের ইন্ধন-স্বৰূপ হইয়া বিনষ্ট হওয়া উত্ত” কে বায়ু হইয়াও বায়ু নহে? কে শব্দ হইয়াও শব্দ নহে? রাক্ষসী কহিল, “বাজন! তুমি দুৰ্ম্মন্ত্ৰিবেষ্টিত, যাহার মন্ত্রী কে সমুদয় অথচ কিছুই নহে? কে আমি অথচ আমি নহি ।। নিন্দনীয় সে কখনই বুড়ি হইতে পারে না। মন্ত্রী সইরে কোন বস্তু বহুষলভ্য হয়? সব কিছুই নহে অথচ পূর্ণ এবং সেই সৎ মন্ত্রী স্বাধ হয় সেই ব্যক্তি রূজা হইবে। রাজা এবং দুর্লভ। কোন ব্যক্তি স্বস্থ ও জীবিত থাকিয়াও আত্মা বিবেচনাপূর্বক মঙ্গী সংগ্রহ করিনি, তবে রাজা ও তদীষ হারাইয়াছে ? কোন্ অণু স্বমধ্যে মেরু অধিক কি ত্রিভুবন পর্যন্ত প্রজাগণ অর্থাভাৰ ধাৰণ করিবে। এই জগতে যত প্রকার গুণ শ করিয়াছে ? কোন্ বস্তু অনু হইয়াও শতযজনব্যাপী ? কোন্ আছে, তন্মধ্যে তত্মজ্ঞানই সর্বোত্তম, রাজার সেই জ্ঞান থাকা বঙ্গ অ হইলেও শহুযােজনপরিমিত হয় না ? কাহার উচিত মঙ্গা অান্স ও মন্ত্রবিৎ হইবেন। ৩৬–৪০। প্রস্তুত ও দর্শন মাত্রেই বালকের ন্যায় এই জাং নতি হয় ? কোন্ সমদর্ণিত, অসুবিদ্যায় লন্ধ হইয়া থাকে, সে সেই আত্মবিশ্যা অণুর মধ্যে পর্ষসমূহ অবস্থিত । ১১-১৫। কোন্ অণু অবগত নহ, সে কখনই মন্ত্রী বা রাজা হইতে পারে না। যদি অণুধৰ্ম্ম ত্যাগ না করিলেও সুমেরুপৰ্ব্বতের ন্যায় স্কুলাকুতি ? তােমর সেই আত্মজ্ঞান লাভ করিযা সাধু হইয়া থাক, তবে কেশারে শতভাগের একভাগ-পরূপ কোন্ অপু বিশাল পর্বতের তােমাদের মঙ্গল, নতুবা তােমরা কেবল প্রজাববে অর্থপ্রদ সমান ? কোন অণু প্রকাশ ও অন্ধকার উভয়েই প্রদীপবং বলিয়া আমি তােমাদিগকে ভক্ষণ করিব। তবে এক উপায়ে প্রকাশকারী ? সমগ্র জ্ঞান কোন অণুর মধ্যে অবস্থিত ? আমার নিকট হইতে নিম্নতি লাভ করিতে পারি, যদি সদযুক্তিযুক্ত অণু মধুৰ্য্যাদিরসবিহীন হইলেও অনবরত অতিহাদু হয় ? উত্তর দ্বারা আমার এই প্রশ্নৰূপ বিঞ্জর বিদীর্ণ কবিয়া পিতাব কোন্ অণু সৰ্বত্যগী হইলেও সকলকে আশ্রয় করিয়া রহিয়াছে। নিকট পুত্রে ন্যায় আমার প্রতিবৰ্ধন করিতে পারি। হে রাজন! কোন অপু আত্মার আচ্ছাদনে অশক্ত হইয়াও জগ, অাচ্ছাদন মদীয় প্রশ্নগুলির উত্তর কর, কিংবা হে মন্ত্রিন! তুমিই উত্তর কর, বরিয়া রহিয়াছে? প্রলযে তিরোহিত হইলেও জগৎ, কোন অপু আমি ঐ প্রশ্নোত্তরেরই প্রার্থিনী। সত্বর আমার প্রার্থনা পূর্ণ কর। হইতে পুনঃ উৎপন্ন হইয়া পুনর্জীবিত হয় ? কে অ। অবষব-শূন্য তুমি আমার প্রার্থনাপুরণ করিবে অঙ্গীকারও করিয়াছ, অতএব হইলেও সহকরলােচন? কোন অণু মই কল্পরূপ ? অধিক জানিও অঙ্গীকৃত বিষয় প্রদান না করিলে কে না আপনার অনর্থই কি শতকোটিকলস্বৰূপ ? ১৬-২০। বক্ষে নাস্থিনি ন্যায় উৎপাদন করে ? ৪১-৪৪।" কোন্ অনুতে জগৎসমূহ অবস্থিত। সমুদয় সী সবল সৃষ্টিকালে অষ্টসপ্ততিতমসর্গ সমাপ্ত ॥৭৮ | জগংরুপে প্রকাশিত হইলেও কোন অণুতে সদাই অনুদিত এই কল্প বীজের ন্যায় কোন নিমেষের ব্যে অবস্থিত ? কে কারক- সমুহের ব্যাপার প্রবর্তন না করিলেও কর হব ? নেত্রহীন একোনাশীতিতম সর্গ। কোন দ্রষ্টা দৃশ্যসম্পাদন নিমিত্ত সকীয় আম্মাকে দর্শন করিয়া ঐ আত্মাকে দৃশ্যৰূপে দর্শন করে ?। কে আবার দীনবলে) বশিষ্ঠ কহিলেন,--রাক্ষসীর ঐ কথার পর রাজা উহাকে প্রশ্ন দৃশ্যসম্পাদন না করিবার অভিপ্রায় দৃশ্যবিহীন কবিয়া অখণ্ডিত কহিতে বলিলেন, রাক্ষসী বলিতে আরম্ভ কৰিল। তে রাঘব । সেই আত্মাকে দর্শন করত পুনরাবন্তী (ছ) p্য দেখিতে পার না? প্রশ্নগুলি শ্রবণ কর। রাক্ষণী কহিতে লাগিল, “এক অথচ অনেক কোন্ ব্যক্তি আত্মাকে দর্শন ও দৃশ্যরূপে প্রকাশিত করে ? কেন খ্যক এমন কোন অণুর (যাহার অক্ষা আর সুক্ষ্ম নাই, মধ্যে ব্যক্তি সুষর্ণে কটকাদি আরােপের স্যার দ্রষ্টা, দৃশ্য ও দর্শন এই এই লক্ষ লক্ষ ব্ৰহ্মাণ্ড সমুদ্রমধ্যে জলবুদবুদবং লীন হয় কোন তিন প্রকারে আত্মাকে আরোপিত করে ?। ২-২৫। জল হইতে বস্তু আকাশ অথচ আকাশ নহে? কোন বস্তু কিঞ্চিৎ ? অথচ তরঙ্গবং কোন বস্তু হইতে কিছুই পৃথক্ নহে? কাহার ইচ্ছায় কিঞ্চিৎ নহে? তুমি কিরূপে অহাব প্রাপ্ত হইয়াছ? অথচ জলে তরঙ্গভাবের ন্যায় এই সমুদয় পৃথক হইয়া রহিয়াছে ? দিক- আমি ইত্যাকার আত্মববধ করিছে অং তুমি কে? আমিই বা কালাদিরূপে অনবচ্ছিন্ন অং (অসুলতা-নিবন্ধন) হইলেও সং কে? কে গমন করে অর্থ গমন করে না ? কে অবস্থান করে, এমন কোন্ বস্তু হইতে এই দ্বৈত দৃশ্য জলের দ্রবধবং অপ- অথচ অবস্থান করে না? কে চেতন হইলেও পাষাণ অর্থাৎ থ? কোন ব্যক্তি আত্মা, দর্শন, দৃশ্য এই জগন্দ্রয়কে সৎ ও অসৎ- অচেতন চিদাকাশে কে বিচিত্রচিত্র নির্মাণ করে ? বহ্নিত্বধী রূপে বীজের ন্যায় অন্তরে ধারণ করত অবস্থিত এবং কে ত্রিকাল- হইয়াও কে অদাংক ? হে রাজন! কোন অবহ্নি হইতে নিরন্তর গামী । যেমন বাজের মধ্যে যুক্ত অবস্থিত সেইরূপ নিত্যই একরূপ বছি উৎপন্ন হইতেছে ?।১৫ চন্দ্র, সূৰ্য্য, অয়ি ও তারাস্বরূপ চ, সূৰ্য্য, অয়ি ও তারাস্বরূপ কাহার মধ্যে ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমান এই জগৎসমূহরূপ বিশালান্তি না হইলেও কে প্রকাশক ও অৰিখর ? নেত্রলভ্য নহে এমন অবস্থিত ? কোন ব্যক্তি দুদিতম্ব এবং স্বকীয় এককপত। কোন্ বন্ধ হইতে প্রকাশ প্রবর্তিত হয়? জন্মান্ধ ইলিয়বিহীন ত্যাগ না কৰিলেও বীজ যেমন বৃক্ষরূপে উৎপন্ন হয় ও ক্ষ যেমন লক্স ও ও অঙ্কুরদি ও অন্যান্য বস্তু সকলের উত্তম আলােক বীজরূপে উৎপন্ন হয়, তদ্রুপ (এই জগৎরূপে) উদিত হয় । কি? আকাশারি জনক কে ? সার সওা কে প্রদান করে ? ২৬-৩। হে রাজন! যাহার নিকট মৃণালসূত্র মহান বলিয়া এ অগমেকোশ কি? এই জং কোন্ মণির কোশ ? কোন্ প্রতীত হয় অর্থাং মৃণাল-তন্তু অপেক্ষা অভিজ্ঞ কোন বস্তুর উৎপতি-প্রকরণ অভ্যন্তরে এই কোটি কোটি মেরু ও মন্দর অবস্থিত আছে। আসা প্রতিপালিত হইতে পারে না,কপূর যেমন পেটিকায় আবৃত ' কেই অনেক চিমা বিশ্ব বিস্তার করিয়াছে? তােমাতেই বা কি (ঢাকা) থাকিলে গায়া উহার প্রত্যক্ষ হয়, সেইরূপ প্রত্যক্ত সার-পুর্থ আছে যে, এইরূপ গতিশয় স্পর্ধা প্রকাশ করিজে রূপে আচ্ছন্ন থাকিলেও ঐ সময় আত্মা প্রত্যক্ষগগাচর হইয়া প্রজাপালন করিতেছ ও বু বধ করিতেছ? তুমি কাহীর দর্শনে থাকেন। সেই চিত্র অণুই মনােরপে অবস্থিত হইয়া কিঞ্চিৎ নিৰ্মল দৃষ্টি লাভ করিতেছ না, অথবা সর্বদাই স্বকীয় শান্তি লাভ হয়, মনপরিতিরূপ বলিয়া উহা সৰ্ব্ব , যখন উহা মনঃপরিচ্ছিন্ন করিয়া সৰ্ব্বদাই সেই নিৰ্ম্মল জ্ঞানস্বরূপ হইছে, স্বাত্মকার হয় না, তখন কিঞ্চিৎ (কিছুই হয় না, কেবল নিৰ্ম্মই থাকে। বৃপি চন্দ্রের আবরণ-স্বরূপ এই মদীয় সংশয়গুলি শীস দূর কর, সেই অই এক হইলেও সকল ভূতে আত্মারূপে অনুভূত হয়, যে সংশয়-চ্ছেদ না করতে পারে, সে কখনই পণ্ডিতপদবাচ্য সূত্মাৎ অনেক, সেই অণুই এই জগং ধারন করিতেছেন, অগ- হয় না। হে সুবুদ্ধি জন। অথবা মশ্রি। যদি তােমরা আমার জন্ধের কোশও তিনি। সেই অণু চিত্তরূপ ধারণ করত মাসাগরের এই ক্রমােক্ত সংশয় রুলি দূর করিতে না পার, তাহা হইলে ন্যায়, বিকারী হইলে তাহাতে জলের আবর্তের ন্যায়, চিত্তবিকল্প-রূপ ক্ষণকালমধ্যে তােম রাক্ষসের জঠৰুনলের হবে। তাহার এই ত্রিজগৎতরঙ্গ উদ্ভূত হইয়া থাকে। সেই অণু চিত্ত-ইন্দ্রিয়া- পর বিশালােদরী আমি ত্বদীয় সমগ্র জনপন্নমুণ্ডলী গ্রাস করিয়া দির লভ্য বলিয়া শহুস্বরূপ, স্বসম্বেদন-লভ্য বলিয়া আকাশরূপ ফেলিব। যদি প্রশ্নোত্তর করিতে পার, তা হইলে তােমার হইলেও অশুন্য। ১১-১৫। “তুমি, আমি’ ইত্যাদি-প্রকার সুরাজত্ব প্রতিপন্ন হই। মূঢ় অর্থাৎ আত্মানভিজ্ঞ ব্যক্তিগণের ভেদ দ্বৈতভানে সমুদিত হইয়া থাকে, অদ্বৈভানে ঐ সমুদয় অতিশয় ভােগাভিলাষ সংক্ষয়ের হেতু হইয়া থাকে। ৩১-৩৫। ভেদ কিছুই থাকে না, তখন সেই একমাত্র বৃহদাকার জ্ঞানময় সেই রাক্ষণী এইরূপ জলদগম্ভীর নিনাদে মনভাব ব্যক্ত করিয়া আত্মাই প্রতিভাত হন। জ্ঞানবলে “তুমি', ‘আমি’ ইত্যাদি-প্রকার এতি বিকটাকুতি হইলেওনিৰ্মল পিরণ-মেঘমালার ন্যায় মৌন- ভেদ দূর করিতে পারিলে, কেবল আত্মই সর্ব হইয়া প্রকটিত ভাব ধারণ করিল । ৩৬। হয়েন। ঐ অণু (পরমাত্মা) গমন না কৰিলেও যােজন-সমূহ- একোনাশীতিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭১। ব্যাপ হইয়া গমনশীল হন। স্বপ্নকল্পনাবং এই যােজাসহঐ অণুর অন্তরে স্থিত বলিয়া বােধ হয়। দেশ ও মালের সত্তাস্বরূপ আকাশ-কোশের মধ্যে স্থিত বলিয়া ঐ অর্থ গমন করিলেও অশীতিতম সগ। গমন করেন না, এগু হইলেও প্রাপ্ত হয়েন না। বহা গ্য অর্থাৎ গর্ষনস্থান তাহা ঐ অণুর অন্তরে অস্থিত , আং সে অপু বশিষ্ঠ কহিলেন,-সেই মহারণ্য মহানিশাকালে মহা আবার কোথায় যাইৰে? স্তন-মধ্যস্থিত (ড়ে?) সন্তানকে রাক্ষসীর ঐ প্রশ্ন শুনি মন্ত্রির প্রত্যুত্তর দিতে লাগিলেন। মাতা কি অন্যত্র দর্শন করিয়া থাকেন। ১৬-২০। যাহার হে জলদসন্নি। সিংহ যেমন হস্ত্রীর দেহ ভেদ করে, সেইরূপ অন্তরস্থ মহাপ্রদেশ সকলের গম, সর্বকার অন্তস্থিত, সেই আমি তােমার ঐ মোক্ত প্রশ্নাবলী ভেদ করিতেছি, অং অক্ষয় অপু কিবপে কোথায় গমন করিবে? যেমন আত-মুখ খট- উত্তর করিতেছি এণ কর। হে কমললােচনে। তােমার বাক্য স্থানান্তরে লইয়া গেলে সেই ঘটাকাশের কোথাও গমন স্থানান্তর ভঙ্গীতে বৰিলম, তুমি পরমাত্মার কথাই জিজ্ঞাসা করিলে, ইহা ত হইতে আগমন কিছুই হয় না, তদ্রুপ আত্মারও কোথাও গতাগতি প্রশ্নবিদের বােধযোগ্য (দুর্বোধ্য ত নহে)। অন্তঃকরণেও অগম্য নাই। যখন ঐ অণুতে চেতনের চেতনও জড়ের জড়ত্ব উভয়ই ও অনাখ্যেয় বলিয়া চিত্র আত্মাণু আকাশ অপেক্ষাও সূক্ষ্ম। অনুভূত হয়, তখন ঐ অণু চেতল ও পাষাণ (জড়) উভয়ই ঐ চিংরূপপরমাণু, মধ্যে, বীজমধ্যে বৃস্থিতির ন্যায় এই জগৎ হইতে পারে। হে নিশাচরি। আরও দেখ, চেতন ও পাষাণ কখন সৎ ও কখন অসংকপে স্কুরিত হয়।-। এই জগৎ উভয়ই যখন ঐ চিন্ময়াকার একমাত্র আত্মারই সত্ত, তখন প্রপঞ্চ সর্বময় আত্মাই, সৎ, এ প্রপঞ্চও সময় আত্মস্বৰূপে তিনি চেতন হইলেও পাৰ হইতে পারেনাসেই চিত্র পরমা অনুভূত হয় বলিয়৷ সাধারণ করিয়াছে। বাহ-শুন্য বলিয়া উ আদ্যন্তহীন, তিনি এই পরমকাণে যখথি নির্মিত না হইলে আকাশ, চিংম্বরূপতানিৰন্ধন উহা অনাকাশ। অতীন্দ্রিয় বলিয়া উহা বিচিত্র জগলু-রূপ চিত্র নির্মাণ করিয়াছেন। ২১-২৫। বহির কিছুই নহে, উহাকেই অনন্ত-অণু বলা যায়। সেই আত্মা কুৰ্বাত্মক সত্তাও সেই আত্ম-সংবিধিতে অনুভূত হয়, (অর্থাৎ ঐ আত্মাতেই এই হেতু যখন তঁাহার সাক্ষাৎকার হয়, তখন তিনিই অবশিষ্ট বন্ধুিত্ব। সুত্রঃ তিনি সর্বগামী হইলেও বহ্নিরূপে নির্দিষ্ট থাকেন , অর্থাৎ যাহা কিছু সমূদয় সেই আত্মাই, অপর কিছুই হইতে পারেন, অথচ তিনি অংক বহ্নি ও জগৎসমূহের থাকে না। ঐ চিৰণ এক হইয়াও অনেকসংখ্য হেয়, তাহাকেৰণ প্ৰকাশক। ও নির্মল গগনে সূধ জ্বলিত হইতেছেন, সেই চিদপুর এতিমাত্র, বাস্তবিক নহে। মুৰৰ্ণেৰ কটকাদিরুপে নিৰ্মলগগন হইতেই চৈতন্যময় আত্মা প্রকটিত হইতেছেন, সুতরাং প্রতীতিবং ঐ অনেকতা আরোপমাত্ৰ , কাজৰিক কটকালি একমাত্র তিনি অগ্নি হইতুে পার্কে। সেই চৈতন্যরূপী, আত্মা চন্দ্র- সুবর্ণই, তদ্রুপ উহাও একই। এই অণুপরমাকাশ, অন্ধ বলিয়া। সূৰ্যাদির প্রকাশক ও অবিনাশ, ঐ আত্মপ্রল মহাপ্রলয়ের জলদা- উহা লক্ষ্য হয় না, উহা সৰ্বশ্বরূপ হইলেও সনােক্সল ষষ্ঠ-ইলি- 'বরণেও হত হয় না। ঐ আত্মা চগোচর, রূপ গৃহের সেরও অতীত (গম)। সর্বাত্মক বলিয়া উহা কদাচ শুন্য হয় না। দীপ-স্বরূপ, সয় বস্তুর সত্তাপ্রদ এবং অনন্ত পরম-প্রকাশ। এই ভখাপি নাই বলিয়া উহার অপলাপ করা যায় না, কারণ আছে ইম্বিয়াতীত আত্মা হইতেই আলােক প্রবর্তিত হইতেছে। কিংবা না ইহা যিনি বলেন বা বােধ করেন তিনিও সেই আত্মা। ২৬৩। যিনি লতা, গুণ, আর অপরাপর অতীন্দ্রিয় বস্তুর —১০ কোন প্রকার যুক্তি দ্বারাই ঐ সংপদার্থের (আত্মার পােষণ করেন, সেই অনুভবাত্মক পরমাত্মা, এদিরও উত্তম যােগণিত-রামায়ণ নী। ৩১-৩৫। আলােক। কাল, আকাশ, ক্রিয়া, সত্ত, এই সমস্ত চৈতে এই বায়ুসম চঞ্চল জগৎ চৈতন্যন্নি অন্য কিছুই নহে। যেমন অবস্থিত ও বিজ্ঞাত, নুং চৈতই স্বামী, কর্তা, পিতা ও চৈতন্যই স্বামী, কর্তা, পিতা ও প্রচণ্ড আতপের বিষ্ণুরণই মৃগতৃষ্ণা, সেইরূপ চৈতন্যের আধিকাই ভোক্তা। যেহেতু সমস্তই আত্মা, সেইহেতু ঐ গগলদি সমগ্র- দ্বৈত এক চুৈর প্রচ্ছানুন জুৎ। সূৰ্যকিরণ যে কাঞ্চনকণা জগতের স্বাভাবিক মস্তিষ্কের কারণ। সেইরূপ পরমাত্মৰূপ অণু, নির্মাণ করে হাতে যেমন অন্তি নাস্তি—দ্বিভাব বিরাজমান, ঘী অণুত্ব পরিত্যাগ না করিয়াই অগং-রহের নটি বৎ হইয়া তেমনি পরব্রহ্মে তৈ-অষ্টিও অন্তি নাস্তি—এই দ্বিতারে পমি- আছেন। এগৎকল্প সম্পুটে খাকিয়া আত্ম প্রতীতির বিষয় হন চিত। অধিকাংশ সময়ে গগনে কিরণ-কণা-সমূহকে কাপনকশা বলিয়া এই জগৎ সেই পরমাত্মহরূপ মণির এবং পরমাত্মৰূপ শিয়া ভ্রন্তি জন্মে, সে ভ্রান্তি অজ্ঞানমূলক। সেইরূপ চিন্ময় মৰি এই জগতের (কোশস্বরূপ)। তিনি পরম বলিয়া আত্মাতে অঙ্গনের বিলাসে ভমের মহিমারূপ সৃষ্টি-সর্শন হইতেছে। অতীব দুর্জেয়, পরমাত্মা দুর্জয় বলিয়া মঃ এবং চিত্র বলিয়া ওহে রাক্ষসি। এই অং স্বপ্নদৃষ্ট গন্ধর্পনগর ও সঙ্কলপুরীর ন্যায় প্রকাশ। সম্বিংৰূপী বলিয়া, তার অস্তিত্ব উপলব্ধি হয়। এবং অসৎ। ইহা একপ্রকার দীর্ঘ-ভ্রম ব্যতীত অন্য কিছুই নহে। যে হেতু তিনি অতীন্মিয়, সেই হেতু তাঁহার সত্তার উপলব্ধি হষ ৫১-৫।নমতের মিথ্যা সম্পাদন-বিষয় তিনিই দূরে ও নিকটে অবস্থান করেন পটু, সেই সকল রত্মা বিসলান্তঃকরণ হইয়া সর্বত্র দর্শন অতীন্দ্রিয় বলিয়া তিনি দূরে এবং চিপ বলিয়া অতিসমীপে করেন। অঙ্কন-বিনাশ হওয়ায় তাঁহাদের চিপাকাশে আর মিপ্যা অর্থাৎ ঈদয়ে অবস্থিত। তিনি অণু হইয়াও সৰ্বসম্বেদনতা হেত্ব সৃষ্টির উদয় হয় না। যুক্তি দ্বারা নির্যলীকৃতচিত্ত-তত্ত্বজ্ঞগির মহাশৈলস্বরূপ। সকলেই তাঁহাকে 'অহং' অর্থাৎ আমি ইত্যাকার দৃষ্টিতে সৃষ্টি আদৌ হয় নাই এবং তাহার স্থায়িত্বই নাই। দৃশ্যই জানে গ্রিবর্তিকাপে মহাশৈলের তুল্য ক্ষন করে। এই প্রকাশমান দর্শনের ভেদক। যখন দৃশ্যজ্ঞান লুপ্ত থাকে, তখন ভিত্তি ও আকাশ জগৎ তাঁহারই সপিত্তি অর্থাৎ জ্ঞান , অতএব তাহারই মধ্যে অভিন্ন হইয়া যায়। ইহা ব্রহ্মা হইতে সামন্ততুণ পৰ্যন্ত সমস্ত সুমেরু প্রভৃতির বিদ্যমানতা অনুভূত হয়, যেহেতু পরম-সূক্ষ্ম জীবের অনুনীয়। যেমন বীজের মধ্যস্থিত রক্ষ অতিসূক্ষত- আত্মচৈতন্যের একাংশে মেকমন্দরাদির অস্তিত্বের অনুভব হয়, হেতুক আকাশতুল্য, তদ্রপ ব্রহ্মের অন্তর্গত জগৎ ও চিং ঐক্য- সেই হেতু পরখ পরমাত্মা অণু হইয়াও মহামেৰু বলিয়া হেতু বিধায় ব্রহ্মসদৃশ সূক্ষ্ম, ইহা পূর্বোক্ত উদাহরণের দ্বারা গণ্য। তিনি যখুন নিমেষরূপে প্রতিজসিত হন তখন তিনি বুঝিতে হইবে। ৫৬-৬০। হে নিশাচরি। সেই শান্ত সর্ব- নিমেষ। যখন কল্পরূপে প্রতিভাসিত হন, তখন কল্প। যেমন ময় অজ অনাদি ও অনন্ত স্বয়-রহিত একমাত্র আত্মাই আভাস- মনােমধ্যে বেটযােজন বিস্তৃত মহাপুর দুষ্ট হয়, তেমনি মনাে- রূপে সর্বত্র সর্বপ্রকারে প্রকাশমান রহিয়াছেন। তিনি ভিন্ন মধ্যেই কলব্যাপিনী কালক্রিয়ার বিলাসও মিমেকাপে অনুভূত আর কিছুই নাই। ৬১। ৬২। হয়। যেমন ক্ষুদ্র কুরমধ্যে মহানগর প্রভাসিত হয়, তেমনি, অশীতিতম স সমাপ্ত নিমেষমধ্যেও কল সমুদিত বা প্রভাসিত হয়। নিমেষ, কল, পর্বত, নগর সমস্তই যখন দুর্বোধ্য-স্বভাবচৈতন্যের মধ্যস্থ, তখন আর দ্বৈতই বা কি? অদ্বৈতই বা কি? সমস্তই একাশীতিতম সর্গ। ভ্রান্তিবিলাস। মনে উদিত হইলে সত্যও অসত্য এবং অসত্যও সত্য হয়। অতএব কলও নিমেষ হয়, নিমেষও কল্পরূপে প্রতি রাক্ষসী বলিল,-মন্।ি তোমার কথিত বিচিত্র পরমার্থ- ভাসিত হয়, ইহার উদাহরণ স্বপ্ন। ফল কাল কষ্ট-দশায় সুদীদ বাক্য শ্রবণ করিলাম। এখন রাজীবলােচন রাজা অবশিষ্ট প্রশ্নের সুখ-দশায় অত্যল্প বলিয়া অনুভূত হয়। তাহাব উদাহরণ, রাজা উত্তর দান করুন। মজা বলিলেন,—নিশাচর। জ্ঞানীরা যাহাকে হুয়ির এক রাত্রি_দশবর্ষের স্থায় অনুভূত হইয়াছিল। জগৎপ্রতীতি-নিবর্তক উৎকৃষ্ট প্রত্যয় বলেন এবং যাহা সমস্ত সুতরাং বােঝা উচিত যে নিমেষ, কল, কুর ও অ এ সকল বা সত্যাগৰূপী বা সমস্ত সঙ্কজের বিল্পমন্থল এবং যাহা মাত্র বিক নাই , সমস্ত চিদাত্মক অণুর প্রতিভাস মাত্র। সুশে হার- নিষ্ঠাৰূপ চিত্তসংষমের ফলস্বরূপ। যাহার মায়িক সঙ্গোচ ও কেয়াদির ন্যায় ঐ সকল সেই সত্যাত্মার বিরাজিত। ৪১-৫। বিকাশ দ্বারা জগতের বিনাশ ও উৎপত্তি সম্পাদিত হইতেছে, যেরূপ চিৎ ও দেহ পরস্পর অভিন্ন, সেইরূপ আলােক, অন্ধকার, যিন ঝক্যের অপাের, যিনি বেদান্তবাক্যের চরম লক্ষ্য ও যিনি দূর, অদূর, ক্ষণ, কল এ সমস্তই অভিন্ন। তিনি ইষিগণের সার- অন্তি নান্তি এতদুভয়ের মধ্যবী, অথচ উক্ত উভয় ধাহার স্বরূপে অতএব তিনিই প্রকৃত প্রত্য। তিনি সৃষ্টির অগােচৰ সুতরাং সন্নিবিষ্ট, এই চরাচর জগৎ যাহার চিত্তময়ী লীলা এবং বিশাত্মা তিনই আবার’ অপ্রত। অথবা তিনিই রূপে সমুদিত হইলেও সাহার পরিচ্ছিন্নতা লুপ্ত হয় না,আমি মনে করিতেছি, তুমি হন বলিয়া প্রত্যক্ষ। যেমন যাবৎকাল বজ্ঞানের সূতা থাকে সেই নিত্য-ব্রহ্মের কথাই বলিচ্ছে।১। ভেদ্রে। উক্ত নিত্য অবৎকাল মুবজ্ঞান থাকে না, তেমনি যাবৎকাল জ্ঞান ব্ৰহ্ম পরম বলিয়া অপু এবং উক্ত ব্ৰহ্মরূপ — আপনাকে থাকে তাবৎকাল দর্শন, অর্থাৎ আত্ম-চৈহ্ন-অন থাকে না। বায়ু ভাবে দৃষ্টি করিয়া মায়ার বিবর্তনে বায়ু হইয়াছেন। সেই অ যেমন কটকজ্ঞানের অভাষণ ইলেই সুবর্ণ-জ্ঞান স্থায়ী হয়, তাহা অগ্নকার গ্রহণরূপ ভ্রান্তির মহিমা। অতএৰু-পরমার্থ- তেমনি কন্ধিত জলের গান ডিরােহিত হইলেই, সেই দৃষ্টিতে তিনি অবায়ু ও ভ্রমদৃষ্টিতে তিনি বায়ু। কলতঃ যাহা বায়ু, এক আয় পা নিৰ্ম্মল ত্যন্ধু এভিনিত হন। তিনি তাহা শুচেন্ন ভিন্ন অঙ্গ বন্ধু নহে। সেইরূপ,তিনি শব্দসংবে- সহেতুক স এবং দুর্লক্ষ্যহেতুক অসচ্ছাপ। সেই আত্মা কন কারা শব্দ ও তাহা ভ্রান্তিমূলক বলিয়া শব্দ নহে। খাৎ পয়- বাক্ষপে চেন এবং অগক্রপল সে। —। মার্থশনে তিনি বের ধারাবােখ। আরও সেই অ সঞ্জ ৩৩-১০। = উৎপতি-প্রকরণ T স্বরূপ অথচ তাহা কিছুই নহে, অর্থাৎ ভেদবর্জিত। ঐরূপ ভাহাতে চিত্ত অস্থিতি করিতেছে, আত্মা তাই দ্বারা অনুরে ও অহজাব-জন্য তিনি অইং এবং সেই ভাববিহীন বলিয়া তিনি | নাহিরে আলােক ও অন্ধকার কল্পনা করেন। সূৰ্য্য, চন্দ্র ও বহি ‘অহং' নহেন। অপিচ তিনিই বাস্তব-অবস্থব-বৈচিত্র্যের জনক ও তেজৰুে পার্থক্য নাই, পার্থব কেবল বর্ণের। কেবল বর্ণের। এলিট সন। হাই অবিদ্যার ভ্রান্তিপ্রতিভা অবাস্তবের ও উহার সকলেই জড়, সুতরাং কাহারই প্রকাশ নাই। কাৰণ বাজবিক প্রতি বস্তুবের কারণ। সেই আত্মা নিভির খবতে নিবিড় নীরই মেথ। অতএব মেঘে ও নীহারে যেরূপ প্রলে, প্রাপ্য এবং তিনি অহংৰূপে উপলব্ধ হইয়াও প্রকৃত পক্ষে তিনি আলােক ও অন্ধকারে বন্ধুতঃ সেইরূপই প্রভেদ। অধিক কি, অলঙ্গ। তঁাহাকে উক্ত প্রকারে লাভ করা, না-করার মধ্যে সমস্ত জড়ােপলব্ধির একমাত্র নিমিত্ত চিপ মহান সূৰ্য্য নিয়তই গণ্য। যাবৎকাল না মূল অজ্ঞান-নাশক বোধের উদয় হয়, বিদ্যমান আছেন। তিনিই ঐ সকল পদার্থের অস্তিহাদির প্রমাণ ভাবৎকাল জন্ম বসন্ত ও সংসারলতা বিকশিত হইবেই হইবে; করেন। তিনি না থাকিলে ও সমস্ত কিছুই থাকিত না। সেই যে অনুরূপ ব্রহ্মের আকার চিংস বলিলাম, সেই অণু আকার- | চিন্ময় অদিত্য নিবাল হইয়া দিবা নিশি সমভাবে সর্বত্র এমন অবস্থা প্রাপ্তিৰ পর দৃশ্য তুল্য হইয়াছে। অতএব বলা যায়, ' কি প্রস্তরধ্যেও আলােক প্রদান করিতেছেন। তিনিই ত্রিলােক তিনি সুস্থ ও জীবিত থাকিয়া আত্মহারা। ১০। এই সমি- প্রকাশ করিতেছেন। যেহেতু চৈতন্যের প্রকাশ সর্বত্র বিদ্যমান, অণুই অর্থাৎ চিপ সূক্ষ্ম বহ্মই ত্রিজগৎকে সৃণ তুল্য করিয়াছেন | বৰ্ত্তনেও দুর্লভ নয়। এমন কি শিলেচ্চিক্ষের মধ্যেও তঁাহার ও সুমেরুক কোডাক করিয়াছেন। সেই বিমলচিদ ব্ৰহ্মই প্রকাশ বিদ্যমান রহিয়াছে। এই শরীর যার পর নাই তমঃ । আপনাকে দিবে ও গণ মামৰূপে অবলােকন করেন । অথচ চালেক ইহাকে বিনাশ করে না, বরং প্রকাশ করে। ফল. ডি অর যে যে বিদ্যমান বাহিরেও সেই সেই প্রথম ইহাকে অর্থাৎ এই শরীরকে পরে গুরুংকে প্রকাশ করে। দৃশ্য বিদান। ইহার উদাহরণ অন্যরাণীদিগের সাস্কল্পিক অঙ্গনা যে-রূপ সূৰ্য, পদ্যদিকে বিকশিত করেন, সেইরূপ চিডও প্রকাশ ও লিঙ্গন। সৃষ্টির আদিতে সৰ্ব্বশক্তিমান্ নিচিং যে ভাবে সমুদিত | তমঃ উভবেই প্রকাশিত করেন। সৰ্য যেমন দিবা রাত্রি সৃজন হন সৃষ্টির পরও তিনি সেই ভাবে পরিলক্ষিত হইয়া থাকেন। করিয়া নি মকর প্রদর্শন করেন, সেইরূপ চিৎ ও ভার নেই প্রাথমিক গল্প নিতি নামে খ্যাত। চিং যখন অসং অসিত করিয়া নিজস্বৰূপ দর্শন | যেমন কাণ্ড- শেকপে আবির্ভূত হন, তখন তিনি সেই বিষযই দেখেন, তার স্ত্রীতে ।ব-পুষ্পাদি নিহিত থাকে, তেমনি উক্ত চিদণুর মধ্যেই অন্যথা হয় না, বলদি’শ মনই উক্ত বিষনে আম দৃষ্টান্ত। সজ্ঞান বিদ্যমান আছে। যেমন বসন্ত ঋতুর উদয় সৌন্দৰ্য- ১১-১৫ তম চিদপুর দ্বারা (শতয়ােন তাে অতি সামান্য) পরম্পরার উদয় হয়, সেইরূপ সমস্ত অনুভবই চিদণু হইতে উদয় সমবগ প্রসূরিত আছে , উক্ত অণু সৰ্বগ, অনাদি ও রূপাদি- হয়। সেই পরমাত্মা সাদিৱহিত, সুতরাং আস্বাদবিহীন বীন অ চ হ লক্ষাধিক যেনেও পৰিমিত হয় না। যেমন অথচ তাহা হইতে সমস্ত স্বাদুসভার উৎপত্তি হয়। সুং তিনি কপট ল শটের কটাক্ষপাদি দ্বারা যুবতাদিগকে বশীভুত করে, স্বয়ং নিঃস্বাদু হইয়াও স্বাদ গ্রহণ করেন সকল রসই জলে তেমনি চিদা, উপাধি-চেষ্টানুসারে এই পর্বতাদি ও তৃণাদি অবস্থিত, সুতরাং জলই সরূপ। সেই জল আবার আত্ম- বিশিষ্ট দুগং নাচাইতেছেন। সেই অনন্ত অস্ব স্বীয় মূলক, সুতরাং মূল রস আত্ম সেই চিন্ময় পরমাণু সৰ্ব্বত্যাগী জ্ঞানে দ্বারা করে ন্যায় মেরুপ্রভৃতি সমস্ত জণকে বেষ্টন করিয়া অথচ সকল পদার্থেই অবস্থিত। সেই জন্য বলা যায় সমস্তই অবস্থিত আছেন। ১৬–২০ | এই অণু দিককালাদির দ্বারা তাহারই আশ্রিত। তঁাহার অস্ফুরণে জগত্রে অসত্তা এবং অপরিচ্ছিন্ন সুব্রাং মহাশৈল অপেক্ষাও রং এবং মনোকপী স্কুণে জগতের সত্তা পরিত্যাগ হয়। সুতরাং আঁহারই কুর বলিয়া সূক্ষ্ম, তিনি উক্ত প্রকারে বৃহৎ বলিয়া স্থূলভমাকৃতি ও সকল পদার্থের আশ্রয়। তিনি আপনাকে গোপন করিতে অশক্ত উচ্চ এবং জীব বলিয়া কেশাথের এক ভাগ অপেক্ষাও সূক্ষ্ম হইয়া চিদ্রপ অবিস্তারপূর্বক তারা এই জগৎ আচ্ছাদন করিয়া (দু)। হে নিশাচরি। যেমন শৈলের সহিত সর্পের তুলনা রাখিয়াছেন। বদ্ধপ হুতী দূর্বাঞ্চত্রে লুক্কায়িত হইতে হয় না, তেমনি সেই জ্ঞানরূপ আকাত্ম-পুরাত্মার সহ শক্ত হয় না, সেইরূপ আকাশ পরমব্রহ্ম কোন স্থলেই পরমর শ্যই হয় না, তবে যে তাহাতে অণু ও পরমাণু শব্দের অপ্রকাশিত থাকিতে পারে না। ২১৪০। যেরূপ বাসী- প্রয়ােগ করা হয়, তাহা গৌণপ্রয়ােগ মুখ্য নহে। পরমাণু অতি- ঘসের উদ্বেষে বন-সমূহ অপূৰ্ব্ব ধারণ করে, সেইরূপ জগৎ শয় দুর্লক্ষ্য, পরমাত্মাও অতীবদুল্য। সেইরূপে অপরিচ্ছিন্ন প্রলয়ে পরিলীল হইলেও চিৎপরমাণুকে অবলম্বন করিয়া সজীব পরমাত্মার পবিচ্ছিন্ন পরমাণুরও অণুশব্দে প্রযােজিত হয়। যাকে বস্তুতই বসন্তের উথােধে বনভাগে উল্লাসের স্থায় মায়াই পরমাত্মার “অণুত্ব সৃজন করিয়াছে। মায়ার ভাদৃ সৃষ্টি একমাত্র চিহ্নসভা দ্বারা জগৎ সৰ্ব্বদা সমুদ্রসিত হইয়া থাকে। বিদ্ধ নয়। যেমন সুবর্ণবলয়ের সৃষ্টি, তেমনি পরমাত্মার নানাত্ব- যেমন পৰ্ব্বত ও গুল্ম বসন্তকালীন রস হইতে ভিন্ন নহে, সেইরূপ সৃষ্টি। কথিত পরমাত্মারূপ প্রদীপ, আলােক ও অন্ধকার উভয়েই এই জগৎকে তুমি সেই চিন্ময় হইতে অভিন্ন বলিয়া জানিবে । প্রকাশক। যেহেতু অভিন্ন অন্য কাহারও স্ব প্রকাশের শক্তি ৪১-৪৫। চিদপুঃ পরমাত্মা সৰ্ব্বভূতের সার বণিয়া সহস্রকর- নাই। অপিচ কোন সময়েই আত্মপ্রকাশের অভাব নাই। লােচন এবং যার পর নাই , শিয়া অবয়ব। সেই চিল চন্দ্র, সূৰ্য্য, অগ্নি,ইহারা সকলেই অড়, সুতরাং আত্ম-ব্যতিরেকে নিমেষও বুট, কল্পও বটে। স্বপ্ন-দুই বার্ধক্য ও বাল্য বদ্ধপ সময় পদার্থের অভা এবং আত্মার সভায় সমস্ত পদার্থের নিমেষ, মহাকল্প এবং কোটিকর সেইরূপ অনিবে। ভােজন না সত্তা ঋকার করিতে হয়। বিশেষতঃ আত্মার প্রমাণ ও অনুভব করিলেও আমি ভােজন করিলাম, এরূপ লেনের ন্যায় এবং উভয়ই বিরুদ্ধ। যাহা ও ও কেবল তাহাই অব্বিা । স্বভূত মরণদানের ব্যয় নিমেষকেও কর বলিয়া নি T ৪ যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ । হইয়া থাকে। ৪৮-৫০। প্রলয়কালে এই জগৎসমূহ চিন্ময় ত্বকালে দৃশ্য দর্শন অবশ্যম্ভাবী। অপিচ দৃশ্য সকল দ্রষ্টাতেই পরমাণুতে অবস্থিত থাকে। বীজে যেমন বৃক্ষ থাকে, সেইরূপ অসমান হয়। যদি দৃশ্য জ্ঞানের তিরোধান হয়, তবে অহং দ্রষ্টা চিৎপরমাণুতে সমুদয় অs অবস্থিত আছে। যাহাতে যাহা এ জ্ঞানও বিলুপ্ত হয়, অহং ব্রষ্টা এজ্ঞান বিলুপ্ত হইলে ইহা থাকে, তাহা হইতেই তাহার আবির্ভাব হয়, বিকার সাকার আমি দেখিতেছি এজনও বাধিত হয়। যেকালে ও দুষ্ট পদার্থেই দৃষ্ট হয়, নিরাকার পদার্থে নহে। বৃক্ষ যেমন বীজে জ্ঞান নিরাহিত হয়, সেকালে বাক্যপণাতীত সুস্থ মা সন্ত্র- অবস্থান করে, এ সমস্ত ভূতও সেইরূপ চিংপরমাণু মধ্যে অবস্থান শিষ্ট থাকে। দীপ যেমন স্বপরপ্রকাশক, তেমনি সেই চিব করে। ভূত ভবিষ্যৎ বৰ্তমান এই কালত্রয়বিশিষ্ট জগৎও ঐ পরমাত্মাও আপনাকে স্বস্থ ডজ্ঞানকে ও দৃশ্যত্বকে প্রকা- পরমাণুর মধ্যে অবস্থিতি করে। তণ্ডুল যেমন তুষঙ্গারা আত শিত করিতেছেন, অধিক কি বলিব, সেই চিন্ময় অণুই এই থাকে, সেইরূপ নিমণ ও কঙ্গে উভয়ই অণুকস আত্মার এক- সমস্ত করিতেছেন। প্রাতৃত্ব, প্রমাণত্ব ও প্রমেয়ত্ব এ নিই দেশ আশ্র ববিয়া তদ্বেষ্টিত হইয়া অবস্থিতি করে। আত্মা অসৎ ও আগন্তুক। ৭১-৭৫। সেই হেতু তক্ষন ঐ তিন উদাসীলের নয় অবস্থান করেন, কিছুতেই সংসৃষ্ট হন না নকে গ্রাস করে, অর্থাৎ তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হইলে উক্ত জ্ঞানত্রয় অথচ স্বময়ায় জেত্ব, কত্ত্ব প্রভৃতি অঞ্জনপূর্দক জগত্রে কওঁ। তিরােহিত হয়। যেমন কোন ভৌতিক পদার্থ জল-ভূষ্যাদি পদার্থ বলিয় অভিহিত হন। ৫১-৫৫। আত্মরূপ পরমাণ হইতে হইতে ভিন্ন নহে, সেইরূপ সেই স্বতঃসিদ্ধ অণু হইতে কোনও জগতে উদয় হয়, কিন্তু যাহা বিশুদ্ধ চিং তাহ। ভোগা- পদার্থ ভিন্ন নহে। যে হেতু তিনি সৰ্ব্বগামী ও সর্বানুভাবাত্মক, বিহীন হইয়াই অবস্থিত। ফলতঃ পরমার্থ দৃষ্টিতে তিনি জগতের সেই হেতু এক ধানুভবৰূপ বুক্তিতে আত্ম। আঁদ্বৈত নিরূঢ় হইয়া কর্তা বা ভােক্তা নহেন। অপিচ ইহার কিছুই বিশয় হয় না। থাকে। তাহারই ইচ্ছায় ইচ্ছানুকপ পার্থক্য সম্পন্ন হইতেছে। ইহা সেই চিল্পে ব্যবহারদৃষ্টি মাত্র। হে নিশাচর। অঙ্গ যেমন জলসমূহ হইতে অপৃথকু, সেইরূপ এসমস্তই সেই অহেতুক ভিনি ধুন, চিৎ এই উপশব্দে ব্যবহূত হু, সেই আত্মাণ হইতে অপৃথ। শহর ইচ্ছায় এসমস্ত জলরাশি চিদং দুভোগসিদ্ধির জন্য আন্তরিক চিৎচৎকুতিকে বাহরূপে হইতে বীচিমালার ন্যায় পৃথক্ বলিয়া জ্ঞান হইতেছে। ৭৭–৮০। ধৃত করিয়া নির্নে হইয়াও তাহা দর্শন করিয়া থাকেন। হে কেবল অর্থাৎ অনবচ্ছিন্ন এক পরমাত্মাই আছেন। এবং তিনি রাক্ষসি! ব্ৰহ্ম ভি অন্য কিছু না থাকিলেও সবকদিগের শিক্ষার সকলের আত্মা ও স্বতঃসিদ্ধ সাক্ষাৎ অনুভব।' তিনি গৰ্ব্বভূতের নিমিত্ত অন্তস্থঃ বহিষ্ঠ ইত্যাদি । কল্পিত হয়। ৫৬-৩০। চেতন ও দর্শনেন্দ্রিয়ের অগােচর এই জন্য তিনি সং ও অসং। ফলতঃ পূর্ণসভাব পরমাত্মার পদার্থান্তরে সভা অসম্ভব, সুতরাং চেতনভুকূপে সং এবং ইঞ্জিয়গোচরঋপে অসৎ। চিদ্রপী জানা উচিত যে, যিনি দ্রষ্টা, তিনিই দৃশ্য, অর্থাৎ নিজেই নিজেকে বলিয়া তিনিই অসতের প্রকাশক। অপিচ উক্ত মহাত্মায় দিও দেখাইতেছেন অথচ নিজে অখণ্ডিত, হে নিশচরি। পরমাত্মাতে ও একত্ব উভয়ই উওরপ্রকারে বওমান আছে। কিন্তু এস্থলে কিছুরই বিস্তার হব না, সুতরাং তিনি প্রকৃত জ্বধা দৃশ্যত্ব প্রাপ্ত বক্তব্য এই যে, যদি দি থাকে, তবে এক সিদ্ধ হয়। কেননা হন না। আত্মচৈতন্যই প্রকৃত নােচ, চক্ষুঃ তাহার দ্বার মাত্র। দ্বিতু ও একু, আতপ ও ছায়ার ন্যায় পরস্পর পরস্পরের কারণ। চেতনরূপ দৃষ্টি-বাসনা ভাববিহীন নিজ বুকে দৃশ্যরূপে কল্পন। উক্ত নিয়মের ফল এই যে, যখন দ্বিত্ব নাই তখন এক বৃও নাই। করিয়া_Gষ্টরূপে সমুদিত হন। যেমন পুত্রের অভাবে পিতৃত্ব ও আরও একত্বের অসিদ্ধিতে উভয়ের প্রসিদ্ধি সৰ্বদিসিদ্ধ। মিত্তের অভাসে একত্বয়ম্ভাবিত হয় না, তেমনি অবিরহে দৃশ্য যাহা তুৱ, তাহা দ্বৈত ও অদ্বৈত—এতদুভয়-বস্মৃবিহীন। যাহা কাচ সম্ভাবিত হয় না, যেমন পিতা বিরহে পুত্র ও তােক্তা বিরহে উক্ত উভয়ধৰ্মবিহীন হইয়াও উক্ত উভয়ধবিং অবস্থিত আছে, ভােগ্য সন্তাৰিত নহে, নেইরূপ দ্রষ্ট, বিরহে দৃষ্ণুত্বের সম্ভাবনা তাহা জল হইতে দ্রবৎসেই আত্মত হইতে অভিন্ন।৮১-৮৫। ৬৫। সুবর্ণশক্তি-নির্মিত কটকাদিবং চিৎশক্তি দ্বারা যেমন বীজের মধ্যে রুখের অবৃস্থান, তেমনি ব্রহ্মের অন্তরে ড্রক্স ও নির্মিত হয়, সুৰই কটক প্রণয়ন করে, ফটক সুষ ত্রিজগতের স্থিতি। বলয় যেরূপ সুবর্ণ হইতে অভিন্ন, দ্বৈত প্রণয়ন করে+ -অভুত্ব হেতু দুষ্টুপ্রণয়নে শক্ত নহে। সেইরূপ অদ্বৈত হইতে অভিন্ন। তত্ত্বজ্ঞনৈর উদয় হইলে ঐ যেমন সুষণে কটকান্তি জন্যে, তেমনি চিৎই জগজ্ঞাব-প্রকাশলে ভৈভাবও সৎ বলিয়া অনুভূত হয় না। ফলতঃ যেরূপ দ্রব, জল শক্ত হওগ্নয় মােহের কারণীভুত অসং দৃশ্যকে সংস্বরূপে কল্পনা হইতে, স্পন্দন বায়ু হইতে ও শূন্য, আকাশ হইতে পৃথক নহে, করিয়া থাকে। কটকত্ব অৰভাসিত হইলে যেমন সুর্ণের বর্ণও সেইরূপ, দ্বৈত ও অদ্বৈত ঈশ্ব হইতে লি নহে। এটা দ্বৈত ও থাকে না, দৃশ্যতা অবভাসিত হইলে শরীর প্রকাশিত হয়। এটা অদ্বৈত এরূপ জ্ঞান কেবল অনর্থক। যাহা উভয়-ভাববর্জিত । কিন্তু কটবুদ্ধিসত্ত্বেও যেমন সুষর্ণের সুবর্ণকুবুদ্ধি বিলুপ্ত হয় মুরাং কেবল সা, শাস্ত্রকারেরা তাহাকেই পরব্রহ্ম না, তদ্রুপ দৃশ্যভাবে অবস্থান করেও ভ্রষ্টার তাৰ বৰ্তমান বলেন। উক্ত পরমব্রহ্ম ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমান এই তিন থাকে। ফলতঃ যখন ও এই সন্ত্রায়ের অন্যতর কালেই নিয়ত স্থিত আছেন। তদ্রুপ সর্বসাক্ষী চিত্ম এবভাসিও হয়, তৎকালে কখনই উতপ্রতিভাসিত হয় না। পরমাণুতে ভ্রষ্টা, দর্শন ও দৃষ্ণ এ সকলই কল্পিত যেমন পুরুষ ইত্যাকার নিশ্চয়কালে পশু-জ্ঞানের সম্ভালা থাকে বুঝিতে হইবে। যেমন বায়ু শরীরে স্পন্দন তেমনি এই । ৬৮-৭০। সেইরূপ সুবর্ণে ধবন বলয় গুন খকে না, থন জগদাত্মক অণু পরমাণু শরীরে বিস্তৃত ও উপসংস্কৃত হইবে। হেমের একটকত্ব প্রতিভাসিত হয়। উক্ত উদাহরণ দ্বারা ৮৬৯। অহ মায়া কি ভীষণ। আমার কি বিচিত্র শক্তি। যুঝিতে হইবে যে, জ্ঞানের বিস্মলনে আইসাই ভাসমান হইয়া পরাণুর মধ্যে ব্রিজগৎ, ইহা সামান্য আশ্চর্যের বিষ নহে। থাকে। সেই চিৰপু অক্সা ড্রষ্টা হইয়াও চু দর্শন করেন। কি আশ্চৰ্য। প্রকৃত সত্তা না থাকিলেও চিন্ময় পরমণুতে অতের নাই।
" T ১৬-১০০ । উৎপতি-প্রকরণ। ১৫ সন্ত হইতেছে। অথবা ইহা অসন্তৰ নহে,কারণ মায়া দ্বারা সমস্তই অম্বরে উত্মসিতা। যেন নির্মল মণ্ডল হইতে শুভ্র সুশীতল সম্ভব হয়, ব্রিজগৎ এক প্রকার অদ্ভুত ভ্রম। এফন কিছুই জ্যোৎস্না প্রস্ত হয়, তদ্রুপ আপনাদের বিশুদ্ধ বুদ্ধিত্ব হইতে নাই,-ভ্রান্তিবশতঃ যাহা দৃষ্ট হয় না। যেরূপ ভাস্থবীতে জ্ঞানামৃত প্রস্ত হইয়া আমাকে সুশীতল করিয়াছে। আমার মনে বৃহঃ বৃক্ষে অবস্থিতি, সেইরূপ চিদণুর মধ্যে খাতের অবস্থিতি। হইতেছে, ভাদৃণ জ্ঞানিগণ অতিশয় পূজ্ঞ সেবনীয়, যেহেতু কুম যেমন বীজকোটরে শাখা ও ফুল-পল্পসহ বক্ষে অবস্থান করে স্বতী যেমন শশি-সংসর্গলাভে বিকসিত হয়, আজ আমিও সেইরূপ সেইরূপ চিদ-র মধ্যে জগৎ অবস্থিতি কলিতেছে, ইহা ভদৃষ্টিতে আপনাদের সংসর্গলাতে প্রফুল্লতা লাভ করিলাম। ১-৫। যেমন অবগত হওয়া যায়। ১১-১৫। রক্ত আপনার পত্রপদিযুক্ত সংকুমে সৌরভ পাওয়া যায়, সেইরূপমাধুসংসর্গেশুভলাভ হইয়া শরীর পরিতাপ না করিয়া বীজমধ্যে অবস্থিতি করে, জগৎও থাকে। যেমন সূৰ্য-সংসর্গে পন্বিনীর ম্লানত ক্ষয় হয়, সেইরূপ আপনার বিশাল তৈৰি পরিত্যাগ না করিয়া চিৎপরমাণুর মধ্যে মহতের সংসর্গে দুঃখ বিনাশ হইয়া থাকে। প্রথলিত-দীপ হতে অবস্থিত আছে। কিন্তু চিৎপরমাণর অন্তরস্থিত দৈতপরূপ থাকিলে কোন্ ব্যক্তি অন্ধকারে নিমগ্ন হয় ? আজ আমি বনমধ্যে জুপ্তকে যিনি দ্বৈতরূপ দেখেন তিনিই যথার্থ দেখেন। ফলত আপনাদিগকে ভুলৰ্য্যের ন্যায় পাইয়াছি, আপনারা আমার দ্বৈত বা অদ্বৈত এয়ের কিছুই তত্ত্ব নহে, ইহা জাত নহে,অজাতও কারাহ্ । তন্নিমিত্ত আমার ইচ্ছা—আমি প্রদান করিয়া আপনা- নহে ,ইর সভাও নাই, অসত্তাও নাই। ইহা প্রশান্তও নহে দিগের সৎকার করি। অতএব হে নরবরদয়। আপনাদিগের অভীষ্ট মুদ নহে, গগন ও পবন প্রভৃতি অগং চিদণুর মধ্যে বিদ্যমান কি, তাহা সত্বর বলুন। রাজাবলিলেন, হে নিশাচরকুলকাননমঙ্গরি। নাই। একমাত্র ও চিংই বর্তমান আছেন। আর সকলই তুচ্ছ, এই জনপদে জনসমূহ শূল, বিচিকা ইত্যাদি মহারোগে আক্রান্ত সৰ্ব্ব-স্বৰূপ৷ চিং যখন যেখানে যেরূপে সৃষ্টির প্রভাব ধরা সমুদিতা হইয়া অতিশয় কষ্ট পাইয়া থাকে। সেই লয়-ঝিদারক ব্যাধি হন, তখন সেস্থানে তিনি সেইরূপেই ব্যবহার প্রাপ্ত হ ঔষণে প্রশমিত হয় না দেখি। আমি রাত্রিচল্প বাহির হইয়াছি। এই পরমাত্মা পরমাণু অনুদিত-অভাব হবাও আমাদের ইচ্ছা, ভবদ্বিব ব্যক্তির নিকট ঐ রােগের মন্ত্র লাভ করি, প্রতিভাসক্রমে সৃষ্টিরূপে উদিত হইয়া থাকেন। ইনি প্রপঞ্চবিহীন যাহারা তােমরায় অজ্ঞলোকবিনাশী, অহাদিগকেদমন করিব। ও অভিন্ন হইয়া সকুলের আখৰূপে অবস্থিতি করিতেছেন। সই ইহাও আমাদের অন্যতম ইচ্ছা। হে শুভে। এক্ষণে তোমার নিকট পরই এই জগপে সনুদিত হইয়া জন্মমরণাদির বশীভূত আমাদের এই প্রার্থনা, তুমি আর প্রাণিহিংসা করিও না। হইতেছন।হ নিশাচরপুর্তি। সেই পরমত এই অভঙ্গিতে সম্প্রতি আমাদের প্রার্থনা পূরণে প্রতিশ্রুত হইলে আমরা কৃতার্থ প্রকাশিত। সে তg ভ্যগত্যাগৰূপী। অসঙ্গভৰ বলি সৰ্ব্ব- হই। ৬-১০। তখন নিশাচরীষ্টা হইয়া কহিল, রাজন্। আমি ত্যাগী, সর্পগত বলিয়া অত্যাগী । সে তত্ব স্বভাবতঃ নিপিকার। এই সত্য কহিতেছি, অদ্য হইতে আর জীবহিংসা করিব ন । পরমাণুর নিকট মৃণলতন্তু মহামেরু , যেহেতু মৃণালতন্তু দেখা যায়, ১১ ১৫। রাজা কহিলেন, হে পদ্মলোচনে। পরদেহ ভক্ষণ পৰমাণু দৃষ্ট হয় না, আবার আত্মার নিকট পরমাণু মহামেক। করাই তােমার একমাত্র জীবিকা। সেজন্য আমার আশঙ্কা এই যােহতু পরমা দৃষ্টি গোচর হইলেও বুদ্ধিগম্য, কিন্তু পরমাত্মা যদি ভূমি পরদেহ ভক্ষা না কর, তবে মৎসমীহিত অহিংস ব্ৰত সেইরূপ নহেন, তিনি পরমাণু অপেক্ষা সুদুর্লক্ষ্য, সেই পরমাণুর গ্রহণে কিরূপে তােমার শরীর রক্ষা হলে তখন রাক্ষসী বলিল, মধ্যেই কোটি কোটি মেরু-মন্দরদি অবস্থিত আছে। ১০১-১০৫। রাজ। আমি এই পর্বতে ছয় মাস যাব, সমাধিস্থ ছিলাম । হে রাক্ষসি। কেব। সেই শ্লেষ্ট, পরমাণুই সবত্র ব্যাপ্ত আছেন, সম্প্রতি সমাধি হইতে উদিত হওয়ায় আমার ভােজনলালসা হই সেই পরমাণু কই এই জগ; বিস্তৃত, বিরচিত বা উৎপাদিত আছিল, এক্ষণে পুনর্বার পর্বতশিখরে যাইয়া সমাধি গ্রহণ করতঃ হইয়াছে। এই বিশ্ব প্রপঞ্চ আকাশে গন্ধৰ্ব্বনগরের ন্যায় দৃষ্ট যতকাল ইচ্ছা, কাঠপুত্তলিকার গায় নিশ্চলভাবে সুখে থাকিব। হইতেছে, ইহা ববি ও বিচিত্র হলেও শুন্য ভিন্ন আর কিছুই আমি স্থির করিতেছি, ধ্যানাবলম্বনে যতদিন ইচ্ছা, দেহ ধারণ নহে। সুন্দর দ্বৈতভাণহীন ক্ষুদ্র জগং উক্ত-প্রকারে পরমার্থ করিব, পরে যথাসময়ে হে ত্যাগ করিব মহারাচ্ছ। যতদিএ দেহ পিণ্ডৰূপে প্রতিভাত হইয়া থাকে।১৬। ১০৭। থাকিবে, ততদিন আর আমি পরণ বিনাশ করিব না। এক্ষণে একাতিতম সর্গ সমাপ্ত।৮১। যাহা বলি, তাহা অবহিত হইয়া শ্রবণ করুন। উত্তরে হিমনু নামে এক উন্নত মহাশৈল আছে। ঐ পর্বত জ্যোৎস্নার ন্যায় সুশুভ্র এবপূৰ্ব্ব ও পশ্চিম সমূদ্ৰ পৰ্যন্ত বিস্তৃত। আমি সেই তিতম সর্গ। পৰ্ব্বতের হেমশৃঙ্গনামক শৃঙ্গে, দরীরূপ গৃহে লৌহ সূচী হইয়া মেলেখার স্থায় বাস করিতাম। আমি রাক্ষস-কুলােপন্না এবং বশিষ্ঠ কহিলেন,—নিশাচরী কর্কটা কিরাআজ-সমীপে স্বীয় আমার নাম কৰ্কট। ১৬-২০। একদা আমি জনবিনাশ বাসনায় প্রশ্নের সদুত্তর প্রাপ্ত হইয়া ব্ৰহ্মপদবিচ্যুতিক সংসারচপলতা ব্রহ্মার অর্চনা করিলে, তিনি আমার তপস্যা বশীভূত হইয়া স্বীয় পরিভাগ করিল। এবং সম্ভাপা হইয়া যেমন বাগমে ময়ুরী প্রার্থনানুসারে আমাকে প্রাণবনাশকারিণী সূটা ও বিসূচী হওয়ার ও কৌমুদী-সমাগমে কুমুৱতী অন্তঃশীতলতা প্রাপ্ত হয়, তদ্রুপ ঃ বর দান করিলেন। আমি বর পাইয়া বহু বৰ যাবৎ বিচিকাপে শীতলতা প্রাপ্ত হইয়া পরম বিশ্রান্তিপদ লাভ করিল। যেমন মেষ- অসংখ্য প্রাণী ভক্ষণ করিয়াছি। পরন্তু আমি তাহারই নিয়মানু- রব শ্রবণে বকীর অনলোচ্ছ্বাস হয়, সেইরূপ রাজার উক্ত বচনসমুহ সারে তৎপ্রকাশিত মহামন্ত্রের বশবর্তিী হওয়ায় গুণী ব্যক্তিকে শ্রবণেটির অনশোদয় হইল। সে তখন কহিল, হে ধীরময়। হিংসা করিতে সমর্থ হই না।২১৭৫। হে রাজন! আপনি এখন বুঝিলাম, আপনাদের বুদ্ধি অতি নিৰ্মলা, সারবতী ও জ্ঞান- সেই মহামন্ত্র গ্রহণ করুন। তাহাতে সর্বপ্রকার হৃদয়ল উপ- . যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ = শমিত হইবে। পূর্বে আমি জনসমূহের দয় আক্রমণ কর অন্যথা কঢ়িতে পারে ? বশিষ্ঠ বললেন,-অপর সেই রাত্রিতে শেণিশেষ করিলে তাহাদের নডীসমূহ রক্তশূন্য হইত। রাক্ষসী, হার, কেয়ুর, কটক ও মাল্যধারিণী বিলাস পরায়ণ রমণী আমি রক্ত মাংস ভক্ষণ করিয়া যে সকল জনগণকে পরিত্যাগ করি- | হইয়া, “মহারাজ। আগন করুন” এই বলিয়া সেই ভূপতির তাম, সেই দুৰ্বল-নাড়াক মনুষ্য হইতে যাহারা জন্মগ্রহণ করিত, ও মন্ত্রীর অনুবর্তিনী হইল। ৬। পরে রাতে wইয়া তাহারাও তদনুৰূপ রক্তশূন্য হইত, ফল +থা এই যে আমার এক রমণীয় গৃহে অবস্থা করত তারা পরস্পর আক্রমণ ভয়াবহ, পরন্তু যদি দৰং আধার আক্রমণ হইতে কেহ | কথনে সেই রাত্রি অতিবাহিত করিল-পরে রাখলী এ মুক্ত হইত, তাহা হইলে তাহাদের সন্তান সন্ততি, কুথ, ভূয় ও হইতেলে অপুখেতি করিতে লাগিল। পা ও মন্ত্রী বিবশেপ্রিয় হইয়া -মশ্ৰহণ করিত। হে রাজ। মাশালী মান- প্ৰ-পানবববব- বিনিৰকাৰ্য্যে নিযুক্ত হইবেন। বের কিছুই অসাধ্য নহে। অতএব আপনি অবশ্যই সেই বিস্- অনন্তর ছয়দিনের মধ্যে রাখা গজ্য ও পরা হইতে লিসহ চিকা-মন্ত্র পাবেন হে নরপতে। নাড়ীকে।শস্থিত শূলপ্লেগের বধ্য সংগ্রহ কর আলীকে এক কৰিলে, তখন সে, নিশ- উপশমা ভগবান্ ব্ৰক্ষা যে মন্ত্র বলিয়াছিলেন, আপনি অচির | বল বাশা, তালামালী হইয়া কাপর অমতি অনুসারে তাহা গ্রহণ করুন। হে তুমিপাল। আসুন, আমরা নদীতীর স্বর্ণ পাইলে দরিদ্রের শ্যাষ পরমানন্দে সেই নি-সহ লোককে যাই , চমন ও সংযও হই, পরে আপনি আমার নিকট সেই জণে এহণ বরিষা হিমালয়-শঙ্গে গন বরিল। ১৫৫। মহামৰ খহণ করিবেন ২৬-৩০। বশঠ কহিলেন, সেই রানে *নে সমপক ভণে পৰিপ্ত হই তিন দিন সুখ- সেই রাক্ষসী, ভূপতি ও তন্মন্ত্রীকে সঙ্গে লইয়া পরস্পর ‘নৰ অবহিত করিয়া পূনার নিমগ্ন হইল। বৃক্ষসী, মিত্ররূপে নদীতীরে গমন করিল। রাজ, এবং মন্ত্রী, কর্কটার লেইপ ঢারি বা প৮ি বৎসর পরে জাগরিত হইয়া রাজসদনে মিত্র জানিতে পারিয়া তাহার শি হইলেন। পরে রাক্ষসী গনপূব বিদ্যালপে বিছুকাল অবহিত করা পুনৰ্ব্বার ব্ৰহ্মার নিকট প্রাপ্ত, সেই বিচিকমন্ত্র তাহাদিক প্রদান করিল। বণ্য গ্রহণ “রত পুৰৰ ক্ষণ ববিতে লাগিল। বশিষ্ঠ অনন্ত রক্ষী মিনুভাবাপন্ন হল। এবং মন্ত্রীকে পরিত্যাগ । এদেণ,—রাম। সেই রাক্ষসী অদ্যাপি শুনুও ইয়া সেই করতঃ গমনােদইলে রাজা তাহাকে বলিলেন, হে মহাদেহ- | গিৰিছি এণ্যে ধ্যানমগ্না রহিয়াছে এবং সব হইতে উথিত শালিনি। আপনি অমর গুৰু ও বঙ্গ, অতএব হে সুন্দরি । হন। নুিভব, সেই কিরাতরা-সাপ পমনব বধ্য- আমরা যত্নপূর্বক আপনাকে জেনাথ নিমন্ত্রণ করিতেছ এহ বলিয়া *ীয় উদর পরিণ করি, ক ৫৬-৬০। আপনি কখনই আমাদের প্রণয় অবহেলা করবেন না। আমরা ধাশীতিতম সf সাপ্ত ॥ ৮২। জানি, সুজনের মিত্রতা দর্শনমাত্রই বৃদ্ধি পাইয়া থাকে। তাই আমাদের প্রার্থনা—আপনি সামান্য আভরণালিযুক্ত আকার ধারণ করিয়া আমার গৃহে আগমনপূর্বক যথাসুখে অবগান শতিতম সর্গ করুন। ৩১-৩০। রাক্ষসী কহিল, রজনু। আমি মানবীরূপ বশিষ্ঠ হিলেন,-তদবধি সেই রত-বজ্যে যে সমস্ত বরিলে আপনি আমাকে অনববাচিত ভােজ্য ও পেয়াদি দানে সক্ষম নরপতি উৎপন্ন হয়েন তাহাদিগের সহিত সেই নিশাচর মিত্রতা হইবেন। আর যদি রাক্ষসী মূর্তিতে থাকি, তবে কি দিয়া আমাকে হইয়া থাকে। রাক্ষণীও সেই হইতে সেই কিবাতরাঙ্গে পিশাচা- পরিতৃপ্ত করিকে? রক্ষণদিগের ভক্ষ্য বস্তুতে আমার তৃপ্তি দির ভয় এভৃতি সরকার মহোপাত এবং সবপ্রকার ব্যাধি হইতে পারে, কিন্তু সামান্য মনুষ্যের খাদ্যে আমার তৃপ্তি সাধন নিবারণ করে। উক্ত রাক্ষসী বহুবর্ষ পৰ্যন্ত ধ্যানরত থাকে ও হইবে না, কেননা, যতদিন এ দেহ থাকিবে, ততদিন পূর্ধসিদ্ধ স্বভাব খ্যানভঙ্গের পর রিতমণ্ডলে গমন করিয়া -সঞ্চিত বধ্যদিকে নিবৃত্ত হইবে না। ৬-৪ | রাঙ্গা কহিলেন, হে অনিন্দিতে। তুমি গ্রহণ করে। অদ্যাবধি ততষ্ঠিত ভূপতিগণ এদের সম্মান রক্ষার কিছুকাল মাল্যধারিণী হইয়া মানব স্ত্রীরু ইচ্ছামত আমার গৃহে জন্য বধ্য-সংহ করিয়া থাকেন সেই রাক্ষসী কিরাই-রাজ্যে ঝস কর। পরে, শত সহস্র পাপাচার-পরায়ণ চৌর ও অন্যান্য “কন্দর ও মঙ্গল” এই দুই নামে প্রতিষ্ঠাপিত হইয়া তত্ৰত্য গগন- বধযোগ্য ব্যক্তি, আমার রাজ্য হইতে আনিয়া তোমাকে সুভােন স্পর্শী প্ৰ'সমধ্যে অবস্থিত রহিয়াছেন' সেই হইতে প্রথম যিনি প্রদান করিব। তখন তুমি মানবীরূপ পরিত্যাগপূর্বক রাক্ষণী মূর্তি রাজপদে অধিকট হন, ভগবতী করার প্রতিমা ন; হইলে তিনি ধারণ করিয়া সেই সমস্ত লইয়া হিমালয়শৃঙ্গে গমন করিবে, পরে অন্য প্রতিমা নিৰ্ম্মাণপূর্বক পুনঃ প্রতিষ্ঠাপিত «রন। ৭। যে যথাসুখে ভক্ষণ করিবে। কারণ যাহারা মহাভাের্থী, নির্জন ভােজ নৃপাধম ভগবতী কন্দরা দেবার প্রতিষ্টা করে করা হার নেই তাহাদের সুখ। ঐরূপে তৃপ্ত হইয়া কিছুকাল নিদ্রাসুখানুভব প্রজাগণকে বিনষ্ট করেন। তঁাহার পুজা করিলে জীবগণের বাসনা করিবে, পরে আবার সমাধিস্থা হইবে। সমাধি হইতে বিরত। পূর্ণ হয় এবং তাহার পূজা না করিলে কাহার কোনও অভিলাষ হইয়া পুনর্দার আগমন কতঃ অন্যান্য বধ্য জনানু লইয়া যাইবে। পূর্ণ হয় না। অধিক কি বলি, সেই ব্যক্তি বহুবিধ বিপদ- এরূপ হিংসায় মােৰ অৰ্ম্ম হইবে না, ধর্মবিংগৰ বলেন, ধৰ্ম্মানু- পরম্পরার 'ভাজন হয়। সেই দেবী, বধ্যনুরোপহার দ্বারা পূজিতা যায়ী হিংসা করুণা-সদৃশ। ভদে। আশা করি, তুমি সমাধিবিরতা হইয়া থাকেন। আজিও ভয় বল-বিধাত্রী তঁাহার চিত্রিত হইলে, নিশ্চয়ই আমার নিকট আসিবে। আমরা নি মিত্রতা প্রতিমা বিদ্যমান আছেন। তিনি সর্বপ্রকারে পালবংসগরে একবার বদ্ধমূল হইয়া গেলে অসতেও অহা যায় না। ৪১-৪৫। মঙ্গল বিধান করেন এবং পরমজ্ঞানবভী সেই নিশাচরী কিরাত- রাক্ষসী কহিল-রাজ। আপনি উপযুক্ত কথাই বলিয়াছেন। মণ্ডলের দেবতা হইয়া জয়যুক্ত হইতেছেন। ৮-১১। অবশ্যই আপনর বাক্য পালন করিব, কোন্য ব্যক্তি, মুজদবাক্য শীতিতম সর্গ সমাপ্ত ৮৩।
উৎপতি-প্রকরণ। ব্যতিক, অব্যারেক, পনি, পপি, বিদা, অবি, মুখ, চতুরশীতিতম সর্গ। দুঃখ ইত্যাদি বে কিছু ভেদ-ব্যবহার, সে সমস্ত জ্ঞাগের বি বশিষ্ঠ বলিলেন,-রঘুনাখ। আমি হিমালয়পর্বতস্থ কর্কটা কল্পনা ও অনভিদিগের যেথার্থ অনুবাদমত্র। বল হা রাক্ষসীরমনােহর উপাখ্যান তােমার নিকট আনুপূর্বিক কর্ণন বন্ত, তাহাতে কোনই ভেজ নাই, তাহা এক অখণ্ড, অমৈত; করিলাম। রামচন্দ্র বলিলেন, প্রতে। হিমালয়গবস্থিত রাক্ষসী অজ্ঞান হইলে ঐ জমৈতই পরিশেষিত হয়। ২১-২৫। রাম। কিরূপে কৃষ্ণবর্ণা হইল? এবং তাহার কর্কটা নামই বা কেন যখন ভােমার অজ্ঞান উপস্থিত হইবে, তখন তুমি, বুবিৰে, হইল ? তাহা আমার নিকট বর্ণন করুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, যে, আদ্যক্তবিহীন বিভাগৱহিত এক অখণ্ডিত পরমাত্মাই সনিময় রাক্ষসদিগের বংশ অসংখ্য। তাহারা স্বভাবতঃ কেহ শুরু, কেহ এবং তিনি ভিন্ন আর কিছুই নাই। হে রঘুনাথ। যাহারা কৃষ্ণ, কেহ হরিত, কেহ বা উজ্জ্বলবর্ণ হয়। এই রাক্ষসীর কৃষ্ণবর্ণ বুদ্ধ নহে, তাহারাই নিজ নিজ বিজ্ঞানের অর্থাৎ মিথ্যা ভেদ- কুলানুৰূপ, কর্কট প্রাণিতুল্য কর্কট নামক রাক্ষস হইতে জন্মিয়াছিল জ্ঞানের প্রশ্রয়ে ঐরূপ বিবাদ করে, পরন্তু যাহারা প্রকৃত বলিয়া কর্কটা নামে অভিহিত হইয়াছে। ইহার আকার কর্কটের জ্ঞানী তাহাদের দ্বিধাভাব থাকে না (অমিত হইয়া যায়)। আয়, অর্থাৎ কাকড়ার ন্যায় ইহার দীর্ঘ হস্তপদাদি ছিল। রাঘব। দ্বৈত মিথ্যা হইলেও ব্যবহার-দশায় ত্ববােধের পূর্কে প্রয়ােজনীয় আমি বিশ্বরূপ অর্থাৎ ব্ৰহ্মনিরূপণ উদ্দেশে ও অধ্যাত্ম-কথাপ্রসঙ্গে অর্থাৎ উপদেশের নিমিত্ত গৃহীত হয়। যেমন মিথ্যা রতে কর্কটীর প্রশ্ন শরণপূর্বক সেই পরমার্থ-নির্ণয়-বিষয়িকা আখ্যায়িকা সজ্ঞানে, সত্য ভয়কম্পাদি ফল উদ্ভূত হয়, তেমনি মিথ্যা দ্বৈতের তােমার নিকট বর্ণন করিলাম। ১৫। এই অনাদি অবিনা অনুবাদ করিয়া উপদেশকগণ সত্যক্ষ বুঝাইযা থকেন। ব্যবহার- অসম্পন্ন জগৎ সেই একমাত্র পরমকারণ হইতে সম্পন্ন প্ৰতীয় সিদ্ধ দ্বৈত অবলম্বন না করিলে অদ্বৈত ঝন যায় না। যাহাদের মন হইতেছে। যেরূপ জলমধ্যে অতীত, ভবিষ্যৎ ও বর্তমান, শব্দের শক্তিজ্ঞান নাই অর্থাৎ ঘটশব্দ দুটপদার্থের বাচক, ঘটুপদার্থ অসংখ্য তরঙ্গ অবস্থিতি করে, সেইরূপ সৃষ্টিপরস্পরাও সেই ঘটশব্দের বাচ্য, এইকপ অমুক শব্দ অমুক বন্ধুর বচক, অমুক পরমপদে অবস্থিতি করে। সেকপ কাষ্ঠ-মধ্যগত বহি অপ্রঙ্গলি ! বস্তু অমুক শব্দের বচ্য ইত্যাদি বিধিবােধ নাই, সেই ব্যক্তিকে অবস্থাতেও বনরামির শীত নিওি করে, তেমনি ব্রহ্ম, নানাবার কোন ক্ষিয়ে কিছুই বুঝন যায় না। সেইজন্য ব্যবহার-সিদ্ধ দ্বৈত ন্যায় হইয়, নানারকম জগৎ সৃষ্টি করেন , অথচ তাহার স্বাভাবিক প্রণীষ হয়। নচেং বিচারদৃষ্টির অগ্রে দ্বৈতের অবস্থান অসিদ্ধ। সৌমাতা পরিত্যাগ হয় না। যেমন বাকে মিথ্যা শালভঞ্জিকা, অতএব হে রব! তুমি শজন্য ভেদ অনাদর করিয়া অর্থাৎ অর্থ, প্রতিমা-বুদ্ধি উৎপন্ন হয়, তেমনি এই জগৎ সৃষ্ট হইশেও মিথ্যা বিবেচনা করিয়া বুদ্ধিকে মক্যার্থে নিমগ্ন করিয়া অথাৎ দষ্ট বলয়। অনুভূত হয় না। ৬-১০। অঙ্কুর ও বীজ একই পদার্থ চিবে এব অখণ্ড-অলৈকির করি। আমার বাক্য-সকল শ্রবণ অথচ । বিভিন্ন প্রকারে সমুদিত হয়। সেইপ চিত্ত ও করিবে। হা হইলে বুঝিতে পারিবে, এই জগৎ গন্ধ- তে অর্থাৎ জং-দর্শনশক্তি এক হইলেও ভিন্নভাবে প্রকাশিত নগরের স্থায় ভ্রান্তিম। হে অনুষ! যে প্রকারে এই জগদাতিক খ। ভেদ অবিচারমূলক, সুস্রাং ভেদ বাখবি নহে। তাহার মায়া বিস্তৃত হইয়াছে, তাহা আমি দৃষ্টান্তসহ তােমার নিকট কীত্তন পিচার উপস্থিত হলে আর ভেদ থাকে না। সে রঘুনাথ। করিতেছি, অবহিত হইয়া শ্রবণ কর। মদীষবাক্য শ্রবণ করিয়া এই এ ভ্রান্তি যেস্থান হইতে আসিয়াছে, ইল সেই স্থানেই গান প্রপপের মত অবধারণ করিতে পারিলে নিশ্চয়ই তােমার কামনা- বরুক, অথবা তুমি প্রকৃষ্টরূপে ব্ৰহ্মকে অবগত হইয় ভ্রম সমূহ বিধ্বস্ত হইবে। ২৬-৩০। এই ব্রিজগৎ মনের মনন অর্থাৎ পরিত্যাগ কর। আমার বাক্যৰূপ অস্ত্র দ্বারা তােমার ভামগ্রন্থি ছিন্ন কল্পনা দ্বারা বিনিখিত। ইহা পরিত্যাগ করিতে পারিলে অর্থাৎ হইলে তুমি নিজেই ভেদবুদ্ধি দ্বারা সেই পরম বস্তু অবগত হইতে উক্ত জগতের অনিত্যতা সম্যক উপলব্ধি করিতে পারিলে, তুমি পারিবে। অবশ্যই তুমি মদবাক্য শ্রবণ করিয়া এই চিৎসমুৎপন্ন শান্ত হইবে ও আপনি আপনাতেই থাকিবে অর্থাৎ নশ্বর জগৎ- খা ঐশ্বৰ্য্য ও তাহার মূল কারণ অবিদ্যা বিনষ্ট করিতে পারিবে। সম্বন্ধ হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া নিরতিশয় শাক্তিমুখভােগে সমর্থ হইবে। তুমি আমার বাক্যাবলম্বনে প্রবুদ্ধ হইলে জগৎ ব্ৰহ্ম হইতে সমুৎ- হে রাম। মনােপ বাধির চিকিৎসার জন্য আমার বাক্যে মনঃ- পন্ন, সুজা, সমস্তই ব্ৰহ্ম” এইরূপ বােধ সম্যকৃৰূপে প্রাপ্ত হইবে, সংযােগ করিবে ও বিবেককাপ ঔধাধর প্রতি যত্নবান্ হইবে। তুমি সন্দেহ হয় নাই। ১১-১৭। রামচন্দ্র বলিলেন, ভগব। ভিন্নরূপে বক্ষ্যমাণ আখ্যায়িকা শ্রবণ করিলে বুঝিতে পারিবে যে সংসারে দৃশ্যমান এই পাপভৌতিক জগৎ কিরুপে সেই পরম কারণ হইতে একমাত্র চিই নিয়ত প্রকাশমান আছে, ইহা ব্যতীত অন্য কিছুই অভিন্ন ? বশিষ্ঠ বলিলে ,অভেদই প্রকৃত, ভেদ কাল্পনিক। কেবল নাই। এমন কি শরীরাধিরও অস্তিত্ব নাই বলিয়া তখন বুঝিতে উপদেশের নিমিত্তই অর্থাৎ শিষ্যদিগকে বুঝাইবার জন্যই ভেদ- পারিবে , বস্তু, রাগন্বেষ-বিমুগ্ধ চিই সংসার , ঈদৃশ চিত্ত হইতে বােধক শব্দরাণি সৃষ্ট হইয়াছে অতএব পরমাত্মার সহিত জগতে মুক্ত হইতে পারিলেই সংসারমুক্ত হওয়া যায়। ৩১-৩৫। চিন্তই যে ভেদ দেখা যায়, তাহা কেবল বাহারিক, প্রকৃত নহে, যেমন সাধ্য অর্থাৎ সিদ্ধি (নিশ্চমাত্মক) জ্ঞানের বিধেয়, হেতু আর নির্ণেয় বালককে শিক্ষা দিবার জন্য উপদেষ্টাগণ বেতালাদির কল্পনা করেন, পালনীয়, অর্থাৎ সিদ্ধি হইলে বক্ষণীয়, (সদা অনুভবনীয় ) উক্ত ভগও সেইরূপ কল্পনা মাত্র। ১৮২। ফলতঃ যাহার বিচারণীয়, অর্থাৎ কি উপায়ে সত্বর অনুবিষয় হইতে পারে ত্বি ও একত্ব সংখ্যা কিছুই নাই, তাহাতে সৰিকল্পের সম্ভাবনা ইত্যাদি বিবেচনাযােগ্য। আহরণীয়, অর্থাৎ আহরণ করিবার উপ- কি ? অজ্ঞ ব্যক্তিগণই ছেজ্ঞান করিয়া বহুবিধ বিবাদ করে। যুক্ত, ব্যবহণীয়, অর্থাৎ আয়ত্তাধীন করণীয়, সঞ্চরণীয় ও বার- কারণ, বৰ্য্য, স্বত্ব, স্বামিত্ব, হেতু, হেতুমা, অবয়ব, অবয়বী, ণীয়। আকাশসদৃশ শরীরবিহীন চিত্ৰই স্বীয় অন্তরে ব্রিজগৎ ধারণ ।
১। যোগবাণিষ্ঠ-খামায়ণ করিতেছে, চিত্ৰই অহঙ্কাপে দেখতে ব্যাপ্ত আছে। যাহা নাই। পরে আমি মনে মনে এই আকাশে সঙ্কল্পবলে সৃষ্টি করিব” চিত্তের ছিভাগ অর্থাৎ চৈতন্য ভাগ, তাহাই সর্বপ্রকার কুলনার এই নিশ্চয় করিয়া সূন্ম-চিত্ত দ্বারা সৃজ্য বস্তুর পর্যালােচনা করিতে বা কল্পনাশক্তিৰ ৰী যাহা জড়তা, তাহাই ভক্তিময় জ) আরম্ভ করিলাম। অনন্তর মন আরা দেখিলাম, সেই সুবিস্তৃত সৃষ্টির পূর্বে এ সমস্ত যখন অবর্তমান বা অসৃষ্ট ছিল, তখন ব্রহ্মা গগনে বিষ্ণুপ্রভৃতির, পালনাদির সুব্যবস্থায় বিশাল সৃষ্টি- সহ এ সকল স্বপ্নের স্যায় দেখিয়ও দেখিতেন না। পরে তিনি দীর্থ (কতকগুলি ব্ৰহ্মাণ্ড) সুশৃঙ্খলরূপে পৃথক পৃথক ভাবে স্বস্থিত সঙ্গি দ্বারা এই প্রপ, কড়সন্ধি দ্বারা (জড়তাময়ী বুদ্ধি) রহিয়াছে। ৬—১০। সেই ব্রহ্মাণ্ড-সমুহে রাজহংসােপর আরূঢ় শৈলদি ও অসম্মিদ স্বরা লিঙ্গসমষ্টিকপাত্মক সৃহিরণ্যগর্ভ এই মংসদৃশাকৃতি কমল-কোশবাসী দশজন ব্রহ্মা অবস্থান করিতেছেন। তিন প্রকার দেহ অনুভব করেন। অথচ উদেহত্ৰয় শূন্যস্বৰূপ পৃথক ভাবে অবস্থিত সেই সকল ব্রহ্মাণ্ডেও চতুৰ্বিণ প্রাণিজাতি সুং উহা বাস্তব নহে। ৩৬—১। সেই নােময় আত্মবপুঃ (ম্বে, উদ্ভিজ্জ আগুজ ও জরায়ুজ) উৎপন্ন হইতেছে, বিশুদ্ধ সর্বগামী সৰ্বব্যপ্ত আছেন, চিত্তৰূপ বালক অজ্ঞানতাবশতই জল রপটলও থাকার জগতের মধ্যে জলবর্ষণ করিতেছে। অংকে স্বৰূপেই অপূর্ণ বস্তুরূপ অবলােকন করিতেছে, আচার তথায় সাগর কলকলনাদিনী মহানদীসমূহ প্রবাহিত হইতেছে প্রবুদ্ধ হইলে অর্থাৎ অজ্ঞান দুনীত হইলে আবার এই আদিত্যগণ তাপদান করিতেছেন, আকাশে অনিল প্রবাহিত অগংক নিরাময় আত্মপে দুর্ণ করিবে আত্মা যেরূপে দ্বিত্ব হইতেছে। স্বর্গে দেবগণ ক্রীড়া করিতেছেন, মর্ত্যে মানবগণ ক্রীড়া ও ভ্রমদায়ক বলিয়া প্রতীয়মান হন, আমি লক্ষ্যমাণ বচনাবলিব করিতেছে, পাতালে দানবগণ ও সর্পগণ অবস্থান করিতেছে। দ্বারা তোমার নিকট তাহায্য করিতেছি, ভুমি প্রণিহিত হও। কালচক্রে গ্রথিত বসন্ত প্রভৃতি ঋতুসমূহ যথাকলে স্ব স্ব শীত আমি সযৌক্তিক, মরপদার্থতি ও ঐন্দবােপাখ্যান কীর্তন আতপৰ্যাদি স্বভাব প্রকাশ করত স্ব স্ব ক্রিয়ার ফলে পূর্ণ করিব, তুমি তাহা মনোযােগপূর্বক শৰণ করিবে। সেই উপাখ্যান সমস্ত ভূমণ্ডল বিভূষিত কবিতেছে। ১১-১৫। সমস্ত ব্রহ্মাণ্ডের শ্রবণ করিলে শ্রোতার ঈদ সুশীতল হয়। হে অনঘ। একমাত্র সর্বত্রই স্মৃত্যুক্ত বিহিত-নিষিদ্ধ স্বৰ্গনরকফলপ্রদ শুভ অশুভ স্বাক্স-ভ্রান্তিই আপনাকে তার স্বরূপে বিস্তৃত করিয়াছে , যেরূপে আচারসমূহের অনুষ্ঠান হইতেছে। নিখিল প্রাণিগণের মধ্যে জগন্ময়ার বিস্তার হইয়াছে, তাহা আমি তােমার নিকট বর্ণন স্বর্গ বা মােক্ষল যাহার যাহা অভিষিক্ত, সে তৎপ্রার্থী করিতেছি এবণ কর। ৪২-১৭। হইয়া যথাকালে স্ব স্ব অভীষ্টফল প্রাপ্ত হইতেছে। সর্বত্রই চতুরশীতিতম সর্গ সমাপ্ত ॥ ৮৪ | সপ্তলােক, সপ্তদ্বীপ, সপ্তসমুদ্র, ও সপ্ত পৰ্কত অপ্রলয় কাল গম্ভীর নিদে বিস্কুরিত হইতেছে, প্রলয়বালে ইহাদের আবার কোথাও লঘু হইয়া যাইবে। কোন কোন স্থলে অন্ধকার হ্রাস- পাশীতিতম সর্গ। প্রাপ্ত হইয়াছে, কোথাও স্থিরতরভাবে রহিয়াছে, সমস্ত কুজেই বশিষ্ঠ কহিলেন, বিগতকলুষ রাঘব । তুমি যখন জিজ্ঞাসু অন্ধকার বিদ্যমান রহিয়াছে এবং গিরিগুমধ্যে উক্ত অন্ধকার হইয়াছ, তখন তােমার নিকটে, ঐন্দবােপাখ্যাল কথা দ্বারা পূর্বে বিবরাগত আতপ-লেশে মিলিত হইয়া প্রকাশিত হইতেছে। মৎসমীপে পদ্মঘােনিকথিতু জগতের মনোময়তা বর্ণন করিব (শ্রবণ গগনরূপ নীলকমলের মধ্যে জলপটলরূপভ্রমরপংক্তি বিচরণ করি- কর)। আমি পূর্বে ভগবান কমলযােনিকে জিজ্ঞাসা করিয়া- তেছে। গগনস্থিত তারকানিকর উক্ত গগননীলােৎপলের কেসর- ছিলান ক্ষুনু। এই সৃষ্টিপরম্পরা কিহেতু উপস্থিত হইয়াছে ?” স্বরূপ। ১৬-২০। যেমন কলকোশের অভ্যন্তরে শালীর নিল লােকপিতামহ ব্রহ্মা মংকৃত প্রশ্ন শ্রবণ করিয়া আমাকে ঐবে (অতি) তুলারাশি থাকে, তেমনি সুমেরু-পর্বতের ন্যায় পখ্যান সহিত হং কথা বলিয়াছিলেন। ব্রহ্মা কহিলেন, যেমন অত্যুচ্ছ হিমালয় পর্বতে অতি শুভ-ঘনীহাররাশি রহিয়াছে। জলাশয়মধ্যে একমাত্র অলই বিচিত্ৰ আবৰ্ত্তাকারে ফুরিত হয়, লােকালােক পর্বত খাহার কারুকলাপ, সাগরগর্জন সাহার তদ্রপ একমাত্র মনই জগৎশক্তিসম্পন্ন হয়। এই নিখিল জগৎ- নুপুরধ্বনি, প্রাণিগণের আস্বাদনীয় শালিধাত্যাদি বীজ যাহার স্বরূপে ফুরিত হইতেছে। ওহে বশিষ্ঠ। আমি পূর্বতন কোন অধর, প্রাণিগণের ধ্বনি যাহার মঞ্চ বাধিলা, সেই এক কলের আদিতে প্রলুব্ধ হইয়া সংসার (জগ) সৃষ্টি করিতে গৌরাঙ্গী, রজনীসমূহরূপ আগে রঞ্জিতা পৃধীদেবী, অন্তপুর অভিলাষী হইলে তৎকালে যে যে ব্যাপার ঘটিয়াছিল, তাহা শ্রবণ মধ্যে অনার স্যায় এই ব্রহ্মাণ্ডধ্যে অবস্থিত রহিয়াছেন, বৎসর কর। ১৫। একদিন আমার দিবাবসান (১) হলে নিখিল পরম্পরা ইহার পদ্মোৎপল-মাল্যের ন্যায় লক্ষিত হইতেছে। আরও সৃষ্টি সংহার করিয়া আমি একাকী একাগ্রচিত্ত ও স্বস্থ হইয়া উপ- দেখিলাম,পদাড়ি ফলের স্থায় তেরঞ্জিত লােহিতায়মান স্থিত মদীয় রাত্রি অতিবাহিত করিলাম। নিশাবসানে প্রবুদ্ধ হইয়া ব্ৰহ্মাণ্ডসমূহ পৃথক পৃথক ভাবে অবস্থান করিতেছে। ঐ ব্ৰহ্মাণ্ড যথাবিধি সন্ধ্যোপাসনা পন করিয়া প্রসূষ্টিবাসনায় বিশাল সমুহের অভ্যন্তরবর্তী ভুবনবিরে গাড়িমৰীতের ন্যায় প্রাণিসমূহ আকাশে নয়নয় প্রসারিত করিলাম। দেখিলাম, একমাত্র অনন্ত বিভাগবিন্যস্ত রহিয়াছে। ২১-২৫। ইলুকলার ব্যয় নির্মলা উ শূন্য আকাশ বিস্তৃত রহিয়াছে, তাহাতে তেজ বা অন্ধকার (২)কিছুই ও অবােদেশে এবং ভগবতী ত্ৰিপথগামিনী ভিলােত (গঙ্গা)জগতে পেৰীতের আয় শােভিত হইয়া রহিয়াছেন। (১) আমাদের এককল্পে ব্ৰহ্মার এক দিন, কলাবসানে বাবং চতুকিরূপ লতাপংক্তি হইতে তড়িরূপ কুমণী মেরূপ পল্লব পুনর্বার কঙ্গেৎপত্তি না হয়, তাবৎকাল ব্ৰহ্মার রাত্রি। সকল বায়ুবিধূলিত হইয়া ইতঃ এচলিত হইতেছে, বিহই- (২) অন্ধকার থাকিলেও ব্রহ্মার দিষ্টি-প্রসারণে তাহা ছে, আবার আম প্রােভূত (অতি পক্ষান্তরে ভূত। এভাত খাও হইল। হইতেছে। এই যে সমুদ্র, পৃথিবী ও গগনপদবী গতি হইতেছে, উৎপতি-প্রকরণ। । । ইহা বিস্তৃত গন্ধর্বনগরের উদ্যান-বল্লরীর ন্যায় অর্থাৎ যথা সত্য প্রােভূত নবপাপের ন্যায় কৈলাসপৰ্বয়ে একদেশে অবল নহে, যেমন উদ্ভুস্বর ফলের মধ্যে মশক দলবদ্ধ হইয়া অবস্থান করত করিলেন। ব্রাহ্মণ-দম্পতি জনপ্রাণিশূন্য কৈলাসনিকুঞ্জে এলাহাল নে করে, তেমনি উক্তভুবনগর্ভে দলবদ্ধ হইয়া অবস্থিত সুরাসুর- হইয়া পাপের স্যায় নিশ্চলভাবে যােরর তপন্স করিতে লাগি নর ও উরগগণ কলরব করিতেছে। সেই তুলনমধ্যে কল্প, যুগ, ফণ, লেন। তঁাহারা দিনান্তে এক গণ্ডুষমাত্র জল পান করিতেন, তাহা কলাও ফারুপে বিভক্ত কাল, অলক্ষিত ”ৰ সৰ্ব্বন করি যথাসগুব নিজবে এবং দণ্ডায়মান হইয়া। এইরূপ ক্ষত্তি জন্য প্রতীক্ষা করত প্রথাবিত হইতেছে। ২–৩০। আমি আশ্রমই- আজ এবং দ্বাপরযুগ অতিবাহিত করেন। স্বকীয় পরমবিশুদ্ধচিত্ত দ্বারা এই সমস্ত অবলােকন করিয়া সাতি অনন্তর শণির মহাদেবহার উভয়ের প্রতি পনি শয় বিস্ময়াপন্ন হইলাম এবং ভাবিলাম আমি চর্মচক্ষুর্ধারা যাহার হইয়া, সেই লতাপদ-মণ্ডিত এদেশে ঋতুরাজ বসন্তের স্যায় উপ- কিছুই দেখিতে পাই না, সেই অতুল মায়’জাল আজ আকাশমধ্যে স্থিত হইলেন। দিনাতপঅপিত কুমুদের পক্ষে যেন সুধাকরের মনের দ্বারা দেখিলাম। অনন্ত বহুক্ষণ মনে মনে অবলোকন উদয় হইল। তখন সেই ব্রাহ্মণদম্পতি শশাঙ্কশেখর উমসহচর করিয়া আকাশমধ্যগত সেই জগৎসমূহ হইতে একটা সূৰ্যকে বােকট মহাদেবকে কুদ-কুসুম যেমন নুধাবকে নিরীক্ষণ করে, আনিয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, “হে দেবদেবেশ মহাদ্যুতে ভাস্কর। ভদ্রুপ প্রসূল্প-মুখে দৰ্শ করিতে লাগিলেন। পরিপূর্ণচন্দ্রের ন্যায় এইদিকে আগমন কর, তোমার মঙ্গল ত? আমি তাহাকে এইরূপে সেই তুষারশুভ মহেশরকে জ্যাবাপৃথিবীর চাহারা উভয়ে সম্ভাষণ করিয়া আবার জিজ্ঞাসা করিলাম, হে যডৈৰ্য্যশালি। প্রণাম বরিলেন। অনন্তর শিষ, কেকিলদি-কূজন-বিনিন্দি-স্বরে হে অব। তুমি কে? তুমি, যে জগতে রহিয়াছ, এই জগৎ কিরপ ঈষৎ হাস্যসহকারে বন্দিলেন। ১—১৪। হে বিপ্র । আমি পৰি এবং কিজ উৎপন্ন হইল ? এবং অপরাপর জগৎগুলিই বা কেন তুষ্ট হইয়াছি তুমি অবিলম্বে অভিলষিত বর গ্রহণ করত মধুমাস- উৎপন্ন হইল? যদি ইহার কারণ অবগত থাক, তাহা হইলে সম্পূর্ণ পাদপের ন্যায় আমোদ প্রাপ্ত হও। ব্রাহ্মণ বলিলেন, আমাকে বল” ।৩১-৩৫। এরূপ অভিহিত হইলে সেই ভানু হে ভগবন' দেবদেব মহেশ্বর' পুত্রের জন্য কষ্ট পাইতে না হয়, আমাকে দেখিয়াই চিনতে পারিলেন এবং আমাকে অভিবাদন এইকপ কল্যাণ সম্পন্ন মহামতি দশটা পুত্ৰ ধেন আশরয়। করিয়া সুমধুর বাক্যে কহিতে লাগিলেন। হে ঈশ্বর। আপনিই অনন্তর মহেশ্বর, “” বলিয়া আঁকাশে অঁৰ্হিত হইলেন । এই দৃশ্য প্রপথের শাগত কারণ হইতেছন, তবে জানিতে পারি- যেন তরঙ্গায়িত বিপুলকায় বলাহক, গর্জন করত গগনমণ্ডলে তেছেন না কেন? আমাকে আবার কেন জিজ্ঞাসা করিতেছেন । ভিহিত হইল। উমামহের যেরূপ আকাশপথে গমন হে সৰ্ব্বগামি যদি মদীয় বাক্য শ্রবণে আপনার কৌতুহল হইয়া বরিলেন, শব-বরলাভে পরিতুষ্ট সেই দেব-সদৃ ব্রাহ্মণ-দম্পতিও থাকে, তাহা হইলে অচিন্তিতভাবে (আপনার সঙ্গল ব্যতিরেকে) স্বগৃহে গমন করিলেন। গৃহে আসিয়া ব্রাহ্মণীর শুভ গর্ভ- যেরুপে আমার উৎপত্তি হইয়াছে, তাহাই বলিতেছি শ্রবণ সুগার ইল। জলভরে পূর্ণগঙা মেঘলেখার স্থায় ব্রাহ্মণীও করুন। হে ঈশ্বরাত্মন। হে মহাত্মন। অবিকৃত জগৎ-রচনাকারী পূর্ণগর্ভা শ্যাম ভাব * প্রাপ্ত হইলেন। অনন্তর অন্ধণ যথাসময়ে সদসখিবেকবিষয়ে মােহপ্রদাষী কখন সং কখন অসৎ' এইরূপে প্রতিপ-সন্নিত আনন্দগ্রস অতি সুন্দর দশটা পুত্র প্রসব দেশকালে পরিচ্ছিন্ন জগৎ-গভার প্রদর্শন-কৌশলকপ বিদ্যা শিক্ষা করিলেন। যেন পৃথিবী নবীন অঙ্কুর উৎপাদন করিলেন। মহা- করিয়া একমাত্র মনই বিস্তৃত হইয়া বিলাসিত হইতেছে ইহাই তেজা ব্রাহ্মণ-বালক ব্রাহ্মণােচিত সংস্কারে সংস্কৃত হইয়া জানিবেন। ৩৬-৩১। স্বল্প কালেই বর্ষা-সমাগমে নবজলধরের স্যায় বৃদ্ধি পাইতে লাগিলেন। তাঁহার সপ্তমবর্ধ বয়সেই নানাশাস্ত্র অবগত হইয়া পঞ্চাতিতম সর্গ সমাপ্ত।৮৫। আকাশমণ্ডলে হগণের ন্যায়, মহাতেজে বিরাজ করিতে লাগি- লেন। অনন্তর কালক্রমে ব্ৰহ্মজ্ঞ তদীয় পিল মাতা দেহ ত্যাগপূর্বক মুক্তি লাভ করিলেন। মাতৃহীন, পিতৃহীন, - বড়শীতিতম সর্গ। ব্রাহ্মণসন্তান দুঃখে গৃহপরিত্যগ করিয়া কৈলাসশৃঙ্গে গমন করিলেন। খায় তঁাহারা উদ্বিগ্নভাবে চিন্তা করিতে লাগিলেন, সূৰ্য কহিলেন,হে মুরশ্রেষ্ঠ! কল্পনামে বিখ্যাত ভবদীয় এ স্থানে পরম শেয়ােলাভ কিরূপে হইবে? এবং তাহারা অতীত দিনে, প্রজাসৃষ্টিনিযুক্ত ভংপুত্রগণ, জম্বুদ্বীপের এক পরস্পরে বলাবলি করিতে লাগিলেন, ভাতৃগণ। এক্ষণে কর্তব্য দেশস্থিত কৈলাশপর্বত-সমীপবতী সুবর্ণজটলামে প্রসিদ্ধ সমজ কি ? কি-উপায়ে দুঃখ হইতে অব্যাহতি পাওয়া যায় ? মহত্ব কি ? ভূখণ্ডে বাসমণ্ডল রচনা করেন, অহা বহু-সুখপ্রদ এবং অতিশয় ঐশ্বৰ্য কি? মহৎ বিভবই বাকি? লােকের যে ঐ দেখা শােভাসম্পন্ন। তথায় কশ্যপ-শসস্তৃত এক ব্রাহ্মণ বস্থান যায়, তাহা ত সামান্য , কেননা, সামই অহাদিগের অপেক্ষা করিতেন, তাহার নাম ইন্দু, তিনি পরম থর্শিক এবং অতীব শান্ত- প্রকৃষ্ট-ঐশ্বৰ্যসম্পন্ন । ১৫-২৭। আবার দেখা যায় সামন্তের স্বভাব। সেই স্বজন-মণ্ডল-সংস্থিত ইনুর প্লানতুল্য। এক বনিতা ঐশ্বৰ্য্যও সামান্য , কেননা রাজারাই প্রকৃষ্ট ঐশ্বৰ্য্যশালী। রাজ- ছিলেন। যেমন মরুভূমিতে তৃণ উৎপন্ন হয় না, সেইরূপ মহাত্মা গণের ঐশ্বৰ্যও কিছু নয়, কেন সম্রাটই প্রকৃত পক্ষে মহৈ- ইন্দুর ঔরসে ও তাঁহার গর্ভে সন্তান উৎপন্ন হইল না। অলীয় শালী। সম্রাটুদিগের ঐশ্বর্যও কিছু না, কেননা প্রজাপতির নতা সরলা শরতৃষ্টির রায় সরলা। গৌরবর্ণা এবং বিশুদ্ধ হইলেও হন পূল্পের এই প্রকৃত শাে তাঁহার হয় নাই শুনৰ সেই ব্রাহ্মণশতিগুলো অ খেযুক্ত হইয়া উপার্থ • ব্রাক্ষণবালি বৰে কালিমা দেখা দিল।
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ •• এ ঐশ্বৰে নিকটে তাহা মুহূর্তকালী অর্থাৎ অতি অল্প। প্রলয়- হইকেন, তখন তাঁহাদের তুচ্ছ মনােৰ্বতি বিগলিত হইল; কালেও যাহার না হয় না, এমন কি পরম ঐশ্বৰ্য্য আছে ? উঁহারা আপনাকে ব্ৰহ্মভাবে ভাবনা কত পরােত প্রাপ্ত উহারা এইরূপ পরস্পর বলাবলি করিতেছেন, এমন সময়ে তাহা হইলেন। ৪১-৫১। দের মধ্যে যে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা, সেই মহামতি গম্ভীর স্বরে কহি- ষড়ীড়িতম স সমাপ্ত। ৮৬। লেন, বােধ হইল যেন মৃগমূখপতি, সৰীয় ঘুখস্থ সঙ্গিগণকে বলতে লাগিল। ২৮-৩০। “হে ভ্রাতৃগণ। ঐশ্বৰ্যসমূহের মধ্যে মহা- সপ্তাশতিতম সর্গ। প্রলয়াবধি যে অবিনা সেই ব্ৰহ্মৰূপ ঐশ্বৰ্য্যই আমার সর্বোৎকৃষ্ট বলিয়া কচিবর হইতেছে, অন্য কোন ঐশ্বৰ্য নহে। ভানু কহিলেন,হে পিতামহ। সেই ঐন্দবগণ উক্তকারে ব্রাহ্মণ-ইন্দুর সেই ধীমান পুত্রগণ—সকলেই জেক্টের উক্ত বাক্যে সমাধি-মগ্ন হইয়া আপনার ন্যায় দৃঢ়সঙ্কল্পবলে, জগৎ ও জাগতিক সাধু সাধু বলিয়া অনুমােদন করিলেন। এবং বলিলেন, হে জীবগণের সৃষ্টিসংহার-কর্মে আসক্ত হয় অবস্থান করিতে পূজ্য। যাহ,তে নিখিলদুঃখের উপশান্তি হয়, সেই ভগংপূজ লাগিলেন। কালক্রমে তঁহাদের তপঃকুশ দেহসমূহ অতিপবিশুদ্ধ ও পদ্মাসন-ক্ষভাব আমরা কিরূপে পাইতে পারি। জ্যেষ্ঠ পুনর্বার বীজহিত হইয়া মুখস্ত জীর্ণপর্ণবং বিগলিত হইয়া গেল। ত্ৰত কহিলেন, 'হে তেজস্বী ভ্রাতৃগণ। আমি ঝহা বলি, তোমরা নাংসাশী আরণ্য পশুপসিমুহে ইতস্ততঃ বিলুষ্ঠিত তাহাদের সকলেই তাহা প্রতিপালন কর। “আমি পদাসনস্থিত তেজোময় সেই বিশীর্ণ দেহ, বানরে যেমন সুফল ভক্ষণ করে, তদ্রুপ ভক্ষণ আমি হেজাৰলে' জগতের সৃষ্টি সংহার করিতেছি, করিয়া ফেলিল। অনন্তর তাহারা একেবারে বাহবিষয়ের জ্ঞান- তােমরা সর্বদা এইরূপ ধ্যান করিতে থক।”৩১-৩৫। অগ্রজের শূন্য হইয়া চতুর্যুগের অবসান অর্থাৎ কলক্ষয় পৰ্যন্ত আপনাকে ব্ৰহ্ম- উক্ত বাক্যে অনুমােদ করিয়া তাঁহার সকলেই জোষ্ঠ ভ্রাতর কপে ভাবনা করত অবস্থান করিতে লাগিলেন। তাহার পর যখন সহিত ফলপ্রাপ্তির দৃঢ় অলা করিয়া স্ব স্ব বুদিকে উক্তরূপ কল্পক্ষয়ের সময় উপস্থিত হইল, দ্বাদশ-দৰ্য্য ফুপং উদিত হইয়া ধ্যানে মগ্ন করত অবস্থান করিতে লাগিলেন। ব্যাসক্তবুদ্ধি সেই অপপ্রদান করিতে লাগিলেন, পুরাক প্রভৃতি মেঘমালা অতি- ব্রহ্মপুত্রগণ চিত্রপিত পুলিকাৰ নিৰ্ম্মলভাবে অবস্থান করত গভীর গর্জনে বারিধারা বর্ষণ করিতে লাগিল।১৫। প্রলয় মাধহ অন্তর্বর্তী চিত্ত দ্বারা পরমপুরে উক্ত বিষয়ের ভাবনা কাজে লাগি- প্রবাহিত হইল, সমুদয় জগৎ একাকার হইয়া মহালে পরিণত লেন। অনন্তর অহণা ভাবিতে লাগিলেন, ‘আমি উৎফুল্ল কমল হইয়া গেল, ক্রমে ক্রমে সমুদয় ভূতগণ ক্ষয প্রাপ্ত হইল; তখনও বদন উচ্চাদন জগতের সৃষ্টিকর্তা জেত্তা মহেশ্বর , শিক্ষাদি তাহারা সেইরূপেই অবস্থান করিতে লাগিলেন। হে প্রভাে। অঙ্গ ও পুরাণ প্রকৃতি উপাসসহ সরসতী ও গায়ত্ৰীমুক্ত আমার অনন্তর পরমাত্মস্বরুপ আপনি এই সমুদয়ের সৃষ্টি, স্থিতি ও সংহার এই বেদ সকল মূর্তিগা (মানবের ব্যয়) হইয়া অবস্থূন করি করি। আপনার রাত্রিকাল উপস্থিত হইলে যখন যােগাড়ায় তেছে। আমি বমূতি, এই বেদ সবল আমার খাক মহমি অধিরূঢ় হইলেন , তখনও হার। সেইপে অবস্থান করিতে স্বরূপ। ৩৬–৪০। পৰ্বত, দ্বীপ, সার, ও অরণ্যরজি জ’র লাগিলেন। অদ্য। পুনঃকরন্তে ) আবার আপনি প্রবুদ্ধ হই’ অলঙ্কত, ত্রিলােকীর কর্ণকুণ্ডল-সকপ এই মণ্ডল অবস্থিত বু- সংসার সৃজনের ইচ্ছা করিতেছেন, তথাপি তাহারা তলস্থ হইয়াই আছে। দৈত্যদানবগণকর্তৃক অধিষ্ঠিত এই পলিপ্রদেশ এবং আছেন। হে ভগব। হে ব্ৰহ্মন ব্ৰহ্মৰূপী নেই দশটি সুরস্ত্রীগণে শােভিত এই গগনল গৃহের ন্যায় বোধ হইতেছে। ব্রাহ্মণই চিত্তাকাশে অবস্থিত দশটা সংসার। হে প্রভো। আমি প্রজার শেভবিবন্ধক নরপতিগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, পৰিত্ৰ, যজ্ঞানুত- সেই দশটী ব্রাহ্মণের দশবিধ ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে একব্রহ্মাণ্ডের দ্রব্য-ভােজনকারী এই মহাবাহে একাকী তৈলেব্য নগরীর ছিE-কপ আকাশমন্দিরে সূৰ্য্যরূপে অবস্থিত হইয়া এই জগতের পালন করিতেছেন। এই মহাতেজা ভানুগণ (দ্বাদশ আদিত্য) কালবিভাগকপ কম্মে নিযুক্ত আছি। তে কমলযােনে। কিরপে প্রদীপ্ত কিরণমালারূপ রছু দ্বারা দিকসময়ুকে বন্ধ করিয়া এই ব্রহ্মাণ্ডসমূহের সৃষ্টি হইল তাহা বলিলাম, ঐ ঐন্দবগণের যথাক্রমে (চৈত্রাদিমাক্রমে একে একে ) গফ করিতেছেন। উৎপওি আকাশ হইতে হইয়াছে, (ঐ সদয় ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্ট বিশুদ্ধবৃত্তি এই লােকপালগণ, ন্যায্য ব্যবহারে গােপালগণ যেমন থাকিলেও আপনার পুনঃষ্টি বিষয়ে কোন বাধা দেখি না) গােরক্ষা করে, তদ্রুপ লোক রক্ষা করিতেছেন। ৪১-৪৫। এই আপনার যভিলষিত কৰ্ম্ম আপনি সম্পাদন করুন। ৫ মহন। জগদ্বাসী প্রজাবর্গ প্রতিদিন জলতরঙ্গৰং উন্মগ্ন নিমগ্ন স্কুরিত ও বাহ ও অভ্যন্তরে ইলিয়সমূহের বন্ধনঙ্গরূপ আসকারী- পতিত হইতেছে। আমি যত্নসহকারে এই সৃষ্টি করিতেছি, সৃষ্টির দিগের মােহদ বিবিধকল্পনাপ্রসূত আকাশময় এই যে নিখিল সংহার করিতেছি, এই আমি আত্মতেই অবস্থিত আছি, আমি জং উথিত হইয়াছে, এ মুদই তাহাদের স্ব স্ব চিরে ভুবনেশ্বর, এই আমি শান্ত হইতেছি। এই এক বৎসর চলিয়া ভ্রমত্র (বস্তুতঃ সং নহে)। আপনার সৃষ্টিও তাহাই ,সুন্নাৎ গেল, এই এক যুগ গেল, এই সৃষ্টির সময় উপস্থিত, এই সংহারের উন্থা একই।৬-১২। কাল উপস্থিত। এই এক চলিয়া গেল, এই ব্রহ্মার রাত্রি সপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত।৮৭ উপস্থিত, এই আমি পূর্ণাঙ্খা পরমেশ্বর হওয়া আত্মাতেই অবস্থিত আছি।” ইপুত্র সেই দশটা ব্রাহ্মণ উক্ত প্রকার ভাবনাময়ী- বুদ্ধি অবলম্বন করিয়া পাবণের স্নার নিশ্চল হইয়া পাষাণ- খেনিত পুত্তলিকাবং অবস্থান করিতে লাগিলেন। কুশাসনে সমাসীন সেই ঐশগণ যখন কমলাসন এর সঞ্চয় প্রাপ্ত উৎপত্তি-প্রকরণ অষ্টাশীতিতম সর্গ। কুরিতে সমর্থ হয় না। হে । এরে মনেথ্যে যে নিচ বল হব কে, সেই নিশ্চয় সেই ব্যক্তিব্য ব্রহ্মা কহিলেন-হে ব্ৰহ্মবিৎশ্রেষ্ঠ! হে ৰ। সেই অন্ধ অপরের নিয়+যাগ্য ম না। নৱ নিয়ে গান আমার নিকট সেই দশজন ব্রাহ্মণ ব্ৰহ্মাই অপ কেহ নহে ইহ কাল অভ হইয়া যায়, দেহ নষ্ট হইলেও এমন কি কাহারও বলিয়ানােবলম্বন করিল। অলর আমি বহু মনে মনে চিন্তা অলিতে আহার ক হয় না। মনে যে ভাব রিভাবে করিয়া তাহাকে কহিলাম, “হে ভানন, হে ভাননা। তুমি শীঘ্র বল, উদিত হইয়া পুরুষও তদ্রুপই হয়, তাহার অন্যথা হয় না। আমি আর কি সৃষ্টি করিব ? যখন এই দশ-জগৎ বিদ্যমান, তখন অতএব এই সংসার নিবারণে জ্ঞান ব্যতীত মূঢ়গণের অন্য ফল দেৰি ভাস্কর, আমার আবার অন্য সৃষ্টিতে প্রয়ােজন কি ? উপায় (অনুরােদগমের আশায়) শৈলােপরি জলসেকের আয় হে মহামুনে। আমি এইরূপ বলিলে পর| সেই ভানু বহুক্ষণ নিতান্ত নিল বিবেচনা করি। ১৬-২১। চিন্তা করিয়া আমার ঐ প্রশ্নের অনুরূপ (যখাঘব) উত্তর দিতে অষ্টাশীতিতম সর্গ সম্পূর্ণ। ৮৮ | লাগিলেন। ভানু কহিলেন-হে প্রভাে। আপনি নিরীহ, আপনার কোন বিষয়ে ইচ্ছা নাই , তবে আপনার সৃষ্টিতে প্রয়োজন কি ? হে জগৎপতে। এই ভবদীয় দৃষ্টি আপনার বিনােদনমাত্র, (কোন একোনা শতিতম সর্গ। প্রয়ােজন ইহাতে দেখি না)। ১-৫। হে প্রতো। যেমন সূর্যের কোন চেষ্টা বা ইচ্ছা না থাকিলেও উদীয় মণ্ডল হইতে জলে অনু কহিলেন,-মনই অনুংকা, সুমষ্টিভাবাপন মুনই তাহার প্রতিবিম্ব পতিত হয়, তদ্রুপ আপনি নিকাম ও নিখুন হিরণ্যগর্ভ পুরুষ, এই লােকে মুনধারা, যাহা কৃত হয়, তাহাই হইলেও আপনা হইতে এই সৃষ্টি আপনিই উৎপন্ন হইয়া থাকে। প্রকৃত কৃত, শরীর খারা যাহা কত হয়, তাহ; বাবিক কত নহে। কে ভগবন! সৰ্ব্বদাই আপনার নিস্কাম ভাব, এই’রীরসন্নিবেশের ঐ ঐন্দৰগণ সামান্য রূণ হইয়া মনের ভাবলেই ব্ৰহ্মভবাপন্ন ত্যাগ হাতে অহম্ভাবনুরাগ কিছুই আপনার নাই, আপনি হইয়াছেন, দেখুননের কদূর শক্তি। মনের ভাবনাখলেই দেহ এই শরীরের ত্যাগ ৰা বা কিছুই করেন না। হে ভূতপতে। দেহত্ব ধারণ করে, ( দৃঢ়রূপে প্রথিত হয়। যার দেহভৰা নাই, হে দেব' দিনপতি যেমন পুনঃপুনঃ এই দিনের সৃজন ও সংহার সে দেহথরে বাধ্য হয় না। যাহার দৃষ্টি বাহ্ন-দেহাদিতেই করিতেছেন (ইহাতে তার কোন প্রয়ােজন মাই) সেইরূপ সেই ব্যক্তিই নিয়ত মুখ দুঃখাদি ভেগ করে, অদৃষ্টিশালী যােগী আপনিও কেবল মাত্র বিনােদনাথ নিত্য এই জগরে সৃজন ও যায় দেহে সুখ দুঃখ কিছুই অনুভব করেন না। অতএব এই সংহার করিতেছেন, কেবল বিনােদার্থ হইলেও এই জগৎ সৃজন বিবিধ বিমসমন্বিত জগৎ যে একমাত্র মন হইতেই উৎপন্ন, ইন্দ্র আপনার নিজকৰ্তব্য মধ্যে গণ্য হইতেছে, থপি ইহাত আপনার ও অহংকার বৃত্তান্ত তাহার একটা প্রল নিদর্শন। ১৫। ব্ৰহ্মা কোনরূপ আসক্তি বা উদ্যমেচ্ছা নাই। হে মহেশ। আপনি যদি কহিলেন, হে ভগব। মােপই। হে ভানে। যাহাদের কষ্ট সৃষ্টি না করেন, তাহা হইলে আপনার নিত্যক পরিত্যাগ করায় শ্রবণে এই পবিত্র সৃষ্টি অবগত হওয়া যায়, সেই অহল্যা কে?এবং আর কি অপূর্ব কৰ্ম প্রাপ্ত হইবেন, অর্থাৎ তাহা হইলে আপনার ইন্দ্ৰই বা কে? ভানু কসিন-হে দেব। কথিত আছে, মগ- আর কোন কখই থাক না । ৬-১০। যেমন নিষ্কলঙ্ক (স্বচ্ছ দেশে (পুরাণান্তরসিদ্ধ অপর) হাখের স্যায় ইনামে পূর্বে মলহীন) আদর্শ ইচ্ছা বা আসক্তিশূন্য হইয়া বস্তুসমূহের এক মহীপতি ছিলেন। তথায় সেই মহীপাতৰ শশাঙ্কের রােহিণীর প্রতিবিম্ব ধরণ করিয়া থাকে, তেমনি নিত্যবস্তু অগ্নাও মত চকাসদৃশী কমলাক্ষী অহল্যানাক্সী এক ভাৰ্যা ছিল। অনাসক্ত হইয়া যথাপ্রাপ্ত কৰ্ম্ম করিয়া থাকেন। ধীমানু-দিগের সেই নগরেই শৃঙ্গাৱলম্পট সর্ব লম্পটোচিত বেশভূষায় সজ্জিত, কর্মকরূণবিষয়ে কোন কামনা নাই এবং কৰ্ম্মত্যাগ বিষয়েও বিটবিদ্যায় নিপুণইক্ষনামে এক বিনয় বাস করত। অনন্তর কোন কামনা নাই। অতএব আপনি অনুখি সদৃশ সুয়ও ঐ রাজমহিষী অহল্যা কথা প্রসঙ্গে কোন স্থানে শ্রবণ করিলেন বাক্তির স্বােপমা কামনাশূন্য বুদ্ধির যথােপক্ষিত কাৰ্য্য যে, “পূর্বে গৌতমপত্নী অহল ইন্দ্রের (দেবরাজের) ভলষিত পান করুন। হে জগৎপতে! যদি আপনি ঐ ইন্দুপুরগণের হইয়াছিলেন। ৬-১০। অহল্যা ইহা শ্রবণ করিয়া সেই সৃষ্টিক্রিয় সন্তোষ লাভ করেন, তাহা হইলে হে সুরেশ্বর। ইহাৱা ইন্দ্রের উপরি অনুরক্ত হইল এবং সেই ইন্দ্র আমার উপরে পরেও সৃষ্টি দ্বারা আপনাকে সন্তুষ্ট করবে। আপনি চিত্তনে- আসক্ত হইয়া কি আমার নিকট আসিতেছে না” এইরূপ খারাই পরস্থষ্টি দেখিতে পাইতেছেন। চারা দেখিতে ভাবনায় উৎকণ্ঠাবতী হইয়া উঠিল। ক্রমশঃ সেই বালা ই- পাইতেছেন না। সৃষ্টিকারী কোন্ ব্যক্তি স্বকৃত সৃষ্টি “ইহা আমার বিরহাতুরাইয়া মৃণাল ও কদলীপত্রের আস্তরণে শয়ন কৰিও কত” এইরূপে স্বীচক্ষুরা দেখিতে পায়। ১৯১৫। হে ছিন্নবনলতাৰ কায় বিশুদ্ধ ও সয়াপিত হইতে কাগিল। যেমন পরমেশ্বর ঘিনি মনৰ্বারা এইটি কল্পনা করিয়াছেন, তিনিই নিলাখ মুসলিলে মৎসী দারুণ যন্ত্রণায় অস্থির হয়, সেই কেবল স্বীয় চর্মচকু আয়া তাহা দেখিতে পান, অপরের সেইরূপে অহল্যাও দ্রুণ যন্ত্রণা প্রাপ্ত হইয়া সমগ্র বােৈর্বও অসুখ দর্শন করিবার ক্ষমতা থাকে না। ঐ বা কমলবােনির (ব্রহ্মাল) বােৰ করিতে লাগিল। “এই ই, এই ই” এই অৰ দশসংসার বা ঐ গণ কমােকি কেহই নাশ করিতে সমর্থ এগৰাক্য অহ্যায় মুখ হইতে সই বিলিত হইতে নহে, কারণ উহাৱা চিরে দৃভাষণ চিরস্থায়ী হইয়াছে। লাগিল। সাতিশয় অধীর হইয়া সেই কামিনী ও পরিত্যাগ কর্মেী, আৱা যাহা অতি হয়, তাহাই পরে কি করিল। অলর জহার এক মা তাহার প্রতি গাঢ় লেহ- করিতে পাঁয়ে, চিনি যাহা উৎপল, আহা কেহই নষ্ট বশত অবস্থাসর্শনে গুণিত হইয়া কহিল ‘এসখি আমি যােশবাশিষ্ঠ রামায়ণ। মাের প্রিয়তম ইজ নিধি আনয়ন ত্রুঝিতেছি”।১১=৪। কোনরূপ দুঃখ উৎপান করিতে পারিবে না, এইরূপ অহল্যার এই কথা শ্ৰসু মানই | নয়নে নলিনী যেন এ নিটও সমুদয় অনৎ মন্ময় (ইষয়) প্রতিভাত হইতেছে। সেই নলিনী নিকট নত হইল পড়ে মন সময় পার হইয়া কারণ ইহরও (র) পীড়নে কোন দুঃখ হইতেছে না, পড়িল। তাহার পর রাত্রিকাল উপস্থিত হইলে, সেই সখী হে রাজন! আমি ত মনােৰ, কাৰণ মনই পুরুষরুপে কথিত হয়। ইনামা সেই মিকুমারের নিকট গমন করিল এবং ইলের নিকট ৩১-৩৬। এই যে দেহ দেখিয়েছেন, ইহা কলিত ঐ মনের নিজসখীর বৃন্ত যথাযথ প্রকাশ করিয়া সেই রাত্রিতেই অহলা- বিস্তার। যদি ফুগপৎ নিখিল কঠোর দণ্ড প্রয়ােগ করা যায়, নিকটে তাহাকে আনয়ন কৰিল। অনন্তর হ্যা বহমাল্য ও অবাপি বীর (ইষ্টার্থ স্বৈৰ্যহেতু শূর) মনের কিছুমাত্রও ভেদ বিদেবে ভূষিত হইয়া, কোন গুপ্তনে কামনস্পট সেই করিতে পারা যায় না। মহারাজ, অনুতুন বিষয়ে নিশ্চয় ইন্দ্রের সহিত যতিক্ৰীড়ায় যত হইল। এখন সেই যুবতী, হার- মনকে যে শক্তি আর ভেল করিবেন, সে শক্তি কি প্রকার ? কেয়ুরশােভী সেই যুবকের মুক্ৰিীড়ায় বশীভূত হইয়া বসন্তাগমে কাহার বা সে শক্তি আছে। এই দেহ বুদ্ধি প্রাপ্ত হউক তার ন্যায় উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। ১৬-০। ক্রমে সেই পুরুষে বা বিগলিত হউক, স্বকীয় ভাষাগােচৰ পদার্থে আসক্ত হইয় অহল্যা এত অনুরক্ত হইল যে, এই জগৎ কেবল তন্ময়ই দেখিতে মন পুবই অবস্থান করিবে। হে নৃপ। অভিলষিত অর্থে লাগিল। নিখিলগুণধার হইলেও স্বীয়ভর্তা আর তখন তাহার অভিনিবিষ্ট মনকে শরীরন্থ ভাব ও অভাৰ সমূহে কিছুই ঐতিকর হয় নাই। মহারাজ কিন্তু তাহাকে স্বীয় বদনকাশের বাধা দিতে পারে না।৩৭—এহে মহীপতে। মন তীব্র- চলিকস আনিতেন তা হাতে নিতান্ত অনুরক্ত ছিলেন। বেগে যে বিষয়ের ভাবনা করে, স্থিরভাবে তাহাই দেখে , তখন কিছুকাল অতীত হই-তিনি বুঝিতে পারিলেন,শহঙ্গা ইস্লা- তাহার আর শরীর-চেষ্টার অনুভব থাকে না। হে রাজ। তীব্র- বক্তা হইয়াছে। সেই অহল্যা ঘখন ইৰিষিণ কুন্তি করিত, বেগে অভীতি বিষয়ে নিশ্চল ভাবে আসক্ত মনকে বরদান তখন তদীয় বদলগুল পূর্ণচয়ে করবং প্রযুল হইত। বা শাপদ কেন ক্রিয়াতেই বিচলিত করিতে পারে ইরেও তখন সমস্ত ইন্থিসমূহ তাহাতেই আসক্ত, সে ক্ষণ না, যেমন মৃগসকল মহলকে বিকম্পিত করিতে পরে না, কালও তাহার বিরহে অবস্থান করিতে পারি না। অনন্তর সেইরূপ পুরুষ বাতি বিষয়ে দৃঢ়রূপে অভিনিবিষ্ট মনকে যখন তহুরা গাঢ় প্রণয় বশত একান্ত ভাবেই পাপকর্মে রত বাতি বিষয় হইতে বিচলিত করিতে পারে না। যেমন বিশাল হইতে লাগিল, তখন আমাদের ঐ দুঃসহ অন্য ব্যাপার রাজার সমুন্নত দেবাগরে ভগবতী দেবীমুর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়, তদ্রুপ এই শ্রুতিগােচর হইল। ২১-২৫। রাজা উভয়ের পরস্পর আসক্তি অসিপাঙ্গী (যাহার অপাঙ্গদেশ শ্যামবর্ণ ) মদীয় চিকোশে অবগত হইয়া দুইজনকেই কঠোর দণ্ডে শাসিত করিতে লাগিলেন। প্রতিষ্ঠিত রহিয়াছে। যেমন মেঘমালা আসিয়া পৰ্বত-তটে লগ্ন ৰজা হেমকালে উদিগকে সলিমধ্যে প্রক্ষেপ করিলেন, হইলে পর্বত খ্রীষ্মণাহ অনুভব করে না, আমিও সেইরূপ এই খালি তাহা সন্তুষ্ট হইয়া হাসিতে লাগিল;কোন কষ্টই অনুভব জীরণিপ্রিয়া আমার সঙ্গিনী থাকায় কোন দুঃখ অনুভব করিল না। তখন রাহা তাহাদিগকে জিজ্ঞাসা করিলেন, হে করিতেছি না। ৪১-৪৫। হে রাজন! আমি যে সে স্থানে হতিষয়। আমার এইরূপ কঠোর শানেও তােমরা কোন কষ্ট যেরূপেই অবস্থিত বা পতিত হইনা কেন, তথায় এই প্রিয়া- অনুভব করিতেছ না কেন? আহার পর তারা জলাশয় হইতে সঙ্গমমুখ ব্যতীত অঙ্গ কিছুই অনুল করি না। ইনি অহল্য- উন্নত হইয়া মহীপতিকে কহিল। আমরা পরস্পরের আনন্দিত নামী পন্বিতা ঝট, কিন্তু ইনি এক্ষণে ইনামক মন অর্থাৎ এই মুখকান্তি স্মরণ করিতেছি। আমরা পরস্পর এরূপ প্রণয়- অপু আমার মন হইয়া দাঁড়াইয়াছেন; ইহাকে আমার মনো- সূত্রে আবদ্ধ ছি যে, আমাজোনও নাই। আপনার ভাব হইতে কিছুতেই বিচ্যুত করিতে পারিবেন না। হে ভূপতে। এই কঠোর দণ্ডেও যে, পশর জিৰে একত্র সহবাস বা ব্যক্তির মন এক কার্যে নিবিষ্ট কিলে, তাহা সুমেরু- করিতেছি, তাহতেই আমাদের সাতিশয় হ হইতেছে; হে পর্বত্রে স্বাস্থ অটল খবর প্রদান দ্বারা বা শাপপ্রদান করা মহীপা। আমাদের অঙ্গসমুহ কওঁ করিয়া দিলেও আমরা কিছুতেই তাহাকে বিচলিত কৱিতে পারা যায় না। হে রাজ। মােহপ্রাপ্ত হই না”।২৬-৩০। তাহার পর আজ তাহাদিগকে বর ও পরা দেহের অন্যথা হয় বটে, কিন্তু ধীনে ও ভাই (খােলায়) পে কলিলেন, হলি আহাৱা অখিল বিজিগীষু হইয়া এক বিষই নিশ্চলভাবে অবল করে। রহিল এবং পরস্পর পরস্পরকে আর কত হটিভ হইয়া হে রাজ। বুবা উৎপন্ন এই জীব-শরীরূপনার একাংশও পুর্যোক্ত ফায়ই উত্তর প্রদান করিল। অঞ্জর তাহার হস্ত্রীর মনের কারণ নহে যেমন সময় এরশলগ-রসের প্রতি পাতে নিকি হই, তাহছু তাহারা অখিবে অবস্থান ৰারি কারণ, সেরূপ এই শরহের প্রতি মাই কারণ। করিতে লাগিৎ পরস্পরে গত আলাদিত ইমরাজকে ৪৬-৫০। হে মহ! আপনি দিকে মনই এথম রীর; পূর্বোক্ষপ উত্তর প্রদান করিল। অন শাহত হলেও অহৰ পর তত্ত্বাৱা এই শরীয় কথিত হয়, আত্মায় এখন ঐরূপ আমি এই ঐরূপইউ লি। এইলে তাহাদের লেলিকেনইমীর। এমন হলে মেনেই আধি- নেপপুঞ্জ কঠোয় এসে করিতে লাগিলেন, তাহাৱা দুত হয়, সেই স্থানেই ভগ শরীয় উৎপাদন করে, মন ব্যতীত হইতে উপ্ত হই কি বিজ্ঞাসিত, উক্ত উৎপালিকাশক্তি অপত হয় নাই। হে মুণ। য় পথই উন নিতে লাগিল। অনেকে মনে করে অল উৰণ হয় এলিতে আহার কতে লাগিলেন।ছে যান। এই আমার নিকট গিয় পদেসহ জলজকে জাইনারূপী আ হইতে বিস্তৃত বে; এই শরীল মেইলে আমার হইয়া পড়ে। দুৱ নষ্ট হইলে আজ পযােন মক মনের শক্তি কদূর। ঐ ঐশীবগণ যেন চৈতন্যশক্তি। উৎপত্তি-এর থাকে না, কিন্তু পল্লব নষ্ট হইলে আর নষ্ট হয় না। সেইরূপ একনবতিতম সর্গ। এই স্বপ্নভূমিতে দেয় নষ্ট হইলে চিত্ত আবার নৃঙ্গ নৃ বিবিধ সেই ঝটিতি উৎপাদন করিতে পারে। কিন্তু চিত্ত হইলে ভানু কহিলেহ গবন্! এই বলিতেছি, এই মন দেহের কিছুই ক্ষমতা থাকে না দেই নষ্ট হইয়া যায়)। অতএব কঠেন শপ আরাও নিগৃহীত বা ভিন্ন হয় না। অতএব হে চিত্তরঙ্গকে সর্বতােভাবে বা করিবেন। হে রাজ। এই ব্ৰহ্মন। আপনি সেই ঐশবগণের সৃষ্টিকমের বিলাশ করিতে প্রিয়তমা যুবতা আমার মনস্বরূপা হওয়ায় আমি চতুর্দিকে কেবল পারিবেন না, আপনি মহাত্মা, সুতরাং আপনার তাহা করিতে এই মৃগনয়নাকেই বিলােকন করিতেছি, এই কারণেই সর্বদাই যাওয়াও যুক্ত নহে। অপিচ বিবিধ জগৎ আছে, আপনার আনন্দিত হইতেছি। আপনি দুখপ্রদ কঠোর দণ্ড-ভাবিয়া বাহা নিজ-জগৎসৃষ্টির বৈফল্য আশঙ্কা করিয়া ফেল করাও বাস্তবিক আমাতে প্রমােণ করিতেছেন, আমি ক্ষণকালেৱ-জন্যও তজ্জনিত অমূলক, কারণ আপনি ত সকলেরই নাথ। মনই জগৎকা, যন্ত্রণা কিছুই অনুভব করিতেছি না। ৫১-৫৫। মনই পুরুষ, মনের নিশ্চয় বাহা সম্পাদিত হয়, তাহা মণির প্রতিবিম্বৰং জর কলিত দ্রব্যশক্তি ঔষধি বা দণ্ড দ্বারা প্রতি একোননবতিতম সর্গ সমাপ্ত ॥৮৯। হইবার নহে। অতএব এই ঐন্দৰগণ সমুজ্জ্বল সৃষ্টিব্যাপারে নিযুক্ত হই অবস্থান করুন। ১৫। আপনিও এই চিত্তাকাশে প্রজাষ্টি করিতে থাকুন। লুচ্চাকাশ অনন্ত, চিলাভাসাকাশ, চিন্তা- নবতিতম সর্গ। কাশ, ও আকাশ এই আকাশত্রয় সাক্ষিকুট, চিনাকাল হইতেই ভানু কহিলেন,-অনন্তর রাজীবনঘন নরপতি, ইকর্তৃক প্রকাশিত, সুত্রাং এই আকাশ সমূয়ও অনন্ত। হে জগৎপতে। এইরূপ অভিহিত হইয়া পার্শবর্তী ভরতনামক মুনিকে কহিলেন। আপনি মনে করিলে এক, দুই, জি, বা বহুষ্টি করিতে হে ভগন সর্বধৰ্ম্মবিং। আমি মদী-দরিহরণকারী এই অতি পারেন, আপনি ষোয় অাছে অবস্থিত, হউ, ঐকােন দুরাত্মার মুখে সাতিশয় খৃষ্টতা-প্রকাশ দেখিতেছি। হে মহামুনে। আপনার ফ্রি ক্ষতি করিয়াছে? ব্ৰহ্মা কহিলেন, হে মহানে। আপনি এই দুআর পাপানুরূপ শাপ প্রদান করুন। অবধ্যবধ ভান এইরূপে ঐবজগৎ-সমুহের বুর্ণন করিলে, আমি বক্ষণ করিলে যে পাপ হয়, বধ্যকে বধ না করিলেও তদ্রুপ পাপ হইয়া চিন্তা করিয়া বলিয়াছিলাম।, হে ভান। তুমি ঠিক বলিয়াছ, এই থাকে (অতএব এই বণ্যকে আপনার বধকর কর্তব্য)। আকাশ বিস্তৃত্ব- অনন্ত ৮-এনও বিস্তৃত, চিকাশ বিত, রাজসিংহ-কর্তৃক এইরূপে অভিহিত হইয়া মুনিসত্তম ভরত সেই অতএব আমার অভিমত নিত্যকায় যে জগৎষ্টি,-গুহা দুরাত্মার যথাযথ পাপবচার করিয়া শাপপ্রদান করিলেন যে, “হে আমি সম্পাদন করি। ৬-১০। হে অঙ্কর। আমি সত্বর বহু দুৰ্বদ্ধে' তুমি এই তদ্রোহকারিণী পাপিনী রমণীর সহিত বিনাশ ভূসমুহের কল্প করি। হে ভগব। তুমি সত্য প্রথম ম হও। প্রাপ্ত হও”। ১৫। অনন্তর সেই ইন্দ্র ও অহল্যা, রাজা তুমি আমাৰ আদেশানুসারে যভিলষিত সৃষ্টি কর। ও ভরতমুনিকে এই প্রত্যুত্তর দিল, “তােমর অজ্ঞান, শাপনে সেই মহাতেজস্বী প্রভাকর, আমার বাক্য অঙ্গীকার করিয়া স্বীয় অনর্থক দুষ্কর তপস্যা ক্ষয় করিলে। আমাদের এই শপপ্রদানে অত্মাকে দ্বিভাগে বিভক্ত করিল। হে তপস্বিবর। এই সৃষ্টিতে কিছুই হইবে না, আমরা ত চিত্তরূপ, দেহ নষ্ট হওয়ায় প্রাক্তন এক দেহেই অন্য একটা সূৰ্য্য হইয়া, সেই ভানু, দিবস আমাদের কিছুই ক্ষতি হইবে না। চিত্তকে কেহ কখন নষ্ট কল্পনা করিতে লাগিলেন। আর দ্বিতীয় শরীরভাগে মনু হইয়া করিতে পারে না, কারণ ঐ চিত্ত সূক্ষ্ম চিন্ময় এবং দুর্লক্ষ্য”। ক্ষণকালমধ্যে আমার অভিমত সমুদয় সৃষ্টি করিলেন। ১১-১৫। ভানু হিলেন, অনন্তর গাক্ষেহে আবদ্ধচিত্ত ঐ অহল্যা ও ইন্দ্ৰ হে মুনিবর বশিষ্ঠ। তােৰ নিকটে আমি এই মহাত্মা মনের নিপে, বক্ষচ্যুত-পছিয়ে যায়...ভুড়লে পতিত হইল। স্বরূপ, সকল কর্তৃত্ব ও শক্তিমত্তা সময়ই কহিলাম। এই চিতের অনন্তর পরস্পর ধাের অনুরক্ত ঐ অহল্যা ও ই-গয়েনি যে যে অংশ প্রতিভাসগত (চৈতন্যের প্রতিবিম্বপ্রাপ্ত) হয়, তাহাই প্রাপ্ত হইল, পরে মৃগৰােনি হইতে তাহারা পুনর্বার পক্ষিযযানিতে প্রকাশিত হইয়া স্থিত প্রাণ ও সফল হয়। ঐ ঐন্দবগণ জন্মগ্রহণ করিল। ৬—১০। বিভােগ। অনন্তর সেই নরনারী সামান্য ব্রাহ্মণ হইয়া প্রতিভাসশেই ব্ৰহ্মভাবাপন্ন হইল , দেখ পরস্পর প্রণয়সূত্রে আবদ্ধ হইয়া আমাদের এই ব্রহ্মাণ্ডে তপস্যা, মনের শক্তি কতদূর। পরাহ্মণ মহাপুণ্যশালী বিপ্রদশতি হইয়া জন্ম গ্রহণ করিল। হইতে চৈতাৰ এগুইয়া ব্ৰহ্মবাপন্ন হইলেন, আমরাও হে প্রভো। মুনির ল কেবল উহাদিগের দেহনাশেই সেইরূপ আত্মচৈ হইতে চিতাপ্রাপ্ত হইয়া ব্ৰহ্মভাবাপন্ন সমর্থ হইয়াছিল, তাহাদের নােণ করিতে সমর্থ হয় নই। হইয়াছি প্রতিভাসগত (বুদ্ধি) আত্মাই চিত্ত, সেই প্রতি তাহারা অদ্যাপি পেঁই মােহষংস্কাৱে বে যে স্থানে জন্মগ্রহণ করে, ভাসই মন ও দেহাদি, দেহপ্রতীতি চিত্তভিন্ন অপর কিছুতেই অথায় দম্পতিভাবেই অবস্থালরৈঅধিক কি বলিব, অকৃত্রিম নাই।১৬-• চি স্থাভেনিত হয়, ভাণ কানা মরিচ প্রেমরসেবি অনির্বচনীয় অভূতপূর্ব তাহাদের সেই অনুরাগ গুলির দেয়া কাৰ, কর্ণ ও বাসায় রে দেখিলে (চেতনাহীন) রুলগণও প্রেসাবদ্ধ হইয়া শৃঙ্গারচেষ্টায় স্বই খিজিরুপে হইয়া কে। চিতিভাত সুতি আকুল হইয়া উঠে।১১-১৪। বাহিদেহই ভ্রান্তিতে আপনাতে ফুলৰ ৰাৰণ কৰিলে লেহ নবতিতম সর্গসমাপ্ত ১০ নামে অভিহিত হয়। যখন ঐ ভিভের আসল কণভাবে থাকে তখন চিন কাম কৰিত হয়। যখন এমবাহুল্য প্রাপ্ত হয় অনবে এবং যখন ঐ চিরে উক্ত মেহলনা শহরে, ১০০ যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ তখন উহাকে পত্ৰন্ধ বলিয়া আনিবে। হে বশিষ্ঠ। আমি বিভাগশূন্য হইলেও আপনার বিভাগ কল্পনা করতঃ বিচরণ বা অপর কেহই পৃথভাবে অবস্থিত নছি, একমাত্র বিচিত্র করেন। ৩৬–৪। বাস্তবিক ভ্রান্তিনামক কোন পদার্থ চিত্ৰই এই সমূদয় অপরূপ বিভিন্নাকারে অবস্থিত। ঐ চিত্ত নাই ও পুরুষও ভ্রান্ত নহেন, ইহা নিশ্চয়। তিনি পরিপূর্ণ অসৎ হইলেও ঔষণে সম্বিদের ন্যায় সন্ত্র ধারণ করিয়াছে অর্ণবের ন্যায় অবস্থিত (চিৎপুর্ণব্রহ্ম) ইহা নিশ্চিত জানিৰে। (মনের দৃঢ় নিয়ে সৎ হইয়াছে)। ঐদবগণের মন যেমন এই চিত্তের সমূদয়রূপ এড় হইলেও ইহা চিৎ, যেহেতু ড়ভাবেও ৰ আমিও সেন ব্রহ্মা হইয়া রহিয়াছে; ঐকৃত চমৎকৃত চৈতষ্ঠাংশের অনুভৱ করিতেছ, ইহার বােডই চিভাগ, এই সৃষ্টির সমস্তই চিত্তকলনা। ২১-২৫। চিত্তের অহংভাগই জড়তা। যেমন জলের তলাদি জল হইতে ভিন্ন বিলাস স্বরূপ আমি ব্ৰহ্মা হইয়া অবস্থান করিতেছি। তুমি আনিবে, নহে, তেমনি পরমতত্ত্বে অল্পমাত্রও পৃথক্ অহাৰ নাই, যেহেতু পরমাত্মাই সকল প্রপশূন্য আত্মকাশ হইতে পৃথক্ হইয়া দেহালি- সেই পরমত সম্বিংসার (জ্ঞানের সারাংশ)। ঐ পরমতত্ত্বে ভাবে অবস্থান করিতেছেন। এই জীবই আর বিশুদ্ধ (প্রপঞ্চ- অহংরূপে দৃশ্য যে চোংশ উখিত হইতেছে, বাস্তবিক উহা শ) চৈতন্য পরমার্থ-স্বরূপ (সত্যস্বরূপ। এইরূপ ভাবনা- মরীচিকায় জলবং অলীক। নিরাময় ঐ আত্মবস্তুকে তুমি বলে মন হইয়া দেহের মিথ্যাত্ব জ্ঞান করে। যেমন স্বকীয় অন্যাবের আশ্রয় বলিয়া ভাবিও না, যেমন ধনীভূত শৈত্যই অজ্ঞানশক্তি-জনিত স্বপ্ন জাগ্ৰদাত্মৰূপে পরিণত হইয়া প্রতি হিয়, তেমনি চিস্বভাবই ঘনীভূত বাসনায় অহং স্বরূপ হয়, ইহা হয়, তেনি চিৎশরীর এই পরমাত্মাই ঐসংসারের ন্যায় সকলেই দেখিয়া থাকে। ৪১-৪৫। স্বপ্নে স্বকীয় মরণ দর্শনের সর্বশ্বরূপ হইয়া প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয়চন্দ্রের ভ্রান্তিবং যখন এই ন্যায় চিৎ স্বয়ংই জাড্য দর্শন করেন, সর্বাত্মম্বরূপ বলিয়া চিৎ সর্ব- নিখিলজগৎ সূক্ষ্মতর বাসনাময় শব্দতখাত্রের অধ্যাসেই উদ্ভূত শক্তি আবিষ্কার করিতেছেন; জ্ঞানের দৃঢ়তা ব্যতীত চিৎ সমি- হয়, তখন ইহা ঐন্দবগণের চিত্তাকাশবং রূট (প্রসিদ্ধ)। চিত্ত ভাব (পূর্ণভাব) ধারণ করেন না। মনই সমগ্র পদার্থের আদিরূপে হইতেই সমুদ্ভূত এই যে অহঃস্বৰূপ (আমি) অনুভূত হইতেছে, সর্বস্বৰূপাহইয়া বিজড়িত হয়, নানাত্মক চিত্তই অতিবাহিক ইহা সৎও নহে, অসৎও নহে। যাহা হইতে সত্তা, অস—উভয়ই দেহ, উহ। আকাশবং বিশদ অর্থাৎ নিলাকার। ঐ চিত্তের উদিত হইতেছে, তাহা সং অসং উভরাত্মক , উপলব্ধি বিষয় স্কুল-দেহাদি দেহত্রয়ের প্রতিভাসম্বরূপ পরিত্যাগ করিলে চিত যে বলিয়াই ইহা সৎ (অবার যথার্থ বিচায়ে ) উপলব্ধির বিষয় হয়। প্রাতিভাসিক" অহা সম্মই বিচার করতে পারা যায়। বিচার দ্বারা বলিয় অসৎ ।২৬-৩০। এই সাত্মক বৃহদাকার মনুকে চিত্তরূপ ভায় বিশােধিত হইলে পরমাণভাব প্রাপ্ত হওয়া যায় জড ও অজড উভয় বুলিয়া জানিবে, ব্ৰহ্মরূপ বলিয়া ইহা অজড, তাহা হইলে নিত্য নিবতিশয় আনন্দলাভ করা যায়। দেহ পাষণ- ও দৃশ্যআত্মা বলিয়া ইহা অড়। দৃশ্যানুভব সময়ে এই মন দৃশ্য খণ্ডস্বরূপ তাহার শােধমে কোন বল হয় না, যাহা বিদ্যমান হয়, ব্ৰহ্মানুভবকালে ব্ৰহ্ম হয়, সুৰণে যেমন সুৰত্ব কটকত্ব উভয় আছে, তাহাই শােধিত হইতে পারে, তাহারই বােধনবল হয় ধর্ম অবস্থিত, সেইরূপ এই মনে দৃশ্যত্ব ব্ৰহ্মত্ব উভয় ধৰ্ম্মই (দেহাদি ত বিদ্যমান নহে)। আকাশের-ক্ষ শােধন করিতে বিদ্যমান। বস্তুতঃ চিন্ময় ব্রহ্ম যখন সময়, তখন এই সমস্ত জড় , যাইলে কি দেখিবে ? অ 13 আকাশে ক্ষ যেমন অলীক, আত্ম- পদার্থ উক্ত ব্ৰহ্মস্বরূপ বলিয়া চিময়ই বলিতে হইবে। যদি তেও দেহাদি তেমনি অলীক বলয়। অনিবে। লেহাদি-অবিদ্য। স্থাবর পাষাণাদি পদার্থ উক্ত ব্ৰহ্ম হইতে অবিক্ত পদার্থ বলিয়া যদি সত্য হইত, তা হইলে তাহার শােধনের প্রতি আগ্রহ স্বীকার কর, তাহা হইলে উহা চেনও হইতে পারে না, জডও ' করা উচিত হইত। ৪৬-৫৩। যাহার| অসত্য দেহাদিকে আত্ম হইতে পারে না। চৈতন্য না থাকিলেও আবার কাষ্ঠ-পাষাণাদির বলে এবং নিজ মৃতের পরিপোষক প্রমাণ উদ্ধৃত করিয়া উপদেশ উপলব্ধি হইতে পারে না। কেননা পরস্পর সাদৃশ্য সম্বন্ধ না করে সেই অজ্ঞব্যক্তিগণ পুরুষের মধ্যে মেষ-স্বরূপ। মুত্তিহীন থাকিলে উপলব্ধি হয় না ( তাৎপৰ্য এই—জ্ঞানচৈত্যস্বরূপ পাষা- এই চিত্ত যেরূপে ভাবিত হয়, ক্ষণকাল মধ্যে তদনুরূপ মূর্তাদিভাব শাদি কেবল জড় বলিয়া স্বীকার করিলে উহাতে চৈতন্য নাই ' বরণ ক, এ বিষয়ের দৃষ্টান্ত ঐদবগণ ও অহল্যা ইন্দ্রপ্রভৃতি বলিতে হইবে, সুতরাং উহার জ্ঞান কিপে হইবে, অথচ কাষ্ট নিশ্চয়। প্রাতিভাসিক আত্মরূপ চিত্ত যে যে প্রকারে স্কুরিত পাষাণাদি ত লােকের জ্ঞানগােচর হইতেছে)। অতএব সাদৃত হয়, সেই সেই প্রকার দেহরূপে আবির্ভূত হয়। বাস্তবিক দেহও সম্বন্ধে সাম্যভাবাপন্ন বস্তুরের যখন উপলব্ধি স্থির হইল, তখন নাই, ‘আমি’—ইহার পৃথক্ স্বরূপ নাই। অতএব তুমি একমাত্র উপলব্ধির বিষয় নিখিলপদার্থই অজড় বুলিয়া জানিবে ৩১-৩৫। একরস বিজ্ঞানময় আত্মচৈ (স্বস্বরূপ)অবগত হইয়া ইচ্ছ- ফলতঃ মহামরুভূমিতে যেমন পত্র লতা প্রভৃতি কিছুই জন্ধে না, শূন্য হইয়া অবস্থান কর। কুনােবলেই এই আত্মা দেহু হয় অনির্দে৷ ব্ৰহ্মপদেও তেমনি জড়ত্ব চেলত্ব, ভাব, অবাজি এবং এই নিখিল-ভোগ্য পদার্থ উদ্ভুত হয়, ঐ কল্পনা পরিত্যাগ কিছুই বিদ্যমান নহে (অর্থাৎ বাস্তবিক তিনি জড়ও নহেন করিলে ঐ দেহাদিভাব বিনষ্ট হইষ। যায়। অজডও নহেন)। তবে যখন চিৎ চেত্যরূপে কলিত হইয়া মন হন, করিয়া কেবল ভীত হয়, বাহুষিক নাই বলিয়া হস্তগত করিতে তখন উহার চিদংশ অড় ও ঢোংশ জড়। ঐ চিদংশই! বা ধরিতে পারে না। ৫১-৫৪। যেখাংণও চেতাংশ জড়র ফু হয়। জীৰ এইরূপে জগদম একনৰতিম সর্গ সমাপ্ত।১১। দর্শন করত চঞ্চলভাৰ ধারণ করে। বিশুদ্ধ চিৎস্বভাবই চিত্ত ও অশরুপে বিকৃত হইয়াছে, অতএব সমুদয় এই টিভি (বুজি)ও তৈ-বুদ্ধি-উত্রই সেই চিন্ময়। ঐচিৎ ভমেই নিজকে অরণে (গে) দর্শন করিয়া T " উৎপতি-প্রকরণ। ফিনবতিতম সর্গ। ত্যাগ করেন নাই।পদাঘাতে যেমন শিলা খাত হয় না, সেইরূপ আধি, ব্যাধি, পাপ ও রাক্ষসগণদ্বারা চিত্ত খণ্ডিত হয় না। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রঘুকুল রন্ধর। সেই ভগবান্ তপতি ২১২৫। আর যাহারা শাপাণিরূপ বাপারা খণ্ডিত হয়, সে কমলযােনি যখন এই কথা বলিতে ছিলেন, তখন আমি তাহার স্থলে বুঝিতে হইবে, তাহাদের মনই আত্মবিবেকে অক্ষম ও পে- বাক্যে বাধা দিয়া জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম। গন, আপনিই ৩ হীন। এই সংসারে অবহিতনা কোন ব্যক্তিই স্বল্প বা জাদ- শাপমন্ত্র প্রভৃতির শক্তি নির্দেশ করিলেন, আবার সেই অমােঘশক্তি বস্থায় দোষজালে জড়িত হয় না। অতএব স্বীয় পৌরুষবলে - শাপাদিক কিরূপ মোঘ ( বিকল ) করিলেন। শপও মরে দ্বারা আপনিই আপনাকে পবিত্র-পথে নিযুক্ত করা উচিত। হে বলে জগণের মন, বুদ্ধি ও ইন্দ্রিয়গণ সমস্তই বিমূঢ় হইয়াছে মুনে। মনের মধ্যে যাহা প্রতিভাত হয়, তাহা তদ্রুপই হইয়া দেখা যায়। পবন ও তদীয় স্পদ যেমন অভিন্ন, তিল ও স্নেহ যেমন থাকে। বালক যেমন বিশালকায় বেতাল সন্দর্শন করে, মনও অভিন্ন, এই মন ও দেহ সেইরূপ অভিন্ন অর্থাৎ সেই আত্মাই মন তেমনি ক্ষণকালমথ্যে—অসত্য) স্থূলভাব সন্দর্শন করে। কুন্ত- ও দেহ। অথবা দেই নাই কেবল মনেই ইহা স্বপ্নপদার্লের ন্যায়, কারের চেষ্টায় মৃৎপিণ্ড যেমন পিওভব পরিত্যাগ করিয়া ঘটভাব মরীচিকা-সলিলের ন্যায়, দ্বিতীয়চন্দ্রের ন্যায় মিথ্যা ভ্রমক্রমে অনুভূত ধারণ করে, তেমনি প্রতিভাসের পর মন প্রাক্তনভাব পরিত্যাগ, হয়।১-৫। একের নাশে উভয়েরই নাশ যুক্তিযুক্ত হয়, মনের করিয়া নবভাব ধারণ করে। ২৬—৩০। হে মুনে। সলিল যেমন নাশ হইলে দেহনাশ অবশ্যহাব, অতএব হে প্রতো। মন একবার | স্পন্দনত্রে উত্তাল তরঙ্গভাব ধারণ করে, মনও তেমনি অশকাল- শাপাদিদে। আক্রান্ত হইল আবার হইল না, হে পরমে।} মধ্যে প্রতিভাসানুরূপ ভাব ধারণ করে। অশুদ্ধা (মন্ত্রপূত ইহার কারণ কি? তাই। আমাকে বলুন। ব্রহ্মা কহিলেন, এই গুটিকায় স্তব্ধদৃষ্টি) ব্যক্তি যেমন চবিঙ্গে দ্বৈত দর্শন করে, জগৎকোশে, শুভকৰ্ম্মানুসারী বিশুদ্ধ পৌরুষ দ্বারা লোকে যাহা লাভ। তেমনি মন একমাত্র অনুসন্ধানবলে ( ভাবনাবলে) সূৰ্যমগুলেও করিতে পারে না, এমন কিছুই নাই। এই জগতে আত্ৰশান্ত যামিনী দর্শন করে। মন যাহা দর্শন করে, তাছাই সে কল পৰ্য্যন্ত সকল জাতি সকল শরীরীই সর্বদাই দ্বিশরীরী। ভুধে স্বৰূপে প্রাপ্ত হইয়া হর্ষ বা বিকালের সহিত ভােগ করে। মন’শরীরই ক্ষিপ্ৰকাৰী ও সর্বদা চপল, অন্য মাসনির্মিত দেহ প্রতিভাবলেই চিন্তু চত্রেও অগ্নিশিখাসমূহ দর্শন করিয়া লা- অকিঞ্চিৎকর ( তার কোন ক্ষমতা নাই)। ৬-১০। তাহার প্রাপ্ত হয় এবং দগ্ধ হইয়া পরিতপ্ত হয়। আবার প্রতিভাসতে মধ্যে মংসাৰ শবীর সমস্তই হইতে পারে। ঐ মাংসময় শরীরই | খারেও মধুররস দেখিয়া তাহা পান করিয়া পরমতৃপ্তিলাভ-পূর্বক শাপ, অভিভাবক্রিয়া প্রভৃতিদ্বারা আক্রান্ত হয়। ঐ দেহ' কল্পিত ও নৰ্তিত হয়। ৩১-৩৫। চিও প্রতিসৰলে আকাণেও মূকায় অশক্ত ক্ষণভঙ্গুর, পদপত্রগতসলিলের ন্যায় চপল ও মহারণ্য দেখিয়া তাহা ছেদন করে এবং ছেদন করি পুনর্বার দাদির বশ অৰস্থিনি হয়। এই জগয়ে শরীরীদিগের রােপিত করে। বৎস! রিপে মন ই খাই মনোমক দ্বিতীয় শীর প্রাণিগণের আয়ত্ত হইয়াও আয়ত্ত হয় | কল্পনা করে, অচিরেই তাহাই দর্শন করে ,অতএব জগৎ সও না। যদি সৰ্ব্বদা স্বকীয় পৌষ ও ধৈৰ্য্য অবলম্বন করিয়া অবস্থান নহে, অসৎও নহে, ইহা অবগত হইয়া পরিচ্ছিন্ন ভেদৃষ্টি পরি- করা যায়, তাহা হইলে দুঃখাদি আসিয়া ঐ চিও-দেহকে আক্রমণ ত্যাগ কর। ৩৬। ৩৭। করিতে পারে না, সেই দুঃখাদি দ্বারা উহা দূষিতও হয় না। নিবভিন্ম সর্গ সমাপ্ত। ১২। দেইদিগের ঐ মনাদেহ যে যে কারে যত্নবান হয়, সেই সেই প্রকারেই উহা স্বীয় দৃঢ়প্রধত্বের কল প্রাপ্ত হয়। ১১-১৫। কিন্তু মৎসময় শরীরের বোন পৌরুষই সফল হয় না, মনেদেহের ত্রিনবতিতম সর্গ। সকল চেষ্টাই সফল হইয়া থাকে। যে চিত্ত সাদা পবিত্র- বিষয়েব স্মরণ করিয়া থাকে, তাহাতে শাপ-প্রভৃতি সকলক্রিয়াই বশিষ্ঠ কহিলেন, পূর্বে ভগবান্ কমলযোনি আমাকে যাহা শিলয় বাণক্ষেপবৎ নিস্ফল হয়। মাংসশরীর কর্দমে জলে বা বলিয়াছিলেন, তােমাকে অন্য আমি তাই বলিলাম। অতএব বহ্নিতে নিপতিত হউক না কেন, মন যাহার অনুসন্ধান করে, তং নামরূপবিহীন ব্ৰহ্ম হইতেই প্রথমে সূক্ষ্ম বলিয়া) নামসম্বন্ধের ক্ষণাৎই অহা প্রাপ্ত হয়। হে মুনে। সমূদয় দেহাদিভাবের উপ- অযােগ্যম্পাত্মক নির্বিক জ্ঞানের অনুরূপ সূক্ষ) সর্বপ্রপক্ষের শমেও যে নিপিগ্নে সমুদয় প্রত্নের ফললাভ হয়, তাহার হেতু এক বীজ উৎপন্ন হয়, তাহাই কালে সঙ্কবিকঙ্গাত্মক মননশক্তিহলে মাত্র মন। সেই কৃত্রিম ই পৌরুষৰলেই অনুকরণকে প্রিয়াম ঘনীভব প্রাপ্ত হইয়া মনোরূপে সম্পন্ন হয়। তাহার পরে সেই কবিয়া কোন প্রকায় দুঃখ অনুভব করে না। ১৬–২০। দেখ মন আপিতে সূক্ষ্মভূল্পে কল্পনা করে, পরে স্বপ্নশরীরের ন্যায় মণ্ডব্যমুনি শূলে আরোপিত হইলেও মনকে বিষয়াগবিহীন ও বাসনাময় শরীর কল্পনা করে, অনন্তর সেই সমষ্টিভূত সূরীর বিগতজর করিয়া সমূদয় শে জয় করিয়াছিলেন। পূর্বকালে তৈজস পুরুষ হয়, সেই তৈজস পুরুষই ব্রহ্মা এইরূপ আত্মনাম দীর্ঘতপা নামে কোন ঋষি যা করিবার অভিলাষে বাগােপকরণ করুণ করিয়া থাকেন। অতএব হে রাম। যিনি ঐ পরমেষ্ট (এ) সংগ্ৰহাৰ্থ বহির্গত হইয়া অন্ধকূপে নিপতিত হন, পরে সেই ধূপ- তাহাকেই মনস্তত্ব ৰলিয়া আনিবে। সেই মনাকার ব্ৰহ্মা মধ্যেই মানসিক যন্ত্র করিয়া বিবুধপদ প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। ই সঙ্কাশ, তিনি যাহা সঙ্ক করেন, তাহাই দেখিতে পান। ১৫। পুত্রগণ নর হইয়াও পুরুষাধ্যবসায় ধ্যান বলে যে ব্ৰহ্মাৰ প্রাপ্ত সেই মনােরূপী ব্ৰহ্মাই আত্মভিত্রে আত্মাভিমান-স্বরূপা অবিদ্যা হইয়াছেন, আমি তাহার এখন করিতে পারি না। এইরূপ অত্যান্ত কল্পনা করিয়া থাকেন। সেই ঐকর্তৃক এ গি-িতৃণ-জলবিষয় ধীরস্বভাব দেষগণ ও মহর্ষিগণ চিত্ত হইতে আত্মানুসন্ধান একেবারে এই জগৎ পরিকল্পিত হইয়াছে। এইরুপে এই সৃষ্টি ব্ৰহ্মত L T যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ = হইতে উৎপন্ন হইলেও তার্কিকেরা অনুমান করেন, ইহা জড়- এই করে তাদৃশগুণসম্পন্ন হইয়া তাহার প্রথম জন্মকে ইং প্রধান পরমাণুপ্রভৃতি হইতে উৎপন্ন হইয়াছে। ফলতঃ হে প্রথমতা অর্থাৎ প্রথম জন্ম (১) কহে, পূৰ্ব্বকীয় শুভাভ্যাসে ঐজন্ম রাম। যেমন অর্ণব হইতে তরঙ্গের উৎপত্তি, সেইরূপ ব্ৰহ্ম হইতে হয়, উহাতেই মুক্তি হয়, এই জন্য কে প্রথম অর্থাৎ উত্তম এই বৈলােক্যমধ্যবর্তী সমগ্রপদার্থের উৎপত্তি। বাস্তবপক্ষে কহে। উক্ত প্রথমজাতব্যক্তি যদি প্রাক্তন রােগগ্যর অক্সতাবশতঃ অৎপন্ন জগতে যে এই উৎপত্তি প্রকার এবং ব্রহ্মের যে মনন- শুভলােক প্রাপ্তি গলায় উপসনাল করে এবং তবিবন্ধন বিচিত্র- রূপা চিৎ তাহাই সমষ্টি অহঙ্গারৰূপ উপাধিতে কল্পিত হইয়া সংসারবাসনা সঞ্চয় করিয়া থাকে, তাহা হইলে সে পর পর কতিপয় ব্ৰহ্ম (পরমেষ্ঠত।) প্রাপ্ত হয়, বাস্তবিক উহা ব্ৰহ্মব্যতীত আর শুভজন্ম গ্রহণ করিয়া বাসনা ক্ষয় করত সংসারমুক্ত হইয়া থাকে, কিছুই নহে। বাষ্টিভত অহঙ্কােপাধিক অপর যে চিদাভাস কল্পিত সেই জন্ম গুণপীবরনামে (২) অভিহিত হয়। প্রকার সুখ- হয়, তাহাও সর্বশক্তিমান্ সমষ্টিভূত ঐ ব্ৰহ্ম হইতে অভিন্ন। দুঃখরূপ লক্ষণ দ্বারা প্রাকুলীয় কাৰ্যাকার্য্যের অনুমান যে জন্মে ৬-১০। সেই সমুদয় চিদাভাস, প্রথমে অর্থাং জগৎ যখন হইয়া থাকে, হে রাম হইয়া থাকে, হে রাম। শিগণ সেই জন্মকে সস বলিয়া শারীভাব ধারণ করিয়ে থাকে, তখন পিতামহরূপ-সমষ্টিতৃতমনাে- থাকেন। আর যে জয়ে বিচিত্র সংসার বাসনা ব্যবহার হয়, যে কপে উল্লসিত হয়। সমষ্টিভূত এই মনকেই পরিবর্তনশীল অসংখ্য- জন্মে প্রাক্তনকলসঞ্চিত বহুদুৰ্ম্ম ও দুর্বাসনা-জনিত মালিঙ্গ জীব বলা হয়। তাহারা চিদাকাশ হইতে উখিত ও মায়াকাশে থকে, সহস্র জন্মে যাহাতে জ্ঞান লাভ হয় এবং যাহাতে সেই সেই ভুতোগাধির সহিত মিলিত হইয়া গগনস্থ বাতঙ্কগ্ধ পবনের মধ্যবঙী সুখদুঃখরূপ লক্ষণ দ্বারা প্রকল্পী ধর্থ ও অধম্মের অনুমান যে চতুর্দশ ভুষনের মধ্যে যে যে জীবসমূহে যাদৃশবাসনা কৰ্ম্মে হয়, সাধুগণ সেই জন্মকে অবমসত্ব বলিয়া কীর্তন করিয়া থাকেন। অভিনিবিষ্ট হয়, পরে সেই সেই ভূতজাতির প্রাণশক্তি দ্বারা জঙ্গম ১-৬। তাদৃশলক্ষণাক্রান্ত যে জমে অসংখ্য অনন্ত-জন্ম পরার বা স্বান্ত শরীরে প্রবেশ করিয়া বীজভাব ধারণ করে। অহর পর মােক্ষপ্রাপ্তির বিষয়ে সন্দেহ , তাহাকে অত্যন্ত তামসী কহে। পর জগতে যােনিতে জন্মগ্রহণ করে। অনন্তর কাকতালীয়-স্যায় যে জন্ম পূর্বিকীয় ঝসনানুসারী ও তদনুরূপ চরিত্ৰসম্পাদনকারী উৎপন্ন বাসনাপরম্পরার অনুরূপ কৰ্ম্মফল প্রাপ্ত হয়। তাহার পর আর যে জন্ম বান কলের দুই লি জমের মধ্যে মধ্যম অর্থাৎ তাহারা অশুভ বাসনানুরূপ পুণ্যপাপকৰ্ম্মরূপ-যজ্ঞদ্বারা আবদ্ধ মনুষ্যাদিরূপ ও মনুম্যাচিত স্বর্গ-নরকাদি প্রাপক, হে রাজসত্তম। হইয়া জ করত কখন উর্ধগতি লাভ করে, কখন বা অধােগতি সন্ধিখামােক্ষ সেই জন্মকে রাজস কহো সেই রজিসজন্মে দুঃখানুভব লাভ করে। ১১-১৫। সেই জীবগণ ইচ্ছাময় অর্থাৎ উহাদের প্রযুক্ত বৈরাগ্যাদির উদয় হওয়ায় তত্ত্বজ্ঞান নিকটবর্তী হয়, তাহা কর্ম ও তার বীজ ইচ্ছই। ঐ জীবগণের মধ্যে কোন কোন হইলে তাহার পরজন্মকে কুতবুদ্ধি মুমুক্ষুগণ মােযােগ্য লিয়া জীব সহখে কৰ্মৰূপ-বাতা-বিভ্রান্ত হইয়া কখন গিরি- থাকেন, আমি সেই জন্মকে রাজসশকি বলিয়া অনুমান করি। এ কখনও ৰা অরণ্যপূর্ণবং নিপতিত হয়। সেই রাজসসাত্ত্বিক জন্মই আবার যদি ধ গন্ধৰ্বাদি ইতর কতিপয় কোন জটিলতার কানে বিমােহিত হইয়া অসংখ্য জন্মে মােক্ষেপণুক্ত হয়, তাহা হইলে তাহাকে তত্ত্ববিদগণ রাজস প্রাপ্ত হইয়া বহুত-কল কেবল জন্ম গ্রহণই করিতে থাকে। বলিয়া থাকেন। আবার তাহাই যদি শত শত জন্মের পরে কেহ কেহ বা মনােহর জন্মান্তর অতীত করিয়া এই জগতে অভ- মােক্ষেপযােগী হয়, তাহা হইলে সাধুগণ তাহাকে রাজসগমস কর্মপরায়ণ হইয়া বিহার করে। কেহ কেহ পরমাত্ম-বিজ্ঞান বলিয়া থাকেন। সহস্র সহস্র জন্মেও দি অহাতে মােক্ষপ্রাপ্তি অবগত হত পরমপদ লাভ করিয়া সমুদ্রমণ্যে বচালিত জল- সন্ধি হয়, তাহা হইলে তাহাকে রাজসত্যতামস বনিয়া বিন্দুবং পরমাত্মায় লীন হয়। সমুদয় জীবের এইরূপ ব্ৰহ্মপদ থাকেন। যে উৎপত্তিতে সহস্র সহস্র জন্ম ভােগ হয়, মঞ্চ হইতে উৎপত্তি, ইহাই আৰিঙৰ ও ভিতােভাবে নরসংসাৰৰূপে চিরকালে মােক হয় না, মহর্ষিগণ তাহাকে তামসজ বলিয়া পরিণত হয়। এই জীবােশ্বপত্তি বাসনাবিবথারিণী বৈকারিণী কিনা সেই প্রথম ভার্মসমর্যাদমে হয়, তাহা হইলে অনন্তসঙ্কটকাৰি, অনর্থকার্যের সৎকারকারিণী, নানালি দেশ, অদৃশ জন্মকে ভবিগণ তাসস বলিয়া থাকেন। ৭-১৫। কাল ও শৈলকরে চাপ, অর্নিা বিচিত্রময়ী ভ্রমদার্মিনী ও যদি কতিপয় জন্মের পরই মােক্ষেপযােগী হওয়া যায়, অহা অসত্য-স্বরূপা। বিক্ষেপবহণমন-শরীর-ধারিণ এই জগৎরূপ হইলে সেই জন্তমােন বহুলা-উৎপত্তিকে মােরাস বলা মােহ-অঙ্গলের জীর্ণবলী সাক্ষৎকারৰূপ কুঠারের দ্বারা যদি হয়। যদি পূর্কে সহ সহস্র জন্ম অতিগত করিয়া, পরে কতি করিতে পারা যায়, তাহা হইলে হে রামভদ্র। উহা আর শত শত জন্ম ভোগের পরও মােযােগ্য হওয়া না যায়, তাহাকে পুরঙ্কুরিত হয় না। ১৬-২৪। তত্ত্ববিদূগণ তামস-তামস বলিয়া থাকেন। পূর্বে অক্ষয় নিবমি সর্গ সমাপ্ত। ১৩। অতিক্রান্ত করিয়া পরে আবার লজ লেগ করিলেও যদি মােলাভ সন্ধি হয়, তাহা হইলে তাহাকে অত্যন্তজমস বলে, যেমন সমুদ্র হইতে তমালা উখিত হয়, সেই অঞ্জ হইতে চতুনবতিতম সর্গ। এই সমুদায় জীবজন্ম ভােগবলে কিপি প্রজ্জ্বলিত হইয়া উখিত হইতেছে। যেমন এদীপ হইতে ফিয়ণপু যিনিঃসৃত হয়, সেই বশিষ্ঠ বলিলেন,- রাখব! একাণে আমি উত্তম, ও রূপচত বশতঃ স্পন্দনশীল এই সমুদয় জীব সনাবলে বােগাখির রে উৎপত্তিবিভাগ অহা বলিব, শ্রবণ কর। যে ব্ৰহ্ম হইলেইউৎপন্ন হইতেছে। যেমন প্রজ্বলিত নল বইতে জীবপূৰলে দি সমুদয় সম্পন্ন ইলেও গুরুপদেশ- কিরণপুরুসমন্বিত স্ফুলিঙ্গ উখিত হয়, সেরূপ সেই ব্ৰহ্ম হইতেই জৰে বাৰে এতিমকে অজ্ঞানলাভ না করিয়া মৃত হয়, এই সমুন্নীৰৱালি উখিত হইতেছে। মন্দারহুমের মাঝবৎ কিরণাবলী যেমন চন্দ্রবিষ হইতে নিঃসৃত হয়, এই সমুদায় পৃ- নানবিধিৰে উৎপত্তি ও অস্থিতি, সেইরূপ ব্রহ্মেই সহ দৃষ্টিও ভদ্রুপ হইতে উৎপন্ন। বৃক্ষ হইতে বিচিত্র শাখা শােতায়- সহ জীবদেহের উৎপত্তি ও তাহাতেই চূর্তি হইতেছে। এখন আয়, সমুদয় জীবরাশি ব্ৰন্ধ হইতে উৎপন্ন। হে রা. যেমন বসন্তকালে নূতন নন বের উদ্ভব হয়, সেইরূপ অ্যাপি এক স্বর্ণই কটক, অজদ ও কেয়ুর প্রভৃতি নানাবিধ আকায়ে জীবসমূহ সেই ব্ৰহ উতইতেছে এবং গ্রীষ্মকালে উৎপন্ন হয়, সেইরূপ এক ব্ৰহ্মই এই সমুদায়জী-ভেলে প্রকাশিত বৎ তাহাতেই যিনি হইতেছে। সেই সকল হন। ১৬৫। চে রাম। নির্মল নিঝরপ্রদেশ হইতে অন্যান্য অসংখ্য জীবশি খাকালে পরব্রহ্মে উৎপন্ন হইয়া আবার যেমন বিন্দু নিঃসৃত হয়, সেইরূপ এক অথব্রহ্ম হইতেই এই হাতেই লীন হয়। হে রাঘব। পুরুষ ও তৎকৰ্ম্ম, পুষ্প ও নিখিল ভুতসংহের কল্পনা হইয়াছে। যেমন ঘটাকাশ প্রভৃতি অঙ্গন্ধের ন্যায় অভিন্ন, এই পুরুষ ও ইহার কৰ্ম্ম পরমেশ্বর হইতে আকাশছে একমাত্র মহাকাশ হইতে কল্পিত, সেইরূণ ব্ৰহ্মপদ আগত হইয়া পরমেশ্বরেই আবার প্রবিষ্ট হয়। আরও দেখা যায়, হইতেই এই সমস্ত জীবের কল্পনা উখিত হইয়াছে। যেমন শীকর, সমুদয় সুরাসুর, ভগ ও নরগণ এই জগতে উৎপন্ন হইয়া আবর্ত ও তর একমাত্র জল হইতেই উখিত। হে রাম। সেই মােকাভাকে পুনঃ প্রস্ফুতি হতেছে। হে সাদে' সেই রূপ ব্ৰহ্ম হতেই এই সকল দৃশ্যদৃষ্টি উখিত হইয়াছে। মরীচিকা- জীবগণের ঐরূপ উৎপত্তির প্রতি পুনর্জন্মসম্পাদিকা আত্মবিস্মৃতি নীযেমন মরুভূমিস্থ সূৰ্যকিরণ হইতে ভিন্ন নহে, অর্থাৎ সূৰ্য ব্যতীত অজ্ঞ কোন কারণ লক্ষিত হয় । কাম কহিলেন, বঁহাদের কিরণেই মরীচিকানী জন হইয়া থাকে, সেইরুপ সমুদয় দৃষ্টি দৃষ্টি অপরের প্রমাণস্বরূপ, সেই বীজ্ঞাগ মনুপ্রভৃতি মহর্ষিগণ ষ্টা হইতে পরমার্থতঃ ভিন্ন নহে। চন্দ্রের জোকার ন্যায়, ভেজের শ্রুতিমূলক যুক্তি দ্বারা যাহা নির্ণয় করিয়াছেন, তাহাই নয় প্রভার ন্যায় এই সমুদয় বিবিধ ভূতজাতি যাহা হইতে সমাগত বলিয়া কথিত হইয়াছে। ১১-১৫। যাহারা অত্যন্তবিশুদ্ধ স- হইতেছে, আবার তাহাতেই বিলীন হইয়া থাকে অর্থাৎ উপাধির গুণে ভূষিত ধীর ও সমদৃষ্টি হইয়া বাক্য দ্বারা অনির্দেশ পরমান নাশে তাহার সহিত ঐক্যপ্রাপ্ত হয়। এই ক্লাবসমূহের স্বপক্ষের সাক্ষাৎকাররূপ ফললাভ করিয়াছেন, তাঁহারাই সাধু মধ্যে কেহ কেহ সহস্র সন্ত্র জম তােণ করিয়াও নিবৃত্ত হয় বলিয়া উক্ত হন। যাহারা অজ্ঞাতত, তাহাদের তনের নিমিত্ত্ব না। আবার কেহ কেহ কতিপয় জন্ম ভােগ করিয়াই আত্মাতে সদাচার ও শাস্ত্র এই দুইটিই নিখিল কৰ্ম্ম সম্পাদক চক্ষুরূপ কলান হইয়া যায়। এই বিধি প্রণতে সেই ভগবার ইচ্ছায় হইয়া থাকে। যে ব্যক্তি স্বর্গ ও মমক্ষের উপযােগী শাস্ত্রের অনুবর্তী ব্যবহারী সােপাবিক জীবসকল, অশিলিৰ এজন্ম হইতে হয় না, সকলে তাহাকে বহিস্কৃত করেন, সেই ব্যক্তি নরকে নিম জারে আগত হইতেছে, গত হইতেছে, নিপতিত হইতেছে ও হয়। হে প্ৰছে। আশভূত গুনগণের মুখে এবং শ্রুতিতে ই উৎপতিত হইতেছে। ২২। ক্রত হয় যে, কৰ্ম্ম ও কৰ্ত্তা পৰ্যায়ক্রমে (হেতুফলভাবে সমন্বিত চতুর্ণবতি সর্গ সমাপ্ত হুইতেছে। যেহেতু কর্ম কারা কর্তা উপলও কারা কর্ম নিষ্প হ, এ কী হইতে জয়েন উতে জগুণ উৎপন্ন এবং অইতে বীজের চায় জগণ হইতেক উৎপন্ন। ইহা লােকে ওবেদে প্রসিদ্ধ।১৬-২০। যেরূপ বাসনায় পঞ্চনবতিতম সর্গ। জ সাররে নীত হয়, সে সেই বাসনার অনুরূপই ফল বশিষ্ঠ কহিলেন,-যেমন হইতে উৎপন্ন পুষ্প ও সৌরভ অনুভব করিয়া থাকে। জীবগণের টঙ্গরি, নিয়ম যখন এরূপ, শর ভিন্ন ও যুগপৎ স্বয়ং প্রকাশিত, সেইরূপ কর্তা ও কর্ম অর্থন আপনি অমের বীজস্বরূপ কৰ্ম্ম ব্যতিরেকেই ব্ৰহ্মপদ হইতে পরপদ হইতে যুগপৎ স্বয়ংই প্রকাশিত ও পরস্পর অভিন্ন। যেমন জীবগণের উৎপত্তি ইহা কিরুলে বলিলেন। হে ভগ! আপনার এই বিস্তৃত নভােমলে অদৃষ্টিতে নীলিমা স্কুরিত হয়, সেইরূপ পূৰ্ব্বপূর্বোক্ত মতে এই জগতে কর্ম ও জীবের অন্যয়ব্যতিরেকে যে সর্ব-সঙ্কল্প-বিহীন নিৰ্ম্মল ব্রহ্মে জীবসমূহ ফুরিত হইতেছে। হেতুষলভাৰ প্ৰমাণিত ছিল, এখলে আপনার এই জীব ও কর্মের হে রাখব। যে স্থানে দেখা যায়, অজ্ঞসম্মত ব্যবহারের প্রচলন, মহােপত্তিতে তাহা প্রত্যাখাত হইল। হে ব্ৰক্ষ। কারণ- সেই স্থানেই কথিত হয়, জীব ব্ৰহ্ম হইতে উৎপন্ন। কিন্তু হে বিহীন মাসৰণ বন্ধে কাঁদি বুলদেবা-ভােগসামগ্রীরূপ রাখব। তত্ত্ববিদূর্দিগের ব্যবহারে ঐ বলা সঙ্গত হয় না, ফল আছে ও ফলদূত হিরণ্যগর্ভালি মুল সূক্ষ্ম উপাধিতেও যে অেিদর মতে ৰন্ধ হইতে যাহা উৎপ, ভাঁহা উৎপন্ন নহে। ভােগ ফল আছে—এই প্রবাদ আপনার উক্তকার এনে হে রাঘব! বাবং দ্বিতীয় কল্পনা এথিত না হয়, ভাবৎ লােকে প্রমার্জিত হইল।২২৫। আরও দোষ হইল এই যে, যদি উপদেশ ও উপদেশ শােভা পায়ু না অর্থাৎ যখন অদ্বৈতভাবে কৰ্ম্মফল না থাকে, তা হইলে, লােকসঙ্কর উপস্থিত হইতে পারে পুত্ৰহ্ম বিরাজমান, তখন উপদেশাদি নিষ্প্রয়ােজন। ১৫। অত এবং নরবলি ভয় না থাকার কাবানে মীনের আয় দুদিগকে এ শোচনীয় জেদৃষ্টি পর্যন্ত ব্যবহার স্বীকার করিয়া উপদেশ হিংসাপূর্বক ভ করিতে পাকিলে সর্বনাশেরই সন্তা, দেওয়া যাইতেছে যে, এই জীৰ সমুদয় ব্রহ্মাই”। নিঃসঙ্গ ব্রহ্ম অতএব হে ভগব। কত কৰ্মতে পরিণত হয় কিনা। তাহা হইতে এই জগৎ উৎপন্ন হইয়াছে, তত্ব-দৃঞ্জির বিকাশ স্পষ্টই মাকে যথার্থরূপে বলুন, হে অবি, আমার এই বিষয়ে অনুভূত হয় যে, এই জগৎ হইতে পৃথক্ নহে, এবে ভ্রান্তি- মসংশয় উপস্থিত হইয়াছে, আপনি উত্তর দিয়া তাহার আনে পৃথক বলিয়া বােধ হয়। মেরু ও মরে যায় বিশাল মেরু ও মায়ের ব্যায় বিশাল নিরাশ করুন। বশিষ্ঠ কহিলে, হে রাখব। তুমি এতিম লেক জীবনে পরমপদ হইতে উৎপন্ন হইয়া আবার পর- প্রশ্ন করিয়াছ? যাহাতে জাের সময় হয়, সেইরূপ পলেই বিলীন হইয়াছেও হইতেছে। যেমন তুর্দিক পাণে উপদেই দিতেছি, শ্রবণ কর। ক্যালকুপে মনের যে এখন '।
বােগৰাষ্ঠ মায়ণ বিকাশ, তাহাই কর্শের বী, কারণ তাহারই পরনে ক্রিয়া যায়। (ক সেই বাসনারূপ বৃক্ষের বীজ,) মনস্পল তাহার নিস্পত্তিরূপ ফল হইয়া থাকে। ব্ৰহ্মপদ হইতে যে সময়ে মন ব্ৰহ্মপদ হইতে যে সময়ে মন শরীর এবং বিবি ক্রি। তাহার বিচিত্র ফলশালিনী শনা বলিয়া উখিত হইয়াছে, সেই সময় হইতেই জন্মদিগের এ উথিত কথিত হয় এবং তাহার অনুভূতিও সেইরূপ হইয়া থাকে। মন হইয়াহ ও তখন হইতেই জীব, দেহ ধরণ করিয়া আসিতেছে। যাহার অনুসন্ধান করে, সয় কৰ্ম্মেন্দ্রিয় তাহাই সম্পাদন করে, ২৬–৩০। যে পুষ্প ও তদন্তৰ্গত সৌরভ পরস্পর অভিন্ন সেই কারণেও খনকে কৰ্ম বলা হয়। চিতি যখন কাকতালীয় অর্থাৎ উহাদের ভেদ নাই। তেমনি কৰ্ম ও মনের পরস্পর গায়ে সর্বব্যাপী স্বকীয় চিৎস্বরূপতা পরিত্যাগ করিয়া চেত্যরুপে কোন কাে নাই। এই জগতে বুধগণ স্পন্দাত্মক ক্রিয়াকে পরিণত ল অর্থাৎ আপনাকে বাহুরূপে কল্পনা করেন, তখন মন, কর্ম বলিয়া থাকেন এবং সেই কর্মের আশয়ম্বরূপ দেহও বুদ্ধি, চিন্ত, অহঙ্কার, কৰ্ম্ম, কল্পনা, সংসার, বাসা, অবিদ্যা, প্রবন্ধ, পুর্বে মন ছিল অতএস কর্ম ও চিত্ত একই। যে স্থানে স্মৃতি, ইন্দিয়, প্রকৃতি, মায়া ও ক্রিয়া ইত্যাদি বিচিত্র শব্দ- আত্মকৃত কর্মের ফল ন্যই সে স্থানে উল, বােম, অব্ধি ও ব্যবহার সমুদয় কঁহার পায়রুপে কল্পিত । ৬-১৫। রাম জগৎ এসমূদয়ের কিছুই নই, অর্থাৎ এই শৈলদি সমুদয় জিজ্ঞাসিলেন, কল্যমান বিচিত্র এই মন বুদ্ধি প্রভৃতি যদি বিজ আত্মত কর্মের ফল। সাবধানে নিষ্পর্কিত যে ঐহিক বা চিক্ষে পর্যায় হয়, হা হইলে উহাও কিরূপে ভদ্রুপে রূঢ় প্রাক্তনকৰ্ম তাহাই পরম পুরুষ-য, কখনও তাহা নিস্ফল হয় না, হইল, লহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, পরা চিতি (বিশুদ্ধ যেমন কজ্জলের কালিমা নষ্ট হইলে কলেরও কিছুই থাকে না, চিব্ৰহ্ম) অবিদ্যাশে যেন কলঙ্ক প্রাপ্ত হইয়া, কখনও উন্মেষ- জেনি স্পন্দাত্মককর্য নষ্ট হইলে মনের কিছুই থাকে না। রূপিণী হইয়া যখন আমি এইরূপ ব| এইরূপ নহি ইত্যাকান্ত কৰ্মনাশ হইলে মনােনশ মনোনাশ ইলে কৰ্মনাশ ইহা কেবল বিকল্পনায় নানা হন, খুন ভিনি মন বলিয়৷ কীড়িত হন। প্রথম মুক্তপুরুষেরই হইয়া থাকে, অমুক্ত ব্যক্তির কখনও হয় না। বহ্নি ও ঐরূপে বিকলের পর যখন বিশেষ ভাব প্রাপ্ত হইয়া এক কোটির উষ্ণতার ন্যায় চিত্ত ও কৰ্ম্ম অভিন্নরূপে মিলিত, সুত্রাংকের অনুসন্ধান স্থির করিয়া সুস্থির হন, তখন তাকে বুদ্ধি কহে। ঝশে অপরের লাশ অবশস্যবী। যেহেতু চিত্ত স্পাকক্রিয়া যখন ঐ সম্বিৎ মিথ্যাদিতে আত্মাভিমান-পূর্বক স্বীয় সভা কল্পনা প্রাপ্ত হইয়া পূণ্যপাপাত্মক ধৰ্ম্ম ও অৰ্ম্ম আকারে পরিণত হয়, করেন, তখন তঁহাকে অহঙ্কার কহে এবং তখন তিনি সকল আবার কৰ্ম্মও চিত্তের মূলভােগনুৰূপ স্পন্দাত্মক-বিলাস প্রাপ্ত অনর্থের বল হন, এ কারত্নে জিন ভববন্ধনী বলিয়া বথিত হন। হইয়া ঠিক হয়, এই কারণে চিত্ত ও কৰ্ম্ম পরস্পর ধৰ্ম্ম ও কৰ্ম্মনাম যখন তিনি বালকের ন্যায় কোমল ভাবাপন্ন হইয়া বিচার অর্থাৎ প্রাপ্ত হইয়া লােকে ধ ও কৰ্ম্মণকে ব্যবহৃত হয়। ৩১ পূর্বাপর প্রতিসন্ধান পরিত্যাগ কমিয়া এক বিষয়ের পরিত্যাগ- | পঞ্চনবতিতম সর্গ সমাপ্ত। ১৫। পূর্বক বিষয়ারের শুরণ করেন, তখন চিত্ত নামে অভিহিত হইয়া থাকেন। ১৬-২০। সেই সম্বিং যখন কত্তাকে স্পন্দথবিশিষ্ট করিয়া সেই স্পন্দের ফল শরীরের দেশার সংযােগ (একস্থান যাবতিতম-মর্ম। হইতে অন্য স্থানে যাওয়া সম্পাদন করিবার নিমিত্ত প্রধাবিত হন, তখন তাহাকে কৰ্ম বলা হয়। যখন তিনি কাকতালীয় বশিষ্ঠ কহিলেন, (অনুভূত শর্থের) ভাবনাই এাং বিক- যােগে অকস্মাৎ অন্তরের অবকাশ-শূন্য স্ব-স্বরূপ আগ করিয়া নামাত্রই মুন, সেই বই স্পধর্মিণী হইয়া বিহিত নিষিদ্ধ অর্থ স্বীয় পূর্ণতা বিহূত হইয়া বঞ্জিত অপরিচ্ছিন্ন ভাৰ কনা ক্রিয়া হয় সকল জন্তুই সূক্ষ্ম নিবন্ধন দৃরূপে অবস্থিত; সেই করেন, তপন তাহাকে কল্পনা বলা হয়। যখন সেই সম্বিং পূর্বে ক্রিয়ায় জান্তাদিরুপে অবিভকপ দৃশ ফলের অনুবর্তী হইয়া দৃষ্ট হইয়াছে বা দৃষ্ট হয় নাই" এইরূপে পূৰ্ব্বদৃষ্ট বিষয়ের নিশ্চয় থাকে। কাম কহিলেন, ভবন। এক্ষণে বুঝিলাম, মন হই. করিবার নিমিত্ত অন্তরে চেষ্টিত হন, তখন তিনি স্মৃতিমে অভি- লেও অজড় অংশ মনের সঙ্কল্পরূঢম্বরূপ আমার নিকট সৰিস্তর হিত হন। যখন তিনি অ-চেষ্টাবিহীন হইয়া তিরােহিত পদার্থের বর্ণন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, সর্বশক্তিমান, অনন্ত আত্মজর ও পদার্থশক্তিসমূহের প্রায় অতিসূক্ষ্ম অবস্থায় অবস্থান করেন, সক্ষশক্তি দ্বারা কলিত যে রূপ, গুহাই মুন। সৎ ও অসৎ এই দুই তখন তাহাকে বাসনা বলা হয়। যখন তিনি একমাত্র নির্মল পক্ষের মধ্যে বে ভাৰ দোলায়মান হইয়া সঞ্চরণ করে অর্থাৎ উভয় আত্মহত্বই আছে, অবিদ্যাকলঙ্কিত হইয় যে দ্বিতীয় সন্সিং জাত পক্ষে অবস্থান হেতু একপক্ষে স্থায়ী হইতে পারে না, তাহাই মনে হইয়াছে, বাস্তবিক উহা ত্ৰিকালেই অবিন্যমনা” ইত্যাকারে স্কুরিত সঙ্গারূঢ় অবস্থা। সেই ত হইতে নিরন্তর জায়মান আমি হইয়া থাকেন, ভখন তাকে বিদ্যা বলা হয়। ২১-৫। তিনি চিৎস্বরূপ তামান, আমি কিছুই জানি । অথচ আমি কা” মূখন তৎপদ বিস্মৃত হইয়া থাকেন, তখন তাহাকে বিস্মৃতি বলা ইত্যাকার নিশ্চয়কে মনের খপ বলিয়া আনিবে ১৫। এই যায় এবং যখন তিনি আমাকে দেখিতে না পাইয়া মিথ্যা বিল জগতে যেমন গুণহীন গুণী নাই, সেই কল্পনাত্মক-কৰ্মশক্তি-সূত এলে স্কুরিত হন, তখন তিনি মাপেকত্রিত হন অর্থাৎ আবরণ মনও অসম্ভব। যেমন বহ্নি ও উকভার পৃথক্ সভা নাই, সেইরূপ শক্তির প্রাধান্য হেতুক খন হাতে মল সঞ্চিত দুয়' এই মনন- কর্ম ও মনের এবং জীব ও মনের পূখক সত্তা নাই। সেইচিত্তরূপ রূপিণী সলিং যখন শ্রবণ, স্পন, সর্শন, ভােজন ও প্রাণালি- ক্ষন লজনক কথার আপনার সঙ্কশরীরকে নাশপ ক্রিয়া দ্বারাই অর্থাৎ কাৰ্যকরণস্বামী জীবভাবাপন্ন মরকে বিষ্কার করিয়া অনাময় অকারণ বাসনাকনাময় বিস্তাবিল আনন্দিত করেন, তখন তঁহাকে ইন্দ্রিয় বলা হয়। সেই মনােভূত এই বি বিস্তার করিয়াছে। যেখানে বাহার বাসনা যেরূপে সম্বিৎ অলক্ষিতভাবে পরমাত্মা এই দৃসমূহের নিজ উপাদান আয়োপিত হয়, প্রায় শেইলেই তাহা ধাপে প্রাপ্ত হল কারণ হওয়ায় প্রকৃতি নামে অভিহিত হন। ঐ অতি সংকে = = - উৎপত্তি-প্রণ। করে ও অসৎকে সৎ করে। এই সত্যাসত্যতৰিকজ ঐ প্রকৃতি বিভিন্নরূপে কল্পনা করিয়াছেন। কিন্তু পথিক। যেমন হইতে উথিত হয় বলিয়া উহাকে মায়া বলা হয়। (মায়া অঘটন ইচ্ছায় বিভিলপথে গমন করিয়া অবশেষে সকলে একই পুরী ঘটনপটীয়সী)। তিনি দর্শন, স্পন, শ্রবণ ও দ্বাণ কৰ্ম্ম দ্বারা মধ্যে প্রবেশ করে, ইহাদেরও সেইরূপ গন্তব্যপথ সকলেরই এক কাৰ্যকারণভাব প্রাপ্ত হইয়া ক্রিয়া নামে কথিত হন। ২৬-৩০। ১। পরম পদ। ৪১-৫। ইহারা কেবল পরমার্থ অবগত না হওয়া এইরূপে চিতি ঘনচেতানুপাতী ওসকলঙ্কভাবপ্রাপ্ত হইয়া তওদা- বিপরীত বুদ্ধিতে স্ব স্ব বিকালে পরস্পরকে পরাভব করিবার এ কারে স্কুরিত হন, তখন উক্ত পৰ্যায়সমূহখার অভিহিত হইয়া বিবাদ করিয়া থাকেন। অর্থাৎ পথিকগণ যেমন স্ব-স্ব রুচি-অনুসারে থাকেন। চিতভাবাপন্ন হইয়া সংসারপ্রাপ্ত ঐ চিজি উক্ত পায় আপন আপন গন্তব্য পথের প্রশংসা করে, বিভিন্ন দেশকাল- শত শত স্বীয় সঙ্কল্পে অতিশয় রূঢ় হইয়া গিয়াছে। ঐ চিতি,“আমি সেই বাদিগণও তেমনি স্ব স্ব কাল দেশাদির অনুরূপ অ অজ্ঞ” ইত্যাকার অজ্ঞানকলঙ্কের চেত্য বিষয় হইতে প্রাপ্ত রুচিতে স্ব স্ব ফলিত পক্ষের প্রশংসা করিয়া থাকে। হে রাখব। দ্বৈতবাসনা কলঙ্কের সন্নিধান বশতঃ দেহাদি জড় পদার্থের অনু- হারা কাৰ্যসাধনেচ্ছু গিণের নিমিত্ত স্বকপােলকলিত যে সাবিণী হইয়া স্বকীয় পূর্ণভাবের বৈকল্যনিবন্ধন যেন আকুল হইয়া সমুদয় যুক্তি বৈচিত্র্য উদ্ভাবন করিয়াছেন; তাহা মিথ্যা অর্থাৎ পড়েন, এই কারণে তাহাতে সংখ্যা ও বিভাগ কল্পনা উপস্থিত তাহা প্রধান প্রমাণ উপনিষদের সম্মত নহে, সুতং মুমুক্ষুগণের হয়। উক্ত প্রকার চিতিকে লােকে জীব, মন, চিত্ত ও বুদ্ধি- নিকট দৃষ্ণুক্তি হেয়। যেমন একই পুরুষ মান, দান ও গ্ৰহণাদি সংজ্ঞা প্রদান করিয়া থাকে। বুধগণ পরমাত্মা হইতে বিচ্যুত ভিন্ন ভিন্ন ক্রিয়া সম্পাদন করত তৎ-ক্রিয়াভেদে কর্তৃ- কম্বিনী উক্ত চিতির নানা সঙ্কল্পনভৃত ঐ মুদায় পৰ্যায় নির্দেশ বৈচিত্র্য প্রাপ্ত হয় অর্থাৎ নায়ী দাতা গৃহীত ইত্যাদি বিজ্ঞিনাম করিয়া থাকেন। ৩১-৩৫। রাম কহিলেন, ব্ৰহ্মন। মন জড় কি ? প্রাপ্ত হয়, এই মনও সেইরূপ বিচিত্র কাৰ্য্য করে বলিয়া জীৰ, কি চেন? হে ৰিং। এই বিষয়ে আনি নিশ্চয় করিতে বাসনা ও কৰ্ম্ম নামতে উল্লিখিত হয়। ১-৫৬। ফলতঃ চিত্তই পারিতেছি না। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রা। মুন জডও নহে, এই সমুদয় হা সকলেরই অনুভবসিদ্ধ। যাহার চিত্ত নাই, সে চেভলও নহে, অজড চিং সংসঃদশায় স্নান অর্থাৎ উপাধি- এই জগং দর্শন করিতে গেলেও দর্শন করিতে পায় না। যাহার নিমিত্তক মালিন্ত অনুভব করেন বুলিয়া, মন নামে অভিহিত মন আছে সেই ব্যক্তিই শুভ বা অশুভ বিষয়ের শ্রবণ, পনি, হন। সৎ ও অসতের মধ্যে উক্ত চিতির যে আবিলাপ জগতের দর্শন, খেজন ও অম্লাণ করিয়া অন্তরে হর্ষ বা বিষাদ এপ্ত হয়। করা হইয়া প্রত্যেক প্রাণীতে বিলসিত হয়, তাহাকেই চিত্ত অশােক যেমন রূপপ্ৰভীতির কারণ, মনও তেমনি অর্থপ্রতির লা হয়। যে অবস্থায় আত্মার শখত (নিত্য) একরে (ব্ৰহ্ম স্ব কারণ। যাহার চিত্ত বন্ধ, সে বদ্ধ, যাহার চিত্ত মূত, তিনি মুক্ত। পর ' নিশ্চয় থাকে না, তাদৃশ অবস্থায় তিনি চিত্ত নামে কখিত যাহারা মনকে জড় বলিয়া জানে, মন তাহাদিগের নিকট জড়, যাহার হন, সেই চিঃ হইতেই এই জগৎ উৎপন্ন হইয়াছে। স্নানরূপিণী নিকট চেজ, সে কিছু মনকে জড় বলিয়া জানে না, তাহার নিকট চিতির যে রূপ জড় ও অজড়ের মধ্যে দোলায়মান হইয়া স্ব মন চেজ। ৫৭–৬। বস্তুতঃই মন জড়ও নহে, চেও নহে কঙ্গনায় অবস্থিত তাহাকেই মন বলা হয়। ৩৬-৪০। চিতির এবং ঐ মন হইতেই বিচিত্র মুখদুঃখ-চেষ্টাবিশিষ্টজগৎ সমুখিত পহিলিন যে ঔপাধিক চাঞ্চল্যভাব ও কলঙ্ক কলুষিত যেরূপ হইয়াছে। ঐ মন যখন একরূপ হয় অর্থাৎ অদ্বিতীয় ব্ৰহ্মাকাৰে তাহাকেই মন বলা হয়। রাম। উক্তবিধ মন জড়ও নহে, পরিণত হয়, তখন এ সংসার তাহাতেই বিলীন হইয়া যায়। কারণ * চিন্ময়ও নহে। অহঙ্কার, মন বুদ্ধি ও জীব প্রভৃতি সমুদয় সেই কলুষ জলের গায় মলিন চিদাকারই সমষ্টিভূত ঐ মনের দ্বারা মনেরই কসিত বিচিত্র নামমাত্র। যেমন নট বিভিন্ন ভূমিকায় ভ্রান্তিক্রমে এই সংসারের কারণ হইয়াছে। হে রাখব। অতএব নানাবিধরূপ ধারণ করে, মনও তেমনি কর্মভেদে অনেক- নীলপীদিরাপের কারণ যেমন কেবল তেজ নহে ও কেবল পৃথি- বিধ নাম ধারণ করিয়া থাকে। যেমন নরগণ ভিন্ন ভিন্ন বিচিত্র ব্যাদিও নহে অর্থাৎ মপিতেজই উহার কারণ, সেইরূপ কেবল অধিকারে বিভিন্ন বিচিত্র নাম প্রাপ্ত হয়, অর্থাৎ বেপাক করে সে চেতনমনও এই সংসারের কারণ নহে এবং কেবল (পাষাণবং) পাচক, যে পাঠ করে সে পাঠক ইত্যাদি, সেইরূপ মনও বিভিন্ন জড মনও কারণ নহে। যদি চিত্ত ব্যতিরেকে অন্য কিছু থাকে, কর্মভেদে বিভিন্ন নাম হয়। হে রাঘব। আমি তােমার নিকট তাহা হইলে বল দেখি, যাহার চিত্ত নাই, তাহার নিকট জগৎ কি? মনের এই যে ভিন্ন ভিন্ন নাম বলিলাম, বাজিগণ আবার ভিন্ন ভিন্ন চিত্ত নষ্ট হইলে সমুদয় প্রাণীর সমগ্র জগৎই বিলীন হইয়া যায়। কল্পনা বলে ইহার অবিব বলিয়াছেন। তাঁহার স্ব স্ব তর্কের ৬১-৬৫। যেমন একই কাল ঋতুভেদে বিচিত্রাকার ধারণ করে, অনুমােদিতদ্রব্যত্ব অণুপ্রতিবিষয়ক বৃদ্ধি অবলম্বন করিয়া আপন- মনও তেমনি এক হইয়াই বিবিধ কৰ্ম্মন বিচিত্র আকার ধারণ ইচ্ছায় মন, বুদ্ধি ও ইন্দ্রিয় প্রভৃতির বিচিত্র নামপ্রণালী কলনা করে। যদি চিত্তের অনে ব্যতিরেকে অহঙ্কার ওয় ক্রিয়া করিয়াছেন তাঁহাদের মধ্যে কেহ মনকে জড় বলেন, কেহ অজড শরীরকে সুতিত করিতে পারি, তাহা হইলে বলিতাম, জীবনি বলেন, কেহ অহঙ্কার বলেন এক কেই উহাকে বুদ্ধি বলেন। হে চিত্ত হইতে অতিরিক্ত। কুতর্কবাজিগণ কোন কোন সনে র্ক রঘুনন্দন। আমি যে তোমার নিকট সৰিকলাদি, রত্তিজনুসারে দ্বারা ঐ সমুদয়ে যে ভিন্নতা প্রতিপাদন করিয়াছেন, হে মাম। এই একই মনের বুদ্ধি, অহঙ্কার, মন, বুদ্ধি প্রভৃতি নাম প্রদান তাহার কিছুই ভত্ব অবগত হওয়া যায় না। ব্যাসপ্রভৃতি বিহু- করিলাম। নৈয়ায়িকগণ তাহা অয় প্রকার বলিয়াছেন, সংখ্যা গণহার কিছুই বিশেষ করিয়া বলেনই। তবে পরমাত্মায় আর একার বলিয়াছেন, এইরূপ চার্বাক, জৈমিনিমতাবলম্বী সৰ্বগামী সকল শক্তিই সম্ভব। যে সময় হইতে বিও চিং আহমভাবলী, বৌদ্ধমতাবলম্বী, বৈশেষিকমবলম্বী এবং পদার্থে জড় শক্তির উদয় হইয়াছে, ভ‘হইতেই এই অন্যান্য পাঞ্চরাত্রমতাবলম্বীভূতি জি ভিন্ন বাগিণ ইহা প্রকার জগবৈচিত্র্য উপস্থিত হইয়াছে ৬-৭। যেমন ১৭০ যােগবা রামায়ণ * বিষয়ে বিপাই নাই। | = -- চেজ উনভি মাকড়শা) হইতে জড়জ উৎপন্ন হয়, কানাবলে এই সমগ্র-জগৎ বিস্তৃত হইয়াছে, তাহাকে চিন্তা- তেমনি নিত্য চেতন পরমপুরুষ-ব্ৰহ্ম হইতে এই জড় প্রকৃতি কাশ বহে। যে আকাশ দশ দিগুল পরিব্যাপ্ত হইয়া অপরি- আবির্ভুত হইয়াছে। অবিদ্যাবশতঃ উক্ত বাদিগণের স্ব-স্ব চিত্ত চ্ছিন্ন শরীরে অবস্থিত এবং যে আকাশবন ও মেধার্জির ভাবনা স্থিরীকৃত হইয়াছে, এই অঞ্চ তাহার মনের নাম-রূপের আশ্রয়, সেই আকাশ ভূকাশ নামে অভিহিত হয়। এই ভেদ কল্পনা করিয়াছে (উহার কারণ একমাৰ ভ্ৰান্তি) মলিনা ভূতাকাশ ও চিত্তাকাশ, এক চিমাকাশ হইতেই উদ্ভূত। দিন চিৎই জীৰ, মন, বুদ্ধি ও অহগার নামে প্রথিত হইয়া এই জগতে যেমন সমুদয় কার্যের কারণ, তেমনি এই চিৎও “আমি জড়, অথচ জ্ঞ চিত্ত ও জীব ইতাদি নামে অভিহিত হইয়াছেন, সুতরাং জড় নহি” ইত্যাকার চিতে যে নিশ্চয় অহা ব্ৰহ্মনামক চিতের বিষয়ে বিবাদই নাই। ৭২-৭৩। মালিন্স, সেই মালি চিকেই অনু বলিয়া জানিয়ে, সেই যবভিডম সর্গ সমাপ্ত।১৮ | মন হইতেই আকাশলির কল হইয়াছে। ১৬-২০। এই প্রকার শাস্ত্রে যে আকাণত্রয়ের কল্পনা হইয়াছে, তাহা কেবল মাত্র প্রবুদ্ধ-ব্যক্তিগণের উপদেশ প্রদানার্থ। যাহাৱা প্ৰদ্ধ অর্থাৎ সগুনবতিতম সম। আত্মজ্ঞান লাভ করিয়াছে, তাহাদের নিমিত্ত ঈশীকল্পনা নহে। পরন্তু যাহারা প্রস্তু, তাহাদের নিকট সর্বপ্রকার কল্পনা-বিবর্জিত রাম কহিলে-ব্ৰহ্ম। এক্ষণে আপনার বাক্যার্থে বুঝিলাম, সৰ্বব্যাপী সর্বময় নিত্য এক পরব্রহ্মই বিরাজমান। এইরূপ যে, এই ব্রহ্মাণ্ডরূপ বিশাল-আড়ম্বর এক মাত্র মন হইতেই বিস্তৃত বাক্য সন্দৰ্ত-গ্রথিত দ্বৈতাদ্বৈত ভেখর অবাকিই উপমিষ্ট হইয়াছে; সুং ইহা মনেরই কাৰ্য। বশিষ্ট কহিলেন, যেমন হইয়া থাকে, প্রবুদ্ধ ব্যক্তি কখনই এইরূপ উপদিষ্ট হন না, মরুভূমিতে মার্তণ্ডকিরণের অপ্রীতি বশতঃ তাহাই জলরূপে. হে রাম। তুমি যাবৎকাল অপ্রবুদ্ধ থাকিবে, তাৰংকাল এই স্কুরিত হয়, সেইরূপ আত্মতত্ত্বের অরণ বশতঃ মনই হন হইয়া আকাশত্ৰয় কল্পনা করিয়া তােমাকে এইকপ উপদেশ প্রদান দৃঢ় ভাবে সম্বন্ধ এই বিশ্বকাপে স্কুরিত হইতেছে। ব্ৰহ্মভূত এই করিব। যেমন প্রচণ্ড আপযোগে মরুভূমিতে জলভ্রমের হেতু জগতে মন একাকার হইয়াই কোথাও নররূপে, কোথাও সুরকপে, মরীচিকা উৎপন্ন হয়, তদ্রুপ এলন চিদাকাশ হইতে আকাশ কোথাও দৈত্যরূপে, কোথাও যক্ষরূপে, কোথাও গন্ধৰ্বরূপেও চিত্তাকাশ প্রভৃতির উৎপত্তি। ২১-২৫। চিদাকাশ চিত্তরূপে কোক কিন্নরপে উদিত হইয়াছে। আমার সিদ্ধান্ত এই যে,। পরিণত হইয়া মলিনরূপই প্রসব করিয়া থাকে, ইন্দ্রজাল-স্বরূপ একমাত্র মনই নগর আকাশপ্রভৃতি বিভত-আকারে প্রকাশিত ব্রিজগরচনা এই চিরেই কাৰ্য, এই চিত্ত নিজেও মলিনাত্মক। হইতেছে, সুন্নাৎ জীব-দেহসমূহও তৃণকাষ্ঠাদিসদৃশ অর্থাৎ তৃণ- যেমন বােধহীন ব্যক্তিগণ শুক্তিকাখণ্ড রজতভাব দর্শন করে, কাঠাদি হইতে ইহার পার্থক্য নাই। এ সকলের বিচারে সেইরূপ বোধহীন (আত্মজ্ঞান বিহীন) ব্যক্তিগণ স্বীয় অজ্ঞানবশে প্রয়ােজন নাই, এস্থলে আমদেৱ মনই বিচাৰ্য। আমার মতে মলিন চিদাত্মক তত্ত্বে এই চিত্ততা অনুভব করে। যাহারা বােধ- সেই মনই এই নিখিল বিশাল-অগঃ বিস্তৃত করিয়াছে, সেই যুক্ত তাহাদের নিকট ঐরূপ বােধ হয় না, অতএব স্বীয় মুখ মনের অভাবে একমাত্র পরমাত্মাই অবশিষ্ট থাকেন। আজ বলেই বন্ধন এবং জ্ঞানবলেই মোক্ষ হইয়া থাকে। ২৬-২৭। সর্বাতীত অথচ সর্বগামী ও সাশ্রয় , সেই আত্মারই প্রসাদে সপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ০৭। সংসারে মন ধাৰিত ও চেষ্টিত হইতেছে। মনই কর্ম ও শরীরের প্রতি কারণ, সেই মনই. আত ও মৃত হয়। আত্মায় ঈদৃশ গুণ নাই, আমি জানি বিচার যারা মন লয় প্রাপ্ত হয়, মনের বিলয় হইলেই শ্ৰেয়েলাভ করা যায়। ৬-১০। স্পন আইনবতিতম সর্গ । শীল মনােনামক কৰ্ম্ম নষ্ট হইলে জীষকে মুক্ত বলা হয়, আর বশিষ্ঠ কহিলেন-হে অনষ। চিত্ত যে কোন প্রকারে উৎপন্ন তাহার জন্ম হয় না। রাম কহিলেন, ভগবন! আপনি বলিলেন, বা কোন পদার্থ হউক না কেন, উহাকে মােক-কামনায় এবং জীবগণের জন্ম খ্রিবিধ , (সাত্ত্বিক, রাজস, ও তমস) সদসপত্মক বলে সর্বদা পরমাত্মা যােজিত করিতে হইবে। হে রাখব। মন তাহাদের প্রধান কারণ। (মলের উৎপত্তির পূর্কে বুদ্ধি চিত্ত পরমাত্ময় সংযােজিত হইলেবাসনাহীন ও বিশুদ্ধ হইয়া পরে উৎপন্ন হয় না, অতএব কুটস্থ চিত্রস্বভাৰ ব্ৰহ্ম হইতে মনের কল্পনাশূন্য হইয়া আত্মভাব প্রাপ্ত হইবেই হইবে। স্থা-জামাত্মক উৎপত্তি হইতে পারে না। কারণ বুদ্ধিপূর্বকই মনের সৃষ্টি) এই সমগ্ৰজগং চিত্তের অধীন। হোম। বন্ধন ও মােকও অতএব বুদ্ধি-বিবর্জিত বিশুদ্ধ চিনা ত হইতে কিরূপে এই কারণে চিত্তের অধীন, ইহা নিশ্চিত। হে রাম। পূর্বে ব্রহ্মা অগচ্চিত্রকর মন উখিত হইয়া বিস্তৃত হইল। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে এই বিষয়ে যে অতি উত্তম চিকাখ্যান আমার নিকট বর্ণন করিয়া- রাম। বিশাল আকাশ ত্ৰিবি, চিনাকাশ, চিরকাশ ও ভূকাশ ছেন, তাই তােমার নিকট বলিতেছি, অবহিত হইয়া তাহা শ্রবণ আকাশত্ৰ সৰ্বসাধারণ এক সকল কাৰ্য্যেই অবস্থিত এবং কর। হে রাম। কোন স্থানে মৃগপ্যাদি অতিভীষণ অবিস্তৃত বিশুদ্ধ চিৱেৰ সভাতেই ঐ সকল আকাশ, সলভ করিয়াছে। একটবী আছে; এক অটবী আছে;শভযােজৰিকৃত ভূমি এই অটবীর কণিকা- ১১-১৫। যে আকাশ সকলেরই বহি ও অভ্যন্তরে অবস্থিত, মাত্রজগে লক্ষিত হয়। ১৫। সেই অটবীতে সংবাদ সহ স ও অসত্তার সাক্ষী ও সর্বভূতাপ, অহাকে চিদাকাশ নরুন ভীষণ ও বিশালদেহ ব্যাকুলবুদ্ধি এক পুরুষ বাস করে। হে। যে আকাশ, সমুদয় ব্যবহারের হেতু এবং হিতকর ও সেই পুরুষ সংবা সহমুদার গ্রহণপূর্বক আত্ম- সকল কাৰ্য্য কারণের নিয়া বলিয়া শ্রেষ্ঠ এবং যে আকাশের পুঠে প্রহার করিতেছে এবং স্বয়ংই পন্থন করিতেছে। সে উৎপত্তি-প্রমণ ১৭ আপনি আপনার প্রহারে ভীত হইয়া শতযাজন দূরে পলায়ন সেও পূর্বোক্ত ব্যক্তির ন্যায় ক্রমে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নি, মােন ও করিতেন্ত্রে। পলানপর ঐ পুৰুৰ ক্ৰন্দন করিতে করিতে বহু হা করিয়া বিশীর্ণদেহ হইয়া নিয়তিশক্তি-বিচারপূর্বক কোন দূরে গিয়া পরিশ্রান্ত বিবশশরীর শিথিলবয় ও শীর্ণপার হইয়া অনির্দিষ্ট স্থানে চলিয়া গেল। তাহার পর আমি অপর এক প্রান্তে অবশেষে কৃষ্ণপক্ষীয় রাত্রির অন্ধকারের ন্যায় ভীষণ, নভােমণ্ডলের অপর এক পুরুষকে দেখিলাম। ঐরূপ সেও আত্মহার করত। স্থায় গভীর, এক অন্ধকূলে নিপতিত হইল। ৬—১০। অনওঁর পলায়ন করিতেছে এবং পলম্বন করত প্রগাঢ় অন্ধকূপে পতিত বহুকালের পর অন্ধকূপ হইতে উখিত হইয়া পুনর্বার আপনি হইল। আমি তাহার প্রতীক্ষায় সে স্থানে বহুকাল থাকিলাম , আপনাকে প্রহার করত পলায়ন করিতে লাগিল এবং পূনর্বার যখন দেখিলাম, সেই শঠ কৃপ হইতে উঠিল না, তখন সে স্থান বহুদব গিয়া পজ যেমন পাবকমধ্যে প্রবেশ করে, সেইরূপ হইতে প্রস্থান করিবার জন্য দণ্ডায়মান হইলে পূনরায়’ অনুশ এক কন্টকব্যাপ্ত এক করবন-গুমধ্যে প্রবেশ করিল। আবার ক্ষ পুরুষকে কূপ-পনােমুখ দেখিলাম, তাহাকে অবরােধ করিয়া কালমধ্যে সেই করগহন হইতে বিনিত হইয়া পুনর্বার আপনি জিজ্ঞাসা করিলাম । ৩১-৩৭। হে পপলাশলােচন। আপনাকে প্রহার করতঃ পলায়ন করিতে লাগিল। পুর্বার দূরন্তু আমার সেই বাক্য বুঝিতে পারিল না, কেবল আমাকে “রে প্রদেশে গমন করিয়া হাগ করিতে করিতে চকিরণ-শীতল পাপিষ্ঠ। দুষ্ট দ্বিজ তুমি মূঢ় কিছুই জান না” এই কথা বলিয়া মনােম কদলীকাননে প্রবেশ করিল। আবার সেই কদলীকানন স্বীয় কৰ্ম্ম করিতে করিতে প্রস্থান করিল। আমি সেই মহারণ্যে হইতে বিনির্গত হইয়া পুনর্বার আপনাকে প্রহার করত পলয়ন বিচরণ করত তাদৃশ বহু পুরুষ অবলােকন করিয়াছি, আমার কৰিল। ১১-১৫। তাহার পর বহুদূর গিয়া গাঢ় অন্ধকূপে সত্বর প্রশ্নের পরে কেহ স্বপ্নসন্ত্রমবং শান্তি অর্থাৎ পূর্বোক্তার প্রবেশ করিয়া বিশীর্ণদেহ হইয়া অবস্থান করিতে লাগিল। তাহার আকুতিনাশ প্রাপ্ত হয়, কেহ বা শবশরীরবৎ মদীয় বাক্যে পর অন্ধকূপ হইতে উঠিয়া পুনঃ কদলীবনে, কদলীবন হইতে উপেক্ষা ও ঘৃণা করে। ৩৮-৪০। তাহাদের মধ্যে কেহ গভীর করমে, তথা হইতে কুপে, কুপ হইতে আবার কদলী কেহ অন্ধকূপ হইতে নির্গত ও তাহাতেই আবার নিপতিত বনে প্রবেশ করিতে লাগিল এবং আপনি আপনাকে প্রহার হইতে লাগিল। কে কদলীন মধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া তাহা করিতে লাগিল। আমি তাহার ঐরূপ আকৃতি ও কার্য্য বহুক্ষণ হইতে আর বিনির্গত হইল না। কেহ বিস্তৃত করজন্মধ্যে নিরীক্ষণ কবিয়া বলপূর্বক তাহাকে ধরিয়া মুহূর্তকাল পথে যােত অন্তর্হিত হইয়া থাকে, কেহ কেহ বা কাম্যধম্মে আসক্ত হইয়া করিলাম এবং জিজ্ঞাসা করিলাম, “তুমি কে? তুমি কিজন্য স্থির থাকিতে পারে না। হে রঘুকুল-ধুরন্ধর। এই সুবিস্তৃত এইরূপ করিতেছ ? তােমার কোন বিষয়ে ইচ্ছা? তুমি এরূপ অটবী অদ্যাপি সেইরূপই আছে, তাহাতে সেই পুরুষগণ মােহ এস্থ হইয়াছ কেন ?” ১৬০। হে রঘুনন্দন। আমি এখনও এইরূপ রহিয়াছে। হে রাম। তুমিও সেই অটবী ঐকপ জিজ্ঞাসা করিলে সে উত্তর করিল, আমি কেহই নহি। হে দেখিয়াছ, ব্যবহার করিয়াছ, বুদ্ধি-তত্ব অর্থাৎ বিবেক 'সৰু মুনে। আমি কিছুই করিতেছি না, তুমি আমার গতিরােধ করিলে, স্কুরিত না হওয়ায় তােমার তাহা স্মরণ হইতেছে না। সেই অতএব তুমি আমার শত্রু। তুমি আমাকে দর্শন করিলে আমি অটবী বিবিধ কষ্টক-সঙ্কুল, গাঢ় অন্ধকারে আচ্ছন্ন ও অভিভীষণ সুখে ও দুঃখে নষ্ট হইলাম।” সেই পুরুষ এই কপা বলিয়া স্বকীয় হইলেও যাহারা অজ্ঞান লাভ করিতে পারে নাই, তাহারাই বিবশ-কালয়ৰ অবলোকন করত অসন্তুষ্ট হইল এবং অতি কাতর অহতেই (পুষ্পোদ্যানে অবস্থিত ব্যক্তির স্থায়ী নিবৃত্তি লাভ { হইয়া বিকটম্বরে রোদন করিতে লাগিল। তাহার নয়ন হইতে অশ্রু করিয়া সেই অটবীর সেবা করিয়া থাকে। ৪১–৫। পরা এত বিগলিত হইতে লাগিল, বোধ হইল যেন, মেঘ অষ্টনবতিতম সর্গ সমাপ্ত। ১৮। সেই অটবীতে এলবর্ষণ করিল, ঐ পুরুষ আবার ক্ষণকালমধ্যে লােদন হইতেনির স্বকীয় অঙ্গদর্শনপূর্ধক হান্স ও চীৎকার করিতে লাগিল , অনন্তর ঐরূপ অট্টহাস্ত করিয়া সেই পুরুষ আমার একোনণততম সর্গ।। সম্মুখে জমে স্বৰ্কীয় অঙ্গসকল পরিত্যাগ করিল। ২১-২৫। রাম কহিলেন,-ব্ৰহ্ম। ঐ মহাটী কি প্রকার ? আমি উহা প্রথমে আহার ভীষণ মস্তক নিপতিত হইল, তাহার পর বাহুসহস্র, কবে দেখিয়াছি, তথায় যে পুষগণের কথা বলিলেন, তাহার তাহার পর বক্ষস্থল, তার পর উদর নিপতিত, হইল, মনন্তর কে? তাহারা কি করিবার ও ঐরূপ উদ্যম করিতেছে? বশিষ্ঠ সেই পুরুষ ঐরূপ ক্রমে অ সমুদয় পরিত্যাগ করিয়া নিয়তি কহিলেন, হে মহাবাহেরজুখ। শ্রবণ কর, আমি তোমার শক্তির বলে কোনও এক অনির্দিষ্ট স্থানে গমন করিল। আমি পুন- নিকট সমুদয় বলিতেছি, হে রাম। ঐ মহাটী দূরে অবস্থিত ব্বার অন্য এক নির্জন স্থানে গিয়া দেখিলাম, অপর একটা পুরুষও নহে, সেই নরগণও দূরে অবস্থিত নহে। এই সংসাকেই সেই ঐরূপ স্বীয় ব্যসমূহ দ্বারা আপনি আপনাকে প্রহার করা ইত মহাৱখ বলিয়া জানিবে। পরমার্থদশীর চক্ষে ইহা শৃঙ্গাকার হইলেও ও পলায়ন করিতে। কুপে পতিত হইয়া অহা হইতে উখিত সংসারীর চক্ষে ইহা বিকার-বহুল এবং গভীর বিশাল-কোটিয়ে হইয়া ধাৰিত হইতেছে, পুনর্বার কুণ্ডমধ্যে পতিত এবং তা পরিপূর্ণ। বিচারালােক দ্বারা দেখিলে ইহাকে এক অদ্বিতীয় বস্তু হইতে উখিত হইয়া অতি কাতরভাবে পলায়ন করিতেছে। কখন মার পূর্ণ বলিয়া বােধ হইবে, অন্ত সংযুক্ত বােধ হইবে না অর্থাৎ শিশির-কান-মধ্যগত গর্ভে নিপতিত হইতেছে। ২৬-৩০। তখন শু বলিয়াই প্রতিভাত হইবে। অথায় যে বৃহদাকৃতি ঐরূপ কষ্টেও সন্তুষ্ট হইয়া পুনঃপুনঃ আপনাকে প্রহার করিতেছে। পুরুষগণ পরিভ্রমণ করিতেছে, তাহারা পুরুষ নহে, তুমি জানিবে আমি বিস্মিত হইয়া বহু উহায় ঐরূপ ব্যবহার নিরীক্ষণপূর্বক তাহারা দুখনিপতিত মন। ১-৫। হে মহামতে। হে অনঘ । যােগবলে উহাকে কতিত করিয়া সেইরূপ জিজ্ঞাসা করিলাম। আমি বিবেকাপেই তাহা দেখিয়াছি, আকাপে নহে। যেমন ১২ যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ । সতত সুপ্রকাশভানু কমলসমূহ প্রবোধ । প্রস্ফুটিত) করেন, অঙ্গসমূহই আমাকে এতাবৎকাল বঞ্চনা করিয়াছে।” বিবেক আমিও বিবেক বলিয়া সেই মনসর বোধোদয় করিতে সমর্থ প্রাপ্ত মন যখন বিতত গরম পদে বিশ্রাম করে, থন প্রাক্তন হই। হে মহামতে! কোন কোন মন আমারই প্রসাদে বিবেক- ক্লেশের আথার বিষ লকলকে দূর হইতে অবলােকনপূর্বক প্রসাদে) আমার এবােধ (তত্ত্বজ্ঞান) প্রাপ্ত ও উপশান্ত হইয়া উপহাস করে। ২৬-৩০। ঐ যে পুরুষকে আমি বলপূর্বক পরপদ প্রাপ্ত হয়। কেহ কেহ মােহবশতঃ আমার (বিবেকের) সুন্তিত করিয়া সমাগমে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম, ঐস্থলে বুঝিতে অভিনন্দন করে না, তারা আমার তিরস্কারে (বিবেকের উপেক্ষা হইবে, বিবেক বলপূর্বক চিত্তকে গ্রহণ করিল , ঐ যে অঙ্গ সকল হেতু) কৃপমধ্যে পতিত হষ। হে নবদ্বহ। সেই যে অন্ধকূপের বিশীর্ণ হইয় অন্তর্ধানপ্রাপ্ত হইল, তাহা দ্বারা “চিত্ত ব্যতিরেকে কথা বলিয়াছি তাহা গছন নরক। আর ঐ যে কদলীকানন, উহা বিষয় ও বিষয়তৃষ্ণনষ্ট হইয়া যায় তাহাই দেখাইয়াছি। পূর্বে স্বর্গ, উহার মধ্যে যাহার প্রবিষ্ট হইল, বুঝিতে হইবে, উহার যেসহ-হস্ত সহ-নেত্র পুরুষের কথা বর্ণন করিয়াছি, উহাতে অগাস্বাদকারী মন।—১০। হে রাঘব। যাহারা অন্ধকূপমধ্যে “চিত্তের আকার যে অনন্ত” তাহাই দেখাইয়াছি। ঐ যে পুরুষ প্রবিষ্ট হইয়, আর নির্গত হইল না, তাহারা মহাপাতা মন। আপনি আপনাকে প্রহার করিতেছে বলিয়াছি, ঐস্থানে বুঝিতে বাহার' হা হইতে নির্গত হইয়া কদলীকাননে প্রবিষ্ট হইল তাহাবা হইবে, মন কুকল্পনার আঘাতে আত্মাকে প্রহার করিতেছে। ঐ যে পুণভাক্তা চিত্ত। যাহারা করবনমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া নির্গত হয় পুরুষ আপনি আপনাকে প্রহার করত পলায়ন করিতেছে, এস্থলে নাই বলিয়াছি, হে রঘুনন্দন! তাহাদিগকে মনুষ্যচিত বলিয়া বুঝিবে মন স্বীয় বাসনা দ্বারা প্রহার প্রাপ্ত হইয়। পলায়ন করি- জানি। সমধ্যে কোন কোন চিত্ত প্রশ্ন হইয়া (তত্ত্বজ্ঞান লাভ তেছে। ৩১-৩৫। চিত্ত আপন ইচ্ছায় আপনাকে প্রহার করে ও কবিয়া) বন্ধন-মুক্ত হইয়াছে। কোন কোন বহুরূপীমন একযনি আপনিই পলায়ন করে, দেখ অজ্ঞানের কাৰ্য কতদূর। সকল হইতে অন্য ঘােনিতে প্রবেশ অর্ণা জন্মগ্রহণ কবিতেছে। সেই মনই স্বীয় বাসনা দ্বারা উপতপ্ত হইয়া পরপদপ্রাপ্তির নিমিত্ত মন সকল ঐরূশ কখন স্থিত, কখন নিপতিত ও কখন উৎপতিত সই পলায়ন করে। মন নিজেই এই সুবিস্তৃত দুশ বিস্তার হইতেছে। ১১—১৫। সেই যে করঞ্জগহনের কথা বলিয়াছি, করে আবার তাহাতে অতিশয় ভিন্ন হইয়া পলায়ন করে। কোশকার তাহাকে বুধগণ দুঃখরূপ ক টকে সমাকীর্ণ বিবিধ ইচ্ছায় পূর্ণ মনুষ্য- কীট যেমন আপনারই লালাসভূত জালে বন্ধন প্রাপ্ত হয়, মন ও গণের কলত্রর বলিয়া জানেন। সেই করঞ্জগহনে যে মন সকল তেমুনি হৃভূত সঙ্কভজালেবন্ধন প্রাপ্ত হয়। চঞ্চল মন বালকের এবিষ্ট হইতেছে তাহারা মনুষ্য' হইয়া জন্মগ্রহণ করিতেছে ও স্থায় ভাবী দুঃখ দেখিতে পায় না, যাহাতে অনর্গ হয়, তাদৃশ তাহাতেই রসাস্বাদন করিতেছে। হে ঘূহ। চন্দ্রকিরণবং ক্রীড়াই করিয়া থাকে। ৩৬–৪০। যেমন কীলােৎপাটা বানর শীল যে কদলীকাননের কথা বলিয়াছি, তাহ। চিলাপকর কাষ্ঠস্থিত অণ্ডকোষের কাষ্ঠক্রমণ দেখিতে না পাইয়া কীলােখ- স্বর্গ বদীয়া জানিবে। কোন কোন চিন্ত শাস্ত্রবিহিত ধ্যান-ধারণাদি পাটন করিতে গিয়া মরণান্ত দুঃখ প্রাপ্ত হয়, মনও তদ্রুপ জানিবে। উপাসনা দ্বারা সপ্তর্ষি ধ্রুব প্রভৃতি গ্রহ-নক্ষত্ব দেহ ধারণ করত বহুকাল অসঙ্গ আত্মার ভাবনা করিয়া ও নিঃষঙ্গবে খাকিয়া মন গগনমণ্ডলে উদিত হইতেছে। যে অবােধ পুরুষগণ আমাকে বধন জানাধ্য হয়, তখন তাহার আর বিশ্ববাসনার জন্য তিরস্কার করিল বলিয়াছি, তাহারা অনাত্মজ্ঞ মন, আত্মজ্ঞল না অনুশােচনা থাকে না। মনের প্রমাদবশতই এই দুঃখজাল গিরি- থাকায় তাহার স্বকীয় বিবেকের তিরস্কার ( উপেক্ষা) করিল। শৃঙ্গের ন্যায় বর্ধিত হইতে থাকে, আবার সেই মন যখন বলব ১৬। তুমি আমাকে দেখিলে একারণ আমি বিনষ্ট ধারণ করে, তখন সূর্যাপের সন্নিধানে হিমেশায় ঐ দুঃখজাল হইলাম , অতএব তুমি আমার শত্রু” এই কথা কোন পুরুষ বিনষ্ট হইয়া যায়। যখন মন প্রথমে শানুমােদিত অনিন্দ্য বলিয়াছিল যে বলিয়াছি, তাহা জ্ঞানভ্রষ্ট কোন চিত্তের বিলাপ বাসনা রাগাদিবিষয়ের নিরোধ প্রাপ্ত হইয়া মুনির আয় এক রসে জানিবে। হে রাঘব। পূর্বে যে বলিয়াছি, কোন পুরুষ মহাচী- আসক্ত হয়, তাহা হইলে পরে অবােধজনিত পরমপৰিত্ৰ জন্মদি- কারে গােন করি, তাহা ভােগজ-পরিত্যাগকারী মনের কােন বিকার-রহিত পত্রয়ে অস্পৃষ্ট পুর্ণব্রহ্মপদ প্রাপ্ত হইয়া তাহাতে জানিবে। যে চিত্ত অবিবেকী অমল পদ প্রাপ্ত হয় নাই, সেই অবস্থান করত জীবন্মুক্ত হয়, এখন সে প্রলয়কালেও শােচনীয় টিভের লােগজাল’পরিত্যাগ করিবার সময় অত্যন্ত পরিতাপ হইয়া হয় না। ৪১-৪। থাকে। ঐ যে পুরুষ স্বীয় অঙ্গ সকল দেখিয়াছিল উহা ঈষবিবেক- একোনশততম সর্গ সমাপ্ত। ০৯। প্রাপ্ত চিত্ত, ঐ চিত্ত স্ত্রীপুত্ৰাদিমেহে আবদ্ধ হইয়া ভাবিতেছিল "হায়" আমি এ সমুদয় পরিত্যাগ করিয়া কিরূপে গমন করিব। যে চিত্ত অর্থবিবেকমাত্র প্রাপ্ত হইয়াছে, অমলপদ প্রাপ্ত হয় নাই, শততম সর্গ। সেই চিত্ত যখন অত্যাগ করে, মন তাহার পরিতাপ বৃদ্ধি হইয়া বশিষ্ঠ কহিলেন,—এই চিত পরমপদ হইতে উৎপন্ন, যেমন ঝকে। ২১-২৫। ঐ যে পুরুষ আমাকে জানিতে পারিয়া সাগর হইতে সমুৎপন্ন ত একপে জলময় অন্যরপে জলময় আনন্দে ভাগ বরিয়াছিল বলিয়াছি, হে মুমি। তুমি জানিবে, ঐ নহে, এই চিও সেইরূপ (ব্ৰহ্মষ্টিতে) ব্ৰহ্মময় ও (চিত্তদৃষ্টিতে চিত্ত বিবেকপ্রাপ্ত হইয়া সন্তুষ্ট হইল। চিত্ত যখন বিবেক! ব্ৰহ্মময় নহে অর্থাৎ চিত্তষয়। হে রাম। মন প্রাঞ্জ ব্যক্তিদিগের হইয়া সংসারস্থিতি ত্যাগ করিয়া স্বকীয়রূপ ত্যাগ করে, তখন | নিকট ব্ৰহ্মই অন্য কিছুই নহে। যাহাৱা জলের গই বলিতেছে, তাহার আনন্দই হইয়া থাকে। ঐ যে পুরুষ হাস্যপূৰ্ব্বক স্বীয় | তাহাদের নিকট সমুদ্রতরঙ্গ জলের অতিরিক্ত নহে। হে রাম। অ গনি করিল, ইহার অর্থ এই যে, চিত্ত, আত্মনের হেতু অন্য যাহারা অপ্ৰযুদ্ধ, তাহাদেরই মন সংসার প্রাপ্তির কারণ হয়। সকলকে দেখিয়া উপহাস কবিল। ভাবিল “মিখ্যাসঙ্গক্স রচিত এই যাহারা জলের স্বভাব অবগত নহে, তাহাদের নিকট অলও তরুণ উৎপত্তি-প্রকরণ ১৭ পরস্পর বিভিন্ন পদার্থ। যাহাৱা অবুদ্ধদৃষ্টি, কেবল তাহাদের যে প্রকার প্রতিভাস , সেইরূপ বহুদর্শনই হইয়া থাকে, অ বোধের নিমিত্তই এই আসলে বাচ্যবাচক সম্বন্ধে তেল- বিষয়ের দৃষ্টান্ত পুর্বোক্ত ঐন্দবগণ। অনুব্ধ নিৰ্মল নীরে যেমন কল্পনা হইয়া থাকে। এই ব্ৰহ্ম সৰ্ব্বশক্তিমান নিত্যপূর্ণ ও অব্যয়। স্পন্দ উখিত হয়, সংসারের কারণ এই জীবও তেমনি পরমায় এই বিতত আত্মায় যাহা নাই, এমন কোন পদার্থই দেখা উথিত হয়।২১৫। হে রাম। যেমন সমুদ্রে অফারে যায় না। ১৫। এই পরমাত্মা সর্বশক্তিমান্ ও ভগবান্ অাৎ জলই আবর্তিত হয়, তেমনি পুর্ণব্রহ্মই বিশ্বকারে বিবর্তিত। যেমন ষড়ৈশালী। ইহার যখন যে শক্তির অভিলাষ হয়, তখন বিবিধতম সাগরে জলব্যতীত আর বিতীয় কল্পনা নাই, অনি সর্বগামী পরমাত্মা সেই শক্তিকেই বিস্তৃরূপে প্রকাশিত করেন। পরব্রহ্মে নাম, রূপ ও ক্রিয়া-স্বরূপ ভিীয়-সত্তা আর আই একই হে রাম। ব্রুক্ষেই চিক্তি ভূতশরীরে দৃষ্ট হইতেছে, যেমন সত্তা বিদ্যমান। এই যাহা জমিতেছে, বিনষ্ট হইতেছে, স্থিতি বযুতে স্পন্দশক্তি, এর জড়শক্তি, এতে বক্তি, অনলে বলিতেছে এ সমস্তই ব্ৰহ্ম, ব্রহ্মেই বিবর্তিত হইতে। যেমন তেশক্তি ও আকাশে শূন্যশক্তি, সেইরূপ এই সংসারস্থিতিতে তীব্র আতপ মরীচিকারূপে স্কুরিত হয়, যেইরূপ (নামরূপালি- ব্যবহার শক্তি বিদ্যমান। ব্রহ্মের সৰ্ব্বশক্তি দশদিগগামিনী। রহিত হইলেও) আত্মা বিচিত্র কিকরে স্কুরিত হইতেছে। তাহার নাশশক্তি বিনাশে, শােকশক্তি শােকাতুর ব্যক্তিতে আনন্দ কর্তা, কর্ম, করণ ও জনন, মরণ, স্থিতি এ সমস্তই ব্ৰহ্ম, ব্রহ্ম শক্তি আনন্দে, বীৰ্য্যশক্তি মুখােদয়ে, সৃষ্টিশক্তি সৃষ্টিতে ও প্রলয়- ব্যতীত অন্য কানা নাই। ২৬-৩০। লােত, মােহ, তৃষ্ণা বা কালে সক্তিই দৃষ্ট হয়।১ ৬ • যেমন বীজমধ্যে ফল, রঞ্জন। এই সকল কিছুই নহে, আত্মার আবার লােভ, পুষ্প, লতা, পত্র ও শাদি সহ বৃক্ষ অবস্থান করে, সেইরূপব্ৰহ্ম- মোহ বা তৃষ্ণা কিরূপে উৎপন্ন হইবে ? এই সমুদয় জগৎ মধ্যে এই সমুদয় অবস্থিত। ব্ৰহ্মমধ্যে প্রতিভাস বই (প্রতি আত্মাই, এই যে কল্পনাপ্রকার—ইহাওঁ আত্ম। সুবর্ণ যেমন ভাস আবরণ শক্তির ফুরণ) চিং ও অভাবের মধ্যবর্তী চিত্ত বলয়াদিকপে উৎপন্ন হয়, আত্মাও তেমনি মনােৰূপে উৎপন্ন হয়। দৃষ্ট হয়, ঐ চিরেই অপর নাম জীব। যেহেতু পরমার্থত; অজ্ঞানাবৃত পরব্রহ্মই চিত্ত ও জীব নামে কথিত হয়। অপরিচিত- অজ্ঞাত হওষয় এই জগৎ কলিত হয়, সেই হেতু নানাবিধ তরু, বন্ধু অবন্ধুমধ্যেই গণ্য হয়। যেমন গগন শূন্য না হইলেও শূন্যতা লত ও গুজাল প্রভৃতি সমুদয়ই নির্বিকল্প চিন্মাত্র। যে প্রকাশ করিয়াছে, সেইপ চিন্ময়ব্রহ্ম অনাহূত হইয়া সঙ্ক এগিব । তুমি দেখ, জগৎ ও ‘আমি" ইত্যাকারে ভাসমান জীবত বশতঃ আপনাকে জীবরুপে প্রকাশিত করিতেছেন। যেমন সমই একমাত্র ব্রহ্ম । সেই ব্ৰহ্ম সগামী, তাহার মহাশরীর দৃষ্টিদোযে একই চল দুই বা দৃষ্ট হয়, তেমনি এই জীব নিত্যসমুদিত ব্ৰহ্ম ঈষৎ-মননবী হইলে তিনি মন নামে আত্মা হইলেও দৃষ্টিদোষে (অর্থাৎ অজ্ঞানাবরণে আত্মভিন্ন অভিত্তি হন যেমন আকাশে পিএম (ময়ূরপুচ্ছত্তি) ও বলিয়া প্রকাশিত হইতেছেন এবং সৎ, অসৎ উখি হইতেছে। জলে আবদ্ধি, তেমনি আত্মাতে মন, জীব এ সকল প্রতিভাসিক ৩১-৩৫। মােছনিমিক এই ববৃষ্টি একান্ত অসম্ভবী, ভেদম, বহুতঃ নহে। এই যে মনের মননাত্মকৰূপ । কেবলমাত্র আত্মাই সত্য (সম্ভবী) সুতরাং আত্মা আবার ব্রাশক্তি, অতএব হে অরিন্দম' এ সমুদয় ব্যতীত অপর কিছুই কোথায় মুক্ত কোথায় ব, বন্ধ। যখন বন্ধন একান্ত অসম্ভব, নই। তিনি বহ্ম। এই আমি ইত্যাদি বিভাগ প্রতিতাস হইতে তখন আমি বদ্ধ” ইহা কল্পন।। বন্ধন যখন কাল্পনিক, তখন উৎপন্ন প্রতিভাস-আস্বভ্রান্তি)। ১১-১৫। কাম, কম্ম ও মােক্ষও কাল্পনিক অর্থাৎ মিথ্যা, বাস্তবিক নহে। রাম কহিলেন, বসনা প্রভৃতি যে সকল শক্তি ভাব ও ব্রহ্মের ভেদাদি ভি প্রভাে৷ মন যে বিষয়ের নিশ্চয় করে, তখন তাহার অন্যথা নিৰৱে পরমকার বলিয়া লােকে কথিত হয় এবং মনেই আবির্ভাব হয় না, অ৬এব কাল্পনিক বন্ধ কেন নাই ? বশিষ্ঠ কহিলেন, ওরেভাবে সদসত্মক হয় (কখন « বলিয়া ব্যবহার হয়, কখন | যেমন স্বপ্ন-কল্পনা জাগ্রদৃষ্টিতে অলীক, তেমনি এই বন্ধন মুর্থ- অসং বলিয়া ব্যবহার হয়। ঐ সমুদয়ই সশক্তিমান্ ব্রহ্মের | দিগের কল্পনা,--অলীকমাজ, তাহার বন্ধু কল্পনা করিয়া আবার ব্ৰহ্ম। মনে যা কিছু অবস্থিত তাহা সমস্তই ব্ৰহ্মৰূপ। যেমন | যে যেকল্পনা করিয়াছে, তাহাও অলীক অর্থাৎ আত্মার বন্ধ বসাদি ঋতুর ধম্ম বৃক্ষাদিতে অবস্থিত, সেইকপ মনের ধৰ্ম্ম ঐ | মােক্ষ কিছুই নাই। এইরূপ অজ্ঞানবশতই বন্ধ মোক্ষ দৃষ্টি কাদিও ব্রহ্মে অবস্থিত। যেমন সমগ্র ঋতুর কুসুমশক্তি উপস্থিত হয়, হে মহামতে। বাস্তবিক বন্ধ মোক্ষ কিছুই বিদ্যমান থাকলেও ভূমি, স্থান ও বীজসংস্কারাদি কার্যের ভেদে নই।—৩.। হে আজ্ঞ। তাভিজ্ঞ ব্যক্তির নিকট বাবস্থায় পুষ্পাদি উৎপাদনের হেতু হইয়া থাকে, লোকসৃষ্টি- যেমন রজুতে সন্তান অলীক বােধ হয়, সেইরূপ প্রবুদ্ধমতি করী ব্ৰহ্মও তেমনি সুব্যবস্থায় চিত্তশক্তি বারণ করেন অর্থাৎ অর্থা- অজ্ঞ ব্যক্তির নিকট এই কল্পনা অবাস্তব। প্রবুদ্ধ চিম্বর বাসনার অনুরূপ জীবচেষ্টা হইয়া থাকে (সমুদয় বন্ধু- ব্যক্তির এই বন্ধমােজাদি মােহ কিছুই নাই। হে রাঘব। এই শক্তি সকল জীবে সঙ্কীর্ণ হয় না)। ১৬–২০। যেমন দেশ বন্ধমোদি মােহ কেবল অজ্ঞ ব্যক্তি নিকটই ফুরিত হয়। কালাদির বচিত্র্যবশতঃ ভূল হইতে ধান্যশক্তি উদ্ভূত হয়, হে ভগ। প্রথমে মন, পরে বন্ধমােন তাহার পর তদ্রুপ সেই পরব্রহ্ম হইতে শক্তিসমূহ কখন কোন কোন এলে এই ভুবননামক এপকের রচনা (জগৎপ্রপঞ্চের রচনা) এই- আবির্ভূত হইয়া থাকে (একত্র একসময়ে সফলশক্তি উদিত হয় রূপ ক্রমে এই সমুদয় প্রপঞ্চ বালকের নিকট কথিত মিখ্যা না। যাহা কিছু দেখা যায়, সমস্তই প্রতিভাসমাত্র ; বস্তু কিছুই অম্বিকার (উপকথার) স্থায় বদ্ধমূল হইয়াছে, বালকে গত নহে। প্রতিযোগিব্যৰছে (সবজিনিয়), সংখা ও রূপ প্রভৃতি যেমন মিথ্যাগ সত্য বলিয়া মনে করে, অন্যক্তির নিকট এই সমস্তই ব্ৰহ্ম হইতে প্রকাশিত হয় মনঃশব্দের যারা কলিত এগৰু সেইরূপ সত্য বলিয়া প্রতীত হইতেছে। ৪৪। হইয়া থাকে, ঐ সমুদয়কে তুমি বন্ধ বলিয়া নিৰে। এই মনের শভস গর্গ মাখ।১ যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ । দগ্ধ হইতে একাধিশততম সর্গ। সকলের অগােচর হয়। তাঁরা বা মেরু-শবমণি কাঞ্চনময় গৃহপূর্ণ রমণীয় তিনটা ভবন (ভাড়া)সর্শন কৰিলে। রাম কহিলেন, মুনির। আপনি যে চিত্তবর্ণন-প্রসঙ্গে ১৬–১। সেই অনন্ত্রের মধ্যে দুইটা অনির্মিত, একটায় বালকাখ্যায়িক দৃষ্টান্ত দিলেন, ইহা দ্বারা কি কছিলেন? ইহাৰ ভিৰ নাই; সেই মনুষ্যত্রয় রমণীয় ভিত্তিহীন ভবনেই প্রকে। আনুপুৰ্বিক বৃত্তান্ত আমার নিকট কীর্তন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, করিলেন। চাবদন রাজপুত্রগণ তথায় প্রবেশ করিয়া ইত রাষৰ। মুখবুজি কোন শিশু, নিজ ধাত্রীকে জিজ্ঞাসা করিল, ধাত্রি । শুভ বিচরণ করিতে করিতে তপ্তকাঞ্চন-নিশ্রিত তিনটা চিনিকারিণ কেন আখ্যায়িকা আমার নিকট বল। স্থাণী(ইড়ী) প্রাপ্ত হইলেন। তন্মধ্যে দুইটা কৰ্ণরভাবে পরি- হে মহামতে। ধাত্রী ঝলকের চিত্তবিনােদাৰ এয়গুণসম্পন্ন এত (ভাঙ্গাখােলা) হইয়া গিয়াছে, অপয়ট চুর্ণ হইয়া গিয়াছে, মধুর আখ্যায়িকা ( গল্প ) কহিতে লাগিল। “বিস্তৃত অ- সেই বহুডােজী মুমতি রাজকুমগণ চুমীভূত সেই স্থালী গ্ৰহণ শূ শাখানগরসমন্বিত অত্যন্ত অসত্য কোন নগরে ধর্শিক করিয়া তাহাতে শতদ্রোণ * হীন শতদ্রোণ পরিমিত ভণ্ডুল বীরত্ব সন্তুষ্ট সুন্দরাকতি মঝা তিনটী রাজপুত্র আকাশে অলময় পাক করিলেন।২২-২৫। সেই রাজপুত্রগণ ভিটী ব্রাহ্মণ তারকাষের ন্যায় একত্র অবস্থিত করেন। তাঁহাদের মধ্যে নিমন্ত্রণ করিলেন, নিমন্ত্রিত ব্রাহ্মণত্রয়ের মধ্যে দুইজন দেহহীন, দুই জনের জয় হয় নাই, একজন গর্ভেই বাস করেন নাই। | অপটীর মুখ নাই। যাহার মুখ নাই সেই ব্রাহ্মণই সেই শত ১৫। কিছু দিন পরে সেই রাজপুত্রয় বন্ধুজন বিরহে ও অর্থের জোণ পরিমিত ততুলের অন্ন ভােজন করিলেন। জাজপুত্রগণ অভাবে দুঃখে বিষ হইলে, পরে অধিক অর্থ লাভের আশায় | ব্রাহ্মণের ভুক্তাবশিষ্ট ভােঙন করিলেন, তাহাতেই তাঁহাদের সকলে মিলিত হইয়া বিদেশে যাইতে কৃতসংস্কল হইলেন। হঁহারা পরম পরিতােষ হইল। বৎL সেই ভবিষ্যৎনগরে রাজপুত্র- যখন সেই শূনগর হইতে নির্গত হইয়া একত্র মিলিত হইয়া 'ত্রয় অদ্যাপি মৃগয়া-বিহার করতঃ পরম সুখে অবস্থান করিতেছেন চলিতে লাগিলেন, তখন বােধ হইল যেন, গগনে বুধ, শুক্র ও শনৈ- অনখ! তােমাকে এই রমণীয় আখ্যায়িকা কহিলাম, হে আজ্ঞ। র গ্রহ এক মিলিত হইলেন। শিরীষকুমের ন্যায় সুকোমল- ইহা হয়ে ধারণ কর, এহা হইলে পণ্ডিত হইতে পারিবে। শরীর ঐ রাজপুত্রয় দিবাভাগে পথিমধ্যে মাত্তগুতাপে তাপিত হে রাম। ধাত্রী এই মনােহর আখ্যায়িকা কহিলে বালক হইয়া নিদাঘ-পিত পৰাজির ন্যায় পরিম্নান হইয়া পড়িলেন। শ্রবণ করিয়া পরম পরিতুষ্ট হইল। শ্রবণ করিয়া পরম পরিতুষ্ট হইল। হে কমললােচন রাম। চিত- পথিমধ্যস্থ উত্তপ্ত আণুকায় ঠাহাদের পদমল বন কথার দৃষ্টান্ত স্বরূপে তােমাকে এই বালক খ্যায়িকা কহি- লাগিল। যুথভ্রষ্ট হরিণের ন্যায় দুঃখকাতর হইয়া তাঁহারা “হা | লাম। এই আখ্যায়িকা যেমন (সম্পূর্ণ অসঙ্গত হইলেও ) পিত” বলিয়া শােকপ্রকাশ করিতে লাগিলেন। চরণে কুশাগ্রবিদ্ধ বালকের হৃদয়ে (সঙ্গত ও সত্য বলিয়া) দৃঢলগ্ন হইল , এই ইতে লাগিল, কবিতাপে অঙ্গসন্ধি শিথিল হইয়া গেল, তাঁহারা | সংসারও তদ্রুপ অলীক হইলেও দৃঢ় কল্পিত সঙ্কল্প বলে স্থির ও বহুদূর অতিক্রম করিয়া ধূলিধূসরদেহ হইয়া পথিমধ্যে ভিটী সত্য হইয়া উঠিয়াছে। ২৬-৩০। হে অনঘ। এই সংসার বৃক্ষপ্ত হইলেন। ঐ বৃক্ষলয়, ফল, পল্লব ও মঞ্জরীপুঞ্জে | প্রতিভাসিক বিকল্পই ইহার জালস্বরূপ বন্ধ মোক্ষ প্রভৃতি কল্পনা- পরিপূর্ণ, বহু পশুপক্ষী ঐ বৃক্ষের আশ্রয়ে অবস্থিতি করে। ঐ ময় ইহার পুষ্টি ফলত সঙ্কজ ব্যতীত ইহাতে আর কিছুই নাই, বুয়ের মধ্যে দুইটার উপত্তি হয় নাই, অপরটা সুখারোহণ- | যাহা কিছু দেশ, সমস্তই সঙ্কগনিবন্ধন সঙ্কলাভাবে সকলই মিথ্যা। যােগ্য কিন্তু বীজহীন। ইচ্ছ, বায়ু ও ফম যেমন পারিজাত বৃক্ষতলে স্বর্গ, মর্ত্য, বায়ু আকাশ পৰ্বত, নদী ও দিক্ সমুদয় সমস্তই সম্বল বিশ্রাম করেন, তেমনি পরিশ্রান্ত রাজপুত্রত্রয়, অমধ্যে এক বিচিত, এতৎ সমস্তই আত্মার স্বপ্ন বলিয়া আনিবে। ভবিষ্যৎ বুকের তলে বিশ্রাম করিনে তঁহারা অয় অমৃতকল্প সুস্বাদু নগরে রাজপুত্রয় ও নদীত্রয় বদ্ধপ, মনন, সঙ্কল যদ্রুপ, এই কল ভেন, রসপন ও গুলুছলমীর মাল্য ধারণ করত জগতের সত্তাও তদ্রুপ আনিবে। চতুর্দিকে যে অলমাত্র চঞ্চল বহুক্ষণ বিশ্রাম রিয়া পুর্বার চলিতে লাঙলেন। আবার বহুদূর সাগরের জলরূপত্ব ব্যতীত যেমন অন্য কোন সত্তা নাই, তদ্রুপ গমনের পর মধ্যাহ্ন সমুপস্থিত হইলে অঙ্গমালা মুখরিত ভিটা সঙ্কলেরও আসক্ত ব্যতীত অন্য সভা নাই। প্রথমে পরমাত্মা নদী প্রাপ্ত হইলেন।৬-১৫। সেই নদীত্রয়ের মধ্যে একটা হইতে যে একমাত্র সঙ্কল্প সমুদিত হয়, এ এই সঙ্কল্প সূর্যের অতি গুরু, অপর দুইটাতে জমাজের দর্শন-শক্তির ন্যায় একের ক্রিয়ায় দিবসের স্থায় পােক ব্যাপারে ক্রমশঃ বিস্তৃতি প্রাপ্ত হয়। জলাভাব। নিদাঘ-ভাপাওঁ'কাজকুমারগণ যে নদীটি অতি হোম। এই নিখিল জগৎ একমাত্র সন্ধল্প , রাগালি মনে হাতেই সমাদরে স্নান করিলেন, কেন নি, হর ও ব্রহ্মা গান ও যাবতীয় রে পদার্থ সমই গল্প নিবে, হে রব! করিলেন। রাজপুত্রগণ থায়রুণ জলক্রীড়া ও স্ত্রীর সমিত ঐ সঙ্কল্প সমূলােচ্ছেদ করিয়া নিৰ্বিল আত্মনিশ্চয় লাভ করত জলপান করিয়া আদিত চিত্তে আ হইতে গান করিতে শান্তি লাভ কর। ৩১-৩১। লগিলেন। অন দিবাবসানে দিনমণি অত্যাচ-বিলখী বলে নবনির্মিত পর্বতপ্রমাণ বিশাল ভবিষ্যৎ নগর প্রাপ্ত হইলেন। ঐ একাধিক শত সর্গ সমাপ্ত।১০১ নগরের নীল নভােমণ্ডলরূপ এলাশয় গা ঘেণরূপ পন্ধিবী সমূহে যতি । এজগরবাসী নাগরণের গীতধ্বনি দূর হইই শ্লোকের পুর্বার্থে পতাকা পৰিীব্য এই স্থানে - আর সবিএকি বলিয়া এভাৰ , কোন নীলাকা। চারিমুষ্টিতে এক কুৎ, চরি ফুৰে এক প্ৰ, চারি প্রয়ে লার শিফলেই সঙ্গ থাকে। একক, কে এক জো- উৎপতি-প্রকরণ। ১৭৫ - বর, অসত্য বিষয়ের ধিকততম গঙ্গ দেহ হইলে অনন্ত আকাশে বিলীন হন। আমি ব্যক্তিকে এই সংসারকিরী জীবের মনেও ধন নাই, তখন আয়- বশিষ্ঠ কহিলেন—মুঢ়ব্যক্তিই নিজ সফল যাহগ্রপ্ত নাশত সুদূরপরাহত। ২। কুণ্ড ও বারীষণের অস্থিতি হইয়া থাকে, পণ্ডিতে হয় না। বালকেই ভয় পর্থে ক্ষ যদ্রপ, ঘট ও আকাশের অবস্থিতি যদুপ, বিনশ্বর দেহ সল করিয়া মুগ্ধ হইয়া থাকে। শ্রীরাম কহিলেন, হে ব্ৰহ্মজ্ঞবর! অবিনশ্বর আত্মার স্থিতিও ড্রপ। কুণ্ড ভগ্ন হইলে বলল এই সঙ্কজের কর্তা কে? সঙ্কল্পিত ক্ষয়ই বা কি? যে বণ্ঠ অসভ্য যেমন হস্তগত হয় অর্থাৎ আগায়াভাবে যেমন হন্তে ঘরিয়া রাখা হইয়াও সতত মােহপ্রহনে নিরত, তাহা আনিয়র জন্য কৌতুহল হয়, দেহু নষ্ট হইলে তেমনি আত্মাও আকাশ প্রাপ্ত হন। হইয়াছে। বশিষ্ঠ কহিলেন, যেমন শিশুকর্তৃক মিখ্যা বেলকল্পিত কুরে কুম্ভত্ব হইলে অর্থাৎ কুত্ত ভঙ্গিয়া গেলে কুত্তাকাশ হয়, তেমনি অবিচ্ছেপহিত পরমাত্মা কলাস্তরীয় জীবভাবের যেমন আকন (মহাকাশে) অবস্থিত হয়, তেমনি দেহুক্ষনে অহংভাবে সংস্কৃত হইয়া অহঙ্কার নামধারী ক্ষয় কল্পনা করিয়াছেন। নিরাময় দেহীও (আত্মা) পরমাত্মার অবস্থান কনে। বস্তুত কিন্তু অহঙ্কার অলীক পদার্থ, একমাত্র পরমপদার্থ পূর্ণ জীবগণের, মনােরূপ দেহ দেশকাল হইতে তিরােহিত হইয়া এই সত্য এর সবই মিথ্যা, সুতরাং এই পদার্থ যে কি, বারংবার মৃত্যুরূপ পটদ্বারা আচ্ছন্ন থাকে, অতএব সেই ঠমনের কোথা হইতে এবং কিয়াপে যে তাহার উৎপত্তি, তাহা, অজ্ঞেয়। জন্যে আবার আক্ষেপ কি ?। হে মহাবাহে ! দেশকাল বিশেষে অদ্বৈত পরমাত্মাতে বন্ধুই অহঙ্কার নাই, যেমন মরীচিকাস্থ তীব্র- আত্মার তিরােধানই মরণশকে অভিহিত হয়, মরণের তাদৃশ স্বরূপ আতপে মুগকুলের জীভ্রম হয়, তেমনি অসম্যদশীর নিকটেই ঐ অবগত হইলে মূঢ় ব্যক্তিও ভীত হয় না। আত্মার প্রকৃত ভ্রান্তিবিজস্থিত অহঙ্কার স্কুরিত হয়। ১-৫। এই সংসার চিত্তরূপ কেহই প্রত্যক্ষ করেন নাই। ২১-২৫। অতএব হে রম! চিন্তামণিীই বা বলিয়া লক্ষিত হয়। যেমন জল আপনি পক্ষিশাবক যেমন আকাশে উড়িতে উৎসুক হইলে অণ্ড পরিত্যাগ আপনাকে আশ্রয় করিয়া আবরূপে স্কুরিত হয়, ভদ্রুপ মনই করে, ভদ্রুপ তুমিও ‘আমি মিথ্যা” ইহা স্থির করিয়া অহাৰ আপনি আপনাকে আশয় করিয়া সংসাররূপে স্কুরিত হইতেছে। বাসনা পরিত্যাগ কর। এই বাসনাই মালীশক্তি এবং ইহাই ইষ্ট অতএব রাম! তুমি ভিত্তিহীন ( অমূলক) অসম্যকুদৃষ্টি সংসার ও অনিষ্ট বিষয়ে রাখণ্যে উৎপাদন করিয়া থাকে। মিথ্যা-ভ্রান্তি- দর্শন) পরিত্যাগ করিয়া সত্যমূলক সত্যরূপ আৰু সৰ্য সরূপ এই বাসনা করাই স্বপ্নেপম জগতের কল্পনা হইয়া থাকে। দৃষ্টি আশ্রয় কর। এক্ষণে তুমি মােহড়ম্বর পরিত্যাগ করিয়া ২১-২৫। এই বাসনাই দুরন্তু অবিদ্যা ,খিকেবল দুঃখ প্রদান বিবেক কশালিনী বুদ্ধি দ্বারা সত্যস্বরূসের বিচার কবিবার নিমিই বৃদ্ধি পাইয়া থাকে। এই অবিদ্যা যাবৎ আপনি- ভাবনা ত্যাগ কর। যিনি যথার্থ বদ্ধ নহেন, তাহাকে বদ্ধ জ্ঞাভ থাকে, তাবৎকালই এই মিথ্যা জগৎপ্রপঞ্চ বিস্তার করে। বলিয়া কেন বৃথা শােক করিতেছে ? অনন্ত আতকে কেহ যেন কুঙ্কটিকায় আকাশ মলিন দেখায় , কিন্তু আকাশ বাস্তবিক কি কখন বদ্ধ করিতে পারে নানা অনানাত্ব উভয়ই ব্ৰহ্মতত্বে মলিন নহে, তেমনি মোহকারিণী এই বসনার এইরূপই স্বভাব কলিত ঐ কার যখন পরিহার হয়, তখন এক অভিন্ন সময় যে, ইহাতে বিমুখ জীবগণ আপনাকে মলিন দেখে। ঐ বাস- ব্রতই বিদ্যমান থাকেন। তখন আর কে বন্ধ ? কেই বা কপিণী মানসী শক্তির বলেই দীর্ঘ স্বপ্নের স্যায় বিশালরূপে কল্পিত মুক্ত থাকবে ? ৬। আত্মা বহু আর্ত হন না। তবে মহাড়ম্বরযুক্ত বিশ্ব অসৎ হইলে সংরূপে পরিভ হইগেছে। দেহ আর্ত হওয়ায় তিনি আর্ত বায়া প্রতিভাত হন, যেহেতু ২৬-৩০। একমাত্র নাই এই সনার কর্তা ও স্বরূপ মজ কর্তিত হইলে তিনি কষ্ট অনুভব করেন, সলতঃ আয়াতে (ভাবনা ব্যতীত ইহার স্বরূপ বা কর্তা কিছুই নাই)। যেমন ভেদাভেদ বিকার বা কোন প্রকার আর্তি (পীড়া) নাই। আর্তি (পড়া) নাই। দূষিকৰ্যক্তি আকাশে কেজি সন্দর্শন করে, তেমনি সুতরাং দেহ নষ্ট কতৃ বাকীগ হইলে আম্মার অতি কি ? ভন্তা দূষিত অর্থাৎ অজ্ঞান কধিত হইয়াই আত্মা আপতে জগৎ ( কামারের জাত) দগ্ধ হইলে অন্তর্গত বায়ু কি কখন দগ্ধ হয়। সন্দর্শন করেহে রাম। যেন সূর্যতাপে হিমশিলা (বরফ) বিলীন দেহ পতিত হউক বা উথিত হউক আমাদের হাতে ক্ষতি কি? হইয়া যায়, তেমনি তুমি বিচারবলে এই বাসনারূপিণী মানসী পুষ্প নষ্ট হইলে তদীয় সৌরভের ক্ষতি কি? সৌরভ আকাশ শক্তির বিলয় সাধন করা, সূৰ্য্যদেব হিমবিনাশ করিবার নিমিত্ত আশ্ৰয় করিবে। আমাদের শরীররূপ পদ্ম সুখ দুখৰূপ তুষার- উদিত হইয়া স্বাভিলষিত কা সিদ্ধ করেন, এইরূপ যে মনােনাশ- পাত হউক না কেন, আমাদের ক্ষতি কি? আমরা আকাশে প্রার্থী, বিচারবল তাহার সে প্রাণি সফল হইবেই। অনর্থ- উডীয়নশীল মধুকর, আকাশে উড়িয়া যাইব। দেহ পতিত হউক, প্রার্মিনী দুয়ে অবিদ্যারূপিণী মেঘমালা আত্মজ্ঞান না হ উখিত হউক, বা আকাশ মধ্যে গমন করুক, আমি যখন দেহ পর্যন্ত শানুরের ন্যায় বিবিস্তাররূপ ইন্দ্রজালময় বর্ণবর্ষণ হইতে পৃথক মন আমার কি ক্ষতি হইবে ?! ১৯১৫। করিয়া থাকে এবং অর্থ দুর্গম হইয়া থাকে। মন আপনার বিলাশ- মেঘের সহিত বায়ুর যেমন সফ, ভরের সহিত পদ্মের যেমন প্রিয়া আপনিই সাধন করে; আপনিই আটকের অভিনয় সম্ব, রাঘব। তােমার শরীরের সহিত তােমার আত্মারও সেইরূপ করত নৃত্য করিয়া থাকে। মন কেবল আপনার বিনাশের নিমিত্তই সম্বন্ধ নিবে। রাম, মনই সমূত্তে শরীর ও আদ্যাশক্তি; অস্বনি করিয়া থাকে। (আম্বরূপ সাক্ষাৎকারে মনের অধ্যাত্মচেতন্যের কাচ নাশ নাই। হে হারুনে। যিনি , না হইয়া আকে)বতি নিতে পারে না, আপনার কিনা। তিনি কোথাও গমন করেন না, কাচ তাহার নাম নাই, তবে কেন অতি নিকট, (না জানিতে পারিয়াই দুপুঁজি মন অমনি খালি হইছে? যেমন মেঘ বিহইলে বায়ু ও পয়জ করিয়া থাকে)। ৩১-৩৬। ঝহারা মনে করিতেই হইলে ভ্রমর অনন্ত অশে আশ্রয় গ্রহণ করে, তেমনি আত্মাও মন স্বয়ংই শখজমাত্রে এদের অতিৰিত অনবিক্রিয়া যােশবাণিষ্ঠ রামায়ণ ৭ বিষয়ে কোন প্রকারক্লেশেই প্রয়ােজন হয় না। মন যায় না কেন ?” তাহার কারণ এই লোগুণের উকুৰে . বিবেক খার। সংস্কৃত ইলেীয় সঙ্কল্প বিকরূপ অংশ পৰিত্যাগ মানসী ক্রির তীব্রতা হয়, তমোগুণের উৎকর্ষে মত করিয়া ৰহ্মাকাৰিস্তাররূপ বিশাল আত্মরূপ অবগত হইতে পারে, আহলে উপরে বাহুল্য, আহারের অপচয়ে অন্তু, অদূৰন্তু মনের নাশই মহান অভ্যুদয় এবং সকল দুঃখােচ্ছদের মূল। সৃষ্টির অনুকুউপাসনালির বিলম্ব—ইত্যাদি বিবিধ কারণে সুক- অতএব তুমি মনােনাশার্থ যত্ন কর, মনের বহব্যাপারে যত্ন করিও লের মনের সমুদয় সৃষ্টিশক্তি উপস্থিত থাকে না, বাৰিক ৰে, । হে। কৃতান্তরূপ মহাসর্পে ভীণ, সুখ দুঃখরূপ বৃক্ষ মনের সর্বশক্তি নাই এমন নহে। ১১-১৫। যেমন বৃক্ষ হইতে রাজি করা নিবিড় এই নিখিল সংসার-বিপিনে মহাবিপদের হেতু পবের উৎপত্তি হয়, তেমনি যােং, গম, অনর্থ, দেশ, কাল, বিবেকবিহীন এই মনই প্রভু। (অর্থাৎ ২া কৰ্ত্তা বিধাতা) গতি, অগতি সমুদয় চিত্ত হইতেই সমুভূত হয়। যেমন অলই সমুদ্র (বীন্মকির উক্তি) মুনিবর বশিষ্ঠ এইরূপ বলিতেছেন, এসময় ও উষ্ণই অনল, তেমনি সংসাত্মক সংসার চিত্ত ভিন্ন আর দিবস অতীত হইল, দিবাকর সাংকৃত্য সমাপনার্থ অস্তাচলে গমন কিছু নহে। কর্তা, কর্ম, করা, ভ্রষ্টা, দর্শন ও দৃষ্ণ, ভােক্ত, ভােগ্য করিলেন। সভাস্থ সকলে পরস্পর নমস্কার অভিবাদনাদি বরিয়া স্ব এ ভােগ প্রভৃতি সঙ্কুল এই যে জগৎ এ সমূদয় চিই, বস্তর হ স্থানে প্রস্থান করিলেন এবং রজনীশেষে পরদিন দিবাকর নহে। সুবর্ণ-পরীক্ষক যেমন কেয়ুর, মৌলিক টক প্রভৃতি ভেদে কিরণের সহিত সকল একত্র সংবেত হইলেন। ৩০-১১। বনিত বর্ণকে বিশুদ্ধ কাঞ্চনবুদ্ধিতে পরীক্ষা করিতে গিয়া এক- যধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১২। মাত্র কাঞ্চন বলিয়াই লক্ষ্য করে, তেমনি বনপর্বতাদি সঙ্কুল এই জগৎ ভিন্ন ভিন্ন রূপে দৃষ্ট হইলেও একমাত্র চিত্ত বলিযাই ক্বদর্শীর নিকটে সংলক্ষিত হইয়া থাকে।১৬-১১। জাধিকশততম সর্গ। ধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১৩। বশিষ্ঠ বলিতে লাগিলেন,-যেমন সমুদ্র হইভে তরঙ্গ হয়, তেমনি পরব্রহ্ম হইতে মন সমুখিত হইষ'ছে। ঐ মন ক্রমশ চতুরধিকততম সর্গ। বিস্তৃতি লাভ করি এই বিশ্ব বিস্তার কবিয়া থাকে। এই মনের এমনই শক্তি যে, &কে দীর্ঘ কতে পারে, কখকে হ করিয়ে বশিষ্ঠ কহিলেন,—এই জগতী চেষ্টাৰূপ ইন্দ্রজালক্রিয়া যে পারে, আপনকে পর করে, পুরকে আপনার কার। যে বস্তু দেশ কপে চিত্তের আয়ত্ত হইয়াছে তদ্বিষয়ে একটা উ উপাখ্যান প্রমাণ, মন স্বয়ং সমুংপন্ন ভাবলে তাহাকে ঝটিতি পর্বত বলিব শ্রবণ কর। এই ভূমণ্ডলে বিবিধ বনসঙ্কুল উতরাপাণ্ডৰ প্রমাণ বিশাল করিয়া তুলে। পরমাত্মা হইতে উল্লসিত মন নিমেষ নামে এক বিশাল জনপদ আছে। তাপসগণ হার নিবিড় গম্ভীর কুলমধ্যে প্রতিষ্ঠা শান্ত করত সংসার বিস্তার করে এবং সংহার অরণ্যভাগে বিএম করিয়া থাকেন, বিদ্যাধরণ উহার উদ্যান করে। নিখিল পূর্ণ স্থাবর-জঙ্গমাত্মক এই যে অগদৃষ্ট হই ভুমিতে দোলা নির্মাণ কৰিয়, তহতে ক্রীড়া করিয়া থাকেন । তেছে, এ সমস্তই চিৎ হইতে সমুদ্ভূত। ১-৫। চলভাৰ মন জনপদের পর্বতপ্রদেশ সমীরণচালিত কমল- কিপুত্র পিঙ্গলবণ দেশ কাল, ব্রি ও দ্রব্যশক্তি পৰ্য্যাকুলিত হইয়া নটের ন্যায় হইয়া থাকে। বিকসিতকুমরাজি নকুঠির শিরোভূষণ-স্বপে একতাব হইতে ভৰাক্তন প্রাপ্ত হয়। নি সংকে অসং করে এবং বিরামন। গ্রামপাবঞ্জ অঙ্গসমূহ ও করগরী বুল, - অসৎকে সৎ করে, মন যাদৃণ ভাবনাগ্রস্ত হয়, তাদৃশই সুখ দুঃখ গুচ্ছ দার। সমাবর্ণ হইয়া আছে। এত এশসমূহে বন, লাভ করে। চঞ্চল মন ভােগ্য-বিষয়ঙ্গল যেরূপ কল্পনা দ্বারা আকাশে উডম্নমান পক্ষিপজাদির ঘুমৃদু ধ্বনি দ্বারা প্রতিধ্বনিত, গ্রহণ করে, হস্তপদাত্বি সমূহও তদনুসারে যত্নবান হয়। তখন হস্ত একাংশে পিঙ্গল বর্ণ শিলশ্রেণ নিৰ্ম্মিত শালিকেরে সেই স্থান পদদি ক্রিয়াও ক্ষণকাল মধ্যে যকালে জলদি লঙ্গর ন্যায় পিঙ্গল বর্ণ। ময়ূরনিনাদে প্রতিধ্বনিত বনজঙ্গল সকল অরণ্য- চিবাতি ফলাফল প্রদান করে। হে রাম। বাঁকে যেমন প্রদেশের শােভা সম্পাদন করিতেছে। অত্য সুৰণময় কানন- মৃৎপিণ্ড লইয়া তাহা দ্বার! নানাবিধ ক্রীড়নক দ্রব্য নিৰ্মাণ করে, সকল সরসপক্ষিগণের কলরবে প্রতিধ্বনিত। আল ও পাটলা- মনও তদ্রুপ অস্থিত ভাব লইয়া জগৎবিকল্প নির্মাণ করে, বৃক্ষ সমূহের গার নীল পর্বতপ্রদেশবর্তী গ্রাম সকল ঐ ১০। অতএব মন পদার্থপ মৃৎপিণ্ড দ্বারা যে নরদেহদিরূপ জনপদের কুলবৎ শােভমান হইতেছে। স্থানে স্থানে বিচিত্র ক্রীড়নক খেলনা নিৰ্মাণ করিয়াছে ইহার মধ্যে এমন পদার্থ নাই বিহঙ্গমগণ সর্বদা কাকলিধ্বনি করিতেছে। থাকার জলী ৰহ, জগতে সত্য বলিয়া কল্পিত হইতে পারে অর্থাৎ সমস্তই অলীক। সকল কুমিত নিতশণে অরুণিত হইয়া রহিয়াছে। এ ঋতুভিজিক কাল যেমন্তু কৃষ্ণের রূপ তেল সম্পাদন করে, চিন্তও ক্ষেত্ৰক্ষিকা কৃষকরমণীগণ মধুর শীতলৱে পথিকৰুন্দর ভদ্রপ পদার্থ বয়ের ভিন্নরূপত্ব সম্পাদন করিয়া থাকে। মদনােন্দীপন করিয়া দিতেছে। ফলপূষ্পপাতকারী সমীরণে মনাের স্বপ্ন ও সঙ্কল্প এই সমুৰ মানসিক লীলায় দেখিতে কুরূপ অলপংক্তি বিনিত হইতেছে। হত্ৰত্য পৰ্ব্বত পাইবে, গােষ্পদ প্রমাণ স্থান বােজন ইতেছে। (এই হইতে সিদ্ধগণ, চারণগণ, ও বন্দিগণকে এই নির্গত হইতে বিশ্ব ক্লিবেকীর দৃষ্টিতে গােপ, অবিবেক দৃষ্টিতে শতযােজন। দেখা যায়। ঐ জনপদের সৌন্দর্য দেখিলে বোধ হয় যেন, নন কাকে ক্ষণও কে কর করিয়া থাকে, অএব কে স্বর্গের লাবণ্য অপহরণ করিয়া উহা নির্মিত হইয়াছে।-১০। কালক্রিও মুনের আয়ক জানিৰে। যদি ফল, “মন যদি সক্ষম ঐ দেশের কালীমণ্ডপে গার্ল কিগণ সর্বগা গান করিয়া থাকে, নিল সর্ব হয়, আর দাদি মনের সময়সূষ্টিশক্তি দেখা অত উদ্যানভূমি মণসঞ্চারী সমীরণে দিলিত কুমরাজি উৎলা T পার হইয়া কে। ঐ দেশে হরিশ্চন্দ্র রাজাৰ বংশৰ যেমনথর আসিয়া উপস্থিত হয়, তেমনি এক পাশ মিয়া পশ্বিক লবণনাৰে এক কাকা তুলে দিবাকরের রায় অস্থিতি উপস্থিত হইল। উচ্চৈঃশ্রবা যেন দেখণের দিকে মিত ৰে। উইর বকুৰে পৰণ শৈল সকল চিত ' কারী পয়ি (স্বামী) দুয়া পচাৎ সম্পতি, অমনি লিঃ মহাদেবের ন্যায় সর্বাঙ্গ বের্ণ। বাহা সাহায্যে মহাবেলী সুন্দর একটা ঐ শাকে পশ্চাৎ পশৎ নিখিল বিপক্ষমগুলের ফলনে কৃতকা, ভাতৃশ প্রবলপরাক্রম অনুসরণ করিয়া বাজার নিকটে আসিল। সেই অখপালক ১ রাতিমণ্ডল ঐশপতির নামণে অপ্রাপ্ত হয়। নানা দেখাইয়া নাগভিকে বলিতে লাগিল, তৎকালে বােধ হইল যেন ণের ন্যায় উহার উদাৰতৰত কাৰ্যাবলী, জাপান ও রসাগর উচ্চৈৰ লইয়া দেবরাজকে কিছু বলিতে উদ্যত সদাচার সমুদয় চিরদিন এনগণের স্মৃতিপথে ব্রিজমান থাকিবে। হইতেছে। ২৬-৩৫। “হে রাজন! এই অৱ ইন্দ্রের ১১-১৫। সুমেরুশিখর সেভবনে মুয়রীগণ তণীয়গুণরাণি উচ্চৈঃশ্রবার সমান। এই এপ এত বেগে দৌড়িতে পারে পুলকিত শরীরে সর্বদা গান করিয়া থাকে। পুরসভায় শরয়ী- সেইহাকে মূর্তিমান্ বায়ু বলিলেও অত্যুক্তি হয় না। প্রভো! গণ সতত গীয় গুণনা করেন এবং লােকপালগণ তাহা চিরদিন আমাদের প্রভু এই অখটা আপনাকে দিবার অন্ত প্রেরণ সারে শ্রবণ করেন, অভ্যাসবশজ বিৰিঞ্চির হন হংসগণও করিয়াছেন, উৎকৃষ্ট মহৎ ব্যক্তিকে প্রদান করিলেই আহা কী করিয়া থাকে। হে রাম। তিনি অসামান্য শাভা পায়। আবাহক এইরূপ বলিলে পর, ঐন্দ্রজালিক, উদারতা গুণে ভূষিত, তাঁহার কাৰ্যকলাপে স্বল্পমাত্রও দােষ মেঘগর্জনের অবসানে মেষের নিকট চাতকের স্যায় পূনর্ধার সপ্নেও কখন দৃষ্ট বা ক্ষত হয় নাই। কৌটিল্য কাহাকে বলে তাহা মীপতিকে কহিল। প্রভো। আপনি এই উত্তম যে আরােহণ তিনি জানিতেন না, উদ্ধতভাব কখন তাহার নাই। ব্রহ্মার করে করিয়া, রবি যেমন স্বকীয় প্রতাপে ভূমণ্ডল উল কৰি বিচরণ যেমন সাই অক্ষমালা সন্নিহিত, জেনি উদারতই তাহার করেন, তদ্রুপ এই জগতে বিচরণ করুন”। সেই ঐন্দ্রজালিক দয়ে সর্বদা সন্নিহিত। এক নরপতি সমধ্যে আকাশে কর্তৃক এইরূপে অভিহিত হইয়া নরপতি, ময়ুর যেমন যােবন- চন্দ্র ও ন্যায় মুখাসীন আছেন, সমস্ত সৈন্যগণ সসম্রমে সভা- কারী জলধনকে উৎসুক হইয়র্শন করে, দ্রুণ অন মধ্য প্রবেশ করিতেছ, গায়ণ সভায় গান করিতেছে, গান করিতেছে, করিলেন। রাজা অনিমিষ-লােচনে ঐ এখকে নিরীশ কত রাজগণ উপবেশন করিয়া অrছন, বীণা-বে-নিনাদ উপস্থিত যিশ্বরসে আপ্লুত হইয়া আলেখ্যতিমাৰ নিলভাবে অবস্থান জনগণের মনােরঞ্জন করিতেছে, চামরধারিণী বিলাসিনীগণ চামর করিতে লাগিলেন। ৩৬–৪। ক্ষণকাল দেখিয়া তিনি নিন- ব্যঞ্জন করিতেছে, বৃহস্পতি ও শুক্রাচার্যের সদৃশ মন্তিবৃন্দ বিশ্রাম আসনেই নিশ্চল-দৃষ্টি হইয়া রহিলেন। দেখিয়া মনে হইল, পুৰে করিতেছেন, প্রধান প্রধান মন্ত্রিগণ রাজকণ্যের প্রাব করিতে সাগরপানােদ্যত অগস্ত্য মুনিকে দেখিয়া ভয়ে অন্তর্গত শত ছেন, মন্ত্রণাকুশল সমতগণ (ৰ দূতগণ) দেশবাবা কীত্তন করি- মানজি অলচর জগণ এইরূপ নিশ্চল হইয়াছিল, ভিন তেছেন, পবিত্র ইতিহাস-পুকে পা হইতেছে , বন্দিগণ অগ্র বিষয়-বিরাগী বাহদৃষ্টিশূন্য পরমানলব্ধ মুনির ন্যায় মুহূর্ত নে বী হইয়া বিনয় সহকারে পবিত্র স্থতি পাঠ করিতেছে। ১৬-২৫ ধ্যানসক্ত হইয়া রহিলেন। প্রবল প্রতাপশার্শা ঐ নরপতিকে এত সময়ে কোন ঐলিক, ধনবৰণকারী ঘােরজলধরের ন্যায় কেহ প্রবোধ দিতে সাহস করিল না, তৎকালেও সকলে ভাবিল, সগবে সেই সমধ্যে আসিয়া প্রবেশ করিল। কলবান শুরু ইনি বােধ হয় কোন নিগূঢ় বিষয়ের চিন্তায় মগ্ন আছেন”। রাজ্জাৰ , যেমন পর্বতলব্বিধানে নত হইয়া পড়ে, তেমনি সেই ঐন্দ্রজালিক অবস্থা দেখিয়া চামধারিণীগণের করতি শ্বেত-চামর নিশ হইয়া সিরিশিধরতুল্য উতগ্রীব নরপতির পদপ্রান্তে প্রণত হইয়া পড়িল, রহিল, বোধ হইল, রজনী যেন ই-কিরণ-পূ হুন্তিত করিয়া পরে ছায়াসমর্থিত উন্নতস্কন্ধ ফলন পুষ্পভূষিত তরুন গ্রে রাখিল। ৪১-৪৫। সভাসদগণ সকলে বিয়াবিষ্ট হই নিশ্চই বানরের স্থায় সেই ঐন্দ্রজালিক রাজার অগ্রে (সম্মুখভাগে) কেশর নিল-দল মৃন্ময় কমলের খায় নিলভাবে অবস্থান কবিতে উপবেশন করিল (রাজাপক্ষে ছায়াসমন্বিত অর্থাৎ-সুন্দর, লাগিলেন। সভামধ্যে পূর্বে এত যে অন-কোলাহল হইতেছিল, উন্নত অর্থাৎ উন্নগ্রীব, ফলবান অর্থরূপ-দলশালী, পুষ্প ভৎসমুদয় শনৈঃশনৈ ব্যাবসানে জলদধ্বনির আয় একেবারে ভূষিত পূষ্পমাল্যথারী)। আমােধযুক্ত মারুত-চালিত পরে প্রশান্ত হইয়া গেল। গদাধর সংগ্রামে অবসন্ন হইয়া পড়িলে, নিকট ঘটুপদ যেমন গুনগুন বুবে অন করেন, তেমনি - দেখগণ যেমন শকুল হইয়াছিলেন, দ্রুপ মন্ত্রিগণ সন্দেহ লােলুপ ঐ ঐন্দ্রজালিক মল-চাময়-সমীরণসেবিত আমােদী সাগরে মগ্ন ও চিন্তাবিত হইলেন। নরপতি নিশ্চল-দৃষ্টি হইয়া উতগ্ৰীৰ নরপতিকে বলিল প্রভো! চন্দ্র যেরূপ গণন অবস্থান অবস্থান করিলে পর, উত্ৰত্য জনগণ বিস্ময়ে অলস ও মােহ কফি ভূতলে নিখিল আধ ক্রিয়া দর্শন করেন, তপ আপনি বিষ হইয়া মুকুলিত কলকাননের কান্তি বারণ করিল। ৬-৯। আসনে উপবিষ্ট হইয়াই আমার একটা আশ্চৰ্য্যকৌতুক ক্রীড়া অৰ- চতুরথিকশভ সর্গ সমাপ্ত ১৪ লোকন করুন।” সেইন্দ্রজালিক এই কথা বলিয়া লােকের মনে মােহকারী এক মধুর লইতে লাগিল, উহুর শবপু পৱ- মাত্মার মার খায় বিবিধ কল্পনার কারণস্বৰূপ অর্থং ঐ পবিততম সর্গ । 'পুছার অনেকবিধ কাৰ্য বা পার্থ প্রদর্শিত হয়। দেবরাজ যেমন বাম- ককিহিলেন-অলর মহীপতি মচুৰ্ত্তষয় অতীত ইতে মানে অবস্থান কত দকীয় বিচিত্র খদুঃসনি করেন, নরপতিও ৰাজল-কিশােল কলেরায় ৰােৰ প্ৰাইলেন (বো- তেমনি বিবিখতে বিরাজমান ঐ ময়ূরপুচ্ছ অবলােকন করিতে পত্রপক্ষে বিকা, রাজশকে )ৈ ভূমিশাতে পবিত লাগিলেন।ঐস থ্যে তারকানিমণ্ডিত অপনযাগে যেন শিখর ও এতিসহ কাঁপিকে কােৰি শক্তি । ন যোগাশ-মায়। ষড়ং এই আসনে কিয়াই অহণসহ এর ফলিত বিজ্ঞাত নামা আর কোথায় এই মনােমশাহী এই বিদ হইতে লাগিলেন। ফবস্থায় তিনি দিগগজবিক্ষোভে বিকশিত অর্থাৎ এইরূপ বিপদে মাতৃশক্তি ছিল জা বড়ই আশ্চর্য্য। কৈলাস পর্বতে সাল করিয়াছিলেন। কাপিতে কঁপিতে অথবা অজ্ঞান অভিমালিগের মন ও দেহসও কাটিং তিনি যখন পতনেহইলেন, এল-ব্ধি গনােন্মুখ মুখের এইরুপ মােহ হইয়া থাকে।ছে সভাসদগণ! এই নায়িক গর্বকে কুণৈশ যেমন ভটদ্বারা ধারণ করে, তেমনি অগ্রবর্তী যুক্তকামধ্যে আমাকে যাহা দেখাইয়াছে, সেই অপূর্ব অত্যা- লগ ইহাকে হস্তদ্বারা ধারণ করিল। অতি জনগণ- বস্তায় এক।১২৫। আমি এই অবস্থায় বহুয়ি কর্তৃক খ্রিমণ ব্যাকুলটি ঐ নরপতি শ্রোদয়ে তরঙ্গ-বিক্ষুব্ধ শস্থায়ী কার্যাবস্থা সনি করিয়াছি। ইন্দ্র যখন মায়াবনে সৈন্য সাগলের সলিলশােভা ধারণ করিলেন। ১-৫। অনন্তর নরপতি কাষ্ট করিয়া বলিকৈ বন্ধ করেন, তখন বলির প্রার্থনায় বিধাতা এক- মূলত কমলের অভ্যন্তরবর্তী পদের স্যায় “একোখায় ? এই বার ইন্দ্রের সৈন্য সমস্ত ধ্বংস করেন, আবার ইচ্ছে প্রায় ঐ সভা কাহার?' এইরূপ অক্ষুধ্বনি করিলেশ যেমন পদ্মিনী সৈন্য রক্ষা করেন, সেই অবস্থায় ইন্দের খাদৃশদশা কাটিয়াছিল, দর্শনভীত-আদিত্যকে ভূধ্বনিৰ্যপদেশে যেন কিছু বলে, আমারও আঙ্গি ঠিক সেইরূপ অবস্থা ঘটিয়াছে। রাজার উক্ত বাক্য তেমনি অঙ্কুটম্বরে ঐ সভা (সভাস্থিত জনগণ) রাঙ্গায় উক্ত বচন শ্রবণ করিয়া স্যগণ সকলে এৰণাগ উন্মুখ হইয়া উঠিল। রাজাও শ্রবণে অকুটস্বরে সাদরে কহিল “দেব। একি ?” অনার প্রয়া- হা করিয়া বিচিত্রবৃত্ত বলিতে লাগিলেন। ড্র, নদ, পুর ও বুন্তে ভীত মার্কণ্ডেয় মুনিকে অমরগণ যেমন জিজ্ঞাসা করিয়া- পৰ্ব্বতে আকীর্ণ কুলপর্বত ও সমুদ্রে সঙ্কীর্ণ বিবিধপদার্থপুর্ণ এই ছিলেন, জেনি মন্ত্রিগণ অগ্রগামী ইয়া রাজাকে জিজ্ঞাসা করি- ভূমণ্ডলমধ্যে বিভবপূর্ণ এই একটা দেশ। ২৬-২৮। লেন। “ৰে। আপনার এইরূপ অবস্থা সম্পৰ্শন করিয়া আমরা পঞ্চবিকততম সর্গ সমাপ্ত ১০৫ নিতাই ব্যাকুল হইতেছি অভেদ্য মনকেও ভ্রান্তি অকারণে ভেল করিয়া থাকে বটে (ভমনিবন্ধন ভর বা বিষাদে মনের এইরূপ fা হইয়া থাকে বটে। কিন্তু আপনার মন আপাতমধুর পলিম-বিরস বিষয়ভােগের স্থায় কোন প্রকার বিক্ষোভে মােহগত ধিকততম সর্গ হইয়া কি? আমাদের বোধ হয় ত হয় নাই, হুবে কেন সতত রাজা কহিতেছেন—উল্লিখিত এই দেশ যেন ভূমণ্ডলের কনিষ্ঠ বিবেকচর্চায় পরিশীতল ভবদীয় নির্মল-মন এইরূপ ভট হইল? সহোদর। সর্গের সুরালের ন্যায় আমি এই দেশের রাজা হইয়া ১৯। তুচ্ছ বিষয়াবলী মনই বিষয়ধ্বংসে বিধ্বস্ত ও বিষয়- পুরশীজিগের অভিমত কার্য সম্পাদন কয়া থাকি। আমি এই বিক্ষোঙ্গেবিনুব্ধ হইয়া লােকব্যবহারে বিমুঢ় হয়, ভবাদৃশ ব্যক্তির সভামধ্যে বসিয়া আছি , এই সময়ে রসাল হইতে মায়াবী নয়- বিবেকপরিত মনে ত এরূপ হওয়া উচিত হয় না। হাভিমান- দানবেরায় অবাঙ্গামা এই ঐন্দ্রজালিক স্বয়ং আসিয়া উপস্থিত নিল বাহার মনে প্রায়ই বিবেকও টে না, তাহারই মন হইল। প্রলয়তাহতনটায় যেমন ইন্দ্রধনু বিশিত হয়, এইরূপ বিভ্রান্ত হইতে পারে। কিন্তু ভবদীয় মন অতুচ্ছ বিষয়ের জ্রপ এই ঐন্দ্রজালিক এই যে তেজোময়ী ময়ূরপিচ্ছিকা ঘৃণিত অবলম্বনকারী বীর বুদ্ধ ও গুণশালী হইয়াও যে এইরূপ বিন্দু করিল, আমি ইহা দর্শন করিয়া এই অন্তর অগ্রবন্তী হইয়া ভ্রান্ত- হইল, ইহা অতি আশ্চর্যের বিষয়। যেমন বিবেক অলুল্লাস করে চিত্তে আপনি একাকা এই অশ্বপৃষ্ঠে আরােহণ করিলাম । না, দেশকালের কণবর্তী হবা থাকে, সেই মনই মন্ত্র বা ঔষধির ১৫। আমি এই সুন্দর রে উপরি আরূঢ় হইয়া বল এইরূপ হইয়া থাকে, উদার-প্রকৃতি মনের এইরূপ হইবার প্রল বিক্ষুব্ধ পঅেপরি পুরাকনামা জলধরের স্নায় কথা নহে।”১২-১৫। বিবেকশালী মনের এইরূপ আলুন বিণ. চলিতে লাগিলাম। মহাপ্রলয়কালে সাগরের তমালা যেমন অৰে বিনিত হওয়া যাত্যায় সুমেরু বিকূলনের অনুরূপ, ( বিধুনন মহীর উপরে প্রবল স্রোতে গমন করেআমি ভদ্রুপ অতি দ্রুত শম বা বিচন)। চন্দ্র যেমন পুর্ণিমায় পূর্ণভাবে বিভূষিত হন, গতি একাকী মৃগয়া করিতে চলিলাম। বিভােগর দৃঢ়- জেনি স্বাক্ষণে উক্তরূপ অগসবীতে নৱপভির আনল কমনীর অভাসে অড়চিত্ত মুক্তি যেমন পরত্বের অতিদূরে নীত তাৰে বিভূষিত হইল অর্থাৎ বিল হওয়ায় ঈষৎ অসুল হইল। হয়, তেমনি সমীরণের ন্যায় বেগবান শখের সাহায্যে আমি অতি শিশির ঋতুর অবদানে বিকালিপুসার-সমম্বিত হইয়া ৰস দূরে নীত হইলাম। তখন আমার বাহন পরিশ্রান্ত হইয়াগড়িল, তু যেমন শোভা পায়, তেমনি ঐ নরপতি নয়নােমালল করিম। তখন বৃহীন, জনহীন, নিবিড় এক মহাৱশ্যে উপস্থিত হইয়া ঈষং বদল হইয়া কিঞ্চিৎ শেলিগ্রাপ্ত হইলেন। আসনগ্রস পড়িয়াছি ঐ অৰণ্য দরিদ্রচিত্তের গায় শুই, রমণীচিত্তের স্থায় চমা যেমন আদর্শমে ভয় ও বিস্ময়ে বিষণ হইয়া পড়ে, তেমনি বিষয়, এলা-দগ্ধ-জগতের গায় 'অভিীষণ, উহাতে পক্ষিণের রাজাও ঐলিকের দিকে দৃষ্টিপাত করিয়া আমার ভয়ে বিয়ে সমাগম একেবারে নাই; কিঞ্চিৎ লভ্য ও লবণমষ *। ঐ ও পূৰ্ব্বাপর বৃত্তান্তের অরণে চিত্ত হইয়া উঠিলেন। অনন্তর প্রাণি ও বনভাগ ৰােখ হইল যেন দ্বিতীয় আকাশ, অষ্টম বা রাজা হিংস্রক নকুলের প্রতি সর্ণরূপ-য়ে ঐন্দ্রজালিকের পাগর , এবং বুমিনের চির সহ বিস্তৃত (চিত্রপক্ষে এডি সক্রোধে দৃষ্টিনিক্ষেপ কর সহাতে বলিলেন। ১৪। বিকৃত-উলার) মুখ, ক্রোধের গায় বিষয়। ঐনে জনসমাগম যে সমীকারি। তুমি এ মায়াজাল বিস্তার লা কি কালে দেশের সকলকেধ্যে করিয়া * টীকাকার মত “তথায় হসহ শত এইরূপ অনুৰা- ভুল পদার্থ বেরকি বিচিত্র শ যারা মণীয় - কেহ ফুলেল সগৰু আটা, ছিলেন পাঁচটা; দুষ্ট ৮। কোথায় বললো- . এতেই লাইন। - = উলএ T এবারই দৃষ্ট হয় না, তৃণ-পঝদিও জয়না। মণ যেমন, করিনাভিকে কষ্টের সময় জঙ্গিী বলিয়া ৰােত আবহীন শতিয় হস্তে পতিত হইলে গরি দুখে অখিল ' লাগিল। ১৬-২০। তাহার পর, ক্রমে রাজি হইল। অফা হইয়া পড়ে, তদ্রুপ আমিও ঐ অৱশ্যে প্রবিষ্ট হইয়া সারপর মাই নিয়ে সহিত তিমিরলেখা আমারই গায় স্নান হইয়া পড়িল। থিম হইয়া পড়িলাম। সেই মরুভূমিরূপ বনলীতে পানীয়জন সেই অমতে বেতালগণের উচ্চ চীৎকার একাইয়া গেল। একেবারেই নই, মার্তণ্ডমরীচিকারূপ মরীচিকাই কেবল সলিল রাত্রিশেষ হওয়ায় শীতার্ত মাণিকে কড়মড় শবও কষিতে এ উৎপাগন কতদিমত করিয়া রহিয়াছে। আমি সেই লাগিল। দেখিলাম, পুৰ্ব্বদিক নে মনে এশায়িত হই। অরণে এস ও এস হইয়া পড়িয়াছিলাম যে আমি ভয় আমাকে বিপন্ন দেখিয়া উপহাস করে। এক্তে সূধা পৰ্যন্ত অতিকষ্টেতিবাহিত করিলাম। মােহাপগমে যেমন জ্ঞান লাভ করিলে উল্ল হয়, দরিদ্র ব্যক্তি কেমন কাঞ্চন বিবেকবান পুরুষের যেমন এই অন্তঃসারশূন্য সংসার অতি কষ্ট দর্শনে আনন্দিত হয়, তেমনি আমি গগনকগুলে পুলিশকে কর বলিয়া বােধ হন্তু সেইরূপ সূৰ্যাস্ত পর্যন্ত সেই স্থান আমার আরােহণােন্মুখ দিবাকরকে দর্শন করিয়া এলো দুইলাম। অতি কষ্টকর হইয়াছিল। ১৫। সূৰ্য • যেমন আকাণে কৈলাসনাথ যেমন সন্ধ্যাকালে নৃত্য করিতে উঠিয়া স্বকীয় পরিযে- সমস্ত দিন ভ্রমণ করিয়া ঘিন্নাথ হইয়াও অস্তাচলে গমন করিতে গজচৰ্মৰাড়িয়া লন, আমিও তেমনি তখন উঠিয়া বীয় আন্তর থাকেনমিও তা সেই পরিশ্রান্তঅখে আরােহণ করিয়াই বস্ত্র ঝাড়িয়া লইলাম। ২১-৩৫। প্রলয়কালে নিখিল জীবগণের সেই মকস্থলী অতিক্রম করিয়া এক জঙ্গলে উপনীত হইলাম। ঐ দাহাসানে কালরুদ্র যেন শূজগতে বিচরণ করেন, আমিও জঙ্গলে পান্থগণের বন্ধুবর্গের ন্যায় বিহঙ্গশ্রেণী অকণখবহুল ভদ্রুপ সেই বিস্তৃত প্রাণি জলপ্রদেশে বিট করিতে পাদপােপরি অবস্থান করিয়া কলস্বরে কুজন করিতেছিল। অন্যায় লাগিলাম। যেমন মুখশরীরে কোন প্রকারই কমলা থাকে উপায়ে অর্থোপার্জনকারী কুটিলপ্রকৃতির ছদয়ে আনন্দ যেমন না, তেমনি সেই জীর্ণঙ্গলে জনপ্রাণও হইল না। সেই কন অতিবিরল (তাহাদের মনে প্রায়ই শঙ্কা থাকে, কাজেই আনন্দ খণ্ডে কে বিহঙ্গমগণ নিঃঞ্চিত ভাবে কিছু কি র করত কম , তেমনি সেই জলে শপশ্রেণী অতিবিরল দৃষ্টিগোচর হয়। ইতস্তত বিচরণ করিতেছ। রাতি লতা-পল্লব সকল নীহাৱঅলে সেই জঙ্গল অতিভীষণ হইলেও প্রথমে যে বিরস (শুৎ ) সিক্ত হইয়াছিল, ক্রমে নীহারলবি অঙ্ক হইয়া গেল, বিননাখ অরণ্যে গিয়া পড়িয়াছিলাম, তাহা অপেক্ষা কিথিs সুখাবহ বােধ আকাশের অষ্টম ভাগে উঠিলেন অর্থাৎ বেলা এয় এক প্রহর হইতে লাগিল। অনন্তঃখপ্রল মৃত্যু অপেক্ষা ব্যাধি হইয়া হইল, এমত সময়ে আমি ভ্রমণ করিতে করিতে দেখিলাম, থাকু। বরং ভাল। মহাপ্রলয়ের পর একার্ণবে ভাসমান মার্কণ্ডেয় মােহিনী-বেশধারী হরি যেমন অমৃতকুণ্ড লইয়া দানগণের সম্মুখে মুনি যেমন এক বটব প্রাপ্ত হইয়াছিলেন তদ্রুপ আমিও খায় আসিয়াছিলেন, সেইরূপ একটা কল অন্ন লইয়া আমার সনে এক অম্বীরকুজের ল প্রাপ্ত হইলাম।আমি এ যাবৎকাল অখ- আসিতেছে ৩৬-৪• ভারকানেত্রশালিনী নীলাম্বরা গামা রনীয় পরিই ছিলাম, কিন্তু তখন আমি অখ ছাড়িয়া দিয়া এক বৃক্ষের নিকটে চন্দ্রমার স্যায় আমি সেই চঞ্চলতারকননসুলনী সুন্ধলঘু, এক লতা ধনিয়া নিদাঘত পর্বতেই পার্শ্বে লয় নীল মন্দিরা গামবর্ণা বালিকার নিকটে উপস্থিত হইলাম (অম্বর- জলদমালার ন্যায় (বর্ষারম্ভে মেঘ সকল পর্বতের পার্শ্বে সংলগ্ন রাত্রিপক্ষে আকাশ, বালিকাপকে বস্ত্র)। খালিকে। আমি থাকে,) বুলিতে লাগিলাম। অখটা সেই সময়ে দুতনাশিনী অতিবিপন্ন হইয়াছি, আমাকে তুমি সব অঙ্গ প্রদান কর, নীল গঙ্গা আশ্রয়গ্রহণকারী মানবেয়,দুস্কৃতরাশির গায় কোথায় চলিয়া ব্যক্তির দুঃখ দূর করিলে সম্পদ বর্জিত হইয়া থাকে। হেলিকে। গেল। ভানু যেমন অস্তাচলক্রোডে বিশ্রাম কলেন, সুচিরপথ- আম ক্ষুধা এত বৃদ্ধি পাইয়াছে যে, জীর্ণ পাপের কোটতি পৰ্যটনকারী পথিকের ন্যায় অতিখি আমি উপ কারুকল কসপের ন্যায় বিষম এই ক্ষুধাতেই আমাকে মনে গমন সেই লতালষিত বুকের তলে বিশ্রাম করিতে লাগিলাম। দিবাকর করিতে হইবে। এই বলিয়া তাহার নিকট অল্প এন করিলাম তখন রীদিগের নিখিল দৈনিক ব্যাপার সঙ্গে লইয়া কিন্তু সে বালিকা, আমাকক প্রার্থিত হইলেও কেমন বিশ্রামার্থই যেন অস্তাচলগাল উপবিষ্ট হইলেন। ক্রমে দুতকারীকে খুন এল করেন না, আমাকে কিছুই এখন নিখিলভুবন মল হইয়া উঠিল; সেই অসমধ্যে সকলে করি না, হা হইতে কনান্তরোচলিয়া যাইতে লাগিল, আমিও স্ব ণ ব্যাগারে প্রবৃত্ত হইল। রাত্রিকায় বিজয় যেন পৃষ্ঠ তাহার অনুগৰনেই প্রবৃত্ত হইলাম। যখন ছায়ায় চায় হার অর্থ- পক্ষমধ্যে চঞ্চলুট সংবৃত করিয়া তুলায়মধ্যে নিলীন থাকে, আমিও বৰ্তী হইয়া পড়িলাম, তখন সে উত্তর কৰি “হে হায়কোথায়ী তেমনি জীৱকুমধ্যে নিলীন হইয়া অবস্থান করিতে লাগিলাম। নরেত্তম। আনার নিকটে আমার সত্য পরিচয় দিলেন, আমি আমার নিকট সেই রজনী এক করে তা প্রতীয়মান হইতে চণ্ডালী, গম ক্লাসীয় অগজাদি কন কৰি থাকি লাগিল, আমি বিরষ্টের ন্যায় মুমুর্ষ ব্যক্তিরায়, বিক্রীত দীন এবং অভিজ্বন-কৃতি (আমার এম আর ও ৫)। ব্যক্তিবদ্যায় ও অন্ধকূপে নিমগ বলিয়ায় শেয়ায় ইয়া ৪১-৪৬। হে রাজন! আষ লােকের নিকট যেমন জলীয় মনাে- অতিকষ্টে সেই নীতিবহিত করিতে লাগিলাম। আমার প্রসিদ্ধি না করিলোেত সৌজন্য সাত যায় না, সেলি মনে তখন মহাশয়ের পর একাণকে সমান মাসে ৰিৰ দৃশ্যক্তি নিকট কোন উপায় না করিয় কেবল অবস্থা ভূত হইতে লাগিল, আমার সেই রাত্রিতে মানস- এর ইকো না ইলিয় অলিক ল বন্দনা ও আহাৱাদি কিছুই হইল না। মনে হইতে লাগিল, এরূপ মেশিন কমিয়া রে ন ম লীগ বির সেই কম পড়েনাই। মিলি ওর জাল কলি। কি কি দিয়া মন হইয়া বনের পাখি র লে ত্রি যা লী আ হই আমাকে বলতে শুনি •• যােবালিষ্ট-রামায়ণ সামালােকে ভালবাসা ব্যতিরেকে উপকার করে না। এই অন্য সসমে একখানি বৃহৎ কাশীপত্ৰাসন আনীত হইল, আমি কেমধ্যে মদীয়পিতা পুরুস (চাল) হল দ্বারা ভূমি কর্ষণ নৃতার গৃহে সেই আসনে উপবেশন করিলাম। কুটিলনয়না করিতেছেন, তিনি নবাসী বেতালের মত খুবায় কাতর মলীয়া এ অরনে আমাকে নিরীক্ষণ করত “ইনিই খুশির এই কতাবে অবস্থান করিতেলে। তাহার জামাতা।” এইরূপ বাণ উদগীরণ করিলেন এবং উত্তম হইয়াছে নিমিত্ত আমি এই অস্ত্র লইয়া যাইতেছি, তুমি যদি ভর্তী হও, বলিয়া অভিনন্দনও করিলেন। অনন্তর আমি বিশ্রাম করিয়া অগত্যা তােমাকেই দিতে হইবে,কেননা প্রিয় ব্যক্তিকে প্রাণ অফিসনে উপবেশন করিয়া হতরাশির ন্যায় চণ্ডালপ্রদত্ত জম্পু দিও পূজা করিতে হয়। ৭-১। অনন্তর আমি তাহাকে খ-দৰ্য কােন করিলাম। অনন্তঃখের বীজরূল অমনােহর উদিলাম, হে সুব্রতে। আমি তােমার ভা হইতে বাধ্য | অপ্রীতিকর উহাদের কতই প্রণয়বক্য বণশাের করিলাম। হইম, বিপৎকালে কে নিজ-বর্ণধৰ্ম্ম ও কুমৰ্যাদা ছুির | অনন্তর আকাশে মেষ নাই, উজ্জ্বল নক্ষত্র পংক্তি সমুদিত, এখন কলি কাৰ্য্য করে? তাহার পরে সেই রমণী, পূর্কে মাধবী এক দিবসে সেই কৃষ্ণকায় চণ্ডাল মহাসমারোহ করিয়া বসন-ভূষণ- মােহিনী-বেশধারী হরি) যেমন ইজকে অমৃতের অক্ষভাগ প্রদানপূর্বক দুত কর্তৃক যাতা প্রদানের স্যায় আমাকে ভয়া দিয়াছিলেন, তেমনি আমাকে সেই অমের অর্থভাগ প্রদান করিল। অতিমলিন। সেই কুমারী প্রদান করিল। সেই মদীয় বিবাহ- আমি অতিক্ষুধায় তাহাই যথেষ্ট মনে করিলাম , সেই চণ্ডালা | মহােৎসবদিনে মহাপাপরাশিসদৃশ চণ্ডবগণ মদিরামদমত্ত ও ভােজন ও অক্ষুফলের রস পান করিয়া কিংকর্তব্যবিমূঢ়-চিত্তে সানন্দে উৎফুল্ল হইয়া এতই চীৎকার করিতে লাগিল যে, মহচিক্কা- অবস্থান করিতে লাগিলাম। জলদস্যামলা বর্ষা যেমন আদিত্য- নিনাদও তাহাদের ধ্বনির নিকট পরাজিত হয়। ৬৬–৭১। গুলকে নিযুক্ত করিয়া প্রকাশ করে, তদ্রপ শ্যামবর্ণা সেই নারী ষড়বিকততম সর্গ সমাপ্ত ॥১০৬ যেন আমার বিশ্রাণ লইয়া প্রশ্বান করি। ৫২-৫৫। অচিনামক মহানকে যেমন যাতনা গিয় উপস্থিত হয় (অৰীচিনাকে পতিত পাপিগণ মহাভনাগ্রস্ত হয়), মেনি সাধিকা । চাল কলাকার দুর্বাপিরপরায়ণ বরজু ভীষণ স্বীয় রাজা কহিলেন,—অধিক কি বলিব, আমি সেই বিবাহােৎসবে পিতার নিকটে উপস্থিত হইল। ভরসঙ্গিনী ভ্রমরী যেমন গুন- চণ্ডালীপ্রেমে আকৃষ্টচিত্ত হইয়া সেই সময় হইতে এক প্রকার সৃষ্ট- শুনরবে মাতঙ্গের কর্ণে কি বলে, তেমনি মৎসজাভিলাষিণ ব্যাধ পুষ্ট চণ্ডাল হইয়া গেলাম। বিবাহের পর সপ্তত্রি উৎসবে নয়া পিতার নিকট লজ্জায় অস্পষ্ট ধরে এই বলিয়া স্বাভিষিত অতিবাহিত হইল , তাহার পর ক্রমে আট মাস অতীত হইলে প্রকাশ করিল,—পিতঃ। ইনি আমার স্বামী হইবেন, তােমারও মদীয়া সেই চণ্ডালী ভাৰ্য্যা ঋতুমতী ও পরে গর্ভবতী হইল ইহা অভিমত হউক।” তাল, লয়ার কনে অনুমতি প্রকাশ বিপদ যেমন দুঃখপ্রদ ক্রিয়াই উৎপাদন করে, তেমনি সে একটি করিয়া দিবাবসান হইলে কৃতজ্ঞ যেমন কিঙ্করত্বয়কে মুক্ত করেন, কন্যা প্রসব করিল। সেই কন্যা অল্পদিনেই মুর্থ চিন্তার ন্যায় তেমনি হলবাহী বল দুইটীকে বন্ধনমূক্ত করিল। ক্রমে কষ্টপুষ্ট হইয়া বঙ্কিত হইতে লাগিল। তাহার পর বর্বর অঙীত দিণ্ডল তুষারময় (পূত্র জলদের ন্যায় ধূসরবর্ণ হইয়া যেন হইলে মদীয়া ভাৰ্য্যা, কুবুদ্ধি যেমন আশাপাশের হেতুকুত অনর্থেরই সলিময় হইল। আমরা সেই সন্ধাসময়ে পিশাচগণের অবাস- প্রসব কর, তেমনি আবার এক অসুন্দর পুত্র প্রসব করিল। ভুমি সেই অরণ্যস্থলী হইতে চলিতে লাগিলাম। শকালমধ্যেই যথাক্রমে আবার দুইটী কন্যা ও একটা পুত্ৰ প্ৰমৰ করিল । ক্রমে সেই সুবিস্তৃত অঙ্গল হইতে চণ্ডালভবনে উপনীত হইলাম যেন আমি রীতিমত এক চণ্ডগৃহস্থ হইয়া পড়িলাম। হত্য- বেলক্ষণ এক শশান হইতে অন্য একটা মহাশ্মশানে উপস্থিত কারী যেমন নরকে চিন্তা সহকারে বহু যানালােগ করে, আমিও হইল। ৫৬। সেই চণ্ডালভবনে গিয়া দেখিলাম, বানর, মেনি এইরূপ সেই চণ্ডালীর সহিত তথায় বহু বর্ষ ভোগ কুকুট ও বয়সের মাংসৱাশি খণ্ড খণ্ড করিয়া কর্তিত রহিয়াছে। করিলাম ( অভিহিত করিলাম)। ১-৬া আমি অনেক রক্তাক্ত ভূমিলে মক্ষিকানিকর ভ্রমণ করিতেছে। মৃতন্তুর আর্দ সময়ে বৃদ্ধকচ্ছপের ন্যায় শীত, বায়ুও আতপ-ক্লেশে ব্যাকুল হইয়া অস্ত্র-তন্ত্রী সকল যুদ্ধ করিবার ও বাহিরে প্রসারিত রহিয়াছে, বনমধ্যে পৰ্ব্বলপ্রদেশে নিমগ্ন হইয়া অতিবাহিত করিয়াছি। সমযে তদুপরি বিহগকুল আসিয়া বসিয়ে। গৃহপাবর্তী উদ্যানেজষীর সময়ে কলত্র-পােৰচিন্তায় ব্যাকুল ও দ-চিত হইয়া ইতস্ততঃ কুজে পক্ষীরা রবকৰিলেছে। বহিরিপ্রকোষ্ঠেবসাপিগুচকিরাশি) দৃষ্টিনিক্ষেপ করিতাম। তৎসময়ে চতুর্দিকে দৃষ্টিনিক্ষেপ ও দারুণ অঙ্ক করিতে দেওয়া রহিয়াছে। তাহার উপরে পক্ষী আসিয়া কষ্ট হওয়ার, বােধ হইত যেন দিগন্দহ উপস্থিত হইয়াছে। মন্তুকে বসিতেছে। স্থানে স্থানে মৃতপণের রক্তাক্ত আত্ৰ চৰ্ম্মরাশি অসীবলনির্শ্বিত বহুদিনের জীর্ণ বস্ত্রখণ্ডের উপরি চেক (মাথার হইতে রক্তবিন্দু ক্ষরিত হইতেছে। চণ্ডাল বালকগণের হস্তস্থিত •বিড়ে) বসাইয়া বনখ্য হইতে দুপরি মূর্তিমান রাশির মাংসখণ্ডেও মক্ষিকানিকর ভ করিতেছে (অপর স্থানের ত আয় কাভার বহন করিয়া আনিতাম। বুকাকী (উকুনয় ) খাই নাই)। থাকার মান্যগণ্য ব তালগ চীৎকারকারী জীর্ণ ক্রেলযুক্ত দুর্গ কোপিনবাস পরিধান করিয়া কত এলভ চণ্ডাল শিশুগণকে অন করিছে গরিদিকে শিরাও সময় বলীকক্ষের লে অভিহিত করিয়াছি। ১০। সমূহ(আজ) বিকীর্ণ রহিম। এয়ালে লাভের পরিবারবর্গের উদরপূর্তি উৎকণ্ঠিত ইয়া আমি হেমন্তকালে এ যেন নিখিলজীবশের জাতি পুর্ণ অধ্য এন্তু আমরা তেমনি অপূর্ণ সেই ** পাঠকগণ ভৰিৰে নৰেন, জামায়ােেদখিয়া ক্রোঞ্চে এনে করিলাম। ১৫। আমার কি রক্ত না হলেন, হায় নমন কতই না। । = উপরিণ। শিবির সমীরণে জর্জরিত হইয়া মতুকের কার নময়ে নিক্সন অলর তলে শীতে কড়মড় শব্দ কৰি মোমাঞ্চিলের হইয়া থাকিতাম। কসময়ে সংসারজলায় জর্জরিত হইয়া বনাননের সহিত বাস করিতে হইয়াছে। যাকালে পূবায় এলি চণ্ডলীর সহিত কলহ করি অ্যপদে নয়নযুগল হইতে রক্ত জঠর হইয়ামি মেঘখণ্ডসদৃশ মংসখণ্ডের লেতে মুক্তাফলসন্ধান বি নির্গত করিয়াছি। বর্ষাকালে দেযুক্ত অরণ্যমধ্যে বরাহ- বারিধারা মস্তকে সৎ করিয়াছি। শিশিরকালে শীতে তুর্কিত। মাংস ভোজন ও শিলাস্থলে অবস্থান করিয়া ফনটাচ্ছন্ন গাঢ় কম্পজনিত ঘর্ষণে মণিভদ হইয়া আমি মধ্যে পরিবারের সহিত কারাবৃত বুনী অতিবাহিত করিয়াছি। সুনীলজলদমালায় নিবিড় তুমুল কলহ করিতাম ২৬-৩০ সাথে মসী মাখিয়া বেতালের বীপনােযােগী বর্ষা ঋতুর শেষে আমি বন্ধুবর্গের অনৗহার্দ ও আত্মীয়বহু প্রতীয়মান হইত, নীতীরে মংশু ধরিবার অন্য বটে। দারুণকলহে সর্বদা শঙ্কিত হইয়া কখন অতিকাতরচিত পরগৃহে লইয়া ভ্রমণ করিম। প্রলয়কালে জগনশাৰ্থ কৃতান্ত পাশা গিয়া মুখর দুর্দান্ত সন্তানগণ লইয়া বহুকাল অভিহিত করিয়াছি। লইয়া এইরূপে বিচরণ করিয়া থাকেন। অনেক সময়ে দিন ১১-১৫। মদীয় গৃহিণ চণ্ডালী কলহ করিয়া প্রতিবাদী চণ্ডাল উপনের পণ্যোহত হণি বক্ষস্থল হইতে, অননীর বকে এতই উদ্বেজিত করিয়া তুলিত যে, সলাই সেই চণ্ডালগণে$ - ন্যায় কদু অভিনব-শােণিত পান করি আম। আৱি শ্বশান- তর্জন-গর্জনে মঙ্গীয় মুখমণ্ড বহনে চন্দ্রের ন্যায় জর্জরিত ও মধ্যে পবিত্রমাংসভােজী ও রক্তাক্ত কলেবর হইয়া ভ্রমণ করিতাম, মন হইয়া থাকিত। নরকবাসী পাপিগণ যেমন নরকবাণী অপর আমাকে দেখিয়া শ্মশানবাসী বেতালগন যেন চণ্ডিকাকর্তৃক তাড়িত পাপী কর্তৃক বি ত নরকস্থ মৃত-জীবের আরজু (নাড়ী হইয়াই অভিভয়ে পলায়ন করিত। যেমন পুত্ৰকলব্রাণিজনিত ভােজন করে, আমিও তেমনি খতি ওঠরা ব্যাঘ্রের মাংসপেশী আশা এনারিত করিয়াছিলাম (পুত্ৰকলত্রাদি লইয়া আশা ৰাড়া- চৰ্ষণ কৰিছি। শিশিরকালে প্রায়ই আমাকে হিমালয়কন্দর ইছিলাম), তেমনি মৃগপক্ষীদিগের বন্ধৰ্থ বাগুরা (ন) হইতে উদগীর্ণ তুষার-কবর্ষা দুরন্ত শীত, মৃত্যুবিক্ষিপ্ত শরধারার প্রসারিত করিখা ( পাতিয়া) রাখিতাম। মায়াজালে জীবগণ যেমন ন্যায় অনওগাত্রে সই করিতে হইয়াছে। ক্রমশঃ জরাজীর্ণ জর্জরিত হয়, তেমনি আমি চতুর্দিকে তৱষয় অল পাখি হইয়া পড়িতে লাগিলাম। ক্ষুধনিবৃত্তির জন্য মুক্ত-মূলের ন্যায় পক্ষিগণকে জর্জরিত মৃতপ্রায় করিতাম, আমার মন কেবল পাপ- কত জীর্ণ-ক্ষের মূশ আমি একাকী উন্মলন করিয়াছি। অটবী- কর্শ্বেই প্রধাবিত ছিল। ৩১-০৬। বাতরঙ্গিণীয় স্থায় আমার মধ্যে কুপরিবার লইয়া আমাকে কত সময় শরাবে করিয়া তৃণপণ আশা দূর প্রসারণ হইয়াছিল। সর্প যেমন ভহুকীর অতিদূরে সিদ্ধ করিয়া খাইতে হইয়াছে। আমি চণ্ডাল বলিয়া আমাকে অবস্থান করে অং নিকটে যায় না, তেমনি আমিও বুদ্ধির কে স্পর্শ করিত না। শীঘ শীও যাহাতে আমায় বলক্ষয় হয়, অতিদুরে অবস্থান করিতাম, কদাপি আমার পুণ্যকর্মে মতি ছিল (অর্থাৎ মায়ে। এ যন্ত্রণা হইতে মুক্ত হই) এই অভিপ্রায়ে আমি ঐ না। ভুজঙ্গ যেমনৰ্মাক মোচন করে (খোলশ ছাড়ে ), আমি সিদ্ধ-পলাদি অরুচিকর বলিয়া মুখবিকুতি করিয়া ভক্ষণ করিতাম। তেমনি দয়া একবারে পরিত্যাগ করিয়াছিলাম। নিলাখের অবসান ১৬-২১। আমি কখন অন্য লােকের নিকট হইতে মৃগ ওমেন গগনমণ্ডল যেমন অলবর্ষী গর্শনারী কৃষ্ণবর্ণ মেমালা থার মাংস ক্রয় করিয়া স্বীয়-দেহ-মাৎসবও বিক্রয় করিতাম, কখন করে, আখিও তেমনি বাণবৰণ প্ৰবােক নিষ্ঠুভাষণ ও হল- বা নিজে প্রাণিবধ করিয়া মাংসভার লৌহপাত্রে তর্জনপূর্বক গর্জনের কারণ একমাত্র ক্রুরাই অনায়াসে অবলম্বন করিয়- বিন্ধ্যপর্বতস্থিত চলিপল্লীতে বিক্রয় করিতাম। বিক্রয় ছিলাম। নিবিড় বনের প্রদেশ যেমন অপরিহরীয় ক্ষানবিক- করিয়া যাহা অবশিষ্ট থাকিত, তাহা জন্মসহসদিত পাপ- সিত কুৎসিত পুষ্পমঞ্জরীধারণ করে, আমিও তেমনি জনগণের রাশির ন্যায় চণ্ডালভবনে শুদ্ধ করিয় রাখিবার জন্য উদ্যানের দুরপাকাত কারবিকসিত আপদ চিরদিন অক্ষতভাৰে ৰহন কলিজা পরিকৃত ভূমিতে প্রসারিত করিয়া (ছড়াইয়া) দিতাম। সেই আসিতে লাগিলাম। (পপমন্ত্রী একে কার উগ্ৰগ ৰণি নংসতার কতই অপৰিত্ৰ মলমূত্রাদিতে পরিব্যাপ্ত খাকি। লােকে তাহার নিকট যায় না, আপদ পৰুে ক্ষয়-দুঃসহ, সেইরুল আমি অত্যন্ত দুর্দশাগ্রস্ত হইয়া বােধ করিতাম যেন রৌরব-নরকে আপদে কেহই কখন পড়েই নাই, বিকসিত বিশ্বায়িত মহতী)। পতিত হইয়াছি। তখন য্যিপর্বতবর্তী তৃণাদি আমার হাতে এই সময় পর্যন্ত এইরূপে” এইরূপ নিয়ত কালপ জীবিকার একমাত্র উপায়স্থল হইয়া উঠিল, এবং একমাত্র কুন্দা- বিগ বিদ্যমান আছে, তাদৃশ মহানরকভূমিতে মোহরূপ বৃষ্টি- লই আমার পরম বন্ধু হইয়াছিল। সন্ধ্যাকালের উপরে আমার ঘােগে আমি দুরুত-বীমুষ্টি বপন করিতে লাগিলাম। কৃতান্ত একবারে মেহ ছিল না। অর্থাৎ কুদ্দালের সাহায্যে বনের ক- যেমন জীবগণের প্রতি নির্ণয়ব্যবহার করেন, অেনি আমি আমার মুলাদি তুলিয়াই জীবিকানির্বাহ করিম, সন্ধ্যাকালে সে কাৰ্য প্রসারিত বাগুরায় মৃগ আসিয়া পড়িবে তাহার উপরে নির্দয় বাব- নির্বাহ করা ঋইত না বলিয়া সন্ধ্যা হইলে আমার বড়ই কষ্ট হার করিতাম ৩৭–১। যেমন শেষনাগের শরীরে শোরি হইত, কেন সন্ধ্যা আসিল বলিয়া সন্ধ্যার উপরে বিরক্ত হইতাম। (হরি) মুখে নিদ্রিত থাকেন, তেমনি বিবেকবিহীন আমি চমন- ২২-২৫। ঐরূপ দুৰ্দশাতেও দুর্দৈশে কুপােষ্য পুত্র-পরিবারের মুখের কণ্ঠভিত্তিতে মস্তক স্থাপন করিয়া নিদ্রাসুখ অনুভব করি- পোষণভার আমার উপরে অর্পিত, উপাত্মভাবে অতিবীচভােজ্য তাম। চলনসময়ে পদপ্রান্তে বিলালসন মলিন (নােমশ কম- কদমারা আমাকে পুত্র-পরিবার কুপ্তসাধন করিতে হইত সলিলাক্ত মদীয় শনির নীহাররঞ্জিত পাল বিপর্বতের অতিষ্টল ,সেই আমের রক্ষার নিমিত্ত আমাকে যভিসাহায্যে অলহল প্রদেশে গুহার সহিত উপমিত হইত। মা যেমন আবার কুকুরের উপদ্ৰৰ নিবারণ করিতে হইত (যটুকু অবাসে মান নিয়নসহ মহাভার বহন করিয়ানি, জপ আমি থাকিৰ অহাতে বিশ্রাম হিলনা)। বর্বর প্রবল-খারিজ গ্রীস্মকালেও মলিন হে মূকাকীর্ণ (উনে পপি) ফজর -ভালপত্র চটপট শব্দ হইতেহেসেই সময়ে আমাকে সেই বল করিম। আমি অনেক সময়ে সাবান আরা একে যােগবাঙ্গিমায়ণ দ করত এলমের ফালানলে জগদগ্রাসেদ্যত কাল সল অলবিহীন হইয়া মহারণ্যে পরিণত হইল। অনুকরণ করিতাম। ৪২-৪৫। অত্যন্ত ইন্দ্রিয়পরবশ-ব্যক্তি ভূমিস্থ কিরকিশে মহিষগণ অভ্রমে অবগাহন করিতে যেমন স্বদেহে বহুবােগ উৎপাদন করে, দুষ্টগ্রহ যেমৰ অনর্থ। সৰ লাগিল। প্রবাহিত সমীরণে বনভূমিতে শীকরবিন্দুও লকিত হইল করে, তেমনি সুপ্রল কল আৰ দুখপ্রদ বল মদীয়পত্নী ক্ৰমে না, ক্রমে জলের এত অভাব হইল যে, জনগণ “কে পানীয় অনেকগুলি সন্তান এব করিল। আমি একমাত্র রাজপুত্র উচ্চারণ করে ইহা শ্রবণ করিতে উনুক হইতে লাগিল। হইয়াও তখন নিরবচ্ছিন্ন পাপকন্মে লিপ্ত হইয়াই যষ্টিৰ অতি নিখিল মানবগণ প্রতাপকাপিত হইয়া অবসন্ন হইয়া পড়িল। বাতি করিলাম। ঐ বিমান নিকট একক বলয় ১১-১৫। ক্ষুধা মনগণের মধ্যে যদি কেহ পত্র প্রাপ্ত হইত প্রতীয়মান হইতে লাগিল। হে সভাসদগণ। আমি ভয় তাহা লইয়া ভােজন কৰিবার নিমিত্ত পরস্পর কলহ করিয়া অৰ, আজোশ করিয়াছি, বিপংকালে রোদন করিয়া কাটাইয়াছি, কদম- সন্ন হইয়া প্রাণত্যাগ করিতে লাগিল। জনগণ খাদ্যাভাৰে ক্ৰমশঃ তােজম ও নিন্দিত চণ্ডালভবনে জোবত্তিও করিয়াছি এপে সুনলে এতই দগ্ধ হইল যে, স্ব স্ব গামাংস চর্বণাভিলাষে দুর্বাসনাজপ নিগড়দ্বারা আক্র ও শােহ-হত হইয়া আমি অনেক ত্র দশনাঘাত করিতে লাগিল। খরিদকাঠের জ্বলন্ত অঙ্গারখও দিবস অতিবাহিত করিলাম।৪৬-৪৮। পাইলে ক্ষুধাতু মানবগণ তাহা মৎসভ্রমে গলাধঃকরণ করতে সপ্তৰিকততম সর্গ সমাপ্ত ১০৭ লাগিল। এমন কি ভূপতিত অসার পাষাণখও পিষ্টক লিতে লাগিল। জনগণ পিতা মাতা ও পুত্রপ্রভৃতি পরমাত্মীযগণ হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া অবস্থান করিতে লাগিল। গগণ অঙ্গ- অষ্টাধিশততম । মাংস না পাইয়া উৎকৃষ্ট সরিকা ধরিয়া জীবন্ত অবস্থায় এমনি ভাবে রাজা কহিলেন,—এইরূপে কিছুকাল অতীত হইলে শনি গিলিতে আরম্ভ করিল যে তাহাদেব উদরগত হইয়াও সারিকাণ জরাজীর্ণ হইয়া পড়িলাম, মদীয় শত্রুরাশি তুষারপূর্ণ শম্পশ্রেণীর চীৎকার করিতে লাগিল। প্রাণিগণ ক্ষুধায় পরস্পর অন্য কৰ্ত্তন স্যায় শােভমান হইয়া উঠিল। সরস অসং মুখের দুখের) দিন করিয়া ভােঙ্কন করিতে আরম্ভ করায়, তাহাদের অঙ্গ শােণিতে সকল কর্মকাপ সামনে চালিত হইয়া জীর্ণ-বং বিগলিত ধরাতল সিক্ত হইয়া গেল। ক্ষুধিত মহস্তিগণ সিংহ ধৰিয়া গ. ( অতিবাহিত) হইতে লাগিল। সংগ্রামস্থলে শরধারীর ন্যায় করিতে লাগিল। সিংহগণ আপনাদিগকে যদি অন্য কেহ অসিয় অনবরত সুখ দুঃখ, কলহ ও অকার্যাবলি আপতিত হইতে গ্রাস করে, এই শঙ্গায় স্ব স্ব গুইমধ্যেই ভ্রমণ করিতে লাগিল লাগিল। নিরালম্বন মদীয় জড়চিত্ত সাগরভরবং এইরূপ ববিধ (বাহিরে আসিতে সাহস করিল না! পরস্পর পরস্পরকে খাইবার কল্পনবর্তে নিপতিত হইয়া পৃণিত হইতে লাগিল। মদীয় ভ্রান্ত অন্য অনেকে মল্লযুদ্ধ করিতে লাগিল। অব সমীরণে অন্য চিন্তাচলে সমারূঢ় হইয়া কাল সাগরের আবর্তে তৃণবৎ | পাদপপংক্তি পত্রহীন হইয়া গেল। রক্তপানেছু মর্জাগ ভাসমান হইতে লাগিল। আমি বিন্ধাবনভাগের কীট-স্বরুপ র ভয় গৈরিকময় তটভূমি লেহন করিতে লাগিল। ৬-২০ কইয়া একমাত্র উদরপূরণে ব্যস্ত হইয়াই কালাতিপাত করিতে বহ্নিজালাময় বনবায়ু প্রবলবণে আবর্ষাকারে ঘর্ণায়মান হইতে লাগিলাম। অধিক আয় কি বলিব, আমি একটা বিবাহু গত লাগিল। সর্বত্রই হিরাশি প্রজাজিত হই জঙ্গলপ্রদেশ পিঙ্গল- হইয়া এইরূপে ৰ বৎসর অতিবাহিত করিলাম। ১। শব- বর্ণ করিয়া তুলিল। অগ্নিসংযােগে দগ্ধ ৎকায় সাদিসঙ্কুল- শরীরের বেগবায় য় মদীয় পত্ব একেবারে বিলুপ্ত হইয়া গেল, কু হইতে সমুখত ৰূমরাশিতে অবস্থিত বৃক্ষলদি শ্যামবর্ণ আমি যে রাজা ছিলাম, তাহা আর স্মৃতিপৎে আসিল না,পক্ষ হইয়া গেল। বায়ুচালিত প্রহ্মলিত বক্রিশি গগনে উখিত হও অচলের আর আমার চণ্ডালই স্থিরীকৃত হইয়া গেল। এতকাল আয় বােধ হইতে লাগিল,-নভােমণ্ডল সালকে অতি হই- উপস্থিত হইলে যেরূপ হয়, দাবানল কাননে উখিত হইলে যেরূপ আছে। চতুর্দিকে দাবদগ্ধ অৱগণের নিকট চীৎকারধ্বনি হইতে হয়, যমুক অটে উখিত হইলে যেরূপ হয়, শুক্ষে যন্ত্রপাত লাগিল। বৃশি গগনে উথিত হইয়া দণ্ডবিহীন ছত্রের স্থায় দৃষ্ট হইলে যেরূপ হয়, তৃণফলাদি-বিহীন সেই বিন্ধ্যপর্গতের কচ্ছ- হইতে লাগিল। জনগণ স্ব স্ব কার পুত্র লইয়া কান্নভাবে ক্রন্দন প্রশে-সহসা অক্ষয়কারী যাের দুকি আসিয়া প্রচণ্ড করিতে আরম্ভ করিল। শবদেহ সম্মুখে পাইলে ক্ষুধার্ত জনগণ গণের আসাসভূমি সেইরূপ অভিভয়াবহ করিয়া তুলিল। মেঘে বর্ণণ সম্বমে তাহা দন্তবিখণ্ডিত করিতে লাগিল। শবদেহ কৰ্ত্তন- নাই, কোন স্থানে যদি মে সৃষ্ট হয়, তাহা ক্ষণকালমধ্যে নষ্ট হইয়া পূৰ্ব্বক মাংসভক্ষণকালে অনেকে মাংসগন্ধে দুধায় অধীর হইয়া যাইতে লাগিল। আমি উত্তপ্ত-সমীরণ বহিতেলাগিল। রক্তাক্ত স্ব স্ব অঙ্গুলি গ্রাস করিতে লাগিল। ২১-২৫। নীলবর্ণ- গলিত কর্মরধ্বনিত এপয়ে আকীর্ণ সেই বনস্থলী জাবাগ্নি পত্র বা লতা শঙ্কা করিয়া কেহ কেহ গাঢ় ধূমান্তি পান করিতে গন্ধ হওয়ায় জনশূন্য হইয়া চলচ্চিত্রাজিকাৰ গয় দৃষ্ট হইতে প্রত্নত্ত হইল। গগনবিচরণকারী গৃগণ বায়ুবেগে প্রবাহমানু অজার- লাগিল (অরণ্যে জখি লাগায় অরণ্য পিলষণ হইল, পরিত্রাজিকা- খণ্ড আমিষমে গলাধঃকরণ করিতে লাগিল। নগণ ক্ষুধায় কাতর রাও পিলৰণ এটাধারিণী)। ১০। ক্রমে ভীষন্দুর্তি হইয়া পরস্পরের দ্বারা কত্তিতদেহ হইয়া ব্যকুলভবে পলায়ন আলিয়া চলপলী অধিকার করিয়া বলিল, বৃষ্টির অভাবে করিতে লাগিল। রহিমই কাহারও কাহারও হদয়ােলর জল ঝলল উথিত হইয়া নিল বনভূমি শােফ করিতে টংকারনিসহকারে বিদীর্ণ হইতে লাগিল। লাগল। এ ভূ-খামাদি ভস্মাবশে গেল। এক বায়ুপ্রকোলে যেমন একটা বিকট শব্দ হয়, তদ্রুপ ভীষণ স, এত খুলি উখি, হইতে লাগিলব, নিখিল গণ দাবনের শব্দ উখিত হইতে লাগিল। রুহি হে অজাম বিটি ধূলিলগে। সকল মানবগণ দূর কাতর। যেন কনস্থিত পাদপ ভীত গল্প সর্পের ফুংকারে পড়া গেল উপরিণ। দু-এলয়েও বনলে অফ বিও সেই এদেশ এখন, আশ- চটকে আমার পাক করিতে লাগিল। আমি নই লিকির অগঞ্জের সাত খায়ণ করিল। প্রহ্মলিত জাহ্ন চি আঙ্গুলে কতোইতেছি, তখনই রাজােধ হইয়া নেয় উত্তপ্ত পৰনের মাত্রেই জনগণ নিতান্ত ব্যখিত হইতে এই সিংহাসন হইতে সৰেগে বিচলিত হইলাম, অনন্ত তুলি লাগিল। তৎকালে সেই দেশ এগি, সূৰ্য্য ও শনি গ্রহের ও জয়কে আমার চৈতসঞ্চার হইল। এই শাৱিক আমার ক্রীড়াভূমির অনুরূপ হইয়া উঠিল।—৩। এইরূপ মােহ উৎপান করিয়াছে, ভাবণে জীবের এ অধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১৮। যেন আমার উপরে পতিত হইল। ১৭। অতি শী রাজেন্দ্র লবণ এই বলি শাখরিক কামধ্যেই এ হইতে অনুহিত হইল। অনন্তর সভ্যগণ বিস্ময়ৎফুল্ললােচনে কাধিকম সর্গ । } বলিতে লাগিল “গেৰ। এই ব্যক্তি শাম্বরিক নহে, কেননা ইহার ধনাভিলাষ নাই (শরিক হলে ধনাভিলাষ থাকিত), বােধ হয় রাজা কহিলেন,তখন ঐরূপ অকাল মহাপ্রযুসম নিগম্ভ- সংসারস্থিতি এইরূপই” ইহা বুঝাইবার নিমিত্ত কোন সৈখী নায়। অপপ্রদ দারুণ দুর্দৈৰ উপস্থিত হওয়ায় কতক লােক, শরৎকালে সঙ্গটিত হইলহাতে মনের বিলাসই সংসার এইরূপ প্রতি আকাশ হইতে মেয়ে স্যাৰ তথা হইতে পুত্র-কৰত্ৰবন্ধুগ সমভি- হয়। সর্বশক্তিমান অনন্ত বিষ্ণুর মায়াবিলাসই মূন, সেই নই ব্যাহারে দেশান্তরে প্রস্থান করিল। কেতক পুত্ৰদারাদি এই জং। সর্বশক্তিমান বিধির সর্বশক্তিমান বিধির বিচিত্রশক্তি অসংখ্য। পরখমেহার বন্ধুবৰ্গকে, ক্রোড়ে করিয়া সেই স্থানেই ছিন - যেহেতু এই বিধি মায়াবলে বিবেকা পুরুষের মনও বিমােহিত পের ন্যায় ৰিীণ হইয়া গেল। কেহ কেহ স্বগৃহস্থিত হইয়াই করিল। কোথায় লােকৱাৰি । এই মহীপতি, আর নেপক্ষ কর্তৃক কুপায়স্থিত অজাতপক্ষ পক্ষিশাবকের ন্যায় ব্যাঘাদি কোখায় সামান্য লােকের মনোত্তির উপযুক্ত এই বিষম মােহ ! হিংস্র জন্তুগণ কর্তৃক দুক্ষিত হইল। শলতের ন্যায় কেহ কেহ - মনােহেকারিণী এই মায়া শালিকের বাঞ্ছনীয় নহে, লিত অনলে প্রাণত্যাগ করিতে লাগিল। শৈলচুত শিলাখণ্ডের কেননা শারিকেরা সতত অর্থলাভেরই চেষ্টা কৰিয়া থাকে। ায় কেহ কেহ খলপতিত হইয়া প্রাণত্যাগ করিল। ১-৫। আমি ঈশ মায়ায় তাহার অর্থসিদ্ধির সম্ভাবনা কি? হাজ! তখন শশুর প্রভৃতিকে পরিত্যাগ করিয়া অনুগমন-সমর্থ একমাত্র পাষৱিক হইলে যত্ন করিয়া অ প্রার্থনা করিত, এরূপে অন্তর্হিত নিজপরিবার লইয়া সেই কষ্টকর প্রদেশ হইতে বহির্গত হইলাম। হইত না। মূলত আমরা অতিশয় সুশকুল হইয়াছি।” আমি মৃত্যুভয়ে অনল, অনিল ও ব্যাঘ্র-সাদি হিংস্ৰজগণকে। বশিষ্ঠ কহিলেন, রাম। আমি সেই সভায় ছিল প্রত্যক্ষ দেখি- ষনা করিয়া তাহাদের হাত এড়াইয়া) সপরিবারে বহির্গত হই- | ঝাছি, আমি লোকমুখে শুনিয়া বলিতেছি না। হে মহান লাম। বহির্গত হইয়া সেই প্রদেশেরই প্রান্তসীমায় গিয়া উপস্থিত। এইরূপ বিবিধ কল্পনায় বশিরীর বিশালকাজ্যশালী মনেরই হইলাম। তথায় এক তালবৃক্ষের তলে শুদ্ধ হইতে বিষম অনর্থে চিরজয়। তুমি পরব্রহ্মের স্বভাৰকে বিচার ও ভনযােগে ৰা- সমান সেই শিশু-সন্তানগণকে অবতীর্ণ করিয়া রাখিলাম। আমি শমতরূপ শাস্তি প্রদান করিতে নিলে পরমপবিপদ অপ্ত এবং দাবানলে, পিত হইয়া, নিদাদে জলহনি-প্রদেশে হইবে। ২২-৩১। কবলের স্যায় অতিপরিশ্রান্ত হই পড়িয়ছিলাম। সেই স্থানে নবাধিক শততমসর্গ মাপ্ত।১১ আসিমা বিশ্রাম লাভ করিলাম ৰােখ হইল বেন মেরিন হইতে উদ্ধার পাইলাম। জেই রুলের শীতলচ্ছায়ায় চলকন্যা সময়কে ডে বেষ্টন করিয়া বিশ্রাম লাভ করত নিদ্রিত শাধিকততম সর্গ। হইয়া পড়িল। আমার অতিপ্রিয় পৃচ্ছকনামা কনিষ্ঠ পুত্র অতি- মুক্ষ, সে আমার সঙ্গে ছিল। বাষ্পকুলিতলােচনে ও কাত বশিষ্ঠ কহিলেন-আত্মচৈ প্রথমে সঙ্কলিত অজ্ঞান ভাবে সে আমাকে বলল “পি। আমাকে সত্ব বক্ত ও মাংস চেত্য অর্থাৎ পেদ প্রাপ্ত হন, এইরূপে সঙ্কলকায় ধারণ করিয়া দাও, আমি ভক্ষণ করি”। আমার সেই শিশুনয় ক্রন্দন করত জন যিবিধরূপ-বৈচিত্র্যে কালুষ্য প্রাপ্ত হইয়া থাকে (ইহাই আমাকে এইরূপ বলিতে বিলিতে ক্ষুধায় কাতর হইয়া মৃত বাসনার প্রমাঙ্কুর)। হে রাম। ক্রমশ এবিভিলি। হইল। ৬—১৩ । আমি তাহাকে বহুবার বলিলাম “পুত্র, মাংস মিখামােহ প্রগাঢ় হইয়া উঠিলে আত্মচৈতন্য স্বীয় পুর্ণস্বরূপ নাই,”পি দুতি বালক বাবার মাংস ও মাংস পাও ভুলিয়া তুচ্ছ মনােরূপ প্রাপ্ত হইয়া চিরকাল অম্বষণালি ভ্রমণ বলিতে লাগিল। অতঃপর আমি পুত্ৰৰৎসল্যে বিমুগ্ধ হইয়া অতি মােহ প্রাপ্ত হন। খালিকা যেমন মিখ্যা বেলে উস্তাবনা দুঃখে তাহাকে উত্তর দিলাম “বৎস, মগীয় মাংস পাক করিয়া খাও, করিয়া রই দুঃখ পায়, তেমনি বামনদেৰে মান মনােবৃত্তি অভান্ত ক্ষুধিত সেই শিশু পুনর্বার দাও’ বলিয়া নদীর মাংস (মনােভাবাপন্ন আচৈত) বৃথা দুঃখ বিস্তার করিয়া থাকে তেজনেও অঙ্গীকার করিল এক আমাকে আলিঙ্গন করি রহিল। (সনাকলঙ্কিত হইয় নাৰি এইরূপ দুঃখ বিল্ডার কম্বিয়া ১৪-১৬। আমি হায় ই ক ন কত দুঃখভাবে থাকে। যখন মনােত বাসায়হেতু কলকানাপঃ হে অর্থাৎ পীড়িত মেহ ও কারুণ্যে মােতি ও তীব্র বিপত্তি সই করিতে স্বাভাবিক চিন্দ্রগতা প্রাপ্ত হইয়াছে, তখন সূর্যকিরুণ অকার অন হইয়া সকল দুঃখ-শান্তির নিমিত্ত মনে মনে নিশ্চয় করিলাম যেন মিতা হইয়া যায়, (পূর্যোয়ে অন্ধকার একেবারে থাকে “এক্ষণে শরণই ঝুমার পমিত্র”। অনুসায়ে কাষ্ঠ কারণ নালি) তেমনি পূর্বে সত্যরূপে প্রতিভাত মহাদুঃখ মিখ্যা পূর্বক তথায় এত কৰিলাম। চিতা এত হইচট হইয়া কে। নয় এমনই শজিমে মিককে রেতে পণি মনকেও বুলিয়ুও কীর্তন করুন না, আবার অজড় চিত্ত কর্তৃক দৃষ্ট নহে, তাহা দৃষ্টই নহে,আবার চিত্ত হ দর্শন করে বােগবাণি রায়। ১৪ পায়ে এবং দূয়কে নিকট করিতে পারে। দুষ্ট-বালক যেমন কি শক্তির সাহায্যে বগাণিক্রিয়া হইলেও, ব্ৰহ্মকে দেহের অতি শাৰক পাইলে তাহার উপরে শেরপূর্বক তাহা লইয়াই আদালনায় দেহের চায় জড় করিয়া অন্তরে মনন ওস পরমানলে সময়ক্ষেপ করে, তেমনি মনও জীবের উপই যখে ইত্যাদি ভ্রান্তি ও বাহিৰে গিৰি, নদী, সমুদ্র, পুরা প্রভৃতি বিবি সুখব্যবহার করিয়া একে।১-৫' যাসনামূঢ়-চিত অজয়ের পদার্থ কল্পনা করত, থাই ভ্রমণ করিয়া থাকে। মন বিবেকাক্সক নিকটেও ভয় পাই থাকে, যেমন মুগ্ধপথিক দূর হইতে স্বাণুকে হইলেও এই উনি কথাদি বহু অনুরাগৰণে মৃতের (মুড়গাছকে) দেখিনা পিশাচ বলিয়া ভয় পায়। কাকলিন- ন্যায় স্বাতু বের করিয়া থাকে। আবার অমৃত যদি অভিমত মন মিরে উপরেও শত্রুতা আশা করি খাকে, মদমত্ত না হয়, তবে তাহাকে বিষৰং হেয় বৎ করিয়া থাকে। যাহার ব্যক্তি ভূলও ঘূণিত হইতেছে বলিয়া প্রত্যক্ষ করে। মন অত্যন্ত আত্মার সৰ্বভাব অর্থাৎ পূর্ণশ্বভাব প্রত্যক্ষ করিতে পারে নাই, মন আকুল হইলে চন্দ হইতেও যন্ত্রপাত হইতেছে বলিয়া যােব করে। আহাদের নিকটেই স্বস্ব ভিমত বিচিত্র রূপ সৃজন করিয়া থাকে, বিষ জাৰিয়া ভােজন করিলে অমৃতও ক্লিষের বিষের ক্রিয়া করিয়া থাকে। তত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তিগণের নিকট কিছুই করিতে পারে না। কেন না, একমাত্র বাসনাৰলেই মন গন্ধর্বনগর সত্য হইলেও সত্য বলি তঁাগের নিট মনােবিজ্ঞান মিথ্যা-বুদ্ধি দ্বারা ব্যথিত, তঁাহার। অনুভব করে, আর জাগ্রন্থ অবস্থাকেও ঋগের ন্যায় অবলােকন জানেন—সমই মিথ্যা। ২৬-৩০। চিৎশক্তিবলে কুরিত মন করিয়া থাকে। অতএব একমাত্র তীব্র মনােবাসনাই জীবের মােহ- স্পন্দধর্মে যুভাবাপন্ন , একাণধর্মে প্রকাশভাবাপন্ন, অবধর্মে ব- কারণ, যাতে ঐ বাসনার সমূলে উচ্ছেদ করা যায়, তৎপৰুে যর ভাবাপন্ন, পাবিশে কঠিনভাবাপন্ন ও শূভাবে শুরুভাবাপন্ন করা একান্ত আবশ্যক। ৬-১০। নগণের চিন্তহরিণ বাসনারূপিণী হইয়া থাকে। ঐ মন চিশক্তি দ্বারা ক্ষুপ্তি হইয়া সত্ৰই বাগুরায় আকৃষ্ট হইয়া এই সাব-মহারণ্যে সাতিশয় কার ইচ্ছানুপস্থিতি লাভ করিয়া থাকে। মন গুরুকে কৃষ্ণ করিয়া থাকে, হইয়া পড়ে। বিচারলে বিনি জীবের ঐ বাসনা ছেদ করিতে কুফকে শুরু করিয়া থাকে দেশকালব্যতিলেকই অর্থাৎ দেশ- পারিয়াছেন, নির্জাগগনে সূর্যালােকের ন্যায় তাহারই আলােক কালের অপেক্ষা না করিয়াই, এই মন কত দূরে শক্তি ধরে, তাহা সমা শােভমান হয় (এলে আলোক অদৃষ্টির পূর্ণরূপে প্রত্যক্ষ কর। তোমার মন যদি অন্যত্র আসক্ত থাকে, অহা হইলে বিকাশ) অতএব আনিবে মনই জীব, দেহ জীব নহে, সেই জড়, ভক্ষ্য-দ্রব্য চৰ্পণ করিলেও তাহার কিছুই আস্বাদ পাইৰে না। যাই। বলিয়ও কীৰ্ত্তন করেন । বাস রাখব। মনঃকর্তৃক মাছ। কৃৎ নাই, এমন কোন বস্তুই নাই , (চিত্তে সমস্তই দৃষ্ট হয়, আবার হয় হাই কৃত বলিলা আনিবে। হে অনন্য। মূল যাহাকে তৃগ চিত্তে যাহা দৃষ্ট হয় না, তাহা কিছুই নহে।) ইন্দ্রিয়কে অন্ধকারে রিয়াছে, তাহাই তা বলিয়া আনিয়ে। এই নিখিল অগs ন্যায় সবয়ৰ নিৰ্ম্মিত পদার্থ বলিয়া আনিবে , ৩১-৩৫ । যদি একমাত্র মন , আকাশ, ভূমি, বায়ুপ্রভৃতি সমস্তই মন। মন যদি ইন্দ্রিয়ালােচিত আকার ধারণ করা, ইবিলে মন সাকার এবং পদসমূদয়কে উতগবে (একাদিকপে ) কল্পনা না করে, ইন্দ্রিয়ও মনের আত্মীভূত অর্থের আলােচনা করায়, মনোনিকেল তাহা হইলে এই পূৰ্যালি ও কলচ প্রকাশ প্রাপ্ত হইত সাকার অর্থাৎ উভয়ই পরস্পনের সাহায্যে সাকার হওয়ায় উই । ১১-১৫। মন বাহায় মােগ্রস্ত হয়, তাহাকেই মুঢ় কলা সমান , তথাপি মন উৎকৃষ্ট ,কেন না, মন হইতেই ইসির উৎ- হয়, শরীরের মােহপ্রযুক্ত শকে মুঢ় বলা যায় না। একমাত্র পরি ইন্থি হইতে মনের উৎপত্তি নহে। যাহারা ( অদৃষ্টিতে মনই দর্শনশক্তি প্রাণ হওয়ায় চা শ্রবণশক্তি প্রাপ্ত হওয়ায় কর্ণ, অত্যন্তভিন্ন চিত্ত ও শরীরের ঐক্য অবগত আছেন,সেই মহাৱাই স্পর্শনশক্তি প্রকু, ঘ্রাণশক্তির প্রাণেরি ও অস্বজনশক্তি জ্ঞাতব্য বিষয় অবগত হইয়াছেন, তাঁরাই সুপণ্ডিত, তাহারাই ঘর। না হইয়া থাকে উহাদের বৃত্তিগুলিও বিচিত্র ও পরস্পর সকলে নম। কুমােসি-কচভরশােভিনা একটাক্ষ-ৰিলো- ভিন্ন। নাটকভিনয়কালে নট যেমন বিবিধমূর্তি ধারণ করে, মনও কিনী রমণ—শ চিত্ত মহাত্মাদিগের অঙ্গ-সংলগা হইলে, তেমনি দেহমধ্যে বিবিধমূর্তি থারণ রয়েছে। চুম্বকে দীর্থ করি- কাঠকুড্যসমান। অর্থাৎ তাহাদের কোন প্রকার বিকালের উৎপাদন তেছে, অসত্যকে সত্য করিতেছে, সুস্বাদুকে বিস্বাদু করিতেছে, কৃষিতে সমর্থ নহে। বীভাগনা মুনি, বনমধ্যে ধ্যানকালে ওশকে মিত্র করিতেছে। ১৬-২০। ভদগতভাবে চিন্তে অ, অঙ্কপ্রসারিত স্বকীয় কর কর্তৃক ভতি হইলেও তাহার প্রতিভাসইবে, সেইরূপই প্রত্যক্ষ হইয়া থাকে। একমাত্র প্রতি অতি পারেন নাই, চিত্তের অন্যত্র আসক্তিই তাহার একমাত্র ভাসলে, রাজা হরিশ্চন্দ্র স্বপ্নদশাবল হইয়া একবাত্ৰি দ্বাদশ- কারণ। অতি দুঃখকে সুখে পরিণত করা ও মুখকে অতিঃখে বলিয়া অনুকরিয়াছিলেন। চিত্রাঙ্গণেই ইন্দ্ৰন্থ রাজা পরিণত করা, একমাত্র মনেরই সাধ্যায়। ঋষির চিত্ত অভ্যাস- বৈধিপপুরমঘ (ব্ৰহ্মলােকে বহু করত একযুগ মুহূর্তের বনে এতই দৃঢ়-ভাবনায় আবদ্ধ থাকে যে, তাঁহারা অনায়াসেই। ন্যায় অতিবাহিত করিয়াছিলেন রামনােরক্তি বিশুদ্ধ থাকিলে রৌরব- সুখ-সংযোজিত হইতে পারেন। ৩-৪। শ্রোতা যদি অঙ্গ- নয়কোবাসও পরদিন যাহার রাজ্য পাইবার বা আছে, তাদৃশ মনস্ক হন, তাহা হইলে এযত্নসহকারে কথ্যমান হইলেও বক্তার ব্যক্তির তাবৎকালিক বনের গায় সুখকহইয়া থাকে। একমাত্র বাণ কুঠাৰ কৰ্তিতালয় স্থায় বিচ্ছিন্ন হইয়া থাকে। (শ্রোত। মনােলর করিতে পাৰিলে সমস্ত ইমিষয়ই দমন করা হয়। সূত্র শুনিলাে পাওয়ায়, যাকে মৌবলম্বন করিতে হয়।)(১) ইলে মুরুলি আপনিই বিশ হইয়া (ছড়াইয়া পড়িয়বার। ২১-২৫। চিডিক্তি সর্বত্র স্থিত, সকল পদার্থের সহিত স () অন্যমনস্ক হইয়া কোন কথা বলিতে গেলে অবিচ্ছিন্নভাবে নির্বিকার সম সাক্ষিত ও চেত্যার্থ হইতেৰিঙ্গি। হেরা, কথা বলিবার খ থাকিলেও, পরশুরু লতার গায় মধ্যে মধ্যে ঐ চিনিতেই আমায় সভা, মন ঐ চিজিকিরূপা আর কথা বিচ্ছেদ ঘটিয়া থাকে, ইহা পাকি অনুবাদ।
উণ-প্রমণ ১৮৫ মৰ পৰিটে আল্লোহণ করিলে গৃহন্বিত ব্যক্তিকেও খেত-মে মনকে বিষয় সানরূপ চপ কর্ম এলর নে , উহার মন বেষ্টিত গিরিরীমধ্যে ভ্রমণবিল দুঃখ অনুভব করিতে হয়। আলালৰন্ধ করার ন্যায় নীল হইতে থাকে। ঘাঁয় চিত কানে- স্বল্পকালে বিনগানের গায়, মনােমধ্যেই নগরপর্বতাদি মিযহিত মহানুশ ন্যায়ালিশন অর্থাৎ নিশ্চগ ইয়াতে, পদার্থনচয়কে স্বস্ব কার্যক্ষম হইতে দেখা দায়। মনের এমনই তিনিই যথার্থ পুরুষ। তত্তির অপর লােকগণ কর্দমের কটক্সল। শক্তিতে, মন স্বপকালে সাগরের তরমালা বিস্তালে স্থায় স্বতই বাহার চিত্ত নিশ্চল অর্থাৎ একবিষয়গামী হইতে শিক্ষা করিয়া, হৃদয়ৰই পৰ্বত নগণ বিস্তার করে। মেহমধ্যস্থিত হে অনথ। তিনিই সর্বোত্তম পরমাত্মপদের ধ্যানে সমর্থ হইয়া- মনের যে স্বপ্নসময়ে অদ্রিনগরাদি দৃষ্ট হয়, উহা সমুদ্র- ছেন। মম্বনাবসানে মশৱাচল নিস্পন্দ হইলে ক্ষীরমহাসাগর বেরুপ জলের মধ্যে বঙ্গমালার অনুরূপ। ৪–৪৫। যেমন অর- প্রশান্ত হইয়াছিল, তদ্রুপ চিত্তসংযমে সংসারবিলাসের পাতি হইতে পত্র, লতা ও পুষ্প সমুগত হয়, তেমনি মন হইতে এই হইয়া থাকে । ভােগসঙ্কলবিলাসে মনের যে যে বৃত্তি সংণিত জাগ্রং ও স্বল্প-বিলাস সমূদয় আবির্ভূত হয়। সুবর্ণময়ী প্রতিমা হয়, তাহাই সংসারবিষপাপের অন্যেও পরি যেমন সূবর্ণ হইতে পৃথক্ নহে, গ্রন্থ ও স্বপ্ন এই দ্বিবিধ অবস্থার এই মদমেহমূঢ় নিখিল পুরুষরূপ মরগণ সংসারনদীতে ক্রিয়াও তদ্রুপ চিইতে পৃথক্ নহে। যেমন একমাত্র জলেই বিকসিত চিত্তরূপ চালিত কুবলয়ন বেষ্টন করি,ভ্রমণ খর, বিন্দু, তরঙ্গ ও ফেনা পৃথকভাবে লক্ষিত হয় ( ফল উহা করতে গিয়া মহাজাভ্যরূপ-জলপ্রবাহশালী বিশীর্ণ নিল চিন্তারূপ একই জল), বিচিবিহুৰসমুদয়ও এপ একমাত্র চিত্ত হইতে আবর্তচক্রে নিপতিত হইতেছে। ৬১-৬৭। সমৃদিত হইয়াই পৃথকৃরূপে লক্ষিত হইতেছে। যেমন একজন শাধিকশততমসর্গ সমাপ্ত ॥১৯। নটই শৃঙ্গারানিভেদে ও পাত্রভেদে বিবিধ বিচিত্র বেশ ও ভাব- শ্রী প্রকাশ করে, তেমনি আপনার এক চিরুতিই আগ্রং ও রূপে সমুদিত বিবিধ পদাৰ্থৰূপ ধারণ করিতেছে। যেমন একাধিক শততম মণ। প্রতিভাবশতদ্ভাবের দৃঢ় অভ্যাসবশে )লবণ রাজার চণ্ডাল প্রাপ্তি ঘটিল। মনাত্মক মনই তদ্রুপ এই বিশাল অংৰূপে বশিষ্ঠ কহিলেন,ব! এই চিরূপ মহাব্যাধি-চিকিৎসায় সুতি ইতেছে। ৪৮-৫০। যে বিষয়েরই সংবেদনা ; দৃঢ় নিকিলপ্রদ সকলেরই অধীন এক সুস্বাদু মহৌষধ কহি- ভাবনা ) রা খাইবে, ঝটিতি তওভাবে উপনীত হইবে। মনের তেছি শ্রবণ কর। আত্মমাত্রাকারে বৃত্তিরূপ স্বকীয় পৌরুষৰলেই মননকে তুমি যেরূপ করিতে ইচ্ছা কর, তাহাই করিতে পায়। যত্বপুর্বক বিষয়-লালসা ত্যাগ করিতে পারিলে চিগুরূপ বেতালের হাদিগের জাগ্ৰস্বপ্নমষ মন, নানা পৰ্বত, নদী ও নগরূপ জয করিতে পারা যায়। যে ব্যক্তি অভিমত বস্তু (বিষয়সমূহ) ধারণ করিয়া অরেই তাহা প্রকাশ করিয়া থাকে। চিত্তপ্রতিভাস পরিত্যাগ করিয়া নিরাময় (অর্থাৎ রাগাদিরূপ চিত্তবিরাগ ) বশেই লবণ ভূপতির ন্যায় দেবত্ব হইতে দৈত্যত্ব ও নাগ হইতে হইয়া থাকিতে পারে, সেই ব্যক্তিই তীক্ষ্ণদশালি-হল্প যেন নগর প্রাপ্ত হইয়া থাকে। (পূর্বে যে দেব ছিল, পরে সে দৈত্য ভদন্ত হীকে অকেশে জয় করিতে পারে, সেইরূপ অনায়াসে হইল, একমাত্র প্রতিভাসই তাহার করুন। যেমন পূৰ্বৰে মনকে জয় করিতে পারে। মনকে আয় করিতে পারে। স্বসংবেদন- বিক (অর্থাৎ স্বা যে নর ছিল, পরজন্মে সে নারী, পূর্বজন্মে যে পিতা ছিল, পরজন্মে মাত্রাকারে অবস্থিতিবিষয়ক) দৃঢ় করিতে পারিলে চিত্ত • সে পুত্র হইয়া থাকে। একমাত্র সঙ্কলই তাহার কায়—অর্থাৎ বালককে বিষয়গচপলদি রোগ হইতে মুক্ত করিয়া রক্ষা আৰীজন্মে হয়ত তাহার নাৰী ৰা পুত্র হইবার বাসনা ছিল, মন করিতে পারা যায় এবং অবস্তু হইতে বস্তুতে (প্রকৃত পদার্থে) তেমনি নিজ সঙ্কৰণে একছাৰ হইতে ভাবান্তর প্রাপ্ত হইয়া সংযােজিত ও বােধযুক্ত করা যাইতে পারা যায়। সংযােজিত ও বােধযুক্ত করা যাইতে পাৱা যায়। হেম! তুমি থাকে মন নিয়ে নিরাকার হইলেও চিরন্তন অত্যন্ত সঙ্কল্প শাস্ত্র ও সৎসঙ্গ স্বাধীনতাপ্রাপ্ত অত সংসারতাপে আপিত) শেজীব-ভাবাপন্ন হইয়া, মৃত এবং আত হইয়া থাকে। ৫১-৫। মনােময় লৌহ দ্বারা চিরূপবাহ্নতে তপ্ত মনোরূপ লৌহ মানসম্মুঢ় বাসনায় এই বিশাল-মন সঙ্কল্পবলেই যোনিগত (অরেশন কর। ১৫। কেমন লালন ও ভলি হইয়া সুখ, দুল, তা ও অভয় আর হইয়া থাকে। তিলে প্রভৃতি উপায়ে বালককে সকল কর্মে নিযুক্ত করা যাইতে তৈলের খায় মনেমধ্যে সুখ-দুখ নিয়তস্থিত অৰে দেশকাল পারে মনকেও সেইরূপ করা যায় , করা যায় , এবিষয়ে দুঃসাধ্য ও বশতঃ কখন বৃপ্তি, কখন যা অল্পতাপ্রাপ্ত হইয়া থাকে। যেমন কিছুই দেখি না। একাগ্রতার অভ্যাসরূপু কর্মে প্রবৃত্ত হওয়ার তিল পেষণ কৰিলে নিশ্চিতই লৈ বাহির হয়তেমনি মননসংযােগে পরিণামে শুভফল মনকে নিজপৌরুব ব্যাপারেই শিয় আত্মায় ঘনীভূত দুই চিতও মুখ ৰা দুখ প্রকাশ করিয়া থাকে। হে রাম সহিত এক করা যায়। কামনা ত্যাগপূর্বক বিষয়বৈরাগ্যই গরম এই যে দেশকালের কথা বললাম, ইহা একমাত্র সন্ধই, হিতপ্রদ ,পুরুষের পক্ষে তাহা আয়াসসাধ্য নহে, যে তাহা করিতে কেননা একমাত্র সঙ্কল্পবলেই দেশকালের সত্তা বা স্থিতি ইয়াছে। অক্ষম তাদৃশ পুরুষকীটকে ঘি। অন্য বিষয়সমূহ অ্য মনােরূপী শরীরের সঙ্কজ ফলিত হইলেই এই ফুল শরীর,এ, পরমার্থ ব্ৰহ্মরূপে ভাষিতে পাৱিলে মন্ন (বড়বােজ) যেমন উন্নতি, গমনশীল, আনন্দিত, বা উতি থাকে, সুলী- } শিশুকে অনায়াসে এ করিতে পারে, সেইরূপ মনকে অক্লেশে ৰে ৰাভাবে কোন প্রকারই শক্তি বা ক্রিয়া নাই। ৫-০। অন্তু করিতে পারা যায়। পৌরুষএসেই টিভি চিএ না বম যেমন কেবল পুরস্কৃত এল বহুৱ করিয়াকে, যায় । চিত্ত িহইলে দেশেই পত্র প্রাপ্ত হওয়া তেমনি এই মন সেমধ্যেই নিজ সকলিত লালা উলালসহকারে যায়। ১০। বাহারা খাত (নিজেই আয়) মুসাধ্য কজিত অর্থাৎ যথেচ্ছ প্রগলভৰহারী হইয়া থাকে, এ মিষ্টি চিনিগ্রহ যাত্ৰ কৰিতেও , তাদৃশ পুরুষ-মৃণাদিগকে বির্ক।
যােলাষ্টিঃ উপায় একমাত্র স্বপৌরুষসাধ্য মত্যাগরূপ মনঃশাড়ি ব্যতিরেকে পাতালবাসী সকলৰণিগণেরই বিচারপূর্বক সিদ্ধান্ত। চিতের র নাই। সমাধ্য মন-ধ্বংসহেতু প্রশান্তি অর্থাৎ মননধ্বংস ব্যতীত সত্য অবিনাশী নির্মূল আত্মসাক্ষাৎকার ঘর। মোদি শত্ৰুহিত অনালি ' অসীম এবং বে-প্রতিপাদ্য আত্মত সাক্ষাৎকারের অন্য উপায় অনন্ত নিল স্বল্প মুখ (এই জীবমুক্তদেহেই) প্রাপ্ত হইবে, নাই। মনােবিল হইলেই বিশ্রান্তি হইয়া থাকে, (অব: ইহা নিশ্চিত বলতে পারি। বাঙ্কবিষয়ের অনবাস- অপ্রকাশ)' হে রাম) তুমি সুবিস্তৃত হৃদয়াকাশে চিংজপ চক্ৰধারা কপ চিত্তশাস্তি না হইলে গুৰূপদেশ, শাস্ত্রব্যাখ্যা, মন্ত্র প্রভৃতি সাধ, ঘাৱা নিঃশঙ্কভাবে মনােন কর, তাহা হইলে মানস সুখ সমস্তই তৃণভূল।' অমঙ্গলরূপ শস্ত্র দ্বারা যখন সমুলে চিত্তে আসিয়া তােমাকে আক্রমণ করিতে পারিবে না। যদি আপাত- উচ্ছেদ করিতে পারিবে তখনই সর্বময় সর্বগামী শক্তি ব্ৰহ্ম লাভ রম বিষয় সকল (সােনুসন্ধান দ্বারা) জ্ঞানবলে অরম্যরূপে অব কমিৰে। ১১-১৫। ব্রহ্মাকান্ত ভাব দ্বারা সঙ্কল্পৰূপ অনর্থের গত হইতে পার, অহা হইলেই বুঝিতে পারিবে যে, তুমি চিরে শাসন অর্থাৎ নির্গত করিয়া শান্তাদি সাধনসম্পন্ন জীবমুক্তি লাভ অঙ্গ সকল কৰ্ত্তন করিতে পারিয়াহ। “এ সেই আমি, এই আমার করিতে পারিলে এই শরীরের অন্য পুরুষের কোনই ক্লেশ হয় না। গৃহাদি" ইত্যাকার ভ্রমই মনের শরীর , তাদৃশভার অভাবরূপ দৈবকে অনাদ করি। পৌষলে (স্বাঝা যাব ভবন, দ্বার । দাত্ররা ঐ চিত্তদেহ কর্তন করা যায়। শরণকালে নভােমণ্ডলে নবােগাবা মুসল্পকল্পিত চিত্তের অচিনয়ন অs নাশ খণ্ডিত মেখ সকল যেন সামান্য বানু দ্বারা অক্লেশে যিনিত হয়, কর। চিত্তকে সেই মহাপদবীতে অর্থাৎ ব্ৰহ্মৰূপতায় উপনীত করিয়া তদ্রুপ 'আমি, আমার” ইত্যাকার কল্পনার অভাবঘাৰ মনও তৎপর (পরহ্মের সাক্ষাৎকাররূপ বৃত্তিদ্বারা অবিদ্যার বাধহেতু) বিনিত ( দুরীকৃত) দু। ২৬–৩৫। যে স্থানে শস্ত্র, পরুন, অনল চিকে চিহ্নিত করিয়া চিতীত অর্থপূর্ণ- চিত্ররূপী হও। থাকে সেই স্থানেই ভয় হয়। নিজেরই আয়ও অনায়াসসাধ্য, প্রথমে চিত্রে ভাবনাযুক্ত হও (কেবল চৈত্রের ভাসনা- নিৰ্ম্মল সল্লাবের সাধনে ভয় কি ? ইহা ভাল, ইহা মন্দ, তৎপর হও) পরে সেই ভাবনা দৃঢ় করিতে অতি অবহিত হইয়া বলকেও তাহা বুঝিতে পারে, ইহা চিরন্তন প্রসিদ্ধ , বালক থাক , অব্যগ্র অর্থাৎ নিশ্চল হইয়া চিত্রগ্রাসকারী চিত্ততীত পুত্রের ন্যায় মনকে কর্মে নিযুক্ত করিবে। অক্ষয় সংসার- পরমাত্মাকার রণ কর। পরম পুরুষকা আশ্রয় করিয়া চিন্ডের বিবর্দক বহু চিত্তরুপ সিংহকে যাহারা বন্ধ করিতে পায়ে, অচিন্তসাধন করিলে সেই মগপদবী প্রাপ্ত হওয়া যায় , উস্থিত এই সংসারে মােক্ষপণপ্রদাতা এই সংসারে মােপ প্ৰদাত আহাদিগেরই জয়। সঙ্ক- হইলে অৱ নাশের সম্ভাবনা নাই। ৯-২০। দিােেহ উপ- এই মরুভূমিতে মৃগতৃষ্ণিকাবং আবেগায়িনী ভীষণ এই স্থিত হইলে পশ্চিমদিকে পূর্বদিশায়িনী যে বিপৰ্যন্তবুদ্ধি সকল বিপতি উৎপন্ন হয়। প্রলয়পন বহমান হউক, বা তা যেমন বিবেক ও স্বৈরূপ পুরুষপ্র দ্বারাই জয় (অর্থাৎ সমস্ত সাগর একাকার ধারণ করুক, অথবা দ্বাদশ আদিত্য (এক নষ্ট করিতে পারা যায়, তদ্রুপ মনকে পৌরুষপ্রষলেই এ সময়ে উদিত হইয়া) তাপ প্রদান করুক, মনােনাশকারীর হাতে করা যা। অগেই রাজ্যাদি সম্পদের মূল, অনুৱেগ হইতে কোনই ক্ষতি নাই। ৩৬-৪০। মনােৰূপ বীজ হইতেই সুখ-দুঃখ- বেনােশ সান হয়, মানােয় করিতে পারিলে নিলােঞ্চী শুভ-অশুভ-সংসার-বনখণ্ড এবং এই সগুলােকরূপ পল্পৰ প্ৰলে- বিষ ধূণস্বরূপ অতিতুচ্ছ বলিয়া জান হয়। রাজ্যাদি মুখ- হিত হইয়াছে। একমাত্র অসঞ্চলে সাধ্য, সকল সিজিদ অস- লাভে শৰিয়ালি-ব্যাপারে যেমন যুদ্ধাদি কে আছে, মনােজয়- কল্পনৰূপ সাম্রাজ্যে পরমাত্মপদরূপ সিংহাসন অবলম্বন করিয়া সুখে অদৃশ কোন ক্লেশই নাই, মনােজয় ত আর কিছুই, অবস্থান কর। যে ব্যক্তি জ্বলন্ত অঙ্গার নির্বাপণ করিয়া বহ্নিপ- নহে, কেবল স্বভাবে অর্থাৎ পুর্ণব্রহ্মরূপে অবস্থিতি-মাত্র। | শান্তির ইচ্ছা করে, তাহার নিকট জ্বলন্ত অঙ্গায় যেমন কাষ্ঠ- আহাতে আবার কেশ কি? যাহারা আত্মজ্ঞানসাধন মনের । মরা ক্রমশঃ ক্ষীণ ও নির্বাণ হইয়া তাপশান্তি করণপূর্বক নিগ্রহেও সমর্থ নহে, সেই নরাধমেরা লৌকিক বিপদনাদি আনন্দ প্রদর্শন করে, মনও তদ্রুপ ক্রমশঃ ক্ষীয়মাণ হইয়া ব্যাপারে কি করিবে? আমি পুরুষ, আমি জলিলাম, আমি মরি- পরমানন্দ প্রদান করিতে থাকে। মনের ক্ষ হইলে চিনপুর লাম আমি জীবিত আছি ইত্যাদি কুদৃষ্টি চপল কিন্তু হইতেই মধ্যে লক্ষ লক্ষ ব্রহ্মাণ্ড পৃথকুলে স্পষ্টরূপে দেখতে পাওয়া পন্ন মিথ্যা ব্যাপার মাত্র। ২১৫। কেননা বাস্তবিক যায়। এই মন সঙ্কমাত্র দ্বারা কোটি) ব্ৰহ্মাণ্ডলি পদার্থ কেহই ময়ে না, কেহই জন্মগ্রহণ করে না, মন আপনিই সম্পাদন করিয়াছে। ঐ সঞ্চলমাত্র ঘরা জন্মমৃত্যু নরক প্রভৃতি আপনাকে ও অপরকে মৃত তত্যাদি জ্ঞান করে। এই যে এই যে মহা উৎপাদিত করিয়াছে। (হে রাম তুমি নিরন্তর ভাবি পরলােকগমন ইহাও আর-কিছুই নহে, মুনেরই অন্যপ্রকারে বিসকালে সন্তোষত্র নাকাই ইমনকে নয় করিয়া সর্বাৎকৰ কুরণ ইহাও যতদিন মুক্তি ঘটে, তাই হইয়া থাকে। লাভ কর। মনােনাশের পর আত্মদিগের সম্মত পরশপার্বন অতএব মৃত্যুভয় কোথায় ? চিত্ত ইহলােকে বিচরণ করুক অথবা অবৈষম্যক্তিরা অপরিমিত অভাব বিদূরিত করিয়া জন্মদি- পয়লকে বিচরণ করুক, যতদিন মুক্তি না হয় ততদিন চিত্ত এক বিকার শূন্য অবশিষ্ট যে পদ (ৰহ্মপদ) থাকে তাের তাহাই ভাবেই থাকিবে, সুতরাং এই সংসারের চিভিন্ন অগ্রকাৱরূপ হউক অর্থাৎ ভুৰি ব্ৰহ্মপদ লাভ কর)। ৪০-৪*। ভ্রাতা ও ভূত প্রভৃতির মৃত্যুতে লােকে যে বৃথা শােক একাধিকশ’সর্গ সমাপ্ত ১১৯। তে, উহাও আত্ম-চৈতন্সবিহীন (অ) চিরেই ধর্ম, এই এয়ার সিদ্ধান্ত। সত্য সর্বহিত (২ মায়মানিয়তি অগ্রণী রুতি দ্বারা বােখিত পরমাত্মাকে চিন্ময়ৰে পৰ্যবসিত করে পানিতে মুক্তির অন্য উপায় নাই, হা শর্ত । নাই।
উৎপতি-প্রকরণ www যেমন } to দ্বারাই দৃঢ় বন্ধ মনরূপ পাশ ছদনময়া আকাকে মুক্ত করিতে বিশতম শর্গ। পারিল না, অন্য উপায় হার আর মোচনের পাই। বশিষ্ঠ কহিলেন,-মল যে যে পদার্থে যা ইচ্ছাবলে যে মনােনাঙ্গী (অর্থাৎ বার্থ মননলামক) যে যে বাসনা মুদিত একার ভীবেগসম্পন্ন হয়, সেই সেই পদার্থে তাদৃশ হয়, বুদ্ধিমান ব্যক্তি সেই সেই বাসনার পরিহার (মাজন) ইচ্ছার বিবসিন্ধি সেই প্রকারেই লাভ করে। মনের ঐ কল্লিতে চেষ্টা কৰিৰে, তাহা হইলেই আবিষ্কার ক্ষয় হইবে। এ ভীৱবেগিতার কোন হেতু নাই, উহা স্বভাবতই অবুদবুদ রাম। তুমি ভােগসমূহের বাসনা পরিত্য করিয়াভেদবাসনা পরি- শ্রেণবং কখন উৎপন্ন হয়, কখন বিলীন হইয়া যায়। হিমের ভ্যাগ কর , তৎপরে ভাব ও অভাৰ অথম চিত্ত চেত্য,পরিতাগ যেরূপ যেমন শৈত্য, কঙ্কলে রূপ যেমন কৃষ্ণ, সেইরুপ করিয়া নির্বিকল্প হইয়া সুখী হও লুবনার অর্থাৎ বদ্ধ মিথ্যা- তীব্ৰাতীত্ৰৰূপী ছল্যই মনের রূপ। ঐ সময়ে রম জিজ্ঞাসা এপক্ষের চিন্তা না করাই বাসায়, মনােনা বা অবিদ্যানশ শুকে করিলেন, ব্ৰহ্ম সংসারশক্তির একমাত্র কারণ অতি চঞ্চল * সাদাচিম্বার সাক্ষাদ্বারা যে যে মনােবগ অর্থাং মনের চাঞ্চল বলপূর্বক নিবারণ করা যায় জ্ঞেয় বিষয়ের সঙ্গে অর্থাৎ জ্ঞান হয়, তামিষয়ের সম্বেদন কিরূপে? বশিষ্ঠ উত্তর করলেন, এই সংসারে চাপল্যহীন অং অজ্ঞানই মনােনশ, তাহাই নির্বাণ । উক্ত কার সঙ্গেনে মন কোথাও দুষ্ট হয় না। ধর্ম উষ্ণতা (জ্ঞানে কেবলই দুধই হয়(সকল প্রবরঙে-জ্ঞানের লোগইম সেইরূপ চাঞ্চল্য মনের ধর্ম। চিত্তম্ভে অর্থাৎ জগতের কারণ মোক্ষ)। ২১-৫। উক্ত এক সম্বেদন যে স্বয়ংই হয় এমত সৰূপ মায়াসমলিত চৈতন্যের এই যে চঞ্চল স্পন্দশক্তি (ক্রিয়া- নহে, উহাতে পুরুষযন্ত্র আবশ্যক হয় কিন্তু সদ্য বিষয়ের উক্ত- শক্তি) জগদম্বাত্মিকা ঐ শক্তিই মনােরূপে পরিণত জানিবে। প্রকার সম্মেলন শুভপ্রদ নহে, অসনেই শুভপ্রদ , অ অস- যেমন স্পন্দ ব্যতিরেকে বাসুক সাই উপলব্ধি হয় না, সেইরূপ দেন যাহাতে হয়, তদ্বিষয়েই চেষ্টা করিবে । হে রাম। তােমার চাঞ্চল্য বা স্পন্দন বাতিরেকে চিত্রে অস্তিত্বই নাই। চাঞ্চল্যহীন মনে যে যে বিষয়সনাদি রহিয়াছে, তৎসমুদয়কে অনর্থ বিচনা মনকেই হত বলা হই, তাদৃশ অবস্থাই মনের মােক্ষ বলিয়া তপঃ করত বীজমুখ হইতে উৰি অঞ্চলের সমান ঐ সমূদয় বিষয- শন্ধে সিদ্ধান্ত করা হইয়াছে। মনোনাশমাত্রেই অশেষ দুঃখশান্তি দিতে পূণর্শনঝে বকনা বাসনারূপ বীজের সহিত উচ্ছেদ হয়, আবার মনের মনন (সজল) মাত্রেই অয়ি দুঃখ পাইতে করিয়া (পূর্ণপকপ পরহ্মে অবস্থান রূপ সুধা) পরিত্ব হও, ত। চিত্তরূপ রাক্ষসু উৎপন্ন হইলে ‘অনন্ত দুঃখ প্রদান করিয়া তাহা হইলে আর শােক-হর্যের বীভূত হই না। ২৬২৭। পকে অতএব লন্ত মুখের নিমিক প্রযত্নসহকারে উহারনপত জদশাধিকশতম সর্গ সাপ্ত ১১২। কর । ১-১০। রাম ' মনের যে চাপল্য তাহাই অবিদ্যা ও বাগন। বলিয়া কখিত হয়, বিচারলে তুমি ঐ বাসনার বিনাশ-সাধন কর। বাহ্ন বিষয়ের ত্যাগ দ্বারা চিত্তসত্তারূপিণী ঐ বাসনা বা অবিদ্যার ত্রয়োদশাধিকশততম সর্গ। বিলয় সাধন করিতে পারিলে, পরম শেয়ােলাভ হইয়া থাকে। বশিষ্ঠ কহিলেন,বাঘব। এই যে চিন্তি, মিতা সং ও অসতের যে মধ্যভাগ বা মিশ্র, চিন্ময়ুত্ব ও জড়রে বাসনা নিত্যই সমুদিত হইতেছে, উহার উচ্ছেদসাধন একান্ত যে মণভাগ, হে রাম। ঐ অবস্থাকে মন কহে। মনের আকুতি আবশ্যক। বিবেফজ্ঞানশূন্য বাক্তির নিকটেই উক্ত বাসনা দৃডয়- উক্ত উভয় দিকেই দোলায়িত অর্থাৎ অবস্থিত। অনুসন্ধানে রূপে যথার্থ সত্য বলিয়া প্রতীত হয়। যাহারা বিযেকাদি জ্ঞান- নর্মিত হইয়া জড়তার দৃঢাভ্যাসবশে মন জড়তাপ্রাপ্ত হয় অর্থাৎ সম্পন্ন তাহাদের নিকট উহা নামমাত্র অবস্থিত, কিন্তু তাহার গড়-স্বৰূপ হয়; আবার বিবেকের অনুসন্ধানদ্বারা দৃঢ়ভ্যাসবশতঃ কোন অর্থ নাই। হে রাম। তুমি সমকৃষ্ণপে বিচার করিয়া ঐ মন চিন্ময় প্রাপ্ত হয়, (চৈতন্যম্বরূপ হয়)। ১১-১৫। পৌষ- দেখ, অজ্ঞ হই না প্রাজ্ঞ হও, আকাশে দ্বিতীয় চন্দ্র নাই কেবল প্রৰত্বে মনকে বে পদে উপনীত করা যাইবে, অভ্যাসবশত মন | এন্তিবশতই উহা লক্ষিত হইয়া থাকে। যেমন- বিস্তৃত সমুদ্রে সেই পদ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। অতএব তুমি পৌরুষবলে উক্ত বানিপ্রবাহ ভি আর কিছুই নাই, সেইরূপ এই সংসারে পর- এর তলীর্ষ জড় মনকে, উক্ত প্রকার চিন্ময়তাপ্রাপ্ত মন দ্বারা মাত্মা ব্যতীত বস্তু (ভাৰ) অব (অভাষ) কিছুইনাই। নিত্য জেহাদি আক্রমণ করিয়া, বিগতােক (পরমপদে) অধিরূঢ় হইয়া আশঙ্ক বন্ধনশূন্য বিস্তীর্ণ শুদ্ধ পরমাত্মাতে অসন্ময় এই ভাব ও অভাবের অঙ্গ ও স্থির হও। রাম। ভাব-ভাবনাগ্ৰন্ত মনকে বিবেক- নিল, আরোপ করিও না। কেবল স্বীয় বিকল্পই ভাই ও অবকাপ। মল ছায়া বলপূর্বক উদ্ধার করিতে না পারিলে, আর অপর উপায় ১-৫। তুমি কানহ, তবে কেন এই সমুদয় ক্রিয়ায় তােমার নাই। তােমার মনই মনের দৃঢ় নিগ্রহ করিতে সমর্থ , হে মমতা (মদীয় বলিয়া অভিমান)। যখন একমাত্র অবতীয় পর- রাব। রাজা ব্যতীত কে রাজাকে পরাজয় করিতে পারে? যাহারা সংসার-সমুদ্রের প্রবাহে পতিত ও তৃষ্ণারূপ গ্রাহকর্তৃক হেয়ত বলা হইয়াছে তাহাতে চিন্ময়ত্বৰূপ বাস্তব-ধর্মেরও পরি- আক্রান্ত হইয়া আবৰ্তমধ্যে ভাসিতে থাকে, নিজ মনই অহীদের হার বােধ হয়; তাহা নিয়শর্থে একত্র উভয়ের উল্লেখ হইল। তরুণপায় নৌকাস্বরূপ।।১৬-২। যে ব্যক্তি মনের টীকাকার ভাবতে পূর্ণতা অভয়তে যেন বিদ্যা- বরুণেন তং অভাবন অবিদ্যারুণং ভাবনায়া সাক্ষাৎ *মন বাস্তব ও অধান্তৰ উত, ধর্মাত্মক। পূর্বে মনের কারাতেতঃ ভক্ত সুখ ভৰেতি পূৰ্বশ্লোকেন সম্বন্ধ ইত্যাহ চাঞ্চল্য অৰৰ গৰ্মাণ বলা হইয়াছে, এণে চিন্ময় ভাশকষ্টকল্পনামন্ত্ৰীৰ্বাণৈশক্তি অনুষদে তথা রূপ বাস্তবায়ও উতে হইতে; মণ পুর্বে মনে ।
যােশবাণিৰামায়ণ - আত্মাই বিদ্যমান-আৰ ঘিই নাই, তখন কে কিরূপে ক্রিয়া উহা মনি হয়। এবং অন্ধকারে (মােগুণে) উহা প্রকাশিত। সম্পক্ষণ কৰি দিয়া ত এক কাকো । নিপন্ন হয় না ?) অবিদ্যা মৃগতৃষ্ণায় যায় শূন্যতা ও নানাৰণে বিলাসিনী। তাই বলিয়া তুমি অভিমানও হতে পারবে না। কেন না, ১০। কৃপ্তিপিণ ঐ বাসনা ক্ষীণা ও কোমলঙ্গী হইলেও কলভিমান না থাকিলে, স্ব-প্রনিষ্পাদ্য ফললাভ করিতে সঙ্কটহেতু বলিয়া কর্কশা বা বিষময়ী কামিনীর স্যায় চঞ্চলা ও পারিবে না। (নিশ্চেষ্ট হইলে কেন কৰ্ম্মই সিদ্ধ হয় না। সর্পীর স্যায় ভীষণা। উহ। মেহক্ষয় হইলে দীপশিখার স্যায় ভূয়ংই হে ববুছুপধুরন্ধর। তুমি উক্ত প্রকারে কত্তা হইলেও আসক্তি- সন্ধর ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, আবার মেহব্যতিরেকেও সিন্দুৱপুলিরেখার ন্যায় জন্য বলিয়া তোমার কাভিমান নাই , এব অকর্তা হইলেও মেহবতী হইয়া প্রকাশিত হয়। উহা বিদ্যুতের ন্যায় প্রকাশ কত্বের অভিশন নাই , সে অঞ্চ তুমি কর্তও বট, তব জড়াশায় * স্থিতিমতী মুখব্যক্তিদিগের ত্রাসােৎপাদিকা এবং হােমারও ক শ শক্তির ন্যায় নহে , যেহেতু আর ব্যক্তির বা। বিদ্যুতের ন্যায় ক্ষণভঙ্গুরা ঐ বাসনা যত্নপুর্বক গ্রহণ কর্তৃত্বে দে স্পনছে, "তাম তাহা নাই। কেন ন অ করিয়া দাহ প্রদান করে এবং উৎপন্ন হইয়াই বলীন হইয়া যায়, ব্যক্তির দোস্পদক্রয়া যদি সত্য হয়, তাহা হইলে উপাদেয় আর অন্বেষণ করিয়াও পাওয়া যায় না। উক্ত বাসনা আকস্মিক বট দ্ধি পদ খ্যিা হয় তবে সেই হইবে একমাত্র উপাদেয় কুহমমালার গায় অযাচিত ভাবেই উপস্থিত হয়, রমণীয় হইলেও বিং (পবব্ৰহ্মই) আনক্তি মবক হইয়াছে, তবাৎ উক্ত অর্থ প্রদান করে এবং মঙ্গলাকাঙক্ষায় উহার কেহ অভিনন্দন (হে কিয় আসক্তিযুক্ত হওয়া উচিত নহে। যখন সমস্তই করে না। লোকে ভ্রান্তিযশই উহাতে অতি সুখ অনুভব ইরুলসম মায়া ও ময় তখন এই অলর আস্থাই বা করে, ফলও বিচার তর্ক দ্বারা অনুসন্ধান করিলে বােধ হইবে কি? এরং হেয় ৰা উপাদেয় দৃষ্টিই বাকি প্রকারে হইতে উহা দুঃস্বপ্নের ন্যায় অর্থ প্রদ। প্রতিভাস-বশেই এই বাসনা পারে ? ৬-১০। মিথ্যা বিষয় কোন প্রকাবই কল্পনা হইতে মুহূওমধ্যে এই ব্রিজগৎ উৎপন্ন কবে, আবার গ্রাস করিয়া পারে না। হে রব। সংসারের বীজকলিকাস্বকপ এই ফেলে। এই বাসনাই মুহুৰ্ত্তম সময় লষণরাজার নিকট বহু অবিদ্যা উক্ত প্রকারে বিদ্যমান্য হইলেও, বিদ্যমান। অং সঙ্গ বসর করিয়া তুলিয়াছিল এবং হরিশ্চই রাজার একরাত্রি দ্বাদশ- হইয়া বিস্তৃতি লাভ করিয়াছে। এই যে কিনা নিঃসল্প সংসার। বৎসর করিয়াছিল। সেই বাগনার প্রভাবেই কাম্ভসিংযােগী রচ দেখিচ্ছে, ইহাকেই মােহপ্রদায়িনী মনােবাসন বা ব্যক্তিদিগের একরাত্রি বিয়ােগীদিগের নিকট বংসবং দীর্ঘ বলিয়া নিৰে। ঐ সংসবেন। চারু-বংশষষ্টির ন্যায় অন্য ও বোধ হয়। পরিবর্তনশীলখাহার অনুগ্রহে মানবগণের মধ্যে একই সারবিহীন কোটর-সমন্বিত। (মুল নাশ না করিতে পারিনে। সরু-সুখী ব্যক্তির নিকট অল্প ও দুঃখী ব্যক্তির নিকট দীর্ঘ বলিয়া নদী-লুঙ্গমালার স্থায় উচ্ছেদ কৰিলেও উহা নষ্ট হয় না : * প্রতীত হয় সেই বাসনা (অবিদ্যার) সান্নিধ্য মাত্রই যে ঐ বাসনা নিৰ্কর তরঙ্গমালার ন্যায় মৃদুভাবাপন্ন অথচ তীক্ষা অনুৎপ্রাণের উপরে কর্তৃত্ব (নিমিত্তত্ব) স্থাপিত হয়, উহা এবং হতে ধরিলেও ধরিতে পারা যায় না। এই বাসনা কার্যকারী বাস্তবিক নহে, আলোকের প্রতি দীপের যেরূপ কর্তৃক উহা কারণকাপের স্থায় প্রতীয়মান হয় বটে, কিন্তু সত্যপদার্থের তদ্রুপ জানিবে । ২১-৩১। জগৎক? উহার নাই বলিয়া সহিত ইহার কোন উপযােগিতা নাই, ইহা যথার্থ তরঙ্গ- হাই কখিত হইতেছে। যেমন চিত্রলিখিত অযােগ্য নিত- শত মরীচিকা-নদীৰং দূর হইতে প্রতীয়মান আরেই পরিসমাপ্ত স্তনবতী রমণী, রমণীর কোন কাৰ্য করিতে পারে না, তদ্রুপ (তত্ত্বদর্শনে নদীপক্ষে নিকট-গমনে ইহার সত্তা কিছুই অনুভূত হয় এই আকায় চিন্তা অর্থাৎ পুর্বানুভূত অর্থের বাসনাপ অবিদ্যা ।)১-১৫। উহার অকার কখন বঞ, কখন স্পষ্ট কিছুই করিতে সমর্থ নহে। উহ। সাকার ভাস্বর ও সহস্রশাখা- কোন স্থানে দীর্ঘ ও কোথাও থ বলিয়া প্রতীয়মান হয়। উহা সমৰিত হইলেও মনঃকল্পিত রাজ্যের ন্যায় সত্যবর্জিত বস্তুত কখনও স্থির, কখনও চঞ্চল দৃষ্ট হয়। যে বাসনাচক্রের প্রসাদে উহা কিছুই নহে , উহা মরুভূমিতে মৃগতৃষ্ণার গায় বৃথাই ঐ আকুতি সলের উৎপত্তি, সেই বাসনা চক্র হইতে এত আড়ম্বরময়ী হইয়া কেবল মৃগতায় অজ্ঞব্যক্তিগণকে প্রতারিত সমুদয় পরস্পর বিভিন্ন হইয়া থাকে। এই বাসনরূপিণী সংর করে। প্রকুত (জনবান্) মানুষের কিছুই করিতে পারে না। চক্রিকা অন্তশূন্য হইলেও সর্বত্রই সারবতী ও সুন্দরী বলিয়া ফেনজির স্যায় উহা উৎপন্নমত্রেই বিলীন হয় এবং নিয়ন্তরই প্রতীয়মানা, কুত্রাপি উহা বিদ্যমান না থাকিলেও সর্বত্রই লক্ষিত ঐরূপ হইতেছে । নাহর-পটলের (কুহেলিকার) ন্যায় হয়, উহা জানিী হইলেও চিন্ময়ী, এই বাসন। অন্যের চঞ্চলাকুতি ঐ বাসনা আবার কখন প্রায়বাত্যার ন্যায় ভুন- (মনের ) স্পন্দন অবলম্বন করিয়া জীবন ধারণ করে। নিমেষ মণ্ডল আক্রমণ করিয়া রজোধূসরও ভীষণাকৃতি হইয়া মাত্র কুত্রাপি দিয়া না থাকিলেও ৰূিরত্ব প্রদান করে বিচরণ করে (ভ্যাপকে বজোৱা বুলিময়া, সনাপকেই অর্থাৎ স্থিরা নিয়া প্রীতি জন্মাইয়া দে। উহা সগুণ বহ্নি রজোগুণে মলিনা)। ধূমাবলীর স্যার উহা অঙ্গসংলগ্ন হইলে শিখার ন্যায় উজ্জ্বল ও বিশুদ্ধ হইলেও (মােগুণে) মসীর ন্যায় অদাহক্লেশ অন করে এবং অভ্যন্তরে বস (সনাপকে মলিনা। পরমাত্মার সান্নিধ্যরূপ গ্রহে বন্ধিত (অর্থাৎ চালিত) রস-আত্মচৈত, ধূমপক্ষে অল ধুম অন্তঃসলিল হইয়ামে হ এবং তাঁহাই লাংকার তি হয়। নির্মল আত্মাকে রূপে এগদাক্ৰমণ কৰি থাকে) এর কপি জগৎ আক্রমণ পুৰ্ব্বক ভ্রমণ করে। জলখরের এলধারার স্থায় (ঐ বাসনা) নীর অঙ্গ যেমন অজিমা দিলেও এবার হয়, তেমনি এই বাসনাব মূলীভূত অজ্ঞনা ব্যতিরেকে ধ্বংস করিতে *ড় আশাতেই উহার অন্তি হয় না বিনহে। গেলেও প্রাপ্ত হয় না। বিপকেgs, তাহার আশায় ফেলি। ।
উ-এস এতি কী বলিয়া প্রীত হয় এবং অসার সংসাররূপে পরিণত বাম বিস্মিত হইয়া বলিতে লাগিলেন কি ! অবিদ্যমান হইয়া তৃণনিশ্বত রর গল্প কৃঢ় বলিয়া প্রণীত হয়। উক্ত বাসনা অতি কোমলা ও অতি তুচ্ছ এই মিথ্যা অৰণ একে কৰকল্পিত (অলীক) মালা উৎপল-শ্রেণ ও মৃণালীর হায় করি আছে। ঐ অবিদ্যাব রূপ, আকার ও চেলা কিছুই আড়ম্বরূপ, পদ্মা, ও বহুবিধারিণ (জড়ত্ব একপক্ষে মােহ, অন্য নাই, নিজে স্বয়ং অসত্য ও নখরী তথাপি জগকে অন্ধ করি। পক্ষে জল, পঙ্ক, পাল ও কর্দম, পদ্ম-মৃণালের অনেক মিছ ইহা অতি আশ্চৰ্য। ঐ পেচকচক্ষু-সদৃশী অৰিদা আলােক থাকে, বাসনার বহচ্ছিতা অন্তঃসারশূন্যতা) লােকে উহাকে নষ্ট হইয়া যায়, অন্ধকারমধ্যে বিকাশ পায়, এবং উহা অনবরত বানােমুখী দেখিয়া থাকে ফলতঃ উহার বৃদ্ধি নাই, উহা বিষের কুককারিণী, লোকদর্শনসহনে অসমর্থ, জনশক্তি বলিয়া ন্যায় আপাতমধুর ও পবিণামবিষয়। ৩২-০। উহা যখন নষ্ট দেহনেও অক্ষম তথাপি অগকে অন্ধ করিয়াছে। বড়ই হইয়া যায়, দীপশিখার ব্যয় একেবারে কোথায় যে যিশীন আশ্চৰ্য। ৫১-৬০। ঐ অবিদ্যা অতি অাচারধর্মিণী ইয়া যুয়ি, তাহা নিরূপণ করা যায় না। কুহেলিকার গায় হেলিকার স্থায় ব্যক্তিগণের নিকট রমণীয়া অসত্য অনন্তঃকুলা, সর্বদাই সম্মুখবর্তী পৃষ্ট হইলেও গ্রহণ করিতে গেলে কিছুই থাকে না। মৃতকলা এবং বােধহীনা হইয়াও যে জগৎ অন্ধ করিয়া তুলিছে, পরমাণু (অতি সূক্ষ্ম) ধূলিসমষ্টির স্থায় উহা ছড়াইয়া দিলে ইহা আমার অতি বিস্ময়কর বলিয়া বেশ হইছে। কাষ আর দেখিতে পাওয়া যায় না। আকাশ-নীলিমার স্থায় উহা কোপপূর্ণ ভমােমর বক্র। জ্ঞানােদয়ে নষ্ট-শরীয়া আবিদ্যার এইরূপ অকারণই লক্ষিত হয়। চন্দ্রয়ের ভ্রান্তির স্যায় উহা ভাস্তিমাত্ৰ অগ্ৰদন্ধীকৰুণ শক্তি বড়ই বিস্ময়কর। আত্মজ্ঞানৰিচলিগের আম্পদ এবং স্বপ্নের ন্যায় মজনক হইয়া থাকে। নৌকালােহা-ব্যক্তির স্বরূপ নিজে জাড্য দ্রোবে জীর্ণভাৰপন্ন ও দুঃখে অতি দীর্ঘ- নিকট তীরস্থ বৃক্ষ যেমন চলিতেছে বলিয়া বােধ হয়, উহাও তদ্রুপ। প্রলাপিনী এই অবিদ্যা কিরুপে জগৎ অন্ধকার করে ইহা বড় এই বাসনা দ্বারা আক্রান্তজনগণ আকুল হইয়া দীর্ঘকাল দাশ- আশ্চৰ্য। যখন কোন পুরুষ ঐ অবিদ্যার তত্ত্ববিচার করিতে যায়, সংসারকুপ স্বপ্নবিম কল্পনা করিয়া থাকে। আত্ম। এই বাসন দ্বারা অবিদ্যা সে স্থল হইতে পলায়ন করিয়া থাকে, তথাপি আবার দষিত হইশে অর্থাৎ বাসনা আত্মাল অবয়ব হইয়া আত্মাকে অসং পুরুষঙ্গিনী, পুরুষানুরাগিণী ও ক্রিয়াস্বরূপিণী হইয়া পুরুষকে পরূপ করিলে চিত্তে বিচিত্র বিভ্রমসমূহ সমুহতরঙ্গের ন্যায় উথিত করিয়া ফেলে ইহা অতি আশ্চর্যের বিষয়। এমন কি যে, ও বিনষ্ট হইতে থাকে। মনােহর ও সত্যপরুপ ব্ৰক্ষও ইহার বলে পুরুষের সাক্ষাৎকারও সঁক করিতে সমর্থ নহে, সেই আবরণ-রূপ সংসকপে দৃষ্ট হন ও অমনােহর অসত্য জগৎও সত্যকপে দৃষ্ট অবিদ্যারূপা-খী পুরুষকে অন্ধ করিল। কি আশ্চর্য! যাহার ষ ঐ অবিদ্যার বিপৰ্যাসশক্তিই এইরূপ)। বাগুর (নুগন্ধিনী চেতনা নাই, যে অনষ্ট হইলেও নষ্ট নহে, সেই কঠোরা স্বীকৃপা 'ল। মেন পক্ষীকে আক্রমণ করে, সেইরূপ উৎপন্ন বাসলা- অবিদ্যা পুরুষকে অন্ধ করিল ইহা আশ্চর্যের বিষয়। হে পিণী এ বিদ্যা পদাৰ্থৰূপ রথে আরােহণ করিয়া অর্থ বিষয়া- প্রভো। কেবল বহুদুষ্টোপরায়ণা জন্ম মৃত্যু প্রভৃতি সুখ- কার প্রাপ্ত হইয়া । বলপূর্বক মনকে আক্রমণ করে। ঐ অফি- দুখের উৎপাদিকা নোকপ অহাবাসিনী ঐ বিমা বাসনা দহ কশাময়ী সজলননা প্রতক্ষীবনী আনন্দময়ী জননী ও প্রকারে নষ্ট হইবে। ৬১-৬৭। গৃহিণীরূপ ধারণ করিয়া থাকে। ঐ অবিদ্যাই আবার কখন শুধায় মাদশাধিশত সর্গ সমাপ্ত। ১৯৩। ৱিলোকসন্তর্পণকারী সুধাময় পূর্ণচমণ্ডলকে বিষ করিয়া তুলে। মােপ্রদায়িনী এই অবিদ্যার প্রভাবে এত্ত জনগণের চক্ষে অংশে শাখাইন ডাক্ষশ্রেণী ও বিকট রবে নৃত্যৰ চতুর্দশাধিকশততম সর্গ। কার। উন্মত্ত বেতালের ন্যায় সভয়ে অবলােকিত হইযা একে। ৪১-৫০। বাম কহিলেন,- ' অবিদ্যাবিভবজনিত পুরুষে নিবিড় এই অবিদ্যারই অনুগ্রহে লােষ্ট্র ( চিল) পাষাণ ও ভিত্তি এই মহামােহান্ধতা কিরুপে নষ্ট হইবে ? বশিষ্ঠ কহিলেন, রাখব। কপ সর্প ও অজগর প্রভৃতির ন্যায় দৃষ্ট হয়। অমবশতঃ যেমন সূর্যের আলােকপ্রাপ্তি মাত্রেই ক্ষণকালমথ্যে তুষ- এক চনই যেমন দুইটা বলিয়া বােধ হয়, অবিদ্যাৰণে এক কণিকা শুদ্ধ হইয়া যায়, সেইরূপ আলােকেই এই অবিদ্যা পদাথ ই তদ্রুপ বিবিধরূপে উদিত হয় স্বকীয় মৃত্যু যেমন বহু নষ্ট হইয়া থাকে। যতদিন পর্যন্ত এই অৰিষ্যার আক্ষয়কারী পশ্চাদভাবী হইলে স্বপ্নেও আহ উপস্থিত দৃষ্ট হয়, তেমনি আত্মদর্শনাভিলাষ স্বয়ং না উৎপন্ন হয়, দিন পর্যন্ত এই অধিদ্যবিলে দূরস্থিত বঃ সমীপাগত বলিয়া বােধ হয়। অবিদ্যার অবিদ্যা নিরবচ্ছিন্ন দুঃখরূপ নিবিড কন্টক-সমাকীর্ণ সংসররুল প্রভাবে অতি দীর্ঘ সময়ও অণের স্নায় সৃষ্ট হয়, বিয়হীদিগের পততটে দেহাভিমানী অহশ্বার ও আত্মাকে আন্দোলিত প্রমাণকাল অতি দীর্ঘ বলিয়া বােধ হয়, (অধঃপাত দ্বারা আলােডিভ) করিতেছে। হে রাব! ছায়া তেমনি আবার কখন গণপরিমিত কালও রুদ্রের প্রলয়াত্রি যদি আতপ অনুভব করিতে চায়, তাহা হইলে বেমল হায়াত্ব স্যায় ভীষণ প্রমাণ দীর্ঘ বলিয়া বােধ হয়।' হে ৰাঘৰ। এই নষ্ট হইয়া যায়, তেমনি এই অবিদ্যার আত্মদর্শন করতে গেলে উদ্ধতা অবিদ্যা দ্বারা যাহা সাধিত হয় না এমন কাৰ্য্য সৃষ্ট ক্ষশ অটিয়া থাকে ।২-৫। যেমন সকদিকে হয় না। এই অকিঞ্চনা আবিমার সামর্থ্য একবার বলােকন এককালে খ-সূর্য উদিত হইলে কোন স্থানেই হয় কর। একমাত্র বিবেকবুদ্ধিই প্রবপুর্বক উক্ত বিদ্যারূপিণ থাকে না, তদ্রুপ সর্বগত পরমা নৃ হইলে অবিদ্যা বিষয়বুদ্ধিকে ঝটিতি নিয়ে কষিতে সমর্থ হয়। স্রোত নিবারণ করিলে কী যেন এক হইয়া যায় সে এই * আলি পরক্ষাৎকার, আলশ বিক অমিদা নিত্রা কমিয়ে খালি মনােলণী কইয়া যায়। ফলশ। নিকট যেমন যোগব-রামায়ণ স্বয়ই বিলীন হইয়া যায় ইচ্ছামাত্রই অবিদ্যা, তাহার বিনাশই আবার কোন কার হইয়া থাকে ?” এরূৈপ ভাবনার অনুস মােহ রাঘব ! সঙ্কলমাত্রেই সেই যৌক্ষ সিদ্ধ হয়। মলাে- ব্যবহারে মুক্ত হইয়া যায়। ২৬-৩০। “আমি মাসনুন নহি, রূপ আকাণে বাসনারূপ বুজনী প্রদত হইলে ভিয়ালিতের অমিয়ও নহি, আমি সে ব্যতিরিক্ত পদার্থ” এইরূপ নি হােদয়েই অন্ধকার (গাং আবিদ্যাবরণ) দূরীত হইয়া যায়। ব্যক্তিই কৰি শব্দে অভিহিত হয়। যেন খচৰত যেমন সূর্য উদিত হইলে রাত্রি কোথায় চলিয়া যায়, সেইরূপ নভােনীলিমাকে প্রদীপ্ত স্বসঙ্কল্পবলে ভুনবী জনগণের মধ্যে বিবেক আবির্ভূত হইলে অবিদ্যা কোথায় বিলীন হইয়া যায় কেহ কেহ সুমেরু-শিখরজাত বৈদূর্যমণির (নীলবর্ণ মণি- সন্ধান থাকে না)। সায়ংকালে যেন দৃঢ়তা-ভাবলাকুলিত বিদেশের কান্তি বলিয়া স্থির করে, কেহ বা সূর্যকিরণদুর্ভেদ্য বালকের মনে বেতালসঙ্কল্প দৃরূপে-নিবন্ধ হয়, সেই দৃঢ়- অর্থস্থানবর্তী তিমিররাশি বলিয়া ভাবে, সেইরুপ অথবু বাসনা বলে এই সংসারবাসনা প্রগাঢ় হইয়া থাকে। ৬-১০। পুরুষের নিকটেই অবিদ্যা আত্মভিন্নপদার্থে আত্মভাবনরূপ এণে রাম কহিলে, ব্ৰহ্মন' যাহা কিছু দৃশ্য হইতেছে সমু- কলনা করে। হে রাঘব। প্রবুদ্ধ ব্যক্তির উপকার ভাবনা দয়বদ্যা। আকাবনাতেই ঐ অবিদ্যার ক্ষয় হইয়া থাকে, হয় না। রাম কহিলেন, ব্ৰহ্মন। আকাশের ঐ যে নীলিমা ইহা ও বিরাম, কিন্তু ঐ আকাকি প্রকার ? তা বলুন। বশিষ্ঠ ( আপনার কথার অভাসে বুঝিলাম) উহা সুমেরুত কহিলেন, বিদ্যাপ্তি রহিত অবিশ্যাবরণৱহিত সৰ্ব্বগামী যে নীলকান্তমণি কান্তিও নহে এবং তিমিরপ্রভা নহে, তবে চিন্ময়ুপ। তিনিই আত্মা, ভাইকেই পরমেশ্বর বলা হয়। ঐ নীলিমা কিরূপে হইল, অহা আমাকে বলুন। ৩০-৩৫ । হে অন্তু। ভূণ হইতে আরম্ভ করিয়া ব্রহ্মাণ্ড পৰ্য্যন্তু এই সময় বশিষ্ঠ কহিলেন, আকাশের যে নীলত্ব একটীগুণ তা বলা যাইতে জগই সর্বদা আত্মা বলিয়| কথিত হয়, অবিদ্যনামক কোন পারে না, যেহেতু আকাশ শূন্যস্বরূপ; সুমেৰুপৰ্ব্বতে অপরও পার্থ নই। এই সমুদয়ই নিত্য অক্ষত চিন্ময় ব্ৰহ্ম , মনােনামে পাগাদি আছে, তাহার প্রভা যখন আকাশে নাই, তখন নীল- কান কল্পনাই বিদ্যমান নাই। (উহা মিথ্যা) এই গয়ে কান্তমণির প্রভা কিরূপে হইবে। আকাশের ঐ-নীলিমা অন্ধ- কিছুই জানে না বা মরে না। বাস্তবিক এই দৃশ্য বিকারা কারও নহে, কারণ তদুপরি তেজোম ব্রহ্মাণ্ড রহিয়াছে। তদীয় পদার্থের কুত্রাপি সত্তা নাই। ১১-১৫। কেবল প্রকাশ তেজও চতুর্দিকে প্রশ্ন এবং অন্তমধ্যবর্তী আকাশের পরপারেও সাক্ষাত সরূপ অক্ষত বিষয়রিহিত চিত্ৰই বিদ্যমান প্রকাশভাবে অবস্থিত (সুত্রঃ ঐখুলে অন্ধকার থাকা সম্ভবপর , আছেন। নিত্য, বিস্তৃত, শুদ্ধ, উপদ্রবহীন, শান্ত, নির্বিকার- নহে)। হে শ্ৰীম। উহাকেবল শূন্যই ঐরূপে লক্ষিত হই- অবে সমুদিত নিত্য সেই পরমাত্ময় সাবরণ এই চিৎ জড়-দৃশ্য তেছে। উহা ঠিক অবিদ্যারই অনুরূপ, কারণ অবিদ্যাও অসন্ময়ী বিষন্ন কল্পনা করিয়া বিচরণ করে, সেই সুবরণ চিৎকে নন বল উহাও অসন্ময়। উহা সূৰ্য্যদুর্ভেদ্য অন্ধকার হইতে পারে না, তাহার ; যেমন জল হইতে তরঙ্গ উখিত হয়, সেইরূপ সৰ্বগ কারণ সূর্যরশ্মি যেস্থানে যাইতে পারে না, তথায় দৃষ্টিশক্তি কিরপে সর্বশক্তিমান্ মখা এই পরমাত্মদেব হইত বিভাগ সঙ্কলন- যাইবে? অতএব উহা আকাশেরই সহজনীলিমা বলিয়া বােধ শক্তি উথিত হইয়াছে। ফলতঃ এই সংসার সঙ্কজবলেই পর- হয় । ফলতঃ ইহার তত্ত্ব অবগত হইলে উতে আর নালিন। মাত্মায় প্রসিদ্ধ (সত্যরূপে প্রতিভাত হইয়াছে। যে হেতু বুদ্ধি থাকিবে না ( শূন্য বলিয়া বোধ হইবে)। অবিদ্য-তিমির এক বিভক্ত শান্ত সেই পরমাত্মাই আছেন অঙ্গ কিছুই নাই। ঐরূপু। ৩৬–৪০। বুধগণকর্তৃক অসঙ্কলই অবিদ্যার নিগ্রহ ১৬-২০। যেমন অগ্নিশিখা বায়ু হইতে উৎপন্ন হই আবার বসিয়া কথিত হয়। গগনপদ্মিনী স্থলে ঐরূপ অল্প ! ইহা বায়ু দ্বারাই নষ্ট হয়, তেমনি সঙ্করসিদ্ধ এই সংসার সঙ্গেই বস্তুতপদ্ম নহে এইরূপ) সহজেই হইয়া থাকে। সাধাে । আবার নষ্ট হইয়া যায়। এই সংসাররূপ অবিদ্যা পুরুষপ্রষত্ব- এই যে জগন্ম হইয়াছে, ইহাও ঐ আকাশনীলিমৰং জানিবে । সিদ্ধ অঞ্চলবলেই ভােগাশারূপে পরিণত হইয়াছে, আবার পুরুষ- ঐরূপ ভ্রমদৃষ্ট জগতের পুনর্ধারণ কল্যাণকর। যেন স্বপ্নে প্রসিদ্ধ আত্মসাক্ষাতকায়ে পৰ্যবসায়ী উক্ত সঙ্কল্পের এভাবেই আমি হইলা, এইরূপ সঙ্কর্নেলৈ ভগষস্থায় বাস্তবিকই মরণ- বিলীন হইয়া থাকে। মূন আমি ব্ৰহ্ম ন” এইরূপ সুদৃঢ় দুঃখ প্রাপ্ত হয়, আবার যেমন “বুদ্ধ হইলাম” এইরুপ সম্বন্ধে সঙ্গে যুদ্ধ ও “মই ব্ৰহ্ম” এই প্রকার সঙ্কজেই মুক্ত সুখ (অখদুধের উচ্ছে) প্রাপ্ত হয়; মন সেইরূপ হে- সক্ষই পরমু, বুদ্ধ, সকলই মুক্তি, অতএব সঙ্ক এ স(েএই গম্ভাবনারূপ ভ্রমগয়ে) , অবােধ-সঙ্কল্পে (ব্রহ্ম- করিয়া যখভিলৰি কাৰ্য্য কর। যেমন বালকে ইচ্ছাবিলাসে ঐরূপ ভিন্ন আর কিছুই নাই এই সঙ্কয়ে)বােধের নিমিত্ত ধাবিত হয়। অসভ্য কল্পনা করে যে, এই স্থির আকাশপণিীতে সুবর্ণপদ্ম “আমি অ এই সম্বল দৃঢ় হইলে এৰিষ্যা নিত্যা বলিয়া সমুজিত বিকশিত হইয়াছে। এই গল্পেৰু সৌরভে চতুর্দিকে আমােদিত, হয়, উক্ত সলে বিরণে (অর্থাৎ সমগনার মূলেছেন। বৈদূর্যমণিম মরকুল উহার উপরে চঞ্চলভাবে অবস্থান করি- ঐ অবিদ্যা নারীরূপে পর্যবসিত হয়। এই নিখিল জগৎপথের ভেছে,ঐ পদ্মিনী মৃণালরূপ বিশাল বহুমগুল প্রসারিত করিয়া ভাবনাপিণী এই বাংলা সন্ধীর নােহজননী, যা আত্মদর্শন চত্রের রখিমণ্ডলকে উপহাস করিতেছে”। তেমনি মূলােকে না ঘটে, তৰং উ উত্তন্নোত ৰতি হইতে থাকে। আত্মণ বনকারিণ এই চপল। অবিদ্যাকে অনন্তঃখের এই ফল উহার বিনাশ ঘটি থাকে। ১-৬। যেমন মন্ত্রিগণ ক্ষণে কানা করিয়াছে। ২১। লবলে ঐরূপে মাজার আজ্ঞই দিত করে, সেই মন যে বিষয়ের অবিন্যাবলােকনকারী ব্যক্তিগণ আমি , আমি অতি দুঃখী, অনুসন্ধান করে, সমূল ইত্রিভূতি জমাৎ তাহাই সকল অমি;আমি হপদাদিম” এই প্রকার আকার অনুযায়ী কয়ে। সেই কার এ কি সির এই হয় এবং “আমি দুঃখীনহি, আমার সেই অংমেনে নিয়ে, ইখতি- ৩ • ।
৭১-৭। ৫৫ আমার এই দ্রব্য ও আমি এই দুইটা কাৰ্যরূপ রাগ অঞ্জনা (অর্থাৎ আসক্তি) হইবে না। তুমি যদি উৎপ-এয়ণ ভ করে। প্রথমে বাহার অভাব অহায় অস্তিত্ব 'কখন হয় প্রগণিসময়েও (ঐ অবাৰলে) সর্বনগর নির্মাণপতল, কা। যাহা কিছু ই হইতে, তৎসমুখৰ একমাত্ৰ অনিন্দিত উৎপল ও সম প্রভৃতি সুখদুঃখপ্রদ বিচিত্র ব্যাপারসমূহ শীত ব্ৰহ্ম। এই এল মাতিকে এইরূপ নির্বিকার এনানি অনুভূত হয়। ৭০। যদি এই অৰিদ্যা চিমধ্যে সংসার- অসঙ্কোচহীন (পুর্ণ) মনীয় পদার্থ কোথাও কেহ কি কখন বাসনা উপস্থিত না করে, তাহা হইলে কি এইরূপ আশ্রং ও স্বা এত্যক্ষ কমিগছেন? ৪৭-৫। এব বহুপূর্বক নিপুণ বুলি বাণীর সমুদয় আত্মার উপর এই প্রকার অপদ উপস্থিত করিতে উপযুক্ত পুরুষকার আশ্রয় করিচিত্ত হইতে ভাগাশাবিষয়ক পারে। মিথ্যাঞ্জনবুদ্ধি প্রাপ্ত হইলে স্বপ্নময় উপবন ভূমিতেও ভাবনা একেবারে সমুলে উচ্ছে করিবে। অষয়ণের হেতুভূত যৌৱষ অবীচি প্রভৃতি নরকের এক যা অনুভূত হয়। যে পরমমােহ সমূলিত হইয়া থাকে, তাহাই আশপাশ মন অবিদ্যাবিদ্ধ হইয়া মৃণালভন্তুতেও কলমধ্যে নিখিল বাসরূপে প্রকাশিত হয়। এই আমার পুত্র, এই আমার সংসারসাগরের অনর্থ বিভৃগুণ অবলােকন করিয়া থাকে অবিদ্যা- ধ, এই সেই আমি, এই আমার (গৃহাদি )” এইরূপ ইন্দ্রজালা- বিকশিতচিত্ত হইয়া রাজস্থিত নরগণও তথাবি অবমই কারে বাসনা বিগলিত হইতে থাকে। যেমন বায়ুবেগে অলত অবােগ্য চণ্ডাল হইয়া রাজ্যহির্ভূত হইয়া থাকে । অতএব কখন কখন অহির আকার ধারণ করে, সেইরূপ শূন্য এই শরীর- হে রাম। তুমি বন্ধনী সর্বরাগময়ী বাসনা পরিত্যাগ করিয়া মধ্যে সামান্য এই বাসনা অহাবরূপ চঞ্চলসর্পাকার অর্পণ ফটিকমণির ন্যায় রাগহীন হইয়া অবস্থান কর । করিয়া থাকে। হে রাম। তুমি এক্ষণে নিতত্ব অবগত বিচিত্র প্রতিবিম্বগ্রাহী স্ফটিকমণির ন্যায় তােমার কাৰ্য্য থাকিলেও হইয়াছ, তুমি জানিবে কিছুই নয়। আত্মতত্ত্ব ব্যতিরেকে অপর সত্য পদার্থ আর কদাচ ভবিৎসমাজে দৃঢ় ব্ৰহ্মাহস্তাব নিয়ে উজ্জ্বল সমদৃষ্টিপ্রদায়িনী কিছুই দৃষ্ট হয় না। ৫১-৫। সর্গ, আকাশ, পৃথিবী, পর্বত ও সুশীলতাবিধায়িনী অনাসঙ্গবুদ্ধিতে ব্যবহার কর, তাহা হইলে নদী প্রভৃতি পদার্থসম পুনঃপুনঃ দৃষ্টিসৃষ্টি হইতে উৎপন্ন তােমার অবিদ্যালযুক্ত জখমরণাদি-বিভ্রম আর থাকিবে না (নিত্য হইতেছে, অর্থাৎ ভ্ৰমমাত্র। সেই দৃষ্টিসৃষ্টি-রূপিণ অবিদ্যা নব নব মুক্ত স্বরূপ হইৰে) এবং (জীবন্মুক্ত মহাপ্রভাসম্পন্ন হরি হর বা কপে ক্রীড়া করে, সঙ্কমাত্রেই তাহার কাৰ্য্যরূপে উদয় হয় এবং ব্রহ্মা ) কাহারও সহিত আর তোমার উপমা হইবে না ৭৬,৭০। আত্মসাক্ষাৎকারেই লয় হইয়া থাকে। বুজুতে সর্পভ্রমের ন্যায় চতুর্দশাধিকশততম সর্গ সমা।১১৬ সত্য পদার্থ আয় করিয়া অবিদ্যাজনিত পদার্থের প্রকাশ হয়। হে রাঘব। অজ্ঞব্যক্তির নিকট আকাশ, পর্বত, সমুদ্র, পৃথিবী ও নদী প্রভৃতি পদার্থত্মিক এই যে অবিদ্যা উদিত হয়, জ্ঞান- পঞ্চদশধিকশততম সর্গ । বানের ঐ অবিদ নাই, তাঁহার নিকট তাঁহার নিজ মহিমায় উহা ব্ৰহ্মৰূপে পৰ্য্যবসিত হয়। রজু ও সর্পের বিকল্পধয় অ- বামীকি কহিলেন,-মহাত্মা ভগবান্ বশিষ্ট এইরূপ বলি ব্যক্তিই কল্পনা করিয়া থাকে, জ্ঞানবান্ কেবল এক অকৃত্রিমা পদ্মপলাশলােচন আম যেন উন্মীলিত হইলেন। তৎকালে ব্রহ্মবৃষ্টিই স্থির করেন। অতএব তুমি অজ্ঞ হইও না প্রাজ্ঞ হও, অহার অন্তঃকরণ বিকসিত হইল। সূৰ্য্যদর্শনে অন্ধকার ক্ষয়প্রাপ্ত সংসারণান্ম-দুৱ কুর-আত্মভিন্নে আভালনা করিয়া অজ্ঞের হইলে পদ্ম যেরূপ প্রমােণত হইয়া শােভা ধারণ করে, তিনি উক্ত ন্যায় কেন দেন করিতেছ? —৬। হেয়াঘব। তােমার উলদেশে আশ্বস্ত হইয়া সেইরূপ শশাভিত হইলে অপূর্বজ্ঞান- এই মূক জমেহ কে? যাহার জন্য তুমি সুখ ও দুঃখ দ্বারা লাভজনিত বিস্ময়রসে মধুরক্ষিতদ্বারা অবদন হইয়া দশ- অবণীকৃত ও পূরিভূত হইতে? এমন কাষ্ঠ ও জতু এবং নাংশু-সুধাধৌত বক্ষ্যমাণ বাক্যাবলী বলিতে লাগিলেন। বাম বদর ও কুণ্ড পরস্পর সংশ্লিষ্ট হইলেও এক পদার্থ নহে, তেমনি কহিলেন,—কি আশ্চত। মূলধারা পর্বত বন্ধ হইল দেহ ও দেহ এক নহে। যেমন ভ্রন্ত (কর্মকার- দগ্ধা বাহার নিজের অস্তিত্ব নাই, সেই অবিদ্যাসলকে বশীভূত করিল হইলে তদন্তৰ্গত পন গল্প হয় না, সেইরূপ দেবনাশে আত্মনাশ ত্রিভুবনে (বিিেছ) এই সংসাৰ তৃণমাত্র হইয়াও অব্য- হয় না। হে রঘুকুলশ্রেষ্ঠ। এনি-আমি দুঃখী” এইরূপ বলে ববং দৃঢ় হইয়া উঠিল। যাহা অসৎ, অবিল্যাবলে তাহ। ভ্রান্তি মরীচি সয়াল রিয় উক্তি পন্ত্রিত্যাগ কর এবং সৎ হইয়া গড়াইল। ১-৫মহাত্মন। সুগ্রহপূর্বক আবার এই একমাত্র সত (পরে আশ্রয় গ্রহণ কর। কি আশ্চৰ্য্য। সংসার-নিদানত মায়ারূপ নদীর স্বরূপৰ্শন করিয়া আমার হৃদয়ে সভ্য পদার্থ যে , নরগণ তারা একেবারে বিস্মৃত হইয়াছে, দৃঢ় জ্ঞানের সঞ্চার করুন। আমার মনে আরও কৱেৰ সন্দেহ অৰিখ্য যে অসত্য পদার্থ তাহাই তাহাদের স্মৃতিপথ- রহিয়াছে, মহাভাগ। ঐ লবণ চুপতি কি এই ট। ৬১–৫। হে বুলুকুলশ্রেষ্ঠ। তুমি অবিদ্যাকে প্রসর ছিলেন? ব্ৰহ্ম! (তুকাঠের ন্যায় পরস্পর সংশ্লিষ্টও মেষের দিওনা (অবিদ্যার বশীভূত হইওন) চিত্ত বিক্রান্ত হইলে স্যায়) পরস্পর পরস্পর স্বাৱা আহত এই দেহ ও বৈলে মধ্যে অপার কষ্টে পড়িতে হয়। অনকারিণী মনােমণ্যাপারে পরী সংসারী এবং কেবা শুভাশুভ কর্মফলের খো? এবং চপল- দুঃখলানী মহামোহে পাৰক্ষিনী মিথ্যা এই অবিনা মুখময় কী সেই এলিফ, লবণপতিকে দেই যায় কি ন চৰিও মৌরকরক না করিয়া নরকবাসজনিত সাহস করিয়াই চলিয়া গেল কেন? ঐ ঐলিক কে? যশি দুঃখ অনুভ কইয়া থাকে। (ঐ অবিৗর এভাবে) অণ কৰিলে—এই দেহ ফারসান (চল সত্য আলাতুরিত কমপুলে নুতে সাত করা বই, চলে না, আমি रोजी, माजविला ফে। (' যােগণি-ৰামায়ণ ফয়াতে ভােসবে না) ।। (কিন্তু) চিত্ত চিংক্তিপ্রাপ্ত জনগণকে সর্ব দণি প্রদান করিলেন। সেইদিন অপরাহে ( চিন্মর সহিত অভিন্ন হইয়া জীৰত্ব প্রাপ্ত হয় এবং নরপতি সেই লি উপনমধ্যেই এবােধ (বাসৃষ্টি) প্রাপ্ত সংসারে অভিনিবিষ্ট হয়, ঐ চিত্ত বানরশিশুর গায় অতিঞ্চল হইলেন লৰণ রাজা এইরুপে সজষ্টমনে রাজজ্ঞেয় সমাপন অরি) জানিবে। ঐ চিত্তই কৰ্ম্মফল ভােগ করে এবং বহু করিলেন। সেই রে অনিষ্টকাও প্রাপ্ত হইলেন। এ হে প্রকায় শরীর ধারণ করত অহর, মন ও জীবনামে পরিকলিত রাঘব। চিত্তকেই মুখদুঃজেগকারী মানব বলিয়া এলিৰে এ হইয়া থাকে। হে রাখব। অপ্রবুদ্ধ অবস্থায় সেই মনেরই এই অহাকে পৰভার উপায় সভ্যপদার্থে যেথিত কর। হে বুধগণ। অনন্ত মুখ ও দুঃখ হইয়া থাকে। শরীরের কিছুই হয় না। ঐ এই মনােক্তপিপুরু কালালি-পরিচ্ছেশূন্য স্বাত্মকারপ্রল পরম জগন্ধ মনই বিধিসমুহ প্রাপ্ত ও নানা আখ্যায় অভিহিত আসনে প্রতিষ্ঠিত হইলে পূর্ণ হয়। এবং নশ্বর (পরিচ্ছি । এই বিচিত্র আকার ধারণ করে। যতদিন মন অজ্ঞানের দেবাদিদেশে প্রতিষ্ঠিত হইলে সেই ভাব প্রাপ্ত হইয়া বিনষ্ট হয় , আলােক প্রাপ্ত না হয়, ততদিনই তাহার নিদ্ৰাৰা, নিদ্রায় অতএব যাহাদের “আমি দেহ” ইত্যাকার নিশ্চয় বুহিয়াছে, তাহার সংসার-স্বপ্ন মনেরই অনুভূত হয়, প্রবুদ্ধ মন সংসারম্বন্ধ অনুভব থ্যে। মন পরম বিবেকরা সশপে প্রজ হইলে পত্রিবৃদ্ধি করে না। ১১-১৫। অজ্ঞান-নিদ্রারা ক্ষুছিত জীব (মন) (অর্থাৎ ব্রহ্মাহতাব প্রাপ্ত ব্যক্তির সমুদয় দুঃখ বিগলিত হয়। সভদিন না বােধ প্রাপ্ত হয়, তৎকাল পর্যন্ত এই দুর্ভেদ্য দিবাকরকিরণে পদ্ধসহ বিকসিত হইলে (তদস্তগত) এস্কেচ সংসারত্তরূপ ভ্রান্তি অবলােকন করে। যেমন দিবাভাগে ডা ও তিমির একেবারে প্রস্তু হইয়া যায়। ৩১-৩০। দিবাকরের আলােক নিপতিত হওয়ায় প্রদ্ধ অর্থাৎ বিকশিত পথ পাখিকণভস সর্গ সমাপ্ত।১১৫ ॥ কমলের অভ্যন্তরস্থ অন্ধকার দূরীভূত হয়, সেইরূপ প্রবুদ্ধ মনের নিখিলমঃ দূরীভূত হইয়া গায়। ভবিগণ যাহাকে চিত্ত, অবিদ্য, মন, জীব, ও বাসনা নামে এবং কৰ্ম্মাত্মনামে অভিহিত কবিয়াছেন, সেই দেহই দুঃখ অনুভব করিয়া থাকে। যােড়শাধিকশততম সর্গ। দেহ দুঃখভোগ করিতে পারে না দেহীই অবিচারবশত দুঃ রাম কহিলেন, প্রভো। লবণ ভুপতি চণ্ডাল-ভাব-প্রাপ্তি মেগ করিয়া থাকে, বিচারের অভাবও প্রগাঢ় অনবশ ঘটিয়া লনাকারী ঐন্দ্রজালিকের যে রাজসূয়-যqে থাকে, সুভদ্রাং অফানই দুঃখের মূল, যেমন কৌশেয় কোশকার- অনিষ্টল প্রাপ্ত হইলেন, এ বিষয়ে প্রমাণ কি? বশিই কীট, তারকাট উঁতপােকা) কোশে আবদ্ধ হয়, সেইরূপ কহিলেন,-যখন শাম্বরিক (ঐজালিক , লবণ নৃপতির ভাষ অব একমাত্র অবিবেকদোষেই বদ্ধ হইয়া শুভ ও অশুভ ধৰ্ম্মসমূহের উপস্থিত হয়, তখন আমি তথায় ছিলাম, এ্যক্ষ দেখিছি । বিষয় হইয়া থাকে। ১৬—১০। অবিবেককপ রােগে আবদ্ধ ভারপর শাশ্বরিক তথা হইতে চালয়া গেলে লবণ ও সভ্যগণ বিবিধ-বুভিবিষ্ট মন নানাবিধ আকারে বিহার করত এক যত্নপৰ্ব্বক আমাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন। “মহাশ, এ ভ্রমণ করিয়া দেয়। এই শরীরে মনই উন্নত হয়, চীৎকারনি কিরূপ ব্যাপার ?” আমি ধ্যানলে অবগত হইয়া শরিকে করে, হিংসাকরে, ভােজন করে, গমন করে, আস্ফালন করে ব্যাপার তাহাদিগকে যাহা বলিয়াছিলাম, মা তােমাকেও এবং নিন্দা করে। শরীরের কখনই সেইরূপ কৰিবার সামর্থ্য অহা বলিতেছি এবং কর । যাহারা রাষজ্ঞ করে হয় না। হে রাম। গৃহম গৃহপতি বোন বিবিধ প্রকারে তাহার দ্বাদশ সরকাল নানাবিধ যন্ত্রণাসহ আপদদুঃখ প্রক চেষ্টাসমন্বিত হয়, অড়গহ কখনই সেই হইতে পারে না , হয়। হে রাম। এই কারণে দেবরাজ ইন্দ্র লবণ ভুপতিকে দুঃখ তদ্রুপ এই দেহরুপ গৃহের মধ্যে সব নানাবিধ চেষ্টা করিয়া দিবার জন্য স্বর্গ হইতে স্বরিকের আকারে দেবদূত পাঠাইয়- থাকে, কিন্তু দেহেয় তাদৃশ চেষ্টার সামর্থ্য নাই। সর্বপ্রকার ছিলেন। সেই শারিকরূপী দেবদূত জন্ম-ক্রিয়াকও। লবণকে সুখদুঃখ ও সর্বপ্রকার ব্যাপারে মনই কর্তা ও তৎফলভােতা, মহতী পদ প্রদান করিয়া মুরগণ ও সিদ্ধগণের আশ্রয়হান মনকেই মানৰ নিৰে । ঐ লবণ মেরুপে নে িবশত স্বর্গে প্রস্থান করিল। হে রাম। ইহা যে প্রত্যক্ষ সে বিষয়ে চঞ্জল প্রাপ্ত হইয়াছে, সেই উত্তম বৃত্তান্ত তােমাকে কহিতেছি কোন সন্দেহ নাই। মই বিলক্ষণ ক্রিয়ার কর্তা ও ভােজ । শ্রবণ কর। ২০-২৫। হে ৰ। মনই এত অশুভ ফল অতএৰ সেই চিন্তকে (হঠযােগ দ্বারা) ঘূর্ব করিয়া রাযােগ তাে করেই নিশ্চয়ই বুঝিচ্ছে; ইহা যেরূপ বুঝিছে,সেইরূপ দ্বারা সংশোধন কর, পরে আপেরুকণা যেমন বিলীন হয়, বন্ত অবণ কর। হে ! হরিচ-কুলসভূত লবণ পুর্বে সেইরূপ বিকেলে মনকে বিলয় প্রাপ্ত কর। তাহা হইলে পরম- একান্তে উপবি হইয়া মনে মনে বহুকাল চিন্তা করিয়াছিলেন যে, মঙ্গল প্রাপ্ত হইৰে। চিত্তকেই সকল ভূতম্বৰূপ মহাড়ম্বকারিণী মদীর পিতা রাজসজ্ঞ করিয়াছিলেন এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন, অবিদ্যা বলিয়া অনিবে, এই চিত্তপিণ অবিদ্যাই বিবিধ-বিচিত্র- আমি তাহার কণে জন্মিয়াছি, আমিও সেইরূপ যজ্ঞ কৰিব বশ্বভাবশ্বৰূপৰে ইল অর্থাৎ বাসনা তাহার কারা এই এই স্থিৰ কবিয়া মনে মনে এ্যাদি মোজন করিলেন। রায়- এ উৎপাদিত করে। যেমন রক্তও একই, কেবল নাম- দীক্ষিত হয় অন্য ঋষিগণকে আহবান করিলেন, সাধু ও মাত্র ভিন, সেইরূপ আবিদ্যা, চিত্ত, জীব ও বুদ্ধি একই, অর্থগত মুনিগণকে পূজা করিলেন এবং দেবগণের আমন্ত্রণপূর্বক ৰহি ইহাদের কোন পার্থক নাই। এই সমুদয় অবগত হইয়া চি যান। ২৬-৩০। মনে মনে উপবনের মধ্যে কল্পনা পরিত্যাগ কর। চিত্তনৈর্মল্যরুপ মণ্ডল উদিত হইলে করিতে করিতে , বিজিদ্বিগের বিনিত বিলের বসবে। খেৰ উহা কাল অতীত হইল। বলতে কি কৃতি ফুয়া লে ফুন, কয় করা যায় না, যা গলিগ T উৎপত্তি। করা যায় না এবং যাহা মূত হয় না তা পদার্থ নাই। যখন পুরুষের বিল্যা গ্রহণ ও গণের অনুসরণ করা উচিত। ঘর ময়ই আত্মীয় ও সকলই পৰকীয়, তখন সমস্তই সর্বপদবাচ্য পরে তােমায় হায় সেই পুরুষই ক্রমে বিবেক-বৈক্সগ্যাদি শখ হইতে গরে ইয়াই নিসার্থ। যেমন অপৰু (কঁচা) বিভিন্ন সম্পন্ন হইতে পারে। পুরু টিভিতে সংসার হেয়, মাই নানা জাতীয় মৃত্তিকা এলে রাখিলে গলিয়া একপিকার উপাদেয়; এশিখ বিচার একমাত্র স্বচ্ছ নিল) সৃষ্টিকারই ব্যথিত হয়,সেইরুপ (অবিদার) দৃশ্য-পদার্থসমূহ এবং সেই পদার্থ হয়। যে পুরুষ উক্ত একর বিচরণালী বিল সশসম্পন্ন সমূহৰিষয়ক বিভিন্ন বৃত্তিরূপ বােধ ও তদুপহিত জীবসমূহ এক- ব্রাহ্মণাদি আৰ্যজাতীয় ও বীর প্রকৃতি, জিন প্রকৃত অধিকারী গিয়ত্ব অর্থাৎ ব্রহ্মময় একরসত্ব প্রাপ্ত হয়। রাম কহিলেন, তাদৃশ পুরুষেই পরমপুরুথসাধিনী চিত্ত, প্রকাশকারিণ এগুবিধ মহাত্মন! এইরূপে মনঃক্ষর হইলে সমুদয় সুখ ও দুঃখের যােগভূমিকা জানলে যথাক্রমে অবতীর্ণ হইয়া থাকে। ২১-২৪। অবধিলাভ করা যায়, আপনি ইহা কহিলেন সত্য, কিন্তু চপলবৃত্তি বােড়বিক সর্গ সমাগু। ১১। রূপ মনের ঐরূপ ক্ষয় কিরূপে হইতে পারে?। ৬-১০। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে মধুকুলচন্দ্র । মনের প্রশমনে যুক্তি এবণ কর, ৱে সুৱ সন্ধি অবগত হইতে পারিলে স্ব স্ব ইন্দ্রিয় ব্যাপরের সব কিততম সর্গ। বল অর্থাৎ অৰিষনএ-এনেহি ৰাজিত কলিরিবে। এই কাজে সর্বভূতের ক্ষেত্রবির রাম কহিলেন-হে ভগব। হে নিখিল তবিবর। আপনি উত্তি তাহা পূর্বে বলা হইয়াছে। শহর মধ্যে প্রথম মন যে পুরুষার্থসাধিনী সপ্তপ্রকার যোগ-ভূমির কথা বলিলেন, উহা সক্ষর “আমি চতুর্মুখ দেহবান” এই প্রকার রোণিণকমন, কি প্রকার তাহা আমার নিকট সংক্ষেপে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, তাহাই পুনঃসঙ্গময়ী হইয়া যাহা অবলোকন করে, তাহাকেই জ্ঞানভুমি যেমন সপ্তপদা, অজ্ঞানভূমিও সেইরূপ সপ্তপদ্ম, ইহাদের এই জগং প্রপন, বহে। সেই জগৎপ্রপঞ্চে চতুর্মুখব্রহ্মাই আরও অসংখ্য পদান্তর আছে। পুরুষের অষত্ব বা কল্পনাবি। অবিদ্যা আবাৰ জন্ম, মৃত্যু, সুখ, দুঃখ, মোহ প্রভৃতি প্রবৃত্তি এবং ভােগাভিলাষের দৃঢ়তা হইতেই এই অজ্ঞানভূমি বিচিত্র সংসার কল্পনা করত দেবানুর প্রভৃর্তি নানাবিধ আখ্যাবিস্তার উৎপন্ন হইয়া থাকে। শাস্ত্রানুমত সাধন-চতুষ্টয়সম্পন্ন শ্ৰৰণ- পূর্লক চতুসহ শুকল্প অবস্থান করে, পরে আপনিই আপে জিম- মনদি ব্যাপার হইতে জ্ঞানভূমির উৎপত্তি। অধিষ্ঠান লনার ন্যায় অনন্তণায়ী নারায়ণে লয়-প্রাপ্ত হয়। আবার যখন ব্ৰহ্মসত্তার উৎকর্ষের অধীন যে আত্মসালাভ ইহা উভয়েরই সৃষ্টিকাল উপস্থিত হয়, তখন সেই প্রাক্তনীকল্পনা ভগবানের কারণ—উক্ত স্ব-স্ব কারণে আনভূমি ও অজ্ঞানভূমি, যথাক্রমে নাভিপদ হইতে আবির্ভূত হইয়া অন্য প্রকারে (কন্সাৰীয় ভিন্ন মুক্তিজনিত নিরতিশয় আনন্দ-প্রাপ্তিরূপ এবং সংসারস্থিতি সৃষ্টিকাপ উৎপন্ন হয় আবার বিলীন হয়, উক্তকল্পনারূপিণী অবিদ্যা নিবন্ধন দুঃপ্তিরূপ ফল ফলিয়া থাকে। ইহাদের মধ্যে এইপে নান উৎপন্ন হইয়া সংসারৰূপে পরিণতি লাভ করত। সপ্তবিধ অজ্ঞানভূমির বিষয়ই অগ্রে শ্রবণ কর, তাহার পরে সঞ্জ- আবার স্বর্ণংহ নিও হয়। ১৯১৫। এই ব্রহ্মাণ্ডমধ্যেই আরও। প্রকার জ্ঞানভূমিবিষয় শ্রবণ করিবে। ব্ৰহ্মরূপে অবস্থিতি নাম কত কোটিঙ্গা অতীত ইয়া গিয়াছে, হইতেছে ও হইবে, জি, অহার অভাবকে অহাৰ (আমিত্বজ্ঞান) ৰা বন্ধ কবে, অপবাপর বহ্মাণ্ডেও এইরূপ কত অনন্ত অসংখ্যব্রহ্মা অতীত | ভজজ্ঞত্ব (ব্রহ্মজ্ঞান) ও তত্বের ব্রহ্মজ্ঞানের) এই সংক্ষিপ্ত হইয়াছে, হইতেছ ও হইবে, তাহার ইয়ত্তা করা যায় না। উক্ত | লক্ষণ কহিলাম। ১৫। যাহারা ৰাগ ও ঘেষে একেবারেই বী প্রকারে সমষ্টিকল্পনা অর্থাৎ সমষ্টিভূত অবিদ্যা পরমাত্মায় বিদ্যমান, { ভূত না হওয়ায় শুদ্ধ সম্মত্র () জ্ঞানস্বরূপ হইতে বিচলিত হয় সেই পরমাত্মৰূপী ঈ হইতে সমাগত বৃষ্টিরূপে প্রত্যেক জীৰ না, তাহাদেৱ অজ্ঞত্ব (কাচ) সৰে না। স্বরূপের (মেল) যেকপে জীবন ধারণ করে ও মুক্ত হয়, তাহা শ্রবণ কর। 'ব্রহ্মা | পরিভ্রংশ (অর্থাৎ অজ্ঞান)হেতু চেভ অর্থে য়েরূপ এত অর্গ | সমষ্টি জীবের সংস্কারমাত্রাবশিষ্ট শনশক্তি আবিত ' অসত্য পদার্থে)চিয়ি (ব্রিহ্মের) যে মজন (ময় হওয়া ইয়া, সম্মুখােপনত শব্দতন্মাত্ৰাত্মক আকাশ-শক্তি অবলম্বন- আচ্ছালিত ওয়া অর্থাৎ অজ্ঞান) ইহা অপেক্ষা অন্য মােহ পূর্বক স্পষ্মী স্পর্শ পল-শক্তির অনুগামিনী আর হয় নাই হইৰেও না অর্থাৎ ইহাই বিষম মােহ। চিৎ হইয়া ঘনীভূত সম্বল মুর্ভিধারণ করে। এখার পলে সম্মুখ যখন এক এক বিষয় হইতে ঝিনুৱে গমন করে, তখন এife রূপ, রস ও গন্ধ তন্মাত্ৰভাব প্রাপ্ত হয়। উক্তক্রমে অপীকৃত পূৰ্ব্ব বিষয়ভ্যাগপূর্বক বিষয়ারে গমনকালে চিত্তের যে মানহীন ভূতপঞ্চকে পত্ৰখৰূপ প্রাপ্ত হইয়া অকরণ অর্থাৎ অবস্থা তাকে শপস্থিতি কহে। যখন সর্বপ্রকার সকল প্রশান্ত মন, বুদ্ধি, অহঙ্কার ও চিত্ত এই একান্ত ব্যবহারের বী(জীবের হইয়া, জাভ-নিদ্রা যখন নাই, তখন পরহ্মের শিলাবৎ উপাধিত্ব) প্রাপ্ত হয়, অনন্তয় পঞ্চতত্ররূপে এ পরিপূ নিভাৰে যে অবস্থান, অহা পস্থিতি নামে অভিহিত হয়। উক্ত মনঃশক্তি পক্ষীকৃত স্কুল প্রকৃতি হইয়া পঞ্চীত গগন, অন্তরে আমিত্ব Rশ ও বাহিরে ভেদবুদ্ধি যখন একেবারে পবন ভেজেরূপে সন্ধজিত হওয়ায়, ক্রমে নীহায় বা বৃষ্টি, এশাইয়া গিয়াছে অর্থাৎ সমস্তই বিশ হইয়াছে, অন প্রভৃতি জরিপে পৰিণত হইয়া, শালিপ্রভৃতি শৰে অকুরে জাড্যাহিত ৰে চিৎ কাশমান এই প্রবেশ করত এক্সপে পরিণত হয়। পরে সেই পুরবক বলা হয় ।। অরূপে অবস্থিত সেই চৈতহে ৰে অজ্ঞান ভুক্ত হইলে, শুক্ররূপে পরিণত হইয়া সীমােনিতে নিষিক্ত হয় আরোপিত হয়, সেই ভূমিসকল শ্রবণ ; সীগৎ এবং গর্ভকালে পরিণত হয় কে স, হইতে উৎপন্ন আগু, মুহা, গু দুরে হইয়া পুরুষ হয়। ১২। হল্যকল ইইতেই সপ্ত প্রকার মােহই পুনর্বার পরস্পর ব্লিউ হয় অনেকৰিবা, - ১ যােগবাণিষ্ঠ রামায়ণ হাফের প্রত্যেকের লক্ষণ এবণ কর। প্রথমে মাসলিত অদিশাধিক শততম ? চৈতন্য চিদাভাসসম্বলিত আখ্যারহিত নির্মল সে স্বরূপ, ভবিষ্যৎ চিত্ত, জীব প্রভৃতিরও তাণের বীজরূপে অবস্থিত থাকে। তাহাকে বিষয় শ্রবণ কর। এই জ্ঞানভূমি অবগত হইতে পারিলে, পুনর্বার কহিলেন-হে অনখ। এক্ষণে সপ্তপয় জ্ঞানভূমির বীজজাগ্ৰৎ বলা হয়। ইহাকেই জ্ঞপ্তির অলি বা কহে, আর মােহপঙ্ক নিমখ হইবে না, যোগশংখ্যবরুথিগণ (অপর) এক্ষণে আৎ কাহাকে বলে তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। নক বহুবিধ যােগভূমি বলিয়া থাকেন। আমার মতে এই জ্ঞান- প্রসূত উক্ত বীজ জাগ্রস্থ অবস্থার পর “এই স্থূল-দেহ আনি, এই ভূমিই নিশ্চিত শুভফলপ্রদ। এই সপ্তভূমির আনকে বুধগণ দেহভােগ্য বিষয়সমূহ আমারই” ইত্যাকার যে প্রত্যয় (বিশ্বাস), অবােধ বলিয়া থাকেন, এই সপ্তভূমির জ্ঞানদ্বারা মুক্তিই য়ে, ভােক অগ্রি কহে। ১১-১৫। এই সেই আমি, এই সমুদয় ইহা কথিত হইয়াছে। সত্যৰবােধ (সত্যস্বরূপের জ্ঞান ও আমার” এবংৰিখ জাগ্রপ্রত্যয়ের অভ্যাস বশ দৃঢ়, যে দৃঢ়তা, মােক্ষ ইহা এক পৰ্যায়মাত্র জীব মুক্ত হইয়াছে, আর সত্য- তাহাকে মহাজাগ্র কহে। অনভ্যাসনিল মুছু অদৃঢ় অথবা স্বরূপের বােধপ্রাপ্ত হইয়াছে, ইহা একই কথা, কারণ উভয়ই অভ্যাসৰুণ দৃঢ় জাগ্রতের যে মাক মনােরজ্য, তাহা জাগ্রৎ- তাহার আর অঙ্কুরােদয়ও হয় না। প্রথমা জ্ঞানভূমির নাম শুভেচ্ছা, সুপ্ত বলিয়া কথিত হয়। আকাশে চন্দ্র, ভক্তিকায় রৌপ্য ও (১ দ্বিতীয় অনভূমি নম বিচার (১), তৃতীয়ার নাম মরীচিকায় সলিল ইত্যাদি ভ্রান্তি ভেদে উক্ত জাগ্রৎস্বপ্ন অনেক পঞ্চমীর নাম সিং। পুনঃ পুনঃ অভ্যাসবশে স্বপ্ন জাগ্রস্তাব প্রাপ্ত হইয়া জুমান ৩), চতুর্থীর নাম সভাপত্তি ( ৪ অসংসক্তি (৫), ষষ্ঠীর নাম পদার্থভা (৬', এবং সুগ্রী অনেকবি হইয়া থাকে। নিদ্রিত অবস্থায় বা নিদ্রার অবসানে এই মাত্র আমি ইহা দেখিলাম, ইহা সত্য নহে এইরুপ স্বল্প জ্ঞানভুমির নাম ভুগ। (৭)। ১-৬। এই সপ্তপ্রকার স্থান- ভূমির অবসানেই মুক্তিলাভ হয়, মুক্তিলাভ হইলে আর শােক কলে অনুত বিষয়ে যে বিশ্বাস, তাহাকে সুরু কহে। মহা করিতে হয় না। এই ভূমিকাসকলের প্রত্যেকের পৃথক পৃথক গঙ্গবন্ধুর খুলশরীরের হৃদয়মধ্যে অর্থাৎ কাদিহৃদয়ান্স নাড়ী- লক্ষণ কহিতেছি শ্রবণ কর। প্রথমে বৈরাগ্যোলয় হওয়ার ‘আমি এদেশে ঐ কাপ্ত সম্পাদিত হইয়া থাকে। এই অন্য স্কুল শরীয় কেন মুঢ় হইয়াই রহিয়াছি ? (এইরূপে থাকিব না। আমি ও স্বপ্নের একেবারে আদৃষ্ট খাকায়, উহা অকালে ফুল থাকে না। ও শারে সাহায্যে ঈশ্বরসাযুজ্য লাভ করিব" এই প্রকার ( দৃঢ় অভিনিবেশবশে বা চিরকালের জন্য স্থায়িত্ব কল্পনায় পরি- যে ইচ্ছা, বুবগণ তাহাকে শুভেচ্ছা (১) বলিয়া থাকেন। শম পুষ্টি প্রাপ্ত হইয়া স্বপ্ন যখন জাগ্ৰাৰেপরিণত হইয়া মহাজাগরে সমাপ্রাপ্ত হয় , দেহের কোন ক্ষতি হউক বা নাই হউক, তখন প্রবৃত্তি তাহাকে বিচারণা। বলে। শুভেচ্ছা ও বিচারণ। সজ্জনের সম্পর্কে। সাহায্য) বৈরাগ্যাভ্যাস-পুক যে সদাচার । তাহাকে স্বপ্নজগ্র কহে ১৬—১০। প্রথমােক ষডুবিধঅবস্থা দ্বারা ইন্দ্রিয়ার্থ (শব্দাদি বিষয়ে যে অনুসঙি তাহাকে জু- পরিত্যাগ করিলে জীবের যে অড়রূপে অবস্থিতি, তাহাকে সুষুপ্তি মানস (৩ কহে। ঐ অবস্থায় মন ক্ষীণ হয় বলিয়া উহার হে। ঐ সময়ে কেবল ভবিষং দুঃখের বােধক বাকাৰ্যই নাম অনুমানস হইয়াছে । শব্দের অর্থ ক্ষীণ )। ৭-১০। বিদ্যমান থাকে। ঐ অবস্থায় এই তৃণ, গে, শিলা প্রভৃতি ঐ ভূমিকালয়ের অভ্যাসবশতঃ বাঙ্কবিষয় হইতে চিত্তের বিরতি সমুদয় পদার্থ পরমাণুরূপে অবস্থান করে। হে রাঘব ! তােমা হওয়ায় শুদ্ধ (ঐ অবস্থায়ের দ্বারা মায়া ও কাৰ্য্য হইতে অজ্ঞানের সাতকার অবস্থা কহিলাম, ইহাদের এক একটির পরিশোধিত অর্থাৎ সর্বাধিষ্ঠান সম্মাত্রস্বরূপ) আত্মার যে অবস্থিতি, এশার ননাশকারিণ শত শত শাখা প্রশাখা আছে। পূর্বোক্ত অংগ চিররূ ( চিরাভ্যন্ত) হইলে জাগ্ৰলৰস্থাতেই পরিণত চিত্তের বাই ও আভ্যন্তরীণ আকারের স্পর্শজাব ও তন্ত বাস্য তাহাকে সঙাপত্তি কহে। উক্ত দশাচতুষ্টয়ের অভ্যাসনিবন্ধন হস এবং নন পদার্থ করে বিকাল প্রাপ্ত হয়।২১-২৫। এই অভ্যন্তর বিষয়ের সংস্কারে লােপরূপ সমাধিফল লাভ হইলে ভাবাপন্ন জাগ্রসঙ্গশাতেও মহাজগ্রনা স্পষ্ট দৃষ্ট হয়। উক্ত শাসমূহের মধ্যেও জীব এক মােহ হইতে এই প্রকার কারিল যখন অধিগত হওয়া যায়, তখন নয় ঐরূপ অবস্থার পরমাণময় আপনােক নিত্য পরহ্মের সাকারপ চমৎ- শৌল পতিত হইলে যেমন ভমিত হইতে থাকে, সেইরূপ উক্ত নাম অসংসক্তি (৫) (আসক্তির অভাৰ) বলা হয়। নৌ পতিত হইলে যেমন ভ্রমিত হইতে থাকে, রেপ উক্ত উক্ত ভুমিকাপকের অভ্যাস হওয়ায় আমিই সেই ব্ৰহ্ম” এবং শামূহের মধ্যে পতিত হইয়া মহামােহে বিভ্রান্ত হইয়া থাকে। বিধ জান ফুট হইয়া যায়, বাহু ও আভ্যন্তরীণ অন্য কোন কোন কোন সংসার দীর্ঘকাল স্বপ্নজাগ্রদ্ধপে অবস্থিত থাকে, পদার্থের ভাবনা থাকে না, অকনিক অবস্থাকে পদার্থনা একেন কোন সংসার পাশে কতক বার সংগ্রহঃ- পে দূরিত হয়। আমি তােষাকে এই সপ্তপদা অজ্ঞান-ভূমির (৬) কহে। তখন তো বুদ্ধি থাকে না, তবে মাত্র দেহধারণের বিষয় কীর্তন করিলাম, উহা নাবি বিকার ও জগয়ে গত উপযোগী বহ ব্যাপার অপরের প্রযত্নে সম্পাদিত হয়, উহাতে ক্ষে বলিয়া অবশ্য হেয়। যদি চাকবিচারলে বিল ৰােথস্বরূপ নিজের কোন চেষ্টা থাকে না। ক্রমশঃ ঐ ছয় প্রকার ভূমিকা আত্মদর্শন লাভ করি পায়, তাহা হইলে এই অনুভূমিকা যখন ঢুট অভ্যস্ত হইয়া যায়, পরুষঙ্গেও অর্থাৎ অ ভেদবুদ্ধি হতে উইতে পারিবে। ২১। উৎপাদন করিয়া দিলেও জোন হয় না, একমাত্র অল্প স্বরূপেই অবস্থিত হওয়ায়, সেই অবস্থাকে তখন তুগা (৭) দশবিনতম সর্গ সমাপ্ত ১১ * গুরুবা, কি শৌলভৃতি খডিমলালনপূর্বক শ্রবণ মদনই এখানে সমাচার।
উৎপত্তি-প্রকরণ T । কহে । ১১-১৫। ইহজমেই জীবন্মুক্ত ব্যক্তিগণ এই তুর্যাগ- পদাঙনিবন্ধন সুখ অতিতুচ্ছ ফল। উক্ত মহাত্মা জগন্মলে বস্থা প্রাপ্ত হইয়া থাকেন, বিদেই মুক্তি এই তুগাবস্থার পরে সেই সমভূমিকাগত মুখের অপেক্ষাও পরম সুখ (বিদেহ হইয়া থাকে, ( এই সপ্তভূমিকামধ্যে তাহা গণনীয় নহে )। কৈবল্য নিবন্ধন) এপ্ত হইয়া থাকেন। ২৬-৩০। হে রাম। যে মহাত্মারা এই সপ্তমীভূমি প্রাপ্ত হইয়াছে, অষ্টাদশাধিশততম সর্গ সমাপ্ত।১১৮। হারাই আত্মারাম অর্থাৎ আত্মাতে ক্রীড়ারত হইয়া মহৎপদ প্রাপ্ত হইয়াছেন। এই জীবন্মুক্তগণ কোন প্রকার সুখ বা দুঃখে উনবিংশত্যধিকততম সর্গ । আসক্ত হয় না। ঐ অবস্থায় জলের কোন বা কর্মে স্বত প্রযুক্তি থাকে না,-ষণিক যদি ঠাহারা কিছু ক্রিয়া করেন, বশিষ্ঠ কহিলেন,-সুবর্ণ অঙ্গুরীয়ভাবে পরিণত হইলে কিন্তু সপ্তম ভূমিকায় আর কিছুই করেন না। তাই বলিয়া তাহার আপনাকে অঙ্গুরীয় নাম পৃথক পদার্থ কল্পনা করিয়া, স্বীয় মূখণত্ব যে স্বেচ্ছাচারী হন তাহা নহে, কারণ সঁহারা পাগকর্তৃক বােথিত বিতিপূর্বক বাহল সংক্রমণযুক্ত “আমি সুবর্ণ নহি, কাংগালি- হইয়া সুপ্রবুদ্ধ ব্যক্তির ন্যায় আশ্রমচারীদিগের সেই সেই কুলক্রমা- হইয়া গিয়াছি।” এইরূপ কল্পনায় যেমন লােদন * করে, তেমনি গত ব্যবহার (সদাচার) অক্ষতভাবে পালন করেন। কিন্তু সুন্দরী আত্মাও স্বরূপ বিস্মৃত হইয়া আপনাতে অহংনামধারী পৃথক রমণী যেমন নিজ সৌন্দর্য দেখাইয়া গাঢ় নিদ্রিত ব্যক্তির কোন পদার্থ কল্পনায় রােদন করি খকেন। রাম কহিলেন, প্রভাে প্রকার মুখােপাদন করিতে পারে না। তদ্রুপ কোন প্রকার সুষর্ণের অঙ্গুরীয়বসগিং কেন উদিত হইল ? আত্মারই বা ক্রিয়াই আত্মারাম জীগণের সুখ সম্পাদন করিতে পারে না। অভাবোদয় (আমি ইত্যাকার বুদ্ধি কেন হইল? ইহার ; অর্থাৎ সবুদ্ধিপূৰ্ব্বক কোন কাৰ্য্য করেন না বলিয়া ঐকপ বিষয় যথাযথ আমার নিকট কীৰ্ত্তন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, পটে ) ১৬-২০। এই সপ্তভূমিকা ৰীমনদিগেরই বুদ্ধিগােচর সং অর্থাৎ সত্য পদার্থেরই উৎপওি বিনাশ জিজ্ঞাসা করা উচিত? হয় , প স্থাবর ও মেচ্ছজাতীয় দেহা-বুদ্ধিবিশিষ্ট মানবগণের অসত্যের উৎপত্তি বিনাশ (অপ্রসিদ্ধ বলিয়া) জিজ্ঞাসা করা গাচর হয় না। তবে 'হার পশু ? ও স্লেচ্ছাদি হইয়া উচিত নহে, অহা । আমিত্ব) ও অঙ্গুরীয় কদাচ সৎ হয় এই জ্ঞান দশ। প্রাও হইয়াছেন, তাহারা দেহবানই হউন, বা ন। ( সে বিবষ আবার জিজ্ঞাস্য কি ?) কেই সুবক্রয় বিদেহই হউন মুক্তিপ্রাপ্ত হইয়াছেন, তাহাতে আর সন্দেহ করিতে আসিলে বিক্রেত যদি তাহাকে সুবর্ণের অঙ্গুরীয়ক প্রদান •াই । গ্রন্থিবিচ্ছেদকে ( আকার মায়াকপ ) আবরণের উম্মে করে, ক্রেত গুহ সুবর্ণ বলিয়া গ্রহণ করিয়া থাকে, “ই চনকে সৃপ্তি কইে। জ্ঞপ্তি হইলে লোক বিমুক্ত হয়। এ মুক্তি বণ নহে, অঙ্গুরীয়ক নাে ক্ষ পদার্থ” এই ভাবিয়া তাহা ঠিক মরীচিকায় স্কুলভ্রান্তির নিরাসের তুল্য। সপ্তবিল ভূমিকায় অবশ্য কখনই প্রত্যর্পণ কৰে ল কেননা তাহাতেই তাহার উপনীত হইয়া সম্যক্ বিগত-মেহ হইলেও সাক্ষাৎকারকারী সুবর্ণ সিদ্ধ হইয়াছে সন্দেহ নাই। অতএব সুবর্ণই সত্য কোন কোন মহাত্মারা একবারে মনােলয়নিবন্ধন নিরতিশয় পূর্ণ- তা অঙ্গুরীয়জ বেশে উৎপন্ন হইয়াছে বুঝিতে হইবে। সত্যক্ষপ নলকপ বিদেহকৈবল্য প্রাপ্ত হন নাই। কেহ কেহ সমুদয় ব্রক্ষও শুপ অহঙাবে উৎপন্ন হন। রাম করিলেন, প্রলে। ভূমিকায় উপনীত হইয়াছেন, কেহ দুই তিন ভূমিকাতে অঙ্গুরীয়ক যদি সুষই হইল তলে স্পষ্ট যে আমরা অঙ্গুরীয়ক পনীত , কেহ সপ্তভূমিকার মধ্যে এক ভূমিকা প্রাপ্ত, দেখিতেছি, ইহার সুবর্ণরূপ ব্যতীত স্বতন্ত্র আকার কিরূপ? কহ ভূমিকত্রয়গত কেহ অন্তভূমিকা প্রাপ্ত, কেহ ভূমিকা যদি তাহা না থাকে, তবে উহাকে অঙ্গুরীয়ক বলি কেন? এই চতুষ্টয় প্রাপ্ত, কেহ ভুমিকাদ্বয়ে অবস্থিত, কেহ ভূমিকার অংশ বিয়ের তথ্য নির্ণয় করিতে পারিলে, আমি ব্ৰহ্মস্বরূপ অবগত প্রাপ্ত কেহবা সায়-ভূমিকাগত, কেহ বা সার্ধচতুষ্টয়-ভূমিকা হইতে পারিব। ১৫। বশিষ্ঠ কহিলেন, রাঘব। অসৎ পদার্থের প্রাপ্ত এবং কেহ সার্কড়-ভূমিকা প্রাপ্ত। এইরূপে বিবেকী নগণ কোন আকারই নাই, যদি আকার নিরূপণ করিতে বাও, তা গন-ভূমিকায় উপনীত হইয়া অন্তৰ্ব্বহিরিন্দ্ৰিয়জ ও শরীর- হইলে বল দেখি, বন্যপুত্রের আকার ও কিরূপ? ফজ ঐ জন্য তাপ দূর করতে সমর্থ হইয়া থাকেন। যাহারা এই সও- অঙ্গুরীয় বৃথা ভাভিমাত্র ইহা অসৎ-স্বরূপিণী ময়া (অবিদ্যা), বিং দশায় উপনীত হইয়া মনােথয় করিতে সমর্থ হইয়াছেন, বিচারপূর্বক দেখিতে গেলে উহার বে অর্ন হয়, ইহাই হার সেই ধীরগণকেই রাজা বলা যাইতে পারে, কারণ এই মনােজয়ের রূপ বলিতে হইবে। মরীচিকা-সলিল, চিত্র ও এহস্তাব প্রভৃতি নিকট দিগগজ-ভুল গজাখাদি-সমন্বিত নিখিল শত্রুসৈঙ্গের আকৃতির সত্তা তাবৎকাল থাকে, যাবৎ বিচারঘৃষ্টি দ্বারা অলভ্য জয় ণতুল্য। গাঁহারা উক্ত সগুবিধ ভূমিকায় উপনীত হইয়া না হয়। (বিচারভৃষ্টিতে উহার স্বরূপ যখন অলক্ষ্য হয়, তখনই মনােজর করিতে সমর্থ হইয়াছে, তাহারাই ইন্দ্রিয়-রিপুদমন উহার অকৃতি অসত্য হইয়া যায়। যে ব্যক্তি শুক্তিতে (ভম- কারী লােকবলনীয় ও মহানু। যে সপ্তম ভূমিকা প্রাপ্তি জন্য বশতঃ ) রজতকার অবলােকন করে, সে ক্ষণকারে ও সুখের নিকট সাম্রাজ্যলাভ-নিবন্ধন ও বৈরাগ্য (প্রাজাপত্য) কখনই তাহাতে অপ্রমাণ রজতের কণাও প্রান্ত হন না। বিচার দৃষ্টির অভাবেই শুক্তিতে র-বুদ্ধি এতিকায় জলযুক্তি অs * ভূগা-ষের অর্থ এই যে, আগ্রাদি অবস্থায় হইতে হইলেও স বলিয়া প্রতিভাত হয়। ১০। এ বই নির্মুক্ত মঙ্গলময় অটত ব্ৰহ্ম তুর্থ শব্দে(চ)ভিহিত হন, তলগামিনী অবস্থা ভূগভূমি। * নুরে লােল লব, এ বুঝিতে হইৰে ধময় গত প্রভৃতি, নো প্রভৃতি, আদি অৱীয় নামে অভিহিত হয় এ বার নােম তাহাতে পদে অনুরাদ এতি, ইয়াওমুক্ত। উলতত।
যােগবাণিষ্ঠ ৰামায়ণ = নাই, সম্যকরূপে দেখিলে তাহার নাস্তিষই অস্তিত্বভাব) দেখিচ্ছে, জ্ঞানের পরিপক্কতা জন্মিলে উহাকে আবার প্রকাশ পায়; সমষ্টি না থাকিলে মরীচিকায় অন-বুদ্ধিৰ ব্ৰহ্মরূপে প্রতিষ্ঠিত দেখিবে। এই সৃষ্টি যখন পরম-পদের 'য় ঐ নাস্তিত্বেই বার অন্তি-বুদ্ধি কুরিত হয়, (যেমন ব্রহ্মেরই নামান্য ইহা স্থির হইল, তখন নানারূপে প্রতীয়মান শুক্তিকায় রজত) ঐ অসত্য বিষয়ই স্থিরীভূত ( দৃঢ়) হইলে এই স্থায় আকাশের আকাশভর মিথ্যাই জানিৰে। চিত্ত হইতে সত্যের কাৰ্য্য করিয়া থাকে, দেখ মিখ্যা বেতল দর্শন বালকের এই সৃষ্টির প্রাদুর্ভাব, চিতৎস হইলেই এই সৃষ্টিৰ ক্ষয় হইয়া নিকট ভলিব সত্যরূপে প্রতীয়মান বালকের ভয় লােদনাদি থাকে, এই সৃষ্টি পরমশান্তিময় সেই পরমপদে বিদ্যমান থাকি- কারণ হইয়া পরিশেষে মৃত্যু পর্যন্তও ঘটাইতে পারে। সুবর্ণে লেও চিতোপশমে সুবর্ণে কটকজির ন্যায় অসত্য হইয়া যায়। সুৰণত্ব ব্যতীত অন্য কিছুই নাই। বালুকাপ্রদেশে যেমন তৈলাদি চিত্তের উদয়ে অসৎ বস্তুও সূতই সৎ হইয়া থাকে। অহাবা- থাকে না, সেইরূপ উহাতে অঙ্গুরীয়ক বা কটক্যাদি পত্র (আমি এইরূপ অভিমানষক্ত) চিন্তই এই সৃষ্টিভ্রান্তি। বিদ্যমান নাই, এই সংসারে সত্য মিথ্যা কিছুই নাই। ফ্লাহ। সেই পরমব্রহ্ম, সম্বেদনে(চিত্তের) অতীত ও পরম শান্তিময় দ্রুপে ভাবিত হয়, ৰহকের নিকটে প্রতীয়মান মিথ্য। যক্ষের জানিবে, তিনি কদাচ জনহেন। উভম কারুদ্বারা নির্মিত মুন্ময় স্থায় তাহা সেইরূপ কাৰ্যকারী হইয়া থাকে। সৎই হউক সৈন্য যেমন মৃত্তিকাপুঞ্জ হইলেও যুদ্ধাদি সৈন্তকৰ্ম্মপরায়ণ আর অসংই হউক, হৃদয়ে যাহা দৃথিত হইয়াছে, বিষের বাস্তৰিক সৈন্য বলিয়া বােধ হয়, তেমনি এই সৃষ্টি (দশীর অতক্রিয়াকরণের =ায় সেই সেই কাৰ্য্যের সাধক হইয়া নিকটে। একমাত্র মঙ্গলময় ব্ৰহ্মৰূপ হইলেও সৃজ্ঞের নিকটে। থাক। ১১—১৫। প্রতিষ্ঠান্য অসৎ অহম্ভাবের ( আমিকের) পৃথকৃভূত ও নানাবিধ বলিয়। বোধ হইয়া থাকে। মূলত যে ভাবনা, ইহাই পরম অবিঘ্য, ইহাই মায়া, ইহাকেই সংসার উৎপশিবিহীন নির্দিকার একমাত্র পূর্ণব্রহ্মই পূর্ণস্বৰূপে কহে। সুবর্ণে অঙ্গুরীয়কত্বাদি নাই। পরমাত্মাতেও সেইরূপ সৰ্বব্যাপিরূপে বিরাজ করিতেছেন। এই যে সৃষ্টি দর্শন করি- অহাব নাই। স্বচ্ছ, শান্ত, সিত, ( প্রকাশময়) পরঙ্গে অদ্যাব তেছ তুমি জানিবে যে, ইহা ব্রহ্নে বক্ষ অবস্থতি করিতেছেন। অসম্বস্ব। সমাজত্ব ও বিরিক্তিত্ব কিছুই নহে, ব্রহ্মাণ্ডত্ব ও আকাশে আকাশ রহিয়াছে, শান্তিময়ে শান্তিময় বিয়িছেন, ব্রতত্ব (প্রজাপতিত্ব) প্রভৃতি কিছুই নহে। লােকান্তর, মঙ্গলময়ে মঙ্গলময় বিরাজ এরিতেছেন, ( আকাশাদিতে আকাশ- অর্গাদি, যে, অনুর, চিত্ত, দেহ মহাভূত, (ফিত্যাদি) কারণ, দির অবস্থান। এই সৃষ্টি পক্ষেই অবস্থিত অর্থ ব্ৰক্ষ হইতে বালয় (ভুত, ভবিষ্যৎ বর্তমান,ভাববস্তু, অভাবস্ত ও তুমিও অবিভিন্ন । নবযােজনব্যাপী নগর দর্পণ-প্রতিবিম্বিত হইলে শর আমি এ সমুদয় ব্রহ্মাতিরিক্ত বন্ধ নহে। ব্ৰহ্ম ব্যতিবেকে ইহ।- দূরত্ব যেমনঃত্ব হইয়া যায় ক্ষুদ্বদর্পণে তদপেক্ষ। অনিক দের পৃথকু সই হয় না। ভেদ কল্পনা রঞ্জনদ্রব্য ও রক্ষনা স্থানব্যাপী বন্ধু এভিবিম্বিত হইলে যেমন রূপণাপেক্ষা সুদ হইয়, কপি বিমান নাই। ১৬-২১। শাত্ম সর্ব নিরাশন য, পরব্রহ্মই এই রা: জ নিবে , অর্থাৎ অপরিচ্ছি বল ও শত শিব ব্ৰহ্মই জগতের পারমার্থিক স্বরূপ। এবার নিয়ম, বুদ্ধিবিম্বিত হলে পাচ্ছিন্ন হইয়া থাকেন । উক্ত প্রকারে এই বিকায়শূন্য, সহিত, নিরুপাধি কারণবিহীন জগদপের উং- বিশ্বকে সৎ ও অং বলা যাইতে পারে, দিদিম্বিত চৈ পত্তি নাই, নাশ নাই, কোন বিকাল নাই, উহা কাব্য ও মনের বলিয়া বিশ্ব সং, বিশ্বনানক এ পদখি নাই বলিয়া আর বিক এর, গ্রহণীয় হয় না। শূন্য অপেক্ষাও শৃঙ্গ (অতি) ও খ- কপে উহা অসং। আদর্শপ্রতিবিষ্টিতলগরেব না মরীচিকা সল- পেক্ষ'ও সুস্বরূপ (পরমবরূপ)। রাম কহিলেন, ব্ৰহ্মন। লের সম্বল দ্বিতীয় চন্দের ন্যায় এসময় এই দৃষ্টিতে আবার আমি এক্ষণে বেশ বুনিলাম, সমস্তই এক ব্ৰহ্ম, তবে কেন সত্যতা কি? মায়াচুর্ণপ্রক্ষেপে { ঐজালিকের মোহক চুর্ণ- সৃষ্টি দৃষ্ট হইতেছে এ বিষয় আমাকে আবার বলুন। বুশিষ্ট প্রলেপে) আকাশে যেমন নর ভ্রম হয়, তেমনি চিন্ময় পমেৰে নিলেন-পরব্রহ্মে পরত (ব্রহ্মস্বরূপ) স্বস্বভাবেই অবস্থিত অজ্ঞান ভ্রান্তি বা অবিদ্যাবলে বিজুতি এই অসারসংসার রব অর্থাৎ তিনি পূর্ণরূপ তাহাতে এই সৃষ্টি বা সৃষ্টিসংজ্ঞা পৃথক প্রতিভাত হইতেছে। জীর্ণ লতাসদৃশ এই অবিদ্যা বিচারানলে কপে কখনই কে না। (ইহা কেবল পূর্ণরূপের নামান্তর- যাবৎ ন দগ্ধ হয়, তাৰ উহা, শাখাপ্রশাখা বিস্তারপূর্বক অতি- মাত্র)। মহাসমুদ্র সলিলে সলিল যেমন অবস্থিত পরমব্রহ্মে তেমনি গহন হইয়া সুখ দুখাররুপিণী অরণ্যানীরূপে পরিণত হইয়া সৃষ্টিসংজ্ঞা বিদ্যমান আনিবে। তবে সলিল পদার্থ বলিয়া থাকে। ৩৬–৪৪। তাহার স্পন্দধর্থ আছে, কিন্তু পরমপদের তাহা নাই, তিনি একোনবিংশত্যধিকতঅ সর্গ সমাপ্ত। ১১৯ নিশ। ২২২৬। খালি তেজপদার্থের জ্যোতিঃ যেমন দীপ্তি প্রাপ্ত হয়, পরম পত্রে কিন্তু দীপ্তিপ্রাপ্তি নাই , তিনি সর্বদাই প্রকাশ। উক্ত লোতিপ্তিক্রিয়া আছে, পম-পক্ষের বিংশত্যধিকততম সর্গ । দীপ্তিক্রিয়া কাহারও অভিমত নয়, তিনি নিচিয়। যেমন সমুচ্ছের বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাখবাহেরীয়কাদির ন্যায় মিথ্যা এই উর্জে ও অধােদেশে ছুিই নাই কেবল তাহার মগে জল- যে অবিদ্যার কথা বললাম, এই অবিদ্যার কিরূপ মাহাত্ম তাহা ভাগ খাকেতেমনি রমণদের আদ্যন্ত অংশ অব্যক্ত তাহা পূর্ণ শ্রবণ কর। ফল বিবেকদৃষ্টিতে ঐ বিদ্যার মাহাত্ম্য কিছুই থাকে চৈতস্বরূপ সেই পৰমপণের মধ্যভাগে (এক অংশে, বিধিকার না। যৎকালে ঐণ ভূপতি ঐরূপ ভ্রম সর্শন করিয়াছিলেন, অগং স্কুরিত হইতেছে, তাহাও কি চৈতন্যরূপ। তুমি তাহার পরদিন তিনি আবার সেই মহাটীতে যাইতে প্রবৃত্ত হই- শৱিক ৰশি ভােয়র নিকট আ চৈতদেন, সেভ কেন। যে মাটীতে শিহাব পাইছি সেই হাটৰী বা বােধ হইতেছেন; এজন্য তুমি উহাকে কােলে এক্ষণে আমার চিত্ত-ফর্পণে উপস্থিত হওয়া স্মৃতিগাচর হইতেছে। । ;
উৎপতি-প্রকরণ বিন্ধ্যপর্বতে গমন করিলে বোধ হয়, সেই অরণ্যানী কখনও পাওয়া অন্তঃপুরবিলাসিনীগণ পরিত্যাগ করিয়া আমার কন্যায় অনুরক্ত যাইতে পারে। মনে মনে এই স্থির করিয়া মহীপতি সচিবগণ হইয়াছিলে, তােমার সে পত্নীও আজাস্থি নই। ১৬-২। সমভিব্যাহারে দিথি জয় ব্যপদেশে পুনর্বার সেই দক্ষিণাপনে গমন এই সংসাররূপ নদীর কাৰ্য্যাবলীরূপ অক্ষমালার গতি দেখিলে করিলেন। বিন্ধ্যপর্বতেউপস্থিত হইয়া নৱপতি কৌতুহলাত্ৰান্ত বড়ই হাসি পায়। ইহা কি কুকই না সলটিভ করিল। দেখ চিড়ে নিখিল গনতলে আদিদেবের ন্যায় পূর্ব, দক্ষিণ ও পলিম দেখি, রাজাধিরাজকে চণ্ডাল-কন্যার সহিত সঙ্গত করিল। বহু- সাগরের সমগ্র তীরভূমিতে ভ্রমণ করিতে লাগিলেন। ১--। মনেরখসমন্বিত আশা যেমন ধনের সহিত নষ্ট হয়, হায় । সেইরূপ অনশ্র প্রমণ করিতে করিতে এক প্রদেশে সম্মুখবর্তিী চিন্তার ভীত-কুরঙ্গীবং চকিত সেই মদীয় কন্যা এবং বলদর্পিত শালের ।য়, পলােব-ভূবি স্যায় পূর্ববৃষ্ট সেই ভীষণ অরণ্যানী অৰ ন্যায় বলশালী মদীয় জামাতা উভয়েই যুগপৎ অন্তমিত হইয়াছে। কেন করিলেন। উথায় বিচরণ করত ভূতপূর্ব বৃত্তান্ত সমুদয় হায়। যমরাজ মদীয় কন্যাকে অপহরণ করিলেন। হায়, আমি প্রত্যক্ষগের করত জিজ্ঞাসা করিয়া জানিতে লাগিলেন এবং দূরদেশে আসিয়া পড়িলাম, আমি দরিদ্রা, আমি নিন্দনীয়-জাতি- বিস্মিত হইতে লাগিলেন। পুকসনন্দন সেই ব্যাধিগণকে দেখিয়া সম্পন্ন, আমি মহা বিপদেই পড়িয়াছি, আর অধিক কি বলিব, চিনিতে পারিলেন। নরপতি এইরুপে বিস্থত-চিত হইয়া বোক- আমি সাক্ষাৎ ভীতিস্বরূপা হইয়াছি, সাক্ষাৎ মহারপত্তিস্বরূপ বশতঃ ইতস্ততঃ বিচরণ করিতে লাগিলেন। পূর্বে মহাটৰী হইছি। হায়, বিধাতা আমাকে। নীচাৰ্মানজনিত ক্রোধ, মধ্যে “ম-সর—যে প্রদেশে তিনি চণ্ডল হইয়া অবস্থান করিয়া- ক্ষুধাতুর পােয্যর্গের প্রতিপালনৰিষয়ে অসামর্থ ও অসহ- ছিল, বিচরণ করিতে করিতে প্রথায় তাঁহার সেই ক্ষুদ্র এম শােক সহন ইত্যাদি অনন্ত দুঃখের আকর অনাথা নারীরুপে অবলোকন করিলেন। দেখিলেন, তথায় সেই জনগণ, সেই স্ত্রীগণ, সৃজন করিয়াছেন। মহতী মনেব্যথায় আকুল বিগতবান্ধব নেই কীরপন, সেই বিন্নিাতি লোকশ্রয়, দেই ভূমিটমাক দৈবােপহত মাদৃশ মূঢ় ব্যক্তির ঈশী ফের বিপত্তিতে জীবিত থাকা ‘কবিপবে সুস্থ নচুত সেই সেই বৃক্ষগণও যথাৰস্থিত রহিয়াছে। ও মরণ একই কথা। মাদৃশী হতভাগিনীর অপেক্ষা জীতিহীন মত্র এনুচরগণ এ বন্ধুজনহীন স্বীয় ব্যাব-সন্তানগণ যখস্থানে পাষাণাদি জড়পদার্থও শ্লাঘনীয়। ২১৫। যেমন বর্ষাকালে অবস্থান করিতেছে। ৬০। আরও দেখিলেন, সেই অনাবৃষ্টিরূপ পর্বতের তৃণসকল সহস্র শাখা বিস্তার করত অনন্তাকারে বর্জিত উগ্ৰ অশনি দারা দ-প্রদেশে কুশাঙ্গী ক্ষীণকুচা একটা অতিবৃদ্ধা হয়, তক্রপ স্বজনহীন কুদেশস্থিত ব্যক্তির দুঃখও অনন্ত হইয়া নেন, প্রবাহ উন্মােচন করত আর্তনাদ করিতে করিতোষ্পকুল প্রকাশ পায়”এইরূপে বিলাপকারিণী ঐ অতিবৃনারীকে নরপতি নখুন, আভিযুক্ত অপরাপর বৃদ্ধা সহচরীগণের নিকট সেই দুর্তি উদীয় সহচরীগণ দ্বারা আশ্বস্ত করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, তােমার ৭” —ম ভীষণ অবণ্যমব্যে বিশীর্ণ বন্ধুগণের নিদারুণ দুঃখ বর্ণন কি হইয়াছে ? তুমি কে? তােমার কষ্টা কে? পুত্ৰই বা কে ? কবত এই কলিরা রোপন করিতেছে। “হাস পুত্রি! তুমি তিন মহারাজের এই কথা শুনিয়া সেই বৃদ্ধা বাপাকুলনয়নে কহিল, দিন অনাহারে জাণ-শী--দেহে পুত্রগুলিকে ক্রোড়ে লইয়া রক্ষা- পুরুসঘোষ নামক এই গ্রামে এক পূস (বাধ) আমার স্বামী ব, তাদৃশ স্বামী সত্ত্বেও কোথায় প্রাণ পরিত্যাগ করিলে।” মেঘবং ছিলেন। তাহার ঔরসে আমার এক চত্ৰকলাসদৃশ কন্যা জন্মিষ উন্নত পতিতাপরি তােমার স্বামী অফিলমাশ্যে সুশােভিত হইয়া ছিল। বঙ্গ-পত্রফলাদি-ভােজনকারিণী করভী (গভীবা উদ্ভা। অর্ণবৃক্ষে আরােহণপূর্বক লােহিত বর্ণ (সুপ) ফাগুলি যেমন সৌভাগ্যবশত কদাচিৎ অনারব মধুকুন্ত পাইয়া থাকে, দ লইয়া অবতরণকালে হনুমানের ন্যায় লক্ষ্য প্রদান করিয়া তেমনি মদীয়া সেই কন্যা দৈবাৎ এই নে মাগত ইন্দর এক হ'লীপত্র অবলম্বন করিত, হায় হয়। সেই সুন্দর দৃশ্য আজ রাজকে সৌভাগ্যবশত পঙ্কিপে প্রাপ্ত হয়। এই জীর্ণকাননে অমর সুরণ হইতেছে। ১১-১৫। হায়। আমার মনীয় কন্যা নরপতির সহিত বহুকাল সুখ ভােগ করত বহু সু (পুত্রস্থানীয় জামাতা) কদ, জম্বার, লবঙ্গ ও গুলতার পুত্র-কন্যা প্রসব করিয়া, বুকের আশ্রয় পাইলে অলাবুলী মধ্যে লুক্কায়িত তরদিগের (ক্ষুদ্রকায় ব্যাঘ্র বিশেষের) (লাউ-গাছ) যেমন বর্ধিত হয়, তেমনি উপযুক্ত স্বামীর অংশয় বধ কৰিলার জন্য যে ভয়ঙ্কর প্রদান করিলে, ইহা পাইয়া বৰ্দ্ধিত অর্থাৎ সম্যক ভরণপােষণে প্রতিপালিত হইতে আমি আবার কবে দেখিতে পাইব? হা পুত্র। তুমি যখন লাগিল। ২৬-৩০। তােমার প্রেয়সীর মুখ হইতে মাংসখণ্ড লইয়া চর্বণ করিতে, বিত্যধিকতর সর্গ সমাপ্ত। ১২। তখন তেমার আল-পত্রের ন্যায় সুনীল চিবুক প্রদেশে যে সৌন্দৰ্য্য লক্ষিত হইত, কন্দর্পদেবের সুন্দর বনেও ভাদৃশ সৌন্দৰ্য লক্ষিত হয় না। প্রবল পবন দ্বারা একবিংশত্যধিকততম সর্গ। পুষ্পগুচ্ছ-সহিত তমারী যেরূপ অপহৃত (নিপতিত ) হয়, হায়। তদ্রুপ যমরাজ যমুনার গায় নীলকান্তি মদীয় চণ্ডালী কহিল, হে নরনাথ। অনন্তর কিমন্দিৰস পরে এই কন্যাকে তাহার ভার সহিত অপহরণ করিলেন। গ্রামে লােক-বিদ্দনকারী ভীষণ অনাবৃষ্টিকে উপস্থিত হইল, ২। ফলহারধারিণি। হা পীনস্তনি। হা সুলাঙ্গী-পত্রি। তােমর ঐ মহাবিপদের সময়ে নিখিল গ্রামবাসী এই গ্রাম হইতে শরীর-কান্তি বায়ুচালিত কলের ন্যায় উজ্জ্বল, হায়-হায়। তুমি বহির্গত হইয়া বহুদূর গমন করত পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হইতে গি। পর্ণবসন পরিধান করিয়া কাল অভিহিত করিয়াছ, তােমার হে প্রভাে, হে মাথে, সেই কারণে আমরা বারবশ ইয়া দন্তগুলি ৰদৱীৰীৰ ওৰীজোয় মুখর ছিল, (হায়, আজ সিলারূণ শােকে অশ্রুধারা বিমােন করত অতি দুঃখে তুমি কোথায় গেলে?)ইনুতুল মমমহর রায়, তুমি স্বীয় কালাতিপাত করিতেছি। রাজা ঢালরমণীর মুখে উক্ত যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ ১৯৮ T 'T প্রকার বাক্য শ্রবণ করিয়া বিল্পিত হইলেন এবং মন্ত্রিগণের রাজার মনে তাহা প্রতিভাত হইল। (যদি বল ইহা ত এক প্রকার সুখের দিকে দৃষ্টিপাত কত চিত্রাপিত পুলিকাৰ নিশ্চলতাবে স্মৃতি, অনুভূত বিষয়েরই স্মৃতি হইয়া থাকে, লবণ রাজার ঐ অবস্থান করিতে লাগিলেন বুধবার সেই অত্যাশ্চর্য ঘটনার চঞ্জলীবিবাহদি ত অনুভূত নহে, তবে কিকপে উহার স্মৃতি হইল মনে মনে বিচার কবিতে করি আশান্বিত তাহার উত্তর এই) পূর্বকৃত মনঃকা সুদৃঢ় হইলেও তাহার হইয়া বারংবার জিজ্ঞাসা করিতে লাগিলেন। ১-৫। সম্যক্রূপে | খ্রিণ ঘটিয়া থাকে আবার যাহা কখন করা হয় নাই, তাহা লােকতত্ত্বগণী নরপতি দয়াপরবশ হইয়া সমুচিত ধন বিখ্রণ ও ‘করিয়াছি' বলিয়া শরণ হয়, ইহা নিশ্চয়, (লবণ ভূপতির তাহাই সম্মান আরা সেই চণ্ডালগণের দুঃখ দূর করিয়া দিলেন এবং কিয়ং | ঘটিয়াছে। সচরাচর দেখা যায়, লােকে ভােজন করিয়াও গণ তথায় অবস্থান করিয়া বিচিত্র দৈবের গতি চিন্তা করিতে অগ্নাবস্থায়, দেশান্তরে গমন করিয়া মনে মনে বােধ করে আমার করিতে রাজধানীতে আসিলেন এবং পুরবাসিগণ কর্তৃক অভিনন্দিত খাওয়া হয় নাই"। অল্পকালে যেমন অনেক সময় পুরাবৃত্ত ঘটনা হইয়া পূরেমধ্যে প্রবেশ করলেন। প্রাতঃকালে নরপতি সদ্যস্থানে হৃদয়ে প্রতিবিম্বিত হইয়া থাকে, তেমনি বিন্ধ্যপর্বতে চণ্ডালপল্লীর আসিয়া বিস্মিত হইয়া আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন “মুনে। এই ঘটনা লৰণ ভূপতির হয়ে প্রতিভাসিত (প্রতিবিম্বিত হইল। স্বপ্ন কেন এইরূপ প্রত্যক্ষ হইল”। তৎপরে আমি সেই নরপতি তৎপরে আমি সেই নরপতি ২১–৯৫। কিংবা লবণ ভূপতি যাহা তৎকালে স্বপ্ন দেখিয়াছিল, নিকট নিখিল নিচতত্ত্ব যথাযখ বিকৃত করিলে সমীরণচালিত হইলে তাহাই বিলাসী চণ্ডালগণের চিত্তে প্রতিবিম্বিত হইল। কিংবা যেমন জলদাবলী আকাশ হইতে নিঃসরিত হয়, তেমনি নরপতির লবণ রাজার প্রতিভা বিন্ধ্যবাসী চালগণের চিত্তে আৰু হইল, তদয় হইতে নিখিল সংশয় অপগত হইল। হে রাঘব। এইরূপে কিংবা বিৰূপৰ্ববাসী চণ্ডালগণের প্রভা রাঙ্গার চিত্তে আরূঢ় মহতী অবিদ্যা লােকের ভযোৎপাদন করত অসকে সৎ এবং হইল। যেমন বহুলােকের মনােগত কথা কখনও এক হইয়া যায় । সংকেও সহসা অসৎ করে। ৬-১০। রাম কহিলেন,- সেইরূপ স্বপ্নে কাল, দেশ ও ক্রিয়াও একরূপ হইয়া থাকে। । স্বপ্ন কি অন্য এইরূপে সত্য হইল, মহাভনের স্যায় এই (অর্থাৎ এককালে একদেশে অনেকে এককপ স্বপ্ন দেখিতে সংশয় আমার হৃদয়ে দৃপ্ত হইয়া রহিয়াছে, বিগলিত হইতেছে পারে , উক্ত অনুভূত বিষয়ও প্রতিভাস অর্থাৎ অধিান না। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাখব। অবিদ্যায় এ সমস্তই সম্ভব চৈতন্ত্রের সভাবশতঃ সত্য হইয়া যায়। বস্তুতঃ সম্বেদন অর্থাৎ হয়। এক অবিদ্যাবলেই স্বপ্ন দর্শন প্রভৃতি স্থলে ঘটে পটত্ব অধিষ্ঠান চিৎস ব্যতীত, কোন পদার্থেরই পৃথকৃ সত্তা নাই। ধৰ্ম্ম দেখা গিয়াছে। দর্পণবিম্বিত গর্বতের স্যায় দূরও নিকটবং সর্বাধার চিন্ময়ের সাতেই সমুদয় বাহ অন্তর বিষয় সত্য- প্রতিভাত হয়, সুখনিদ্রায় অভিহিত রজনীর ন্যায় সিমও রুপে ভাসমান। চৈতন্যসভাই (সত্যস্বরূপ ব্ৰহ্মচৈতই ভূত প্রভাব থারণ করে। স্বপ্নে নিন্ম মৃত্যু-দর্শনের স্যায় অসম্ভব বিষয়ও ভবিষ্যৎ বৰ্তমানরূপ প্রপঞ্চকপে পরিগণিত হইয়া) চৈতন্যসভা সঙ্গটিত হইয়া থাকে। স্বপ্নে গগন গমনক অসও সৎকাপে হইতে পৃথক্ পদার্থধপে প্রতিভাত হয়। যেমন জলে অঙ্গ এবং প্রতিভাত হয়। ভ্রম হইলে (ঘুর লাগিলে) যেমন অচলা ভূমিও বীজে রজ ও তরঙ্গ, বীজও বুক এক হইলেও তরঙ্গ জল হইতে বুতি হইতেছে বােধ হয়। তেমনি অবিদ্যাৰলে স্থিরপদার্থ । এবং বৃক্ষ বীজ হইতে পৃথগকার ধারণ করায় পৃথকুরূপে প্রতি- বিচলিত হয়, মসুব্ধ ব্যক্তির চিত্তে যেন নিখিল দু বিচলিত ভাত হয়, ফল উহা একই পদার্থ)। ২৫-৩০। সংকপে জ্ঞান বলিয়া বােৰ হয়, তেমনি এক পদার্থও চলিত হয়। ১১-১৫। করিলে * বলিয়া বােধ হইবে, অরূপে অন কৰিলে । বাসনাকুলিত (বাসনা অবিদ্যা) চিত্ত যেরুপে বাহার ভালা বলিয়া বােধ হইবে। ঐ সত্তা বা অসতার নিম্পাদক উক্ত বােধও করে; ঝটিত তাহা অপেই অনুভব করিয়া থাকে, এমন কি ভাঙ্গিমাত্র। বালুকাময় স্থানে তৈলাদি দ্রবপদার্থ পড়িলে যেমন অহা অসং হইলেও সৎ হইয়া গড়ায়। যখনই, তুমি, আশি হার সই থাকে না, তেমনি (উক্ত ব্ৰহ্মচৈতন্যে) অবিদ্যা- ইত্যাদি আকারে বা অবিদ্যা প্রকটিত হয়, তখনই অনাদি নামক কোন পদার্থের সই নাই। সুবর্ণকটকে সুবর্ণ ব্যতীত बनर অসংখ্য এম সমুদিত হইয়া থাকে। প্রতিতাসবশে আর কি পদার্থ আছে যে, উহা সুবর্ণ হইতে পৃথক বস্তু হইবে। ( মায়ার প্রতিবিম্বিত হওয়ার) সর্বময় ক্রহ্মেরও পরিবর্তন যদি বল চৈতন্যের সহিত সন্ধ থাকায় উহা এক পৃথক বস্তু হয় টিয়া থাকে, ক্ষ, কল ও কল, কশ হইয়া থাকে। অবিদ- না কেন, তাহাতে বলি,অবিদ্যার সহিত আত্মতত্ত্বর সম্বন্ধই বিপৰ্যন্তমতি জীব-আত্মাকে(আপনাকে মেরূপে সন্দর্শন করে, হইতে পারে না। সম্বন্ধ সমান সমান বস্তুরই হইয়া থাকে এবং অববার সেই মেষ বাসনাৰশ আপনিই সিংহরূপ ধারণ করে। | অ শীয় অনুভবেও স্পষ্ট দেখা যায় (অবিদ্যা ও আত্মতত্ত্ব অবিদ্যা বিষম ভম প্রদান করিয়া থাকে, মােহ অহাব প্রভৃতি ত স্পর সমান বস্তু নহে। পার্থিব ও জ্বরূপ সমান সমুদায়ই অবিদ্যাসত চিৰিয়াস নিবন্ধন ঘটিয়া থাকে। ও সমান অংশের বােগে আলুকাঠাদির বৈ সম্বন্ধ ইহা উক্ত ১৬২০। স্বকীয় চি বাসনাবলেই মহান্ত লৌকিক ব্যবহার অসদৃশ অৰিষ্যা ও ব্রহ্মের সম্বনে দৃষ্টান্তরূপে কখিত হইতে পারে সকল কাকতালী আয়ে পৰম্প সঙ্গত হইয়া থাকে। । কেননা, অতুকাষ্ঠাদিও উক্ত একমাত্র বিদ্যারই বিলাস, তাহা চণ্ডালপল্লীতে পূর্বে হয় ত লবণনা কোন রাজার ঐরূপ ঘটনা হইতে পৃথক্ নহে, দৃষ্টান্ত পৃথক পদার্থের সহিত হইয়া থাকে। টিয়াছিল, উহা সত্যই হউক আর মিথ্যাই হউক; এই ৰণ ভিন্ন ভিন্ন কবির লেখাও একরূপ হইয়া থাকে, তাহার যদি চ চিত্তকরই সমস্ত, আপি ইহা সত্য, ইহা মিথ্যা, কারণ একজন অপরের লেখা দেখিয়া লিলি এইরূপ নহে উহা এইরূপযবহারের হেতু সম্বাদী ভম, ও বিসম্বাদী ভ্রম। সম্বাণী | স্বই এইরূপ হয়। জলের তৎপৰ্য এই উক্ত চণ্ডালজীর (যাহাতে লাভ হয়), বিসম্বাদী(যাহাতে ফললাভ হয় না।) জনগণ এবং লৰণ মা যুগপৎ একরূপ স্বল্প সর্শন করিয়াছিল। = / আনে চৈতরূপ একমাত্র এই নিবে। ই ও কনের সহিত উৎপতি-প্রকরণ ( সুণের সহিত ধাহার দৃষ্টান্ত দিলাসেই ) সম্বন্ত চৈতন্যের, যাতে দেশে সন্ত্র হয়, তাহা কল্পিত রূপে, বালু সহিত কটকৰং চৈতন্যেই বিকাৰ বা অবস্থান্তর। (অবিদ্যার) চিপে নহে। হে তবির রাম। তুমি সর্বপ্রকার পায় আবিদ্যাবিলাস নিখিল-প্রপঞ্চের সম্বন্ধ থাকায় উহ। গঞ্জ ইহাও | এই নিখিল বিশ্বকে সস্বরূপ ব্ৰহ্ম বলিয়াই অবগত হও, যেহেতু বলতে পার না, কারণ অবিদ্যার সহিত আত্মতত্ত্বের (চৈতন্যের) | অনন্ত ৰখাই সর্বপ্রকারে সর্বরূপে প্রতিভাত হয়, অতএব হে সন্ধই নাই, তখন তাহার সম্বল্পতা ত দূরের কথা। সম্বন্ধ ত তবিম্বর। এই বিশ্ব সন্মাত্র আনিবে। ৪১-৫। মিথ্যাত্ববোধ পরস্পর সদৃশ পদার্থেরই হয়, ইহা স্পষ্ট অনুভূত হইয়া থাকে। নিবন্ধনই এই বিশ্ব মিথ্যা হইলেও স্যরূপে ফুরিত হয় বলিয়াই ধদি বল জতুকাষ্ঠের যেমন পার্থিংশ ও ভ্রাংশ রূপ অসমান বিশ্ব শঙল ভ্রমপূর্ণ। ফলতঃ উহা সমস্তই একমাত্র অপুর্ব চিছি- অংশ যােগ হয়, উহাও সেইরূপ, অসমান হইলেও পরস্পর লাস মাত্র, উহাতে অপর কিছুই নাই। সল্প-পরম্পরারূপ নাগর- সম্বন্ধযুক্ত। এস্থলে বক্তব্য এই যে,জহুকাষ্ঠবােগ উক্ত অসদৃশ খােগের শ্রেণী নরগণের নিকট যেরুপে স্বীয় বিলাস প্রদর্শন করিতেছে, দেশ দৃষ্টান্তই হইতে পারে না। কেন না অতুকাও ত সেই এক কালের নিয়ােথ করিতে হইলে এই সৃষ্টিমধ্যে আমাদের সেইরুপে অবিদারই সম্পাদন মাত্র, জতু ও কাষ্ঠ যখন একমাত্র অবিদ্যা অবস্থান করা উচিত নহে (দেশ কালের নিবােধ ও সত্যাগ তখন পরস্পর সদৃশ হইবে না কেন? উক্ত অবিদ্যা- একান্ত বিধেয়)। বুৈদ্ধি হওয়াতেই এই সৃষ্টি এবং অহা- প্রপঞ্চকে যদি চৈতনেরই সমান বলিয়া স্বীকার কর, তাহা বাদির উদয় হইতেছে, কটকাদিতে সুবর্ণবুদ্ধি পরিহার করিলে, হইলে চিতের সহিত উহাদের সম্বন্ধ থাকায় উক্ত সম্বন্ধে চিতি কটকাদি নামে পৃথক পদার্থের ভ্রান্তি হইয়া থাকে। সুবর্ণে যে আই উৎপলাদি জড়পদার্থ সমুদয়ের প্রকাশ ইহা বলা যাইতে কটকালি জ্ঞান ইহা বাস্তবিকই ভ্রম। যেহেতু কটাদি সেই পারে বটে, কিন্তু সেরূপ সম্বন্ধ কল্পনাপেক্ষা এই জগতের নিখিল- সুবর্ণীদিস্থানেই স্থান পায় এবং সুবর্ণের সন্তাতেই সালাভ পদার্থ যখন চিন্ময় ব্রহ্মস্বরূপ, তখন পরস্পর চিতির প্রকাশতাবলে করে। ভেদৃষ্টি পরিত্যাগ করিলে কটকাদি একমাত্র সুবর্ণরূপেই শতই প্রকাশিত হইতেছে, ইহা বলাই ভাল। চিতের সহিত প্রতীয়মান হইবে, এইরূপ ভেদৃষ্টিনিবন্ধন বাহ। পৃথক অবিদ্যার সন্দ স্পীকার নিরর্থক। ৩১-৩৬।যখন পরস্পর বিসদৃশ পদার্থ বিলাস বলিয়া বােধ হইতেছে, উক্ত ভেদৃষ্টি পরিত্যাগ করিলে সমূহের পরস্পর সঙ্গ সঙ্গটিত হইতে পারে না এবং পরস্পর তাহাও উপলব্ধ হইবে না, তাহা একমাত্র নির্মল ব্ৰক্ষেই পর্যবসিত স না থাকিলে যখন তাহাদের পরস্পর অনুভব হইতে পারে হইবে। ৪৬-৫০। জ্ঞান পদার্থ একই, কখন বিভিন্ন নহে, (জ্ঞান- ন' ( জ্ঞাতা ও জ্ঞেয় উভয়ের পরস্পর সাম্য থাকিলে তবে জ্ঞান শব্দে চৈতন্তস্বরূপ ব্ৰহ্ম)সেই কারণে সংস্বরূপ বিশ্বকে এই সৃষ্টি হইবে। তখন সদৃশ বস্তুই সদৃশ বস্তুর সহিত একতাপ্রাপ্ত সং করিতে সমর্থ হয় (অর্থাৎ এই বিশ্ব উক্তজ্ঞান হইতে ভিন্ন নহে ইয়া আভাসচৈতন্য অখও চৈতন্যের স্বৰূপ প্রাপ্ত হইয়া ) ভিন্ন বােধ করিলে অবশ্য অসৎ হইবে) মৃওিকান থাকিলে বিচিত্র একতানিবনই স্বীয় স্বরুপের প্রকাশ করে, নতুবা প্রকাশ মৃন্ময়ী সেনা যেমন মৃত্তিকা বলিয়া বােধ হয়, প্রকৃত সেনা বলিয়া বরিতে পারে না, ইহা বলাই ভাল। মূঢ় ব্যক্তিগণের নিকট বোধ হয় না, এইরূপ এলনে রাদি যেমন জলস্বরূপ, কাষ্ট চরে জেয়, জ্ঞান ও জ্ঞাতা এই ত্রিপুটীরুপে যে অনুভব জ্ঞানে যেমন কাষ্ঠপুত্তলিকা কাষ্ঠ এবং মৃত্তিকাজ্ঞানে কলসাদি । অর্থ দৃশ্যরূপে স্ফুরণ হইয়া থাকে, উক্ত অনুভব যে চৈতন্য মৃত্তিকা বােধ হয়, তেমনি এই ভ্রমকলিত জগন্দ্রয় একমাত্র চৈতন্য চৈতন্য ও জড় পরস্পর সম্পূর্ণ বিলক্ষণ, কখনই একরূপ হইতে | সম্বন্ধ দ্রষ্টা ও দর্শনের মধ্যবর্তী। ষ্টার যে আকৃতি দ্রষ্টা ও পারে না। ( জড় ওড়ের সহিত মিলিত হইয়া এইরূপ হওত দর্শনাদি বহন সেই পরমপদ অর্থাৎ যাহাকে তা-বে ও অভিজড় হইতে পারে কিন্তু কি এক চিত্রে (ত্রিপুটীরূপ দৃশ্যে) জ্ঞান বলিয়া ভাবিচ্ছে, তাহাই উক্তভাববিহীন পরমপদ। ( চৈতন্য ও জড় কখনই মিলিত হইতে পারে না। তবে জড়ত্ব জ্ঞান ভেয়রূপা ত্রিপুটীত-অবস্থা, সুখিপ্রভৃতি অবস্থাতে ও স্বীকার না করিয়া চিন্ময়ত্ব স্বীকার করিলে একমাত্র চৈতঙ্গেরই | হইয়া থাকে,)চিত্ত দেশান্তর গত হইলে (সমাধি-মুপ্তি প্রভৃতি উপলঞ্জি হইতে পারে, তাহা হইলে কাষ্ঠ পাষাণ প্রভৃতি জড়- কালে) চিত্তের যে অজাড্য-সংবিৎ-মননময়ী আকুতি, তাহাতে পদার্থের আর অনুভব হইতে পারে না, কেননা কাইপাষাণাদিত উক্ত দ্রব্যাদি (তৃত্বালি) থাকে না, তুমি সর্বদা ভদ্রুপ চিন্ময় নহে। ৩৭। কাষ্ঠপাষাণাদি পদার্থ গৃহালিরূপ ভিন- হইতে চেষ্টা কর। আগ্রৎস্বপ্ন ও নিদ্রাবস্থাবিহীন হইলে তােমার পদার্থে পদার্থান্তরে পরিণত হইলে তাহা যেমন পৃথ বস্তুরুপে যে, সনাত (নিত) জড় অচেতন রূপ বিদ্যমান থাকে, তুমি অনুভূত হয়, চৈতন্যের তাদৃশ অনুভব অর্থাৎজড়কেও চৈত্যস্বরূপ সর্বদাশ হও। ৫১-৫৫। শিলার জড়ত্ব পরিত্যাগ করিয় করিয়া স্বীকার করিলে (অরূপে) উহার বোধ হইতে পারে একমাত্র আহার নং প্রাপ্ত হইলে হৃদয় যেরূপ হয় অর্থাৎ না। আগাল্য বস্তুর রসের সহিত বিবার যােগে ,যে রচনা চিত একমাত্র চিখন হয়, তুমি সমাধিমান বা ব্যবহারী বাবা- বৃপ্তিরূপ জান্সাল অনুভূত হয় তাহার কারণ জিহ্বাও অদ্য পন্ন থাক না কেন, সদা ভয় অর্থাৎ চিদন হও। বাস্তবিক রসের সাজাত্য, সজাতীয় পদার্থের একীভবকে সম্বন্ধ বলিয়া কাহারও কিছুই উদয় যা লয় হইতেছে না, তুমি বাদশ জানিবে, অসজাতীয় জড় ও চেনের উক্ত সম্বন্ধ হইতে অবস্থায় থকে না কেন, পরমার্থ দৃষ্টির অনুৰী হইয়া যখে পারে না, অতএব কাষ্ঠপাষাণাদি জড়পদার্থ নহে, একমাত্র লস্থান কর। দেহবিষয়ে যথার্থই পুরুষের কোনরূপ বা চিতিই কাষ্ঠপাষাণাদিরূপিণ। উহু। চিতের সহিত একীভাব বা বিদ্বেষ নাই, তুমিও ঐরূপে স্বস্থ হইয়া থাক, দৈহিক প্রাপ্ত হইয়া ভ্রষ্টা ধূ প্রভৃতি ভ্রাউিৎপাদন করে। ফল ব্যাপারে আসক্ত হইও না। তুমি যেন ভবিষ্যদগ্রামের গ্রাম- নিখিল কাষ্ঠ পাষাণাদি সমস্তই পরম তন্তু স্বরূপ, গুনে গুনের আয় কাৰ্যপরায়ণ হইয়াছ, ইহা বােধ কর অর্থাৎ “ যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ T করিতেছি তাহা কিছুই হে” এপমান ব্যবহারের প্রতি লােপ হইতে থাকে)।১-৬। ঐ অবস্থায় পুরুষ মানস- মিখদর্শী হইয়া চিত্তিতে আসক্ত হইও না, সত্য আত্ম- নামী বিবেকভূমিতে অবতীর্ণ হয়। যখন যােগমাগবী হইয়া অৰূপে অবস্থান কর। দৃস্থিত নয় যেমন থাকিলেও না পুরুষ ঐরূপে সমগ জ্ঞানলাভ করে, লহার তদানীন্তন অবস্থা থাকার স্যায়, কাই পাষাণ যেমন সন্নিহিত হইলেও'অচেতন সাপভি নামে অভিহিত হয়। সেই সত্ত্বাপত্তি অবস্থালে যখন বলিয়া তাহার কোন আসক্তি বা অভিমান নাই, তুমি আপন তাহার বাসনা ক্ষীণ হইয়া যায়, তখন ঐ ক্ষীণবাসন-পুরুষ অসং- চিত্তকে তদ্রুপ মনে কর, বাস্তবিক বিবেচনা করিয়া আত্মস্বরূপে সনামে অভিহিত হয় অর্থাৎ তখন আর সে কোন বিষয়ে দেখিলে চিরে অচিন্তই মনীষিগণের অনুসিদ্ধ। ৫৬-৬০ আসক্ত হয় না, কৰ্ম্মফলেও আবদ্ধ হয় না। কথিতপ্রকারে বাসনা যেমন পাষাণে জল নাই, আকাশে অনল নাই, জেনি আপন ক্ষীণ হইতে থাকিলে অসত্য বাহ্ন বিষয়ের জন্যও ক্ষৗণ করিতে অজ্ঞাতেই যখন চিত্ত নই, তখন পরমাত্মতে তা কিরূপে অভ্যাস করে, অর্থাৎ আমি ব্ৰহ্ম এইরূপ ভাবনায় বার্থের একে- থাকিবে। দেখিতে গেলে বাজার অস্তিত্ব থাকে না, তাহা বাবা বারে বিশ্বতিলাভ করিতে থাকে। তখন সেই যোগী ব্যক্ৰিয়া- যদি কখন কিছু কৃত হয়, তুহা বান্তৰিক কৃত হয় না (যার মূল শূন্য অর্থাৎ সমাধিস্থই বা ব্যবহাৰী অর্থাৎ গত অথবা অসত্য সত্যত নাই তাহ'র যে আবার সভ্যতা কিরুপে সম্ভবে।) সংসার-ব্যাপারে অবস্থিত কিংবা অভ্যাসনিন আকৰ্ম্মকারী অতএব চিতীত হইবে ( চিপথের অতীত হইবে) যে ব্যক্তি হইলেও মন সাত্মতে অবতীর্ণ হওয়ায় কোন বিষয়েরই দন ঐকান্তিক অনাস্বভূত চিত্তের অনুমী হয়, সে কেন গ্রাম- বরেন না, বা চিপূৰ্ব্বক কোন বিষয়েরই সেবা নি ন', 'কি প্রান্তবাসীঘ্ৰেচ্ছের অনুবর্তী হয় না। তুমি সদ। চিত-চণ্ডলকে করিলাম কিনা কবিলাম” তাহাব স্মরণও রপে ন! বসনা ক্ষীণ অবম্ব সহকারে দূরে পরিহার করিযা মৃত্তিকানিৰ্ম্মিত প্রতি হওয়ায় কেবল মূঢ়র ন্যায়, অৰ্দ্ধমুপ্ত অর্ধ-''পর ন্যায় বহকৰ্ম্ম মাদির স্থায় নিস্পন্দ হইয়া নিরাশভাবে অবস্থান কর। “আমার সম্পাদন করিয়া থাকে। ৭-১১। উক্ত অবস্থা যােগী স্বীয় চিত্ত একেবারেই নাই, অথবা ছিল, আ মরিয়াছে” এইরূপ চিকে সূক্ষ্মতম একমাত্র ব্রগস বরিয়া থাকেন এবং তপন নিশ্চয় করিয়া পাষাণময় প্রতিমার স্যায় নিশ্চল হইয়া অবস্থান বাহবিষয়ের অভাবনকপ যোগভূমিকাতে অবিকৃঢ় হয়। এইকপে কর। ৬১–৮৫। দেখিতে এত হইলে তুমি চিত্ত দেখিতে অন্তর্লীনচিত্ত হইয়া কতিপয় বৎসর ব্রহ্মভাবনা অভ্যাস করে, পাইবেন। যথার্থতঃই তুমি চিত্তবিহীন তবে কেন তুমি | তৎপরে বাহকৰ্ম্ম করিলেও একেবারে ভগভবনাশূন্য হয়। অনর্থের হেতু মিথ্যা চিত্তকর্তৃক উদ্বেজিত হচ্ছে। মিথ্যাভূত তুরীয় ব্ৰহ্মৰূপে অবস্থিত হয়, উক্ত অবস্থায় যােগী জীবমুক্তি চিত্ত যাহাদিগকে মিথ্যা বীভূত করিয়াছে, কোমল বুদ্ধি সেই নামে অভিহিত হন। তৎকালে অভিমত প্রাপ্তিজনিত হর্ষ বা ব্যক্তিগণের নিকট চন্দ্র হইতে অশনি নির্গত হয়। তুমি যে সে অভীষ্ট বিষয়ের অপ্রাপ্তিনিবন্ধন দুঃখপ্রকাশ কিছুই করেন না, হও না কেন, চিকে দূরে পরিত্যাগ করিয়া স্থির হও , পরমজি | কেবল নিরাশঙ্গভাবে যথাপ্রাপ্ত বিষয়েরই অনুৰী হইয়া থাকেন। অবলম্বন করিয়া ধ্যান বলে মুক্তিলাভ কর। যাহারা, অসত্যপী | হে রাঘব। তুমি অখিল জ্ঞাতব্য বিষয় অবগত হইয়াছ, অকিমান চিত্তের অনুবর্তন করে, তাহারা আকাশবিনাশ কৰ্ম্মে | ত্বদীয় বাসনাও সমুদয়বাধ হইতে বিরত হইয়া ক্ষীণ হইয়াছে। সময় ক্ষেপ করিতেছে, তাহাদিগকে থিকৃ। তুমি তত্ত্বজ্ঞানতৎপর ১২-১৫। তুমি শরীয়াতীতভ (অর্থাৎ সমাধিস্থ ) অথবা হইয়! প্রথমে বিগলিন হও, পরে জ্ঞানকে নির্মুলাক্সা শরীর (লােকব্যবহারী) হইয়া খাক না কেন। তুমিই নিরা হইয়া সংসারপরে গমন কর। আমি অনেক বিচার করিয়া ! আজ ইহা স্থির করিয়া শােক বা হর্ষ প্রাপ্ত হইও না। দেখিয়াছি, কিন্তু নির্মল আত্মতে মানসরূপ মল কিছুই পাইহে রাম। তুমিই স্বপ্ৰকাশ নিৰ্ম্মল সৰগ সর্বদা উদিত নাই। ৬-৭০। আত্মা, অতএব তােমার আবার সুখদুখ কোথায় ? জন্ম মৃত্যুই একৰিণত কততম সর্গ সমাপ্ত ১২১। বা তােমায় কি নিমিত্ত হইবে বাস্তবিকু তােমার বন্ধু নাই, তবে, কি অন্য বন্ধুৰিমিত শােক করিতেছ। এই আত্মা অষিতীয় ইয়াবায় দ্বিতীয় বান্ধব কে? বল দেখি, বলিগের দেহ নিমিত্ত লােকে শােক করে না, বহুদিগের আত্মার অঙ্গ, যদি দ্বাবিংশতাধিক শততম সর্গ। বল দেহ নিমিত্ত, আহাতে বলি, দেহ নিমিত্ত আবার শােক কি? বশিষ্ট কহিলেন, পুরুষ, জন্মগ্রহণ করিয়া কিঞ্চিৎ বুদ্ধির (দেহ ভ নশ্বর দেহ দগ্ধ হইয়া গেলে কেবল পরমাণুসমূহ দৃষ্ট দিকাসপ্রাপ্ত হইলে (ইহ জমে বা জন্মান্তরে অনুষ্ঠিত নিষ্কামকৰ্ম হয় (অতএব অচেতন দেহের নিমিত্ত শোক করা উচিত নহে) দ্বারা বিশুদ্ধচিত্ত হইলে) সৎসঙ্গপরায়ণ হইবে। যেহেতু সৎসঙ্গ (আত্মার নিমিত্তও শােক উচিত নহে, কারণ আত্মা অনার) ও শাহ্মলোচন ব্যতিরেকে অনবরত বেগপ্রবাহিনী এই অবিদ্যা- আত্মার উদয় ব ল নাই। যাহায় নাশ নাই, তাহার নিমিত্ত তটিনীসকলের পায়ে ধাওয়া যায় না। সংসদ ও না ঘার বিবেক প্রাপ্ত হইলে পুরুষের হেমােপাদেয় বিচার (ভাল- মন্দবিচার) সনুদিত হয়। উক্ত বিচারসামর্থ্য লাভ করিলে পুরুষ * যদি চ পূর্ব পূর্ণ ভূমিকাতে ব্রহ্মসাক্ষাৎকারনিবন্ধন শুভেচ্ছানামী বিবেকনতে উপনীত হয়, পরে বিবেকবলৈ জীবমুক্তের অবস্থা প্রাপ্ত হন বটে, কিন্তু সুখদুঃখস্পর্শ একেবারে বিচার নাম্নী ভুমিতে উপস্থিত হয়। এ সমগ্ন যায় না, কিঞ্চিৎ থাকে। সপ্তভূমিকায় অহা একেবারে থাকে না, লাভ হয় অসাধু বাসনা পরিত্যাগ করিতে থাকে, মনও সংসার- সুত্র তখনই প্রকৃত বিমুক্তি অবস্থা, এই জন্য এই মূলে ভাবনা এই কীভাব ধারণ করে (সংরকার এ জীবমুক্ত বলা হইল। . ) উৎপতি-এর। । শােক কেন হইবে ? তুমি অবিনাশী হইয়াও (বিনষ্ট হইবে) বিষয়ের সহিত সংযােগ ঋনত হষ, শােক হয়, তথাবিধ বিজ এই ভাবিয়া কেন শােক করিতেছ? স্বচ্ছ অবিনশ্বর আত্মার জীবক্তের অভূতিকে প্রসিদ্ধ অক্ষয় চিত্মা বলা হয়, মূেলির আবার বিনাণ কি ?। ১৫-২০। ঘট পরভাবাপন্ন হইলে অনুভলগােচর সংসারভারকে আত্মা বলা হয় না)। আকাশৰৎ ( ভাঙ্গিয়া খোলা হইয়া গেলেও) টাকাশের যেমন নাশ নাই, অতিসচ্ছ সেই চিত্মায় এই অগং যেন পৃথকৃরুপে প্রতিবিম্বিত সেইরূপ এই শরীরের নাশে আত্মার বিনাশ নাই', বীচিকা হইতেছে, ( বিশুদ্ধ সাকী চতন্যের উক্ত জগতের প্রিয় অপ্রিয় নদী ক্ষয়প্রাপ্ত হইলে (অর্থাৎ মরীচিকাতে নদীবুদ্ধির নাশ হইলে) ৰূপে বিবেচনাশক্তি হয় না বলিয়া আবার) উহাতে (জৎ ও মরীচিবাতি তীব্র সৌর আতপের যেমন নাশ না (তাহ কটাক্ষীর অন্তরালে) বুদ্ধি ( অন্তঃবণ) প্রতিবিম্বিত হয়, যেমন তেমনই থাকে সেইরূপ দেহ নষ্ট হইলেও আকা শিনহুন সেই প্রিলিতি বন্ধই লেভমেহাদিছাবের অনুবর্তী হয়, ল। তোমার অন্তরে নিরর্থক ভ্রান্তি ও ব্যর্থ কেন উদিত একপ জগ, গগত বুদ্ধি ও বুদ্ধিপ্রযুক্ত লোভ-মােহালি ইতেছ ? আত্মা অদ্বিতীয়, তিনি আবার কেন দ্বিতীয় বব পৰস্পর অন্য পক্য বিভিন্ন হইয়া ঠিদায় প্রতিবিম্বিত ক. করিবেন ? হে রাঘব। এই গুগতে শ্রবণীয়, দর্শনীয়, হইছে শকি ঐ সদয় আত্মর, বগাহইতে অতিরিক্ত স্পর্শনীয়, অপাদনীয় ও আগাণীয়, এমন কোন পদার্থ নই—যাহ। ব নহে। এ কােম। এমৰ নিৰ্বল্প চিৎই তােমার আত্মা হইতে পক। শক্তিমান বিতত অব্যক্ত অম্লাতে কাকতি, ছিন্ন তোমার দেয় নাই তব বেন তােদর লজ্জা ভয় ( এই নিপি সৃষ্টি (মায়া) বিদ্যমান বদিয়ছে, । ল' সিসজনিত মে উপস্থিত হইতেছ ? তুমি গত দেহবিহীন আকাশে যেমন ন্যতা রহিa”, তেমনি জানিবে'।(১ শে রপল' হইলেও দেহুজাত অসং লাদি বিজলির ৰ দুৰ্বদির এই নিলেকীদামিনী ঢিও হইতে উদয়লাভ বসিয়া গল্প কায় কেন এপ অভিভূত হইতেছ ? ৩-৪। দেহ নষ্ট বুছতমোগুণ ক্রমশঃ জন্মলাভ কবি। শান্তি উপাদন হইলে সমাদণী ও অখণ্ড চিপ আমার নাশ নাই, যে ব্যক্তি করিছে—ইং। ত তোমাকে পুর্বেই লিয়াছ। (২ বনাময় সমগ্দ তার ও কথাই নাই। হে বাম। আকাশপথেও উক্ত চিবে শান্তি, সেই বাসনায় সম্যককপে সাধিত 'ইনে যাহা শসালে বেফলই সেই চিই পুরুষ অং সসারী নপিল ক্রিয়াদি শক্তির আধারভু এই মায়া আপনিই বিলুপ্ত অনিব, এ গুড় শরীব আত্মা নহে। হে রাম। শরীর থাক ইয় ,য়, তাহার অন্য আর স্বতন্ত্র চেষ্টা করিতে হয় না। হে না , এই জগয়ে পুৰু জ্ঞানবানই হউন বা অজ্ঞই উন, শৰ । এই বসনা, সংসাবরুপে বিপুল পেষণযন্তেৰ ( কাতার। তিনি সর্বদা অবস্থিত থাকিবেন। দেহনাশে এই যে বিচিত্র মণ,শিলার মধ্যবর্তী শতে লগ্ন উপরিস্থিত শিখণ্ডবহিনী দুঃখসকল দেখিতেছ, ই দেহেরই পৰ্ম্ম নিলে, চিন্ময়ার বক। তুমি এই রক্ত পিণী বাণনাকে খপূৰ্ব্বক ছেদন কর। নহে কাবণ তিনি কাহা কর্তৃক গৃহীত হইতে পারেন ন.. যে চি% এই অনন্ত-বসনা অপরিজ্ঞাত থাকিলে মহামোহন করে, মনােমার্গ হইতে অতীত বলিয়া শূন্যের স্যাস অবস্থিত আছেন, পবিজ্ঞাত হইলে ব্ৰহ্মপ্রদান করত সুখলাঘিনী হয়। ব্রহ্ম হইতেই তিনি সুখদুঃখকর্তৃক কিরূপে গৃহীত ( গ্রন্থ ) হইকেন। ৪১–৪৫। এই বলিনা আসিয়াছে, সংসারভোগ করিয়া নিজ লীলাস্বৰূপ ভ্রমর যেমন পক্স হইতে উড়িয়া আবশ আশ্রয় করে, সেইরূপ অধ্যাত্ম-বিদ্যাবলে ব্ৰহ্মস্মৃতি লাভ করিয়া আবার সেই ব্রহ্মেই সেই সংসারী আত্মা দেহপঞ্জয় হইতে প্রতিষ্ঠাভূত পরমাত্মায় সৗন হয়। ২১-৩০। হে রাঘবতেজ হইতে যেমন প্রকাশ অর্থ প্রতিবিষকৃত ঈশ্বর গমন করে অর্থাৎ তাহার সহিত আবির্ভূত হয়, সেইরূপ কপহীন অপ্রমেয় নিরাময় মঙ্গলময় ঐক্য প্রাপ্ত হয়, অত্যন্ত বাসনা সমূলে নির্মূল হয় না বলিয়া লহ্ম হইতে এই ভূতসমূহ আবির্ভূত হইয়াছে। বৃক্ষপত্রে একেবারে মুক্ত হয় না। হে রাম। এই আত্মতত্ত্ব অর্থাৎ জীব যদি শিরাসমূহের ন্যায়, সলিলে তরঙ্গমালার ন্যায়, সুবর্ণে কটকাদির অসৎ হয়, তাহা হইলেও তােমার এই দেহপির নষ্ট হইলে ন্যায় ও অনলের উষ্ণতাদির ন্যায় বাসনাত্মক ব্ৰহ্ম হইতেই এই তােমার কি নষ্ট হইবে ? তুমি ত জীবনই, তুমি কি অন্য শােক ত্রিজগৎ উৎপন্ন, ব্রহ্মেই অবস্থিত এবং ব্রহ্মেরই অংশ-সরূপ করিতেছ? তুমি ঐ জীবভূত আতকে সত্য বলিয়া ভাবনা কর, জানিবে। সেই ব্ৰহ্মই সৰ্ব্ব-ভূতের আত্মা বলিয়া কখিত ভন্তি অসং-দেহাদিরুপে ভাবিও না, নিলম্বরূপ নিরীহ আত্মার হন। তিনি পরিজ্ঞাত হইলে জগন্দ্রয় জ্ঞাত হওয়া যায়, এই কোন কপেই ইচ্ছা নাই (কারণ তিনি নিত্য পূর্ণব্রহ্ম স্বরূপেই জগয়ে তিনিই তা যাহারা আত্মসাক্ষাৎকার করিয়া- পরিতৃপ্ত আছেন। দর্পণবং স্বচ্ছ নির্বিক, সম সাক্ষিভূত ছেন, তাদৃশ মহাত্মা যােগিগণ কেবল শাস্ত্রে ব্যবহার করিবার চিদাত্মায় এই জগৎ আত্মার অনিচ্ছাসত্বেই প্রতিবিম্বিত হয়। জন্যই সর্বব্যাপী সেই এই ব্রহ্মের “চং, ব্ৰহ্ম ও আত্মা,”এই নাম উৎকষ্ট মণিতে রশ্মি যেমন স্বয়ংই প্রতিফলিত হয়, সেইরূপ স্বচ্ছ কল্পনা করিয়াছেন। ৩১-৩৫। যাহাতে ইলিয়সমূহের প্রিয়াপ্রিয় সম নির্বিকল্প সাক্ষিভূত আত্মায় এই জগৎ অপলিই প্রতিবিম্বিত দৃষ্ট হইতেছে। ৪৬-৫০। দর্পণ ও তৎপ্রতিবিম্বের ভোজে (১) ২২ শোকের দৃষ্টান্তে মরীচিকায় নদীম শক্তির ন্যায় সৃষ্টি ব্যবস্থা যেরূপ, আত্মা ও জগজ্ঞে দোভে-ব্যবও সেইরূপ শক্তি বলা হইয়াছে, কিন্তু তাহাতে উক্ত সৃষ্টিশক্তি আত্মা হইতে জানিবে। দর্পণের প্রতিবিম্ব যেরূপ মনে করিয়া থাক, এই জগৎ পৃথকৃ হয়, এই অশঙ্কায় বশিষ্ঠ উত্তর করিলেন, আকাশের শুন্য তদ্রুপ মনে কর। সূর্যদেবের সল্লিখিমাত্রেই যেমন জাগতিক ব্যাপার পৃথক হয়, এই অশঙ্কায় বশিষ্ট উত্তর করিলেন, আধাশের শূজা সম্পাদিত হয়, সেইরূপ চিভিন্ন সামাত্রেই এই জগৎ নিপন্ন হয়। যেমন কিছুই নহে, আত্মাতে সৃষ্টিশক্তি তদ্রুপ কিছুই নহে। (২) জবে একান্ত মিথ্যা জগতের উৎপত্তির হেতু কি ? রামের হে রাম! এবারে এই জগভে সাকার নিরাকরণ হইল। হে এইরূপ প্রশ্ন সম্ভাবনা করিয়া বশিষ্ঠ উত্তরদলেন—চিত হইতে শ্রোতৃৰ বােধ হয়, আপনাদের চিত্তেও ইহা আকাশ বলিয়া ধারণা এই গল্পে উৎপত্তি। আছে যেমন দীপের সমাত্রে স্বতঃই অনেক প্রকাশিত হয় - 2 যােগবাণিত রামায়ণ ড্রপ আমঞ্চ যাতে তারাই এই কাজে উপস্থিত হই- গল্পগ বিভক্ত হন, লিগ্রার কমতি স্বরুপ ফল প্রথম যায়। যেন শূন্য মাশের নীল যন্তৰিক মিখা হইলেও চলিত হয়, পরে হাই প্রতিবিম্বিত যেনি সুনীল-আকাশ ইক্ষীমশিম মহাকাব্য লেকে এভঙ্ক জীভবন হইয়া যাক বেঙ্গল পীর-দর চায় কর অনি প্রথমে গামত্ম হইতে সুনিত মন অসং (মিথ্যা) বিবিধাবছি এই জগৎ খেই বিস্তার করিয়া থাকে। এই মন অসং হইলেও বই বিঞ্জার। গরবিল স্বরূপ বিস্তৃতি অর্থাৎ অনিয় হলেও স্বাধিন চৈত্র সংকর ধরণ বড় যায় সত্য বলিয়া প্রীত হয়। ৫১t। মা হওয়ায় বহিষ্টিতে মগ লক্ষিত হয়। মহাসগরে ভাসমুলার ন্যায় চিৰ খন গিনিত হয়, তখন এই সংসা-বাথরুপ মিণিকা, উহা পূর্ণৱন্ধ পূঃ পুঃ ভূত ও বিলীন হচ্ছে। ৫-৫৮ লই বিগলিত হইয়া , খুন শবগম অঞ্চদেবতার । ছাতিলতম গণ সমাধ। ১২ | স্ব এক বক্স আৰু জয় দিই (চৈই) শুভ আত- উৎপত্তি-প্রকরণ সমাপ্ত।
যােগবাশিষ্ঠ -রামায়ণ স্থিতি-প্রকরণ। - . প্রথম পর্গ । উদ্যান ইহা শুক হইলেও রসযুক্ত প্রান হয়। চিত্রিত বশিষ্ট বলিলেন,-হ রাম। তোমার নিকট যে উৎপত্তি- সূৰ্য ও অনলে, স্যায় ইহা প্রকাশমান থাকিলেও নিস্তেজ। অন্তঃ- প্রকরণের বিষয় বর্ণন করিলাম, ইহার পর সম্প্রতি স্থিতি-প্রকরণ কল্পিত অসত্য রাজ্যের ন্যায় ইহাও অবাস্তব। চিত্রলিখিত সগ কর। এই স্থিতিকর পরিজ্ঞাত হইলে নির্ঘাগমুক্তি প্রাপ্ত পদ্মাকরনঃ ইহাতে কিছুমাত্র সার ও সৌগন্ধ নাই। গগনাঙ্গনে "6া যায় এই পরিদৃশ্যমান জগৎও এইকপ ভ্ৰমবিলসিত বিরাজমান বিবিধবর্ণে রঞ্জিত যে ইন্দ্রধনুঃ দৃষ্টিগােচর হইয়া থাকে, জানিবে , অং ইত্যাকার জ্ঞানও অলীক ও মম, ইহারও কো যাহার গগনব্যাপী আয়তনের ইয়ত্তা স্থির করিতে পারা যায় না, আকার নাই। রঞ্জনক খেত-পীতাদি কোন রঞ্জনদ্ৰবা না খাকি ইহাও অবিকল তরূপ। ইহাকে অসার ও জড় কালীস্তব (লও সময়ে সময়ে যেমন গগনপটে বিবিধ রক্তে রঞ্জিত চিত্র কল্পিত জানিৰে, ভূনিচয় ইহার কোমল পরবরূপ এবং ভক্তি- আমাদিগব নেলপথে পতিত হয়, এই দৃশ্য জগও অবিকল তদ্ধ পূর্ণ কল্পনাতেই তাহাদিগকে শুরু হইতে দেখিতেছি। গভীর জানবে। ইচার কেহ দর্শক নাই,অথচ দৃশ্যমান , সুতরাং নিদ- তিমিরাবণীমধ্যে বিস্কুরিতনেত্রে যেরূপ কতপ্রকার চত্ৰুচিত্ৰ অৰ- বিঃীন স্বপ্নদর্শনের তুল্য , অন্তরে যেরূপ ভাৰী নগর নিশ্মিত হইয় লােকিত হইয়া থাকে, ইহাও সেইরূপ অলীক হইলেও প্রত্যক্ষ বিরাজ করিতে থাকে, ইহাও সেইরূপ কামাল। রাশীকৃত বং প্রতীয়মান হইতেছে। জলবুদবুদবং ইহাকেও অন্তঃ গুগল বা গৈৰিকাদিতূপ দর্শনে মটগণ যেরূপ তাকে অগ্নি সুবিস্তৃত জানিবে এবং ইহা আপাতত সাত্মক বােভ হইলেও বােধ করি শৈতকেশ দূর করে এই বাক ও তদ্রুপ অলীক বাস্তবিক নীর, বাস্তবিক ইহা অবিচ্ছিন্ন ও ক্ষয়-বিহীন হইয়াও প্রয়ােজনসাধন করিয়া থাকে। সলিলবৰ্ত যেরূপ সলিল সুবিস্তৃত নীহারুমালা ঘেরূপ গৃহীত হইলে কিছুই নহে বলিয়া বােধ হইতে পৃথক বন্ধ না হইলেও বিভিন্নবস্তুবং প্রতীয়মান হয়, সেই হয়, এই বিশ্বপ্রপঞ্চকেও তাদৃশ অসন্তু জানিও। এই দৃশ্য প্রকার বিখও ব্ৰক্ষ হইতে ভিন্ন হইয়াও পৃথকৃরূপে প্রকাশমান অংকে কেহ জড়াত্মক, কেহ জড়ষ্যাম্প, কেহ কেবলমাত্র শূন্য হইতেছে। গগনে সূর্যালােকের ন্যায় ইহাকেও শূন্য হইতে পৃথক্ ওকেহ কেহ পরমাণুৰৎ বলিয়াছেন। ইহা শূন্যত্র ও ভূতবিহীন বাস্তব পদার্থ বলিয়া সকলে মনে করে। এই দৃশ্য জগৎ, আকাশে হইলেও আমি এক প্রকার প্রাণ ইত্যাকার আলহেতুকই ইহা পরিমান ধরাঞ্জীর প্রতাপুসদৃশ ভিৱিশূন্য পহ্মনগরের প্রকাশ পাইতেছে। গৃহাণ হইলেও অমূর্ত পিশাচ ইহাকে সায় নিত নেত্রগোচর হইতেছে। মরীচিকাজলবৎ ইহা অসত অলীক বােধ করবে। এরমচ কহিলেন-হে ! বীজে বক হলেও সত্য বলিয় প্রতীত হয় এবং অলীক ‘কল্পিত অঙ্কুর যেমন অভাবে অবস্থিত থাকে, মালয়েও এই কৃত নগরের ন্যায় অনুভূত হইয়া থাকে। বাস্তবিক দৃশ্য জগৎ কবি- অগং পরমাত্মাতে দ্রুগ অতি গকিয়া পুনরায় তাঁহা হইতেই কল্পিত পর্বতাদির ন্যায় কুত্রাপি অবস্থিত নহে, সুতরাং অসত্য। যে উদিত হয়, এই বাক্যের অর্থ কি বলুন। ঘঁহাৱা ঈদৃশ স্থির ই৷ শুমাল হইলেও ভূতকাশের ন্যায় (অযথামুখ ইন্দ্রনীল করিয়াছেন, তঁাহারা কি অজ্ঞ, না যথাথই বুবিয়ান, হে ভগব। নিশ্চিত বহং কটাই তুল্য) দেবীপ্তমান। ইহাকে ধ্বংস করিতে মীয় সংশয় নিবারণাৰ্থ আপনি এই বিষয় যথাৎ ব্যক্ত করুন। পাৱা যায় না, ইহা অবিচ্ছেরূপে অবস্থিত এবং শরৎকালীন ১১-২৫। বর্ষি বশিষ্ঠ বলিলেন, মহাপ্রলয়ে এই যে যেরুপ নিকট হইলেই আতপাদি নিবারণে সমর্থ, ইহাও বলে আবষৎ অবস্থিতি করে, যে এইরুপ , সেৰিতান্তই সেইরুপ ভ্রান্তের নিকট কাৰ্যকারী। মান বস্তু সকল, আকা- অজ্ঞ, তাহার অ্যাপি বালক আছে। ইহা যে কতদূর শের নীলিমার স্যায় অলীক হইলেও বিবিধবর্ণ বলিয়া বােধ হয়। অসঙ্গত অলীক, তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। এই বিপরীত বােধই স্বাবস্থায় কামিনী-সহবাস যেরূপ মিথ্যাহইলেও এয়ােজনসাধক, বক্তা ও শ্রোতার মােহ উৎপাদন করিয়া থাকে। বীজে অনুরে ইহাও ভদ্রপ। ১-১০। চিত্রিত প্রস্ফুটিত কুমরাজি-বিরাজিত চায় মন্ধে জগ অবস্থিত থাকে, এই বুদ্ধি নিতান্ত অস, যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ ২০০ সত, । এপার্থই ঐরূপ বৃদ্ধি ঘটিয় থাকে। উহা যে কি এ অ, সর্পাদিবৎ অগং স্বতই আবির্ভূত বলিয়া ৰােধ কৰে তাহা শ্রবণ কর। যদি বীজ স্বয়ংই চিদি ইন্দ্রিয়গােচর দৃশ্য হইয়া মূল কার কল্পনাই বৃথা। দেখ, সৃষ্টির আদি সময়ে যখন জীব- থাকে, সুতরাং তাহা হইতে যে দৃশ্য পত্রাঙ্কুরোদাম, তাহা যুক্তি চৈতই নিকার পরমাত্মাতে তৎস্বৰূপে অবস্থিত থাকেন, কিন্তু অদৃশ্য ব্ৰহ্ম হইতে কিরূপে দৃশ্য জগৎ উৎপন্ন হইবে? তখন অঙ্গ ও জনকের ক্রম কিরূপ হইবে ? যদি বল, ফিত্যাদি আর যদি বল, কূটন্থ অদ্বিতীয় চিদাই বীজভাব প্রাপ্ত হন, পঞ্চভূত বা অন্য কোন পদার্থ সহকারি-কারণরূপে সৃষ্টির তাহাও ধুক্তিবিরুদ্ধ , কারণ, যাই শ হইতেও সূক্ষ্ম বলিয়া উপকার হয়, তবে তাহার পূর্বেই বা তাহা কিরূপে ষষ্ঠন্দ্রিয় মনেরও অগােচর, সেই আত্মাই বা কিরূপে বীজতা হইল ? এ বিষয়ে অন্যান্যাশ্রয়-দোষ ঘটিতেছে। অতএব প্রল- প্রাপ্ত হইবেন ? বতঃ আকাশ হতেও সূক্ষ্মতর সংখ্যাবিবু- কালে এই জগৎ প্রকৃতি-পুরুষ বিলীনভাবে অবস্থিত খাকিয়া জ্জিত পরমাত্মার কোন প্রকাবেই বীজতা সন্তুষিতে পারে না। নিরব চিও হইতে প্রস্ত হয়, ইত্যাদি। বক বালকেরই সম্ভব, সেই অদ্বিতীয় সুক্ষ্মতম পমাত্ম অসদাভাস বলিয়াই একপ্রকার পওিরে নহে। রাম। এই নিমিত্তই বলিতেছি এই চরি- অসবহু বলিলেও হয় ত্রাং তাহাতে কিরূপে ~ থাদিতে শৈলদি দৃশ্য জগৎ কোন কালে ছিল না, বমন সমাসেও পারে ? এবং কী ভাবে অরই বা কি প্ৰবাবে সম্ভব হয় নাই এবং পরেও থাকিবে না , কেবল ঢিপ কাশই পরমাত্ম' আবও দেখ, গগন অপেক্ষাসও সুবিমল শ ম গ তে ঈদৃশ ভ্রান্তিমূলক জ্ঞান উৎপাদন করিয়া থাকে। এই গুগলে কিকপে মেক, সমুদ্র ও গগনদি অখিল । অবস্থিতি কবিবে? যখন এইরুপ অত্যন্তাভাব আছে, তখন এই মণি ক্ষেই ফলত এরূপ কোন বই নাই, যাহ রমাত্ম তে থাবিতে | যে ব্ৰহ্মধরূপ, তাহাতে আর সংশয় কি ? শিট ও ক্ষে, পারে এবং যদি থাকে, তবে সেই দিন ব কি ও না দৃষ্টি- এবধি ভান হইবার পূর্বে মুগবাদি এক শ' টাদি । গােচর হয়? অতএব পরমাত্মার বিছুই নই, কিকপেই ঝ কোধা চুর্ণীত হইলে ইহ। এক্ষণে অষ্ট বস্তু, ই দ ন একাদশ হইতে কিছু আসিবে ? শূন্যপ ঘটাৰাশ হইতে কবে কোথায় অভাব-জ্ঞানবশতঃ যে, টাদি বিল এও ১৭, ৩। প্রক কিরূপ পৰ্বত জমিয়ছে। অতপে ছার অবস্থানের ন্যায় বিরুদ্ধ বিলয় নহে , কারণ তৎকালেও উওে সেই ঘটদি প্রতি বস্তুতে কোনরূপে কি কোন বিরুদ্ধ বস্তু থাকিতে পারে ? বস্তুত হইতে থাকে, সুতরাং কেবল । তাহাব চরাদি ইসি- সূৰ্যে অন্ধকার, অনলে হিম, ও পরমাণুতে সুমেরু পর্বতের ন্যায় গোচরই বিলীন হইয়া যায়, প্রকৃতপে তার নিলয় হয় সেই রিকার ব্রহ্মে কিরূপে কোন স্থূল দৃশ্য বস্তু থাকিবে ? ন৷ এর যদি বাসনাদি বাজের সহিত উহার বিলয় হয়, তাহলে তেজঃ ও তিমিরের ন্যায় ভাব ও অভাব পদার্থের সামানাধিকরণ্য উহার অত্যক্তিক উচ্ছেদ অত্যাভাব ঘটিয়ে থাকে। নতুব, কোথায় ? কার বটবীজাদিতে যে, আন্ধুর আছে, ইহা যুক্তি- যদি চিৎ হইতে অদ্ভহিত না হয়, তবে কিরূপে উহার সঙ্গত্ব, কিন্তু সেই নিরাকার ব্রহ্মে যে মহাকার গং থাকে, ইহা প্রকুত দৃশ্যতা ভিরতি হইবে ? বস্তুত, ৩হ সকথা অসম্ভব। নিতান্ত ধুক্তিবিরুদ্ধ। যে ঘট-পটাদি বুদ্ধি প্রভৃতি অখিক ইষি এই রূপেই দৃশ্য-জগতের সর্বথা অত্যন্তাভাব হইয়া থাকে শক্তিতেই দৃষ্ট হইয়া থাকে, সেই ঘট-পট দিই যখন দেশাত্মরে ভববন্ধন মােচন বিষয়ে ঈদৃশ যুক্তি ভিন্ন অপর আর যুক্তি কিছুই বিভিন্ন বােধ হয় এবং অন্য ব্যক্তি দেখিলেও সে অন্য প্রকার অন্য প্রকার নাই। ১—১২। ব্ৰহ্ম ভিন্ন যে অপর দৃশ্য জগৎ আছে, ইহ। প্রতীত করিয়া থাকে, তখন উহা যে কিছুই নহে, ইহা সত্যই কেবল চিলাকাশের জ্ঞান মাত্র, বাস্তবিক জগ কিছুই নয়। অভিহিত হইয়াছে। যে ব্যক্তি, ব্ৰহ্মকেই জগৎকার্যের কারণ এই সেই আমি, ইহা আমি নহি, ইত্যাদি জাগতিক ব্যবহার বলিয়াছেন, তিনি নিতান্ত মূঢ় , কারণ কেন সহকারী কাৰণাদি উপন্যাসবং অলীকমাত্র। এই সমুদ্র, এই পৃথিবী, এই অনল, দ্বারা তাহা হইতে জগৎকাৰ্য্য উৎপন্ন হইয়াছে ? অতএব নিশ্চয় এই বৎসর, এই মাস, এই কল, এই ক্ষণ, এই জন্ম-মৃত্যু, তিনি কাৰ্যকারণভাব দূরে নিক্ষেপ করিয়াই, স্বীয় দুর্বুদ্ধিবলে এই কান্ত আর, এই মহাকলান্ত, এই সেই সৃষ্টিপ্রান্ত, এতাদৃশ কল্পনা করিয়া থাকেন। সেই জন্যই বলিতেছি, তিনি এইরূপ শ্রুতি-পুরাণাদি-প্রসিদ্ধ অাকাশশিব সৃষ্টিক্রম সমুদয় সত, তঁাহার আদি অন্ত বা মধ্য কিছুই নাই, এই অখিল কজের ঈদৃশ লক্ষণ, এবম্বিধ কোটি কোটি ব্রহ্মাণ্ড আছে, এই জগৎই তিনি , তিনি ভিন্ন অপর কিছুই অবস্থিত নহে ২১-৩৬। সকল পদার্থ আমরা গনিয়াছি, ঐ সকলও শ্রীনিব, এই সকল প্রথম সমাপ্ত। ১। তারকারাজি বিরাজ করিতেছে এবং এই দেশ, এই কাল ও এই কালাহল ইত্যদি জ্ঞান-ভান্তিবশত অজই প্রাভূত হইয়া থাকে। নতুবা অনাদি অনন্ত মহাকাশস্বকপ জ্ঞানময় পরব্রহ্মের দ্বিতীয় সর্গ। বিকার নাই , তিনি পূর্কেও যেরূপ, এক্ষণেও সেইরূপ, এবং পরেও বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। তুমি জ্ঞাতব্য বিষয়ে অভিজ্ঞ সেইরূপে থাকিবেন, বস্তুত তিনি সততই একরূপে অবস্থিত। গণের মধ্যে অগ্রগ , অএ একালেও জগতের পথ সভা তে বিস্তৃত সূর্যালােকে যেরূপ অসংখ্য পরমাণুর ভেদ ও ভ্রমণ স্বীকার করিলে যে দোষ হয়,হা বলিতেছি। সুর্ণাতীত মহা- লক্ষিত হইয়া থাকে, দ্রুপ মহাকাশ ও মহা চিংরুপ পরুত্ৰহ্মেও চিকাশপ নিৰ্ম্মল ব্রহ্মে যদি অমতে আদিঅ অবস্থিত এই অনন্ত জগৎ প্রতীয়মান । অবিদ্যাবচ্ছিন্ন জীব-চৈ থাকে অহাইলে বল দেখি, কোন্ত সহকারী কারণ হইতে যে অগং প্রতিফলিত হইতেছে, ইহা স্বতই চমৎকার সহাসই পুরূঢ় হয়? কেহ কখনও বন্ধ্যার কার বলিয়া বােধ হইয়া থাকে। ইহাই সৃষ্ট বলিয়া প্রতীত হয়, কিন্তু স্থায় এই জগতে সহকারী কাণের অভাবেও অঙ্কুরােগ সৃষ্টি বাস্তবিক উহার কোনও ভিত্তি নাই। টিকমিথ্য গােচরন নাই। আর যদি সহকারি-কারণভাৰেও যেরূপ বিবিধ রেখা অচল ভাবে অবস্থিত বলিয়া এভীতি জমে তি-প্রকরণ। ২০৫ কিন্তু বস্তুতঃ উহা যেমন স্ফটিক ভিন্ন অপর কিছু নহে, ভদ্রুপ রহিয়াছে। এনাদিকালপ্রবহমান ব্রহ্মের যে জন (প্রকাশ এই অখিল জগও পরব্রহ্মব্যতীত অন্য পদার্থ নহে, উহা কখনই উহাই বিরাজমক আভিবাহিকালেহ এবং উহাই এ উদিত ৰা বিনষ্ট হয় না এবং কোন স্থান হইতে আগমন ৰা শরীরের উপাদান স্বরূপ। দেশ কাল ক্রিয়া অব্য এবং দিন ও রাত্রি- কোথাও গমন করে না। নিরাকার আকাশে মেজপ নিকার সমন্বিত, কালসল আকাশব্যাপ্ত ত্রিভুবনই সেই একমাত্র আকাশখণ্ড দৃষ্টিগােচর হয়, তদ্রুপ অবিএভাবে নিৰ্ম্মল; চিবুতে প্রকাশমান হইতেছে। আবার সেই ব্রহ্মাণ্ডপ পুরুমাত্মতে আপন হইতেই এই সৃষ্টি-ব্যাপার এক্ষুরিত হইয়া মধ্যেও তাদৃশ অসংখ্য ব্রহ্মাণ্ডময় পরমাণু এবং তাহার অত্যয়ে থাকে। জলে ভরল, বায়ুতে স্পন্দনশীলতা, সাগরে আবর্ত দৃশকার কত শত জগৎ-পরমাণু যে বিরাজ করিতেছে, তার এবং সগুণ-পদার্থে গুণের ন্যায় এই উদয়াময় সুবিস্তৃত গনন্ত- ইয়ত্তা নাই। এই রূপেই জগৎ অসংখ্যরূপে বিস্তৃত রহিয়াছে। বিগ-ব্ৰহ্মাণ্ডই সেই উদয়াস্তবিহীন অদ্বিতীয় নিরবচ্ছিন্ন বিজ্ঞান- 'হে সৌম্য। তুমি যে এই পরিমান জগৎ অবলোকন করিতে ময় সুবিমল পরব্রহ্মই অবস্থিত বলিয়া প্রতিভাত হইতেছে। , ইছা সেই পরহ্মের প্রকাশ মাত্র, বাস্তবিক কিছুই নহে। সহকারী কার্যদির অভাবেও যে, শুকল্প প্রতি হইতে জগৎ হে অনস্ব! একপ্রকারে ভজজ্ঞদিগের রূপ উৎপন্ন এবং সেই অনাদি ব্ৰহ্মই যে জগৎ রূপে আয়মান হন, | ব্ৰহ্মময়-দৃষ্টি ও অজ্ঞদিগের অসংজগদ্দ টি এই উভয়বিধ দর্শনেই ইত্যাদি সিদ্ধান্ত উন্মত্তের প্রলাপ ভিন্ন আর কিছুই নহে। অতএব : অনন্ত-জগৎ অত্যুদিত হইয়া থাকে। তন্মধ্যে সঁহারা তত্ত্বদশী, হে বাঘব। তুমি চিরদিনের জন্য অবিদ্যারূপ দীর্ঘনিদ্রা ও তজ-; তাহাদিগের নিকট একমাত্র নিকি'র অবিনশ্বর ব্রহ্মই প্রতীয়মান নিত বিবিধ সুর কল্পনারূপ কলঙ্ককল্প স্বল্পভ্রম দূরে পরিহার পূর্বক হয় , যাহারা অজ্ঞ, তাহাদিগের নেএ বিশাল বাজ প্রলুদ্ধ ও বিকল্পময় শষ্যা হইতে উতি ইইয়া, তত্ত্বজ্ঞানৰূ ভূষণে দেদীপ্যমান হইয়া থাকে। যেমন প্রত্যেক পরমাণুতে সহস্র স্থানীদিগের সভাস্থল ভূষিত করত জন্ম-মৃত্যু-ভয় হইতে সহস্র কোটি কোটি অপর পরমাণু সকল প্রকাশ পায় পরিত্রণ পও। ১৩-২৫। এবং যেমন মধ্যে খচিত পুলিকার প্রত্যেক অঙ্গে পুলিকা দ্বিতয় সর্গ সমাপ্ত ও তৎসমুদয় লিকার গাত্রেও অসীম পুলিকা দৃশ্যমান হয়, জ্রপ ব্ৰহ্মাণ্ড ও তদভ্যন্তরে ত্রৈলােক্যপুলিকা বিরাজমান হইতেছে। পৰ্বতীয় পরমাণু সকল, যেমন অভিন্নকপে অবস্থিত ও অসংখ্যয়, তদ্রপ স্বৰূপ বিশাল মেরুষধ্যে অনন্ত তৃতীয় সর্গ । ত্রৈলোক্য-পরমাণু বিদ্যমান রহিয়াছে। সূৰ্যাদির আলােক- মধ্যে প্রতিভাত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরমাণপুখ যেমন কিছুতেই সংখ্যা শাম কালেন,-গুরে' মহাপ্রলয়ের অবসানে সৃষ্টিপ্রারম্ভে করিতে পারা যায় না নেই সিকপ চাধের অভ্যন্তরেও যে - ত্যাগ অর্থাৎ স্মৃতিস্বরূপ প্রজাপতি প্রার্ভূত হইয়। সকল ত্রৈলোক্যপরমা প্রকাশমান হইতেছে, তাহাও অগণ্য। * * করেন , রাং তাহার মনঃসঙ্গম গণিয়া এই সূর্যালোকমধ্যে, জলমধ্যে ও রজোশিমধ্যে যেমন অগণনীয় গ’ ও সূতাত্মা, এন্য সহকারী কারণাদি না কাম আর পৰমাণু নিরন্তর মম হইতেছে চিলাকাশের অভ্যন্তরেও ভাশ : 4ধ বি। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে র ! তুমি যে 'মহা- অনন্ত ত্রৈলােক্যপরমাণু নিরন্তর ভ্রমণ করিতেছে। ভূতাবশ এলয়ন্তে সৃষ্টিপ্রারম্ভে প্রথমে তাত্মা প্রজাপতি উৎপন্ন হন যেমন “মাত্ৰাত্মক হইলেও অপর বন্দুবোধে অনুভূত হত্ন, এবং কার সাত্মক জগও স্মৃত্যাশ্না” বলিতেছ তা যথার্থ সেইরূপ এই চিদাকাশও সৃষ্ট বরূপে প্রভাত হইতেছে। সত্যই। সৃষ্টিপ্রথম প্রজাপতির সঙ্কল্প রাজস্বৰূপ এই অগং সর্গ শব্দকে যে সৃজন অর্থে বোধ করে, তার অধােগতি হয়, বিরাজমান হইয়া থাকে, কিন্তু আকাশে যেরূপ বিশাল-বরের আর যে ব্যক্তি, উহা ব্রহ্মা জ্ঞান করিতে পারে, তাহারই সম্ভাবনা হয় না, তদ্রুপ পরমাত্মার জন্ম না থাকায় সৃষ্টিপ্রারম্ভে পরমকল্যাণ লাভ হইয়া থাকে। যিনি, এই বিশ্বের বীজসাপ, কিছুতেই তাহার স্মৃতি সৃবিতে পারে না। রাম কহিলেন, যিনি সকলের নিয়ন্তা, যিনি বিজ্ঞানময় জীবােপাধি গ্রহণ কবির ক্ষ। সুষুপ্তির পর জাগরণে যেমন পুনরায় পূর্ধস্মৃতি উদিত ছেন, যিনি পূর্ণ, যিনি সতত একরূপ, বাহ হইতে অখিল ব্ৰহ্মাণ্ড হয়, তদুপ দৃষ্টিপ্রারম্ভে কি মনােময় প্রক্ষাপতির পূর্বতি প্রকাশমান হইতেছে, অন্তরে জ্ঞানােদয় হইতে সঁহাকে বিশুদ্ধ প্রাদুর্ভূত হইতে পারে না? মহাপ্রলয়রূপ সম্মােহৰণে প্রাক্তন চিত্ৰ বলিয়া বোধ হয়, যিনি চিলাকাশমাত্র স্বরূপ হইয়া পার- মুভির কিরূপে লয় হইবে ? বশিষ্ঠ বলিলেন,-পূর্কে মহাপ্রলয়- দৃশ্যমান অনন্ত জরুপে বিরাজমান, সেই একমাত্র বেদ্য কালে ব্ৰহ্মাদি যে সকল প্রজ্ঞপুরুষ নির্বাণ প্রাপ্ত হইয়াছেন, পরব্রহ্মকেই জানিতে যত্নবান হইবে। ১৬-২৪। তাহারা অবশ্যই ব্ৰহ্মত্ব লাভ করিয়াছেন। অতএব হে সুব্রত। বল- দেশি, পূর্ধ্বতন স্মৃতিকর্তা কে হইতে পারে? সূত্মাৎ স্মৃতিকার তৃতীয় মগ সমপ্ত। ৩। মুক্তিহতু অবশ্য স্মৃতি বিলীন হইয়া যায়। এজন্য ঋভিকর্তার অভাবে কিরূপে স্মৃতি উদিত হইবে? এই স্বীকার ফরিতে হইবে যে, মহাপ্রলয়ে সকলেই নির্বাক প্রাপ্ত হইয়া থাকে। চতুর্থ সর্গ। খব। তুমি যাকে আগতের উৎপত্তির কারণ স্মৃতি বলিয়া বশি কংহে ব! এই জগতে ই-নিচয়ের আশঙ্কা করিচ্ছে, উহা বাৰিক ৰূতি নহে; উহাই সবিস্তৃত কৃ গালরকণ সে আৱাই অপার মলা- গাঁর পার হইতে চিএ, আল্যবিহীন প্রকাশমান বিগে, জপে শাখায় ; অসুৰ অ কোন কন গায়ই উলখিত হয় সিয়ফুলে সেই আশাতীত ও চিলাই বিজ্ঞান গলােনা ও সার উপায় বলে বিকোণ । = . .
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ ৭-১২। হওয়ায়, যে ব্যক্তি ইন্দ্রিয়গণকে জয় কৰিড়ে, পারে, তাহা হইতেছে। এ কহিলেন,-ভগবন। ভৃগুনন্দনের স্বর্গলােগ নিকটেই এই চূজপং স্পিদিনের জন্য বিলীন হইয়া থাকে। মলিনাক্স কি প্রকারে অপ্সরা- উপভােগ ও সংসারিত হই হে মানববর। সংসাররূপ সাগরশ্রেণী যেরূপে প্রবাহিত ও ছিল, তাহা কীর্তন করুন।১। বশিষ্ঠ কহিলেন,—রম। তৃণ্ড বিলীন হয়, আমি তৎসমুদয় তােমার নিকট কীৰ্ত্তন করিলাম। ও কালের সংক্ষিণ পর বণিতেছি শ্রবণ কর। পূৰ্বকালে এ বিষয় আর অধিক কি কহিব। নিশ্চয় নিও, একমাত্র মনই তমালতপরিব্যাপ্ত, বিবিধপুষ্প-সুশােভিত মন্দ-শৈলের কোন কৰ্ম্মৰূপ বিশাল অবরের অঙ্কুর-স্বরূপ, সুজ্জং মনের উচ্ছে সমতল ভূমিতে ভগবানু ডু, কঠোর তপস্থা করিতে আরম্ভ হইলেই বৈধবৈধ কৰ্ম্ম-শরীরময় সংসারটিলী উনূলিত হইয়া করেন। ঐ সময় নবযৌৰিত মহামতি, মহাতেজী পুর্ণ- 'কে। হে রাম। জগতে যাহা কিছু বিদ্যমান, সুবই নিদান চরে স্যায় সমুজ্জ্বল মধুরাকুতি, অলীপুত্র শুক্র, তাহার পরিচর্যা নুন, এজন্য একান্ত মনােরূপ ব্যাধির চিকিৎসা করিলেই করিতে লাগিলেন। অনন্তর মহা ভূপ্ত, সেই অরণ্যমধ্যে অগজারূপ অখিল বােগই চিকিৎসিত ও প্রশমিত হয়। ১-৫। সমাধিস্থ হইয়া বহুকাল বনশিলার বেদিত পুলিকাব প্রতীয়- অখিক্রিয়াসমর্থ মনঃসই জগতে নানাদেহরূপে উৎপন্ন মান হইতে থাকিলেন। তৎকালে বালক শুক্র, স্বর্ণময়-বেদিকার হইষা থাকে। বতঃ মন ভিন কে কোথায় দেহ দেখিয়াছে? উপরিস্থ ম-শয্যায় শন এবং মন্দারত-নিবদ্ধ মনােহর ঐ মনােকপ পিশাচ দৃশ্যবস্তুর অত্যন্তাভাব-জানভীত অন্য | দোলায় ক্রীড়া করিবার বাসনায়, পারমার্থিক আত্মত-দর্শন ও কান প্রকারেই শত শত কল্পেও প্রকাশিত হয় না এবং মনন ঐহিক-জগতের সত্যতা-বােধ-ৰূপ উভয় সঙ্কটে পতিত হইয়া, স্ক ল ব্যাধির চিকিৎসা করিতে হইলে, দৃশ্যবস্থার অত্যন্তাভাবকপ ' ও মর্ত্যের অন্তরাতস্থিত ত্রিশঙ্কুর ন্যায় অবস্থান করিতে লাগিলেন। দ্য ঔষধই উৎকষ্ট ও কার্যক্ষম বলিয়া সম্ভাবিত হয়। একমাত্র অনার দায় পিতা সৃণ্ড, নির্বিকল্পসমণিপ্রাপ্ত মনই মােহ উৎপাদন ধরে এবং মনই জায়মান ও মিমাণ হইলে, একদা তিনি, এবান্তে অবস্থিত ও কিন্তু ব্যবিমুঢ় হইয়া হইয়া থাকে। ৬-১০। মন নিকলন-বলে বন্ধ ও জ্ঞানবুশে অরাতিবিহীন ভূপতির খায় নিশ্চলভাবে অবস্থান করিতেছেন মুক্ত হয়। বিশাল গগনগনে শূন্যময় গন্ধর্ব-নগরের ভয় সঙ্কল্প- | এমত সময়ে, ভগবান মধুসূদন হেমন নীরোদস পর হইতে পূর্ণ মনোমধ্যেই এই বিপুল জগং প্রঙ্কুরিত হইতেছে। পুষ্প- | কমলাকে উখিত হইতে সন্দর্শন করিয়াছিন সেইরুপ তিনিও গুচ্ছে সৌরভবৎ, একাৰ মনেতেই এই সুবিস্তৃত অখিল জগৎ | কোন অঙ্গরাকে আকাশপথে গমন করিতে দেখিন। প্ররিত ও অবস্থিত বহিয়াছে, অথচ যেন, তাহা হইতে অগং সেই মন্দার-মাল্যধারিণী সরনার অনবরী মন্দ মন অনিল- যথার্থ ভিন্ন বক্ত বলিয়া প্রতীত হইতেছে। যেমন তিলে তৈল, তরঙ্গে রঙ্গিত এবং মণিময় হারের স্বার-শব্দে দীয় মগতি গুণতে গু, ধীতে ধৰ্ম্ম, সূৰ্য্যে কিরণমালা, ভেজে আলোক, অনুমিত হইল। দেখিলেন, তহবি গলদেশ মন্দার-পুষ্পমাল্য অনলে উষ্ণত, শিশিরে শৈ, আকাশে শুন্যতা এবং বায়ুতে সৌরভ চতুর্দিকে বিক্ষিপ্ত হইয়া গগনানিল অমােদিত করিতেছে । চপলতা অভািবে অবস্থিত সেইকপ মনেতেই এই গং সেই মণিভ-লোচনা দিব্যরমণীব সুমি সমুজ্জ্বল দেব, অধিষ্ঠিত রহিয়াছে। সুং একমাত্র মনই অখিল জগৎ এবং করের লাবণ্যমন্ত্রী প্রায় আকাশমণ্ডল যেন সুধাময় হইতেছে। অখিল গই মন, উভয়েই সতত পৰম্প অভিন্নকপে বিবাজ বস্তুতঃ তাহাকে দেখিলেই বােধ হয় যেন লাবণ্য-রুর একটা না। কিন্তু ঐ উভয়ের মধ্যে মনের উচ্ছেদ হইলে যেমন কোমল শাখা উর্ষে দোদুল্যমান হইতেছে। অগাধ-আগরবারি অ উচ্ছিন্ন হয়, সেরূপ জগৎ বিলুপ্ত হইলে মন বিলুপ্ত | যেকপবিল পূর্ণচন্দ্র-দর্শনে উচ্ছলিত হইয়া থাকে, সেইরূপ হয় না ১১-১। সেই অলৌকিক-রূপ-লাবণ্যবতী ললনাকে নিরীক্ষণ করি ভূ- চতুর্থ সর্গ সমাপ্ত কুমারের অনুকরণ এককালে আকুলিত হইয়া উঠিল , এবং সেই সুরাঙ্গনারও তদীয় মনােহর-মুখমণ্ডল সন্দর্শনে ধৈৰ্য্য- চ্যুতি হইল। তৎকালে ভূগুনন্দন, মখশরে আহত স্বীয় হৃদয়কে পঞ্চম গগ। যথাসাধ্য বাহব্যাপার হইতে নিরুদ্ধ করিলেও, রমণ-বিষয়ে একা- রাম কহিলেন-হে ভগবনু' আপনি সর্বধৰ্ম্মজ্ঞ এবং যাহা গ্রহেতু অখিল জগৎকেই রমণীময় বলিয়া তাঁহার বােধ ৰ্বাপর সমুদয় বৃত্তান্ত অবগত আছেন, আপনি তাঁহাদিগের হইতে লাগিল। ১৩-১৯। অগ্রগণ, অতএব কি প্রকারে এই বিশাল জগৎ মনেতে বিকাশ পঞ্চম সর্গ সমাপ্ত পইতেছে, তাহাআপনি পরিস্ফুট দৃষ্টান্বারা আমার বােয্য করিয়া দিন। বশিষ্ঠ কহিলেন—ঐন্দৰ- বিণশর শরীর না শাকিলেও যেমন অখিল জগৎ ধিরতরত্নপে তঁাহাদিগের মনেতে প্রতীত হইয়াছিল, অপ সকলের মনােমধ্যেই এই অসৎ অবস্থিত 'রহিয়াছে। ঐন্দ্রজালভাবে ব্যাকুলমতি লবণ রাজার যেরূপ বশিষ্ঠ কহিনের ক্রাচার্য্য এককথায় নিমীলিত চণ্ডপ্রাপ্তি হইয়া, সকলের চিমধ্যেই সেইরুল ভ্রমপূর্ণ | নেত্রে সেই মণকেই যান করত মনােময়জ্য কল্পনা করিতে অ অবস্থিত থাকিয়া বিৰিধভাবে আক্রান্ত করিতে এবং লাগিলেন। তখন তাঁহার বােধ হইল, এইত সেই ললনা বিহার ভৃগুপুত্র গুক্রের যেরূপ বহুকাল অর্গাদিভোেগনহেতু স্বৰ্গনে করিতেন এবং আমিও ত এই অরণে পরিব্যাপ্ত অখিলে গমন, রাবিহ, ফসারিজ এন্ড মিন আরও উপস্থিত হইয়াছি। এই মুর বিয়া করিতেন; আহা! কাট, সেইসালে এলেই এই নিৎ একাণ সুকোমল বনমের খুশিরভুবণ ও ঝর্ণালরে ইলিগে যষ্ঠ সর্গ।
। । থাকবি। ক ভূগুর হক। তি-প্রকরণ কিসৌন্দর্যই হইয়াছে। ইহাদিগের কলেবর যেন পলিত-মুলা- রাজ সরে শুক্রের হয় রণ পূর্বক উত্তােলন করিয়া তাহাকে ধারায় ন্যায় সমুজল ও মনােহর। এই সেই কুরঙ্গননা আমরন করত আপনার নিকটে উপবেশন করাইলেন এবং মধুরহাসিনী বিলাসিনী কামিণগণ, ইতস্ততঃ চঞ্চলনয়ন প্রসারিত কহিলেন, হে শুক্র। অদ্য আপনার আগমনে আমি ধন্য হইলাম করত নীলকমলমালার সৌন্দর্য্যচ্ছটা বিস্তার করিতেছে। এই এবং সুরপুরীও শােভিত হইল। আপনি চিরকাল এস্থানে সুখে সেই আনন্দময় মরুগণ, মন্দা-কুসুমমালায় ভিত হই, অবস্থান করুন। তৎপরে ভূকুমার প্রমুখে প্রায় উপবিষ্ট পরস্পরের সুবিমল শরীরে কেমন পরস্পর প্রতিবিম্বিত হইয়া থাকিয়া, সুবিমল পূর্ণশশধরের শােনা ধারণ করিলেন। পুররের অনন্তমূক্তি বিশ্বরূপ হরির ন্যায় বিরাজমান হইতেছে। এদিকে পার্শ্ববর্তী সেই ভূগুলঙ্গন, অখি-সমরকৃষ্ণকর্তৃক বন্দিত ও দুর এইত সেই রগণের সুমধুর সঙ্গীতধ্বনি হইতেছে। আহা। ঐ পতির পরম পিয়পাত্র হইয়া, বহুকাল অতুল প্রীতি উপভােগ অলিনিকর, ঐরাবতের মজলসিক্ত গণ্ডলেও বিরাগ প্রদর্শন করিতে লাগিলেন। ১৭২৪। পূৰ্ব্বক কেবল উহাই শ্রবণ করিতেছে। এই ত সেই মন্দাকিনী, যষ্ঠ সর্গ সমাপ্ত।। আহা। হংস-সারসগণ, কেমন উহার স্বর্ণব-কমল-নিচয়ে বিচরণ করিতেছে। এবং এপিকে অটস্থিত উদ্যানমধ্যে কেমন সুর- নায়কগণ বিশ্রাম-সুখ-উপভােগে আসক্ত রহিয়াছেন। এই সেই ই, চ, ন| বরুণাদি লােকপালগণ স্বীয় শরীরকা দ্বারা। সপ্তম সর্গ। যেন অনলপ্রভাকেও চতুর্দিকে প্রসারিত করিতেছেন।১৮। বশিষ্ট কহিলেন,-ভৃগুময় স্বীয় পুণ্যবলে এইরূপে সুর- এই ত সেই ঐরাবত হস্তী, সংগ্রাম-ক্ষেত্রে ইহার দন্তাধাতে ' পর গমন করিয়া মৃত্যুযন্ত্রণায্যতীতও পূর্বতন নিজ ভব বিশ্বত দৈত্যেন্দগণ বিদারিত হইয়া থাকে এবং যুদ্ধপ্রসঙ্গ উপস্থিত হইলেন। তিনি ঈশ স্বর্গসুখে প্রসৃষ্ট হইয়া মুহূৰ্ত্তকাল মাত্র ইলে ইহারই মুখমণ্ডল আয়ুধার দেন কম্বিত হয়। এই সেই ' শচীপতির পখে বিশ্রামপূর্বক স্বর্গবিহারার্থ গালেখা করিলেন। বিমানবিহারী দেবগণ, ভূতল হইতে ইহারাই গগনানে তারকা- অনছুর রমণীগণের বাঞ্ছনীয় স্বৰ্গশােভা সন্দর্শনপুৰ্ব্বক স্বীয় বাজীরূপে বিরাজমান, হন এবং ইহাদিগের বিমান ও দেহের , শরীরসৌন্দর্যকে কামিনীগণের সন্তোষজনক বােধে নলিনী- এ যেন সুবিমল-স্বর্ণপ্রভাবং চতুর্দিকে প্রস্ত হইতে থাকে। উদ্দেশে সারসের ন্যায় সুরাঙ্গনাদিগকে অবলােকনাথ স্থানান্তরে এইত নেই আকাশগঙ্গার রাবলী, মন্দালত-সকল গমন করিলেন। তৎপরে,ভখায় বিপিনমধ্যবর্তিনী চুতীর ন্যায় অভিসিক্ত কবিতেছে । আহা! ঐ বীচিমালা সুমেরুশিলায় সেই পূৰ্ব্বদৃষ্ট কুরঙ্গয়না ললনাকে কামিনীগণের মধ্যে শােমনা। শত হওয়ায় ইতস্ততঃ প্ৰস্ত শীকরনিক-সংস্পর্শে সুর- হইতে দেখিলেন। হে রাম। এদিকে সেই কামিনীও ভৃগুকুমারকে গণ কোন পরিতৃপ্ত হইতেছেন। এই ত দেবরাজের উপবন- দৃষ্টিগােচর করিয়া পরবশ হইয়া পড়িল। কৌমুদীদর্শনেত্ৰকান্ত- সকল সৃষ্ট হইছে , আহা! উহার অভ্যন্তরে সুরাঙ্গনগণ কেমন মণি যেমন দ্রবীভূত হইয়া যায়, সেই প্রকার সেই মনােমুখকর গোলাধিকট হইয়া দোলায়িত হইতেছে এবং ঐ কামিনীকলেবর কামিনীকলেবর বিলাবতী সুরাঙ্গনাকে নিরীক্ষণ করিয়া তাহার সর্বাঙ্গ কামরসে চতুর্দিকে প্রসূত মন্দার-কুসুমমঞ্জরীর রজঃপূঙ্গে কেমন পিঙ্গলবর্ণে গলিপ্রায় হইয়া উঠিল। এখন তিনি গগন-বিলাসিনী সুশীতল শােভা পাইতেছে। সুধাকরের কিরণমালার স্থায় সুশীতল সুখ- জ্যোৎস্নার প্রতি চন্দ্রকাষের ন্যায় দ্রবীভূত শরীরে সেই ললনার স্পর্শ মন্দ মন্দ সমীরণ কুন্দ, মন্দার ও পারিজাত পুষ্পসৎসর্গে প্রতি একদৃষ্টিতে অবলােকন করিতে লাগিলেন এবং নিশাবসানে ‘কমন সুগন্ধ বহন করিতেছে এই ত সেই লতা-সদৃশ অঙ্গনা- চক্ৰবাকের কণ্ঠস্বরে চক্রবাকী যেরূপ অনুরাগতরে উৎক্ষুন্ন হইয়া গণে পরিব্যাপ্ত নন্দনকানন লক্ষিত হইতেছে , আহা! ঐ অঙ্গনা থাকে, সেইরূপ সেই মুরললাও ভাবশনে উৎকৃল্প ও সকল কেমন পুষ্প-কেসর এবং হিমকণাস পরাগ দ্বারা পর- ঠাহার একান্ত অধীন হইয়া পড়ি। তৎকালে প্রভাতকালীন স্পর প্রহার করত সমরশীলা অভিনয় করিতেছে। এদিকে এই প্রভাকর ও কমলিনীর ন্যায় সেই পরম্পরায় দশগিলের ও সেই নারদ ও পুরু নামক গন্ধযুগল বীণাবৎ সুমধুরস্বরে সৌন্দর্য্যের অপরিসীমা রহিল না। নন-প্রদেশ সকলকেই সঙ্গীত আরব্ধ করায় সুরাঙ্গাগও কেমন আনন্দে নৃত্য করিতেছে। সঙ্কলিতাৰ্থ প্ৰদান করিয়া থাকে বলিয়াই যেন সেই ললনার এই ত অসংখ্য পুণ্যাত্ম সকল নানালঙ্কারে অলঙ্কৃত হইয়া অন্ত- সৰ্বাঙ্গ বিবশ করিয়া মন্মথ-করে তাঁহাকে সমর্পণ করিল, তখন বীক্ষে উডডীয়মান বিমানিয়ে সুখে অবস্থিত রহিয়াছেন। নলিনীপত্রে জলধারার ন্যায় গুলীয় কোমলাদে ভূরি ভূরি মন-শর ১-১৬। বনলতা সকল যেমন কনসেবায় নিযুক্ত সেইরূপ নিপতিত হইতে লাগিল। ১১১। সেই ললনা এইরূপে ঐ নুর-কামিনীগণও মন্মথমদে মত্ত হইয়া দেবরাজের সেবা করি- স্মরকম্পিত হয়। চঞ্চল-ভ্ৰমৰণী-পরিব্যাপ্ত মৃদুমন্দ সমীরণে তেছে। এই ত ক সকল বিরাজ করিতেছে, আহা | আন্দোলিত চুতময়-বংশােভমানা হইতে লাগিল। মঙ্গসাজ উহাদের বুনি যেন ইন্দ্রকান্তমণির গুচছ সকল যেন চিন্তা- | যেমন কমলিনীকে দলিত করিয়া থাকে, কালে মদ-দবও সেই মণির এবং সুপ ফলৰক সকল কেন দর্শন-শ্রেণীর ন্যায় শােভ- হংস-সারস-গামিনী ইন্দীবাদীকে জলে এড়িত করিতে সুরাজ সিংহাসনে অজি রহিয়াছেন দেখিতেছি, এতব তাপর দেখি একালের অকার আমি ছকে অভিবাগণ করি। হন ওজন্যে এই সঙ্কল করিবামাত্র লোকের গভীর নিশীতে লােকালো- রূপ চিন্তা করিয়াই মশকলিত কালে দ্বিতীয় ৰং বিরাজমান শৈলের টনে নেল আবৃত হইয়া থাকে, লােকের সেই নেক্সকে অগিন করলে অন্য নেই কানায় সেই এলেও এ তিনি। সেই শিখুন } যােগর শিষ্ট-মায়ণ যুগল যেমন পরস্পর স্থিরঙ্গবাপ, সেই প্রকার সেই লজপ পঙ্কজ-শােভিত মন্দাকিনী-অটে যেই সুরবালার সহিত বিহুৰ, অন্ধকারের সূৰ্যম্বরূপ তিমিরজাল নন্দনপ্রদেশে হিন্বতালাপ্ত হইলে, কখন ইন্দু-সুধাপানে পরিবর্ধিত অমরবৃন্দ এবং সিদ্ধ ও চারণ- ভূমণ্ডলে দিবাবসানে বিংগগণের ন্যায় ভদীয় সখীগণ সে আল গণের সহিত পারিজাত-লতাকুজে মনের উল্লাসে বুসানপান, হইতে অভিলষিত স্থানে গমন করিল। অনন্তর ময়ুরী যেমন কখন বুঝেনােদানে বিদ্যাধরীগণের সহিত লতা-সন্ততিতে অধরের নিকটবলিী হইতে চেষ্টা করে, তদ্রুপ সেই সুশীক্ষনয়ন সংসুকচিড়ে বহুক্ষণ দেনক্রীড়া, কখন মগিরি যেরূপ সাগরকে আলােড়িত করিয়াছিল, তদ্রুপ শৈব প্রখসমুহের সহিত চাপাজী নুরবারও মদনব্যথা বর্ধিত হওয়ায় তৃণ্ডসনের সমীপে আগমনপূর্বক লজ্জাবনবে তাহার হক বারণ করিয়া নন্দনীপবন আলােড়ন, কখন যমেরু প্রদেশে পদ্মবনে মদমত্ত করুনাময় সৌমধাতি পৰ্বন্ধোপার তাহার সহিত উপবেশন মাখং নৃব নব হেমলতাজালে জটিল তটিনীসমুহে উদভ্রান্তরূপে করিলে, ভগবান কমলাকান্থ যেন ক্ষীরােদসাগরে কমলার সহিত জল-ক্রীড়া, কথন কৈলাসবিপিনকুঞ্জে বিলাসপূর্ণ-মানসে সেই অবস্থিতি করেন তিনিও সেইরুপ তথায় তঁাহার সহিত অবস্থিত সুরকামিনীর সহিত প্রমথগণের সুমধুর-সঙ্গীতধ্বনি শ্রবণ করত হইলেন। তখন ঐরাবতের উরস্থল-লগ কমলিনীর ন্যায় সেই সুর- শঙ্করমৌলিস্থিও চন্দ্রকলার কিরণমালায় উদ্ভাসিত ধামিলীনিচয় কামিনীর অনুপম রূপমাধুরা প্রাণ পাইতে লাগিল। ১২-২০। সুখে যাপন, কখন গন্ধমাদনশৈলের অত্যুচ্চ সনুপ্রদেশে বিশ্রাম- অনন্তর সেই অপর অনন্দ ও বিলাসভরে গদগদরে সুমধুর পূর্ধক কনকবর্ণ পদজনিকরে সেই সুরললনাকে আপাদ- প্রণয়পূর্ণচনে কহিল, হে বিমলচন্দ্রানন। অনদেব আমাকে মস্তক সুসজ্জিত এবং 'হে রাম। কখনও বা বিস্ময়কর বিচিত্র মনােহর লোকালোকপত্রে প্রতিটভূমিতে সহাস্যবদনে তাহার অবলা পাইয়া, শাসন আকর্ণ আকর্ষণপুৰুক দেখ কিরূপ প্রহার সহিত ক্রীড়াকৌতুক করিতে লাগিলেন।১-১০। অনন্তর করিতেছে। এখ। আমি অতীব কান্না হইয়া আপনার শরণাপন্ন মন্দর-শৈলের নিপ্রদেশে কল্পিত দেবভোগ্য-ভবনে অবস্থিতি হইতেছি, এই অবলাকে রক্ষা করুন। হে সাবধা। আপনি নিশ্চয় জানিবেন, বিপন্ন-ব্যক্তিকে আশ্বাস প্রদান করাই সাধুদিগের করত হরিণ-শাবকগণের সহিত ষষ্টিবর্ষ অতি হিত করিয়া পুন রাষ বিসাগরতটে বনিতার সহচব হই, তোপনিবাসী জন- পরম ব্রত। মহামতে। যারা প্রণয়দৃষ্টির মন্ম অবগত নহে, সেই মূঢ় ব্যক্তিরাই পবিত্র প্রণয়কে অকননা করিয়া থাকে, গণের সহিত সত্যযুগের অন্ধসময় অতীত করিলেন। ভূগুনন্দন কিন্তু প্রণয়রস-নাশ কখনই সেরূপ করিতে পারেন না। এইবপে জনপ্ৰভবে গন্ধন ও উদ্যানাদি চিনাপূর্বক অয়ি ঘিয়। পরস্পর অনুরাগসূত্রে আবদ্ধ দশতিযুগলের বিচ্ছেদ- তাহাতে বিছার ওর অনন্ত জগ, কালের সাদৃশ্য প্রাপ্ত হই শিক্ষশূন্য বিশুদ্ধ-প্রেমের নিকট অনুপম আনন্দপ্রদ মুখশ্রাবী লেন। অতঃপর গিনি পুনরায় সেই বিনয়নার দিও পুরন্দরপুরে সুধাকও পরাজিত হইয়া থাকে। প্রথমানুরক্ত দম্পতির নিল পরম সুখে দ্বাত্রিংশৎফুন বস বরিশন। পরে স্বীয় পুণ্যবল ক্ষু হে যেপ পরস্পরের আনন্দ হয়, ত্রিলােকের ঐশয্যও ঈদ- ইযাছে ভাব পড়বে তাহদিগের দিব্য দেহ বিগলিত হওয়ায়, স্কুকে অদৃশ আনন্দিত করিতে সমর্থ নহে। হে মানদ । রজনীতে । সেই মানিনী কামিনীর সহিত অনাম গুলে পতিত হইলেন সংগ্রামক্ষেত্রে বুখ থেকপ মুখাদিনি ও বীণকলেবর হই, কাতা যেরূপ কুকান্তের পাদস্পর্শে আখাসিত হইয়া থাকে সেইরূপ এই অবলাও ভবদায় পাদস্পশে আশ্বাসপ্রাপ্ত হইতেছে। চিন্তিচিত্তে ৰােগত হও, তিনিও সেইরূপ বিমান ও বস্ত্রা রাদি পিলাচকোরী যেমন সুধাকরের সুধারনপানে জাবনীশক্তি লাভ- ভােগ্যববিহীন হইয়া চিকুলদয়ে চার্জার করে, হে সুন্দর' রূপ আমিও ত্বদীয় সংস্পরূপ অপানে শরীরে পাসহ ভূপৃষ্ঠে পতিত হওয়ায় শিলাখণ্ডপতিত নিজের পুনর্জীবন প্রাপ্ত হইলাম। আমি আপনার চরণপজাতি গায় তাহাদিগের শরীর শতধা চুদিত হইয়া গেল। তৎকালে ভ্রমন্ত্রী, আমাকে কবপত্নবদ্বারা আলিঙ্গনপুর্বক মেহ-দাদি অযুত- উভয়ের কলেবর বিশী হওয়ায় তাদৃশ বিপর্যস্ত নিরাশ্রয় চি- রলে পরিপূর্ণ জীয় জাপরে স্থানদান করুন। কুসুমসম কোম- ছয় ফুলায়বিহীন বিহুযুগলের ন্যায় আকাশে বিচরণ করিতে লাঙ্গী সেই সুজন, এইরূপ কহিয়া অলিৰং সুনীল-তারকা লাগিল। অনন্তর চন্দ্রের রশ্মিতে প্রবেশপূৰ্ব্বক ত্বরায় শিশিররূপে শােভিত লােচনদ্বয় ঘূণিত করত কলপাপের মার ব্যায় জলীয় পতিত হইয়া শালিধামধ্যে প্রবেশ করিল। তৎপরে সেই শালি- উৱালে পতিত হইল। অনন্তর পুষ্পপ-সংস্পর্শে গৌরায়- ধান্য সুপক্ক হইলে দেশীয় কোন বিষর শুক্রের মনােময় সেই মান সমীরণে বিঘুর্ণিত পৰিীমথ্যে পরস্পরানুরক্ত মধুপযুগলের ধান্ত ভােজন করিলেন। অতঃপর ভূঋকুমার চক্র, সেই ব্রাঙ্গণের গয়, তাদৃশ অনিল-তরঙ্গে ভরক্ষিত অৱত্য বনস্থলীনিচয়ে শুরুপে পরিণত হইবা তদীয় পত্নীর গর্তে পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ বিলাসকাভি-শ্রেভিত সেই দম্পতি সুখে বিহার করিতে করেন। ১৯৭০। এদিকে সেই সুরকামিনীও মুনিবিশেষের শাপ লাগিলেন। ২১-৩০। প্রভাবে হরিণীরূপে উৎপন্ন হইল। অনন্তর মহামনা ভূগুনন্দন, সম সর্গ সমাপ্ত। মুনিগণের সংসর্গবশ কঠোর তপােনুষ্ঠানে আসক্তচিত হই। মেরুগহনে মন্বন্তরকাল অতিবাহিত করিয়। পরে সেই হরিণীর গর্ভে এক মনুষ্যাকৃতি পূত্র উৎপাদনপূর্বক পুৱায় অয়স্নেহে পরম নাম । হে প্রাপ্ত হইলেন। মদী এই সন্তান কিপে ধন গান ৭ষ্ঠ কহিলেন,-মানসিক বিলাস সঙ্কলিত ঈশ শর্মা হইবে, তিরি সয় এইরূপ চিন্তা করুত সত্যপথ পরি- বিরুহেতুক সেই জনালি রুমারের নিরতিশয় | কাগ করিলেন ৷ এইপেচিয়া হইগেলিত এক পুত্রের যা হইল। সকালে বিজয় সুবিমল শণকে আয়' ক্রিমিক সস্ত ভােগটিয়া অসংওয়ায় অন্তর অরুণী নাম মনে হইয়া আসিল; এখন বেশির ন্যায় ৰূমকে খিনি। ১ গ্রাণ করিল। জিনি, নিরবচ্ছিন্ন ভােগচিতার সহিত গতানু ও করিতেছে। ভুমুরি পা-এভাৰে তলীয়পুণাশ্রমে অলি- যায়, মরাজের পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ পূর্বক ময়েশৱ অধীর হইয়া এই রাগ-বিহীন বলি, পানিশা ও হে বহুকাল নিষ্কণ্টকে রাতেগ করেন। অনন্তর শিনি করিল না। এপে ভুললে দেহ বিগলিত ইলে, জয় যেরূপ পঙ্কজকে বিশ্রণ করে, আপ অয়া উপস্থিত হইয়া জীয় চিত্ত, যম নিয়মৰণেত হইয়া যায় তপক্ষা করিতে লাগিল কলেবর জীর্ণ করিল। পরে কালে অন্তরে অপােনুষ্ঠান বাসনার এবং জীয় সেই পাঞ্চজৌভিক বী, সমীরণে তরুণ সহিত চুন্দর নৃপশরীর পৱিগ করায় কোন আপসের পুত্র না হয় বিশাল শিলাসমূহে বহুকাল এইরুপে বিলুষ্ঠিত ইতে হে রাম। অনন্তর সেই মহাবুণিী ভৃগুনন্দন, মায়মােহ লাগিল। ১০-১৬। পরিহারপূর্বক ক্লেশ হইয়া মহানদী সমজার টনেন তপ- নখ সর্গ সমাপ্ত। গায় মনােনিবেশ করিলেন। তিনি, বিবিধপ্রকার বানা-হেতু এবম্বিধ বিবিধপ্রকার শরীর ও বিবিধগ্রকার দশা উপভােগাতে বৈরাগ বশতঃ সমঙ্গানদীতটে বদ্ধমূল মহাজ্ঞৰলের গায় গরম গণম সর্গ সুখে অবান করিতে লাগিলেন। ২১-২১। অষ্টম সর্গ সমাপ্ত।৮। বশিষ্ঠ কহিলেন-অনন্তর ভগবান্ ভৃগু, দেব-পরিমিত সহস্র বৎসরান্তে পরমাত্মার সাক্ষাৎকার সমাধি হইতে বিরত হই, গুণগণরুপ-সেনার নায়ক এবং মূর্তিমান পুণরাশি-স্বরূপ বিনয় ঝাতশিরা জয়কে সম্মুখে না দেখিয়া মূর্তিমান, অভাগ্য ও নবম সর্গ । ৱিদ্রের ন্যায়, কেবল সমুখস্থিত-তদীয়-কঙ্কালমাত্র অবলােকন বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাখব। ভূগুনন্দন, পিতার সমীপে করিলেন। আরও দেখিলেন, আতপ-শুকরীরের চৰ্ম্মমধ্যে অবস্থানপূর্বক এইরুপ কল্পনাবলে বহুবৎসর অতিবাহিত করি- তিতিরিক্ত সকল অবস্থিত রহিয়াছে। ভেকনিচয় উহার শুদ্ধ লন। অনন্তর কালক্রমে তদীয় কলেবর বাতাপে জর্জরিত নাড়ী আশ্রয় করিয়া বিশ্রাম ভােগ করিতেছে। নেত্রগহ্বর- ইয়া ছিন্নমূলতরুষরের ন্যায় ধরণীপৃষ্ঠে পতিত হইল। কুরঙ্গ: মধ্যে নবপ্রসূতকসমূহ সঞ্চরমাণ হইতেছে এবং পার্শ্বপঞ্জর গণ যেমন বন হইতে বনান্তরে বিচরণ করিয়া থাকে এবং চক্রা- মধ্যে অন্তুবায়কীকৰ কোশনিৰ্মাণপূর্বক অবস্থান করিতেছে। পিত বস্তু যেমন ভ্রান্ত ও উদ্ভ্রান্ত হইতে থাকে, তদ্রপ ভঁহার যে শারীরিক অস্থি যেমন বিচিত্র-এম্বিয়, ভােগবাসনাও দ্রুপ। এ ৮dলচিও এভদিন উল্লিখিত-শাসকলে এমণ করিতেছিল, অন্য বর্ষার বারিধারায় ধৌত আন্ত্রজালে জড়িত, শুক্র শরীরের তক্ষ- এক্ষণে তাহা ঐ সমঙ্গালটে বিশ্রাম করিল বটে, কিন্তু তিনি দেহ- অস্থিমালা দর্শনে বােধ হইল যেন, উহাৱা ইষ্টানিষ্টকাদায়িনী বিহীন হইযাও, অনন্ত-বত্ত-জটিল এবং অতি দৃঢ় হইলেও প্রাক্তনী-ভােগবাসনার এবং ইন্দুকলার ন্যায় দীপ্তিমান শুভ্র কোমলবৎ প্রতীয়মান সেই স্মৃতিদশ অনুভব করত অবস্থিত মণ, ঘটাকৃতিমন্তকাস্থি যেন কপূরলিপ্তশিবলিঙ্গের শিয়াে- ছিলেন। তদীয় কলেবর, মাচরের সানুদেশে নিপতিত থাকিয়া ভাগের অনুকরণ করিতেছে। বিশুদ্ধ শিরাসমুহে পরিবৃত, অস্থি- প্রণরতাপে অতিমাত্র শুল্ক ও চৰ্ম্মমাত্রে অবশিষ্ট হইল। তৎকালে মাত্রাবশিষ্ট সরল-গ্ৰীৰাদেশ যেন। আবার অসুৰৰণ বাসনায় ‘ীররন্ধ্রে সমীরণ প্রবেশপুর্বক শীৎকার সহকারে সঞ্চরমাণ লম্বিত হইয়া তদীয়-দেহৰষ্টিকে অধিক দীর্ঘ করিয়া তুলিয়ছে। ইতে লাগিলে বোধ হইল যেন, সেই শরীর যাবভীয় দুঃখক্ষয়- জলধারায় মাংস গলিত হওয়ায়, মৃণালের স্থায় প্রকাশমান, গুজ গে সানদয়ে মধুর অব্যক্তস্বরে আপনার দুর্গতিসকল গান বর্ণ নাসিকাথের অস্থি যেন মুখমণ্ডলে গ্রোধিত শরীরের সীমা- কসিতেছে এবং শাৱা-মেঘমালার ন্যায় শুভ্রবর্ণদনশ্রেণী মধ্যাবধারণের শচুম্বরুপ প্রতীয়মান হইতেছে। তদীয় মুখমণ্ডল বহির্গ করিয়া যেন ভৰ-ভূমিস্থ ভােগা-রূপ শুকপলে বারংবার বেন কাদেশ উন্নত করিয়া অম্বরতলে উক্রান্ত স্বীয় প্রাণবায়ুকে বিলুণ্ঠিত কীয়মনকে উপহাস করিতেছে। মুখমণ্ডলরূপ অরণ্য- নিরীক্ষণ করিতেছে।১-১০। দ্বিগুণলীলাপ্ত অবয়, স্বিত জীর্ণকৃপসদৃশ নয়নাদিরজসকল যেন বিবেকদিগকে প্রত্যক্ষ উষয়, জানুথ ও জযুগল এই অষ্ট-অঙ্গ যেন শরীরকে বহন ৰূপে জগতের স্বাভাবিক শূন্যতা দেখাইতেছে। ১-১। দিবা- কৰিষা পরলােকের দীর্ঘপথ-গমনময়ে ভীত হইয়া আদি করের প্রচণ্ড উত্তাপে উপতপ্ত সেই শুক্র-শরীর যখন বর্ষাকালীন প্রান্তে পলায়ন করিতেছে এবং চমত্ৰাৰশিষ্ট, শূন্যগর্ভ ভূ- জলধারায় অভিষিক্ত হইল, তখন সকলেরই মনে মনে বিবেচনা উদেশ যেন, অজ্ঞানয়জনগণকে হৃদয়ের সুস্থতা দেখাইছে। হইতে লাগিল, যে পূর্বতন পেরুপা নােমধ্যে জাগরূক মহামুনি ভূখ, দুঃখরূপ-মায়ের বন্ধনন্তরূপ সেই শুদ্ধ- হওয়ায় বাপ-ৰারিব করিতেন। সেই শরীর, কথন প্রচণ্ড কঙ্কাল কেয়াি, পূর্বশর বিবেচনা পৰিহাৰপৰক গান মারুতবেগে বনভূমিতে বিলুষ্ঠিত, কখন বর্ষার বারিধারায় বিগলিত, করিলেন এবং পলিমাত্রেই জহায় ঈণ বিতর্ক উপস্থিত হইল যে, কখন গিৰিনদীতটে বর্ষাকালীন নিরপতি খাতুরাগে রত্তি একি, এই কি আমার সেই পুত্র গত হই গতি রুহিয়াছে? কখন স্বীয়স্বরূপ পালেখি ধূলিপটলে ধূসন্নিত এবং কখন পরে জিনি, ধীয় পুত্রকে বিগত বিষ করিয়া একেবারে অধীর বায়ুকল কাউক ইতর সললিত ও অব্যায়মাল হইলেন; ভবিজ বিষয় আর চিকরিতে পারিলেন না। হওয়ায় বোধ হইল যে, প্রচণ্ড সমীরথের টুংকাৰ ফালীতে মণীয় পুত্রকে অকালে আত্মসাৎ করিয়ায় ভাবি, না অনাহাৰে শোেল, পরি, এ৬ি তাঁর কাজের প্রতি দায়। ক্রোধ অনি; অণর কালকেজি পণের ভি, এনজালা, কাজী পানুষ্ঠান সম্পাত কঞ্চিত উতি হলে অলিণিপুর সংহারকারী ১ যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ । ৩০। কাল, নিরাকার হইলেও আধিতেতিক-দেহ ধারণ পূর্বক, ভন্ । বি কর্তৃত্ব ও কর্তৃতা কিছুই সভ্য না হইলেও সত্য বলিয়া ভুর সন্নিধানে উপস্থিত হইলেন। তাহার কলেবর, সমু! প্রীতি আমে, দ্রুপ এই জগৎসৃষ্টিতে কালেরও কর্তৃতা বা কান্তিময় ও স্মারত ভুগলে খঙ্গ ও পণ এবং কর্ণেল অত নিৰেল। উহা কেবল মনের মিথ্যাভ-বিসিত। বিৰাজ করিতেছে। হায় এক এক পার্কের টুসংখ্যক দশমাস | অন্ধদৃষ্টিই, রজুতে সর্পভ্রমের স্যায় ঐ কর্তৃতা ও কর্তৃতাময়ী কপ যাদব এবং ছয় ঋতুরূপ ছয় মুখ। তিনি বলঙ্কির- ভ্রান্তি উৎপাদন করিয়া থাকে। অতএব হে মুনে। বৃথা পুত্রশােকে সেলায় পরিবৃত। তৎকালে নভোমণ্ডল, জীয় দেহােখিত প্রদীপ্ত | অধীর হইয়া কোপ করিবেন না, কারণ ক্রোধ হইতেই বিষয়- আলা-মালায় পরিব্যাপ্ত হইয়া এক্ষুটিত কিভৰু-ভাজি-বিরাজিতা অনর্থ সঙ্গটিত হয়, আপনি যথার্থরূপে গর্শন করুন, দেবিকে, গতবং শােভা পাইতে লাগিল। তদীয় করতি ত্রিশূলের অগ্র- যে বন্ধু যেৰূপ, সে সেইপই আছে, কিছুই ব্যতিক্রম বউ নাই, ভাগ হইতে নিঃসৃত মণ্ডলাকৃতি অনলদর্শনে বােধ হইল যেন, দিকু- হে ভাত। আমাদিগের খ্যাতি বা প্রতিপত্তির অভিলাষ নাই, সকল কনককুণ্ডল পরিধান করিয়াছে। তদীয় নিঃশ্বাসবায়ুতে গিরি- কারণ আষা অভিমানের বীভূত নই, কেবল স্বই নিয়ত শৃঙ্গসকল উৎপাটিত ও দূরে আক্ষিপ্ত হইতে লাগিল এবং গিরিবর- নিয়তির বশপন্ন। এই জন্যই মুনিগণের সম্মান বঁাকরা সমুহ যেন গােলাধিরূঢ় হইয়া চলিত, ঘূর্ণিত ও পতিত হইতে কর্তব্যরূপ নিয়ভিবশেই আপনার নিকট আসিয়াছি, শাপভয়ে থাকিল। ১১-১। তাঁহার খামগুলপ্ৰভায় সূর্যমণ্ডলও আমি নই। দেখুন, প্রাজ্ঞমাত্রেই ঈশ্বরেরূপ মহানিয়তির কামলবর্ণ হওয়ায়, যেন প্রলয়কালীন দজগতের ধূমপটল-পৰ্য্যা- বশবর্তী হইয়া কর্তব্যপালনেচ্ছারূপ নিয়তির অনুক্ষণ করিয়া কুল বলিয়া বােধ হইতে লাগিল। হে মহাবাহাে। এবংবিধ সেই থাকেন,কেহই মহা-মােঋণের অনুগামী নহেন। ব্যবহারাতি মহাকাল, কুগিতাঁহামুনির নিকটে আগমন করিয়া কান্তকাণীন ব্যক্তিগণের নিয়ত কেবল কর্তব্যপরায়ণ হওয়াই উচিত, অতএব ফুলখির ন্যায় গন্তীরস্বরে প্রিয়বচনপূর্বক কহিলেন, মুনে। আপনি মােহের বশীভূত হইয়া কদাচ স্বীয় কর্তব্য-বিষয়ে আপনি ত লোকমৰ্যাদা ও পূর্বাপর বিষয় সকলই পরিজ্ঞাত অবহেলা করিবেন না। আপনার সেই জ্ঞানময়ী দৃষ্টি, এক্ষণে আছেন, ভবাদৃশ মহাত্মারা মেহের হেতু উপস্থিত হইলেও মুদ হন কোথায় ? তাদৃশ মহত্ত্বই বা কোথায় এবং সেই ধীরতাই বা , হেতুর অনুপস্থিত হইলে ত কথাই নাই। হে সাবে। আপনি কোথায় ? কিজন্য সর্বজনবিদিত মার্গেও অন্ধৰং মুগ্ধ হইতে ত জানেন, আমরা নিয়তির আজ্ঞানুবর্তী। আপনি পরমতপন্থী, ছেন? হে মুনে। ঈণী দশা যে, স্বীয় কৰ্ম্মফলের পরিপাক- বিশেষত ব্রাহ্মণ, সেজন্য সকলেরই পুজ এবং সেই নিমিত্ত জনিত, তাহা বিচার না করিয়া কি জন্য মুখেরত্যায় আমাকে আমারও পূজনীয়, নতুবা অপর ইচ্ছার নহে। হে অল্পবুড়ে! বৃথা অভিসম্পাত করিতে বাসনা করিতেছেন?। প্রথা তপােব্যয় করিবেন না, প্রলয়ের প্রচণ্ড অনলও আমাকে মুনে। আপনি কি জানেন না যে, অখিল দেহিগণেরই দে- কষ্ট করিতে সমর্থ নহে; সুষ আপনি আর পানলে আমার দ্বিবিধ, পৰভূতময় ও মনোময়। উহার মধ্যে পঞ্চভূভময় বক্ত- কি করিকেন ? মুনে। আমরা কত শত ব্ৰহ্মাণ্ড গ্রাস করি স্থূলদেহ, নিতান্ত জড় ও ক্ষণভঙ্গুর এবং মনােময় প্রতিভাসিক আছি, কোটি কোটি রুদ্ৰ কলিত করিয়াছি এবং অসংখ্য বিসুকে অন্তর্দহ অতিসূক্ষ্ম, ক্রোধাদি আর নিয়ত উহাই পড়িত (ইয়া উল করিয়াছি, অতএব আমরা ইচ্ছাকরিলে কি না করিতে আপনারও সেই অর্দেহ নােবশে বিকৃত হইয়াছে। পারি ? এখন। নিই এইরূপ যে, আমরা ভােক্তা ও আপনারা হে সাদে। সুচতুর সারথি-গারা যেমন রখ পরিচালিত হয়, তাে কিন্তু ইহা আদিগের ইচ্ছাধীন নহে। দেখুন, নিয়তি তদ্রুপ মনই, অভিমান বশতঃ বাক্যাতীত কোন আত্মরীণব্যাপার- এশে অস্থি স্বয়ংই উগামী ও সলিল স্বয়ংই নিয়ভিমূখ এবং বলে বাক-জড়দেহকে চালিত করিয়া থাকে। শিশু যেমন তাে স্বয়ংই গেক্তার নিকট উপস্থিত হয় ও বিনাশকাল কমাদি-দ্বারা ভিন্ন ভিন্ন মূর্তি নির্মাণ করে, সেইরূপ মনই নিজেই সৃষ্টকে আক্রমণ করিয়া থাকে। কিন্তু হে মুনে! কলকালমথ্যে দেহান্তর সফল করিয়া পূর্বদেহকে বিধ্বস্ত এই জগতে ৰবিক কেহই রুক, বা ভ্য নহে, করিয়া দেয়। সংসারে মনই পুরুষ, মনের কাৰ্যই সকলই পয়মাত্মা, তিনি ভিন্ন কিছুই নাই। মুৱাৎ আমিও কাৰ্য। কল্পনাবশেই মন ভবন্ধনে বন্ধ হয় এবং কনা- সেই পরমা। এই সংসারে আমি যে কক ও সকলই যে বিহীন হইলেই মুক্ত হইয়া থাকে। এই আমার দেহ, এই ভ্য, আপনাতেই আর ঈশপ কল্পিত হইয়া থাকে ইহার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, এই মন্তক, একমাত্র মনেরই এই সকল বহুল- আনিবেন। কারণ পরমাত্মা বই ধীয় আত্মাতে অগপে বিকার বলিয়া কীর্তিত হইয়াছে। মনই একজীব হইতে প্রকাশমান হন; এজ তিনি স্বয়ংইনে সমুদয় সংহার করেন, জীবাত্তর সঙ্গে প্রাপ্ত হইয়া থাকে। মনঃকজিবিষয়ে নিলেও হাতে আর সংশয় কি আছে। নির্মলবিবেকবৃষ্টিতে গর্শন হেতু অহঙ্কার মনের অনুগামী হয় এবং অহজাবঅন্য অভিনে- করুন, নিজেই জানিতে পারিবেন, এই এতে কেহই কর্তা বা বশেই মন স্বয়ং আপনার নানাবিধ কলনা করিয়া থাকে। দেহ- ভাক্তা নাই , অজ্ঞনয়ে ৰহ কৰ্ত এভিপন্ন হইয়া থাকে। বাসনাবশতই নন, আপনার ও আগের সত্য খবৰ ৱিীর-সমূহ ব্ৰক্ষন! যায়দিগেৱ দর্শনশক্তি এলাকার আহ, তাহারাই সনি করে, কিন্তু যদি সত্যৰিষয় দেখিতে পায়, তাহা হইলে এক কর্তা মুক কর্তা নহে, এইরুল কলা করে; কিন্তু যাহার অলীক শরীরচিয়া পরিহারপূর্বক ম নিবৃতি লাভ করিতে ক্তি আছে, সে কখন তা হয় না।২২-২। পারে। ১৫। আপনি সমাধিস্থ হইলে আপনার পুত্রের লিচা পূসকল এবং অখিল মেণিপুঞ্জ বই উৎপন্ন | সেই মন খী মনােল আশ্রয় করিয়া বহুদূরে শমন করিয়া- বিন হইছে কিন্তু ভ্রান্তবিলা হয় হেতু ও নাম ফলন | ছিল। নীড় হইতে উজ্জীৰ বিহুশে যায় তিনি এই অঞ্জ রকে। দলিল এেতিৰিত এ যেন খান। শরীর মনরে পরিত্যাগ করে এখন ফল। থাকে।
বিতি। এই জগৎ = মুনে। অনন্তর মহাতেজাঃ ভবণীয়পুত্র, ভ্রমর যেমন পদ্মিনীকে কঠোর তপস্যায় আসক্ত থাকিয়া জীটশত বৎসর অভিহিত উপভােগ করে, সেইরূপ ভয় কখন মন্দারতরুকুঞ্জে, কখন পারি- করিয়াছেন। মুনে। যদি সেই অতুল্য মনােভশ দেখিতেই আত-তলে, কখন নন্দনেদ্যিানে এবং কখনও বা লেকপালগণের হয়, তবে স্বরায় জননেত্ৰ উৰীৰৰপূৰক অবলােকন করুন। পূরে সুরসুন্দরীবিখাচীকে উপভােগ করত স্বাত্রিংশৎযুগ অতি বশিষ্ঠ বলিলেন,-জগয়ে নিয়া সমীকাল, এইরূপ কহিলে বাহিত করিয়াছেন। পরে স্বীয় তীব্র-কল্পনাপ্রভাবেই পূণ্যক্ষ মুনিবর ভৃগু, অনেত্রে জয়ের ব্যাপার-পরম্পরা সন্দর্শনা হইলে তদীয় কুসুমাবতংস স্নান ও অপ্ৰতা সকল অবসন্ন হইল, । ধ্যানস্থ হইলেন এবং মুহূর্তমধ্যে জ্ঞান প্রকাশমান হওয়ায় তখন তিনি গগনাঙ্গনেই সেই দেবদেহ পরিত্যাগ করিয়া যথাসময়ে | বুদ্ধি-দর্পণে প্রতিবিগিত পুত্রের শেষ বৃত্তান্তই নিরীক্ষা করিলেন। স্বপলের ন্যায় বিচীর সহিত নিপতিত হইলেন। অনন্তর অনন্তর ভগবান ভৃগু, সমজাতীয় হইতে প্রতিনিরত হইয়া মল- তাকাশ প্রাপ্ত হই বাতলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে | সানুস্থিত, কালের সম্মুখবর্তী স্বীয়স্বশরীরে পূণরয় প্রবেশ দশা-দেশে ব্রাহ্মণ,পরে কোশলদেশের অধীশ্বর, তৎপরে মহারণ্য- | করিলেন, (অর্থাৎ তিনি, তচ্চিন্তা পরিহারপূর্বক প্রকৃতিস্থ হই- মধ্যে ধীবর, অপরে ভাগীরথীতীরে হংস এবং পর পর পৌদেশে | লেন।) তৎপরে সেই বিষয়াসক্তিবিহীন মুনির, লিয়-বিস্ফারিত সূৰ্য্যবংশীয় ভূপাল, শান্বদেশে ময়োপদেষ্টা ব্রাহ্মণ, কল্পকাল পর্গে নেত্রে বিষয়ে অনাসক্ত কালের প্রতি দৃষ্টিপাত করত কহিলেন, ধীমান শ্ৰীমান বিদ্যাধর, মদেশে মহীপাল ও তৎপরে সমঙ্গা জব। আপনি ভূত ভবিষ্যৎ বিষয়, সকলই অবগত আছেন নদীট বাসুদেবনামক তাপসকুমার হইযাছেন। ৫১-৬০ | কিন্তু দেব। আমাদিগের অন্তর, বাগদিতে নিতান্ত মলিল, ভবঙ্গীয়পুত্র, বিবিধবাসনাবশতঃ অন্যান্য বিচিত্র বিষম নাচ- অন্যান্য বিচিত্র বিষম নীচ তজ্জন্য কিছুই দেখিতে পাই না, আপনারাই ধীশক্তিবলে, ভূত যােনিতেও নর বার জন্মিয়াছেন। তিনি বিন্ধ্যপর্বতে ও কৈকট, ভবিষ্যৎ বর্তমান সকলই সুস্পষ্টরূপে দেখিতেছেন দেশে কিরাত, সৌীরদেশে সাম, ভিগদেশে গভ, কিরাত অসত্য হইলে নানাকারে সত্যরূপে প্রতিভাত হইয়া পতি- দেশে বংশগুম, চীন-জঙ্গলে হরিণ, ভালরূক্ষে সরীসৃপ ও তমাল- গণকে মহাভ্রমে নিপতিত করিতেছে। দে। মনননি যে, সনে নকুকুট হইয়া পুনর্বার মন্ত্রবিদগণের অগ্রগণ্য দ্বিজদেহ ধারণ- ইঞ্জলিং মহামায়ামমাছ উৎপাদন করিয়া থাকে, তাহা আপ- সর্বক যহুত বিদ্যাধরলোকে গমন করা যায়, এরূপ মন্ত্র জপ নিই পরিক্ষাত আছেন, যেহেতু আপনার অন্তরেই সমুদয় কবেন। হে ব্ৰহ্মন। তাহাতে তিনি পুনরায় গগনস্থিত বিদ্যাধর বিদ্যমান। ১-১০। ভগব৷ আমার এই পুত্রের কল্পকালমৃত্যু লে'কে মহামান্য বিদ্যাধর হন। কংকালে তঁহার গলদেশে মণিময়- নাই জানিতাম, সেইজন্য তাঁহাকে মৃত দেখিয়া ঈদশ জ্ঞানশূন্স হার, কর্ণে রং-কুণ্ডল ও দুজনুগলে রত্নরাজিসিজি হেমবলয় হইয়াছিলাম। দেব। আমার চিরঞ্জীবী পুত্রকে, কাল কলিত বরাজমান হইত। তিনি খিতায় মখের ন্যায় অলৌকিক কপ করিয়াছে ভাবিয়া নিয়তিবশে অভিসম্পাত-বাসনা নিতান্ত হেয় লাবণ্যবান কামিনীরূপ-নলিনীগণের প্রীতিপ্রদ-কৰ্যসকপ গন্ধ- হইলেও তাহা আমার অন্তরে উদিত হইয়াছিল। হে বিভে। কি পুরের কৃষ্ণ কারণে এমপি-ইয়াছিলেন। অনন্তর আশ্চৰ্য। আমরা সংসারের ঈদৃশ গতি পরিজ্ঞাত হইয়ও বিপদে তিনি যখন করুচম সীমষ্টী হইলেন তখন প্রলয়- বিষ ও সম্পদে ঈষ্ট হইয়া থাকি। ভগবন। অনিষ্টকারীর প্রতি কাল আসিল, ঐ কান্তক লেকশপ ইঞ্চি ক্রোধ এবং উপকারীর প্রতি প্রসন্ন যে কৰ্তব্য, ইহ সংসারে সাদশ আদিত্যের প্রচগুমখমালায় তমসাং হন। তখন কুলায়- চিরপ্রসিদ্ধ রীতি। হে জগদরে। এবংকাল জগদভ্রান্তি পিহীন বিহুগীর স্থায় তদীয় বাসনা নিরাশ্রয় হইয়া জনধিহীন অনন্ত- বিরিত হয়, তাবৎকালই ইহা কর্তব্য এবং ইহা অকর্তব্য বলিয়া মার্গে পরিভ্রমণ করিতে লাগিল। অনন্তর বহুকালাতে ব্রহ্মার | বোধ হইয়া থাকে, এই নিমিত্ত এক্ষণে ভবদীয় কুপায় অবােধ রলি প্রভাতা হইলে পুনবায় বিস্ময়কর সংসার-রচনা আরম্ভ হওয়ায় সে এম, তিরােহিত হইয়াছে, এখন বুনিতেছি, ক্রোধ বা হইল। হে মুনে। তৎপরে তঁাহার সেই বাসনা সমীরণ-বেগে | প্রসন্নতার কত-নিয়ম নিতান্ত হেয়। হে ভগব। আমি চালিত হইয়া সম্প্রতি এই উপস্থিত সত্যযুগে পৃথিবীতে ব্রাহ্মণত্ব | আপনার বিষয় চিন্তা না করিয়াই যখন, অজ্ঞানতাপ্রযুক্ত লাভ করত জন্মগ্রহণ করিয়াছে। মুনিবর। তাহার নাম এক্ষণে আপনার প্রতি ক্রুদ্ধ হইয়াছি তখন অবশ্যই আপনার নিকট শহদেব। তিনি ধীশক্তিশালী, মানগণের মধ্যে অগ্রগণ্য এবং আমি দণ্ড পাইবার উপযুক্ত। অধুনা আপনি আমার পুত্র অখিলবেল অধ্যয়ন করিয়াছেন। মহামুনে। ভবণীয় সয় এইরূপে বিবরণ স্মৃতিপথাকা বিবরণ স্মৃতিগখা করাইলেন বলিয়াই, আমি সমঙ্গাতটে বিবিধকার বিষয়-বাসনার অনুবর্তী হইয়া খদির-করঞ্জাদি বিবিধ | পুত্রকে অবলােকন করিতে পাইলাম। এক্ষণে স্থির জানিতেছি, কোটরে, বিবিধ জঠরঘােনিতে, বিবিধ গহনকাননে ভ্রমণপূর্বক । মনঃকল্পিত জগতে প্রাণিমাত্রেরই ৰাহু ও অন্তর্ভেদে বিবিধ আকল্প-বিদ্যাধররূপে অবস্থান করিয়া অধুনা সদ-নদীতটে অপ- | শরীর, মধ্যে অন্তরীর মনই সর্বত্রগামী, কারণ উহারাই চরণে প্রবৃত্ত আছেন। ৬-৭৩। এগতের অখিল বিষয় অনুভূত হইয়া থাকে। কাল বলিলেন, দাম সর্গ সমাপ্ত। ১০ | এখন তুমি যথৰ কৰি কুকার যেরূপ, আপনার কনা- নুরূপ গঠন করে, এনােয় শরীর জ্ঞীয় সঙ্কাশ বহ-মীর নির্মাণ করিয়া থাকে। এক বালক যে, গনের এক সঙ্গ। মােবশ কজনাকলোৰ নৰীক বেকারীর গত করে, কাল হলেন-আপনার আত্মজ, শে মন্তকে জটাজুট ও সেই প্রকায় এক মলই, কালয্যে নু কালনিক আকার গঠন হতে অনলয় ধারণ করত জিতেলিয় হইয়া উল-আমলার ৩ তালি করিয়া থাকে। ১৯। মনের গোলগম, ভীষণকে শথিত মুছৰশসমীরণসঞ্চায়ে মুখস্যে সমজাতীর অসৰিয়-নিৰ ৰা শক্তি আছে এবং উহাকে কি যােগবাছিয়ামায়ণ। ১২ ও মিথ্যালাসিৰিললিত, তাহা মনীষিণের অনুভবসি। হয়, সেইরূপ, সেই সৰ্বাপী শুদ্ধ স্বচ্ছ নিরাময় সর্বশক্তিমান মুনিবর! অন্তর্বাভেদে পুরুষের যে বিবিধ মীর কখিত হইয়াছে, অনাদি অনন্ত পরমাত্মতই বিচিত্রাপারখিত অখিল এই ইহাও মূলদৃষ্টির কার্য্য জনিবেন, যত সূক্ষ্মদৃষ্টিতে এই ব্রিজগংই তাহা হইতে ভিন্ন হলেও ৰিং অবস্থিত বলিয়া প্রতীয়মান মনের কনানাহুত। হে মুনে। ইহা সম্পূর্ণ অকপার্থ | হইতেছে এবং ভ্রান্তিশেই তাদৃশ বিৰিখলা উপভােগ করি- হইলেও সত্য সুবিস্তৃত ৰলিয়া প্রতীয়মান হইয়া ঋকে। দৃষ্টিতে স্বীয় শরীরস্থ নানাশক্তিই জগতের এতাদৃশ নানা প্রকার জৰিত হইলে সকলে যেরূপ ঘিচর্শন করে, যেইরূপ অজ্ঞান উৎপাদন করিয়া থাকে, কিন্তু ফলও একমাত্র ব্রহ্মই সলিলে - বশতঃই চিতলদেহের অঙ্গ-প্রত্যরূপ প্রগাঢ় বিভিন্ন বাসাতেই মালার ন্যায় আপনাডেই বিলিভ হইয়া থাকেন এবং স্বল্পই স্ত্রী- জগতের বিভিন্নতা দৃষ্ট হচ্ছে। একমাত্র মনই ঘটপটাদি পুরুষাদি কল্পিতরূপ সহায় পরিবর্থিত হন। “গ” ইহাজনা- অখিল পদার্থ বিভিন্ন প্রকার বাসনায় সম্মান করত সর্বত্রই বিভিন্ন মাত্র, ইহা কখন ছিল না, উপস্থিতও নাই মং খাকিবেও না। এ অবলােকন করিয়া থাকে। মন স্বীয় ভেদবুদ্ধিবশতঃ আমি কারণ, ব্ৰহ্ম ও জগতের অণুমাত্র পার্থক্য নাই। পরিদৃশ্যমান অখিল- কুশ, আমি অতি দুঃখী, আমি মূঢ় ইত্যাদি চিহ করিয়াই অগই কেবলমাত্র সম্পূর্ণ ব্ৰহ্মময় হে রাখবে। তুমি অপর সংসারিতা প্রাপ্ত হয় এবং যখন বুঝিতে পারে যে, “আমি যে সমস্ত কাৰ্য্য পরিহারপূর্বক যত্নসহকারে কেবল এইরূপই ভাল মনন করিতেছি, উহা নিতান্ত কাল্পনিক, কারণ, ব্রহ্মভিন্ন আমি কর। সত একরূপা হইলেও নানারূপিণ সত্তা, পদার্মাত্রেই অল্প কিছুই নই, সুতরাং আমিই যখন নাই, তখন আমার অধিষ্টিত আছে, প্রকৃতরূপে তাহার বিভিন্ন প্রকার না থাকিলেও অলর মনন কি ?” 'কালে শন, মনন হইতে বিরত হইয়া সেই সত্তাই পদার্থ-নিচয়ের অসীম বিভিন্নতা উৎপাদন করিয়া সেই শান্ত সনাত ব্ৰহ্মস্বরূপ হইয়া থাকে। ২১-২৫ বিপুল থাকে। ৩১—১৭। জড় ও অজড উভয়বিধ পদার্থেই একরূপ তরলপিরিব্যাপ্ত সতত সমভাবাপন্ন, শুদ্ধ, স্বচ্ছ, গা, শীতল সত্তা কিরূপে সন্তৰ, এরূপ আশাও করিও না, কারণ চিদাভাস- অবিনী, বিস্তীর্ণ, সলিলম, বিশাল, প্রশান্ত মহাসাগরস্থিত জীবাত্মা চিত্তপ্রাপ্ত হইলেই চিভের বাসনারূপিণী আত্মস্বকপ তরঙ্গ যেমন, স্বীয় স্বভাবানুসারে স্বকীয় রুপের বিষয় চিন্তা শক্তিতেই ইহা জড় উহা অজড়' ইত্যাদি বােধ হইয়া থাকে, নতুন কয়িল, সম্ভবত সাগরের সহিত আপনার ভেদবুদ্ধিবশতঃ জড় অজড কিছুই নহে। হে অন৷ সেই নিমিত্ত, প্রতিবিম্বিত আপনিই আপনাকে ক্ষুদ্র বলিয়া বিবেচনা করে এবং ঐকপ বিবিধ বন্ধুতে পরিপূর্ণ অর্ণবের ন্যায় একমাত্র ব্রক্ষই সলিময়- বিশালতরঙ্গও আত্মভাবানুসারে আপনার বিষয় চিন্তা করিলে সমুদ্রে তদীয় সলিলের ন্যায়, একমাত্র আত্মাই অনাতে আপন। যেন অবশ্যই ভেদবুদ্ধিবশে “আমি অতিপ্ৰকাণ্ড” তাহার দ্বারা নানারূপে বিহার করত নানাকপ ধারণ করিতেছেন। বিচিত্র ল্পনা হইতেই ঈদৃশ বােধ হন্ত, ঐক্ষুদ্রতরঙ্গ যেমন, স্বীয় দৃশ তরঙ্গমালা যেমন, সলিল ভিন্ন অপর কিছুই নহে, তদ্রুপ কল্পিত চিহশত আমি অতিক্ষুদ্র, আমি অধঃপতিত হইতেছি বােধ অখিল পদার্থই সেই বিশ্বের পরমাত্মা ভিন্ন পৃথক বস্তু নহে কবিয়াই যেন পাতালের বিষয় চিস্থ করত তাহাতে পতনভয়ে বােপ করিও। একটা মাত্র বীজে যেমন শাখা প পত্র ও তীরভূমি উদ্দেশে গমন করে এবং নিমেষমাত্রে উর্ধে উথিত কোৱাদি সমুদয়ই অবস্থিত থাকে, সেইরূপ এক মাত্র এক্ষেই হইয়া বেশ আপনাকে উন্নত মনে করত যেমন তীরস্থ শৈলমালার সর্বদা সর্বশক্তি বিরাজ করিতেছে। প্রখর সূর্যকিরণে যেরুপ বৃহবন্দি ভূষিত-কলবরে পরমসৌন্দর্য্যে শােভমান হয়, বিবিধ বিচিত্রবর্ণ লক্ষিত হয়, তদ্রুপ সেই দেশের ব্রহ্মেতেই আর কখন যেমন চবিত্বে অবস্থিত হইয়া যেন আমি সুশীত বিবিধ বিচিত্র-শক্তি অবস্থিত আছে। একবর্ণ-মেঘমালা হইতে হইলাম বোধ করে, কখন যেমন, নিজৰীয়ে ভরতি পত্তে যেরূপ বিবিধবর্ণে রঞ্জিত ইন্দ্রধনু উখিত হয়, সেইরূপ সতত এক- নেলপ্রভা প্রতিবিম্বিত হওয়ায় যেন দগ্ধ হইলাম বােধ- রূপ মঙ্গলময় পরমাত্মা হইতে বিবিধরূপ শক্তির উদয় হইতেছে। করিয়াই ভীত ও নিঃশকে কম্পিত হইতে থাকে, কখন যেমন, ৪৮-৫৪। সচেল ঊর্ণনাভ হইতে যেমন তন্তুজা এবং পুরুষ তারবন্তী গিরিনিকরের সৈগণ-সদৃশ কনত সকল প্রতিবিম্বিত হইতে যেমন স্বপ্নজহাদি উৎপন্ন হয়, তদ্রুপ জড়তা ভাবনাহেতুক- হওয়ায় যেন আপনাকে মহারাজলাতে কৃতার্থ জ্ঞান করত ক্লিাজ- অজড় সেই আত্মা হইতেই জড়তা উদ্ভূত হইয়া থাকে। কোশ মান হ; এবং কখনও যেমন, সমীরণ-তাড়নে স্বীয় শরীর চুণিত কার কীট যেমন, নিজ ইচ্ছায় আপনার বন্ধননিমিত্ত তন্তুময়- হায় আমি খণ্ডিত হইলাম বােন যেন তৎকালীন অব্যক্ত শব্দ কোশ নির্মাণ করে, সেইরূপ সেই পরমকল্যাণময় ব্রহ্মই, স্বীয় ছলে ক্রন্দন করিতে থাকে, কিন্তু বাস্তবিক, সেই তরঙ্গসকল ইচ্ছানুসারে আপনার বন্ধনের জন্য জড়ময় চিন্তির শক্তিসমূহ যেমন, জলখির জলরাশি হইতেন্নি নহে, উহাদিগের কোন বিস্তার করিতেছেন। হে ব্ৰহ্ম' সেই আত্মা, আপনার প্রকারই রূপ নাই, উহারা যেমন অসত্য হইলেও সত্য বলিয়া ইচ্ছাবশই আত্ম-বিস্তৃতি ভাবনা করিয়া ঐ কোশকাকীট প্রতীত হয়। ২৬। উহাদিসের যেমন ক্ষুদ্র দীর্ঘদি আপনাকে মৃরূপে আবদ্ধ করিয়া থাকেন এবং ভদ্রুপ নিজ কোন গুণই নাই এবং উহাওকোণে বম্বিত নহে। উহারা অভিলানুসারেই নিজ প্রকৃতিপূর্ণ শরীরের বিষয় চিন্তা করত যেমন, সমুদ্রে অবস্থিত । ঋকিলেও অহাতে যে তিনহে বন্ধন হইতে মাতঙ্গের স্যায় সংসারবন্ধন হইতে মুক্ত হন। এরূপ জ্ঞান হয় না, উহারা কেমন যেন আমাদিগের স্বীয় আত্মা যেরূপ ভাল করে খর সেই রূপই হন এবং তিনি অৰগেলশে যেন মানুমিতা পুনপুন উদ্ধপন্ন পূর্ণ হইলেও অবিলমে ভানুরূপ শক্তিতে পরিপূর্ণ হইয়া পূনঃ বিনষ্ট ফেলি, কি পরস্পর মিলিত থাকেন। বাকালীন মুহভী হিমালী যেরূপ অখিল-নিমণ্ডলকে হয় যেন ৰে থাকে , ন স ও আচ্ছন্ন করিয়া আপনার স্বরূপ করিয়া ফেলে, দ্রুপনি যেরূপ- কাকবে একমাত্র নিয়লি বলিয়াই - শক্তি না করেন কণকালম্য সেইটি তাঁকে বীর --- -- সারূপ্যপ্রাপ্ত করিয়া থাকে। যখন যে ঋতু উপস্থিত হয়, বৃক্ষ যেমন যারা কলঙ্কিত হলেও উহাকে সেই নিয়ৱন্ধ বলিয়াই তাহারই অধীন হইয়া তন্ময় প্রাপ্ত হয়, তদ্রপ, যখন যে শক্তি জানিবে। মুলে ! কৰ্মজালরূপ কাজকক্ষের করাল বীজ-মুষ্টি সমুধিত হইয়া থাকে, অাত্মাও ত্বরায় তস্ময় প্রাপ্ত হন। বস্তুতঃ স্বরূপ সঙ্কল্পানুরূপ কল্পনাৰণেই, অশ্বতে অব্ৰহ্মস্তম্বৰ্যত প্রকার- আত্মার বন্ধন-অবন্ধন মােক্ষ-অমােক্ষ কিছুই নাই। জানি না, বং জড় বিৰিধশরীনিচয় অবস্থিতি করিজে এবং উহার এই জগতে কিরূপে তাহার বন্ধন-মােক কানা উখিত হইয়াছে কখন বায়ুর ন্যায় স্পন্দিত, কখন উল্লসিত, কখন আস্ফালননিৱত, কি আশ্চর্য্য। এই মায়াময় জগৎ, অবিদ্যাপ্রসূত ভােগ্যভােস্কৃদি- কথন রােরুদ্যমান, কখন হাযুক্ত, কখন স্নান ও কখন বিলীন বিবিধভাবে আচ্ছন্ন হওয়ায় তাঁহার বন্ধন বা মােক্ষ না থাকিলেও হইতেছে। তাহাদের মধ্যে কেহ কেহ অতি বিশুদ্ধচিত্ত, যেমন যেন তত্তদমুক্ত বলিয়া প্রতীত হইতেছে। সেই অথও ব্রহ্ম যখনই হরি হরানি, কেহ কেহ অস্নেহাভিত, যেমন অমর, নর ও চিত্ত কল্পনা করেন, তখনই স্বরচিত আবরণে কোশকারকীটের ন্যায় উরগাদি। ১+। কেহ কেহ মােহের নিতান্ত বশীভূত, যেমন তাহা দ্বারা আবদ্ধ হইয়া থাকেন। মন ও মনের শক্তি অভিন্ন রূপ তৃণাদি, কেহ কেহ সম্যকৃরূপে অজ্ঞানমূঢ় হইয়া কৃমি-কীটাদি- মনের ঐ শক্তিতেই বিবিধ শরীর কল্পিত হইতেছে। এক আত্মা দেহ ধারণ করিয়াছে এবং কেহ কেহ বা ব্ৰহ্মরূপমহার্ণবের অতি হইতেই ঐরূপ কোটি কোটি মনঃশক্তি নিয়ত নির্গত হইয়া থাকে।। দূর-দেশে তুচ্ছতৃণবং প্রবাহিত হইতেছে। উরগলগদির ন্যায় ৫৫-৬৫। সাগরের তরঙ্গাবলীর ন্যায় ঐ শক্তিনিচমান হইতে ইহাদিগেরও কোনরূপ কৰ্তব্য-সকাৰ্যেরই সূচনা নাই। কেহ উৎপন্ন ও মনেতেই অবস্থিত থাকিলেও পৃথরূপ বলিযাতীত কেহ মনুষ্যাদি লাভ করিয়া শাস্ত্রে যােগাদি-সধিষয় শ্রবণ পুৰ্ব্বক হয় এবং চন্দ্র হইতে উৎপন্ন মরীচিমালার ন্যায়, ঐরূপ মনঃপূত ভৎসাধনে অগ্রসর হইয়া বারংবার জন্মগ্রহণ করিলেও দুরদৃষ্টরূপ ও মনঃস্থিত হইলেও অত্রও অবস্থিত বােধ হইয়া থাকে। মনো- নিষ্ঠুর মুষিক তাহাদিগের সেই কার্যের সূচনা- ছিন্ন করিয়া মধ্যে টি ই যাহার সলিল-গৰূপ, সেই বিশ্বব্যাপী চি-রান্বিত দেয়। কেহ কেহ ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরাদির কার ব্রত- সুবিমলপরমাত্মৰূপ মহাসাগরে জলবিন্দুবং কোন স্থিরতরশক্তি সাগরের অভ্যন্তরে প্রবেশপূর্বক সশরীরেই তস্ময় প্রাপ্ত হইয়া ব্ৰহ্মা, কোন শক্তি বিষ্ণু, কতিপয় শক্তি একাদশ রুদ্র, কতিপয় থাকে। ব্ৰহ্মরূপমহার্ণবের আয় এরূপ বিশাল যে, কেই অখ্য পুরুষ, কতিপয় দেবতানিচয়, কতিপয় কৃমি কীট, পতঙ্গ বহার তীরভূমি নিরীক্ষণ করতে সমর্থ নহে। কেহ কেহ মাত্র সর্গ, গে, মশক ও অজগরাদ, কতিপয় জলজ, কতিপয় গিরি- বহুলরূপে মােহবিহীন হইয়া সমধিদ্বারা তাঁহাকে অবলম্বন কুদিতি যন-মনুষ্য, অগ, গ ও অমূকাদি এবং কোন পুৰ্ব্বক অনন্তকাল অবস্থিত আছে। কোন কোন প্রাণিগণ, কোন শক্তি সাগরাদিতীরজাতও বনস্থলীসন্থত তরু-গুলাদিকপে কোটিকোটির জন্মগ্রহণ করিয়াও পুনরায় অসংখ্যবার দুঃখ প্রস্তুরিত হইতেছে। এই সময়সংসারক্ষেত্রে তাহাদের মধ্যে , ভােগের নিমিত্ত বিষয়ানুরাগাদিতে অন্ধ হইয়া বৃথা জীবন অববি কে কে দীর্ঘজীবী, কেহ কেহ অল্পঃ, কাহারও শরীর , বারণ করিয়া থাকে। হস্তলিত-বৃহৎফলের ন্যায় কেহ কেহ ঊ তুচ্ছ, কাহারও বৃহৎ, কেহ স্থায়ী, কেহ অস্থায়ী, কেহ দৃবিকল্পবশে হইতে অধােদেশে, কেহ কেহ উ হইতে উতর প্রদেবে এবং অস্থায়ী জগতের স্থির কল্পনায় নিয়ত, কেহ অত্যলমাত্র চিন্তাশীল, ' কেহ কেহ বা অথো হইতেও অধােদেশে গমন করে। জগতে কেহ দৈন্য-দোষের বশীভূত, কেহ কেহ আমি অতি দুঃখী আমি এই জীবদশা, অক্ষয় এবং অনন্ত সুখ-দুঃখের নিশানভূত জন্ম- মূঢ় ইত্যাদি-দুঃখে আক্রান্ত বলিয়া প্রতিভাত হইতেছে। কে মৃত্যুর আকরস্বরূপ। পরমবল্প ব্ৰহ্মকে বিস্মরণ হইলেই ঐ দশা কেহ রূপ দি ও অর্ণদিরূপে শতশত-র জগঞ্জে ঘটিয়া থাকে এবং তাহাকে জানিতে পারিলেই গড়ণে অবস্থিত রহিয়াছে এবং কেহ কেহ বা চন্দ্রের ন্যায় বিশুদ্ধচিত্ত বিষব্যথার ন্যায় অখিল সংসা-যন্ত্রণার হস্ত হইতে পরিত্রাণ হইয়া পরমপদ প্রাপ্ত হইতেছে। অঙ্গ। সেই ব্ৰহ্ম অপার পাওয়া যায়।১-১৬। অর্ণবস্বরূপ। ঐ সিংবিং সকল আঁহারই বিলাল-লহরীরূপে বা সর্গ সমাপ্ত। ১২। উদিত ও প্রতিভাত হইতেছে। উক্ত চি সংবিতেরই অপর শম গনন। ৬-৭৫। একাদশ সর্গ সমাপ্ত ॥১১। এয়ােদশ সর্গ। কাল কহিলেন-হে মুনিৰয়। অখিলভূগণই মহাসাগরের তাদের আয় এবং বৈশাখ-মাদীর বিৰিখ-চিত্রতা সরি দ্বাদশ পর্গ। কায় বিচিত্ৰতাৰে বিরাজমান ইলেছে। উহাদের মধ্যে যুদ্ধ কাল কহিলেন, মুনে। কি মু, কি অনুর, কি মনুষ্য গন্ধৰ্ব্ব-ফিরাসি, জগয়ে পূর্বাপর ঘটনাবলী অনুশীলনপূর্বক সকলেই সেই ক্ষের চিংবি, উহাৱা যে ব্ৰহ্মাণব হইতে ভিন্ন মনােৰােহ আয় কত জীবন্মুক্ত হইয়া এই সংসারে রিণ নহে, ইহাই সত্য, অপর অলি-সিদ্ধান্তই মিথ্যা। ইহারা, স্বীয় করিতেছেন। অন্য স্থাবর-অমালি, অন্ধকারে আচ্ছন বিকল্পবশে মলিনচিত বলিয়া মিথ্যা অবহেতু “আমরা ব্ৰহ্ম হইয়া ভিত্তি ও কাঠালির ন্যায় অবস্থিত আছে। অপর বাহ- নহি” অন্তরে এইরূপ স্থির করিয়াই এখােগত হইয়া থাকে। দিগের মায়ামােয় জ্ঞিরাহিত হইয়াছে, তাহাদিগের আয় বিচাৰ্য- উহারা ব্ৰহ্মপ অর্ণবের আগঙ হইলেও সেই অপরিচ্ছিমব্রহ্মের বিষয় কি আছে?—অর্থাৎ তাহারা কর্তকর্তব্যবিয়ের অতীত। পরিচ্ছিন্ন কনকরত ভীষণভূমিতে অশেষজেশ উপ- সেই সকল আত্মতত্ত্ববিদগণ বিশুদ্ধচেতা প্রাণিগণের আত্মসিকি ভােগ'করে। ব্রহ্মসংবিং, পাপ-পুণাদিকর্মের বীজম্বরূপ মনন লাভের নিমিত্ত যে সকল প্রণয়ন করিয়াছেন, তাহাই স্কুল = ২১৪ চতুর্দশ সর্গ। = যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ দেদীপ্যমান হইতেছে। পীয় পাপপুর বিনষ্ট হওয়ায় যাহাদিগের অন্তঃকরণ বিশুদ্ধ হয়, সেই সকশাস্ত্ৰবিচারে তঁহাদিগেরই নিখল- জ্ঞান-জ্যোতিঃ প্রকাশমান হইয়া থাকে। দিবাকর গগনাঙ্গনে বশিষ্ঠ কহিলেন,অতপর ভগবান ভৃগু ও কাল, মরণিরির অধিক্কট হইলে নৈশতিমির যেমন এক কালে বিলয় প্রাপ্ত হয়, সানুদেশ হইতে অবনীতে অবতরণ পূর্বক সমঙ্গাতটে গমন- সেইরূপ সৎন্ত্রের অনুশীলনে মনের অন্ধকার তিরােহিত বাসনায় যৎকালে সেই শৈল হইতে অবরােহণ করিতে লাগি- হইয়া যায়। মনােমােহ বিলীন না হইলে সিদ্ধিলাভের কথ লেন, তখন দেখিলেন, কোন স্থানে নব নব কনকবং সমূহৃল- দরে থাকুক, ক্রমশ গভীর মােহলেই জড়িত হইতে হয়। লতাজালে জড়িত কুঞ্জমধ্যে দেবগণ ও বিহঙ্গমগণসকল সুখে- উহা নীহারের ন্যায় চিত্রকে বরণপূর্বক বেতালের ন্যায় নৃত্য নিদ্রা যাইতেছে। কোন স্থানে সুরাঙ্গনাগণ, লতাবল-দোলায় করিতে থাকে। মুনে। ইহ সংসারে অখিল-দেহীর মনােম দোলায়মান হইতেছেন। এবং হরিণীর ন্যায় অতিমনােহর দেহই সুখদুঃখের আকর মাংসময় দেহ নহে। মাৎসাস্থি- কটাক্ষবিক্ষেপে যেন নীলােপলনিচয় চতুর্দিকে বিকীর্ণ করি- সমষ্টিরুপ দে পঞ্চভূতময়-দেহ দেখিচ্ছে, উহা কেবল মনেরই 'তেছে। কোন স্থানে ভুবনত্রয়দশী সিদ্ধগণ সমুন্নত শিলাসনে বিকল্প জানিবে প্রকৃতরূপে উহা দেহ নহে। মুনিবর! ভবঙ্গীয়। মূৰ্ত্তিমান্ উৎসাহের ন্যায় সমাসীন রহিয়াছেন। কোন স্থানে এ ঐ মনোময়শরীরে যেরূপ কাৰ্য করিয়াছেন, ত্বরায় দনুৰূপই মাঙ্গমুখপতিসকল জলকণার ধারা সদৃশ নিরন্তর নিপতিত বল প্রাপ্ত হইয়াছেন , এ বিষয়ে আমর, অপরাধী নহি। ১-১০। কুসুমশিমধ্যে নিমগ্ন থাকিয়া তালতরুমি শুণ্ডাজ ও সকল যে ব্যক্তি স্বীয়বাসনাবশে যেরূপ কাৰ্য্য করে, সে তদনুরূপফলই সমুন্নত করিতেছে। উহারা মদগরে একপভাবে নিল লাভ করিয়া থাকে, ইহাতে অপর কাহারও কর্তৃত্ব নাই স্বীয় যাইতেছে যে দেখিলে বোধ হয় যেন, মুমিন মগর্ব অন- মনোবাসনা, ক্ষণকাল মধ্যে অন্তরে যে কাৰ্য সাধিত করিয়া থাকে, স্থিত রহিয়াছে। কোন স্থানে নয়নাভিরাম- চনুগনিকর এমন কেহই ত্রিলােকের প্রভু নাই যে, সে কাৰ্য্য করিতে সমর্থ বাযুসকলনে পৃষ্পপরাগ-রঞ্জিত সীয় লাঙ্গুণসবণ পরিচালিত হয়। জন্ম, মৃত্যু ও নরকভােগাদি সমস্তই মনের মনমাভ; ' করত যেন পরাজকে চামরদ্বারা বীর্জন করিতেছে। কোথাও এবং ঐ মনন কেবলমাত্র দুঃখেরই নিদান। ভগবন। এ বিষয়ে কিন্নরগণ, আষাঢ়-ধারা সদৃশ আক্তস্র-পতিত-পূষ্পমধ্যে নিম। নিরর্থক বাক্যব্যয়ের প্রয়ােজন নাই। গাত্রোখান করুন,চলুন—যে কোন স্থানে উত্তম উত্তম খর্জ-তরুe গগনাঙ্গনে সরল শাখ, স্থানে আপন’র পুত্র রহিয়াছেন, তথায় গমন করা যাউক। আপনার নিচয় বিস্তৃত করিয়া শেভমন। কোন স্থানে গৈরিকবং পুত্র শুক্র, মনােম শরীরদ্বারা ক্ষণকালমধ্যে সমুদয়-ভােগবিষয় পাটলাস্যমৰ্কটসকল ধৰ্জর-ফলদ্বারা পরস্পর পরস্পরকে আহত উপভােগাতে ইন্দুরশ্মিসংসর্গে সমঙ্গাতীরে তপসরুপে সম্পতি | ও সিংহনাদ সহকারে বে-সকল অনমিত করিয়া নৃত। অবস্থিত আছেন দেখিবেন। মুনিবর। তিনি দেহত্যাগ করিলে । করিতেছে। কোথাও সানুস্থিত উপকনগৃহ সকল লতাজালে তদীয় গণবায়ু চৈস্টশক্তি হইতে পরিভ্রষ্ট হইয়া প্রথমে শিশির | আবৃত হইয়াছে। কোন স্থানে অনাগণ, রক্রিীড়ার সময় 'ভাবে চন্দ্ৰশ্মিসংসর্গে চক্রশ্মির স্বরূপত্বপ্রাপ্ত হয়, পরে তারা উপস্থিত হইয়াছে, ইহা জানাইবার জন্য মন্দাকুমনিচয় দ্বার তাহার ফলস্বরূপ রূপে পরিণত হইয়া পুরুষ-জঠরে প্রবেশ অন্য | সিদ্ধগণকে প্রহার করিতেছে। কোন স্থানে নির্বার তটভূমি সকল শুক্ররুপে পরিণত হইয়াছিল , অনন্তর রমণীগর্ভে অবস্থিত হইয়া {গৈরিকেব স্থায় পাটলবণ জলদজালে আর ও জনসম্পর্কবিরহিত ভাগস-দেহ লাভ করিয়াছে। ভগবান্ কাল এইরূপ কহিয়া জগতের ওয়াতে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর ন্যায় শােভমান হইতেছে। কোথাও অষস্থাকে যেন উপহাস করত সহায়-বলনে দিনকর যেমন স্বীয়- ¥ গিরিঙ্গিণী সকল, কুমরাদিকুমনিকরে পরিব্যাপ্ত, লহরী- কর দ্বারা নিশাকরকে গ্রহণ করেন, তপ নিজ কাম্বার ভূগুর কর মালায় মণ্ডিত হইয়া যেন সাগরসমার্থ সমুৎসুচিতে মধুমাসীস গ্রহণপূর্বক গমনে উদ্যত হইলে ভগবান ভৃগু, অতি মৃদুস্বরে পুষ্পাভরণে ধীশরীর সজ্জিত করিয়া সাগরাভিমুখে গমন ‘অহ নিয়ত্রি কি বিচিত্র ব্যবস্থা।" এইরূপ বলিয়া উদয়াচল করিতেছে। ১১৯ কোথাও বা ক্ষনিচয়, কুমনিচয়ে পরি- হইতে দিবাকরের গায়, মা হইতে গাত্রোখান করিলেন। ব্যাগ ও পবনসঞ্চালনে কম্পিত হওয়ায় বােধ হইতেছে যেন, রাঘব। তৎকালে আলতাজি-ব্রিজিত মন্দৰাচলে সেই মধুলােভে উন্মত্ত হইয়া মধুকররূপনেতারা সকল দণিত করি- ভেজেনিধি ভূগু ও কাল উভয়ে একদা উখিত হওয়ায় বােধ হইল তেছে। তাহারা ইতস্ততঃ শৈলরাজের এতাদৃশ মনােহর সৌন্দৰ্য্য যেন, জলদাবলীমণ্ডিত বিল অস্বরতলে পূর্ণচন্দ্র ও দিবাকর বিহা- নিরীক্ষণ করিতে করিতে নগরের দ্বিতল গৃহাদিশােভিত বসু- রাহ যুগপৎ উদিত হইয়া বি করিতেছেন। বাল্মীকি কহিলেন, মতীতলে অবতরণপূর্বক কণকালমথ্যে কুসুমনিকৰে অলঙ্কত বংস ভরদ্বাজ। মুলিবর বশিষ্ঠ এইরূপ কহিতেছেন, এমত সময়ে চঞ্চলঙ্গমালায় পরিব্যাপ্ত, সুতরাং যেন পুষ্পময়ী-সমঙ্গানদীর দি অবসান হইল। ভগবান্ ভাস্কর যে সাংকৃত্য-সমাধানার্থ তীরদেশে উপস্থিত হইলেন। অনন্তর ভগ ভৃগু, ঐ সমঙ্গাতটে অস্তাচলে গমন করিলেন। সভাসদগণ, পরস্পর পরস্পরকে কোন একস্থানে স্বীয়পুত্রকে অবলোকন করিলেন, পুত্রের আর নমস্কারপূর্বক সায়ন্তন-নজি-সম্পাদনাৰ্থ স্ব স্ব স্থানে উপনীত সে ভাব নাই। তিনি এখন ভিদেহ প্রাপ্ত হইয়া ভিন্নভাৰ ধারণ হইলেন এবং অনন্তর রজনীর অবসানে ভগবান ভাস্কর কিরণজাল করিয়াছেন। তাঁহার ইন্দ্রিয়গ্রাম শান্তও মনােমৃগ স্থিরজব প্রাপ্ত বিকীর্ণ করিতে আরম্ভ করিলে সকলে পূৰ্বৰৰ সভাগৃহে আগমন হইয়াছে। তিনি অবস্থায় সমাধি অম্বনপূর্বক অনন্তকালের কলিলেন।১১। এমভির নিমিত্তই যেন, চিরকালে বিশ্রাম উপলে আদ। সর্গ সমাপ্ত ॥১৩। করিতেছেন। তিনি পুর্বে সংসারগনের হােদিবর্ণ যে প্রবাহগে সন হইছিলেন এবং বহুকাল হইতে আই - .
স্থি-িপ্ররণ। হইতে মুক্তিলাভ করিয়াছেন, এক্ষণে যেন সেই অনন্তু সসার সহাবনে বিতর্ক 'মহু বচনে কহিলেন, যাহর কাৰ্য, কেই গরি বিষয়ই চিন্তা করিতেছেন। তিনি অসীমকাল অপার বিদিত হইতে সমর্থ নহে, যাহারই যশে এই বিশাল সংসার সংসার পারাবায়ে যে সকল আৰ-বিবর্তনে পুনঃ পুনঃ নিরতিশয় নিয়ত পরিভ্রমণ করিতেছে, পরমাঙ্খায় সেই মায়াশক্তিরই । ঘূণিত হইয়াছিলেন, সম্প্রতি যেন তাহা হইতে বিমূক্ত হইয়া ২১-৩৭। অহো কি অত ব্যাপার। যেন প্রলয়ের বর্বণালি- অতি ভমিত চক্রের ন্যায় স্থিরভাবে একাকী একান্তে উপবিষ্ট হেতু আমার অবিদিত অনন্ত জন্মান্তর ও দশাফল সকল অতীত রহিয়াছেন। তাহার কমনীয় কান্তিময় কলেবর দর্শনে জ্ঞান হইয়াছে। কি আশ্চর্য্য। আমি যে কঠোর ক্রোধপরায়ণ এবং হয়, যেন স্বয়ং কান্তিদেবী তাহাকে আশ্রয় করিয়াছেন। তাহার উদ্যম শীল নৃপদেহ প্রাপ্ত হইয়াছিলাম, তাহাও অধুনা দেখিলাম। আর কোন বিষয়ে চেষ্টা নাই, আর সে চিত্তসমের সংস্পর্শও যেখানে শােকের লেশমাত্র নাই, ঈদৃশ মেরুস্থলীতে কতই বিহার নাই, এখন তিনি শীতে সুখ দুখাদি হইতে বিরত হইয়া করিয়াছি, ঐ সুমেরুর কত সূলে মারকুসুমের কেশৱসংসর্গে নির্বিকল্প সমাধি অবলক্ষনপূর্বক সুবিমল ধীশক্তিসহকারে অখিল অরুণবর্ণ মন্দাকিনীর কলার পূপ মিশ্রিত এবং এজন্য পরম সংসারগটিকে যেন উপহাস করিতেছেন। তাহার আর সুগন্ধময় সুরা কই পান করিয়াছি। মদচলের প্রস্ফুটিত কোনরূপ প্রবৃত্তি নাই এবং কোনপ্রকার কল্পনা নাই। তাহার হেমলতাজালে জড়িত কুঞ্জনিচয়ে এবং কক্সপাপের ছায়াপুষ্প অখিল শুভাশুভ কৰ্ম্মফলই বিলীন হইয়াছে, তিনি এখন সমন্বিত মনােমুগ্ধকর মেরুর সানুসমূহে কতই যে ভ্রমণ করিয়াছি পূর্ণব্রহ্মানন্দ অবসানে অনন্ত বিশ্রান্তির আধার পরমাত্মাতেই তাহার ইয়ত্তা নাই , ফলে দেখিতেছি, অনুকূল ও প্রতিকুল এই বিশ্রাম সুখ উপজেগ করিতেছেন। ১২-২১। তঁাহার হেয় বা উভয়বিধৱ মধ্যে এমন কোন ভােগ্য বিষয়ই নাই, যাহা ভােগ উপাদেয় কোন প্রকার সংকল্প ও বিকল্প না থাকায় এবং চিত্তজ্ঞান করি নাই এমন কোন কাৰ্য্যই নাই, যাহ অমা দ্বারা অনুষ্ঠিত হয় প্রভায় প্রদীপ্ত হওয়ায় সঁহাকে দেখিলে বােধ হয়, যাহাতে নাই এবং এমত কোন দৃশ্য বৰুই নাই যাহা আমি দেখি নাই। বস্তুর প্রতিবিম্ব পতিত হইতেছে না, এরূপ যেন কোন সুবিমল অধুনা যাহা মুথার্থ জানিবার তাহ। জানিয়াছি, যাহা প্রতরূপে সমুজ্জ্বল মণি অবস্থিত রহিয়াছে। মহর্ষি ভৃগু, ঈদৃশ ভাবাপন্ন দেখিবার তাহা দেখিয়াছি। সংসারচক্রের পরিভ্রমণে বেরূপ নিরতিশয় ধৈৰ্য্যান্বিত ঈীয় ভষকে সন্দর্শন করিলে পর ভগবান পরিশ্রান্ত হইয়াছিলাম, এক্ষণে তৃেমনি চিরদিনের জন্য বিশ্রাম কাল, সেই ভৃগুকুমারকে অপােৰুৰপূৰ্ব্বব সাগরবং গম্ভীররে মুখ উপভােগ করিতেছি, আমার সকল ভ্রম র সুয়াছে। তৃণ্ডকে কহিলেন,-“এই আপনার সেই পুত্র” অনন্তর “বিবৃদ্ধ পি। গাত্রেখান করুন, মন্দরীচলে শুল্ক বনলতার ন্যায় আমার হউন” কালের এবংবিধবাকে ভৃগুনন্দন, মেঘের গম্ভীর যে, শুরু দেই পতিত রহিয়াছে, তাহা অবলোকন করি। যদি, ধ্বনিতে ময়রের ন্যায় প্রবুদ্ধ হইয়া ক্রমে ক্রমে সমাধি হইতে আমার কিছুই সমীহিত ৰা অসমীহিত নাই, তথাপি কেবলমাত্র বিরত হইলেন এবং নেত্ৰ উম্মলনপূর্বক যুগপৎ উদিত চল নিতির বিচিত্র রচনা দর্শনার্থই আমি উৎসুক হইতেছি। ইহাতে মুর্থবং সীপােপস্থিত ভগবান কাল ও ভূগুকে সন্দর্শন করি- | আমার পূর্ববং সংসাভিনিবেশের আশঙ্কা করিবেন না, কারণ, লেন। অতঃপর কদবিকা পঠ হইতে গাত্রোখানপূর্বক যেহেতু আমি একমাত্র পরমাত্মাই সত অপর সমস্তই মনাের মুক্তি বিবেশী হরিহরের ন্যায় সমাগত সেই এইরূপ দৃনিশ্চয়-সহকারে যাহা অতি গুজব, একাগ্রচিতে সেই ভৃগু কালকে প্রণাম করিলেন এবং পরস্পর তৎকালােচিত আর্যগণসেবিত পথেই অনুসরণ করিতেছি, অতএব এক্ষণে আলাপনান্তে মেরুপষ্ঠে জগৰপূজ্য ব্রহ্মা, বিষ্ণু মহেশ্বরের ন্যায় আপনার ও আমার অভিমত, পর্ষদের জীবনাদিতে, আমার সকলেই শিলাসনে উপবিষ্ট হইলেন। ২২-২৮। বাম। বাসার সম্ভব নাই, তবে এই ব্যবহার আমায় কবশিষ্ট প্রারন্ধের পরে সমজাতটঙ্গী সেই দ্বিজবর, জপ সমাপন করিয়া, শান্তিপূর্ণ ফল বলিয়াই মনে করিতেছি নিবেন। ৩৮-৪৬। অমৃতায়মান মধুরবচনে সঁহাদের উভয়কে কহিলেন, একদা চতুর্দশ সর্গ সমাপ্ত।১৪। নিশানখ ও নিলাখের আয় সমাগত আপনাদিগের দর্শনে অদ্য আমি পরম নির্ধতিলত করিয়াছি। বিবিধ শাস্ত্রের অনুশীলন, পোনুষ্ঠান এবং জ্ঞান ও বিদ্যায় আমার যে মনোেহ বিনষ্ট না হইয়াছিল, আজ আপনাদিগের দর্শনে তাহা তিরােহিত হইয়াছে। । মহাপুরুষগণের সন্দর্শনে যাদৃশ আনন্দোদয় হয়, নিল বশিষ্ঠ কহিলেন-সেই ভক্তগণ, এইরূপে সংসার গভির অমৃতবর্ষণেও তাদৃশ সন্তোষ জন্মে না। চন্দ্র-সূৰ্য্য যেরূপ স্বীয় বিষয় পৰ্যালােচনা করিতে করিছে সমঙ্গাতট হইতে গুর পাদর্শে অতল পবিত্র করেন, আর মহাতেজস্বী আপনা- আমাভিমুখে গমন করিতে লাগিলেন। তাঁহারা ক্রমে আকাশ দিগের উভয়েও পদার্পণে আমার এই আশ্রম প্রদেশ বিশুদ্ধ মার্গে উখিত হইয়া মেঘমধ্যস্থিত ছিদ্রযােগে উর্থে গমন পূর্বক হইল, এক্ষণে বলুন, আপনারা কে? হে ঘূহ। তিনি এইরূপ সিদ্ধগণের পথ আর অবিলম্বে মন্দরকরে উপস্থিত হইলেন। কহিলে মহর্ষিতৃগু সেই অন্তরের পুত্র বিজয়কে বলিলেন, তুমি অন্তর ভৃগুনন্দন সেই পর্বতের অধিত্যকাতে আড্রপত্র নিয়ে অজ্ঞ নও, তেমার প্রবােখােদয় হইয়াছে, অতএব আপনার বিষয় আচ্ছাদিত শুল্ক পূর্বদেহ দর্শন করিয়া কহিলেন, পিজ। আপনি স্মরণ কর। সেই আপস ভৃগু কর্তৃক এইরূপে প্রবােধিত হইলে পুর্বে পৰ-যত্নসহকায়ে বিবিধ উপাদেয় বস্তু দ্বারা বা লা মুহুত্রে ব্যাগে বিন্ন বিষত্রে উন্মীলিত হইল, তখন পালন করিয়াছিলেন, এই দেখুন আমার সেই শরীর নিতান্ত নিজ এলাকায় সকল গণ করিতে লাগিলেন। আন্তরসেই ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়া পতিত রহিয়াছে। হায়। পাত্রী রেহভরে কপূর বদজ্ঞংকর জি তাপস আশ্চৰ্য্য দর্শন হেতু আনন্দিত চিত্ত হইয়া ওঅগুরু অনাদি যায় তাহার অজসকল বহুকাল বিলে পঞ্চদশ সর্গ :
যােগণিৰামায়ণ করিয়াছিল, এই আমার সেই দেহ। যে দেহের মুখের নিমিত্ত শাতির্গ অবস্থিতি করিতেছেন, তাহারই মুখ ভােগর সুমেরুশৈলের কত শত উপন ভূমিতে মন্দারমনিকরে চরম সীমায় পদার্পণ করিয়াছেন। পি। দ্য আমি পর সুশীতল শয্যা রচিত হইত এবং প্রেমােত সুরাঙ্গনাগণ যাহার শুভদৃষ্টবশেই বিবিধ জুখে দশা হইতে বিমুক্ত মােহন্দ্রবিরহিত সেবা করিত। যায়। দেখুন এই আমার সেই দেহ ধরাতলে মক্রিয়ায় পতিত এই শরীর সর্শন করিলাম। 'শায়িত থাকিয়া সরীসৃপগণ কর্তৃক খণ্ডিত হইতেছে। নােদান রাম কহিলেন, হে ভগবান! আপনি ত সমুদয় ধৰ্ম পরিজ্ঞাত নিচয় আমার যে অসীমকাল বিহার করিয়াছে, আজ কিন| আছেন, অতএব বলুন, তৎকালে ভূগুনন্দন ত পুনঃ পুনঃ বহুল সেই দেহ শুদ্ধ কঙ্কালরূপে পরিণত হইয়াছে। সুজনাদিগের দেহই ধারণ করেন, তবে কি নিমিত্ত ভৃগুর উৎপাদিত দেহের অঙ্গসংসর্গে যাহার মদনাকেশ বন্ধিত হইত, আজ সেই দেহ প্রতি নিরতিশয় হেপরবশ হইয়া জন্য-দেহাপেক্ষা অর্জ চিত্তবৃত্তি শুন্য হইয়া শুষ্ক হইতেছে। রে তুই দেহ। যে তুই তাদৃশ বিলাপ করিলেন। ২১-২৮। বশিষ্ঠ কহিলেন, রায়। বিলাসের আবাস ভূমি দেবােদ্যাকলিতে এবং বাল্য যৌবাদি শুক্রের যে কনা, জীবদশা প্রাপ্ত হইয়া ভৃগু হইতে কর্মময় দশতে হাস্থ গীতাদি বিবিধ ভংশে বিভাের হইতে, এক্ষণে সেই ভার্গবরূপে পরিণত হইয়াছিল। ঐ ভাবি-শুক্র-দেহাকা, প্রাক্তন তুই কিরূপে সুস্থ হইয়া নিশ্চলভাবে অবস্থিত রহিয়াছিস।—১০। কল্পনা উপস্থিত কল্পের প্রান্তে মায়াবচ্ছিন্ন ঈশ্বর হইতে প্রথমে রে ভাগ্যহীন কলেবর, হায়। এখন কেবলমাত্র শুল্ক কঙ্কালশষরূপে প্রাদুর্ভূত হইয়া ভূকাশ লাভ করে, পরে বায়ু চলিত হইয়া পরিণত হইয়া আমাকেই ভীতি প্রদর্শন করিতেছিস। হা ধিক্। অন্নাদিরূপে প্রাণ ও অপান বায়ুর ক্রিয়াতে শরীরে প্রবেশ- সংসারের কি বিপর্যয়। আমি যে দেহ অংশয়ে বিষ ভােগ্য পূর্বক রেহােরূপ ধারণ করত ক্ৰমে ক্ৰদেহরূপে পরিণত বন্ত ভােগে অতুল প্রীতি প্রাপ্ত হইতাম, আজ তাহাকে কঙ্কালমাত্র- হয় এবং পিতৃসলিখনে বিহিত বিধনে ব্রাহ্মণোচিত সংস্কারকার্যে সার দেখিয়া আমিও ভীত হইতেছি। পিত। একবার দৃষ্টিপাত সংস্কৃত হইয়া বহুকালাতে অধুনা শুকালরূপেপৰ্যৰসিত করুন, আমার যে বক্ষঃস্বল তারকারাজির স্থায় সমুজ্জ্বল রত্নহার হইয়াছে। ঐ শরীর ব্রহ্মের সন্নিধান হইতে প্রথমে প্রকাশমান শেভ। পাইত, আজ সেই স্থানে পিপীলিকা শ্ৰেণ অবস্থিতি হইয়াছিল বলিয়াই, তজ্জন্য শুক্র ভদৃশ বিলাপ করেন। কল- করিতেছে। হায় । বরাদনগণ যে শরীরের গলিত কাঞ্চনের কথা প্রারব্ধকে অতিক্রম করিতে কাহারও সাধ্য নাই। তক্র, গায় কমনীয় কান্তি নয়নগোচর করিয়া রতিবিলসের এভিলাষিণ তৎকালে অখিলবাসনা বিবর্জিত বিষয়ানুরাগশূন্য সমঙ্গাতীর- হইত, ঐ দেখুন, তাহা এখন কালমাত্র অবশিষ্ট হইয়াছে। বাসী বিরূপ হইয়াও যে, সেই শরীরের জন্ঠ শােকপ্রকাশ ঐ দেখুন, প্রখরতাপে তক চর্মমাত্র আর কঙ্কালাৰণিষ্ট দেহের করেন, ইহা দেহ ধারণেরই ফল। বস্তুত জ্ঞানীই হউন আর মুখবিবর বিস্তৃত ও ভীষণ দৃ হওয়ায় বন্য পশুগণও উহা দর্শনে অজ্ঞানীই হউন, যতদিন পর্যন্ত দেহে জীবন থাকিবে, তাবৎ- শঙ্কিত হইতেছে। হায় । আমার দেহের সম্যকরূপে শুক কাল পর্যন্তই সর্বদা ঈদৃশ লৌকিক ব্যবহারের অধীন থাকিতে উদরগর দিবাকরের রশ্মিজাল পেপ্যমান হওয়ায় আর হইবে, ইহাই ঈশ্বরের নিয়ম। তবে অনেকের আসক্তি দৈখি, যেন উহা বিবেক প্রভায় উভাসিত হইতেছে। মঙ্গীয় সুকান্তে, আর জ্ঞানীরা অনাসক্তটি সেই নিয়মের বাধ্য হন, এই দেহ ভক্ষাবস্থায় অচলশিলায় উতে অবস্থিত থাকিয়া এইমাত্র বিশেষ। ফলে যাহার। সংসারের গতি পরিজ্ঞাত আছেন, শরীরের তুচ্ছতা প্রদর্শন পূর্বক সাধুদিগের চিত্তে যেন বৈরাগ্য কি তাহারা, আর কি পশুধৰ্মী অগণ, সকলকেই সাধারণের উথন করিতেছে।আমার সেই শরীর আজ রূপসাদির জায় লােৰুব্যবহার বশপম্ন দেখা যায়। বাস্তবিক ব্যবহার প্রলােভন হইতে মুক্ত হইয়া বেন শৈলেপরি নির্বিকল্পসমাধি ফায্যে গও যে একার, জ্ঞানীও সেইরূপ, তবে বাসনার বিভিন্ন অবলম্বনে শুষ্ক হইতেছে। ঐ দেখুন, আমার শরীর যেন চিত্তরূপ তাই অজ্ঞের সংসারবন্ধনের ও জ্ঞানীয় মুক্তির কারণ জানিবে। পিশাচের হস্ত হইতে পরিত্রাণ পাইয়া মুখে অস্থিতি করিতেছে ৯-৩৭। যাবৎকাল শরীর, অবৎ বিষয়াসক্তি-বিহীন ধীয়- এবং গৈৰ-বিপদে অনুমাত্র ভীত হইতেছে না। চিত্তরূপৰেণ ব্যক্তিরাও বিষয়ে সুখে সুখ ও দুঃখে দুঃখ প্রকাশ ভিয়েহি ওয়ায় উহা যেরূপ আনন্দ উপভােগ করিতেছে, করিয়া থাকেন। তবে মহাত্মাদিগকেও যেসুখের সময় সুখী ও বােধ হয়, অখিলজধাজ্য লাভে ভাড়শ আনন্দের সব দুঃখের সখীলেখা যায়, সে কেবল তাঁহাদিগে ব্যবহারিক ছিল না। ১১। দেখুন সংশয়পরম্পরানিত অখিল ভাৰ, আন্তরীণ নহে। যেমন সূর্যের সলিলস্থ প্রতিবিম্বই' চঞ্চল কৌতুকালতিরােহিত এবং বিবিধ কলনা অস্তমিত হওয়ায় এই হইয়া থাকে, কিন্তু গগনস্থ সূৰ্য কখন সেরূপ হন না, সেইরূপ দেহ কেমন অমখে মুখে শয়ন করিতেছে। হে তাত সেহ- নিগণও লৌকিকনিয়মের বাধ্য হইয়া বহশরীরের চঞ্চলতা রূপ পাল চিত্তরূপ মকটের উপদ্রবে মুগ্ধ হইয়া এরূপ বেগে দেখান বটে, কিন্তু তাহাদিগের অন্তঃশরীর গত একভাবাপন্ন। বিচলিত হয় যে, সমুলে উৎপাটিত হইয়া থাকে। মদীয় কলেবর এতিবিবতি দৃনে প্রকৃত পন্থ হইলে পলাপে চিপ অনর্থ হইতে মুক্তিলাভ করিয়া গিরিলে গজাকুতি প্রতীত হন, তদ্রপ প্রবুদ্ধ ব্যক্তিগণ অন্তরে লৌকিককৰ্ম্ম পরিত্যাগ জলদজালের সহিত সিংহপুণের সংগ্রামব্যাপার সন্দর্শন করিতেছে করিলেও বা অঙ্কের ন্যায় লোক ব্যবহারে বিচরণ করিয়া , এখন যেন সেই পরমানলে, নিমখ হিয়াছে, অতএব হে থাকেন। ফল কথা, যিনি জ্ঞানেশ্রিয় হইতে মুিক্ত হইচ্ছন, জিজ্ঞ। এক্ষণে দেখিতেছি খিল-রূপরের নিন- তিনি কর্নেলিয়ে আবদ্ধ থাকিলেও বিজ্ঞ আৰু ধিনি জানেন্দ্রিয় ভূত-মেহরূপ-মেষজনক-ঝাম্পের বিনাশকর রং-তু-স্বরূপ আৰ, তিনি কুলি হতে বিমুক্ত হইলেও তাঁহাকে বন্ধ চভাব-ন্নি আর কিছুতেই জীবগঞ্জে নল নাই। যে সকল যেন একশেৰ হেতু সেইরূপ মায়া, স্বীয় মহাৰীশক্তিসহায়ে ক্রিয়াবিহীন হইয়া সুখ দুঃখ ও বন্ধ মােক্ষের হেতু। অতএব হে রঘুবংশাবউশ!
ঘাতকরণ। . - — তুমি অখিলবাসনা পরিত্যাগপূর্বক অন্তরে নিষ্ক্রিয় ও বৈষম্য শেভিমান হইতে এক সেইরূপ সেই শুক্ৰশীয় খিলশিৱ- হইয়া বহিরে লােকোচিত ব্যবহারে প্রবৃত্ত হও এবং কর্মফল- জালে পরিষ্কাণ্ড হইয়া বিরাজমান হইতে লাগিল এবং ব্যাগনে সক্তি রহিত হইয়া পরমাত্মাতেই চিত্তসমর্পণ করত তারা বিহিত নলিনী ও বসন্তমে নবলতা যেমন পবিত্র হয়, তদ্রুপ সেই কাধ্যের অন কর, কারণ কাৰ্য করাই শরীরের স্বভাব। শুক্র-শরীর, অঙ্গুলি কেলি দ্বারা পবিত বলিয়া প্রতীয়মান অধিব্যাবিললঃ জন্ম মৃভূ-ভীবণ-জাৰৰ্তরীণ গভীর গর্ত হইতে লাগিল। অনন্তর লদল, যেমন জলীয়বাষ্পপু সংসারপথে অবস্থিত অসীৰ সন্তাপদ মমতারূপ করাল-অন্ধকূপ সমীরণ সংযােগে পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ সেই দেহও প্রাণবাবু, মধ্যে পতিত হইও না। হে পদ্মপলাশলোচন। কোনরূপ দৃশ্য- প্রবহমান হওয়ায় সম্পূর্ণতা লাভ কৰিলে, মহামনী শুক্র গাত্রোখান বক্ততেই তুমি অবস্থিত নও এবং কোন দৃশ্য-বও তােমাতে পূর্বক নবজলধর যেন ভূধরের নিকট এত দুরূপ সম্মুখ- অধিষ্ঠিত নাই। তুমি সেই নির্মল জ্ঞানময় আত্মাভিন্ন অপর কিছুই স্থিত পবিত্র পিচ প্রণত হইয়া, তাঁহাকে অভিবাদন নও, তুমি এইরূপ জ্ঞানলাভ করিয়া সুস্থির হও। তুমিই সেই ' করিলেন। অনন্তর জলধ যেমন অতিটকে আলিঙ্গন করে, সুবিমল বিশুদ্ধ ব্ৰহ্ম, তুমিই সেই সর্বকা সর্বাত্ম। তুমি অখিল- সেইরূপ তঁহার পিও স্নেহাদয়ে স্বীয় শরীর দ্বারা তনয়কে বিশ্বকেই সেই শান্ত আজ সনাতন ব্রহ্মরূপে ভাবনা করত সুখী প্রগাঢক্ষপে আলিঙ্গন করিলেন। ১৯১৬। মহামতি ভৃগু, নেই- হও। হে মহাত্ম। তুমি যদি জ্ঞানালােকে মমতারূপ ঘের- ভরে পুত্রের শরীর আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন এবং অন্ধকারকে সংহারপূর্বক স্বীয় অনুভবম্বার। অখিলবাসনা নিবৰ্ত্তক এই শরীর আম হইতে উৎপন্ন হইয়াছে, ইত্যাকঃ ভাৰনারূপ অবিদ্যা পূৰ্ণানন্দময় নিৰ্মলপদ প্রাপ্ত হইয়া নিজ চিকে অন্ন সংসরস্থার প্রতি হও করিলেন। তৎকালে এই আমার করিতে পার, তাহা হইলে তুমি অতি বুদ্ধিমান, মহ। ও পরম পুত্র এইরূপ চিন্তা করায় পুত্ৰয়েই উপস্থিত হইয়া তদীয় গল্প সাধু এবং আমাদিগের ও নমস্য হইবে। ৩৮-৪৯। অধিকার করিল। ফলে, যতদিন অবধি দেহে জীবন থাকি, তাবৎকাল পর্যন্তই শরীরে পরম-আত্মীয়ত অবস্তাবিত্রী। তৎ- পঞ্চদশ সর্গ সমাপ্ত ॥১৫ । কালে, নিশার অবসানে দিবাকর ও পদারের ন্যায় সেই পিতা- পর পরস্পর পরম শােভমান হইতে লাগিলেন। বাগমন-প্রার্থী ফুর ও জলধরের ন্যায় পরস্পর সমাগমপ্রাথী সেই ভূপ্ত ও ঘােড় সর্গ। ভৃগুনন, বহুকালাতে সম্মিলন হেতু চক্রাক-দম্পতির গায় পরস্পর দৃঢ়রূপে যেহাবদ্ধ হইলেন। দীর্ঘকাল বিয়োগবশতঃ ধশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্তর ভগবান কাল, ভৃগুনন্দনের 'অদৃশ তাঁহাদিগের পরস্পর সমাগমমাংকা টীভূত হওয়ায় তৎকালে বিলাপবাক্য আয় শ্রবণ করিয়াগন্তীর ঋরে কহিলেন, হে ভাৰ্গৰ। উভয়ে উক্ত প্রকার তুল্য আনাতিশয় উপভােগ করত মুহূর্তকাল তুমি সমাউরবাসী এই তাপসী-ত পরিত্যাগ করিয়া নৃপতির তথায় অবস্থিত খাকিয়া গত্রোখানপূর্বক সেই সমঙ্গাতীরবাসি- নবপ্রবেশের ন্যায় ত্বদীয় এই পূর্বশরীরে প্রবিষ্ট হও। হে অনষ দ্বিজ-দেহ দাহ করিলেন। কারণ, সংসারে কত্তব্য নেই তুমি এই পূর্বতন শুক্র-শরীরে তপােনুষ্ঠান-পক কালক্রমে পালন করিয়া থাকেন। অনন্তর তাপসদ্বয় ভূভাগব, অম্বর- অনুরোণের গুরুত্বকাৰ্য্য করিবে, পরে মহাকল্পান্তকাল উপস্থিত হলে দেদীপ্যমান চন্দ্রসূৰ্য্যৰং সেই পত্রি অরণ্যমথ্যে কিয়ৎকাল হইলে পরিমানপূৰং এই দেহ পরিত্যাগ করিবে, তখন তােমার অবস্থিতি করত অখিল জ্ঞাতব্য বি পরি মুক্ত, আর দেহান্তর ধারণ করিতে হইবে না। হে মহাসতে তুমি এই জগৎপুজ, বিবিধদেশকাল গতে সমভ ও সুস্থির-চিত্ত প্রাক্তন-দেহে জীবমুক্তি লাভ করিয়া মহা মহা অসুরেশণের ইয়া বিচরণ করিতে লাগিলেন। ওঃপর তৃগুণন্দন কালক্রমে গুরুতা কত সুখে অবস্থান কর। তােমাদিগের কল্যাণ হউক, অরগণের গুরুজলাভ করেন এবং মহৰি ভূও আত্মবােগ্য আমি এক্ষণে অভিমত স্থানে প্রস্থান করি। কিন্তু ইহা জানিও, যে নিরাময় প্রজাপতিপদে প্রতিষ্ঠিত হন। রাম। উদার কীর্তি চিতে ইহা অভিমত ইহা অভিমত কােষ হইয়া থাকে, পৰ্যা- শুক্র, পূর্বোক্ত প্রকারে সেই মপ পরমাত্মা হইতে প্রথমে লােচনা করিলে, সেই চিন্তু কিছুই নয় বলিয়া বিবেচিত হইবে। ওমগ্রহণ করিয়া বারংবার রিকাৰিতিপথে সদিত হওয়ায় ভগবান কাল এইরূপ কহিয়া সালোচন ভৃগু ও শুক্রের সমক্ষেই তজ্জনিত মনােময় রাজ্য ভ্রমবশতঃ পরে অন্যান্য নানাবিধ জন্ম অন্তর্ধান কহিলেন। তখন জ্ঞান হইল ফো দিবাকব, স্বীয় অংশু- দশা উপগে করন। ১৭-২৬। জাল সঙ্গোচ করত উত্তপ্ত পৃথিবী ও স্বর্গের মধ্যস্থলে অস্তমিত হই ঘােড় সর্গ সমাপ্ত । লেন। ভগবান কৃতান্তদেব এইরূপে হা হইতে গমন করিলে ভুক্ত নন, ভবিষ্যত অলী এবং ঈশ্বরেরূপ নিয়তিও জনি- বাৰ্য বিবেচনা করিয়া, কালরূপ ফারণৰণে বিশুদ্ধ এবং পুস্পসদৃশ ভাবি ভাৱিত সেই পতিত বীরমধ্যে প্রবেশ করিলেন। তাহাতে সপ্তদশ অর্গ। বিবেচনা হইল, যেন ঋতুরাজ বসন্ত, শিশিরকালেশুষ নবলতামধ্যে রাম কহিলেন,ভগবভৃগুনে বক্ষাপ্রতিভা যেমন প্রবিষ্ট হইলেন। এ দিকে সেই তাপগ, বিষণবদনে কম্পিত ধর্গাদি অনুভৰ হেতু সফল হুইছিল, কি নিমিত্ত অ, ব্যক্তি হইতে হইতে ছিন্নমুলক ভূতপেতিত হইল। ১১। সেরূপ হয় না? বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাখ! শুক্রের সেই कानाराव प्रशनिस, वोटर সফ পুত শরীর সৃষ্টিতে পরমবন্ত ব্ৰহ্ম হইতে প্রথমে প্রাদুর্ভূত হয় গুলুজ দ্বারা তাহার মান্তিকাৰ্য্য করিলেন। ওংকালে বর্ষাকাল এবং পুলিয়ে চরম আনুচিত শালি দ্বারা প্রাক্তন দেয় প্রবাহের অঙ্কগর্ত সকল পরিপূর্ণ হওয়ায় অগিণপণ যেমন সকল খণ্ডিত হওয়া তাঁহার ৫ ব্রাহ্মণ গতি, উহা | } যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ জশেরও কুলঙ্ক মুহিত বিশুদ্ধ ছিল। অখিল কনের শান্তি হইলে শত্রাদিতে জগতের যাদৃশ বিবরণ শ্রবণ ও স্বয়ং দর্শন করিয়া- যে শুদ্ধচিমাত্র অবস্থিত থাকে, মনীষিগণ তাহাকে সত্য চিৎ ছিলেন ময়ুরাও মাঝবং তৎসমুদয় তদীয় চিন্তে সংস্কাররূপে দৃঢ়- স্বরূপে নির্দেশ করেন। সলিল যেমন আরুপ ধারণ করে, বদ্ধ হইয়াছিল। এইরূপে স্বভাব কোষস্থিত সমস্ত সংস্কার বীজ সেইরূপ নিল সময় মন, যেরূপ ভাবনা করিতে থাকে, প্রায় অঙ্কুর-পত্রাদিবং ক্রমে ক্রমে সমুদিত হইয়াছিল। জীবযেরূপ বাস- সেইরূপে পরিণত হয়। দুকুমারের সেই অগন স্বয়ং ন আবদ্ধ হয় রইলই অবলােকন করিয়া থাকে। এই প্রােখিত হইয়াছিল, প্রত্যেক ব্যক্তিই ভদ্রুপ হইয়া থাকে, ঐ জগৎ যে দীর্দ স্বপ্নময় এ বিষয়ে স্বপ্নাবস্থায় স্বীয় কল্পিত শরীরই ভৃগুননই এ বিষয়ে দৃষ্টান্ত। বীজ অঙ্কুর-পত্রাদি যেমন স্বয়ং উত্তম দৃষ্টান্ত। রাম! যেমন সৈ-মধ্যবর্তী মানবগণ দিবসের সৈ- জনগণের চিকে চমত করিয়া থাকে সেইরূপ অখিল প্রাণি চিহেতু রজনীতে প্রত্যেকেই স্বীয় অন্তরে সুস্পষ্টকপে সৈন্যময় পূজেই ভ্রান্তি তৈজ্ঞান স্বয়ং প্রদুত হইয়া বিস্ময় উৎপাদন স্বপ্ন দর্শন করে, প্রত্যেক জীবেরই আত্মাতে সেইকপ এই সংসার কৰিছে। আমরা যেমন মিখ্যাগং সন্দর্শন করিতেছি, সমূহ বাসনাবশে সমুদিত হইয়া থাকে। রাম কহিলেন, এইরূপ প্রত্যেক ব্যক্তিরই চিত্তে মিখ্যা-জগৎ উৎপন্ন ও বিলীন ব্ৰহ্ম। এই কল্পনাময় সংসারে যে সকল পদার্থ আমরা অব- হইতেছে, কিন্তু বন্ধুতঃ জগতের উৎপত্তি বা বিনাশ কিছুই লোকন করিতেছি, উহাদিগের কি পরস্পর সম্মেলন হইতে পারে, নাই, উহা ভ্রান্তিমত্র। উহা কারও কোন বস্তু নহে। অথবা পারে না? আপনি এই বিষয় আমার নিকট যথাযথ একমাত্র মায়াই উন্মত্তের ন্যায় পরিভূতি হইতেছে। সংসার ব্যক্ত করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, রাখব। মলিন মন কখনই খণ্ড, যেমন অমলিগের সুস্পষ্টরূপে অনুভল সিদ্ধ হইতেছে, বিশুদ্ধ মনের সহিত পরস্পর সম্মিলিত হইতে পারে না, কারণ এইরুপ সহস্র সহ পােক সহস্র সহস্র মিথ্যা-জগৎ প্রত্যক্ষ তাহার সলিনের সামর্থ্য নাই, কিন্তু সেই মলিন-মন বিশুদ্ধ করিতেছে। স্বপ্ন ও সন্ধ-নগর ব্যবহার যেমন পরস্পর পৃথক্ হইলে সন্তপ্ত বিশুদ্ধ লৌহ যেমন তাশ সন্তপ্ত, শুদ্ধ লৌহের বলিয়া বিবেচিত হয় না, সংসারভ্রমও সেই প্রকার জানিবে । সহিত মিলিত হয় সেইরূপ বিশুদ্ধ মনও বিশুদ্ধ মনের সহিত ১১০। জ্ঞানদৃষ্টির অভাবনিবন্ধন গগনাঙ্গনে সঙ্কল্প নগর-মূহের মিলিত হইয়া থাকে। একবিধ সুবিমল সলিল যেমন পরস্পর ন্যায় এই অখিল মিথ্যা-গররও দৃষ্টিগােচর হইতেছে। এই একতা প্রাপ্ত হয়, কিন্তু মলিন হইলে তাহা সঙ্গটিত হয় না, তদ্রুপ জগতে পিশাচ যক্ষ রাক্ষস প্রভৃতি সমস্ত প্রাণিপুঞ্চই স্ব স্ব সল্প- নির্মূল চিত্ত সমূহই পরস্পর সম্মেলনে সক্ষম। যাহাতে ভূত বিষ- মাত্র দ্বারা দেহধারী হইয়া বিবিধ সুখ দুঃখ অনুভব করিতেছে। য়ের কোনরূপ অনুভূতি হয় না এবং যাহাতে সততই সমভাব হে রঘুনন্দন। এইরূপ আমরাও স্বীয় সঞ্চঙ্গাত্মক শরীরে সমুৎপন্ন বিরাজমান থাকে, তাদৃশ আত্যন্তিক বাসনাক্ষয়ই চিত্তের শুদ্ধতা, হইয়া ভ্রান্তি বিলসিত মিথ্যা-জগতের সত্যত্ব কল্পনা করিতেছি। জীবগণ কেবলমাত্র সেই চিত্তশুদ্ধিলাভেই দৃঢ় তত্ত্বজ্ঞতা প্রাপ্ত সেই হিরণ্যগর্ভেও এইরূপ সুতিপরস্পর বিদ্যমান রহিয়াছে। হইয়া অবিলম্বে পরমাত্মজ্ঞলাভ করিয়া থাকে। ২৩-৩১। কিন্তু বাস্তবিকই কোন বস্তু নাই। ইহার বস্তুর অবস্থাতেই সপ্তদশ সর্গ সমাপ্ত। ১৭। বতি। হে রাম। বসন্তকালীন একমাত্র রস, যেমন বন- শুদিরূপে প্রাদুর্ভূত হয়, সেই প্রকার এক ব্ৰহ্মই প্রত্যেক বিখ- রূপে প্রকাশমান হইতেছেন, ফলত ইহা অলীক। স্বীয় প্রাথমিক সঞ্জযেমনরূপে এমন হয়, সেইরূপ আবার পরমার্থ- অষ্টাদশ সর্গ। দর্শন আরা উহা * বলিয়াই প্রতিভাত হইয়া থাকে। স্বীয় বশিষ্ঠ কহিলেন—রঘুবর। অখিল জীবগণের স্ব স্ব কলিত অজ্ঞানতার উদৱস্থিত প্রত্যেক চিত্তই এই বিবিধ বপূর্ণ অঙ্গ। | সংসারসমূহে অপ্রকাশস্বরূপ চিদের আত্মার (ব্ৰহ্মার) সলনি করিয়া থাকে এবং অজ্ঞান বলে, উহা স্বয়ংই বিনষ্ট | প্রতিনিয়ত আকার কল্পনা দ্বারা প্রতিজীবেই স্কুল সুন্ম ও কারণ- হইয়া যায়। প্রতিভাসশেই জগতের অস্তিত্ব, পরমবন্ধু অৰু- | রূপ এপপের বিজিতা কল্পিত হইয়া থাকে। কারণ যাবতীয় লােকিত হইলে উহার অধিক। এই দীর্ঘ স্বরূপ জগৎ | জীবগণের সুষুপ্তির অব্যবহিত পরে দ্বৈব্যবহারা যে প্রকৃতি এপপ চিত্তরূপ মানে স্বরূপ জানিও। চি যাই। কিংবা স্বপ্নে বা জাগ্ৰদবস্থায় যে কোন বিষয়ে প্রবৃত্তি বা নিবৃত্তি, অষৎসা এবং অগংসভাই চিত্ত। সত্যবিচার করিলে উহার সমুদয়ই সেই চিদের আত্মার জানিবে। কোন বিষয়ে প্রবৃত্তি- একের অভাবে উভয়েরই বিলােপ্ত হইয়া থাকে। এই জগতে যুক্ত জীষপু, সেই চিদ্ৰসাত্মক আত্মার সহিত এক প্রাপ্ত হইয়া মলিন-মণির যেমন প্রমাদি যারা বিশুদ্ধতা হইলে প্রতিভাস আহার জ্যোতিতেই পদার্থনচয় প্রকাশমান হওয়ায় পরস্পর (উজ্বল দৃষ্ট হয়, জপ উপসাদি উপায়ে চিত্ত বিশুদ্ধ হইলেই কলিত সৃষ্টি পরম্পরা নিরীক্ষণ করি। এবং উক্তরূপ চিম- তাহার কার্যকর প্রতিভাস হইয়া থাকে। বহুকাল একাগ্রতা সহ ত্রের একতা বিজনই কল্পিত সৃষ্ট অপ জলাশয় সরস্পর কারে দৃঢ় অভ্যাস বশত চিতের ৩জি ইইলেই সেই সঙ্কজবিরহিত সম্মিলিত ও সত্যভ্রান্তিতে নিবিড়তা প্রাপ্ত হইয়া বিচিত্রলে বিশুদ্ধ চিত্তেরই প্রতিভাস সমুচিত হয়। মলিনতন্ত্রে শোভনৰ্ণ প্ৰকাশমান হইতেছে। গুজাফলসদৃশ বিচিত্ৰদৰ্শন ঐ অগৎ- হিতিপ্রাপ্ত হয় না, তদ্রুপ মুগদি দূষিতচিত্তে অষৈত আত্মজ্ঞান সমূহের মধ্যে কোন কোনটা পৃথভাবেই অবস্থিত থাকিয়া পূখ- নি সক্ষটিত হইতে পারে না। ১৯৭২। রাম কহিলেন, ভাবেই নয় প্রাপ্ত হইতেছে এবং কোন কোনটা বা পরশ এল! শুক্রের স্বীচিতের প্রতিহতুক কল্পনাত্মক জগতে সম্মিলিত হইয়া অঞ্চলে অবস্থিতি করিতেন। কলকবাতি কিরুলে ও ভগীয়কাল কাৰ্যপরম্পরা সত্যরূপে উদয়াস্ত প্রাপ্ত পরমাণুতে যে সমুদয় অসংখ্য জগদগুজা একুর্মিত হতে হইয়াছিল। বশিষ্ঠ কহিলেন, ভৃগুন ও পির মুখে ক্ষতি উপর অসংলগ এবং ব্রহ্মনামধারী মায়াকানল ত্র।
স্থিতি-প্রকরণ পরস্পরের সমিন বশ নিবিড়তা হেতুক সাধারণের ব্য- স্ববশিষকে কারণ বলা যাইতে পারে না, কারন স্বজনও হাৱােপযােগী ঐ সমস্ত অপূলের মধ্যে যে, যে ভাবে জগতে কোনও তে নই, স্ব কারণবিহীন অগতের সম্বন্ধ, সে সেই ভাবই অবলােকন করিয়া থাকে, অ ভাৰ- আদিকারণ, পরব্রহ্মের কেন কারণ নাই, তিনিই প্রথম কার; আর তাহার হৃদয়ে প্রতিভাত হয় না। এক মনের এক মনের অপর তাঁহার পূর্বে আর কোন কারণ নাই। তবে যদি বল জড়ও মনে বর্তমান মনােরাজ্যের দর্শনেপভোগাদিতে অক্ষমতারূপ মিথ্যা দুঃখরূপ জগতের উজমিখ্যানুঃখ ও জড়তাই কারণ, বৈকল্য প্রাপ্তি অবস্থায়ই মনেজেদের হেতু । তন্নিবন্ধন জীব তাহা বলিতে পার না, কারণ তাহা অলীক। সুতাং আমার ভেল নিৰে। এবংঝি মনােরজ্যরূপ সৃষ্ট বিষয়সমূহের বিচারে কোন প্রয়োজন নাই, যাহা প্রকৃত সত্য তাহাই বিচারণীয়। একবিধ কাৰ্যবিষয়ক বাসনাদির যুগপৎ ফললামুখতা হেতু থে বীজ বীজাকার পরিত্যাগ করিয়া মূলভাবপ্রাপ্ত হইয়াছে দেখা- সম্মিলন হয় তন্নিবন্ধনই যাধিসমষ্টিরূপ স্থূলদেহের সভা এবং যায় , কিন্তু ব্ৰহ্ম স্বকীয় আকুতি ভ্যাগ না করি, জগদ্য তহার বিঘ্নতি হইলেই দেহের অভাব ঘটিয়া থাকে। সুবর্ণের ধারণ করেন, বীজ লাকারে বিদ্যমান ধূকে, বীজের আকুতি যেমন স্বর্ণময় বলয়ের প্রতি সানুৱাগ দৃষ্টি আত্মবিস্মৃতির পরিচায়ক, অনুরূপই সমুদয় অঙ্গুরাদি উৎপন্ন হয়; কিন্তু ব্রহ্মের কোন প্রকার তদ্রুপ, ফিশক্তিও দেহরুপে বিবর্তিত হইয়া যে মিখা সংসারুরূপ আকৃতি নাই, সুতরাং বীজের সহিত ব্ৰহ্মপদের তুলনা হইতে অবিদ্যাতে আকৃষ্ট হইয়াছেন, তাহাও তঁাহার আত্মবিস্মৃতির পরি পরে না, শিব অর্থ মঙ্গলময় ঐ ব্ৰহ্মপদের উপমা নাই। চায়ক। ১-১। যেমন হঠযোগাভ্যাসবশতঃ বিশুদ্ধ প্রাণবায়ু ১৮-২৫। এই জগৎ-আত্মা, কিন্তু অদৃষ্টিতে আত্মকারে তাহা অন্য দেহে প্রবেশপূর্বক তদীয় পদ্ধ-প্রাণবায়ু ও ইলিয়নিচয়ের প্রতিভাত হয় না, ফলতঃ আত্মা’অন্যরূপে উৎপন্ন হন না, সীয় বশ্যতাবোধে সেই ইমিয়াদি প্রার। শব্দটি বিষয়সমূহ উপ- ঐ যে আকাশও জগদ্ধপে প্রতিভাত হয়, উহ উৎপন্নও নহে হোগ করে তদ্রুপ বিশুদ্ধচিত্তও সর্গান্তরায় অপর মনােরাজ এবং অনুৎপন্নওশহে। দ্রষ্টা জীব) স্বকীয় আত্মাকে কৃরূপে উপভোগ কৰিষা থাকে। অখিল প্রাণিগণেরই আত্ম জাগ্রং, দর্শন করেন, স্বীয় আত্মরূপে দর্শন করেন না। (সুত্বং ভ্রান্ত স্বপ্ন ও বুলুপ্তি এই ত্রিবিধ অবস্থা প্রাপ্ত হয়, উহাতে দেহ হওয়ায় শনাক্রান্ত হন)। তাহার সংকি এই জগহপ্রপঞ্চে কারণ নহে, অর্থাৎ উহার প্রাপ্ত কিছুই হয় না। এইরূপে উক্ত আক্রান্ত হয়, কাজেই স্বকীয় স্থিতি অবগত হইতে পারেন অবস্থা ক্রান্বিত খাই জীবভাবপ্রাপ্ত হইলে জলে তরঙ্গৰ না। ভ্রান্তিনিবন্ধন তাহার স্ব-প্ৰকাশতা পূর্ণতা ছুিই থাকে আয়াতেই দেহভাব প্রস্ফুরিত হইতে থাকে এবং উহা সমাকু না, মৃগতৃষ্ণাতে জল ভ্রমে বিদ্যাব ( যথার্থ জ্ঞান ) নাই, পৰ্যালেচিত হইলে আর ভুল হইতে তরঙ্গ যেমন পৃথক্ অনুভূত বিদ্যালভা (তত্ত্বজ্ঞান) থাকিলে মৃগতৃষ্ণায় তাদৃশ ভ্রান্তি হয় ইমন আত্মাতেও সেইকা পৃথক্ দেহত প্রকাশ পায় না। তত্ত্ব না। দুষ্টা-( জীব) আকাশবং বিশদ নির্মলতা ও প্রকাশ জান সুপ্তির অবসান তুরীয়াবস্থায় অবস্থিত চৈতন্যময়পদ ভাদিরূপ আত্মার সাসম্পন্ন হইলেও স্বকীয় নেত্ৰৰৎ আত্মার প্রাপ্ত হইয়: ঈবভাব হইতে নিবৃত্ত এবং মূব স্বীয় কল্পনাশে দর্শনে সমর্থ হয় না, কি অদ্ভুত ভ্রান্তি। নিকভ্রান্তি অর্থাৎ পুনরায় সংসারে গুরত্ত হইয়া থাকে। বেদে অজ্ঞব্যক্তিরও সুষুপ্তি মুক্তপুরুষ যেমন এই দৃশ্যদ্বৈত দর্শনে সমর্থ হয় না, সেই অবস্থায় অনাতিশয় উল্লিখিত থাকায় জ্ঞানব ও অজ্ঞান উভ- রূপ উক্ত দষ্ট। জীব) বাঙ্ক দৃষ্টি থাকিলেও পরকীয় অত্যা ষেরই সুযুপ্তি বিষয়ে তার বিবেচনা করিও না, সুষুপ্তি উত- দেখিতে পায় না। (বাঙ্কদৃষ্টি বলিয়া স্বকীয় আত্মাকে দেখিতে যেই সমান, তবে এ সুষুপ্তি-অবস্থাতেও বাস্তবিক আত্মশন পায় না পরকীয় অন্যকেও দর্শন করিতে শক্তি থাকে না)। হীন এবং দেহাদিতে আত্মবুদ্ধিরূপ ভ্রমাত্মক বাসনাযুক্ত, তন্নিমিত্ত আকাশ-বিশদ আত্ম প্রবলভ্য নহে—অর্থাং দৃশ্যকে দৃশ্যরূপে সে সংসারাবদ্ধ হয়, আর কেহ বা চিচ্ছক্তির সর্বগামিত্ব আছে দেখিলে কোন প্রকারেই আত্মদর্শন করিতে পারা যায় না, বলিয়া আর মনোময় জগতে প্রবেশিত হইয়া থাকে। উক্ত কেবল দৃষ্টি অর্থাৎ জানত্রে দেখিলে দেখা যায়। যদি বল প্রতিজগতের অভ্যন্তরেই বিভিন্ন এগংপুঞ্জ এবং তং জগতের অন্তর্গত আত্মা বহির্মুখ-দৃষ্টিদ্ৰষ্টায় দর্শনের যােগ্য হয় না, মধ্যেও কললীরফের আবরণকোষের ব্যায়, জগৎসমূহ বিরাজমান কিন্তু ঘটাদি বহু-বিষয়কুৰি আত্মত দেখা যাইতে পারে, তাহাতে আছে। কিন্তু হে রামচন্দ্র। ব্ৰহ্ম, বাহ ও অন্তর অখিল- অন্তর্দষ্টির প্রয়োজন কি? তাহা হইতে পারে না। কারণ অংপুঞ্জেরই অদূরবর্তী অর্থাৎ সর্বত্রই সমভাবে বিরাজমান, ঘটাদিবিষয়গত আত্মা বাহঘটাজি আকারে রঞ্জিত, দুষ্ট, স্বয়ংও ইতস্ততঃ বিস্তীর্ণ সমুহ যারা কালী যেরূপ প্রকাণ্ড বলিয়া ঐরূপ বাহভাবে রঞ্জিত না হইলে, ঐ ঘটাদি দর্শন করিতে লক্ষিত হয়, ব্ৰও সেইরূপ অগসমূহ দ্বারা প্রকাণ্ড।১১-১৭। পারেন না। সূক্ষ্ম চিত্ররূপে অবস্থিত হইলে ত কোন পদার্থই যেমন কদলী ও তাহার পত্ৰসমূহে কোন পার্থক্য নাই, সেইরূপ দৃশ্য হয় না। অতএব হে রম। দ্রষ্টা দৃশ্য দেখিতে পারেন ব্ৰহ্মতত্ত্ব ও সৃষ্টিসমূহে কোন পার্থক্য নাই। যেমল একমাত্র কন্তু ভ্ৰষ্টা কখনও দৃশ্য হইতে পারেন না। তাহা বলিয়া জয় ৰীই অলসেকে বৃক্ষাদিতাষ প্রাপ্ত হইয়া পুনর্বার বীজরূপে পরি নাই বলিতে পার না, যাহা কিছু সমস্তই একমাত্র দ্রষ্টা ধূ গত হয়, তদ্রুপ একমাত্র ব্রহ্ম (জ্ঞানৰশত) মনরূপে পরিণত ইহাতে কিছুই নাই। ( দ্রষ্টা শব্দে আত্মা) কারণ ষ্টাই হইয়া, পরে জ্ঞানবলে পরব্রহ্মরূপে পৰি হইয়া থাকে। স সর্বাত্মক, তিনি যদি কৃষ্ণ হন, তাহা হইলে, অহার ইত্ব কিরূপে বক্ষবীজ যেমন বীজগত রসের সাহায্যে ফলরূপে প্রকাশিত হয়, । হইবে? এই প্রশ্নের উত্তরে যায়, জামায় সর্বশক্তিমান সেইরূপ ব্ৰহ্ম হইতে উৎপন্ন জীবই অগণকারে প্রকাশিত হয়। আত্ম সম্পাদন করিয়া কৃষ্ণ অনুভব করত স্রষ্টা হন। আহা বক্ষবীজে সরসতার কারণ কি? ইহা যেন বলিতে পারা যায় হইলে কোন রুতি হয় না, কার আত্মা থং অবিকৃত হইয়াই না। তদ্রুপ ঐ ক্ষের কারণ কি তাহা বলা যায় না। এখন রহিয়াছেন। তিনিই স্বরূপে উদিত হইতেছেন। যেমন বসন্ত, = বােগবাণিষ্ঠ রামায়ণ T কালে বুকমধ্যে সরসতা আবির্ভূত হওয়ায় শােভাধরণ করে এবং (পরিস্ফুট) প্রকাশিত হয়। এ দৃশপ্রপঞ্চে বীজম্বরূপ সমষ্টি সেই সংসভাবে বিবর্জিত না হইয়া, ফল, পুল ও শাখাথিরূপে চিৎ সর্বগামী ও অবিনাশী বলিয়া কোন কোন ঘটল। স্কুল- বন্ধিত হইতে থাকে, সেইরূপ চিচ্ছক্তিতে ভাসমান জীব পুনর্বার দেহ ব্যষ্টিচিৎ (দেশ ও কালে) বাহরূপেই ভ্রষ্ট হয়। ৫১-৫। দেহী হয় এবং সেই চিত্ৰতা পরিত্যাগ না করিয়া, অন্তরে আত্ম, ক্রোন্ত চিং_(সমষ্টিস্বরূপ ব্ৰহ্মাণ্ডাত্মা) এরেই এই নিখিল জগৎ ভাবে ভাবিত ইয়াই দৃশ্য দর্শনময় এই জগৎ স্বপ্নবৎ দর্শন করি- | জন্ন করে এবং চিরাভ্যাস যশ তদাত্মাভিমানে শীন হয়, কখন ঋকে। যেমন পার্থিব রসে অর্থাৎ শৰণাদিরসে খণ্ডকধৰ্ম্ম উন্মগ্ন অর্থাৎ আবিত হয়। এবং বৎসর একুবিধ স্বপ্ন হইতে অর্থাৎ লবণ দিপক বদরী প্রভৃতির দ্বারা নিশ্চিত মুখাদ্য দ্রব্য- | স্বপ্নান্তব দর্শন করত শিখরচ্যুত শিলাব স্যার মিখ অটে বিশেষ বিমান থাকে, আম্মা-ে-জহুদি তদ্রুপ | গত্তে এবং অগজালে) পতিত হইয়া লুমিত হয়। কোন কোন বিদ্যম, লবণাদি যেমন স্বরূপ হইতে অভিন্ন নানাবিধ | দেহখণ্ড পরস্পর মিলিত, কোন কোন দেহখণ্ড ভ্রান্তিশৃঙ্গ, আত্মা খণ্ডৰূপে (ঐ পূর্বোক্ত খাদ্যরূপে ) বিভিন্ন প্রকারে উদিত হয়, ! অবস্থিত, কোন কোন দেহখণ্ড নিজ সংবিতে ( ভত্বজ্ঞানে । প%ি ওঅসংখ্য ব্রহ্মগুরুপে বিভিন্ন প্রকারে উদিত হয়। নিমগ্ন। যাহার অন্তরে এই জগজীবের বিভ্রম দেখিতে বিরূপ রসে উল্লসিত মতে, প্রতি দৃশ্যরূপ এখাসমূহে: পারে (এই সমস্তই ভ্রান্তিৰিক্তৃতি বলিয়' জানিতে পারে) পূর্ণ এই ব্রহ্মাণ্ডসমুহরূপ বুজের অধিনই, অর্থাৎ উ তাদৃশ কতিপয় লােক এই বিস্তৃত অসৎ দৃশ্যপ্রপঞ্চকে স্বপ্নের অনন্ত। এই পরিদৃশ্যমান ব্ৰহ্মাণ্ডকপবনখণ্ড যেরূপে সকীয় ! স্যায় আশ্রয় করিয়া থাকে। স্বভাবের সনিষন্ধন অঙ্গাতে রসে অপূর্ব আস্বাদ জমইয়া থাকে, এই চিও তদ্রুপ প্রত্যেক ' তদৃশ্য সত্যরূপে আবির্ভূত হয়, যে স্থানে সর্পগন্ধ বিদ্যমান ব্রহ্মাণ্ডে স্বীয় সংস্থিতি অনুভব করে। যে জীবশক্তি হইতে সে স্থানে সমস্তই হইতে পারে। ৫৬-৫। জীবের মধ্যে যে যে সংসার যেরূপে উদিত হয়, সেই জীবশক্তি সেইরূপ , জীব তাহার মধ্যে অন্য জীব তাহার আবার অন্য জীব আত্মচিদাকার জগতে সেই প্রকার অবস্থিতিলাভ করে। কোন ! এইরূপ সকলের মধ্যে জীবখশু উদিত । সর্ঘই কলণী- কোন জীব সংসারে পরস্পর ব্লিলিত হয়, তার কারণ তাহাদের দলের ন্যায় জীবমধ্যে জীব অবস্থিত। (অজ্ঞতাই ঐ সমুদয়ের পরস্পর বাসনা একরূপ) এবং বহুকাল স্বয়ং বিহার করিয়া কারণ যখন বুদ্ধি বিলুপ্ত হইবে, ( তত্ত্বজ্ঞান উদিত হইবে) সংসারে শান্ত হইয়া যায়। হে রাম। তুমি জ্ঞানচিত্তে সূক্ষ্মদৃষ্টি তখন এই সমুদয় ভেদজ্ঞান, তক্ষন থানা সুৰ কটকাদি জ্ঞানের ধারা অবলােকন কর, দেখিতে পাইলে, পরমাণু মধ্যেও সহস্র ন্যায় বিনষ্ট হইয়া যাইবে। এই জগৎপ্রপঞ্চব? আমি কে? এই সহস্ৰ জগৎ বিদ্যমান রহিয়াছে। চিত্ত, আকাশ, পাষাণ, বহ্নি | বিষযে যাহার বিচার উদিত হয় নাই, তাহার অন্তরে ঐ দীর্ঘজীব- শিখা, অনল ও জল এই নিখিল পার্থেই তিলে তৈলের ন্যায় জরভ্রান্তি প্রশান্ত হয় নাই। যে সদবুদ্ধিশালী ব্যক্তির গােভিলাষ, লক্ষ লক্ষ জগৎ বিদ্যমান রহিয়াছে। যখন চিত্ত সিদ্ধিপ্রাপ্ত ' দিন দিন ক্ষীণ হইতে থাকে, তাহারই বিচর সফল হইতেছে। হয়, তখন জীৱ চিপে পরিণত হয়, সেই চ্ছি বিশু ও ৩১-৬৫। যেমন যথুথ পখ্যাপি নিয়মে দেহে ঔষধয়ােগ করিলে সর্বগত, সেই কারণেই পরস্পর চিতের মিলন হয়। (সেই! অবশ্যই আরােগ্যলাভ করা যায়। সেইকপ ইন্দ্রিয় জয় অভ্যাস শুদ্ধিংশেই পদযােনি প্রভৃতি আমাদের সংসার দেখিতে পান। করিতে পারিলে, বিবেকও সফল হইয়া থাকে। সব ব্যক্তি কেবল পথনি প্রভৃতি সকলেরই অন্তরে এই ভ্রমকল্পিত জগদ্ধপ দীর্ঘ কথায় অবস্থিত, তদনুসারে কাৰ্য্য করে না, তাহার ঐ বিবেক, মহাস্বপ্ন উখিত হইয়াছে। ২৬–৪৬। কোন কোন জীব এক চিত্রি অনলের ন্যায় রখা অর্থাৎ সে ব্যক্তি দুহেতু অৰিবেক পরি- সপ্ন হইতে অন্য স্বল্প দর্শন করে, তাহাতেই ভিত্তিতে পাষাণব ত্যাগ করিতে পারে নাই। যেমন স্পৰ্বারাই বায়ুর সত্তার অজু ঝসনার দৃঢ়তাবলে ঐ অগস্বপ্ন দৃঢ়তর হইয়াছে। বাসনাক্রান্ত হয়, বাক্য ৰাৱা হয় না, সেইরূপ ইচ্ছাকণহইলে ( বাসনা ক্ষীণ চিৎ যেরূপ ভাবনা করে, ঝটিতি তদ্রপ প্রাপ্ত হইয়া থাকে সেই হইলে) তদ্বারা বিবেক অবগত হওয়া যায়। চিত্র লিখিত সুধা, চিং স্বল্পকালে স্বপ্নদৃষ্ট পদার্থ সত্যরূপে অনুভব করে। চিণু সুনহে জানিবে, চিত্রিত বহ্নি, বহ্নি, নহে জানিবে, আলেখ্যগত মধ্যে সূক্ষ্ম জগদাকার বাসনা অবস্থিত। (যেমন বীজের মধ্যে পত্র, অনা, না নহে জামিবে, সেইরূপ কথায় মাত্র বিবেক, অর্কিকে লতা, পুষ্প ও ফলের বিদ্যমান থাকে) চিং ও অঃ পরস্পর কই আনিবে। প্রথমে বিবেক দ্বারা বিষয়ভিলাষ ও বৈলি পরস্পরের অন্তরে প্রবিষ্ট ইহা অতি আশ্চৰ্য্য বোধ করি ; অথবা সমূলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, পরে ইষ্টের প্রাপ্তি ও অনিষ্টের পরিহার ইহা আশ্চৰ্য্য নহে-চিদাকানই অগমে বিভিন্নরূপে গৃহীত হয়, বিষয়ক বত্বও পরিক্ষীণ হইয়া যায়। যিনি যথা বিবেকী তিনিই ফল উহা চিনাকালেই লীন; অতএব হে যাম তুমি দ্বৈম পরম পবিত্র। ৬-৭ | পরিত্যাগ কর। ৪৭-৫। একমাত্র চিৎ-দেশ কাল, ক্রিয়া, জাদশ সর্গ সমাপ্ত। ১৮। ও দ্রব্যরূপ স্ব স্ব সূ অংশে ভূত অসমূহ বেন, পৃথকৃরূপে অনুভব করে। ফলত তাহা পৃথক নহে। সূ চিং ব্রহ্ম হইতে কীটপর্যন্ত সকলেরই সমান। ( প্রণয়কাল অফুট একোবিংশ সর্গ। হইলেও) সৃষ্টি হইলে তদেহ দর্শনে তাহা অনুভূত হয়। বশিষ্ঠ কহিলেন, জীনের বীজস্বৰূপ পশী আকাশে-শ্রায় এই অনুভূত হয়, তা অনির্বচনীয়; যত কিছুই নহে, সর্বত্রই অবস্থিত। মুৎ জীবের উদরগত জগতেও অনেক পরমাণু সকল স্বয়ংই এই এপথকে সত্য ও মৈতপে প্রকায় জীব থাকিতে পারে। চিন্ময় আত্মা যখন সর্বত্রই অবতি, অনুভব করায়। এই চিৎপরমাণুও বিশালদেহহইয়া নেত্রাদি তখন ধামধ্যে কীটাৰস্থিতিৰয় জীবমধ্যে জীৰজাতি কালীপত্র- রূপমের দ্বারা সৰিং সৌর উীরণ করত এই ৰং স্তরে স্তরে বর্ণিত আছে ইহা বিচিত্র নহে। যেন T ।
কালে দেহান্তর্বর্তী) মল ও যে হইতে রুমি উৎপন্ন হয়, প্রকার জুতা থাকে না; চকুয়ালি রজে সংবিৎ মলিত সেই কৃমি সেই হেগত নারি অন্তর্গত বলিতে হইৰে) ই (বাহিরে গমন করে না। যেমন ভিসমধ্যে জৈ সংৰি, রূপ বিশুদ্ধ চিদাকাশ (অন্তৰ্গত হউক বা বাদই হউক) যে যে হিমশীত সবিং ও দুতে রূ-সংবিৎ বিদ্যমান থাকে সেইরূপ দৃরূপে পরিণত হন। সেই সেই জীবরূপে প্রতিভাসিত হইয়া অাৰ আমি ইত্যাকার সংস্কার-সহায় ব্ৰহ্মও অন্তরে ফুরি থাকেন। জীবগণ স্ব স্ব আত্মসিদ্ধির নিষিভ যে যে ভাবে হইতে থাকে। জীবাকৃতি চৈকলা তখন নির্মাতাহে করে, টিভি বিচিত্র উপাসনায় অনুরূপ প্রভাব হইয়া থাকে। আকাতে পৃথক চেতনাবিহীন ৰায়ুক্ষোভ সুযুখিনাশক অব দেবব্যপাসকগণ দেবভাব প্রাপ্ত হয়, যাণ বলােকেই গমন প্রাপ্ত হয়। ঐ জীবের চিত্ত যখন সর্ব-বহার হয়, তখন করে, ব্রাহ্মোপাসকগণ ব্ৰহ্মপদ প্রাপ্ত হইয়া থাকে, অতএব যাহা জীব চিৎ সমুদয়ের শতঃ অবৈষম্য অবগত হইয়া (বিচার তুচ্ছ নহে অর্থাৎ সত্য, তাহাই আশ্রয় করা উচিত ।। ও ঐকালে) ব্ৰহ্মসাক্ষাৎকারী হইয়া জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি দেখ পুত্র (শুক্র) নিৰ্ম্মল আত্মসংবিদ বলে মুক্ত হইয়া অবস্থায় ব্যবহার হইয়া থাকে, তখন ইহাকে তুাবস্থায় অব- ছিলেন, আমার প্রথম দৃষ্ট অপরেরূপে বন্ধ হইয়াছিলেন। এই স্থিত বলে। ২১২৫। সুষুপ্তি অবস্থায় প্রাণ সৌম্যভাবাপন্ন আত্মবিং বালিকা-স্বরুপা পৃথিবীতে অবতীর্ণ হইয়া যাহা প্রথমে হয়, সেই জীবধাতু যখন ভােক্তার অদৃষ্ট পরিপাকবশতঃ বৈষম্য পায়, তাশরূপশালিনী হইয়া থাকে, কখন অন্যবিধ হয় না। প্রাপ্ত প্রাণবায়ুদ্বারা পরিচালিত হয়, তখন সেই জীব চৈত (অতএব বাস্তব ব্রহ্মাস্যভাবেই তাহাকে পরিচালিত করা কওঁ, (সেই সেই ভােগের অমুকুন সংস্কারের উদ্বোধ হওয়ায়) মিথ্যাজীবাদিভাবে নহে।) এই সময়ে রাম জিজ্ঞাসা করিলেন, চিত্তরূপে আবির্ভূত হয়। যেমন যােগী যােগশক্তিবলে বীজমধ্যে ভগব। জাগ্রং ও সুশার পার্থক্য কি? তাহা আমাকে ভাৰী বিস্তৃত বৃক্ষ দেখিতে পায়, তদ্রুপ সেই চিত্ত অন্তঃস্থিত বলিতে হইবে, জাগ্র কিকপে জগৎ (সত্য ব্যবহারের হেতু) জগৎসমূহ ভাব ও অভাবৰূপ ভ্রান্তিক্রমে অন্তরে দর্শন করিয়া কন্তু আবার স্বপ্ন কিপ অগ্ৰদাকার ভ্রম হয়? বশিষ্ঠ উত্তর থাকে। (ইহ। স্বপ্ন দর্শন) ঐ জীবধাতু যখন বাযুলুজ হও, করিতে লাগিলেন, যাতে স্থিরপ্রতীতি থাকে তাহাই জাং, তখন আমি সুপ্ত আছি, এই প্রকার আত্মার আকাশগতি যুহাতে প্রতি অস্থির কে তাহাকেই স্বপ্ন কহে। যে জাগ্রহ অনুভব করে। যখন ঐ বিধাতু জলধাবিত অর্থাৎ দৃষ্ট পদার্থ ক্ষণস্থাশী, অহা স্বপ্ন , আর যে স্বপ্নদৃষ্টপদার্থ কান্তর- শীতল থাকে, তখন অন্তরে কুসুমের স্বকীয় সৌরভাবে স্থায়ী হয় জগ্রদূভাব পূরিচিত। ৬-১০। স্থিরও অস্থির ন্যায়, জলদি সম অর্থাৎ আমি জলে পড়িতেছি ইত্যাদি ন্যাত এ ও পশার ভেদ নাই। জাগ্ৰৎ ও স্বল্পকালীন প্রকার অবলােকন করে। ২৬—১। যখন জীবধাতু পিত্ত- সমস্ত অনুভবই সমান । স্বপ্নও স্বল্পকালে স্থিরতানিবন্ধন অগ্র দঘিত থাকে, তখন বাহিরে দমিত থাকে, তখন বাহিরে যেমন খ্রীষ্মতাপাদি অনুভব হয়, কলিয়া বের হয়। আর অস্থৈর্যবশতঃ জাগ্রও অবােধ তদ্রুপ অন্তরেই এম্বুজপাদি অনুজব করিয়া থাকে। এবং যখন পপ্ন ইমা কে "পুরও যদি জাগ্রদ বুদ্ধিতে স্থিরতাগ্রহণ ঐ জীবধাই নাড়ী-মধ্যগত ৰুধিরে ধাবিত থাকে, তখন বহির্দে। । তাই। জগ্র হইয়া ডায়, বুদ্ধি বং বক্তবর্ণ দেশকাল অরেই দেখিতে থাকে অর্থাৎ সমুদয় তখন হইলে, জ2ৎকেও ৫ বলিতে হইবে। যাহাতে স্থিরপ্রতীতি রক্তবর্ণ বলিয়া বেধ করে। এবং তাদৃশ অনুভব ব্লাকায় হাতেই হইবে, তাহ। ও ও বিঃ ক্ষণভঙ্গবশতঃ তাহা যাহাতে স্বল্প ম থাকে। প্রাণবায়ুদারা চালিত হইয়া বাহেলিয়ে যেরূপ হয়, তা”। শ্রবণ কর। জীবাতু শরীরের হেতুকপ সদপদার্থ, অসন করে, নিদ্রিত হইয়া অন্তরে তাহাই দেখে। ইনি ছিদ্র তন্দ্রারাই তেজ অর্থ শত্রীসগন্ধী উষ্ম ও শীর্ষ অর্থং শরীর আক্রমণ না করিয়া যাহাতে অন্তরে ক্ষুব্ধ হইয়া চৈতানুভব করে, চেষ্টা শরীরমধ্যে বিদামান ও জীবিত থাকে। যখন শরীর তাহাকে স্বপ্ন হে। ইন্দ্রিয়রঞ্জ আক্রমণ করিয়া বারুনুব্ধ হইয়া মন, কর্ম ও বাক্য দ্বারা ব্যবস্থায়ী হইতে চেষ্টা করে, তখন যখন এই সময় অনুভব করে, মহর্ষিগণ তাহাকে জাৎ কলন। ঐ বাহু বচতে হই, হৃদয় হইতে নির্গত হইয়া সঞ্চরণ হে রাম। তুমি এই সমুদয় অবগত হইলে, এক্ষণে তােমার জীবপতু যখন এতে সঞ্চরণ করিতে আরম্ভ করে, অন্তরে সন্তুদ্ধি উদিত অন্তরে সফি উদিত হইয়াছে; এক্ষণে আর এই অসত্য তখন শরীরমধ্যগত নড়তে সমুদয় সংবিলের (জ্ঞানের সঞ্চার জগৎকে সভ্যবে জবিও না। কারণ ঐরূপ সত্যজ্ঞান হয়, তখন ঐ সংকি ষ্ট হওয়ায় জগন্ম অন্তরে লীন থাকে আধ্যাত্মিক, আতোতক ও আধিদৈবিক এই ত্রিবিধ মরণের এবং চিনাম প্রস্ত হয়। তৎকালে সম্বিং চক্ষুদিছিদ্রে হেতু। ৩০-৩৫। প্রসর্পিত হইয়া আত্মতে নানা আকার ও যিকারে পূর্ণ বাহ- একোনবিংশ সর্গ সমাপ্ত। ১৯। রূপ সন্দর্শন করে। সেই অবস্থায় প্রতি স্থির কে বলিয়া তখন অগ্রং বলিয়া বােধ হয়। উদ্ধাকেই গ্ৰপৰা কহে। এক্ষণে সুপ্ত্যাদি অৰ, ক্রমে বলিতেছি শ্রবণ কর। যখন বিংশ শর্গ। মন, কৰ্ম্ম ও বাক্যে শরীরের কিছুমাত্র স্কুল (চাঞ্চল্য) থাকে বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। তােমাকে, আমি এই না, তখন আত্মত্ত থাকেন, ঐখাতু তখন স্ব হইয়া মনােরূপ নিপণ করিয়া কৰিয়। এই যে আগ্রাদি থাকে।১১-২। যেমন নির্বাহে অনােহন্দু এল করিলাম, ইহা কেবৰ ৰখাৰে বােৰ নিমি, ইহাতে আয় নিশ্চলভাবে অবস্থান করে, আপনি শরীর দুই শ কোন প্রয়েলাই। নিশা ইয় চিত্ত যখন যাহা ধান করায় আকাশ জেনে থাকে, কোলকার স্কুল ওক থাকে না, তখন সে বললাে সেই কারণে কোন অব আ য়। সৎ, যে, উগরে এই সই * যায়, ত যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ চৈকল্পিত, ঐ সমুদয় দৃষ্টি অসত্য নহে, সত্যও নহে, মনের জন্ম হয়, সেই ফল কিপ্রকার তাহা শ্রবণ কর ৬-১০। অজ্ঞান- চশ্যই ঐ সমূবয়ের কারণ। মনই মােহকৰ্ত্তা ও জগৎস্থিত্রি পহিত এই চিং এভি স্বরূপ হয় এবং অহাই মনন- কারণ। ঐ মলিনমনই ব্যষ্টি সমাজপে এই বিশ্ববিস্তার করি বিশিষ্ট হইলে মুন হয়, (নশক্তিবিশিষ্ট হইলে চক্ষু, শ্রবণ তেছে। মনই পুরুষ , অতএব তাহাকে শুভপথে নিয়োগ করিবে। শক্তি-বিশিষ্ট হইলে শ্রোত্র হয়, ইত্যাদি) হে রাম। ঐরূপে কারণ এই জগৎ অণিমালি ঐশ্বৰ্য্য ও অবােধ ) সমুৱই সেই কর্ষেক্রিয়ভাবাপন্ন হইলে ধর্ষ অং স্বয়ং হইয়া থাকে, ইহা মনােলমেই বীভূত হইয়া থাকে। ১-৫। শরীরই যদি পুরুষ মানুক্ষণ (তি প্রভৃতি প্রমাণ দ্বারা নির্ণয় করিয়াছেন। হইবে তাহা হইলে মহামতি শুক্ৰাচাৰ্য বিবিধ আকারে শতজন্ম আরও শ্রবণ কর, বাগিগণ বিচিত্র শাস্ত্রজ্ঞানারা দলজে ৰ ভত্তি প্রাপ্ত হইবেন কেন? অতএব (শরীর পুরুষ নহে) চিত্তই অভিমত নাম ও রূপাকারে কল্পনা করিয়াছেন। যেমন পরস্পর পুরুষ শরীব চেত্য অর্থাৎ চিত্তলভ্য, এই মন আত্মাতে যে আকার বিভিন্ন গন্ধবিশিষ্ট নানাপুলের মধ্যস্থিত পবন, সেই সেই পুষ্পের ভাষন, করিবে, সেই সে আকারই প্রাপ্ত হইবে, ইহাতে কোন পক্ষে পৃথক পৃথক্ ভাবে সুরভিত হয়, মননব্যাপারে চপল মনও সংশয় নাই। যাহা অতুচ্ছ অর্থাৎ সত্য যাহাতে কোন আয়াস সেইরূপ যে যে প্রকারে বাসা বারণ করে, তদনুরূপ অকৃতি নাই, হে রাম। তুমি যত্নপূর্বক উপাধিবিহীন ভ্রান্তি সেই প্রাপ্ত হয়। তাহার পর স্ব স্ব বাসনাকরিত সেই আকৃতিকে ব্ৰহ্মপদের অনুসন্ধান কর (অবশ্যই ) তন্ময়ভাব প্রাপ্ত হইৰে। (যুক্তিবলে) নির্ণয় করিয়া অন্তঃস্থিত সানুরাগে তাহাকে স্বীয় শরীর মনােভিলষিত দেশেই গমন করে , মন কিন্তু শরীরের অহঙ্কারে রঞ্জিত করত তাহাতে নিশ্চয়াত্মিকা বুদ্ধিস্থাপন ও অচরিত কর্মের অনুগমন করে না, অতএব হে সুভগ। তােমার তাহাই পুনঃপুনঃ আমানপূর্বক চমৎকারিতা অনুভব করে। মনও সত্য বিষয়ে অভিমুখী হউক, দেহ ও ইলিয়াদি অসত্যজাল | শরীরে যাদৃশ ভাব, জ্ঞানেন্দ্রিয়েও তাদৃশ ভাল , অর্থাৎ বিষয়- লম পরিত্যাগ করুক। স্বাদনও তদনুরূপ করিয়া থাকে।১১-১৫। হে রম। মন যাত্ব বিংশ সর্গ সমাপ্ত। ২০ | ভাবাপন্ন, সেই মনের বশবর্তী শরীরও গঙ্গানুবর্তী পবনের গন্ধ ভাৰ প্রাপ্তির আয় সেই মনের ভাব ধারণ করে,অর্থাৎ মন শৰীৰে যেরূপভাবে বানুনা করে, শরীরও তদনুরূপ হয়। যেমন প্রবল সমীরণে পার্থিব র স্বতই উখিত হয়, ক্রপ জ্ঞানেন্দ্রিয় সকল একবিং সর্গ। আবির্ভূত হইয়া স্ব স্ব কৰ্ম্মে ব্যাপৃত হইলে কর্মেন্দ্রিয়গণও স্বয়ং দম কহিলেন-হ, সর্বধর্মবিং ভগব। আমার হৃদয়ে অনুরূপ কার্ধে রত হয়। কৰ্ম্মেন্দ্রিয়গণ চালিত হইয়। স্ব স্ব ক্রিয়া- সাগরের তৰং আর একটা মহা সংশয় উদ্বেলিত হইতেছে, শক্তি প্রকাশ করিতে লাগিলে, অনিলে পূলি জালের খায় ইতস্তত তাহা দূর করুন। আত্মা ত দিক্ ও কালাদিরূপে অবচ্ছিন্ন হন বিসর্পী কৰ্ম্মসমূহ সম্পন্ন হইয়া থাকে। মনের কৰ্ম্ম এই প্রকার , , সেই জন্য তিনি তত (বিস্কৃত) নিত্য ও নিরাময় হাতে এই মনুকে কুৰ্ম্মৰীও বলা হয়। যেমন কুসুম ও গগের এই বিষয়াকারে কলুষিত মনােনামী সংবিং কিরূপে উপস্থিত সত্তা অভিজ্ঞ, সেইরূপ কৰ্ম্ম ও মনের সঙ অভিন্ন অর্থাৎ হইল, এই সবিই বা কে? (অর্থাৎ ইহার স্বরূপ কি ?), একই, জুট অভ্যাসবশত মন যাদৃশ ভাব ধারণ করে, তনু যদি বলেন, উহা অবিদ্যা কলঙ্কৰশত হইয়াছে, তাহাই ৰা | সারে পদ ও কর্মের শাখাপ্রশাখা বিস্তার করে। ১৬-২০। কিরূপে সন্তৰে ? কারণ-ভূত, ভবিষ্যৎ ও বর্তমান এই কালয়ে ' তাহার পরে সমাদরে কাৰ্যনিষ্পদন করিয়া তৎকলের আদালন হার আর দ্বিতীয় নাই, তাঁহাতে আবার কিরূপে কল করে এবং বন্ধ হয়। (মন) যে যে বিষয় বলা ভাব গ্রহণ করে, সৰে। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। তুমি উক্তম বলিয়াছ, এক্ষণে তাহাকেই বস্তু বলিয়া লাভ করে, তখন মনের এইরূপ নিশ্চিত তােমার মােক্ষোপযোগিনী মতি হইয়াছে, তােশর ঐ মতি ধারণা হয় যে, ইহা অপেক্ষা শ্রেয়ঃ আর নাই। দৃঢ়বদ্ধ মন পারিজাত-কুসুমের ময়ীক উত্তম নিষ্যা (মন্ত্রী পদে স্বীয় বুদ্ধিবলে ধর্ম, অর্থ, কাম ওমােক্ষের নিশিত সর্বদা যত্ন করে, নিষ অর্থে মকরন্দ ও বুদ্ধি পক্ষে বঙ্গ অনুশ) আমার অতি পিতাৰতীয় ৰূহেল, মুনীয় জ্ঞান দ্বারা আক্সারস্বরূপ এক্ষণে পূর্বাপরবিচাষে সমর্থ হইয়াছে; শঙ্কর প্রভৃতি মহাত্মগণ নির্মল প্রদান ক।ে তাঁহার আরও স্বীকার করেন যে, মুখ যে পদপ্রাপ্ত হইয়াছেন, তুমি সেই উচ্চপদপ্রাপ্ত হইবে। সুখ মােহাক এই জড়জগতের উপাদান কারণ। ঐ মনই কিন্তু হে রাম। সম্প্রতি তােমার এই প্রশ্ন করিবার অবসর নহে। ব্রিকও প্রধান, সুজাং তাহারা তাদৃশ মনকে এ বলিয়া যখন সিদ্ধান্ত বিষয় কথিত হয়, তখনই ঈদৃশ প্রশ্ন করিতে হয়; নির্ণয় করিয়া অনুসারে সুদৃষ্টি কল্পনা করিয়াছেন। অতএব আমি যখন সিকান্ত করি, তৎকাতে তুমি এই বিষয়ে উপায় ব্যতীত কাহারও মােপ্রাপ্তি হইবে না, স্থির করিয়া আমাকে প্রশ্ন করিবে, তখন তােমার সেই সিন্ড করতি তাহারা স্ব স্ব কল্পিত নিয়ম অবলম্বন করিয়া কী জানতে আমলকীদলের স্থায় অনায়াসে আয়ত্ত হইরে। যেমন বর্ষাকালে লিপিবদ্ধ করিয়া অপরকে অবগত করাইবার চেষ্টা করেন। অঞ্চলের কেকারব ও শরৎকালে হংসেয় রব শােত পায়; প ফেলাদিগণ বলেন, এই অং ব্রহ্মই কিছু নহে। তাহার সিন্তিকালে তােমার এই প্রশ্নেক্তি অতি উত্তম হইৰে। বৰ্ষ গত উক্ত প্রকার স্থির বুলিতে শম খাং সব নখের নিত্তি করিয়া হইল আকাশের স্বাভাবিক নীলিমা বিকাশ পায়, কোন দল । অর্থাৎ বাৰ নিতি আনময় ব্রহ্মভাবে আবির্ভাব ; থাকে না; বর্ষাকালে সেই নীলিমা উগ্ৰজ্বলন পটলে আৱত এই একারে মুক্তি নির্ণয় করিয়াছেন। ত একায়ে মুক্তি থাকে। এ আমি যে মেৰিয় কতি এত কৰিছি তা হয় না, ইহা স্থির করিয়া তাহাৱাৰ কলিত নিয়মে উহাই একে। হে মুত! ঐ মনে জল কী জ্ঞানদৃষ্টি শপে একাশ করিয়া কাগণের বােখোলায় বিতি-প্রকরণ । | - । করিয়াছিলেন। বিজ্ঞানবাদীরাও এই জগদম গীকার করেন এবং পাখি ভ্রান্তি যে পরমপদ তাহা কল্পনাতীত, তাহাই পরম- হার বলেন, প্রলয়েপদ্রবের শান্তি ও ইন্দ্রিয়ার-সংবরণপূর্বক সুখের হেতু। যেমন শূন্য কুশূলে (ধাশ্যাগারে) সি আছে সর্বজ্ঞ(আত্মায়) পুৰুষে বুদ্ধি যারায় প্রবেশই মুক্তি। অন্যোপায়ে ৰলিয়া, বলকে ভয় করে, সেইরূপ এই শূন্য শরীরে আমি বন্ধ মুক্তিলাভ হয় না, ইহা স্থির করুত স্ব স্ব মুক্তির উপায়জ্ঞান স্ব স্ব আছি” বলিয়ু, নুরাে ভীত হয়। যেমন ঐ শূন্য স্কুলে কলিত নিয়মে শাকারে প্রকাশ কৰিছেন। আহত প্রভৃতি | বাস্তবিক সিংহ আছে কিনা দেখিতে গেলে পাওয়া যায় না, অন্যান্য মতাবলম্বীরাও স্ব অভিমত ইচ্ছায় বিচিত্র আচারে সেইরূপ তত্ত্বানুসন্ধান করিলে এই সংসার-বয়ে কিছুই লভ্য (নয়ভাব ও ভিক্ষাচাদিরূপ) বিচিত্র দৃষ্টি কল্পনা করিয়া হয় না। ৪১-৫০। যেমন চারি পাচ বৎসর বয়স্ক বালকগণ ছেন। ২১-৩০। যেমন জল হইতে অকারণে নানাপ্রকার সুন্দর ছায়া দেখিলে, বেল বলিয়া বােধ কন্যে, সেইরূপ, “এই জগৎ, বুদ উত্থিত হয়, সেইরূপ নানাবিধ বদিগণের নানাপ্রকার নিয়ে এই আমি” ইত্যাদি, প্রকার এম উৎপন্ন হইয়াছে। বাস্তবিক শাস্ত্রে নিয়মের (মেঙ্গোপায় শাস্ত্রের) রীতিও নানাবিধ হইয়া বেতালবৎ সমকাই অলীক। জীবগণের বিবস্থা ও পারিবা প্রসিদ্ধ হইয়াছে, কিন্তু হে মহাবাহো-যেমন নানাবিধ মণির এক প্রভৃতি শুভ অশুভ ভাব সমূদয় ক্ষণকাল মধ্যে (তত্ত্বজ্ঞানে। মাত্র সাগরই আকর, সেইরুপ এই সমুদয় বিভিন্ন রীতিসমূহের এক অসৎ হইয়া থাকে। আবার ক্ষণকাল মধ্যে সৎ হইয়া যায়। মনই (মনঃ কল্পনা) আকর (মূল)। বাস্তবিক নিকট ওইঙ্গ, (ঐ সমুদয়ই তদ্ভাবে কল্পনার ফল ,) অধিক মাতাকে যদি স্বাদু নহে, চন্দও বাস্তবিক শীত নহে, ও বহ্নিও বায়ুবিক উষ্ণ পত্নীভাবে ভাবী যয়, হা হইলে ঐ মাতা কলক্ষিণী হইতে, নহে, যে প্রকারে যাহা চূকপে অভ্যন্ত' হইয়াছে, তাহা সেই পত্নীর ন্যায় সুতানন্দপ্রদা হইয়া থাকে। আবার পত্নীকে মা ৰূপেই উপলব্ধ হইয়া থাকে। যাহা অকৃত্রিম 'আনন্দস্বৰূপ সকল অব গ্রহণ করিলে কষ্টে-গৃহীত ছুইলেও মাতৃভাবনায় পটা মানবেরই তাহার নিমিত যত্নবান হইযা মনকে তন্ময় ( আনন্দময়)। নিশ্চিতই বামভাব বিস্তৃত করিয়া দেয়। অনী পুরুভানানুসারে করা উচিত। তাহা হইলে ঐ অকৃত্রিম আনন্দ প্রাপ্ত হওয়া যায়। ফলপ্রদ এই পদসমূহ প্রত্যবেক্ষণ কৰিলে ইহাতে কোন প্রকার (অজ্ঞদিগের নিকট) শিশুসন্তানের স্থায় স্নেহাস্পদ বলিয়া প্রতীত' কপ (সন্ত বা আকৃতি) দেখিতে পান না। ৫১-৫৫। দৃঢ়- তুচ্ছ (অসত্য) এই মনােরূপ দৃশ্য পরিত্যাগ করিতে পারিলে। ভাবনা ভাবা চিত্ত যতক্ষণ যাহা যেরূপে ভাল করে, তাবৎকাল মনোজনিত সুখ-দুঃখে আর আকৃষ্ট হইতে হয় না ইহা স্থিরই। তাকারে তংক দেখিয়া থাকে। যাহা সত নহে, এমন কোন হে অনঘ। তুমি আপাত প্রতীয়মান অপবিত্র অসৎস্বরূপ মোহপ্রদ 1 পদার্থে নাই , যাহা মিথ্যা নয় এমন কোন পদার্থই নাই, ভয়হেতু বন্ধনকারক এই বিস্তৃত দৃশ্যের ভাবনা করিও না । ভবনাবলে সকলই সত্য ও মিথ্যা হইয়া থাকে। যে যাহা যে ইহাকেই মংয় বা অবিদ্যা কহে, ইহার ভাবনা করিলেই ভয় ' প্রকার নির্ণয় করে সে সহ। দোকাৱেই লক্ষ্য করে। আকাশে উৎপন্ন হয় বুধগণ জানেন যে, আত্মচৈতন্যের এই মায়া- মাতঙ্গ-ভাবনায় 'ভবত হইলে মন-আকাশ হস্তিভাব ধারণ করত সম্বন্ধই বন্ধনহে কৰ্ম্ম। হে রাম। তুমি এই মােহকারী (কামাতুর দুই) কল্পিত আকাশরূপ কাননচারিণী মাতঙ্গীর - মনকেই দৃশ্য বলিয়া জানিবে এবং অতি মলিন এইখা : সরণ করে। অতএব হে রম। যাহা কিছু দেখিচ্ছে, সকলই মনরূপ কর্দম তুমি প্রক্ষালন কর । এই যে স্বভাবজাত সন্স , তুমি ইহা পরিত্যাগ কর এবং সুষুপ্তি অবস্থায় খাকিয়া, নৃতত্ব অনুভূত হইতেছে, ইহাকেই বুধগণ সংসার মদিরা স্বীয় পারমার্থিক অন্নয়নন্দ ভোগ কর। মণি জড়পদার্থ বলিয়া স্বরূপা অবিদ্যা বলিয়া থাকেন। তােক এই অবিদ্যায় উপহত স্বপতিত অন্য বন্ধুর প্রতিবিম্ব পজ নিবেধ করিতে পারে না, কিন্তু (দূষিত) হইলে,—অন্ধ যেমন ভাস্বর সূর্যালোক প্ৰা হয় | হে রীম। ভবাদৃশ প্রাজ্ঞব্যক্তি ঐরূপ অসত্য-প্রতিবিম্বিত বঙ্গ। ,-সেইরূপ কল্যাণপ্রাপ্ত হয় না। ৩৬-৪০। সেই অৰিণ্যা আত্ম হইতে কেন দূরীকৃত করিতে পারিবেন না। ৫৬–৬০। সকলিত, আকাশরঞ্জবং স্বয়ংই সঙ্কল্পবলে উৎপন্ন হয় হে রাম। খেমার আত্মায় যে জগৎ প্রতিবিম্বিত হইছে, থাকে। হে মহাতে। সঙ্কমাত্র ত্যাগ করিলে, ঐ অবিদ্যা- তাহাকে অব বলিস স্থির কতভাবে রঞ্জিত হইও না। আবার ভাবনা ক্ষী হইয়া যায়, উহার পর অষণ-মননাত্মক বিচার দ্বারা সেই অগকেই পরমাত্মা হইতে অভিন্ন বলিয়া, সত্য বলিয়া সমাধি অবস্থায় দৃঢ়তা সম্পাদন করিলে, আমি সেই আত্মা” জানিবে অনাদি অনন্ত আত্মাকে আপনি ভাবনা কর। হে এই প্রকার যে সকল পদার্থেই স্থিরতাপ্রাপ্ত হয়। সত্যদৃষ্টি রাখব তােমায় দিতে যে সমুদয় পদার্থ প্রতিবিম্বিত হইতেছে। প্রাপ্ত হইলে, অসত্য, ক্ষ হইয়া যায়, তখন নির্বিকল্প চিন্ময়, সেই পদার্থ-নিবহু অাসক্ত বলিয়া ফটিক-মণির স্যায় তােমাকে নির্মল আত্মা প্রাপ্ত হওয়া যায়। আত্মার সত্তা বা অসত্ত কিছুই যেন মানা করে। যেন নির্মল ক্ষটিমণিতে কোন বংশ নাই, সুখ দুঃখও কিছুই নাই, কৈবল্যই তাঁহার স্বরূপ। অনর্থ বের রাগ সংলগ্ন হয় না, সেইরূপ মননহীন (অর্থাৎ আত্মার হেতুভূত দেহানিতে আত্মতা, চিত্ত ও ইন্দ্রিয় দৃষ্টি সম্বন্ধ প্রতিবিম্বিত পদার্মে পুনঃপুনঃ অনুসন্ধানজনিত রাগাদি বাসনা আত্মাষ নাই। নির্মল-গশন বেন যে-সম্বন্ধ, কর্তৃক পরি- শুন্য) তােয়তে প্রারভােগের অনুরূপ অগৎ বৰ খাট- ত্যক্ত হয়, সেইরূপ অনন্ত সনাকর্তৃক তিনি পরিবর্ষিত; ভাবে প্রবেশ না করুক।৬১-৬৪। যেমন সারিতে বই সহ প্রতিপন্ন হয়, সেইরূপ বন্ধ একবিংশ শর্গসমাপ্ত। আত্মাতে এই বৰ হয়। এই গায় বঙই কল্পিত ফল সমস্তই একমাত্র এক দিও তি এক আকাশ যেমন বিজি বার করে জাল বিলি কালে একত্র * লালাকৃতি ধারণ করেন। একান্ত স ল এ T এবং ૨૨ যােগবাণিষ্ঠকানায় T . আসক্ত হইয়া বন্ধ হইয়া পড়ে। বেশ টে টাকার বন বিংশ শর্গ। উৎপত্তি বা ধ্বংস নাই, সেইরূপ দেহ ভূষিত হউক, (নিল হউক বশিষ্ঠ কহিলেন,-যখন জঙ্কর বিচার দ্বারা চিত্তবৃত্তিাবিগলিত বা দূষিত হউক (অর্থাৎ সসারসংলগী হউক), আত্মা কাট হয় কোন প্রকার ফলনই থাকে না, যখন জীব বিতর-আত্মৰে । তাদৃশ (উৎপল বা বিনষ্ট) হন না। ১৬-২০। বিবেকরূপ কিঞ্চিৎ পরিণত, যখন এই হেয় দৃশ্য অজ্ঞানভুমিকা পৰিত্যক শীতের উদয় হইলে মিথ্যাভ্রান্তিরূপ মরুভূমিতে উৎপন্ন এই হয় ও উপাদেয় জ্ঞানভূমিকা প্রাপ্ত হয়, যখন সমূদয় দৃশ্য চিত্র ' বাসনা সায়ংকালে মরুভূমিতে মরীচিকাবৎ বিলয়প্রাপ্ত হয়। দ্রষ্টারূপে দৃষ্ট হয়, তদ্ব্যতীত আর কিছুই দৃষ্ট হয় না এবং বােন্ধব্য যাবৎকাল “আমি কে, এই অংই বা কিরূপে হইল” এইরূপ পরমতত্বে বোধ উপস্থিত (তৎপ্রাপ্তির আশাতেই), আত্মা জীবিত বিচার সদিত থাকে, অবকাল এই সংসাররূপ আড়ম্বর অজ- এবং নিবিড অনক্ষুিরাত্মক এই সংসারপথে প্রমুপ্ত , যখন কার অবস্থিত থাকিবে। এই শরীর মিথ্যাভ্রান্তি হইতে অজন্তু বৈরাগ্যবশতঃ সরস, নীরস, আপাতমধুর ভােগজালে উৎপন্ন এবং বিপদের আস্পদ, বে ইহাকে আত্মভাবনায় দর্শন আত্ম বিরক্ত, পূত কর্মের ফল উপহত হওয়ায় তাহাতে ' করে না, সেই ব্যক্তিই প্রকৃত শী। যিনি দেশ ও কালের নিশূহ, যখন এই জড় অজ্ঞানাকাশ বিগলিত হইয়া আত্মারূপ বশে উৎপন্ন সুখদুঃখ স্বকীয় শরীরে মনীয় বলিয়া বে,ধ করেন জলের সহিত একীভাবাপন্ন হওয়ায়, আতপে হিমণিন্দুবং নিরবশেষ না অর্থ আত্মতে ঘাহার সুখদুঃখ ভ্রান্তি নাই, তিনিই প্রকৃত হয়, যখন গ্রীষ্মকালের নদীর ন্যায় তরঙ্গিত ফাসমূহ প্রশান্ত হয়, ভদশী। পার ও পর্যন্ত বিহীন আকাশ দিক ও কাল প্রভৃতি যেমন মুষিকে পক্ষিবন্ধনজাল ছিন্ন করে, সেইরূপ যখন 'সংসার- স্থানে পরিচ্ছিন্ন উৎপচিলনাদি ক্রিয়াতি সমূদয় পদার্থে 'আমি বললাজাল ছিন্ন হয়, বৈরাগ্যবেগে হৃদয়গ্রন্থিও শিখিল হয়, তন ইত্যাকার জ্ঞান হার আছে অর্থাৎ সকল পদথে আমি কক-ফুলসেত বারিযেমন স্বচ্ছ হয়, সেইরূপ বিজ্ঞানবশে মনও অর্থ আত্মা বলিয়া যাহার বোধ আছে, জিন প্রত আত্মদর্শী প্রসন্ন হয়। তখন নিকাম বিষয়ানুসন্ধান-বিহীন ঘরতিদ্বন্দ্ব- ২১-২৫। যিনি জানেন যে, অংংপদার্থ (আত্মা) সর্বব্যাপী শকে অব্যাদিসহ মিনীভব। পুনঃপুনঃ ভোগলাভের ভূমি হইতে হইলেও কেশাহের কোটলক্ষ ভাগের এক ভাগ অপেক্ষাও বিত মন হইতে,পির হইতে বিগ যেমন নির্গত হয়, সেইরূপ স্ম; তিনিই দুষ্টাযিনি সতত একদৃষ্টিতে দেখেন যে, আত্মপে মােক নির্গত হয়। সন্দেহ-দৌরাত্ম তখন থাকে না সমুদয় বিভ্রম ' প্রসিদ্ধ জীব ও অন্যান্য দৃশ্য সমস্তই একমাত্র চিজ্জ্যোতি, তিনিই অপগত হয়, চিত্ত তখন পরিপূর্ণ হইয়া পূর্ণচরে স্থায় বিরাজমান দেখিতে জানেন, যিনি অন্তরে দেখিতে পান খে, সর্বশক্তিমান যেমন বায়ু প্রশস্ত হইলে অর্ণবে সমতা হয়। অনন্ত-আত্মা সমূদয় পদার্থের অন্তরে অবস্থিত তিনিই অদ্বিতীয় অং সাগরের জল স্থির থাকে। সেইরূপ তখন অন্যান্য ভাব চিংপ, সেই ব্যক্তি দ্রষ্টা' আধি ও ব্যাধিয়ে উদ্বিগ্ন করা অপগত হওয়ায় সর্বত্রই সমুন্নত সমদৃষ্টিত উদিত হইয়। অপূর্ব মুত্যু-ঋণগ্রস্ত দেহই আমি (আত্মা) ই। যে ব্যক্তি স্থির সৌন্দৰ্য্যধারণ করে। তখন অন্ধকারময়ী মূকা অর্থ বোধ ও বরেন নন, তিনি প্রকৃত দ্র। যিনি দেখেন, “যে অমর মহিমা বাগব্যবহারশূন্য জড়জয় জর্জরিত রাত্রিপক্ষে জড়তা- শৈত্য, উ অধঃ ও কি দেশে পরিব্যাপ্ত, আমার দ্বিতীয় আর নাই, বাসনাপক্ষে অজ্ঞান, মোহ) সংসারবাসনা ভাস্করেদিয়ে রজনীৰ তিনিই প্রকৃত ৫৪। ২৬-৩০। আরও যিনি দেখেন, সে ব্যস্ত কণি হইতে থাকে। তখন চিতাফর উদিত হইতেছে, যেমন মণসমূহ গ্রথিত থাকে, সেইরুপ সমুদয় পদাথ আমাতেই দেখা যায়, পুণ্যপল্লবণালিনী বিবেক-কমলিনীও ঐ চিংসুৰ্য্যের গ্রথিত, আনি চিত্র নহি" তিনি প্রকৃত দ্রষ্টা। যিনি দেখেন আলােকে বিকসিত হইতে থাকে, তখন দেখিলে বোধ হয় যেন বেন ভাত ও ভবিষ্যতের মধ্যে আমিও অন্য কিছুই নই, নির্মল প্রকাশ মুর্তিমত প্রভাতিকগগনস্থলী বিরাজমান, তখন কেবল একমাত্র নিরাময় ব্ৰই বিদ্যমান আছেন, তিনি এ সংণের বুদ্ধিবশ লব্ধ মনোহারিণক্ষমা প্রজ্ঞা মঞ্জ। যা কিছু এই তৈলােক-সমুদয়ই সাগরের তরঙ্গ (তত্ত্বজ্ঞান) পূর্ণচন্দ্রের অংগুজায় বর্ধিত হইতে থাকে। আমরাই অবশৰ, ইহা যিনি অনুরে দেখিয়া থাকেন তিনিই দেখিতে অধিক আর কি বলিব, যে মহামতি ব্য বিষয় অবগত জানেন। ভিলােক মদীয়া কীয়সী ভগিনী, ইহাকে হইতে পারিয়াছেন বাঙচ্চিতুষ্টম্বরহিত আঁকা-কোষের ন্যায় ' আমার প্রতিপালন করা উচিত, ইহার দুঃখে আমার দুঃখী হওয়া অপরিচ্ছিন্ন সেই মহাত্মার উদয় অন্তু কিছুই থাকে না। ১১-১৫। উচিত, ইহা যিনি দেখেন, তিনিই দ্রষ্টা। যে মহাত্মার আত্মীয় যে ব্যক্তি বিচার দ্বারা আত্মৰ পরিজ্ঞাত হইয়া আত্মরূপে পরকীয়, তুমি অামি ইত্যাদি প্রকারভেদ, সংসার হইতে নিবৃত্ত উদিত হইয়াছে, তাহার নিকট ব্রহ্মা, বিষ্ণু, ইন্দ্র ও মহারও হইয়াছে, সেই সুনয়ন পুরুষেরই একৃত দর্শন শক্তি হইয়া দ্মা হন অর্থাৎ তদপেক্ষাই অনেক নিকৃষ্ট হইয়া পড়েন। ৩১-৩৫। যিনি দেখিতে পান যে, ৮ সংরহিত চিদাকারই তাশ নিরহঙ্কারচিযদি কখন কার হন, খাপি হরিণের | এই জগম্মল ব্যপিয়া রহিয়াছে, তিনিই দ্রষ্টা, সু, দুঃদেহ, মরীচিকা-জল-প্রাপ্তির ন্যায় বিকাল তাহাকে প্রাপ্ত হয় না। | গুরু, দেবতাও শাহ্মানিতে এ, নিভ্যালিত্যৰিবেক প্রভৃতি সমুদ এই জীবসমূহ তরঙ্গের ন্যায় চিত্ত হইতে উৎপন্ন হইতেছেও বিষমেই “আমি” ইভাকায় জ্ঞান যাহা আছে, কচি হায় লীন হইতেছে, যে অঞ্জ ইহা না জানে, তাহাকেই জন্মমৃত্যু আসিয়া অবসা হয় না। এই সমুদয় এগৎ আত্মসভায়পুর্ণ-অর্থাৎ ক্রোড়স্থ করে, জ্ঞানীর কিছুই করিতে পারে না। আবির্ভাব ও ইহাতে আত্মভিন্ন কিছুই নই, আমি ইহার একদেশে কৃষিয়ারি, ডিরােভাবও সংসারের স্বরূপ, অন্য কিছু নহে, ইহা জানি যে আমি ইহার কি অতি করি ওকি গ্ৰহণ কৰি অহা কি জানী এৰিৰ্ভাৰ-ডিরােভাবে সমাদৃষ্টি, তিনি কৌতুকদর্শনার্থ সংলে বুবি খালে, তিনি এখত নয়নথালী। প্রপঞ্চ পিশতি ক্রীড়া করেন; কিন্তু আসক্ত হন না; কিন্তু ব্যক্তি তাহাতে ' বিধান বেকনসন্মত্র, ইহা এশষে অর্বেও এই জমি T ঘি-এর। ૨૨ যাহার ইহাতে হেয়তা ও উপাদেয় জ্ঞান বিদূরিত হইয়াছে, বােধ হয় যেন, ঐ যেনগরীর কপাটদেশ উদঘাটিত হইতেছে। জিন প্রকৃত পুরুষ। যিনি আকাশবং একাত্ম ওসমূষয় পদার্থ দেনগৰীৰ হৃদয়রূপবিপণিতে পরীক্ষকগণ (চক্ষুরাদি ) ব্যাপ হইলেও কোন পদার্থে অতি হন না, সেই মহাত্মাই যথায। এ অর্থসমূহ (শাদি ও রত্নাদি) নির্ণয় করিয়া মহেশ্বর। ৩৮-৪০। যিনি স্বপ্ন, সুষুপ্তি ও জাগরণ হইতেবিমুক্ত থাকে এবং সেই নির্ণীত ঘখাপ্রাপ্ত অর্থ দ্বারা ঐ নগরী ভূষিত যিনি কাল অর্থাৎ মৃত্যুরও নিরতিশয় প্রেমাস্প হইয়াছেন, থাকে। ঐ নগরীর নবদ্বার দিয়া অনবরত প্ৰাণৰূপ নাগরগণ (মৃত্যুঞ্জয় হইয়াছেন) সেই সৌষ সমদশী দুরবস্থাগত ও গতায়াত করিয়া থাকে। দেহনগরীর মুখদেশে বিস্ফারিত । পরমপনপ্রাপ্ত পুরুষকে আমি প্রণাম করি। আর এই বিচিত্র পংক্তিরূপ অস্থিখণ্ড দৃষ্ট হইয়া থাকে। ঐ নগরীর মুখরূপন্থানে জগদ্গত-ষ্টি-স্থিতি-প্রলয়ে অপরিচিহৰহ্মার দৃষ্টি বিদ্যমান জিহারূপিণ চণ্ডী লােজ্যদ্রব্য চর্বণ করিয়া থাকেন। উহার এবং সমুদয় অগৎই একমাত্র ব্রহ্ম, এই হার বুদ্ধি, তাদৃশ কর্ণকোটরূপ কৃপ নােমরাজিরূপ তৃণ যারা আচ্ছন্ন। ঐ পরম বােধশালী সাক্ষাৎ শিবরূপ (মহাপুরুষকে) নমস্কার নগরীর পৃষ্ঠপাশ্মদেশ ক্ষিকু-রূপ শৃঙ্খলাদ্বারা আবদ্ধ। পৃষ্ঠদেশটা যেন করি।,৪১-৪২। একটা বিস্তৃত জঙ্গল (মাঠ)। দেহনগরীর মূত্রপথটীষয়ের পাশে হয়ে হইতে রূপ কলম নির্গত হইয়া থাকে। উহার বাবিং সর্গ সমাপ্ত। চিত্তরূপ উদ্যান-ভূমিতে আপি আঙ্গনা সতত ক্রীড়া করিয়া থাকে। ঐ দেহনগরীতে চপলইঞ্জিয়রূপমটিগণ বুদ্ধিরূপ ত্রয়েবিংশ শর্গ। দ্বারা সুরূপে অদ্ধি এবং উহার বনোদ্যানে সর্বদাই মিত কুসুম বিকসিত হইয়া থাকে। যিনি স্বকীয় শরীর ও মনের অজ বশিষ্ঠ কহিলেন,—যিনি উত্তমপদ অবলকানপূর্বক কুল- জানেন, তাদৃশ তত্ত্ববিদের ঐ সৰ্বাঙ্গসুন্দরী দেহনগরী মুখ ও পরম চক্রের ভ্ৰমণবং অবস্থিত, (অর্থাৎ জীবন্মুক্ত) তিনি এই শরীর- হিঙের কারণ হইয়া থাকে, কদাচ দুখদ হয় না। এই দেহ- নগরীতে রাজ্য করিলেও উহাতে লিপ্ত হন না (কণি, তাহাতে নগরী অজ্ঞ ব্যক্তির অনন্ত দুঃখের ভাণ্ডার, কিন্তু তত্ত্ববিদের ইহা সত্য-বুদ্ধি নাই)। পরমপৰিং সেই জীবন্মুক্ত পুরুষের ভােগ- অনন্ত সুখ-ভাণ্ডার। হে অরিনিসূদন। এই দেহনগরী নষ্ট হইলে মােক্ষের নিমিত্ত উপবন-সদৃশী স্ক্রীড়ামাত্রের খল বলিয়া) এই অজ্ঞ ব্যক্তির সামান্যমাত্ৰ ক্ষতি (কেবল তুচ্ছ বই নষ্ট হয়, স্বকীয় শরীর-মহানগরী কেবল সুখের নিমিত্ত হয়; কোন দুঃখ- সত্য বস্তু নহে, ইহা থাকিলে তঁাহার সমস্তই থাকে, অতএব ভোগ করিতে হয় না (অসত্য বুদ্ধিই ইহার কারণ রাম ইহা তত্ত্ববিদেরই কেবল সুখাবহ। তত্ত্বজ্ঞব্যক্তি এই লেহনগরীতে কহিলেন, হে মহামুনে। এই শরীর কিরূপে গরী হইল ? এবং আরােহণ করিয়া নিখিলভােগ ও মােক্ষলাভের নিমিত্ত সংসারে যোগ ইহাতে অধিষ্ঠান করত কিরূপে রাজ্য-সুখ লাভ করেন। বিহার করেন বলিয়া, ইহাজ্ঞব্যক্তিম রথ বলিয়া নির্দিষ্ট হইয়াছে। ( তা আমাকে বলুন।) বশিষ্ঠ কহিলেন হে রাম! এই শরীর- ১-২০। এই মেহনগরী দ্বারাই তত্ত্ববিং শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস, নগরী সৰ্বগুণসম্পন্না ও রমণীয়া, ইহা জীবন্মুক্ত পুরুষের অনন্ত গন্ধ ও @ লাভ করিয়া থাকেন। সেই কারণে দেহনগরী - বিলসের স্থান, আত্মালেকরূপ সূয্যে ইহা প্রকাশিত হয়। এই বিলের লাভলুদ। হে রাম। এই দেহনগরী মুখ, দুঃখ ও ক্রিয়াসমূহ লেহনগরীর নেত্ররূপ গবাক্ষস্থিত ইন্দ্রিয়-প্রদীপৱয় দ্বারা সমুদয় স্বয়ংই উহন করে, সেই কারণে ইহাকে ভাবিদের সমুদয় বস্তুর জন্মণ্ডল প্রকাশিত হয় এবং কবরূপ বিস্তৃত রথ্যার পার্শ্বে রক্ষণক্ষমা বলা হয়। অমরাবতীতে দেবরাজের ন্যায় তবিৎ, সেই আজানু-চরণদ্বগ্নরূপ জলভূমি অবস্থিত।১৫। এই দেহ- শরীরনগরীতে রাজ্য করত বিগতস্থর ও সুস্থ হইয়া অবস্থান নগরীর নােমৱাৰি শতস্বরূপ, ইহার স্থানে স্থানে নিরাজাল। করেন। ভবিং মনোরূপ প্রমতবাজীকে কাম-ভােগে নিযুক্ত করেন এই দেহ-নগীর গুলফ ও জলিতে জমাঘয়রূপ হিং ওগুমণ্ডল এবং লােভ দুবৃকের ফল ভােগ করে, থাবিধ অধার্মিক পরিসমাপ্ত। ঐ দেহ-নগৰী ৱোসমতি পদার্থরূপ কি দয় লোককেও কলাচ বিদেকিনী বুদ্ধিজপিণ পুত্রী প্রদান করেন না। প্রথমে নিতি। বাহিরে স্ম, অন্তরে অশ, মধ্য মধ্যে শিরা- অজ্ঞানরূপ পররাষ্ট্র ইহার রজ দেখিতে পায় না এবং এই বিং শখ ও অস্থিসন্ধি সকল ঐ দেহ-নগরীর, সীমারূপে সন্নিবেশিত সংসাররূপ শত্রুর মুচ্ছেন করিয়া থাকেন। ২১-২৫। থাকায় উহা অতি মনােহর হয়। ঐ দেহনগরীর উঘয়ের ও অজ্ঞ ব্যক্তি কাম-কাগজপ দু-গ্রহবিশিষ্ট তৃষ্ণা নদীর প্রবাহ মধ্যকারের সন্ধিস্থলে উপস্থেশ্রিয়-নদী নির্শিত রহিয়াছে। নগরের বুর্তে ফলাচ নিমগ্ন হন না। সুখ-দুঃসান তঁাহার কিছুতেই মধ্যে নদী থাকে, দেহ-নগরীর মধ্যে উপস্থলী বিদ্যমান এবং থাকে না। তিনি বাহিরে ও অন্তরে সতত পরমাত্মবশী হওয়ায় কেশবশীরূপ নীলবর্ণ বৃক্ষত্রে মার্জিত, ক্রীড়-শৈলের ন্যায় সই ইচ্ছানুরূপ সরিৎ-সমাদি (গজ-সরস্বতীর সমাগমস্থল শিবরাদেশ ওশকারিয়ােমরূপ বুনে ঐ মেহনগরী আবৃত। প্রভৃতি) প্রভৃতি তীর্থে গান করেন। সমুদয় ইলিয়রূপ জনগণের দেহুনগরী , ললাট ও ওষ্ঠরূপ পদবপুপাদি দ্বারা সুশােভিত আপ বিধানে হার দৃষ্টি থাকে না, কেবল সঙত ধ্যান- বদনরূপ উদ্যানে শােভিত দেহগরীর কপােলরূপ বিশাল রূপ মধ্যে অবস্থান করেন। এই দেহী আত্মজ্ঞ বিছালী, কটাক্ষপাত্মাপনীলে পলে আকীল। উহার বক্ষঃ পুরুষের সততই সুখাবহ; ইন্ত্রের অমরাবতীযৎ ইহা আত্মজ্ঞ- স্থলরূপসরােরে শুনরূপপদ্ধকারক শােভিত রহিয়াছে। দেহ- পুরুষের গেদে। যে মহীয়সী মেহনরী বিমানে নগরীর স্বরূপ পর্বত নিক্ষি মােবলী যা আজ। ১০। । (ভজ্ঞ কানি) সমূয়ই বিদ্যমান থাকে, নষ্ট হইলেও কোন ঐ নগৰীয় উদৱগর্তে ল ও কবরূপ খনসমূহ লিখিত হয় না, কেন সুখ হইবে না? যেন খটাংসে রহিয়াছে। মিত, প্রায়ুর শক এর টাকার কোন ক্ষতি হয় নাকারণটাকা পরকাশ কর্তৃক যােগাষ্ঠ- আত্মসাৎকৃত হয়, সেইরূপ এই দেহনগরীয়ে পুরুষের আত্মজেই পলি প্রকাশিত হল। অনুত্তচিত্ত প্রশান্ত (ৰিং) কোন ক্ষতি হয় না। যেমন বায়ু-ঘট থাকিলে, অহাৰ স্পর্শ ভোগকালসাপ দলগণ ও ইলিনিৰই গেলি উন্মত্তফনি করিয়া থাকে, না থাকিলে করিতে পায় না, সেইরূপদেহী হাকলেন। সে পরিভক্ত জামা এতে অভিলাষ করিতের আত্ম। লেহনগরী থাকিলে, ইহাকে স্পর্শ করেন, নচেৎ কি দেখিলে অপরে যেমন হা করে, সেইরূপ ব্যক্তি, আপনার করিকেন? এই লেহনগরীতে অবস্থিত আত্মা(জবি) সর্বব্যাপী পরিত্যক্ত ভােগইনি অপরে অভিলাষ করিতে দেখিয়া হইও পুরুষের বিকলা-সদ্ভুত ভােগজল গেম করিষা আৰু উপহাস করুন। ৪৬-৫। মন মনোহর-আত্মসাক্ষাৎকারজনিত সাক্ষাৎকৃত পূর্ণব্রহ্মরূপ মােক্ষপদ লাভ করিয়া থাকেন। তিনি মুখ পরিত্যাগ করিয়া বিষয়বাসনায় ধাবিত হয়, অতএব হীকে নিখিল কবিতায় উন্মুখ হইয়া (ব্যবহার-দৃষ্টিতে) করিলেও যেমন অজুহাতে বীভূত করে, সেইরূপ বিচার দ্বারা ঐ মনকে (পদার্থ-কৃষ্টিতে) তাহা করে না। কখনও বা প্রস্তুত সৰুণ বশীভূতবিষয় হইতে বিরত করিয়া আত্মমুখে থাৰিত করিতে হয়। কই অনুষ্ঠান বরেন। তত্ত্ববিং ভােগাভিনাৰী বিমল চিত্তের ভােগর দিকে যে মনােবৃত্তির গতি, অদৃশ মনােবৃত্তিকে বিষের বিনােদনাৰ্থে অব্যাহতগতি হইয়া কখন স্বেচ্ছাক্রমে বিমানানােহন অঙ্কুরবং প্রথমেই বিনষ্ট করা উচিত। যদি বল, মনকে ঐরূপ করেন। ৩১-৩৫। দেহনগরীতে অবস্থিত তত্ত্ববিৎ, সর্বদাই নিগ্রহ করিলে পরে রুষ্ট হইয়া আত্মানুরক্ত হইবে না, তাহাতে এই ত্রিলােকনুরী শীলাঙ্গমৈত্রীপু মার সহিত মণ করেন বলি, প্রথমে অতিশয় নিগৃহীত করিলেও পরে সম্মান করায় সে তঁাহার পায়ে দুইটা প্রিয়া কে সত্যতা ও একত্র, চন্ত্রের রোষ থাকে না। কারণ, প্রথমে তাড়িত ব্যক্তিকে পরে যদি সম্মান বিশাখায়ের জায় সততই উহারা আঁহার চিত্রকলাসকরী হইয়া করা যায়, তাহা হইলে তাহা সে অনন্ত-সম্মান বলিয়া বােধ করে। থাকে। নভমণ্ডলের পৃষ্ঠদেশস্থিত দিবাকরের স্যায় অবিৎ, অতি- গ্রীষ্মতবাহে মাত্র অসেক করিলে অমৃতবৎ যথেষ্ট উপকার দূরস্থ হইয়া পরস্পর বল্পীবেষ্টিত জঙ্গলের আয় পরস্পর বেষ্টিত বােধ হয়। আরও এক কথা, প্রথমে কেশ না পাইলে পরে হইয়া অবস্থিত দুরূপ একচক্র আর বিদাৰিত নিখিল লােক লব্ধসম্মানে বহুমুখ বােধ হয় না। অপূর্ণ-নদীর সামান্য বর্ষা- নিরীক্ষণ করেন , কেবল নিরীক্ষণই করেন, কচি হাতে লিপ্ত জলপ্রবাহে কি হইয়া থাকে? তাৎপৰ্য এই-প্রথমে মুকে হন না। বিদেৱ সকল আশা পূর্ণ হইয়া যায়, তিনি আত্ম বিষয়বসনা হইতে বলপূর্বক বিরত করিয়া কি কৰিলে পরে সাক্ষাৎকার-প্রমুক্ত নিখিল-সম্পত্তি পাইয়া হন এবং অক্ষ লব্ধআত্মমুখে মন যথেষ্ট সুখীই হইবে, কদাচ বিরক্ত হইবে না। পুর্ণচন্দ্রের ন্যায় তিনি শােভিত হইয়া থাকেন। ভােগসমুহ অজ্ঞ প্রথমে বিষয়াভিলাষ হইতে বিব্রত করা নিগৃহীত হইয়া পরে মন, ব্যক্তি সেবিত হইলেও কোন কষ্ট প্রদান করে না। মহেশকে যে ভিক্ষপ অল্পবিষ ভােগ লাভ করে, প্রথমে ক্লিষ্ট হয় বলিয়া গলে কালকূট বস্তুতঃ শােভাবর্ধনই করিয়াছে। ১৪০। যদি তাহাই যথেষ্ট মনে করে। ৫১-৫৫। রাজা যদি কিছুদিন বন্ধ এই বিষয়-জাল অনুসন্ধানপূর্বক ভােগ করা যায়, তাহা হইলে হইয়া পরে মুক্ত হন, তখন তিনি সামান্য গ্রাস-ভোজনেই পরি- তুষ্টি হইয়া থাকে। যদি এই ব্যক্তি চোৱ—ইহা জানিয়া তাহার তৃপ্তি বোধ করেন, কখন বদ্ধ বা কাহারও কর্তৃক আক্রান্ত সহিত মিত্র করা হয়, তাহাতে সে ৰিত্ৰই হইয়া থাকে, কখন হইলে রাজমুখেও রাজার তাদৃশ তৃপ্তি লাভ হয় না। হস্ত দ্বারা শত্রুতা করে না। যেমন পধিক, একদল পখিক অন্য স্থানে হস্তপীড়ন, সন্তরা সুবিচূর্ণন, অঙ্গুধারা অঙ্গ-আক্রমণ করিয়া গমন করিলে আবার অন্য পথিক-সজ অলােকন করে,—অর্থাৎ ইত্রিশজয় করিবে (অর্থাৎ ইষিশত্রু এ করিতে যদি সেই বিরহ ও শীতে সে যেমন বিচলিত হয় না, সেইরূপ ভক্ত যথেষ্ট ক্লেস্বীকার করিতে হয়, তাহাও কৰিৰেী যে পণ্ডিতগণ ব্যক্তি এই ভােগ অবলােকন করিয়া থাকেন। পৰি শত্ৰুৱাৰ্থে চেষ্টা করে, আহাদের প্রথমে অতঃক্র ইন্দ্রিয় এতকতভাৰে উপনত গ্রাম-সমাগম বেপজাৰে নিরীক্ষণ করে, সকলের জয় করা উচিত। এই ধরণীভলে ধাহারা চিজয় করিতে ব্যক্তিগণ সেইরূপ ব্যবহার ক্রিয়াসমূহ নিরীক্ষণ করেন। পারিয়াছে, তাহারই সৌভাগ্যশালী, সৎজ্ঞানসম্পন্ন ও পুরুষমধ্যে যেমন অসভূত পর্বত বন প্রভৃতি পদার্থ লােক অনুরাগ শনীয়। যাহার হৃদয়ৰিৰৰে কুণ্ডলাকারে অবস্থিত চিতরূপ মহা- যু হইয়া (মমঝভিমান না থাকায়, অভাবে দুগ না হওয়ায়) সৰ্প উপস্তি প্রাপ্ত হইয়াছে, স্বকীয়রূপে (আত্মরূপে আবির্ভূত নিপতিত হয়, ধীয় অর্থাৎ অজ্ঞ ব্যক্তি বুদ্ধিও সেইরূপ ব্যবহার সুনির্মল সেই তওহাপুরুষের কল্পনা করি। ৫৬ । কার্যে নিপতিত অাৰ আহাতের শক্তি থাকে । ভযােন সর্গ সমাপ্ত।২৩। ত্ব ব্যক্তি পূর্বতন ইতি-চেষ্টায় উপস্থিত কখন এভা- খ্যান করেন না এবং অপ্রাপ্ত পুক গ্রহণ করে না ; তিনি পুর্ণাবস্থায় বিমান থাকেন। ১৫। বেন মা চতুর্কিং সর্গ। পূজাতে পত কখনই বিকশিত হইতে পারে না, সেইরূপ বশিষ্ঠ কহিলেন-(ই) মহানরকরূপ-সম্রাজ্যে ত্রি- অপ্রাপ্তবিষয়ে চিন্তা ও বিলে উপেলি অপ, শত্রুগণ দুর্জয়, দুশি ঐশত্ৰুৰ মহীশ্বরূপ, আশা উহার অজ্ঞ-পুরুষে মতিকে ফিলিত করিতে পারে না। পুরুষ, অসমূহ। যে ইন্দ্রিয়গণ স্বীকৃত সেই প্রথমে নষ্ট করে, নিখিলন্দেহ দূর হয়, সকল বিকেল নিবৃত হওয়ায়, সেই কৃত পাপশিল্পপলসকারী ইলিশগণ । (সমুদয় ভেগে মিত্যাবুদ্ধিনিবন)এবং শরীর কর্তব্যও কর্তব্যরূপ, গরু ইনিগৃগণ দেহরূপ- যায়, সম্রাটের স্থায় বিরাজমান হন। যে জীয় জয় তুলায় প্রাপ্ত হইয়া বিরূপকানিরে লালসায় অস্থির হয়। আত্মা স্থান পায় না, (দেখিলে যে কেন আবার মা মিলি যিকেরূণ সূত্রলসেই বুবলিকে নিতে ভলাষেধি। সেইরূপ কী এ অমিত ইয়া পারিয়জন, পাশ (সা) যেমন হলিকে নৃদ্ধ = স্থিতি-প্রকরণ ૨૧ । করিতে সমর্থ হয় না, সেইরূপ ইলিয়-গৃ ভঁহার অঙ্গচ্ছিন্ন করিতে পঞ্চবিংশ সর্গ সমর্থ হয় না। যে ব্যক্তি এই কুৎসিত বশবর-নগরে বিবেক- ধনে গণী হইয়া আপাত-মণীয় বিষয় তাে করেন, যিনি বিবেক বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাখব। তুমি জনগণের বিশ্রাম, ধন সংগ্রহ করিতে পারিয়াছেন, তিনি কাহারও বশীভূত হন ধীমান , তুশিমমাদি অর্থসমূহ স্বীঃআত্মায় প্রকাশ কৰিচ্ছে। , অন্তস্থিত ইন্দ্রিয়শ তাহাকে পরাভব করিতে পারে না। এই সংসারে বিহার করত শ্রেয়সাধনে যত্নবানূ হইতে। ১৫। ঘহাৱা চিত্ত বশীভূত করিতে পারিয়াছেন, তাহারা প্রেম যেন কদাচ ঐ জামবলিকট চায় না হয় এবং একমাত্র স্বীয় শরীরনগরীর অধিপতি হইয়া যাদৃশ মুখ প্রাপ্ত হন, ঐ ভীষভাসায়ে বিপােক হও। রাম কহিলেন,ব্ৰহ্ম। মৃন্ময় বিশাল পুরীস্থিত রাজগণ তাদৃশ মুখী হইতে পারেন না। আপনি বলিলেন যে “তােমার দামব্যালকট স্যায় না হউক” যিনি মশত্রুকে বশীভূত করিয়াছেন, ইন্দ্রিয়রূপ ভৃত্যের প্রতি উহা কি আমি বুঝতে পারিলাম না এবং আরও লিলেন তুমি মাহার আধিপত্য আছে, বসন্তকালে পুষ্পমঞ্জরীবং তাঁহার, বিশুদ্ধ “মভাসদৃঢায়ে বিশোক হও”,এতে ইহা কি বলিলেন, কিছুই বুদ্ধি বর্ধিত হইতে থাকে। শাহার চিত্তদল ক্ষীণ হইয়াছে এবং বুঝিলাম না। আপনি ( উপদেশ দ্বারা সকলের সংসারতাপ ইন্দ্রিয়শত্রুও নিগৃহীত হইয়াছে, তাহার ভােগবাসনা সমুদয় দূরকরণার্থ উদ্যত; অতএব বর্ষাকালে জলধর যেমন আপনিবারণ হেমন্তকালে পঙ্খিনীর ন্যায় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। যাবৎকাল একমাত্র ও নিনাদ দ্বারা ময়ূরকে প্রবােধিত (উলাসিত) করে, দ্রুপ ঐ ও অর্থাৎ পরমাত্মার দৃঢ়রূপ অভ্যাসে নাহার মন বিজিত হয় বিষয় বর্ণন করিয়া আমাকে বিশুদ্ধ বিষয়ে (আত্মজ্ববিষয়ে) নাই, ভাবৎকাল তার হৃদয়ে বাসনাসমূহ, অজ্ঞানতৃষ্ট বেতালের সম্প্রবুদ্ধ করুন। বশিষ্ঠ কহিলেনহে রাঘব। তুমি দামব্যাল- স্যায় পরিঙ্কুরিত হইতে থাকে। আমি বােধ করি, বিবেকী পুরুষের কট ন্যায় ও ভীমভাসট ন্যায় শ্রবণ কর। ইহা শ্রবণ করিয়া যাহা মন অতি কাৰ্য্য করে বলিয়া ভৃত্য, সৎকাৰ্য্যের হেতু বলিয়া তােমার অভিমত, অহা সম্পাদন কর। অদ্ভুত মনােহর এক মন্ত্রী, ইলিয়সমূহকে আক্রমণ করিয়া থাকে বলিয়া সামন্ত পাতালকুহরে মায়ারূপমণির মহাসাগরে শম্বর নামে এক দৈত্য- রাজা), লালন করে বলিয়া প্রণয়িনী কামিনী এবং পালন করে পতি বাস করিত। ঐ দৈত্যপতি আকাশ-নগরীর উদ্যানমধ্যে বলিয়া পবিত্র পিত। ৬-১০। আমার ধারণা যে, মনীষীদিগের অনুরদিগের মন্দির নির্মাণ করে, তাহার কৃত্রিম চার্ক দ্বারা মন উত্তম-বিশ্বাসের পাত্র বলিয়া সহ। ঐ মনেরূপী পিতাকে তদীয় নগর বিভূষিত হইয়াছিল। ঐ দানৰ অনায়াসলব্ধ শিলা- যদি বুদ্ধিবলে ও শাস্ত্রজ্ঞানবলে অন্তরে আত্মরূপে অনুতাবিত ও খণ্ডসম পদ্মরাগাদি-মণি জরা বিভূষিত হইয়া হিমাদ্রির ন্যায় দুই আত্মরূপে অবলােকিত করা যায়, তাহা হইলে (মনঃপিতা) স্বকীয় হইত। অনন্ত বিভবম্বারা অপরাপর প্রতিবাসী জনগণকে পরুপ পরিত্যাগ করিয়া পরমসিদ্ধি (মােক্ষ) প্রদান করেন। বিপুলৈধৰ্যশালী করিয়াছিল। তদীয় গৃহভূত অনাগরে ঐ মনেরূপ-মণি (দৃষ্টি দ্বারা) সুদৃষ্ট সুদৃঢ়রূপে প্রবােধিত, গীতে অমরকামিনীদিগের গীবনি পরাজিত হইত ও অলীয় (মণিপক্ষে সুদৃষ্ট-খনিষধ্যে ভাগ্যবশতঃ দৃষ্ট, প্রবােধিত তেজো- বিলাসকাননের পাদপশ্রেণী সতত চন্দ্রকলায় উদ্ভাসিত থাকিত। ব্যঞ্জক রস দ্বারা ক্ষালিত ) ও সুগুণে (উত্তম ভূমিকা-বিশেষে, ১-১০। ঐ দানবের ক্রীডাভবন রাশি রাশি প্রফুল্ল নীলােৎপলে মণিপক্ষে-শােভন-গুণশালী স্বর্ণহারাদিতে) যােজিত হইলে জন্য পরিব্যাপ্ত। তদীয় বহংসগণ নিনাঘায় হেমম-পদ্মারুফ ইয়া শােতি হয়। এই মনোরূপ-মন্ত্রী শাস্ত্রীয় শুভকর্ষে গণকে আহবান করিত। সেই দানব হিগল্প পাপের শাবাগ্রে প্রবৃত্ত ব্যক্তিকে জন্মরুপক্ষের কুঠারস্বরূপ শুভাের্ক কাৰ্য করিতে পালিকা নির্মাণ করিয়া দিত। তাহার নােপিত মন্দার আদেশ করে। হে রাম। বহুপঙ্কে (পাপে ) কলঙ্কিত ঐ হইতে করজালে নিম্নস্থ লতা বিশেষে) কুরানি নিপতিত মনােমণিকে ইউসাধনার্থ বিবেকবারি পদ্মা ধৌত করিয়া (পঙ্ক হইত। ঐ শম্বর কৰ্ত্তরীযথারী অনেক দৈত্যগণের সাহায্যে দর করিয়া) আলােক-যুক্ত হও। ১১-১৫। এই ভীষণ-সংসার- দেবরাজকে পরাজিত করিয়াছিল। ভণীয় উদ্যাননগুণসকল ভূমিতে বিবেকহীন হইয়া আসক্ত হইও না, প্রাকৃতজনের হিমবং শীলবহ্নিশিখায় নিশ্চিত। ওলীয় পূরীর অনেক স্থলেই স্যা উৎপপূর্ণ ঐ সংসার-ভূমিতে বিবশ হইয়া পতিত হইও নন্দনকানন অপেক্ষা কর-কুমােন বিশােনান নি। না। মহামােহে পুর্ণ, অর্থন্সল এই সংসারমায়াকে অসুর মাঝাবলে অবস্থিত নিখিলন সর্পগলহ হরণ উপেক্ষা করিও না। ম-বিবেক আয় করিয়া বুজিবলে সভ্য করিয়া আনিয়াছি। জলীয় অন্তঃপুর-নারীগণ সৌন্দর্য্যে স্বর্ণকান্তি (আত্মা) অবলােকনপূর্বক ইন্দ্রিয় শত্রগণকে পরাজয় করিয়া ও নিখিলরমণীগণের শবণ্য পরাভূত কত। তাহার গৃহচরে সংসার-সমূত্র হইতে উত্তীর্ণ হও। এই শরীর সৎ, ইহাতে প্রমাণ বিবিধ কুমরাশি পতিত থাকিত। ১১-১৫। সেই সুখদুঃখও অসৎ, অতএব হে রাখব। ইহাতে তােমার কে দান গদাচক্রধারী বিয়ে পাভকারী এক মৃন্ময় ঈশন নির্মাণ দামন্যালকট ব্যয় না হয়, তাহা হইলে ভীম-ভাস-দূষয়ে করিয়া ভারা ক্রীড়া করিত; অলীয় নগর অ্যাকাণে নবরত তুমি বিপােক প্রাপ্ত হইবে (তােমার প্রকার অনলাও উড়েী(উ উখি) রাশিপত্র-পত্তিতে বিবি হইবে না)। হে মহাখতে তুমি অবুদ্ধিবলে-এই কৃহেই থাকিত। সেই লৈ কৃষ্ণপক্ষের নিশীথাগেও নিখিলগাভাল- আমি—এই একার রনি পরিত্যাগ করিয়া, এত ত পর প্ররে গগনভলে ভরে উর করি। এই গল্পচিত পদ (ব্ৰহ্মপ) আশ্রয়পূর্বক এমন হাপান, ভােল ও গমন শালজিকালমূহ তদীয় যুক্তি গত এৱা বন করত। ঐ কর, তাহাতে আর বিষয়ব হইতে হইবে না। ১৬-২১। শারের ঝিকম্বিত ঐরাবত না হয়। বিজ তুর্কি সামাখা। হই। অস্থায় অপূর্বময় লিখি লেকের ঈসার সমুদয় বিদ্যমান ছিল। নিখিল-দশ অলিকায় যে = যােগণিরামায়ণ। নিকট সকলের ঐশ্বৰ্য্য হন ছিল। উহার কঠোর শাসন-প্রণালী থাকে না, ইহাদিগের চেষ্টাও তদ্রুপ। ৩৬–৪•! তাহারা পতন, সমস্ত দৈত্যসামগণের বর্ণিত ছিল। উহার বিশাল-বাহু-বনচ্ছায় উৎপ, পলায়ন, জীন, মরণ, রণ, জয় ও পরাজয় এসব কিছুই আশ্রয় করিয়া অনুমণ্ডল বিশ্রাম করিত। সকল বুদ্ধির আবার বুঝে না। কেবল তাহার হননােত শত্রুসৈঙ্গ অবলােকন ঐ অনুর সতত রমণ্ডলে মণ্ডিত থাকিত। ১৬২ কঠিন করিলেই প্রতি ধাবমান হয় এবং এমন হােরর প্রহার করে ভীষণ আকৃতি ধারণ করিয়া, ঐ শম্বর দেবগণের উৎসা-সাধন যে, তারা পর্যন্ত চুর্ণ হইয়া যায়। শম্বর তখন সন্তুষ্ট করিত। তাহার মায়াজিত--সুশাসকারী বিপুল সৈন্য চিত্তে ভবিল, এইবারে আমার সৈন্যগণ মায়াময় অসুর কর্তৃক ছিল। তদীয় ঐ সৈন্যগণ একদিন দেশান্তরগত হইয়া প্রশ্ন ছিল। সুরক্ষিত হইয়াছে, অতএব শক্রগণের অতর্কিত আগমনেও দেবগণ ঐ অবকাশে আসিয়া সেই সৈন্যগণকে বধ করিলেন। পরাজিত হইবে না, প্রত্যুত জয়লাভ করিবে। ঐরাবতের ও- অনন্তর শানুর আত্মরক্ষার্থ মুণ্ডি, ক্রোধ ও ক্রম প্রভৃতি সামন্ত- এহারেও যেমন সুমেরু-সানু বিচলিত হয় না, তদ্রুপ মহাবল- গণকে সৈন্যকর্মে নিয়ােগ করিল। যেমন গগনমধ্যগত শ্রেন- সেনাপতিদিগের বাহুপাপ-পালিত মদীয় সেনা সম্পূর্ণ অটল পক্ষী ভয়াকুল-কলবি-পক্ষীর বধ করে, সেইকপ ভীষণ দেব- হইয়া থাকিবে। ৪১-৪৪। গণ বন্ধ পাইয়া তাহাদিগেরও প্রাণসংহার করিলেন। যেমন পঞ্চবিং সর্গ সমাপ্ত। ২৫। সাগর পূৰ্বোত তরঙ্গাবসানে পুনঃ তরঙ্গ নির্মাণ করে, তদ্রুপ ঐ অমুসতম পুনৰ্বার বিকটবে চঞ্চল অন্য সেনাপতি মায়াবলে নিৰ্মাণ করিল। ২১২৫। দেবগণ তাহাদিগকেও ঝটিতি সংহার ষড়বিংশ সর্গ। করিলেন, তাহাতে সেই শর কোপান্বিত হইয়া অমরগণের বিনাশার্থে দেবপূর্ণ-স্বর্গধামে গমন করিল। দেবগণ তাহার মায়ায় বশিষ্ঠ কহিলেন,—রম! দানবেন্দ্র শর, এইরূপ স্থির- ভীত হইয়া গৌরীবাহন সিংহের নিকট ভয়প্রাপ্ত মুগগণের করিয়া সেই মায়াকল্পিত দাম, ব্যাল ও কটনামক নবয়ে স্যায় সুমেরু-কাননকুঞ্জে অন্তর্হিত হইয়া রহিলেন। শম্বর অতি সুসংহারক স্বীয়সৈন্যগণকে ভূতলে প্রেরণ করিল। দেখিল, পলায়নে অশক্ত এবং কপাষােগ্য দেবগণ রােকদ্য, তখন দানবগণ, অস্ত্রশস্ত্র গ্রহণপূর্বক পক্ষযুক্ত পৰ্ব্বতের ন্যায় মান, অপনােগণের মুখারবিল বাজলে সিক্ত। প্রলয়ারম্ভে ভীষণ-শব্দসহকারে সাগর, কুও গিরিকনিচয় হইতে উথিত ফয়োন্মুখ জগতের ন্যায় শুয়াকার-স্বর্গে ক্রুদ্ধ অসুররাজ বিচরণ হইতে লাগিল। অনন্তর সেই দাম, ব্যাল ও বটপালিত দানব- করত যে সকল, সুন্দর বন্ধ পাইল, তাহাই হরণ করিল। সৈন্যে সমুদয় ভূভাগ ও নভােমণ্ডল পরিব্যাপ্ত হইল এবং তাহা- অনন্তর লােকপালগণের সমস্ত পুরী দগ্ধ কুরিয়া নিজভবনে দিগের হস্তস্থিত সমুজ্জ্বল আয়ুপ্রভায় দিবাকরের প্রভাও মলিন প্রত্যাবৃত্ত হইল। দেবাহরের বৈর এইকপে দৃঢ়তর হইলে, ভাব ধারণ করিল। প্রদর্শনে অনুৰূদয় ভীমদর্শন সুরসৈন্যগণ দেবগণ স্বৰ্গপরিত্যাগ করিয়া দিগদিগন্তে অদৃশ্য হইয়া রহিলেন। সুমেরুগিন্নির কুম ও কন্দরসমূহ হইতে উথিত হইতে আরম্ভ ২৬—৩০। এদিকে, কিন্তু অসুররাজ শার, যাহাকে যাহাকে করিলে, বােধ হইল, যেন প্রলয়াবসানে পুনরায় প্রাণীসকল প্রা- স্বীয় সৈনাপত্যে নিযুক্ত করিল, দেবগণ যত্নসহকারে (অতর্কিত ভূত হইতেছে। অতঃপর স্বর্গ ও মর্ত্যের মধ্যস্থলে অকালে যুদ্ধে) হাদিগকে বিনষ্ট করিতে লাগিলেন। শসুর উদ্বিগ্ন হইয়া, , মহাপ্রলয়ের ন্যায় রে-সৈন্যের ঘােরর সংগ্রাম সমুপস্থিত ক্রোধে শসস্তৃত অনলের ন্যায় অত্যন্ত প্রজ্বলিত হইয়া উঠিল | হইল। তৎকালে যে সকল অতি প্রকাণ্ড ছিন্নমস্তক ভূলে ও ক্রোধে দীর্ঘ নিশ্বাস পরিত্যাগ করিতে লাগিল। যেমন বিনা- ' নিপতিত হইতে থাকিল, তাহাদিগের কর্ণকুণ্ডলজ্যোতিতে চতু পুণ্যে নিধিবন লাভ করা যায় না, ড্রপ শন্সর অত্যন্ত যত্নসহকারে দি উদ্ভাসিত হওয়ায় জান হইল, যেন প্রলয়কালীন চক্ষ- অন্বেষণ করিলেও দেবগণের সন্ধান পাইল না। তখন সে সকল বিধ্বস্ত হইয়া পতিত হইতেছে, এবং যখন ভূপতন্তে মায়াবলে কালান্তক-মােপম তিনটা ভীষণ মহাবল অনুর, সৈন্য- বােদিগের সিংহনালে প্রতিশব্দিত হইয়া ঘূর্ণমাণ হইতে লাগিল, ক্ষার জন্য সৃষ্টি করিল। সেই মায়াময় ভীম অনুরলয় পক্ষচ্ছে, তখন বােধ হইল, প্রলয়কালে পত সকল, প্রলয়মারুততাভনে মুগ্ধ পর্বতের স্যায় সৈন্যকানন রক্ষা করিতে লাগিল। ৩১-৩৫। অন্তঃস্ফুটিত ও মারুতপূর্ণ হওয়ায় যেন হাস্য করত ইতস্ততঃ সেই অসুরয়ের নাম দাম, বাল এবং কট। হাদের চৈতন্য বিলুষ্ঠিত হইতেছে। সুরগণের পাৰ্বতীয় বৃহৎ শিলাখণ্ড মাত্র সম্বল, দুফর-মুকর নির্বিশেষে যে কাৰ্য উপস্থিত হয়, সদৃশ অস্ত্রাভিঘাতে কুলাচলনিচয়ের সামুপ্রদেশ সকল বিদীর্ণ তাহাই করিতে সমর্থ। তাহাদের কোন কর্ম না থাকায় প্রাক্তন হইতে আরম্ভ হওয়ায়, তাহা হইতে ভীষণধ্বনি উৎপন্ন হইতে বাসনাস্বরূপ নহে। তাহারা নির্বিকলক চৈতন্যমাত্র, স্পন্দনমাত্ৰ লাগিল এবং তত্তগিরিগুহাশায়ী কেরী সকল ভয়ে অন্ত- তাদের ধর্ম (মায়াময় কি না)। অসার-সূক্ষ্ম-অপুষ্টকৃত্রিম- নিলীন হইতে থাকিল। অনিচয়ের পরম্পরাঘাতে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ মনময় কর্মজীবাংশে অনুপ্রাণিত। সেই ঘােঙ্কগণ, অন্ধ- সকল ইতস্তত বিকীর্ণ হইয়া চুর্ণবিচুর্ণ তারকারাজির গায় পরার ন্যায় কাকতালীমে উপনি কর্মে আসক্ত হয়, শশাআন হইতে লাগিল। কিংকাল ঈশ ভীষণ সংগ্রাম কিন্তু তাহাদের বাসা নাই। দৈবাৎ' কোন কারণে অন্ধশ্রেণীর হইলে পর, প্রলয়কালের তালবৃক্ষৰৎ উন্নতকার বেতাল সকল, অগ্ৰণ অন্ধ যদি একপখ ত্যাগ করিয়া কোন পথে গমন করে, শােণিতমাংসময় মহাতীরে তাল-লয় সহকারে নৃত্য আর তাহা হইলে পশ্চাষীসকল অর্থই তাহার অনুবর্তী হয়, ইহা করিল। অনন্তর রুধিরাসার ছারা পাংশুময়-জলদল নিবারিত নিয়েও ভাব অণ। যেমন এক বালকেরা নিজের হন্ত হইলে বিমল- গলে অ মুম শিরসমূহের কুণ্ডল সকল পদাদিসখান মাত্র করে, কিন্তু তাহাদের অসন বা আত্মাভিমান জনের ন্যায় লেদীপ্যমান হতে লাগিল এবং দৈত্যগণ হারাই স্থিতি-প্রকরণ T কল্পবৃক্ষসকল উৎপাটনপূর্বক করে ধারণ করত এরূপভাৰে প্ৰহাৰ- নিচষরূপ অচলসমূহে দশদি পরিপূর্ণ এৎ পরস্পর আতনিবন্ধন করিতে প্রবৃত্ত হইল যে, তাহাতে গিৰিনিচ ও দলিত হইতে অস্ত্রসকল চূর্ণ-বিচুর্ণ ও ভার। গগনতল পরিব্যাপ্ত হইল। লাগিল। তৎকালে দানবদলে দিক-বিদিকুল এবারে ২১-২৭। ভূণ্ডি-অস্ত্রমণ্ডলের অক্ষোটনে শত শত সুমেরু-শৃঙ্গ পরিব্যাপ্ত হইল যে, আর অন্তরাল দৃষ্ট হইল না। যােদ্ধবর্গের ফুটিত মারুতবেগে সুরাসুরদিগের শত শত মুখারবিন্দ উৎ- অসিপ্ৰান্তৰূপ প্রচণ্ডবায়ুভাডনে শৈলনিচয়, যেন প্রলয়ানলে পাটিত, চQরূপ আবৰ্ত্ত দ্বারা শতশত দেবদৈত্যরূপ জীর্ণ-কণ-সকল দলিত হইয়া বিচুর্ণ হইতে লাগিল। অনন্তর অমরবৃন্দ, দানব- ঘূণিত, সৈন্যগণের পরস্পর প্রহাররূপ কােলমালার সঞ্চলনঃ গুণের অস্ত্রাঘাতে বিপর্যস্ত হইলেও যেন অশ্বমেধধী হব্য- নভােমণ্ডল যেন চণিত, স্ত্রসঞ্চালনসম্ভূত প্রচণ্ড সমীরণ-তাড়নে ভেজনে পরিবর্ধিত হইয়া,প্রচণ্ডমারুত যেমন জলদাবলীকে বিমানারোহীসকল নিষ্পিষ্ট ও নিপতিত, বারুণীসমুখিত সাগবৎ এবং মার্জারগণ যেমন বৃদ্ধ মূষিকদিগকে আক্রমণ করে,-তদ্রুপ সলিলরাশিতে অমরাবতী প্রভৃতি স্বর্গানসকল প্লাবিত দানবনিচয়কে অত্র করিবামাত্র তাহারাও ভল্লুকগণের বারূঢ় এবং শূল শক্তি প্রভৃতি মহাস্ত্রসকল শত শত তরঙ্গিণীর ন্যায় প্রাণীদিগকে আক্রণের ন্যায় সমবােঙ দেবগণকে আক্রমণ প্রবাহিত হইতে লাগিল। পৰ্বতনিচয়ের পার্শ্বদেশে বীরগণের করিল। তৎকালে ভুজরূপ তরুবরে অসিলদিরূপ পল্লব এবং ভীষণ আস্ফোটনে উক্ত পৰ্বতসকল কম্পিত হওয়ায় ব্রহ্মাণ্ড বাণাদিরূপ পুস্পনিচয় বিরাজিত হওয়ায়, সুরাসুরগণ, প্রস্ফুটিত- মণ্ডপই যেন বিকম্পিত হইতে আরম্ভ করিল। দৈত্যদিগের কুসুম ও নবপল্লবশােভিত চঞ্চল বনমসমূহের স্থায় শােভা পার্কিপ্রহারে লোকপালগণের পত্তনসকল বিভ্রষ্ট এবং রমণী- পাইতে লাগিলেন। সমীরণ, যেরূপ কুমনিচয় দ্বারা সুমেরু- গণের হলহলধ্বনিতে কনকময় পুরমন্দিরসকল প্রতিধ্বনিত গিরির বনস্থলসকল পরিপূর্ণ করিয়া থাকে, ড্রপ সুরাসুরগণ হইতে লাগিল। ভুতলবিলুষ্ঠিত অস্ত্রাঘাতে ক্ষত-বিক্ষতাঙ্গদৈত্য- পরস্পর অস্ত্রনিক্ষেপে দশদি পরিব্যাপ্ত করিলেন। এইরূপে গণের শরীর হইতে অজস্র শােণিতধারা নির্গত হওয়ায় সংগ্রাম- সেই ভুবনান্তরালে উচুরমধ্যে মশকন্দের স্থায় দেবদানব- ক্ষেত্র যেন জলপ্লাবিত হইল এবং রক্তাক্তকলেবর যােদবর্গের সন্তের তুমুলসংগ্রাম আরদ্ধ হইলে, এলাকপালগণের উত্তাল | সিংহনাদে জনগণের হৃদয় দ্রবীভূত হইতে আরম্ভ করিল। পদ্ধি মাতমণ্ডলের পদ দলিত যোদ্ধপণের চীংকার ও তাহাদিগের নীতে ভ্রমরের ন্যায় যমরাজ, লােকপালদিগের সেনানায়কগণের রহিত ধ্বনিতে প্রলয়কালীন ঘাের-ঘনগর্জনের ন্যায় সমরকোলাহল মধ্যে মৃতগণের প্রাণহরণার্থ কখন লুষিত ও কখন বা যুদ্ধ অতি ভীষণ হইয়া উঠিল। নভােমণ্ডল অসীম সৈনিচয়ে পরি | সকলের দৃষ্টিগােচর হইতে লাগিলেন। প্রাণভয়ে পলায়নপর ব্যাপ্ত হওয়ায় ভূভাগের ন্যায় প্রতীয়মান হইতে খাকিল। জল- । বীরগণের প্রতি প্রতিদ্বন্দ্বী সুরাসুরগণ ভীষণ প্রহার করিতে আর ভারমর জলদাসের সভার গর্জনবং রণ-কোলাহল এরূপ ; করায় তাহার প্রত্যাব ও পুনরায় প্ররােদ্যত হইয়া সমরাঙ্গণ ঘনীভূত হইল, যেন বোধ হইতে গাগিল, উহা অনায়াসেই । আকুল করিয়া তুলিল। সপক্ষ-পর্বত-প্রায় ভীমকায় দানবগণের মুষ্টি দ্বারা গ্রহণ করা যাইতে পারে। ১–২০। তৎকালে রথ- | গমনাগমনসভূত শব শব শব্দ ও পুনঃপুনঃ ভয়ঙ্কর জন্ধার রবে নিয়ে সংঘর্বণে যে সকল দুৰ্বল যোদ্ধান্দের হৃদয় দলিত রণস্থল নিরতিশয় ভীম মুর্তি ধারণ করিল। অস্ত্রাঘাতে বিদীর্ণ হইতে লাগিল, তাহাদিগের দ্বার আক্রন্দন-শব্দ, নিষ্পিষ্ট অস্ত্র-; দানবরূপ গিরিনিচয় হইতে নিরাকান শােণিত ধারা নির্গত হইয়া নিকারর ঝঞ্জন ধ্বনিতে ইশলেপরি ননশীল নর্তকের ন্যায় যেন অখিল ভূমণ্ডল অর্ণব ও শৈলশ্রেণীকে অরুণবর্ণে রঞ্জিত করিতে তালণয়নুসারে নৃত্য করিতে প্রবৃত্ত হইল। প্রলয়মারুত ও { লাগিল অসংখ্য রাষ্ট্র, নগর বিপিন ও গ্রাম সকল উৎপন্ন প্রলয়াখির প্রস্ফুরণে অতি ভাণতম কল্পান্তকালীন প্রচণ্ড নিবৎ হইল এবং বিগতপ্রাণ অসংখ্য মা তুরঙ্গ দানব ও মানবগণের সেই সমরধ্বনিশ্রবণে, বিবেচনা হইল যেন প্রলয়সময়ে শবদেহনিচয় পতাকার প্রতীত হইতে লাগিল। ২৮-৩৭। একদা জাদশ আদিত্য উদিত হওয়ায় সুমেরুগিরি দ্রবীভূত উত্তুঙ্গ নারাচরাজি দ্বারা করিগণ বিরাজিত এবং মুষ্টিপ্রহারে উন্ম- হইতেছে। খরস্রোতা-প্রবাহিত সলিলরাশির নিদারুণ শব্দের ন্যায়। ঐরাবরে অংশ নিবিষ্ট হইতে থাকিল। প্রকালীন জলদা- ঐ সংগ্রামধ্বনি যেন ব্ৰহ্মকটাহে আহত হইয়া প্রতিনিরত হইতেছে। ৰলীর আষাঢ়-হারার স্থায় ধারাবর্ষণে অখিল গিরিনিক বিদণিত এবং উহা যেন প্রাণিপূর্তৃক আহত প্রাণিগণের আকর এবং ভীষণ অশনিহারে কুলাচল সকল খণ্ড খণ্ড হইয়া উডীন হইতে আগমন করিতেছে। ইতস্ততঃ সরমাণ পক্ষশৈল- হইতে আরম্ভ করিল অনন্তর দেবগণের আখেয়ালভাবে নিচয়ের পক্ষবিক্ষেপসত মহাশফের ও মন্দরাজি দ্বারা মধ্যমান । প্রদীপ্ত, শিখাজালজটিল প্রচণ্ড অনল প্রজ্বলিত হইয়া দাবগণকে ক্ষীরােদসাগরের আনােড়নজনিত ভীষণ-ধ্বনিয় এবং সেই মন্থন- দগ্ধ করিতে আরম্ভ করিলে, ভীমকৰ্মা দানবগণও বারুণাস্ত্র প্রভাবে অমৃতভবাসনায় অজ্ঞাসক্তিসহকারে শ্রবণে যেন একাজলিপুটে সাগরকে আনয়নপূর্বক সেই অনারুশি আসত সুরাসুরগণের সঙ্গে প্রচণ্ড ভূজাম্ফোটনরবের সদৃশ নির্বাপিত কৰিল এবং ক্ষণমধ্যে প্রকাণ্ড একাণ্ড শিলাদি নিক্ষেপ সেই শ্রোত্রপীড়াদায়ক সমনিতে সপ্তীপা মেদিনী পরিব্যাপ্ত করত পরস্পর সশজনিত ভীষণ শিলাখি প্ৰলিত কায়, দেব- হইল এবং শৈলেগণের শ্রোত্ররূপ করসকল যেন ঐ তীব্র গণও নবৃহতুল ইঙ্গি যারা এরূপ অগ্নি প্রজ্বলিত করিলেন শক-প্রবেশজন্য বিলীণ হইতে থাকিল। হে বধুকুলতিলক। যে, তারা সামান্য আর স্যায় সেই ভীত শিলাখি তৎক্ষণাৎ সংগ্রামক্ষেত্রে ঈশ ভীষণ কোলাহল উলাভ হইলে সেই ক্রোধ- বিলয় প্রাপ্ত হইল। পরে অন্ত্র দ্বারা কান্ত-রাত্রিকালীন দুর্বার প্রজ্বলিত দেব-দানবসৈন্যের সংগ্রাম অতি ভীমূর্তি ধারণ করিল। তিমিরজাল হর্ভূত করিলে দানবগণও শাৎ মায়ালে পূর্ব- উৎকালে কি না, কি গ্রাম, কি পৰ্বত, কি বন ও মানব, সকলেই সমূহ প্রকাশিত করিয়া সেই প্রগাঢপ উৎসাজি করিল। ঐ নিষ্পিষ্ট হইতে লাগিল। শত শত মহান্ত্র যারা ছিন্ন ভিন্ন নক- মারুণ সময়ক্ষেত্রে মাশয় মেঘনালা সমুখিত হইয়া অজস্র বারি- --- গত যােগবাষ্ঠিরামায়ণ ধরা যা আরম্ভ করিবামাত্র মায়াময় অগিবশে হানিবারিত | দ্বিত কোফিলাদির মখুরধ্বনি কাহারই কর্ণগােচর হইল না। তাৎ হইল। এইরূপে কখন অগ্নিবর্ষণকারী অনিচয়ের কার! কালিক অবদনে সকলেরই অনুমান হইতে লাগিল যে, সহকারে পরস্পর সংকটনবশতঃ বিষৰ অগ্নিবৃষ্টি হইতে লাগিল। আজ সুমগণের একাল উপস্থিত। ৪৮-৫৮ কখন বর্ষণ ও কখন বোধজনক আগে নিদ্ৰাজনক অস্ত্র ডিরোহিত হইতে আরম্ভ করিল। কখন অগিৰণাদি অস্ত্র- ষডুবিংশ রূৰ্ণ সমাপ্ত ২৬। নিক্ষেপকালেই প্রতি-বীর কর্তৃক বিষ্মিত, কখন বৃক্ষ নিবারণার্থ ঐকচা বাহিত ও কখনও বা অগ্নিজলাদি অন্ত্রের বিপরীত। সপ্তবিংশ শর্গ। ভাবহেতু রণমূল অল্পীভূত হইতে লাগিল, কখন ব্রহ্মান্ত্রে ব্রহ্মান্তে সংগ্রামক্ষেত, অতি বিষম হইয়া উঠিল এবং কখনও তৈজ বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাঘব ।তৎকালে দেবালুরুষ্টের এবম্বিং সায়ে, তিমিরাস্ত্রেরপ্রভাব বিঘটিত হইতে দৃষ্ট হইল। ফলে ভীষণ সংগ্রাম হইতে লাগিলে, মেয়ােদ তুল্য সুরাসুরগণের সুরাসুঝনিক্ষিপ্ত অস্ত্রসমূহ হইতে প্রাদুর্ভূত বিবিধপ্রকার আয়ুধ- | শরীর-গর্ত হইতে এবম্প্রকাৱে অস্ত্রাঘাতজনিত-রুধিরধারা প্রবাহিত শ্রেণীতে অস্বরতণ পরিব্যাপ্ত হইয়া গেল। যোদ্ধবর্গকে কখন শিলা- হইতে লাগিল, বােধ হইল যেন, অক্ষরতল হইতে গঙ্গাপ্রবাহ বর্ষণাস্ত্রে বিদলিত ও কখন ব্যক্তিবর্ধণাস্ত্রে উদ্ভাসিত দেখা যাইতে! পতিত হইতেছে। এদিকে অপুরবর দাম অনিচয়ে দেবগণকে লাগিল। সেই নিদারুণ রণাঙ্গনে, এবম্বি সুদী রথসকল দৃষ্ট বেষ্টনপূর্বক সিংহৰণ করিতে লাগিল। ব্যালনমিক অনুর হইল যে, তাহাদিগের পতাকাশ্রেণী চন্দ্রমণ্ডল স্পর্শ করিতে সুরগণের আলয়সকল স্বীয় করে আকর্ষণপুৰ্ব্বক চূর্ণ-বিচুর্ণ লাগিল এবং তাহারা ক্রনিকর ঘর ঘরশকে চীৎকার করত করিতে থাকিল এবং কটনামক অসুর ভীমতম সংগ্রামে দেব- মধ্যে উদয় ও অস্তাচল উল্লভলন করিতে থাকিল। ৩৮৪৭। বলকে বিদলিত করিতে আরম্ভ করিল। কিছুক্ষণ এইরূপ ব-প্রহারে যে সকল মহানগণ, অবিরত গতানু হইতে লাগিল, সংগ্রামের পর ঐরাবত ক্ষীণ হইয়া পলায়ন করিলে এবং শুক্রের মৃতসঞ্জীবনী-মহাবিদ্যাপ্রভাবে তৎক্ষণাৎ তাহারা পুনরায় দানধসৈন্য মধ্যাহ্নকালীন দিবাকরের ন্যায় প্রদীপ্ত হইয়া উঠিলে, জীবিত হইতে থাকিল। দেবগণ কখন রণে ভঙ্গ দিয়া পলায়িত দেব-সৈন্যগণ ভগ্না ও ব্যথিত হইয়া রুধিরাক্ত কলেরে ও কখনও বা জমােন্ধত হইতে লাগিলেন। বােন্ধব, কখন শুভ ভগ্নসেতু সলিলের ন্যায় দ্রুতপদে পলায়ন করিতে আরম্ভ করিল। গ্রনিচয়কে উৎপাসূচক মহাকেতু-মালাবােধে এবং কখন তখন অনশ যেরূপ ইন্ধনের অনুগামী হয়, সেইরূপ দাম, ব্যাল ও সেই উৎপাতকর কেহুদিগকেই মঙ্গলসূচক বােধে তদ্দর্শনার্থ কট এই অনুয়ও সিংহনাদ করত তাহাদিগের অনুসরণ করিতে ইতস্ততঃ উদগ্রীব হইতে থাকিল। তৎকালে অখিলপত, লাগিল। কিন্তু সিংহ যেমন নিবিড়লহজালব্যাপ্ত অরণ্যমধ্যে নভােমণ্ডল, বসুন্ধরা, সমুদ্র ও সুরপুরী, এমন কি সমস্ত জগৎই লুক্কায়িত মৃগগণের অনুসন্ধান প্রাপ্ত হয় না, তদ্রুপ যখন তাহারা শােণিতসাগররূপে পরিণত হইল। সুরাসুরগণের দুর্বার-বৈরিত বহুত্ব সহকারে অন্বেষণ করিয়াও দেবগণের সন্ধান পাইল ন', বশত পৰ্বতপ্রমাণ অসংখ্য-শবরাশিতে পরিপূর্ণ, সেই শোণিত, তখন সেই দামাদিদানবত্ৰয় জয়লাভহেতু প্রকৃচিত্তে পাডাল- ময় সংগ্রামসাগর যেন, এক্ষুটিত কিংশুক-কানের ন্যায়, শােভা | অলস্থিত নিজ প্রভু শম্বরের নিকট গমন করিল। এদিকে দেবগণ ধারণ করিল। সন্মগ্র অক্ষশাখার অগ্রভাগে প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড শব-- পরাজিত হইয়া মনে ক্ষণকাল বিশ্রামান্তে জয়ােপাগনিমিত দেহসকল লম্বমান হইয়া, দোদুল্যমান হইতে থাকিল। তাল' অমিততেজা ব্রহ্মার নিকট উপস্থিত হইলে, চমা যেমন সায়ং- বক্ষবৎ সুবৃহৎ এবং দেদীপ্যমান শনিয়রূপ অরণ্যালীতে কালে সূর্যকিরণে লােহিতবর্ণে রতি সাগররির সম্মুখীন হয় নমূল পরিব্যাপ্ত হইয়া পড়িল। উহাদিগের পক্ষসকল পুষ্পের! ভদ্রুপ ভগবান্ ব্ৰহ্মাও রুধির-অরুণিত-মুখমণ্ডল দেবরন্দের সমক্ষে ও ফুলকল ফলসমুহের শােভাবারণ করিল এবং উহাৱা প্রহির্ভূত হইলেন ১-১০। তখন সেই সকল সুরবৃন্দ, ভগবান স্বীয় বেগমারুতেই দোদুলমান হইতে লাগিল। পৰ্বত-এতিম ব্রহ্মাকে প্রণাম করিয়া শানুরের মায়ামৃষ্ট দাম, ব্যাল ও অসংখ্য নর্তনশী-কবন্ধের বিলােল বাহুনিচয় ঘর মেষ, বিমান- কট হইতে আপনাদিগের অনর্থসংঘটন নিবেদন করিলে, তাে ও তারকসকল নিপাতিত হইতে থাকিল, শ, শক্তি, বিচারবিৎ ব্ৰক্ষা সেই সমস্ত আনুপূর্বিক শ্রবণ করিয়া আশ্বাস- গদা, গ্রাস ও পট্টিপ্রহারে বহুল শৈল, ভূগর্ভে প্রোখিত হইতে বাক্যে তাহাদিগকে কহিলেন, দেবগণ। অযুত বৎসরান্তে শর আরম্ভ করিল। উলে সপ্তলােক হইতে, অস্ত্রাঘাতে পরিভউ সমরেশ হরির ছন্তে নিহত হইবে, তােমরা সেই কাল পর্যন্ত ভিত্তিতে, নভােমণ্ডল পরিপূর্ণ হইল। প্রলয়কালীন ফলটার প্রতীক্ষা কর। হে অমরসমগণ। সম্প্রতি ভােলা গানবের গয় অনাত প্রচণ্ড দুতিনি হইতে আরম্ভ হওয়ায়, পাতাল দাম, ব্যাল ও কটের সহিত খাবার মায়াফুদ্ধে এত্ত হও ও পুন ভলস্থিত দিগগজসক, ৎববণে ভিগৱন করিতে আর পুনঃ পলায়ন কর বারংবার যুদ্ধাসবশত উহাদিগের দপবৎ করিল। গণপতি, সুদী-৩ বার পােপম দানবগণকে সুবিমল অন্তরে প্রথমে অহঙ্কার প্রতিবিম্বিত হইবে, পরে ঐ কণ করিতে লাগিলেন। দি সিপতিগণ, মনৰ-ভয়ে দাম, ঝাল ও কষ্টের বাসনা সম্ভব হইলেই উহাৱা জাল একদিকেই মিলিত, সিদ্ধ, সাধ্য ও মরু নিস্পন্দ এবং গন্ধর্ব, বিংশমবং তােমালিশের নিকট পরাজিত হইবে।' হে দেবগণ। কির, আরও চারণগণ পলায়মান হইতে লাগিল। অকালে সম্প্রতি উহার সৰিজন ও সুখ-দুঃখবিবর্তিত বলিয়াই ধৈর্য- সমরত্রের চতুর্দিকে প্রচণ্ড কাবায়ু প্রবাহিতক ন অশনি গুলে দুলতা প্রাপ্ত হইয়া, দিগকে সংহার করিতেছে। বস্তুত পাতে প্রাণিগণের অজসকল বিখণ্ডিত এবং শিলাখণ্ডসকল এই জগতে বাহারাই নারূপ জুতে আবদ্ধ, তাহারাই আশা- বিসিত হইতে আর করিল। তাহার জীষণ শব্দে সুরুজ পাজর বশীভূত হইয়া জুবন্ধ বিহগগণের ন্যায় শক্রয়শপয় দিতি-এ। ৩১ হইয়া থাকে। আর, যাহারা বাসনা-বিহীন ও কিছুতেই আসক্ত ত্বময়ী বাসনার বশভূত হইবে। যখন সেই বিজ্ঞানবিহীন চিত্ত নহেন, আঁহাদিগের মন হরে কারণ উপস্থিত হইলে এই শৰিনিয়ত দাবি, বাসাকে আশ্রয় করিবে, তখনই তােল ও ক্রোধের কারণেও ক্রুদ্ধ না হয়, সেই সকল মহামতি বীরগণকে হাদিগকে জয় করিতে পারিবে। অতএব হে অরণ। কেহই পরাভৰ করিতে সমর্থ হয় না। যাহার কি বাসনা- যাবৎ তার অভ্যাসবশত বাসনান্বিত হয়, তাবৎ তােমরা রজুতে গ্রন্থিবদ্ধ, সে মহাবুদ্ধি ও বহদী হইলেও বালকের যুক্তি অনুসারে যুদ্ধ করত তাহাদিগকে সাংসারিকব্যবহারে নিকটেও পরাভব প্রাপ্ত হয়।১১-২ “এই আমি, ইহা বা অভিজ্ঞ করিতে সচেষ্ট হও। অতি করিতে সচেষ্ট হও। তাহারা বাসনাব হইলেই তাহা আমার” ইত্যাকার কল্পনাপর ব্যক্তিই, সাগর যেমন অখিল তােমাদিগের বশ্য হইবে, নিশ্চ জানিও। এই জগতে যাহা- জলপ্রবাহের আধার-সেইরূপ সর্বপ্রকার আপলের ভাজন হইয়া লিগের অন্তর ফায় নিমজ্জিত নহে, তাহারা কখনই সামান্য থাকে। দেহাদিতে আত্মবুদ্ধিৰণত আত্মাকে পরিচ্ছিন্ন করিয়া হইতে পারে না। সাগগর্ভে বিলােল-লহরীমালায় স্যায় স্বীয় বাহার অসদবিবেচনা আছে, সে সর্বজ্ঞ হইলেও সর্বত্র নিরতিশয় বাসনার অভ্যন্তরেই এই অখিল বিচিত্র জগৎ অবস্থিত রহিয়াছে, দীন প্রাপ্ত হয়। যে ব্যক্তি অপ্রমেয় অনন্ত আত্মার ইয়ত্তা অতএব আহাতে তাহাদিগের বাসনার উদ্রেক হয়, অহাই কল্পনা করে, সে আপনা দ্বারাই আপনাকে সংসারের অন কর্তব্য। ৩১-১। পর প্রায় ক্লিক করিয়া থাকে। কি আশ্চর্যের বিষয়। ব্রিজগতে সপ্তবিৎসর্গ সমাপ্ত।২৭। যদি আত্মভিন্ন কিছু থাকে, তবেই উপাদেয় বুদ্ধিতে আহাতে বানা হইতে পারে, কিন্তু তাহা যখন নাই, তখন জানিনা, কিরূপে বাসনা হয়। অসধ্বস্তুতে যে আস্থা, তাহাই অনন্ত দুঃখের অস্টাবিং সর্গ। এবং তাহাতে যে অনাস্থা তাহাই অনন্তমুখের নিদান, জ্ঞানী- মাত্রেই ইহা বলিয়া থাকেন। হে অমরগণ। সেই দামাদি অসুর বশিষ্ঠ কহিলেন—ভয়ঙ্গমালা যেমন বেলাভূমিতে দশকাল এয় সংসারস্থিতিতে যাবৎকাল অবান না হইবে, তাবৎকাল কলধ্বনি করিয়া আদৃত হইয়া যায়, দ্রুপ ভগবান্ অহ্মা অমরগণকে অনলক পরাজয় কর। মশকগণের পক্ষে যেমন নিতান্ত অসম্ভব, এইরূপ কহিয়া সেই স্থানেই অভহিত হইলেন। তখন সমীরণ তদ্রুপ তােমরা কোনক্রমেই হাদিগকে পরাভ করিতে যেমন পদ্ম-সৌগন্ধ-গ্রহণপূর্বক অরণ্যাবণীতে প্রবেশ করে, পারিবে না। কারণ, কার অনুগামী, দেহাদিতে অহস্তাব- সেইরূপ দেবগণ, ব্রহ্মার মুখমলনিহত উপদেশবাক্য কগোচর থাহিণী অন্তর্বাসনাবশতই সকলে প্ৰজিত হইয়া থাকে , নতুবা করিয়া, স্ব স্ব স্থানে গমন করিলেন। অনন্তর পক্ষসমূহে মধুকর- মশকও অমরাচলবং নিশ্চলভাবে অবস্থিতি করে। যে স্থানে বসল নিকদের স্থায়, স্ব স্ব মনােহরভবনে কিয়ৎকাল বিশ্রামাতে একা বিদ্যমান, সেই স্থানেই সেই বাসনা সুলতাব প্রাপ্ত হয়, আপনাদিগের কল্যাণকর অভ্যুদয়কাল বুঝিয়া পুনরায় প্রলয়কালীন কারণ সগুণ দ্রব্যেই খুণের সম্ভাব থাকে এবং অবয়বে যে ঘনাবলীর নগর্জৎ গতীর দুভিধ্বনি আরম্ভ করিলেন। অন- উচয় ভিন্ন সুলতা হইতে পারে না, সেই উপমও ভাৰ ঘৰ অর পাতালতলসী দৈত্যগণের সহিত গগনণমধ্যে পুনরায় ব্যতীত অভাবের সৃষ্ট হয় না। সুতরাং বাসনা একবার হয় এরূপ তুমুল সংগ্রাম উপস্থিত হইল যে, খান হইতে লাগিল, যেন অধিকার করিলেই ক্রমশঃ বর্ধিত হইতে থাকে। অতএব হে প্রলয়কাণ উপস্থিত। তৎকালে আসি, শর, শক্তি, মূগর, মুষল ক্র। দামাদি অনুনয় যাহাতে “এই আমি, ইহা আমার” গদা, পরশু, চক্র, শঙ্খ, অশনি, পর্বতপ্রমাণ শিলানিচয়, অন, ইত্যাকার বােধ করে, তানুশ উপায় বিধান কর। ২১-২১। বৃন্দ এবং অহিমুখ ও গরুড়মুখাদি বিবিধ অস্ত্র রুল চতুর্দিকে জীবগণের জীবদ্দশায় বা অজীবদ্দশায় যে সকল বিপদ সংঘটিত বিক্ষিপ্ত হইতে লাগিল। অনন্তর মায়াকুত আয়ুধমালারূপ হয় সে সকলই কৃষ্ণরূপ করবল্পীর কটু-কোলমারীস্বরূপ। অলিল-প্রবাহে পূর্ণ কলকল-ধ্বনি-শালিনীরঙ্গিণ চতুকে নির্গত যে ব্যক্তি বাসনা-তন্তু যারা আবদ্ধ, আর সেই বাসনা অতি হইতে থাকি এবং নিক্ষিপ্ত পায়ণপর্বত ও লক্ষ লক্ষ লক্ষ জুখের নিমিত্তই এবুদ্ধ এবং চিরণের এই উত্যও নিচ থাকা উহার রাশি নিদারুল আলােড়িত হইতে আন্ত হইয়া থাকে। ধীর, অতি বহুলশ, সৎসভূত ও মহানুভব করিল। উহায় মধ্যপ্রবাহ সেই স নিক্ষিপ্ত উন্মুক, শূল, শৈy, হইলেও-জীব, শল । সিংহেয় কৃষ্ণাপাশে আবদ্ধ হয়। প্রাস, জসি, কুণ্ড, , কােমর ও মুরনিচয় ভাসমান হইতে দেহরূপপাজপস্থিত এবং হৃষরূপনীড়সী চিত্তরূপবিমের ব্যকিল। ঐ মায়ানদী, নিরন্তর অশনিবৰ্ষণে মেরু প্রভৃতির ব একমাত্র তৃষ্ণাই বাগুরারূপে কল্পিত হইয়াছে। বালক যেমন সকল নেকৱত সূর্ণি পরিবেষ্টনপূর্বক গঙ্গা-প্রবাহের স্যায় অনায়াসেই বন্ধুবদ্ধ বিষণাঙ্গ যুক্ত মিকে আকর্ষণ করে, প্রবলবেগে প্রবাহিত হইতে আরম্ভ করিল। সেই ভয়ণ রণস্থলে দ্রুপ জনগণ বাসনাবন্ধ হইয়া অন্ত কর্তৃক দারুণ আকৃষ্ট হইয়া পর ঈশ মায়া সৃষ্ট হইতে লাগিল যে, কখন যেন বুঝার থাকে। অতএব হে দেবরাজ! এক্ষণে আর তােমাদিগের অর- ঘূণিত ও কখন যেন পতিত হইতে আরম্ভ করিল। জীবগণ বহুনে ও রণ-ক্ষণে প্রয়ােজন নাই, সম্প্রতি হাতে পানির ফেন কখন অব সলিমধ্যে নিমগ, ন প্রচণ্ড অনলে অভিমান সমুৎপন্ন হয়, যুক্তিসহকারে তাহাতেই যত্নবান হও। হে কখন আগে উডীন, ও কখন যেন মগধ্যে নিপতিত অমরনায়ক। যাবৎকাল শক্তগণের তরে বৈধ অক্ষুব্ধ থাকে, এইতে থাকিল। কখন অর রপিচারি প্রাদুর্ভূত তাবৎকাল কি শুক্রাদির নীতিশাস্ত্র এবং কি অস্ত্রশস্ত্র, কেহই হইয়া ইভ সৰুণাজি করিতে লাগিল এবং কখন হায় জা করিতে পারে না। ঐ নাম, য্যাল ও কট খেলিগের পর কাবিধ অস্ত্র-শস্ত্র নি ও গ্রহণ করিতে থাকিল। সহিত পুনঃ মুৱাভ্যাসৰশক্ত অবশ্যই উন্ম-চিত হইয়া অহ- কখন কাশীকৃষ্ণ বিপরীরে বল অ হইতে লাগিল।
যােগবাৰিামায়ণ সুর ও সুর ও সিদ্ধগণ বারংবার এবংবিধ মায়াজাল ছেন অপূর্ব শােভা বিস্তার কত আয়ুধহন্তে চতুর্দিক পরিভ্রমণ করিতে করিতে লাগিলেন ও পুনঃপুনঃ এরূপ প্রাদুর্ভূত হইতে লাগিল, লাখিলেন। তৎকালে বীরগণের অচ্ছিন্ন হপালি আকাশ- বেথ হইল, যেন তাহাই স্থির রহিয়াছে। মায়াভাবে চর্বিকেই মগুলেঅচক শতশার ন্যায় সূর্যমণ্ডল ও দিগবিদিক শােণিতময় সলিল মহাসমুদ্র সকল লক্ষিত হইল এবং আচ্ছাদনকরত ভ্রমণ করিতে আরম্ভ করায় যেখ হইল, যেন উহাতে ভাসমান শৈলােপম লেবারগণের প্রকাণ্ড বলেহে পৃথিবী ও আকাশের অন্তরাল ভীষণ জলাজলে পরিব্যাপ্ত শােমনিচয় তাণীনের ন্যায় শােভা পাইতে থাকি। আর হইয়াছে। সেই সমণে যে সকল অস্ত্র এবং বিবিধ बोमन পপ্রমাণ আয়ুধাতে ভূধর সকল চূর্ণ-বিচূর্ণ হইতে আরম্ভ যে সকল শিলা ও পজি নিক্ষিপ্ত হইতে লাগিল, তৎসমূলয় করিল। ১-১০। লৌহময় মায়া-সিংহ সকল প্রাদুর্ভূত হইয়া পরস্পর আকাতে ও সিংহুন্যকারী বীরগণের আস্ফালনে মধ্যভাগে যথার্থ সজীবৎ সন্ত্রণ করত কচবং নখদন্তহাতে অসংখ্য ফুটিত হইয়া পতিত হইতে আরম্ভ করায়, ধরণী যেন শ লােকের দেহ খণ্ড-বিখণ্ড করিতে লাগিল। কুন্তু, শর, শক্তি গদ, বিদীর্ণ হইতে লাগিল। মেরুপ্রমাণ বীরগণের পরস্পর অঙ্গ- অসি ও চক্ৰসমূহ উদগীরণ এবং সুরাসুরগণ নিক্ষিপ্ত শল- জনিত এবং পর নিক্ষিপ্ত বিবিধ প্রকার অস্ত্র ও বৃক্ষাদিবৰ্ষণ- নিচয় অনায়াসে কবলিত করিতে থাকিল। কখনও মায়াময় মহা- সপ্ত নিদারুণ চটচটা শৰে গগনমণ্ডল যেন ফুটিত হইতে লাগিল বিষধর সকল প্রকাশিত হওয়ায়, সেই সমরক্ষেত্র যেন উড্ডীয় এবং রণস্থল প্রলয়কালের ন্যায় ভীষণ দৃশ্য হইয়া উঠিল। সুরানুল- মান প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড শৈলনিচয়ে পরিব্যাপ্ত সাগরের ন্যায় প্রতীয়- | গণ মায়াভাবে বিবন্ধিত হইয়া এই প্রকার ভীষণ সংগ্রাম করিতে মান হইতে লাগিল। তৎকালে ঐ সকল বিষধরগণের জ্বালা- অগিলে, সমীরণ প্রচণ্ড বেগে প্রবাহিত হইয়া অবােদেশে অলি ও জটিল-লােচন-বিষাগ্নির উত্তাপে দিসমূহ দগ্ধ হইতে আর অলরাশিকে এবং উদেশে সূর্যমণ্ডলকে বিক্ষুব্ধ করত ব্রহ্মাণ্ডের করিলে, জ্ঞান হইল, যেন যুগান্তকালে দ্বাদশ আদিত্যদেবের সৈন্য সর্বস্থান যেন বিদীর্ণ করিতে আৱন্ত করায়, ব্রহ্মাণ্ড আকালিক সকল ক্রীড়া করিতেছে। কখনও মায়াময় নদীসমুহ সুমেরু প্রলয়কালের স্যায় ভীমূর্তি ধারণ করিল। বিশাল পৰ্বত সকল, পরিবেষ্টনপূর্বক এরূপভাবে চতুর্দিক হইতে প্রবাহিত হইতে! নিরবচ্ছিন্ন পর্বতপ্রমাণ অস্ত্রাঘাতে ছিন্নভিন্ন হইয়া সন মন থাকিল, তাহাতে সাগর যেন ক্ষুব্ধ হইয়া রঙ্গমালায় অখিল জগৎ | শব্দে ঘূর্ণমান হইতে হইতে যখন দিগ্-দিগন্ত পরিপূর্ণ করিতে আকুল করিয়া তুলিল এবং উহার অভ্যন্তরে রত্নাদির স্কুটন শব্দ ও লগিল, তখন বােধ হইল, উহাদিগের গুহাভ্যন্তরে প্রচণ্ড বায়ু মাদির অব্যক্তনিনাদ প্রতিগােচর হইতে লাগিল। কখনও প্রবিষ্ট হওয়ায় উহারা যেন ক্লিষ্ট হইয়া চেক শব্দ করিতেছে শৈলাস্ত্র প্রাদুর্ভূত হওয়ায়, গরুড়াস্ত্র প্রকাশিত হইয়া শৈল সকল এবং কেশবিগণ ভীতচিত্তে ইতস্ততঃ সরণপূর্বক সিংহনাদ উৎপাটনপূর্বক চতুর্দিকে বিক্ষিপ্ত হওয়ায় ; উল্লিখিত বিষধরনিকর। কায়বােধ হইল যেন ক্রন্দন করিতে আরব্ধ করিয়াছে। ডিলোহিত হইতে লাগিল। ফলে মায়াভাবে মানুষগণের ২০-২৫। মায়াময় নদী, জলধি, যােদ্ধবর্গ, ঘন অখিদাহ, বক্ষসমূহ, সমরাঙ্গণ গগনমণ্ডল কখন জলধিজলে বিত, কখন অগ্নিভেজে রামরদিগের শবদেহ, শৈলপু, শিলা-নিচয় এবং বায়ুচালিত গন্ধ কখন সুৰ্যকিরণ্যাকুলিত ও কখনও বা গভীর অন্ধকারে বন-পত্ৰবং চতুর্দিকে ভ্রমণশীল শর, অসি, শক্তি ও গঙ্গা প্রভৃতি আচ্ছন্ন হইতে থাকিল। মাসষ্কৃত গরুড়নিচয়ের গুডড ধ্বনিতে অত্রশস্ত্রে রণক্ষেত্র ও অন্তরীক্ষ পরিব্যাপ্ত হইয়া পড়িল। সুমেরু সমাকুলিত অজয়ীকে মায়াময়পর্বতপুঞ্জ ও অশ্রানল নিরন্তর গিরির প্রত্যন্তপণ দুর্বার মাগণের সুহৎ শরীরসমূহ প্রস্ত হওয়ায়, বেধ হইল, যেন ভূবনান্তরাল কান্তানলে গুলিত দ্বারা গমনাগমনের পথ নিরুদ্ধ হইল এবং পতিত বীরগণের শরীরে হইতেছে। শৈলট হইতে বিহুনিচয়ের ন্যায় অনুগণকে ভন্ন পর্বতসমূহে ও প্রচণ্ড মারুবেগবশতঃ চূর্ণ-বিচুর্ণ মন্দিরে বসুধাল হইতে সবেগে গগনতলে উখিত এবং সুরগণকে প্রলয় সাগরসলিল পরিপূর্ণ হইয়া গেল। তৎকালে বীরগণের নিরন্তর মারুতচালিত শৈলশিলাবৎ 'গগনতল হইতে ভূতলে নিপতিত ঘুমঘুমধ্বনিতে অন্তৰী পরিব্যাপ্ত এবং রুধিরপ্রবাহে ধরণী হইতে দৃষ্ট হইল। সুরাসুরগণের শরীরবিদ্ধ সমুন্নত শরদগুনিচয় ও ধরাধর সকল প্রকাশিত হওয়ায় ব্রহ্মাণ্ডের যেন রাক্ষসালিবৎ রূপ বনাবলীতে মায়াগ্নি সংলগ হওয়ায়, কলাম্বি-প্রজ্জ্বলিত ভূখর ভীষণভাব ধারণ করিল। অনন্ত আত্মচৈতন্যেও অগবিকায়কারী মূহের ন্যায় গগনালে তাহার শােআন হইতে লাগিলেন। এবং জয়ােমুখ ব্যক্তিগণের লয়ে দুঃখের ও উদয়ােম্মুখ জীগণের সুষমগণের পতিতাপম বিশাল কলেবর হইতে অবিল বিলি- অন্তরে সুখের প্রকাশক সর, যেমন শাস্ত্রীয় চিত্তবৃত্তি ও গত সর্বদিকগ্রস্ত শােণিতপ্রবাহে আকা গঙ্গা পরিপূর্ণ হওয়ায় শাস্ত্রীয় চিত্তরঞ্জিরূপ লব ও দেবতাগণের পরস্পর সংঘলে বিষয়- তৎকালে বােধ হইল, যেন সুমেরু চতুর্দিী গানরূপ নায়ক, ভাৰবারণ করিয়া থাকে, তদ্রুপ মুরগণের সেই রণ-ক্রিয়াও সরূপ নায়িকার নখত বারণ করিয়াছে। কালে নীভিজ্ঞ এলােচন ই এভৃতি দেবগণের অন্তরে আদিবিকারসঞ্চার দেবদানবগণ, অস্ত্রখাতে অসংখ্য মহাউনলের ভিত্তি সকল বিদলিত এবং মুখ ৰীগণের লয়ে দুখসঞ্চার ও উহােম্মুখ বীরগণের করত উংসবৰিশেৰে ক্রীড়া নলব (পিচকারি) দ্বারা কবিগণের জল মুখসঞ্চার করত দেবানগরে পরস্পর সংঘর্ষ কোপরি কুমরসাজিয়ে তা পরশ ছুর্দিকে ফুৎ অভিনয় বিষম হইল। ২৬-৩। বিরিবর্ষণ, অবর্ষণ, বিবিএকার ভীষ বি, যিনি যও বিবর্ষণ আরম্ভ করিলেন।১১৯ কখন দেবদাস অষ্টাবিং সর্গ সমাপ্ত।২৮। পর পর উৎসাহ-সহকারে ব্রাহ্মণশার বিন ওমানি দিগগজগণের বংশদ্ভূত এফ এও মা নিয়ে সাত পৃশে সবেগে আরােহণপক গেমলে স্থিতি-প্রকরণ এনেত্রি-শর্গ F সংহাসােদ্যত সমুখগত প্রতিপক্ষীয় যােদ্ধাকে সংহার করিতে অপারগ হইয়া পড়িল। তখন, প্রহলােদ্যত দেবগণ হাদিগকে বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাঘব! অনন্ত প্রাণীর প্রাণসংহারক মশকতুল্য জ্ঞাৰ করিত্বে গিলেন এবং তাহারা সামান্য যোঙ্গার অসুরগণ, ঈশ নিদারুণ সংগ্রাম করা সহসা নিরতিশয় ক্রুদ্ধ ঝান্ত বিক্ষত হইয়া অবস্থান করিতে লাগিল। অধিক কি হইয়া পুনরায় পূর্বাপেক্ষা তুমু। সংগ্রাম করিতে আৰম্ভ করিল। দেবগণ তাহাদিগের প্রতি প্রধাবিত হওয়ায় তাহার মৃত্যুয়ে অনন্তর দেবগণ, কখন মায়াবিস্তার, কখন বাগযুদ্ধ কখন সন্ধির ভীত হইয়া, সমরাঙ্গণ পরিত্যাগপূর্বক পলায়ন করিতে আরম্ভ প্রস্তাব, কখন মল্লমুক্ত, কখন পলায়ন, কখন বৈঠাবলম্বনপূর্বক করিল। ১১-১। সেই সুপ্রসিদ্ধ দাম, ব্যাল ও কট নামক যুণক্ষেত্রে অবস্থিতি, কখন প্রচ্ছন্নভাবে আত্মরক্ষা, কখন দীনত অসুরত্রয়, ভীত হইয়া, সুরালয়ে পলায়ন করিল দানবসৈন্যগণ, শি, কখন অস্বযুদ্ধ ও কখনও বা বারংবার পলায়ন করিতে প্রলয়-মারুতাহত তারকারাজির ন্যায় গগনজন হইতে চতুর্দিকে লাগিলেন। তাঁহাদিগের প্রথম যুদ্ধ ত্রিশবৎসর, দ্বিতীয় যুদ্ধ পাঁচ নিপতিত হইতে লাগিল। তৎকালে সেই সমস্ত পর্বভেপম বংসর আটমাস ও দশদিন, তৃতীয় বুজ দ্বাদশদিন হইয়াছিল। ঐ দীর্ঘ অনিচয়, বিদীর্ণ-কলেবর ও ছিন্নকর-চরণ হইয়া, কেহ সংগ্রামে কখন প্রভূতরক্ষবৃষ্টি, কখন অগ্নিবৃষ্টি, কখন অস্ত্রবৃষ্টি, কেহ সুমেরুকুঞ্জে কেহ কেহ শিরাগ্রভাগে, কতিপয় সাগরতটে, কখন অশনিরষ্টি ও কখন পতবৃষ্টি হয়। হে রাম। এই কাল- কতিপয় জলপটলে, কতিপয় সমুদ্রের আবৰ্ত্তৰূপ গমধ্যে, কতিপয় মধ্যে পূর্বোক্ত দামাদি অনুষত্ৰয়, অতির দৃঢ় অভ্যাসবশতঃ পৰ্বতলি গুহায়, কতিপয় জলপূর্ণ নদীতে, কতিপয় জঙ্গলে, কতিপয় অহবাসনা দ্বাৰা গ্ৰ-চিত্ত হইয়া তাহাতেই অনুরক্ত হইল। দিগন্তে, কতিপয়, প্রজলিতকাননে এবং অপরাপর সকলে সুরাসুর- অতিশয় নৈকট্যহেতু কোন বন্ধু যেমন গর্গণে প্রতিবিম্বিত গণের অস্ত্রপ্রহারে উচ্ছিন্ন বিবিধদেশ, গ্রাম ও নগমধ্যে, হিংস্র হয়, সেইরূপ অভ্যাসের অডিশষ্য নিবন্ধন তাহাদিগের হৃদয়- অব্যাপ্ত অটবীতে, মরুভূমিতে, দাবানলমধ্যে, লােকালােক-পৰ৬ অর্পণেও অহঙ্গার প্রতিফলিত হইল। দূরবী বস্তু যেমন দর্পণে প্রান্তে পর্বতসমূহে, হ্রদনিচয়ে, আন্ধ্র বিড় কাশ্মীর ও পারলীক প্রতিনিধিত হয় না, তং পদার্থ-বাসনাও অভ্যাসের অভাব পূব, নানা সাগর-রঙ্গমধ্যে, গঙ্গা-সলিলরাশিতে, দ্বীপান্তরে, মৎস্য- ইলে ঈদয়ে স্থান পায় না। দামাদি, যখনই “অহং আত্মা” বেনজালমধ্যে, মুখণ্ডে ও লতানিচয়ে পতিত হইল। তাহ- এবংশি বাসনাথিত হইল, তখনই তাহারা আমার জীবন, আমার দিগের মধ্যে কতকগুলির অন্ত্ৰী সকল বৃক্ষশাখায় সংলগ্ন, অর্থ ইত্যাদি ভাবনা দ্বারা দীনতাপ্রাপ্ত হইয়াছিল। অনন্তর কতকগুলির শরীর হইতে রক্তচ্ছটা প্রবাহিত, কতকগুলির স্তক তাহারা আমার দেহ রােগ ও ভােগম হউক” ইতাদি মোহ- হইতে কিরীট সকল বিপর্যস্ত ও কতকগুলির চরণ বিবি বাসনা এবং “ইহা কত্তব্য, ইহা অকৰ্তব্য” ইত্যাদি ভলবসনাগ্রস্ত হইতে লাগিল। কাহার কাহার চক্ষুঃ কুপিতের স্যায় ভীমদর্শন হওঘায় আশাপাশে বদ্ধ হইয়া পরমকাতরতা প্রাপ্ত হইয়াছিল। ও কাহার কাহার হস্তে অস্ত্রশস্ত্র বিরাজমান। কতকগুলির ধর্ম তৎপরে, রজতে ভুজঙ্গনার ন্যায় সেই অহঙ্গারবিহীন দামাদিও ও সকল বিপক্ষীয় মায়া ও অস্ত্রপ্রভা। ছিন্নভিন্ন এবং বহুদুর পীয় হৃদয়ে মমতা কল্পনা করিল। ১-১০ | তখন তাহারা হইতে পতনজন্য কতকগুলির নানাপ্রকার আয়ুধ ও গাত্ৰাৰ “আমার এই অপদ মন্থক সমস্ত শরীর কি প্রকারে স্থিরতাপ্রাপ্ত সকল বিপর্যস্ত হইয়া পতিত হইতে লাগিল। কতকগুলি, কঠে হইবে” ঈশ তয় কাতর হইই দীনতা প্রাপ্ত হইল। “আমার লম্বমান শিরস্ত্রাণের চটচটাশব্দে নিরতিশয় ভীত হইতে থাকি। দেহ চিরস্থায়ী ও আমার ধন মুখের নিমিত্ত হউক”এংবিধ বাসনায কতকগুলির শিখরশিলায় মস্তক প্রােথিত হওয়ায় দেহভাগ লক্ষ- বচিত হওয়ায় তাহাদিগের সেই অতুলধৈৰ্য্য বিলুপ্ত হইয়া গেল। মান হইতে আরম্ভ করিল। কতকগুলি, শালির অগ্রভাগে সেই অনুরত্রয়ের অন্তর, এইরূপ বাসনাবদ্ধ হওয়ায়, শরীরসামর্থ্য নিপতিত হওয়াতে, কণ্টকালাহইয়া নিদারুণ ক্লেশ ভােগ করিতে ক্ষীণতাপ্রাপ্ত হইলে, শত্রুগণের প্রতি যে অসাধারণ প্রহার-পরতা লাগিল। কতগুলির সুকঠিন শিলাফলকে আস্ফালন মন্তক ছিল, তাহা অবিলম্বে মার্জিত লিপির ন্যায় কার্যক্ষম হইল , শতধা বিদীর্ণ হইল। বর্ষাকালীন খারাপাতে ধূলিপটল যেরূপ তখন ‘কিপে আমরা এই জগতে অমরত্বলাভ করব।” এই- | বিলয় প্রাপ্ত হয়, তদ্রুপ সমুদয় অসুরেন্দ্রগণ, সমরাঙ্গনে বিবিধ- রূপ চিন্তায় আকুল হইয়া, সলিবিহীন পদ্মের ন্যায় স্নানভাব ' অস্ত্র-বর্ষণ আরম্ভ হইবার পর, এইরূপে দিগদিগন্তে বিনষ্ট হইয়া ধারণ করিল। এইরূপ তাহাদিগের হৃদয়ে অহঙ্কার প্রাদুর্ভূত গেল। ২-৩৪ । হইলে, রমণী ও অনাদি উপভােগ অবিলম্বেই পুনঃপুনঃ অ-মৃত্যুর কারণ প্রগাঢ় বিষয়ানুরাগ সমুপস্থিত হইল। কিন্তর একোনত্তি সর্গ সমাপ্ত। অরণ্যমধ্যে কুমিত মত্ত- মাজদর্শনে কুরাণবৎ সেই রণক্ষেত্রে ভয়হেতু আত্ম-জীবনের প্রতি মম করিতে লাগিল । সেই ত্রিংশ সর্গ। সমরাঙ্গণে ঐরাবতহস্তী - ক্রু হই, যখন সকলকে বিমথিত করিতে আর করিল, তখন সেই গদি অসুত্রঃ, আমরা বশিষ্ঠ কহিলেন,—এইরূপে দানবগণবিন ও দেবগণ আনতে মরিলাম মল্পিলাম এইরূপ চিন্তাকুণ-হৃদয়ে জয়ে মল মন্দ ভ্রমণ হইলে দাম, কাল, কট বিষয় ও অলি হইল। অনন্ত করিতে লাগিল। এইরূপে তাহারা মরণভয়ে ভীত ও একমাত্র সৈগণকে নিহত দেখিয়া শহর, জাম, শ্যাল ও কটের প্রতি শল্পীরের প্রতি অনুরক্ত হইয়া, শীল হওয়ায় শত্রুগণের অজ্ঞ- সাতিশয় ক্রুদ্ধ হইয়া তাহার কোথায়” এই বলিয়া কাকালীন ভাজন হইল । অনন্তর ইল কাপ্ত হইলে যেরূপ, এভশনের প্রজ্জলিত ইয়া উঠিল। তখন দাশ, বাত, কট, হকি অন্ধ করিতে কম হয়, সে তাহারা বহল হইয়া রে ভয়ে স্থান পরিত্যাগপূর্বক যখন মৃত্যু হয় অলি- 1 ৩৪ বােগবাশিষ্ঠ-নামায়ণ এনের ভীতিপ্রদ নরকার্ণবপালক যমকিরগণ পরম কুতুহলে। হইতেই এই সুবিস্তৃত শাখা-প্রশাখায় জটিল সংসাববিষাগরী অবস্থান করিতেছে, সেই সম পাতালে গমন করত অবস্থিতি সমলিত হইতেছ। অতএব হে রাম। আন্তরীণ যান্সিয় দ্বারা করিতে লাগিল। তৎপরে সেই নিতীয় ধমকিঙ্করগণ তাহা অহঙ্কারকে বিদূরিত কর এবং আমি কিছুই নই, এবংবিং ভাবনা দিগকে অভয়দানপূর্বক ক্ৰমে প্রত্যেককে এক একটী মূর্তিমতী | করত সুখী হও, রসায়নময় সুশীতল পৰ্থ-স্বরূপ ইমণ্ডল চিন্তাস্বরুপ কন্যা প্রদান করিল। তখন তাহাৱা, আমার | অহঙ্কারকপ জলদাবলীতে আচ্ছাদিত হওয়ায় অদৃশ্য হইয়া থাকে। এই কামিনী, আমার এই কন্যা, আমার এবংবিধ প্রভু ঈদৃশ ' রাম। মায়ংপ্রভাবে সমুদভূত দাদি অনুত্রয়, অসত্য হইলেও সুট শেপাশে নিবদ্ধ ও অসীম কুবাসনায় মলিনচিত্ত হইয়া, অহঙ্কাররূপ পিশাচকর্তৃক আক্রান্ত হওয়ায় সত্তা প্রাপ্ত হইয়া দশসহ-কাল তথায় অবস্থানপূল জীবিতকাল অতিবাহিত সম্প্রতি কাশ্মীরদেশে মহাঅরণ্য-মধ্যবর্তী পলমধ্যে মৎশুরুপে করিল। অনন্তর একদা ধৰ্ম্মরাত, মহাক-কাধের বিচারার্থ শৈবালকতক্ষণলালসায় অবস্থিতি করিতেছ। রামচন্দ্র বলিলেন, যদৃচ্ছাক্রমে তথায় উপস্থিত হইলে তাহারা তাহাকে চিনিত না, মুনিবর! অসভের সম্ভাব ও সতের অসভাৰ কখনই হয় না এজন্য সামান্য কিবােখে আপনাদিগের বিনাশের জন্য হকে অতএব দামাদি অসন্ময় হইয়াও কি প্রকারে সদ্ভাব প্রাপ্ত হইল, প্রণাম করিল না। ১-১০। অতঃপর ধর্মরাজের ভঙ্গিমাত্রে ইহা আমায় বলুন। ১-১০। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে মহাবাহো। কিরগণ সেই অনুন্নয়কে এলিত ভীষণ ভূমিখণ্ডে নিক্ষেপ অসৎ কখনই সৎ হয় না, ইহা যথার্থ, কিন্তু সং কিঞ্চিৎ করিল। ভয় সেই অনুর স্ত্রী-পুত্রাদি বন্ধু-বান্ধবগণের সহিত হইলেও কখন বৃহৎ ও কখন যা সুহ্ম, হইয়া থাকে। যাহাই ক্রন্দন করিতে করিতে দাবানলে পত্রাদিপূর্ণ ক্ষুদ্র বনরুনিচয়ের হউক, এক্ষণে বল দেখি, অলংই বা কি? আর সই ৰা যায় ভস্মীভূত হইল। অনন্তর তাহারা স্বীয় ক্রুর বাসনাহেতু কি ? আমি সম্যক নিদর্শন দ্বারা সেবিষয় তােমাকে বুঝায়। পূনরায় বন্ধককারী কিরাতরূপে জন্ম গ্রহণপূর্বক কিরাতরাজের দিতেছি। রাম কহিলেন-হে ব্ৰক্ষন। আমরা সৎ, সুতরাং কিঙ্কর হয়। তৎপরে কিরাতদেহ পরিত্যাগপূর্বক কোন রঞ্জ- সংস্বরূপে অবস্থিত, কিন্তু আপনি বলিতেছেন, দামাদি অসৎ মধ্যে বাসরূপে জন্মলাভান্তে ক্রমে গৃঞ্জ ও শুকযােন প্রাপ্ত হইল। হইলেও স্বরূপে অবস্থিতি করিতেছে, ইহা কি কার ? ৰশিষ্ট অন্তর সেই অসদাশয় অদুরত্রয়, কিয়দিবস ব্রিগর্ভদেশে শূকর, কহিলেন-হে রাম। মায়াময় দামাদি অসং হইলেও যেমন, পরে বিধিৰ পৰ্ব্বতে মেষ ও পরে মগদেশে কাটদেহ ধারণ মরীচিকাজলবং সৎস্বরুপে প্রতীত হইতেছে, সেইরূপ সুরাসুর করিয়া বিচরণ করিল। হে রাম। তাহারা এবম্প্রকারে অন্যান্য ও আমারা সকলেই অসৎ হইয়া ও স্বৰূপে অবস্থান ও গমনা- বিচিত্র যােনি পরম্পরায় ভ্রমণপূর্বক সম্প্রতি কাশ্মীরদেশে অরণ্য- গমন করিতেছি। কিন্তু বস্তুতঃ সৰস্থায় স্বীয়মরণের ন্যায়- মধ্যবর্তী ক্ষুদ্র জলাশয়ে মা-দেহ ধারণপূর্বক দাবানলতাপে সত্যবং প্রতীয়মান হইলেও তুমি ও আমি সমস্তই অলীক ও উত্তপ্ত অত্যল্পমত্রি অবস্থিত কর্মময় জলবিন্দু পান করত শুষ্ক অসৎ, যেমন স্বপ্নে কোনর মৃত্যু অনুভবসিদ্ধ হইলেও উহা শৈবলজিতে রিতকলেবর হইয়া না-মৃত ও নজীবিত অসত্য, সেইরূপ এই ব্যক্তি মরিয়াছে, এই জ্ঞানও অসত্য রূপে অবস্থিতি করিতেছে। সেই দানবত্র পুনঃপুনঃ এইরূপ জন্ম- এবং এই জগৎও অসত্য। যে ব্যক্তি, এই জগতে সত্যতা নিশ্চয় লাভ করিয়, সাগরের তরঙ্গাবলীর ন্যায় বারংবার উৎপন্ন ও রং- করিয়াছে, সে অতিমূঢ়, তাহাকে “এই জগং অলীক” এ কথা বার বিনষ্ট হইতেছে। চিরমুট মাদি, সংসার-সাগরে সনা বলা কখনই শােভা পায় না। কারণ, পরমার্থতার বিচরাভ্যাস রূপন্তু দ্বারা অৰি থাকিয়া দেহ পরস্পরুপ ভাবলীতে তৃণবং ভিন্ন সে যাহা অনুভব করিতেছে, তাহার সে অনু অনুভবের কোন পরিচালিত হইতেছে, অদ্যাপি তাহার শান্তি নাই, অতএব হে এমেই বিলােপ হইতে পারে না। ১১-১৯। অনুয়ে যে নিশ্চয় রাম। দেখ দেখি, বাসনার কি দারুণ কান্ত মহিমা। ১১-১৮। বল হয়, পরমার্থবিচারাভ্যাস ব্যতীত এ জগতে কখনই কাহারও খ্রিম সর্গ সমাপ্তা | অহা নাশ পায় না। যে বলে “এই অগং অসত্য, একমাত্র ব্রহ্মই সত্য মূব্যক্তি তাহার কথায় উন্মবং তাহাকে উন্ম- বােধে উপহাসকরিয়া থাকে, মদিনােত ও বিমদ্যক্তির, অন্ধকার একত্রিংশ শর্গ। ওআলােকে এবং ছায়া ও আপেযেমন কুত্রাপি ঐক্য হয় না, তদ্রুপ অয় ও প্রাজ্ঞব্যক্তি বােধ বিষয়ে কোনক্রমেই * রুশষ্ঠ কহিলেন-হে মহাতে রাম। এই নিমিত্তই আমি এত সবে না। ব্যক্তিকে মুষঙ্গে বুঝাইয়া দিলেও তােমার প্রবােধের অঙ্গ দাম, কাল ও বটে দৃষ্টান্ত বার। কহি- তাই অন্তর ও বাঙ্কে যে দ্বৈতজ্ঞান সমূদিত হইয়াছে, সে কোন- অছি, দাম, ঝাল ওকটের গায় ভােমার অবস্থান না হউক। ক্রমেই তাহার সদ্য বিষয়ে অপহ করিতে সক্ষম নহে। অবিবেক বশতই অনন্ত বৰাভা ভােগের জন্য চিন্ত, অবলীল- তাহার সে চেষ্টা মৃতদেহের অঞ্জ ভ্রমণচেষ্টার ন্যায় বিলমাত্র। এসে ঈদৃশ আপদগ্রস্ত হইয়া থাকে। হায়! উহাদের সেই শুরু- এই অখিল জগই একমাত্র ব্রহ্ম এই বাগে অজ্ঞ সংরক শম্বসেনাপতিই ॥ কোথায়, আর আগতক-পৰু ব্যক্তির কাট সত্য হয় না, কারণ সে অপােবিদ্যাদির অভৰ মধ্যে জর্জরিতকলের মীনই বা কোথায়। সুরসৈগণের অ' সংস্কারের অভাৰ নিৰক্ষনসই কেৰল সংস্কাৰৰ সংহারকর সেই বিপূল ধৈৰ্য্যই বা কোথায়? আর কিরাজের সলনি করিয়া থকে। রাম। যাহারা অল্পবুদ্ধিসম্পন্ন, তাহাদিগের র কিই বা কোথায়? এবং কোথায়ই বাসেই হর- প্রতিই “অর্ণং ব্ৰংএইরূপ বাকয়ােগ শােভা পায়, ডুব বিহীন চিলভার গভীর ধীরতা আর কোথায়ই বা মিথ্যা বানে বেশ জ্ঞানী, তাহাকে ঐরূপ বাক্য বলা যায় না, কারণ, বশতঃ অহঙ্কায়ে কু-কনা। একমাত্র অহঙ্কারের আর তার এই অধি” ইত্যাকার কোন জনই নাই। ব্যক্তি ।
ঘিাত-প্ররণ। . এইবি-ব্রহ্মাণ্ডকেই কেবল মাত্র সেই শান্তিময় পরব্রহ্ম ৰলিয়া , যায় না। বহুত এই সুবিশাল জগৎ একমাত্র শান্ত ও সৎ এ- বােধ করিয়া থাকেন, তাহার সেই জ্ঞানের বিলােপ করা কাহারই | ময়। অতএব হে রাম। তুমি ভেদজ্ঞান শােকভয়াদি পরিত্যাগ- সাধ্য নহে। আমাতে যে পরমাত্মা ভিন্ন কোন বিশেষ আছে, | পূৰ্ব্বক পূর্ণব্রহ্মরূপে অবস্থান কর। স্থির' জানিও টিকলিল- তাঁহাদিগের সে ধারণাই নাই, সুবর্ণ এবং অঙ্গুরীয়াদি যেমন পলের স্থায় এই অন্তত ঘনকার অs, কেবল সেই চিন্ময় অভেদ, তদ্রুপ তাহাদিগের আহ্বাতেও পরমাত্মভে নাই। এবং পরমাত্মার প্রতিবিম্ব মাত্র, কুত্রাপি ইহার অস্তিত্ব নাই, বাহা মূঢ়ব্যক্তির আত্মাতে অঙ্গুরীয়াদি জ্ঞানে সুবর্ণের ন্যায় পঞ্চভূরে আছে, তাই সেই ব্ৰহ্ম, ব্ৰহ্মই ক্লিাজ করিতেছেন। ৪০-৪৮। কাৰ্যকারণমাত্ৰ-স্বরূপ ভুততা ভিন্ন অপর কিছুই প্রতীত হয় না। একত্রিৎশ সর্গ সমাপ্ত। ৩। অধিক কি, জ্ঞানী ব্যক্তির পরমার্থতাজ্ঞানই নাই। মূঢ়ব্যক্তি, যিখ্যা অহাৰময়, আর সুধী ব্যক্তি একমাত্র সত্য পরমাত্মময়। উভয়েরই স্বভাবের অপহ্ন কিছুতেই করা যায় না। ২০২১। ফলতঃ ( বাত্রিংশ পর্গ। ঘর, আহার তাহাতে অপহ্ন কিরূপে সবিতে পারে ? পুরুষের “আমি ঘট” ঈদৃশ বাক্য উন্মগ্রলাপমাত্র। অতএব আমরা ও রাম কহিলেন—দ্বিজবর। যপিশাচাদিবৰ সংৰূপে প্রতীয়- জামাদি সকলেই অসত্য, কদাচ সত্য নহে, কখনই আমাদিগের মান হইলেও যথার্থরূপে অং, উক্ত দাদির কিরূপে দুঃখের অস্তিত্ব সবিতে পারে না। রাঘব। একমাত্র সত্য সংবেদন- অবসান হইবে ? বশিষ্ঠ বলিলেন, হে রঘুঘই। দামাদির । স্বরূপ, শুদ্ধ, নিরঞ্জন, সর্পগত, শান্ত, আমােদরহিত, নিশূন্য, যমকিঙ্করগণ, যমরাজের নিকট ঐ বিষয় প্রার্থনা করিলে যমরাজ সময় অথচ অকিদ্ধিপে অবস্থিত বােধাকাশকেই সত্য বলিয়া যেরূপ কহিয়াছিলেন, এবণ কর। তিনি বলিলেন, যৎকালে জামাদি জানিবে । এই সৃষ্টি-পরম্পরা সেই সুবিমল বােধাকাশেই প্রতি পরস্পর বিযুক্ত হইয়া নিজবিবরণ শ্রবণ করিবে, তৎকালে উহারা ভাসিত হইতেছে। যেমন দোষকলুষিতনে মানবের সহজ দৃষ্টিই মুক্ত হইবে, ইহাতে সংশয় নাই। রাম কহিলেন, গর্ব। কেশৌকাধিক প্রতিভাত হয়, সেইরূপ আমাদিগের দৃষ্টিও উহারা কৰে কিপ্রকারে কোথায় ব্যবৃত্তান্ত শ্রবণ করিবে, আপনি সেই আকাশে জগৎপে প্রতিসিত হইতেছে। সেই চিনাকাশ তদ্বিষয় যথাক্রমে বশন করব। বশিষ্ঠ কহিলেন, কাশ্মীর প্রদেশে আপনাকে যেরূপে ভাবনা করেন, তৎক্ষণাৎ সেইরূপেই অনুভব কমলরাজি-বিরাজিত মহাসমােবর-তীরবর্তী কোন ক্ষুদ্র জলাশয়ে কবিষ। থাকেন, তজ্জন্য জগৎ অসত্য হইলেও তাহার গর্শন বারবার মংঘােনিতে জন্মগ্রহণপূর্বক নিদাকালে মহিদি সত্যৰূপে অনুভূত হয়। সেই নিমিত্তই বলিতেছি, জগয়- জন্তুগণকর্তৃক ঐ জলাশয় আলােড়িত হওয়ায় নিয়ত কাত্ম হইয়া মধ্যে আত্মভিন্ন সত্য বা অসত্য কিছুই নাই, যেহেতু সেই কালে কালকবলে নিপতিত হইবে। পরে সেই পদ্ধনিকর-শােভিত চিৎপরূপ যখন যাহা বােধ করেন, তখন ভদ্রপেই সমূদিত হইয়া সরােবরে ভুল-ভূষণ সরসরূপে উৎপন্ন হইয়া কখন প্রস্ফুটিত খাকন, ইচাতে কিছুমাত্র সংশয় নাই। তাঁহার অনুভব বশত কলারমালায়, অঞ্জন সরােজমালামধ্যে, খনশৈবালৰঞ্জীনি রে, জামাদি যেমন উৎপন্ন হইয়াছিল, আমরাও সেইরূপ , অতএব কখন বিলােলাবণীতে, কখন দোদুল্যমান কুমুনিচমে, কখন হে রম। এবিষয়ে আর সত্যাসত্য-বিকল্পনা কি ? সেই অনন্ত নীলােৎপললতাসমূহে, কখন সঞ্চরমাণ জলদাবলীপ্রতিম শীকর- সৰ্বগত নিরাকার চিদাকাশের %ি যেরুপেই উদিত হন, তিনি রাখিতে ও কথন বা সুশীতল সলিলাবণীতে বিহার করুত মুং সেইরূপেই প্রণ্ডিত হইয়া থাকে, হাৰ চিৎ যখন বিবিধােগ উপভোগ করিবে। এইরুপে তাহারা তথায় বহুকাল দলিপে সমূদিত হইয়াছিল..এখন জাকার-অনুববশতঃ বিহারাদ্যে কালক্রমে শুদ্ধচিত্ত ও পরস্পর বিযুক্ত হইবে। সত্ব, রজঃ তিনি স্বয়ংই তদ্রুপতা লাভ করিয়াছিলেন। ৩০—৩১। যখন ও ওমােখয়ে ন্যায় উহার যদৃচ্ছাক্রম ভেদ প্রাপ্ত হইয়া মুক্তির অম্মদিস্বরূপে বিকাশ পাইয়াছে, তখনই তা অনুহেতু নিমিত্ত বিচার-বুদ্ধি লাভ করিবে। রাম। এইরূপে উহারা সারস- অম্মাদিরূপে উদ্ভূত হইয়াছেন। এক্ষেত্রে সূৰ্য্যতাপের জল- দেখ পরিত্যাগপূর্বক পরস্পর বিষুক্ত হইয়া যেরুপে মুক্তি লাভ ৰূপতাৰং সেই চিদাকাশের স্বীয় স্বল্প প্রতিতাসেরই নাম জগৎ। করিবে শ্রবণ কর।১—১০। কাশ্রীতমণ্ডলের মধ্যে বিবি বর সেই চিদাকাশ, অগবিষয়ে জাগরূক থাকিলেই দৃশ্য অগং নামে ও শেলাজিরা সুশােধিত অধিষ্ঠান নামে কোন এক মনোহর কল্পিত ও যখন সুষুপ্ত থাকেন, তখনই মােক্ষনামে অভিহিত হন। নগরে প্রশেখর নামে এক পকোকৃতি অতিউচ্চ গিরিশৃঙ্গ কিন্তু বাস্তবিক, তিনি কখনই সুপ্ত ॥ প্রবুদ্ধ নহেন, উহাও সমুভূত হইবে। গিরিষরের শিউপরি সেই মধ্যে কল্পনামাত্র। এই অখিল দৃশ্য জগৎকেই একমাত্র ব্রহ্ম জলিবে। প্রাসাদশ্রেণী-শােভিত অপর এক শৃঙ্গবং এক গৃহ কোন রাজার সুস্রাং, এক-পরিচায়ক-শব্দয়ের ন্যায় সর্গ ও নির্বাণ এই আজ্ঞায় নির্মিত হইবে। সেই গৃহের ভিত্তির উভাগে ইন- উভয় শব্দের কিছুমাত্র অর্থভেদ নাই। দোষতিমিরাচ্ছন্ন চক্ষু কোণে শিলাসরি ছিমধ্যে অবিশ্রান্ত বায়ুবিকশিত তৃণময় যেরূপ আপনিই কেশো নিরীক্ষণ করে, ভদ্রুপ পরমাত্মাই একটা নীড়ের অভ্যন্তরে সেই ব্যাতনামক জনৰ সাসলেহান্তে আপনি আপনাকে জগপে অবলােকন কৰি থাকেন। কিন্তু চটকপক্ষীরূপে জন্মগ্রহণ করিয়া মত অক্ষত্র শাস্ত্র বিজ- বাস্তবিক যেমন, কেশৌকি কিছুই নহে, দোষদূষিত সৃষ্টিই সেই বালকের স্থায় চীচ কুচ ইত্যাদি অাহত অব্যক্ত শষ করত রুপে প্রকাশ পায়, উপ, এই দৃশ্য-অগৎও কিছুই নহে, এক অবস্থান করিবে। তৎকালে ঐ হিথ্যে বর্গে মরাজের গায় মাত্র চিকাশই ভদ্রপে বিকাসমান হইতেন, আর দৃষ্টিতে এমন ফলঙ্করবেনামক কোন এক নৃগতি বাস কবেন। দানব যেমন সূত্র এই সন্তু রহিয়াছে, এইরূপ অনুভূত হইতেছে, ৰ, স্বীয় সাবসৱীর পরিত্যাগ করিয়া সেই গৃহের উপরিভাগে ইেরূপ প্রকৃত দৃষ্টিতে সুত্রাপ্তি কিছুই নাই, কিছুই অনুভব করা বৃহৎ পৃষ্ঠে সামাঙ্গ ছিধ্যে মশকলে বাস করত সতত পু । - যােসাশিরামায়ণ বু ইত্যাকার মৃদুধ্বনি করিতে থাকিবে। ঐ সময় সেই অধিষ্ঠান- অন্তরে প্রতিনিয়ত সত্ব চমংকৃতি প্রঙ্কুরিত হয়, লােকপালগণ নামক নগরমথ্যে রত্নাবলীবিহার ননে কোন এক ক্রীড়া-গৃহে সেই তাহাকে অখণ্ড ব্ৰহ্মাণ্ডবৎ পালন করেন। ফলতঃ দুরন্ত আপৎ- নগরধিপের করামণকব বন্ধমােক্ষদশী নরসিংহ নামক অমাত্য কালেও কাহারও অসৎপথে পদার্পণ করা কর্তব্য নহে। দেখ, বাস করিবে। কালেমায়াসভূত দানবকট সারসদেহ বিসর্শন- রাহ অপথে গমন করত অমৃত পান করিয়াও মৃত্যুমুখে পতিত পূর্বক শারিকারূপে জন্ম লাভ করত সেই রাজমন্ত্রীর ক্রীড়া-সাধন, হইয়াছে। যে সকল ব্যক্তি, সশস্ত্র ও সাধুসংসারূপ সমুজ্জ্বল হইয়া রজতপিঞ্জরে অবস্থিতি করিবে। ১১-২০। একদা সেই নর- অলােকপ্রদ প্রভাকলের আশ্রয় গ্রহণ করেন, তাঁহাদিগকে সিংহ নামক রাজমন্ত্রী, পণ্ডিতগণ কর্তৃক বিরচিত দাম-ব্যাল-কটের কখনই আর মোহান্ধকারের বশীভূত হইতে হয় না। ৩১–৪০। কেবন্ধ মনােহর ইতিবৃত্ত পাঠ করিলে সেই শারিকারূপী কট যিনি, বৈরাগ্য শমদমাদি গুণগ্রাম দ্বারাখ্যাতি লাভ করেন, তিনি উহা শ্রবণ করিয়া অপরিচ্ছিন্ন আত্মাকে স্মরণ করত শান্তিময় অবশ্যকেও বশীভূত করিতে পারেন। তাহার সকল আপদ বিনষ্ট পরম নির্বাণ প্রাপ্ত হইবে। এদিকে প্রশ্নশিখরবাসী চটকরূপী হয় এবং তিনি অক্ষয় খেয়ােলাভ করিয়া থাকেন। যে সকল ব্যালও, তত্য জনগণের মুখনিঃস্থত সেই ইতিহাসশ্রবণে পরম উদারমতি মানব, বৈরাগ্যাদি গুণের প্রতিও আস্থাবিহীন, একমাত্র নির্বাণ লাভ করিবে এবং রাজমন্দিরের পৃষ্ঠস্থ দারুছিদ্রবর্তী অধ্যাত্মশাস্ত্র ও সত্যের প্রতি আসক্তচিত্ত, তাঁহারাই যথার্থ মনুষ্য, মশকরূপী দামও কথাপ্রসঙ্গে কথাশ্রবণে মুক্ত হইবে। হে অপরে পশুতুল্য। যাঁহাদিগের যশােরূপ চন্দ্রিকা বা প্রাণি .রাঘব। এইকপে ব্যাল দানব, চটক পক্ষী হইয়া প্রশ্নশৃঙ্গ হইতে, গণের দ-সবােবর উদ্ভাসিত হয়, ক্ষীরসাগর-প্রতিম সেই দানব দাম মশকদেহ পরিগ্রহ করিয়া রাজমন্দির হইতে এবং কট, সকল মহাত্মার অভ্যন্তরে স্বয়ং হরি বিরাজমান থাকেন। অহহ দানব শারিকারূপে জন্মলাভান্তে বিহারগুহ হইতে মুক্তিলাভ কি আক্ষেপের বিষয়। অখিলভােব্য বিষয় উপভুক্ত এবং নিখিল করিবে। রাম। আমি তােমার নিকট দামাদির এই নিখিল দ্রষ্টব্য বিষয় দৃষ্ট হইলেও মূঢ় মানবগণের কি জন্য ভাবী জন্ম পর- জীবনচরিত ব্যক্ত করিলাম। নিশ্চয় জানিও এই সংসার মায়াময়, স্পরায় আত্মবিনাশের নিমিত্ত পুনরায় ভােগ্য বতে লােভ স্মিয়া ইহা শূন্যস্বরূপ হইলেও অতীব বিচিত্র চাকৃচিক্যপূর্ণ বলিয়া প্রকল্প থাকে ? অতএব হে রঘুকুল-তিলক। তুমি ক্রমানুরূপ, শাস্ত্রানুরূপ, মান হইয়া থাকে। ঐ মায়াই মরীচিকাভ্রান্তিং অপরিপমতি মৰ্যাদানুরূপ ও আচারানুরূপ অবস্থিতি করত অন্তরে অখিলভোগ্য জনগণকে বৃথা ভ্রামিত করে। মূঢ় মানবগণ, সেই মায়ায় মােহিত বিষয়কেই মিথ্যাজ্জন করিয়া মুক্ত হও। সাধুগণ, সুরলােকপর্য্যন্ত ইয়াই দাম-ব্যাল-কটের ন্যায় বিবিধ জ্ঞানবশতঃ মহৎপদ হইতে প্রসারিত ভূদীয় বৈরাগ্যাদিগুণনিচয় ও ঋত্তি হেতু সতত অধঃপতিত হইয়া থাকে। হায়। যে কামাদির ভক্ষেপ মাত্রে তোমায় সাধুবাদ প্রদান করুন। উক্ত গুণনিচয় ও কাত্তিই মেরুম-রস্থিত প্রাসাদ সকল চূর্ণ হইত, তাহাদিগের সেই অসীম হইতে পরিত্রাণ করিতে সমর্থ, ভােগসমূহ বদচ সক্ষম হয় না। বিক্রম অনুরাবস্থাই বা কোথায়? আর, রাজগৃহস্তম্ভে শকত্বই সিদ্ধ সুন্দরীগণ, গগনস্পর্শী গীতাবলী দ্বারা শাহাদিগের সুধাংশু কোথায় ? যাহাদিগে চপেটাঘাতে চন্দ্র ও সূৰ্য্যমণ্ডল নিপাতিত সদৃশ সুনির্মল যশােগান করে, তাহারা চিরদিন, জীবিত থাকেন, হইত, তাহাদিগের সেই দশাই বা কোথায় ? আর প্রশ্ন গিরির অপরেই মৃত্যুমুখে পতিত হয়। ৪১-৪৭। কোনব্যক্তি, শাস্ত্রানু- গৃহভিত্তির অন্তর্গত ছিডমধ্যে বিদ্যমী গশাই বা কোথায়? যাহারা যায়ী বিপুল পৌরুষ, যত্ন ও উদ্যম সহকারে অনুষ্ঠি-চিত্তে কুসুমক্রীড়ার ন্যায় চঞ্চল করতল দ্বারা অনায়াসে সুমেরু শৈলকেও কর্মানুষ্ঠান করত সিদ্ধিলাভ, করিতে পারে না ? যিনি যথশস্ত্র উত্তোলিত করিত, তাহাদিগের সেই অতুলনীয় পরাক্রমই বা কাৰ্যে প্রবৃত্ত হন, তঁহার কার্যসিদ্ধিবিষয়ে ত্বর করা কর্তব্য নহে, কোথায় ? ২১-৩০। আর প্রদুমগিরিশৃঙ্গে রাজমন্ত্রী নৃসিংহের কারণ বহুকালে পরিপক্ক সিদ্ধির ফল, অতিশয় পরিপুষ্ট হইয়া গৃহে পিঞ্জরে বদ্ধ শরিকরূপতাই বা কোথায় ? হয়। কি দুঃখের থাকে। অতএব তুমি, শােক, ভয়, আয়াস, গর্ব ও নিরিহিত বিষয়। নির্বিকার চিদাকাশ অহাৰৰূপৰজোৰাৱা বুঞ্জিত হইয়া দুইয়া শাস্ত্রানুযায়ী ব্যবহার কর। তুমি বহুবিষয়ে লিপ্ত থাকিলেও স্বরূপ পরিহারপূর্বক ঈদৃশ বিরূপ বলিয়া বিবেচিত হইয়া থাকে। লেমার জীব যেন ইন্দ্রিয়গ্রামে আক্রান্ত হইয়া ভবরূপ অন্ধকুপ- জীবগণ, অসত্য হইলেও সত্যরূপে প্রতীয়মান মরীচিকাবুদ্ধির স্যায় মধ্যে বিনাশপ্রাপ্ত না হয়। তুমি অতঃপর উত্তরােত্তর অধােগামী স্বীয় ভ্রান্তিময় বাসনা দ্বারা চিকাশ হইতে জে প্রাপ্ত হয়। হইও না। যাহাতে ইন্দ্রিয়রূপ অরাতিগণের মুতী শরধারায় শাহারা সৎশাস্ত্র ও প্রবাহবুদ্ধি দ্বারা “এই দৃশ্য অসং এইরূপ শত শত মাতঙ্গ বিনষ্ট হইছে, সেই এই সমরক্ষেত্রে তুমি কার- মির্ষণে সংস্থিত হইয়াছেন, তাহারাই ভবসাগর উত্তীর্ণ হইতে মরণাদিরূপ বিবিধ অপদবিনাশন আসুবােধক শাস্ত্ররূপ মহাস্তু- পারেন, আর যাহারা নানাছুযিকারপুর্ণ অক্ষতর্কময় মত গ্রহণ বিচারে প্রবৃত্ত হও। দুর্গন্ধময় উত্তপ্ত পঙ্গসদৃশ সংসারে আবার করে, তাহারা গর্তমধ্যে সলিলখার স্যায় সংসারগর্তে নিপতিত জীবিতালা কি? অতএব হৃদয় হইতে লােগবাসনা দূর কর। এবং আলাভে বঞ্চিত হইয়া থাকে। হে রাম! যাহারা স্বীয় ভোগ্যবস্তুতে প্রয়ােজন কি ? হে আৰ্য। সমুদয় পরিত্যাগপূর্বক অনুভূতিপ্রসিদ্ধ তিশাস্ত্রানুযায়ী মার্গে গমন করেন, তাঁহা- মােস্ত্র সনি কর। ৪৮। এই অখিল বই প্রতিবিম্ব- দিগের কখন বিনাশ হয় তাহাৱা পরম গতি প্রাপ্ত হন। মাত্র, একাৰ বােধ করিয়া সত্যবিচারে তৎপর হও। পশুবৎ হে মহামতে! যাহারা “ইহা আমার ইহা আমায়” এইরূপ জ্ঞান পরমতানুসারিণী বুড়িতে কোন কাৰ্য্য করিও না। দৌভাগ্যদায়িনী করে, তাহাদিগের স্বীয় দুর্ভাগ্যবশতঃ বিনষ্টপুরুষার্থের জম্ম অনুভা বিচারণারূপ মহানিদ্ৰা পরিহারপূর্বক প্রবুদ্ধ হও। পল ও অবশিষ্ট থাকে না। যে উদারমতি মানব ত্রিলােককে মধ্যে অজীর্ণ কচ্ছপের গায় সুপ্তাবস্থায় রহিও না। জা-মরণ সত তৃতুল্য ভান করেন, ভুজঙ্গের জীর্ণকন্তু পরিত্যাগর কে শান্তির নিমিত্ত গাত্রোখান কর। অর্থ সম্পক্তিকে অর্থের যায় খিল পদূই তাহাকে পরিঅ্যাগ করিয়া থাকে। যাহা মুল, গোগপরাকে ভরােগ সম্পদকে আপদ ও অন্য কেবল তত উদ্যম বলেই সরােবতীরে ভগবান মহেশমকে প্রাপ্ত বোধগম্য হইতেছে। এই অৈলােকে বাহা কিছু বিভিন্নতা অ- তি-প্রকাশ দরকে জয়শ্বরূপ জানিত্রে। লােকময়ী, শাস্ত্রসিদ্ধ এবং কুরিয়া থাকেন, তিনিই । ১০-১৫। তাদৃশ সন-সে বিচারপুর্বক কার্যকারী জনগণের আচায়ানুসারী কর্ম করিয়া করিলে কিনি পরে সেই সেৱক সপুষের নিয়ে সংফল লাভার্থ সচেষ্ট হও। সমাচার দ্বারা যাহার চরিত্র নির্মল আত্মজ্ঞ পুরুষের সহিত সঙ্গ হয় এবং তাহাতেই ধূপদার্থের হইয়াছে, যাঁহার বিবেক জঘিয়ছে এবং যিনি সংসারের বিবিধ ন্যায়, তাহারও অত্যন্তভাৰ ঘটিয়া থাকে, অর্থাৎ তাহার অভাব সুখ-দুঃখ দশা উপভোগে অভিলাষী হন, তাহার অনঙ্গ আয়ু দূর হইয়া যায়। পদার্থের অত্যন্তভাবান হইলেই এক- যশ; সদ্গুণনিচয় ও সম্পদ সকল, বসন্তকালীন সভায় ব্যায় মাত্র পরমৰস্তুই অবশিষ্ট বলিয়া বােধ হইয়া থাকে এবং জয় সংফুল এদার্থ উল্লসিত হইয়া থাকে। ৫০ বস্তুর অভাবপ্রযুই জীব সেই পরমবস্তুতেই ধরা “লীন বাডিং সর্গ সমাপ্তাহ। হইয়া যায়। বস্তুতঃ দৃশ্য, কোন কালেই উৎপন্ন হয় না এবং কখনই ছিল না, খাকিবেও না এবং বর্তমানেও নাই, কেবল একমাত্র সেই পরম পদার্থই বিদ্যমান আছে। এই বিষয় সহস্র সহস্র যুক্তি দ্বারা প্রদর্শিত হইয়াছে ও হইতেছে। এবং ব্রয়ন্ত্রিৎশ সর্গ। অখিলৰিষদ, যেরূপ অনুভব করিয়াছেন, এৰণে আমিও বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। সকল বিষয়েই যত্নের আতিশয্য সেইরূপ দেখাইতেছি। বিমল-শান্ত-পরমার্থরূপ সংবিই থাকিলে সর্বদা সত্ৰ সকল প্রকার অলিষিতই সফল হইয়া গৎ। ইহাতে মামুলক বিষয়সমূহ কোথা হইতে কিরূপে থাকে, অতএব তুমি কদাচু শুভ উদ্যম পরিত্যাগ করিও না। উৎপন্ন হইবে ? অচঞ্চল আত্মাতে চঞ্চলচিত্তই চমৎকার প্রদর্শন তার দৃষ্টান্ত দেখ, মিত্র ও বন্ধুবান্ধবগণের আববন্ধন নন্দী, করিয়া থাকেন। সেই চিৎশক্তির চমৎকারিত্বই অশংখৰূপে হইয়া মৃত্যুকেও পরাজয় করিয়াছেন। বলি প্রভৃতি দানবগণ, ভূত হয়, উ চিংস্বরূপ আদিত্যের কিরণমালার ন্যায় প্রকৃত উদ্যমশীল হইয়া সৈন্যসামন্ত সমভিবছরে সর্ববিষয়ে উৎকর্য- ভিন্ন না হইলেও ভিন্ন বলিয়া প্রতীত হইয়া থাকে। কারণ, সম্পন্ন দেবগণকেও মাতঙ্গনিচয়ের পদ্ধবনদনের গায় বিমন্দিত অংশুমালী ও অংশুমালার কে কোথায় ? সুতরাং বিভিন্নতা- করিযাছিল। নৃপবর মরুতের যজ্ঞে মহৰি সম্বৰ্ত্ত, ব্ৰহ্মার ন্যায় কানরূপ বিকল বোধই যখন সিথ, তখন উহাও নির্বিক অপর এক সনুরাসুর জগৎ সৃজন করিয়াছিলেন। বিশ্বামিত্র, স্বীকার করিতে হইবে। সবিকল্প চিদবৃত্তির স্বাভাবিক উন্মেষণেই পুনঃপুনঃ য র অপােবলে দুর্লভ ব্রাহ্মণত্ব লাভ করেন। জগতের উদয় ও নিমেষণেই অন্ত অনুভূত হয়। যাবৎকাল * হতভাগ্য উপমন্যু, দুহ্মার্থ বহু নােদনাদি করিয়া পরিশেষে অহঙ্কারের প্রকৃত অর্থ অপরিজ্ঞাত থাকে, তাবৎকালই উহা তপবিৰও পিষ্টমিতি সলিল বযত্নে প্রাপ্ত হইয়া দুর্লভ পরমাকাশে মলস্বরূপ বিদ্যমান থাকে, কিন্তু উন্মদি দ্বারা রসন বােধে পান করিয়ালেন, পরে সেই উপমন্যই অপাে- উহার প্রকৃত অর্থ বিদিত হইলে, স্বয়ংই পরমার্থকাশপে বলে সুপ্রসন্ন মহেশ্বরানুগ্রহে ক্ষীরােদসাগর প্রাপ্ত হন। যাহারা প্রকাশ পায়। প্রকাশ পায়। মূল কথা, অহস্তাব পরিজ্ঞাত হইবামাত্রই বিভবনে অতুল বলশালী বলিয়া বিখ্যাত, তাদৃশ ব্রহ্মা, বিষ্ণু অনাবাকার ধারণপূর্বক অসুর সহিত অসুর ন্যায় চিদাভাস প্রভৃতিকেও যিনি ণবং গ্রাস করেন। খেত নামক মুনি, অতিশয় পরমাত্মার সহিত একত্ব প্রাপ্ত হয়। বস্তুতঃ অমাদি জগৎ ধূচতা সহকারে অপােনুষ্ঠানপুৰ্ব্বক তপােবলে সেই বিশ্ব সংহারক কিছুই নাই, সুতরাং অহং পদার্থ কি ? এই বিষয়ে প্রমাণ কালকেও পরাজয় করিয়াছিলেন। পতিব্রত সাবিত্রী, জুতি- বিচার করিয়া দেখিলে অবশ্যই জানা যাইবে যে, একমাত্র বাগাদি প্রীতিকর উপায় দ্বারা যমরাজকে বশীভূত করিয়া তাহার পরমাত্মাই অবশিষ্ট। ১৬২৬। বিমল ধীশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি সহিত যথােচিত বাক্যালাপান্তে স্বীয় পতি সত্যবানুকে পরলােক গণের কখন অপিশাচে পিশাচজ্ঞান স্থায়ী হয় না, কিন্তু যাহার হইতে আনয়ন করেন। ফলত জগতে এরূপ কোন ব্যক্তিই অদূরদশী বালক, তাহাদিগকে “উহা নিশাচ নহে” বারংবার এরুপ কৃষ্ট হন না, যিনি অতিশয় ভােলল্যাগ করিয়াও ফললাভ করেন কহিলেও তাহাদিগের আহাতে সংশয় থাকে। অন্তরে যাবৎকাল নাই। অন্তরে ইত্যাদি বিচারপূর্বক সকলেই সকল বিষয়ে দৃঢ় চিজ্যোতি অহঙ্কার-মষে আবৃত থাকে, তাবৎকাল পরমার্থ- উদ্যোগ করা কর্তব্য। ১। আখ্যে আত্মজ্ঞান-বিষয়েই বিশেষ কুমুখী বিকাশ পায় না। ঐ অহঙ্কার তিরােহিত হইলে স্বর্গ চেষ্টা করা বিধেয়, কারণ, আত্মজ্ঞানই অশেষবিধ সুখদুঃখদশার নরক বা মােঙ্গাদি তৃষ্ণার কল্পনা কোথায় ? দয়াকাশেখাবৎ- মূলােচ্ছেদ করিয়া থাকে, এরূপ মনেকরিও না যে, প্রাপ্য অগিতায় কাল অহঙ্কাররূপ আলমণ্ড প্রকাশিত থাকে, তাবৎকল কেল পরব্রহ্মে যখন শম গুণ নাই, তখন বৈরাগ্যাবলম্বন-পূর্বক বখা তৃষ্ণারূপ ফুটষরাই বিকাশ প্রাপ্ত হয়। অহঙ্কার-বে, রাগাদিদেব এশমের আবশ্যক কি? কারণ, যদি চশমগুণবিহীন চৈস্য-সূর্যকে আবরণপূর্বক অবস্থত থাকিলে কেবল তারই চিদাঝাই পরব্রহ্ম, তথাপি শমগুণকেও পরম পুরুষার্থ বলিয়া প্রাদুর্ভাব হয়, কোন ক্রমেই আলােক প্রকাশ পায় না। গনিবে। অতএব মানবগণের প্রবলে স্বীয় মােক্ষলাভের অসভ্য অহঙ্কার, শিশু-চক্ষে যিগিতালিবৎ কেবলমাত্র উপকূক্ত জমাদি বিচারপূর্বক অভিমান পরিহার করিয়া স্থিত দুঃখের জন্যই এ মিখা কল্পিত হইয়া থাকে, কাচ শুয়ে শস্তিমার্গ অবলম্বন করত সাধু সেবাই ক্য। সজল-সেব নিমিত্ত নহে। বা কল্পিত অৱই আমাধি অনুষের স্থায় ব্যতীত অপােনুষ্ঠান, তীৰপৰ্যটন বা শাস্ত্রচর্চায় সংসার-মাগুর মালবের অভিশন-দূষিত হয়ে অনন্ত-সংসা-যাক নােছ- হইতে উত্তীর্ণ হইৰাৱ আশা নাই। ঘঁহার লােভ, মােহ ও আল বিস্তার করিয়া থাকে। সেই মােহ হইতেই হা কখন ক্রোবাদি দিন দিন প্রাপ্ত হয় এবং যিনি শানুসারে কাৰ্য হয় নাই । হবেও না, সেই অনর্থক ও উৎপন্ন হয়।
যােগবাশিষ্ঠ-গমায়ণ। এবং সেই তমঃই এই আমি এবম্বিভাৰু সংসারে বিস্তার করে। লৌকিক তুচ্ছ তৃতীয় অহঙ্কাল, উহাকে অতিশয় দুরাত্মা শত্রু যলত সংসারে সুখ যাহা কিছু, সুমন্ত অহর-চক্রের বলিয়াছিলেন। ৪৮-৪। প্রাণিগণ একবার উহার হস্তে পতিত বিকারমা। যিনি বিচারপ্রতি অনােরূপ হলধারা অহঙ্কার- হইলে আর মুক্তিলাভ করিতে পারে না। যে ব্যক্তি, ঐ বিবিধ রূপ 'বিষকৃ েএর উত্মলিত করিতে পারেন, তাঁহারই কেশদ প্রবল স্বরূপ দুষ্ট অহঙ্কার কর্তৃক নিপীড়িত হয়, আত্মক্ষেত্রে সর-কেশনালক জ্ঞানরূপ শবঙ্গ দুছেদ্য ও যে, আপনা হইতে ক্রমান্বয়ে সঙ্কটেই পতিত হইতে থাকে। খা-প্রশাখান্বিত হইয়া ফল প্রদান করিয়া থাকে। ২৭-৩৬। প্রাণিগণ, উল্লিখিত নিষ্ট অহঙ্কায় অবলম্বনপূর্বক বিষয়া- অক্ষম বৃক্ষসমূহের অদ্ভুস্বরূপ অহঙ্কার “ইহা আমার, ইহা রাগালি দোষ পরিত্যাগ করত, মিই এখিল বিশ্ব এবংবিধ আমার” ইত্যাদি সহস্র সহস্র শাখা বিস্তার করে। ধনাদি- অহঙ্কারে স্থির-মতি হইয়া আমিই ঈশ্বর” ঈশ ভাবনা দ্বারা বাসনারূপ উহলিগের ফলসকল, শালী প্রভৃতির ফল যেমন দেহাত্মবােধরূপ নিকৃষ্ট অহঙ্কারের আক্রমণ হইতে মৃত্তিলাভ অকাদির সামান্য পক্ষরে অক্ষুটবে বিষ্ণুটিত হয়, তদ্রুপ করে। পূর্বতন মহষ্যক্তিগণও এইরূপ মত যে, নিকৃষ্ট দেহাত্ম- আনোজমাত্রেই বিশীর্ণ হইয়া থাকে। সুতরাং উহারা যে অতি- বােধরূপ অস্কারের ভায়, প্রথমে শ্রেষ্ঠ আদি অহঙ্গারদ্বয়কে নিঃসার ও অমালার ন্যায় ক্ষণভঙ্গুর, তাহাতে আর সংশয় নাই। অবলম্বন করিয়া পরে দুঃখপ্রদ তৃতীয় হুঙ্কারকে বর্জন করিবে । প্রকৃতপক্ষে অহম্ভাব-বিজিত আত্মাই অহাৰ আত্মভাৰ হে রাম! দাম, ব্যাল, কট নামক অসুত্ৰয়ও ঐ দুষ্ট, তৃতীয় ডিরােহিত হওয়ায় সংসারচক্রে পূর্ণমান হইয়া থাকেন। যাবৎ- অহঙ্কারের বশীভূত হইয়া যেরূপ দুর্দশাগ্রস্ত হইয়াছিল, তাহা কাল জারণ্যে অহাবরূপ মােজাল বিভূতি হয়, তাবৎকালই বর্ণন করিতেও মনক্ষোভ উপস্থিত হয়। কাম কহিলেন, হে চিন্তারূপিণ উন্মত্তপিশাচীগণ, অতিবেগে বিচরণ করে। যে নরাধম ব্ৰ। চিত্ত হইতে ঐ কেশদায়ক লৌকিক, তৃতীয় অহঙ্গারকে অহঙ্কার-পিশাচের করতলগত হয়, কি শাসমূহ, কি মনিচয়, অপসৃত করিতে পারিতে, পুরুষ স্বীয় হিতকর কি প্রকার ভাব- কিছুতেই তাহার সেই পীড়াদায়ক পিশাচের গতি হয় না। প্রাপ্ত হয়? ৫৫-৩১। বশিষ্ঠ বলিলেন, ঐ দুঃখপ্রদ পরিত্যাজ্য রাম কহিলেন, হে ভগ, কি উপায়ে অহর বর্ধিত হইতে তৃতীয় অহঙ্কারকে পরিভাগ করিয়া পুরুষ যে ভাবেই অবস্থান পারে না, আপনি মদীয় সংসারভয়শান্তির নিমিত্ত আমাকে করিতে সমর্থ হয়, তাহলেই আত্ম-সুখাতিশয় উৎকর্ষ লাভ করে। সেই বিষয় উপদেশ করুন ২। বশিষ্ঠ কহিলেন, যে পুরুষ, উল্লিখিত আদি অহঙ্কায় অবলপূৰ্ব্বক অবস্থান রাম। আত্মা সর্বদা আত্মস্বভাবের অনুসন্ধান হেতু নির্মল করেন, তিনি পরমপদ প্রাপ্ত হন। অনন্তর তিনি যদি উক্ত লণণাকার চিত্রস্বরূপ হইয় অবস্থিতি করিলে, অহঙ্কার বর্ধিত অহঙ্কারদ্বয়কেও পরিহারপূর্বক অহঙ্কারশূন্য হইয়া অবস্থিতি হয় না। এই অপপার ইজৗৰ্যৰৎ মিথ্যা; সুতাং | করিতে সমর্থ হন, তাহা হইলে তদপেক্ষা অধিকতর উচ্চপদে ইহাতে মেহ বা বিয়ে প্রয়ােজন কি? অন্তরে ঈশবােদয়। অধিরােহণ করিয়া থাকেন, এবংবিধ বােধশক্তি দ্বারা সর্বদা সর্ব- হইলেই অহঙ্কার উৎপন্ন হতে পারে না। আত্মাতে অহঙ্কার | প্রকার যত্নসহকারে পরমানন্দলাভার্থ লৌকিক দুষ্ট, তৃতীয় অহ- বা দৃশ্য কিছুই নাই, যিনি এবশিষভাব অবলম্বন করত স্বয়ং শান্ত স্কারকে পরিত্যাগ করা কর্তব্য। শরীরস্থ ব্যাধির ভূল্য পাপময় ও অহঙ্কার হইয়া সমূদয়কার্য নির্বাহ করেন, তাঁহার অহঙ্কার ঐ দুরহঙ্কারের বর্জনই সাতিশয় কল্যাণপ্রদ ও পরমপদ লাভের বুদ্ধি পায় না। ইহা প্রিয়, ইহা অপ্রিয় ঈদৃশ বৌধের হেতুভূত | উপায়। মানব, বিচার দ্বারা ঐ স্থূল লৌকিক অহঙ্কার বিসর্জন অরে অহঙ্কার ও বাহে জগদজ্ঞান বিনষ্ট এবং সর্বত্র সমদৃষ্টি | দিয়া অবস্থান বা যে কোন কার্য করিলে অঞ্চপতিত হয় না। এস হইলেই অহঙ্কার বন্ধিত হয় না। আমি দ্রষ্টা, চিৎ দর্শন, হে মহামতে। যিনি, অহঙ্কার হইয়া সন্তুষ্টচিত্তে কালষাপন জগৎ ধূ, ইহা হে, ইহা উপাদেয় এইরূপৰ বিলুপ্ত ও পবিত্র করিতে পারেন, তাহার আর কিছুই ভােগ-বাসনা থাকে না, সমত সমুদিত হইলেই অহঙ্কার বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইতে পারে না। অন তিনি বিষয়ভােগকে, রােগ বা বিষক্তিরসের স্যায় জ্ঞান ৪৩–০৭। রাম কহি-হে প্রতে। অহঙ্কালের আকার করেন, পুরুষের ভােগ-বাসনা তিরোহিত হইলে কল্যাণপ্রভা কিরূপ? কি প্রকারে উহাকে পরিত্যাগ করা যায়? উহা শরীর, স্বতই সন্মুখগত হইয়া থাকে। রক্ত মানসিক অন্ধকার অন্তর্হিত আছে কি নাই এবং উহাকে পরিত্যাগ করিলে কি হইলে, কাণলাভের আর কি প্রতিবন্ধক হইতে পারে ? হে হয়? বশিষ্ঠ বলিলেন-হে রাখব। এই ত্রিভূবনে অস্কোর ছিল রাখব। ধৈৰ্যৰলে যাতিশয়-সঙ্কুকারে অহঙ্কার পরিত্যাগ করিতে প্র, অন্যে দুই প্রকার শ্রেষ্ট ও এক প্রকার তাজ। আমি পাৰিলেই ভবসাগর হইতে উত্তীর্ণ হওয়া যায়। তােমায় লই ত্ৰিবি সহকারে বিষ বলিতেছি, এৰণ কর। প্রথমে সকলই আমি, সবই আমার পরে দেহাদি যাহা আমিই এই অলিবি, আনিচ্যুত পরমাত্মা, আমা জি আর, আমি নই, আমার বা তােমার কিছুই নাই,” এবংবিধ জ্ঞান করতে কিছুই নাই, এইরূপ ভাবেই উৎকৃষ্ট প্রথম অহঙ্কার কে অন্তরে স্থিরতররূপে শ্রেষ্ঠতম বিও আত্মজ্ঞান স্থাপনপূর্বক পরম- ঐ অহঙ্কার মুক্তিরই কারণ, করে নিমিত্ত নহে, জীবন্মুক্ত ব্যক্তি পদ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন ৬২-৭১। গিতেই উহা বিমান । আমি নিখিল পা হইতেই जानिएमाला॥ ভিন্ন, এইরূপ আই এ বিতায় অহঙ্কার, উহা কেনা- ভাগ হইতেও শতগুণে ; উহাও এগুলিশের বর- নের নিমিত্ত না হইয়া নােমই নিমিত ই থাকে। উহা আর বলিয়া কানাড, বৰিক উ আঙ্কার মধ্যে নহে। আর, গালিতে যে আমি বলি জন, উহই মহগণ এR স্থিতি-প্রকরণ ভগবান বিষ্ণুর শরণ লইলেন। ১২-২০। তখন ভী যেমন চতুঞ্জিংশ সর্গ। লম্পটগণ কর্তৃক আক্রান্ত রমণীকে আশ্বাস প্রদান করে, সেই. বশিষ্ঠ বলিলেন,-আম। গামাদি অনুত্ৰৰ পলায়নপর রূপ গবান হরিৎ, কাজ সেনসেনাকে কাত করিলেন। এবং শারদীয় দলের জায় রের সৈগণ ছিন্ন-ঞ্জি অনন্তয় ভগবান যাবৎকাল না সেই অসুরগণের সংহারা হইয়া নলােমণ্ডল হতে নিপতিত ও বিনষ্ট হইলে সুমেরুসমান ' উদ্যত হইলে, তাৰংকাল সেই সুয়-সৈশনও ক্ষীবােদসাগর- সম্পংপুর্ণ নগরমথে অনুরর স্বর যেরূপ কাৰ্য্য করিয়াছিল, গর্কে অবস্থান করিতে লাগিলেন। অনন্তর ভগবান হইতে এই স্থানে আমি তােমার নিকট ভবিষ্ণু বর্ণন করিতেছি শ্ৰবণ আগমন করিলে শরীরের সহিত তাঁহার তুমুল গংগ্রাম হইতে কর। দেবগণ কর্তৃক ভাদৃশ প্রকার সৈন্যগণ পরাজিত হইলে, লাগিল। আকালিক প্রমােপম সেই সংগ্রামে কুলাচল সকল গানৰৱাজ শয়, কয়েক বৎসর অভিহিত করত পুনরায় বিভূত হই উডটীন হইতে আরম্ভ করিল। কিয়ৎকাল পরে সুর-সংহারে সমুদ্যত হইয়া মনে মনে চিন্তা করি, আমি দৈত্য সকল বলবাহনর্দির সহিত নিহত হন এবং দানাজ পূর্বে মায়াবলে যে অনুরত্র সৃজন করিয়াছিলাম, তাহাৱাখতা- শম্বর ভগবান নারায়ণের হস্তে প্রাণ পরিত্যাগ করিয়া বিষ্ণুপুরীতে প্রযুক্ত সময়ক্ষেত্রে মিখ্যা দুরস্কার প্রাপ্ত হইয়াছিল, কিন্তু গান করিল। প্রচণ্ড বায়ু যেরূপ দীপমালাকে নির্বাপিত করে, একলে পুনরায় অপর কতিপয় দানবকে এরূপে সৃজন করিব এবং তদ্রুপ ভগবান্ বিষ্ণুও, সেই বিষম সমরক্ষেত্রে ভীম, ভাস ও এরূপে বিবেকবুক ও আধ্যাত্মিকশাস্ত্রে পারদশী করিব যে, ধূমক অসুরকে ক্ষমধ্যেই বিনষ্ট করিলেন। উহারা তাহার তত্ত্বজ্ঞানবলে মিথ্যাভাবনারহিত হইয়া কখনই অহঙ্কারের বাসনাবিহীন ছিল, এজন্য দেহত্যাগন্তে পরম শান্তি প্রাপ্ত হইল। বশকার হইবে না এবং অনায়াসেই সেই সুরসমূহকে পরাজয় নির্বাপিত জীপৰৎ উহারা যে কোথায় যাইল, তাহা কেহই করিতে পারিবে। ১৬। দৈত্যেন্দ্র-শম্বর, এইরূপ চিন্তা করিয়া জানিল না। অতএব মন বাসনা দ্বারাই সংসারে আৰ বারিধির বুদ সৃজনের স্থায় মায়া ও বুদ্ধিবলে ভীম, ভাস ও এবং বাসনা-বিহীন হইলেই মুক্ত হইয়া থাকে। এই জন্য কৃঢ় মে অপর অসুরয়ের সৃষ্টি করিল। উহা আত্মজ্ঞ, বলিতেছি, রাম। বিবেকনে বাসনা ত্যাগ কর। ২১-২৭। এজন্য বীতরাগ, নিপাপ, নির্মুলাশয় এবং সর্বজ্ঞ ও যে সময়ে সম্যকরূপে গভাষােকন এই বাসনা বিলীন হয় যে কাৰ্য কর্তব্যরূপে উপস্থিত হয়, একাগ্রচিত্তে তাহাই সম্পাদন বাসনা বিলীন হইলেই চিত্ত এই দীপঙ্ক শান্তি লাভ করে। করিতে তৎপর। সেই পবিত্ৰাত্মা দৈত্যত্রয় অখিল জগৎকে তৃণ- বস্তুতঃ “এই অখিল জগৎই আত্মময়, এই জগতে আত্ম ভিন্ন অপর তুল্য জ্ঞান করত’বিসদৃশ অস্ত্রশস্ত্রে জুিষিত হইয়া বর্ষাকালীন কছুই সত্য নহে, সুত্ৰাং অপর কে আর কোথায় কি ভাবনা মেঘমালার স্থায় গভীর গর্জন করিতে করিতে উর্ধে উত্থানপূর্বক করিবে ? পূর্ণ সেই চিত্মাই বিবিধ প্রকার ভাবনা করিয়া থাকেন, বারিধারা-সদৃশ অস্ত্রধারায় গগনমণ্ডল আচ্ছাদন করিয়া সুরগণের এজন্য ভাবনপদার্থই নাই” এইরূপ জ্ঞান সম্যক্ নি। বাসনা সহিত বহুবর্ষ যুদ্ধ করিতে লাগিল , কিন্তু বিবেকা রুশমাত্রও ও চিত্ত এই পৃথক্ অর্থমূক্ত শব্দর সত্যাবলােকন হেতু যেখানে অহঙ্কারের বশীভূত হইল না। ৭-১১। কখন হাদিগের বিলয়প্রাপ্ত হয়, তাহাই পদ। চিত্ত বাসনাবদ্ধ থাকাতেই চিন্তে ইহা “জামার” এইরূপ বাসনা সমুদিত হইবামাত্র গুই উহার অবস্থিতি, আর বাসনবিযুক্ত হইলেই বুবলি অভিহিত আমি কে? এই বা কে?” এই বা কে ?” ঈদৃশ আত্মকিারসমুহূত হয়। নানাপ্রকার টপটাকার বারাই চিত অবস্থিত, এজ হইয়া সেই বাসনা বিনষ্ট করিতে লাগিল। “এই শরীর ও দেবগণ বাসন পরিহারপূর্বক ত্বরায় উহার শাস্তিবিধান করা কত্তব্য, সকলই অসত্য, ঐ ৰা কে, আর আমিই বা কে এইরূপ বালকনেত্রে মিথ্যালাতিময় বেলব। যেমন, দেহাভাবনা বিচার সমুচিত হওয়াতে দেবগণ হই কিছুতেই তাহা দ্বারা দাম,ব্যাল ও কটের চিত্ত অনুপে পরিণত হইয়াছিল,চ্ছপ দিগের আদিসঞ্চার হইল না। “এই শরীর অ, ইহা হে রাষৰ! তােমার চিত্ত ভীম ভাস দূতের ন্যায় ভাবে অবস্থিত কিছুই নহে, একমাত্র শুদ্ধ চিংগই আতে বিদ্যমান, হউক, দাম, ব্যাল ও কটের স্যায় বেনীয় সুয়ে স্থান না পায়। আমিও নাই এবং এ কেও নাই”, সেই অনুব্রয় এইরূপ রাম। তুমি আমার শিষ্য, এবং সাতিশয় ধীশক্তি-সা, এ নিশ্চয় করতামরাঙ্গনে বিচরণ করিতে লাগিল। উহারা অহঙ্কার- আমি ভােলা যে বি কীর্তন করিলাম, পুর্বে মদ পিতা ব্রহ্মা সূত এবং সর্বপ্রকায় বসবিহীন একান্ত অপরকে নিহত এই বিষয় আমাকে কহিয়াচ্ছিলেন। হে রাখব। সেই নিষিক্ত কৰিলেও উহা যে আমি করিতেছি, উহাদিগের এরূপ নি আমি তােমাকে পুনরায় বলিতেছি, নাৰ বাল কুটের স্থায় যেন নাই এবং আরবি ভীত নহে। উহারা ধীর, উপস্থিত তােমার অন্তরে শিকার না হয়। হে নবী! সতত রে জম- কাৰ্য্যকারী, ভবিষ্যৎচিন্তাসূত, শর্থবিষয়ে অনাসক্ত কাৰ্যৰ ভাস-মৃঢ়, হল জাগরূক থাকে। পূর্বোক্ত ভীরুভাশঃ এবং কর্তৃত্বাভিলানবিতি। এবং এর কার্য্য; আং মানুসারে কার্য করিলে তােমার সর্ব বিষয়েই অনাসক্তি অখিবে, ইহা আমার কর্তব্য এই বিবেচনাতেই পরে নিবিষ্টটি, হাতেই গেমায় সবিশেষ জ্ঞান উৎপর হইবে এবং বিয়ে ব্ৰাগজ্যোদি বিহীন সর্বদা সদৃষ্টি। ঐ ঔষ, জল ও সৃষ্ট রূপ অজ্ঞানজলি এতিমখদুঃব আপনা প্রভৃতি দান কর্তৃক সেসে ভােজা কর্তৃক রায় হইতে বিরহইয়াইবে। ২-৩৭। গৃহীত ও উপজুক্ত এবং প্রতও এ দুই আয় করি চভূত্রিংশ সাঁ সাপ্ত ৩০ হিমালয়ই পতিত গলার ব্যয় মে এর দিক ৰিত হইল। এপর সেই লােগ মালিত মেলা যেমন গিরিবদের আশ্রয় গ্রহণ কমে আল মাম } যােগবাণিষ্ঠঙ্গামায়। পত্রিংশ সর্গ কলুধিত চিৎভই জীব নামে অভিহিত হন। ২১। ঐ চিত্ত চেতভাবে (ধভাবে) আপতিত হইয়া আপনাকে চেপে বশিষ্ঠ কহিলেন,আৰ! যে সকল সাধুগণ, অবিদ্যার সৌন জ্ঞান করত স্বীয় আত্মস্বরূপ বিস্মৃত হইয়া থাকেন। ঐ জীবরূপ দর্শনে বিষয়ােৰ মনকে জয় করিতে পারিয়াছেন, তাঁরাই মহা চিত্ত ত্ৰমে বিকালে জড়িত হইয়া, স্বীয় সুখমর স্বভাবকে বীর এক হাদিগেরই জন্ন। স্বীয় মনোনিগ্রহই নিতান্ত অসার করিয়া লোেম প্রাপ্ত হই থাকেন। যিনি উপদ্রপ্রল শেম সংসারসাগর হইতে উত্তীর্ণ হইবার বিশুদ্ধ, তিনি না শারী পুরুষ, না শরীর, না আহার শােণিত একমাত্র উপায়। হে রাখব। যাহা জ্ঞানের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, তদ্বিষয় অর্থাৎ তৎসমুদয় হইতে সর্বপ্রকারেই ভিন্ন, কারণ তিনি আকা- তােমাকে কহিতেছি শ্রবণ কর এবং শ্রবণপূর্বক অবরণ কর। শের ন্যায় নির্লেপ ও চৈতন্সরূপ। কথিত শরীরালি সমুদ লাষিণ, ভােগবাননাকেই সংসারন এবং সেগবাসনা পদার্থ অড়। কেন না, রীদি খণ্ড খণ্ড করিয়া দেন করিলে আগকেই মােক্ষ বলিয়া থাকেন। অপরাপর বহুল শাস্ত্র দর্শনে তাহাতে রক্তমাংসাদি ভিন্ন আর কিছুই পাওয়া যায় না। কালী- প্রয়ােজন নাই এবং আমার এই কথা মাত্র পালন কর যে, এই তন্তু চিরিয়া ফেলিলে ভহাতে খােলা, ব্যতীত আর কি পাওয়া সংসারে যে যে বস্তুকেই মধুর ‘বােধ কৰিচ্ছে, তৎসমস্তই বিষ- গিয়া থাকে। শরীর ও কালীক্ষের অনুরূপ। অতএব বিশুদ্ধ 'বহ্নি দেখিবে। বিনা বিচারে বিষয়ভােগ ত্যাগ করা অতি কষ্টকর চিত্তত্ত্ব কিছুতেই জীব নামে অভিহিত হইতে পারেন না;পূর্বোক্ত বটে, কিন্তু পুনপুনঃ বিচারপূর্বক বিষয়ভােগ-বাসনা পরিহার মনই জীব, তুমি জানিও ঐ মনই আকারপ্রাপ্ত হইয়া, নরনামে করত বিষয়ােপভােগ করিলে, পরিণামে ঐ বিষয়সমূহ অতীব অভিহিত হয়। ঐ মনই স্বীয় কিরলে আপনাকেই আত্মা সুখপ্রদ হইয়া থাকে। ১-৫। কটকবীজপরিব্যাপ্ত ভূখণ্ড যেমন বলি কল্পনা করিয়া থাকে। যেমন কোষকার কীট আনার কটকম সকল প্রসব করে, দ্রুপ বিষয়বাসনাক্রান্ত চিত্ত, বন্ধনের নিমিত্ত কোষ রচনা করে, তদ্রপ ঐ -জীবদেহ ধারণ প্রগাঢ় রাগাদিদোষ উৎপাদন করিয়া থাকে। আর চিত বাসনা পূর্বক আপনার বন্ধের নিমিত্ত আপনতে বহু প্রকার বিকল্প বা জালে জড়িত না হইলে আপনা হইতেই সঙ্কুচিত হয়, সুতরাং বাসনসঞ্চয় করিয়া থাকে। ২২-২৬। পরে ঐ জীব বর্তমান রাগদ্বেষাদিশূন্য হইয়া, ক্রমে ক্রমে পরম শান্তি লাভ করিয়া থাকে। দেহভ্রান্তি পরিত্যাগ করিয়া (দেহত্যাগ করিয়া । আবার অন্য উত্তমবীজগাখিনী তুমি যেমন সময়ে সুপ্রল রান্ধুসকল প্রসব দেশে ও অন্যকালে অঙ্কুরের পল্লবভাব প্রাপ্তির ন্যায়, অন্য শরীর করে, তদ্রুপ সেই রাগন্বেষালিশূন্য সুমতিও সময়ে সর্বশেহারী গ্রহণ করিয়া থকে। (সুতরাং দেহকে আত্মা বলা যাইতে পারে শমমাদি সদগুণশালী পরম কল্যাণপদ মােক্ষফলদায়ী জ্ঞানার না)। জীবরূপী মন্ত্রের যাদৃশ বাসনা সঞ্চিত থাকে, পরে উৎপন করিয়া থাকে। দয়াদাক্ষিণ্যাদি ওভভাবের অভ্যাসবশত সে তাদৃশভাবই প্রাপ্ত হইয়া থাকে। চিত্ত যেরূপ ভাবপ্রাপ্ত চিত্তপ্রসাদ উপস্থিত হইলে, ক্রমে ক্রমে অজ্ঞানরূপ জলদজাল হইয়া নিদ্রিত হয়, স্বপ্নদশাতেও ঠিক সেইরূপ হইয়া থাকে। তিরোহিত হইলে, শুক্লপক্ষীয় শশিকলার ন্যায়, ক্রমে সৌজন্য বুদ্ধি ২৬-২৯। ভিভিড়ি প্রভৃতি অমুলের বীজ মধু দ্বারা সিক্ত প্রাপ্ত হইলে, গগনাঙ্গনে সূৰ্যমণ্ডল নয়াকাশে পবিত্র বিবেক করিয়া রােপিত করিলে উহা বৃক্ষ হইয়া যে ফল ধারণ করে, ঐ ফল জ্যোতি উদ্ভাসিত হইল, বেণুমধ্যে মুক্তার স্যায় অন্তরে ইলিয়- মধুর হইয়া থাকে, আবার সেই মধুসিক্ত ফল ঋদ বিষােপম নিগ্রাহক ধৈৰ্য্য পরিপক হইলে, বসন্তকালে নিশাকরের ন্যায় মনন- ধুন্ধুরকরণির রসে সিক্ত করিয়া রােপণ করা যায় ত, তাহা মধ্যে স্থৈর্য আত্মমুখলাভে কৃতার্থ হইলে, সংসরুপ সুতল- | ফুলফলে কটু হইয়া থাকে, ইহা লােকত, প্রসিদ্ধ। এইরূপ ছায়ান্বিত সুফলশালী বৃজ ফলিত হইলে এবং সমাধিরূপ সরল ' চিডও মহতী শুভবাসনায় মহম্ভাব ধারণ করে ; ললাগ্রো- ভরুর হইতে সুমধুর আনন্দরস নিঃসৃত হইতে আরব্ধ হইলে বন্যায় মনে মনে ইরাজ্য প্রাপ্তি কল্পনা করিয়া স্বপ্নাবস্থাতেও মন আপনা হইতেই শীতােষ্ণালি সুখদুঃখবিরহিত, নিষ্কাম ও তাহা অনুভব করিয়া থাকে। আবার ক্ষুদ্র বাসনাবলে চিত্ত নিরুপদ্রব হইয়া থাকে। তখন তার চঞ্চলতা, শােক, মেহ, বুদ্রভাব ধারণ করিয়া থাকে, পিশাচয় উপস্থিত হইলে, ভয়, শাস্ত্রার্থে সংশয়, কৌতুক, কল্পনা, আসক্তি, চেষ্টা, নিন্দা, রাত্রিকালে স্বপ্নেও পিশাচ দেখা গিয়া থাকে। ৩০-৩১। কোন বিষয়ে অপেক্ষা, ক্ষোভ, শোক ও কোন বিষয়ে অনুরাগলি যেরূপ সরসী নির্মলতাৰ ধারণ করিলে তাহাতে কালুষ্যভব কিছুই থাকে না। তৎকালে সে, বিবিধবাসনাবদ্ধ, চুলশরীরযুক্ত থাকতে পারে না, আবার কালুষভাৰ ধাৰণ করিলে তাহাতে এবং সন্দেহরূপু কুপুত্র ও তুফারূপিণী পত্নীসমন্বিত স্বীয় মনােম নির্মলতা থাকে না, সেইরূপ মন অতিশয় কলুষিত হইলে তল, মূর্তিকে হারপূর্বক জীবমুক্তিরূপ পুরুষাৰ্থ-সাধন করে। সেই মন, রূপ কল লাভ করে এবং সাতিশয় নির্মল হইলে ফলও সেই এ শ, এ মিত্র ইত্যাদি বিকলবােধে আপার প্রগলভতা সূরণ- রূপ প্রাপ্ত হয়; কিন্তু বিনি একবার নিজৰ প্রাপ্ত হইয়াছে, পূর্বক আপুষ্টির হেতুভূত বিকাল পরিত্যাগ করিয়া, অনায়াসে ! অর্থাৎ চিত্তপ্রসন্নতারূপ সমাধিপ্রাপ্ত হইয়াছেন, সেই উত্তম জবং সুত্যাগ করিয় থাকে। হে রাম। মনের অ্যুদয়ই ' উদশ বক্তি দৈবাৎ বিপন্ন হইলেও ক্ষীণ শশধরের ন্যায়, বিনা। ও মনের বিলাই হয়, এব্যক্তিরই সতত উদ্যোগৰলে গীয়াও নির্মাতা কাচ পরিত্যাগ করেন চিত্ত বিলয় এবং অজ্ঞ ব্যক্তিৰ চি ৰ পাইয়া থাকে। মনই ; প্রত্যুত ক্ষীণ শনাকের চায় না চেষ্টাল পূর্বভাব এই অগণ্ডল, মনই পৰ্বত, মনই আকাশ, মনই দেবতা, প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। অথবা তা নির্মল ভাবাপন্ন ব্যক্তির মনই মিত্র ও মনই শত্রু। চিজের বিকলকলুষিত যে আত্ম- নিকটে বিপন্নতা, আবার কি? তাঁহার নিকটে বন্ধ, মােক কিছুই বিভি, উহাই সংসারবাসনা-জড়িত মন বলিয়া কথিত হইয়া নাই তিনি আনে এ সমস্তই এলবৎ অলীক মায়া। থাকে। আর বিষয়বাসনা-জড়িত চিত্রে অবস্থিত ঈষৎ বিকজ এ-৩৫। তাঁহার নিকটে ঐ মায়া গনগনে আয়, # মন্ত্ৰীচিকার চায়, দ্বিতীয় শ্রেয় ব্যায়, একান্ত সীক। সমই করিলে, যেমন কোন অনিষ্টের শঙ্কা থাকে না, সেইরূপ তুমিও একহ্মসন্তা-ইতে এক বি—কিছুই নাই, ইহাই আত্মার পিভূত এই পথের প্রতি উপেক্ষা বুদ্ধি প্রাণ পরমার্থ। পরিমান এই সংসার অসন্ম, ইহাতে কিছুই তে অলক্ত হও না, তাহা হইলে । সার নাই। আমি ল অর্থাৎ করিছি নহি, আমি অনিষ্টের সাফলা শাবিবে না। যেমন লেকে গেছি। পৰিচ্ছিন্ন সূত্র” ইত্যাকার যে দুর্নি, ইহা আমি কান্ত, আমি যার সুষ খুনী রুখে দুখী হয় না, তার সহিত খ” ইত্যাকান নিয়ে নিয়ন্ত হয়। ৩৭-৩৮। স- সম্বন্ধই খালে , লা ইলত গামী একত্র -বিমানেএহেই আমিইত্যাৰ তেত্রিক দেশে দু হইছে হয় যে ভাবন, অহাই লােকে বলে অভিহিত হয়, ঐ ৰক্ষন ৫০-৫৪। দ্রষ্টা খােলীfai) - একমাত্র নিত বিকলেই কলিত করা হয়। সর্বস্বরূপিণ অনাদি বি ও সত্যস্বরূপ, এই সিদ্ধান্ত টীভূত হয়। সেই ব্ৰহ্মসভার যতই বন্ধমােক্ষলা ৰ বিকৃএক সংখ্যা কিই এই মন ঝটিকাপগমে ধূলির যায় এনিত হয় । মনাে- নাই, ইহাই সত্য জানিবে। বর্তমান শরীরেই শন সৰস্তুতে রূপ মারুত অশান্ত হইলে এই গুমেইরূপ বুলিও এত অনাসক্ত হইয়া নির্মূল পাইয়া, স্বকীয় মনােভাব দূরীকরণ- হইবা যায়। তখন সংসারনগরে (সংসারের অধিষ্ঠানভূত এত পূৰ্ব্বক পরব্রহ্ম-সাক্ষাৎ করিতে পারে, আহাতে সন্দেহ নাই। ব্ৰহ্মে) নীহারপাত (অবিশাসঞ্চয় হয় না। বাসনা এ বিশুদ্ধ শুভপটে রঞ্জনদ্রব্য যেমন পৰিকুৰে লয় হয়, সেইরূপ হইলে চিত্ত, নির্মল স্বীয় পূর্ণরুপে বিহার করে। বাসনারূপ সলিলসেকে নির্মূলভাবাপন্ন মনই পত্ৰ-সাক্ষাৎ হৃৎকপকারী জড়ারূপ পঙ্ক, শুদ্ধ হইয়া যায়। কানি দৃষ্টি লাভ করিতে পারে। অতএব হে অনুষ। তুমিও তৃষ্ণারূপী কচ্ছদে শুষ্ক, হৃদয়কানন (রাগাদি না থাকায় ) সমস্তই আমার অজা” ইত্যাকার সর্বময়ী ভাবলে হেয়- পরিস্কৃত, ইলিয়রূপ কমকুমের ফিল ও মিথ্যাল উপাদেয় বুদ্ধির উচ্ছেদ কর, তাহা হইলে (সহজেই) বন্ধ মেখের অন্তর্ধান হইয়া গেলে মােছ-মিহিকা (অজ্ঞাপ মােক্ষৰ পরিত্যাগ করিতে পারিবে ৩১–৪৩। যেমন বিশুদ্ধ কুজঝটিকা), প্রত হইলে রজনীর স্যায় আপনিই কয় প্রাপ্ত স্ফটিকমণি হইতে বিবিধ দ্যুতি বাহির হয়, সেইরূপ এই জগৎ হয়। তখন আল্লাহও বিষের ন্যায় জড়তা কোথায় চলিয়া যায়; কায়িক পূণ্যক, পালােচনা, বৈরাগ্য ও তত্ত্ববােদ তারা বিশুদ্ধ তাহার আর সন্ধান পাওয়া যায় না। তখন দেহগিরিতে রুপা চিরেই বিবিধ প্রতিভাস মাত্র, ইহাতে সত্যতা কি? বাহ- ক্ষুদ্রণী আর একহিত হয় না। তখন সঙ্কীরূপী মময়ুর- পদার্থে সংলীন চিত্ত, পত্ৰহ্মে একাগ্রভাব বারণ করিতে পারে বৃন্দ পক্ষ-প্রসারিত করিয়া আর নৃত্য করে না। তখন জীব না। চিত্তে ঐ যে অসত্য জ্ঞানদৃষ্টি, উ পরব্রহ্মগর্শনক্ষণেই সরূপসংবিং-আকাশে অপরােক্ষভাবে সমুদিত ও সাতিশয় নিল বিশী-জানিবে। চি যখন ৰাহ-জাত্যন্তর সমুদয় দৃষ্টি ভাবাপন্ন হইয়া পরমশােভা ধারণ করিয়া থাকে। তৎকালে পরিত্যাগপূর্বক লীলভাবে অবস্থান করে, তখনই সে পদ এও ভঞ্চাৰূপী লিওন, মােহ-মেঘনিন্মুক্ত, গৌত রজো আর হয়। এই যে পৱিদৃশ্যমান দৃশ্যপ্রপঞ্চ ইহা নিশ্চিতই অসন্ময়। (ধূলি ও ৩) অদূষিত বিৰিক্তভাব (বিবেক ও বিভক্ততা, ঐ দৃপঞ্চময়ই চিন্তের স্বরূপ বলিয়া আনিবে, এতদ্ব্যতীত | মেখ না থাকিলে দিওলের বিভাগ স্পষ্ট লক্ষিত হয়) প্রাপ্ত চিরে আর কোন স্বরূপ নাই। ৪৪-৪৭। মনের আদি ও হইয়া পরষ-শােভিত হইয়া উঠে। ৫৫ ৬২। শরণাকাশে অন্তু যখন বিনশ্বর, তখন তাহার মধ্যভাগও অবলিতে চন্দ্রিকা যেমন দিল শীতল করিয়া পরম শােভা ধারণ করে, হইবে। মনের এই অসদরূপতা যিনি অবগত নহেন, হয় সেইরূপ ভৎকালে চিত্তাকাশের মঞ্জরীরূপিণী চিত্তবৃত্তি পূণ্যফল- দুঃখলো নিবার্য। “এই এগংএপঞ্চ সমস্তই একমাত্র আত্মা, বক্তিলী হইয়া সাতিশয় শােভা প্রাপ্ত হইয়া থাকে। এইরুপে এইরূপ বােধ না থাকিলে এই এগৎপ্রপঞ্চ দুঃখপ্রদ হইয়া পরিশােধিত বিবেক ভূমি অবিলম্বে সর্ববিধ সশনের প্লাকারী উঠে, উক্ত বােধ থাকিলে হৈ ভােগ * যে সুখ প্রান | পরমানন্দৰী আত্মারূপ ফল এসব করিয়া থাকে অর্থাৎ জমে করিয়া থাকে। অল এক পদার্থ, রঙ্গ অত্র ত এক পদার্থ অধয় অনিশষ পরে সাক্ষাৎকার লাভ হয়। তখন পর্বত এই প্রকার জেদি অ; যিনি এলেন জন ও ওবিশাল কনভাগ-সমতি জামগুল পয়শাখায় ফুলর ভিড়ে একই পদার্থ, তিনি যুথার্থ জ্ঞান। ৪৮১। ইহা হে, অতি নির্মল ও সুশীলয় উঠে।৬৩–৫। চিসাের ইহা উপাদেয়, এইরূপবুদ্ধি থাকিলে উপাদয়ের অৰে দুখ উক্ত প্রকারে ঘ-কণির সমান সুবিস্তৃত হইয়া রজ আসিয়া পড়ে , অন দ্বারা উক্তভোবুকি নিরাকরণ করিতে শূন্য অভ্যন্তষেশে পরম ধারণ করে। পাৰিলে, একমাত্র অনন্ত অবশিষ্ট থাকে, তখন আর কিছুই আজ কো দুইড়ে চপহার-মধুক অভাব অনুভূত হয় না, সুতাং তু কোথায়? ফথি প্রকারে লেখায় যে পলায়ন করে, তাহার আর সন্ধান পাওয়া যায়, মনের অসভ প্রতিপালিত হইত, নফলতিনি মন অস। না। তখন স্বীয় মেহনগরের অধিপতি (আত্মা) শান্তনা অতএব হে আৰ। মলে সৰ এনে তােমার হির হইয়া গেল, বাসা-বিসিমী সৰ্ব্ব হইয়া তাঁহার আর সুৰে উহা বিনানে আবার লােক কি ? বহুহেৰিহা হইলে সঙ্কোচভাব থাকে না এইরূপবিৎ আপনার পাশি তাঁর প্রতি মেইএ বিয়েষজব না দেখাইয়া উপেক্ষা প্রাণ বিত করিম ধীয়বুদ্ধি হইয়া ঐহিক পত্রিক গডিসকল নীল বিবেচনাপূর্বক বিচার কান্না কাপ লাভ অত সোৎ *এলে গেলে এর পরেই অবশিষ্ট জেল ধুক্তিতে बीब्यू राय या बोध chodi হইবে । সিগমাপ্ত ৬ এ।
: | ৰং বি এত ইতি । যােগবাণিষ্ঠ রামায়ণ অদিত হইয়াই এই অণক প্রপঞ্চাকারে প্রকাশিত হল বইলি সর্গ। (অগংগাকার ধারণ করতে ইছার রূপতি কিইনা, মান বলেন! বিশ হইতে অeীত চিময় আয় ইনি যেমন, শেনই আছেন)। ১১-১৫। যেমন অল, ফল এই কি বেগে বেতি, তাহা পুনপি কীর্তন করি আমার সেই একণি, তেল তেজারম্বেই প্রকাশিত হইয়া থাকে জ্ঞান, কল। বণিষ্ঠ কলিন-নে বলা হলে চিৎ সেইরূপেই সৃপ্ৰিণরূপে প্রকাশিত আলিবে; অর্থাৎ বিএনতি এক সেই অনভিব্যতাৰে ভি আর এই দৃষ্টিপ্রপঞ্চ ইহার চিৎক্ষপ হইতে অণুমাত্র বিক্রি নহে বোসমুহ) চিময় আনে হা হইতে রূিপে চিনামক স্বভাব প্রকাশনয় ও নিরবগব হইলেও সর্বগামী বলিয়া এত অর্থাৎ তৎকপেই চিত। যেন আকাণ সাবয়ব ও “আমি অজ্ঞ ইত্যাকার অজ্ঞানে সমাচ্ছ বলিয়া মলম হলেও পুলিশ লতি (তগােচর হয় অপ্রকাশ অর্থাৎ স্বরূপ বিস্মৃত হইয়া পড়ে। এইরূপে সেইরূপ অবয়ববিহীন (সূ চি সর্বগামী হইলেও অবিদ্যা-প্রতিবিম্বিত হইয়া চিৎস্বরূপখীয় অনন্তপদ (অপরিছিল- লজিত হন না। স্বচ্ছকটিকালি মণি আবৃতই হউক আর স্বরূপ) পরিত্যাগ করি। ক্রমে “এই (দেহ) আমি” ইত্যাকার অনাবৃতই হউক, অগপ্রতিবিম্ব যেমন সত্যও নহে, অসভ্যও ভাবনায় অজ্ঞ (জীব) পদবাচ্য হন। কথিতপ্রকারে যাহার নহে, আত্মাতে এই সৃষ্টি ঐে মণির প্রতিবিম্বৰং) দ্রুপ সভ্যও নানা রূঢ় হইয়া উঠিলে ইহা আছে, ইহা নাই এইরূপ তাৰ নহে, অসত্যও নহে। আকাশ বেন মেয়ের বাবার হইলেও মেষ ও অঙ্গবে এবং ইহা গ্রা, ইহা গ্রা হে' ইত্যাকার ইষ্টা- ইনহে,অর্থাৎ নির্লেপ, সেইরূপ এই স্মৃতিসমূহ চৈতে অবস্থিত নিষ্টের আম্পদ দেহাবুদ্ধি স্থিরতাপ্রাপ্ত হয়। তখন আত্মরূপে হইলে পাটি (চৈত) তাহা কর্তৃক পৃষ্ট হন না। ১৫। অধ্যন্ত পূর্বকের স্পন্দনপরম্পরা আর তিনি এই ভোগ্য- যেমন পতিত সূর্যকিরণ অলষ্ট ৰলিয়া স্পষ্টরূপে লক্ষ্য না জগৎ নির্মাণ করেন। এই জন নির্মাণে তঁাহর নিজের হইলেও কালে প্রতিৰিখিপে লক্ষ্যইখাকে পুষ্টকাত্মক কর্তৃত্ব নাই, কেবল পুষ্টকের স্পন্দেই উহা সম্পাদিত হয়। শরীরে আত্মচৈ সেইরূপ লক্ষিত হই থাকেন। এই চৈত েএই যে ভূগর্ভস্থ অজুর মুর্তিকাভেদ করিয়া উখিত হইতেছে, এস্থলে বাৰিকই কোনপ্রকার সঞ্চয় বা কোনপ্রকারই সংজ্ঞা নাই , ইনি সর্বত্র প্রতিহভগতি সর্বময় আকাশ আপনাতে বিবর ধারণ অধিনাশভাব , তবে এই যে চেত্যপ্রভৃতি (দৃষ্টিপ্রপঞ্চ), ইহা না করিলে উর্মেঅবকাশের অভাবে ঐ অঙ্কুরের উদগম কিছুতেই তাঁহার কল্পিত নাম। মীর নিকটেইনি আকাশের ও সাবিত হইত না। এইরূপ ঐ অঙ্কুরকে উদগত করিবার জন্য আগের একভাগের ন্যায় অস্থি, তিনি এবং নিকলস্বরূপ স্পন্দঅ বায়ু নিম হইতে উহাকে আকর্ষণ না করিলে, জল (বয়)। তারা জানেন, এই সারের স্বরূপ সাবয়ব স্বীয় রস প্রদানে উহাকে সুমি না করিলে, পৃথিক স্বীয় দৃঢ়তা হইলে উক্ত চিতিতে নিরবপে দিত এবং উক্ত চিতি প্রদান না করিলে এবং তেজঃ অঁজপ প্রদান না করিলে কিছুতেই একমাত্র স্বরূপ নিকারিণ। যেমন সাগলিলে বিবিধ ঐ পরে উগতি সন্তাবিত হইত না। সমুদয় জগৎই এইপে রাজি বিকারময়-নানাভাব সলিল হইতে ভিন্নরূপেই তাহাতে পরস্পরের সাহায্যে স্থিতিলাভ করিতেছে। বিভিন্ন হেমাজি- অবস্থিত, তদ্রুপ চিৎসাগরে আমি তুমি প্রভৃতি নানাভাব কালও জ্ঞি-কালজাত অনুদির উৎপতির বাধ হইয়া সকাল- অভিন্নরূপেই অবস্থিত; ভিন্নরূপে এই নানাভাবে প্রকাশই জাত অনুরের উজামের হেতু হইয়া থাকে। ১৬-২২। সর্ল সত্তৰে না।—১০। যদি ফল ‘চিৎ আপনাতে চেভ (ন্নি গামিনী চিতই গন্ধভাবাপন্ন এবং মৃত্তিকার অন্তর্গত রসভাবাপন্ন বিপঞ্চ) সংগ্রহ কমিয়া জানেন, তাহা হইতে পারে না, কারণ হইয়া মূলভাব প্রাপ্ত হইয়া থাকেন।. মুল রসভাযাপন্ন চিনি অন্য কিছুই নাই, সূরাং তােমাকে নিতে হয়, চিং চিৎ- ঐ চিৎই পেন, ফল ও শিৱালিতাব প্রাপ্ত হইয়া ইবনুর সংগ্ৰহলে ,কিন্তু তাও সবে না, কারণ চিলি কোল - আয়, বৃন্তে বিচিত্র নবীজ উৎপালন করেন। এইরূপ এই রই ম; সুন্নাৎ ইহাই ফলে পবসিত হয় যে, একমাত্র চিই পরিমান জগতে যে কোন বস্তু আকারে আবির্ভূত হইতেছে, স্বরূগোপনাতে বিদ্যমান। এই বিশ হা হইতেলি পদার্থ, সময়ই ঐ চিতির অনুগ্রহে। ঐ চিতিই পুষ্পবরাশি রূপ ধারণ ইহাকেল মূল কানামাত্র। মুলাে আনে, অসৎ (জনীয় কবিয়া বসন্তকালের পরিপােষণ কয়েন, দুধের তাপশক্তি জনে) বিল এই সংসার-পরা ঐ চিতির অভ্যয়ে এখর করিয়া নিসা-ঋতুর আবির্ভাব করিয়াফেন, সুনীল মঞ্চাল। অবস্থিত।জীর জলে, সমস্তই একমাত্র নয় চিৎ; তিনিই বিস্তার করিয়া বাসময়ের আবির্ভাব করেন। এবং ঐ চিতি প্রকাশস্বরূপে বিরাজমান। এই চিতি একমাত্র সুভুতি দ্বারাই অনুগ্রহেই বিবিধ ফলরাশি, উৎপন্ন হয় যে শরৎকালের দিয় প্রক- কর্নিয়া থাকে, সকল জীৱে বিস্বানশক্তি আবিষ্কার করে, হেমন্তকালে দশদিক যে দুষারলােভনী উংপান করিয়া সেন এবং সায়ীকে উৎপত্তি পান হয় এবং কালে শীতল বাতাস যে অলকে বরফ করিয়া করেন। অলি এই চিলি ,উ, উখান, অবস্থান, গম, ভুলে, এ সমস্তই ঐ চিতির অনুগ্রহের ফল। কাল যে স্বীয় আগমন কিছুই নাই। রােনিনাই চিঙি ধৰণে যুগময়ী মৰ্যাদা পরিত্যাগ করে না, অর্থাৎ যুবৎসর ইত্যাদি বিভিন্নকার প্রতি হয়। এক এই নে কাল পবায়ু ও এৰিলা এই আটকে বু। বাৰি “ভূলে বিরাচালানকারি এই যে নিয়তি সভা এবং এই আয়নাবাব। একি চাই গ্রোজৰ পুৰ্যই বে নিকিলরেখারভূত থকা ৰে আনকাল অবস্থান । করিইেহা চিতি। তুকমধ্যে এই ৫, দুর্দশ ১০ একার ভূতাতি, বিবিধ আকাৰে বিবিধ ব্যবহারে পুনপুন উৎপন্ন কর্তা, করণ ও কর্ম সবই এক। তিনি কোন স্থানে অব হইয়া পূনঃপুনঃ লয়প্রাপ্ত হইতেছে, ইহাও থােক্ত চিন্নি নিয়মে। স্থানও করেন না, কারণ তাহা হইলে অথায় ও আখে ফলজ্ঞ জ্ঞান লাভ হইলে, এই সমস্ত অমূত্যুপ্রবাহ অব বিলে থাকে না। অই বলিয়া ইচ্ছাবিহীন আল কত বুদের স্থায় বিলয়গ্রাপ্ত হইয়া যায়। একমাত্র জ্ঞানের অভাবেই বলা যাইতে পারে না কারণ মিত কলা ইতে এই এই শােচনীয় মূঢ়জীবর্গ অত্যুগ্রস্ত ও কৃতান্তেয় করালগ্রাসগত নাই। বৰ্মৰজিত বলিতে এলে হায় পূর্বে এ কর্ম ইয়াই এই সংসারে কামনালে বিষয়ভােখের অন্য কৌতুকে লি, ইহা স্বীকার করিতে হয়, কিন্তু আজি স্ব কর্ম একে- গতকাত করিতে, অর্থোপন করিতেছে, অবস্থান করিতেছে বারেই নাই। অতএব হে রাম। এই জগৎ ৰিখ না, ইহা ও ধাবিত হইতেছে। ২৩-৩৩; অবগত হইতে পার না; এই সমস্তই অন্ধৰিছি। যদি তুমি বত্রিশ সর্গ সমাপ্ত। ৩৬। অন্যবিধ করুনা বলিয়া মনে কর, তাহা হইলে তুমি সর্ব- যিনির্মুক্ত ও গতর হইলেও কর্তা হও। হে রব! আরও দেখ, যদি তুমি কর্তৃত্ববিষয়ে অভিনিবিষ্ট হইয় পুনঃপুন কাৰ্য সপ্তত্রিংশ সর্গ। কর, তাহা হইলে তাহাতে দেহাদির উপচয় ব্যতীত আর কি কলপ্রাপ্ত হইবে? হাতে তােমার নিত্য নিরতিশয় আনায় বশিষ্ঠ কহিলেন,–এই সংসারপৰম্পর। বারংবার পূর্ণব্রহ্ম আত্মার উপযােগী কোন ফল পাইবে কি? তাহা কখনই পাইবে সরূপ হইতে আগত হইয়া (অদৃষ্টিতে) স্থিরতর আকার না। অতএব কর্তৃত্বের জাগ্রহ পরিত্যাগপূর্বক আত্মস্বরূপের ধারণ করিতেছে এবং আবার তাহাতেই লয়প্রাপ্ত হইতেছে। সমুচিত অকর্তৃত্ব বিষয়েই তােমার আস্থা হউক; তুমিত শাস্ত্রজ্ঞান এই বিশ্বপ্রপঞ্চ সতই উৎপন্ন হইয়া পরস্পর হেতুভাবাপন্ন | লাভ করিয়ছ। (তাের ঐরূপ কর্তৃত্মভিমান সমুচিত নহে। হইয়াছে, পরে যখন নষ্ট হয়, তখন ঐরূপ (পরস্পর ) হেতু ' তুমি নিৰ্ব্বাত জলধির স্থায় নিস্পন্দ সুস্থ ও স্বস্থৰে অবস্থিত ভাবাপন্ন হইয়া স্বতই বিলীন হইয়া যায়। যেমন অগাধ সলিলের ; হও। ইহা দ্বারা অপরিচ্ছিন্ন সুখলাভ করিয়া পুর্ণকাম হওয়া মধ্য স্পন্দন থাকিলেও জলশূন্য স্থান না থাকায় তাহা লক্ষ্য হয় যায়। এই উপায় কদাচ অতিদূরে গমন করিয়া বহষত্রেও লাভ অর্থাৎ স্পন্দন নাই বলিয়া বের হয়, সেইরূপ এই পরিদৃশ্য করা যায় না। ইহা বিবেচনা করিয়া তুমি কখনও মনে বহ মান জলপ্রপঞ্চ চিকপে অলক্ষিত না হইলেও একমাত্র চিই পদার্থকে স্থান দিও না, তুমি প্রত্যরূপ-বিহীন নহে, পরমার্থ- বলিতে হইবে। গ্রীষ্মকালে নিরাকার-গগনে যেমন নদীম দৃষ্টিতে দেখিলে তুমিই পূর্ণান চিন্ময় আত্মা।১৯-১৪। হয়, চিত্রে এই সৃষ্টিসমূহ সেইরূপ এম বলিয়া আনিবে। সগুৰি সৰ্গ মাপ্ত।। যেমন আত্ম। ঘণমান না হইলেও মত্ততাবস্থায় ঘূর্ণমান বলিয়া বাে হয়, এই চিত্রও সেইরূপ চিপে বিরাজমান থাকিলেও তদভিন্নরূপে প্রতীয়মান হয়। ১-৫। একমাত্র ত্রিংশ সর্গ। ৩ নিই এই জগৎপ্রপঞ্চ ধারণ করায় এই প্রপঞ্চ অস বলা যায় না, আবার ভন ইহার সভা থাকে না বলিয়া বশিষ্ঠ কহিলেন, যখন আত্মা কর্তৃত্বহীন, তখন সুখ- ইহাকে সৎও বলা যায় না। স্বর্ণবলয়াদির স্বর্ণা স্বর্ণবলয়াদি দুখাদি ভােখে ও যােগাভ্যাস প্রভূতিতে যে কর্তৃ দৃষ্ট হয়, হইতে ভিন্ন না হইলেও,(স্বর্ণবলয়ের ব্যবহার কাৰ্য্য সম্পাদন | অজ্ঞ ব্যক্তির নিকট তাহা অসং,কেবল মুখের নিকট অহা সং করিতে পারে না বলিয়া) ভিন্নরুপে প্রতীয়মান হইয়া থাকে। | বলিয়া প্রতিপন্ন হয়। কর্তৃত্ব কাহাকে বলে? সীল জিন্না । হে রাখব ' তুমি যাহার সাহায্যে শব্দ, রুস, ফল ও গন্ধ অবগত | নহে, কারণ অবুদ্ধিপুর্বক যদি কােন কার্য করা যায় সে খুলে হইতেছে, নিই পরব্রহ্ম বা পরমাণ, সেই পরমাত্মা এই আমি করিতেছি” এরূপ প্রত্যয় হয় ,কিনিকি অভয়- সমূদয় জগৎপ্রপঞ্চ পূর্ণ করিয়া অবস্থান করিতেছেন। কেবলমাত্র ' সূিত মনােবৃত্তিই কর্তৃত্ব; ইহাকেই বসল বলা যায়। ভৰি ফল- এক আত্মাই সভ্য , এই কারণে সবখামী অতীত বিল আত্মা ভােও মনােবৃত্তির (সনার) আল ষ্টোৰণেই হইয়া থাকে। হইতে বিভিন্ন আর অপুর কানা নাই, বাস্তবুিকও অভিন্ন অন্য যেহেতু পুরুষ বাসন্মর অনুরূপইন্দিতই সেইলশের অনুরুপই কল্পনা বৃথা। হে রাম! অন্য বস্তুর সত্তা অসত্তা ও শুভাশুভ সৃষ্টি- বল অনুভব করে, ফতেক্তৃত্ব ও উজবি কর্তৃত্ব হোক হইয়া সমূহ বাসনাৰণে কল্পিত হইয়া থাকে; ঐ সমূদয় কল্পনা থাকে,ইহাই সিত। পুরুষ কোন কাৰ্য কক অথবা না করুক, (মন্ত্রিক-দৃষ্টিতে) অনভূত আয়াতেই হইয়া থাকে, কিংবা মনের বা যা হইবে, অনুরূপ স্বর্ণ বা সৰু ফল (তদৃষ্টিতে) আত্মাতেই (অষ্টিতে আত্মভিন্ন অন বলিয়া) ভূত হইর, এবহায়া অজ্ঞাত, তাহারা কাৰ্য করুক বা হইয়া থাকে। অর্থাৎ যদি আমি পৃথক বস্তু সিদ্ধ হয়, না করুক, অয়েই কর্তৃত্ব,ৰায় যাহারা , তাহাদের কর্তৃত্ব তাহা হইলে তাহাতে সৃষ্টি-বিষয়ক বাসনা হইতে পারে , যখন নাই, যেহেতু তাদের ব্যানা অপগত হয়।১৫। যিনি আজি কিছুই সম্ভব হয় না, তখন আত্মা আবার কি বা অজ্ঞাত হইয়াছে, তাহার বাসনা শিক্ষিতায় ফেল কাট করিলে কোন বিষয়েরই স্মরণ করিয়া থাবিত হইকেন এবং কৰিলেও তিনি অয় ফায়ী হল , এ আসক্ত থাবিত হইয়াই বা কি ফলপ্রাপ্ত হইবেন? ১০। অতএব হয় কেবলমাত্র শন কক্ষে এ ফলকে আত্মা “ইয়া আমার ব্যতি, ইয়ায়িত নহে—আআর এইরূপ বিফল হইতে আজিই অনুভব করেন। মাসক্ত-চিন ব্যক্তি কোন নাই, এৰ নিচ্ছি বলিয়া অন্য কিছুই করেন না, কারণ কাৰ্য্য না করলেও সে অহাৰ পূজা হয়। মন বা অহাই t ২০০ যােগণিষ্ঠ-জামায়ণ কৃত হয়, যাহা করে না,আহা কত হয় না, অতএব মনই কালেহ , সমুদ, কর্মও লয়প্রাপ্ত হয়। তখন খায় তাহাকে মানস কর্তা নহে। চিনতে এই সংসার আগত হইয়াছে,এই সংসার (সঞ্চসজনিত শারীরিক কৰ্ম্ম আক্রমণ করিতে পারে না; চিনচিতেই এই সার এতি,ইহাপুর্বে চ্চিার করিতে হয়; আহা আর ভিণিীকৃতও হন না, তাহার আর রঞ্জিত হন না; সমূদয় বিষয় ও চিরুক্তি উপাত্ত হইলে, তাহা কেবলমাত্র কারণ, তখন তা খতিরিক্ত আর কিছুই থাকে না। যেমন এক গাঙে পরিণত হয়, সেই সালেই বীৰ। সেই বালকে মনে মনে বনিন্মাণ করেতাহা পরিষ্কার করে; কিন্তু জীবশের মনেহারা আত্মকি, তাহলে মন জলদে জনবর্ণ মনে ঐরূপনগর নির্মাণ ঋৰিলেও এবার লীলাক্রমে উহা এক কালে মরীচিকাসলিলের স্যায় উপশান্ত হইয়া যায়, প্রচণ্ড আতপে বলিয়া অনুভব করে। অনুপাদেয়-সুখ দুঃখের ভৰ নি করে। হিমবিৎ নিলীল হইয়া তুদশাগত হইয়া অবস্থান করে। মনঃকলিত ঐ নগরের বিরক্তি মনঃকল্পিত বাস্তবিক ৰলিয়া জানাদিগের মন বিষয়-সুখে বিভ্রান্ত নহে ও রূপনও দর্শন করে। এইরূপে দুঃখও অবলীলাক্রমে অনুভব করিতেও নহে, চঞ্চল নহে ও পাষাণবং অচল অর্থাৎ আড়াবহুও নহে, সংও আবার দুঃখরূপে উহা অনুভব । এই জগঞ্জে সমগ্র নহে অসৎও নহে। উক্ত নিরা আনন্দময়তা-এভৃত্তি পদার্থই হেয় ও উপাদেয়রূপে ব্যবহৃত হয়। ইহাতে দুঃখের মধ্যগত অর্থাৎ সন্দিশাগ্রস্তও নহে, কিন্তু বহুলপরিমাণে আত্ম- কারণ কি? হেয় দুঃখের কারণ হতে পারে না এক সুখরূপ একরসবিশিষ্ট। ১০। হস্তীর যেমন গলে নিমজ্জন' উপাদেয়ও দুঃখের কারণ হইতে পারে না, কারণ নশ্বর উপ অসম্ভব, তেমনি কাচ ৰাসনাময় স্পরসে নিমগ্ন হন না, দেয় দুঃখের কারণ, অথবা অনখর কারণ? যদি বল নশ্বর, কিন্তু মুখরি মন সতত ভােগভূমিই দেখিতে থাকে, কুখনও তাহা হইতে পারে না, কারণ আত্মা যে নশ্বৰ সে রক্ষণেই আজ দেখিতে পায় না। এ বিষয় অপর একটা দৃষ্টান্ত অসমর্থ; সে অপরের কারণ কিরূপে হইবে ? অনখরও বলিতে দেওয়া যাইতেছে। যেমন কোন ব্যক্তির মনে ধদি “সতত গর্তে পার না, কারণ এই উপাদেয় জগতে এমন কিছু নাই, যাহা পড়িতেছি” এইরূপ বাসনা থাকে, তাহা হইলে বাস্তবিক গর্তে না অবিনশ্বর ও আত্মাতিরিক্ত। আত্মাও হেয় ও উপাদেয় হইতে পড়িলেও শয্যায় অবস্থিত হইয়াও স্বপ্নে গর্তে পতনজন্য দুঃখ পারে না, অতএব এই ভােগ্য দুঃখের কারণ নিরূপণ করা যায় অনুভব করে , কিন্তু তত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তির মন উপশম প্রাপ্ত হইলে, তখন না। এই আত্মা কর্তাও নহেন ও ভােক্তাও নহেন, তবে আত্মতে সে গর্ত হইতে পতিত হইলেও শাসনে অবস্থানসময়ৰ স্বাদে যে কর্তৃত্ব অনুভূত হয় ইহা বাস্তবিক নহে। উহা অধ্যারােপিত সুখে অবস্থান করে। এই শয্যায় অবস্থানও গপতনের মধ্যে এক মাত্র। কিন্তু ঐ কর্তৃত্ব জীবের নিকট অনিবাধ্য ; কারণ, তাহার জন গর্তে পদকর্তা না হইলেও, কৰ্ত্তা হইতেছে, অপর জন সমগদৃষ্টি নাই, জীব কেবল ত মােহে আচ্ছন্ন,বষ্ণতঃ উহা অনিবার্য (তৰুঙ্গ পতনকা হইলেও অকৰ্ত্তা হইলেন, চিত্তই ইহার নহে। যথাযথ বস্ত বিচার করিলে ঐ ক ও ভেঙ্গ থাকে না। একমাত্র কারণ। অতএব চিত্ত যেরূপ হইবে, পুরুষও সেইরূপ ' যাহাদের দৃষ্টি (অর্থাৎ বুদ্ধি ) ইলিয় ও ইন্দ্রিয়গ্রাহপদার্থে দ্বেষ ও হইয়া থাকে, ইহাই সিদ্ধান্ত জানিবে। তুমি কৰ্তাই হও বা কৰ্ত্তা, অভিলাবাদি দ্বারা সভৃত পূণ্যপাপরূপ অষ্টে বিবশীকৃত কে, না-ই হও, তোমার চিত্ত ফের দৃশ গর্বপলব্যাপারে আসক্ত তাহারাই ঐরূপ কর্তৃত্ব দর্শন করিয়া থাকে, তাদৃশ দৃষ্টি যাহাদের নাহয়। তুমি নিজেই জানিবে, আত্মতত্ত্বভিন্ন আর কিছুই নাই নাই, তাহাদের নিকট ঈদৃশ দৃষ্ট হয় না। পূর্ণ আত্মাতে যাহাদের যে যে ব্যাপারে তােমার আসক্তিসত্তাবনা, হাও ঐ আত্মতত্ত্ব। ' চিত্ত আসক্ত, তাদৃশ জ্ঞ ব্যক্তিদিগের নিকট এই সংসারে তুমি এক্ষণে শুদ্ধচিত্ত হই আনিবে , এই জগদগত যাহা কিছু, মােকানা নাই, যাহারা স্বাত্মাসক্ত নহে, কেবল অভ্যাস- সমুদয়ই আদ্যাস-অর্থাৎ ভ্রাস্তিমাত্র। এইরূপে পুরুষ জ্ঞাতব্য প্রাপ্ত, তাদের নিকটেই এই সমস্ত বন্ধ ও মােক্ষ প্রভৃতি কল্পনা। বিগত হইলে, তখন তাহার আত্মা সুখ-দুঃখ-গােচর নহে, তত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তির নিকট কেবল আত্মই উল্লসিত হয়, সেই এই নিউইয় থাকে। বিয়েটি কিনুই আত্মতই তাহার জীবব্যবহার সিদ্ধির নিমিত, তাহার নিকট নাই,নিশ্চমান হয়, তখন তাকেই | এদিগের সিদ্ধ আপনার দিত্ব ও এক. (ৈৈত) জং পদার্থের অতিরিক্ত কেন্মের সত্ৰ-হৰুপ | উৎপাদন করেন, সন্ত্র ও অসন্তু উৎপাদন করেন, এবং শক্তিসমূহ (সূক্ষ্ম) আমি” এই নিম হইয়া থাকে; তখন আমি ভিন্ন আর ' হইতে অভিন্ন স্বকীয় সর্বশক্তিমতাও দেখাইয়া থাকেন। আত্মার কিছুই নাই এই বিজ্ঞান হয়। তাহাতে আমি সর্বপদার্থের প্রকাশ বন্ধও নাই মােক্ষও নাই, অবন্ধও নাই বন্ধনও নাই। যােখ না শকসবগমী হইয়া রহিয়াছি-এই নিম হওয়ায় “আমি মুখ হওয়া পর্যন্ত এই দুপ অনুভূত হয়, প্রবোধ হইলে ঐ দুণে বিলীন দুঃখের গম জি” এইরূপ বিলজ্বর হইয়া, চিত্তবৃতি হইয়া যায়। এই জগতে মােনুদ্ধি বৃথা প্রকল্পিত, বন্ধুবুদ্ধিও ব্যবহারপরাহ্মণহইয়া থাকে অর্থাৎ আকি আর থাকে না। এজগতে বৃথা একল্পিত। হে রাম। তুমি ঐ সমূদয় পরিত্যাগ সঙ্কটসময়ে ব্যক্তির নিকট এই এ জে কে করিয়া এই ভূতলে অহঙ্কার আত্মনিষ্ঠ ও ধীর হইয়া, বুদ্ধি আর মাত্র আনন্দে খলত হয়, অর্থাৎ তখন তাহার কোন কষ্টই বহার করত অবস্থান । ১৬-২০। হয় না। তবে কে কোন কাৰ্য্য কর্মিলেও তাহার উনি সর্গসমাপ্ত।৮। কর্তা হন না, মন তখন 'নিলো হয়, তল ব্যক্তির যত হতদশি বিক্ষেপণ ও ফল অনুল করেন না। ১১। এইরূপে মই সৰকৰ্ম, সকল চেষ্টা, সকলঙৰ, শশােক সকল প্রকার গতির শীষেরূপ। সেই মনকে শরি- ৩াশ করিতে পারিলে সমুদয় কী পরিত্যক্ত হয়, নিখিল দুঃখের ক্রীড়াচ্ছলে ২৪ দুঃখ।” আপনার এখকের আর শবণ হইল একোনচত্বারিংশ স। আমি বাক্যর্ণ অবগত হয়ে পারিলাম না। কি কি, রাম কহিলেন,-ভগব। যদি এইরূপ হয়, তাহা হইলে রাম ঐ কথা বলিলে মুনিশ্রেষ্ঠ বশিষ্ঠ ভয় মনে মনে রামের কেবল পরই বিদ্যমান আছেন, পূজা ভিত্তিহীন এর রায়, উপদেশবিষয়ে ভৱিতে লাগিলেন,-“এই রামের মতি ও এই অগসৃষ্টি কোথা হইতে আসিল। হে মহান। ইহা | ফিস প্রাপ্ত হয় নাই, কিছু নিল হইয়াছে বটে, কিন্তু এগলে মাকে বলুন। বশি কহিলেন, (১ হেভেনয়' এই সমুদয় এই অনিক বস্তুসমূহে সমান আছে। যে পুরুষ এই খাতের ব্ৰহ্মতত্বেরই বিবর্ত ক্ষেসর্বশক্তিসম্পন্ন,সেই কারণে সকল | জড়তাৰ পরিত্যাগ করিয়া প্রিয় একসৰ্শন করিতে সমর্থ শক্তি দৃষ্ট হয়। যখা সুতা (সত্য), অসত্য মিথ্যাত্ব ছিদ্বৈত), ] হইয়াছে এবং বিবেক যারা মােকাপাষের উপদেশপ্রদ বাক্যের এক (অদ্বৈত। নেক, আলতু ও অন্তত ঐ সমুদয় অরই | অর্থ সম্যক্ অবগত হইয়াছে, অদৃশ ধীমান্য ব্যক্তির নিকটে কোন শক্তি, অন্য কিছু নয়। যেমন সমুদের জলপ্রবাহ চললাম ' বিষয়েই অসঙ্গতি বােধ হয় না। যেহেতু আম্মত কোন প্রকার নিমিত্ত উসেবিকম্বর হইয়া তরঙ্গত্য দ্বারা নানাকায় দেখাইয়া বিরোধই নাই। আমি যতক্ষণ এই রামচকে সমরূপেবুঝা- প্রকাশিত হয়, সেইরূপ চিন ( চিন্ময়) আত্মাই চিত্ত , তিনি ইতে না পারিতেছি, ততক্ষণ রামের বিভ্রান্তি হইবে;সকল তিহেতু, পরে সেই চিত্ত হইতে সমুদয় কর্মময়ী বাসনামী ও সন্দেহ অবগত হইবে না। ১১২। যে ব্যক্তি অর্থন লাভ মননাময়ী শক্তি সঞ্চয় করেন, সকলের দৃশ্য করেন, উপভােগ করিয়াছে, তাহার নিকট ( সমস্তই ব্রহ্ম)-এরূপ উপরে উপযুক্ত দ্বারা ধারণ করেন, উৎপাদন করেন, (ভিলেভাৰ হেতু দূরে হয় না। কারণ তখনও তাহার দৃশ্যভােগষ্টি থাকে, তাহা দ্বারা সে করেন। ১-৫। সমুদয় জীব, সমুদয় বিষদৃষ্টি, ও সমগ্র দু দর্শন করিতে থাকায় জুন হইতে পরিভ্রষ্ট হয়, (তত্ত্বজ্ঞান পদার্থ ব্ৰহ্ম হইতেই নত উৎপন্ন হইতেছে পরমাত্মা লাভ করিতে পারে না। যখন পৰমষ্টি প্রাপ্ত হইয়াছেড়ােগে আর হইতে সমুদয় ভাব. মাগত হইয়া, আবার তাহাতেই বিলীন ' হয় না, তখনই “সমস্তই ব্ৰহ্ম” এবংবিং সিদ্ধান্ত (চরম উলদেশ) হইতেছে। যেমন সাগরের তরঙ্গ, সেইরূপ সমগ্র পদার্থই তন্ময়। সুসঙ্গত হয়। প্রথমে শম-দশ-বল সদগুণ যারা শিষের চিত্তশুদ্ধি রায় পুনপি সন্দিহান হইয় জিজ্ঞাসা করিলেন, ভগব । ভৰ- করিতে হয়, পরে “তুমিই এই সমুদয় বিশুদ্ধ বন্ধ” এই প্রকার দীয় এই বচনপরম্পরা অতি দুই আমি ব্যার্থ অবগত হইতে জ্ঞান প্রদান করা বিধেয়। যিনি অজ্ঞ বা অবােধাপ্ত ব্যক্তিকে পারিলাম না। মনোরূপ ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়েরও অগােচর ব্ৰহ্মত কোথায়? “সমস্তই ব্ৰহ্ম” এইরূপ উপদেশ প্রদান করেন, তিনি সেই উদিষ্ট আর সেই ব্ৰহ্মতত্ত্ব হইতে উপন্ন বিনশ্বর এই পদার্থসমূহ ব্যক্তিকে মহানরকজতে নিপতিত কনে। আঁহার সম ৰােখ- কোথায় ? অর্থাৎ নিত্য অরােক্ষ ব্ৰহ্ম হইতে অনিত্য প্রত্যক্ত এই দয় হইয়াছে ভােগেচ্ছা সমস্তই ক্ষীণ হইয়াছে ও কোন বিষয়ে জগৎ কিপে উৎপন্ন হবে ? কারণের শক্তি একরূপ ও কাৰ্য্যের আর শুভাকাঙ্ক্ষা নাই, তাদৃশ মহাত্মাকে সমস্তই ব্ৰহ্ম এইরূপ শক্তি অন্যরূপ ত কখনই হয় না। যদি এই প্রপঞ্চ ব্ৰহ্ম হইতেই উপদেশ প্রদান সুসঙ্গত হয়। যে অভিমুদ্ধি শিষ্যকে উক্তকার আসিয়া থকে, তাহা হইলে ঠিক তদনুরূপ হও উচিত যে কারণ পরীক্ষা না করিয়া ঐরূপ উপদেশ দেয়, সেই উপাস্টও আকুল হইতে যে কার্যের উদ্ভব, তাহা সেইকরণের সদৃশই হইয়া থাকে, নিরমমগামী হইয়া থাকে। অনতিমির-বিনাশী দুতলদিবাকর যেমন এক প্রদীপ হইতে প্রাপত অন্য প্রদীপ,এক পুরুষ হইতে উৎপন্ন অ পুরুষ ও শক্ত হইতে শান্তর ৬—১০ এনিকিক ভগবান মুনির বশিষ্ট এইরূপ চিন্তা করিয়া রামচকে কহিলে, করি, যদি তাহা হইতে এ জগতের আবির্ভাব হয়, তাহা হইলে এই হে পরহ্মে উক্ত প্রকায় কৃঞ্চ-লেপ আছে কি না আর সিদ্ধান্ত সময়ে বলিব; হে রাৰ অখন তুমি স্বয়ংই বুবিতে জগতের নির্বিকারত্বই হইতে পারে, বিকারিত্ব কিছুতেই সৰুৰে পারিবে। ব্ৰহ্ম সর্বশক্তিমান, সর্বকাপ, সর্বগত ও সানাই না। অতএব এই জগৎপ্রপঞ্চ চিন্ময়াত্মা হইতে বিভিন্ন পদার্থ হইলেন। যেমন দেখিয়া , ঐলিকের মায়াবলে বিচিত্র ক্রিয় আর কোন সন্দেহ হয় না, নতুবা নিকলঙ্ক পরমাত্মাতে কলঙ্ক আরােপ করা হয়। ভগবান ব্ৰহ্মর্ষি বশিষ্ঠ ইহা শ্ৰৰণ কৰি উত্তর রচনা করুত কে ৎ করে ও অকে সৎ করে, অন্য করিলেন, হে জন। এই সমস্তই একমাত্র ব্রহ্ম, ইহাতে কোন ঐজালিক যেমন,টকে পট করে, গে, পর্বতে মুৰটে অরূপ মায়াময় না হইলেও যেন মায়াময় হইয়া থাকে। সুশিক্ষিত প্রকার মল (কল)লাই। সাগরে উৰিষার সহিত জলই চন্দনকালের প্রলাপরি তা পালন করে, করি- স্কুরিত হইতে থাকে ধূলিকণা নহে। হে বধুভূলধুরন্ধর ! অনলে যেমন উৰৰ ব্যতীত আর কোন ভানাই স্তবৰুষত্র প্রস্তরখও উৎপাদন করে এবং আকাশে স্থান করে, ও । ১১-৩০। এ পর্থোনের তেমনি একমাত্র ক্ষব্যতীত ইহাতে আর দ্বিতীয় কল্পনাই। চায় ভাবী সাল নগয়েৎপাদন করেন এ আকাশের তথাপি রাম সন্দিহান হইয়া পূর্ষায় জিজ্ঞাসা করিলেন, বৃক্ষ নলতাপ কতাৰ পত কৰিা আয় , কন। আপনি বলিলেন, “ব্রহ্ম লিখ ও নি, কিন্তু তজ্জনিত গং কলগৰীৰ হে সৰি দুটি গান স্থাপন করেন। এই জগতে যাহা কিছু না কিনে * রাম এখনও কৃতিতে অবতি,কেক কেপনােক্ষপে তৎসমুখ রক্তকনিলিপতিগণবিৎ নিয়ে পূর্ণব্রহ্মের স্থিতি বিশ্বাস করিলেন,সেই কারণ ঐরূপ বিয়ােধ বেশ ঈরই বক্তরূপে বিচিত্ৰঙৰ থাৰ কুৰিয়াঃ কোকা- শিত করেন;সর্বত্রই সকলই সুকান্তে সম্ভৰা ফল (১) বশের সৃষ্টি এপাত হইয়াছে কি না পরীক্ষা কৰিষায় ঐ সমস্তই একব। ইএবিমান। 'বান। লিখিত পরহ্মের সর্বশক্তিমত্তাপ উক্ত করিতেন। ই বিস্ময় ও জোখের কোন বা দেখি । ৩১। তঁাহার হই।
যােগবাণিষ্ঠ রামায়ণ বৈধ অকালপূর্বক গর্বত্র সমাবলম্বী হইয়া থাকা কর্তব্য। যিনি সভাৰতজ্ঞ, তিনি কাচ হয়, ক্রোধ, বি বারিংশ সর্গ। ও গাণিবিডিঅৰ প্রাপ্ত হন ন'। ঐ সমভাব যাৰ পৰ্য- বসিত না হয়, তাবৎ কাল দেশকালাবচ্ছিন্ন এই জগতে রাম কহিলেন-হে প্রভাে৷ ব্ৰহ্মপদ হইতে এই জীব- রচনারূপ বিচিত্র যুক্তি দৃষ্ট হইয়া থাকে। (এই) পরমা সমুহ কিরূপে হই? এই জীবসমূহ কি প্রকার এবং পরিমাণে কত ? তাহা সৰিবলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, ৰহ্ম হইতে এ এবং উপস্থিত হইলে প্রত্যাখ্যান করেন না। যদি বল, জৰ ভীৰসমূহ যেরূপে উৎপন্ন হয়, জেপে শ প্রাপ্ত হয়, যেরূপে উহা কিরুপে আসিল,সে লৈ বলি, ঐ সকলের শক্তি দুঙ্গে যুক্ত হয়, যেরূপে পরিবর্ধিত হয়, স্থিতি করে ও অন্তর্হিত হয়; জ্ঞে স্যা, মৃত্তিকার ঘটের ন্যায়, সূত্রে পটের ন্যায় ও বীজে হে ! হে মহাবাহাে৷ তৎসমূল আমিংক্ষেপে বলিতেছি, বটবৃক্ষের চায় আত্মাতেই অবস্থিত আছে ঐ শক্তিসমুদয়, শ্রবণ কর। নির্মল ব্রাহ্মী চিতিশক্তি যদৃচ্ছাক্রমে ঈদৃশ করুন কীরাদি হইতে ঘৃদির স্থায় আত্মা হইতে প্রকাশিত হইয়া করিয়া থাকেন। সর্বশক্তি-স্বরূপা ঐ চিতিই স্বয়ং বিদেশি ব্যবহার প্রাপ্ত হয়, তাই এই ব্যবহারদৃষ্টি কানামাত্র , আকারে ঈষৎ স্কুরিত হইয়া চেত্য হইয়া থাকে। পরে তাহাই এই গং বাস্তবিক বিরচিত নহে; জলতরঙ্গবৎ উহা স্বতসভৃত। আহাৰে স্কুরিত ও ঘনতাৰ প্রাপ্ত হইয়া থাকে, অনন্তর ঘনীভূত ৩৬। এই আগতের কেহই কওঁ, ভােক্তা বা বিনাশৰ অহাবই সঙ্কল্পবশে মন ও জীবপাধি হইয়া থাকে। ১-৫। নই। আত্মতত্ব কেবল সাক্ষিমার হইয়া অবস্থান করিতেছেন। সেই মন কেবল সঙ্কল্পবলে ক্ষণকালমষ গন্ধর্বনগরবং এই সেই নিরাময় আত্মার ঐ অনুব্ধ অবস্থাতেই এই সমুদয় সম্পন্ন অং জাল বিস্তার করে। তখন বােধ হয় যে, ঐ মন হইতেছে। যেমন প্রদীপ থাকিলে স্বতঃই আলােক উদ্ভূত ব্ৰহ্মসত্তা ত্যাগ করিয়া থাকে। স্বপ্ৰকাশমান সেই স্বিরূপ (যখন) হয়, সূর্যোদয় হইলে গতই দিবসাবির্ভাব হয় এবং পুপ থাকিলে শূন্যরূপে অবস্থান করে, (তখন) সেই শূন্যস্থাকেই সর্বজন স্বতই সৌরভ বিস্তৃত হয়, সেইরূপ জগৎও স্বতঃসত, অর্থাৎ, আকাশ বলা হয়। সেই আকাশ পদ্মযােনির সঙ্কল করিয়া আলােকালিপ্রকাশে দীপাদির যেমন কোন চেষ্টাই নাই, সেইরূপ। (আত্মাতে) পদ্বষনিরূপ সন্দর্শন করে, তাহার পরে দলদি ঐ জগৎসম্পাদনে ঈশ্বরের কোন চেষ্টাই নাই। সাহা কিছু প্রজাপতিরূপে পরিগণিত হইয়া জগৎকল্পনা করে। হে রাম। পরিষ্ট হইতেছে, তৎসমুদয়ই আভাসমাত্র , উহা সমীরণে। এই অনুভূত-সমন্বিত চতুর্দশ ভুবন সৃষ্টি এইরূপে একমাত্র শৰৎ ও নহে,সং নহে। বস্তুতঃ এই ভগবান আত্মা পর চিত্ত হইতে কলিত। এই জগষ্টি কেবলমাত্র চিত্তমী, শক্ত মর্থিত নির্দোষ হইলেও বোধ হয়, যেন তিনি বিনষ্ট জগৎ সৃষ্টির । ও ভ্রান্তিমাত্র। এই সঙ্কলনগরীর (জগষ্টির) আকাশই মূর্তি। কর্তা ও কৃতজগৎষ্টির নাগরিত হন। যেমন আকাশে তারকালাপ বস্তুতঃ ইহা মিথ্যা। ৬-১০। এই ভুবনে কোন কোন জাতি বুশরাণি কখন প্রকাশিত, কখন অপ্রকাশিত ও কখন অল্প- মহামােহ আচ্ছন্ন হছ, কেহ কেহ বা জ্ঞানলাভ করিয়া , প্রকাশিত , অতও তেমনি এই জগৎভাব কখন প্রকাশিত | কেহ কেহ বা জ্ঞানপথের মধ্যবর্তী হইয়াও বিঘ্নবশে শলিত হয় কান অপ্রকাশিত, কখন অল্পগ্রকাশিত হইয়া থাকে। ৪১–৫। (কাৰ্যসিদ্ধি করিতে পারেন)। এই ভুবনমধ্যে ভূলবর্তী অতএব যাহা আত্মার আত্মভূত নহে, তাহা নষ্ট হইতে পারে, যাহা! জাতির মধ্যে যাহারা নয়জাতি, তাহারাই এইরূপ এর আত্মকল, তাহা কিপ নষ্ট হইবে? উপলশের পাত্র হয়। অতিপডিত দুঃখময় মােহ, যে ও আভূত নহে, তাহার উৎপত্তিও নাই। যাহা আত্মার আত্বস্বরূপ, ! ভয়ে কাতর সেই নরজাতির মধ্যে যাহারা রজোগুণসম্পন্ন বা তাহার উৎপত্তি অর্থাৎ উৎপঝাত্মক সন্তাও আছে। যদি বল, গুণসম্পন্ন, তাহাদিগের কথা তােমাকে বলিব। (কারণ, যাহা আর আত্মস্বরূপ, তাহার উৎপত্তি নিরূপে হইবে ? তা। তাহারাই উপদেশের পাত্র, শায়ে অধিকারী। সর্বব্যাপী নিরাময় এই কলা খাইতে পারে যে, উৎপাক সা জগতে অন্তু। অনাদি অনন্ত জগ-ভ্রান্তি অমৃত ব্ৰহ্ম কিরুপে চিদাভাস সুতরাৎসকরূপে বুঝিতে গেলেইহাই প্রতিপন্ন হইবে যে, ব্রহ্ম অর্থাৎ জীবরূপ হইলেন, তাহাও বুলিব এবং সেই পরমাত্মা হইতেই সমুদয় পার উৎপত্তি। সেই পদসমূহ ব্ৰহইতে নিদারুতি হইলেও তঁহার সভৈৰুদেশে নিশ্চল-সাগরে ভয়- য সূর্ণ হয়, সেই সময়ে অবিদ্যা সমুদিত হয়, সেই চাঞ্চল্যবৎ কিরূপে জীবভাষে স্প ঘনীভবাপ্ত হইল, তাহা জুবিনাৎ জন ক্রমে পূঢ় হয়, তাহার পরেই শত-সহস্র বলিব। ১-৫। রাম কহিলেন অনন্তর আত্মতত্ত্বের আবার এক- সবিত p Wভ বিচিত্র ফলৰপুৰ বহুশখাশােভিত দেশ কাহাকে বলে এবং তাহার বিকার ও তাৰ কি প্রকার ? সংসারকৃষ্ণ বিকৃত হইয়া থাকে। আসারকক্ষের মঞ্জরী বণিষ্ঠ কহিলেন, হে রায়। সেই ব্ৰহ্ম এই জগৎপত্তির নিমিত স্বরূপ;য়িফখরুণভােগ উহার পর; জর উহার উপান-কারখ-ইহা যে বলা হইল, ইহ। কেবল ব্যক কুমেথএবং দুকা উহার শখ। হে রাসবিরেকরূপজসি হায়, যথার্থত নয়। বিষয়, এবয়, দিক, সভা ও এক- এয়ার নিগড়াগাছে করিয়া বিমুক্ত হইয়া দেশদি হইত উৎ হইতে-ইহা প্রত্যক্ষ দৃষ্ট হইলেও যুক্ত গজপতি স্যায় ঘন বি ফর। ০৬। বাস্তবিকইতে সয় না। সেই ব্রহ্মব্যতীত ও কললাই একোনট বারি দশম ৩১। নাই, হইযেও । ইহাতে কার্যকারণ ও ব্যায়তি উক্তি একেবারেই হয় না। এই হাকিম যে ,শক (ন) ও যে প্রায় বাক্য তাই একমাত্র এতে আভি ও বলি, সেই এপল বলি বুলিয়ে যাহা আত্মার ।
২০০ A । -- হইৰে। ৰক্ত হইতে উথিত অরি মৈন বহিই, সেইরূপ ব্রণ দুতে উখিত এই জগৎ এই ৷ ইনি এও বটেন, অলকও একবিংশ মর্গ। টেন, জাহাতে জেল্পনা নাই। ইহা (ব্রহ্ম) হতে ইহা ( জগৎসমূপ,ইতাকাবে এই অদিতি; সেই উপভি- কাম কছিলেন। কােদসাগরােগ-প্রত চক্রের ক্রিয়শক্তিতে যাহাৰ আধিক্য, তাই অন্য একজপে ভাসমান এ তল(লয় কাপহারী নির্মল অথবীর বিচিত্র এই হয়। ইহা একপ্রকার, ইহা অপরুপ্রকার” ইত্যাদি যে নামপের জয় বারবার আমি মেঘাচ্ছ বর্ষাকালের দিসের ফা ব্যবহার তাহা কেবল বাক্যমাত্র, বস্তুতঃ তাহা পরমাত্মায় নাই। কখন অন্ধ কখন বা প্রকাশ প্রাপ্ত হইতেছি (কখন যেন কিছু যেহেতু পরিচ্ছেদ থাকিলে উক্তপ্রকার ভিন্নতা হইতে পারে (পর- বুঝিতেছি, আবার কখন মােহাচ্ছন্ন হইতেছি)। পরব্রহ্ম যদি মাঝায় ত কোনই পরিচ্ছেদ নই)। ক্রিয়শক্তিজনিত, মনঃশক্তি অন অপরিপুর্ণ ও স্বতঃপ্রকাশমান হইলেন এবং ইহার আর স্বজই নামবিভাগ বেষ্টিত হয়। তাহা হইতে (সেই নাম- পরমার্থরূপ প্রকাশ যদি সর্বদাই বিদ্যমান থাকিল, তবে ইহাতে বিভাগেই) দৃঢ় ভাবনাবলে অলিতি ব্যবহার সম্পন্ন হইয়া থাকে। পরিকল্পনায় বিভূতি কিরূপে আসিল ? বশিষ্ঠ কহিলেন, হে এক খিশিখা হইতে অপর অগ্নিশিখার উৎপত্তি হইল বলিয়া যে রাম। আমি তােমার নিকট যাহা যথার্থ, অহাই বলিয়াছি; আমার প্রথম শিখা পশিখার কারণ বলা হয়, ইহাকেল উক্তিবৈচিত্র- বাক্যের পরস্পর আকাশযোগ্যতাদি আছে, অন্তর্গত বাক্য- মাত্র , ‘ব্ৰহ্ম অগপত্তির নিমিত্তও উপাদানগরণ এই বাক্যাও সমুহের মহীবাক্যের সহিত অসময় নাই এবং পূর্বাপর বিয়ােখও তদ্রুপ আনিবে । অর্থাৎ ইহা পার্থিক নহে। ২১-২৫।পরম- ইহাতে খটে নাই। (ইহাতে লেখার ফলে বােধ খুলে ফেলে ব্রহ্মে জন্যজনকাদিবাদ সবে ল' কারণ, তিনি এক অথচ অনন্ত; অশক্তির কারণ দেখি না। তবে যখন তোমার বিমণ জ্ঞান তিনি কিরূপে কি উৎপন্ন করিবেন ? বাক্যে স্বভাবই এই যে, হইবে, অজ্ঞান ৰিকাশিত হইবে, তখনই শক্ত হইয়া আমার এই এক ৰূক্যের পর অন্য ব্যাঙ্কে পরস্পর ভেদ ও দ্বিত্বান্সিং বাকযুক্ত তত্ত্বটির, অকৃষ্টি অপেক্ষা কিরূপ অবল, তাহা প্রভৃতি অর্থের সম্বন্ধ কল্পিত, মলতঃ তাহা কণামাত্র। সাগরে বুঝিতে পারিবে।১-৫। এই ৰােক্যসমূহ রচিত হইল, (আত্মা তরমালাবং পরব্রহ্মে যে ভিন্নার্থক শব্দ দৃষ্ট হয়, বুধগণ ত- হইতে উৎপন্ন এই জং ইত্যাদি) এ সকলই উপথেকে উপদেশ সমুদয়কেই ব্ৰহ্ম বলিয়া জানেন, এ্যকু, আত্মা, মন, বুদ্ধি,ৰি দিয়া তাহাকে শাৰ এৰগভির নিমিত্ত জানিবে। ফলত ইহাও দে, অর্থ, শব্দ ও ঈশ্বরাদি সমই একমাত্র ব্রহ্ম। এই নিখিল ভয়, তুমি উক্ত ভমে পতিত হইও না। যখন তুমি অতিদিন বিশ্ব ব্রহ্ম , সেই ব্ৰহ্মপদও আবার বিভীত, বস্তুতঃ জগৎ নাই, সত্য সেই ব্ৰহ্ম অবগত হইবে, তখন তােমার বাচ্য-ৰাচৰকাৰ সমই কেবল ব্ৰহ্ম। ২৬-৩০। ইহা একপ্রকার, ইহা অপর তেলজ্জন খাকিবে না। ভেবোধক এই বাপ্রপঞ্চ উপদে অকার,-আকাশসৰূপ আত্মায় যে এইরূপ বিভাগ, ডাহা মিথ্যা ব্যক্তিকে (অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে) উপদেশ দিয়া শাৰ্থৰগভির নজনিত বিকক্সব। বক্তৃতা থেকে আর সত্যতা কি? নিমিত্ত কলিত হই এখন অ, অদেই জ্ঞানের এক বহ্নিশিখা হইতে বহ্নিশিখারের উদ্ধৃতিবৎ ব্রহ্ম হইতে এই নিমিত্ত বাকৃপকননায়াস , অজ্ঞ ব্যক্তির নিকট ই যে মনের নাম উদ্ভূত হইয়াছে, ইহা চাঞ্চল্যসক্ত বিয়ের শক্তি, বাস্তব নহে। চিজি চেত্যবিষয়ক উমুখীভাব ও অবিদ্যাদি কিছুই বস্তুতঃ নিত্যসিদ্ধ কুটস্থ ব্ৰন্ধে ক্ষুিই সিদ্ধ নহে। ঐ উক্তিৰিক আত্মায় নাই। নিলে পরশ ব্রহ্মই এই জগৎ।—১০। হে ল্প নহে, ভলিশ উহা তরলে প্রথিত হয়। ঐরূপ ভাবিয় অনশ। সিকালে ইহা আমাকে বিচিত্রযুক্তি রাসবি কারণ তম ৰাৱা দুটি প্রতিঘাত, উa ঠিক-চন্দ্রন অলীক। বলিব। এই কথিত প্রগঞ্চ ব্যতীত পরস্পরের সাহায্যে সমুখিত সর্বগামী, সর্বময়, সেই অনন্ত ব্রহ্মপদ ভিন্ন অপর কিছুই সম্ভব জ্ঞান ও অতুলনীয় অ জেল করিতে ও জলসান বন্ধ হয় না। ব্ৰহ্ম হইতে উৎপন্ন যা কিছু দেখিচ্ছে, সমস্তই সেই করতে পারা যায় না। যে রাম। বিশুদ্ধ চিত্র পরিণত ব্ৰহ্ম , ব্রহ্মত ব্যতীত আর কিছুইৎপন্ন না। এই সমস্তই আবিষ্কাই স্বশরীর লাশকালনায় সর্বশ্রেষহরিণ বিন্যার প্রার্থনা ব্রহ্ম, ইহাই পারমার্থিক। ৩১-৩৫। হে আজ্ঞ। যখন তােমার করিয়া থাকে। (অর্থাৎ যদিও এই সমস্ত বাক্য , বিদ্যাও এইরূপই সিদ্ধান্ত হইবে, তখনই তোমাকে এই সিদ্ধান্তবিষয়ক অবিদ্যার কাৰ্যয্যে পরিণত; সুরা ইগুতে তদ্বিকােণী আৰু বাক্যপির খুলিয়া লেখাইৰ। এই ক্ষে, অবিদ্যাদি অন্য কোন কান কিরূপে সিদ্ধহইতে তাহাজৰিও না, কারণ উহাতে - খরিপাট্যলাই, অজ্ঞান িিয়ত হই,এই নিধি সম্যক্ করণ বিধিলে ই ৰেকৰ শুনি ভিন্ন অবগত হইবে। যেমন দৈ-অন্ধকার বিদূরিত হইলে, এই আর উপায় নাই। চিজি না হইলেও আবাের্থপথের পথিক অং দৃষ্টিগােচর হয়, তেমনি এই অবস্থা হইলে হাৰ, হয় যায় না), শ্রেয়াই এল। অহা নিরুপে প্রতিভাত হইৰে। হেয়াম। নে অকাদৰিত আৰু কালিয়; েবিষ ও বিপজা ইন দৃষ্টিতে এই নিখিল বিকৃত জগৎ লেখার নিকট প্রতিভাত থাকে। হে আৰ। এই মা এইরূপই শােনে হইতেছে, কখন গেমার এই জ্ঞানদূষিত দৃষ্টি উক্ত ইবে, আলহ এলান করিয়া থাকে, এই মতি - তুমি নির্মল পরমার্থ পরমপতে অবস্থিত হইবে। হয় না। নেতিতে নষ্ট হইয়া যায়। ১১-১৫। ছিই, এ বিষয়ে কোন বই। বিবেক এইমা আর কেএই মা । # চবায়িং সমাপ্ত। ৪। এই পেশা । সে এই অসৎ অত ত; মানেই নয় ফুল, জেনে गिरे पाटकमा। रेमो मारननाशिक ।
ম যােগবাণিীর। হইয়া থাকে। সবহেতু এই মায়া অতি , যেহেতু এই একেবারে বিনষ্ট , এই বিদ্যা হইতেই বিষাণ, রাখি, আয় নিতান্ত অসতী হইলেও অতি তৰং অনুভূতিগােচর হইয়া বিপর্দ উপস্থিত হয়। এই অবিদাই তার যেহেতু থাকে। যেহেতু এই সামান্থা অত্যন্ত অভিন্ন সেই পরপদে সুলদেহদির কারণরূপ। অতএব তুমি বলপূর্ব এই খাবা- বিস্তৃত ভে বচকরিয়া থাকে। সেই কারণে ঐ আত্মা পরমপন কুমৃষ্টি করিয়া, সমুদ্রের পারগ হও। ১ পুরুষােত্তম ।এই মামার পারমার্থিক নাই, এই একার ও একৎিসও।। ভাবনালে তুমি অবিক হইয়া আত্মার মন্তবজপাবশত হইতে পাৰিলেণীয় উক্তির মর্মার্থ বুঝিতে পারিবে। ১৬-২০। তুমি এত বােধসম্পন্ন হইতেছ না, অত কেবল মদীয় দ্বিচারিং সর্গ। * বৃঢ় নিশ্চম স্থাপন কর। অবিদ্যা নাই, ইহা ভােমার বির বিস হউক। মনালিস্বরূপ এই যে বিশ্ব দৃশ্যরূপে অতীত বশিষ্ট কহিলেন,হে রাব। মাত্রেই বিনা ; অসৎ হইতেছে, ইহা মনন , ইহা অসই, যেহেতু ইহা কেবলমাত্র হইলেও কুপিত এই বিদ্যালঙ্কটব্যারি ঔষধ বলিতেছি, মনেরই বিণ। যাহার অন্তরে কেবলমাত্র “সেই ব্ৰহ্মই সৎ” শ্রবণ কর। হে রাম। পূর্বে গেমার নিকট যে মনের শক্তি ইত্যাকার নিশ্চয় সমুদিত হইয়াছে দেয়াপ্রাপ্ত হইয়াছে। এই বিচারার্থ রাজস-সাত্ত্বিকজাতির কথা বলিব বলিয়াছিলাম, এ যে ভাৰণানুসারিণ চল ও অগকার কৃষ্টি, ইহাই সত্য জগতের তাহা বলিতেছি, শ্যা কর। সর্বব্যাপী অনায় অনাদি ভ্রান্তি জীবরূপ পক্ষিয় বনসাধন বগুরাস্বরূপ। যে ব্যক্তি বিদ্য- - অনন্ত ব্রহ্মের যে চি ভিবি, সেই চিৎপ্রতিবিম্বরূপ ক্ষন বা বিদ্যমান অতীত বা ভবিষ্যৎ) এই দ্বিবিধ মনবিষয়ে | লােধিক একদেশ হইতে চিশই তরঙ্গলনে প্রশান্ত স (ব্রহ্মভাবনায়) বা অসৎ (জগদূতাবনায়) বলিয়া নিশ্চয় | সাগরের ন্যায় ভাব প্রাপ্ত । যেমন সাগরের অন্তর্গত করিয়া আক, কোন বিষয়েই আসক্ত নহে এবং এই অকে। সলিল স্পহীন হইলে স্পন্দী হয়, তেমনি আত্মা সমগ্র স্বপ্নবৎ ভ্রান্ত বলিয়া সিদ্ধান্ত কুরিয়াছে, সে কখন দুঃখে নিমগ্ন শক্তি প্রথমে পশক্তিতে পরিণত হয়। যেমন গগনতলে হয় না। ২১-২৫। যাহার মিখ্যা দেহ ইন্দ্রিয় প্রভৃতি মত, 'সমীরণ আপনিই আনাতে প্রবহমান হয়, সেইরূপ আত্মা জনা অহংবুদ্ধি (আমিত্ব জ্ঞান বিদ্যমান, মিখ্যাত্মদর্শী যেই আপনাতেই আপনশক্তিতে ঐরূপ শুভাৰ প্রাপ্ত হন। ১৫। ব্যক্তি অবিদ্যাই বিদ্যমান থাকে। যেমন জলে পাংরাণি যেমন নিশ্চলীপ স্বীয় শিখার পাশক্তি দ্বারাই উদেশমী বিদ্যমান থাকে না, তেমনি পরমাত্মায় বিকারানি কোন দােষই হয়, ঐ আত্মাও তদ্রুপ স্বশরীজ স্পন্দশক্তি প্রকাশ করেন। নাই। এই জগতে নাম ও রুপে তৎকালিক সম্বরূপ ভাবনা সাগর যেমন অসমধ্যে সলিলের উল্লাসে চঞ্চল হয় সর্বশক্তি বার্থে উৎপন্ন হইয়াছে। বাস্তবিক ইহা আত্মা হইতে পৃথক্মান আত্মাও তেমনি স্বীয় শরীরে স্পন্দী হন। যেমন নহে, এই নােকবহারও আৰুক হই, কারণ তহীন শারদীয় আতপপুঞ্জে জনি দ্রবীভূত কনৎ প্রতীয়মান হয়, বজায় উক্ত ব্যবহাৰৰতিরেকে শাসুদৃষ্টি স্থিতি অসম্ভব। তেমনি চিৎসাগর আম্মতে রিম্পল যারা ইত্রিকাশনী আত্মা এই বিদ্যায় ভাসমান, আত্মজ্ঞান তীত ভঁহাকে ঐ হইয়া ফুরিত হন। যেমন অতীন্দ্রিয় নভােযার্গে মুক্ত অবিদ্যা সাক্ষাৎ করা যায় না। আত্মজ্ঞানও সাপোৰ৬-৩০ | দৃষ্টিগােচর হয়, তেমনি মহাকাশে চিতিশক্তির আকৃতি ঝে। মুলত না হইতে বিদ্যালণীর পারপ্রাপ্তি হয় না। উলসিত হয়। ৬-১০। মচিকাশে সেইটতিশক্তি কিঞ্চিৎ যে এৰিদানীর পারেই অন্য পদ। এই মনপ্রদারিনী অবিদ্যা ভিতরূপ হইলেও, সাগরে মালাৰং টিয়ীই থাকে। এ কোন স্থান হইতে উৎপন্ন হইয়া সেই পরমপদ আশ্রয় করত। (বাস্তবিক রূপান্তর হয়। চিতিশক্তি আত্মহইতে পাই না নিশা করিতে। হে রাম! “এই মায়া কোথা হইতে হইলেও পৃথকভূত বলিয়া বোধ হয়। সূচ্যাদি কারগত উৎপন্ন হইল” তো এইরূপ কিান্ত করিবার আবক নাই ,আলােক যেমন সৎ আলাক হইলেও, পৃথক একটু লোক “আমি এই মায়াকে কিরূপে কি করি এই বিয়েই বিচার বলিয়া লে হয়, ঐ চিতিশক্তিই অস উপাধির এখনই ক। রােব। যখন তােমার এই মায়া ক্ষীণ হইয়া একেবারে পৃগভূত (পরিচ্ছিন্ন হয়। সেই চিৎশক্তি সর্বশক্তিমতী অভাত হইবে, তখনই বুঝিতে পারিবে যে, এ মায়া কোথা হইতে হইয়া শকাল কুরিত হইতে থাকে; তাহার পর চত্ৰকলার জৰিকৃতি বিরূপ এবং কিরুপে নষ্ট হইল বস্তুতঃ এই শৈত্যপ্রকাবৎ শীয় শক্তি প্রকাশ করে। এই প্রকাশ্য মীয়া সতী, কেতে গেলে ইহাকেয়া যায় । এতে ব্যাক্তি পরমাত্মা হইতেই সমুণিত হইছে। কোনও জকে সতলিন্যকে কি এই আদিৰ ৰে মায়া আকৃতি ক্রিয়ার শক্তি সেই চিতিশক্তি হইতে সমু । এই বরপকস এভি হইলে, ইহা লাষ ব্যতীত কোন চিভিক্তি স্বীয় স্বভাবের জ্ঞান নভ করিতে পারিলে, বিহীন শেষ হ। অতএব ইকেলপুৰু বিলাশিত ক, তাহর পরশপদেই অবস্থিতিরে। ছি উহরি স্বভাৰ জন থাকে, গুর ই জগাই ওই দল নয় এবার তা হইল স্বজনকে অভিবন উরূপ বলয় করি ককুদ্ধ হন নাই-ভারি তিনপুরুষ দেখা পৃৱিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে ১১৫। বল ঐ চিতিশক্তি তৰু । এই এলি এক প্রকার জোগবি, যাতে তােমাকেই রূপে উত্তরণে তি; ৰ লাৰ সংশিদৃষ্টি আসিয়া বর্বর অসুখে কি আর ঈদ উহার গামিনী হয়। জপ, লিলিকা করিতে যুদ্ধ নিবনিখিল যখন গভী, খল সমুদ্রের ভবিৎ ফিতে কলিত সকল কলাই সঞ্জী, অনমনী ও অনুরে আলী। দুশি সেই বিত, চিই। কটক ও কেরাণিরুপে যেমন সূবর স্থিতি। বৈলক্ষণ্য, জগ ভৰিত চিতি ও এতেও পরস্পর ও গভূমি হইয়া বিস্তৃত হন। ঐচিই , যু, মােন লেনি বৈলক্ষণ , ফল এই অগলৰ আত্মার আংশিক। অবর্ভূত ভাৰণ ব্যথিত হন। চেষ্টাও নিতে আক্রান্ত সন্ধু দীপান্তরের কাপের পার্থক্য যেমন দেশ কাল ও বিদ্যাগে রশি হন। ৩৬। করুণ এলে এ অবয়ভেদে আত্মা ও চিনাভাসের পার্থক্য অপচিতি- ইচ্ছাৰিত ঐ চিত্ত, স্বীয় উত্তর হেভূত এপ বিত দেশ কাল, ও স্পন্দনশক্তি যুৱ উদ্দীপিত হইয়া সঙ্ক হইয়া কল্পনা-থত অ*ৈ হে । কোকার কানে গামিনী হওয়ায় কৃগাকার ধরণ করেন। ১•হে মই যায় বা প্রাপ্ত হইয়া চিত্ত শেকারে পরিণত , বাহাে৷ বিকুবলে সাকার এবং দেশ, কাল ওর আশ্রয় শব্দাদি আত্ৰসমূহ উহার অবয়বম্বরূপ; ঐ চি ন - চিভি যে রূপ, তাহাকেই কেন্দ্র হইয়া থাকে। কেকে রৌদ্রে জর্জরিত হইয়া থাকে। আর উহা নায়ণে কৃ শরীর, চৈতন্য উক্তবিধ বাহু ও আভ্যন্তর শরীরকে অখণ্ডিত হইলেও ঐ চিত্ত এতই দুধিকে আর হইয়া দুর হয় যে, ভাবে জ্ঞান কুক্রেন বলিয়া কেৱজ্ঞ নামে অভিহিত হন। সেই উহা, বৃহৎপর্ষতসম গুরু ও জাবহ দুই উঠে। ঐ চিন্তই থে বাসনার অনুবর্তী হইয়া অহাৰৰ প্রাপ্ত হন। ঐ অন্ধার আরাম পরিবৃত সংসা-বিষবৃক্ষ। যেমন ধূম্রবীন অপর হইয়া অন্যবিধ কল্পনারূপ কলঙ্ক আক্রান্ত হইলে, মধ্যে প্রকাণ্ড ৰট অবস্থিত থাকে, জেনি আশপাশনিকান্ত্রী বুজিপদবাচ্য হইয়া থাকে। সুঙ্কাক্রান্ত বৃদ্ধি তাহার পর মনঃপণ ফুলবিহীন এই নিখিলসংসার, ঐ চিখ্য অবস্থিত থাকে। প্রাপ্ত হয়, মনও ঘনীভূহবিল্পবলে ক্রমে ইন্দ্ৰিয়তাৰ ধারণ সু চিত্ত চিন্তারূপ অনলের শিখায় দক্ষ, কোনরূপ অজগর কর্তৃক করে। ঐ ইন্দ্রিয় তৎপরে হলুপাদময় দেহরূপে পূরিণত হয়, চর্পিত ও কামসমুদ্রের তরঙ্গে আহত হইয়া আত্মরূপ পিঙ্গামহকে ইহা বুধগণ অবগত আছেন। ঐ দেহ লৌকিকজ্ঞানের বিষয় হইয়া (মূলকারণ) বিস্মৃত হইয়া যায়। ৪১-৪৫। এবং যুভ্রষ্ট প্রসূত ও জীবভাব প্রাপ্ত হয়। ২১-২৫। চিতি এইরূপে জীবাব | হরিণের চায় শােকে বিলুপ্তচৈ ও বিষানলে পবৎ পক্ষ প্রাপ্ত হইয়া মে সঙ্কল্প বাসরূপ র দ্বারা বেষ্টিত ও হইতে থাকে। ছিল কমলের ন্যায় ঐ চিত সালিম আলি প্রাপ্ত দুঃখজালে জড়িত হইয়া চিত্তভাব রণ করে। যেমন বদরী- ¥ হয়। ঐ চিত্ত যখন স্বীয় নিবসম্বরূল এগেহ হইতে বিচ্ছিন্ন প্রভৃতি ফলমে পরিপক্ক হইয়া কেবল রূপরদিগুণের পরি- হয়, তখন ভক্তদেহেিশষের বিচ্ছেদে নিত কাভ হয়; এবং বনরূপ অবস্থাভেদে পূর্নবৈলক্ষণ্যপ্রাপ্ত হয়, ক্ষতিগত কোন বিষয়, সে ও ইন্দ্রিয় প্রভৃতি বিচিত্র গণমধ্যে কোন বিশ্ব বৈলক্ষণ হয় না, তেমনি জীবও অবিদ্যামলের পরিপ্লাম- হইয়া বাস করে। ঐ চিত এবংবিং বিবিধ সঙ্কট বিডি বশতই বৈলক্ষণ প্রাপ্ত হয়, চিব সেই একই থাকে, কারণ হইয়া থাকে। হে অমরোপম। ঢামার মন স্বীকানহেতু তাহা পরিণমনল নহে। জীব সঙ্কল্পবলে অহঙ্কাৰধৰ্ম্ম দেহাদিতে আস্থাবান হইয়া সমূদ্ৰপতিত পক্ষীর স্যায় বিষৰ দৰে প্রাপ্ত হয়, সেই অহঙ্কার বুদ্ধিরূপে পরিণত হয়, সেই বুদ্ধি মগ্ন আছে, মন যে জলজ্জালে জড়িত আছে, বাস্তবিকই আবার সকালে মনােরূপে পরিত হয়। সঙ্কল্পময় ঐ মন গন্ধর্বনগরক , অতএব তুমি বিষয়-বিক্ষত তুচ্ছ কাগ আকুতিগ্রহণে অপর এবং সসীম তুচ্ছবিষয়ে আসক্ত হয়। সাগরে ভাসমান মনকে কর্দমপতিত মাজবং উর কর। ৫ তাহার পরে নদী যেমন সাগরের প্রতি অনুধাবিত হয় এবং গাভী | রাম। মন এক্ষণে বলীবর্দবং কামগন্তলেম রহি, ইহার যেমন উন্মগরুষের অনুগামিনী হয়, সেই এভূতি শক্তি | অঙ্গ জীর্ণ-শীর্ণ হইয়া গিয়াছে; জব উহাকে বলবিক উন অনুধাবিত হই ঐ চিন্তকে দূষিত করে। ২৬-৩০। এইরূপ কর। শুভ ও অশুভ কৰ্মসমূহ মলিনাকৃতি, উজাল, মৃ শক্তিসম্পন্ন হইলে চিতের অঙ্কর অমে কীভ প্রাপ্ত হয়, ও বিষাদে মূৰ্জিত মনোহার কিছু যা হে বাম। এই তখন ঐ চিত্ত জােক্রমেই কোষারকীটের প্রায় বন্ধন জগতে সেই ব্যক্তি ম্যাকৃতি রাক্ষস। ৪৬-৫২। প্রাপ্ত হয়। হায় কি কষ্ট। । আন দেবেই স্বকীয় বিত্বাণি সর্গ সমা। ২। সঙ্কল অনুসান কত কাল যারা মৃগের আয় বন্ধ হইয়া পড়ি- তাপ ওঁ হইয়া থাকেন। তখন তিনি যথার্থরূপে অব- শোকৰ কলনঃ “নিবন্ধ হইয়াছি” বৎ তখন তাহার রিপ সর্গ। বিদ্যা (পরশ আত্মরূপ) থাকে না। তাঁহা হইতে তখন জপ অলর বকশীৰূপ বিদ্যা (জমজলি বশিষ্ঠ কহিলেন,চিত্রেই ঔপথিক বিভাস্বরূপ উক্তবিদ এভি) পর ইজেকে। তখন এ আত্মরূণীমন, জীবসকল সংসা-দয় বাহিত হইতে। হে আৰ। কলিঙ্গ জালি বিজলরূপ যহিলার মধ্যবর্তী কুইয়া পূর্বোক্ত বাসনানুসারে কলিতাকৃতি এম এইডেই লক্ষ লক্ষ কোটি নিগড় কেলীর যায় নি কোটি বা অসৎ এই জীবনিৰহ ৰয় হইতে অকিনুনুন বাফনাৰণে বিৱি কাৰ্যসমূহেয় কর্ম হন এবং আপন পূর্বেই গিয়ছে, এখনও জগিরে পরে অবিব। ইচ্ছায় রচিত বিবিধ দুরভী হইয়া আরও বিবশ হইয়া ঐজবাহ নিজ বাদশার-বির্জৰে বিওতি বিচিত্র পড়ে। ৩১-৩৫। মাদি বিভিন্ন ব্যক্তির অনুর করুন, বিধি ৰ পনিই বিশ্বজিত হইয়া, নিরন্তর দিকে কখন বুভি ফখন জ্ঞান, গত জিম, কুন অহঙ্কায়, কখন এ দেশে ওজনে কালে বুদবুদ উঠতে বিলীন পূৰ্যষ্টক, কপ্রকৃতি, কখময়, কল, কখন কী, কখন ই যাইহে। এই জীবন যে কেহ একবার বন্ধ, কখন চিন্ত, কখন অবিকল ইচ্ছাপে অবস্থিত হন। এগ্ৰহণ কলি, হে, কে যের কি তিবাহিত হে রাখ। সেই এই চিতই অবত্ত, হখিত, কালােফাক্রান্ত করিয়াছে, অসংখ্য মেমুরিছে, ক এর এ হইয়া পড়ে ২৮ যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ গ্রহণ করিয়াহ কাহারও এখনও জন্ম হয় নাই, পরে হইবে; হইতে অ শহীরে গমনাগমন কৰিছে। অনন্ত বিয়ে কেহ কেহ সংসাৱোৎপত্তি অতিক্রম করিয়া জীবন্মুক্ত হইয়াছে, অনন্ত কনছে মায়া ৰা এই জীবসমূহ এই অদ্রুপ জাতি- কেহ কেহ কে উৎপন্ন হইতেছে, কেহ কেহ কৈবল্যপ্রাপ্ত মহং ইজাল বিস্তার করিতেছে। কাল মূঢ় হইয় ধী হইয়াছে। কেহ কেহ সহস্ৰকল কেবল বারবার জন্মগ্রহণই অনিশিতকাৰনে সমর্থ হয় না, তাবৎকাল জলে সাব- করিতেছে। কেহ কেহ এক বেশিই অবস্থিত, কেহ বা আণির স্থায় এই এখন সংসরে ভ্রমণ করিয়া থাকে। যখন অত যােলি প্রাপ্ত হছে। কেহ কেহ নারকী হইয় দুঃসহ- আত্মদর্শন করিতে সমর্থ হয়, তখন এই অসৎ পরিত্যাগ করিয়া দুখ সহ কৰিছে, কেহ কেহ বা মত্ত হইয়া কিঞ্চিৎ সুখভােগ সতসবি প্রাপ্ত হইয়া বলে পরমপদ প্রাপ্ত হয় তাহার ৱিতেছে। কেহ কে হষ্ট হইয়া কালাতিপাত করিতেছে, আর অন্য হয় ন+কোলে-মুড়খণ বিবেক প্রাঃ হইয়াও কে সত্যলেকে লিয়াছে, কেহ কিন্নর, কেহ গন্ধর্ব, তাহা হইতে ভষ্ট হইয়া সহজলেঞ্জ করুত ভূয়ে এই মে বিদ্যাধর ও হে সর্প হইয়া অবস্থান করিতেছে। কেহ , সংসার-সঙ্কটে নিপতিত হয়। ২১-৩০। কেহ কেহ আত্মদর্শনের কে সূৰ্য্য, কেং ই ও কেহ বরুণ এবং কেহ এই কেহ | শক্তি প্রাপ্ত হইয়া তুলিতে বিফল-মনােরথ হইয়া তিত- বিষ্ণু ও কেহ মহের হইয়া রহিয়াছে। আবার কেহ কুয়াও আবার কেহ কুণ্ড বােনিপ্রাপ্ত হয়, পরে আবার তাহা হইতে নরকে গমন করে। পিশাচবিশেষ), কেহ বেতাল, কেহ যক্ষ, কেহ রাক্ষুস ও কেই কোন কোন মহাৰী সম্পন্ন জীবগণ ব্ৰহ্মপক কইতে উৎপন্ন হইয়া পিশাচ হইয়া অবস্থান করিতেছে। কেহ ব্রাহ্মণ, কেহ লতি এক অদ্ম ভোগ করিয়াই সেই পরহ্মে লীন হয়। এইরূপ কেহ বৈশ্য ও কেহ শূদ্র হইয়া রহিয়াছে। ১-১০। কেহ, অসংখ্য অপরাপর ব্রহ্মাণ্ডে অন্যান্য জীবগণ কেহ পদ্মযােনি, অপচ, কেই চাণ্ডাল, কেহ কিরাত, কেহ পুরুস আবার কেহ তৃণ, কেহ হয় ওকেহ কেহ তিযােনি-গত হইতেছে। কেহ দেবভাব কে ওষধি ও কেহ কেহ ফল, মূল, পজ হইয়া রহিয়াছে। কোন প্রাপ্ত হইতেছে, কেহ বা হা হইতেছে। হে রাম। (অধিক কোন জীব বিচিত্র আচ্ছাদিত শাচ্ছন্ন উপলভূমি হইয়া | কি বলি, ) এই ব্রহ্মাণ্ডে যেমন দেখিতে, অন্য প্রহ্মাণ্ডেও দ্রুপ অবস্থিত, কেহ কেহশাল, কল, অষীর, অল ও তমাশরুক্ষ হইতেছে। যেমন এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড দেখিচ্ছে, তেমনি আরও হইয়া অবস্থিত। কোন কোন জীব বিভবশালী মন্ত্রী ও সামন্ত অনেক বিলবাও বর্তমান রহিয়াছে, কত অভীত হইয়াছে, ভূপতি হইয়া রহিয়াছে। আবার কে চীরাম্বরধারী যৌনাবলম্বী আবার কত হবে ৩১-৩৫। অন্যান্য কর্মবৈচিত্র্যে কত শত মুলি হইয়া অবস্থিত। কেহ নাগ, কেহ অজগর সর্প, কেহ কৃমি, বিৰি ব্ৰহ্ম ও সৃষ্টি আবির্ভাব ও তিরােভাব প্রাপ্ত হইতেছে কেহ কী ও কেহ পিপীলিকা হইয়া অবস্থিত ; আবার কেহ সেই সেই ব্রহ্মাণ্ডে কোন জীৰ গন্ধ, কোন জীব যক্ষ, কেহ দে মিষ,কেহ মহিষ, কেহ হরিণ, কেই ছাগ ওকে চমরমৃগ হইয়া ওকেহ দানষ হইতেছে। এই ব্রহ্মাণ্ডমধ্যে জীবগণ দৃশ ব্যবহার- রহিয়াছে। কেহ লারস, কেহ চক্রবাক, কে বক ওকেহ সম্পন্ন হইয়া রহিয়াছে, জেনি অপরাপর ব্রহ্মাণ্ডেও ভাণ কোকিল হইয়া রহিয়াছে। আবার কেহ কেহ কল, কলার, মনুষ্যানিবােগা ব্যবহারে প্রকৃতি ও প্রকৃতিগত বৈলক্ষণ প্রাপ্ত যু ও উৎপল হইয়া যুহিয়ছে।১১-১৫। কেহ করত, হইয়া অসংখ্য জীব অবস্থান করিতেছে। নাম তরঙ্গমালায় খায় কেহ মাজ, কেহ কেহ বষ, কেহ গর্দভ, আবার কেহ কেহ সাত্বিকাদি স্বভাবশেও তাহার অনুকূল ব্যবহারে এইরূপ কত শত এ, ক, পঞ্জিকা ও দল (উ) হইয়া রহিয়াছে। ব্রহ্মাণ্ডস্থার পরিবর্তন ঘটিতেছে সতি গুণের আবির্ভাব ও ইহাদের মধ্যে কেহ আপ, কে বা সম্পৎশালী, কেহ স্বর্গপুরী- , ভিােবনিব উন্মন ও নিমজ্জন হেতু নলীৰং সৃষ্টি- বাসী কেহ নরসী; হে নক্ষত্রশোকে গত, কেহ বৃক্ষর | সমূহের পরিবৃত্তি হয়। ৩০—৪০। সেই পরত্র হইতেই অসংখ্য ন্য বরত কেহ কেহ বায়ু এবং আকাশ হইয়া রহিয়াছে। জীবশি অবিরত নির্গত হইতেছে, ফলহারা পৃথ নির্দেশ কেহ কিরণে ও কেহ চকিরণে অবস্থিত, কেহ কেহ যােগ্য নহে, সেই পক্ষেই জাহান্ত সংবেদ ও হাতেই ক্ষুট- গুয়ারি স্বাসরুপে অবতি, কেকেহ জীবন্মুক্ত হইয়া ব্যবহারসম্পন্ন হইতেছে। এই জীশিপ হইতে ঋলােকের পক্ষ কল্যাণভাজন হইয়া চিল কৰিছে, কেহ চিমুক্ত, স্নায়ু, সূৰ্য্য হইতে মরীচির স্যা, উত্তগুলৌহ হইতে কণা, গায়, কেহ বা পরমাত্মায় পরিণত অর্থৎ বিজেকবল্য, প্রাপ্ত হইয়াছে। অগ্নি হইতে ফুলিঙ্গের , কাল হইতে বিভাগের ব্যায়, ১৬। কাহারও কাহারও মুক্তি লাভের শনে বিলম্ব কোন কুনুম হইতে সৌরভের ব্যায়, বর্ষাকাল হইতে তুষারের রায় কোন জীব বিট আস্থার কেৰলীকালে অর্থাৎ মুক্তির প্রতি ' এবং সাগর হইতে জেরায় সেই পাপ হইতে অবিরত দ্বেষ করিত্রে। কেহ কেহ বিল দিহইয়া রহিয়াছে, কেহ উৎহইতেছে এবং নেপালো করলে এই কেহ মহাবেগবতী নদী হইয়া রহিয়া। কেহ সুন্দরী রমণী, আর সেই পমপদে কাল হইতেছে। যে গগরে অবিরত কেই পণ্ড, কেহ বা হই অবস্থিত। কেহ কেহ বুদ্ধবুদ্ধি, লহরী উঠিতেছে, ৰাখিছে ওগ্রপ্তাইতাে, তেমনি এই কেহ কেহ জড়বুদ্ধি, কেহ কেহ এনবিষয়ে উপদেশ দিতে কেহ বিশাল বিস্তৃত ব্ৰহ্মাণ্ডচনলি নােম। গত সেই পনপদ কেহ সাধি পর্যন্ত তিনি। এই জীবসত বীঃ , উখি হইছে, বিনই, এহইয়েছে; ফলত বাসনাশেই আবদ্ধ ও বিশ হইয়া এই প্রকার অবস্থায় এব| এই নি। ১৫। ছি। কেহ কেহ এই তে বিহা কত হত সমাপ্ত। অতি মৃত্যু হইয়া পড়তে ও উঠছে। बरेची वानि पालनाबानाला আবহবিতে বৃক্ষরে পশিয় এক পীর বিজিএকরণ ৩ অনিশম্ভব পীকক্ষ না হওায়, এত সুখভাবে থাকে যে, আহা চতুশ্চৱিংশ সর্গ। মনঃপরিচ্ছিন্ন চৈতন্যত্মক জীবের দৃষ্ট হন। তাহার পর শব্দও রাম কহিলেন,-গবন। আপনি বলিলেন,-প্রলয়কালে পরূপ সেই আকাশ ও বায়ুর সম্পর্কে অনলের উৎপত্তি হয়। জীৰসকল পরমপগেই স্থিতিলাভ করে, তাহা হইলে তখন জীবন্ত্রণ ( অনুরূপ মাত্র চরিরের সঙ্কমুেখ, আকাশ, বায়ু হইয়ছেলিতে হইবে, তবে তাহারা আবার (সৃষ্ট্যারতে) ও অনিলে ঘনীভাব হইয়া মন প্রকাশ্য নিল আলােকে কিপ্রকারে দেহপ্রাপ্ত হয়। আপনিই ত বলিয়াছেন, পরমপ- ভাবনা করে, তাহাতে আলােক বার্ম হইতে থাকে। ভয়, প্রাপ্ত হইলে আর পুনরাবৃত্ত হইতে পারে না। বশিষ্ঠ কহিলেন,- আকাশ, বায়ু ও অনলে পরিপুষ্ট মন রসতত্র ঘ্রাণেত্রিয়ের বীজ হে রাম। আমি ত তােমাকে পূর্বেই বলিয়াছি, বুঝিতে পারিতেছ স্বরূপ জলভাৰ ধারণ করিয়া থাকে। ১৬২। তাহার পর উক্ত না কেন তােমার পূর্বাপর বিচারক্ষম বুদ্ধি কোথায় গেল? এই ভূচয়ে পরিপুষ্ট মন গত সুলরূপ ভাবনা করে, যে স্থাবরজনাত্মক জগৎ এ সময় আভাসমাত্র (আভাস আত্মর গন্ধতন্মত্রের পরে পৃথিবী উৎপন্ন হয়। আর এইরূপ বি), ফলত ইহা স্বপ্নবং মিথা। হে রাম! এই জগৎ এক পঞ্চকের আত্রে পরিবৃত মন সূক্ষভাৰ পরিত্যাগ করত গগন- প্রকার দীর্ঘ স্বপ্ন হে অনখ। দেখিতে গেলে উহা ভ্রান্তিদৃষ্ট দ্বিতীয় মণ্ডলে স্কুরিত অগ্নিস্ফুলিঙ্গতি শরীর গনি করে,ঐশরীরে শ্রের ন্যায় ও ভ্রমদৃষ্ট শৈলের ন্যায় মিথ্যাই প্রতিপন্ন হইবে। অহঙ্কারক (লেশ)ও বুদ্ধিবীজ (জ্ঞানেনি-পাত্র বিদ্যমান বাহার অজ্ঞননি ভাঙ্গিয়াছে ও ভাবনাসমূহও বিগলিত হই- থাকে। ঐ শরীরকে পূৰ্যষ্টক বা লিঙ্গ শরীর কহে। ভ্রমর যেমন যাচ্ছে, তাদৃশ প্রদ্ধচিত্ত ব্যক্তি এই সংসার-স্বপ্ন দেখিতে গেলে কমলের শােভাবর্ধক, ঐ লিঙ্গশরীর গেনি ভূতগণের ক্ষয়- দেখিতে পায় না। ১৫। হে রাম। মােক্ষপদপ্রাপ্তি হওয়ার পরে শােভাবর্ধক, কেদা উহা সেই লিঙ্গদেহে তীব্রবেগে পরেও জীবগণের স্বভাবকল্পিত এই সংসার পরমাত্মায় সর্বদা ভাস্ব-শরীরের ভান করত বিফলের স্থায় চমশ ফুল সূক্ষ্মরূপে নিলীন থাকে , (যখন তাহার বীজম্বরূপ অজ্ঞান প্রাপ্ত হন। মূষাস্থিত (মূষা প্রতিমা ছাচ) গলিত অবর্ণের প্রকটিত হয়, তখনই উহাও প্রকাশিত হয়, সুত্র মুক্সি স্থায় স্কুরিত ঐ তেজোময় শরীর বিমল চিদাকাশে অবস্থিত হন। পয়েও পুনর্জন্ম অসম্ভব নহে। যেমন জলমথ্যে আৰ, বীজমধ্যে তাহার পর ভেজপুময় আত্মাতে গগনব্যাপিনী বিস্ফারিত মুর্তি অঙ্কর ও অমধ্যে বিস্ফারিত পল্লব লিীন থাকে, তদ্রুপ জীবমধ্যে স্থিরভাবন করেন। সেই মুক্তির উদেশে মস্তক, অধ্যােদশে তরল শরীরও বিদ্যমান থাকে। যেমন পল্লবমধ্যে পুষ্প ও পুষ্প- চৰণ, পার্শ্বদেশে স্বল্প ও মধ্যভাগে উদয়ভাগ অবকলিত কোশে ফল খুগুন নিহিত থাকে, প্রথমে দেখা যায় না, তেমনি হয়। এইকলৈ তেজপুঞ্জ-প্ৰকটাবয়ব শৈশবদশায় ও ছেলে মনােমধ্যে সাত্মক দে বিরাজমান থাকে। মনের বহু শরীরগ্রহণপূর্বক অবস্থান করেন। মনােৰূপ মুনি এইরূপে রূপভা প্রসিদ্ধ , শুভং বাসনারূপে দেহরূপও অসত্তাবিত নহে, সনাবশেই অঙ্গকজনাপূর্বক দেহপুষ্টি করেন এবং ঋতু তবে একেবারে তাহার বত শরীর হয় না কেন? আহার কারণ স্থায় যথাকালে স্বভাবে নিৰ্ম্মল শরীরে প্রকাশিত হন ২১+৩০। পরিণতকৰ্মৰলে মনের একটা দেই পরিস্ফুট হইয়া প্রকাশিত ঐরূপ আকৃতিপ্রাপ্ত মনই বুদ্ধি, সত্ত্ব, বল, উৎসাহ, বিজ্ঞান ও হয়। বহুদেই এবারে হয় না। যেমন ঘটাকার মৃৎপিণ্ড অটেই ঐশ্বৰ্যসমন্বিত হইয়া সকল-লেকপিতামহ ভগবান্ ব্ৰহ্মা হইয়া পরিণত হয়, অপসৃষ্টিপ্রারম্ভে এই মনের উত্তম দেহই জাতি- থাকেন। পরমাকাশ হইতে উৎপন্ন ঐ ব্ৰক্ষা গলিত স্বর্গস । ভাসিকরূপ, সুতরাং এই মন অনুরূপ দেহই হইয়া থাকে। ঐ ব্রহ্মা অস্বৰূপসন্দ হইলেও পরকাশেই অবস্থিত হন। ৬-১০। সৃষ্টিক্রিয়ানিপুণ এই ব্রহ্মা (পদ্মজরূপী আত্ম) যাণ এবং চিত্তলীলায় আত্মার মােহ উপলা, কখন তিনি সৃষ্টির সল করত প কোনরূপ গৃহে অবস্থান করিয়াছেন, সেই আত্মাতে কেবল মধ্য-বিহীন অপার পরমাকাণ উৎপাদন সঙ্কলের অনুরূপ, ধনীভূত মায়ায় ঐলিকমায়াৰৎ পর্যন্ত করেন, কখন অমলসলিল কল্পনা করেন, কখন এলাকালে ভার বিহীন এই সৃষ্টি স্থিতি প্রাপ্ত হইয়াছে। রামচন্দ্র কহিলেন- বহ্নিশিখামণ্ডল উজ্জনন করেন, কখন (পৃথিবীসৃষ্টির পর ভুৎ ক্ষ। জাম মনপদ প্রাপ্ত হইয়া যেরূপে বিরিঞ্চিপা এপ্ত হইল, সৃষ্টির কুকালে) হরিদ্বর্ণ-দি-ব্যাপ্ত সমগ্ৰ মহা কল্পনা করেন তাহা পুনর্বার আমার একট সবিয়ে বন করুন। বশিষ্ঠ এবং কখন বিষ্ণুনছিসখ শ্যামবর্ণ কমলকোরক কলন করেন। কহিলেন, হে মহাবাহো। ব্রহ্মা কিরূপে শরীর-গ্রহণ করিলেন, প্রতি মেই প্রভু (ঐ ৰংবিৎ নানাপ্রকার অপরাপরও) তাহা শ্রবণ কর, তুমি এই ব্ৰহ্মজীৱ-গ্ৰহটাতে অগৎস্থিতিও আকুতি বজ করিয়া নিজে বিষ্ণু প্রভৃতির অতম রূপ ধারণ বেশ বুৰিত পারবে। দিও কালাদিরূপে অপরিচ্ছিন্ন হার করিয়া অবল ক্রমে তক্তপের পালন করেন। ৩১-৩৫। উক্ত দি লাদিপে পরি নাই), এই আত্মত স্বীয় শক্তিবলে বিৰিখরূপকলার মধ্যে ইমি যখন প্রথমেই এরূপ হইতে অবলীলাক্রমে পি ও ফলে পড়িচ্ছি যে আকার ধারণ করুন, অবতীর্ণ হইয়াছেন, তখনই অজ্ঞানৰণ প্রাকবাস্তবরূপ ও বেহ- বাসনাবিশিষ্ট সেই আকৃতিই সঙ্ক নােমুখী চঞ্চল মন হয়, জীব ব্যবহারলি বিস্মরণরূপ সুয়ুবিদুখ প্রাপ্ত হন। ঐ অব উহার পায়মাত্র একই ) ১১-১৫। ঐ মনের শক্তি তিনি গত ৰা বিষ্ণুপ্রভৃতি কুমির্ভে অবস্থিত থাকেন প্রথমে সঞ্চলনাকালে নিল আকাশৰ ভৰি হয়; (ঞ্জ ন ঐ গঙক্রি বিগত ছয় জন তিনি আত্মতে এ ও আকাশই শব্দমাত্র শ্রবণেন্দ্রিয় করে অনন্ত আকাশ- অনবায়ুর এয়া প্রবাহিত পঞ্চভূতে দিলাশ নিশ্চিত অকান্ত মন কমে বশীভূত হয় (পরিপুষ্টি ভাষণীয় অবলােকনফলেন। ঐশীর সংখ্য রােমে প্রাপ্ত হয়। তাহার পাত্র এগিনির সঞ্চলে উন্মুখ এক, ত্রিৎকাণ্ডে জিকি। উষয় । পৃৰি ঐ অনিশদের ভাল করে; তখন সেইমনে, সেই আকাও দেহের ওপ, পণ ঐহে পাখরুল এবং বেগবাণিকােমায়ণ তুমি এই T যেদেশে উহার চরণ বিরতি। ঐ দেহ হত, পদ, ময়ক, যেমন কোষারকীট আপনার অবনতির এ কোৰ (বাসা) যক্ষ ও উদরপে পাঁচভাগে বিভক্ত এ নবরে সুশােভিত, নির্মাণ করে, মনও সেইরূপ ও এস্থিতি এ এই শরীর উহার উপরিতল ভি চিকণ। উহার বিশতি অঙ্গুলি, ' নিৰ্মাণ করিয়াছে। অলি, ' নির্মাণ কৰিছে। (যেমন কোষকার-কীটের কোৰ কোৰকাৰ বিংশতি নখ, দুই বা দুই জন ওই চক্ষু, কখনও ইচ্ছাক্রমে হইতে ভিন্ন, সেইরূপ মন ও শরীরে কোন পার্থক্য নাই, মনই বহু দ ও বহু বই হইয়া থাকে। ৩৬-৪০। ঐ শরীর শরীরের উপাদান। যাহা নাই, এই মন নিরর্থক আশি সক্ষম চিপ বিং নীড়, অশ্বখরূপ সপের গর্ত, তুফাগিচীর করে না এবং তাদৃশ দুক্ষন প্রাপ্য অর্থসিদ্ধি লাভ করিতেও আবাসস্থান ও জীবরূপ সিংহের পর। অভিমানরূপ গজের পারে না, অর্থাৎ মনে সমস্তই সম্ভব। সর্বশক্তিশারী আলালপ, মানসপরে সুশােভিত মনোহর ঐ স্বীয়শরীর পৰ্য- দেবশ্বরূপ মনে কোন শক্তির সাবনা না হয়? যাহা ঐ বেশ করিয়া, ত্রিকালশী গলা ব্রহ্মা এইরূপ চিন্তা করিতে মনােহার অভ্যন্তরে স্থান পায় না, ঈশ শক্তিই নাই। হে আনিলেন যে, যখন আমি উৎপন্ন হই নাই, তখন পারপৰ্যন্ত মহাবাহ! সর্বশক্তিসম্পন্ন, বিভুরূপ ঐ মনে সর্বদাই সকল বিহীন, মধুকরবং সুনীল, বিস্তৃত এই গগন হয়ে কি হইয়াছিল?’ পদার্থেই সভাও অসত্তার সব হয়। ৬-১০। দেখ রাম। নির্মলদৃষ্টি সদ্যোজাত ঐ ব্ৰহ্মা এইরূপ চিন্তা করিয়া বহু অতীত ঐ মন ভাৰনৰলেই আত্মজদেহ ।লাভ কৰিল। মনের কল্পনায় সৃষ্টি দৃষ্টিগােচর করিলেন। অনর নিখিল ধর্মাধর্থ সমস্তই সকল শক্তিই নিহিত আছে, ইহা পণ্ডিতগণের অনুমােদিত। ক্রমে তাঁহার স্মৃতিপথে পকিত হইল। বসন্তপ্রাদুর্ভাবে যেমুন সমস্ত দেব, দানব ও নরগণ মনের সঙ্কলেই হয়, ঐ সঙ্কল ওৎকালীন কুমৱালি আবির্ভূত হয়, ভদ্রপ পরিচিত বেদসকও যখন উপশম্ভ (নিবৃত) হয়, তখন ইহার, মেহনুিহীন ( তৈদি- ভহার স্মৃতিগোচর হইল। তখন অনায়াসে যিচিত্র সঙ্কল্পসম্পূত শূন্য) গপের ন্যায় নির্মাণপ্রাপ্ত হইয়া থাকে। হে মহামতে। অজার্গের ও অহাদর বিবিধ আচার ব্যবহার গনগরবং সমস্তই সঞ্চত্রের বিতণ, সুতরাং আকাশ-সদৃশ, (অচি) কলমা করিলেন। তাহাদের ধর্ম, কাম, অর্থ, স্বর্ণ ও জগৎকে এক প্রকার দীর্ঘস্বপ্ন বলিয়া জানিবে। হে সুতে। মােক্ষ সিদ্ধির নিমিত্ত বিচিত্র অনন্ত শাস্ত্র কল্পিত হইল। হে (ৰাখিই) কে কখন জাত বা মৃত হয় না, পারমার্থিক রাম। বগন্তকালে যেমন পুষ্পলক্ষ্মী আবির্ভূত হয়, তেমনি সন্তই মিথ্যা। যাই। কখন কোনরূপ বৃদ্ধি, হ্রাস বা ক্ষীণতা বিরিঞ্চিরূপী মন হইতে আবির্ভূত এই সৃষ্টি এইরুপে স্থিতি প্রাপ্ত না হয়, তাহার আবার খণ্ডন কি ? অথচ অথও কঝিঙ্গাছে। হে রঘুনন্দন। দৃমান এই সৃষ্টিলক্ষ্মী কমলঘােনি- পদার্থের খণ্ডন ব্যতিরেকে পরিচ্ছিন্ন হওয়াও অসম্ভব (অখণ্ড রূপধারী চিত্তের বিচিত্র বিবিধ ক্রিয়াবিলাস ও কল্পনাবলে এইরূপ অপরিচ্ছিন্ন)। ১১-১৫। হে রাবণ তুমি স্বকীয় দেহের দৃঢ় হইয়াছে। ৪১-১১। মধ্যে অপরিচ্ছিন্ন আত্মদর্শন না করিয়া পরিচ্ছিন্ন আত্মদর্শনে মুখ চত্বারিংসর্গ সমাপ্ত। ৪৪ ? হইচ্ছে কেন? যেমন মরুভূমিতে বিকিরণে মরীচিকা (জল) ভ্রম হয়, সেইরূপ মনের নিশ্চয়ই, এই হিরণ্যগর্ভ প্রভৃতি বন্ধু- গতা অসৎ হইলেই হইতেছে। জগতে যত প্রকার আকার- সমূহ দৃষ্ট হইতেছে, এ সমস্তই মনোরথের ন্যায় সংখিত এবং পঞ্চবিংশ সর্গ। দ্বিতীয় শ্রেয় গায় বাস্তবিক মিথ্যা অজ্ঞান-ঘণীভুত। নৌকায় বশিষ্ঠ কহিলেন-এই জং সম্পন্ন হইয়াও কিছুই সম্পন্ন গমনকালে তীরস্থ অচলবৃক্ষরাজিকে যেমন স বলিয়া বোধ নহে, সমস্তই প্রাভিসিক মনবিলাস, তদ্ব্যতীত কেৰল শূন্য। হয়, তেমনি এই আকৃতিসমূহ যথাৰু মিৎ হইলেও নিত্য পর বিদ্ধ পরিহি রূপী ব্ৰহ্মাণ্ড কিনি উখিত হইতেছে। মায়াবলে পরবৎ, ভূত এই জগৎ ও প্রতিভাস দেশ-কাল ব্যাপিয়া নাই,তাং" এইবে- মনেরই মনন (সঙ্কল) মাত্র, ইহা এক প্রকার জাল প্রতিভাস চিৎপ্রতিবিম্ব, আকাপের মধ্যে যেমন কোটি কোটি বলিয়া জনিবে, ইহা সত্য না হইলেও সত্য বলিয়া বােধ প্রসরেণু থাকে, অদ্রপ ঐ প্রতিভাসমধ্যে অতীত ও ভবিৎ কোটি হইতেকে। এই নিখিলগং একমাত্র ব্রজ, ব্রহ্ম কোটি ভুয়া ৱিত হইঞ্জে, মুন্নাৎ চিপ্রতিবিম্বের দেশ- ভিন্ন ইহাতে কিরূপে হই, আয় চার কি প্রকার কাল ব্ৰহ্মাণ্ড পৱ্যিাপ্ত কিরুপে ইৰে? চিপ্রতিবিম্ব ব্যতীত এবং কোথায় না তাহা আছে ? অর্থৎ হইতে পৃথ- সকলই শূ। সঙ্কমাত্ৰাত্মক স্বগ্রদৃষ্ট পুসঃ এই জগৎ ভাব একেবারেই অব।). “এই পর্য, এই স্থা” ইত্যাদি যে স্থানে দোকালো 'চেয়ে প্রকৃিবিস্থিত ইতেছে, সেই প্রকার ভেদ হইলেও মনের দৃঢ় নালিখন উহু। স্থানেই (লেগবে কেমাত্র জগতের অধিষ্ঠান তৈই সন্তু বলিয়া যৌধ হয়েছে। বিচারহী, ব্যকি ক্লিকই বিরাজমান ,এই অং শূকাশমাত্র। এই জগৎ ভিত্তিহীন মদ্রোবাসনাত্মক এই-জগৎ-এ বিল হইয়া থাকে, জনস্বরূপ, ইহা দৃষ্টিগােচর হইলেও অস, বারিক ইহা অতএব হে রাম! তুমি যিবেৰলে ঐরূপ অগৰ পন্বিত কাহারও কৃত নহে, এই আকাশলিখিত বিচিত্র চিপ, কবিয়া উক্ত অঞ্চল অত্যন্ত না কয়। যেমন মহা দেহইতে ত্রিভুবন পর্যন্ত সমুখেই মনে করুন, এই জগতে) সমূলিত জাম্বিয়ার উহা ৰান্তৰ নয়, সেইরূপ চিতকালত স্মৃতির প্রতি নের, এতি, তায় মনই কারণ। এই জগও একার দীঘগ বুলিয়া জানিয়ে এই জমে টপটানিক্ষপে যে এই এন এন ইচ্ছে এ বিশাল এই স, বিল উহ ( এই ফিলসমাত্রণ চিত্তি, ইতি-বিলি-জং-পন্ন আনে গ্রহণ করিয়ে গেলে ত হইয়া পড়ে, এ সমূষপ, ৰেহ্ম) হইতে পৃথক েমই ব্রহ্ম)। তুমি অজে গরুণ ঐ সংসার পরিজন । - - == ইহা এইরূপ অবগত হইয়া ইহাতে এভাৰ স্থাপিত স সকল রে মন,) বালকেরাই কেবল মনােল কর। বিষতি (ময়কার এবীরুত্ব) ফন (অশাক মথগত ও গদি সত্য বিয়ের বা কর (তা সেই) মৃগতৃষিকা মুখ করে না। ২১-২৬। গ গরিতে ৰা নেভি যায়), তা অসত বিষয়ে উত্তম ব্যক্তি এইমাত্রই যাহার স্বরূপ, যে মূত্মা তাশ সৎ ভরে বাঞ্ছা হয় না(লেস শকে দেশকালাদিপরিচ্ছিন্ন জগৎ )। অনুগামী হয়, সেকেবল দুভােগই করিয়া থাকে ।যদি বল বালকেই আপাতরম্য নিরর্থক ক্রীড়াব পাইয়া সন্তোষলতি থাকে তাহা হইলে অবস্থার দিকে ধাবিত হওয়া নিতান্ত করে, বাস্তবিক তাহা নখের যু, কখন অহা সুখের হেতু যােবহ মহ,কি বস্তু খাফিজেও যে ব্যক্তি তাহা পরিত্যাগ হয় না, (কেন না, কখন তাহার এজাৰ হইলে কেবল কষ্টই করিয়া অন্তর অনুগামী , কলচ তাহার অর্থপ্রাপ্তি হয় পাইতে হয়, বরং না থাকিলে কেন কষ্টই সম্ভাবনা থাকে না (অর্থপ্রাপ্তি-পরমপুরুষর্থলতি)। এতে সভব এই না।) অতএব হে কমললােচন বাম 'তুমি (তাদৃশ ) বালক হইও জগৎ মনেরই মােহমা, একমাত্র ভাব বৈচিত্র্য নিবন্ধনই এই না অপারম্য বিষয়ে ভুলিও না ), আকে অলিশ অলি জগতের চিরপরিবর্তন ঘটিতে। সলিলম্যগত চন্দ্রের আয় একমাত্র সেই নিত্য স্থির বস্তুর আশ্রয় গ্রহণ কর। আমি এবং চঞ্চল ও মিথ্যা উদিত এই পদার্থে কেবল (অনভিজ্ঞ) এই নিখিলজগৎই অসং'এইরূপ স্থির করিয়া কাচ বিষন্ন হইও বালকই প্রতারিত হয়, ভদৃশ অজ্ঞ ব্যক্তি সেরূপ প্রতারিত না, আমি এবং এই নিখিল জগং সকলই সৎ” ইহা স্থির হন না। ২৭-৩০। যে ব্যক্তি এই শব্দাদি গুণসমভূত দেহাদি- করিয়া তাহাতে একান্ত অনুরক্ত হইও না। যাত্মীক হিলেন ভাবনায় সুখ অনুভব করে সেই ব্যক্তি স্বীয় ইচ্ছাকলিত বহি মুনিবর বশিষ্ঠদেবের উক্ত খাবসানের পর দিবসান হইল, সূৰ্য- দ্বারা শৈত্যনিবারণ করিতে চেষ্টা করে। এই যে বিশাল অড় দেব সাংকৃত্য-সমাপনখ অন্তচলে গমন করিলেন। সভা 'জেহাদি দৃষ্ট হইতেছে ই শনঃকল্পিত নগরের য় অসৎ। সকলেও পরস্পর ছিদনপূর্বক সাংকৃত্যনাথ গমন এই দেহাজিগৎ চিত্তের ইচ্ছায় সমুদিত হয়, যখন তাহার করিলেন। আবার রজনী প্রভাত হইলে দিবাকরু-কি সকলে ইচ্ছা না একে তখন আবার বিলীন হইয়া থাকে। সভায় সমাগত হইলেন। ৪-৫১। এই জগৎ নষ্ট হইলে কিছুই নষ্ট হয় না, এইরূপে ইহা পরিবর্ণ-মন- লোকে ইচ্ছাকল্পিত নগরবং মিথ্যাই দৃষ্ট হয় না, সমৃদ্ধ (বিশাল হইয়া প্রকাশিত ) হইলেও কিছুইদ্ধি প্রাপ্ত হয় না। বল দেখি মনঃকল্পিত বিশালনগরীর বুদ্ধি বা ক্ষয়ে কাহারও কি কোন রনির ঘটচত্বারিংশ সর্গ। ক্ষতি হইয়াছে ? ৩১-৩৫4 যেমন বালকেরা কীড়াপুত্তলিকা লইয়া কাঙ্গাদের মধ্যে কোনটাকে পুত্র, কোনটীকে কন্যা ইতাদি বশিষ্ঠ কহিলেন,-অপতল্পনণীয় এই ধনপরদি-নিমিত্ত ব্যবহারকল্পনা করে, সেইরূপ মনেরও তাশী কল্পনাবশে অবিরত আর শেক কি ? ইন্দ্রজাল ক্ষণকাল দৃষ্ট হইল ৰা না হইল, গং উদিত হইতেছে। ইন্দ্রজাল নষ্ট হইলে যেমন কাহারও তাহার জন্য দুঃখ কি ? গন্ধৰনগর দূষিত হউ দুষিত হউক কোন ক্ষতি হয় না, এই মনঃকল্পিত মিখা-সংসার নষ্ট হইলেও তাহাতে কোন ক্ষতি নই, অবিদ্যার অংশস্বরূপ পুত্রাপিতেই বা সেইরূপ কোন ক্ষতিই নাই। আলীকৰনাশ হইলে কাহায় লােক দুঃখের কি অবসর হতে পারে ? রমণীয় পুনরাবি কি ক্ষতি হইৰে। অৰ সংসায়ে হর্য ও বিবাদের বিষয় কিছু নিবন্ধন হই বা কি?, মরীচিকা বুদ্ধি (বিস্তৃতি) প্রাপ্ত হইলে নাই। যাহা অত্যন্ত অসৎ তাহার আবার না কি ? হে মহাতে। সলিলবীদিগের বার আনন্দ কি ? নবজিত । যখন নাশ নাই, তখন আবার দুঃখ কি? যাহা একান্ত সত্য, করাই উচিত, প্রেকাশ সমুচিত নয় তার আবার কি নষ্ট হইবে? নিখিলগ একমাত্র ব্রহ্মস্বরূপ, কে আখত হইয়া থাকে। যে সমস্ত ভােগজলছতে মুখের ইহাতে আবার সুখ-দুঃখ কি? ৩৬–৪০। যাহা অত্যখ অসৎ অনুরাগ সঞ্চার হয়, প্রাব্যক্তির তাতেই াৈগ্য উপস্থিত তাহার আবার বৃদ্ধি কি প্রকার ? হে মহাতে। বুজি যখন নাই, হইয়া থাকে। ১-৫। নর-নারান্দিতে হধের কোথায় ? তখন হর্ষের প্রসঙ্গই বা কি? এই সংসারপ্রপঞ্চের সর্বত্রই অর্থাৎ ইহার ও প্রকাশকাচ উচিত মহে, পরিণাম অসারতা ফিশন, আহা এব্যক্তি বাতি ইহাতে সাধুগণ প্রত্যুত ইহাতে বিগজনই হইয়া থাকেন। অতএব ভাদৃশ উপাদেয় কি আছে? (অর্থাৎ কিছুই নাই)। আবার এই হে রাখব। তুমি অজ্ঞ হইয়াছ, তুমি সংসাৱব্যবহারে গত বিষয়ের সংসারপঞ্চ স্বরূপ, সুজ্জং ইহা সত, ইহাতে প্রাজ্ঞঝক্তির উলে_ (তাহার ও অনুশােচনা করিও না এবং খiঞ্জ পল্লহলুণীয় হেয় পদার্থ কিছুই নাই। যে ব্যক্তির নিকট জগৎ সৎ বিষয়েরই ভােগ কর। স্বভাবত অনাসভ (এ বিষয়ে ও অসৎ উৰি, সে ব্যক্তি সুগী হয় না; কিন্তু ইি অভিলাষ ও এ বিষয়ে উপতেই এই (ৰে জগৎকে সত্য বলিয়া জানে সেই জগঞ্জে বিনাশে তি বৎ হায় যতই অপ্রাপ্ত বিষয়ে বা বলেন না হয় থাকে। অতি ওজবি হাকিম এবং এ বিষয়ের ভােগ কলেই পণ্ডিতগৎসার- অহা সেইরূপ বিহীন। হে !যে ব্যক্তি বিয়ে হy এই এলিয়নে বেড়াইতে ; দেখি, বান্ধা করি, তাহার সদৃষ্ট হয়। ১৫। অতীতও তে মোেহর মা, তেজপ এহিয়া বিহার কর যতে যাহা * বর্তমানেও হালখায় শিক্ষক সহ যারা "পরম দ ন কৰিও এই সৎ ভার সই দৃষ্টিগােচর হয়।(পুল কে সফল আর সময় তিন হাবুতি অহা বিফল- সত্তা ৰলিলাম, আপৰিছিন্ন সভা, কলকালামি গরিরি মনোনয়—১। যে যুক্তি খারাউক পদার্থে ;
যােয়ানিষ্ঠরামায়ণ যাহার লগ নাই এবং বুরি গামাৰ্থে অভিনিবিষ্ট হইয়াছে। বিষৎসর হই এই মহীপৃষ্ঠে বিচরণ কর, পৰ্বাসি এ তাহার গী নির্মল মতি মাছ-মােহশাগরে নিমখ না। ইবে। হে অস। তুমি স্বস্থ ও সকল চেহইয়া বিষয়- এই সমস্তই অসং এইরুপ নিয়ে নিখিল বহুতে যাহার কৌতুকনের বা পরিত্যাগপূর্ষক অন্তরে তলব ধারণ আসক্তি নিবৃত্ত হইয়াছে, অন্তৰী অৰিা কল সেই সর্ব করুত বিহার কর। বাল্মীকি কহিলেন,-নির্মলাশয় মুনিবৰণিতে জিক ক্রোশ করিতে পারে না। আমি এক এই জগৎ এইরূপ সুনির্মল উপদেশবাক্যে রামচন্দ্র পরিমাত্রিত করে তার সমস্তই এক হয় এই বুদ্ধি হইয়াছে, কোন বিষয়েই তাহার প্রকাশ পাইতে লাগিলেন, মধুর আমৃত তঁাহার অন্তঃকরণে বুড়ির ন্য বা অনাস্থা নাই, আদা বুদ্ধি কাচ মােহনগও হয় বিরাজ করিতে লাগিল, তিনি পূর্ণ-ধলে তা শতভাৰ মায়ণ । তুমি ব্যক্ত ও ব্যজের অনুগত বিশু সাত্মক ব্ৰহ্মপ করিলেন অর্থাৎ তাহার ত্রিখিতাপশান্তি হইল। ৩৯–৩। এলন করিয়া থাক, তাহার প তোমার বাহু ওভম্বর দু চত্বারিংশস সমাপ্ত। ০৬। এশত হউক বা না কউক কোন ক্ষতি নাই। হে ৰাম। তুমি ব্যবহারপরায়ণ হইলেও অত্যন্ত উপাতিবিশিষ্ট ও সর্বসক্ষত হইয়া আকাশৰং ৰস্তুর হইয়া থাক। ১১-১৫। কা- সপ্তসি। পরায়ণ হইলে প্রঞ্জির ইৰা বা অনিচ্ছা কোন বিষয়েই বিমান থাকে না, তাহার বু িনলিশলে সলিলের মায়াকোন রাম কলিন-হে সৰ্বৰৰজাপারগ। হে সর্বধর্মজ্ঞ ভগন। বিষয়েই লিপ্ত হয় না। তােমার ইন্দ্রিয় ও মন গুণীভূত (বৃত্তি- ! আমি বীয় বিশুদ্ধউক্তি শ্রবণে আৰস্ত হইলাম। বিপুর্থ, ধাৰিত) হইয়া দর্শনশন ক্রিয়া সম্পাদন করুক বা না | পৰিস্ফুটপদবর্ণ সুকোমল ভবদীয় বাক্য এত শ্রবণ করিয়াও (সম্যকৃ) করুকু, তুমি ছাবিহীন ও আত্মবান্ ফুও। ভবদীয় মন ইন্দ্রিয় | পরিতৃপ্তি লাভ করিতে পারিলাম না (এখনও শুনিবার জয় মখ না উক, ইজিয়ার্থে মমতা ত্যাগ করিয়া কোন কর্ম' বলবতী ইচ্ছা রহিয়াছে।) আপনি রাস ও সাত্ত্বিক জীবজাতির করুক বা না করুক, হাতে কোন ক্ষতি নাই। হে রাষৰ। কথাবর্ণনপ্রসঙ্গে প্রমাণ দিয়। যে কমলযােনির উৎপত্তির কথা যখন ইন্দ্রিয়-বিষয় তােমার হয়ে প্রীতিকর বলিয়া বােধ না উল্লেখ করিয়াছিলেন, তাহা আবার বিশদভাবে বর্ণন করুন। বশিষ্ঠ হইবে, তখনই জানিবে, অজ্ঞান কুরিয়া তুমি সংসার- কহিলেন, হে রাখব! পূর্বে লক্ষ লক্ষ ব্রহ্মা, শত শত ই, শত সাগর হইতে উকীর্ণ হই। যখন তােমর ইন্দ্রিয়াধের আস্বাদ শত শঙ্কর ও সহ সংত্র নারায়ণ অতীত হইয়াছেন এবং অন্যান্য একেবারে বিলুপ্ত হইয়াছে দেখিবে, তখন তুমি দেহ থাক বা বিচিত্র এক শত ব্রহ্মাণ্ডে অদ্যপি কতশত ব্ৰহ্মাদি ভিন্ন দেহ থাক, অনিচ্ছাসত্ত্বেও মুক্তি আপনি আসিয়া উপস্থিত জি আচার-ব্যবহারে বিহার করিতেছেন। ১৭। আরও কড- দুইবে। ১২। হে রাম। ছুমি উত্তমপদলাভের নিমিত্ত, শত জগতে সমকালে কতশত হিরণ্যগর্জদি উপ হইবেন। দে কুম হইতে সৌরভ বাসনাসমূহ হইতে চিত্তকে পৃথক কর। মহাবাহহ! ব্রহ্মাণ্ডসমূহে সেই পদ্ধযােনিপ্রভৃতির উৎপত্তি সনারূপ-বিত এই সংসাসাগরে যাহাৱা বুভিরণীতে ইন্দ্রজাল উশিত হইয়াছে। ব্রহ্মাণ্ড কখন রুদ্রষ্ট, কখন আলহণ করিয়াছে, তাহারাই এই সাগরপারে উত্তীর্ণ হইয়া পলিষ্ট, কখন বিষ্ণুসৃষ্ট, কখন বা মুনিনিতি। কোন সময়ে ছে, অপরে নিমগ্ন হইয়া যায়। ক্ষুরধারসদৃশ {কোন ব্ৰহ্মাতে পথহইতে, কোন সময়ে সলিল হইতে, কখন বাবুরি আর আত্মতৰ বিচাৰপুর্বক তুমি স্বপদে (ব্ৰহ্মপদে) ' যা অণ্ড হইতে এবং কোন সময়ে বা আকাশ হইতে উৎপন্ন হইয়া অখিত হও। বিং এখন যেমন জ্ঞানসম্পন্ন হইবিচরণ থাকে। (ভিন্ন ভিন্ন ব্রহ্মাণ্ডে এইরূপ ভিন্ন ভিন্ন ব্রহ্মা বিরাজ কলেন, হে রাম' নারও সেইরূপে বিহার করা উছিত, মূঢ়ের করেন। কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডে ত্রিনয়ন সূৰ্য, কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডে কায় অবস্থান করিও না। নিত্যতৃথ মহামতি, মহাকা, মুক্ত বাসৰ সুৰ্য্য, কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডে বা পুণ্ডরীকাক্ষ ধূ। ৬-১০। গণের ব্যবহারের অনুগামী হইৰে, কাচ ভোগপৰশর্ণের কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডে ভূমি কেবল বসল, কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডে ব্যবহারের করিও না। ২১২৫। ব্রহ্মত ও গজকে কেবল অনুসন্ধু, কোন ব্রহ্মাণ্ডে কেবল পঅয়, কোন কোন কারা অভিজ্ঞ, তাঁহাৱা অগগত ব্যবহারের অভিলাৰ ত্যাগ ব্রহ্মাণ্ডে কেবল মৃত্তিকাময় এবং কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডে এ্যময়। কিছুই করেন না, সকলেই অনুমতী হইয়া থাকেন। কী কোন ভূমি সুবর্ণময়ী, কোন ভূমি মন্ত্রী। এই ব্রহ্মাণ্ডেও কত মৰব্যক্তিগণ এভাব, অভিমান, ৭(কুশলাদি ), শব্দ ও আশ্চর্য্য রহিয়াছে, অপরাপর ব্রহ্মাণ্ডও এইরূপ আফময়। কোন ফশ, কিছুই কচ আখি হন। বিদগণ অঞ্চলের স্থায় কোন ব্রহ্মাণ্ডে বেয়ে আলােক নাই। এইরূপ মহা- অভিনু (কাশ-র অভাবযুক্ত স্থান) পৰেওখি হন কালে অনন্ত জগৎ সাগরভবৎ উন্মও নিষ হইতেছে। এমন না, স্বগীয় উদ্যানে চিহিতি কামনা করেন না এবং নিয়তির দায়ে তার মরুভূমিতে রীটকা ও চুনু বিদ্যমান উলন করিতেও চেষ্টা করেন না (নিয়ত্মিনিয়ন, আর থাকে, পাশেও সেইরূপ এই জগৎসমূহ অধিষ্ঠিত। ১১-১৫। পকে নিলথের নিম)। ব্যক্তিগ। কোন বিসেই ইচ্ছা প্রতিবেদন সুখ -সায়ে আয় করুন একাশ করে না, তাঁহারা অঞ্চ-বিয়ের দাবীহ না পরলেও সেই সে ত চ স মহিয়াছে তাহার থাকেন এবং বিএনধি ও মনেহায়ে হই, নির্ণয় করা কঠিন যেমন বর্ষাকালে একসমূহ দিবণে ভাবে খেয়াল করুন। হেমন! তুমিও লেজ - একুল হইয়া পূখিত নষ্ট হয়, এই লােকটিও শিল্প ইছ, । এ পায় ওয়ে। সেইকণ পূঃপু উনি ওনষ্ট হইতেছে। নিত্য আবির্ভাব- ২- ভূমিকা অপুর্বক মান ও সিরালী এ নিরপরা রে কত কাল হইতে চলিয়া T বিতিরণ আসিতেছে তাহা পরিত হইতে পারা যায় । এই গুলি হইতে ও কন বা হস্ত হইতে শক্তি উৎপন্ন হক্ট থাকে। উগরাশৱা ভবং নব অঙ্কুরিত হইতেছে। ইহা এইরূপ কখন এই পুরুষের নাভিতে পন্থ উৎপন্ন হয়, সেই নে , রিনভাবেই হইয়া আসিতেছে এই সুরাসুরনর বৃত্তি প্রাপ্ত হইতে থাকেন, এই আই ব্রহ্মাকে পক্ষ বলে এতি নদীগপন্ন হইয় আবার 'বিলীন হইতেছে। যেমন ৩৬. • এই বেহ্মেণতি কীর্তিত হইল, ইহাই না । এই এও জেখিচ্ছে, এইরূপ কত সহ ব্ৰহ্মাও, বসলে ৰং ভ্রান্তি; ইয়াসলিলাবৎ আপাত দুল কি টিকা য় অতীত হইতেছে। হাস্থ পরহ্মে এখনও ইহা মিথ্যা মনােরাখসদৃশ। জিয়া নারাজ স্বীকার না কতশত মূর্তিমান ৰক্ষাও বিদ্যমান মহুয়াছে, আকাশে যেমন কম, তাহা হইলে অসঙ্গ এবিয় কে কিরুপে এ সবে? এক উৎপন্ন হয় (আবার একই বিল হইয়া যায়, সেইরূপ মশেরই অচিন্ত্যরচনাশক্তিতে বিকাশে সুবর্ণয় এ ব্ৰহ্মপুত্র অর্থাৎ হৃদয়কাশের শােভস্বিৰূপ আরও কতশত ব্ৰক্ষ উৎপন্ন হয়। কোন সময়ে এই পুরুষজলে কখনেল কেন নিশ্রিত ব্রহ্মাণ্ড ফ্রহ্মে উৎপন্ন হইয়া(আবার অক্ষেই) প্রাপ্ত তাহা হইতেই ভূপগ বা বিশাল উৎপন্ন হয়। সেই হইবে। মৃত্তিকারাশিতে যেমন ভাষী ঘট বিদ্যমান, অনুরে যেমন ব্রহ্মাণ্ড হইতে কখন সূৰ্য ব্রহ্মা হন, কখন রুশ ব্রহ্মা হন {ৰী পৰ বিল্যমান, পরহ্মেও সেইরূপ আরও কত ভাবী এবং কখন বা বায়ু ব্ৰহ্মা হইয়া থাকেন। ৪১-৪৫। হে স্বাম! ব্ৰহ্মাণ্ড অবস্থিত করিয়াছে। যাবৎ অদৃষ্টি দ্বারা দৃষ্ট হইয়া, প্রতাত্মার অসৎগুরূপ এবম্বিৰিচিত্র টিতে এইরূপ অনেক অন্তি না হয়, ভাবৎকালই ব্ৰহ্মচিকাশে এরূপ বিস্ফারিত- | হিরণ্যগর্ভের বিচিত্র উৎপত্তি হইয়া গিয়াছে। আমি , উদাহরণ কৃতি বিকারসম্পন্ন এই ত্রিভুবন বিদ্যমান থাকে।১৬-২৫ স্বৰূপ একটা প্রজাপতির (হিরণ্যগর্ভের) উৎপত্তি তোমার নিকট মূখগণকর্তৃক অধ্যন্ত বিস্তৃত এই ব্রহ্মাণ্ডসমূহ আকাশ-সবং কহিলাম, ইহা (ব্রহ্মার উৎপতি) এইফাই হইবে, এমন কোন উ ও নিমগ্ন হইতেছে, বাস্তবিক সমূদয় সংও নহে, অসৎও নিয়ম নাই। এই সংসার মনেরই বিকাসমাত্র, ইহাই এ নহে। অন্তর্গত সৃষ্টিসমূহের সমষ্টিস্বরূপ ব্ৰহ্মাণ্ডসমূহের সৃষ্টিসকলের সিদ্ধান্ত, তোমাকে তাহাই বুঝা যায় নির্মিত এই বৃষ্টিক্রমের অন্তর্গত ণিগণের চেষ্টা আবার বিচিত্র। ঐ সৃষ্টিসমূহের আকার- উল্লেখ করিলাম। তােমার নিকটে পূর্বে যে বলিয়াছিল, বিকাও বিভিন্ন প্রকার, সুতরাং উকুষ্টিসমূহ বিচিত্র ( এক সাত্ত্বিক রাজসিক প্রভৃতি জাতি এইরূপে উৎপন্ন হইল, সেই প্রকার নহে ) তরঙ্গের ন্যায় উহাদের শরীর ক্ষণকৃষ্ট ও কনষ্ট বিষয় বিশদভাবে বুবাইবার নিমিত্তই (সম্প্রতি এই সৃষ্টি হইতেছে। কিন্তু হে রাম বৃষ্টি যেমন জল হইতে পৃথক্ নহে, তােমার নিকট বর্ণন করিলাম। যাবৎকাল এই মন সমূলে ঐ সৃষ্টিসমূহও ব্যক্তির নিকটে সেইরূপ পরস্পর পৃথক্ | উত্মলিত না হয়, তাৰংকাল) পুনঃপুনঃ সৃষ্টি, প্রলয়, সুখ, দুঃ, নহে। যাহারা ভাশী নহে, তাহার এইরূপ বিবেচনা করে যে, | অজ্ঞ, তত্ত্বজ্ঞ, বন্ধ, মােক্ষ, এই সকল হইতেছে এবং অকালই মেঘ হতে যেমন বৃষ্টির আবির্ভাব , ঐ সৃষ্টিসমূহও সেইরূপ ' ভূত, ভবিষ্যৎ ও বর্তমান বিষয়ে হিরণ্যগর্ভে ৰাংসল্য তটস্থ ঈশ্বর হইতে আগত। বাস্তবিক কি তত্ত্ব কি এতত্ত্ব, (সৃষ্টিবিষয়ে উমুখীভাৰ) দীপালােকৰং পুনঃপুনঃ প্রশান্ত ও উড়ত সকলের নিকটেই উৎ একরূপ (বি িনহে)। যেমন শাশ্বশীর হইতে। দীপ অল্পকালী, ব্ৰহ্মাদি পিরালি কালঘামী; পত্ৰ বীজাদি শাল্মলী হইতে বিভিন্ন নহে, এই বিভিন্ন ব্রহ্মাণ্ড- সুজাং দীপ ও ব্রহ্মাদির কালগত পার্থক্য আছে বটে, কিন্তু উক্ত সমূহও সেইরূপ পরস্পর ভিন্ন নহে। ২৬-৩০। হে রাখব। দৃষ্টান্তে তাহা ধর্তব্য নহে, পরন্তু দীপ ও ব্রহ্মাদির উৎপত্তি ও নাশ সুলভূতসৃষ্টি ও সূক্ষ্মভূতষ্টি এই উভয়ের মধ্যে ভূতসূক্ষ্মনামক পঞ্চ! বিষয়ে কোন পার্থক্য নাই, তাহা একরূপ, সেই সাদৃশ্যেই উক অমাত্ররূপ মাধ্যমল অ্যাকুত পরমাকাল হইতে উৎপন্ন, তাহাই দৃষ্টান্ত কথিত হইল। এই জগৎ যেরূপ চলিতেছে, এইপে আবার এই সকল পর্থে পরিণত হয়। কখন প্রথমে আকাশ স্থূলভাব সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ওকলিগ আসিবে ' স্কুলকথা, এই জগৎ ধারণ করে, তানত ব্ৰহ্মা সমপন্ন হন, ইনিই আকাশজজ- চক্রের ন্যায় (নিয়তই) ঘুরিয়েছে। যেমন এক রাত্রি প্রভাত পড়ি। কখন প্রথমে বায়ু সুলভৰ ধারণ করে, পরে গা সঞ্জাত হইলে অতীদিনৰ কাৰ্যসমূহ ব্যবত হয়, মখত্তরার হন , ইনি বায়ু পতি। কখন প্রথমে ভেজ স্কুলছাৰ ধাৰণ কপরম্পরাও সেইরূপ পূনপুনঃ হইতেছে।বহার অন্তর্গত করে, তাহার পর সেই তেজষ্টিকর্তা ব্রহ্মারুপে পলিত হত, পদার্থ দিন, আত্রি, ব্রিংকাঠাত্মক মুহত্তও নিয়ে উকে ভৈর এখতি কহে। পরিতি, সেই সময় পুনপুন উখিত ইচ্ছে, অথচ খন প্রথমে এ ভাৰ ধারণ করে, আহার পর অন্ধ সমূত হইয়া থাকেন,ইনিই বারিও কিছুই পুনপুনঃ উখিত হইছে না। ৪৫-৫৫। যেমন এত প্রজাপতি।৩৩৫ কখন বা প্রথমে পৃথিবী প্রকাশিত(স্কুল- বহির্গত পূ চিলাকালে এই পদার্থসমূহ সঙ্গ অবস্থিত লৌহপি বহিফুলিঙ্গ বিদ্যমান থাকে, শিলালির আষাভে তাহা ভাৰপ্ৰাপ্ত), লনস্তর বা ব্রহ্মারূপে অত্যুদিত হইলে উহাকে মানাৰীয়ে ঘৰণে কখন তাহা যুক্ত হয়, কী ব্যক্ত পাৰিৰগতি বলা যায়। এই ভূতকের মধ্যে একমত যখন অত চটকে তিরােহিম করিয়া স্বয়ংখিত হইতে থাকে। ফলতুবিশেষের বিভিন্ন ফলপপানি যেন এক গকে খুন সেই এক দু হইতে অন্ধ উৎপন্ন হন লম্ব মধ্যেই নিহিত থাকে, সেইরূপ অর্থাৎ কে এই তিনিই এই জগজে ক্রিয়া সম্পাদন করেন। অত যায়ৰ সমুদয় অবস্থিত রহিয়াছে। সকলের আত্মকাণ চিংশই ডে, ইহােিগয় তম বন অধিকাগমণি, এম ডিজে পণন) ঈদৃশকায় ধারণ করে। কেন নয়ন পুর্বোপাসৰ লৰী শভাবে সবই পুরুষের উৎপত্তি হইতেই চলশ উদিত হয়; (বাস্তবিক এক কেল হয়। তার পর কখন হায় বন হইতে কখন গণ হইতে, হয় দোষেই দুই বলা যােব আম চাষ চক্ষু হইতে কল লেখ হইভে গাল ইভেন লাে উপর বলিতে হইবে, বােগবাদিতামায়ণ। উব হইয়াকে। • এক চিৎ হইতেই এই হৃষ্টিসমূহ - ভ্রমর আসি কখন সবে কখন একাকী সলাত গলি দিই। যেমন সি তে উৎপন্ন বসিতেসে। একন মন এমিবিরকে খিত চরিণতি হলেও এ যি নহে বলিয়া যােব হয়, ধূলিটলৰ আফিল ফয়ে, সেরূপ এই কলি (অব) ফার এই এপসেই চৈততে অবস্থিত হইলেও বােধ হয় যে সত্যপুত কাকে কলুষিত করিল, তাহার নাই। কেন, হাতে নহে। হেয়াম! এই সংসার কাচ সং রূপ-ফুতকার” অকলশৰু-চক্র ঘূর্ণমান করিয়া পূর্ণ নহে, কাল, তমাল হ্মে সংস-শক্তি অভাব (অসঙ্গতা তাহাতে ভূতগ্রসরূপ শৰাৰ নিৰ্মাণ করিতেছে।৭–৮l সুজ অভিজ্ঞতা) যথার্থই বিদ্যগ্রহিয়াছে। ৫৬-৬০। হে সঙ্কলে ভস্থিতিত হইয়া এই জগৎ শুকাননবৎ পুন সআবার জগৎ কখন ও নহে, কালও পরব্রহ্ম স- নীৱসভাব (ধর্মহীনতা প্রাপ্ত হইতেছে। বারবার প্রলয় উপস্থিত শনি মলিয়া হাতে সার-শক্তিও বিদ্যমান আছে। যাবৎ হওয়াতে বুগপ দ্বাদশআদিত্যের সমূয়ে নলদগ্ধদেয় ভূগণের যার অর্থাৎ বৈজ্ঞানিক নামক প্ৰণ হয়, ভাৰৎকালই অস্থিসমাকাণহইয়া এই অগৎ যে কতবার শ্মশানে পরিণত হইল, অধিষ্ঠানচৈ প্রদীপ্তকলপরিচ্ছিন্ন এই সংসার বিদ্যমান তাহা বলা যায় না। কুলাদ্রিসঙ্কাশফবৰ্তকাদি জলধরবর্ষণে মৃত্য- থাকিবে, তাহার পর আর থাকবে না, অতএব এক্ষণে ব্যবহার পায়ণ হাররূপ-ফেনা এর সমাচ্ছন্ন হইয়া এই গগং যে কতবার সঞ্জত হয়। হে মহা তে। অবিদগণ সমস্তই ব্ৰহ্মৰলিয়া একার্ণব হইয়া গেল এবং প্রশান্তবাতসলিল নিখিল-বশূন্য হইয়া জানেন, মুন্নাৎ তাহাদের নিকট “সংসার অসৎ” ইহা সঙ্গত কতবার যে অৰ আকাশবং শূন্য হইয়া গেল, তাহা বলা যায় হইতে পারে। ব্যক্তি এই সংসারকে অনৰৱতই পরমার্থ না। এই জীবসমূহ কপি কসরমাত্র জীবনধারণান্তে জলে সত্য বলিয়া বােৰ করে, তাহাদিগের নিকট এই সংসারমায়া হইয়া পুনপুনঃ আত্মায় বিলীন হইতেছে। ৮১-৮৫। আবার মিথ্যাইলেও অসঙ্গত নহে। অতএব হে রসুনন্দন। পূনঃপুনঃ সময়ান্তরে মন শূন্যপদেশে গবনগরবং জগৎসমুহ বিস্তার করি - হইতেহেলিয়া মীমাৎসকেরজগৎকে যে কখন অসৎ বলিয়া তেছে। পূনঃষ্টি, পুনঃপ্রলয়, আবার সৃষ্ট, হে আম। এইরুপেই বের না অর্থাৎ জগৎপ্রবাহকে নিত্য বলিয়াই ব্যবহার নিখিলৰিখ, চক্রবৎ পরিবর্তিত হইতেছে। হে রাম। বিশাল- করে, ইহাও মিথ্যা নহে, (কারণ, দৃষ্টিভেদে ইহাতে উভয়ত্বই মায়াড়রপূর্ণ এই দীর্থভ্রমে কোন্টা সত্য, কোটা অসত্য, ছে)।৬১–৬৫। দিলে যে দীপ্তি, চপলাদির ক্ষণিক তাহার কিছুই নির্ণয় করা যায় না। হে রাম। এই সংসারচক্র আৰ্তিাৰ দৃষ্ট হইয়া থাকে, উন্মকে নিত্য বলা যায় না, নখরই দায়রাপাখান-সদৃশ কল্পনায় রচিত, বস্তুতঃ ইহা বশূন্য, ইহাতে বলিতে হইবে, অএব এই সমগ্র জগৎ যে নখর, ইহা কি সঙ্গত কিছুই নাই। এই জগৎ মিথ্যা অজ্ঞানসমূস্তব চিত্রসদৃশ বিকল্প দেবার দেখ, দিলে নিত্যই চন্দ্র-সূর্যের উদয় ও স্থির দ্বারাই অবিচ্ছিন্নভাবে প্রসারিত, ইহার নির্মাতাও অসং সত্য পর্বতাদি দৃষ্ট হইয়া থাকে, এইরূপ ভাব সমূদয়জগৎ অনশ্বর, নহে) কেবল ইহা অধিষ্ঠানভূত ব্ৰহ্মসত্তার অনুগামীরা ইহাও অত নহে। বিরাটুম্বরূপ একমাত্র ব্রহ্মে যাহা নাই, হে রাম! তােনার ঈশ মােহ কেন হইল ? ১৬-১৮। দৃশ কিছুই দেখিতে পাওয়া যায় না অর্থাৎ ইহাতে সমস্তই সচবারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৭ ॥ সাবে; সুতরাং কঙ্গনা বা যুক্তিযুক্ত নহে। যাহার আখ্যা (নাম বা সংজ্ঞা) নাই, তাহাতে আবার কল্পনা কি? এই নিখিল মুমূৰ উৎপন্ন হইতেছে। আকাশে অকিরণের ন্যায় এ উদারিং সর্গ। মৃত্যু, খ, দুঃখ, দিক, আকাশ, সমুদ্র ও পৰ্ব্বভাদি সৃষ্টি পুনঃপুনঃ হইছে অর্থাৎ উৎপত্তি-শয় নিত্যই হইতেছে। আবার দেব, বশিষ্ঠ কহিলেন,পরবঞ্চক মুগণ ঐহিক অমানুষিক ঐ আবার জানব, আবার লােকান্তর, আবার স্বর্গ-মােক্ষ-চেষ্টা, পুন- ভােগের উপায়স্বরূপ লৌকিক ও বৈদিক কাম্য রত হইয়া শায় ই, আবারী, আবার দেব নারায়ণ, আর দানবাধি, কেবল কনুই সল করে, জ্ঞানের কোন অপেক্ষা রাখে না; সূর্য, বরুণ ও অনিল এইরূপে এই সমুদয় পুনঃপুনঃ এই কারণেই তারা সত্যপদার্থ দর্শন করিতে পায় না। যাহার উৎপন্ন হইতেছে। এই ব্যাপৃখিবীরূপলিমী পূর্ণ- বুদ্ধির পত্রগত অর্থাৎ অসীমবুদ্ধি লাভ করিয়াছেন, ইন্দ্রিয়গণের ত হইয়া পুনঃপুন আবির্ভূত হইভে’, সুমেরু-পত এই বশে থাকেন না, তাহারাই-কর বিশ্ব শৰৎ এই অগভী মায়ার লীর কণিকা (কণিকা-পদ্মবীজকোষ) এবং সহপর্বত বাথ্যর্থদর্শনে সমর্থ হন। বিচারশক্তিসম্পন্ন ঐ অগভী ইহার কেশর। এই অন্তররূপকেশল্পী কিরণ-রূপ নশর দ্বারা মাকে তুরুপে সন্দর্শন করিয়া, সর্গের কতগয় জায় এই অন্ধকারুরূপ বিমুখ বিকাশ করিবার নিমিত্ত আকাশকাননে পুনঃ- কারময়ী ঐ মায়া পৰিত্যাগ করিয়া থামে। হে আম। হায় গরু পূ সুটা েউঠিত গাকেন। এ পুনপুন বায়ুচালিত তিনি সংসার করে থাকিলেও সক্ত হওয়ায় খুব পার নির্মল মঞ্জরীর 'মনােরল থার (র-কিরণ ও হন্ত) এর জন্মগ্রহকরেন না। অলােকেরা কেলৰিণিসল আমােদ বিশ্বযুগণের, না সশান করিয়া থাকেন। অশুবিনাশী দেহের নিমিত্ত যত্নবান হ, আত্মলিখিত জাহান –৫ পূঞ্চালগোগবাল গরু পুষ্পরাশি পন্য কোন যাই নাই। জুবিলি তা শরীরে পীরণে বিচ্ছিন্ন হইয়া ৰাই নিপতিত হইলাে। ঈভিশানেনি না; উহাতে কল ফুলই হবে, কালরুল কবিরীকা ও জিআপ প থাকা সাঁঝ- অন্য পায়। এই সময়ে বাকলি এ পটপটানি কৰি কয় নিয়া যাইতে প্রগেনি এইখক, সারকে গালমনৰ কল- শপ চলিয়াকাইতেছেন, আবার লিক ও লিনেন, ইখ বিরূপ আমি বুনিতে পারি। ;
বিজি বশিষ্ঠ কহিলেন, খাম। আমি এই জগতী মায়ায় থাকা একা এত্ত হইয়া বেদাধ্যয়ন ও ভবিচারণে বা বন্যপদেশে তােমার নিকট আনােগাখ্যাল কম করিতেছি, হইলেন এবং ৪ ইহা ও নহে, এসে এবণ কর। এই মহীপীঠে বিচিত্ৰকুম-মণ্ডিত-গুরুরাজিতে সমা- হইত তৈরি হয় কলাজালে জড়িত ব, সমৃদ্ধিসম্পন্ন, মগনামে বিখ্যাত এক বিশাল-জনপদ আছে। পাত করিতে লাগিলেন। ২৬-৩০। বেলপাঠ, জি, ঐ জনপদের প্রদেশে বিকৃত কলকল, বায়ু বিচিত্র বিহু সেই কবিকুমার অন্য এক অবগত হইতে পারিলেন শ্রেণী একায় অতিমনােহর ৮ হইভে। ৬। উহার ন। কেফা জিও জির কমায় ব্যপৃত থাকাতে তাহার সীমান্তদেশ শস্যপূর্ণ, পূরণে উপকমতি, অত্য নদীতট- চিত্ত এই পবিত্র ধরলেও বিশ্রান্তিলাভ করিতে পারিল না। সকল কমল, পল ও কারনে শোভিত। আ- তিনি এই বিশুদ্ধ নিখিলবলকে অণ্ড দেখিতে; এ এ কার উধ্বমধ্যে দোল-বিলাসকারিন ললনাগণের গীতধ্বনি কোন নেই তঁাহার আনন্দবােথ হয় নাই। অনন্তর মূনিপুত্র সততই কর্ণকুহরে প্রবিষ্ট হয়। সেই জনপদে বিকালে উপভুক্ত স্বীয় সঙ্কলে স্থির করিলেন যে, এই বৃক্ষাগ্রই একমাত্র বিশুদ্ধ, অাল-কুমুর্শিরূপ কন্দর্পণে অবনিল সমাচ্ছন্ন হইয়া থাকে। ইহাই আমার অবস্থানের যোগ। সেই জনপদের একপৰ্শে কৰিকারকুমেবল নিবিড়কশীকল ও ক্ষের শাখা ও পত্রে বিহঙ্গবৎ স্থিতিলাভ করিতে পারি, অনুরূপ কদমগুলি-বনে বিরাজিত এক গিরিট আছে। সেই গিরি- তপস্যায় প্রবৃত্ত হই। এইরূপ উপায় চিন্তা করিয়া ঋষিপুত্ৰ এণীও অটো অলপ্রদেশের অনেকস্থলই বাতাহতকুমরাশির কেশর- ৰহি প্ৰলিত করিলেন এবং স্বকীয় স্বরূদেশ হইতে মাংস পাশে ধূলিময় হইয়া থাকে। তথায় কোন স্থানে কাণ্ডকাপ ছোপূর্বক সেই প্রজ্জ্বলিত হতাশনে আহুতি নিতে লাগিলেন। এবং কোথাও বা অনুরক্ত সারসগণ রব করিতেছে। বিচিত্র বিহগ- ৩১-৩৫। তখন ঋষিষের উপিস্থদেবতা ভগবান অন পণের আশ্রয়, মরাজিৰিশােভিত, সেই পৰিত্ৰগিরিটস্থিত ভাবিলেন, “আমি দেখতাদিগের মুখস্বরূপ, (দেবগণ অমিমুখ বলিয়া করুক্ষের অভাগে দাশূরনামা পরমথাকি, বিষয়রাগবিবর্জিত, বিখ্যাত), এই বিপ্র আমাতে মাংস আহুতি দিতেছেন। এই মহামতি, বিখ্যাত, মহাতপা মুনি বাস করিতেন। ১১-১৬। বিএমাংসে গেণের গলদেশ গ্ধ হইতে পারে।” সূর্য যেন রাম জিজ্ঞাসা করিলেন,-ভগব। ঐ তপন্থী কি নিমিত্ত বন বৃহস্পতিসমীপে উপস্থিত হন, সেইরূপ অগিদেও ঐরূপ চিন্তা প্রদেশে বাস করিতেন? বিশাল-কদম্বরক্ষের উপরিভাগেই ৰা করিয়া থরদেহে ঐ মুনিপুত্রের সমীপে উপস্থিত হইলেন এবং থাকিতে কেন ? তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠদেব বলিতে ধীর ভাবে কহিলেন, “ঋষিকুমার। তুমি অভিমত বর গ্রহণ কর, লাগিলেন রাম সেই মুনির পিতা মারলােখা-নামে বিখ্যাত পঘি, আমি তােমার নিকটেই ভাের সঙ্কসি বর রাখিয়াছি। হে জিতীয় ব্রহ্মার ন্যায় সেই গিরিতেই বাস করিতেন। কচ যেমন সাথ। কোষােগ হইতে মণিগ্রহণের স্থায় গ্রহণ করিলেই শুয়াচার্যের একমাত্র সন্তান দারও সেইরূপ ঐ মুনির একমাত্র হয়। হতাশন এইরূপ কহিলে বিকুমার মনাের পুষ্পার্ঘ্য দ্বারা সন্তান। ঋষি একমাত্র পুত্র লইয়া অরণ্যপ্রদেশে জীবন অতি তাহার পূজা করিয়া ভি করিতে করিতে বলিলেন, “ বাহিত করিলেন। পক্ষী যেমন এক কুলায় (বাসা) ত্যাগ করিয়া অত চাগুলাদিতপূর্ণ ভূমণ্ডলের মধ্যে আমি বিয়ে। +পায়ান্তরে গমন করে, সেইরূপ ঐ মারলােমা মুনিও বহুকাল পাইলাম না, সেই কারণেই আমি বাগ্রে থাকিতে ইচ্ছা করি, সুখদুঃখাদি ভােগ করিয়া অবশেষে দেহভাগান্তে সুরালয়ে গমন আমার এই বাসনা পূর্ণ হউক।” ৩৬-৪। মুনিপুত্র এইরূপ করিলেন। ১৭–২০। পিতার এই চরমশাপাত হওয়াতে দার কহিলে ঐশীশক্তিসম্পন্ন, নিখিলদেবগণের বনরূপ শিখ একাকী সেই বনমধ্যে কুরবপক্ষীয় স্থায় করুণস্বরে রােদন করিতে “ধাত” বলিয়া অন্তর্হিত হইলেন। সন্ধাসময়ে পঙ্কজের গায় লাগিলেন। পিতার বিয়ােগশােকে সন্তাপিতঙ্গলয় মুনি- ক্ষণকাল মধ্যে হুতাশন অহিত হইলে ঋষিকুমার পূর্ণকাম হইয়া পত্র হেমন্তকাল কমলের ন্যায় পরিন্নান হইতে লাগিলেন। পুচক্রের স্থায় শাভিত হইতে লাগিলেন। তখন অভিমত বর হে রাম। তখন ঋষিকুমারকে অভিকাতর দেখিয়া বনদেবতা পাইয়া দা সন্তুষ্ট হইবেন এবং প্রধানমও-জুতি আর এদৃশ্যমূর্তিতে এইরূপ আশ্বাস দিয়াছিলে,-“হে মহামতেঋষি- বেড়াকলাপূর্ণ কে ও স্মিত যারা বিকশিপগুলকে কুমার ' তুমি অজ্ঞব্যক্তির ন্যায় রােদন করিচ্ছে কেন? তুমি কি উপহাস (ধৃণিত করিলেন। ১৪৩। এই সংসারের চালস্বভাব অবগত নই? হে সাধে। এই সংসাম আইরিস সমাপ্ত৪৮ এইরূপই চঞ্চল (অর্থাৎ না); ইহাতে আম, জীবনধারণ ও মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী।১২৫। হে মুনে। ব্যবহারদৃষ্টিতে ব্রহ্মা হইতে আর করিয়া যাহা কিছু দৃষ্ট হইতেছে, তৎসমূদয়েরই বিনাশ একোনপঞ্চাশত্তম সৰ্ম্ম। হইবে, এ বিষয়ে কোন সংশয় নাই। অএ ভূমি পিতার মরণে কোনপ্রকার দু করিও না, দুএকা। নিল, যখন জন্ম হই- বণি কহিলেন-অনন্তর পর মুনি অমতে যেমন মুছে, তখন সূর্যদেবের আয় এত অৰই হইবে।” অনবরত শণী এক বিশালকত্ব অবলােকন করলেন। ঐক- রােল-নিবন্ধন আৰক্তন বিমার ঐ অশরীরিণ বাণী এবণ এত উচ্চ যে, মুস্তাহকালে সূর্যাখসফল লি ইয় উহার করিয়া, জললি লৈ শিখণ্ডীর মম আহলাদিত ও সুস্থির কে আগ্রহণ করিয়া বিশ্রাম করে। উফশাখারূপ- হইলেন এবং উঠিয়া পিতার অবক ঔদহিকক্রিস বাহ আর যেন চতুর্দিকের মধ্যগগাৰী জীবন সম্পাদন করিয়া উপলাগ গলে সিল হইলেন। (চ) উত্তােলন করিয়া অবস্থান করছে এবং বিকশিত তাহার পর সেই মুলিকুমার ব্রাহ্মবিভিন্ন ব্রাহ্মণােটি ব্যাপারে) কুমরূপ নয়ন দ্বারা কেন চকুৰ নিৰীষ্টি বিলি- যােগবালায় কুৰােপরি বিচরণ বহু অলিকুল সমীরণ-চালিত ফুশের সেবী অনগণের দ্বারা উহার অভ্যন্তর-দেশ সই আলােড়িত ব্যয় হয়েছে। এ পবরূপ আর কে দিলুসফল! ঐ কী যেন সমগ্র বদেবীদিগের একটা উত্তম অন্তঃপুর। নিতে উহার স্বাত ও নামকল-১২। যে পৰ্বত হইতে সকালে নদী বিনির্গত হয়, বিশেষের জঙ্কা রীপুজে শােভিত খ্রীয় গবেরুপ আৰু সেইরূপ কুলপর ভ্রমরূপ তরঙ্গে সমাকুল পুষ্প ও কিরীশি বললাশত বনশ্রেণীকে যেন উপহাস করিতেছে। প্রতি সতত পতিত হইতেছে। যেমন ভূধরে খেতকায় মেৰপংক্তি শাখায় উবার পূল্পসমূহের কি হইতে পরাগধূলি নিপতিত বেষ্টন করিয়া থাকে, সেইরূপ মলমন্দ সমীরে পরিচালিত হইয়া হইয়া ঐরকাকে এইরূপভাবে সুন্দর কৰিছে েদূর হইতে পতিত প্রত্যহ উপচিত পুপও পত্রাদি ইহার স্বদেশ সচ্ছাদন বেলে বোধ হয় যেন, পুর্ণচন্দ্র উদিত হইচ্ছে (ভাবার্থ এই) করিয়া থাকে। যেমন উপত্যকাদাত জ্ঞবৃন্দ মহাতে বহুস্থান বলটা কেবল পরাগময় হইয়াছে। ১। ঐ বৃক্ষের ছন ব্যাপিয়া অবস্থিতি কৰে, সেইরূপ উজানু-ব্যক্তির প্রানুর স্যায় ধন বিটপাবলীশাখাকুঞ্জে কোয়াক্ষী কূন করিতেছে। ঐ উন্নত বিস্তীর্ণ মূলভাগ বহুস্থান ব্যাপিয়া অবস্থিত রহিয়াছে, ঐ এত উচ্চ ও শাখাৎবায় এত বিস্তৃত, বােধ হয় উহা যেন মূলভাগ এত উচ্চ যে, উহাতে গজগণ কটকণ্ডয়ন করিয়া থাকে। দ্বিতীয় জগণ্ডল। ঐক্ষের পীঠে উপবিষ্ট ময়ুররুলের সমান | ভগবান বিষ্ণুকে যেমন বহু পরিষদবর্গ বেষ্টন করিয়া থাকে, কার পুচ্ছকলগে বৃক্ষটা ইত্ৰসৰিত মেঘমণ্ডিভগগনমণ্ডলের ও কোটরে বিচরণকারী, বিচিত্রবর্ণ, চিত্রপশালী বিহগকুল ও যায় শোভিত হইতেছে। উহার প্রত্যেক ক্ষের কোটলেশ | সেইরূপ ঐ বৃক্ষকে বেষ্টন করিয়া আছে। ঐ বৃক্ষ বিলােল বিক বহুভর শুক্লবর্ণময় অবস্থান করে, ঐ চমরমৃগগণ কখন ম রূপ অঙ্গুলিসমূহ দ্বারা যেন বনবাত দ্বারা গর্বিত বীশ্রেণীকে (কোটরথবিষ্ট দেহ চন্দ্রগঞ্জে অস্ত)কখন উন্ময় (প্রায় বহিরুত | অভিরক্রিয়া উপদেশ করিতেছে। ২১-৫। “আমায় নিখিল মেহ চন্দ্রগকে উদিত হওয়ায় কখন দৃষ্ট ও কখন অদৃষ্ট হইয়া ঠিক| অবয়বই আর্থিগণের আশ্রয়স্থল,” আপনার এইরূপ পরােপকারিতা- সবর্ষের উনিতান্তমিত চন্দ্রের সমান হইয়া রহিয়াছে। বট ঐ গুণ চিন্তা করিয়া ঐ বৃক্ষ যেন প্রসন্নচিত্তে শাখার পল্পবকর চরগণধিষ্ঠিত হইয়া কথন উদিত, কখন অস্তমিত চক্রসমূহে পূর্ণ সঞ্চালন পূর্ষক নৃত্য করিতেছে। গতারূপিণ বহুকান্তার একমাত্র বৎসরের ন্যায় বােধ হইতেছে। * ঐ বক্ষ কপিঞ্জলপক্ষীসমূহের কাজ বলিয়া, ঐ পাপ যেন শৃঙ্গারসে মগ্ন হইয়া ম-মধুকর আলাপ, কোকিলের কলকুজন ও চকোরপক্ষীয় উচ্চরকের ছলে কেন এন ব্যপদেশে কলধ্বনিতে গান করিতেছে, গগনচারী সিদ্ধ গান করিতেছে। ঐ কুলাপ্রদেশে ক্রীড়াপরায়ণ কলহংসগণ গণকে সমাদরে বুমরাণি বিতরণপূর্বক যেন কোকিলকুলনিনাদে কর্তৃক আবৃত হওয়ায় স্বর্গ-কোটস্থিত সিদ্ধগণে পরিণ, দ্বিতীয় অগ- তাহাদিগকে স্বাগত সম্ভাষণ করিতেছে এবং নির্মল পুষ্পকোরক- ভেরায় এতীয়মান হইতেছে। ১০। পাবহ অলিনয়না কান্তিরূপ স্মিত দ্বারা উত্তরপ্রান্তবর্তী মন্দার প্রভৃতি পঞ্চ কল্পতরুর আরােগণ যেন স্বর্গ আশ্রয় করিয়া থাকে, সেইরূপ পাবহতা লজ-পূষ্পাদি শোভার প্রতি যেন উদাস করিতেছে। বিহুগকুল অলিনালাপুজীকে ঐ বৃক্ষের চতুর্থ আশ্রয় করিয়া রহি- ইহার উপভাগে উড্ডীন হওয়ায় বোধ হইতেছে যেন, পারিজাত- ছি। পমল ঐ বিট ইত্ৰচাপসম তত্য কুমুদকলারাদি , বিজয় উন্নতঞ্জীব হইয়া আকাশােপরি ধাবমান হইতেছে। কুমণি-মূখিত পরাগ ও বীর মঞ্জরী দ্বারা পিনিত হইয়া এবং মধ্যভাগে এমৰিশোভিত বনসন্নিবিষ্ট স্তবকশ্রেণী দ্বারা সৌদামিনী-সমৰিত অলথরের সাজাত্য ধারণ করিয়াছে। চার্করূপ | সহনক্ষনত্ব প্রাপ্ত হইয়া যেন ইন্দ্রকে পরাজয় করিতে উদ্যত কুরী ঐ কত আকাশ-কুহরব্যাপী সহশখারূপ ' হইয়াছে। ২৬-৩০। কোন কোন স্থলে পুষ্পস্তবকরূপ সফশা- কুমারী ঐ কত আকাশ-কুইষ্যাপী সহ রূপ হিত মণিগণ বারা আবৃত হওয়ায় বােধহইতে যেন, ইহা প্রসারিত করিয়া বিশ্বকাপ-এন-য়িতা বির আয় সমুন্নত দৃষ্টি আকাশ-লনেচ্ছায় পাতাল হইতে সমাগত অনন্তনাগ, পরাগধূলি হইতেছে। উহার তলদেশে নকল অবস্থিত; উদেশে থাকা সর্বাঙ্গ ধূসরিত হওয়ায় বােখহইতেছে যেন দ্বিতীয় শঙ্কর- এরা এবং মধ্যঙ্গণে শাৰ ওপতি সুশােভিত; যেন অবম্বিত। ঐ কারু ফল ও ছায়া আর নিলজনগণের এল ব্রাশের উকাশ বলিয়া এত (কল্যাণকর অর্থাৎ ভিকর)। ঐ কর ভিন্ন ভিন্ন ৪ভকু দিয়ে গয় শেষ শৈলকানভী।'বৃক্ষ কেন নিবিড় দলে বিক্রিকৃতি বহু পুষ্পলতামণ্ডপে সমাকীর্ণ ও বিহুগ- পৃথিবীর সর ফল, পরব ও পরে কোষাগার। ১১-১৫। নিবরূপ নাগরগণের নিবাসস্থল হওয়ায় যেন একটা গগনস্থিত বসমূহে পাগ-সান কলিকাসমূহ বিমান, উহা মগ বলিয়া প্রতীয়মান হইতেছে; শির মুনি এইরূপ কল সেৰিলে বোধ হয় যেন কিন্তু নয়াজি-সমন্বিত দেখিতে পাইলেন। ৩১-৩৫। আকাশ। উৰ (গুড়ি) গুলি যেন এক একটা বিস্তৃত লে; একোনপঞ্চাশ সর্গ সমা। ১৯ ঐ স্কুহে বিহগ লার্নির্মাণ কমে অবস্থান করিতেছে। নীল পতাকাতি তলেতি ক্ষণ গবে- র্ণ ধকল ও পানিপূণাললে কোর, শুক, স্মরিকা কোকিলাশি কূন করি র রূপ দেশ পৰম সর্গ। পুকে সমাজ। বল হাতে সংকয়ে, এ বশিষ্ঠ কহিলে--এগুর লালুর সেইরূপই স্কুলের অছি- যদিও একই চুত্ৰ উদিত ও অমিত হয় থাকে, খালি। বুড়ি মৃ ৰুৱত সলমনে, ছমি যেমন একাবগত টনে সময়ের এক সমাবে আয় পৃ পৃ দিবসীয় | অারােহেণ কলেন, সেই স্বর্গওদুমণ্ডলের বরুণ, হনুমষ ববে বিকাশমাত্ৰ বলি দেশাহ। অচলসদৃশ ফলপলব- গতি সেই কাজ আরােহণ করি- দিতি। লেন। গ্রিকুমার ঐ বৃক্ষের গগনতলস্পর্শী সর্বোচ্চ শাখার এক অজ হইতে নীলোৎপল-সৌরভ বিকীর্ণ হইতে; ই ফেল প্রান্তবর্তী পাবে অবস্থান করিয়া নিঃশক্ষভাবে একাগ্রচিত্তে তপা কোলিও কুমভয়ে কি বলল। সেই মূলি নি, করিতে লাগিলেন। অনন্ত তিনি ফোল নাপাবাসনে উপবেশন অব্যাঙ্গী। আর সেই গণকে জিজ্ঞাসা করিলে, অৰ করিয়া ক্ষণকাল কৌতুক-ভজ ওলষ্টচিত্ত হইয়া চতুর্দি নিরীক্ষা পদ্মপলাশগাচনে। তুমি কে? তুমি স্বীয় সৌন্দর্যে কাজ করিতে লাগিলেন। তাঁহার নিকট ঐ দি সৰু ত্রিভুবনের দেশকেও বিক্ষোভিত কৰিছে। ভাবপূর্ণা বা চাল রমণী স্বরূপ, নদীসকল ঐ দিক্রমণীর একাবলী (হরি , মূত্রত এই লতায় অবস্থান কৰিছে কেন?। ১০। মুর্ণিমার ভূধরগণ পরােধরূপ, নির্মল ভােমণ্ডল উহার কেশ-কলাপ এবং এইরূপ বলিলে হরিণশিশু-নালা, পশনী, গৌরবর্ণ ঐ সুনীল জলও উহার বিলােল অলকাবলী বােধ হইল।১-৫। রমণ মুদিকে মনোেহকারী বর্ণবিলাসপূর্বক, ঘণিতে লাগল। ঐ দিক্রমণীশ নীলপিবরূপ বসনধারিশ, পুলভূষণে ভূষি, “এই মহীলে যে যে ৰাতিবিষয় প্রাপ্য আছে, মহতের নিকট সরূপ পূর্ণকলসধারিণী ও বহু ভূষণভূষিত হইয়া বিয়াঅনা। প্রার্থনা করিলে তাহা ঝটিতি দুখলভ্য হইয়া থাকে। হে ব্রহ্ম। প্রফুল-কমলখারিণী ঐ দিগনদিগের মুখমারুত অতি মুভি, আমি এই বিপিনের বনদেবত। আপনি যে ফস্ব অবন ঐ রমণীগণ কোকিল প্রভৃতির কুরুনব্যাজে কলনাদিনী ও নির্বর করিতেছেন, আমিও এই স্থানে বাস করি। চৈত্রমাসের শুরু সলিলবস্কারে নুপুরধ্বনি করিতেছেন। স্বর্ণ, ঐ দিগদিগের পক্ষীয় ত্রয়ােদশীতে মনোৎসব উপলক্ষে নন্দনকাননে বললো- মন্ত , পৃথিবী, প্রণ, বনশ্রণী, বােমরাজি, জাল, ইহালের গুরু দিগের সভা হইয়াছিল। হে নখ। আমি ত্রিলােকীললনা বনদেবী- নিতমভার এবং চন্দ্র-সূৰ্য্য, কর্ণকুণ্ডল। সমীয়স্পন্দিতােঙ্গতি, গণের সেই সভায় উপস্থিত হইয়াছিলাম। ১১-১৫। দেখিলাম, ইহাদের অঙ্গী, বিলাস এবং চনপাদপাশ্ৰিত ময়াদি ভূমি, সেই মদনােৎসব উপলক্ষে তথায় যে সকল সহচরী সমাসীন। ইহাদের ললাটদেশ। দিগঙ্গনাদিগের পর্বতশিখররূপমণ্ডলে রহিয়াছেন, সকলেই পুত্রবতী; কিন্তু আমার পুত্র নাই, সেই শুভবর্ণ জলপথগুরুপ অশুক সংলগ্ন রহিয়াছে। মহাসমুন্থিত কারণেই আমি অতি দুঃখিত হইয়াছি। হে নাখ। আপনি জলপ্রবাহ উহাদের অলঙ্কারদর্পণ, নক্ষত্রপঙক্তি উহাদের গাত্র পুরুষার্থসম্পাদক মহান কলরুরূপ বিদ্যমান থাকিতে আমি ধৰ্ম্মবি এবং এই জগৎ ঐ রমণীগণের অন্তঃপুর। ৬-১০। পুত্রহীনা হই অবার খায় শােক করি কেন? ভগন! বসাদি-ঋতুজাত কুমাদি উহাদিগের শুনাবরণ-ককুক, সূৰ্য্য আপনি আমাকে পুত্র প্রদান করুন, নচেৎ আমি অখিতে দেহ কিরণরূপ কুঙ্কুম উহাদিগের অঙ্গসংলগ্ন। উহারা বিচিত্র কুম- আতাত দিয়া পুত্ৰাভাবনিবন্ধন অসহ দুঃখ দুর করি। মুনিপুকুৰ খেভিনী এবং চন্দ্রকিরণরূপ চন্দনে চৰ্চিতা। দাশু, গগনগত দাশু, সেই কুলাঙ্গীর ঐরূপ বাক্য শ্রবণপূর্বক সয়া সহকারে ঐ বৃক্ষের এক শাখার পল্লবে উপবেশন করিয়া বনভূমি জলদাদি- তাহাকে হস্ততি একটা প্রদান করিয়া সম্মিলনে কহিলেন, (বষধারিণী, কুসুমমণ্ডিত, দশমিকরূপ ত্রিভুবন-ললনগণকে নিরীশ “হে রুশদি তুমি যাও, লতা যেমন পুষ্পপ্রসব করে, তুমিও করিতে লাগিলেন।১১-১২। সেইরূপ একমাস মধ্যেই একটা অগৎপু, মুত্র, নেত্র প্রসব করিবে। ১৬-২০। তুমি পুত্র লাভ না কম অভিদুঃখে পশম গণ সমাপ্ত | | আখৰাতে কঙ্কা হই আমার নিকট প্রার্থনা করি কবিয়া তােমার পুত্র তত্ত্বজ্ঞানী হইবে, বিষয়ভোগী হইবে না। মুরি ঐরূপ বাক্যাবলে সেই জী প্রসঙ্গবদনে মুনির এরি- একপঞ্চাশতম সঙ্গ। চৰ্যৰুণের অভিপ্রায় প্রকাশ করিলে, মুনি তাঁহাকে বিদায় বশিষ্ঠ কহিলেন,-ঘাের তপস্যার নিয়ত ঐ দাশূর মধি দিলেন। রমণী নিঅনিকেতনে গমন করল। মুণিও অসহায় সেই তাপমানে কদম্ব-দাশুর বলিয়া বিখ্যাত হইলেন। তিনি সেই হইয়া মে এক তু, এক পর, এইরূপে সকাল জাতি লভাদলে অবস্থানপূর্বক কালমাত্র দিন নিরী করিয়া বাহিত করিলেন। অন্য দীর্ঘকাল অতিবাহিত হইলে সেই নিদর্শন হই বিব্রত হইলেন এবং দৃঢ়ভাবে পদ্মাসনবল খুব উপলালী শৰীয় একটা সন্তান নইমলি নিকট উপ পরমার্থ জ্ঞানলাভ না করিয়াই কেবল ফলাকাঙ্ক্ষায় ক্রিয়াপরায়ণ হিত লইল এবং মুলিকে প্রণাম করিয়া উপনে পূর্বক, জ্বর হইয়া মনে মনে স্বচ্ছ কৰিলেন। গগনী উচ্চতালে যেন চুকে তললে, সেইরূপ ঝরে এখন অবস্থিত হইয়া লালুর মনে মনে যথাক্রমে নিখিল জ্ঞক্রিয়া সমাখা ঋষিকুরকে কহিতে কি, “গক। এই সেই আদি করিতে পাক্কিলেন। তথায় তিঁনি দশ বৎসর বিপুল পলিশ কলার পুত্র, আমি ইহাকে বেলা সকল বিদ্যায় পণ্ড করি- দিয়া গোমে, অমেধূ ও নরমে প্রভৃতি গজ্ঞক্রিয়া দ্বাৰা মনে রাজি। ২১-৫। এভাে! যাহা ব্রা সারচক্রে পড়িয়া আর মনে দেবগণের পুত করিলেন। ১-৫। এইরূপে বিচ্ছুকাল যন্ত্রণাগ্র হইতে না হয় কে কোন সেই অজ্ঞান অভিহিত হই। জীয় চিত্র নির্মল বিস্তৃত হইল; তখন বি)শিক্ষা দেয় নাই। এতে আপনি এসে মহার অন্তরে এসাগজনিত জ্ঞান বলপূর্বক (প্রাক্তন করিয়া ইহাকে সেই গালে উপৰিল। অs শ্রবণলংকালে উমােথে)অবতী হইল। ক্রমে ক্রমে তাহার এত সন্তানকে কে মূর্ণ করিয়া রাখে?” যদি এই সমূয়ে অনবরণ বিগণও যা-যা বিগলিত হইল। অনন্তর বলিতে সেইবি, বলে! পুত্র ও বি ইহাকে জিনি,একদিনু সেই লভরগে বণিত, বিলে পুলা এই স্থানেই রাখ” এই বলিয়া রমণীকে বিদায় এনাল কবিলেন। ধর্ষি মণিজন্ম, বলল, বিশালাকা এক ফালিকে খুন করলে সেই বীমাৰ কক পিতা শি ইয়, দেখিতে পাইলেন। ঐ কামিলীব নােহারিণী ঐ রমণীর অরুণ যেমন সূর্যদেবের অগ্রেীকে, সেইরূপ অর্থভাবে এ বােগৰাশিৰামায়ণ। নিকটে অবস্থান করিতে লাগিল। ২৬-৩০ ! সেই বালক কিছু হয় এবং ফলালােলুপ হইয়া বিচরণ করে, কোন স্থানে সিলে দিন গুরুষ ও ব্রণাদি ক্লেশ করিয়া প্রয়োজন শব্দৰণ মাত্রেই সে যান হইতে উড়িয়া যায়, দ্রুপ এই খােখ লাভ করিল। তখন বিচিত্র উক্তি ব্যয়বহুদিন যাবৎ অপ ভূপতিও (স্কুল কারণাত্মক) শরীয় মরণ পুৰ্ব্বক আকাণে য়ােতর নিমিত্ত পুত্রকে উপদেশ দিতে লাগিলেন। (হ্মাকাশে) উৎপন্ন হইয়া তুচ্ছ বিষয়ে আসক্ত হন এবং ভয়ে হাতে বালক এ-আইচতে দৃঢ় ব্যুৎপত্তি লাভ করে, ভয়েই বিধি নিষেরূপ শব্দের (বাক্যের অনুবর্তী হইয়া ভ্রমণ অনুযায়ী শত শত আখ্যায়িকা বর্ণন, যুক্তিপূর্ণ দৃষ্টাকা প্রদর্শন করেন। সেই অপার (অসীম) আকাশে তিনি নগর (ব্ৰহ্মাণ্ডরূপ) ইতিহাস তা কখন, বেদান্তাদিরুসিগন্ত ব্যাথা এবং অত্যা | নির্মাণ করেন। ঐ নগরের চতুর্থটা মহাখ্যা (চতুর্দশ-লােকও নানা উপায়ে ক্রমে ক্রমে বিশদ ভাবে বুঝাইতে লাগিলেন। চতুর্দশ বিদ্যা)ঐ নগরের ভিটা বিভাগ (স্বর্গ, মর্ত্য পাতাল) যে যেমন অসুল (শ্রবণ) মাত্রেই (অভ্যস্ত প্রতিজনক বলিয়া) ঐ নগরে অনেক বন, উন ও ক্রীড়পতি সুশোভিত রছি- সর্বসাতিশায়ী ময়ুরদিগের নৃত্যাদির উপযােগী গর্জন দ্বারা যাচ্ছে। মুক্তাহারশাভিত সাতটা বাপীতে ঐ নগরী বিভূতি। মজুরকে এবুদ্ধ (অর্থাৎ সংৰে নৃত্যাদির্মে প্রবর্তিত) করে, ঐ নগরীতে শীতল ও উষ্ণ দুইটা অক্ষযুদীপ প্রজ্বলিত থাকে। মহাত্মা দাশুর মুনিও সেইরূপ অবকারীলিগের পক্ষ (যাহারা ঐ নগরীর উর্শ ও অপােদিকে দুইটা বাণিজ্যপথ বিদ্যমান। তত্ত্বজ্ঞান চমৎকার লাভ করিয়াছে, তাহাদিগের পকে) সর্ব- ১২। ঐ অতি বিশাল নগরীতে সেই রাজা বিষয়মুঢ় বসতিপায়ী বলিয়া প্রতীয়মান (পরম পুরুষার্থ বলিয়া) সৰু অঙ্গম কতকগুলি (আম্রকাশের পরিচ্ছেদকারী বলিয়া) অপক লেই বােধযােগ্য, যুক্তিপূর্ণ বাক্য দ্বারা পুন্নেবর্তী জয়কে প্রবুদ্ধ (অর্থঃ আকুতি) রচনা করিয়াছেন। উহারে মধ্যে কোনটা । তত্ত্ব) করিতে লাগিলেন। ৩১-৩৪। উয়ে নিয়োজিত, কোনটা থােদেশে নিয়জিত, কোনটা মধ্যে একপপশম সর্গ সমাপ্ত। ৫১ নিয়ােজিত, কোনটা বহুকালের পব নষ্ট হয়, কোনটা শী বিনশ্বর।।আকৃতি কুবর্ণ-ছাদন কারা আচ্ছাদিত ও নয়টা-ঘায়ে সুশােভিত, উহাতে অনেক বাতায়ন আছে, তারা অন- বরত বায়ু প্রবাহিত হইয়া থাকে। পাঁচটা প্রদীপে উহার। দ্বিপঞ্চাশতম সর্গ । প্রকাশিত, উহাদের তিনটা স্তম্ভ, শুক কাষ্ঠখণ্ড উহাতে অনেক আছে, উহার উপরে সিন্ধ লেপ, রথারূপ বাহু সকল উহাতে বশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্তর একদা আমি কৈলাসবাসিনী সন্নিবেশিত , মহাত্মা নরপতি মায়াবলে ঐ দেহসমুদয় রচল গঙ্গায় স্নান করিয়ার অভিপ্রায়ে অদৃজাৰে সেই দি দিয়া গগন- করিয়াছেন। আলােকভাক মাঘক্ষ ঐ দেহসমূহের সতত মর্গে যাত্রা করিলাম। হে সুমতে। রাত্রিকাল উপস্থিত হইলে রক্ষক। ১৮। অনন্তর ব্যবহারসম্পন্ন ঐ অপবরকসমূহে সপ্তামগুলাদি অতিক্রমপূর্বক গগনমণ্ডল হইতে অৰণ (দেহসমূহে থাকিয়া) সেই মহীপতি কুলীয়প্রদেশে বিহগের করিয়া সেই উচ্চ গায়-কৃক্ষের নিকটে উপস্থিত হইলাম। স্থায় বিবিধ ক্রীড়া করিয়া থাকেন। বংস' মহীপতি ঐরুপ শত তথায় অবস্থিত আছি ইত্যবসরে সেই অরণমধ্যে শাখা- শত লিবিদেহের মধ্যে সেই যক্ষগণের সহিত ক্রীড়াপতঞ্জ মধ্য দ্বারা মুকুলিত কমলগর্ভস্থ ভ্রমরধ্বনির স্থায় (অভাবে) , হইয়া অবস্থানপূর্বক নির্গত হন, আবার পুনরায় তাহাতে প্রবিষ্ট আশু ব্যক্তির কণ্ঠস্বর আমার কর্ণকুহরে প্রবেশ করিল। (স্বর বলি-! হইয়া থাকেন। বংস' কোন কোন সময়ে ঐ চঞ্চলচিত্ত রাজাব তেছে) “হে মহামতি পুত্র। আমি এই সংসারের উপসরূপ এইরূপ দৃঢ় অভিলাষ হয় যে, “আমি কোন ভাবিনিৰ্মাণ পুরো- একটী অত্যাশ্চর্য আখ্যালিকা তােমার নিকট বলিতেছি শ্রবণ কর। মধ্যে প্রবেশ করি।” অনন্তর তিনি পিশাচাৰিষ্টের স্যায় উঠিয় এই ব্রিলােকমধ্যে বিখ্যাত মহাৰীশালী জগতের আক্রমণে সমর্থ (জাগ্ৰদেহাভিমান ত্যাগ করিয়া ; থাবিত হন। তৎপরে (সহসা ) মা “শােখ” নামে এক রাজা আলখােখ আকাশ- গন্ধর্ব নগরব সেই পূর্ববাঞ্ছিত নগর প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। হে তাহা হইতেউথ উৎপন্ন)। ১-৫। যাচকেরা যেমন চুড়ান্ত পূত্ৰসলচিত সেই নরপতির কখন বাঞ্ছা হয় যে, আমি বিনাশ পাইলে অতি সমাদরে আহামকে ধারণ করে, সকল দুরে প্রাপ্ত হই তখন তিলি সত্বরই বিনাশ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। সকল কই যে রূপ আর সুশাসন (অতি সমালে) মাকে ২১৫। যেমন জল হইতে গভঃই তরঙ্গ উত্থিত হয়, ড্রপ করিয়া থাকেন। যিনি খিতীয় সাহসী এবং অতি আশ্চৰ্য- তিনি আবার আপনিই উৎপন্ন হইয়া আবার রন্তপূর্ণ ব্যবহার ভাবে বিহার করেন, যে মহাজকে ব্রিজগতের কেহই বীভূত বিস্তার করিয়া থাকেন। কখন তিনি আপনার ব্যবহারের নিকটেই করিতে পারে নাই, হায় মুখ সহ সহৰ কাৰ্যার পরাভূত হইয়া পড়ে, তখন আমি অজ্ঞ, আমি কি করিতেছি, বড় এবং কাহারও সংবায়ােগ্য(নামােগ্য) নহে। যেন আমি দুঃগ্রস্ত হইয়া পড়িতেছি” এইরূপ শােকপ্রকাশ করিতে মষ্টি দ্বারা আকাশ আক্রমণ করা যায় না, তদ্রুপ এই ভুবনে যে থাকেন। যেমন বাসমূত এবাহে নদীতে বর্ষিত হইয়া বশালী ব্যক্তিকে ৰাখি কেই আক্রমণ করিতে ক্রমে আবার কমিতে থাকে, সেইপ তিনি কল আহণ প্রা গরে নাই, বিপুল রচনা সমুহ যদীঘলীলার অনুকরণ শিব হইয়া পরে আপনা আপনিই দীলভাবাপন্ন হইয়া পড়েন। বিষ্ণুণাদিও করিতে পারেন নাই। হে মহাৰাহে।সেই মর হে কুত। ঐ মহীপতি কন পরের নিকট গমন করিয়া আয় বিহারযােগ্য উত্তম মধ্যম ও ভিটা দেহ জগৎ আক্রমণ কন সম্পন্ খাওয়া ক্ষীত হন, কল খুক্তিপ্ত হন, করুন করিয়া রহিয়াছে। ১১। যেমন - যথাক্রমে ৩, ! ( গ্রন্থ অস্থায়) প্রকাশিত থাকেন বা (সুপ্তি এণি- নিময় ওপএই ত্রিবিধ দেহ ধারণ পূর্বক আকাশে উৎপন্ন কালে) গ্রাণিত হন। নির্গত চৈত্য জ্যোতিতে তিনি গর;
বি-এয়ণ। r v -- = তিনি সবং মহামহিমশালা ( অতি গম্ভীর ও অগাধ অর্থাৎ | দেহগুলি কৃষ্ণকেশকলাপৰূপ তৃণ বা আচ্ছাদিত। ঐ নেই- অপরিচ্ছেদ-মাহাত্ম্য)। ২৬৯। সকলের মধ্যে কোন কোনটা বহুদিনী, কোন কোনটা বা বিপাশত্তম সর্গ সমাপ্ত। ৫২। আশুবিনাশী। ঐ দেহসমুহের প্রত্যেকের চক্ষু-ক-নাসিক প্রভৃতি নমনী বার। অনবরত আর প্রাণ-এভৃতি বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় ওই উষ্ণ অথচ ,(প্রাণবায়ু উক, ত্রিপঞ্চাশতম সর্গ। অপালবায়ু শীতল, ইহা প্ৰসিজ) কর্ণ-নাস-মুখ-ভালু-প্রভৃতি ইহাদের গবাক্ষমার্গ। দুজাদি অবয়ব ঐ দেহসমূহের প্রভেলী বশিষ্ঠ কহিলেন,—অনন্তর সেই অনূখীপে মহানিশাকালে (দীর্ঘরখ্যা) পাঁচ ইঞ্চিরূপ পাঁচটাীপ উহাতে সাই শরপুত্র কম্বশাখাগ্নের অবতৎসম্বরূপ (ভূষণরূপী) পবিত্রাশয় | জলিত। ১৬-২০। মহামতে। সঙ্গমায়াবলে ঐ দেহসমূহে পিতাকে জিজ্ঞাসা করিল, “পিত। আপনি যে সুন্দরাকৃতি অহঙ্গাররূপ মহাষ নিৰ্মাণ করিয়াছেন। ঐ যুগ পরমালােক খােথ ভূপতির কথা বলিলেন, উনি কে? এই উপাখ্যান দ্বারা ভীরু (পরমালােক আত্মলেক আত্মদর্শনেই অহঙ্কারের ক্ষয় হইয়া আমাকে কি বলিলেন, ইহার তত্ত্ব আমাকে বুঝাইয়া দিন। যাহার থাকে , কাজেই অদভীরু যজ্ঞও আলােক দেখিলে পলায়ন নির্মাণ ভবিষ্যৎ অর্থাৎ পরে হইবে, যমান সময়ে তাহা কিরূপে করে, ইহা পিশাচত্ববাদীদিগের মত) ঐ সক্ষণ দেহরূপ পাওয়া যাইতে পারে , আপনার এই পরস্পর-বিরুদ্ধার্থবাক্য শ্রবণ আবরকের মধ্যে মিখ্যা সমুদিত অহঙ্কাররূপ মহাযক্ষের সহিত কলিয়া আমি কেবল মােহজালেই জড়িত হইলাম।” দাশুর কহি- সততই ক্ৰীড় করিয়া থাকেন। কুশল (ধ্যাথার মধ্যে লেন, বংস। শবণ কর, আমি তােমাকে ইহার তন্তু বলিতেছি।' যেমন মার্জারের অবস্থিতি, ভামধ্যে (কর্মকার জাত ) ইহঃ অবগত হইতে পারিলে তুমি এই সংসারচক্রের রহস্য বেশ ' যেমন ভুজঙ্গের অবস্থিতি এবং বেণু মধ্যে যেমন মুক্তাফলের অ- বুঝিতে পারিবে । আমি তােমাকে ঐ উপাখ্যান দ্বারা এই বলি- স্থিতি, অহঙ্কারও সেইরূপ শরীরে অবস্থিত। যেমন সাগর- লাম যে,এই সংসার অসং অর্থাৎ বাস্তব শূন্য হইলেও ইহার মধ্যে তরঙ্গমালা ক্ষণকাল মধ্যে উঠিয়া আবার সাগরেই মিশিয়া বহু আনময় ; বাস্তবিক ইহা মায়াময় বলিয়া বিতত দেখাই যায়, এই সক্ষঅঙ্গও তদ্রুপ দেগেহে ক্ষণকাল উঠিয়া আবার, তেছে। ১-৫। পরকাশ হইতে যে সকল সমুখিত হয়, তাহা ক্ষণকালমধ্যে প্রদীপবৎ প্রশান্ত হয়। ঐ সঙ্কল্প যখন ক্ষণকাল- খে য শব্দে কথিত হইল। ঐ গল্প আপনিই উখিত হয় এবং মধ্যেই সঙ্কল্পিত বস্তু সন্দর্শন করেন, তখনই তিনি ভাবীনগরে আপনিই লয় প্রাপ্ত হয়। এই বিশাল জগৎ ঐ সঙ্কলের কপান্তর- । উপস্থিত হইলেন, ইহা বুঝিতে হইবে।২১-২৫। জাৎ ও মত , ঐ সঙ্কল উৎপন্ন হইলেই জগৎ উৎপন্ন হয় অাবার গল্প-দশায় ভ্রমণ জন্য অত্যন্ত আরাম প্রাপ্ত হইয়া বিশ্রান্তি সুখ- সাক্ষর বিনষ্ট হইলে, উহাও বিনষ্ট হইয়া যায়। শাখা যেমন বৃক্ষের লাভের নিমিত্ত যখন তিনি অসঙ্কল্প অর্থাৎ মুপ্তি অবস্থায় থাকেন, ও শিখর যেমন পৰ্ব্বতে অবয়ব , ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব প্রভৃতি; বুঝিতে হইবে, তখন তিনি বিনষ্ট হইলেন, কিন্তু নাশধৰ্ম গাছে সেইরূপ সঙ্গজেই অবয়ব মাত্র । ঐ সঙ্কল্প অধিষ্ঠানভূত চৈতন্যের বলিয়া পুনৰ্বার উৎপত্তিরও সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কারণীভূত অগ্রহে বিৰিঞ্চি-আকার ধারণ করিয়া শূন্য (কালত্ৰয়েই জগতের অবিদ্যারূপে তখন তাঁহার সত্তা থাকে বালকের সকালে ধেরুন অবশ্য ) আকাশে এই ব্রিজগংপুর নিৰ্মাণ করিয়াছে। ঐ ঐ কল্পনার ধক উৎপন্ন হইয়া তাহাকে অনন্ত দুঃখ প্রদান করে, । ত্রিজগৎপুরীতে সূৰ্যপ্ৰভাপ্রীপিত চতুর্দশলােক, কন, উপবন ও কখন সুখ প্রদান করেন না, সেইরূপ ঐ একমাত্র সঞ্চল আবার উদ্যানপঙক্তি বিরাজমান রহিয়াছে।৬–১০। সহ, মেরু ও কখন কেবল অনন্ত দুঃখের নিমিই উৎপন্ন হইয়া থাকেন, কাচ মন্দয়পত ঐ পুৱীর ক্রীড়াপৰ্বত ; হুতাশনসমাকৃতি শীতল ও ইহাতে আনন্দানুভব হয় । সঙ্কল, আত্মসাতেই (অধিষ্ঠান উষ্ণ চন্দ্র-সূৰ্য্যরূপ দুইটা দীপ উহাতে প্রজ্বলিত রহিয়াছে। দিন চৈতন্যের সত্তাযুক্তই) এই বিস্তারিত জগৎরূপ দুধ বিস্তার মণিপ্রভায় উজ্জ্বলরুততরঙ্গমালারূপ মুক্তাসমূহে শােভমাম নদী- করিতে সমর্থ হয়, আর সঙ্কল, সত্যতামুক্তই অক্ষতা দোষের সমূহ ঐ নগরীতে মুহাররূপে শােভিত। মুকাহারবিশােভিত ঘনকার হরণের স্যায় জগৎ দুঃখ হণ করেন। কপােটন- সাভটা সমুদ্র ঐ পুরীস্থিত বাপিকা, ইক্ষুরস ও দুষ্ণ প্রভৃতি ঐ| কারী বানর যেমন স্বীয় কইল চেষ্টাতেই অণ্ডকোষে কাছাক্রান্ত বাপীর সলিলস্বরূপ। বাড়বানল উহার পদ্মস্বরূপ এবং অলস্থিত হইয়া রােপন করিতে থাকে, তেমনি ঐ সখ দুঃখনিন অঙ্গ- মণিরত্নাদি ঐ পথের নৃণালচিকুররূপে বিরাজমান। ঐ জগন্দ্রয়ের চেষ্টাতেই বিপন্ন হইয়া রােধ করুন। রাগত যেন হঠাৎ এ# নধ্যে ভূমিআগে ও উদেশ আকাশভাগে পুণ্যপাপরূপ সম্পত্তি কিন্তু মধুপান করিলে সানন্দে উগ্ৰীৰ হয়, জেনি ঐ সক্ষল কখন শালী দেব, নর ও চণ্ডালাদি অস্ত্যজগণের পরস্পর পুণ্য ও পাপ- লেশমাত্র আনন্দ করুত উদ্গ্রীব হইয়া অবস্থান করেন। বলের ক্রয় বিক্রয় হইতেছে। এই জগৎপুরীতে সঙ্কজ মহী- বালকের মনে যেমন কলকাল কাধে আসক্তি, আবার ফুল পতি পায় তার নির্মিত বিজি-রূপ অপক(চ্ছ আহাতে এনজি, আবার কাল বা চিলের বিবৃতি উপস্থিত ক) নির্মাণ করিয়াছেন। ১১-১৫ সোনা কোন কোন হয়, সেইরূপ ঐ সঙ্কল্পমহীপতিও কাল বিলমবৈরাগ্য, আয়ুব দেহ উদ্ধদেশে এবং মন্ত্র ও হতী প্রভূতি নানধাক্সী কতকগুলি ক্ষণকাল তাহাতে আসক্তি, আবার কখন বা বিকার প্রাপ্ত হইয়া দেহ অথবদেশে নিয়ােজিত। মাংসরূপ মুক্তিকাময় ঐ বিচিত্র থাকেন। হে ! যাহাতে বুদ্ধি ঐ সলফে সকল বাহবন্ধ দেহসফল বায়ুধশ্রেয় (প্রশে) সঞ্চলনে সঞ্চালিত হয়। শুরু হইতে পৃথক্ করিয়া নির্মূল অর্থাৎ বাসনাত করিয়া প্রভ? বর্ণ অস্থিগুলি উহায় কাতরূপ। ঐ সকলে চর্মেগরি লেপনব্য আত্মায় বিশ্রাব্দ হয়, তাহা কর। ঐ যে সকলের কথা বলিয়াম, তৈলাজি মর্দন করা হয় বলিয়া দেহলি চিকণ ও মল। ঐ উহাই মন বা মতি। ঐ মনের সকল ও অমােনানে উত্তম, মধ্যম এলাে ২৬। ' স্থান করে। —৩৬। যােগণিষ্ঠ-শায়ণ ও অমতিনটা দেহ ,ঐ দেয়াই জগৎস্থিতির কারণ। অমােরূপী সঙ্কল (দেহ। নিত্যই স্বাভাবিক চেষ্টায় অতিদীন ভাবে পতিত হইয়া চঞ্চাশতম সর্গ। কৃমি কীটাদি হইয়া থাকে; সরূপী সরু ধৰ্ম্মজ্ঞানে সিক্ত শুর-পুত্র কহিলেন—পিত। সঙ্গল কি প্রকার ? এভাে। হইয়া মুপিয়ে সন্নিহিত স্বর্গরাজ্য প্রাপ্ত হয়, আর বলেরূপী | ইহা কেন উৎপন্ন হয়? কেনই বা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় ? বুদ্ধিপ্রাপ্ত সঙ্কল লৌকিক ব্যবহার-পরায়ণ শ্রীপুত্রাদি দ্বারা অনুরঞ্জিত হইয়া আবার কেনই বা নষ্ট হইয়া যায় ? দাশুর কহিলেন, আত্ম- মহা- তত্ব অনন্ত, সাধারণতঃ তাহার স্বরূপ সত্বা আত্মতত্ত্বই চিতি অর্থাৎ মতে। যখন ঐ সঙ্কল্পের ঐকান্তিক পরিক্ষয় হয়, তখন এই চৈত। ঐ চৈ (জ্ঞান) চেত্য বিষয়ে উন্মুখ হয়, ত্রিবিরূপ পরিত্যাগ করিয়া সঙ্কজ পরমপদ প্রাপ্ত হয়, অর্থাৎ সেই উন্মুখী ভাবকে (দৃশ্য পদার্থের সহিত সম্বন্ধের প্রারকে। মুক্ত হইয়া যায়। ঐ সংস্কল্প ক্ষয় করিতে হইলে নিখিল- ঐ সঙ্কল্পবৃক্ষের অজুর-স্বরূপ বলিয়া সিদ্ধান্ত করেন। সেই বাহাষ্টির পরিবর্জন ও মুনের দ্বারাই মনের নিরােধ আবশ্যক, সঙ্কলার লেশমাত্র সত্তা লাভ করিয়া অধিষ্ঠান চৈতন্যের চিৎ- অতএব তুমি এই উপায় অবলম্বন করিয়া বাহ ও অভ্যন্তর স্বভাবের তিরোধান দ্বারা জড়পঞ্চসম্পাদনাৰ্থ মেঘের গায় নিখিল- উভয়বিধ সংঙ্গেরই নয় কর, নতুবা তুমি সহস্র বৎসর চিত্তাকাশ পরিব্যাপ্ত করত ক্রমে ঘনীভাব প্রাপ্ত হইতে থাকে। কঠোর তপস্যা কর না কেননশর আত্মা অর্থাৎ দেহকে শিলাতলে আত্মচেত্য ভাবনা করত বীজ যেমন অভাব প্রাপ্ত হয়, চৈতন্যও বিচূর্ণিত কর না কেন, কিংবা অগ্নিতে বা বাড়বানলে প্রবেশ কর, সেইরূপ সঙ্কলভাব প্রাপ্ত হন। ক্রমে এক সঙ্গল হইতে অন্য গর্তে নিপতিত হও বা বেগক্ষিপ্ত খাবারে পতিত হও কিছুতেই সঙ্কল স্বয়ং উৎপন্ন হয় এবং দুঃখ-ভােগাই নটিতি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কিছু করিতে পারিবে না। ৩৭—৪০। যদি স্বয়ং হর, হরি, হইতে থাকে, (খ ব্যতীত) ইহাতে মুখ কদাচ নাই। ১৫। ব্রহ্মা অথবা লােকনাথ যতি (শীদত্তাত্রেয় বা দুর্বাসা) করুণা- সমুদ্র যেমন জলভিন্ন আর কিছুই নহে, এই জগৎও সেইরূপ অবশ হইয়া তোমাকে উপদেশ দেন, এবং তুমি পাতালপৃথিবী বা সঙ্কলব্যতীত আর কিছুই নহে, তােমারও সঙ্গব্যতীত আর স্বর্ণ, যে স্থানেই থাক না কেন, ঐ সঙ্কলপ্রশমন ব্যতীত তেমার কোনই সংসারদুঃখ নাই। কাকতালীয়যােগে এই সঙ্কজ বুখই অন্য উপায়ন্তর নাই। (মুক্তি লাভের একমাত্র উপায় ঐ সঙ্গল উৎপন্ন হয় , মরীচিকাসলিল ও চঘিয়ের স্থায় বাস্তবিক অসত্য দূর করা) এব তুমি পুরুষকারবলে বাধিকারশূন্য পরম- হইলেও উহা বর্ধিত হইতে থাকে। মাতুলিঙ্গল ভােজন করিলে পবিত্র মুখময় (ব্রহ্মস্বরূপ) সঙ্কল এমনে যত্ন কর। হে অনত্ব। যেমন শুক্লবর্ণ কাচাদিতে স্বর্ণজ্ঞান হয়, তোমার হৃদয়েও সেইরূপ সঙ্কল্পরূপ সূত্রে এই নিখিল পদার্থ এথিত আছে; ঐ সূত্র ছিন্ন ঐ সঙ্কল উপস্থিত হইয়া সত্য বলিয়া প্রতীত হইতেছে। তুমি যে হইলে ঐ পদার্থসমূহ কোথায় যে বিশীর্ণ হইয়া পড়ে তাহা অনিয়াছ, ইহা মিথ্যা , তুমি যে অবস্থান করিতেছ, ইহাও মিথ্যা, এই সময় জানা যায় না। সঙ্কল হইতেই সৎ, অসং ও সদসং এই তত্ত্বজ্ঞান হইলে ঐ মিথ্যা বিষয় আপনিই লয়প্রাপ্ত হইয়া উৎপন্ন হয়, সাং সঙ্গও সৎ অসৎ এবম্প্রকার বিকল্প থাকে। আমি সেই পূর্ণ , সুখ দুঃখ এই নিখিলভাৰ সময়ই বােগ্য হয় না সত্যস্বরূপ পরব্রহ্ম যে উক্তপ্রকার বিকলের বিষয় বিফল অর্থাৎ মিথ্যা,” এইরূপ বিশ্বাস ভােমার এখনও হয় নাই, হইবে না, ইহা কি আর বলিয়া দিতে হইবে। অর্থাৎ সঙ্গে এই মিথ্যা-প্রপঞ্চে তােমার এখনও আস্থা রহিয়াছে, সুতরাং কষ্ট সভা অপৰা সভাসত। কোন ধৰ্ম্মই নাই। ৪১–৪৫। যে পাইছে। ৬-১০। তুমি পুর্ণব্রহ্ম, তােমাতে প্রত্যাদি সম্বন্ধ মিথ্যা, প্রকারে য-বিষয়ের সহজ করা যাইবে, কাল মধ্যে তাহা কেবল ভ্রান্তিবশতই উৎপন্ন হইয়াছে। যথপূর্ণরূপ ব্রহ্মের দ্রুপই হইয়া থাকে। যে তত্ত্ববিৎ! তুমি কোন বিষয়েরই সঙ্কল্প বিলাসে আবার জন্ম কি ? স্বীয় সঙ্গলবলে কেবল বৃথাই মুগ্ন- করিও না। তুমি সঙ্গবিবর্জিত হইয়া যথাপ্রাপ্ত ব্যবহারের হইয়াছ। সম্বল যাহা করিয়াছ, তাহা কুরিয়াছ, আর সঙ্কল্প করিও অনুবর্তী হও। সন্ধলক্ষয় হইলে চিভিন্ন চেতভ্যামুখীভাব দূর হইয়া না, পূর্বানুভুত সুখখাদি ভাবেরও আর পুরণ করিও না। থাকে। একমাত্র সত্যভাৰ ব্ৰহ্ম (অসত্য মাঝ প্রভাকে তুমি এক্ষণে যে অবে আছ, কল্যাণকা ক্ষীক্তি এই ভাবে যে-মনুষ্য-ধিগলি-যোনি আর সেই সেই বিভিন্ন প্রাণিরূপে থাকাই কল্যাণ লাভে সমর্থ হইয়া থাকে(কল্যাণমুক্তি)। সঙ্কল্প আবির্ভূত হইয়া বই কেবল জগৎ-দুঃখ অনুভব করিয়া থাকেন। নাশ করিতে যত্ন কৰিলে আর কোন ভয়ই থাকে না, পূর্বভাবের এব হে অনুষ। কেবলমাত্র বিবিষযোনিমণ-জনিত দুঃখ- ভাবনা না রাখিলে সঙ্কল্প আপনিই ক্ষয় প্রাপ্ত হয়। পূপ ও অনুভব করির এই পুনঃ ত্যুতে তােমার কি ফল বল। পরবের মর্পনে কিঞ্চিৎ ব্যাপারে প্রয়ােজন হয়, কিন্তু সঙ্কল্প নাশ যাহাতে কোন দুঃখ নাই, প্রাজ্ঞ লােকেরা তাহারই মােক্ষের) কম্নিতে অহাও লাগে না, পূৰ্ব্বা-রাখিলেই সঙ্ক নষ্ট আশ্রয় গ্রহণ করিয়া থাকেন, অন্য কোন বিষয়ে তাহাদিগের যত্ন হইয়া যায়। পুত্র। পুষ্পমর্দন করিতে হইলে কম্পন্দন আবশ্যক থাকে না। তুমি পরমার্থজ্ঞান লাভ করিয়া সহসা বিস্কৃত হয়, কিন্তু এই সঙ্কগয়ে তাহাও আবশ্যক হয় না। ১১-১৫। বিবসসমূহ একেবারে পরিত্যাগ কর। নিরতিশয় আনন্দ লাভের যে ব্যক্তি সঞ্চনা করিয়া আবশ্যক রে সে পূর্বভাবনার নিমিত্ত সেই অৰিতীয় ব্ৰহ্মপদের সাধনা কর এবং চিত-বৃত্তিকে অর্থাৎ স্মৃঞ্জি বিপর্যয়ে(পুর্বভূত্রে জণ অবলম্বন করিয়ে এবখশায় উপনীত কর। ৪৬-৫০। অনিমেষ ম্যকেই সন নিতে পারি। আপনাকে নিপঞ্চাশতম সর্গ সমাপ্ত। পূর্ণ আনন্দময় ব্ৰহ্মণ নিকার ভাবনালে স্বাক্স বন,স্ব স্ব রূপে অন কলেন, তার অসাধ্য সাধিত হইবে। (ভাবৰ এই, সঙ্কল-নিবন্ধন ক্ষয় হইলে নির্মাতা অনিন্দ তিও হইতে পারে, এতে অসাধ্যসাধন সিনে গগ, অং -এ। শখ রূপে অবস্থিত আত্মাই মােক্ষ, আহা আর কখন গত হয় না; আ অসৎই কে। যদি সফল সভ হইত, অহা হইলে কেন না, ) হে বৎস! তােমার আত্মা অঙ্গ আবার কাহার দুশিকিৎহইত বটে; কিন্তু তাহা নহে; উহা যে বাস্তবিকই হইবে ? আত্মা ত এক অদ্বিতীয়। হেমুনে। তুমি সঙ্কল দ্বারা অসৎ; সূরা লুচিকিত হইবে না কেন? যদি এই সংসার সঙ্কজকে এবং মনস্বাৰা মনকে ছেদ করিয়া কেবল আত্মাতে অব- অজান্বেয় কালিমাৰ অকৃত্রিম হইত, হে সাদাে! তাহা হইলে বিত হও, এইটুকু কাৰ্য আবার কঠিন কি? হে মহামতে। কোন দুর্মতি ইরানে প্রবৃত্ত হইত?৩১-৩৫। তুলে তােমায় ঐ সঙ্কল প্রশান্ত হইলে এই নিখিল সংসারদুঃখ সমূলে যেমন দুরূপ কধুক (আবৱক) অবস্থিত, এই সংসারও সেইরূপ বিনষ্ট হইবে। সত্ত, মন, জীব, চিত্ত বুদ্ধিও বাসনা একই, (আবৱক রূপে) সত্য অন্ধে অবস্থিত অতএব তলের তুষারক কেবল নামমাত্র ইহাদের প্রত্রে। হে অর্থবির। বুনিয়া দেখিবে, বৎ ঐ সংসাবরক পুরুষত্বেই সহজে বিনষ্ট হয়। হে পুত্র। ইহাদের অর্থতঃ কোন ভেদ নাই। ১৬-২০। এই সঙ্কল্প ব্যতীত কেবল যে উহাতে কৃত্রিম না করা হয়, তাহা নহে, উহারা আর কোন স্থানে কিছু নাই, তুমি ঐ সঙ্কল্প হা হইতে বিচ্ছিন্ন অকৃত্রিম অনাদি (ব্ৰহ্মাণ্ড) পাপ্ত হওয়া যায়। এই বিস্তীর্ণ কর, ইহার এ শােক কৰিচ্ছে কেন? এই আকাশ যেমন সংসার ব্যক্তির মুখােচ্ছ। ভলের অক্ষের শত এই জগৎও তেমনি শূন্যমাত্র, যে হেতু, এই আকাশ ও জগৎ কালিমা যেমন ক্রিয়া কারা নষ্ট হয়, হে পুত্র। ঐ সংসারমও মিখাৰিকলসমুখিত, এই সমুদম শৃষ্ণ বটে, কিন্তু দৃস্বরূপ সেইরূপে ক্রিয়া দ্বারা বিনষ্ট হয়। উহা নষ্ট হইবেই হইবে, সে আত্মা শুঙ্গ নহে, সুতরাং সঙ্গয়ে জগৎক্ষয় হয় বলিয়া অক্ষয় বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই, অতএব উদ্যমশালী হও (চেষ্টা কর)। হয় না। এই অসিন্ধবিষয় সকল অসিদ্ধ সঙ্কজ আই সাধিত বৰা বিকল-সমন্বিত সংসারকে যে তুমি এত দিন জয় করিতে পার হয়, অতএব সকল পদার্থেই যখন বাধা বিদ্যমান, তখন ভাবনা নাই, তাহার কারণকেবল উপায়ে অজ্ঞান। উপায় অবলম্বন কোথায় থাকিবে ? সত্য বলিয়া যাহার উপরে আস্থা ছিল, তাহা করিলে উহা সহজেই মন্ত্র প্রাপ্ত হয় , অসৎ বস্তু কোথায় চিরস্থায়ী যদি অসত্য হইল,তবে বাসনা কিকপে থাকিবে ? ভাবনা ক্ষয় হইলে হইয়াছে। বিচার করিয়া দেখিলে দীপালোকে অন্ধকারের ন্যায় আঙ্গুলভসিদ্ধি হয়, তাহা হইলে অার প্রাপ্য-বিষয় পাইতে অব এবং সম-দশীর নিকট চন্দ্রয়ের স্থায়, ঐ সংসার-ব্যবস্থা অসতী শেষ থাকে না, অতএব অভ্যাসবলে যখন দৃশ্য-পদার্থের প্রতি অব- হইয়া পড়ে। হে পুত্র। ঐ সংসার তােমারও নহে, তুমিও ঐ হেল। দৃঢ়তর হইবে, তখন জানিবে, সকলই অসং। পদার্থে সংসারের নই, অতএব ভ্রান্তি দূর কর, অসত্যকে সত্যৰং দেখিয়া অবহেলা করিলে শরীরভবনানিবন্ধন সুখ-দুঃখাদি দ্বারা আর লিপ্ত এইরূপ ভাবনা উচিত নহে, আমি সংসারী, এই বিপুলবিক হইতে হয় না। পুত্ৰ-মিত্রাদি সমকাই অবস্তু থাৎ অযথার্থ, এই শালী সমুজ্জ্বল মদীয় ভোগবিলাস সমূদয়সত্য ও নিত্য এইরূপ রূপ জ্ঞান হইলে তাহাতে আর মেহ বা আস্থা থাকে না। ভ্রান্তি তোমার না হউক, তুমিও এই নিখিল-ভােগবিলাসাদি সম- ২১-২৫। আস্থক্ষয় হইলে হর্য, ক্রোধ, উৎপত্তি ও বিনাশ কিছুই অই একমাত্র আর বিলাস। ৩৬–৪২। হয় না, এতএব এই সমুদয় দৃশ্য যথার্থই অসং, সুখ-দুখাদি বিভ্রম চকুঞ্চাশত্তম সর্গ সমাপ্ত। ৫৪। ইহাতে কিছুই নাই। মনই (চিপ্রতিবিম্ববশ) জীব হইয়া ভূত, ভবিষ্যৎ ও বঙমান কালাত্মক জগদ্রুপ কল্পিত এই বিশাল নগরের নিম্মাণ, পরিবর্তন ও বিনাশ করত স্কুরিত হইতেছে। এই শখপঞ্চাশত্তম সর্গ। জীবের মন বিষয়ু-সম্বন্ধে তৎ দাসনাক্রান্ত ও অধিষ্ঠান চৈতন্যের সম্বন্ধে ফুরণশক্তিসম্পন্ন (স্ফুরণ-প্রকাশ) হইয়া অবস্থিত; এই বশিষ্ঠ কহিলেন-হে মুকুলগগনচন্দ্র রঘুনন্দন! আমি সেই কারণে জীব মলিন ও চঞ্চল হইয়া স্বেচ্ছানুরূপ রচনাদি ব্যবস্থা রাত্রিতে তাহাদের কথােপকথন শ্রবণ করিয়া, নিৰ্বললিল জলধর করিয়া থাকে। হৃদয়রূপ বনের মর্কট রূপ জীব আপনার অরূপই যেমন নিঃশকে পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করে, সেইরূপ গগনল ক্রীড়া করিয়া থাকে, কখন দীর্থ-আকার ধারণ করে, কখন হইতে দূষ্ণীভাবে সেই পত্র-পুষ্পফলপূর্ণ কাত্মবাগ্রে অবতরণ বা নিমেষ মথ্যে খর্বাকৃতি হয়। সঞ্চল্প অলঙ্গস্বরূপ, ইহাকে করিলাম। দেখলাম, এম ইশিমর্থ মহাতপা হতাশ কেহই গ্রহণ করিতে পারে না, বিষদর্শনে যখন উদ্বুদ্ধ হয় তেঃ দাপূর লেং-বিনিত পেতে দৃভল সুবর্ণবর্ণে রঞ্জিত তখনই বর্জিত হয়, আবার যখন বিষয়নি স্মৃতি-পরিত্যাগ করা করিতেছে। দিবাৰ যেমন ভুবনমখল উপিড করেন, তেমনি যায়, তখন সপরিচ্ছদে উহ খৰীতৰ ধারণ করে। ২৬-৩০। তিনি স্বীয় পেয়ে সে দেশ তাপিত করিতেছেন। আমারে কমাত্ৰ-ৰছি যেমন তৃণযােগে প্রজ্জ্বলিত হয়, মাত্র বিষয়তৃণের দর্শন করিয়া তিনি আসল এনিপূর্বক শাখা ছাত্রী আমার পুজা যােগে সঙ্কল-বহ্নিও সেইরূপ উদীপ্ত হইয়া উঠে। ঐ সঙ্কল্প করিলেন। তাহার পুকে সম্বোধন করিয়া তেজস্বী দাপুর বদ্যুতিক অগ্নির স্বরূপ, অগতে উহায় কোন আকৃতি প্রকাশ হয় ও আমি আঁয় পুৰিত সংসারতরণােপাৱস্বরূপ অত্যা না অথচ প্রদীপ্ত শব এড়সভি (অড়বিষয়ে স্থিত, ডও বিস্তর আলােচনা কৰিলাম। আৱ দেখিলাম, সেই কক্ষে শকারের অভেলপলেটে অর্থাৎ জলে মেজলে অবস্থিত) এক নিখিলচ্চিা জলের ইচ্ছাও পােমাহায্যে অবাকুলভাবে ভ্রান্তি (রাত্রিকালে স্থাতে গাছের গুড়িতে) যে চৌৱৰিাতি (এনান্তৰে) অন করিতেছে। ঐ কবক এত শাখা- হয়, তাহার কারণ ঐ সফল, টাচ্ছবজনীতে বিদ্যুৎপ্রকাশ এখাও লতাজড়িত যে, যেন একাই একটা বিস্তৃত । ঐ বৃক্ষ ঐরূপ ভ্রান্তিপ্রদ হইয়া থাকে। ৫ পুত্র। যাই , তাহার মুহু কুমকণিকা বা অলঙ্কত বায়ুরে বিকশিত, পঙ্গবাজি- চিকিৎসা (প্রতীকার দূরীকরণ)স সহজেই হইয়া থাকে, এ মণ্ডিত তাকালে দুশি হওয়ায় বােষ হইবে, নিশ্বাসকম্পিত বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই; কাণ, অসৎ কখনই সৎ হয় না, ওটাথরে ভর ঈষৎ হা সেবা দিয়াছে। যেমন শুএ এ যােগবাশিমায় খনির শারদীয় গগনমণ্ডল আবৃত করিয়া রাৰে, সেইরূপ রাত্রিকালে কালৰ পৰরূপ উপাধানে (বালিশে) স্ব সুন্দর উহার কোটি কোটি বৃহৎ হৎ শাখায় ইনুর সময় শিরােদেশ স্থাপিত কৰিষা চরশ্মি-সমুন্তাসিত মহীমণ্ডল দর্শন ভ্রমণ ফতদান করিতেছে। হিমৰি উহার পত্রে পত্রে করিতে থাকে অর্থাৎ রজনীর অবসান প্রতীক্ষা করিতে থাকে। সংলগ্ন হইয়া মুক্তাবলীর খায় অলঙ্কৃত করিয়া রহিয়াছে। উহার ঐ জগণ কনভূমির স্বরূপ মুনির প্রভাবে উহারা এত শিষ্ট সকল অ অ নুরাশিতে পূর্ণ ও স্বীয় পপপাগল হইয়াছে যে, দেখিলে বােধ হয় যে, মূর্তিমান্ বিনয় বিরাজ করি- চন্দনে চচিত; উহার কোন অঙ্গেই খুঁং (গল ঝটিকায় পানি ভেছে। উহারা পর্ণগুহের অভ্যস্থরে নিলীন থাকে, ঐ সকল নিবন, না শাখার গুরুত্বাদি নিবন) নাই। নবােসত শাখামৃগাদি জন্তুর অবস্থানে প্রধােভাগ ও শাখাদি অপূর্ব- পল্লবরাত্রি উহাতে রক্তবস্ত্রপরিচ্ছদের গল্প শােভিত হইতেছে, শােভা ধাৰণ করিয়াছে। ২১-৫। ঐ বৃক্ষস্থিত কুলায়মথ্যে নজরুণ অঙ্গনা উহার সক্ত সঙ্গিনী , ঐকাকে দেখিলেই অসুখ্যপক্ষীরা বিশ্বস্তভাবে নিদ্রিত থাকে। বক্ষ হইতে পতিত বিবাহ নেপথ্যথারী, কুনুমলাধারী, সৰপূৰ ৰলিকা বােধ হয়। পরিপক্ক ফলসমূহের উপৱিভাগে ভ্রমরনিকর নিঃশষভাবে অব- ৬*১০। জার মুনি উহার শাখাগ্রভাগে পণশালার আকারে দান করিতেছে, উহাদিগকে (ভরসমূহকে পর মৃগাদি লতামণ্ডপ নির্মাণ করিয়াছেন। উৎসব-কালে পূরী যেমন ধবজ অঙ্গণে ককমণ্ডল(কৃষ্ণবর্ণ লৌহবর্ম সাজোয়া) বর্ণিয়া সন্দেহ পতাকালি শােভিত হয়, এই কলগবক্ষও সেইরূপ পুষ্পমঞ্জরী- হইল। পল্লব-মণ্ডিত পক্ষিগণের নীড়জালে (বাসায়) কমন্স- রূপ গতাকায় সুশােভিত। বৃস্থিত মৃগগণের গানে পূষ্প বৃক্ষের পদেশ শ্যামলিত হইয়াছে , অক্ষত্ৰকল্প (জপমালার পরাগ নিপতিত হইয়া বৃক্ষকে ধূসরিত করিয়াছে। ঐ অত্যুচ্চ- তার ন্যায় ) লম্বমান লতাগুচ্ছে (পুষ্পসমগিত) নিখিলকানন বক্ষ পাশ্ববর্তি-বাদি বন অতিক্রমপুর্বক উদেশগামী হই- সুরভিত রহিয়াছে। ঐ বৃক্ষ হইতে নিরন্তর এত কুসুমরাশি পতিত আছে; দূর হইতে দেখিলে বােধ হয় কেন, বহুকাকার একটা হইতেছে যে, দেছিলে বোধ হয় যেন, গগনমণ্ডলে পুষ্পবষী বৃষ সন্তে সমূখিত হইয়াছে। বহু বিচিত্রপুচ্ছ ময়ূরগণ কুম- অগণের সমাগম হইয়াছে। কক্ষের তলদেশে গরাগপু, কল- নিতে পরাগে পাটলিত হওয়াতে বােধ হইতেছে যৈন, কাষত কুসুম ও রাশি রাশি ফলসমূহ পতিত রহিয়াছে। অধিক অরি শৈলক্ষিপ্ত সান্ধ্য-মেঘখণ্ডরূপ কেশকলাপ ধারণ করিয়াছে। কি বলিব, ঐ বৃক্ষের তাদৃশ পত্র-পাখালি দৃষ্ট হয় না, যাহাতে ১৯-১৫। পল্লবারুশস্তা কুসুমতিশােলি, মধুম-ঘৃণিত প্রাণিগণের বাস নাই। সেই পাদপয়াজের অধনিপতিত মেলাঞ্চিতকলেবরা, বপূষ্পভানু-মণ্ডিত, মল-মন্দ সমীরণে প্রত্যেক পত্রে মুগসকল শয়ন করিয়া বিশামসুখ অনুভব ঈষৎ স্পশালিনী, নিদ্রামকুলিনয়না, পুস্পস্তবকসম-কুচ করিতেছে গণবিত প্রতিপত্রের অধদেশেই বিহগকুল নিলীন গােভিনী, পিনাদিনী বনদেবীগণ পূপপরাগরূপ কুমাগে রহিয়াছে। ২৬–৩। এইরূপ গুণ-বিশিষ্ট ঐ মহার দেখিতে রঞ্জিত বসন পরিধান করিয়া ঐ বৃক্ষের মূল হইতে শিরােদেশ ও দেখিতে আমার পক্ষে সেই রাত্রি মহােৎসবমান হইয়া সুখে পার্থদেশ পর্য্যন্ত সর্বত্র নিবদনিকেতন নিৰ্মাণপূর্বক অবস্থান অতিবাহিত হইল। অনন্তর আমি সুমধুর বিজ্ঞানালােকরণীয় করিতেছেন। ইহারা কখন ঐ বৃক্ষ-হিত লামণ্ডপের বাতায়ন- উপদেশ-বাক্যে সেই দায়কে প্রবুদ্ধ করিলাম। যেমন সংযুক্ত কারে প্রতিসহকারে অবস্থান করেন, কখন বা সুনীল কুমযুক্ত দম্পতীর নিকট মুহূর্তের ন্যায় রাত্রি অতিবাহিত হয়, পরস্পর লদলায় মৃত্যবিলাস করিয়া থাকেন। নীলবর্ণ ভ্রমরনিকর ঐ বিচিত্র কথােপকথনে আমাদের সেই রাত্রি সেইরূপ মুহুৰ্ত্তক কাজে জড়িত লতাজালে ও কাতর মামীসমুহে পৰ্যায়- অতিবাহিত হইল। অনন্তর প্রাতঃকালে স্বর্গীয় কামিনীগণের ক্রমে অবস্থান করত এইরূপ সন্দেহ উপস্থিত হয় যে, ইহা ক্রমাগতুন কুদুমনিকসদৃশ তারকানিকর ক্রমে ক্ষীশালােক (ভর) কি লতার চক্ষু থৰা কদম্বরে ? (কিংবা, বন- হইয়া অদৃশ্য হইলে আমি অহা হইতে বহির্গত হইলাম। মুনি- দেবীগণের ভরসদৃশ নন অবলােকন করিয়া সন্দেহ হয়, ইহা কি বর দাপূর, পুত্র সমভিব্যাহারে কলম্বনের সীমাপৰ্যন্ত আমার সঙ্গে কাদেবীগণের ,ে অথবা ভ্রমরবুক্ত কামারী)? ১৬। আসিলেন। আমি তাঁহাকে তথা হইতে বিদায় দিয়া মন্দাকিনী- কুসুমধুলি যারা বিলিগু-দেহ ঐ বৃক্ষেয় কুমাভ্যন্তরূপ অপর তীরে উপস্থিত হইলাম। অথায় অভিমতস্থানে ক্ষণকাল বিশ্রা- মধ্যে ভ্রমর ভ্রমরীগণ অবস্থিত পরম্পর গতাৰে আশ্লিষ্ট নামত মের পর নভােমণ্ডলে উঠি সপ্তর্ষিমণ্ডলের মধ্যস্থানে গমন হইয়া এহবাসকালাচিত এর শুকরিতে করিতে হারাও পূর্বক স্বভাবে অবস্থান করিতে লাগিলাম। ৩১-৩৫। হে হিমফিদুপাতে রতিখেদ কিৱিত করত বৃক্ষের চতুপার্শে রঘুনন্দন। আমি তােমাকে এই কার উপাখ্যান কহিলাম । অবস্থান করিতেছে। চতুর্দিকে উড়াল নীলবর্ণ মন্দিকানিকলের সার সত্য বলিয়া বােধ হইলেও এই দালােপাখ্যান গুগুরবে পার্শ্ববর্তী কানন দেশল্পপ খনগরীস্থিত মৃগপক্ষ্যালির অসভ্য, ইহাই তােমাকে কহিলাম। হে রাখব। গেমাকে বুঝাই নাদ শুনিবার জন্যই কে উন্নত কলা উৎকর্ণ হইয়া বার নিমিত্ত আমি এইরূপে গত অরূপ নিরূপণ কৰিলাম। রহিয়াছে। (উৎকর্ণ হইবার সময় লােককে উচ্চ দেখায়, কষ অতএব ভূমি যে রজনক যন্ত, বলিয়া জাৰিছে, তাহা ৰু অতি উচ্চ সেই কারণে বেশ হইতেছে যে, উৎকর্ণ হইয়া যন্তৰী নহে। আর কত সিদ্ধান্ত অনুসারে উহা অবান্ধবী আউংক হইবার হেতু উক্ত শফএ)। এখাশ অগণ অনিয়া পৱিত্যাগ কর। সাগর উদাপ্রকৃতি হইয়া অবস্থান কর। তুমি আমার বিন কাশিত করিয়া বিমল * মূলে “পুরহােসৰে” এই পাঠ আছে, কিন্তু টাকা আত্ম নিরীফ, ইহাতে তুমিণগণ প্রাপ্ত ও গণজ্য কাজের প্রশংসিত পৰিবােসৰে” এই পানুল করিম হইবে। ৩৬–৪ | পলাশতম সর্গ সমান্ত। ৫৫।
AHUN SATHA RURAL الاماره Howrah = der Act. স্থির অর্থাৎ সত্য হইলেও হাতে আস্থা করা সমুচিত নহে, 48 সে জড় ও চেতনের পরস্পর সংশ্লেষ (সম্বর। কিশে হইবে ? (জৎ-আত্মা চেম)। জগৰ স্থির হইলেও কিত্ব নাই ইহা স্থির ইহাতে আস্থা করা সমুচিত নহে, কারণ, জলের কেলার গায় করিয়া ‘আমি, আমার” ইত্যাদি প্রকার সংসারে আস্থা পরিত্যাগ ঐ জস্থির ভাৰ যখন অপগত হইবে, তখন পূর্বে আস্থা (মঙ্গ) কর। যাহা নাই, তাহার প্রতি বিৰেকিগণের আবার আস্থা কি? করিয়াছিলে বলিয়া কষ্ট অনুভব করিতে হইবে। ১১-১৫। হে যদি তােমার অস্তিষ্কসাপেক্ষ না হইয়া এই পরিমান দেহাদি মহাবাহাে। পরমাত্মার যে জগৎস্বভাৰত (জন্মনাশাদি স্বভাৰত পৃথক্ অস্তিত্ব আছে, ইহা স্বীকার কর, তাহা হইলে তুমিও হওয়া), তাহাই আস্থাবন্ধ মিত্বপ আত্মার অপম্বন অর্থাৎ উহার অস্তিত্বসাপেক্ষ না হইয়া অসঙ্গ, উদাসীন, চিপী স্বাত্মায় পরস্পর অভিন্নরূপে আত্মা ও জগতের অধ্যাস যেমন (ক্ষণস্থায়ী) অবস্থান কর, নিরপেক্ষ দেহালিতে আত্মৰ বন্ধন করিতেছ কেন ? ফেলা ও (চিরস্থায়ী) পর্বতে অভিন্ন শােভা পায় না ,সেইরূপ (ভাবার্থ–পরিদৃশ্যমান হােলির অস্তিস্বীকার ও তাহাতে আস্থা স্থির ( চিরস্থায়ী) সত্য আত্মা ও অস্থিয় (শস্থায়ী) জগতে সমুচিত নহে). অধয় ইহাতে বসি জেমরু অকি-নাতি উভয় উক্তবিধ অভেদ-অধ্যাস শােভা পায় না। আত্মা সকলের কর্তা বিধ নিশ্চয়ই থাকে, তথাপি চলাচলবিষয়ে আত্মধ্যাস কিরূপে হইলেও অকর্তার স্থায় কিছুই করেন না। আলোফানে দীপ সমূচিহয় ? চলাচল অধিস্তিত্ব উভয়ধৰ্ম্ম পরম্পর- | যেমন উদাসীন অর্থাৎ চেষ্টা, আত্মাও সেইরূপ উদাসীনভাবে বিরােধী বলিয়া অনিয়ম্বভাব)। হে মহামতে রাম। যদি এই অবস্থান করেন। দিকের প্রাণিগণের দিবাকৃত্য নির্বাহ করিতে- জগতের অস্তিত্ব একেবারেই না থাকে, তাহা হইলে তােমারও। ছেন, এইরূপ বােথ হয় বটে, কিন্তু বাস্তবিক তিনি যেমন নিক্রি, একেবারেই আস্থাকরা উচিত নহে, (বই' এই জগৎ পূখ আত্মাও তজ্জপ কর্তারূপে ভাসমান হইলেও কিছুই করেন না। অস্তিত্বহীন ), কেবল নিল আত্মতত্ত্বই এইরূপে বিস্তীর্ণ হইয়া ' লােকে বােধ করে, সূৰ্য্য গভায়াত করিতেছেন; কিন্তু বাবিক প্রমেয় হইয়াছেন। এই জগৎ কাহারও কৃত নহে অথচ কর্তৃ-। তিনি যেমন একস্থানেই অবস্থিত, আত্মা গতিশীল বােধ হইলেও পারও ইহতে নাই, এজন নহে, ফলত কর্তৃত্ব ও কর্তৃত্ব উভয়- সেইবপে গমন করেন না বুঝিতে হইবে। যেমন অরুনীর- ব্যাপারজন্য এই অগং পয়ংই প্রকাশিত হয় ( উদাসীন আত্মার তীব পাষাণবিষম ও উদাসীন অ আবর্তের কর্তৃত্ব ইহাতে সন্নিধিমাত্রেই স্বৰূপ লাভ করে। ১-৫। এই জগৎ কর্তৃহীন নাই এবং তদীয় জলপ্রবাহও (১) কেবল নিম্নগামী, প্রবাহের হট বা সকর্তৃক হউক, তুমি উহাতে কাচ হােত্মভাব বিলোকন বৈষম্যকারিতা ইহাতে নাই, কিন্তু উভয়ের (নদীতীর ও প্রবাহ) করত ছুপাধিপবিচ্ছিন্ন চিত্তে অবুস্থান করিও না ( চিভাতীত সঞ্জিনে আকস্মিক স্বতঃই আবর্তের উৎপত্তি হয়, সেইরূপ এই হও)। তবে যে ক্ষতিতে আত্মারই এতৎসমুদয়ের কর্তৃত্ব উক্ত জগৎও চৈতন্য ও জড়ের (মায়ার সন্নিবিশতঃ সহসা উৎপন্ন হইয়াছে, তাহা কেবল সুমেরুপৰ্ব্বতে সূৰ্য্যপরিবর্তন করে বলিয়া লক্ষিত হয়। রাম' তুমি যদি এইপ্রকারে সম্যকরূপে স্যায় ঔপচারিকমত্রি , কেন না, আত্মা ইন্দ্রিয় অর্জিত বলিয়া ইনি নির্ণয় কর ও প্রমাণ আর চিৎপরিকি করুত বিচার করিয়া জডপৰ্বতাদির সমান, ইহার কর্তৃত্ব কিরূপে হইবে ? অতএব দেখ, হে সাবধা! তাহা হইলে আর তােমার এই জগতে আস্থা এই জগৎ কাকতালীয়ধােগে কর্তৃহীন হইয়াই উৎপন্ন হইয়াছে। থাকিবে না। সাতচক্রে, স্বপ্নে ---ভালবশত পলার্থে যাহা কাকতালীয়বৎ সঞ্চপন্ন, তাহা ত অতিতুচ্ছ, তাহার উপরে আবার আস্থা কি ?(এই জগৎ স্বপ্নকল্প , অকস্মাৎ কেহ উপস্থিত মমতা একমাত্র বালক (মুখ) ব্যতীত অপরের (জ্ঞানীর) হয় না। হইলেই সৌহার্দের পাত্র হয় না। এই জগৎ অকস্মাৎ আগত) হে রাম' এই জগং অজই দৃষ্ট হইতেছে ও পুনঃপুনঃ হইতেছে এই জগৎ-আল ভ্রান্তিবিন্তিত, অতএব ইহাতে আস্থা করা উচিত বলিয়া ইহাকে অজন্তাভাব প্রযুক্ত শূন্যভাব বলা যায় না, ধ্বংসা- নহে। ১৬-২২। শীতার্ত হইলে (শনিবারণ না হওয়া ) ভাব প্রযুক্ত শূন্যস্বভাবও বলা যাইতে পারে না। হে রাম। আরও যেমন উভনে গৃহীত চলে আস্থা কর না, আপাত্ত দেখ, অই অপ্রাপ্ত (জ্ঞানােন্দয়ে) হইতেছে বলিয়া এই হইলে (আপনিবারণ না হওয়ায় শীতলক কল্পিত সূৰ্যে জগতের কখনও অস্তিত্ব স্বীকার করিতে পারি না এবং অনুমানে যেমন আস্থা কর, এবং কৃষ্ণার্ত হইলেও মরীচিক-সলিলে ইহার অস্তিত্ব নাই বলিয়া ইহাকে ক্ষীও বলিতে পারি না, (অল্পী যেমন আস্থা করিয়া থাক না, কেন না, তাহাতে তৃষ্ণানিবারণ হইতে হইলে পুর্বে তাহার অস্তিত্ব চাই। যাহা একেবারেই নাই, হয় না, সেইরূপ এই অসৎস্থিতিতেও আস্থা করিও না, তাহার আবার কি?। ৬—১। সকল ইন্দ্রিয়বিষয়েৱ অতীত (যেহেতু, ইহাতে কোন বই নাই)। মনঃকল্পিত পুরুষকে যেমন পরমাত্মা কর্ত হইলেও যখন বিশর বাকে, তখন তাঁহার সর্বদা দেখিয়া থাক, স্বপ্ন পুরুষ যেমন দেখিয়া খাক এবং যিবিলাস কর্তৃত্ব থাকিলেও কখনও খেএঞ্চিাবে না। অতএব ভাৰ ও যেমন প্রত্যক্ষ কর, সেইরূপ এই গগতিক পদার্থসমূহও ত্রিী অভাব (সত্তা ও অস) গ্র, কি, গী, দৃঢ় নিয়তি ক, অর্থাৎ সভবুদ্ধি করিয়া ইহাতে আস্থা হইও না। হে মিথ্যা হইলেও এইরূপে ই হয় (গৎ নিয়তিলেই তাঁহার অনন্ত, হে জন। তুমি মণ প্রভৃতি অসম্মুহের সৌন্দর্য ক) অপরিসীম (স)*লয় কোন অংশষরূপ শত আৰুণাময়ী আস্থা পরিত্যাগ করিয়া এবং কর্তৃত, কর্তৃত্ব বংস, মনুষ্যজীবনের চরমণীশ; অতএব যকল-ইয়িবিষয়াতীত ইচ্ছা ও অনিচ্ছা সমস্তই জলাঞ্জলি দিয় পরি যে যেরূপ আউক্ত ভবৎসরকাল মনোভাব প্রাপ্ত হইয়া কি নিমিত্ত অনুধাবিত হইবেন। (লিতে আত্মার সমর (১) অরুনদীতে বােধ হয়, আৰওঁ কি পরিমাণে হইয়া ও সূনি করা সবে না। এই জগতের সকল শাখই থাকে, সেই নিমিতই উহার সহিসসাম্য প্রদর্শন।
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ। - থাকিৰে, সেইরূপেই এই জগত্বে জীড়া-বিহার কর। ২০-২৫। হইয়া থাক। *এই সেই আমি” (এই বর্তমানদেহে অবস্থিত, তুমিই নিখিলপদার্থেৰ অৱস্থিত সৰ্বাতীত আত্মা, মি সেই সর্বদেহাত্মক সমস্বরূপ) এবং এই আমি নহি" (এই যদি উদাসীনভাবে ব্যবহারকা হও, তাহা হইলে তাের বর্তমানদেহে অবস্থিত আমি নহিঁ), অতএব আমি কিছুই করি- সন্ধিবিমাত্রে ইচ্ছাবিহীন নিয়তি প্রকাশিত হইবে, অর্থাৎ জগদভাবে তেছি না (কোন বিষয়েই আমার কর্তৃত্ব নাই); এই উত্মবিধ- আর ভাবিত হইবে না, কেন না, ইচ্ছা বিলুপ্ত হইয়াছে। ভাবে অনুসন্ধানাত্মক দৃষ্টি (কর্তৃত্ব ও অকজি) সন্তোষজনক যেহেতু, তখন তুমি নীপবৎ প্রকাশমান হইবে, দীপের সন্নিধি- নহে। (তবে যে উকপ্রকার কর্তৃত্ব অকর্তৃত্ব দুই বলিলাম, উহা বশ যে এত প্রকাশিত হয়, তাহা ইচ্ছাবিহীন, অর্থাৎ কেবল সকল অনর্থের মূল দেহাদিতে অহারে নিয়াসের , বৰণে তাহার ইচ্ছা থাকে না অথচ আহাতে স্বতঃই ঐ অহাৰ বড়ই অনর্থের মূল) “দেহই আমি” ইত্যাকারে বকাশ হয়, তােমারও তেমনি নিমিভাবে ব্যবহার প্রবর্তিত যে অস্থিতি, তাহাই কালসূত্র নরকের পদবী (রাস্তা ), মহাবীচি হইবে। (বর্ষাকালে বেন মেঘের সমিধিবশতঃ কুটজপুষ্পের নরকে আবদ্ধ হইবার বাগুরা এবং অসিপত্র নরকের বনভুমি অর্থাৎ উদ্যান হয়, জেনি আত্মার সন্নিধিবশতঃ স্বয়ং এই ত্রিজগৎ উক্তবিধ দেহাদিতে অহংতুলিতে ঐ সকল নরকে পতিত হইতে হয়। আবির্ভূত হয়। যেমন সকল প্রকার ইচ্ছায়হিত সূর্যদেবের কেবল ৪১-৪৫। যদি সর্বনাশ করিতে হয়, তথাপি উক্ত দেহাদিতে আকাশে অবস্থানেই লােকব্যবহার প্রবর্তিত হয়, (লােকের অহংরক্তি সর্বপ্রকারে বিবর্জনীয়, ঐ দেহাদিতে অহংবজি কুকুর- দিনকৃত্য করিয়া থাকে, অেনি পরমাত্মার সত্ততেই ক্রিয়াসকল মাংসহা চণ্ডালীর ন্যায় ভদ্রলােকের অস্পনীয়। অষ্ঠিানভুত প্রবর্তিত হয়। অএব আত্মতে, কর্তৃত্ব অকত্ব দুই আছে, তাহার বিশুদ্ধ আত্মদৃষ্টির আবরণবিক্ষেপের কারণ ঐ বুদ্ধি দূরে পরিত্যাগ ইচ্ছা নাই, তিনি অকর্তা, তাহার সন্নিধিবশত জগৎ উৎপন্ন হয় করিলে, অলদবিহীন গগনে বিমল জ্যোৎস্নার ন্যায় পরমা সৃষ্টি বলিয়া তিনি কর্তা। সংস্বরূপ পরমাত্মা নিখিল-ইন্দ্রিয়াদির অতীত (বিমল আত্মজেতিঃ ) উদিত হয়। হে রম! ঐ দৃষ্টিলাভ বলিয়া কর্তাও নহেন, ভােক্তাও নহেন; আর ইন্দ্রিয়ের প্রস্তুতি করিলে রসাগর হইতে উত্তীর্ণ হওয়া যায়। হে রাম। তুমি বলিয়া কৰ্ত্তীও হন, ভােক্তাও হন। ২৬-৩৭। হে অনখ! পর- “আমি কর্তা নছি, কর্তৃতা-প্ৰয়ােজক দেহাদিও আমি নহি” ইহ। মাত্মায় কর্তৃত্ব কর্তৃ উভয়ই আছে। তুমি যাহাতে শেখােলাভ অবগত হইয়া অথবা “আমি সকলের কত্তা, নিখিল সমষ্টিভূত যে, তাহাই আশ্রয় করিয়া বর হও। আমি সর্বত্ৰস্থিত ও ব্ৰহ্মাণ্ডও আমি” ইহা নিশ্চয় করিয়া পরে আমি কিছুই নহি', অবার্তা” এইরূপ দৃঢ় ভাবনা থাকিলে জগৎপ্রবাহপতিত কাৰ্য অর্থাৎ লােকপ্রসিদ্ধ দৃশ্যরূপ আমি নহি, আমি লােকপ্রসিদ্ধ পরি- করিলেও তাহাতে লিপ্ত হইতে হয়না। আমি কিছুই করিতেছি ছিন্ন জডদুঃখস্বভাৰ আত্মা হইতে বিলক্ষণ “পুর্ণানন্দ চিদাত্মস্বরূপ না” এইরূপ যাহার নিশ্চয় হইয়াছে, তাহার চিত্তের প্রকৃতি না ইহাই নির্ণয় করিয়া, ব্রহ্মজ্ঞ সাধুগণ যে পদে অবস্থিত হইয়াছেন, থাকায় তিনি বৈরাগ্য প্রাপ্ত হন অর্থাৎ হার আর বিষয়ে প্রবৃত্তি সেই পদে (ব্রহ্মপদে) অবহিত হও। ৪৬–৪৯। থাকে না। যাহার ভােপসমূহে কামনা রহিয়াছে, সে কিরূপে পঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। ৫৬। ঐরূপ নিশ্চয় করিবে এবং রিপেই বা ভােগসমূহ ত্যাগ করিবে ? অর্থাৎ ভােগ্যাঞ্জা আগ না করিলে কৃতকার্য হইতে পারা যায় না। অব “আমি কনফি এই প্রকার দৃঢ় ভাবনা নিত্য করিতে সপ্তপঞ্চাশ সর্গ । কলিতে পরিশেষে পদায়ক সমতায় পর্যবসিত হয়। যায়। ৩৩-৩৬। অখবা হে রাম। “আমি সমস্তই করিতেছি, আমি কহিলেন,ব্রহ্ম। আপনি যে সুমধুর উপদেশ প্রদান, এইরূপ মহাকর্তৃত্ব অবলম্বন করিয়া থাকিতে ইচ্ছা কয়,ক্ষতি নাই; করিলেন, তাহা যথার্থ, আত্মার ভােক্তৃত্ব, অভােক্তৃত্ব, কর্তৃত্ব, সাধুগণ তাহাও উত্তম কর বলিয়াছেন। “এই সমগ্র জাগ্রদ-ভ্রমের অকর্তৃত্ব ও ভুষ্টিকারিতা সকলই এক্ষণে বুদিলাম। আম্মা যে কিছুই করি না” এইরূপ কর্তৃত্বাধীকারকঙ্গে বিষয়ালগ ও বিষয়- সর্বেশর ওসর্বগামী, ভিনিই যে নিৰ্মলপল, তিনিই সে সরুল বেশ কিছুই থাকে না, কারণ, যাহা হইতে রাগনেদির উৎপত্তি, প্রাণীর দেহস্বরূপ এবং তিনিই যে সর্বভূত্রে অন্তরে অবস্থিত, আহা আমা (আত্মা) হইতে পৃথক, আমি ভিন্ন পদার্থ ও অত্যন্ত হে বিছে। এক্ষণে অহা আমি বেশ বুঝিলাম। ব্ৰহ্ম যে কি অসত্তাৰী। কর্তৃপক্ষেও কোন রাগমে নাই, কার, খাই। এক্ষণে তাহা হৃদয়ঙ্গম করিলাম। যেমন নবজনদের বারিশারায় কর্তৃক দক্ষ, সেই শরীর অপয়ে লালিত; আমরাই তাহা পর্বক্সে নিষপ বিদূরিত হয়, মেনি বণীয় উপদেশবাক্যে কা, অতএব ইহার জন্য শােকর্যের কোন কারণ নাই। আমার হাতাপ বিদূরিত হইল। পরমাত্মা উসীন ও ইচ্ছা- ৩৭–৪০। আমার সুখদুঃখের বিস্তার ও জগতের ক্ষয় বা বিহীন বলিয়া কিছুই ভােগ কন না এবং কিছুই করেন না, উদয়ে আমিই কর্তা, ভাই আমার অধীন”, ইহা কি আবার সকলেরই প্রকাশকারী বলিয়া ভােগও করেন এবং ক্রিয়াও ব্রাও (কর্তৃপক্ষে) দুঃখ বাহ করা উচিত নহে। এই দুহলি বলেন, কিন্তু হে ভগ। এখনও আমার মনে একটা মহা আত্মারই কত, আবার আত্মার কর্তৃঘেই উহাদের লয় হয়। যখন সন্দেহ রহিয়াছে। যে ব্ৰহ্মন। চন্দ্র সেন স্বল্পতা দ্বারা তিমি আহা লয় হয়, তখন একমাত্র সামেই এবশেষ থাকে। সর্ব নিৱাস করেন, সেরি উপলকে আমার সেই সংশয়ের ভূতে যে , তাহাই পরম সত্যহিতি; সেই সত্যস্থিতিতে নিৱাস করুন। ১৫। এই বৎ সৎ হউক অসৎ হউক, (সত মর্থনায় অবস্থিত হইলে পুনর্বয় এর জন্ম হয় না। আপনার কয় প্রক্রিয় হইল, হত অজ্ঞানই অহতা ব্যক্তি ৫ৱাৰঅসুর কর্তৃত্ব ও সমন্বই পরিত্যাগ ভূy সেই নহে, সমষ্টি কনে করিলে এক, কটি কনা করিতে করিয়া ও মনােনাশ করিয়া তুমি যাহা হও, তাহা হইয়াই হির বহু । যাহা হউক, প্রকাশ নিবন্ধন মােহাব সম্পর্ক নিল এক আত্মায় পূৰ্যে নীহাৱপাতের ন্যায়, উক্ত বিরুদ্ধ জ্ঞান সেই সৰ্বপুজিত চিন্ময়ই তুমি। যে মহামতি হয় হইতে এক্ষণে কিরূপে বিদ্যমান থাকে। যদি বলেন, মায়াবিল ব্রহ্মের সমূত্র (যদি) পরিত্যাগপূর্বক (দূর করিয়া) সকিপ উরে উহা প্রথমে প্রচ্ছন্নভাবে ছিল, এক্ষণে প্রকাশিত হইতেছে; হেতু অভিমান হইয়া অবস্থান করেন, তিনিই মুক্ত পরমেশ্বর। তাহাতেও আমার জিজ্ঞাস্য এই যে, নির্মল আত্মায় প্রথমেই বা ২২-২৫। ঘঁহার হৃদয় হইতে সর্বপ্রকার আস্থা (অভিমান) উহা কেমন করিয়া থাকিল । বশিষ্ঠ কহিলেন—আম। যখন নিরাসিত হইয়াছে, তিনি সমাধি বা কোন কর্ম করুন বা নাই সিদ্ধান্ত স্থির হইবে, তখনই তােমাকে এই সাধু প্রশ্নের উত্তর করুন, সেই উত্তমাশয় ব্যক্তি মুক্ত হইয়াছে,তাহাতে সন্দেহ নাই। বুঝাইয়া দিব, তখনই ইহার অতু বেশ বুঝিতে পারিবে। হে ঘঁহার মল, বাসনা হইয়াছে, তঁাহার নিম্মত, কর্মসমাপ্তি, রাখব। মেয়ক্ষেপায়ের লিড প্রাপ্ত নাইলে এই প্রশ্নের উত্তর বা অপ কিছুতেই প্রয়ােজন নাই। অধ্যাত্মশাস্ত্র সকল বিশেষরুপে শ্রণে অধিকারীই হইবে না। হে আম। যেমন যুবকই কাতার বিচার করিয়া অন্যান্য লােকের সহিত তাহার পরম্পর আলােচনা গীত শ্রবণের যােগ্য (অর্থাৎ যুবকই তাহার মাধুৰ্য আস্বাদনে কত বিষয়বাসনা পরিত্যাগপূর্বক মৌনব্রত অবলম্বন করা অপেক্ষা সমর্থ), তদ্রুপ পুণ্যবই এই সাধুপ্রশ্নাবলীর উত্তর শ্রবণে উত্তম সাধন আর নাই। অনেকেই দশলি ভ্রমণপূর্বক নিখিল- সমর্থ। ৬-১০। বালকের নিকট যুবতীর অনুরাগ-ব্যাক বচন- বাই দ্রষ্টব্য যাহা দেখিবার, দেখিয়া থাকন, কিন্তু সত্যবর বলি যেমন বৃথা অল্পবোধশালী ব্যক্তির নিকট এই মােঙ্কপ্রদ (পরমাত্মা) দর্শন কতিপয় লােকের ভাগ্যে ঘটে। যাহা দৃষ্ট কথা সেইরূপ নিরর্থক। এবংবিধ প্রশ্নোত্তর পুরুষের কোন সময়- হইতেছে, তাহা ঈপ্সিত ও অনপিতে ই নহে, অর্থাৎ তাহা বিশেষে শােভা পায় , শরৎকালেই গুবাকাদি বৃক্ষের ফল হইয়া বহব , যাহা ইচ্ছা ও অনিচ্ছা উভয়েরই বিষয় নহে, অদৃশ থাকে, বসন্তকালে নহে (এ সময়ে প্রেমার এই প্রশ্ন করা আত্মতত্ত্ববিষয়ে কাহারও ষত্ব নাই।২৬-৩০।, লৌকিক সঙ্গত হয় নাই ।। নির্মল পটেই বর্ণান্তররঞ্জনা পরিস্ফুটবে গৃহ-অট্টালিকাপি প্রভৃতি বিষয় এবং বৈদিক যাগযজ্ঞাদি ক্রিয়া মগ্ন হয়, জ্ঞানবৃদ্ধব্যক্তিতেই বৈরাগ্যোপদেশ সংলগ্ন হয় এবং সমস্তই একমাত্র দেহের অঙ্গ, ইহার মধ্যে আত্মার প্রয়োজনীয় অধিগত। ব্যক্তিতেই অত্যুদার বিজ্ঞানকথা সংলগ্ন হইয়া থাকে। কিছুই নহে। মুর্ত, পাতাল, ব্ৰহ্মলােক বা গগনতলে তত্ত্বশীর আমি পূৰ্বেই এই প্রশ্নের উত্তর সম্বন্ধে তােমার নিকট কিছু সংখ্যা অতি অলই দৃষ্ট হইয়া থাকে। “ইহা হেয়, ইহা উপাদেয়” কিছু নলিয় রাখিয়াছি , সবিস্তারে বলি নাই; সেই কারণেই আত্মার অনসস্কৃত এবংবিধা নিশ্চয় যাহার বিগলিত (দূরীভূত) তুমি বিশদভাবেই বুঝিতে পার নাই। যদি তুমি আপনিই সেই হইয়াছে, তাদৃশ তত্ত্বজ্ঞব্যক্তি অতি দুর্লভ। লােক ত্রিভুবনের আত্মার অধিগত হইতে পার,তাহা হইলে এই প্রশ্নের উত্তর সম্যক্ অধিপতি হউক, ইপলাভ করিয়া যােবলে মেঘমধ্যে প্রবেশ বুঝিতে পারিবে, এ বিষয়ে কোন শয় নাই। ১১-১৫। করুকূ বা বরুণপদ লাভ করিয়া জলমধ্যে প্রবেশ করু, পরমাত্ম- হে সাদে' সিদ্ধান্তসময়ে যখন তুমি বােধপ্রাপ্ত হইবে, তখন লাভ ব্যতীত তাহার প্রকৃত বিশ্রান্তি হইবে না (আত্মসাক্ষাৎকার তােমাকে এই প্রশ্নোত্তর ক্রমশঃ সবিস্তারে বলিব। মূলতঃ আমাৰ ভিন্ন জগতে এমন কোন সুখ নাই, যাহাতে একেবারে দুঃখ নাই)। উপদেশ পথের প্রদর্শকমাত্র, তুমি প্রণিধান কৰিলে আপনিই যে সাধুগণ ইন্দ্রিয়শপরাজয়ে অর্থ ৰীয় ও আত্মজ্ঞান লাভ আত্মাকে জানিতে পারিবে। আত্মাই আত্মাকে জানেন, কেন না, করিয়াছেন, জন্মরােগবিনাশৰ্থ সেই মহামতিগণই উপাস্য। আত্মাই আত্মাকে সেইরূপ (মলিন) করিয়াছেন, আত্মা পসন্ন ৩১-৩৫। স্বর্গ, মর্ত্য ও পাছালমধ্য সর্বত্রই পঞ্চভূত বিদ্যমান । নিল) হইলে আত্মকে প্রাপ্ত হন। হে রাম। তোমাকে এই অতিরিক্ত ষষ্ঠভূত আর নাই, মুআয় ধীয়বুদ্ধির কোথায় অখণ্ডব্ৰহ্ম বুঝাইবার নিমিত্ত আত্মারই কর্তৃত্ব অকর্তৃত্বের বিচার আসক্তি হইবে?(ধীরবুদ্ধি এ সমুহয়ে তুচ্ছ-মিথ্যাত্ব বােধ করিয় করিয়া বলিলাম, অাত্মার সেই অখণ্ডস্বভাবতা জানিতে পার নাই হাতে আসক্তি হইয়া থাকেন)' তত্ত্বজ্ঞক্তি যুক্তিবলে বলিয়াই বােধ, তােমার বাসনা এক্ষণেও ক্ষীণ হয় নাই। যে বিচরণ করত সংসারকে গােষ্পদ প্রমাণ’ (অনায়সে ব্রণী) বাসনা দ্বারা আবদ্ধ, সেই ব্যক্তিই প্রকৃত বন্ধু, বন্ধবাসনাক্ষয়কেই বলিয়া বােধ করেন (যুক্তিত্নে এস্থলে, সকলের অধিষ্ঠান ব্ৰহ্ম- মােঙ্ক কৰে। তুমি বাসনা পরিত্যাগ করিয়া মােক্ষার্থিতাও আগ চৈত্রের দর্শন অপর ভূতসকলের মিথ্যা নিয়) উক্ত ক। বিষয়ক্ত অমমময়ী বাসনাসমূহ পুর্বে ত্যাগ করিয়া যুক্তি বাহার সুদূরহ হার নিকট এই সার উদ্বেল তুমি মৈত্তাদি ভাৰনামী নির্মলবাসনা গ্রহণ কর (মৈত্রী, করুণা, প্রলয়মহার্ণবের ন্যায় অত বলিয়া বােধ হয়, (সুরাং তাহার মুদিত হব, ও উপেক্ষা এই চধি চিত্তশুদ্ধির উপায়)। ইহা পার হওয়া কঠিন। অপরিচ্ছিন্ন ব্রহ্মানন্দলাভে যাহার ১৬–২০। বাহিরে মৈত্রী এভৃতি দ্বারা ব্যবহারপর হও, কিন্তু চিত্ত বিন্ধারিত হইয়াছে (চিত্তমল বিদূরিত হইয়াছে তাহার তাহাও পৱিত্যাগ কর, (একমাত্র চৈকেই অন্তরে আশ্রয় গাও), নিকট এই ব্রহ্মাণ্ড কাষপূপির স্থায় ভিক্ষুদ্র বােধ হয়। তিনি সমুদস বাচেষ্টান্ত হই একমাত্র চৈতন্যেরই বাসনা দৃঢ় কর। তখন এই নিখিল-ব্ৰহ্মাণ্ড কর করিয়াও কাহাকেও তাহা দান তাহার পর মন ও বুদ্ধির সহিত সেই চিন্মাত্ৰবাসনাও পরিত্যাগ করেন না বা তাহার ভােগবা একেবারেই কখেন না, তখন কর, পরিশেষে একমাত্র আসল যুিৱসমাহিত হইয়া যাহাতে তাহা অতি তুচ্ছ বে করিয়া পৱিত ৰুৱেন)। বুজি পূর্পোক্ত সমূদয় বাসায় কাগ করিতে পায়, তাহাই করিবে। মানবগণ যে রাজধ লাভ করিবার এ মহাসমর করি ল তখন ভূমি পৰিছে, একা,, অকাম এভৃতি কান ও লক্ষ যােবক্ষণের সংহার করে, হু রাম। সৰু ক'জীবের বাসিতৰিষয় এবং ইন্দ্রিয়া িই প্রাণস্পন্দের সহিত সমূলে কয় হেতু সেই রাজসুখে আমি ধিক্কার দিই। ব্যক্তি উম্মলিত করিয়া আকাশের নির্মল বিশেক্তিবিহীন এম বিধাতৃও যাহা করেন না, কাৰণ, তা চিয়ী নহে, যাবৎ অখণ্ডকারতবুদ্ধি অবলম্বনপূর্বক যে চিন্ময় হইবে, হে সন্ধ! মহাপ্রলয় হয়, বৎকালই থাকে, তাহার পরে সকল প্রাণীর - - যােগ-রামায়ণ 3 মনােব্যথা হেতু ক্লিাশ অবত হই। মূঢ্যক্তিরাই ঐ বিধাতৃ- হাসির লেগবাসনার দৃঢ়ভ্যাসবশ প্ররন্ধের প্রাবল্য বহি- পদের জন্য লালাতি , ব্যক্তি তাহাও ব্রোক্তকার মাছে)। যে বেশ আকাশকে রঞ্জিত (পটে বলবিয়াসের তুচ্ছবােধ করিয়া থাকেন। ৩৬-৪০। তত্ত্বজ্ঞব্যক্তি স্পষ্টই স্যায় স্বর্ণ আকাশে দৃঢ়লিপ্ত) করিতে পারে না, জেনি অভ্যন্ত দেখিতে পান যে, এই জগয়ে সৃষ্টি প্রভৃতি উপায়ে কিছুই | হইলেও কোন অগই অজ্ঞ্যক্তিকে রঞ্জিত করিতে সমর্থ উৎপত্তি হয় নাই, বাস্তবিক ইহা মিথ্যা ভ্রান্তিমাত্র, সেই অগশ্রয়ের হয় না। অর্থাৎ অগণ্ডল তত্ত্ববিদ ধূল হয় না, তিনি প্রাপ্তিতে চিল্প আত্মার কি কোন বলব্ধি হয় যে, তাহাতে নিৰ্ম্মলই খাঝেন। ৫১-৫৫। গৌরীর নৃত্য দর্শনাভিলাষী হলের সুলত হইতে হইবে ? যিনি সর্বগ্ন কুরিয়া বিপলাশ হইয়- | মুকটনুতে মিনােরশন হওয়া যেমন একান্ত অস, মেনি ছেন, তঁহার অবস্থিত হয় এমন কটু কান এই পৃথিবীতে | অগভাব দ্বারা অন্ত্র ব্যক্তির চিত্তয়ৰ একান্তই অসম্ভব। আছে? ইহার একদিকু ত শত শত শৈল এরা সমাকীর্ণ, অপর ! দেখন বাহিরে সরে যে প্রতিবিম্ব পড়ে, কলসমথ্যগত রত্নে সে দিকে অগাধ জলরাণি। স্বর্গ-মর্ত্য-পাতলাত্মক জগতে এমন কোন । প্রতিবিম্ব পড়িতে পায় না, তত্ত্বজ্ঞব্যক্তিও সেইরূপ অগভাবে কাৰ্য্য নাই, যাহা ভগীর অবস্থৰ্ত্তব্য। যিনি নিনি ও রঞ্জিত হয় না। ব্রহ্মলােক পর্যন্ত এই জগদ্বৈতব, (অন্ত- তসিং হইয়া অাকাশ বিস্তৃত, এক ও স্বস্থ হইয়াছেন, (পর, ব্যক্তির দৃষ্টিতে সম দুর্ভেদ্য, যিবেকীর দৃষ্টিতে সলিলব্রজবং মাত্মায় অবস্থিত), তাঁহার নিকট এই ত্রিলােকীরূপ বিপুল ক্ষণভঙ্গুর, রাজহংস যেমন কুৎসিত শৈবাললে প্রীতি বা নদীতটী নিখিলসংসারশূন্য হইয়া আকাশৰৎ শূন্যই দৃষ্ট হয় , আসক্তি ধারণ করে না, দ্রুপ তত্ত্বজ্ঞব্যক্তি জলবুদবুদবৎ নিয়া তবে যাবৎ এর ক্ষয় না হয়, ভাবং উক্ত ব্রিলােক নদীতটীয় | ঐ সংসার বৈভবমুখে চপল আসক্তি প্রাপ্ত হয় না। ৫৬-৫৮। শরীবসহ সুষারবিন্দুতে কেবল সূর্ণ ই লক্ষিত হয়, তাত্ত্বিক সর্বপশি সৰ্ণ সমাপ্ত # ৫৭। আকুতিহাৱক্ষিত হয় ১।১৫।নিখিল কুলপর্বত অনও ব্ৰহ্মৰূপ নিল সাগরের মেম্বরূপ, नो ব্লগর প্রভৃতি চিন্ময়ভাঙ্করের মহাকিরণমরীচিকা, এই সৃষ্টিপ- অপঞ্চাশ সর্গ । পর আত্মতত্ত্বৰূপ মহাসমুদ্রের তালা এবং শসমুহ-সর্বোত্তম ব্ৰহ্মপদরূপ অলদের বৃষ্টিস্বরূপ। নির্মল চন্দ্র, সূৰ্য, বহি প্রভৃতি বশিষ্ঠ বহিলেন—রাখব' এই বিয়ে পূর্বকালে হস্পতি- এটকুড্য প্রভৃতি স্যায় চিময়ের প্রভা দ্বারাই প্রকাশিত, অত্যন্ত নয় কচ যে পবিত্র গাথা কীর্তন করিয়াছেন, তাহা শ্রবণ কর। মলিন পার্থিবাদি ধাতুর উ কথাই নাই। দেহ দ্বারা পরিচ্ছিন্নাক্স সুয়গুরু-ভনয় কচ মেরুপৰ্কতের কোন গহনবনে অবস্থানরত সূরাম-বরগ, বিষয়ভোগরূপ তৃণগ্রাসকারী সংসারবনছারী মৃগ কেন সময়ে অভ্যাসলৈ আত্মায় বিশ্রান্তি লাভ করেন। যখন স্বরূপে বিহার করে। অরণ্যবাসী মৃগগণ স্বেচ্ছাচারী , কিন্তু তাঁহার মতি জ্ঞানসুধায় সমকৃ পরিপূর্ণ হইল, তখন হেয় পঞ্চ- এই সংসারবনচারী মৃগগণ দেহপিঞ্জরে আবদ্ধ, অনন্ত সংসার ভতময় এই দৃশ্য জীবাত্মায় আর প্রতিবােধ হইতে লাগিল না। কাভারে জীর্ণ জীবগণের বন্ধনা বিধাতা রক্তমাংসময় সেহপিঞ্জর পদার্থে অপ্রীতি-নিবন্ধন তিনি আত্মাব ব্যতীত পদার্থান্তর না নিৰ্মাণ করিয়াছেন, আদিখণ্ড ঐ পিঞ্জরের অর্গল, মস্তক উহার দেখিতে পাইয়া যেন নিৰ্ব্বেপ্রাপ্ত হইয়ই গদ্গদরে বলিতে আচ্ছাদন,আয়ুপ, শৃঙ্খল আর ঐ পিঙ্কর আবদ্ধ। ৪৬-৫০। লাগিলেন। (হয়হেতু গদগদম্বর)। “আমি কি করিতেছি, দেহপিস্থিত জীবসকলৰূপ চর্মপুত্তলিকা সংসারবনশ্রেণীর মুগ্ধ কোথায় যাইতেছি, কি লইতেছি, এবং কি পরিত্যাগ করিতেছি, মৃগস্বরূপ, মুগ্নদেহবিবেকশূন্য), বিধাতা উহাদের মুগ্ধবুদ্ধির মহাপ্রলয়ে যেমন সমগ্র বিশ্ব জলপূর্ণ (পাবিত) হয়, তং এই বিনােদনর্থ জােগরূপ ভুণ প্রদান পূর্বক উহাদিগকে ভােগভূমিরূপ নিখিল বিশ্ব আত্মায় পূর্ণ রহিয়াছে। ১৫। জগতের মুলায়েষণ মূরমতে সঞ্চরণ নিয়ােগ করিয়াছেন। যেমন মসমীরণের কুরিতে গেলে দুঃখোপভােজ আত্মা অর্থাৎ জীব, জীবের বাণীয় বেগে অচলের কম্পন সখা অসম্ভব সেইরূপ সর্বত্যাগী মহামতি মুখ, এ সমুবই আকাশমাত্রে পরিণত হয় ,ঐ-কাশও দি ও জৰিৎ এবংবিভাগসমূহে কদাপি বিচলিত হন না। হে রাম। মনােরখ হইতে অতি মহৎ বলিয়া আত্মময়; অতএব সমস্তই যে পদের নিকট চরে সরদেশ অপরিচ্ছিন্ন গগন আত্মময় ইহা বুঝিলাম এবং এই আত্মা জারাই আমার সর্বদুঃখ অলও ভূচ্ছিদ্রবং অল্পভাবে অবস্থান করিতে পায় না, অবিং দূর হইল। বাহ ও আভ্যন্তর দেহ, অধােদেশ, উদেশ এবং অদৃশমহােৎকৃষ্টপদ অবস্থিত হন। (অর্থাৎ তাহার নিকটে 'বিকৃচতুষ্টয়, সর্বত্রই এক আত্ম বিরাজমান, অনাত্মময় কেন গগন অতি ; সুতরাং তত্ত্ববিদের, তাহাতে আস্থা হইৰে স্থানই নাই। আত্মা সর্বত্রই স্থিত, সমন্তই আত্মময়, সমুদয়ই কেন )। অফিরেই টি একরে এরা ব্ৰহ্মাদি লােকপালগণ আত্মা, আমি আত্মাতেই বিদ্যমান। যাহা চেতন ৰশিয়া এসিল্ক, সমগ্র জগতে সহিত' প্রকাশণা ও স্যব্যহায়ােচিত-বােৰ যাহা অচেন্স বলিয়া প্রসিদ্ধ, আমিই তৎসমূদয়ের অন্তর্গত, সম্পন্ন হইয়া অজ্ঞান-সমুদ্রে ম হন এবং আত্মা, শরীর হইতে আমি অপার-ডােমও আপুরণ করিয়া সর্বত্র সময়কাপে পৃথক, ইহা জানিতে মিশে যােহবশত জ্ঞানের শরীরে অবস্থিত; আমি আনরুল ও সুখস্বরূপ, আমিই একাৰ্ণৰবং অভাব পূরণ করত শরীরের রক্ষা করিয়া থাকেন; যেহেতু পূর্ণ হইয়া অবস্থান করিতেছি।” সেই কনকগিরিনি কচ এই ভাতিছিলেন, মে টানি আয় ওঙ্কার উচ্চারণ (১) ভয়ায় এই যে, জগ ভৰিলের চিৰপ্ৰকাশপেকী; করিলেন। পরে প্রণবের একাদিমাত্ৰাত্মক দৃশ্যাদি ল করিয়া কিন্তু বিং পূর্ণবলস্বরূপ, তঁাহার আগতের প্রতি কলঙিও পরিশেষে জুয়াকাশে কেশবং দাম ও কোমল তুরীয়াবহুরূপ নাই, জগতের অপেক্ষা দূরের কথা। ওফালৰ কলাৰাত্ৰ (অমাত্রা মাত্র মকার) তাকলী করত সেই • বিতি-প্ররণ সুভাবাপন্ন হইয়া অতগত কারণে কার্যেও অবস্থান করি। প্রথমে ঐ তেজ দেখিলে বােধ হবেন, ৎকালাবনে বিম- কেন না। হৈ যাম । উক্তকায়ে শাখাগনিকাল্পী কচ ক্রমে সহ- পাণ্ডুর ভাল দিক্চক্রকে চক্রাকারে বেষ্টন করিয়া রহিয়াছে রূপ কলঙ্ক মার্জনা করত বিশুদ্ধ ও কয়লীনাক্স হইয়া { (১) ঐতেজোমগুলো পরিপক্ষসদৃশ পাশ্বষ হইতে শ্বেতসুন্নমালা জলবিহীন শয়নকাশের স্থায় স্থান করিয়াছিলেন। ৬-১২। বিলিঃসৃত হইয়া সন্নিহিত অক্ষয়-আকাশকে যেন এহসূত্র-সমাকী অষ্টপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। ৫। করিয়া থাকে। ঐ ভেইতে বিনিঃসৃত তেজপুজে ছুঙ্গি পিলৰ বােধ হয়, গগনমণ্ডল যেন সুবর্ণময় হইয়া যায়। ব্রহ্মার ভবনপদের মধ্যে ঐ তেলের কিরণালী এৰিষ্ট হওয়ায় বাে একোনমি সর্গ হয় যেন, পদুটা হেমজাজড়িত হেমষ যাতায়ন। তখন সেই একাৰ্ণবে কিরণসমুহ প্রতিফলিত হইয়া উদ্যাননের ন্যায় দৃশ্য বশিষ্ঠ কহিলেন,—“অন্ন, পান ও অঙ্গসঙ্গ ব্যতীত পুরুষার্থ | দৃষ্টিগােচর হয়। (২) তাহার পর চতুর্মুখশরীরাকারে অবস্থিত মন আর নাই” এই বলিয়া মূঢ়বুদ্ধি তিকৃপশুজাতীয় অসাধুগণ যাহাতে (ব্ৰহ্মা) সেই ভার তেজঃপুঞ্জে আত্মাকার তুল্য ভাস্বর আকৃতি সন্তুষ্টিলাভ করে, তাহাতে পরমপদাক মহান ব্যক্তির বাঞ্ছা হইবে (অসদৃশ মুর) কল্পনা করেন। অনন্তর হিরণ্যগর্ভ সেই কেন ? যাহারা সেই পণসর্বস্ব, আদি, মধ্য ও অবসান সকল | পিণ্ডাকৃতি তেজঃপুঞ্জ হইতে প্রভামণ্ডথগিত উজ্জ্বলকনককুণ্ডল সময়েই ভঙ্গুর ভােগসমূহে আস্থাবান হয়, সেই নরগর্দভগণকে | বারী দিবাকর হইয়া সমুদিত হন। ১১-২০। সেই দিবাকরের ধিক্। এ দিকে কেশ, এ দিকে রক্ত, এই ত এমদাশরীরের পার্শ্বদেশে শিখাবলিধারী জসিত বহ্নিসমূহ বিস্ফারিত হইতে মাধুর্য। সেই প্রমদীশরীরে যাহারা পরিতুষ্টিলাভ করে, তাহারা থাকে। ঐ দিবাকর আলাময়ী বিশালমূর্তি বারণপূর্বক গগন সারমেয় কুকুর), মানব নহে। নিখিল মহীই মৃত্তিকা, সকল তরুই মণ্ডলব্যাপী হইয়া বিরাজ করেন। তদনন্তর সর্বজ্ঞ ব্ৰক্ষা আদিত- কষ্ঠ, সমুদয় দেহও মৎসময়। নিম্নে ভূমি, উদেশে আকাশ, নির্মাণের অবশিষ্ট তেজসমূহ বিভাগ করিয়া, সাগর যেমন - ইহার মধ্যে অপুমুখপ্রদ কিছুই দেখিতে পাই না। ইন্দ্রিয়- ক্ষেপ করে, তদ্রুপ চতুর্দিকে নিক্ষেপ করেন। তার পর নিক্ষিপ্ত পর্শানুসারী নিখিল লোকব্যবহার অবিচারবশতঃ রমণীয় বােধ হয়, | তেরখণ্ডসমুহ সবশে সর্বসিদ্ধি লাভ করত সমানশক্তিশালী লত উহা (কল মেহেব হেতু, তত্ত্ববিবেচনায় উহার কিছুই এক একটা প্রজাতি হইয়া ক্ষণকালমধ্যে পুরোভাগে সঙ্কল্পিত বস্তু অস্তি দৃষ্ট হয় না। ১৫। যেমন বহ্নিশিখার প্রান্তে কল লাভ করিয়া থাকেন। সেই প্রজাপতিগণ পুত্রপৌত্রাদি-পরম্পরা অবস্থিত, তদ্রুপ সমূদ্ম মুখারই অন্তে দুমালিন্য অবস্থিত। দ্বারা দেবদানবাদি জাতিভেদে যে যে ভূতসমূহের সৃষ্টি কনা নিত্য মনোকপ ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের ক্রিয়াসমুহ শাস্ত্ৰতালােচনায় বিনষ্ট করে তরুণাং তাহারা তাঁহাদের নিকট আবিত হয় এবং ২, দিরদমাত হইলে লত! আর কলপুষ্পসম্পদ ধারণ করে না , অভূতসমূহ হইতে ক্ৰণৰৰ ৰবিধ কক্ষটিইতে থাকে * বিষয়সম্পও সেইপ উপভােগে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। অস্থিমাংস- তাহার পর এই ব্রহ্মা বেচতুষ্টয়ের অণকহে ভারী সংহে স্বদেহাভিমানী পুরুষ রক্তমাংসায়ী পুত্তলিকাকে কান্তা বলিয়া যাগযজ্ঞাদি ক্রিয়াকলাপ বিধিবদ্ধ করিয়া মৰ্যাল স্থাপন করেন। সাদরে আলিঙ্গন করিয়া থাকে। মােহকারী কপেই এই কাৰ্য্য। ২১-২৫। বৃহদাকার মন এইরূপে ব্ৰহ্মস্বরূপ ধারণ করত এই হে রম। ব্যক্তি সমূদ জগৎ সত্য ও চিরস্থায়ী বলিয়া জানে, প্রকারে ভূতসমুহসছুল দৃশ্যমান জগৎ বিস্তার করেন, ক্রমে ঐ সেই জন্যই তাহাতে তুষ্টিলাভ করে , ভবিৎ জানেন সমুয়ই জগৎ সাগর, পৰ্বত ও বৃক্ষসমুহে সমাকীর্ণ হয় এবং উত্তরােত্তর অসত্য ও অস্থায়ী , মুরং তাহার ইহাতে সন্তোষ নাই। ভােগ লােসমুহের বৃদ্ধি হইতে থাকে। ঐ জগতের মধ্যভাগ সুমের না করিলেও ভােগyষ্ণা-বিষের ক্রিয়া মূৰ্হা উৎপাদন করিয়া থাকে, পকাত, মহীমণ্ডল ও দিচক্রে পরিষসপ্ত। আমে সরজ অতএব ভােগে অস্থা পরিত্যাগ করিয়া আত্মাই যে এক, ইহা স্তমোগুণাত্মক জগণ্ডল শারীরিক সুখ, দুঃখ, জন্ম, অ, মৃত্যু পাবণ কর। ৬-১০। ভােগবাসনায় চিত্ত যখন অনাত্ম-দেহাদিতে ও মানসখা হয় সংসারপে প্রতিপন্ন হয় , আকাভাবনা করিঘা স্থির হয়, তখনই এই মিখ্যায় অগসমূহ বিষয়ানুরাগ ও বেভাবে আকুল। বিরিঞ্চি হইতে সমুৎপন্ন উৎপন্ন হইয়া থাকে। বিরিঞ্চির ফল আমাদের বাসনা-কৰ্ম্মাদি মনােবৃত্তিরূপ হস্ত দ্বারা প্রথমে যে যত যেরুপে লভ্য বলিয়া বশেই ( সঞ্চয়ক্রমে এই জগদাকার কল্পনা করিছন। এক কলিত হয়, অদ্যাপি তাহা মায়াবলে তদনুরুপই ব্যবস্থাপিত বস্তুর অবস্তুর অনুসারীরূপ কল্পনার আর এক দৃষ্টান্ত এইযে, সূৰ্য্য দেখা যায় এবং প্রাপ্ত হওয়া যায়। ঐ মন এইরূপে সমষ্টি তানে বিলুণ স্বর্ণজত বা ইন্দ্রনীলমণি প্রভৃতি দ্বারা নির্শিত ভিত্তিতে পতি সৰ্ব্বভূতে অবস্থিত, ব্যষ্টিজ্ঞানে কোন কোন ভুতে স্থিত । হইষা ভদাকারে আত্মরূপ একটি করে। রাম জিজ্ঞাসা করিলেন,! চৈস্থিত বলিয়া বহুসমূহের সঙ্কন করেন এবং তাহার ডট ( মহামতে। হে ব্ৰক্ষ। মন বিৰিঞ্চিপল প্রাপ্ত দুই কিপে | হন। ২৬-৩০। মন কর্তৃক ঝটিতি সঙ্কলকলিত ববিধ - এই অগং ভূতচতুষ্টয়েত করে, তাহা আমাকে বিশদভাবে গােহ ঈম স্থিরতা প্রাপ্ত হইয়া থাকে। সঙ্কসের বলেই আকার বসুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-গবােলিগষ্যহইতে মুখিত নিখিল জগৎক্রিয়া উৎপন্ন হয়, সঙ্কলই দেৰগণ নিয়ন্ত্রি হইয়া প্রথম শৈলিগায় ‘এ’ ইত্যাকার শব্দ কৰিছিলেন বশবর্তী হইয়া গিনিত হয় বিভিন্ন কারণে তাহাকে ব্রহ্মা বলা যায়। অনলিখিসবক মন্ত্রী কপ আত্মরূপকে আপনিই খালে কমনা করিয়া (১) (এ স্কুলে তেজ ও বলিয়া এইরূপ উৎকা)। হইলেন। অনন্তর উহারই ভাগির্থ সঞ্চত থাকে, ( বিকশিত নানামণির শায়ান এলে পরে তিনি প্রথমেই সবলে মহাভাময় তেলের কল কলন। গ্রা, নব্য কিরণ অসম্ভব)। • ঐ সংসার আয় এত হন। ২৫। তিনি আয় যােগবাণিষ্ঠ-মা। কিনােচন প্রভৃতি গোনগণ স্ব স্ব গৌরবরদ্ধির জন্য মনুষ্য বস্থাখরুপ ডিপ ব্ৰহ্মাকাশে ব্ৰহ্মার মনঃকলিত ফলস্বরূপে উৎপন্ন এভৃতি আগণের যারা ধর্ম ও অধর্মের বুদ্ধির নিমিত্ত হয়, সেই প্রথম অনীকই স্বতঃসি নৈশষে ব্রহ্মভাব প্রাপ্ত সঙ্গে সাত্বিক, রাজলিক ও আসিক বৃত্তি অবলম্বন করিয়া বৎ হয়। পরে প্রজাপতিণের ওষধিগণের সৃষ্টি বিরতর হইয়া বিজয়া-জছি যারা ব্রহ্মার এই জগৎ সৃষ্টির উৎপীড়ন আর উঠিলে সুরানীকরূপ যে অন্যবিধ কল্পনা সমূদিত হয়, সেই করেন, তখন নিখিল এজাগণের উক্তবকার প্রভু ব্ৰহ্মা পদ্মানে কল্পনা প্রথমে কলারুপে আকাশ ও অনিলে আশ্রয় করিয়া অবস্থান কৰিা এইরূপ চি করিতে থাকে যে, ‘মনের স্পন্দ- ওষধিপল্লবে প্রবেশপূর্বক সােমলতা, আজ ও পয়ােজপে পরি- মাত্র(সমষ্টিভূত) এই যে বিচিত্র (বষ্টিভূজবােপাধিক) শত হয়। পরে তাহা অগিতে আহত হইয়া সূৰ্যমগুলে অমৃতা টিউবিত হইয়াছে অথবা সেই মনের উপলােগাৰ্থ পাতাল, মহী, কারে পরিণত হয়, প্রজাপতিগণ তাহা ভক্ষণ করিলে রুপে আকাশ, দিক ও স্বৰ্গমার্গে সঙ্কীর্ণ, কয়, উপে, মহেন্দ্র, শৈল ও পরিণত হয় এবং মৈথুন দ্বারা ইন্দ্রাদিদেবগণ ও কুক্সোদি যক্ষগণ সাগরসমূহে সমাহুল, ব্যবহারময় যে বিস্তৃত সৃষ্টি উখিত হইয়াছে, হইয়া জন্মগ্রহণ করে, ইহারাও, সাত্ত্বিক , ইহারা মনুষ্যাদির এ সমস্তই আমার সঙ্কল্পজল , আমি নিজেই উহা চতুর্দিকে। প্রথমেই প্রজাপতিগণের অনুগ্রহ উপদেশে জনৈশ্বর্য লাভ করিয়া বিস্তার করিয়াছি। এক্ষণে আমি এই বিকল্পর্ভি হইতে বিরত | অগ্রেই ব্ৰহ্মত্ব প্রাপ্ত হয়। দেব ও মানবদিগের মধ্যে যিনি যেরূপ হই।৩১-৩৬।” এইরূপ নিশ্চয় করত কমলযােলি শান্তি সত্ত্বগুণের (জ্ঞানবৈরাগ্য বা ভােগলাম্পট্যালিয়) অনুগমন করেন, প্রাপ্ত হইয়া কল্পনারূপ অনর্থসঙ্কট হইতে বিরত হন এবং স্বীয় ঝটিতি তাহাই হইয়া থাকে, উৎপন্ন হইয়া সংসর্গণে (যে আন্না দ্বারা অনাজি পা পরমাত্মার শরণ করেন। সরণ বেরণে সংসর্গ কত, আনবৈরাগ্যসম্পন্ন ব্যক্তি বা ভােগলম্পট মাত্রই সেই পরমাকে পাইয়া (শান্ত হইয়া),পরিশ্রান্ত ব্যক্তি ব্যক্তি) সেই জন্মেই কেহ বন্ধ হয়, কেই কৃ মুক্ত হয়, তাহাদের যেমন আনা নির্জনে সুখে বিশ্রাম করে, ব্ৰহ্মাণ্ড দ্রুণ বন্ধ বা মােক সঙ্গগুশে হইয়া থাকে , সুতরাং তাহাদের সাড়- বিগলিভচিত অর্থাৎ চিশূন্য দাকরে (আত্মকারে) ভাসমান সজ, শাস্ত্রাভ্যাস ও ইন্দ্রিয়জয়াদি অবশ্যকর্তব্য। হে রামচন্দ্র । এই ব্ৰহ্মপদে সুখে অবস্থান করেন। তখন মমতাশূন্য ও অহঙ্কার সৃষ্টি স্পষ্ট উপাসনা প্রসিদ্ধ বাগযজ্ঞাদি ও অর্থপ্রদ অন্য ক হইয়া ব্ৰহ্মা পরমশান্তি লাভ করত অক্ষুব্ধ সাগরের ন্যায় নিশ্চল সমুহ দ্বারা ক্রমে লব্ধ ও বিবিধ প্রারব্ধ কর্মর বেগ, ক্রীড়া কৌতুক আত্মা দ্বারা আত্মাতে নিস্তব্ধভাবে অবস্থিত হন। বারিধি যেমন এবং ক্রোধলােভনিত ব্যবহার দ্বারা ধারিত হইয়া সৃষ্টি বিষয়ে সলিলতরঙ্গগতি হইতে বিরত হয়, সেইরুপ প্রভু ভগবান ব্ৰহ্মা উন্মুখ পরব্রহ্মে পুর্বোক্ত সঙ্কল্পবলেই সভা প্রাপ্ত হয়। এইরূপে কোন সময়ে আবার পরমাত্মার একাকারবৃত্তি-ধারণরূপ ধ্যান হইতে এই ত্রিবিধ অনীকাৰিকা সৃষ্টি আবির্ভূত হইয়া থাকে ৫১-৫। অই জি হন। তখন বিচার করিতে থাকেন, “এই সংসার একোনষষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত।৫৯। -কাপ শত দ্বারা বদ্ধ বিষাদরাগ ও বিদ্বেষভয়ে কার এবং -হৰ উভ-স। ৩৭-৪১।” অনন্তর ব্রহ্মা গয়াচিত্ত হইয়া জীবৃগণের সুখের জন্য সমুদয় দেহীর মােক্ষেপযােগী। বষ্টিতম সর্গ। অধ্যাত্মজ্ঞানগর্ভগভীরার্থণালী বিবিধ শাস্ত্র নির্মাণ করেন, বেদ ও। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে মহাবাহহ। ভগবান্ পিতামহ ব্রা বেদাহের সই করেন এবং অন্যান্য পুরাণাদি শাস্ত্র রচনা আবার ঐ ব্যষ্টিরূপ বিপদ হইতে বিনির্গমন পূর্বক চপলপদ আশ্রয় করিয়া (সমাধি হইতে ঝুখিত হইয়া) সৃষ্টিব্যবস্থা কনেন। এই অগংরূপ বিশাল জীবনীষ স্বীয় ব্যবস্থানুসারেই পূর্বোক্ত পরমপদ অবলম্বন করত তাত্মা হইয়া উত্থাপিত মন্দার সাগরের ন্যায়ু স্বস্থভাবে অবস্থান করেন। কমলগঠখিত ব্ৰক্ষা মূত ভুসমুহরুপ ঘটমালার দ্বারা জীবনতৃষ্ণায় আরােহণ-অৰ- উপকারে আগজ্ঞে চেষ্টা নিরীক্ষণ করত তাহাতে মর্যাদা রােহণরুপে পরিবর্তিত হইতেছে। এই নিখিল ভূতগণ ব্ৰহ্ম হইতে উখিত হইয়াই সংসারপরে প্রবেশ করিতেছে, অন্যান্য মন- ( শর্তাদিপ্রকাশ দ্বারা নিয়ম ) আপন করিয়া আবার স্বীয় আকার মধ্যেই সমীচালিত ধূলিকণাৎ এমণ করিতেছে। সর্মপ্রকার সহীন হইলেও মুচ্ছাক্রমে লোকমবৎ অৰ হে রা৷ যেমন জলদি হইতে র উখিত হইতেছে, কােন হিত ( সাধারণ ব্যবহার-পায়ণ হন। বাস্তবিক অথর * হাতেই লীন হইতেছে, সেইরূপ কোন কোন জীব ব্রহ্ম আব (সার) অনাব, শরীরগ্রহণ, নানা, চেতন, যিতি, অদিতি,এ সব কিছুই নই। তিনি সকল ভাবেই সমান আয়ত লী, সকল চিরুতিতেই সমান ও পরিপূর্ণ সাগরবং মুক্ত দেশালীক (২) মানবনীক (৩এখন শীকের স্বই জ্ঞান ,ৈ এলে সল অর্থাৎ দল বালতি নীক (4) শেষ হইয়া অবস্থান করেন। কেবল কোষগ্রহাই কখন , বিভীয়ে উপদেশ ও তীরে পৌরুষে হইয়া থাকে। সর্বসন্সহীন যাহামে আন্তরিত হইয়া থাকে। হে বাৰে ৰে আমল (সাধারণ। কুপে যেমন মহামতে। তােমাকে এইবে পবিত্র কৃষিতি কহিলাম, ইহা জল জুলিয়া নৱত উঠিতেও নামিতে থাকে, সুত্ত্বিক বিধিগণ ও দেবগণ এই সরি দ্বিতি এখ ন এটা ভাবার কে ব্যবস্থা থাকে, এই জীবসমূহ ৪=৫০ সাথে প্রথম,লীক খিল সৃষ্টির উপমা ভক্ষণ করে মঘিয়া বিনের আশায় উঠি- তে, জীবন হয় খুব আশায় আবার নামিছে। এই সংসাই সঙ্কময়ার ভিটা বিলি করা এই জাতি , জীৰ ষ্ট, ইহাদের জীবন হইয়াছে, এক একটা 'বিভাগকে অনীক বলা যায়। নীক শবে ঐকুপেল। করুন। ।
স্থিতি-প্রকরণ হইতেই অগ্নিস্ফুলিঙ্গবৎ চতুর্দিকে অনবরত বিনিঃসৃত হইতেছে, আনিবে। হে রাম। পশ্চাদ্বীপে (নানীক নুর আবার কোন কোন জীব তাহাতেই লীন হইয়া যাইতেছে। এই নীকাপেক্ষা) প্রাজাপত্য অধিকারপ্রাপ্ত হইয়া যে সংসারী , জীবগণ অনাদি অনন্ত ব্ৰহ্মপদ হইতে উপন্ন হইয়া অর্থাৎ কল্পনা- সেই ব্যক্তিকে সাৰিক, সে যাতে ভুক্ত হয়, তাহা ভােয়াকে পদ (সঙ্কলপদ) প্রাপ্ত হইবা, খুম যেমন মেয়ে প্রবেশ করে, ভদ্রুপ একলৰণি। হে পৰিত্ৰমূর্কে । প্রথম অনীকজ পুরুষ কখনই পুন ভূতাকাশে প্রবেশ করে (মিশিয়া যায়), পরন্ধে অধ্যন্ত আকাশ উৎপন্ন হন না, (একেবারেই মুক্ত হইয়া যা)। হে রাম! রাজস মারুতের সহিত জীবসমূহ একীভাবাপন্ন হয়। যেমন প্রচণ্ডপরাক্রম সাত্ত্বিক পুরুষেরা (হুয়ানীকেরাই) জন্মগ্রহণ করে। যাহারা কেবল দৈত্যগণকর্তৃক অনগণ আক্রান্ত হন, সেইরূপ ভেজ, জল ও সাত্বিক (প্রখমাকজ,), তাঁহারা শ্ৰৰণ-মানাদি আর আয়- পৃথিবী উৎপন্ন হইলে জীবসমূহ প্ৰকাশপ্রাপ্ত হইয়া শাদি তত্ব বিচার করিয়া সমাগত হন; সুতরাং ইহজন্যেও তাঁহাদের তন্মাত্ৰসহিত পূর্বোক্ত বায়ুকর্তৃক প্রাণশ্বরূপে আক্রান্ত (বশীকৃত) আw মনন দ্বারা পরিশীলনীয়। হে রাম! যাহারা পরমাত্মা হয়। ১৭। এইরূপে লিঙ্গদেহগ্রপ্ত জীবগণ প্রাণবায়ু ও ভূত হইতে প্রাধান্যলইয়া, সমাগত (প্রবনীক), তাদৃশ মহাগুণ- তন্মাত্রসহিত বায়ুসহযােগে অন্নাদি যারা চতুর্বিং ভূসমুহের শালী পুরুষ দুর্লভ। ১৬। হে রাম! যারা তামজাতি, প্রাণনিলম্বরূপ অপানাদি বৃত্তিতে প্রাপ্ত হইয়া স্থূলশরীরমধ্যে সেই মুচ, মুক, আরতুল্য বিবিধ জীবগণের সম্বন্ধে বিচার্য কি প্রবেশ করে ও রেবে এপ্ত হয়। অনন্তর তাহারা আছে ? ( তামসজতি বিষয়ানীক, বরানীক ও নানীক হইতে অগতে উৎপন্ন হইয়া প্রাণিরূপে পরিগণিত হয়, তখন তাহ- নিকৃষ্ট )। উত্তমজন্মেও সংসারভাতা প্রাপ্ত হয় নাই, এমন দের জ্ঞানৈশ্বর্য অনভিব্যক্ত থাকে। হে রাম। অন্য জীব সুর বা নর কতজন? অর্থাৎ প্রতি দুর্গত। আমার স্যায় যে সমূহ (যাহারা সুরানীক, পূর্বে নানীকের কথা হইল) ধূমাদি বিচারযােগ্য হয়, সে কেবল সাত্ত্বিক নহে, সে রাজসাক; কেন পথে প্রবিষ্ট হয়, অর্থাৎ 'ওষধি ও বৃক্ষাদিতে প্রবেশ করত না, আমার সমাধিমুখের বিয়খরূপ রাজকুলের পৌরােহিভ্যালি শীরাজ্যাদিরূপে পরিণত হইয়া প্রথম অগ্নিতে আহুত হয়, পরে কর্মে অধিকাররূপ প্রারব্ধ কৰােগ আছে। প্রকৃত সাত্ত্বিক অতি সেই আহুতি পূম দ্বারা সূৰ্যমণ্ডলে প্রবেশ করত উৎপন্ন হইয়া দুর্লভ। তুমিও আমার ন্যায় বৈরাগামাদিসম্পত্তিালী হইলেও কে। পূর্ণমণ্ডল চত্রবং উদ্দীপ্তরশ্মি দ্বারা জগং উদ্ভাসিত পরমাত্মপদের সম্যক্ বিচার করিতে সমর্থ হও নই, এই করত উদিত হয়, তাক সেই পাষণ রশ্মিসমূহে পূর্ণ পূর্বোক্ত কারণে এখনও তােমার উক্ত প্রকার সংসার বিস্তীর্ণ রহিয়াছে। নানীক সৃষ্টিকরণে কথিত) তন্মাত্ৰাত্মক লিঙ্গশরীরবিশিষ্ট কী- অতএব ঝটিতি তৎপদের বিচারে তৎপর হও, তাহা হইলেই সমুদ্রের আশ্রয়স্বরূপ আকাশকোটরে সেই জীবসমূহ (অয়নীক) তুমি প্রত্যক্ষ অষয়পরমপদ প্রাপ্ত হইল। ২৩৫। অবন্তিত থাকে। তাহার পর সেই অতিমণীয় চরশ্মিসমূহ যষ্টিম সর্গ সমাপ্ত। নাদিকাননে পতিত হইলে উক্ত বৃপিথারণ করিয়া জীব পঙিক্ত (লিঙ্গদেহত্বপ্রাপ্ত সুরানীক জীবপঙিক্ত) গৃহকর্মলােল। মাসীর ন্যায় এবং বিহুগীবং সেই কাননে প্রবেশ করে। অনন্তর সেই অরণ্যজাফলসমূহ চকিরণে পরিপুষ্টিপ্রাপ্ত ও সরস হয়। একষটিস সর্গ। যেমন শিশু জননীর শীরপুর্ণনার আশ্রয় করে, তং জীবসমূহ বশিষ্ঠ কহিলেন,শহারা বিচারস রাজ-সাত্ত্বিক ই-কিরণ হইতে বিভক্ত হইয়া ঐ সকল রসপূর্ণ ফলে আশ্রয়গ্রহণ ইয়াকুমণ্ডলে জন্মগ্রহণ করিয়াছে, তাহারা সই আনন্দ- করে। তাহার পর বিকিরণে ঐ ফলসমুহ পকহইলে কপালি যু এক নেইখকাশমন। পনেলে পড়ে প্রজাপতিগণকর্তৃক ভুক্ত হয়, সেই ভুক্ত ফলসমুহে বীৰ্য্যস্বরূপে , ভদ্রপ তাহাৱা মানসঃখ-অভিমানুষণশ আসিয়া জীবগণ মূৰ্জিত হইয়া অবস্থান করে। যেমন বটবীজ যেমন রাত্রিকালেও ম্লান হয় না, সেইরূপ তাহারা আপলেও মান অন্তলীনপজি হইয়া বট অধিষ্ঠান করে, সেইরূপ জীবসমূহ হন না। যেমন বাদি বিৱ-পদার্থের প্রারভােগের ই-বিষয়ক যখন গঙপরে অবস্থান করে, তখন তাহাদের বাসসমূহ অনুপ্ত ঈহা (চেষ্ট) নাই, তদ্রুপ, তাহারা প্রকৃত জ্ঞান ও তৎসালস (অন্তলীন) থাকে।৮-১৫। যেমন কাষ্ঠবিশেষ্যে অরি দেয় এ বিয়ে ঈহায় থাকেন। যেমন পাপরাজি স্বকীয় কল- অন্তলীন কে, মৃত্তিকামধ্যে এমন ঘটনাৰ মন কে, জপ গর্ভাবস্থায় জীব জন্তলীনবাসনাহি হইয়া অবস্থান করে। পুলির নাদিরূপ সদাচারেই রত থাকে, সেইরূপ সেই কাজল সানিকেও সতত সদাচ-পরায়ণ হন। হে রাম! তাহাদের পূর্বজন্মে শ্রীপুত্ৰানির শরীর পর্যন্তও নি’ করে না, অর্থাৎ পূর্ণশশধরের ব্যয় নির্মল ও সুন্দর-বুদ্ধি যাহাতে মেজোপণী একেবারে বৈরাগ্য অবলম্বনপূর্বক মরণকাল অতিবাহিত হয়, সেইরূপে শান্তি প্রভৃতি গুণমুখায় সতত ময় হইয়া পরিপুষ্টি করিয়াছে এবং যে ব্যক্তি বিষয়াসক্তি ও কর্মকাণ্ডবিত্র দ্বারা লাভ করে। চক্রের শৈত্য যেন কখনই দূর হয় না, দ্রুপ আপৎ- ঐহিক-পারলৌকিক ভােগসাধনকর্মে প্রেরিত হইয়াও প্রবৃত্ত কালেও তাহার সৌভাব যায় না। উহাঁশির প্রকৃতি সর্বদা হয় নাই, সেই পুরুষই দেবগর্ভজাত ও লৰিাতীয় মৈত্ৰালিশে মনােহ। নবনব পূপকে বিশেভিত মণ্ডলে হয় এবং জ্ঞানবান হইয়া জীবকোচিযহা-পয়াজন হইয়া আশ্লিষ্ট হয় বাগীশ যেমন শােভিত হয়, সেইরূপ তাঁহারাও থাকে। সেই ব্যক্তি নােতাগী ও সাত্বিক। আর এই সর্ব উক্তবকৃতিশ হইয়া কাজ করেন। ঐসকল অতি পেমেননি প্রাপ্ত হইয়া হেলিশ হইলেও অপরাহে সাধু মহারা সর্বদাই সমভাবাপন্ন, মাস সৌম का কলি যদি (ভেলাশট্যৰ বিকাল জেগরর বিরাজ করেন। ১। হে মহাবাহ! সেই মহাগ ডােমার নিমিত্তই জন্মগ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি মােযুক্ত রাসকি ন্যায় সমুদ্রৰৎ মালশালীই থাকে; (সমুপকে ম্যান ৭ যােগবাশি-রামায়ণ এর মনজিএম) অতএব ক্ষের অনাশ্ৰয় তাহাদের বেপর- প, তাহারই অনুসরণ করা কর্তব্য, হাতে আর বিপদার্ণবে বিষষ্টিতম শর্গ। পতিত হইতে হইবে না; অতএব জগতে অগ্নি হইয়া অল বশিষ্ঠ কহিলেন,-ধীর (বাহ অভ্যন্তর উচ্চৰিং কষ্টসহিষ্ণু) রূপ ব্যবহার-প হইবে। রজোগুণের কার নিবন্ধন কেবল বিচার-পরায়ণ ব্যক্তি স্বীয় মহাবুদ্ধিবলে শাস্ত্রকথিত বিমান স সত্বগুণসম্পন্ন মহাত্মগশ অন লাভ করত যেরূপ বুজি নের (গুরুর সাহায্যে বিচার করিকেন। বিষয়াবিন এপ্ত হন, অনুরূপ অচিন্ত্যগতিতে পুসৎশান্ত্রের বিচার পরমাত্মীয় মহাপণ্ডিতের সহিত বিচার করিয়া মনােলাশান্ত সমাধি করা বিধেয় এবং সমস্তই অনিত্য” এইরূপ ভাবনা করত সুধী, দ্বারা পরমপদ প্রাপ্ত হওয়া যায়। শাস্ত্রার্থে অভ্যাস, বৈরাগ্যা- অর্থাৎ বিশুদ্ধবন্ধি হইযা ঐহিক পারত্রিক ক্রিয়াসমূহকে আপদ | ভ্যাস ও নিরন্তর লক্ষনসংসর্গ দ্বারা সংস্কৃত পুরুষই তােমার ন্যায় বলিয়াই ভাবিতে হইবে, কদাচ উহাতে সম্পলদ্ধি স্থাপন করা প্রত্যকৃঅরূপ বিজ্ঞানের উপযুক্ত পাত্র হইয়া বিরাজ করেন। বিধেয় নহে। অজ্ঞানসহরূপ বিফল অসমগজুষ্টি পরিত্যাগ তুমি এক্ষণে ধীর, পৰিত্ৰাচার ও নিখিলগুণের আকর হইয়াছে, করি অনঅর্থলাভের নিমিত্ত নিলিখিত বিচারাত্মক জ্ঞানের তােমার এক্ষণে সৃষ্টিমনােল সমতই অপগত হইয়াছে, নিন্দু- স্মরণ করা বিধেয়। হে বিছে। আমি কে? এই সংসাড়ম্ব বিষয়ে এক্ষণে অধিষ্ঠান করিতেছ, তুমি এক্ষণে জলদবিহীন শরদা- কিরূপে উৎপন্ন হইল?” প্রাজ্ঞব্যক্তি অতি যত্নসহকারে সাধু- কাশের ন্যায়, স্বচ্ছ হইয়াছ, তােমার আর সংসার-ভাবনা নাই, গণের সহিত উক্তরূপ বিচার করিয়া কসূত্রে আবদ্ধ হইবেন নিশ্চয়ই এক্ষপে তােমার উত্তমজ্ঞান লাভ হইয়াছে, ১৫। , অনর্থের সহবাস করবেন না এবং দেখিবে, সংসার-সম্পকী এক্ষণে তােমার মন নিখিল বাহার্থচিন্তাবিহীন ও অনুরে পরমাত্মার নিখিলখি রে বিচ্ছেদই অবশভাবী। ময়ুর যেমন এলশনের সহিত একীভার প্রাপ্ত হওয়ায় ব্রহ্মাকারে পরিণতিরূপ কৌশল- অনুগামী হয়, সেইরূপ তাহাকে সাধুজনের অনুগামী হইতে সম্পন্ন কল্পনায় অবস্থিতি ও বিভাগবিহীন হইয়াছে, অতএব মুক্ত হইবে। অন্তর্গত অহঙ্কার, বাহ্ন দেহ ও পুত্রমিত্রাদি সংসাররূপ হইয়াছে,এবিষয়ে সংশয় নাই। পূর্বোক্তপ্রকার জীবন্মুক্ত সাগৱের ভেলাস্বরূপ (ভেশলে সংসারতরণের উপায়) আত্ম গণ এক্ষণে ব্লগদ্বেষবিহীন কল্পনায় প্রকৃষ্টপ্রভাবশালী গেমারই বিচার করিয়া তিনি কেবল সত্যই সন্দৰ্শন করিবেন। ৭-১৫। চেষ্টার অনুসরণ করিবে , (তুমিই এক্ষ জীবন্মুক্তগণের আদর্শ যিনি অস্থির শরীরহাৱাদি পরিত্যাগ করিয়া অত্যন্ত শুভ মুজা- হইলে)। যাহারা বাহিরে কেবল লৌকিক-ব্যবহার-পরায়ণ বগীর অন্তর্গত তত্ত্বৰূপ সাক্ষীচিত্রকে দেখিতে পাইবেন। হইয়া বিচরণ করবে, সংসারণের উপায়রূপ জ্ঞানতরীপ্রাপ্ত, যেমন তন্তুতে মুক্তাদি মণিনির গ্লখিত থাকে, তদ্রুপ নিত্য সেই সকল ধীমানেরাই সসার-সাগর হইতে উত্তীর্ণ হইবে। যে বিত, সর্পগামী সৰ্বভাবিত সেই (সত্য) পরমপদে এ | ব্যক্তি তােমার স্থায় বুদ্ধিমান, সুজন ও সমদশী হইবে, সেই সমুদক্ষ প্রপঞ্চ এথিত আছে। এই বিশালভুবনে, আকাশে সুদৃষ্টিশালী ব্যক্তিই মক্ত জ্ঞানদৃষ্টি যোগাপাত্র। ধাক তােমার ভারে, এবং বিবরমধ্যে যে চিৎ বিদ্যমান আছে সামান্য দেহ থাকিবে, তা যাহাতে বিষধাসক্তি বা বিষয়ুবিদ্বেষ কিছুই কীটাণুর মধ্যেও সেই চিহ্ন বিদ্যমান। যেমন বিভিন্ন ঘটসহর নাই, অদৃষ্ট বুদ্ধি অবলম্বনপূর্বক নিখিলষন। (ইচ্ছা বা আকাশে (টাকাশে) পারমাকি কোন ভেদ নাই, হে অনন্ধ । সঙ্কল) ত্যাগ করিয়া কেবলমাত্র বালােকাচারপায়ণ হইয়া সেইরূপ চিতিতে শরীরসমুহেরও কোন ভেদ লক্ষিত হয় না। যেমন অবস্থান কর। ৬—১০। অপরাপর গুণিগণ যেমন পরম শান্তি নিখিলপদার্থের তিক্ত, কটু ও কষয়াদিরসের পার্থক্য থাকিলেও লাভ করিয়াছেন, তুমিও তদ্রুপ পরম শান্তির ভাজন হও। তগত অনুভব একই পদার্থ, সেইপ দেহসমুহ পরস্পর ভিন্ন যাহারা জন্ধুকধী ( স্বার্থকৌশলে পরবঞ্চক , যাহারা শিশুধর্থী হুইলেও চিদংশের কোন তে নাই। ১৬-২০। যখন একমাত্র (যথেচ্ছাচারী মূঢ়), তাহাদের সম্বন্ধে কোন বিচারের প্রয়োজন সল্লুইস অবস্থিত হইল, এখন “ইহা জাত, ইহা নষ্ট” ইত্যা- নাই। সাকিজা নরণের অভিসত্য যে সহজ শমমাদি গুণ কার বুদ্ধিস্থাপন করা তােদর সঙ্গত হতেছ না। যাহা উৎপন্ন ' থাকে, লােকে সেই গুণনিৰহ ধারণ করিয়া চরমজীবম্মুক্তভাব হইয়া বিলীন হয়, তাহা কোন বন্ধু হতে পারে না। (যেমন ' প্রাপ্ত হয় না। জীব ইহজমে যা জাতিগুণসম্পন্ন হয়, পরজন্মেও জলদহ)অতএব হে রাখব। যাহা দেখিতেছ, সমস্তই আভাস | তাহার উজাতিগুণ শালমধ্যে উপস্থিত হইয়া থাকে। অর্থাৎ চিংপ্রতিৰিষমা , ইহা সংও নহে, অসংও নহে। যাবৎ | কবল আজ জীবগণ নিখিল্যক্তন ভাৰসমূহ প্রান্ত হয়, কিন্তু মুক্তিলাভ না হয়, তাককাল অভিব্যক্ত অন্তচিত্ত স্পষ্টরূপে একমাত্র পৌরুষেই কাৰ্য্যে সফলপ্রয়াস হওয়া যায়। দেখ, প্রবল উকে কিরীভূত করে বলিয়া উহা তৎকালে অসৎ নহে, আবার পরাক্রম রাজগণও পৌরুষৰলে পরাজিত হইয়া থাকেন। তাম যখন মােহনিভি হইয়া , তখন তাহার অস্তিত্ব থাকে না । কাজলী বা মিশ্রিত অতি আশ্রয় করিয়াও একমাত্ৰ ধৈৰ্যৰলে, বলি ইল(আভাস) সৎও নহে। হে রাম। মােহজল একান্ত পক্ষ হইতে দেয় স্থায় বুদ্ধিকে উদ্ধার করিবে, (পাপপঙ্ক হইছে অসং, অতএব জ্ঞান দ্বারা তাহার আর কি নিরাস হইৱে ? অত- অপসারিত করিয়া পূণ্যপথে প্রবর্তিত করিবে)। ১১-১৫ (সাং- এব যে কোন সঙ্গতিতে (অনির্বচনীয় অধ্যাসরূপ) এই সমূহ ' গণ স্ব স্ব বিকেলেই সাকিজান্সির হইয়া থাকেন। অতএব হেরই কারণ হইয়াছে। জগ যখন অস, তখন আবার ' হে রাখব। স্বচ্ছ চিলিতে থাৎ সংলগ করা যাইবে, চিত্ত তখনই নেহ কি ? মােহের কারণই কি? অতএব তুমি জন্ম মৃত্যু ও ভক্ষ হইবে। পুরুষকার তাহা হইতে উৎপন্ন হয়। যাহারা হিতি বিষয়ে সর্বদা বিরত হইয়া আকাশের ন্যায় সর্বত্র স মুমু তাঁহাৱা পৌবম্বেই ইহজগই মহাখালী । ও দিনৰে ৰন কর। ১-২৫। গাং অন হইয়া থাকেন। কার্গে, মর্তে এবং যে একষষ্টিত সর্গ সমাপ্ত।। নিকট এমন কিছুই নাই হা গুণনের পৌরুষএসে লভ্য দ্বিতি-প্রকরণ। না । ব্রহ্মচর্য, ধৈর্য, বীৰ্য্য ও বৈরাগ্য ব্যতিরেকে কখনই , প্রভৃতি গুণমও পৰিত হইয়াছে, বিশুদ্ধ সার্বিকও বাধ সমীহিত সিদ্ধ করিতে পার না। তােনাকে এই যে অন্যকে ' হইয়াছ, অতএব সত্বগুণলী জীবমুক্ত ব্যক্তিবিগের কর্ম বিষয় উপদেশ করিলাম ইহা নিখিল-আণর আত্যন্তিক দুঃখশান্তি- (সপ্তমভূমিকারুপ কাধে মনগনিকে কর, এই (বৈরাগ্য-এ- প্রদ ও বিভিশয় আনন্দস্বরূপ বলিয়া অতি হিতকর, তুমি রণে বর্নিত সংসাত্মাসক্তিরূপ মােহচিন্তা যেন তােমার হাতে বক সগুণের বৃদ্ধি করত বুদ্ধিবলে ঐ আত্মত্বকে আত্মভাবে স্থান না পায়। ১৬-১। হির করিয়া শােকগান্তি কর। এইরূপ উপায়ে অপরেও বিগত ম সর্গ সমাপ্ত। ২। শােক হইয়া মুক্ত হইতে পারিবে। হে রামচন্দ্র। তুমি এক্ষণে বিনেরে মহামহিমান্বিত (অতিৰিবেকী) হইয়াছ, তোমার শান্তি- স্থিতি-প্রকরণ সম্পূর্ণ।
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ উপশম-প্রকরণ। তৎকালে বশিষ্ঠদেবের বকভাবে চন্দ্রকলার ন্যায় অভিবিষণ- এথম সর্গ। আম্বরূপ নিয়ে করিতে পারি। নিজ দয়ে পরমাত্মার বলে কহিলেন, পুকরণে মনের স্থিতিই সকল জ্যেতি বিলােকনে সমর্থ হইলেন। ৭-১০। সেই পবি- প্রপঞ্চের বিতির ইহা দেখাইয়াছি; এক্ষণে উপশম প্রকরণ বাক্য শ্ৰষণে শক্ৰলন শত্ৰুদ্ধের চিত্ত পূর্ণভাৰ ধারণ করিল শ্রবণ কর। এই উপশমপ্রকরণের অ ভাল করিয়া হৃদয়ঙ্গম এবং আনাতিশয়ে তঁাহার বদনমণ্ডল পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় বিষণ- করিতে পারিলে মােক্ষমার্গের অধিকারীয় নির্ধাণ অতি নিকট- শােভ ধারণ করিল। সুমিত্রের দুঃখভারগ্রস্ত অন্তঃকবল তৎকালে বর্তী হয়। বাকি কহিলেন, শরতের সমুজ্জ্বল নক্ষত্ররাজি- বিমল মৈত্রীমুখাস্বাদ প্রাপ্ত হইল, তাহারও বদন বিকসিত- মণ্ডিত বিল-আকাশের সশ, সেই সুন্দর স্থিরতা-পরিপূর্ণ রায়- শতদলের ন্যায় শােভা ধারণ করিল। সেই সভাতে বিরাজমান সভায় যখন গবান বশিষ্ঠদের এই প্রকার আনলকর ও পরম- অন্যান্য নরপতি ও মুনিগণের মানসর সে সময়ে বিমল-শান্তি, পবিত্র বাক্য বলিতে আরম্ভ করিলেন, সেই সময় সমধ্যবর্তী জলে প্রকাশিত হই এবং হাদিগের চিরেও উল্লাস নৃপতিগণ অত্যুৎকটবণেচ্ছার বশবর্তী হইয়া এই প্রকার ক্রমশই বিকাশ পাইতে লাগিল। এই সময়ে সংসা মেরে নিশ্চলভাৰ অবলম্বন করিয়াছিলেন যে, হাদিগকে দর্শন করিয়া ধ্বনির ন্যায় অতি গম্ভীর মধ্যাহ্নকালসূচক শঙ্খধ্বনি দয়- বােধ হইতে লাগিল যেন, শরচ্চত্রের রজকিরণস্পর্শে বিকসিত গুলকে পরিপূরিত করিল সমুদ্রতরঙ্গালীর অতি সহীরধ্বনি কুমুদরাত্রি নিবাত-নিষ্কশ কুমুদসহােবরমধ্যে উমুখে অমৃর্ষী সেই শঙ্খধ্বনির সমান বলিলেও অত্যুক্তি হয় না, বষার নিশাকরের বিমলধারার আস্বাদন করিতেছে। যে সকল ঘনঘটার গভীরগর্জনে কোকিলের মৃদুস্বর যেমন মিশাইয়া বিলাসবতী নর্তকীসভার শেভৰিধান করিতেছিল, তাহাদিগেরও যায়, সেই প্রকার মধ্যাহ্নকালীন সেই তুমুল শখনিনাদে বণি হইতে সে সময়, চিরসন্ন্যাসিনী-যােগিনীগণের স্যায় চিরসঞ্চিত দেরে মৃদুস্বর মিশাইয়া গেল। ১১-১৫। এই সময়ে মুনি গেদু ও মত্ততা দূর হইয়া গেল এবং শান্তিখের বিমল কাস্বা নিজৰাক্য নিৱত করিলেন , কারণ, মহাজনের স্বভাব এই যে, পনে তাহার পুলকিত হইয়া উঠিল। চামরবাহিনী ললনাগণের তাহারা অপর হইতে পরিভূত নিজগুণের ব্যবও করেন না। করপরে হংসের সদৃশ শােভমান চামররাজিও সেই সময়ে নিকম্প, মধ্যাহ্নখধ্বনি শ্রবণে ক্ষণকাল বিশ্রাম করিয়া পরে সেই তুমুল বারণ করিয়া পান্থ শাখস্থিত বিস্ময়ে পরিত্যক্তকার, নিনাদ বন্ধ হইলে মুনি বশিষ্ঠদেব রামচকে কহিলেন, বৎস নিশ্চল বাসলের স্থায় শোভা পাইতে লাগিল। সেই সময় অদ্য আমার বক্তব্য আমি শেষ করিতেছি, আগামী ভধারণে সমর্থ কতিপর নরপতি বিস্ময়াবিটিতে নাসার নি- কল্য আমার বক্তব্যের অবশিষ্ট অংশ পুনঃ শ্ৰৰণ করাইৰ আগে অনীর অগ্রভাগ বিজ্ঞস করিয়া অতি স্থিরভাবে মনে নিয়ভিএভাবে মধ্যাহ উপস্থিত হইয়াছে, এই সময়ে বক্ষণ- মনে ভগবান শিষ্ঠদেবের বচনাবলীর অার্থবিষয়ে বিচার করিতে গণের মাৰিহিত কৃত্য সম্পাদন করিতে হইবে, অবশ্য লাগিলেন। ১। পূর্বদিকের কারময় পীঠ পরিত্যাগ কব কার্যে অবলাে করা উচিত নহে। হে প্রিয়শন। করিয়া ভগবান হবে, গণ-সিংহাসনে আলোহণ কৰিলে, তুমিও উঠ, যাও, এই সময়ে বিহিত মানগালালি ক্রিয়ার প্রভাতকালীন কোন বিকশিত হয়, নাচত্রেও মুখশ্রী সেই অনুষ্ঠান কর, তুমি আচরকুশল, সদাচারপ্রতিপালনে তােমার সময়ে তদ্রুপ বিকসিত হইয়া উঠিল। অবিশ্রাবণী নবীন- অবহেলা সম্ভবপর নহে।” এই কথা বলিয়া মহামুনি ঋণ এলধরের গল্পীর-গর্শন এরণে উন্মুখ ময়ুষের ন্যায় মহারাজ মহারাজ শখের সঙ্গে সঙ্গ হইতে উন করিলেন। উক্ত শৰথও ভগবান বস্তির বা শ্ৰণে অন্য অতিশয় উৎসুক পত্মে শৃঙ্গ হইতে যুগপৎ চন্দ্র-সূর্য উদিত হইলে যে প্র হইয়া উঠিলেন। মক্কটের তার চঞ্চল মনকে সকল শােভবপর হ, উনকালে মহামুনি ৰণিগুনেব ও মাজ একার ডেগচিত হইতে নিবৃত্ত করিয়া বল্ল সারণও সেই রথও সেই প্রকার অপূর্ব শােভা এরশ করিলেন।৬-১। সময় সেই মধুর অনিবার ও সর্বতােভাবে অভিনিবেশ তঁাহালিকে উখান ত্রিতে দেখিয়া সেই সন্তু সকলেও অবলন করিলেন। দুশিক্ষিত ও বলৰিমহাভাৰ ঘণও এ এত হইল। মলমাৰিলােতে নিলােচনা রাম। ৫ উপম-প্রকরণ। - T সলিলী কম্পিত হলে যেমন মনােহর শােভা হয়, উখনকালে | লােকের নমস্কার গ্রহণ করিতে করিতে নিজ আশ্রমে গমন করি- ( সভারও সেই প্রকার মনােহর শােভা হইল। সন্ধ্যাকালে ভাগ্নে লেন, গমনকালে দেবগণও তাঁহার সম্মান প্রদর্শনার্থ পশ্চাৎ পশ্চাৎ কমলকুল ধারণ করিয়া জলাশয় হইতে উখান ফরিবার সময় গমন কষিতে লাগিলেন। পিতামহ ব্রহ্মা নিজলােকে গমন গঘটা যেমন সুন্দর দেখায়, উঠিবার সময়ে সমণে কর্ণাবতস করিবার সময় যেমন শােভাবরণ করেন, ভগবান্ বশিষ্ঠদেবও ইতে উডডীয়মান ভ্রমররাক্তি সম্পর্কে নরপসিওলীও সেই | নিজাশ্রমে গমনকালে সেই প্রকার শোভা ধারণ করিলেন। স্বীয় প্রকার সুন্দরভাবে বিলােকিত হইয়াছিলেন। ধরা বশঃ নরপতি- | আশ্রমঘরে উপস্থিত হইয়া বশিষ্ঠদেব,শাবনত রামচন্দ্র প্রভৃতিকে গণের অনিকরের পরস্পরসণ হওয়ায় তঁাদের হস্তের পদ্ম- নিজ নিজ আৰসে প্রত্যাবর্তন করিতে আদেশ করিলেন। অনন্তর রাগাদি মণিখচিত বয়সকল চূর্ণিত হইয়া পতিত হইল, সুতরাং তিনি যথাক্রমে ব্যোমচর, ধরণিচর ও পালচৰ মহাত্মগণকে তখন সেই সভা অরুণবর্ণ মেয়বেষ্টিত সন্ধ্যায় বিচিত্র শােভা স্মরণ | গুণানুসারে একে একে প্রবর্তন করিতে আদেশ প্রদান করাইতে লাগিল। সমশে নৃপতিগণের শিলােভই শিৰােমাল্যদাম করিয়া আশ্রমে প্রবেশ করত ব্রাহ্মণোদিত মধ্যাহ্নলিয়া সম্পাদন ইতে উড্ডীয়মান ভ্রমরমালা সেই সময়ে বিচিত্র গুন গুন ধ্বনি! করিলেন। ৩৬–৪৯। করিতে লাগিল। নৃপতিমণ্ডলীর মস্তকৰেশে কম্পমান মুকুটরাজস্থ প্রথম সর্গ সমাপ্ত। বিচিত্র সমূল রসমুহের প্রায় সামশুল যেন শত শত ইন্দ্রধনুতে পরিপূরিত হইয়া উঠিল। ২২-৫। তার ন্যায় কম- নীয় ললনগণের কম্পনশীল হস্তাগ্ৰে দোদুল্যমান মনোহৰ চামর- দ্বিতীয় সর্গ। ৰূপ মরীনিবহে সেই সভা তৎকালে মুবারণকুলের দ্বারা আলো- ডিত বললেখার সদৃশ শােভা ধারণ কবিল। পরস্পরণেৰ স! বাকি কহিলেন,-চক্রের সদৃশ সুবিমলকান্তি সেই রাজ- স্কুল বয়াবলীর নানাৰ মণিপ্রভায় সেই সুলগণের পরি- কুমারগণ নিজ নিজ গৃহে উপস্থিত হইয়া দিসােচিত কাৰ্যসকল নব সকল রঞ্জিত হওয়াতে সেই সভা কলে বায়ুকম্পিত লতা সম্পাদন করিলেন, বশিষ্ঠদেব রাক্ষ, মুনি, ব্রাহ্মণগণ ও ইতে চুত পুষ্পভাবে বিকীর্ণ মন্দারবনরাজির সদৃশ শোভ। ' অন্যান্য প্রধান প্রধান নরপতিগণ যেরুপে দিবিহিত কাৰ্যসকল শাৰণ করিল। বিকীর্ণ কররাশিতে মধ্যে মধ্যে অনথেশ শু সম্পাদন করিলেন, তাহা বর্ণন করা যাইতেছে। তাহারা বিকশিত হওয়তে শলংকালের খণ্ড খণ্ড -মেঘাল আরুত দিকের কলার, কুমুদ ও পদসমূহের পরাগসম্পর্কে গন্ধি এবং চক্র- য সেই সত। পরমসুন্দর-ধাৰণ কৰিল , বিকশিত মুকুট। বাক, হংস প্রভৃতি জলচর পক্ষিগণের মপুরধ্বনিতে নিনাদিত, নিৎস্থিত মণিনিকরের লােহিতপ্রায় নীলবণ বস্ত্রসকল রঞ্জিত সুবিমল-জলাশয়ে গান করিয়া ব্রাহ্মণগণকে গাভী, ভূমি,, তিল, হওয়াতে সেই 'মগুলে তৎকালে প্রলয়কালীন সংহারচক, স্বর্ণ, শষ্যা, অসিন, রঞ্জিতাকি গাত্র ও বহুবিধ বস্তু ন কমিয়েন। নীল’রুমালার উপরে পতিত অস্যোমুখ সূর্যরশ্মিযােগে লােহিত। তৎপরে তাঁহারা নিজ নিজ সুবর্ণ ও রত্নমণ্ডিত দেবমন্দিরে প্রবেশ ভীশ সন্ধ্যার স্থায় শােভ' দৃষ্ট হইতে লাগিল। ললনগণের করি নারায়ণ, মহেশ্বর, অগ্নি প্রভৃতি দেবগণের পূজা করিলেন। ৰণরূপ জলরাশির উরে উহাদের সুন্দর-ৰদনরাজি । मनाउन হার যথাসৰ পুত্র, পৌত্র ও সু- জীববৎ শােভা পাইতে লাগিল। সেই সময় তাহাদের 'গণের সহিত মিলিত হইয়া উৎকৃষ্ট ও পবিত্র ভােজ সকল চৰণে মনােহর পুরঝঞ্চার হওয়াতে বোধ হইতে লাগিল যেন, আর করিলেন। এই সকল কার্য পরিসমাপ্ত হইতে হইতে স্বাসরােবরে ভ্রমরকুলের সহিত মিলিত হইয়া হংসকুল নিনাঙ্গ দিবাও ক্রমে ক্ষীণ হইয়া আসিল। ক্রমে সন্ধ্যাকাল উপস্থিত হইলে করিতেছে। নূতন প্রাণিনিচ রেষ্টিত নবসৃষ্টির ন্যায় ভূপালমাল- তাহারা সায়ংকালােচিত বৈধৰ্য্য সম্পাদন করিলেন। তাহারা (ষ্টিত সেই বিচিত্র রাজস হইতে সকলে এককালে উখান ' সন্ধ্যাদেবীর বন্দনা করিলেন, অঘাণ মন্ত ও পবিত্র স্তোত্ৰসকল এরশন। অনন্তর সমুদ্রোখিত বিচিত্রর প্রভা সম্পর্কে ইন্দচাপ, পাঠ করিলেন এবং মনোহর পবিত্র গাথাসকল গান কৰিলে। ময় অঙ্গালীর ন্যায় মনােহরদর্শন নরপতিকুল মহারাজ দশৰথকে ক্রমে কামিনীগণের ব্রিহপ-হারিণ চসম্পূর্ণ-শীতল মা- ভিবাদন করিয়া রাজসভ হইতে প্রস্থান করিলেন। বামদেব । রজনী দিঘণ্ডল আচ্ছন্ন করিয়া উদয় প্রাপ্ত হইল। ৬-১। বামিত্র প্রভৃতি মুণিগণ মহামুনি বশিষ্ঠকে পুরােৰী করিয়া এই প্রকার সুখময়ী রমনীর সমাগম হইলে মহারাজ দশরথের গাবাজের নিকট গমনের অনুজ্ঞ পাইবার জন্য অব। প্রতীক্ষা পুত্রগণ বিশ্রামকানায় বিচিত্র সুগন্ধি কুসুমজালে আতীর্ণ, করিতে লাগিলেন। মহারাজ দরখও সেই সকল মুনিগণকে সুকোমল, মূল্য, চগুলের ন্যায় অবিল-শয্যায় শক্ষন পূজা করিয়া তাহাদের নিকট হইতে গমনের অজা গ্রহণ করত করিলেন এবং রামচন্দ্র ব্যতিরেকে অপর ভর যিলনিদ্রার নিজ মধ্যাহ্নকৃত্য সম্পাদনার্থ প্রস্থান করিলেন। ২৬-০৫।' আবেশে সেই দীঘ যামিনীকে মুহূর্তের স্থায় অতিবাহিত করিলেন। অনন্ত গরপিন এতে সভায় পুনরাগমনে কুতনি হইয়া | রামচন্দ্রের কিন্তু সে রাত্রিতে নিদ্রা আসিল না। করিয়া যেমন বাসিগণ নে, আকাশবাসিগণ আকাণনাগে এবং নাগরিকগণ নবী করিণীর চিন্তা করে সেই প্রকার তিনিও ভিলেবের নেই নগরে এন্মান করিলেন। মহীপাল শখও বশিষ্ঠদেবের একান্ত | সকল মনােহর ও অগিভীরভাবযুক্ত বাতাবলীর চিন্তা করিতে এলায় মহালি বিশামিত্র নিজ আশ্রমে গমন না করিয়া,! লাগিলেন, তিনি ভাবিতে লাগিলে, এই সুখ-দুখ-মােহময় বশিষ্ঠদেরে খুবেই সেই রাত্রির জন্য আত্যি স্বীকার করিলেন। সংসারজালে পরমাত্মার নিজস্বরূপে আশ্রিত হইয়া জীগণ কি রাম প্রভৃতি দশমতনণ, বিপ্রেম, মুনিগণ ও অন্যান্য প্রকারে অজিত হইয়া বিচরণ করে। এই সকল জন্মে এত নরপতির কর্তৃক পরিপূজিত হইয়া মহামুনি বশিষ্ঠ সকল 'সরূপই বা কি? এই সকল দৃশ্যমান ভূতকেই গাউছুই T যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ কেনই বা তাহারা অাবার ছায়ায় স্টায় অসীম অব্যক্ত অনন্তে , হেজীব। কৰে তোমার চিত্ত নির্মাত-দীপশেখার ন্যায় শান্তভাৰ মিশাইয়া যায় ? এই অবিব্রতচঞ্চল, বিকাময় মনের প্রকৃত ধারণ করিবে এবং অভ্যন্তরীণ অশুদ্ধকপ মেজানের অপ- স্বরূপ কি ? কি উপায়েই বামন শান্তি লাভ করিতে পারে ? শাস্ত্রে ' সারণে পর পবিত্র আলোকে তুমি নিজ এনসকে সর্বদা উদ্য- বলে, সকলই মায়া; মায়া কোথা হইতে আসিল ? যদি আসিল, সিত দেখিৰে? ২৬-৩০। কবে ইন্দ্রিয়গ্রাম অবলীলাক্রমে সকল তবে কিরূপেই বা হ'ব নিবৃতি হইতে পারে? ১১-১৫। প্রকার দুঃখ হইডে পৰিত্ৰাণ পাইবে ? হায়! এক্ষণে এই সকল অকস্মাৎ যদি মায়া আসিল, তবে নিবৃত্ত হইও ও আর, এক- ইলিম দুশ্চেষ্টারূপ তীব্ৰদাবানলে দগ্ধ হইয়া যাইতেছে, বিস্তৃত আৎ আসিতে পারে। এ মায়ার নিবৃত্তিতে লাভই বা কি? শুদ্ধ পক্ষসম্পন্ন পজিগণ যেমন অনায়াসে সাগর পার হয়, সেইরূপ এই স্বভাৰ নিত্যানন্দময় আত্মাতে এই মলিনস্বভাব মায়ার সম্বন্ধ কি সকল ইন্দ্রিয় কবে দুঃখসাগর পার হইবে ? “আমি সেই, আমি প্রকারে পটিয়া উঠিল ? এই দুনিৰ্ধার ইঞিসকলকে জয় করিবার মুঢ়, আমি কাঁদিছে, আমি দুঃখিত” এই প্রকার অহিতকর উপায় কি ? আত্মাকে জানিবার উপায়ই বা কি এবং জানিয়া ব্যর্থ ভ্রমজল শব্রে আকাশে খণ্ড খণ্ড মেঘের ন্যায় কবে আস্থা- কতই বা কি? শাস্ত্রে শুনিয়াছি, জীব, চিত্ত মন ও মায়া প্রভৃতি কাশে মিশিয়া যাইবে ? যে পরমপদ প্রাপ্ত হইলে মন্দরবনের প্ৰপক্ষিত-রুপের সাহায্যে পরমাত্মাই এই পবিমান সংসার প্রতি উৎকবুদ্ধিও তুচ্ছ বলিয়া বােধ হয়, সেই স্বীয়পদ কবে বিস্তার করিয়াছেন। এই সকল বস্তু বসন'-কল্পিত মানসসূত্রে আমরা প্রাপ্ত হইব? রে মন। বল দেখি, বীজাগ সন্ন্যাসিগণ, পরস্পর আবদ্ধ হইয়া দুখানুভবের হেতু হয়, আবার ইহুৱাই কর্তৃক উপদিষ্ট নিল জ্ঞানদৃষ্টি কখন কি ভােমার ভাগ্যে ঘটিয়া পরস্পর বিযুক্ত হইলে দুঃখখপশান্তি হইয়া থাকে। এই সকল উঠিবে ? “হা পি! হ মাতঃ। হাপুৰ।” ইত্যাদি সাং- দুঃখনিন মন প্রভৃতি রােগকে কি প্রকার চিকিৎসার দ্বারা ঠিক কথা যেন আমার মুখ হইতে কোন দিন নির্গত না হয়। শান্ত করা যাইতে পারে ৭ হংস যেরূপ (দুগ্ধমিতি) জল হইতে রে মন। সংসারের দুঃখরাজিকে সুখ বলিয় ভােগ কবিতে যেন দুগ্নাংশ পৃথক করিয়া লয় সেই প্রকার বিচিত্রমানস-বৃত্তিরূপ বলাকা- তােমার প্রবৃত্তি না জন্মে। ৩১-৩৫ । হে ভগিনি বুদ্ধি । আমি শােভিত বহুবিভােগ মেথজল হইতে কি উপায়ে আসুবুদ্ধিকে তােমার ভাতা, তুমি আমার প্রার্থনা পুরণ কর। আইস ভগিনি। নির্মুক্ত করা যাইতে পারে ? ১৬-২০। ভােগ ত ভ্যাগ করা আমরা দুইজনে আমাদের মঙ্গলের জন্য ভগবান বশিষ্ঠদেবের যায় না, অথচ শাস্ত্রে বলে, ভােগ ভাগ না করিলে বিপদ হইতে বাক্যসকলের বিচার করি। হে মতি। হে মতি। তুমি আমার প্রয়া, উদ্ধারের সহুৰ নাই। হায়! এ যে বিষম সঙ্কট দেখিতেছি। ভপি তােমার পায়ে ধরিয়া প্রার্থনা করি, হে মতি। সংসার- মন বিশুদ্ধ না হইলে জ্ঞানের উদয় হয় না, অথচ মনের দুঃখচ্ছেদৰূপ পরমমঙ্গললাভের জন্য স্থিরভাব অবলম্বন কর । বিভােগ যিটিবার নহে, এক্ষণে কি উপায়ে এই প্রকার মলিন- বশিষ্ঠ মুনি প্রথমে বৈবাগ্যের উপদেশ দিয়া যথাক্রমে মুমগণের চিকে নির্মল করা যাইবে ? ইং জীবের পক্ষে অত্যন্ত দুঃসাধ্য আচার ও জগতের উৎপতিক্রমবিষয়েও উপদেশ প্রদান করিয়- 'বলিয়া বােধ হইতেছে। বালক যেমন কল্পনায় ভূত নিৰ্মাণ করিয়াছেন। হে মতি। তুমি এক্ষণে স্থিরভাবে মুনির সেই সকল সেই ভূতের হত হইতে পরিত্রাণের উপায় খুঁজিয়া পায় দৃষ্টান্তপূর্ণ, জ্ঞানগর্ভ সুর বাকসকলের অং মরণ কর। না, অভাগ্য জীবগণও সেইরূপ কলিন্ত মানসিকমল হইতে মনের দ্বারা কোন সার শতবার বিচার পূর্বক স্থির করিয়া উদ্ধার পাইবার পথ নির্ণয় করিতে পারে না , নবযৌবনা রাখিলেও যতক্ষণ সেই বিষয়ে দৃঢ়তর নিশ্চয়াত্মিকা মতি উৎপন্ন দয়িতসমাগমে যে প্রকার ব্যাকুলতা ত্যাগ করিয়া, শাস্তি না হয় ততক্ষণ সেই বন্ধু কোনক্রমেই ফলপ্রদ হয় না, এই অনুভব করে, সেই প্রকার আমাদের সংসারব্যাকুলামতি কি অন্য শাস্ত্রীয় গভীরতত্ত্বগুলি বুঝিলে চলিবে না, কিন্তু সেই সকল কোন বিবিধ প্রাপ্ত হইয়া পরম শান্তি পাইবে ? আমার ভবিষয়ে যাহাতে দৃঢমতি উর হয়, সে জন্য যত্ন করা একাই নন কবে নিস্পাপ হইয়া পবিত্র ধারণ করিবে এবং সেই বিধেয় ' ৩–৪০। পবিত্রতার এখবে আত্মবিশ্রান্তি লাভ করতঃ সকল বন্ধুহেতু দ্বিতীয় সর্গ সমাপ্ত। ২। আর হইতে নিষ্কৃতি লাভ করিয়া সকল বিষয়ের ঔৎসুক্য হইতে বিরত হইবে? পূর্ণকলাশােভিত চন্দ্রমা হইতেও শীতল, আনন্দময় পদে আট হইয়া কবে আমি অনাসক্তভাবে গ্যাসিবেশে তৃতীয় সর্গ । এই গতে বিচরণ করি?১-৫। অঙ্গ যেমন (নিজ রূপ বার্থক কহিলেন,-পদ্ম যে প্রকার সূর্যোদয়কামনায় রাত্রি- ত্যাগ করিয়া) চুলে বিলীন হইয়া যায় সেইরূপ কল্পনামখুর অথচ যাপন করে, সেই একার পূর্বোক্তরূপ উজারচিত্তাপরায়ণ রামচন্দ্র পরিণামভয়ঙ্কর এই প্রপঞ্চময় রূপ পরিত্যাগ করিপ্পা আমার মন | প্রভাতে বশিষ্ঠৰচন এবণলালসায় কোনরূপে সেই রাত্রি যাপন কৰে আত্মতে লীন হইবে, কবেই বা বিনাশাহিত পাখি করিলেন। যে সময় আকাশের অন্ধকার মন্দীভূত হইয়া আসি, নুভব করিবে? বিষয়তৃষ্ণারূপ তরঙ্গমালার আবৃত ও আশারূপ তারানিবহ ধীরে ধীরে বিলীন হইতে লাগিল এবং নবর্ণিত হিংস্ৰমকরজালমণ্ডি এই অপার সংসার-সাগর পার হইয়া কৰে | অরুণভায় দিমণ্ডল আলােকিত হইয়া উঠিল, সেই সময় আমি ত্রিবিধতাপ হইতে মুক্ত হইৰ ? কবে আমরা সেই সকল প্রভাতসূচক তুৰ্য্যধ্বনি শ্ৰষণ করিয়া চক্রবদন রামচন্দ্র করুন- শান্তিৰিতচেতাঃ নুমকু যতিগণের সেৰিত পদবী আশ্রণ করতঃ সরােবর হইতে কমলের ন্যায় প্রফুলবদনে শষ্যা হইতে উথান করি- লােক হইতে মুক্ত হইয়া সর্বভূতে সমদৃষ্টি হইতে পারি ? সৰ্বা-; লেন। অনন্তর রামচন্দ্র প্রাতমান করিয়া ভ্রাতৃগ সমভিব্যাহারে সন্তপকারী, সকল প্রকার শারীর ধাতুরুপক্ষে অতি ভীষণ, অতি- | অলমাত্ৰ-পরিজনবেষ্টিত হইয়া বশিষ্ঠগৃহাভিমুখে শুনুন করি- কালাপ এই সংসার কোন্ দিন বিনা প্রাপ্ত হইবে? লেন। যথাকালে তিনি সেই স্থানে উপস্থিত হইয়া দূর হইতে উমপ্রকরণ ২৭. নির্জনদেশে সমাধিনিরত বশিষ্ঠদেবকে দর্শন করত অবনত ভগবান্ বশিষ্ঠদেবের এমন মধুর শান্তিময় উপদেশ শ্রবণ করিতে করে ভক্তিভরে সঁহাকে নমস্কার করিলেন। ১-৫। রাজপুত্রগণ | পাইব কেন?” নদি হইতে উপগত পুরবাসী, গ্রামবাসী ও বশিষ্ঠদেককে প্রণাম করিয়া তদীয় ধ্যানজঙ্গের প্রতীক্ষায় অঙ্গন | জনপদবাসিগণ অনিম্ৰতাৰে নিঃশলে বশিষ্ঠদেষকে প্রণাম ভূমিতে বিনয় সহকারে অবস্থিত রহিলেন। রাত্রির অন্ধকার | করিতে লাগিলেন, আকাশমার্গে সিল্ক, বিদ্যাধর ও গন্ধর্বগশ, দিব্য একেবারে দূর হইয়া দিগুল আলোকিত হইলে, অন্যান্য নরপতি | মুনিগণ এবং ঋষিগণও অতিগৌরবসূচক অস্পষ্ট জয়ধ্বনি সহ- রাজপুত্র, ঋষিগণও ব্রাহ্মণগণ,দেবগণ যেমন ব্রফলােকে গমন করেন, কারে তাঁহাকে অভিবাদন করিতে লাগিলেন। সভাগৃহের চতু সেইরূপে বশিষ্ঠদেবের গৃহে আগমন করিতে লাগিলেন। বশিষ্ঠ- | দিকে সংস্থিত জলাশয়মধ্যে বিকসিতকমলকিরের পরাগভরে দেবের সেই ভকন জমে হস্তী, অশ্ব, নখ ও মনুষ্যে পরিপূরিত পীতপ্রভ ধারণ করিয়া বায়ু, মমভাবে বহিতে লালি এবং হইয়া উঠিল, সুতরাং সেই মুনিগছ নরপতি-ভবনের স্থায় বিচিত্র | সেই বায়ুভরে গােলাম্বিত ক্ষুদ্রঘটিকাসকলের মধুর ধ্বনিতে শােভ ধারণ করি। ক্ষণকাল পরে বশিষ্ঠদেব সমাধিভঙ্গ 'অন্যান্য গৃহের মৃগীতধ্বনিও পরিভূত হইয়া আসিল। সভা- করিলেন এবং যথাবিহিত আচার ও উপচারের দ্বারা সেই প্রণত প্রাঙ্গণে বিকীর্ণ-কুসুমরাজির দিগন্ধের সহিত অগুরু প্রভৃতির জনগণকে আপ্যায়িত করিলেন। তদনন্তর কমলদ্বােনি যেমন পদ্মে আমােদময় মরাশি মেঘমণ্ডল পর্যন্ত স্পর্শ করিতে লাগিল এবং আরােহণ করেন, সেইরূপ অগণিত মুনিও বিশ্বামিত্রের সহিত ধূমরাশিতে বিলীন ভ্রমরমাল সেই সময়ে কেবল মখ ঝকাৱ- গৃহ হইতে নির্গত হইয়া বশিষ্ঠদেব সহ সভাগৃহে যাইবার জন্য ধ্বনিতে বিভাবিত হইতে লাগিল। ২২-২৭। দিব্যরথ আরোহণ করিলেন। ৬-১০। ব্ৰহ্ম। যেমন দেবসৈন্ত- পরিবৃত হইয়া ইন্দ্রনগরে গমন করেন, সেইরূপ তিনিও সৈন্যগণ তৃতীয় সর্গ সমাপ্ত। পরিবৃত হইয়া দশরথপতির গৃহে গমন করিলেন। অনন্তর রাজহংস যেমন হংসযুখবেষ্টিত হইয়া কমলিনীরূপ মন্দিরে প্রবেশ করে, বশিষ্ঠদেবও সেইরূপ প্রণতজনপূর্ণ সেই দাশরখী সভায় চতুর্থ সর্গ। প্রবেশ করিলেন। (তদ্দর্শনে। সেই সময়ে মহাবীর মহারা বাকি কহিলেন, অনন্তর মহারাজ দশরথ মেয়ের গান দশরথ, (বশিষ্ঠদেবে অ্যৰ্থনার্থ) সিংহাসন হইতে গালাখান স্তীরস্বরে নিস্পষ্ট সরলপদাবলী বিন্যাসপূর্বক মুনিশ্রেষ্ঠ বশিষ্ঠ- পূর্বক তিন পদ অগ্রসর হইলেন। অনন্তর বশিষ্ঠদেবকে অস্ত্রী, দেবকে বলিলেন,—“ভগবন। গত কন্য যে সকল অতিদী করিয়া ম' রাজ দশরথাদি নৃপতিগণ, মুনিগণ, ঋষিগণ, ব্রাহ্মণগণ, সারগর্ভ উপদেশবাক্য প্রয়ােগ করিয়াছিলেন, সেই জন্য শ্রান্তি সুমদি মহিগণ, সৌমাপ্রভৃতি পণ্ডিতগণ, রামচন্দাদি রজ! হইতে কি আপনি মুক্ত হইয়াছেন ও ভগ। অতিদীপ তপস্যা- কুমারগণ, শুভাদি মন্ত্রিপুণ, অমাত্যগণ, প্রকৃতিপুঞ্জ, সুহােত্র- ; চরণকরিয়া আপনি কল হইয়াছেন, সুতরাং তাদৃশ বৃহব্যাপি- প্রমুখ নাগরিক, মানবপ্রভৃতি ভূতগণ এবং পৌরাদি মালিগণ । উপদেশদানে আপনি নিশ্চয়ই পরিশ্রান্ত হইয়াছিলেন। হে ভা- সেই সভামধ্যে প্রবেশ করিলেন। ১১-১৬। অনন্তর তাহারা ; অনু। গত কল্য আপনি যে সকল অনিন্দদায়ক উপদেশবাক্য সকলেই বশিষ্ঠদেবের মুখের দিকে একদৃষ্টিতে চাহিয়া স্ব স্ব স্থানে | বলিয়াছেন, সেই সকল অমৃতবর্ষি-বাসমূহে আমরা আশ্বসুলাভ উপবেশন করলে, সভার কুলকলধ্বনি প্রশান্ত হইলে এবং ' করিয়াছি। চমর কব্লনিক যে প্রকার অন্ধকার না করিয়া বংশগণের কুতিপাঠ বন্ধ হইলে সেই সভাগৃহ অতি ধীর ও নীরব- শৈত্য বিস্তার করে, সেইরূপ মহাত্মগণের অতিবিমূলবাণীও ভাব ধারণ করিলবিকশিত কমলকো হইতে দিব্য পরাগগন্ধ হৃদয়ের মােহান্ধকার দূর করি। সংসার-তাপহারিণী শন্তির ীত- বহন করিয়া মৃদু গন্ধক ধীরে ধীরে সভামধ্যে দোদুল্যমান মুক্তা- লতা বিস্তার করিয়া থাকে। ভগব। মহাপুরুষগণের বাক্য জলকে কম্পিত করিতে লাগিল। সভার চতুর্দিকে দোলায়মান অতিশয় আনলুদ, উন্নণদের প্রাপ্তিকারণ এবং চিরসঞ্চিত সুনুমবক হইতে দিবগন্ধভরসম্পর্কে সেই বায়ু আরও মনোহর মােহায্যকারনাশক।১৫। যাহাকে আশ্রয় করিয়া আমরূপ হইতে লাগিল। সেই সময় অন্তঃপুরবনিতাগণ কুনুমশি- রঙ্গলােকনের দীপিকাস্বরূপিণ যুক্তিলতা উদয় প্রাপ্ত হয়, সেই বিরাজিত, গবাক্ষদেশে স্থাপিত, বিচিত্র স্নার উপরে আসিয়া সম্পনরূপ-বুক সকলেরই পূজনীয়। নৈশ-অন্ধকার বে প্রকার একে একে উপবেশন করিতে লাগিলেন।১৭-২১। রত্নজাল চমার, বিমলকরজালে বিধ্বস্ত হয়, সেই প্রকার জনগণের জড়িত অলঙ্কাররাশির প্রভায় পিঙ্গলপ্রভাধারিণী চারবহিনী- সুযুক্তিপূর্ণ ৰচনলে জগতের সকল প্রকার দুরধ্যবসায় ও দুফাৰ্য্য গণও যৌবনসুলভ চপল পরিত্যাগ করিয়া নিজ নিজ স্থানে নিবারিত হইয়া যায়। শরৎকালে নীল জলদমালা যেমন কথা মৌনভাবে দণ্ডায়মান রহিল। সভার প্রাঙ্গণে নানাবিধ ত্বরাজির , হয়, সেইরূপ হে ভগবন্! আপনার শুনে আমাদের পৃষ্ণ- অভ্যন্তরে বিনিবেশিত, মুক্তাজালের উপর নিপতিত রশ্মির লােভ প্রভৃতি সারনিগড় ক্রমে ক্রমে ক্ষয় প্রাপ্ত হইছে বাগে রখিত, ইতন্তত বিক্ষিপ্ত কুমসমূহের উপরে ভ্রমরসকল হে ভগ। যে প্রকার জন্মান্ধ ব্যক্তি রসানের প্রভাবে উপবেশন করিয়া গান্ধীণ না করিয়া তাহারা ভাবিতেছিল দেখিতে সক্ষম হয়, সেই প্রকার অামরা চির-সঞ্চিত মােহাচ্ছন্ন যে, এ স্থানে বহুজাল ও সূৰ্যগ্রভারঞ্জিত মুক্তাজালই রহিয়াছে, হইলেও আপনার উপদেশপ্রভাৱে নিশ্চয়ই সেই অপগত এ স্থানে কুসুম থাকিবার সম্ভাবনা নাই। এই কারণে তাহারা কষ পরমাত্মাকে বিলােকন করিতে সক্ষম হইব। আপনার ইতস্তত পরিভ্রমণ করিতেছিল। সাগৃহে যে সকল সম্মানাই ক্যাবলীপ শরৎকালের উদয় হওয়াতে আমাদের হৃদয় মহাজন উপস্থিত ছিলেন, তাঁহারা পরস্পর ধীরে ধীরে বলিতে। ভিন্নরূঢ় সরসরূপ জলদয়াল ধীরে ধীরে ক্ষীণভাব ছিলেন যে, আমরা কত পুণ্যই কবিয়াছিলাম, তাহা না হইলে থণ করিতেছে। ১০। হে মুনে। উন্নতমতি নজ- ।
২৮ বােগবাশিষ্ঠমাণ - গণের বাক্য যেরূপ অন্তঃকরণকে আলাদিত কৰে, পারি। দেশকে কোন্ সিদ্ধগণ মশুকে ধারণ না করেন ? সংসারুপ জামঞ্জরী অথবা মন্দাকিনীর অমৃতময় তরঙ্গও সে প্রকার মহামােহন্ধকারের আবরণকে প্রভিক্ষেপ করিতে আমরা উদ্যত আনন্দদানে সমর্থ হয় না। হে রামচন্দ্র। সাধুগণের সেবায় যে ' হইয়াছি, আপনার প্রসাদে আমাদের অন্তঃকরণ বাস্তদিবসের যে দিন অভিহিত হয়, সেই সেই দিনই প্রকৃত আলোকময় , | ন্যায় নি ভাব ধারণ করিয়াছে । হে ভগব। আপনার সদুপ- তন্নি আর সকল দিনকেই অন্ধকারময় বলিয়া আনিবে। বংস ' দেশ প্রথমে শ্রুতিমধুর, মধ্যে সৌভাগ্যবর্দক ও অন্তে পুরমশান্তি- কমলােচন রাম। ভগবান বিশিষ্টদেৰ প্ৰসন্নভাবে উপবেশন প্রদ। মনােবিকাশকারী, অতি পবিত্র, সর্বপ্রকার মালিবর্জিত, করিয়াছেন, তুমি এক্ষণে সেই নিত্যসিদ্ধ পরমাত্মরূপ প্ৰকৃতাৰ্থ- ' শত্রু ও মিত্রের সমভাবে অহলালক তদীয় উপদেশ যেন বিষয় লিসা করিতে পার।” মহারাজ শরণ কর্তৃক এই আমাদের অভীষ্টদানে সমর্থ হয়। হে সকলস্তুবিচারবিশারদ । প্রকার অভিহিত হইয়া উদারচেতাঃ ভগবান্ বশিষ্ঠ রামচন্দের। হে পূণ্যজপুর্ণ মহা! আপনি আমাদের প্রতি কৃপাপরবশ অভিমুখে অবস্থিতি করত বলিতে লাগিলেন। বশিষ্ঠ কহিলেন, 'হইয় আপনার পবিত্র উপদেশৰূপ বিমল জলধারা প্রবাহিত করিয়া হে রঘুকুলৈকচ মহামতে রাম! আমি পূর্বে যে বাক্য সংসারের চিরসঞ্চিত কসুষমল বিধ্বস্ত করুন, আপনার টয়লে বলিয়াছি, পূর্বাপর বিচার করিয়া তাহার অর্থ কি শরণ আমাদের ইহাই প্রার্থনা। ২৬–৩৩। করিয়া রাখিয়াছ? ১১-১৫। হে অরিন্দম। সও, সুজ ও চতুর্থ সর্গ সমাপ্ত । ৪। ভামণবশে বিচিত্র উৎপত্তিসমূহের যে সকল বিভাগ আমি পূর্বে তােমাকে বলিয়াছি, তাহা কি তােমার মনে আছে ? যে পরমাত্মা নিজে সর্বশ্বরূপ হইয়াও সর্বাঙ্গীত, যিনি গং পঞ্চম পর্গ। হইয়াও অসং এবং যিনি সর্বদা সর্বত্র উদিত, তাহার স্বরূপ কি তুমি বুঝিতে পারিয়াছ? তাহার বিশুদ্ধ পরুপবিষয়ে আনি বশিষ্ঠ কহিলেন,—“হে সুন্দরাকুতে রামচন' অৰধান সহ- যাহা বলিয়াছি, তাহা কি তােমার মনে আছে। দে সাধুবাদ করে এক্ষণে উপশান্তিপ্রকরণ শ্রবণ কর। এই উপশান্তি-প্রকাশে ভাজন সাধো রামভদ্র। এই পরিদৃশ্যমান বিশ্ব যে প্রকারে পর- শন্ত্রের অতি উত্তম সিদ্ধান্তসকল উপদিষ্ট হইবে, ইহ, এনে মেশ্বর হইতে সমুংপন্ন হইয়াছে তাহা কি তােমার মনে আছে? , লেকের হিত হয়। হে রাম' দৃঢন্ত দ্বারা যে প্রকার মণ্ডপ ধৃত যে অনের বিস্তৃত রূপ জ্ঞানার নিকটে জ্ঞানবলে ভঙ্গুর হইলেও হয়, তদ্রুপ রাজস ও আমলতি জীবগণই এই দীর্থসংসার- অজ্ঞানীর নিকটে অনন্ত ও অপরিসীম বলিয়া অনুভূত হয়, সেই মায়াকে ধারণ করিয়া থাকে। সর্প যে এবার মিজ পুরাতন কৃকে অজ্ঞানের বিষয়ে আমি যাহা বলিয়াছি, তাহা কি তােমার মনে অনায়াসে পরিত্যাগ করে, সেই প্ৰকাৰ সাত্ত্বিকপ্রতি ভােদশ আহে । আমি পুর্বে লক্ষণাদির দ্বারা প্রতিপাদন করিয়াছি যে, { ধীরগণ এই সংসার-মায়াকে অনায়াসে পরিত্যাণ বসিতে সক্ষম মনুষ্য মনােময় ব্যতীত আর কিছুই নয়, ভাঙ্গা কি তােমাস হন। হে সাধে' যহাদের প্রতি সাত্ত্বিক অষ, আংশিক মনে আছে ? ১৬-২০। হে রাম! আমি অন্যান্য যে সকল রাজসিক ও সত্ত্বিক, হারাই জগতের পূর্বে কি ছিল জগৎ প্রয়ােজনীয় বাক্য বলিয়াছি, তাহার অর্থ কলা নিয়ে সম্যক : কোথা হইতে আসিল এই প্ৰকাৰ বিচাৰ করিতে যত্নবান হন। প্রকার বিচার করিয়া হৃদয়ে বিনিবেশিত করিয়াছ কি ? হে শাস্ত্রোপদেশ, সজ্জনসেবা ও সৎকাৰ্যানুষ্ঠান ছায়া -হাদেব পাপ বংস। শাস্ত্রীয় পবিত্ৰবাক্যসকল পুনঃপুনঃ বিচারিত হইয়া অদয়ে ' নষ্ট হইয়াছে, সেই সকল ব্যক্তির দীপিকাপ পুদ্ধিই প্রকৃত বিনিবেশিত হইলে আশু-শুভদগদ হইয়া থাকে, অবজ্ঞাপূর্বক সার গ্রহণ করিতে সমর্থ '১-৫। কেবল শাকের উপদেশেই বিচার করিলে কোন ফললাভ হয় না। হে রাঘব ! ব যেমন লােকের কস্তুত, হইতে পারে না, শাপেদেশ গ্রহণ করিস মুক্তামালার উপযুক্ত স্থান, সেই প্রথার বিশুপায় তুমিও অনভিষ্টে নিজে সুন্দরকপ বিচার করত যে পর্যন্ত প্রত্নততর বিশুদ্ধ উপদেশ-পরম্পরার উপযুক্ত পাত্র।” বাকি কহিলেন অধিগম করা না যায়, তার প্রকৃত জানােদয় সন্তষপ নহে, ব্রহ্মার তনয় মহাতেজা বশিষ্ঠদেবের এই প্রকার বাক্যাবসানে হে রাম। কত্ৰিয়জাতি স্বভাবতঃ রজ ও সপ্রতিতে গঠিত লাসর হইয়া রামচন্দ্র উত্তর করিতে প্রবৃত্ত হইলেন। রাম সেই ক্ষত্রিয়জাতিৰ ধ্যে যাহার প্রজ্ঞাবান, ধৈৰ্য্যপরায়ণ ও সং- কহিলেন,—“হে ভগব সৰ্বধৰ্ম্মজ্ঞ। আপনার বাক্যের অর্থ যে কুলশালী, আমার বিবেচনায় তুমি সেই সকল ক্ষত্রিয়প্রধানগণের আমি হৃদঙ্গম কষিতে সম হইয়াছি, ই আপনার কপা ব্যতীত মধ্যে সাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ; এই কারণে তুমি যে অতি দুরবগাহ অকিছুই নহে। ২১-২৫। আপনি যে প্রকার উপদেশ প্রদান। আত্মানের উপযুক্ত অধিকারী হতে সংশয় নাই যে বরিয়াছেন, তাহাই প্রকৃত, আমার বিবেচনা তাহার কোন অংশই ' রাম। এই সংসারের মধ্যে কি সং এবং কি অসৎ, তুমি নিজ তস্যর্থ হইবার নহে। আমি রাত্রিতে নিদ্র পরিত্যাগ করিয় অসাধাণী প্রজ্ঞার সাহায্যে তাহা ভাল করিয়া বিলােকন কর এবং আপনার বাক্যের সুগভীর অর্থবিষয় বিশেষ চিন্তা করিয়াছি। যাহা সঃ তাহারই স্বীকার কর। যে বস্তু পুর্বে ছিল না এবং যাহা হে প্রভাে! আপনার উক্তিরূপ প্রভাকর চিরসঞ্চিত ভবান্ধকার ' পরে থাকিবে না, সেই বস্তুর সভ্যতা কি প্রকারে স্থির করিবে। নিবারণ করিবার জন্য উদিত হইয়া অন্তঃকরণের আলাপনক! যাহা সত্য, তাহা পুর্বেও সত্য, পরেও সভ্য এবং বর্তমানেও সত্য, বি-রশ্মিসমুহের সদর্থযুক্ত বাক্যনির বর্ষণ করিয়াছে। হে সদর কোন সময়েই অগজাৰ হইতে পারে না। যে বস্তুর আলি অনীশ। গত দিবসের বর্ণিত ভবদীয় দিব্য, পবিত্র ও দুর্লভ ও অন্তে সানাই, ক্ষণকালের জন্য যাহা প্রতিভাত হয়, সেই রাজিৰ সদৃশ মনেহয় বচনাবলী আমি মানসে নিহিত করিয়া , বন্ধুর প্রতি যে জীৰ জাসক্ত, মুখৰভাব পশুসদৃশ সেই জীবের রাশিয়ছি।' মঙ্গলজনক, মনেহর পরম পবিত্র ওয় ট নিৰেকলাভে মানা কোথায় ? ৮-১০' এই সংসারে মন । T -- - । । = উপশম-প্রকরণ। ২৭০ । । জন্মগ্রহণ করে, মনেরই হ্রাসবৃদ্ধি হয়, প্রকৃতভাবে দর্শন করিলেও , আত্মা ও মেহ বাদেহাভিমানী জীব পরস্পর ভিন্নধর, আমি উ বুঝা যায় যে, মােক্ষও মনেরই হইয়া থাকে।” রীম কহিলেন বাহু হইয়া তােমাদের নিকট এই বিষয়ে ঘোষণা করিতেছি, কিন্তু ফেব্ৰক্ষণ ইহা আমি বুঝিয়াছি যে, ত্রিভুবনে মনই বাস্তবিক 'সংসারের মায়ায় অন্ধ হইয়া কেহই আমার এ কথা শ্রবণ করি- সংসারী, জরা ও মরণ প্রভাবে মনেরই হইয়া থাকে; কিন্তু চ্ছে না। বাবং জড়ধাক্রান্ত চিত্ত আত্মবিচারপন্মুখ হইয়া, দেব। এই মনের বন্ধন হইতে কি প্রকারে মােক্ষ হইতে পারে, গর্তপ্রবিষ্ট কচ্ছপের ব্যয় নিবিড় মেহজালে আবৃত হইয়া প্রকৃতি- হারই উপায় এক্ষণে নির্দেশ করুন। হে ভগব। রঘুবংশীয় মার্গাৰলষন করিবে, সে পর্যন্ত এই সংসারতিমিরকে দূর করা নরপতিগণের হৃদয়স্থিত অন্ধকার দূর করিবার জন্য যথার্থই আপনি শত শত চন্দ্র, সহ সহস্র বহ্নি ওদাগণ আদিত্যেরও সামর্থ্যা- সূৰ্যসকপে উদিত হইয়াছেন। বশিষ্ঠ কহিলেন, প্রথমে শাস্ত্রোপ- তীত জানিযে। অন্তঃকরণে যে সময় প্রবােধের উদয় হইবে এ দেশ পরম বৈরাগ্য ও সজনস গারা চিরে পবিত্রতা সাধন চঞ্চতা দূর হইয়া যাইবে, সেই সময়ে, সূর্যোদয়ে যে প্রকার নৈশ- যে সময় চিত্ত সরলভাবে পূর্ণ ও বৈরাগ্যযুক্ত হইবে, অন্ধকার দূর হয়, সেই প্রকার হৃদয়ের চিরসঞ্চিত অজ্ঞানান্ধকার সেই সময়ে প্রকৃত জ্ঞানবান গুরুর আশ্রয় গ্রহণ করিবে। ১১- বিদূরিত হইবে, দেহের সহিত আত্মার অধ্যাসরূপ মােহশয্যায় ১৫। তাহার পর সেই গুদেবের উপদেশানুসারে ধ্যান, মুপ্ত অন্তঃকরণকে প্রত্যহ ভবচ্ছেদকর উত্তমবােধলাভ করিবার পূজা ধারণা প্রভৃতির অনুষ্ঠান কৰিলে ক্রমে পরম-পবিত্ৰ ব্ৰক্ষ জন্য প্রবুদ্ধ করিতে যত্ন করা আবশ্যক। জ্ঞান ব্যতিরেকে এই পদ প্রাপ্ত হইতে পায়া যায়। বিচারের দ্বারা অন্তঃকরণ বিশুদ্ধ অত্যন্ত দুঃসহ-সসার শান্ত হইবার নহে। ২৬-৩০। ধূলিসম্পর্কে ইলে আত্মার প্রত্নতম্বরূপ আত্মাতেই উপলব্ধি হইয়া থাকে, অকাণ যেমন মলিন হয় না জলসম্পর্কে পদ্মপত্র যেমন আর্জ জলধরের অপা হইলে বিমল চশ্মতে উদ্ভাসিত গগনমণ্ডল হয় না, সেই প্রকার পেসম্পর্কেও আত্মতে কোনপ্রকার বিকার পূর্ণরূপেই দৃষ্টিগোচর হয়। জীব যে পৰ্যন্ত চিত্তের সাহায্যে হইবার সম্ভাবনা নাই। কমলিপ্ত মুর্ণ যেমন উপরে মলিন বিচাররুপ ভট বিশ্রামুল করিতে না পারে তাবৎকালই শােধ হইলেও প্রকৃতরূপে কর্দম ধৰ্ম্মাক্রান্ত হয় না, সেই প্রকার সৎসরূপ মহাসাগরে ভুণের ন্যয় ইততঃ ঘুরিয়া বেড়ায়। জড়দেহের সম্পর্কও আত্মা কখনই জড়ধাক্রান্ত হয় না। জল স্থির হইয়া যেমন বলুকারাশিকে নিলে নিক্ষেপ করে, আত্মত হয় বা দুঃখের অনুভব হয়, এই প্রকার জ্ঞান মিথ্যা সেই প্রকার বিচারবলে যাহার বুদ্ধি স্থিরভাব অবলন করি- আকাশে মে প্রকার চিত্র বা মলিনতা সবার নহে, সেই প্রকার কাছে সেই ব্যক্তিও সকল প্রকার মনঃপীডংকে প্রশমি নিত্য নির্লিপ্ত আত্মাতেও দুগ বা বৈষয়িক সুখের কোন প্রকার করিতে সক্ষম হয়। তমাদি দ্বারা আচ্ছাদিত সুবর্ণকে ভয় সম্ভাবনা নাই , সুৰও দুধ দেহেরই ধৰ্ম্ম, আত্মাতে সুখ বা হই পপ করিয়া জানিতে অন্যের সামর্থ্য না থাকিলেও, দুঃখের স্থিতি হইতে পারেন। মানবশে জীব আত্মাকে সুখী ও বণের প্রকৃতস্বরূপতা স্বর্ণকারের নিকট ঐরূপ পার্থক্য করা দুঃখী বলিয়া বোধ করে সেই অন নষ্ট হইলে আমাতে মুখ যেমন নর নহে, সেইকপ বিচারবলে আত্মার অবিনশ্বরত্ব ও বা দুঃখের যে কি প্ররে হই পারে ? হে রাঘব! এই বিশুদ্ধতাঘ ব্যক্তি ঈদয়ঙ্গম করিতে সক্ষম হইয়াছে, তাহার পূঙ্গে অজ্ঞানকঞ্জিত দুঃখ বা সুখ কাহারও স্বতঃসিদ্ধ ধম্ম নহে, এ স’ পরের দুয়পনের মােকে বিদূরিত করাও দুক্ষ নহে। জগতে যাহা কিছু দেখিচ্ছে, প্রকৃতরূপে অহা সকলই সেই ১৬-২১। যে সংসারে সারবস্তুর অপবিনাশত যন নিল শান্ত, অনন্ত ব্ৰহ্মস্বরূপ, ইহাই নিয়ে কর। ৩১-৩৫। প্রকার দুঃখময় মোহসাগরে জয় হয়, সেই সংসারে সারবস্তুর জলে উথিত যেরূপ জল ব্যতীত অন্য কিছুই নহে, সেই অক্ষপে জ্ঞান হইলে অনন্ত ও আপার্থিবমুখের অভ্যুদয় হইবে, প্রকার আকাশের ন্যায় সর্বব্যাপী পরমাত্মাতে পরিমান এই এ বিষয়ে অর সন্দেহ কি ? হে জীবসকল। জান্সার প্রকৃত স্বরুপের প্রপঞ্চও আত্মব্যতীত অন্য কিছুই নহে। ভাষরমণি যেরূপ অানই তোমাদের সকলপ্রকার দুধের একমাত্র কারণ , আত্মাকে স্বয়ং কোন প্রকার বিকার প্রাপ্ত না হইয়া বিবিমলপ্ৰভায় অন্য প্রতঙ্গরূপে কাত হইতে পারিলে নিঃসংশয়ই অনন্তমুখ বক্তকে প্রভাসম্পন্ন করে, সেই প্রকার নিত্য বিজ্ঞানস্বরূপ আত্মা ও অবিনশ্বর শান্তি লাভ হইবে। আর প্রকৃতস্বরূপের আব- নিজে কোনপ্রকার বিকার প্রাপ্ত না হইয়া নিজশক্তিবলে এই রণকর এই দেহের জ্ঞ অধ্যাসবশে আত্মার সরূপ যেন পার্থিব- পরিদৃশ্যমান বিশ্ব নিৰ্মাণ করিয়া থাকেন। হে মুমতে। আত্মা সুখ ও দুধে মিশ্রিত বলিয়া প্রতিপন্ন হয়। তােম বিচারবলে এবং সৎ এই বস্তু, ইহা বলা যায় না, অথচ আত্মা হইতে আহ্মাতে দেহের অধ্যাসকে বিদূরিত কর, তাহা হইলেই আত্মা অগং অত্যন্ত ভিন্ন, তাহাও বলা অসঙ্গত। ৎ আভাস, প্রকুত সুস্থভাব প্রাপ্ত হইবে এবং সকুল একাৰ কৰি নিৰ্ব বাস্তবিক ইহার পারমার্থিক সঙ্গ নাই। এ জগতে যাহা কি বে। আত্মা বিশুদ্ধস্বভাব ও নমরূপ, সুভয়াৎ অবিশুদ্ধ জ্ঞান-গােচর হইয়া থাকে, সমস্তই ব্ৰহ্ম, অন্য কিছুই মুছে, সভব দেহের সহিত আর কোন প্রকার সম্বন্ধই সৰপর সেই পরমাত্মাই শক্তিষণে এই জগৎস্বরূপে বিরাজ করিতে- নছে। মণ পনিও হইলে পরে ধৰ্ম্ম মালিন্য যে প্রকার ছেন। “আমি এবং অগৎ পরস্পর অভ্যন্তু ভিন্ন” এ প্রকল্প পূর্ণের ধর্ম বলিয়া যেথ হয়, সেইরূপ দুঃখময় দেহের সহিত ভ্রান্তি অজ্ঞানান্ধ জীগণেরই হইয়া থাকে। অতি বিস্তৃত মহা- আত্মার কল্পিত সম্বন্ধবশে অন্যাতেও মেহধৰ্ম্ম দুখানি আরােপ সমুদ্রে যেমন ভয়ঙ্গাশি উৎপন্ন হয় এবং সমুদ্র হইতে সেই হইয়া থাকে। ২২২৫। পদ্মপত্রে জল থাকিলেও যে একার রাশির পৃথক্ সত্তা স্বীকার করা যায় না, সেই প্রকার সর্ব- জলের সম্পর্কে পদ্মপত্রের কোনরূপ অলিৰিকাৰ হয় না, সেই ব্যাপী অনিখর ব্রহ্মেই এই বিশ্বপ্রপঞ্চ উৎপন্ন হয় এবং ব্রয় প্রকার দেহের সঙ্গে আত্মায় আধ্যাসিক সম্বন্ধ থাকিলেও দেহের হইতে এই বিষয়ে পৃথকৃ সন্তাও স্বীকার করা যাইতে পারে বিকারে আত্মার কোন প্রকার বিকার হইবার সম্ভাবনা নাই ন। ৩৪। একমাত্র সন্ত্রস্বরুপ সেই পরমতে কোন যােগবাণিষ্ঠ-রামায় ৬ দ্বিতীয় বন্ধুর না হওয়া উচিত নহে। তেজভাব বহ্নিতে ফোন জলের কল অস, সেই প্রকার একমাত্র অদ্বিতীয় ষষ্ঠ সগ। * পরকাতেও বিভিন্ন প্রকল্পনা সম্ভবপর নহে। পরমাত্মা বশিষ্ঠ কহিলেন-হেরাঘৰ। এই সংসারের ম আমি নিজেই সরল। অথচ উজ্জ্বল নিজস্বৰূপে অধিষ্ঠান করত নিজ করিতেছি” এই প্রকার বাসনা পরিত্যাগ করিয়া যে ব্যক্তি শক্তিশে আপনাকেই দৃষ্ণরুপে ভাৰিত করিতেছেন। হে রাখব। কাৰ্য করিতে পারে, সেই ব্যক্তিই মুক্ত, ইহাই আমার ধারণা। আত্মতে কোনপ্রকার শেকের বা জয়ের সাকা নাই , আখির এ জগতে কেহ কেহ মনুষ্যদেহ লাভ করিয়া মােহশে জন্ম নাই। এজগতে যাহা সুছে, তাহায় বিনাশের সম্ভাবনা অভিমান সহকারে প্রতিষিদ্ধ বা বিঞ্ছিত কর্মে প্রবৃত্ত হইয়া নাই, যাহা কাল্পনিক, তাহারই বিনাশ হইয়া থাকে। এই সকল স্বর্গ হইতে নরক বা নরক হইতে স্বর্গে পুনঃপূঃ গমনাগমন বিষয়ে চিত্ত স্থির করিয়া তুমি জি হও, বৃথা শােক করিও না। করিয়া পকে। কেহ বা বিহিত কৰ্ম্ম পরিত্যাগ করিয়া কেবল হে রাখব। আত্মা নির্থ এবং নিত্যসত্ব, আত্মার কোন বস্তু রাগবশে নিষিদ্ধকর্মের অনুষ্ঠানকর নরক হইতে নয়কার অপ্রাপ্য নহে, আত্মায় যাহা আছে, তাহার নাও হয় না। আত্মা পুনঃপুনঃ পরিভ্রমণ করে। কেহ বা অত্যন্ত বাসনাজালে অদ্বিতীয় ও শোকরহিত, ইহা নিশ্চয় করিয়া তুমি সরকার আবদ্ধ হইয়া মােহক কাৰ্যনুষ্ঠান্তের ফলে কখনও তিগঙ্গতি হইতে মুক্তিলাভ কর। হে রাখব। তুমি সর্বভূতে সমভাবাপন্ন হইতে বাদি শরীর প্রাপ্ত হয়, আবার কখনও ব, দি ও স্থিরমতিহও, তােমার অন্তঃকরণ হইতে শােককে বিদূরিত শরীর হইতে ভিগৃজাতিত্ব লাভ করিয়া থাকে। কর, তুমি মননপরায়ণ হও, তুমি প্রকৃত উপদেশলানন্তর মৌন কোন প্রাক্তনপূণ্যশালী মহা বিচারবলে দিব্য দৃষ্টি লাভ অবলম্বন কর এবং নির্মলমুণির ন্যায় স্বচ্ছ হও, এই প্রকার হইয়া করিতে সমর্থ হইয়া এই সংসারের তৃষ্ণারূপ নিগড়কে ছিঃ বঃ তুমি সংসায়জর হইতে মুক্তি লাভ কর। ৪১–৫। হে রাঘব। সেই অদ্বিতীয় ব্ৰহ্মপদ লাভ করিতে সক্ষম হন। ১–৫। হে তুমি নিজসেবী, শাসঙ্ক, ধীমতি, বিজিতাশ ও যদৃচ্ছ। রাঘব। রুজিস ও সাত্ত্বিক প্রকৃতিসম্পন্ন ব্যক্তি কতিপয় জন্ম লতে সন্তুষ্ট হইয়া সংসারজার হইতে মুক্ত হও। তুমি বীতরাগ, ভােগ করিয়াই অনায়াসে এই মানবজন্ম লাভ করুত মুক্ত হয়। নিরাকাস, অঙ্ক, বীভপাপ এবং গ্রহণ ও পরিত্যাগ অভিমান. সাত্ত্বিক ও রাজ প্রকৃতি সম্পন্ন জীব জন্মের পর হইতেই শুক্র- বর্ণিত হইয়া সংসারজর বইতে মুক্ত হও। হে রাখব। তুমি পক্ষীয় চন্দ্ৰমার ন্যায় বুদ্ধি প্রাপ্ত হইতে থাকে এবং বর্ষাকালের বিশ্বাভী-ব্রহ্মপনপ্রাপ্তিতে পুর্ণাক্ষরিপুরিত হইয়া, পরিপুর্ণ- | কুটজপুষ্পের স্যায় উপচীয়মান সৌভাগ্য সর্বদাই তাহাৰ অনুসরণ সমুদ্রের ন্যায় অনুষ্ঠাব ধারণ করত সংরকার হইতে মুক্ত করে। এই প্রকার মােকোপযােগিজন্ম গ্রহণ করিবার পর সেই হও। হে রাঘব। তুমি বিকালনিন্মুক্ত মানবিৰজিত। সার্বিক ও রাজসপ্রতিসম্পন্ন জীবের অন্তঃকরণে বিমলবংশের এবং আত্মজে পরিতুষ্ট হইয় সংসারঘর হইতে মুক্ত হও। হে মধ্যে যেমন বিশুদ্ধ মুক্তা অতর্কিতভাবে প্রবেশ করে, সেইকপ আত্মৰিগণশ্রেষ্ঠ রব। তুমি অপর ও অনয় পরমাত্মার পূর্বজন্মার্জিত সকল প্রকার বিদ্যাই বিকাশ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। প্রকৃতস্বরূপ অবধারণে সরূপ লাভ করিয়া পর্বতশিখরের ন্যায় । অঙ্গন। যেমন অন্তঃপুরকে আশ্রয় করে সেই প্রকার সেই পুরুষকে ধীরভাব অবলম্বন কর সংসার হইতে মুক্ত হয়। ৪৬-৫০। অৰ্য্যতা, হৃদ্যতা, মৈত্রী, সৌমত্যা, করুণা ও বিদ্ধতা প্রভৃতি সদ- হে রাখব। যেমন সমুদ্র আত্মজলেই আপনাকে পূর্ণ করিয়। থাকে, ! স্কুণরাশি আশ্রয় করিয়া থাকে। এই একার পুরুষ যে কোন অন্য জলের অপেক্ষা করে না, তুমিও সেইপ্রকার অশ্বশ্বরূপেই | কাব্যের অনুষ্ঠান করে, তাহার ফল দিই হউক বা অসিদ্ধই হউক, আত্মাতে পূর্ণভব অবলম্বনপূর্বক নিষ্কলঙ্ক পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় বিমল সে ব্যক্তির তাহাতে কোন প্রকার হর্ষ বা খেদ হয় না। দিবাগে হইয়া পরম আদি প্রাপ্ত হও। হে রাঘব। এই পরিদৃশ্যমান | যেমন অন্ধকার বিনষ্ট হয়, সেই প্রকার সেই পুরুষের বিকট শীতে- বিপ্রপঞ্চচনা মিথ্যা। যে ব্যক্তি আত্মার স্বরূপ জানিতে পারি- যদি ক্ষমন্ত্র প্রাপ্ত হয় এবং শয়ংকালে যে সকল যেমন উত আছে, সে কখনই এই অসত্যরূপ সংসারের অনুধাবন করে না। প্রাপ্ত হয় সেইরূপ সেই পুরুষকে আশ্রয় করিয়া সকল গুণই এ তুমি আত্ম, তােমার নিকট সংসারপ্রপঞ্চ অসং এবং তুমি। দ্ধতা আপ্ত হইয়া থাকে।১১। বনমধ্যে মধুরধ্বনিযুক্ত শীকে নিরাময়, তােমার উদয় নিত্য) হে সুন্দর। তুমি এই সকল বিষয় কেমন মৃগগণ ভালবাসে, সেই প্রকার সকল মনুষই মনোহর চয় করিয়া সকল প্রকার শোক হইতে মুক্তিলাভ কই। আচারে সর্বজনপ্রিয় সেই ব্যক্তিকে ভালবাসিয়া গাকে। বকপজি রাখব! সমদৃষ্টি অবলম্বন করপিতার নিকট হইতে লব্ধ এই যেমন মেয়ের অনুসরণ করে, সেইরূপ তাদৃশ মােক্ষোপযোগি- একাতপত্র জগৎ উত্তমরূপে পরিপালন কর। তােমার গুণে নৃপতি- জন্মতা মনুষকে এই প্রকার নান গুণ আশ্রয় করিয়া থাকে। প তেমার প্রতি অনুক্ত। হে বল। তােদর পক্ষে রাজ- সেই ব্যক্তি এই প্রকার সৌভাগ্যমুক্ত জন্ম লাভ করিয়া উপযুক্ত ত্যাগ বিহিত নহে, রাম অাসক্তিও কওঁ নহে, তুমি অনাসক্ত সময় সরুর আহণ করে এবং অরুও তাহাকে এই প্রকার হইয়া লোকের মঙ্গলের নিমিত্ত রাখ পালন কর। ৫১-৫। বঙ্কৰিৰেকে নিযুক্ত করেন। অনন্তয় বিচার ও বৈরাগ্যযুক্তটিয়ে সাহায্যে সেই ব্যক্তি বিভাৰ একরূপ অনাময় সেই আত্ম- পম স ম রূপ দে গর্শন পাইয়া থাকে ।১২-১৫। সেই ব্যক্তি অ- বােৰ লাভ করিবার জন্য সর্বপ্রথমেই বিচিতে সেই রূপ- লিষ্ট বিষয়ে দৃঢ় বিচার করিতে প্রবৃত্ত হয়। এইপ্রকার মহাগুণ- সল মােকাপযােগিতা মগণ জন্মগতি এতগল- নিদ্রায় নুপ্ত চিত্তকে বিচারশক্তি এর জাগরিত কৰি থাকেন। fr উপকরণ প্রখ্যাতগুণমুক্ত সদ্গুরুর সেবা করিয়া বিমলবুদ্ধির প্রভাবে অতিশয় করিতে মহারাজ এক অকস্মাৎ দূর হইতে তকগুলি গুন অসহকারে চিত্তরূপ রত্নের প্রকৃত অবস্থা বিচার করত অন্তঃকরণে শুনিতে পাইলেন। হারা এই লােকে অদৃশ্যভাবে বিচরণ করিয়া চিরকাশমাসেই পরমাত্মার প্রকৃত স্বরূপ অবগত হইয়া এই থাকেন, নির্জন ও পবিত্র দেশে যাহারা বাস করেন, অনেক সময়ে প্রকার সাত্ত্বিক ও রাজস প্রকৃতিসম্পন্ন মহাত্মাগণ পরম গতি লাভ উন্নত-গিরিগুহায় বিচরণ করিতে যাহারা ভালবাসে, তাদৃশ সি করিয়া থাকেন। ১৪-১৮। পুরুষগণই আত্মভাবনাময় সেই সকল গানগুলি একান্ত চিতে যই সর্গ সমাপ্ত। ৬ | গাহিতেছিলেন। ৬-১৯। সিন্ধগণের গান। ইঞ্জিৰে বিষয়ে যবে হয় সমাগম। সম সর্গ। খরগে তো বন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাজীবলোচন রামচন্দ্র। জীবনের অথচ যে জন সদা নিস্পন্দ নীরূপ। মােপ্রাপ্তির সামান্স ক্রম তােমার নিকট বর্ণিত হইল, এক্ষণে নমি তঁারে মেরে আত্মবরূপ। এই বিষয়ে কিঞ্চিৎ বিশেষ বক্তব্য আছে, তাহা বলিতেছি। এই অনাজি-বাসনাবশে ব্যাঙ্কের করুন। সংসারপ্রপ সমুৎপন্ন দেহিগণের পক্ষে অপবর্গলাভের দুইটা ছাড়িসেই দুষ্ট দৃশ্য আর দরশন। উম ক্ৰম আছে। একটা ক্ৰম এই যে, গুরুর নিকটে সদুপদেশ সকল দর্শন-মূলে ভাসে যে সতত। গ্রহণ করিয়া সাধনা করিতে করিতে এই জন্মে অথবা জন্মজন্মান্তরে সেই পরমাত্মথনে প্রণমি নিয়ত। মোক্যপ্তি , দ্বিতীয় ক্রম এই যে, যেমন অকস্মাৎ কাহারও ভাগ্যে আছে কিংবা নাই এই সংশয়ের মাঝে। আকাশ হইতে ইষ্টল পতিত হয়, সেই প্রকার কোন গুরুর যে জন বিপদভাবে সতত বিরাতে। সাহায্য ব্যতিরেকে স্বীয় ব্যুৎপনচিত্তের সাহায্যে আত্মজ্ঞানলাভা- সঁহাতে প্রকাশ পায় প্রকাশ্য-নিচয়, অন্তর মােক্ষ। আকাশ হইতে আকস্মিক ফলপাতের ন্যায় এই সে জনে প্রণমি যার নাই অপচয়। আকস্মিক আত্মজ্ঞানপ্রাপ্তি সম্বন্ধে একটা প্রাণ বৃত্তান্ত আছে, সংসার হাতে আছে সংসার বাহার। তাহা বলিতেছি শ্রবণ কর। হে ভগ রামচন্দ। পূর্বে মহা- সহিতে সংসার হয় দেহ সংসার। শুৰ মহাত্মগণ আকাশপতিত আকস্মিক ফলের স্থায় আকস্মিক খারি তরে এ সংসার রখয়ে যেন। বিবেকৰূপ ফল লাভ করিয়া জন্মজন্মান্তরার্জত সুধদুঃখময় কৰ্ম্ম- সেই আত্মসত্য ধনে করি উপাসন। জাল ছিন্ন করত কিরূপে পাম অবিনশ্বর ব্রহ্মপদ প্রাপ্ত হইয়াছেন, সােহহং শব্দেতে ভঁর বেদান্তে বর্ণন। প্রাচীন কথা শ্রবণ করিলে তাহা বুঝিতে পারিবে।১-৬। অনন্ত আকারে যারে ভবে সব। সপ্তম পর্গ সমাপ্ত। মায়াবণে বহুকলে যে জন বিরে। হারে প্রণমি সদা হৃদ-মাঝারে। এহেন হৃদয়খ ছাডিয়া যে জন। অষ্টম সর্গ। দেব রে মােহে করছে না। জনক নামে এক রাজা বিদেহজনপদের অধীশ্বর আছেন। সে জন কৌত ঘড়ি আকরগত। পূণ্যপ্রভাবে সেই মহারাজ সকল প্রকার অপদ হইতে সর্বদা তুচ্ছ রজভিলাষে ভয়ে সত। পৃক্ত, তাঁহার বুদ্ধি অতি উদার এবং তিনি অতি প্রভাবশালী। বিবেক-কুঠার লয়ে সুধীর যে জন। মহারাজ জনক আর্থিসমূহের নিকট কল্পবৃক্ষস্বরূপ, মিত্ররূপ পদ্ধ আণরূপ বিষলতা কররে যেন। • সমুহের পক্ষে দিবাকরস্বরূপ, বন্ধুরূপ পুষ্পগণের নিট মাধ-সদৃশ, আশা-সিন্ধুপারে স্থিত পরমাফল। স্ত্রীগণের পক্ষে সাক্ষাৎ মরকেল, দ্বিজৰূপ কুমুদগণের নিকট পাইয়া সে জন করে মনে সফল। শীতাংশু-সদৃশ,শরশ অন্ধকাররাশির পক্ষে ভাস্করস্বরূপ, সৌজন্য- বিষয়ের বিসতা বুঝিয়া যে জন। রূপ রত্নের পক্ষে জলধি-সদৃশ এবং প্রতাপে বিষ্ণুর ন্যায় পৃথিবী আবার লভিতে তারে করে ভাবন। ব্যাপিয়া বিরাজমান। নব-সম্ভসমাগমে নতিকাসকল কুম- সে ন ত ন ন র নারি। বিকাসে প্রফুর হইয়া নতুন রােশিতে দিল পিলীকৃত কি আর অধিক কব জেনন ইহা সার। করিলে এবং উন্মত্ত কেকিলকুলের মধুর কুহুরৰে বিলাসিহৃদয় কতু বা বাসরূপে মানলে বিলীল। উল্লসিত হইয়া উঠিলে একদা রাজা জনক, ইন্দ্র যেমন নন্দনবনে কতু বা বিষয়যোগে বিকার-মলিন। প্রবেশ করেন, সেই প্রকার গীবিলাস অনুভব করিবার ইন্দ্রিয়-ভুজগকুল বজে যথা গিরি। ভাগ বিলাসখালি-লতখানে বিরাজিত, তুমিণ্ডিত উপনে নাৰে বিবেকবলে যদি তুই হরি। প্রবেশ করিলেন। ১৫। নকশবদামের বিচিগন্ধে আমাে- সদ ভিতরে করিও যতন। দিত-পবন-সঞ্চারে সুশীল ও মনােহর উপবনে প্রবেশ কক্লিয়। নিবৃত্তি-মার্গের মুখ পরম পান। তিনি অনুচরবর্গকে দূরে থাকিতে আদেশ করত ফজিত গিরিশৃঙ্গে যার মনে আছে ভি সে জন । মনােহর রাজির মধ্যে বিস্তার অনুভব করিতে লাগিলেন। অরূপ অনিশি যে স্থিত।১০-১৮। সেই নিভৃতকুতে উপবিষ্ট হইয়া বসশােভা বিলােৰণ করিতে অষ্টম সর্গ দমাও . Y যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ। । আত্মন। তোমার স্থিতি যে হত হইল। হায়। আমি আমাকে নম সর্গ। বুদ্ধিমান্ বলিয়া বিবেচনা করি, অথচ এই বিষমমােহ কোখা সিদ্ধপুরুষগণ কর্তৃক গীত এই প্রকার গান শ্রবণ করিয়া, হইতে আসিল ? যেমন কৃষ্ণবর্ণ মেঘ সূর্যের সম্মুখভাগকে আচ্ছন্ন রণবিলে ভীর জলয়ের ন্যায় মহারাজ জনকের হৃদয় একস্থা করিয়া থাকে, সেই প্রকার এই বিচিত্র মােহ আমার বুদ্ধি দিরসে পূর্ণ হইয়া উঠিল। তাঁর হইতে নিপতিত বৃক্ষরাশির! আচ্ছন্ন রহিয়াছে। এই সকল মদীয় মহাভােগহেতু সকল ফহিত নদীর প্রবাহ যেমন সমুদে প্রবেশ করে, তিনিও সেইরূপ ! কিপ ? আমার বান্ধবসকলই বা কিরুপ ? হায়। বালক নিজ পরিবারবর্গকে সঙ্গে লইয়া নিজ আলয় গমন করিলেন। । যেমন কলিত ভুতময় সংস্কারে আল হয়, আমিও সেই এক'র পেয়ে তিনি নিজ পরিবারবর্গকে নিজ নিজ গৃহে স্থাপন করিয়া, 'এই সকল কল্পিতভাবে আকুল হইয়াছি। এই সকল ভােগ সর্ঘ্য যেমন অচলে আবােহণ করেন, সেইরূপ একাকী অচঞ্চল, হেতু বিষয়সকলে কি কারণে আমি আপনা হইতে জরা ও চিত্তে নিজ উচ্চ প্রাসাদে প্রবেশ করিলেন। তথায় নির্জনগৃহে | মরণদুঃখের একমাত্র কারণ, এই প্রকার দৃশ্ৰীতিবিধান করি- উপবেশন করিয়' মহারাজজনক উডডায়মন পক্ষীর পক্ষের ন্যায়! তেছি ? ভোগ্যবস্তু নষ্ট হউকু বা থাকুক আমার হাতে কি অতিচঞ্চল স্যরের গতিসল চিন্তা করিয়া ব্যকুলভাবে এই| আসে যায় ? যেমন জলের বুদবুদ-শােভা অকস্মাৎ উৎপন্ন হইয়, প্রকারে বিলাপ করিতে লাগিলেন। “হায়! কি কষ্ট।—পাষাণ আবার আপনি মিশিয়া যায়, তদ্রুপ এই সকল বিষয়শোভা যেমন অতিকঠোর পাষাণে লুষ্ঠিত হয়, সেই প্রবীর এই অত্যন্ত কোথা হইতে আইসে এবং কোথায় মিশিয়া যায় ? পুর্ব বেশদাব সাংসারিক অবস্থায়াশির মধ্যে আমি সবলে কথা অথবা এ জশের শৈশবের কত কত বান্ধব, কত কত ভেগাস বিলুষ্ঠিত হইতেছি। ১-৫। এই অসীমকালের যৎকিঞ্চিৎ কোথায় মিশিয়া গিয়াছে,আছে কেবল তাহাদের স্মৃতিমাত্র। অংশই আমি জীবিত থাকিব, অথচ সেই অল্পকালের জন্য এই এইরূপ বর্তমান কালেরও ভােগ্যনিচা ও বান্ধবী কোথায় সংসারে আমি এদৃশ আসক্ত হইতেছি, ধিক্ আম্মাকে। আমার বিলীন হইয়া যাইবে, ইহাদের প্রতি স্থির বলিয়া কেমনে বিশ্বাস এই রাজা কতদিনের জন্য। আমার জীবনই বা কতদিনের স্থাপন করা যাইতে পারে ? ১৬-২১। অতীত পৃবিীপতিগণের জন্য? হায় ' রাজ্য নষ্ট হইবে, এই ভাবনায় মৃঢ়বুদ্ধির স্থায় সেই সকল ধনই বা কোথায় ? ব্রহ্মার নিশ্মিত অনন্ত জগৎই । আমি দুঃখ পাইতেছি। আমি আদি ও অন্তকালে অবিনাশী, কোথায় ? যাহারা পুর্বে ছিল, তাহার। এক্ষণে নাই, এই প্রকর আমার এই দেহই বিনশ্বর, এই তুচ্ছদেহে আত্মন করিয়া এক্ষণে যাহারা আছে, তারাও থাকিবে না, তরাং ইহাদের আমি চিত্রিত চন্ত্রে প্রকুত চনে উল্লসিত বালকের স্থায় স্থায়িত্ব কি প্রকারে বিশ্বাস করা যাইতে পারে। কালের কবলে কেন হারা হই? নিজে নিপ্রপঞ্চ অথচ প্রপঞ্চরচন-চতুর কত শত লক্ষ ইন্দ্র বিলীন হইয়া গিয়াছে। চায়। আমি কি কোন ঐন্দ্রজালিক আমার স্কন্ধে এই সংসারৰূপ ইজাল চাপা- আমার জীবন কিসে চিরস্থায়ী হইবে, তাহারই উপায়ে আস্থা ইন্না লিয়ছে। হাব। এই ঐন্দ্রজালিক মােহে আমি মোহিত প্রদর্শন করিতেছি। আহে।। আমার এই প্রকার অবস্থা বিলোকন হইয়া পড়িলাম। কি পরিতাপের বিষয়। যাহা প্রকৃত , করিয়া সাধুগণ নিই হাস্য করিবেন। কোটি কোটি বা কাল- সাহা রমণীষ এবং যাহা উদার অথচ অকৃত্রি, এমন বস্তুকি নাই? স্রোতে ভাসিয়া গিয়াছেন অনন্ত গর্গ ধ্বংস পাইয়াছে, ধূলির ধু সেই বস্তু পরিত্যাগ করিয়া আমার বুদ্ধি কেন এমন সংস্র সহস্র প্রতাপশাণী নরপতি শুঙ্গে মিশিয়া গিয়াছে, অহে।' অসদবিষয়ের প্রতি আসক্ত হইতেছে ? ৬-১০। যে বন্ধু মটর আমার জীবনে এত প্রীতি কেন? এই সংসারজপ রাত্রির মধ্যে নিকট অতি দূরবী, কিন্তু বিবেকীর অতি নিকটে বিদ্যমান, নিবিড় মেহবশে দেহৰূপ স্বপ্ন দেখিয়া এই প্রকার অবিবেকি সেই ৰক্ত আমার মনেই বিমান আছে, ইহা নিশ্চয় করিয়া অতি নিন্দনীয়, ইহাকে অধীকার করিবে ? ২২-২৫। “আমি সেই আমি বিষয়ে ভাবনা পরিত্যাগ করিব। কালের আবর্তের ন্যায় এই প্রকার কল্পনা নিতান্ত অসংস্বপিণ, অহঙ্কাররূপ পিশাচেব অণর সাংসারিক জীবগণের বৃথা অর্থপেষণে প্রন্তি সর্বদা সহিত মিলিত হইয়া কেন আমি এমত অজ্ঞের স্যায় রহিছি। আদি ও অন্তে দুঃখেরই কারণ হইয়া থ'কে , ইহা দেখিয়াও কেন এই বিষম মায়ার আবরণে পতিত হইয়া কালবশে মে আয়ু লোকে সুখের অন্য আস্থা করে। প্রতিক্ষণ, প্রতিদিন, প্রতিমাস নষ্ট হইতেছে , আহে! আমি দেখিয়াও দেখিতেছি না। ও প্রতিবংসল দুঃখই ত বহুল পরিমাণে অনুকৃত হয়, পুরুষ, কোন কাপালিকার দুলনায় পডিয়া মহেশমূর্তিকে পদতলে ভবের আগে ও পশ্চাতে রাশি রাশি দুঃখই অনুভূত হইয়া থাকে। ফেলিয়াছি, শালগ্রামশিলাকে খেলিবার কলু করিয়াছি, তথাপি এই জগতের সুখ যে, ক্ষণস্থায়ী, তাহা দেখা গেল, স্বর্গসুখেরও হে আসক্তি। কেন আমার উপরে তোমার এত নৃত্য ? অনন্ত- স্থিরতা নাই , কারণ, শানে বুঝা যাইতেছে, প্রজাপতির নিচলিয়া গিয়াছে, বর্তমান দিনও চলিয়া যাইতেছে ও যাইবে, এধিকার বিনাশ পাইয়া থাকে, প্রাথপত্য অধিকারের পক্ষে কিন্তু এমন একদিন ত আসিল না, যেদিন সেই পরমার্থ অর্গত অতি সামান্য। অধ্য যে সকল ব্যক্তি প্রভাষপুণ্যল বয় দর্শন ঘটিল। সনােরে যেমন সারগণ নৃত্য করে অতি মহানের উপরে বিজমান, কালযােগে ভঁহারাই আবার সেইরূপ এই চিত্তে বিচিত্র ভোগবিলাসই নৃত্য করিতেছে, কৈ, অধঃপতিত হইতেছেন। রে মোহহত মদীয় মানস। এই প্রকার পরমবর দর্শন ত একবারও ঘটিল না। ২৬-৩০। এ জগতে দেখিয়াও কি এই জাগতিক মহত্বের উপর তােমার বিশ্বাস হইতে ক্রমশই কষ্ট হইতে কষ্টতর অবস্থা উপস্থিত হইলে দুঃখ পারে? ১১-১৫। আহা! বন্ধু নাই অথচ আমি বদ্ধ হইয়া রহি- হইতে অপেক্ষাকৃত তার দুঃখই ক্রমশ অনুভূত হইতেছে, আছি। কোন পাপ করিলাম না অথচ জগতে কলঙ্কিত হইলাম। কিন্তু এখনও ত এই দুঃখময়-সংসারের প্রতি বৈরাগ্য হইল না। সকলের উপৰিস্থিত হইয়াও আমি পতিত হইলাম ? হে মদায় আমি অধমাশয়, আমাকে ধিক্। যে যে রমণীয় বন্ধুর প্রতি দৃঢ় E উপশম প্রকরণ } ন অনুরগি উৎপন্ন হইয়াছিল, দেখিতেছি, একে একে অহা সকলই জগতে আমার” এই কয়টা অভিযানৰঞ্জক অক্ষর লেখা হইতে বিনষ্ট হইয়া যাইতেছে, এ জগতের কোন বস্তুই ত উত্তম হইতে আসিল ? কাকতালীয় গায় অকস্মাৎ সমাগত এই জগতের পারে না। আয়ুর মধ্যবস্থাই রমণীয় বিষয়ের বর্তমানাৰহাই স্থিতিতে “ইহা হেয়, ইহা উপাদেয়” এই প্রকার ভাবনা নিশ্চয়ই সুমী, ধব পরিণামই রমণী। কিন্তু ইহার মধ্যে কেহই কোন পশু-কলিত ইয়া-মুহিত। পরিণাম-পিকর মুখরূপ মিথ্যা- আদি, অন্ত ও মধ্যে এক প্রকার নহে, অথচ সকলেরই না বস্তুর অনির্বচনীয় ভাবনায় আর্মি, পতঙ্গ যেমন অগ্নিশিখাব লায় আছে, সুতরাং সকল বন্ধুই অপবিত্র এবং দূষিত। মনুষ্য ব্যাকুল হয় সেই প্রকার ব্যাকুল হইয়া পড়িয়াছি। ৪৬-৫০। যে যে বস্তুর প্রতি প্রতিমা হয় সেই সকল বই উৎপন্ন হয়, একান্ত কাহকর রৌরবনরকের অগিরাশিতে পড়িয়া গ্ধ হওয়াও অথচ সকলই নষ্ট হয়, তাহার মধ্যে কেহই অবিনশ্বর নহে। জীবের পক্ষে শ্ৰেষর, কিন্তু এই একবার সুখ ও একবার দুখ এই জগতে মুঢ়বুদ্ধি মানবগণ প্রতিদিন অতিকষ্টকর, অতিশয় ভীষণ সংসারবিষৰ্ত্তে পড়িয়া দন্ধ হওয়া কোন প্রকারেই উঠিত পাপময় এবং অত্যন্ত খেদজনক অবস্থাই প্রাপ্ত হইয়া থাকে। নহে। বিৰেকিগণ কহেন, সংসার অপেক্ষা দুঃখকর আর কিছুই মনব বাল্যকালে অক্সনে উপহত থাকে, যৌবনে মানতাপে নাই। হায়! এই দুঃখময় সংসারে পতিত হইয়া শােক কেমনে পিত হয়, বৃদ্ধাবস্থায় কলত্রচিন্তায় ব্যাকুল হয়, এই কারণে সুখের আসা করিয়া থাকে ? স্বাভাবিক মহদুঃখময় সংসারে জীবনের কোন সময়েই কোন আত্যন্তিক হিতকর কাৰ্য্যের অনুষ্ঠান যাহারা বাবস্থিত, তাহারাই আঁৰৰ অান্ত দুঃখকে মধুর বলি কলিতে সমর্থ হয় না। উৎপত্তি ও বিনাশ যার স্বভাব, বােধ করে। হায়! কাষ্ঠ লোই প্রভৃতির সদৃশ জড় অনালােচিত দাৰ বৈষনে যাই। দূষিত, সাহার ভোগের পরিণাম দুঃখ এবং বঙ্গহান পুরুষগণের সদৃশ আচরণ করিয়া আমিও দেখিতেছি, যার মধ্যে অসারই সারের ন্যায় দৃষ্ট হয়, সেই সংসারের নিতান্ত অধম হইয়া পড়িলাম। এই সহস্র অমুক শাখা প্রকৃতসরুপ মুচজনের বোধগম্য হয় না। ৩১-৩৭। মােহাব্দ হইতে উদ্ভুত ল-পল্লবে শােভিত সংসাররূপ মহাক্ষের আদি মানল রাজস, অশ্বমেধ প্রভৃতি যজ্ঞের অনুষ্ঠান করিয়া পুণ্যবগে অঙ্কুর মনোরূপ মহামূল হইতেই আবিভূত হষ। ১৫৫। সেই মহাকাকানস্থায়ী স্ব প্রাপ্ত হয়, কিন্তু ঐ স্বমুখও ত অসীম মনও সময়, আমি সঙ্কল্পসকলকে নষ্ট করিয়া মনকে নির্মূল ভূতল, অন্তরীক্ষ অথবা পাতলে কোন সুরম্য প্রদেশ করিব, তাহা হইলেই এই সংসারৰূপ মহাব নিশ্চয় বিক **নিংমে ভহিত হয়, কিন্তু সেই প্রদেশেও দুষ্ট মন্ত্রীর তুল্য হইয়ঃ নাশ প্রাপ্ত হইবে। বাহিরের আকারমাত্রেই রমণীশ, এই ঈদুকব আপদের হস্ত হইতে পরিত্রাণ পাইবার সম্ভাবনা নাই। মর্গেকপ মর্কটের তি সকলকে শমি বুঝিতে পারিয়াছি , সুতরাং নিও চিকপ গর্তের মধ্যে ক্রুর সর্পের ন্যায় অবস্থিত মনঃপীড। এই আত্মনাশকর মনোবৃত্তির প্রতি কখনই আমি আসক্ত হই। এ শীল-সদৃশ ভূমির পল্লবের ন্যায় ব্যাধি সকলকে কোন আশপ পাশশতে গ্রথিত, পতন উৎপাত ও উপপে উপরে নিবারণ করা যাইতে পারে ? আমবা যাহাকে সদ্বিবে, কারণ এই সকল সংসার-ত্তি ভাল করিয়া ভােলা করিয়াছি, আর শয অভিমান কবি, তাহার মকে অসপতা চিরবস্থিত , কেন ? এক্ষণে আমি এই সকল হইতে বিরত হইব। হা। আমাদের নিকট যা রমণীয়, অবমণীয়তা তহার মস্তকে আমি হত হইলাম, হা। আমি নষ্ট হইলাম, হা। আমি মরিলাম” বিমান , আমাদের নিকটে যায়। মুখ বুলিয় প্রতীয়মান, এই প্রকার মিথাশােক বার করিয়াছি, এক্ষণে আমি বুঝি- দুঃখরাণি গর মাথার উপরে চিরপ্রতিষ্ঠিত হয়। এ জগতের স্নাছি, আর মিথ্যা রোদন করিব না। মাছি, আর মিথ্যা বােদন করিব না। এক্ষণে আমি অন্ধ, কে বকে আমি আশ্রয় করিব ? ক্ষুদতে প্রাকৃত ভীষ-সকল আমি আজ আত্মাপহারীকে দেখিতে পাইয়াছি, এই চোরের নাম কমিvতছে ও মরিতেছে, হাদের ভারেই পৃথিবী জরিয়া গিয়াছে , মন এই মন আমার চিরদিন সৰ্ব্বনাশ করিয়াছে। ৫২-৩০। এ পথিবীতে সবুরুষ বড়ই দুর্লভ। নীলোৎপলের সদৃশ, যাহা- এতাবৎকাল আমার এই মনোরূপী মুক্তাক্ষণ অবিদ্ধ ছিল, এখলে দের নয়ন মনােহর, অত্রিমপ্রেমে যাহাদের সর্বাঙ্গ ভূষিত, সেই বিদ্ধ হইল, অতএব এক্ষণে ইহাতে গুযোগ হইতে পারে। আমার সকল বিশসিনা এ জগতে কয়দিন থাকে ? তাহাদের এই মনকপী তুষারবিন্দু বিবেক-তপনের আতপে অলি-কলমধ্যে বিলাসদনে লােকের মোহ না হইয়া বরং উপেক্ষায় হায় কৰাই নিশ্চয়ই চিরদিনের জন্য বিলীন হইবে। বহু সিদ্ধ সংখুগ উচিত। যাহাদের এক নিমিষে এ জগতে এল বা অ্যুয়ের আমকে উত্তমবপে নেপদেশ দিয়াছেন, আমি এক্ষণে পরাকাষ্ঠা হইতে পারে, সেই সকল মহীপতিগণ ত আছেন, কিন্তু পরমানন্দ-সাংস আত্মদ আশ্রিত হই। শরৎকালের মেঘসকল হরাে কি বিনাশ পাইবেন না ? লােকে বলে, এ জগতে রম্য কাৰ্য্য ত্যাগ করিয়া যেমন পর্বতেই বিলীন থাকে, তদ্রুপ আমিও হইতেও রম্যর বস্তু বিদ্যমান আছে, সুস্থির হইতেও সুস্থির চেষ্টান্তর কর্পন করিয়া প্রত্মপী রত্ন নির্জনে অবলােকন কুত পদার্থ বিরাজমাল, আমি কিন্তু দেখিতেছি, এই সাংসারিক বস্তুর সুখে বস্থান করি। এই আমি' এই নিশ্চয় প্রপঞ্চ ‘ইহা আমার সুমণীয়তা বা স্থিরতা চিন্তামাত্রের উপরেই অবস্থিত, প্রকৃত ইত্যাদি অলীক অন্তঃকরণবৃত্তিসকল দূর করিয়া বলৰ শত্রু স্থির যথার্থ, রণয়বস্তু সংসারে থাকিতে পারে না। ৩৮-৪৫। মনকে নিপাত করিয়া শালিত কর, হে বিবেক। তােমায় যার হদয়ে বিচিত্র সম্পং-সকল ভাল বলিয়া বােধ হয় না, সম্পলাভের জন্য বড় বড় কাৰ্যে আৰন্তু তঁাহার নিকট মহা- নবম সর্গ সমাপ্ত ॥৯॥ বিপদ বলিয়া কেন না বুঝাইৰে ? বিচিত্র প্রকার বিপকে যাহারা সম্পদ বা বরে, তাহাদের পক্ষে বড় বড় কাৰ্য্যের আরম্ভ অব পরম আনন্দের হেতু বলিয়া প্রতীয়মান হয়। সমুদ্রতরঙ্গে এজিসিম্বিত চন্দ্রবিন্সের স্যায় ক্ষণভঙ্গুর মনােমাত্রের বিবৰ্ত্ত এই তুচ্ছ T নার।
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ দশম সর্ম। আকোন প্রয়ােজন নাই। তবে মিথ্যাভাবে উপর আমার এই দেহ কর্মে লিপ্ত হউক বা না হউক সমাবদ্ধ অচৈতন্য- বশিষ্ঠ কহিলেন,—রাজা জনক এইরূপ চিন্তা করিতেছেন স্বরূপ স্লাম ইহাতে কোন ক্ষতি নাই। মি অপ্রাপ্ত বৰ ইত্যবসরে প্রধান প্রতীহারী, সুৰ্যের রথাগ্রে অরুণের ন্যায়, তার জন্য আকাক্ষা করিতে চাহি না, প্রাপ্তবস্তুরও পরিত্যাগের আবশ্যক সম্মুখে উপস্থিত হইল; অনন্তর বলিল, হে ভুল-পালিকভুম নাই। আমি অনুগ্ধ আত্মভাবে অবস্থিত থাকি," ইহাতে গুল। মহারাজ! পত্রোখান করুন, বাজার কর্তব্য দৈনিক কাৰ্য্য বাহা হয় হউক। আমার কর্ম বা কর্মপরিভাগের কোন সম্পাদন করুন ঐ সকল রমণী পুষ্প-কপুর-কুসুম-বাসি প্রয়োজন নাই। ক ও কর্মপরিত্যাগ দ্বারা যাহা লাভ করা জলপুণ কুত লইয়া সুসজ্জিতভাবে মহারাজের ভূমিতে ব্যয় হা ক্ষণভঙ্গুর।২১-২৫। আমার যােগ্য অবােগ্য কম দণ্ডমালা, অহাদিগকে দেখিলে বােধ হইতেছে, যেন মূর্তিমতী করা বা না করায় কোন লাভ নাই। কেননা এই বটা উপাদেয় নদী-দেবতাগণ উপস্থিত। ঐ গনভূমিতে কমলিনীদল দ্বারা এইরূপ মনে করিয়া কোন বন্ধুর জন্যই আমার আকাঙ্ক্ষা হয় না। পটমণ্ডপ প্রস্তুত করা হইয়াছে, ঐ মানভূমিস্থিত কমলকলাৰ অতএব আমি গাত্রোখান করি। আমার এই দেহ চিরক্রমাগত কাননে মধুকরনির ভ্রমণ, করিতেছে। ঐ মানভূমিসন্নিহিত উপস্থিত কাৰ্য্য সম্পাদন করুক। ক্রিয়হীন হইয়া দেহ বিশুদ্ধ সৰোবরের তীরভূমি, মানবসরাপেক্ষী রাজগণের হস্তী আখ রখ হইলেই যে উম ফল হয়, তাহা নহে। মন যদি নিজাম ছত্র ও চাষয়ে পরিব্যাপ্ত। ১-৫। সমগ্র অন্ন-ওষধি-পূর্ণ এবং বাসনা-সম্পৰ্কশূন্য হইয়া সমভাবে অবস্থান করে, তাহা হুইলে মনােহর পাত্রে দেবপূজা-গৃহ সুসজ্জিত। মহারাজ। কৃভন্নান, শরীর ও অঙ্গের কার্য স্পন্দুন এবং নিস্পন্দভাব কলে সমান পৰিও-পাণি, অধমর্থণ-জল-পরায়ণ-দক্ষিণ, দানবােগ্য দ্বিজগণ হইয়া গঁড়ায়।, কুৰ্ম্মফলে মনেরই কর্তৃত্ব এবং মনই ভােজা। আপনার অপেক্ষা করিতেছেন। হে রাজাধিরাজ। আপনার মন শক্তিপ্রাপ্ত হইলে মনুষ্যেৰ কৰ্ম্মও গলজনক ইতে পারে। প্রেয়সীগণ ভবদীয় মুসজ্জিত ভােজন-ভূমি চামর-ক্যজনে সুশীতল পুরুষের অন্তরেই করে মূল দৃঢ়ভাবে অবস্থিত। তাই করত আপনার প্রতীক্ষা করিতেছেন। আপনার মঙ্গল হউক, পুরুষ ক্রিয়াব ইয়া থাকেন। কিন্তু আমার বুদ্ধি অবিনশবপদ শল্প গাত্রোখান করুন, নিত্য কৰ্ম্ম-অনুষ্ঠান করুন, প্রধান ব্যক্তি অবলম্বন করিয়াছে, আমি এক্ষণে কৰ্ম্ম বা কর্মচলর শীত গণ, নিজ কর্তব্য-কর্মের কাল অতিক্রম করেন না। প্রতীহারি আন্তরিক চাঞ্চল্য গরিত্যাগ করিতেছি।২৬-৩০। প্রধান এইরূপ নিবেদন করিলে রাজা পূর্ববং বিচিত্র সংসার দশম সর্গ সমাপ্ত ॥ ১• রচনা চিন্তা করিতে লাগিলেন। ১০। রানু তুচ্ছমাত্র, এই ভঙ্গুর পদার্থে আমার কোন প্রয়ােজন নাই। মিথ্যা মায়াময় এই সমুদয় বস্তু পরিত্যাগ করিয়া প্রশান্তসাগরের ন্যায় একাদশ সর্গ। অবিচলিতভাবে নির্জনে বসিয়া থাকি। এই অসংসরূপ ভােগ। বশিষ্ঠ কহিলেন—জনক এই প্রকার চিন্তা করিয়া উপস্থিত আলে আমার কোন প্রয়োজন নাই। আমি সর্বক ত্যাগ করিয়া ক্রিয়া শনাক্তভাবে নির্বাহ করিবার অন্য পাত্রোখান করিবেন। কেবল আনন্দে অবস্থান করি। রে চিত পুনর্জন্ম, জরা, জড়তা সূর্য যেন অনাসক্তভাৰে দিবস-সম্পাদন করেন, আজৰি জনকে প্রভৃতি শৈবালদলের দুরীকরণে আকাক্ষা থাকে ত এই ভােগায় কাৰ্য্যও তদ্রুপ। জনক মনে মনে ইষ্ট-অনিষ্ট বাসন পরিত্যাগ ভ্যাসের ফুমে চতুরতা পরিত্যাগ কৰা রেচিত। তুই যে অবস্থা | করিয়া জাগ্রং অবস্থাতেই সুষুপ্তি অবস্থার মত উপস্থিত ক্য বিবিধ কৌতুকাবহ পদার্থ দর্শন করিবি, সেই অবস্থাই তাের বিবিধু- সম্পাদন করিতে লাগিলেন। শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিগণের প্রণাম প্রভৃতি দুঃখ প্রদান করিবে। ১১-১৫। চিত্ত সকল প্রকার জােগবোর সমগ্ন দৈনিককাৰ্য সম্বাদন করিয়া, সেইরূপ ধ্যানযােগেই একাকী কখন এরুতিশীল কখন তাহা হইতে নিত্তি প্রাপ্ত হয়। চির- সমস্ত দিন যাপন করিলেন। তাঁহার মুন এখন সমতাপ্রাপ্ত, বিষয়- কাল এবং যন্ত্রংবার এইরূপ ভাবে অবস্থিতি চিত্তের অভাব, কিন্তু ভ্রম অগণত, তিনি রাত্রিশেষে চিত্তকে এইরূপ বুঝাইতে লাগিলেন, এইকপ ধরক্তি-রুতি ঘর চিত্তের কখনই পরিতৃপ্তি হয় না। গত -রে চঞ্চলচিত। সংসার তোর স্বর সুখের জন্য নহে। খালিত এব রে পাপ,মন! এই তুচ্ছ ভােগচিয়ে আর প্রয়োজন নাই। কর, শান্তি হইতেই সায় শান্তনু লাভ করা যায়। যে বিষয়ের অনুসরণ করিলে, অকৃত্রিম তৃপ্তি অভ হইবে, তাহারই অনায়াসে যতই কল্পনা করিতেছিল, তাের সেই চি অনুগামী হও। অনক এইরূপ চিন্তা করিয়া, তুর্কীল সংসার তের পক্ষে বিশাল হইতেছে। যেমন থাকিলেন। তাঁহার চিতের চলতিওয়ায়, তিনি তখন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়া শত শত শাখা ধারণ করে, সেইরূপ চিত্রার্লিতের স্থায় নিবে অবস্থিত হইলেন। রাগণের শত শত বেদনা আসিয়া তোমাকেও অণ করিজে । # চিত্তবৃত্তি অনুসরণে সুশিক্ষিত দৌবারিক, ভয় এবং রাজসম্মানের ও সংসারের সৃষ্টি চিন্তাসমূরেই লীলা। এস তুমি এভাবে আর কোন কথা বলিতে সাহসী হই না। অনার বিচিত্র চিন্তা পৰিগ করিয়া ভিলাত এক এক ক্ষণকাল সেইভাবে ঋকিয় চিনেগণের কর্তব্য সুন্দর চিত্ত! তেমার এই চিন্তা সংসারের সব চিন্তাবিতে লগিলে। ১৬। অ েএমন কোনৰ চঞ্চল-সংসার-সৃষ্টি ও চলচিকা তুলনা করিয়া দে দি ইহাতে উপাদেয় আছে ? যাহা ঘরপূর্বক সিদ্ধ করিতে হয়। এমন কিছু সারপ্রাপ্ত ও আহা হলে ইহাও ভাল। এলি কোন বই বা জগতে আছে? যাহাতে অনুরক্ত হইতে পদার্থের জলাশয় হেতুত সংসারে “স্থা ২৪। হয়। আমার এক্ষণে কর্মের প্রয়োজন নাই, নিৰ্মা হইলাম | ইদ্বার কোন সামগ্রীই অভিলাষণে গ্রহণ বা পত্যাগ করিও বিবাও আবশ্যক নই। কাৰ্যমাত্রই নশ্বর ; নরে' না, স্বচ্ছন্দে বিহার কর। এই পার্থ সত্য হউক, সয় • রে | উপশম-প্রকরণ। হউক, উপন্ন হউক, ৰা বিনষ্ট হউক, হে সখুচিত্ত। তুমি ইহার আমি অনুভব করিতো। তখন অলীয় আত্ম নিষ্ক্রিয় বলিয়াই দোষগুণে বিচলিত হইও না। বন্ধুর সহিত তোমার সামান্য তিনি কওঁবমাত্রে বাফিক লিপ্ত থাকিলেও, বাস্তবিক কোথাও সন্ধও মাই, অলীকপদার্থের সহিত সম্বন্ধ কি প্রকারে কিছু করিলে না, সতত স্থির হইয়া থাকিতেন এবং সু- সম্ভবপর হইতে পারে। হে চিত্ত। তুমিও অসত্য এবং সংসারও দশান্ত উপনীত ব্যক্তির ন্যায়, রাজর্ষি অনকের বাসনা-সমূল বিষয়- সত, অসত্য অসত্যে সম্বন্ধ ফলে কিছুই নহে, বিচিত্র কাল হইতে সর্বপ্রকারেই দূরীভূত হইয়াছিল।৭-১৩। অক্ষর-সমষ্টিমাত্র। হে সুন্দরচিত। যদি জগৎ অসত্য হয় এবং তাঁহার বাসনা ক্ষয় হইয়াছিল বলিয়া, তিনি ভবিষ্যতের অনুসরণ জীবৰূপ তুমি সত হও, তাহা হইলেই বা সত্য এবং অসরে বা অতীতের চিন্তা না করিয়া কেবলমাত্র স্বাভাবিক আনাম সম্বন্ধ কিকপে ঘটিতে পারে বল। হে চিত! তুমি এবং সংসার হইয়া বর্তমানেরই অনুসরণ করিতেন। হে পুণ্ডরীকাক্ষ! জল- উভয়ই যদি সত্য হও, তাহা হইলে তো হবিষাদের সম্ভাবনা রাজা নিজ বিচারবলেই সমগ্র জ্ঞান কাজ করিয়াছিলে' এ থাকে না; কেননা যাহা সত, তাহার কাচ পরিবর্তন হয় না। বিয়ে পণ্ডিতেরা বলেন, খাবঃ অয়ং প্রজ্ঞাবনে বিচারের সীমা পরিবর্তন ব্যতীতই বা হর্ষ-বিষাদের সম্ভাবনা কিরূপে হইতে (প্রকৃষ্ট জ্ঞান ) প্রাপ্ত না হইবে, সে পর্যন্ত জীব নিজ হৃদয়ে পারে। অতএব তুমি মহতী বেদনা পরিত্যাগ কর, শান্তভাবে এবং অসতের বিচার করিবে। হে রাম। সেই ব্ৰহ্মপদ ও আনন্দময়স্বরূপ অবলম্বন কর, সংক্ষুব্ধ সমুদ্রের অগাধগপ্রবিষ্ট সন্নিধানে মিলে না, সংসারে অনুশীলনে লাভ করা যায় না, অভ স্বীয়ভাব পরিত্যাগ কর। 'পতিত-উৎপতিত জ্বলন্ত পুণ্যবিনিময়েও পাওয়া যায় না ,উহা কেবল সাধুসংসর্গে নিতান্ত অঙ্গারের ন্যায় ব্যর্থ আত্মপ্রলনে প্রয়ােজন নাই। হে বুদ্ধি। মুনিৰ্ম্মল ও বিচারসহযোগে সন্দেহাদি-উপৰত নিজ হাতে, আবার সেই জলন্ত অঙ্গার ক্রমে মলিনতাব প্রাপ্ত হইয়া বেমন লাভ করা যায়। হে রাম। চতুরী-সখীর কাম বিচারবতী নিজ নির্বাণ হইয়া যায়, তুমিও সেইরূপ মােহপ্রাপ্ত হইয়া অজ্ঞানে বুদ্ধি দ্বারাই সেই ব্ৰহ্মপদ লাভ করা যায়; এগুলি ও মন্দীভূত হও। এতে মান উন্নত উত্তম বস্তু নাই, যাহা উপায় নাই। পূর্বাপর বিচারে সক্ষম তীপ্র যাহার অবলশন করিলে গরম পরিপূর্ণতা লাভ করিতে পারিবে। অতএব দীপশিখার ন্যায় প্রজ্বলিত হয়, আড্যরূপ অন্ধকার আইকে কাচ শমন' সকল বাধা অতিক্রম করিয়া অত্যন্ত ধৈৰ্য অবল আক্রমণ করিতে পারে না। ১৪-১১। হে মহামতে! দুঃখ- কর, চপলত পরিত্যাগ কর। ১৮। প্রবাহসঙ্কুল জুৰুত্তর বিপৎসাগর উর্ণ হইতে হইলে, একমাত্র প্রজ্ঞাপনৌকা ভিন্ন অপর সহায় নাই। যেমন সামান্য বাতাসে একাদশ স সমাপ্ত। ১১ সারহীন (অনাসে) আয়ত্ত করিতে পারে, তদ্রুপ প্রজ্ঞাহীন ব্যক্তি অতি-লঘু-বিপওে আক্রান্ত হইয়া থাকে। হেয়। প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি সহায় এবং শাস্বজ্ঞান না থাকিলেও সংসার- দাশ সর্গ। সাগরকে সাতিশয় লঘু বিবেচনা করিয়া, অনায়াসে তাহা হইতে বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রাম। বাজৰি জনক এইরূপ বিচায় উত্তীর্ণ হইয়া থাকেন এবং অন্যের সাহায্য না পাইয়াও কাৰ্যমে করিয়া, রজ্যমধ্যেই সমুদয় কৰ্ম্ম করিতে অগিলেন। তিনি হির- করিতে সমর্থ হন। কিন্তু প্রজ্ঞাহীন ব্যক্তি বিবিধ সহাবসম্পন্ন হইয়া প্রজ্ঞ বলিয়াই কিছুতেই মুগ্ধ হন নাই। উদীয় চিত কোনরূপ কাৰ্যফলে উপনীত হইলে ভৎসহ স্বয়ংও বিনষ্ট হইয়া থাকে। আনন্দব্যাপারে উল্লসিত হইত না, সর্বদা অবিক্ষিপ্তভাবেই যেমন ফললাভের আশায় কৃষকেরা জলসোদি উপায়ে লতার অবস্থান কত। তদবধি তিনি কোনরূপ বাহবিষয়ের সংগ্রহ ৰা বৃদ্ধিসাধন করিয়া থাকে, তদ্রুপ বিচক্ষণ ব্যক্তি প্রথমে শাস্ত্রা ত্যাগ ন করিয়া কেবল, নিঃশঙ্কভাবে বর্তমান ব্যাপারেই আসক্ত শীলন ও পরে সাধুসমাগমরূপ উপায়ে প্রজ্ঞার পুষ্টিধন কষিযে, থাকিতেন ,যেমন স্বচ্ছ-অম্বরে ধূলিরাশি দৃষ্ট হয় না, দ্রুপ চন্দ্রমণ্ডল যেমন নিৰ্ম্মল কিরণমালা প্রসব করে, দ্রুপ অনুরূপ স। বিবেকশাল জনকের হরে, রজোগুণজন্য—এমতালি রূপ মহাক, প্রজ্ঞাবলরূপ বহলের সাহায্যেই যথাকালে জ্ঞানরূপ মালিন্ত আশ্রয় পায় নাই; কেবল তাহার বিবেক ব্ৰহ্মস্বকপ, স্বাদু-ফল প্ৰসৰ কৰি থক। ২০-২৫। লেকে বিয়ের প্রকৃষ্ট-জ্ঞানই সমথিক স্বচ্ছতা লাভ করিয়াছিল। যেমন সুনিল সংগ্রহের নিমিত্ত যাদৃশ প্রয়াস পাই থাকে, অগ্রে প্রজ্ঞাবুদ্ধির গগনে দিবাকর উত্তমরূপে প্রকাশিত হন, তদ্রুপ আহার হৃদয়- এত সেই যত্ব করা উচিত। কারণ, প্রজ্ঞার অভাবে জীবের কাশে সৰ্ব্বদা শােকদুঃখাদিতে অসম্পৃষ্ট চিন্ময় ব্ৰহ্ম উদিত হইয়া- সকল প্রকার দুঃখ উপস্থিত হয় ও তাহা হইতে সংসাররফের ছিলেন। ১৬। হে রাম! তখন তিনি সৰ্ব্বভূজ্ঞে অকৃবি অনুর প্রকাশ পায়। প্রজ্ঞাহীন ব্যক্তি সহঁজেই বিপজ্জালে আক্রান্ত, হব্বং সরূপ হুয়া খীয় চিৎশক্তিমধ্যে নিজস্বরূপেই নিখিল হয়। স্বর্গে বা পাতাব্রাজ্যে বেকিছু সুখ পাওয়া যায়, যাবি ভাৰ দৰ্শন কৰিলােগিলেন একু তিনি কোন সময়ে কোনরুপে একমাত্র প্রজ্ঞারত্ব হইতেই তৎসমুদয় পাইয়া থাকেন। হে রাখব। আনন্দিত হুতি, হইলে না। প্রকৃজির ব্যবহারে সর্বদাই একমাত্র বুদ্ধিবলেই এই ভীষণসংসাবশগর হইতে উত্তীর্ণ হওয়া স্থিরচিত্ত হইয়া থাকিলে সেই লোকমাঙ্গ পুরঙ্গ অনী যায়; এই সাৱসাগরের পারে গমন উৰ্থপৰ্যটন । ঋজঘি খনক ৰখি লােকয়ের অবস্থা সম্যক্ জ্ঞাত হয়, তপস্যা এ দলের ক্ষিতেই সাধিত না। মনুষের মা- জীবমুক্ত হইলেন। তিনি বিদেদেশে যা করিয়া প্রজগণের বাসী হইয়াও যে কিছু স্বৰ্গাদি,দৈৰসম্পত্তি লাভ করিয়া থাকে, জীবনস্বরূপ ছিলেন। কি প্রাকৃত ব্যক্তি স্যায় ভঁহাকে তাহা প্রজ্ঞাপ পুণ্যলৰ মূহুল ব্যতীত আর কিইনহে। আক্রমণ কৰি গাৰ নাই।ভিৰিআন্তরিক প্রচেষ্টায় ও ফময় কষিগণ যাহাদের সামান্য নাতে বিনষ্ট হয়, সেই বন্ধক রানিবা ইষ্টার্লিষ্টব্যাপারে কখনও আনল কিংবা পশুরাজ সিংহও সামান্য লুকের মাত্র প্রজ্ঞালে তার যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ। + । T = = নিকট, আপনাদের নিকট হরিণের গরয়াসে পরাজিত হইয়াছে রও অনুকরণীয় নহে। বুদ্ধিমান্ ব্যক্তি পরমবিবেক আয় করত দেখা যায়। মনুষ্যেরা প্রজ্ঞৰলেই রাজা হইয়া থাকে, প্রজ্ঞাবান্ ! আপনাকে আপনি নিপুণভাবে পৰ্যবেক্ষণ করিয়া বৈরাগ্যবতী ক্তিকেই স্বর্গ বা মুক্তি লাভ করিতে দেখা যায়। ২৬-৩২। বুদ্ধিবলেই সংসারসাগর উত্তীর্ণ হইয়া থাকেন। ১—১০। হে হে রাম। অতিতী বালিগণও নিজ নিজ সুতর্ক উথাপন করিয়া রাঘব! তােমার নিকট যে অনবৃত্তান্ত-সম্বলিত জ্ঞানপ্রাপ্তির উপায় প্রজ্ঞার সাহায্যেই নিতীক ও লুবতা হইয়া প্রতিবাদিগণকে নিরন্ত! কহিলাম, ইহা আকাশ হইতে অতর্কিত ফলপ্রাপ্তির ন্যায় সুখ- করিয়া থাকে এবং এই প্রজ্ঞা বিবেকিগণের হৃদয়ে চিন্তামণি | সম্পাদন করে এবং অজ্ঞানরূপ পাপকে উলন করিয়া থাকে। মন্ত্রের ন্যায় অবস্থান করত কল্পলতার মত অভীষ্টফল প্রদান করিয়া | যিনি জনকের ন্যায় সঙ্কুচিসম্পন্ন হইয়া সমদর্শী হন, তাহার থাকে এবং সেঁচালননিপুণ নাবিকের ন্যায় শিক্ষিত ব্যক্তিই প্রজ্ঞায় দেহুমধ্যবর্তী পরমাত্মাদেব প্রভাতে কমলের ন্যায় বিকসিত হন। সাহায্যে সংসারসাগরের পারে গমন করিতে পারেন কিন্তু , যেমন আপসম্পর্কে হিমের হিম নষ্ট হইয়া যায়, তদ্রুপ বিষয়- প্রক্রিীন অধম মূঢ়ব্যক্তি নৌচালনে অপটু নাবিকের ন্যায় : করী, সংসারবাসনাও বিচারবলে বিন্যপ্রাপ্ত হয় এবং “এই দেহই সংসারের পারে যাইতে পারে না। হে রঘুনাথ। প্রজ্ঞদেবী যদি আমি” এই অজ্ঞাননিশার অবসান হইলে সর্বগ্রামী আত্মালােক বৈরাগ্যাদি সৎপথে চালিত হন, তাহা হইলে মনিবকে সংসার-; আপনিই প্রকাশ পাইতে থাকে। “এই দেহই আমি” এইরুপ পারে লইয়া যান। আর যদি লােভাদি অসংমার্গে নিয়োজিতা হন • পরিচ্ছিন্ন ভাব অপগত হইলে অনন্তভুবনব্যাপী অপরিচ্ছিন্নতাব তাহা হইলে সমুদমধ্যে অপটু নাবিক কক্কক চালিত নৌকার 'আপনিই আসিয়া উপস্থিত হয়। হে সুমতে রাজর্ষি যেমন ন্যায় সংসারসাগরে ভ্রমণ করতে থাকিয়াই জীবকে বিপদগ্রস্ত অহঙ্কাৰ-বাসনা ত্যাগ করিয়াছেন, তুমিও সেইরূপ স্বয়ং বিচার করেন। যে পুরুষ সদসন্ধিচারক অমুগ্ধ ও প্রজ্ঞাবান, বেলােভাদি- 'করিয়া উহাকে পরিভাগ কর; কারণ নির্ণল সুবিস্তৃত চিনাকাশে সঙ্গত দোষরাশি কবদেহে শরজালের স্থায় কোনরূপেই সেই অহঙ্কারাদি মোবৃন্দের লয় হইলেই প্রকাশ আত্মসূৰ্য্য স্পষ্টবপে পুরুষকে পীড়া দিতে পারে না। প্রজ্ঞাবলেই নিখিলগতে সম্যক্ । প্রকাশ পাইয়া থাকেন। মহাবের ভবনাই মােহকার , দর্শন হয় ; যিনি এই সম্যক্ দর্শন লাভ করিয়াছেন, তঁহার নিকটে উঘার ক্ষয় করিতে পারিলেই আত্মপ্ৰকাশ পাইয়া থাকেন এবং বিপ সম্পদ কিছুই নাই। হে রামচন্দ্র। বহ্মরূপ সূৰ্য্যের আবরক ‘আমি পদবাচ্য কেহ নাই, অন্য কিছুই নাই অথচ সকলই অসিত (সুনীল, পক্ষে অসুস্থ) জড় ও বিস্তৃত অহঙ্কাররূপ মেদ রহিয়াছে, এই প্রকার ভাবিত মন আপনিই শান্তি পাই, বস্তি একমাত্র প্রজ্ঞারূপ ৰামু কর্তৃকই অপসারিত হইয়া থাকে।' হে' উপাদেয়বিষয়ে নিমগ্ন হন না। হে রাম উপাদেয় বিষয়ে অনুৰাগ মহাম্ম। যেমন সুফলের অভিলাষে কৃষক প্রথমে ভূমিকে কর্ষণ ও হেয় বস্তুতে একান্ত বিরাগ ইহাই চিওর বন্ধ, ইহা ভিন্ন করে, তেমনি পরম-পাতিল পুরুষের পক্ষে প্রথমে বিবেকা- , অপর কিছুই বল নাই। ১১-২০। সুতরাং বংস' কপট ভ্যাদি উপায়ে প্রজ্ঞারই শোধন অবশ্য কর্ত্তব্য জানিবে ।৩৩-৪০ দেয় বস্তুতে উপেক্ষা ও উপাদেয় বিষয়ে অনুরাগ করিবে না । উক্ত কাদশ সর্গ সমাপ্ত। ১২ ষােনুরাগাত্মিকা বুদ্ধি ত্যাগ করত অবিক্ষিপ্ত হইয়া স্বচ্ছভলে বিরাজ কর,কারণ, “যাহাদের এইটা ফি ও এইটী ত্যাজ” এইরূপ বুদ্ধি নাই, তারা কিছুই বা ৰা কিছুই ত্যাগ করেন। যে পৰ্যন্ত চিত্তের যােত্মিকাও রাগমন্ত্রী বরি ক্ষয় না হয়, তা- ত্রয়োদশ সর্গ। কাল মেঘসহুল গগনে জ্যোৎস্নার দ্যা চিলাকাশে ব্ৰহ্মর বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রাম। জনকরাজার কাম্ব এইরূপে উদয় হয় না। যাহার মন এই বস্তু (উপালেয়) ও এই অব আপকে আপনি বিচার করিতে পারিলে তুমিও নিবিয়ে পরমপদ (হেয়)” এইরূপ ধারণায় চঞ্চল, সেই ব্যক্তির মনে শাখােটবৃক্ষের পাইতে পারিবে ।যে সকল বুদ্ধিমান্য শুভকর্মফলে জন্মান্তরে রাজস মরীর স্থায় সম উদিত হয় না। “ইহা অনুকুল, ইহা আমার সাত্বিক হইয়াছেন এখং মােগুণবিহিত হইয়াছেন, খাব্বই হউক ও ইহা প্রতিকূল, সুজ্জাং উহাতে আমার প্রয়ােজন নাই। জাকারিয়ায় ইন্দ্রিয়সংজ্ঞক খ্রিপূদিগকে বারংবার পরাজয় করত এইরূপে ইচ্ছা ও মেষ যে পুরুষেনিয়ত বিলাস করিতেছে, তাহাতে স্বয়ংই পরমপদ পাইয়া থাকেন। তখন তঁাহাদের জন্য আপড়ে বৈরাগ্যস পালক চ্ছ সমতার প্রকাশ পাচ হয় না। ২১-১৫। আপনিই প্রসন্ন হইয়া থাকেন। সর্বব্যাপী দেবাদিদেব পরা যাহার মানসপটে নিষ্কলঙ্ক ব্ৰহ্মজ্ঞান পূর্ণমাত্রায় বিকাশ পাইয়া স্বয়ং প্রসন্ন হইয়া একশিত হইলে জীবে কৰ্ম্মৰহ্মনস-র থাকে, অহা যুক্তামুক্তৰিচারণা কিছুই থাকে না, কিন্তু যার বিচ্ছিন্ন হইয়া যায়। পর পরমাত্মার সাক্ষাৎকার হইলে চিরুপপাদপে ইষ্টানিষ্ট কিতাবণারূপ বানৱীয় চলতাৰে সৰদা মােহসম্পাদক খাসনাল অ্যাত্মিক বিবিধ দুঃখজাল ও কূর্তি পায়, কখনই তাহার স্থির শান্তি ঘটে না। হে রাম। রাগ- অহংজ্ঞানাদি নিবন্ধন সকল কাপ্ত হইয়া থাকে। হে রামচ মেদিবিরহিত চিত্ত হইতে বাসনাৰীজ এখন অপত হইলে, তুমি এনকের স্থায় আপনাকে ব্ৰহ্মবরূপ অমুল করিয়া সর্বোক্ত | হেয়-উপাদেয় ক্ষিবিরহিত তত্ত্ববিদেচিতে ফাত, নির্ভীকতা, ঐশলী হও। যিনি আধ্যাত্মিকচিরে এই বিশ্বের অনিত্যতা নিভল, সাজ্ঞান সম্যবিতা, নিশ্চেত, নিস্ক্রিয়ত্ব, সৌম্য- করেন, তাঁহার আত্মা কালে কবির মত প্রসন্ন হইয়া আৰ, সৰ্ব্বভূতে সুভাষ, সন্তােষ, বিচারবতী বুদ্ধি, ধৈৰ্য, অ- থাকেন। সংসারভীত বিবেকাদিগের নি চেষ্টাব্যতীত লৈ, এন, এভাৰ ও মুমিতা এতৃতি পৰি প্ৰকাশ পাইয়া থাকে। কৰিলে কিছুই করিতে পারে না। বস। যাহারা, হে রামচন্দ্র। বেন স্রোতেমুৰে বাৰমান সলিলকে সেনি বিবেক-vৈাদিতে না করিয়া একমাত্র উপর নিল। তারা নিজে করিতে হয়, সেই চিন্তক নিয়েই বিষয়ে করে, আহালের জন্য বিনাশৰ হেতু জ্ঞাৎ তাহা কাহা- মান দেখিলে বাহেলিয়-সম্পর্ক ত্যাগ করত বলে সাত উপ-প্রকরণ 2 অধিৰে তুমি গমনই কর বা স্থির থাক, নিদ্রা যাও অথ খাস তখনই হলসুমধ্যে সনাতন ব্রহ্মপে উহার প্রতাভি ই থাকে ক্রিম নিয়ত হও, সকল অবস্থাতেই বাহবিষয় ত্যাগ করিয়া এবং উহা বিষক দ্বারা আক্রান্তা থাকিলে করুন- অধিয়ে আসক্ত হও+২৬৩১ হে বৎস। চিন্তারূপ সুরা আদষ্টা। যখন ঐ কনা চিন্তকে আশ্রয় করিয়া প্রকাশ পায়, এখিত বাসনরূপ জল_সসররূপ সলিলে প্রসারিত থাকিয়া তখনই উহা আপনার পিরুপ ভুলিয়া যায় এব আসিয়া ফারূপ শরীমৎকে অন্তরে ধারণ করত জীবরূপ জনকে উহাকে আক্রমণ করে। ৫১-৫৫। হে রাম! পূর্বোক্ত কল- নিয়ত কলুষিত করি। যেমন বিস্তৃত আকাশে প্রলয়বায়ু নাই হেয়ােপাদেয়স্বরূপে দ্বিধা বিভক্ত হইয়া সজের অনুসরণ যমান হইয়া সাদি মেম্বরকে বিদূরিত কৃরে, সেইরূপ এই করে, তখন উহা শ্রেষ্ঠা ছিজিপে সম্পন্ন হইয়া থাকে এবং মছুক্ত প্ৰগ ভীরুকী এরা ঐসমাজালকে ছেদন কর। সেই চিচ্ছক্তি প্রকাশ পাইয়া রূপদেশাদির সাহায্যে যে পর্যন্ত ( ধীর। অজ্ঞনাত্মক সংসারবৃক্ষের মুল হইতেই দোষরূপ সম্যক্ বুজা না হয়, তাৰ পুৰ্ণানন্দময় অদ্বয় ব্রহ্মরূপ অত অসের উৎপত্তি হইয়া থাকে ,ইহা সম্যক্ জামিয়া উদ্ধারণসমর্থ হওয়া যায় না, মুরং শাস্ত্ৰবিচার, বৈরাগ্য ও ইন্দ্রিয়সংযম দ্বারা সেইসূলের উচ্ছেদ কর। হে রম। যেমন কুঠার দ্বারা এই সমুদয় উপায়ে অগ্রে কল্পনা প্রকাশিত কবিৰে। ঐ কল্পনাই এ ছেদিত হয়, তদ্রুপ ব্ৰহ্মসাক্ষাৎকারী মন দ্বারা রাগলে- জীবকুরে হৃদয়ে জ্ঞান ও শান্তির সাহায্যে জাগরিত হইয়া - দুষিত মনকে উৎসারিত করিয়া পবিত্ৰ ব্ৰহ্মপদ লাভ করত সরূপ লাভ করে, ইহার অন্যথা হইলেই কেবল সংসারে ভ্রমণ অস্থির হও। ৩২-৩৫। এইরূপে উত্তরকালবুতি ও বর্তমান করিয়া থাকে। কল্পনাদেৰী বিষয়াসক্তিরূপ মদিরায় প্রমক্কা হইয়া কালবৃত্তি মনকে বসন মন দ্বারা নিরয় করিয়া সংসার- বিষয়ৰূপ বক্ষের জলে লু হন এবং পরক্ষণেই অজ্ঞানরূপ ভাবের উচ্ছেদ কর। তুমি অবস্থানই কর, নিদ্রিত বা জাগরিতই নিদ্রার আবেশ নিদ্রিতা থাকেন, তাঁহাকে সর্বতােভাবে বুদ্ধ। শাক, উপবেশন কর অথ উচ্চস্থান হইভে পড়িতেই থাক, সকল রাবিতে ষ্ট। পাইবে। ৫-০। হে রাম! করুন প্রাপ্ত অবতেই সংসারের অনিতা বুঝিয়া তাহাতে আস্থা পরি- থাকলে কোনরূপেই জগতের অবোধ হয় না। তবে যে ত্যাগ কর , প্রাপ্ত কাৰ্য্যের সম্পাদন ও অপস্থিত কাৰ্য্যের চিন্তা সংসারকে প্রবুদ্ধ বলিয়া দেখিতেছ, উহা মিথ্যাভূত কানামাত্র , না করিয়া সৰ্বত্ৰ সমজ্ঞানে বিচরণ কর। যেমন মহাদেব, মায়াময় বাবিক কিছুই নহে। এই চিত্তবৃত্তিরূপা কল্পনা সর্বসাক্ষি শতের সন্নিধানে ফিত্যাদি অষ্টমূর্তিস্বরূপ লিঙ্গসমুদয়কে ধারণ পিণী ও অধ্যবর্তী পরম দৃষ্টিতে পরিব্যাপ্ত হইয়াই আন্তরিক করিলেও চিন্ময়দৃষ্টিতে ধারণ করিতেছেন না, তদ্রুপ ভূমিও সন্নিধি- বিষয়-গহণে সমর্থ হন। হে রামচন্দ্র। ঐকল্পনা জড়তাবা বলিয়া মাত্র রাজকার্য সম্পাদন করত আপনাকে নির্লিপ্ত আকর্তারূপে পাষাণস্বরূপিণী হইয়াও তলসম্পর্কে পশ্বিনীর আয় পরম জ্বত হইয়া কিছুই করিবে না। ৩৫–৪। হে রাম! তুমি বেশ্যা, 'চৈত-সম্পর্কে প্রবােধিতা হইয়া থাকেন যেমন পাষাণময়ী তুমি অজ তুমি মহেশ্বর ও তুমিই পরমাত্মা, তুমিই ব্ৰহ্ম হইতে কন্যামূৰ্ত্তি চালিত না হইলে নৃত্য করে না, তদ্রুপ কল্পনাদেবীও পৃথক্ না হইয়াও মােহবশতঃ এই সংসারভাষের প্রকাশ করি- সেইমধ্যে থাকিয়া স্বয়ং কোন বিষয় গ্রহণ করিতে পারেন না। তেছ। হে রাম। যিনি রগন্বেষাশিত হইয়া সংসারসনা ত্যাগ ৬১-৫। যেমন চিত্রিত রাজমুক্তিকে কোন স্থানেই ভীষণবুল কর লােঞ্জে, প্ররে, কাপনে সর্বত্রই সমজ্ঞান করিয়া থাকেন, করিতে দেখা যায় না, চিত্রিত চকিরণে যেমন কদাচ ওষুধি যাকেই মুক্ত-যােগী বলিয়া নির্দেশ করা যায়। তিনি যে কৰ্ম্ম সকলের সূৰ্ত্তি হয় না, রক্তাক্ত মৃতদেহ যেমন কোন স্থানে বাৰিত করেন, যাহা ভোজন করেন, যাহা দান করেন ও যাহা কিছু নষ্ট হইতে পারে না, অরণ্যে পতিত শিলাখণ্ড যেমন মধুর গান করেন,সকল কর্মেই—কি সুখ, কি দুঃখ, সর্বাবস্থাতেই সেই মুক্ত করতে সমর্থ হয় না, যেমন কৃত্রিম সূৰ্য্য হইতে কদাচ অন্ধকার পুরুষের সমজ্ঞান হইয়া থাকে। যিনি ইউনিষ্টচিন্তা না করিয়া নিরাসের সব নাই এবং যেমন সাতকাননের কিছুতেই গুমাত্রেই কম্পে কর্তব্যবােধে তাহাতে প্ররত্ত হন, কিন্তু ছাপতি হইতে পারে না, সেইরূপক মেপি, রাং কিছুতেই আসক্ত হন না, হে মমি৷ তাঁহার চিত এই জগৎকে প্রকারের স্থায় নিয়ে ও মিথ্যা কসময় এই মন কোন কাৰ্য্য “চিচ্ছক্তির সম্ভাব্যতীত অন্য কিছুই নহে" এইরূপ বুঝিয় থাকে, করিতেই সমর্থ নহে। যেমন প্রখর সূর্যরশ্মি যিকা হইলে এবং ভোগাভিলাষ পরিত্যাগ করিয়া শান্তি প্রাপ্ত হয়। ৪১–৪৬। মরুলেদিতে বিখ্যাময়ীচিকায় অভ্রম হইয়া থাকে, সেইপ এই হে নাম। যেমন কমধ্যে মার্জার মাংসগ্রামের আশায় সিংহের নিখ্যাতৃতা কল্পনাও আত্মায় সচিত হয়। ৬৬-৭০। অঞ্জ- অনুসরণ করে, তদ্রুপ চিত্ত স্বভাবত নিকি হইলেও অনেদয়ে ব্যক্তিরাই শক্তিকে মন বলিয়া স্বীকার করিয়াছেন, ববি পারমার্থিক বন্ধু অনুসরণ করিয়া থাকে এবং সেই সিংহানুসারী উহা দেহমধ্যবর্তী প্রাশালিবায়ুসমুদয়ের ক্রিয়ামাত্র, অপর কিছুই নার্শা যেমন সিংহেরই সামর্থ্যে সংগৃহীত মাংস ভক্ষণ করে, নহে। যাহাদের সম্বিৎ সল কানায় আক্রান্ত হয় না এবং কল্পিত দ্রুপ চিত্তও অন্ধ, চিঞ্জিপ্রভাবে প্রতীয়মান বিষয়েই বিষয়াকারে জাকাৰিত না হয়, তাহাদের সেই মনিই বিশুদ্ধ পুরু- আশ্রয় গ্রহণ করিয়া । চেষ্টাহীন জড় বলিয়া মৃতদেহের আত্মার প্রভা। হে রাম! যিনি “এই আমি এই প্রকারে আপ- সমান-এই চিচিস্বরূপ মকের ও অলীয় শক্তির সাহায্য নাকে নির্দেশ করত াণকে “ইহা আমার” বলিয়া গ্রহণ করিয়া ব্যতীত কখই স্পন্দিত হইতে পারে না। ৪। হেরাম থাকেন, সেই সুত্বেই জীজ্ঞা নির্দিষ্ট হয়। এইরূপ অসং এই কারণেই পণ্ডিতেরা চিহ্নিতে মিখ্যাভূত নকলনাকেই সঙ্কমেরই বুদ্ধি, চি, জীৰ এই জিলা সংজ্ঞা নির্দিষ্ট হইতে 'চিত্র বলিয়া নির্দেশ করেন। তিকার-বিরের ফুৎকারকেই পারে। হে নাম। কিন্তু ইহা কৰি নীদিগের কলিত ৰা বহ। সেই জনাই আপনাকে চিপে বুৰি জ নহে, তাহাদের বিবেচনায় “আমার” বুদি, মন, ই ও শরীর চিমাত্র হয়। এই চিৎ যখন বিষয়-বন্যবিরুহিয়া হয় কিছুই ঠিক নাই; কেবল অলি আজই অবস্থান করিতে- বােগবাটি-শাষণ হেন দৃশ্যমান সংসারের সাইশা, আত্মাই দিবারাত্রিরূপে | অহা যেমন হইতে পারে না, মনও সেইকপ হইতে পারে না। নিদ্দিষ্ট ও কালসংজ্ঞায় কথিত হইতেছেন, ঐ আত্মা আকাশ ১১-১৫। হে মহােদয়। ত্রিভুবনে তত্ত্বজ্ঞানীর নিকটে মনের অপেক্ষা নিল, উহার অস্তিত্ব নাই, অভাবও নাই, অত অস্থিত্ব নাই, কারণ, তথায় পরমার্থজ্ঞানের উন্নয়ে চিতের লয় নিল বলিয়া তিনি ইত্রিয়গ্রাহও নহেন', তা তাহার অস্তিত্ব হইয়া থাকে; হল--তুমি দুরারি সংগ্রহে মনের নাই। ৭১-৭৬। চিৎস্বরূপ বলিয়া তিনি সদা বিদ্যমান এবং উৎপাদন কৰিও ন, হাতে বাস্তবিক কিছু নাই। তুমি জুপি চুমান নিখিলবন্তর অতীত বলিয়া কেবল নিজামুঙৰ দ্বারাই | কিছুমাত্র সম্বলও করিও না; কারণ, অন্তৰিকানের সঙ্কজ তাহার অনুভব হয়, ইন্দ্রিয়ের গােচর নহেন। হে রাঘব' যেমন হইতে উৎপন্ন বস্তু কিছুই কুত্রাপি নাই। হে রাম। তুমি এক্ষণে আকাশেত্রে আলােক উপস্থিত হইলেই অন্ধকার ক্ষয় প্রাপ্ত হয়, 'মুনি হইয়াছ, এক্ষণে বাঙৰ জ্ঞানবলে তােমার অলয়রূপ-মরুলে সেইরূপ পরমাত্মাৰ সাক্ষাৎকারসময়ে মনের অঙ্কিা থাকে না মিখানসভ কমনাময়ী মরীচিকা সম্যকরূপে উপশান্তা এই তথায় পৃধকূপে মনে প্রকাশ হয় না, কিন্তু ঘখন হইয়াছে। আর দেখ, মনের কিছুই স্বৰূপ নাই, উহা জড় বলিয়া সুনির্মল আন সঙ্কৰণে ৰাহৰিষয়ের স্বরূপেই অবস্থিত সর্বদাই মৃতস্বরুপ, কিন্তু কি আশ্চর্য্যমুখচক্র। সেই মন তখনই পারমার্থিক অাত্মার বিশ্বাশ ও মনঃসমুৎপন্ন অলীক হইয়াও জীবগণকে মারিছে, ইহা বুঝিয়াও মূখের বুঝিতে পদার্থের ক্ষুত্তি হইয়া থাকে। হে রাম! পরমপুরুষ উক্ত আত্মার না। ১৬—১০০। হে রম! যাহার স্র নাই, দেহু নই, মন যে সময় তাহাকেই চিত্ত কহে, উক্ত সঙ্গের অভাবে চিন্তে নাই, আকার নাই, এরূপ মনও যে সকলকে গ্রাস করিতেছে অভাব তাহা হইলেই মােক্ষ হইফকে। ৭৭-৮০। ভােমাকে ইহা অপেক্ষা মুখ আর কি আছে? এবং এইরূপে সর্পসামগ্রী বহুবার বলিয়াছি যে, সঙ্কজাভিমুখে ধাবমান আত্মার অস্বাভাবিক শুন্য হইয়াও মন যে জীবকে পীড়া দেয়, ইহা নীলপস্ত্রের আঘাতে অন হইতেই চিতের উৎপত্তি হইতেছে এবং উহাইসার-বা- | মন্তকচুর্ণলে স্যায় অত্যাশ্চর্য বলিয়া বিবেচনা কবি। মন জড় হের আদি কারণ। যেমন রূপাদি লক্ষণে ক্ষ্মীপুরুষাদির অবধার হয় অন্ধ ও মূক হইয়াও যাহাকে আহত করে, আমার বিবেচন সে সেইরূপ চিচ্ছক্তি বিকবিহীনা হইলেও যখন সঙ্কল্পচিহ্নে কলঙ্কিত ব্যক্তি পূর্ণচন্দ্রের কিরণেও দক্ষ হইয়া থাকে। অবিদ্যমান মন মূঢ়- হন, তখনই তিনি কল্পনাময় মনঃসংজ্ঞায় কথিত হইয়া থাকেন। ব্যক্তিকে বশীকৃত করে এবং বিবেকীরা অবিদ্যমান মনকে বশীকৃত হে রঘুনাথ। যেমন কার্পণ-সন্নিহিত দ্রব্যের অপসারণে দ্রবচ্ছায়ারও করিয়া থাকেন ,কিন্তু এ উভয়ের কিছুই বাস্তবিক নহে। ৮ে অভাব হয়, তদ্রপ প্রাণশক্তির বিরােধ হইয়ে অং-সমভিব্যাহারে রঘুনাথ । যিনি মিখ্যা কঙ্গনালে কলিত হন, যাহার অবস্থান মনও নিরুদ্ধ হইয়া থাকে। কারণ, মন প্রাণেরই রূপান্তর মাত্র সন্ত্ৰখাই মিথ্যা ও যাহাকে অন্বেষণ কৰিলেও দেখা যায় না, তাদৃশ 5 নহে এবং প্রাণই নিজ শক্তিসাহায্যে দেশান্তয়ে মনের লােকরভব করিবার শক্তি কিবপে সম্ভব হইতে পারে ? এগুবকে আপনার হৃদয়স্থ করিয়া অনুভব করে বলিয়া মনঃ- ১০১-১৫। ১০১-১০৫। তবে যে অস্থির মন লােককে অভিভব করি। সংজ্ঞায় অভিহিত হন। হে রাম। এই মাত্র যে তােমাকে বলিলাম, থাকে, সে কল্পনা কেবল মায়াবশেই উপস্থাপিত , ও ইহাৰ এণের নিরােধে মনও নিরুদ্ধ হইয়া থাকে, ঐ প্রাণের নিবােধ, প্রকাশ বড়ই আশ্চর্যের বিষয়। জীবের যখনই এইরূপ মুখ বৈরাগ্য, প্রাণায়ামাভ্যাস, বসুনাম, সমাধি ও জ্ঞান এই কয় উপস্থিত হয়, তখনই আপদ তাহাকে অন্বেষণ করিয়া আশ্রয় করে , উপায়েই হয়। ৮১। যেমন শিলার কখন জ্বলনশক্তি যেহেতু, দেখা যায় যে, মুখেরই অষ্টে নানা অপদ ঘটে। এই দেখা যায় না, সেইরূপ মনেরও স্বতঃ স্পন্দন ৰা অনুভবশক্তি অজ্ঞানজন্য মনঃকলা মুখতাবশেই হয়, ইহাতে আরও কষ্টের নাই। শক্তি প্রাণ বায়ু, উহা জড়ম্বরূপিণ এবং চিচ্ছক্তি বিষয় এই যে, মুখবশে কল্পিত মনঃপ্রভৃতি সৃষ্টিকে জীৰ স্বয়ং আকার, উহুৱা সৰ্বগামিণ ও সর্বদা স্বচ্ছ, এই উভয়ের উভয় অসমার্গানুসরণ করাইয়া আপনার দুঃখের জন্যই বর্ধিত কয়। সুজির সমাবেশকেই নি কহে, উহার উপত্তি মিথ্যা, জ্ঞানও থাকে। যেমন সলিল আপনাতে কম্পিত ভঙ্গের আঘাতে বিশীর্ণ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ইহাই নাম অবিদ্যা এবং ইহাকেই মায়া বলিয়া হইয়া বিন্দুর আকারে পরিক্ষিপ্ত হয়, ইহা যেমন ভ্রান্তি অবিচার- নির্দেশ করা যায়। এই মন সংসার-বিষের উৎপাদক ও অজ্ঞান মামিজ ক্ষণভঙ্গুর, এই মুখতাময়ী সৃষ্টিও ড্রপ ভ্রান্তিযাত্রী নামেও অভিহিত হন। হে রম' ধৰি চিচ্ছক্তি ও পশক্তির বিচারবলে ইহার বাধ হইয়া যায়। ১০-১০১। আবর্তলে এল সম্পর্কে সঙ্কল্পময় মনে কল্পনা না হয়, অবেই সংসায়ের নীলাঞ্জনসভি পেষণষন্ত্রে বিচূণিত হয় বলিয়া প্রতীয়মান হয়, উপশম হইয়া থাকে। ৮৬-৯। হে রাম। প্রাণবায়ুর যে কম্পিত সলিল পূর্ণচন্দ্রমণ্ডলের কম্পর্শে উল্লাসপ্রাপ্ত বলিয়া ৱিী- স্পশক্তি কণিত হইল, উহার অপর এক নাম চেত্যচিৎ। কৃত হয়, কিন্তু তাহা যেমনভাভি, এই সংসারও তদ্রুপ উহা সঙ্কলের সাহায্যে চিয়ৰূপতা এও হয় সত্য, কিন্তু উহার মাত্র। শক্রর দৃষ্টিপথে পতিত পুরুষ বোধ হয় যেন শক্রর নন- কল্পনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। অখণ্ড মওলাকৃতি শক্তিমন্ত্রী ঐ অখণ্ড নির্ণিত সূত্র দ্বারা বন্ধ হইলফল তা যেমন ভ্রান্তি, এই পূর্ণতারূপিণী চিৎক্ষৰতা কার যারা বাধিত হইতে পারে অর্থাৎ | সংসারও তদ্রুপ ভ্রান্তিমাত্র। (আরও দেখা গিয়া থাকে যে প্রবল উহার বাধক কেহই নাই; অনুপ শক্মিশালী দেবরাজ ইন্দ্রের পরাক্রমশালী বীর • আপনার সকলিত শসে কপঞ্জ *সতিকে যুদ্ধ করিতে পারে ? চিৎশক্তি ও শশক্তির সম্বকে ভূত হইতেছে অর্থাৎ মনে মনে শত্রুসৈন্য প্রবল ঘণিয়া কয়ন অনলাহইয়াছে,কিন্তু উক্ত সরে স যখন নাই, তখন ও নাইমুজ্ঞৎ মনেরসাও সিদ্ধ হইল। চিং ওশক্ষ- * মূলে শূরসেয়া এই পাঠ আছে, কাকার কিই পবিপকেও কিরূপ পদার্থকে মন বলা যাইবে? গজ- | করেন নাই; অনুমান করি মূপাঠ শুরুসেনা” এই দুইবে তুরুলিনাকে তিরেকে সেনাই বা কিরূপে হয়? অথং | অনুবাদও এইরূপ পাঠ কল্পনা করিয়া কুত হইল।
উপক। ১ করিয়া ভীত হইয়া তাহার নিকট পরাজয় স্বীকার করিতেছে; কপি নাই, তাহা যেমন বহুকালাবৰি ৱেই কিত ফলত সে ভীতি যেমন ভ্রান্তি, এই সংসারও তদ্রুপ ভ্রাভিমাত্র। সেইরুপ যে ব্যক্তি ৰেকী, তাহার নিকট মরে যাবিস মূলােকসন ক্ষণভঙ্গুর এই সৃষ্টি কল্পিত মন দ্বারা উৎপাদিত নাই, সুতরাং সহজেই অনলয় হইয়া থাকে। যেমন ইলেও উক্ত প্রকায়ে ভ্রান্তি ঘলিয়া যখন প্রতিপন্ন হইতেছে, ব্যক্তি চির অবিদ্যমান মনকে নিজ বুরি থেকে করিতে না তখন কল্পিতমন মিথ্যা ও কুপি দিত না হইলেও জারাই পারে, সে ব্যক্তি বিষ না করিয়াও সংসারবিরে মূত্রায় ইহা নিহত হইতে পারে, হইয়া থাকে। অর্থাৎ মিথ্যা চিরমুত থাকে। আর দে, স আত্মা সর্বকালেই মন মনের কল্পনায় উদ্ভূত হইয়া উক্ত কল্পনার অপানে আবার করিতেন, প্রাণাৰি ৰায়ুমূর শানে শক্তিমান আনে, যিলীল হইয়া যায়। হে রাম! শিখা-উৎপন্ন এই মনকে যে ইলিগ্রাম বিষগ্রহণে শক্তি হিছেন; সুং আপনার আর করিতে না পারে, তা ব্যক্তিকে, উপদেশ মনের কোন কাৰ্য্যই নাই।১০। এর নশক্তি শক্ত দিতে নাই। কারণ, তাদৃশ ব্যক্তির বুদ্ধি বাহবিষয়েই মা থাকি, মাত্মার জ্ঞানশক্তি এবং ইতিবর্গেরু বিনােথিকা শক্তি বি- বাবিলসহ বিভোর হইয়া নিবাশ হইয়া অবস্থান করে, মান, কিন্তু এজলে (বিবেচনা করিয়া , কোথাও কোন মনের নগ্রহে কলচৰতী হয় না, সুতাং প্রত্যপ্রবণ হইতে রূপ শক্তিই মনের সব হয় না। সকলই সেই সর্বশঙিন পারে না। (অন্তর্মুখী বৃত্তি কলাচ লাভ করিতে পারে না।) পরমাত্মার প্রমত্র, তবে তােমার মনভৃতি শব্দ আল-বাহ সেই এ বিষধের বিচার করিতে পারে না, কাজেই আকৃষ্ণ বিষয়ের পৃথজ্ঞান কেন হইতেছে? জীবৎক বই কি? অবিনা ব্যক্তিকে উপদেশ কে নিল বিবেচনা করি যাহা দ্বারা এই অগভ অল্প হইতেছে উহা আজি কি নহে ঐরূপ ব্যক্তির বুদ্ধি সর্বদাই শঙ্কিত, সে বুদ্ধিবীণাধন্ত্রের সূখ- এবং চিত্তসংজ্ঞায় কোন বই নাই জানিৰে, ৰ তাহার ভঞ্জিজুিনালেও হ্রস্ত হয়; নিদ্রিত বন্ধুর আননকান্তি নিরীক্ষা শক্তি কিরূপে সম্ভব হইতে পারে? হে রাম! সলিত মন - করিয়াও ভীত হয়। সে ব্যক্তি নিকটে শত্ৰুজন না আসিলেও দিগের বাস্তব গনিকে করিয়াছে সেই সকল মুকুলের দু- ঐ তােমার শক্ত আসিতেছে এইরূপ প্রতারক-বাক্যে ভীত থাৱা দর্শনে আমার বুদ্ধি পাইয়া মুন্না বালিকার চায় - হইয়া পলায়ন করিয়া থাকে। অধিক কি, উহার মােহমগ-বুদ্ধি আপ করে। এ সংসারে কে কোথায় কি এই বাগে। ৰে মধ্যে মধ্যে আপনার মনের নিকটেই ভয়বিল হইয়া উঠে। ঐ যে মূঢো অনুতাপ করে, তাহা ব্রণা; কারণ, তাহাৱা গর্জোয় অজিতমনা ব্যক্তির বুদ্ধি সান্ত বিষয়সুখে বিল ও শক্রর ন্যায় দুঃখভার বহন করি এই অখিয়াছে। ১১-১৫। দেহাত্মবাণীয়া এহারকারী হৃদগত আপন মন দ্বারা সন্তাপিত হইয়া বিবেকাভাৰ পাচরণ করিতে থাকি, প্রকৃত আমােতি কৰিতে না পার্ষিয়, বশ পরমার্থ সত্যব না আনিতে পারে, কিন্তু তাদৃশ পুরুষ সমুদ্রে বুদবুদের ন্যায় দেহেই বারংবার বিনষ্ট হইতেছে। হে রাম। উক্ত দুষ্টবুদ্ধি যারা বৃথা কেন যােব প্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ উক্ত দেখ, প্রত্যেক দেশে প্রতিদিন কত গৃহ সুনাপর্কে কত আয়- দুভির বশবর্তী হইয়া পুরুষের এইরূপ মােহময় হওয়া কাচ রই হত্যা করছে, তাহায় এ আবার হয় কি? না মঞ্জ- উচিত নহে।১১১-১১৭। সভুত জীবের মধ্যে প্রতিদিন সহ স দ ও মশালি নিধন করিতেন, তাহার নাই বা দুঃখ কি। প্রত্যেক দিকে প্রতি লোশ সর্গ সপ্ত। ১৩ পর্বত্রে প্রত্যেক নে বারো কত লক্ষ মৃগ বধ করিয়া থাকে, তাহাতেই বা দুঃখ কি? ঐরূপ বলধ্যে বলাররা কত শত চতুর্দশ সর্গ। মূলচকে গ্রাস করিবার জন্য সংহার করিতেছে, সে বিষয়েই বা দুঃখ কি ? আরও দে, মক্ষিকা ক্ষুধায় কাতর হইয়া পরাণ বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রামচন্দ্র। যে সকল লােক সংসারণ গায় সূক্ষ্মভাগ ভক্ষণ করিতে উতি কীট মক্ষিকাকে এম সাগরের বিষয়-সুজপ ম্রোতে ভাসমান হয় বুদ্ধির জড়তা সম্পা- করিতেছে, সেই কীটকে অংশ করে, তেক সেই অংশকে মন কৰিছে, আমি এ গ্রন্থে পরমাত্মলালে উপাভূত এই সংহার করে, সর্প আবার সেই ভেককে গ্রাস করিয়া থাকে। সকল উপদেশবাক্য ৰাৱা তাহাদিগকে উপদেশ দিতেছি না; সর্পকে গরুড়দি পক্ষিগণ ও নকুলে বিনাশ করে, সেই নকুলকে কারণ, যে ব্যক্তি চক্ষু হইয়াও হলবৈশে অঙ্কের জায় কিছুই মা, মারকে ফুর, কে ক্ষুক ক্লিষ্ট করে, ক্ষুককে দেখিবে না, তাহাকে কি কেহ বিৰিথ-তুঘষমঞ্জরী দ্বারা শােভন ব্যা এবং ব্যাঞ্জকে অশরাজ সিংহ নিহত করে, শজকে আর বনদেন দেখাইতে ব্যর্থ হইয়া থাকে। কুষ্ঠরােগে বাহার সিংহের পদ্মাভকারী বলিয়া দেখা যায় এবং সেই শঙগণও মে- নাসিকাবিবর ধরশ কয়ে, সেই বিকলেখ্রিয় ব্যক্তিকে অনিশে তাহাকে প্রতি বােধে অভি করিতে যাই মুখ কি সুরভি- ফুদি গবিচার করিবার । নিজের উপ আপনারাই শিলালে পতিত হইয়া নিখন প্রাপ্ত হয়। পায়- দেশক করিয়া থাকে। এম মুখকে আছে যে, সিফিলিয় ও রূপী মেরও বায়ুর তাড়নায় দূর্গীভূত হয়;সেই বায়ু- মণিসেবনে ঘূণিভলােচন মজিকে ধৰ্মৰমাৎসায় সাকিরূপে। রাশিয় বেশ লা মাসে সই করিতে পারিলেও ইলের স্বীকার করে ?১। কোন ব্যক্তিই বা গনপতিত, শবে আমাতে চুড়ি হইয়া থাকে; ইও ইন্দ্রের অধী, ভগবান সহিত আলাপ করে সন্দেহ হইলে মুখকে কেহই মিস করে ' বিষ্ণু হইলেই সেই দেয়াজের দু হইয়াছে এ বিও না, ভকে কেহই উপদেশও শেষ । হে রাম। যে ব্যক্তি কালশক্তি অনুসারে মরণ সুখদুঃখময়ী জীবাশা পাইয়া হানবী মূক ও বধির মােপ সর্গকে অত করিতে থাকেন। ১৬-২৬। হে আম।এই সমুল বিশাল দীৰ পারে, সেই বুকে কি উপদেশ দিব? নে এখন বিদ্যালয় কমিয়া থাকিলেও ইহা সেই মৰ - যােগবাশিষ্ঠ-ঘামায়ণ মুজীবেরই পুনরায় আশ্রয় লইয়া শাণিতানি পান করত স্ব স্থান ক। ঐগে তুমি সংসাৱভাবনাবিহীন হইয়া, ভাবাভাবনা- জীবন রক্ষা করিয়া থাকে। হে রাম। এইরূপে ত্রিবিধ-দুঃখসম্পর্কে পরিত্যক্ত পরমাত্মাকে ভাবনা করিয়া আত্মতে অবস্থান করত শপ্রায় প্রাণি পরম্পর মােহাথীন হইয়াই পরকে ভক্ষণ পূর্ণতাপ্রাপ্ত হও। যদি তুমি আত্মার সত্তাকে ভুলিয়া দৃশ্যসংসারের করিতেছে, সময়ে সময়ে রক্ষা করিতেছে, এংখ্য প্রাণির চিন্তায় ব্যাপৃত থাক, তবেই তােমাকে অভিখার্মিণী চিতা নিম্নস্তরই বিনষ্ট হইতেছে, আবার মশক-পিপীলিকাদি প্রাণিগণ আসিয়া আশ্রয় করিবে। হে মহাবাহহ। সুন্নাৎ আত্মজ্ঞানরুপ কেশজলের আয় অনবরত উৎপন্ন হইতেছে। জলাশয়ে মত- যুক্তিতে চিত্তরূপ শৃঙ্খলা ভাজিয়া চিত্তরূপ বৃহবিল হইতে আত্ম- মকরাণি জীবগণ ও ভূমিতে বৃশ্চিকাদি কীটসমূদয় জন্মগ্রহণ রূপ সিংহকে মুক্ত কর। ৪৬-৫৫ হে মহাহাে। ধছি তুমি করিতেছে। ২৭-৩০। এইরূপে অন্তরীকে আকাশফরী পক্ষি প্রমাণ ভ্যাগ করিয়া চেত্যে অর্থাৎ সংসারভাবে উপস্থিত কু, কাননধ্যে সিংহ-ব্যা-মৃগালি, নেহীর দেহমধ্যে নানারূপ হইয়া সঙ্কলকে স্থান নেও, তখন তুমি সংসারকেই দেখিতে কী টাদি, স্থাবরবস্তুতে যুণাদি কাষ্ঠকীট এবং দেহীর অভিজ্যাজ পাইবে। হে রাম। চিচ্ছক্তি আত্মা হইতে পৃথক হইয়া চিতা বিষ্ঠাতেও নানানি কীটের উত্তৰ হইয়া থাকে। এইরূপ জীবের লাভ করিলেই মনের উৎপত্তি হয় এবং যদি তা পার্থক্যজন অসংখ্য জন্ম দর্শনে ধনু ব্যক্তিরা আনন্দিত হউন অথবা অজস্র তিরােহিত হ, তবেই মনের উৎপত্তি হইতে পারে না। আত্মাই নিখন দেখিয়া রােনই করুন, সকলই বিফল। প্রকৃতপক্ষে সতত বিশ্বরূপ, সমগ্রজগৎ আত্মা হইতে ব্যতিরিক্ত নহে, যখন এই জন্মমৃত্যুময়ভ্রমাত্মক এই সংসারে রোদন বা সহােষ প্রকাশ জ্ঞানের প্রকাশ হয়, তখন কোথায় চেতা, কেৰা চিৎ, চেত্যই বা কিছুই কর্তব্য নহে। ৩১-৩৫। জীবগণ রক্ষপ-লতাদির ন্যায় কি, চেনই বা কোথায়, কিছুই থাকে না। আমি আত্মা নিরন্তর লালা যােনিতে উৎপন্ন হইতেছে, আবার পরেই নিধন পাই- দেহেন্দ্রিয়সম্পন্ন জীবই আমি” এই জ্ঞানের নামই চিত। এই তেছে। যিনি দয়া হইয়া অবােধদিগের পা দুঃখ দূর করিতে ব্যস্ত চিত্ৰই অনাদি অনন্ত দুঃখের বিস্তার করিয়া থাকে। আমি হন, তিনি সামান্য ছাত্রের সাহায্যে অনন্ত আকাশের রৌ-নিবা- আত্মা, জীব নহি” এবং আত্মভিন্ন জীবাদির সত্তা কোথাও রণে প্রয়াসীর আয় বৃথাই দু জেগ করেন। হে রাম। বিষয়- হে রাম। বিষয়া- নাই,” এইরূপ চিতের শান্তিকেই পরম সুখ বলা যায়। ৫৬-৬০। সক্ত ব্যক্তির সহিত পশুদিগের কিছুমাত্র প্রভেদ নাই, কারণ, হে রাঘব। এ সমুদয় জগৎ আত্মারই রূপ, এই প্রকার জ্ঞানের পশুরা যুদ্ধ দ্বারা আকৃষ্ট হয়, মূঢ়শিকে এদের অবণ চিত্তই উদয় হইলে নিশ্চয়ই চিতের অসত্তা জন্মিয়া থাকে। এবঙ্গিণ আকর্ষণ করিয়া থাকে। মূত্র নিজের চিরূপ পঙ্কে সততই নিমগ্ন পারমার্থিক জ্ঞানে আত্মায় সত্তা টীকৃত হইলে, সূর্যকিরণ- থাকে, তাহারা যে কিছু কর্ম করে, তৎসমূদয় তাহাদের নিজেরই সম্পর্কে অন্ধকারের ন্যায় মনের সত্তা দূরীভূত হয়। যে পর্যন্ত নাশের কারণ হয়; সুভং অহাদের বিপদ দেখিলে অচেন্ন মনােরূপসর্গ দেহমধ্যে অবস্থান করিবে, তাবৎকাল অতিশয় ভয় পাষাণেরও যে দুখ হইবে, ইহাতে আশ্চর্য কি? ৩৬–৪০। হে অর্থাৎ আত্মারই অপ্রতিষ্ঠা জন্মিয়া থাকে, যােগাভ্যাসবলে তাহাকে রাম। যাহারা আত্মাও চিত্তকে জয় করিতে না পারিয়াছে, সর্বত্রই দূর করিতে পারিলে সে ভয় কোনরুপে আসিতে পারে না তাহাদের মুখমরী অবস্থা বুটে, আং সমগ্রভূমির ধূলিনি- হে রাম! তােমার হৃদয়মধ্যে ভ্রান্তি-সাহায্যে প্রতিষ্ঠিত মনােরূপ করণের স্থায় তাহাদের সেই দুঃখ দূর করিতে কোন মহাত্মাই বলবা বেতাল রহিয়াছে, পরমার্থজ্ঞানরূপ মন্ত্রের উচ্চারণ করিয়া সহজে সমর্থ হন না, কিন্তু রঘুনাথ! যাহারা আত্মা ও চিনুকে বশ ভাহাকে শীঘ্র পরাভব কর। যদি তােমার দেহরূপগৃহ হইছে করিয়াছে, তাহাদের দুঃখ সহজেই দূর করা যায়, সুতরাং অহাতে অতি বলিষ্ঠ চিত্তরূপ-বক্ষ বিদূরিত হয়, তবেই তুমি দুঃখপরিশুঙ্গ জুনিজনের প্রবৃত্ত হওয়া অনুচিত নহে। হে মহাবাহ। মন হইয়া নিরুদ্বেগে অবস্থান করিতে পাইবে, তোমার কিছুই ভয় নই, উহার মিথ্যা কল্পনা করিও না। যদি তাদৃশ কল্পনা কর, থাকিবে না। হে রাখব। যখনই তুমি বুঝিবে যে, “আমার তবে সেই কলিত মনই বেতালের স্যায় তােমাকে নিধন করিবে। কিছুতেই আসক্তি নাই, কোন মুখসাধন কর্শের উপিনও যাবৎ তুমি আত্ম ভুলিয়া থাকিবে তাবৎ ভােমার বয়ে আমার প্রয়ােজন নাই,” তখন তােমার চিত্তের কিছুই সত্তা খকিবে মনােরল হিংশ্রত উদয় পাইবে। হে বরিশম। এক্ষণে ভূমি না; তখন তুমি দুঃখবিহীন পরমপদে গমন করিবে, তথায় পরমাত্মার স্বরূপত হইয়াছ, মুৎ সঞ্চলে যার বৃদ্ধি হয়, উপস্থিত হইলে তােমার পরমপদের বসনারও ক্ষয় হইবে, তখন সেই চিৰ পৰিভাগ কর। ১১-৪৫। যদি তুমি এই মন তুমি আপনাতেই আপনি অবস্থান কৰে। ১৬৬। সকালে আসক্ত হও আর হইলে ঢিসংযুক্ত হওয়াতে বন্ধ চতুস মাখ।১৪। ইবিৰে; কিন্তু এই সংসাৰ পৰিণ করিতে পালিয়ে তুমি চিবিহীন হইয় মুক্তিলাভ কৰে। ৰে। স, যজ্ঞ ওমােণর সমাবে এই ফলবলের ই আশ্রিত হয়, পঞ্চদশ সর্গ। কে ত্যাগ করিলেই সংসারবনতে মুক্তিলাভ কৰিৰে। 4 মাের যাহা অভিরুচি, হাই কম। হুশি, আমি যষ্ঠ কহিলেন-হে রম! কন আত্ম নিল স্বরূপ । কিছুই নাই, এ সমুদয়ই নি; 'এণে এইরূপ চিনা করিয়া সারবীজে কারুপি, জীয়ে ৰক্ষন-সাধনী, বারামী, করি চলে যায় অচলভাবে স্থান কর; তাহা হইলে অপৰিত্ৰা চিন্তার অনুসরণ করে, তখনই তাঁহার বিদ্যাবৃত অন্য আকাশের ন্যায় অসীম বিষয়ণ সেই আত্মার সাঙ্গা- মশিলজান উপস্থিত হয়; অনই উক্ত চিত্তের অনুসরণে কলকাপ কপাৰে। এ রাত্রপরমাত্মা হইতে সে পৃ মলিলা তঁহাকে আর কর এবং এই পানী, কলাপকাৱেভাগ করুত মুহিব খণি বিলপি কাবাসি তার এক অজারে বৃদ্ধি কৰি উপশম-প্রকরণ। দেয় ও মূৰ্ছা সম্পাদন করে। অধিক কি, এন অমানিশার দুইয়াছে যে, মন সফলশূহ হইয়া কদাচ থাকতে পারে, যায় মলিনা তৃষ্ণা অনন্ত আত্মতে অনেকবিকারে ক্ষুর্তি পাইয়া হে মহাবাহহা! প্রথমে হৃদয়ে “সেই, তুমি আমি এই প্রকার মহামােহেয় হৃষ্ট করিয়া থাকে। আরও দেখ, কল্পান্তকালীন বছি দুটা ভাবনাকে কদাচ স্থান দিবে না, কারণ, তাহা হইড়েই মনের শিখাকেও মহাদেবধি প্রভুষণ সহকরিয়া থাকেন, কিন্তু ঐ- | উৎপত্তি হইয়া থাকে। হে রাম। যদি আত্মভাবনাকে অনাত্ম- নলশিখার সন্তাপ সহ করিতে কেহই সমর্থ নহে। ১৫। স্বরূপে দুখজননী বলিয়া আশ্রয় না কর, তবেই তুমি অজ্ঞগণের হে রাম। সামান্য অসি পদেষচ্ছেদনেই সমর্থ, কিন্তু তৃষ্ণ- মধ্যে পরিগণিত হইতে পারিবে। এক্ষণে তুমি অনবরূপিণ রূপিণ অসিলতা মলিন, দীর্ঘ ও আপাতীতল হইলেও পরি- কৰ্তরী কারা অহংজ্ঞানরূপিণী তৃষ্ণাকে ছেখন করিম। নিখিল- নামে দুকরী ঋলিয়া সতত স্বদেহকে কর্তন করিয়া থাকে। হে সংসার-ভয়শূন্য হুইয়া ব্ৰহ্মরূপে সুখে অবস্থান কর। ২২-২৭। রাম। সংসারে যে কিছু ভীষণ অতি বিস্তৃত দুর্জয় দুঃখ দেখা পড়শ সর্গ সমাপ্ত। যায়, সে সমূদয় তৃষ্ণালভারই ফলমাত্র। এই তৃষ্ণরূপিণী আরণ্য- কুকুরী মনুষ্যের মনোময় গর্তে ঋকিয়া অদৃশ্য হইয়াই দেহ হইতে মাংস, অশ্বি, রুধির প্রভৃতি ভক্ষণ করে। বর্ষাকালীন ঘােড়শ সর্গ । নগীর স্থায় এই শীতলা তৃষ্ণা ক্ষণে বৃদ্ধি পায়, মুহমথ্যে আবার কিছুই ঋকে না, কখনও বা ভীষণস্থানে প্রতিঘাত পাইয়া রামচন কহিলেন-হে প্রতে। আপনি যে বলিলেন, হু- ঘূর্ণমানা হইতে থাকে। হে রম। তৃষ্ণা যাহাকে আক্রমণ করে, সে স্কাময়ী বাসনাকে গ্রহণ করিবে না, আপনার এই বাক্য স্বভাবতঃ বলহীন, অন্তঃসারশূন্য ও দীনভাৰ প্রাপ্ত হয়, মুম্রং নীচ হইয়া অতিশয় গস্ত্রীর বলিয়া বুঝিতেছি, কিন্তু দেব। যদি অহঙ্কার যায় এবং কখন আনন্দ করে, কখন বা পড়িয়া চীৎকার করিতে ! ভ্যাগ করি, তাহা হইলে সমভিব্যাহারে অহঙ্কারের আবাসভূত থাকে।৬-১। যাহার হৃদয়রূপ গুহামধ্যে ভারূপিণী কালসর্পী দেহকে পর্যন্ত ভাগ করিতে হইবে, কারণ, যেমন তার ন্যায় আশ্রয় করে নাই, তাহারই সেই হৃদয়বী প্রাণাদি বায়ুসকল সহিষ্ণু মূলভাগই বৃক্ষকে ধারণ করিয়া থাকে, দ্রুপ অহঙ্কারের মুখে অবস্থান করে। হে রাখব। যখায় তৃষ্ণারূপ কৃষ্ণপক্ষীয়রাত্রি | অবলগনেই দেহ আছে, সুতরাং অহঙ্কারের কয় হইলে এক অস্তমিত হইয়াছে, সেই দয়াকাশে শুক্লপক্ষীয় চন্দ্রকলার ন্যায় দেহও থাকিৰে না। কচসাহায্যে মূলােচ্ছে করিলে অত্যু- পুণ্যসমূদয় উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাইয়া থাকে। যে পুরুষকে তৃষ্ণা- মৃত রক্ষও বিনষ্ট হয়, হে মুনে। তবে কিরূপে এই অহঙ্কার ত্যাগ কপ ঘুণরাশি ক্ষত করে নাই, তিনি সর্বদা পূণ্যপ পুষ্পে শােভ- করিব ? তাহা ত্যাগ করিলেই বা কিরুপে জীবিত থাকিব? হে মান। দশা লাভ করেন। বিবেকদৃষ্টি-বিহীন মাণদিগেরই চিত- বাবির। এই সন্দিগ্ধবিষয়ের সুমীমাংসা করিয়া আমাকে ৰূপ অরণ্যে অনন্ত সংসারভাবময়-তরঙ্গে সমাকুল, ভ্রমরূপ আবত্তে বলুন। ১৫। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাজীৰলােচন। তজ্ঞের পরিপূর্ণ। নদী প্রবাহিত হইয়া শাকে। ফা, সূত্ৰষন্ত্রে বন্ধ বাসনাভ্যাগকে সর্বত্রই জ্ঞে ও ধ্যেয় এই ঘিকারে নির্দেশ পক্ষীর ন্যায় স্বয়ং দুলিতেছে এবং সকলকে ঘুরাইতেছে, শীর্ণ করেন। তন্মধ্যে আমি ইহাদের, ইহা জীক ও আমার, আমি করিতেছে ও বারংবার সংহার করিতেছে। ১১-১৫। তৃষ্ণা | ইহাদের হইতে পৃথক্ কেহই নহি, ইহাদেরও আমা ভিন্ন কিছু মূঢ়লিগের কঠিন আশয়সম্পর্কে কর্কশ হইয়া কুঠারধারার ন্যায় নহে,” এইরূপ নিস তােমার মনে সতত রহিয়াছে, কিন্তু প্রকাশ পায় ও সূক্ষ্মতম জ্ঞানের মূল বিবেকদিকে স্বলে ছেদন যখনই তুমি মনের সহিত বিচার করিয়া বুঝিবে যে, আমি কাহারও করিয়া থাকে। যেমন হরিণ কূপমুখে সাত হরিততৃণের নহি, আমারও কেহ নহে, এই জ্ঞান তােমার শীতলবুজি লালসায় যাইয়া কূপমধ্যে পড়িয়া যায়, উপ মূঢ়ব্যক্তি তৃষ্ণার | বুক্তিতে বিলাস পাইলেই তােমার ধ্যেয় অর্থাৎ চিন্তনীয় দ্বিতীয় অনুসরণ করিয়া নররূপ অন্ধকারময়কূপে নিপতিত হয়। বাসনভ্যাগ সিদ্ধ হইয়াছে বুঝিবে এবং সম-অংকে ব্ৰহ্মরূপে হে রাম। দয়মধ্যবর্তিনা ফাপিশাচী ক্ষীণ হইয়াও মনুষ্যকে | অবগত হইয়া জীব নিজ প্রায়ক্কের ক্ষয়ে যখনই মমতাশূত হয়ে যেরূপ অন্ধ করিয়া দেয়, এরা বুদ্ধি পাইয়াও চক্ষুকে সেরূপ এক দেহত্যাগ করে, তখনই অহার কে দ্বিতীসক্ষয় করিতে পারে না। আরও দেখ মঙ্গলভূত কৃষ্ণান্ধপি পেচিকা সিদ্ধ হই আনিৰে। ১। যে ব্যক্তি অহঙ্কারময়ী ও শ্রীভগবানের জয়ে আশ্রয় করত তাহাকেও বামনরূপ করিয়া পূর্বোতন্ত্রে বাসনা কাগ করিতে পারেন, হাকেই জীবন্মুক্ত মর্ত্যে আলিয়াছিল, কোন একটা অনির্বচনীয় দিই বলা যায়। হে রঘুনাথ! যিনি কলনাময়ী সনকে নিবে এভহ সূলেকে আকাশে ভ্রমণ করাইতেছে; সুতরাং এই পরিত্যাগ করিয়া শান্তি লাভ করেন, তিনিই জ্ঞেসনভ্যাগী সর্বদুঃখময়ী যাবজীবের প্রাণপহারিণী তৃষ্ণকে তুরা সপী বেধে দূপুরুষ বলিয়া অভিহিত। দুকাদি নুজন মহাত্মায় অনাকাল দূরে পরিত্যাগ করিবে। ১৬১। বায়ু তৃষ্ণাতেই ছিখেছেন, ব্যবহারে ধ্যেয় বাসনা পরিত্যাগ করিয়া জীবন্মুক্ত হইয়াজন। পৰ্বত্মো তৃষ্ণাকুল হইয়াই অবস্থান করিতেছে, পৃথিবী কোন ভ্যতীত অন্যান্য মহারা সেনা ভাগ কত শান্তি পাইয়া অনুপম তৃষ্ণাতেই লােক ধারণ করিতেছেন এবং ত্রিভুবন - পরমব্রুদ্ধে অবস্থান করিতেছেন। হে রাখ! এই বিবি-বাস বশেই চলিতেছে, অধিক কি, সমস্ত সংসারত্ৰাই জপ ভাগই ন্যরূপে মুক্তিকাৰণ হইয়া অবস্থিত আছে এবং যিনি চরজুতে আবদ্ধ রহিয়াছে। বক্ষব্যক্তিও কালে বল বাসনাভ্যাগীরাই জ্ঞানশালী হইয়া এরূপ লাভ করে। হইতে মুক্তি পায়, কিন্তু তৃষ্ণারূপ বইতে কেহই মুক্ত হইতে ১৯—১৫। এই যুক্তমতি ও লুকমভি উত্তবিধ ব্যক্তিই পারে না। অতএব হে রাম। 'কাগ করিয়া তৃষ্ণাকে দূর কেবি নির্মখে কল কলেন; তে এ- কল, ইহাতেই মনের পরিত্যাগ হইবে; কারণ, যুক্তি দ্বারা স্থির মােঝক্তি গীদেহে এবং বিজয় ব্যক্তি শক্তিময় যােগবাণি-রামায়ণ ন অনুদান করিয়া থাকেন। এখন ধ্যেয়বাসনাত্যগী শােক-রােগাদি হইয়া আবিদ্যমান, এইরূপ ভাৰিয়া তুমিও যদি এই দৃশ্যের - এই দেহেই মুক্ত হন, দ্বিতীয় বােসনাত্যাগী নেহু পরি- অতীত হইয়া থাক, তবে আর কিরূপে কৃষ্ণার উৎপত্তি হইবে? ত্যাগপূর্বক মুক্ত হইয়া অবস্থান করেন। হে বৎস! ফলে হে রাম। আরও যাহা বলি, শ্রবণ কর। সদসফিচারী পুরুষের সর্বদা উপস্থিত সুখে বা দুঃখে ঘাঁহৰ আনৰ বাক্লেশ হয় না, চিত্তে চালিকার বিশাল সিদ্ধান্ত জন্মিয় একে। হে রাম। তিনিই মুক্তপুরুষ; যিনি প্রিয় বা অপ্রিয় বস্তুতে ইচ্ছা বাষেষ মস্তকাবণি পালান্ত শরীরাত্মক আমি পিতা-মাতা কর্তৃকই কৰি অনাসক্তভাবে কৰ্ম করেন, তাঁহাকেও মুক্তপূরুষ বলে। সৃষ্ট হইয়াছি, এইরূপ এখন নিশ্চয় ভ্রমণীদের বন্ধনের জন্য আমি এই দেহে ঋকিলেও এই দেহাদি পদার্থে আমার হেয়ে- হইয়া থাকে, আমি সমূদয় ভাষ হইতে ভীত ও কেশাগ্রভাগ পান বুদ্ধি আছে,” এই জ্ঞান যাহার অন্তরে ক্ষয় প্রান্ত হয়, অপেক্ষা সূক্ষ্মত, এইরূপ দ্বিতীয় নি’ মােখন, ইহা সাধু- তাকে জীবন্মুক্ত বলা যায়। আনন্দ, বেধ, ভয়, ক্রোধ, অভিলাষ দিগেরই হইয়া থাকে; জাগতিক নিখিলকূশ্যই আমি, এইরূপ ও সুদৃষ্টি যাহার হৃদয়কে স্পর্শ করিতে পারে না, তাহাকেই তৃতীয় নিম্ন মােক্ষের জন্য এবং আমি বা জগৎ সকলই জীবন্মুক্ত কহে। সুষুখি-দশাগ্রন্তের স্যায় যাঁহার চিত্তবৃত্তির কিছুমাত্র শূন্য ও কালত্ৰয়েই আকাশফু, এইরূপ চতুর্থ নিশ্চয়ও মােক্ষ ক্রিয়া না থাকে, যিনি অন্তরে সর্বদাই জাগরিত থাকেন এবং পূর্ণ সিদ্ধির জন্য হইয়া থাকে। হে রঘুনাথ। এই চতুর্বিষ সিদ্ধান্তের কলা-চত্রের স্থায় স্বাভাবিক আনন্দের উষয়ে গাহার হৃদয়ে সর্বদা মধ্যে প্রথমটা বন্ধনের কাৰণ, অপর তিনটা বিশুদ্ধসঙ্ক হইতে চিত্ৰগ্ৰসাদ আশ্রয় পায়, সংসারে তঁাহাকেই মুক্ত বলিয়া নির্দেশ উৎপন্ন হইয়া মােক্ষেরই সাধক হইয়া থাকে, সুজাং এই করা যায়। বাল্মীকি কহিলেন,-মুনিবর বশিষ্ঠদেবের এইরূপ উপ- সিদ্ধান্ত-চতুষ্টয়ের প্রখমটাতে তৃষ্ণার বন্ধন হয় বলিয়া উহা বন্ধনের দেশ পরিসমাপ্ত হইলে দিবাও অতিক্রান্ত হইল, সায়ংকালীন হেতু এবং অপর তিনটীতে নির্দোষ তৃষ্ণা থাকায় জীবমুক্তোই বিধির জন্য সূৰ্য্যদেব অস্তগমন করিলেন। তখন বশিষ্ঠাদি ঋষি- বিলাস করিয়া থাকেন। হে মহামতে। সমুদয় বই আমি, কৃন্দ সূর্যকে প্রণাম করিয়া সায়ন্তন আনের নিমিত্ত সূর্যকিরণের এইরূপ যে তৃতীয় নিশ্চ বলিয়াছি, আমায় বুদ্ধি তাহাকেই অব- সহিতই থা হইতে অপহৃত হইলেন। ১৬৩। লম্বন করায় পুনরায় বিষালের অন্য উপস্থিত হয় না। ১১-২০। যােড় সর্গ সমাপ্ত। ১৬। উঙে, অধােভাগে ও তির্যপ্রদেশে সর্বত্রই আত্মার মহিমা ব্যাপ্ত রহিয়াছে। সকই আত্মা, এইরূপ নিশ্চয় হওয়াতেই আমার হৃদয়ে বরুন দূরীভূত হইয়াছে। হে রাম। সর্বাত্মবাদী আৰ্য্যগণ আত্মাকে শূন্য, প্রকৃপ্তি পুরুষ, ব্ৰহ্মজ্ঞান, শিব, ঈশান, সপ্তদশ সর্গ। নি, এই সমুদয় সংস্কারে নির্দেশ করেন। যখন সংসার পরমার্থ- পরদিন সকলে বেত হইলে বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। দৃষ্টির গােচর হয়, তখন এ সমস্ত সং কিছুই অসৎ নহে ও তােমার নিকট যাহা যাহা বর্ণন করিলাম, তন্মধ্যে দেহত্যাগের ইহা ভিন্ন আর কিছুই নাই” এইরূপ জ্ঞান জন্মে, অন্যদৃষ্টিতে পর যাহারা মুক্ত হু, তাঁহাদের অস্তিত্ব থাকে না। এক্ষণে এই এরূপ প্রতিভাত হয় না। যেমন অনন্ত সমুদ্র পাতাল অবধি দেহেই মুক্তি কিরূপ, তাহা বলিতেছি। বাসনাশূন্য যে তৃষ্ণা জল-রাশিতে পরিপূর্ণ সুতরাং সমস্তই ব্ৰষরূপু ও সত্য, অভিন্ন জীবকে বর্ণাশ্রম-ভাষের উচিতমাত্ৰ কৰ্ম্ম করাইয়া থাকে, তাহা- জগৎ বলিয়া কিছুই নাই, যেমন সমস্ত সমুদ্রই সলিল, ভঙ্গাদি কেই জীবন্মুক্তভাব কহে। সংসারভোগােৎসাহবতী তৃষ্ণার জন্য অল ভিন্ন অ কিছু নহে,যেমন কটককেয়ুর-পুলি অলঙ্কার জীবের বাহবিষয়ে যে অবস্থান, তাহাকেই পণ্ডিতেরা সংসার ভিন্ন ভিন্ন প্রকার হইলেও সুবর্ণ হইতে পৃথক নহে এবং যেমন সাধন সুদৃঢ়ল বলিয়া থাকেন, কিন্তু জীবন্মুক্তের শরীরে কণাদি কোটি কোটি পার্থও পৃথিবীস্বরূপ হইতে ভিন্ন যে তৃষ্ণার, উদয় হয়, তাহা হৃদয়ে ভােগসঙ্কল্প ভাগ করাইয়া নহে, সেইরূপ সকল পদার্থ ই আত্মা জানিবে। পরমাত্ম-স্বরূপিণী বাহিরে লৌকিক এয়ােক্ষমানুসারেই বিহার করেন হে রঘুনাথ! শক্তি ব্ৰহ্মস অদ্বৈত ইয়াও অগিগের নিকট জগগির্মাণ যে তৃষ্ণা বিষয়ের অনুরাগে বৃদ্ধির কাহাকে বন্ধ কষ্টে করিয়া দ্বৈতাদ্বৈতভাবে প্রকাশ পাইয়া থাকেন। ২১-২৭ হে যাহা হইতে সর্ব-বিষয়ানুরাগের মােন হইয়াছে এবং যে তৃষ্ণা বুনাখ। নিজেরই হউক বা পরেরই হউক, পুত্র-মিত্রাদি - পর বর্তমান কালবেই নিত্য ও দুসম্পর্ক, গণ্ডিতেরা মাত্রের ধ্বংসে সর্বদা দুঃখী বা উহার প্রকাশে সুখী হইও না। তাহাকে মূল বলিয়া নির্দেশ করেন। ১৫। হে মহামতে। তুমি স্বয়ং ব্রহ্মজায় অদ্বৈতসত্তায় হইয়া তাকায়ও অতৰ ইহা আমার হই, এইরূপ অনুরেৱ ভাবনাই ভববন্ধনের শৃখল অবলম্বন করিবে, কিন্তু বর্ণাশ্রমস্থাপনালি ব্যাবহারিক কর্মে অদ্বৈত স্বরূপ ও তাহাৱৰ নাম করন। মনস্বী ব্যক্তি সম্বসং সৰু ভাৰ সৰখা ত্যাগ করিবে, তাহা হইলেই তুর দ্বৈতাদ্বৈত উভয়- ভাৰেই ইহাকে ত্যাগ করিয়া পরমপদপ্রাপ্ত হন। হে বৎস ভাৰাত্মক হইয়া থাকিৰে। হে রাম! সংসার-ভাবনাজপ ভ্যা- তুমি দেহের অশা, মুক্তি বাসনা এবং সুখ-দুঃখের গলা ও সম্পর্কে ভয়ঙ্করী, অশুভনিমিত্তে পরিপূর্ণ। এই ভব-ভূমিতে কদাচ ক্লাবতীয় সমসং আশা পরিত্যাগ করিয়া অঞ্চলসমুদ্রের পতিত হইও না, তাহা হইলে গহরমধ্যে পতিত কৰীয় গোয় গম্ভীর হইয়া থাক। হে সতে! অজর ও অবিনাশী দুর্গপন্ন হুইৰে। ২৮-৩০। হে মহান! আত্মাতে মনােময় পরমাত্মাকে সম্যক্ জ্ঞাত হইয়া আর কে জরা-মরণশঙ্কায় দ্বৈত সত্তর হয় না এবং তােৎপন্ন ঐক্যও সবে না। যে লুষিত করিও না। ১০। এই মান পদার্থতত্ত্ব তােষর সমস্ত বস্তু সতত অবভাইইতেছে, তাহাদের পরস্পর ঐক্য না তুমিও কাহারও নহ, তেমা ভিসকলই তুচ্ছ, অথচ থাকিলেও অথৈই নিড়ে হইবে; অতএব উহার স্বরূপ পরমাপ বলিয়া সত্য, এই প্রকাশ বিশ্ব বিদ্যমান পণ্ডিতগণ এই একারই বলিয়া থাকেন। আমিও নাই, উপ-প্রকরণ । তুই যােব নাই, দৃশ্যমান সমস্যই অবিকৃতভাবে অবস্থিত আছে। শান্ত হার নিজ চিকে বীভূততে না পারিয়া নিয়ন্তর ভােগ- বিজ্ঞানস্বরূপেই উহাদের আকৃশ অবভাস হইয়া থাকে। এই জগৎ রূপ পঙ্কে নিমগ্ন থাকে, সেই সকল মূখের অভিমত বিষয় কি নিত্যই বিকৃত-স্বরূপে অসৎ এবং অবিকৃত বিজ্ঞানস্বরূপে সং অহা আমরা বলিতে পারি না, যাহাদের বিবেকবুদ্ধির অত্য- বলিগ জানিবে। ব্ৰহ্ম শ্রেষ্ঠ অণরূপ অনাদি সমস্ত প্রকাশের ভাবই ভূষণপে বিদ্যমান, যাহার নৱকাৱির জােতিস্বতী-এ- প্রকাশ, অজর, অচিন্ত্য, নিষ্কল, নির্বিকার, ইন্দ্রিয়গ্রামরহিত, জীব- স্বরূপ, আদা কামিনীজনকেই সেই সকল মূখের প্রিয় বলিয়া শক্তির জীবন সর্ববিধ কারণশূন্য ও কারণসমূদয়ের কারণভূত। গ্রহণ করে এবং যাহা হইতে কলহাদি নানা অনর্থ দূর হইলেও তুমি আমি এবং সমস্ত জগৎ সেই সাতােদিত ঈশ্বর, বিস্তৃত বাহার অনাদি ব্যাপারে বহজে হইয়া থাকে, সেই চিৎপ্রকাশে অবস্থিত, নিখিল অনুভবের কারণস্বরূপ, শালগম্য কেই তাহারা প্রিয়বহু বলিয়া মনে করে। ১১-১৫। ঐ চিচ্ছক্তির আশ্রয়ভূত, কুটস্থ ব্ৰহ্ম বলিয়া সর্বথা ভােমার নিশ্চয় দিগের ভাদৃশ অর্থসাধ্য যে কিছু যজ্ঞাদিক, সমুম্বই দায় হউক। ৩১-৩৪। প্রণালীতে দত্তমাৎ সালিশে নানা অতিসঙিতে নিপাদিত হয় সপ্তদশ সর্গ সমাপ্ত।১৭। থাকে এবং ঐ সকলকৰ্ম্ম সুখদুঃখে পরিপূর্ণ, সুতরাং সে সকল বিষয় বলিতে পারি না। হে রাম। তুমি ধ্যয়সংকবাসলা- আগরূপ পূর্ণদন অবলম্বনপূর্বক জীবন্মুক্ত হইয়া মুখে বির অষ্টাদশ পর্গ। কর, অরে আশা-বাসনা ও অনুরাগৰি পরিত্যাগপূর্বক বাহিরে সকল কম্মেরই অনুষ্ঠান করিয়া সংসারে বিচরণ কর এবং বশিষ্ঠ কহিলেন-হে মহাবাহহ। কামক্রোধাদিদোষে অন্তরে সর্বতাগী হইয়াও বাহিরে সর্বব্যবহারের অনুসরণ করত অনাক্রান্ত ও সমাহিতচিত্ত ব্যক্তিরা যে স্বভাবে অবস্থানপূর্বক উনার ও কোমলাচারী হইয়া সংসারে বিচরণ কর। হে রাম! সংসারে বিচরণ করেন, তাহা বলিতেছি। সেই জীবন্মুক্ত মুনিবর সমস্ত সংসারদশা মৃন্মরূপে নিরূপণ করত যে পদ সর্লোক সংসারে প্রবেশপূর্বক জগতের অবস্থাসমূদয়কে আদি-মধ্য ও অন্ত বলিয়া পরমপদ-প্রতিপাল, তাহাকেই আশ্রয় করিয়া সংসারে ত্ৰিকালেই অম অরা-মরণালি দুঃখে সংপৃক্ত দেখিয়া বিচরণ কর। ১৬-২০। তুমি অনুরে নৈরাকে আশ্রয় দিয়া করেন এবং সমুদয় কালােচিত কাৰ্য্যে আস্থা রাখিয়া শত্ৰুমিত্রালি বাহিরে আশার অনুবৃত্তি মাত্র করিবে এবৎ অন্তরে নিরুদ্বেগবশতঃ বৃষ্টিতে মধ্যস্থ থাকিয়া দ্বিধাবর্ণিত বাসত্যাগের মধ্যে ধ্যেয় শীতল ও বাহিরে উদ্বেগী হইয়া থাক। হে রাঘব। ভূমি অন্তরে বাসনা-ত্যাগ করত অবস্থান করেন। তাঁহার আত্মা বিবেকদীপে কৃত্রিম উদ্যােণী হইয়া বাহিরে ব্যস্ত হও এবং অন্তরে কিছুমাত্র প্রদীপিত হওয়াতে তিনি জানলক্ষণ উপবনে খাকিয়া সকল না করিয়া বাহিরে সকল অনুষ্ঠানপূর্বক বিচরণ কর। হে রাম। বিষয়েই উদ্বেগ পরিত্যাপূর্বক সমুদয় অভিমত কার্যের পােষণ তুমি সমুদয় ভাবেই অন্তর জানিয়াছ, এক্ষণে তাদৃণ দৃষ্টিতে করিয়া থাকেন। তাঁহার হৃদয় সৰ্বাতীতপদ অবলম্বন করাতে যেরূপ ইচ্ছা হয়, সংসারে তাহাই কর এবং সন্তেকাকার্যে পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় শীতল হয় এবং তিনি কোন বিষয়েই দুঃখিত বা কৃত্রিম সন্তোষ ও উদ্বেগকর কাৰ্যে কৃত্রিম নিন্দা প্রকাশ করত সন্তুষ্ট হন না, সুতরাং মূটের স্থায় তাঁহাকে সংসারে অবসন্ন কৰ্ম্মানুষ্ঠানে কৃত্রিম উদ্যােগী হইয়া সংসারে বিচরণ কর। হে হইতেও হয় না। ১-৫,। সেই দয়াৰ সলঙ্গায় যােগী শত্রু রাম। অহঙ্কার ত্যাগ করিয়া সুন্দরবুদ্ধির অবলম্বনে চিনাকাশে মিত্ৰে সমজ্ঞান রাখিয়া ও গুরুজনে অনুরাগী থাকিয়া অবশ্য শােভ্যান হও এবং কোনরূপ মালিঙ্গচিহ্ন ধারণ না করিয়া কৰ্তব্য-কর্মের অনুষ্ঠান করেন, সুত্রং সংসার তাঁহাকে মুগ্ধ বিচরণ করিলে চন্দ্র অপেক্ষাও অধিক শােভমান হইবে।২১-২৫। করিতে পারে না। হে রাম। তিনি কোনরূপ ইষ্টসাধনে আনন্দ তুমি আশারূপ র বঞ্চন হইতে মুক্ত থাকিয়া সুখদুঃখাদি- বা অপ্রিয়চরণে দ্বেষ প্রদর্শন করেন না, প্রিয়বিরহে তাঁহার সর্ব্যাপারেই সমদশী হও এবং বাহিরে বর্ণাশ্ৰমধৰ্ম্ম পালন- শােক বা ইষ্টলাভে বাস সঞ্চার হয় না, তিনি কেবল মৌনী মাত্র করিয়া সুনে অবস্থান কর। হে রাম। বাস্তবিক দেবীর কোন হইয়া আবশ্যক কার্যমাত্রের নিষ্পন করেন; সুতরাং সংসারে বন্ধনই নাই, সুষ মুক্তিও কিছু নাই, ফল কথা, এই সংসার হাকে মুগ্ধ হইতে হয় না। তাকে ঠিজ্ঞাসা করিলে জিজ্ঞ- ব্যাপার ঐন্দ্রজালিক ব্যাপারে গায় সমন্বই মিথ্যা বলিয়া জানিও। স্কের উত্তরমাত্র প্রদান করেন, কিন্তু জিজ্ঞাসিত না হইলে যেমন তীব্র আতপক্ষেত্রে ভ্রমণে বিস্তৃতজলাশয়ের বিশ্বাস শহুর স্যায় নিশ্চল থাকেন। সংসার কদাচ সেই ইষ্টানিষ্টভাক জমে, তদ্রুপ অজ্ঞানবশে দৃশ্যমান দৃসয়ই ভাল, ইহাতে হ মুনিকে অবসন্ন করিতে সমর্থ হয় না, জিজ্ঞাসিত হইলে সত্য কিছুই নাই। আরও দে আত্মা সর্বব্যাপী, একরূপ তিনি মথুরবাক্যে সমন্তের প্রিয়প্রত্যুত্তর এমন করেন, সশ, সুক্ষ্মাৎ তাঁহার বল কিরুপে সবে? যদি বন্ধনই না সর্বজীবেরই অন্তর্ভাব আনিয়া তিনি কদাচ সংসারে বিমুগ্ধ থাকি, তবে আবার মােক কিসের? তথাপি অঙ্গনের প্রয়াে- হল না এবং তিনি উচিংচিত বিবেচনায় পরিপূর্ণ আশা জন এই যে, মিখ্যানে সংসারভ্রম হয় এবং বাস্তবজ্ঞানের পিশাচিকাক্রান্ত লােকব্যবহারকে অহস্থিত বিফলের রায় প্রকাশ, জুতে সর্পভ্রমের স্থায় উক্ত ভ্রান্তির লয় হইয়া থাকে। সম্পূর্ণরূপে বিদিত থকেন। ৬-১০। সেই ব্ৰহ্মপদারূঢ় মহা ২৬-৩০ হে রঘুনাখ! তুমি অনুপম সুবুজি দ্বারা আত্মকে নিজ্ঞান-প্রভাসি বুজি নাৱা আগষ্যাপারের নবরতা আনিয়া আনিয়া যখনই তাহাতে অহঙ্কারশূন্য হইবে, তখনই আকাশের অয়ে উপহাস করিয়াই তৎপ্রতি নিরাশ করেন। হে রামচন্দ্র। গায় নির্মম হইয়া অবস্থান করিবে। আর খে, নিখিল-ভােগ- যে সকল মহাত্মা চিত্তৰণ কৰিয়া পরাপর ব্রহ্মের সাক্ষাৎকার সামগ্রী, বন্ধু জাগতিকতাব ও সুলভ কৰ্ম্ম, এ সমুদয়ের লাভ করেন, তাহাদের স্বভাব ভােমার নিকট বলিলাম। সহিত আর কোন সম্পর্কই নাই, অকাণে 'তাহারে যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ e অন্য শােক করিতেছ কেন? “আজই আমার একমাত্র সত্য ও বুদ্ধিকে অসঞ্জিচারণা আবরণ করিতে পারে না। যিনি চিরকাশের আনন্দসাধন” তােমার বুদ্ধিতে ঘথম এইরূপ বিবেচনা হইতেছে, ন্যায় অতি মহা তঁহার উদয় বা অন্য কিছুই নাই, সুতরাং তখন তোমার ভরের সহিত কোন সম্বন্ধই নাই , তবে কেন করা যেমন অবিকলেন্দ্রিয় ব্যক্তি ভূতলের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম দর্শন করিতে জগঞ্জেভীত হইতেছ ? ৩১-৩৫। যখন সংসারে তােমার পুত্র- পারে, তদ্রুপ তিনিও অরুপে প্রতিষ্টিত হইয়া সকল অবলােকন কলাদি বন্ধু কেহই নাই, তখন সেই মােৎপন্ন পুরি সুখ করেন। হে রঘুনাথ। এই সমস্ত প্রাণী তােমার জন্মজন্মান্তরসম্পর্কে দুঃখের সহিতওতামার কোনরূপ সম্বন্ধ ক্ষিত হয় না। তবে বন্ধু হইলেও তােষাতে নিত্য সংযুত আছে, ইহারা তােমা ভিন্ন তাহলের অত চিন্তা করিবে কেন? তুমি পূর্ব পূর্ব জন্মে যেরূপ! কেহ নহে, সকলেই এক জানিবে। হে রাম। অসংখ্য-জন্মান্তর- পরমেও সেইরূপ হইবে, বর্তমানেও সেইরূপ রহিয়াছ। | সম্পকী জগতে এই বন্ধু, ইনি বন্ধু নহেন, এই মন মুহূর্তের জন্য যদি আপনাকে এইবলে জানিতে পারিলে, অৰে বৰ্তমানের ন্যায় হইয়া থাকে , বাস্তবিক দেখিলে ভ্রমদশাই চূর্ণি পায়, ত্রিভুবনে অবগত প্রাণাদির ও শত শত বন্ধুজনের নিমিয় শোক না ' তোমার একটীমাত্র বন্ধু না থাকিলেও চিরকালের জন্য বন্ধুতুল করিতেছ কেন ? তুমি পূর্কে একব্যক্তি ছিলে, এক্ষণেও এক রহিয়াছে বুকিয়া কাৰ্য করিবে। ৬১–৬।। রহিয়াছ পরেও অঙ্গ হইবে যদি এইরূপ জানিলে, তবে কেন মুগ্ধ অষ্টাদশ সর্গ সমাপ্ত। ১৮ । হইয়া থাক? আর পূর্বে হইয়াছিলে, এক্ষণেও ইয়াছ, পরে যদি আর না হও, তবে তােমার এরূপ সংসারয় থাকিতে অক- রণ কেনােক করিতেছ? সুজা অস্বাভাবিক জাগতিক সিদ্ধ- একোনবিংশ সর্গ। ব্যাপারে দুঃখ করা উচিত নহে, সর্বদা সন্তোষশীল হইয়া বহিঃ- কৰ্ম্মের অনুবৃত্তি করা বিধেয়। ৩৬-৪১। হে রাম। তােমাকে বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রম। এই বিষয়ে দুইটা সােদর দুঃখড়াৰে উপগত হইতে বা সর্বদা মুখান্বেষী হইতে বলি না, ঋষিকুমারের সংবাদ অবলম্বন করিয়া একটা প্রাচীন ইতিহাস তবে আত্ম সর্বগামী বলিয়াই তুমি সুখ-দুঃখে সর্বত্রই ভুখ্যভাব উদাহরণসকপে বর্ণিত আছে। ইনি আমার বন্ধু, ইনি নহেন, প্রাপ্ত হও। হে রাম' তুমি অনন্ত আত্মস্বৰূপ হইয়া আকাশের এই কথা প্রসঙ্গেই গঙ্গাতীরে ঐ ঘটনা ঘটিয়াছিল। তােমার ন্যায় সুনির্মল-হৃদয়ে রহিয়াছ , অগিমস্থানে অমরাশির স্থায় নিকট সেই পবিত্র ও বিস্ময়কব পুরাও বলিতেছি, স্থিরচিত্তে সুপ্রকাশ নিত্যশুদ্ধ ত্বদীয় আত্মার অমোগুণসভৃত শোক-দুঃখাদি শ্রবণ কর। এই অমূখীপের অন্তর্গত কোন গিরিকুঞ্জে পৰ্ব্বত কিছুতেই স্থান পায় না। হে রাম। এই সমগ্ৰ অগং জলতরঙ্গের মালয় সুশােভিত স্থানে মহেন্দু নামে নিবিডারণ্য-সমাকুল একটা ন্যায় পরস্পরের আশ্রয়েই সতত চলিতেছে, চক্রাগ্রভাগের মত পর্বত আছে। যে পৰ্বতে কল-বৃক্ষবনের ছায়ায় মুনিগণ ও এই চঞ্চলভুবনের অথােদেশ উর্ধগামী ও উদেশ অবােগামী ! কিনবেরা বিশ্রাম করিয়া থাকেন, যে পৰ্শত অত্যুচ্চি শিখর ভার। হইতেছে, কখন বা স্বর্গবাসী নরকগামী হইতেছে, কোথায় বা বিস্তৃত গণনকেও ব্যাপিয়া আছে, যে গিরিনিচয় ব্রহ্মলোক পর্যন্ত নরকের কীটেরা স্বর্গে যাইতেছে এবং জীবগণ এবঙ্গীপ হইতে প্রতি নিজের গুহামধ্যে বিচরণকারী ঋষিমুনিগণের বেদ- দ্বীপান্তর গমনের সহিত একযােনি হইতে অন্য যােনিতে গমন' পাঠপ্রতিধ্বনিস্থলে স্বয়ংই বেদগান করিয়া থাকে, যাহাৰ শৃঙ্গা- করিতেছে। কোথায় ৰা উদার ব্যক্তিরা কৃপণ হইতেছে এবং কৃপণ ভাগ সজল সুতরাং সুনীল-মেমণ্ডল বিদ্যুৎসম্পর্কে বিরাজমান। ব্যক্তিরা উদারতা লাভ করিতেছে। এইরূপে প্রাণিগণ কখন অধঃ- হইয়া কুসুমাকুলতায় বিজড়িত কেশপাশের ন্যায় শােভা পায়, পতন, কখন উন্ধে গমন ও নিয়ত ভ্রমণ করিয়াই ফুর্তি পাইতেছে। যে পর্বতগুহাশে উডডয়নকারী ভ্রমরদিগের মধুরগুরুচ্ছলে হে রাম! এইকপে অবস্থিত বিশ্বে নিৰ্মলপদার্থনিচয়, অগ্নিতে শুরূপ মুখের বিকার করিয়া কল্পকালীন জলদলকে উপহাস হিমকণার ন্যা নিতান্ত দুর্লভ আনিবে। আজ তুমি যাহাদিগকে করিয়াই দীপ্তি পাইয়া থাকে, যে ঋত গুহামধ্যপাতি নিঝর- পরমভাগ্য বলিয়া বুৰিছে, যাহারা তােমার পরমবন্ধু হই- সমূহের নিনাদে, সমুদ্রের জলরাশির ভীষণধ্বনিকেও পরাভব যাচ্ছে, প্রহারা সকলেই কিছুদিনের মধ্যে বিনষ্ট হইবে। হে মহা- করে, সেই পর্বতের কোন একটা সুবিস্তৃত মণিময় ভটপ্রদেশে বাহ! সংসারে পর, আত্মীয়, অনাত্মীয়, মদীয় বৃহীয়, এইরূপে অত্ৰত্য মুনিগণ আপনালিগেরই গান-পানের জন্য স্বর্গগঙ্গাকে ৰে সকলের গ্রহণ হইতেছে, সে সমুদয় যুগলচলনের স্থায় আনাইয়াছেন। ১-৯। তথায় সেই কুমিতরক্ষশ্রেণী শাে- নিতান্ত মিখ্যা। হে রাষ! “এ ব্যক্তি মিত্র, ও ব্যক্তি শত্ৰু, এই ভিত রত্বট বিরাজিত, সুবর্ণভয় পিঞ্জরিত স্বগঙ্গাতীরে আমি, ঐ ভূমি” এইরূপ মিথ্যাদৃষ্টি তােমার দূর হউক্। হে মহামতি ব্ৰহ্মজ্ঞলী তপনামক অপােনিধি মুনি বাস করিতেন। সূত। যাহাতে তুমি বাসনাভাবা হইয়া অজ্ঞের স্থায় ব্যথা বৃহস্পতিতনয় কমে স্যায় সেই মুনির চশ্রেপিম সুন্দর পূণ্য ও এমে শ্রান্ত না হও, এই সংসারমার্গে সেইপেই বিচরণ করিবে। পাবন নামে দুইটা পুত্র ছিলেন। সেই মুনির ফলশালিপালে উত্তরােত্তর সতই তােমার বাসনাৰিশিল্পী বিচার প্রকাশ সুশোভিত গঙ্গাতীরে সেই পুত্ৰ-দুইটা ও একটা ভার্চার সহিত পাইতে থাকিবে, ততই ক্রমণ ব্যবহারেরও উপশম হইবে। বাস করিতেন। হে রম। সেই পুত্রদ্বয়ের মধ্যে অন্বেকােষ্ঠ ২৬। “ইনি বন্ধু, ইনি বন্ধু নহেন” এরূপ বিবেচনা লঘু অধিকগুণশালী পুণ্যই কালক্রমে জ্ঞানবান হইলেন। কনিষ্ঠ চেলিগেরই হইয়া থাকে, মহয়্যক্তিদের বুদ্ধি কখনই ঈদৃশ বিচা- পানের চিত্ত এতকালীন কমলের ন্যায় প্রবােধােমুখমাত্র শার আবরণে আবৃত হয় না, কারণ যাহাতে আমি থাকিতেছি হইয়াছিন, কারণ তিনি মৃভাব হইতে নির্গত হইলেও পরপদে না, সে বস্তু নাই এবং যে পদার্থ আমায় নহে, তাহাও নাই, খাইতে পারেন নাই বলিন্য মধ্যদশার দোলায়মান ছিলেন। এই মিতি ধীরগণের বুদ্ধিতে নিত্য বর্তমান ৰণিৰ ভদী ১০-১৫। জীবের অলক্ষ্যে দেহ ও আয়ুক্ষয়কারক বকাল - লৌকিক কাৰ্য্য স পান করিয়া শােকাকুল পানের অন্বেষণ যে ও মােহদদি, এত সমুদায় সংসারকে বগণ অকৃত। এপম-প্রণ . এইরপে অতীত হইলে মহামুনি দীর্ঘত জরাজীর্ণ হইয়া এই কেহই তােমার মিত্র নহে,জেই তােমার বন্ধুও নহে। হে ভঙ্গুৱজীবসমাকুল, অজর মরণালি বিবিধ্যাপয়ে ভীষণ ভা। যেমন উত্তপ্ত শিমরুভূমিতে অবির কিছুই সম্ভব সংসারে অনুরাগ পরিত্যাগপূর্বক কল্পনারূপিণ পক্ষিণীর চির- নাই, সেইরূপ পরমার্থদৃষ্টিতে কাহারও নাশ অসম্ভব। বসন্থল পদেহ পরিত্যাগ করিলেন। যেমন ভারবাহী গৃহে মমি! এই যে সকল চামরণি-চিহ্নশালিনী রালক্ষ্মী আসিয়া নিভার রক্ষা করে, সেইরূপ তিনিও সেই গুহামধ্যে দেখিচ্ছে, এ সকল দুই বা তিন দিনের স্বপ্নমার, কিছুই সত্য দেহতার মাত্র রাখিলেন যেমন পূপগন্ধ আকাশে চালিত হয়, নহে। হে ভাত। পারমার্থিক দর্শনে সত্য বিচার কর, দেখিবে, তদ্রুপ তিন্ধি পরমপদে উপস্থিত হইলেন, তথায় তাহার জড়জীবের তুমি বা আমরা কেহই কিছু নহে, সুতরাং ভ্রান্তি পরিত্যাগ চৈতন্যের প্রতিষ্ঠা হইল ও সংসারভাবের শান্তি হইয়া গেল। কর। এই ব্যক্তি মরিল, ঐ ব্যক্তি যাইতেছে,” এইরূপ অসন্দর্শন তখন সেই মুনির পত্নী স্বামিদেহকে প্রাণাদি-বায়ুবিহীন হইয়া, নিজের সঙ্কল্প-জনিত ভ্রম হইতে উৎপন্ন হয়, উহা বাস্তবিক । নামহীন কমলের ন্যায় ভুলে লুষ্ঠিত হইতে দেখিয়া,স্বামী- হে ভ্রাত। অজ্ঞানরূপ অতপে সমাচ্ছন্ন মরুসদৃশ আত্মনি- নিকটেই শিক্ষিত ও চিরাভ্যন্তু যৌগ আশ্রয় করিলেন। ভ্রমরী বাসনারূপ মৃগতৃফিকাসলিল, শুভশুভের স্পন্দনরূপ তরঙ্গের মন অম্লানা কমলিনীকে ত্যাগ করে, সেইরূপ তিনিও আকারে অনন্ত হইয়াকূৰ্ত্তি প্রাপ্ত হয়। ৩৬-৪১। বােগাবলম্বনে সুন্দর স্বদেহ ত্যাগ করিলেন। ১৬-২১। হে রাম! একোনশি স সমাপ্ত। যেমন ব্যোমচারী, চন্দ্রমাকে অন্তোমুখ দেখিলে ভঙ্গীয় প্রভাও তাঁহার অনুসরণ করে, সেইরূপ তিনিও সাধারণের অপ্রত্যক্ষ হইয়াই ভর্তার অনুসরণ করিলেন। তখন পিতা-মাতাকে পরলােক- বিংশ সর্গ। গত হইতে দেখিয়া জ্যেষ্ঠপুত্ৰ পুণ্য তাঁহাদের ঔদহিক কাৰ্য্য করিতে কিছুমাত্র শােকাকুল হইলেন না কিন্তু কনিষ্ঠ পবন একান্ত পূণ্য কহিলেন, হে বংস। কে পি, কে মাতা, কোথায় দুঃখিত হইলেন। জ্যেষ্ঠের ন্যায় ধৈৰ্য্যাৱলম্বন করিতে না পারিয়া তােমার মিত্র, কাহারাই বা বান্ধব, অহা জানিনা। যেমন কমুরাশি তিনি একাকী শােকাকুলচিন্তে কামধ্যে বিচরণপুৰ্ব্বক বিলাপ পূলিকে উথাপিত করে, তদ্রপ সমূদয় কেন নিজের ভ্রান্ত করিতে লাগিলেন। এ দিকে মহাত্মা-পুণ্য পিতা-মাতার পার- বুদ্ধি হইতে প্রকাশ পাইয়া থাকে। বমি পুত্ৰাদি এবং মেই, T । করিতে করিতে বনমধ্যে তৎসমিধানে উপস্থিত হইয়া বলিতে সঙ্কেত দ্বারা বিস্তার করিয়া থাকে। যেমন বিষকীটেরা বিকে আরম্ভ করিলেন। ২২২৫। পুণ্য কহিলেন, হে বৎস! কি আপনাদের ইষ্টসাধন বুঝিয়া অমৃত জ্ঞান করে,অপরের নিকট । জন্য (উত্তরােত্তর) অজ্ঞান-কারণ শােকের বৃদ্ধি করছে। বর্ষা- বিষ বলিয়াই অনুভূত হয়, দ্রুপ মুগ্ধ জীবেরাই কাহাকে বন্ধুত্ব কালে পদ্মবিকাশের প্রতিবন্ধক বর্ষণের ন্যায় দর্শনব্যাঘাতক ভাবনায় বন্ধু বলিয়া গ্রহণ করিতেছে, কাহাকেও বা জানে অজস্ৰ ৰাষ্পরাশিই বা বর্ষণ করিতেছ কেন? হে সুবােধ । ভূমি শত্রুরূপে ত্যাগ করিতেছে; সুষ সংসারস্থিতি বিষামৃত কি আনিতেছ না যে, তােমার জনক ত্বদীন জননীর সহিত জ্ঞানে- দশা চায় পূর্ণা। যিনি দেহেই অভিন্নভাবে অবস্থিত, সেই ঞ্জিত মােনামক পরমাত্মমর্গে গমন করিয়াছেন ? বাহা সর্বগত আত্মায়"ইনি বন্ধু, উনিশ এইরূপ ভাবনা একেবারেই সকল অবস্থাতেই গুণিমাত্রের একমাত্র স্থান ও যাহা ব্ৰহ্মজ্ঞানী অসম্ভব। এই রক্তমাংস্থিষয় দেহপর হইতে পৃথক চেক দিগের স্বরূপ, পিতা সেই স্বীয় স্বভাবে সমারূঢ় হইয়াছেন , স্বভাৰ আমি কে? ইহাই অগ্রে চিত্তে বিচার কর, তাহা হইলেই সুতরাং তাহার জন্য শােক করিতেছ কেন ? হে বৎস। সংসারে বুঝিবে যে, আমি সর্বগামী। ১-৫। হে ভ্রাত! তুমি পারমা- পিতা অশােদ্য-দশা প্রাপ্ত হইয়াছেন, অর্থাৎ তাহার জন্য শােক থিকী দৃষ্টি নিক্ষেপ কৰিলে অবশ্যই দেখিতে পাইবে, পাবনসংজ্ঞায় করা উচিত নহে, কিন্তু তুমি বৃথা মােহজনিত ভাবনায় বদ্ধ অভিহিত তুমি কেন, পূণ্য শকে সজ্জিত আমিও কেহ নহি, হইয়া র্তাহার জন্য শােকু করিতেছ। দেখ ভাই, তিনি তােমার তবে যে পুণ্য-পান-সংজ্ঞায় উভয়ে রহিয়াছি, ইহা কেবল মিখ্যা- পিতা নহেন, মাতাও নহেন, তুমিও তাহাদের একমাত্র পুত্র নহ। আনবিকাশমা, অন্য কিছু নহে। তােৰু পিতা কে, মাতা কে, ২৬-৩০। হে বৎস! যেমন অরণ্যে অরণ্যে জলগেরাশি সুহৃৎ এবং ক্রিই বা কে? এ সকল সেই অনন্ত চিমাকাশের উত্তরােত্তর বহুশত নিমস্থান আশ্রয় করে, সেইরূপ তােমারও তাহা- অংশন্নি আর কিছুই নহে। আর তুমি বর্তমান দেহের লিঙ্গশরীরী দেয় স্থায় শত সহস্র পিতা-মাতা অতিক্রান্ত হইয়াছেন। যেমন হইয়াছে, কিন্তু অতীত অমান্তরের যে সমুদয় বহুজন ও ধনরত্ব- লতা ও পাপের কতশত পত্র-কোরাদির নবােলগ হইয়া থাকে, দির সহিত তোমার বিরত্ব হইয়াছে, তাহাদের জন্য শােক করিতেছ সেইরুপ আঁহাদেরও নদীরদের স্থায় জন্ম-জন্মান্তরে তােমার মত কেন? তােমার এত মৃগযখনিতে যে সকল পুষ্পিত লতা- অসংখ্য পুত্ৰ অতীত হইয়াছে। যেমন প্রতি ঋতুতেই মহদলে মণ্ডপের পথ তােমার পরিচিত বন্ধুরূপ হইয়াছিল, তাহাদের কল জন্মিয়া থাকে, দ্রুপ এতিমেই জীগণের বহুশত মিত্র এই লােক নিচ্ছে না কেন? হংসযােনিতে অবস্থান ও বন্ধু হইয়া থাকে। হে বৎস! যদি তুমি মেহৰশে পিতা, কালে পথ্যকর সরােবরালির তট-এদেশে সে সমূদয় হংসের পরি- মা ও পুদি স্বজনের জন্য শােক করা উচিত বােধ কর, তৰে চিত হইছিল, আহাদের উদ্দেশেই শােক করিতেছ না সইল সহ অতীত পিত্রাদির জন্য নিয়ত শােক করিতেছ না কেন? ১০। ঐরূপরে বিচি বনরাজিতে যতর লে?৩১-৩৫। মহাভাগ!, এই যে জগৎ-গ্রপঞ্চ দেখি- পাপই তােমার বন্ধু ছিল, তাহাদে অঙ্গই বা কেন শােক করি- ছে, ইহার সকলই শশীক মাত্র ,বিচার করিয়া দেখিলে জে ? হিযােনিতে অবস্থানসম উচপাতখির- T বােগবশিষ্ঠ-কায়। চয়িী যে সমুদয় সিংহ তােমায় সহিত বন্ধুত্ব স্থাপন করিয়াছিল, কোন বহুজনেয় ই বা অধিক শােক করিব ? শাে,েকোন তাহাদের নিমিত্তই বা কেন তােমার’শােক হইতেছে না? যে প্রয়ােজন নাই। কারণ, অভের গতি এই একাই আনিলে। সক জন্মে জীগর্তে ও পদ্মাকর সরােবরাদিতে জলচর মৎস্যামি এ জগতে সংসারিকানদিগের বনগুরুর পত্ৰসমূহেয় স্যায় অনন্ত পিতা তােমার বন্ধু হইয়াছিল তাহাদের জন্যই বা তােমার হৃদয় শােকাভি ও মা অতিক্রান্ত হইয়া থাকে। সুত্রাং হে পুত্র। ভূত হইতেছে না কেন? আমি দিব্যজ্ঞানে দেখিতেছি যে, দশর্ণ- এই জগষ্যাপারে দুঃখের সীমা কোথায়? সুখেরই বা অবসান দেশে তুমি কৃপিলমক ৰনবার ছিলে। পরে হিমালয়ে রাজপুত্র কিরূপ? অতএব আইস ভাই, আমরা সমুদয় ত্যাগ করিয়া হইয়া জন্মগ্রহণ কর, তৎপরে পুদেশে কাক হইয়াছিলে; নিৰ্ম্মান্তঃকরণে অবস্থান করি। নিজচিত্তে অহংজ্ঞপিণ ও ম হয়রাজ্যে হস্তী হইয়া তৎপরজন্মে ত্ৰিগর্তদেশে গর্দভ বিশ্বের অন্যা আছে, তাহা ত্যাগ করিয়া সংস্বরূপে অবস্থান কর, বোলতে উপগত হইয়াছিলে। পরে শারাজ্যে কুকুরীযোনিতে আwজ্ঞাননিপুণ মহাত্মার নেপদে গমন করিয়া থাকেন, তাহাতে অনিজহার পর ত্ৰত্য সয়লক্ষে পরিপে জন্মগ্রহণ কর। তােমারুমঙ্গল হউক। এ সংসারে প্রবান্ ব্যক্তি আমার ১১-১৫। পশ্চাৎ বিন্ধ্যপর্বতে বৃহৎ বটবে ধু হইয়া মরা- নবদিগমনে উদােগনলক্ষণ বিশ্রান্তভ্রমণ দর্শন করিয়া চলে কুকুটরুপে জন্মিয় কোশলরামে ব্রাহ্মণ হইয়াছিলে; পুনরায় কিছুমাত্র শােকাকুল হন না। কেবল অভিমানত হইয়া কর্তৃক বঙ্গদেশে ভিত্তিরিপক্ষী হইয়া, তুরাজ্যে অখ এবং পুরে প্রসিদ্ধ বিষয়ের ব্যবহার করিয়া থাকেন, সুরাং তুমিও কে সেই ব্ৰহ্মৰজ্ঞের পতস্থান লাভ করিয়াছিলে। হে বৎস। ঐরূপ তাল- ভাৰভাবশাবিহীন জরামরণ্য আত্মাকে এভাবে স্মরণ কর, কৃষ্ণের মূলমধ্যে যে কীট, পরে উদুম্বফলে যে মশক ও যাহা পূর্বে কাচ মূঢ়চেতা হইও না। কারণ, তােমার দুঃখ নাই, জন্ম নাই বিষনে বকৰােনি প্রাপ্ত হইয়াছিল, এ সমুদয়ই তুমি ছিলে। এবং গেমার পিতা বা মাতা কোই নাই। হে সুবােধ। তুমি যে তুমি আজি আমার কনিষ্ঠ হইয়াছ, সেই তুমিই পুর্বে হিমা- একমাত্র আত্মারূপ, নেলি অত কিছুই নয়। এবং এই বয়ের গুহায় দুজর ত্বকের মধ্যে ছয়মাসকাল কীটরুপে অব- সংসারযাত্রায় বাহাৱা নালা, চেষ্টারূপ অভিনয় দেখাইতেছে, ॥ কাঁরয়াছিলে, তৎপরে দেশের সীমান্তভূমিতে গােষরাশিতে সেই মূঢ়জনেরাই পুরুষাকে সার বিবেচনা করে ও যাহায় সার্জ একবৰ যে কি হইয়াছিলে, সেই তুমি আজি আমার সদসদুভাশী সেই মধ্যবিদেরা যথােপস্থিত দর্শন করি কনিষ্ঠ। ভ্রমর বেন কে উপর ঈমাসক্ত হয়,ভদ্রুপ যিনি চণ্ডাল প্রকৃতিতে অবস্থান করেন এবং যাহারা অজ্ঞ হন, তঁাহা- যেনিতে উপগত হইয়া স্বজননী চণ্ডালীর পীঠ বারংবার বই উদাসীন হইয়া সাক্ষা ব্যবহারে স্থান করেন। এবং সংসক্ত হইয়াছিলেন, সেই তুমি আজি আমার কনিষ্ঠ সহোদর। রাত্রিকালে দীপসকল যেমন প্রকাশনকার্যে কর্তা হইয়াও অন্য হৈ বৎস! পূর্বে এই সূধীপে তুমি এই একার শতসহস্র জীব- কর্তৃক অপ্রযুজ্যমান হইলেই কর্তৃত্ববিহীন হয়, তদ্রুপ ঠঙ্গারা যােনিতে জন্মগ্রহণ করিন্মছিলে। আমি এক্ষণে সমগদর্শনে সন্ধিবিমাত্ৰে কৰ্ত্তা হইয়াও স্বয়ং কিছুই করেন না এবং যেমন উদ্ভাসিতা সূক্ষ্ম বুদ্ধির সাহায্যে তােমার ও আমার উমেরই উক্ত অৰ্পণ-রত্নাদি আত্মপ্রবিষ্ট প্রতিবিম্বকে প্রকাশ করিলেও অন্তরে প্রকায় প্রাক্তন বাসনাসমূদয় দেখিতে পাইতেছি। তােমার স্থায় সায় সত্তার সম্পর্ক রাখে না, তং মহাজ্ঞানীরা আত্মাতে বিঙ্গিত আমারও বহুতর ও বহু প্রকার অনময় জন্ম অতীত হইছে। কাধ্যের বাহিক কর্তা হইলেও আপনারা তাহাতে অভিনিবিষ্ট হন তাহা আজি আমার অঞ্জতে স্মরণপথে উপস্থিত হইতেছে। না। হে পুত্র! এক্ষণে তুমি এই আসনারূপ-কল-শূন্য ও মননশীল আমি পূর্বে বিগ দেশে শুরু হইয়া নদীতটে ভেকযোনিতে শুক হইয়া দীতটে ভেকযোনিতে আত্মা দ্বারাই স্বীয় কলমধ্য হইতে ধ্বংসারভ্রম দূর করিয়া জন্মিয়াছিলাম ; অনন্তর এই বনমধ্যে মূদ্ৰপক্ষী হইয়া জন্মলাভ অবকাল অবধিত আত্মালেই গতােষ লাভ কর। ৩১-০৩। করি।১৫=৫। পরে বিন্ধ্যারণ্যে বরজাতিমধ্যে জন্মগ্রহণ विश्ण मममा.. কবি বঙ্গদেশে যােনি পাইয়াছিলাম এবং পুনরায় বিজ্ঞাচলে উনি তাে করিয়া এই বনেই জন্মিয়াছিলাম। আরও বলি, অনন্তর আমে হিমালয়ে চাতক, পৌরাজে রাজা ও সহ- একবিংশ সর্গ। গিরির মধ্যে বা হইয়াছিল, সেই আমি আছি তােমার ষ্ঠে ভ্রাতা হইয়াছি। হে বৎস! যে ব্যক্তি বলয় শকুনি বা কহিলেন, হে রাম। তখন পাবন মহামতি পুণ্য জন জেণ করিয়া পাঁচমাস অজন্তু হইয়া পরে এক বৎসর কর্তৃক এইরূপে প্রবােথিত হইয়া আত্মনি অবগত হইলেন ও সিংহ হইয়াছিল, সেই ব্যক্তি আজি এখানে তােমার অগ্রজ ভ্রাতা হাতে প্রভাভিক ভূতলের রায় আপনি অধিক প্রকাশ পাই- হইয়াছে আমি অন্ধরাঝে কোর থাকি, তুষারদেশে মাও- লেন। তখন উভয়েই জ্ঞানবিজ্ঞানের পারুশী হইয়া সেই লিক হইয়া রাজার মত শােভা পাইছিলাম, এসে শেলী- কাননমধ্যেই প্রাঙ্গন্ধের সকাল পর্যন্ত বিচরণ করিতে লাগিলেন। চাধ্যের ভয় হইয়া যাহা তোমাকে বলিতেছি, শ্রবণ কর। এফ ইপে কিছুকাল অতীত হইলে উভয়েই দেহত্যাগ করিয়া তৈল আমার সেই বিবিধসংলারভাবে পু, নানা আচারে সমন্ডি, বিহাল দীপের স্থায় নির্বাণপন এাপ্ত হইয়া উপাত্ত হইলেন। এজন অসমুদয় ভমেয় বিলাস স্মরণ করাইয়া দিতেছে। হে রঘুনাথ। এইরূপ অঙীপ্রাক্তন দেহসমুদয়ে অসংখ্য বন্ধু ২৬-৩০ হে বৎস! সংসার-ষের অবস্থান সম্যকু বুঝিয়া বান্ধব হইয়া থাকে, কিন্তু কে কি ভাহাদের মধ্যে কাহারও এলে নিলে যে, আমাদের কতশত বণ, পিতামাতা ও উদ্দেশ শােক করে না, কেহ বা তাহাদিগকে স্মরণ করিয়া মুহ অতীত হইয়াছে, ভাষার সংখ্যা নাই; জাং কাহাদের থাকে , মুজাং এইসমূহৰ মনত লোদির মূলীভূত বাসনার নিমিত্ত আৰু করিব, কাদের জন্মই শেক করিব না ও ত্যাগই একমাত্র উল, উহা পালন করা উপায় নহে। এতে উপশম-একরণ ; ইলসম্পর্কে অনুলের বৃদ্ধি, সেইরূপ চিন্তা কৰিলেই চিন্ময় এই আলামী চিত্তবৃত্তিসমুন আর অশ্বাইতে না এলেও, তবেই হে মুক্তি পায় এক বেপকে স্থায় চির অব তােমার পুনরায় জন্মজয়দিনিবন্ধন ভয় থাকিৰে না। ১৫। হইলে চিনষ্ট হইয়া থাকে ; পটভূমিও পূর্বোক্ত ঘঞ্চাই তােমার চিত্ত বৃত্তি হইয়া অবিদ্যমানরূপকে পাইবে বাল্যাগরূপ রখে আফট হইয়া সর্বভূতে দয়াবতী দৃষ্টি জান্ন তখনই তােমার অন্তর মােসর পূর্ণ অবস্থা লাভ করিবে। দীন পােক সমুদয়কে নি করত অবস্থান কর ও উখি হও। হে রঘুনাথ! পেচকী পক্ষিশীর ন্যায় তৃষ্ণা 'অন্তরে প্রবেশ করিয়া যে ব্যক্তি সর্বদা বিবেকরূপ বন্ধুকে ও পরজ্ঞাপিণ যাহাকে চঞ্চল করে, নিখিল-অমঙ্গল আসিয়া সম্বন্ধে বিস্তার প্রিয়-সখীকে সমভিব্যাহারে লইয়া বিহার করে, সে বিপদ উপ পাইয়া থাকে। বিচিত্যকেই চিতের মুভি কহে, স্থিত হইলেও মুগ্ধ হয় না , বিপদ উপস্থিত হইয়া লােকের সকল ব্যাপারে চিত্ত আশার সহিতই প্রকাশ পায় ,সুতরাং আণরূপিণী বিষয় নষ্ট করিয়া বন্ধুজনকেও দূর করে, সেই বিপদ হইতে চিত্তবৃত্তিকে ভাগ করিবেই চিতা লাভ করা যায় যে বহুৰে উদ্ধার করিতে নিজের ধৈৰ্য ব্যতীত আর কেহই সমর্থ হয় না। ব্যাপারে অবস্থান করে, ঐ ব্যাপারের অভাব, ইইলে সে ধ ৬—১০। লােকে প্রথমেই বৈরাগ্য, শাস্ত্রাভ্যাস ও মহানিশ- বিনষ্ট হইয়া থাকে, সুতরাং যদি চিত্তের উপশম ইচ্ছা কর, তবে যোগের দ্বারা স্বীয় মানসকে বিষয়গর্ত হইতে উদ্ধার করিবে, অগ্রে সেই চিত্তের বৃত্তিসমুদয়কে ধ্বংশ কর, তাহা হইলে সহ- কারণ, চিত্ত মহৎ হইলে যেরূপ অসীম আনলক্ষণ ফল লাভ করা জেই চিতক্ষয় হইবে। হে মহাত্ম। তুমি স্ত্রী-পুত্ৰ-নাদির বাস যায়, ত্রিভুবনের ঐশ্বর্য ও রত্নরাজিপূর্ণ ধনাগর হইতেও সেরূপ না রাখিয়া সংসারবন্ধন ছেদন করত জীবন্মুক্ত হও। আর সে, ফল পাওয়া যায় না। যাহারা এই জগতে নিরন্তর উন্ধে স্বর্গে মনােমধ্যে নির্মিত আশাই জীবের বন্ধন সাধন রপে অবস্থান গমন, অধধদেশে নরকে গমন ও এই কৰ্মভূমিতে জন্মগ্রহণ করে, সেই আশার ছিন্ন হইলে কোন্ ব্যক্তি মুক্তিলাভ না পূর্বক ভ্রমণ করিতেছে, তাহাদের চিত সর্বদা নােকতাপাদি-পূৰ্ণ করিয়া থাকে?২৬-৩০। * খাকায় কখন বিশ্রাম করিতে পারে না, কিন্তু যাহার মানস একবিং সর্গ সমাপ্ত।২১। শক্তিতে পরিপূর্ণ, দ্বিবিধ দুঃখে পীড়িত এই সংসার তাহার নিকট অমৃতরসে সিক্তের স্বাধ অনুভূত হয়। যেমন যে ব্যক্তির চরণদ্বয় উপনযুগলে আবৃত থাকে, তাহার নিকট সমস্ত ভূমিই চম্মারতে, আর বােধ হয়, কিন্তু যে চিত্ত আশার দাস, তাহা দ্বাবিংশ শর্গ। বৈরাগ্যসম্পর্কেও পূর্ণতা লাভ করে না, কেবল রাগমে সরােবর বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। তুমি রঘুবংশগণের পূর্ণ যেমন পাবশিষ্ট হইয়া শূন্য হয়, তদ্রুপ চিকেও তখন আশা স্বরূপ। তুমি যদি পূর্বোক্ত উপায় অবলম্বন না ক, তবে বলি- আসিয়া শূন্য করিয়া থাকে। ১১-১৫। সমুদ্র যেমন অগস্ত্য রাজার ন্যায় হঠাৎ বিচারােদমেও অমজ্ঞান লাভ করিতে কর্তৃক পীত হইলে শূন্য হওয়ায় অভ্যন্তরবঙী জলজ প্রভৃতি পারিবে।' রাম কহিলেন,হে প্রশ্ন। হে সর্বজ্ঞ। আমি প্রকাশ পাইয়া থাকে, তরুণ আশাবশীভূত ব্যক্তিদের চিন্তও শুন্য আপনার অনুহে স্বহৃদয়মধ্যেই প্রাপ্তব্য বস্তু পাইয়াছি ও সেই হইয়া রাগাদিদোষকে প্রকাশ করিয়া থাকে। বাহা বৈরাগ- ব্ৰহ্মপদে বিশ্রাম করিতেছি। হে প্রভােত যেমন শরৎকালে আকাশ শান্তিপ্রভৃতি ফলপূষ্প-পরিপূর্ণ চিত্তরূপপাদপে তৃষ্ণারূপিণী হইতে মেষজাল দূরীভূত হয়, ড্রপ আমার মানস হইতে তৃষ্ণা- চঞ্চলা বানরী বিলাস করে, তাহার অন্তঃকরণরূপ কানন অতি নামক সেই মহাজকারসমূদয় অপহৃত হইয়াছে'। এক্ষণে আমি বিস্তৃত হইয়াও শোভা পায় না এবং ঘঁহার নিস্পৃহ, তাহাদের সৎকালীন গগনমণ্ডলস্থ পূর্ণমণ্ডচিত্ৰমার ন্যায় শীতল সুধাময় নিকট ত্রিভুবন পদ্মবীজমধ্যের ন্যায় ক্ষুদ্র, যােজনসমুদয় ােৈলদ- কান্তিসম্পন্ন হইয়া অন্তরে পরমানন্দে অবস্থান করিতেছি। হে প্রদেশের ন্যায় স্বল্পস্থান ও একটা হকল্পকালও অনিমেষের ন্যায় প্রলে। আপনি আমার অশেষ সন্দেহরূপ মেষের নিকট রৎ- অনুভূত হইয়া থাকে এবং নিস্পৃহদিগের মানসের যেরূপ শীতলভীব কালরূপে প্রকাশ পাইয়াছেন, কিন্তু তথাপি আপনার বাক্য শ্রবণ হয়, ঐপ্রকার শৈত্য চ হিমালহাত, কালীগুখে চন্দন করিয়া আমার সম্পূর্ণ তৃপ্তি হয় নাই, মুরং পুনরায় আর পঙ্কেও সম্ভবে না। হাবিহীন মানস যেরূপ শােভা, পূর্ণচন্দ্র এর নিমিত্ত বলির দেয় আনলালে’ বৃত্তান্ত বর্ণন করুন। পরিপূর্ণ ক্ষীরসাগর এবং লক্ষ্মীর সুন্দর বদনও সেরূপ শােভা পায় সাধুজনরা অবনত উতে রাস্থা পূর্ণ করিতে কখনই এন্তিবােধ না।১৬-২০। যেমন মেষরাজি চকেও কাজলরেখা মুখালেপকে করেন না। ১। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। তােমাকে সেই (চুণকাম ) মলিন করিয়া দেয়, তদ্রুপ আপিশাচিনী মানুষের বলিরাজের প্রান্ত বলিতেছি, এ কর, উহা শুনিলে নিত- অন্তরকে কলুষিত করে এবং আসময় চিত্তবৃক্ষের শাখাহান ব্ৰহ্মজ্ঞান লাভ করিবে। এই ব্রহ্মাণ্ডের কোন একটা দিপ অধিকার করিয়া দিগুনকে ব্যাপিয় থাকে; যদি ঐ সকল স্কুলে ভূমির দােভাগে পাতাল নামে এসি লােক আছে। শাখার হে হয়, যেই চিও খাতা (মুড়োগপ্রাপ্ত ঐ পাতালের কোন একটা স্থান ক্ষীরোদসমুদ্রসভূত বলিয়া ও অর্থাৎ ব্রহ্মরূত পাইয়া থাকে এবং ঐ রূপ খসলের বসে লিপ্তাদের গল্প শােভমান দানবকন্যাগনে পরিপূর্ণ আয়। ছেদ হওয়ার চিত্তবৃক্ষ স্থাভাব প্রাপ্ত হইলে স্থাণুর আঘােদেশে কোথাও বা চলজিযুগল-সন্ন শতশিা ও সহশির সঞ্জাত জয় তখন ধৈৰ্য শত-সমন্বিত হইয়া উন্নতি প্রভৃতি নাগা স্ব জিম্বাবুল বারা উৎকট শষ করত লাভ করে। তখন চিতের ক্ষয় হইলে ধৈৰ্য প্রকাশ পান এক অবস্থান করিভেজ। ৭-১০। কোন স্থানে বা জনগণ দেহ- যেখানে গমন করিলে আর নাশের সব লাই, সেই ধীরব্যক্তি বিস্তার যারা ব্যাণি চঞ্চল হলের গয় অবস্থান করত অনায়াসেই সেই ব্রহ্মপদ লাভ করেন। হে রম!তখন যদি তুমি বলপূর্বক অহকি ক করিতেছে। যাহালের গলনেরূপ যোগবাশিরামায়ণ বিশৃঙ্গে ভূমণ্ডলের মধ্যভাগ বিম করে ও যাহাৱা তুলায় সন্তোষকর হওয়া দূরে থাকুক, লজ্জাই উৎপাদন করিয়া থাকে। দম্ভরাজিরূপ বৃক্ষশ্রেণীর আশ্ৰীভূত পর্বতস্বরূপ সেই দিগজের কারণ, বুদ্ধিমান ব্যক্তি বারংবার উপর্ভুক্ত দানভােনাদি ব্যাপার- কোথাও বা অবস্থান করিয়েছে এবং কোথাও বা দুর্গন্ধপ্রাণিসঙ্কুল সময় প্রতিদিন করিতে থাকিয়া কেন না লজ্জিত হইবেন? অসংখ্য নরকস্থানের কটকটা শব্দ শবণ করিয়া প্রাণিগণ অত্যন্ত আমার বিবেচনায় পুনরায় দিন, আবার রত্তি, আবার সেই ভীত হইতেছে। কোন স্থান ভূতল হইতে অধস্তন সপ্তসংখ্যক পুরাতন কাৰ্যসমুদয়ের অনুষ্ঠান, এ সকল ব্যক্তির উপহাসের ও পর্যন্ত লৌলাকার ন্যায় অবস্থিত রত্নাকর সুমেরু প্রভৃতি কারণ ভিন্ন আর কিছুই নহে। যেমন একমাত্র সলিলই তরঙ্গের পর্বতহে ব্যাপ্ত রহিয়াছে। দেবদানবদিগের মন্তকোপরি যাহার আকার প্রাপ্ত হইয়া আবার স্ব-স্বরূপে অবস্থান করিয়া থাকে, চরণলি অবস্থান করে, সেই ভগবান্ কপিল মহাশয় উহার এক সেইরূপ প্রাকৃতব্যক্তি বারংবার সেই সকল (উপভুক্ত) কর্মেরই খালেবস্থান করিয়া হত্ৰত্য প্রদেশ পত্রি করিতেছেন। ১১-১৫ অনুষ্ঠান করিতেছে। ৩১-৫। এই সমুদয় স্বাভােনাদি কোন স্থানে শাস্ত্র প্রসিদ্ধ স্বর্ণময় লিঙ্গমূর্তিমহাদেব অবস্থান করিয়া ব্যাপার বারংবার উম্মতের ব্যবহার ও শিশুজনের ক্রীড়ার ন্যায় সমগ্র পাভালবাসীকে রক্ষা করিতেছেন। যত্য রাজ্যভার অনুষ্ঠিত হইতেছে, সুতরাং ইহাতে প্রজ্ঞাবামাত্রই উপহাসিত অসুরেরা স্বীয় বাহুবলে ধারণ করিয়া থাকে, সেই পাতালরাজ্যে হইতেছেন। এই সমুদয় কাৰ্য প্রত্যহ বারংবার করিয়াও ইহাতে বিরােচনের পর মহাশূর বলি রাজা হইয়াছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র এমন ফল প্রাপ্ত হওয়া যায় না, যাহা পাইলে অন্য কত্তব্য কিছুই ও অন্যান্য দেবগণ বিদাধর ও নাগগণের ন্যায় অতি ব্যাকুল হইয়া থাকে না। আমরা এখানে আর কতকাল এই সমুদয় বৃথা নানা যে বলিরাজার পাদসংবাহন প্রার্থনা করিতেন ত্রিভুবনের রত্নরাজির আড়ম্বর করিব ? ইহাতে পরিণামে কি পাইব ? ইহা শিশুজনের একমাত্র অধীশ্বর সর্বজীবের রক্ষাকর্তা ত্রৈলােকের ভারবাহী খেলার ন্যায় নিতান্তই বৃথা, ইহাতে বাস্তবিক কিছুই নাই। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং সে ভক্ত বলিকে রক্ষা করিতেন, এবং ময়ুর- যাহারা অনন্ত দুঃখবার। পাইবার জন্য হস্তপ্রসারণ করে, তাহারই রব শ্রবণ করিলে সর্পদিগের অন্তর যেরূপ ভয়ে শুষ্ক হইয়া থাকে, এই সকল কার্যের বারংবার অনুষ্ঠান করিয়া থাকে। যাহা পাইলে সেইরূপ যে বলিরাজার নামশ্রবণমাত্র প্রসিদ্ধ হন্তী ঐরাবতের অন্য কিছুই কওঁব্য থাকে না,ইহার মধ্যে তাদৃশ কোন পরিণাম- মদাবী গদেশ শুষ্ক হইত, ক্রোধসময়ে যাহার অতি দুঃসহ সুখপ্রদ ফল দেখিতে পাই না। ৩৬-৪০। এই সমুদয় সংসার- প্রতাপের তীব্ৰস্পর্শে সপ্তসমুদ্র প্রলয়কালের স্থায় শুক হইয়া সঃ ভবে ভোগ ব্যতীত অন্য অবিনাশী নিতফল কিছুই নাই, ইহাই গৰ্ত্তাকারে পরিণত হইত, যাহার যজ্ঞীয় ধূম হইতে নিরন্তর উৎপন্ন আমি ভাবিতেছি। বলিরাজা এই বলিয়া ক্ষণকাল, চিন্তা করত মেষসমুদয় জলাহরণের জন্য সমুদে লম্বমান হইয়া খিল ব্ৰহ্মা আবার স্বয়ং মুহুৰ্তমধ্যে বলিয়া উঠিলেন, এই যে আমার মনে ণ্ডের অবরকতন্ত্রের কাৰ্য্য করিত এবং যাহার কুটিল দশনে সপ্ত- হইতেছে। এই বলিয়া আপনিই কুপত করিয়া মনে মনেই কুলাচল তড়িত হইত বলিয়া দিণ্ডলের বন্ধন শিথিল হইত ও বক্ষ্যমাণৰূপে বিবেচনা করিতে লাগিলেন। পুর্বে আমার পিতৃদেব তাহাদের দশদিক্ ফলভারে বিনমা লতার গায় ত হইয়া পড়িত, ভৱদশী বিয়ােন তজ্ঞ ছিলেন বলিষ বক্ষ্যমাণবিষয়ে জিজ্ঞাসিত সেই শক্তিমান্ অসুররাজ বলি অনায়াসে ত্রিভুবনের নিখিল হইয়াছিলেন যে, হে মহামতে। এই সমুদয় সাংসারিক মুখের ও লােকসমুদয়ের ভূষণভূত ইন্দ্রাদি প্রভুদিগকে পরাজিত করিয়া ; দুঃখের ব্যাবহারিক ভ্ৰম যে স্থানে উপশম্ভ হইয়াছে সেই সংসারের দশকোটিবৎসর রাজ্ঞ করিয়াছিলেন। ১৬-২৪। অনন্তর বুদ- সীম৷ প্রজ্ঞগণেরা কি প্রকার বলিয়া থাকেন ? কোথায় মনের অব বহুযুগযুগান্তরাল অতীত হইতে লাগিল, কত কোটি অজ্ঞান দূর হয়, কোথা হইতে যাবতীয় বাসনা দূর হইয়াছে এবং কোটি দেবত ও দানবগণ মহণ করিল এবং পুনরায় ধ্বংস- কোথায় যাইলেই অবিরাম চিরবিশ্রাম লাভ করা যায় ? পুরুষ প্রাপ্ত হইল, তাহার সীমা নাই; কিন্তু দানৰপতি বলি তাবৎকাল কীদৃশ সুখ লাভ করিয়া এই দেহেই ব্ৰহ্মলােকাদিতেও অপ্রাপ্য অভিলানুসারে ত্রৈলোকের মধ্যে পরমোৎকৃষ্ট ভােগসাধন বস্তু- সুখের অধিকারী হইয়া পরম সন্তুষ্ট হয় এবং কোন বিষয় দর্শন সমূদয় ভোগ করিতে লাগিলেন, পরন্তু ক্রমশঃ তাহাতে হার করিলে অন্য কর্মস্পৃহা থাকে না? হে তাত। এই দৃশ্যমান বিরক্তি জলি। একদা তিনি সুমেগিরির উচ্চশৃঙ্গ কনকময়- | ভােগসমুদয় কোন প্রকার মুখপ্রদ নহে ,রণ, ইজারা সাধুজনেরও ভবনের গবরুখে উপবিষ্ট হইয়া নিজেই সংসারের বিষয় এইপ মনকে “লিত করিয়া মােহসাগরে নিমজ্জিত করে। হে ভাবিতে লাগিলেন যে এই ত্রিভুবনে আমি সমান শক্তিসম্পন্ন ' পিত। সুতরাং যথায় অবস্থান করিলে আমি চিরবিজ্ঞান লাভ থাকি আর কত দিন রাজত্ব কৰিব ? কতদিন ভােল্পসামগ্রী করিতে পারি, আপৰিসেই নিত্যানন্দময় মলের বিষয়ের বর্ণন লইয়া বিহার করিব? ত্রিভুনের মধ্যে আমার রাজ্য অত্যাশ্চর্য, করুন, পূর্বকালে আমার পিতা স্বর্গ হইতে একটা অপূর্ব কল্পতরু ইহাতে কোন অভীষ্টভােগের অভাব নাই, কিন্তু ইহা ভোগ আনয়নপূৰ্ব্বক স্বীয় বাসনিকেতনের প্রাঙ্গণপ্রদেশে সংনােপিত করিয়া আমার কি হইবে। কারণ, পুরুষার্থউপভোগসকল করিয়াছিলেন। উহার মূলদেশ চন্দ্রমাত্রিকাসদৃশ, ভূপতিত আপাতমধুর হইলেও পরিণামে বিন; সুতা ত্রৈলােক্যরাজের সমস্তবক দ্বারা সমাকীর্ণ ঔ কটা ক্ষীরসাগর হইতে এই কৃৎস্য উপভােগ আমার পক্ষে কোনরূপেই সুখকর নহে। সমুঙ্কত হইয়াছিল। আমার পিতা উহাই দেশে উপবেশন- ২৫-৩০। আবার দিন, দিনের পর রাত্রি এইরূপই হইতেছে, পূর্বক উক্তরূপ প্রশ্ন শ্রবণ করিয়া আমার অজ্ঞান-ত্তি কুিরণার্থ সেই আন-ভােজন-শনাদি কর্মসময় কিছুই নুতনহে, সুতরাং ঐ কল্পবৃক্ষের মকরন্দবং অতি মধুর, অামরণাখি-দুঃখনাশক বারংবার তাহার অনুষ্ঠানে প্ৰজাই উপস্থিত হয়, উহা সন্তােষের বাক বলিয়াছিলেন। সেই সমস্তই আমার স্মৃতিপথে সমুদিত কার হয় না। যেহেতু, পুনরায় সেই কামিনীর আলিঙ্গন, আবার হইয়াছে। ১৯। সেই তাে , আর সেই বলকজনের ক্রীড়া, এ সময় মহত্তে বাৰিং সা সমাপ্ত।
উপম-প্রকরণ। T T সেই মন্ত্রীরই ক্রীড়। বংস। যদি সেই প্রভু (মহারাজ) চেষ্টা এয়ােদশ পর্গ। করেন, তাহা হইলে সেই মন্ত্রীকে জয় করিতে পারেন, নতুবা বিয়ােচন কহিলেন,—ংস। বিশালকোট অতি বিস্তৃত এক সেই মন্ত্রী অন্যের নিকট পাষাণ অচল ও অটল (তাহাকে দেশ আছে ,সেই দেশের মধ্যে বহু সহস্র ত্রৈলােক্যের অধিষ্ঠান অপর কেহই হটাইতে পারে ন)।ঐ জন্য মন্ত্রীকে ভয় করিবার হইতে পারে। তথায় মেষ নাই সাগর নাই, পৰ্বত নাই, বন সেই প্রভুর কন কখন ইচ্ছা হয়, তখন তিনি অনায়াসেই উহাকে নাই, তীর্থ নাই, শী নাই, সরােবর নাই, মহী নাই, আকাশ জন্ধ করিয়া থাকেন। ত্রিলােকের যাবতীয় বলিষ্ঠদিগের মধ্যে প্রথম নাই, স্বর্গ নাই, পবনাদি নাই, চন্দ্র-সূৰ্য নাই, লােকপালগণ নাই, মঙ্গস্বরূপ, জগন্দ্রয়ের উচ্ছ্বাসকারী সেই মন্ত্রীকে যদি লেমার ভূয় দেবগণ নাই, দানবগণ নাই, পিশাচ, যক্ষ, রক্ষ কিছুই নাই, গুন্য করিবার শক্তি থাকে, অহা হইলে তুমি পরাক্রমশালী বটে। সেই নাই, বনলক্ষ্মী নাই, কাষ্ঠ নাই, তৃণ বা স্থাবর-জঙ্গম কোন পদার্থই মন্ত্রৰূপ সূর্যের উদয়ে এই ফ্রৈলােকরূপ কমলাকসকল বিকাশ নাই, জল নাই, অগ্নি নাই, দি নাই, উর্দুদেশ নাই, অবদেশ প্রাপ্ত হয় এবং তাহার অঙ্কে বিলীন হইয়া যায়। ২১৫। নাই, লােক নাই, অতপ নাই, আমি নাই, হরি নাই, হর নই, হে সুব্রত। মােহবিহীন দৃষ্টীকৃত এই বুদ্ধিবলে যদি তাহাকে ইন্দ্রাদি দেবগণও নাই। ১৫। সেই দেশে একমাত্র জয় করিতে পার, ভাগ হইলে বুঝি, তুমি ধীর। তাঁহাকে জয় জেস্বী মহারাজ বাস করেন। তিনি সর্বকৎ, সর্বগামী ও সর্ব করিতে পারিলে যে সমস্ত লোক তোমার জিত হত্ব নাই, তাহাও স্বরূপ, তিনি সবাই মোনাবলম্বন করিয়া থাকেন। তঁাহারই ' জিত হইতে পারে। যদি উহাকে জয় করতে না পার, তাহা সঙ্গলিত এক মন্ত্রী আছেন, তিনি সর্ববিধ সন্মন্ত্রণায় ব্যাপৃত। হইলে এই সমস্ত লোক চিরকাল জয় করিলেও তােমার প্রকৃত তিনি অটনের ঘটনা করেন, যাহা ঘটমান সত্য বিষয়, তিনি জয় করা হইবে না। অতএব অসিদ্ধির নিমিত্ত এবং শাশ্বত তাহার অঘটন করে নিজে কিছুই ভোগ করিতে পারেন না সুখলাভের জন্য কষ্টকর চেষ্টা করিয়াও তাকে ভয় করিতে এবং ভােগ করিতে জানেনও না। তিনি নিজে আঃ হইলেও সবা হও। সেই মহাবল মন্ত্রী সুরাসুর, যক্ষ, কিন্নষ, নর, (আড় হইলেও) কেবল রাজার নিমিত্ত সকৰ্ম্ম করেন। সেই উরগ ও নাগ প্রভৃত্রি সহিত এই নিখিলগৎ অনষাসে মন্ত্রীই মহারাজের নিখিলবাৰ্যোর একমাত্ৰ কৰ্ত্তা, রাজা কেবল অবলীলাক্রমে বশীভূত করিয়া রাখিয়াছেন। ২৬-২৯। একান্তে স্বভাবে অবস্থান করিয়া থাকেন। বলি কহিলেন, হে ভয়েবিংশ সর্গ সম'। ২৩। মহামতে। আপনি আধিক্যাধি হইতে নিযুক্ত যে দেশের কথা বলিলেন, ঐ দেশের নাম কি ? হে প্রভাে! ঐ দেশ কিরূপে পাওয়া যায়। কেই বা সে দেশ প্রাপ্ত হইয়াছে ? ৬-১০ ঐ চতুর্বিংশ সর্গ। মীই বা কে? মহাবলশালী ঐ রাজাই বা কে ? আমরা অবলীলাক্রমে এই জগজ্জাল ছিন্ন করিয়াছি, কিন্তু উক্ত রাজাকে বলি কহিলেন,হে পি সেই বাবাকে কি উপায়ে জয় ত জয় করতে পারি নাই ? হে অমরগণ-ভয়দ', এই অপূৰ্ব করা যাইতে পারে ? ঐ মহাবলশালী ব্যক্তি কে? এই সমস্ত বিষয় অখ্যান আমার নিকটে কীৰ্ত্তন করুন, আমার হৃদয়াকাশ হইতে আমার নিকট আশু কীৰ্ত্তন করুন। বিরােচন কহিলেন, হে পুত্র। সংশয়মেঘকে অপগরিত করিয়া দিন, বিবােচন কহিলেন, ঐ মন্ত্রী সর্বদা সকলের অজেয় হইলেও যে উপায়ে উহাকে ভয় হে পুত্র। সেই রাজার মন্ত্রী এত বলবান্ যে, লক্ষ লক্ষ দেবগণ ) করা যায়, সেই সহজ উপায় বলিতেছি, শ্রবণ কর। বংস। উহাকে অসুরগণ মিলিত ইলেও বলে তাহার কিছুই করিতে পারেন যুক্তিবলে গ্রহণ করিলে বশীভূড় করা যায় , ধুক্তি ব্যতিরেকে ঐ না। হে পুত্র। ঐ মন্ত্রী ইন্দ্র নহে, যম নহে, ধনেশ্বর নহে, অমর মন্ত্রী দুর্দান্ত আশীবিষের ন্যায় সকলকে দহন করেন। যাহারা যুক্তি নহে বা অসুৰ নহে যে, তুমি উহাকে জয় করিবে। সেই মন্ত্রীর দ্বারা উহাকে বালকের ন্যায় লালন করিয়া নিয়মিত কবে, তাহারা পারে আঘাত করিলে মুষল, প্রাস, বস্ত্র, চক্র ও গদা প্রভৃতি সেই রাজাক দর্শন করিয়া সেই রাজার পদ প্রাপ্ত হয়। সেই অসমুদয় পাষাণে আহত কল-মালার ন্যায় চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া বিফল মহীপালের সাক্ষাৎকার করিতে পারিলে মন্ত্রীও বশ হইয়া হয়। ১১-১৫। ঐ মন্ত্রী অস্ত্রশস্ত্রের স্নারা আলীয় নহেন, খায়ে। সেই মন্ত্রীকে আক্রমণ করাই রাজার সাক্ষাৎকালের প্রচণ্ডকৰ্ম্মা বীর যােদ্ধারা উহার কিছুই করিতে পারে না। তিনি উপায়।১-৫। যাবৎকাল রাজার দলিলাভ না হয়, তাবৎ নিখিলদেবগণ ও অসুরগণকে বশীভূত করিয়াছেন। প্রলয়বাত্যা মন্ত্রীকে জয় করা যায় না। আবার মন্ত্রীকে যতদিন জয় করিতে যেমন সুমেরু ও কল্পপাদপ প্রভৃতিকে পাতিত করে, তদ্রুপ ঐ পারা না যায়, ততদিন রাজকেও, দেখিতে পাওয়া যায় না। ব্যক্তি যি না হইলেও হিরন্যাপ্রভৃতি অনুষগণের নিপাত রাজাকে দর্শন করিতে পাইলে সেই দুর্মনী কেবল দুখ প্রদান করিয়াছেন। তাঁহার এভদ্র ক্ষমতা যে, সকলের বিৰেকোপদেষ্টা করিতে থাকেন। সেই মন্ত্রীকে জয় না করিতে পারিলে রাজা নারায়ণ প্রভৃতি দেবগণকেও বলপূর্বক গর্তে (গর্ভগহ্বরে) পাতিত একেবারে অদৃশ্য হইয়া যান, অতএব যাতে যুগপৎ রাজার করিয়াছেন। একমাত্র তাহারই অনুগ্রহে কামদেব পাঁচটা মাত্র পন লাভ ও মন্ত্রীর পরাজয় করিতে পাৱা যায়, তাহার উপায় বাণে সাহায্যে সগর্বে এই ব্রিজগৎ আক্রমণ করিয়া সম্রাটের অভ্যাস করিবে। উত্তমরূপ অভ্যাস হইল স্বীয় পুরুষকার- কায়স্পর্ধা সহকারে নৃত্য করিতেছেন। সুরাসুরদিগকেও সেই বলে ধীরে ধীরে উক্ত দুই কার্য সম্পাদন করিয়া সেই শুভ-দেশ মন্ত্রী আপনার অধীন করিয়া ফেলেন, দুতি, দুরাকৃতি, গুণহীন প্রাপ্ত হইবে। হে সৈতে। অভাসের ফলে যদি তুমি সেই ক্রোধ তাহারই অনুগ্রহে আবির্ভূত হইয়া থাকে। ১৬-২০। দেশে গিয়া উপস্থিত হইতে পায়, তাহা হইলে আর তােমাকে এই যে বারবার দেবরগণের সংগ্রাম হইতেছে, ইহাও মন্ত্রণাপন্টু পােৰু করিতে হইবে না। ১০। সেই দেশে যে সাধুগন বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ কা অবস্থান করিতেছেন, তাদের আর কোন আয়াশ করিতে বলে তাহাই সিদ্ধ হইবে। মনঃসঙ্কলিত বিষয়কালের মধ্যে যাহা হয় না, তাহাদিগের সকলপ্রকার সংশয় বিদূরিত হইয়াছে, ফলবৎরূপে গৃহীত হইবে ত্বাহাই তদনুযায়ী ফল প্রদান করিয়া সবাই আঁহারা আনন্দিত হল রহিয়াছেন বৎস! ঐ দেশে সুখ প্রদান করিবে। আমাদের মতে মনই কর্তা (জীৰ), কওঁ। নাম কি, তাহা তােমাকে বলিতেছি, শ্রবণ কর। তােমার নিকট এন বাহা সঙ্কল্প করে, তাই হয়। এই মন যে প্রকার নিয়তি সকল লাশক মােকই দেশ বলিয়া কীৰ্ত্তন করিয়াছি। যিনি সঙ্কল্প করে, সেইরূপই নিয়তি হইয়া থাকে। ২—৩০। মন সকলপদ অতিক্রম করিয়া রহিয়াছেন,সেই ভগব আত্মাই কখন নিয়ত বিষয়ের সৃষ্টি করে, কখন বা অনিয়ত বিষয়ের সৃষ্টি থাকার রাজা। হে মুহামতে। তিনি স্বয়কে মন্ত্রী করিয়াছেন, করে, আবার কখন নিয়নিয়ত বিষয়ের সৃষ্টি করে, উক্ত প্রকারে তাহার নাম মন। যেমন মৃৎপিণ্ডের অভ্যন্তরে ঘটাব সূক্ষ্ম খক নই নিয়ভির যােব। এই মনরূপী জীব কখন (মােলাভের বলিয়াৎপিণ্ড ঘটৰূপে পরিণত হয় এবং ঘুমের মধ্যে রূপে অঙ্গ প্রাপ্ত হইলে) নিত্য একরূপ স্বভাবে নিয়ত পরমাত্মাতে মোৰ থাকে বলিয়া বুমরুপে পৰিণত হয়, তদ্রুপ ঐ মনের প্রখ্য পরমাত্মার সাক্ষাৎকার নামক নিয়তি (ভদাকারফুরণরূপ মধ্যে এই বিশ্ব বাসনাত্মক রূপে অবস্থান করে বলিয়া ঐ মনই নির্বিকল্প সমাধি) লাভ করত এই জগৎকোশে, গগনে বায়ুর গায় এই বিশ্বৰূপে পরিণত হইয়াছে। সেই মনকে জয় করিলে অসঙ্গভাবে স্থান কল্লেন। আবার সমাধি হইতে ব্যথিত হইয়া সান্তই জয় করা হয়, সমস্তই পাওয়া হয়। সেই মনকে দুর্জয় শাস্ত্ৰৰূপ নিয়তিবিহিত স্ব আশ্রিমােচিত কৰ্ম্ম করত কেবল বলিয়া জানিবে, কেবল যুক্তিতেই উহা জিত হয়। ১৯১৫। মাত্র স্বকীয় সংজ্ঞাসিদ্ধির জন্য অর্থাৎ “আমি কি বাকি শিষ্ট বলি কহিলেন,-ডগষ। সেই মনকে আক্রমণ করিতে যে সদাচারপ্রবর্তক,” ইত্যাদি অজ্ঞলােককে বুঝাইবার জন্য নিয়তি- যুক্তির প্রয়ােজন হয়, তাহা আমার নিকট পরিস্ফুটপে ব্যক্ত ব্যক্ত শব্দের সার্থকতা সম্পাদন করিয়া থাকেন, ফলতঃ তিনি করুল, যাহাতে আমি দেই দারুণ মনকে ভয় করিতে পারি। সালুর স্যায় অচল ও অটল থাকেন। অতএ ফুত দিন মন হারিয়ে বিরােচন কহিলেন-হে পুত্র। নিখিলবিষয়ের উপরি যে আত্য ভুতনি দৈবও নাই, নিভিও নাই। হে সাথে । মন অন্তমিত, কি অনাস্থা, ইয়াই মনােজয়ের যুক্তি, ইহাই পরমা মুক্তি। হইলে ঘাই হয়, তাহাই হউক্। পুরুষ জন্মিয়া ( অর্থাৎ কশ্ম ও যুক্তি দ্বারাই মহামদমত্ত স্বকীয় চিত্তরূপ মত্তমাতঙ্গ টিতি নের অধিকারী শরীর প্রাপ্ত হইয়া) এব হয়, সেই জীব মিত হয়' হে মহামতে। এই যুক্তি অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য, আবার পৌরুষ সহকারে যাহা সঙ্কল করে, তাহাই সিদ্ধ হয়, সূত্ৰাপ্যও বটে, অভ্যাস না করিতে পারিলে অতি প্রাপ্য, তাহার অন্যথা হয় না । ৩১-৩৫। হে পুত্র। পরমপুরুষার্থ কিন্তু অভ্যাসবলে অনায়াসপ্রাপ্য হয়। বস। এই পরিমান ব্ৰহ্মাহস্তাবপ্রাপ্তি ব্যতীত আর কিছুই সার দেখি না। অতএব বিষয়ের প্রতি বৈরাগ্য ক্রমে ক্রমে অভ্যাস করিতে করিতে পমপৌরুষ আশ্রয় করিয়া বিষয়-ব্রৈাগ্য আহরণ করিবে। জলসিক্ত লতার ন্যায় ঢুক্তিও হইতে খকে। ১৬। হে দিন ভােগবিষয়ে দুববন্ধশােচনী অতি না জমে, ততদিন জয়- পুত্র। যেমন পবন ব্যতিরেক জন্মে না, দ্রুপ এই বিষৰু প্ৰদ সুখ প্রাপ্ত হওয়া যায় না। যাৰ মােহকারিণী বিষয়-বুতি বৈরাগ্যও অভ্যাস ব্যতিরেকে ভোগলােলুপ মনের ইচ্ছাতে থাকিবে, তাকাল এই সংসারদশরূপ দোলায় দুলিতে হইবে। সম্পাদিত হয় না, অতএব অভ্যাস ঘৰ। উক্ত বিষয়বৈরাগ্য, হে পুত্র। তােগালরূপ গেণি-নিকরে (সর্গগণে) বেষ্টিত অতি স্থিরতর করিতে চেষ্টা কর। দেহীরা যে পর্যন্ত বিষয়বৈরাগ্য- ভীষণও দুঃখপ্রদ কুৎসিত আশরূপী ঐ সংসার-দােলায় দোলন লাভ করিতে না পারে, সে পর্যন্ত তাহার সংসাররূপ গমধ্যে বৈরাগ্যশ্রবণমনাদির অভ্যাস ব্যতীত কখনই নিবৃত্ত হইবে না। বিচরণ করিয়া বল দুঃখই পাইতে থাকে- গমনব্যাপার বলি কহিলেন,হে নিখিলদৈত্যেশ্বর। দীর্ঘবায়িনী এই ভােগ ব্যক্তি যেমন দেশরে বাইতে সমর্থ হয় না, সেইরূপ অতি জালে অতি জীবের অন্তরে কিরুপে স্থিলািভ করে ? ৩৬৪। বলবান হইলেও কোন দেহাই বিনা অভ্যাসে বিষয়-বৈরাগ্য যিয়ােচন কহিলেন, এই যে মােক্ষদায়িনী অবলােকন লাভ করিতে পারে না; অতএব অবমুক্তির হেতুভূত বাসনা- রূপিণ লতা, ইহাই শরৎকালে মহালয় (ব্রাক্ষাদিলভ) উগ করিব, এইরূপ ইচ্ছা করিয়া দেবীকে অভ্যাসৰলে স্যায় জীবের ভােগজালে বৈরাগ্যরূপ আনুসঙ্গিক ফল উৎপাদন লতার স্যায় বিষয়বিরতি বর্ধিত করিতে হইবে। হে পুত্র। করিয়া থাকে? আত্ম-নেই এই উত্তম বিষয়বৈরাগ্য, পন্নগর্ভে যাহাতে হক্রোধাদিবজিত ক্রিফল প্রাপ্ত হওয়া যায়, তাদৃশ লক্ষ্মীর ন্যায় জীবয়ে স্থিতি করিয়া থাকে , অতএব এককালেই উপায় পুরুষকার যতীত কেহই পাইতে পারে না। ২১-৫। প্রজ্ঞারূপ মণির নিকষ হেতু শাস্ত্রীয় সুচারু বিচার দ্বারা পরমাত্ম- ভবে যে লোকে দৈনের কথা শুনিয়া থাকে সে দৈবের আকার দেকে দেখিতে চেষ্টা ও বিষয়াল অনুরাগ পরিত্যাগ করিবে। ও কুরুপি দৃষ্ট হয় না, “বাহ অবকাৰী এবং যাহা স্বকীয় এতদিন চিত্ত শাস্ত্রোক্ত নিয়মে সৰু পরিনিষ্ঠা লাভ করিতে না নিয়তি তাগই দৈব” ইহা অদলী মানবগণ বলিয়া থাকে, পাখিৰে, সে পর্যন্ত চিতের দুইভাগ লেহরণমাত্রাপযোগী বিষয়- বাস্তবিক গতির বিব্যদৃষ্টি, তাহারা তাহা বলেন না, ভৌগে পূর্ণ করিবে, এক শালােচনায় পূর্ণ কৰিৰে, আর এক তাঁহান্য হর্ষক্রোধাদির তুৈ কর্মের হইয়া গেলে যাহা হর্ষ ভৗগ গুফায় তি রাখিবে। যখন চিত্ত শাস্ত্রবিপালনে জোবাদি বিনাশক হইয়া উপস্থিত হয়, তাহাকে দৈব বলেন, কিঞ্চিৎ পারদর্শী হইবে, তখন বিষয়দ্যোগের অন্ত চিত্তের ঐ সবই নিয়তিস্বরূপ, উহ। পুরুষকার বা সম্পাণিত হয় ভাগ নিযুক্ত করিষে, দুই ভাগ গুরুবায় নিবেজিত করিবে, অাখ বৈরাগ্যের দৃঢতাভ্যাস ব্যভিলেকে উহা সম্পন্ন হয় না। শান্তির জন্য একাগ রাখিৰে । ৪১। যখন দেখিৰে টি। তাধিক বুদ্ধি বৃটভূত হইবে যেমন মরীচিকার আলম কৃঢ় হইতে ঐরূপকাৰ্যে সম্যক্ বুৎপত্তি করিয়াছে, অনায়াসেই সাধু- মপ শাহ যৈরূপে সঙ্কল্পিত করা ইৰে, পুরুষকার- পথে থাবিত হইতেছে, তখন চিত্তে দুই ভাগ শচর্চায় ও কি ৩ উপম-এর gas বৈরাগ্য পূর্ণ করিবে, অপর দুই ভাগকে ধ্যান ও গুরুপূজয় হইতে আসিলাম, ইত্যাদি সখিচার উপস্থিত হয়। পরে বিচারিত নিয়ােজিত করিবে। যেমন পরিত নিৰ্মলনে বিয়ের আন, নর শাতিলা বিষয়ে নিন এবং তৎপর বুনা উত্তম পরিস্ফুট হয়, সেইরূপ জ্ঞানকর বােধননি। বিশু এনে পরমপদপ্রাপ্তি হইয়া থাকে। যদি যৌবনকালে নিতান্তই চিত্ত জীবই উক্ত প্রকাৰে সাধুভাবাপন্ন হইয়া থাকেন। এই চিক বিষয়াগ করিতে না পার, তাহা হইলে যৌবনকাল অতিক্রান্ত শিশুকে পবিত্র উপদেশ যুক্তি যাৱা লালন করিবে যাহাতে হইলে বিষয় হইতে বিরত হইবে, তখন বিচার দ্বারা পরমপত্র শাস্ত্রপ্রতিপাদ্য বিষয়েই পরিণত করা যায়, এইরূপভাবেচিত-বাল প্রাপ্ত হইবে এবং পরমপান পরমাত্মার সম্যক্ স্বরূপে বিশ্রান্তি- ককে পালন করিতে হইবে। এইরূপ করিতে করিতে যখন চিত্ত লাভ করিবে, আর কখন দুভােগের জয় কানাপঙ্কে নিপতিত পরমজ্ঞানে পরিণত হইবে অর্থাৎ আত্মার সহিত একভাবাপন্ন হইবে না। যদিও এক্ষণে বিষয়ের প্রতি তােমার আস্থা রহিয়াছে। হইবে, এই বাহু মলিন আড়াকারের গ্রহণ একবারে শিথিল হইয়া সত্য, কিন্তু আমি দেখিতেছি, তােমাতে এ সমস্ত কিছুই নাই, যাইবে, তখন চিত্ত তাপহীন হইয়া কৌমুদীবিলিও টিকণির তুমি বিশুদ্ধ সদাশিব ব্ৰহ্ম, অতএব আমি তােমাকে ব্ৰহ্মবােধে ন্যায় সুন্দরভাবে বিরাজ করিবে। ভেদবুদ্ধি-বিহীন সরল পরমপ্রজ্ঞা নমস্কার করিলাম। বৎস। এক্ষণে তুমি দেশাচার-সম্মত উপায়ে কারা দর্শন করিলে দেখা যায় যে, এই ভােগজল, ইহার ভােক্তা ধনােপাৰ্জন করিয়া ধনের প্রতি তুচ্ছতাৰৰাধে উপার্জিন দ্বারা জীব ও দেহ, ইহাদের স্বরূপ একমাত্র সচ্চিদানন্দ ব্রহ্ম। হে সাদিগের সম্মাননা করত তাহাদের সন্তু আশ্রয় কর। সাধুদিগের পুত্র! তুমি সর্বদা বুজিসহকারে বিচার করিয়া যুগপৎ আত্মদর্শন সহবাসে বিষয়ের প্রতি তােমার অবহেলা ও সম্যক পরমার্থ- ও পরিত্যাগ কষিৰে। ৪৬-৫১। যেমন প্রদীপের ভেজের বিচারশক্তি আইৰে, পরে হাতেই তােমার পরমপদপ্রাপ্তি অবস্থা ও দীপাবস্থা যুগপৎ পরম্পরাশ্রিত (ভেজে দীপ রহিয়াছে, হইবে।৬৬-৭১। জীপে তেজ রহিয়াছে) তদ্রুপ আম্মদনে তৃষ্ণাভাব ও তৃষ্ণাভাবে চতুর্বিংশ সর্গ সমাপ্ত।২৪। আত্মদর্শন, এইরূপ উভয়েই যুগপৎ পরম্পরাশ্রিত। যখন বিষয়- ভােগজালের কোনপ্রকার গ্রহণ থাকিবে না, কেবল একমাত্র পরার পরমব্রহ্ম দৃষ্ট হইবেন, তখনই পরমব্রহ্মে অনন্ত চিরস্থায়ী পঞ্চবিংশ শর্গ।। বিশ্রান্তি হইবে। আত্মসাক্ষাৎকার ব্যতিরেকে কেবল নিলে থাকিলে জীবগণের কখনই অনন্ত মুখ উৎপন্ন হয় না। য, দান, বলি কহিলেন,-সম্যক্ বিচারবান মদীপি পূর্বে আমাকে তপস্যা ও তীর্থযাত্রাদির দ্বারা মুখ হয় বটে, কিন্তু জীৱে এই যে উপদেশ দিয়াছিলেন, তাহা এক্ষণে আমার ভাগ্যক্রমে বিষয়বৈরাগ্য আত্মদর্শন ব্যতীত অপা, দান ও তীর্থাত্রাদির স্মৃতিপথে সমূদিত হইয়াছে, আমি সমগ্ন লাভ করিয়াছি। জারা সম্পাদিত হয় না । ৫২-৫৫। পুরুষের স্বীয়ষত্ব ব্যতীত অন্য ভােগৰিষয়ের প্রতি আমার স্পষ্টই বৈরাগ্য উদিত হই- অন্য কোন উপায়ে আত্মবিপােকন-বুদ্ধি শ্রেয়ঙ্করী হয় না। হে আছে। ভাগ্যক্রমে এক্ষণে আমি থম শীল নিল শান্তিতে পুত্র। বিষয়ত্যাগপুৰ্ব্বক পরমার্থ ব্ৰহ্মপদ প্রাপ্ত হইলে তাহাতে অবগাহন করিতেছি। আমি কত আশা পুরণ করিয়াছি, কত বিশ্রাভিজনিত যে পরম সুখ, তাহা এই জগতে আব্রহ্ম স্তন্স পর্যন্ত ধন উপার্জন করিয়াছি, কতবার আমাকে চাটুবাক্যে কুপিত কেহই অন্য উপায়ে প্রাপ্ত হয় না, অতএব যাহাতে আপনার কান্তার কোপাপনয়ন করিতে হইয়াছে, সম্পত্তিার্থ কতই যে আত্মরূপে প্রতিভাত পরমকারণ পরপদে বিশ্রান্তি হয়, বুদ্ধিমান কষ্ট পাইয়াছি, তাহা বলিবার নহে। আহা! এই সুর শান্তি ব্যক্তি সেই উপায় অবলম্বন করিয়া দৈবকে দূরে পরিহার করিবে বড়ই মনােরম! হয়ে এই শান্তি আশ্রয় নিলে সমস্ত সুখ- এবং শ্ৰেষােলাভের দ্বারের অর্গলস্বরূপ ভেজালের প্রতি ঘৃণা দুঃখ দূরীভূত হয়। আমি এক্ষণে শান্তিপদে প্রতিষ্ঠিত, এলে করিবে। যখন ভােগজালের প্রতি ঘৃণা গাঢ় হইয়া আসিবে, তখন আমার নিখিল পােপন্তি হইল, 'আমি নির্বাণ প্রাপ্ত হইলাম, বর্ষাবৃদ্ধির পর শ্রীমা বিন শরৎকালের ন্যায় আপনা হইতেই আমি এক্ষণে পরমণে অবস্থান করিতেছি। আমার অন্তরে বিচার উপস্থিত হইবে। ছুণা হইতে বিষয়জালের প্রতি বিচার অপূর্ব আনন্দ বােধ হইতেছে, কে যেন আমার মধ্যে জন্মে, বিচার হইতে ভোগবিষয়ে ঘৃণা জ, বিচার ও বিষয়ালের চমণ্ডল অৰ্পণ করিয়াছে (নতুবা এত আনন্দ লাভ কৰিব প্রতি ঘৃণা এই দুইটা সাগর ও মেঘের গায় পরস্পরের কেন?)। ১। হায়! বিতৰােগন মহাপ্রল , যেহেতু সাহায্যে পস্পর্বের পুর্ণতা প্রাপ্ত হন্ত্র । ৫'-৬১। গাঙ্গেহে তাহাতে হােগের উৎকণ্ঠায় মন সতত নতি হইয়া সেই আজ বন্ধুরা যেমন পরস্পর মিলিত হইয়া উভয়ের কাৰ্যসাখন বিভবের দিকেই ধাবিত এ সমস্ত শরীর যেন না হইয়া করিয়া থাকে, তদ্রুপ বিচার ভােগর প্রতি ঘৃণা ও খৃত আয় যায় এবং সর্বদা ক্ষুব্ধচিত্তে অবস্থান করিতে হয়। র্বে দর্শন, ইহাৱা পরস্পর মিলিত হইয়া পরমার্থশাধন করিয়া থাকে। এজনার নিপীড়ন করি, তাহার মাসে মাত্র বাংলা প্রথমে দৈষকে হেয় জ্ঞান করিয়া সহকারে একমাত্র পুরুষাঁর নিপীড়ন করিয়া যে প্রীতি লাভ করিতাম, কেবল মােহেই পাৱা দন্তে দন্ত পূর্বক অর্থাৎ বলপূর্বক ভােগ্যৰিৰে গৈ বিলাসমাত্র। আমি কই সম্পত্তি দেখিয়াছি কিছু ভেগ্য আন করিত্রে। দেশাচারসম্মত আত্মীয়জনের অনুমােদিত পুরুষ আছে, তৎই এভাবে লেগ কর্লিয়ছি, নিখিলগ্রাণি- কার দ্বারা প্রথমে ধনসঞ্চয় করিতে হইবে, পরে সেই সঞ্চিত বর্গকে আক্রমণ করিয়াছি অর্থাৎ সকলের উপুর আদিত্য ধল দ্বারা গুণবানু সাজনুর সেবা করিয়া তাঁহাকে আপনার করিয়া কাল কাটাইয়াছি তাহাতে.আমায় ভালবাকি দুই- বশে আনিবে। সেই সাধুগণের সঙ্গে থাকিলে বিষয়কালের প্রতি আছে? আমি স্বর্গ, মর্তী,শান্ত, সর্বত্রই পুন: একগই ঘণউপস্থিত হয়। ২-৫। তাহার পরে আমি কে কোথা গেৰিছি। একপেই ভােগ করিয়াছি। অপূর্ব ত কিছুই পাই .
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ আমি কে? নাই। এক্ষণে আমি স্বীয় বুজি দ্বারা বিচার করিয়া সমস্ত পরিত্যাগ হইয়াছি। অতএব যাহাতে আমার ঐ ভোেগজনিত মহামোছ করিয়ছি, এক্ষণে আমি পপিরূপবােব পূর্ণ ও স্বস্থ হইয়া এক্সতে দূরীভূত হয় সেই অ জানিতে ইচ্ছা করি। এই ভােগসমূহের অবস্থান করিতেছি (আমি আর দেহে নাই)। ১১। অর্গ, অবধি কি পর্যন্ত? ইহার স্বরূপই বা কি? মর্ত্য, পাতালমধ্যে সারভূত যে অঙ্গনা ও মণি-মাণিক্যাদি, তাহাও আপনি কে? এই সমস্ত লোকগণই বা কে? তাহা আমাকে তুচ্ছকান কর্তৃক কলিত হইয়া থাকে, সুতরাং তাহাতে দুঃখ শীঘ্র বলুন। শুক্র কহিলেন, হে আখি দানবে। আমি এক্ষণে ব্যতীত কাচ সুখ দৃষ্ট হয় না। এতাবৎকাল আমি অত্যন্ত আকাশমার্গে যাইতেছি, অধিক কি আর বলিব সক্ষেপে সার বালক ছিলাম, আমার কোন জ্ঞানই ছিল না, যেহেতু তুচ্ছ কথা ব্যক্ত করিতেছি, শ্রবণ কর। ৬-১০। এই জগতে একমাত্র জগতের আশায় দেবগণের প্রতি বিদ্বেষ করিয়াছি। মনের চিৎই বিদ্যমান, এই অগং চিৎ ও চিন্ময়। তুমিও চিং আমিও ব্যাপারসস্তৃত এই জগৎ মহা আধিস্বরূপ, ইহাতে এমন কি চিং, এই সমস্ত লােকও চিৎ ইহাই সার আনিবে। তুমি যদি পুরুষার্থ আছে যে, পরিত্যাগ করিবে না? মহাত্মা ব্যক্তির ইহাতে প্রকৃত শ্রদ্ধা বিবেকী হইয়া থাক, তাহা হইলে এই যাহা বলি- অনুরাগই বা কি ? হায়! আমি চিরকাল অজ্ঞানমদে মত্ত হইয়া লাম, ইহার নিশ্চয় ধারণায় সমস্ত লভ্যবিষয় লাভ করিবে নচেৎ পুরুষাখবােধে অনর্থেই সেবা করিয়া আসিয়াছি। আমি জল- তোমাকে বিস্তৃতভাৰে বহু উপদেশ দেওয়া ভম্মে আহুতি দেওয়া তৃষ্ণায় আকুল হইয়া এ যাবৎকাল না জানিয়া এই জগয়ে কেবল মাত্র। চিংকে চৈত্যরূপে কল্পনা করার নাম বন্ধ এবং উক্ত অনুতাপবর্ধনা কি না করিয়াছি?১১-১৫। এক্ষণে আর তুচ্ছ কল্পনামােচনের নাম মুক্তি। কুরিত চেত্য দৃশ্য আকার হইতে পুচিন্তায় প্রয়োজন নাই। এক্ষণে বর্তমান মােহেয় চিকিৎসা নিন্মুক্ত চিৎই পূর্ণ আত্মা ইহাই সমুদয় সার সিদ্ধান্ত। এইরূপ দাবা যাহাতে পুরুষকার সফল হয়, আহারই উপায় দেখি। আপনি নিশ্চয় গ্রহণ করিয়া নিয়ে অনায়াসেই আত্মাকে আপন আত্মায় চ্ছিন্ন কাৰণস্বৰূপ পরমব্রহ্মের সহিত অভেদপ্রাপ্ত হইয়া যাহাতে দেখিতে পাইবে এবং অনন্ত পদ প্রাপ্ত হইবে। আমি এক্ষণে মন্থনের পর ক্ষীরসাগরে রসায়নের স্যায় পরমাত্মার পরমসুখ লাভ আকাশে যাইতেছি, ঐ স্থানে সপ্তর্ষিগণ সমাগত হইয়াছেন, করি, যাহাতে এই জগৎপ্রপঞ্চ কি, আমি কি, ইত্যাদি জানিতে কোন দেবকারে অনুরােধে আমাকে সেই স্থানে যাইতে হইবে। পারি, যাহাতে অঞ্জনের শান্তি হয়, শুক্রাচার্যের নিকট তাহার রাজন্ তদিন এই দেহ থাকে, ততদিন মুক্তধী ব্যক্তিগণ খা- উপায় জিজ্ঞাসা করি আশ্রিতনের প্রতি অনুগ্রহশীল পরমেশ্বর প্রাপ্ত কাৰ্য ত্যাগ করিতে পারেন না (এ কারণ সৰ্ব্বত্যাগী শুক্রাচার্যকে ধ্যান করি , অনন্তর তাহার উপদিষ্ট অনন্তবিভব- অনাসক্তবুদ্ধি হইলেও আমি উপস্থিত সুরকাৰ্য্য ত্যাগ করিতে স্বরূপ পরমব্রহ্মে মিশিয়া থাকি। মহাত্মাদিগের উপদেশেই অক্ষয় পারিতেছি না)। অনন্তর ভৃগুনন্দন এই কথা বলিয়া গ্ৰহপংক্তি- অর্থের সিদ্ধি হইয়া থাকে। ১২-১৯। সঙ্কুল পরাগরঞ্জিত ভ্রমরের ন্যায় করবণ (১) আকাশমার্গে মেঘপথ ধর চল উর্মিমালার ন্যায় মহাবেগে উপরে পঞ্চবিংশু-সর্গসমাপ্ত। ২৫। উঠিলেন। ১১-১৭। ডবিং সর্গ সমাপ্ত। ষড় বিংশ সর্গ। বশিষ্ঠ কহিলেন,-পরাক্রমশালী বলি এইরূপ চিন্তা করিয়া বিংশ সর্গ। শঙ্কন মুদ্রিত করত আকাশমন্দিরে অবস্থিত পদ্মপাশলােচন বশিষ্ঠ কহিলেন-সুরাসুরগণের প্রধান ভূঞ্চনশন প্রস্থান শুক্রের ধ্যান করিতে লাগিলেন। অনন্তর সর্বদা ধ্যানতৎপর করিলে, বুদ্ধিমাদিগের অগ্রণী বলি মনে মনে চিন্তা করিতে তৃগুনন্দন শুক্রাচাৰ্য জানিতে পারিলেন যে, অলীয় শিষ্য' বলি লাগিলেন, ভগবান শুক্রাচাৰ্যঠিক বলিয়াছেন, এই ত্রিজগৎ এক তত্ত্বজ্ঞায়ে সর্বান্তর্যামী ব্ৰহ্মস্বরূপ বলিয়া আঁহার চিরে মধ্যে মাত্র জিই, আমি চিৎ, এই লােকসমুদয় চিৎ, এই দিক সমুদয় অবস্থানপূর্বক তাহার সর্বব্যাপী স্বরূপের চিন্তা করিতেছে। চিৎ এই ক্রিয়াও ®ি, ব-ভ্যন্তর নিখিলপদার্থ ই পরমার্থ ভন সর্বগত, অনন্ত, চিন্ময়, আত্মস্বরূপ, প্রভু ভাগ্য নিজদেহ- চিষেরূপ, মি ব্যতীত এই জগতে কুত্রাপি কিছুই নাই। এই সহ আপনাকে বলি নিয়িত বাতক্ষনপথে উপনীত করিলেন। আদিত্যদেব যদি চিতির দ্বারা সূরূপে প্রকাশিত না, অহা বলি গুরুদেবের প্ৰেভাজালে মাহি হইয়া, প্রভাতে হইলে তাহাতে অন্ধকারে কি পার্থক্য উপলব্ধি করা যাইবে ? রবিকির-সংশােধিত কমলের ব্যয় বােধ (পদ্মপৰুে বিকাশ, এই পৃথিবী যদি চিতি আর পৃথিবীরুপে চেত্য না হয় যে ইছায় খলি পক্ষে গ্রন) এও হইলেন। আবার তিনি ভাবের ভধায় তিনি ভার্গবের পৃথিবী কিরূপে নিরূঢ় হইবে।১-৫। এইরূপ এই দিকৃসকল পাদন, তাহাকে অর্থপ্রদান ও মরহুমমালা সমর্পণ যদি চিতি মার দিকৃরূপে চেতিত না হয় তবে দিকের দিকত্ব এবং খারা অর্চনা করিলেন। ১৫। এর গুরুদেব শিষ্যপ্রদত্ত শৈল প্রভৃত্তি শৈলাদি কিরূপে পৃথকৃ উপলব্ধ হইবে? জগৰ ক ও মন্দমালা অঙ্গে ধারণ করিয়া মহার্ঘ আসনে উপবেশন যদি এই জগৎ এইরূপে চিতিয়া চেত্য না হয়, অহা হইলে করিলে বলি তাহাকে বলিলেন, ভগ। সৌরী প্রভা যেমন জগতের আগন্তু কি? আকাশে আকাশত্বই বা কি? এই যে অকে, কাব্যে ব্যাপৃত করে (সূৰ্য্যোলয় দিবাভাগে জােকে পর্বসমান বিপুলবেহ, ইহা যদি চিতি আর চেলিত না হয়, কার্যকরিয়া থাকে), তদ্রুপ আপনার অনুগ্রহে বিকাএাণ্ড মীর প্রতি আপনার নিকট আমাকে এম করিতে নিয়ােগ (১) আকাশ স্বজুই জ্বলে যায় নীল, শুভ্রতারকারাবিতে করিতেছে। আমি মমােহ ভোগসবের প্রতি ব্ৰিক্ত স্থানে স্থানে তাহার পুলপরাগের আয় ও লতি হইছে। ?
উপম-প্রকরণ অহা হইলে শরীরীদিগে শরীরিত্ব কিরূপে অনুভূত হইবে? কোন ক্ষতি নাই। আমি সর্বদা সর্বস্বরূপ, সৰ্ব্বকারী ও সর্বগামী। অতএব ইলিয়সকল চিৎ, শরীর চিৎমন চিৎ, মনের ইচ্ছাও আমি একমাত্র টিস্বরূপ, অতএব আমি যদি চেত্য হই, তাহাতে চিৎ, অন্তর্বহিঃ সর্বত্রই চিৎ, আকাশও চিং, নিখিলপথার্থই ক্ষতি কি? সঙ্কল-বিকলেই বা আমার কি ক্ষতি-বৃদ্ধি হইবে। চিৎ, এই সংসার চিংসতায় অবস্থিত। আমি একমাত্র চিতি আমি এবং অজ্ঞানবশতঃ সংক্ষোভপ্রাপ্ত হইয়া আসিতেছি, দ্বারাই ভােগেপূর্ব এই সমস্ত শাদি বিষয়জাত ভােগ এক্ষণে বোধ হইয়াছে; অতএব এক্ষণে পবিত্র আয় শক্তি করিতেছি, শরীর দ্বারা কিছুই করিতেছি না।—১০। কালোই লাভ করি' ২৬-৩০। পরমানী বলি এইরূপ চিন্তা করিয়া সদৃশ এই শরীরে আমার কি প্রয়ােজন? এই নিখিল জগৎ যখন চৈত®প্রতিপাদক ওঙ্কারের অকাৱাফি মাত্রায় পরিত্যাগপূর্বক এক চিন্ময় আত্মা, তখন আমিও চিন্ময় আত্মা। আকাশে যে চিৎ একমাত্র অর্থাত্ৰাত্মক ভূৱীয় ভাবনা করত যৌনাৰ- বিদ্যমান, আমিও সেই চিংস্বরূপ, সূৰ্যাদি ভেজপদার্থে যে চিং স্বন করিয়া রহিলেন। তাহার সমস্ত সঙ্কল-বিক প্রশান্ত হইয়া বিদ্যমান, আমিও তাহাই, বায়ুলাদি ও নিখিল সুরার স্থাবর- গেল। তিনি ত্যৰিৱচিন্তা দূরে পরিহার করিয়া নিঃশক্ষভাবে জঙ্গম পদার্থ—সর্বত্র যে চিৎ বিদ্যমান, আশিও সেই চিৎ। এই অবস্থান করিতে লাগিলেন। তাহার খাতৃভাষ, ধ্যেয়ভাব ও ধ্যান- জগতে একমাত্র চিই বিদ্যমান, ইহাতে অন্য দ্বিতীয় কল্পনা নাই, ভাব সমস্ত দূরে গেল, বাসনাও অপহৃত হইল। এইরূপেমহৎপদ অএ দ্বৈত যখন অসম্ভব, তখন শকই বা কে, আর মিত্রই প্রাপ্ত হইয়া বলি নিবানিফম্প দীপের ন্যায় নিষ্পভাবে অব- বাকে? বলিনামক এই শরীরের এই উজ্জ মস্তক দ্বিখণ্ডিত স্থান করিতে লাগিলেন। উপশান্তমনা সেই বলি পাষাণখােদিত হইলে চিভের কিছুই খণ্ডিত হইবে না। কারণ, চিংসদকে পুত্তলিকার স্যায় সেই রময়-গবাক্ষদেশে বহুকাল অতিবাহিত করিলেন। পুরণ করিয়া এহিয়াছে। এই যে দ্বেষাদি ধর্ম, ইহাও চিতি দ্বারা পরিপূর্ণ, নির্মল ব্ৰহ্মৰ প্রাপ্ত হওয়ায় বলি, জলন্ধবিরহিত শরণা- সমস্ত এষণাপ্রশমনকারী, বিষয়মননদোষ-বর্ণিত, চেতিত হইতে ঘোদি পদবাচ্য হয়, অন্যরূপে নহে; অতএব দ্বেষণিনিখিল ধৰ্ম্মও চিংস্বরূপ।১১-১৫। এই যে বিশাল জগৎ, কাশের ন্যায় নির্বল হইয়া বিরাজ করিতে লাগিলেন। ৩১-৩৫। সকপে বিচার করিয়া দেখিলে ইহার মধ্যে চিতিরিক্ত কিছুই। সবিংশ সর্গ সমাপ্ত।২৭। উপলব্ধ হইবে না। এই বিশুদ্ধ চিতির দ্বেষ নাই, রাগ নাই, মন নাই, ইহার কোনাবৃত্তিই নাই, তবে এই অতি বিশুদ্ধ চিতির বিকল্পকল্পনা কোথা হইতে সন্থবে? আমি সর্বগামী, সর্বব্যাপী, चंडगिरनपत्र। নিত্য, আনন্দময় চিংস্বরূপ, আমি বিকল্পকল্পনার অতীত, আমার কোন দ্বিতীয় অংশ নাই। নামরূপবিহীন চিতির যে “চিৎ” এই বশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্ত বলির ঐ মবস্থা জ্ঞাত হইয়া তৎ- নাম, ইহা বাস্তবিক নাম নহে। সর্বপ্রকার নামরূপকল্পনার অধিষ্ঠান কণাং তাহার অনুচর দানবগণ দীয় ক্লাষ্টিক সৌথােপরি স্বরূপ এই চিতিশক্তিই স্বকীয় নাশস্বরূপা হইয়া পরিঙ্কুরিত আসিয়া উপস্থিত হইল। ডিপ্রভৃতি তদীয় ধীয় মন্ত্রিগণ,কুমুদ- হইতেছে। আমি দৃলনবিবর্জিত কেবল সিলস্বরূপবিশিষ্ট, প্রভৃতি সামন্তরাজগণ, সুপ্রভৃতি রাজগণ, বৃত্তপ্রভৃতি আমি আভাসহীন নিভপ্রকাশ ভ্রষ্টা পরমেশ্বরস্বরূপ।১২। সৈন্যাধ্যক্ষগণ, হয়গ্রীব প্রভৃতি সৈন্যগণ, চক্র প্রভৃতি বান্ধবগণ, আমি ঈশ চিংপ্রকাশস্বরূপ, আমাতে যে নিত্য আত্মস্বরূপে লড়ুক প্রভৃতি নুহাশ ও তঁাহার চিত্তবিনােদকারী বল্লুক প্রভূর্তি অনবভাসিত জলবিম্বিত বা কুলপ্রতিবিম্বিত সূক্ষ্ম চত্রকলার আয় সহচরগণ, তাহার সমীপে আসিয়া উপস্থিত হইল। কুবের, যম ও কল্পনারূপী পরিচ্ছিন্ন জীবভাব উদিত হইয়াছে, ইহা আভাস- মহেশ্রাদি দেবগণ উপঢৌকন লইয়া উপস্থিত হইলেন , যক্ষ, মাত্র অর্থাৎ ভ্রান্তি, বাস্তবিক নহে, অতএব স্বকীয় পূর্ণরূপে বিদ্যাধর ও নাগগণ, আসিয়া তাহার সেবা করিবার অবসর এক্ষণে উক্ত জীবজাৰকে তুচ্ছ বােধ করিয়া পান করিতেছি প্রতীক্ষা করিতে লাগিল ,মা, ডিলােমালভূতি সুন্দরীগণ (উহাকে বশে আনতে পারিয়াছি)। চেতরূপান-বিহীন অসিয়া চাময়ৰীজন করিতে লাগিল। ভৎকালে সাগর, নদী, পর্বত, প্রত্যক্চতরূপ (অখণ্ডচৈতন্যরূপ) বিমুক্ত মহাত্মা শীয় দিক ও বিদি প্রভৃতির অধিষ্ঠাতৃগণ বলির সেষা কৰিবায় সমিত স্বরূপকে নমস্কার করি। আমার নিখিল চেত্যােগ এশান্ত হই সেই শলে আসি। উপস্থিত হইলেন। এতনি অন্যান্য ত্রৈলােক আছে;আমি সৎচিৎস্বরূপ, আমি মহৎ, আকাশের ন্যায় অনন্ত, বাসীনেক দেবযােনিগণও আসিয়া উপস্থিত হইলেন।১-৬। অণু হইতেও অপু, অথচ বিস্তৃতস্বরূপ, সুখ-দুখদশা প্রভৃতি কিছুই তাঁহারা সকলে নতকিরীট হইয়া সমাৱে দেখিতে লাগিলেন- আমাকে ক্রমণ করিতে সমর্থ হয় না। ২১-২৫। আমি বলি ধ্যান-মৌল সমাধিস্থ হইয়া চিত্রার্পিত অচলের ন্যায় স্থান অসংবেল্য অচেত্য সংবিবরূপ, আমি চেলরূপ, ই এ- করিতেন। সেই মহানুরগণ তাহার নিকে দৃষ্টিপাত পাতী ভাব বা তাৰ পদার্থসমুদয় আমাকে পরি িযযােগ প্রণমাদি করি বিষাদে, বিয়ে, অ ও আনন্দ করতে পারে না, তবে ইহাৱা আমাকে যদি পৰিচ্ছিন্ন করে, বিল হইয়া গেলেন। মন্ত্রিগণ ও অজ্ঞাত দানবগণ আমরা তাহাতে আমার অসম্মতি নাই পরিম্নিক। কারণ, আমার বিচার করিয়া ইহার কি কৰিব ?” এইরূপ রি করিয়া সব স্বরূপত্র পরিচিত করায় উহাৱা যে আমা হইতে অতিরিক্ত বিহুর কু শুক্রাচাৰ্যকে ধ্যান করিল। দৈগণ চিন্তার পরেই পদার্থ হবে, তাহা নহে; উ আমাতেই পরিশােধিত বা কল্পনা মনগরে গা ভাস্বর আগামীর শিরীন আনিই। খণি গণিত অসে, হরণ করিল।৭-১০। ভাব দৈত্যগণ কর্তৃক এৰ্চিত হইয়া মহাহ করে যা লাৰ করে, তাহাতে হয় অভিনেহায়ক দেবীর আসনে উপবেশন পুর্বক দেখিলে-গাদার বলি খামেনি যেমন নের কোন প্রমই কাতি হয় না, সেনি ইহাতে আমার হয় মহিল। শুক্রাচার্য্য বলিকে গরন নি করত { যােগবাশিষ্ঠ-ৰামায়ণ যেন অশাল বিএম করিলেন এবং মনে মনে বিচার করিতে হইলেন। অনশুর মেধ যেমন চমকে আবরণ করিয়া ফেলে, লাগিলেন-"এইবার বলিব ভৰত্ৰম বিদূরিত হইয়াছে।” তদ্রুপ দৈত্যগ আসিয়া বলিকে বেষ্টনপূর্বক ৰিস্থিতি করিতে অনন্তর অনুরগুরু সভা-উজ্জ্বলকারী স্বীয় সমুজ্জ্বল দেহপ্রভায় লাগিল। কুণাচলসদৃশ ভ্যগণ কর্তৃক পরিত সেই বলি অথায় জীৱসাগৰ নিৰ্মাণ করিয়া, সভাস্থ লােকগণকে উপহাস তাহাদিগের প্রতি দৃষ্টিপাত করত তাহানির নিকট প্রণাম কত বলিস লাগিলেন, ওহে গৈণ। এই বলি আত্মবিচার- প্রাপ্ত হইয়া (অকাল) ইতস্ততঃ দৃষ্টিসলন করিয়া আর প্রায় সর্বাধিষ্ঠানভূত নিৰ্ম্মল ব্ৰহ্ম প্রাপ্ত হইয়াছেন, ইনি এক্ষণে মনে মনে চিন্তা করিতে লাগিলেন, “আমি কাৰিকল চিৎ- সিদ্ধ ভগন হইয়া গিয়াছেন, এই কারণে ইনি পরমণে স্বরূপ, আমার আবার কি উপায়ে আছে যে, মদী মন উপাদেয়- বিশ্রাম করিতেছেন। হে দলিশ্রেটগণ। এশে ইনি এইরূপ বুদ্ধিতে বাহবিষয়ের দিকে ধাবিত হইয়া সেই বাহবিষয়ে প্রতি সমাধি হইয়া পরমানন্দময় আপন আত্মার চিৰস্থানপূর্বক অনুরাগরূপ মলযুক্ত হইবে? আমি নােক্ষ ইচ্ছা করিতেছি অনাময় ব্ৰহ্মপদ অবলােকন করুন। ১১-১৫। ইনি এ যাবৎ শ্রান্ত কেন? কেই বা আমাকে পুর্বে বন্ধ করিয়াছিল? আমি আজ ছিলেন এক্ষণে বিশ্রাম প্রাপ্ত হইয়াছেন , ইহার চিত্ত হইতে হইয়ামােক্ষ ইচ্ছা করিতেছি, কি অপুর্ব মুগ্ধতা। ৬। সংসারত্ৰম অপহৃত হইয়াছে, সংসারমিহিকা (কুজঝটিকা) ইহাতে বন্ধু আমার বন্ধও নাই মােক্ষও নাই। আমার সে মুখত আর নাই, অতএব হে নবগণ। ইহার সহিত এক্ষণে কথা প্রাপ্ত হইয়াছে। আমার ধ্যান করিয়া কি ফল? খান না কহিতে চেষ্টা করিও না • রাত্রিজাত অন্ধকারের অবসানে দিবস করিয়াই বা কি ফল? এত্যস্বরূপ আত্ম উদাসীনভাৰে বাহ- যেমন সৌৱকিরণজলে আলােকিত হয়, তদ্রুপ অজ্ঞানসই বস্তু অবলােকন করত যে যে বস্তুর প্রতি ধাবিত হইতে চেষ্টা দূরীভূত হওয়ায় এনে ইনি জ্ঞান লােক প্রাপ্ত হইয়াছেন। করেন, তাহা করন, ইহাতে আমার কোন ক্ষতি-বুকি নাই , এই মুহিতবু অপগত হইলে, রাজকোষে নিলীন অঙ্কুরের (কারণ অজ্ঞব্যক্তির ন্যায় আমার দেহাদিতে আত্মজিত হইবে উগষের ন্যায় হস্তাব অঙ্কুরিত হইবে, তখন ইনি আপনিই না। আমি ধ্যান ইচ্ছা করি না, ধ্যানের অভাবও ইচ্ছা করি অবােধ প্রাপ্ত হইবেন অর্থাৎ ইহার সুঞ্চিত হইবে। হে দান- না, লােগ ইচ্ছা করি না, ভােগের অভাবও ইচ্ছা করি না, যাথিপতিগণ! তােমরাই এক্ষণে প্রভুর কাৰ্য (রাজকাৰ্য) কর। আমি সর্বত্র সম ও বিগতর হইয়া অবস্থান করি। আমার সহস্র বৎসরের পরে ইনি সমাধি হইতে উখিত হইবেন। গুরুদেৰ পৰৰহ্মে বান্ধা নাই, পরব্রহ্মে বান্ধা নাই, এই জগতেও আমার বাঞ্ছা নাই, আমার শুক্রাচাৰ্য এই কথা বলিলে ত্ৰত্য দানবগণ বক্ষের শুকরী ধ্যানাবস্থাতেও প্রয়ােজন নাই এবং বাহ বিভবৈও প্রয়ােজন নাই পরিত্যাগের রায় হক্রোধবিষাদ-মিত চিন্তা পরিত্যাগ করিল। আমি মৃত নহি, আমি জীবিতও নহি; আমি সৎ নহি, অসংও অনন্তর দৈত্যগণ সকলে বিনােচনপুত্র বলির পূর্বনিয়মমত তদীয় নছি, সময়ও নহি, এই জগৎও আমার নহে, তদ্ভিন্ন অন্য রাজকার্যের সুব্যবস্থা করিয়া স্ব স্ব কী করিতে লাগিল। আবার কোন বস্তুও আমার নাই। আমাকে আমি নমস্কার করি। আমি পরে তথায় সমুপস্থিত নরগণ মহীতে, ভুলগপতিগণ রসাতলে, রুহুৎসরূপ। ১১-১৫। এই জগদ্রাজ যদি থাকে, তবে আমি গ্রগণ আকাশে, দেবগণ স্বর্গে, কুলগতের অধিষ্ঠাত্রী দেবতাগণ ইহাতে অবস্থিত থাকি, আর যদি না থাকে, তাহাতেই বা কুলপর্বতে, নিপতিগণ স্ব স্ব দিকে, মনেচরগণ বনে ও গগনচরগণ ক্ষতি কি? আমি ল হইয়া আত্মায় অবস্থান কুরি। খ্যানেও গগনে প্রস্থান করিল। ১২। আমার কোন কাজ নাই, আর রাজ্যবিভবেও আমার কোন কাজ অষ্টাবিংশ মর্গ সমাপ্ত। নাই। যাহা উপস্থিত হয় হউক, আমার কোথাও কিছু নাই। যদিও এক্ষণে, আমার কোন কর্তব্য কৰ্ম্ম নাই, তঞ্জপি আমার আর রাজকাৰ্য্য না করি কেন ?” জ্ঞানদিগের মধ্যে খৃেষ্ট পূর্ণাত্মা বলি এই স্থির করিয়া, দিবাকর যেমন পদ্মেপরি কিরণদৃষ্টি নিক্ষেপ একোনৱিংশ পর্গ কলেন, তদ্রুপ উপস্থিত দৈত্যবর্গের প্রতি দৃষ্টিপাত করিলেন। দিলে,-অনন্তর বর্ধসহ অতীত হইলে, গানব বন্ধু মৈন পুষ্প-সৌরভ গ্রহণ করে, তবলি প্রত্যেক ব্যক্তিতে শ্রেষ্ঠ ভগবান বলি দেবদুন্দুভিনিনাদে বােধ প্রাপ্ত হইলেন বলি অতি দৃষ্টিপাত হয় নিখিলগানবের প্রণাম গ্রহণ করিলেন। এবু হই সেই বগির সূর্যোদয়ে কমলাকরের গায় ১৬২। অনন্তর বিরােচন-নন্দন তথায়, অসন্তু অং আসক্ত সুশােভমান হইল। বলি গৰুদ্ধ হইয়া, যত সেস্থানে অপর হইয়া সমূদয় রাজকাৰ্য্য করিতে লাগিলেন; সেগণের, এবার দানবণশ আসিয়া উপস্থিত নাই, ততক্ষণ সেই সমাধিগৃহে ও ব্রাহ্মণলিশের বখােচিত পুজা করিতে লাগিলেন, মুহুর্গ, অবস্থানপূর্ষক ভি করিতে লাগিলেন; এই মাগিৰী বন্ধুবর্গ, সামশুগণ ও সাধুগণের সম্মাননা করিতে লার্নিলেন, এ কি অপূর্ব রমণীয়! আমি ইহাতে ক্ষণকাল অবস্থান করিয়া রায় ভূগশের ও ঘাচকগণের মনােথ পূর্ণ করিতে লাগিলেন, সাভিন বিশ্রাম প্রাপ্ত হইলাম, এতএব আমি এই গৰী বিচিত্র বিভৰ অৰ্পণ করিয়া অঞ্জনাদিপের লালন ও সন্তোষ সাধন আর কনিয়া কে বিশ্রাম করিতে থাকি। এই সম যাই- করিতে লাগিলেন। বলি এইরূপে সকলের শাসন করত সেই এল ভােগ করিয়া আমার কি লভ ইবে?- এই রাজ্যে দিন দিন উন্নতিলাভ করিতে লাগিলেন। লন্ত একদিন অবিসংগঃ আনন্দ আর অন্তরে যেমন সৰিধান হার যজ্ঞ করিতে ইচ্ছা হইল। তৎপরে সেইবলি শুক্রাচার্য লি,এইরূপ অনন্ম মৰিও মই অর্থাৎ চবি মৃগ প্রভৃতি মহাত্মাদিগকে লইয়া নিখিল-দূবসন্তপণকারী দেবর্ষি- কি, এল আনন্দলাভ কর যায় । মনে মনে গণের প্রশংসিভ, এক মহাযজ্ঞ (মে) কায়তে লাগলেন। একটি করিয়া বলি আবার ািন্তিনির্মিত সমাণিমগ ২১-২৫। অনন্তর সিজিদ বিষ্ণু “ইলি ভেগাখী ” ইহা - উপশম-প্রকরণ। । সিদ্ধান্ত করিয়া বলির অভীষ্টসাধনের নিমিত্ত সেই কালে তুমি সন্ত আদি লেগে ৰাৰ সৰু বিচার করিয়া তৃষ্ণা আগমন করিলেন; কাৰ্যবিৎ হরি একমাত্র ভােগ-লালসায় কাতর, পরিজ্ঞাগ করার্থাৎ তৃষ্ণর বুদ্ধিতে জন্মদি রােগের আয়, অতএব শেচনীয় বয়জ্যেষ্ঠ ইন্দ্রকে এই জগরূপ ভী-অন ফালয়ে তাদের দৌর্বল্য, ই সম্যক্ পরীক্ষা করিয়া সকল দিবার জন্য উদযোগী হইয়া বলিকে বা করিলেন এবং ভূগর্ভ- অনর্থের মূল সেই তৃষ্ণা দূর কর। তৃষ্ণাবিহীন হইয়া ভােগ- গৃহে বানৱবন্ধনেয় স্যায় পাতালতলে বলিকে বলপূর্বক বন করিয়া সকলের ভােগ কর (ভাহাড়ে কোন ক্ষতি নাই)। জগতের রাখিলেন। হে রাম! বলি নিৰ্ষিক-সমাধিমগ্ন ও বাহবুদ্ধিত অধিপতি, সর্বদা উদিত চিরস্বরূপ, তােমাতেই এই সকল হইয়া অদ্যাপি জীবন্মুক্ত শরীরে স্বভাবে অবস্থান করিতেছেন, সংসার-বগ আভাসমান হইতেছে। ৪৬। তুমি বৃখা বিজ্ঞ ইথাপক প্রারব্ধ তাহার এখনও যায় নাই:অর্থাৎ তিনি পরেও হইও না, ভােমার সুখ-দুঃখের এষণা (ইচ্ছা) নাই। তুমি আর ই হইবেন। জীবন্মুক্ত হইয়া পাতা কুহরে অবস্থান করত যিশুদ্ধচিত্ত (প্রবুধচিত্ত ), নিখিল বস্তুর অবভাসক, সময় বলি বিপদ ও সম্পদ উভয় অবস্থাকেই সমভাবে দান করিতে আত্ম। (যদি ভােমাৰ চিত্তশুদ্ধি না হইয়া থাকে, তাহা হইলে) দেন।২৬-৩০। চিত্রলিখিত সূৰ্য যেমন স্থিরকিরণ, উদয়াস্তবিহীন বাহাকে তুমি ইষ্ট বলিয়া কল্পনা করিছে, এক্ষণে তাহা অনিষ্ট ওসমভাবে অবস্থিত হন, দ্রুপ তাহার বুদ্ধি সুখ-দুঃখে সমভাবে বলিয়া কল্পনা কর, আর যাহা (তপক্লেশ) অনিষ্ট বলিয়া অবস্থিত ও উদয়াবিহীন অর্থাৎ সর্বত্র সর্বদা স্কুরিত হইতেছে। কল্পনা কৰিছে, তাহাকে ইষ্ট বলিয় কল্পনা কর। ক্রমে উক্ত তাঁহার চিত্র জীবদিগের সহ সহস্র বার আবির্ভাব ও তিরোভাব কল্পনা অভ্যস্ত হইয়া গেলে অহাও (উক্ত কল্পনাও পরিত্যাশ চিরদিন দেখিয়া দেখিয়া ভােগবিষয়ে একেবারে বিরতি প্রাপ্ত কর। ইষ্টানিষ্টবুজি পরিত্যাগ করিতে পারিলে শাশ্বতী সৰতা হইয়াছে। দশকোটি বৎসর ত্রৈলোক্যরাজ্য শাসন করিয়া অৰু উদিত হয়, সেই শাশ্বতা সমতা (সনাতন সর্বত্র সমভাব হৃদয়ে শেষে বিরক্ত হইয়া বলির চিত্ত এইরূপ উপশম প্রাপ্ত হইয়াছে। বিদ্যমান থাকিলে জীবের আর জন্ম হয় না। মন যাকের মত বলি সহস্র সহস্র কত সুখ-দুঃখে গতায়াত দেখিলেন, শত শত যে যে বিষয়ে মম ( আসক্ত ) হইবে, তাহাকে সে সেই বিষয় কত সম্পদ-বিপদ দেখিলেন, বারংবার ঐরূপ দেখিয়া সমস্তই অসার হইতে প্রতিনিবৃত্ত করিয়া তত্ত্বে (পরমার্থ সত্যবিষয়ে) নিয়ােজিত অনিত্য স্থির করিয়াছেন , মুজ্জং এক্ষণে আর তিনি কোথায় করিবে। এইরূপে তত্ত্বজ্ঞানে চিনিবেশ অত্যন্ত হইলেই এখাস প্রাপ্ত হইয়া থাকিবেন? এক্ষণে তিনি একেবারে ভােগাতি- চিত্তরূপ মত্ত হস্তীকে সর্বপ্রকার প্রক্তে সময় আত্মভাবে যত লাষ পরিত্যাগ করিয়া পাতামধ্যে সম্পূর্ণমনা আত্মারাম হইয়া করিয়া পরম শ্ৰেষােভ করিতে পারা যায়। ৫১-৫৫। বাহার অবস্থান করিতেছেন। ৩১-৩৫। হে রাম। এই বলি ইন্দ্র হইয়া শরীরকেই যথার্থ বলিয়া জানে, মিথ্যাদৃষ্টিতে যাহাদের চিত্ত আবার বহুবর্ষ ব্যাপিয়া এই ত্রৈলােক্যরাজ্য শাসন করিবেন। ইন্দ্র- দূষিত হইয়াছে, যাহারা সঙ্কলের নিকট ক্রিীত সেলের অত্যন্ত পদপ্রাপ্তিতেও তাহার কোন তুষ্টি নাই, আবার ইন্দ্রপদ হইতে বশীভূত, সেই পূৰ্ত্ত ব্যক্তিদিগের সমান হইও না। চ্যুত হইলেও তাহার কোন উদ্বেগ নাই, তিনিসৰ্বভাবেই সমান, নির্ণয়ে (বিবেকবৈরাগ্যাদি উপায় না থাকায়) অক্ষম প্রতারক সর্বদাই সন্তুষ্টচিত্ত, আর কবশে উপনীত বিষয়ের উপভােগ- লিগের উক্তি-মার্গাবলম্বী মূর্খদোষ অপেক্ষা অধিক দুঃখদায়ী কারী ও সুস্থ হইয়া আকাশের ন্যায় অবস্থান করিতেছেন, তােমার অর্থ এ জগতে আর নাই। হে মহামতে। তােমার হৃদয়- নিকট বলির এই বিজ্ঞানপ্রাপ্তির কথা বলিলাম তুমিও বিরভাবে কাশে যে অবিকেক-অদের আবিব হইয়াছে, তুমি সত্বর এইরূপ দৃষ্টি অবলম্বন করিয়া অত্যুদয় লাভ করহে রাঘব । তুমি উহাকে বিবেকবায়ু দ্বারা দূরে অপসারিত কর। আত্মা যতদিন মলির মত বিবেকবলে আমি নিত্য” এই নিম করিয়া পুরুষকার শ্রবণবৈরাগাদিপুরুষঙ্গে আত্মদর্শনবিষয়ে অনুগ্রহ না করেন, আৱা অবৈতপদ প্রাপ্ত হও। ৩৬–৪০। অসুরশ্রেষ্ঠ বলি দশকোটি ততদিন বিছানােদয় হইবে না।' যতদিন ( প্রত্যদৃষ্টি দ্বারা ) বৎসর ত্রিভুবনরাজভোগ করিয়া পরে ঐ রাজ্যঙ্গেগে বিরক্তি আপনাকে দেখা যাইবে, ততদিন বেদববদান্ত-শাস্ত্রের ব্যাখ্যা বা বােধ করিলেন। অতএব হে অরিন কেবল বিরাগেরই আস্পদ তালি দ্বারা কিছুতেই আত্মা প্রকাশ প্রাপ্ত হইবেন না । এই ভোগসমূহ পরিভাগ করিয়া, যাহাতে বিরাগ নাই, এমন সত্য ৫৬–৬। হে রাম। তুমি (যদিও প্রত্যদৃষ্টিবলে) আপ আনন্দময় পদ প্রাপ্ত হও। হে রাম। বিবিধ-আকুতি-বিকৃপ্রিল নিই নির্মল আত্মাতে অবস্থান করিচ্ছেঃ সর্ব্যাপী বােবও এই দৃষ্টি, পর্বতের ন্যায় দূর হইতে রম্য বলিয়া বােধ হয়, কিন্তু প্রাপ্ত হইয়াছথাপি আমার উপদেশেই তােমার এক্ষণে উক্ত বাস্তবিক তাহা রম্য নহে, তােমার চিত্ত ঐহিক ও পারত্রিক বােথ নিঃসন্ধি হইয়া যাইতেছে। (১) তুমি আমার উপদেশেই জেগের দিকে ধাবিত হইতেছে, পামরব্যবহারে এত্ত হইতেছে, বিকলা-বিহীন এই চিৰ্য পরমার অপরিচ্ছিন্নব্যাপ্তি অতএব চিত্তকে ঘত করিয়া হৃদয়কোটরে স্থাপিত কর। তুমিই গ্ৰহণ কৰিয়াছ। তােমার এক্ষণে সমুদয় সঙ্কজ লয়প্রাপ্ত হইয়াছে। জগতের সর্বত্র অবস্থিত চিৎ, তােমার আবার অন্য আত্মীয় কোন বিষয়ে ভােমার আর সন্দেহ নাই,বাহবির প্রতি কে? কথা কেন পরিণিত হইতেছ ? ৪১-৪৫। হে মহাবাহহা। তােমার কৌতুহলরূপ নাহার অগস্ত হইয়াছে, তুমি বিগত তুমিই অনন্ত, ল্য, পুরুষােত্তম ও চিৎশরীর, তুমিই এই বিভিন্ন সন্তাপ হই। হে মননশীল রাম। এণে মুক্তির অৰে শত শত পদার্থাকারে ভাসমান হইচ্ছে। তুমি নিতোদিত বিশুদ্ধ বােক্সল। হাত্রে যেমন মণিবিক বোত কে, ১) তাৎগ এই-পূৰ্বশ্লোকে প্রত্যকুদৃষ্টিতে বেধেয় কথা তােনাতেই এই বারমাত্মক অগৎ শ্রেত রহিয়াছে। বলা হইয়াছে, রুশান্তাদির অপেক্ষা রাখেন নাই;-ৰে কাষকে এদিচ্ছে না ও মরিছে না, তুমি অঞ্জ ও বিরাট পুরুষ, তুমি উপদেশ দেওয়া কেন? এইরূপ আশঙ্কায় বৃষ্টি কহিলেন, উপ- বিজ, চিৎ, এই অশান্তি দে তােমায় না হয়। সেখণবির আবশ্যকত, উক্ত বােধের বিয়সাধন। ।
যোগবাতি-রামায়ণ বিচার, গুরূপদেশ ও শ্রনির সহায়তা গ্রহণ করিচ্ছে, বিবেক ন্যায় বিস্ময়কর সুলত ধারণ করিয়াছিল। জলীয় সুবিশাল বাহু- বৈরাগ্যাদি পূর্বক রক্ষা করিচ্ছে, আলমাজাজি দেৰসমূদয় বুকের বিধানে ব্রহ্মাণ্ড-খর কম্পিত হইতে লাগিল।১১-১৫। দূরে পরিহার কৰিছে, সমাধিমুখরূপ সুধা পান করিচ্ছে, উক্ত ভগীয় কৰিনিৰ্গত (এলটিসম) খামাতে অচলসহ রাের ভূমিকায় আরােহণ করিয়া বিস্ময়পন্ন হচ্ছে এবং স্থানভ্রষ্ট হইতে লাগিল। ব্রিজগদ্দাহব্যাপৃত-প্রলয়লসঙ্কাশ উত্তরোত্তর জ্ঞানবৃদ্ধিতে যে বৃদ্ধি বেণ করিচ্ছে, যখন তােমার কোপানল প্রজালিত করিয়া তিনি মহাগৰ্ব প্ৰকাশ করিতে লাগি একমাত্র পেরুস আত্মতত্বের অবরণ ও বিক্ষেপ দূরীভূত হইবে, লেন। আদিত্যমগুলগামী বিশাল জটাসমূহে বিকটদর্শন অগীয় তখন ঐসমস্তভাব কিছুই থাকিবে না। ৬১-৬৪। পীন দেশের সর্বণে বােধ হইল যে, ভাস্করও একটু স্থানচ্যুত একোনত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত।১১। হইয়া গেলেন। তদীয় রােমকূপের এম্বলিত বহিপুজে মহীয় পিঙ্গলবর্ণ ধারণ করিল। নরসিংহত্তিধারী হরি মহাক্রোধে ফুল- শৈলসকল উৎপাটিত করিয়া চতুর্দিকে নিক্ষেপ করিতে লাগিলেন। নিক্ষিপ্ত’কুলশৈলসমূহ দ্বারা দিল আপনার উপরে কেন লুবিশাল- ত্রিংশ সর্গ। ভিত্তি নির্মাণ করিল। তাহার সমগ্ৰ অৰৰ হইতে পটি, প্রাস, বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। দৈতে প্রহলাদ যে উপায়ে তােমর প্রভৃতি অস্ত্রশস্ত্র বিনিক্রান্ত হইতে লাগিল। মাধব এবম্বিধ বপু ধারণ করিয়া কটকটৰে উল্লেবিজারপূর্বক হীর অজ্ঞান লাভ করিয়া সিদ্ধ হইয়াছিলেন, একালে সেই এদের উপাখ্যান কীৰ্ত্তন করিয়া তত্ত্বজ্ঞানের উৎকৃষ্ট উপায় দেখা- তুরসবধের ন্যায় সেই মহাদৈত্যের বধসাধন করিলেন। নিখিল- ইতেছি, শ্রবণ কর। পাতলমথ্যে সুরাসুন্নবিদ্রাবণকারী, নারায়ণের জীবের প্রলয়কাল উপস্থিত হইলে, কান্ত-মহানল যেমন জগৎকে লায় পামশালী হিরণ্যকশিপু নামে এক দৈত্য বাস করি। দগ্ধ করে, দ্রুপ সেই নরসিংহরূপী বিষ্ণুর নখুন হইতে বহি ভুবনয়ের আক্রমণকারী ঐ দৈত্য, ভ্রমরের নিকট হইতে রাজ নির্গত হইয়া পুরস্থিত নিখিল-দৈত্যগণকে দগ্ধ করিল। ১৬। হংসের বিকসিতদল-শজল-হরণের আর ইসলর নিকট হইতে সেই নরসিংহরূপী মহামারুত সাতিশয় ক্ষুব্ধ হইয়া সমস্ত একাকার ব্রিলােকীরাজ্য অপহরণ করিয়াছিল। হিরণ্যকশিপু নিখিল- অর্ণবের ন্যায় গভীর গর্জন করিতে লাগিলেন, তদ্দর্শনে সুরাসুরকে আক্রমণ করিয়া ব্রিলােকাজ্য শাসন করিতে হতাষণিঃ দানবগণ ভয়ে পলায়ন করিতে লাগিল। অনেকে হত লাগিল। বোধ হইল যেন, মকরী মরালকুল বিতাড়িত করিয়া প্রভ-বীপের ন্যায়, দিগ্দাহজলিত মশকের ন্যায় একেবারে অনু নলিনীবনে মধুকরের রাজ লইয়া শাসন করিতেছে। হইয়া গেল। অনন্তর দৈতগণ ইততঃ পলায়িত হওয়ায়, দৈত্য- এর এইরূপে ব্রিলােকের আধিপত্য করত যথাকালে, বসন্তকালের দিগের পুরী দগ্ধ হওায় সেই পাগল প্রলয়কালের চুর্ণবিচুর্ণ পূণলতার উৎপাদনের ন্যায় কতিপয় পূত্র উৎপাদন করিল। জগতের সাদৃশ্য ধারণ করিল। নরসিংহমূর্তি প্রভু হরি অকাল- । শত ভাৰ কিরণের মায় অভিতেজৰী সেই মহাপ্রলয়ের ন্যায় ভীষণ সেই মহাযুদ্ধে ক্রমে দৈত্যকুল বিনাশ বালকগণ অচিরে বুজিত করত পরাক্রমে সরলােক পৰ্য্যন্ত করিয়া, দৈত্যবধে আশ্বস্ত দেবগণের নিকট পরমাণরে পুজিত আক্রমণ করিতে সমর্থ হয়। সেই পুনদিগের মধ্যে, মহা হইয়া অন্তর্হিত হইলেন। প্রলাপৰিপালিত হতাৰশিষ্ট দানবগণ, মণিসকলের মধ্যে কৌতমণির ন্যায় প্রহাদ সর্বপ্রধান বলবান সমােবরে কনের স্যায় সেই পদ্মপুরীতে আসিয়া উপস্থিত পু। সর্ববিধ-সৌন্দৰ্য্যশলী একমাত্র সেই পুত্র দ্বারা হিরণ্যকশিপু, হইল।২১-২৫। অহারা মৃতমূখির নিমিত্ত বিলাপ কমিলা একমাত্র বসন্তকালে সমগ্র বৎসরের আয় লাতি-শােভিত তাহাদিগের ঔদোহক সৎকার করিল। যাহাদের বন্ধুবর্গ ও হইয়াছিল। কোষকল সমন্বিত হিরণ্যকশিপু প্রলাদের সাহায্যেই, আত্মীয়স্বজন অগ্নিদগ্ধ ওষুব্ধ নিহত হইয়াছিল, হতাবৃশিষ্ট সেই গণ্ডলে ব্রি মদধারাক্ষরণকারী করীর ন্যায় মত্ত হইয়াছিল। সেই আত্মীয়-জকে প্রহলাদপালিত দানবগণ আসিয়া আশ্বস্ত এদের প্রতাপসংঘােগে ঘনীভূত, জগক্রমবিকাসী হিরণ্যকশিপুর করিতে লাগিল। শােকোপড়গুচিত্ত, চিন্তামগ, নিশ্চেষ্ট চিত্র- অপে এক প্রকালে যুগপৎ-উদিত শনিবারের রায় পিতে আয় প্রতীয়মান অরনায়কগণ, তুষারতাড়িত পদের তাহার অভিনব করতাপে (কিরণসন্তাপে, পরে এগের আয়ন এবং সন্ধশাখাপল্পব-ভাজির স্যায় সিম্পল ও নিশ্চল কল্পগ্রহণপীড়নে) সমগ্ৰ সূচমুখ দেবগণ, মাক্রীড়ারতচপল হইয়া অবস্থান করিতে লাগিল। ২৬৮। দুর্দান্ত বালকের উৎপীড়নে তদীয় বন্ধুগের স্থায় অতিশয় উদ্বেগ তিন সন্তা। প্রাপ্ত হইলেন। ৬-১০। 'সতত উজিত হইয়া তাঁহাৱা ২ সৈতেজপতির যথার্থ অরহিত পুরুষান নারায়ণসকা। প্রার্থনা করিলেন। বারংবার দুজন দুর্ব্যবহারে মআেও এংি সর্গ। অসহিষ্ণু হইয়া পড়েন। এর নারায়ণ হিরণ্যকশিপুকে বধ বশিষ্ঠ কহিলেন-অনার হরি কর্তৃক মালতীকৃয় নেই করিবার জন্য দিগন্তীর দান-সদৃশ পেনশধারী, ভীষণশরীর পাতালয়ে দুলিভচিত একলা মৌলী হই চিনা করিতে নরসিংহমূর্তি ধাৰণ করিয়া রিসৌমিনীসভায় যায় প্রোঙ্গন শিলেন-আমাদের উপায় কি? আমাদের অনুরুলের একাভিৰিৱাতি-পঙিক্ত বিকশিত করত এলবাৰ্যন্ত তীর্থ বেরটা উগত হইবে, শাখামৃগ হরি তাহাকেই নেলেরায় ঘোরধর গান করিতে লাগিলেন। যত জেন করিয়া ফেলিকেন। এই পাজলষধ্যে নাের্দ এ কীয় দুদশদিকে দোলিত হইতে লাগিল। ভীষ এজলী কত সাত জন্মগ্রহণ করি, কিন্তু হিমাচলা প শিউলয়, একত্র রাশভূত পিণ্ডাকারে পরিণত কুলাচলসমূহের যে কেহই স্থায়ী হয়লি না। সমুজালাকৃতি বলপে উপশম প্রকরণ যােয়গনকারী শৈত্যলকল বারবার উৎপন্ন হইয়া পরাক্রম- করিতেছে। হায়! পিতার পুরসুন্দরীলিগের বিলাস আজি শুভ প্রকাশকালেই সাগরতরঙ্গের স্থায় বিলীন হইয়া যাইতেছে। কমলের ন্যায় নীরস হইয়াছে, সুন্দরীলিগের লাঙ্গলীলার নিকট হায় কি কষ্ট। বিপুগণ আমাদের বাহু রজসম্পদ ও অভ্যন্তর তাহা পরাজিত হইতেছে। ১৬২। পুর্বে যাহারা মদীয় উৎসাহ-হুদি সুখ-সম্পদ সন্তই অপহরণ করিয়া বলীয়ান পিন্ধুদেবের নিকট চামরব্যজন করিত, হায়। তাহারাই আজি হইতেছে, তাহাৱা কি অপূর্ব অন্ধকারেই ভ্রান্ত হইয়া থাকে। স্বর্গে সংলােচন বাসষের নিকট চারব্যঞ্জন করিতেছে। আমাদের আলােকই (রাজ্যসম্পদ), তাহাদের অবলম্বন , অষ্ণ কুপরাক্রমশালী একমাত্র সেই হরির এসেই আমাদের এই উপায়ে তাহাদের চলিবার শক্তি নাই। ১-৫। আর আমাদের দৈদারিনী মহাবিপদ উপস্থিত হইয়াছে। সুরগণ সেই হরির বন্ধুবর্গ রাজ্যসম্পদরূপ আলােক হারাইয়া তিমিরপূর্ণ হয় এবং বাহিৰলের ঘনচ্ছায়ায় বিশ্রামলাভ করত! হিমাচলসানুর ন্যায় সঙ্কুচিতদলসম্পদ নিশীশ্বকালীন কমলনের স্থায় স্নানতাপ্রাপ্ত ও কদাচ সন্তপ্ত হইতেছে না। হরির বাহুবলরূপ উচ্চশিরে ভিন্ন হইতেছে। (বহুপক্ষে, সঙ্কুচিতদলসম্পদ-রাত্রিকালে পদ্মের আশ্রয়প্রাপ্ত শাখামৃগসম দেবগণ আজি কুকুরের গল্প বলশালী দলের স্থায় যাহাদের সম্পদ সঙ্কোচ অর্থাৎ হ্রাস প্রাপ্ত হইয়াছে, আমাদিগকে আক্রমণ করিতেছে। এই অই অনুরকামিনী- পদ্মপক্ষে, রাত্রিকালে পদ্ম মুকুলিত অবস্থায় থাকায় দল সঙ্কুচিত দিগের অঝরে অলঙ্কারস্বরূপ মুখপদ্মে হিমের ন্যায় বাবারি থাকে। তিমিরপুর্ণহৃদয় বন্ধুপক্ষে নােকান্ধকারব্যাপ্তবয়, পদ্ম- সংলম্ব রহিয়াছে। ২১২৫। অসুরদিগের পরাক্রমে গণবিক পক্ষে রাত্রিকালে পদ্মমধ্যে অন্ধকার থাকে, তাহা প্রত্যক্ষসিদ্ধ।) গলিতভিত্তি এই ত্রৈলােক্যরূপ জীর্ণমণ্ডপ, নীলমণিসদৃশরির যাহারা আমার পিতৃদেবের পাদপীঠ মৰ্শন করিত, সেই দেবগণ বাহুদণ্ডই ধারিত হইতেছে। সেই হরি চীনােদসাগরমথ্যময় আজি বেষকলুষিতশয় হইয়া হরিণের সিংহলাথিষ্ঠিত মহারণ্য , মাচলকে কূৰ্মাবতারে যেমন ধারণ করেন। ড্রপ তিনিই আক্রমণের ন্যায় সেই পিতৃদেবেরই বিষ আক্রমণ করিতেছে। বিপৎসাগরময় দেসৈন্যদিগের ধা(রও কা)। প্রলয়কালে আমার বান্ধবগণ আজি ভগােসাহ হইয়া দীনভাবে আপনালিশের বিক্ষোভপ্রাপ্ত বা যেমন কুলাচলসমূহকে ভিত করে, তদ্রুপ হৃদয়দুঃখ ব্যক্ত করিয়া বেড়াইতেছেন, তাঁহারা এক্ষণে দল- সেই দুরিই মগীয় জনক প্রভৃতি প্রধান প্রধান অয়দিগকে পাতিত পদের ন্যায় শ্রীশ্রষ্ট হইয়াছেন। এক্ষণে অসুরবীয়দিগের গৃহে করিয়াছেন। তিনি একাই বাহবহ্নি দ্বারা সমস্ত জগতের সংহার ধূসর ভন্মরাশি অবিরত বায়ুভরে পূপধুমরাশির ন্যায় ইতস্তত করিতে সক্ষম, সুরসমূহের মধ্যে প্রধান সেই মান মধুখকে বিকীর্ণ হইতেছে। এক্ষণে দ্বারকপাটবিহীন দৈত্যান্তঃপুর-প্রাচীরে কেহই আক্রমণ করিতে পারে না। দৈত্যদিগের বাহুদণ্ডচ্ছে- অভিব যবন্ধু উৎপন্ন হইয়া মরকতমণির শােভা ধারণ করি- কারী পশুস্বরূপ সেই হরির বিক্রমেই বিক্রমশালী হইয়া ইল, আছে।৬—১০। ত্রিলােকীর মধ্যবর্তী সুমেরুপৰ্বতরূপ কমলবনের বানরে বালকদিগকে যেমন উৎপীড়ন করে সেইরূপ লাবলিশকে অধিবাসী মপি লাবণও আজি দেবগণের ন্যায় দীন- উৎপীড়ন করিতে আরম্ভ করিয়াছে। ২৬–৩০। পুণ্ডরীকাক্ষ ভাবাপন্ন হইয়াছে। হায়। বিধাতার অসাধ্য কিছুই নাই। হরি যদি অস্ত্রহীন হইয়া পড়েন, তথাপি তিনি দুর্শে, যেহেতু এফলে কোথাও পত্ৰস্পন্দ হইলে দানব-বন্ধুগণ “ আসিতেছে বাপেক্ষা কঠিন ঐ হরিকে অস্ত্রশস্ত্রে বিদীর্ণ করা যায় না। ভাবিয়া, গ্ৰামধ্যে দৈবাৎ আগত মৃগীয় স্যায় ভযুধিত্ৰন্ত হইয়া সেই হরি আমাদিগের পূর্বপুরুষদিগের সহিত যুদ্ধ করিয়া পৰ্বত- স্থানান্তরে পলায়ন করিতেছে। অনুরকানিশীদিগের কর্ণভূষা- নিক্ষেপাদি নানাবিধ ভীষণ যুৱকৌশল শিক্ষা করিয়াছেন। সম্পাদন করিবার জন্য রোপিত যে সকল বৃক্ষ হুবকশােভি- সেই সেই অতি ভয়ানক মহাসময়ে যিনি ভীত হন নাই, সেই কুসুমে বিভূষিত হইয়াছিল, আজি সেই বৃক্ষসকল নরসিংহ হরির আবার অ কোথায়? আমি সেই হরিকে আক্রমণ করি- কর্তৃক ছিন্নভিন্ন হইয়া স্থাণুঞ্জয় হইয়া গিয়াছে। এক্ষণে দিব্য- বার, (বীভূত করিবার) একটামাত্র উপায় স্থির করিতেছি, বসন রত্নস্তবকশালী কলতসকল আবার দেবগণ কর্তৃক অধতিরেকে হাকে বশ করিবার আর কোন উপায় নাই। নন্দনকাননে রােগিত হইতেছে। পূর্বে অসুরগণ বলীত অমর- স প্রকার বস্তুপে, মকপ্রকার বুদ্ধিতে, সকলপ্রকার কার্যে কৃন্দের মুখ নিরীক্ষণ করিত, আজি দেবগণ বশীকৃত অনুরদিগের একমাত্র সেই হরই শরণাগত হইতে হই; ভ্যতীত আর মুখ নিরীক্ষণ করিতেছে। ১১-১৫। এতে দেবহুদূণের উপায় নাই। ৩১৫। এই ত্রিলােকীম সেই হরি অপেক্ষা গগুভিত্তি হইতে মহানগীর স্যায় মদধারা প্রবাহিত হই। শ্রেষ্ঠ আর কেহই নাই। সেই হৰিৰ জগতের সৃষ্টি, স্থিতি ও আমার বােধ হয়, এই মগধারাই পরে শৈশলণীয়প পরিণত লম্বের কারণ। আমি এখন হইতে অৰিত সেই নার- হইবে। এক্ষণে আমাদের হক্তিগওহলে মগধারা বিশুদ্ধ হইয়া, রুণেরই আগ্রহণ করিলাম, আমি সর্বত্র নারায়ণ হই শুষ্ক মরুখণ্ডের ধূলিপটলের স্থায় উথিত হইতেছে। বিকসিত আকিম। যেমন আকাশ হইতে ফচ বায়ু অপহৃত না শ্বেতবর্ণমারকুসুমের মকরন্সমিশ্রণে অরুণিত মলমল এনিল (সই আকাশে বায়ু কে), ড্রপ আমার কোষ সঞ্চালনে বাহাৱা ভঢ়িতি হই, সেই সুনে শিখরুসদৃশ দৈত্যগণ হইতে মােনান্নয়ণায়”এই সার্থখন অপহৃত হইছে আজি কোথায় চলিয়া গিয়াছে। গানবাঃপুরবাসযােগা সুর-গাব না (আমি সর্বদাই এই জপ করিতেছি; আমার নিকট সুন্দরীগণ আজি গাদপে • মরীয় স্থায় সুমেরুতে অবস্থান এলে চতুর্দিক হয়, আকাশ হরি, পৃথিবী হরি, সমগ্র জগৎই হৰি। আমি হরিরূপ অপ্রমেয়-আজ, আমি হরিনয় হইয়াছি। এর পাশে থাকে না, লতায় থাকে, সুরক্ষৰীদিগের নিয়ে বিষ্ণু না হইতে পারিলে বিষ্ণুপুর বন পাওয়া যায় না; সুণেতে দিতি অসমই হইয়াছে যেবার এ উঃ এই অঙ্গ নিজে হিইয়া বিষ্ণু খুজা করিতে হয়। এই অই আমি বিষ্ণু হইয়া রহিয়াছি। আমি একজন হরি, ।
D T T •। এই আমি রংই লাগিলেন। প্রহাদ মনে মনে হলে জগতের যাবতীয় বিভৰ। যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ আমার অন্য আর পৃথক সত্তা নাই, আমার অন্তরে এইরূপই বলিয়া ব্ৰহ্ম হয়, ইন্দ্র ও অগ্নিমূখ দেব মুখের বহুবালে নিজ হইতেছে। আমি সর্বব্যাপী হইয়া রহিয়াছি। ৩৬-৪১। আমার স্তব করিতেছে। আমার ঐ তুর্দিকে একটিত হই অনন্ত আকাশ পুরণ করিয়া অবস্থিত, সুৰণৰণ, এই বিনতান আছে, আমি প্রতি বিরূপী, আমি পরমহিমায় নিখিল গরুড় মামার দুষণ হইয়াছে। এই আমার মন্দরপাতের (দুধ) অতিক্রম করিয়াছি। আমার এই অদ্বিতীয় শরীরমধ্যে আঘাতে ঘষ্টকেয়ুরশালী বাহচতুষ্টয়, আমার এই বাইচতুষ্টয়ের কর- সমগ্র ব্রিজবং বিদ্যমান। আমি এই শরীরে বলপূর্বক নিখিল দেশে চক্র গদা প্রভৃতি আয়ুখজালরূপ বিহামসকল নিত্য অবস্থিত দুষ্টগণের কলন করিয়াছি। আমার এই দেহ পৰ্বত, কানন, নে রহিয়াছে, করণমুহ হইতে ইতস্ততঃ নখপ্রভা বিকীর্ণ হই- সকলের মধ্যেই অবস্থিত। ঈদৃশ সকভহারী আমার শরীরকে তেছে; তাহাতে বহুচারিটা মরকতময় মহীরুহের গায় প্রতীয়মান আমি প্রণাম করি। ৬১–৬। হইতেছে বাহুচতুষ্টয়ের মূলদেশে এই মন্দারমালা বিলম্বন একত্রিং সর্গ সমাপ্ত ৩১ ছিয়ছে। ক্ষীনােদসাগরসভূত মদীয়া লক্ষ্মী চঞ্চল শশিকলা- প্রবাহের ন্যায় প্রতীয়মান নােহর চামর ধারণ করিয়া এই আমার পার্শ্বদেশে অবস্থান করিতেছেন। ৪২-৪৫। অনায়াসেই ত্রিভুবন- দ্বাত্রিংশ সর্গ । জনবর্গের প্রবণলােভউৎপাদনকারিণী, তৈলােকরূপ পদপের মঞ্জরীস্বরূপা, অচল, নির্মলকীৰ্ত্তি এই আমার পাশে শােভন বশিষ্ঠ কহিলেন,-প্রহলাদ এইরূপ চিন্তা করিয়া রায়ণমুক্তি রহিয়াছে। অনবরত জগৎপরম্পর-নির্মাণকারিণী, ইন্দ্রবিননাদিনী বারণ করত অসুরদ্বেষী হরিকে পূজা করিবার নিমিত্ত পুনর্বার এই আমার মাও পার্শ্ববর্তিনী রহিয়াছে। অনায়াসে ত্রৈলােক্য, চিন্তা করিতে লাগিলেন। “আমি যে কল্পনায় আপনাতে বিষ্ণুমূর্তি পাপের আক্রমণকারিণী মদীয়া লক্ষ্মীর সখী এই জয়া, কল্পতরুর সংস্থাপনা করিলাম, ইহা ভিন্ন আর সুতি নাই , অতএব আমার পার্বেলতার স্যায় পার্গে অবস্থান করিতেছে। এই আমার নিত্য- এই বিষ্ণুরূপী মূর্তিকেই পুষ্পাঞ্জলি প্রদানপূৰ্ব্বক আবাহন করিয়া শতল চন্দ্র ও নি উষ্ণ সূৰ্য্যরূপী নয়নদ্বয় স্বীয় মুখমধ্যে সমস্ত বাহিরে পৃথকৃষপে কল্পনা করিলাম। আমি আবার বহিঃস্থিত, সংসার বিস্তার করুিয়া অবস্থান করিতেছে। এই আমার নীলােৎ- বৈনভেম্বসমারূঢ়, শক্তি-চতুষ্টয়সম্পন্ন, শঙ্খচক্রগদাহ, চন্দ্র-সূৰ্য- পাম অনলমুর দেহান্তি দিকৃচক্র শ্যামলিত করিয়া চতু- নয়ন, নকথঙ্গধারী, পদ্মহন্ত, শ্যামাজ, মহাদ্যুতিসম্পন্ন, বিশ- দিকে প্রকৃত হইতেছে। এই আমার করতি পাঞ্চজন লাক্ষ, চতুর্ভু, শান্তমূৰ্ত্তি হইয়া আমার বাহিরে ছিলাম। আমি শখ ধ্বনিত হইতেছে; এই শখ শব্দগুণে যেন মূর্তিমান আকাশ বিবিধ উপাচারে মনে মনে সপরিবারে এই বিষ্ণুর পূজা করি। ও অতিভ্রতায় যেন ক্ষীরােদসাগর বলিয়া অনুমিত হইতেছে। ১৫। তাহার পর বহুরত্ব প্রদানপূর্বক বহু আড়ম্বরে এই এই আমার নাভিলিনীর কণিকামধ্যে ব্রহ্মরূপী ভমর নিলীন পূজনীয় দেবের বাপূজা করিব।" প্রাদই চিন্তা করি রহিয়াছেন। আমার নাভিলিনীসভূত পদ্ম আমি করে ধারণ বিবিধ মানসিক উপাচারসত্তার লইয়া মনে মনে কমলাপতি করিতেছি। এই আমার বিবিধৱজে বিচিত্রা, সুমেরুণিনােপমা, মধসের পূজা করিতে লাগিলেন। প্রকলাদ মনে মনে হরিকে দৈত্যদানবমন্দিৰী, সুবর্ণময়ী গদা, এই আমার উজ্জ্বলকিরণমালায় বুত্বপূর্ণ পাত্র, চন্দনানি লেপনদ্র্য, ধূপ, দীপ ও বিচিত্র নানা সূৰ্য্যসন্নিত সুদর্শনচক্র; ইহার বহ্নিসম শিখাসমূহে চতুর্দিক পাটল আকারণ জিয়া পা করিতে লাগিলেন। তিনি মনে মনে সুবর্ণ- বর্ণহইতেছে। ধূমপটলমুক্ত এনলের স্থায় প্রােজল, নিশিত, পদ্মমালা, মারকুহমমালা, কল্পতরুর লতগুচ্ছ ও রত্নস্তবকরাশি গামল দৈত্যরূপ বক্ষের কুঠাৱস্বরূপ এই নন্দনামা খা আমার অর্পণ করিতে লাগিলেন। এর মনে মনে কল্পনা করিয়া আনন্দ প্রদান করত এই আমার সম্মুখে অবস্থান করিতেছে। স্বর্গীয় অরুপল্লব, বিবিধকুমদা, কিঙ্কিত, বক, কুন্দ, চম্পক, ৫১-৫৫। শরধারাবণে পুস্কর-আবর্তক মেয়ের সমান, ইন্দ্ৰচাপ- নীলােৎপল, কলার, কুমুদ, কাশকুসুম, খর্জুরকুম, আম্রকুম, বময়, ফণী-সভি এই আমার সেই শাবনু। এই আমি কিংশুককুম, অশােক, ফন, বি, কর্ণিকার, কিরাতপুষ্প, কদম্ব, বহুবার জাত, বিলও বিদ্যমান এই অনন্ত জগৎ এরমধ্যে ধারণ বকুল, নিষ, সিন্ধুব, মূথিকা, পারিভ, গুগ্গুলী, ইন্দুক, প্রিন্স করিতেছি। এই আমার চরণয়, এই আকাশ আমার মস্তক, পাট, গরিবং পাটল পাটলকুসুম ইত্যাদি নানাকুসুম জারা, এই ত্রিজগৎ আমার শরীর এবং এই দিক্চক্র আমার কুক্ষি। আম, আম্রাক, হরিতকী, বিভতক প্রভৃতি ফল দ্বারা, শাল, এই আমিই শচক্রগদাধারী, গরুরূপী পৰ্ব্বতে সমাকড়, সুনীল অল ও ভালরুক্ষের ফল, কুষম ও পল্লব দ্বারা নানাবিধ কুসুমের জলদকান্তি সৎ বিষ্ণু। একশরাশি যেমন পনসঞ্চারে রােৎ, কোমল-কোরক যারা, কুমাক্ত-সহকারকুসুম দ্বারা এবং সারিত হয়, দ্রুপ আমার নিকট হইতে এই সমস্ত দুষ্টচিত্ত কেতক, শতপত্র ও একুঞ্জরী দ্বারা হৰিৰ পূজা করিতে নীলোৎপলশ্যাম, পীতবাস, গদাধৰী, লক্ষ্মীসমন্বিত গরুরূট অচ্যুত প্রদান করিয়া, ফুপ, দীপ, মূল, নৈবেদ্য প্রভৃতি সর্ববিধ উপচারে হইয়াছি। আমি ত্রৈলােক গহন করতে সমর্থ, আমার সহিত সুচারুরূপে পরম ভক্তিসহকারে স্বীয় আত্মসমর্পণপূর্বক মানস- কে যুদ্ধ কষিতে আসিবে ? যে আসিষে, বিক্ষুব্ধ-কালানলে পতিত পুরীমধ্যে জগৎপতি হৱিৱ পূজা করিলেন। ১৬। অনন্তর শাভের আয় ঝটিতি মৃত্যুমুখে পতিত হইবে। এই আমার অনুবরাজ প্রাঙ্গ সেই দেৱগৃহে বসিয়া নানাবিধ বাহু উপাচার অগ্রবর্তী সুরগণ ও অনুগণ, ক্ষীণদৃষ্টিশক্তিব্যক্তিগণ যেমন অন্য সংগ্রহপূর্বক মানসিকপুর ক্রমানুসারে বাহ্য দ্বারা হরিয় পূজা জয় নিয়ােগ করিতে পারে না, সেইরূপ আর এই তেলােময়ী করিলেন। পূনপুত্র করিয়া তাহার সাভিতুভি হইত নিকােব করিতে সমর্থ হইতেছে না। আমি ঈশ্বর বিষ্ণুরূপ অবধি প্রাদ প্রতিদিন ঐরূপ পরমভক্তিসহকারে পরনের হরি - উপম-প্রণ। পূজা করিতে লাগিলেন। অনন্তর সেই দৈত্যপুরীখে নিখিল পর একলাদকে আর গর্ভস করিতে হইবে না। বন দৈত্যগণ ভয্য ও পরম বৈষ্ণব হইয়া উঠিল। রাজাই প্রজাবর্গের গুণহীন হইলে বিশ ও অনর্থক হইল বলিতে পারা যায়, আচার-ব্যবহারের কারণ হইয়া থাকেন অর্থাৎ রাজা বাহা করেন, গুণন ব্যক্তি গুণবান হওয়ায় কোন বৈসাদৃশ্য নাই, বরং প্রজাও ভহাই করিয়া থাকে। ১৭। হে আমিন নিওঁশঠির অণবা অভীষ্টসিদ্ধির কারণ হইয়া থাকে। হে রাম। দৈত্যগণ বিন্ধুর প্রতি যে পরিত্যাগ করিয়া বিভক্ত হইয়া অমরশ্রেষ্ঠগণ! তােমরা স্ব স্ব বিচিন্নলােকে গমন কর, এলা- উঠিয়াছে, এই সংবাদ ক্রমে দেলােক পর্যন্ত প্রচারিত হইল। ফের এই ৩বা তােমাদের কোনরূপ অসুখের কারণ হইৰে হে রাঘব। শত্রুগ্রভৃতি নিখিল-দেবগণ “দৈত্যগণ বিষ্ণুভক্ত না।” ১- বণিষ্ঠ কহিলেন—ভগবান হরি দেবগণকে এই হইল কিরূপে ?” এই ভাষিয়া সাতিশয় বিস্ময়াপন্ন হইলেন। বলিয়া, উস্থিত তমালতল, জলপতিত সুনীপগুচ্ছ যেমন বেগণ বিস্ময়াকুল হইয়া স্বর্গধাম পরিত্যাগপূর্বক ক্ষীরােদসাগরে তরঙ্গে লীন হইয়া যায়, সেইরূপ ক্ষীরােদতরঙ্গমালায় অঙ্গুহিত অনশয্যাশায়ী অসুরদলনকারী হরির নিকটে উপস্থিত হই হইলেন। দেবগণ হরিকে পুজা করিয়া অতলে গমন করি লেন। তথায় গিয়া দেবগণ এই দৈত্যন্ত তাঁহার নিকট লেন। বোধ হইল যেন আকাশ হতে সাগরে পতিত তেজঃ নিবেদন করিলেন। তখন বিস্ময়করব্যাপারশ্রবণকারী হরি অনন্ত- কণাসমূহ মন্থনকালে মরবিক্ষুব্ধ সাগর হইতে পুনর্বার আকাশে শয্যা হইতে উখিত হইয়া সমাসীন হইলে তাহারা জিজ্ঞাসা উখিত হইল। তদবধি দেবগণ একালের প্রতি বিদ্বেলুকি করিলেন। দেবগণ কহিলেন,-গ। যাহারা সর্বদাই আপ- পরিত্যাগ করিয়া তাহার প্রতি স্নেহ প্রদর্শন করিতে লাগিলেন। নার বিরােধ, সেই দৈত্যগণ এক্ষণে আপনার প্রতি ভক্ত ও ভব যে বিষয়ে মহলে উগে প্রাপ্ত বা আশঙ্কিত না হন, তাহাতে স্ময় হইল কেন? আমাদিগের বােধ হয়, ইহা কোনরূপ মায়া বালকের মনও বিশ্বস্ত , হইয়া থাকে, ইহা চিরপ্রসিদ্ধ। হইবে। ২১-২৫। যারা দ্বেষপরবশ হইয়া ভবভক্ত সেবমুনি- এদিকে প্রহাদ ভক্তিমান হইয়া কায়মনােবাক্যে দেবদেব গণের আবাসস্থলপৰ্যন্ত বিদলিত করে, কোথায় সেই দানবগুণ, জনার্দনের পুজা করিতে লাগিলেন। এইরূপে হরিপূজা আর তদ্ভিন্ন পুণ্যকর্মাদিগের পচাত্য জন্মলভ্য জনার্দনের প্রতি করিতে করিতে প্রকাদের বিবেক, আনন্দ, বৈরাগ্যসম্পদ প্রভৃতি ভক্তিই বা কোথায় ? ইহা বড়ই বিসদৃশ বোধ হইতেছে। গুণরাশি কালক্রমে বৃদ্ধি পাইতে লাগিল। ৬-১০। যেমন ভগবন! পামবাতি আজি সদগুণশালী হইল, এই কথা আজি শুককে কে অভিনন্দন করে না, তদ্রুপ তিনি ভােগরাশির আমাদের অকালকুসুমের ন্যায় সুখের কারণ হইতেছে, আবার অভিনন্দন করিতেন না, তুবােধ তাহা পরিত্যাগ করিনে। উদ্বেগের কারণ হইতেছে। কাচসমুহের মধ্যে মহামূল্য মণির জনাকীর্ণ ভুমি যেমন হরিণের অপ্রীতিকর বলিয়া হরিণ তথায় ন্যায় যে স্থান থাহ। উপযুক্ত হয় না, তাহা ত শােভা পায় না। যে থাকে না, তদ্রুপ প্রহ্লাদ অনুগণের প্রতি অপ্রীতি ও বিরাগ- ব্যক্তি যাদৃশ গুণসম্পন্ন, সে তদনুরূপেই অবস্থান করে। কুকুর সঞ্চার হওয়াতে তাহাদিগের সঙ্গ পরিত্যাগ করিয়াছিলেন। শাস্ত্রীয় ও ছাগ আবাবগত একরূপ হইলেও ছার মধ্যে মিলিত হইয়া আলাপ ব্যতীত অশাস্ত্রীয় লােকাচার তাহার একেবারেই ভাল কুকুরে কখনই ক্রীড়া করে না। এই বিসদৃশ-বস্থসম্মিলনে লাগিত না। জলকমলিনী যেমন স্থলে একেবারে খাকিতে পারে আমাদের যেরূপ কেন হইতেছে, অঙ্গে বসূচি বিদ্ধ হইলেও না, তদ্রুপ তিনি সামাজিক উৎসব-কৌতূকে একেবারেই যােগ দৃশ কেশ বােধ হয় না। যাহা যে স্থানে যথারীতি সম্পন্ন হইলে দিতেন না। যেমন নিলমুক্তায় মুক্তা সংশেষ প্রাপ্ত হয় না, যুক্তিযুক্ত হয়, তাহাই লােকের প্রশংসিত এবং তাহাই শােভা দ্রুপ তাহার চিত্ত বিষয়ভােগরূপ রােগের অনুকুল আচরণে পয়ে। জলজ জলেই শোভা পায়, স্থলে কদাচ তাহার শােভা একেবারেই সংশ্লিষ্ট হইত না। এদের চিত্ত তখন বিষয়ভােগের হয় না। নীচাচারসম্পন্ন, নীচকর্মরত, তামসপ্রকৃতি, অধম দানব- সঙ্গয় পরিত্যাগ করিয়াছিল বটে, কিন্তু সম্পূর্ণ বিশ্রান্তি প্রাপ্ত হয় জাতি কোথায়, আর কোথায় বিভক্তি। হে ঈশ। কমলিনী নাই, অৰ ঠিক যেন দেশবিরূঢ় হইয়াছিল অর্থাৎ বিষয়- কর্কশ উষরক্ষেত্ররূপ দুরাশ্রয়গত হইলে যেরূপ সুখের হয় না, জেগে রত ছিল না এবং সম্পূর্ণ ব্ৰহ্মভাবেও পরিণত হইতে পারে তপ “দৈত্য বিভক্ত হইয়াছে" এই কথা আমাদের মুখকর নাই। ভগবান বিষ্ণু জীলে মন্দিরে অবস্থান করিয়াই বিশুদ্ধ হইছে না। ২—৩৩। সত্ত্বাত্মিকা সবখামিল বু িয়া প্ৰাদেৱই অবস্থা অবগত পত্রিং সর্গ সমাপ্ত। ৩২। হইলেন। ১১-১৫। অনন্তর ভক্তজনের আলাদনকারী হরি রসাতলব দ্বারা প্রচ্ছদের সেই পূজাগৃহে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। দৈত্যপতি প্রহলাদ, ভগবনু আসিয়াছেন জানিতে ত্রয়ংিশ সর্গ। পারিকা যিশুভ উৎসাহের সহিত পরমসমাদরে সেই পুণ্ডরী- কাফের পূজা করিলেন। ভগবান্ হরি পূজাগৃহে প্রত্যক্ষমূর্তিতে বশিষ্ঠ কহিলেন, অনন্তর শস্তা মাধব (অনুচিত ব্যাপার অবস্থান করিয়া এলাদের পূজা গ্রহণ করিলেন। এক পর- সন্দর্শনে) সাতিশয় ক্রোধে উডীংকারপূর্বক রূপ জিজ্ঞাসা- তুষ্ট হইয়া হপরিপুষ্ট মখুরবাক্যে অভ্যাগত দেৰ হরির অব কারী দেশগণকে, কৈকারবারী ময়ূরবদের নিকট অলদের আয় করিতে লাগিলেন। প্রদান কহিন, যিনি ত্রিভূবনের সব গভীরগর্জনে বলিতে লাগিলেন, “হে বিবুধগণ! এখাদ ভক্তি- স্থানের সুরম্য কোষাগারস্বরূপ, যিনি সকলক না করিয়া মা হইয়া বলিয়া তােমর বিষণ ও না। শক্রমন থাকেন, যিনি অসহাদিগের সহায়, রণগতপালক, অবকাশ সমর্থ বছদের ঐ অই পাশ্চাত্য জন্ম ও যেক্ষের উপ ও জন্মবাতি সেই ঈ, হরি আমার আশ্রয়। সাহার শরীর- যুক্ত। বীজ যেমন আয় ছুরিত হয় ক ড্রপ ঐ মের কান্তি নীলকুল, নীলকান্তমণিৰ কাৰ নীল, হার - যােগণি-রামায়ণ প্রভা ভ্রমর, ক ও তিমিরের ন্যায় উজ্জ্বল শ্যাম। যিনি শার- লেন, সংসাৱৰি য়ী হরি আমাকে বলিয়া গেলেন যে, “তুমি বিচার নীয় বিমল সুনীল আকাশের ন্যায় নীলবর্ণ ও স্বচ্ছ আমি সেই পরাণ হও” অতএব আমি এণে আত্মবিচার করিতে থাকি। শখ-চক্র-গ পদ্ধধারী হরিকে আশ্রয় করি। ১৬২০। বিৰিঞ্চি এই যে আমি জগন্মগুনে অবস্থান করিয়া বলিতেছি, ইতেছি, রূপী ভ্রমর আঁধার নাতিপদ্মে বেদধ্বনিচ্ছলে গুঞ্জন করিতেছে। বিষভােগ করিতেছি, অবস্থান করিতেছি, এই আমি কে?এই যে যাহার শখ বেপঙ্কজকোরকের ন্যায় অভ্র ও সুন্দর, আমি অলি- বক্ষপাষাণতৃণসমষিত বা জগৎ, ইহাও ত আমি নহি, তবে আমি কুলের ন্যায় কোমলশৱীর স্বীয় হৃদস্বস্থিত সেই নিৰ্ম্মল হরিকে কে? এই যে প্রাণবায়ু দ্বারা ক্ষণকালের অন্য সঞ্চালিত ও আশ্রয় করি। যাহার • শুভ্রবর্ণনখপঙিক তারকারাজির স্থায় কামধ্যেই বিনাশীমুক এনিত্যদেহ উৎপন্ন হইয়াছে, ইহাও আমি উ, মন্দাকিরণে সঁহার আন সৰ্ব্বদা পূর্ণশশধরের ন্যায় নছি , কারণ, ইহা অচেন, আমি চেতন। ৬-১০। জড় কবির শুভ, হার বক্ষস্থলে শােভমান কৌভমণির মরীচিমালা দ্বারা কল্পিত, শুষ হইতে উৎপন্ন, ক্ষণকালমধ্যে বিনাশী, শুঙ্গাকৃতি মন্দাকিনীর ন্যায় শুভ্রবর্ণ, সেই হরিরূপী বিস্তৃত শাৰদাকাশ শব্দও আমি নহি, কারণ, তাহাও অচেন। যাহা বিনাণী, ক আমার শাশয়। যিনি নি এর সৃষ্টি করিতেছেন ও আপনাতেই দ্বারা কখন লভ্য হয়, কখনও বা হয় না, চিতির প্রসাদেই যাহার সৃষ্টির শয় করিতেছেন, যাহার জন্ম ও বুদ্ধিআদি কোন বিকারই স্বরূপের উপলব্ধি হয়, সেই অচেতন স্পর্শও আমি নহি। অনিত্য নাই, অথচ যিনি বিশালদেহ, যিনি মায়িক সরকান্তমােণ চঞ্চল সনেত্রি যারা বাহার স্বরূপ অবগত হওয়া যায়, জিহবা সস্তৃত অনন্ত গুণরাণি দ্বারা সুন্দরদেহ ধারণ করিয়া থাকেন, হইতে কণ্ঠ পৰ্যমাত্র বাহার গতিবিধি, সেই ব্যনিষ্ঠ অচেতন ( প্রলয়কালে টপত্রণাৰী অৰ্ভৰূপী সেই হরিকে আমি আশ্রয় রসও আমি নহি। অবিনাশী কেবল দৃণ ও গর্শনেন্দ্রিয়ের সহিত করি। যাহার উদরপ্রদেশ নব-প্রস্ফুটিত নাভিকমলের পরাগ- বাহার সম্বন্ধ বা সত্তা, উপভােগ উৎপাদন করিয়া বাহা একমাত্র পুজে গৌরবর্ণ, উলকান্তিশালিনী লক্ষ্মীদেবী বাহার বামভাগ দ্রষ্টাতেই উপক্ষীণ হয়, আমি সেই অচেতন রূপও নহি। অঙ্কের অলত করিতেছেন, যিনি সন্ধ্যারাপের ন্যায় অরুণবর্ণ অঙ্গরগে ন্যায় জড় অর্থাৎ অপ্রকাশ ক্ষয়শীল গ্লাণেন্দ্রিয় দ্বারা যাহা পরি- রঞ্জিত, আমি কনকোজলবসনপরিহিত সেই হরির আশ্রয় গ্রহণ করিত হইয়া থাকে, যাহার আকারে কোলকাল স্থিরনিয়ম নাই, করিতেছি। যিনি নিখিল-দৈরূপ কমলকাননের পক্ষে আর (কালে অনুরূপ হয় বলিয়া, সেই কোমলস্বরূপ অচেন গন্ধও পাতস্বরূপ, দেবগণরূপ পদধনের পক্ষে যিনি সূর্যমণ্ডল, ব্রহ্মার আমি নহি। ১১-১৫। আমাতে পঞ্চেন্দ্ৰিয়ম নাই, আমি অধিষ্ঠিত পদ্ধিনীর পক্ষে বিমি ভড়া, আমি জংপদ্মপায়ী বিভু ভাগকল্পনাবিবর্জিত, মননশূন্য, নিৰ্ম্মল, শান্ত, বিশুদ্ধ চেম্বরূপ। সেই হরিকে আশ্রয় করি। যিনি ত্রিভুবনরূপিণী নলিনীর আমি চেতহীন চিন্মত্র, আমি বা-আভ্যন্তর সস্থানব্যাপী একমাত্র নলিনম্বরূপ, বিনি মােস্কৃতিমিরনশের উজ্জ্বল দীপরূপ, বিভাগ নির্মল সৎস্বরূপ, এই আমিই সকল বস্তুর অবভাসক। আমি নিখিল-গগঞ্জে অৰ্তিহারী, অতিপ্রকাশ, চিন্ময়, অজড়, চেতনম্বরূপী এই আমিই দীপবৎ সূৰ্য্যদেব হইতে আরম্ভ করিয়া আত্মতরূপ সেই হরিকে আশ্রয় করি। বশিষ্ঠ কহিলেন, ঘটপটাদি নিখিল পদার্থের প্রকাশ করিতেছি। এতক্ষণে এই এইরূপ গুণবহুল লুতিবাক্যে অর্জিত হইয়া লক্ষ্মী-সমালিজিত নিখিল বিষয় আমার স্মৃতিপৰে উদিত হইল,, আমিই আকা- কুবলয়দলনীল অনুরবিনাশী হরি সন্তুষ্ট হইয়া, ময়ুবের নিকট শাদি বিকল, চিৎম্বরূপ, প্রকাশস্বরূপ, সৰ্ব্বগামী আত্মা। অন্তঃ- অলদের স্থায়, গম্ভীরগরে প্রতচিত্ত-দৈত্যপতিকে কহিতে প্রকাশিত ভেজপুজে লন্ত অঙ্গারকণা যেমন প্রকাশ পায়, তদ্রুপ লাগিলেন। ২১২৭। এই আত্মরূপী আমা দ্বারাই এই বিচিত্র ইলিয়বৃত্তিসকল স্কুরিত অভিংস সর্গ সমাপ্ত।৩৩। হইতেছে। ১৫-২০। সর্বগামী দারুণ নিয়ে মরুভূমিতে যেরূপ মরীচিকার দূরণ হয়, বিচিত্র ইন্দ্রিয়বৃত্তিসকলও অদ্রুপ আত্মায় স্কুরিত হইতেছে। যেমন অন্ধকার দীপসাহায্যে বন্ত্রের শুক্লাদি গুণ চতুব্রিংসর্গ। জানিতে পারা যায় ( কোন্ খানি সাদা, কোন খানি কল, চিনিতে ভগবান বলিলেন,-“হে গুণনি। হে দৈত্যলের চুড়াস্থিত পারা যায় )দ্রুপ এই আত্মাতেই নিখিল পদার্থের বস্তত্ব প্রতিপন্ন মহামণি প্রকলাদ।হাতে তােমাকে আর আশে পাতে না হয়। দর্পণ যেমন নিখিল বন্ধুর প্রতিবিম্বের বিশ্রামস্থান, প হয়, ঈদৃশ অমিত গ্রহণ কর। প্রহলাদ কহিলেন, হে সফলের এই আত্মাই নিখিল জগৎপদার্থের অনুভব ও পরমবিশ্রান্তির সঙ্কসফলপ্রদ। হৈ সর্বান্তৰ্যামি! হে বিতাে। খং আপনি বুল। চিন, দীপরূপী, বিবিজিত, একমাত্র এই আত্মার উত্তম বিবেচনা করেন, আমাকে হাই আদেশ করুন।, ভগবান আগ্রহেই সূৰ্য্য উষ্ণ, চন্দ্র শীল, পর্বত কঠিন ও জল ভ্রবধী কছিলন, হে কাৰ। যতদিন তােমার ব্রহ্মপদে বিশ্রান্তিলত না হইয়াছে। আকাশ হইতে বায়ু, বায়ু হইতে অখি, অগ্নি হইতে হয়, ততদিন তুমি সর্বপ্রকার অনর্থ-উপশমের নিমিত্ত এবং অল ইভদিত্ৰমে ব্যবস্থিত এতক্ষসিদ্ধ এই নিখিল জাগতিক নিরতিশয় আনলাভের ৪ বিচার কর্মিতে থাক। মণিষ্ঠ কহি. পদার্থের একমাত্র আত্মাই এর কারণ; এই আত্ম সংখরুল লেন, বিষ্ণু এই কথা বলিয়া গলেখিত অঙ্গ যেমন এখনি নিখিল কাৰ্য ব্যাপিয়া রহিয়াছেন। কিন্তু এই আত্মার কোন করিয়া আবার সাগরেই নিলীন হয়, সেইরূপ সেই স্থানেই কারণ নাই। ২১-২৫। যেমন প্রচণ্ড-তপনতাপেই মহী প্রভৃতি অহিত হইলেন। বিষ্ণু এহিত হইলে মানবরা প্রহলাদ ভাবা হচ্ছেপ এই আ খাই অনুভূয়মান এই নিখিল পূজা শেষ করিয়া তাহার উদ্দেশে মণিয়সমন্বিত পূষ্পজলি প্রদান- পপদার্থপাচ্য হইয়া থাকে। যেমন হিম হইতে শৈত্য উৎ- পূর্বক আসনে উপবেশন করিলেন। ১৫। বদ্ধপদ্মাসনে সম পন্ন হয়, তদ্রুপ, বহু কারণ না হইলেও অৰিষ্কাৰণ, কারণভূত সীন হয় তিনি পাঠ করত মনে মনে চিন্তা করিতে লাগি ৰহ্মাদি নিখিল কার কারণস্বরূপ এই প্রত্যরূপ হইলেই T উপ-প্রকরণ। । এই জগৎ উৎপন্ন হয়। সৃষ্টিসংহাৱাদির কারণভূত ব্রহ্মা, বিষ্ণু, না, ড্রপ প্রবন্ধ লিকেই আমি ইরূপে মাপা রুদ্র প্রভৃতির জগদ্যবস্থাবিষয়ে এই প্রত্যকৃরূপী আত্মাই আদি জমে প্রাপ্ত এই নিখিল ত্রিলােকী পালন করিয়া থাকি। আমিই কারণ, ইনি নিজে কারণবর্জিত। আমিই চিং, চেত্য, দ্রষ্টা, দৃশ্য স্ত্রী, আমিই পুরুষ, আমিই বালক, আমিই বৃদ্ধ, আমিই বিশ্বসুখ প্রভৃতি নামবিহীন, নিত্য, স্বয়ংপ্রকাশ ঐ আত্মা, অতএব আমাকে এবং আমিই দে থারণ কৰি বলিয় জাত। জীর্ণকুপের অভ্যন্ত আমি নমস্কার করি। ভূতের নিকিল এই চিৎস্বরূপ আত্মায় দেশে সসতানিবন্ধন যেমন তৃণলতাদি উৎপন্ন হয়, দ্রুপ আমিই নিখিল ভূত গুণীভূত হইয়া অবস্থান কৰূিতেছে ও ইহাতেই প্রবেশ রসপে তৃণলতালির মধ্যে বিদ্যমান থাকিয়া সরসনিবন্ধন চিভূমি করিতেছে। ২৬৩। এই চেজ আত্ম অন্তর্যামী (মন) হইতে তৃণাদি উৎপন্ন করিয়া থাকি। যেমন ক্রীড়ননিৰ্মাণপটু হইয়া যাহা সঙ্কল করেন, সর্বত্র তাহা তাহাই হইয়া থাকে, তাহার বালক আনার ক্রীড়ার নিমিত্ত কর্দম অল্প বিবিধ ক্রীড়নকদ্রব্য অখা নাই। চিতি স্বীয় সত্তা প্রদান করিয়া যে কোন বিষয়কে নির্মাণ করে, তদ্রুপ আমি নিজক্রীড়ার নিমিত্ত বিস্তৃত সুন্দর জগৎ- উজ্জীবিত করে, তাহা তৎক্ষণাৎ নিজ পদ প্রাপ্ত হয় অর্থাৎ সৎ নির্মাণরূপ এক আড়স্বয় করিয়াছি। আমি কারণস্বরূপে এই জগৎ হইয়া যায়। তাহাতে উক্ত চিতির সত্তা নাই, তাহা সৎ হইলেও ব্যাপিয়া আছি, আমার ব্যাপ্তিতেই এই জগৎ সত্তা প্রাপ্ত হই- অসৎ হইয়া যায়। বৃহৎ দর্পণরূপী এই ব্রহ্মাকাশে কত শত জগৎ তেছে। এই জগৎ সৎ হইলেও আমি পরিত্যাগ করিলে উহা সম্বন্ধীয় ঘটপটীকৃতি পদার্থ প্রতিবিম্বিত হইতেছে। প্রতিবিম্বিত কিছুই নহে। ৪৬–৫। বিশাল চিৰ্পণরূপী আমাতে যাহা সূৰ্য্য যেমন স্বকীয় আধারভূত পদার্থের ক্ষয়ে ক্ষয় ও বৃদ্ধিতে বৃদ্ধি প্রতিবিম্বিত হইতেছে, তাহাই এক্স আছে, তদ্ভিন্ন অপর কিছুই মা হয়; তদ্রুপ এই আত্ম-প্রতিবিম্ব আধারপদার্থের (সঙ্কত্মিকা নাই, কারণ, মদির কোন পদার্থই নাই। আমি কুষমে সৌরভ, বুদ্ধির) ক্ষয়ে ক্ষয়বিকারবিশিষ্ট ও তাহায় বসিতে বৃদ্ধিবিকারবিশিষ্ট পুষ্পপত্রে কান্তি, কান্তিতে রূপ ও রূপে অনুভব হইয়া অবস্থান হইয়া থাকে। এই বিশ্বসৃত আত্মা সূৰ্যপ্রতিবিম্বের স্থায় সং বা করিতেছি। এই যে স্থাবর-জম জগৎ বলিয়া ফুহা কিছু ধূ অসৎ। এই অতি নির্মূল পরমাকাশ নিখিল অক্তদিগের অগ, দেখা যাইতেছে, এই সমুদয়ই সর্বপ্রকার সকশূন্য পরমচৈতন্যরূপ যাহারা বিগলিতচিত্ত, তাহাদিগেরই প্রাপ্য। সাধুগণই এই নিৰ্ম্মল আমি। যাহা দ্বারা সরােবর নদী প্রভৃতি জলমহ বিস্তৃত হইয়া পৱকাশ দৃষ্টিগাের করিয়া থাকেন। ৩১-৩৫। কারণীভূত | প্রবাহিত হইতেছে, সেই রসময়ী প্রথম শক্তি অলরূপে শতা এই পরকাশরূপ বৃক্ষ হইতেই লােকব্যবহাররূপ-ভ্ৰমশালিনী প্রভৃতিতে তাদের আয়ােৎপাদনকারণ হইয়া যেরুপে বিস্তৃতি এই বিবিধ দৃশ্যপদার্থরূপিণী মঞ্জরী উৎপন্ন হইতেছে। যেমন লাভ করিয়াছে, আমিও এক হইয়াও'ড্রপ অখিল জীৰে বিস্তৃতি পৰ্বত হইতে বিচিত্র তরু-গুপূর্ণ বনরাজি উদ্ভূত হয়, তদ্রুপ এই লাভ করিয়াছি। আমি নিখিল পদা েউক্তরূপ অপু অৰ- আত্মকাণ হইতেই এই চলম্বভাব সংসার উৎপন্ন হইয়া থাকে। স্থানশক্তি প্রাপ্ত হইয়া আপন ইচ্ছাতেই চিল্পিরৈচিত্র প্রকটন প্রকাশভাব ঐ চিদাত্মা, ব্রহ্ম হইতে তৃণ পৰ্যন্ত ত্রৈলােক্যমধাবী করিতেছি।৫১-৫৫ যেমন দুঞ্জে ধ্বতশক্তি ও জলে সশক্তি বিল- যাবতীয় পদার্থ হইতে অবিভিন্ন অর্থ সমই ঐ চিন্ময় আত্ম। মান, আমিও তদ্রুপ নিখিলপদার্থে চিতিশক্তিরূপে বিদ্যমান আছি। আমি অনাদি, অনন্ত, সর্বগামী, ঐ চিন্ময় আত্মা, আমি আপ- | ভূত, ভবিষ্যৎ, বর্তমান-কালয়ে অবস্থিত এই জগৎ, ভূমির নার জ্ঞানসরুপে নিখিল চরাচরভূতবর্গের অন্তরে অবস্থিত। সেই। সামান্য একাংশে তৃণকাষ্ঠাদি যতজাক্সে স্যায় চিৎস্বরূপ আমার চিদাম্বরূপ আমারই এই স্থাজলমাত্মক বহুশরীর। এই| একাংশে আমাতে অবস্থান করিতেছে, বাস্তবিক এই গতে শরীর পরিসমাদিবিহীন অর্থাৎ পরিমাণে উৎ। যে কত, তাহার চেতভাব নাই অর্থাৎ এই অগং চেত্য নহে ইহা জড়। আমি ইয়ত্তা করা যায় না, কোন সময়ে যে ইহা হইয়াছে এবং সমস্ত দিকুক্ষি পূর্ণ করিয়া সঙ্কোচাব পরিহারপুর্বক সর্বপদার্থে কতকাল থাকিবে, তাহার ইয়ত্তা নাই, ইহা কতদূর্বব্যাপী, অস্থিত, সৃষ্টিকর্তা কিই (অপর রাজাপেক্ষ বিশিষ্টপে শােন) তাহাও বলা যায় না। ৩৬-৪•। এই আত্মা স্বীয় অনুভুতিবলে সম্রাট (নিখিল রাজগণের আগ্রহী হইয়া অবস্থান করি- সই স্বপ্রকাশ অনুভূতিস্বরূপ , সকলের দৃষ্টি, নিখিল ভ্রষ্টা ও লেছি। আমার ইকে বন করিতে হইল না, শস্ত্র যারা অন্যান্য সমগ্র দূস্বৰূপ বলিয়া এই আত্মা সহস্রবাহু, সহলােচন অর্থাৎ অমরকে বিললিত করিতে হইল না, কাহারও নিকট প্রার্থনাও সকলের আত্মাই বন এক, তখন সকলের বাহুতে সহস্র করিতে হইল না, আমি অনায়াসে এই শােল জগৎরাজ্য প্রাপ্ত বাহু ও সকলের লেচিনে সহলােচন। এই প্রত্যক্ষ ঈররূপ হইলাম, আমার নােধ হ, এরূপ কে কখন প্রাপ্ত হয় নাই। আমি মনােহর সূৰ্যদেহ থারণ রিয়া আকাশে বিহুৰণ করিতেছি কি আশ্চর্য! আমি সুবিস্তৃত আত্মা হইয়াছি, প্রণয়নে বিধু- এবং বায়ুদে ধারণপূর্বক বায়ু হইয়া প্রমান হইতেছি। শ- নিত আৰ্ণৰ যেমনৰীয় আধারে স্থান পায় না, সমস্ত জগঞ্জে সহিত চক্রগদাধারী আমার এই সুনীল ৰ সমগ্ৰ সৌভাগ্যের চরম একাবাকা বার করে, জ্ঞাপ আমি আপনার আত্মাতে স্থান সীমায় উপনীত হইয়াছে। আমি এই জগতে সর্বোপরি স্পর্ধা প্রাপ্ত হইতেছি না, অপরিমিত হইয়া পড়িয়াছি। ৫৬-৬০। প করিতেছি। আমি এই জগতে আবির্ভূত হইয়া সর্বদা পদ্মাসনে যেমন জীৱসাগৰ নিপতিত হইলে তাহার আর অন্ত পায় না, অবস্থান করুত নির্বিক-সমাধিতে মগ্ন হওয়াতে পরম সুখ প্রাপ্ত সর্পের ব্যয় তাহাতে জসিতে কে, আমিও ড্রপ বই হইয়াছি। আমিই তিলােসনসহ ধারণ করিয়া শোরীর আৰু নিরতিশয় আনময় আরুপে আস্বাদ্যমান আপন আতে পদ্মের ভরূপে বিচরণ করি এবং কুর্মের স্বাদৰ হস্তপদবি) ভাসমান হইতেছি, ইহার অন্ত পাইতেছি না। অনামক এই সঙ্কোচনের ব্যয় সৃবিসানে এই সমস্ত অংকে আপনাতে ব্রহ্ম(বন্ধ) অতি ক্ষুদ্র ও অতি সকা। বিগ যেমন সঙ্কোচ(সংহার) কবি অবস্থান করি। ৪১-৪৫। অপী তাহার স্বীয় অঙ্গস খান « হয় , জ্ঞপ আমার এই যেমন স্বীয় ক্ষুদ্র মঠ সংরক্ষণ করিতে কােন আয়াস বা যত্ন করে বিস্তৃত মীর এই কুঠ স্থান পাইছে। আমার রূপ, এই ।
যােবামায়ণ । । (ব্রহ্মাণ্ডৰূপ) বিৱিথিগৃহের পরে এবং চতুর্বিংশতি বা ঘট- কোথায় দগ্ধ মরুভূমি কোথায় এই শগুণযুক্ত বােধ, ব্রিৎসংখ্যক (১) অরেও অন্তে পদক্ষেপ করত প্রসারিত আর কোথায় ভােগের আয়নীভূত দেহাদিতে আত্মবুজি? ( বিস্তার প্রাপ্ত হইয়া চলিয়াছে, কিন্তু অদ্যাপি এত্যাবর্তন করি- ৭৬। রাজ্য প্রাপ্ত হইয়াও যাহার পাইবার এ অভিলাষ নাে। এ যাবৎ কার্ষিও এই আমার দেহাদি” ইত্যাকার এমন কোন সুখই ব্রিজগতে বিদ্যমান নাই, চিৎ-কে উৎস- ভিত্তিহীন কানা কেন ছিল। আমার আকুতি যখন বাস্তবিকই হয়ই মহিয়াছে, তবে কেন তাহা লােকে অনুভব করিয়া নেবে না ? সীমা নাই, তখন আমার ঈশ সঙ্কোচ সমুচিত নহে। “এই সর্বত্র সমভাবে স্থিত, নির্বিকার, স্বস্থ, সময়, একমাত্র চিতে আপনি” “এই আমি” ইহা মিখ্যা ভ্রান্তি। দেং কি? অদেহ দ্বারাই তৎসমূদয় মুখ ও মুখসাধন সম্যকরূপে লাভ করা যায়। কি? মৃত্যুই বা কে? জীবিতই বা কে? ( বাৰিক এ সমূদয় যেহেতু ভেজে একালিকা শক্তি চক্রের অফলাদিনী শক্তি, কিছুই নহে)। ৬১–৬৫। আঁহারা এমন সাম্রাজ্য পরিত্যাখ ব্রহ্মার সর্বোৎকৃষ্ট মান্যতা, ইন্দ্রের ভিলােকীরাজ, মহাদেবের করিয়া সংসার-ভূমিতে আসক্ত ছিলেন, মণীয় সেই পিতামহগণ পরম-পূর্ণাভাব, বিষ্ণুর জয়লক্ষ্মী, মনের শীঘ্রগামিতা বায়ুর বেগ, অতি দীন ও ক্ষুদ্র-বুদ্ধি ছিলেন। কোথায় পূর্ণব্রহ্মরূপিণ এই পূর্ণ অগ্নির দাহক, জলের রসবা,ভৃগুমূখ মুনিগণের মহাপঃ মহতী দৃষ্টি আর কোথায় গর্গ ভীষণ আশালে অঙ্কর সিদ্ধি, বৃহস্পত্তি বিদ্যা, বিমানের আকাশগতি, পর্বতের ৰ্য্যৈ, রাজ্যসম্পদ? (হৃদৃষ্টি নিকট রাজ্যসম্পদ অতি তুচ্ছ)। অসীম- সমূদ্রের গাতী, সুমেয়র মহৌষত, সুগতদেবের শূন্যতারূপ আনন্দ-ভােগপূর্ণ, পরমশক্তিশালিনী এই বিশুদ্ধ চিন্ময়ী দৃষ্টি নিখিল-উপদ্রব-শান্তি, মদিরার মাদক, বসন্তের পুষ্পসত্তার- নিখিল দৃষ্টির মধ্যে পরম উৎকর্ষলাভ করিয়াছে। আমি নিখিল শােভিত্ব, বর্ষার জলধ্বনি, যক্ষের মায়াময়ত্ব, আকাশের নিককত্ব ভাবের অন্তঃস্থিত চেত্যবিমুক্ত চিত্মা, আমি প্রভৰুচেলরূপী, (নির্লেপ), শীতে শৈত্য ও নিদাষের অপব, এই সমুদয় এবং আমাকে বাশির নমস্কার আমি এই সংসারে ভুক্তবস্তুর পরি- অপরাপর বহুবিধ দেশ-কাল-ক্রিয়ারূপিণ, বিবিধ-আকুতি-বিরুতি পাবৎ জীর্ণ করিয়া ফেলিয়াছি, আমি একাণে অবিবর্জিত সম্পন্ন ভূত, ভবিষ্যৎ ও'বর্তমান কালয়ের অভ্যন্তরবর্তী, বিচিত্র হইয়াছি, অতএব আমারই জয়। আমি প্রাপ্তব নিখিল সুখ প্রাপ্ত শক্তিসমূহ, বাস্তবিকারশূন্য স্বস্থ সম চিতিরই উক্ত শক্তিসমূহে হওয়াতে জীবন সফল করিতেছি এবং সর্বাপেক্ষা উৎকর্ম লাভ কাৰ্যানুসন্ধান-সঙ্কলে উৎপাদিত হইতেছে ।৮১-৯০ বিকষিহীন কজিতেছি ৬৮৭। আমি এই শাশ্বত-বােণরূপ উত্তম সাম্রাজ্য সর্বময়ী চিৎ, প্রভাকরের করপ্রভার ন্যায় নিখিল পদার্থে সমভাবে ভাগ করিয়া দুঃখময় অন্য রাজ্যসম্পদে আর আসক্ত হইতেছি পতিত হইতেছেন অর্থাৎ চিতির কোন বিকল্প না থাকিলেও চিত- , আত্মরক্ষার্থ যুহাতে কাষ্ঠ দ্বারা বনদুর্গ, জল আর জলদুর্গ ও বৃত্তিগত বিকল্পবৈচিত্র্য আসিয়া উহাতে লিপ্ত হইয়া থাকে, ফল পৰ্বত দ্বারা গিরিদুর্গ নির্মাণ করিতে হয়, সেই ধরাতলের আধি- তিনি সর্বত্র একরূপ। সূর্যের কিরণ যেমন পুরুষে পতিত হও পত্য পাইয়া যে চঞ্চল হইয়া উঠে, সেই অনাত্ম কুৎসিত যাতে পুরুষাকৃতি ও ধুতে পড়িয়া স্থাণুর স্যায় আকৃতি ধারণ করে, মানবরূপী কীটকে ধিক্। মণীয় অজ্ঞ পিতা হিরণ্যকশিপু অবিদ্যার ড্রপ চিতিও চিরুতিগত বৈচিত্র্যে আকারবৈচিত্র প্রাপ্ত হন। সহিত একাত্মতা-প্রাপ্ত, অপানাদি দ্বারা বর্জিত, অবিদ্যাময়, নিজ নিৰ্মলা চিৎ, বিপুল পদার্থসমূহকে যাহাতে ক্ষণকালমথ্যে স- শরীরকে পরিতৃপ্ত করিয়া কি করিলেন। তিনি কতিপয় বর্ষ দিলে গিয়া বিশ্রাম প্রাপ্ত ও ভূত, ভবিষ্যৎ বর্তমান কালয়ের এই ত্রৈলােক্যরূপ বহিঃ-সৌন্দর্য্যশালী মঠ প্রাপ্ত হইয়া (ত্রৈলাে- বিভাগে কল্পিত করিয়া প্রকাশিত করিতে পারেন, তন্ময়ভাবপ্রাপ্ত ক্যের অধিপতি হইয়া)(কপৰংশে জন্মগ্রহণের) অনুরূপ কি হইয়া, সমস্ত সাররূপ ? অবস্থাকে সেইরূপে ( সিও) (পুরুষার্থ)সাধন করিলেন। এই পরমানা আদান না করিতে কালয়ে অবস্থাপিত করত চেত্য করিয়া থাকেন। ফলতঃ একমাত্র পারিলে শত শত ত্রৈলােক্যরাজ্যভােগ আবাদন করিলেও কিছুই অখণ্ড বিশুদ্ধ চিৎই আপনা হইতে অভিন্ন কালের প্রামর্শে আস্বাদন করা হয় না ৭১-৭৫। যিনি এই পরমানন্দ আস্বাদন কল্পনাবিচারে কল্পিত উক্ত কাল হইতেও প্রত্যক্ষ, অনুমিতি করিয়াছেন, তাঁহার নিকট অঙ্গ আনন্দ কিছুই নহে। যিনি এই উপমিতি প্রভৃতি অনন্ত প্রমাণ মারা মেয় পুরুষ হইতে যেন জি নারূপ পরমৃত আধ্যান করিয়াছেন, তাহার অন্তর এ হইয়া প্রতিভাত হইয়া কেন। কাগ-পরামর্শেই টিভির বিবিধ আনন্দে পূর্ণ হইয়াছে, তিনি নিখিল বিষয় পূর্ণরূপে প্রাপ্ত হইয়া সৃষ্টি হইয়া থাকে, বস্তুত চিতির একমাত্র পূর্ণ ভিন্ন অবশিষ্ট ছেন। মুখ ব্যক্তিই অপরিমেয় এই পরমানন্দপদ পরিত্যাগ কষিয়া আর কিছুই নাই। ঐ পূর্ণতাই (অখণ্ডত) সমতা। ১১-১৫। পরিমিত অপর তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ধাবিত হয়, পণ্ডিতেরা সেদিকে যেমন মধুররস বা তিক্তরস পদার্থ যুগপৎ আস্বাদন করিলে ধাবিত হন না। উই শােভনলগ পরিত্যাগ করিয়া কন্টকভােজনে আস্বাল্য বিষয় দুইটা হইলেও আস্বাদ-অনুভব একটি, তেমনি লােপ হয়, অন্য কে নহে। এই পরষা ফুষ্টি পরিত্যাগ করিয়া কে বিষয়াদি নানবিধ হইলেও চিং নানা প্রকার মহে একই। এই দগ্ধ (পােড়া) রাজভােগে আসক্ত হইবে। কোন বুদ্ধিমান ব্যক্তি ঘটপটাদি বিচিত্র পদার্থসমুল, পরস্পরের ব্যাবর্তক ভেলস ইফুস পরিত্যাগ করিয়া কই বিষ পান করিবে? মদীয় সর্ববিধভাবে অনুগামী অদ্বৈত সত্তারূপ চিতি যারা ফুল পূৰ্বপিমহগণ মূৰ্থ ছিলেন সুন্দহ নাই, কারণ, তাঁহারা এই অনুভূত হইলে একরূপই অনুভূত হইবে। অনুবের বৈৰ পর দৃষ্টি পরিত্যাগ করিয়া (দুখময়। এই রাজ্যসটেই কিছুই নাই , সুতরাং চিত্তিয়ও বৈষম্যের কোন কারণ নাই। আসক্ত ছিলেন। কোথায় কুনুবিকাশতী নন্দনকানন, আর শুৰিক চিতির লে নাই, ভেদ যাহা কিছু সঙ্কজিভ ইভেন- সঙ্কল ত্যাগ করিতে হইলে প্রথম উপদে ও আচিাৰ (১) সাংখ-বৈকামিমতে ত্ব চবিংশতি একার, শৈৰ আৰক; কারণ, তারা সমূহের যৰিক পতাকা হা পানিতে ছত্রিশ প্রকার। চিতে দৃঢ় হইলে চিত্ত শেক মোহগ্রস্ত হইবে না। গুগল। * www-- উপশম-প্রকরণ। গ্রহণ ও আত্মবিচারের পর চিত্তে সমূদয় দৃষ্ণ প্রাের্থিত (বিলুপ্ত) রূপে অবস্থিত, মেঘাবরণ পূর্ণচন্দ্রমণ্ডলের ন্যায় গলার হইয়া গেলে চিত্ত অদ্বৈত সৎ আনন্দস্বরূপ আত্মাকে দর্শন করিয়া শূন্য, অপ্রকাশ, স্বাধীন, আনন্দরূপ, স্বকীয় রূপকে নমস্কার বিষয়ানুরাগাদি অ কালুষ ভাগ করে। এইরূপে চিং অতীত করি। ১৯৯—১৯৫। দূরে বাসনাবন্ধনশূন্য হইয়া বর্তমান দুতর প্রতি উপেক্ষা করিলে চতুঝিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩৪। দৃশ্যসমূহের আধার কালয়ের প্রতি আর ঠাহার দৃষ্টি থাকিবে , সুতরাং ভবিষ্যতে দৃশ্যের সহিত উহার সম্বন্ধ থাকিবার আর সম্ভবনা নাই। তখন সর্বত্র সমভাবাপন্ন একমাত্র চিতিই পরিশিষ্ট পত্রিংশ সর্গ। থাকিবে, ভেদসঙ্কল্পও হাতেই পরিত্যাজ্য হইবে। ১৬-১০০। চিতি, বাক্যের অগােচর বলিয়া ভেদফঙ্গী ভ্রাদিগের নিকট প্রফাদ কহিলেন,-এই জগতে যাহা কিছু আছে, অe. যেন একেবারে অসৎ হইয়া যান, সত্যই তিনি তাহাদের সিদ্ধান্তে সমস্তই স্বরূপ নির্বিকার আত্ম। এই চৈতন্যরূপ আত্মা অস্তিত্বহীন হইয়া পড়েন। ফলত তিনি সৎ, তঁাহার অসত্তা অস্থি-মেদ-মাংস-মজ্জালিরও অতীত্ব অর্থাৎ মাত্র দেহপরিমিত কোনরূপেই সম্ভব না। সৎস্বরূপ ঐ চিতিকে (শাস্ত্রীয় ব্য- নহে, এই আত্মা সূৰ্যাদির অন্তরে থাকিয়াও দীপের আয় হারে) আত্মা ও ব্রহ্ম বলা হয়, বস্তুঃ (অবামনস-গােচর সূৰ্যাদির প্রকাশ করিতেছেন। ইনি আর্গনার সমালেই দহকে বলিয়া) ইনি কিছুই নহেন (শুন্যস্বরূপ) অথবা সৰ্বশ্বরূপ। যখন উষ্ণ করিতেছেন, জলকে দ্রবময় করিতেছেন এবং রাজার রাজ- দৃণমূহের একেবারে উপশম হইয়া যায়, তখন সর্বত্র বিদ্যমান লেগের ন্যায় ইন্দ্রিয়গ্রামের অনুভব (স্পর্শাদি বিষয় আপনিই যে এক সমতা—তাহাই মােক্ষনামে অভিহিত হয়। এই চিৎ সম্পন্ন করাইয়) ভােগ করিতেছেন। ইনি স্থিতিশীল হইলেও যখন সল্পকর্তৃক আক্রান্ত হন, তখন প্রকাশশক্তির হ্রাস হওয়াতে | (নিষ্ক্রিয় হইলেও) স্থিতিশীল নহেন। (থাবনাদি ব্যবহার ইনি তিমিরনােগাকুলিত দৃষ্টির ন্যায় এই জগৎকে পরমার্থ- সং | ইহার আছে,) গতিশীল হইলেও গতিশীল নহেন, নিশ্চেষ্ট চৈতন্য) রূপে দর্শন করিতে সমর্থ হন না, অন্যথা দর্শন করিয়া! হইলেও সর্বপ্রকার চেষ্টপির , কাৰ্য্যকারীহইলেও এই আত্মা থাকেন। চিতি ইষ্টানিষ্ট-সমবাপ মল দ্বারা বিলুপ্ত হইলে, আহাতে লিপ্ত হন এবং ইনি ইহলােকে, গলােকে ও ইহুলােক পাশবদ্ধ পক্ষীর ন্যায় উডডয়ন (পক্ষিপক্ষে আকাশগতি, চিতিপক্ষে হইতে পরলােকগমনকালে শাস্ত্রবিহিত শুভকৰ্ম্ম ও নিষিদ্ধ নিখিল আকাশব্যাপ্তি) করিতে পারেন না অন্ধপীর ন্যায় এই অশুভকর্মের ফলভােগী হইলেও সকল প্রকার লেগ্যাপারে সমস্থ লোক একমাত্র এই সঙ্কল্প দ্বারাই মােহজালে বন্ধ রহি. একরুপই থাকেন। ১৫। ভবিকারবিহীন আত্মা সেই সেই যাছে। ১০১-১০ ৫। মদীয় পিতামহগণ সক্ষজালে জড়িত কন্মের অনুসারে উদ্ভূত হইয়া থাকেন এবং উদ্ভূত ব্ৰহ্মাদি হইয়া বিষয়ৰূপ গমধ্যে পতিত হইয়াছিলেন বলিয়া অন্তরায়শূন্য তৃণ পৰ্যন্ত নিখিল ভােগ্য-ভােক্তৃত্বাদি ভাব ও তদাথার চতুর্দশ এই সাধু অত্মপদবী দর্শন করিতে পারেন নাই। আত্মপদবীর পূবৰ, এই সমগ্ৰ অগকে শক্লিখিমাত্রেই পরিচালিত কর অদর্শন হেতুশোচনীয়-দশাপ্রাপ্ত পিতামহগণ কতিপয় দিন থাণী অবস্থান করিতেছেন, (তাহাই ইহার কৰ্ম্মফল ) ইনি সদাগতি হলে ক্ষুরিত হইয়া কুহস্থিত মশকের ন্যায় অচিরাৎ বিনাশপ্রাপ্ত পবনদেব অপেক্ষাও নি স্পন্দময়, স্থাণু অপেক্ষাও নিত্য হইয়াছেন। তাঁহারা কেবল বিষয়ভােগরূপ দুখের আশায় কাল নিষ্ক্রিয় নিশ্চল, আকাশ অপেক্ষাও সমধিক নিত্য নিলেপ অতিবাহিত করিয়া গিয়াছেন। যদি দুর্বুদ্ধি সেই পিতামহগণ এই অর্থাৎ বায়ুও যদি কখন পরহিত হন, তথাপি ইনি কালি আত্মতও জানিতে পারিতে, তাহা হইলে আর ভাবাতাবরূপ স্পন্দহীন নহেন, আবার পর্বতও দি কখন স্পন্দিত হয়, অন্ধকূপে নিপতিত হইতেন না। জীবগণ ইচ্ছদ্বেষ-সমুখিত তথাপি ইনি কপি স্পন্দিত নহেন, আকাশেও যদি কখন সুখদুঃখভেগমােহ ভূগস্থিত কীটের সমান হইয়া অবস্থান করে। কোন দ্রব্যের লেগসংক্র (তজ্জনিত নির্মাতাহানি) , সত্য আত্মতত্বের কোথৰূপ মেঘ ধারা বাহার ইষ্টানিষ্টরূপিণী তথাপি ইহাতে কোন প্রকার লেপ নাই, ইনি একান্ত নির্দেশ। সঙ্কমরীচিকা প্রশান্ত হইয়াছে, সেই ব্যক্তিই জীবন সার্থক। বায়ু যেমন বশৰ স্পন্দিত করে, ভদ্রুপ ইনি সকলে মনকে ১০৬-১৯। অবিচ্ছিন্ন নির্মলাকৃতি বিশুদ্ধ টিভিরমিকার স্পন্দিত করিতেছে সারথি যেমন স্বীয় খেয় অসমূহকে উষ্ণপ্রভার ন্যায় সঙ্কল্পরূপ কলঙ্ক আবার কোথা হইতে আসিবে ? চালিত করে, ইনিও তদ্রুপ ইন্দ্রিয়সমূহকে চালিত করিতেছেন। আমি অবিচ্ছিন্ন চিপী আত্মা, আমাকে আমি নমস্কার ইনি অতি দরিদ্রের স্যায় দেহগৃহে বলিয়া সর্বদা কৰ্ম্ম করিতেছেন, করি। হে নিখিললােকের জ্ঞান প্রকাশের হেতুভূত মণি আবার প্রভু সম্রাটের ন্যায় আত্মতে স্বভাবে অবস্থান কর বরূপ দেব অনু। দিনের পর আপনাকে আজি প্রাপ্ত বিভােগও করিতেছেন। এই আই সবল অযে, হইয়াছি। বহুদিনের পর আপনাকে স্পর্শ করিতে পারি- কোষ্ঠব ও বাতব্য। কে অন্বেষণ কৰিলে অমরপ লাম, প্রাপ্ত হইলাম, বহুদিনের পর আজি আমার নিকট মেk হইতে নিস্তার পাওয়া যায়। ১০। ইনি আনত্রেই পরমাণস্বরূপ অভিব্যক্ত হইলেন, বহুদিনের পর আপনাকে সুলভ্য আত্মীয় বন্ধুর ন্যায় (স্মরণমাত্রে) এলাকালে ব- আমি বিকাল হইতে উদ্ধার করিলাম, আপনি যে হউন, করণীয়। ইনি সকলের দেহরূপ ফলকোৰে বটপী হইয়া আপনাকে নমস্কার। অনম্বরূপ তুমিই আছি, এতএব আমাকে অবস্থান করিতেছেন। ইহাকে লাভ করিতে হইবে উচ্চৈঃস্বরে নমস্কার, দিবাস্বা তুমিই আমি, অতএব আমাকে নমস্কার আহ্বান করিতে হয় না, এমন কি আহবানই কৱিতে হয় না, হে দেবাধিদেব পরমাত্মন। তােমাকে নমস্কার। আনলৈক- আপনার গেমগই ইহাকে পাওয়া যায়। এসবের উচ্চারণ রসপ্রাপ্ত মদীয় আত্মায় আধার ব্যতিরেকে পারমার্থিক ৰাৱা ইহাকে স্মরণ করিলেই ইনি অকালমধ্যে সন্মুখবর্তী হইয়া 'যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ থাকেন। ইনি সর্বসম্পত্তিশালী। অপর ধনীর যেমন অহঙ্কার আমার দেহে সুখ-দুঃখ আপতিত হউকু বা না হউক, আমার ও পরের প্রতি অবহেলা আছে, ইহার সেবা করিলে স্পষ্টই তাহাতে কোনই ক্ষতি নাই। অলাবুর উপরে জলধারা পতিত লক্ষিত হইবে ইহাতে তাহার কিছুমাত্র নাই। যেমন পুষ্পে হইলে অলাবুর কিছুই (কোন বিকারই) হয় না, (অলবুর মধ্যে সৌরভ, তিথ্যে তৈল ও রসযুক্ত দ্রব্যে আস্বাদ গাত্রে একেবারেই অল লাগে না।) তৈলৰৰ্ত্তির পাত্র (প্রদীপ) (মাধূর্য) বিদ্যমান, ইনিই সেইরূপ দেহমধ্যে অবস্থিত। অতিক্রম করিয়া বহির্নির্গত দীপাকে যেমন র দ্বারা যেমন পুষ্ট বন্ধুর সহিত বহুদিনের পর দেখা হইলে তাহাকে বন্ধন করা যায় না, তরূপ আমি সমূদয় ভাবের অতীত, চিনিতে পারা যায় না, হৃদয়ম্বিত চেতনরূপ হইলেও এই আমাকে কেই বন্ধন করিতে পারে না। ২৬-৩০। কাম, ভাৰ, আজকে এইরূপ অবিচারণে নিতে পারা যায় না।১-১৫। অভাব ও প্রিয়বর্গের সহিত আমাদের কি সম্বন্ধ আকাশের বিচার যারা এই পরমেশ্বরমাত্মাকে যখন আনিতে পায়া যায়,তখন সহিত আবার কার স? মনকে কে আহত করিতে পারে ? বিরে লাভে যেরূপ আনন্দ হয়, সেইরূপ আনন্দ হইয়া (মনের কোন আকার নাই, এজন্য মন কিছুতেই আঘাত প্রাপ্ত থাকে। অসীম-আনন্দদায়ী পরমবন্ধুস্বরুপ এই আত্মা দৃষ্ট হইলে হুম্ন না)। শরীর শতধা বিচ্ছিন্ন হইলে শরীরীর ক্ষতি কি? কুপ্ত সেই সই দিব্যদৃষ্টি স্বয়ং উন্মীলিত হইয়া থাকে। যাহাতে স্করা- ভয় বাণীণ হইলে কুত্তাকাশের ক্ষতি কি? পিশাচের ন্যায় অন্য মরণাদি সুন্তি বিশয় প্রাপ্ত হয়, সমস্ত (মহাদ) পাশ ছিন্ন হয়, এই মন বুখাই উদয়লাভ করিয়াছে , তত্ত্বজ্ঞানবলে যদি সেই জড় নিখিল শত্ৰু ক্ষয় প্রাপ্ত হয় এবং দুষ্ট ইন্দুরের গৃহখননের গায় আশা মনের ক্ষয় হয়, তাহাতে আমাদের ক্ষতি কি? যাহার সুখ-দুঃখময়ী আর খনকে খণ্ডিত (দিন্নতি) করিতে পারে না। ইহার অর্শন বাসনা থাকে তাহাকে আমি মন বলি, ঐ মন আমার পূর্বে ঘটিলে সমস্ত জগৎ দেখা হইল ,ইহার সম্যক শ্রুত হইলে ছিল, এক্ষণে আর নাই , কারণ, এক্ষণে আমার একমাত্র পরমানন্দ সমস্তই শ্রবণ করা হয়, ইহার স্পর্শে সম জগৎ স্পর্শ করা হয় বিদ্যমান। ৩১-৩৫। একজনে জােগ করে, অপরে গ্রহণ করে, এবং ইহার অবস্থানেই সমস্ত জগৎ অবস্থিত রহিয়াছে। ইনি সুপ্ত আর একজনের অনর্থ-সঙ্কট উপস্থিত, অঞ্জ একজনে অহা দর্শন ব্যক্তিদিগের জন্য জাগরিত থাকেন, অবিবেকিদিগকে প্রকার করেন, করিল, কি অদ্ভুত মূর্খতা' ইহা কোন ঐন্দ্রজালিকের চক্র। প্রকৃতি বিপন্নদিগের বিপদ দূর করেন এবং যাহারা পরিচ্ছিন্ন ঈশ্বরের ভােগ করিল, মন গ্রহণ করিল (সংগ্রহ করিল, দেহের বিপদ উপাসক তাহাদিগকে বাতি ফল প্রদান করেন। ১৮—২। (অর্থপাত) হইল, দুষ্ট (প্রকৃতি প্রভৃতি দ্বারা দূষিত) আত্মা এতে দ্বিতির জন্য ইনি জীৰ হইয়া সকলােকে বিচরণ তাহা দর্শন করিল, এইরূপ বিচার মূর্খতা-নিবন্ধনই ঘটে। যথার্থ করিতেছেন, ভােগসমূহে বিলাস প্রাপ্ত হইতেছেন ও বস্ত্রালঙ্কারাদি বিচার দ্বারা সমস্তই এক বুঝিলে আর কোনই ক্ষতি হয় না। ভােগ বন্ধুর শােভা সম্পাদন করিতেছেন। আত্মা জীব হইয়া প্রশান্ত করিতে আমার ইচ্ছা নাই, ভােগ ত্যাগ করিতেও আমার ইচ্ছা আত্মা দ্বারা আত্মাকে (আপনাকে অনুভব করিতে থাকেন নাই, যাহা উপস্থিত হয় হউক, যাহা যায় যাউকু, আমার সুখের অর্থাৎ আপনিই আপনাকে জানিতে থাকুন। যেমন সকল মরিতে অপেক্ষাও নাই, দুঃখের প্রতি উপেক্ষাও নাই, সুখ দুঃখ আমাতে একই প্রকার (ঝল) সমভাবে বিদ্যমান, তেমনি ইনি, উপস্থিত হয় হউক, চলিয়া যায় যাউকু, উহাতে আমার কোন সম্বন্ধ সকল দেহে অবস্থিত। ইনি চেতনারূপ, ইনি কনরূপ, কলনা- নাই। আমাদের দেহ হইতে বিবিধ বসল অস্তগত হউক বা দেহে বর্তমান বিষয়ের দর্শন, ইনি বই আভ্যন্তরীণ যাবতীয় চেনােপা- উপস্থিত হউক, ইহাতে আমি নাই, এই বাসনসমূহও আমার ধিতে আশ্রিত নিখিল জাগতিক পদার্থের সাজস্থত অধিষ্ঠানভূত কিছুই নহে।৩৬–৪। এতাবৎকাল অজ্ঞনরিপু আসিয়া আমাকে হইয়া অবস্থিত। ইনি আকাশে শুঙ্গা, বায়ুতে স্পন্দ, তেজ প্রকাশ প্রহার করিয়াছে; আমার বিবেকরূপ সৰ্বস্ব অপহরণ পূর্বক জলে দ্রৰত্ব, পৃথিবীতে কাঠিন্য, অগ্নিতে উষ্ণতা, চত্রে শৈত্য, অধিক একান্তে লইয়া নষ্ট করিয়াছে। এক্ষণে আনা হইতে উৎপন্ন কি, গল্পে নিখিল পদার্থে সন্তাশরুপে অবস্থিত।২১-২৫। বিষ্ণুর মহান্ অনুগ্রহে আমি আমার বিবেকসৰ্বস্ব অাত হইয়া মসীতে যেমন কৃষ্ণ, হিমৰিতে যেমন শৈত্য এবং পুষ্পে যেমন প্রত্যায়ন করিয়াছি। আমি এক্ষণে অজ্ঞানরূপ মন্ত্রের সাহায্যে সৌরভ বিদ্যমান, দেহপতি আত্মাও তেমনি হে বস্থিত। শীত শরীররূপী বৃকোট হইতে অহঙ্কার পিশাচকে অপসারিত করি- যেমন সকল পদার্থেই বিদ্যমান, কল যেন সর্বগঞ্জ, যাহার মহী আছি। আমার শরীররূপ মহাবৃক্ষ এক্ষণে অহঙ্কার-পিশাচত হও- আছে অর্থ যে রা, আহার যেমন বর্বদেশগামিনী প্রভূত, স যায় অপিবিত্র ও সুশােন্সসম্পন্ন হইয়াছে। দুরাশারূপ দোষের যে স্থানে রাদ্যিাপার ও মানসব্যাপার বিদ্যমান, সেই স্থানেই জ হওয়াতে এক্ষণে আমার মােহলারি গিয়াছে, বিযেনয়াশি আত্মার সত্তা অs চালিপার ও শানস্যাপার দ্বারা ও পাইয়া আমি পরমেশ্বর হইয়াছি। ৪১-৪৫। নিখিল জ্ঞাতব্যয়ি বর প্রকাশ হইেেসই একশ আত্মার অব। ঈশখ। আমি জ্ঞাত হইয়াছি, ব্যবিষয় এক্ষণে দর্শন করিয়াছি, সম্পন্ন এই আত্মা দেবঅলিগেরও কত মহাদেব ও নিত্য। যাহা প্রাপ্ত হইলে কিছুই আর অপ্রাপ্ত থাকে না, তাহা প্রাপ্ত আমিই উক্ত আত্মা, আমার কোন প্রকার কল্পনা নাই। আকাশে হইয়াছি। যাহাতে কোন প্রকার অর্থ সম্ভাবনা নাই, বিষয়-ভুজঙ্গ যেন অণুমাত্রও পূলি স্থির থাকতে পারে না, পদপত্রে (১ যেমন যে স্থান হইতে অপহৃত, যে স্থানে মােহনীহার নাই, আশা- এল ঘির থাকে না, পাষাণে যেমন ভয়কানিম খাকে না মরীচিকা যে স্থানে শান্ত হইয়া যায়, যে স্থানে সকল সি জে- আমাতেও ড্রপ উক্ত আত্মা ভিন্ন মত কিছুরই সম্বন্ধ শাই। রহিত (ধুলিশূন্য রজোগুণবিবর্তিত ) ও যে স্থানে জলচ্ছায় শাস্তির বিরাজমান, ভাগ্যক্রমে আমি এণে সেই বিস্তৃত উন্নত (১) মূলে “পদ্ধষিৰ” পাঠ আছে; কি “পত্র ইব” পরমার্থস্থান লাভ করিয়াছি। আমি তব, প্রণাম, বিজ্ঞাপন, একৰিলে ঠিক সঙ্গতি হয়। শম ও নিয়ম আর এই ভগবান আম্মাকে প্রাপ্ত হইয়াছি, ( উপশম-প্রকরণ দেখিয়াছি ও পরিস্ফুটভাবে ইহার স্বরূপ অবগত হইয়াছি। বিষ্ণুর পায়।১৫। হে আত্মন। অহঙ্কারপক্ষ অন্তরে স্বচ্ছতাশালী অনুগ্রহে ‘অহং’ পলাতীত সনাতন ব্রহ্ম ভগবান্ আত্মা বহু- আনন্দ-সমােষর আমিই তুমি, তােমাকে নমস্কাৰ। হে আল। দিনের পর আমার স্মৃতিপথে উদিত হইয়াছেন ৪৬-৫০। নাহার ইষিরূপী ভীষণ নদিজমূহ ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়াছে, ইন্দ্রিম্বসমূহ যে স্থানের সর্পগ, মৃত্যু যত্ৰত্য বিসর্পভূমি, তৃষ্ণা সেই আনন্দসাগরস্বরূপ তুমিই আমি , অতএব আমাকে বারবার যাহার করজগহন, (কর-বিক্রম) কাম যে স্থানের হিং নমস্কার। যাহার অকার-মেষ বিলয়প্রাপ্ত হইয়াছে, বিগদাবানল জকোলাহ, জন্ম যে স্থানের কূপম্বরূপ, যে স্থানে দুঃখরূপ প্রশান্ত হইয়াছে, তাদৃশ নিশ্চল আনন্দশৈলরূপী আমাকে নম- দাবাগ্নিদাহ সর্বদা বিদ্যমান, দাবানলের ন্যায় ধলগ্রাণহারী দুরূপ স্কার। যাহার আনকল বিকসিত, যাহার চিন্তাময়ী উৰি চৌর যে স্থানে সর্বদা অপহরণ-পরায়ণ, সেই ভীষণ ৰাসগহনে মালা প্রশান্ত, হে আত্ম। সেই মানস-সনােররূপী আমিই তুমি, অহদার-শত্রু আমাকে পাতিত, তিত, মগ, উম্মা, আবি- তােমাকে বারংবার অন্তরের সহিত প্রণাম করি। বুদ্ধি ও বুদ্ধি ভূত, তিরােভূত ও আশপাশের দ্বারা বন্ধ করিয়া এতাবৎকাল বৃত্তি-প্রতিবিম্বিত চৈতন্য ঝহার পক্ষদ্বয়, পদুকাটবাসী সৰ্ব্ব- প্রপীড়িত করিয়াছে। রাত্রিকালে জঙ্গলমধ্যে পিশাচ অল্পবী মানস-হংসরূপী সেই আত্মাকে বারংবার প্রণাম করি । ৬-৭। ব্যক্তিকে যেরূপ উৎপীড়িত ও ভীষিত করে, অহঙ্কারশত্রু আমাকে হে পূর্ণাত্ম। তুমি কল্পকল্পিতরূপধারী অথচ নিফল, * অষ সেইরূপ করিয়া তুলিয়াছে। এক্ষণে আমি বিষ্ণুপ্ৰসাদব্যপদেশে তাত্মা, সর্বদা উদিত শশিষরূপ, তােমাকে নমস্কার। সর্বদা আপনিই চেষ্টা দ্বারা বিবেকী প্রদীপ্ত করিয়াছি। ৫১-৫৫। উদিত, শান্ত (অতপক হৃদয়স্থিত মহাগ্ধকারী, সর্বগামী আকাশদীপ প্রজ্জলিত করিলে যেমন অন্ধকার আর দৃষ্টিগােচর অথচ অদৃশ্য চিংসূর্যকে আমি পূঃপুনঃ প্রণাম করি। মেহহীন হয় না, নষ্ট হইয়া যায়, ঈশ্বরপী স্বীয় আত্ম বিবেকবলৈ প্রবুদ্ধ (তৈলহীন) হইলেও মেহপ্রকাশ (পরমপ্রকটনকারী), হওয়াতে আমি সেই অহঙ্গার-রাক্ষসকে আর দেখিতে পাইতেছি নিৰ্যাপার, সৰ্বর অথার চিৎরূপী (অপূর্ব ) দীপকে প্রণাম না। আমি এক্ষণে ঈশ্বররূপী হওয়াতে মনােবিবরবাসী সেই করি। যেমন তপ্ত-লৌহ লৌহময় অস্ত্র দ্বারা ভয় করা হয়, তদ্রুপ অহঙ্কাররাক্ষস, নিৰ্ব্বা-দীপের ন্যায় যে কোথায় চলিয়া গেল, আমি শমাদিগুণযুক্ত-মন দ্বারা কামানলসগু-মনকে ভগ্ধ করি- তাহার গতি নিরূপণ করিতে পারিতেছি না। হে ঈশ্বর। ভবদীয় আছি। আমি ইন্দ্রিয় দ্বারা (অধু একাগ্র চনুয়াদি করণ দ্বারা) সাক্ষাৎকায় লা করিয়া মীয় অহঙ্গার এক্ষণে সূর্যোদয়ে চোরের ইলিয়কে (বহির্মুখ করণকে), মন দ্বারা ( অন্তর্মুখ মন দ্বারা) স্যায় পলায়ন করিয়াছে। (বৃক্ষথেষ্টনকারী। বৃৎ সর্প কৃষ্ণ । মনকে (বহির্মুখ চিত্তরভিকে) ও অহঙ্কর দ্বারা (প্রত্যগাত্মরূপী হইতে চলিয়া গেলে বৃক্ষ যেমন স্বস্থ (-উপদ্রবশূন্য) হয়, এবং অহাৰ দ্বারা) অহঙ্কারকে (দেহাদিভি অহাবকে ছেদন কাল অজ্ঞানবশতঃ সমুখত মদীয় অহঙ্গারপিশাচ এক্ষণে চলিয়া করিয়া তদশিষ্ট চিত্র হইয়া জয়যুক্ত হইতেছি। ৭১-৭৫। যাওয়াতে আমিও তদ্রুপ স্বাস্থ্যলাভ করিয়াছি। আমি এক্ষণে হে আত্ম! তুমি শ্রদ্ধা দ্বারা অশ্রদ্ধাকে ছেদন, বিচারবতী বুদ্ধি শান্তিলাভ করিয়াছি, নির্বাণলাভ করিয়াছি, এই জগতে আমি বার (অবিচার ও সন্দেহাদিরূপা) অবুদ্ধিকে নিষ্পেষণ ও তৃষ্ণা প্রবুদ্ধ হইলম, তস্কর হইতে বিমুক্তি লাভ করিলাম, এই জন্য ভাব অার তৃষ্ণকে পরিহার করিয়া জ্ঞাতৃত্বাভিমানশূন্য জ্ঞপ্তিমাত্র- এক্ষণে পরম-নিৰ্ব্বতি লাভ করিলাম। ৫৬-৬০। আমার অন্তর স্বভাৰ সত্যস্বরূপ হইচ্ছে, এবং তােমাকে ভুমেঃ নমস্কার। শীতল হইয়াছে, আমরীচিকা অপগত হইয়াছে, আমি এখলে মন আরা মন ছিন্ন ও, অহঙ্কারশূন্য হওয়াতে এবং ব্রহ্মাহভাব দ্বারা প্রাকৃষেণঃ জলদের বারিধারাসিক প্রশান্তি আনল অচলের চার দেহাদিতে অহাৰ বিগলিত হওয়াতে আমি স্বচ্ছ ও কেবল- সুস্থতা লাভ করিলাম। আত্মবিচার দ্বারা আমি এই পদ স্বরূপ হইয়া অবস্থান করিতেছি। আমার শরীর এক্ষণে ভাবনা- মার্জিত হইলে মােহ কি ? দুঃখ কি ? কুংগিত আশা আবার কি ? হেতু বুদ্ধিরহিত, ইচ্ছারহিত, নিরহঙ্কার, নিৰ্মনস্ক ও কেবল- মনােব্যখাই বা কি? অর্থাৎ কিছুই থাকে না। যতক্ষণ অহঙ্কার স্বরূপী হইয়া মাত্র স্পন্দ্রক্রিয়শালী বিশুদ্ধ আত্মায় (জীবন্মুক্ত- থাকে, ততক্ষণই নরক, স্বর্গ, মােক্ষ প্রভৃতি ভ্রান্তি হইয়া থাকে দশায়) অবস্থান করিতেছে। যাহার অনাসে শত শত স্বীয় চিত্রফলক বা ভিত্তি থাকিলে চিত্র-অঙ্কনের চেষ্টা হইয়া থাকে, ভক্তদিগকে ভােগৈৰ্য্য প্রদান করিয়া অনুগৃহীত করিতে সমর্থ, নতুবা আকাশে কেহই চিত্র-অঙ্কনের চেষ্টা করে না। মলিন-ৰসৰে আজি আমি সেই ব্রহ্মা-বিষ্ণু প্রভৃতি বিশ্বপতিগণের অপেক্ষাও কুমরাগ যেমন পুলিফট হয় না, ভদ্রুপ অংকাররূপ পিদোষ সমধিক পশন্তিপুর্ণ নিতি লাভ করিলাম। আমার মােহ খাতি চিত্তে কখনই অজানের চমৎকারিতা অভূত হইবে বেল উপশান্ত হইয়াছে, অহঙ্কার-রাক্ষস আমার নিকট হইতে । চিত্তরূপ শরণাকাশ অহঙ্কার-মেনিৰ্ম্ম বারিধারারুহিত চলিয়া গিয়াছে, আমি দুরাশারূপিণ পিশাচীর হস্ত হইতে পরিত্রাণ হইলে উহাতে আচরে প্রকাশজনিত উজ্জ্বল নিলতা শােভা পাইয়া বিগঞ্জর হইয়াছি ৭৬-৮। নিন্দিত অহঙ্কাররূপ পী তৃষ্ণার ছেদন করিয়া আমার শরীরপির হইতে কোথায় এ উড়িয়া গিয়াছে, তা জানি না। সুট অজ্ঞানরূপকুলায় * টীকাকারমতে মূলের পাঠ প্রাঙ্গনা”; আম- রাও সেই পাঠের সঙ্গত অর্থ বুঝিয়া তাহার এবাদ দিলাম। ভাঙ্গিয়া খাওয়াতে আমার কাল্পতরু হইতে অহঙ্কায়-বিক্রম যে কোথায় উড়িয়া গেল, তাহা জানি না এলে আমার মূল পাঠ দুৰ্বো। । টীকাকারমতে মূলের ক্রম শব্দের অর্থ জব পাহাতে * আত্মপদে প্রাণ, মল, শ্রিয় প্রভৃতি সন+লা যাহা আছে, ম-মপ্রত্যয় করিয়া জুম বলমুক্ত উদ্যান। অনুবাদ হইতে উৎপ। চপক্ষে বােড়। নিকনিয়ৰ অৱসৰ্পক্তি উদ্যান যেন শান্তিময় হয়। চপলকলাতিরিক্তকৰণ ।
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ T সৌভাগ্যক্রমেই দুরাশ ও মেহদিতে অহাবুদ্ধিহেতু পাচ- দ্রষ্টা, তুমি শ্রষ্টা, তুমি অনন্তরূপে বিকাশ প্রাপ্ত, তােমাকে নমস্কার। মলিনতা প্রাপ্ত, ভম্বরূপ-ভুজের হিতকরী আবাসভূমি, ভূয়সী তুমি সর্বস্বভাবরূপ, অধিষ্ঠানরূপী, সৰ্বগ আত্মা, তোমাকে বাসনা-ভােগসমূহের ভন্মসাৎকার সমাধি দ্বারা উচ্ছেদ প্ৰা নমস্কার। ৬-১০। এতাবৎকাল তুমি মদূতাপ (আমি) হইয়াছে। কি আশ্চৰ্য্য আমি এ যাবৎ কি ছিলাম, এ যাবৎ হইয়া আমাকতৃক (আমার কামনাদোষ অনুসারে) উপদিষ্ট আমি এই বৃথা দৃঢ় অহঙ্কারে আবদ্ধ ছিলাম। আজি আমি অসৎপথে গমনপূর্বক গন্ধ ও তিরােহিতপূর্ণস্বভাব হইয়া প্রতি- প্রকৃত জন্মগ্রহণ করিলাম, আজি আমি মহাবুদ্ধিমান হইলাম , জন্মে বহুখ ভােগ করত কত ব্যবখরিক লােকনিয়ম ও যে হেতু, আমি অন্ধৱৰূপ গাঢ় কৃষ্ণবর্ণ মহামে হইতে একেবারে বিবেকের অনুকুল কত দৃষ্টান্ত দেখিয়াছ। আমিও তােমাকে নির্মুক্ত হইলাম। আমি আজি ভগবান্ আত্মাকে দেখিলাম, সেই অন্য লাভ করিতে পারি নাই। ঈদৃশ ব্যবহারিক লােকয়- অতাহাকে অবগত হইলাম,ভ করিলাম, অনুভব করি- দৃষ্টিসত্ত্বেও কিছুই লাভ করা যায় না। হে দেব। তােমা ব্যতিরেকে লাম এবং অধিক বিক, স্বকীয় অঙ্গের স্থায় স্বানুভূতিভেনিয়ােজিত মৃত্তিকাকাষ্ঠ-পাষাণ-আলময় এই সমগ্ৰ জগৎই নাই, তােমাকে করিলাম , (সর্বদাই তিনি অনুভূয়মান হইলেন)। আমার প্রাপ্ত হইলে সমস্তই প্রাপ্ত হওয়া হয়, আর কোন বিষয়ের মন এক্ষণে নির্বিষয়, মনন-এষণা-বিবর্জিতু, অহঙ্কারভ্রান্তি হইতে ইচ্ছা অবশিষ্ট থাকে না। হে দেব। অদ্য তােমাকে লাভ একেবারে নির্মুক, নিশ্চেষ্ট, ভেগোকরহিত ও বিষয়াগ করিয়াছি, দর্শন করিয়াছি, তােমার যাথার্থ্য অবগত হইয়াছি, রঞ্জনাশূন্য হওয়াতে পরমা শান্তি লাভ করিয়াছে। বাবং জন্ম ও আমা কর্তৃক প্রাপ্ত ও গৃহীত হওয়াতে তুমি মােহ হইছে নিস্তার কাৰক্রোধদিদেষসমূহের প্রদা, সুদুঃসং, মি, দুস্তর, পাইয়াছ, তোমাকে নমস্কার। হে দেব। যিনি দর্শনরূপে নন- যাের আপনুরুল আজি ক্ষয় প্রাপ্ত হইয়াছে। আজি আমি অয়! দুয়ের ভারার রশিজালে স্বীয় শরীরকে গ্রথিত করিয়া অবস্থান চদ্ধপী মরকে প্রাপ্ত হইয়াছি, সুতরাং অন্তরের অজানা করিতেছেন অর্থাৎ যিনি সাক্ষাদ্দীন, তিনি আবার কেন দৃষ্ট অপগত হইল। ৮১-৮৭। হইবেন ন?১১-১৫। েিনর অন্তর্গত তৈল যেমন তিলসংযুক্ত পত্রিং সর্গ সমাপ্ত।৩৫। কুসুমের সৌরভ গ্রহণ করে, তদ্রপ যিনি ২ ও উষ্ণ ব্যাদি স্পর্শকে স্পনবৃত্তিতে ব্যাপিয়া থাকিয়া অন্তরে সেই স্পর্শ প্রকাশ করেন, তিনি আবার অনুভূত্তিগোচর হইবেন না কেন ? ষট্ত্রিংশ সর্গ। যিনি শশ্রবণমাত্রেই অন্তরে শকের শক্তি প্রকাশ করতঃ পত্র প্রহলাদ কহিলেন—আজি বহুদিনের পর নিখিল-মুখােংক- রোমাঞ্চিত করেন, তিনি কিরূপে দূরস্থ হইবেন? প্রথমেই যিনি স্থান হইতে অতীত (নিরতিশয় আনন্দরূপী) আত্মা আমার সকলের সহজ-প্রেমপাত্র মধুর-ম্ন প্রভৃতি বস জিহবাগ্রে স্মৃতিগােচ হইয়াছেন। হে ভগব! ভাগ্যক্রমে আপনাকে সংলগ্ন হইয়াই বাহার আস্বাদগােচর হয়, তিনি কাহার না লত করিয়াছি। হে মহাত্ম। আপনাকে নমস্কার। আপাকে আস্বাদগােচর হইবেন ? যিনি আম্রারূপ কর দ্বারা পুষ্পগন্ধ গ্রহণ নিরীক্ষণপূর্বক অভিষন করিয়া চির-আলিঙ্গন করিতেছি। করিয়া প্রতিপূর্বক স্বকীয় দেহ বিলােকন করেন, তিনি কাহার হে ভগ। এই ব্রিজগতে আপনি ভিন্ন আর কে বন্ধু আছে? না করস্থিত। বেদ, বেদান্ত, মীমাংসা, তর্কশাস্ত্র ও পুরাণে যিনি যতদিন আপনাকে লাভ না করা যায়, ততদিন আপনি মৃত্যুরূপে গীত হইতেছেন, সেই আত্মা একবার বিজ্ঞাত হইলে কি আর অভকদিগকে হনন করিয়া থাকেন, পালকরূপে ভক্তগণকে রক্ষা বিস্মৃত হন? ১৬-২ যে দেহসম্বন্ধীয় ভোগসমূহ পূৰ্ব্ব আমার করিয়া থাকেন, স্তাবক হই। স্তব কলেন, গন্তা হইয়া গমন করেন , নিকট রুচিকর বােধ হইত, হে শেষ। অদ্য পরাবর স্বচ্ছ তুমি সকলরূপেই ব্যবহার করেন। এই আপনাকে প্রাপ্ত হইলাম, এই দৃষ্টিগােচর হওয়াতে সেই ভােগসমূহ আর রুচিকর হইতেছে না। আপনাকে দেখিলাম, আপনি কি করিতেছেন? কোথায় যাইতে তুমিই নির্মল দীপম্বরূপ হইয়া সূর্যকে প্রকাশিত করিয়াছ। তুমিই ছেন ? হে প্রভা। আপনি স্বীয় সস্তা দ্বারা নিখিল বিশ্ব পরিব্যাপ্ত শীতলতুষার হইয়া চন্দ্রকে শীতল করিয়াছি, তুমিই ই পর্বত করিয়া রহিয়াছেন। হে বিশ্বজনহিতকারিন। সর্বত্র সর্বদা তুমি সকলকে গুরু করিয়াছ, তুমিই এই নভশ্চর বায়ু প্রভৃতিকে ধারণ হইতেছ, অধুনা কে পলায়ন কর ? পুর্বে তােমাতে কলিকাতােমা দ্বারাই ধরা সর্বংসহা হইয়াছেন এবং তােমা অামাতে জন্ম দ্বারা ব্যবহিত বহু অন্তর (ব্যবধায়ক জ্ঞান ), ছিল, হেই. আকাশ আকাশ হইয়াছে, এখানে আলি তুমি এক্ষণে সে সমুদয় গিয়াছে, এক্ষণে তুমি অতিনিকটবর্তী হইয়াছ। মৰাগ হই, ভাগ্যক্রমে আমি আজি ভাৰপ হইতি, হে বান্ধব। অদৃষ্টশে আজি তােমার সাক্ষাৎ পাইলাম।-। আমিই তুমি দুনিই আমি, এ দেব। সৌভাগ্যক্রমে আলি তুমি কুতকুত, তুমি এই জগতের ক ও ভর্তা, তােমাকে তােমাতে আমাতে দে নাই। আমি তুমি’ এই দুই নমস্কার। তুমি সংসাররূপ-পত্রের বৃন্তস্বরূপ, তােকে নমস্কার। মহাত্মা তােমারই ৰধকপৰ্যায় এই শব্দয় কাপােপাথি- তুমি নিত্যনিৰ্মল আত্মা, তােকে নময়র। হন্তে চক্রপদ্মধারী বিশিষ্ট তােমার ও কালােখিবিশিষ্ট আমার একদেশভুত তােমাকে নমস্কার , অর্ধচন্দ্রধারী তােমাকে নমস্কার। তুমি বিধনা সামাধিকরণে অন্বিত উপাখিষয়, আমি এই ‘সি’ ‘তুমি ও পরা, তােমাকে নমস্কার। ঋচৰাচকদৃষ্টিতে (ব্যবহারিক শব্দয়কে নমস্কার করি। ২১-২৫। নিরহঙ্কারকপী অনন্ত আমাকে ভূতিতে) যােতে আমাতে যে এতেন, আহা জলের অঙ্গ ও নমস্কার, পবিহীন আমাকে নমস্কার , একান্ত সমস্বরূপ তাকে ভয়, এই ভোকলনায় স্থায় অসত কানামাত্র। তুমিই নমস্কায়। হে ব্ৰহ্মন। তুমি, স্বচ্ছ সাক্ষীভূত নিরাকার,দিকাল- অনন্ত-বৈচিত্ররূপিণ, ৰাভাবরূপে বিলাসিনী, অনন্ত কক্ষ দিঙ্গে নবচ্ছিন্ন আমিরূপ আত্মাতেই অবস্থা করিজে। নায় আমানকাল বিস্তৃতি (বিকাস প্রাপ্ত) হইচ্ছে; তুমি ' এই যে মন প্রকৃষ্টরূপে লোভ এপ্ত হইভে, ইন্দ্রিয়বৃত্তিসকল উপশম-একরণ। স্কুরিত হইতেছে, প্রাণ-শান-বাহিনী বিস্ফারিতা শক্তি উলাস- কামিনী যেমন মুগ্ধ কামুককে সন্তোগার্থ জাগরিত করে, সেই প্রাপ্ত হইছে, আশার দ্বারা আকৃষ্ট হইয়া চমৎসাস্থিময়- শক্তিই ভােগবিলাসের জন্য তােমাকে প্রবােধিত করিয়া থাকেন। দেহ মনসারথি-কর্তৃক চালিত হইছে, (ইহাদের সহিত তুমি দূর হইতে নেত্ররূপ বাতায়নে অবস্থিত চিতিশক্তি দ্বারা আমার কোন সম্বন্ধ নাই, আমি চিন্ম শরীর, আমি কোন দৃষ্টিরূপিণ মধুৰক্ষিকা কর্তৃক আনীত রূপমধু পান করিয়া যাক। শক্তিরূপা নহি, দেহও আমার আম্পদ নহে)। দেহ স্বেচ্ছামত তুমিই প্রতিক্ষণে প্রাণ ও অপানবায়ুর গতায়াত দ্বারা ব্ৰহ্মপুরীমধ্যে পতিত হয় হউক, উখিত হয় হউক, (আমার হাতে কোন (শরীরমধ্যে) ব্রহ্মাণ্ডকোরের পন্থা নিরীক্ষণ করিয়া থাক। ক্ষতি নাই)। ২৬-৩০। আমি বহুদিনের পর আমি হইলাম, তুমিই দেহপুপের সৌরভ, দেহচয়ে সার অমৃত, দেহরূপ বহুদিনের পর আমার আত্মলাভ হইল। কাস্তে জগৎ যেমন লয়- শাখার (পবােগমহেতু) রস ও দেহরূপ তুষারের । প্রাপ্ত হয়, দ্রুপ বহুকালের পর আমার ভ্রান্তি লম্বপ্রাপ্ত হইল। ৪৬-৫০। নিখিল প্রাণীর শরীরে গর্বের নিমিনীভূত যে নেই আমি চিরদিন সংসারে ভ্রমণ করিয়া দীর্ঘ-সংসারপথে পরিশ্রান্ত বিদ্যমান রহিয়াচ্ছ, তাহা শরীররূপ দুঙ্কের ঘূতস্বরূপ তােয়ই হইয়া পড়িয়াছিলাম, কল্পবিসানে অনলের ন্যায় এক্ষণে বিশ্রাম রস। তুমিই দেহমধ্যবর্তী কাষ্ঠের অগ্নিস্বরূপ। তুমিই সর্বোত্তম লাভ কৰিলাম। সর্লাভীত সৰ্বরূপী আমিরূপী তােমাকে বহু আস্বাদ, নিখিল-তেলের প্রকাশহেতু, পদার্থসমূহে বােজ, নমস্কার করি , যাহারা পেশাকে মড্রপ বলেন, তাঁহাদিগকেও চরাদি ইন্ডিক্ষের কাৰ্যসম্পাদক, নিখিলবায়ুর স্পন্দ, চিত্ত-হীর নমস্কার। অখিল অনন্ত প্রকাশ্য ভােগসমূহ বিদ্যমান থাকিলেও মদ, বুদ্ধিরূপ বহ্নিশিখার প্রকাশ এবং তুমিই উষ্ণতার হেতু। হাতে প্রকাশ্য দোক্তির স্পর্শও নাই, অভিনিবেশশূন্য তুমি উপসংহার কর বলিয়া তােমার এই বাণ লয় প্রাপ্ত হয়, ( উদাসীন ) সেই পরমাত্মার সাকিভাবের জয়। হে আত্ম। আবার তােমার সাহায্যেই সেই বাণী অত্র (দেখত্তরে) দীপের কুসুমে সৌরভের স্নায়, ভাষত্রে অনিলের স্থায়, তিলে তৈলের ন্যায় প্রণিত হইয়া উঠে। যেমন একমাত্র সুবর্ণ হইতেই কটক, ন্যায়, তুমি সকলশরীরে বিদ্যমান। ৩১-৩৫। তুমি অহঙ্কার- অঙ্গদ ও কেয়ুর প্রভৃতি ভিন্ন ভিন্ন অলঙ্কারের উৎপণ্ডি হয়, দ্রুপ রূপবিহীন হইলেও হিংসা করিতেছ, রক্ষা করিতেছ, দান করি- সারস্থিত বিভিন্নপদার্থনিচয়ও একমাত্র তােমা হইতেই উৎপন্ন ছে, স্পর্ধা করিতেছ, বৱিত হইতেছ, তােমার মায়া বিচিত্র। হইয়াছে। ৫১-৫৫। তুমি নিজেই লীলার অন্য আপনাকে হে ঈশ্বর সৃষ্টিকালে তােমার সাহায্যেই বাহিরে ও অনুরে পদার্থ ‘আপনি” “ইনি” “আমি” “তুমি” ইত্যাদি শব্দ দ্বারা অভিহিত প্রকাশনসমর্থ হইয়া নিখিল-জগৎ উন্মীলিত করত জয়যুক্ত হই করিতেছ ও স্তব করিতেছ। মন্দমারুতচালিত জলদমালা যেমন ( জগৎকে অপনার বশে রাখিয়া পালন করি), আবার প্রলয়কালে গগণমগুলে গজ, বাজি, মনুষ্য প্রভৃতি নানা আকারে লক্ষিত হয়, উপৰতব্যাপার হইয়া জগতের উপসংহার করত বদ্রুপে জয় করি। তুমিও সেইরূপ অসংখ্যথাণীর আকারে লক্ষিত হইছে। ক্ষুদ্র বটমধ্যে যেমন বিশাল বটতরুভাব বিদ্যমান, ড্রপ বহ্নিশিখা যেরূপ হপ্প-হস্তী প্রভৃতি আকারে ফুরিত হইতে থাকে, পরমাণুরূপী (অভি) তােমার অন্তরে এই সংসারমখল এই সৃষ্টিমধ্যে তুমিও দ্রুথ তােমা হইতে অবিভিন্ন বিবিধ- কালয়ে বিদ্যমান রহিয়াছে। নলেণ্ডলে মেঘমালা যেমন আকারে লক্ষিত হচ্ছে। তুমি ব্ৰহ্মাগুরূপী মুক্তাফলের অবিচ্ছিন্ন অ, হী, রথ প্রভৃতি আকারে লক্ষিত হয়। হে দে! তুমিও লম্বমান সূত্র, তুমি জীবরূপশস্যের চিত্রায়ন-সেবিত ক্ষেত্ৰপাক দ্রুপ স্তিল্পিত বিবিধ পদার্থাকারে দৃষ্ট হইয়া থাক। দ্বারা যেরূপ মাংসের আস্বাদনযােগ্য স্বাদু প্রকাশ পায়, যাহাতে যবিল বিকাৱসঙ্কুল ভাসমূহের বিলােপ হইয়া যায়, পদার্থসমূহের অনভিব্যক্ত অসৎপ্রায় তত্ত্বও দ্রুপ তােমা গুলা যাহাতে তাের অখণ্ড আনন্দস্বরূপের আবির্ভাব হয়, তাহার জন্য ।(ষ্টিরূপে) প্রকাশিত হইতেছে। ৫৬৬। নেত্রহীন ব্যক্তির তুমি সৰ্ব্ববিৰ ভাবাব হইতে বহিত হইয়া অখণ্ড আনন্দ- | নিকটে কামিনীর রূপলাবণ।যেমন থাকিয়াও না থাকার মধ্যে স্বরূপে বিমুখ হও, (যেন তােমার আর বন্ধ উপস্থিত না | পরিগণিত হয়, ভদ্রুপ তাে অবিদ্যমানে এই বন্ধুত্র বিদ্যমান হয়। ৩৬-৪: “আমি কে ? পূর্বে আমি কি ছিলাম ” ইহা | ইয়াও অবিদ্যমানার ব্যায় বােধ হইয়া থাকে। তুমি ফাৰ্যকারিণী পুনঃপুনঃ বিচার ও স্বকীয় পূৰ্বল নােহাচ্ছন্ন দশ অরণ করত | শক্তি প্রদান করিয়া যে বস্তুকে অনুগৃহীত না কর, তাহা সৎ মুক্তাগুচ্ছের ন্যায় বিল হাস্যসহকারে মান, ক্রোধ, কাপুরুষ হইলেও কার্যকারী হইতে পারে না। কারণ, আদর্শপ্রতিক্ষিত ও কুরতা পরিহার কর। কারণ মহদ্ব্যক্তিরা নীচজলেচিত গর্হিত স্বীয় মূখলাবণ্য কখনই চুম্বনাদি ক্রিয়ায় পরিতৃপ্তি প্রদান করিতে শয় নিমগ্ন হন । যে সময়ে ও যেসকল কার্যের জন্য তুমি সমর্থ হয় না। তােমা ব্যতিরেকে কলেবর কষ্ট-লােষ্ট্রের ন্যায় চিঠানশিখায় সমাচ্ছন্ন হইয়া কি হইতে, তাের সেই সকল ক্ষিতিলে লুষ্ঠিত হইতে থাকে। সূৰ্য্য ব্যতিরেকে ভূধরের উন্নত দী (পােড়) দিন ও এই সমস্ত আর এক্ষণে আর নাই। বিদ্যমান হইয়াও তমিতে অবিমানবৎ হইয়া দাঁড়ায়। দিবা- আজি তুমি দেইনগরের মজাইয়া পূর্ণনেরখ হইয়াছ। আকাশ যেমন কাহারও করগৃহীত হয় না, তুমিও এক্ষণে সেইরূপ সুখদুঃখ * প্রাণ ও আপনার নিলােধাভ্যাসে পর যােগিগণ গ্রস্ত হইতেছ না। অদ্য তুমি ৰাতিরূপ কুপথগা ইন্দ্রিয়গণকে ব্ৰহ্মপুরীশরীর থ্যে প্রতিক্ষণে হৃদয়ে পিণ্ডাকারে অবস্থিত ওস্তরূপী চিত্তকে অভিভূত ও ভোগশকে দলিত করিয়া প্রাণবায়ুর পরশরীরে ও লােকান্তরে সঞ্চরণীয় অনুকুল বিবিধ সাম্রাজ্যের অধিকারী হইছে। ৪১-৪৫। তুমি অপর গগণের নাড়ীপথে প্রাণবায়ুর গতায়াত দ্বারা, অন্য ব্ৰণ্ডে কিংবা পথিক, অ৩ উদয়াসালী(অৰিণ্যাদৃষ্টিতে সর্বদাই অন্তমিত, তেজোমার্গ যারা সূর্যমণ্ডলে গমন করিবার জন্য তেমা দ্বারা অখণ্ড রূপবৃষ্টিতে সর্বদাই উদিত) বাহিরে অন্তরে সর্বদা (ভুমিরূপ স্বয়ংপ্রকাশজ্যোতি ৰাৱা) ব্ৰহ্মরবর্তী সুমুদিপর্ব প্রকাশমান ভস্কিৱস্বরূপ। সুমি সর্বদাই সুপ্ত রহিয়াছ, অষে সকল স্পষ্ট দর্শন করিয়া থাকেন।
১৮ যােগবাণিষ্ঠ-আমায় করের আলোক পাইলে অন্ধকার, দীপ-নক্ষত্রদের প্রভা ও তুষার জয়ী, আমি জখই জীবিত আছি, আমাকে নমস্কার, যেমন বিশ্ব প্রাপ্ত হয়, সুখ-সুখের ক্রমও সেইরূপ তােমাকে তােমাকে নমস্কার, নিরাময়, সংস্থিত, মাগজবিহীন তুমি পাইয় একেবারে নষ্ট হইয়া যায়। যেমন প্রাতঃকালে নুধালােকে ‘আমি থাকিতে যা কোথায় ? বিপদ কোথায় ? সম্পদ শুরু-কৃষ্ণাদি বর্ণ সুস্পষ্ট প্রকাশ প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ আবার তােমার কোথায় ? জন্ম-মৃত্যু কোথায় ? আর এমন নিভ শঙিটুকুই বা দর্শনেই এই খাদি স্থিতিলাভ করে ।৬১-৬৫। সুখাদি তােমার কোথায় লাভ কৰিব ? ৮। দর্শনে আত্মলাভ করিয়া আবার তোমার সম্বন্ধক্ষণেই কিনা প্রাপ্ত ত্রিংশসর্গ সমাপ্ত। ৩৬। হয়, তােমার দর্শনক্ষণেই তাহাদের উৎপত্তি, পরন্তু তােমার শপের ঐ মুখদি দীপদৃষ্ট অন্ধকারের স্থায় একেৰাৱে বিলয় প্রাপ্ত হয়। যে যতক্ষণ দীপের অভাব থাকে, ততক্ষণই অন্ধ সপ্তৱিংশ পর্গ। কালের অন্ধকার পরিস্ফুট থাকে, দীপদর্শন হইলে তাহা উৎপন্ন হইয়াই বিনাশ প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ সুখ-দুঃখী অনাময় তােমাকে বশিষ্ঠ কহিলেন,—শক্ষা প্রহাদ এইরূপ চিন্তা করত পরশ দর্শন করিয়াই উৎপন্ন হয় এবং উৎপন্নমাত্ৰই একেবারে উচ্ছে নন্দন নির্বিকল্প সমাধিতে ম হইলেন। নিৰ্ব্বিকরসমাধিস্য প্রাপ্ত হয়। যেমন নিমেষের লক্ষভাগের একভাগপরিমিত অতি প্রহলাদ স্বরূপ-সাম্রাজ্য (পরব্রহ্মপদ) প্রাপ্ত হইয়া, চিত্রার্পিত সূক্ষ্ম কালকল স্বতই যিশ প্রাপ্ত হয়, তাহার সত্তা কেহই অচলের ন্যায় ও পাষাণ-খােদিত নরমুর্তি স্থায় শােভা পাইতে লক্ষ্য করিতে পারে না, সেইরূপ এই সুখ-দুঃখী এতই ভঙ্গুর লাগিলেন। সুমেগিরি যেমৰুভুবনমধ্যে থাকিয়া বহুকাল অতিবাহ যে, পরমানন্দ একাণরূপী তােমাতে অণুপ্ৰমাণকালও অবস্থান করিতেছে, তদ্রুপ এই প্রকারে স্বগৃহে সমাধির অনুষ্ঠান করিতে করিতে পারে না। অতি সূক্ষ্মকালস্থায়ী বলিয়া অলক্ষ্যা এই পূখ- করিতে মরত্বেষী প্রহলাদেরও বহুকাল অতিবাহিত হইল। দুঃখাদি-ভানা গন্ধৰ্বনগরীর ন্যায় মিথ্যা হইলেও তােমার অনু- বহু জলসেক করিলেও যেমন অকালে বীজ হইতে অদম গ্রহে ফুরিত হয়, আবার তােমার দর্শনেই বিলয় প্রাপ্ত হইয়া হয় না, তদ্রুপ মহামতি প্রদান অনুরনায়কগণকর্তৃক শােধিত থাকে।৬৬–৭০। উহা তোমার দর্শনে ক্ষমাত্ৰ উদ্ভূত হয়, আবার হইয়াও প্রবুদ্ধ হইলেন না। এইরূপে বর্ধিত-ব্ৰহ্মতা প্রহলাদ তেমার দর্শনেই ক্ষণমাত্রে ক্ষয় প্রাপ্ত হয়, যেন মৃত হইয়া অনুরপুরীমধ্য পাষাণ-খােদিত দিবাকরের স্যায় নিশ্চল ও প্রশান্ত স্বপ্নে পুনর্বর জন্মগ্রহণ করে, আবার জদ্দশায় যেন মৃত হইয়া একদৃষ্টিতে সহস্র বৎসর অবস্থান করিলেন ১-৫ এইরুপে হয়, কে ইহা ঠিক লক্ষ্য করিতে পারে? যে বন্ধু কালুও তিনি একভাবে আনন্দদশায় পরিণত হওয়াতে দর্শকগণের প্রতীত স্থায়ী নহে, তাহা কিরূপে কাৰ্যকৰী হইতে পারে ? উৎপলাকৃতি হইতে লাগিল যে, পরমাত্মা যে দশাতে ভাসমান হন না, প্রহলাদ অঙ্ক দ্বারা কিরূপে উৎপলমালা গ্রথিত হইবে ? যে বস্তু জাত সেই নিরানন্দ মৃত্যুদশা প্রাপ্ত হয়াছেন, (ইহার আর চেতনা মাত্রেই বিনাণপ্রাপ্ত হয়, তারা যদ্ধি কাৰ্য্য সম্পাদিত হইত, তাহা নাই)। ঐ সময়ে পাত্বালপুরী’অরাজক হওয়াতে মাৎশুয়ে হইলে লোকে বিদ্যুগুণ বাৰ্ম্মাও মালাগ্ৰন্থন করিয়া পরমাণিত উৎপীড়িত, হইতে লাল অর্থাৎ যান কর্তৃক দুৰ্বলগণ মস্কের হইতে পারিত। এইরূপে মুখাদি লক্ষ্মী একেবারে হুট হইলেও আয় প্রপীড়িত হইতে লাগিল। হিরণ্যকশিপুর বিশেপর ৪ৎ- তুমি বিবেকিদিগের চিত্তে অবস্থান করত ঐলি গ্রহণ করিয়া পুত্ৰ প্রহাদ সমাধিমগ্ন হইলে মানবপুরীতে আর কেহই রাজা ক অর্থাৎ বিবেকীরাও মুখার্দি লক্ষ্য করিয়া থাকেন, তাঁহা- ছিল না। অয়নায়কদিগের প্রার্থনা ও পরমও জ্ঞান দিগের নিকট তুমি সমস্থিতি পরিত্যাগ কর না, অর্থাৎ বিবেকী- সমাধি হইতে ঝুখিত হইবেন না। রাত্রিকালে ভরেরা সেন দিগের সুখে দুঃখে সমান অবস্থা, সান বৃত্তি ও সমান জন। বিকসিত-পদ্ম প্রাপ্ত হয় না, তদ্রুপ অমরণকগণ একদিকে প্রবুদ্ধ হে সংজাখুন! হে অনন্তরূপনামাস্পদ। তুমি জবিবেকীলিগের প্রাপ্ত হইল, প্রহলাদ সেইরূপ একভাবেই সমাধি রহিলেন। নিকটে যেরূপে আবির্ভূত হইয়া থাক, তোমার সেইরূপবর্ণন দিবাকর অস্তুগত হইলে (রাত্রিকালে) পৃথিবীতে যেমন কিছু বিষয়ে আমার বাণী অমর্থ, কারণ, তাহাতে অফাৎ নানা পুরুচষ্টা থাকে সকলেই সুপ্ত থাকে, দিনৰং হালের বাসনার উন্মেষ হইতে পারে। ৭১-৭৫। তুমি নিরীহ, কোন ক্রিই থাকে না, তদ্রুপ গুলি চিত্ত প্রলাদের অন্তরে নিরবয়ব ও নিরহকৃতি; তুমি সই হও, আর অসৎই * হও, প্রবুদ্ধ ভিকোন ক্রিয়াই লক্ষিত হইল না, fনি সুজির তুমি ঐ সকলের স্বীকার করিয়াছ সন্দেহ নাই। হে' আয় নিশ্চেষ্টকেই ছিলেন। তখন দৈত্যগণ উখিয় ঈশ। তােমার আকার গালি অপেক্ষা অতি বিস্তৃত। অভিমণিকে গমনপূর্বক ইমত বিচরণ করিতে তোমার জয় হউক, হে শতিপরায়ণ! জেমার জয় হউক, লাগিল। পাতালপুরী বহুদিনের কি হয় রহিল, যা হে পরমাত্ম! তুমি নিজিগমের অতীত, তুমি নিখিল নামায় পাগল মাৎস্যায় বিয়াস ও হইল। ঐ সময় আগময় আধার, তােমার জয় হউক। হে জাত। হে অজত! ভণন ব্যক্তি নিন চুলের স্থায় ব্যবহার করিতে লাগিলেন, ক্ষে। হে অক্ষত! হে ভাৰ! হে অভাব! হে জেয়। বলশালী ব্যক্তিরা দুর্বলের সম্পত্তি অপহরণ করিভােগ করিতে হে দেয়। তোমার এ হউক; আমি উল্লসিত ও শান্ত লাগিল,লােকে মাদা একেবারেই উঠিয়া গেল, কামিন- হইয়া অাইতি করিতেছি, আমি বা জ্ঞাত হইয়াছি, আমি গণ সকলের নিকট উৎপীড়িত হইতে লাগিল, মন কি গল্প পরস্পরের ক অপহরণ করিতে আরম্ভ করিলউৎপীড়িত মূলহোেতাধিক। অসৎ-অমূর্ত দেহে * এ লে বক্তার তুমি এক হইয়া গিয়াছে। - উপশম-এর। পুরুষগণ উচ্চৈঃস্বরে বিলাপ করিতে লাগিল, ফল কথা, পুরীর করিব। কিন্তু সহসা এই জগৎ যদি এইরূপে লয় প্রাপ্ত হয়, তাহা অভ্যন্তরভাগ একেবায়ে বিশৃঙ্খল হইয়া পড়িল। উদ্যান-রাজি হইলে কোনরূপ মঙ্গল দেখিতেছি না, বরং আমার পরিশ্রম ভগ্ন হইয়া এবং নাগরিকগণ ধনাপহরণ ও আখীয়জন-বিচ্ছে ব্যর্থ হই)ে, (অতএব আমার ইচ্ছা, দৈত্যগণ জীবিত হউক। শােকে কাত্ম হইয়া ভুমিলুষ্ঠিত হইতে লাগিল। অনুরণ অসুরগণ ১১-১৫। দৈত্যদিগের উদযােগ দেবগণ জীবিত থাকিবেন, চিন্তামগ্ন হইল, তাহাদের আত্মীয়গণ দিগেম উৎপীড়নে অল্প তাহা হইলে যজ্ঞ, ভগাও ক্রিয়াও অক্ষুন্ন রহিবে, সংসার যেমন জলবিহীন পথের ভিখারী হইয়া পড়িল। সহসা ঐরূপ উৎপাতে আছে তেমনই থাকিবে, সংসারনিয়মের কোন ব্যত্যই হইবে সকলেই কির্তব্যবিমূঢ় হইল, দিল ধূলি-পরিব্যাপ্ত হইয়া না। ঋতু যেমন স্বকালােজ্জীবী রক্ষকে উখালিত করে (অকাল- গেল , দেবৰালকগণ আসিয়া অনুরগিকে পরাভব করিতে লাগিল। জাত ফুলে ফলে সুশােভিত করে, আমিও তদ্রুপ রসালে চণ্ডালাদি অন্ত্য-জাতি সকলকেই আক্রমণ করিতে লাগিল। গমন করিয়া জানবপতি এহলাদকে নিজ কর্তব্যকর্মে জাপানে পাতালপুরী প্রাণি, হতশ্রী ও বিপর্যস্ত হইয়া গেল। সেই অনুৰ পূৰ্ববং স্থাপিত করি। প্রহলাদ ব্যতীত অন্য কাহাকেও জানবে পল্লীতে তৎকালে সকলে পরস্পরের বনিতা ও ধন অপহরণ করিয়া শুর করিলে (গানবরাজ্যে অভিষিক্ত করিলে ), সেই ব্যক্তি দেবতা লইবার অঙ্গ পরম্পর দলবদ্ধ হইয়া যুদ্ধ করিতে লাগিল। বাহানের দিগকে আক্রমণ করিবে। প্রহলাদের যে অতি পবিত্র, এই ধন-গারা অপহৃত হইয়াছে, চতুর্দিকে তাহারা মুক্তকণ্ঠে চীৎকার দেহের অবসানে ইহার আর জন্ম হইবে না, প্রহলাদ এই দেহেই করিতে লাগিল। তৎকালে কলিকালের স্যায় জ্বর দগণ পরস্ব কলাৰসাল পর্যন্ত অতিবাহিত করিবে। প্রহ্লাদ যে এই দেহেই অপহরণ করতঃ দানবপুরীকে যেন ব্যাকুল করিয়া আকল অবস্থান করিবে, ইহা পরমেশ্বরের নির্দিষ্ট নিয়ুম, কদাচ তুলিল।১৯-১৮। এই দৈব নিয়মের অন্যথা হইবে না। ১৬-২০। অতএব জল- সপ্তত্রিং সর্গ সমাপ্ত। ৩৭ ধর যেমন গর্জন করত গিরিনণীপ্ত মযুৱকে প্রবােথিত করে, আমিও তদ্রুপ পাতালপুরে গিয়া সেই দৈত্যপতি এহলাকে বােধিত করি। যেরূপ স্বচ্ছমণিতে মন ও মনের চেষ্টা না থাকি অষ্টত্রিংশ সর্গ। লেও সে আপনভে অন্ত যার প্রতিবিহু গ্রহণ করে, দ্রুপ বশিষ্ঠ কহিলেন,—অনন্তর নিখিল জগতের কার্যসম্পাদনরূপ এক জীবন্মুক্ত অবস্থায় অবস্থান করত অনুরলিগের আধিপত্য ক্রীড়াকারী ক্ষীরােদসাগরে অনন্তশয্যায় শয়ান, অরিন হরি করুক। তাহা হইলে আর সৃষ্টি নিখিলমুয়াসুরগণের সহিত লয়- বার্ষিক নিদ্রার অবসানে (কার্তিক মাসের অবসানে) জাগরিত প্রাপ্ত হইবে না, আবার পূর্বের মত ফ হইবে, আমার লীলাও হইয়া দেবতাদিগের জন্য জ্ঞাননেত্রে জগতের গতি নিরীক্ষণ করিতে অব্যাহত থাকিবে। যদিও এই সৃষ্টজগন্তে ক্ষমােদয় আমার লাগিলেন। প্রথমে মন দ্বারা স্বর্গধাম বিলােকনপূর্ষক পৃথিবীর নিকট সমান অর্থাৎ ইহার ফয়ে দুঃখ বা উদয়ে আমার কোন অবস্থা সর্শন করিয়া শত্রুপালিত পাতাল নিরীক্ষণ করিলেন। আনন্দ নাই, আপি পূর্বপূলে যেরূপ হইয়াছে, এ কয়েও দেখিলেন, তথায়? প্রহলাদ স্থিরসমাধিমগ্ন হইয়া রহিয়াছে। দ্রুপই হউক, সহসা প্রাপ্ত না হউক, ইহাই আমার দেবরাজ ইন্দ্র নি পূরীমধ্যে স্বচ্ছমনে রাজ্যসম্পদ ভােগ ইচ্ছ। অবুদ্ধিপূর্বক যে গমনাদিব্যাপার, তাহাই নােগশমন, করিতেন। ঐ সমস্ত দেখিয়া কীনােদসাগর অনন্তশয্যাশায়ী যােগনিদ্রাজনিত সূখ গমন-প্রষঙ্গের সত্তা অসত সর্বসময়েই হইয়া নিখিল-লােকের দেহমধ্যচারী, শঙ্খচক্রগদাপাণি, পদ্মাসতি থাকে, অর্থাৎ আমি যে বাইতেছি, ইহাতে আমার ঘােগনিদ্রা হরির মন, ত্রৈলােক্যরূপ কমলের মহাউপরূপ অতি উজ্জ্বল সুখের কোন ব্যাঘাত হইবে না। আমি গমন করিতেছি বটে, শরীর ধারণ করিয়া চিন্তা করিতে লাগিলেন।-। প্রহলাদ কিন্তু অচলের ন্যায় স্থিরভাবে আছি। অজ্ঞ ব্যক্তির স্থায় আমি ব্ৰহ্মপদে বিশ্রাম লাভ করাতে পাতাল একাণে নায়ক হইয়াছে। সংসার সম্পাদন করি না, অতএব এক্ষণে পাতালে গিয়া লি। আমার সৃষ্টি একরূপ দৈত্যত হইয়া পড়িল। প্রবল অনুরপতিকে প্রবুদ্ধ করি। দৈত্যপুর এক্ষণে মৰ্যালাবিহীন দন- জৈন্ত না থাকাতে-মুরগণ বিজয়েশত হইয়াছেন, মে ইহাৱাও বিগের হুবহারে ভীষণ প্রাপ্ত হইয়াছে, আমি সেখানে গমন অনাবৃষ্টিতে নদীর স্থায় শান্তি প্রাপ্ত হইবেন। ইহারা শান্তি কৰি দিবাকর যেমন কমলকে প্রবুদ্ধ করে, সেই শৈত্যপতি হইলে ব্ৰহ্মপল-অফ মােক প্রাপ্ত হইয়া যাইবে। এইরূপে প্রলালকে প্রবুদ্ধ করি এবং বর্ষা-ঋতু যেমন চঞ্চল জলধর-নিচকে সকলেই অভিমানশূন্য হুইয়া লতর ন্যায় সি (অর্গখ হইতে শৈলেপরি রি করিয়া রাখে, * অপ আমি এই নিখিল বিরক্ত, লতাপক্ষে জলসেক) হইয়া যাইবে। দে শাভিলাভ জগৎকে সুস্থির করিয়া রাখি। ২১-২৭। কৰিলে ভুলে সমন্ত যতদাদি ক্রিয়া দেবফল হইয়া ত্রিৎশ পর্গ সমাপ্ত। লয় প্রাপ্ত হইবে সন্দেহ নাই।৭-১০ ক্রিলােপ হইলে কি একেবারে অমিত হইবে, (কারণ, ভূলোক কভূমি), ভূলােক লয় প্ত হইলে সংসার একেবারে উচ্ছে প্রাপ্ত হইবে। *বর্ষার পুর্বে গ্রীষ্মের অবসানে মেস ই দুনিয়া কলাবসানের পর আমি এই যে ত্রিভূবন কল্পনা করিয়াছি ইহা, বেড়ায়। বর্ষাকালে বায়ুৰেণ কিঞ্চিৎ প্রণমত হইলে যে স্থানের আপবােগে হিশের গায় অকালে একেবারে বিলুপ্ত হইবে। নে, সেই স্থানে স্থাপিত হইয়া জাবৰণ করিয়া থাকে; পর্ব- সংকলিত এই বিশাল যদি কয় প্রাপ্ত শইত, তবে আমি তের সহিত মেয়ের নিষ্ঠত কৰিলিগের সাধারণ বর্ণনা; এ নিলীলা ক্ষয় করিয়া কি করিলাম তাহা হইলে আমিও চন্দ্র স্থলে বর্ষাঋতুর মেরে বিসশান আমরা সু-নক্ষত্র এই শরীরকে শন করিয়া তৎপদে অবস্থান বুঝিয়াছি।
যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ। মন ভাব ধারণ করিল। অনন্তর তে, মন, প্রাণ ও শরীর একোনটত্বারিংশ সর্গ। বিকাশপ্রাপ্ত হওয়ায় প্রহলাদ, দিবাকর অর্থোদিত হইলে ফুলকমল বশিষ্ঠ কহিলেন-সৰ্বাত্ম হরি এইরূপ চিন্তা করিয়া নিজ সরােবরের আয় শােভা ধারণ করিলেন। ঐ সময় বিষ্ণু হৰি বাসভূমি জীৱসাগর হইতে সপরিবারে প্রতি কুইলেন; বােধ “প্রবুদ্ধ হও” এই কথা বলিবাত্রেই প্রহলাদ, মেঘ-গর্শনমাত্রে হইল ফেল কীনােলসাগর হইতে স্বীয় সামুসহ মন্দাচল উখিত শিখণ্ডীয় হায় প্রবুদ্ধ হইলেন।১৬-২০। প্রহলাদের নয়নায় হইল। যে স্থানের জল বিধাতার সঙ্কল্পবলে স্তম্ভিত অর্থাৎ উৎফুল, মননশক্তি উৎপন্ন ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইলে, পাতালকুহরে প্রবিষ্ট হয় না, হরি সেই পাতালতলগত বিবর দ্বারা ত্রিলােকপতি নারায়ণ স্বীয় নাভিকমলজ ব্ৰহ্মাকে যেমন পূর্বে দ্বিতীয় অমরাবতী তুল্য প্রাণপুঝতে গিয়া উপস্থিত হইলেন, বলিয়াছিলেন, অপ উহাকে বলিতে লাগিলেন, “হে সাধ। লেখিলেন, তথায় হেমময়মন্দিরের অভ্যন্তরে প্রহলাদ, সুমেরু- (ভুমি) মহতী দৈত্যরাজলক্ষ্মী ও নিজ আকৃতি স্মরণ করিয়া হালীন কমলঝেনির ন্যায় সমাধিগ মুহিয়াছেন। ভােয় নে | দেখ, তুমি কি জন্য সহসা দেহের অবসান করিচ্ছে ? তুমি এক্ষণে সত্যগণ অবস্থান করিতেছিল, তাহার বিষ্ণুতেজে, দিবাকর- ' হেয়-উপাদেয়-সঙ্কজবিহীন, সুং শরীরগত সুখ-দুঃখে তােমার কিরণ-প্রকাশে বিভ্রাসিত পেচকের ন্যায় ধূলিবৎ বিক্ষিপ্ত হইয়া কোন অনিষ্টই হইবে না;(যাহারা উক্ত সঙ্কলবিশিষ্ট, তাহাদেরই দূরে প্রস্থান করিল। হরি দুই তিনটা প্রধান অসুরকে সঙ্গে লইয়া দেহম্ময়ণ দুঃখের কারণ হইয়া থাকে, তােমার নহে), অতএব নিজপরিবার-সমভিব্যাহারে সেই অনুরাহে প্রবেশ করিলেন, তুমি এক্ষণে গাত্রাখান কর, কক্সান্ত পর্যন্ত তােমাকে এই দেহে যােণ হইল যেন তারাবেষ্টিত-শশী গগনে উদিত হইয়াছেন। অবস্থান করিতে হইবে। আমি অবশ্যম্ভাবিনী অনিন্দিত নিয়- ১৫। স্বীয় অস্ত্রাদি-পরিবেষ্টিত হরি গরুড়াসনে সমাসীন তির বিষয় অবগত আছি। (এই দেহে তােমার কান্তপর্যন্ত হইয়া তথায় উপস্থিত হইলেন। তৎকালে লক্ষ্মীদেবী তাহার পার্শ্বে অবস্থিতি ইহাই) অবশ্যম্ভাবিনী নিয়তি (ঈশ্বরনিয়ম), তাহা চাম-ব্যজন করিতেছিলেন এবং দেবর্ষি ও মুনিগণ তাহার ঝুতি- আমি জানি, এইজন্য তােমাকে বলিতেছি। তুমি রাজ্যে থাকি- বন্দনা করিতেছিলেন। “মহাত্মা প্রবুদ্ধ হও” এই কথা বলিয়া লেও জীবন্মুক্ত হওয়াতে নিরুদ্বেগে এই শরীরে কান্তপর্যন্ত অতি- বিষ্ণু পাঞ্চজন্যশ-নিনাদে চতুর্দিক প্রতিধ্বনিত করিলেন। বিষ্ণু বাহিত করিবে। ২১-২৫। হে অনথ। তাহার পর কলাবসানে সেই মহান্ শঙ্খনিনাদ যুগপৎ বিক্ষুব্ধ প্রলয়মেষ ও প্রলয়-সগরের। যখন তােমার এই শরীর বিশীর্ণ হইয়া যাইবে, তখন তুমি ঘটভগ্ন গর্জনের ন্যায় ভীষণ বোধ হইতে লাগিল। আকস্মিক 'মেঘ-হইলে টাকাশ যেরূপ মহাকাশে লীন হইয়া যায়, সেইরূপ স্বীয় গর্শন শ্রবণ করিয়া, ক্রীড়ামন্ত রাজহংসশ্রেণী যেমন চকিত হয়, মহত্বে অবস্থান করিবে। তােমার এই শরীর লােকপরাবণী অস্বরবর্গ সেই শঙ্খনিনাদ শ্রবণ করিয়া দ্রুপ চকিভাবে ভূমি- | ও বিশুদ্ধ ইহা কক্সাবসানপৰ্য্যন্ত জীবন্মুক্তের বিলাসপ্রাপ্ত হইয়া তলে পতিত হইল। বিষ্ণুর সহচরবর্গ উক্ত ধ্বনি শ্ৰৰণ করিয়া অৰস্থিতি করিবে। এখনও ত স্লাদশদিবাকর (যুগপৎ ) উদিত হয় জলদধ্বনি-সমুফুল* কুট-কুসুমের ন্যায় আনন্দে উৎফুল্ল হইয়া নাই, পৰ্ব্বতসমুহ ভুগর্তে লীন হয় নাই, অগংও প্রজ্বলিত হয় হৰকাশ করিতে লাগি। ৬-১০। বাসমাগমে যেমন কষ | নাই, হে সাথে। তবে তুমি শরীরত্যাগ করিতে উদ্যত হইয়াছ ক্রমে পুষ্পিত হইতে থাকে, তদ্রুপ দানবেশ প্রলাপ বিষ্ণুর শর্থ- ' কেন? মৃত অমরগণের বিলােল- শিকপালবাহী, ত্রিজগতের ধ্বনিতে শনৈঃ শনৈ এবােধপ্রাপ্ত হইতে লাগিলেন। অনন্তর ভস্মরাশিতে ধূসরিত প্রলয়পবন এখনও উন্মত্তভাবে প্রবহমান হয় এলাদের প্রাণশক্তি ব্ৰহ্মর হইতে উখিত হইয়া, গঙ্গাদেবীর নাই, তুমি বৃথা কেন শরীর ত্যাগ করিতেছ? জগৎকোষে সমস্ত সাগর অপূরণের ন্যায় ক্রমে তাহার সর্বত্র আপুরণ এখনও অশােক-পুষ্পমঞ্জরীর ন্যায় পর ও আৰকনামক প্রলয়- (ব্যপ্ত) করিল। উদয়ের পরে সৌরী-প্রভা যেমন ক্ষণকালমধ্যে মেখে তড়িতপুঞ্জ স্কুরিত হয় নাই, তবে বৃথ। শরীর পরিত্যাগ সমস্ত ভূবনমণ্ডলে বিকীর্ণ হইয়া পড়ে, সেইরূপ অকালমধ্যেই করিতেছ কেন ? ২৪-৩০। অধুনা ত দহমান ধরণীর কম্পনে প্রহলাদের সর্বাবয়বে প্রাণশক্তি বিস্তৃত হইয়া পড়িল। অনন্তর পর্বত-সকল বিদীর্ণ ও প্রজ্বলিত প্ৰলয়ানলে সমুজ্জল দিল- ইন্দ্রিয়সকল নবঘরে আসিয়া উপস্থিত হইলে তাঁহার চিৎ- দ্বিত ব্রহ্মাণ্ডভিতি বিীর্ণ হইতেছে না, তবে তােমার শরীরি- (চৈতন্য) অন্তর্গত শিক্ষশরীররূপ দর্পণে প্রতিবিম্বিত হওয়াতে ত্যাগ কেন? এই জগৎ এক্ষণে ত প্ৰলয়জীমূতের প্রবল-ধারা চেতোমূখী হইয়া উঠিল। চেতনীয় বিষয়ে উন্মুখী দীর চিৎ বলে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরনামক এয়ীমাত্রে অবশিষ্ট হইতেছে না, চেত্যাকার ধারণ করিয়া মনােভাব ( চিৎজরূপতা । প্রায় প্রবে বৰা শরীরত্যাগ কর কেন? এখনও ত আব্দ-সূর্যের হইল। ১১-১৫। এইরুপে প্রলাদের চিত্ত কিঞ্চিৎ অঙ্কুরিত আলােকে দুপদ্মেৰ ফলস্বৰূপ লােকালেকপতের শৃঙ্গের সহিত (উদবুদ্ধ) হইলে বিকাােেম্মু তদীয় নয়ন-ঘয় প্রভাত কালে ব্ৰহ্মাণ্ড ভিতির পার্থক্য অনুমিত হইতেছে না, ব্রহ্মাণ্ড ভিত্তি অর্থবিকাশপ্রাপ্ত নীলােৎপলখলের শোভা ধারণ করল। দীর অর্জগার হয় নাই, তবে শরীপরিত্যাগ কর কেন? নাড়ীবিরে সংবিৎ অন্তঃপ্রবিষ্ট প্রাণ ও আপন বায়ু দ্বারা উদ্বোধিত এখাও যুগপৎ সমুদিত দ্বাদশ-ভাস্করের প্রচণ্ড তাপমালা হইলে মন্দসমীৱকম্পিত-কমলের ন্যায় প্রহলাদ স্পন্দিত হইলেন। টানিনাদে অদ্রীশ্র (সুমেরু) ভে করত নভােমণ্ডলে বিকীর্ণ এলাদ ক্রমে প্রাণপূর্ণ হইলে, জলাশরে চতুর্দিক হইতে জল ও প্রলয়ণ গলিত হয় নাই, অৰে বুবা শরত্যাগ আসিয়া পড়িলে যেমন তরঙ্গবৃদ্ধি হয়, সেইরূপ নিমেষমধ্যে তদীয় কমিছে কেন? আমিও গরুড়াপরি আরূঢ় হইয়া নিখিল প্রাণিগণ-পরিব্যাপ্ত, দিবাকরকিরণে আলােকিত শলিগুলে বর্ষাকালে ফুটপূষ্প ফুটিয়া থাকে, কাজেই কুটজপূণ বিচরণ করিতেছি, (এলয়কাল উপস্থিত হয় নাই, এএ তুমি করে হেতু জলদধ্বনি। শরীরের প্রতি অবহেলা কও না। ৩১=৩৫। এই আশা, উলাম-এফ। ৩১ যে ব্যক্তি s এই শৈল, এই গণ, এই ভূমি, এই জগৎ, এই আকাশ, নে ও স্মরণে জীবগণ লাভ করে, তাহারই জন পােল সমস্তই বিদ্যমান রহিয়াছে; এ সময় তােমার দেহের প্রতি পায়। যে গর! বাহার উপরে জীবনরূপম-বিশিষ্ট অপ্রদর্শন সমুচিত নহে। যাহার মন ঘনীভূত জ্ঞানযােগে নিখিল-লােকরূপ কুমূলনিচয় বিসপ্রাপ্ত (প্রফুল, পক্ষান্তরে ব্যাকুল হইয়া রহিয়াছে ও অহরহ দুঃখজলে ছিন্ন হইছে, আনন্দিত) হয়, তাহারই জীবন রোগমুক্ত পূর্ণচন্দ্রমার পূর্ণতার তাহারই দেহত্যাগ না পায়। শ্রামিক, আমি অতি স্যায় কত শােভা পায়, অপরের নহে। ৫১-৫। দুঃখ, আমি মূঢ়” এম্বি এবং অন্যবিধ দুর্ভাবনায় বাহার বুদ্ধি একোনচত্বারিং সর্গ সমান্ত। ৩১। লােপ এটিতেছে; হায়ই মরণ শােল পার। আশাপাশে বন্ধান্তঃকরণ হইয়া চঞ্চল মনােৰুতি বাৰা ইতস্তত চত্বারিংশ পর্গ । নীত হয়, তাহারই মরণ শােভা পাইয়া থাকে। বিবেকনাশিনী তৃষ্ণা যাহার হৃদয়কে বাঙ্গাদি অন্তুরের ন্যায় মর্পিত করিতেছে, বা কহিলেন,-লােকে এই এক দেহের রিতাকেই সেই গর্দভাধম ব্যক্তিই মরণ শ্রেয়। ৩। হায় জীবন আর দেরিলাভের নিমিত্ত এই প্রত্যক দেহের তালতরুর স্যায় উন্নত চিত্তরূপ অরণ্যে চিত্তবৃত্তিরূপিণ সভা সুখ- পরিত্যাগেকে মরণ বলিয়া থাকে। হে মহামতে। ভূমি উক্ত দুরূপ ফল প্রসব করিতেছে, তাদৃশ ব্যক্তির মরণই-প্ৰশত। উভয় প্রকার অবস্থা হইতে বিমুক্ত অর্থাৎ তােমার এই দেহের বাহার খােমরাজিরূপ লাজলে বেষ্টিত দেহরূপ বিষবৃক্ষ কামাদি স্থ্যৈজ্ঞও নাই, এই দেহ হইতে প্রাণও উংক্রান্ত হইলে অনর্থরূপ প্রচণ্ডবায়ু জারা বিনিত হইতেছে, তাহারই মরণ না, তােমার মরণই বা কি আর জীবনই বা কি? হে শ্রেয়। যাহার বিলেল-দেহতাশালী কায়কানন আথিব্যাপি অরিন। তবে যে বলিলাম, তােমার জীবনই শােভা পায় জালে পষ্ট হইছে, তাহারই মৰণ শ্রেয়। শুদ্ধ বৃক্ষকোটরে মরণ নহে, ইহা কেবল দৃষ্টান্তপ্রদর্শনমাত্র। হে সর্বজ্ঞ। স্যায় তাহার দেহমধ্যে কামকোপরূপ বিশালকায় ভুজ র্শ বাস্তবিক তুমি কদাচ জীৰিভও , মৃতও নই। বায়ু যেমন করিতেছে, তাহারই মরণ শােভা পায়। এই যে দেহ পরিত্যাগ, , আকাশে স্থির হইলেও আকাশে সংলগ্ন নহে বলিয়া আকাশ- ইহাই লেকে মরণশব্দে অভিহিত হয়, উৰু মরণ আত্ম সম্পালনশূন্য, তুমিও সেইরূপ দেহে স্থিত হইলেও দেহে আসক্ত নহ করেন না, (কারণ, আত্মা নিষ্ক্রিয়), দেও উক্ত মরণ- ' বলিয়া দেংশূন্য, এক্ষণে তােমার দেহবৃষ্টি নাই। হে সুব্রত। সম্পাদক নহে, কারণ, দেহ অসং, হের অসত্তার প্রতি হেতু দেহের ধৰ্ম্ম শীতােষ্ণাদি-স্পজ্ঞান ভােমার আছে কি যে, তুমি আত্মজ্ঞান , (যাৰ আত্মার অজ্ঞান, অৎ দেহ)। ৪১-৪৫। দেহে অবস্থান করিতে বলিতে হইবে। বুকের উন্নতির যাহার বুদ্ধি আত্মবিলােকন হইতে বিরত হয় না, তাদৃশ প্রতি অকার্ণ যেমন অঝােধক বলিয়া কারণ হয়, সেইরূপ যথার্থদশী প্রাজ্ঞ ব্যক্তির জীবনই পােল পান্থ, (দেহ হইতে শীতােষদি ভুটে স্পর্শের অনােথ হইলে আম্বা তাহার কারণ প্রাণের উক্ৰমণকে মরণ বলে না, আত্মতত্ত্ব হইতে মন্ত্রি হইয়া থাকেন। ফলতঃ আত্মা তাহাতে আসক্ত নহেন। ১-৫। উপক্রমণই মরণ, তত্ত্ববিদের তাহা হয় না, সুং সর্বদাই তুমি এক্ষণে অজ্ঞান লাভ করিয়া প্রবুদ্ধ হইয়াদ, প্রবুদ্ধ হইলে, সে জীবিত, অঙ্কব্যক্তির মত সর্বই আত্মতত্ত্ব হইতে উক্রান্ত, নিখিলদ্বৈতের উপল বা রুৰিলে আৰার দেহ খােয় সুত্রাং নিত্যমৃতস্বরূপ। অৰ্ম কৰি এইরূপ অহঙ্কত কিবে? এই পরিচ্ছিন্নরূপ দেহ অজ্ঞ ব্যক্তিতেই বিদ্যমান ভাব যাহার নাই, ঘাহার বুক বিয়ে লিপ্ত নহে, সর্বভূতে যাহার থাকে। তুমি চিৎকাশ, মাের বুদ্ধি একমাত্র পরব্রহ্মেই সমদৃষ্টি, তাহার জীবনই শােভা পায়। যে ব্যক্তি অঙ্কুরে শীতল পরিনিষ্ঠিত, তুমি সবাই সৰ্বশ্বরূপ ( আরে ন্যায় মাত্র গবেষক্তি বুদ্ধি দ্বারা সাক্ষীর ল জগৎ দর্শন করে, তাহারই দেহরূপী নহু), যাহাকে তুমি গ্রহণ করিবে বা পরিভাগ জীবন শ্রেয়ঃ যে ব্যক্তি সম্যক্ পরিজ্ঞাত হইয় হয় উপাদেয় বুদ্ধি করিবে, তোমার তা দেং কি, অদেহই বা কি? পরিত্যাগপূর্বক চিত্তের অবসানভূত চিনাকাশে চিত অপর্ণ করে, বসন্তকাল আগত হউক বা প্রলয়ানিল প্রবহমান হউক তাহার জীবনই শােভা পায় । যে ব্যক্তি অবস্থভূত অক্রিকা- ভাবাভাববিহীন আত্মার হাতে কি ক্ষতি বা বুদ্ধি আছে? অদির গায় ববং ভাসমান সঙ্কলিত বাহ্যবস্তুরূপ মলে শৈলসকল উৎপাটিত হউক প্রলয়ান জগৎ সূ করুত্ব ও অনাসক্ত চিওকে পরব্রহ্মে লীন করিয়াছে, অস্থায়ই জীবন যােত উৎপায়ু বাছিতে হক ( তােমার হাতে কোনই ক্ষতি দয়। ৪৬। যে ব্যক্তি সভদৃষ্টি অকলশনপূর্বক লীলাচ্ছলে নাই), তুমি আত্মাতেই অবস্থান কৱিচ্ছে। নিখিল-পদার্থ জাগতিক কর্ম সম্পান করে, বসনাতী জীবনই শ্লা। অবস্থান করুক, বউ, নষ্ট হউক বা বর্ষিত হউক, তুমি আত্মাতেই যে ব্যক্তি আগতের ব্যবহারে থাকিও উপজেপ্তিবিনে অবস্থিত। ১০। এই ক্ষেয়ে পক্ষমেশ্বর (আজ) অন্তরে সজােষ ও হেয়াঞ্চিনিৰ অন্তরে উদ্বেগ প্রাপ্ত হয় না, প্রান্ত হন না, এই সেভিতে তাঁহার বৃদ্ধি নাই এই দেহের তাহার জীবনই প্রণ। শুদ্ধপক্ষ - সরোবর হইতেছস- স্পলেও তাহায় শব্দ নাই। আমি দেহেয়, আমি দে’এই সমূহ-নির্গমনের স্নায়, বাহা হইতে শক্তিশাফি-সমুহ বিগত (একাতি), তাহারই জীবন ।* বাহ নাম প্রকাশে * মূলে যে শুরুন আছে, তাহার অর্থ কাকার কিছুই লেখেন নাই; পলটা নিরর্থক প্রযুক্ত, বেঃ পদবিভক্তিত্যয় *সরােবরপৰুে ওপৰু ভ্ৰৰণ হংসাদিপশী বেশনে করিম ব্যাকরবিড়ি দিকে লক্ষ্য না করি। নােকহাজানি বিদ্যমান। লক্ষণা খীরা পক্ষশপেক্ষী বুঝিতে হইবে-স্বয়ং এইরূপ আয় করিলে সজত অর্থ হয়। মূরে অবুজ শীরও এ অন্ধ অর্থাৎ নিল। ভবিপক্ষে যাহার পক্ষ আত্মীয়গণও সজি দুলে যাণের দিকে লক্ষ্য না করিয়া কুমুদ অর্থ করিতে বা শুদ্ধ প্রথাবিং (পবিত্র)। নতুবা চাপৰিকাশ, এইরূপ বি হইয়া পড়ে। - বােগবাশিষ্ঠরামায়ণ - প্রকার টিবিভ্রম ক্ষয়প্রাপ্ত হইলে “ত্যাগ করিতেছি কি” “ত্যাগ বল বাপিয়৷ নিৰ্ম্মলবুদ্ধি দ্বারা আপনাকে অনুরে দর্শন করিতেছি না” এইরূপ কল্পনা বৃথা। ৰংস! যাহারা ভবিং, করিয়াছি, আবার সৌভাগ্যক্রমে বাহুদৃষ্টিতে ও দৃষ্ট তাহাদের “ইহা করিয়া ইহা করিব, ইহা ত্যাগ করিয়া ইহা হইতেছেন। ১৫। হে মহেশ্বর। আকাশ যেমন অনন্ত নিল ত্যাগ করিব” এরূপ সঙ্কল ৯ এপ্তি ইয়াছে প্রবুদ্ধ আকাশে অবস্থিত, তদ্রুপ আমি স্বতঃই সৰ্ব্ববিধ সঙ্কল হইতে যক্তিরা সর্বকর্তা হইলেও কিছুই কবিকে না; সুতরাং বিমুক্ত অনন্ত এই পারমার্থিক স্বরূপদৃষ্টিতে অবস্থান করিতেছি। তাহাদের প্রক্রিয়াই যখন সিদ্ধ, তখন তাঁহারা সর্বদাই কর্তৃক আমি শােক,মােহ, বৈরাগ্যচিন্তা বা সংসারভয়ে দেহত্যাগবাসনায় বিহীন। অকর্তৃত্ব হেতু হালের অভেক্তৃতাও সিদ্ধ হইয়াছে, সমাধিমগ্ন হই নাই। যখন কেবল একই বিদ্যমান, তখন আবার কারণ, এই জগন্দ্রয়ের মধ্যে বীজবপন না করিয়া কে থান্য শােক কোথায় ? স্মৃতি কোথায় ? দেহ কোথায় ও সংসার কোথায় ? সংগ্রহ করিতে পারিয়াছে? ১১-১৫। কর্তৃত্ব তােক্তৃত্ব ঘখন স্থিতি, ভয় ও অভই বা কোথা হইতে আসিবে ? আমি গত হইল, তখন শান্তই অবশিষ্ট রহিল। সে শান্তি যখন দেহত্যাগাদি-অভিসন্ধি ব্যতিরেকে স্বয়ং উৎপন্ন বিমল ইচ্ছায় এই । প্রাপ্ত হয়, তখনই বুধগণ তাহাকে মুক্তি বলিয়া থাকেন। বিতত পানপাদ অবস্থিত হইয়াছি। হে ঈশ্বর। “হায়। আমি যাহারা প্রবুদ্ধ, চিন্ময় ও বিশুদ্ধতাপ্রাপ্ত, তারা সমস্ত আক্রমণ সংসারে বিরক্ত হইয়াছি, সংসার ত্যাগ করিব” এবম্বি হলাে- করিয়া অবস্থান করিতে ; তাঁহাদের পরিত্যক্ত কি আছে যে, বিকার-প্লদা চিন্তা অবুদ্ধ ব্যক্তিদিগেরই হইয়া থাকে। ৬–৪। তাহা গ্রহণ করিবেন? আর গৃহীতই বা কি আছে যে, ত্যাগ “দেহের অভবে দুঃখ থাকে না, দেহ বিদ্যমানেই দুঃখ, এই করিবেন? তাহাদিগের গ্রাহবিষয়, গ্রহণকর্তা, তৎসম্বন্ধ, আমার বুদ্ধি” এম্প্রকার চিন্তারূপিণী কালভুজগী মুখব্যক্তিকেই প্রমাণ, প্রমময়, অবয়ব, অবয়বী ইত্যাদি কোন প্রকার বিকারই অহঃ দংশন করিতে থাকে। “ইহা সুখ, ইহা দুখ, ইহা নাই, তাঁহারা কি গ্রহণ করিবেন, কিই বা ত্যাগ করিবেন? আমার নাই, ইহা আমার আছে এবম্বিধ আবে দোলাইচিত্ত- গ্রাহবত ও গ্রহণকা উত্তমের সম্বন্ধে ক্ষয় প্রাপ্ত হইলে যে মূর্ষব্যক্তিকেই বিব্ৰত্ব করে, পণ্ডিতের কিছুই করিতে পারে না। শান্তি উদিত হয়, সেই শান্তি স্থির হইলে মােক্ষ নামে যাহাদের আত্মবুদ্ধি দূরগত হইয়াছে, সেই অজ্ঞ জীবদিগেরই অভিহিত হইয়া থাকে। তােমার স্যায় পুরুষশ্রেষ্ঠগ সৰ্ব্বদাই আমি একজন, এই ব্যক্তি আমা হইতে অ” এইরূপ বাসনার সেই মুক্তিতে অবস্থিত ও সর্বদাই শান্ত , তাহারা সুষুপ্তিকালে উৎকর্ষ হইয়া থাকে। ইহা ত্যাজ্য, ইহা হ” এবপ্রকার মিথ্যা- স্পন্দিত অবয়বের ন্যায় বিচরণ করেন। ১৬২০। পরব্রহ্মের মনােভ্রান্তি দুদ্ধি-অজ্ঞব্যক্তিকে যেরূপ উন্মত্ত করিয়া তুলে, প্রজ্ঞ বােধ হওয়াতে তােমার বাসনা অপগত হইয়াছে; তুমি আসংস্থা ব্যক্তিকে সেরূপ উন্মৎ করিতে পারে না। হে কমললােচন। বুজি কারা অর্থপ্ত ব্যক্তির স্যায় এই জংস্থিতি বিলােক কর বিভত আত্মস্বরূপ সৰ্বরূপ তুমি বিদ্যমান থাকিতে হেল্প উপালে- আঁহাদের চিত্ত পরব্রহ্মে লীন, তাঁহারা রমণীবােধে বাহবিষয়ে বিষয়িণী দ্বিতীয়কঙ্গনা আবার কোথা হইতে আসিবে ? ১১-১৫। আসক্ত হন না এবং দুঃখেও উখি হন না। দর্পণ যেমন সদসদ্ধপী এই যে নিখিল-জগৎ উৎপন্ন হইয়াছে, ইহা আত্ম- বৰাৰ্থপ্রাপ্ত প্রতিবিম্ব গ্রহণ করে, সেইরূপ নিত্যপ্রবুদ্ধ-ব্যক্তিগণ চৈতন্যের আভাসমাত্র; ইহাতে হেয়ই বা কি, আর উদেয়ই বা শনাক্ত হইয়া অনিচ্ছাপূর্বক যথাপ্রাপ্ত কাৰ্য্য সম্পাদন করিয়া কি, যাহা ত্যাগ করা যাইবে না গ্রহণ করা যাইবে । আমি কেবল থাকেন। আঁহাদের আত্মতত্ত্ব জাগরিত, তাহারা স্বচ্ছ হইয়া নিজস্বভাবেই দৃষ্টা ও দৃশ্যের বিসরপূর্বক পরমাত্মস্বরূপ হইয়া সংসারস্থিতিৰিয়ে নিদ্রিত থাকেন, যুও ব্যক্তির সদৃশ হইয়া রুশকাল অাতে বিশ্রামলাভ করিলাম। আমি এ যাবৎ ভাবা- তাহাৱা বলকে স্যায় কাৰ্যব্যহারী হন। হে মহাত্ম। তুমি ভাববিমূক্ত ও হেয়-উপাদেয়-বুদ্ধি-শত হইয়া অবস্থান করিতে অরে অজিতপদবীংৰহ্মপদ) প্রাপ্ত হইয়াছ, অতএব ব্রহ্মার 'ইলম, অধুন। আপনার আজ্ঞায় এইরূপে অবস্থিত রহিয়াছে। একদিন(একর) এই পাতামধ্যে বিৰিথলিনী রাজশী হৈ মহাদেব। আমি এক্ষ স্বভাব প্রাপ্ত আত্মা, আপনার আদিষ্ট লেগ করিয়া এতে চুত পরমপদ প্রাপ্ত হও।২১৫। নিখিল-কাৰ্য এক্ষণে আমার কর্তব্যকর্মের মধ্যে পরিগণিত চত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। •। হইতেছে, আপনার যাহা অভিরুচি, আমি তাহাই করিব। হে পুণ্ডরীকাক্ষ। আপনি জগন্দ্রয়ের পূজ, এক্ষণে আমার নিকট একচারিং স। হইতেও আপনাকে নিরুত্ত পূজা গ্রহণ করিতে হইবে। ১৬-২০। উদয়াচল যেমন পূর্ণচন্দ্রকে উপস্থিত করে, বশিষ্ঠ কহিলেন-এক্লপ রাশিয় পেটক (পেট) ও নবপতি সেইরূপ এই কথা বশির কনােশায়ী ভগবানের জগৎরূপ অদ্ভুত বর প্রদর্শক পদ্মনাভ চত্রিকাসম শতকে অগ্র ধ্য উপনীড় করিলেন। প্রহলাদ সুরগণ, এই কথা বলিতে, একদানা বীরদেহ নয়ননীয় বিকাস অঙ্গরােগণ, গরুড়, অস্ত্র ও লগ্র ত্রৈলােকের সহিত সমুখ- করিয়া মননব্যাপার অবলম্বনপূর্বক সহৰে বলিতে লাগিল। বৰ্তী গােবিন্দের পূজা করিলেন। ঘঁহার বহির্দেশে ও প্রহলাদ কহিলেন-হে দেব। আমি শত শত রাজকর্মে ও অন্তরে অসংখ্য-অগৎ পরিবর্তিত হইতেছে, সেই ভুবনেশ্বরকে সংক্রান্ত হিত ও অহিতের বিচারে অত্যন্ত পরিশ্রান্ত, পূজা করিয়া লাদ সমাসীন হইলে, ভগবান কমলাপতিঁাহাকে হইছি। ক্ষণকাল বিশ্রাম করিলাম। ভগব। আপনার বলিলেন “হে মানষপতে! উখান কর, উখন কর, সিংহাসনে নুগ্রহে আমি স্বরূপ স্থিতি লাভ কৰিছি, রণে আমি সমাধি অধিঢ় হও, আমি খই সন তােমার অভিষেককাৰ্য্য সম্পাদন অসমাখি উভয় অবস্থাতেই সলঙ্গা সমভাবে অবস্থান করিতেছি, করিতেছি। মদী পাক-খের নিনাদ শ্রবণ করি যে সমস্ত পরিমার্থিক স্বরূপে অবস্থিতি সবই বিশন। দেব সি, সখ্য ও পূরগণ সমাগত হইয়াছেন, ইহা কােমর ৩ উপশম-প্রকরণ . ? ৩ মঙ্গল করুন।” পুণ্ডরীকাক্ষ এই কথা বলিয়া সুযোগ মেষের এ সিংহাসনেসেই দানব অঙ্গকে উপবেশন কইলেন। বিচারিং সর্গ। ২-২৫। এই কথা বলিয়া হরি ক্ষীরোদপ্রমুখ মহাসাগর বশিষ্ঠ কহিলেন,—এইকথা বলিয়াপুণ্ডরীকাক্ষ সুরকিন্নর-নগণ সমূহ, গঙ্গাদি-নদীসমূহ ও মুদয় তীর্থকে আহবান করিলেন সমন্বিত হইয়াৰিতীয় সংসারের স্যায় সেই অনুমন্দির হইতে এবং তাহারা সকলে সমাগত হইয়া প্রকাকে পবিত্র-সলিলে প্রস্থান করিলেন। প্রহাদ প্রভৃতি দৈত্যকর্তৃক বিকীর্ণ পুষ্পাঞ্জলি- অভিষিক্ত করিলেন। অমেয়াত্ম হরি লােকপালগণ, বিদ্যাধরগণ, সমূহ ও বিহগপতি গরুড়ের পশ্চাদ্ববর্তী উৎক্ষিপ্ত পুচ্ছপনিবহু সিদ্ধগন ও সমস্ত বিবিগণ সমভিব্যাহারে মহাদৈতা প্রহলাদকে দ্বারা আচ্ছাদিতশরীর হইয়া হরি ক্রমে কীনােগরে উপস্থিত দৈত্যরাজ্যে অভিষিক্ত করিলেন। দেবগণ পুর্বে স্বর্গলােকে হরিকে 'ইলেন। তথায় উপস্থিত হইয়া সুরসেনাগণকে বিদায় দিয়া যেমন স্তৰ কলিয়াছেন, তদ্রপ প্রহলাদেরও স্তব করিতে লাগিলেন। তিনি, খেতকমলে ঘটুপদের ন্যায় ভূজকাল্পরূপ আসূন নিখিল-সুনামগণ হরি ও প্রহলাদকে স্তব করিতে প্রবৃত্ত সমাসীন হইলেন। অনন্তর ভুঅশরীরীসনে বিষ্ণু, স্বর্গে হইলেন। অতন্তর মধুসূদন রাজ্যাজিষিক্ত প্রহলাদকে বলিতে অমররন্দের সহিত অমরনাথ ইন্দ্র ও পাতালে দানবপতি প্রহলাদ আর করিলেন। ২৭-৩০। হে অনঘ। যাবৎ এই সুমেরু- বিগতক্ষর হইয়া অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। হে রাম। তােমার পৰ্কত থাকিবে, যাবৎ এই পৃথিবী ও চন্দ্র-সূৰ্য্য বিদ্যমান থাকিবেন, নিকট নিখিল-মলনাশিনী গলিতসুধাকর-সুধার আয় শীতল তাবৎকাল তুমি অসীমগুণে লােকাধিত রাজা হইয়া থাক। এহলাদের এই বােধপ্রাপ্তির বিষয় কীৰ্ত্তন করিলাম।১। তুমি সমদর্শিনী বুদ্ধি দ্বারা ইষ্টার্দিষ্ট পরিত্যাগপূর্বক বিষয়ানুরাগ জগতীতলে যে সকল ব্যক্তি প্রহলাদের এই জ্ঞানলাভত্তান্ত ও ভয়ক্রোধবিবর্জিত হইয়া রাজ্যপালন কর। তুমি সর্বোত্তম সদবুদ্ধিতে বিচার করিবে, তাহারা বহুদুরুতকারী হইলেও অচিরাৎ আনন্দময় ব্ৰহ্মপদ অবলোকন করিয়েছ, ভােগপূর্ণ এই রাজ্যে তৎপদ প্রাপ্ত হইবে। সামান্য বিচারেই যখন দুরূত ক্ষয় হয়, তখন অননুরাগৰূপ উদ্বেগ প্রাপ্ত হইও না এবং পিত্রাদির ন্যায় স্বর্গ- এই যােগবাক্য বিচার করিয়া কে পপদ প্রাপ্ত না হইবে লােকের ও মর্ত্যলােকের উদ্বেগ উৎপাদন করিও না। শনিগ্রহ অজ্ঞানই পাপ বলিয়া কথিত হয় , ঐ পাপ বিরলে বিদূরিত এজার প্রতি অনুগ্রহ প্রভৃতি অবশ্যকর্তব্য কৰ্ম্ম, যখন যাহা হইয়া থাকে, অতএ পাপমুলচ্ছেদনকারী বিচারকে পরিত্যাগ উপস্থিত হইবে, কোল- কীর অনুরােধে তৎসমুদয় কবিবে না। যাহারা এই প্রদত তত্ত্বজ্ঞানসিদ্ধি বিচার করে, কৰ্তব্যকর্মের যথাযথ অনুষ্ঠান করিবে,দেখিও তাহাতে যেন তাহাদের সপ্তজন্মের দুষ্কৃতরাশি নিশ্চিতই ক্ষয় প্রাপ্ত হয়। বিসানাগাদি-প্রযুক্ত বিসমতা প্রাপ্ত না হও,-(সর্বত্র সমভাল রাম কহিলেন, পরহ্মে প্রবৃষ্ট মহাত্মা প্রহলাদের মন পাঞ্চজন্য- অবলন করিয়অবস্থান করিও। তুমি এক্ষণে জাতিদেহ হইয়াছ শখনিনাদে কিরূপে প্রবুদ্ধ হইল, তাহা আমার নিকট কীর্তন { দেহাতিরিক্ত আত্মভাবে পরিণত হইছ, মমতা মম করুন। ৬-১০, বশিষ্ঠ কহিলেন, হে অনঘমুর্তে। এই সংসারে পরিশূন্য হইয়া সমভাবে কুৰ্য করিলে আর তুমি বিষয়রাগে যধিত মুক্তি দ্বিবিধকপে সম্পন্ন হয়, প্রথম দেহমুক্তি, দ্বিতীয় বিদেহমূক্তি। হইবে না' ৩০-৩৫ । তুমি সংসারগতি সমস্তই প্রত্যক্ষ ইহাদিগের বিভাগ (স্পষ্ট করিয়া বলিতেছি, শ্রবণ কর। বিয়ে করিয়াছ, সেই অতুল ব্ৰহ্মপদ প্রাপ্ত হইয়ছ , সমস্তই অবগত অনাসক্তবুদ্ধি যে ব্যক্তির ইষ্টকর্মের গ্রহণ ও অনিষ্টকর্মের ত্যাগের তােমাকে আর অধিক কি উপদেশ দিবার আছে ? ইচ্ছা নাই, তুমি সেই ব্যক্তির অস্থিতিকে জীবন্মুক্তভাব’ৰলিয়া তুমি বিষয়াগ-তয়ক্রোধ, সুতরাং তুমি য়ালা হইয়া থাকিলে জানিও অর্থাং সে জীবন্মুক্ত। হে রাম। সেই ব্যক্তির দেহ এক্ষণে আর দুখেরূপ দুগ্রন্থি অনুরগিকে দলিত করিবে না। বর্ষা- হইলে পরে আবার জন্ম হয়, তাদৃশ অবস্থাকে বিষমুক্তি বলে, কালােমাদিনী, বন্ধিসলিল, উলুবতী তটিনী যেমন বিদেহমুক্ত ব্যক্তিগণ কাহারও দৃশ্য হন না। জীবন্মুক্ত ব্যক্তিদিগের তীরস্থ বনরাজি প্লাবিত করে, ভােপ বাষ্পবারি আর এগণে জয়ে পুনর্জন্মরূপ অঙ্কুবর্জিত ভ্ৰষ্টবীজের স্যায় বিশুদ্ধ বাসনা অনুরকামিনীদিগের কর্ণমঞ্জরী প্লাবিত করিবে না, তাহারা আর বিদ্যমান থাকে। পবিত্ৰ-কায়িী, তৃষ্ণাকার্পণ্যবতি বিশুদ্ধ- শােকাকুল হইবেন না। আজি হইতে দেবদানবযুদ্ধ প্রশান্ত সভাময়ী, ব্ৰহ্মখ্যানস্বরূপ, উক্ত বাসনা সুষুপ্ত-যক্তির বাসায় হওয়াতে জগৎ, মথনাবসানে উত্তেলিত-দর-সাগরের ন্যায় প্রশান্ত সর্বদা বিদ্যমান থাকে। ১১-১৫। হে রবৃত্তম! সহস্র অভাব ধারণ করিবে। সেবনকামিনীগণ এক্ষণে কারামুক্ত হইয়া বৎসরের পরেও যদি কেহ থাকে, তাহা হইলেও অন্তরস্থ ঐ স্ব স্ব অন্তঃপুরে ভর্তৃগণের সহিত বিশ্বস্থভাবে কালাতিপাত করুক। বাম দ্বারা জীবমুক্তগণ প্রবুদ্ধ হইয়া থাকেন। হে মহাবাহো। হে নুত। তুমি এক্ষণে কৃষ্ণপক্ষ-রজনীর তিমিরের স্থায় গাঢ় লালও শনিদে অবরুদ্ধ অবস্থিত বিশুদ্ধসত্বরূপিণ *ীয় নাঙ্ককার নিরাস করিয়া সর্বদা প্রকাশ ব্রহ্মভাবে বাসনা দ্বারা বােধ প্রাপ্ত হইয়াছেন। হরি নিখিল-জীবের আত্মা ; দীপ্যমান হও এবং রিপুগণের অবশীভূত হইয়া বনিতা-বিলাসে আঁহাতে যাহা প্রতিভাসমান হয়, তাহা সত্বর দ্রুপ প্রাপ্ত হইয়া রমণীষ রাসশ ভােগ কর। ৩৬-৪০। থাকে, যেহেতু আত্মাই, নিখিল-কারণস্বরূপ। বাসুদেব হরি একচবারিংশ সর্গ সমাপ্ত।০১। ‘যখনই প্রহলাদ বােপ্রাপ্ত হউক” এইরূপ চিত করিলেন, তখনই নিমেষমধ্যে তা সম্পন্ন হইল। কালবিহীন অর্থাৎ বিশু ভূতণের কারণস্বরূপ বহুদেবরূপী আত্ম, নাতে- • বিপুণবিপাশােক ও কামাদি ক্রিম , নিতা সৃষ্টির এ রপরিগ্রহ করিয়াছেন। ১৬-২০। যে ব্যক্তি বিস-অবয়কামিনীষি শান্তি প্রভৃতি গুণের বিলাস। আসাক্ষাৎকার করেন, তিনি বহুদেবকেও ঝটিতি দেখিতে জাকার এই বিবি ই একা করিয়াছেন। পান; ৰায়েবের আরাধনায় আবু হইয় হইয়াছি , মােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ এ এ হে রাখব। তুমি এই অ অবলম্বন করিয়া আত্মদর্শনধিষয়ে কিছুই লভ করা যায় না। তুমি পুরুষকার অবলম্বন ধারা যত্নবান্ হও। এইরূপ বিচারকলই ভূমি শাশ্বত আত্মপদ প্রাপ্ত ইন্দ্রিয়গিরি লক্ষন ও সংসজলধি ভরণ বয়া তৎপারভি হইবে। হে ল। এই বিচাররূপ সূণ্যের মুখ দেখিতে না পপদ প্রাপ্ত হও। যদি পুরুষকার ব্যতিরেকে অজ জনার্দনের পাইলে, মানবণ। ধারাবর্ষিণ দারুণ সংসারণায় জড়তা প্রাপ্ত সাক্ষাৎকার ঘটিত, তাহা হইলে তিনি পশুপস্থিগণকেও উদ্ধার হইয়া থাকে। মসিদ্ধ-বক্রিদিগের যেমন পিশাচবাধা থাকে কুবিতে। ১১-১৫। গুরু যদি যায় পৌরবিহীন অকেও না, দ্রুপ বিরূপী আত্মার অনুগ্রহে বিচারপৰায়ণ ধীর ব্যক্তিগণ উদ্ধার করেন, তাহা হইলে উষ্ট্র ও দুর্দান্ত বলীবর্দকেও উদ্ধার সংসাররূপিণী মহতী মায়ায় বাধিত হন না। যেমন বায়ূবশে করিয়া দিতে পারেন। হরি, গুরু বা অর্থ হইতে মুহৎপদ প্রাপ্ত বহ্নিশিখা কখুন উজ্জলিত হইয়া উঠে, কখন বা ক্ষীণ হইয়া হওয়া যায় না, শ্মীয় পুরুষকার দ্বারা মনকেষণীভুত করিলে য, (বহির উভন্ন অবস্থাতেই বায়ু বোন কারণ ), সেইরূপ অনন্ত- আপনা হইতে সেই মহৎপদ প্রাপ্ত হইতে পারে। বৈরাগ্য অব মায়ারূপী এই সংসারজাল আত্মার ইচ্ছাতেই কখন ঘনীভূত হয়, নম্বন পূর্বক বারবার অভ্যাস দ্বারা ইয়-ভুজকে বশে স্থাপন কখন বা ক্ষীণভাব ধারণ করে। ২১-২৫। করিয়া আত্মা যাহা পাইতে পারেন না, তাহা ব্রিগতে পাওয়া দ্বিত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪২। যায় না। তুমি আবার (আপনিই) আপন আত্মাকে আরাধনা কর, আমারা আত্মাকে অর্চনা কর, আত্মা দ্বারা আত্মাকে দর্শন করিয়া আলা দ্বারাই আত্মাতে স্থান কর। যাহারা সম্যক চিরিংগ সর্গ। শালােচনা, রীতিমত চেষ্টা ও বিচারে পরখ (য়ে তাহাতে অগ্রসর হয় না, সেই মুর্থদিগের শুভপথে প্রবৃত্তি-উৎপাদনা রাম কহিলেন, হে ভগব। হে সর্বধৰ্ম্মবিদ। সুধাংশুর বিষ্ণুশক্তির কল্পনা করা হইছে। ১৬২। তন্মধ্যে অভ্যাস ও কিরণজলে ওষধিসকল যেরূপ সর্পিত হয়, ভবদীয় বিশুদ্ধ ষত্ব এই বিধি বলিয়া কথিত হইয়াছে উপদেশবাক্যে আমিও তদ্রুপ, পরম তৃপ্তি লাভ করিলাম। 'কর্ণ- তাহাতে অক্ষমস্থলে পূজ্যপূজকভাব (বিষ্ণুর পূজা করা—বিষ্ণু- যুগলের স্পৃহণীয়, মৃদু (প্রসাদমাধুগুণসম্পন্ন), পত্রি, ভবণীয় উক্তি) গৌণকজ করা হইয়াছে। ইজিয়কুল যদি নিজের আয়ত বচনাবলী অবসকুসুমের স্যায় কর্ণযুগলে গ্রহণ করিয়া পর* (বশীকৃত) থাকে, তাহা হইলে আর খায় প্রয়ােজন কি ? সুখী হইলাম , (এক্ষণে আমার একটা সন্দেহ উপস্থিত হইয়াছে, আবার যদি ইন্দ্রিয় যত না থাকে, তাহা হইলেও বিষ্ণু- তাহার নিরস করিয়া অনুগৃহীত করুন)। পূর্বে বলিয়াছিলেন, পূজায় কোন ফুল নাই। বিচার ও উপশম ব্যতিরেকে হরিকে পুরুষকার দ্বারা সমস্তই লাভ করা যায়। যদি এইরূপই হয়, তাহা পাওয়া যায় ন; যে বিচার-উপশম-বিবর্জিত তার ব্রহ্ম হইলে প্রহলাদ মাধবের বয়ব্যতিরেকে প্রবুদ্ধ হইলেন না কেন ? সিয়াও কিছুই করতে পরেন না। তুমি চিত্তকে বিঞ্জার ও অর্থাৎ স্বকীয় পৌরুৰে কেন অবােধ লাভ করিলেন না ? বশিষ্ট [ উপশমে যুক্ত করিয়া আরাধনা কর, জহা হইলেই সিদ্ধ হইতে কহিলেন, হে রাব। মহাখা প্রলােক যাহা লাভ কবিয়ছিলেন, পারিবে, নতুবা তুমি যতগত। যদি বিষ্ণু প্রভৃতির নিকট প্রণয়- তৎসমুদয় স্বীয় পৌরুষলেই লব্ধ হইয়াছিল, (অন্য কোন উপায়ে প্রার্থনা করিতে হয়, তাহা হইলে তাহা নিজ চিত্তের নিকট না নহে)। আত্মা ও নারায়ণ ভিন্ন নহেন, উভয়েই এক। তিল কর কেন ।২১-২৫ বিনিখিল-লােকের অন্তরে অয়ন ও তত ভৈলপট ও পটগত শুক্লতা, কুসুম ও তদীয় সৌরভ করিতেছেন, যাহারা অন্তরস্থিত-বিসুকে পরিত্যাগ করিয়া বহির্গত একই, ভিন্ন নহে, আত্মা ও নারায়ণও সেইরুপ এক। ১৫। বিষ্ণুর সেবা করিতে যায়, তাহারা নরাধম। জুদয়-গুহাবাসী বিনি বিষ্ণু, তিনিই আত্মা; যিনি আত্মা, তিনিই জনার্দন, যেমন সনাত চৈতন্যতত্ত্বই আর মুখ্যশরীর, হস্তে শঙ্খচক্রগদাধারী বিটপী ও পাপ, সেইরূপ বিষ্ণু ও আত্মা, শব্দ একপর্যায় (একার্থ- তন্দ্রীয় বহির্মুৰ্ত্তি শ্রেণ (মায়াশে কলিত আগন্তুক)। সে ব্যক্তি বোধক)। ঐ আত্মা স্বয়ংই স্বকীয় পরমা শক্তি দ্বারা বাদনামক মুখ্য পরিত্যাগ করিয়া গৌণের দিকে ধাবিত হয়, সেই ব্যক্তি আত্মকে বিভক্ত করেন। প্রতি আহ্বা দ্বারাই (আত্মভূতকিছু সিদ্ধ (প্রত) রসায়ন পরিত্যাগ করিয়া সাধ্য (যাহা বিদ্যমান দ্বারা এই বর (বিষ্ণুধ্বনিতে প্রবােণরূপ লাভ করিয়া- নই) রসায়নের উৎপাদন করতে যায়। যে রঘুনন্দন। যে ছিলেন, তিনি নিজেই মনকে বিচারপরায়ণ করিয়া স্বয়ংই জ্ঞান- আত্মবিবেকের অপ্রাপ্তিনিবন্ধন ওনােম চিত্তের বশীভূত হইয়া লাভ করিয়াছিলেন। মা কখন নিজেই স্বকীয় শক্তি দ্বারা প্রবুদ্ধ এই চমৎকার আত্মতত্ত্বজ্ঞান মনে স্থাপিত করিতে না পারে, সেই হন, কখন বা ভক্তিলভ্য বিষ্ণুশরীরের ব্যায়। প্রবোধ লাভ করেন। অরিচিত-ব্যক্তি শঙ্খচক্রগদাখারী পরমেশ্বরের হিমুক্তির পূজা এই মাধবপরমপ্রীতি ( সকলের প্রতি সর্বদা পরমসন্তুষ্ট ) করিবে। ২৬-৩০ | হে রাখব। বিষ্ণু সেই বাহর পুজারূপ থাকিলেও এবং চিরকাল অমিত হইলেও বিচারে অক্ষম কষ্টকর উপায় বৈরাগ্য অর্জন করিতে করিতে কালে চিত্ত ব্যক্তিকে শনাল করিতে সমর্থ হন না। ৬-১০। একমাত্ৰ নিৰ্ব্বলভাব প্রাপ্ত হইবে। নিত্য উক্ত পূজাভ্যাস করিতে করিতে পুরুষকারে সমুখত (আ) বিচারই আত্মসাক্ষাৎকারের প্রধান বিবেকসঞ্চার হইলে 6িও অবশ্যই নিৰ্মল হইবে। আই মে উপায় , বর প্রভৃতি তাহার গৌণ উপায়, অ এ ভূমি মুখ্য অতি সুরভি ফুল ও ফলে সুশােভি সহকার-জব প্রাপ্ত উপায়ের চেষ্টা কর। প্রথমে তুমি বলপূর্বক পঞ্চেলিয় বশীভূত হইয়া থাকে অর্থাৎ অস্ত্রের যেমন কারদশাপ্রাপ্তি অবশ্য- করিয়া, সর্ববিধষত্বে ইলিয়বীকরণ অভ্যাস করত মনকে ভাবী, বিবেকভ্যাসে চিত্রে নির্মল সেইরূপ এবাৰী। কর। লােকে যেখানে যাহা কিছু পায়, তৎসমস্তই স্বীয় ই অরিনিমূল। শাস্ত্রে হরিপুর যে ফলকথিত হইয়াছে, ইহাও লাভ কৰিয়া থাকে। জি আই উপায়ে কুত্রাপি আর অসম্বলিত ফল প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। অমিত ;
উপম-প্রকরণ। তেজা যিষ্ণুর নিকট বর পাইয়া থাকে, সে তাহার নিজ অভাস হইতে উথান কর, অভিমত বর গ্রহণ কর তোমার তপস্যা- পাপেরই ফল প্রাপ্ত হইল ( সন্দেহ নাই)। ভূমি যেমন বুকে অদ্য অভীতি ফল ফলিয়াছে। ব্রাহ্মণ কহিলেন, অসংখ্য শগের অস্পদ, সেইরূপ নিল মনের নিগ্রহই (বশীকরণই) জগদ্বাসী জীবগণের পদ্ধতি ভৱস্বরূপ ত্রিলােকীরূপিণী সর্বপ্রকার উত্তমপদ ও সর্ববিধ চিসম্পদের আস্পদ। ৩১-৩৫) এনলিনীর (আধারভূত) সমােবশ্বরূপ বিষ্ণুকে নমস্কার। খাহার মহীখননের নিমিত্ত উৎসুক এবং যাহারা পাষাণকর্য ভগব। আপনি পরমাত্মায় যে এক মায়া রচনা করিয়াছেন, ব্যাপৃত, তাহারাও একমাত্র মনের নিগ্রহ (ঐকাগ্র্য) ব্যতীত আমি মােহকারিণী সংসারয়ী ঐ মায়া দর্শন করিতে ইচ্ছা অন্য কোন উপায়ে আরব্ধ কাধ সিদ্ধ করিতে সমর্থ হয় না, করি। বশিষ্ঠ কহিলেন, ভগবান্ অজ “তুমি এই মায়া দেখিতে যতদিন চিত্তরূপী মও-মহাসাগর স্বিভাব ধারণ না করিবে, পাইবে, তৎপরে এই মায়াকে পরিত্যাগ করিবে” এই না তাবৎ মানব সহ -সূত্র জন্ম ভূমণ্ডলে ভ্রমণ করিবে, | বলিয়া গন্ধর্বনগরের ন্যায় অদৃশ্য হইলেন। বিষ্ণু প্রস্থান করিলে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর ও ইমুখ দেবগণ সকলের প্রতি বৎসল ' দ্বিজেন্ডমাগৰি জল হইতে উখানপুক শীল ও নির্মল বপু হইলেও এবং চিরকাল পুজিত হইলেও মনের ব্যাধিরূপ বিপদ হইয়া ক্ষীর-সাগর হইতে সদ্য উখিত সুধাকরের ন্যায় শােভা হইতে কাহাকেও রক্ষা করিতে পারেন না অর্থাৎ মনের নিগ্রহ- পাইতে লাগিলেন।১১-১৫। চন্দ্রদর্শনে কৈরব যেমন উৎফুল্ল চিকিৎসা স্বকৰ্তব্য, অপরের দ্বারা তাহা সিদ্ধ হয় না, হয়, তদ্রুপ সেই ব্রাহ্মণ জগৎপতির দর্শনলাভ করিয়া পরমপ্রীত আরব তুমি পুনর্জন্মনিবৃত্তির জন্য বায়ােজ্জ্বল আকারের চিন্তা হইলেন। অনন্তর তিনি হরিসন্দর্শনজনিত আনন্দে নিমগ্ন হইয়া পরিত্যাগ করিয়া অন্তরস্থিত একমাত্র চৈতন্যরূপের চিল ব্রাহ্মণোভিত কৰ্ম করত, সেই অরণ্যে কতিপয়দিবস, অতিবাহিত কর। হে রাম! তুমি সম্বেদনীয় বহ ও আন্তর বিষয়জাল করিতে লাগিলেন। একদা কমলশােত সেই সরোবরে স্নান হইতে নির্মুক্ত, নিরাময়, পরমানন্দময়, অনন্ত, সন্মাত্র, চৈ করত কিধির স্যায় মানসমধ্যে বিষ্ণুর উপদেশানুসারে নানা সরূপের আস্বাদন কর, তাহা হইলেই তুমি জনদীর পরপাতে অতীত ও অনাগত বিষয় চিন্তা করিতে লাগিলেন। পরে ঐ গমন করিতে পারিবে। ৩৬-৪০। ব্রাহ্মণ স্থান সমাপন করিয়া নিখি-কষদূরীকরণার্থ জলমথ্যে ত্রিবারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৩। কুণযুক্ত করঘূর্ণন দ্বারা অভিমুখস্থিত জলভাগ আবর্তাকার কক্ষ অধমণ জপ করিতে আরম্ভ করিয়াছেন, এমন সময় সহসা তঁাগর মন্ত্রবিঘ্নতি হইল , যে মন্ত্র পাঠ করিবেন, তাহার চতুশ্চত্বারিংশ সর্গ। বিপরীত মন্ত্রের উচ্চারণের দিকে তঁাহার জ্ঞানগতি ধাবিত হইল। তিনি জমধ্যে হইতেই দেখিলেন, যেন, নিজভবনে মৃত হইয়া বশিষ্ট কহিলেনহে রাম' এই সংসারনামী মায়ার অন্য বায়ুগে গুহাগর্ভপতিত পদপের ন্যায় ভূপতি ও শােচনীয়- কিছুতে পৰ্যবসান হয় না, একমাত্র আপনার চিত্ত ভয় করিতে দশ প্রাপ্ত হইয়া রহিয়াছেন। ১৬-২১। অঁহার সেই মৃতদেহ পারিলেই ইহা ক্ষয় প্রাপ্ত হয়। হে অনব। এই অগজপী প্রাণ ও অপানৰয়ুর গতি, অবয়স্পন্দরহিত ও নিৰ্বাতন্থান- প্রপঞ্চের বিচিত্ৰতাৰোধনার্থমাের নিকট একটা ইতিহাস স্থিত বৃক্ষাদির ন্যায় নিশ্চলভাবে পতিত রহিয়াছে। পাণ্ডুবর্ণ কীত্তন করিতেছ, অবহিতচিত্তে শ্রবণ কর। জগতীত তদীয় মুখমণ্ডল শুষ্ক-বপত্রের ন্যায় নীরস ও ছিন্ননাল কমলের কোশল নামে এক জনপদ আছে। ঐ জনপদ বিবি রত্নগণের ন্যায় নি হইয়া গিয়াছে। যেন বীভূত সেই দেহ নয়নদ্বয় মুদ্রিত আকর। মুরুস্থিত কল্পতরুকাননের তুল্য প্রায় বিবিধ সদগুণ হওয়াতে, প্রাতঃকালে অনক্ষত্র অঙ্করের ন্যায় দৃষ্ট হইছে ; সম্পন্ন গাধি নামে বিখ্যাত এক ব্রাহ্মণ যা করিতেন। শ্রম ধূলিধূসর ভূপতিত সেই দেহ যেন বর্ষাবিহীন ধূলিময় গ্রামের বেদবিং, ধীমান্য, সেই ব্রাহ্মণ সাক্ষাৎ থৰ্ম্মষ ছিলেন। নিষ্কলঙ্ক রায় হইয়া গিয়াছে। কুররপীর গল টীৎকাররবে যেরূপ স্বচ্ছ শালীকশে জগন্মগুলের যেরূপ শো হয়, সেইরূপ সেই কক্ষকে বেষ্টন করিয়া থাকে, সেইরূপ ৰজলাবদন তাঁহার ব্রাহ্মণের চিন্ত কল্যবধি বিষয়রিক্ত হওয়াতে তিনি পরমশােভা- আত্মীয়-বন্ধুবৰ্গ দীনভাবে করুণশ্বরে ক্রন্দন করত সেই দেহ সম্পন্ন হইয়াছিলেন। ১-৫। তিনি কোন অভিমত-কাৰ্য বেষ্টন করিয়া রহিয়াছে। ২২-২৫। তাহার ভাৰ্য্যা তখন, সেতু সম্পাদনে সঙ্কল্প করিয়া বন্ধুবর্গ পরিত্যাগপূর্বক ভগঙ্গার্থ বলে ভজ হেতু জলাশয়ের জল ঝহিরে নিষ্কাশিত হইলে, আকণ্ঠসলিম ন করিলেন। বিজোত্তম গাথি তথায় প্রফুলকমলশােভী ময়া নলিনী যেমন সহসা জলের হ্রাসনিক্ষন অবনতমুখী হয়, এক সরেরে গিয়া উপস্থিত হইলেন, বোধ হইবেন, চলমা- সেইরূপ অবসুখী হইয়া ঘঁহার পাদমূলে উপবিষ্ট রহিয়াছে। ভারাকুসুমশােষ্ঠী, এস, নির্মল, অম্বরতলে উপস্থিত হইলেন, অনী নববদিত-জালাতি তদীয় চিক ধারণ করি কখন ব্রাহ্মণ বিষ্ণুর সাক্ষাৎকারনালসে সেই সমােব, বর্ষাকালীন ভাৱম্বরে, কখন বা ধ্বলিবৎ অনুচ্চস্বরে বহু বিন্যাপ করিতেছে। পরে স্কায় আকণ্ঠজলমগ্ন হইয়া তপস্যা করিতে লাগিলেন। অন্যান্য সকলে গলদবদনে দীনজৰে পাৰে অবস্থান করিতেছে, সেই সরসীসলিলে হইয়া তপস্যা করিতে করিতে হয় যেন হিরিণকারী অপরাশি বৃক্ষের পার্কে পতিত আট মাস অতিবাহিত হইল। রাত্রিকালে সহৰাসী কমলসমূহের রহিয়াছে। তাহার অব্যবসল যােগবিচ্ছেদয়ে একেবারে সঙ্কোচে তাহারও মুখকাতি কিঞ্চিৎ ম্লান হইত। এর সংযােগ পরিহারবাঙ্গায় যেন অনাত্মীয়ের ব্যায় দূরপ্রসারী হইয়া বারতে, নিদানিত ধরাতলে সুনীল-নেক বেৰৰ আন দেহকে আবৃত করিয়া রহিয়াছে; (অসকল ছড়াইয়া পড়িয়া করে, সেইরূপ এক হরি তপথ ব্রাহ্মণের নিকট উস্থিত আছে। ওষ্ঠ পরস্পর অলঞ্জ হওয়াতে ৩শনাল কিরণ হইলেন। ১০। ভগবান্ কহিলেন, হে বিপ্ল। জলমধ্য নিতে হইতেছে; তাহাতে বােধ হইতেছে, ঐ মৃত দেহ বােগণি-রামায়ণ আতশরীর যেন বিরক্ত হইয়া বহির্গত আত্মজীবনকে লক্ষ্য করিয়া হাস্য শিশু হইয়া, যমুনাপ্রবাহের স্যার ইতস্থজ্ঞ বিচরণ করিতেলাগিল। করিতেছে। ২৬-৩০। ঐ নিশ্চল দেহ দেখিলে বােধ হয় যেন ১-৫। ক্রমে দশবর্ষের পর ষোড়শষ বয়ঃক্রম প্রাপ্ত হইয়া, মুনির ন্যায় খানম, যেন চিরমুগু, যেন চিরবিশ্রান্ত হইয়া চণ্ডালশিশু স্কুল, মেঘের ন্যায় সুন্দর শ্যামবর্ণ ও দুষ্টপুষ্ট পুত্তলিকাবৎ নিশ্চলভাবে পতিত রহিয়াছে এবং বান্ধবদিগের মধ্যে হইয়া উঠিল। অবস্থায় কতিপয় কুকুর সঙ্গে লইয়া এমন কাহার কিরূপ হে ইহা বিচার করিবার জন্যই যেন মৌব- ইতেও বলে বিচরণপূর্বক লক্ষ লক্ষ মৃগ ৰধ করত ব্যাধের লম্বন করিয়া ধপূর্বক বন্ধুর্গের উচ্চ বিলাপকোলাহল শ্রবণ রতি অবলম্বনে কালাতিপাত করিতে লাগিল। অনন্তর পূপগুহ কৰিলে। আরও দেখিলেন, বন্ধুবৰ্গ অতি শশাকে ব্যাকুল শ স্তনযুগলনালিনী, নবপল্পবসম কযুগলবতী, মলিনদশনা, ভাবাপ, মধ্যে মধ্যে মুহিত ও পরিবাহে বনপৰিভূষি বহুবিলাসৰতী, মালার স্থায় গামক এক হই বক্ষে করাঘাতপূর্বক বহুক্ষণ বিলাপ করিয়া উচ্চস্বরে চণ্ডালবালিকার সহিত তাহার বিবাহ হইল সে নিজে শ্যামবর্ণ, নােন(নিবন্ধন স্বরভঙ্গ প্রাপ্ত হইল। অবশেষে তাহারা নিরুপায় পত্নীও শ্যামবর্ণা, ভ্রমর-ভমরী যেমন একত্রে কুমােপরি বিচরণ হইয়া অমঙ্গল ঐ শবদেহের দৃষ্টিপথপরিহারার্থ গৃহ হইতে উহা করে, সেইরূপ সেই চণ্ডাল ঐ নবপ্রণয়িনীর সহিত বনমধ্যে বিচ- বহিত করিয়া মাংস-নাড়ী-বসা-কর্দমময় ভীষণ শ্মশানে লইয়া রণ করিতে লাগিল। বনস্থলীতে লতাপত্রে বাস করুত ক্রমে সে গেল। সেই ভীষণ-শ্মশানের কোন স্থানে শুল্ক-শবরাশি পতিত বসনপ্রাপ্ত (জীর্ণশীর্ণ) হইয়া মূৰ্ত্তিমান বিশ্বকাম্ভারের ন্যায় প্রতীয়- রহিয়াছে, কোন স্থান অর্ধ শবরশির বসে দেযুক্ত, কোথায়ও মান হইতে লাগিল। কপন বনকুঞ্জে বিশ্রাম করে, কখন নিরি- বা কালরাশি পতি রহিয়াছে। ৩১- ৩৫। সেই শশ্মানের সহায় শয়ন করে, কখন পত্রপুঞ্জে নিলীন হইয়া থাকে, কখন গুহা- নতােভাগে উডডীয়মান শকুনিকুল, জলদমালার ন্যায় সূর্যকিরণ মধ্যে বাস করে, কখন বা কর্ণে কিঙ্কিরতমঞ্জরীভূষণ, গণে যুথিকা- রােধ করিয়া বেড়াইতেছে, সর্বদা প্রজ্বলিত বহু চিত্ৰলে সেই কুসুমের মাল, মস্তকে কেতকীকুসুমভুষণ ও সগাত্রে সহকার- ভীষণ-শ্মশান অন্ধকারশূন্য হইয়াছে। উল্কামুখী শিবাগণের কুসুমমাল্য অর্পণ করিয়া বিলাসসহকারে বিচরণ করিতে থাকে। অশুভবদন-নিঃসৃত বহ্নিশিখায় তত্ৰত্য ভূভাগ যেন পল্লবময় হইয়া মৃগবধে বিশেষ পারদর্শী ও কাননপ্রদেশের সম্যক্ অভিজ্ঞ হইয়া, যাইতেছে। স্থানে স্থানে রুধিরনদী প্রবাহিত হইতেছে , সেই চণ্ডালরূপী গাধি পুষ্পশয্যায় শয়ন, কখন বা অদিতটীতে ভ্রমণ রক্তনদীতে নিমগ্ন হইয়া কঙ্ক ও উগ্র বাস-কুল স্নান করি- করিয়া কালাতিপাত করিতে লাগিলেন। অনন্তর সেই চণ্ডাৰূপী তেছে। কোথাও বা বৃদ্ধ শকুনিগণ মাংসভক্ষণ করিতে যাইয়া, গাধি শৈলােপরি খদিররক্ষের কটক প্রসবের খায়, পরিণানে অতি রক্তা স্ত্রীজালে আবদ্ধ হইয়া পড়িয়া রহিয়াছে। সাগর যেমন বিষম নিজ চণ্ডালকুলের অঙ্কুরম্বৰূপ কতিপয় পুৱ প্রসব করিলেন, নিজের জলপ্রবাহ বাড়বানলে গল্প করে, সেইরূপ বান্ধবগণ জমে পরিবার লইয়া এক গৃহস্থ হইয়া উঠিলেন। যৌবনকাল সেই ঘাের-শ্মশানমধ্যে এম্বলিত অনলে সেইশবদেহ দাহ অতিক্রান্ত হইল, বৃষ্টিহীন প্রদেশের ন্যায় ক্রমে গাখিচঞ্জল শীর্ণ করিতে লাগিলেন। শুস্ক-ইন্ধনসংযােগে চিত প্রবদ্ধিত-শিখা- হইতে লাগিলেন। তাহার পরে পুত-পরিবারসহ তিন জন্মস্থান সমূহরূপ জটাজাল বিস্তার করিয়া চটচটশকে ক্ষণকালমণ্য সেই ভুতমগুলে উপস্থিত হইয়া তাহার কিঞ্চিৎ দূরে, অরণ্যবাসী সেই শবদেহ দক্ষয় করিল। হস্তী যেমন কটকটকে বংশবন তপন্সীর ন্যায় এক পর্ণকুটীর নিণপূর্বক বাস করিতে লালিম। বিদলিত করে, সেইরূপ সেই চিনল গগনভেদী কটকটরবে {—১৭। বাজীর্ণ ঐ চণ্ডাল উষভূমির জাত তলতরুর ও পূতিগন্ধে মেঘমার্চ পর্যন্ত পরিব্যাপ্ত করিয়া চতুর্দিকে শৰ- স্থায় বি হইয়া পড়িলেন, পুলিওতাহার অনুরূপ হইয়া শরীরের মজ্জাগত বসারুস বিকীরণ করত অস্থিসমূহ পৰ্য্যন্ত উঠিল। প্রৌঢাবস্থায় ঐ চণ্ডাল বঙ্গ বন্ধুবর্গ সমবেত হইয়া চণ্ডা- কমি সমগ্র শবদেহ একেবারে ভস্মাবশেষ লের ন্যায় গার্হস্থ্য-ধর্ম প্রতিপালন করিতে লাগিয়ে তিনি কার্যে করিল। ও বাক্যে ক্রমের যকতা সম্পাদন করিয়াছিলেন। জলস্থিত সেই গাধি এইরূপে চালকুলে আপশকে বহুকুটুমতি এক চতুশ্চবিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৪। চণ্ডাল-গৃহস্থ বলিয়া দর্শন করিতে লাগিলেন। এত অপরাপর চণ্ডালপেক্ষা সেই চণ্ডালরূপী গাধিই তখন বয়ােজ্যেষ্ঠ। চণ্ডল- ভাৰপৰুগাথি ভ্রান্ত চণ্ডাল-গৃহস্থ হইয়া কালাতিপাত করিতেছেন, পঞ্চচত্বারিংশ এমন সময়ে একটা বৃষ্টিজলপ্রবাহে যেমন অপর্ণসমুহতাসিয়া , বশিষ্ঠ বলিলেন,-অনন্তর ঐ গথি (উক্ত ঘটনা সন্দর্শনে) সেইরূপ মৃত্যু আসিয়া সেই চণ্ডালগালির স্ত্রী পুত্ৰ সমুদঅপহরণ অত্যন্ত ব্যথিত হইয়া জমধ্যে অৰহন করিয়াই নিৰ্ম্মল আত্মায় করিল। চণ্ডালগাধি তখন চতুর্দিক অন্ধ পর দেখিলেন; একাকী দুঃখিতমনে আবার দেখিতে লাগিলেন, তাহার সেই মৃত আত্মা সেই 'রুণামধ্যে যুখভ্রষ্ট হরিণের স্থায় দুঃখাকু ও সংসারের ভূমণ্ডল-নামক এক জনপদের প্রান্তসীমাসী এক চণ্ডালীর প্রতি আস্থাশূন্য হইয়া সাক্ষনয়নে রােদন করিতে লাগিলেন। জিনি গর্ভে গিয়া প্রবেশ করিল। বিষ্ঠাসদৃশ সেই চণ্ডালীর গর্ভে গিয়া শোকাকুলচিত্তে কতিপয় বিফ সেই স্থান অতিবাহিত করিয়া, অবস্থান করত তদীয় কোমী আত্মা গর্ভস নিবন্ধন যন্ত্রণায় হংসাদি পক্ষী যেমন শুদ্ধ পদ্মসলােবর পরিত্যাগ করে, সেইরূপ শয় পীড়িত ও ব্যাকুল হইয়া পড়িল। বর্ষা যেমন শ্যামবর্ণ সেন পরিত্যাগ করিলেন; চিন্তাবিত ও ভয় আশ্বস্ত হইয়া মে এব করে, দ্রুপ সেই চণ্ডালী কালক্রমে পরিণতর্ভা পাবীনের ন্যায় তিনি বায়ুচালিমেবং লাল করিতে হইয়াশা ও শ্যামবর্ণ একটা সন্তান প্রসব করিল। চলীগর্ভে লাগিলেন। শচারী টের যেমন আকাশমধ্যে সহসাউৎকৃষ্ট এইপে গ্রহণ করিয়া সেই পাখির আত্মা চলগণের প্রিয়- বিমান প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ তিনি এমন করিতে করিতে কীৱন- । সর্গ।
উপম-প্রকরণ পদে গিয়, অভিমুখে এক শ্রীসন্ন পূরী প্রাপ্ত হইলেন। প্রথমে পূর্ষক রাজ্যে অভিষিক্ত করিল। বায়স যেমন ভাগ্যগ্রনে সেই পুরীর সম্মুখবর্তী স্বর্গপথসদৃশ সুন্দর রাজপথে উপস্থিত অৰণ্যৰধ্যে হটপষ্ট মৃত হরিণ প্রাপ্ত হয়, তদ্রুপ সৌভাগ্যক্রম হইলে ।১৮-১৬। তথায় সর্বদা নৃত্যকারী নগণের অঙ্গচুত সেই গাথি চণ্ডাল হইয়াও সে কীরপুরীমধ্যে রাজ্যপ্রাপ্ত হই- রত্ন ও যন্ত্রসমূহ পৰিস্থিত বক্ষ ও লাসমূহ মামা রহিয়াছে। গেন, তখন তাঁহার চরণকমল কারমামিনীদিগের করকমল দ্বারা আলফ বিকীর্ণ কুসুমরাশি সেই রাজপথের শােভাসম্বৰ্ধন করি- সাহিত হইতে লাগিল, সর্বাঙ্গে কুকুমলিপ্ত হইয়া তিনি সজল- তেছে, দান ও অগুরু দ্বারা সমুদয় পথ সুৰসিত। পথিমধ্যে দের স্থায় শােভা প্রাপ্ত হইলেন। ৪১-৪৫। সিংহ যেমন সর্বদা সামগ, নগরবাসিগণ ও অনগণ বিচরণ করাতে পথ সিংহীগণযুক্ত হইয়া অরণ্যমণে সুশােভিত হয়, সেইরূপ ঐ একরূপ সঙ্কীর্ণ হইয়া রহিয়াছে। গাধি সেই পথিমধ্যে দেখিলেন, রাজা কীরনগরে নাগরীগণৰেষ্টিত হইয়া পরম-শােভ ধারণ বিবিধ-মণিরত্বভূষিত একটা মজলহস্তী যেন অসম-মুমেরু-পৰ্বত করিলেন। তিনি সিংহনিহত কীর কুন্তোমুক্ত মুক্তকলাপ দ্বারা বং তথায় বিচরণ করিতেছে। পরীক্ষায়-নিপুণ পুরুষ যেমন ভূষিতশরীর হইয়া, কিরণে ও স্বীয় মলে উত্তপ্ত কী যেমন চিমণিদর্শণাকাঙ্ক্ষায় নানা রত্ব অন্বেষণ করিয়া বেড়ায়, ত্ৰত্য সসীমথ অলএবতে মগ্ন হইয়া পরম বােধ করে, সেইরূপ রাজা পরলােকগত হওয়াতে ঐ হন্তীও সেইরূপ' পুনৰ্ব্বায় অন্য চিন্তাবিষাশূন্য হইয়া মন্ত্রিগণ ও পুরবাসীদিগের সহিত রাজ্য রায় গ্রহণ করিবার ও বিচৰণ করিতেছে। গাখিচণ্ডাল জঙ্গম ভোগ করত পরম আনন্দ ত করিতে লাগিলেন। কতিপয় অচলের স্থায় বৃৎকায় ঐ গল্পীকে কৌতুক-বিস্ফারিতলােচনে বহু দিবসের মধ্যেই তিনি প্রথায় ইচ্ছামত রাজ্যের সুব্যবস্থা করিয়া ক্ষণ নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। ২৭-৩০। সেই হী দর্শন- দিলেন। চতুর্দিকে তঁহার আদেশ, সকলে সাদরে পালন করতে কারী চণ্ডলকে শুণ্ড দ্বারা স্বীয় গণ্ডলে তুলিয়া লইল, বোধ হইল লাগিল। রাজকাৰ্যনিপুণ প্রজাৰগ তঁাহ প্রদত্ত কাৰ্যবিশেষের নে, সুমেরু-পৰ্বত সূৰ্য্যদেবকে সাদরে স্বীয় প্রদেশে আরো ভার স্বচ্ছমনে নির্বাহ করিয়া দিতে লাগিল। তাহর জনশক্তি পিত করিল। গাধিচণ্ডাল হস্তীর গণ্ডদেশে আরূঢ় হইলে, প্রলয় বহুদূরব্যাপী হইয়া উঠিল। তথায় তিনি গল গামে বিখ্যাত মেষ গগনে উদিত হইলে মহাসাগর যেমন গর্জিত হইয়া উঠে, রাজা হইয়া রজপালন কবিতে লাগিলেন। ৪৬-৪৮। সেইরূপ যুগপং বহু জয়দুন্দুভি বাজিয়া উঠিল। প্রকাশে যেমন পঞ্চবারিংশ গর্গ সমাপ্ত ৪৫ বহু পক্ষী জাগরিত হইয়া যুগপ, রব করিয়ে থাকে, সেইপ চতুর্দিকে “রার জয়” এইরূপ নরকণ্ঠনি সমুখিত হইল। অনন্তর উদবেলজল অশবির গভীরগজ্জনের ন্যায় চতুর্দিকে বন্দী- দিগের উক্ত কোলাহল হইতে লাগিল। ষট্চকাংশ সর্গ। নিয়ে জলমগ্ন মন্দরাচলকে যেমন ক্ষারেলসাগরের লহরী আসিয়া বেষ্টন করিয়া- বশিষ্ঠ কহিলেন—এইরূপে চিণ্ডাল বিলাসিনীগবেষ্টিত, ছিল, সেইরূপ তথা বরাজনগণ তাহার ভূসম্পাদনাথ আসিয়া মন্ত্রীগণ পুজিত, নিখিল-সামন্তবর্গ-কর্তৃক বন্দিত ও ছত্ৰচাময়- সেই গৰিচণ্ডালের চতুর্দিক বেষ্টন করিয়া গঁড়াইল। ৩১-৩৫। শােভিত হইল সেই কীরদেশে রাজ্য করিতে লাগিলেন। তাহার নানারত্নময়ী পূর্বিসগরবেলা সেরূপ অাপনাঙ্গে প্রতিবিম্বিত সূর্যের আদেশ সর্বত্র অভিহত ছিল, রাজ্যপালনীতিও তিনি স্য কিরণরয়ে নিকটস্থ পর্বকে ভূষিত করে, সেইরূপ কামিনীগণ অজ্ঞাত ছিলেন, তাহার শাসনগুণে প্রভাব শােকভয়ক্লেশরহিত সূত্রগ্রথিত নানাবিধ রত্ন দ্বারা তাহাকে বিভূষিত করিল। বৰ্ঘা হইয়া মুখে কালাতিপাত করিতে লাগিল। রাজভাব প্রাপ্ত যেমন অরণা নদীর প্রবহ দ্বারা উচ্চ পর্বতশৃঙ্গকে বিভূষিত হইয়া গাধি স্বীয় চণ্ডালভাব একেবারে বিস্মৃত হইলেন, সর্বদা করে, সেইকপ সে যুবতীগণ তুারের ন্যায় শীতল স্পর্শহর দ্বারা বন্দিগণের ৰে ও মঙ্গলগীতিতে রামদমত্ত ব্যক্তির ন্যায় তাহাকে ভূষিত করিল। বিলেল-পল্লবকশালিনী বসন্তলী পরমাণিত হইয়া তিনি আট বৎসর রাজ্য করত অতিবাহিত যেমন নানা পুষ্প দ্বারা বনস্থলী ভূষিত করে, তদ্রুপ সেই নারীগণ করিলেন। তাবৎকাল তিনি দাক্ষিণ্যাদি নিখিল-গুণরাশির নানাবর্ণের সুগন্ধিকুম দ্বারা সেই গৰিচণ্ডালকে বিভূষিত কলি। আধার হইয়াছিলেন। এক তিনি যদৃচ্ছাক্রমে গাত্র হইতে পর্বত যেমন নাসধ ধাতুরাগে আপনার উপরিস্থিত মেখকে অলঙ্কাররাশি উম্মোচনপূর্বক চন্দ্র-সূর্য-তারকা, তিমির ও মেষ- রঞ্জিত করে, কামিনীগণও তদ্রুপ মুরভি নানবর্ণের বিলেপন-দ্রব্য পরিশু স্বচ্ছ আকাশের ন্যায় নীলবর্ণ শূন্যদেহে অবস্থান করিতে তাঁহার গাত্রে লেপন করিয়া দিতে লাগিল। সন্ধ্যাকালে সুমেরু লাগিলেন; হার, কেক, অজদের প্রতি ধন ভঁহার বিরক্তি যেন সন্ধ্যারাগরঞ্জিত মেঘমালা, তারকা ও মা আরা শােভিত জমিল, চিত প্রভুসগুণে পরিপুষ্ট হওয়ায় (উদারতাভাবধারণ অমরতকে গ্রহণ করে, সেইরূপ সেই গাধিচণ্ডাল নানাস্বর্ণ-রত্ন- করাতে) আহাৰ্য্য লােভর অভিনন্দন করিল না। ১৬। ভূষিতু রাজা হই সকলের চিত্ত গ্রহণ (হরণ) করিতে লাগি- সূৰ্য্য যেমন নভোগ পৰিত্যাগ করিয়া অস্তাচলে গমন কনে, লেন। ৩৬–৪০। নষল্পীর ন্যায় বিলাতী কামিনীগণকর্তৃক তদ্রুপ তিনি একাকী সেই বেশেই রাজপুরীর মধ্যবর্তী প্রাঙ্গণ বিভূষিত হইয়া তিনি রত্ন-পুপ-বাক-কঙ্গপাগপ স্যায় শােভিত পরিত্যাগ করিয়া বাহিরের প্রাঙ্গণে আসিল্প উপস্থিত হইলেন। হইলেন। কুমিত মাগপাদপের নিকট যেমন পখিকগণ আসিয়া তথায় গিয়া দেখিলেন, যাের শ্যামবর্ণ স্থূলকায় একদল চণ্ডাল, গড়া, সেইরূপ নিখিল-প্ৰজাৰৰ্গ সপরিবারে অববিধ নযভূপত্তি সকালের কোকিলের ক্ষয় সুমিষ্টস্বরে গান কলিতেছে এ নিকটে আসিয়া উপস্থিত হইল। অষয়গণ যেমন ইকে ঐরাবত করপাব জান্তা শীলাতলী কৰ্ষণপূর্বক মৃদুস্বরে বীণাবান করি- গজে আয়ােহশ করাইয়া রাজ্যে জর্জিষিক্ত করেন, সেইরূপ তাহারা , তেছে, বেশ হইতেছে যেন, বৃক্ষ স্বীয় পল্লবকর দ্বারা ভরশ্রেণীর তঁাহাকে সেই গল আরােহণ করাইয়া রাজসিংহাসনে স্থাপন- পক্ষবিননপূর্বক তাহাদিগকে মৃদুঞ্জনধ্বনি করাইয়া দিতেছে।
- যােশবাণিষ্ঠ-ৰামায়ণ জুষারপূর্ণ কাচ গিরি ন্যায় দেদীপ্যমান, আরক্তনঝনআকৃতি তখন সকলের চক্ষ কুককী বলিয়া প্রতীত হইতে মদেহ ঐ চালায় (এখন যিনি রাজা) একাকী সেই লাগিল; তাঁহার সহিত সহবাসও লােকের অভপ্র বলি স্থান হইতে উখান করিলেন।-১০। সেই সময়ে চলগ অন হইল। রাক্ষস দেখিলে লােকে যেন ভয়ে দূরে পলায়ন সহসা তাহাকে হে কট” বলিয়া সােধনপূর্বক বলিল, করে, উপ-ততাকে দেখিয়াও সকলে দূর পলায়ন করিতে “স্বরজ্ঞ ব্যক্তি বেন মধুরকণ্ঠ কোকিলের সমাদর করিয়া থাকে, লাগিল। তখন তিনি বহুজনের মধ্যে থাকিলেও পঙিহীন সেইরূপ এ স্থানের রাজা ত তােকে সংগীতবিদ্যানিপুণ বলিয়া বিদেশগামী নির্ত পথিকের ন্যায় অসহায় হইয়া (বিপদে) সম্মান করিয়া কেন। বসন্তকাল কেমন রসাল শাখাকে পড়িলেন। অভ্যন্তরে মুক্তাধারী * হইলেও মারুতসংযােগে ফলগুপে পূর্ণ করে, দ্রুপ রাজা ত তোমাকে বহ বসনভূষণাদি কুতি বেণুর সহিত পথিকেরা যেমন আলাপ করে না, দ্রুপ এন করিয়া আপ্যায়িত করেন ? সূৰ্যো কমলে ও তিনি নিজে বারংবার আলাপ করিলেও নগরবাসিগণ তাঁহার চক্রোয়ে ওষধির ময় তোমার জনে আজ আম পরম সুখী সহিত কেহই আলাপ করিল না। অনন্তর নাগরিকরণ ও হইলাম। কারণ দুজনের দর্শন শেষনিধ আনন্দের, মহা মন্ত্রিগণ আমরা বহুদিন চণ্ডালের সংসর্গে থাকিয়া দুষিত লাভের ও অনন্ত বিশ্রামের চরম সীমা অর্থাৎ বন্ধুদল যার হইয়াছি, প্রায়শ্চিতের দ্বারা আমাদের পাপক্ষ হইবে না পর নাই আনন্দ, যার পর নাই লাভ ও যার পর নাই বিশ্রাম অতএব অনলে প্রবেশ করি এই স্থির করিয়া শুষ্ক কাশি প্রাপ্ত হওয়া যায়। রাজা তখন যেই সেই ভাবভঙ্গী দ্বারা আনয়নপূর্বক চতুর্দিকে চিতা প্রালিত করিল । ২৬–৩১। চণ্ডালের, এবম্বিধ বাব্যে অবজ্ঞা প্রকাশ করিতে লাগি- তখন চতুর্দিকে চিতাসমূহ গগনমণ্ডলস্থিত তারকানিকলের ন্যায় লেন। ১১-৯৫। ঐ সময়ে যাতায়নপস্থিত রাজকামিনীগণ প্রজ্বলিত হইয়া উঠিলে সমগ্র নগৱবাসিগণ উচ্চৈঃস্বরে আক্রন ও প্রজাগণ সমুদয় নিরীক্ষণ করিতেছিল, চণ্ডালগণের পূর্বোক্ত করিতে আরম্ভ করিল। নারীগণ অশ্রুধারা বর্ষণপূর্বক করুণস্বরে বাক্য শ্রবণে তাহারা রাজাকে চণ্ডাল বলিয়া বুঝিতে পারিয়া অত্যন্ত বিলাপ করত ভূমিতলে বসিয়া পড়িল। প্রজাগণ জলন্ত অগ্নি- বিল্প হইল। নগরবাসিগণ রাজার চলতিত্ব অবগত হইয়া কুণ্ডসমীপে আগমনপূর্বক হতবুদ্ধি হইয়া গােদন করিতে লাগিল। দুর্ভাবনায় তুষারহত কলের ন্যায়, অনাবৃষ্টিপীড়িত গ্রামের স্যায় মন্ত্রিগণ অগ্নিকুণ্ডে প্রবেশ করিলে, তাহাদের রােদনকারী ভূত- ও দাবানলঃ পর্বতের ন্যায় শ্রীহীন হইয়া গেল। সিংহ যেমন বর্গের নয়নধারায় অভিষিক্ত হইয়া সেই নগরীও যেন লােদন বৃক্ষাগ্রস্থিত মাঞ্জরের ফেংকাবে অবজ্ঞা প্রদর্শন কয়ে, তদ্রুপ করিতে লাগিল। সেই সময়ে প্রবল সমীরণ বহমান ও প্রখ্যান রাজা পুনঃপুনঃ চালদিগের দ্বাক্যে কেবলমাত্র অবজ্ঞই ব্রাহ্মণদিগের মাংসগন্ধবাসিত হইয়া পলিরাশি উখিত করাতে প্রদর্শন করিতে লাগিলেন এবং বর্ষাকালে শুৰু পঙ্কজ-সলােবরে সেই নগর, তুষারকণবাহী ঝঞ্জামায়তে অরণ্যের যাদৃশ অবস্থা হয়, কাজহংস যেরূপ গমন করে, সেইরূপ বিষ মানবগণসমন্বিত তাদৃশ অবস্থাপ্রাপ্ত হইলন প্রবল বায়ুবেগে দূরগামী মাৎসব- সেই রাজপ্রীমধ্যে সত্বর প্রবেশ করিলেন। মূলভাগের অন্তরাল- গন্ধে বহু দূর হইতে মাংসাশী পক্ষিণ আসিয়া মভােমণ্ডলে বর্তী কোটরে অগ্নি সংলগ্ন হইলে শাল প্রভৃতি বৃক্ষ যেমন চক্রাকারে ভ্রমণ করত মেঘমালার স্থায় সূর্যদেবকে আচ্ছন্ন সর্বাঙ্গে বিশুদ্ধ হইয়া যায়, দ্রুপ পুরীমধ্যে প্রবিষ্ট হইমাত্র করিয়া ফেলিল। ৩১-৩৬। বায়ুবেগে চিতান উগামী হইলে তাহার সর্বাঙ্গ ম্লান হইতে লাগিল। ১৬-০। থায় গিয়া তিনি বােধ হইতে লাগিল যেন, আকাশমণ্ডল প্রজ্জ্বলিত হইতেছে। দেখিলেন, মুষিককৃর্তৃক মূলদেশ খণ্ডিত হইলে কুমকুম যেরূপ ইতস্ততঃ অগিস্ফুলিঙ্গসমূহ উডডান হওয়াতে চতুর্দিক হইতে যেন স্নান হয়, সমস্ত লােক সেইরূপ স্নান ও বিষবদন হইয়া অস্থিতি তারকাশি বর্ষণ হইতে লাগিল। অলঙ্কার-লােভে উন্নত করিতেছে। তাহার পর মন্ত্রিস, রাজারীগণ ও নগরবাসিগণ, অঙ্করগণকর্তৃক ভড়িত, অসহাধু শিশুগণ চুয়ে কম্পিত হইয়া গৃহস্থিত হইলেও সেই মহীপতিকে শব্বে ন্যায় বোধ করিয়া অৱস্বরে রােদন করিতে লাগিল। নগরবাসিগণ সন্ত্রস্ত হইয়া এ পর্যন্তও করি না বালকে যেমন শবদেহ নিজ জীবনবিসর্জন দিতে লাগিল। সমস্ত নগর বিধ্বস্ত হইয়া আত্মীয়ের হইলেও তাহার দূরে অবস্থান করে, (ভয়ে ও ঘৃণায় গে। সময় অগ্নিকাহ হওয়াতে কোথায় কাহার গৃহ ছিল, তাহার নিকটেও যায় না), তদ্রুপ ভূতগণ পরমভক্ত হইয়াও তাহা আয়তন লক্ষ্য করিতে পারা গেল না। চৌরগণ তঁাহার দূরে অবস্থান করিতে লাগিল, (চণ্ডালৰােথে ঘূণায় সকলের ধনসম্পত্তি স্মাৎ করিতে আরম্ভ করিল। নিকটে আসিয়া কেহই তাঁহার সেবাদি করিল না)। রাজা পুত্ৰকল পরিত্যাগ করিয়া সকলে মৃত্যুর জন্য ব্যগ্র হইতে চণ্ডল বলিয়া সকলেই শােকাকুল হইল, কেহই তাঁর প্রতি লাগিল। এইরূপে ভথায় নিখিললােককারী কাসদৃশ আদর গৌরব প্রদর্শন করিল না, ফুজ্জং ক্রমে নৱপতি নিরান ভীষণ দুর্দৈব উপখিত হইলে, রাজপ্রাপ্তিনিবন্ধন সনদের বদন, দগ্ধ অরণ্যের স্থায় মলিনবর্ণ ও শ্রীহীন হইয়া পড়িলেন। সংসর্গে পবিত্রী বীরবুদ্ধি গল শোকাকুলচিত্ত এইরূপ চিন্তা শােকানলে নিখি-পুরবাৰীলিগের চিত্ত পরিতপ্ত ও মীর করিতে লাগিলেন, “আমার ই এই দেশে লােককারী ধূমায়িত হইতে লাগিল। পৰ্ব্বতের গাত্রে যেমন অজি সংলগ্ন অকালপ্রলয়সম এই মহান অনর্থ উপস্থিত হইয়াছে, অতএব হয় না, তদ্রুপ পুরসীদিগের মধ্যে কেহই তাঁহার নিকট শেকের দুঃখপ্রদ এ জীবনে আমার প্রয়ােজন কি? মৃত্যুই পর্যন্তও গমন করিল না। ১৫। সভাসদগণ দীর আদেশ আমার পক্ষে পারে। লােকনিন্দিত হইয়া জীবিত থাকা করিতে আরম্ভ করিল, মন্দথত সেই রাজার আজ্ঞ, অগো নীচ-ব্যক্তির মরণই ভাল।” এইরূপ স্থির কৱি গফল পতিত বারিবিন্দুর স্থায় কুত্রাপি অবস্থিতি লক্ষ করিল না একেহই তঁাহার আজ্ঞা প্রতিপালন করিল না। উহার * একাকার বীমূখে। শ উপম প্রকরণ । এলি অনলে অক্লিষ্টভাবে পরে তার স্বীয় শরীর আহতি কোন মায়া হইবে, ইহার মধ্যে যে কি তথ্য আছে, কিছুই দিলেন। গবলনামক দেহ এইরূপে বলপূর্বক হুতাশনকুণ্ডে আমি উপলব্ধি করিতে পারিতেছি না। উন্মত্ত শার্দূল যেমন পতিত হইয়া অগ্নিসংযােগে গলিতদেহ হইতে থাকিলে, জল- গভীর অরণ্যমধ্যে ভ্রমণ কক্সে দেহীদিগের চিত্তও সেইরূপ মধ্যস্থিত গাধি (অধম জপ করিতে করিতে) স্বীয় অঙ্গাহ এইপ্রকার ভ্রান্তিদৃষ্টিতে ভ্রমণ কৰিয়া বেড়ায়।” ১১-১৫। অনুভব করত বোধ-প্রাপ্ত হইলেন। বাল্মীকি কহিলেন, মুনির গাধি এইরূপে উক্ত ঘটনাকে চিত্তের মােহ অবধারণ করিয়া নি বশিষ্ঠের এই কথা শেষ হইবামাত্র দিবা অবসান হইল; আশ্রমেই কতিপয় দিবস অতিবাহিত করিলেন। ইতিমধ্যে দিবাকর সয়ং রুভ্যকরণ অস্তাচলে গমন করিলেন, সভাতি ব্রহ্মার নিকটে দুর্বাসার ন্যায় এক একটা প্রিয় অতিথি সকলে পরস্পর অভিবাদন করিয়া সন্ধ্যাকানৰ্থ প্রস্থান করিলেন গাধির নিকট ভঙ্গীয় আশ্রমে উপস্থিত হইলেন। বসন্ত-ঋতু এবং পরদিন প্রভাতে আবার সকলে ভানুকিরণের সহিত সভায় যেমন ফল, পুল ও রস অৰ্পণ করিয়া পাদপকে তৃপ্ত করে, তদ্রুপ সিয়া মিলিত হইলেন। ৩৭—৪৬। গাধি ফল, পৃ ওরস আহরীয় প্রদান করিয়া অজিথকে পরম যচরিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৬। সন্তুষ্ট করিলেন। উভয়ে যথাক্রমে সাপাসনা ও পারি অনুষ্ঠান করিয়া কোমল-পৰণয়নে উপবেশন করিলেন। সূর্যের উদদি * উত্তরদিকের সহিত মিলিত হলে অর্থাৎ উত্তরায়ণকালে (বসন্ত-ঋতুতে) যেমন তদনুরূপ পূর্ণগ্রী সমুদিত সপ্লচত্বারিংশ সর্গ। হয়, সেইরূপ উপবিষ্ট সেই তপস্বিদ্বয়ের মধ্যেও পরস্পর প. বশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্তর গাধির উক্ত মনােব্যথাদায়ী বিষম- দিব্যাপার-বিষয়িণী শান্তিময়ী কবার্তা চলিতে লাগিল। ভ্রান্তিজনিত অকুশীতব, সাগরের বেলাসন্নিহিত আবর্তের ন্যায় ১৬-২০। কথাপ্রসঙ্গে গাধি সেই অতিথিকে জ্ঞিাসা করি- মুহমধ্যে প্রশান্ত হইল। কন্তিকাল উপস্থিত হইলে ব্ৰহ্ম। লেন,—“ব্রহ্ম। আপনি এত কৃশ হইয়াছেন কেন? কি অই যেমন জানিৰ্মাণসঙ্কল্প হইতে বিরত হন, গাধিও তদ্রুপ উক্ত মনের বা আপনাকে পরিশ্রান্ত দেখা যাইতেছে” অতিথি কহিলেন- সপ সম্মেহ হইতে বিরত হইলেন। মত্ত-ব্যক্তি যেমন ভগবন। আমার এই অতিকতা ও পরিশ্রমের কারণ যথাযথ মা-নিবৃত্ত হইল স্থচিত্ত হয় (তাহার আর কোন ভ্রম থাকে বর্ণন করিতেছি, শ্রবণ করুন, সত্যটিনাই বলিতেছি, আমরা ), সেইরূপ গাধি ক্রমে শান্ত হইয়া, সুপ্তোখিত ব্যক্তির ন্যায় মিথ্যা বলি না। এই ভূতমণ্ডলের উত্তরদিকৃস্থিত অরণ্যে কর নাম নিজ’বধ (আমি যে গাধি এইরূপ জ্ঞান ) প্রাপ্ত হইলেন। নিশা- বিখ্যাত সম্পন্ন এক মহান্য জনপদ আছে। সেই দেশে গিয়া বসানে রজনীর তিমিরবসন অপসারিত হইলে লােকে যেমন সকল আমি চিবেতালকর্তৃক মােতি ও পুরবাসিগণকর্তৃক পুজিত বন্ধ যথাযথ দর্শন করিয়া থাকে, সেইরূপ গাধি “আমি এই সেই হইয়া নানাবিধ সুর-খাদ্যদ্রব্যের লোভে একমাস অতিবাহিত গাধি, এই আমি অধমর্ষণ জপ করিতেছি, আমি চণ্ডাললিভাৰ- করিম। একদিন কোন ব্যক্তি কথাপ্রসঙ্গে আমার নিকট প্রাপ্ত হই নাই”, এইরূপ জ্ঞানে আপনাকে দেখিতে লাগিলেন। বলিল,-“হে বিজ। এই দেশে আজি আট বৎসর চক চণ্ডাল শিশির-ঋতুর সানে বসন্ত-ঋতু যেমন মুকুলিত কমলকাননে রাজা হইয়াছে।” ২১—১৫। তাহা শুনিয়া আমি আসমধ্যে পদক্ষেপ করে, তদ্রুপ গাধিনিজস্বরূপ স্মরণ করিয়ালমধ্য হইতে অপরাপর ব্যক্তিবর্গকেও জিজ্ঞাসা করিলাম, তাহারাও “আটবৎসর তারাভিমুখে পদক্ষেপ করিলেন। ১৫। আন তিনি পরি এক চণ্ডাল রাজা হইয়াছে”,এই কথাই লিল। পরে আরও দৃশ্যমান জল, লিচূমণ্ডল ও আকাশমণ্ডলে সমাকীর্ণ এই পৃথিবীকে শুনিলাম, রাজা অবশেষে এই বৃত্তান্ত লোপনার চলভাৰ অন্যরূপ দর্শন করত সাতিশয় বিস্ময়াপন্ন হইলেন এবং “আমি অপলানিয়াছে, এই বা) এনিতে পারিয়া সহসা অনলে কে? কি দেখিতেছি, এ যাব? আমি কি করিলাম।” এইরূপ প্রবেশপূর্বক প্রাণত্যগ করিয়াছে,তশত ব্রাহ্মণ সেই সঙ্গে আশ্চৰ্যান্বিত হইয়া তীপূৰ্ব্বক ক্ষণকাল ভার করিতে হুতাশন দেহত্যাগ করিয়াছেন । হে বিজ। আমি তাহাদের লাগিলেন। অবশেষে “পরিশ্রান্ত ঋইয়া পড়িয়াছিলাম, সেই জন্য মুখে এই কথা শ্রবণ করিয়া তথা হইতে প্রয়াগে গিয়া পাপশুদ্ধির ক্ষণকাল এই মহাভ্রম দেখিলাম” এই স্থির ফরিয়া, উদয়গিরিস্থিত মিমি চান্দ্রাক্ষরিলাম। তৃতীয় চাত্রায়ণের পরে পারণ করিয়া দিবাকরের স্তম্ভ সলিল হইতে উথান করিলেন এবং ভটে উখত অদ্য আপনার নিকট উপস্থিত হইয়াছি; সেই কারণেই আমাকে হইয়া চিন্তা করিতে লাগিলেন,-“আমি যখন মাতা ও পত্নীর অভিমও পরিশ্রান্ত বােধ হইতেছে বশিষ্ঠ কহিলেন—তখন সম্মুখে মৃত্যুমুখে পতিত হইলাম, তখন আমার মাতা ও পত্নী ব্রাহ্মণমুখাৎ এই কথা শুনিয়া গাথি বারংবার ভঁহাকে ঐ বিষয়ক কোথায় ? বায়ুনীত বক্ষপত্রের মাতা-পিতার স্থানীয় শাখা ও কথাই ভিসা করিতে লাগিফেন, ব্রাহ্মণও ঐরূপ যথাযথ উত্তর যেমন অসি দ্বারা ক্ষত্তি হয় ড্রপ শৈশবে আমার অজ্ঞান দিতে আরম্ভ করিলেন, তাহার অন্যথা বলেন নাই। ২৬ বস্থাতেই মণীয় পিতা মাতা কালকবলিত ইয়াছেন। ১০। অনন্তর পাখি বিশ্বকাপন্ন হইয়া সেই স্থানে সেই রাত্রি অতিবাহিত আমি চির-অবিহিত, ব্রাহ্মণেফ মদিরায়সালের স্থায় আমি করিলেন, পরদিন জগৎরূপ গৃহের, মহাপ্রদীপ সূৰ্য্যদেব উদিত দুষ্টা চিত্তাকারিণী রমণীর আস্বাদ একেবারেই জানি না। আমার স্বদেশ বান্ধবগণও অতিদূরে অবস্থিত, যাহাদের মধ্যে * এইলের মূল কিয়দংশ দুর্বোধ্য বলিয়া টীকাও দিলাম, আমি জীবনত্যাগ করিব, তাহারাই বা এক্ষণে আষাক্ত কে? পপীলিমামােঃ মাশয়ে স্বক্রিয় নামৃতু- তবে আমি গহ্মনগরবং এ কি অপুর্ব বিবিধ ঘটনা দেখিলাম! নিখকুম লুজ' আশিয়ে উদয়দিশ উত্তরদিশ ইহা আমার ভাই হইছে, বমধ্যে আমার এই মরণ পরবােহইতি শেষ। ' যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ হইলে, সেই অতিথি প্ৰান্নান করিয়া তাহাকে আমন্ত্রণপূর্বক দ্রব্যপূর্ণ হইয়া চতুর্দি পড়িয়া বুহিয়াছে। নিহত গবাদি প্রস্থান করিলেন। তখন গাধি বিশয়াপন্ন হইয়া উৎকণ্ঠিতচিত্তে প্রাণিসমূহের শুস্ক •ীসমূহ লতার ন্যায় গৃহের চতুর্দি বেষ্টন জবিতে লাগিলেন, “আমি ভ্রান্তিপশায় যাহা নিরীক্ষণ করিলাম, করিয়া রহিয়াছে; তৎসমুদয় চালের মূর্তিমতী সুদীর্ঘ তৃষ্ণার অতিথি-ব্রাহ্মণ যে তাহাই আমার নিকট সত্য বলিয়া কীন ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। ভবিং গ্যধি অকশবায় বহুক্ষণ- করিলেন, ইহাও কি মাথা? আমি বন্ধুজনমধ্যে যে নিজমৃত্যু পর্যন্ত সেই প্রাক্তন আত্মভবন নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। অবলােকন করলাম, হাত নিশ্চয়ই মায়া সন্দেহ নাই। এক্ষণে ৪৬-৫। যেমন পথিক মেচ্ছদেশ অতিক্রম করিয়া আদেশে আর চওালনে অবশেষে কি হইল, একবার দেখি। এশে গমন করে, সেইরূপ গাধি তৎস্থান নিরীক্ষণ করিয়া নিকলী আমার চণ্ডালপ্রাপ্তির ঘটনা সম্যক্ পৰ্যবেক্ষণের জঙ্গ সত্বর লােকালয়ে উপস্থিত হইবেন। থায় গিয়া কোন লোককে আমাকে অক্লিষ্টচিত্তে ভূতমণ্ডলগ্রামের চতুসীমা নিরীক্ষণ করিতে জিজ্ঞাসা করিলেন, “হে সাথে। এই গ্রামর্গে পূর্বে যে চণ্ডাল হইবে”। ৩১-৩৫। এইপ্রকার চিন্তা করিয়া গাথি ভূতমণ্ডলগ্রামে ছিল, তাহার বৃত্তান্ত তােমার মনে আছে কি ? বুদ্ধিমানমাতেই বাইবার জন্য পরম আগ্রহসহকারে গাত্রোখান করিলেন, বােধ যেন চিরাতীত ঘটনা স্পষ্ট করস্থবং অবলােকন করিয়া থাকেন, হইল যেন, দিবাকর সুমেরুপকরে পার্শ্ব দেখিবার জন্য উদ্যত ইহা আমি সাধুলেকের নিকট শ্রবণ করিয়াছি। মূর্তিমান দুঃখেয় হইলেন। বুদ্ধিমানের চেষ্টা করিলে যখন মনেরাজ্যপৰ্য্যন্ত লাভ ন্যায় এক বৃদ্ধ-চণ্ডাল এই পার্শে বাস করিত, তাহ৷ তােমার স্মরণ করিতে পারেন (মনের কল্পনায় যথার্থবুঝিতে রাজ্যভােগ ), তখন হয় কি ? হে সাদে। যদি জান, তাহা হইলে তাহার যধাধ গাধি যে স্বপ্নদৃষ্টবিষয় সম্পূর্ণরূপে লাভ করিবেন, ইহাতে আর ঘটনা আমার নিকট বর্ণন কর। পথিদের সংশয় দূর করিলে আশ্চর্য কি? অধ্যবসায়নে নিখিলপ্রপাবিষয়ই লাভ করা যায়, মহৎপূণ্য লাভ হয়। ৫১-৫৫। কঠিন রােগাক্রান্ত ব্যক্তি এই বুদ্ধিতে গাধিও জগতের মায়া দেখিয়া তাহা সম্যক চক্ষুর্গোচর যেমন নিজ গােবরাগ্যের বিষয় বারংবার আগ্রহসহকারে চিকিৎ- করিতে উদ্যত হইলেন। তিনি তথা হইতে বহির্গত হইয়া, বর্ষা সককে জিজ্ঞাসা করিয়া থাকে, সেইরূপ গ্যধি-ব্রক্ষণ অতি বিস্মিত কালীন জলপ্রবাহের ক্ষায় অতিবেগে পথে চলিতে লাগিলেন। হইয়া অতি আগ্রহসহকারে বারংবার গ্রামবাসীদিগকে জিজ্ঞাসা বাতগামী মেষের ন্যায় ঝটিতি বহুদেশ অক্রিম করিয়া, কণ্টকাখী করিলেন গ্রামবাসিগণ বলিল,-ব্ৰহ্মন। আপনি যাহা কি যেমন করঞ্জকাননে গিয়া উপস্থিত হয়, সেইরুপ পূর্বে নিজ করিতেছেন তাহা ঠিক, এই স্থানে যে একজন চণ্ডাল ছিল, অহ। চগুলিৰে যাদৃশ আচার ব্যবহার দেখিয়াছিলেন, তদ্রুপ আচার- মিথ্যা নহে। কটঞ্জ নামে এক ভীষণাকতি চণ্ডাল এই স্থানে সম্পন্ন ভূতমণ্ডলগ্রামে গিয়া উপস্থিত হইলেন। ৩৭-৪০। পূর্ব বাস করিত। বৃক্ষের পত্ৰসমূহের ন্যায় পুত্র, পৌত্র, সুদ, বন্ধু, তঁাহার বুঝিতে গ্রামের যেরূপ অতি দৃষ্ট হইয়াছিল, তাহা স্মরণ ভৃত্য প্রভৃতি বহু পােষ্যবর্গ মাইয়া হির একটা বিশাণ সংসার করিয়া সেইরূপ আকুতিসম্পন্ন একটা গ্রাম দেখিতে পাইলেন। ছিল। পৰ্ব্বতের উপরিস্থিত পূষ্পশোভী বনভাগ যেমন বাবা- সেই গ্রামের প্রান্তসীমায়, ভুবনের অপােৰঙী পাতলে অবস্থিত নদগ্ধ হয়, সেইরূপ বৃক্ষণশায় তাহার সমস্ত পরিবার কলকবলিত নরকাশির ন্যায় সেই চণ্ডালপল্লী নেত্রণােচর হইল। চণ্ডালরুপে হইল । এর পরে সে দেশত্যাগপূর্বক ধীরনগরে গিয়া উপস্থিত জন্মগ্রহণ ও তথায় অবস্থান প্রভৃতি যে যে ঘটনা পুর্বে দেখিয়া- হয়, তধায় রাজা হইয়া আট বৎসর নিরুদ্দেশে অবস্থান করে। ছিলেন, সমুদয় স্মরণ করিয়া দেখিলেন, তৎসমস্ত চিহ্নই তথায় ৫৬-৬০। তাহার পর অত্ৰত্য অধিবাসিগণ তাহাকে চণ্ডাল বলিয়া বিদ্যমান রহিয়াছে। নিজে চঞ্জলভাবখাপ্ত হইয়া যে স্থানে জানিতে পারিয়া,নর্থব্রাণির ন্যায় ও গ্রামমধ্যবস্তা বিষঃক্ষের স্থায় ৰাস করিতেছেন লেখিল্লাছিলেন, সেই স্থান দৃষ্টপূর্ণরূপ প্রত্যক্ষ তাহাঁর সংসর্গ পরিত্যাগ করে এবং অখিতে প্রবেশ করিয়া জীবন কৰিছা তাহার মনে বৈরাগ্যভাবে উদয় হইল। দেখিলেন, বিসর্জন দেয় । অনন্তর আৰ্যসংসর্গে অৰ্যভাবাপন্ন ঐ চণ্ডালও তঁায়ায় বাসার গৃহাদি নাৰ্বজলধারয়ভগ্ন ও ভূমিলুণ্ঠিত হইয়া হুতাশনে দেহবিসর্জন করিয়াছিল। এলো। আপনি এইরূপ গিয়াছে, ভিওিতে বন্ধুর উৎপন্ন হইয়াছে, গৃহের আচ্ছাদনের আগ্রহের সতি সেই চালের সংবাদ জিজ্ঞাসা করিতেছেন (চালের) অদ্ভূভাগ পতিত হইয়া গিয়াছে, নিজে যে কটে কেন ? সে কি আপনার কোন জাৰ্মীয় ? অথবা আপনি তাহার (মাদুয়ে) শয়ন করিতে, তাহার ছিন্নার্জও তাঁর নেত্রগোচর কোন আত্মীয় ছিলেন?” গ্রামবাসিগণ এই কথা বলিতে লাগিল, হইল। ৪১-৪৫। তিনি সেই ভগ্নাবণিঃ বাসভবনকে সুদৃঢ় গাবিও তাহাদিগকে পূনঃপুনঃ ঐ বিষয় জিজ্ঞাসা করত গ্রামের দারিদ্রের ন্যায়, তিতিমাত্ৰাৰশিষ্ট দৌভাগ্যের ব্যায়, গলিতাবয়ব চতুষ্পর্শে ভ্রমপুৰ্ব্বক তথায় এক মাসকাল অবস্থিতি করিলেন। চৌ্যাগিদৌরাত্মের ন্যায় ও অর্ধছিন্ন দুর্দশার খায় অবলোকন তিনি চণ্ডালভাৰ গ্ৰাপ্ত হইয়া যে যে অবস্থা অনুভব করিয়াছিলেন, করিলেন। গ্রামের প্রান্তসীমায়গে, অশ্ব ও রুহিষদিশ্বেতবর্ণ নিখিল-গ্রামবাসীরাও অবিকল তাহাই বলিতে লাগিল। গ্যাথি কঙ্কালসমূহ দন্তমুক্ত মুণ্ডসহ বিকীর্ণ রহিয়াছে। বােধ হইতেছে নিজে বাহা যাহা অনুভব করিয়াছিন, হত্ৰত্য নিখিল লােক যেন,তাহার সহিত সাক্ষাৎ করিবার জন্যই চতুর্দিকে পরিব্যাপ্ত মুখে অবিকল তাহাই শ্রবণপূর্ব সাভিশয় বিস্ময় প্রাপ্ত হইয়া, রহিয়াছে। তিনি সে যে খপত্রে পান-কােলন করিতেন, ৎ চক্রের কলঙ্কের প্রায় লজ্জায় প্রকারে অবস্থান করিতে সমূদয় যেসলিলপূর্ণ হইয়া থাকাতে বােধ হইতেছে যে, পানীয় লাগিলেন।১৬। তালের অবস্থিলিকালে নেই বাসস্থান পূর্ণমাত্রয় দৌজ সপ্তারি পর্গ সমাপ্ত। ৭। গ্যালির সন ছিল, বাসস্থানের ভাষায় উপনগুলিকেও অবস্থা করা হইয়াছে। } উপশম-প্ৰষরণ ছে। অষ্টচত্বারিংশসর্গ । গাধি কুতুহলাক্রান্ত হইয়া যাহার যাহার নিকটে জিজ্ঞ করিলেন, তাহার তাহার মুখে ঐ কথা শুনিলেন এবং নিজেরও ক্ষরণপথে বশিষ্ঠ কহিলেন—গাধি ঋতিশয় বিস্মিত হইয়া সেই স্থানেই সকলই উহা অনুভূত হইতে লাগিল। তিনি আরও দেখিলে ভ্রমণ করিতে এগিলেন; ' ভদীয় চিত্ত আশ্চৰ্য্যঘটনা বিলােকনে চক্রধারী ভগবান বিষ্ণু সেই পুরীর সেই সেই বলবাহনগমথিত পূর্ণ পরিতৃপ্তি লাভাকরিতে পারিল না। কমলযনি ব্রহ্মা যেমন রাজা হইয়া মন্দিরমধ্য হইতে বহির্গত হইলেন। ধুলিপটলরূপ প্রলভন্ন বহু অগ, দর্শন করেন, তদ্রুপ গাধি তথায় বহুস্থান ও বহু জলদমালা স্বাৱা গগনচ্ছাদনকারী তদীয় সৈন্যগণকে অবলােকন ভগৃহ বিলােকন করিলেন। শুষ্ককালমালাষেষ্টিত, পিশাচীত করি, তিনি আপনার প্রাক্তন রাজস্বভাব স্মরণপূর্বক অতি বিস্ময়- শ্মশালুক্ষেরসদৃশ ভগগৃহসঙ্কুল সেই অরণ্যে অবস্থিত হইয়া গাধি সহকারে মনে মনে বলিতে লাগিলেন, “এই দেই তপ্তকাঞ্চন- মনে মনে বলিতে লাগিলেন, “ভিত্তিপ্রােথিত এই সেই গজল- কান্তি কীরভূপতির কামিনীগণ, ইহাদের গাত্র কমলমধ্যবর্তী মালা, আকল্পস্থায়ী সুমেরুশিখরের ন্যায় অদ্যাপি বিদ্যমান রহি- দলের স্থায় অতি কোমল, ইহাদের নীলােৎপলসদৃশ নন সর্বদা ছে। আমি সুরাপানমত্ত বন্ধুবৰ্গসমভিব্যাহারে এই স্থানে বংশা- কটাকে বিলােল। এই সেই পিণ্ডীবাপন্ন চকিরণের গায় ফুরের (বাঁশের কেঁডের) সহিত বানরীমাংস পাক করিয়া ভক্ষণ পাণ্ডুবর্ণ চামরনিক স্থিৰুভাবাপন্ন নিঝরঝির ন্যায় ও কাশকুসুম- করিম। ১৫। এই স্থানে গজমদতিক্তীকৃত সুরাপান করিয়া রাশির ন্যায় শোভা পাইতেছে ২১-১৫। নলতা যেমন চলকামিনীকে আলিঙ্গনপূৰ্ব্ব এই সিংহচর্মে শয়ন কবিতাম। মারুতসঞ্চালনে ভীপ্ত পুষ্পমঞ্জরীসমূহ বিপৃনিত করে, দ্রুপ এই পিণ্যাক (খ) ও মাৎসভােঙ্গনে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত পুষ্ট ) মদীয় কুকুর- কামিনীগণ অভিনব ব্যজনসমূহ বিপ্নত বহিতেছে, ইহাও কুটুম্বিনীরা এই গজদন্তস্তম্ভে চৰ্ম্মরক্ষ্ম দ্বারা বদ্ধ খাকি।”এই স্থলে আমার দৃষ্টপূৰ্ব। এই সেই ভাগ্ৰ দ্বারকৃতটছেদী মঙ্গ- উত্রয়প্রমাণ, * গজদন্তনির্মিত, মেঘের গায় বণ, মহিষচন্মে সমূহ, কল্পতরুসমন্বিত সুমেরুশিখরশ্রেণীর স্থায় প্রতীয়মান হই- আত, গজমুক্তারক্ষপাত্র রক্ষিত হইত। যেমন রসালপত্রপুঞ্জে ইন্দ্রের সামন্ত যম-বাণাদি-লোকপালগণের স্থায় কোকিলগণ ক্রীড়া করে , তদ্রুপ পুর্বদৃষ্ট এই বনস্থলিতে চণ্ডাল- ওজংশালী এই সেই কীরপতির সামন্তরাজগণ, मानविय বালকগণ এক মিলিত হইয়া পাংশুত্রীড়ানিরত থাকি। এইস্থানে বপূর্ণ, সকলের অভিমত বন্ধুপ্রদানকারী কলপাপের লতা- আমি গান করিতে প্রবৃত্ত হইলে, বাপকের বংশধ্বনিতে আমার সঙ্গীতে তা দিত। এই স্থানে উপবিষ্ট হইয়া আমি শুনী শােণিত কীরদেশীয় জনগণ, এই আমার পূর্বাভুক্ত রাজ্য, এই সমস্ত আমর কুএবং রমণীয় এই সেই বিশাল অট্টালিকাসমূহ, এই সেই পান ও শ্মশানের মাল্যদানে সকলকে ভূষিত করিম ।৬—১০ জন্মান্তরীয় ব্যবহার যেন আজি প্ৰত্যক্ষ হইতেছে। ২৬-৩০। এই স্থানে বিবাহমহোৎসবে কুটুম্ববর্গের সহিত মিলিত হইয়া এই যে ঘটনাসকল আবার আমার নিকট জঙ্কপে উপস্থিত নৃত্য ও সাগরতরঙ্গের ন্যায় গভীর নিনাদ ( টীংকার। করিতাম । হইল, ইহা যে স্বপ্নবং অলীক, তাহাও সত্য , কিন্তু কোথা দিনান্তৱে ভক্ষণার্থ আমাকক উডডীয়নোসুক কাক ও ভাস পক্ষি হই যে এ মায়া আসিল তাহা আমি জানি না। কি আশ্চর্য্য। গণ, এই স্থলে বংশপিঞ্জরে বন্ধ থাকিত।” বশিষ্ঠ কহিলেন,-পাধি এইকপে প্ৰাও চণ্ডালক্রিয়া স্মরণপূর্বক বিয়ে মস্তক সঞ্চালন এই সুদীর্ঘ নােমােহ, স্পঞ্জাসহকারে জালে পতিত পক্ষী করত বিধাতার লীলাবিচার করিতে লাগিলেন। কাবিং গাধি বহু যেন অবশ হয়, তদ্রুপ আমাকে অবশ করিয়া তুলি দিন তথায় অতিবাহিত করিয়া সেই দেশ হইতে প্রস্থান করিলেন। হায় কি কষ্ট। শণীয় শ বদনাহত হইয়া বােধশূন্য হওখীতে তিনি সেই ভূতমণ্ডশদেশ অতিক্রম করিয়া, অন্যদেশে গিয়া উপস্থিত করিতেছে। চক্ররী বিষ্ণু আমাকে এই মহতী মায়া দেখাইয়া ঝলকের স্থায় চতুর্দিকে কেবল বিস্তীর্ণ ভ্রতিমুহ নিরীক্ষণ হইলেন। ক্রমে নদী, শৈল, রাষ্ট্র ও বনমি অতিক্রম করিয়া হিমালহ্মেপরি শেষ্ঠ এক জনপদে গিয়া উপস্থিত হইলেন। (সেই ছিলেন, এক্ষণে তাহা আমার পূর্ণ মরণ হইতেছে , অতএব জনপদ তাহার পুর্নদৃষ্ট কীয়দেশ)। ১১-১৫। তথায় তিন এক্ষণে আমি গিরিগুহায় থাকিয়া যাহাতে এই মায়ার ও হিe পবং উন্নত প্রাসাদশােভিত একটা রাজধানী প্রাপ্ত হইলেন, সকু জ্ঞাত হইতে পারি, সেইরূপ যত্ন করিব। ৩১-৩৫। এই বােধ হইল যেন, নারদমুনি সমস্ত ভ্রমণ করিয়া হরপুরী রূপ চিন্তা করিয়া গাধি সেই নগর হইতে বহির্গত হইলেন এবং প্রাপ্ত হইলেন। অনন্তর তথ্য নিজের অনুভূত, দৃষ্টও আসেৰি তথা হইতে এক শৈলকন্দরে গিয়া বিশ্রান্ত সিংহের আয় (নিশ্চল ভাবে) অবস্থান করিতে লাগিলেন। থায় বিষ্ণুকে প্রীতকরি- স্থানস সদৰ্শন করিয়া আগ্রহসহকারে হত্ৰত্য অধিবাসীদিগকে বার নিমিত্ত প্রত্যহ এক গভূষমাত্র পান করত এক অংশ জিজ্ঞাসা করিলেন, সাধুগণ। এই স্থান কোন চল রাজা ছিল ইহা কি তােমাদের স্মরণ হয় ? যদি অবগত থাক, আমার নিকট উপস্থা করিলেন। অন্তর স্বভাবতঃ প্রসন্নমুত্তি, উৎপলাম, ইহা কি ভােমাদের স্মরণ হস্তু ? যদি অবগত থাক, আমার নিকট পুণ্ডরীকা, শরৎকালের মহদের গুম সেই গাধির প্রতি ধাৰৰ বৰ্ণন কর। নগরবাসি কহিল, হে ঘি। এই স্থানে প্রসন্ন হইলেন। মেখনিৰ্ম্মলচ্ছবি হরি শৈলেন্দরে সেই বি- এক চণ্ডাল আট বৎসর রাজত্ব করিয়াছিল, এই স্থানের মঙ্গলহস্তী মন্দিরে আবির্ভূত হইয়া মার্গে থাকিয়াই, তাহাকে সাক্ষাৎ তাহাকে মা প্রদান করে। পরে সকলে তাহাকে চান বলিয়া জানিতে পারিলে, সে খানে প্রত্যাগ করিয়াছে। যে অপস। প্রদান করিলেন। ভগন কহিলেন-গাবে ! তুমি আমায় মহত মায়া দর্শন করিছ কি? বৈসম্পর্কিত এই অগালের ব্যাপার সেই ঘটনার পর আম বাদশ বৎসর অতীত হইয়াছে। ১৫-২০। তােমাকর্তৃক দৃষ্ট হইয়ছে। ৩৬-৪। তাের মনােবাঞ্ছিত মায়া দর্শন খুন হইয়াছে, তখন আর গিরিটে অপপানুষ্ঠানিক * তিনটা উনুনের মধ্যে যত স্থান, গমুক্তা রাখিবার পাত্র বিভুইয়া কি ৰা ? বশিষ্ঠ কহিলেন—বিজোত্তম। সেইরূপ। হরি এইরূপলিলে গাধি তাঁহার সাক্ষাৎকার লাভ করত ।
যােগবাশিষ্ঠ মায়ণ পারে না। তদীয় পদলে বুমরাণি যারা পূজা করিলেন। ব্রাহ্মণ যাছ। হে বিজোম। তুমি যাহা সত্য বলিয়া বােধ কৰিচ্ছে, এইরূপে কুকিরণপূর্বক অৰ্যপ্রদান ও প্রদক্ষিণসহকারে যাহা ভােমাৰ অসত্য বলিয়া বােধ হইতেছে এবং এই সমস্ত যাহা প্রণাম করিয়', চাক যেমন মেখের নিকট প্রার্থনা করে, সেইরূপ দর্শন করিলে, সমস্তই মােহ জানিবো। বাসনাক্রান্ত চিত্ত আতরে Wার্থক্যে হরিকে বলিতে লাগিলেন। গাখি বুলিলেন, দেব। কি না দর্শন করে ? যে কাৰ্য বৰ্বসাধ্য, স্বপ্নে অাও সম্পাদিত আপনি এই যে অতি তমােময়া মায়া দেখিলেন, সূৰ্য্য যেমন হইছে দেখা যায়। সেই অতিখি, সেই খলগা, সেই কার- প্রাকালে সমস্ত পৃথিবী প্রকাশ করেন, তদ্রুপ ঐ মায়ার দেশীয়গণ, সেই কীররাজধানী, সমস্তই মিথ্যা। হে মহাবুদ্ধে। বি আমার নিকট প্রকাশ করুন। বাসামললিক্ষ মদীয় মন তুলি মােহবশতঃ এই মুদয় দর্শন করিয়াছ। হে বি। তুমি স্বপ্নবৎ যে ভম সন্দর্শন করিল, হে দেব। জাগ্ৰৎ অবস্থাতেও পন্থবেশে ভূমণ্ডলে যাইতে যাইতে অরণ্যমধ্যে তুরস্যোয় আহা দৃষ্ট হইতেছে কেন? ৪১–৪৫। হে অমলব্ৰহ্মপদে প্রতি- কোন করে বিশ্রাম কক্লিয়াছ, সেই স্থানেই পরিশ্রমমােহ “এই ঠিত দেব। জলমধ্যে মুহূর্তকাল স স্বপ্নভ্রম উপলব্ধি করিলাম, সেই ভুতমণ্ডল, এই সেই চণ্ডালভবন” এইরূপ দর্শন করিয়াছ, তাহা আবার প্রত্যক্ষগে করিলাম কেন ? মদীয় চণ্ডালমােৎ- ইহা যথার্থ নহে। ৬১–৬৬। আর যে কীরনগর দর্শন করিয়াছ, পাদিত কালের দীর্ঘ ও অজীর্ঘ এবং চালশরীরের উৎপত্তি হে দ্বিজ। ইহাও তুমি উৎকালে বা অন্য সময়ে মায়াময় ব্যর্থ বিনাশ আমার মনেতেই থলি কেন? বাহিরে আবার তহা দর্শন করিয়াছ, বাস্তবিক নহে। হে মুনে। তুমি সর্বদাই দৃষ্ট হই কেন ? (ইহা আমাকে বলুন)। ভগৱান কহিলেন,- চতুর্দিকে ভ্রমণ করত মনে মনেই উম্মত্ত ব্যক্তির ন্যায় এই “হে গাধে। তুমি যে জগদ্রুপী মহাম দর্শন করিতেছ, ইহা বিভ্রম দৃষ্টিগােচর করিয়া থাক।, অব এক্ষণে গার্কেখান কর, বাসকারাগাক্রান্ত, তত্ত্বদর্শনে অসমর্থ, চিত্তভাবাপন্ন, আত্মস্বৰূপেরই উপণাস্তবুদ্ধিতে স্বকীয় কর্মসাধন করিতে থাক। রূপ জানিবে; (বস্তুতঃ আওরও নাই, বাহিরও নাই, অল্পও নাই মানবগণ করিকে শ্রেরোলাভ করতে দীর্ঘও নাই। মণি-ইহ। মাছে মনে কর, তাহা হইলে) আকাশ, বশিষ্ঠ কহিনে—ত্রিজগতে নিখিল-তপস্বিগণের পূজ্য সেই পৰ্বত পৃথিবী, দি প্রভৃতি বহিরে কিছুই নাই, অঙ্কুরমধ্যে পদ্ধতি এইরূপ উপদেশ প্রদান পূর্বক পবিত্র-কন্তু বিগণ পপুঞ্জের ন্যায় সমস্তই স্বীয় চিত্তমধ্যে বিদ্যমান জনিবে। যেমন ও মুনিগণে পরিত হইয়া নিজের বাস-ভূমি কীনােদসাগরে অঙ্কুর হইতে নির্গত হইয়া বৃক্ষ-পত্রাদি বাহিরে স্বীয় ভাব ধারণ গমন করিলেন। ৬৭-৭৮। করিতেছে, সেইরূপ পৃথিবী প্রভৃতি সমস্ত পদার্থ ই চিত্ত হইতে 'অষ্টচত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৮। উদ্ভুত হইয়া বাহিরে প্রকাশিত হইতেছে। ৬-৫০। প্রকৃত পক্ষে পৃথিব্যাদি চিত্তমধ্যেই অবস্থিত, এ সকল কদাচ বহিঃস্থিত নহে , অমধ্যে অবস্থিত পল্লবই বৃক্ষ-পত্ৰ-ফল শ্রীরুপে একোনপঞ্চাশ সর্গ। প্রকাশিত হইয়া থাকে। চুমুরাদি দ্বার বর্তমান রূপদর্শন, বশিষ্ঠ কহিলেন-বি প্রস্থান করিলে, গাধি নিজে মোহ- মনে মনে ভবিষ্যদ্বষয়ের চিন্তা, কালয় ও তৎপ্রকাশক সূৰ্য্যাদ বিষয়ক বিচার করিবার নিমিত্ত আকাশে মেঘভ্রমর ন্যায় পুন- ডিএই সমুদয় কুকারের নির্মাণবং চিত্ত কর্তৃক নির্ণিত, আবার চিন্তই এই সমুদয় নষ্ট করতে। কায় যথাক্রমে ভুত মণ্ডল ভ্রমণ করিতে গিলেন তৎস্থানে করিড়ে। স্বপ্ন, ভ্রান্তি, মতা, আবেগ, অনুরাগ ও রােগ প্রভৃতি সকল কর করি তিনি পুনরায় শিরিকশরে আগমনপূৰ্ব্বক হরির আন্ধাধনায় সেই সেই জনগণের নিকট সেইরূপই আত্মবৃত্তান্ত উপ ব্ধি দৃষ্টিঙ্গেই আবাল-রুদ্ধ সকলেরই ইহা অনুভূত হইতেছে। মূলদেশ দ্বারা ভূমিল আক্রপক অবস্থিত বুফে যেমন আসিয়া উপস্থিত হইলেন। একবার আরাধনা করিলেই বিষ্ণু প্রবৃত্ত হইলেন। আর অল্পকলমধ্যেই জনার্দন আবার স্থায় সখ্যকলাপ বিদ্যমান থাকে, তদ্রপ অধিষ্ঠান ব্রহ্মপদ অবলম্বনপূর্বক অবস্থিত বাসনাবলিত চিত্তেই লক্ষ লক্ষ ঘটনা বলে, সেইরূপ ভগবান বিষ্ণু প্রসন্ন হইয়া গাধিকে বলিলেন, বন্ধ হইয়া থাকেন। জলধর যেমন ময়ুরকে গর্জন করিয়া কি বিদ্যমান রহিয়াছে। যেমন ভূমিতল হইতে পাটির বুকের আর শত্ৰানি হয় না, তদ্রপ বাসনাবিমুক্ত জীরও আর জদি “পুনরায় তা দ্বারা তুমি কি গুনা গচ্ছি ?" গাধি কহি হয় না। ৫১-এ যাহত এই অনন্ত জগজ্জাল অবস্থিত সেই জেন-দেব? আমি আবার সেই চুমণ্ডলে ও কীরদেশে ছয় মাসৰণ করিলাম, কিন্তু জন-বাদাদিতে মদীয় সেই ব্যান্ডের বাসতেই আমার চলব প্রকটিত হইয়াছে, ইহাতে আবার অন্যথা ত হইল না অর্থাও যা পূর্বে দেখিয়াছিলাম, যেরূপ অনল-সংগ্রন্থশালী বিচিত্র চকব অনুত করিতে অতিথি শুনিয়াছিল, এবারেও তাহাই দেখিলাম ও সেইরূপই শুনি- ব্রাহ্ম আসিয় তােমার নিকট ক্লোন করিলেন, শয়ন করিলেন হে প্রভাে। তঙ্কে কেন আমাকে তুমি ও কথা কহিলেন ইহাও সেইরূপ, ভ্রান্তি জলিয়ে। “উখান মায়াতে ঐ সমস্ত ঘটনা অবলােকন কমাইয়াছ, এ কথা বলি করিয়া গমন করি, এই ভূমণ্ডলে উপ িহইলাম, এই সেই লে? মহঞ্জে বাক্য লােকের মােহনশষ্ট করিয়া থাকে, জনগণ, এই গ্রামসমূহ” এই প্রকার এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করিয়াছ, মেহবৃদ্ধি করে না; কিন্তু আপনার ঐ বাক্যে আমার মােহ- ইও ঐরূপ জাৰিৰে । লােকগণ তােমাকে যে “এই সেই কট নাশ হওয়া দূরে থাক, মােহবজিই হইয়া”ে ভগ্নৰ কহি- বেতৰ ভগৃহ” বলিয়াছিল, ইহাও ঐরূপ ভমে দেখিয়াছি। লেন,-কাকতালীয়বােগে (১) খেমার স্যায় নিখিলভূলবাসী ৫৬। কীরনগরে উপস্থিত হইছি, কীরদেশীয়গণ আমায় (১) উৎপতি-প্রকরণের লবণেপাখ্যানে এই ভাবের কথা চতালরাজের কথা বলিল, ইহাও তুমি দ্রুপ সনদৰ্শন করি- যথেষ্ট আছে, সুতরাং পুনর্বিশীকরণ নিষ্প্রয়ােজন। - লম।১০-১৫।
উপশম-প্রণ, একদেশবাসী জনগণের চিত্তে এই শপবৃত্তান্ত প্রতিবিম্বিত কীরদেশীয়গণও তােমাল স্যায় ভ্ৰ সন্দৰ্শন করিয়াছে, এক প্রকার হইতেছে। হৈ গবে। এই কারণেই তাহারা ভােমাৰ কৃত্তান্ত যথা- সঙ্কল্পে এককালে উক্ত মটর সম্পটিত হওয়াতে উহা মিথ্যা যা বলিতেছে। চিত্তে যাহা একবার প্রতিভাসগত হইয়াছে,পূন হইলেও সত্যের জয় প্রতীয়মান হইতেছে। মালী লতার রায় আর তাহার অন্যথা হয় না। সেই গ্রামের প্রান্তে পুর্বে কোন ন্যায় তােমার চিন্তা যাহাতে ক্ষীণ হয়, তাহার জন্য তােমার নিগ- চণ্ডল গৃহ নির্মাণ করিয়াছিল, কালক্রমে ভগ্নদশায় অবস্থিত ঐ কর, চণ্ডালসম্বন্ধনিবারক যথাযথ যিয়ণ বলিব, শ্রবণ কর। ভূত গৃহ তুমি ভ্রান্তিশে আপনার বলিয়া গর্ণ করিয়াছ। কখন কখন মগু গ্রামে পুর্বে কটক নামে এক চণ্ডল তােমায় চিন্তিত বহুলােকের একরূপ ভাপ্তি হইয়া থাকে। মনের গতি, পাল শরীর ও গৃহালজি প্রাপ্ত হইয়া উৎপন্ন হইয়াছিল। সেই চo- অলে কাকোল-পকীয় (দাঁড়কাকের) অবস্থিত্তি স্থায় বিচিত্রা (১)। এই পুকলত্রবিহীন হইয়া দেশান্তরে প্রস্থানপুর্বক কীরদের ৬-১০ সুরামদমচিত্ত ব্যক্তির যেমন দিগুলকে এক প্রকারেই রাজহয় এবং পরে হতাশনে।হত্যাগ করে। তৎকালে এল পূর্ণমান গন করে, সেইরূপ অনেক সময়ে বহুলােক স্বাগ্মমগ্র মধ্যবর্তী তােমার চিত্তে সেই কটজের দৃশ আকৃতি প্রকৃতি, একরূপস্বপ্নই দেখিয়া থাকে। বহু বালকে কল্পিত একরূপ ভাভি- ব্যবহার ও অবস্থান, সমুদয় (মৎসঙ্কশে) প্রতিভাত হইয়াছিল। লীলাতেই ক্রীড়া করে , শম্পশ্যামলা একই বনলীতে অনেক মৃগ ২৬-৩০। এটা কখন অনুভুত বিষয় একেবারে বিস্মৃত হয়, বিচরণ করিয়া থাকে। বহু লােকে বন্ধবন্ধপায়াদি নানাকার- আবার কখন বা আবিষয় দৃষ্টবৎ দর্শন করে। হে গাধে। সম্পন্ন নিজ পারফলে জয়লাভ ও ভােগ প্রভৃতি একরূপ প্রয়াে- চির স্বপ্নাবস্থায় যেমন রাজভােগার্কি বিভ্রম সন্দর্শন করে, আর্থ- জনের সানরূপ ভ্রান্তিবশতঃ যত্নবান হয়। হে বিপ্র! কালই বস্তুর দশাতেও সেইরূপ স্বয়ং দর্শন করিয়া থাকে। হে গাধে। ত্রিকাল- উলক্ষে প্রতিবন্ধক ও অনুজ্ঞ দাতা (যথা- হেমন্তকালে ব্রীহি প্রভূ দশী ঘােগীর চিত্তে যেমন, ভবিষ্যৎ বিষয় তৎপরবর্তী বিষয়ের ভির অঙ্কুর হয়না, যবাদির হয়, সুতরাং হেমন্তকাল ব্রীহির অঙ্কু প্রত্যক্ষকালে অতীতকালে অবস্থিত বিষয় বলিয়া বােধ হয়, সেই- রোদগমের প্রতিবাদির অনুক্ষ্ম দাতা) এই জনশ্রুতি আছে রূপ অতীত ঘটনা হইলে এই কটবৃত্তান্ত তােমার চিত্তে বর্ত- বটে, কিন্তু ঐ কালও মনের সঙ্কলমাত্র , অকল্পিত অখণ্ড যে কাল মানরূপে প্রতিভাত হইল। যিনি আত্মবিৎ, তিনি কদম “এই অর্থাং পরমাত্মা, তিনি আপনাতে অবস্থিতৃ, তিনি ক্লাহারও অনু. সেই আমি, এই সেই আমার” ইত্যাদি ভ্রমে মগ্ন হন না। কাতা বা প্রতিবন্ধক নহেন। সেই ভগৱানকাল অমূর্ত, তত্ত্ববিদ যিনি আত্মবিং নহেন, তিনিই উক্ত প্রকারে জমে মগ্ন হইয়া গণ সেই কালকে অব্ৰহ্ম বলিয়া জানেন। তিনি কোন কালে থাকেন। (১) তত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তি জানেন, “সমস্তই আমি , কাহার ও কিছুরই গ্রহণ বা পরিত্যাগ করেন না। ১১-১৫। ৰং- তিনি অবসাদ প্রাপ্ত হন না,, পদার্থসমূহে অনর্থক বিভাগ কল্প-যুগৰূপী লৌকিক কাল ক্রিয়া ও চন্দ্রাদি পদার্থসমূহের কামনাও তিনি করেন না। ৩.০৫। সেই কারণেই তিনি সঙ্কল্পিত পদার্থ। সেই কালই (প্রতিবন্ধ ও অনুজ্ঞা দ্বারা) পদার্থ সুখদুঃখময় ভ্রমে পতিত হন না, পতিত হইলেও জলে শুষ্ক সমূহের সঞ্চয়িতা। ভূমণ্ডলবাসী ও কীরদেশবাসী জনগণ অলাবুপত্রের ন্যায় নিমগ্ন হন না (বিয়া ধন না। তােমার চিত্ত পান্তমনে একরূপ প্রতিভাসে সমুদিত সেই ঘটনা সেইরূপই দর্শন অ্যাপি বাসনাগ্রস্ত রহিয়াছে, তুমি এক্ষণে বিচেতন ও কিলি- করিয়াছিল। হে মাখাে? তুমি আপনার কর্তব্যপরায়ণ হইয়া বশিষ্ট-মহাব্যাধি ব্যক্তির ন্যায় পুর্ণ স্বচ্ছতাব প্রাপ্ত হও নাই, বুদ্ধিপূর্বক আত্মবিচার কর, মনােমােহ দূরীকরণপূর্বক এইস্থানে (রােগী পক্ষে সুস্থ-স্বাস্থ্য, তুমি পক্ষে স্বরূপে অবস্থিত অস্থিতি কর, আমি এক্ষণে গমন করি। এছ বলিয়া ভগবান আত্মা)। তুমি এক্ষণে সম্পূর্ণ জ্ঞানলাভ করিতে পার নাই বিষ্ণু অহিত হইলে, গাধি বহুল চিন্তাকুলচিত্তে সেই কন্দরে সুতাং নিজের গৃহনির্মাণ বা পরুগৃহে অবস্থানরূপ সম্যক্ যত্ন অবস্থান করিতে লাগিলেন। প্রায় কতিপয় মাস অতীত যাহার নাই, সে ব্যক্তি যেমন গাত্রে বৃষ্টিরল নিবণ করিতে হইলে তিনি পুনরায় পুণ্ডরীকাফের আরাধনা করিতে লাগিলেন। পারে না (পথে পিজিয়া মরে) তুমিও ক্রপ মনে ভয় দূর ১৬-২০। একদা নাথ হরিকে সমাগত দেখিয়া তাহাকে প্রণাম করিতে পার নাই।'মাের মনােমধ্যে যাহাই প্রতিভাসিত ও কায়মনােবাক্যে সেই ঈশ্বরের পুজা করিয়া তাহাকে বলিলেন, হইতেছে, তাহাই অকালমধ্যে উন্নতকায় পুরুষ যেমন উচ্চ ভগ। আমি আমার পূজাব ও এই সংসামায় স্মরণ বশাখী আক্রমণ করিতে পারে, দ্রুপ তোমাকে আক্রমণ করিয়া মনে অতিশয় মোহপ্রাপ্ত হইতেছি, অতএব যাহাতে করিতেছে। চিত্ত মায়াচক্রের নাভি (মধ্যভাগ), চতুর্দিকে আমার এই ময়মােহ দূরীভূত হয়, তাহার উপায় বলিয়া ক্ষণকাল জুরিতেছে। যদি ইহাকে আক্রমণ করিয়া থাকিতে পায়, তাহা ( স্বাৰংকাল আমার সংশয়মােহােচ্ছেদ না হয়। এই স্থানে হইলে মায়াচক্ৰ আৱ তোমাকে কিছুই বাধা প্রদান করিতে অবস্থান করুন এবং আমাকে একটামাত্র নির্মল কর্মে নিয়ােজিত পাৱিবে না। ৩৬-৪ তুমি উঠ, এই গিৰিকুঞ্জে দশ বসুর করুন”। ভগবান কহিলেন,হে বিজ! এই মায়ারূপী, অখিলমকে তপন্স কর, তাহার পর অনন্তজ্ঞান প্রাপ্ত হইবে। ইহা শম্বরের মহালীলা। আত্মবিস্মৃতি নিবন্ধন ইহা সর্ব- বিধ আশ্চর্য ঘটনাই সৰে। তুমি ভূতমণ্ডলেও কীরদেশে যে (১) অর্থাৎ যদি বল, সেই কট আমি নহি, আর দীর চণ্ডালভাবাদি বিপােকন করিয়াছ, ইহা অসম্ভব নহে; কারণ, গৃহকত্ৰানিও আমার নহে, অৰআমি সে এবং তদীয় গৃহ- সকল মনুষ্যই ভ্রম দেখিয়া থাকে। ২১-২৫। ভূতদেশীয়গণ ও কলার্জি মদীয়” এইরূপ অহাতে নিমন হইল কেন? (১) আলাখী ব্যক্তি সহসা কাকোপবেশজনিত আলপতন গেহাটিতেও আহাতে বলি, এখন নিখিলক্ষেত ব্যক্তিদের আত্মভি আত্মবুদ্ধি বিদ্যমান, তখন তােমার ইহাতে হইলে তাহা বিচিত্র বলিয়া মনে করে, ইহাও দ্রুপ। চর্য কি? n ৩; মােগা-রামায়ণ পুণ্ডরীকাক এই বলিয়া, প্রবনমারুচলিত মেখের স্যায়, কর। এই চিনিরোধ উপায় অবলম্বন না করিলে আত্মার বাছত শীপের ন্যায় এবং যমুনাতরঙ্গের স্যায় কণমধ্যে সেই অনন্ত দুঃখ থাকিয়া যাইবে। (যদি আমার এই বাক্যে সন্দেহ স্থানেই অন্তর্হিত হইলেন। শরৎকালের অবসানে পাপ যেমন হয়, তাহা হইলে তুমি নিজে একবার) নিরােধ উপায় প্রাপ্ত বিরসভাব (শুভাৰ) থারণ করে, সেইরূপ গাখি (সেই সময় হইয়া, আত্মার দুঃখ ক্ষণকালমধ্যে লয়প্রাপ্ত হইয়াছে, ইহা প্রত্যক্ষ ইতে) বিবেকৰণে বৈরাগ্য লাভ কৰিলেন। যখন তাঁহার কর।৬-১২। একমাত্র চিত্তের আক্রমণরূপ মহৌষধ ব্যতি- মতি সম্পূর্ণ ভ্রমনিক হইল, তখন তিনি নিয়তির অসঙ্গত ঝেকে বহুষঙ্গে সংসাররূপ মহাযােগের চিকিৎসা হইবে না। বিচিত্র কুচেষ্টার নিন্দা করিতে লাগিলেন। চিত্তসংষয় অভ্যাস- অতএব হে রাম। তুমি তীর্থযাত্রা, দান ও তপাদি পরিত্যাগ পূৰ্ব্বক পরপদে বিশ্রান্তিলাভ করিবার জন্য করুণার্থ সেই করিয়া পরমশ্রেয়ােলাভাৰ্থ কৈবল চিত্তকে বশীভূত কর। শটের পাখি, মেষের ন্যায় ঋষ্যমুক পতে গমন করিলেন। সকল মধ্যে যেমন টাকা, সেইরূপ চিমধ্যেই সংসার, ঘটনাশে একার জণু হইয়া তিনি সেই স্থানে দশ বৎসর তপশা যেমন ঘটাকাশ থাকে না, সেইরূপ চিত্ত নষ্ট হইলে সংসার করত তত্ত্বজ্ঞান লাভ করিলেন। আত্মজ্ঞানলাভের পর মহাত্মা আর থাকে না। তুমি সংসাররূপ আকাশের মধ্যস্থিত চিত্তরূপ গাধি নিজ পারমার্থিক-সত্তা লাভ করত ভয়শেকশূন্য, জীবমুক্ত ঘটাকা। বিনাশ করিয়া অনুপম মহাকাশস্বরূপ স্বকীয় পূর্ণরূপ স্বৰূপে অপরিচ্ছিন্ন বন্ধানন্দমদে মানচিত, পূর্ণশশধরের প্রাপ্ত হও। ১১-১৫। চিত্ত আয়াস (অনাসক্ত হইয়া স্যায় পূর্ণভবাপন্ন ও প্রশান্ত হইয়া পরমপদে বিশ্রান্তি লাভ কেবল বর্তমান বিষয় ক্ষণকাল বা বুদ্ধিতে সেবনপূর্বক ভূত- করিলেন। ৪১-৪৭। ভবিষ্যৎ বিভাবনা ত্যাগ করিলে অভাব প্রাপ্ত(লয়প্রাপ্ত) একোনপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত ॥ ৪৯ হয়। যদি তুমি অণুক্ষণ সঙ্কংশের অনুসন্ধান পরিত্যাগ কর, তাহা হইলে নিচেই পবিত্র অচিত্তভাব প্রাপ্ত হইয়াছ। বুৰং- পঞ্চাশ সর্গ। কাল সঙ্কল্পকলনা, বং চিক্তের ঐশ্বৰ্য্য , যতক্ষণ মেধ থাকে, ততক্ষণ আকাশে জলবিন্দু থাকে। চি যতক্ষণ চিত্তযুক্ত বশিষ্ঠ করিলেন,-ঘুনন্দন। অতিবিস্তৃত মহামােদময়ী এই থাকিবেন, তাৰং সঙ্গুলকনা বিদ্যমান থাকিবে। জগতে যাবৎ- পারমাত্মিকী মায়া এইরূপই বিষমা ও দুর্জেয়া। কোথায় সেই কাল চমরীচি, তাবৎকালই হিমবিন্দু। যদি চেতন অর্থাৎ মুহুর্তয়ব্যাপী স্বপ্নসমদৃষ্টি, আর কোথায় সেই বহুবর্ষব্যাপী চিগাত্মাকে চিত্ত হইতে পথত ভাবিতে পার, তাহা হইলেই চালরাজপ্রম। কোথায় ভ্রমজ্ঞান, কোথায় প্রত্যক্ষ জ্ঞান। তোমার সংসারের মূল পৰ্যন্ত দগ্ধ হইয়া জানিবে। ১৬২• ' কোথায় নিঃসন্দিগ্ধরূপে (সতরপে) পরিণত মিথ্যা, কােথায় চিত্ত হইতে পৃথকৃত চেতনকেই প্রত্যক্চন বলে ঐ প্রত্যক- যথার্থ সত্য। হে মহাবাহহ। এই জন্যই বলিতেছি, এই বিষমা চেতন নিনস্বভাব , ইহাতে সঙ্কল্প নাই। যে অবস্থায় চি মায়া অনতিচিত্ত শক্তিকে সঙ্কটে পাতিত করে। রাম ক্ষয় হইয়াছে, সেই অবস্থাকে সত্য ও শিব বলে, সেই কহিলেন, “ব্ৰক্ষ। যদি এই মায়াচক্র আত্মার সর্বাঙ্গচ্ছেদ করত অবস্থাই পরমাত্মার সর্বজ্ঞতা ও তাহাই পরমার্থদৃষ্টি। যেখানে (আত্মাকে পরিচ্ছিন্ন করত) এইরপেই বেগে প্রবহমান হইতে মন, সেই স্থানেই আশা ও সেই স্থানেই সুখ-দুঃখ, শ্মশানে থাকে, তবে কিরুপে ইহার রােধ করা যাইবে । বশিষ্ঠ কহিলেন, বায়সের ন্যায় সর্বদা সন্নিহিত থাকে। অপরাপর তত্ত্ববিদদিগে হে রাখব। ভূমি চিকেই (সা) দৰ্ণমান * ভ্রমপ্রদ এই যদিও মন থাকে বটে, কিন্তু তাঁহাদের মানসসঙ্কল্পে আশা সংসাররূপ মায়াচক্রেমহাতি বলিয়া জানিবে। বুদ্ধিসহুকারে প্রভৃতি ভাবসমূহেয় ব্যবস্থাপিকা সংসাবলীর বাসনাত্মক বীজই পুরুষকার দ্বারা চিন্তকে আক্রমণ করিতে পারিলে মায়াচক্রের উৎপন্ন হয়, যে হেতু, বন্ধুত্বের সম্যক্ বােধহেতু তাহা বাধ- নাতি গ্রহণ করা হয়, তাহা হইলেই উক্ত মায়চক্র ভ্রমণ হইতে প্রাপ্ত হইয়া গিয়াছে। শালােচনা ও সজ্জনের সংসর্গের নিরু হয়। যেমন রজু রোধ করিলে ববষ্টিত কীলক । আর সতত অভ্যাস দ্বারা আগতিক ভাৰসমূহের অবতই অবগত ঘূণিত হয় না, তদ্রুপ মনােলতি আক্রমণ করিলে মােহচক্র হওয়া যায়। ২১-২৫। “আমি এই জন্মেই জ্ঞান অর্জন আর চলিতে পারে না। হে অনস্ব' তুমি চক্ৰযুদ্ধে, একজন কৰিব” এইরূপ দৃঢনিশ্চয়সহরুত পুরুষকার মারা বলপূর্বক এবিজয় অনিজ্ঞ, অব তুমি চক্ৰমণ ও তদীয় গভিরােজরণ চিভকে আৰিবেক হইতে নিবর্তিত করিয়া শাস্ত্ৰচৰ্চ্চা ও সজল- জান না কেন ?নাভিদেশে চকে বলপূর্বক আক্রমণ করিয়া সহবাসে নিয়ােজিত করিবে। পমাত্মানে আত্মাই মুখ্য থাকিলে চ শতাপ হ অন্যরূপে জয় না। অতএব হে কারণ, অগাধজলে রত্ন পতিত হইলে প্রকাশমান সেই ই রাখব। তুমি প্ৰত্বসহকারে চিত্তরূপ নাভিকে অবষ্টন করিয়া অর্থাৎ সেই রূঙ্গের প্রভাবেই, সেই যত্ন দৃষ্টিগােচর করা যায় আত্মার বহন (অপরস্পয়াপ)হইতে সারচক্রকে নিরুদ্ধ আত্মাই আপনার অনুভূত দুঃখ ভাগ করিতে ইচ্ছা করেন এই জন্য আত্মবিজ্ঞানে আত্মাকে পরম হেতু বলা হইয়াছে। নাভিচক্রের মধ্যবর্তী বর্তুল কাষ্ঠ (ঘুর) সেই কাষ্ঠ এএ তুমি কি প্রলাপ, কি ভাগ, কি গ্রহণ, কি নরুননির্মী, টিয়া ধরিলে যেমন চক্র আর চলিতে পারে না, সেইরূপ কি নয়ােন্সীলন, সকল অবস্থাতেই বাহুবিষয়ের মন এক টিকে করিলে মাৰাচ আপন হতেই পায় ? অনন্ত চিত্রের গানে তৎপর হও। তুমি কি জাত(মুখ) । কীলক বালকলিগের খেলাইবার নাটাই, তাহাতে গড়ি কি মৃত(মুখী, কি জীবিত, কি কাৰ্য-ব্যাপৃত সকল অবস্থাতেই এড়া ঘুরাইয়া দিলে ঘুরিতে থাকে, জড়ান দড়ি রিয়া রাখিলে পরিশােধন দ্বারা ব্যয় নির্মলতাসানপূর্বক চৈনে হির হয় রে না। হই এক অর্থাৎ সে দিকে গলা একত্র হও। ২৬৩।
উপশম-প্রকরণ। ৩৫ “আমার সেই এই আমি সেই এই” এবধি বাসনা পরিত্যাগ আত্মচৈতন্যরূপ দিশালী ভত্ত্ববিদের একত্রিত সূৰ্য অভৃতি পূর্বক একাগ্রভাবে অকুস্থ চৈতন্যমত্রের সন্ধানে পর ও। নিখিল ভেজ তাঁহার কোন প্রকারই উপকার করিতে সমর্থ হয় দেহস্থিতি পর্যন্ত স্বকীয় সম্বিলে বর্তমাৰ শৈশবদি ও ভবিষ্যৎ না অর্থাৎ তিনি সর্বাপেক্ষা উন্নতপথে স্থিত, কোন বিষয়েই আর যৌবনকালে রাজাপ্রাপ্তিরূপ অবস্থাভেদে সমবুদ্ধি হইয়া ধ্যান ও উহার অপা নাই তত্ত্ববিদ্যাবলে যিনি আত্মপাদ প্রতিষ্ঠিত, সমাধিতৎপর হও। ফল্য, যৌবন, বার্ধক্য, সুখ, দুঃখ, আগ্রৎ, তাহার নিকটে বিপুল প্রভাসম্পন্ন এই সূৰ্য্যাদিতেজও মধ্যাহ্ন স্বপ্ন ও বুপ্তি সকল অবস্থাকেই একমাত্ৰু আত্মচৈতন্যের অনু- দীপের ন্যায় প্রবন্ধ হইয়া যায় অর্থাৎ তিনি ইহাদের সন্তাই উপলব্ধি সন্ধত তৎপর হও। সংবেদ্য (জ্ঞে) বাহুবিষয়রূপ চিত্তল- করিতে পারেন না। অবিং সর্ববিধ ডে এবং নিখিল-বুলব পরিহারে মনকে একেবারে নির্গলিত করত আশপাশচ্ছেদ- ও উন্নতিশালী নিখিল-মানগণের মধ্যে পরম, উন্নতিমান। যাহার পুক আত্মচৈতন্যপরায়ণ হও। সফরচিত অাশুত বিষয়ের প্রভার সূর্য, বহ্নি, চ, মণি ও তারকা প্রভৃতি প্রকাশিত হইতেছে আশবিদূচি নিরাকরণপূর্বক ইষ্টনিষ্টদৃষ্টিশূন্য হইয়া তুজিসক এই জগতে, তত্ত্ববিং নরশ্রেষ্ঠগণ সেই আত্মচৈতন্যপে বিরাজ লের পর চৈত্রের সন্ধানপন্ন হও। ৩১-৩৫। কর্তা (বিজ্ঞান করেন। হে রাম! অজ্ঞ ব্যক্তিগণ বিবস্থিত কাট, গর্দভ ময়) কৰ্ম্ম (বাহবিষয়) ও করণ (ইলিয়) সহকৃত মণিমথ্যগত ও হিজাতি অপেক্ষা নিষ্ট বলিয়া নির্দিষ্ট হইয়াছে। যে পর্যন্ত প্রতিবিম্বের ন্যায় আত্মতে নিলিপ্ত এবম্বিধ সংসার স্পর্শন না করিয়া দেব অনত্মবি থাকে, সেই পৰ্যই মােহবেতালের প্রসার। নিৰ্বি ও নিরালম্ব হইয়া নিজ চৈতন্যমাত্রের সন্ধানে পর হও আত্মবিগণ বলিয়া থাকেন—‘আত্মচিৎই সচেতন, তদ্ভিন্ন সমস্ত জাগ্ৰদবস্থাতেই আপনার স্থিতিকে মুমুপ্তির ন্যায় নির্বিকল্পৰূপ অচেতন। অনাকাবিং কৈবল দুঃখপ্রদ চেষ্টায় আকুল। সে ভূমণ্ডলে ভাবনাপূর্বক “আমিই স” এইরূপ চিন্তা করিয়া একমাত্র সৎ- | প্রস্ফুরিত থাকিলেও শস্বরূপ অচেতন হইয়া ভ্রমণ করে। আত্ম- আত্মরূপ হইয়া অবস্থান কর। জগ্ৰং স্বপ্ন ও সুষুপ্তিদশ | বিংই প্রকৃত সচেতন। মহাম্যে উদিত হইলে'আলােক নিৰ্ম্ম দীপের ন্যায় সমুদয় বুদ্ধিবৃত্তির কেবল প্রকাশক ও সর্বত্র। যেমন দূরে যায়, তদ্রুপ চিত্ত পীবরভাব খরণ করিলে আত্মজ্ঞতা সম হইয়া * মুক্তভাবে অবস্থান করত চৈত্রের সন্ধান কর, ; দূর হয় অর্থাৎ চিত্তের পরিপুষ্টিসত্ত্বে' আত্মজ্ঞন সুদূরপরাহত। মাঝরভাব পরিত্যাগপূর্বক অগস্থিতিবিষয়ে বিভাগলনাশূন্য ৪৬-৫৫। নিদাঘ কাল যেমন সাপকর্ষণ দ্বারা জীর্ণপণকে ইয় বয়ে আত্মাকে অবলম্বনপূৰ্ব্বক স্থির হইয়া থাক। শুরু করিয়া ফেলে, তদ্রুপ বিষভােগের জিন্তার রা মনকে পৈবতী উদারবুদ্ধি দ্বারা মানসমধ্যগত অশাপাশ ছেদনপূর্বক' শনৈঃ শনৈঃ কশ করা উচিত। অনাত্মবিষয়ে আত্মভাবনা, দেহ- ধম্মাধর্মশূন্য হইয়া থাক। ৩৬–৪। আত আস্বাদন করিতে মাত্রের প্রতি আস্থা ও পূৰদারাদির প্রতি মমতাবশতু চিত্ত পন- #রিতে যখন এ চৈতন্যরূপে পৰ্যবসিত হইতে থাকিবে, তখন ভাব ধারণ করে। অহঙ্কারবিকাশ, সমারূপ মলে চিলেপন তােনার নিকটে হলাহল বিষও অনুত করা বােধ হইবে। যখন এবং ইহা (শরীর) আমার” এইরূপ ধারণায় চিত্ত পবরভাব নির্মল অংশকল্পনাশূন্য আত্মচৈতন্যের বিস্মরণ হয়, তখনই সংসার- | বারণ করে। “ইয়া আমার” এইরূপ ভাবনা দোষ আশীবিষের অমর হে মহমােহ উদিত হয়। যঙ্গ নির্মূল অংশকল্পনাবিহীন | বিবর ও অরামৃত্যুঃখপ্রল, ইহা বৃথাই উন্নতি লাভ করে, ই- আত্মচৈতন্যে অবস্থান হয়, নই সংসার মহেতু উক্ত মােহ ! তেই চিন্তের পরিপুষ্টি হয়। সংসারের যত ও চিরস্থান্বিতাদি ক্ষয় প্রাপ্ত হয়। যখন তুমি আমহাসাগর হইতে উত্তীর্ণ হইয়া বিষয়ে বিশ্বাস অধিব্যাধির বিসভূমি , ঐ বিশ্বাস ও “ইহা হয়, সরূপ প্রাপ্ত হইবে, তখন তােমার সংবিৎ চৈত) সূৰ্য-| ইহা উপাদেয়” এই ধারণা এবং তদ্বিষয়ই চিতের পীবরতার যং সর্লভ প্রসারী হইবে অর্থাৎ সকল দিক্ কেবল, সংবিস্ময় বেতু। ৫–৬। মেহ, ধন,সােড় ও অপাষণীয় কামিনী- দেখিৰে। হে রাম। স্বভাব (অভাব) বিলােকনপূর্বক অহয় কাঞ্চনাদিপ্রাপ্তি, এই সমুদয় কারণে চিত্ত পীবরভাব ধারণ করে। আত্মানন্দে অবস্থিত হইতে পারিলে স্বাদু রসায়নও বিষৰং ! চিত্তরূপী সর্প দুরাশারূপ দুগ্ধপান, বিষয়নিভক্ষণ, তৎপ্রতি আস্থা প্রতীয়মান হয়। ৪১-৪ বাহারী আমাদিগের প্রকৃত স্বভাব ও নানাবিষয়ে সঞ্চার ইত্যাদি কারণে পরিপুষ্ট হয়। উৎপত্তি অং প্রত্যগাত্মতাবপ্রাপ্ত (জীবন্মুক্ত) হইয়াছে, আমরা সেই কিনাশ যাহার ধৰ্ম্ম, যে বিষজনিত সাইমূৰ্ছাদি প্রদান করে, সেই পুরুষদিগের সহিত সখ্যাপন করিয়া থাকি, অভিন্ন অন্য ব্যক্তি ভীষণ তোগজাল দ্বারা চিত্ত পীনঅব ধারণ করে। হে রাম। তুমি পুরুষনামক দীর্ঘবাহ গতস্বরূপ। স্বীয় আত্মচৈততে প্রতি অবিচার কাপ (করাত) দ্বারা শরীররূপ দুর্ভে জাত হওয়াতে সৰ্দোলত উৎকর্ষের চরমসীমান্ত অৰিলের গ্রে পৰ্বতােপ অভূত এই চিত্তরূপ বিষবৃক্ষকে বলপূর্বক নিঃশষ্ণ অন্যান্য ঘােণিগণ জ্ঞানলাভ আগমন করিলে বােধ হয়, গভিসকল ভাবে হেফন কর। জাসমূহ ঐ বিষবৃক্ষের উচ্চ মঞ্জরী, কাম- করিতেছে অর্থাৎ ভবিং সুমেরু-পৰ্বত স্বরূপ, সুমেরু পর্বতের অন্ত্রে প্রত্যন্তপর্বত হইতে অন্য পর্ষতে গমন ভােগসমূহ উহায় বিকসিত কুসুম, আশা উহার মহাখা, বিকল্প যােগীরা উঃ পত্র; ঐ বিষবৃক্ষ আরাতু-ব্যাধিরূপ ফলন্তরে সর্বদা ভালো অপকৃষ্ট পৰ্বতাদিরূপ। যাহা পূৰ্মে কেহ দেণ্ডিতে পায় আনত। ৬১–৬। হে রাষ-রাজসিংহ! তুমি কানুরূপ কু-কাননে নাই, বৰ্তমানে যাহা লােকের অস্ত, সেই চশসীমায় উপনীত অবস্থিত, মদৃষ্টি । ভীষণ, চিত্তরূপী মহাগজকে সুতীয় বুদ্ধিরূপ -- * মূলে "মুক্তভৱা সনে” পাঠ আছে, 'সমে’ না হইয়া * মূলে আনক আছে, মা হইবে। ‘স হইলে অসঙ্গতি হয়। 1 আহার বৃজি মত্ত, চিত্তকে অবিচাৰিয়ে প্রমাদt মূলে “স্থি” পাঠ আছে, তাহাতে কোনরূপ সল্পত গ্ৰন্ত, করীপকে ঘূণিত। দৃষ্টি একপক্ষে চক্ষু আর এক পক্ষে নি। হয় না, এ কারণেছি ঠ ক রা গেল।
যােগবাণিষ্ঠ-কামায়ণ । নখরাবলি দ্বারা বিদারণ কর; ঐ গজ একমাত্র (বহির্মুখ) স্থান করে। ঐ মর্কট এক জন্মভূমি হইতে আর এক জন্মভূমিতে সংসারশিথিরতটে সর্বদা সমাসীন , (১) বিভ্রান্তিমুখে (২) উহার প্রণ করে এবং জনগণও জনগণের সংসাত্মঝের অনুকরণ সামর্থ্য নাই , ঐ চিত। দুজনসেৰিত এমদমাদিরূপ কমল করিয়া থাকে।ঐকট অধিনারূপ-কুসুমমণ্ডিত ভুলদি- কানের অবলােকনে উৎসুক , কিন্তু তাহা রক্ষা করতে পারে না, রূপ শাখাসমন্বিত, অঙ্গুলিসমূহরূপ বিললপত্রশালী শীয় পরন্তু ভাবও চুিণিত করিয়া ফেলে। সুখ-দুঃখ ইহার গণ্ডায়, উল্লাস প্রাপ্ত হইয়া অবস্থান করে। তুমি সঙ্কল্পকলাবর্জনৰূপ কামালিৰিকাৰ ইহার সুদীর্ণ জন্তু, এই লন্ত যারা এই করী উগ্ৰমন্ত্রের প্রভাবে উৎসাহ সমখিত হইয়া হৃদয়াকাশস্থিত চিত- বৈদি বিদারণে সমর্থ হয়। হে রাম! তুমি দোষপ্রমনার্থ মেথকে উৎসারিত কর; তাহাতেই জীবন্মুক্তিরূপবৃহ% ফললাভ শরীর নীড়মধ্য হইতে দুশ্চেষ্টারত, কর্কশষবকারী, ‘দুর্গন্ধময়, করত নিত্যমুক্ত আত্মা হইয়া অবস্থান কর। (দেখ) ঐ চিত্তমেষ ভাৱস্বরূপ, নিজ চিত্তরূপী বায়সকে উৎসারিত কর, শরীররূপ কেল সফল যের নিমিত্তই উথিত , উদার মুখে (বহির্মুখ- মাংসের গ্রাসে পরিপুষ্ট ঐ চিত্তকাক সর্বদা কুস্থানে (৩) অনুরক্ত রত্তিতে ) তড়িপ্রকাশসমান চিভাসপ্রকাশ প্রতিক্ষিত থাকে। উহার চলণ্ডপরমর্মভেজনে পটু, উহার একটামাত্র রহিয়াছে। ঐ চিত্তমেঘ অনর্থসমূহুরূপ আশাবৰণ করিতেছে ঈক্ষণ, (৪) ঐ কাক পুষ্টতমেমলিন। (৫) তৃষ্ণাপিশচী হ্যাহার এবং অন্তরে ঝসনাবাত্যা দ্বারা আন্দোলিত হইতেছে, হে পরিচর্য করিতেছে, যে অজ্ঞানরূপ মহগর্তে বিশ্রান্ত, দেহসমূহুরূপা বাবা তুমি সঙ্কলভারূপ অন্ত্র দ্বারা বলপূর্বক নিজে চিত্ত- অটবীতে যে চিরভ্রমণ করিতেছে, এবষ্কৃত চিত্তরূপী পিশাচকে পাশ ছেদন করিয়ানিকভাবে যথাখে বিহার কর। ঐ আত্ম- নিজের আয়ত্ত বিবেক, বৈরাগ্য, গুৰূপৰ্দেশ ও আত্মবিচার দ্বারা পাশ আত্মার সৃষ্টিলার হইতে মুকৃতদুষ্কত কৰ্ম্ম দ্বারা গ্রন্থি চিন্ময় আত্মর গৃহভূত হৃদয় হইতে যতদিন উৎসারিত করিতে না প্রদান পূর্বক দূরীকৃত হইয়াছে। উহামন্তের অভেদ্য ও বহ্নিরও পারা যায়, ততদিন আত্মসিদ্ধি কিরূপে বে? ৬৬–৭১। অদাহ। ঐ পাশ কল্পনাঝল আত্মাতে সাতিশয় পড়া প্রদান হে রাম! তুমি আত্মবিচাররূপ অব্যর্থ গাৰুড়মন্ত্রবলে হৃদয়রূপ করিতেছে। উহা সমস্ত জন্মপরম্পরাবন্ধনের উপযােগী দীর্ঘ জীর্ণ শালিকোটরে অবস্থিত চিত্তরূপী মহাসকে নিহত করিয়া, জুসরূপ। ৭১-৮• উহাতে অসংখ্য শৰীয় গ্রথিত রহিয়াছে। নিশেষরূপে ভন্ন পরিত্যাগপূর্বক প্রভােত্ম হইয়া অবস্থান কর। হে যাম। তুমি কামনাভাবরূপ প্রজ্বলিত অনল দ্বার। বলপূর্বক শুভাশুভ ঐ চিতসর্পের মুখ, চিন্তা উহার বিষ, শরীর উহার কুৎ- সঙ্কল্পরূপ ভীষণ অজগরম দগ্ধ করিয়া পুর্ণবভব প্রাপ্ত সিং করুক, অচ্ছ প্রণবায়ু উহার , ঐ চিত্তরূপী সৰ্প সকল হও। ঐ আশীবিষ কুংকার আর নিখিল পাশ্ববর্গকে শখ করিয়া কেই নানাবিধ ভয় প্রদান করে, মানবগণ উহা দ্বারা নিহত হইয়া থাকে এবং সহজে পদ্মপ্রবােব ( সান্ত্বনা সঙ্কক্সপক্ষে তত্ত্বজ্ঞান) থাকে। যে অনবরত শরীবরূপ ব বিল (৬ সেবন করাতে অমঙ্গল লাভ করিতে পারে না অধিকন্তু লােকসমূহকে শােষিত করিয়া আকার ধারণ করিয়াছে, ক্ষতশরীরে যে শশানৃস্থানভ্রমণকারী, (৭) ফেলে। ঐ সর্প বিষমশ আমিষগ্রহণ করিবার জন্য তুফারূপ দিকুচক্রে পরিভ্রমণ করিয়া যে পরিশ্রমকার হয়, গেসমূহ মুখব্যাদান পূর্বক স্বীয় শীরদণ্ড কম্পিত করে। মগতি (১) যাহার ভােগ্য আমিষ, যে (আমিষলােভে উগ্রীব হইয়া ভুজঙ্গ দেহগুহামধ্যে নিমীন হইয়া থাকে। হে সাধে। যোদ্ধা চতুর্দিকে ধাবিত নয়, বর্জিতভাগলালসায় যে অধীর, সেই চিত্ত- যেমন অপ্রয়ােগ দ্বারা প্রতিযোর ভীষণ অস্ত্র প্রতিহত করে, রূপী গৃধ যদি তােমার শরীরবৃক্ষ হইতে উড়িয়া যায়, তাহা ভদ্রুপ তুমি বিশুদ্ধচিত্ত দ্বারা আশু দোষযুক্ত চিতের ক্ষয় করিয়া হইলেই তােমার সাথিক জয় লাভ করা হইবে। ৭২-৫। চিরচাঞ্চল্য পরিত্যাগ কর এবং উৎসারিত মর্কটপাপের আয় হে রাম! তুমি অন্তত চিত্তরূপ মমর্কটকে অভীষ্টসিদ্ধির নিমিত্ত ৷ অশােভা-সম্পন্ন হইয়া অবস্থান কর। নিহত কর, ঐ চিত্তফখী হইয়া দিগদিগন্তে ও অরণ্য- প্রকারে প্রত্যগাত্মায় উপশমপ্রাপ্ত মনকে রাগাজি- করিয়া প্রদেশে ভ্রমণ করিয়া থাকে এবং সর্বদা চঞ্চল ও ব্যাকুলভাবে অব- দেহস্থিতি পর্যন্ত সমস্ত দৃশ্য হেয়বুদ্ধিতে তৃণং লঘু নিরীক্ষণ পূৰ্ব্বক সারপারপ্রাপ্ত হইয়া লাচ্ছলে আহার, বিহার ও (১) অন্তর্মুখ শাসনে উপবেশনে উহার ইচ্ছা নাই, বিচার ক্রীড়া করিতে থাক।৮১। যারা ইচ্ছা জন্মাইতে হয়। অন্তর্মুখ আসন—গরু। (২) বড় হাতীয় বিশ্রামমুখলাত ঘটে না, কার, দেহভারে সে সর্বদা পরিশ্রান্ত। চিতগকে আত্মকে বিভ্রান্তি, তাহা একপঞ্চাশ । গ্রানাপে। । ৩) আপাৱষণীয় বিষয়সমূহে, কাপড়ে শ্মশানাদিতে। বশিষ্ঠ কহিল,-হে ! তুমি পরিবীয়, সূ, সুতী, ৪) বাহার দৃষ্টি কেন বহির্মুখী, অভমুখী নহে। কাকের স্বচ্ছ, সুরা সম (2) চিত্তচরি বিশ্বস্ত হইয়া থাকি না। একটা চক্ষু, ইহু। চিরপ্রসিদ্ধ। বহুকার পর এই সাক্ষেত্রে তেমন বুজি উপন্ন (৫) পুষ্ট-সেবিত, তমােণরভি, ভরা মলিন, কাক পকে পুষ্টবর্জিত, মজার, গুহার ন্যায় মলিন কৃষ্ণবর্ণ। (১) মগতি সঞ্চয়পক্ষে মােদ্যোেগে অলস বলিয়া। (৩) আত্ম জীবিত ব্যক্তির শরীরও শবসদৃশ, সেবন -সাপকে বৃহৎকায় বলা। ভ, চিতপক্ষে তাহার অনুসন্ধান। (২) ঐহিক অনুষ্মিক দূরুহু বিষয়ে আসক্ত হয় বলিয়া পরি (৭) গৃপকে স্পষ্ট। চিপকে শােকভয়াদিত শরীরে দীর্ঘ। বাসনাপলিয়ায় যাৎ ভাবাপ। অবহিত সুষুপ্তিকালে শ্মশানস সুপ্তদেহ সেবন করিয়া থাকে । ব্যক্তির ঝটিতি সসি নষ্ট করিতে পারে না তাই। || হে বৰ। . পঞ্চাশসর্গ সমাপ্ত ॥ ৫• | ২১-২৫। উপ-প্রকরণ হইয়াছে, হে নবি! তুমি বিবেকসেক দ্বারা উহা বর্ধিত কর। আমি পরমপদবিশ্রান্ত পরমবুদ্ধিরূপা অরণি থাৱা বহুলাল- যদবধি এই কাষলতিকা কালভারে মান না হয়, এবং ভূতলে অতী উন্মাদিনী (অবিবেকবর্তিত ) তৃবশতটিনী সমুতীণ হইব। অপতিত এই কালতিকাকে উদ্ধার করিয়া বুদ্ধিলভিকাকে পালন চিত্তের ব্যাকুলতাকারিণ অসন্ময়ী তিদিগের ক্রীড়ার ন্যায় আগলে কর। মি মণীষ বাক্যার্থের একমাত্র এই জন্যই ময়ুর জীবগণকর্তৃক ক্রিয়মাণ এই ক্রিয়াকে কৰে আমি উপহাস করিব? যেমন মেঘগর্জন শ্রবণ করিয়া সুখী হয়, অপ তুমিও মদীৰ উমানবাতলােগ প্রান্ত হইলে চিত্তের বিক্ষিপ্ত ভাব যেমন বিদূরিত বাক্যার্থের মর্মবােধ করিয়া সুখী হইভেছ। তুমি উদ্দালক মুনির হয়, এখলে বিকলবিক্ষিপ্ত হইয়া দোলার স্থায় সর্বদা সােলায়- স্যায় অখিীরবুদ্ধি দ্বারা ভূতপককে বারংবার (কারণব্যতিরিক্ত মান (অবিশ্রান্ত) আমার এই মন কৰে সেইরূপ প্রশান্ত হইবে? কাকুরের অপলাপ দ্বারা) আলুচ্ছিন্ন এবং (মূলীভূত অবিদ্যার কবে আমি সমুদিত স্বীয় স্বরূপের প্রভাষটি (ব্রাম দেহ) বিশরণ (শ দ্বারা) বিশীর্ণ ও বিগলিত করিয়া অন্তরে বিচার আত্মার স্যায় পূর্ণবুদ্ধি হইয়া জগতের গতির প্রতি উপহাসপৰ্বক করিতে থাক। ১। রাম জিজ্ঞাসা করিলেন,-ভগব। অায়ে সন্তোষপাত করিব? অন্তরে পরমাত্মার উদ্দালক মুনি কিরপে ভূতপঞ্চক আলুন করিয়া অন্তরে বিচার সনাকার, নিখিল ভােগ্যপদার্থে নিস্পৃহ ও নির্মল হইয়া কবে করিয় ছিলেন ? বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। পুৰ্বে উদাল মুনি আমি, মম্বনাবসানে কীনােদসাগরের স্যায় উপশম (নিশত) যেকপে ভূতসমূহের বিচার দ্বারা অক্ষত পরমা দৃষ্টি প্রাপ্ত হইয়া প্রাপ্ত হইব? কবে আমি এই আশাশভারী অচলা সমূদয় ছিলেন, তাহা শ্রবণ কর। জগৎরূপ এই জীর্ণগৃহের কোন বিস্তৃত যুথব্যক্তির ন্যায় সৎ-আম্মরূপে অবলােকন করতঃ অন্তরে নিখিল কোণে পৰ্বতৰূপ ভাণ্ডসমূহে আকীর্ণ অনিলদিনামক এক ভূখণ্ডে অপেক্ষা বিতত হইয়া থাকিব? কবে আমি কল্পনাপরি গন্ধমাদন নামে এক মহান্ পল আছে। সেই শৈলে পুষ্পিত বুদ্ধিতে বাহাভ্যন্তরসহ সমুদয় দৃষ্ণ চৈতস্বরূপে অবলােকন তরুরাজিরূপ কপূরকেশরশালিনী কুসুমপুসমাকীর্ণ এক বনলী করতঃ নিখিল বিষয় চৈতন্যরূপ ভাবনা করিব? কবে আমি আছে। বিবিধ-ব্ৰতিশ্রেণী-সুশােভিত সেই বনে নানার্ণের উপশান্তচিত্ত হইয়া পচিশেকসতা লাভ করিয়া যেন অন্ধ্য বিহগঞেী বিদ্যমান। উহার তটদেশে (প্রান্তভাগে) বনেচর- বিগত হওয়াতে রুম আলােক প্রাপ্ত হইব? কবে অ্যাস- দিগের বাস, কোন কোন স্থান পুষ্পকেশরে মুশােভমান, কোন লভ্য রমণয় চিৎকাশ দ্বারা আমি এই সূক্ষ্ম (তুচ্ছ অথচ স্থানে উজ্জ্বল মহারত্বসমূহ, কোথাও বা পবনভরবিলােল কমল অল্পবশিষ্ট) কালকলা (অবশিষ্ট আয়ুরূপ কালাংশ) দূর হইতে ও উৎপল কুসুম শােভা পাইতেছে। কোন স্থলে নীহার-গণি (এই কালকলা আত্মস্পর্শী নহে বলিয়) অবলােকন করিব ? বনস্থলীর কবরীকপে শােভা পাইতেছে, কোথাও বা সরােবর ২৬-৩০। আমি কবে ইষ্টানিষ্টনির্মূক্ত, হেমােপাদেয়বক্রিত সকল বনস্থলীর গর্পণবং প্রতীয়মান হইতেছে। ৬-১১। শৈল ও স্বয়ংপ্রকাশ ব্ৰহ্মপদে প্রতিষ্ঠিত হইয়া অন্তরে সন্তোষলাভ স্থিত সেই বনস্থলীর মিচ্ছায়-সরল-মহাতরুমখিত, আগুলফ করিব? যাহাতে আশাপেচকী বিচ করে, যাহার জড়তায় প্রমাণ-কুসুমকীর্ণ-কোন, উন্নত প্রদেশে মােরতপস্যায় আসক্ত (মুখতা ও শৈয়ে) হৃদয়পদ্ম জীর্ণ হইয়াছে, তাদৃশ মলিন্য অপ্রাপ্তযৌবন, মহামতি, মানী, সেনাবলী, উদ্দালকনামা এই মদীয়া এই অবিদ্যামিনী কবে ক্ষয় প্রাপ্ত (প্রাত) হইবে? মুনি বাস করিতেন। প্রথমে তিনি অল্পপ্রজ্ঞ, পরমপদে অপ্রাপ্ত কবে আমি নির্বিকসমাধি দ্বারা উপ-মনন (চিদেকসতায় বিশ্রাম ও অবুদ্ধ ছিলেন, পরে তিনি প্রবােধের অনুকুল গণিত মনােবৃত্তি) হইয়া ভূখরকারে পাষাণসত প্রাপ্ত হইব? মুক্ত-পূৰ্ণহৃদয় বিচারপরায়ণ ছিলেন বলিয়া ক্রমে তা ও অভিমানষদে মত্ত মদীয় অফারমাল কৰে পৰমাৎস্বরূপের শাস্ত্রনিয়মিত কাৰ্য করিয়া, ভূতল যেমন নব ঋতু-ভূত হয়, বােধরূপ কেশরী কর্তৃক আহত হই বিনাশ প্রাপ্ত হইবে ? নির্বি- সেইরূপ বিবেকছুষিত হইয়াছিলেন। ১২-১৫। অনন্তর একলা কল্যানে বিশ্রান্ত মৌনব্রতাবলম্বী আমার মস্তকে কবে বনপক্ষি- শুভপথে গতচিত্ত ঐ মুনি একান্তে অবস্থান করত সংসারদােগ গণ ভূ, দ্বারা কুলনিৰ্মাণ করিবে? ৩১-৩৫। কবে ধ্যান- ভীত হইয়া চিন্তা করিতে লাগিলেন, “প্রাপ্ত হইলে আর বিষয়ে স্থির বুদ্ধি, শৈল ও স্থাণুর স্থায় অচলভাবে অবস্থিত আমার পুনর্জন্মসম্বন্ধ হইবে না এবং যাহাতে বিশ্রামণাত করিলে এর বাবিল টারে নির্যাণপুৰক বিহুগণ সুখে বিশ্রাম শােক করিতে হইবে না, প্রাপ্য পুরুষার্থ-সমুদয়ের মধ্যে সর্ব কষিয়ে? আমিৰে সূপ, তীরস্থিত করজালে জটিল, এখান এমন কি প্রাপ্য আছে। সুমেরুজে মেষ যেমন বিভ্রাম অঞ্চল সমাছ,সংসার। অরণ্যসৱোব পরিত্যাগ করে, দ্রুপ আমি কৰে মনন্যাপসহিত পরম পত্রিপলে করিয়া বহির্গত হইব?” এইরূপ চিন্তা করিয়া উদ্দালক ব্রাহ্মণ সেই চিরবিশ্রাম লাভ করিব? তুলতুলনালিণী সাগরের বিলেল অঙ্গ- বনমধ্যে পুখু উপৰেনপূর্বক খানাভ্যাস করিতে লাগিলেন। মালার ন্যায় আমার ভােগ কবে শান্ত হইতে আমি কৰে মৰ্কটের রায় পল তদীয় চিত্ত বিষয়কালে আকৃষ্ট হওয়াতে পরমপ েবিশ্রান্তিলাভ করিয়া ইহার পর ইহা করি, এর পর সেই ৰাহ্মণ ঐতিগ্রলক্ষিনী সমাধিপ্রতিষ্ঠা লাভ করিতে পারি- ইহা করিব” এইরূপ কামাক রে উপহাস করিব? ১৬ • লেন না তার চিমটি কখনও বাহবিষয় পরিত্যাগ করিল পদ্মপত্রে সলিল নিপতিত হইলেও ভাবাতে বেশন সংলগ্ন এ সাৰিক আৰ নিমিত্ত আকুল হয়, কাল ৰা আন্তরিক , সেইরূপ কবে আমার চিত্তে বিকাল হইবে না? কবে সমধিক পরিতাপূর্বক বিল বনি আয় ব্যাকুল এই বিষৱে দিকে ধাবমান হইতে থাকে। ৩৬—১। আত্মতিবিহণে সমর্থ বলিয় নিল। এই সমস্ত কারণে কলন। তাৰ চিত কখন আর উনিত গরম ভেজ মুরের গরের মত। সমাধির সময় অবহিত হয় নিবী করিম খাবার বিষরে দিকে উন্মুখ হইতে লাগিল। অনবৃদ্ধি করতে হইতে ইহাই এই শ্লোকে তৎপষ্ট। অতিজ্ঞালাকার পরিত্যাগ করিয়া আবার তখনই তাহার ૨ যোৰাখি-আমায়ণ মন ( বিবসার উয়েছে ) বিনােলু হইয়া জায় আমি মুক্তি ব্যায় বন্ধপদ্মাসন ও উন্নত হইয়া পাখি খারা ও উডায়মান হইল। সময় কখন বা এইরূপ বা ওআভ্যন্তয় কোষায় (রুপে) থারণপূর্বক অবস্থান করিলেন এবং এখ) উভয়বিধ শ পৱিজাগপূর্বক অঙ্গন ও সান্নি ওয়ালে বলি হইয়া অাদি অরুপরপুরাকে প্রণাম করিলেন। এ- শীল হইয়া নিদ্রা চিরস্থিতি লাভ করিতে লাগিল। ভীষণ ভন্ন বিষয়াভিমুখে এৰিত চিত্তহরিকে বুসনাসমূহইতে আকর্ষণ গিরিগুহায় নারায়ণ সেই মুনি উক্তএকাজে মধ্যে মধ্যে চিত্ত করিয়া লইয়া লিৰিকল সমাধিনিমিত'এইরূপ বিচার করিতে গ্যালিত হওয়াতে, বায়ু দ্বারা তারসনিহিত আনে নিয়মিত লাগিলেন যে, রে মূৰ্থ নন। সংসারন্যাপারে তােমার প্রয়ােজন রে আয় তৃষ্ণারূপ ভরসন্নিহিত ভয় আর চিালিত হইয়া কি বাহা পরিণামে দুখ, ধীমানের, তা বন্ধ করেন সক পতিত হইতে লাগিলেন। ৪২। অনন্তর সেই মুনি না। যে ব্যক্তি শান্তিরক্ষন পরিত্যাগ করিয়া ভােগের প্রতি বলটিতে মেঙ্কপর্বতে প্রত্যহ দিনপতি রায় সেই গিরি- ধাবিত হয়, সে মারকান আল করিয়া বিষলে গমন করে। শিখরে বিচরণ করিতে লাগিলেন। একদা তিনি নিখিল দূত রে মন! যদি তুৰি মহীৰিলে (পাতালে) অথবা ব্ৰহ্মলােকে গণের দুর্গম (দু) সৰ্ব্বপ্রাণিসফররুহিত মােক্ষর সায় গমন কর, তথাপি শাভিসুধা ব্যতিরেকেনিৰ্বাণলাভ করিতে এক কন্দরীতে গিয়া উপস্থিত লইলেন। সেই লরী চায় পারিবে । ১০। হে চিত্ত। তুমি যদি আসহে যারা পালিত হয় না, মৃগশি আয় গমন করেন, দেব পূর্ণ হইয়া অবস্থান , তাহা হইলে কেশ মুণ প্রদান করিবে; গর্বও সেখান মনি বলেন নাই। আটা ঠিক পরমা অতএব ভােলা পরিভাগ করিয়া প্রতি মনােহর মোেলা কাবৎ (বৎ)হমান। স্থানে স্থান পূরণ কর। এই যে ইসলান ও অনিষ্টনিালজি বিচিত্র-বি- বিকী, কোন কোন স্থান বা কোমলমল; দেখিলে বােধ ভোগ করা, ইহা কেবল উগ্র (আ) দুঃখ প্রদান করিবে, হয় এ চলকান্তমণি ও মরকতমণি এরা সেই স্থান গ্রথিত কক্ষইহা সুখেরনহে। মে মূখ । তুই এই কম্প হইছে। সুখি নীহায়াসমতি রূপে আলােকিত প্রভৃতি নিতি বিষয়লােভে, মেশকাশে সূত্রমকে আয় সেই কলরী যেন দেবীদিগের ও অপুরী বলিয়া অবত বা ভ্রমণ করিতেছি কেন? হে মনােমণ্ডুক! এ যাবৎ অনুমান হয়। সেই নগরীর কারণে দিয়া শনিবার অ আ হইয়া সমস্ত জগন্ম বৰা ভ্রমণ করিয়া কি লাভ কৰিলি? এল আলােক নিসূত হই। সুৰৰ গৌরবর্ণা সেই কারী রে মুর্থ! যাহাতে কিছু প্রাপ্তির আশা আছে, যাহাতে মুখলাভ শারদীয় নববলিত দিবাকরের ব্যয় না উওীল। তবে করতে পারিবি, সেই নিখিলবৃত্তির উপরজিপ সমাধিতে তােমার দিত সূর্যের তাপে সেই কয় বিভক্ত হয়। সেই স্থানে নিক চেষ্টা নাই কেন? ১১-১৫। রে মূর্খ। বৃথা বহির্মুখতরূপ আৰে মল জল সমীরসঞ্চার হইয়া থাকে। মারীটলরু- উখান আর বুলিও শ্রোত্রভাব (এবশেলিয়) প্রাপ্ত হইয়া মালিবতি সেই কারী, মাথাৱিণী বালিকায় স্থায় প্রতীয়মান শানুসারি বুরি দ্বারা হরিণের স্যায় প্রাপ্ত হইও না(১) হইতেছে। নিপতিত নিয়ে কোমল, কমনীয় স্থানে স্থানে হে মুগ্ধ। তুমি কেবল দুঃখভােগের নিমিত্ত গিয়ি হইয়া শর্শে এগলো অতি কোমল সেই কারী ৷িভার ব্রিামযােগ্য। ধেী বুভিতে, করিলােলুপরীর ন্যায় বন্ধ হইও না। রে । উদ্দালক শান্তিপৰীয় কাধ আপনার আশ্ৰমৰােগ সেই কদরীতে ভূমিরসনেশ্রিয় হইয়া কামলালসা, বড়িশপিলােপ মীনের গিয় উপনিলেন। ৫০। মাঝ বিনাশ প্রাপ্ত হইও না। যেমন! তুমি দর্শনেক্রিয় হইয়া এখন সম"। রূপ মনাসায়, লন কাতির পক্ষে য় গ হইয়া যাইও না। রেচিত। ভূমি ব্রাজি হইয়া গেছে শরীপ ম েকোটরে ভূজোয় বদ্ধ হইও (২)। ১৬। তুরঙ্গ, বিপখাশ পর্গ। মা, মীন, পল ও হারা এক একটার আশ্রয়েই বিনাশ এপ্ত হয়। সে অজ্ঞ! তুমি সময় নর্থবেষ্টিত হইলে কোথায় মুখ বশিষ্ঠ কহিলেন,-মধুকর যেন বহাল ভৰণকলি বল পাইৰোৎ বিষাবিপদ বস্তাবী (৩)। হে চিত্ত! কোকার কুচাতে প্রবেশ করে, সেইরূপ উলক গান সেই করে নিয়া এনে কৰিলে। খালার হলিত (১) এই বৃত্তিতে এণ ও দূদি ইবির হইয়া থাকে। হইয়া আহতে এৰোতে কােলশােভিত, সেই মুনি হরিণ শ্রবণেত্রিয়ের লালসার এপ্ত হয়, বাঘেরা সংগীত সমাধি-উমুখ ইয়া সেই কখতে এবাকেসেইরূপ শােভা ৰণা ভুলাইয়া ৱিণৰণ করিয়া থাকে। হভিনীহিৰে প্রাপ্ত হইলেন। যেবিধাজ ই যেমন গাৰেত মেষসমূহেয় যেস্থিত কুরিয়াহী ঘৃত হয়; নুজ্জং স্পর্শোলয়ের লােভে আসনরচনা করেন, সেইরূপ সেই মুনি ভয় পুল সহ তীর । মন কানেশ্রিয় চরিখ করিবার ও বড়িগ্রত নবপত্র যারা একটা আস না করিলেন। সেই সঙ্গে উপর টোতে গিয়া শাহ। পগির স্টে দেখিবার এক খানি মনােহর মৃগতি কল্পি দিনে যে হইল যেন এই এগিতের নির্বক বান্ধাইয়া থাকে। লুতে ধীৰ নীলটি আফা। বিস্তার (২) অমর গলামোমধ্যে বেশ করিয়া রাত্রিকালে করিদিল। তিনি (জড়বি আ আ) চিত্তি ত বহইয়া পড়ে। भाजपा-मीच रसा, पलमा बनारसा (O), पायनियमिक का কে যেন গিরিশৃঙ্গে উপবেশন করে, সেইরুপ (মেলী হইল) এ বিলাশ ; দেখিতেছি, মি নি সকল সেই উপযেকরিলেন।-। শাক, বুকলি বিগুলিই আয় করিয়ে মহাবিপ বিয়া নেই। ;
উপম-প্রকরণ। ৩৩ কীট যেমন আপনার বন্ধের জন্যই সহ লালাফেন বিস্তার করিয়া মহনা আহণুত্ব। উক্ত একা জনস্বরূপ আমি তােক থাকে, সেইরূপ ভূমি কেবল আপনার কক্ষের নিমিভই এই বাসনা- স্বয়ংবেদ (অজ্ঞেয়) আততচিত্ত বলিয়া আনিয়া যিবেকজনিত আল বিস্তার করিচ্ছে। যদি শরণ-মেঘের স্যায় সারােল পরি- বোধশত করাতে তােমাকে দুঃখের কারণ বলিয়া আনিয়াছি; ভাগ পূর্বক বিজি (নির্মলতা ও পবিত্রতা লাভ কত নির্মূল এত তােমাকে আমি নিহত করি। এই হেমন্তে এই মাংস, হইয়া (যসনাপরিশুত হইয়া শান্তিলাভ করিতে পার, তাহা হই- এই মক্ত, এই অৰি এই খাবায়ু, ইহার মধ্যে আমি কে। লেই ভােৱ অনন্ত জয় করা হইবে। তুমি জানিয়াও জন্ম-মৃত্যু- ৩৬—•। ইহার মধ্যে যে পদাংশ আছে, তা বায়ুর, বাল্য-যৌবনালি মশাবিথায়িনী পরিণাম গরিতাগদায়িনী এই আনাংশ পরমাত্মার, জরা-মৃতু দেহের খর্ম, ইহার মধ্যে আমি জগৎষ্টি পরিত্যাগ করিবে না; (বিজেছি,) বিনষ্ট হইবে। কে। মাংসও অজ্ঞ, রক্তও অ, আমিও অন্তু বােধও অস্ত, অথবা তােমাকে আমি কি অত হিতােপদেশ প্রদান করি? ও জ্ঞ, অর্থাৎ ইহাদের একটাও আমি নহি,হে চিত। যেহেতু বিচার পুরুষের চিতই থাকে না অর্থাৎ বিচায় যারা অৰে আৰি-নামে কে ইহাতে রহিয়াইি? এই আপেশ্রিয়, এই তাহার চিত্ত নষ্ট হইয়া যায়, আমিও অহাই করি, তাহা গনেন্দ্রিয়, এই এপেক্রিয়, এই দলিললি এই গিলি, ইহা- হইলেই চিদমন হইৰে। ২১-২৫। চিত্রে উচ্ছে নিমিত্ত দের মধ্যে আমি কে? অর্থাৎ ইহাদের মধ্যে একটাও আমি পৃথক্ যত্নও নিষ্প্রয়ােজন, এক্সন দূর কলিতে পারিলেই চিক্তের নহি। পরমার্থবিচারে জানা যায়, মনও আমি নহি, তুমিও উচ্ছেসাধন হয়। কারণ, যতদিন অজ্ঞান-সমাচ্ছন্ন থাকা (চিত) আমি নহি, বাসনাও আমি নহি। কেবল বিভাগ- যায়, ততথিন চিত্ত নীভূত হইয়া থাকে। যতদিন বর্ষাকালীন চৈতই আমিরূপে প্রকাশিত হইয়া পড়ে। “সর্বত্রই এক আলি মেষের অবস্থান থাকে ততদিনই আকাশ নীহারম দৃষ্ট হয়। অথবা আমি কিছুই নহি” এই দুইয়ের অকরই সরি দেহ- যখন হইতে বয়ান জুতাৰ ধাৰণ কৰিতে থাকে, চিতও সেই মাত্র পরিমি অহংনামক উক্ত বিল পদার্থ নাই ।১=৪৫। সময় হইতে তীণ হইতে শাকে, যখন হইতে বর্ষা আর অটবীমথ্যে বলও বুক যেমন মৃগশিশুকে প্রকার করিয়া হয়, তখন হইতেই নীহার হইতে থাকে। চিত্ত বিচারকাশে যখন নিহত করে, সেইরূপ অজ্ঞান-মূর্ত দিলি আমাকে এভাবে ভাৰ প্রাপ্ত হইয়া বিশুদ্ধ হয়, আমি বােধ করি তখনই চিত্ত প্রতারিত করিয়া ক্লেশ গিয়াছে। এক্ষণে আমি অন্যকােন শারদ-মেঘবৎ ক্ষীণ হইয়া যায়। অসৎ, অথবা না এই চিত্তকে অঙ্করকে পরিজ্ঞাত হইয়াছি, স্বীয় স্বরূপকাপ অর্থের অপহারক উপদেশ প্রদান করা আকাশে জল ও পবনের আষাভের সমান, এই অজ্ঞান তঙ্করকে আর আমি আশ্রয় দিৰ না। শৈলম্বিত অর্থাৎ আকাশে জলাধাভেরা বাধাতে শুষরূপ আকাশের যে যেমন শৈলের কেহই নহে, সেইরূপ ঐ অজ্ঞানতরের যেমন কিছুই হয় না, তদ্রুপ উপদেশ দ্বারা চিত্রের কিছুই হওয়া আমি কেহই নহি এবং ঐ অজ্ঞানতঙ্কও আমার কেহ নহে, সম্ভবে না। কারণ, চিৰ মিল; যদি থাকে, তাহাও বিচারে আমি নিঃখ, ঐ অজ্ঞান হুশ। ভবে আমি নীন বিনাণী। অতএব রে চিত্ত। তুমি যখন ক্ষীয়মান, ধন অক্ষয় কবশে নটের গল্প 'অহংবোখারী হইয়া এই সমস্তনি তােমাক আগ করি। যে উপদেশ ত্যাগ করে, সে পরম যে উপদেশ ত্যাগ করে, সে পরম লেছি, জানিতেছি, অবস্থান করিতেছি এবং গমন কৰূিতেছি, মূর্খ, তুমি পরম মুখ, তােমাকে ভাগ করাই ভাল। ৬-৩০। কিন্তু এশে অল্প অহা কৰিব না, কারণ আপনি হাতে আমি নির্বিক চিপ্রদীপ, আমার অহঙ্কার বা বাসনা কিছুই এক্ষণে আর অহঙ্কার গিয়াছে। আমার নিশ্চয়ই বােধ হই- নাই। হে অসময় (চিত)! অহঙ্কারের বীজরূপ তােমার সেছে, এইচ এভৃতিই আমি। বনি উক্ত মতিরিক্ত কোন সহিত আমার কোন সম্বন্ধ নাই। হে চিত্ত! তু “এই পদার্থ থাকে, তাহা দেহে থাকুক বা যাজক জাহাৱা আমায় কিছু দেহ) সেই আমি এই প্রকার কুদৃষ্টি বৃথা অবলম্বন করিয়াছ;ঐ নহে। ৪৬। হায়! কোন ব্যক্তি কি এ হলামা কোন কুদৃষ্টি আশঙ্কাবিষময়ী বিহুচিকাস্বরূপ, উহা মুঢলিগের বিলাশ বহু কল্পনা করিল? ( ৩ বুঝিতে পারিতেছি না)। কারিণ। যেমন হতী ও হস্তিনীয় অপেক্ষা অতিক্ষুদ্র বিলের মধ্যে বালকের নিকট যেমন অং গীর্ঘাকৃতি বেতাল, অনিশে অবস্থিতি সত্তৰে সেইরূপ এবংবিধ চিত্তে অনন্ত (অপরিচ্ছিন্ন) নিকট এই জগৎও উজ্জপ। তৃণমূল পর্বতে হরিণের মায় আমি আত্মতক্কের সূতাৰে (অপরিচ্ছিন্ন ভাবে) অবস্থিতি একান্ত অ এ বৰং বা মােহগর্তে জম করিয়াছি। চক্ষু যদি আপনার ওব। হায় রে চিত। তুমি যে মহাগবৎ গভীরা অঙ্কিনী বিষণশনে উন্মুখ হয়, তাহা হইলে আমিলায়ে আবার কে? বাসায় আশ্রয় করিয়ছ আমি উহার অনুসরণ করিতেছি না। যে কেবল দুঃশেষিত হইয়া এই জগতে ভ্রমণ করে, * যদি বালকের ন্যায় অবিচার বশতঃ তাের এ কিরুপ মােহ য আপনার নিল স্পর্শনে উন্মুখ হয়, তাহা হইলে তুপি- উপস্থিত হইয়াছে? “এই (দেহ) সেই আমি” ইত্যাকার নাচেরায় আমি-গানে আর কোন উদিত থাকিবে? বস- ভ্রান্তি হবেই কলিত হইয়াছে। ৩১-৩৫। মরণের নেত্রিয় গ্রহণে উন্মুখ হইলে “আমি মরভােজী” এই কুম অনুষ্ঠ হইতে মস্তক, পৰ্যন্ত সুস্বানুমুক্ষপে বিচার করিয়া আবার কোথায় ?১-৫৫। শ্রবণহাড়িত হইয়া শব- দেখিলাম, কৈ, অহং” নামে আমি কে, হাত পারলাম না। আমি ত অথমখে নিখিল-মিওপণকারী (দিক পরিচ্ছেদ * তাৎপৰ্য এই—দ্রষ্টা, শা, খোকা, মাওরিতা । একমাত্র জ্ঞানস্বরূপ; ঔজ্ঞান সবেদ্য অর্থাৎ ক্ৰমৰে আমি এৎ আমি দর্শনানক, ইহা বলিলে চলুদি ইলিয়ই অবস্থায়রুল কালত পৰিছে; উহাতে কোন প্রকার ইভ আর্থ আমি হয়; কারণ নিনি ক্রিয়া রাদি ইসলাম বন্তর স্বরূপ নাই। উহার না আহ ইয়ত্তা, না আছে না করিয়া থাকে। তাহা হইলোনি” নামে প্রতি কোন পদার্থ কননা আছে একসংখ্যা, না আছে ত্বসংখ্যা, না আছে নাই, ইহা স্থির। ;
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ । সেলিম নিজ শব্দবিষয় প্রাপ্ত হইলে নিৰীৰ অহঙ্কাৰ-গুখের সেই চৈত্মস্বরূপ, আমার অপ্রকাশিত বিষয়ে বাসনা উলিত হয় আবার এস কি? খােলপুর-লালসায় স্বাণ ৰূলি নিজ গন্ধ না বলিয়া রে আমিই বাসনবিস্তার করিয়াছি, তাহা নহে। বুজি গ্রহণ করে, তাহা হইলে আমি ভ্রাতা এইরূপ অভিমানী ও অহঙ্কারে চৈতন্যের প্রতিবিম্ব হেতু জড় ইজিয়বর্গ যে বিষয়- চোরকে (ভ দেখিতে পাই না। এইরূপে দর্শনাদি ক্রিয়াস্থলে সমুহ গ্রহণ করে, সেই বিষয়সমূহের সূক্ষ্মবহুরূপা যে বসনা, ঐ যে প্রসিদ্ধ বকনা (আমি স্রষ্টা শ্রোতা ইত্যাদি কল্পনা) বাসনা বেতালের স্থায়ু অসৎ হইলে ভীতিপ্রদ ; মনই উক্ত বাসনা- তাহা মরীচিকাসলিলবৎ অলীক হইয়া যাইতেছে। উক্ত সমূহ বিস্তার পূর্বক আহা,অনুভব করিয়া থাকে। মন জাগ্রদ- কল্পনা যখন অসভ্য হইল, তখন “এই দেখ আমি এইরূপ বস্থায় বহুবিষয়বিচার ও কিয়ামুতৰ কৰিলে স্বগ্নাবস্থায় আবার কল্পনাও জালিমী সন্দেহ নাই, অর্থাৎ শরীরে অহন্তার অন্তরে (নাড়ছিমধ্যে) বসনারূপ বিষয়সমূহ অনুভব করিয়া ৰাসনা নাই। এই শী বাসনাহীন হইলেও চরাদি থাকে। বুদ্ধি ও অহঙ্কার দ্বারা যাহ। কৃত হয় এবং মন যা ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে জীবন বাহকর্মে প্রবৃত্ত হয় , ইহাতে অনুভব করে, আমাতে তাহার স্পর্শও নাই, আমি নির্দেশ ৰাসনার কোন কারণ নাই। হে চিত্ত। যদি বাসনা- চৈতন্যস্বরূপ। দেং দুশ্চেষ্টারচিত এই সংসারস্থিতি গ্রহণ করুক হইয়া কৰ্ম্ম করা যায়, তাহা হইলে ভাবীসুখ-দুঃখ আর বা ত্যাগ করুকু,( আমাতে আহার কোন সম্বন্ধ নাই), আমি অনুভব করিতে হয় না। ৫৬–৬০। অতএব হে মূখ ইন্দ্রিয়- নির্লিপ্ত চৈত। সর্বগামী চৈতন্যের জন্ম-মৃত্যু নাই, গণ। তােমরা স্ব স্ব বাসনা পরিত্যাগ করিয়া সমুণয় কৰ্ম্ম করিতে মৃত্যু কি ? কেই বা জীবকে মারে ? অর্থাৎ সমস্তই অবিনাশী, থাক , তাহা হইলে আর দুখ পাইবে না। বালকেরা যেমন একমাত্র, অদ্বিতীয় স্বাত্মচৈত। ১৫। সৰ্বাত্ম চিৎই যখন প্রথমে পঙ্কনিশ্চিত পুত্তলিকা সংগ্রহ করিয়া রাখে, পরে তাহা নষ্ট সকলের জীবন, তখন তঁাহার আবার জীবনে প্রয়ােজন কি? হইলে দু পায় ,তােমরাও সেইরূপ কেবল দুঃখের নিমিত্তই বৃথা জীবনে যখন প্রয়ােজন নাই তখন তাঁহার মৃত্যুভয়ও নাই। বাসনসঞ্চয় করিয়া রাখিয়াছ। ফলত পরমার্থদৃষ্টিতে যেমন অঙ্গ সর্বকালে, সৰ্বদেশে ও সবস্তুতে বিস্তৃত চিই নিজে যখন আবৰ্ত্ত প্রভৃতি জল হইতে ভিন্ন হে, সেইরূপ বসনা প্রভৃতিও জীবনম্বরূপ, তখন তিনি আবার জীবন লইয়া কি করিবেন ? আত্মা হইতে পৃথকৃভুত নহে। বিদেৱ নিকটে ইহাব কিছুই “জীবিত ও মৃত” এই প্রকার কুবিকলকল্পনা মনেরই বমল স্বরূপ, নহে। হে ইষি বালকগণ। কোষকার কীট যেন আনা হইতে আত্মার নহে। যাহা দেহ আমি এইরূপ ভাবপ্রাপ্ত, সেই বই উৎপন্ন তন্তু দ্বারা বিনাশ প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ তােমরা আপনা দেহের ভাবাভাবরূপ জন্মমৃত্যু দ্বারা গ্রস্ত হয়। হইতে উৎপন্ন কৃষ্ণ বশভ কথা বিনষ্ট হইছে। পর্বতচারী অধস্তাধ নাই, অতএব তাঁহার আবার ভাব বা অভাব কি? পথিকগণ যেমন দৃষ্টিভ্রান্তি যশঃ বিষমগর্তে পতিত হইয়া লুণ্ঠিত অহস্তাব মিথ্যা-মােহ, মনও মরীচিকা-সম, অন্যান্য পদার্থসমুদয় হয়,সেইরূপ তােমরা কৃষ্ণা হই জরামরণসঙ্কটে পতিত হইয়া জড়, অতএব অহঙ্কাভাবনা কাহার? দেহ রক্তমাংস, এই সংসারশিলা-কন্টকদেশে বিলুষ্ঠিত হচ্ছে। ৬১–৬৫। বিচার দ্বারা মনের নাশ হইয়া যায় (মন স্থায়ী নহে), অতএব যেমন মুক্তার ছিদ্রমথ্যে গ্রথিত প্রেত দীর্ঘজু মুক্তার একত্র অহঙ্কারভাবনা কাহার, তাহা বুঝিতে পারিতেছি না। ইসিরুল বন্ধনহতু হয়, সেইরূপ বাসনাই তােমাদের একমাত্র বন্ধনের আপন আপন বিষয় লইয়া উদরপূৰণ করিতেছে, পদার্থসমুদয় কারণ। এই বাসনা বাবিক সত্য নহে, ইহা কানামাত্র নির্মিত মাত্র পদাৰূপে অবস্থান করিতেছে, অতএব কোথা হইতে হইয়া থাকে, আবার কল্পনার অভাবরূপ লাত্র দ্বারা উহাকে ছেদন কাহার অহস্তাব-ভাষা হইবে ? সত্ত্ব, রজ, ওম এই গুণত্রয় করিলেও পৰা যায়। বায়ু যেমন প্রদীপ, এমন কি, উস্কাবিদ্যুৎ যথাক্রমে প্রকাশ, প্রবৃত্তি ও মােহরূপ স্ব স্ব ব্যাপারে অবস্থিত, প্রভূভিন্ন রুয়ের কারণ হয়, সেইরূপ এই বাসনাই তােমাদিগের প্রকৃতি আপন প্রকৃতিতে বিদ্যমান, সৎ ব্রেহ্ম) সংস্বরূপে মােহেয়ও আয়ের নিমিত্ত হইয়া থাকে। হে সর্বেক্রিবার বিশ্রান্ত রহিয়াছেন। ইহার মধ্যে আহতাবনা কাহারও চিত। অতএব তুমি সমস্ত ইন্দ্রিয়ের সহিত একতাপ্রাপ্ত হইয়া দেখি না, এইরূপ হইলে কাহাকে অহং বলিয়া নির্দেশ করি ? সুদৃঢ়রূপে আপনাকে অসংম্বরূপ (মিথ্যা) অবলােকন পূর্বক তাহার আকার কিরূপ ? কে তাহাকে নির্মাণ করিল? তাহার নিল-বােধরূপ নিৰ্ব্বাণ প্রাপ্ত হইয়া অবস্থান কর। তুমি বাঞ্ছিত ফু কিরূপ? সে কোন্ বস্তুর বিকার ? আমি অহং বলিয়া বিষয়ত্যাগরূপ উপায় যারা অহঙ্কাবাসনারূপিণ বিষয়বিষময়ী কোন পদার্থ গ্রহণ করি ? আর কোন পদার্থকেই, অহং নহে বিচিকা একেবারে দূর করত বিগত সংসার হইয়া মরণাৰি বলিয়া ত্যাগ করি । অতএব ‘ং’ নামে ভাৰই ফল বা অভাবই নিখিলভয়ের নাস্পদ গবান(পুল আত্ম)হঙ৭। বল, কোন বস্তুই নাই। যাতে যখন অহঙ্কারের কোন রূপই ফিশ সস। ৫২। বিদ্যমান নাই, তখন বহার সহিত কিরূপে আমার সখ হইতে পারে? ১L১৫। অহঙ্কার যখন একেবারেই অসত্য, তখন কাহার সহিত কাহার কিরূপ সম্ব? সরে অভাবই যদি ত্রিপাশ সর্গ। সিদ্ধ হইল, তবে বিকলা একেবারে অলীক। এই সিদ্ধান্ত উন্দাল কহিলেন,-আত্মচৈত এপার-সীম, অথচ পর- স্থির হইলে জগতে যা কিছু বিদ্যমান, সমস্তই এক ব্ৰহ্মাত্মা; মা অপেক্ষাও সুস্থ এবং অচেত এ কারণে বাসনা প্রভৃতি আমি সেই সদ্ব্ৰহ্ম। তৰে বা কেন শােক করি? একমাত্র সর্বগ নােবল তাঁথকে কিঞ্চিত্রও স্পর্শ করিতে পারে না। আমি বিমলবন্ধপদ বিল্যমানে কিরুপে কোথা হইতে অহঙ্কায়-কলঙ্কের (১) কলের মাতৃত্ব লইয়া তা হয়; সে চোর তিন উদয় হইবে? ইহাতে(জগতে) আর কোন পদার্থ বিদ্যমান আর কি? ; নাই, একমাত্র সর্বব্যাপী আত্মাই বিদ্যমান; পাক কিলে উপশম-একরণ } তাহাতে সম্বন্ধকাহারও নাই। মন আপনার অবয়বরূপে কলিত। দেহও একমাত্ৰ ৰ। এই ক্ষণপৰিম্পৰূপ নয় সম হে ইলিয়বর্গের সচুিত আপনাইে কলিত হইতেছে, চৈতন্য ভাষাতে যাহারা আস্থা করিয়া থাকে, সেই কুবুদ্ধিগণ অহা নাশ লিপ্ত নহেন, অতএব কাহার সহিত কাহার কিরূপ সম্বন্ধ হইবে? নিজেই হতলায় হয়। এই দেহাদি নিখিল পূর্বে, সুরে ও ১৬-২০। একত্র বিদ্যমান হইলেও পাষাণ ও লৌহশলাকার চতুষ্পর্থে সর্বব্যাপীরূপে বিদ্যমান নহে, অত্র পরিচ্ছিন্ন যেমন পরস্পর কোন সম্বন্ধ সৃষ্ট হয় না, সেইরূপ দেহ, ইত্রিয়, এদেশে এই সকল প্রতীয়মান হয়, সুতরাং ইহাতে আর মন ও চৈতন্য এক দৃষ্ট হইলেও তাহাদের পরস্পরে কোন সম্বন্ধ আস্থা কি? (ইহাতে আস্থা নিজ অনুচিত)। এইরূপ নাই। অহঙ্কাররূপ মহাভ্রান্তি বৃখা উদিত হওয়াতে ইহা আমার চিত্তবিশিষ্ট শিরীরও উৎপত্তির পুর্বে ও আত্মচৈতন্যের ‘ইহ। ইহার' এইরূপে এই ভ্রমময়জ মসগুল হইয়া উঠিয়াছে। সম্মুখে সাক্ষী চিত্ররূপে অবস্থিত। উহার, স্বাধিকরণের তানের অভাবনিবন্ধনই এই অহঙ্কারপ বিচিত্র সঙ্টনা ইরদেশে ও বিনাশের পরে সবাই কে না, বেণ হয় যেন, উপস্থিত হইয়াছে। উপষােগে তুষারলেখার স্যায় উহা ভক্ত তখন ঐ লিঙ্গশরীর আকাশে বিলীন হইয়া গিয়াছে, এই কারণে দর্শনে বিলীন হইয়া যায়। আত্মব্যতিরেকে আর কিছুই বিদ্যমান উক্ত লিঙ্গশরীরকেও সৎ বা অসৎ ইহার কিছুই বলা যায় না। নাই, সমস্তই ব্ৰহ্ম, এইরূপে যথার্থ তত্ত্বের আমি ভাবনা হে চিত্ত। সম্প্রতিই বা কিরূপ আকৃতি বিদ্যমান আছে ? অর্থাৎ করি। আকাশের নীলিমাধিবর্ণের ন্যায় এই যে অহঙ্কারভ্রম। আমি ও সৎ-বক্ষ ব্যতীত আর কিছুই দেখিতেছি না। ৩৬-৪০। উখিত হইয়াছে, ইহা পুনরায় স্মরণ না করিলেই অপগত হইবে, অবিকার, ব্যাদিভসন্ত্র, উন্মাদব, নৌকাগমনজনিত ইহাই আমার বিশ্বাস। ২১-২৫। আমি চিরজাত এই অং- সম্বেগ, বাতপিত্তাদি ধাতুর বিকৃতি, তিমিরাদি দোষজনিত চক্ষুদি স্কার-ভ্রান্তির সমূলােচ্ছেদ না করিয়া, নিখিল-বাহবিষয় হইতে ইন্দ্রিয়ের বৈকল, অভিপ্রিয়বঞ্চি-নিবন্ধন পরমানন্দ ও উপত হইয়া শরৎকালে শারদাকাশ যেমন স্বচ্ছ আকাশে কামক্রোধাদির উদ্রেকাবস্থায় লােকের যেমন ভাব-ভাষ উভয় অবস্থিত হয়, সেইরূপ আত্মাতেই অবস্থান করি। অহঙ্কারের পদার্থের স্বরূপ অস্থায়ী কমিণিরূপে প্রতীয়মান হয় এবং অনুসন্ধানে কেবল অনর্থবিস্তার, দুতল ও সভাপবুদ্ধিই পরক্ষণেই বাধ হতে তাহা বিলীন হইয়া যায়, (ইহাও যেমন হইয়া থাকে। দুর্বাসনারূপ জলগ এই দয়াকাশে অহঙ্গারমেঘ ভ্রান্তি), সেইরূপ এই স্থূল দেহ ও জগৎ এ সমুদয়ই ভ্রম, সমুদিত হইলে কায়রূপ কদম্বত সৰ্বভাগে কেবল দোষমঞ্জরীই তবে উভয় ভ্রম একরূপ নহে; উহার কালগত নুন ও আধিক্য বিসিত হইয়া থাকে। মৃত্যুর পর যে পারলৌকিক দুখ পুনর্জন্ম, আছ, (স্বপ্নদি অল্পকালস্থায়ী, দেহাদি জগদ্ম আমােক তাহার অবধি অর্থাৎ পুনর্জন্ম হইলে দুঃখভােগ করিতে হয় না, স্থায়ী)। হে চিত্ত ! উক্ত কালগত নাথিক তুমিই করিয়াছ। আবার ঐহিক দুঃখের সীমাও মৃত্যু পর্যন্ত। নিখিল-গ্যেবাই যেমন প্রতারকের মুখে পৰ্যা-পুত্রাদির মিথ্যা মরণবার্তা শ্রবণ এইরূপ নশ্বর। ইহাতে এইরূপ কষ্টপ্রদ দুখানুভবই করিতে করিয়া তাহাতে স্থাপিত সভ্যবুদ্ধি এবং সত্যজ্ঞানকলিত, বিচ্ছেদ- হয়। ইহা পাইয়াছি, ইহা পাইব, অহঙ্কার-দুবুদ্ধিদিগের এই যামিনী-ভার্যাদিতে অনুরক্ত পুরুষকে দারুণ কষ্ট দেয়, তদ্রুপ, রূপ দাহকারিণী মনােবেদনা, গ্রীষ্মকালে সূর্যকান্তমণি হইতে অগির ইষ্টবর সংযােগৰিয়ােগজনিত সুখদুঃখের হেতৃভূত তােমারই ন্যায় প্রশান্ত হয় ন|। অড়গ্রকৃতি মেঘমালা বেক্ষন জড়তি কল্পিত ঐ জাতিই তােমাকে কষ্ট দিতেছে। অথবা তােমার কোন শৈলাবলীর দিকে ধাবিত হয়, সেইরূপ “ইহা নাই, ইহা আছে” দোষ নাই, আমিই তােমাতে অহস্তবের অভ্যাস করাতে মরীচি- এইরূপ অড়াশ্রয় চিন্তা অভূ-অস্কৃতিতেই ধাবিত হয়। কার স্থায় মিথহইলেও জেমকে সভ্য বলিয়া লক্ষ্য করিতেছি। অর্থাৎ অহঙ্কার সত্বে ঐরূপ চিন্তা হইয়া থাকে।২৬-৩১। সুজাং যাহা তুমি বলছ, তাহা এক্ষণে মৎকৃতই মুইয়া অহঙ্কার একেবারে ক্ষয় প্রাপ্ত হইলে সংসার-বক শুষ্ক দাড়াইল। ৪১–৫। এই যে বিশাল সমূহ দৃষ্ট হইতেছে, হইয়া যায় , সুখ পাষাণের ন্যায় আর পুনরায় অঙ্কুরিত এসমূদয় অবন্ত (মিথ্যা) বলিয়া অবধারণ করিলে মন মন ইতে পায় না। দেহলবাসিনী তৃরূপিনী ভুজঙ্গী বিচাররূপ হইয়া যায়। মননশষে ‘সমস্তই অৰম্ভ (মিথ্যা)' এইরূপ দৃঢ় নিতানন্দন উপস্থিত হইলে কোথায় পলায়ন করে ? এই বিশ্ব নিশ্চয় মা গেলে, হেমন্তকালে মঞ্জরীর ন্যায় ভােগবাসনা- যখন মিথ্যা অজ্ঞান হইতে উৎপন্ন, তখন উহা অসং, উহা কেবল সমূহ ক্ষীণ হইয়া যায়। অথবা মন চিন্ময়হেতু বিষয়ে আসক্তি মনিবন্ধন স্বরূপে প্রতীয়মান হয়, উহার কাৰ্য্য স্পা ও শুষ ও মননব্যাপারপনি হইলে নিজেই মােক্ষপণে বিশ্রান্ত অসন্ময়, সুতাং “জুৰি আমিইuাকার ভেদ-ব্যবহার কিরূপে হইয়া থাকে। চিত্ত নিজেই ফিরত নিজ অবয়ব ইন্দ্রিয়া- সম্ভবে ? এই জগৎ অকারণেই (সত্যপ্রয়ােজন ব্যতিরেকেই) দিকে অবােধ কারা পরানলে নিক্ষেপপুর্বক নিজ চিত- অকারণ কারণরূপে (কল্পনার অৰোগ) অন হইতে উদ্ভূত হয়, স্বরূপ বন্ধ করিয়া নিত্যবিশুদ্ধি লাভ করিয়া থাকে। যে অতএব যাহার কোন কারণ নাই, অহাকে কিরূপে সৎ বলা বীরপুরুষ যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হইয়া স্বৰ্গগামী নিজ দেহ অরূপ যাইতে পারে ? ৩২-৩৫। অন্যদি-পূর্বকালে মৃত্তিকায় টাকুতি- অবলােকন করত পূর্বদেহসী গৃহ, কত্র, পুত্র ও ধন- বং দেহ বিদ্যমান ছিল, এখনও সেইরূপ আছে পরেও সেইরূপ বাসনাদি পরিত্যাগপূর্বক নিজ মৃত্যু ও সুখের বিবেচনা করিয়া হুইবে, যেমন জল পুর্বেও অৰিকৃত জলরুপে বিদ্যমান ছিল, ব্ৰহ্মলােকগত হইয়া জয়যুক্ত হয়, সেইরূপ বিবেকী ও দেহকে পরেও তাহাই থাকিবে, মধ্যে কেবল ক্ষণকাল চঞ্চলভাব থারণ অরূপ ভাবিয়া (স্বরূপ বিবেচনা করিয়া) বিষয়ৰাসনপরিত্যাগ করিয়াছে বলিয়া সেই চঞ্চলভাৰপন্ন সলিল পূর্বাপরকালবর্তী পূর্বক নি কিনা স্বীকার কত জয়নুক্ত হয় (সর্বোৎকর্ষ লাভ স্থিরভাৰ পরিত্যাগ করিয়া রক্ষনামে পৃথক সংজ্ঞায় প্রাপ্ত হয়, করে)। ৪৬-৫০। মন শরীরে এবং শরীর মনের শত্রু। ফল সর্বাবস্থায় তাই একমাত্র জল, সেইরূপ কালবর্তী ঐ যেরূপ আধার ও আধেয়ের (ট ও অলে) কৰ্য উত্তময় যােগণিষ্ঠ-রামায়ণ - সােগ একতন্ত্রের অভাবে বিনষ্ট হইয়া যায়, সেইরূপ মন ও হইয়া যথামুখে বিহার করি। সঙ্কল্পক্ষয়ে মন আর মনাক্ষভাবে শরীর বাসনার উচ্ছেদে ভিনষ্ট হইয়া থাকে। পরস্পর পরস্পরের স্থিত হয় না, ক্ষয় প্রাপ্ত হয়; বাসনাসমূহও বসানে অধুদের আর উপজীবী বলিয়া পরস্পরে অনুরক্ত এবং পরস্পর ন্যায় প্রশান্ত হইয়া যায় (নাণ পায়)। কুৎসাদি ধাতুর সঙ্গি- পর কেপএল করে বলিয়া, পরস্পর যেভাবাপন্ন এই মন বোত্মক এই দেহনা আমার শক্র মনক্ষয়ের পর থাকুক ও শরীরের সমূলে বিনাশই পরম সুখ। উভয়ের একভরসৰে আখৰা যাউক, হাতে মার কোন ক্ষতিবৃদ্ধি নাই, মনক্ষয়ই। অর্থাৎ মাত্র দেশে মনসত্বে ‘মৃত্যু এই যে কথা, ইহা আকাশ আমার প্রয়ােজন। তােগ—যাহার জন্য দেহের অভিলাষ করে গান-দ্ধা রমণীর ভূমিগ্রাসের ব্যায় অত্যন্ত সাবিত অর্থাৎ আমার হাই (মন) নাই, আমিও তাহার মনে নহি; তবে একরুদ্ধে এফত মরণই হয় না; মনের বারা আবার দেহকরুন আর আমার ঐ সুখবিন্দুতে মােন কি ? ৬৬০। “আমি যে হইবে। স্বভাবতই পরস্পরবিরোধী মন ও শরীর যে স্থানে দেই নহি” এ বিষয়ে আর একটা যুক্তি শ্রবণ কর। সমুদয় অঙ্গ থাকিবে, সেই স্থানে থাকাবৎ অর্থণর নিপতিত হইবে; থাকিতেও শব কি অভ, দর্শনস্পশালি ক্রিয়া করিতে পারে সুতরাং উভয়কেই নাশ করা কর্তব্য)। পরস্পরবিরােধী দেহমনের না? এ মূলে বুঝিতে হইবে, শবের চৈতন্য নাই বলিয়া পারে সংসর্গ যাহাতে আছে, ঈদৃশ বৈষয়িক সুখে যে অধম অনুরক্ত না; দেহ ও শব একই ব্ৰব্য , আমার চৈতন্য আছে বলিয়াই হইয়া থাকে, তাহাকে ভীষণ বাড়বানলে নিক্ষেপ করা উচিত। দেখিতে পাই বা বলি ক্রিয়া করিতে পারি , সুতরাং আমি ৫১-৫৫। বালক যেমন যক্ষ কনা করে, সেইরূপ মন স্বীয় দেহ নহি, ইহা সর্বর্দি সম্মত। অএব আমি দেহ হইতে সঙ্কল্পবলে শরীরনির্মাণ করিয়া আয়ুষ্কাল পর্যন্ত (যতদিন শরীর অতীত, নিত্য ও নিত্যপ্রকাশ। যিনি বিভুত্বগুণে সূৰ্যমগুলে থাকে, অধিন) অহাকে কেবল আপনার দুঃখভােগই প্রদান অবস্থিতিপুর্বক সূৰ্যসম্মিলিত হইয়া সূৰ্য্যকে জানিতেছেন, আমি করিয়া থাকে। মন দুখে আপিত হইয়া দেহও(কুবি সেই চৈত। আমি অজ্ঞ নহি, আমার দুঃখ নাই, অনর্থও নাই, সেন আর মনে রাখ, মেষ, শােক, মােহ ও পাপাদি উৎপাদন আমি দুঃখীনহি। আমার শরীর থাকুক বা নাই থাকুক, আমি করিয়া) মনকেও হনন করিতে ইচ্ছা করে। পিতা আততায়ী সর্বই বিগতজ্বর। যেস্থানে আস্থা বিদ্যমান, ভয় মনও হইলে পুত্রও তাঁহাকে করিয়া থাকে। (মন পিতা, পুত্র থাকে না, ইন্দ্রিয়ও থাকে না, বাসনাও থাকে না। রাজার শরীর)। স্বভাবতঃ কেহই কাহারও শত্রু বা মিত্র হয় না, সে নিকটে ক্ষুদ্র পামৰব্যক্তি থাকিতে পারে না। আমি সেই ব্রহ্ম সুখ, তাহাকে মিত্র বলা যায়, আর যারা দুর প্রদান করে, পদের অনুগত, আমি কেবলরূপী, আমি জয়যুক্ত, আমি নির্বাণ, হারাই শত্ৰু ৰলিয়া অভিহিত হয়। দেহ দুঃখ অনুভব করত আমি অংশবিবর্জিত, আমি নিরীহ, আমার কোন অভিলষিতই মনকে মারিতে ইচ্ছা করে, নাও দেহকে স্বীয় সুখের আগার নাই। ৭১-৭৫। যেমন তৈল তিল হইতে পৃথকৃত হইলে করিয়া তুলে। স্বভাবতঃ অতিবিরােধী দেহ ও মন এইরূপে পিণাকতাবপ্রাপ্ত জিলের (খালে) তৈলের সহিত কোন পরস্পরকে দু প্রদান করিতে থাকিলে সুখলাভ কিরূপে গন্ধ থাকে না, সেইরূপ এক্ষণে, দেহ, মন ও ইন্দ্রিয়াদির সহিত হইবে? (অর্থাৎ একেবারেই নাই)। ৫৬-৬০। মন আমার কোন সম্বন্ধ নাই। পূর্ব বাসনা হইতে পৃথকৃতবুদ্ধি হইলে হইলে দেহকে আর দুখভােগ কৱিতে হয় না, এই জয় দেহও পর যদি আমি অবশিষ্ট প্রারব্ধ-শেলীলায় এই পরম আত্মপদ মনমের এ উৎকলিত হইয়া নিত্য প্রধাবিত হইয়া থাকে। হইতে চলিত হই, তাহা হইলে তখন আমার এই সেই ইন্দ্রিয়াদি মন যতদিন আত্মবিৰোভ করিতে না পারে, ততদিন মন পরিবারবর্গৰৎ শুভার্থী হইবে অর্থাৎ ইহা চিত্তবিনােদন ব্যতীত মীয়কে নাশ কৰ ৰা নাই করুক, শরীর আপলের আম্মদ কাচ দুপ্ত হইব না। তখন আমার স্বচ্ছতা, পূর্ণকাম, হইয়া অন এলান করিতে থাকে অর্থাৎ দেবনাশে মুনেরও সত্তা, হৃদ্যত, সভ্যতা, অজ্ঞতা, আনন্দবা, উপশমৰা, সর্বদা আইসিটি নাই। (মন আত্মবিবেকলাভ করিতে পারিলেই মৃদুভাষিতা, পূর্ণতা, উদয়তা, (নির্লোভ), অবাধিতাত্মভাব, এসিড়ি লাত করে)। শেখ ও সরােবর যে পরস্পরের একতা সর্বৈকতা, (সর্বত্র ঐক্যবৃষ্টি ও মৈত্যবকক্ষণই সহাতে বর্ষিত হয়, সেইরূপ এই মন ও শরীর পরপর-সাহায্যে সমূদয় খণৰলী উদিত,সমভাবাপন্ন, স্বস্থ ও সুফলদাকিনী হইয়া কেবল আকারগত মুলভাব থারণ কল্লিা থাকে। যেরূপ ও সর্বদা আঘৈর্তি আমার হৃদয়েরী কান্তারূপে বিরাজ করিবে। বহি পরস্পরবিােধী হইলেও লােকের পাকক্রিয়া-প্রশাখ সময় আত্মাতে কল্পনাৰলে সর্বদা সমস্তই সখা সবে ; পর সহভাবে কাৰ্য্য করে, সেইরূপ মন ও দেহ পরস্পর আমার এক সমুন বিষয়ের উপরে ইহ, অনিচ্ছা রাগ-কােষ ও বিরোধী বলিয়া দ্বিধা অবস্থিত হইলেও-পত্ৰৱে আদাwেয় সুখ সমস্তই নীল হইয়াছে। শরৎকালে নভােমণ্ডলে খণ্ডিত বাসনিবন্ধন একপ প্রাপ্ত হইয়া দুঃখে ভােগ পরিহারের নেকৰা যেমন ফিীন (অ)হইয়া থাকে, সেইরূপ আমি সে পরস্পর সহভাবে বিষয়ভােগসাধন বা মােসা করিতে বিগভমােহ, বিগন ও নির্বিক-চিত হতে বল(তাপ- থাকে। নখর চিলাহই দেহও সমুলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, পরিশু)আতে উলইয়া অর্থাৎ খুব পরিত্যাগপূর্বক ডিতের বুড়ি হইলে দেহ বৎ শশাখাসমতি হইয়া যুক্তি বিশ্রান্ত হইতেছি। ৭২। এহতে থাকে। ১। মম বাসলা ও দেহ সন্তই শিশবর্গ সমাপ্ত। পায়; কিন্তু সেই মনু ৰাসল ছুরই শ হয় না নর্থ বন্ধ করা একান্ত আৰক। সাইমনােৰূপ কালো এবং তৃষ্ণণ উহায় লতা, আমি ঐ পাদপতা মণিত কোন দোলপূর্বক বিস্তৃত পৰিত ভূমি প্রাপ্ত উপম-এ। হইলে ও কাতে পারে)। এর উপ-জি চপাণ সর্গ। একে তৃতীয় বার উচ্চারিত হইলে, এবায়ুর পুঞ্জি ৰশিষ্ট কহিলেন-উদ্দালক মনি মহতী বিশুবুদ্ধি যারা ঐ পুকনামা প্রক্রিয়া আৱন্ধ হইল। তখন প্রাণঘায়ু জীবচেয়ে রূপে বিচার করিয়া পদ্মাসন-বন্ধনপূর্বক অর্জন্মীলিতনয়নে অৰ- মধ্যে ভালালে সমানীত অনুরে মধ্যবর্তী হইয়া ৱািকা। ঘিত হইলেন। “যিনি সমাজুরুলে প্রণব উচ্চারণ করিতে সশ, যেন ভুৱা পাইয়া পরম শীতলতাৰ ধারণ করিল। জ্বিন পরব্রহ্ম প্রাপ্ত হনই অবগত থাকতে ভালক প্রণবকেই গগন-মধাবিত ধূমাণি যেমন ল সলিলপূর্ণতাৰ বারণ পরব্রহ্মরূপে ভবন করিয়া, বাটামখ্যগত লালের সম করে সেইরূপ গনমখৰ ঐ বায়ু জমে চলভাৰ খায়। আঘাতে খাটার বেন উনি, সেইরূপ উচ্চঘনিতে উচ্চ কৰিল। ঐ মুখ কহে পূ, কানের মহা নিশীল প্রণবের উচ্চারণ করিতে লাগিলেন। যশ প্রধা- সাগর হইয়া মেঘনাশক সমাখিয় স্যায় আনা হইলে, কার বৃতিত চৈতও তদীয় কুটীৰ চৈত মাত্ৰাখের উচ্চা- বায়ুসকল তাহার থামী কিরবারাহইয়া, বাতায়নপৰে সুধাংশু রণের পর অর্ধমাত্রায় অভিব্যক বিমল বিতত প্রায় মিলিত এল যেমন সুন্ম টিক মণিৰৎ প্রতীয়মান হইতে থাকে, হইয়া অখণ্ড ৰক্ষাকার-খরণার্থ উন্মুখ না হইয়াছিল, তত তিনি ক্রপ প্রতীয়মান হইতে লাগিল। ১৬। মহাদেশের উত্ত বের উচ্চারণ করিতে লাগিলেন। অমাত্রা সহ অকার উকার মা হইতে যিনিহত প্রবাহিনী সুনণীয় স্যায় সেই অমৃ মারাত্মক অত্র প্রণবের মাত্র অর্থাৎ আত্মার বয়ব। যারা অলর হইতেরিত হইয়া, অবশিষ্ট সেই শরীলংয়ে নি এখন তিনি উদাত্তস্বরে প্রণবের প্রথমাংশ অকার ভাগ উচ্চারণ তিত হইল; মশরুমখমান মহাসাগর হইতে যেমৰ পাৰিজাত কৰিলে, সম্যক্ উচ্চাৰণৰ উচ্চৈঃস্বরে অভিব্যক্ত প্রণবপ্রথমাংশ পাপ সখিত হইয়াছিল, সেইরূপ নিপতিত সেই অমৃতলায় স্বীয়বর্ণের সমকৃ উচ্চারণে বিক্ষুব্ধ বহির্নিষনােমুখ প্ৰাণবায়ু ঘর হইতে চণ্ডলৰৎ সুন্দর এক চক্ষুৰ্বাহ শরীয় উৎপন্ন হইল। মূলাধার হইতে ওপট পৰ্যন্তু জীয় দেৰ ধ্বনিত করিল। তখন উজালকের সেই শরীর ঐকার চতুর্থাং ফুনেত্র কমলােভ অগস্ত্য যেমন সলিল পান করিয়া সাগর শুকরিয়াছিলেন সেই প্রফুলবদন নারায়রীরে পরিণত হইয়া সুন্দরভায় বিরাজ রূপ প্ৰাণবায়ুর নিমণরূপ সেচকাম প্রক্রিয়তীয় সমস্ত করিতে লাগিল। স্থানান্তর হইতে আগত সলিল যেমন শরীরকে শুষ্ক করিয়া ফেলিল। কুলায় পরিত্যাগপূর্বক পকী সবােবরকে পূর্ণ করে, কাকালে পবােলগৰ হেতু জেমস যেমন গগনে অবস্থান করে, সেইরূপ উক্ত রেচকপ্রক্রিয়ায় যেমন অরাজিকে পুষ্ট করে, তদ্রুপ মুখাৰ এণবায়ুসকল সেই বহির্গত তদীয় বায়ু দেহ পরিভাগপূর্বক, ব্ৰহ্মভাবনালে শরীরকে পূর্ণ করিল। ২১-২৫। প্রবল স্রোত যেমন চক্রা- অভিব্যক্ত চৈতসে আপৱিত ৰাহাকাশে অবস্থান করিতে কার আবৰ্ত্তাকারে আসিয়া প্রবাহিনী গলাকে পূর্ণ করে, সেইরূপ লাগিল। তদনন্তর হৃদয়মধ্যে প্রাণবায়ুর নিমণ-সর্ষে ও প্রাণৰায়ু সকল সত্বর যেন আগ্রহসহকারে অন্তঃস্থিত ফুণ্ডলিনীক ভাবনাৰলে সমুদ্ভূত বহি প্ৰজলিত হইয়া, প্রবল শুদ্ধতাসভূত পূর্ণ করিল। যেরূপ শরৎকালরাতে ভূমিল শেষবাৰ দাবানল যেমন অরণ্য গ্ধ করে, সেইরূপ সমস্ত শরীর বন্ধ করিয়া বিধৌত ও আপশােধিত এবং বর্ষাকালীন পানিদূষিত বিকৃত প্রণবের প্রথমাংশ উচ্চারণে তঁাহার ঈশ অবস্থা আকারভ্যাগনিবন পরিত হইয়া লােকে গতায়াতের সমক হঠােগ আ (সহ) সমুৎপন্ন হয় নাই, ভাল থারাই তিনি উপবেশী হয়, সেইরূপ সেইৰাহ্মণের শরীর গহনপ্লাবন প্রভৃতির এই সমস্ত করিলেন। কারণ হঠযােগ জাতি ক্লেশকর (হাত ভাবনায় বিধৌত (নিপপ) হইয়া সমাধিকার্যের প্রকৃত উপযােগী আকস্মিক প্রাণবায়ুর বহির্গভিনিবন্ধন মূর্খ, অধিক কি, মৃত্যু হইল। অনন্তর তিনি পাসলে অবস্থানপুৰ্ব্বক, দালানস্ততে পর্যন্তও ঘটতে পারে। অনন্তর উৎকর্তৃক অসূস্বরে প্রণবের শীতৰে স্যায় দেহততে ইত্রিপঞ্চ দূপে বন্ধ করিয়া স্বীয় দ্বিতীয়ভাগ উকায় উচ্চারিত হইয়া সমভাবে অবস্থিত হইলে মনকে শারদগগনবৎ খচ্ছ কৰিবার এয়ও নির্বিকল্প সমাধিনিমিত এমর কুনালে নিম্পক্রিয়া আরম্ভ হইল। ১০। চেষ্টা করিতে লাগিলেন ১০। চেষ্টা করিতে লাগিলেন ভূল প্রভৃত্তি সাহায্যে বহির্গন- তৎকালে প্রাণবায়ু, অতি সলিলের স্থায় বাহিরে অন্তরে, মন প্রাণাদি ৰায়ুরূপ হরিণকে তিনি প্রথমে প্রাণায়ামাভ্যাস আর দেশে; উদশ ও নিটে কুত্রাপি বিচলিত হইল না, প্রশান্ত (নি) করিকে। অখাদি বজলকীলক (গোঁজ) স্থিরভাবে অবস্থান করিতে লাগিলেন। এ দিকে নেহপুরী গন্ধ যেমন টু লিখত না হইলের আকর্ষণে উৎখাত হইয়া এর করিয়া অশনিবৎ কাশবন মধ্যেই প্রাণান্ত হইয়া গেল , তুষারবৎ সহিত না হয়, সেইরূপ অলীয় মন সেই সময়ে পুর্বানুভূত ভাগ শুভ্র শিল্পী- তৃষ্ট হইতে লাগিল। সেই অবস্থায় শুভ্রবর্ণ বিচিন্তায় হইল। ২৬–৩০। সেতু যেমন বেগনির্গত নিপন রীৰিসমূহ যেন করি-মূলি-রচিত মুখশয়ায় মিত- এৰাই মােৰ ৰে, সেইরূপ তিনি তখনই আবার বিয়ে বাকশান বংশতি হইতে অগিল। রুদ্র=গা ভি বার জপ চিকে বিশে বিষ করিয়া সংকুদ্ধ করিলেন। তিনি ত) থারী ব্যক্তি যেমন গাত্রে আমি লেপন করে, সেইরূপ রায়ান অনিশীলিত করিলেন, উগ্রবাহী এক প্রচণ্ড বাতায় উনীত সেই অতি বােধ হই, সকালের নিশ ভ্রমণ কমায় ঈষৎ ভৰ তপকাৰ্যনিবন্ধনই ফেল অলক্ষ্যে সেই দেহ বিলিও করিল। মূদ্রিত হইল। চক্রবর্তী, অমিত ওনার্থ বায়ু প্রচণ্ডসমীয়ােত সেই অসিমর্থিত তন্ম কাল গগনে ঘূর্ণন যেন এখৰ থাৰণ করে; তদ্রুপ তিনি মৌনী হইয়া আ ও হইয়া শরণ-মেঘবং (কোখায় )অ হইয়া গেল। ১৯-১৫। আপনি-ৰায়ুৰ ৰেণ বুরি ও এশ করিলেন। কুরশল্পীর- এলের দ্বিতীয়ােগ উকার উচ্চারণকালেও তাহার সদৃশ অবস্থা- শীল হালদাশিহিশেয়ার এবং ডিল হইতে তৈলের ন্যায়, প্রাপ্তি হল সম্পন্ন হয় নাই। হঠযােগে বহুকেশ, হঠাৎ লিগ্রাম বিষয় হইতে উদ্বিগ্রামকে পৃথক করিলে অর্থাৎ যােগবগি-রামায়ণ বাহ্য বিষয়ে জ্ঞাহিত হইলেন। সহসা আৰমণ হইলে মণি যেমন শাহকে বিলীন করে, দীপ যেমন অন্ধকারকে নষ্ট করে, যেমন দূরপ্রসারী রশ্মিজাল পরিত্যাগ করে (মণির সহসা আবরণে তদ্রুপ তিনি ভাবিত সেই নির্মল আকাশকেও মন হইতে প্রােঞ্ছিত ৰো হয় যেন, মণি দূষপ্রসারিত কিরণজাল পরিত্যাগ করিল, করিলেন। ৪-৫ নিজাবসানে মলমব্যক্তি যেমন ড্রপ শীয়বুদ্ধি সেই উদ্দালক অশেষ বাহ্য বিষয়স্পর্শ দূরে পরি- বিমূঢ়চিত্ত হইয়া উঠে, সেইরূপ আকাশজ্ঞান নষ্ট হই ভণীয় হায় কৰিলে।৩১-৩৫। মার্গশীর্ষমাসে (হেমন্তকালে) বল মন মােহলাও হইতে লাগিল ভাস্কর যেমন জগঞ্জে যামিনী- যেমন শর্তস্থিত- অভ্যন্তরে বিলীন করে অর্থাৎ শুষ্কভাব জনিত জড়তা দূর করে সেইরূপ উদারাশয় উদ্দালক মনের যেই ধারণ করে, সেইরূপ তিনি মনােবাসনারূপ অন্তর অধিষ্ঠান মােহও অপনীত করিলেন। অনন্তর তদীয় মন তে, ভ, নিদ্রা ব্ৰহ্মৰ আকৃষ্ট করিয়া বিন করিলে (অর্থাৎ ক্ৰমে মনােগত ও মােহাগি পরিশূন্য হইয়া অপূর্ব অবস্থা লাভ করত রুশকাল বাসনা শণও কী করিতে লাগিলেন)। টাচ্ছাদিতসুখ - বিশ্রান্ত হইল। আলিবন্ধন দ্বারা ভিন্ন সমােবারি যেমন পূর্ণ কলসের যেমন (অন্তরে বায়ু প্রবেশ করিতে না পারায়) অন্ত প্রতিকূল-গতিতে আবার স্বস্থানেই প্রত্যাগত হয়, সেইরূপ তদীয় গত সূক্ষ্ম ছিদ্রও রুদ্ধ হইয়া যায়, সেইরূপ তিনি (পাঝিদেশ বার মন বিশ্রামের পর পুনৰ্মাণ কটিতি বাহ্যপ্রপঞ্চসমাকার বিং মূলাধার দৃঢ়রূপে অবষ্ট করাতে) মলদ্বারের সঙ্কোচ দ্বারা নৰন্ধার প্রাপ্ত হইল। অনন্তর অলীয় মন, পূর্কে ব্যানাণি দ্বারা চিয়া বায়ুর গতিরোধ করিলেন। তিনি আত্মরত্ন দ্বারা প্রকাশ (কর সন্ধানবশে সমাধিদশায় আনন্দানুভাবে আত্মচৈতন্য আমান পক্ষে আঅরূপ রত্ন, শিখরা পক্ষে নিজত্ব। সুমেরুশিখরে বহু ছিল বলি, সুবর্ণ যেমন নূপুরভব ধারণ করে সেইরূপ চিন্ময়- রত্ন বিদ্যমান। পরিকৃত (একপক্ষে বজলুমােগুণের আবরণ না ভাব ধারণ করিল। যেমন অন্তর্গত জল শুষ্ক হইলে, ঘটস্থিত থাকায়, পক্ষান্তরে ধূলি ও অন্ধকার না থাকায়) কুসুমশোভিত (এক আবিল জলের পঙ্ক বটগাত্রে বিলীন হয়, দ্রুপ তদীয় চিত্ত পক্ষে মুখপদ্ম কুসুমে শােভিত, অন্যত্র স্পষ্ট)। সুমেরুশিখরের অগ্র- স্বীয় চিত্তৰ পৱিত্যাগপূর্বক চিন্ময় হওয়াতে অরূপ হইয়া বং গ্রীবাদেশ ধারণ করিতে লাগিলেন। বিন্ধ্যপর্বতের খাতদেশে গেল। অঙ্গাদি ভেজবুজি পরিত্যাগ করিলে সমুদ্র যেমন জল- যেমন উন্মগজ সংঘত হইয়া অবস্থান করে, সেইরূপ তিনি হৃদয়- সামান্য হইয়া দাঁড়া, সেইরূপ তদীয় বিশুদ্ধচিং একরসীভূত কাশে উন্মক্ত মনকে প্রত্যাহার উপায়ে বশীকৃত ও সংযত করিয়া নিজ উপাধি বুদ্ধিৰিশিষ্ট হইয়া চেত্যভাব পরিত্যাগপুৰ্ব্বক সাধারণ আখিলেন। তিনি শারলকশব অতি সৌম্যভাব ধারণ করিয়া চিৰভাৰ প্রাপ্ত হইল। পরে তিনি সাক্ষাৎকার প্রাপ্ত নিৰ্বাতনি পরিপূর্ণ সাগরের শােভা প্রাপ্ত হইলেন। ৩৬-৪•া হইয়া সকল জগতের অধিষ্ঠানভূত মহৎ বিশুদ্ধ চিদাকাশ সমীরণ যেমন অগ্রে প্রঙ্কুরিত মশকসমূহ নিষ্কাশিত করে, দ্রুপ হইলেন। সেই অবস্থায় উদ্দালক দৃশ্যদৃষ্টিবিবর্জিত সর্ববিধ তিনি ব্রহ্মাকার চিত্তিধারায় বিচ্ছেদ প্রাপ্ত, কখন কখন প্রতি- রসের আকার, অর্ণবােপম অনন্ত, পরমাস্বাদ ও আনন্দ প্রাপ্ত আসিত বিকলহকে নিষ্কাশিত করিতে লাগিলেন। বীরপুরুষ হইলেন। তখন তিনি যেন শরীয় হইতে সম্যক্ নিৰ্গত যেমন সংগ্রামে অসি দ্বারা শত্রু নিধন করে, দ্রুপ তিনি পুনঃপুনঃ হুইয়া কোন অপুৰ্ব্ব ভূমিতলে উপনীত হইলেন, তৎকালে বচ্ছামে উপস্থিত ব্ৰিতিতাসকে মন আরা ছেদন করিতে আনন্দসাগর সভাসামান্যরূপী (১) আত্মা হইয়া অবস্থান করিতে লাগিলেন। বিকমূহ বিচ্ছিন্ন হইলে তিনি হাকাশে মাে লাগিলেন। ৫–৬০। নির্মল শরদাকাণে সম্পূর্ণ কলাপূর্ণ গুণের উদ্রেকহেতু, কেন অন্ধকারাচ্ছন্ন কলেপ মাৰিবেক অরাপতি যেমন বিরাজ করেন, দ্রুপ ঐ ব্রাহ্মণের চৈতরূপ ভাস্কর নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন, যেমন পবন বালা আকাশের স তখন আনন্দশাগরে অবস্থান করিতে লাগিল। তিনি মােখ কল মার্জিত হয়, সেইরূপ তিনি সদগুণের উত্তায় নির্বাভ-প্রদীপের ন্যায়, বিগত ও অসুনিধির ন্যায়, বর্ষাবসানে প্রাপ্ত সম্যক্ লনে, সমুদিত মনােরূপ পূৰ্য্য আর সে ত গতিহীন জল জলধরের ন্যায় নিশ্চল ও নিঃশব্দভাবে অব- মার্জিত করিতে লাগিলেন। নিশতিমির অপগত হইলে কমল স্থান করত চিত্রার্গিবৎ প্রতীয়মান হইতে লাগিলেন। অনন্তর যেমন প্রভাসময়ে নিরীক্ষণ করে, ভদ্রুপ অমােন্ড হইলে ঐরূপ পরামালােকে অবস্থিত হইয়া উদ্দালক দেখিতে লাগিলেন তিনি কমনীয় তেজপুত্র নিরীক্ষণ করিলেন। ৪১-৪৫। হভি- তাহার চতুর্দিকে গগনচারি-সিরু, অসংখ্য অমরবৃন্দ ওই শাবক যেমন মূলকমলন ভগ্ন করে, সেইরূপ রুমে তৎকর্তৃক সূর্য্য প্রভৃতি উপমপ্রদ সিজিসমূহ অনােগণের সহিত সমুপ- সেই তেজপুঞ্জও ভিন্ন (এভিহত) হইল। বেতাল যেমন সৰগে স্থিত হইয়াছে। গভীৱমতি অনুব্ধ সেই দ্বিজ, পূর্ণবয়স্ক গম্ভীর- শিশুর রক্ত পান করে, সেইরূপ (অধিষ্ঠান ব্ৰহ্মনে ঐ প্রকৃতি ব্যক্তি যেমন শৈশবিলাসের আদর করেন না, সেইরূপ তেজপুঞ্জের বাধ হইয়া যাওয়ায় বােধ হইল। তিনি সেই তেপুর উদ্দালকও সমুপস্থিত ঐ সিদ্ধিসমূহের আদর করিলেন না। গ্রাস করিয়া ফেলিন ডে এশান্ত হই সেই মুনির মা, ৫। সিসিমূহের প্রতি অবজা করিয়া তিনি, নুধ্য বেশ নিশাকমলের ব্যায় অথবা মঘিয়াম ব্যক্তি জায় ঘণ্ডভাব উত্তরদিকৃভটে ছয় মাস অতিবাহিত করেন , সেইরূপ সেই আন- প্রাপ্ত হইল। মারুত যেমন মেঘমালাকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে, মন্দিরে ছয় মাস অতিবাহিত করিলেন। ব্রহ্মদি-দেবগণ এবং মহতী যেমন নীলকমলিনীকে ভয় ও বির্প করে, দ্য সিদ্ধ ও সখ্যগণ যে জীবন্মুক্তপদে অবস্থিত, সেই উদ্দালক বিৎ যেমন উদিত হইয়া কামিনীকে নিহত মেল; সেইরূপ তিনি সপ্তম-ভূমিকার প্রতিষ্ঠিত সর্বোৎকৃষ্ট সেই জীবন্মুক্ত পদ প্রাপ্ত কত সেই নিদ্রাকেও দূৰ কৰিলে। আকাশের নীলিমাৰ- হইলেন। তাঁহার সেই আলশে সাব্যরূপ চিত্তের পরিণাম লেককারী ব্যক্তি যেমন অশে মরীনির আকৃতি তালা করে, সেইরূপ নিদ্ৰাপগমে তদীয় মন আকারে রূপ ৰ (১) সাদা কাহাকে বলে রাষ্ঠিকে পরে জিজ্ঞাসা করিতে নিল বর্ষা বেশ আলাপকে বিশণ করে, তা করিবেন।
উপম-প্রকরণ। না থাকাতে আনন্দপদ প্রাপ্ত হইলেন , অকালে তদীয় আত্ম- নিরুত উদ্যালকেনিক কতিপয় দিবস অবস্থান কুৰি সকলে চৈ, না আনন্দ না নিরানন্দ কিছুই প্রাপ্ত হয় নাই অর্থাৎ তিনি অস্ব স্থানে প্রস্থান করিলেন। জীবমুক্ত সেই মুনি উম্মলক সুখদুঃখবিহীন হইয় অবস্থান করিতে লাগিলেন। রুশকালই যথেচ্ছভাবে মধ্যে ঋষি-গের আশ্রমে যথামুখে বিহার করতে হউক আর বর্ষসহই হউক, মন একবার সেই দশায় অবস্থান লাগিলেন। তিনি মেরু, মন্দর, কৈলাস, হিমালয়, বিপ্রকৃতি করিতে পারিলে, স্বর্গবিভবদীর যেমন এই ভূলোক অধিকর পর্বতে এবং দ্বীপ, উপন, জল ও চতুর্দিকের প্রাক্তনামা পর্যন্ত হইয়া উঠে, সেইরূপ ভােগসমূহে আর অনুরক্ত হয় না। উদ্দালক সৰ্বত্ৰ ইচ্ছামত বিহার করিতে লাগিলেন। তদধি উদ্দালকমুনি যে পদে অবস্থান করিতেছিলেন, উহাই পরমপদ, উহাই প্রশান্ত পরম পদ প্রাপ্ত হই, গিরিগুহায় ধ্যানলীলায় অবস্থান করিতে স্থান, উহাই পরশ্রেয়, উহাই শাশ্বত মঙ্গল,ঐ পদে বিশ্রামপ্রাপ্ত লাগিলেন। ধ্যানাসক্ত ঐ মুনি কখন একদিন, কখন একমা, হইলে ভ্রান্তি আর বাধা দিতে পরে না। ৬-৭। যেমন কখন এক বৎসর, কখন বহু বৎসরের পর হইতে লাগিলেন। যাহারা বৈকানন শাত করিয়াছে, তাহারা আর খরিকাননে সেই সময় হইতে উদ্দালক ব্যবহারপরায়ণ হইলেও সমাধি যায় না, সেইরূপ সাধুগণ ঐ পরমপদ প্রাপ্ত হইলে এই দৃশ্যদৃষ্টিতে থাকিয়া চিত্ত্বের সহিত এক প্রাপ্ত হইলেন। চিত্তত্বের একতার আর উপগত হন না। অতুলৈখভােগী রাজগণ যেমন দীন- অভ্যাস ঘনীভূত হইলে তিনি মহাচিন্ময়ত্ব প্রাপ্ত হইয়া, ভূমণ্ডলে ভাবের আদর করেন না (তঁহাদের নিকট পারিডভাব অতিকষ্ট সৌরকিরণের সর্বত্র সম হইয়া অবস্থান করিতে লাগিলেন। চিৎ- কর বােধ হয় ), সেইরূপ জীবগণ চিত্ত হইতে উক্ত মহাপদবী সামান্যের চিরাভ্যাসবশত সত্তসামান্য প্রাপ্ত হইয়া তিনি চিত্রিত প্রাপ্ত হইলে, এই দৃশ্যসমূহের আর আদর করেন না। বােধপ্রাপ্ত ভাস্করবং এই পঞ্চে অক্টোদয়বিহীন হইয়া অবস্থান করিতে হইয়া তৎপবিশ্রান্ত-চিত্ত সমাধি হইতে ব্যথানাশকে কষ্টকর লাগিলেন। তখন সর্ববিধ বিক্ষেপের উপশান্তি হওয়াতে নিরতি- বিবেচনা কমাতে, অপরের প্রত্নভিয়ে বােপ্রাপ্ত (সমাখি হইতে শয় আনন্দরূপ মপদ প্রাপ্ত হইলে, তাহার চিত্ত সমাপে ব্যথিত হইয়া থাকে, সপ্তমভূমিকায় উপনীত হইলে একেবারেই বিগলিত হইলে, সমূদয় কবীজ ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়াতে ভদীয় বোধ প্রাপ্ত হয় না। উদ্দালক উপস্থিত সিদ্ধিসমূহ (ইন্দ্ৰত্বাদি জন্মােণ একেবারে ছিন্ন হইল, সন্দেহ সোলবস্থাও ক্ষয়প্রাপ্ত পদসমূহ) দূরে উৎসারিত করিয়া ছয় মাস এইরূপে অতিবাহিত হইয়া গেল, তখন তিনি শরদাকাশবৎ অবিদ্যা মোড়ম্বর, করিলে, বকালে নগরপটলনিন্মুক্ত দিবাকরের ন্যায় উমেষ- অপরিচ্ছি, আত্মণ, চিত্তপরিশু, অমল ব্ৰহ্মাকার ধারণ প্রাপ্ত ( প্রকাশিত )ইলেন। সম্যক্বােধ প্রাপ্ত হইয়া আবার করিলেন। ৬ -১৩। দেখিলেন—পর তেজস্বিনী, চন্দ্রমগুলােপ সুন্দরকৃতি, সুখি চতূপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। রমণীগণ উপস্থিত হইয়া তাহাকে প্রণাম করিতে অগ্রসর হই তেছে। ৭১-৭৫। তাহাদের হস্তস্থিত চামর ও মুর্বকম-সৌরভে সমাগত উপবিষ্ট ভ্ৰমৱসমূহ গৌরবর্ণ পারিজাত-কুসুমপরাগে আচ্ছন্ন হওয়াতে লক্ষ্য হইতেছে ন, পতাকাপটলশােৰী ৰীয় পঞ্চপাণ সর্গ । বিমানপঙিক্ত আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে। পাণিকমলে পবিত্র রাম কহিলেন, হে ঈশ। আপনি এম্মিজ্ঞানরূপ দিবসের দর্ভধারী অম্মাদি মুনিগণ (বশিষ্ঠ প্রভৃতি মুনিগণ) ও বিদ্যাধরী প্রকাশে এক সূৰ্য্যস্বরূপ, অজ্ঞানপ্রযুক্ত সন্তাপের পকেশী গণসমভিব্যাহারে বিদ্যাধরপতিগণ আসিয়া উপস্থিত হইয়াছেন। স্বরূপ, এবং মীর সন্দেহরূপ তৃণের লম্বরূপ , অতএব ‘সত্তা ভঁহারা সকলে উদ্দালকমুনিকে বলিলেন-হে ভগব। আমরা সামাঙ্গ কি প্রকা' ই বলিয়া আমার সংশয় দূর করুন। বণি আপনাকে প্রণাম করিতেছি; আপনি প্রসন্নবৃষ্টিতে আমাদিগের কহিলেন, ষষ্ঠভূমিকায় চিস্তিরভেদমূহের পরিমার্জনার প্রতি দৃষ্টিপাত করুন। আপনি এই বিষনে আরােহণ করিয়া পর, সামান্য চেস্বরূপতাণ্ড ঘােমীয় চেতভাবের অত্যন্ত স্বর্গপুরীতে আগমন করুন। স্বৰ্গই জাগতিক ভােগসম্পদের সে ভাবনাযুক্ত চেত্যসংস্কারের আত্যন্তিক উচ্ছেদ ঘটিলে যখন চিত্ত সীম।, ইহা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট ভােগ আর নাই। হে বিভাে। একেবাবে প্রাপ্ত হয়, তখন নিজ সত্তাত্রে স্বতঃসিদ্ধ পরিশিষ্ট আকল আপনার অভিমত সমুচিত ভােগসম্পদ ভোগ করুন , চিং-অচিৎ উতগত যে সত্তার বিদ্যা নিতা) তাহাকেই সামান্য স্বর্গদিফলভােগের জন্যই লােকে অশেষ তপন্স করিয়া থাকে। কহৈ। সকল ব্যক্তিতে তবিম্বিত চিতি সমস্ত দৃশ্যের বাধ হওয়াতে, এই দেখুন, করিণী যেমন ফরীর নিকটে উপস্থিত হয়, সেইরূপ চেংরক্তিও বৃত্তিবিষয়হিত হই যখন বিচেয়ে লীন হয়, হাৱচামধারি বিদ্যাধরকামিনীগণ আপনার সম্মুখে উপস্থিত অখন উক্তবিউচভরে নীরূপ আকাশের স্থায় প্রতি নির্মল যে হইয়াছেন। কামই ধর্ম ও অর্থের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, তন্মধ্যে সুলনা- সত্তা, তাহাই সাসানাত। অভিব্যক্ত 'অখণ্ড চৈত যখন গণ কামের সার সর্বাঙ্গ, বসন্তকালেই মন শােভন পূপ বা আতর -সমস্ত মৃত জগতের অপলাপ করিয়া চিত্তিতে মঞ্জরীর অবস্থান, সেইরূপ তাহার স্বর্গেই অবস্থান করে। মুনি অবস্থান করে, কালের উক্ত চৈতন্যের অবস্থাতেই সাদামা- উদ্দালক, এববাদী সমস্ত অতিথিবর্গকে যথাবিধি অনাপুর্বক 'ন্যতা বলা যায়। যখন সমুদয় দৃশ্য পারকিপে প্রথিত অর্থাৎ কৌতুহলপরিশূন্য হইয়া অবস্থান করিতে লাগিলেন। ধীয়বুদ্ধি চিত্ররূপ অবস্থা প্রাপ্ত হয়, তখনই সত্তা-সামান্যতা হইয়া থাকে। উদ্দালক উপস্থিত ঐবির অভিনন্দনও করিলেন না, পরি- ৫। যখন সমুদয় ধূ কচ্ছপের হপদাদি-ৰেৱৰবৎ ভাবনা ভ্যাগও করিলেন না। হে সিন্ধগণ! আপনারা স্বস্থানে স্থান যত্নব্যতিরেকে স্বয়ংই আত্মাতে শন হয়, তখন সসামান্যতা করুন” এই বলিয়া তিনি নিজ পায়ে (সমাধিতে) অবস্থিত হইয়া থাকে। সপ্তমভূমিকায় আরূঢ় যােগীর এবিধ দৃষ্টি তুরী- হইলেন। ৭–৮৫। অন সিগণ বিষয়তগৰিক্ত অংশ পত পদের তুল্য এই সেই পরমা ই জীবকে ও কিংমুক্ত -যােগবাণিষ্ঠকামায়ণ - উভয়েরই সর্বদা সবে অর্থাৎ বিদেহমুক্তক্তির দৃষ্টিতে ও যেস্থান হইতে হিরণ্যগর্ভগ পর্যন্ত বিসুখ বিগলিত হইয়াছে, ইভে সবিশেষ পার্থক্য নাই। হে অনষ! এই সামান্য- সেই অনির্বচনীয় পানমুখময় পদ গ্রাথ হইলেন; সেই দৃষ্টি পঞ্চমালি ভূমিকাতেও সমাহিত-যােগীর হইয়া থাকে, সপ্তম- পরমমুখে ইয়াজ-প, সাগরে ভাসমান তৃণের গয় পৃভী ভূমিকায় বােগীর ইহা খানকালেও হয়। বােধজনিত মান হয়। অনন্তর ঐ উদ্দালক, ব্রাহ্মণ বাকৃপভীত নন্ত, এই পরমাতৃসম তত্ত্বজ্ঞব্যক্তিরই হইয়া থাকে, নতুবা অপরের সজ্ঞ, আনচু, পরমসুখপে পরিণত হইলেন। ঐ স নহ। নিশীষমুক্ত মহাশয়গণ এই দৃষ্টিতে অবস্থিত হইয়া, অমিত আকাশব্যাপী বিসমূহে পরিব্যাপ্ত রহিয়াছে, উহা সন্ধ্যা ভূমিলে পারদদি সিদ্ধাসের স্যার, আকাশমার্গ অনিলের ন্যায় সবগুতে পূর্ণ; ঐ সুখের অভ্যন্তরেই নিখিল-অৎ বি- ঐহিক মুষ্মিক ভােগ, তৃষ্ণা ও জোগুণে স্পষ্ট হইয়া অবস্থান মান; ঐ পরমসুখ বহুভ শুভদৃষ্টেলব্ধ হওয়া যায়। ২১-২৫। কলেন। হে রাখব। অম্মাদি মহধিগণ, নারদ প্রভৃতি দেবর্ষিগণ ঐ ব্রাহ্মণের চিত্ত এইরূপে নির্মল আল্যপদ প্রাপ্ত হইতে উহার এবং ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর প্রভৃতি ইহারা সকলেই এই দৃষ্টিতে শরীর সেই স্থানে উপবিষ্টভাবে অবহিত থাকিয়াই ছয়মাসে রবি- অবস্থিত।৬-১০। উলক মুনি নিখিলঙয়নাশিনী এদৃষ্টি আৰু কিরণে শােষিত হইয়া গেল; ঐ গুলবাহী মারুক্সে আখত লম্বনপূর্বক প্রারব্ধক্ষয় পর্যন্ত অগৎকুটীতে বাস করিতে লাগিলেন। জনিত শব্দে কণিত হওয়াতে, সেই শৈলে বৃক্ষরূপ বাহু যারা নন্তর বহুকালের পর তাহার “দেহত্যাগপূৰ্ব্বক বিদেহমুক্ত হইয়া বাদ্যমান শিরাজ্ঞীবুক্ত বীণার ন্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। অবস্থান করি” এইরূপ নিলাে বুদ্ধি হইল। এইরূপ দৃঢ় নিশ্চয় অনন্তর ছয় মাস অতীত হইলে নভােমণ্ডল হইতে অবতীর্ণ হইয়া করিয়া তিনি গিরিয় পলবাসনে বদ্ধপদ্মাস হইয়া, অর্থো- পিঙ্গলকে ব্রাহ্মীপ্রভৃতি মাতৃগণ সর্বত-য়াসমভিব্যাহারে শীলিতলােচনে অবস্থান করিতে লাগিলেন। তিনি মলদ্বারের একত্র হইয়া কোন ভক্তের অভিমত ফলসিবির নিমিত্ত, অনল সংলেখি যারা নবদ্বাররােধপূর্বক শম্পাদিগােচর চিত্তবৃত্তিসমূহ শিখা যেমন প্রাল্যমান অনলের সমীপে উপস্থিত হয়, সেইরূপ এক একীরূপে সংগ্রহ করিয়া হয়ে নিতে করিলেন, সেই পর্বতদেশে উপস্থিত হইলেন। রাত্রিকাল উপতি পরমার্থভাবনা জাগা হয়নিবেত ঐ বৃত্তিসমুহকে আত্মার সহিত হইলে সেই মাতৃগণের মধ্যে নব-নব বেশবৈচিত্র্যময়ী সকল একীকৃত করিয়া চিপের একতা সংস্থাপন করিলেন। এবং বিবুধবন্দনীয়া, দেবগণপুজনীয়া, শিখিনীলামী এক চামুণ্ডা রবিকর- প্রাণবায়ুর নিবােধপুৰ্ব্বক সমান ও সরলভাবে উন্নতগ্রীব হইয়া শুক সেই উদ্দালকহে লইয়া শিমােত খড়-খটাঙ্গভূষণের তালুমূললখ কৰিবয়ে হিমূল প্রবেশিত করিয়া উন্নতৰানে মধ্যবর্তী কিরীটের অগ্রভাগে ভুষণৰূপে ধাৰণ করিলেন। অবস্থান করিতে লাগিদে।১১-১৫। তাঁহার মন ও সৃষ্টি তখন এইরূপে উলকের সেই কুৎসিত অঞ্চ-দেহ মেখোপম বাহিরে অন্তরে, অথােদেশে, উদেশে, রূপরদিবিষয়ে বা শূন্যে ময়ুরপুচ্ছে সুশােভিত মন্দারমালাবেষ্টিত আদেশে পূপটল- পি সংযত ছিল না, তিনি দন্ত দ্বারা দন্ত অস্পশপূর্বক শােৰী ভগবতী বগিনীদেবীর শিরােভূষণমালে তালে অবস্থান করিতে লাগিলেন। তিনি প্রাণাদি বায়ুপ্রবাহের সংলােখ- জবৎ সংলগ্ন হইয় বেণীয় স্থায় পশ্চাদ্ভাগে বিলমান হইয়া হেতু দেহ, মন ও ইন্দ্রিয়ের চাঞ্চল্য, চিপী ব্ৰহ্মানন্দের অনু- অছিল। সমুদয় বস্তুর বেকে কুরিত আত্মানন্দ যাহার অহেতু রােমাঞ্চিতরীর ও নির্মল কান্তি-বিশিষ্ট হইয়া অবস্থান বিকাসী সুমমম্বরূপ, উকপ্রকার উন্দালকের বিদেহমুক্তিপ্রাপ্তি তে অগিলেন। তাঁহার অতঃণের একশেীভূত বৃত্তিবিশেৰে বৃত্তান্তের সমালােচনারূপ কী যাহার হাকাননে উদ্ধৃত হইয়া এভিৰিৰিত পৰিহিম চিৎ এখচৈতরে যারা উwধীভুত নিজের উনােক্তর ভূমিকারােদশ নারী উত্তরােত্তর বৃদ্ধি প্রাপ্ত হইয়াছে, সে যক্তিবিশেষের অভ্যাস করিয়া ও বি সািমায়ে বেশ খ্রিতাপগপিত এই লােক্যবহারকাকারে সংরণ কৰিলেও করিতে লাগিল; পরে বিশ্বভূত চিসামায়ে অনুসন অভ্যাস সত্যশাস্ত্যাদি-রাশিতে তিল সহজ সন্তোষরূপ ছালাতে কলিয়া উচ্চালক হৃদয়ে সর্বোৎকৃষ্ট আনন্দ প্রাপ্ত হইলেন। কখন বিমুখ হয় না, অধিকাংশই সর্বোৎকৃষ্ট মুক্তি ফলের সহিত নিরতিশয় আনন্দ আস্বাদন করিতে করিতে চিৎসামাশার ল হইয়া যায়। ২৬-৩০। হইলে, তিনি অত্যন্ত বিশ্বব্যাপী অসামান্য প্রাপ্ত হইলেন। পঞ্চপঞ্চাশ সর্গ সমাগুi৫৫। এইরূপে একেবারে বিক্ষেপ-ব্য-গরিশ হইয়া তিনি পৰ বিভ্রান্তি পাইলেন, তৎকালে অনুপম পরমানন্দে এসএম বীর মুখার্তাি পসৌন্দৰ্য থারণ করিল। ১৬। অখন আনল যাঞ্চাশ সর্গ। প্রাখিৰিকাৰহাৰ নােমা হইলন, তার মানিনিত সংসাভ্রান্তি একেবারে চিরকালের এ তিরােহিত হই, তিনি বণিষ্ঠ কহিলেন, পদ্মােন আৰ। মিও নিৰ্মলপ্রদ প্রাপ্ত হইয়া মহান করিতে লাগিলেন। মহাস। এইপে য়ং চারপূর্বক বিহার করুত অবশে বিভক্ত দল সেই উত্মক পঞ্চকলাপূর্ণ শরণরের সশান পদ বিভ্রান্তি লাভ কর। যতদিন সমস্ত পদার্থের অভ্যাস হইয়া চিত্রার্পিবং প্রতীয়মান হইতে লাগিলেন। শরৎকালের আরা পরমপদ প্রাপ্ত না হওয়া যায়, এদিন পৰ্যন্ত শাশৰ অবসানে (হেমন্তকালে) বিষ দিবাকরীকরণে বৃক্ষল যেমন পদার্থবিচার, অরূপণ ও চিশােধনপুর্বক আত্মবিচার হইতে থাকে, সেইরূপ অভিনৱী (পুনর্জন্মজয়ী। করিতে হয়। বৈরাগ্যের অভা, শাস্রাথৰিচাৰু নিজ নিন মুলক কতিপয় দিবসের মধ্যেই নৈশনৈঃ বিমল আপনে বুটি ও রূপদেশে সাহায্যে ৰা একমাত্র স্বী এর উপত হইলেন। তিনি অসহিত নিখিল-উপাধি হইতে লিঃ। (বুরি) সাহায্যে পরপর মা হওয়া যায়। একমাত্র সকল বিপরি ও নির্বিকার হইয়া অভিন্ন প্রীধারণ কলকবলিত প্রবােধবিশিষ্ট গাই এ উদার মায়ায় 7 উপম-প্ররণ sh ব্যতিরেকে শাশ্বত ব্ৰহ্মপদ এলান করিতে সম রাম জিজ্ঞাসা ও সুমাহিত হইয়াছে, শনি মহাভূজে গা ভাই। কৰিলেহে ভগন। হে ভূগণের মলদ ঈশ! কে দিগের অরণ্য ও গৃহ উভয়ই সমান বলিয়া বােধ হইবে। হেরা ফে প্রদ্ধও ব্যবহারী হইলেও যেন সমাধিপ্রাপ্ত হইয়া বিভ্রান্ত নন। বাহার চিত্ত-মহামেদ এশা হইয়াছে, তাহার নিকটে থাকেন, আবার কেহ নিভৃদেশে গিয়া সম্মধিনিত হইয়া লােকসমূহ বহ্নিমালায় ভীষণ-নগরও শ অ ৰশিয়া, অবস্থিত থাকেন, ভগব! এতদুভয়ের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ ? ইহা প্রতীয়মান হয়। হে অরিন্দম! যে ব্যক্তি রাগানিত্তিমুক্তচিতে অমিকে বলুন। ১। বশিষ্ঠ কহিলেন,—এই গুণসমূহকে উন্মত্ত, তাহার নিকটে বিজন কানুনও লােকসমূহপূর্ণ নগৰ ফলিয়া যে ব্যক্তি স্বরুপে দান করে, তাহার অন্তঃকরণে যে শীতল প্রতীয়মান হইয়া থাকে।২১-২৫। সবিঝুখিত-চিত্ত রাগালি (পূর্ণকামতা-কামনা) বিদ্যমান, তাহাকেই সমাধি বলে। বিক্ষিপ্ত হইলে নানাবিধ বিষয়মের বীভূত সুভাৰ প্রাপ্ত মন থাকিলে পদার্থের সহিত (বিক্ষেপের হেতু) সষ হইয়া থাকে ; রাগালি বাসনা একেবারে শান্ত হইলে মােয্যপ্রাপ্ত বিদ্যমান থাকে। কিন্তু আমার সে মন নাই, ইহা নিশ্চয় করিয়া হয়, অতএব তােমার যা ইচ্ছা, তাহাই কর। যিনি আত্মাকে কেহ অন্তঃীতল থাকে; দুভৱাৎ কে ব্যবহারী হয়, কেহ বা (আপনাকে) সর্ববিধ দৃশ্যপদার্থের অভীত বা সর্বময় ধ্যালয় থাকে। হে রম! এই ব্যবহারীও ধ্যানমগ, উভয় নিরীক্ষণ করেন, তিনিই সমাহিত। যাহার রাগ-যে ক্ষয়প্রাপ্ত ব্যক্তিই অতল, এত সমান সুখী, অন্তঃকরণের হইয়াছে, অন্তরে যিনি বিরাটু আকৃতি ধারণ করিয়াছেন; সমুদয় শীলতাসখনই অনন্ত ভগর ফল। সমাধি-ব্যক্তির মন ভাব যাহার নিকটে সমান, তিনিই সমাহিত। হেরােখ। বদি বিষয়বৃত্তিতে চঞ্চল হয়, তাহা হইলে তাহা সে সমাধি সেই সমাহিত ব্যক্তির মন, জাগ্ৰৎ ও স্বল্প উভয় দতেই উন্মত্ততাণ্ডবের সমান। ৭-১০। যাহার বাসনা কী হইয়াছে, এই দৃশ্যপ্রপঞ্চ সংস্বরূপ আত্মীয় সংস্বরুপে অবলােকন করে, সে যদি উন্মভব্যক্তি যায় নৃত্য করে; তাহা হইলে তাহার ঐ জগৎকে সৎ হইতে অতিরিক্ত বলিয়া দর্শন করে না। যেমন উন্মত্তচেষ্টা প্রবুদ্ধ-সমাহিত-ব্যক্তির সমান। প্রবুদ্ধ হইয়া ব্যবহারী বিপণিমধ্যে সমবেত লােকসমূহ স্ব স্ব ক্রয়বিক্রয়কাৰ্যসাখল ও প্রবুদ্ধ হইয়া বনবাসী অর্থাৎ সমাহিত, এই উভয়ই সমান, করিতেছে (১) এমন সময়ে তথায় উপস্থিত উদাসীন ব্যক্তি তাহা যে হেতু ইহাৱা দুই জনেই সর্বংশগেচ্ছেদী ব্ৰহ্মপণ প্রাপ্ত দের নিকট কোন উপকার প্রাপ্ত না হইলে সেই স্থানে লােক নাই হইয়াছে। যেমন দূষগতচিত্ত (অন্যমনস্ক) ব্যক্তি কথা শ্রবণ মনে করে, অর্থাৎ ভয় লােক থাকিলেও হার অপকাৰী ৰলিয়া করিলেও (তাহাতে মন না থাকায়) তদ্রুণক্রিয়ার সে কৰ্ত্তা উপস্থিত ব্যক্তিবর্গকে এসএায় মনে করে, সেইরূপ বিলের হয় না। সেইরূপকাণবাসনা (চতুর্থাদি ভূমিকায়) চিত কাৰ্য- নিকট জনবহুল গ্রামও (ত্ৰত্য লােকসমুলয়ের সহিত কোন কারী হইলেও তৎকাৰ্য্যের অক; যেমন স্বাবস্থায় নিশ- স না থাকায়) বিজন অরণ্য বলিয়া এতীমান হয়।২৩০। শরীর ও হইতে পছনও তথায় অবস্থিতির কর্তা হয়, সেইরূপ সর্বদা অন্তর্মুখমনা (অর্থাৎ যাহারন কেবল একমাত্র ব্রহ্ম যে চিত্তে প্রধন ( প্রচুর) বাসনা থাকে সে চিত্ত কাৰ্য্য না করি- ভাবনায় মগ্ন )যােগী সুপ্ত থাকুন, আগরিত থাকুন বা গমনকারী লেও যেন কর্তা হয়। চিত্তের যে অকৰ্তৃত কোন বাবক্রিয়া না হউন, সকল সময়েই নগর, গ্রাম, দেশ গরু নিকটে অরণ্যৰ করা) তুমি জানিবে, তাহাই উত্তম সমাধি; তাহাই কেবল প্রতীয়মান হয়। সর্বদা অথৈ অবস্থিত (পরব্রহ্মভাপ) ভাৰ ( মুক্তি) ও তাহাই মন্ত্রী পৱন নিৰ্ব্বতি (সুখলাভ)। ব্যক্তির সর্ব ঋনুপযােগী বলিয়া এই জীবহুল, নিখিল- ১১-১৫। চিত্ত চলাচলভাৰে ধ্যান ও অধ্যান উভয়েরই পরম তাঁহার নিকটে আকাশৰ ধারণ করে অর্থাৎ তিনি সমস্ত কারণ হয় অর্থাৎ চিত্ত অচল হইলে ঢাকারণ হয়, চঞ্চল হইলে আকাশ সর্শন করেন। অলতা লাভ করিলে বিজয় মানবের হয় না, সেই কারণেই ধ্যান করিতে হইলে চিত্তকে অগুরশ আয় জলশীর নিকটে যাবজ্জীবন এই জগৎ শীতল বলিয়া বােধ (নিশ্চল) করিতে হইবে। বুসনাবিহীন মনকে নিশ্চল হয়। যাহাদিগের অন্তঃকরণ কৃষ্ণসন্তপ্ত, তাহাদিগের নিকট বলে, মনের ঐ অবস্থাই মনের খান, উহাকেই কেবলীভাৰতৰ দাবানলদহমান বলিয়া প্রতীয়মান হয়, নিখিল অন্তর অন্তঃ- কহে এবং সর্বদ শাস্ততাও ঐ মনের বাসনা বিহীন বাসনা করলে বা বিদ্যমান, তা তাহাদের বাহিরে যেন অবস্থান করে, নয় আরম্ভ হইলে মন উচ্চপদে উখি হইতেহে বলা যায়, কে অর্গ,পৃথিবী, বায়ু, আকাশ, পভ, লী, লিওন,-অক্তকরণে ৰায়ে যখন বাসায় হয়, সেই সময়ে মন অকর্তৃপদ প্রাপ্ত হয়, বিদ্যমান ঐ সমূদয় তাহাদিগের নিকট বহির্বিভক্ত বলিয়া যােব বাসনাহুত থাকিলে চিত্ত কর্তৃভাগী হইয়া সর্ব দুঃখ প্রদান হয়। ৩১-৩৫। বক্ষের মধ্যে বটবীজের ন্যায় সদা আত্মার করে, অতএব বাসনা ক্ষীণ করা নিতান্ত আৰক। যাহাতে অগতে অভ্যন্তরে বা বিমান, তাহা তাহাদিগের নিকটে দিবা- ও দোদি পদার্থে “অহং মম” প্রশান্তমূইয়া যায়, শােক করের উর পঞ্চ-সৌরভবং বাহিরে বিকাশিত বােধ হয়। ভ্যাদি কিছুই থাকে না এবং যে উপায়ে আত্মা স্বরূপে প্রতিষ্ঠিত ফলতঃ বাহিরে অন্তরে কিছুই বিদ্যমান নাই; একুন হন, সেই উপায়কে সমাধি কহে। ১৬। হে রাম। তুমি কনালে যk কলিত হয়, আত্মই তাকারে একা- সমুদয় পদার্থে “অহং” “মমভারঅ্যাস (আমি আমার ইত্যা- শিত হইয়া থাকে। আতরুণ আতৰাই বহি- কার আলােপ) পরিত্যাগ করিয়া গিরিকশরে সমাহিতই হও বা কিাশ সৌরভে পুটিকাধ্যস্থিত কপূরের য় বহুগপে গৃহপণ্য ব্যবহারীই হও, যাহা ইচ্ছা সেইরূপেই অবস্থান করিতে পাৰ। যাহাদিগের অজ্ঞানারূপ নােম প্রশান্ত হইয়াছে, তা (১) মূলে হিতেংপসৎসনা পাঠ আছে; টাকাকারের সুসমাহিতচিত্ত ব্যক্তিগণ গৃহস্থ হইলে গৃহই তাহাদিগের বিজন অঝােথে “বিদ্যোৎপ্যসৎস এই পাঠ না করিয়া অনু- অরণ্যভূমি বলিয়া বােধ হইবে যাহারা প্রত্যাশায় অবস্থিত চিত হইল; লাঠে অর্থ সঙ্গতি নাই। .
, যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ প্রকাশিত হইতেছে ও উপাধি নুসারে বিভিন্নরূপে বিকাশিত অনুভব করিতে রাতে প্রকৃত সপেও দর্শন করিতে পারে না; হইতেছে। এক আই অপে, অহংরূপে, বাহরূপে ও কিন্তু তত্ত্ববিৎ তাহা পারেন, অর্থাৎ তিনি সমস্ত সমভাবে নি আন্তরক্ষণে ক্ষারীতাৰ ধারণ করিতেছেন অর্থাৎ প্রকাশিত হইতে করেন, তাহার নিকট ইহা সৎ ইহা অসং এইরূপ, বিলে নে। চবির অদৃশ্য যে অহঙ্করাদিরূপ, তাহা অসং নহে। নাই। ৪৬-৫। ঘঁহার এইরূপ সমদর্শিতা লাভ করিয়া মহা এবং চা বাহসূলরূপও সৎ নহে, কিন্তু আত্ম উক্ত সত্ব প্রাপ্ত হইয়াছেন, তিনি নিশ্চেষ্ট হইয়া বসিয়া থাকুন অথবা উতহত সন্মাত্র সরূপ (তিনিই মাত্র সৎ)। এই আত্মা গমন করুন, পূত্ৰাদি বিচ্ছেদপ্রাপ্ত হউন, অভুদয় প্রাপ্ত নাহউন শুর-চিত্তকেই পূর্বপূৰ্ববাসনানুসারে বহিঃষিত চদি দ্বারা অর্থ উত্তম-ভােগজ-পূর্ণ জনাকীর্ণ ভবনে অবস্থান করুন, কিংবা বা জগদাকারে এবং অন্তঃস্থিত জাগ্রঘাসনাদি খাৱা মধ্যে নিখিল-ভােগবিসর্জিত হইয়া নিবিড় কানে অবস্থিত হউ, স্বপ্নরাজ্যাণিরূপে দর্শন করেন। ৩৬-৪০। বা আভ্যন্তর উভয় প্রবলকামসন্তপ্ত ও পাসক্ত হইয়া নৃত্য করুন, অথবা সর্বস বিধ জগই উভয়ে অনুষ্যত, সংস্বরূপ আত্মা হইতে পৃথকৃত পরিত্যাগ করিয়া ভূখৱে অবস্থান করুন,চন্দন,অগুরু ও কপূর গাত্রে হইলে উহা অসৎ হইয়া যায় অর্থাৎ কিছুই থাকে না, পৃথক লেপন করুন, অথবা প্রহ্মলিতলা-কীষণ অনলে পতিত হউন, না হইলে অর্থাৎ অহতাবাদি কতদবিদ্যমানে ঐ সময়ের অভাব মহাপাপ করুন, বা বহুল পুণসঞ্চয় করুন; সদ্যোমৃত হউ কিংবা অনুভূত হয়; তাহা হইলে ঐ কাজনিক অভাৰপ্ৰযুক্তও আবার আপ্রলয় জীবিত অবস্থায় অবস্থান করুন, ইহার পক্ষে এই সমস্যই যথেষ্ট জাতি উপস্থিত হইতে পারে অর্থাৎ তৎকালে উক্ত কাজ একরূপ। মহাসুখেও ইহার কোনরূপ সুখানুভব নাই, মহাদুঃখে নিকতাৰ হেতু আধিপীড়িত জীবের নিকটে স্বৰ্গ, পৃথিবী, বায়ু, ইহার কোনরূপ দুঃখানুভব হয় না, কেন না, ভােগশ্বৰ্য্যসুখে ও আকাশ, পৰ্বত, নদী, দি প্রভৃতি সমূদয় ও তদৃষ্টিতে বিদ্যমান মরণাদি-মহাদুঃখে বিকারী দেহ মন প্রভৃতি ইনি নহেন, সুজ্ঞা বস্তু ত্ৰিপালা প্রজ্জ্বলিত প্রণয়কাল হইয়া পাড়ায়। আর ঐ সমস্ত-কাৰ্য উহার দ্বারা কৃত হইলেও কৃত হয় না। সুবর্ণ যিনি একমাত্র স আত্মদর্শনপূর্বক তাহাতে রতিমান হইয়া যেমন পঙ্কময় হইলেও তাই কলঙ্কলিপ্ত হয় না অর্থাৎ জলে ধৌত অবস্থান করেন, তিনি কৰ্ম্মেন্দ্রিয়ের কাৰ্যসম্পাদন করিলেও শােক- করিলেই যে সুবর্ণ, সেই সুবর্ণ থাকে, সেইরূপ ঐ সমদশীয় কিছু হষের বশীভূত হন না অর্থাৎ কালনিক দৃশ্যের কাল্পনিক অভাব- তেই কলঙ্ক নাই ॥ ৫১-৫৬ অহাব ও ত্বাবাপন্ন ( আমি, প্রযুক্ত শোক ও তাহার পুনঃ কল্পনার প্রাপ্তিনিবন্ধন প্রাপ্ত হন তুমি ভাবাপন্ন ) ব্যক্তিই শাস্ত্রের অননুমােদিত কর্মের অনুষ্ঠান- । ঈদৃশ ব্যক্তিই সমাহিতশৰে অভিহিত। যিনি সর্বব্যাপী নিবন্ধন কলঙ্কিত বাসনারূপ ইন্দ্রিয়জ্ঞান ও তার দেহের ভােগ্য একমাত্র আত্মদর্শনপূর্বক উপাতলুদ্ধিতে অবস্থিত হন এবং শালিবিষয়ে কলঙ্কিত হইয়া থাকে অর্থাৎ কুৰ্ম্ম কুৎসিত জন- শােক বা চিন্তা কিছুই করেন না, তিনিই সমাহিত। যিনি জগর্তী নিবন্ধন কলঙ্ক লেপ ‘আমি তুমি' ভাবাপন্ন ব্যক্তিই হয়। মূলত গতির পূর্বাপর সমস্ত দৃষ্টিপূর্বক (মিথ্যাবোধে) উক্ত দৃষ্টিকে উক্তরূপ কুসিত জ্ঞান, কুবিষয়সেবনও শুক্তিকায় রজতবুদ্ধিবৎ উপহাস করেন, তিনিই প্রকৃত সমাহিজপাচ্য। ৪১-৪৫। এমমাত্র। যথার্থসত্যের জ্ঞানলাভ হইলে যখন সমুদয় বাহ জগৎ ও অহাব সর্বাসি প্রত্যক্ত স্বভাব আমাতে বিদ্যমান, আভর ভ্ৰম-ব-বিদূরিত হয়, তখনই স্বভাবে অবস্থিতচিতের কিংব/ তিসিদ্ধ ব্ৰহ্মধভাবে বিদ্যমান?' ইহার সিদ্ধান্ত করা উত্তরূপ কলঙ্ক (মিথ্যাজ্ঞানে বাধিত হওয়ায়) আপনিই প্রশান্ত যাইতেছে যে, ঐ জগৎ ও অহাৰ অামাতে বিদ্যমান নহে, হইয়া যায়। অহতাবের অ্যাসে উপ বাসনারূপ অনর্থের কারণ, আমি দৃষ্টিস্বরূপ, উহা দৃষরূপ, দৃষ্টি দৃশ্যের আশ্রয় হইতে উদ্বোধহেতু চিন্ময় পুরুষের কাজনিক জন্মলাভে বিচিত্র সুখ-দুঃখ পারে না। এবং উহা সর্বত্র পরহ্মে বিদ্যমান নহে; কারণ, প্রাপ্তি হইয়া থাকে। রঞ্জুতে সর্পভ্রম দূর হইতে সf নই বলিয়া তিনি অস, অষয়ও সর্বত্র সম ; তাহাতে ঈদৃশ বৈষম্য কিরূপে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য লাভ করা যায়, সেইরূপ অস্তাবের নিক্তিতে সৰে? যেমন প্রচণ্ড সৌরাভপসন্তিন্ন ভয়ঙ্গমালায় উত্তপ্ত, অন্তরে নিখিলখনিত বিষমতা দূরীভূত হওয়াতে সম্পূর্ণ গলিত অবং পুঞ্জীভূত কান্তি দূর হইতে দৃষ্ট হয়, নিকটে গেলে স্বাচ্ছন্দ্য লাভ করা যায়। লােকে যে কাৰ্য্য করে, যাহা ভােজন কিছুই দৃষ্ট হয় না, এই অসন্তাষ ও জগও সেইরূপ দর হইতে, কয়ে, যাহা দান করে, ও ঘাহ হােম করে, তত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তির উৎ- দৃষ্ট হয়, যাহাৱা আত্মসাপে উপস্থিত হইতে পারিয়াছে,। সমূদয় কিছুই নাই, তিনি ঐ সমস্ত ক্রিয়া করিতেও পারেন না তাহাদের কে এসব কিছুই নাই। যাহার অন্তরে তুমি আমি করিতেও পারেন ,কারণ তাহার কর্মকরণেও কোন ফল নানা ভাব নই, বাহার জগজিগকারী মন নাই , তাহার নিকট করাতেও কোন ফল নাই। তিনি যথার্থ আত্মভাব অবগত থাকাতে চেতন-অচেন্স কল্পনাও নাই; তাহার নিকটে একমাত্র সর্বময় পরমাত্মাতেই অবস্থিত, যেমন পাষাণ হইতে লতামঞ্জরী উৎপন্ন হয় আত্মা বিদ্যমান, অকিছুই নাই। তাদৃশ ব্যক্তি আকাশের চায় না, সেইরূপ ঠাহাতে ইচ্ছা উৎপন্ন হয় না, যদি কখন পৰিপুর্ব নিৰ্ম্মলস্বৰ, তিনি যথাৰ বাহকার্য সম্পাদন করেন বটে, বাসনার অভ্যাসনি কাল থেকে ইচ্ছা উদিত হয়, জলের তৰং কিন্তু হর্ষ বা ক্রোধ বিকারের কারণ উপস্থিত হইতে কালােৰৎ আকাছেই সেই সেই ইচ্ছা অবস্থিত। ঐ ভবিৎ নিজেই সমভাবে অবস্থান করেন, সর্বদাই বাঁহার শতভাৰ জি সমুদয় বাপ্রপঞ্চবরূপ ,তিনিই অখণ্ড—এই সমস্ত জগৎস্বরূপ, মনি, কোন বিকাৱই নাই। যিনি স্বৰই সৰপ্ৰাণকে ইহাতে কোনরূপ বিভাগ নাই, তিনিই পুরুষদিগের পরম পবিত্রতা- কং পদ্রব লেবৎ দর্শন করেন ;-উরনহে, তিনিই প্রকৃত কর সৎ ব্ৰহ্মরূপ, তিনিই প্রকৃত সৎ, আর কিছুই নাই। লন করেন। মূঢ় ব্যক্তি সাত রাকামাত্রই হউক আর জিতের মহা ঐই হউক্ত তৎসমূহ অসৎরূপে (মিখা- পঞ্চাশ সর্গসমাপ্তা। কণে) বনি করে না, এবং অদৈৰ্বেৰ অবিভুত সঙ্কপের ৫৭।
উলাম-একরণ। মায়াবীসর্বজ্ঞ ঈরই স্বকী মায়ায় জ্ঞপ্তিরূপ অস্বাতে জীব- সপ্তপঞ্চাশ সর্গ। ভাব ও জগত্তাব থারণ করিতেছেন। এতে যেমন ব্রবত্ব ও বায়ুতে বশিষ্ঠ কহিলেন,-আত্মা প্রকাশ তৈ(যাহার ভীত যেমন শব্দ বিদ্যমান, তদ্রুপ যথাযথ জ্ঞধিমাত্ররূপ সর্বজ্ঞ ঈশ্বরে ঝল আপনিই প্রকাশ হয়, তাদৃশ ) মরিচস্বরূপ, আত্মার চিন্তাৰ এই অহাব ও দেশকালাদি বিদ্যমান রহিয়াছে। সর্বত্র ঈশ্বর হইতে উক্ত আত্মমরিচের যে ভৈপ্রকাশ জান, তাহাই ব্ৰহ্ম- আপনার ঈশ্বরভাবে অনবরণ অপরিচ্ছি জলের বুজনিয়ন অভাবে স্থানীয় অস্তাবষয়াবাদিরূপ ও ঘটকুড্যাদিরূপ এবং কেবল নিরতিশয় আনন্দরূপ স্বরূপজ্ঞানই জানিয়েছেন; সহকাল- তদায় দেশকালাদিরূপ জগপে প্রকাশিত হইয়াছে। এই- অক পূলদেহরূপ-জীৰভাবে তিনি জীবনের হেভূস্বরূপ প্রাণকরণ রূপই আত্মলষণের অন্তরে চিন্তাখলে যে লবণন, তাহাই অহ বিষয়সম্বন্ধের অধ্যাসেই, জীবাদিরূপ আত্মা এইরূপ জ্ঞান করিতে শুবিদি ও দেশকালাগি ভেদে প্রকাশিত হইয়া থাকে। আত্ম- ছেন, উক্ত জ্ঞান তঁাহার তাত্ত্বিক নহে। অজ্ঞ জীবের বা রূপী ইক্ষুর অন্তরে চিত্তবনিবন্ধন স্বতই যে মাধুৰ্যজ্ঞান, তাহাই বসনীয় যেরূপ বিষয়াস্বাদে যেরূপ তৃপ্তি হয় এবং অনন্ত আত্ম- অহাবাদি জগত্ত্বরূপে বিভূতি হইতেছে। আত্মপাষাণের স্বরূপে বাশ বৈচিত্র্য অনুভব করে, পরমেশ্বরও জীষ বসলাদির মধ্যে স্বতঃই চিন্তাবনিবন্ধন যে কাঠিন্যসংবিৎ, তাহাই অহতাবাদি অনুসারে আকারে বিবির্তিত হন। এখন এই অজ্ঞ জীব ভো ও দেশকালাদিভেদ প্রাপ্ত হইয়াছে। আত্মশৈলের অন্তরে (অধ্যাত্মালোচনা ও গুরুপণেশে) এই জগতের অধিষ্ঠানসন্মত্র চিত্তনিবন্ধন স্বতঃই যে গুরুত্বানুভব, তাই অহাৰাদি ও জগ- রূপতার (পরমার্থ স্থিতি) বলিয়া জানিতে পারে এবং তাশ দাদি-আকারে অভিব্যক্ত হইতেছে। আত্মসজিলের অভ্যন্তরে আত্মনই নিখিলজীবের জীবনম্বরূপ, ইহা অবগত হইতে পারে, চিতির অতঃই যে ত্বকপে বৃত্তি, সেই দ্ৰবভাৰপ্ৰকাশই অহা- তখনই তাহার নিকটে ভোগ ও ভােক্তার অধিষ্ঠান চিৎস্বরূপ, বাদি-ছেলে তাকারে প্রকাশিত হইয়াছে। ১৬। আত্মক্ষে ইহা প্রতীত হয়, তাহা হইলে সে জীব ও ঈরে যে একেবারে সই চিন্তাবনিবন্ধন যে শাখাদিজ্ঞান তাহাই অদ্যাবাদি জগলা- প্রভেদ নাই, ইহা জানিতে পারে, জীব ও ঈশ্বরের ভেদ যেমন করে ক্ষুরিত হইতেছে। আকাশের মধ্যে চিন্ময় নিবন্ধন যে নিৰ্বভ হয়, তেমনি ঈশ্বর ও তুরীয়ব্রহ্মের ভেদও ক্রমে ক্রমে শূন্য হন, তাহাই অহাবাদিভেদ ও ভুবনাভিদরপে ভাবনা। নিরুত্ত হইয়া যায়, তখন একমাত্র অখণ্ড শান্ত পরব্রহ্মই বিদ্যমান আত্মগগনের অভ্যন্তরে চিহেতু বে ছিদ্রতজ্ঞান, আহাই অহা- থাকেন, ইহাই আনিবে। এই সমস্ত জগৎই পূর্ণ, অপ্রকাশ, বাদি ও শরীরদিভেদে প্রকাশিত হইতেছে। আত্মভিত্তির অভ্য- আনকৈ-রস, চেত্যবিষয় ও স্বব্যাবর্তক ধর্মবিহীন, অশান্ত, এক- গুরে চিন্ময়নিঋলগাঢ় যে নিবিজত্বজ্ঞান, অহাই অহস্তাবাদি মাত্ৰ ব্ৰহ্ম। বস্তুতঃ এক ব্ৰহ্ম ব্যতীত কস্মিনকালেও অপর কিছুরই ভেদে যেন চিত্তের বহির্ভাগে অবস্থিত। ১০। চিন্ময়ত্বনিবন্ধন সত্তা নাই, "সমস্তই প্রশান্ত একমাত্র ব্রহ্ম বিদ্যমান” ইত্যাদি আত্মসার সতই যে একমাত্র সাজ্জান, হাই যেন অহা- বাক্য কেবল উক্ত অখণ্ড ব্রহ্মের অবগতির নিমিত্ত, অত কোন বদিভেদ ও আভাসচৈতকপে অবস্থিত হইতেছে। আর প্রয়োজন নাই; যাহা একেবারে নাই, তাহা আবার প্রশান্ত প্রকাশের অন্তরে অই যে প্রকাশভাব উদিত আছে, তাহাই কিরুপে হইবে। সুতরাং উক্ত বাক্যও মিয়া বলিতে হইবে; মহন্তাবাদি, উহাই জীবভাবাপন্ন হইয়া সামান্য চিন্তাকে বুৰি একমাত্ৰ এন্ধারস্বরূপ পরব্রহ্মই দিত বিদ্যমান। ২১-২৬। ভেদে ভিন্ন ভিন্ন আভাসচৈতন্যের অনুগামীরূপে কল্পনা করিয়া সপ্তপঞ্চা। সর্গ সমাপ্ত। ৫৭ থাকে। আত্মচন্দ্রের অন্তরে চিপ যে সুধামান, উহাই প্রকাশরুপে অহাবাদির অনুভূষ্মিান হইয়া থাকে, অহঙ্কা- বাদি পৃথক্ আবির্ভূত হয় না। পরমাত্মারূপ গুড়ের অন্তরে চিত্তাব- অষ্টপঞ্চাশ সর্গ। নিবন্ধন যে আগাদ প্রকাশ, তাহাই তিনি স্বাস্রাত স্বতই অহা- দিরুপে আস্বাদন করিয়া থাকেন। পরমাত্মমণির অন্তরে স্বয়ংই বশিষ্ঠ কহিলেন,-রাম। পণ্ডিতগণ এই বিষয়ে (সমুদ, প্রশান্ত যে দীপ্তিপ্রকাশ, উছই চেতনারূপী স্বরুপে অহাবাদির জান ইত্যাদি পূর্বোক্ত বাক্যে) একটা পরাজ ইতুিহাস কীর্তন করিয়া- করিয়া থাকে। ১৯—১৫। ফলতঃ আত্মা কিছুই জানিভেছেন ছেন, সেই ইতিঘাস অর্থাৎ কিরাতপতি শুরঘুর বিস্ময়াবহ বৃত্তান্ত না, কার, জােয়বিষয় একবারে অসম্ভবনীয়, যখন জ্ঞেয় নাই, বলিতেছি,বণ কর। হিমালয় পর্বত্রে একটা শিখরের নাম তখন কি আনিবেন এবং আষানীয় বিষয়ের অসহেতু কিছুই কৈলাস, উত্তরদিকের মধ্যে ঐ স্থানটা সর্বোৎকৃষ্ট, শুভ্রতম। ঐ আস্বাদন করিতেছেন না। চেত্যবিষয়ের অসন্তৰহেতু তিনি পাকে দেখিলে বােধ হয় যেন, ভূগর্ভ হইতে বিনিস্তে কপূর- কিছুই চভিত করিতেছেন না এবং বেদ্য (ল্য) বিষয়ের প্রাণি এক পরীভূত রহিয়াছে, অথবা ঐ পর্বতবাসী শুধাংশু অসম্ভবহেতু তিনি কিছুই লাভ করিতেছেন না। উহায় আভা শেখরের যে অট্টহা ও ফেন শুভ্রতম গুধাংশু কিরণপুঞ্জ পুঞ্জীভূত সিত জগদাকার নিতান্তই অসৎ। ঐ আয়া অনন্ত, পূর্ণস্বভাব, রহিয়াছে কিংবা শৈস্থিত হতিসমূহের মস্তক হইতে বিগলিত সৰ্ব্বদা নিৰিড় মহাশৈলবৎ আত্মাতেই অবস্থিত। হে রঘুনন্দন! মুক্তাশিয় একত্র সখিবেশ হইয়াছে। জীনােদসাগর যেমন বিষ্ণু এই বাক্যভঙ্গীতে আমি তােমাকে অবাদি ও জগন্ধাবাদির গৃহ, স্বর্গপুৱী যেমন ইন্দ্রের আলিয়, বিষ্ণুর নাভিকমল যেমন ব্রহ্মর ভেদ যে নাই, ইহাই দেখাইলাম। চিতও নাই, চেয়িতাও অবন, দ্রুপ ঐ পর্বতই শশিশেষে বাসস্থান। বনে যান নাই, জগদ্ভাবাদিমও নাই, কেক ব্যাবসানে মূক জলবৎ রুদ্রাক্ষকে লিখন, মশলাকা গ্রথিত, অপ্সৰাণিগের ক্রীড়া সচ্ছ, সিত, শান্ত, ব্ৰহ্মই অবতি।১৬। যেমন সলিল দোলায় সেই পর্বত, সাগররত্নসমখিত মালয় সাগরের ব্যয় বনিবন্ধন সলিলে আৰম্ভনিবিৰ বারণ করে, সেইরূপ শােভন হইয়া থাকে। ১। সেই কৈলাস পর্বতে বিরহ- । , 13 যােগৰাষ্ঠিরামায়ণ। কবিহীন নিলসী প্রমথগণ (১) ভ ম ফিজিলীদিগের ডে; ভাগ্যমে আমি সুখীও বটে, আবার দুর্ভাগ্যক্রত পদহিত হইয়া অশােক রায় প্রফুর (হষ্ট করাকে বিক দুখীও বটে। তৃষ্ণাতুর নিশ্রিত ব্যক্তি চিৰিত চিত্ত যেমন স্বর্গ সি) হইতেছে। ভগবান্ শঙ্কর সেই গর্বতের যে যে দিকে দৃষ্ট মহান সলিলাতে পতিত হইয়া ভ্রমণ করে অর্থাৎ জলপান সঞ্চরণ করে, সেই সেই দিকের চন্দ্রকান্তমণি হইতে আজ সলিল জনিত তৃষ্ণাশক্তি লাভ করিতে পারে না, সেইরূপ মহীপতির চিত্ত প্রবাহ নিহইতে থাকে (২) যে স্থানে তাঁহার গতিবিধি, ভয় এইরূপ সংশয়-নালাজ হইয়া রহিল, বিশ্রান্তিলাভ করিল না ঐনিৰ্গম হয় না। ঐ পৰ্বৰত লতা, ব, ভ, বাপ, , খৎ কোন কব তাহা স্থির করিয়া উঠিতে পারিলেন ন (৩), মৃগ, পশু ও অন্যন্য অনুণে পরিপূর্ণ, যেন একটা ১৬। অনন্তর এক মণ্ডব্য মুনি তাহার বনেসিয় ব্ৰহ্মাণ্ড। বটতরুর মুলদেশবিষয়ে বেশ পিপীলিকাপঙিক্ত অৰ- উপস্থিত হইলেন, বােধ হইল যেন, নায়লমুনি চতুর্দিক ভ্রমণ যান করে, সেইরূপ ঐ কৈলাস পর্বতের এক খুলে কতকগুলি পূর্বক বাসবের আলয়ে সমাগত হইলেন। সুরধু সর্বশাবে হেমট নামে কি একত্র নামিবিষ্ট হইয়া অবস্থান করিত। ঐ মহামুনি পূজা কম্বিয়া (একটা বিষয় জিজ্ঞাসা করিলেন। এ সেই অম কিরাগণ সন্নিহিত কৈলাসপৰ্বতের প্রত্যন্ত পৰ্বত মাওব্য সকলের সন্দেহ- কুপের হেনকারী পরত (তিনি সক স্থিত অরণ্যভাগে রুদ্রাক্ষ ও অঙ্গ অরুণের ফলপু, লে সন্দেহ দূর করিয়া থাকেন)। সুধু কহিলেন, মুনিবর। ভূম কাঠালি আহরণ করিয়া কাকের ন্যায় জীবনযাত্রা নির্বাহ গুল মাধব-সমাগমে (১)লােক সমুদয় যেমন জনসভ করে করে।—১০। তাহাদের মধ্যে উদার প্রকৃতি, শক্রয়কারী সেইরূপ আপনার আগমনে আমি পরম অনিন্মলাভ করিলাম। এলপক্রমণ নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি বেপরাক্রম এলে। সুসানি যেমন কমল বিকসিত হয়, সেইরূপ আপনার শক্রণির এপালনে সমর্থ। প্ৰজাদিগের সমকৃপালন আরা নিপথে পতিত হওয়াতে আমি অন্য কৃতার্থ ব্যক্তিবর্গের অগ্রগণ্য তিনি আহাদের আনুকুল্যকারী হইয়া উঠিয়াছিলেন। তিনি (প্ৰম কৃতার্থ) হইলাম। হে ভগবান! আপনি নিখিল-ধৰ্ম্ম অব- পরাক্রমে ভাস্করের স্যার ও বেগগতিতে মূর্তিমান মারুত্রে গায়। শত আছেন এবং পরশপ ডিবিশ্রাম লাভ করিয়াছেন, তিনি জয়লক্ষ্মীর দক্ষিণবাহুস্বরূপ ছিলেন। অতুল রাজ্যসম্পদের সূর্য যেমন অন্ধকার না করেন, অপ আমার একটা সন্দেহ দূর অধিকারী হইয়া সুরধু মজাজ ধনেশ্বরকেও আমি কৱিষা করুন। ২২৫। মহুরে সমাগনলাভে কাহার না পীড়া দূর ছিলেন। তিনি দেবগুরু বৃহস্পতি অপেক্ষাও বুদ্ধিমান ; তাহার হয়। যাহা পড়ার বিষয় অবগত আছেন, তাহারা সন্দেহকেই কারুচনা নৈপুণ্যে অনুমগুরু শুক্রাচাৰ্যও পরাভূত হইয়াছিলেন। পম পড়ালিয়া থাকেন। স্বীয় প্রজাবর্গের প্রতি মৎরুত নিগ্রহ দিবাকর যেমন অখিলে প্রতিদিন দিন সম্পান করিতেছেন, ওঅনুগ্ৰহজনিত চিন্তা, সিংহুনখর বোন হন্তীতে পীড়িত করে, ভচ্ছপ তিনি দুষ্টনিও শিপালনকাপারে ব্যাপৃত হইয়া যথাযথ সেইরুপ আমাকে পীড়িত করিতেছে। অতএব ইমুনে। আমার রাণকার্য সম্পাদন করিতেন। বাগুরাজ পক্ষ যেমন পরাহতগতি বুদ্ধিতে সূৰ্য্যকিবৎ সর্বদা সর্বত্র সম বাহাতে উদিত থাকে, হয় অর্থাৎ উড়িতে পারে না, সেইরুপ ঢিনি এলার্গের নিগ্রহা- নি কৃপা করিয়া আহার উপায় বলুন, আপনাকে আর কিছুই গ্ৰহজনিত সুখদুঃখে, কিছু হইয়া কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইলে; করিতে হইবে না। মাও বলিলেন, হে ভূপতে। আপনার এই (প্রজবর্গের প্রতি প্রয়োগ না ভাবিয়া মনে মনে চিন্তা মনের ক্লেশ আপনার স্থিতি স্বীয় উপায়ে স্বীয় হেই ডিমের করিতে লাগিলেন)।১১-১৫। “তৈল যেমন তিলকে নিষ্পিষ্ট ন্যায় বিল প্রাপ্ত হইবে। যেমন শরৎকালের উপস্থিতি মাত্রই করে, সেই আমি লয়ােগে এই আর্ত প্রজাবগকে কেন চতুর্দিকে মেমহিলতা বিদূরিত হয়, সেইরূপ আত্মবিচায়েই আপ- নিপীড়িত করিতেছি। আমি বোন পীড়িত হইলে রে বােৰ নাৰ অন্তৰ্গত মীড়া প্রশমিত হইবে। ২৬-৩০। আপনি স্বীয় করি, নিখিল-এণীরই সেইরূপ ক্লে হইয়া থাকে। অতএব শন দ্বারাই আপনার শরীরগত স্বকীয় ইলিয়গুলি কি প্রকার এবং আমি প্রজাপীড়ন নকয়িয়া ইহাদিগকে ধনরাণি বিতৰণ কৰিব। সেগুলি কে, ইহা বিচার করুন। “আমি কে? এই জগৎ কি? আমি যেমন ধনভে আনন্দিত হই, সকলেই সেইরূপ আনন্দিত ইহা কিরূপ হইল? এই অমত্যু কিরণে হয় ?” ইহা আপনি হইয়া থাকে। আমার স্যায় সকলকেই আনন্দিত করা যাউক, মনােময্যে বিচার করতে থাকুন, তাহা হইলে মহত্ব (২) আপনি এজাপীড়নে প্রয়ােজন নাই। অথবা নিগ্রহতিরেকে এ এপ্ত হইবেন। যখন আপনি উক্ত বিচার যারা আপনার বশীভূত থাকিবে না, এমন কি, জল ব্যতিরেকে যেমন নদী য় না, এরূপ অবগত হইবে, খনই চিত্ত অচলতায় অবস্থান করিবে, সেইরূপ নিগ্রহ ব্যতিরেকে জাই থাকি না; সকলেই স্বাধীন এন আর ক্রোধৰিকাৰে চিত্ত হইবে না। হইয়া উঠিবে, অতএব যেমন প্রজাপীড়ন করিয়া আসিতেছিলাম, যেমন অস্বরূপ (অরভাৰ)গ করিয়া দূতপূর্ব থারণ তাহাই করি। হায়! কি কষ্ট? এই আপু এক দিকে আমার করে, সেইরূপ আপনি তখন রূপ পরিগপূর্বক বিগত নিগ্রহণীয় হইবার অপর দিকে সর্বানুগ্রহণীয় হই হইয়া শান্তিলাভ করিবেন। হে অন! যেমন পূর্বমনুর বসানে ভুবন কলিকৰকলুষিত হয়, পরে পুশ তর উপস্থিত হইলে (১) রমণীর পদাতে অশােক কু পুষ্পিত হয়, ইহা আ আহাৰ কলিকল্মষ-কলুষতাইলেও বুঝবের সন্তু একেবায়ে যায় কৰিমময় এটি। ন, কাল খনার মন একেবারে বিবে না, এমন (১) চায়ে চামণি হইতে অক্ষরণ হয়; বিবের নয়; গবে আপনার নিকটে থাকিবেন, আপনি উহ আগ অকে সদা চঞ্জ উদিত, তাই তিনি যেখানে ঘা, কার মকান্ড মণি হইতে লক্ষরিত হয়। (১) মাৰ কস ৰ বিষ। (৩) বাণী পরিণী, হ্র রহৎ জয়। (২) মাগৰিয়িকালে ফিরে নিচ্ছি।
উপম প্রকরণ। করিবেন এবং একমাত্র এই অবলােকন করিকে।৩১-৩৫। একোনটিতম সর্গ। যখন আপনি নি করিয়া পৱিতু হইবেন, তখন ভূমণ্ডলের নিখিল-লােক আপনার পুত্রস্থানীয় ও কম্পনীয় হইবে; বশিষ্ঠ কহিলেন—রেন। ভগবান মাওব্য সুরকে আপনি সকলের পিতার স্থায় ইয়া, পরমানলে সাম্রা লাভ এইরূপ উপলদিয়া নিজ রুল জামে প্রস্থান করি করিকেন। হে নৃপ। আপনি বিবেকবীপের সাহায্যে আত্ম- মাণ্ডব ঋষি প্রস্থান করিলে, বা একান্তে গমন পূর্বক মিলে দর্শন করিতে পারিলে সুমেরু, সাগর এমন কি, আকাশের পে সাধুবুদ্ধিতে চিন্তা করিতে লাগিলেন, “আমি কে?আমি মাল ও সমখিক পরমার্থ মহত্ব লাভ কষিবেন।(আকাশালিও নেরুপৰ্বত নছি,এই মেরু মার নহে,আমি এ নহি, এই তখন তােমার নিকট লুক বােধ হইবে)। হে সাধ্য। আপনি ও আমার নহে, আমি শৈল নবি, এই নৈও আমার মংলাভ করিলে, হন্তী যেমন গােপপ্রমাণপকে নিমগ হইতে নহে; আমি পৃথিবী নহি, পৃথিবীও আমায় ; আমি এই পারে না, সেইরূপ ভবদীয়চিত্তকাচ সংসারব্যাপারে মুখ হইবে কিরামগুনছি, এই কিমণ্ডলও আমায় নহে। সর্বজনের না। হে রাজন। কাম-কলুষিতটিই গােপমাল সলিলে সর্মতক্রমে এই দেশের রাজ্যে আমি অভিষিক্ত”,এই সন্ধেতে মশকের গায় ক্ষুদ্র বিষয়কার্যে ময় হয়। চিত্ত মাত্রাবলম্বিনী (কল্পনামাত্রে) কেবল এই দেশ আমার হইয়াছে,' (বাস্তবিক বাসনাবলেই অভিনীনভাবাপন্ন হইয়া কীটবৎ পঙ্কে (ফুলুষিত ইহা আমার নহে)। আমি এণে উক্ত সঙ্কেত পরিত্যাগ করি- কাধে ও কমে) নিময় হয়। ৩৬-৪। হে মহাবাহাে। যে লাম , আমি এ দেশ নহি, এই দেশও আমার নহে। কথিত বেফল হইতে পরমালােক পরমাত্মত্ৰাৰশেষ হইতে আরম্ভ পদার্থসমূখমধ্যে কিছুই আমি নহি, এক্ষণে অবশিষ্ট এই নারী, হুইবে, সেই সময় হইইে এই প্রপঞ্চ আপনিই ক্ষয়প্রাপ্ত তাহাও আমি নহি, ইহাই স্থির। ১। পতাকারূপ কনশ্রেণীতে হইতে থাকিবে। যে পর্যন্ত স্বর্ণমাত্রাবশেষ হইতে আরম্ভ হয়, সেই পরিপূর্ণ স্থানে স্থানে উদ্যানসহু গ, অ, সামন্ত, ভৃত্য ও স্বর্ণাকারাবন্ধিত থাকু বলিভ করিতে থাকে, যখন সুবর্ণমাত্র পরিজনসমন্বিত এই পুরীও আমি নহি, ইহাও আমার নহে। রহিয়াছে, তখন ধাতুক্ষালন পরিত্যাগ করে), আত্মগর্শন করিতে বুধা সঙ্কেতৰণ আমার সহিত এই সমস্ত সময় হইয়াছিল, যে পর্যন্ত সময়ের প্রয়ােজন হয়, সেইপৰ্যন্ত সমস্ত কি এক্ষণে সে সঙ্কেতও অপগত হওয়াতে আমার উক্তকার - করিতে হয় ( দেখিয়া দেখিয়া আত্মলন ঘটিলে প্রপঞ্চ পার্থের সহিত সম্বন্ধ গয়াছে। অবশিষ্ট ভােগসমূহ ও কল দর্শনের আর প্রয়ােজন য় না)। সর্বস্বরূপিণ অপরিচ্ছেদ- তাহাও আমি নহি, উহাও আমায় নহে। এইরূপ ভৃত্যবল-বাহন বর্তী) মতি দ্বারা সর্বদা সৰ্বস্থানীয় দৃগ্রপঞ্চ পরিত্যাগ করিলে নগরসমন্বিত এই আজও আমি নছি, এরাও আমার নহে, সর্বধরূপ পূর্ণ, আত্মা স্বয়ংই উপলব্ধিবিষয় হইয়া থাকেন। উক্ত সঙ্কেত কেবল ব্যবহার রায় প্রসিদ্ধ হইয়া উঠিয়াছে; যাবৎকাল এই সমস্ত পৃ পরিত্যাগ না হইবে, তাবৎ আত্মােভ ফলতঃ উহা মিথ্যা। এক্ষণে বশিষ্ট হস্তপদিমা দেহ; বােধ হইবে না, সর্বপ্রকার অবস্থা পরিত্যাগ করিলে আই অবশি হয় এই দেহই আমি। এক্ষণে এই সেহৰিষয়ক বিচার করিয়া থাকেন। ইহাই তবিন্দিগের অভিমত। হে সাথে। সামান্য দেখি, এই যে আমি কিনা? এই দেহুতি যে অহিংস, ইহাত াগ না করিলে পরী পাওয়া যায় না (অর্থাৎ দুই আমি নহি, কারণ, ইহা চেন, আমি সচেল, পরপত্রে বহু এককালে দেখা যায় না; একটা বর মনি শেষ হইলে তলে সলিল যেমন সংশ্লিষ্ট হয় না, সেইরূপ এই অস্থিমাংসালিয় সহিত অপরই দেখা যায়), আত্মলাভেরবিয়ে আর কথাই নই আমি কোনরুপে সংশ্লিষ্ট সহি ।। মাংস অন্থি, রক্ত, (অর্থাৎ তাহা লাভ করিতে হইলে কৃ পরিত্যাগ করিতে হইবে)। এসমস্ত জড়পদার্থ, হাং আৰিাইহি এবং এসকলের হেল। আত্ম'আ কর্ম পরিত্যাগ করিয়া সর্বপ্রকারে যে সহিত আর কোন সম্বন্ধও নাই। এই পদালি কণালয়ও বিষয়ে যত্নবান হন, তাই প্রাপ্ত হন, সে যজে ভজি এ বিষয় আমি নহি, ইহায়াও আমায় নহে; এই লেংমধ্যে যে কিছু প্রাপ্ত হন না। অতএব আর্শন করিবার এ সমস্যই পৱিত্যাগ অপদার্থ আছে, সমূদয়ও আমি নহি, কারণ আমি চেভ। করিবেন। কিছু দেখিতেন, এই সময় বৃ পরিভাগ এই ভােগসমূহও আখি নছি; এসকলও আমার নহে, এড় কৰিলে অবশিষ্ট বা দেখিবে তাহাই পরপন (পরম-আত্মা)। অসৎরূপ এই বুপ্রিয়ও আমি নই এবং ইহারাও আমার মন নিখিল-ক কারণপরায় এই জগত ৰবিলাস পরি- নহে। সংসারণযের মূল এই মনও আমি নহি; কারণ, উহা অামা এবং আৱিীরের অপলাপ কৰিা যাহা প্রাপ্ত হন, অড়। এই বেং, বুভি, ইই, ইহাও আমার ৩k সেই ব্ৰহ্মপদ নিতি। ৪১-৪৮। নহে, সে হেতু উহা নেই অবস্থা বিশেষ। এইপ শরীর হইতে আর কমিয়া মন বুদ্রিয়াদি পর্যন্ত ফুলপ্রপঞ্চ উপনিস সমাপ্ত।। ইহার মুখে কোনটাই আমি হইতে পারিলাম না, এসেইর অবশিষ্ট আহা আহ আহ একবার বিচার করি কে। ১০-১৫। এটিজীব, সে যদি চেষ্য বিজের চেলা (প্রমান করিতে পারে, অহা হইলে উলীব চেন প্রমাতা) হইতে পারে এবং আমিওৰ ইয়া বলিতে পার; কিন্তু জীবও সাক্ষী-চৈ কর্তৃক ৰােমান দুই * সমস্ত শাস্ত্র আলােচনা করিতে হয় এবং আশলে থাকে,আং উহাও আমি নহি। ইহার দিয়ে কোন শক্তি পর আর শালােনার প্রয়োজন হয় না; ইহা চাকাকাবানুমত। নাই। যেহেতু, শালিৰ্যে এমিপ্রিয় উক্ত জীব আমি যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ । নহি, সুজাং আমি উহা ত্যাগ করিলাম। এক্ষণে আমি ঐ গমনই বা কি? (এ সকলের কিছুই ইহাতে সৰে) না। এ সকলের অবশিষ্ট বিকল্পবিবর্জিত বিশুদ্ধ চিৎই হইলাম। কি সমস্ত অলৌকিক চমৎকার চিদাকাশস্বরূপ বিরাজমান রহিয়াছে। আশৰ্য। এতকাল বে চেষ্টা করিয়া আসিতেছি, আজ আই হতবিহীন ও চিকাশ' ভাগ্যক্রমে অন্য তােমাকে সংশ হইল, আমি যে চিৎস্বরূপ, মহা আজি আনিতে পারিলাম দেখিতে পাইলাম, তােমাকে পুনঃপুনঃ নমস্কার করি। অহো। আজি আমার আত্মলাভ হইল। আমি সেই অনন্ত আত্মা আমি এক্ষণে সম্যপ্রবােধ প্রাপ্ত হইয়াছি, আমার সম্যক এই পশারী আমার অন্ত নয়। যেমন মুক্তাহারের সূ। জ্ঞানলাভও হইয়াছে, সম্যক জ্ঞানলাভে আমি অনন্ত হইয়াছি, প্রত্যেক মুজাতেই গ্রথিত-সম্বন্ধ ,সেইরূপ এই ভগবান্ আত্মা আমাকে আমি নমস্কার করি। আমি উপাধিৰিগমহেতু স্থির ব্ৰহ্মা, ইন্দ্র, যম, বায়ু প্রভৃতি নিখিল ভূতসমূহে সম্বন্ধ। এই নির্মল সুষুপ্তিকলায় একীভূত হইয়া বিগতরঞ্জন ও নির্বিষভাবে চিতিশক্তি চেত্যরােগ হইতে নির্মুক্ত, চেত্যের সহিত ইহার সংসারমশু জনাবিবর্জিত আত্মার আঙন্তিক অক্সিপে সম্বন্ধ নাই, চিতিশক্তি নিখিল বিকৃচক্র পুর্ণ করিয়া ভীষ অবস্থান করিতেছি। ৩৯–৩৮। আকারে অবস্থান করিতেছেন। ১৬-২০। অথচ ইনি সর্ব- একোনমি সর্গ সমাপ্ত। ৫৯! ভাবের অনুগতা অতিসূক্ষ্মা, কিন্তু ইহাতে ভাৰ অভাব কিছুই নাই। ইনি আব্রহ্ম পর্যন্ত নিখিল-ভুবনের অন্তরে অবস্থিত, ইনি নিখিল শক্তির পেটকা স্বরূপিণী। ইনি সর্ববিধ সৌন্দর্য্যে যতম গম। সুশােভিতা ও নিলবকাশবিষয়ে প্রদীপরূপিণ এই চিতি- শক্তি নিখিল সংসাররূপ মুক্তাকলাপের বিস্তৃত ভন্তুস্বরূপা। বশিষ্ঠ কহিলেন-হেমজটাধিপতি এইরূপে বিবেকচেষ্টায়, ইনি সর্ববিধ আকৃতিৰিকৃতিতে পরিপূর্ণা, অথচ ইহার কোনপ্রকার গাধিনন্দন বিশ্বামিত্রের ব্রাহ্মণ্যলাভের স্থায় অনুত্তম পলাভ আকার নাই, ইনি নিখিল ভুতস্বরূপতা প্রাপ্ত হইয়া থাকেন, করিয়াছিলেন। দিননায়ক সূৰ্য্য যেমন দিবসপরম্পরায় ভ্রমণ- ইনি সর্বদা সৰ্বভাবপ্রাপ্তা । ইনি ব্রহ্মাণ্ড মধ্যে চতুর্দশভুবনের নিবন্ধন কোন ক্লেশ বোধ করেন না, সেইরূপ তিনি কোনকাৰ্য চতুর্দশপ্রকার ভূতসমূহ থাৰণ করিছেন, ইনি নিখিল জগং বাবার অনুষ্ঠান করিয়াও যদি তার বিপরীত অনল পাই কল্পনাস্বরূপা ও বেদনাত্মিক। এই সুখদশা উক্ত চিতিশক্তির জে, তথাপি তজ্জন্ত কোন ক্লেশ বোধ করিতেন না। অবধি মিখা আভাস মাত্র , এই পরমা চিৎই নানাকারে আভাসিত তিনি সর্বদা বিগতর হইয়া অবস্থান করিতেন। নদীপ্রবাহমধ্যগত আত্মা হইয়াছেন। ২১। এই পরমাচিৎই আমার আত্ম পৰ্বত যেমন সমভাবে অবস্থান করে অর্থাং স্রোতের বেগে যেমন এবং জগদ্যাপী , এই চিই আমার বুদ্ধিসাক্ষী, ইনি কোন প্রকার বিচলিত হয় না,সেইরূপ অনুগ্রহ নিগ্ৰহৰূপ দ্রষ্টা ও দৃশ্যাদিরূপে বিভিন্ন আকৃতি ধারণপূর্বক ‘আমি রাজা' রাজ্যোচিত কর্মে তিনি সমভাবে অবস্থান করিতেন, কুত্রাপি এবিধ ভ্রান্তি উৎপাদন করিতেছেন। এই চিতির প্রসাদেই শােক বা হবিকার প্রাপ্ত হইলে না। এই প্রকারে দুঘু মন দেহরখে আট হইয়া সংসারলে লালাসহকারে লিত, ক্রোধপরিশৃষ্ণ, উদার ও গম্ভীর হইয়া প্রতিদিন স্বকাৰ্য- বন্ধিত ও নতি হইতেছে। এই শরীদি বস্তুতঃ কিছুই নহেন, মাধন করত সাগরের শ্রীধারণ করিলেন অর্থাৎ হর্ষক্রোধের কারণ এই ক্ষণভঙ্গুর শরীয়াদি নষ্ট হইতে বিই নষ্ট হইবে না। এই উপস্থিত হইলেও তিনি সাগরবং গম্ভীরভাবে অবস্থান করিতে সাক্ষিরূপিণ চিষ্টি বুদ্ধিরূপ দীপশিখা দ্বারা এই জগৎজালময় লাগিলেন। নিক উজ্জ্বল শিখা দ্বারা প্রদীপের যেমন শাে হয়, বাপী চিত্তনটে নৃতসদন করিতেছেন। এযাবৎ প্রজবর্গের তদ্রুপ তিনি সুষুপ্তভাবাপন্থ নিফশ (নিশ্চল হক্রোবাদিকরণে নিহ ও অনুগ্রহবি লইয়া মদীদেহে বৃথা চেষ্টা হইতেছিল। অবিচলিত) নােজল চিত্তবৃতিতে বিমান হইলেন। ১৫। কারণ, দেহ কিছুই নহে। ২৬-৩০। অহ। আমি এক্ষণে তিনি নানিয়, না দয়ালু, না সুখদুঃখলী, মৎসরী, না, সুখী, প্রবুদ্ধ হইয়াছি; আমার সে দুষ্টি গিয়াছে, যাহা দ্রষ্টব্য, অ, না অনুখী, না অর্থ, না অাখী হইয়া অবস্থান করিতে লাগি- প্ৰমস্তই দৃষ্ট হইয়াছে, যাহা প্রাপ্তব্য, তাহা সমস্তই পাইয়াছি। লেন। সর্বদা সমদর্শন, অচঞ্চল, ধীর, অন্তঃীতল চিত্তবৃত্তি আরা এই যে জগদ্গত নিখিল দৃষ্ট হইতেছে, ইহাতে চিভিন্ন সুয়ঘু, পরিপূর্ণ সাগর ও পূর্ণধরের ন্যায় বিরাজমান হইলেন। মায়ায় জীৰভ্রম, অহার অভ্যন্তরে সপ্তদশ লিশরীর, তাঁহার বুদ্ধি সুখদুখভাপরি ও পরিপূর্ণ হইয়া লােগ গাইতে তাহার মধ্যে বাহ-অন্তঃকরণে বিভেভ ও হায় অভ্যন্তরে লাগিল। তিনি ‘সমুদয় জগৎ চিৎজ” এইরূপ প্রতি জাগ্ৰস্বপ্ন দৃভ্রম—এই ভ্রমপরস্পরা ভীড় আর কিছুই এখত করিয়া উল্লসিত শরীর ও বিকসিতচিত্ত হইয়া অবস্থান, গমন, বন্ধ নাই অর্থাৎ অষ। অং করিয়া বিচাৰ কৰিলে ভাজি ব্যতীত স্বপন, জাগরণ সকল অবস্থাতেই সমাধিস্থবং হইয়া তেবয় আর কিছুই ইহাতে নাই। সুভাষ ইহাতে নিগ্রহ অনুগ্রহ ও প্রাপ্ত হইতে লাগিলেন। রাজীৰলােচন সেই সুরধু এইরূপে অনা- হর্ষ-ক্রোধ কোথায় কি প্রকারে কিপে অবস্থান করিতে, সবে রাজ্য কর অরীরে বহুশত বৰ অভিহিত হাত দেখিতে পাইতেছি না। ইহাতে আবার সুখ কি করিলেন। তদনন্তর হিমৰি যেমন বিকিরণাক্রান্ত হইলে দুই বা কি? এই সমস্তই ত একমাত্র বিতত । আমি স্বীয়স্বরূপ ত্যাগকরে অর্থাৎ বিলীন হইয়া যায়, সেইরূপ তিনি স্বয়ং এবং ব্যথা মােহময় দিলাম, ভাগ্যক্রমে আমার এক সে দেহত্যাগ করিলেন। নদীবারি যেমন পরিপুর্ণ সাগরে এবেশ করে যেই দূর হইয়া গিয়াছে। পরমানন্দরূপে অনুভুমান এই একমাত্র (তাহাতে মিশিয়া যায়), সেইরূপ ভিনি সৃষ্টিগ্রলয়ের জগতের খেলেকের বিষয়ই বা কি? আর মােহের বিষয়ই বা কি? ব্ৰহ্মলিরও কারণ সেই ঈর পক্ষে সাফাৎকার বৃত্তিতে লীন দশনাই বা কি? করণীয়ই বা কি? অবস্থিতিই বা কি? ও হইলেন। খট টাকা। যেমন মহাকাশে বিলল , T উপকরণ - সেইরূপ সেই অহা সুরধু বিমল আনলৈকস প্রকাশ সম ৰলিয়া পরিচিত হইলেন। অনন্তৱ পৰিষ সহ আত্মায় লীন হওয়াতে জন্মাদি বিকার ও নিশােক হইয়া ব্যাপী মােৰু অপােন কম্বিয়া অ্যাসলে আমানিত পরবরূপ হইলেন। ৬-১৩। (চিত্তশুদ্ধি ও ঈশ্বরের অনুগ্রহ হইতে উৎপন্ন) অৱজ্ঞান লাভ যষ্টিতম স সমাপ্ত করিলেন। তখন তিনি শীশদি-জানুরহিত পরিত্যক্ত, শান্তচিত্ত, বিষয়াগবতি, নিজে। ও জীবন্মুক্ত হইলেন। হে সাথে! ভ্রমরনিক যেমন’“মাল সমভিব্যাহারে পঙ্কিনীর উপরে ভ্রমণ করে, সেইরূপ পৱি একষঞ্ছিতম-সর্গ। সিদ্ধসাখ্যবর্গের সমভিব্যাহারে এই পিণী ঠিকার বশিষ্ঠ কহিলেন,হে উৎপললােচন রাখব। তুমিও এইরূপ উপরে যথেচ্ছ ভ্রমণ করিতে লাগিলেন। ১৬। ভ্রমণ তত্ত্ববােধ এর শােকহর্ষালির নিমিত্তীভূত পাপের সমুলােচ্ছে করিতে করিতে একদা ভিনি হেমটদেশতি সেই সুবধুর কর গশােক হইয়া অপদ প্রাপ্ত হও। শিশু যেমন ঘাের রত্নজালময়ী দ্বিতীয় সুমেরুশিখবৎ মলােহার্মিণ এভধানীতে অন্ধকারমধ্যে নিপতিত হইলে সাতিশয় ভয়কাতর হয়, পরে উপস্থিত হইলেন। পূর্বতন বন্ধুত্র আবদ্ধ, জ্ঞাভয়ে, দীপালােক পাইলে তাহার আর ভয়কামতা থাকে না, সেইরূপ মুখতার আধার সংসার হইতে বিলিাত (জীবন্মুক্ত), সেই পরি মন যাের অজ্ঞানান্ধকারে মগ্ন হইয়া বিষম পরিতপ্ত হইতে থাকে, ও সুধু ইহার। দুইজনে (বহুদিনের পর সাক্ষাৎ হওয়াতে পরে এইরূপ দৃষ্টি অবলম্বনপূৰ্ব্বক আত্মালােক পাইলে, সে পরস্পর পরস্পরের জাদর অভ্যর্থনা করিলেন। তাহারা উড়য়েই পরিতাপ দূর হইয়া যায়। মােহান্ধকূপে নিপতিত মন এই পরস্পরকে লক্ষ্য করিয়া বলিতে লাগিলেন, “অহ। অদ্য আমার সুরঘুর ন্যায় বিবেকশায় উপনীত হইলে যেন সুদৃঢ় তৃণ সমবায় পৰিত্ৰ সুকৃতকার্যের ফল ফলিয়াছে; যেহেতু অন্য তােমাকে প্রাপ্ত হতাবলশন পাইয়া পরম নিৰ্বতিলাভ করে। তুমি এই পাবনী হইলাম।” পরস্পর পরমহর্ষিত হইয় পরস্পরকে আলিখুন- বিবেকদৃষ্টি অবলম্বন করিয়া এবং অন্যকেও এইরূপ উপদেশ পূৰ্ব্বক অঁহারা দুইজনে, ভূধরে যুগপৎ চন্দ্র-সূর্যের ক্ষান্ত একৃাসনে প্রদানপূর্বক নিত্য একসমাধান হুইয়া ভুকে অলঙ্কত কর। উপবেশন করিলেন। পরিত্ব কহিলেন, অন্য তােমার দর্শনলাভ রাম কহিলেন, হে মুনীর। মন ত বা ময়ুরপুচ্ছের ন্যায় অতি করিয়া আমার অন্তঃকরণ পৰমানন্দলাভ করিল, যেন শতাং9 চপল, তাহার একসমাধান কিরূপে হইতে পারে? একসমা- মগুলে নিমগ্ন হইয়া সুশীতল দে।।৫। যেমন পক্ষ- ধানতাই বা কি প্রকার ? তাহা বলুন। ১৫। বশিষ্ঠ কহিলেন, প্রান্তে আচ্ছিন্নমূল ও শাখা-প্রশাখা বিস্তারপূর্বক বাড়িতে প্রবুদ্দদশা প্রাপ্ত সেই সুরঘুর ও পর্ণাঙ্গ রাজর্ষির পক্ষ সংবাদ গায়ে সেইরূপ বিরহাবস্থায় অকৃত্রিম প্রেম শতশাখাসমন্বিত বলিতেছি, শ্রবণ কর। হে রাখব। একরূপ সমাধিবদ্ধোত্মা মুর্ধিত হয় অর্থাৎ এঘাবৎ আমরা বিযুক্ত থাকিলেও লুরঘু ওপণীপ এই দুইজনের পরস্পর সমালাপ তােষানিকট আমাদের প্রেম হ্রাসপ্রাপ্ত হয় নাই, প্রত্যুত সমধিক বুজিখীপ্ত কহিতেছি, শ্রবণ কর। পাত্রীক রথের পরিষের (চ হইয়াছে। হে সালে তােদর পূর্বতন সেই বিভ্র আলাপ দণ্ডের ন্যায় সকলের আশ্রয়দাতা শত্ৰুবীরদলনক্ষম পরিষ নাৰুে সেই লীলাবিলাস এবং অপর সেই সেই চেষ্টা পুনঃপুনঃ এক রাজা ছিলেন। হে রঘুনন্দন। বসন্ত যেমন নন্দন- স্মরণ করিয়া আমি হর্ষিত ইতেছি। হে অনুষ। তুমি যেমন কাননী কন্দর্পের উন্মুক্ত পরম মিত্র , সেইরুপ সেই পরিখ মাগুব্যমুনির অনুহে অজ্ঞান লাভ করিয়াছ, আমিও ভদ্রুপ শুধু পরম মিত্র ছিলেন। প্রজার্গের পাপাচারে কােন সময়ে পরমাত্মার অনুগ্রহে এই জ্ঞানলাভ করিয়াছি, অদ্য তুমিও পরিখের রাজ্যষধ্যে প্রলয়কালােপ যাের অনাবৃষ্টি উপস্থিত অদুখী হইয়াছ ত? ভূমণ্ডলের অধিপতি ( যেন সুমেরু হইল। ৬—১০। সেই অনাবৃষ্টিতে তদীয় বহুসংখ্য প্রজা ক্ষুধার্ত পৰ্বতে বিশ্রাম করেন, সেইরূপ তুমি-পরকাৰণ পরহ্মেবিম হইয়া, প্রজ্বলিত থাকতে নিপতিত প্রাণিকুলের স্যায় প্রাণত্যাগ লাভ করিয়াছ ত? শরৎকালে সসীসলিল যেমন প্রসন্ন করিতে লাগিল। প্রজার্গের সেই ঝিম ক্লেশ দেখিয়া রাজা (স্বচ্ছ) হয়, সেইরূপ আত্মারা হওয়াতে পরমকল্যানভাজননীয় সাতিশয় বিষণ হইলেন। পথিক যেমন অনল-বহমান গ্রাম ডিক্ত সম্প্রতি প্রসন্ন (রজ ও তমােগুণে অনাবৃত) হইয়াছে ঝটিতি পরিত্যাগ করে, সেইরূপ তিনিও সেই দুঃখে রাজ্য ঝটিতি ত ২৬-৩০। হে আধিপ! হে সৌভাগ্যশানি। প্রসন্ন পরিত্যাগ করিলেন। অক্ষয়ের প্রতীকাৰে অসমর্থ হইয়া ও সর্বত্র সমভাবাপু অদৃষ্টি অবলম্বনপূর্বক অবশ্যকর্তব্য পরিলরাগ্য অবলম্বনপূর্বক অতিপরিহিত মহাৰীয় স্থায় কর্মসকল সম্পূন কৱিছে ত? ত্বদীয় প্রজাৱৰ্গ আধ্যিাথি অপােনুষ্ঠানানিমধ্যে গমন করিলেন। রাজ্যে বিরাগভাবাপন্ন বিনিমুক্ত, ধনবান্যানিশ ও বিগত হইয়া ধীরভাবে অব হইয়া তিনি পুরবাসীদিগের অপরিজ্ঞাত এক বহুদূরবর্তী কাননে স্থান করিতেছে ত? জেলার অধিকার হরণ শাফিলতা বাস করিতে লাগিলেন, বােধ হইল ফেল লােকান্তরে গিয়া দুই, ফলভরে অবণতা কলল্পীর ন্যায় যথাযথকালে বাতি উপস্থিত হইয়াছেন। শণযুক্ত হইয়া তিনি ত্ৰত্য এক বল প্রদান করিয়া জলীয় এলাৰ্গর পরিপােষণ করিতেছে? কমলিয়ে পাক হইতে স্বয়ং পতিত বিশীর্ণ ও দূরনিকৃতি হল জ্বীয় পবিত্র যশােরণি চক্রের পর্ণ ভােজনপুৰ্ব্বক কালাতিপাত করিতে লাগিলেন। ১৯১৫। কিরণকলাসের ন্যায় দিগদিগতে এত হইছে? সৰােৰ অগিদে যেমন শুপর্ণ ভােজন করেন, সেইরূপ তিনি শুক সলিলে মৃণালের অন্তর্গত ছিদ্র বোন পুরিত থাকে, সেইপ পর্ণ সেবন করাতে পঘিগণের মধ্যে পর্ণা” আখ্যা প্রাপ্ত যিসকল জলীয় গ্রামে পুলিগুৰিত রহিয়াছে ? ৩১-৩৫। হইলেন। দখি অনূবালী মূলিসমাজে পাগনা রাজর্ষি তােমায় অধিকারে এনে এনে থাকাত্রে রক্ষিকানেলের আগবাণিষ্ঠ মায়ণ । কেএদেশে সমাসীলা আৱীগণ ত আনসহকারে চিত্তা বঞ্চনপূর্বক তুকীভাবে অবস্থিত থাকিলেও সমাহিপবাচ্য হইতে নলবাৰী স্বীয় শােমাখা গান করিয়া থাকে। তাের পুত্র, পারেন না, সেরূপ অন্যায় তাহার সমাধিই বা কিরূপে হইবে? ক, ভূত, নগর ও ধন ধান্যাদির কুশল তা তােমার এই হে ভগব। নিখিল আশারূপ তৃণের দাহকারী অনলরূপ ভক্ত- শরীরবলী আধিকাধিত হইয়া ঐহিক পারভিক পুণ্যফল ত জ্ঞানই সমাধিকে অভিহিত, তুফীভাবে অবস্থিতি সমাধি নহে। বারণ করি। এক্ষণে জেমার মন ত আপামণীয় হে সাবধা। একাগ্ৰতাৰে সতস্বরূপ পরব্রহ্মের দর্শনকারিণী নিত্য- পরিণামৰি বিষয়তুজঙ্গের প্রতি বিরক্ত হইয়াছে ত? হায়। সন্তুষ্ট-পৱমা বুদ্ধিকেই বুবগণ সমাধি বলিয়া কীৰ্ত্তন করেন। অ- আমরা বাল বিশ্লিষ্ট হইয়াছিলাম, সম্প্রতি কালসহকারে কার-পরিশু সুখদুঃখাদিদ্বন্দ্বের অনুপাতী অনুব্ধ সুমেরুপৰ্বরে এবার বসন্ত ঋতু ও ভূধরটের সহযোগের ন্যায় একত্র মিলিত ন্যায় (একমাত্র পরব্রহ্ম) স্থির (সুদৃঢ়ভাবে অবস্থিত বুদ্ধিই হইছি। ৩৬–৪। হে সখে। জগতে সংযােগৰিমােগজনিত সমাধিশবে অভিহিত হইয়াছে। ৬-১০। বন মনগতি এমন সুখ-দুখ দশা নাই, যাহা জীবদ্দশায় দেখিতে হয় না অর্থাৎ অভীষ্টপব্ৰহ্ম প্রাপ্ত হইয়া নিশ্চিন্ত জাগতিকপ্রপঞ্চে হয় উপা- জীবদ্দশায় বহুদুঃখ সুখ ভােগ করিতে হয়। আমরা এই দীর্ঘকাল দেয়-বুদ্ধিরহিত ও পরিপূর্ণ স্বভাব প্রাপ্ত হয়, তখনই উহা সমাধি- বিযুক্ত হইয়াছিলাম, অন্য আবার মিলিত হইলাম। নিয়তির কি শবে অভিহিত হইয়া থাকে। যখন হইতে মন আত্যন্তিক তত্ত্ববােধ অদ্ভুত লীলা! সুরঘু কহিলেন, ঈশ্বরেচ্ছ্বরূপিণী ভগবতী নিয়তির প্রাপ্ত হয়, তখন হইতেই তাহার আত্মসমাধি অবিচ্ছিন্নভাবেই গতি সর্পগভির সদৃশী দুরবগাহা বিষয়করী। এই নিয়ভির গতি বিদ্যমান থাকে। ক্রীড়াসক্ত বালকের হস্ত হইতে দূরসমাকৃষ্ট কে জানিতে পারে? আমরা উভয়ে বহুকাল হইতে বহুদূরে বিযুক্ত মৃণালসূত্র যেমন সহজ বিচ্ছিন্ন হয়, তত্ত্ববােধমুক্ত মন হইতে হইয়াছিলাম, অধ্য আবার মিলিত হইলাম , নিয়তির অসাধ্য কি সমাধি কদাচ সেরূপ বিচ্ছিন্ন হয় না সূৰ্য যেমন সমস্ত দিন আছে? হে মহাগুণ-শি। অন্য আমি আপনার শুভাগমন আলােক প্রদানে বিরত হন না, অবিচ্ছিন্ন সমগ্র দিবস ব্যাপিয়া জনিত পুণ্যে পরমকুশলী হইয়াছি, আপনার দর্শনলাভজনিত আলােকপ্রদান করেন, একবার তত্ত্ববােধে সুদৃঢ়তাপ্রাপ্ত প্রজাও পুণ্যে আজি আমি পরমপবিত্র হইলাম । আপনার আগমনে সেই জীবনাগুপৰ্য্যন্ত দর্শন হইতে বিরত হন না। নদী যেমন আজি আমার পাপক্ষয় হইল এবং পুণ্যতরুও ফলিত হইল। সর্বদাই সলিলবহন করে, কদাচ অহা হইতে বিরত হয় না, আমি কৃতার্থ হইলাম। হে রাজর্ষে। আমার পরীমপ্য সবিধ সেইরূপ তত্ত্বক ক্ষণজীও বোধ হইতে বিরত হন না। সম্পত্তি অবস্থিত, কিছুরই অভাব নাই। অদ্য এবার আপনার ১২-১৫। কাল সেসন মাত্রও আপনার ক্রিয়াগত বিস্মৃত হন শুভাগমনে তাহা শতদখা প্রাপ্ত (সুবিস্তৃত) হইল। হে না, সদাই প্রবাহিত রহিয়াছে, সেইরূপ বুদ্ধি কদাচ আত্ম- মহাব। আপনার পবিত্র মধুরবাক্য ও দৃষ্টিপাত সৰ বিতৰ না, অনবরতই তিনি আত্মরত থাকেন। বায় যেমন যেন অমৃতারা বিকীরণ করিতেছে। সাধুসমাগম যেন বদাচরণন গতি বিস্মৃত হন না, সৰ্ব্বদাই সর্বত্র প্রবাহমান প্রাপ্তির সমান। ৪১-৪৮। থাকেন, সেইরূপ প্রাজ্ঞবুদ্ধি নিশ্চেয় চিংসরূপ কাঁচ বিস্মৃত হন একষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৩। না। কালের মূর্তি সৰ্য আদিযেন সর্বদাই আপনার গতিক্রিয়া নিৰ্বাহ করিতে থাকেন, চেত্যভাববিহীন চৈতন্যস্ফুত্তিও সেই রূপ সর্বদা স্বাকাররভিতে নিরত থাকেন। যেমন সভাবিহীন ( অসত্য ) পদার্থের উপলদ্ধি হয় না, সেইরূপ তত্ত্ববিদের আত্ম- বিষষ্টিতম সগ আনবনের অণুমাত্র সময়ও দেতে পাই না শিষ্ট কহিলেন,-অনন্তর উভয়ের পরস্পর প্রাক্তন মেহগর্ভ তিনি আত্মবিৎ) এই সংসারে যেমন গুণহীন গুণী অসম্ভব এইরূপ বিত্তবাক্যসঙ্গে অঞ্জনামধারী অর্থাৎ পরিখ বলিতে আত্মজ্ঞানবিহীন আত্মবিংও সেইরূপ একান্ত অসম্ভব । ১৬-২০। লাগিলেন। হে ভূপতে। হে অন! এই সংসারজালে থাকিয়া আমি সর্বদাই প্রবৃদ্ধ, আমি সর্বদাই নিৰ্ম্মল আমি সর্বদাই শান্ত- যে যে কৰ্ম্ম করা হয়, সমাহিতভিব্যক্তিই তাহা সুখের স্বভাব, আমি সর্বদাই সমাহিত। এক্ষণে কে আমাকে কিরূপ হইয়া থাকে, অপরের (অজ্ঞের) হয় না। তুমি সম্বক্ষবিরহিত সমাধি হইতে বিচ্ছিন্ন করিতে প'রে ? আমার সমাধি আত্মস্বপ পবিভ্রান্তির অস্প সুম উপশাষ্ঠি সাংসারিক মুখ অপেক্ষা হইতে ব্যতিরিক্ত, এজন্য আমি সর্বদা সৎপপে বিরান। প্রশস্তর সেই সমাধির অনুষ্ঠান কৰিচ্ছে ত? রঘু কহি- অতএব আমার মন কাচ অসমাধি হে অথবা আমি সর্বদা লেন, হে ষড়ৈশান্দি। “যাহা হইতে সর্বপ্রকার সঙ্কল একমাত্র আত্মত, আমার মনই নাই , সূতরাং থিই বা অপগত হইয়াছে, যাহা মশান্তি, হাই শ্রেয়” ইহা আমাকে আবার কি? আত্মা সর্বদাই সর্বগামী ও সর্বস্বরূপ, ইহাতে বলিতে পারেন, “সমাধি অনুষ্ঠান কৃরিতেছ কি না, (যদি অসমাধিই বা কি হুইবে আর সমাধিই বা কাহাকে বলা যাইবে ? না করিতে থাক ত কর” ই আমাকে, বলিলেন কেন? হে সৰ্ব্বদাই একবারে ভেদবুদ্ধি সর্বত্র সমভাবাপন্ন মহতেরা কাৰ্য- মহাত্মন। যিনি ভবিৎ তিনি তুফীভাব অবলম্বন করিয়াই থাকুন, পরিণামবিভাগ হইতে নিন্মুক্ত হইয়া অবস্থান করেন; মুজ্জা আয় ব্যবহাপরায়ণ হইয়া থাকুন, তিনি কি কথন অসমাহিতচিও সমাহিত ও অসমাহিত এবংবিধ বিভেদ ভঙ্গীতে যে উদীয় বাগ- কেন? (তিনিসর্বাবস্থাতেই সমাহিত চিত)। ১-৫। যাহার বিন্যাস তাহা কিরূপে সঙ্গত হইবে? অর্থাৎ আপন ঐরূপ সিভজ ও একমাত্র আনে পরিমিতি, তাহারা অগয়ে ভেদকথন সর্বথা অসঙ্গত বলিয়া বিবেচনা করি। ২১-২৫। করিলেও সর্বদাই সুসমাহিত। যিনি আত্মতত্বে পরিনিষ্ঠিত দ্বিষতিসর্গ ১ মাপ্ত।। ননি জন্মসন এই পরহ্মের উদ্দেশে অলি- । সর্বদাই বাগাড়ম্বরে এস নাই; এই একমাত্র আসৃষ্টিই শুয়ে খ্রিষ্টতম সর্গ। হতু বলিয়া ইহাই সেবা করা উচিত। মন একেবারে অঙ্গ পরিষ কহিলেন—রাজ! তুমি নিশ্চয়ই প্রবুদ্ধ হইয়াছ, পরিত ও বিক্ষেপৰিষমতারহিত হইয়া আত্মানন্মলাভ করিলেই তুমি তৎপদ প্রাপ্ত হইয়াছ, তােমার অন্তঃকরণ সুশীতল হই তাহার সৰ্বোত্তম পদে প্রতিষ্ঠালাভ করা হয়। ১১-১৭। ছে, তুমি পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় শােভা পাইচ্ছে তুমি অন-মধুপূর্ণ তিষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত।। পরশ্রীসমন্বিত, শীতল, স্নিগ্ধ ও মধুর হইয়া, কমলের ন্যায় বিকাশ প্রাপ্ত হইতেছ। তুমি নির্মল, বিতত, পূর্ণ, গন্ত্রীর ও নির্মলনিবন্ধন প্ৰকটান্তভাগ হইয়া, বেলা-পবননির্মুক্ত পােক্ত চতুঃষষ্টিত সর্গ। গুণসম্পন্ন( নির্মলতাদি গুণসম্পন্ন) সাগরের ন্যায় বিরাজ করি- বশিষ্ঠ কহিলেন,সুধু এ পরিৰ এইরূপে জগৎ যে ভ্রম- তেছ। অহস্কার মেঘ অপহৃত হওয়াতে তুমি স্বচ্ছ আনন্মপূর্ণ মাত্র, একমাত্র ব্রহ্মই সত্য ইহা বিচারপূর্বক পরায় আদর পরিস্ফুট, বিস্তীর্ণ ও গভীর হইয়া, শারদাকাশের ন্যায় প্রকাশ পাই অভ্যর্থনা করিয় সন্তুষ্টচিত্তে স্ব স্ব ব্যাপারে গমন করিলেন। হে তেছ। রাজন। তুমি সর্বত্র লক্ষিত হইছে, তুমি স্বস্থ হইয়া রাখব। তুমি অবােধর হেতুভূত এই সংবাদ শ্রবণ করিয়া এই- সর্ববিষয়ে পরিতুষ্ট আছ, তুমি সৰ্ব্ববিষয়ে বীজাগ হইছে, রূপ তত্ত্ব লাভ করত স্বপন প্রাপ্ত হও। বিলিগের অধ্যাত্ম তুমি সর্বত্রই বিরাজমান আছ। ১৫। তুমি মহতী ধীশক্তি বিচার দ্বারা তীক্ষ্মতাপ্রাপ্ত পরমা প্রজ্ঞাবলে জলাকাশ হইতে জারা সার অসারের সম্যক্ বিচার করিয়া সমস্তই একমাত্র অখণ্ড অহঙ্গাররূপ কালমেঘ বিগলিত হইলে সমস্ত লােকের অনুমত, ব্ৰহ্ম স্বরূপ ইহা অবগত হইয়াছি। হে ভাবাভাধবিষয়ের বিচার- অহলাসকারী সফলতপ্রাপ্ত, নির্মল, বিত, চিরুপ শরৎকাল, অজ্ঞ। তােমার শরীর এক্ষণে গতাগতিশা অর্থাৎ ওয়ােজক উপস্থিত হইলে, যেঃ, শরণ্য, মুগৰ, সৰ্বানন্দময়, সুপ্রসন্নচি ভােগনুরক্তি হইতে উৎপন্ন চাঞ্চল্যভাব হইয়া আনন্দময়রূপে কাশরূপী পরমাত্মায় যিনি একমাত্র আত্মচিারপায়ন বাহাসক্তি প্রকাশ পাইতেছে। হে সুন্দর । অভ্যন্তরস্থিত অমৃতে সাগর শক্ত এবং একমাত্র চিতির অনুসন্ধানপর হইয়া অবস্থান করেন, যেমন পরিতৃপ্ত থাকে, সেইরূপ তুমি যাহা অপেক্ষা আর পরমার্থ তিনি মনােজনিত শােকে বাধিত হন না। —৬। তিনি বন্ধু নাই, সেই আত্মব স্বীয় মহত্বে পৱিতৃপ্ত আছ, তােমার ব্যবহারী থাকায় মূঢ় লােকের দৃষ্টিতে রাগৱেষপূর্ণ সৃষ্ট হইলেও, আর পুনঃক্ষয় হইবে না। সুধু কহিলেন, হে মুনে। যাহাতে জলস্থিত পদ্ম যেমন জলসংলগ্ন হয় না, সেইরূপ বাস্তবপক্ষে আমাদের উপাদেয়তাই নাই, তাহা বস্তুই নহে। এই দৃশ্য বস্তু রাগৱেষ কলঙ্ক প্রাপ্ত হন না। যিনি সম্যকরূপে আত্মতত্ত্ব যাহা কিছু দৃষ্ট দুইতেছে, বাস্তবপক্ষে ইহা কিছুই নহে, সুতরাং বিজ্ঞাভ হইয়া বিশুদ্ধ শাস্তিমনা মুনি হইয়াছেন, কী যেমন উপাদেয় বন্থর অভাবে হেয় বই বা কি হইবে? উপবিষয়ের সিংহকে জয় করতে পারেনা, সেইরূপ মন সঁহাকে বশীভূত তাগই খান (হেয়) উপাদান হানের প্রতিকূল এবং হান দ্বারা করিতে সমর্থ হয় না। নন্দনকাননে যেমন নিন্দনীয় বৃক্ষ নাই, উহার বিনাশ হইয়া থাকে, সেই উপাদান ব্যতিরেকেই বা কিয় তত্ত্ববিদের দ্রুপ একমাত্র বিষ ভাগে সমাশ্রিত দীন চিত্ত থাকে হেয় হইবে? ৬-১০। নিখিল ভাবপদার্থের তুচ্ছতা ও অতু না, অর্থাৎ তত্ত্ববিদের চিত্ত ক্ষুদ্র খলাতে হয় নহে। সংসার ত। নিবন্ধন মদীয় মনের যে তুচ্ছাতুচ্ছ ব্যবস্থা (হেয়ােপাদের ব্যাপারে বিরক্ত হইলে মানব যেমন জন্মমৃত্যুতে (১) দুঃখী হয় ব্যবস্থা, ইহা অনেক দিন গিয়াছে। দেশকালবশে, পূর্বে যাহা না, সেইরূপ চিত্ত শরীয়াদি সর্বপ্রপঞ্চ অবিদ্যা (মিখভ্রান্তি ) তুচ্ছ ছিল, পরে তাহা অতুচ্ছ হয় এবং পূর্বে যাহা অনুছ ছিল বলিয়া জানিতে পারিলে আর দুঃখিত হয় না। ৭-১০। হে পরে তাহা তুচ্ছ হয় , এইকপ তুচ্ছ ও অতুচ্ছতার অনিয়ম সাথে। যে ব্যক্তি মনােমােহ পরিজ্ঞাত হইয়াছেন, গগনতলে দেখিয়া বুধগণ বস্তুর নিন্দা ও স্তুতি দুইই পরিত্যাগ করিবেন। রাগ যেমন ধূলি স্পর্শ করে না, সেইরূপ জাগতিক হারে কর্তৃত্ব- বশ ওই লােক নিন্দা ও প্রতি (অর্থাৎ একের প্রতি অনুরাগে ভিমানিবন্ধন পাপ তাহাকে স্পর্শ করিতে পারে না। দীপ যেমন অপরের প্রতি বিরাগনিবন্ধন তাহার নিন্দা এবং যাহাতে অনুরাগ অন্ধকারনাশের পরম উপায়, দ্রুপ “এই জগৎ অৰিজামাত্র আছে, হার স্বতি ইহা চিরপ্রসিদ্ধ) রাগও বাতি বস্তুতে (ভ্রান্তি )” এইরূপ জ্ঞানই অবিদ্যারূপী জগদাকার সঙ্কট্যাধির হইয়া থাকে, যিনি বুদ্ধিশালী তিনি মহৎ বস্তুই বাঞ্ছা করিয়া পরম ঔষধ। যেমন স্বপ্নদশৰ ভোগবিলাস ইহা স্বপ্ন” এইরূপ থাকেন (১)। এই ত্রৈলােকের স্ত্রী, শৈল, সমুদ্র ও কন প্রভৃতি স্বপ্ন বলিয়া আনিলে মিথ্যা হইয়া যায়, সেইরূপ যখন এই জগৎ- যাবতীয় পদার্থ শতশূন্য, বস্তুত ইহাতে কোন সাৱই নাই প্রপঞ্চ অবিজা বলিয় জানা যায়, তখনই ইহা মিথ্যা হইয়া যায়। মাৎসস্থি কাষ্ঠত্তিকাদিময় এই জীর্ণ জগৎ বাঞ্ছনীয় বিষয়বিবজি যেমন মীনের চক্ষু জলপৃষ্ট হয় না, সেইরূপ একমাত্র ব্রহ্মে ও শূন্য, ইহাতে কি বা করা যাইবে ? যেমন দিবাশেষ হইলে একাগ্ৰমতি, বাহ-সংসারাগারে অনাসক্ত সাধু পাপম্পৃষ্ট হন আলােক ও আপের ক্ষয় হয় , সেইরূপ বাঞ্জাৱিতি হইলে(না না ভার চিলােক প্রাপ্ত হইলে অজ্ঞলমিনী ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়া থাকিলে) রাগ ও দ্বেষের (বিরাগের ক্ষয় হইয়া থাকে। অধিক থাকে, তখন জীব ভৰিৎ ও পরমানন্দমবুদ্ধি হয়। ১১-১৫। লােক অজ্ঞাননিদ্রার উপশম নদিবাকলের উপরে এমন (১) মুলে-শোভবুদ্ধিনা” ইতি পদ বিশেষণীভূত জনবাচককে কর্তৃত্বং বিনাার্থসঙ্গতে, ত চ বা ইত্যত্র (১, টীকাকারমতে মূলপাঠ ‘বিরজো জামরুণে”—বিরক্ত ব্যক্তি অর্ডং ‘ বাতে সয়কাৱমেব পদং পাঠনীয়ং , বাত যেমন জায়ার মরণে কামুকের ব্যায় দুঃখিত হয় না, ইহা টীকা- ইতি লিখনে লেখকপ্রশাৰীমিতি মুখতিভার্মিতি দিক কারানুমতপাঠে অনুবাদ। এই পাঠই সমীচীন বিবেচনা করি।
মােগবাশিষ্ঠ-খামায়ণ এবােধ প্রাপ্ত হয়, যাহাতে পুনরায় আর মােহশখ হইতে হয় না। এই দেহাধীন দুঃখ কিপ্রকার, কিপেইহা উৎপন্ন হইল, ইহার যখন হাকাশে আল হইতে সমুদিত চিপী জ্যোৎস্না ফুল কি কি উপায়ে ইহার কর হয়, ব্যক্তি যপূৰ্ব্বক প্রকাশিত হয় তখনই মানব প্রকৃত জীবন লাভ করে এবং তাহার ইহা বিবেচনা করিবেন। ৩১-৩৬। যাহারা আত্মর, উদ্ধার ক্রিয়াকলাপ একৃত ফলশালী হইয়া আনন্দপ্রদ হয়। সুধাকর ব্যাপারে নিরত তাহাদিগের ধন, মিত্র, অধ্যাত্মশাস্ত্র ও বন্ধুগণ যেমন এর খায় তলভাব ধারণ করেন, সেইরূপ মানব মােহ কোন উপকারে আসে না। সর্বদা সঙ্গী একমাত্র বিশুদ্ধ মনােরূপ হইতে সমূখী হইয়া সতত আত্মচিন্তা দ্বারা অন্তরে শীতলভাব মুহৃদের সহিত বিচারে আত্মার উদ্ধার করা যায়। বৈরাগ্যের থারণ কক্ষে। যাহাদের সাহায্যে বৈরাগসহকারে আত্মকার- অভ্যাস ও যত্নপূর্বক আত্মবিচার দারা অবিলােকরূপ পােত বুভিরূপ চিরে ভয় লাভ করা যায়, তাহারাই (প্রকৃত) মিত্র, লাভ করিলে সংসাসাগর হইতে উত্তীর্ণ হওয়া যায়। সেই সকলই প্রেকৃত) শাস্ত্র ও সেই সকলই (প্রকৃত) দিবস। সংসারসাগরে মগ্ন হইয়া সতত দুরাশয় দগ্ধ হওয়াতে শােচনীয় বাহারা পাপ না হওয়াতে আত্মতলনে অবহেলা করে, সেই দশা প্রাপ্ত হইতেছে; এরূপ অবস্থায় ইহাকে অবজ্ঞা না করিয়া জমকপ জঙ্গলের লতস্বরূপ দীনগণ চিরকাল শােক করিয়া থাকে। যত্নপুর্বক উদ্ধারের চেষ্টা করিবে। ৩৭-৪০। কৃষ্ণরূপ রজ্জদ্বারা ১৬। হে রাম। এই জীব-বলীবর্দগণ শােকোঙ্কসপীড়িত, অহঙ্কাররূপ বিশালবন্ধুন্তে আবদ্ধ মনােমশালী জন্মরুপ পঙ্কে জরাজর্জরিত হইলেও আশপাশে বন্ধ হইয়া বহু দুঃখভারবহন- নিমগ্ন এই জীবরূপী হন্তীকে (পঙ্ক হইতে) উদ্ধার করা আবশ্যক। পূর্বক অরূপ অঙ্গলে বিষন্নরূপ শস্পের লালসায় বিচরণ করি- হে রাখব। অজ্ঞান-নিসপূৰ্ব্বক অহঙ্কার মার্শন করিতে পারিলেই তেছে, উহারা কুকাৰ্যরূপ কর্দমে অলিপ্ত হইয়া মােহরূপ পলে আত্মার পরিত্রাণ করা হইল। মনােজাল অপসারিত করিয়া অং. অবগাহন করিয়া থাকে তৃষ্ণার দ্বারা উহারা বদ্ধ থাকে, স্তাব ছিন্ন করিতে পারিলেই আত্মা সংরূপ পরমাত্মার বােথ- বিষয়ানুরাগরূপ নিচ (ডাল) অনুক্ষণ উহাদিগকে দংশন | পৰ্যন্ত বিচারে পরিস্ফুট শক্তিমান হইয়া থাকেন। দেহকে কাষ্ঠ করিতেছ। ঐ বলীবর্দশ মনােৰূপ বণিকের নিকেতে (আজ্ঞা ' ললাটের সমান দেখিতে পারিলেই দেবেশ পরমাত্মা দৃষ্ট হইয়া রূপ সঙ্কেতে, অথচ আবাসে) অবস্থিত অর্থাৎ মনের অজ্ঞানু- থাকেন। অহঙ্কারজল অপহৃত হইলে চিৎসূৰ্য্য দৃষ্ট হন, তাহার সারে চালিত। বনরূপবনে বন্ধ হইয়া একরূপ চলিতে পরে সেই চিংৰ্যরূপে পরিণত হইতে পারিলেই তৎপদপ্রাপ্তি অক্ষম। পুত্ৰদাররূপ জীর্ণ পচা গােময়পঙ্কে ময় উন্মগ্ন হয়। ৪১-৪৫। যেমন অন্ধকারের সমুচ্ছেদ হইলে স্বয়ংই হইতেছে। সর্বদাই পরিশ্রান্ত, অণুমাত্র বিশ্রাম নাই , সৎসায়- আলােকদর্শন হয়, সেইরূপ অহঙ্কার দূরীভূত হইলে আপনিই মহারণ্যের দীর্ববঙ্গে গয়ত করিয়া পরিজীণ এবং ভগদেহ । আত্মসাক্ষাৎকার ঘটিয়া থাকে। অস্কার পবিক্ষয় হইলে নিয়তি হইয়া পড়িতেছে। উহারা কখন শীতলছায়া লাভ করিতে পারে | শয় আনন্দরূপিণী যাণী দশা উপনীত হব, ঐ পপূর্ণরূপ দশা না, সর্বদাই তীব্রজপে পিত। ২১২৫। বাহিরে উহারা | প্রযত্নসহকারে সেবনীয়। পরিপূর্ণসাগবোপম ঐ দশা আমাদিগের দেখিতে সুন্দর, কিন্তু অভ্যন্তরে জঙ্গ, ঐ বলীবর্দগণ বা বর্ণনাতীত উপমা দিয়া যে বুঝাই, তাহাও পরিতেছি না। কারণ ইন্দ্রিয়গ্রামে আক্রান্ত, করূপ বয়ৰে আক্রান্ত এবং পাপের উহার উপমা নাই , ঐ দশা দৃশ্যরাণে রঞ্জিত হয় না, কেবল চিৎ তাড়নে আক্রান্ত। উহাদিগকে আবির্ভাব তিরােভাবরূপ শকটা প্রকাশের অংশকলারূপিণী হইয়া স্থিরভাবে তুবস্থিত হয়। যদি ভার বহন করিতে হয়, পরিশ্রমে অবসন্নগাত্র হইয়া উহারা অজ্ঞান তুরীয় দৃষ্টি প্রাপ্ত হওয়া যায়, তাহা হইলে তাহার সহিত উহার রূপ বিশাল অরণ্যে বিলুণ্ঠিত হইতে থাকে। অকিঞ্চন ঐ জীব- উপমা দেওয়া যায়। গমনীর ন্যায় বিশাল। পূর্ণরূপ ঐ অবস্থা বলীবর্দগণ সর্বদা নিজের অনর্থসাধনেই ব্যাপ্ত হইয়া পরিশেষে বিক্ষেভাবাংশে সাদৃশ্য থাকায় কেবল সুষুপ্ত ব্যক্তিরই হইয়া কমভারে অবসল হয় এবং করুণতে চীংকার করিতে থাকে। থাকে। ৪৬-৫০ মন ও অহঙ্কারের বিলয় হইলে সর্বতাকে হে স্বাম! এই জীব-বলীবর্দগণকে সার-পশ্বল হইতে পরম- অন্তরস্থিত পরানন্দরূপিণী পরমেশ্বরী জু উদিত হয়। হে রাম । যত্নে বহুদিনে বলপূর্ষক উদ্ধার করিতে হয়। তদনে চিত্তক্ষয় ঐ পারমেশ্বরী ও স্বকীয় ঘােগলে সিদ্ধহইয়া থাকে। উহা সুষুপ্ত ইলে ঐ শীষ আর কখন জন্মগ্রহণ করে না, তখন সে সংসার- ব্যক্তিবিগের সন্নিহিত্ত, বাক্যের অগোচর, কেবল হৃদয়েই উহার মহাসাগর হইতে উত্তীর্ণ হয়। ২৬-৩০। হে রাম। যেমন নাবি- অনুভূতি হইয়া থাকে। যেরূপ মােলক খাদির স্বরূপ (আস্বাদ) কে নৌকা সাগরপারে একমাত্র উপায়, সেইরূপ ভবিৎ সঞ্জ নিজ অনুভব্যতিরেকে জ্ঞাত হওয়া যায় না, সেইরূপ আত্মার নের সমাগমই সংলাগর লক্ষনের একমাত্র উপায়। যে দেশে স্বরূপ ও স্বীয় অনুভূত্যিজিরেকে গত জ না। ফলতঃ যাহা শীতলচ্ছায়া-মতি, ফল (জ্ঞান) শােভী, তত্ত্বজ্ঞ সজ্জনপাল কিছুই হইতেছে, এই সমস্তই অনন্ত আত্মত। চিত্ত হইতে বিদ্যমান নাই, সেই মরুভুমিক দেশ গল্পে বাসযােগ্য নয়। বাহবিষয় উপমিত হইলে চিত্ত যখন দৃলে এভগাঙ্গায় হে রম! গিন্ধ দল বাক্যকাল পত্রণালী মিকুমােৰী পৰিণামী হইতে খনই নিখিল আচয়ে প্রত্যগত চলি মুচ্ছায় সজনরূপ শিকবৃক্ষের আশ্রয়ে ফণমাত্রেই পরম ইলিমের সাক্ষী পরমাত্মা অং সাক্ষাৎ অনুভূত হইবেন। বিশ্রাম লাভ করা যায়। যাহার ঈষৎ বিবেকোয় হইয়াছে, সেই তাহার পর বিশ্ববাসনার বিকাশ, অহায় পরে পরম পুরুষার্থ- ধীমান্য, যাহাতে উত্তমরূপ বিশ্রান্তি নাই, অনুশ মহামেহতাপসী স্বরূপ আত্মার সর্বদা পূর্ণভাবে অনুভূতি নুসিদ্ধ হইয়া যায় , সংসারে নুপ্ত হইয়া অবস্থান কৰিকো না, অর্থাৎ আত্মবিশ্রাভির সনন্তর সমাধি সমাধি সকল অবস্থাতেই সমতালিবন্ধন আত্য- চেষ্টা করিফে। আই আত্মার আত্মা যারাই (আপনিই। কি বৈষম্য নিরুত্ত হওয়ায় পরমানন্দরূপে পরিণত হয়, ঐ প্রম বিবেকলে আত্মাকে দার করিতে হইবে। দেহানিপর্বে অবস্থা ব্রহ্মাদির চিনীয় অবানাচে ৫১-৫। কে কদাচ সমকাপ পম এর নিলে করিকেল না চতুঃষষ্টিত সর্গ সমাপ্ত।।
উপকরণ সাৰিবাকামিনীর স্থায় প্রতীয়মান হইছে। সেই পর্বতের উত্তর- পঞ্চবষ্টিতম সর্গ। তটে ফলভারনত পাপনিচ সমাকীর্ণ স্বাপেক্ষা না- বশিষ্ঠ বলিলেন,-অয়ি কমলােচন। আমি আমার” এ কারী রমণীয় এক সানুদেশ আছে। উমেশ হইতে প্রবাহিত ভাব ত্যাগ করিয়া, মনের দ্বারা মনের উচ্ছেদ করিলে আত্ম- নিরসলিল আসিয়া সেই সানুস্থিত রত্নখচিত পুৰিীতে পতিত সাক্ষাৎকার খটে। আত্মসাক্ষাৎকার না হইলে এই জগৎ-দুঃখ, হইতেছে। সেই সানুদেশ স্থাছুক্ষনাথা হইতে নিপতিত চিত্রিত ভাস্করের স্থায়ও আর অন্তমিত হয় না অর্থাৎ চিরকালই পুষ্পস্তবকে লয় হইয়া রহিয়াছে। তদীয় প্রদেশে অঙ্কোল, খাকিয়া যায় এবং মেয়ের স্থায় ও গাঢ় অন্ধকারের ন্যায়, গামৰ পুৰাগ ও নীলোৎপল উৎফুল্ল হইয়া রহিয়াছে। স্থানে স্থানে (মলিন) এই বিশাল সংসারবর্ষা মহাসাগরের ন্যায় অগাধ হইয়া লতাজালে সূৰ্য্যদেবকে আচ্ছন্ন করিয়া রহিয়াছে ; কোন কোন উঠে ও পুনঃপুনঃ দুংথতরঙ্গমালার কারণস্বরূপ হইয়া কেবল দুঃখ- স্থান রপ্ৰভায় ভাস্বর। কোথাও বা অসুফলের রস নদী হইয়া তরঙ্গই বিস্তার করিতে থাকে। এই বিষয়ে একটা পুরা ইতি- | গিয়াছে। ঐ সামুপ্রদেশে অত্রিমুনির বিশাল আম বিদ্যমান। হাস আছে। সেই ইতিহাস, সহপর্বতের প্রদেশে অস ও ঐআশ্রমে শান্ত সিদ্ধগণ পরিশ্রম অপনােদন করিয়া থাকেন। বিলাস নামক দুই মিত্রের বৃত্তান্ত। ব্রিলােকবিজয়ী সহ নামে স্বর্গের ন্যায় রমণীয়তাশালী ঐ আশ্রম এমন কি, শিবলােক এক গিরি আছে , উহার উর্ধোক্সি নিকট আকাল, পাগদেশের | ব্ৰহ্মলােকের সাদৃশ্য ধারণ করিয়াছে। ১৬৭। পূৰ্বে ঐ বিস্তৃতিতে ভূল ও জলভাগের উৎকর্ষে পাতালতল পরাজিত। মহান আশ্রমে, আকাশে শুক্র-বৃহস্পক্সি স্থায় দুইটা ভবিৎ ঐ গিরির উপরিভাগে অসংখ্য পুষ্পিত মহীরুহ বিদ্যমান। ঐ তপস্বী ছিলেন। তথায় এক স্থানে স্থিত ঐ অপসরের বিশুদ্ধ পৰ্বত হইতে অসংখ্য নিৰ্ম্মলজলবাহী নিৰ্মৰ বহিঃস্থত হইয়াছে। সুন্দর দুইটা অনুরূপ পুত্র জন্মিয়াছিল; তৎকাশে-বােধ হইয়া গুইকগণ ঐ পতর নিবি রক্ষা করিয়া থাকে। উহার স্থানে ছিল যেন, এক স্থানস্থ দুইটা কমলের দুইটা ফুলকোরক উৎপন্ন স্থানে প্রখরতা হেতু দুর্নিরীক্ষ্য রত্নাদি মণিপ্রভা বিকীর্ণ হইতেছে। হইয়াছে। যেমন লতা ও পাদপের পল্লব যে দীর্ঘ হইতে ১৬। মুক্তাপূর্ণ মুক্তামণিকিরণে পরগণ্ডস্থলে সুরহী থাকে, সেইরূপ নেই তপখীয়ের পুত্র দুইটা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইতে যেমন শােভিত হয়, সেইরূপ ঐপৰ্বত স্থানে স্থানে মুক্তারশিপূর্ণ লাগিল। উহাদের মধ্যে একের নাম বিলাস, দ্বিতীয়ের নাম ভাস। ভানুকিরণ-ভম্বর ফর্ণ ডটদেশে সুশােভমান। উহার কোন স্থলে | পরস্পর সুমি, পরস্পর প্রীতি ও সৌহভাষাপন্ন সেই তাপস, পুষ্পরাশি নিকী, কোন স্থান গৈরিক-ধাতুনিচয়ে সমাকীর্ণ, কুমারদ্বয়, লি ও তৈলের ন্যায় এবং পপ ও সৌরভের ন্যায় কোথাও বিকশিত কুসুমমণ্ডত সরােবর, কোথাও বা যশােভী পরস্পর আশ্লিষ্টভাবে ( সর্বদা একত্র সহবাসে অবস্থান করিতে শিলাট শােভা পাইতেছে। এদিকে নির্নরের জলপঞ্জনধ্বনি, লাগিল। পুত্রবান তাপসদ্বয় পরস্পর একান্ত অনুরক্ত হইয়া ওদিকে বোপুঞ্জের সংঘর্ষধ্বনি, অপরদিকে গুহানিঃসৃত সমীরণের দম্পত্তি ন্যায় অবিযুক্তভাবে কালাতিপাত করিতে লাগিলেন। শব্দ , কোথাও বা ষট্পদের ঘুখদুণগুঞ্জন শ্রুতিগােচর হইতেছে। তাহাদের উভয়ের পরস্পর গাঢসৌহা দর্শনে মনে হইত যে, সেই পৰ্ব্বতের সানুদেশে অপরোকৃন্দের গীতধ্বনি, অরণ্যে উভয়ের একই মন দুই খণ্ডে বিভক্ত হইয়াছে। ২১-২৫। পপক্ষীর নিনাদ, অধিত্যকায় জলধরের গর্জন ও গগনতলে মুকুলিত সরেমধ্যে মধুকররে স্যায় সেই মুনিদ্বয় ঐরূপ পক্ষীর রব, কমলাকরে ভ্রমর-গুঞ্জনধ্বনি, পৰ্যন্তলদেশে কিরাত অভিন্নহৃদয়ে হৃষ্টটিতে সেই আশ্রম শােভিত করিয়া 'অবস্থান দিগের গীতধ্বনি ইত্যাদি বিবিধ্বনি তথাকার লােকের শ্রবণ করিতে লাগিলেন। আজকালমথ্যেই তাহাদের প্রিয় নবকুমার গােচর হইয়া থাকে। সেই পর্বতের গুহামধ্যে বিদ্যাধরগণ ইটা, চন্দ্র-সূৰ্যের ন্যায় বৃদ্ধি লাভ করত লৈ অতিক্রম বাস করে ।৭-১১। উহার উপরিভাগে দেৰগণ, পাদদেশে কুরিয়া মেনে অধিরূঢ় হইলেন। অনন্তর কালক্রমে তাঁহাদের মানবগণ, পাতলতলে বিবরমধ্যে বহু নাগগণ ও কন্দরমধ্যে পিতৃদ্ধয় জরাজর্জরিত হইয়া হে পরিত্যাগপূর্বক স্বর্গে গমন সিন্ধগণ অবস্থিতি করেন । উহার অভ্যন্তরে বহু রত্নাদির আকর করিলেন, বােধ হইল যে, দুইটা বিহঙ্গম কুলায় হইতে, উড়িয়া বিদ্যমান। অত্রত্যচক্ষনর বহুসর্পের ও শিখরাগ্ৰ সিংহ- গেল। উভয়ের পিতার পরলােক প্রাপ্তি হইলে, সেই কুমাৱহয় সমূহের আশ্রয়। পতটা যেন অপর একটা জগৎ। বহুপুষ্পিত নীনভাবাপন্ন ও উৎসাহ হইয়া, জল হইতে উদ্ধৃত কমলের স্যায় পাদপে পাবর্ণ সেই পৰ্বত কোন হলে অধঃপতিত পুষ্প, সন্তপ্ত ও শুস্ক হইলেন। পরিশেষে তাঁহার পিতাদিগের রাশিরূপ মেঘমালয় সমাচ্ছন্ন, কোন স্থানে সদ্যঃপতি পূষ্প উদেহতু ক্রিয় সমাপন করিয়া বিলাপ করিতে লাগিলেন। রাশির অন্তরীস্থিত পাপপুঞ্জ মেঘনালায় পাং, কোথাও হে লোকসান রাম। মহৎ ব্যক্তিরাও বিধিনিতি বা পতমান পুষ্পসমূহুরূপ মারুতচালিত মেঘমালায় আবৃত। অক্ৰিম কৰিতে পারেন না। অনন্তর হায়া সাতিশয় শােকে কোন কোন স্থান গৈরিকানি ধাতুর লিপজে কপিলবর্ণ ব্যথিত হইয়া করুণৰূরে বহুক্ষণ বিলাপ করত মুজ্জিত হইয়া হইয়াছে, কোথাও রঙ্গময় পলাশতলে অবস্থিত পুরুনারীগণ পড়িলেন ,মুর্ভাবস্থায় সমস্ত চেটাগরিত হইয়া ক্ষণকাল চিত্র- যেন কল্পতরুট বলিয়া প্রতীয়মান হইতেছে। ১৪-১৫। পিতর আয় পরম সুখে অবস্থান করিতে লাগিলেন। ২৬-৩০। সেই পর্বত্রে স্থানে স্থানে মেষপ নীলবসনে আবৃত অণরত্ন- পঞ্চশতিতম সর্গ সমাপ্ত।। বিভূষণ থামি। ১) কনক-রমণীয় শিলাসমূহ শিরস্থিত আছি- অলিতে এত নাকের নিকট এক করিয়া থাকে, (১) অভিসারিকা রমণীরা রাত্রিকাল অন্ধকারে নীলন কনক-মণীয় এক পকেক ধরা মা। পক্ষান্তরে কাকের পরিধান করিয়া ভূষণশ বন্ধ করিয়া নিঃশব্দ পদসঞ্চারে অপন্নের আয় রমণয়া কিংবা কনকচূষণে শীয়া যােগবাশিষ্ঠ-ৰামায়ণ । t যক্তিম সর্গ। হইয়া ক্রমাগত আগমাপায় কাল অতিবাহিত করিতে হয়। বিফল বশিষ্ঠ কহিলে-অনন্তর প্রতি শােকাভিভূত সেই ভাপসষয়, করিয়া থাকে। মলােকাপ মতমাঙ্গ পরমাত্মরূপ আলানন্ত কৰ্মা জগণ কুৎসিত আশয়ে মুগ্ধ হইয়া তুচ্ছ বিফলমে আয়ু লিলাখের দাবানল-বিক অরণ্যপাপের স্যায় সন্তাপে বিশুদ্ধ উম্মলিত করিয়া তৃষ্ণপিণ করিণীর লালসায় উন্ধিদ্র হইয়া বহুদুরে হইয়া পড়িন। অরণ্যৰধ্যে মুখভ্রষ্ট হরিণয়ের ন্যায় তাহারা অস ধাবিত হইয়া থাকে। ১৬২৫। এই কায়ত হইতে আয়ু ও হায় ও শাম হইয়া সংসারে আসক্তি পরিত্যাগপূৰ্ব্বক বিরক্ত- বিবেকরূপ চিন্তামণি কৃথাই নষ্ট হইয়া যাইতেছে। এই কায়- তাৰে কালাতিপাত করিতে লাগিলেন। ক্রমে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বৎসরের পর বৎসর, এইরূপে বহু বৎসর অতীত বৃক্ষের হরূপ নীড়ে বৃদ্ধ লােভরূপ গৃই কেবল জিপসভায় হইয়া গেল। ক্রমে তাহারাও খজাত পাপের স্যায় জর্জ বুলি জীর্ণপণের ন্যায় বিগলিত হইতেছে, ইহাতে এই সংসারের রিত হইয়া পড়লেন। এইরূপে জর্জরিত হইয়া তাহারা কিয়ৎকাল কতই মৃদুশরীর নিপতিত হইয়া গেল। বদন অপমারূপ বুলিতে বিযুক্তভাবে অবস্থিত করিলেন; তখন তারা বিমল আত্ব- তত্ত্ব জ্ঞান লাভ করিতে পারেন নাই। একদা তাহারা মিলিত ধূসর হইয়া তুষারাহুত কমলের ন্যায় মলিনতা প্রাপ্ত হয়, দেহ হইয়া পরস্পর কথােপকথনে গুরত্ত হইলেন। বিলুপ্ত হইয়া যায়। যৌন-সলিলের অপসরণে এই কায়নােবর প্রথমে বিলাস কহিলেন, হে পৰমৰ ভাস। জগতে তুমি এই আমার শুল্ক হইয়া গেলে আয়ুরূপ রাজহংস ক্ষণমধ্যে পলায়ন করে, জীবনরূপ পােপের ফলস্বরূপ, তুমি আমার হৃদয়স্থিত আর ফিরিয়া আসে না। কালরূপ মারুতলে বিধূত এই জীর্ণ সুধাসমুদ্র, তােমার মঙ্গল হউক।১-৫। হে সাধে' তুমি অনেশে নিপতিত হইতেছে। ২২-২৫। মন ভােগরূপ ভুজঙ্গ জীবনরূপ বৃক্ষ হইতে ভােগরূপ কুম ও দিবসরূপ পত্ৰসমুহ আমার সহিত বিযুক্ত হইয়া এতদিন কোথায় অতিবাহিত করিলে? তােমায় তপস্যা সফল ত? ভােমার বুদ্ধি এক্ষণে নিমগ্ন হইতেছে। নানাবিষয় রাগরঞ্জিত তরল তৃষ্ণা দেবাদির আলয় গণের ও দুরূপ মঞ্জুকে আশ্রয় মােহরূপ অন্ধকারকুলের প্রবাহে বিরা হইয়াছে ত? তুমি এক্ষণে আত্মবান্ হইয়াছ ত ? তােমার বিদ্যা ফলবতী হইয়াছে ? তােমার সমস্ত কুশল ত ? চৈত্যস্থানে উত্থাপিত পতাকার ন্যায় দূরারােহিণী হইয় থাকে। বশিষ্ঠ কহিলেন, এইরূপ সত্তাষণকারী সংসারে সাতিশয় বিরক্ত অনন্ত কালরূপগর্তে বাসকারী অন্তকরূপ মূষিক এই সংসারৰূপ অগ্রগুপরমাত্মতত্ত্ব বন্ধু বিলাসকে ভাস সাগরে কহিলেন, হে মান- এই জীবন কু-তটিনীর ন্যায় বাহিয়া যাইতেছে , যৌবন ঐ নদীর তন্তুবায়-তন্ত্রের (ঠাতের জীবনাশারূপ সূত্র ছিন্ন করিয়া দিতেছে। প্রদ। হে সাদে। অদ্য আমি কুশলী, যেহেতু, ভাগ্যক্রমে তােমার দর্শন পাইলাম। কিন্তু সংসারে থাকিলে আমাদের (প্রকৃত) উৎকট তরঙ্গমালা, অসির ন্যায় প্রচণ্ড ক্রোধ প্রভৃতি উহার উপরি- কুশল কিরূপে হইবে ? যতদিন জ্ঞাতব্য বিষয় নিতে না পারি, ভাসমান ফেনরাজী, লােভতৃষ্ণাদি ঐ নদীর বিশাল আবর্ত। যতদিন চিজাত কাম-সঙ্কলারি ক্ষয় ন হইবে, যতদিন এই এই সংসারী লােকের কাৰ্যপরম্পরাও নদীবং প্রবাহিত হই- সংসার হইতে উত্তীর্ণ হইতে না পারি, ততদিন আমার কুশল তেছে , শিল্প, তর্ক, নীতি প্রভৃতি কলাসমূহ ও জগঞ্জে ব্যবহার কোথায় ? ৬-১০। যতদিন দত্ৰ আৱ লালচ্ছেদনের রায় কার্যনিচয় উহার তরঙ্গবং সকলকে ব্যাকুল করিয়া চলিয়াছে, চিত্তসস্তুত আনাসমূহের সমূলে উচ্ছেদ না করা হইবে, তত উহার অন্তর অতি ভীষণ। ২৬-৩০। এই অনন্তকালরূপ আমাদের কুশল কোথায় ? যতদিন জ্ঞানলাভ করিতে না পারি, সাগরের গভীর অন্তরে অনন্ত লােক বন্ধুবান্ধব সমভিব্যাহারে যতদিন সম উদিত না হইবে, যতদিন অবােধ সমুদিত না অঙ্গ নিপতিত হইতেছে। এই দেহরূপ রঙ্গশলাকা জন্মে জন্মে হইবে, ততদিন আমাদের কুশল কোথায় ? হে সাবধা। আত্মলাভ মৃত্যুরূপ পক্ষিশ অর্ণবের মধ্যে কোথায় নিমগ্ন হইয়া থাকে, হইলে, জ্ঞান-মহৌষধ না প্রাপ্ত হইলে এই সংসাররূপিণী দুফি তাহা জানা যায় না। সমুদ্রের সচ্ছিদ্র আবর্তে তৃণ যেমন দণিত সূচিকা পূনপূনঃ আবির্ভূত হয়। এই সাররূপ কুপাপের প্রথম হইতে থাকে, সেইরূপ কুক্রিয়াপরায়ণ চিত্ত চিন্তারূপচত্রে অন্ধুর শৈশব, নব যৌবন ইহার গল্পব, অরা ইহাৰ কুনুম, ইহা পুনঃ- চিরবদ্ধ হইয়া কেবলই ঘুরিতে থাকে। চিন্তু অনন্ত কাৰ্য পর- পূনঃ আবির্ভূত হইছে। কামরূপ-জীর্ণ হইতে জরূপ- রূপ তরঙ্গমালায় অধিকাট ও চিত্তানৰ্তিত হইয়া ক্ষণকালও কুসুমশালিনী মৃত্যুরূপ-রীপুরুপু উদগত হইতেছে, বন্ধু- বিশ্রাম লাভ করিতে পায় না। বুদ্ধিরূপিণ পৰিণ “ইহা বর্গর আপন ঐ শরীর দ্বপদজন।১১-১৫। মুসারে করা হইয়াছে, ইহা করিতেছি, পরে ইহা করিব” এইরূপ কল্পনা থাকিলে নীরসরায় এই সৱশ্রেণী (সরের পর সর) পূনঃ- আলে দুদৃঢ়ভাবে জড়িত হইয়া মূর্ভূিত হইয়া পড়ে। ৩১-৩৫। পূনঃ বৃথা অভিহিত হইয়া থাকে;কেননা, মরণের পরে দুষ্কর্মের “এই আম্মর সুহৎ, এই আমার শ” এই প্রকার বিবরূপ ফলে নরকে গমন করিয়া কেবল কুফল জেগ করত ক্ষতি মহাশত্রুগণ, নীলােৎপলের মদীয় কোমল মৰ্ম্মস্থল একেবারে পাত করিতে হয়, তাহাতে বিন্দুমাত্র মুহাম্মাদ নাই, যদি সৈৱাৎ কর্তিত করিয়া ফেলিতেছে। এই চপল-চিত্তরূপমীন চিনণীর কিঞ্চিৎ সুতের ফলে স্বর্গে যাওয়া যায়, হাতেও পূর্বের অনুভূত বিশাল আবর্তে ও তরঙ্গমালায় নিপতিত হইয়া ক্ষণকালমধ্যে ভােগসমূহে আসক্ত থাকিয়া কাপে করিতে হয়, তাহাতে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হইয়া উঠে। এই সংসারী লােকশূহ এবংবিধ বহু অভিনব কিছুই নাই, সেই পুরাতন বিষয়েই পরিপূর্ণ। এই অনাত্মীয়(অনাত্মদেহাছিনিমিত্তক) দুঃখসকল আত্মবুদ্ধিতে সঞ্চয় সুমেও বিভােগরূপ হিংস্র আকীর্ণ তৃষ্ণকণ্টকিত, করুত বা দীনভাবাপন্ন হইতেছে। বহুবিধ সুখের মধ্যপাতী পেতে মহাগুরুল ক্রিয়াপরম্পরায় বিলুষ্ঠিত হইতে হয়। এই লােকসমূহ জামৃত্যুরূপ বিতভত্যায় জন্ম হইয়া জগন্মরূপ অর্থাৎ হাতেও আত্মৰিেেকর সভাৰ নাই; আহাতে দীর্ঘ, পৰ্বতে বিলুণ্ঠিত হইয়া নীরস (ত) পত্রের যায় চুর্ণ বিচুর্ণ অদী, ও, অশুভ, সুখরে আকারে কেবল দুঃখজালে জড়িত হইয়া যাইতেছে। ৩৬-৩১। যতসর্গ সমাপ্ত উপম-প্রকরণ সলিল ও কাঠের স যেমন অতশ্রফেশহে নেল সযতম সর্গ। সম্বন্ধ ও তদ্রুপ বাস্তবিকই জয়, জলের ও কাঠের স বশিষ্ঠ কহিলেন,—তাহারা উভয়ে এইরূপে পরস্পর কুশল দেহ ও দেহীর সম্বন্ধ এবং এডিবি ও জলের সব একই একার প্রশ্ন করিয়াছিলেন। পরে যথাকালে বিজ্ঞান লাভ করিয়া মােঙ্গ ১৬-২০। সর্বত্রই সম্বে বিশুদ্ধ একমাত্ৰ খৰৎ বিদ্যমান। প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। হে হে। সেই জন্য বলিতেছি যে, অৈভাবকলঙ্কিত বিখ দুষ্টসংবিৎ বাস্তবিকই নাই। অন্তঃসবেন পাশবন্ধ চিত্তের বন্ধন মােচনপুৰ্ব্বক সংসারতরণে জ্ঞানব্যতীত (ভাবনা) বলে অদুঃখই দুঃখস্বরূপে উপনত হয়, ভ্রমদৃষ্ট ৰে- অগ্রগতি নাই। এই যে অনন্ত দুঃখ, ইহা বিবেকীর পক্ষে লকে যথার্থ বেতালরূপে ভাবনা করিলে উহা বিশাল আকার বার। সামা অর্থাৎ অনায়াসচ্ছেদ্য। ক্ষুদ্র পক্ষীর নিকট সাগর দুস্তর করিয়া থাকে। স্বপ্নে অঙ্গসজাগ মিথ্যা হইলেও তাৎকালিক বটে, কিন্তু ভুজশত্রু গরুড়ের নিকট তাহা গােষ্পদপ্রমাণ। নিশ্চয়বশে যেমন কাৰ্যকারী এবং স্থাণুতে বেতালম যেমন পাহারা দেহাভিমানশূন্য হইয়াছেন, সেই মহাত্মারাই চিত্র যথার্থ জ্ঞানহেতু ভয়মােন্থাদিকাৰ্য্যকারী হয়, সেইরূপ অন্তরে আত্মায় অবস্থিত হইয়া, দর্শক যেমন দূর হইতে জনতা নিরীক্ষণ দৃঢ় নিশ্চৰ থাকিলে অসম্বন্ধও দ হইয়া গড়ায়। সলিল ও করে, জাপ দূর হইতে দেহ গৰ্শ করিয়া থাকেন, অর্থাং তাহারা কাষ্ঠের সম্বন্ধ যেমন অগ্রা, শরীর ও পরমাত্মার সম্বও দ্রুপ দেহের অদূরে অবস্থান করেন। এই দেহ দুঃখে অতি-ক্ষোভ অসংপ্রায় অর্থাৎ মিখ্যা। অল্পস অর্থাৎ অহাবের অধ্যাস না প্রাপ্ত হইলে আমাদের ক্ষতি কি? পুরা রথ ভালিয়া গেলে থাকায়, জল যেমন কাষ্ঠ পানে পীড়া বােধ করে না, সেইরূপ সারথির ক্ষতি কি? ১৫। হে রাম! মন বিক্ষুব্ধ হইলে আহ্মাও অসঙ্গ অর্থাৎ দে েঅধ্যাসনূন্য হইলে দেহ-দুঃখে দগ্ধ চিত্তরে কি ক্ষতি ? জলের রঙ্গাদি বিকারভাবের সমুদয় জল- হন না। ২১-২৫। আত্মা দেহুভাবনাতেই দেহদুঃখের শত- ধির পূর্ণভাবে বিপর্যয় কি? অর্থাৎ জলবি যাহা তাহাই পন্ন হইয়া পড়েন, ঐ ভাবনা ত্যাগ করিলে তিনি উক্ত দুঃখ হইতে থাকিবে। জলের সহিত হংসের সস কি ? জলের সহিত পাষাণের মুক্তি লাভ করেন, ইহা বুধগণ অবগত আছেন। হে রাম! পত্র আবার সন্স কি ? পাষাণের সহিত কাঠের সম্বন্ধ কি? এই জল, কাষ্ঠ প্রভৃতি পদার্থ পরস্পর সংশ্লিষ্ট হইলেও যেন অন্তঃসঙ্গ ভােগবিষয়ের সহিত পরমাত্মার সম্বন্ধ কি? হে শ্ৰীমান। সমুদ্র নাই, দুঃখানুভব করে না, সেইরূপ আত্ম, সেই ইন্দ্রিয় ও মন মধ্যে পর্বত থাকিলে অহার সহিত সমুদ্রের আবার কি সম্বন্ধ ? অন্তঃসঙ্গশু হইলে পরস্পর শ্লিষ্ট থাকিলেও একেবারে দুঃখপরিত সেইরূপ পরমাত্মা ও সংসারের আবার কি সম্বন্ধ আছে? নদী হইয়া থাকে। হে রাম। এই সংসারে অন্তঃসই নিখিল উৎসঙ্গমধ্যে পদ্মসমূহ ধারণ করিলেও তাহারা নদীর কে? সেই দেহীর জরান মােহরূপ রুর কারণভূত বীজস্বৰূপ। যে জীব কপ এইশরীর পরমাত্মার কে ? অর্থাৎ কেহই নহে। যেমন কষ্ঠি ও অন্তঃসঙ্গ, সেই সংসারসাগরে নিমগ্ন , যাহার অন্তঃসঙ্গ নাই, সেই সলিলের সঙ্কটে (পরস্পর আঘাতে) উতুঙ্গ জলশীকর উখিত সংসার-সাগর হইতে উণ। ২৬-৩০। অন্তঃসঙ্গবিশিষ্ট চিত্তকে হয়, সেইরূপ দেহ ও আত্মার সমাধাগ হওয়াতেই এই চিত্তি শশাখাবিজারী বলা হয়, অন্তঃসঙ্গবিহীন চিত্তকে বিলয় প্রাপ্ত উছিত হইয়াছে। *১। যেমন জলের উপরে কাঠ লইয়া বলা হয়। অন্তঃসক্তচিত্তকে ভগ টিকলিজালির স্থায় অপবিত্র গেলে জলে কাঠের প্রতিবিম্ব পডে, সেরূপ প্রতিবিশ্বরূপে পর, বলিয়া আনিবে। অন্তঃসক্রিশ মদীয় চিত্তকে অভগ্ন স্পটিক মাত্মায় এই শরীর লক্ষিত হইতেছে। যেমন দর্পণে বা জলতরফে শিবলিঙ্গালির ন্যায় পবিত্র বলিয়া আনিবে। অন্তঃসঙ্গ চিত্ত নিপতিত বস্তুর প্রক্সিবি সত্যও নহে, (১) মিথ্যাও নহে, সংসারী হইলেও নির্মল। অন্তঃসঙ্গচিত্ত দীর্ঘতপােনুষ্ঠাননিত আত্মাতে এইরূপ শীরও তদ্রুপ জানিবে । যেমন কাষ্ঠ, পাষাণ, হইলেও অতিবদ্ধ আনিবে। অন্তঃসত মনই বদ্ধ, অন্তসক্তি এবং জলের পরস্পর সংযােগ বা বিয়োগে কাহও কোন প্রকার বিজিত মনই মুক্ত। অন্তঃসঙ্গ ও অসৰই ৰন্ধ ও সুখ বা দুঃখ বোধ হয় না, সেইরূপ দেহাদি-আকারে পরিণত এই মােক্ষের কারণ। কাতারবাহিনী নৌকা যেমন কাষ্টমন্ত্রী হইলেও পঞ্চভূল্পে পরস্পর যোগ ৰা বিয়ােগে কোন ক্ষতিই দেখি না। কাষ্ঠগত ছছন-ভেজন-দাহজনিত-গুণদেবে ও জলের চলন, দারুসঙ্গটিত সলিল হইতে যেমন কম্পনশব্দ প্রভৃতি হইয়া পরিবর্তন, নির্মলতা, পঙ্কিলতা প্রভৃতি গুণদোষে আক্রান্ত হয় থাকে, সেইরূপ চিংসন্নিধানষত্রে বােধিতদেহ হইতে স্পন্দাজি না, সেইরূপ বিনি অন্তঃসঙ্গত, তিনি কাৰ্য করিলেও কর্তৃত্ব সমুখিত হইয়া থকে। এই যে আভাসরীন সুখদুঃখালি সংক, ভাগী হন না। ৩১-৩৫। অসুঃসজশে জীব অকর্তা হই ইহাবিশুদ্ধচ্ছি বা জড় শরীর এই দুইয়ের মধ্যে কাহারও নহে, সেও কর্তা হয়; যেন সুখদুঃখময়ী স্বপ্নদশায় নিশ্চেষ্ট ইহা একমাত্র অজ্ঞানেরই, আমাদের সেই অজ্ঞান দূর হইলে ব্যক্তির দুই যাত্রাভিয়ে পলায়ন্যাকুলতা দৃষ্ট হইয়া থাকে। একমাত্র চিৎই অবশিষ্ট থাকিবে। ১১-১৫। যেমন কাষ্ঠ ও সনি সেই চেষ্টা হইলেও, যেমন স্বপ্নদিলে হয়, সেইরূপ চিতের লের সংযােগে কাহারও মুখদুঃখানুভূতি হয়, সেইরূপ দেহ ও কর্তৃত্বে জীবের কষ হইয়া থাকে। চিত্তের কর্তৃত্বদশায় নিশ্চেষ্ট দেহাভিমানীর পরস্পর মিলনে কাহারও মুখ বা দুঃখের অনুভব জীৰে বিন্ধু সুখদুঃখদর্শন হওয়াতে, জীব প্রধান কর্নার গয়ই হয় না। যাই এই সংসার অজ্ঞের নিকট সত্য বটে; কিন্তু হইয়া থাকে। (নিশ্চেষ্টভাবে সমাসীন ব্যক্তি জানাতে জ্ঞানীর নিকট ইহা একান্ত মিথ্যা। যেমন পাষাণসলিলের সখ পুত্র বা ভূতাদির যুদ্ধব্যাপার সশনে তাহাদের জয়পরাজয়ে উভয়ের অৰিষ্ট নহে, সেইরূপ মনােরত্তিতে সল এই বাই মুখ দুখ অনুভব করিয়া থাকে, সে ৰূলে ঐ নিশ্চেষ্ট ব্যক্তি কর্তা বিষয়ভােগের অনুভূতিও বাবিক জ্ঞানীর অন্তঃপ্রবিষ্ট নহে। হইতে সুখদুঃখের অদূৰ কয় কৰা বলিতে হইবে। মনের কর্তৃত্বাভাবেই লােকের অকর্তৃতা স্পষ্ট উপলব্ধি হইয়া (১) মূলে “নাসভ্যানিন নাকি এইরূপ পাঠ হইবে। থাকে, কেন ন, শুচিব্যক্তি কোন কাৰ্য কৰিলেও তার যােগশিষ্ঠ-রামায়ণ অনুভব করিতে পারে না, সে হলে তাহাকে অকৰা বলিতে যাহার মল সর্বদা একমাত্র আত্মতত্বে পরিনিষ্ঠিত থাকে এবং হর্ষ- হইবে। চিকৃত কর্ম তুমি প্রাপ্ত হও, চিত্ত যাহা করে, ক্রোধের বশপন্ন হয় না, সেই ব্যক্তি সঙ্গবিবর্জিত এবং তিনিই তাহা তুমি এও হও না অর্থাৎ তাহা তােমার অনুভুত হয় না। জীবন্মুক্ত বলিয়া নিদিষ্ট হইয়া থাকেন। যিনি নিখিলকর্ম ও চিত্তের যদি কর্তৃশক্তি না থাকিত, তাহা হইলে দেহকে কর্তা তৎফলাদি মনের দ্বারা একেবারে ত্যাগ করিয়াছেন, তিনি কাৰ্য্য বলিয়া কন করা যাইত। অসঙ্গী মন কৰ্ত্ত হইনে অর্ডা ভাগী না হইলে অসংসক্ত বলিয়া কীৰ্ত্তিত হইয়া থাকেন। এক- (১) বলিয়া কৰিত হয়, কারণ যে অসঙ্গী (আসক্তি-শূন্য) সে মাত্র অসঙ্গে নানারূপ বিত্তিত নিখিল চেষ্টার চিকিৎসা করা কৰ্ম্মফলের ভােক্তা হয় না। । যেমন অনেক স্থলে হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে শেয়ােলাভ হইয়া থাকে। একৱ সুলাই দেখা গিয়াছে, দূরন্থিত কান্তায় আসক্তচিত্তব্যক্তি পুনরাবর্তী সৰ্ব্বপ্রকার বিতত দুঃখরাশি জাত কন্টকতরু ন্যায় শতশাখা শীতােষ্ণাদি ক্লেশের অনুভব করে না, সেইরূপ অনাসক্তব্যক্তি বিস্তারপূর্বক বন্ধিত হইতে থাকে। ৬-১০। নাসাবদ্ধরঞ্জ এশাইত্যা করিলে বা অশ্বমেধ যজ্ঞ করিলে, তজ্জনিত পাপপুলে গভঃ যে পথিমধ্যে ভয়ে ভয়ে ভারবহন করিয়া লইয়া যায়, তাহা লিপ্ত হয় না। অন্তঃসক্তিযিনি জীব বিকেপাভাবজনিত পরমসুখ একমাত্র ঐসংসক্তিরই বিকাশ। বৃক্ষ যে একদেশে অবস্থিত হইয়া অনুভব করে, সে বাই কোন কর্ম করুক বা নাই করুক, তন্নিবন্ধন শরীরে শীত, বাত ও আতপ-কে সহ করে, ইহা ঐ সংসক্তির সে কর্তা বা ভােজা কিছুই হইবে না। অন্তঃসত্যি যে মন, পরিণাম। ক্ষুদ্র কীট যে ধরাবিবরমগ্ন হইয়া কিষ্টশরীরে বিশ- তাহাই অকৰ্ত্তা, সেই মনই বিমুক্ত, প্রশান্ত ও নির্লেপ। অতএব তাবে কাপণ করে, ইহাও ঐ সংসক্তির বিশুণ। ক্ষুধায় কী এই নিখিমপদার্থ নিশ্চয়ই বহিঃষ্টি, অন্তঃশ্লিষ্ট নহে, অজ্ঞন- জঠর পকী যে কাহারও আঘাতভয়ে ভীত হইয়া বৃক্ষশিখায় শয়ন নিবন্ধন উহায় যে অন্তঃসক্তি তাহা সর্বদুঃখকরী, উহা যত্নপূর্বক কত আয়ুক্ষপণ করে, ইহাও ঐ সংসক্তিরই বিলাস। দূর্বার- পরিহার করিবে। বেশন স্ফটকমণির ন্যায় নির্মল সলিল, তৃণাহারী হরিণ কিরাতশরপীড়িত হইয়া যে দৈহত্যাগ করে, তাহাও নিশিত অসিধারার নীল-সলিলে মিলিত হইয়া এক হইয়া ঐ সংসক্তির বিকাশ। ১১-১৫। এই জনগণ জরাজীর্ণ হইয়া যায়। সেইরূপ চিৰ অন্তঃসঙ্গরূপ দোষ হইতে আত্যন্তিক মুক্তি (মৃত্যুর পর) যে পুনঃপুনঃ কৃমি-কীট হইয়া জন্মগ্রহণ করিতেছে, লাভ করিতে পারিলে, শান্ত আকাশবৎ নিৰ্ম্মল হইয়া প্রাক্তন ইহাও ঐ সেক্তির বিজু গুণ। এই অনন্ত ভূতনিবহু,তরঙ্গযুক্ত দশাপ্রাপ্ত হওয়ত নিৰিলনিন্মুক্ত প্রত্যকৃরূপী আত্মার সহিত জলাশয়ে তরঙ্গের স্যায় বারংবার উৎপন্ন হইয়া লয় প্রাপ্ত হইতেছে, একীভব প্রাপ্ত হন ইহা সংসক্তিরই বিলাস। নরগণ স্থাবর লতাতৃণ দশাপ্রাপ্ত হইয়া সপ্তষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত ॥৬৭। যে পুনঃপুনঃ মৃত হইতেছে, ইগ ঐ সংসক্তি বিলাস। গু- লতা প্রভৃতি ভূতলস্থিত রসের যোগে যে আকার বৃদ্ধি করিতেছে, ইহা ঐ সংসক্তি বিশ। ঐ সংসক্তির বিকাশেই অনর্থপর- অবষ্টিতম সর্গ। রাসদৃশ পদার্থসমুহে সঙ্কুলা এই সংসারনদী উম্মতভাবে বহিষ যাইতেছে। ১৬-০। হে রাঘব। ঐ সবক্তি বিবিধ, বন্যা ও রাম কহিলেন—গবন্! সঙ্গ কি প্রকার, কিরুপেই বা অন্ধ্যা (১ তম্মধ্যে বন্ধ্যাসংসক্তি সর্বত্র মূঢ়দিগেরই হইয়া থাকে, উহা মনুষ্যদিগের বন্ধের কারণ হয়, কি প্রকার বা উহা নােক্ষের ব্যাসংসক্তি তত্ববিদিগেরই নিজস্ব (অথাৎ ভবিং ব্যতীত হেতু হয়, উহায় চিকিৎসাই বা কিরূপে হয়, ইহা আমাকে অপরের উহা হয় না)। আত্মতত্ত্বের নিবন্ধন নেহার্দি- বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, বৎস! ভাবনাবলে দেহ ও দেবীয় পদার্থের বস্তুতাজ্ঞানে সংসারে যে দৃা শক্তি, ইহাই বন্ধ্যা-সংসক্তি জড়ত্ব চিন্ময়ত্বরূপ বিভাগ পরিত্যাগপূর্বক দেহমাত্র যে বিশ্বাস নামে কথিত ইয়া থাকে। আরে জ্ঞাননিবন্ধন যথার্থ তাহাকেই যন্ধের কারণভূত সঙ্গ বলা হইয়া থাকে। অনন্ত ভূবিবেকজনি সংসার পরিত্যাগপূর্বক যে পরমাত্মায় যে আত্মতত্ত্বের অপরিচ্ছিন্ন সুখস্বভাব বিস্মরণপূর্বক পরিচ্ছেদ- ধূটাসক্তি, 'ইহাকে বন্দা সংসক্তি কইে। হন্তে শঙ্খচক্রগদাধারী কলনা কমিয়া ভৰি যে বিষয়ে অভিলাষ, তাহাকে বই দেৰ নারাল বন্দাসংক্তি বণতঃ বিবিধরূপে এই ব্রিলােকী পরি- “এই নিখিল-পদার্থই একমাত্র আত্মা, ইহাতে পান করিতেছেন। বক্ষ্যা সংসক্তিশেই দিবাকর প্রতিদিন আজই বা কি? আর বামই বা কি?” এইরূপ অসঙ্গভাবে বিন্নান গগল পথের লতত পথি হইতেছেন। ২১-২৫। বস্থানই জীবতের অবস্থা জানিবে। আমি অহঙ্কার বা সংক্তিবশেই মহাপ্রলয়ের বিদেহমুক্তি বিশ্রাম পর্যন্ত - পরিচ্ছিন্ন নহি; আমার অও কেহ নাই; এ এই দেহাসি পায়কানাপিত সৃষ্টিকল্পনাকারী এই ব্রাহ্মব ফুরিত মিথ্যা, ইহাতে বিষয়ৰ কুকুৰা না থাকুক, আমি দেহাতি (যবহারপ্রল) হইতেছে বাসংসক্তি বশেই শঙ্করীর স্বভাবও অনাসক্ত” এই প্রকার ঘৃনিয়ে যিনি দেহাদিবিষয়ে অর্না- গৌরীরূপ আলানে লীলাক্রমে আসক্ত ও ভূতিভূষিত ইয়া শক্তভাবে অবস্থান করেন, সেই মানৰই মুক্তিজনই থাকেন। অবস্থান করিতেছেন। ব্রহ্মজ্ঞানে দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত সিদ্ধ, লােক- ১-৫। যিনি নির্যর অলিনও করেন না এবং ফলাৰু পালগণ ও অন্যান্য দেব ব্যসংসক্তিৰণৰ অগৎ এলে আর কোন কর্মে আসক্ত হন না, কাসিটি ও কাধের অগিছি অবস্থিত রহিয়াছেন। অন্য ভুবনবাসী ভৰিগ ৰাসংসক্তি উতৰ সমবুদ্ধি হইয়া থাকেন, তাঁহাকে অসৎসক্ত বলা হয়। যাই অত্যুবিহীন বীরসমূহ ধারণ করিয়া রহিয়াছে। মন যথা সমীয়া কলিকা, মাংস কালের কাম সে (১)লে একর্বৈব” এইরূপ পাঠ আছে, ঐ ৰূলে আৰু বে; কাজ, অকর্তা মনের কি মন ক্লীবলিঙ্গ। (১) ল্যাংসনীয়, ব-নিলা পুরুষাথফলতা। * কহ।
লম-এর। ভাগকালে নিপতিত হইতেছে, হয় বঙ্গসংসক্তি বিলাস। বিশেষ (লভারি। যেমন মিশ্রিত তৃণ হইতে উৎপন শহি -৩০। সংসক্তিবশতই বায়ু দুবনমধ্যে প্রবহমান হইতেছেন, দ্বারা বন্ধ হয়(১) সেইরূপ লীৰ ৰিত সংসক্তি যারা নিই পঞ্চভূত অবস্থিত রহিয়াছে এবং এই জগৎস্থিতি নির্বাহিত হই দন্ধ হইয়া থাকে। অসমৰ সৰ্বত্ৰই পৰশ শাভি তেল তেছে, (এ সমস্তই ঐ সংসক্তিবশত)। (সংসক্তিবশতই) করে, তাদৃশ মন অনন্ত আকাশের স্যায় অপরিচ্ছিন্নভাবে অষ- স্বর্গে দেবগণ, ভূলে মানবগণ, পাতালে নাগগণ ও অনুরগণ স্থিত। সংস্বরূপের আসরূপ অসং প্রায় মন অসত্যৰ ব্ৰহ্মাগুরূপ উডুমুর ফলের অন্তর্গত মশকেরায় স্কুরিত হইতেছে। ধারণ করিলে, কেবল সুখেরইনিমিত্ত হইয়া থাকে। যিনি সর্বত্র (ঐ সংসক্তিবশতই) এই অনন্ত ভূগণ তরঙ্গাথার অলাশয়ে সংসক্তিবিহীন, অতএব বিদ্যা অংশে ভুয়া এবং অবিল- ভরবৎ জাত, মৃত, উৎপতিত ও নিপতিত হইতেছে। ভূতগণ বিষয়ে অপ্রাপ্ত চিতে অবস্থান করেন, তিনি মুক্ত ৪৬-৫৩। নিঝৰিনিঃসৃত অম্বুকণার ন্যায় যে বিরসভাবে বারংবার উৎপতিত অস্তিতম স সমাপ্ত। ৮। হইয়া বিলীন হইয়া যাইতেছে, ইহা ঐ সংসক্তির বিণ। (ঐ সংসক্তিহতুকই) জড়তায় জীর্ণ ভ্রান্ত জনগণ পরস্পরে আহত একোনমতিতম সর্গ। হইয়া, (মাৎস্যন্যায়ে) অম্বরে বিশ্ব পর্ণের ন্যায় ঘুরিয়া বেড়াইয়া বশিষ্ঠ কহিলেন,—বিবেকী পুরুষ তত্তৎকালােচিত সর্ববিধ থাকে। ৩১-৩৫। পাদপােপরি মশকশ্রেণীর ন্যায় গানে নক্ষত্র ব্যবহারপৰায়ণ ইষ্ট-পুত্রমিত্রাদির সঙ্গে অবস্থিত এবং লৌকিক মালা, পাতলজল জলপ্রবাহের য়ি আবৰ্ত্তাকারে স্কুরিত হই ও শাস্ত্রীয় অনিষিদ্ধ সর্ববিধ কর্মে অভিরত থাকিলেও চিত্তকে ডেছে, (সংসক্তিই ইহার কারণ, সর্বত্রই এইরূপ বুঝিতে কুত্রাপি আসক্ত রাখিবেন না। আঁহার চিত্ত না কোন চেষ্টায়, না হইবে)। অদ্যাপি চত্ৰ পতন ও উৎপতনে জী, কালরূপ বাল- কোন চিন্তায়, না কোন বন্ধুতে, না আকাশে, না অধদেশে, না কে ক্ৰীডাক-কবরূপ জলময় মলিন (কলস্কযুক্ত) আকৃতি পরি- ত্যাগ করিতে পারিতেছেন না। দেবগণও গ্যাপি বিভিন্ন যুগ- ইলিয়াতিতে, না অভ্যন্তরে, না প্রাণে, মস্তকে, না তালুতে, সম্মুখে, না কোন দিকে, না পায়, না বাহবিপুলভােগে, না পরিবর্তনজনিত নানাবিধ অপার দুঃখরাশির পুনর্বিলােকনে না ভ্রমধ্যে, না নাগ্রে, না মুখে, অফিতায়, না অন্ধকারে, কঠোরভাবাপন্ন চিত্তরূপ দুশ্চিকিৎসু ব্রণের অজ্ঞ, সর্বদা দুঃখিত না প্রকাশে, না হৃদয়কাশে, না জাৰে, না খে, না মুক্তি থাকিলেও, তাহা ছেদন করিতে পারিতেছে না। রাখব। ঐ দেখ, একমাত্র আকাশে বাসনাবলে কে এক বিচিত্র চিত্র অঙ্কিত শায়, না বিশুদ্ধসত্ত্বগুণে, না মঞ্চ, না রজোগুখে, না গুণসমষ্টিতে, না চঞ্চলকাৰ্যে, না মুস্থির অব্যক্ত কারণে, করিয়াছে। মনের সংসক্তিরূপ রঙ্গ (ঙ) দ্বারা শূন্য আকাশে আদিতে, মধ্যে, না পার্শ্বে, না দুলে, না নিকটে, না অগ্নে, এই যে চিত্র অঙ্কিত হইয়াছে ইহা কদাচ সত্য নহে জানিবে। না কোন পদার্থে, না আত্মায়, না শস্পর্শরূপাদিতে, না বিষয়- ৩৬—৪০। এই সংসারে যাহারা সংসক্তমনা হইয়া ব্যবহারী অগ্নিশিখায় তৃণের ন্যায়, তৃষ্ণাকর্তৃক তাহাদের শরীর ভক্ষিত হই ভােগাভিলাষে, না আনন্দব্যাপারে, না গমনাগমন চেষ্টায়কুত্রাপি আসক্ত রাখা উচিত নহে। ১৭। উদীয় চিত্ত, নিশ্চলা বুদ্ধির খাকে। সমুদ্রের নালুকার ন্যায় সরেণুসমূহের গায়, গুসক্ত- -সাক্ষী কেবল চিত্রে বিভ্রান্ত হইয়া একমাত্র পরমানন্দরসময় ও মভি দেহ কে গণিয়া উঠিতে পারে ? অর্থাৎ সৎসক্তমতির দেহ অসংখ্য, (তাহাদিগের নেছত্যাগ একান্ত অসম্ভব ), মুক্তার অবস্থায় অবস্থিত জীষ, এই সমস্ত ব্যবহারিক কর্ম সম্পাদন করুকু অপর সর্ববিষয়ের রসাস্বাদশূন্য হইয়া অবস্থান করুক। তথাবিধ মুক্তা, গঙ্গার , সুমেরু-পৰ্বয়ে আপাদ সমন্ত ভাগও গণিতে পারা যায়। কিন্তু সংসক্তটিভের দেহ গণিয়া উঠা যায় কল্পনা করা প্রযুক্ত কোন দোষও নাই, যেহেতু সে আসক্তি, বা না করুকু (অং সম্পাদনকরণে কোন ফল নাই , কর্তব্য না। সংসক্তমনা ব্যক্তিদিগের জন্ত রৌরব, দ্বীচি, কাহল ঐরূপ অবস্থায় জীব ক্রমে অল্পীৰভাব (ব্ৰহ্মত্ব) প্রাপ্ত হয়। প্রভৃতি নৱকশ্রেণী রমণীয় অপুরূপে কল্পিত হইয়াছে। গত চিত্ত ব্যক্তিকে তুমি প্রজ্জ্বলিত নরকাথির দুঃখ কষ্টচৰ বলিয়া স্বাস্বায় ব্রত জীৰ বাহক্ৰিয়া কৰিলেও তাহার কর্তা হয় না, কারণ, আনিও, করণ, তাদৃশ ব্যক্তি দ্বাৱাই নরকাখি প্রজ্বলিত হইয়া আকাশে যেমন মেঘ সংলগ (সংযােগপ্রাপ্ত হয় না, সেইরূপ উঠ। ৪১-৪৫। এই জগতে যাহা কিছু দুঃখ আছে, উৎস ক্রিয়াফলভাগী হয় না। কিংবা জীব চেভ্যাংশ সেই বুদ্ধিসাক্ষী তাহার সহিত কোন ক্রিফলের সহিত সম্বন্ধ নাই, অর্থাৎ দয়ই সংসব্যক্তিদিগের জন্যেই কলিত্ব হইয়াছে। জলকােল ভাবও পরিত্যাগপূর্বক শান্তচিন জলস্তম্ভণিৰ স্থায় আত্মায় শালিনী মহানদীসমূহ যেমন সমুদ্রে গিয়া পড়ে, সেইরূপ সর্ববিধ প্রশান্ত হইয়া অবস্থান করুক। হে রামভদ্র! আত্মায় নির্বাণ দুখপত্র সৎসুচিত্ত ব্যক্তির নিকটে গিয়াই উপস্থিত হয়। প্রাপ্ত হইয়া সতত আত্মভাবে সমুদিত ব্যবহারফলেজাত জীব এই চিত্তের সংসক্তিই অবিদ্যা, এই অবিদ্যাই ভারভূক্ত শরীর ব্যবহারী হইলেও আসক্তি হওয়াতে কৰ্ম্মফলের সহিত সম্বন্ধ মন্তকে বহন করিয়া থাকে, জীবের মৃত্যুও ইহা দ্বারা হয় না, কিন্তু যাবৎ এরকম না হয়, তাবৎ হের- প্রকল্পিত, অধিক কি, এই সমস্তই এই এৰিষ্যার কল্পনা মাত্র বন করিতে থাকে, ( রক্ষয়ে বিদেহকৈবল্য প্রাপ্ত বলে বিস্তৃতিলাভ করিয়াছে, হে আম! বর্ষাকালে নদীসমূহ হল)। ৮-১২। " শেষন বিস্তৃতি লাভ করে, সেইরুপ ভােগাশক্তি পরিত্যাগ কম্বিনে একোনসপ্ততিত সর্গ সমাখ।। সর্ববিধ ঐ বিস্তৃতি লাভ করে; অর্থাৎ সর্বপ্রকার সুখলাভ হইয়া থাকে। বাব। এসব দেহের অলিনসপাদক (১এক জাতীয় ওষধি এক-নাশক তৃণের সহিতই মিশ্রিত আর জানিও। হে রাম! অসলের তাই দেহের (ততা থাকে; এক-তৃ হইতে আবার প্রায়ই অন্তি নির্গত হয়, কারক) রসায়ন এরকলাৰক শিবের সহিত মিশ্রিত ওষধি কালৰ ঐখিকে এই আশ্রয়দাষে অক্ষি' হইতে হয়। } বােগবাণিষ্ঠরামায়ণ ভাব এবং তখন বাবার কে কাহাকে পীড়া দিবে। - শতিতম সর্গ। বুদ্ধি জীব জৰীলাক্রমে কর্ম করিলে তাহাতে আজ ই না; বশিষ্ঠ কহিলেন, নিরন্তর অসংসক্তিসুখের আস্বাদনে বুভ, সে জীবন্মুক্ত হইয়া অবস্থান করে। ১১-১৬। হে জন পূর্ণভাবে অবস্থিত মহাত্মগণ, লৌকিকব্যবহারপর হইলেও তুমি ঐরূপ সুষুপ্তবৃত্তি অবলম্বনপূর্বক প্রারব্ধপরিপাকবশে উপা- অন্তরে শােকবিহীন হইয়া অবস্থা করেন। অসংসভব্যক্তি গত লৌকিক বা শাস্ত্রীয় বর্ণাশ্রমীর কাৰ্য কর বা না কর, অর্থাৎ বিক্ষোভের নিমিতভূ ধনপূত্রাদির নাশ বন্ধন ও অপমানাদি তখন তােমার করা, না করা—কোন বিষয়েই ইচ্ছা হইবে না, কারণে বিদ্ধবৎ লক্ষিত হইলেও, তাঁহার চিত্তবৃত্তি পরমার্থখে কারণ, তত্ত্ববিদের কর্মপরিত্যাগ বা কর্মেই আগান কিছুই অবঞ্চিত থাকায়, (সৰ্ব্বা পরমার্থমুখে মগ্ন থাকায় তিনি সর্বদা রুচিকর হয় না। আত্মত্ববিদগণ যথাপ্রাপ্ত কর্মেরই অনুবর্তী অন্তরে পূর্ণভাবে অবস্থিত থাকেন, এই চন্দ্রমণ্ডলের ন্যায় হইয়া থাকেন। যদি তুমি অজ্ঞ হইয়া সুষুপ্তিগত বুদ্ধিতে কোন লীয় বদনমণ্ডলে সর্বদাই শ্ৰলক্ষিত হয়, (কপি বিষন্নতা কার্য কর, তাহা হইলে তুমি কৰ্ম্মের কর্তা হইবে না, যদি ললিত হয় না। যাহার মন চেকাৰ পৱিত্যাগপূর্বক একমা আত্মতত্ব অবগত না হও, তাহা হইলে অকর্তা হইলেও ভূমি চিলম্বী হইয়া গতজর হইয়াছে, তাহার অনুগ্রহে, ককফলে কর্তা হইবে (অর্থাৎ কর্তৃত্বনিবন্ধন যে সুখ-দুঃখাদির অনুভব, সলিলের ন্যায় অপরাপর মূঢ়জনগণও প্রসন্ন (নিৰ্ম্মল হইয়া থাকে) তাহা তোমার যাইবে না, এক্ষণে তোমার যাহা ইচ্ছ, তাহাই ( তিনি যে নিজে নিল, ইহা আর বলিতে হইবে কেন? সর্বদ কর। হে রাখব। যেমন ট্রাষিত শিশু (উত্তানায় বালক) আত্মদৃষ্টিতে লীন সুস্থভাবে অবস্থিত তত্ত্ববিং জলে প্রতিবিম্বিত কোন প্রয়োজন সাধনের উদ্দেশ না থাকিলেও (স্বাভাবিক সূর্যের ন্যায় চঞ্চলভাব ধারণ করত যে ক্ষুব্ধবং লক্ষিত হইয় আনন্দেই। স্পন্দিত হয়, সেইরূপ তুমি ফলসঙ্কল্প না করিয়া থাকেন, তাহা বাস্তবিক মিথ্যা অর্থাৎ যেমন প্রকৃত সূৰ্য্য চঞ্চল হয় কৰ্ম্ম করিতে থাক। ১৭-২০। জীব পরমাত্মাকে লাভ করিয়া না, প্রতিবিম্ব সূৰ্য্যই চঞ্চল হইয়া থাকে; কিন্তু প্রতিবিম্ব সূৰ্য্য সত্য চেতভাৰবিহীন চৈ পদে সুস্থ ও জাগ্ৰদৰস্থাতেও মুষুপ্ত- হে মিথ্যা, সেইরূপ তত্ত্ববিদের প্রতিবিম্ব অংশই চঞ্চল ৰা ভাব প্রাপ্ত হইয়া যে যে কল করে, তাহাতে তাহার কর্তৃত্ব নাই। বিন্দু লক্ষিত হইয়া থাকে, প্রকৃতপক্ষে তাহা মিথ্যা) পরমাত্মায় তত্ত্ববিং স্বকীয়চিত্তে বাসনাগরিশূন্য ও সুষুপ্তদশ্য প্রাপ্ত হইয়া আরামপ্রাপ্ত প্রবুদ্ধ মত্যুদয়শশী মহাত্মগণ বাহিরে ময়ুর- পরমানসে অন্তরে শীতশির ন্যায় শীতলভাব ধারণ করেন। পুচ্ছের অগ্রবং চঞ্চল হইলেও অন্তরে সুমেরুপক্সে আয় অচল তিনি সুষুপ্তদশায় অবস্থান করত মহাতেজোময় পূর্ণচন্দ-মণ্ডলের অটলভাবে অবস্থান করেন ১৫ মণ স্ফটিকমণি যেমন বন- স্যায় পূর্ণ হইয়া, পৰ্ব্বত যেমন সকল ঋতুতে সমভাবে অবস্থিত জব্যে রঞ্জিত হইলেও তাহাতে রঞ্জিত থাকে না অর্থাৎ স্ফটিক হয়, (ঋতুবিশেষে তাহার বিশেষত্ব কিছুই লক্ষিত হয় না, মণিকে মেন রঞ্জন দ্রব্যে রঞ্জিত করা যায় না, সেইরূপ আত্মভাব সেইরূপ সকল অবস্থায় সমৰূপ থাকেন। পৰ্বত যেমন চালিত প্রাপ্ত চিত্ত সুখদুঃখে রঞ্জিত হয় না। যেমন জলরেখার পছু হইলেও চলিত বা স্পন্দিত হয় না, সেইরূপ দশায় রঞ্জিত হয় না সেইরূপ যে চিত ঈরত ও জীবতত্ত্ব অবগত অবস্থিত পরমাত্মাতে স্থিরতা প্রাপ্ত ভৰি ৰহ কৰ্মে বিচলিত হইয়া নিরতিশয় আনন্দ-অভ্যুদয় প্রাপ্ত হইয়াছে, সংসার দৃষ্টি হন না। হে রাম। তুমিও ঐরূপ বিগতকলুষ হইয়া সুষুপ্তি ভাদৃশ চিত্তকে রঞ্জিত করিতে পারে না। যখন এই জীব পরমাত্ম জয় অবস্থিতি করত শীস্থ দেহকে নিপাত কর অথবা শৈলবৎ বোধপ্রাপ্ত হইয়া বাহুবিষয়ভির হেতুভূত মল হইতে নির্মুক্ত দীর্ঘকাল ধারণ করিয়া থাক। ২১-২৫। হে রাম! এই থাকাতে, অধ্যান-অবস্থাতেও নিরতিশয়-আনন্দস্বরূপ পরমাত্মার সুষুপ্তিদশ অন্যসবলে সুদৃঢ় হইলে, ইহা তত্ত্বজ্ঞগণকর্তৃক তুরীয় সই ফুরণ হেতু নির্বিকল্পসমাহিতের ন্যায় সর্বদা আখ্যানময় দশরূপে কথিত হইয়া থাকে। অচ্ছ মহােদয় গল্পের সকল হয়, তখন সে স্ব-সক্ত (আত্মসঃ) বলিয়া কীর্তিত হয়। হে প্রকার ফীড়া পরিশু ও ঐকান্তিভাবে অন্তমিতমন হইয়া রাখব। উক্ত অবস্থায় উপনীত হইলে জীব অধ, নিত্য ও আনন্দময় হইয়া থাকেন। অদৃশ্য অবস্থায় অবস্থিত প্রমুদিত অন্যায়বিহীন হইয়া জাদ্দশাতেই সুষুপ্ত লক্ষিত হইয়া থাকে। দৃক পরমানন্দনে ঘূর্ণিত হইয়া এই দৃশ্যকে সর্বদা জীব পরমাত্মাষ আরাম প্রাপ্ত হইলেই অসংসক্ত হয়, আত্ম- লীলার ন্যায় অবলােকন করেন। আত্মবান এইরূপে তুরীয় নেই সংসক্তির ক্ষয় হইয়া যায়, অন্ত কোন প্রকারে নহে। দশায় সমারূঢ় হইয়া সংসারম পরিহারপুৰ্ব্বক শােকভয়ক্লেশ ৬-১০। যেমন ক্রমশ কলায় প্রাপ্ত হইয়া চল আমাষ- পরিপুষ্ট হইয়া থাকেন, তিনি আর অদৃশী অৱস্থা হইতে প্রচ্যুত দিবসে সূৰ্যভাব প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ অভ্যাসনে উক্তশায় হন না। ধীরবুদ্ধি ঐ তত্ত্ববিৎ পবিত্র আত্মপদীতে সমারূঢ় হইয়া, আরূঢ় জীব পবিত্র চিৰ্যভাবে পরিণত হইয়া যায়। চিরে শৈলস্থিত-ব্যক্তি যেমন নিম্নস্থল দর্শনি করে, সেইরুপে এই চিদশ ক্ষয় হইলে প্রীশচিতে (বিষয় হইয়া) যে অব- ভ্রমসঙ্কুল জগৎকে হা-সহকারে দর্শন করিয়া থাকেন। ২৬- দ্বিতি, তাহাই গ্ৰশার সুযুগুতাৰ বলা যায়। ঐ সুমুঞ্চাশ এই তুরীয়দশায় অবিনশ্বর স্থিতি লাভ করিয়া তিনি একান্ত প্রাপ্ত হইয়া মানব জীবিত থাকিয়া ব্যবস্থায়ী হলেও কদাচ সুখ আনন্দে গীৰ হওয়াতে সর্লো মহানল প্রাপ্ত হল। মে দুরূপ রজু দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। অবস্থায় ঐরূপ অনুপ্ত ঐ সর্বোত্তম মহানন্দকা হইতে অতীত ও ভূৱীয় পাতীত হয় যে ব্যক্তি জগৎক্রিয়া নির্বাহ করে, কৃত্রিম পণিকাৰৎ ইলে যােগী মূক্ত বলিয়া অবিহিত হইয়া থাকেন। তখন তাঁহার সেই মানকে সুখদুঃখ-দৃষ্টি আসিয়া আক্রমণ করিতে পারে না। সমস্ত অশ্বপাশ বিগলিত হইয়া যায়, তাঁহার সকল কার যায় Wতা শক্তিই চিত্রে পীড়াকরী, ঐশক্তিই ইনিসা অভিমান বিলপ্ত হয়। তৎকালে ঐ মহাত্মা জগত অসত্তালিবল সুখদুঃৰ প্ৰদান করিয়া থাকে। চিত্ত বন ও সৈন্ধববৎ পরসী সা লাখ ইয়া থাকেন। (শত উপশম-একাণ। সৈবের যেমন কিছু দৃশ্যত্ব থাকে না, আম্বা কে তাহার কোনই সম্পর্ক নাই এবং আমার সহিত কিরণেরও সকালের অস্তিত্বমাত্র অনুভূত হয়, সেইরূপ তিনি নিরাকার হইয়া সত্ত- সহিত আলােকে যেরূপ সম্বন্ধটা হন, সেইরূপ দেহের স্বরূপে অবস্থান কমেন)। ৩১-৩০। সহিত আত্মার সম্বন্ধ কোনরূপেই হয় না। হে রম। ঈক্ষপ সপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত।। যেমন পরস্পর নিচ্ছি শীতে সহিত উফের সবট হয় না, তেমনি দেহের সহিত আত্মার সখ নাই আনিবে।' সুত্রঃ নিবিভিন্ন জড়দেহের সহিত চেতনার সব একসপ্ততিতম সর্গ। কিছুতেই অনুভূত হয় না, নুং মির আত্মার যে দেহের সহিত সম্বন্ধ আছে” এই কথাটার মর্মগ্ৰহ অতি অসম্ভব ,যেরূপ বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রঘুনাথ! যখনই তুরীয় ব্রহ্মের সাকা- দাবানলে সমুদ্র আছে, এ কথা অসম্ভব। সত্যদর্শনে ঐ সনু হয়, তখনই কৈবল্যপদ পাওয়া যায়, উহাই জীবজের ও দেহাত্মাসম্বন্ধের অধ্যাসও আতপসংস্পর্শে শুল্ক, জলের ভায় বেদবাক্যের বিষয়। হে মহাবাহ। অন্তরীক্ষ যেমন বায়ুর বিষয় বিনষ্ট হইয়া থাকে। চিন্ময় আত্মা নির্যল, নিত্য, স্বপ্রকাশ হইলেও অন্যের লভ্য নহে, সেইরূপ ঐ তুরে অতীত-পদ বিদেহ- স্বরূপ ও পাপসম্পর্কবিহীন, কিন্তু দেহ অনিত্য ও সৰ্ব্বদা মলযুক্ত, মুক্তেরই লভ্য, অন্য জীবমুক্তের কি বেদবাক্যের বিষয় নহে। সুতরাং সেই দেহের সহিত আত্মার সম্বন্ধ কিরূপে শটিৰে, আরও আকাশ যেমন বােমচারী বায়ুলেরই গম, সেইরূপ দূর হইলেও দেখ, মৃতদেহের আত্মসম্পর্ক থাকে না বুজ্জিা স্পন্দন হয় না। অতিদূরবর্তী সেই বিশ্রামস্থান একমাত্র বিদেহমুক্তদিগেরই লভ্য নুং আত্মা ও দেহে বিশেষ সম্বন্ধ আছে, এই সিদ্ধান্ত নিতান্ত হইয়া থাকে। জীবন্মুক্তেরা সুষুপ্তাবস্থার স্যায় কিছুকাল জগদ্যাপার ভ্রম। কারণ প্রাণাদিয়ুর সম্পর্কেই দেহের স্পন্দনাদি হয় ও অনুভব করত পরে পরমানন্দে পরিপ্লুত হইয়া তুরীয়পদ প্রাপ্ত হন। অন্নাদি বস্তুর সামর্থ্যেই সুলতা পাইয়া থাকে, সুতরাং সেই অনন্তর সেই আত্মজ্ঞানীরা যেমন তুৰ্যাতীতপষে বিশ্রাম করেন, আত্মার সহিত দেহের কোন সম্বন্ধ। হেমতে। দ্বিত্ব সিদ্ধ হে রাম। তুমিও সেইরূপ স্বাতীতপদে গমন কর এবং সুষুপ্তা- হইলেও দেহের সহিত কোনরূপ সম্বন্ধের সম্ভাবনা নাই, কিন্তু বস্থার অনুসরণে ব্যাবহারিক সত্তায় সংশ্লিষ্ট খাক, তাহা হইলে অসিদ্ধ-বিষয়ে এরূপ কল কি করে হইবে ? যেমন চিত্রাঞ্চিত শরীরের ক্ষয় ও রাহুগ্রাস থাকে না, সেইরূপ দ্বৈতভ্রম পরিত্যাগ করিয়া, সেই অদ্বৈত চিন্মাত্রেই অবস্থান কর, তােমারও মৃত্যু ও সমুদয় ভয় দূর হইবে । এই দেহস্থিতির নাশে তাহাতে বন্ধমােক্ষ প্রভৃতি কিছুই নাই। হে রাম। অবিল- ও অবস্থানে সংবিদের কিছুমাত্র ক্ষমােদয় হয় না। কারণ, শরীর সংসারকে আত্মস্বরূপে শান্তিপ্রাপ্ত দেখিবে ও সেই বিশ্বাসকে রহিয়াছে ইহা নিতান্ত ভম, মুন্ত্রাং দেহের নাশে বা স্থিতিতে বাহে ও অভ্যন্তরে সর্বত্রই দৃঢ় করিবে। আমি সুখী, আমি তােমার কিছুমাত্র প্রয়ােজন সিদ্ধ হয় না, অতএব তুমি অজ্ঞানে দুঃখী ও আমি নিতান্ত মূঢ়, এইপ্রকার দর্শন নিতান্ত গর্হিত ও উদ্যােগী হইয়া পূর্বাপর সমানভাবেই অবস্থান কর। তুমি সেই ইহাতে যদি যাথার্থবুদ্ধি রাখ, তাহা হইলে অপার দুঃখে নিমগ্ন পারমার্থিক সত্য জানিছি এবং সেই কৈবল্যধামে উপস্থিত হই হইবে। পর্বতে ও সামান্য তৃণে স্পর তুলনায় যে বিশেষ মাছ ও সেই অখণ্ড বাক্যার্থের স্বরূপ জানিয়াছ, সুতরাং আত্ম অভিল, কার্পায়ে ও পাষাণে যের পার্থক্য, পরমাত্মায় ও কল্যাণের জন্য শােক হও এবং তােমার অন্তর ইষ্টানিষ্টবাসনা শরীরে পরস্পর তুলনায় সেই বিশেষ অনিবে। তেজে ও বিহীন হওয়ায়, মেঘে ও অন্ধকারে বিরধিত শরৎকালীন আকাশের অন্ধকারে যেরূপ পরস্পর সম্বন্ধ ও তুলনা নাই, অতিবিভিন্ন স্যায় শােভা পাইতেছে এবং খেচরী-বিদ্যায় নিপুণব্যক্তি যেরূপ আত্মাও' শরীরে ভদ্রুপই সম্বন্ধ ও তুলনা নাই। শীততাষ্ণের গগন ত্যাগ করিয়া ভোমমুখের অনুসরণ করে না, প তােমার পরম্পর এক যেরূপ কথাভে নাই, দ্রুপ জড়দেহে ও চেত- জ্ঞানশুদ্ধচিত্তও বান্ধবিষয়ের লালসা করিতেছে না, যেহেতু তুমি আত্মাতে পরস্পর সংযােগ নাই। দেহ বায়ুৰশে চলিতেছে, বিশুদ্ধ চিৎশক্তিসম্পন্ন হইয়াছ। সুতরাং এই আমি, ইহা আসিতেছে যাইভেদেও দেহমধ্যবর্তী নাড়ী-নিচয়ে সঞ্চরমাণ আমার” এইপ্রকার জ্ঞান তােমার দূরীভূত হউক। এবং বায়ুর বলেই শব্দ করিতেছে। যেমন বেণুর অন্তরে বায়ু প্রবেশ ‘আমি' এই সংজ্ঞাকাল কেবল ব্যবহারনিপালনের জন্যই হই করিলে অব্যক্ত শব্দ নিঃসৃত হয়, তদ্রুপ দেহরঞ্জ কাদিস্থান আছে। কারণ, ব্ৰহ্মস্বৰূপ হইতে নামের বা রূপালির কল্পনা দূরগতা হইতে কবর্গচবর্গারিশসমূদয় নিঃসৃত হইয়াছে এবং সমুদ্র যেরূপ সকলই সলিলতবাদি পৃথক কোন হইয়া থাকে, আর চম্পন্ন হেতু তারার স্পন্দনও বায়ু হইতে বন্ত নহে, সেইমত আত্মাই এই সমস্ত ব্ৰহ্মাণ্ড বস্তুর পূখ উপাধি সম্পন্ন হয়। এই প্রকার সকল ইন্দ্রিয়কা বায়ুরই, একমাত্র কিছুই নহে। যেমন সমুদ্রে জলরাশি হইতে ভিন্ন কিছুই নাই, সংবিৎস্বরূপ কাৰ্য আত্মারই হইতেছে। যদি সেই আত্মার তবং আত্মসরূপেই বিস্তৃত জগতে আত্মভিন্ন কিছুই পাওয়া অবস্থাবিশেষরূপিণী সংবিৎ আকাশপর্বতাদি সমুদয় বস্তুতে যায় না। হে মুখে। এই আমি এইমপে কেন ভ্রান্ত হইতে, থাকায় সর্বগত, তথাপি গণমধ্য প্রতিবিম্বের মত চিত্তেই সংসারভাবের যাহাতে ভূমি ও যাহা ভােমার, এরূপ আছে কোথায়, সম্যক্ পরিস্ফুটা হইতেছে। এই চিন্তস্বল্প পবির শরীয়রূপ এবং যাহাতে তুমি রহিতেছ না ও যাহা মাের নহে, এরূপই আবাস পরিত্যাগ করিয়া স্বীয় ৰাসনালে যথায় গমন করে, কোথায় আছে। ব্ৰহ্মস্বরূপের দ্বিত্ব নাই এবং সেহদি ও তাহা- থায়ই আত্মা অনুভূত হইয়া থাকেন। যেরূপ পূল যেখানে দের সহিত সম্বন্ধ কিছুই নাই এবং সূর্যের সহিত অন্ধকারের গন্ধও সেখানে থাকে, তদ্রুপ যেখানে চিত্ত, সেই স্থানেই আত্মায়, সম্পর্কের ন্যায় কোনরূপ উপাধিকও নাই। আর যদিও তাঁহার সংৰিৎ বিদ্যমান থাকে। আকাশ যেমন সৰ থাকিয়াও দ্বিত্বাদি স্বীকার করা যায়, অপি বিদ্যমান দেহলির সহিত তাঁহার দর্পণে প্রতিবিম্বিত হয়, অসৎ অন্য সর্বব্যাপী ইয়াও বায়ুর ক্রিয়াতেই তবে যে তুম বা টাকা আমি যােশবাণিষ্ঠ-কামারুণ চিমধ্যে দৃষ্ট হন। যেমন ভূতলে নিয়াল, বেল্প আশ্রয় তাহার মনের ক্ষয় বিবেচনা করা নিভন্ত এম; কারণ ঐ বস, হয়, ড্রপ অন্তঃকরণ সংবিদের আধার হইয়া থাকে। সূর্যের কিরণরাশির মধ্যে প্রবিষ্ট থাকে। মেনি নেংহইলে সুপ্রভা যেরূপ আলােক বিস্তার করিয়া থাকে, তদ্রুপ অন্তঃ- দেহীর ধ্বংস হয় না, কারণ ঐ আত্মা বাসনাসম্পন্ন হইলে তখ করণবিধিত আত্ম-সংৰিই এই সত্যাসত্য অগপ বিস্তার বাসায় ও বাসনাবিহীন হইলে অন্তরীক্ষে আত্মস্বরূপে অবস্থান করিয়া থাকে। সুজাং অন্তঃকরণই ভূতসৃষ্টিবিষয়ে কারণ করে। দেহের নাশ বিয়া যে ব্যক্তির আমি নষ্ট হইলাম’ বলিয়া হইতেছে, সবকাপ আত্মা প্রতিকি আর কারণ হইলেও বুদ্ধির ভ্রম হয়, আমি বিবেচনা করি, সেই মুঢ়ব্যক্তি বেতাল । স্বরূপঃ কারণ হইতেছেন না। পণ্ডিতেরা এই সংসার- জন্মিয়া কমনীর স্তন পান করিয়াছে। যে দৃঢ়বহ্মনস্বরূপ উপ- স্থিতি নিদান অবিচার, অজ্ঞান ও মূঢ়তাকে পূর্বোক্ত অত বির আত্যন্তিক নাশ হইলে, জীব উদিত হয় অর্থাৎ নিরতিশয় করণের কারণ নির্দেশ করেন এবং ঐ অন্তঃকরণই মিথ্যালশন- আনলক্ষণ অ্যুদয় প্রাপ্ত হয়, তাদৃশ চিত্তনাশই জীবের সংস্কৃারলে মােহবশত ভ্ৰমৰীজের কণারূপিণ সত্তাকে সূৰ্য্য বিনাশ এবং অহাই অহার মােক বলিয়া সাব করা হইতে রাহদর্শনের স্থায় গ্রহণ করিয়া মিথ্যা চিত্তাকারে পরিণত যায়। জীব নষ্ট এবং মুত এই প্রকার উক্তি মিথ্যা বলিয়া বােধ হে রাম। যেমন দীপ অন্ধকারকে ঝটিতি দূর করে, হয়। কেন না, ঐ জীবকে দেশ এবং কালে অস্তরিত হইয়া পুন সেইরূপ চিত্ত বস্তুর স্বরূপ অবগত হইলেই তাহার সত্তা থাকে পুনঃ দেহান্তর গ্রহণ করিতে দেখা যায়। এই সংসারে মরণব্যপ না এইরূপে সংসারের কারণীভূত অজ্ঞান প্রাপ্ত হইলেও দেশনদীতে অঙ্গমখ্যগত তৃণায়মান অবসকল দেশকালে অধিকারী চিত্ত থাৎই জীব, অন্তঃকরণ, চিত্ত ও মন এই সমুদয় তিরােহিত হইয়া ভ্রান্তিবশতঃ এবংপ্রকার অর্থাৎ মৃত, নষ্ট, জাত, নিজ সংজ্ঞরই সবিশেষ বিচার করিকেন। রাম কহিলেন, সুখী, দুঃখী ইত্যাদি ভাবের তর্ক বিতর্ক করিয়া থাকে। বানর যেরূপ চিতের এই সকল জীব প্রভৃতি সংজ্ঞা কি এক বক্ষ পরিত্যাগ করিয়া বক্ষান্তর আশ্রয় করে, তদ্রুপ জীবও প্রকায়ে রূট বা ঘােগসি হইয়াছে, তাহা আমায় বিচার- বাসনাবস্থিত হইয়া এক শরীর ত্যাগ করিয়া অন্য শরীরে অবস্থান নিম্পত্তির জন্য বর্ণন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। করে। হে রাবব। পুনর্বার তাহাও ত্যাগ করিয়া, কণমধ্যে অন্য যেমন তরঙ্গকণাসমুদয় জলইতে উদ্ভূত হয়, দ্রুপ এই সমু বিস্তৃত দেশে অন্য এক সময়ে অপর দেহ প্রাপ্ত হয়। কপটাচারিণী দ, ভাবই আত্মতত্বের সহিত একরূপে পরিণত চিত্ত হইতে ধাত্রী বালকদিগকে যেরূপ এদিক ওদিকে ভুলাইয়া লইয়া যায়, প্রকাশ পাইয়া থাকে, তাহার মধ্যে কোন কোন অর্থাৎ এম জাবগণের স্বরূপাবরণকারিণী বাসনাও সেইরূপ তাহাদিগকে বস্তুতে স্পন্দনস্বরূপ আত্মা অধিষ্ঠিত আছেন , যেমন সমুদ্রের চিরদিন ইতস্ততঃ ভ্রামিত করিতে থাকে। পরস্পর পরস্পরের তরঙ্গে সলিল থাকে এবং কোন কোন অর্থাৎ স্থাবর বস্তুতে অস্প- উপযােণী বলিয়া জীবগণই জীবগণের জীবনােপাৱস্বরূপ। তাহারা অরূপী মহাপ্রভু আত্মার অধিষ্ঠান আছে, যেমন ভালরূপে অপরি- বাসনপাশে আবদ্ধ হইয়া পর্বতগহরে কৃচ্ছসাধ্য কৰ্ম্মানুষ্ঠান এত সলিলমাত্র সলিলবই বর্তমান থাকে। সমস্ত পদার্থের দ্বারা জীবনকে পূর্বে জীর্ণ করিয়া ফেলিলেও আবার পূর্ব- মধ্যে পাষা+প্রভৃতি স্থাব পদার্থ আত্মাতে থাকে ও যেমন সুরার রূপ কুঞ্ছসাধ্য ব্যাপারে নিরুত হইয়া উহাকে অধিকতর জীর্ণ করিতে ফেন সুরা হইলেও আকৃবিশেষে থাফিয়া চঞ্চল, তেমনি জীব থাকে। জীবগণ হৃদয়নিহিত বাসনার বশবর্তী হইয়া অতিজীর্ণ প্রভৃতি বজাত আত্মরূপ হইয়াও স্পন্দনশী বলিয়া ছল অপেক্ষা জীর্ণ হইলেও দারিদ্র্য, রােগ ও বিয়োগাদি বিবিধ দুঃখভার এবং সেই অজ্ঞান প্রতিবিম্বভাবাপ আত্মায় ভূষিত হইয়া জীব- বহন করে এবং নানা প্রকার দেহান্তরদিপরিণ দ্বারা জর্জরিত সংজ্ঞায় নির্দিষ্ট হইতেছে। তিনিই সংসারে মহামােহের, হইতে হইতে, চিরদিন নিয়ে নিপতিত হইতে থাকে। বাল্মীকি মায়াময় পঞ্জরের মধ্যে আবদ্ধ গজস্বরুপে অবস্থান করেন। কহিলেন, মনি এই কথা বলিতে বলিতেই দিবস অতীত হইল, জীব ধাতুর অর্থ প্রণিধারণ, উহা করিতেছেন বলিয়াও সূৰ্য্যদেব অগমন করিলেন, সভাস্থ সকলে পরস্পর নমস্কারাতে যৌগিক জীব উপাধি পাইতেছেন। আমি এ অভিমানে অহং• সাংকৃত্য সম্পাদনার্থ দান করিতে যাইলেন। অনতর রাত্রির ভাব উৎপন্ন হইতেছে এবং প্রকৃতির অর্থের অনুসরণে নিশ্চায়ক অবসানে রবিকিরণােদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই সকলে পুনৰ্ব্বল সমবেত বলিয়াই বুদ্ধিমান হইতেছে। ঐরূপ মনধাতুর অর্থ মনন, সেই হইলেন। ৬১-২। সংকলমাত্রের কল্পনাকারী বলিয়া মনঃসংজ্ঞায় অভিহিত হই, একসগুলি সর্গ সমাপ্ত। ৭১। তেছে। এইপ্রকার মন জলদৃষ্টি ও চেতনদর্শনের মধ্যবর্তী থাকি বহুপ্রকার লাভ করত জীব, বুদ্ধি, জি এভূতি নানা সংজ্ঞায় বিস্তৃত হইতেনে। জীবের এবংবিধরূপ বহদারণ্যক প্রভৃতি লিপ্ততিতম পর্গ বহুত বেদান্তশীতে বারে বর্ণিত আছে সত্য, কিন্তু বেগবিজ্ঞানবিহীন কুতর্ক ও তুলনায় নিপুণ মুখ লােকেই বশিষ্ঠ কহিল,হে অধুনাথ! দে থাকিলেই তুমি নি মােহেয় জই এইকার বহুবিধ এবংজ্ঞার অভিনিবেশ থাকিতেছ না ও দেহ নষ্ট হইলেও তুমি না হইচ্ছে না , কারণ, কবিন্ন থাকে। হে মহাবাহাে। জীব এই প্রকারেই সংসারের তুমি আকাতেই অকলঙ্ককালে বহিয়াছ, শরীর তােনার কিছুই কারণ হন, রাগার্দিবিহীন অভিড় নেই কোনক্রমেই কারণ নহে; হতে পারে না। আবারও ধেয়ের মধ্যে একজনের নাশ সেহসম্পর্ক সিদ্ধ হয় (যেমন একীর অর্থাৎ কুণ্ডের বা টের এ ধ্বংস হয় না বলিয়াই দেহের ধ্বংস হইলেও নাশে আপলের অর্থাৎ বাম বা আকাশেও না হয়) একনা জীবের নানা জােিব। ৫৫-৬০। যেমনপত্র শুল্ক হইলে অতি ভ্রমাত্মক; সুন্নাৎ এই গায়ানুসারে দেশে আয়ও উলাম-প্রকরণ। বিনাশ বিবেচনা নিত মমাত্র। বিনশ্বর শরীরকে ধ্বংসস- পূর্ণ সংসারও তখন অসীম অক্সার স্বরূপেই স্পন্দিত হইয়া থাকে। মুখ দেখিয়া, যে ব্যক্তি স্বয়ং নষ্ট হইলাম' বুঝিয়া খেদ করে, হে রাম! সংসারে এবংবিং মহাজ্ঞানী অনাসক্ত নিপাপ জীব- সেই অন্ধচেতাকে শতথি থাকিল। হে রাম। রথে ও এশ্মিতে মুক্তোই পরপদে উপনীত হইয়া বিচরণ করেন। যেমন - পরস্পর যেরূপ সমূদ্ধ, আরও দেহ, চিত্ত ও ইন্দ্রিয়াদির সহিত সমুদয় সামান্য শিল-প্তাদির ন্যায় মন্দিরণিতে অনাসক্তবেই সেইরূপই দ্বেষানুরাগ-শূন্য সম্বন্ধ জানিবে। যেমন সরােবরে পঙ্কের প্রতিহত হয়, তদ্রুপ সেই শ্রেষ্ঠপুরুষেরা বাসনাশূন্য হইয়াই চিত্তের সহিত নির্মল সলিলের সম্পর্ক, সেইরূপই আত্মারও দেহ ব্যবহার আশ্রয় করুত বিচরণ করেন। যেমন সমুদ্রের কুপতিত দির সহিত পরস্পরাপেক্ষী গন্ধ আনিবে। ১-৫। যেমন তৃণকাষ্ঠাপিতেও অন্তরীক্ষের ধূলিসম্পর্কে কোনরূপ মালি হয় না, অধ্বগলিগের অতীত-পথের অঙ্গ খেদ ও প্রাপ্তপথে মমতা সেইমত আত্মজ্ঞানী স্বীয় লৌকিক ব্যবহারচিরণে কিছুই মলিন হয়, তদ্রুপ দেহীর ও দেহের সহিত সংযােগে মত ও বিয়ােগে হন না। ঐরূপ সমুদ্রের যেমন স্বচ্ছবস্তুসম্পর্কে স্বচ্ছতা ও মলিন- । দুঃখ ইহা অহেতুক ও অকিঞ্চিৎকর অনিবে। যেমন সংযােগে মালিন্য হয় না, আত্মব্যক্তিরও স্বচ্ছ ব্যবহারে অনুরাগ সঙ্কলকল্পিত বেতালের বদনদশনব্যাদানাদি হইতে শিশুদিগের কিংবা কলুষব্যবহারে ৰেষ হয় না, কারণ তাঁহারা জ্ঞাত হন যে, মিথ্যা বয়ের প্রকাশ হয়, সেইমত স্নেহখাদিও মিথ্যা কল্পিত জগন্ধাপার সমুদয়ই চেত্যাভিমুখ চিত্তের স্ফুরণ ভিন্ন আর কিছুই জানিবে। হে রাম। যেমন একটা বৃক্ষ হইতে অসংখ্য আশ্চর্য্য নহে। হে রাম যে আমি ও যাহা ভূত, ভবিষ্যৎ, বর্তমান কালয়ে পুত্তলিকা সমুদয় নির্শিত হয়, তদ্রুপ পঞ্চভূতপিণ্ড হইতেই আছে, এ সমুদয় বিশ্বের দর্শন-সম্পৰ্কবশে নেরই প্রকাশ হইয়া পৃথক্ পৃথক এই জীবসক্স উৎপন্ন হইতেছে। যেমন কাষ্ঠ- থাকে মাত্র , এ সংসারে ধাহা দূ, সে সমূদয় অসং, কিংবা সৎ রাশিতে কাষ্ঠ ভিন্ন ছুিই দৃষ্ট হয় না, তদ্রপ পাঞ্চভৌতিক দেহে ইহার বিচারণায় দৃষ্টিপ্রসারণ করা মিথ্যা, সুতরাং এই জাগতিক- পঞ্চভূতন্নি কিছুই দেখা যায় না। হে প্রাগিণ। এই পঞ্চ- ব্যাপারে শােক বা আনন্দের কোনই কারণ নাই। যখন সত্য, ভূতে সংশ্লেষ ও বিশ্লেষ দর্শন করিয়া কেন অকারণ অনিন্দ ও অসত্য ও সত্যাসত্য, এই ত্রিবিধ বিষয়মথ্যে অসভ্য, নিত্যমিথ্যা বিষাদের বশতপন্ন হইছে, এইরূপ স্বদেহের স্থায় নারী নামক ও সত্য নিত্যস্থির এবং সত্যাসত্য পরস্পর বিরুদ্ধ, সুব্রাং এই কোমল পঞ্চভূতময় পিণ্ড অন্য সুন্দর দেহেও কোন প্রান্ত্রেই বিষয়ত্রিভয়ে কোনরূপেই আনন্দ বা বিষাদের স্থান হইতে পারে অনুরক্ত হইবে না, কারণ পঞ্চভূতের গঠনানুসারে অবয়বের সৌন্দর্য্য না, তবে কেন বৃথা মুগ্ধ হইতেছ ? হে মুলােচন। এক্ষণে মিথ্যা- অদিগের সন্তোষের জন্য হইলেও পরমার্থজ্ঞানীরা কি স্ত্রী, ' দর্শন ত্যাগ করিয়া পরমার্থ অবলােকন কর, কারণ পরমার্থদশী পুরুষ, সকল দেহই পঞ্চভূতাতিরিক্ত কিছুই দর্শন করেন না প্রাজ্ঞব্যক্তি কোন বিষয়েই মুগ্ধ হন না। দৃশ্যের দর্শনব্যাপারেই যেমন এক শিলাখণ্ড হইতে নির্মিত পুত্তলিকাদ্বয় পরস্পরে সংশিষ্ট | মিথ্যাভানের উদয় হয় সভ্য, কিন্তু তাহাতে নিজামুভূমিত্রে খাকিলেও অনুরক্ত হয় না, ভদ্রুপ চিত্ত ও শরীর এত্ৰ থাকিলেও সংবেদ্য পরমাত্মবিষয়ক যে সুখ, তাহাকে ব্ৰহ্মস্বরূপ নির্দেশ একের প্রতি অন্যের অনুরাগ হওয়া উচিত নহে। হে রাম। করেন, রাং দৃশ্যের দর্শনব্যাপারে সুখের সীমা নাই। উক্ত মূল্পর পুৰুষকুত্তির পরস্পর সমাগমে যাদৃশ ভাবােদয় হয়, তােমার দৃশ্যদর্শন অজ্ঞব্যক্তিকে সংসারভাব ও প্রাজ্ঞব্যক্তিকে নিত্য- বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়, মন ও আত্মা ইহাদের সম্মিলনে তাদৃশ অকিঞ্চন মুক্তি প্রদান করে বলিয়া, আত্মজ্ঞানীরাই তজ্জলিত সুখের অনুভব ভাবেরই প্রকাশ হউক। যেমন শিলাময় পুত্তলিকাসকলে পরম্পর করেন এবং আস্বাদমান বিষয়ে রাগাপিদোষেই বন্ধন হয় ও সেই মেহসূত্রে আবদ্ধ হয় না, তদ্রপ দেই, ইন্দ্রিয়, মন, আত্মা ইহারাও বন্ধনমুক্তিকে মুক্তি কছে, মুক্তি শ্রদর্শন হইতে উৎপন্ন অনন্ত পরস্পর স্নেহবা নহেন, তাহাতে আর দুঃখের কারণ কি। যেমন সুখজ্ঞান ভিন্ন অপর কিছু নহে। ২২-৩৬। এই জগতিকব্যাপারে ভয়ঙ্গনিচয় পৃথক পৃথক্ স্থানসভৃত তৃণসমূহকে সবলে আকর্ষণ ক্ষমােলয়বিহিত পূৰ্ণানন্দময় অনুভূতিজ্ঞানকেই পণ্ডিতো মুক্তি করিয়া একত্র করে, সেইমত আত্মা ভূতপঞ্চকের একত্র সমাবেশ বলিয়া থাকেন। এবংবিধ মুক্তির অবলম্বনে তােমার অজ্ঞানদৃষ্টি দূর করেন আব্র। হে রব! সাগরসলিলে তৃণসমূহের যাদৃশ দশ হইবে ও স্বরূনশন প্রকাশ পাইৰে। হে রাঘব। এই দৃশ্যের দর্শন- হয়, সেইরূপ জীবসক্স তে কখন সংযুক্ত ও কখন বা বিযুক্ত সম্পর্কীয় জ্ঞানই ক্রমশঃ তুরীয় ব্রহ্মে উপনীত হইয়া, মুক্তিস্বরূপে হইতেছে। যেমন সমুদ্র, আকর্তাদি অবয়বে পরিপুষ্ট হইয়া তৃণ অবস্থান করে এবং সেই মুক্তির অবস্থায় আত্মার যেরূপ অবস্থান্তর কাষ্ঠাদিকে আক্রমণ করত অবস্থান করে, তদ্রুপ আচ্ছ। চিত্তরূপ হয় তাহা বলিতেছি। তখন আত্মা স্কুল বা সূক্ষ্ম হন না, প্রত্যক্ষ পরিধি আশ্রয় করিয়া হেদিকে আলিঙ্গন কর অবস্থান করিতে বা অপ্রত্যক্ষ থাকেন মা, চেজ বা অচেত হন না, অভাবমুক্ত ছেন। সলিল যেমন নিজের স্পন্দনাদিবশে কালুধ্য ত্যাগ করত বা নিত্যসাবান থানে না, আমি বা অপর এরূপেও অনু নৈর্মল্যকেই প্রাপ্ত, দ্রুপ আত্মও জ্ঞানপ্রকাশে বিষয়সংস্কার ভুত হন না ও এক বা অনেক এরূপেও জ্ঞাত হন না, সমপস্থিত ত্যাগ করিয়া স্বরূপত্ব লাভ করেন, তখন খেচর-দেবাদি যেমন বা দূরবর্তী হন না এবং অলভ্য বা লভ্য হল না এবং সর্বত্র বা ভূমণ্ডলকে পৃথকৃস্থিত দর্শন করেন, চিক্রে অনবীন জীবসত্ব দেহ- একত্র কিছুই নহেন। কোন পদার্থবিশষ ফ্লন না, কোন পদার্থ কেও সেইমত অসংশ্লিষ্ট বিবেচনা করেন এবং সেই জ্ঞানী ভূত ভিন্নও নহেন এবং পঞ্চভুত্রে আত্মা বা পঞ্চভূত ইহার কিছুই গণকে পৃথকৃস্থিত দর্শন করত দেহাতীত এ হইয়া দিলে সূর্য থাকেন। যাই। অদ্য হইতেছে, সেই ষষ্টেলিয় মাসেরও কান্তির ন্যায় বিশিষ্ট প্রকাশ লাভ করিয়া থাকেন। ২১।তখন অতীত যে পদ তাহাতেও উপনীত হন না, কিন্তু যিনি এই অজ্ঞানমন্দির-জন্য-মত্ততা দূর হইলে, সেই জ্ঞানী স্বয়ই আপনাকে কে যাতিরূপেই সম্যক্ করেন, তাঁহারই নিকট বিখ- বিশিষ্টরূপে অবগত হন; এবং সমুদ্র যেমন অরণালির আকারে সংসারই আত্মময়, আত্মাভিন্ন কিছুই নাই। এক আত্মাই জিত্যাদি এক অনন্ত সলিলেরই বিকাশপে আছে, সেইমত অসীম বগুসমূহে পখমহাভুতে কাঠি, দ্রবত্ব স্পন্দন প্রকাশ, ইহাগের দর্শনে T বােগণিষ্ঠ-রামায়ণ ক্রমানুসারে অবস্থিত আছেন। হে রূম। যেহেতু বস্তুর সন্তা- ভগবান আত্মই অবশিষ্ট থাকেন। ও-১৬।ঐ দেব জাে বিদ্য- মাত্রই আত্মশক্তি-ব্যতীত অবস্থান করে না , শুভব্রাং আমি অন্ধ মান হইয়াও অবিদ্যমান, স্থূল হইয়াও প্ৰমাণুরূপ এবং হইতে পৃথক্ উহা উম্মতেরই প্রলাপ জানিবে। সকল সময়েই চক্ষুর অগােচর হইয়াও সর্বত্র রহিয়াছেন। তিনিই বাগিলিয়ের অনন্তকজে ম্যনিবিষ্ট ব্ৰহ্মাণ্ডসমূদয় ও সকল জীবের গতায়াত, ব্যবহারী হইয়াও বাশক্তিবিহীন, সুতরাং নির্মল আত্মা ব্যতীত এসকল একমাত্র আত্মা, তদ্ভিন্ন কিছুই কোথাও নাই। হে মহা অন্য কিছুই দেখিবে না, তবে যে, আমি ইহা নহি ও এই মতে! তুমি এইরূপ বুদ্ধিসম্পন্ন হইয়া, সেই বুদ্ধির সাহায্যেই আমি এইপ্রকার সংজ্ঞানির্দেশ, তাহা আত্মা স্বয়ংই সর্বদা সংসারকে আমি করিয়া অবস্থান কর। ৩৮। অজ্ঞানরূপা নিশক্তির প্রভাবে আপনাতে কল্পনা করিয়াছেন দ্বিাপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত ॥ মাত্র। হে রাম! সেই আত্মা, ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমান কালয়েই প্রভাসম্পন্ন হইয়া অবস্থান করিতেছেন। তবে অতি সু বা অভিমুল বলিয়াই কেবল তাহার অনুভব হইতেছে না। অনন্ত ত্রিসপ্ততিতম সর্গ। পদার্থমধ্যে জীবসংজ্ঞায় প্রতিবিম্বিত আত্মা হইয়া (পুষ্টকাদর্শে) স্বভাববশ সত্যই অবস্থান করিতেছেন। যেমন অন্তরীকে বশিষ্ঠ কহিলেন,—হে রামচন্দ্র। তত্ত্বজ্ঞানীরাই এইরূপ মেঘের সঞ্চলনদর্শনে বায়ুর সত্তা স্থির হয়, তেমনি ঐ (পূৰ্য্যষ্টকের) বিচারবতী দৃষ্টিতে তৈভাৰ পরিহারপূর্বক স্বস্বরূপে অবস্থান- ফুর্তিতেই সৰ্বত্ৰগ আত্মার সর্বদা অনুভব হয়। চিন্ময় আত্ম লক্ষণা-মুক্তি লাভ করিয়া থাকেন, যেমন রত্নপরীক্ষকের চিন্তা সর্বগামী ও সর্বব্যাপী হইলেও কোথায়ও অবস্থান করিতেছেন মণি লাভ করে। এক্ষণে অপরদৃষ্টির কথা বলিতেছি, শ্রবণ কর, না। পদার্থসমুদয়ের সভার ন্যায় আত্মার প্রতীতি হয় না। যাহা দ্বারা দিব্যদৃষ্টি লাভ করিয়া, দৃমধ্যে অচলভাবে স্থিত যেমন বায়ু থাকিলেই ধূলির ও দীপ থাকিলেই চক্ষুর বিকাশ আত্মায়ই সাক্ষাৎকার পাইবে। হে বাম। জ্ঞানী-ব্যক্তি বুঝিয়া হইয়া থাকে, দ্রুপ (পূর্ষাষ্টক) খকিলেই তাহাতে জীবের ক্ষুর্তি খাকেন যে, আমি আকাশ, আমি সূৰ্য্য, আমি দিল, আমি হয়, সামান্য প্রস্তরে হয় না। ১৭-২৪। কে রাম। যেমন আকাশে পাতাল, আমি দৈত্য, আমিই দেবতা, সমন্ত লােকই আমি। আমি সূর্যের প্রকাশ হইলেই লােকসমুদয়ের করে ক্ষুক্তি হয়, সিবল, আমি রাত্রি, আমি পৃথিবী ও সমুদ্ৰাদি সমস্ত এবং তদ্রুপ আত্মা স্বরূপে থাকিলে তাহার সেই অসাধারণ প্রীতি আমিই বায়ু ও অগ্নি, অধিক কি, সমস্ত জগৎ আমাভিন্ন নহে। ও ভেগেচ্ছা পুৰ্যষ্টকেই) বিকাশ পাইয়া থাকে। যদি এই ত্রিজগতে সর্বত্র যে কিছু, সে সমুদয় আমিই আত্মস্বকপে বল, যেমন সূৰ্য্য আকাশে থাকিতেও লােকের অভীষ্টানুরূপ ব্যবহার- রহিয়াছি এবং সাতিরিক্ত আমি কেহ নহি ও দেহাদি আমা সমুদয় নষ্ট হইয়া থাকে, তাহাতে সূর্যের কিছুই হয় না, ভিন্ন নহে, আমি এক , সুতরাং আমার দ্বিত্ব কিপে সম্ভব হয় ? তেমনি ভগবান্ আত্মা স্বরূপে থাকিলেও তাহারই সাবলম্বনে হে রাম। তুমি অন্তরে এইরূপ নিশ্চয় জানিয়া জগৎকে আত্ম- অবস্থিত শরীর ধ্বংস প্রাপ্ত হয়, তাহাতে আত্মার কি ক্ষতি হইল ? স্বরূপে দর্শন কর, তাহা হইলে অজিতেন্দ্রিয়ের স্থায়, বিষাদ বা সত্য, কারণ আত্মার জন্ম বা মরণ নাই, তিনি কোন বিষয় বাসনা আনন্দ তােমাকে পরিভব করিতে পারিবে না। হে কমললােচন। বা গ্রহণ করেন না এবং তিনি কখনই কাহারও বদ্ধ বা মুক্ত হন অখিল সংসার যদি অস্বরুপেই অবস্থান করিল তবে আর , সুত্রাং আত্মার স্বরূপ জাত না হওয়াতে অনত্মরূপে যে আত্মীয় বা পর বিরূপে রহিল ? এই বিবিধ অহঙ্গারদৃষ্টি অতি আত্মাৰােধ অর্থাৎ পরকে আপনার বলিয়া বুঝা, সপের রানের নিৰ্ম্মল, সাত্ত্বিক এবং ইহা অজ্ঞান হইতেই প্রকাশ পাইয়া সেই ভ্রান্তি কেবল দুঃখে অই হইয়া থাকে। আত্মার আদি নাই মুক্তি ও পরমা প্রদান করিয়া থাকেন। হে রঘুনাথ। আমি বলিয়াই জন্মবিহীন এবং জন্মত বলিয়াই ক্ষয় নাই। সব্যতীত শ্রেষ্ঠ আকাশের ন্যায় সুম্মল্প ও সর্বাতীত এইপ্রকার অহং- সমুদয়ই অসম্ভব বলিয়া তাহা কিছুই বাসনা করেন না। দি বা জ্ঞানই তন্মধ্যে প্রথম। আমিই সমুদয়, মা ভিন্ন কিছু নহে, কালাদি দ্বারাও আত্মার অবধারণ হয় না বলিয়াই কদাচ ইনি বন্ধ এই অহংজ্ঞান দ্বিতীয়। তৃতায় অহঙ্কারদৃষ্টি নহেন ও যদি বন্ধনেরই অভাব হইল, তবে তাঁহার মুক্তি আবার রহিয়াছে, যাহাতে আমিই দেহ, দেহাতিরিক্ত নহি, এই দোভি- কোথায় , সুব্রাং সর্বদা অমুক্তই রহিয়াছেন। ২৫-৩১। মানের বিকাশ হয় , কিন্তু উহা শান্তির কারণ নহে, কেবল হে রাখব। সকলেরই আত্মা এইপ্রকার স্বভাবসম্পন্ন জানিবে। দুধেরই বিস্তার করিয়া থাকে । হে রাম। এক্ষণে সর্বসিদ্ধির তবে মুঢ়লোক নিজের অনিন্ধনই তাহার জন্য শােক করেন। জন্য এই ত্রিবিধ অহংগলই। ত্যাগ করিয়া, যাহা অবশিষ্ট হে অভিমান! তুমি পূর্বাপর অগাপার সমুদয় সম্যক্রুপে অব থাকে, সেই বিশুদ্ধ চিন্ময়কে আশ্রয় করিয়া স্বাবলম্বনে লােকন করিবে, তাহা হইলে মুখলােকের ন্যায় শােক তােমাকে অবস্থান বর। তখন আত্ম সতীত ও সসবিহীন এবং আক্রমণ করিতে পারিবে না। যেমন পেষণযন্ত্র স্থানস্থিত হই অসন্তাপূর্ণ জগতের আরক হইয়াও সর্বপ্রকাশক হন। হে লেই কাৰ্য্য সম্পাদন করে, নচেৎ শব্দ হইয়া স্থির হয়, তত্ত্বজ্ঞ। তুমি মুক্তি বা শাস্ত্রাদির অনুসরণ না করিয়া, নিজের তদ্রুপ আ বন্ধমেময় কামাদি বিষয়ব্যাপারকে ত্যাগ অনুভবেই দর্শন করত বাসনা সহিত দয়ের গ্রন্থিনিচ পরিত্যাগ করিয়া স্বভাবসিদ্ধ ব্যাপার হইয়াই দেহাদির সহিত ব্যবহার কর। কারণ, মনুমান বা আপ্তবাক্যাদি দ্বারা কদাচ আত্মা করিবে। হে রাম। মােক নামে যাহার নির্দেশ হয়, উহাপাতালে সত্তা স্থির হয় না, তিনি সর্বদা সর্বপ্রকারে সর্বসরপে স্বানুভূতি বা ভুমণ্ডলে, কি অসুরীকে, কোথাও নাই। উহা সমকৃজ্ঞানে বলেই প্রত্যক্ষ হন। যে কিছু স্পর্শম্পশলাদি ব্যাপারে বিকাশ উদ্ভাবিত বিলচিত্তল্পি কিছুই নহে। হইছে, “তৎসমূদয়ে বাহু উপাধি পরিত্যাগ করিলে একমাত্র অনাসজিব, কু চিত্তের ক্ষে, তাহাকেইবি কাস্থ সমুদয় ব্যক্তিঅবিষয়ে উপমপ্রকরণ কর। ২-০। শীর মোক্ষনানে নির্দেশ করেন। যে পর্যন্ত বিজ্ঞানের বস্তুর প্রতিবিম্ব তার প্রতিফলিত হইতেছে; আপের স্থায় গশ না হয়, তা সেই চিত্ত থাকে। হে রাম। মুর্খেরাই জ্ঞানসম্পর্কে এই সংসারকে প্রকাশ করিেেছন। হে রঘুনাথ। ভক্তি দ্বারা সেই মােক্ষ কামনা করে, কিন্তু যাহাদের চিৰ উৎকৃষ্ট এইরূপে আত্মার স্বারূপ্য সিদ্ধ থাকিতে কেন মুভির, “এই জ্ঞান লাভ করিয়া ডিম ভাব প্রাপ্ত হয়, তাহারা আত্মভিন্ন দশ. আমি, এইআমার অবয়ব,” এইরূপে অকারণ মুগ্ধ হইয়া দুঃখভােগ বিধ মােক্রেমও কামনা করে । তাহাদের নিকট সামান্য একরূপ করে। তাহারা আপনাকে তা, ভােক্তা ও কর্তা বলিয়া মােক্ষের কথা কোথায় ? হে অভব। এই বন্ধন ও ইহা মােক, যে বুঝিয়া থাকে, সে কেবল তাহাদের দেহাভিমানসভূত ভ্রান্তি এইরূপ কোমল কল্পনা পরিভাগপুৰ্ব্বক মহাত্যাগী হইয়া তুমিই দর্শনের কাৰ্য, যেহেতু,আমি আসিতেছি, ভােঙ্কন করিব ও সেই মােণরূপ হও। হে রাম! তোমার বিকবুদ্ধি দূর হউক কাৰ্য্য করিব এ সমুদয় বাসনা মদেশে মৃগতৃষ্ণার ন্যায় বাস্তবিক এবং তুমি সর্বদা উদয়সম্পন্ন হইয়া অন্তরে নিঃসবে এই দুঃখজায়িনী হয়। হে রাম। এই মিখ্যাভূতা অজ্ঞতা, বিষয়- সমুদ্ররূপ পরিয় পরিবেষ্টিত ভূমণ্ডলকে বিকাল পালন তৃষ্ণায় ব্যাকু। মনোরূপ মত্তহরিণকে মৃগতৃষ্ণার ন্যায় আপাত সত্যস্বরূপে প্রতীয়মান হইয়াই আকর্ষণ করিতেছে; কিন্তু যখনই নিরবয়বা বলিয়া মিথ্যারূপে জ্ঞাত হয়, তখনই ব্রাহ্মণসভা ত্রিসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৩। হইতে চাণ্ডালকার ন্যায় মৃগতৃষ্ণা দূরে পলায়ন করে; কারণ, মরীচিকা যেমন জ্ঞাতা হইলে আর মৃগকে আকর্ষণ করিতে পারে না, সেইরূপ অবিদ্যা বিশেষরূপে জ্ঞাত হইলে কাচ চতুঃসপ্ততিতম সর্গ। জীবক আয়ত্ত করিতে পারে না। ১৩-২০। হে রম! দীপ- বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। যেমন স্ত্রীপুত্রাপির মুখদর্শন সম্পর্কে অন্ধকার স্ট্রর স্যায় পরমার্থজ্ঞানেদয়ে বাসনজাল সমূলে করিতে না পাইলে মুজনের হৃদয়ে বিষাদ উপস্থিত হয়, তেমনি বিনষ্ট হয়, তখন আলােকের জ্ঞায় আত্মার প্রকাশ হয় এবং শাস্ত্র- অজ্ঞদিগের আত্মা স্বরূপ দেখিতে পান না বলিয়া, কালক্রমে যুক্তি দ্বারা অবিদ্যার অভাব সিদ্ধ হইলে, সন্তাপসম্পর্কে তুষার- হাতে দেহের আরোপ হয় অর্থাৎ দেশভিমান জন্মায় এবং কণার ন্যায় অবিদ্যা ক্রমেই ধ্বংস পায়। এই জড় দেহের অন্য সুরার কােমাত্রের আস্বাদনের স্থায় সেই দেহাভিমানবশে ভােগাদির কোনই প্রয়ােজন নাই, এই সিদ্ধান্তই সিংহরুত মৃগ- মিথ্যাকপিণী বিশাল রাগছেযাদিময়ী মশক্তি আসিয়া থাকে। বধের ন্যায় অশানিলাল অজ্ঞানকে ধ্বংস করে। হে মহাভাগ। যেমন স্থানে তীব্র সন্তাপসম্পর্কে মিথ্যাসলিলের দর্শন হয় দয় হইতে যদি আশারূপ বন্ধনের উচ্ছেদ হয়, তবেই পুরুষ তদ্রুপ পরমাত্মার অন্যথাভাবসস্তু সেই বিকারতী রাগাজি- সৌন্দর্য্যশালী হইয়া চন্দ্রের ন্যায় আক্ষাদময় হন, বৃষ্টি-সম্পর্কে শক্তির প্রভাবেই এই মিথ্যাভূত বিশ্বের উৎপন্ধি হইয়া থাকে এবং ধৌত পৰ্ব্বতের স্যায় সুশীতল হন, লব্ধরাজ্য অবিবেকী দরিদ্রের মত যেমন সমুদ্রতরঙ্গাদি নানা আকারে পরিণত স্বৰূপ সলিলেই পরম সন্তোষ লাভ করেন,শরৎকালীন আকাশের স্থায় অসা- বিকাশ পায়, তদ্রুপ মন, বুদ্ধি, অস্বার, ইলিয়বর্ণ ও বাসনজাল, ধারণ শােভায় সুশােভিত হন প্রণয়কালীন সাগরের ন্যায় আপ- এইরূপ কল্পিত-ভিন্ন-ভিন্ন নামে আত্মারই স্কুত্তি হইতেছে নাতে আপনি অপরিসীম হন, বৃষ্টিশূন্য জলধরের ন্যায় উদ্যোগ হে রাম। চিত্ত ও অহঙ্কারের যে পার্থক্য, অহা শব্দেতেই আছে, থাকেন, প্রশান্ত সাগরের স্থায় আত্মায় শান্তিলাভ করেন, সুমেরু বাস্তবিক দ্বিবিধ নহে। কারণ যিনি চিত্ত, নিই অহঙ্কর ও গিরির ন্যায় স্থিরভাব প্রাপ্ত হন কাষ্ঠ জ্বলনশূন্য অগ্নির স্যায় নিৰ্ম্মল যিনি অহঙ্কার, তঁহাকেই চিত কছে। যেমন শুক্ল হিম হইতে শােভায় দীপ্তি, পাইয়াও নির্বাপণীপের ন্যায় আত্মায় নির্বাণ পৃথক্ বলিয়া কল্পনা হয়, তদ্রুপ চিত্ত ও অহঙ্কারের ভেদ মিথ্যা- থাকেন , সুধাপাখী নরের ন্যায় পরম তৃপ্তি লাভ করেন এবং কল্পিত নিবে। কারণ যেমন একমাত্র বন্ত্রের ধ্বংস হইলে বস্ত্র ও অভ্যন্তরে দীপযুক্ত দুটের ন্যায় মধ্যে প্রজ্বলিত বহ্নির ন্যায় ও তদীয় শুতা খাকে না, তদ্রুপ চিন্তাহারের মধ্যে একের দীপ্তিশালী মঞ্জিয় অন্তরে প্রকাশ থাকেন। ২১ অভাবে উভয়েরই অপায় হয় , সুতরাং অতিচ্ছ। মােক্ষপুদ্ধি হে নাম। তখন সেই জ্ঞানী সর্বস্বরূপ, সৰ্বব্যাপী, সর্বেশ্বর, সর্ব- ও বন্ধসুদ্ধি ত্যাগ করিয়া নিতের বৈরাগ্য ও বিবেকের বলে মনের নায়ক ও নিরাকার হইয়ও সাকার পরমাত্মাকে নি করেন। অস্তিত্ব দূর করিবে। আমার মুক্তি হউক, এই চিন্তা অন্তরে এবং তিনি অতীতলুকোমল দিবসকে সাতিশয় উপহাস করিতে হইলেই চিত্তের বিকাশ এবং ঐ চিত্ত মননােও হইলে থাকেন, যে সকল দিনে স্বীয় মানল কামরসম্পর্কে নিতান্ত অবশ দোষাকর বপুর সভা হইয়া থাকে। হে রাম। অত্মা সৰ্বাতীত হইয়াছিল। হে রাঘব। অৎকালিক শুদ্ধ আত্ম, সংসারসংসর্গ হইলে কিংবা সৰ্ব্বভূতে বিস্তার পাইলে কোথায় বা বন্ধন আর বা সংসারের অনুরক্ষন না করিয়া মনােরূপ জরকে দূর করে, পূর্ণ মুক্তির বা সম্ভাবনা কোথায় , সুতরাং মনেরই মূলােৎপাটন করা | ও পাবনচেতা হইয়া সস্বরূপেই অনুরক্ত থাকেন, কামরূপ পঙ্ক বায়ু স্পন্দনধর্মী বলিয়াই যে সময় দেহমধ্যে চলিয়া থাকেন, লক্ষণকে ধেত করিযা নিজমৰূপ বন্ধনের উচ্ছেদ করেন, সংসার- তথনই হস্ত পদ ও রসনাবিরূপ পলকশ্রেণীর স্ফুরণ হইয়া থাকে, রূপ সমুপারসাধন হওয়া প্রদোষ ভয়ে ভীত হন না। তখন ধেমন কক্ষে বাৰু পৰনিচয়ের চালনা করিয়া থাকেন, তদ্রুপ শরীরে অলভ্য পরম পদার্থ লাভ করিয়া চরমে বিম ভােগ করেন। প্রবিষ্ট হয় অজালি সঞ্চালিত করেন। ১-১২।হে রাম। কিন্তু বাক্য মন ও কার্য দ্বারা পূৰ্বাগমনশূন্য স্থানেই অবস্থান করেন। চিচ্ছক্তি সর্বব্যাপিনী অতি সূন্য, স্বয়ং চলা হইয়াও কাহা তদীয় ব্যবহার সকলের বাঞ্ছনীয় হইলেও, তিনি তখন কিছুই বা কর্তৃকই চালিত হন না, বায়ুসম্পর্কে সুমেরুগিরির জ্ঞায় কখনই করেন না ও তদীয় আনন্দ সকলের অনুমােদিত হইলেও তিনি স্বজাব হইতে বিচলিত নন এবং স্বল্পখয়প এবম্বিত ও সর্ল- কিছুতেই মােপন করেন না। তখন তিনি কিছু দান ৰা গ্ৰহণ - যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ সমূদয় পরিণাম করেন না ও কাহারও বুক বা নিন্দা করেন না এবং মােয়রি করে না ও অপ্রিয় ঘটনায় তার খেদ হয় না এবং পর্বতের উপর হিত খাকিয়া কিছুতেই সন্তোষ বা শােকপ্রকাশ করেন না। বায়ুকােশের ন্যায় দৃশ্য শােভা তাহার ধৈৰ্য্যচ্যুতি করিতে পারে না। ৩১-৩৭। হে গধুলাখ। এই প্রকার সর্বব্যাপারশূন্য সর্ব- সেই উদারমতি মুনির প্রতি কোমল রমণী অনুরক্তা থাকিলেও, ৰাসনাবিহীন হইয়া সকল উপাণি ত্যাগ করিতে পারিলেই জীবন্মুক্ত তাহার মানস হইতেকামর সমুদয় কণারূপে ধূলির ঘশ পাইয়া হওয়া যায়। হেৰাম। তুমি এক্ষণে সকল বাসনা আগ করিয়া বিদূরিত হয়, যেহেতু-আত্মতত্ত্বজ্ঞানী অবণেন্দ্রিয়ের মত বা ধারাবর্ষণের পর জলধরের মত মৌনভাব অবলম্বন কর। কারণ, বেদিতে আকৃষ্ট হন না। কারণ, রাগ বা ৰেষের সহিত তাহার সুন্দরী রমণ আলিঙ্গিত হইলেও তাদৃশ সুখপ্রদান করে না, চন্দ্র স্পন্দনই হয় না, তবে আক্রমণ কিরপে সম্ভব হইবে ? ৫৩-৬৯। তুল্য সুশীতল বাসনাত্যাগ যেরূপ অন্তঃকরণকে শীতল করে। তখন তাঁহার দৃষ্টি, লতায় ওলােল বনিতায় ভুলভাবে ঋকে বলিয়া, হে রাখব। চন্দ্রমা কণ্ঠলগ্ন হইলেও আশ সুয়ী হয় না, তিনি পশিলার স্যায় জড় হন ও মরুভূমিতে পথিকের ন্যা সর্বাঙ্গীতল নৈরাশ্য যেরূপ অন্তরের সুখ প্রদান করে, পুষ্পিত ভােগ-সামগ্রীতে অনুরাগী হন না, কেবল অনায়াসলব্ধ অনিষিদ্ধ নূতন লতায় মধুও তাদৃশ শােভা পায় না, বাসনাবিহীন তুল্য- সৰ্ব্ববিষয়ের অনাসক্তচিত্তে ভােগ করেন, যেমন চক্ষুরিত্রিয় স্বয়ং জ্ঞানী মহাত্মা তেমন শোভিত থাকেন। নৈরাশ্য হইতে যে শীতলতা অনাসক্ত হইয়াই আলােক অনুভব করে, সেই ধীরব্যক্তির কাক- লাভ করা যায়, হিমাচল, মুক্তাজাল, কদলীশুষ, চন্দন বা চন্দ্রমা তালীয়ায়ে সপ্রাপ্ত কান্তা প্রভৃতি ভােগসামগ্রী হইতেও তাহা প্রাপ্ত হওয়া যায় না। ঐ নৈরাশ্যস্বরূপ সুখরাজ্য কোনই কষ্টদায়ক হয় না, প্রত্যুত সন্তোষেরই সম্পাদন কৰিয়া না স্বর্গ, কি কান্তালিন, বা চন্দ্র, কি বিষ্ণু এ সমুদায় হইতেও থাকে। সমুদ্রের তরঙ্গ কেমন মন্দাগিরিকে চঞ্চল করিতে পারে অধিক বলিয়া জালিবে। হে সাবধা। যুথায় ত্রৈলােক্যের সম্পদ নাই, তেমনি পরমাত্মদর্শনের মার্গ যাহার বিশেষ পরিচিত হয়, তণের মত উপকারে আসে না, সেই শ্রেষ্ঠ সুখধারা একমাত্র সেই জ্ঞানীকে সুখদুঃখাদির সামগ্রী কিছুমাত্র বিচলিত করিতে নৈরাশ্য হইতেই পাওয়া যায়। ৩৮-৪৫। হে রঘুনাথ! যাহা পারে না। তিনি মৃদু ও গভীর হই মিথ্যাবুদ্ধিতে ভােগসমূদয়কে আপদ্ধপ করঞ্জের নিকট কুঠারাকার ধারণ করে, সেই পরম সন্তো- অবলােকন করতঃ সজীবের মধ্যস্থিত আত্মপদেই অবস্থান করেন ষের একমাত্র আশ শান্তিময় পাপের কুমন্তবকরূপ এবং ব্রহ্মা যেমন জগৎ সৃষ্টিব্যাপারে ব্যাপৃত থাকিয়া আত্মপরায়ণ নৈরাশ্যকে অবলম্বন কর। কারণ, যিনি নৈরারূপ ভূষণে বিভূষিত থাকেন, তদ্রুপ তিনিও কালােচিত কার্যে ব্যাপৃত দেহেন্দিয়াদির হন, তাহার নিকট ভূমণ্ডল গােষ্পদমিমা, সুমেরুগিরি সামান্য সহিত সংশ্লিষ্ট থাকিয়া স্বয়ং অব্যাকুল হইয়া আত্মাতে অভিনিবিষ্ট শুকাষ্ঠ মাত্র ও দিগুল ক্ষুদ্ৰপেটিকারূপ বিবেচনা হয়। সংসারে হন। হে বাম ' যেমন বনাদি ঋতুর পরিবর্তনে পর্বতের কোনরূপ বাসনশূন্য মহাত্মা গান, প্রগ্ৰিহ, সঞ্চয়, ভােগও সম্পদাদি কাৰ্য বিকৃতি হয় না, তদ্রুপ সেই পুরুষ কাল, দেশ ও ক্রমের অনুসারে সমূদয়কে নিতান্ত উপহাস করিয়া থাকেন। আশা যাহার হৃদয়ে সমুপস্থিত সুখদুঃখে কিছুমাত্র ক্ষুব্ধ হন না। সেই জ্ঞানী কর্শ্বেক্রিয় কখন স্থান পায় না, তিনি ত্রিভুবনকে সামান্য তৃণ বলিয়া বিবেচনা বাগাদির ব্যাপারবশে বিষয়ে নিমগ্ন থাকিয়াও অন্তরে কিছুতে করেন , সুতরাং কিছুতেই তাহার তুলনা হয় না। কারণ, “এই বন্ধু আসক্ত হন না। যেমন সুবর্ণের অন্তরে নিকৃষ্ট ধাতুর সম্পর্ক থাকি- আমর হউক ও ইহা আমার না হউক” এইরূপ বা যাহার লেই কল নাম হয়, নচেৎ বহিঃপঙ্কাদিলেপে তাদৃশ নাম হয় জদয়ে না থাকে, সেই সর্বেশ্বর মহাত্মার সাধারণজনের কিছুতেই | না, দ্রুপ জন্তু বহিরাসক্ত থাকিলেও অন্তরে অনাসক্ত হইলেই পরিমাণ করিতে পারে না। অতএব সমুদয় বিপদের অতীত বলি- জ্ঞানী হইলেন।হে রামচন্দ্র। সেহাতিরিক্ত আত্মাকে যিনি দেখিয়া যাই নিৰ্ম্মল সুখস্বরূপ ও বুদ্ধির শ্রেষ্ঠ সম্পরূপী নৈরাশ্যকে আশ্রয় থাকেন, সেই বিবেকী জনের শরীর কর্তন কৰিলেও কিছুই কর্তিত কর। হে রাম। যেমন ধাৰমান রথে আরূঢ় ব্যক্তির নিকট নিজ হয় না এবং সেই মহাত্মা দেহাতিরিক্ত আত্মাকে কখনও বিস্মৃত পাশ্ববর্তী ক্ষেত্ৰকাননাদি চাকায় পরিবর্তিত হইতেছে বলিয়া' হন না। কারণ সুবিমল প্রভাত কালকে একবার আনিলে কখন বিবেচনা হয়, তেমনি আশা গেমার কেহ নহে তুমি আমার কি কেহ ভুলিয়া থাকে, কিংবা বন্ধুজন একবার পরিচিত হইলে কেহ নহ; সুতরাং পরিবর্তনশীল জগং ভােমার মিখ্যাভ্রম ভিন্ন ; আর কখন কি অপরিচিত থাকে অথবা রজুতে সলম দূর হইলে কিছুই নহে। ৪৬ - ৫৯। হে মহাবাহো। তুমি এরূপ অবােধ | আর কি সেই ভ্রম হইতে পারে, কিংবা পার্বত্যনদী একবার পইয়ও কেন আমার এই দেহু সেই আমি, এ প্রকার ভ্রমাত্মক। পৰ্বত হইতে নিপতিতা হইলে আর কি পর্বতে যাইতে পারে ? চিত্তে মুখের ন্যায় মুগ্ধ হইতেছ, তুমি কি বুঝিতেছ না যে, যেমন অশ্বিসম্পর্কে মলশূন্য বিশুদ্ধ সুবর্ণ কমে মগ্ন থাকিলেও সমস্ত অগই আত্মা, অভিন্ন কিছুই নাই ? পণ্ডিতেরা জগতের আর মালি প্রাপ্ত হয় না। হে রাম যেমন কুসুম বৃন্তচুত হইলে আত্মম্বৰূপেই অব্দি অবগত হইয়া কদাচ খেদ করেন না। হে কেহই অতি আয়সেও পুনরায় বুন্তে বন্ধ করিতে পারে না এবং রাঘব। লােক ধর্থ বহুস্বরূপ দর্শন করিয়াই বুদ্ধির দৈর্শল্য- যেমন এক পাষাণ হইতে মণি বাহির করিলে পুনরায় সেই মণিও সম্পাদক নৈরাশ্যকে লাভ করিয়া থাকেন। ঐ স্বরূপ জ্ঞাত পাষাণে একত্র পূর্ববৎ করিতেকোন মণিকারই পারেনা, তদ্রুপ হইতে হইলে ৰাভাবে বিকল অাগ করিতে হয়, তাতেই দয়ের গ্রন্থিসকল গণ হইলে কেহই তাহাকে ব্যাধিতে পারে বিশক জন্মিয়া পাকে। সেই মহাবৈরাগ্যে যাহার মানস মুকুট না। হে মহামতে। একবার বিদ্যাকে জানিতে পারি, কেহই দ, জহার নিকট হইতে সিসখীপ হইতে মণীর গর সাং- অহাতে পুনরায় ময় হয় না। যেমন বাত্রাকালে ললিগকে সারিকা মােহিনী মায়া পরে পলায়ন করে। সেই ধীর ব্যক্তি যন- দেখিলে ব্রাহ্মণ কি কখন বাত্রা অভিলাষ করে? কেমন নির্মল আর আয় চলা কাকী সুন্দরী কামিনীকেও জীর্ণ-পাষাণ-এতি- সলিলে বিচারলেই দুর্থভ্রম দূর হয়, তেমনি সংসার- বাও আর মত মন কৰিয়া থাকেন, ভােগ ভঁহাকে আনন্দিত নিজের বুদ্ধির বিচারেই হইয়া থাকে। -- বেশন বা উপকরণ কাল পর্যন্ত মশিয়া জ্ঞান না জন্মে, সেই কাল পর্যন্তই জল সরণ করিও অন্তরে সন্তপ্ত হইল না এবং ইজে দেহ বিবেচনা তাহা পানীয় হয়। কিন্তু ম্যজ্ঞান হইবা মাত্র তাহা ত্যক্ত ভ্যাগী উলামতি ত্রানুরও অভ্যন্তরে শান্তিময় হইয়াই দেবর হইয়া থাকে। দ্রুপ তত্বমীয়া লাবণ্যবতী কামিনীকেও চিত্রিত সহিত যুদ্ধে ব্যাপৃত থাকিতে, আর মহাত্মা গুলাও পাতল- নারীর আয় কতকগুলি দ্রব্যের সমাবেশ ভিন্ন আর কিছুই দেখন রাজ্যের পলক হইয় সমস্ত মৈতকাৰ্যসম্পাদন করিয়াও সেই না। কারণ, তাঁহারা বুঝিয়া থাকেন যে, খ্রীচিত্তে যেমন রঙ্গালি অনসগােদর নিত্যানন্দকে অনুভব করিছেন। হ য়াম। পাঁচ বস্তু থাকেই, ক্রপ জীবিত নারীতেও ফিত্যাদি পাঁচটা ঐরূপ শম্বরানুর সতত মায়াপরায়ণ হইয়াও সংসারকে পদার্থ আছে, সুজাং ইহার আর উপাদেয় কিরূপ ? অনায়াসে ভাগ করিয়াছেন। সেই অনাসক্তচেতা শম্বর, বির যেমন গুড়ের মাধুৰ্য্য আপসংহােগাদি নানা কারণেও অন্যথা হয় সহিত ঘাের সংগ্রাম করিও পরমজ্ঞান লাভ করিয়াছিলেন এবং , ভদ্রুপ আত্মার স্বরূপলজের অনুভব একবার হইলে আর কিছু সকল দেবগণের মুখভূত অগ্নিদেব সর্বদা কী থাকিয়া চিরকাল তেই নষ্ট হয় না। হে রাম। ধীরব্যক্তি এইরূপ বিশুদ্ধ পরম- যজ্ঞ-সম্পদ ভােগ করিয়া মুক্ত হই অবস্থান করিতেছেন। তত্বে বিশ্রাম লাভ করিতে থাকিলে ইলদি দেবতারাও তাহাকে ঐরূপ সাক্ষাতপায়ীচমা সমস্তুদেবগণের পীয়মান হইয়াও বিচলিত করিতে পারেন না। যেমন স্বামী বলবান হইলেও কুত্রাপি সুখ-দুঃখাদির সংসর্গী হন না। যেমন অন্তরীক আক্রান্ত অস্কাসক্তা পত্নীকে তাহার সঙ্কলিত পুরুষের সঙ্গম জন্য আনন্দ হইলে কোথায়ও লিপ্ত হয় না এবং সেই দেবগুরু বৃহস্পতিও ভুলাইতে পারেন না, তখবৎ যিনি একবার নামৃতরসের আন্ধা- পীর সােষের জন্য স্বর্গে দেবগণের পৌরোহিত্যাদি নানা চেষ্টায় দন পাইয়াছেন, সেই অজ্ঞ মহাত্মার বুদ্ধিকে কোন সাংসারিক আসক্ত থাকিয়াও মুক্ত হইয়াছিলেন। হে রাম। ঐরূপ পণ্ডির ভাবই আকৃষ্ট করিতে পারে না এবং বধূজন যেমন সুখ-দুঃখময় শুক্রাচাৰ্যও অনুরদিগকে নীতিশাস্ত্রোপদেশ করিয়াও চিরদিনের নানা গৃহকর্মে ব্যাপৃত ও সমাজের অধীন ও শশুর-জনের জন্য অন্তরীক্ষ উচ্চসিত করিয়া নির্বিকার চিত্তে কাবাপন করিতে সাবধানতার খেদমুক্ত থাকিয়াও সঙ্কল্পিত পুরুষের সমাগমে অসীম ছেন এবং পবনদেব বাবগঞ্জে অসঞ্চালিত করিয়া সর্বদা আনন্দে মাতিয়া উঠে, তখন দুঃখজাল তাহাকে বাধা দিতে পারে সর্বত্র সঞ্চরণশীল হইয়াও মুক্ত হইয়াছেন। হে রামচন্দ্র । অধিক না, সেইরূপ জ্ঞানীব্যক্তির অবিদ্যার ধ্বংস হয় বলিয়াই তিনি কি বলিব, যিনি নিখিলংসারের অবিরত পালন দিব্যাপারে বাহ ব্যাপারে আসক্ত থাকিয়াও সমর্শী ও সদাচারসম্পন্ন উদ্বেগ পাইতেছেন, সেই পিতামহলেও সমচিত হইয়াই সুদীর্ঘ হইয়া রে অপরিসীম আনন্দ অনুভব করেন। তখন তাহার আয়ু অতিবাহিত করিয়া থাকেন। ঐরূপ ভগবান বিষ্ণুও এই অজ্জেহইলেও তিনি আচ্ছন্ন থাকেন, বাষ্পবর্ষণ হইতে তাঁহার ভূমিতে অামরণযুদ্ধাদি নানা লীলায় সমাসক্ত থাকিয়াও লােদন নাই এবং প্রকৃষ্টরূপে দাহ হইলেও তিনি দগ্ধ হন না ও অতন অনাসক্ত এই বিচরণ করিতেছেন। আর কি দেহ নষ্ট ইলেও তাহার নাশ হয় না, স্বীয় চিরে লয় ধৈ পর্যন্ত বণিক, সেই মুক্তযগী মহাদেবও সৌন্দৰ্য-রুর মঞ্জরী-স্বরূপিণ না হয়, তা তিনি প্রাক্তন-কৰ্ম্মানুসারে দারিদ্র্যাদি দুঃখে গৌরীদেবীকে কামুক বনিতালিঙ্গনের ন্যায় নি দেহেরই অর্থ বা শূলাধিয়ােহণাদি সঙ্কটে কি রম্য- হলে বা অত্যুচ্চ পর্বতে দুগে থারণ করিতেছেন। ঐরূপ পার্বতী মুক্ত হইয়াও নিজ কষ্ট কিংবা অপােবন বা নিবিড় অরণ্যেই অবস্থান করুন, তথাপি দেশে চতুল্য সুনির্মল মুক্তাহারের মত নিয়নকে চিরদিনের তাহাকে সাংসারিক আনন্দ বা শােক কোনরূপেই আশ্ৰয় করিতে অ বাঁধিয়াছেন। আর সেই সমস্ত জ্ঞানরূপ একমাত্ৰ আৰু পরে না।৮৫-১১। মহামতি বীর কার্তিকেয় তার প্রভৃতি দানবন্দিদের সহিত যুদ্ধ চতুঃসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৪। কাৰ্যে ব্যাপৃত থাকিয়াও মুক্তিলাভ করিয়াছেন। আর সেই বিষ চরের কথা কে না জানে যে, সেই ভূল ধ্যান-নিৰ্মলা ধীরা মুক্তা বুদ্ধির প্রভাবেই কুপিতা জনী গৌরীকে অনায়াসে নিজ দেহ পঞ্চসপ্ততিতম সর্গ। মাংস রক্ত প্রদান কমিকি তুমি সেই জীবন্মুক্ত মুনির নারকেলিলা ? যিনি সতত কলহ-কৌতুগী বুদ্ধির বশিষ্ঠ কহিলেন,—হ রাম! রাজর্ষি জনক রাজ্যমধ্যেই আশ্রয়েই এই অসার-সংসার-জলে ভ্রমণ করিয়া থাকেন। হে ব্যবহারদর্শক হইয়া অবস্থান করিতেন এবং অন্তরে অনাসক্ত রাম। জগন্ময় বিশ্বামিত্র মুনি আপনাকে জীবন্মুক্ত অনুভব করি থাকিয়া সৰ্ব্ব অ্যাকুলচিত্তে কাৰ্য করিলে এবং তােমার পি ও বৈদিক যাগাদি কার্যের অনুষ্ঠান করিয়া থাকেন, আর দেখ, মহ দিলীপ মহাশয়ও সর্বব্যাপারে আসক্ত ব্যকিও অন্তরে অনন্তদেব খরা ধারণ করিতেছেন, সূধ দিবস প্রকাশ করিতেছে আসক্তি হইয়াই বহুকালের অন্ত এই পৃথিবীকে পালন এবং বলও যে স্বকাৰ্য্য করিতেছে, ইহাৱা সকলেই জীবন্মুক্ত করিয়াছিলেন এবং সেই সূৰ্যপুৱ মনু মহাশয়ও রাগালি-চিত্তে জানিয়ে আরও কতশত সুরাসুর যক্ষমানকে হইয়াও সংসার বিশিষ্ট-জ্ঞানী হইয়াই জীবতায় বহুকালের অ এ কাৰ্যনির্বাহ কৰিছেন, এইরূপ নানাকৃতিসম সংসার-ব্য ত্রৈলােক্য-রাজ্য পালন করিয়া লােক রক্ষা করিয়াছিলেন। হারে ফিরাও কাহাদের এর শীতল হওয়ায় মুক্ত হইতে; ঐরূপ প্রাচীন রাজা কাভাও অসীম সেনাসহুল অসংখ্য যুদি কেহ বা মুনিবন্ধন শিলার স্থায় এড় হইতেছে এবং বহু তা ব্যাপারে বহুকাল ব্যাপৃত থাকিয়াও পরমপদ এত হইয়াছেন ভূ৬, জ, বিশ্বামিত্র ও শুক প্রকৃতি মহাগণের পর এবং পালাৰস্থিত ৰজিও সদাভণী ও দশ হই আল লাভ করিয়া র আ করি; কল ব্যক্তি এক যাই ঘাব্যবস্থায় পালন করিতেছেন।ঐরূপ জানানচি সৰ্বল। মাত, শৰ্যাতি ও সার প্রতি রাজর্ষি মত কামরাদিতে দেবগণের সহিত যুণ হই, মিষিৰ লােক্যবহারের অনু- সুশােভিত হইয়া রাজমধ্যে খাবিও জ্ঞাণী হইতেছেন এই ।
৭০ যােগশিখামায়ণ শত শত মহাৱা জ্ঞানী হইয়া অন্তরীক্ষে গ্রহাদির আবার এই সমুশষ মুক্তি অত যুক্তিপূর্বক যত্ন থারাই যত্ন পাইবে, কারণ জ্যোতিচক্রেন করিতেছে। যেমন বৃহস্পতি, শুক্রাচাৰ্য, যত্ন ও যুক্তিবিহীন ব্যক্তি গােস্পসলিলকেও উত্তীর্ণ হইতে পারে সূর্য, চন্দ্র প্রভৃতি মহতের বহিয়াছেন। এবং কত মহাত্মাৱা না এবং ঘঙ্গকে আদর না করিলে, কেবল দুরেই অন্য মােহ জন প্রাপ্ত হইয়া বিমলবলম্বন করত দেবতার পদে রহিয়াছেন। আসিয়া আশ্রয় করে ও তদীয় আত্মা ক্রমশই পরাধী হইয়া যেমন বি, যায়, রুশ, যম, ভুরু ও নারদ মহাশয় আছেন। থাকে। এরাং আত্মার চিরন্তন সিজির জন্য যত্নশীলমাল ঐরূপ ৰলি, হাত, অন্ধ, প্রাদ প্রভৃতি মহাত্মারা জীবন্মুক্তা বিশিষ্ট ধৈৰ্য অবলম্বনপূর্বক স্বয়ংই আপনাকে বিচার কর। কারণ বয়ই পাতালরাজ্যে অবস্থান করিতেছেন। ঐরূপ যিনি- বিশিষ্টত্বশীলপুরুষের নিকট সমগ্র জগৎ গােস্পদের ন্যায় অনু- তেও হনুমদি মহাত্মার নিত্য জ্ঞানী আছেন। দ্রুপ দেবাদি ভূত হইয়া থাকে। হে রঘুনাথ। বুদ্ধদেব যে পরমপদ পাইয়া- উৎকৃষ্টযােনিতেও বহুশত অজ্ঞ মুঢ়চেতা অবস্থান করে। তাহার ছিলেন এবং সেই ক্ষত্রিয় বীর যে নিত্যধাম লাভ করিয়াছিলেন, কারণ সর্বশক্তিমান মেশ্বর সর্বদা সৰ্বস্থানেই সর্বপ্রকারে ঐরূপ অন্যান্য বহু মহাত্মারাও যে নিত্যানন্দ অনুভব করিয়া- সর্বস্থাতেই সর্বশ্বরূপে অবস্থান করিতেছে, সুতরাং স্বপ্নাবস্থায় ছিলেন, সে সকলই যত্নরূপকলরবে মুফল মাত্র জানিবে।১৫৩ অসস্তাৰিত বস্তু দর্শনের ন্যায় দেবযােনিতে মূঢ় আত্মার অসন্তা- পঞ্চসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত ॥ ৭৫। বনা নাই। যেহেতু বিধির বিধান বড়ই আশ্চৰ্য্য ও অসীম , উহার সন্নিবেশ-কৌশলে সর্বত্র সমুদয়ের সম্ভব হয়। ঐ বিধি,—দৈব, ধাতা, সর্বের, শিব ও ঈশ্বর এই সমুদয় সংজ্ঞায় অভিহিত হন, তিনিই আমাদের আত্মা, তাঁহারই প্রভাবে বালুকামধ্যে কাঞ্চনের ঘটন্সপ্ততিতম সর্গ। ন্যায় অবস্তুতে বন্তু সনি এবং কানের মাৰূিন্যের ন্যায় বস্তুতে অবস্তুর ঘটনা অনায়াসে বটিয়া থাকে, সে বিষয় কিছুই আশ্চৰ্য্য যনি কহিলেন, রাঘব। এক্ষের স্বৰূপ অজ্ঞাত হই- নহে। হে রাম। মিথ্যাভূত বস্তুতে সত্যের আলােপ বহুজুই লেই এই মিথ্যা সংসারের বিকাশ পায় ও অবিবেকবলে দৃঢ় দেখা যায়, যেমন শ্যানসম্পর্কে নিত্য পরমপদ লাভ করা যায়, খাকে এবং বিবেক উপস্থিত হইলেই উহা উপাস্ত হয়। ব্ৰহ্মরূপ সংসারে যাহার অত্যন্তাভাব, অহাও দেশ-কালসারে দেখা যাইয়া সমুদ্রে জগদ্যাপারকপ জলজকে গনিঃসৃত সূৰ্য্যাজিকিরণে থাকে, যেমন শৃঙ্গশূন্য শশকদিগকে ঐন্দ্রজালিকে শৃঙ্গশালী করিয়া এসবেচয়ের ন্যায় বেহ সংখ্যা করিতে পারে না। এই জগতের দেখাইয়া থাকে । হে রামচন্দ্র। যে সমুদয় বাপেক্ষা সুট এর স্থিতিবিষয়ে মিথ্যা দর্শনকেই কারণ জানিবে ও জগদূতমের উপ- কাচ অষের সন্তাল নাই, সেই চন্দ্র, সূধ, পৃথিবী, নও শমৰিযয়ে সমগদর্শনকেই কারণৰূপে জানিবে। এই ধাের সংসার- দেবতাগণ সকলেরই কলাবসানে ক্ষয় হইয়া থাকে। হে মহাবায়ে । সমুদ্র অতি দুর, যুক্তি ও যত্নব্যতীত এ সমুদ্র হইতে উত্তীর্ণ হওয়া এইরূপে সদসং সংসারের পরিবর্তন দর্শন কত আনন্দশে' যায় না, কারণ এ সমুদ্র মােইরূপসলিলে পরিপূর্ণ এবং বাগন্বেষাদির ব্যাপার ত্যাগ করিয়া সমতা অবলম্বন কর। এ , অনাব মরণলক্ষণশ্রমি ও বৃহত্তরঙ্গে বিষম হইয়াছে। পূণ্যরাশি সংসারে অসন্তু সতের ন্যায় দীপ্তি পায় ও সদ্ব অসুতের স্থায় ইহার কেলপুঞ্জের স্থানে রহিয়াছে এবং ইা েনরক- ষারূপ ভাসমান হয় , তাং তদ্বিষয়ে আন্ধ ও অনাস্থা উভয়কেই ত্যাগ বাড়ােনল দেদীপ্যমান ও তৃষ্ণারূপিণী চঞ্চল লহরী বিকাশ পাই- করিয়া সমতাকে আশ্রয় কর। হে রাম। সংসারে অসম্ভব ঘটনা হয় তেছে, ইহা মনােৰূপ মুৎ জলজন্তুর বিলাস স্থান, এবং ইহার বলিয়া, মুক্তব্যক্তি বন্ধনসম্ভাবনা কোনমতেই করিবে না। কারণ চতুর্দিকে জীবনস্বরূপ নদীসমূদয় মিলিত হইয়াছে, ভোগৰুপ জীবগণ অবস্থাতেই অমে পতিত হয়, তাহারা মুক্ত হইলে রত্নপটকে ভূষিত আছে এবং সভত ইহাতে রােগরূপ সর্পনিচয় আর কদাপি প্রত্যাবৃত্ত হয় না, যেহেতু বিবেকের বলেই তাহাদের চঞ্চল হইয়া যাতায়াত করিতেছে ও ইলিয়বর্গলক্ষণ জলরা মুক্তি হইয়াছে। যদিও মনে ক্ষক্তি য় প বিবেক ও ঘর্ঘরবে ভয়েৎপাদন করিতেছে। হে রাম! এই যে তখন দীগন্ধপী হন। হে রামচন্দ। কুশলাকা জীব সবখা মুগ্ধা র নামে সুন্দর পদার্থ দেখিতেছ, উহাদিগকেই ঐ সমুদ্রের আত্মার অবলােকনে ষত্ব করিবেন, যেহেতু আত্মার দর্শনেতেই সমূ- চঞ্চল মনােহ তরঙ্গ বলিয়াই আনিবে। ১৮। ইগর অধরাে- দয় দুঃখের উচ্ছেদ হইয়া থাকে। এ সংসারে মহামতি জনাদির ষ্ঠের শােভারূপ পদ্মরাগমণিতে যুক্ত ও নেত্ররূপ নীলপদ্ম সঙ্কুল স্যায় বহুশত মহাত্মারাই জীবন্মুক্ত হইয়াছে, তাহাদের ভােগাদিতে রহিয়াছে এবং দম্ভক্ষণ পুষ্পলদিতে পূর্ণ ও হারূপ ক্ষুদ্র- আসক্তি বা অনুরাগ হয় না। হে রাখব। সুরাং তুমিও বৈরাগ্য ফেলে সুশােভিত হইয়াছে এবং কেশপাশস্বরূপ ইন্দ্রনীলমণিময়- ও বিবেকসম্পর্কে বুদ্ধির ধীরতা সম্পাদন করিয়া লেষ্টে ও কানে বলয়ে ভূষিত ও বিলাসে তরঙ্গশালী হইয়াছে এবং নিস্বরূপ তুল্য জ্ঞান রাখিয়া জীবন্মুক্ত হইয়া বিচরণ কর। এ সংসারে দেহ পুলিনে ও কণ্ঠস্বরূপ শখে সুভূষিত আছে এবং ললাটলক্ষণ রঙ্গ খারীর দুই প্রকার মুক্তি আছে, তাহার মধ্যে এক দেহেতেই ও পীঠে যুক্ত হইয়া স্বীয় বিলাস জলতে পরিপূর্ণ রহিয়াছে অপর দেহ অপার হইলে হয়। সেই থাকিতে পদার্থে আল- এবং কটাক্ষসম্পর্কে চঞ্চল হওয়ায় তীব অবগাহনের অযােগ্য মনে যে শান্তি হয়, উহাই সদেহা মুক্তি, শীৱবংসের পর হইয়াছে এবং ইহাৱা বৰ্ণরূপ সুবর্ণবালুকাময় হিয়াছে। হে হা হয়, ইহাকে বিদেহ। মুক্তি কহে, পণ্ডিতেরা মমতাকেই বাঘব। পূর্বোক্ত সংসারসমুদ্র এই প্রকার নারী মক চঞ্চল যে মুক্তি কহেন, উহা দেহের সাতে ও নাশেতে হয়, ঐরূপ তরঙ্গসম্পর্কেই অতি ভয়ঙ্কর হইয়াছে, সুতরাং ইহাতে ম বাসন হইয়া যিনি আঁচিয়া থাকেন, তাহাকেই জীবন্মুক্ত কছে। হইয়া যদি-কে উত্তীর্ণ হইতে পারে, তবেই তাহাৱশ্রেষ্ঠ পৌরষে নগৰত হইয়াও জীবায় এক প্রকার তৃতীয়া মুক্তির সাফল্য হয় নিৰে। যে ! সমিতি এরূপিণী উলয-প্ররণ মহা-নৌকায় বিবেকরূপ শ্রেষ্ঠ শনিক বিমান থাকিতেও যিনি এই বাহিরে সমুদয় কর্মসম্পাদন করিয়াও সমতার আশ্রয়েই অবস্থান সংসারসাগরু হইতে উত্তীর্ণ না হন তাহাকে পিকু, যিনি বিশ্বকে করেন। তিনি বাহিরে সকল বিষয়েই যত্ন রাধি, উপস্থিত কর্ম- ব্ৰহ্মস্বৰূপেই ভাবনা করিয়া এই সংসারসাগরকে আশ্রয় না যত্রেই ব্যাকুল হইয়া, পিতৃপিমহালিমে সম্প্রাপ্ত রাজ্যাদি ও করিয়াও অনায়াসে পারে গমন করেন, সেই মহাত্মাকেই পুরুষ বন্ধুকাৰ্য্য জানমালাদির অনুসরণ করেন এবং সমস্ত ভােগখা- বলিয়া জনিবে। হে রাম। প্রথমে অর্ঘদিগের সহিত সচিার দির স্বয়ং আত্মস্বরূপী হওয়ায় সমস্ত বিষয়বাসনালিতে আহ্বান করিয়া স্বীয় প্রজ্ঞার সাহায্যে সংসারকে উত্তমরুপে অবলােকন হইয়াই কৰ্মসমুদয় করিয়া থাকেন, বাস্তবিক তাহার অরে স্কায় করিবে, ভদন্ত ইহাতে প্রবেশ করিলেই শােভা পাইবে, নচেৎ কর্তৃত্বাভিমান থাকে না। তিনি সকল কার্যের উদযােগী হইয়াও শােভার সাবু নাই। ৯-১৫। হে সাবধা। তুমি এ সংসারে সর্বত্র উদাসীনের মত অবস্থান করত কিছুই বাঞ্ছা করেন না, কোন অগ্রে ভব্য হইতে শিখু, কারণভব্য হইলে স্বীয় বিচারপতি প্রজ্ঞার বিষয়েই তাঁহার দ্বেষ নাই এবং অপ্রিয় ঘটনায় শােক বা ইষ্টলাভে সাহায্যে এই বয়সেই সংসার-সাগরকে বুঝিতে পারিবে, তখন আনন্দ হয় না এবং তিনি অনুকুল ব্যক্তিকে আনুকূল্য ও প্রতিকুল তােমার ন্যায় যে লােকই অগ্রে নিজবুদ্ধি দ্বারা বিচার করিয়া | জনে প্রতিকূল্য করেন ও ভক্তজনে বিশেষ অনুগ্রহকারী হইয়া সংসারে প্রবেশ করিবে, সে ব্যক্তি কাচ তাহাতে নিমগ্ন হইবে শঠ-ব্যক্তিতে শঠের ব্যায়ই অবস্থান করেন। তখন তাহাকে না। হে রাম। এই বিষাক্ত সর্পের স্যায় ভীষণ ভােগসমুদয়কে বালকের বালক বলিয়া বুৰে, বুদ্ধেরা আপনাদের স্বজাতীয় বলিয়া অগ্রে বুদ্ধি যারা বিচার করিয়া পরে ভােগ করিবে, তাহা হইলে জানেন ও তিনি ধীরজনসন্নিধানে ধৈৰ্যশালী হন, যৌবনশালীর গরুড যেমন পন্নগদিগকে সুখে ভোগ করে, তদ্রুপ পরিণামে নিকট যুবা হন ও দুঃখিতজনে তাহাকে সুখে দুঃখিত দেখে, কেনই কষ্টকর হইবে না। প্রথমে স্বরূপ বিচার করিয়া যে সকল তথাপি তিনি বাগী হইয়া পুণ্য কথাই কহেন ও যাহার আশয়ে সম্পদকে ভোগ করা যায়, তাহারাই চরমে সুখদায়ক হইয়া থাকে, দীনতা আসিতে পারে না, কেবল প্রজ্ঞাবান ও আনন্দময় হইয়া নচেৎ কেবল দুঃখেরই কারণ হয়। আর দেখ, যিনি উদশী হন, পুণ্য কীর্তনেই তৎপর থাকেন। নিজ প্রতিভার প্রকাশে পূর্ণ ও তাহারইল, বুঙ্গি ওতেজ এ সকল উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাইয়া থাকে, প্রজ্ঞাবান হইয়া সদাই কোমলতা ও প্রসন্নতায় আশ্রিত থাকেন। যেমন বৃক্ষ বসন্ত-ঋতুতে সঙ্গত হইলেই সৌন্দৰ্যাদি নানাগুণ বিষাদ ও দীনভাব পরিত্যাগপূর্বক সৰ্বজনেই মিগ-বন্ধুত। আসিয়া তাহাকে আশ্রয় করে। হে রঘুনন্দন। তুমি সকলের স্থাপন করেন এবং তখন সেই উদারচরিত সৌম্যাকৃতি মুখাগব যথার্থ জানিয়াছ বলিয়াই গঢ়ি আনন্দামৃতে পরিপূর্ণ ও সুশীতলত আত্মশনী অভূদিত পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় সর্বদা শিল্প ও শীতলস্পর্শ ও সর্পত্র সম স্বীয় প্রশাজয় ব্যোমচারী সুধাংশুর স্থায় শোভা হন। তখন তাহার পুণ্যে মােন হয় না, ভােগ বা কানেও গাইতেছ, এইপেই সুখে অবস্থান কর ১৫-২১। নিষ্প্রয়োজন এবং নিষিদ্ধাচরণ বা ভােগত্যাগ কিংবা বন্ধুজনের ষটুসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৬। সংসর্গ এ সমুদয়ও প্রয়োজন হয় না এবং অবশ্যকর্তব্য কাপাের বা কারণের অনুষ্ঠানে কিংবা কাৰ্যমকেরই পরিত্যাগে কোন প্রয়ােজন হয় না এবং বন্ধ মােক কি পাতালে দিবসে ও বিছুই সপ্তসপ্ততিতম সর্গ। প্রয়ােজন নাই। কারণ যখনই জাগতিক, পদার্থসমুদয় এক ব্ৰ রাগ কহিলেন, হে দেব। আপনি ব্রহ্মের স্বরূপ জ্ঞাত স্বপেই দৃষ্ট হয়, তখন আর সাগরিক সুধপবনে ও তাহার আছেন, এ পুনরায় সংক্ষেপে উদারচরিত্রসকল কীন মুক্তিতে কোন বিষয়েই চিত্ত পৰ্মান্মুখ হয় না। করুন, যেহেতু আপনার চমংকারয়ী বাণী শ্রবণ করিলে তৃপ্তির সম্যানরূপ অনলে যাহার সন্দেহরূপ জালসমুদয় শেষ না হওয়ায় উওরে।ওর কৌতুকেরই বৃদ্ধি হইয়া থাকে। বশিষ্ঠ হইয়াছে, তাহারই চিত্তরূপ পক্ষী শাবিহীন হইয়ই অতিশয় বলিলেন, হে মহাবাহ। আমি জীবন্মুক্তের বহুপ্রকার লক্ষণ উডীন হয়। যাহার মানস ভাস্তিবিহিত হইয়াৰহ্মকপ্য লাত নির্দেশ করিয়াছি, তথাপি পূনরায় যে কিছু বলিতেছি, তাহা শ্রবণ করে ও আকাশের ন্যায় সর্বদৃষ্টিতই অস্তোদয়বিযুতি থাকে কর। আত্মবান্ ব্যক্তির বাসনাসমূদয়ের ক্ষয় হয় বলিয়া, তিনি পর এবং দোলামধ্যে সুখাসীন শিশুর চেষ্টার ন্যায় পরমানন্দের অনি- মার্থদৃষ্টিতে এই সংসারকে সুনুপ্তের মিথ্যারূপ ও সর্বত্র অ লে যাহার অঙ্গালির চলনা মাত্র হইয়া থাকে এবং তিনি মণ্ড- সক্ত বলিয়া দর্শন করেন এবং সপ্তচিভের স্যায় কৈবল্য প্রাপ্ত জনের ন্যায় নিত্যানন্দ অনুভব করেন ও তদীয় পুনর্জন্মের ক্ষম হইয়া নিত্যানন্দ অনুভব করেন। তখন তিনি ধনরত্নাদি ৰজাতকে হয় এবং হেয় বুদ্ধিতেই ককৃত কৰ্মসমুদয়কে বশ করেন না। চক্ষুরাদি-ইন্দ্রিয় দ্বারা প্রথমে অনুভব, পশ্চা5 স্বহস্তে গ্রহণ তিনি সর্বপদার্থকেই সর্বপ্রকারে গ্রহণ করেন ও ত্যাগ করেন। করিয়াও অভ্যন্তরিক সপিণী সমবুদ্ধি দ্বারাই গ্রহণ করেন না সকল বস্তুতে হেয় বুদ্ধি রাখিয়া শিশুর ন্যায় চেষ্টাবান্ হন এবং এবং সেই প্রশান্ততে আত্মজ্ঞানী এই সংসার-শ্রোতকে আয়- দেশ, কাল ও সুষ্ঠানের ক্রমানুসারে কার্যক্ষেত্রে অবস্থান করি- রিকী প্রজ্ঞার সামর্থ্যে কৃত্রিমময়ী পুলিকাৰ ন্যায় দর্শন লেও কাৰ্য্য-জন্য সুখ বা দুঃখ তাহাকে অণুমাত্র আশ্রয় করিতে করিয়া নিতান্তু উপহাস করেন। তিনি ভবিষ্যরে অপেক্ষা না পারে না। তিনি বাহিরে কাৰ্য্যের আরম্ভ কৰিলেও অন্তরে তাহার করিয়া বর্তমানেও অবস্থান করেন না এবং অতীত-বিষধেরও স্মরণ সম্পূর্ণ চেষ্টা না থাকায় বহুবিষয়ে সত্যতবুদ্ধিতে আস্থা রাখেন করেন না, অথচ সমূদয়ই করিয়া থাকেন। ১৭। তিনি ব্যবহার না। সুতরাং তৎপন্ন ফলের অনুসন্ধান করেন না এবং তাহার বিষয়ে সুপ্তপ্রায় হইয়াও সদা প্রবুদ্ধ ও ব্যবহারে জাগরিত থাকিয়াও দুমুখের অবস্থায় উপেক্ষা ৰা সুখে আকাঙ্ক্ষা করেন না। ঐরূপ কাৰ্য সদাই সুপ্ত অর্থাৎ বাহিরে সকল কার্য করিয়াও অন্তরে কিছুই সম্পন্ন হইলে, আনন্দিত কিংবা কাৎসে দুঃখিত হল না এব করেন না এবং অন্তরে গর্শত্যাগী ও চেটামাত্রই বিহিত থাকি, যদি সূর্যের কিরণ শক্ত হও এসআপন করে কি যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ এগিদেব অধােমুখ হইয়া এলিত হন, তথাপি তাহার বিস্ময় হয় না; কারণ এই সময় শক্তি চিন্ময় আত্মার বিকাশ পাইয়া থাকে; অটলপ্ততিতম সর্গ। সুতরাং এই বাটনায় আত্মজ্ঞানীর কোন প্রকারই বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! যেমন প্রজ্বলিত অার জন্মের কৌতুক হয় না। ৮-৩০। তাহার দয়া থাকে না, অথচ তিনি স্পন্দনে অগ্নিময় চক্রই ভন্ন দর্শন হয়, অন্ধ্রপ চিভের স্পন্দনেই নির্দয়ও হন না; ভিক্ষাদি অপমানকর-কাৰ্যে লজ্জিত হন না, অথচ এই মিথ্যাভূত জগৎ সত্যের স্থায় প্রতীয়মান হইয়া থাকে এবং নির্লজ্জতাবও আশ্রয় করেন না, তাহার আত্মা কখনই কীভাব যেমন জলেরই পরিস্পন্দনে ভ্রমবশতঃই অতিরিক্তি গােলাকৃতি বা ঔদ্ধত্য অবলম্বন করে না। তাহার কিছুতেই অনবধান ছিল আবর্ত দৃষ্ট হইয়া থাকে, অপ চিওস্পনের অতিরিক্তরুপে না, তিনি কাচ উদ্বিগ্ন বা আনন্দিত হইতেন না এবং শরৎকালীন জগতের বিকাশ সম্পূর্ণ ভ্রমমাত্র জানিবে এবং যেমন আতপ আকাশে স্যায় সুনির্মল ও বিস্তৃত তদীয়মানসে অন্তরীকে নব সন্মুখে নয়ন চালনা করিলে, অন্তরীক্ষে ময়ূরপুচ্ছতানিয়াদির শারের ন্যায় রাগন্বেষাদি জমাইতে পারে না। হে রম। এই মিখ্যাভূত দর্নি হইয়া থাকে, তদ্বৎ চিস্পনেই এই মিথ্যাভুত- ল্যাপারে অনবরত অসংখ্য জীব উৎপন্ন হইতেও নষ্ট হই- জগতের সত্যরূপে দেখা হইয়া থাকে। রাম কহিলেন, হে তেছে, সুত্রাং কোথায় কিরূপে মুখিতা বা দুঃখিত সম্ভব হইতে ব্ৰহ্মন। এই চিত্ত কোন স্বভাবে স্পন্দিত হয় ও কোন উপায়ে বা পারে, কারণ বলে অঙ্গসম্পর্কে ভ্রাম্যমাণ ফেনপুঞ্জের স্যায় ইহার স্পন্দন দূর করা যায়, আপনি সে বিষয়ে সদুপায় নির্দেশ সংসারব্যাপৗর নিত্য পরিবর্তিত হইতেছে, সুতরাং এ বিষয়ে করন, যাহাতে আমি ঐ রােগের চিকিৎসা করিতে পারি। বশিষ্ঠ কোথায় কেমনে কিরূপ সুখের বা দুঃখের সমাবেশ হইতে পারে? কহিলেন-হে রাম। যেমন হিম ও তদীয় শুকুতা, যেমন জীবন্মুক্ত মানবেরা আত্মতে অগয়ার সৃষ্টি দর্শন করত নিরন্তর ডিল ও তদন্তঃস্থিত লৈকণা, যেমন পুষ্প ও তাহার সৌন্ধা অনন্ত জীবসক্ষের সত্তা ও অভাব দর্শন করিয়াও জন্মমৃত্যু এবং যেরূপ অগ্নি ও তাহার দাহিকা শক্তি পরস্পর নিত্যসংশ্নিষ্ট হইয়া দুঃখিত ৰা আনন্দিত হন না। নিরন্তর সৎপন্ন ও নিরন্তর আছে, দ্রুপ চিত্ত ও তাহার স্পন্দন উভয়ে নিত্য ভিন্ন আছে, বিনশ্বর এই নগ-সংসারে হর্ষ বা বিবাদের কিরূপে সম্ভব হইতে তবে যে ইহাদের ভেকজন, সে কেবল অভিবনিক মিখ্যামাত্র পারে? কর্মের ফল অবশ্যতাৰী হইলেও অসাধারণ ব্যক্তিলিগের আনিবে। ঐ চিত্ত ও তদীয় স্পন্দন এই উভয় পক্ষের একরের শুভমাত্রেরই আকাকা না থাকায় অভাবই স্থির হয় , সুতরাং ধ্বংস হইলে, গুণী ও গুণ উভয়েই নিশ্চয় নষ্ট হইয়া থাকে। কোনরূপ দুঃখপরম্পরাও কোন বিষয়ে কোনরূপেই তাহাদিগকে হে রাম। ঘােগ ও জ্ঞান এই দুইটা কি চিলশের প্রধান আক্ৰমণ করিতে পারে না, কারণ যে দুঃখদশা সুখানুভবের পরই উপার জনিবে; তন্মধ্যে চিত্তের পরনিনােধূকে ঘােগ ও বস্তুর উৎপন্ন হইয়া নিৰ কাৰ্য শােকনােহাদিকে বিস্তার করিয়া থাকে, সমকু-দর্শনকেই জ্ঞান কহে। রাম কহিলেন-হে মুনিবর। সেই দুঃখাবস্থা শুভকর্মাদির অভাববশতঃ সুখানুভবের শান্তি হইলে । জীব কোন সময়ে কীশ প্রাণাপনাদিনিরােধক যােগনামক স্বয়ই শান্ত হইয়া থাকে। হে রাম। এইরূপে সুখের ও দুঃখের ? উপায়ের অবলম্বন করিয়া অনন্ত দুধদায়িনী মানসী শাছিকে লাভ আকাক্ষা না থাকিলে হেয় বা উপাদেয় বদর্শনেরও অভাব হইয়া | করিতে পারে, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন-হে রাম। যেমন থাকে, সুং তাঁহার ইষ্টানি শুভাশুভবিষয়ের কোন রূপেই ভু-বিবরে সর্বত্রই বারির চলাচল আছে, সেইরূপ এই দেহমধ্যে সৰ হইতে পাত্রে না এবং ইটা রমও নহে, এইটীর এইরূপ যাদ্দেহনাড়ীতেই যে বা উভয় পাশে চলিত হইয়া থাকেন, দর্শন দূরীভূত হইলে, তােগাকাকাও দূরে গমন করে, তখন নৈরাশ্য তিনিই প্রাণসংজ্ঞায় অভিহত হন। অভ্যন্তরে স্পন্দনবশে নানা আসিয়া বদ্ধমূল হয়, তাহাতেই তদীয় মানস হিমের ন্যায় গলিত আশ্চৰ্যজনক কাৰ্যসকল ফিদন করেন ই অরে। হইয়া যায় এবং সমূলে মানসক্ষয় প্রাপ্ত হইলে আর তখন সঙ্কজ সেই প্রাণবায়ুরই অপানাদি নামসমুদয় কল্পনা করিয়াছেন। হে কোনরূপেই অবস্নান করিতে পারে না। যেমন তিলরাশি দন্ধ রাম। এমন সৌরভের আধার পুষ্প, সৌরভ হইতে এবং শুক্লত হইলে আর তাহাতে ভৈরশ কোনরূপেই থাকেনা। গুণের আধার তুষার, শুকুত গুণ হইতে অভিন্ন অর্থাৎ উভয়ে আত্মা ভিন্ন কিছুই নাই, এভাদৃশ অভাবের গভীর ভাব পরস্পরাশ্রয়েই অবস্থিত ড্রপ চিত্তের * রসাত্মক প্রাণ-আধার বা ঘৃনিশ্চয় আর পদার্থসমূহ সঞ্চলঝিকল হইয়া আকাশে হইয়াও পরস্পর নিতান্ত অভিন্ন। অন্তরে ঐ প্রাণের পরি- কায় সংবরূপ অবস্থিত হইলে, আর পরিচ্ছেদের স্পন্দনবশত সংসারতাবােমুখী যে চিতির শক্তি উৎপন্ন হইয়া থাকে না; আং জ্ঞানবানু মহান আত্মা তখন স্বকীয় অতি থাকে, তাহাকেই কিন্তু বলিয়া জানিবে। প্রথমে প্রাণের বিশালস্বরূপ সপ্ত, নিত্য ও স্বরূপভূত নিতিশয় আনন্দে স্পন্দনে বিদূবৃত্তির বিকাশ হইয়া থাকে এবং ঐচিঘিকাণেই আনন্দিত হই, আগ্রাবস্থায় ও কালে কেবলমাত্র যখা- সংসারভাবের বিকাশ হয়, এই ক্রমিক পায়সমূদয় জলস্পন্দনে বিষয়ের আলােচনাক চিত্তের মধ্যে প্রতিষ্ঠুিত হন, কি উনিচয়ের স্থায় চক্রের এমি অনুসারে উৎপন্ন হইয়া থাকে। কালে নুপ্ত হন আর প্রাররে কাল পত জীবনধারণ এই কারণেই শাস্যালােচৗ পনিরাে পরিস্পন্দনকেই চিত্ত বলিয়াছেন, সুতরাং সেই এণ সৎ হইলেই নিশ্চয়ই সপ্ততিতম সর্গ সমা। মনের উচ্ছেদ হইয়া থাকে এবং মনের উচ্ছেদ হইলেই, সূর্যের আলােকপ্রকাশের অভাব হইলেই লােকের দৈনিক খবহারের কায় সংসার সব বিদূরিত হয়। রাম কহিলেন-হে মূনে। ৩১। এ সময় মিলিত ।
উপম-এর। অন্তরীকারী প্রাণাদি বায়ুসমূদয় দেহরূপ গৃহমখে বিচর। বলিয়া অভিহিত হয়; উহা মেহীর মেহের কোন বেই করিতেছে, তবে কিরুপে তাহাদিগকে নিরুদ্ধ করা যাইতে পারে। অংশ নহে, কেবল এড় অতি জীর্ণ শিলাখণ্ডের সহিত উহার বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। শালােচনা, সজ-সংসর্গ ও কঞ্চিৎ ভুলনা সম্ভব হইতে পারে। যদি জীৰ ৰাসনা গর্বিত বৈরাগ্যের অভ্যাসে সংসারবৃত্তান্তে অনাস্থা হইলে পর প্রথমে পুক স্বীয় জ্ঞানময় বিহারে যত্বপুর্বক চিনিবেশ করে, একাগ্রতালক্ষণ অভীষ্টধ্যানের আশ্রয় গ্রহণ করিবে; অনন্তর তাহাতেও প্রাণস্পন্দনের নিমােথ হইতে পারে। এই পূর্বোক্ত ব্ৰহ্মতত্ত্বের চির-অভ্যাস করতে থাকিলেই প্রাণের স্পন্দন নষ্ট ক্রমানুসারে কিংবা অসঙ্কলকলিত অপ্রকারেখবা অজ্ঞ পণ্ডিত হইয়া যায়, কিংবা অধিকাৰে ঐকান্তিক হ্যানযােগসহুরে জনের কথিত ক্রমানুসারে প্রাণের স্পন্দন নিমােধ হইয়া থাকে, পূরক-কুন্তক-রেচকাদির নিরন্তর অভ্যাস করিলেও প্রাণের স্পন্দন এই সমুদয় বােগব্যাপার এরুপে অভ্যাস করিবে, যাহাতে কোন নিরােধ করা যায়, অথবা ওকারের সুদীর্ঘ উচ্চারণের অবসানেই একার লােগাজি বাধা আসিয়া আজমণ করিতে না পারে, তাহা ঐ শব্দের অরূপের অনুভব হইয়া থাকে ও তৎকালেই বাহবিষঙ্গের হইলেই ব্যক্তির হইলেই স্যক্তির সংসারপরিহারবিষয়ে বিশিষ্ট উপায় হইতে জ্ঞানের উপশম হয়, তাহাতেও প্রাণের নিরােধ হইয়া থাকে। পারে, নচেৎ অবিবেচনাপূর্বক হঠাৎ নিরােধের উৰােগ করিলে কিংবা বারংবার রেচকের অভ্যাস করিলে, প্রাণ দীর্ঘ প্রাপ্ত কঠিন রােগাদি অনায়াসে আক্রমণ করে, তখন বন্ধনচ্ছে। আর হইয়া বাকাশে উপস্থিত হয়, তখন সে নাসাবিবরকে স্পর্শ করে সহজে হইতে পারে না। হে রাম। ঐ পুৱককুকরেচকাক , তাহতেও প্রাণ নিরুদ্ধ হইয়া থাকে, ঐরূপ যেমন মেঘসমুদয় প্রাণায়াম-বৈরাগ্যে ভূষিত হইয়া যদি অভ্যাসে দৃঢ়তা লাভ করে, পৰ্ব্বতে বারংবার উপর্যুপরি আশ্রয় লইয়া সহজেই নিশ্চেষ্ট থাকে, তবেই জীবের বাসনানুরূপ ফলপ্রদ হইয়া থাকে অর্থাৎ যে প্রাণ- কেবল পূরকেরও পুনঃপুনঃ অভ্যাসে প্রাণ সহজেই সঞ্চরণবিহীন য়ামী মুমুক্ষ, তাঁহাকে সহজে মুক্তি দেয় ও যিনি ভােগাভিলাষী হয়, আহাতেও প্রাণনিরােধ হইয়া থাকে। এইরূপে কেবল তাহার সুদীর্ঘকাল ‘ভােগাভিলাষ পূর্ণ করে। হে বধুনাথ । কুন্তকের অ্যাসেও প্রাণ অনন্তকাল পূর্ণকুন্তের স্যায় নিশ্চল হইয়া নিরিণ যেমন দূরে যাইয়া, সেই স্থানেই লয়প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ থাকে, ইহাকেও প্রাণনিরােধ কহে এবং যােগী বে তালুমুলে কাগ্র হইতে আরম্ভ করিয়া, বাদশাঙ্গুলি-পরিমিত প্রদেশে অবস্থিত ঘণ্টিকাকতি মাংসপিণ্ডকে যত্নপুৰক বিদ্যা দ্বারা ভ, নাসা ওভালু, এই সকল অবয়ব সংস্থানে প্রাণায়াম অভ্যাস আক্রমণ করিয়া, প্রাণকে ব্ৰহ্মরন্ধ্রে স্থাপন করেন, তাহাতেও করিতে করিতে, প্রাণ উপশান্ত হইয়া থাকে। পূর্বে যে জিহবা প্রাণনিবােণসম্পন্ন হইয়া থাকে ।১-২৫। সূক্ষ্মলয়াকাশ দ্বারা তালুস্থিত পিণ্ডের আক্রমণের কথা বলিয়াছি, ঐ ক্ষুদ্র এবং সমস্ত বাহবিকাশ বিরহিত হইলে তথায় কিছুই থাকে না, ঘণ্টাকৃতি মাংসপিণ্ডকে অিবান্ত আৱা বারবার শ করিতে তখন ধ্যানসম্পর্কে আন্তরিক ও বাহিক সংসারভাব তিরােহিত পারিলেই স্ববশে আনা যায় ও তাহাতে প্রাণের গতাগতির হইলেও প্রাণনিরােধ হইয়া থাকে এবং নাসিকার অগ্রাধিদ্বাদশ মার্গ সুগম হইয়া থাকে। হে দেব। এই মৎপ্রদর্শিত সমাধিসমুদয় স্কুল-পরিমিত বাহাকাশে চক্ষু ও মনের বিশ্রাম হইলেও এক- স্ব স্ব সিফিলবিষয়ে বিকল্পময় হইলেও যদি বার বার অভ্যাস প্রকার প্রাণনিবােস হইয়া থাকে এবং অভ্যাসশ উরন্ধ্র দ্বারা যােগে অনুষ্ঠিত হয়, তবে অতি শীঘ্র জীবের পরম শান্তির জন্য তালুর উদ্ধৃস্থিত ব্ৰহ্মরন্ধ্রে প্রাণকে অবস্থাপিত করিলে যে, প্রাণের বিকলশূন্য হইয়া থাকে এবং পুরুষ অভ্যাসের ফলেই শােকালি- বাহুসম্পর্ক তিরহিত হয়, তাহাতেও প্রাণনিরোধ হইয়া থাকে । বিহীন হইয়া পরমাত্মায় রমণ করিয়া থাকে ও অনুরে বিনষ্ট কী ঐরূপ ঘন জ্বর মধ্যস্থলে চক্ষুরিন্দ্রিয়ের অবস্থান হয়, তখনই হয়, এ বিষয়ে অন্য উপায় নাই, সুতরাং তুমিও অভ্যাসেরই অনু- পরমেশ্বরকে আত্মস্বরূপে অবগত হওয়া যায়, তাহাতেও প্রাণনিনােথ শীলন কর, ঐ অভ্যাসের বলেই প্রাণের পরিনকার্য নিরুত হইয়া থাকে; কিংবা পরমেশ্বরের অনুগ্রহে হঠাৎ জ্ঞানের হয় এবং তাহাতেই মনে লয় হইয়া যায়, তখন একমাত্র নির্বাণই প্রকাশ পাইলেও যে বিকল্পজ্ঞান ভিরোহিত হইয়া থাকে, তাহাতেও অবশিষ্ট থাকে এবং মন যখনই বাসনার সহিত গুষ্টি হয়, তখনই প্রাণনিরােধ সম্পন্ন হয়। আবার বাসনাবিরতি চিত্তকে দহরাকাণে সে দেহকে তৎসহ প্রাণকে পর্যন্ত অভিনের বলে গ্রহণ করিয়া বহুকাল নিবিষ্ট করিয়া রাখিতে রাখিতে সেই কমনীয় দয়া- থাকে। হে রাম। তুমি ইহা দেখিয়া তােমার যা ইচ্ছা হয় তাহাই কাশের সম্যক জ্ঞান বা সাক্ষাৎকার হইলে, তারাও প্রাণস্পন্দ কর। হে রাম। এই সমূদয় কাৰ্যকারণভাৰ দেখিয়া প্রাণস্পন্দন নিরুদ্ধ হইয়া থাকে। ২৬-৩১। রাম কহিলেন,হে ব্ৰহ্ম। কেই মনের রূপ বলিয়া জানিবে, উহা হইতেই সংসারভ্রম উৎপন্ন সংসারে জীবগণের হৃদয় নামে যাহার কথা বলিলেন, যাহাতে হইতেছে, সুতরাং উহার উপশম হইলেই সাংসারভ্রান্তি দূর হইয়া বিস্তৃত আদর্শের ন্যায় সমস্ত বস্তুই প্রতিবিক্রিত হইয়া থাকে, কে। হে রাম। জীবের বিকাশ ক্ষয় হইলে সেই পাই উহা কিরূপ তাহা বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন,-হে সাধ্য। এই অবশিষ্ট থাকে, যাহার সন্নিধানে সংসারভাৰপূৰ্ণ বাগ্জাল যাইতে জতে প্রাণিগণেরয় দুই পুকুরে বিভক্ত আছে, তন্মধ্যে একটা পারে না। অর্থাৎ বাক্য দ্বারা নির্দেশ বলিয়াই আহা বাগীত হেয় ও অপরটা উপাদেয় বলিয়“নির্দিষ্ট হয়, তন্মধ্যে দেখা এবং যাহাতে সমস্ত, যাহা হইতে সমস্ত, যিনি সমুদয় ও বাদিদের বক্ষ ও পৃষ্ঠের মধ্যস্থলে যে হৃদয় থাকে, উহাকেই হেয় সমূদয় হইতেই যিনি, অথচ যাহাতে কিছু নাই, যাহা হইতে বলিয়া জানিবে এবং জ্ঞানীদের জ্ঞানমাত্রেই যে হলয়, উহাই কিছুই নহে, যাহা অগপ নহে এবং সমস্ত পদার্থই উপাদেয় সংজ্ঞায় নির্দিষ্ট হইয়া বাহিরে ও অন্তরে সর্বত্রই বিনাশী, বিকাময় ও গুণাত্মক বলিয়াই গুণাতীত যে পরমাত্মার রহিয়াছে, অথচ কোখাও অবস্থিত নহে, উহাই প্রধান হলসদৃশ দৃষ্টান্ত কিছুতেই হয় না, তথাপি প্রজ্ঞাবানের যে তাহার উহাতেই এই বি রহিয়াছে, উহাই সকল পদার্থের পণস্বরূপ, সমুদয় সম্পদের কোষাগার ও সকল ই ডিজ্ঞানরূপ হৃদয় * অাৎ পার্থক্য-জালালি।
বােগৰাষ্ঠ-রামায়ণ T পরিচয় জানিতে পারেন, সে কেবল তঁাহায় প্রতিসন্দর্শনেই সুন্নাৎ তুমি সেই আত্মময় হও। এই বার মাত্মক হইয়া থাকে অর্থাৎ তিনি সব শস্যের আস্বাদনী শক্তি ও সকল নিখিল সংসার পরমাণময় ব্রহ্মেরই স্বরূপ বলিয়া ইহাতে তৈজসপদার্থের দীপনী শক্তি এবং কামাদি আতর ব্যাপারের ও সুখের বা দুঃখের অবসর নাই, সুতরাং তুমি বিষ হইও না, প্রকাশেমুখী বৃত্তি দুই অরে চিন্ময়ী চন্দ্রিকাস্বরূপে উদয় যেমন গলিলই অঙ্গাদির আকারে ফুর্তিা পাইয়া থাকে, হইয়া থাকেন এবং মৎস্বরূপ কল্পতরু হইতেই বহুতর নালরস- ড্রপ আত্মাও অঙ্কের নিকট অজ্ঞান-ভূত জরামরণসঙুল সম্পন্ন ব্যক্তি নিরন্তর উৎপন্ন হইতেছে ও পতিত নিজাকারেই বিলাস পাইয়া থাকেন। ১—১৫। যিনি বিশুদ্ধ হইতেছে। যে প্রিজ্ঞ সুবােধ ব্যক্তি সর্বসীমার অতীত সেই প্রজ্ঞা খরা সুনির্মল আত্মাকে আলিঙ্গন করিয়া অবস্থান ব্ৰহ্মপদের অবলম্বনে অবস্থান করেন, সেই জ্ঞানীকেই জীবন্মুক্ত করেন, সেই আত্মজ্ঞানীকে কোন লেগাদিই বন্ধন করিতে বলিয়া থাকে।তখন সেই মুক্ত ব্যক্তি সমুদয় কামভােগাদির পারে না। উৎকণ্ঠা দূর হইয়া থাকে ও তৎসহযোগে ইষ্টানিষ্ট বিষয়ে হিতের বা পারে না, তেমনি যিনি প্রজ্ঞাবলে বিচার করিয়াছেন তাহাকে যেমন সামান্য বায়ুতে পর্বতের কিছুই করিতে অহিতের বাসনারও ধবংস হইয়া যায় এবং তিনি সমুদয় কামাদি রিপুগণে ব্যবহারেই হবিষাণাদি সমজ্ঞান রাখিয়া পুরুষপ্রধান হন আর যে ব্যক্তি অবিচারী অজ্ঞানী হইয়া, মূঢ়তাবশতঃ সৰ্ব্বদা কিছুমাত্র বিচলিত করিতে পারে না। জানিবে । ৩২-৫৫। আশার দাস হইয়া থাকে, তাহাকেই বককৃত মুদ্র মংভক্ষণের অষ্টসখতিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৮। ন্যায় দুঃখজাল আসিয়া সর্বদা বিড়ম্বিত করে। সংসারত্মাই, অবিদ্যা কোথাও নাই,—এই প্রকার দর্শনের অনুসরণ করিয়া স্বরূপে স্থির হইয়া অবস্থান কর। হে রাম। যেমন সমুদয় একোনাশীতিতম সর্গ। সরােবরে সলিল ভিন্ন কিছুই নাই, অেনি সংসারভাবে বাস্তবিক পার্থক্য কিছুই নাই, সকলই সেই ব্ৰহ্ম । যিনি এই প্রকার রাম কহিলেন-হে প্রভে। আপনি বােগযুক্ত চিত্তের নিশ্চয় করেন, সেই পুরুষই বস্তুর যাথার্থ্য দর্শন করিয়া থাকেন ও উপশমের বিষয় নিকপণ করিলেন। এক্ষণে সম্যক জ্ঞান কাহাকে মুক্ত ৰলিয়া অভিহিত হন। ১৬-২। বলে, তাহা অনুগ্রহপূর্বক নির্দেশ করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, একোনাএীতিতম সর্গ সমাপ্ত ৭৯। হে রম। এ সংসারে অনাদি, অনন্ত, স্বপ্রকাশ, অথম পরমাত্মাই অবস্থান করিতেছে, এইরূপ হিসিদ্ধান্তকেই পণ্ডিতেরা সম ভন বলিয়া থাকেন এবং যে কিছু ঘটপটাকারে অসংখ্য পদার্থ অশীতিতম সর্গ। পুঞ্জ দেখিতেছি, এ সমূদয়ই আত্মা, তদ্ভিন্ন কিছুই নাই, এ নিশ্চয়কে সবদর্শন বলিয়া থাকেন। অসমান হইতে বশিষ্ঠ কহিলেন,—হে রাম। যে বিবেকী অন্তরে এইরূপ সংসারভাবের প্রকাশ ও সয্য-দর্শন হইতে মুক্তি হইয়া থাকে, বিচার করেন, তাঁহার ভোগসামগ্রী সম্মুখে থাকিলেও কিছুমাত্র যেমন বন্ধুতে ভ্রমাত্মক সর্প দর্শন হয়, কিন্তু সম্যকরূপে দৃষ্ট হইলে স্পৃহা হয় না। যেমন গর্দভ ভারবহনই করিয়া থাকে, ভারত সেই সপর্দন থাকে না। হে রাম। ঐ জ্ঞানশক্তি যখনই দ্রব্যে তাহার কিছুমাত্র প্রভুত নাই তেমনি চক্ষুরিন্দ্রিয় কেবল সঙ্গক্ষা পরিত্যাগপূর্বক আত্মপ্রকাশে অভিভূতা হয়, তখনই প্রিয়প্রিয় বস্তু দর্শন করে মাত্র, ভংসদ্ভুত সুখদুঃখের ভােগ মুক্তিতে অগ্রসর হইয়া থাকে, উহার অন্য উপায় নাই এবং জীবেরই হইয়া থাকে, সুজাং যদি চরিন্দ্রিয় কষ্ট হয়, ঐ চিভিক্তি দ্বারূপে জ্ঞাত হইলেই পরমাত্মসংজ্ঞায় হাতে বিবেকী জীবের কিছুই ক্ষতি নাই। যেমন সেনাসধ্যবর্তী অভিহিত হন ও শুৱাইয়াও অন্তরে অশুদ্ধা থাকিলে, অবিদ্যা গর্দভ পদে পড়িলে সেনাপতির কিছুই অনিষ্ট হয় না। হে মুঢ়। সংজ্ঞায় নির্দিষ্টহইয় থাকেন। ঐ পরমাত্মজ্ঞানদশায় জ্ঞান ও নয়নকে কাচ সৌন্দৰ্যাদিরূপ কর্দমের আস্বাদন পাওয়াইও না জেয়ে তেজনা থাকে না, কেবল আত্মাই সমুদয় সংসার, এই কারণ ঐ আস্বাদন অতি নশ্বর ও ক্রমে তােমাকেও নষ্ট করিবে। নিশ্চ পূর্বাবস্থায় উদ্দীত হইয়া থাকে। হে রাম।,যখন যাহা দ্বারা আত্মপ্রকাশ হয় ও যাহা হইতেই অনাত্মভূত পদার্থ আইি সমুদয় তখন ভাৰ ৰাভাৰ উভয়েই কোথায় যে নিরূপিত সমুদয় আত্মস্বরূপে অনুভূত হয়, মহামতি প্রজ্ঞাবা ব্যক্তি সেই থাকে, তাহা জানা যায় না এবং তখন বন্ধন বা মুক্তি কিছুই সকল কর্ণ দ্বারাই সতত নিবদ্ধ থাকেন। হে নন। তুমিও থাকে না, সুতরাং সে বিষয়ে শােকের নিয়ান জানিৰে। অবস্তাৰি-মরণের জন্য ধ্বংসসামুখ ও আপাতরমণীয়; অতএব যখন চিত্ত বা চেত্য কিছুই নাই, এ সকল ব্ৰহ্মই প্রকাশ অসৎস্বরূপ রূপাদিকে আশ্রয় করিও না। কারণ যিনি সর্বদা সর্ব- পাইতেছে, তখন এ সমুই চিনাকাশ, সুতরাং মুক্তি বা দর্শনে সমর্থ, সেই পরমাত্মাই যদি রূপাদিদর্শনকাৰ্যে উদাসীন কি, আর বন্ধন বা কাহার। হে রঘুনাথ। বৃহৎ হইতে মুৱহৎ রহিলেন, তবে তুমি কেন সঠিক দীপালি সাহায্যে রূপালি এই ব্ৰহ্মই আপাতস্বরূপে অবস্থিত আছেন, জাং জ্ঞানবলে করত তাহাতে নিমগ্ন হইয়া অকারণ অনুতপ্ত হইতে। জেবুড়িকে দূর করিয়া আপনাতে স্বয়ং অবস্থান কর। যদি হে চিত্ত! নালির সলিলনের আয় এবং শরীফে করপে দেখা যায়, তাহা হইলে কাষ্ঠ, পাষাণ ও যন্ত্রের ময়ূরপুচ্ছাকারের স্থায় এই সংসারের মিখাবিলাসে দৃষ্টি অনু- পরপর কিছুই লে থাকে না, তখন এক বস্তুতে হেয় বা বক্তা হইছে হউক, কিন্তু তাহাতে তােমার কি হইল যে, উপাদেবুদি কিরুপে খৰিবে? আলিতে ওঅবসানে সামান্য তুমি অকারণ অনুরক্ত হইতেছে। হে অহঙ্কার! তােমাকেও বরও নে , আত্মার অদৃশও শান্তিময় স্বরূপ জালিৰে; বলি যে, প্রলয়কালে সমুলে অমান্য শরীমৎ স্যায় মিখা উপশম-প্রকরণ। ৫ মায়ায় সর্বদা চল-চিতের ফুরণ হইতেছে হউক, তাহাতে তুমি তুমি তৃষ্ণারূপিণী পিশাচীদিগের সহিত ও ক্রোখালি এপ কেন প্রকাপ পাইছে। হে চিত। আলােক ও রূপ পরস্পরে যক্ষগণের সহিত আমার দেহরূপ গৃহ হইতে নির্গত হও। নিত্য আধারধেয়ভাবেই অবস্থিত, ইহার সহিত তােমার কোন হে রাম। যেন হামধ্যে লুক্কায়িত ব্যায়, পশুরাজ শব্দ সম্পর্ক নাই, সুতরাং এ বিষয়ে তুমি কেন বৃথা ব্যাকুল হও। পাইলেই পলায়ন করে, ভগ সর্বদা অনবহিতচিত্তরূপ বেতাল, ১-১০। চক্ষু ল রূপালি দর্শন ও মনােখাৱা তদ্বিষয়ে সেইরূপ গৃহে বিবেকের সমাগম দেখিলেই তথা হইতে নির্গত সফ ইহারা পরস্পর সংশ্লিষ্ট না হইলেও মুখ ও আদর্শগত হইয়া থাকে। এই চিত্ত ক্ষণভঙ্গুর ও শঠ হইয়াও এই সমুদয় তৎপ্রতিবিম্বের ন্যায় নিত্যসংলগ্নভাবেই লক্ষিত হইয়া থাকে, ব্যক্তিকেই বে অধীন করিতেছে, এ অপো আশ্চর্যের বিষয় কিন্তু ইহা অনী জীবের নিকটই ঐরূপে নিরন্তর সংশ্লিষ্ট দেখা কিছুই নাই। হে চিত্ত। তুমি অজ্ঞানী ব্যক্তিকে যে আক্রমণ যায়, কিন্তু বাহার জ্ঞানকে আম আসিয়া গ্রাস করে, তার করিচ্ছে, ইহাতে তােমার বলবিক্রমের পরিচয় কিছুই নাই। নিকট অসদাকারে পরিণত হইয়া নিত্য পৃথকভাবে থাকে। তবে যদি আমাকে বাধিত করিতে পায়, তবেই তােমায় পরাক্রান্ত এইরূপ দর্শন ও মনােন উভয়ে মনের কল্পনাবলে পরস্পর বলিয়া বুঝিতে পারি। হে অজ্ঞচিন্ত। তােমাকে আমি পূৰ্ব্ব কাষ্ঠখণ্ডে নারসের ন্যায় অবাস্তবিক সম্বন্ধ থাকে, কদাচ মিলিত হইতেই মৃত বলিয়া জানিয়াছি, সুত্রাৎ অন্য নল আর কি হয় না। হে রাম । যাহারা মধ্যম বা অধম অধিকারী তাহার করিব? আমি তােমাকে জীবিত আনিয়াই সাররূপ রাত্রিতে ঈীয় মনের মানস্বরূপ বনসাধনতন্তুকে যন্ত্রপূর্বক বিচারবলে এতকাল অবধি গাঢ় আলিঙ্গন করিয়াছিলাম। এখন তােমাকে ছেদ করিয়া থাকেন, কিন্তু তিনি সম্পূর্ণ অধিকারী, তাঁহার অনা- মৃত বলিয়া জানিতে পারছি, সুতরাং একেবারেই আশা ত্যাগ সেই জ্ঞানের উৎপত্তি হওয়ায় স্বভাবতঃই অজ্ঞান দূর হইয়া করিয়া কেবল আত্মাতে অবদান করিতেছি।২৬-৩৬। অদ্য আমি থাকে। সেই অজ্ঞানের ক্ষয় হইলেই তাহার মনে লয় হইয় যে, চিত্তকে মৃত বলিয়া জানিতে পারিয়াছি, ইহা আমার ভাগ্যের থাকে, তাহাতে রূপালিদর্শন ও ভূত অভিলাষ পরস্পরে কোন কথা , নচেৎ ঐ কপট চিত্তের সহবাসে নিজের জীবন যাপন করা প্রকারেই সম্মিলিত হইতে পারে না। হে রঘুনাথ। চিতই নিতান্ত কেশ হইত। আমি গৃহ হইতে শঠ মনকে উৎসারণ সকলের অন্তরিন্দ্রিয়ের উদ্বোধক, সুতরাং গৃমধ্য হইতে পিশাচকে করিয়া, তেলসম্পৰ্কশূন্য হইয়া, আত্মাতে অবস্থান করত সুখী ধেরূপ লোকে দূর করে, তদ্রুপ অন্তর হইতে যে কোন প্রকারেই হইয়াছি। আমি যে এৰৎকাল চিত্তনেতালে আক্রান্ত হইয়া, হউৰু চিপিশাচের উচ্ছেদ করিবে। হে চিত্ত। তােমাকেও বিবিধ বিকার করিয়াছি, সে সমুদায় স্মরণ করিয়া, এক্ষণে আপনিই বলি, তুমি কেন বৃথা চঞ্চল হইতেছ, আমি তােমার আদি অন্ত হাসিতেছি। আমার হৃদয়গৃহে চিত্তবতা বড়ই উন্নত জানিয়াছি, আখি অন্তে যখন তােমার কিছুই নাই, তবে বর্তমান হইয়াছিল, তাহাকে আমি বিচারপ বা দ্বারা ভাগ্যৰলেই কণেও কেন বিনষ্ট হইবে। হে চিত্ত। আমার অন্তরে ইন্দ্রিয়াদি নিহত করিয়াছি, তাহাতেই ঐ চিত্তবেঙ্গল উপশম্ভ হইয়াছে সমানীত শব্দাদির আকারে কেন বুথ স্কুত্তি পাইছে , যে এবং আমার শরীররূপ ভবন শান্তিময়পথে উপনীত হওয়ায়, তােমাকে নিজের বলিয়া গ্রহণ করে, তাহারই নিকটে ঐ ব্যবহার আমি বড়ই সুখে রহিয়াছি। আমার বিচাররূপ মন্ত্রের বলেই করিলে স্থান পাইবে, নচেৎ তােমার বিলাসদর্শনে আমার মনের মৃত্যু হইয়াছে চিন্তা মরিয়াছে ও অহঙ্কাররূপ রাক্ষস কিছুমাত্র সন্তোষ হইতেছে না , প্রত্যুত ঐলিকব্যাপারে ধ্বংস পাইয়াছে। এক্ষণে কেবল আমি আপনাতেই মুখে অব- দশকের মানসরক্তির ন্যায় মুসন্নিধানে স্বীয় বৃত্তিতে বিচরণ স্থান করিতেছি। আমার মন কে, অহঙ্কার কে এবং আশাই বা করিয়াও পরিণামে স্বয়ংই দগ্ধ হইতেছ। হে কুচিত্ত ! তুমি কি ও পােয্যবর্গই বা কোথায়? কেহই কিছুই নহে। এক্ষণে অবস্থান কর বা প্রস্থান কর, সবাই আমার নিকট জীবৃিত নও, আমি কুতকার্য হইয়াছি বলিয়া বিকবিহীন নিত্য চিন্ময় পরমা- কারণ বাস্তবিক তােমার কিছুই স্বরূপ নাই, বিশেষ বিচার করিলে স্বরূপ; সুতরাং আমি আমাকেই বারংবার নমস্কার। আমার মােক পর অত্যই অসপে প্রতীয়মান হইবে। হে অসপিন্। নাই, মােহ নাই, আমি কাহার নহি। আমারই আমি, আমি ভিন্ন তােমার কোন স্বরূপ নাই, তুমি সর্বদা জড় ও ব্যঞ্জক, মুট কিছুই নাই, আং আমাকেই বারংবার নমস্কার। আমার ব্যক্তিই তোমার বাধ্য হইয়া থাকে, বিচারশীল ব্যক্তিকে কদাচ আশা নাই,কোন কৰ্ম্ম নই, সংসার আমার নহে , আমি কর্তা বাধিত করিতে পার না। তােমার কোন স্বরূপ নাই বলিয়া তুমি ভোক্তা কিছুই নহি। দেহ আমার নহে, সূরাং আমাকে যে মৃত, ইহা আমরা মুখতা বশতঃ এৰংকাল জানিতে পারি বারংবার নমস্কার। আমি আত্মা নছি, ভিন্ন কিছুই নহি, তথাপি নাই, কিন্তু এক্ষণে দীপসকাশে অন্ধকারের নিত অভাবেরায় সকলই আমি, সুতরাং আমাকে বারবার নমস্কার। আমি এই আমাদের জ্ঞানদশায় তুমি যে মৃত, ইহাই প্রতীতি হইতেছে। ভূমি সংসারের কারণ হইয়া চিৎশক্তিস্বরূপে এই সমগ্ৰসংসারকে নিজের শঠতাবলেই এতকাল আমার দেহরূপ গৃহকে আক্রমণ ধারণ করিতেছি; এবং আমার পৃথকৃভাগও নই শুৎ করিয়াছিলে ও কোনরূপেই সমাগম করিতে দিতে না, কিন্তু আমাকে বারবার নমস্কার। আমি বিকার, নিত্য ও এক্ষণে হে গঠ। তুমি আমার দেহ হইতে দূর হইয়াছ বলিয়াই অংশবিহীন এবং সর্বকালেই সর্বশ্বরূপ মহাত্মাঈল আমাকেই মণীয় দেহভবনে অবিরত প্রভৃতি সজ্জনের আশ্রয় হইতেছে, বারংবার নমস্কার । আমার রূপ নাই, সংজ্ঞা নাই, অপি এ আপক্ষা সুখে কি হইতে পারে ? হে অগপিসগবেতাল! আমি স্বয়ং আয়াতে প্রকাশে অবস্থান করিতেছি, আমাকেই তুমি আমার পূর্বেও ছিলে না, এখনও হইচ্ছে না এবং কাচ বারংবার নষঙ্কার। যে আমি সর্বগামিনী ও জগৎ-প্রকাশিকা হইলেও না, ইহাতেও গেমার কেন লজ্জা হইতেছে না।১১২৫। সম সভাকে আশ্রয় করিয়াছি, সেই আত্মকেই বারংবার হে চিত্ত বেতাল। যদি তােমার লজ্জা হইয়া থাকে, তাহা হইলে নমস্কার। আর এই গিৱিনদী-সমন্বিত পৃথিবী শুশােত ০৭৬ যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ। অধিক কি এই আত্মা হইতে পৃথকু হইলেও আমিই সমুদয় বিচার বা কি, আর আমি বা কে, কিসের বা বিচার করিব, সকলই শােভা। বাবপদাসন সংসারই আমি , এবংবিৎ আত্মাকে নিপ্রয়ােজন। আর মন যদি মিথ্যাময় হইল, তবে বিচারকের বারংবার নমস্কার। হে রাম। যিনি সংকল্পবিরহিত অতি সুন্দর অস্তিত্বহুসন্ধানে কিছুই প্রয়ােজন নাই ,কারণ মনোরূপ বেতালকে ও এই বিশ্বকে প্রকাশ করিয়া বিষ হইতে অতি দূরবর্তী, সেই জীবিত রাখা কোনমতে উচিত নয়, সুতরাং সেই সংকল্পবাসন- জরামরণ-শূন্য অতীত অজ অদ্বিতীয় ভগবান অচ্যুতকে আমি সাদম্ব ত্যাগ করিলাম। এইরূপ নির্ণয় করিয়া কার-নিচে বারংবার নজর করিতেছি। ৩৭০। তুরীয় পরমাত্মায় শান্তভাৰে মৌনী হইয়া অবস্থান করিতেছি। অশীতিতম সর্গ সমাপ্ত। হে রঘুনাথ। সাধুজনের ভক্ত হইয়াও শুনকাতে, অবস্থান- সম, ভােজনকালে, ৰা নিৰন্থায়, সকল সময়ে কল কই প্রজ্ঞা দ্বারা অগ্রে বিচার করিয়া থাকেন। অনন্তর স্বয়ং অস্বরূপে এৰীতিতম সর্গ। অবস্থান করিয়ই, বর্ণাশ্রমমাচিত কমাত্র নিজেগে পাল করিয়া থাকেন। হে রাম। এইরূপে প্রজ্ঞাবানু, ব্যক্তিদের বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। সঁহারা আত্মকেই অজ্ঞাতব অভিমান দূর হওয়ায়, অন্তঃকরণ বড়ই প্রফুল্ল হয় ও তাঁহার বলিয়া বুঝেন সেই তত্ত্বদর্শী মহাত্মারা এইরূপে বিচার করত চিত্তের শরৎকালীন শশধরের ন্যায় কান্তিসম্পন্ন হইয়া, বর্ণাশ্রমধর্ম মিথ্যাত্ব অবগত হইয়াও পুনরায় বক্ষ্যমাণপ্রকারে চিত্তকে বিচার প্রতিপালন করত এসংসারে পরমানন্দে বিচক্ষণ করিয়া থাকেন। করিবেন। যে আত্মাই এই সমুদয় জগৎ, এই জ্ঞান-সহকারে একাতিতম সর্গ সমাপ্ত।৮১। বে চিত্তের প্রকাশ, তাহা যে কিরূপে থাকিবে, বড়ই আশ্চর্যের কথা। কারণ অগতই যখন কিছুই নহে, তখন চিত্ত কি বস্তু হইতে পারে? অবিদ্যমান বলিয়া বা মাঝাবিলাস বলিয়া চিত্ত সম্পূর্ণ দ্ব্যশীতিতম সর্গ। অশপ, অথবা নিশ্চয়ই চিত্ত নাই, কিংবা আকাশ-কুসুমের স্যায় ভ্রান্তিরই বিলাসমা, অথবা নৌকারােহী শিশুর নিকট পাশ্বস্থ বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! পূর্বে পণ্ডিতবর সম্বৰ্ত মহাশয় বৃক্ষাদির গমনশীলতা ভ্রান্তিশে সিদ্ধ হয়, অনীর নিকট চিত্তের অস্বরূপ জ্ঞাত হইয়া, বিন্ধ্যাচলবিচরণ-সময়ে, আমার প্রতি দয়া স্পন্দনও সেইরূপ, কিন্তু জ্ঞানীর সমীপে ঐ চিত্ত নিত্যই বশত এইরূপ বিচারই নির্ণয় করিয়াছিলেন। বিচারবর্তী প্রজ্ঞ মিথ্যাভূত,তাহার ভ্রান্তি নাই। যেমন তৈল বা ইক্ষু প্রভৃতি যচক্রে দ্বারা অসন্দর্শনকে নিরােধ করিয়া, উত্তরােত্তর জ্ঞানপরিপাকের ভ্রমণ করিয়া তাহা হইতে প্রত্যাবৃত্ত হইলেও কিছুকাল পূরেবর্তী আশ্রয়ে এই সংসার-সমুদ্র হইতে উত্তীর্ণ হও। হে রাম। অপর পর্বতাদিরও ভ্রমণ লক্ষিত হয়, দ্রুপ অজ্ঞাননিবন্ধন ভম, যে একটী স্বরূপ-দর্শনের কথা বলিতেছি, যাহাকে আশ্রয় করিয়া পর্যন্ত দূর না হয়, তাবং চিত্তস্পন্দন অনুভূত হইয়া থাকে। বীব্যমুনি অসপিদে অবস্থান করিয়াছিলেন। পূর্বে অতি এইরূপে চিত্তের অভাবেই আত্মস্বরূপ ব্রহ্মের সম্ভাৰ সিদ্ধ হইল , তেজস্বী মুনিবর বীতব্য, অরণ্যে প্রবেশ করিয়াছিলেন এবং সুং সেই অসৎ-চিত্ত হইতে সস্তৃত পদার্থভাবনা সমুদয় মিথ্যা সূৰ্যলেব যেমন সুমেরুর মধ্যে ভ্রমণ করেন, তেমনই তিনি বলিয়াই আমি ত্যাগ করিলাম । আমি এক্ষণে সন্দেহহীন অপােনুষ্টানযােগ্য বিগিরির গুহামধ্যে পর্যটন করিতেন। তিনি হইয়াছি বলিয়া বিকল্পদ্ধর পরিত্যাগপূর্বক অবস্থান করিতেছি এবং আধিক্যাধিসঙ্কুল-সংসারের ভদায়ক ভীষণ কাৰ্যকলাপ হইতে পূর্বে যে পারমার্থিক স্বভাবে ছিলাম, এক্ষণেও কেবল সেই স্বীয় নিতান্ত ভীত হইয়াই এইরূপ বাসনা করিয়াছিলেন এবং নির্বি- অনুভবেই অবস্থান করিতেছি। যেমন আলােকের অভাব হইলেই কল্প সখিবলে যাহা লাভ করা যায়, সেই পদ প্রাপ্তির রূপভেদজ্ঞাপক জ্ঞানদি থাকে না, তেমনি চিভের অভাব হইলেই আশাতেই সংসার হইতে আত্মর ব্যাপারসমূদয়কে ক্রমশ অজ্ঞতনিবন্ধন বাসনাসমুদয়ের ক্ষয় হইয়া থাকে। আমার চিত্ত সঙ্কোচ করিলেন ও কালীদলে একখানি পর্ণকুটীর নির্মাণ করত কিষ্ট, তৃষ্ণা, দূরগতা, মােহজালক্ষ প্রাপ্তও অহঙ্কার ছিন্ন হইয়াছে তথ্যভাগ পদ্মপরাগাদি সম্পর্কে শুদ্র ও সুগন্ধি করিয়া, ভমরাকুল বলিয়া অজ্ঞাননিদ্রা হইয়াছে। এক্ষণে আমি জাগ্ৰৎ আত্ম পথের মত রমণীয় সেই কুটীরেই বাস করিতে লাগিলেন। তাহার তেই স্বস্বরুপে প্রবুদ্ধ রহিয়াছি। এক ব্ৰহ্মই নিত্য সত্য, ইহার মধ্যভাগে হতে পবিত্র অনুপম মৃগচর্শের আসন পাতিয়া, হা- পার্থক্য নাই, সুষ অন্তরে আর সে অসঙ্কত বিশ্বের ধারণা তেই হিমালবশৃঙ্গে বর্ষণবিহীন বারিধরের ন্যায় অচঞ্চল হইয়া কেন রাখিব এবং সে অসবিষয়ক এলাপেও কোন প্রয়ােজন নাই। বিশ্রাম করিভেন ও চরণধরের তলমূলের উপরিভাগে বরাঙ্গুলি আমি সেই জীৰভাসবিৱিহিত অনাদি অনন্ত পবিত্ৰ ব্ৰহ্মপদে সমুদয় স্থাপন করত পদ্মসন রচনাপূর্বক গ্রীবাকে উন্নতা করি, উপস্থিত হইয়াছি, সুতরাং অতি সূ হইও সর্বগামী নিত্য গিরিশৃঙ্গের মত নিশ্চলভাবে সমাধিতে অবস্থান করিজে। “ আল হইয়া রহিলাম। সৎসারে ব্যবহারদর্শনে বে চিনি ও যেমন সায়ংকালে মেরুগুহায় ৰেশামুখী এভাজালকে নদর্শনে ব্রহ্মচৈদি রহিয়াছে বলিয়া এসি, হা সংহার করিয়া থাকেন, তেমনি তিনিও ইন্দ্রিয়ঙ্কানরূপ আলােক আকাশ হইতেও নিৰ্ম্মল, অতি বিস্তৃত, অসীম ও শান্ত। চিত সাহায্যে সংসারভাবে প্রবিষ্ট মনকে নিগ্রহ করিয়া রাখিতেন। থাকুক, বা অন্তরে লয় প্রাপ্ত হউক, ৰা বুঢ়ভাবে অবস্থান করুক, তিনি ইন্দ্রিয়সম্বন্ধে ৰাহ ও মঙ্গকে ভ্যধিক বিষয় যখন আমার সমজ্ঞানে আত্মার প্রতিভাস আছে, তখন আমার সে শকে পরিত্যাগপূর্বক নির্বিকহুমে বক্ষণ একার বিচারে নিয়ােন আলিৰে। আমি এ যাবৎ মুখবশে কিছুমাত্র বিচার করিয়াছিলেন। কি আশ্চর্যের বিষয়, আমি এই বিয়ে বিচার করি নাইস; কিন্তু এতে বিচার করিয়া দেখিলাম, মনকে যত নিগ্রহ করিতেছি, কিছুতেই মন আমার ৩ উলম-গ্রকরণ ভাসমান পত্ৰখণ্ডে স্যায় স্থির হইতেছে না। যেমন কলুকাদি হইতেছে, তুমি কাযা ভােক্তা কিছুই নয়। কেবল আড়ম্বরূপ মিষির হইয়াও তলখেণে আহত হইলে, উয়ে উখিত হয়, ও অকর্তৃক ৰােধিত হও। তুমি ভােগসমুদয়ের কেহ নহ ও তদ্রুপ মন আমার চক্ষুরাদি ইন্দ্রিয়বর্গকর্তৃক স্বস্ব বিষয়ে উহারা তােমার কেহ নহে এবং আড়স্বরূপ তােমার আত্মা নাই, প্রেরিত হইয়াই নিরন্তর নৃত্য করিতেছে এবং পূর্ব পূর্ণ বিষয় হবে আর নুহজনাদি কিরূপে হইতে পারে এবং যাহা জড়, ত্যাগ করিলেও ইন্দ্রিয়গণের অনুসরণেও পর পর বিষয় গ্রহণ কোনরূপেই তাহার সত্তা নাই; সুতরাং তাহাতে কর্তৃত্ব, ভােক্তৃত্ব করিতেছে। 'আর কি বলিব, মনকে আমি যাহাতে নিষেধ করি, ও তদিভর ভাবে কিছুরই সব হয় না, কেবল খৎ অস তাহাতেই সে উল্পে ব্যয় ধাবমা হয়। চিত্ত আমার হইয়াও পরে সত্তাযােগেই সতের ন্যায় প্রতিভাত হয়। আর ঘট হইতে পটে ও পট হইতে শকটে আশ্রয় লইয়া, যদি তুমি অপনােক্ষ চৈতন্যরূপী হও, তাহাতে আত্মই তােমার বৃক্ষ হইতে বৃক্ষান্তরে বানরের ন্যায় বিচরণ করিতেছে। এই শরীর হইবে, কিন্তু হে চিত্ত। তাহা হইলে বিকল্পময়ী বলিয়া ইয়িনামক চক্ষুদির পঞ্চ-দুরাত্মা ঐ মনের পাঁচটা নির্গমন ঘর, দুঃখদাঘিনী সত্তা কিরূপে তােমার সব হইতে পারে। হে চিত্ত। এখন ইহাদিগকে অগ্ধরূপে দেখিতেছি। হে দুষ্ট ইন্দ্রিয়গণ। যেমন তুমি কর্তা ও ভােক্তা বলিয়াই মিথ্যাভিমানকে পুষিভেচ্ছ, তােমরা কেন আমার আত্মদর্শনেরও অবসর দিছে না। হে আমিও যেরূপে সেই অভিমানকে দূর করিতেছি, তাহা বলি, চঞ্চলাশয়। এরূপ অনিষ্টের জন্য চপলতা করিও না। একবার শ্রবণ কর। হে চিত্ত! তুমি স্বয়ং জুড়, ইহাতে সন্দেহ নাই; তােমরা অতীতবিষয়ে দুঃখসমূদয়ের কথা স্মরণ করিয়া দেখ, সুত্র জড়ের আবার কর্তৃত্ব কোথায়? শিল কি স্বয়ং কখন তােমরা মনের দ্বারসংজ্ঞকস্বরূপ বটে, কিন্তু জড়পী বলিয়া নৃত্য করিতে পারে। সুজাং তুমি ঈশ্বর সম্বন্ধীয় চিদাভাসকে নিতান্ত অধম, সুতরাং তােমদের মৃগতৃষ্ণার ন্যায় অকারণ আশ্রয় করিয়া চির-স্থির হও, নচেৎ স্বয়ং যে ইচ্ছা করিতেছ, স্পর্ধা কিছুতেই শােভা পাইতেছে না, কারণ যাহাদের স্বরূপই রহিয়াছ, নষ্ট করিতেছ, যাইতেছ, সকলই বৃথা জানিবে। সংসারে মিখ্যাভূত, সেই তােমাদের আত্মজ্ঞানশূন্য এইরূপ ঔদ্ধত্য যে কাৰ্য যাহার সামর্গে হইয়া থাকে, সেই কাৰ্য তাহা কর্তৃকই অন্ধদিগের তুলায়, পরিণামে দুষ্ট-ফলই প্রদান করে। হে কত বলিয়া নির্দিষ্ট হইয়া থাকে। যেমন পুরুষের শক্তিকে ইন্দ্রিয়বর্গ। তােমাদের দ্বারা কিছুই প্রয়ােজন নাই, আমি চিন্ময় আশ্রয় করিয়া দাত্র ছেদন করিতেছে সত্য; কিন্তু পুরুষই ছেদক আত্মা। সাফিস্বৰূপে আমিই ব্যবহারিক কার্যের সম্পাদন বলিয়া অভিহিত হয়। ঐরূপ যাহার শক্তিতে যে বস্তুর নিধন করিতেছি, সুতরাং তােমরা কেন বুথ ব্যাকুল হইতেছ? এই হইতেছে, সে বহু তাহা কর্তৃকই নিহত বলিয়া নির্দিষ্ট হয়। মিথ্যাভূত-নয়নাদি মিথ্যাই বিকাশ পাইতেছে ও সর্পেতে রক্ত যেমন খঙ্গ পুরুষের শক্তিযোগে বস্তুর নিধন করিলেও পুরুষই এমের ন্যায় সংসারের সত্যতা বুঝিয়া প্রবেশ করিতেছে। সর্ব- হত্যা নামে কথিত হইয়া থাকে। ঐরূপ যাহার শক্তিতে যে সাক্ষী সর্বজ্ঞ যে আত্মা, চক্ষুদিকে সবিশেষ নিয়াছেন, বন্ধু পান করা যায়, সেই শক্তিমান্ই সেই বস্তুর পানকর্তা আঁহার সতি, স্বর্গের সহিত পালবৰ্তী পৰ্ব্বতের ন্যায় কিছুমাত্র বলিয়া কথিত হয়। যেমন পাত্র দ্বারা পানসম্পন্ন হইলেও পুরুষ- সম্পর্ক নাই। পখিক যেমন সর্প হইতে ও ব্রাহ্মণ যেমন যকন কেই পানকা বলিয়া নির্দেশ করে। হে চিত্ত। তুমি স্বভাবতঃ হইতে ভীত হইয়া সন্নিধি পরিত্যাগ করে, তদ্রুপ চিন্ময় আত্ম অতিশয় জড়, কেবল সর্বজ্ঞ পরমাত্মা তোমাকে প্রতিবােধিত ইন্দ্রিয়গণের সন্নিধান ত্যাগ করিয়া দূরে অবস্থান করেন, করেন বলিয়াই তুমি আত্মস্বরূপে আত্মাকে স্বপ্নের মত বুঝিয়া সুং প্রকাশে দৈনিক-ব্যাপারের ন্যায় আত্মপ্রকাশে স্বতঃই থাক, তােমার কোন সংজ্ঞা বা কাৰ্য্য নাই। পরমেশ্বর আত্মা লােক্যবহার নিষ্পন্ন হয়, তাহাতে ইন্দ্রিয়াদির চাঞ্চল্য নির। তােমাকে নিরন্তর উদ্ভাসিত করিতেছেন , কারণ পণ্ডিতেরা হে চিত্ত। তুমি সৰ্ব্বধা বহির্মুখ প্রচরণ কর বলিয়া তুমি চরণ দিগকে অবিরত উপদেশাদি দ্বারা বুঝাইয়া থাকেন, এ তাহাদের ও সর্বদিকে আপনাকে চরিতার্থ করিতেছ বলিয়া ভিক্ষুক, স্বভাব, একমাত্র আত্মার সম্ভই বােধস্বরূপিণী হইয়া ফুর্তি পাই- সুতরাং কেন তুমি বৃথা নিজের অনর্থের নিমিত্ত কুকুরের ন্যায় তেছে, তুমিও তাহারই আশ্রয়ে চিত্রশ লাভ করিয়া অবস্থান জগতে ভ্রমণ করিচ্ছে। হে মন। তুমি যে চিন্ময় বলিয়া কুরিচ্ছে। এইরূপে আত্মশক্তির অজ্ঞানবশতঃই চিত্তের প্রকাশ আপনাকে বুঝিচ্ছে, এবার তােমার নিতান্ত মিথ্যা। হে হইয়া থাকে। হে চিত্ত। আত্মজ্ঞানদশায় তীব্র আতপে হিম- শঠ! চৈতনে ও তােমাতে নিতান্ত ভিন্নভাব আছে বলিয়া কণার ন্যায় তুমি থাকিতে পার না, মুজাং তুমি মৃত ও তুমি মূঢ় কিছুতেই একতা সম্ভব হয় না। আমি রহিয়াছি বলিয়া তাের ও পরমার্থত কিছুই নই। সুতরাং তােমার যে অমজদি বে, অহংজ্ঞান হইতেছে, উহাতে সত্য বা অসত্য কিছু নাই , দুঃখের জন্য স্থিরাভিমান আছে তাহা একেবারে দূর হউক। ঐন্দ্র- সুভং নিতান্ত মিখ্যা ও পরিণামে দুঃখেরই অস্ত হইয়া থাকে। আলিকের প্রকাশিত তার ন্যায় এই চিত্তসত্তা নিতান্ত মিখা, ভােমার অহংজ্ঞানের উদয়ে রহিয়াছি বলিয়া যে অভিমান এ বিষয়ে ব্রহ্মজ্ঞান ভিন্ন অপর কিছুই প্রতিভাস হইতেছে না। হইতেছে, উহা ত্যাগ কর। হে মুগ্ধ। তুমি কিছুই নয়, তবে হে মূঢ়। যদি তুমি আত্মজ্ঞানের উদয়েই চিন্ময় হও, তবে সেই বাবা কেন চঞ্চল হইভেচ্ছ? চিন্ময় জ্ঞানই অনাদি ও অনন্ত। এই পরমপদ হইতে এক্ষণে পৃথক্ আছ, তাহাতে তােমার শােকের দেহে উহা ভিন্ন কিছুই নাই। হে মুখতম! ৰে চিলাৰক কিছু প্রয়ােজন নাই। সেই সৰ্বভাবে সর্বশ্বরূপে অবস্থিত তুমি আবার কে?হে চিত্ত। তােমার কর্তা ও ডােক্তা বলিয়া সর্বগামী পরশু যাহাতে হইতে পায়, তাহারই উপায় কর, এ অভিমান, উহা ভােগকালে ধরূপ হইলেও পরিণামে কারণ ঐ পদ প্রাপ্ত হইলে কিছুই প্রাপ্য থাকে না। ১৫। বিয়ের স্থান অধিকার করিতেছে; আং ঐ মিখানি ত্যাগ তুমি নাই, দেহ নাই, এক বিশাল ব্রহ্মেরই ফুরণ হইতেছে এ করতুমি ইএিয়গণের আশ্রয় লইয়া কে উপহাসম্পদ সেই ব্রহ্মেই আমি তুমি শব্দের প্রতিস হইতেছে, তাহাতে ৭৮ যােগবা কামায়ণ আর অন্যের ক্ষোভ কেন হইবে। যধি আত্মাই তুমি, অহা সৌগন্ধাঙ্গি ভাগ করে, জেনি আত্মার জ্ঞানৰয়ৰে বৃদ্ধি হইতে হইলে বিশ্ব ব্যাপিয়া আছ, আর যদি আত্বভিন্ন জরূপী হও, থাকিলে, ক্ৰমশঃ তুমিও থাকিতে পায় না। হে চিত্ত ! - তাহাতে তােমার শরীর নাই , সুতরাং তুমিও নাই। এই ত্রিভু নির্ণীত আছে, একে অন্যের সহিত এক ক্রিয়ায় বা উভয় বন সমুদয়ই আআ, তলির কিছুই নয়। যদি তুমি ঐ আত্বভিন্ন ক্রিয়ায় যে একীভাব অর্থাৎ মিলন, তাহারই নাম সম্বন্ধ, অপর কিছু হও, তাহা হইলে তােমার পরমার্থিকস্বরূপ কিছুই পূর্বে দ্বিত্ব থাকে শেষে এক হয়, কিন্তু আত্মার সহিত তােমার নাই। আমি বালক, আমি বৃদ্ধ, পুত্রাদি আমারই স্বজন, এরূপে মিলন হইতে পারে না, কারণ তােমার অবস্থায় নানাপ্রকার বচন কেন বৃথা অভিমান করিতেছু ? তােমারই বাস্তবতা নাই, তৰে ও নানাপ্রকার কাধে অভিমুখ্য আছে , তুমি সুখ ও দুঃখের কিরুপে এ সকল ঘটিবে? শশষগের শৃঙ্গ একেবারেই অসম্ভব, কারণ বলিয়া আত্মা হইতেই নিতান্ত পৃথকভাবে আছ। সৎসারে কেহ কি সেই মিথ্যাশনে আহত হইয়া থাকে ? হে শঠ। তুল্য ব্যক্তিদ্বয়ের এবং উভয়ের মধ্যে এক ব্যক্তি ন হইলেও যদি যশ, অমি চিন্ময়, নহি, এতদুভয়ভিন্ন তৃতীয়ভাবে পূর্ণ তাহাদের পরস্পর মিশ্রণরূপ সম্বন্ধ দেখা যায়, কিন্তু পরপর রহিয়াছি, ইহা নিতান্ত অসম্ভব, কারণ যেমন ছায়া ও আতপের নিতান্ত বিরুদ্ধধৰ্মীর কোথাও মিলন হয় না। হাতে জলবহ্নির মধ্যে তৃতীয় কিছু নাই সেইরূপ পূর্বোক্ত স্বয়ের ইতর নাই স্যায় একের নাশ হইয়া থাকে, সুং আত্মসম্পর্কে তােমার নিবে। সত্যদর্শন হইতে চিত্তের ও জড়দর্শনের ক্ষয় হইলে সত্তা থাকে না। হে চিত্ত। যদি বল, শস্পর্শরূপাদি বিরুদ্ধ গু+ যাহা অবশিষ্ট থাকে, সেই স্বানুভবই সত্যদর্শনের ফল জানিবে। বিশিষ্ট সূক্ষ্মভূতগণেরও ত পঞ্চীকরণ দ্বারা পরস্পর সম্বন্ধ বা সখি- হে মূঢ়। তােমার কিছু মাত্র কর্তৃত্ব বা ভােঙু নাই, সুতরাং লন দেখিতে পাওয়া যায়, তবে আমারই বা আত্মার সহিত সম্বন্ধ তুমি পরমব্রহ্মস্বরূপ হইতেছ, এক্ষণে মূঢ়তা ত্যাগ করিয়া আত্ম- সম্ভব নহে, ইহার কারণ কি? ইহার উত্তর এই যে,-উহাদিগের বন্ হও। তথাপি “মনর দ্বারা দেখিবে এই প্রকার যে সমুদয় মধ্যে পরস্পর বিরােধী ভাব নাই, কেননা অন্যান্য দ্রব্যের গুণ- ঐতিতে তা বলিয়া নির্দিষ্ট আছ, সে কেবল ঔপদশিক বস্তুর সকলও পরস্পর মিলিত হইলে, পক্ষীকৃত দ্রব্যসমূহকেই সর্বতাে- সিদ্ধির জন্য, আত্মা যেখাকে করণরূপে রাখিয়া কাৰ্য্য করিয়া ভাবে আশ্রয় করিয়া থাকে। সংবিং ও জডত, উভয়ের মধ্যে থাকেন, এইপই কপিত হয়। করণামাত্রই অসংস্বরূপ বলিয়া বিরোধ দেখা যায়। তুমি জড়, অতএব জড় বলিয়া যদি সংবিৎ জড় এবং আশ্রয়বিহীন , সুতরাং কৰ্ত্তার প্রকাশন ব্যতীত কিছু হইতে বিচ্যুত হও, তাহা হইলে , তােমার জড়াংশও সাধিত তেই করণের স্পন্দন হয় না, তবে কোনমতেই তুমি আপনাতে হইতে পারে না, কারণ সংবিৎই তোমার সভাস|বকা। অত- কোন কার্য্যেরই কর্তৃত্বাভিমান রাখিতে পায় না। যেমন ছেদকের এব সংবিং হইতে বিচ্যুতি তােমার পক্ষে দুনয়িনী, ভুমি সংবিৎ অভাবে দাত্র কিছুই করিতে পারে না, সেইরূপ, অকর্তৃভূত হইতে বিচ্যুত হইও না। অন্তষ্টি বা সংবিত্রে সগয়ে দুখদায়ক করণে কিছুই সামর্থ্য নাই, হে চিত্ত। বঙ্গের প্রহার বা কত | দৃশ্য বস্তুর অভাব বা নাশ হইলে, দুঃখ ও নিরতিশয় আনন্দ- ছেদনকার্ধে পুরুষেরই সামর্থ্য আছে, তাতে জড়রূপ ধা। সরূপ অস্বযাত্রই অবশিষ্ট থাকেন। অতএব ইহাতেই যদি সৰ্বাশুদ্ধ হইলেও ঐ ছেদনাদিতে কিছুমাত্র শক্তি প্রকাশ 'তােমার সঙ্গে হয়, তবে তুমি একান্ত ধ্যানধােগে নিরবচ্ছিন্ন করিতে পারে না, তুমি সেই মতই, সুতরাং হে সখে! তােমার সমাধিসম্পন্ন হইয়া আত্মদশী হও। হে চিন্তু। সঙ্কলেন্মুখ হইলে কিছুই কর্তৃত্ব নাই, তবে কেন বৃথা দুঃখগী হও, আর কেনই বা তােমার মুখ নাই, সমাধিতেই তোমার সুখ, অতএব তুমি পর জন্য কে করিতেছ, উহা তোমার শােভ পাইতেছে না। সঙ্কলোমুখতা কে দুঃখদায়িনী, তাহা অবগত হও, আর ইহাও আর যদি জীবকে ঈশ্বরাংশ জনিয়াই ত শোক করিতে থাক, জান যে, এই সংবিঃ বিবিধ সঙ্কল্পবিষয়ে উন্মুখী হইলেই প্রস্তর- তাহাও অনুচিত। কারণ পরমেশ্বর কোনমতেই শােকের লক্য তুল্য ড দেহ মন ও ইন্দ্রিয়ার্কি চ্যুত বা পতিত, সুতরাং নহেন, তবে যে তােমার তুল্য, তাহারই জন্য শােক কর। বিশেষ ইলিয়দ্বার দিয়া বহুভাগে বিভক্ত হইয়া যেন বিশীর্ণ হইয়া পরমেশ্বরের কাৰ্ঘ্যে বা অকাৰ্যে কিছুতেই প্রয়োজন নাই জানিযে। পড়ে না। ৫১-৭৫। হে চিত্ত। যেমন আকাশে কুসুম হয় আর যদি আত্মার উপকারই না হয় করিতেছি এই অভিমানে না, সেইরূপ আত্মারও কোনরূপ কর্তৃত্ব নাই , কারণ আকাশে যদি স্বীয় মুদ্রাবয়বকে রেশ দিয়া থাক, তাতেও সেই আত্মার মৃত্তিকা সম্পর্কের ন্যায় আত্মায় কোন প্রকার কলা স্পর্শ করিতে কিছুই উপকার হইতেছে না, যদি ভোক্তা ও কর্তা পরমেশ্বরেরই পারে না, সুতরাং অন্তরীক্ষের অবয়বের হায় আত্মায় কোন জন্য তােমার প্রবৃত্তি হইয়া থাকে, তাহাও নিপ্রয়ােজন। কারণ রূপ কর্তৃত্ব সঙবে না। যেমন সমুদ্র, মেন-বুদবুদাদির আকারে ভঁহার সর্বদাই তৃপ্তি খাকায় কিছুতেই ইচ্ছা নাই জনিবে। সলিলের স্ফুরণেই কুত্তি পাইয়া থাকে, তৎ ও তােমার সেহেতু সেই সর্বগামী চিন্ময় আত্মা একাই স্বাভাবিক স্বপ্রকাশে কৃজিত নানা ব্যবহারে ক্ষুর্তি পাইয়া থাকেন, কিন্তু স্বয়ং কিছুই সংসারকে পূর্ণ করিয়াছেন, অন্য কিছুই কল্পনা নাই। অয় করেন না। যেমন সমুদ্রমথ্যে তপ্ত অার থাকে না, সেইরূপ পরমাত্মাই আত্মাতে শিবিৰবিলাসে জগদ্ধপের প্রকাশ করিতেছেন, আত্মদেব সঙ্করহিত হইলে এবং দেহ ও মন জড় হইলে সুত্রাং যাহা ইচ্ছার বিষয়, তাদৃশ কোন বস্তুই অলভ্য নাই। কল্পনাকারীর অভাৰনিবন্ধন কোন কানা থাকিতে পারে না। তবে তথাপি সুন্দরী রাজমহিষী দেখিয়া যুবকজনের অন্তর যেমন রথাই যে এইটী শুভ, এইটা অশুভ, ইহা অষ্ণ, ইহা সে নহে, এ প্রকার চঞ্চল হইয়া থাকে, তদ্রুপ বস্তুদর্শনের পরই যে তােমার ক্ষোভ, কল্পনা কেবল বিশিষ্ট জ্ঞানভিহিত সংবিৎ বিতর কিছুই তাহা নিতান্ত কারণশূন্য। যদি আত্মসম্বন্ধী বলিয়া তাহার অনুগ্রহেই নহে। সুজ্ঞা অন্তরীক্ষে কাশনের স্যায় এ সমুদয় অসতী কল্পনা ােেগদি পাইতেই ইহা বুঝিয়া খাক, সে অতিক্রম। কারণ যেমন হইতে পারে না। তবে কে সংৰেণ্যৰিছীনা সংবই বিস্তার পুপ হইতে ফল উপত্র হইলে নিজাকার বৃদ্ধিসহকারেই পুষ্পের পাইছে, অপর কিছুই নহে। অৰে আয়ও যে, তাহা হইলে ।
উপম-প্রকরণ। এই আমি, এই অপর, এই অসৎ কল্পনা কিরূপে হইবে এবং পিশাচীর আয় সেই জীর্ণ বিহার করিতে থাকে। যে চিত। বাহার আদি নাই, রূপ নাই, সেই সৰ্বব্যাপী আত্মার কোন হে ইন্দ্রিয়বর্গ। তােমরা যদি না থাক, তবেই প্রভাতে পদ্মিনীর ব্যক্তি অন্তরীকে খেলিখনের স্যায় করুনা আলােপ করিতে স্যায় সমুদয় গুণসম্পদ আসিয়া বিকাশ পাইয়া থাকে। তখন পারে ? যে সকল পদ ও অর্থকে বন্ধু বলা যায়, আত্মাসেসকলেরই হাকাশ নির্মল জ্ঞানালােকে উদ্ভাসিত হয় ও তথায় মােহকী সারভূত। তিনি নিতোদিত ও সংবিৎভবেই অবস্থিত। হে পদের ধ্বংস হয় ৰলিয়া সমূসায় কালোগুণের কাৰ্য দূর হইয়া চিত। তুমি যদি স্বকীয় নির্মলতার প্রভাবে সেই আত্মাকে সকল থাকে।১–১৬| তখন আকাশ হইতে পতিত জলধারার যায় ক্ষো দিক্ দিয়া সর্বতােভাবে, অসংদি ও অপবােক্ষপে অবগত হও, কারী বিকভজাল কিছুতেই আসিতে পারে না, কেবল কক্ষের নৰে- তাহা হইলে আমার সুখকণা ও দুখকা মৃগতৃষ্ণা, বুজুস ও দগ কোমল-মঞ্জরীর ন্যায় সকলের হালকারিণী পরমপবিত্রা শুক্তিরজতাদি অসত্য পদার্থের ব্যায় ক্ষয় হইয়া যায়। কারণ ঐ হৃদয়গ্রাহিণী মৈত্রী হৃদয় হইতে প্রকাশ পাইয়া থাকে। নানাছিদ্র- সুখ-দুঃখ-জ্ঞান নিশ্চয়ই মােহ ৰ ভ্ৰান্তি, সত্য নহে। ৭৬-৮৩। শলিনী মুখজনসেবিতা চিন্তা, তখন হিমাবৃতা পদ্মিনীর ন্যায় হৃদয় : শীতিতম সর্গ সমাপ্ত। ২। মধ্যে শুষ্ক হইয়া যায়, যেমন শরৎকালে আকাশে মেঘের অভাব হইল বলিয়া সূৰ্যমগুল অধিক প্রকাশ পায়, সেইরূপ অজ্ঞানের কয় হয় বলিয়া অন্তরে জ্ঞানালােক প্রকাশ পাইতে থাকে। তখন শীতিতম সর্গ। হৃদয় কোনরূপে ক্ষুব্ধ বা কাহা কর্তৃকই অভিভূত হয় না বলিয়া স্থির হইয়া থাকে, তাহার গান্তীৰ্য প্রকাশ পায়, তাহাতে বায়ু- বশিষ্ঠ বুলিলেন,-সেই মুনিবর বীভহ নির্জনে থাকিয়া বিহীন সাগরের ন্যায় সমভাব থারণ করিয়া থাকে। পুরুষ ভৎকালে চিত্তকে এইরূপে শাসন করিয়া, পুনরায় নিজ ইলিয়গণকে বক্ষ্য নিত্যানন্দময় হওয়ায় অমৃতরাশিপরিপূর্ণ চন্দ্রমার ন্যায় শীতলভাব মাণ প্রকারে সম্যকরূপে বুঝাইতে লাগিলেন। হে রাম। তিনি ধারণ করুত অন্তরে অবস্থান করেন। তখন অজ্ঞানের ধ্বংস হয় ইন্দ্রিয়গণের জন্য নির্জনে যাহা বলিয়াছিলেন, তাহা তােমাকে স্পষ্ট বলিয়া অন্তরে জ্ঞানের বিকাশ হইয়া থাকে। ঐ জ্ঞানে সচরাচর বলিতেছি ইহা শ্রবণ করিয়া তুমিও তাদৃশ ভাবনা করত দুঃখের সমগ্র-সংসার প্রতিভাসিত হয়। ১৭-২৩। তখন তােমার স্বম্বরূপ পারে গমন করিতে পারিবে। হে ইন্দ্ৰিৱবৰ্গ' তােমাদের এই দেহ আনন্দে পূর্ণ হইয়া পরিপুষ্ট বলিয়া অনুভূত হইবে; কিন্তু সীয় বিদ্যমানতা অবিচার-দৃষ্টিতে উৎপন্ন হইয়া জীবিতদশায় আশারজুতে সতত নিবন্ধ প্রাণাদিপাপাসঙ্গে কিছুতেই পুষ্টি দুঃখ প্রদান করিতেছে ও অবসানে নরকাদিপ্রদায়িনী হইতেছে, হইবে না। যেমন রক্ষে বনানলে লজ পত্রাদির পুনরায় রসারে *তরাং তোমরা এই মিথ্যাভূত নিজ সন্ডাকে ত্যাগ কর। আমার উম হইয়া থাকে, তম্বৰ জ্ঞানলে সংসারের জন্য জন্ম প্রভৃতি পূদ্যোক্ত আত্মতত্ত্ববিষয়ক উপদেশে তােমাদের সত্তা নিশ্চয়ই বিস্তৃতমার্গ ভস্মীভূত হইলেও, জীবন্মুক্তদিগের কান্তি, পুষ্টি, ক্ষয় পাইয়াছে, কারণ তােমরা অজ্ঞান হইতে উৎপন্ন বলিয়া আনােগ্য প্রভৃতি গুণের পুনরাগম হয়। তাঁহারা সংসারে পুনঃপুনঃ ননদয়ে তােমরা থাকিতে পার না। হে চিত্ত। যেমন অতি- প্রমণনিবারণের জন্য আনন্দময় পরমাত্মায় চির বিশ্রাম করে। প্রজ্জ্বলিত অখিতে বলকাদির ক্রীড়া, তাহাদের দেহত্বাহেরই কারণ ঐপ অন্য গুণসমুদয় অকালে প্রকাশ পাইয়া খাকে। হে চিত্ত। হয়, তদ্রুপ তােমার সন্তাও পরিণামে দুঃখেরই নিদান হইয়া তুমি সমুদয় আশার নিশান বলিয়াই ভােমার অভাব হইলে থাকে। আর দেশ, তুমি থাকিলেই মিথুক্ত জলকলােলস্বৰূপ আজালেরও ক্ষয় হয়, সুতরাং আত্মভাবে স্থিতি ও অত্যন্ত জড়জনসঙ্কুল-সংসারভাবরূপ নদীসমুদয় কালরূপ সমুদ্রে প্রবেশ অস, এই পক্ষয়ের মধ্যে যাহাতেই নিজের কল্যাণ বিবেচনা করিয়া থাকে, তাহাতে পরস্পরের অহঙ্কারে উৎপন্ন পরস্পরে জয় করিবে, তাহাই শীঘ্র অঙ্গীকার কর । হে সম্মানি-শ্রেষ্ঠ । পরাজয়াকিনিবন্ধন চিন্তাজালে পরিপুর্ণ দুঃখরাশি বৃষ্টিধারার ন্যায় আত্মভাবে অবস্থানই তােমার সুখকর বিবেচনা করি। একারণ কোথা হইতে অতর্কিতভাৰে আসিয়া নিপতিত হয়। আর হৃদয়ের অঙ্ক ভাবর্জিত সেই ভাবেই ভাবনা কর, নচেৎ মুখত্যাগ করা উম্মলনে উদ্যত ভয়ঙ্করী সম্পঞ্জিপদরূপিণী অনন্ত বিসূচিকা মূটের কাৰ্য জানিৰে। হে চিত্ত। তােমার অন্তরে চৈতন্যময় স্বীয় আসিয়া আক্রমণ করিয়া থাকে। তাহাতেই দেহরূপ সুপ যদি সত্য থাকে, তবে তাহারই আশ্রয়ে অবস্থান কর। জীর্ণরুকে প্রকাশ জরামরণরূপিণী মঞ্জরী লইয়া থাকে ও সেই ঐরূপে জীবিত থাকিলে কেহই তোমার অভন্তাভাৰ ইচ্ছা করিবে মঞ্জরীতে কাসাসালিরাগৰূপ ভ্রমর আসিয়া ধ্বনি করিতে থাকে। না। হে সুন্দর। আমি সত্য করিয়া বলিতেছি যে, তুমি তস্বরূপে আর মনােথরূপ হিংস্রস্তুতে পরিপূর্ণ ও সেহচ্ছিদ্ররূপ গনতুষারে অবস্থিত নই, সুতরাং অদ্রপীর অভাবপক্ষের আশ্রয় লওয়া ব্যাপ্ত শরীরমধ্যবর্তী স্থলয়রূপ কোটরে চিন্তারূপ চঞ্চল জালকারক উচিত। ২৪-৩০। হে চিত্ত। এই কারণে তুমি স্বাবলম্বনে কীট আসিয়া কাৰ্য্য করিতে থাকে। তখন এই কাল্পরূপ প্রাচীন | জীবিত আছ, এই আশায় মিথ্যা সুখী হইও না। কারণ তুমি বুকে লােভরূপ পল্পী আসিয়া মুখণিময়ী স্বীয় ভৗচঞ্চ, দ্বাৰা প্ৰথমপরেই আশ্রিত অর্থাৎ অসৎস্বরূপ। বাপি ভ্রমণে এই কক্ষের দমাদিরূপ ফলপসমুদয় খণ্ডন করিয়া থাকে। যে ভােমার অস্তিত্ব হইতেছিল, এণে সেই ভ্ৰম বিচারসম্পর্কে আবাৱ অপবিত্র দুরাচার কামরূপ কুকুট আসিয়া সেই জীবনের সম্পূর্ণ ধ্বংস প্রাপ্ত হইয়াছে। হে সাবধা! অবিচারদশাতেই জলছুরূপ প্রদেশকে পাস দ্বারা বিকিরণ করিয়া থাকে এবং তােমার স্বরূপ সি হইয়া থাকে, আর বিচার বিধান হইলে তুমি মােহরূপিণী ভয়ঙ্করী রাত্রিতে অজ্ঞানরূপ পেচক আসিয়া শশানে সন্ত্রস্বরুপে অবস্থান কর। আলােকের অভাবেই যেমন অন্ধ পেচকের ন্যায় ঐহৃদয়পাপে উদ্ধতভাবে বিচরণ করিয়া থাকে। কারের প্রকাশ, ড্রপ বিচাৱাভাবেই ভােমার উৎপত্তি হইলেও এইরূপ অপর বশত অভশ্রী সেই মােহনশায় আসিয়া রাত্রিতে আলোকসম্পর্কে যেমন ভােয়ালি দূরীভূত হয়, ভন্ন বিষয়- যােগশষ্ঠ- আষণ। ৫ সংযােগে তােমার শক্তি হয়, অর্থাৎ স্বরূপ ধ্বংস হয় সপী এই অবস্থান করিয়াই তাহার সর্তকালের মত তিনশত হও। যেমন ভ্রাতকানায় শিশুর নিকট আর মিথ্যা নেভালের বৎসর অতীত হইয়াছিল। সেই অহ্মজ্ঞানী এ দীর্ঘকাল প্রকাশ হইয়া থাকে। সেইরূপ হে সখে! এতাবৎকাল আমার অতীত হইতেছে বলিয়া বুঝিতে পারেন নাই এবং জীবন্মুক্ত বিবেকশক্তির অক্ষত ছিল বলিয়াই, তুমি স্থূলভাব ধারণ করিয়া বলিল্লাই সেই ধ্যান-পরায়ণ বীহ্য আশ্রিত দেহকেও ত্যাগ দুঃখেরই কারণ হইয়াছিল। আমার পূর্বে সরস্থিত বিনশ্বর করেন নাই। দেখিবরের সেই যােগকালে বক্ষ্যমাণ বই খালি ন্দের অনুভব হইল, কিন্তু এখলে যে বিবেকের সমাধির ব্যাঘাতক বিত্ব উপস্থিত হইয়াছিল, তাহাতেও তাহার অনুগ্রহে আবিদ্যাৱকাৰ্য ক্ষয় হইয়াছে বলিয়া, অনাদি অনন্ত আত্ম - বহুজ্জান হয় নাই।১-৮। তাঁহার ধ্যানসারে বহুবার রূপ বস্তুর প্রতিভাস হইয়াছে, সেই বিবেককে বারংবার নমস্কার। থাৱাৰণর সহিত মেয়ের ভীষণ গর্জন হইয়াছিল। তথায় হে চিত্ত। তােমাকে বহুবার বুঝাইতেছি,শা জ্ঞাপন করাইয়াছি বহুতয় সম্রাটুই মৃগয়াব্যাপৃত থাকায় ভীষণ মৃগয়াকোলাহল হইয়- যে, তুমি চিতাবস্থানের পূর্বে যে পরমেশ্বর ছিলে, এক্ষণে জ্ঞান ছিল এবং নিরন্তর পক্ষী ও বানরের শা, মাজরংহিত, পশুরাজের দশায়ও পূৰ্বশ্বরূপের বিলাস হইতেছে, যাহা তােমার মঙ্গলের ভীষণ চীৎকার ও নিঝবপায়ে নিরন্তর শব্দে তার ধ্যান ভঙ্গ জন্যই স্থিতিলাভ করিতে অর্থাৎ তুমি এক্ষণেও সমন্ত বাসনা- হয় নাই। অধিক কি, কতবার বজ্রপাত, সাধারণের সক্রোধ বিহীন পরমেশ্বরেই আছ। আর যে ভােমার চিত্তস্বরূপে অবস্থান গর্জনের সহিত কোলাহল, কত ভূমিকম্প, বনদাহ প্রভৃতি অবিবেকজঙ্গই উৎপন্ন হইয়াছিল, তাহা এক্ষণে বিবেকসম্পর্কেই ভয়ানক কাৰ্য উপস্থিত হইয়াও, তঁহার ধ্যান করিতে পারে বিনষ্ট হইয়াছে। হে ইন্দ্রিয়প্রবর চিত। পূৰ্মোক্ত শাস্ত্ৰসিদ্ধান্ত নাই। পরে শৃঙ্গভঙ্গাদিনিবন্ধন ভীষণ শব্দ, ভূগর্ভ হইতে ও যুক্তিবলে তােমার অভাবই নিণীত হইয়াছে, এক্ষণে সংসার- সলমৃত্তিকার নির্গমন, প্রতিকূল-এলস্রোতের পরস্পর অতি পরগামী তােমার মঙ্গল হউক। যিনি পূৰ্বে ছিলেন না, এক্ষণে এবং অগ্নির ন্যায় তীব্র গ্রীষ্মদির সন্তাপও ভদীয় ধ্যানের বিঘ্নকারী অবসম্পন্ন ও ভবিষ্যতে যাহার সত্তা থাকিবে ন্য, হে নিজমন। হয় নাই। এইরূপে প্রকৃতির নিয়মে কালসমুদয় অতিক্রান্ত সেই তােমার কল্যাণ হউক। আত্মা আছেনই, যেহেতু তিনি হইতে থাকিলে, মুনিরের দেহ সেই পৰ্বতগুহাতেই কিছু অন্যত্র বহিছে এই আমি’ ও ‘উহাও আমি, আম। ভিন্ন কালের মধ্যে বাসশকে উপর্যপরি গলিত পঞ্চবালিতে আরত কিছুই নাই। আমি চিন্ময় বােধস্বরূপে সর্বত্র সর্বদা অবস্থান হইয়া ক্ৰমশঃ ভূগর্ভে নিখাতের ন্যায় অদৃশ্য হইল।—১৫। করিতেছি এইরুপ কল্পনা নিৰ্ম্মল শুদ্ধচিন্ময় অন্তরে অবস্থান পায় তখন সেই গুহামধ্যে মুনিবর পাতশরীর হইয়া পক্সে এক না। সুতরাং এই আমি এইরূপ বাক্য উচ্চারণ না করিয়া, খণ্ড শিলার ন্যায় অবস্থান করিতে লাগিলেন। এইরূপে তিন শত জলে তরঙ্গের স্যায় দ্বির আত্মাতেই আপনি অবস্থান করিতেছি। বৎসর অতীত হইলে পর, সেই আত্মরূপী বীতব্য খই ঘথায় ঝগনার হইয়াছে, প্রাণাদির সঞ্চার নাই, পার্থক্য সমাধিভঙ্গ করিয়া প্রবুদ্ধ হইলেন। এতকাল ভূগর্ভেও হার নাই ও যাহাকে জড়ােব স্পর্শ করিতে পারে নাই, আমি সেই লিঙ্গদেহস্থায়িনী চিন্ময়ী শক্তিই তদীয় পাঞ্চভৌতিক দেহকে রক্ষা চিৎস্বরূপের আশ্রয় লইয়া ব্যাপারবিহীন অন্তঃকরণে মৌনভাব করিয়াছিল এবং প্রাণদিবাযুর গতাগতিপ ক্রিয়ার অভাবহেতুকই অবলম্বন করিয়া মুখে বিশ্রাম করিতেছি। ৩১-০৮'। সেই সূক্ষ্ম প্রাণমন্ত্র স্পন্দন থাকিতে পারে নাই। অনন্তর তঁাহার তিতম সর্গ সমাপ্ত ৮৩। জীবরূপ সংবিং, অবশিষ্ট প্রারকের ভোগাৰ্থ উন্মেষক্রমে স্থূলতা পাইয়া তদীয় হৃদয়মধেই মনােরূপিণী হইয়া বক্ষ্যমাণদশা ভােগ করাইয়াছিলেন। প্রথমে মুনিবর কৈলাসপতের কাননে চতুরশীতিতম সর্গ। কঘর তলদেশে জীবন্মুক্ত হইয়া একুশবকাল যাপন করিয়াছিলেন। তৎপরে একশত বৎসর নিরাপদে বিদ্যাধরঘােনিতে বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রঘুনাথ' বীতহষ্য মুনি এইরূপ সিদ্ধান্ত থাকিয়া, পাঁচ ফুগ ইন্দ্র হইয়া দেবগণের সেবা পাইয়াছিলেন। করিয়া বাসনাপরিত্যাগপূর্বক বিক্যাচলের মধ্যে সমাধিতে রাম কহিলেন, হে মুনে। সেই বীতব্যের ইন্দ্ৰত্বদশায় অবস্থান করিলেন। তখন তাঁহার সংবিদের কিছুমাত্র চালনা যে কালের নিয়ম ও মুনিদশায় কৈলাস-কানদিরূপ স্থানের হওয়ায় তিনি কেবল পূর্ণানন্দময় হইয়া মনকে দূর করিয়া নিয়ম হইয়ছিল, তার ক্ষুদ্ৰহৃদয়মধ্যে সামান্যকালে দিলেন এবং অচঞ্চল সমুদ্রের রায় সুরঞ্জবে শােভা পাইতে হওয়ায় নিতান্ত অনিয়মও হইয়াছিল , নুং কালদেশের নিয়ম লাগিলেন। যেমন বহ্নির আশ্রয় কাষ্ঠশি দগ্ধ হইলে আর তাহার ও অনিয়ম, উভয় কিরূপে ঘটিল, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, শিখার পরিপন হয় না, সেইমত তাহার অন্তর ব্যাপার হেরাম। সর্বশ্বরূপিণ চিচ্ছক্তি যেস্থানে যেরূপে প্রকাশ পান, হওয়ায় ক্রমশ প্রাণপনালি বায়ুসমূদয়ের উপাৰ হইতে আত্মার অভিন্ন শক্তির বলেই আর সেইরূপে শীঘ্রই অনুভব লাগিল। তখন হার অর্ভোগীলিত নয়নমের স্থিরপ্রভা নাসিকার হইয়া থাকে এবং বুদ্ধিতে যখন যেরূপে অনুভব হয়, সেইরূপেই এভাগে স্বত্র আলাল পরিমাণে পাওয়ায় ঈকিসিত পথের নিয়ম থাকে। অস্বরূপ হয় বলি কালদেশাদির নিয়মের ক্রম সা পাইতেছিল। বাহে বা অভ্যন্তরে তঁাহার ইঞ্জিমে থাকে না অর্থাৎ সমানে সময়েও বহুদেশের বহুকাল দর্শন কোনরূপ কাৰ্য্য না থাকায়, নয়নের পরও স্থির হইয়াছিল এবং হইয়া থাকে, যেমন সাধারণের স্বপ্নাদি হইয়া থাকে, সেইরূপ মোহামরি গ্রীব ও মন্তকাদি বাবদখবই স্থিরভাবে উন্নত এই কারণেই বাসনাগী বীত্য খহয়ে জ্ঞানাকালে নাৰি খাকাম, জিন প্রস্তরখােদিত মূর্তির গায় বা চিত্রিত পুত্তলিকায় জগৎ দর্শন করিয়াছিলেন, যেমন গন্ধবীদের স্বশক্তির দ্বা হয়, মত অবস্থান করিতেছিলেন। সেই বিলের মধ্যে তদ্রুপ সমগজনীদের জীবদশায় এইরূপ ইকাম- উপম প্রকরণ। রূপিণী বাসনা জ্ঞানালে দগ্ধ একাতেই বাসনা-সংজ্ঞাতেই যে মন, ভন্নি আর কিছুই নহে। এই প্রকারে এই কজ বা অিিহতা হইতে পারে না। ১৬-২৬। এইরূণে তিনি আরও দৃশ্যই জগৎকে মে পর্যন্ত উক্তভাবে অবগত হওয়া না যায়, এক কল্পকাল মহাদেবের প্রমথ হইয়াছিলেন। ঐ প্রমথদশায় তাবৎকাল উহা হুদয়মধ্যে বারের ন্যায় বদ্ধমূল হইয়া থাকে, তাহার সকল বিদ্যার প্রতিভাও ভূত, ভবিষ্যৎ, বর্তমানকালয়ের কিন্তু জ্ঞাত হইলে পরম চিদাকা-জিন্ন আর কিছুই পরিলক্ষিত প্রতিভাস ছিল। আরও দেখ, যিনি যেরূপে দৃঢ়-সংস্কারশালী হয় না। সমুদ্রের জল যেন সমুদ্র হইতে অভিন্ন হইয়াও হন, তিনি তাহাকে অনুভব করিয়া থাকেন বলিয়াই ৰীতহ্য প্রত্যুলাস বা উৎপত্তি ও বিলাস বা বৃদ্ধি প্রভৃতি পরিণামের জীবমুক্ত হইয়াও প্রারব্ধকর্মে সংস্কায়বান থাকায়, ঐ সমূদয় প্রভাবে নানারূপে প্রকাশমান হয়, সেইরূপ এই মনই অজ্ঞান- অনুভব করিয়াছিলেন। রাম কহিলেন, “হে মুনিবর। যদি প্রভাবে উক্তরূপ পরিণাসের বশবর্তী হইয়া এই জগতের বীতব্যেরও এইরূপ ভােগাদির প্রতিজ্ঞাস হইয়াছিল, তাহাতেই আকারে বিস্তিত হইতেছে। যথাবৎ অবিকৃত স্বরূপে অবস্থিত বিবেচনা হয়, জীবন্মুক্ত হইলেও সাধারণেই বন্ধনও মুক্তি উভয়ই চিদাকাশের স্বভাবভূত মায়ার প্রভাবে পুনঃপূঃ মলন করে ঘটিস্যা থাকে। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। জীবমুক্তদিগের বলিয়া স্বীয়চিত্তই মন এই নাম প্রাপ্ত হয়, সেই মনই প্রাররে ভােগদশায় এই বিশ্ব-আকাশ নির্মল প্রশান্ত জগতে বিশ্বার বা বিকাব্যাপার সম্পাদন করিয়াছে। এইরূপে ব্ৰহ্মপেই অবস্থান করে, জাং তাহাদের আর বন্ধন বা মুক্তি এই দৃশ্যজগৎ বিতত বা বিস্তৃত হইয়াছে। বস্তুতঃ কিন্তু কিছুই কিছুই থাকে না। তাহাদের এই সংবিদাকাশ যথায় যথায় বিতত বা বিস্তৃত হয় নাই। ৩৩-৪৪ | যেরুপে যেরূপে প্রকাশ পায়, তত্তস্থানে সেই সেইরূপে লাভবানের চতুরশীতিতম সর্গ সমাপ্ত।৮৪ | ন্যায় সফলকাম হয়, সুতরাং হে রাঘৰ। সেই জীবন্মুক্ত সর্বস্বৰূপী হন বলিয়াই সেই সৰ্বাঙ্খা হেতু ব্ৰহ্মরূপেই বহুশত জগতের অনুভব করিয়াছেন ও অনুভব করিতেছেন।২৭-৩২। পঞ্চাশীতিতম সর্গ। সেই সকল জগতের আপনাদের কোনরূপ নাই, উহারা নিঃস্বরূপ এবং প্রতিভাসনে বিশালতম ও অধ্য। আবার যখন চৈত্য রাম কহিলেন,হে গুনে। অনন্তর বীতহব সেই পর্বতের ভিন্ন বস্তুতঃ আর কিছুই নাই, তখন ভূগর্ভে নিমখ বা নিখাত গুহামধ্যস্থিত আত্মদেহকে কিরূপে উদ্ধার করিলেন, আর কি মুনিবর বীতব্যের চৈতন্যই ঐ জগতের স্বরূপ, সেই অসংখ্য উপায়েই ৰা সেই দেহমধ্যে প্রবেশ করিলেন, তাহা বলুন। জগতে সেই বীতব্যের চিলাকায় যিনি অাত্মবােধহীন ইন্দ্ররূপে ৰণিষ্ঠ কহিলেন, অনন্তর বাতব্য সমাধিতে আত্মাকে অনন্তব্ৰহ্ম- প্রতিভাত হইয়াছিলেন, তিনি আজ দীনজনের নিবাসস্থল দীন স্বরূপেই চমংকারময় বলিয়া অবগত হইলেন ও সেই ধ্যানসময়ে নামক দেশবিশেষে পৃথিবীপতি হইয়া এক্ষণে অরণ্যমধ্যে তদীয় প্রাক্তন জ্যোতির উন্মেষ হওয়ায় পূৰ্বপুৰ্ব্ব জমের অবলােকন মৃগয়া অনুষ্ঠানে প্রবৃত্ত হইয়াছেন। পিতামহ ব্রহ্মার পাদ্মকতে, বিষয়ে তঁাহার বড়ই ইচ্ছা হইল। তাহাতে জিনি সমূদয় জন্মেরই যৎকালে বীতহ্য গণপতি হইয়াছিলেন, সেই সময়ে যিনি দেহ দেখিতে পাইলেন। দেখিলেন, কতক দেহ নষ্ট হইয়াছে ও কৈলাসগিরির কানকুঞ্জে ঐ কুঞ্জের অবােধবিহীন কেলিহংসও কতকগুলি দেহ অবিনষ্টই আছে। তন্মধ্যে গিরিগুহার মৃত্তিকায় হইয়াছিলেন, তিনিই এক্ষণে নিষাদরাজ হইয়া অবস্থান আবৃত বৰ্তমান দেহও দেখিতে পাইলেন। ভদ্দশনে ঐ দেহকে করিতেছেন। তিনি পৃথিবীর সৌরমণ্ডলের আত্মবােয়বিহীন উদ্ধার করিবার জন্য তাঁহার বাসনা হইল। তিনি দেখিলেন, অধিপতি ছিলেন, সেই তিনিই অজি অর্জদিগের বহুলপালপ- যেমন পঙ্কমধ্যে কীট অবস্থিত হয়, তং বীহ্যসংজ্ঞিত-দেহ পরিশােভিত গ্রামমধ্যে অবস্থিত হইয়াছেন। রাম কহিলেন, গিরিগুহামধ্যে অবস্থান করিতেছে। অসংখ্য বর্ষাপ্রপাতে পঙ্করাশি যদি এই সৃষ্টি ৰীবের মনঃকজি, ভণধ্যে যে সকল আনিল্লা সেই দেহকে আবরণ করিয়া রাখিয়াছে। অধােমুখে অব- দেহধারী, তাহারা যদি ভ্রান্তিমাত্র, তবে সেই ইন্দ্র ও হংসালির স্থিত থাকায়, সেই দেহের পৃষ্ঠাদির সমূদয় ত্বকের উপরি যে কিছু সেই সেই দেহের আকারবিষ্ট সচেতনসকলের সভা কিরূপে পঙ্ক জমিয়াছে, তাহাতে সুদীর্ঘ কাল প্রভৃতি তৃণসমূদয় জন্মিয়াছে সম্ভব হইতে পারে ? বশিষ্ট কহিলেন, একমাত্র ভ্রান্তিই বীত- মহাতেজা মুনি এই সকল দেখিয়া প্রকৃষ্টজ্ঞানসম্পর্ক প্রখরা বুজি হবের স্বরূপ, আর সেই প্রতিমাত্ৰাত্মক বীতহয্যের এই জগৎ, দ্বারা চিন্তা করিতে লাগিলেন। ১৬) আমার ঐ দেহ নানাবিধ যদি এইরূপ হয়, তাহা হইলে, হে রাম' এই অগং ভােমার প্রাণ পাওয়ায় প্রণব কর্তৃক পরিত্যক্ত হইয়াছে এক্সং সঞ্চ- নিকট কিরূপে আবার সচেতনগণে সংযুক্ত বলিয়া এতিভাসমান বাদি কোন কাধ করিতেই সমর্থ হইতেছে না। আমি এক্ষণে হইতেছে? যদি এই জগৎকে কেবল দেহ-চৈতন্যরূপে দেখা যায়, তেজেদেহে প্রবেশ করি, তাহা হইলে তাহার অনুচর পিল তাহা হইলে ইহাকে কেৰল মনের ভ্রম বলিয়া তুলনা করিয়ে আমার এই দেহকে উজার করিবেন। অথবা আমাৰ ইহাতে কি হইবে। আর যদি ইহাকে কেবল মন বলিয়া নির্দেশ অথবা যােজন? আমি নিবিয়ে স্বীয় পরপদে নির্বাণ লাভ করি মমাত্র বলিয়া তুলনা করা যায়, তাহা হইলে ইহাকে আকাশই এক্ষণে আমার মেহদির জেগে কিছুই প্রয়ােজন নাই। ৰীৰ চিন্মা বলিতে হইবে। হে আমবি কিন্তু এই জগৎ এরূপও মনে মনে এইরূপ চিন্তা করিয়া ক্ষণকাল মৌলম্বনপূর্বক নহে, আবার ঐরূপ জি অরূপও নহে, আর তোমার জগৎ- পুনরায় চিন্তা করিলেন, এক্ষণে আমার দেহ ত্যাগ বা দেহখীকার, রূপে সত্তা নাই, কেননা, একমাত্র ব্রহ্মই এই জগৎপে বিগত উভয়েতেই কোন বিশেষ না থাকায়, কোনটাই উপাদেয় বলিয়া হইতেছেন। কি ভূত, কি ভবিষ্যৎ, কি বর্তমান, কি ইহা কি বিবেচনা হইতেছে না। কারণ দেহত্যাগ যেরূপ, দেহাশ্রয়ও আহা, এই সমুদয় জগৎই, আর কেবল সংবিজপে অবশিষ্ট সেইরূপ। আপি যখন দেহটা রহিয়াছে, এখনও খুলি সহিত ৩৮ বােগবাশিরামায়ণ T 1 মিশায় নাই, তখন ইকে আশ্রয় করিয়া কিছুকাল বিহার করি। থাকিয়াও সুষুধের ব্যাম্বু জৈাল নি না করিয়া, আর পিঙ্গলের সাহায্যে বেন দর্পণে প্রতিবিম্ব পতিত হয়, সেইমত সুষুপ্তিদশায় থাকিয়াও সর্বদা স্বরূপদর্শনে প্রবুদ্ধ হইয়া তুরীয় অগ্রে আকাশস্থিত সৌর তেজোময় দেহ আশ্রয় করি। মুনি এই ব্ৰহ্মপদ অবলম্বন করিয়া, এই দেহমধ্যেই স্তম্ভিত হইয়া প্রকার বিবেচনা করিয়া বায়ুৰূপ ধাৰণপুর্বক সূৰ্যদেহে সংক্রান্ত অবস্থান করি এবং স্বাণুর ন্যায় বহ ক্রিয়াহীন হইয়া সেই হইলেন। তখন ভগবান্ সুৰ্য বীহবকে স্বীয়দয়ে প্রবিষ্ট হইতে মননাতীত সর্বব্যাপী পূর্ণ সময় ব্রহ্মে একান্ত আসক্ত হই। দেখিয়া উহার পূর্বাপর কর্মসমুদয় আলোচনা করিলেন এবং এইরূপ চিন্তা করিয়া তিনি পুনরায় ছয় দিন ধ্যানে থাকিলে, বিচিলের গুহায় মুক্তিকামধ্যে অবস্থিত ও উপরি-সঞ্জাত তৃণজালে তৎপরে ক্ষণনিদ্রাগত পথিকের যায় এবুদ্ধ হইলেন। তদবধি সমাচ্ছন্ন বাহনবিহীন মুনিদেহ দেখিতে পাইলেন। গগন- সেই সিদ্ধ মহাতপন্থী বীহষ্য মহাশয় চিরকাল জীবন্মুক্তাবস্থাতেই মধ্যচারী সূৰ্য্যদেব মুনিবয়ের অভিপ্রায় জ্ঞাত হইয়া ভূমধ্য হইতে বিহার করিতে লাগিলেন। তিনি কোন প্রিয়বস্তুতে আনন্দ মুনিদেহ উত্তোলন করিষার অঙ্গ নিজ প্রধান অনুচর পিঙ্গলকে বা অপ্রিয়বস্তুতে নিন্দা করিতেন না। ঐরূপ অনিষ্টপাতে উদ্বিগ্ন আজ্ঞা করিলেন। তখন ৰীহুব্যমুনির সূৰ্যদেহবর্তিনী প- বা ইষ্টঘটনায় আনন্দিত হইতেন না। কি গমন সময়ে, কি রূপিণী সংবিৎ প্ৰকাশ পাইয়া সেই জগৎপূজ্য সূৰ্য্যকে মনের দ্বারা অবস্থানকালে, সকল সময়েই তিনি স্বীয় হৃদয়ে আত্মবিনােদনের প্রণাম করিলেন এবং সূর্যদেবের আদেশে সেই বিন্ধ্যগুহাম্মুিখে জন্য নিজ মনের সহিত বক্ষ্যমাণ প্রকারে আলাপ করিমে। গমনােগ্যত পুৱােৰী পিঙ্গলদেহে সম্মানপূর্বক প্রবেশ করিলেন। হে বিষয়াসক্ত ইন্দ্রিয়াধিপতে মনঃ। তুমি শান্তিময় হইয়া, কিরূপ অনন্তর পিঙ্গল আকাশ পরিত্যাগ করিয়া বিক্যাচলের কাননে সুখী হইয়াছ, তাহা একবার উত্তমরূপে দেখ। হে চঞ্চলপ্রধান। উপস্থিত হইলেন। ঐ কানন অসংখ্য মাতজে ও লতাকুঞ্জে তুমি পরেও এইরূপ আসক্তি অবস্থাকেই অবলম্বন করিবে, পরিপূর্ণ থাকায় বর্ষাকালীন সজলজলধরে সমাচ্ছন্ন আকাশের , তাহাতেই সুখী থাকিবে। কদাচ চপলতার আশ্রয় করিও না। স্যায় শােভা পাইতেছে। তথায় আসিয়া যেমন সারস পঙ্ক হে ইলিয়চৌর। হে বাসনাসমুদয় । আমি যাহা অনুভব হইতে মুলকে তুলিয়া থাকে, তদ্রপ তিনি স্বীয় নখধারে করিতেছি, ইহাও তোমাদের আত্মা নহে, আর আত্মারও তােমরা ভূতল খনন করিয়া ভূমধ্য হইতে মুনিদেহ উত্তোলন করিলেন কেহ নহ, সুতরাং অসপকে আয় করিয়াছ বলিয়া, তােমাদের এবং আকাশসঞ্চরণে নিতান্ত পরিশ্রান্ত পক্ষী যেমন নিজ আয়াসে আশা বিফল হইয়াছে এবং তােমরা বিনশ্বর বলিয়া আমাকেও আশ্রয় লং, তং মুনি স্বীয় লিঙ্গদেহে প্রবেশ করিলেন। আশ্ৰয় করিতে সমর্থ হও নাই। ৯-১৫। আমরা সকলে আত্মা তখন প্রাপ্তদেহ বীতহব্যও পিঙ্গল, উভয়েই পরস্পরকে প্রণাম- এই প্রকার যে তোমাদের বাসনা হইয়াছিল, তাহা কেবল ভ্ৰমবশে করিয়া স্ব স্ব কাৰ্যে ব্যাপৃত হইলেন। পিঙ্গল আকাশে যাইলেন, রজ্জতে সর্পজ্ঞানের ফায় মিথ্যা জানিবে। সেই তােমাদের বাঁহব্য সুবিমল সরােবরে গমন করিলেন। ঐ সরােবরে অনাত্মকপে আত্মবোধ অবস্থতে বন্যজ্ঞানের ন্যায় অবিচারশেই কুমুদ-কমল-প্রভৃতি পূষ্পসমুদয় থাকায় উহা সর্বদাই হইয়াছিল, কিন্তু এক্ষণে বিচারলে ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়াছি। তােমরা সূৰ্যকিরণযুক্ত বলিয়া বিবেচনা হয়। সেই সমােবরে বঙ্গ করি- অপর করণভূত রহিয়াছ, আমরা অপর মননকাম , অঙ্গ শাবকের ন্যায় শীঘ্ন নিমজ্জিত হইয়া স্নান ও জ্ঞানান্তে জপাদি কাৰ্য্য অদ্বয়, কর্তৃক অন্য, এক ক্রিয়া, ভােতা চিদাভাস, গ্রহীতা মানস, সমাপন করিয়া দিবাকরকে পূজা করিলেন। তখন আবার এক্ষেত্রে কাধ্যের দেব কাহার কিকপে হইতে পারে ? বনে কাই মননাদি কাৰ্যে তেজস্বিনী দেহঘষ্টিতে পূর্বের ন্যায় শােভা পাইতে জন্মাইয়ছে, বংশের ত্বকে রজ্জ্বনিম্মণ হইতেছে ও লৌহফলায় লাগিলেন। কিন্তু সেই মুনিবর মৈত্রী, সমতা, শান্তি, মুদিতা, কুঠাৱাদি প্রস্তুত হইতেছে, সুত্রপরি নিজের স্বার্থের জন্য ছেদনাদি প্রজ্ঞা, কৃপা ও ঐ এই সমুদয়ে পরিপূর্ণ থাকিয়া, অন্য বহিঃসঙ্গ, করিতেছে, এইরূপ নানা প্রয়োজনে মুসম্পন্নক্রিয়াসমুদয়ে যেমন হইতে চিকে আকৃষ্ট করিয়া, সেই বিন্ধ্যগিরির সরােবরতটে | কাকতালীয় ব্যায়ে গৃহের গঠন হইয়া থাকে, তদ্রপ এই একটা দিনমাত্র সমাধিচুত হইয়াক্রীড়া করিয়াছিলেন। ৯-২৮। সমুদয় ব্যাবহারিক কাৰ্য ইন্দ্রিয়াদির দর্শনশ্ববণাদিসম্পাদক পাশতিতম সর্গ সমাপ্ত ৮৫ | শক্তিসমুদয়ের পরস্পরসমবায়ে কাকতালীয়-ন্যাষেই অস্থিৰতাৰে সম্পন্ন হইতেছে। তাহাতে কাহারই কিছু ক্ষতি নাই। আমি অবিদ্যাকে ভুলিয়াছি, আমার আত্মজ্ঞান প্রকাশ পাইয়াছে, বড়শীতিতম সর্গ। তাহাতে সন্থ সং হইয়াছে ও অসং পথ অসংই থাকিতেছে, বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। সেই বীভহব্য বিবসানে আর বিনষ্টের নাশ ও বর্তমানের সওা হইতেছে না। মহাতপ। পুনলয় সমাধির জন্য একটা পূর্বপরিচিত ও বিস্তৃতা গুহাতে মুনিবর বীতব্য এই প্রকার বিচার করিয়া বহুশত বৎসর প্রবেশ করিলেন। তথাস্তু খাইয়া সেই ব্ৰহ্মণশী মুনিবর চিন্তা করিতে অতিক্রম করিলেন, পরে পুনরাবৃত্তির উচ্ছেদের জন্য যথায় লাগিলেন। আমি পূর্বেই ইন্দ্রিয়সমূদয়কে ভ্যাগ করিয়াছিলাম, চিন্তা স্থান পায় ন| ও মূঢ়তা যাহার নিকট যাইতে পারেন, সেই তবে আর সেই বিস্তৃতা চিন্তায় কোন প্রয়োজন নাই। এক্ষণে স্বরূপেই সর্বদা অবস্থান করিতে লাগিলেন। অনন্তর যথাবস্থিত কোমল লতার ৪ায় সই ‘অস্থি’ ‘নন্তি এই দ্বিবিধ কলনাকে দূর পদার্থসমূদয়ের আপাতদর্শন জন্য অর্থকে যাহা হইতে দূর করা করিয়া, অবশিষ্ট চিত্রের অবলম্বনে গিরিশৃঙ্গের ন্যায় নিল যায়, সেই ধ্যানযোেগকে অবলম্বন করিয়া তিনি সর্বদা অবস্থান এই অবস্থান করি। আমি জীবিত থাকিয়াও অজ্ঞানদর্শনে করিলেন। সেই বীভৎবব্যর তখন হেয় বস্তুতে উপেক্ষাসৃষ্টি ও মূত হয় এবং মৃত হইয়াও জ্ঞানদৃষ্টিতে জীবিত থাকি, সমাধি- উপযেয় বস্তুতে আদরণীয়তা থাকে নাই বলিয়া ভগীয় মানস অৰণনেলিল চিল হইয়া অবস্থান করি। আমি জাগরিত কোনরূপ অভিলাষের ও অনিচ্ছার দূষী ছিল। কখন সংসার প্রস্ফুটিত ন ।
উপম-প্রকরণ সঙ্গ ত্যাগ করত ব্ৰহ্মসমধুপানের বাসনায় জন্ম ও কর্মের মূব্ধ ও সমাধির বিষয়ে ভীত হইয়া শােকাপনােঙ্গনের জ বহির্ভূত জীবমুক্তভাবে অবস্থিত হইয়া সেই বাসনাতেই সহ একমাত্র তােমাকেই প্রনাে সখী বুঝিয়া আশ্রয় লইয়াছিলাম। পর্বতের গুহায় প্রবেশ করিলেন ও আয় জগতের ভাৰ হে দণ্ডকাষ্ঠ। তুমি সাদিয়েও গত্তাদিতে আমাকে হস্তাবলক্ষন দেখিয়া পুনরাগমনের অনিচ্ছায় পদ্মাসনে উপবেশন করিয়া আপনি দিয়াছিলে। রন্ধনশায় তুমি আমার অশিয় সুহৃদে কাৰ্য আপনাক বলিতে লাগিলেন। হে রাগ। তুমি আমাতে অনুরাগ করিয়াছ, তােমাকে নমস্কার । হে দেহ। তােমার নিজ রাখিও হ যেষ। তুমিও সহজ, এক্ষণে আমার প্রতি অস্থিপর ও রক্তাক্ত নাডী সমুদয়, এই সকল মাত্ৰ নিজভাগ শত্রুতা ত্যাগ কর। তােমাদের উভয়ের সহিত আমি এই লইয়া তুমি প্রস্থান কর। যে সকল উপায়ে তাের দেহে বহুকাল ক্রীড়া করিলাম, এক্ষণে অপসৃত হও। হে স্বেদমলাদি দূরীকরণের জন্য নিরন্তর সলিলের ক্ষোভ করি- ভোগসমুদয়। তােমাদের উদ্দেশে শতকোটা জন্ম নমস্কার মাছি, সেই মানাদি নিত্যকাৰ্যকেও নমস্কার। ৩১৪৯। পান রহিল, কারণ তােমরাই লালনকর্তা, যেমন শিশুকে লালন ভোজনাদি ব্যবহার সমুদয়কে নমস্কার। শয়নাসনাদিলক্ষণ সংসার- করে, সেইরূপে সংসারবাসীকে লালন করিয়া থাক। ১৬-৩০। ভাবসকলকে নমস্কার। হে প্রাণসমুদয় । ভাৰসকলকে নমস্কার। হে প্রাণসমূদয়। তোমাদিগকেও নম- আর যিনি এতদিন আমাকে এই পবিত্র মুক্তির পথ ভুলাইয়া স্কার, তােমাদের মঙ্গল হউক, আমি চলিলাম। তােমাদের ছিলেন সেই সুখকে বারংবার নিমস্কার করি। হে দুঃখ। সহিত আমি বহুশত বিচিত্র যােনিতে উপগত হইয়াছিলাম। তুমি আমাকে সন্তাপ দিতেছিলে বলিয়াই আমি বহুত্বে হে গিৰিকুঞ্জসমুদয়। হে পরলােকবর্গ। মােদিগের মধ্যে আমি আত্মার অন্বেষণ করিয়াছি, সুতরাং আমার বর্তমান পথের বহুবার বিশ্রাম করিয়াছি। হে সিদ্ধক্ষেত্ৰবৰ্গ। মােদিগের উপরে তুমিই উপদেষ্টা, অতএব তােমাকে আমার নমস্কার। তােমার আমি ক্রীড়া করিয়াছি। হে পর্বতগণ। তােমাদিগের সহিত অনুগ্রহেই আমি এই শীতলপথে উপস্থিত হইয়াছি , সুতরাং আমি বিহার করিয়াছি। হে কাৰ্যজাল। তােমাতে আমি অবিরত তােমার নাম দুঃখ হইলেও কাৰ্যত তুমি সুখপ্রদাতা বলিয়া অবস্থান করিয়াছি। হে মার্গসকল। তােমাদিগের উপর দিয়া তােমাকে বারংবার নমস্কার করি। হে দেহ। তুমি আমার আমি কতবার গতাগতি করিয়াছি, সুতরাং তােমাদের সকলকেই মিল ছিলে, এক্ষণে আমি স্বীয় স্থানে এক্ষণে আমি স্বীয় স্থানে গমন করিতেছি, নমস্কার। জগতের মধ্যে এমন কোন বস্তুই নাই, যাহাদের সহিত তোমাৰ কল্যাণ হউক। তােমার সহিত আমাদের যে বিয়ােগ, আমি বিহার, গমনাগমন, দান বা প্রতি গ্রহ না করিয়াছি। যে ইহা অনাদি ও অনন্ত জানিবে এবং প্রাণীদের এই রীতি। কোনরূপে আমি সকলকেই অবলম্বন করিয়াছিলাম। হে হে মিলবর দেহ। আমি এইরূপে বহুশত জন্মই তােমাকর্তৃক আমার প্রিয়বর্গ' আমি তোমাদের ছাড়িয়া চলিলাম, তােমর। বিমুক্ত হইতেছি , কিন্তু আজ আমি যে চিরবন্ধু তােমাকে ত্যাগ স্বস্বস্থানে গমন কর। হে প্রণাদি বন্ধুবর্গ! আমার বিরহে করিতেছি, ইহাতে মার কোন অপরাধ নাই। কারণ তুমি তােমাদের দুঃখ হওয়া অনুচিড় কারণ,সংসারের পথে আত্মজ্ঞান লাভ করিয়া আপনিই আপনার বিনাশের হেতু যেমন দৃশ্যমাত্ররই শেষে ক্ষয় ও উন্নতমাত্রেরই অবনতি হইয়াছ। হে দেহ। অন্য কেহই তােমাকে মারিতেছে না, তুমি আছে, ড্রপ সংযােগমাত্রেরই বিমােগ ঘটিয়া থাকে। এক্ষণে নিজেই নিজধ্বংসের অশ্য লইয়াছ। হে মাতঃ কৃষ্ণে। আমি আমার এই চাক্ষুষ-জ্যোতিঃ সূর্যমগুলে প্রবেশ করুক, আর শান্তিলাভ করিতেছি বলিয়া তুমি একাকিনী হইতেছ, তাহাতে সেগন্ধাদির গ্রাহক এই ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের শক্তি বনজাত পুষ্পরাশিতে কিছুকা দুঃখ করিও না, আমি চলিলাম। হে প্রভে কাম। প্রভে কাম। উপগত হউক। সেইরূপ প্ৰাণবায়ুও আজ বহিঃস্থিত স্পন্দন তােগাকে পরিত্যাগ করিবার জন্য বৈরাগ্যাদির সেবা করিয়া, বায়ুতে মিশাইয়া যাউকু, শশ্রবণের শক্তি অর্থাৎ শ্রবণেন্দ্রিয় তােমার প্রতি যে যে অপরাধ করিযাছি, সে সমুদয় ক্ষমা কর। আকাণমধ্যে লীন হউক, ঐরূপ রসনালয়ের রসশক্তি চন্দ্রমণ্ডলে আমি আত্যন্তিক উপশম পাইতেছি, আমার কল্যাণ প্রার্থনা কর । গমন করুক্। আমি কেবল মরবিহীন সমুদ্রের গায়, সূৰ্যহীন হে যান। বকাবধি আমাদের পরস্পর একতা ছিল, এক্ষণ দিবসের আয়, শরৎকালীন মেঘের ন্যায় ও প্রলয়কালীন বিশ্বের অবধি অনন্তকালের জন্যই বিয়োগ হইতেছে , সুতরাং আমার শেষ আত্যন্তিক মনঃশান্তি লাভ করিয়া ওকারের দীর্ঘ প্রণাম গ্রহণ করুন। হে দেব পুণ্য' আপনাকেও নমস্কার, যেহেতু উচ্চারণপূর্বক স্নেহবিহীন প্রদীপের ন্যায় ও কাষ্ঠ অগ্নির স্যায় আপনিই পূর্বে আমাকে নরক হইতে তুলিয়া মর্গে পাঠাইয়া- স্বরংই আত্মাতেই শান্ত হইয়া থাকি। তখন আমার সমুদয় ছিলেন। হে পাপ বৃক্ষ। তুমি কুকাৰ্য-রূপ ভূমিতে উৎপন্ন, বই উপেক্ষিত হইবে, আমি যাবশ্যাবস্থার অতাতপথে বিচরণ নরকসমূদয় তােমায় স্কন্ধ ও নরকসম্বন্ধিনী বাতই গেমার পুষ্প, করিব এবং সেই প্রণবের দীঘ উচ্চারণের অবসানেই আমার রাশি, তােমাকে নমস্কার। সঁহার সহিত মিলিত হওয়াতেই বুদ্ধি ব্ৰহ্মস্বরূপ পাইয়াই লয় পাইবে। তখন আমি মােহরূপ আমি বহুতর প্রাক্ততযোনিতে আশ্রয় পাইয়া সংসারতাৰ ভােগ মলশূন্য হইয়া থাকিব। ৫০-৬০। করিয়াছি, সেই মােহ আজি হইতে আমার অশ্য হইলে, বডশীতিতম সর্গ সমাপ্ত। ৬। সুতরাং তাকে নমস্কার। শায়মান বেণুরব যাহার বাক, ব্লগের পত্র যাহার বসল, আর যিনি আমার সমাধিকালের বয়স্তা, সেই শুহাম্বরূপিণ তপশিলীকে প্রণাম। হে হে। আমি সংসারপথে খিন হইলে, তুমি আমায় আখাস দিয়াছ, মেঘবতী সহচরী হইয়া আমার নেভিসময়কে দূর করিয়াছ। আমিও যাবতীয় সঙ্কটে গায় হইয়া, ৩ -যােগবাণিষ্ঠরামায়ণ সর্বশ্বরুপ, ৰীতব্য মুনি তাদৃশ স্বরূপই লাভ কৰিলেন এবং সপ্ততিতম গ। যাহা মাতিয়ে নিচ্ছিভাবে যাতেজের উপরে লোপ্যমান বলিষ্ঠ বলিলেন-হে রাম। তখন সেই বােগির বক্ষমাণ থাকে, মুনিবর সেই এক স্বাভৰত্রে প্রসিদ্ধ সৎ কাপে অন প্রকারে অজ পরিমাণে দীর্ঘপ্রণব উচ্চারণপূর্বক ষষ্ঠ ও সপ্তম করিলেন। যাহা এক হইয়াও অনেক ও অন্ধকারময় হইয়াও ভূমিকায় আরােহণ করিয়া হয়ে ব্রহ্মলাভ করিলেন। প্রকাশমান ও যাহা সমুদয় বস্তুর অতীত হইয়াও সস্বরূপে তিনি জ উ ম ইত্যাকার ক্ষতিপ্ৰসিদ্ধ মাত্রার ও স্কুলসুম্মাদি- আছে, স্বরূপেই মুনিবর অবস্থান করিনে। বেই লণপাদের ভেদে প্রণবােচ্চারণ করিয়া, স্বীয় কল্পনায় কল্পিত মূনি আকাশ হইতেও নির্মলস্বরূপ হইয়া অনাদি, অজ, জাবিহীন ত্রিভুসম্পর্কী বাঙ্ক ও আভ্যন্তরীণ পুলসূক্ষ্মাদিভাগসমুদয় এক হইয়াও অনেক অপূর্ণ হইয়াও পরিপুর্ণ তুরীয় পদ লাভ পরিত্যাগপুৰ্ব্বক প্রণবোচারণকালপর্যন্ত চিন্তামণির ন্যায় আত্মতে করত মুহূৰ্তমধ্যে ঈশ্বরস্বরূপ হইলেন। ১৪-২৪। আয় হইয়া থাকিলেন। তৎকালে তিনি সম্পূর্ণমণ্ডল চন্দ্রের ন্যায়, সপ্তাশীতিতম সর্গ সমাপ্ত ৮ বিশ্রামকারী মন্দরের ন্যায়, কুকারভবনে নিরুজ ঘূর্ণনচক্রের স্যায়, নিশ্চল বিশাল পরিপূর্ণ সমুদ্রের ন্যায় এবং যাহা হইতে সৰ্য্যচ উভয়ের অভাবে ভেজ ও অন্ধকার উই অপগত হইয়াছে ও যাহাতে ধূম ধূলি বা মেম্বাদি কিছুই নাই, সেই অষ্টাশীতিতম সর্গ । শরৎকালীন অনন্তানর্মল আকাশের স্থায় হইয়া প্রণবােচ্চারণ বশিষ্ঠ বলিলেন-হে রাম! বীতহ্য মুনির উক্ত প্রকারে কালপৰ্যন্ত থাকিবেন। পরে বায়ু যেমন গন্ধকে ত্যাগ করে, মনের আত্যন্তিক নাশ হইলে পর, তিনি সংসারের সীমায় আসিয়া তদ্রুপ শেষ প্রতিধ্বনির সহিতই ইন্দিয়তন্মাত্রকে পরিত্যাগ দুঃসাগরের পারে উপস্থিত হইয়া শাতি লাভ করিলেন। যেমন করিলেন। ১৭। অনন্তর সেই উখানশীল মুনি ক্রোধলেশের সাগরে জলবিন্দু জলেই মিলিয়া থাকে, তদ্রুপ মুনিবর শক্তি সহিতই চিদাকাশে ভালমান তস্বরূপকে ও প্রতিভাসম্পন্ন লাভ করত পরমা নিবৃতি প্রাপ্ত হইয়া স্বকীয়পদে মিলিত তেজগরূপকেও নিমেষমাত্র কাল বিচার করিয়া পরিত্যাগ হইলে পর, ধন তদীয় দেহ সেইরূপ নিষ্পন্দভাবে অবস্থান করিলেন। তখন তাহার অন্ধকার ও আলােক, উভয়ই থাকিল করত অত্যন্ত মলিনতা প্রাপ্ত হইল। যেমন হেমন্তকালীন না, তদবস্থায় অবস্থান করিয়া সেই ফুরণশীল দোপম অতি পদ্ম অভ্যন্তরে মীরস থাকায় শুষ্কভাব ধারণ করে, যেমন লঘু মনকে অনিমেষধ্যে উচ্ছেদ করিলেন। তখন শিশু পক্ষীরা আশ্রয় পাপের অবস্থান্তর হইলে নিজকুলায় পরিত্যাগ যেমন নিজের কোন বিষয়ে উদ্ভুত ভনের উদয় হইতে না হই- করিয়া থাকে, সেইরূপ তখন মুনিরেরও প্রাণসমুদয় দেহতরুর তেই তাহাকে বিস্মৃত হইয়া থাকে, সেইরূপ নিৰ্বাতজীপের ন্যায় মধ্যস্থিত জলয়রূপ স্বীয় আবাসস্থান পরিত্যাগ করিল এবং ফুটপ্রকাশকেও তার প্রকাশের সমকালেই ত্যাগ করিলেন। প্রাণাদি-ষােড়শকল|সমলিত ভূতবর্গ ভূতসমূদয়েই মিশাইল। বায়ু যেমন নিমেষমধ্যে স্বীয় স্পন্দশক্তিকে ত্যাগ করে, তদ্বৎ তিনিও কেবল সেই মাংসাস্থিনিতি শুক্ৰশােবিষ্কৃত অনিমেষের অর্থভাগকালমধ্যে পূর্বোক্ত কলনাকে ত্যাগ তথায় ভূমিজল পড়িয়া রহিল। সেই মুনিবর শান্তি প্রাপ্ত করিলেন। ইহাকেই চিৎশক্তি চেত্যদশা বলিয়া নির্দেশ করেন। হইলে পর, লিঙ্গরূপিণী জীবচিচ্ছক্তি স্বপ্রতিবিম্বভূত চিংসাগরে তিনি সামাত্রস্বরূপ ও সংজ্ঞায় সংঞ্জিত সাক্ষিমাত্রলক্ষণ প্রবেশ করিল ও রক্তমাংস প্রভৃঙি ধাতুমুল নিজ নিজ উপাদান পদ লাভ করিয়া পর্বতের ন্যায় অঞ্চল হইয়া থাকিলেন। ৮-১৩। দুর্গে মিশাইতে লাগিল। হে মাম। এই তােমাকে এনভয় তিনি অনুপ্তাবস্থায় কিছুকাল অবস্থান করিয়া পরে তাহাতে বীতব্যের উপশমের ব্যাপার বলিলাম, যাহা অনন্তবিচারের পর স্থিরভাব প্রাপ্ত হওয়ায় তুরীয়কাপে অধিরূঢ় হইলেন। তখন তাহাতে সুসিদ্ধ হইয়াছে, তুমি এক্ষণে নিজ প্রজ্ঞা দ্বারা ইহাকে বিবেচনা আনন্দ বা নিরানন্দ, কিছুই না থাকায়, সদ্ধপী ও অসদ্ধপী হই- কর। এই প্রকার বিচাৱসিদ্ধা মনেরম বুদ্ধিমাৱা যাথার্থ্য দর্শন লেন এবং প্রকাশের ন্যায় কিঞ্চিৎস্বরূপ হইলেও তিমিরের ন্যায় করিয়া যাহা সার বুঝিবে, তাহাতে উখিত হও। R রাম। কিছুই ছিলেন না। যাহা চিন্ময় ও যাহা মিষ নহে, যাহা নাই, তােমাকে আমি এই যে সমুদয় বলিলাম এবং যাহা আজি বলি, নাই বুলিয়া নির্দিষ্ট হয়, যাহা বাক্যেরও অগােচর, তিনি তাহাই জেছি.যাহা পরে বর্ণনা করি, আমি চিরজীবী ও ত্রিদশী হইলেন। যাহা সুগম, অতিবিস্তৃত, সৰ্বভাবের মধ্যগত হইয়াও হইয়াই সে সমূদয় উত্তমরুপে বিচার করিয়াছি, স্বয়ং আর দেখি- সর্বভাববিহীন, তিনি সেই পরমপত্তি পদের অন্তর্ভূত হইলেন। আছি জানিবে। আছি আমিবে। হে মহামতে! সুতাং একত্র তুমিও এই- হে রাম। বাদীর যাহাকে শূন্য কহে, ব্রহ্মজ্ঞানীরা যাহাকে প্রকার নির্মলদর্শনের আশ্রয় লইয়া জ্ঞান লাভ কর, যেহেতু জ্ঞান ব্ৰহ্ম বলিয়া নির্দেশ কলেন, বিজ্ঞানবিদেরা ঘঁহাকে বিজ্ঞানস্বরূপ হইলেই মুক্তিলাভ করা যায় এবং জ্ঞান হইতেই দু দুর হয়, অলপদ বলিয়া থাকেন , বিলি সাখদর্শনের মতে পুরুষ, বিনি সাশ্যদর্শনের মতে পুরুষ, জ্ঞান থাকিলে অজ্ঞান ধ্বংস হয় এবং জ্ঞান হইতেই পরম বােগিদের নিকট ঈশ্বর, শৈবের ধাহাকে দিব বলেন, কালবাদীরা সিদ্ধি লাভ করা যায়। হে রাম। ঐ সিদ্ধিলাভ = কোন বস্তু যাকে কাল বলিয়া নির্দেশ করেন এবং আত্মনীর নিকট হইতেই হয় না। আর খে, বীহ মুনি জ্ঞান থাকাই যিনি আত্মও মধ্যমব্যসীরা চিচিদেয় মধ্যম শুমাত্র জানিয়েছে, বসনজালকে হেন করিয়া চিত্তরূপ পৰ্ব্বকও বিশেলে তাঁর নিকট ক্ষণিক-জ্ঞানবাহরুপে যিনি জত হন, খণ্ডন করিয়াছেন। * যদি , বীভৎব এতে অতীত করে যাহাকে পূর্ণ বলিয়া অবগত হন এবং যাহা সকল হইয়াও কিরুপে অনাগত সূৰ্যাদির সাহয্যে স্বীয় দেহের আয় শাসি অস্বরূপ ও সর্বব্যাপী বলিয়া, যাহা সকলের হৃদয়বতী করিলেন, তাহার কারণ এই যে, যীহুরে লবৎ বায্যে হেযাত এই চরাচরকেও স্বল্পানুভূতের ন্যায়সঙ্কল বলিয়ই ঝশ্বের শক্তিতে চেষ্টা করেন, তাঁহার উগশনালি সিদ্ধ হইয়া অনুভব করিয়াছিলেন, তাঁহার বৃতে বাৰ ৰােখ হয় নাই। থাকে। কিন্তু আত্মজ্ঞানী পুরুষের কোনরূপ বাসনা না থাকায় সেই বিবেকী ৰীহ মহাশৰ সমূল অধিনাঅ ল এবং তিনি সর্বাভীষ্মছেই সঙ্গে দুধ তিনি কিছু করেন ইলিয়শিকার ও প্রিয়স প্রভৃতি দোষ হইতে অতিদূরবর্তী হইয়া না ও কোন দিয়ে চেষ্টা হন না এবং আকাশগমনে, কি বাগাদি দোষকে ধ্বংস করিয়া পৰমার্থকে সম্যক জালিয়াছিন কোনরুপ সিদ্ধিতে ভােগসমূদয়ে অথবা সম্মানে অহঙ্কারে সুং শ্রবণমনাদির বারংবার অনুশীলনে নিজ হৃদয়মধ্যেই অনু- কিংবা কোনরূপ আশাতে অথবা জন্মে বা মরা এ সমুলের ভূত স্বরূপ অমল অনন্ত মােপ প্রাপ্ত হইয়াছিলেন।১-১৬। কিছুতেই তাঁহার প্রয়ােজন হয় না। তিনি সদা সন্তোষী এক তলীয় আত্মা বিষয়াগে ও বিষয়বসায় আসক্ত থাকায়, অষ্টামি গর্গ সমাপ্ত ॥ ৮৮ ॥ সবা শতিময়। সেই অঞ্জনী আকাশের চায় ব্যাপক হইয়া আত্মাতেই অবস্থান করেন এবং তিনি অতর্কিততপস্থিত একোননবতিতম সর্গ। সুখে ও দুঃখ উভয় ঘটনাতেই অনাসক্ত হইয়া জীবনেও মরণে উভতেই তৃপ্ত থাকেন। ১১২। সমুদ্র বোন প্রতিকুল বা বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রঘুনাথ। তুমিও বীতব্যের ন্যায় অনুকূল উভয়বিধ নদীসমূদয়েই পূর্ণ থাকেন, সেইরুপ সেই আজ আত্মাকে সর্বজ্ঞ করিয়া সর্বদা রাগহীন ও ভযােগেশূন্য হইয়া জ্ঞানী ক্রমপ্রাপ্ত অমুক ও প্রতিকুল বিবিধ ভােগ্য বলে অবস্থান কর, যেমন বীতহ্য মুনি ত্রিংশৎসহস্র বৎসর মুখে তুল্যভাবে খাকিয়া আত্মার অর্জন করিয়া থাকেন মাত্র। তাঁহার বিহার করিয়াছিলেন, তুমিও শােকবিহীন হইয়া সেইরূপ বিচরণ কোন বস্তুতেই প্রয়ােজন ও কিছুতেই নিষ্প্রয়ােজন থাকে না এবং কর। হে মহারাজ। বীহবব্যর ন্যায় বহু প্রজ্ঞাবান মুনিগণ সৰ্ব্বভূতমধ্যে তাঁহার কোন প্রয়ােজনের অভিসন্ধিতে অবস্থান হয় যেমন জ্ঞাতব্যবিষয় জ্ঞাত হইয়া নিজ রাজ্যেই বাস করিয়াছিলেন, না এবং আত্মজ্ঞানশুন্য ব্যক্তি যে সমূদয় সিদ্ধিকে কামনা করিয়া তুমিও ভদ্রুপ স্বরাজ্যমধ্যেই মুখে বাস কর। হে মহাবাহ। থাকেন, তিনি দ্রব্যাদিশক্তির সাহায্যে সে সমস্ত সম্পাদন করিতে আত্ম। সৰ্ম্মগত হইলেও কখনই সুখে বা দুঃখে আকৃষ্ট হন না, পারেন। মণিমাদির প্রভাবে আকাগমণিরুপ কাৰ্যসকল তবে কেন অকারণ শােক করিতেছ? এই ভূমিতলে অংখ্য নিষ্পন্ন হইয়া থাকে, এই প্রকার শাস্ত্রসিদ্ধ নিয়মকে নিৱমকর্তা জ্ঞানী ব্যক্তিই বিচরণ করিতেছেন, কিন্তু কেহই তােমার মহাদেবাদি প্রভুরাও ব্যর্থ করতে পারেন না। আর যাহা নেতা- ন্যায় দুঃখের বশর্তাপন্ন হন নাই। তুমি প্রকৃতিস্থ হইয়া অন্তরে দের গগনচারিতাদিরূপ সিদ্ধি, উহা স্বত:সিদ্ধ স্বভাব , তাও সর্বত্যাগী হও এবং সমচিত্ত হইয়া সুখী হও। তুমিই সর্বগামী চন্দ্র যেমন শীতলতাকে ত্যাগ করেন না, অং উহাও কলম তুমিই আত্মা, তােমার পুনরুৎপত্তি নাই এবং ভবাদৃশ জীবন্মুক্ত নিয়মকে অক্রিম করে না। যদি কেহ সর্বজ্ঞ কি বহুজ্ঞ হন, মহাত্মগণ ময়ুরসকাশে পশুরাজের ন্যায় কেহই বিষাদের বা অধিক কি, স্বয়ং মহাদেব কিংবা নারায়ণও সেই নিয়ম লক্ষন হর্ষের বণতাপন্ন হন নাই। রাম কহিলেন, হে দেব। আপনার করিতে পারেন না। হে রাম! এই সমুদয় আকাশবিহাৱাকি- বাক্যের অনুসারেই আমার বক্ষমাণ সন্দেহ উপস্থিত হইতেছে। ব্যাপার দ্রব্য, কাল, ক্রিয়া ও মন্ত্রেরই প্রয়োগানুসারে স্বভাবসিদ্ধ শরৎসময় যেমন মেঘকে লঘু করে, ভদৎ হে মহাশয়। আমার ঐ শক্তি আর কিছুই নহে। যেমন বিষের শক্তি জীবকে হার সন্দেহকে লঘু করুন। হে আত্মজ্ঞানি-শ্রেষ্ঠ। জীবন্মুক্ত মহাত্ব- | করা, মধুর শক্তি মন্ত করা এবং মক্ষিকা কি মগনলভঞ্চিত হইলে দিগকে আকাশগমনাদি বিচিত্র ব্যাপারে আসক্ত হইতে কেন বান করাইয়া থাকে, সেইরূপ যােগিজন কর্তৃক ক্রমানুসারে দ্রব্য, দেখা যায় না, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রঘুনাথ। কৰ্ম্ম ও কাল নিয়োেজিত হইলে স্বভাবের শক্তিতেই নীই নিশ্চিত আকাশগমনাদি যে সকল অলৌকিক ব্যাপার দেখিতে পাও, কাৰ্যসাধন করিয়া থাকে। হে রঘুনাথ! যিনি বিদ্যাকে অতি- উহা পদার্থেরই স্বাভাবিকশক্তি জানিবে। ১-১০। কারণ যে ক্ৰম করিতে পারেন তিনিই এই অবিন্যাসভসিদ্ধ শক্তিকে সমুদায়ই আশ্চর্য্য দেখা যায় ও করা যায়, তাহা বস্তুরই শক্তি, লজন করেন, সুতরাং আত্মজ্ঞানীর এই সকলৰিষয়ে কর্তৃত্ব বা আত্মদর্শিগণ ঐ সমস্ত বিষয় বা করেন না। যে আত্মার অকর্তৃত্বউভয়ই থাকে না। ২১-৩০। কারণ ঐ সকল দ্রব্য, দেশ, রূপ অবগত নহে ও মুক্তিলাভ করে নাই, সে ব্যক্তিও নায়াসে কাল ও কাৰ্য্যের শক্তিসমূদরে পরমাত্মপদগ্রথিবিষয়ে কোনই দ্রব্য, কর্ম, ক্রিয় ও কাল এই সমুদয়ের শক্তিতে আকাশবিচরণালি উপকার হয় না। যাহার কোন ইচ্ছা আছে, সে ব্যক্তি শীঘ্রই করিতে সমর্থ হয়, কিন্তু আত্মজ্ঞের নিকট এই আকাশগমনাদি তদ্বিষয় সিদ্ধিলাভ করিতে পারে; কিন্তু যিনি আত্মজ্ঞানী পূর্ণরূণী, অভিতুচ্ছ বলিয়া ইচ্ছার বিষয় নহে। যেহেতু যিনি লাত্মজ্ঞ, তিনি তাঁহার কিছুতেই ইচ্ছার সম্ভব হয় না। কারণ সমূদয় ইহার আত্মাকে লাভ করিয়াছেন ও আত্মাতেই আত্মতৃপ্তিমােগে অবস্থান উপশম হইলেই আত্মলাভ হইয়া থাকে; সুং নােকালে করিতেছেন, তিনি আর অবিজয় তুচ্ছফলের প্রয়াসী নহেন। সেই আলােভের বিরােখিনী ইচ্ছা কোনরুপেই হইতে পারে না। যে কিছু অদ্যাব সকলই বিনাময়; সুতরাং যিনি অবিদ্যা সেই জ্ঞানী আদি কােন বিষয়ে ইচ্ছা হয়, তিনি তখনই অহা আগ করিয়া মুক্ত আছেন, তিনি কেন আর হাতে নিমগ্ন অঙ্গের গন্ধ লাভ করিতে পারেন; কিন্তু বীর্য বা সিরি হইবেন এবং বাহার বােগারি অনুশীলনে অবিদ্যাকেই মুখ- অভিলাষে কিইচেষ্টা করেন নাই। তিনি নের ইচ্ছায় যেরূপ সম্পাদিকা বুনিয়া এ করে, হারাই অবিল্যাময় , সুতরাং চেষ্টান হইয়াছিলেন ও সেই জ্ঞানাভ্যাসের তথ্যে যেরূপ তাহাদিগকে কার আত্মজ্ঞানী ফলা যায় না। জয় হউন,উদ্যোগী হইয়াছিলেন, তাহা পূর্বে বর্ণিত হইয়াছে। এই অতই হউন, যে কোন ব্যক্তিই যদি যথাক্রমে কাল, ও কাল, ক্রিম, ক, খ ও যুক্তি হয়ে স্বসি, সিসির = | যােগায়। জীবের ইচ্ছানুসারেই শ হইয়া থাকে। হে রাম! বিলি করা দেখ, শাইনাশের কারণ,ঐশল বিকারগুলি লােক যে সকল সিবিনাশক ফল পাইয়াছেন, তিনি স্বীয় স্বরূপ বক্ষ ব্যবস্থায় চিত্ত এবং বায়ু হইতে উৎপন্ন হইয়া থাকে। প্রাণ- হইতেই সে সকল এিফল পাইয়া থাকেন জানিবে। বাঁহার সমূহের নিই । যেহেতু উহার শাড়ি হইলেই এ উদ্ধান্স, যাহারা সকলের অভিলক্ষিত পরম প্রেমাস্পদ আস্ব সমূদ পাষাণসদৃশ অর্থাৎ নিরতিশয় দূত আয় হয়; অব সুখে শিকারী হইয়াছেন, সিদ্ধগণ সেই সকল ব্ৰহ্মজ্ঞানসম্পন্ন বীবের সেই দু ধাৰণৰলে নষ্ট হইতে পারিল না। বাহু নিত্য নগণের উপকারসাধনে সমর্থ নহেন। রাম রাম এবং অভ্যন্তরের অর্থাৎ হস্তপদাদি ও প্রাণলির সহিত যার কহিলেন। আমার এই শয় হইতেছে যে, মাংসপি চিজ ও ভজ শব্দ বিদ্যমান নাই, প্রকৃতি এবং অর্থাৎ কি কারণে বীভহবে, সেই দেহ ভক্ষণ না করিল? কেনই বৃদ্ধি এবং উপক্ষ তাহার দূগামী হইয়া থাকে। হে অজ্ঞ। বাউল ভূগর্ত মগ্ন হইয়া থাকিলেও পঙ্কাদি দ্বারা ক্লিন্ন বা বিশীর্ণ ৰাহ এবং অভ্যন্তরের সহিত স্পন্দ শান্ত হইয়া গেলে, বগাদি হইল না? আবার কেনই বা সেই বীতহ্য ভূর্ভে প্রবেশকালেই ধাতুল কদাচ দেহ হইতে বিমুক্ত হয় না। চিত্ত এবং দেখিতে দেখিতে বিমেহমুক্তি লাভ না করিলেন? এতে। আমার বাসস্তৃত দেহু শান্ত হইলে, ব্যক্তিত্মক ধাতুসকল সুমেরুর এই সকল প্রশ্নের ঘখাবৎ উত্তর প্রদান করুন। ৩১-৪০। বশিষ্ঠ গায় স্থির এপ্ত হইয়া থাকে। এপিচ এই ভুবনমণ্ডলে ইহা কহিলেন,—নে অজ্ঞ সংবিৎ রাগাদিমলদূষিত বাসনারূপ ও গারা দেখা যায় যে, স্পদশান্তিবশ দৃঢ় স্থিতি হয় এবং নিল গরুর দৃঢ়রূপে বিতাড়িত, তাহাই এই সংসারে দেহের ছেদন-ভেজনাদি ব্যয় শবাগেরও স্পন্দ থাকে না। এই যুক্তিহেতু এই জগতে নিবনমুখ-দুঃখাদিরুপ দাহ ভাজনা করিয়া থাকে। বীহয্যেৰ সহস্র সহস্র বর্ষাবং যােগীদিসে দেহসমূহ জলধরের ন্যায় ক্লিন বা সেই দেহ ৰাসনাকিমুক্ত এবং শুদ্ধসংবিশ্বময়ী; সুতাং এই মম শিলাবৎ ভিন্ন হয় না, অতএব সেই জ্ঞ ব্ৰহ্মজ্ঞানী বীত- সালে নিই উহার ছেনাদি কাৰ্যে কেহই সমর্থ নহে। হে হব স্বী দেহ পরিত্যাগ করিয়া কেনই বা না শান্তি লাভ মহাবাহহ। দেহচ্ছেদিবিষসমূহ শত শত বৎসরেও যে কি করিকেন ? এই জগতে যাহারা বুদ্ধিপূর্বক সকলপ্রকার বন্ধন ছেদন কারণে বােগীকে আক্রমণ করিতে পারে না, তাহা শ্রবণ কর। চিত্ত করিয়া রাগন্বেষ প্রভৃতি পরিত্যাগপূর্বক সম্যক্রুপে পোৰ বন যখন যে যে পদার্থে পতিত হয়, তখন তখন তং পদার্থে জানিতে পারিয়াছেন, সেই সকল স্বাধীন পুরুষেরা একমাত্র স্বীয় পতিত হইয়া দেখিতে দেখিতে উহা তন্ময় হইয়া যায়। এই শরীরেই অবস্থান করিয়া থাকেন। প্রাক্তন এবং ঐহিক দৈবকর্ণ রূপেই মন শক্তকে দেখিয়া বিকারভাব প্রাপ্ত হয়, আবার বন্ধুকে ও বাসজল তাহাদের প্রকাশ্যে ভােগের নিমিত্ত প্রবৃত্ত চিকে দেখিয়া সৌহৃদ্যরসে বিগলিত হয়, এ বিষয় সকলেই প্রত্যক্ষ নিবারণ করিতে সমর্থ হয় না। হে ভাত। এ নিমিত্ত অবিগণের সুৰ করিয়া থাকে। আবার দেখ, কোন পথিক, পৰ্বত বা মন কাকতালীয়বৎ জীবন বা মরণ ইহার বাহাই ভাবনা করুকু না, , ইহারা যেমন লাগৰেষবিহীন, মনও যে সেইরূপ ইহাদিগের অতিশীঘ্রই তার বিশেষরূপে সম্পাদন করিতে পারে। সম্প্রতি এতি রাগমে হয়, ইহাও সকলেই প্রত্যক্ষ অনুভব করিয়া বীতব্যের সেই জীবন দৈবক্রমে প্রবুদ্ধ ও স্থিরীকৃত হইয়াছে। থাকেন। বা মৃষ্ট বস্তুতে লােলা, নীরস বক্ততে স্পৃহাশূন্যতা যে সময়ে তঁাহার প্রতিভা বিহােম্মুক্ত প্রাপ্ত হয়, তৎকালেই ও কটুবক্ততে বিধ্বস হইয়া থাকে, ইহাও স্বয়ং অনুভূত হয়। সেই স্বাধীনচেতাঃ বিদেহমুক্তি প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। বিশুদ্ধ আগষােদি যতিগণের সংবিবিলাসমুক্ত শরীরে হিংশ্রগণের আত্মরূপে প্রকাশিত মন ৰাসনালপরিত্যাগপূর্বক পালােত চিত্ত যে সময়ে পতিত হয় তৎসময়েই যতিগণের সংবিৎসমতার হইয়া যাহাই কেন আন্দা করুন না, তৎক্ষণাৎ তাহা সম্পন্ন প্রতিবিম্ববশতই যেন ঐ চিত্ত সমতাপ্রাপ্ত হইয়া থাকে; অতএব হইবে , যেহেতু মহেশ্বরের সকল শক্তিই বিদ্যমান। ৫১৬৮। তাহার আর হিংসাপ্রসক্তি থাকে না। পথিক যেরূপ গমনকালে একোনতিস সর্গ সমাপ্ত।৮৯। নিকটবর্তী বনলতাদির ছেদনাৰ্যে প্রবৃত্ত হয় না, দ্রুপ হিং- অবগণও সমদর্শী ঘােগিব্যক্তির সবশতঃ রাগমেলি হইতে মূক্ত হইয়া অর্থাৎ রাগৰেদিশূন্য হইয়া স্বীয় হিংসাকাধে নবতিতম সর্গ। এরত হয় না। হিংস্ৰজগণ যােগিব্যক্তির নিকট হইতে অত্র গমন করিয়া ায় স্বীয় স্বীয় দুইপ্রকৃতির ঠিক অনুরূপ হিংস্র বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। যখন বিচারলে সেই বীহুব্যেক্ত প্রাপ্ত হইয়া থাকে। এই নিমিত্তই মৃগ, ব্রা, সিংহ, কীটও চিত্ত প্রায় অর্জত হইল, তখনই তাহার মৈত্রী প্রভৃতি - সীপথভৃতিহিংগৰীহুব্যের ভূতশায়িনী জুকে হে সমুদয় উৎপন্ন হইয়াছিল। রাম কহিলেন, হে প্রভে করি না।৪১-৫। কাষ্ঠ, শােষ্ট ও উপলাদি সর্বস্থানেই সংবিৎ, চিরে স্বরূপ চারলে অন্তর্হিত হইলে , যে মন্ত্রী প্রভৃতি সত্তাসমাস্যৰূপে বাশক্তিহীন বালকের ন্যায় বিদ্যমান রহিছে। গুণরাশি জন্মিয়াছিল, ইহাকেমনে আপনি বলিনি। কারণ চিত্ত হাদের চিন্তের এক নই, তা ব্যক্তিরা সংবিং প্রতি- যদি ব্রহ্মেতে লয় পাইল, অৰে বার সাদি কাহার থাকিবে বিজলবৎ পুষ্টকে অর্থাৎ ভূত, ইতি, এল, বঁটি, বাসনা, কী কোথায় কিরূপেই ৰা প্ৰকাশ পাইৰো যে অখিবর! তাহা বিজ্ঞাতে কেবল প্লানের ব্যয় ও পরিছিন্নরূপে অব আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে আম! প্রথমতঃ চিতে শেন করিয়া থাকে। হে রাখ। ধীরে, শরীর সেই নাশ দুইএকান্ত, এক ভালো হয় প্রতিভার মিয়া সুরূপ পুকে অবােধ ও সমাণি যারা সারপিনী দিতিদিস ও অপর ভহিত বলিয়া এr অন্য জীবয়ে নি বসিবিকা অর্থাৎ নিখিলবিকার প্রভাব প্রাপ্ত হইল। সরূপ, বিহেক্ত অর্থাৎ নির্মাণ চিশ রূপ। সেক্স। আমার নিকট হইতে আরও একটা যুক্তি বি চিভের সত্তা দুঃখের কারণ ও চিতের লণ হইইে যাবৎ সুখের সেই মনির উপ-প্রকরণ। উৎপত্তি হয়; সু চিকে দূর করিয়া চিকে গ্রহণ কোন বাসনা বা কোন না কিংবা কােন চেষ্টা বা চোর করিবে। ১-৫। অজ্ঞানসভূত বলে যে এ কার্যাপ্ত অতীব এ সকল কিছুই থাকে না। অধিক কি, কোনরূপ গত কি হইয়া থাকে, তাহাকেই বিদ্যমান মন বলি আলিৰে। উহা অভাব থাকে না সেইপ কিছুতেই মুখ্য মন কারা কেবল দুঃখেরই জয় হয় এবং যে চিত্ত দেহঠিয়ালির অনাদি অহা তেজন্তিনিৰিহন ওচৰ্য-গ্রহনক্ষত্রাদিতি, শ- অনন্ত ধর্মসমুদয়কে আমার বলিয়া গ্রহণ করে, তাহাকে অজ্ঞান শূন্য বিৰিঞ্জিত মাহী, রুকালীন নির্মল গানের সহিত বিহীন দুখিত জীৰ ৰলিয়া থাকে। যে পর্যন্ত ফল বিদ্যমান তুলা পাইয়া থাকে। যারা প্রায়-ও সারসের বাতি থাকে, তাবৎ দুঃখনারে কোনরূপেই সব নাই। ঐ মন অন্ত গমন করিতে পাত্রেন হাফেই ঝরি-অন্তরীকে- গমন করিলে, জীবের সংসারভাৰ দূরে অপহৃত হয়। এই জীব চায় সেই বিশাল পা নির্দিষ্ট আয় হই খাতে এ উহাতে গণের ক্ষন বামনা-জালে দৃঢ়ভাবে জড়িত, অতএব অচঞ্চল বর্তমান কোল দুখ নাই এবং রজঃ ও অমাণ হইতে পৃথলতি বলিয়া মনকেই দুরূপ পাপের প্রথম অনুর জানিবে। রাম কহিলেন, উহা উমেলি ক্রিয়াশূন্য হইলেও আড়ম্বরূপ হইতে অতীত এবং হে মহাশয়। কাহার মন নষ্ট হইয়াছেও কিরূপেই বা নষ্ট হইল, আনন্দময়। যাহাদের আকাশই দেহ, সেই বিদেহমুক্ত মহাত্মণ এবং নাশ বা কিরণ এবং ঐ নাশের সভা অর্থাৎ ব্যবহারবােগ্যতাই সেই পদে চিত্তহীন হইয়া মুখে অবস্থান করেন। ২৬-৩১। বা কি প্রকার তাই ফন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রঘুকুলদীপ। নবতিতম সমাপ্ত। চিত্তের সভাষে প্রকার, তাহা পূর্বে বলিয়াছি। হে প্রশ্নকারিশ্রেষ্ঠ। এক্ষণে উহার অভাব যেরূপ তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর।। ৬—১১। যেমন নিশ্বাসবায়ু হিমালয়কে কম্পিত করিতে পারে না, একনবতিতম সর্গ তদ্রুপ, ধীরব্যক্তিকে সুখ-দুঃখের অবস্থা আনন্দময় আত্মস্বরূপ হইতে বিচালিত করিতে পারে না, তাহার মনকেই মৃত জানিবে। রাম কহিলেন, হে দেব। এই চিদাকাশসংক ব্রহ্মস্বরূপ “এই আমি সেই, এই আমি নহি” এইরূপ চিন্তা যে মানুষকে পর্বতে বিচিত্র ভিন্ন ভিন্ন ব্রহ্মাণ্ডসমূদয় নানাজাতীয় কক্ষের স্থান আক্রমণ করে নাই, তাহার মনকে নষ্ট বলিয়া জানিবে। আপৎ, অধিকার করিয়াছে। ঐ সমুদয় বৃক্ষ নক্ষত্রসন্সরূপ কুমরাশিতে লীনতা, উৎসাহ, অহদার ও মুঢ়তা যাহার মুখের বিবর্ণভাব না মনােহর হওয়ায় দেবতা ও অসুরগণ পরুিরূপে অবস্থান করিতেছে করে, তার মনকে নষ্ট জানিবে। হে সাদে। ইহারই নাম এবং ঐ বৃক্ষ সকলের প্রায়শাখাসমুদয় বিদ্যুৎপিণ মঞ্জরীতে মনােনা ও ঐ উপায়েই চিও নষ্ট হইয়া থাকে এবং চিতের এই পরিপূর্ণ নীলমেঘসম্বরূপ নানাষণের পল্লব প্রকাশ পাইতেছে। নাশাবস্থা জীবন্মুক্তোই হইয়া থাকে। হে রাম। নােভাবকেই আর সকল ঋতুতে সমান রমণীয় চ্যাদি পপসমুদয় যারা মূঢ়তা জানিবে। যখন উহা না পাইয় থাকে, খনই চিত্তনাশ- দন্ত বিকাশ করিয়া অবস্থান করিতেছে। ঐ অগৎকানন নামক সব উপস্থিত হয়, সেই চিত্তনাশনামক সত্নপ্রকাশ- সপ্তসমুদ্ররূপ সপ্তবাপীতে ও শতাধিক নদীসমূদয়ে পরিব্যাপ্ত ময় জীবন্মুক্তভাবকেই ভদ্ব্যবহারী কতিপয় জ্ঞানী জনের চিত্ত থাকায় অতিসুন্দর হইয়াছেও লােকভেদে চতুর্দশ প্রকার অনন্ত সংক্ষা দিয়াছেন এবং সেই জীবন্মুক্তের চিত্ত মৈত্রী এভৃতি গুণ- | ভূতসমুহ উহাকে আশ্রয় করিয়াছে। হে দেব। এই অরণ্যে সমূহে পরিপূর্ণ হইয়া যাইকেবল ব্ৰহ্মাসনায় রত হয় তখনই। নিজ অবয়ববিস্তারে বাসনারূপজাল প্রণ করায় অতিবিস্তৃত পুনরুৎপডিবিরহিত হইয়া থাকে। ১২-১৮। হে রাম। যে সংসারূপিণী দ্রাক্ষালতা প্রকাশ পাইতেছে। জৱা ও মরণ ইহার জীবমুক্তের মন ঐ পুনরুৎপত্তি ব্ৰহ্মস্বরূপ বানাতে ব্যাপ্ত গ্রন্থি হইয়াছে এবং এইমুখ ও দুঃখ ফরাণির স্থান অধিকার করি- থাকে, তাই সত্ত্বসংজ্ঞায় ব্যবগত হয় এবং অনুভূত বলিয়া আছে, অবিরত মােহরূপ তাঞ্জলির সেক পাইতেছে বলিয়া ইহার সৎস্বভাব লাভ করতঃ দেহাদিসম্পর্ক ত্যাগ করে, সুতরাং এই মুলদেশে অৰয়ৰ পুষ্টি হওয়ায় স্কুল হইয়াছে*১৫। হে দেব। সাকার মনোন জীবনূঙ্কেই থাকে এবং চন্দ্রমণ্ডলে যেমন এই সংসাররূপিণ লতার বীজ কিরূপ এবং ঐ বীজেরই বা বীজ প্রভার প্রকাশ আছে, সেইরূপ জীবন্মুক্তের মনােনাশেতেই কোথা হইতে উৎপন্ন হইল এবং তাহার বীজ কিরূপ ও লৈ মৈত্তাকি গুণসমূল প্রসন্ন হইয়া সর্বদা সর্বপ্রকারে অবস্থান করে বীজেরই ৰা উপাদান কিরূপ হইতেছে। হে ৰাখিবর। আমার এবং সন্তোষের আশ্রয় সনামক জীবমুক্তের মনােনাতেই উনের বুদ্ধির অ ও জ্ঞানলের সিদ্ধির নিমিত্ত এবীজপরস্পর বসন্তকালেমারীর স্যায় গুণসম্পত্তি মূর্তি পাইয়া থাকে। হে প্রলে পুনরায় সজেগে উত্তর কলুন। ৰখিষ্ঠ বলিলেন, হে র রঘুনাথ। তোকে যে লিকার মনােনাশের কথা বুলিয়াছি, উহা না! এই পাভৌতিক দেহকেই সংসাৰু লতায় বীজ অনিক, দেহের পায়ে যে কি হয়, তাহাতেই সম্পন্ন হইয়া থাকে এবং ইহার মধ্যবর্তী বিদেহে শুভাশুভ কৰ্ম্মরূপ অর বিক তখন সেই বিদেহমূক্ত পরমপৰিবিলদে সমস্ত শ্রেষ্ঠগুণধার আছে। কেমন শরৎকালে নুর, শাখপবফলপলিপরিপূর্ণ সনামক প্রাভিসিক মন লয় পাইয়া থাকে। সত্তনাশস্বরূপ বলতাদিত্বে বুজি ইয়ামাকে, ভৎ এ সংসারও পূর্বোক্ত বিদেহমুক্ত বিষয় আপৎজ্ঞক চিনশায় কোন দৃশ্যই ফলপপানিপূর্ণা হইলে ক্ৰম কী হইয়া থাকে এবং এই থাকিতে পারে না। ১৯-২৫।খন তাহাতে কোন একাণৰ আশপখালার দিকেই ঐ ও আনিবে। উহা গুণে কিছু থাকে না ও ঐ ৰাত্রি কিছু থাকে না। অহা দুঃখের আবার হইয়া সসদরূপ আবরণে আবৃত আছে। এই উবিএল হইয়া থাকে, তাহলে বাৰিখ স্পর্শ করিতে চিত্ত হইতে সক্ষণ জলাশযখান রীয় স্বর্গ-- পায়ে ল; ভেজ বা অন্যায় কি দিনরাত্রি ও সন্ধ্যা কিছুই দশায় এ অনুভূত হইয়া থাকে। যেমন মুকুল সঙ্কলনে থাকে না, বিল, আকাশ, আউর কিছুই থাকে না এবং সােপাৰায়লিখিত করে দেখিতে পায়, সেই যােগ- রাণ। চিনিখান হইলেই এই আকাশ দেহ জন্মাইয়া থাকে। উপাদেয় উভয় স্বরূপকেই পরিত্যাগ করিয়া কিছুই বাসনা না করে, ৬—১২। হে রাম! এইসমূদয় যে কিছু জাগতিক ভাব দেখা যায়, তখন আর চিত্ত জমাইতে পারে না। এইরূপে যখন চিত্ত বাসনা সে সকল মৃত্তিকা বিকল টাদিরায় দিয়েই রূপামাত্র বিহীন হইয়া কোন বিয়েই নন না করে, তখনই জীবের পরম এবং জীবনরূপিণকায় বিজড়িত চিত্তরূপ পাপের দুইটা উলা- শান্তিদায়িনী মননশ্চয়তা প্রকাশ পাইয়া থাকে। যখন গগনে দান ৰী আছে। 'যে, একটা এগিরি, দ্বিতীয় মেয়েরায় বিদে কিছুরই ফুর্তি না হইবে, তখনই আকাশে বাসনা যখন প্রাণব্যয় নাড়ীর স্পর্ণে উদ্যত হইয়া পতি পদ্যে স্থায় অন্তরে চিত্ত জমাইতে পারে না এবং যখনই কোনরূপ হয়, নই আনময় চিজের উৎপত্তি হইয়া থাকে। যখন জাগতিক পদার্থে কোন প্রকার ভাৱে ভাবনা না থাকিবে, তখন অসংখ্য নাড়পথের মধ্যদেশে প্রাণের স্পন্দন থাকে না, তখন শূন্য হৃদয়াকাশে কিরূপে আর চিত্ত জন্মাইবে। হে রাম। অন্তরে বহু সংস্কারের অভাব আর চিত্ত জন্মইতে পারে না। কোন বস্তুর প্রতি বস্তুরূপে ও অনুৰাগৰণে যে ভাবনা হয় এই জগদাকার, নিখিল চিন্ময় প্রাণস্পন্দনে সক্ষম হয় বলিয়া তাহাকেই মাত্র চিত্তের স্বরূপ বলিয়া বিবেচনা করি। ৩৫-৪। স্বীয় চিত্তের স্পন্দনকৃষ্টান্তে প্রাণ স্পন্দন লক্ষিত হয় ও আকাশে এই দৃশ্যসমুদয় না, ইহার মধ্যে কিছুই সমর্থনের ব্যােগ্য নহে। নীলাদির ন্যায় তাহাতেই জগতের আভাস হইয়া থাকে। যিনি এই প্রকার ভাবনা করেন, সেই অন্তরীকে স্থায় নির্মল প্রাণস্পন্দনশু। যে চিত্তে নিস্ক্রিয়তা, অহারই নাম শান্তি মহাত্মার চিত্তের উৎপত্তি কিরূপে হইবে এক বাশ্যে অশ্বক্ষণ অর্থাৎ মােক। কর দ্বাৰা আহত কলুকের স্যায় প্রাণের স্পন্দন রূপ বিােধের অভ্যালে বশ্বমাত্রেরই সভাভাবের ভাবনা করত হইলে সংবিৎ অপহৃত হয় ও ঐ সংবিৎ প্রাণস্পন্দনে প্রবাে- বস্তুর যাবৎ স্বরূপদর্শনকেই অচিন্ত কৰে। বিষয়বাসনা ধিতা হইলেই দেংমধ্যে স্কুর্তি পাইতে থাকে। যেমন অঙ্গণমধ্যে থাকিয়াও যাহার বিষয়ে অনুরাগ হয় না, তাহার চিত্তই অচিত্ততা কপুক করতাড়না পাইয়া চক্রাকার ভ্রমণ করে। ঐ সূ হইতে পাইয়া থাকে বলিয়া সত্ত্বসংজ্ঞায় নির্দিষ্ট হয়। যেমন জীবমুক্তের সূক্ষ্মভরা সংবিৎকে প্রাণস্পন্দনই প্রতিবােধিত করে। ১৩–২০। বাসনা পুনরুৎপত্তিবিহীনা হয় বলিয়া দৃঢ় হইতে পারে না, মূল্লাহ হে রাম। ঐ সংধিদের সংকাে কৰিলেই মােনরূপ পরমকল্যাণ তিনি সম্বরূপে অবস্থান করিয়াও তুলালচক্রের আয় কাৰ্যতে হয় জানিবে, কারণ যেখানে প্রাণায়ামাদির অভ্যাসে প্রাণস্পন্দনের ব্যাবহারিক সামাত্র আশ্রয় করেন। সঁহাদের বাসনা পুনরুৎপত্তি নিরােধ হয়, তথায় কোনপ্রকারেই ক্ষোভ থাকিতে পারে না। শূন্য হয় বলিয়া নীরস ভ্রষ্টবীজের তুলনা পাইয়া থাকে, তাহারাই আর সংবিদেয় নিরােধ করার এখােন এই যে, সংবিদ প্রকাশ জীবন্মুক্ত। তাঁহার জ্ঞানের পারদশী বলিয়াই হারে চিত্ত পাইয়াই ৰাই বিষয়াভিমুখে আগ্রহসহকারে ধাৰমান হয় ও সম্বরূপকে পাইয়া থাকে, সুতরাং লেহান্তে সেই আকাশরূপী বিষয়ে প্রবিষ্ট হইলেই চিত্তের অনন্ত দুঃখ উপস্থিত হয়। ঐ জীবন্মুক্তগণই অচিসংজ্ঞায় অভিহিত হন। হে রাম। চিত্তর সংবিদ যখন বাকষিয়ে নিদ্রিতা থাকিয়া আত্মবােধের জঙ্ক উদযুক্ত প্রাণস্পন্দন ও বাসনা এই দুইটা বীজ, ইহার মধ্যে একটীর ধ্বংস হয়, তখনই সেই শব্দ অমল ব্ৰহ্মপদ লাভ হইয়া থাকে। যদি তুমি হইলে দুইটাই বিনষ্ট হইয়া থাকে। যেমন ঘটমধ্য অন্যাশয়ের সংবিলের সহিত প্রাণস্পন্দনের ও বাগনা উদ্ভাবনের আর সম্বন্ধ না জলপূরণকাধ্যে জলাশয় এ ঘট উভয়েই মিলিত কারণ,ভদ্রুপ চিত্তের রাখ, তবেই তুমি মুক্তিপদে অধিনােৰণ করিবে। যেহেতু সংবিদের অবিষয়ে ঐ দুইটিই মিলিত হইয়া কারণ হইতেছে , পৃথকভাবে সত্তার অভাবকেই চিত্ত করে; তাহাতেই এই অনর্থবহুল জীর্ণ- স্বতন্ত্র কেহই কারণ হইতে পারে না, সুর যেমন তিলও ভৈলে জীবসল বিশ্ব ব্যাপৃত আছে জানিবে। যােগিগণ চিত্তের শান্তির পুরুস্পমিশ্রিতুসেইরূপ প্রাণস্পন্ধু ও বাসনা উতরে অন্তরে পর অন্য এণায়াম, খান ও যুক্তিকল্পিত অভ্যাদি নানা উপায়ে স্পর মিলিত হইযাই চিত্তের কারণ হইয়া থাকে ।৪১-৫০ প্রথমে প্রাণের নিলােধ করিয়া থাকেন। কারণ তাহারা ঐ প্রাণলিয়ােথ প্রাণষায়ু, অনন্তর ইন্দ্রিয় ও পরে আনন্দ, এই ক্রম নির্দিষ্ট কেই চিতোপশমের নিন এবং পরমসীমের কারণ ও সবিদের আছে। ইহার মধ্যে যখনই আনন্দ ও পবন উভয়ে বাসনারূপে স্বরূপে পিক বলিয়া অবগত হন। ২১-২৭। হে আম। পরিণত হয়, তখন চিত্তেই উৎপত্তি হইয়া থাকে তরাং পূষ্প ও নিগণ যাহা উপদেশ করিয়া থাকেন ও আপনারাই অজৰ লগন্ধের ন্যায় ও লি ও তদগত ভলের ন্যায় বাসনা হইতে প্রাণ- করিয়া থাকেন, এসেই ৰাণার নিদান অপর একরূপ চিনৎ বায়ুর স্পন্দনে ও সেই স্পন্দন হইতেই বাস এই উভয়ে পত্তির কথা বলিতেছি, এ কর। পূর্বাপর বিচার পরিত্যাক পশলায় রহিয়াছে এবং এই প্রকারেই চিত্তরূপবীজে নাদি আমি আমার এই প্রকার স্কারলে যে দেরি বীজামের গায় হইতেছে। বাসনার প্রকাশে সরে, একাশ, পদার্থের গ্রহণ হয়, তাহাকেই বাসা বলে। এইরূপ বাসনার সেই সংৰিদুই প্রাণস্পন্দকে প্রকাশিত করে, তাহাই চিত্তে অল্প এখীল হইয়া পুরু বাহাই ধনি করে, সেসমূহয়ে সম্বন্ধ বিবেচনায় য় প্রাণঘায়ুদ্বয় স্পন্দনশীল বলিয়া হুগেও আদিবাসনকে বিমুগ্ধ হইয়া থাকে এবং বাসন গেশি হইয়া স্বরুপকে পরি- কম্পিত করিয়াই স্পন্দিত হইছে।৫১-৫৫। চিত্তরূপ শিশু ভাগ করে ও মনময়ে খায় শীঘল সফলই অসাধু বন সংবিদকে জাগৰ্মিত করিয়াই মিয়া থাকে। এইরূপেই বাসনা কৰি থাকে। বিয়ের গায় ঐ স্থিতা বাসনার বশীভূত ও প্রণম্প উভয়ে চিতােৎপত্তির কাইতেছে। কেয়াম। হইলে অসনী দুয়া নানাবিধ নেয় নিড়িত হয়। উজয়ের একজনের না হইলে উভয়ের এবং উত্তর কার্যে রা! স্যানি হইতেই অাগে অবােধ হয় ও (ভূত) চিত্তের নাশ হইয়া কে। যে চিত্ররূপ ক্ষের - বলি শান হইয়া থাকে, কাকে চিপে নিৰে। দুকুল মনই শ, শরীরই বৃহৎ এবং মেয়েলি তাসের তে র ত হইলেই আর লতায় জড়িত কারণ পৰশলী ও কাল যাকে এ চিত্তকে। এখন হয় করিয়াছেও বালেগলিপ কে আসল এক এই উপম-প্রকরণ T বাহার দৃঢ় মূল ও ইলিয়রূপ পক্ষিগণ যখন কুলায় করিয়া, এ ভাহাকেজড়, অসংবি ও জীবন্মুক্ত কহে। জীব যখন স্বয়ং বাসনা দৃশ পাদপকেও বাসনা মধ্যে ক্ষয় পাওয়াইয়া থাকে। যেমন রহিত হইয়া কিছুমাত্র ভবিষ্যতের ভাবনা করে না এবং শিশু ও প্রবলবায়ু কালপক ফলকে ভূপতিত করে এবং বায়ু নিস্পন্দ হইলে মুকাদির ন্যায় স্থিরভাবেই অবস্থান করে, তখনই তিনি জাড্য হইতে যেমন উত্থাপিত সৰ্বদিগাচ্ছাদক ধূলিনিচয় বিলীন হইয়া থাকে, নির্মুক্ত হন ও এই বিশাল বৰদনের আশ্রয় করিয়া তাহাতে লিপ্ত অম্বৎ চিত্তরূপ প্রবল বা লোরাশি ও প্রাণস্পন্দর নিরােধেই হন না। সমুদয় বাসনা পরিত্যাগ করিয়া নির্বিকল্প সমাধির আয় লয় প্রাপ্ত হয় (মুন্না) বাসনা ও প্রাণস্পন্দন এই উভয়ের করেন ও আকাশের সন্যের অনুসারে নীলভার বৃদ্ধির ন্যায় সংবেদ্যকেই বীজ কহে, যেহেতু প্রাণস্পন্দন ও বাচ্চা হয়ে তদীয় চিত্তনৈল্যের অনুসরণেঅনশ বৃদ্ধি হওয়ায় শেষ আনন্দ- সিয়ালিয়াদি স্মরণ করত সর্বত্রই বিলাস পাইয়া থাকে। ময়ই হন। ৭১-৮৪। বৃদিও সমাধিকালে ব্ৰহ্মরূপ্যরূপ সংবেদন ৫৬-৬৪। যদি সংবেদ্যই প্রাণস্পন্দ ও বাসনায় বীরুপে অববী, তথাপি সেই সংবিবিহীন যােগী খন অয় হই- নির্দিষ্ট হইল, অবেই সংবেদ্যের পরিত্যাগে উক্ত উভয়েই অতি মই অনাদি অনন্ত ব্ৰহ্মখপে বিলয় পাই থাকেন বলিয়া তঁাহা- শীঘ মুছেদনে বৃক্ষের ন্যায় নষ্ট হইয়া থাকে। সংবিদই স্বীয় দের পৃথক্ সংবেদন হয় না। তিনি গমন, অবস্থান, ঘ্রাণ, স্পশালি- ধীরতা পরিত্যাগ করিলে, সংঘবদ্যাকারে উপনীত হইয়া চিল্পী সমুদয় বাহু কাৰ্য্য করিলেও অজড় ও সংবেদনশুত থাকিয়া পুর্ণান- হয়। তিল যেমন লৈহীন হয় না, তদ্রপ সংবিদ্ব্যতীত সংবেদ্য ময় সুখী হন। হে গুণসাগর। প্রাণায়ামাদি কষ্টকর উপায় যারা কোনপ্রকারেই কি বাহিরে, কি অরে, কোথাও পৃথক থাকিতে পূর্বোক্ত দৃষ্টির সঙ্কোচ করিয়া দুধসাগরের পারে গমন কর। পারে না এবং স্বপ্নদশায় নিজের মরণ ও দেশান্তরাবস্থানাদি যেমন ক্ষুদ্রবীজ হইতে বিশাল বৃক্ষ উৎপন্ন হইয়া কালে সমস্ত যেমন সংবিদের কাৰ্য, সেইরূপ জাগ্ৰদ্দশায়ও সঙ্কল্পবশে সংবিই আকাশকেও ব্যাপিয়া থাকে, তম্বৎ স্বীয় ক্ষুদ্র সঞ্চল হইতেই সংবেদ্যকে স্বয়ং দেখিয়া থাকে। হে রঘুনন্দন। বালকের যেমন এই মিথ্যাভূত অনন্ত সংবেদ্য উদ্ভূত হইতেছে। যখনই সংবি নিজ ভ্রমশেই বেতালদি অনুভব হয়, তদ্বৎ এই জগদ্ব্যাপারকেও বারংবার সঙ্ক করিয়া স্বীয় সঙ্কল্পজন্য শরীরকে লাভ করে তখনই স্বীয় সল্পজন্য মেতেই প্ৰস্ত হইতেছে আনিবে। গবাক্ষ ঐ সংবিদ এই জন্মসমূদয়ের কারণত্ব প্রাপ্ত হয় ' হে রাখব। এই নিঃস্ত সূৰ্য্যচন্দ্রের কিরণজালের যেমন দণ্ডাকারে ও রেণুর সংবিদ আপনাকে স্বয়ং উৎপাদন করিয়া বারংবার মুগ্ধ করে ও আকারে অবস্থান দৃষ্ট হয়, সেইরূপ সংবিৎ হইতে ভ্রমণেই সংবে- পরে স্বয়ংই অন্তঃস্থিত স্বরূপকে জ্ঞাত হইয়া আপনাকে মুক্ত দ্যের বিকাশ হইয়া থাকে। যেমন নৌকারোহী ব্যক্তি অচলেরও করিয়া থাকে। ৮৫-৯০। এই সংবিদ যাহাই ভাবনা করিবে, তৎ- স্পন্দন দেখিয়া থাকে, তদ্রুপ সংবিং হইতে যে সংবেদ্যের কণাৎ তাহাই উপস্থিত হয় , কিন্তু রাগাদি হইতে নিলিপ্ত থাকায় বিকাশ, ইহা নিতান্ত ভ্রমন , উহা সমগজ্ঞানসম্পর্কে বাধিত কিছুতেই সম্বরূপতা প্রাপ্ত হয় না। দেবতা, গন্ধ, যক, কি কির হইয়া থাকে। ৬৫-৭২। যেমন রজুতে সবােধ ও চন্দ্রঘষদর্শন এ সকল কিছুই নহে, একমাত্র আত্মাই আদিভূত বিলাসিনী নির্দোষদর্শন দ্বারা দূরীভূত হয়, সেইরূপ সম্যকৃজ্ঞানীর নিকট এই স্বীয় মায়ার সহিত মিলিয়া অগভবরূপ নাট্য করিতেছেন। ত্রিভুবন বিশুদ্ধ সংবিদের রূপ সংবেদ্য বলিয়া অপর কিছুই নাই মায়াবী নট যেমন আপনাকে ও মুক্তের ন্যায় দেখাইয়া থাকে এইপ্রকার অন্তরে দৃঢ় নিশ্চয়কেই পণ্ডিতেরা সম্যজ্ঞান বলিয়া এবং কোষকার কীট যেরূপ আপনি আপনাকে বাঁধিয়া রােপন থাকেন , নুং ঐ সংবিদ্যের যাহা পূর্ববৃষ্ট ও যাহা পূর্বে অদৃষ্ট, করে, সেইরূপ আত্মাও আপনাকে কখন যজ, কখন মুক্ত দেখাইয়া সে সমুদয়ই জ্ঞানী ব্যক্তি দূর করিবে। কারণ ঐ সকল দুর না নানাভাবের আবিষ্কার করিতেছে। এই সংবিদই সাররূপ করিলেই এই বিশাল সংসারের সহিত আত্মার সম্পর্ক ঘটিয়া সাগরসমূদয়ের লম্বরূপ এবং পূৰ্বাজি দিগু ও পৰ্বত প্রভৃতি থাকে এবং ঐ সকলের দূরীকরণ মােক্ষস্বরূপে অনুভূত হয়। যদ্রি যে কিছু স্থাবর, সকলই সবিদের রূপ এবং পৃথিবী, স্বর্গ, বায়ু, সংবেদ্যেরই নিয়ত দর্শন ঘটে, আহা জন্মদিরূপ অনন্ত দুঃখেরই আকাশ, নলী এসকল সবিরূপ জলরাশির অভিন্ন কিছু নহে। কারণ হইয়া থাকে এবং যাহা বেদের অদর্শন অসংবিত্তি, উহা এই জগৎই সংবি, অন্য কিছু করনা এইপ্রকার সমগজ্ঞান জড়সম্পর্ক হইয়াই জন্মজরাদিঃখবিহীল সূঘের সম্পাদন করে, উপস্থিত হইলে সংৰিলেরই অদ্বয়ত্ব স্থির হইয়া থাকে। ১১-১৬। জাং হে রঘুনাখ। তুমিও সংবেদন ত্যাগ করিয়া একরসে পূর্ণ যখন সংবিধূ কিছু কাজ করে না, কোনরূপ স্পন্দন বাকশন থাকিয়া পূৰ্ণানন্দময় হও, তাহা হইলে আত্মরূপ তুমি অসংবেদ্য হয় না, কেবল স্বরূপেই অবস্থান করেন, তখনই পৃথভাবে সংবি- হইলেও স্বতই প্রবুদ্ধ হইবে। রাম কহিলেন, হে প্রতে! জাভ্য দের জ্ঞান হয়। হে বাৰ । সত্রকে এই সংবিলের বীরূপে ও সংবিত্তি ইহার এক পরিত্যাগে একতন্ত্র অবশিষ্ট হয়, কিন্তু নির্দেশ করে। যেমন তে হইতে প্রভার আবির্ভাব হয়, দ্রুপ আপনি বলিলেন, বিতি ভাগ করিলেই জড়ত নষ্ট হইৰে। ঐ সন্মাত্র ব্রহ্ম ইভেই সবিদের উৎপত্তি হইয়া থাকে। তন্মধ্যে সংবিত্তিয় অন্তৰে জড়তা যে পাইবে, ইহাকেমনে ঘটিতে ঐ সভার দুইটা রূপ,প্রগমটা নানাকারে স্থিত, অপর এক পাত্রে ? ৭৩-৭৮। বশিষ্ট বলিলেন, হে আম! জীবন্মুক্ত জীব অয়কাপে ভিভাসিত হইতেছে। ঘট পট তুমি আমি এই সমু- বর্তমান ব্যাপারে অবস্থান করেন না ও অতীত ও ভৰিষদ্বিষয়ে কাজের ধর্ষণই সভার নানা আকায় এবং বগভবিভাগ ত্যাগ বাসনা থাকায় আস্থা রাখেন না এবং কোন বেদ্যকেই ভান করিয়া সামাধম্মে জগতের অধিষ্ঠানষভাবে যার অস্থিত করেন না বলিয়া সংবিংশত ও অপ্রকাশ চিন্ময় হওয়ায় বড় হন অহাই সঙার একরূপ। সভায় অর্থাৎ অধিষ্ঠানের যেরূপ এবং সত্যবুদ্ধিতে চিনের বাহারবানের নাৰ সংবিধ; উহা যে সুবিমল একরূপ, তাহার কীট নাশ নই ও হাকে কোল- জ্ঞানীর নাই, জিৰ অসৰি উহাও তিনি অনন্তকার্য করিলেও প্রকারে বিস্কৃত হওয়া যায় না। হে বন্ধু। তুমি কালসত্তা, বড় হন এবং যাহা বুদ্ধি বেরেসহিত কিছুমাত্র লিপ্ত হয়, পরমাণসভা ও ধৃষ্টবয় সভা এই প্রকায় কলিতা সাকে যােগণিষ্ঠ-রামায়ণ ভাগ করিয়া সত্ৰপরায়ণ হও। যদি কালসাও কল্পনা বিহীন অফিশিনী স্থিতিকে যথাক্রপে আয় করিতে পার, তবে সেই হইলে উত্তম সঙ্কপেই অতি থাকে, তথাপি ইহার বাস্তবতা মুহূর্তেই সেই সচ্চিৱ পদ লাভ করিতে পারিবে। কিন্তু নাই। ১৭১০৬। তুমি সামান্যরূপ দ্বারা সমস্ত দিক ও যদি জগৎকারণে সামান্য সত্তবুজি রাখ, তাহা হইলে, পুর্বাপেক্ষা পদাথপুকে পরিপূর্ণ করত পূৰ্ণানন্দময় হইয়া অবস্থান কর। কিন্তু অধিক চেষ্টা কৰিলেই ব্ৰহ্মপদ পাইতে পার। আর যদি হে রঘুবর। সাধারণ সভারই যে চরসীমা, তাহাকেই এই সংবিৎরূপে চিন্তাপরায়ণ হইয়া থাক, তবে অপেক্ষাও অধিক সংসারের কারণ নিবে। সকল সীমা স্থানে যাহা যত্ন করিতে পারিলেই সেই সর্বোত থাম লাভ করিতে পারিবে। কনা কর্তৃক বিরতি হইয়া আছে, সেই অনাদি অনন্তপদের এ বিষয়ে পতিতা বলেন যে, তুমি যাহা চিন্তা কর এবং যেখানে উপান নাই। ঘখায় সভায় নয় হইয়া থাকে, বিকালের অবস্থান কর, ঘন কর অথবা যে কিছুই কর, সকল বিষয়েই বেশ কে না ওযেখানে থাকিলে পুনরায় দুধে আপতিত সেই সংবি মাই, কারণ সকলই সংৰিলের স্বরূপ। ১-৮। হন, সেই স্থানে যে ব্যক্তি অধিকার প্রাপ্ত হয়, তাহাকেই পুরুষ যদি ঐরূপ বাসত্যাগে যত্ন করিয়া সফলকাম হইতে পার, তবেই অনিকাকে। সেইরূপ সকলকারণেও কারণ হইলেও তাহার তেমায় সমুদয় মনােবেদনারূপ পীড়ার উপশম হইবে। হে রাম। কারণ কিছুই নাই এবং সমুদয় সারবস্ত সার হইলেও অপেক্ষা পূর্বোক্ত সমুদয় উপায়ের মধ্যে এই বাসনাত্যাগরূপ উপায় সার আর কিছুই নাই। যেমন সমােবরে তটবর্তী অরুকলি সুমেরুর উম্মলনের ন্যায় অসাধ্য বলিয়া নিতান্ত বিষম হইয়া থাকে। প্রতিবিম্বিত হয়, ঘং সেই বিশাল চিন্ময়দশে এই দৃশমান আর দেখ, যে পর্যন্ত মনে লয় না হইবে, তাৰৎ বাসনালয়ের সমস্ত বজাতই এতিবিম্বিত হইতেছে এবং জিহ্বা হইতেই সম্ভব নাই এবং বাসনা যদি ক্ষীণ না হয়, ভবে চিত্তের উপশম যেন সমুদয় বস্তুর আগ্রহণ হয়, তদ্রুপ সেই আনসাগর চিন্ময় কিছুতেই সম্ভব হয় না এবং যাবৎ জ্ঞানের উদয় না হয়, ভাবৎ হইতেই সকলঙৰে আস্বাদন হইয়া থাকে। ১০৭-১১৪। যেহেতু চিত্তশাস্তি কিরুপে সম্ভব হয়, অথচ চিত্তের শান্তি না হইলেও চিন্ময়পক্ষের সম্পর্কে অস্বাদু বস্তুরও আর অনুভব হয়, সুতরাং অজ্ঞান জন্মাইতে পারেন না এবং বাসনায় নাশ যে পৰ্যন্ত না সেই অতি নিৰ্ম্মল চিলাকাশের পদসমূদয় স্বাজাতীয় আনন্দময় হইবে, ভাবৎ অজ্ঞান কিছুতেই হইতে পারে না অথচ অজ্ঞান প্রিয় বস্তুর মধ্যে সমধিক আনন্দময় ও প্রিয়তম। সেই আনন্দ লাভ না হইলেও বাসনার ক্ষয় হয় না; সুং তত্ত্বজ্ঞান চিন্তু হইতে এই অলি সংসার জমাইতেছে, তাহাতে রহিয়াছে, বুদ্ধি নাশ ও বাসনা ইহার পরম্পরই পরস্পরের প্রকাশের প্রতি পাইতেছে তাহাতে থাকিয়া তাহাতেই বিকৃত হইয়া নয় কারণ খাকিয়া অসাধ্য হইই অবস্থান নিয়েছে। হে রঘুনাথ! পাইতেছে। এবং সেই পদসকল গুরু হইতেও গুরু, সমুখয় সুতরাং স্বীয় যন্ত্র ও বিবেকবুদ্ধি দ্বারা ভেগাকাঙ্ক্ষাকে দূরে বর্জন লঘূ হইতেও লঘু এবং যাবৎ গুন হইতেও খুন ও সমুদয় সূক্ষ্ম করিয়া পূর্বোক্ত তিনটাকেই অবলম্বন করিবে। যদি এক হইতেও সুক্ষ্মতম। এবং দূরতর পদার্থের অপেক্ষা সমধিক সময়েই ইহাদিগকে বারংবার অভ্যাস করিতে না পার, তবে শত দূরবর্তীও যাব সন্নিহিত বস্তু অপেক্ষা অত্যাধিক সন্নিহিত এবং ৫ বৎসরেও লেমার ব্রহ্মপদ লাভ হইবে না জানিৰে। ১৬। কিছু কনিষ্ঠ আছে, সকল অপেক্ষা কনিষ্ঠ ও যাবৎ জ্যেষ্ঠ হইতেও হে মহামতে। বাসনা, ত্বজ্ঞান ও চিত্তলাশ ইহা এক নেই, উহাই সমস্ত তেজগার্থের মধ্যে সমধিক প্রভাসম্পন্ন ও কালেই বহুবার সেবিত হইলেই ইষ্টক প্রদান করিয়া থাকে, সমস্ত অন্ধকারের মধ্যে বিশিষ্ট অন্ধকার, সমস্ত বস্তুর মধ্যে বিশিষ্ট যদি ইহাদের এক একটাকে আশ্রয় করিয়া বহুকালও অভ্যাস বস্তু, অধিক কি, বেকিছু বস্তু আছে ও যে কিছু পার্থ নাই ও কর, তথাপি ইহার দুষ্টমশ্রের স্যায় সিদ্ধি প্রদান কৱিতে পারে যাহা ও যাহা নহে, সে সমুদয়ই সেই চিন্ম। হে রাম! না এবং সুৰােধ ব্যক্তি যদি ইহাদের একটা মাত্র বহুকাল ধৰিয়াও তুমি সেই পরম পবিত্র বিস্ময়পদে যেরূপ সধিক যত্ন করিয়া সেবা করেন, তথাপি পরমপদে যাইতে পারে না। যদি অবস্থা করিতে পার, তাহারই উপায় কর। কারণ সেই চিন্ময় ধীমান্য ব্যক্তি একই সমূষকে বশে রাখিয়া স্বকাধে উত্থাপিত আত্মত্ম সমাগম্ভান অতিনিৰ্ম্মল ও অদিবিহীন, তাহা লাভ করেন, তবেই পৰভট যেরূপ সলিলসকে চুণিত করে, করিলে চিত্ত শান্ত হইয়া থাকে। এক্ষণে তুমি সেই বিশাল তরং তিনি সংসারসাগরকে বিচ্ছিন্ন করিতে পারেন। হে ব্ৰহ্মতত্ত্ব জ্ঞাত হইয়াছ বলিয়া পুনরাবৃত্তিৰিহীন ভবত বিরহিত বৎস! সুতরাং তুমি বাসনায় অজ্ঞান ও চিত্তনাশকে পরমপদের স্বরূপতা লাভ কৰিছে। ১৯৫১২২। সমানভাবে সেবা করিবে, তাহা হইলে আর ভােলাকে স্বর- একনবতম সমাপ্ত। ভাৰে লিপ্ত হইতে হইবে না। যেমন মৃণাল খণ্ডিত হইলে তথ্য- বী ভৰও ছে হয় জপ ঐ বিবি উপায়ের নি অকাল হইলেই হারের অন্যায় সংসারপােষক এম্বিসম বিক্রি নিবতিতম সঙ্গ। হইয়া থাকে। হে নাম। এই সংসাৰতাৰ শত ১ রাম কহিলেন,মােলনীয়। আপনি যে সমুদয় সংসারের অভ্যাসে দৃঢ় পাইয়াছে, তাং ই চিত্তনাশালি উপায়ে বী নির্দেশ করিলেন, ইহার মধ্যে কোন উপাদীর অনশনে চিরাভ্যাস ব্যতিরেকে কিছুতে এখ হয় না। ১৭৩। কী সেই পরমপদ পাওয়া যায়, তাহা সূন। বশিষ্ঠ বলিলেন, হে রামচন্দ্র! তুমি গমন, শ্ৰৰণ, আ, স্পর্শ, নিদ্রা, জগয়া ও হে আম। আমি উঠে র স দুখের করাকহিয়াছি, এবং এই সব কাধ্যের মধ্যে যখন হাই করিবে, সকল ভাবের ক্রমানুসারে প্রয়েশ মিলে, এতক উপায়েই নয় অবস্থাতেই মুভিরূপ পলকতে সতত এই ত্রিবিক সেই পন্থমপত্র পাওয়া যায়। যদি তুমি ছিলে সংশােধিত অখণ্ডা- উপাদেয় অভাসী হও এ না বাসসের খায় এলা- নলয় গলে পৌরুষত্বে কলপূর্বক বাগনাকে ত্যাগ করিয়া রামকেও ব্রহ্মান্দ্রে ইঙ্গি বলিয়া মুৎ কে ন t তিল একরণ। অাস করিখে। বানাভ্যাণ হইলে চিত্ত রূপ হইয়া কখন বৈণেরুপ নিয়া কেন অন্য ৰে এলেও থাকে ওলির নিলােখ কৰিলে ইচ্ছামত কার্য করিতে পারে। এনিতে পারেন না, তাঁহারা স্বর্গ, নরক ও ভূমিতে এত যােগী ব্যক্তি রূপদিষ্ট উপায় অবলম্বন করিয়া প্রাণায়ামারি থাকায়াত করিতে থাকিয়া পনােপতশলফকের মত ক্রমশ কৰি অভ্যাস করিতে থাকি তাহাতেই হিতকর ও পরিমিত মরণদিলিৰ বাগেই করিতে থাকেন। সরােবরে বেশ পানভােনাদি কৰিয় স্বস্তিকাদি আসলের অনুশীলনে প্রাণের অনিচ এন হইতে এখানে ওখান হইতে অপর শন রোধ করিতে পারেন। সমূষয় বই থে, শেষে ও স্থানে গতায়াত করে, ৎ তাঁহাৱা এখান হইতে নাকে ও নরক মধ্যে যে সন্মাত্ররূপ আহে তাহারই নাম যথার্থই প্রকার হইতে স্বর্গে এবং তথা হইতে পায় এই কৰ্মভূমিতে বহুস্বরূপ দর্শন করিতে পারিলে আর বাসা প্রকাশ পাইতে পারে আসিয়া যরংবার পরিবর্তিত হইয়া থাকেন। যে রঘুনন্দন। এই । কারণ বহুৰ স্বৰূপানি ও সম্যগুঞ্জান হইলেজীৰ নাসক্ত সকল কারণে হঠবােগানিলক্ষণ অসনকে ত্যাগ করিয়া ব্যবহারী ও সালারিক মনােরখ-বিহীল হইয়া থাকে, তাহাতেই বিশুদ্ধ-সংৰিলের আশ্রয়ে রাগালি হইয়া স্থির হও। যেহেতু বসান হয়। ২০২১। বিনি শরীরের নবরতা গনি করেন, জ্ঞানী ব্যক্তিই , অনানুষ জীবিত ও যিনি জ্ঞানবানু তিনিই তাহার আয়ে বাসনা থাকিতে পারে না এবং ঐ ৰসনারূপ বলবা, সুআই তুমিও জ্ঞানবান হও। হে মহাত্মন! তুমি শীর সঞ্চিত ধনের না দেখিলে কিন্তু কিছুতেই আর প্রকাশ জ্ঞান-হিড মাস অনাদি অনুত অভিীয়বিৎসরে পায় না। যেমন বায়ু নিস্পন হইলে, আকাশে ধূলিসম্পর্ক থাকে আশ্রয় কর ও চিকে বাহুবিষয়ে নিরােধ কত স্বয়ং কার্য না, সেইরূপ এণবায়ুর স্পন্দন না থাকিলে চিত্তও স্পন্দিত হইতে করিয়াও অনাক্তিবশতই কর্তৃপলে অধিক্সট না হইয়া পারে না। কারণ যেমন এতে ধূলিয়াশি হইতেই ধূলি প্রকাশ জীবনূক্তের অণ-সম্পদে সম্পন্ন থাকিয়া বলধ্যেই অবদান পায়, প্রাণ হইতে চিত্ত হইয়া থাকে, সুতরাং কর। ৪২-৫০। বুদ্ধিমা অগ্রে প্রাণক্ষের জয়বিষয়ে ৰত্ন করিবেন অথবা প্রাণী- বিভিভস সর্গ সমাপ্ত। ১২। ঘাম অপেক্ষা একেবারেই চিত্তনিরােধ অমিত হয়, তাহা হইলে উপবেশন করিতে থাকিয়াই বারংবার একাগ্রভাবে চিত্তকেই আক্রমণ করিবে, আহাতেও বহুকালে অভিমত পণ লাভ করা ত্রিনবতিতম সর্গ। যায়। যেমন অণত দুই মহতীকে বাধ্য করা যায় না ভম্বৎ এই পূর্বোক্ত যুক্তিসমূদয় ব্যতিরেকে চিত্তকে বশীভূত বশিষ্ঠ কহিলেন,হে আম। যে ব্যক্তি কিরলে নি করা নিতান্ত অসম্ভব। আগনপ্রবর্তক শাস্ত্র সাধুসক- চিত্তকে মূহর্তের জন্যও নিগৃহীত করে উহার জন্মের সাফল্য বাসনাত্যাগ ও প্রাণায়াম এই যুক্তিতুষ্ট চিত্তাকার্টে প্রমাণ হইয়া থাকে, ঐ চিরকুলের কণামাত্র অকুৰ যদি হৃদৰে ভূক্তি কুত আছে। ৩০-৩৬। যাহারা এই সকল মনােহর মুখ্যগে পায়, তাহা অভ্যাসরূপ জলসেক পাইতে থাকিলে, ক্রম অন পরিত্যাগ করিয়া হঠযােগ যারা চিত্তে নিরােধ করিতে ইচ্ছা শাখাস লি র আকার বারণ করে; মাং যাহার করে, তাহারা পের সাহায্যব্যতিরকে অন্ধকার দূরীকরণে হয়ে সরাগ্যের সহিত বিচার আসিয়া বদ্ধমূল হয়, তাতে মূঢ়দিগের স্যায় রথা শ্ৰম করিয়া থাকে না। যারা হঠযােগের পরিপূর্ণ সমােবরে মৎস্যজির গায়, পুর্বোক্ত শমমাদি মিশি আশ্রয়ে চিত্তের জয়া করিতে উদ্যোগ করে, সেই মূজাে উন্মত্ত আয় করে। যে এজন ব্যক্তি সম্যক্ বিচারলে আত্ব- পরাজকে মৃণাল সূত্র দ্বারা বাধিতেই বাসনা করিয়া থাকে এবং স্বরূপ দর্শন করেন, তাঁকে সেই অতিৰিশাল বিদ্যাসামর্থ্য পূর্বোক্ত গম উপাচতুষ্ট পরিহার করিয়া চিকে ওৎসরি প্রলােভিত করিতে পারে না এবং বিষয়স, মানসিক কৰি হিত স্বীয় দেহকে যাহাৱা স্থির করিতে উদ্যোগী হয়, পণ্ডিতেরা ও মানসিক বেদনাকি কোন প্রকার পড়া সেই সম্যক্শীকে তাহাদিগকে গামকারী বন্নি নির্দেশ করেন। আবার কোলে চিলিত করিতে পারে না ।। बाराव ভয়ে প্রাপ্ত হয় ও কষ্টের পর কষ্ট উপনীত হইয়া প্রলয়কালীন তীব্র বায়ুখে ঘূর্ণমান হয় সেই বিদ্যুৎসমূহসম্পর্কে থাকে, পাগকারী এদের চায় তাহাদের কিইে শান্তি পাটল ৰওঁ প্রভৃতি নেগণকে কোথায় বালকের হয় না। সর্বদা ভীরুভাৰ অন্ধি মৃগলিগের য় ফলপৰ নিযুক্তি যারা গ্রহণ করিয়া থাকে এবং কোথাও কি মূদ্ধ রমণীরা মাত্রভােজী হইয়া পর্বতের প্রতিশৃঙ্গে করিয়া থাকে। আকাশমধ্যবর্তী চাকে দূর নীলােৎপল আশঙ্কায় মণিময় ৩৭। মৃগী গ্রাখতে প্রবেশ করিয়া যেন কিছুতে বিশ্বাস পেটিকামৰে ৰা করিয়া রাখিতে পারে এবং যাদের অভাব রাবিতে পারে না, সেইরূপ অহাদের কোমলা বুওি বা মগ লােলুপভ্রংলি শিকাে চঞ্চল নীলােৎপলের স্থান হওয়ায় কিছুতেই বিশ্বাস করিতে পারে না। পার্বজনীর অধিকার করে,সেই মদমত্ত হীদিগকে কখন কি মুখ সলিলে যে পতিত হয়, তাহা যেমন শ্রোতারে দূর নাৰীনের নিসপালং শাকের দলিত করিতে পায়ে। প্রবাহিত হইয়া থাকে, তা যদি চিত ফলনে এনে প্ৰশক্তিতে নিহত গজ মুক্তাআল বাহাদের নবিয়ে দেন করে, তবে সেই বিবলারী মানস সুদূর আকৃষ্ট হইয়া থাকে সেই অলিৰিক্রান্ত পশুরাজ সিংহকে কি ক্ষুণতু নিশো এবং তাহা বুক উপায় জাগ করিয়া কাল, শ, নিখল করিতে পারে। কোথাও কি দেহি ন বাহানের ৰাৰ ওলোনলি কাজের উপায় অনুষ্ঠান করিয়া উৎট বির সাথে মাও হয় সেই দুর্ত - বেদনায় কেশিত থাকি আমি গ র কাবাপন দেন। দিগকে দূs সেকেন্যা শিখি-১০। ধীর কি সয় মুখ্যে কেহ ৰা এতি নানা কুশতে শিতই বিৰেলে সু পলিভূমিকা প্রাপ্ত হইয়া নিয়মিত যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ লাভের জন্য উদ্যোগ নেয় এরূপৰিক্ৰমশল জ্ঞানীকে কি কোথায় জ্ঞানী মদ, মধু, মাধ্বীক অসভৃতি মভূমিতেও দধি, ক্ষীর, ইন্দ্রিয়প বা আক্রমণ করিতে পারে ? কেমন কোলা ঘূত, আমি, নবনীত প্রভৃতি খাদ্য বস্তুতে অধিক কি, লেগে ছিনলতাকে একল বায়ু হরণ করে, বিচারবুদ্ধিও যদি পরিপকা টু বসত্রেও অত ফল, মূল শাক ও মাংসাদি কোন না হয়, তবে তাকে অনায়াসে যিশত্রুগণ বশীকৃত করে, বস্তুতেই তৃপ্ত হইতে ইচ্ছা করেন না ( রাখেন না)। যেমন কেহ কিন্তু পরিপক কণামাত্র বিবেককেও দুষ্টরাগাদিবালার ভাঙ্গিতে নিজ মাংসের আস্বাদন করিতে ইচ্ছুক হয় না অথৎ তিনি পারে না। যেমন কল্পকালীন বায়ুবেগেও যাহা স্থির, সেই বিশাল যাবৎ পদার্থেই অভিলাষত হন। তিনি ই, চ, বায়ু, গর্বতকে মৃদুধু বিচলিত করিতে পারে না। যে বিচারুরূপ রুদ্র প্রভৃতি দেবতার স্থানে ও মেরু, নন্দর, কৈলাস, সহ, এর মেয় বৃক্ষমূলবন্ধকে সম্পূর্ণ গ্রহণ করে নাই বলিয়া চঞ্চল প্রভৃতি পর্বতের মনােম ভটএদেশে এবং অতি লঘু পত্ৰনিয়ে বস্থানে অবস্থিত; তাহাকে চিন্তাবায়ু অনায়াসেই কম্পিত করিয়া সুশােভিত সর্বদা চমলে সুমি কলবৃক্ষের মধ্যে দিবদেহ থাকে। গন, অবস্থান, নি, জাগরণ প্রভৃতি সৰুল সময়ে, লাভ করিয়া অবস্থানকেও ঐতিকর বিবেচনা করুন না। এবং যাহার চিত্ত সপের বিচার না হয়, সে জীবিত থাকিলেও তিনি রত্ব কাঞ্চনময় ও মণিমুক্তাদিতে বিভূষিত পুষ্য ভবনে ঐতি-বাক্যের অনুসারে মৃত বলিয়াই নির্দিষ্ট হয়, সুত্রাং তুমি উর্বশী, রম্ভা, তিলােত্তমা, মেনকা প্রভৃতি অপয়ােগণের সহিত স্বয়ং জ্ঞান দ্বারা অথবা গুরু প্রভৃতি সজ্জনদিগের সহিত পরমানন্দে বিহারকেও তুচ্ছ বােধ করেন। সেই অনাসক্ত এই অগং কি” “ও এই দেহ কি বস্তু, কাহার সহিত সম্পর্কী” পূর্ণাত্মা আলী ঘেবপৈশুষ্ঠাদিত জ্ঞানী সকলবিষয়েই মৌনী এই বিষয়ে নিরন্তর বিচার কর। ১—১৬। তাহা হইলে, অন্ধ হইয়া বাসনা ত্যাগ করেন। ২৫-৩১। সেই জ্ঞানবান, কুন্দ, কানাশক প্রভাস দীপ ঘর যেমন বস্তুকে সম্পূর্ণ দেখা যায়, মদার, কলার, কমল, তুমুল, উৎপল, পুন্নাগ, কেতকী প্রভৃতি তদ্রুপ ভ্রমরূপ অন্ধকারের নাশক বিচার দ্বারাও শীঘ্রই সেই পুষ্পজাতীয় অরুতে ও কাষ, চুত, অম্বু, আম, কিংশুক, বিমল ব্ৰহ্মম্বরূপ দেখিতে পাওয়া যায়। যেমন সূৰ্য্যদেব প্রভা অশােক প্রভৃতি বৃক্ষসমুদয়ে জপ, অতিমুক্ত, সৌৰীয়, বি, বিস্তার করিলেবদরের ধ্বংস হয়, সেইরূপ তখন সেই ভাস্বর পাটল প্রভৃতি জাতীয় এবং চন্দন, অগুরু, কপূর, লক্ষা, ব্ৰহ্মজ্ঞান উপস্থিত হইলে, যাবৎ দুঃখেরই একদা ধ্বংস হইয়া মৃগমদ, কুঙ্কুম, লবঙ্গ, এলা, ককোল, অগ প্রভৃতি সুগন্ধি অঙ্গ- থাকে। সূৰ্য্য উদিত হইলে যেমন ভুতলে আলােক প্রকাশ হয়, রাগাদিতেও কিছুমাত্র অনুরাগ ঝাপন করেন না। কেবল ব্রাহ্মণ তদ্বৎ জ্ঞানের উদয় হইলেই সেই ব্ৰহ্মরূপ জ্ঞেয়ুৰস্তু স্বয়ংই যেমন মদ্যের আমােদ প্রার্থনা করে না, সেইরূপ তিনিও কিছুতেই প্রকাশ পাইয়া থাকেন। যে শাস্ত্র-বিচারলে ব্ৰহ্ম অবগত বিচলিত হন না, প্রিয় অপ্রিয় সকল বস্তুড়ে সমান বুদ্ধি রাখিয়াই হওয়া যায়, তাহা ব্রহ্মের স্বরূপ হইতে অপৃথগভাবেই দৃঢ় উপেক্ষা করেন। তিনি সমূহ গুরু গম্ভীর শকে, প্রতিধ্বনিতে, প্রতিষ্ঠিত আছে। পণ্ডিতের বিচার হইতে উৎপন্ন আত্ম- পর্বতে ও সিংহদিগের ভীষণ গর্জনেও কিছুমাত্র ভীত হন বিজ্ঞানকেই জ্ঞান কহেন, উহার মধ্যেই সমধ্যে আধুৰ্য্যের না এবং শত্ৰুদিগের সংগ্রামবিষয় স্ত্রেী ও পটহের ভীষণ আয় জ্ঞেয়শ্বরূপ অবস্থিত আছে। যেমন সুরাপ ব্যক্তি সদাই কে ও দৃঢ় থকুর উদ্ধারেও তাঁহার কিছুমাত্র ভীতি হয় না। মদময় হয়, দ্রুপ যাহাতে জানালােকের প্রকাশ হয়, সে ব্যক্তি ৪০-৪৫। সেই জ্ঞানী, মহত্তীয় বুজিভে, বেতালব্যাপারে, কি সর্বদাই জ্ঞেয়স্বরূপ ব্ৰহ্মানন্দের অনুভব করিয়া থাকেন। পর- রাশপিশাচাদির ভয়ঙ্কর নৃত্যেও কিছুমাত্র বিচলিত হন না। একেই অমল স্বেরূপ বলিয়া জানিবে,ঐয়ে জ্ঞানসম্পর্ক অধিক কি, বজ্রপাতের শব্দে, কি পর্বত বিরণের ভীষণ ধ্বনিতে, পাইলে, স্বয়ংই অবিদ্যাপবিহীন হওয়ায় প্রকাশ পান। সেই ওঐরাবল্পে নিলেও সেই খ্যানপরায়ণের কম্পন হয় না এবং আনী পরষানলে পরিপ্লুত থাকিয়া কিছুতেই নিমগ হন না ও তাঁহার দেহ চঞ্চল চেরং করাক্সে । ধর্ষণেও শাণিত খঙ্গের জীবন্মুক্তাৰহাই আসক্তিহিত খাকি সম্রাটের ন্যায় পূর্ণকাম আঘাতে ও বজ্রপাতেও সেই জ্ঞানী স্বরূপে অবস্থানলক্ষণ সমাধি হইয়া অবস্থান করেন। ১৫-২৪। হে রাম। নবান্ ব্যক্তি হইতে বিচলিত হন না। তিনি উদ্যানবিহারে নল বা বিষাদ পহ্মেতে চক্রের হায়, মনােঙ্খধ্বনিকাৱী বীণাংলানির মধুর প্রাপ্ত হন না এবং মদেশে থাকিয়াও দুঃখিত বা আনন্দিত হন শকে উপভুমানা রমণীর কমনীয় শীতে, বসন্তসমাগমে মমত- না। তিনি অলিভ অজারের ন্যায় অসহ সভাপযুক্ত বালুকাময় ভরের নের্বাসত পুপ্রকলে, বারিধরের খাঁর গলে, মরুভূমিতে কি পাপাকীর্ণ সুকোমল নবতৃণমুক্ত ভূমিতে ;তী নৃত্যকারী ময়ূরদিগের সুমধুর কোরব-কোলাহলে, শয়ন মূ ধারায় কি নবােৎপলের শয্যায়, অত্যুচ্চপর্বতশৃঙ্গে কি গভীর মেণ্ডে সারশথিলের নিলামে এবং যে সকল বাল্য সূচি-শলাকা কুপের অন্তস্তলে; সূৰ্য-কিরণে সন্তপ্ত-পাষাণ প্রতিমায় কি করল এভৃতি উপায় বাণিত হয়, সেই সমূদয় বিচিত্র যাদের কোমল রমণীতে এইরূপ সম্পদ আপদ উভৰিখ প্রিয়া মধুর শকে ও অন্যান্য মধুর ওকে কোন প্রকারেই অনুরাগী ব্যাপারে সজ্ঞানে কিার করিয়াই কান কোন বিষয়ে বিষয় হন না। হে রঘুন। সেই অনাসক্ত জ্ঞানী ব্যক্তি বালকদলী বা আনন্দিত হন না। কেবল চিত্তকে অন্তরবি কলিয়া খে মনােপৰে বিভূতি এ কে গাব, বিদ্যানিক্ষে সভার ভারবাহীর কাযিম অনুভব করিয়া উশীল অমহের অঙ্গরূপিণ সভায় বিজড়িত ও নিজের একান্ত এখীন (ইয়াই থাকেন। ৪৬-৫৩। ৰণাৰ অৰিয়ত মূলাদি লৌহ- নলনবিলাসের ভােগৰাসকলেন না;কেমন হংস মরুভূমির যারা নারীদের বা দেওয়া হয় ও ভুক্ত কােমৰ এভৃতির শর্ণ অভিলাষী হয় না। আলী, গিরি, ক, পনস, বর্ষণ হইয়া থাকে, সেই নকনে সরে তিনি ভীত কা, কোট, বিষ, বীর, ওজভিতি ফলপুপের পাপ হতাশ বা সুখিত হন না, প্রত্যুত সেই ধীরব্যাক্তি সজ্ঞানে শনিকুনিতে বাস করিতে ইচ্ছা করেন ও সেই সক্ত বেলী হইয়া চিত্তে ও পর্বতে আয় বীৰতাৰে আবহ।
উপ-প্রকরণ তিনি অতি অপথ্য, অপবিত্র, বিষাক্ত অন্ন কি গােমণি, রাজ্যের সলাদি বিভব নষ্ট হয় বলিয়া সুখে বা দুঃখ তিনি অপরিষ্কৃত বস্তুসমূৰুে পথ্য, পবিত্র ও পরিকৃত অন্নাদির স্যায় ' লিপ্ত হন না এবং সেই রোগী নিজ বুদ্ধিকে আসভিয়া রাখিয় ভক্ষণ করিয় শীঘ্র জীর্ণ করিয়া থাকেন। সেই অনাসক্ত ভােগী কিংবা সন্দেহ সমুদয় কর্ম করিয়াও সুখে বা দুঃখে সংশ্লিষ্ট ভৰি সদ্যো অনিষ্টকর বলিয়া প্রসিদ্ধ বিশ্ব ও কন্তু প্রভৃতি বস্তু হন না ও তঁহার চিত্ত সবিহীন হয় বলিয়া তিনি বা দৃষ্টিতে এবং অবশ্য ব্যবহার্য সলিল, ইক্ষু ক্ষীর ও অন্নাদি ৰসমূদয় সকল ব্যবহার করিলেও কিছুই করেন না। তখন তাঁহার চিত্ত সমানেই ভােজদি করিয়া থাকেন। তাঁহাদের অস্থিচর্মকে ব্রহ্মেতেই লীন থাকে। সুত্মাৎ চিত্ত অাসক্ত থাকিলে পুরুষ কিছু সমূদয়, মণিরা ক্ষীর রক্ত পয় প্রভৃতি অস্পৃশ্য বস্তুর সম্পর্কে কাৰ্য করিতে থাকিলেও কিছুই করে না, ইহ। বালকেও অনুভব নিতান্ত ও বিবর্ণ হইলেও তাহারা দুঃখিত বা আনন্দিত করিয়া থাকে। ৮-৭৭। সেই নিঃসঙ্গচে জীব দেখিতে হন না। অধিক কি, তাঁহার স্বজীবনহননে উদ্যত শত্রুকেও থাকিয়াও দেখেন না, শুনিতে থাকিয়াও শ্রবণ করেন না, প্রাণদাতা মিত্রকে এক জাতীয় মাধুৰ্য্যময় নেত্রে দর্শন করিয়া স্পর্শ করিতে থাকিয়াও স্পর্শ করেন না, এণ করিলেও অণ তিনি চিরন্থির দেবাদির দেহে ও অতি অস্থির করেন না, নয়ন উন্মীলন করিতে থাকিয়াও উন্মীলন করেন সশরীরে ও প্রিয়াপ্রিয় ভােগ্যবসমুদয়েও অভিন্ন দৃষ্টি রাখিয়া না ও ইলিয়দিগের স্ব স্ব বিষয়ীভূত পদার্থপুজে ইন্দ্রিয়বলে সুতরাং তাঁহার কিছুতেই আনন্দ বা মানি হয় না। নিপতিত হইয়াও সয়ং পতিত হন না। এই দর্শনাদিসময়ে ৫৪–৬০। হে রাম। সেই সাধু নিজচিত্তের রাগশূন্যতা ও সৰ্ব্ব- অদর্শনাদিব্যাপার কি সাধু, কি মুখ, সমুদয় চঞ্চলমতিয়াই অনন্ত- জ্ঞতনিবন্ধন, জগদবস্থানের অনুপাথেয়তা অবধারণ করেন ও সেই মনস্ক হইলেই নিজ গৃহে বসিয়াই অনুভব করিয়া থাকে। এই কারণে সর্ববিষয়ে আস্থাবিহীন থাকেন বলিয়া সর্ববিধ বেদনা- সকল কারণে সিদ্ধান্ত হইয়াছে যে, আসক্তিপূর্বক পদার্থদর্শন বিহীন স্ববুদ্ধি দ্বারাই অন্য কোন ইন্দ্রিয়কে কদাচ বিষয়ভিমুখে হইতেই বস্তু উৎপত্তি হয় এবং ঐ সঙ্গই সংসারের কারণ। সঙ্গই খাইতে দেন না। কিন্তু যিনি ভয় নহেন বলিয়াই আত্মাকে আশারজ্জ্বর নিদান, সুতরাৎ সঙ্গই আপৎসমূহের হেতু। ঐ অবগত হইতে পারিলেন না এবং সর্বদা শ্রাতিযুক্ত ও অস্থির, সঙ্গের পরিত্যাগ করিতে পারিলেই বর্তমান দেহাদির সহিত সম্বন্ধ- সেই জীবকেই ইন্দ্রিয়বর্গ নী আস্বাদন করিতে থাকে। যেমন নিরুত্তিৰূপ মুক্তি হয় ও আর জন্মাইতে হয় না, সুতরাং হে রাম ! হরিণগণ পলব প্রাপ্তিমাত্রেই আস্বাদন করে, সেইরূপ অজ্ঞ- তুমিও বস্তুর সম্পর্ক ত্যাগ করিয়া জীবমুক্ত হও। রাম কহিলেন, ব্যক্তি ভবসাগরমধ্যে বাসনারূপ রঙ্গসম্পর্কে ভাসমান হইয়া, হে মুনিবর। আপনি সমুদয় সন্দেহরূপ হিমাণিকে শরৎকালীন সর্বদা রােকুল্যমান হইলেও তাহাকে ইন্দ্রিয়প জন্তুগণ গ্রাস বায়ুপী হইয়া দূর করিতেছেন , সুতরাং সঙ্গ কাহাকে বলে, করিয়া থাকে, কিন্তু যেমন জলরাশি পৰ্ব্বতকে কম্পিত করিতে সে বিষয় বর্ণন করিয়া আমার সংশয় দূর করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, পারে না, তম্বৎ যিনি স্ববুদ্ধিবলে বিচার করিয়া আপনাতেই হে বৎস। এই সংসারে প্রিয় ও অপ্রিয় বস্তুর ক্রমিক সংযােগ (ব্রহ্মপদে) বিশ্রাম করেন, সেই আত্মজ্ঞকে লােভাদি-বিকল্পসমুদয় হইলে শবের যে বাসনা আসিয়া আনন্দ ও বিষাদ উৎপাদন কিছুই বিচলিত করিতে পারে না। কারণ, যাহারা সমুদয় সঙ্গলের করে, সেই বাসনারই নাম সঙ্গ। ৭৮-৮৪। সেই বাসনা যখন সীমাপ্রদেশে অবস্থিত পরমপদে বিশ্রাম করেন, সেই আত্ম- জীবন্মুক্তের সন্নিধানে থাকে, তখন তাহাতে আনন্দে বা বিষাদে স্বরূপপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ সুমেরু পৰ্ব্বতকেও অতি লঘুকুণের মত সংস্পৃষ্ট হয় না ও জীবনূক্তের প্রারব্ধ ক্ষয় পর্যন্ত অবস্থান করিয়া বিবেচনা করেন, সুতরাং সামান্যসঙ্গজে তাহাদের কিছুই অনিষ্ট তাহার পুনরুৎপত্তি দূর করিয়া থাকে। ঐ বাসনাকেই অসঙ্গা কহে কমিতে পারে না। সেই আত্মজ্ঞানীরা বিশাল জগৎ ও এবং ঐ বাসনার আশ্রয়ে যে কিছু কাৰ্য করা যায়, সে সমূদয় পুন- সূতৃণ, বিষ ও অমৃত, ক্ষণকাল ও সহস্র কল্পকাল, এই সমুদয় বন্ধনের কারণ হয় না। কিন্তু যে মূঢ়েয়া জীবন্মুক্ত নহে, সেই দীন নিত্য বিভিন্নকেও একভাবে দর্শন করেন। ৬১-৬৭। আর সেই ব্যক্তিদের বাসনাই সর্বদা বিষাদে ও আনন্দে পূর্ণ থাকে বন্ধনের নিৰ্ম্মল শালী মহাঅগণ জগৎকে সংবিৎস্বরূপমাত্র বিবেচনা কারণ হয় বলিয়া তাহাকেই বন্ধনীসংজ্ঞায় নির্দেশ করে। করেন তাহাতে স্বয়ং ও সৰিৎস্বরূপ হওয়ায় নিজাৰে জগৎকে উহাই পুনরুৎপত্তির সম্পাদিকা ৰলিয়া পণ্ডিতেরা উহারই নাম স্থাপিত করিয়া বিহার করেন ও তাহাদের এই অভিপ্রায় যে, সঙ্গ বলিয়া থাকেন। কারণ ঐ বাসনার সাহায্যে যে কিছু কাৰ্য জগতে যে কিছু বস্তু, সে সমুদয় সংবিদেরই স্পন্দনমাত্র; করা যায়, সে সমূদয় কেবল বন্ধনেরই নিমিত্ত হইয়া থাকে। হে ভয়াং ইহাতে হেয় বা উপাদেয় কিছুই নাই। হে রাম! রাম। তুমি এই প্রকার আত্মারই বিকারসভূত বাসনারূপ- সমস্তই সংৰি, তদ্ভিন্ন যাহা ভ্রম, তাহা ভাগ কর; সংবিদই সঙ্গকে ভাগ করিয়া যদি অব্যাকুলভাবে অবস্থান কর, তবেই তুমি বাহার দেই, সে কি কিছু বাসনা করে বা ত্যাগ করিয়া থাকে। কাৰ্য্য করিলেও তদ্বিষয়ে নিলিপ্ত থাকিবে। হে রাম! বদি যাহা প্রথমে ছিল না, পরে থাকিবে না, সেই বস্তুকে বর্তমানদশায় তুমি আনন্দে বা বিষাদে আক্রান্ত হইয়া পরাধীন না হও, কিছুকাল দেখিয়া বস্তুর সবরণ সংবিদের নিতান্ত ভ্রম। হে অবেই গেমারাগ, ভর ও ক্রোধ দূর হইবে ও তাহাতেই তুমি রাম। তুমিও এই বিবেচনা করিয়া সমসৰিকলরূপিণী বুদ্ধিকে ত্যাগ নিঃসঙ্গ হইতে পারিবে। ৮৫-৯০। হে বুখ। যদি তুমি করঃ অনাসক্তভাবে সংবিৎস্বরূপ হইয়া সংসারভাবের সীমান্ত সম্পর্কে ব্যাকুল ও সুখসমাগমে আনন্দিত নও, তবেই উপস্থিত হও। যে কোন ব্যক্তি দেহ, মন, বুনি কিংবা কেবল ইলিৰ তুমি আমার মাস পরিহার করিয়া নিস হইতে পারিবে। যারা কাৰ্য্য করিতে থাকি বা কোনরূপ কার্যকারী না হইয়া বদি সমূদয়বহারে ও সুখ-দুখানায় বিহার করিও যদি বন্ধ- সবিহীন হন, তবেই তিনি নিশিও থাকেন। কারণ আসক্তি অরূপ পরশমীয়কে ভাগ না কর, তবে তুমিও অসঙ্গ হইবে। মাসে কী কও হীৰ বিহিন ও তাঁহার শবে হে ঘাম! তুমি সংশ্লিষ্ট অথচ হিরা জীবমুক্তে অবস্থাকে এs: যােগ রামায়ণ অবলম্বন কম্বিয়া সর্ববিষয়ে গত হইয়া স্বশ্বরূপে অবস্থান করা স্বর্গরাজ্যের ইত্ব লাভ কমেন, আপি কোন অবস্থাতেই তাহার যেহেতু যিনি জীবমুক্ত হন, সেই আৰ্য ইন্দ্রিয়গণরূপ — গ্রহও আনন্দ বা বিষাদ হয় না, প্রত্যুত উদরে ও অন্তকালে একরূপী পুর্বক মান, মদ ও মাৎসর্যকে দূর করুত সর্বত্র যােনী ও চন্দ্রমার স্যায় সমভাবেই অবস্থান করেন। হে রামচন্দ্র। তুমি সুস্থ হইয়া অবস্থান করেন। সেই উন্নভচেতা সমগ্র বস্তুতেই অগ্রে ক্রোধ ও ভে-বুজি পরিত্যাগ কর এবং ফলের অভিসন্ধি সমজ্ঞান রাখি আকুতিক স্বীয়বর্ণাশ্রমের উচিত ব্যাপারে ভাগ করিয়া ব্যবহারের পালন কর ও আপনাকে উত্তমরূপে মানুষ্ঠান আির কিছুই করেন না এবং যে কিছু কাৰ্য্য স্বীয় বিচার কর, সেই বিচার বলে তুমি পরিণামে তেজস্বিদয় হইয়া করুণ আপতিত হয়, সেই সকল কর্মসমুদকে অভিনিবে অকৰ্তব্য চরম পুরু এহ্মরূপে অধিষ্ঠিত হইতে পারিবে। ও ফলাকাজায়-বিহীনা বুদ্ধি দ্বারা ক্রমিক অনুষ্ঠান করিয়া অন্তরে হে রাম। তুমিও সেই বিচারসম্পর্কে সক্ত সমাধির প্রকাশে আপনাতেই স্বচ্ছন্দে বিহার করিয়া থাকেন। তখন সেই প্রজ্ঞাবান বিশুদ্ধ বুজি খারা দুধ আনন্দময় ব্রহ্মপ অবলম্বন কর, ব্যক্তি যদি বিশিষ্ট আপদ বা সম্পদ প্রাপ্ত হন, তথাপি যেমন যাহার অবলম্বনে আত্মতত্ত্বশী হইলে আর তােমাকে অবজনে ক্ষীরসমুডের খবলসলিলরাশি মাচলে বিক্ষোভিত হইলেও বন্ধ হইতে হইবে না। ৯১-১০৯। স্বাভাবিক গুরুতা পরিত্যাগ করে না, অদ্ভং তিনিও স্বীয় পূর্বোক্ত নিবতিতম সর্গ সমাপ্ত। ১৩ শমদাদি স্বভাৰকে ত্যাগ করেন না। যদি তিনি সর্বভূমীর কি কোনপ্রকার বিপদগ্রস্ত হন, অথবা সামান্য তেকাদি-যােনি কি উপশম-প্রকরণ সম্পূর্ণ।
যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ নির্মাণ-প্রকরণ। পূৰ্বভাগ মরুত, সুখে শান্তিতে সভামণ্ডপের বিতানপুষ্পবলি দোলাইতে প্রথম সর্গ। লাগিল। চারি দিকে মন্দরের মধুর আমােদ ছড়াইতে লাগিল। বাল্মীকি বলিলেন,-উপশম-প্রকরণ তাে শুনিলে, এখন ভ্ৰমৰ শ্ৰেণীবদ্ধ হইয়া পুষ্পমালাসমূহে নিদ্রিত হইয়া পড়িল। নির্বাণ-প্রকরণ শ্রবণ কর, যা জানিতে পারিলে নির্বাণ লাভ এভণ মহর্ষির উপদেশ-বাক্য শুনিয়া তাহারা যেন সংসারের হইয়া থাকে। বাগ্মি-প্রবর মুনিশে বশিষ্ঠ এইরূপে উপদেশ জ্ঞাতব্য-বিষয়সমূহ জানিতে পারিয়াই সকলে নগ্ন হইল। দিতে থাকিলে রাজকুমার রামচন্দ্র স্থির হইয়াই বুছিলেন, তাঁহার মুক্তার জালে ঘেরা ঐ যে ক্রীড়-দীখিকার , সেও যেন আজ কল ইন্দ্রিয়ের কর্ম ক্ষুব্ধ হইয়া গেল, তিনি অনন্মমলে মুজাপ্রভায় বিমল হইয়া মপুর উপদেশ শুনিবার জন্যই অচল। কেবল মুনিবরের উপদেশবাক্যই শুনিতে লাগিলেন। 'কেৰল মহর্ষির উপদেশগুণে আজ সকই শান্তিবাথী। ঐ দেখ, ভিন কেন? সমস্ত সভাসদই স্থির ও স্পন্দনহিত , আজ দিবাকরের কররাশি অনন্তকাল অপরিমেয় আকাশপথে ঘুরিয়া সকলেরই মন মুনিবনের মধু উদারভাবে শীন-খিত, ঘূৰিয়া আজ শান্তিলাভের জন্য গবাপ দিয়া সুশীতল গৃহা- কাহারও মনের কুল ক্রিয়া নাই, শরীর তাে জড়, সে অবৎ অন্তরে প্রবেশ করিতেছে। ৬-১০। সান্ধসৌরকরে উজ্জ্বল মধুর নিস্পন্দ , দেখিলেই বোধ হয়, ইহা মহারাজ দশরথের সভা নহে, দেহ লইয়া এই প্রশান্তমূর্তি দিবস মণিমুক্তার ৩ আয় সঙ্গে সভার এক খানি চিত্রপটমাত্র। সভাস্থ আত্মণী মুনিরেরাও ল মাখিয়া চারিদিকে শান্তির কথা বলিয়া বেড়াইছে। রাজ- আজ বণিদেবের বাক্যার্থ সাদরে মনে মনে বুঝিতেছেন, তাহা- গণের হস্ত ও মস্তকস্থিত লীলাসকলও তাঁহাদের ডাকালিক দের মুখে বাক্য নাই, আপনা আপনি বুঝিতে হইতেছে, তাই প্রশান্ত মনের মত মহর্ষির সূরসক্যালি শ্রবণ করিয়া আনন্দ- মধ্যে মধ্যে জ্বঞ্চিত করিতেছেন এবং ধীরে ধীরে শ্রী সঞ্চালন ভরে নিশীলননান্মুখ হইতে লাগিল। বালক, মুখ ও পিঞ্জর করিতেছেন। বশিষ্ঠদেবের উপদেশবলে আজ অপরিকাগণও ক্রীড়াপলিপুণ জাহারের অ ৰুদিগকে যান্ত করিতে লাগিল। যেন পরমাশ্চৰ্যরূপ পরমাত্মাকে দেখিতে পাইতেছেন। উয়াসে তখন কুমুখপুপসকলের রজঃ (পরাগ) ইন্তও সক্ষমাণ তাহাদেয় শরীর উৎফুল, রােমাঞ্চিত; ভ্রমরমনােহর-কৃষ্ণতার-চক্ষু নরকুলের পাতে ভিনরাহিত হইতে গিল। রজ অপনীত বিস্ফারিত, কে নিমেষ নাই, শরীরে স্পন্দন নাই দেখ, দেখিতে হইলে আবিসিত অশান্তিও ঘূচিয়া যায়, তাহাদেরও অশান্তি আবিবে যেন এক একটা ফুল সঃএক্ষুটিত, নিনিষ্কম্প ঘূচিয়া গেল, তাহারাও বিশ্রাশ অনুভব করিতে লাগিল জীবন্ত ক্ষমারী বসিয়া রহিয়াছে, আর কেনে তাহাতে দুটা দুটা সাহু রাজগণ এ যাহ-চৈহ্ন বিরহিত, তাই চামৱৰ্যজন অমর গাঁথিয়া রাখিয়াছে। ১৫। এইরূপে সমস্ত দিন টিয়া খুশি হইল সকলেই বৃষ্টি স্থির-চকের পবও আজ বিশ্রাম গেল, এমেগা হইয়া আসিল, দিবাকর করে এমন এক পাইল। লুত প্রবলপ্রপে সমস্ত অন্ধকার পর্বতমায় প্রান্তে ঝুলিৱা পড়িলেন, যেখানে হার সাথে, দিনের শেষ অবস্থা লুকাইয়া ছিল; স হইয়াছে, বিজে দুর্বল হইয়া পড়িয়াছে দেখিতে হইল। বশিষ্ঠের উপৰােক্য বুৰি সুৰ্য্যের শােচর অবসর বুঝি তাহাৱা কণশক্তি সূর্যরশিকে আক্রমণ করিল। হইয়াছিল, তাই দেখিতে দেখিতে প্রিয়ঙ্কর এমন পাল রবির এখন নিরুপায় হইয়া গরু মিয়া পলাইয়া গৃহের দেখিয়া তাঁহার আনােদয় হইল, সংসারের এনিভ্যতা বুঝিতে এতরে প্রবেশ কঠিতে লাগিল। ১১-১৫। এমন সময় দিক পারিলেন তীব্রতা পরিত্যাগ করিলেন, সৌম্যমূর্তি হইলেন, কিছু সমূহ আয় কর্নিয়া তেরী, পটহ ওশের এক মহা শফ উথিত শান্তি পাইলেন। ক্রমে স সমীরণ বহিতে লাগিল, তাহারও হইল লােকে আলি, দিনের আয় একলগ মাত্র এশ আছে। উগ্রতা কমিয়া আসিল, বশিষ্ঠমেৰে উপৰািক শুনিয়াই যেন মোগলকোবে, সেই মনৰে মহরি সে উচ্চ- সে ধীমন্থরগতি হইল, তাহারও যেন মৌন ভাব আসিল। করিও অন্তত হইয়া গেল। দূমিকম্পে ঠাৎ আগে ।
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ কম্পিতপল্লব ভালবৃক্ষ বলাবণীর ন্যায় পরস্থ পক্ষিশ্রেণী সঞ্চ- বশিষ্ঠদেব আশ্রমে আসিয়া উপস্থিত হইলেন, যাঁহারা অনুগমন লিতগাত্র হইয়া পড়িল। বর্ষাকালে মেধসকল যেমন গর্জন করিতেছিলেন, তাহারা আর তাহার সঙ্গে সঙ্গে খাইতে করিতে করিতে উন্নত গিনিশিখবয়ের মধ্যস্থলে আশ্রয় গ্রহণ করে পারিবেন না ভাবিয়া যাকুল হইয়া পড়িবেন; কিন্তু কি করিবেন, হঠাৎ উখিত সেই মহান্য শব্দে বালকেরা দ্রুপ ভয়ব্যাকুলিত তখন ক্রমে সকলে মহর্ষিকে আমন্ত্ৰমণ করিয়া বে বাহার স্থানে হইয়া কাদিতে দিতে পাত্রীর স্তনযুগলের অন্তরালে মস্তক লুকা- প্রস্থান করিতে লাগিলেন। সমাগত নভরের আকাশপথে ইয়া রাখিল। মারুতবেগে ঈষবিচলিত সরিত হইতে যেমন উখিত হইলেন, রাজগণ আপন আপন গৃহাভিমুখে অগ্রসর কলা কলা করিয়া জল চারিদিকে উড়িয়া পড়ে, রজগণের পুষ্প- হইলেন , চারিদিকে একটা কারধ্বনি উশিত হইল, তাহাতে সে রণতি পুষ্পপরাগরঞ্জিত শুভ্র ভ্রমরগণও তং বিকটশকে বিচ- মনােহর আশ্রম কিছু হইয়া পড়িল। বােধ হইল, যেন কোন লিভ হইয়া চারিদিকে উড়িয়া বেড়াইতে লাগিল। ১৮-২০। বিকতি মনােহর পদ্ম হইতে কি জানি কি কারণে ব্যাকুল হইয়া এইরূপে মহারাজ পথেয় সভাগৃহ সন্ধ্যাসূচক শাদিকে কতকগুলি ভমর চারিদিকে ছড়িয়া পড়িল, ভ্রমরকুলও কাদিল, বিক্ষোভিত হইয়া পড়িলে, মহর্ষি বশিষ্ঠ শনৈঃ শনৈঃ শখাদিধ্বনির পরেও কিছু চঞ্চলতা আবির্ভূত হইল। ৩৫-৩৫। সকলে চলিয়া প্রশান্তিতে সন্ধ্যা সমাগত বুঝিয়া প্রস্তুত উপদেশবাক্য বন্ধ করি যাইলে মহারাজ দশরথ মহর্ষির চরণযুগলে ভক্তিভরে পবিত্র পুষ্প- লেন এবং সমধ্য রামচন্দ্রকে সম্বােধন করিয়া মধুর বাক্য বলিতে জলি প্রদান করিয়া মধিগণের সহিত ভবনে প্রবেশ করিলেন। অগিলেন। হে রঘুনন্দন। হে নিষ্পাপ। আমি এতক্ষণ এই যে সর্বশেষে রাম, লক্ষ্মণ, ভরত ও শক্রয় ভক্তিপূর্বক গুরুদেবের বাগ্জাল বিস্তার করিলাম, তুমি ইহাতে তোমার চিত্তবিহঙ্গকে পথয় বন্দনা করিয়া রাজগৃহে প্রত্যাবর্তন করিলেন। অপরাপ ধরিয়া হৃদয়পিরে পুষিয়া রাখ। হংস যেমন জলমিশ্রিত দুগ্ধ শ্রোতৃগণও ক্রমে স্বভনে প্রবেশ করিয়া স্নান করিলেন, দেব- হইতে সার দুইকুই চুষিয়াখায়. হে রাম। তুমিও সেইরূপ আশার ব্রাহ্মণকে পূজা করিলেন এবং অতিথিগণকে সমাদরপূর্বক (অভি- দুর্বোধবাকা হইতে সার সরলভাবটুকু হৃদয়ঙ্গম করিতে সমর্থ গমন করিলেন। আগু বাড়াইয়া লইয়া আসিলেন। পরে বর্ণ- হইয়াছ তো ? হে সাধুণীল। আমি তােমায় যে পখের উপদেশ ধর্যক্রমানুসারে ব্রাহ্মণ প্রভৃতি সকলকে সমান আদর করিয়া করিলাম, তুমি নিজের মার্জিত বুদ্ধিতে পুনপুনঃ সলনি করিয়া তোজন কইলেন। সমস্ত দিবস ধৰ্ম্মকে সঙ্গে লইয়া সূৰ্য্যদেব সেই পথেই গম করিও। ২১-২৫ এইপথে এইরূপজ্ঞানে অস্তগমন করিলেন, ক্ৰমে চদেব উদিত হইলেন রাত্রিও বাড়িতে গমন করিলে কাচ কুপথে যাইতে হইবে না, কোনরূপে অথা- লাগিল ৩৬–৪০। পৃখিনীস্থ মুনি-ঋষি রাজা রাজপুত্ৰ সকলেই চরণ করিলেই পড়িতে হইবে, সে পদ পর্বতপতিত মহা- আজ বশিষ্ঠের মুখে সংসারনিরক উপবাক্য শুনিয়া এত গজের ন্যায় চিরপতন হইবে। হে রাম' যদি আমার এই উপদেশ- তদশতচিত্ত হইয়া আছেন যে, রাজা মহাশয্যায়, মুনি তৃণশয়নে ও বাক্য সম্যক্রূপে হৃদয়ে ধারণা না কর, তবে তােমাকে অন্ধের মত ঋষি আসনে থাকিয়াও কেবল একমনে সানন্দে তাহাই অথবা যােরান্ধকারাচ্ছন্ন নিশাকালে দীপালােকবিহীন মনুষ্যের চিন্তা করিতেছেন। ভাবিতে ভাবিতে তাহার শেষপ্রহরে মত গর্তে পড়ি। ক্রেশ পাইতে হইবে। আমার বাক্যের প্রকৃত ঘুমাইয়া পড়িলেন। বাহিরে পরিন্নান হইয়া থমদিবসের স্বপ্ন মর্ম বুঝিতে হইলে সমস্ত লােক ব্যবহারই, কালনিয়মে যখন যাহা দেখে বলিয়া নিশাকালে পদ্মদলের নিমীলও যেমন মুখের, তােমার উপর অসিয়া পড়িবে, সানজুয়ে গ্রহণ করিবে। তাঁহাদের এ নিদ্রাও বুঝি আনন্দের হইল, ভদ্রুপ হারা ঘুমাইয়া সুখ-দুগ শুভ-অশুভ কিছুতেই কণামাত্র আসক্তি রাখিবে পড়িলেন। তাহাদের প্রফুলমুখ নিদ্রাবণে ঈষৎ মুদ্রিত হইয়া না, ইহাই আমার বাক্যের অর্থ এবং ইহাই সকল শাস্ত্রের গেল, বাহিয়ে কিছু ঠিয়মাণ হইলেন বটে, কিন্তু অন্তরে তাঁহাদের একমাত্র সিদ্ধান্ত। তুমি ইহা বুঝিয়া উদ্ধার হও। মহৰুই অভূল আনন্দ। চক্ষু মুদিয়াই স্বপ্নে দেখিলেন “আমিই সব ট্রাতা, সর্বময়তুই মহু, আৰু সৰ্বময়তুই একত্ব, একই এই জ্ঞানই ব্ৰহ্মজ্ঞান। বশিষ্ঠসেক্সে উপদেশ এই জ্ঞানেরই অশ্য, ভিন্নতা, সংসায় আমি-আমিই সংসার, ইহাই সার-ইহা শাস্ত্রে বলে, স্বপ্নেও উহার উপলব্ধি অন সৌভাগ্যের কল। বুঝিয়া হকের উদ্বেগ দূর কর, নিশ্চিন্তু ও। হে স্যগণ বশিষ্ঠদেবের কৃপায় আজ তাহারা এই উৎকৃষ্ট স্বপ্ন দেখিতে লাগি- হে মহারাজ। হে রাম! হে লক্ষ্মণ। হে রাজবৃন্দ দিবস শেষ লেন। রাম, লক্ষ্মণ ও শক্ত প্রায় সমস্ত রাত্রিই বশিষ্ঠদেবের হইয়া গিয়াছে, এখন সন্ধা উপস্থিত, এ সময় সকলেরই সাংকৃত্য উপদেশবাক্য একমনে চিন্তা করিতে লাগিলেন, তাহার পর অঙ্গ- করিতে হইবে, আং অদ্য এই পস্তু হিল, কল্য এভাতে ক্ষণের জন্য তাহারা ঈষনিদ্রিত হইলেন। এই অপমাত্ৰ নিদ্রাতেই অবশিষ্ট বাহা শনিবার আছে, বলিব। ২৬-৩০। মহর্ষি এই সেই উৎকৃষ্ট স্বপ্নদেখিতে লাগিলেন,—অহাতেই উহাদের সকল কথা বলিলে সমস্ত সভাসদ প্রমুমুখে উঠিয়া পড়িল। চারিদিক শ্রান্তি দূর হইয়া গেল। ৪১-৪৫। এই প্রকারে আত্মজ্ঞানের হইতে বশিষ্ঠদেবের ভিবাদ আরম্ভ হইল, ক্রমে সমস্ত রাজগণ উদয় হইলে, রাম, লক্ষণ প্রভৃতির অন্তঃকরণ বিল হইয়া আসিল, মহারাজ দশরথকে প্রশংসা এবং রামচন্দ্রকে বলনা করি মন নির্মল হই, কত বিবেকের উদয় হই। যে নিশায় আপন আপন নির্দিষ্ট স্থানে গমন কৱিনে মান বশিষ্ঠ রামচান্দির ব্রহ্মজ্ঞান হইল, কালনিয়মে অহাও খাফিল না, তখন দেবগণকে নমস্কার করিয়া বিশ্বামিত্রের সহিত নিশাকেও যাইতে হইল, দুঃখে তার এমন সুন্দর মুখচন্দ্রও এক আমে, গমন করিবার এ আসন হইতে উথিত মলিল হইয়া গেল। ৪৬-৪৮। ইসল। মুনির গমন করিতে লাগিলেন, তখন দরখ এতৃতি এম সর্গ সমাপ্ত ॥১। কা, এল সারগর্ভ উপদেশর সর্গ হঠাৎ পরিত্যাগ করিতেন পালিমা তাহার অনুগমন করিতে লাগিলেন। ক্রমে - নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ দ্বিতীয় সর্গ। নাই। মাত বলােত সুব তাড়াতাড়ি এৰে। * বিবেকোদয়ে বাসনা বেন কী হইয়া যায়, শর্বরীও ড্রপ করিতেছে বলিয়া পরস্পরের অসংঘর্বে কোন অভূষণের শব্দই অরুণােদয়ে ক্ষীণ হইয়া পড়ি। আমার মুখ দিতে ল শুনা যাইতেছে না। সভা নিস্তব্ধ, সভা সফলে তখন হইয়া পড়িল, সাঙ্গ কৃষ্ণবর্ণ হইয়া গেল। এত কী যে শঙ্কৰসমুখে কার্তিকেয়ের ন্যায়, বৃহস্পসিমীপে কচের স্যায়, দাড়াইতে পারে না; কাল-কু পদয়ে আর কিছুই সামর্থ্য শুক্রাচাৰ্যসন্নিধানে প্রলাদের ন্যায়, ভগবান শাখার সম্মুখে রহিল না। কারণ ছাড়াইয়া সূৰ্যদেব পূর্বাচলে অসিয়া গরুড়ের ব্যায়, রামচন্দ্র বশিষ্ঠদেবের সন্নিকটে নিশ্চলভাবে উপবিষ্ট দেখা দিলেন, লেকে পূর্বদিকে চাহিয়া দেখিল, উদয়াচলের ছিলেন। সভা নীরব হইয়াছে দেখিয়া সভাস্থ শ্রোতৃবৃন্দ উৎসুক কত উন্নত উন্নত শৃঙ্গের অন্তরাল দিয়া সৰ্য্যদেব কত হইয়াছেন জানিয়া আপনার অন্তরের অতৃপ্তপিপাসায় ব্যাকুল হন্তেই তাঁহাকে ধরিয়াছেন। তঁাহার সে কর পশ্চিমদিকে হইয়া মহর্ষির মুখপানে মধুর কোমল অথচ ব্যাকুল দৃষ্টিপাত করি- এন্তাচলেও কিছু দেখা দিয়াছে। পশ্চিমাচলও সে কী আভা লেন। ভ্রমরী যেন আকাশে ঘুরিয়া ঘুরিয়া প্রফুলপদ্মের উপর মস্তকে ধরিয়া কিছু শােভা পাইতেছে , কিন্তু অহার সে শােভা স্থিরভাবে বসিল। ৭-১৫। তখন বাক্য মহর্ষি বশিষ্ঠ রঘু- মি ৪.অল্পক্ষণস্থায়ী, এখনই কোথায় মিলিয়া যাইবে। নন্দনের জগতভাৰ অবগত হইয়া বাক্যার্থবােঙ্কা রামচন্দ্রকে সৌরকর আসিয়া তুঃসুমীরণের গায়ে পড়িল; মৃদুল বায়ু পুৰণালী অনুসারেই বলিতে আরম্ভ করিলেন। হে রঘুনন্দ সে গণতজেও কাতর হইয়া পড়িল। সে জালা নিবারণ গতকল্য বাহা যায় উপদেশ দিয়াছি, সে সকল মনে রাখিতে করিতে সর্বাঙ্গে সুশীতল হিমকণা মাখিতে লাগিল , সৌর্বল্যে পারিয়াছ তােক যাহার অৎপৰ্য অত্যন্ত কঠিন এবং যাহা আনিতে ক্ষুৎপিপাসায় আকুল হইয়া প্রভাতের কীণ চন্দের শীতল পারিলে পরমার্থ জানিতে পারা যায়। হে না। এখন কোমল জ্যোৎটুকু নিঙ্গাড়াইয়া খাইতে লাগিল। প্রাতঃ- আবার তােমার সম্যক্রুপে জ্ঞানােসরের জন্য অপর কথা বলি- কাল হইয়াছে দেখিয়া রামলণাদি শয্যা হইতে গাত্রোখান তেছি, তুমি তাহা শ্রবণ কর,শাহা শুনিলে নিশ্চই সিদ্ধিলাভ করিলেন এবং প্রাতঃকালীন সন্ধাযনাদি সমাপনান্তে অনুচর, করিতে পারিবে। হে রাম। এই যে সংসার—এই যে কালনিয়মে বর্ণে পরিবেষ্টিত হইয়া বশিষ্ঠদেবের পবিত্র আশ্রমে গমন করি- ধারায়হিক পাভৌতিক অবস্থাভেদ, যাহাকে আমরা এই নানা লেন। সেখানে গিয়া দেখিলেন, মুনিবরও সন্ধ্যাবদি সমাপন বস্তুময় জগৎ বলিতেছি, অনন্তকাল ঘুরিয়ে ঘুন্নিা আমরাই যাহার করিয়া রাজসভায় আর্মির জন্য বাহির হইতেছেন। তঁাহারা প্রকৃতি, তাহা হইতে উদ্ধার পাইতে হইলে অর্থাৎ সংসার কত জনে কত অর্থ দিয়া মহর্ষির পাবন্দনা করিলেন। রাষ- হইতে উদ্ধার পাইতে হইলে সংসার কি তাহার ও অন্ত্রে চন্দ্র সপরিজনে হার প্রত্যুদগমন করিতে আসিয়াছেন। তাঁহার বুঝিতে হয়, বুঝিয়া তাহাতে আসক্তি পরিত্যাগ করিবার অভ্যাস সঙ্গে কত মুনি, কত ব্রাহ্মণ, কত রাজাই না আসিয়াছেন ? সঙ্গে করিতে হয়, সুতরাং হে রাম। তুমিও ইহার তত্ত্ব বুঝিতে ও অগণিত হস্তী, অশ্ব, রথ, তাতে মহর্ষির সেই প্রশান্ত আশ্রম আসক্তি পরিত্যাগ করিতে যত্নবান হও। হে রাম। সুচারুরূপে ক্রমে জগষ্য হইয়া উঠিল।১৬। অনন্তর মুনির্ণল বশিষ্ঠ যথা- সংসারের যাথার্থ বুঝিতে পারিলে সাংসারিক অজ্ঞান তিনরাহিত সময়ে মহারাজ দশরথের সভাগৃহাভিমুখে যাইতে লাগিলেন। রাম, হয়। অজ্ঞানেই বাসনা অসঙ্গলিঙ্গা, জ্ঞানােয় হইলে তাহাও লক্ষণ, ভরত ও শক্রয় তঁাহার অনুগমন করিতে লাগিলেন। সৈন্য আপনা আপনি বিলীন হয়, তখন আর দুঃখ শোেক থাকে না, সামন্তবর্গ পশ্চাতে পশ্চাতে আসিতে লাগিল। ওদিকে মহারাজ তখন চিরশান্তি বিরাজ করিতে থাকে। এই যে জগ, ভাবিয়া দশরখও প্রাতঃকৃত্যাদি সমাপন করিয়া মহর্ষির প্রত্যুদগমন অ চিন্তিয়া বুঝিয়া দেখিলে ইহার আদি ও অন্ত দুইই দেখিতে পাওয়া অনেক দূর অগ্রসর হইয়া মহর্ষির সাক্ষাৎ পাইলেন এবং সাদরে যান.ইয়া এত বিস্তৃত যে, কোন দিকেরই ইয়ত্তা নাই। তাঁহাকে বন্দনা করিলেন। ক্রমে ক্রমে সকলে আসিয়া সভাগৃহে ইয় অনাদিকাল হইতে এমনভাবেই পড়িয়া রহিয়াছে, ইহা উপস্থিত হইলেন। আজ সভাগৃহ নানাবিধ পুষ্পশ্রেণীতে, বিচিত্র ব্রহ্মভিন্ন অন্য কিছুই নহে, জগৎ ও ব্রহ্ম এ দুই এক। সংসারে বিচিত্র মণিমূকাসমূহে অধিকতর শােভা পাইতেছে। পূর্ব অঁহারই সত্ত,যাহাই বিদ্যমান, তঁাহাই সেই ব্ৰহ্ম , যিনি হইতেই আসনসমুহ সুরক্ষিত ছিল, আগত ব্যক্তিসমূহ তথায় উপ- প্রশান্ত, সাধারণেই যাহার সমান সভা,—তখন অপর বস্তুর অস্তিত্ব বেশন করিলেন। ইত্যবসরে গতদিবসের যাবৰীয় ভূ, খে, কোথায় ? সংসারের এই প্রকৃত ব্যাপার বুঝিয়া তুমি অহঙ্কার শ্রোতারা আসিয়া উপস্থিত হইলেন। সভাগৃহে প্রবেশ করিয়া পরিত্যাগ কর, খায় পৃথক সত্তা ভুলিয়া যাও। তাহা হইলেই তাহারা পরস্পর পরস্পরকে অভিনন্দন করিয়া সকলে নীরব ভােমার এরীর মুক্তশরীর হইবে, ইহাতে আর অন- হইলেন। বাসম্পর্ক অচঞ্চল পলতাৱ স্যায় সভা স্থির হইয়া বিকশিত সুখ দেখিতে পাইবে না। তুমি মহান বিরাটৰপু রহিল। এখন আর সভাগৃহে কোন গােলমাল নাই। ব্রাহ্মণগণ ব্রহ্মের স্থায় বিশালকায় হইবে, কৰ্ম্মফলের তীব্রবেগে আর ঘুরিতে মুনিগণ, ঋষিগণ ও ভূপতিগণ সকলেই পূর্বদিন-নির্দিষ্ট বখ- হইবে না বুলিয়া একরূপ অবস্থান্তর হইবে, সুখদুঃখের জ্ঞান বােশ্য আসনে উপবেশন করিয়াছেন। স্বাগত জিদিও থাকিবে না। অন্তঃকরণ প্রশান্ত হইবে, তুমিই এই সুন্দর প্রশস্ত সুসম্পন্ন হইয়াছে। শিণ ভিলাঠ করিয়া সভার একপ্রান্তে অটল আকাশের মত নির্মল আনন্দময় সাক্ষাৎ অন্ধ হইয়া নিঃশব্দে বসিয়া রহিয়াছে। সঙ নিস্তব্ধ, মহর্ষি উপদেশ ব্য অবস্থিতি কৰিৰে। ১৬-২৫। হে রাম। সু চিত্ত নাই, শুনিবার এই ৰেৰ গৰাপৰ নিৰে সজাগৃহে সূর্যের কি এৰিালাই, মন নাই, জীবও নাই, নে নে চিত্রাধির উপলব্ধি প্রবেশ করিতে লাগিল। সকালে ফেলি, পূর্বপূর্ণ দিবসগত কুরি থেকে তাদের বিকাশ। আন হইলেই আনিতে পরিচিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে আর কাহারও প্রবেশ করিতে বাকি পানিতেই সেই এৰু ব্ৰণে বা কলিত ব্ৰজ্ঞ, আর - যােবা। } - এশ নামেই মুক্তি, ইহাবুৰিৰে, কিন্তু সূরাং তাহার মৰুেগতের আরভৈভাব থাকে না। হে রাম। বলিয়া রাখি, এত সহজ নহে -দেখ, এই যে সংসারিক অন ডিরােহিত হইলে, মিথ্যা প্রমােৎপাদক অভাৰ লিষ্ট হইয়া সশ ভােগ্যৰপশা, এই যে ইহার ভােগ, এই যে স্মৃতি, ঘাইলে, এখন এ ভেজাময়ের উদয় হয়, যাহা এই তেজৰী এই যে উপভুজের দুঃখময় স্মরণ, এই যে বাৰভী পাইবার সূৰ্য অপেক্ষাও ভেজখী; বাহার প্রখর আলােকে জানাল্পকার বাসনা, ইহারও সেই ক্ষের ন্যায় অনাদি ও অনন্ত। সংসারে ঘুচিয়া যায়, আর এতদিনের অদৃষ্ট উৎকৃষ্ট ইহাদের যে বিকাশ তাহা, সমুদ্রের ন্যায় সুবিশাল। এই অপার দেখিয়ে পাওয়া কাগ, তাহারই ভেজে এই অন্তিপূর্ণ চিত্ত শুষ্ক- অন বিসিকে অতিক্রম করিতে হইলে স্বর্গে, মর্ত্যে, রসা- পত্র ৱ চিরদিনের অল্প পুজি হই হই পড়ে এবং অস্থি লে, সকল প্রাণীতে, ত্বণসমূহে, এমন কি শুন্যময় আকাশেও সেই অগ্নিতে ঘৃতকণার মত কোথায় আদৃত হইয়া যায়। এইরূপে এক ব্ৰকেই দেখিতে হইবে, ভাবিতে হইবে—এ সংসারে, এ চিত্ত যে বিনষ্ট হয়, এখন জিজ্ঞাসা করিতে পার; চিত্ত না বিপক্ষে তিনি ত্রি আর কিছুই নাই। ভাবিতে হইবে এ থাকিলে, লোকব্যবহার কিরূপে স হয়? ও বলিতেছি, সংসারে যাহাকে উপেক্ষা করিতেছি, যাহাকে ঘৃণা করিতেছি, এষণ কর। এই যে এক ধরিয়া চিত্ত যা চিত্ত যায় কি যাহাকে উপাদের ভাবিতেছি, যাহাকে বন্ধু বলিতেছি, সম্পদ বলি- লাম ইহার অর্থ কি ? চিত্ত যায় কিনা, নিলেন “চি” এই নাই তেছি, শরীর বলিতেছি, সে সমস্তই সেই লন্ত পরব্রহ্মতি লােপ পায়। সে “গ” হয়। তাহার নন উৎপন্ন জীবের মত আর কিছুই নহে। কিন্তু হে রাম। জীবের অজ্ঞান প্রতিফলিত ‘সুত্ব” এই নৃভন্ন নাম হয়। আঁহার বিবেকবলে জানুক্ত, এই সকল ভ্রান্তিপূর্ণ কানা—যতক্ষণ তাহাদের সর্বভূতে ব্ৰহ্ম না ম৬ি সংসারের সহিত সম্পর্ক না ছাড়িয়াও যাহাদের ভাবনা নহয়, আর যতক্ষণ এই জগৎপ্রপঞ্চকে সুন্দর জগৎ কাছে সংসার পৃথক, তাই যাহারা মহাত্মা, বিশাল সংসাত্মস্বরূপ প্রপঞ্চই দেখে আর মােহিত হয়। যতক্ষণ এই পরিমান শরীরে ব্রহ্মের ন্যায় মহান, নুং সঁহারা পরাবৱদশী ব্রহ্মসাক্ষাৎকারী (রূপে )( অহং জৰ) মমতা যত এই সংসারে আমার বলিয়া তাহাদেরই চিত্ত সম্বরূপে পরিণত হয়; যাহারা জীবন্মুক্তাহাদের মিখ্যা আত্মৰােধ, ততক্ষণই জীবের চিত্তাদির ভ্রান্তি। যুতচিত্তের শরীরগত যে বাসনা তাহা শুধু ব্যবহারিণী নাম মাত্র। তাহাদের উদারতামহত্ব না আসিবে, যতক্ষণ তাহার সৎসংসর্গ না ঘটিয়ে, সে বাসনা চিত্ত দিয়া সম্পন্ন হয় না, সত্ব দিই সম্পন্ন হয়। কেন ততক্ষণ তাহায় অজ্ঞান বিলুপ্ত হইবে না, ততক্ষণ তাহার দ্রুত না, যাহারা এই সংসারের প্রকৃত তত্ত্বজ্ঞ, তাহাদের চিত্ত থাকে না, ঘূচিবে না। চিত্রাদিতে পৃথক্ নাই, তবে যে তাহাদের কাৰ্য তাঁহারা ত নিত্যই সমদশী , সুতরাং তাহাদের একটা বাসনা দেখিয়া তাহাদের প্রকাশ দেখি, সে কক্ষ,এতক্ষণ না সম্যক নাই, তাঁহারা অনায়াসে সবলে সংবাত্রা নির্বাহ করিয়া জ্ঞানােম হয়, আর তাহার বলে যতক্ষণ না এই অলীক সংসারের থাকেন। ৩৭-৪৪। বঁহাদের দ্বৈতবােধ নাই, সংসারে এক্ষেতে অলীক ভাবনা কমিয়া যায়। আর দেখ, চিত্তলি যে কল্পিত যাহাদের সমজান, তাহাদের বাসনা নাই,-থাকিতেও পারে না। তাই তাে বলিয়াছি; তবে ইহালের কালা ততক্ষণ থাকে, যতক্ষণ উহারা এই সংসারযাত্রা নির্বাহ করিতে থাকিলেও একমাত্র সত্ত্বে জীবের অজ্ঞতা, অজ্ঞতা সমগণনপ্রতিবন্ধক অন্ধ, সূক্সং অবস্থান করেন বলিয়া শান্ত ও সংযতেন্দ্রিয়। তাঁহারা সংসারে পৰশত্ব আর না বুঝিতে পারিয়া মিখ্যা বিষয়বাসনা ও মূর্ষতা আর সবই করিতেছেন; কিন্তু সর্বদাই সেই পয়ম জ্যোতি দেখিতে মােহাচ্ছন্ন করিয়া থাকে। দেখ, রাম। কেবল বিবেকোদয়েই ছেন। চিত্ত যখন পরিমার্জিত হইয়া বহ্নির ন্যায় জ্বলিতে থাকে, ইহার বিলীন হয়; কিন্তু বিষগন্ধ পাইলে চকোর যেমন সে বনে তখন তঁাহার কাছে এই ব্রিজগৎ তো তৃণের ন্যায় পড়িয়া যায়। প্রবেশ করে না, বিষয়-বিষগন্ধে বিবেকও তদ্রুপ বিষয়ীর অন্তরে স্নানী যখন জ্বল চিত্তের অভ্যজরে ইহাকে পুড়াইতে থাকেন, প্রবেশ করিতে চাহে না। ফল কথা, যাহার মন বিষভেশে অখন ভ্রান্তিপূর্ণ চিত্তাদি আর-কিতাদিরূপে থাকিতে পারে না। উদাসীন, সেই চিরবাকর বাসনাপাশ কাটিতে পারিনি। এখন সকাহাকে বলি, শ্রবণ কর। যে চিত্তবিবেকোলে নিল, দ্বিখ সুখে সুখী। হে রাম। কেবল তাহারই ভ্রান্তিময় চিত্রাদি সেই চিতোই নয় সত্ব। বৃখন চিত্ত সত্বরুপে পরিণত হয়, বিনষ্ট হইয়া থাকে। সেই পুরুষেরই (ভ্রান্তিময় চিত্তের পরিবর্তে অন দবীতে আরােগমনের ন্যায় মােহােলয়ের সম্ভাবনা থাকে জ্ঞানময় চিক্তের বিকাশ হইয়া থাকে। যিনি বিষয়বাসনা ও নােহ না। যতদিন অজ্ঞনীর অন্তঃকরণ চিত্ত শীঘ্ৰে অভিহিত হই, পরিত্যাগ করিতে পারেন বলিয়া নিরন্তর নিগ্ধ সমগ নের ততদিন তাহাকে এ সংসারে পুনঃপুনর্জন্মগ্রহণ করিতে হইবে। অধিকারী, সুং তাঁহার চিত্ত সর্বদাই প্রশান্ত। ২৬-৩৬। আর যাই চিত্ত হইয়া যাইবে, অমনি মুক্তি হইৰে সুৰে আর এই ভ্রান্তিমত চিত্তের অনুৎপত্তির প্রতি তাই কারণ, ভাগ এমন করিয়া সুন্ধিতে ইৰে । জ্ঞান-খি, চিতল, এ করিতে নিতে পারলেই ভ্রান্তি চিত্তের উপলব্ধিই হইবে না। কে সে আমি দিয়া এমন করিয়া পোড়াইতে হইবে, যেন তাহার দেখ, যে, এই দেহকে অগৎপকে কিছু না বলিয়া দেখিতে মূল না থাকে। আমার বিও, আমার পুত্র, আমার পরিজন, ও বুঝিতে পারে, যাহায় কাছে ই যেন একেবারে অপরিচিত; ইহাই ঈষণা দুরাকাঙ্গা, এই দুই চিতের মূল, এই মূল সুতরাং ইহাতে যাহার আস্থার লেশমাত্র নাই এবং যে হাৈকে সহ ইহাকে পােড়াতে পালিয়ে আর কদাচ হার অস্তিত্ব এতদূর্ববর্তী দেখে যে, ইহা যেন নাই, ইহার যেন একটা সত থাকিবে না। নতুবা অনুৎপাটিতল পাচ্ছিন্নতৃণ যেমন লগ নাল লেখি তাহার এই অনম চিত্তে উৎপত্তি হইতে হইলেও আবার জেনে নিত হইতে থাকে, তাহলেও কে এই যে জীবালির উপলব্ধি করি, ইহাও অনৰিল পুনৰিকা নিবার্য। চিরে চিপ বিকাশেই এতে বিষা সি। বেক্তি হাই প্রেসারুকে, চিত্ত গন্ধ , তােমার কাছে আৰু অসৎ থাকিৰে । এবং কে এই আকার ব িবুনিতে পারে । এখন বিজ্ঞাসা করিতে পার, চিত বিন নির্বাণ-এর-পূর্বভাগ। জগঞ্জে বিনাশ কেমন কমিয়া হয়। দেখ, পূর্বেই বলিয়াছি, যিলি সংসার। হে নয়! তুমি ইহা নই, অথচ তুমিই সকলের এ তিনিই জগৎ; ; এইবে, ইহা শক্সি বা যে সার। তুমি এখন কি এক বস্তু, যাহা ব্যক্ত করিতে কিছুই নহে। এসৎ ও দুই বন্ধু নহে। জ্ঞানময় উজ পারা যায় না। যত করিতে হইলে শুধু এইমাত্র বলিতে চিত্ত আর ব্ৰহ্ম যেমন এক, ইহাও তদ্বৎ অভিন্ন এক বস্তু। পরি, তুমি যাহা, তুমিই আহা, কিন্তু তাহা বলিয়া ভূমি আর নাচ্ছন্ন চিতেই এই ত্রিভুবনের সত্তা। ত্রিজগৎ আর দুঞ্জের মহ তুমি ভি সংসারে আর কিছুই নাই। যাহা দেখি, স্বজ্ঞ নাই, যেমন মরিচ, তাতাই যাহার উপাদান, শীতাই যাহা না দেখি, সবই যখন তুমি, তখন তােম ভিন্ন অন্তি-নাস্তি যাহা শরীর, তার সভাই বাহার সভা, সেইরূপ চিত্ৰই ব্যবহার আর কিছুতেই নাই। এই যে বৃক্ষ, লতা, গো, মনুষ্য জগৎসভা সংসারে “আহ” “ছিল না” এই মিথ্যা, সুতরাং প্রভৃতি মিথ্যাবচ্ছিন্ন সঙ্কেভিত পদার্থ, তুমি তাই নহ, চিত্ত আর জাং এক। অতএব ভাবিয়া দেখ, দেখিতে পাইবে, তাহাৱাও তোমার নহে। হে রাম। ব্ৰহ্মাউিক্তি তুমি কিছুই জগৎ বলিয়া কোন স্বত্র উৎপত্তি নাই,-স্বস্ত্র বিনাশও নাই, নই, তুমিই সেই ব্রঙ্ক; অতএব হে চিনস্বরূপ। তােমাকে এখন বুঝিলে কি? চিত্ত যতক্ষশ, জগৎ ৩. চিরে বিনাই নমস্কার। রাম। তুমি আদ্যক্ত-বিরখিত; তোমার আদি নাই, অন্ত্রে বিনাশ। যদি আছ ছিল না” এই দুই মিখ্যাই তােমার অন্ত নাই যে চিত্র নির্মল, যাহা নিল টিকের ন্যায় হইল, তবে যে শাস্ত্রে বলে—আগে কিছুই ছিল না, তার পর স্বচ্ছ, যাহার অন্তরের অন্তর পর্যাজু দর্শন করিতে পারা যায়, সব হইল, ইহার অর্থ কি? আর শাস্ত্রের কথা ছাড়িলেও এই ভােমার রূপ সেই আকাশৰিশাল বিশুদ্ধ সত্ত্বস্বরূপ চিন্ময়। যে আমরা সর্বদা বলিতেছি, ইহা নাই” ইহা আছে” ইহারই তুমি আকাশের মৃত নির্মলার। তােমাতে তাে দুঃখালিৰিকাৰ বা তাৎপর্য কি? ইহার উত্তরে বুঝিতে হইবে এই যে,—চিত্ত নাই, তুমি স্বচ্ছ হও। তােমার শূটিকনিৰ্মল অর দেখ, যাহা হইতেই বা যাহাই এই সসার, তাহা অনন্ত অপরিমেয় দেখিবে—এই যে সংসার, ইহা বীমধ্যস্থিত সৃ পৰের মত আকাশের মত মা বিচ্ছিন্ন। আমরা অজ্ঞানী, আমরা ভমে তােরই অন্তরে আপনা আপনি বিরাজ করিতেছ, অতএব হে পডিয়া তাহাকে বিছিন্ন করিতেছি, খণ্ড খণ্ড করিয়া নানাবিধ জখময়। তােমার জয় হউক, তােমাকে নমস্কার। ৫৬-৬০। শব্দে অভিহিত করিতেছি, কত কলিত অর্থেই না তাহাকে বুঝি- দ্বিতীয় সর্গ সমাপ্ত।। তেছি,বুঝিতে ও বুঝাইতে ঋতই না তাহাতে সন্ধেত করিতেছি। আমাদের জ্ঞান এমনি বাসন (কল্পনা) ও দুরাকাঙ্গায় জড়িত যে, ব্ৰহ্ম ও জগৎ স্বতন্ত্র দেখি। শাস্ত্রেরও উক্তি দ্বৈতবােধমূলক লৌকিক ব্যবহার তাে শুধু অজ্ঞানেরই বিলাস ,অতএব বিচার- তৃতীয় সর্গ। পুর্বক সংশয় পরিত্যাগ করিয়া সদসদবুদ্ধি পরিত্যাগ কর। হে সমুদ্রে কতই না অল উঠ; কিন্তু তাহা তাে সেই জলময় রাম। সংসারের যখন এক ব্ৰহ্মভিন্ন কিছুই নাই, কিছুই ছিল না, জলখির রাশি রাশি এলক্সি আর কিছুই নহে। রাম। ভদ্রুপ তখন এই তুমিও হপালিৰিশিষ্ট শরীর বলিয়া যাহাকে ভাবি- এই অখিল সংসাৰ-বাসনাসভূত কল্পনাময় জগৎপষ্ট কনা- ছে, সে তুমিও অজ্ঞানাচ্ছন্ন চিত্তের বিকার, সাং সু চিন্ময় কুশল চিত্তেই উখিত হয়। হে নিপাপ। ভবিয়া দেখ, তুমিই নং বলিয়াই মিখা, অতএব যতক্ষণ তােমার এম খাকিবে, ততক্ষণ শুদ্ধ সত্ত্বস্বরূপ চিন্ময় ব্ৰহ্মই, সেই চিত্ত স্বন্ত্র কিছুই নহে। তুমি আত্মা, ব্রহ্ম নই। বুখ দুখ করিও না, সকল জগই যখন হে চিন্ময়। ভাবিয়া দেখিতে পারিলে, সংসারভাকলা ছাড়িতে চিন্ময়"হে বলিয়া মিখ্যা, তখন তাহার অভাবে তােমার আর পারিলে, কেবলমাত্র সেই অদ্বিতীয়ের সত্তাবোধে অপরাপর সজ্ঞ অস্তিত্ব কোথায় ? যদি এই সারকে জ্ঞানময় চিৎস্বরূপ অলীকপক্ষের অকিনান্তিবােখ পৰ্যন্ত পরিত্যাগ করিতে বলিয়া বুঝিতে পার, তবে বিবেচনা কর, তােমার চিত্ত পবিত্র পারিলে, সংসার-নয়িতা যদি চিরদিনের এ তিন্নহিত হইয়াছে, সে সত্যরূপে পরিণত হইয়াছে, সাসদবুজি ভিরােহিত হইয়া যায়, তাহাদের নামও আর কোথায় কেহ বলিতে থাকে না। হওয়ায় সে অনাদি ও বিনাশ হইয়া পড়িয়াছে। এখন আর দেখ, চিত্ত হইতেই সংসারচিত্ত চঞ্চল হইয়া স্বয়ং পরিঙ্কুরিত সাসদবুদ্ধিমূলক মিথ্যা না কোথা হইতে আসিবে। ৫০-৫৫। হইলে, এই জীব, এই বাসনালি, এসমস্তই অনুভুত বিষয়। বল হে রাম। তখন তুমি দেখিবে,-তোমার আত্মা (কি তুমি) দেখি, সংসারে কি আর চিকলিত বভিন্ন অপর বস্তু শুদ্ধ চৈতষয় হইয়াছে, নি-অংশ- এক অখিতীয় আছে? চিত্তই যদি প্রশান্ত হয়, সমুদ্র যদি একেবারে সিবাত হইয়াছে, অনন্ত মহান বিরাট শপ হইয়াছে। হে রাম। নিশ হয়, তবে আজ কোথায়? সংসারই ভ, এ- ইহাই তােমার প্রকৃতরূপ, তুমি তােমার এই প্রকৃতরূপ স্মরণ চিত্তে সংসাৰু নাই, শান্ত সমুদ্রে নাই, আহা আহা কি ভুলিও না, আপনার বিরাটুরূপ ভুলিয়া আপনাকে সুন্দর! রাম। তুমিই সেই আকাশের মত সর্বত্র সম ও পরিমিত ক্ষুদ্র বলিয়া মনে করি না। এক অফিতী ব্রিাট প্রশান্ত। তুমিই সেই প্রশান্ত অনু সিমুদ্র , যাহার মহা- রূপেই সংসারে সত। তুমি তােমার সেই সঙা বুঝিতে তরঙ্গ গীর, য়িীভূত, অত মহত্বে অত নিয়ে কি সুন্দর পারিয়া বিরাটৰপূহইলামন্দ্রে পলিমিসংসারকে অপৰিমিত জীবি, উমার লেশমাত্র নাই। অধিক কি, অনলে উষ্ণতা, দেখিতে থাক, খিবে তুমিই সংসারের রূপ, তুমিই শুধু সেই অজে সৌগ, কজ্জলে কৃষ্ণ, হিমে শুভ্রতা, ইকুতে মাধু, শান্তিময় ও চৈতম, তুমিই সেই ব্রহ্ম। হে রাম! তুমি ভেজে না, চিত্তে আকাশি শতি, এল অঙ্গ যেমন অঞ্জকাশ টিকশিলার আয় শুভ্র ডিম, তােমার অন্তর মন চির চিত্তে ওজতে অপ অলি-একাত্ৰ এৰিত।১। কম, সেখিবে, তুমিই এই নে নানাখবষয় নােহলিসিভ এখন আমাদের যে অবকারিণ শক্তি অহা চিত্রেই। যখন আমি যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ ছাড়া সংসার নাই, তখন নিজের অনুভূত বিষয়ই আবার আমি। সে জলেতে সকলকেই ভাসাইয়া দেয়, তৎ যাহার অন্তঃকর। এই যে অসংখ্য অগণিত জীব, ইহা তাে আমা ভিন্ন আর কেহ আপন মনে বহিয়া যায়, যাহার অন্তর সোহান্দে গীত, ৰাৎসবে নহে। আমিই যদি সমস্ত জীব হইলাম, অৰে তাহাদের অনন্ত মনও কলুষিত না হইয়া সুহাদিগকে সমূলে উৎপাটিত করে, সেই বাহা, জীবও জাে তাহা। সমস্ত ইন্দ্রিয়ে মন গ্রথিত, অতএব মহাত্মার চিত্ত হামৰ দোষে দূষিত হয় না। হে রাম। যদি অনও যাহা ইত্রিও তাহা, ইন্দ্রিয় লইয়াই দেহ, দেহে ইন্দ্রিয়ে রাগষেধ এবং রাষেষজনিত চিবিকারের তত্ত্ব বিচাৰ কৰিা না অভিজ্ঞ। আবার দেখ, এই যে জগৎ, ইহা তাে শরীররূপ ভিন্ন দেখা হয়, তাহা হইলে গন্বেত বলিয়া প্রসিদ্ধ সাধুরাও অসাধু আর কিছুই নহে, যে দিকেই চক্ষু ফিরাও জগৎ ভিন্ন তার এবং তাহারা দেরিত হইলেও সেবিত। যাহার অহংজ্ঞান কি দেখিতে পাইবে? অতএব ভাবিয়া দেখ, সংসারে চিত্তই সব, নাই, যাহার বুদ্ধি কিছুতেই লিপ্ত হয় না, তিনি এই সংসাৱকে চির প্রতি লক্ষ্য কর, সবই লক্ষিত হইবে। এই প্রকারেই এই বধ করিলেও হত্যাকারী হন না এবং নিজেও নিহত হন না। সংসারচক্র চিৰদিন ঘূর্ণমান হইয়া আসিতেছে, আবার জ্ঞানকে এ সংসারে যাহা নাই, আছে বলিয়া তাহার যে জন, তাহাই দর্শন কর, দেখিবে ইহা ঘুরিতেছে না, ইহা স্থির। চিরদিনই সমান, মামা। হে রাম। নির্মল জ্ঞান হইলে সেই মায় নিশ্চয়ই কখন দ্রুত কখন মন্থর নহে। আত্মজ্ঞান যদি অপরিমিত অবিচ্ছিন্ন বিনষ্ট হইয়া যায়। যাঁহার আন্তরিক বাসনাসমূদয় শূৈন্য অনন্ত হয়, তবে দেখিবে সমস্ত সংসার অখণ্ডিত অবিচ্ছিন্ন চিন- প্রদীপের প্রায় শান্ত নির্বাপিত, তিনিই চিত্ৰবিনষ্ট বিক্রি সমান ,দেখিবে যেমন আকাশে আকাশ থাকে, তপ সংসারে শত্রুসমূহের ন্যায় ক্রিয়া নিবি সংসারকে আপনার সংসার রহিয়াছে, কেহ কাহার নহে, কিছুতেই কিছু নাই।, অবিকৃত প্রজ্ঞালে জয় করিতে সমর্থ হন। যে,মহাপুরুষের ৭-১০ চিত্ত নির্লিপ্ত হইলে সমস্ত জগৎই নির্লিপ্ত বলিয়া বােধ। কাছে এ আগতিক পদার্থনিচয় অনুপাদেয়, যাহার চক্ষে ইহা হয়, যে যাহা, সে তাহাই বলিয়া প্রতীয়মান হয়। নির্লিপ্তচিতের। থাকিলেও সুখের নহে, বিলীন হইলেও দুঃখের নহে, কেবল চক্ষে শূন্য শূন্তেই থাকে, ব্ৰহ্ম ব্রহ্মেই বিরাজ করে, সত্য সত্যেই তাহারই দুঃখ নাই, দাই নাই, সুখ নাই, তিনিই এ সংসারে প্রকাশ পায়, আর পূর্ণতাতেই পূর্ণতার উপলব্ধি হয়। জ্ঞান হইলে জীবন্মুক্ত।১৬-২২। জ্ঞানী কি রূপ দেখে না ? তাহার কি মনের ক্রিয়া হয় না? তৃতীয় সর্গ সমাপ্ত।৩। সে সবই করে তার সবই হয়, কিন্তু মন তাহাকে উপাদেয় বোধ করে না, আপনার বলিয়া গ্রহণ করে না, তাই সে দর্শনাদিতে জ্ঞানের কর্তৃতা নাই। জ্ঞান ভাবে না -ইহা আমারই; সংসারে যাহা উপাদেয়বােধে গ্রহণ করিবে, তাহাই তােমার চতুর্থ সর্গ। দুঃখের , কিন্তু আপাত সুখের হইবে। এ সংসারে অনুপাদেয় বশিষ্ঠ কহিলেন,-দেখ রাম। এই যে মন, বুদ্ধি, অহঙ্কার, বােধে বস্তুগ্রহণ বড়ই কঠিন , কিন্তু যদি কেহ তাহা পারে, তবে ইখিচয় এবং এই যে জীবগণ ইহারা সেই চিন্ময়কে অতিক্রম তাহার সে বিষয়গ্রহণ সুখেরও নহে, দুঃখেরও নহে। এখন করিয়া অন্য কোথায় থাকিতে পারে? এই যে নানাত্ব-এই যে জিজ্ঞাসা করিতে পার, নানাৰস্তুময় সংসারের দর্শন কেমন করিয়া নানাবময় সংসার ইহা কি? ইহ সেই বিশালবপঃ পরমাত্মারই অনুপাদেয় হয় ? ইহা বুঝিতে হইলে ব্ৰহ্ম আর জগতের অস্তিত্ব প্রদত্ত—তিনি ভিন্ন অপর কিছু সত্তা নাই বলিয়াই এ সকল প্রণালী বুঝিতে হইবে। বুঝিতে হইবে ব্ৰহ্ম আর জগৎ একটা সেই এক—তিনিই, আর কিছুইহে। দেখ, যেমন নেত্রনােগ বিশাল অনন্তকায় আকাশ, আমরা যেমন দৃশ্যমান এই এক অমাইলে বা কাপণে দেখিতে যাইলে একচন্দ্রকে অনেক আকারে মহাকাশকে খণ্ড খণ্ড বমথ্যস্থিত দেখিয়া এক দুই বহু বলিয়া দেখিতে পাওয়া যায়, জ্ঞৰ আমরা ভ্রমে পড়িয়া তাহাকেই উপলব্ধি করিয়া থাকি, কিন্তু তাহা নানা নহে,—এক। সেইরূপ নানাস্বরূপে সংসারে দেখিতেছি। অন্ধকার বিনষ্ট হইলে অন্ধ- সেই বিরাটুবপু এক ব্ৰহ্মকেই নানাভাবে দেখি বলিয়া জগতের কাজ অন্ধতা যেমন ঘুচিয়া যায়, সেইরূপ বিবেশের ন্যায় বিষয়- উপলব্ধি করি, কিন্তু তাহা প্রকৃত নহে। প্রকৃত শুধু সেই এক ভােগবাসনা প্রশমিত হইয়া যাইলে অজ্ঞানও বিনষ্ট হইয়া যায়। ব্ৰহ্ম। তবেই নানাৰস্তুময় সংসারকে একরূপ বলিয়া বুবিতে নির্মল শরৎসমাগমে যেমন অন্ধকারক ও যে শাস্ত্ৰ ব্ৰহ্ম- পৰা যায়, ইহা বুঝিলেই জ্ঞানচকে যে নানাবর দনি তাহা জ্ঞানের উপদেশময়, তাই। যদি অন্তরের সহিত সুচারুরূপে উপাদেয় (আপনার বলিয়া বোধ হয় না, সূরাং সে বিবেচিত করিতে পার, তবে তা মন্ত্রণতি ায়, তোের বিষ দর্শনাদিতে সুখও থাকে না দুঃখও থাকে না। এইরূপানী তুল্য অস্ত মৃত্যুদায়ক বিচিকার স্থায়, ভয়ঙ্কর বিষয়তৃষ্ণাকে মন্দ হইতে হইলে অন্তর, আকাশের মত নির্মল করিতে হইৰে গতি করিয়া দিবে। হে রাম। যদি অ্যান্থশাস্ত্রবলে মুখত বাহিরে আড়ম্বর হইয়া সমস্ত লৌকিকাচারই সুচারুরূপে ক্ষীণ হইয়া যায়, তবে জানিও চিত্ত নিসই বাসনাদি বন্ধু বান্ধব সম্পন্ন করিতে হইবে। সংসারে হর্ষ আসিবে, ক্রোধ আসিবে, সহ ক্ষীণ হইয়া পড়িবে। দে, ইহা ছি, যদি ঐ আকাশ হইতে কত কি আসিয়া আঘাত করবে, কিন্তু এ সমস্ত বিকালেও অনুরের সরিয়া যায়, তবে উহা নিই নির্বিবাদে নির্মল কাঠের মত লােষ্টের মত অবিকৃত চৈতাবিহিত হইয়া থাকিতে হইয়া যাইবে।১৫। ৫ নিলা, যেন সূত্র ছিড়িয়া হবে। ১-১৫। সেই সমগদর্শন অধিকারী, যে প্রহানােদ যাইতে, মুক্তাহারের সকল মুক্তাদি এক এক করিয়া খসিয়া পড়ে, কেও অকৃত্রিম মিত্র বলি দেখিতে পারে। নদীর অজপ টিতে বিনাশ ভিহিত হইলে তাহা হইতে ভাতি- বেশ আনমনে বহিয়া যায় তটে কত না ভাল মন্দ লা ম সমত বাসনালি এক এক কলিয়া বিলীন হয়। এ জন্মিয় থাকে। কিন্তু নীট তো কাহারও মুখপানে চাহে না, রাখ! এইরূপ প্রকৃত শাখকে যারা এখাবে নিপুণ। । করে, তাহাদেয় চিত দিল না হয়, এন এফ একান্তই মলি নাই, নাই। আমি এখন নীহায় বুলি এই ব্য, যাহাতে হয় ফকিটােগ্য পাপের অধিকারী এ পৰিকুটলের রু ল হইয়া রহিয়াছি।। হয়। নেশ, যাহার জ্ঞান ভিহিত হইয়া যায় তার কাছ আমি এখন আপনা আপনিই অন্তরে সেই আনন্দ অনুভব করি- নৰ এতি জোৎপলল র ল ই কিছু শ ভেছি হায় অন্ত নাই, যাহা অসীম। হে এভাে। যাহা বলিয়াই বােধ হয়, সে মন বৃষ্টি দেখিয়ও যির অতি কাছে অমৃতের খানও ভূণে গায় তুচ্ছ বলিয়া বােহই থাকিতে পারে। যেমন বাৰু একেবারে নিহইয়া বইতে থাকে। এত দিনের পর আজই আমি প্রকৃত প্রকৃতি হইয়াছি। বিয়ে বাচল ভালও দিল লিপ হইয়া থাকে। আম। আজই আমি হইয়ার্দি আজিই আমি আনন্দিত হইতে আকাশে মেন এন বি কে সেইরূপ তুমি আমার এই পারিয়াছি। লােকে যে আমার লোকামি নাচ বলিয়া উপদে বাক্য শুনিয়া এই সমস্ত সায় ঘড়ির সেই মহান থাকে, তাহা আমি আই হইয়ছি; আমার অপার আনন্দ, প বিস্তৃবিষ চিত্ত নিবিষ্ট করিয়াই। হেবধূলন। পট- আমি সেই পৱ ব্ৰহ্ম হইয়াছি আমাকে নমস্কার। আর হে প্রতে। শবে নিতি নৃপতি বেল আগৱিত হন, বিবেচনা করি, তুমিও আপনার কৃপায় আমার এই সম্পদ; অতএব আপনাকে নমস্কার । দ্রুপ আমার এই ক্ষুটাকে অজ্ঞান নিজা পরিজ্ঞা করিয়া ধোদয়ে রাত্রির অবসান হইলে বালকগণের রাত্রিকালীন জ্ঞানলাভ করিয়াছ। £১০। কেনই বা না করি। এখন জেদিতি যেন তিরােহিত হয়, আজ আমারও সেইরূপ সফল সামান্য মনুষেরই অন্তরে হার 'ফুলক্রমাগত গুরুদেবের বাক্য সংশয়, সেই সমস্ত ভ্রান্তি, একেবারে অন্তগমন করিয়াছে। আজ গন সঞ্চার হইতে, তখন অত্যদারতি তােমার অন্তরে আমার হয় নির্মল হইয়াছে, বিক্ষারিত হইছে, সমস্ত সাপ আমার নাকে জানােনা হইবে কেন? নে আমার বাক্য বিনষ্ট হইয়াছে বলিয়া হিমের গল্প শীতল হইয়াছে। শরৎকালে পর অন্তরে উপাদেয়বােধে গ্ৰহণ কৰিছি, তাহা তােমার সাের যেমন প্রশান্তমূর্তি হয়, আমার মনও দ্রুপ আজ হৃদয়ে অনায়াসে প্রবেশ করিবেই করিবে। দেখ, সৌর- এশতমূর্তি থারণ করিয়াছে। দীপ্তিশালী শুদ্ধচিন্ময় আত্মার অজ্ঞা- কােণ্ড বিভক্ত ভূমিখণ্ডে এল পড়িলেই তাহাতে শুষিয়া যায়, নাদিরূপ কল কোথা হইতে হয়, কেনই বা তাহা হয়, আজ ইহাই প্রকৃতির নিয়ম। হে মহানুভব। আমরা চির দিনই আমার এ সমস্ত সন্দেহ শ্রেয়ে অন্ধকারের ন্যায় নির্মূল হইয়া রঘুকুলপুরর ততদিগের কুলগুরু, অতএব হে আৰ্য। তুমি বিনষ্ট হইয়াছে। ১০। এখন বুঝিছি এ সংসারে সেই পর- আমার এই মঙ্গলময় বক মুক্তাহারের ন্যায় সঙ্গে হৃদয়ে মাত্মাই সৰ এবং তিনিই সর্বত্র সকল সময়েই সমৰে বিজ ধারণ করিবে। ১১-১৩। মান থাকেন। বুঝিয়াছি এ সংসারে ইহা এই, উহা এই সর্গ সমাপ্ত। সমস্ত মিষ্টাৰুজৰ অন্তি, থাকিতেই পারে না। এখন আমি আপনার অ আপনি বুঝতে পারিয়া যে জ্যোতি জ্যোতি হইয়াছি, তাহার বলে এখন বুবিতে পারিতেছি ইতিপূর্বে আমি তৃষ্ণানিগড়নিবন্ধ হইয়া কি এক অই ছিলাম। এখন পঞ্চম সর্গ। অহা মনে করিতেছি। আর পুর্ববর্তী আত্ম-জি বুঝিয়া আপনা আপনি হাসিতেছি। আজ আপনার বাগমৃতপ্রবাহে গান করিয়া রামচ বলিলেন,-গ। আপনার ক্যা আমি আমার এত বুঝিতে পারিয়া মনে করিতেছি, করিয়া আমার বােধ হই,ফেন আমি আর আমি নই, আমি এই অখিল সংসারই আমি। শাস্ত্রে, বলে, এখাশােক কি চিত্ত হইয়া গিয়াছি। হে প্রতে। আমি সংসারে চিত্তৰই আর জ্যোতির্ময়; কিন্তু যেখানে দূৰ্য নাই, ৪ নাই, তারকা নাই, কিছুই দেখিতে পাইতেছি না, আমার চক্ষে এই সমীলীখি সে ক্ষত স্বজ্ঞ আলােকময় অনসগােচর প্রদেশ। হে সংসার তিরােহিত হইয়া গিয়াছে। অনেক কষ্ট অনেক বিড়ম্বনা, ভগন! আজ আপনার কৃপায় এই সংসারে থাকিয়ও আমি অনেক প্রতিবন্ধকের পর, সন্তপ্ত চিৰিওফাতলে মধুরবাৱিবৰ্ষণ সেই বিশাল পুময় এদেশে অবস্থান করিতেছি। যেন দেখি- হইলে যে , যে প্রতি হে ভগবন। আজ আপনৱ উপ জেছি,এ আলােকময় প্রদেশের কোন নেই সূৰ্য নাই তাহার পাইয়া আমর এই চিতক অঞ্চ, পরহ্মে বিলীন হইয় সেই পাতালে অভিব,অথােদেশেও মূৰ্যেৰ নাম গন্ধ নাই, ইহা অনির্বচনীয় প্রতি মূৰ কৰিলেছে। এখন আমি বলল- ইউ-ই দীপ্ত। বিনুখিলে, এই যে সমুদ্রের মােহ-বিশিত হইয়া ভাই মুখিহে শখি ,অনুকরি স্নায়ুবিশাল সমাের, ইহা কিছুই নহে, ইহার সভা নাই, ইহা তেছি। আমার সালাগা অহিত হইছে, আমি কেক এয়তাও নাই। বুঝিতে পারিলে যাহা বুঝা যায়, তাহাই বুৰিছি। সুখে অবস্থান করিতেছি। ক্ষুব্ধ লােচিত বিষয় প্রসকিল বুঝিয়াছি-বিপূল সংসারে শুধু আমারই সত্তা, আমিই মহান, সৰৱৰল্লে জাম প্রসন্নতা করিতেছি। যে মুনি! আমিই স, উষনা করিতে হইলে আমারই উপাসনা করিতে আমার কে এখন এই লি সুন্ন ৰলিয়া ৰােয় হইছে। হইৰে মাৰু করিতে হইলে আকেই নগর কৰিয়েইবে, ৰােধ হইবেন ইতে এখন নীলের জ ই এ সুসারে নিই নষ; এব আমাকে না। আমি ইয়ার এ জুট লেক্সিয়ৱ যাথার্থ- আখক- আপনার নিজ ভিজের ইচ্ছে। এক্ষেত্রে বুকের পউপলব্ধি করিতে পারি। আমার সম হ দূরীভূত ভিন চাকসিয় খু পান ক,ে ন প ফ না য়ছে, যার আনুমকি প্রশান্ত হইয়া গিয়াছে, এখন অধিতে থাকে। বিজ্ঞান অনাক মানে কল্পিই নাকি এল বুঝতীত আর বিষয়- বরইলেশ যা এর মেয়ে সুখেন ।
বােণিষ্ঠ-ঘামায়। করিতেছে, তাই আমি আজ সেই আনন্দ তব করিতেছি, করিলেই বুঝিতে পারি , ইহাৱা পরস্পর বিচ্ছিন্ন নহে, সম্পূর্ণ যেখানে শােকে নামমাত্রও থাকিতে পারে না।১১-১। স্ব, তখন কি আর সুখে সমানী বলিয়া ইহাদিগকে পম সর্গ সমাপ্ত। বুঝিতে পারি ?। ১০। মা আর রীর পরস্পর পরস্পর অসমুজ্জং উলের মিলন সম্ভব। দেখ,অমী কখন স্কুলখা হয় না, আর স্থূলী কখন সূক্ষ্মধর্মী হইতে পারে না। যষ্ঠ সর্গ। যেমন দিনের উাম রাত্রি থাকে না রাত্রি আসিতে দিনের নি পাওয়া যায় না, সেইরূপ আত্মা ও শরীমের একের অক্ষরে - বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। তুমি আমার বাক্যের তাৎপৰ্য রের সভা পৰ্যন্ত থাকিতে পারে না। জ্ঞান কখন অজ্ঞান হইয়া বুঝিতে পারিয়া নিরতিশয় আনন্দ অনুভব করিতে থাকিলেও বাষ না, ছায়া কখন আলাে হয় না। যেমন কমিখাই, দেখ, সেই সাধারণের মঙ্গল কামনা করিয়া তােমায় আরও কিছু বলি, তুমি সদ্ব্ৰহ্ম কখন সৎ হইতে পারে না, আর সর্বত্র আত্মা কখনই শ্রবণ কর। সংসার ও ব্রহ্মে যাহা বিক্সিপার্থক্য, তুমি তাে দেহের সহিত সম্পর্ক রাখতে পারে না। পদ্ম জলে এম্মায় বটে, তাহা বুঝিতে পারিয়াছ,তথাপি এবার বলিতেছি শ্রবণ কর, তােমার কিন্তু পরে সহিত ফুটন্ত পরে যেমন কোন সম্পর্ক নাই, ভৎ জ্ঞান আরও পরিবর্ধিত হউক। আর সঁহারা ভাল করিয়া বুঝিতে শরীরের সহিত সাধারণ দর্শনে শরীয়াশ্রয়ী আরও কোন সম্বন্ধ পারেন নাই, তাঁহারাও ভাল করিয়া বুঝুন। তাহাদের মধ্যে কেহ নাই সাধারণদর্শনে দেখিতে পাই, আত্মা যেন শরীরাশ্রয়ী, শরীরে কেন বুঝিতে পারিলাম না ভাবিয়া দুঃখিত থাকেন না। যে অজ্ঞানী আত্মার যেন বড় মেশামেণি;কিন্তু যেমন আকাশে সর্বদা সর্বত্র এই বিনশ্বর দেহকে (জগৎ প্রপঞ্চকেই আত্মভাবে দেখে, ইহাই স্থিত বায়ু আপনি ধূলি মাখিয়া, আপনি বিশুদ্ধমূর্তি হইয়াও সৎ, ইহাই সার ঘলিয়া বিবেচনা করে, তাহাকে তাহার ইত্রিয়গণই আকাশকে কখন ধূলিধূসরিত বা শুদ্ধমূর্তি করিতে পারে না, সেই প্রবল শক্ত হইয়া ক্রোধসহকারে পরাভব করে। তাহার সামর্থ্য রূপ দেহ অাগ্রস্ত হয়, বিনষ্ট হয়, বিপন্ন হয়, সুখী হয়, দুঃখী হয়, নষ্ট করিয়া উহাকে আপনাদিগের অধীন করিয়া ফেলে। আর কিন্তু তাহার সে ৰিপৰ্যয় আত্মার অঙ্গস্পর্শ করিতেও পারে না। যে জ্ঞানবানু সংলার অসার বুঝিয়া একমাত্র সেই পরমব্রহ্মকেই সে তাহার সহিত মিশিয়া থাকে, কিন্তু তাহার স্বভাবের সহিত সত্য জানিয়া শান্তিনুখ অনুভব করে, প্রশংসনীচরিত্র তাহাকে মিশ্রিত হয় না, অতএব হে রাম। তুমি ইহা বুঝিয়া স্থচিত্ত অহার ইন্দ্রিয়গণ সুহৃদয়ে সন্তোষসহকারে সর্বদা প্রতিপালন হও। ভৰ-সংসারে আত্মাই সব, তবে আমরা ভ্রমবশতঃ যখন করিয়া থাকে। সংসারে থাকিয়াও যাহার ; বুক দেহাদি দর্শন করি, তখনই তাহার জন্ম মরণ উপলব্ধি করিয়া বপরশুরার (অনিত্য বলিয়া) সাব্যতীত জুতি করিতে থাকি। উহা আর কিছুই নহে, আমরা জলে যেমন তরঙ্গ দেখি প্রবৃত্ত হয় না, সে কেন এই দুঃখপ্রদ শরীরকে আপনার বলিয়া এবং তাহার উৎপত্তি ফিণও দেখি , কিন্তু ভাবিয়া খাকি, উহা গ্রহণ করিবে?১-৫।দেখ, শরীরের সহিত আত্মার কোন সম্বন্ধ কিছুই নহে, দলই সব, দ্রুপ ব্রহ্মেই দেহাদি দেখি , অতএব নাই, আত্মার শৰিতও শরীরের কোন সম্পর্ক নাই। আত্মা আর বিচারপূর্বক দেখিলে তাহাদের আর স্বতন্ত্র সত্তার উপলব্ধি শরীর, সাধারণ চৰ আলােক আর অন্ধকালের ন্যায় পরস্পর বিভিন্ন হয়ন, আত্মার সত্তাই তাহাদের সত্তা, এ আত্মসভার অনুভব পদার্থ। দেখ, এই আত্মা বিকাধী, অখিল সংসারের বিকারেও আত্মাই করিয়া থাকেন। যেমন তরঙ্গের আর স্বতন্ত্র সত্তা নাই, ইনি বিকই থাকেন, ইনি সংসারের সহিত কোন সম্পর্ক রাখেন এলের সত্তাই তাহার সত্তা, অং স্বরূপ কৃত্রিম দেহের আর না। এই নিত্যশৰ্য্যশালী আত্মার বিনাশ নাই, ইহার উদয় নাই স্ব সত্তা নাই, আত্মার সত্তাই তাহার সত্তা। হে রাম। ফলে ইনি নিত্য বিরাজমান। আর এই শরীর, এ তে প্রস্তর, এ জড়, ব্যাদির প্রতিবিম্ব দেখ, দর্পণ নড়াইতে থাক, দেখিৰে সূর্যের এ চৈশত সংসারে আলিয়া দেখিতে পাও শরীরই সমস্ত কার্য প্রতিবিম্ব পড়িছে, কিন্তু প্রকৃত সূৰ্য্য যথাৎ স্থির আছেন। করে, কিন্তু নিজে তে বিশাল বিলীন হইয়া কোথায় চলিয় ক্রপ দেব-দেবীর প্রতিবিম্বরূপ ভ্রান্তিময় শরীর, নড়ে চড়ে, যায়, শেষে ইহার কর্মের ফল ভােগ করিতে হয় কার; অতএব হয় যায়; কিন্তু দেহী আত্মা অচঞ্চল। এইরূপে সংসারে বর এ অতি কৃত। এই তুচ্ছ কৃতস্থ শরীরের বাহা হইয়া যা চারুরূপে দর্শন কর, দেখিৰেন্তু অনিত্য, তাহার ভক্ত থাকে, তাহা হউক, তে কিছুমাত্র ভিজি নাই। এ শরীয়কে হিভাবেই রহিয়াছে। সেইরূপ নেহ আর নেহীর প্রকৃত জে চিন্ময় বিয়া দিক্ষিত হইতে পারি না। ইহা চিন্ময়ও হইতে দেখিতে থাক, দেখিবে—দেহী নিত অৰিনর, এ অজ্ঞান- পারে না। সে এই এ কি শরীর কেমন কৰিসেই বিসিত নেই বিনা পাইতেছে। ১২। কোন কার। নিত্যাবর্ভূত অবিনশ্বর চিন্ময়ের মনে ধর্ম গ্রহণ কতে বিশেষে আলেকের এই প্রকাশই) অন্ধকার, আর পারিবে মনে করিয়াছি,দে না—এই গীয় আয় সেই চিন্ম, অকনের সঙ্কোচই আলােক ভাং সমগন করিলে হইকে সমকালে নিতে হলে মিলনায় একরে দেখিতে পাওয়া যায়-আশােৰু আর একার পৃথক ফর নয়, আর শরীরের জব এক গর স্মৃতি আসিয়া বুদ্ধিকে উহাদের আর পৃ শতা নই। হা এক যত হইনেও যে চাপে আয় করিয়া নেয়। যদিও আমরা শৌকিকবহারে বন্যায় বলা যােখ, আর উহার পূর্ব পৃথক সমােখ, সে তে গাই, মানসিকছুখে শরীর হয় যায়, শরীরে আঘাত কোন সময়সূত্ৰ। সেই এনে পড়ি নয় শনে আমি এক দুঃখ কৰি থাকিতিতা। যেমন একান্ত আয় এখীর (আলোকে) এভিীম গাকে মীর এক নহে। সেগীর ও আলােময় পৃথক পৃথক সভা খােব , আর এইখা আয় হয় যা বি এম লিয়া নােম ফরি, একটু এদিন সকালে বুলি উঠিতে পারি নালিয়া গেছে, যা নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ অনুভব করি, আর তাতেই আমাদের এই হেৰিষয়ে কতই না সুতি এই জাগতিক বস্তুর পর স্যগনে এ আং অনলের স্থায় সার বিশাল মােহ উখিত হয়? বাহার বাহার বুদ্ধি কুভাবে পরিপূর্ণ, বল দেখি, কেমন করিয়া তাহায় বিভ্রমে পড়িয়া আর বাধা দুর্বোধ্য হইয়া যায় এবং শুদ্ধ অসংবােধময়ী যারা বিনষ্ট হইবে। জাগতিক বস্তু তে বই মুনির্মল জ্ঞান চিরদিনের জন্য সমাচ্ছমই থাকে। যাহাদের বুদ্ধি নহে, তথাপি যে এই সংসারে সারভূত বস্তু না দেখিয়া সারভূত এইরূপ সােহবিজড়িত, অহারা সেই চৈয়ের আস্বাদমুখে বস্তুকে বস্তু বলিয়া দেশে এবং অনবরত তাহাতে আসক্ত হয় বঞ্চিত বলিয়া জড়, শুধু অড় নহে, একেবারে সাধারণ তৃণাদির সে কুমম হইতে তাহার সুগন্ধোৰপত্তির ব্যায় চন্দ্র হইতে অন্ধ- ন্যায় । গিও যে তাহাদিগকে নড়িতে চড়িতে তের পরিবর্তে বিষ উৎপন্ন হইতে দেখে। যেমন পরিস্কৃত দেখিতে পাওয়া যায়, তা চর্বক নহে, তাহা কেবল তাহা ভূমি হইতে দূর্বাভুম উৎপন্ন হইতে দেখা যায়, তদ্রুপ দের মুখনাসিকানির স্বাভাবিক ছিদ্রপথে বায়ুসঞ্চালনই ঘটিয়া মুখস্পর্শ বৃক্ষ হইতে সে যেন তীর দুঃখস্পর্শ কন্টক থাকে। তাহারা সেই রায় বলে বায়ুভরে শায়মান কীচকাদি উৎপন্ন হইতে দেখে। সুচারুরূপে কৰ্ষিত ভূমি হইতে বেন বংশের ন্যায় যেখানে সেখানে নড়িয়া বেড়ায়, শব্দ করে, আপনা অনায়াসে সুন্দররূপে ধাবৃক্ষসমূহ উৎপন্ন হয়, সেইরূপ অজ্ঞানীর আপনি স্পন্দিত হয়। সেই বয়ুবলেই এদিক ওদিক হইতে তৃণ অন্তঃকরণে শতলি হইতে শত শত বাসনা উৎপন্ন হইয়া থাকে। কাষ্ঠাদি সংগ্রহ করে ও পরিত্যাগ করিতে পারে। বাস্তবিক তাহা- তাহারা দেহাভ্যন্তরে সেই আশা পােষণ করে বলিয়া অজগর- দের সে সব ক্রিয়া চৈতন্যপুর্বক মহ। তাহারা সেই শব্দ, সেই ভয় শাল্মলীক্ষের ন্যায় অগম্য এবং তাহাদের মনােমাজ স্পর্শ ও সেইশরীর পাইয়াই আপনাকে কৃতাৰ্থ বলিয়া মনে করে। সেই বাসনাশৃঙ্খলে আবদ্ধ হইয়া স্বচ্ছন্দ-বিহার করিতে পারে তাহারা জড হইয়াও আপনাকে তরঙ্গচঞ্চল প্রস্ফুরিতগাত্র বলিয়া না। ময়ুরী যেমন প্রীতিমনে সমূলিত মেযের প্রতীক্ষা করে, মনে করে। তাদের সেই বিষয় না, মদ্যের ন্যায় তাহাদিগকে নরকর্মী তন্বৎ দুষ্কৃতপবেষ্টিত অজ্ঞানকে সানন্দদয়ে প্রতীক্ষা উন্মত্ত করিয়া ফেলে। ২১-২৫। তবে ইহারা কি সেই অবিনাণী করিয়া থাকে। যেজ্ঞ, যাহার চৈতন্য নাই, তাহার অন্তঃকরণও চিন্ময়ের অংশভুত নহে? বাস্তব পক্ষে ইহাদেরও অন্তরে সেই পর- চৈত্যশূন্য জড়, এই পরিদৃশ্যমান মৃত্তিকার ন্যায় অসাড়। মাটিতে ব্রহ্মের জ্ঞানময় সত্তা বিরাজ করিয়া থাকে। তবে যেমন দেখিতে সমই জন্মায়,এই অচৈতন্য পৃথিবীর বুকে জীবশিক বিফলতাও পাওয়া যায়, জলের প্রবাহ হয়, যায় আবার কতই লালা করিতে জমিগ্ন থাকে। সেও ফুললে নব নব গলবে কত শােভাদি খাকে, তদ্রুপ এই অজ্ঞানীরাও হয়, যায়, বিহার করে, কিন্তু ধারণ করে। মূখে তাহা দেখিয়া মােহিত হয়। মূর্থের হৃদয়ও ইংরা সেই জলের প্রবাহের ন্যায় অচৈত। কৰ্ম্মকারের ভৱা মৃত্তিকার ন্যায় অসাড়, তাই তাহাতে কোমলপবা বিষালতারূপিণ হইতে কেমন খাস প্রবাহিত হয় তদ্রুপ অজানীরও শ্বাসসঞ্চা- অরুনা বিলাসী হইয়া শােভা পাইয়া থাকে। সে ভয় লন হইতে দেখিতে পাওয়া যায়, কিন্তু তাহাদের সে খাসসঞ্চা- অনার চঞ্চলনয়নই চঞ্চলভ্রমরী, সে ভমরীর মােকর বিকালে লন চিচ্ছক্তির অজ্ঞতাবশত প্রাণশূন্য বলিয়া বিবেচিত হয়। জ্যা তাহারা সর্বদাই চঞ্চল, তাহাদিগের ফুৰিত অধ্যই নবপল্পব, আক্ষালিত হইলে চেতনা ধনুকেরও কত শব্দ শ্রুতিগােচর মূৰ্থে ইহা দেখে, আর মােখিত হইয়া যায়। দেখ, জলময় সমুদ্র হয়। সেইরূপ বায়ুবলেই এই জ্ঞানহীনদিগের তর্জন-গর্জন ভীষণতরঙ্গে নিয়তই অশান্ত, তাহার দুঃখমূর্তি পরিগ্রহ করিয়া শুনিয়া থাকি, এ তর্জন-গর্জনে তাহাৱা কেবল নড়ে চড়ে মাত্র, বড়বানলরূপে তাহাকে কতই দুঃখ দিয়া থাকে, সংসারে যে অজ্ঞ, বস্তুতঃ তাহারা যে অচৈতন্য সেই অচৈতন্যই থাকে। কনজাত তাহারও সে দুর্গতি, তাহাকেও হার কত জন্মসঞ্চিত অক্ষুন্ন ক্ষের অনাস্বাদিরস ফল ভক্ষণ কৰিলে, যেমন মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, সমুদ্রতলে ব্যায় অত্যুঞ্জ ক্লেপররা-বিভ্রান্ত বিলােড়িত করিয়া তদ্রুপ মুটের নিকট হইতে চিবােধপরিবর্জিত ফললাভও থাকে। দেখ, তাহাকেও হার ক্লোরাশিরীরী হইয়া বড়বানলের মরণের জন্যই হইয়া থাকে। সে চিবােয় ফলপ্রাপ্তিতে চায়, ভীষণমুর্তিতে ময়ণরুপে সর্বদাই সমাচ্ছন্ন করিয়া রাখে। মূর্থে যে বিশ্রাম, তাহা উত্তপ্ত শিলাফলকে উপবেশনাদির ন্যায় এ মরে, জন্মায়, আর তাহার বাল্যকাল আইসে, পূনরায় ক্লেশকর। সেই ফল পাইয়াও যে বিশ্রামমুখ অনুভব করে, সে যুবা হয়, আবার সে অরায় আক্রান্ত হয়, আবার মরে, এরূপ তত অবস্থিত স্থাণুর ন্যায় অচৈতন্য, তাহার সহিত সমাগম স্থা- পরিবর্তন মুটের একবার নহে, এইরূপে সে নিয়তই ঘুৱিতে থাকে। সমাগমের ন্যায় অকিঞ্চিৎক। ২—৩০। আকাশে জঞ্জঘাত যেমন কুপােপরিহ ঘটয়ে জুজ কালিয়তই কুপে পড়িতে যেমন নিহ, ভ মূর্থের প্রতি অনুষ্ঠিত উলকারাদিও ব্যর্থ। থাকে, আর উঠিতে থাকে, এই অরূপপুজ ঘটাযন্ত্রে আৰু সেই অধমকে যাহা কিছু দেওয়া যায়, তারা কি কমে সংসারূপ বুকুতে আৱদ্ধ হইয়া মূল্পেও সেই দুর্গতি,সে নিয়তই পরিত্যক্তর য় দিল হয় না? অহার সহিত ৰে আলাপ নিতে থাকে, আর গাইতে থাকে। যে কাৎ জ্ঞানীর কেতি তাহা অনুপস্থিত কুকুরকে এত আদান করা মাত্র। অভব এক কোমল অতি র এবং যাহা গােদের ন্যায় অত্যল্প , অজ্ঞানই নানাবিধ অপদের প্রাকাষ্ঠাবদর্শক।দেশ অজ্ঞানীর অভিজ, মাস পার হইবার যােগ্য;সেই এই কি আপদই না হয় । অজানা সে মূঢ় ব্যক্তি এই সংস্থাকে বেশ এবং একেবারে অপার লিজাৰ বিহু- সুদূর প্রবাহিত পথের যায় প্রবাহিত ধলিম বিবেচনা করে, জিনী কেন পির হইতে এক পাও এলি গুৰি যাইতে পারে এই ভাহাকে যে মধ্যে অলীক দুলহ এবার মিথ্যা এবং দৃষ্টিশক্তি অঙ্কের সৃষ্টি তে যেন তাহার চকু কোট- = মুখও তে। এই নাবিকে মেইমিতি , আমার বারি আর সেও যাইতে পারে যে আত্মসংই বলিয়া বিবেচনা করে, সেই শরীয়খনকারাদিতে না, উপ মুখর বিবেকহী গত বুদ্ধিবৃত্তি পয়ন মূৰে এমিত ৩১-৩৫। ৰে উকাৰ্যব্যতীত সসারসালে আর কোন পারে যাইতে রােগবাণি-রামায়ণ ৪ পায়ে না, আর কোন ই করিতে পারে না। কেননা, যারা ক্রেন, মুশফিকের বিষয় সে সুধা পান কলিমা মূঢ়, তাহাৱা মুক্ত হইতে পারে না বলিয়া সর্বদাই অৰণাদিরূপ আত্মহাৱা; হায় চিত্ত একারি গায়লে কিঝণে একেবায়ে অৰত এয়া থাকে। তাহাদের সার্বকালী, চক্ৰ ৰীভূত । (এ চক্রে বিমলকিশেনিয় সবাই নেমি কায় সবাই ঘূৰিছে, তাহা এবার মধ্যকাল পর্যন্ত পঞ্চম দেখি কি শােই ল থারণ করে। বিমােহ দিলাই না হইয়া ঘুমন চক্রের চায় এত পরিষ্কার যে, সহজে পমিত বসার আয় করে?) এর বিলকিরণে বিশ্ব সুন্দর করা যায় না। নাহপরম্পরায় আসক্ত বলিয়া সংসারে মূঢ়দিগের সর্বাঙ্গ কণী দেখে আৱ ৰে, আহহ। কি দেখিলাম, এর সে এল, সে বিকাশ, চিরদিনই অপরিষ্কার মােসশাচ্ছন্ন হইয়া পূর্ণকবিধৌত সুন্দর মুখ্য শৌসী জনী। শরীর থাকে। তাই তাহারা সংসারের তত্ত্ব বুঝিতে একেবারে অসমর্থ। চলিবেড়ায়, দেখিয়া মুগণ কী, কত রাজহংসই না বিফল মৃগয়ায় বাধ যেমন দূর হইতে নােদি পক্ষী পরিবার অন্য রাত্রিতে ঘুরিয়া বেড়াইতেছে। আহাদের শরীরও তাে রজনীর কালনাভ্যন্তরে আমিণিও তি করিয়া থাকে, মূঢ়গণও মায় প্রাণেশীতল (হিমবৎ শীতল শরীর কি মমো- ভং এই সুবিশাল সংসাত্মাণে আহাদের ইন্দ্রিয়গণকে প্রলুব্ধ হয়,ফেন চারিদিকে শত কুমণিী ফুলা রহিয়াছে। একি রুমীর করিতে আপন আপন দেহ পাতিয়া রাখিয়া দেয়। মনে করে, লােচন, না—কুনুষগুলােভে ইতঃ সঞ্চরমাণ ভ্রমরমালা। এমন এইভাবে নিজে মৃতের ন্যায় পড়িয়া থাকিলে ইন্দ্রিয়ানন্দনই বুকি সুন্দর সর্বাঙ্গে ঐ যে রমণীর মন্তকোপরি সংগ্ৰখিত কেশপাশও পরম পুরুষার্থ। বস্তুত তাহাৱা বুঝে না যে, এ সংসার কি? এই যে শহরের ৩ আভায় অনুচিতমুর্তি কালাে তিমিলের ফুট ইন্দ্রিয়গণই বা কি? বুঝে না যে, কি দেখিতেছি, কাহার সেবা মনােহৰিকাশ। সুন্দরীর গয়েশ্বর দেখে, আর মনে করে, করিতেছি। কি লইয়ই ৰা আনন্দ কৰিতেছি? এই যে গাে- যেন এরূপ বিমলা রীতে ইভঃ মাঝে মাঝে এক এক মনুষ্যাদি অসং জন্তু দেখিতেছি, এই প্রেকাণ্ড প্রকাগুবি- না সাদা মেঘ চলিয় বেড়েছে। হায়। রঘুনন্দন। ভাবিয়া হিমালয় প্রভৃতি পর্বসমূহ দেখিতে পাইতেছি, ইহারা কি ? দেখ, ইহাদের কি মুখত। কি দেখে, কি ভাবে, কিসেই বা কিয়ৎপরিমাণে মাংস ও মৃত্তিকার পিওভিন্ন আর কিছুই নহে। আত্মহারা হয়? হে রঘুনন্দন। ইহারা একবার ভাবিয়া দেখে ইহাদের অঝিতে না পারিয়াই না ইহাৱা গো, মনুষ্য, পিতা, না যে, এ সমস্তই এই অজ্ঞানক্ষের আপামাত্র মধুর, দুঃখময় মাল আত্মীয় স্বজন wি পরিচিত হইতেছে। মােহশত পৰ্যবসান, পরিমিত, মল, নানাপ্রকার সংখ্যাতীত ফল ভিন্ন তত এ সংসার বিচিত্ৰশকে বিচিত্রশাখে অনন্ত অনুরাগকর আর কিছুই নহে ৷ ৬১–৬৯। কলিত বার কল্পনায় আশ্চর্যময় করতে যায় শােভা পাই- যষ্ঠ সর্গ সমাপ্ত । ছে। ৩৬৫৫। এইরূপ ভ্রমাত্মক করণস্বরূপ জগতের নিজ শৰীৰু পাৰণর বাহা হইতেই নে কল হইতেই বহির্ভূত হইয়া থাকে, বহির্ভূত হইয়া তাহাতেই অবস্থিতি করে, সেইখানেই বিল করে। সে যুক্ত কি হন! সে কি সপ্তম সর্গ। এত প্রকাণ্ড নে, একাই এক বন, সে শুনে শুধু তাহারই হে রাম। এই যে দেখিচ্ছে,সর্বাঙ্গে মণি-মুক্তায় বিভূষিত পবপরম্পরা ভিন্ন। আর কিছুই থাকিবার স্থান নাই, তাই হইয়া যােষিদষগুলী শােভা পাইতেছে, ইহারা আর কিছুই সেখানে শুধু তাহারই বিসিত হইয়া থাকে। অময় কল্পনা- নহে, কেবল অজ্ঞানচন্দ্রোদয়ে উদ্বেলিত কামসাগরের তমালা প্রসূত নানাবিধ ভােগছিলীয়াই এই এ বাক সংসার- বলাক সংসার- মাত্র। এই যে ইহাদিগের সুন্দর মুখে কুষ্ণতায় সহজলা- কাননে বিহুৰ; এ বনে তাহাৱা কতদিকেই না উড়িয়া বিজড়িত বলিয়া পৃথিবীর আর কিছু না দেখিয়া আপন আপন বেড়াইতেছে? কত স্থানেই না তুলামাদি নির্মাণ করিতেছ? গলেই চলবে হেল্যমান, মূর্থে যাহা দেখিয়া সুৰণ এই যে পরিমান নিরন্তর উৎপত্তি, ইহাই এ বনের পত্ৰ, যত বিনির্মিত এৰিকাশিত কমল-কলিকার উপর সচঞ্চল ভ্রমরমালা কিছু কাধ দেখিচ্ছে, সমস্তই ইহার কোরক, পাপ পুণ্যই ইহার শােভা পাইছে বলিয়া মনে করে আর মােহিত হয়। ইহা সতিসৌদাদিই ইহার মঞ্জরী, এই খােৰিসমূহই অজানবিলসিত জি আর কিছুই নহে। এই যে বসন্তকালে ইহার ওবি, এক্রোমেই যাহার প্রকাশ পাইয়া থাকে, প্রতি উদ্যানে প্রতি ভূমিভাগে কামিনের উন্মাকৰ মলােহর এনে ইহারাই নিরন্তর অনুপ শােভা ধারণ করে। অজ্ঞান কুমাহ নখের সাক্ষাৎ অনুচরবর্গের ন্যায় বিরাজ করে, বিলাসেই অনুসারে উপসিসরের উৎপত্তি সই ইহাও অজানলি কিছুই নহে। কি ! দেখিতে অজ্ঞান; সুত্র অনিকগরিপুর্ণ চন্দ্রেরই মত জলই পাওয়া যাইতে, যাহার ও কন্যাগণ, গুগণ, লক্ষণ ও পূর্ণাবয়ব, আবার চক যেমন সূৰ্যান্যের পর অন্ধকারাগসই কুকুর ভক্ষণ করিয়া থাকে, সে নখ শষ্যৰ বাণীগণ উঠিয়া থাকেন, একানও বিবেকবিনাশ, মােলকার- আবার চল, শনও পঞ্চমের সহিত উপমিত হইয়া থাকে। এ সময়েই প্রকাশ পাই, থাকে, এর , এর মাংসৰ ৰলিয়া পরিণাম যাহার পূতিগন, মণীগণের সেই অফলশ্বস্থান । ইহাই নয়, লাৰে নামেও ইয়াৰ অৱ মূহ মুখের ক্ষ যুবক, পলিক কিনা কাছ ও গাৰেশ নিনা এখন সােষে সর্বরে সুর মাসুল লিন্না লিল। ১- যায় » হায়! সূর্থে অর্থের প্রতি লক্ষ না, তাই আর কি দােহ। গণের নাম ও ফেবিয়া মুগণ মনে লই নই চরেজৱিকর মা এ করে, বিষযই কাজে , আর একবার যদি চুখন সনি তে থাকে। ৫। সনাই অন কয়ে, হায়।নেকে একে তিশারী .
নির্বাণ-এর-পূবভাগ। এ যে মধু! এ যে মদ্য। অতি, পসবদ্ধ শল্য বক্ৰাখি- ছাড়িয়া কে নিয়ে পাষাণ এশিয়া স্থির করালা সশন বােষিয়ে ভুয় মূঢ় মনুষ্যকৰি মহাবাহুলত শবে বর্ণিত দেখিতে দেখিতে আপনাকেও কত আবার না মরিতে হয়। এই করিয়া থাকে। কণীস বিশালােয় শরীগণ ঐ যে সর্বসংহাৱক কাল লুণফলের গায় অনায়াস অনন্ত সংকে কুচকসের ন্যায় নয়নাভির নিযুগলে কাকীম অববার গ্রস করি তো তৃপিায় না, তাহার টিলা দেলাইতেছেন, মূখে মনে করে, উহা যেন সৎ মানবের অতৃপ্তই রহিয়া যায়। ১৯১৫। সংসারে সেই এত ব্রিৰিখ বাসগৃহের লম্বমালমাল্য তােণশ্রেণ। অহহ কি বিচিত্র। আপত অচলবৎ হির পহ্মের মধুবোল দীপ্তিসমাচ্ছন্ন হইয়া মনুষ্য সর্বদাই দেখিতে পাইতেছে, লক্ষ্মী আপাত্র মধুর, এই মূঢ় জীবরূপে পরিণত হয়, ইহাদিগকে দেখিয়া আমার সর্গ যতই ভােগ করিতে থাকিবে, ততই হিংসাৰেদি-বিবর্তিনী, আর বলিয়া ভ্রান্তি হয়। বায়ুকােজী সাপের মত ইহাৱাও মােহমাতত্বে তাহার অবসান, এত শীঘ্ন ঘটিয়া থাকে যে, নিমেষও বুঝি পান করিয়া থাকে। সর্প যেমন মধ্যে মধ্যে আত্ম পরিত্যাগ তাহার কাছে দীর্ঘকাল', একে তাে এই, তার উপরে আবার করে, আর মূর্তি পরিগ্রহ করে, ইহারাও ক্রপ কালবণে হয় তাে শব চেষ্টা কৰিলেও তাহাকে পাওয়া যায় না । দেহ বিসর্জিত করিয়া আবার মূল অথচ সেই এক মুক্তিতেই সেই অলঙ এবং ক্ষয়কুলভ ঐ পাইবার অন্য মানুষ সর্বদাই সমুৎপন্ন হয়। সর্বের ন্যায় ইহাদেরও কুটিলগতি(সােজা পথে চেষ্টা করিতেছে। মানুষের অন্তঃকরণ এই যে কত দুঃখ অনুভব যাইতে আনিলে এত দুঃখ পাইতে হইবে কেন?) সর্ণের শরীর করিতেছে, এই যে মানুষের সুখ শত শত শাখাপ্রশাখা বাহির যেমন বিচিত্ররূপে চিত্রিত, ইহারাও তৎ বিচিত্র বিচিত্র শরীর করিয়া দীর্ঘাবয়ৰে পৰিলক্ষিত হইতেছে, আবার এই যে তাহাদের পরিগ্রহ করিয়া জগতে ক্ষুর্তি পাইয়া থাকে। মূঢলিগের সর্বকর্মে পরিদৃশ্যমান নানাবিধ কৰ্ম্মফলের পরিণাম ঐশ্বৰ্য্যসমূহ শেষে সুকুশল যৌন কাল আসিয়া উপস্থিত হয় টে, কিন্তু অন্ধকারাচ্ছন দুবাবলম্বী হইতেছে। হে রাম। এ সমস্ত মিথ্যা ভ্রান্তিপূর্ণ। যামিনীর স্থায় তাহাদের যৌবন চিরদিনই পিশাচবৎ কুৎসিতাকায় ৬-১০। কেননা, কুৰ্ম্ম করিলেই তাহার ফল পাওয়া যায় ভয়ঙ্কর তেজোনাশক চিন্তার লীলাক্ষেত্র হইয়া থাকে। কখনও বলিয়াই কৰ্ম্ম মুক্তিপ্রতিবন্ধক; সুতরাং বেলের কর্মকাণ্ডবিক তাহাতে বিবেকন্দ্রের উদয় হয় না বলিয়া তাহা চিরদিনই বাক্যপরম্পরা কামকৰ্ম্মবিস্তাৱক বলিয়া নিবিড় কাননের স্থায় যােরাকারে আলােকশূন্ট হইয়া পড়িয়া থাকে। পকাপরের শে- স্বচ্ছন্দগতিপ্ৰতিনােক। হে রঘুনন্দন বেদের সে বাক্য পরম্পরায় গান করিতে তাহাদের কি খাকিলেও অহা হা করে না। যদি নিবিষ্ট চিত্তে প্রবিষ্ট হইয়া ভাবােপলব্ধি করা যায়, তবেই পদ্মকোটবান্তবর্তী মৃণালসূত্র বেন হিমেসমাজ হইয়া অাক্ত দেখিতে পাই, তাহা যেন নিবিড় মেষের ন্যায় অন্ধকারময় জলাকার থাকে, সেইরূপ তাহলে সে জিহ্বাও সর্বদা শ্রীপুত্রাদির অনুনয় লতাচ্ছন্ন নিবিড় কানন, ওষ্ঠ-সমারত বলিয়া দণিসংযােজিত বিনয় করিয়াই সন্তাপে জরজর, শক্তি প্রকাশে অসমর্থ। ইহার কুৎসিত মুখগহবর যেমন সুন্দর দেখায়, সেইরূপ বেদেরও এই উপর আবার গ্রন্থিল কণ্টকাকীর্ণ শাল্মলীকের গল্প দুঃখশােক- বাক্যাংশ উপরে রমণীয় ভিতরে বাইলেই কারাগার নিক্ষিপ্তের বিষম কেশবহুল পরিচ্ছ, সম্রশাখায় মূঢকে আচ্ছন্ন করিয়া স্যায় রবদ্ধ হইয়া পড়িয়া থাকিতে হয়। হিম যেমন সারাকারে রাখে। যতই অভাব বাড়িতে থাকে, ততই তাহার নিশা, সর্বদা স্বতই পড়িতে থাকে, মুখের মােহও তদ্রুপ সর্বদা অমর ভয়শিরা চৈত্যকে পেচকের মত সার খােৎ- নন্তক প্রবৃত্তিশালী। আপনা আপনিই ইহার উপর শাবাক্য সাহচিত্তে মায়াকারে পুলকিত হইয়া সে আসিয়া আনন্দ আবার তাহাকে কাম্যকর্মে প্রবৃত্ত করাইতেছে , সুতরাং সে করিতে থাকে। যৌবননান্মত্ত মুঢ় লােতে পড়িয়া সকল দিক মােহারে মােহবর্ষাকালে শীতকলেবরা মসলিলা বলার হারাইতে থাকে, কিন্তু ক্রমে তাহার সে যৌনও থাকে। মত অমবেগে প্রবাহিত হইয়া থাকে। হে রাম। এইরূপে মার্জারী যেমন কর্ণ লক্ষ করিয়া ইৰ রে, আয় করে তাকে অজ্ঞানপরিবর্ধিত হইলে, জীব ভেগে আসক্ত হয়, তাই সে খণ্ড খণ্ড করিয়া ছিড়ি খায়। সেই মত রা আলিয়া বনে কামনাশূন্য হইতে পারে না বলিয়াই নিকামলত্য মােন না অহার কর্ণসন্নিহিত কপােলর আক্রমণ কৰে, সে অবশে পাইয়া কৰ্ম্মফলের আবর্তনে সর্বদা অ-পরিগ্রহ করিতে থাকে। লােলকপােল হইলে সময় বুবিয়া তাহার যৌনটুকু ছিন্ন ভিন্ন তখন তাহার সে অমরূপ বিষনভাস আপাতমধুর নানাবিধ করিয়া ফেলে। ১৬-২৪। একটা একটা করিয়া ফেনল সুখ-সম্পাদনে যুক্ত হইয়া ক্রমেই ৰঞ্জিত হয়। সে বিলােরস উৎপন্ন হয় যেন বৃহৎ ফেনপিণ্ডিকায় সৃষ্টি হয়, দ্রুপ কল্প তাহাকে এমন নির্দয়কালে আচ্ছন্ন করে যে, চিরদিনের জন্য ফলের আবর্তনজনিত উন্নত উন্নত পর্বতলই এইরূজেলার তাহার অন্তঃকরণকে কলুষিত করিয়া রাখে, কখন যে তাহার ক্রমশ পরিবাত হইতেছে। হে রাম! এই যে দেখিতে অন্তর নুপ্রসন্ন হইয়া মােহশুহ হইবে, তাহার সব পন্থও পাশেইপে এ যেন একটা মহাবল হয় থাকে না। এই কলাধীন হইয়া তাহাকে কতই না কষ্ট দাঁড়াইয়া রহিম। দেখিতে পাইতেছি,-এই অৎ পাইতে হয়। সেচেষয় হইয়াও চেতনাবিহীন স্থার বৃক্ষাদির ধারাবাহিক অবস্থাজেদের সহিত অভিন্ন সৃষ্টপা, ইং মত নীয়ৰে নানাযন্ত্রণা সহ করিয়া থাকে। বুশরীরে সমুৎপল সর্বাবয়ৰ সম পৰশ্রেণী এই জগতে যে একটা মিথ্যা পত্রাবলীর ন্যায় অহায় অসংখ্য পুত্রপৌত্ৰজনবহুবালি অথচ শনের সম্ভাবােব—হাই এর ঐৰিবৰ সৰ্ব্ব- সমীরবেগতুল্য খবর বেগ বৃদ্ভুত ফলের গায় কোথায় যাব সংলগয়ারী, ইহা দেখিতে বড়ই মনেহয়, যেন, ইহার চলিয়া যায়। পবন্দোলনে বলে শাস্তিসৌগশয় পূপরের প্রতিস্থানে সেই চৈতন্সের আভাসকাঅপুণেতে শক্ত হয়, তাহার শত শত শির পিপাসা করে আবর্তনে যান। ইহাকে ফলহীন মিশনে নিচ্ছে না। দেখিতে চিরদিনের জয় নিল । তাহার পর সব আশা বসা পাইতে ইহার চারিদিকে ভূপাকারে আর এই বাসনা, বা বাত ও আতপৰুে একে করিয়া বহন করিতেছে। আবার যােশবাশিষ্ঠ-রামায়ণ ফশিয়া রহিয়াছে। দেখিতে পাইতেছ,-ত্রিজগৎ যেন একটা বিরাজ করিতেছে। এই যে তাহার মুখভ্যন্তরে ফেনপুঞ্জের স্যার মহাগৃহ, সকুলাচল হাৈর মহান্ত, চন্দ্র সূৰ্য ইহার গবাক্ষ, বিশাল বস্তুনিচয়ের পরিণাম অবিরত পড়িছে, এই যে এই গগন ইহার গুপ। এ সংসার যেন একটা বিশাল সরে- দেখিচ্ছে, অকস্মাৎ সমুহূত সামাত্রস্বরূপ বিচিত্র দ্রব্যশক্তিসমুহ বর, ইহাতে জীবগণের শরীররূপ পদ্মকোষের অভ্যন্তরে বসিয়া চঞ্চল জলের চঞ্চল সৌন্দর্ঘ্যের ন্যায় বিকাশ পাইতেছে। এই যে প্রাণরূপ টুপরে। সেই চিপ মধুপান করিতে করিতে ইতস্ততঃ উদ্ৰি সিংহের ন্যায় উদ্রিক কৃতান্ত, সৃষ্টপ্রাণিগণরূপ মুজায়ে বিচরণ করিতেছে। ২৩-২৫। ঐ রে দেখিতেছ, নীলকান্তমণি- পরিপূর্ণশিয় বৃহদাকার ও অসংখ্য মগজের ন্যায় জগৎকে বিনিমিত ভূভাগের ব্যায়, সুনীল সুমনােহর সুবিশাল আকাশ ভক্ষণ করিতেছে। এই যে এই অরূপ বিহঙ্গনিচয় হিমবতাদি মার্গের এক প্রান্তে বসিয়া বিয়ত সূৰ্য্যদেৰ দীপিকার ন্যায় সপ্ত কুলপর্বত যাহাদের উপভােগ্য ফল, মেঘসমূহ ধাহাদের ঘূর্তি পাইতেছেন। এই যে দেখিতেছ, জীর্ণ পণিীর ন্যায় পরু-পরম্পরা, যাহারা সর্বদা বাসনার তাড়নায় ফলান্বেষী হইয়া অগদত্তগর্ত রাশি রাশি জীব স্বকীয় আশাতন্তুতে সর্বাঙ্গে নিগড়বদ্ধ জমিতেছে মরিতেছে এবং এই সংসারেও কিছুদিনের জন্য হইয়া আপন আপন বাসনাশলাকাবিলিতি ইন্দ্রিয়পিঞ্জরের বিরাজ করিতেছে। এই যে সুচিত্রকর বিধাতা চলুকাদির গােচর অভ্যন্তরে আবদ্ধ রহিয়াছে। এই যে দৃশ্যমান সংসারবক্সরী বলিয়া স্পষ্ট প্রতিয়মান এই জীবগণের চিত্তভিত্তিতে পঞ্চেন্দ্রিয়রূপ কলপনবিচালিত হইয়া অনবরত নিজ শরীর হইতে জীব রঙ দিয়া সংসারের চিত্র আঁকিতেছেন। এই যে দৃশ্যমান স্থাবর- পরম্পরারূপ রাশি রাশি পত্র দেহচ্যুত করিতে বাধ্য হইয়া স্পন্দিত নিচ, যাহারা স্থিরভাবে নিরন্ত ধ্যানযোগে সেই সূক্ষ্ম কালগতি হইতেছে। এই যে দুরভিমানী কুলশালিগণ পৃথিবীর অভ্যন্তরে অনুভব করিয়া অবস্থিতি করিতেছে, যেন দেখিতেছে, ইহা নিজে বিধাতৃষ্ট অত্যুগ্র নরকপঙ্কে পতনশষ পরিত্যাগ করিয়া সংসারে তাে অন্য চঞ্চল তাহার উপর আবার কাহাকেও স্থির থাকিতে কিরৎকালের জন্য আনন্দ অনুভব করিতেছে। শশধরখণ্ড | সিেেছ না, নিজে ঘুরিতেছে, সকলকে ঘুরাইতেছে। ইহার গতি সংবােধক নীলনীরসমালাই যাহার শৈবল, সেই এই আকাশ-{ বুঝি শতভাগে বিভক্ত নিসেষের স্থায় সূক্ষ্ম, ইহার বলে যাই। এখন মাগস্থ স্বর্গরূপ সরোবরে ঐ যে সুররূপ সারসগণ ক্রীড়া করিতেছে, (চক্ষের নিকট) নাই, তাহারও অঙ্কুর দেখিতে পাইতেছি। এমন এই রে শাস্ত্রানুমােদিত যজ্ঞাদিকৰ্ম্মৰূপ পদ্মলতা নানাবিধ কর্মফল। কি নিজের দিকে চাহিয়াও স্থাবর ভাবিতেছে, আমাকেও রূপ অলিমালায় মন্দিনাঙ্গী, সুজাং বাসনাজালে জড়িত হইয়া । এই কালই তাে প্রকাশিত করিয়াছে”।২৬-০৬। স্থরের তাে গরে ইতস্তত ঈষৎ অঙ্গ দোলাইয়া বৃথা সৌগন্ধ ছড়াইতে এই অবস্থা,-এখন অম। অহারাও তাে দেখিতে পাইতেছে ছড়াইতে স্বীকান্তঃকরণে বিকশিত হইতেছে, অনজ্ঞানের কাছে আপনার দোষে রাগৱেষসংজ্ঞৰ অন্তৰ্দাহক দুঃখ পাইয়া প্রিয়বন্ধুর এ সসার যেন একটা ক্ষুদ্র জলাশয়, সৃষ্টি যেন একটা ক্ষুদ্রকায় নিরন্তর ধ্বংস বিকাশে স্ফুর্তিনাশক ভয়ে বিকল হইয়া, জরাগ্রস্ত শরী! সর্বদাই কৃতান্তবশগ ও দীনা, এই সৃষ্টিশী এই যে মৃত্যুবশীভূত এবং রোগাক্রান্ত হইয়া যার পর নাই জরজর হইয়া ভবপলে একবার আবর্তনে শরীর দর্শন করাইয়াই বুদ্ধ গৃত্বে রহিয়াছে। অসম মনুষ্যাদির কথা ছাড়িয়া দেও, এই যে কীট- স্যায় শঠতান্তকর্তৃক নিগৃহীত হইতেছে। এই যে দেখিচ্ছে, পঙ্গাদি ইহারাও এই ধরণীতলে আসিয়া পূর্বজন্মকুত আপন বিশালসৃষ্টির অঙ্গসমূখিত ফেনমালার, এই যে ইহার আপন দুষ্কৃতের ফল ভােগ করিয়া ঘুরিয়া বেড়াইতেছে, আর নির- বিচিত্রতা প্রতিদিন বিভিন্ন চন্দ্রলেখার ন্যায় সমুদিত হইতেছে। ভর নিয়ন্ত্রি কঠোর দণ্ডে দণ্ডিত হইতেছে। তাহার পর দেখ, এই যে দেখিতেছ, কালরূপ কুম্ভকার প্রাণিগণরূপ প্রভূত ক্ষণভঙ্গুর বিশাল ফণামণ্ডল বিপুলকায় সর্পের স্যায়, এই কাল আপনার বৃহৎ শরাব নিৰ্মাণ করিতেছেন, আর নিরন্তর তাহার চক্র পরিভ্রামিত শরীর এমন করিয়া অগ চক্ষে দৃশ্য করিয়া রাখে যে, তাহার করিতেছেন, এই যে বিবেচনা করিতেছ,সেই পরব্রহ্মের সাক্ষাতে অবস্থান স্থান পৃথিবীর (বিল) পর্যন্ত কাহারও নয়নপথে পতিত কত শত অনন্ত কল্পন। সমুৎপন্ন হইয়াছে। এ যুগপরিবর্তনরূপ হয় না, অথচ সে সুখে স্বচ্ছন্দেশকালের মধ্যেই এই স্থাবর- প্রণীও বহ্নিশিখায় নিবিড়কাননভূল্য কত অসংখ্য জগৎ না মাত্মক সমুদন্ধ বিশ্বব্রহ্মাকে গ্রাস করিয়া থাকে। সংসারে পুড়িয়া ছাই হইয়াছে। এই যে দেখিতেছ, এই সাংসারিক যাহা কিছু দেখিতেছ, সকলি কালবশে সমুৎপন্ন হইয়া থাকে। ..ৰা এইরূপে নিয়ন্তর সুখদুঃখময় দয়া বিপাসে ঈদৃশ তিয় দেখ,-এই যে পৃথিবীগাত্রে ছিদ্র করিয়া অবস্থানকারী বানি সবিকালে বিপরীত ভাবে বিলিতে হইতেছে,এই যে অজ্ঞাণীর দেখিচ্ছে, ইহাৱা সব কালেরই অধীন হইয়া এমন করিয়া ঘির- বুদ্ধি নিয়—সমাসক্ত হইয়া শৃখলার স্থায়ু প্রবাহাকারে বাসনা ভাবে ইয়া রুহিয়াছে। কালশেই ইহাদের অঙ্গে এমন পরম্পরায় আবদ্ধ থাকে, কলা বিচ্ছিন্ন হয় না। কত যুগ তাহার কেলিরসালির সঞ্চার হইতেছে। যাহার আশায় কতশত প্রাণ উপর দিয়া চলিয়া যায়, আর তাহার কাছে তাহাদের সেই পমি- ইহাদের শরীর আচ্ছন্ন করিয়া রহিয়াছে। ইহারাও কালের যন অপেই পরিজ্ঞাত রহিয়া যায়। সে বুদ্ধির উপর পাত অধীন হইয়া সে সমস্ত যন্ত্রণা জড়েন আয় সহ করিতেছে। শীত সম্প্রহারে বণভতৎপর হইলেও পলায়নপর শত্রুগণের + মধ্যে মধ্যে কালণে এর পূণমালায় সুশােভিত হইতেছে, কত নীল দানবগণকর্তৃক সম্পূজিত দেবরাজ ইন্দ্রের শরীরের সৌন্দর্য ফলই না প্রদান করিতেছে। ইহাদের দেখিলে বােধ হয়, ইহার গভীকে বহন কৰিলেছে। এই কাল মহাসর্পের মত পৰি যেন তপন্থী। পীর আয় ইহারা এ সংসারে বিরাজ করি- রহিতার ব্যায়, নিয়তির প্রবল বেগে ধুলিশ্রেণীর স্থায়, এই ভেজ। ৪৭-৫০। হে রাম। এইবে গর্ভপাতালাক সার পশরা তাহার মুখাভ্যন্তরে প্রবেশ করিতেছে। প্রকাণ্ড সংসার দেখিচ্ছে, ইহা কিছুই নহে, একটা সামান্য দে এলে বায়ুখের আয় ভয়ঙ্কর পার্থসমূহে নিয়ত ধ্বংস পদ্মফুলের স্যায় আপানােহ দুদিনেই কোথায় বিলীন হই নির্মাণ-প্রকৱণ-পূর্বগ ৪০ T যাইবে। যে-ইহা এক পনেয় আয়, কালবশেষ পরিহিতােমায় রে বিৰ্তে পড়িয়া সংসার (একবার সশিলের উপর ভাসিতেছে,(পুরাণকালোকেই এ সংসারের ডুবিতেছে, একবার উঠিতেছে) হাবুডুবু খাইতেছে। ৫১-৫৮। যিনি বলিয়া নির্দেশ করিয়ালে)। আমরা এই সব প্রাণি- এই অগাধ রসলী কালসমূঞ্জে এই ব্রহ্মাণ্ড বুদবুদের স্থায় অন- সমূহ, ভ্রমরমালার স্থায় তাহার অভ্যন্তরে থাকিরা আপনার উদ্দে বল্পত সমুখিত হইতেছে, আর মূহুৰ্তমধ্যে কোথায় বিলীন হইয়া ভুলিয়া কেবল ৩ গুণ করিয়া এক করিতেছি। আর ভাবিতেছি, বাইতেছে। এই তিন মিশিঙীভূত হিরণ্যগর্তগণ সারসপীর নাম আমাদের এ জীবনে আর কোন মােন নাই, উপর ভরণই বুবি নিমেষমা থাকিয়াই কোথায় উড়িয়া যাইতেছে। এই সৃষ্টি একবার সার, ভাই—এই ব্রহ্মাণ্ডকে কেবল আমাদের ভিক্ষার স্থান বলিয়াই জমিতেছে, আবার বিনষ্ট হইতেছে, অতএব মহামেষের স্থায়, দেখিতে পাইতেছি। দেখিতে পাইয়াছি এই—অনন্ত শক্তিশালিনী এই মহাকালের মে এভার জায়, এই ক্ষণপ্রকাশিনী । ভগবতী কালশক্তি অনন্ত কাল ধরিয়া শুধু আমাদের কি কাৰ্যই বিনাশিনী সৃষ্টি, আপনার ঈদৃশ শতফুরকায় সন্তপ্ত হইয়া প্রকাশ সশান করিয়া আসিতেন। আমরা তাহাতেই মুখী পাইতেছে। অন্যয়িনী হইলেও তাহার সে প্রকাশক্তি, সেই হইতেছি। অহহ! কি মােহময়ী শক্তি। হায়। বুৰিভেছি না যে, চিদানময়েরই অংশভূত। সমূত্ৰত এই কালরূপ ভালবৃক্ষ হইতে এই কালী আমাদেরও ভিক্ষা দিতেছেন আবার ঐ যে নিরন্তর বিহঙ্গের ন্যায়, প্রাণিগণ উড়িয়া যাইতেছে, আর সঙ্গে সঙ্গে এই প্রসারিতপাণি ভগবান কাল দণ্ডায়মান রহিয়াছে, তাহাকেও ব্ৰহ্মাণ্ডস্বরূপ ফলপঙিক্ত কাকতালীয়ায়ে অবিৰত ঘূরিতে ঘুরিতে ভিকা দিবার অধ্য আবার আমাদিগকেই ডিকাব্যরূপে গ্রহণ আপনা আপনি পড়িতেছে। ব্রহ্মাণ্ডের এরূপ ধ্বংসবিকাশে তুমি করিতেছেন। আমরা তাহা বুঝিতে পারিতেছি না। আমরা বিস্মিত হইও না। ইহা বড় আশ্চর্যের বিষয় নহে। দেখ,—এ দেখিতেছি আমরা কি ভিজাই না পাইতেছি, আমাদের সংসারে এমন কোন স্থান আছে, যেখানে কতিপয় বিষ্ণু, রুদ্র, ভি-দ্রব্য কি সুন্দর। ভিক্ষা করিয়া আমরা এই ত্রিভুবন ঈশ্বর ও সদাশিকামধেয় দেশনায়কগণ অবস্থিতি করেন, যাহাদের পাইছি। আনন্দে বিহ্বল হইয়া দেখিছে, আমাদের এ নিমিষােন্মেষ কামধ্যেই শত শত কন্স অতিবাহিত হইয়া যায়। ব্রিজগৎ কি মনােহর। ভিকালব্ধ এই সৃষ্টিকে আমরা সুন্দরী ঘাঁহাদের উন্মেষের (সৃষ্টিবিকাশক ক্রিয়াবিশেষের সহিত) কামিনী বলিয়া হৃদয়ে ধারণ করিতেছি। এই যে রজনী সুলভ বিরুচরণ করিয়াই যেন এই অসংখ্যষ্টি নিমেষের মধ্যেই বিনষ্ট নিবিড ঘন কৃষ্ণ অকার-রাশি, আহা। ইহাই এ সুন্দরীর হইতেছে। আরও দেখ, সেই সৃষ্টির পরমকারীভূত চৈতন্য- কেশপাশ, এই যে চন্দ্র, সূৰ্য, ইহাই ইহার চপল চক্ষু, আর ময়ের অভ্যরে ঈদৃশ সৃষ্টিনাশক কত রূদ্রই না বাস করেন, কিন্তু ইহার অন্তর্গত চৈত, আহা আহা কি চমৎকার। ঐ ৰহ্মলােকের অনন্তময়ের অপারলীলা, তাহারাও যাহার নিমেষত্রে জমিতে, ব্ৰহ্মা, বৈকুণ্ঠের ঐবৎসলান, বৈজয়ন্তধামের মহে, ইহারাই আবার নিমেষত্রেই বিলীন হইতেছে। দেখ রাম । ইহার আনন্দময় ঐশ্বৰ্যময় শরীরী চৈত। আর ইহার সর্বশক্তিসম্পন্ন দেশেও বিদ্যমান আছেন ভাবিয়া আনন্দে বাহকের আকার, তাহাও কি মহান। এই ধরা, এই পৰ্বতমণ্ডলী লি হইতে হয়, কিন্তু জীবে তাহা বুঝে না। হায় । কেমন ইহার বিশাল ও কমনীয় বন্ধু। ইহার ঐশ্বৰ্য্য ও মহত্ব বুঝিবার করিয়াই ৰা বুঝিবে, সাংসারিক ক্রিয়া যে অমন্ত আর সেই শূন্যময় নহে, ইহার অঙ্গে অঙ্গে সেই একমাত্র পরব্রহ্মের তত্ত্ব গভারে নির্বিকার অশরীরী হইলেও মায়াবশে অনন্ত সঙ্কময় বিরাট নিহিত রহিয়াছে। ঐ বিলম্বিত মেঘমালাই সুন্দরীর স্তনম, ব্রহ্মের শ্রীচরণপ্রসাদে কত শত বিস্ময়কর শক্তি না সমুৎপন্ন এ রমণী সেই চৈতন্যময়েরই বিক, তাই ইনি তাঁহার চিচ্ছলিবলে হইতেছে ? মায়মুখ জীব তাহা কেমন করিয়া বুঝিবে। হে আমাদিগকে মাতৃরূপে পালন কৰিছেন। ইহাকে এশিয়া রাম। এই বেগতিক নানাবিধ কল্পনা, যছা অক্ষীণ কনাৰণে আমরা সেই নিত্য-অচঞ্চল সূক্ষ অব্যক্ত চৈতন্যময়কে মুলাকাচ্ছে, সংগৃহীত রাশি ক্ষিরে চি' প্রকাশনা, বা অতন- ভালাকারে ও চপলাকারে দেখিতে পাইতেছি। আহ। ইহার বিসিত ভি আর কিই হে। এই যে সাংসারিক সম্প, কি সৌন্দর্য, ঐ নভােমণ্ডলে প্রস্ফুটিত জােতির্ময় তারকামালা এই যে বিপদ, এই বাল্য, এই বৌফল, এই জয়, এই ইহার দর্শনপঙিক্ত। ঐ সন্ধ্যার মধুয়ােজ্জল রক্তিমাভা ইহৱ অধর, এই জন্তাপ আর এই যে সুখজুখে সুন্ময়তা এ সমস্তই সেই এই যে চারিদিকে চুল পদ্মিনীগণ, ইহারাই ইহার বাহুলতা, আর তীব্র অনাকামের ঐময়ী বিভূতি। ৯-৬৭। ঐ যে মহেন্দ্রের সৌন্দনি বৈজয়তম, উহাই ইহার মুখ- এখন সমাপ্ত। মণ্ডল, এই সপ্তসমুদ্র ইহার গলদেশে দোদুল্যমাণ মূল সাত । ঐ যে নিগুমনােহর নীল আকাশমণ্ডল, উহাই ইহার উত্তরীয়, এ উত্তরীয়ে ইনি সর্বাঙ্গ ঢাকিয়া রাখিয়াছেন। এই যে নূপ, অষ্টম সর্গ। ইহাই এই বিশালশৰীয়া সৃত্তিকামিনীর মহালতি। আর এই বে চারিদিকে বন, ইহাই ইহার রােমানি। হায়। এই বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রান। এই সংরক্ষণ করে যে সুন্দরী আমরা মোহৰণে বুঝিতে পারিতেছি না, এমন সৌন্দর্য পৰ্ব্ববৎ অচলটল যি গীমূর্তি চৈতনয়ের পাদদেশ ময়ী হইয়াও ইনি আবার কালচক্র পড়ি এটা হইতেছে। এই বিদ্যাশ্রী লতিকা কি প্রকার ? এক কতদিন হইতে সৰ সৌন্দৰ্য হারাইয়া কালের অনগর্ভে বিলী হইতেছেন। কিসিত? আহার যথার্থ মনােহভিনিবে পূর্বক শ্রবণ কর। আবার জমিতেছেন, আবার নিয়েছেন। এইরূপে নতকাল এইপোথির , হে হে জীবনিৰ ধাৰণ কবি ধরিয়া কত বিলাসৰিমই না কত হইতেছে। হয় কাল। বিকালবর্তী এই লিক যে ষ্টিলতিকার সেহষ্টি এবং এই ‘ভাষার মহিমার পার নাই। তুমি ভয়ানক মহাসমুত্রের রায় সমস্ত সুবৃহৎ শ্রেণী বেলের পান আর এই ব্রহ্মাণ্ডই” co৮ যােগণিষ্ঠ-গ্রামায়ণ ইহা নাহার ত্বক (যাহা গিয়, তাহার সর্বাঙ্গ আবৃত) এই , ডিএই না যে দিতেছে। ঐ ছি এই দেখ, এ শত কত দুখ, জন্ম, স্থিতি জ্ঞান ও ইহারাই যাহার মূল ও, বাহ বাহ; তাই বলিয়াই কি নীরদ-উদাসীন? ঐ যে, সব প্রতিদিনই নতি হইভে। এই সুখ, দু:, খ, স্থিতি, আন ও ভুলিয়া কেন বিভােগ করিতেছে আর তাহার সে বিয়ে জ্ঞান ইহাৱাই যে ইহার মূল এবং ইহাৱাই যে ইহার ফল, হইয়া রহিয়াছে। জীব তাহার বসৰিহুল দেখিতেছে, তাহ হির। সেখ, মুখ হইতেই জুৰিাৱ উৎপত্তি, মনুষ্যের যত বিচারপূর্বক প্রকৃত বার যে বুবিয়াছে, সে কেবল ইকার এই মুখসম্পত্তি বাড়িতে থাকে ততই আবার তাহার হাতেই মিথৱসাল প্রত্যেক অকেই বুত দেখিতেছে। এগুপমন্ত্রী প্রবৃত্তি; সুরাং সে সেই সুখ পাইবার অজ্ঞান বুদ্ধি- লতিকার পুল কি, আহা তােমায় বুঝাইয়া বলিতেছি। হেরাম। কর কত কাৰ্যই না করে; আং সুখ লিলি ঐ যে আকাশে প্রতিদিন বিকসিত জােতির্ময় চক্রসহ গ্রহণ, মাত্রায় অবিদ্যা দান করিতে থাকে। আৰু হতাহা হইতেও উহারাই ইহায় শীলাকাশবিনষী বাতৰিলােল অনােহর পূজি। অবিদ্যা সমুৎপন্ন হইয়া থাকে। দেখ, সাধারণতঃ অনুষের বই আর ঐ যে আকাশের তারকারাশি, উহারাই ইহার প্রস্ফুরিকার দারিদ্র্যাদি দুঃখ উপস্থিত হয়, ততই তার খলিফা বতি কোরকাবণী। যাহাদের শােভা ঐ আকাশপিও পরিপূর্ণ হইয়া হইতে থাকে, সে সেই তৃষ্ণাৰণে একেবারে চিরদিনের জ মােহ রহিয়াছে। আর এই উজ্জল চত্ৰ ৰূর্যমুনের আলােকরাশি, সমাচ্ছন্ন হইয়া পড়ে, অতএব এই সৃষ্টিলতিকা এ সংসারে ইহারা ইহার ইতসঞ্চারী প্রপাগ। এলতি অর্থ দুঃখকেই অধিকমাত্রায় প্রসব করিয়া থাকে। এইরূপ ভব—উং সেই পূপগ্রন্থ- মাখিয়া সুশলীগেরাঞ্জ কামিলীব্র য় আয়ায়ে পত্তি—সৃষ্টি—মােহ, তাহা হইতেও অবিদ্যার উৎপত্তি হয়। তাই চিত্ত আকর্ষণ করিতেছে। হে রাম। মনােমাঙ্গ ইহাকে বলা এ মােহময়ী উৎপত্তিালিনী সৃষ্টিলতিকা তাহাকে এসব করি- কাশিত করিতেছে। এ লতার উপর আমাদিগের হলমগির তেছে। আর ভাব—স্থিতি—প্রকাশ ইহা হইতেই সমস্ত সংসা- সনিবহু কোকিল হইয়া অনবরত কলতানে সঙ্গীত করি- যে সবােধ হইয়া থাকে, এইরূপ সত্তবােথেই অজ্ঞান, অজ্ঞ- তেছে। চারিদিকেন্দ্রিয়গণ সর্পাকারে ইহাকে আচ্ছন্ন করিয়া নেই সংসার, তাই এই সৃষ্টিলতা ভাবরূপ ফলকে প্রসব করি- রহিয়াছে। কোথাও ইহার কঠোরতা উপলদ্ধি হয় না, ছে।-৫ অঞ্জনও ইহার অকুট ফল, কেন, ইহা অজ্ঞান- সর্বাঙ্গে তৃষ্ণাবলে মনস্নিগ্ধকর হইয়া রহিয়াছে। ১১-১৫। শেই বৃদ্ধি পাইয়া থাকে। আর জ্ঞানও ইহার ফল, যেহেতু জ্ঞান এই নীলাকাশই ইহার আলবৃক্ষ, এল ইহারই বিশাল শরীর জন্মিলে সৃষ্টিবিষয়ক পরিণামের ব্যথা উপলব্ধি করিতে পারিলে আশ্রয় করিয়া ইহারই মত বিশালকায়া হইয়াছে। এই দাবা- সৃষ্টির ধারাবাহিক সত্তা হৃদয়ঙ্গম হইয়া যায়, মুন্নৎ ভানুশ পৃথিবীই ইহার উত্তাকার অনুদ্বয়। এই ভুবনােজানে বুঝি এমন জ্ঞানে সৃষ্টির সম্ভাবােখ অপরিহার্য হইলে, এই জ্ঞানই ঘুরিয়া সুন্দর লতা আর নাই। এই যে পৃথিবীর সপ্ত সমূদ্র, হায়াই ফিরিয়া সেই অবিকেই গান করে, কাজেই এবংবিধ জ্ঞানও এই ইহার পাদদেশে আলবাল। পাতালপৰ্যতগামিনী এই লতা সৃষ্টিলতার সৌন্দৰ্যকর ফল। এ লতা নানাবিধ সৌন্দর্যে সমলা জলধির জলে ক্ষীরসমুদ্রের ক্ষীরে সিক্ত হইয়া কত শত মূলে কেন সিনী, মধুময়ী কানাই ইহার ইতস্ততঃ সঞ্চারী মধুর আমােক। জালসমাচ্ছন্নপাদদেশ হইয়া রহিয়াছে এই যে কাম কৰ্মকাণ্ড ইহার ও নিবিড় নবপজৰসমাহা হইয়া শােভা পাইতে। এৱৰ্তিদায়িনী বেদত্রয়ী, যাহাকে আশ্রয় করিয়া জীবগণ বাসনা এই যে শরীর সজল দিবসনি ইহারাই ইহার তুম, আর হারহিয়াছে। সেই বাসনাহত চঞ্চলচিত্ত মূগণই ইহার বিলােল এই অন্ধকারে কৃষ্ণকায় যামিনী, ইহাই সে কুল চঞ্চল - ভগ, আর তাদের একমাত্র বাসস্থান। উপভােগ্যা রমণ মালা। এ কোমলাহী সর্বদাই কঁপিতেছে আর এই ভূতনিবহ গণই হৱ বুমরাণি এবং সেই বাসনালােলন্তঃকরণণের যে শবের স্যায় তাহার অঙ্গহইছে খসিয়া পড়িতেছে। এ লতা আবার সে কাশিন, হাই ইন্মর কাছে মৃদু পবন, সবাই তুহায় সমীরণে বেগে ফিলিত হইয়া ঘুরিতে ঘুরিতে কখন তাহার আতে সচঞ্চল, আর বিলাসিগণের যে সার্বকালিক কোথাও বিবেরূপ করিণীর নিকট গিয়া পড়ে। সেখানে তাহার অবিক প্রবৃত্তি, তাহাই ইহার অঙ্গের অনন্ত সূক্ষ্ম কীট। হে বিচাররূপ ৩৩াগ্ৰস্পর্শে কলে কম্পিত হয়, আর সেই শুৰি। ইহা আশায় বড়ই বিচিত্রবেশখারিখ। দেখ, ইহা একদিকে মমূখিত প্রবল বায়ুভরে একেবারে হইয়াও আবার বি 'বুর্যাগরে পরিব্যাপ্ত, আবার আর একদিকে ঐ স্বর্গ রূপশ্রয়ৰুে সমাসক্ত হয়। এই যে নবরত জামান জীব- পুলমপে কি আশ্চর্য শােভাধারণ। ইহা ইহার প্রত্যেক নিব, ইহাই ইহার পব। এ সবেই ইহা সর্বদা বিভূতি। এ সৰেই ইহা সর্বদা বিভূষিত। অনে আবের নানাবিধ জীবনােপায়ে সৰ্ব্বত সমাচ্ছন্ন হইয়া আবার এই জায়মান জীবনিবহ হইতে পৰমধ্যোৎপন্ন কুমাণির রহিয়াছে। আর কত আমােদ, কত আনন্দই বা না প্রদান ব্যায়, সম্পন্ন জীবলিহে অতি হলে ঈষৎ হাময়ী। এই করিতেছ। যারা বিবেকী, দেখ,—তাহাদেৱ চাইয়া সে সকল ঋতুতে সফলস সমুহ সুষমনিৰহে আর দেখিতে থাক, দেখিতে পাইবে, ইহা বিবিধ শান্তিময় বৈচিত্রম হয় সমগ্ৰয়সে পরিদ্ভুত ইয়া রহিয়ই। ১০। পূকত শত মনােহর পুল দিমশুল বিকশিত করিতেছে। সর্বানে বালির মত যখন ইহার দেখে উৎসব জীবনি কত শত ফল ধারণ করিয়া রুহিয়া, কত শত সিগ্ধকর পূণ সমুৎপন্ন হইতে থাকে, তখন কোইতে ভীষণ নিরান পরাগ ছড়াইয়া সসারকে বিকাশে বিকশিত করিতেছে। ইসলােগণি, পুলসৌগন্ধসমাকলনায় আসিয়া লুই ১৬-২০। বেন করিয়াই দে চুক্ষেই দেখ,-দেখিতে নী। আচ্ছন কৰিষা ৰাখেন। *কি তাহাই ল গাইবে, ইহার কত আলৰাল চারিধারে কত বিষগলে, কত এই পলব না খসিয়া পড়িতে। কতজীব নন- এ পুকার পুলপাগে, আর কত দে, কত ভূলালেহ চুত বইতে তাহাতে অক্ষর হ র আ ' মুকিত। ইহার পরে পত্রে কত নৈপু, এই নিপুণভাই।
নবম সর্গ। নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। ইহার তত কোয়ক, তাহারা যেন উন্মুখ হইয়া রহিয়াছে। একমাত্ৰ জৰিল। জানি রাখ, সেই অবিদ্যা কি হইলেই ইহকত দিন কাননে পরিবেষ্টিত হইয়া দাঁড়াইয়া রহিয়াছে। এই সমস্ত জ্ঞান অন্তৰিত হয়, সেই নির্বিকার চিৰকাৰ গিন্নিটের উপর আয়ােহও করিয়া রহিয়াছে, কত শত অবস্থা প্রাপ্ত হইলেই অলাত হইয়া থাকে। ২৫-৩০ পাবে সমাচ্ছন্ন হইয়া রহিয়াছে। কি আশ্চর্য। ইহা কখন ইৰ শৰ্গ গয়া।। জন্মইতে আরম্ভ করে, কখন জন্মায়, কখন বিনাশের মুখে যাইতে থাকে, কখন বা একেবারে কিন হয়, কন ইহাকে অছিল, কখন বা সম্পূর্ণমি দেখিতে পাওয়া যায়। আবার জীবের এমন সময় উপস্থিত হয়, যখন ইহা তাহার চকে নিত্য বিনাশত বলিয়া প্রতীত হয়। আবার কখন ইহা লােকনােচনের রাম কহিলেন,এক্ষ। সৃষ্টির আকার যেরূপ তাহা তাে অতীত, কখন বা সম্মুখবর্তী হয়, কখন ইহা সত্য ৰম্ভ, আবার আপনি বলিলেন, কিন্তু তাহার মধ্যে ৩ সত্যস্বরূপ হরিহরাখি- কখন নিত্য অসত্যবন্ত হইয়া গড়ায়। কখন ইহাকে সর্বদা মূর্তিও যে অবিদ্যাবিসিত, ইহা শুনিয়া বড় জুম পড়িলাম, স্নিগ্ধপল্লবমালায় বিভূষিত দেখিতে পাওয়া যায়, আবার কখন অনুগ্রহ করিয়া আমার এম দূর করিয়া ফিন। বশিষ্ঠ কহিলে, ইহা একেবারে পরিমান হইয়া পড়ে। শুধু তাহাই নহে, ইহা হে আম। এ ভ্রম হইবারই কথা; কিন্তু আমি তােমার সে এম আবার মহাবিবলতা, ইহাকে যদি হঠাৎ না অনিয়া না শুনিয়া দূর করিতেছি তুমি শ্রবণ কর। রাম। হরিহরাণিকে কে না আলিঙ্গন করা যায়, তবে এ তৎক্ষণাৎ ভ্রান্তিকর, কল্পনাকর, সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ বলিয়া স্বীকার করিবে । কিন্তু মহাজনগণের শােহর, শেষে বিনাণকর হলাহল হার অঙ্গে ঢালিয়া দেয়। সকল স্কুল বাক্যেরইলভারে অস্থিত্ব নিহিত থাকেই দেখ,-এই তাে ভয়ঙ্কর, একেই যদি আবার বিবেচনাপূর্বক হরিহরালি সম্বন্ধেও তদ্রুপ অন্তর্নিহিত আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা আর স্পর্শ করা যায়, তবে ইহা একেবারে বিনাশ প্রাপ্ত হয়। তুমি মনােযােগপূর্বক আহা একর। এই যে সচ্চিদানন্দ ২১-২৫। অর্থাৎ যাহারা ইহাকে জানিয়া শুনিয়া বিবেচনা নিরবচ্ছিন্ন প্রচুরপরিমাণে মহানন্দের বিকাশ, এ সংসারে শুধু করিয়া অভিসন্তর্পণে ইহার অঙ্গস্পর্শ করে, এ মহাভয়ঙ্করী যাহাই সৰ্বময়, ইহার অমিশ্রিত বিমল সত্তা তখনইথাকে, যখন বিষলতা তাহাদের প্রশন্তু অন্তঃকরণে বিনষ্ট হয়, চিত্তপট হইতে ইহা জগদাকারে পরিণত বলিয়া এজেরে উপাধিত, অতএ একেবারে মুছিয়া যায়। আর সেই রভসালিঙ্গনকারী অবিবেচক শান্ত নির্বিকার অবস্থায় খাকিতে পার । তাহার পর যেমন দিগের অন্তঃকরণে একেবারে বদ্ধমূল হইয়া গঁড়াইয়া থাকে, আর প্রশান্ত সলিলরাশি হইতে বিধি বিচিত্র আবর্তলেখা সেই সলিল তাহাদের ক্ষুদ্র অন্তরকে অনন্ত পল্লবাদিতে একেবারে আচ্ছন্ন করিয়া রাশিৱই ৰিকাৰবিশেষরূন্তে বিভিন্ন বিল্কি আকারে সমুদিত হয়, ফেলে। অহা বিষলতাসমাচ্ছন্ন হইয়া হতবুদ্ধির স্যায় বিকৃত সেইরূপ আপনা আপনিই সেই অবিকৃত বিমল আনন্দময় অবস্থা মন্তিক হইয়া তাহার তুচ্ছ পতনশীল পত্রাবলি না খেয়া দেখিতে হইতেই অপর একটা সংসারেন্মেষক বিকৃত “বিকাশ” সমুখিত থাকে,-আহা। এখানে কি মিন্ধ, গল, জীবন, বারি, কেমন হইয়া থাকে। যাহার মহিমায় আমরা এই সংসারের সাবে ঔদার্থ খনি সমুন্নত সমুন্নত পৰ্বতমালা,কত রঙ্গ বশিষ্ঠ করিতে থাকি , অতএব যাহাই উপাধি আছে, যিনি কোন না মাজফুল, এখানে বিবিধ ঐশ্বর্যময় সুখী দেগণ। এন কোন নামে ৰা গুণে অপর হইতে পৃভূত, তিনিই, সেই সুজলা সুফলা শস্যমলা ধরিত্রী, ওখানে অপরিয়ালকান্তি বিকাশময় অবস্থাৰিশেষের উন্মেষ, তবে সেই মহাত্মা সর্বভূতেখ দেবগকিরের লীলাক্ষেত্র ত্রিদিব। আবার এইচ, এই কলাকুশল। সেই বিকৃতৰিকাশময়ী অবস্থা সুম, মুখ্য ও এই উজল মুক্তাহারের ন্যায় তারার মালা। এখানে নিরামলা ভেদে তিন প্রকার করিয়া কল্পনা করিয়াছে। দেখ,—এই নিভৃত নিস্তব্ধ অন্ধকার, এই কোলাহলময় অত্যুজ আলাে, মন হার মূল কনা, সংসারকনার আদি উপাদান প্রথম ওখানে নীল আকাশ, ঐ শালিনী উর্বরভূমি, এই অনন্তকাল কৃত্তি, আর হিরণ্যগর্ভ এবং মােহময় সুশিল অহাৰ দ্বিতীয় গবেষণার শাস্ত্র, এই অদ্বিতীয় সাক্ষাৎ আলম বেদ। দেখিতে, র, আর এই যে বিপুল সংসারের শরীর, ইহাই তাহার থাক, কোথাও উড্ডীন বিহগশ্রেণী, কোখাও ঐ সমুখিত দেব- প্রত্যক্ষ মূল পড়িয়া রহিয়াছে। আবার এই সুন্মাজি জিল কুল, কোথাও স্থাণুরূপে পরিণত, কোথাও বা মৃদু পবনরূপে ব্রিাম- প্রকার এবিষয়ে তেজ করিতে যাইয়া সু, বুজঃ ও তু এই দামিনী। নেশার এমনই মাের, মস্তক এমনই ৰিত যে, তাহাদের ভিন্ন একাৱে কল্পনা করা হইয়াছে। ইহাকেই প্রকৃতি কৰে। অন্তরে এ ত কখন যেন দুঃসহ সরকসংগীলা, আবার কখন ৫। সেই ত্রয়ী প্রকৃতিকেই অৰিা বুলিয়া নিও। স্বর্গের স্যায় বিলাসময়ী, কখন দেবতার আশা, কখন এত কৃমি- এই বিদ্যাই এই খণিমণ্ডলীর প্রবাহ, এই দূরবাহিণ কীটের মাথায় যেন একেবারে কুমিকায়। অতএব হে রাম! বিশালতার বিশাল অপর পাই সেই চৈতন্যরে পরমপদ। অজ্ঞানীর চক্ষে এ সংসারে এই হুষ্টি,শল্পি আর কিছুই নাই এ খুলে স, রজঃ ও ম নামে এিকার গুণের উড বিষ্ণু বল, ব্রহ্মা বল, ফল, সূর্য ৱি, ৰায়ু বল, চত্ৰ কৰিলাম, ইহাৱাও আবার প্রত্যেকে সন্তু, রজ ওমােনাষক বল, যম ফল, এই সমস্ত দেবগণ, গৱাই কোথাও না কোথাও তিন প্রকায়। এইরূপে এই অবিদ্যা ওভেনে বিরাজমান। অধিক আৰু তোমায় বিলব, ভূমি জানিয়া রাখ বে, নয় ভাত বিত। যাহা কিন্তু এই সময় নেয়া যাইতেছে এসংসারে যাহা কিছু মহিমাময় বলিয়া দেখিয়ে, যাহাকে বা তুচ্ছ বিদ্যালয় সংশকেই আয় করিয়া রহিয়াছে। তাহা অর্ণণের মত দেখিতে পাই, কি কি, তােমার চকব, মধ্যে হোম! এই সমস্ত বিগ, মুলিগ সিগণ, নাগ অর্থে যাহা কিছুরই সবােইছে, এ সময়ই তা সেই বিদ্যাখ্যা এবং দেবতাগণ ইহা সতেই সেই গুণত্রয়ী যােগবাণি-ৰামায়ণ অবিদ্যার সাৰিক ভাগ বলিয়া জানিও। এই সন্ধিক ভাগের রাম। বুনিয়া রাখ, এ সংসারে জ্ঞান বলিয়াও কোন বস্তু নাই, মুখে নাগগণ ও বিদ্যাখগণ তমােণ, মুনিগণ ও সিদ্ধগণ অঞ্জন বলিয়াও কিছু নাই, যাহা আছে, তাহাতেই মিশিয়া জোখ, আর হরিহরপ্রভৃতি দেবগন সত্ত্বগুণকে আশ্রয় করিয়া থাক। এই যে জ্ঞান নাই, অজ্ঞান নাই” বােথাত্মক পার্থক্য থাকেন। ১০। তবেই হরিহরলিদেবগণ সচ্চিদানন্দময়ের কল্পনা, ইহাও ঘড়ি দে।১২। কথায় বলে বলিয়া মৃন্ম কল্পনার অন্তর্গত হইলেন , সুত্রাং তাহারাও যে অবিদ্যার গেলাম , কিন্তু বিষয়টা বড় রু। “জ্ঞানের অতীত! অজ্ঞানের বিলাস, বােধ হয় তােমাকে আর ইহা বুঝাইতে হইবে না। তবে স্বপ্নেরও অগােচর।” অবে তাহা কি? তাহা যে কি, তাহা তাঁহারা আবিষ্যবিলসিত হইলেও মহান; কেননা, সত্বসমাশ্রয়ী কেমন করিয়া বলিব ? ভবে পাত্র বলে ঐ যেন কিঞ্চন” বলিয়া দেবযােনিগণের মধ্যে হরিহরাদি দেবগণ অবিদ্যাময়ী প্রকৃতির কিছু আছে, তাহা চৈতন্যরূপে, সংবিদ্রূপে অবস্থিতি করে। কিন্তু গুণত্রয়ে জড়িত থাকিলেও সেই গচ্চিদানন্দময়ের শুদ্ধ সত্বস্বরূপে ‘ন কিঞ্চনের তাহাও একটা অবস্থা,—কিঞ্চন বটে। তাই শাস্ত্রে নির্মল পদের একমাত্র অধিকারী। কেননা, তাহারা কল্পিত হই, সে অবস্থাকেও আভাস—উপাধিময় কিঞ্চন বলিয়া স্বীকার করিয়া- লেও কারে কল্পিত, তাই আঁহাথের চৈ প্রয়নির্বিকার । হেন, কিন্তু তাহাকে অবিদিত বলিয়াছেন। অবিদিত বলিয়া হে রাম। প্রতি সাত্বিক অংশ বড় সহজ নহে, উহাও কল্পিত বুঝাইয়াছেন যে, জীবের চৈতন্যময় কি সংবিস্ময় অবস্থার স্বীকা- বটে কিন্তু কাজত হইলেও যে, উহার যাথার্থ সম্যকরূপে অবগত রাত্মক অবস্থা কতদ্বিত্বভানা পরিবর্জনের ফল, আর সংসারের হইতে পারে, তাহাকে আর কখন ইহ সংসারে জন্মগ্রহণ করিতে কত বিষয়েই নকিঞ্চনত্ব বােধেই না তাহা ঘটিয়া থাকে, সুতরাং হয় না। সে মুক্ত বলিয়াই কথিত হইয়া থাকে , অতএব হে তাহা সেই শেষ “কিনের” বােধকরণে কত সমুজ্জ্বল আলােক। মতিমন! এই সব রুদ্রাদি দেবগণ সাক্ষাৎ সত্ত্বময় অংশ, সুতরাং তাই সে আভাস অত্যন্ত দুর্বোধ। শাস্ত্র বুঝিয়াছেন, তাই তাহাকে ইহারা মুক্ত পুরুষ, যতদিন এই জগতের অস্তিত্ব থাকিবে, ততদিন অবিদ্যা বলিয়াও “গ” বলিয়া অভিহিত করিয়াছেন। আর সেই ইর৷ এ সংসারে বিরাজ করিতে থাকিবেন। এই মহাত্মগণ “সং” যখন বিদিত হইবে—যখন তাহা প্রকৃত কি ?” বলিয়া যতদিন দেহ ধারণ করিয়া থাকিবেন, ততদিন জীবন্মুক্ত হইয়াই মৰ্ম্মগত হইবে, তখন তাহা কি ?” বলিয়া অনুসন্ধানাত্মক অবিদ্যা অবস্থিতি কবিন আবার যখন দেহ পরিত্যাগ করিবেন, অসমগবােধ ইহাতে একেবারেই (থাকিতে পারে না বলিয়াই ) এখনও অশরীরী হইয়া, সেই পরমেশ্বৰেই অবস্থান করিবে। থাকবে না। অই শাস্ত্র এরূপ অবস্থায় অবিদ্যার একেবারে বােধ ইরা অজ্ঞানের অংশ হইলেও এইরূপে ইহারা সেই জ্ঞানের থাকে না বলিয়া, তাহার এবিধ অভাবেও কোন অশান্তি যেমন বীজ ফলাকারে পরিণত হইতেছে, আবার উপস্থিত না হওয়ায়, জীবের সহিত তাহার কোন সম্পর্ক নাই সেই ফলই বীজ হইয়া ফলের কারণ হইতেছে। ইহারাও বলিয়াই, অবিদ্যার এই “অবিদ্যা”-ৰূপ নাম কল্পনাটাও মিথ্যা সেইরূপ জ্ঞানে ও অন ওতপ্রোতপ ক্লিাজ করিতেছেন। উদিত হয়, প্রকাশ করিয়াছেন। তাহা হইলে বুঝিতে পারা ভােমায় আরও বুঝাইয়া বলি,—যেমন সলিল হইতে বুদবুদের যাইতেছে যে, জ্ঞান না হইলে অজ্ঞান হইতে পারে না, উৎপত্তি, দ্রুপ জ্ঞান হইতেই অজ্ঞানের উদ্ভব। আবার জলে জ্ঞানের সম্মুখেও অজ্ঞান থাকিতে পারে না। যেমন সূৰ্য না যেমন বুদবুদ আপনা আপনি বিলীন হয়, অজ্ঞানও তদ্রপ জ্ঞানে হইলে ছায়া দাড়াইতে পারে না, কিন্তু সূৰ্য দেখিয়াই আবার মিশিয়া যায়। হরিরাদির দৈহও তাহাই , যখন সঁহাদের দেহ, তিরােহিত হয়। এই নিয়মে যখন ছায়াতপরূপী জনাজ্ঞানের তখন আনিতে, জলবুদবুদের, স্থায় তাঁহাদের শরীরের অপায় ভিতর অজ্ঞান অন্তর হইতে বিলীন হয়, তখন হয়, যেমন জলেই বুদবুদের বিলয়, তং ব্রহ্মেতেই তাদের বিলসিত এই বিকল্প বিনষ্ট হইয়া যায়। অতএব এইরূপে বিলয় হয়। দোহারা কলিত ও কৃতন্মরূপে বিকেল তিরােহিত হইলে, জ্ঞান অজ্ঞান উভয়ই তিরােহিত কতি, আর কত সাক্ষাৎ চৈতন্যময়, ঐ জলে ভাসন হইয়া তাহার পর যাহা থাকে, প্রতিশব্দ থাকিতে পারে লিলেহ বুদবুদমালা জলে কত আপনার অধিক আয় এ বলিয়া বাহা উপাধি হাই অবাপ্য এবং তাহাই তােমায় কি বলিব, ফল কথা এই যে, হমিহরাণি হই । হে রাম! তাহাকে জ্ঞান বলিয়া মনে করিও না, যেহেতু কুমকীট পর্যন্ত বহুপরলরা পরমেশ্বর হইতে স্বতন্ত্র বলিয়া জ্ঞানের জ্ঞান” এই নামটাও অবিদ্যাবিলসিত, সুতরাং সর্ব- প্রতীয়মান হইতেছে; ইহার কারণ শুধু বিলবনা। এই দিক প্রকার আবিষ্কার বিয়ে জ্ঞানও বিনয়প্রাপ্ত, অএব এমত অছাড়, দেখিতে পাইবে, শুধু সেই এক। এই যে “এই অবস্থায় আহা থাকে, তাহাকে কিছু বলিয়া বুঝাইতে পারা যায় না। জ্ঞান এই অজ্ঞান” বলিয়া পৃথক বােধ, ইহাও শুধু সেই আহা ‘নকিঞ্চিৎকছুই নহে। অথচ এই বিস্তৃত সংসারে যদি ঘিভাবনার ফল। দুটা বিভিন্ন যন্ত্র আবি বলিয়াই যেমন হল কিন্তু সেই “কিছু না” ব্যতীত আর কিছুই নাই, এমন কি যাহা আর জলতরঙ্গ পৃথক পৃথক নামে অভিহিত হইয়া থাকে, কিছু দেখিতে পাইছে, যাহা বা তােমাম জ্ঞানের অতীত, সমস্তই কিন্তু বাস্তবিক কি উহার স্ব? মনােনিবেশপুর্বক দেশ,- সেই একমাত্র কিছুতেই বিদ্যমান। ২১৫। কিন্তু এ "কিছু লেখিতে পাইবে, যেমন জল আর অঙ্গ প্রকৃতি একই বস্তু, না”কে বাদী বৌদিগের সুরে সুষ, কিছু না বলিয়া মনে আৎ নিবে, সংসারে লন বলিয়াও কিছু নাই, অজ্ঞান করিও না—এ “কি”, জিসমবায়রূপ কিছুত্বে সমবেত ও কোন বস্তু নাই। শুধু তাহাই আছে, যা জন বুঝাইতে হইতেছে বলিয়া ইহার একটা উপাধি দিতে হইতেছে। নি পরিহার করিয়া এক অপূর্ব অবস্থায় এক অপূর্ব অবস্থায় অবহিত তাহা সাক্ষাৎ সর্বশক্তিবিষয়টা ধারণার অতীত, একটা দৃষ্টান্ত আছে। এ রঘুবীর! যার প্রতিরূপ শৰ নাই, হিনাই দিয়া বুঝাইয়া বলি-মনে কর, এই যে ফলপূপশােভিত ক্ষে নই, অহা দিয়া তােমায় বুঝাইতে পারি, অতএব হে বিশাল বটবুক, ইহাকে কোথা হইতে? তাহার সেই কিন্তু নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। ভিন্ন আর কে অহার কারণ হইবে। কিন্তু ভাবিয়া দেখ, সে দশম সর্গ। বটবীটা কত সুম, তাহার সর্বাবয়ব র ভ করিয়া নিরী কর, কোথাও কি এই বিশারুক্ষের চিহ্নমাত্ৰও লক্ষিত হইবে? বলিষ্ঠ কহিলেন—ভাবিয়া চিষিয়া দেখিতে দেখিতে কিন্তু এই ফলপুষ্পশােভিত বিশালবৃক্ষের যাহা কিছু আছে, পাইবে, এই স্থায়অপমাত্মক জগৎ কিছুই নহে; সূক্সং হে সমস্তই সেই ক্ষুদ্ৰাদপি ক্ষুদ্রতম বীজটার অভ্যন্তরে নিহিত। রাম। ভূপে পরিণত এই যাহা কিছু দেখিতেছ, সে সব নহিলে তাহার উত্তৰ অসম্ভব, তবেই দেখ,-টীজে বন্ধু নহে বলিয়াই আনিও। অএব হে রাম। যে সংসারে করণের সর্বশক্তি থাকিলেও বীজাবস্থায় তাহা এমন অই অস্তিত্ব নাস্তিত্বের বিষয় কোন কল্পনাই নাই, তবে সেই এই যে যেন তাহাতে কিছুই নাই। যাহা নাই, তাহা “কিছু না জীবাদির জন্য বৃথা কেন বাসনায় মজিয়া যাইতেচ্ছ। যাহার ভিন্ন আর কি? কিন্তু এ নাস্তিয়ে অভ্যস্তুরে_যেন অস্তিত্নে সহিত বাহা ভাবিয়া সম্বন্ধ পাইতেছি, তাহাই যখন কিছুই নহে, পরিনি হইয়া থাকে, তদ্রপ এই “কিছলাতে সর্বশক্তিস- অখন এই সেই আমাদের সম্বন্ধ, যাহাকে আমাদের হৃদয়ের ভিতরে বায়রূপ কিছু সমবেত। নহিলে অভাসেও সংসার কোথায় ? অন্তরে কিছু না কিছুর জ্ঞানময়বৃত্তি বলিয়া মনে করিতেছি, তাহা দেখ,আমার এ “কিছুনাও” শষ্ট, আকাশ অপেক্ষাও তত ভ্রম। ভ্রমে পড়িয়াই নামজ্ঞানে জ্ঞানারােপ করিয়া, যে বৃত্তি কিন্তু শূন্য, কিন্তু অপরে সচরাচর যাহাকে শূন্য বলে, ইহা তাহাও হৃদয়ে পােষণ করিতেছি, মনে করিতেছি, তাহাই জ্ঞান, নহে। ইহা শূন্য হইলেও চিদাত্মক সাক্ষাৎ সর্বশক্তি দেখিতে যাইতে দেখিতে পাইতেছি, তাহা জ্ঞান নহে, তাই না বলিয়াই চৈতন্যময়, চেজ লি জড়ের শক্তি কোথায় ?) এ শূন্যে করিয়াই ৰা পাইব ? দেখ, একগাছি বন্ধুকে যদি আমরা সর্প আমরা সেই প্রকৃতজ্ঞানকে অনুসন্ধানেও পাইতেছি না। কেমন চৈত্য সূৰ্য্যকান্তমণিতে অগ্নির ন্যায়, দুগ্ধে যুতের ন্যায়, অক্ষুট-মনালােকিতঝপে (যেন নাই) নিত্যসম্বদ্ধ। ইহাতে বলিয়া মনে করি, আর তাহাকে কি সর্প, কেমন সর্প, ইত্যাকারে সিদ্ধান্ত হইল যে, আমার সে শূন্যে সমস্ত সংসারই অন্তর্নিহিত। অনুসন্ধান করিতে থাকি, তাহা হইলে কি সেই জুতে প্রকৃতসর্গ দেশকালের গতি অনুসারে এই সকল সংসার তাহাদের অদৃষ্টবশে দেখিতে পাই ? কেমন করিয়াই বা পাইব ? আমাদের অজ্ঞানময় সেই নিত্যবিজ্ঞানময় চৈতন্যপ্রস্ফুৰিত বিকম্পিত—চঞ্চল-অম্ব- আত্মাই তাে ভ্রান্ত, আর যে অ আনময়, তিনি তাে সকল ভাবস্থ হইলে, যেমন দেখিচ্ছে, এইরূপে বহির্গত হইয়া পড়ে। জ্ঞানের শেষসীমান্ত গিয়া থাকেন, তঁাহার নিকট ভ্ৰমজান থাকিবে যেন অনল হইতে ফুলিঙ্গচয় এবং দিবাকর হইতে কররাশি কেন? কেননা, আত্মা যখন জীবদিরূপ মলে সমাচ্ছন্ন থাকেন, বিক্ষিপ্ত হইয়া থাকে। অতএব হে রাম। এই যাহা কিছু দেখি তখনকার যে চিত্ত-তৎকালিক যে জ্ঞানমন্ত অবস্থাবিশেষ, সেই ছে, সে সমস্তই সেই শূন্যেরই, অন্তোধি যেমন তাহার অঙ্গ- এইরূপে এইরূপ জীবাণিজমবিরহিত, মুজ্জং একেবারে উপাধি- চিত্তই তাে অবিদ্যা নামে অহিত হইয়া থাকে। আর যে চিত্ত নিচয়ে সমুজুলমণি, যেমন তাহার দীপ্তিরাশির, তদ্রুপ সেই শূন্য তাহাই আত্ম। সেখানেই এমের মৃত্যু, ভ্রমেই না রজুতে এই অনন্তের সেই জ্ঞানময়ের বলিয়া জ্ঞানময়, সেই জ্যোতির্ময়ের বলিয়া জ্যোতির্ময় , এই অনন্তের নিত্য-সমবেত আধার। সর্পভ্রম ৪১-৫| সেই জীববিজ্ঞানে ভাণ্ডচিত্তই তো এই সংসার । ব্ৰহ্মাণ্ডের এই বস্তুনিষুহের অন্তরে বাহিরে সেই সময় সদস্তু সেই চিত্ত বিনষ্ট হইলে, ইহাও বিনষ্ট হইবে। আর যতদিন সেই বিদ্যমান। যেমন এই মহাকাশ ঘটের অভ্যন্তরে থাকিয়া টাকা আশুচিন্ত্রের সত্তা থাকিবে, ততদিন এইফাত্মাও হতেই জড়ি রূপে পরিণত হইয়াও বহুতঃ সেই মহাকাশ বলিয়া সুর্বদাই থাকিবে। অটের অস্তিত্বের সহিত ঘটাকাশের সা একেবারে অবিনশ্বরস্বভাব, ড্রপ এই ব্ৰহ্মাণ্ডপে পরিণত ব্ৰহ্মাণ্ডও সেই অপরিহার্য। অবিয়া দেখিলে দেখিতে পাইবে, আত্ম নির্বিকার, একমাত্র তিনি বলিয়াই নিত্য। আর জানিয়া রাখিও, যেমন এই ভ্রান্তচিন্তই তাহাকে বিকৃত দেখে। দেখ, ফন কোন শিশু অনস্থিত অচঞ্চল নিষ্ক্রিয় অস্কান্তমণি লৌহাকর্ষণের কম, অবােধ অঞ্জনি স্থান হইতে নস্তরে খাইতে থাকে, মনে তনুং এই ব্রহ্মাণ্ডে সেই নিস্থির নিক্রিয়ের কর্তৃতা বুলি করে তাহার গমসের সঙ্গে যুকলেই যেন গতিশীল , আর যখন সে ভাসিত ও অধিব। আর মনে রাখিও, যেমন অস্কান্তমণির কোথও স্থিরভাবে অবস্থিতি করে, তখন মনে করে সবই বুঝি সমিধিমাত্রেই জড় লৌহপিণ্ড, আপনা-আপনি চেতনের স্যায় এমনই স্থির। কিন্তু সে বালক—অজ্ঞ বলি বুঝিতে পারে না স্পন্দিত হয়, সেইরূপ এই অচৈতন্যশরীর দেহ, তঁাহাৱই সভাৰলে যে, সে কিসে কি কিরূপ দিতেছে। বুঝিতে পারে না যে, তাহার সচেতন হয়, নহিলে তাে ইহা জড়। হে রাম। এখন বুঝিতে চিও যাহাকে সে অনময়বৃত্তি বলিয়া ভাবিতেছে; আহার পারিলে কি? এই বে অগং স্বচ্ছসনি চঞ্চল উর্মিমালার গায় তাহা বাসন্মকার জালে এমন জড়িয়া আছে যে, তাহা নির্মিত বিচিত্ররূপ, এই জগৎ-অম্ব অল্প সম্ববাসনজালে জড়িত ৰলিয়া ওভালে আপনা আপনি জড়িত লােকশোচনের অগোচর কেমন করিয়া সেই চিদাত্মক জগতের বীতে নিত্যই সমবেত হইয়া গুটিপােকার ন্যায় আপনিই আপনাকে দেখিতে পায় না। এই রহিয়াছে। আর বুঝিতে পারিলে কি? যিনি শূন্যমূর্তি আকাশ বলিয়া বশিষ্ঠদেৰ নীয় হইলে, রামচন্দ্ৰ কহিলেন,-ভগবন। বুঝি হইতেও মূর্তি, ভাই থাকিতে পারে না বলিয়াই যাহাতে কিছুই নাম এ সবই অজ্ঞান, বুঝিলাম এই লােকলােচনগােচরে স্থাবর- নাই। সেই গলেকীই বা কেমন? ২১-৩২। আত্মক ২ কেবল অঞ্জন নাভাবে বিতা কিছুইনহে। কিন্তু প্রভাে! বুঝিতে পারিলাম না যে, সেই অঞ্জন- নবম সর্গসমাপ্ত। ১ পরাকাষ্ঠাগত ভাবমাত্ৰগ্য জ্ঞানাভৰ ক্রিসমৰস্থিত হইয়া, শাখার ঠাশী হইয়া বং যখন আধৰ্মী আদি ও পরিগ্রহ করে, মন তাহার সে অবস্থা কী?বশিষ্ঠ কহিলেন- T যােগণিত-মায় তাহার অবস্থা তখন তাসীন। তাহার চিত্ত তখন মনন পত্তি। তদ্রুপ হে আসােম এই সমগ্ৰ স্থাবরালির অন্তরে অন্তরে সাহিত্যধৰ্ম্ম-পরিক্ত হইয়াও প্ৰকৃত মননহিত। এইরূপ বিমূঢ় আপন আপন বাসনা সংলীন। তাই তাহাদের সেই আপাত অবস্থায় থাকিয়াই জীবাদি চিত্ত স্থাবরাগিতে সমাসক্ত থাকে। অনুভূত জ্ঞান জ্ঞানবিবতি এড়াবস্থা তাহাদিগকে এ সংসারে ৬১। এই অবস্থা(সচরাচর থাকা আমাদের অবস্থা) শততবাৰ গ্ৰহণ কৰাইয়া থাকে। এ আমি অখিও হে বেবিলাৎ । বিবেচনা করি তাহাতেই মুক্তি দূরন্থিত, যে যে, সুপ্ত অবস্থা মাত্রই মুক্তি নহে; বরং যে সুষুপ্তির অভ্যন্তরে হেতু এই অবস্থায় চিত্ত উদাসীন বলিয়া জ্ঞানধর্মী ক্ৰমবিকাশিত বাসনাৰু, বীজ নিহিত, তাহা একেবারে সিদ্ধির বিরােধী, আর অন্তক পরম্পরাবিরহিত, সুতরাং জড়ই দুঃখদায়ী। অধিক হাতে বাসনা ভৰিীজের জায় উৎপাদিকা-শক্তিবিন্নহিত, কি, সে অবস্থায় চিত্ত মুকে, ফের চায়, অড়ের স্যায় সত্তা তাহাই সিজিদ বলিয়া কণিত হইয়া থাকে। ১৬২। অধিক মাত্রেই পৰ্যবসিত থাকে। সুতরাং বহু অনুসন্ধানের ফল মুক্তি কি, বাসনা, বহ্নি, খ, ব্যাধি, লেহ শুক্র আর বিল, ইহাসে যে তাহার কতদূরে রাম কহিলেন,—তাহাকেন? হে বোৰিদাং বর। অবশিষ্ট সে অতি আর হইলেও অনন্তু তদায়ক হয় যে অবস্থায় চিত্ত আবাদিসেভাত্রেই সমবস্থিত, আমি বিবে- আর জ্ঞানাগিতে বাসনাবীজ একেবারে নিশ্মি হইতে যে অবস্থা চনা করি, সে অবস্থায় মুক্তি দূবস্থিত হইবে কেন? জানান হয়, সে অবস্থায় যে সত্তসামান্যরূপে রূপৰা হইতে পারে, সে বিবর্জিত সমাত্ৰে পৰ্য্যবসিত ভটস্থ অবস্থাতেই তাে মুক্তি। শরীরীই থাকুক না নেহই হউক, তাহাকে আর কখন দুঃখভা বশিষ্ঠ বলিলেন,-বলিতে পায়, জ্ঞানাঞ্জনবিবর্জিত সামাত্রে হইতে হইবে না। এখন জিজ্ঞাসা করিতে পায়, স্থাবলি - পর্যবসিত, তটস্থ অবস্থাতেই বা অবস্থাই যে মুক্তি, তাহাও ঠিক। নিচয়ের চৈত কিরূপ, আর আমাদের মত তাহাদের অজ্ঞানময় কিন্তু সেই সত্ৰসামাবােথাত্মক যে মােক্ষ, তাহা যদি এই বস্তু চৈতসমুখি বাসনাই বা কেমন? যাহার বিলাকে পড়িয়া পরম্পরায় যথাযথ ৰােখপূর্বক বিচার করিয়া প্রকৃত-দর্শন-সমুদ্ভব আমাদের মত, তাহাদেরও এ সংসারে বারংবার অমগ্রহণ করিতে হয়, তবেই তাই প্রকৃত মােক্ষ, আর তাহাই অনন্তকপৰ্যবসান হয়। ইহার ত তােমায় বুঝাইয়া বলি, তুমি শ্রবণ কর। বিরহিত। নহিলে অননুসন্ধিত তাই অপরিমার্জিত জ্ঞানজ্ঞান সবাই দেখিতে পাইয়া থাক, এই বৃক্ষলতাদি আর বস্তু ক্রম- বিরহিত, তটস্থ অবস্থা সামাতে পর্যবসিত হইলেও ভ্রান্ত। দেখ, বিকশিত হইয়া অবস্থা হইতে অবস্থান্তর প্রাপ্ত হয়। ইহার কারণ প্রকৃতরূপে আনিয়া শুনিয়া বাসনার যে পরিহার, তাহাই প্রকৃত অনুসন্ধান করিতে যাইলে দেখিতে পাই, ইহাদের অভ্যন্তরে এমন পরিহায়, আর সেই পরিহারবশতঃই চিত্তে যে সৱা সামান্তরূপ- একটা নকৰ্ষিণ শক্তি আছে, যাহার বলে ইহারা সাক্ষাৎ বা, জ্ঞানীরা তাহাকেই কৈবল্যপ বলিয়া জানেন। আর রসধর্মী রসময়, তবেই বুঝিতে পারিলাম, ইহারা সেই স্বধৰ্ম্ম রসের তাঁহারা জানেন যে, এইরূপে যে চিত্রে সামান্থনিষ্ঠ, তাহাই প্রভাবেই এক অবস্থা হইতে অবস্থান্তয়ে ৰাইয়া থাকে। আমাদের সেই পরমব্রহ্ম। কিন্তু বহু অনুসন্ধানের ফল চিত্তের সে অবস্থা এই অজ্ঞানময়ী চিচ্ছক্তি ইহা অপেক্ষা আর কি করিয়া থাকে। অনুসন্ধারী মহাদিগের সহিত বিচার করিলে, শানিচয় বাসনা প্রসব করে, আমরা এক অবস্থা হইতে অন্য অবস্থা পাইয়া আলােচনা করিলে, আর চিন্তা ছাড়িয়া কেবল অধ্যাত্মচিন্তা খাকি। ইহাদেরও তো সেই এক বস তাহাই ফরিল , সুতরাং করিতে পারিলেই এটিয়া থাকে। ১১-১৫। আর তোমার দেখিতে পাইলাম, এই স্থাবরালি বাপরম্পরার অভ্যন্তরে সেই স্থাবরদিনিমগ্ন এনবিৰ্জিত সমাৱে পৰ্য্যবসিত- বাসুনাররূপিণ জলময়ী চৈতন্যশক্তি সর্বদা রসরূপেই অবস্থান তটস্থ অবস্থা শুধু অন্তরে সুখ-ভ্ৰমাবদ্ধ বসিয়া আহার, বোখময় করিতেছে। সূত্মাৎ এই পরম্পরার আপন আপন বই বুিিক্রয়া সে অবস্থা মন্দ হইলেও আবদ্ধ বলিয়া গতি আপন আপন চিচ্ছক্তি। তাই উপাধিল্লাহিত, উপাখি- হইলেও হাদিয় হইয়াই অবস্থিত। সুতরাং আহাতে বীজের রাহিত্যই কিঞ্চিত্ব, তাহাই সার। এতএব খবই উপাখিময় অভ্যন্তরে অনুরের স্থায় বার্সা মৰ্ম্মগত হইয়াই থাকে। কাজেই তাহাই এয়, অহাই অজ্ঞানী, আর তাহাই সেই অজ্ঞানময়ী সে সুষুপ্ত জনজ্ঞানৰিবৰ্জিত হই, সত্ৰৰূপত্ব মুক্তির চিকি, যাহা এভাবেই বর বত্ব। কাজেই সংসারে কারণ না হইয়া বরং জন্মপদ হয়। যত বাসনা, ততই না ঐন্তির যাহা কিছুই সন্তা, যাহা কিছুরই ধবা, সকলেরই অভ্যন্তরে বিকাশ। অধিক কি, এই যে, “বৃক্ষলদি স্থাবর জড়পদার্থ, সেই বাসনাননী চিকিপিরাজিত মুহিয়াছেন। এই প্রকায়ে ভাহাদেরও এই যে সুপ্তি । যাহা দেখিয়া আমি মেশিনে সংসারের মতেই তাহার অভাব লক্ষিত হইবে না। তাহাদের চেতনা চিন্তন অন্তঃসংশান নই বলিয়াই মনে দেখসেই চিচ্ছক্তি এই উল্লাসধর্মী বীজের ক্রমবিকাশময় বন্ধুরে করি, আৰু তাহাদের চারিদিক ৰাহিক অবস্থা দেখিয়া মনে করি, উল্লাসরূপে, আড়তামী অড়ে জাভ্যরূপে, অব্যে বলে, ইহাদের বাসা একেবারে মিলি; ইতর মুক্তির অবস্থার কঠিনে কাঠিরূপে অবস্থিত। আর আহা শুধু ধর্মমন্ত্রী খলি সহিত সমাৰ, তাহাদের এ অবস্থাকেও নত দুঃখময় জন্মথ রূপিণী হইলেও কাষ্ঠলােঠলিধ্বংসী ৰে ধ্বংসৰুপে, যা জানিও। জানি যে, এই অড়বর্মা 'ধরগণ তাহাদের নালিশী অলিনে মালিৰূপে, ভীরুতাধর্মী সিরায় গৰিক অযু অবস্থা পাইও একবার নহে শজার জন্মিবার তারুপে বিরাজ করিয়া থাকে। ২১-২৫। এইলে ডিক্তি । কেননা, দেশ যেমন বলে অভ্যন্তরে পূদি সা এটপদাদি সমস্ত পর্যন্তরে সনাক্ষপে অবন কে, গহিনে বীজসমুত বিকালে পশফলণ করিয়া অবস্থান করিয়া থাকেন। এই প্রকারে অনন্তরূপ লি। এখৰ কৰিতে পারিত না, তাহার বাসনই পুলকন্তু, তাই এই চিচ্ছক্তি, এই নয়াগােয় যাবতীয় বস্তুর নয়নগেচয়ত্ব গ আবার বাবার । আর যেমন এই স্মৃতিরাশির প. (খ) সম্পূর্ণরূপে অধিকার করিয়া দ্রুপ অবস্থিত, যেমন মাতে পরমাণুতে টস আছে বলিয়াই রূপান্তরে ঘটেরউং এই আবুট-কালস্বরূপ শমীর বর্ষা ঋতু আপন ধর্ষ মেষ নির্মাণ-এয়ণ-পূর্ব ; আপনি আচ্ছন্ন হইয়া এই লােকচেনের বিষয়ীভূত হয় নে , বলিয়া আলিও। আলিমেৰিষ্যা জাতিৰ জলিল বিৰে- লােকে দেখে, আয়! কেমন এই ব্যাখতুকাশনার্স ৰিত চিত হইলেও আসলে উহা অত বলিয়াই এভীত হইয়া থাকে। রহিয়াছে। বর্ষা যদি বর্ষ বেলায় বিজড়িত ন হইত, बामदाबानबाबन कविता বিচনাপূর্বক দেখি, কে তাহাকে দেখিতে পাই। তাই না, রূপেই তত তাহার এত ব্যাপার কিই দেখিতে পারি না; কি না দল নেই । সন্তাণে। তাই না কাশও সেখিতে ভাল করিয়া দেখিতে দেখিতে পাই যে, সে কি সেইমত যদি পাই? চৈতী বলিয়াদেখিতে পাই। বেনাৰ। এই তাে ভাল করিয়া দে, তবে বিদ্যা যে বিরূপ, তাহাও শহরে ইহার অরূপ বযৰ বিতারপক তােমায় বলিলাম। এখন উপলব্ধি করিতে পারি। যখন আমরা বিচার করিয়া দেখি যে, এই তুমিও বুঝিয়া রাখ যে, এই চিচ্ছক্তি সর্বময়ী, এই বিশাল রক্তমাংলষয় দেহরূপ কৃত্রিমন্ত্রে আমি কে? খনই তেমন ব্রহ্মাণ্ডের যাহা কিছু সমকাই শালী, অথচ এস, সর্বক অবিদ্যা এককালে বিলীন হইয়া যায়। এই বিলীনতারই নাম সংসারে যে সেই এক ভিন্ন আয় কিছুই নাই। তবেই আনিয়া অবিদ্যায়। বিচারহুশলচিত্তে যখন এই সার আদন্তে রূপ রাখিও যে এ সময় চিক্তি বাস্তবিক বলিয়া প্রতীয়মান বলিয়া পরিত্যক্ত হয়, তখন সেই যে ফিলীনতা, মহাআন্না কাহাকেই হইলেও প্রকৃত অবিক, সংসারই বে কলিত? অতএব এই অধিকার বলিয়া আনেন। ৩০—৪০। শুধু হাই নয়, সেই যে আকৃষ্টি যাহাকে চিচ্ছক্তি বলিয়া আসিলাম, ইহা যথাক্রপে যে অবিদ্যালয়, সেই যে বিণীনতা, তাহা কিছুই নহে অথচ কিনুই, অনুসন্ধিত না হইলেই এই বিশাল সংসাররূপ ভ্রম প্রদান তাহাই সৎ, অহাই এখ, তাহাই নিত্য, বদি সংসারে কোন বস্তু করিয়া থাকে। আবার ইহাই যদি একরূপে পরিত হয়, থাকে, যে তাহাই একমাত্র উপাদেয় বস্তু। সে যে কি? তবে এ সংসারের যত কিছু ক্লেশ সবই তাে বিলীন হইয়া যায়। কেমন করিয়া তােমায় বুঝাইব? তাহার তাে রূপ নাই,সে যে কেন না, ইহারই যে অদর্শন অসমগবােখ, তাহাকেই তাে স্বৰক প্রতিরূপবিতি, সে যে কেন। আহাকে ধু পণ্ডিত্রে বিদ্যা বলিয়াছেন, অবিঙ্গাবলেই এই সমস্ত কৰি অহার নাম শুনিয়াই আনিতে হয়। যে রসনাই আস্বারে এ বলিয়াই সেই অবিদ্যাই তাে জগতের হেতু।২৬-৩০। আস্বাদগ্রহণে সমর্থ, সে আস্বাদ কেমন? তাই তাে আর কাহারও আর অবিদ্যা যখন রূপ হইয়া পরিলক্ষিত হইতে থাকে, সাহায্যে প্রতীয়মান হইতে পারেনা। মুৎ হে রাম। আনিয়া এই যে অবিদ্যার আকার সংসার, ইহা ভ্ৰমতি আর কিছুই রাখিও এ সংসারের কোথাও কোন স্থানে অবিধা নাই, অহা নহে বলিয়া যখন বিবেচিত হইতে থাকে, তখন সেই জ্ঞানের কিছু এই দেখিতে পাইচ্ছে, এ সমস্যই সেই একমাত্র খণ্ডিত সঙ্গে সঙ্গেই সূৰ্য্যকরস্পর্শে হিমকণার ন্যায় অবিদ্যা বিনষ্ট হইয়া এভিন্ন আর কিছুই নহে। যিনি এই সদসংকলনাষিভূতি অন্য হইতে থাকে। অঙ্গে অঙ্গে বিগতনিদ্র মনুষ্য যখন বােধ- বিশাল সংসারকে বিমণ্ডিত করিয়া রাখিয়াছেন। আর একটা বশে অল্পে গল্পে স্বচিত্তবৃত্তির উপলব্ধি করিতে থাকে, তখন কথা বলিয়া রাখি। এরূপ সিদ্ধান্ত কাচ করিলা যে, এই পর্য তাহার নিদ্রা যেমন ক্রমে ক্রমে বিলীন হয়, লং যখন এই শুই অবিদ্যার অধিকার, আর তাহার পর ইহাই ব্ৰহ্ম। সিজান্ত সংসার কেমন আৰম্ভ বলিয়া নিশ্চিত হতে থাকে, তখন করিবে, এই বিদ্যার অ আ ইহাই ৰহ্ম। কথাটা কিছু অবিদ্যাও সেইরূপ আলােকভাবে অন্ধকারের ন্যায় ক্রমে ক্ষীণ অস্পষ্ট হইল, বুঝাইয়া বলি “এই পর্যন্ত বিদ্যার অধিকার হইতে থাকে। দেখ,-আলােক না হইলে অন্ধকারে পতিত কখন তাহার পর যাহা তাহাই ব্ৰহ্মৰ এই টপটকটালি আলোক হইতে অন্ধকারের স্বরূপ দেখিতে পায় না, তাই অবিল্যান্স বে বিকাশ,তাহা স্বতন্ত্র, ইহাৱা সেই বিভু নহে, তাহা অন্ধকারের রূপ দেখিবার অন্য কেহ যেমন আয়েকতে হইলেই এই পার্থক্যজ্ঞানে আবার সেই অকিাই সতি অন্ধকারের সম্মুখীন হইতে থাকে, আর অন্ধকারকে সরিয়া হইল। আর যদি এই ঘটপটটালির বিকাশমালাকে সেই যাইতে দেখিতে পায়, তদ্রুপ জ্ঞানােয় হইতে থাকিলে এথিৱ বিহু বলিয়াই দে, ইহারা স্বজ্ঞ নহে। ৰহ্মই অবিদ্যালয় উত্তাপে কাঠিন্যভূত ধৃতের ন্যায় এই সমস্ত মােহাকার রুমে ' হইয়া, এই সাররূপে পরিণত হবেই দেখিতে পাইবে এই অৰি- ক্রমে গলিয়া গিন্ন থাকে। ভাবিও না যে, অন্ধকারের রায় কার ক্ষমই সেই সৰস্বরূপ চিময় ব্রহ্ম। অহা হইলেই গত রূপ আছে, যে রূপের কথা বললাম, তাহা রূপ নহে, (এই সিদ্ধান্তে আসিলেই) সেই অবিদ্যা অপহৃত হইতেছে পৃথগবােধ মাত্র। অতএব জানিয়া রাখি আলােক আনীয়মান লিয়া হয়ম করিতে পারিবেন ৪১-৪৫। হইতে থাকিলে, অন্ধকারে কোন নিশ্চিত কল পরিলক্ষিত হন, শম সর্গ সমাপ্ত ১০ যাহা হয়, তাহা রূপ নহে, আগেকভাবে আহা দেখি, অন্য কেবল আকারের বিনাশ বিল পায় মাত্র। ৩১-৩৫। এইরূপ এই অবিদ্যা যখন আলােনা হয়, তখন কোথায় একাদশ সর্গ। ৰা, কোথায় পলায়ন করে, সংসারে অখন আর কাই থাকে না কেনই বা থাকিৰে? সে বেস, সে যে , বশিষ্ঠ কহিলেন,-৫ ৱম। বিষয়টি বড় টিল, মুন্ত্রাং সে যখন কিছুই না, তখন অ লের সয়াবা লোম। গেমার না আবার কিছুলি। যাে। পুনঃ- আমরা কেবল পড়িয়াই না আমাকে 'অলীক পুরু কাল ভীত আম্মলকুনা ছ ফমি হইতে পারে করিয়া খনি বুঝিয়া নে এই অন্ধকারকে কোন কােন অৰিা ব্যহার শ ম সেই অজান, আমাদের কোন বস্তু কলিজা টি; কিন্তু তা অে অণ। একে বলে ' গতি নেই অপু নােহ একেবারে সিলেমা তাইকেলেভার, এwিs রেপ বিয়ে অন্যায়ের অন্তর এমন আসনপন করিয়;
অরে সবাই একমাত্র পূর্ণব্রমেই অধিষ্ঠিত। হে কম। তাহারা ভাবেন এই ৪১৪ বেগবাশিষ্ঠরায়ণ বে, আমরা তাহাকে সকল ইলিয় দিয় ভিতরে বাহিরে সর্বদাই রহিয়াছে। তাহারা ভাবেন, কেবল ব্ৰহ্ম আমাদিগের চৈ, অনুভব করিয়া থাকি, দেহ ঘা দেহ থাকুক, কই আমরা তাে এই চৈবিভিভ-সংসার ইহাও ব্রহ্ম, আর হালের লইয়া তাহার হাত এড়াইতে পারি না। তবেই ভাবিন্না দেখ, তাহা এই সংসার, সেই এই ভুতপর, ইহাও ব্রহ্ম। সুতাং আমি আমাদের অন্তরে কত নিবিড়ভাবে অবস্থিতি করিতেছে। আর এ আমার শক্ত বন্ধি যাহাকে মনে করিতেছি, তাহা আত্মজ্ঞান—যাহা দিয়া আমরা তাহাকে হচ্যুত করিব, তাহা ব্ৰহ্ম। আর এই বন্ধু-বান্ধব-মিত্র সবই ব্ৰহ্ম। অধিক কি, এই কত দুর্গত? সে তাে সকল ইন্দ্রিয়ের অগােচর, আহাকে থারণা দূতভবিষ্যৎবর্তমানাত্মক কালব্রিজ ইহাও ব্ৰহ্ম এবং ব্রমেই করিবই বা কেমন করিয়া ? সকল ইন্দ্রিয় বিনষ্ট হইবে, মন স্বধর্ম প্রতিষ্ঠিত, দেখ, অন্যোধি যেমন আপনার অমালা লইয়া ত্যাগ করিবে, হবে না তাহার কেবল সত্তাটুকু হৃদয়ে ধারণ করিতে আপনি বিশালরুপে বিভূতি হয়, এই সুদীর্ঘ কালত্ৰিয়ত এই পারিব। তবে ভাবিয়া দেখ, সকল ইন্দ্রিয়ের অনায়াসলভ্য এই ব্ৰহ্মও তদ্রুপ কত শত পদার্থে পরিলক্ষিত হইয়া আপা প্রত্যক্ষ বৃত্তিসকল অতিক্রম করিয়। যাহা সত্তাত্রে অবস্থিত আপনিই কত মহান। তাহারা ভাবেন, ব্ৰহ্মই সব। ব্রহ্মই ব্রহ্মকে ৰবিয়া বুঝিতে হইবে, তাহা কেমন করিয়া আমাদের মত জন্তুর ভােজন করিতেছেন। ব্রহ্মই ব্রহ্মশক্তিতে শত শত বিবৰ্ত্ত লইয়া প্রত্যঙ্গের বিষয়ীভূত হইবে ? তাহার অবস্থান যে, প্রত্যক্ষের ব্রহ্মেই পরিবতি হইতেছেন। তঁাহারা এই চক্ষেই সর্বদা সব অতীত। সহস্রবার অনুশীলন না করিলে কি তাহাকে পাওয়া দেখেন বলিয়া তাহাদের কাছে রাগযােনির প্রসঙ্গই থাকে না। যাইবে । ১৫। অতএব হে রাম। তুমি তােমার আত্মসিদ্ধির হারা ভাবেন, ব্ৰহ্মই যখন সৰ, তখন ব্রহ্মের অপ্রিয়কারীর সন্তা- জন্য এই হৃদয়রকে চিরপ্ররূট অবিদ্যালকে পুনঃপুনঃ অভ্যস্ত বা কোথায় ? যদি থাকে, তবে সে শত্রুও এহ্মময়।১৬-২০। জ্ঞানরূপ অসি দ্বারা ছেদন কর। দুঃসাধ্য হইলেও ইহা মনুষ্যের সুং ব্রহ্মেতে ব্রহ্মনিষ্ঠ- কাহার অন্য কি করিতে পারে ? অধ্য নহে। দেখ, এই মহারাজ জনক পরিজ্ঞাতসকল অতএব এই কল্পিত রাগন্বেষাদির অবস্থান তত আকাশরুক্ষের ন্যায় হইয়া যেমন বিহার করিতেছেন, হে রাম। তুমিও ক্রপ কেবল অস। আর দে, যদি দােগাদির কল্পনাই না করা যায়, তবে আত্মজ্ঞানানুলনপর হইয়া মুখে বিহার করিতে থাক। ইহা তাে তাহাদের সন্তাই অসম্ভব, অব এতাশ চিরবিনষ্টদিগের আমার স্থির সিদ্ধান্ত যে, মহারাজ জনক বাকি কার্ধেই ব্যাপৃত কি কোন প্রসঙ্গই উঠিতে পারে ? অৰে যে এই আমাদিগে ঋকুন বা সমাধিতেই নিযুক্ত থাকুন, তিনি জাগিয়াই থাকুন বা স্পন্দনগমনাজিক্রিয়া, আহা বাগাদ্যধিষ্ঠিত নহে, এ সমস্তও সেই সেই জ্ঞান অনুশীলিত হইতে থাকে। তাই তাহার প্রভাবে যাহা কিছু পূর্তি পাইতেছে, এ সমস্তই ব্ৰহ্ম; মুৎ সুখ-দুঃখের তঁাহার এমন সত্যতা—সত্যনিষ্ঠতা—ব্ৰহ্মময়তা হইয়াছে। আধার হইয়া সুখী-দুঃখীর সভাবনা কোথায়? তবে যে কখন এই সিদ্ধান্তে মনোনিবেশপূৰ্ব্বক বা সকল কাৰ্যই করিবে, ভাব তৃপ্তি আর অভাবজ অসন্তোষ, সংসারের মজ্জায় অথচ সর্বদা তাহাতেই লক্ষ্য রাখিবে। সেই যে বিবিধ- মজায় দেখিতে পাওয়া যায়, সে তত কাহারও কিছুই নহে, চারকারী সিদ্ধান্ত, তাহা লইয়াই ভগবান্ হরি এই পৃবিীতে অব. তাহা ব্রহ্মেই ব্রহ্মের তৃপ্তি, আর ব্রহ্মেই ব্রহ্মের বিলয়। এই তীর্ণ হইয়া থাকেন, তাই তাঁহাকে পৃথিবীর দুঃখ স্পণ করিতে পারে সংসারের স্কুত্তি ? তাই তাে ব্রহ্মেই ব্রহ্মের বিকাশ, আমি তো । হাতেই যে সেই সিদ্ধান্ত জ্ঞান বিরাজমান, মহানুভবগণ, আর স্বচ্ছ কিছু নহি। এই ঘট ব্ৰহ্ম, এই পট ব্ৰহ্ম, আমি ইহা সর্বদাই বলিয়া থাকেন। এই যে সারীর স্থায় কাকার ব্ৰক্ষ, এই সুবিস্তৃত্ব সৎসার সমস্তই ব্ৰহ্ম। অতএব যখন এই সহিত অবস্থিত ত্রিলােচন আর এই ৰে কামনাবিশ্রিত ব্রহ্ম, আপনা আপনি কি ধৰ্ম্ম। ব্রহ্মে স্বয়ং উৎপত্তিথষ্মী ব্রহ্ম ইহাদের অন্তরেও যে সিদ্ধান্ত, হে রঘুনন্দন। তােমার অন্তরে আপনা আপনিই অলে এলে মিলিত হইয়া পড়ে, তখন কে। সেই সিকান্ত বিরাজমান থাকুক। ৬-১০। অধিক কি, দেব কার? কাহারই বা কে? এমন অবস্থায় কোন বিষয়ে প্রতি বৃহস্পতি, দৈত্যগুরু শুক্রাচার্য্য আর এই দিবাকর, এই শী, এই কোন ভিয়ে বা অভির বৃথা কল্পনাই বা কেমন? আর বুখ্য পবন এই অনল ইহাদের অন্তরে যে সিদ্ধান্ত (যাহার বলে ইহার ভীতিপ্রদ বজুতে সর্পভ্রমের ন্যায় কাহারও অভাবে দুখময়ী অব- অগা) আর দেবর্ষি নারদ, মহর্ষি পুলস্ত্য, আমি, অজি, গাই বা কেমন? ২১-২৫। আর উৎপত্তিী ব্ৰহ্ম যখন প্রচেতা, ভৃগু, তু, অত্রি আৰু শুকদেব এবং এইরূপ অয়াই আপনা আপনিই সদ্যোগশ্রী ব্রহ্ম সুখে সমবেত হন, তখন জীবন্মুক্ত বিধি এবং রাজর্ষিগণের অন্তরে যে সিদ্ধান্ত, হে “এসকােগজ মুখ আমারই হইল’ বলিয়া বৃথা কল্পনা কেমন রঘুনন্দন। তাই তােমার অন্তরে বিরাজ করিতে থাকুক। রাম করিয়া করা যাইতে পারে ? আর দেখ, জলতলও নড়িতে, কহিলেন,-ভগবান! এ নিশ্চলের বলে এই সমস্ত মহাবা কিন্তু যেমন তাহাদের শন সেই এক অপশনৰতীত অপর খরগণ বিগতশােক হইয়া অবন্ধিতি করিতেছেন, সে নিশ্চয় কি দিন ৎ কেবল এই এই শনধর্মী; তাহার উপর একার, তাহা প্রকৃতরূপে আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন-হে এই যে তােমার আমার ভাৰ, তাহা তাে কিছুই নহে। তাহার তিথিলত মহাবাহ রাজশন বাম! তুমি যাহা জিজ্ঞাসা দেখেন, এ সংসারের ভাৰাভাৰ তে কিছুই নয়, অল চলিয়া যায়, তাহায় বিষয় আমি প্রকাশ করিয়া বলি, তুমি এ কর। তাহার উপর জালিয়াকত কি মন বেশ গুলি যায়, তাহতে ১১। পুর্বোক্ত মহাত্মদিগের যে সিদ্ধান্তের কাজের আষত্র উঠলে যেমন অহাৰ কোথওপিড়ি কিষ্ট । লি গসিলাম,সেই মহাপুরুলির দিল এই, না, সেই উৎপত্তিী, লমী মিলিত না হলে এই সব সুবিস্তৃত এগজল দে যাই, আহাৱা দেখেন অবস্থায় হইতে পাত্রে। হায় রেখে যাহা হইবার, অg বে, সে সেই নিন এরপর এম্বিত ছুই ভাৱ শে রি হইব কেন তাঁরা নিঝা-করণ-পূভাগ। ১১ । লেখেন, জল যেন কখন কখন শ্রোতােমূখে পড়িয়া ভাসিয়া যায়, রাম। তঁাহারা দেখেন, এই যে জলকণা, এই নে কণিকা, আবার কোথাও কখন আৰজহইয়া অবস্থিতি করে, তাই তখন। এই যে বীচি, এই ত, এই ফেনজি, এই লহরী, ইহার যেমন যেমন তাহাতে তােমার আমার বলিয়া কোন সম্বন্ধ থাকে না, সকলেই কেবল বারি এবং শুধু বারিতেই অবস্থিত। সেইরূপ এই সেইরূণ এই সংসার তােমার আমার লিয়া সমিত্রিত হু, এই কল্পনা, এই ভােগ্য-ব-পরশ, এই বিপদ, এই অড় অরূপ পদার্থ সেইরশাদ্যতে স্থিরভাবে অবস্থিতি করে সশদ, এই হৰিষাকারি , এই পুরুষর্থের উপভােগ, এ না। আর তাই যে চঞ্চল। সুবর্ণই বিকৃত হইয়া যেমন সমস্তই সেই এক ব্ৰহ্ম আর এক্ষেতেই সমবস্থিত, অন্যরূপ নহে। কটক:আকারে পরিণত হয়, সেই রূপান্তর পরিগ্রহ করিয়া ৩৬৪। যেমন সুবর্ণ হইতে কত কি রকমের অলঙ্কারাদি প্রস্তুত আবর্ত হয়। দ্রুত এই আত্মার প্রকৃতিই তাে সদসম্ভাৰে হইতেছে , কিন্তু সবই যেমন সেই এক সুবর্ণ, দ্রুপ সংসারে পড়িয়া রহিয়াছে। ২৬-৩০। তাঁহারা দেখেন,এই জীব- এই নানাবিধ শরীর দেখিতে পাইছে, ইহাও শুধু সেই অন্ধ রূপে পরিণত প্রকৃত আত্মাকেই এই যে অভুরূপে ভাবনা, ইহা হইতেই হইতেছে বলিয়া শুধু ব্ৰহ্ম, পৃথক্ আর কিছুই নহে। অত- শুধু অজ্ঞানীরই মােহ, জ্ঞানীর চক্ষে তাে সে মােহ কখনও এব এ সব বিষয়ে মূর্ধদিগের যে মতবােধ তাহা মিথ্যা। তারা কোথাও খাকিতে পারে না। তাহারা দেখেন,-এ জগৎ অজ্ঞেয় দেখেন, এই যে আমাদিগের মন-ভাবনাথনি প্রথমত্তি, এই চকেই দুঃখময়, আর জ্ঞানীর চকে আনন্দময়। যেমন অন্ধের যে বুদ্ধি—বস্তুগ্ৰহণাত্মক আসক্তি, অহার পর এই যে অহঙ্কার- নিকট সংসার অন্ধ, সেই সংসার আবার চক্ষুম্মানের নিকট তওবময় অন্তঃকরণত্তিবিশেষ, আর এই যে ইলিয়গণ আহঙ্কা- কত জ্যোতির্ময়, সেইরূপ মূর্থের যন্ত্রণাদ এই অগং, জ্ঞানীর রাত্মক বহুগ্রহের সাক্ষাৎ সাধক, ইহারা সকলেই সেই একমাত্র চক্ষে সেই এক পরমাত্মময়। হে রাম। শিশুর চক্ষে এই ব্ৰক্ষ, বিবিধ প্রকার নহে, সুতরাং সংসারে বিবিধাত্মক সুখ কি দুঃখ যােরন্ধকারা রজনী যেমন পিশাচসন্ধুল, আর যে শিশু নহে, নাই। তাহারা দেখেন, পৰ্বতে সচারিত একই শব্দ যেমন রে যাহার বুঝি বালকসুলত-অজ্ঞানে পরিপূর্ণ নহে, সেই পরিণত- স্তরে প্রতিধ্বনিত হইয়া নানাকারে চারিদিকে বিভূতি হয়, তৎ বয়স্ক পুরুষের চক্ষে সেই নিশাই আবার উপদ্রব কেবল রাত্রি এই এক আত্মাই এ, সে, আমি, এই, চিত্ত ইত্যাদি নানাবিষয়ক বলিয়াই প্রতীত হয়। দ্রুপ তাঁহাদের কাছে এই সর্বত্র বাক্য-পরম্পরায় শুধু সেই আত্মাতেই বিস্তিত হইয়া থাকে। পরিব্যাপ্ত অমৃতপুর্ণ-বটের ন্যায় নিত্যানন্দদায়ক একমাত্র ' পরম- তাহার ভাবেন যে, আমাদের এই—অত্ব জীবগম্ভাব, ইহা ব্রহ্মে নিরুপদ্রবতা বিরাজ করিয়া থাকে। তাহারা দেখেন, যেমন শুধু সেই অপরিজ্ঞাত ব্ৰহ্মই অভ্যাগজে ন্যায় আমাদের সম্মুখে এই বীজাদির উল্লাসাত্মক ৰিলাসভিন্ন স্বতন্ত্র আর কিছুই হয় না, অবস্থিতি করেন, আমরা দেখিয়াও চিনিতে পারি না। অধিক কি, বীজ আপনার বসবলে উল্লসিত হইয়া, বীজরূপ হারাইর, বৃক্ষরূপে আমাদের চিত্ত স্বপ্নাবস্থাতেও যাহা কিছু অনুভব করিয়া থাকে, পরিণত হয়, আর তাহা দেখিয়া বিবেচনাবিহীন আমরা ভাবি, তাহা আর স্বজ কিছুই নহে, সেই সাং আত্মাই আত্মার স্বরূপ বীজ নষ্ট হইল, আর বৃক্ষ উৎপন্ন হইল, কিন্তু সে বিনাশ, সে অবলােকন করিতে থাকেন মাত্র। ৪১-৪৫। দেখ, যেমন সুবর্ণকে উৎপত্তি, বীজের উল্লাসাত্মক বিলাসভিন্ন আর কিছুই নহে। সুবর্ণ বলিয়া না দেখিলে তাহাও তুচ্ছ মাটীর ন্যায় ঘৃণ্য হইয়া তৎ এই সংসারে কিছুই বিনষ্ট হয় না, কিছুই বর্তমান থাকে পড়িয়া থাকিতে পারে, তদ্রুপ ঐকে ব্ৰহ্ম বলিয়া না ভাবিলে, , যাহা হয়, বা যাহা হইয়া যায়, তাহা শুধু উলসাত্মক বিশাল তাহাও যে অৰিল অজ্ঞান বলিয়া প্রতীত হইবে, তাহা আর অবস্থা হইতে অবস্থান্তরে পরিণতি। ৩১-৩৫। তাহারা দেখেন, বিচিত্র কি? আর সঁহারা ব্ৰহ্মবিদ, তাহারা সেই ব্ৰহ্মকে স্বয়ং মহাসমুদ্রে যেমন অাদি সমুৎপন্ন হয়, সেইরূপ এই খাতেই প্রভু এবং মহাত্মা বলিয়াই জানেন, আর এই যে অজ্ঞানব্রহ্ম ভূতদের উৎপত্তি। আর ইহা নাই, ইহা আছে, ইত্যাকার যে অপরিজ্জত থাকেন বলিয়া যে মিথ্যা বােণ, তাহা মূর্বদিগেই ন, তাহা আত্মাতেই আকৃভ্রান্তি। ইহা অসম্ভব মনে হইয়া থাকে। কেননা, ব্রহ্মকে বলিয়া ভাবিলেই, বাৎ করিও না, টিকণির কিরণরাণি যেমন আপনা আপনিই ছি- তাহা ব্ৰহ্ম হইয়া যায়। যেমন নুবর্ণকে সুবর্ণ বলিয়া জানিতে গত হয়, তদ্রুপ এই আত্মার এমনিই একটা অকারণ-সমুজ্জ্বল পারিলেই তাহা সুবর্ণ হইয়া থাকে। দেখ, অনেক বার শক্তি আছে, তাই আমাদের অন্তুরে এই জগৎস্বরূপে প্রকাশ বলিয়া আসিয়াছি যে, সংসারে এমন কিছুই নাই, যাহা ৰন্ধ নহে, পাইয়া থাকে। এটিকের অংক যেমন স্বৎ টিকই এবং সাং সংসারে সকল বই সকল শক্তিই ব্ৰহ্মময়ী। অতএব ফটিকস্বরূপেই অবস্থিত, দ্রুপ আর এই অগৎপিণ সেই ব্ৰহ্মী সর্বশক্তি ব্ৰহ্মকে (আপনাকেই) প্রগাঢ়রূপে যে শক্তিআত্মাই এবং আত্মস্বরূপেই সংলীল। জাং তাঁহারা ভাবে ভাৰণা করিতে থাকে, সেই নির্হেতুক বিকাশ স্বয়ং ব্রহ্ম, মনে করেন যে, বিক্ষিপ্ত রাশি এই বুদবুদাদি সেই শক্তিরূপে সেই সেই বস্তুরূপে ৎৎ সেইরূপ ভাবে একপ্রকার যে ঘনীভূত জল প্রতীয়মান হয়, তাহা প্রকৃত জল আপনাকে কি করিয়া থাকেন। এতব ঘাহাৱা অশ হইলে, যেমন এলেই বিলীন হয়। অতএব তাহার প্রতি তাঁহাৱা লেখেন, উৎপতিথী উৎপালিক-শক্তি মী উৎপা (জ) যেমন অবিনশ্বর, সেই কোন কারণে সমুপ এই কান্নধর্মী বিকৃত, এই বিপুলৎসাৰ যোিও হারা ব্ৰহ্মাক-সংসার নিয়ে হইয়া এই বিলীন হইলে রে ভ, যিনি এই বিসংসার, উনি কারও বিনাশ হইল বলিয়া যে , আহা কেমন করিয়া হইবে কর্ম নহে, কৰাৰ কওঁ নহেন, কাহার সাৰু নহেন। কেক, যেমন মহাকাকোনখানে একজিবিতি তাঁর দেখেন, তিনি নিৰিকা, তিনি ত, তিনি প্রভু; কোনও রূপ ভজানি নাই s এলেও অতিরিক্ত আর তিনিই একমাত্র । ৫। অতএব তিনি। কোন প্রকার রীতি পত্রিশ হতে পারে । দেশ বিভকিল না। আর তিনি পত্রিকা ওকে, যিনি সেবাণি হইলেই অজ্ঞাতনাশক পানের উদ্ভব। দেখ, যেমন ৰা এক আছি। আমি এই কুঞ্জ কায়তৃণ, আবার আমিই এই অপরিচিত থাকিলেই বহু বলিয়া কথিতু হইয়া থাকে, আর সুমহতী ধরিত্রী, আমিই সাদাত এবং আমিই সুধি পরিচিত হইলেই এই বলিয়া যে ভ্ৰম, আহা বিনষ্ট হইলেই বন্ধু বনরাজি। এই জেলাগলাজি, এই যে পর্ণমালা, এ সমস্তই বই হইয়া যায়; ও তাহাই, এ আনিতেই , আর আমি। কেননা, সারে কেবল একমাত্র অবস্থিত। জানিলেই অক্ষন। এই জ্ঞান—এই ব্রহ্মময়-জন সহজেই সুতরাং এসৎসাৰে এই নে শত শত শক্তি কাহারও আপনা আপনিই হয় না। হয়--ভাবিয়া দেখিলেই হয়, এই জীৰ আগাত্মিক, কাহারও নায়িকা, কাহারও বা সঙ্কোচালিকা, অপরূপ পদার্থনিচয় অমুক্ত-বিবেচনা করিয়া দেখিলে, কিছুই ইত্যাদি নানাবিধ প্রাণিষ,এ সমস্তই শুধু এক আমি। বুৰিয়া কালিয়া যদি অন্তরে অন্তরে জানিতে পারা যায়, অৰেই সেই রাখিও যে, এই আমিই চিৎকারূপে ব্রহ্মে অধিষ্ঠিত হইয়াই, এই জলতময়ী চিন্তাটা আসে, যাহার বলে পুৰ, যে জ্ঞানপূর্ণ বিকৃত-সংসারের শরীর পরিগ্রহ করিয়া রহিয়াছি। এতএব ৱৈাগ পাইয়া সংসারে অনুরাগত হইতে পারে। তবেই এই যে গেণে পরিবর্তনােক লতা দি পানিচ ক্রমে অন্তরে ৰৈােধ অসত্য বুলিয়া প্রতীত হইলে আবার সেই সে সমস্তই আমি। আর দেখ, যিনিই তিস্বরূপ তিনিই ব্রহ্ম, ভাবনা উদিত হয়। এভাবে “সেই দ্বৈতবােধ অসত, আর ব্রহ্ম চিত্মারই অন্তর্গy, যিনি শান্ত, যিনি পর-অনসগােচর, ইহাই সত্য” ইত্যাকায় যেতেন, তাহা হইতেও বিরক্ত হইয়া অথচ যিনিই এই ইক্রিয়াদিগ্রাহ রুম-নিৰ্যাস-মিত বিকার- পুরুষ কবরে খাঁটি বৈরাগ্যের আশ্রয় গ্রহণ করে। আবার বিশেষরূপে পরিণত সারস্বরুপে অবস্থিত। অতএব যাহাতেই এই হােষিটিত কাৰ্যকারণসমবায় আমি নহি বলিয়া বুঝিতে এই সংসার, যাহা হইতেই এই সংসার এবং স্বাহাই এই সংসার পারিলে সেই ভাবনার উদয় হয়, যাহাকে আশ্রয় করিয়া পুৰুষ আবার এই সংসার হইতেই নি। ৩১-৬৫। যেহেতু যে যে সংসারে বিরক্ত হয় এবং সেই অই তাহার নিকট অহঙ্কার সংসার সেই একাক—ব্রহ্মাথক বলিয়াই সিন্তিত। অতএব আমার বলিয়া একরামক বৃত্তিবিশেষের গ্রহণধর্থ পৰ্যন্ত বাছাই পরব্রহ্ম বলিয়া নিৰ্মীকৃত, সুজাং যিনি চিদাম্মা, মিখ্যা ৰলিয়া প্রতীয়মান হইয়া থাকে।৫১-৫৫। তাহার পর সেই তিনিই , তিনিই সত্ব, তিনিই সত্য, তিনিই ঋতু, আর তিনিই ভাষা ভাবিতে ভাবিতে ক্রমে ক্রমে আমিই ব্ৰহ্ম এই জ্ঞান সত্য ৪। কেননা, এই নানাবিধ নামখেয়ে খেল সেই একমাত্র —টীভূত হইলে, অন তেমন একটা সেই অনির্বচনীয় ভাৰণা সর্বগত স্বরূপ চিত্ৰই অভিহিত হইয়া থাকেন। যিনি সমুদি হয় যে, যেমন জীবের অন্তঃকরণ—ভাবনাবিতি চেত্য নহেন, মজ্ঞানে পৱিয়ে এই সংসার নহেন, সংসারের মােহবিশেষে তৎষপে সমবেত অবস্থাবিশেষ, একেবারে সেই কেবল আভাসমা, সুষ যিনি নির্মল এবং তাই যিনি একমাত্র সত্য নিজস্বরূপে সংখীন হইয়া যায়। অতএব ভাবিয়া এই সর্বভূতের স্বরূপৰােবক এবং সর্বত্র সমবস্থিত। আর দেখ, ব্ৰহ্মভাবনার উপর আবার কত ভাৰনার পর অথৈভজ্ঞান, ব্ৰক্ষবিদেরা যাহাকে মন, বুদ্ধি ও ইলিয়নিচয়ে এই যতকিছু যত যাহাকে প্রকৃত ব্ৰহ্মজ্ঞান বলে। এখন সেই অতৈ জ্ঞানীর এই রকম কল্পনা হইয়াছে, হইতেছে বা হইতে পারে, সে সময়েই একটা সুবিস্তীর্ণ জীবজন্তুসংসারের এই বিকৃতি-নজ সমর্থিত, অথচ শান্ত চিময় ব্ৰহ্ম বলিয়া অকুভব করিয়া থাকেন। যে জন, আহা সেই প্রকৃত ব্ৰহ্মগনলক্ষ+জ্ঞানে মিশিয়া থাকিলে ব্ৰহ্মবিদেরা ভাবেন যে, আমিই একমাত্র প্রকাশ স্বস্থ চিৎস্বরূপ আমিই ব্ৰহ্ম বলিয়া জানিতে পারি। কেননা, তখন সে বিকৃতি- ব্রহ্ম। ৰেৰে আমিই এই অশেষানিত্ব ও তাহার কারণ আনজয় জ্ঞান সংসারটি নিত্য বলিয়া, সেই নিত্যজ্ঞানের অত- কাদির এবং ওজনিত এই সংসাৱস্থিতি সত্তস্বরূপ ডুক্ত, সুতরাং নিজ্ঞান ভ্রম থাকিতে পারে না বলিয়াই ভঁহাদের স্বচ্ছ চত। অএব আমার ক্ষয় নাই , কেননা ধারাকারে নিকট তুমি আমি মিশ্রিত এই অনিত্যজ্ঞান ৰখা পায়, তাই বিনিঃসৃত অগ্নিস্ফুলিঙ্গের স্থায় অনবরত বিগলিত নির্মল চত, তাহার দেখেন, এই জগগত যাবজীয় বস্তু সেই এক “ং সং” থারাত্মক এই যে নিরন্তর সংসার, ইহা আমিই ।। তখন তিনি ভাবেন “আমিই এই ব্ৰহ্ম, আমিই সত্য, আর আমিই আমি সেই পরমান চিবৃক্ষ, যাহা যেগিগণের অনুভগােচর সেই সর্বপ্রকারাদসর্বভূষণে বিভূষিত, আমার নাই, কর্ম হইলেও বাক্যের অগােচর এবং অহংরূপ লেগণেরও যিনি নাই, মােহ নাই, যতি নাই, আমি সর্বত্র সকল সই -ভােগৱক্তিতে মধুখায় আশ্ব অর্থাৎ সংসারী তােক। সমভাবে অবস্থিত, আমি স্ব, আমি শোক” কেননা, আমি যে জীবগণ গেকিনে নিলসের আস্বাদন করিয়া থাকে, ব্ৰহ্ম, ইহাবে নিশ্চিত। আমি কাকলঙ্কমুক্তমত ফলন সেই অনুমান অমৃতস্বরূপ আমিই। আমিই সেই নিল নাই, আমি কল্পিত নছি, স্বাং আমি নিষ্কলঙ্ক, আমিই চির, এৰি গান, শান্ত বিমল আলােকস্বরূপ। আবার এই সংসার; কিন্তু আমি নিৱৰয় অস্থ। আমি কিছুই আমি সমূদয়বিয়ােগ-পো উ নুশরূপ। আমি ভাগ করি না, কাহাকেও বা করিনা, কেনই । করি, এক সর্ব প্রকাশনা বাসনানি দিন। শর্করানির আমি যে , ইহানে নিশ্চিত। এ আমিই বহু আনিব আত্মা দশমন্ত্রী ও অপরিনা; কিন্তু আমি অপেক্ষা মাংস, আলি অখি, আমিই সেই রক্তমাংস ৰিায় পরম সুখানখরুল, এনাল অথরিজিয়, ই ধারাবাহিক শীর ।। আমি ব ই যন নিশ্চিত, তখন আমিই থাকে। মার্জিনে বা বেলে কৃাত্মাৰ এতি আসক্তচিত্ত (বিন), জমিই চৈ (জান)। আমি স্বর্গ-আরে কাকের কালা ও ই ই জাগে চিৎ আর আমিই এই দূষি বিশাল আকাশ, ২ অবির গলে আলে; আলাইট এমিকি মঙ্গক সুচিবোল, আর আমিই এইই খন বি, নিরিদ্র আকাশে চলে জনম , আহা কি শ, সাই ইকোরে নিচিতি বি;
নির্বাণ-এৱণ-পূর্বভাগ ০৭ = আমিই সেই চিৎক্তিরূপ নিৰ্ম্মল ব্ৰহ্ম। আমাতে যদি অনুপ্তের ন্যায় অবস্থিত, আমি সেই চিনার উপাসনা করি। কোন প্রকার বিকল্প নাই। আমি সত্যজ্ঞানরূপ নিল নিত্য যিনি অগ্নিতে উষ্ণতারূপে, হিমে শৈত্যরূপে, অন্ত্রে মাধুরূপে, চিত্ৰহ্ম। এক স্থানে বসিয়া লােকে তাহা হইতে দূর দুরে থররূপে, অন্ধকারে তারূপেও চত্রে শুরুরূপে অ- এদেশে বৃষ্টিস্থাপনকালে অধিষ্ঠানস্থান ও দৃষ্টিস্থাপনের স্থানের মধ্য দ্বিত, আমি সেই চিত্মার উপাসনা করি। যিনি সকল বুর ভাগে অন্তরালপথে যে নির্বিষয় চিতিশক্তি থাকে, আমিই অন্তরে ও বাহিরে আলােকরূপে অবস্থিত এবং যিনি দূরতি সেই বিষয়শূন্য সর্বগামী চিৎস্বরূপী। মৃত্তিকা, জল, বায়ু ও (অননিবন্ধন) হইলেও নিকটস্থিত, আমি সেই চিদাআর বীজ ইহাদের পরস্পর মিলনকালে অঙ্কুরোদগমকারী যে চিৎশক্তি উপাসনা করি। যিনি পদার্থসমূহের মাধুৰ্যাদির মাধুৰ্য্য ও চা- বিদ্যমান থাকে, আমিই সেই বিশাল চিত্ৰন্ধ। স্বীয় জড়ভাবে চির তীকাপে অবস্থিত, আমি সেই চিত্মাকে উপাসনা করি। অবস্থিত খর্জুর নিস্ব ও বিষফরে অন্তরে লীন যে আস্বাদসতা, যিনি তুরীয় অতুরীয় হইতে অতীত পরমপদ জাগ্রৎ-স্বপ্ন-সুষুপ্তি আমিই তাহা। শাস্ত্রানুসারী মননক্রিয়া দ্বারা বিশােধিত কষ্ট ও সকল অবস্থাতেই সৰ্ব্বত্র সমভাবে অবস্থিত, আমি সেই চিত্মার আনন্দ হইতে নিন্মুক্ত যে চিৎশক্তি সমভাবে বিরাজ করে, আমিই উপাসনা করি। যাহাতে কোন প্রকার সঙ্কল নাই, কোন প্রকার সেই নিরাময় চিৎশক্তিস্বরূপ। ৭৫-৮। আমি নীরােগ চি- কাম বা ক্রোধ নাই কোন প্রকার ষত্ব নাই, আমি সেই চিদাম্বার ব্ৰহ্ম, লাভ ও অলাভ উভয়েতেই আমার তুল্যভাব। ভুলস্থিত উপাসনা করি। ভােগগৎকণ্ঠাবিহীন, যৰিহীন, চেষ্টাবিহল, ব্যক্তির সূৰ্য্যদর্শনকালে ভূমি হইতে সূৰ্যপৰ্যন্তগামী তদীয় অহঙ্কারপরিঙ্গ নিরবয়ব অথচ সর্বময় ৰে চিদাজ্ব, আমি তাঁহার বিস্তৃত যে দৃষ্টি, তাহার সূৰ্য ও নেত্র উভজ্ঞত্র অসংলগ্ন যে উপাসনা করি। ৯১-১০০। যিনি সকলের অন্তরে অবস্থিত মধ্যভাগ তাহার ন্যায় আমি নিৰ্ম্মল শান্ত বিতত চিংম্বরূপ, অপার সময় একরূপী, সঁহার চিৎস্বরূপতার অবধি নাই, আমি আমি অনাদি, অনন্ত, অনাময়, তুরীয়, চিদক্ষ, অগ্রৎ, স্বপ্ন, সেই চিদাঙ্গা হইয়াছি। এই লিলাকমধ্যবর্তী শরীরসমূহুরূপ সুপ্তি, সর্বসময়েই আমার সমভাবে প্রকাশ। আমি নিখিল- মুক্তাহারের বিনি সুত্ররূপে অবস্থিত, যিনি জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি পুরুষের অন্তরে শত ক্ষেত্রোৎপন্ন ইক্ষুর আস্বাদের ন্যায় অবস্থান সম্পাদন করিতেছেন, আমি সেই উন্নত বিস্তৃত চিত্ম করিতেছি। আমি সকলের নিকটেই একরূপ, আমি সমভাবে হইয়াহি । যিনি বৃহৎ ধপাশের ন্যায় আপনার বাহিরে অবস্থিত চিত্ৰহ্ম। আমি আদিত্যের প্রভাব সর্বগামী স্বচ্ছ ও অন্তরে সর্বত্র পরিব্যাপ্ত এই অগপ বিহগুলিকে মধ্যে কমনীয় প্রকাশকারী বিস্তৃত চিদব্ৰহ্ম। বিষয়ভােগজনিত যে রাখিয়া প্রচ্ছন্নভাবে অবস্থান করিতেছেন, আমি সেই চিত্রকে অনিন্দকণা, অমৃতের যে আস্বাদশক্তি, তাহার ন্যায় একমাত্র প্রাপ্ত হইয়াছি। এই সমুদয় প্রপঞ্চ হাতে বিদ্যমান, অথচ স্বানুভূতিস্বরূপ অবয়বে চিদব্ৰহ্ম আমিই তাহা। মূলতন্তু মূলতন্তু যাহাতে কিছুই নাই, যিনি একমাত্র মেহের আধার জড় যেমন মৃণালের সর্বত্র সম্বন্ধ ও গুপ্তভাবে অবস্থিত '(বাহির মারুতের (প্রাণবায়ুর এবং বৃষ্টিবাত্যার) আঘাতে যাহার হইতে দেখা যায় না) এবং মৃণাল ছিন্ন বা ভিন্ন হইবেই নাশ নাই, অর্থাৎ মোদিরূপে অধ্যক্ত হইলেও যাঁহার স্বরূপের পরিস্ফুট হইয়া পড়ে, সেইরূপ দেহমধ্যে গুপ্তভাবে সর্বত্র কোনই ক্ষতি নাই, তিনি যেমন তেমনিই আছেন, ভ্রান্তদৃষ্টিতে সম্বদ্ধ ও (দেহের , বিচ্ছেদে ক্ষুরিকৃতি যে অনাময় চি- যিনি উক্ত মারুঘাতরূপঠমযুক্ত এবং দৃষ্টিতে উহা হইতে ব্ৰহ্ম আমিই আহা। সমস্ত ভুবন আক্রমণ করিয়া থাকিলেও নির্মুক্ত এবং বাহিরে ও অন্তরে যিনি চিৎলীপস্বরূপ, আমরা ধাহা মেঘমালায় স্পশালিনী হইয়া দুর্লক্ষ্য ও সুহ্ম (জীব তঁাহার উপাসনা করিতেছি। হৃদয়সমােবরে যিনি পদ্মিনীকক্ষের পক্ষান্তরে জল) আকারে অবস্থিত, আমিই সেই বিg চিৎশক্তি। স্যায় গঢ়ভাবে অবস্থিত, যিনি হপদাজি নিখিণ অঙ্গের বৃক্ষপে দুমধ্যে দুতের সত্তর ন্যায় বাহার অভ্যন্তরস্থিত সারণ অন্তেকারী অন্তস্বরূপ। যিনি জনগণের জীবনােপাৱস্বরূপ, যিনি অনূমাত্রগম্য এবং মেহময় (পরম প্রেমাস্পদ, পক্ষান্তরে ক্ষীরসাগর হইতে উদ্ভূতনহেন, চন্দ্র হইতে উদ্ভূত নহেন, এখন চিৰুণতাময়), আমিই সেই অক্ষয় ।ি ষর্ণে যেমন কটক, অহাৰ্ঘৰিলক্ষণ অমৃরূপ আরা সেই সত্য চিদাত্মার উপাসনা কেয়ুর অসুলনামক কলিত অলঙ্কারভেদ সুবর্ণ হইলেও করিতেছি। ৯-১০৮। যিনি শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস ও গরুপে সুবৰ্ণভিন্নরূপে অবস্থিত, সর্বগামী চিত্ৰগ্ধ আমি সেইরূপই অভিব্যক্ত হলে এবং যখন তা হইতে বহির্ভূত হন, তখন শান্ত দেহমধ্যে অবস্থিত। শৈলপ্রভৃতি পদার্থসমূরে অন্তরে বাহিরে হইয়া বিরাজ করেন, আমি সেই চিল হইয়াছি। যিনি সর্বদা সত্তাসামান্যকপে যে চিৎ বিরাজমান, আমি সেই নির্লিপ্ত আকাশের ন্যায়নিৰ্ম্মল এবং সকলে সুজন (অভিব্যক্তিকারী) চিতিস্বরূপ ৮১। যিনি সর্বকার অনুভূতির অকৃমি অথচ যিনি রঞ্জনও নহেন ও আকাশও নহেন, আমি সেই চিদাত্মা আদর্শস্বরূপ অর্থাৎ যাতে সকল অনুভূতি হইয়া থাকে এবং হইয়াছি। যিনি মহামহিমশালী হইলেও সকল প্রকার ঐ সাহাতে মলবিন্দুও সংলগ্ন হয় না, আমিই সেই মহৎ চিত। বিহিত এবং কর্তৃত্বসত্ত্বেও যিনি অকর্তা, আমি সেই চিনা যিনি নিখিলসঙ্কগফলের প্রদাতা, সকল ভেজের প্রকাশক এবং হইছি। আমি জনিয়াছি, আমি এই অখিল এরূপ এই সকল প্রকার উপদে বরবধি অর্থাৎ যাহা হইতে উপাদেয় লেও আমি অহংরূপ নহি, এই সময় আমি হি, ইয়াও বস্তু আর নাই, আমি সেই চিদাত্মার উপাসনা করি। যিনি আমায় নহে, এই কৃত্রিম মাহ্মময়ই হউক, অথক অকৃত্রিম সকল অবয়বে বিশ্রামণ্ড অথচ সকল অবয়ব হইতে অতীত আত্মাই হউক, আমার কিছুতেই ক্ষতি নাই;আমি সকল প্রকারে এবং সঁহার রূপ সর্বদাই একাশমান, আমি সেই চিত্মার বিগত হইয়াছি।১১-১১২। উপাসনা করি। টার্কি পদার্থবিলি গবরূপে বতি একাদশ সখ। ১১। ফিনিধি শরীলে কেউ হেৰং ৎ অবস্থাতেও বিলি ২৭ ১৮ যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ বাদশ সর্গ। কিছুই হন। কখন তাহারা নােম | বি নিয়তি হইতেন, কোন প্রকার ইষ্টবলাতে তাঁহারা হই হইছে। বশিষ্ঠ কহিলেন-সেই বিগতপাপ মহাকা জনকপ্রমুখ জীব- না তােমার কায় শােকেও যােবন করিলে না। এইরূপে মুশণ এই প্রকার নিশ্চয় করি শান্ত সর্বত্র সম সত্যপদে আঁহারা কেবল স্বর্ণের উচিৎ কাৰ্যমাত্রই সম্পাদন করত সত্যস্বরূপে পরবে অবস্থান করিতে লাগিলেন। “' পদার্থ সংরক্তপরিত হইয়া অপর মেরুপৰ্বতের মত অবস্থান করিতে শােষিত হওয়ায় পূর্ণবুদ্ধি সেই ধীরগণের চিত্ত বহিরে ও অন্তরে লাগিলেন। ১৮-২০। হে রাব। তুমিও সেইরুপ পাপবিনাশিনী সর্বরাগবিহীন ও সমভাবাপন্ন হইয়াছে, তাহারা জীবন বা অদৃষ্টি অবলম্বন করিয়া হুঙ্কারপরি বিশুদ্ধ চিত্রে অহংবুড়ি মরুণের নিন্দা বা প্রশংসা কিছুই করেন না। এইরুপে তাহাৱা স্থাপনপূর্বক স্বীয় আচার পালন করিতে থাক। এই সৃষ্টি- ক্য, অতি সূক ও বিদ্ধ করিতে পারি নারায়ণের বাহু পরম্পরাকে তুমি যৎকথিতরে অবলােকন করত ভ্রান্তি দণ্ডের ন্যায় শােভমান হইলেন। ঋজু ও নম্রভাৰ সেই এবং সুমেরুর স্থায় চলও সাগরের ন্যায় গভীর হইয়া সমভাবে মহাত্মগণকে দেখিলে বােধ হয়, যেন অপর একটি সুমেরু অবস্থান কর। এই সমস্ত একমাত্র চৈতন্যই—আভাস প্রাপ্ত পৰ্বত। তৎপরে হায় দেবগণের ন্যায় স্বর্গে, দেবােগ্যানে, হইয়াছে, ইহাতে সত্য অসন্ত কিছুই নাই। তুমি এই ক্ষুদ্র ভূল অরণ্যভাগে অন্যান্য ধীপেও নগরে সর্বত্র অপ্রতিভতি অহংভাব অবলীলাক্রমে পরিত্যাগ করিয়া ব্ৰহ্মভাব অবলম্বন হইয়া বিহার করিতে লাগিলেন। তাঁহারা কুসুমপূর্ণ দোদুল্যমান পূর্বক সৰ্বত্ৰ নাসবুদ্ধি হইয়া আপাতদৃষ্টিতে সত্যৰ প্ৰতীয়- দোলায়, বিচিত্র বনভূমিতে ও সুমেরুশিখরাগ্রে যথেচ্ছভাবে বিচরণ মান এই সংসারের ক্ষয় করিতে থাক।২১-২৪। হে সাথে। করিতে লাগিলেন। ১-৫। পরে তাহারা নিসপত্বভাবে হত্ৰচাম- তুমি এরূপ সাতিশয় উদ্বিগ্ন হইয়া কেন লােদন করিতেছ। মুটের প্রভৃতি আজোপকরণশােভিত ক্লাজত্ব করত বিচিত্র আচারে বিচিত্র স্যায় কেন রােদন করিতে এবং উভ্রাতচিত হইয়া আকৰ্ত্ত- ত্রিবর্গসাধন করিলেন। বিবিধ শিষ্টাচার, তিস্মৃতিবিহিত বিবিধ পতিত তৃণের দায় কেন ঘুরিয়া বেড়াইতেছ ? রাম কহিলেন, বাগযজ্ঞাদি করিয়া তাহারা অপূর্ব সন্তু করিতে লাগিলেন। ভগব। আপনার অনুগ্রহে এক্ষণে আমি সূৰ্যসঙ্গমে পদ্মের ন্যায় এইরূপ বিবিধসম্পদে রমণী কামিনীহামধর বহু প্রকার এবােধ প্রাপ্ত হইলাম ,কি আশ্চৰ্য। এক্ষণে আমার নিখিল- সুখসম্ভোগে খাকিয়া স্বচ্ছন্দে আহার বিহার করিতে লাগিলেন। মলরাশি (মােহশপ) কালি হইয়াছে। শরৎকালে দিলি- সেই মহাপুরুষগণ কখন রমণীয় সহকারে, পারিজাতপাদপে ও বিধাঙ্গিনী নীহারিকার স্যায় আমার ভ্রান্তি একেবারে অপগত সুশােভমান নন্দনকাননে প্রবেশ করিয়া, অপনােগণের সুমধুর হইয়াছে, এক্ষণে আমার সকল সন্দেহ দূর হইয়াছে , এরুণ হইতে বীতশ্রবণ করিজে, কখন চরাচর সমস্ত লােকবাসীদিগকে লইয়া আপনার বাক্য প্রতিপালন বরিব। হে সাবধা! এক্ষণে আমার যাগযজ্ঞফিক্রিয়াকলাপের অনুষ্ঠানপূর্বক নিখিল জীবের মুখ মদ, মােং, শাল, মাংসৰ্য সমস্তই গিয়াছে, এতদিনে আমার শোক স্বাচ্ছন্দ্য সম্পাদন করিয়া গাহস্থ্যধৰ্ম্মের পরাকাষ্ঠা দেখাইতেন দূরীভূত হইল , এতদিনের পর আমি আত্মরূপে উদিত হইলাম। কখন সংগ্রামসাগরে প্রবেশ করিয় ষ্মেীনিনাদসহকাবে এক্ষণে আর আমি আত্মা বদ্ধ এইরূপ অমে পতিত হইতেছি বিপক্ষপক্ষীয় বড় বড় গজ এ প্রভৃতি সৈন্য ক্ষয় কয়িষা সংগ্রাম- না, এক্ষণে আপনি আমাকে যাহা করিতে বলিলে, আমি মূলী জাকের বিরভূমি করিয়া দিতেন, কখন বা বহুবিধ একান্তবুদ্ধিতে নিঃশক্ষভাবে তাহাই করিব। ২৫-২৮। কষ্ট চিত্তহারী শত্রবর্গের নিকট পভসম্পাদক ক্রোধ ও আজ সর্গ সমাপ্ত। ২। চিক্ষোভকারী ভীষণ বিগপশায় পতিত হইয়া আবার উদ্ধার প্রাপ্ত হইতেন।৬-১২। ঐ সমস্ত বিবিধ সংসারব্যাপারে পতিত হইলেও তঁাহাদের চিত্ত সর্বদাই, রাগবিহীন অনাসক্ত বিগতভ্রম ওয়ােদশ সর্গ। উপাখিনি পনেই শীল থাকিত; সেই কারণে তাহার কাচ মধ্যবিগ বা মহান ঐষধ্যে কুত্রাপি সরােবর কুলপর্বতের রাখ কহিলেন-ব্রহ্ম। এক্ষণে আমার সপে অজ্ঞান স্থায় মগ্ন হইতেন না (সুখে সুখবোখ বা দুঃখে দুঃখবােধ করিতে লাভহেতু বানাক্ষ হওয়ায়, নিশ্চয়ই আমি জীবন্মুক্তপদে )। হে রঘুকুলার। পূর্ণচন্দের উদয়ে জলরাশি যেমন উল্ল বিশ্রাতিলাভ করিয়ছি। কিন্তু হে ব্ৰহ্মন। এক্ষণে, প্রাণস্পন্দ- সিত হয়, তদ্রুপ তাঁহারা পরমরমণীয় বিলগপূর্ণ রাজলক্ষ্মী নিলােধ করিয়া কিরুপে জীবন্মুক্ত হওয়া যায়, তাহা আমার নিকট গাইয়াও কখনই উজাস প্রাপ্ত হন নাই। গ্রীষ্মকালে বনলী লুন। বশিষ্ঠ কহিলেন,এম। এই সার খইতে উত্তীর্ণ হওয়ার যেমন পৱিন্নান ( শুদ্ধ হয় না, সেইরূপ আঁঙ্গরা দুঃখশােকে যে মুক্তি অর্থাৎ উপায়, তাহাকে যােগ বলা হয়, চিত্তের উপজিই পরিন্নান হইতেন না, তুষারপাতে ওষধির (লতার) স্যায় ঐ উপায়, ঐ উপায়কে তুমি বিপ্রকার বলিয়া জানিবে। উহার বিষভােগরাশিতেও কাচ হয় (নল, ওষধিপক্ষে বিকাস) একপ্রকার আত্মজ্ঞান, আহা ভূমণ্ডলে সর্বত্র প্রথিত; দ্বিতীয় প্রাপ্ত হন নাই। হে রাম। তাহাৱা অব্যগ্র হইয়াই বিভােগ প্রকার প্রাণনােখ, তাহাই এসে বলা হইতেছে, এ কর। ক্লপরীর রসাল কৰিলে, ইলেয় অভিলাষ বা অনিঃফলের বাম জিজ্ঞাসিলেন, গুগল! ঐ উপায়য়ের মধ্যে সুলভ ও আগ তাহাদের কিছুমাত্র ছিল না। ১৩-১৭। তাঁহারা শত্রু এসােশ্যরুপে কোনটা উৎকৃষ্ট, যাহা জানিতে পারিলেই আর করিয়াও আপনাকে উন্নত বলি করিজে না এবং এ সংসাৱক্রেশ পাইতে হয় না, তা বলুন।১৫। বণি শক নিকট পরাজিত হলেও আপনাকে অবনত বলিয়া বােধ কহিলেন-জিক যিৰিব উপাই গোলে জিতি ভপি করিতেন, খেলাতে আনলে বা দুখশষ বিল হালের যেগণনােশশউলাইত এসি বই ঠি- । ঘেও সম্ভাবনা করি না; না করিয়াছে, সেইরূপ জীবন লাভ করিতে পারিলেই এত নির্বাণ-এর-পূৰ্বভাগ। ৪১৯ আছে, এইজন্য দুইটার ভিন্ন নাম হইয়াছে। যথা জ্ঞান ও যােখ, নামা এক সু বা বাস করে। যে সুরগণ এই অঞ্চলে সংসারণবিষয়ে দুইটা উপারই সমান ও একরূপ ফল। সেই ভুত বায়সে তা চিরজীবী এই স্বর্গে কেহ হয় নাই, হই- তুবে কাহার নিকট জ্ঞাত আসা এবং কাহারও তাপ অমাখ, বেওনা। সে গীর্ঘায়ু সে বিষমাসক্তিশ, সে মানু, সে (সেই কারণে যাহার যেটা সাধ্য, সে তাহাই গ্রহণ করে। কিন্তু মহামতি (অজ্ঞানসম্পন্ন ), সে বিশ্রাবুরি (পরমপয়ে বিশ্রাম হে সাথে। আমার মতে জ্ঞানরূপ উপায়ই মুখ্য। কেননা, এগু) দেশাত, কাত ও কালবিৎ। সেই পক্ষী যেরূপ জীবন অপাং উহা (জ্ঞানীর পক্ষে এ অলীক। বাহা জ্ঞান, ভাই পৰিত্ৰ জীবন লাভ করা হয় এবং উন্নতির চরম সীয় পদার্পণ সকল অবস্থাতে সর্বদাই স্বতই ক্লিাজ করে (তাৎপৰা এই, করা হয়। ১১। অনন্তর আমি সেই ভাতপ মুনিকে বিবেকাভাবে উক্ত অজান, বিবেকাদয়ে আবার আজান কি? জিজ্ঞাসা করিলে তিনি সেইরূপই বর্ণন করিলেন; যাহা বলিলেন, কেবল জ্ঞানই থাকে, সুজাং জ্ঞানই আমার মতে মূকর উপায়, তাহার অণুমাত্রও অতিরঞ্জিত নহে, যথার্থ টাই ব্যক্ত করি- যাহা একমাত্র বিবেকলাভে লব্ধ হইয়া থাকে। যােগ জানাপেক্ষা লেন। পরে যখন সকলের কথা শেষ হইয়া গেল, দেৰগণ স্বস্থানে দুঃসাধ্য, কারণ তাহাতে ধারণা আসন প্রেভৃতি প্রশস্ত হওয়া চলিয়া গেলেন, তখন আমি কৌতুহলাক্রান্ত হইয়া ভূতগুপক্ষীকে চাই, তাহাও দুর্লভ। অথবা জ্ঞান সাধ্য, যােগ সুসাধ্য নহৈ, দেখিবার নিমিত্ত যাত্রা করিলাম। মেরুর যে শিখরে ভূত যোগ মুসাধ্য, আন সুসাধ্য নহে ইত্যাদি বিকল্পনা সমুচিত নহে, অবস্থিত আছে, আমি কামধ্যেই পদ্মরাগমণিময় সেই ইহা উৎসাহবিহীন অলসেই চিন্তা, যিনি সমর্থ, ধীর, তাহার বিশাল শিখরের নিকট উপস্থিত হইলাম। দেখিলাম, সেই নিকট দুইই সুসাধ্য। ৬-১০। হে রঘুকুলধুরন্ধর। জ্ঞান ও শিখর রত্নগৈরিকাদির জ্বলনলোপম কান্তিপুঞ্জে চতুর্দি যেন যােগ এই দুই রকম উপায়ই শাম্নোক্ত, তম্মধ্যে নিখিল-য়ে মধুমকে আয় করিয়া তুলিয়াছে। তাহাতে সমস্ত পর্বটীকে লস্তু হইতে নির্মল চিত্তস্থ যে জ্ঞন, তাহা তােমাকে বলিয়াছি। কান্ত অনলশিখাপিণ্ডের স্যায় বোধ হইতে লাগিল। সেই শিখ- হে সাদে। এক্ষণে, প্রাণ ও অপান বায়ুর সমসাথকরুপে রের পার্শ্বস্থ ইন্দ্রনীলমণির প্রভাপূজা উপরে উখিত হইয়া ধুম- প্রসিদ্ধ দেহৰূপ গুহাতেই দৃঢ়ভাবে অবস্থিত (দেহাভাবে গে) পটলের স্যাম্ব বোধ হইতে লাগিল। বিবি রত্নের আলােকে হয় না। (সিদ্ধিকামদিগের) (খেচরত্বাজি) বিবিধ সিদ্ধিপ্রদ গগনতল অরুণায়মান হইয়া উঠিয়াছে। যেন সমস্ত বর্ণ সেই জানছুদিগের) জ্ঞানপ্রদ যোর কথা তােমাকে বলি, শ্রবণ পৰ্বতে রীভূত হইয়া রহিয়াছে, যেন পর্বতটা সাস্ক্য-মেঘমালার কর। হে রাজনন্দন! তুমি উদযোগসহকারে প্রাণবায়ুর নিরােধরূপ এtuী আকর হইয়া উঠিয়াছে। ১২-১৭। আরও বােধ যােগ উপায় অবলম্বন করিলেও বাসনায় করিয়া অক্ষয় প্রত্যক্ত হইয়াছিল যে, যােগবলে মেরুপৰ্বতের বাড়গিতুল্য জঠরাল পরবন্ধে চিত্তবৃত্তিনিমােধপূর্বক সমাহিত হওত বাক্যের অগোচক তদীয় ইচ্ছাক্রমে সুষুমানাজপথ : দিয়া বহির্গত হইয়া তাহার নিরতিশয় আনন্দরূপে অবস্থান করিতে পারিবে। ১১-১৩। শিয়ােদেশে অবস্থান করিতেছে। সুমেরু পর্বতের বনদেবী যেন ত্রয়োদশ সর্গ সমাপ্ত। ১৩। চন্দ্রকে ধরিবার জন্য অভিনব একরাগে রঞ্জিত কলি উদ্ধ- দেশে প্রসারিত কৰিছেন। আমার আরও মনে হইয়াছিল যে, ঐ পর্বতশিখর বেন শৈলখিত পয়গামুখ (১) অগ্নিহোত্রা, মঞ্চ কৃতি সত্তবর্ণ শিখবিস্তার করিয়া আকাশে উঠিবার জন্য উদ্যত হইয়াছে । ১৮—২। ঐ উন্নত শির কিরণরূপ নখশােভী অঙ্গুলি বশিষ্ঠ কহিলেন,-এই যে তােমার নিকট একমাত্র আত্মতই দ্বারা গগনস্থ নক্ষত্র গণিবার অন্য আকাশতল চুম্বন করিতেছে, বিদ্যমান, এই কথা বলিয়া আসিতেছি; উহার কোন এক দেশে (এস্থলে কর বৃক্ষকে শিখরের অজুলি বুলিয়া নির্দেশ করা হই- ( অবিদ্যাবৃত অংশে) এই জগৎরূপ একটা স্পন্দন মরুভূমিতে যছে)। ঐ শিখরে মেরূপ মুজেয় বা হইতেছে, যপদের মরীচিকার চায় বর্তমান রহিয়াছে। কমলযােনি ব্রহ্মা উহার গুণগুণরবে গান করিতেছে, চতুর্দি পুষ্পগুচ্ছে সুশােভিত কারণ হইয়া এই ভূতসমূহভ্রন্তি নিৰ্মাণ করিয়া পিতামহরূপে দেখিলে বােধ হয়, যেন বনলক্ষ্মীর নৃত্যাগায়। স্থানে স্থানে তাল- অবস্থান করিতেছেন। আমি তাঁহার মানস পুত্র বশিষ্ঠরূপে বুকের পাজি পঙিক্তর স্থায় বিকশিত একা মনে করিয়া- উৎপন্ন হইয়া প্রতিষুগে সৎকর্মের ফলে বধিষ্ঠিত এই নক্ষত্র ছিলাম যে, সেই শিখর যেন অন্য পর্ণ-শিখরকে পরিহাস করি- মণ্ডলে (সপ্তর্ষিলোকে) বাস করি থাকি। সেই আমি তেহে। অঞ্জলােগ দোলায় দোলিত হইতেছে। সেই রমণীয় একদা স্বর্গে ইক্রসভায় নারান্দি মহর্ষিগণের নিকট চিরজীবী- স্থানের সকল প্রাণীই যেন কামলমত। শিলতলে দেবগণ বিশ্রাম দিগের সম্বন্ধে কথােপকখন শ্রবণ করিতেছিলাম। প্রায় শাখা করিতেছেন। করমধ্যে কামুক বুকমুবতীরা আশ্রয়গ্রহণ করিয়া তগনামা মহামতি মিতভাষী মানী কোন মুনি কোনও কথা- রহিয়াছে। সেই বিষয়ে কোন প্রদেশ বেণুখারী (বণঝড়- প্রসঙ্গে ঐ কথার উত্থাপন করিয়াছিলেন। তিনি বলিতে- বিশিষ্ট) শুভ্র গজারূপ বজ্ঞােপবীতরী দৌড এজিষরপরিহিত ছিলেন, সুমেরুপৰ্বরে ঈশানকোণস্থিত পদ্মরাগমণিময় এক নিল আকাশরূপ মৃঢ়ধারী গৈঞ্চিাভিরূপ এটাভারে) শিখরে চুমে খ্যাত একটা কল আছে। ১। সেই কলঙ্কন্ধের (ড়ির) উপৰি কিলিম্বী কলধৌত লতা- (১)পলে ঘনীয় দু মুখে বাহার, অখির নামা- জড়িত এক কোটরে একা বিকালয় আছে। সেই বিশ্বাস ও হবান, সুষ বিশেষ দিন লাকি; পনির নিজ কমাগারে বন্দর ব্যয় বভাগ (বিডি) ভুক্ত করে হল। চতুর্দশ সর্গ।
মােগণিত-মায়। পিলৰণ ; অতলে ভগব বলিয়া বােহইয়াছিল। সেই পুজে, খন ঘন মণিগুচ্ছে এবং রাশি রাশি দিবসন ও জলে পর্বতের কোন গোলাপ নিঝরের সলিলপলশকে ধ্বনিত। পরিপূর্ণ; উহায় ভুলিকে নিবিড় যনশ্রেণী, হাড়ে শ্রেণী কোথাও বা দেবগণ শতাগৃহ নির্মাণ করিয়া বহিয়াছেন। কোথাও মারুসকালনে যেন নুত করিতেছে। চতুর্দিকে জুময়া%ি গন্ধর্বগণের সুমধুর গীতধ্বনি স্থানে স্থানে হেকমল বিকশিত ফল, পলাশি ও সুগপরাগপুজে শেভিত থাকায় ঐ বৃক্ষ রহিয়াছে। সুবাহী সমীরণ মম প্রবাহিত হইতেন। বিচিত্র শোভা ধারণ করিয়াছে। ৭-১২। দেখিলাম, ঐ বৃক্ষের স্থানে স্থানে নক্ষত্রপঙিক্ত রঙ্গের ন্যায় শােভা পাইছে। ভূ স্কন্ধশাখাসন্ধি, লতাবৃত-শাখাগ্রভাগে, লতাপত্রে, পুষ্পে, প্রত্যেক কাকে অধিষ্ঠিত সেই মেরুশিখর এত উচ্চ কে, যেন অনন্তগগন শাখাগ্রন্থিতাগে নানাবিধ পৰিআমি তুলায় নির্মাণ করিয়া বাস ভেদ করিয়া তাহার পরপারে গিন্য উপস্থিত হইয়াছে। দেবযুবতী করিতেছে। উহার মধ্যে যাহারা ব্রহ্মার কুলহংস্র, তাহারা গমের ক্রীডপৰ্বত সেই সুমেরু, উপরিভাগে তে, পভ, হরিত, শুভ্র নলিনীক ও চলুবিধৌত মুলও ভােলা করিয়া, পাটল নানাজাতি নববিকশিত কুমরাজিরূপ বদ দ্বারা (রঙ দিয়া) মুখসন্ধিত হইতেছে। উহার মধ্যে, আবার ব্রহ্মার রথবাহী গগনমণ্ডলে যেন বিচিত্র ত্রিদিত করিয়াছে। ২১-২৮। হংসগণ সর্ব ব্রহ্মার সঙ্গে থাকিয়া অহ্মবিদ্যা শিক্ষা করিয়াছে; চতুর্দশ সর্গ সমাপ্ত। ১৪। সবাই বেদমন্ত্র প্রণব উচ্চারণ করে এবং সামগান করে। ঐ পক্ষীদিগের মধ্যে অগ্নিবাহন শুকপলিগণ সর্বদা বঙ্গীয় মস্লো- চ্চারণ করে, সর্বদা স্বাহাশব্দ উচ্চারণ করিয়া উহাদের স্বর ঠিক পঞ্চদশ সগ। স্বাহাকার হইয়া গিয়াছে। উহারা যজ্ঞক্ষেত্রে কি লইয়া গিয়া যজ্ঞবেদীর পাশ্ববর্তী বৃদির শাখায় অবস্থান করে, তােয় উপস্থিত বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই সুমেরুশিখরের শিরােদেশে কুসুমপুণ যজ্ঞভু দেবগণ উহাদিগের প্রতি সতত দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন। প্রলয়মমঘমালা কুলের ন্যায় শােভমান রহিয়াছে, সেই শিখর- তাহার কারণ, উহারা দেখিতে অতি সুক্ষ্ম, কাহারও গাত্ৰকান্তি দেশে দেখিলাম, শাতাতপবর্ণিত সেই চুল শাখাসহ বিস্তার শখের ন্যায় শুভ্র, কাহারও তড়িংপুঞ্জের ন্যায় পিঙ্গল, কেহ বা' করিয়া বিরাজ করিতেছে। সেই বৃক্ষ বাচকবৃক্ষের অভীষ্টপরশ- অপূর্ণ জলদের ন্যায় নীলবর্ণ, কেহ কেহ কুশপত্রের ন্যায় হরিদ্বর্ণ। 'কারী কল্পতরু। উহার সর্বত্র সেমালার ন্যায় পুষ্পপরাগ- উহাদের মধ্যে যারা শিশু, দেখিলাম, তাহাদের মস্তকশিখা ঠিক পুঞ্জে আকীর্ণ। রময় পুষ্পস্তবকে, উহার শাখাসমূহ দ- অনলশিখার ন্যায় উজ্জ্বল। ঐ রুক্ষ কতকগুলি কার্তিকেয়বাহন রা প্রাপ্ত। মৃত্যগুণে আকাশ উহার নিকট পরাজিত। ঐ শ. ময়ূর দেখিতে পাইলাম, মাতা গৌরী সযত্নে তাহাদের পুচ্ছ স্থিত বৃক্ষটীকে দেখিলে বােৰ হয়, যেন শূঙ্গের উপরে আর একটা রক্ষণাবেক্ষণ করিয়া থাকেন, কার্তিকেয়ের নিকট তাহারা নিখিল শৃঙ্গ রহিয়াছে। উহার পুষ্পরাশিকাশের নক্ষত্রপুঞ্জের অপেক্ষা বৈবিজ্ঞান (শৈবধর্ম) শিক্ষা করিয়াছে। ১৮। ঐ স্থানে বিগুণ, পল্লবসমূহ যাের বর্ষাকাত মেরে অপেক্ষা দ্বিগুণ, উজ্জ্বল ব্যোমপক্ষী নামে একজাতীয় পক্ষী আছে, তাহার আকাশেই পুষ্পপরাগরাশি চক্ৰৰ্যরশ্মির 'অপেক্ষাও দ্বিগুণ, উহার মন্ত্রী উৎপন্ন হয় এবং আকাশেই রিয়া থাকে, তাহারা কদাচ সমূহ বিদ্যুতের অপেক্ষা বিখশ, এ সকল কারণেও আকাশ উহার ভূমিতে অবতীর্ণ হয় না; শারদনীরদের ব্যায় শুভ্রবর্ণ বিরিপি- নিকট পরাজিত। ঐ বস্থিত মধুকরের গুঞ্জনধ্বনি উহার হংসসন্তানেরা ঐ ব্যোমপক্ষীদিগের সহিত বন্ধুত্ব স্থাপন করিয়া স্কন্ধবাসিনী কিন্নরীদিগের গীতধ্বনির সহিত মিশ্রিত হইয়া জারও ঐ স্থানে বাস করিতেছে। দে ববব। দেখি, ঐ স্থানে দ্বিগুণ হইয়া উঠিয়াছে। ঐকর শাখাসংলগ্ন দোলায় দোলায় অগ্নিবাহক শুকের সন্তান, কার্তিকেয়বাহন ময়ুরের সন্ততি, মান অপরােন্দের স্তনপন্নবে, উহার পল্লবশি আরও ঐ আকাশপক্ষীদিগের সন্ততি, বিচকুভারদ্বাজপক্ষী, হেমচূড়- দ্বিগুণ হইয়াছে। কামরূপী বিহগবেশধারী সিদ্ধগন্ধর্বদিগের পক্ষী, কলবিপক্ষী, শকুনি, বিক, কুকুট, কোকিল, ভাষ, চাষ সহযােগে ঐ বৃক্ষতি বিসমূহও দ্বিগুণ দুইয়াছে। রঙ্গকান্তি ও প্রভাড়ি বহুত পুঞ্জী, অবস্থান করিতেছে। এই অগছে এত নিৰ্ম্মল নীহার বিণিত (স্কুল) ঐ বুকের গুৰু উহার বহু প্রাণ আছে, সেই স্থানে কেবল পদ্ধই সেই প্রমাণ সৃষ্টি বলিয়া প্রতীয়মান হইতেছে। এ ক্ষের বৃহৎ বুহৎ কলগুলি গোচর করিম; (বোধ হইল, নে আর একটু পণিজগৎ চন্দ্রমণ্ডলের সংস্পসুধাপূর্ণ হওয়ায় অপেক্ষাকৃত স্থূলভাব থারণ দেখিলাম। ১৯২২। অনন্তর আমি আকাশপথে থাকিয়াই সেই করিয়াছে বলিয়া বােধ হত। উহার মূলদেশে কল মেষ সলীল বুকের দক্ষিণস্কন্ধের অত্যুচ্চি ঋনপত্ৰসলিবিষ্ট এক শাখায় দেখি- থাকায়, মূলভাগও সুলতাবাপন্ন বােধ হইল। ১৬। উহার লাম, মরুরীজালে ফুলায় নির্মাণপুর্বক একদল দ্রোণ কাক অৰ- ঋঝদেশে সুরগণ অবস্থান করছে, পক্রসমূহের মধ্যে কিন্তু স্থান করিতেছে, তাহাদের দেখিয়া বোধ হইল, যেন লােফালােক বিশ্রাম করিতেছে। উহার নিবিড়শীয় মেমালা সংশয় পর্বতের অরণ্যমধ্যে এলমেঘমালা সংলগ্ন রহিয়াছে। সেইস্থানে রহিয়াছে। উহার প্রদেশে সুরগণ সুপ্ত রহিয়াছেন। দেখিলাম বিচিত্র কুরাশিতে আকীর্ণ বিবিধ কুসুমসৌরভ-সুৰা- এপ্লােকাপ মধুকরীগণ বলশকে খর গড়ইয়া বিশালকায় ঐ সিত এক কোটরে কতকগুলি বাল সঙ করিয়া রহিয়াছে। শুরু হইতে পুষ্পচন কৰিয়া কে। , বিল, গন্ধর্ব ও অন্যদের সেই আলখোটটা পূণ্যবাদিগের অপরঃসদ্যোগ অধিকারগণে পরিপূর্ণ দিগুল ও আকাশমণ্ডলাপ অতি খান সর্গ বলিয়া মনে হয়। মনাের পুষ্পস্তবক রান্না করায়, মহা ঐ কে দেখি ম হ তে অনেকগুলি এৎ সেই বাসগুলি সৌরভবলিত হইয়াছে; (শমশাখিণে তাহা- এই যুধিয়ছে। ঐ বৃক্ষ ফল ফ কণিফজলে দেয় আকৃতি এ) সেই কললিকে দেখিয়া যে একুটিত নিয়ে, ফল ও কোমতে, 'অন ক এরী হইল যেন সমীরণচালিত কতকগুলি কৃষ্ণম সেই কোটির নির্বাণ-প্রকরণপূর্বভাগ - মধ্যে এবিষ্ট হইয়া রহিয়াছে। তাঁহাদের মধ্যভাগে উন্নতকায় প্রকাশ করিয়া মধুবনে কহিতে লাগিলেন,-গুগল। আপনি মান শুনা যায়, কতকগুলি কাচখণ্ডের মধ্যে ইন্দ্রনীল- আজি বহুদিনের পরে আপনার গনিত সেক করিয়া, এই মণির ন্যায় শােভা পাইতেছেন। তিনি পরিপূর্ণমনা, মনী, সর্বত্র রক্ষবাসী বিহগজাতির প্রতি মহান অনুগ্রহ প্রদান করিলেন। ৫ সমদশী, প্রাণস্পন্দনিরােধ করায়, সদা অত দৃষ্টি এবং সর্ব- মুনিবর! আপনি মাননীয়গণেরও মা, আপনি এক্ষণে বা দাই সুখী। সর্ব সুন্দর ঐ ভূয়সের দীর্ঘায়ু অদিতি, চিঞ্চিত পুণ্যসত্তার আর প্রেরিত হইয়া (আমার চিরপুণ্যের তিনি চিরজীবী ভূগুনানে গদ্বিখ্যাত। তিনি আবহমান এই ফলে), কোথা হইতে আগমন করিতেছেন। আপনি মহমােহ- ফুলপরম্পরার উৎপত্তি ও বিল দেখিয়া দেখিয়া পরিপবুদ্ধি স্বরূপ এই জগতে চিরপৰ্যটনকারী হইলেও আপনার পবিত্র হইয়াছেন। তিনি প্রতিবেশঙ্কর, ইন্দ্র, চন্দ্র প্রভৃতি লোেকপাল- সদরে মমতা অখণ্ডতভাবে বিরাজ করিতেছ তে? আপনি অদ্য গণের উৎপত্তি, স্থিতি, নাশ প্রভৃতি গণনা করিয়া খিন্ন হইয়া কি অল্প এইস্থানে আগমনক্লেশ খীকার করিয়া আত্মাকে কষ্ট পড়িয়াছেন। তিনি অতীত সুরাজগণের ঘটনাসৰু স্মৃতি দিলেন?(কি জন্য এখানে কষ্ট করিয়া আসিলেন) আপনার পথে অঙ্কিত রাখিয়াছেন। তিনি সর্বদা প্রস, গন্তীচিত্ত ও বাক্য শ্রবণ করিবার জন্য আমরা উৎকণ্ঠিত হইয়া রহিয়াছি, সুচতুর। তিনি স্নেহপূর্ণ সুমধুবাদী, স্পষ্টবক্তা, বিজ্ঞানী, এশে আপনি আপনার বিষয় আমাদিগকে শ্রবণ করাই কৃতার্থ নির্মম ও নিরহঙ্কার। তিনি সর্বদা সকলপ্রকায়ে সকলেরই করুন। ৮-১৩। হে মুলো আপনার চরণসশনেই আমি সমস্ত সুজ্জৎ, বন্ধু ও মিত্রস্থানীয় , অধিক কি? মৃত্যুরও তিনি পুত্রবৎ অবগত হইয়াছি। আপনার শুভাগমনে অন্য আমি পূণ্যবান্ হই- পরমপ্রিয় ( কাহারও সহিত তাহার শত্রুতা নাই), বুদ্ধিতে তিনি লাম। ইসভায় আপনাদিগের চিরজীবিবিষয়ক আলােচনা বৃহস্পতি অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ। তিনি জগদ্বাসী সকল প্রাণীরই হইয়াছিল, সেই কারণে আমরা আপনাদিগের স্মৃতিপথে আরূঢ় পরিচয় জ্ঞাত আছেন। সেই মহাত্মা ভূত সমােবরের ন্যায় হইয়াছি এবং সেইজন্যই আপনি অধমের এইস্থানে পূজনীয় চরণ- প্রসন্ন মধুর অন্তঃশীতল (ক্রোধাদি উষ্ণক্তিশূন্য) রসবান (রসিক যুগল অৰ্পণ করিয়া পবিত্র করিলেন। হে মুনে। আপনার আগমন- সবােবরপক্ষে জলময়। অতএব সকলেরই হাত (প্রিয়), তিনি কারণ অবগত হইয়ও যে জিজ্ঞাসা করিলাম, ইহার কারণ, সকলের ব্যবহারে আয়কমল সর্বপ্নই প্রফুল্ল, তাহার আপনার বচনামৃত আস্বাদন করিতে আমার বলবতী স্পৃহা দাত অশয় পরিস্ফুট (সরলতাময়), তিনি কাচা নিৰ্মল হইয়াছে।” কালয়ের বার্তাবেতা অমলবুদ্ধি চিরজীবী ঐ গাষ্ঠীৰ্য্যগুণ পরিত্যাগ করেন না। ২৩-৩৪। ভুরুঙ্গামা পক্ষী এই কথা বলিলে, আমি প্রত্যুত্তর করিলাম। হে পঞ্চদশ সা সমাপ্ত ১৫ মহারাজ বিহঙ্গম। তুমি যথার্থই বলিয়াছ; তুমি চিরজীবী বলিয়া অন্য তােমাকে দেখিতে আসিয়াছি। তুমি সৌভাগ্যক্রমে কুশলী; যেহেতু তুমি অবােধলাভ করায় অন্তঃকরণ সুশীতল করিয়াছ, ভীষণ সংসারজালের পতিত হইতেছে না। হে ভুতণ্ডীরূপি ভগব, আপনি কোন্ বংশে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন। এবং কিরূপে জ্ঞাতব্য অবগত হইয়াছেন। ইহা সত্যরূপে কীর্তন বশিষ্ঠ কহিলেন-অনন্তর আমি উজ্জ্বল দেকান্তি চতুর্দিকে করিয়া আমার সৎমােচ্ছেদ করুন। হে মাখােআপনার বিকিরণপূর্বক নভেগুল হইতে তাহার অগ্রে নিপতিত হইলাম। এক্ষণে ৰয়স কত ? এবং অতীত ঘটনাসমূদয় মনে আছে কি যেন পৰ্বততাপরি নক্ষত্র পতিত হইল, সহসা আমার পতনশব্দে না? হে দীর্থদশি! আপনার এ বাসনই বা কে নির্দেশ সভাস্থ কাকগুলি একই চমকিয়া উঠিল। নীলােৎপলসরােবরের করিলেন, তা আমাকে বলুন। ভূত কহিলেন, মুনির। ন্যায় দৃশ্যমান সেই কাকাঙা ভূকম্পে সাগরের ন্যায়, আমার আপনি যাহা জিজ্ঞাসা করিতেছেন, সমস্তই বর্ণন করিতেছি; পজজনিত মমরুতে কিঞ্চিৎ আন্দোলিত হইয়া উঠিল। আমি আপলিবসহকারে স্থিরভাবে আমার ‘কগুলি শ্রবণ করিবেন। আয় অতর্কিতভাবে উপস্থিত হইলেও আমাকে দেখিবামাত্রই কারণ আপনি মহাত্মা, ব্রিােকনাথপুজউদারবুদ্ধি বা ভুগুণ্ডকাক এই বশিষ্ঠ আসিলেন, বলি। জানিতে পারিলেন। মহাঅগণ যাহা শ্রবণ করেন, তাহা কীর্তন করিলে, মোের আমাকে দেবেয়াই তিনি অচল হইতে নীলমেঘখণ্ডের ন্যায় সেই সুজোৰাপের ফায় সকল অশুভ ফিনষ্ট হইয়া যায়। ১৪-২৩। পত্রপুঞ্জ হইতে মুখিত হইয়া মুনে। আপনার মল ত?” এই ষােড়শ সর্গ সমাপ্ত। | বলিয়া মধুরনে আমার স্বাগত জিজ্ঞাসা করিলেন এবং তখনই সঙ্কৰলে নিজ উৎপাদন করিয়া সেই কল্প বাস আমাকে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করিলেন। বোধ হইল যেন নীল সপ্তদশ সর্গ। মেঘখণ্ড ভুযায়নিক বর্ষণ করিল। পরে সপতি এই আসন গ্রহণ করুন” এই বলিয়া গাত্রোখান করিয়া অভিনব বশিষ্ঠ কহিলেন-হে নাম। ঐ দু বােন শিব লাভ ঋল্পতরুপবাসন প্রদান করিলেন। তখন ফুল বায়সই উসিয়া করিলে হৃষ্ট হল না, উহার বুড়িবৃত্তি অতি সরল, উনি সর্বাজ প্রসারিত পক্ষকান্তি বিকাশ করত আমার আসনের দিকে দৃষ্টিপাত মূল, দেখিতে বর্ষাকালীন দের স্থায় গঢ় মৰণ। উহার করিয়া আমাকে বসাইয় এ উন্মুখ হইয়া রহিল।১-৭ হার বাক্য গেপুর্ণ এক গভীর, ইলিকনে সালাপ করিয়া পরে আমি ভূত ও উচ্চ ন্যায় কালের সহিত এক থাকেন। কতি বিষয়ে উলি এই ব্রিজগতে ইয়া কালেই পত্ৰলতাপুর আসনে উপবেশন করিলাম। মহাখী বিল করিয়া দেখিয়াছেন। ঐ ভুতনিখিল ভােগসমূহণের যােড়শ সর্গ। - ০ যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ = তুচ্ছ বিবেচনা করিয়া থাকে। উনি বিচারে সিদ্ধান্ত করিয়াছেন মাতৃগণ যাহার বন্ধু। মার্জি কনকের জয় উল কোমণাঙ্গ যে, এই লােকসমূহ কামনার প্রতি অনুধাবিত হয় ৰলিয়া, জন্ম- ভুজফুল যাহার বলয়রূপে কল্পিত, সেই ভুগণের নিরামণির মৃত্যুরূপ সংসারশত হইয়া থাকে। দিনে তিনি পাবর এত সমীং প্রসারিত। ৬। সেই হর, পাত্রেই ব্ৰক্ষাকাৰ কৰিছেন, উহার সুস্থির বিশাল আকৃতি শৈলজকে এ করিতে পারেন। অবলীলাক্রমে অনুরুলের ধৈৰ্যগুণের সূচনা করিয়া থাকে, অর্থাৎ দেখিলেই ধীর বলিয়া বিত্ৰাসনকারী ভগীয় ভীষণ আচরণ যেন জগলনের লালসা ৰােধ । মংলাবসানে উথাপিত ময় জীদেসাগরের ন্যায় করিতেছে। তিনি যখন সমাধিমগ্ন থাকেন, তখন এগ স্বচ্ছভাবে উনি বিশ্রান্ত বিশুদ্ধ এবং পরিপূর্ণমনা হইয়াছেন। তিনি অবস্থিত থাকে, আবার যখন সমাধি হইতে উখি হন, তখন ৰাহিরে সর্বদাই বিশ্রাবুদ্ধি, অন্তরে পরমানন্দরসপানে ঘূর্ণিত ভগীয় করস্পন্দনমাত্রেই অনুরপুরী সমস্ত ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়া যায়। এবং কিরূপে এই সাংসারিক বস্তুসমূহ আবির্ভুত ও তিরােহিত তিনি যখন সমাধিমগ্ন থাকেন, তখন রাগন্বেষাদি দোষবিবলিত হ অর্থাৎ মায়া ও আত্ম তাই তিনি অবগত আছেন। মৃত্তিকাসলিলসমেত সমস্ত শৈলগণই যেন সুভােনতৃপ্ত বুভুক্ষা- তাঁহার বচনাৰলি বীণধ্বনির ন্যায় নােহর ও মধুর। তিনি পিপাসা তদীয় একাগ্রতানমুৰ্ত্তিৰূপে প্রতীয়মান হয়। তাঁহার আত্মসাক্ষাৎকার দ্বারা সকহারী সাক্ষাৎ ব্ৰহ্ম হইয়া, যেন পরিচায়ক প্রমথগণের মধ্যে কাহারও খুরের ন্যায় মন্তক, কাহারও নব শরীরলাভ করিয়াছেন। তাহার প্রসন্ন বদন যেন সর্বদাই হস্ত খুরের ন্যায়, কাহারও একমাত্র হন্তই,—দন্ত, মুখ ও উদরের জিজ্ঞাসুদিগের প্রশ্নোত্তরদানে উদ্যত ও সর্বদাই তিনি হযুক্ত। কাৰ্য করিয়া থাকে। কেহ উমুখ, কেহ ছাগমুখ, কেহ সর্প- সুন্দর জলধর মকরন্দপানসিক ভ্রমরকে গর্জিভরবে যেমন কিছু মুখ, কাহারও বা মুখ ভল্লুকের মত। ১২-১৫। সেই হরের বলে, সেইরূপ তিনি নিখিল নিজম্বরূপ কীর্তন করিবার নিমিত্ত বদনমণ্ডল উজল নয়নয়ে উদ্ভাসিত। উক্ত প্রমথগণ ও মাতৃ- পরমব্রহ্মানন্দসিক আমাকে অমলচনে এই বিশুদ্ধ বক্ষ্যমাণ মণ্ডল তাহার পরিবারমধ্যে অন্তর্ভুক্ত। চতুর্দশ ভুবনের চতুর্দশ- বৃত্তান্ত বলিয়াছিলেন। বিধ অনন্ত প্রাণিজাত্রি ভােজনে নিতে মাতৃগণ পুরােমন্ত্রী ভূতগণ- সপ্তদশ সর্গ সমাপ্ত ১৭ কর্তৃক প্রণত হইয়া নৃত্য করিয়া থাকে। সেই হরের আলয়ে জয়, বিজয়, জয়তী, অপজি, কি, বক্তা, অলসা ও উৎপল নামে অষ্ট মাতৃকাদেবী বাস করেন। তাহারা প্রায়ই গিরিশিখরে, আকাশে গর্তে, শ্মশানে, দেহীদিগের শরীরমধ্যে অষ্টাদশ সর্গ। ও অপরাপর লোকে অবস্থিতি করিয়া থাকেন। কঁাহাদের ভূত কহিলেন—এই জগতে সকল স্বর্গবাসীর শ্রেষ্ঠ সর্ব কাহারও বদন খরের ন্যায়, কাহারও বা উষ্ট্রের ন্যায়, তাহারা প্রধান দেবগণেরও আরাধ্য হরনামে এক দেবদেব আছেন। সর্বদা সুরার ন্যায় রক্ত, মেণ, মাংস, বসা পান করিয়া থাকেন তঁাহার শরীর্ষে চুতপাদপতা বঙ্গীয় স্থায় এক বিলাসিনী রমণ এবং শবহুস্তপদাদি মাল্যাকারে ধারণ করিয়া দিগদিগন্তে বিহার সর্বদাই সংলগা রহিয়াছেন। সেই রণর নয়নযুগল ভূত্বশ্রেণীর করিয়া থাকেন। ১৬-২০। আরও অনেক ঐরূপ মাতৃকাদেবী স্টার ও উন্নত পয়োধরযুগল পুষ্পস্তবকের ন্যায় মুশােন। তথায় অবস্থিতি করেন , তন্মধ্যে উক্ত অষ্টবিধ মাতৃকাদেবীই তুষার ও হারের স্যায় শুভ্রবর্ণা লহরীপ স্তবকলিনী গঙ্গাদেবী প্রধান নায়িকাস্বরূপা; অপর সকলে উক্ত অষ্ট নায়িকারই কুসুমমালার ন্যায় সেই হয়ে জটাজুট বেষ্টন করিয়া রহিয়াছেন। অনুচরী বলিলে বলা যাইতে পারে। হেননায়ক। হে মান- ক্ষীরসাগরসত শ্রীমান চল তাহার চূড়ামণি ও দর্পণস্বরূপে প্রদ। উক্ত মহামান্য মাকদিগের মধ্যে অলম্বুসানামী যে বিরাজ করিতেছেন। সেই চন্দ্র হইতে সর্বদাই অমূলদার বিনিঃ আক্কা, তিনিই বিখ্যাত। গরুড় ফেল(বিষ্ণুশক্তি বৈষ্ণবীর সূত হইয়া থাকে। শিরন্থিত চন্দ্র হইতে অনবরত নির্গত অমৃত- বাহন সেইরূপ চণ্ড নামে এক কাক ঐ অলসার বাহন। ধারায় অমৃতমান কালকূট বিষ, তাহার কণ্ঠদেশে ইন্দ্রনীলমণির কাককে দেখিতে ইন্দ্রনীল অচলের ন্যায়, উহার চঞ্চু এত কঠিন, জায় ভূষণরূপে শােভা পাইতেছে। ১৫। তিনিই মায়াশলিত যেন ৰময়। রৌদ্রকর্মপরা অষ্টৈশধশালিনী ঐ সমস্ত মাতৃকার। ব্ৰহ্ম, সুলভূসমূহের ক্রমে ব্যয়ে সূলে প্রবেশে পরম একদিন কোন কারণে আকাশপথে একত্র যিনি হইলেন। অব্যক্তস্বরূপে পরিশােষিত হওয়ায় পরমাণুরূপে অবস্থিত। সাকী যাহাতে চিত্তের একাগ্রতানিবন্ধন পরমার্থ আত্বের প্রকাশ চিত্ররূপ সলিলে প্লাভি হার মায়া অগপ্রলয়হেতু। তদীয় হয়, এইরূপ তথায় পানােৎসব করিতে লাগিলেও দুপুরুষ নেত্রানল হইতে অদ্ভুত সরূপে অবস্থিত হওয়ায় তাঁহার রুদ্রের বামভাগে অবস্থান করতঃ তাঁহার আরাধনা করিতে বিভূষণস্বরূপ হইয়া রহিয়াছে,আহতী প্রলয়তা ঐ শের শাগিলেন। ২১-২৫। ঐ মাতৃকাগণ মদিরামদে মত্ত হইয়া, ধূলি। নিখিলদেহের মধ্যে মনােম ব্রহ্মাদিশরীর হইতে উদ্ভূত সহৰে অগৎপুজ্য তুমু ও ভৈরবনামক লেবের পূজা করিয়া, অস্থিসমূহই যাহার নির্মল সুধাকর অপেক্ষাও শুভ মালাকারে বিচিত্র কথোপকথন করিতে লাগিলেন। কথাপ্রসঙ্গে তাঁহাদের ঘটিত অস্থিরঙ্গরপে শােভা পাইতেছে। সুধাকরের সুধায় এইরূপ কথা উত্থাপিত হইল যে, দেব উমাপতি আমাদিগকে যৌত নীলনীরবরূপ পল্লব (পাড়) গাণী শুরকারূপবিন্দুতে চিত্রিত আচ্ছাপূর্বক দর্শন করিয়া থাকেন কেন? আমরা ইহাকে স্ব স্ব অরই বাহার অস্বর (ঝ)। দুৰৰণ শশান ঘাঁহার এভাৰ এণ-নি করি, তাহা হইলে আমাদিগের পক্কম প্রভাব হিগৃহ, অমুক-ললনাগণ পমহামাংলপ অহাৰ্য লইয়া বিচৰণ সলনি করিয়া জিন এর আমাদিগের প্রতি অবজ্ঞা কৰিবেন কয় সেই গৃহ আকুলিত করিয়া থাকে। নয়কলমধ্যে বিভূষিত না। সেই দেবীণ এই একার নিচ করিয়া আগ্ৰহসকারে শােণিতজ্ঞ ও রাঙ্গনে মা ও বের নাড়ী- মার শক্তি উমাকে সৰু সলিলেতােক্ষণ করতঃ ভঁহার বন ও নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ সকল অঙ্গ বিবর্ণ করিয়া দিলেন। তাহারা সেই আলােলকুণ্ডলা পড়িছ, সুতরাং তোমরা এক্ষণে স্বচ্ছন্দে বিচরণ কর; এলে উমাকে মায়াবলে ভর্তা, শরীর হইতে অপরহণ করিয়া, নিৰ তােমাদিগকে আমার রথবহন করিতে হইবে না। এয়াবতী ব্রা মণ্ডসমধ্যে উপস্থিত করত তাহাকে অভিশাপ আর জ্য দেবী গর্ভভারমন্থরা হংসীকে এই কথা বলি, নির্বিক করিয়া ফেলিলেন।২৬-৩০। তাহারা ঐরণে পার্বতীকে অক্ষ্য ন সমাধি অবলম্বনপূর্বক পৱমশে অবস্থান করিতে লাগিলেন। করিয়া ভদিনে নৃত্যগীলিপূর্বক মহা উৎসব করিলেন। তাঁহা- হে মুনীর। গর্ভতারে এলসগতি হংসীগণ বিষ্ণুর নাভিকমলের দিগের উচ্চ আনন্দ-কোলাহলে নভোমণ্ডল প্রতিধ্বনিত হইতে মূলদেশরূপ ব্ৰহ্ম কমলাকরে কিরণ করিতে লাগিল। পরে লাগিল। সেই মাতৃকামণ্ডলের মধ্যে বিশালজখনা কোন কোন পূর্ণগর্ভাবস্থায় সেই হংসীগ লতা যেন দুর উৎপাদন করে, মাকা অনলে দীর্ঘ অঙ্গের বিক্ষেপ করতঃ করতালি প্রদানপূর্বক সেইরূপ বিষ্ণুর নালিকমলপাৰে কোমল ও প্রসব করিল। উচ্চবে হা ও বিবিধ অবিকার প্রকটন করিতে লাগিলেন। ১১-১৫। সেই মাতৃকাদেবীগণ প্রত্যেকে তিনটা তিন তাঁহাদের উহা-কোলাহল গিরিকানন প্রতিধ্বনিত হইতে করিয়া একবিংশতিটা ডিম্ব এসব করিল যখাকালে সেই লাগিল। আবার কেহ কেহ সুরাপানে মত্ত হইয়া উচ্চরবে ডিস্কগুলি ব্ৰহ্মাৎ দ্বিধা বিভক্ত হইয়া গেল। হে মুনে। শোহধ্বনিত করতঃ খুন করিতে লাগিলেন। পুর্ণচন্দ্রোদয়ে সেই দ্বিখণ্ডিত ডিম্বসমূহ হইতে আমর উৎপন্ন হইয়াছি; আমরা উত্তালভরসঙুল সাগরবারির কায় কেহ কেহ উচ্চরবে গর্জ সেই চণ্ডের পুত্র কাক, আমাদিগের খ্যা একবিংশতি। করিতে লাগিলেন। আবার কেহ কেহ চন্দনাদি লেপনদ্রব্য দ্বারা আমরা সেই ভগবানের নাভিকমলদলেই জাত হয়, সেই আপাদমস্তক রঞ্জিত করিয়া আনন্দে ঘুরঘুর রব করতঃ সুরা- স্থানেই বৃদ্ধি প্রাপ্ত হইতে লাগিলাম। কালক্রমে আমাণের পান করিতে লাগিলেন। সেই দেবীগণ এইরূপে উম্মতভাবে পক্ষোদ্গম হইল, আমরা উড়িতে শিখিলাম। তৎকালে ভগবতী হায়, নৃত্য, সুস্বাদু মাংসভোজন, সুখপান, পরস্পর পরস্পরকে এমীদেৰী সম্যকরূপে সমাধিনির ছিলেন, আমরা তখন স্ব বরুণ, পরস্পরের মুখে খাদ্যদ্রব্য প্রদান প্রভূতি উছুলব্যাপায়ে মাতৃকাগণ সমভিব্যাহারে ভগবতীর বহুদিন আরাধনা করিলাম। নিরত হইয়া ত্রিভুবনের আচার ব্যবহার যেন পরিবর্তন করিয়া হে মুনিবর! অনতর ভগবতী প্রসন্না হইয়া, আমাদিগকে অনুগ্রহ দিলেন । ৩১-৩০। করিয়া মুক্ত করিয়াছিলেন। তৎপরে আর তমনা ও ধ্যান- অষ্টাদশ সর্গ সমাপ্ত। ১৮ | পরায়ণ হইয়া একান্তে অবস্থান করিতে রি” এই স্থির করিয়া পিছবের নিকটে গিয়া উপস্থিত হইলাম। ১৬-২১। প্রায় উপস্থিত হইলে পিতৃদেব আমাদিগকে জিন করিলেন। অন- একোনবিংশ সর্গ। স্তর আমরা অমুসা দেবীর পূজা করিলাম। তিনি আমাদিগের উপর প্রসন্নদৃষ্টি নিক্ষেপ করিলেন। পরে আমরা তথায় যত ভুগুণ্ড কহিলেন,-মাতৃকামগুলের এইরূপ উৎসবকালে ভাবে একপার্শ্বে অবস্থান করিতে লাগিলাম। পিছৰ চণ্ড, আমা- হাদের বাহনগুলিও মঙইয়া হাসকারে নৃত্য ও রক্তপান দিগকে জিজ্ঞাসা করিলেন, সগণ। তােমরা অনন্ত বাসনা করিতে লাগিল। তন্মধ্যে কতকগুলি ব্ৰহ্মাণীখংসী ও অল রূপসূত্রে গ্রথিত এই সংসাজোল ছিন্ন করিয়া আসিতে পারিয়াছ সার বাহন সেই চণ্ডকাক, ইহারা সুরামদমত্ত হইয়া একত্র নৃত্য কি? যদি তা না পারিয়া থাক, তাহা হইলে এই ভূবংসল করিতে লাগিল। সাগরতীরে এইরূপ সুৰাপান ও নৃত্য করিতে ভগবতীর নিকট প্রার্থনা করি, ইনি তােমাদিগকে অজ্ঞান করিতে সেই হংসীগণের বমণেচ্ছা হইল। তৎকালে সেই প্রদান করিবেন। আমরা (কাক) কহিলাম-পিত। ভগবতী সমস্ত হংসী কামমতা হইয়া যথাক্রমে সেই কাকের সহিত ব্রাহ্মী দেবীর অনুগ্রহে আমরা জ্ঞাতব্য পরমত্ব অবগত হইয়াছি, বমণ করল। ঐ কাক সাতটী হংসীর নাত্মক হইয়া যথাক্রমে (সুতরাং তাহা আর আমাদের আবশ্যক নাই। এক্ষণে আমরা তাহানের সহিত পরস্পর ইচ্ছামত বৰণ করিল। ১-৫। অনন্তর একাগ্ৰতাৰে অবস্থান করিবার এই এটা নিনের অভিলাষ রমণসন্তোবিত হংসীগণ সকলেই গর্ভবতী হইল। এদিকে করি। ২২-২৫। চ কহিলেন, বৎসগণ ! সকল প্রকার দেবীগণ, মৃত্যোৎসবক্রিয়াশশষ করিয়া, প্রশান্ত রুদ্রদেবের নিকট নিচয়ের আঁধার, নিখিল দেশের আবাসভূমি রুমেলামে এক উপস্থিত হইনি। মহামায়ারূপিণ সেই দেবীগণ, শূলপাণিকে বিশাল সমুন্নত ভূখর আছে। ঐ সুমেরু পর্বত জীবগণরূপ পরি- তদীয় প্রিয়তমা পত্নী উমাকে ভক্ষ্যবস্তুরূপে গ্রত করিয়া প্রদান বারর্গে পূর্ণ। চৰ্য্যরূপ প্রদসের আলােকে আলোকিত এই করিলেন। শশিশেখর “ইহারা আমার প্রিয়াকে আমাকে ভােজন ব্ৰহ্মগুরূপ গৃহের মধ্যবর্তী কনকময় স্বরূপ। ঐ সুমেরু করিতে দিল” ইহা জানিতে পারিয়া, মাতৃকাগণের প্রতি ক্রুদ্ধ পৰ্বত বহুলার উন্নমিত যহু বলিয়া অনুমান হয়। উহার হইলেন। অনন্তর মাতৃগণ তাহার ক্রোধ দেখিয়া স্ব স্ব উপৰি সুবর্ণময় চাকার কিন্নরগণের আবাসমণ্ডল। ঐ বাহু প্রদানপূর্বক পার্বতীকে পুনরায় উৎপন্ন করিয়া সেই ভগবান্ - পীঠ উহার শিখররূপ, ঐ বাহুর অসিল বময় অতীতে মৌলির সহিত আবার বিবাহ দিকে। তৎপরে মাকাগণ, মহাদেব ভূষিত এবং উহার চতুর্থ অধ্বনিত সাগর ও গ- ও জীয় অস্থায় পরিবারবর্গ সকলে সব হইয়া থানে পু বলয়াকারে প্রতীয়মান হইয়া থাকে। ঐ মহীর প্রস্থান করিলেন ।৬-১০। হে মুনির। সেই ৰক্ষণ-হকগণ কুলাচলরূপমন্তবর্গে এবীপরূপ-মহ আসনে অধিষ্ঠিত। ঐরূপে গর্ভবতী হইয়া ব্রাহ্মী দেবীর নিকট গমনপূর্বক বাৰ যেন রাজা হইয়া শৈলসভায় চন্দ্র নিক্ষেপ করিতেছে। বৃত্তান্ত বলিল। ৰাখী হাদিগকে কহিলেন,—ৎসাগণ! তােমরা ঐমেজ তারকাৰণীরূপ মালতীমালায় বিভূষিত ও ক্লিপ গর্ভবতী হইয়ং, একারণে আমার রথৰহন কৰে অপটু হইয়া শ (পাড় ) যুক্ত অম্বর (আকাশরূপ ৰ) পরিহিত এবং ইজি ২৪ যােশবাশি বামার । নে গেণরূপ অলঙ্কারে হইয়া অবস্থান করিতেছে। রাজা আমরা যেরূপে উৎপন্ন হইয়ছি এবং যেরূপে শব্ধৰোধ ও আয় উহার অনেক নাম আছে, নাগ সর্প ও হস্তী, সুমেরু পর্বতে উপস্তবুদ্ধি হইয়া এই স্থানে অবস্থিত আছি, তৎসমই ঘৰখ অনেক নাগ বাস করে)।২৬-৩০। চতুর্দিকে দিকরূপ অগ আপনার নিকট বর্ণন করিলাম। একপে আপনার যদি এর নগরপ বিভু ভূষিত হইয়া সলিশীকরনিষন্দী মেঘরূপ কোন ভিজা থাকে, তাহা আমার নিকট ব্যক্ত করুন, আমি চামৰ দিয়া উহায় ব্যজন করিয়া থাকে। এখােনুমণ্ডলে উহা তাহাও বলিতেছি। ৪-৫। মােড় সহ জেনব্যাপী পাদ সকল (চরণ ও ক্ষুদ্র প্রত্যন্ত একোনবিংশ সর্গ সমাপ্ত।১১। পর্বত) মগ অসুর ও উগগণকর্তৃক সেবিত (আশ্রিত, আয়- ধিত)হইতেছে। এই সুমেরু পর্বতের মীর জীহি ৰােজন বিস্তৃত। চন্দ্র সূৰ্য্য ইহার লােচন। ঐ পৰ্বত সুর, গন্ধব ও কিন্নর- বিংশ শর্গ। কর্তৃক সেবিত। যেমন সমৃদ্ধিশালী গৃহস্থের আশ্রয়ে বহু বান্ধব জীবিকা নির্বাহ করে, সেই চতুর্দশ প্রকার জীবগণ এই ভুখণ্ড কহিলেন,“হে মুনীন্দ্র। পূর্ব পূৰ্ব কঙ্গে এই জগতের সুমেরু পর্বতে আশ্রয় করিয়া রহিয়াছে। ঐ পর্বত এত বিস্তু যাদৃশ অবস্থা বা অকারাদি সন্নিবেশ ছিল, বর্তমান কলেও সেই যে, ঐ পৰ্বতবাসী জনগণ পরস্পর পরস্পরের গৃহাদি দেখিতে রূপই রহিয়াছে, একারণে আমি বহুপূর্বতন কল্পে জাত ও পায় না। এই পৰ্ব্বতের ঈশানকোণে পদ্মরাগ মণিময় এক বিশাল পূর্বতন কঙ্গের কল্পবৃক্ষ কুলায়ে অবস্থিত হইলেও পূৰ্ব অভ্যাস- শৃঙ্গ দ্বিতীয় দিবাকরে স্যায় শােভা পাইতেছে। ৩১-৩৫। ঐ দোষে পূর্বতন ঘটনা ও পূৰ্বকজের সেই কল্পবৃক্ষস্থিত কুলায় শৃঙ্গের উপরে বিবিধ-ভূসমূহপূর্ণ মহান্ এক কল্পবৃক্ষ উক্ত শৃঙ্গ বর্তমান কলের ন্যায় বর্ণনা করিলাম , কারণ বর্তমান কলেও রূপ দর্পণে সমগ্রজগতের প্রতিবিম্বের ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে আমি পূর্ধ্বতন কুল্পের মতই সমস্ত দর্শন করিতেছি। সেই বৃক্ষের দক্ষিণদিকৃস্থিত স্কন্ধে সুবর্ণপল্লবময়ী রত্নস্তবকপূর্ণ এক মুনে। আমি যে আপনাকে সাক্ষাৎ নির্বিঘ্নে দর্শন করিতেছি, শাখা চন্দ্রবিম্ববং শােভমান ফলনিকর ধারণপূর্বক অবস্থান করি- ইহা আমার চিরকালসঞ্চিত পুণ্যের ফল অদ্য ফলিয়াছে, তাহার তেছে। হে ভগণ। আমি সেই শাখায় এক মণিময় কুলায় নির্মাণ সন্দেহ নাই। মুনিবর। অদ্য আপনার দর্শনে আমার এই করিয়াছিলাম। যখন সৰী ধ্যানমগ্ন থাকেন, তখন আমি ঐ কুলায়, এই কল্পতরুর শাখা, আমি এবং আমার অধিষ্ঠিত নীডে গিয়া বিশ্রাম সুখ অনুভব করি। হে পুত্রগণ! তােমরা সমগ্ৰ কল্পবৃক্ষ পবিত্র হইল। ঋষে। বিহঙ্গমবর্তৃক প্রদত্ত এই আমার এই কুলায়ে গান কর, সেই কুলায়ে বিচারপূর্বক পাদ্য এবং অর্থ গ্রহণ করিয়া এই বিহঙ্গমকে পবিত্র করুন এবং ব্যবহারশীল অনেক কাকনন্দন বাস করিয়া থাকে, সেই কুলায়টা আপনার অবশিষ্ট যাহা দুষ্টব্য আছে, তাহা স আদেশ করুন। রপপালে আৰ, অমৃয় ফলনিকরে পূর্ণ। চিন্তামণিময় ১৫। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম! ভুতণ্ডপী এই বলিয়া শলাকা দ্বারা উহার অলিন্দপ্রদেশ নিশ্চিত। রমণীয় ঐ ফুলায়ের অমাকে পাদ্য অর্ঘ্য প্রদান করিলে আমি তাহাকে পুনরায় অভ্যন্তরদেশ শীল ও কুসুমসমূহে আকীর্ণ। ঐ রমণীয় কুলায় জিজ্ঞাসা করিলাম,“হে খগের। অজ্ঞবিধ মহাসত্ত্বসম্পন্ন মহাবুদ্ধি- স্বর্গবাসী দেবগণেরও দুগম। তােমরা ঐ স্থানে থাকিলে ভোগ শালী ভবদীয় ভ্রাতৃগণকে ত এলে দেখিতে পাইতেছি না, মােক্ষ দুইই নিৰ্বিয়ে প্রাপ্ত হইবে। ৩৬–৩। পিতা এই একমাত্র তােমাকেই দেখিতেছি , তাের সে ভ্রাতৃগণ এক্ষণে বলিয়া আমাদিগকে আলিঙ্গন ও চুম্বন করিলেন এবং দেবীর কোথায় ? ভুগুণ্ড কহিলেন, হে মূনে। আয়রা বহুকাল এইস্থানে অন্য যে মাংস আনীত হইয়াছিল, তাহা আমাদিগকে প্রদান বাস করিতেছি। হে অনঘ। দিবসের স্যায় একে একে আমাদের করিলেন। আমরা সেই পিতৃদেবপ্রদত্ত মাংস ভােজন করিয়া সমুখে কত যুগ যে অতীতহইয়াছে, তাহা বা যায় না। এই এবং দেবী অলসা ও পিতৃদেবের চরণ বন্দনা করিয়া অলস সময়ের মধ্যে মদীয় অনুজবর্গের সকলেই এক এক করিম তৃণের দেবীর আশ্রম সেই বিন্ধক হইতে দ্রুতগতিতে প্রস্থান করি ন্যায় শরীর ত্যাগপূর্বক মঙ্গলময় পরমপদে লীন হইয়াছে। দীর্ঘায়ু লাম। নভােষগুলে উখিত হইয়া, আমরা ক্রমে মেঘপথ ভেদ প্রবলপরাক্রমশালী অজ্ঞানী মহৎ ব্যক্তি হইলেও সকলেই করিয়া পবনদ্ধে আনােহ করিম। তথায় গগনচারীদিগকে অলক্ষিতরীর কালের করালগ্রাসে পতিত হইয়া থাকে। বশিষ্ট বনা করিয়া সূৰ্যলােকে উপনীত হইলাম। হে মুনৗখর। অল কহিলেনৎসভূত। যখন প্রলয়কাল উপস্থিত হয় বাতঙ্কজ তয় আমরা সূর্যলােক হইতে স্বর্গলােকে, স্বর্গলােক হইতে ব্রহ্ম নামক প্রলয়বাত্যা যখন ঋদেশে (উপরে) আদশ আদিত্য লােকে গমন করিয়াম। তথায় গমন করিয়া মদীয় অননী ও ও চন্দ্রকে বহনপূর্বক অৰিয়ত প্রবলবেগে বহিতে থাকে, তখন ভগবতী ব্রাশ্রীদেবীকেণালপূর্বক পিতৃলেকখিত বাক্য যথাযথ ভােমার কোন ক্রেণ হয় না কি? যখন উল ও অস্তাচলের নিবেদন করিলাম। তাহারা আমাদিগকে সস্নেহে আশিকন- হনকারী যুগপৎ উদিত দ্বাদশ আদিতের অতি প্রখর কিরণমালা পূবক “তােমরা গন্তব্যস্থানে গান কর এইরূপ অনুমতি প্রদান তাের সন্নিহিত হয়, তখন কি লেখার কোন বােধ হয় না? করিলেন। তাঁহাদিগের অনুমতি সাইয় আমরা তাহাদিগকে যখন চন্দ্রের অতীতল কিরণাশি অলরাশিকে পাষাণময় কঠিন নমস্কার করিয়া ব্ৰহ্মলােক হইতে বহির্গত হইলাম। হে মূলে। করিয়া করুক(ক) পাত করিতে থাকে, তখন তুমি ক্লেশ এর দূষৎ লেীপ্যমান শােপয়ী অতিক্রম করিল অনুবকরলা কি? বেংস। যখন প্রলয় মেঘমালা এই যে আশা ৰায়ে আরূঢ় হইয়া, আকাশপ দিয়া আসিয়া এই শখরে অবস্থান কৱি পৱনাশী কঠিন শিলাপ এবং কার প্রাপ্ত হইলাম এবং এই কলরক্ষতি নীড়ে প্রবেশপূর্বক অতিশীল তুষার বৃৰ করিতে থাকে, তােমার কি কোন ললিত হইয়া নিৰ্বিয়ে অবস্থান করিতেছি। হে মহাত্ম। ক্লেশ হয় না? প্রলয়কালে যখন বিষয় অগৰিক্ষোভ উপৰিত নির্বাণ প্রকল্পণ-পূৰ্ব্বভাগ ৫৫ | হয়, তখন এই অতি উচ্চস্থিত বিশাল কলবৃক্ষই বা কেন বিক্ষুব্ধ । আমাদের ভয় কি? এই যে ভূতনিৰহটিনী কালসাগয়ে বেশ বা ভগ্ন হয় না? ইহার কারণ কি আমাকে বল। ১১-১৫।' করিতেছে, ইহাতে আমাদের কি? আমক্কা ত সংসারীর ভুত কহিলেন,-ব্ৰহ্ম! যাহারা নিরালম্ব শূন্য গগনে অবস্থান অটে অবস্থান কৱিতেছি, কিছুই পরিত্যাগ করিতেছি না, কিছুই করে, সেই বিহঙ্গদিগের অতিকষ্টকর জীবিকার বিষয় আপনাকে গ্রহণ করিতেছি না, একবে অবস্থান করিতেছি, আমরা আর কি বলিব ? তাহাদের স্থায় কষ্টকর কঠিন জীবন বােধ হয় সংসারপথে সাবধানে চিরণ করি বলিয়া মৃদুল এবং তদনে আর কোন প্রাণীর নাই। কি আশ্চর্য্য। বিহগজাজি লিমিই সংসারের উচ্ছেদ করি বলিয়া কঠিন হইয়া এই বৃক্ষে অবস্থান বুঝি বিধাতা এই নিন কাননে শূন্য আকাশপথে এই আসার করিতেছি। শােকভয়ক্লেশশূন্য সর্বদা সন্তুষ্ট ভবাদৃশ মহাপুরুষ ঘােনিতে এইরূপ কষ্টকর জীবিকার সৃষ্টি করিয়াছেন। হে প্রভাে! দিগের অনুগ্রহেই আমরা বিগতর হইয়াছি। হে ভগক। আম- এইরূপ কুজাতিতে জগৎ আশপাশনিবদ্ধ চিরজীবী বিহগের দের মন তত্ত্বাৰ্থ অবগত হওয়ায় মাত্র ব্যবহানিম্পাদনাথ ইতস্তত দুখের কথা আর আপনাকে কি জানাইব? কিন্তু ভগব। ধাৰিত হইলেও বিষয়গাদির বশীভূত হয় না। ৩১-৩৫। আমরা নিত্য আত্মসন্তোষ লাভ করিয়া থাকি বলিয়া কখনই আমাদিগের আত্মা বিকারবিহীন ক্ষোভ ও উপশান্ত হওয়ায়, এই রূপবিহীন পরমপদে উৎপন্ন, ঐরূপ বিবিধবিভ্রমে মােহগ্রস্ত আমরা প্রবুদ্ধ ও অনন্ত ব্ৰহ্মাকারে স্কুরিত সংৰিত্তরঙ্গে পূর্ণচন্দ্রোদয়ে দুই না, আfং ঐরূপ আপাতদৃষ্টিতে প্রতীয়মান বহুল বিঘ্ন সাগরের ন্যায় পরিপূর্ণ হইয়াছি। হে ব্ৰহ্ম। যে সুধার জন্য বহু বিপত্তিতে কোনই ক্লেশ বোধ করি না। হে ব্ৰহ্মন। আমরা আয়াস করিয়া মন্দরপর্বত দিয়া ক্ষীরােদসাগর মথিত হইয়াছিল, নিয়ত অস্বভাবেই সন্তুষ্ট , এইজন্য উক্ত কষ্টজাল হইতে নিক আপনার আগমনেই আমরা সেই সুধার আস্বাদ পাইয়া পরমা- হইয়া কেবল আমাদের এই স্বীয় ভবনে থাকিয়া কালাতিপাত ফলাদিত হইয়াছি। কারণ সর্বপ্রকার কামনত্যাগী তত্ত্বজ্ঞানী করি। ১৬–২০। আমরা জীবিত থাকিয়া দেহের ঐহিক আতিক সাধুপুরুষের সঙ্গলাভভিন্ন আত্মকল্যাণ আর কিছুতেই সন্তবে কোন কৰ্ম্ম করিতে ইচ্ছা করি না অথবা মৃত হইয়া দেহ নষ্ট না। আপামণীয় বিষয়ভােগে কি সার আছে। একমাত্র করিতেও ইচ্ছা করি না। আমরা যেরূপ নিৰ্বাপার হইয়া এবংবিধ সংসরূপ চিন্তামণি হইতেই সৰ্ব্ববিধ সার প্রাপ্ত হওয়া যায়। হে নিত্যবুদ্ধ পূর্ণ আনন্দ আত্মস্বৰূপে অবস্থান করিতেছি, পরেও মুনে। আপনার গন্তীর ধীর বা স্নিগ্ধ কোমল মধুর ও সরলতা এইরূপই থাকিব। আমরা লােকের জন্মমরণাদি অনেক অর্থ ময়। আপনিই এই ত্রৈলােক্যরূপ পরকোসের একমাত্র ষটপদ দশা অবলােকন করিয়াছি এবং অনেক দৃষ্টান্তও দেখিয়াছি। স্বরূপ। যদি চ আমি পূর্বেই পরমাত্মতত্ত্ব অবগত হইয়াছি, আমাদিগের কন এক্ষণে একেবারে চঞ্চলভাৰ পরিত্যাগ করিয়াছে। তথাপি এক্ষণে বােধ হইতেছে যে, আপনার দর্শনলাভেই আমার আমরা এই কল্পবৃক্ষের উপরি অবস্থান করায় সর্বদা অপরিতাপী দুষ্কৃত ক্ষয় হইল এবং আম্মতত্ত্ব জ্ঞাত হইলাম। হে সাধ্যে। স্বাক্সলােকে কিয়াস কালগতি দেখিয়া চলিতেছি। হে অদ্য আমার জন্ম সার্থক হইল , কারণ সাধুসঙ্গ সকলপ্রকার ব্ৰহ্ম। রত্নরাজি দ্বারা প্রকাশময় এই কল্পলতাভবনে থাকিয়াও ভয়াদি ক্লেশনিবারণ করিয়া থাকে।৩৬–১ (অর্থাৎ এইস্থান প্ৰকাশবহুল বলিয়া এইস্থানে দিন রাত্রি বিভাগ বিংশ সর্গ সমান। ললিত না হইলেও , আমরা প্রাণ ও অপান বায়ুর প্রবাহৰূপ উপায়ে সম্পূর্ণভাবেই কল্প বা কালগতি আনিতে পারিতেছি। যদি চ এই বিশাল পর্বতোপরি দিবারাত্রি বিভাগ জানা যাইতেছে একবিংশ সর্গ। না, তথাপি স্বকীয় বুদ্ধিবলে কালক্ৰম আমাদের জনগােচর হইতেছে। ২১-২৫। হে মুনে। মদীয় মন তত্ত্বজ্ঞানৰলে ভূত কহিলেন,-যখন ঘাের প্রলয়সংক্ষোভ উপস্থিত হয় সার-অসার-পরিচ্ছেশূন্য ও বিভ্রান্তি প্রাপ্ত হইয়াছে, ইহার এবং বিষম ব্যত্যা প্রবাহিত হইতে থাকে, তখন এ কল্পবৃক্ষ সুস্থির চাঞ্চল্য একেবারে নাই, সর্বদাই শান্ত ও স্থিরভাবে অবস্থান ভাবে থাকে কখনই ইহা কম্পি হয় না। হে সাধে। এই বৃক্ষ করিতেছে; এই জন্যই আমার কিছুতেই ক্লেশ খােধ নাই। যেমন বিভিন্নলােকবাসী সমভূতের অগ, ঝুশিয়া আমরা এই বৃক্ষে প্রাঙ্গণস্থিত বায়স গৃহস্থের অভমাত্র পদসঞ্চারদিশকে ভয়কা সুখে অবস্থান করি। হিরণ্যা যখন এই সপ্ত দ্বীপসমান্বিত ধা- হইয়া পলাইতে চেষ্টা করে, সেরূপ আমি সংসাবহার- মণ্ডল হরণ করিয়াছিল, তখনও এই বুক কম্পিত হয় নাই। সম্ভুত মিথ্যা আশপাশে বিশ হই না । আমরা সৈহকারে যে সুমেরু পর্বত একপার্শ্বে থাকায় পৃথিবীর সমীকরণার্থ অপর পরমান্তিময়ী পরমালােকশীতল। বুড়ি আর এই জগৎকে দিকে বহুতর বিশাল পর্বতমালা স্থাপিত রহিয়াছে, সেই বিশাল মায়িকরূপে নিরীক্ষণ করিয়া থাকি অর্থাৎ ইহাতে সত্যবুজি তম মূমেরুপৰ্বত যখন (নারায়ণ রাহমূর্তি ধারণ করিয়া রা- আমাদের নাই ,এই অ ইহার প্রলয়ে আমাদের কোনরূপ মণ্ডলের উত্তর কালে) সােলায়মান হইয়াছি তখনও এই বৃক্ষ ক্লেশ নাই। হে মহামতে। ভীষণ কেশ আপতিত হইলেও কাঁপে নাই যখন চতুর্ভুজ নারায়ণ বাহুয়ার সুমেরু থারপূর্বক আমরা পাশের গায় অচল এটভাবে ও নিখ পাষাণাকারে অপর বাহুর মারা মন্দালতে উত্তােলন করেন, তখনও এই বৃক্ষ অবস্থান করিতে থাকি। অপার করুকুর গভের মুখ বিচলিত হয় নাই।১৫। যখন সুয়ার্গের তীব্ৰসংগ্রামক্ষোভে দশ কতবার আমাদের উপর দিয়া আসিতেছে ও যাইতেছে, চাকমও ভূপতিত ও গণ্ডল অতি হইয়াছিল, তখনও ফলে কিছুতেই আমাঝে ফ্রেশ বােধ হইতেছে না। ২-৩ এ বকশিত হয় নাই। যখন উৎপাবত্য প্রবাহিত হইয়া হে ভগব। যদি এই নিখিল ভূসমূহ সর্বদা গতায়াত করিতে বৃহৎ বৃহৎ ভূধরসমূহের শিলাৱাৰি ইভত বিক্রি করত এই থাকে, অথবা (পরমার্থ দৃষ্টিতে কিছুই না করি থাকে, তাহাতে সুমেরু পর্বতের অন্যান্য বৃক্ষসমূহ উৎপাটিত কৰিছিল, এনও કરત যােগ-রামায়ণ '; এ কম্পিত হয় নাই। যখন কীনােদসমূমধ্যবর্তী কম্পমান নিয়তি নিশ্চয়ই এইরূপ। আমার সফলই এই যে, প্রক্ষিতে এই সচলের করতে বিচালিত, প্রলয়মেঘমালা সমুদিত হইয়া গিরিশিখরে এই ভ, এইরূপে উৎপন্ন হইবে, সেই সঙ্কজবশেই ছিল তখনও এ কাঁপে নাই। যখন এই সুমেরুগিরি কাল ইহা এইরূপ হইয়া থাকে।২২-২৫। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে বিগ- নেমির ভুজমথ্যগত হইয়া ঈষৎ উনূলিত প্রায় হইয়াছিল। তখন রাজ। তােমার আয়ু মুভি গায় অপরিসীম, (অথবা তােমায় এই বৃক্ষ কম্পিত হয় নাই। অমৃতহরণজন্য অনুরদিগের সহিত আৰু জীবমুক্তি সংলগ অর্থাৎ তুমি চিরজীবন্মুক্ত) সেই কারণে দেবগণের যুদ্ধকালে পক্ষীগরুড়ের পক্ষমারুতে যখন নভােমণ্ডলস্থ তুমি চিরন্তন পদার্থবিষয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ অর্থাৎ তােমার ন্যায় আর সিদ্ধগণকেও স্থানচ্যুত হইতে হইয়াছিল। তখনও এই বৃক্ষ পতিত কেহই দীর্ঘদশী নাই, তুমি বীর, তুমি জান বিজ্ঞান লাভ হয় নাই। ১০। যখন পক্ষী গরুড় জন্মগ্রহণ করিয়া করিয়াছ, তােমার মনােগতি বােগগাবলমিনী। তুমি বিৰি বহু উড্ডয়ন করত এই ধরামগুলকে মুগ্ধ করায় সঞ্চব রুদ্রদেব শেষ সৃষ্টির আগম অপায় অবলােকন করিয়াছ; অতএব হে মঙ্গলময়। মূর্তিতে ভূভারধারণরূপকর্মে ব্ৰতী হন, তখনও এই বক্ষ কম্পিত তােমার অবলােকিত এই জগৎপরম্পরায় আশ্চর্য কি কি, তাহা হয় নাই। যখন ঐ শেফমূর্তি বান্ সহস্র ফণা দ্বারা তােমার স্মরণ হয় কি ? ভুশু কহিলেন,-অতিমহ। আমার নিখিল শৈলসাগর ও প্রাণিবর্গের অসহনীয় তীর কল্পালশিখা মনে হয়, কোন সময়ে এই সুমেরুর আধােবৰ্ত্তিনী ধরা,রুক্ষ ও শৈল- দ্বৈমন করিতে থাকেন, তখনও এই জ্ঞ অণুমাত্র বিচলিত বা শুষ্ঠ ছিল, তখন উহাতে তৃণাদি কিছুই উৎপন্ন হয় নাই আবার স্পন্দিত হয় নাই। হে মুনিল। আমরা যখন ঈশ প্রলয় স্মরণ হয়, একাদশ সহস্র বৎসর ব্যাপি এই এরা ভারুশিতে পূর্ণ কালেও অভয় আঁচল অটল বক্ষবরে অবস্থান করিতেছি, তখন ছিল। তখন সূৰ্য্য উৎপন্ন হয় নাই, চন্দ্রমণ্ডলও উৎপন্ন হয় নাই, আমাদের আপদ কোথায়? কুস্থানে অবস্থান করিলেই বিপদের দিবসও তখন প্রকাশ হন নাই। ২৬-৩০। আবার কখন দেখিয়া- সম্ভাবনা বটে। বশিষ্ঠদেব পুনরায় জিজ্ঞাসিলেন-হে মহামতে। ছিলাম, এই ভুবন সুমেরু পর্বতের রত্নরাজিভায় অপ্রকাশিত প্রলয়কাল উপস্থিত হইলে যখন উৎপাবাত্যা বহিতে থাকে, ও অর্ধ অন্ধকাৰিত হইলোকালােক পর্বক্সে খায় প্রতীয়মান ও যুগপৎ চন্দ্র দ্বাদশ সূৰ্য্য ও নক্ষত্রপুঞ্চের উদয় হইয়া থাকে, তখন হইয়াছিল। আবার মনে হয়, কোন সময়ে অর্থk যখন দেবার তুমি কিরূপে বিক্ষর হইয়া থাক, তখন ত নিশ্চিতই কষ্ট পাইবার সংগ্রাম উপস্থিত হয়, তখন এই ধরামগুল, জনগণ ইতস্ততঃ পলা- সম্ভাবনা। তুণ্ড উত্তর করিলেন, প্রলয়কাল উপস্থিত হইলে যখন ন করায় লােক হইয়া উঠিয়াছিল। আবার মনে হয়, এক জীবগণের জগদ্ব্যবহার গতপ্রায় হইয়া উঠে, সমস্তই বিশৃঙ্খল সময়ে এই বসুন্ধরা বলাে দৈত্যদিগের করগত হইয়া, চতুর্যগ- হইয়া লয় পায় , তখন কত যেমন সাধুস্বভাব সংমিত্রকে পরিত্যাগ কাল ব্যাপিয়া দৈত্যদিগের অন্তঃপুর হইয়াছিল। আর মনে হয়, করে, সেইরূপ আমি এই কুলায় পরিত্যাগ করিয়া থাকি। এক সময়ে এই পরামগুলের সমস্তভাগ সমূদ্র সলিলমগ হইয়াছিল, ১১-১৫। আমি তখন নিখিল-কল-পরিত হইয়া কেবল একমাত্র এই সুমেরু-পৰ্বত জলমগ্ন হয় নাই এবং ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও আকাশেই অবস্থান করিয়া থাকি, তখন অঙ্গসমৃদয় আমার মহেশ্বর ইহার। তিনজনমাত্র এই সুমেরু-পর্বতে অধিষ্ঠান করিয়া- অবত নিশ্চল ও মন বসন বিশুন্য হইয়া থাকে। যখন দ্বাদশ ছিলেন। সুরণ হইতেছে, আর এক সময়ে এই ধরামণ্ডল দুই যুগ আদিত্য যুগপৎ উদি হইয়া ভুধনিচয় খণ্ড খণ্ড করত প্রখর কেবল বনবৃক্ষজালে আচ্ছন্ন হইয়াছিল , বক্ষব্যতীত আর কোন অপ দিতে থাকেন, তখন আমি নিজে সলিলা বরুণরূপ বস্তু তখন নিতি দেখা যায় নাই। মনে হয় কখন খেয়াছি, বারণ করিয়া ধীরভাবে অবস্থান করিতে থাকি। যখন প্রলয়ব,এই পৃথিবী চাৰিযুগ কেবল ঘনসন্নিবিষ্ট পর্বসমূহে পরিব্যাপ্ত প্রবাহিত হইয়া পর্বত সমূহ খণ্ড খণ্ড করিয়া ফেলে, তখন আমি হইয়া পড়িয়াছিল,সেই কারণে লােকের গতিবিধি একেবারে রুদ্ধ আপনাকে পৰ্বত ধারণা করিয়া ( অর্থাৎ পর্বতের ন্যায় দৃঢ় অটল হইয়াছিল। ৩১-৩৬ , আবার এক সময়ে দেখিয়াছি মনে হয়, হইয়া) অবস্থান করি। যখন সুমেরুপত আদি গলিত হওয়ায় এই পৃথিবী দশ সহস্র সরকার কেবল মৃভদানবদিগের অস্থি- জগৎ একাকার ধারণ করে, তখন আমি বায়ুধারণা প্রাপ্ত হইয়া রাশিসমাকীর্ণ হইয়া পৰ্বত-সমাকীর্ণবৎ প্রতীত হইতেছিল। আর আপনাকে বায়ু বিবেচনা করিয়া আকাশে সাত হইতে থাকি। এক সময়ে দেছিলাম, এই পৃথিবীর বৃক্ষাদি পৰ্যন্ত নাই, কালে স্কুলসূক্ষ্ম সমষ্টাত্মক ব্রহ্মাণ্ডের পরম অধিভূত অব্যাকৃত চতুর্দিকে কেবল শূন্য অন্ধকারময়। নভােমণ্ডল হইতে বিমানগামী দশ প্রাপ্ত হইয়া, আমি চতুর্বিংশতি (মতভেদে ষড়বিংশতি বা নভশ্চর ভ ইতন্ত পলায়ন করিতেছে, আর এক সময়ে ষটত্রিশ) তত্ত্বের অন্তর্ভুত অপরিচ্ছিন্ন নির্মল ব্রহ্মপনে দেখিয়াছিম, বিন্ধ্যপর্বত উন্মত্ত হইয়া গগনপথভেদ করিয়া নিৰ্বিৰুজ নিশ্চল সমাধি অবলম্বনে অবস্থান করিয়া থাকি। আবার বিস্তার করিয়াছে; দক্ষিণদিক্ কেবল পৰ্বতময় হইয়া গিয়াছে, যখন কমলযােনি ব্রহ্মা পুনরায় সৃষ্টিকৰ্ম্ম করিতে থাকেন, তখন অগস্ত্যমুনি তথায় নাই। আমি এইরুপ এবং আরও অনেক তাহার ব্রহ্মাণ্ডে প্রবেশ করিয়া এই বিহুদিগের আবসে অবস্থান বিধ বই ব্যাপার প্রত্যক্ষ করিয়াছি, তাহা মনে হইতেছে। করিয়া থাকি। ১৮—২১ বশিষ্ঠ কহিলেন, হে বিহগেন্দ্র! প্রলয়- মুনিবর। এ বিষয়ে আপনাকে অধিক আর কি বলিব, সাপে কাল উপস্থিত হইলে তুমি যেরূপ খায়লালে অক্ষতশৱীয়ে অবস্থান সব কথা বলি, শ্রবণ করুন। হে ব্ৰহ্ম! আমি অগণনীয় অনেক কর, অঙ্গাঙ্গ যোগীরা সেরূপ পারেন না কেন? দুও কহিলেন, মনুকে জন্ম কত দেখিলাম, তাঁহারা সকলেই বিপুল ক্ষ! পরমেশ্বরের নিয়তিই এইরূপ লক্ষনীয় যে “আমি এই সড়য়ে চারিণত যুগবান করিয়া গিয়াছে। আমি এক রূপ খাকি পরে এইরূপ থাকিতে পারিবে না” অবজাবিনী সময়ে বিশুদ্ধ অষয় গোলাপী এক সৃষ্টি দেখিয়াছিলাম, তখন নিতি কহাত নেকিরূপ তাহা কেহই পৰিয় ৰা নিৰ্ণ করিয়া লে জানৰ কেহই উৎপন্ন হন নাই। ৩৭২। আর এর উঠিতে পারে না। যাহার যেরূপ নিয়তি, তাই সেইরূপ হইবে, দেখিয়াছিলাম, এখগ- সুৰাপায়ী হইয়াছে, পুজে দেবগণের বিৰাণ-এর-পূর্বভাগ। নিন্দা করিতেছে, অমণগণ বহু স্বামীগ্ৰহণ করিয়াছে। আর এক জল হইতে জন্মগ্রহণ করেন, কখন বায়ু হইতে এত হন, কখন সময়ে মনে হইতেছে, এই ভূপৃষ্ঠ কেবল শ্রেণীতে পরিপূর্ণ; শৈল হইভে, কখন বা অনল হইতে উৎপন্ন হইয়া থাকেন। এই তখন মহাসাগর কলিত হয় নাই; স্ত্রী-পুরুষসংসর্গ ব্যতিরেকেই বর্তমান সৃষ্টি যেরূপ আকারে যেরূপ আচাৱব্যবহারে পূর্ণ ও ইহতে তখন পুরুষের উৎপত্তি হই, এইরুপ একটা দৃষ্টি দেখিয়াছি। দিল যেরূপ ভাবে ক্ষতি, এইরূপ টি শক্তি দেখিয়াছি, আর এক সৃষ্টিতে দেখিয়াছি মনে হইতেছে, পর্বত ও মৃত্তিকা মনে হইতেছে। আর দশটা সৃষ্টি দেখিয়াছি একই প্রকার, একই কিছুই নাই, অমর ও মানবগণ গগনতলে অবস্থান করিতেছ, রূপ কালস্থায়ী। সেই সেই সৃষ্টিতে দেবগণের স্ব স্ব স্থান অনুর- চন্দ্র-সূ নাই অথচ সমস্ত প্রকাশময়। স্মরণ হইতে, আর বিদলিত হয় নাই এবং ও সৃষ্টির ধরা, দেবগণ ও সকলের এক সৃষ্টিতে দেখিদিজা নাই, যে সমস্ত লােক আছে, আচার ব্যবহার সমস্তই একরূপ। হে মুনে। আর পাঁচটা তাহাদের কেহই নিদ্রিত হয় নাই , উত্তম, মখ্যম, অধম ইত্যাদি সৃষ্টি দেখিয়াছি, তাহাতে এই পৃথিবী পাঁচবার সমূদ্রমথ হন এবং বিভাগ নাই, চতুর্দি অন্ধকারময়। আমি এইরূপ কত কল্প বিষ্ণু কুৰ্মাবতার হইয়া সমুদ্র হইতে তাহার উদ্ধার করে। আর দেখিয়া আসিলাম, তাহার ইয়ত্তা নাই। বংস বশিষ্ঠ। তুমি মনে হইতেছে, এয়ারবর্গ মিলিত হইয়া মাচলের আকর্ষণ- তো আমাদিগের অপেক্ষা অতি অল্পবয়স্ক, তথাপি বর্তমান এমে পরিক্লান্ত হইয়া দ্বাদশবার এই অমৃতসাগর মন্থন করিয়াছেন। কলের অতীত ঘটনা, অর্থাৎ সৃষ্টিরষ্যাপার জণশ্রয়বিভাগ, স্বর্গের দেবগণের নিকটেও করগ্রাহী হিরণ্যাক্ষ দৈত্য সৰ্বোধিস কুলপর্বতসন্নিবেশ, জন্ধীপের পৃথককরণ, বর্ণাশ্রমীদিগের সৃষ্টি গ্রহণ করিবার জঙ্গ সৰ্বোষধি বৃক্ষ সহ এই বসুন্ধরাকে তিনবার ভূমণ্ডলবিভাগ, নক্ষত্ৰচক্রের সংস্থাপন, ধ্রুবতারানিৰ্মাণ, চন্দ্রসূর্য। পাতালে লইয়া গিয়াছিল। পূর্ব পূৰ্ব কলে হরি পাচবার পরশু- দিৰ জন্ম, ইল ও উপেন্দ্রের ব্যবস্থিতি, হিরণ্যক্ষবথ, বরাহমূৰ্ত্তি রামরূপে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন, মধ্যে অনেক কঙ্গে অবতীর্ণ হন ধারণ করিয়া নারায়ণের পৃথিবীর উদ্ধার, দেবমানবাদি প্রত্যেকের নাই এইকরে তিনি ষষ্ঠবার রেণুকাগজে পরশুরামরূপে জাত হইয়া রাজা করুন, বেদানয়ন, মন্দরপতােৎপাটন, অমৃতার্থ সাগর- ক্ষত্রিয়কুল ক্ষয় করিয়াছেন। হে মুনিনায়ক! হরি শৌকাজ শুজো- মন, অতপক্ষ গরুড়ের উৎপত্তি, সাগরূৎপত্তি ইত্যাদি সমস্তই দনের ঔরসে অবতীর্ণ হইয়া বুদ্ধমে বিখ্যাত হইয়াছেন—এমন তোমার মনে আছে। সেই জন্য আমিও আর তাহার উল্লেখ বহুশত কলিযুগ অতীত হইয়াছে, আমার স্মরণ হইতেছে। আরও করিলাম না। দীর্ঘজীবিতনিবন্ধন আমি কলে কঙ্গে কত যে আমার মনে পড়ে, ভগবান্ চন্দ্রশেখর ত্রিশবার ত্ৰিপুৰবিজয়, দুইবার আশ্চৰ্য্য ঘটনা দেখিয়াছি, তাহা বলা যায় না। এই কলে যিনি অক্ষযজ্ঞধ্বংস ও দশবার শত্ৰুপরাজয় করিয়াছেন। মনে হইতেছে, পড়বাহন বি, ইহাকে অন্য করে হংসবাহন ব্রহ্মা হইতে বাণারের জন্য হরি ও হর স্ব স্ব জল্পনামক সৈনিচয় ও শমথ- দেখিয়াছি। আর এক কলে ঐ ব্ৰহ্মাকে বৃষভৰাহন রুদ্রদেব হইতে নামক সৈনিচয় লইয়া সুরসৈন্যবিক্ষোকারী সংগ্রামে আটবার দেখিয়াছি। ঐ রুদ্রদেবকে আবার অন্য এক কঙ্গে গরুড়বান বিষ্ণু প্রবৃত্ত হইয়াছেন হে মুনে। প্রত্যেক যুগে মানগণের বুদ্ধিবৃত্তির হইতে দেখিয়াছি। ৩৯–৫২। নৃশধিক্যৰ বেদোক্ত কাৰ্যকলাপ ও বেদের উচ্চারণাদির একবিংশ সর্গ সমাপ্ত।২১। পার্থক্য অনুভব করিয়াছি। হে অনছু। প্রতিযুগেই ভিন্ন ভিন্ন নির্মাণকর্তা হওয়ায় একার্থক একরূপই পুরাণগুলির পাঠছে ও পাঠবিস্তৃতি ঘটিতেছে। ১৫-২০। আমার বেশ মনে হই- দ্বাবিংশ সর্গ। তেছে,বেদাদি শাস্ত্রবিং ব্যাস বাল্মীকি প্রভৃতি মহর্ষিগণ পূর্ব পূর্ব কলের সেই সেই ইতিহাসগুলিই প্রতিক্ষুপ্ত পুস্তকারে নিবন্ধ ভুগুণ্ড কহিলেন, হে ভগব! আহার পরে আপনি, করিতেছেন। অতি অদ্ভুত প্রাক্তন ইতিহাস সকল এবং লক্ষগ্রন্থের ভরদ্বাজ, পুলস্ত্য, অত্রি, নারদ, ইন্দ্র, মরীচি, পুলহ, উদ্দালক, সমষ্টির স্যায় অতিবৃহৎ রামায়ণনামক জ্ঞানশাস্ত্র মুই আমার তু, ভূত, অঙ্গি ও সনৎকুমার প্রভৃতি মহর্ষিগণ জন্মগ্রহণ স্মৃতিশােচর রহিয়াছে, “রামারি স্যায় ব্যবহার করিবে, রাবণাদির করিলেন। তৎপরে শঙ্কর, ভূধী, কার্তিকেয়, গণেশ প্রভৃতি ন্যায় নহে” এইরূপ জ্ঞানগর্ভ বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক বিশিষ্ট উপদেশ দেবগণ, গৌরী, সরস্বতী লক্ষ্মী, গায়ত্রী প্রভৃতি দেবীগণ, সেক্স, যাহাতে করস্থ ফলের স্যায় মুল রহিয়াছে। এইরূপ বাল্মীকিকৃত মা, কৈলাসহিমালয়, গর প্রভৃতি পর্বতগণ, হয়ঞ্জীব, এবং পরেও তাহা কর্তৃক কৰিমাণ মহামায়ণ কথা আমার স্মৃতি হিরণ্যাক্ষ, কালনেমি, বল, হিরণ্যকশিপু, ক্রাধ, , প্রহলাদ পথে জল্যমান রহিয়াছে, আপনি যথাসময়ে জনসাধারণে এক- প্রভৃতি জ্যৈগণ, শিবি, গ, পৃথুল, বৈশ্য, নাভাগ, কেলি, শিত সেই মহারায়ণকথা জানিতে পারিবেন। বাল্মীকিনামক নল, মান্ধাত, সগর, দিলীপ, নয় প্রভৃতি রাজগ; আত্রেয়, সৈহ পূর্বকীর জীব বা অন্য কোন বাল্মীকি ঐ মহামায়ণ ব্যাস, বাকি, শুক, বাতায়ন প্রভৃতি ঋষিগণ ; উপমহ, মণী, এলশ বার রচনা করিয়াছেন, এল' সম্প্রামপরায় মঞ্চী, গীয়, শুক, এভৃতি রাগণ এবং অন্য বিৰিখ আৰগণ উচ্ছেদে তাহা বিলুপ্ত হইয়াছে, এইবারে উহা দশবার বিরচিত জন্মগ্রহণ করিলেন। বর্তমান কলে এই সমস্ত ঘটনা আমার চক্ষে হইতেছে এই মহামায়ণের সমান ব্যাসনামক প্রাক্তন জীব- যেন অল্পদিন হইল বলিয়া প্রতীত হইতেছে, এলমন্তই আমার কর্তৃক বিরচিত আর একটা ভারম পূর্কের কথাও আমার স্পষ্ট স্মতিপথে রহিয়াছে, ইহার আর সবিশেষ কি পরিচয় দিব। মনে রহিয়াছে, এক্ষণে তাহা বিলুপ্ত হইয়া গিয়াছে, সেই ভারত ১। হৈ মুনে। আপনি ব্রহ্মার নন, আপনি আট জন্ম পূর্বপুর্বকীয় একই কালক বিবা অন্য কোন ব্যাপক অতিক্রম করিয়াছেন; অষ্টম ফলে আপনার সহিত আমার সাক্ষাৎ কর্তৃক ছয়বার বিরচিত হইয়াছে, এইবারে উহা সপ্তমবারে হইয়াছিল। আপনি কখন আকাশ হইতে উৎপন্ন হন, কখন বিরচিত হইবে। হে মূলীয়! আমি স্কুগে যুগে বিচিত্র কত ৪২; যােগবাষ্ঠকামায়ণ হইতেছে, উপাখ্যান ও শান্তু রচিত হইতে দেখিয়াছি, তৎসমন্ত যদিও নিকট প্রতীয়মান হয় না, ফলত আত্মার মায়িক বিপে- এসে নাই, তথাপি আমার তাহা বেশ স্মরণ হইতেছে। হে শক্তির লীলাই এইক্ষপে বিন্তিত হইয়া থাকে। এই জাগ্রৎ- সাথে! প্রতিষুগেই আবার সেই সমস্ত এবং অন্যৰিখ শাস্ত্র ও পদার্থসন্নিবেশ সমস্তই অনিয়রূপে সংঘটিত পদার্থসমুদয় দেখিয়া থাকি এবং আমার স্মরণ থাকে। এক্ষণে পূর্বে যে পুত্র ছিল, পরে সে পিতা হইতেছে; যে মিত্র ছিল, ভগবান বিষ্ণু রাক্ষসধংস করিতে মহীমণ্ডলে রমরূপে অবতীর্ণ সে শত্রু হইতেছে; যে পুরুষ ছিল, সে স্ত্রী হইতেছে, এই- হইবেন, এই তাহার একাদশ জন্ম হইবে। ভগবান্ হরি নয়- রূপ শত শত হইয়াছে ও হইতেছে বলিয়া মনে হইতেছে। সিংহরূপে তিনবার পশুরাজ সিংহ হস্তীর রায় হিরণ্যকশিপুকে হে মুনীর। আরও আমার স্মরণ হয়, কলিকালে সযুগের বধ করিয়াছেন। হে মুনীর। ভগবান বিষ্ণু ভূভারহরণার্থ আচার ব্যবহার, সত্যযুগে কলিযুগের আচার ব্যবহার এবং এই বসুদেবগৃহে যে জন্মগ্রহণ করিবেন, তাহা তাহার ৰোড়শ জন্ম। ত্রেতা বা পরেও আচার ব্যবহারের অব্যবস্থা দেখিয়াছি। ফলতঃ এই যে সমস্ত আমি দেখিয়াছি বা মনে হইতেছে, সমস্তই আবার কোন কোন কলের সত্যযুগেও আচার ব্যবহারের কোনই ভান্তি , কারণ, বাস্তবিক জগৎ নামক একটা কোন পদার্থ নই। নিয়ম ছিল না, বেদ ও বোর্থ অবগত না থাকায় সকলেই স্ব স্ব যদি না থাকে, তাহা জলবুদবুদবৎ কুত্রাপি ক্ষণস্থায়ীরূপে উথিত ইচ্ছামত কাৰ্য্য করিত। হৈ ব্ৰহ্ম। কোন সময়ে চতুযুগ সহস্র হইয়া থাকে। ঐ জলদসদৃশ দৃশ্যপ্রপঞ্চ ভ্রান্তিমাত্র, ঐ ভ্রান্তিও অতীত হইয়া গেলে, ব্রহ্মা সমস্ত সংহার করিয়া যােগনিদ্রাচ্ছলে চিরস্থায়ী নহে, উহা অনিত্য। জলে তরঙ্গবং জ্ঞানময় আত্মায় পরমাত্মার ধ্যানপরায়ণ হইলে সুন্নাহরীনবসমন্বিত এই জগৎ কদাপি উখিত হয়, কখন বা বিলীন হইয়া যায়। ২৮-৩৪। আমি শূন্য হইয়াছিল, মনে হইতেছে। মনে হইতেছে আরও দশটা বহু ত্রিজগং দর্শন করিয়াছি উদার মধ্যে কতকগুলি একরূপ, কতক মনােখনন নির্মিত সৃষ্টি দেখিয়াছি, তাহাতে পার্থব আকৃতি নাই, সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন, কতক বা অর্ধাংশ সাম্যাবাপন্ন মনে হইতেছে। কেবল বায়ুময়, দুতে পরিব্যাপ্ত। ব্রহ্মার দিবসভাগে (কলে) আমার মনে হইছে, পর পর কলে জীবগণ ও তাহাদের এইরূপ বিচিত্র অবসংঘটনে ঘটিত বিভিন্ন দেশশালী বিচিত্র কাৰ্য্য আচার ব্যবহার সমস্তই পূর্ব পূৰ্ব কল্পেরই অনুবৃত্ত হইয়া কাৰ্যে ব্যাকুল জীবগণের অপােরভূত বিচিত্র বেশবিলাকে বিন্যস্ত ছিল। কিন্তু হে রহ্ম। প্রতি মন্বন্তরেই এই জাগতিক নিয়মের বিচিত্র অতীত সৃষ্টিপরম্পরা আমার স্মৃতিপথে জাঙ্গল্যমান ব্যক্রিম ঘটিয়া থকে, অর্থাৎ জগতের কাৰ্যকলাপ ও প্রসিদ্ধ রহিয়াছে। ৪৬-৫৩। প্রসিদ্ধ জনগণ সমস্তই অথাভাব প্রাপ্ত হইয়া উৎপন্ন হইয়া দ্বাবিং সর্গ সমাপ্ত।২২। থাকে। আমার মিত্রবন্ধু, ভৃত্য, আশ্রয় সমস্তই অপ্রকার হইয়া থাকে। আমি কখন বিন্ধ্যপর্বতের একান্তে আশ্রয় গ্রহণ করিয়া থাকি , কখন সন্ধুপৰ্ব্বতে বাস করি, কখন দম্পূর গিরিতে অবস্থান করি, কখন বা মলয়াচলবাসী হই, আবার কখন বা প্রাক্তন করে এয়ােবিংশ সর্গ মত সেই একপর্বতে চুতরকের শাখায় কুলায় নির্মাণ করিয়া অবস্থান করিয়া থাকি। ৫৪৩। হে মুনিনায়ক। এই যে বশিষ্ঠ কহিলেন,হে মহাবাহু রাম । অনন্তর আমি সমূদয় অনাদি অনন্ত মুগ অতীত হইয়াছে, তথাপি আমার সেই রক্ষেই জানিবার নিমিস্ত কলবৃক্ষশিখরবাসী এ বিহুগবরকে আবার পূর্বদেহ ত্যাগ করিয়া পূর্বত আকারসন্নিবেশেই উৎপন্ন হইয়াছে জিজ্ঞাসা করিলাম। জিজ্ঞাসা করিলাম। ৫ বিহগরাজেন্দ্র। আপনারাও ভ এই অর্থাৎ ইহার অবয়বসংস্থানের কিছুই পরিবর্তন হয় নাই। জগৎকোষের অন্তর্গত হইযা বিতরণ করেন, তবে মৃত্যু আপনা- আমার পিতার জীবদ্দশায় -এই রমণীয় পাদপের যাদৃশ শােভা দিশকে কিছু করিতে পারে না কেন ?। তুশুও কহিলেন, হে ছিল, এখনও ঠিক তাহাই রহিয়াছে, আমিও সেইরূপই ইহাতে ব্ৰহ্ম। আপনি সজ্ঞ, আপনার কিছুই অবিদিত নাই, তথাপি অবস্থান করিতেছি। এই পর্বতের উত্তরদিভাগ পূর্বে অন্ত ছিল, আমার নিকট যেতে ইচ্ছা করিতেছেন, ইহার কারণ এই এক্ষণে অন্য হইয়াছে, তথাপি আভিগঠনসাম্যে একই বলিয়া বােধ অনুমান করি যে,”প্রভুগণের স্বভাবই এই ভূত্যবাকে বাচাল হইতেছে, তবে আমি যে পূর্ব কল্পে আর একজন ছিলাম, কুরা। যাহা হউক, আপনি যাহ। জিজ্ঞাসা করিতেছেন, আমি এ অ একজন হইয়াছি, তাহা নহে অর্থাৎ আমি সেই একই তৎসমুদয় আপনার নিকট কীৰ্ত্তন করিতেছি। কারণ সাধুদিগের আছি এবং সেই একদেহেই ব্রহ্মার দিবারাত্রি, অতিবাহিত অজ্ঞা প্ৰতিলন করিলেই তাহাদের মুখ্যতম সেবা করা হয়। করিতেছি। ৪১-৪৫। যদি বলেন, আমি প্রতিকল্পে ভিন্ন নহি যাহাদের হৃদয় দোষারূপ মুক্তাফলে গ্রথিত ও বাসনাহুত্রে কেন ? তাহার কারণ এই যে, পুর্ববঙ্গের ধারণাবলে স্থিরী জড়িত হয় না, তাহারা কদাচ মৃত্যুগ্রস্ত হয় না। নিঃসরূপ দেহ- নদীয় নির্বিকল্প সমাৱি অৰসনে পুনক উৎপন্ন হইলে “এই হেক করপত্ৰনিৰ্মাণকারী নিখিললেইরূপ বৃক্ষশাখার নতকারী সেই মে, এই সেই পাপ” এইরূপ প্রত্যভিজ্ঞ( স্মৃতি) দ্বারা কষ্টস্বরূপ মনে চায় যে ছিন্ন ভিন্ন নহে, মৃত্যু হয় কিছু নূ সুষ্টি অনিয়া থাকি। পূর্বকীয় সেই আমি না হইলে কৱিতে পারে না। যে রী-র অভ্যন্তস্থিত কালজয়ী মাসে প্রত্যভিজ্ঞ থাকিবে কেন? সেই আমি না হইলে চন্দ্র টিকা খাহার মতি, সেই নিদারুণ আনা যাহাকে কষ্ট সূৰ্যাদি গ্রন্থসঞ্চার, মেরুপ্রভৃতি পর্বতসমান ও সিল সমস্তই করিতে পারে না, তাহার বাবার মৃত্যু কোথায় ০১-৭। রাগ ও আমার নিকট অবিশ্ব প্রতীয়মান হইত; সেই সেই প্রকার জেষৰূপ বিষশিতে পূর্ণ নিজ চিত্তরূপ গর্তবাসী লাভ-ভু বলি কখনই চিলিতে পারিতাম না। অপিছ এই জগৎএগৰু যাহাকে খুন করে না, মৃত্যু তাহার বসানে প্রবৃত্ত হন না। সমস্তই নিয়গিতি বলিয়া এবং সৎ ও অসৎ বলিয়া আমার শরীর-সাগরের নিখিল-বিবেক-সলিলপামারী জেবাড়ােনল নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ ১ যাহাকে অন্ধ করে না, মৃত্যু তাহার কিছুই করিতে পারে না। এ সকল কিছুই নহে। বিবেকী সাধুগণের চিনের বিশ্রাম যে পৰম- ভৈলষয়ে কঠিন (শুদ্ধ ) লিরাশির স্থায় যে ফলপড়নে পদ, তাহা যে একবার প্রাপ্ত হইয়াছে, তাহার কাছে দুর শাস্ত্র- পিসিয়া না যায়, মৃত্যু তাহাকে বিনাশ করিতে সমর্থ হয় না। সমূহের বিচারশক্তি, বুদ্ধিবলে জাগতিক কাৰ্যসমূহের বিচারণশক্তি যাহার চিত্র নির্মল পৰিত্ৰ একমাত্ৰ পমপদে বিভ্রান্তিলাভ বা ভাতাদি গ্রন্থের বালাকরণশক্তি এ সমস্ত তুচ্ছৰৰণ হইয়া করিয়াছে, মৃত্যু তাহাকে হনন করিতে ইচ্ছা করেন না। যাহার থাকে অর্থাৎ বিবেক উপার্জন করিয়া তারা পরমপদ লাভ করা চিত্ত শরীররূপ বনমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া মর্কটে যায় চল না হয়, উক্ত শক্তিসমূহের দ্বারা কাচ সবে না। আধিময় চিন্মজীবিতাও মৃত্যু তাহার বথেচ্ছা করেন না। ৮-১২। ঝহার চিত্ত সমাধি- ভাল নহে, তাই বলিয়া মরণও যে ভাল, তাহাও নহে, কারণ, প্রাপ্ত, হে ব্ৰহ্ম। সংসারব্যাধির নিদানস্বরূপ পূর্বোক্ত দোষজালে আহাতে মুতারই বুজি হইয়া থাকে। পাপফলভােগর যে নরক তিনি বিলুপ্তপ্রায় হন না। সমাহিতচিত্ত ব্যক্তি, মহামােহশত তাহাও ভাল নহে; কারণ তাহাতে পাপমের অবসানের সন্তা- শারীরিক বা মানসিক পীড়াসহূত দুঃখজালে বিলুপ্ত হন না। বনা নাই। স্বর্গের আধিপত্য লাভ করাও চিরসুখের হেতু নহে, যাহার চিত্ত সমাবপ্রাপ্ত, তাহার না অন্ত, না উদ, না অরণ, না তাহাতে পূণ্যফলের অবসানে পই অবস্তাবী। যাহারা বিস্মরণ কিছুই নাই। তিনি সুপ্তও নহেন, জাগ্রংও নহেন। কাম- পরমপদলাভেচ্ছ, তাঁহারা এ সমূদয়ের কিছুই বাঞ্ছা করেন না। ক্রোধবিকারজনিত যে চিন্তা আকাশকে অন্ধকারময় করে, সেই তবে যে নরগণ রাজ্যসুখাদিকে রমণীয় বলিয়া প্রার্থনা করে, চিন্তা—সমাহিতচিত্তের কোন ক্ষতি করিতে পারে না, তাঁহার তাহা কেবল মােহশত। ঘঁহারা এখন অর্থাৎ বিবেকবলে দাল, আদান, গ, ঘঞিা প্রভৃতি কোন ক্রিয়াই নাই অথচ পরমপদলাভ করিয়াছেন, তাহারা ক্ষণস্থায়ী রাজ্যাদিমুখে তিনি কাৰ্য করিয়া থাকেন। যাহার চিত্ত সমাহিত, তিনি কি কি অন্য চিরস্থিতি অভিলাষ করিবেন? প্রত্যুত হারা উপেক্ষাই কু-অর্থ কি কু-কাৰ্য, কি কুশ, কি কু-বাক্য, কি কু-নীতি কিছু করিয়া থাকেন। ৩১-৩৬। তেই সন্তপ্ত হন না। সমাহিতচিত্তের নিকটে বহুলাভসমন্বিত তােবিং সর্গ সমাপ্ত ২৩ | সর্বোত্তম পরিণামগুত সুস্পষ্ট সর্বপ্রকার সুখই উপস্থিত হইয়া খাকে , সর্বদাই তিনি মুখে বিভাের থাকেন। যাহা পরিণামশুভ সত্য ভ্রান্তিপরিশূন্য, অপয়বিহীন ও ভােগাভিলাষদৃষ্টিনির্মুক্ত চতুর্বিংশ সর্গ। সেই পরমাত্মাতে মনকে নিমগ্ন আখিতে হইবে। ১৩-২০। চিত্তের তত্ত্বজ্ঞানসামর্থনাশকারী অপবিত্র ভেদৃষ্টি পিশাচের যাহা ভুতও কহিলেন, সকল প্রকার জ্ঞানের মধ্যে ভ্রান্তি অবি- গোচর নহে, মনকে সেই সুখসরূপ ব্রহ্মে নিমগ্ন করিতে হইবে। নশ্বর একমাত্র অদ্বৈতদৃষ্টিই সর্বাংশে শ্রেষ্ঠ ও সমুন্নত অর্থাৎ সহসা যাহা আদি, মধ্য, অবসান—সসময়েই অতিমধুর, হিতকর লভ্য নহে। আত্মচিন্তাই (আমি কে? কোথা হইতে আসিলাম পরমসুখবরূপ, সেই ব্রহ্মেই মনকে অলক্ত করিতে হয়। যাহা ইত্যাদি আত্মবিষক্ষিণ চিন্তা) মানবগণের সকল প্রকার দুঃখনাশ আদি, মধ্য, অন্তু সর্ব-অবস্থাতেই অনুগত অনন্ত ও সকল করিয়া থাকে। চিসঞ্চিত দুঃস্বপ্নম্বরূপ এই যে সাসারাভি, ইহাও সাধুগণের সেবিত, সেই আত্মসুখেই মনকে আসক্ত করা উচিত। ঐ আত্মচিন্তা দ্বারা অপনীত ইয়া থাকে। ঐআত্মচিন্তা নিষ্কলঙ্ক যাহা বুদ্ধির পয়ম আলােকরূপ যাহা, অমৃশ্নে সারভাগ এবং মনােমাগরূপ প্রশস্ত প্রাঙ্গণেই বিচরণ করিয়া খাতক (সাধারণের যাহার অপেক্ষা পরমানন্দ আর কিছুই নাই, সেই পরব্রহ্মে ঐ চিন্তা ঘটে না), অখিলখচিন্তারূপ অনর্থ ঐ আত্মচিন্তা- মনকে লীন করিতে হয়। সুর, অসুর, গন্ধর্ব, বিদ্যাধর, কিন্নর জ্যোৎস্নানীয় অন্ধকারের ন্যায় বিনাশ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। ভগ। ও অল্পসহকৃত স্বর্গলােকে এমন কিছুই নাই, যাহা চিরস্থায়ী আমি যে আত্মচিন্তার কথা বলিতেই, ইহাতে কোন প্রকার ও শুভকর রাজা, প্রজা, বৃক্ষ, পৰ্বত ও সমুদ্রসমবেত এই সঙ্কল নাই, ইহা ভবাদৃশ মহাত্মগণের অনায়াসল, আসা- ভূমণ্ডলেও কোন চিরস্থায়ী শুভ পদার্থ নাই। দৈত, দৈী দিগের নিকট অতি দুর্লভ। যাহা সমুদয় কল্পনার অতীত, সামান্য- ও সর্পসমন্বিত সমগ্ৰ পাতালেও কোন পদার্থ স্থায়ী বা শুভকরপে বুদ্ধি জীবে সেই সর্বোত্তম পরমপদ কিরূপে লাভ করিবে ? বর্তমান নাই। স্বর্গ, মত্ত, পাতাল ও দিঘলয়সমেত এই সময় ১-৫। হে মুনিবর। আত্মচিকারূপিণী বিলাসিনীর অনেকগুলি জগঞ্জেই কোন পদার্থ উত্তম চিরস্থায়ী নই। এই যে ক্রিয়াফন সখী আছে, তাহারাও আত্মচিন্তার সমান ও জ্ঞানশশীর তুষারময়- ইহা আধিবাসিল কেবল দুঃখময় এবং নিতান্ত অসার, ইহাডেও কিরণে শীতল, অবে আত্মচিন্তা অপেক্ষা কিঞ্চিৎ সুলভ। উৎকৃষ্ট চিরস্থায়ী সারপদার্থ কিছুই নাই। বুদ্ধির বিকারস্বরূপ এই হে মুনীর। আমি আত্মচিন্তার সখাদিগের মধ্যে একটা মাত্র যে চিন্তা বিষয়খের ভাবনা, ইহা পাত হয়ে আনন্দদাবী হইছি, সেটার নাম প্রাণচিন্তা; সে চিন্তাও সৰ- বটে, কিন্তু ইহা চিত্তের তারল্যমাত্ৰ উৎপাদন করে, পরিণামে দুকারিণ এবং সর্বসৌভাগ্যের নিকাৰিণ এবং জীবনের ইহাতে কিছুই শুভ নাই। ২১-৩০। হলরূপনােদসাগলের হেতু অর্থাৎ সেই প্রাণচিন্তাবলেই আমি এইরূপ চিরজীবী মন্থনকারী। বিষ্ণুতাকারী) মন্দবশ্বরূপ যে সঙ্কর বিক, অহার হইয়াছি। বশিষ্ঠ কহিলেন—যদিও আমি সমস্ত অবগত আছি, মধ্যে এমন কিছুইনই—যাহা স্থিরও মঙ্গলময়। এই ফেলি। সে কারণে ঐ সমস্ত বিষয়ের প্রলে ব্যগ্ৰত নাই; তথাপি বিচিত্র অসিধারায় মানবলিগের ইমিয়চেষ্টা অৱত গভারত কৌতুকপরবশ হইয়া উক্ত বাক্যাসুনে ভুওমুলিকে আয় করিতেছে (প্রবর্তিত হইতেছে। ইতেও স্থায়ী শুভশ্রণ কিছুই জিজ্ঞাসা করলাম। হে অন্তঢিবি। হে সাথে! হে নাই। বিবেকী সাধুপুরুষের চিত্ত যে স্থানে বিভ্রান্ত হয়, তাহা শিথিলসংশয়ছেকারি। এণচিন্তা কাহাকে বলে, অহা আশায় নিকট সসাগরায় সত্য, শেষ বা গজলের বীরত্ব বিকট সভ্যশ কীর্তন করুন। দু কহিলেন, হে মুলে।
গোষ্ঠকানায়। আপনি সমস্ত বেয়ায় ত আছেন, আপনিই সকলের শক্তি সােনাকে শৰিত করিয়েছে, কোন শক্তি শশগ্রহণ সংশয় দূর করিয়া থাকে তথাপি এই কাককে কেবল পরিহা করিয়ে কোন শক্তি নাসাপথ দিয়া বহিতেছে, কোনশক্তি করিতেই জিজ্ঞাসা করিতেছেন। ৬-১১। যাহা হউক, আমার ভুক্তা জীর্ণ করিতেছে, কোন শক্তি বাক্যনির্গত করাইতেছে। বলিতে দোষ কি? আপনার নিকটে পুনর্বাৱ উহার আলােচনা অধিক কি বলিব, নির্মাতা যেমন ইচ্ছামত যন্ত্রকে চালিত করিলে আমার সমকা হইতে পারে; অতএব হে ভগ করিতে পারে, দ্রুপ ভগবান শায়ু শরীরমধ্যে সর্ববিধ কাৰ্যই ভুণ্ড বেক্ষপে, প্রাণসমাধি লাভ করিয়া চিরজীবী হইল সম্পাদন করিতেছেন। ২৫-৩০। তব্যে উগমন করত যেরূপে, ভুতের আত্মলাভ হইল, তাহা এলে বলিতে প্রাণনামে ও অধোগমন করত এপাননামে অভিহিত যে বায়ুর এক করুণ। ভগন। এই যে মনােম দেহগৃহ দর্শন করি- দেহমধ্যে সর্বণ একটভাবে বহিতেছে, হে মুনে। আমি তেছেন, ইহার তিনটা মাস্ত, নৰটা ঘর, অহঙ্কার ইহার সর্বদা সেই বায়য়ের গভির অনুসরণ করিতেছি। ঐ ৰামুগয় মী, সে পৰ্যষ্টক পরিবার লইয়া পঞ্চতন্মাত্ররূপ স্বজন- সর্বদাই শতােষ্ণভাবাপন্ন এবং সর্বদা আকাশপথের পথিক। বর্গের সহিত ইহার রক্ষণাবেক্ষণ করিতেছে। ১২-১৫। আমি যে ঐ বায়ুদ্বয় এই দেহমষকে বহন করিতেছে, ইহাতে অণুমাত্র শরীরহের কথা বলিতেছি, আপনিও ইগর বিষয় অন্তরে দেখিতে পরিশ্রান্ত হইতেছে না। ঐ বায়ু দুইটা হৃদয়রূপে আকাশের সূৰ্য্য পাইতেছেন। কর্ণবিবরয় এই গৃহের উপৰিস্থিত শাল। (চিলের ও চন্দ্র এবং অন্তি ও সােস্বরূপ ঐ ৰায়ুযুগল শারীরপুরীরক স্বর)কেশগুলি ইহার আছাদন খড়। বিশাল নয়নযুগল ইহার মনের রথচক্র। উহারা অহঙ্কারপতির অভিমত উৎকৃষ্ট দুইটা গবাক্ষ, বদনমণ্ডল ইহার প্রধান দ্বার (সদর দরজা), বাহুযুগল তুরঙ্গ। হে ব্ৰহ্ম! আমি আগ্রহ, সপ্ন, সুষুপ্তি সকল অবস্থায় ও দুইপা এই শরীরগুহের দুই পা। মুখরূপ প্রধানঘারের সর্বদা সমভাবে অবস্থিত ঐ প্রাণ ও অপাননামক শরীবায়ুয়ের মধ্যভাগ ফাবলিরূপ বকুলমালায় বিভূষিত। রূপসাদি বা বিষ- গতি অবিচ্ছিন্নভাবে অনুসরণ করতঃ সুষুপ্ত ব্যক্তির স্যায় দিনাতি ঙের বাৰ্তাহর শুনেন্দ্রিয়সকল উহার দ্বারপাল। ঐ গৃহস- পাত করিতেছি। যাবজ্জীবন এইরূপভাবেই অবস্থান করিল। ব্যাপী আলােকে আলােকিত। গৃহস্বামী জাগ্ৰবস্থায় ঐ গৃহের এই বায়ুদ্বয়ের গতি এত সূক্ষ্ম যে, তাহা সর্বদা বিদ্যমান থাকিলেও অক্ষিরারূপ অলিলপ্রদেশে (বাঝাণ্ডায়) অবস্থান করেন। ঐ সহস্রভাগে খণ্ডিত একটা মুলতর একাংশের অপেক্ষাও অতি গৃহ রক্তমাৎসবসরূপ সলিলত্তিকাগােময়ে বিলিপ্ত। স্থল অস্থি- দুর্লক্ষ্য। হে মহাত্ম। সমধ্যে এই বায়ুদ্বয় অবিরত গতায়াত সমূহ কাষ্ঠ রা ও শিরাসমূহরূপ রজ্জ, দ্বারা ঐ গৃহ সুদৃঢ়রূণ করিতেছে। যে পুরুষ, ননশ্রুতিতে নানাপ্রকারে বর্ণিত উক্ত সমদ্ধ, একারণে উহা ৰেণ সুদৃঢ় ও সুসংঘটিত। হে মুনিনায়ক। গতির অনুসরণ করে, সে মৃত্যুপাশ হইতে মুক্ত হইয়া পরমানন্দ এই দেহগৃহের অভ্যন্তরে ইড়া পিঙ্গলানাষক দুইটা কোমল লাভ করতঃ এই সংসারে আর জন্মগ্রহণ করে না। এ-৩৮। সন্ম নাড়ীরূপ পাকোষ্ঠয় অভিব্যক্তভাবে বিরাজ কৰিছে চতুর্বিংশ সর্গ সমাপ্ত। ২৪। সেই পাকোষ্ঠদ্বয়ের মধ্যে টি পদ্বযুগলের ন্যায়, জিনটা অস্থিমাংসময় কোমল পদ্মযুগল আছে। উহার নালগুলি উর্মাধােগামী; উহার কোমল দললি পরস্পর মিলিত হইয়া পঞ্চবিংশ সর্গ। রহিয়াছে। নীসগ্র হইতে চরণ পর্যন্ত সকল দেহাকাশে বহমান চন্দ্ৰনামক অপানমারুজ্ঞে সুধালেকে ঐ দলগুলি বিকশিত হইয়া বশিষ্ট কহিলেন—রাখব। এবাণী সেই পীকে আমি রহিয়াছে। উক্ত, যন্ত্রের পত্রগুলি প্রাণ ও অপানমারুতের মৃদু আবার জিজ্ঞাসা করিলাম, “প্রাণবায়ুর গতি কি প্রকার, তাহ। সঞ্চলনে কখন উক্তৃসিত ও কখন বিকশিত হইয়া থাকে। যেমন আমার নিকট বর্ণন কর।” ভুতণ্ড কহিলেন, হে মুনে। আপনি অরণ্যদের প্রবলবায়ু লতাপত্রলে প্রতিকাত প্রাপ্ত হইলে সমস্তই জানিতেছেন, তবে আবার আমাকে জিজ্ঞাপ খেলা চতুর্দিকে ছড়াইয়া পড়ে সেইরূপ ঐ প্রাণাপানসমীরণ ঐক্রের খেলিছেন কেন? যাহা হউক, আপনার জিজ্ঞাসিত বিষয় আমি বায়ুভরে স্পন্দনপত্রে প্রতিহত হওয়ায় চতুর্দিকে প্রসারিত হইয়া বলিতেছি, শ্রবণ করুন। হে ব্ৰহ্মণ ! এই সাগতি প্রণয়ু সর্বদাই সকল নাড়ীচ্ছিন্দ্রে প্রবেশ করিয়া দ্ধি পাইয়া থাকে। এইরূপে শ্বশক্তিমান, এই প্রাণৰায়ু দেহের অন্তরে বাহিরে সর্বদা উk বন্ধিত ঐ বায়ু, দেহগৃহের অভ্যন্তরে ভিন্ন ভিন্ন স্থান কল্পনা করিয়া, দিকে প্রবাহিত হইতেছে। হে ব্ৰহ্ম। এইরূপ আপনবায়ুও সর্বদা প্রাণাদি পঞ্চম প্রাপ্ত হইয়া, উর্ঘ ও অপােদেশে বর্তমান নাড়ী স্পণশক্তিমান্ ও দেহের অন্তরে বাহিরে এবং অফোদেশে প্রবাহিত সমূহে প্রবেশপূর্বক দেহমধ্যে প্রবাহিত হইতে থাকে। ১৬০। হইতেছে। আগ্রহ ও স্বল্প উভয় অবস্থাতেই যাহাতে এই উত্তম এইরুপে বিভিন্নকায়ে বিভিন্ন কার্য করে বলি, ঐ হৃদয়ষতি প্রাণায়াম হয়; হে বিজ্ঞ মুনিবর। তাই আপনার নিকট বলিতেছি, ৰায়ুকে এতদ্বিষয়াভি পণ্ডিতগণ প্রাণ, অপান, সমান ইত্যাদি শ্রবণ করুন(শ্রণে) শ্ৰেষােলাভ হইবে (সন্দেহ নাই)।১-৫ সংজ্ঞায় অভিহিত করেন। যেমন চত্ৰবি হইতে কিরণমালা পদ্মকোট হইতে কিনা সে স্বভাবই যে প্রাণবয়ুর বায়- বিনিত হয়, সেইরূপ, সমস্ত প্রাণশক্তি ঐ হৃৎপত্ৰিভয়স্থিত উন্মুখীতাৰ, ধীরগণ তাহাকে রেচক বলিয়া থাকেন। মস্তক হইতে ৰায়ু হইতেই নিঃসৃত হইয়া এই দেহমতে উওআথােদেশে স্বাধণ অঙ্গুলি পর্যন্ত এখােবৰ্ত্তী বাহু প্রদেশ আক্রমণ করিতে বিকৃত হইয়া পড়িতেছে। ঐ প্রাণ শকিমুহ নাড়ীসমূহে গাল, করিতে এৰায়ুৰ যে অগ, তাহাকে পুৰক বলা হয়। এইরূপ আগন, কব, হরণ, বিহু উৎপনওগল ইত্যাদি বিবিথ আপনযামু ৰাদেশ হইতে মরে প্রবেশ করতে আরম্ভ করিলে ক্রেরন করিতেছে। ঐ কাপ নারকে বুশ এণবাসিকাগ্রহইতে মূর্ণা পর্যন্ত ওমু হইতে হাত এ বলিতি ক্রেন। যে মূলে। ঐ আয়ু কেন যে, এই পুষনামে অভিহিত হয়। গান নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ বায়ু প্রশমিত হইলে ধাৰৎ হামধ্যে প্রাণবন্তু না উখিত হয়, পৰ্যন্ত ভাগে (শেষ সীমায়) গিয়া প্রাণাৰায়ুৰ ৰে নিজৰ থারণ, তাকাল কুন্তকাৰ; ইহা যােগিজিগের অনুভনীয়। প্রাণায়াম তাহাই প্রাণের অত্যুদ। যে মুনিবর। সৎপক্ষের বাহু আলশ এইরূপে টেক, পুলক, ফুফামে ত্রিবিধ ; ইহা অপাৰায়ুৰ অলপ্রমাণ স্থানের প্রসীমা হইতে চালিত হই অনবায়ুর উপমহান নাগ্রের বাহিরে আপশাল পর্যন্ত ভাগে যােগিদিগের হৃদয় পদ্মমতে যে নিশলীভাব ধারণ, ইহাই অপানের অভ্য। সর্বকালে সৰু যত্নের অভাৰেও স্বতই হইয়া থাকে; হে ২৫-৩০। প্রণবায়ু যখন বাহ দ্বাদশ অমূল পর্যন্ত যে শর্গে মহাতে। নির্মলবুদ্ধি বােগিগণ বাহ রেচকাদির বিষয় যাহা চালিত হয় অপান বায়ু ঠিক সেই প্রদেশ হইতে অভ্যন্তরের বলিয়া গিয়াছেন, 'তাহা-বলিতেছি, শ্রবণ করুন। ৬-১৯। হে দিকে (জৎপদ্মমধ্য) আসিতে থাকে। প্রাণবসু, বহিরাকাশের প্রতে। নাসারে বা স্বাদশাঙ্গুলপরিমিত আনমধ্যেই অভিমুখ- দিকে উন্মুখ হইয়া, অগ্নিশিখার স্যায় যহিতে থাকে , অপানায়ু ভাবে অবস্থিত যে বায়ু, তাহার সেই বাহএদেশেই পুরকাদি হৃদয়াকাশের দিকে উন্মুখ হই জলের ন্যায় নিম্নদিকে বহমান হইয়া থাকে। নাসাখবৰ্ত্তী। বাদশা প্রমাণ স্থানথ্যে হইতে থাকে। আপনবায়ু চত্ৰমারূপে বহির্দেশ হইতেই দেকে অপান বায়ুর মৃত্তিকামধ্যে অনুৎরূপে অবস্থিত টের (মৃত্তিকার পরিতৃপ্ত করিতে থাকে, প্রাণায়ু অর্থ বা অখিরূপে এই শরীরের অভ্যন্তরে অনুৎপন্ন ঘটভাবের জায়) wয় আকাশমার্গে যে অরদেশ পরিপক্ক করিতেছেন। প্রাণৰায়ু প্রখর সূরূপে অবস্থান, বুধগণ তাহাকে বাহ কুক বলিয়া নির্দেশ করেন। প্রতিক্ষণেই হৃদয়াকাশকে তাপিত করিয়া, পরে মুখারূপে বাহােম্মুখী বায়ুর নায়াগ্র পর্যন্ত যে গতি, বােগবিৎ পণ্ডিতগণ আকাশকে তাপিত করিতেছেন। এই অপবায়ু চন্দ্ররূপ তাহাকে প্রথম বাহপূরক বলিয়া থাকে। নাসা হইতে নিমেষকালমধ্যেই মুখগ্র পরিতৃপ্ত করিয়া হৃদয়াকাশকে পরিতৃপ্ত নির্গত হইয়া বায়ুর বাদশাঙ্গুল পৰ্যন্থ যে গতি, ধীরগণ তাহাকে করিতেছেন। প্রাণরূপী সূৰ্য যথায় অবস্থান করি অপানচন্দ্রের অপর বাঙ্গপাকনামে অভিহিত করিয়া থাকেন। বাহিরে অভ্যন্তরস্থ কলা (চরম ভগ) গ্রাস করেন, সেই ব্ৰহ্মপদ প্রাপ্ত প্রাণবায়ু প্রশমিত হইলে, অপানবাৰু যাৰং না উদগত হয়, হইলে আর শােক করিতে হয় না। ৩-৩৬। অপানশশী তাৰং যে পূর্ণ সম অবস্থা, অ বা কুতকসৎজ্ঞিত। স্পন্দন- যথায় অবদান করিয়া প্রাণসূর্যের অভ্যন্তরস্থ কলা জাত্মা রহিত হইয়া আপানায়ুর যে, অন্তর্মুখীভাব (নিষ্প আপানের করেন, সেই পরমপদ প্রাপ্ত হইলে মনুষ্যকে আর জন্মগ্রহণ যে স্পন্দনষ্টো) তাহাকে বাহ রেচক কহে, যিনি এই বাহ করিতে হয় না। প্রাণবায়ুই বহিরাকাণে ও অন্তরাকাশে সূৰ্যরূপে রেচক অনুভব করিতে পারেন, তিনি মুক্তি লাভ করেন। বাহ্য প্রকাশিত হইয়া পরে আবার আলাদনকর চক্ৰভাৰ ধারণ করিয়া দ্বাদশজুল স্থানের শেষ সীমা হইতে নালাগ্ৰ পৰ্যন্ত সঞ্চলনে থাকে। আবার ঐ প্রাণবায়ুই আলাদনকারী চক্ৰভাৰ পরিত্যাগ অপবায়ুর যে পীবরতা ( স্বৰূপাঞ্জিব্যক্তি) তাহাকে অন্য বাহ পূর্বক শােষণকারী সুৰ্যপদ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। প্রাণবায়ু, পূরক বলা হয়। ১২-১৮। বাহ অভ্যন্তর এই কুন্তকাদিরূপ {সূৰ্য্যভাব (উষ্ণতা) পরিত্যাগ করিয়া বাৰৎ চন্দ্রভাব (শৈত্য) প্রাণ ও অপানবায়ুর অনাবৃত স্বভাব অবগত হইতে পারিলে, আর প্রাপ্ত না হয়, অর্থাৎ প্রাণবাবুয়ের পর অপানবায়ুর উৎপত্তি জন্মগ্রহণ করিতে হয় না। হে মহামতে। আমি এই যে দেহ পূৰ্ব্ব সন্ধিক্ষণে বাহপ্রাণবায়ুর লয়হেতু আত্মার যে নির্দেহ, বায়ু অষ্টপ্রকার অবস্থালিলাম, ইহা রাত্রিদিন অভ্যাস করিতে নিষ্ক্রিয়তা নিৰ্মনস্কতাদি বাস্তবশ্বভাব, তাহা স্পষ্টই বিচারে দৃষ্ট করিতে মুক্তি লাভ হইয়া থাকে। অতিচঞ্চল এই বায়ুগুলি হইয়া থাকে, তাদৃশশায় যোগী দেশ কালত অপরিচ্ছিন্ন অভ্যাসবনে শয়নে স্বপনে, জাগরণে ও গমনে সর্বকালেই নিলােধ আত্মার অবস্থিত হওয়ায় আর শােকগ্রস্ত হন না। এইরূপ মন প্রাপ্ত হইয়া থাকে। বুদ্ধিপুর্বক এই কুন্তকাদির অনুষ্ঠানকারী হৃদয়মধ্যেও চন্দ্ৰসূর্যের নিত্য অন্যায় জ্ঞাত হইয়া নিজ মানব ভােজনপিক্রিয়া সম্পাদন করিলেও মনােমধ্যে তাহার অধিষ্ঠানস্বরূপ পরমাত্মার সখন পাইলে আর জন্মগ্রহণ করে না। কর্তৃত্ব পরিশূন্য হইয়া থাকে। এই প্রাণচিন্তাব্যাপারে আসক্তচিত্ত যিনি হৃদয়মধ্যেই উত্তময় গমনাগবিশিষ্ট রশ্মিমালায় কতিপয় দিবসের মধ্যেই বাহবন্ত পরিত্যাগপূর্বক কৈবল্যপদ উদ্ভাসিত সচন্দ্র সূর্যদেবকে নিরীক্ষণ করেন, তিনিই প্রকৃত দ্রষ্টা। প্রাপ্ত হইয়া থাকে। যে মানব এই প্রাণচিল্লা অভ্যাস করিতে বাহ অন্ধকার ক্ষয় হউক বা না হউক, তাহাতে কোনই লাভ থাকে, তাহার চিত্ত, কুকুরচর্যে ব্রাহ্মণের ন্যায় বাহবিষয়ে গুণ নাই; যিনি হৃদয়স্থ অন্ধকার দূর করিতে পারিয়াছেন, তিনিই করিয়া থাকে; কদাচ তাহাতে তিলাভ করে না। ১৯-২৪। প্রকৃত সিদ্ধিলাভ করিয়াছেন। হে মুনে। বাহিরের অন্ধকার যে সকল কুবুদ্ধি মানবগণ, এই প্রকার প্রাণচিন্তনদৃষ্টি অবলম্বন নাশে কেৰুণ জগৎ আলােকিত হয়, হৃদয়স্থ অন্ধকার নষ্ট হইলে পূর্বক অবস্থান করিয়াছেন, তাঁরাই নিখিল প্রাপ্তব্য প্রাপ্ত নিয়ে আলােকিত হওয়া যায়। ৩৭-৪৪। উদয়াময় এই হইয়াছেন, তাহাৱাই ক্লেশৰিহীন হইয়াছেন। স্বপনে, জাগরণে, প্রাসূৰ্য্যই হৃদয়ের অন্ধকার দূর করিতে সমর্থ, ইহাকে বিশিষ্ট গমনে, অবস্থানে সর্বকালেই যদি এই দৃষ্টি অবলম্বন করা , রূপে আনিতে পারিলেই মুক্তিলাভ করা যায়. অতএ যন্ত্রপূর্বক তাহা হইলে আর বন্ধন গাইতে হয় না। যাহাৱা এইরূপে এই প্রাণশ্বর্যের ঘনিই কর্তব্য। অপানশী যে পদ্মকোটরে প্রাণ ও অপানবায়ুর নিবােধক্রিয়ার অভ্যাস করিয়া তত্ত্বজ্ঞান অন্তমিত হয়,, সেই স্থান হইতেই প্রাণভানু উদিত হইয়া লাভ করিতে পারেন, তাঁহাদের অন্তঃকরণ সম্পূর্ণরূপে মােহ বহিরুখ হয়। অপাণবায়ুর অগমনের পর হৃদকমল হইতে মুলপরিত হইয়া অবস্থান করে। এণ ও পানবায়ুর এতাদৃশ প্রাণবায়ু সমুদিত হইয়া কে। যেমন নষ্ট হইলে সেই গছিলাভ করিতে পাৰিলে, ও মানব সর্বদা সর্বপ্রকার কাৰ্য্য স্থানে আজ উপস্থিত হয়, আবার যেমন আতপ নষ্ট হইলে করিয়ে নির্মম হতাৰে অবস্থান কর মূলত কৰিা থাকে। সেই নিসকে ছয় আসিয়া উপশিত হয়, তদ্রুপ প্রাণ- বে। পাতে উখিত হইয়াবা এলে বার তলের পর কালয়েই সেই গানে বা যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ হইতে জপানবায়ু আসিন্ধা উপস্থিত হয়। হে নুবুজে। এই সেই চিত্মাকে উপাসনা করি।) যথায় অপান উদিত হয় যােগব্যাপারে বুঝিতে হইবে যে প্রাণবাসু যে স্থানে উৎপন্ন হয়, নাই এবং বায়ু অস্তমিত হইয়াছে, নাসাগ্রগগনপথে অবস্থিত সে নে অপানায়ু নষ্টহইয়া যায় আবার অপানবায়ুর জন্মস্থানে সেই চিন্তায় আমরা উপাসনা করি। যথায় প্রাণ ও পান- প্রাণবায়ু নষ্ট হইয়া যায়। যখন প্রাণবায়ু অস্তমিত এবং অনায়ু বায়ু উভয় অস্তমিত হইয়াছে, আর উৎপন্ন হইতেছেন, সেই অভ্যুদয় হয়, সেই অবস্থাকে বহুকুন্তক বলে। এই বাহ- চিলার উপাসনা করি। বাহু ও আভ্যন্তর যে দুইটা প্রাণ ও কুক অবলম্বন করিতে পারিলে, আর কখনই শােক করিতে হয় অপানায়ুর উদ্ভব খান, যাহা বােগিদিগের গম্য, সেই প্রাণাপানের না। আর যখন অপানব যা অন্তগত এবং প্রাণবায়ু ঈষৎ উদয়ােমুখ উক্তবস্থানের আধার (অধিষ্ঠান। যে টিলাত্মা, তাহার উপাসনা হয়, তখন তাহাকে অন্তঃকুস্তক বলে এই অন্তঃকুন্তক অবলম্বন করি। ৬৫-৭০। যিনি প্রাণ ও অপানরূপ রথে আব্দট ও পরি- করিতে পারিলে চিরদিনের নিমিত্ত আর শোক করিতে হয় চ্ছিন্ন হই প্রাণ ও অপানবায়ুর শক্তিরূপে বিরাজ করেন, সেই । ৪৫-৫১। অনবায়ুর উদয় স্থান যে ভাগশাল, অপেক্ষা সর্বশক্তির শক্তিরূপী চিম্বার উন্মসূন করি। যিনি হৃদয়ে দূর ষােড়শঙ্কুল পর্যন্ত প্রসারিত প্রাণরেচক অবলম্বন করিয়া প্রাণবায়ুর কুন্তক ও বাহিরে অনবায়ুর কুন্তক এবং 'পূরকাদি- নিখিল বায়ু ৰেচিত হওয়ায় স্বচ্ছ কুন্তক অভ্যাস করিতে পারিলে ভাবে বিবর্তনশীল সেই চিলাই আমাদের উপাস্য। যিনি আর শোক করিতে হয় না। যিনি দেখিতে পারিয়াছেন যে, প্রাণ ও অপানায়ুর পরিচালক ও তাহাদের সত্তাবোধক এবং অপনবায়ু নাসাবিবর দিয়া অভ্যন্তরে প্রবেশ করিতেছে, বারেচ- যিনি প্রাণোপাসনায় লভ্য হন, সেই রূপবিহীন চিদা আম- কাধার পূরকবায়ু প্ৰাণবায়ুর পূরণার্থ অন্তঃপ্রবিষ্ট হইতেছে, দের উপাঙ্ক। যিনি প্রাণবায়ুর স্পন্দহেতু, যিনি ইন্দ্রিয়বর্গের তিনি পুনরায় আর জন্মগ্রহণ করেন না। হাতে প্রাণ ও বিষয়স্পর্শের ও বিষয়ভােগজনিত আনন্দের হেতু, সেই নিখিল অপানায়ু উভয়ই বিলীন হইয়া গিয়াছে, সেই শান্ত আত্মপদ কারণের কারণস্বরূপ চিদাত্মার উপাসনা করি। ঘহাতে ই প্রাপ্ত হইতে পারিলে আর শােক করিতে হয় না। আপনবায়ু, অখিলবিভাগকল্পনারূপ কলঙ্ক নাই, অথচ' ( আপাতদৃষ্টিতে) প্রাণবায়ুর প্রাসােদ্যত হইলে বাহকেই হউক আর আর যিনি নিখিল কল্পনাজলবেষ্টিত এবং পরম জ্ঞানই যাহার বিভব, কুন্তকেই হউক বিচার দ্বারা দেশ ও কালসমূদয়কে নিকল অর্থাৎ সেই সকলদেবগণবন্দিত শ্রেষ্ঠ পরমাত্মপদকে আমরা উপাসনা চিত্র বলিয়া অবথারণ করিতে পারিলে আর'শােক করিতে হয় করি। ৭১-৭৫। না। প্রাণ আবার অপানের গ্রাসােদ্যত হইলে হৃদয়ে বা বাহিরে পঞ্চবিং সর্গ সমাপ্ত। ২৫। দেশকাল অপরিচ্ছিন্ন দেখিতে পারিলে আর শোক করিতে হয় না। যেখানে দেখিবেন, প্রাণ পান দ্বারা অপান প্রণ দ্বারা গ্রস্ত হইয়াছে, সে স্থলে দেশকালও তাহাদের সহিত গ্ৰন্ত অর্থাৎ ষড় বিংশ সর্গ। বিলীন হইয়াছে, ইহা নিশ্চয় জানিকেন। যে স্কুলে প্রাণবায়ু অস্তমিত হইয়াছে, তথাপি জনবায়ুর উদয় হইতেছে না, ভুগুণ্ড কহিলেন-আমি এই প্রকারে প্রাণসমাধান দ্বারা তখনকার অবস্থাকে যােগিগণ অবসিদ্ধ বাহুকুক বলিয়া ক্রমে নিম্মন আত্ময় চিত্তবিশ্রাছিলাভলিয়াছি। হে মুনির। জানেন। অযত্নসিদ্ধ যে অমুকুক, তাহাই পরম পদ তাহাই আমি এই প্রাণায়ামযোগ অবলম্বন করিয়া রহিয়াছি বলিয়া সুমেরু আত্মার স্বরূপ, তাহাই বিশুদ্ধ পরমা চিং। যেমন পূষ্পর ভির পর্বতের বিচলনে অণুমাত্রও বিচলিত হই না। আমি প্ত, সৌরভ, সেইরূপ প্রণবায়ুর মধ্যেই এ সং প্রকাশময় চিৎঙ্গরূপ জাগরিত, চলিত ৰা অবস্থিত যে কোন অবস্থায় থাকি না বিদ্যমান, ইহাকে প্রাপ্ত হইতে পারিলে আর শােক করিতে কেন, আমার এই আসমাধি স্বপ্নেও বিচলিত হয় না। আমি হয় না। আমরা যে চিদাত্মার উপাসনা করিতেছি, তিনি না নিত্য অনিত্য বিলােল জাগতিক ইষ্ট অনিষ্ট সুখদুঃখদশায় প্রাণময়, ল অপানময়। অথচ তিনি জলের মধ্যে আস্বাদের বিক্ষিপ্ত না হইয়া অন্তর্মুখ হইয়া স্বচ্ছন্দভাবে আত্মাতেই অব তার পানের অভ্যন্তরে অবস্থিত, যিনি নির্জীৰ অথচ সজীব, স্থান করিতেছি। বায়ুকেও যদি রােধ করিতে পারা যায়, অথবা আমরা সেই চিত্মার উপাসনা করি। আমরা সেই চিদাত্মার এক নদীপ্রবাহকেও যদি নিরুদ্ধ করা যায়, তথাপি আমার এ উপাসনা করিতেছি, যিনি প্রাণলয়ের সন্নিহিত, অপানলয়ের সমাধিয় কেহ নােধ করিতে পারিবে না, এই সমাধির বিরুদ্ধ বিষয় বহুদূরস্থ এবং প্রাণও অপবায়ুর মধ্যস্থ। আমরা যে চিদাত্মার কদাচ আমি মনে করি না। ১-৫। হে তাপসশ্রেষ্ঠ। উক্ত উপাসনা করিতেছি, তিনি প্রাণেরও প্রাণ, জীবের পরমজীবন রূপে প্রাণ ও অপানবায়ুর অনুসরণ করিয়া পরমাত্মার দর্শনলাভ এবং দেহের স্বার্থবিষয়ে ধুরন্ধর। ৫-৬৫। তিনি মনেরও কত ফরত শােকবিহীন অজ্যপদ প্রাপ্ত হইয়াছি। হে ব্ৰক্ষ! মনন, বুদ্ধিও এমাত্র বৈধক। অহঙ্কারেরও অহঙ্কানরাৎ- আমি মহাপ্রলয় হইতে আরম্ভ কৱিালীরভাবে (কালস্রোতে) পাদক এবং সত্যস্বরূপ। যাহাতে সমুদ, যাহা হইতে সমুদয়, জীবসমূহকে জয় ও নিমগ্ন হইতে দেখিয়া আসিতেছি। আমি বিলি সমুদয় এবং সমুদয় হইতে বিনি, সেই সময় নিত্য কদাচ অতীত বা ভবিষ্যৎবিষয়ে চিন্তা করি না, (ইহা হইয়- ডিআর আমরা উপাসনা করিতেছি। তিনি আলােকের গিয়াছে, ইহা পরে হইবে, এরূপ মনে হয় না, কেবল নিভ- আলােফলাস, নিখিল পানের বনকারী, তিনি মনবুদ্ধি প্ৰৱন্ত বর্তমানদৃষ্টি অবলম্বনপূর্বক অবস্থান করিতেছি। আমার প্রভৃতি বিকার প্রাপ্ত হইয়া স্বীয় পূর্বভাব হইতে প্রচত হল কোন বিষয়ের ফলে নাই; আমি কেবল সুযুগব্যক্তির গায় , সেই পত্তি চিরেই আমরা উপাসনা করি। (যাহাতে অবুদ্ধিপুক যথাপ্রাপ্ত কাৰ্যই রিয়া থাকি। ইহাজবপদার্থ, অপাৰবায়ু ত গণঅভূদিত হয় নাই, নিকল মিলক ইছা এভাৰপদার্থ, ইহ ইই, ইহা অনিষ্ট ইত্যাকার টিকে । নির্বাণ-প্রকরণ-শূভাগ। আমি হেয় করিয়াছি;আমি কেবল এক্সতে অবস্থিত, সেই পরাভব সহ্ন করি, তাহাতে কোন কষ্ট বােধ করি না। আমি কারণে আমি নীনােগশরীরে চিরজীবী হইয়াছি।৬—১০। দরিদ্র হইলেও কোন বিষয়ের বাঞ্ছা করি না, সেই কারণে আমি আমি প্রাণ ও পুনবায়ুর সন্ধিক্ষণে বিভাত পরহ্মের অনুসরণ নীলােগ হইয়া রহিছি। চেনায় এই শরীর আভাসমান- করত কেবল আত্মাতে সন্তুষ্ট হইয়া থাকি, এই অ আমি সত্ত্বেও আমি চিত্ৰশী সর্বভূতে অবস্থিত আত্মা, এই কারণেই চিরজীবী হইয়া অনাময়শরীরে অবস্থান করিতেছি। আমি আমি নিখিল প্রাণীদিগকে নি এবীরবৎ অবলােকন করি। অন্য এই একটা মুৰ ৰপ্ত লাভ করিলাম, আর একটা সুন্দর ও ২১-৩০। আমি সর্বদা সমাহিত থাকি আশাপা-জড়িত চিত্ত- লাভ কৰিৰ এরূপ চিন্তা আমার নাই, সেই কারণে নাম ও বৃত্তিকে দুদ েপ্রবেশ করিতে দিই না, সেই কারণে আমি চিরজীবী। হে সাদে। আমি কখনও আপনার বা অন্যের অতি নীরােগ হইয়াছি। আমি বা বস্তু নি-বিষয়ে মুঃ খাকিয়া বা নিন্দা কিছুই করি না, সেই কারণে আমি এই শুভ প্রাপ্ত জগতের অসত্যই প্রতিপন্ন করিতেছি এক অরে প্রবুদ্ধ থাকিয়া হইয়াছি। আমার চিত্ত ওবিতেও সন্তুষ্ট হয় না এবং কন্তু বিফলের হায়, আমারই সভা অবলােকন করিতেছি। অতপ্রাপ্তিতেও খুিন হয় না, সেই কারণে আমি শুভ প্রাপ্ত আমি জীর্ণ, মণ, ক্ষীণ, ক্ষুব্ধ ও ক্ষয়প্রাপ্ত এই সমূদয় প্রপঞ্চ সদা হইয়াছি। আমি পরমত্যাগ স্বীকার করিয়া অর্থাৎ সমুদয় নূবং অবলােকন করিতেছি। আমি সুখী ব্যক্তির সুখে সুখী দ্বৈত ভাগ করিয়া নিজ জীবনাদিবিষয়ে অভিনিবেশাদি সমস্তই দুঃখী ব্যক্তির মুখে দুখী হইতেছি। আমি সকলেরই প্রিয়বন্ধু। ত্যাগ করিয়াছি, সেই জন্যই আমি শুভপ্রাপ্ত হইয়াছি। হে মুনে। আমি আপৎকালে অচল অটল হইয়া ধীরভাবে অবস্থান করি। আমার মনের চাঞ্চল্য প্রশমিত হইয়াছে, শােক দূরীভূত হইয়াছে, আমি জগতের মিত্র, আমি সম্পত্তিতে সম্পত্তির উপচয় বা অপচয়ে) আমার মন খ, সমাহিত ও শান্ত হইয়াছে ,সেই কারণে কুত্রাপি অভিনিবিষ্ট হই না, কুত্রাপি আমার আগ্রহ নাই। আমি আমি চিরজীবী ও অনাময়।১১-১৬। আমি সর্বদা সর্বত্র আমি নহি, আমার জন্যও কেহ নাই, আমিও অন্যের নহি” এই সুগপং কাষ্ট, কামিনী, শৈল, তৃণ, হিম ও আকাশ নিরীক্ষণ প্রকার ভাবনা করিয়া আমি অনাময় ও চিরজীবী হইয়াছি। করিতেছি , সেই কারণে আমি অনাময় ও চিরজীবী। আজ আমি জগৎ, আমিই দেশকাল-নিয়ামক গগন, আমিই ক্রিয়া আমার কি হইল। কাল প্রাতঃকালে বা কি হইবে? এইরূপ এইরূপ আমার বুদ্ধি, সেই জন্য আমি নীলােগ। আমি জানি চিন্তারে আমি ব্যাকুল নহি, সেই কারণে আমি নীরােগ হইয়া ঘটও চিৎ, পটও চিৎ, আকাশও চিৎ, অরণ্যও চিৎ, শকটও চিৎ, জীবিত আছি। আমি জরামরণদুঃখেও ভীত নহি এবং রাজ্য- অধিক কি, সমস্তই চিং”—এই প্রকার ভাতেই আমি সুখ পাইলেও আনন্দিত নহি, সেই কারণে অনাময় হইয়া অনাময়। হে মুনিশ্রেষ্ঠ। আমি এইরূপে ত্রিভুবনরূপ কমলের জীবনধারণ করিতেছি। হে ব্ৰহ্ম। ইনি বন্ধু, ইনি অবন্ধু, ইনি অলিস্বরূপ চিরজীবী ভুতনামা গঁড়কাক বলিয়া কীর্কিত আমার, ইনি আমার নহেন, ইত্যাকার জ্ঞান আমাৱ নাই ,সেই হইয়াছি। আমি ব্ৰহ্মসাগরের তরঙ্গতুল্য এই ত্রিজগৎকে চিরদিন কারণে আমি অনাময় ও চিরজীবী। আমি জানি “আমিই সেই উৎপত্তি-বৃদ্ধি প্রভৃতি প্রতিঘাতে বিচিত্রভাবে উৎপন্ন ও বিলীত নিখিলবঙ্গয় প্রকাশকারী সৰ্ব্বময় অনাদি অনন্ত অনাময় চিং সেখিয়া আসিতেছি। এই জগত্রয় সাক্ষি বুদ্ধি-মন প্রভৃতির স্বরূপ, সেই কারণে আমি অনাময় হইয়া জীবন ধারণ করিতেছি। রূপে উদিত হইতেছে। ৩১-৪০। ১৭-২০। আমি আহারে, বিহারে, স্বপনে, জারণে, উখানে অবস্থানে কোন সময়েই “এই দেহ আমি এইরূপ জ্ঞান করি বড়বিংশ সর্গ সমাপ্ত। ২৬। না, সেই জন্য চিরজীবী হইয়াছি। আমি সুমুখব্যক্তি যায় অবস্থান করত এই সংসারব্যাপাৱসমুদয়কে অসং বলিয়া সপ্তবিংশ শর্গ । জ্ঞান করি সেই কারণে আমি চিরজীবী ও নীলােগ। যখা আমার নিকট অর্থ অনর্থ দুইই আসিতেছে। আমি শরীর হস্ত- ভুত কহিলেন-হে জ্ঞানপারগ। হে ব্ৰহ্ম। আমি বুগলের স্থায় ঐ অর্থ অনর্থ উভয়কেই সমান জ্ঞান করিতেছি, যেরূপে উৎপন্ন হইয়াছি, যেরূপে আছি, ধৃষ্টতাবশতঃ আপনার সেই জন্য আমি চিরজীবী। আমি অটল চিত্তৰিতায় ও সুন্দর নির্দেশরক্ষাৰ্থ 'তৎসমুদই আপনার নিকট কাৰ্ত্তন করিলাম। মধুর সর্বত্র সমই যারা সর্বত্রই সমুদয় সরণ দেখিতেছি, সেই বশিষ্ঠ কহিলেন,—কি আশ্চৰ্য্য। ভগ। আপনি যে খিকর = আমি নীলােগ হইয়া অবস্থান করিতেছি, আপাদমস্তৃক আপনার বৃত্তান্ত ৰূর্ণন করিলেন, ইহা সাতিশয় বিশ্বয়াৰহ। এই দেৱে কুত্রাপি আমার মত নাই ('ইহা আমায় এইরূপ বাহাৱা, অভ্যন্ত চিরজীবী মহাত্মা দ্বিতীয় পদ্ধযােনির ন্যায়, অপ- জান নাই)। আমি আমার অহঙ্কারপঙ্ক কালিত করিয়াছি। নাকে দর্শন করে, তাহারা থ হয়। আপনি কে বুদ্ধি আমি যাহা করি, যাহা খাই, সমস্তই অভিজ্ঞানশূহ হইয়া করি, পত্ৰিকাৰী সৰ আত্মবৃত্তান্ত সম্পূর্ণরূপে আমীর নিকট কীর্তন সেই কারণে কায়িক চেষ্টায় ঐ সমস্ত কাৰ্য কুইইলেওমাৰ কৰিলে, ইহাতে আমিও খত হইলাম; আপনাকে লেবিয়া মনিকাহইয়াই থাকে, এই আয় আমি লাশ হইয়া এল আমার নানযুগল সফল হইল। আমি সকল দিকেই ভ্রমণ করি- খার। করিতেছি। হে মূল! আমি যে যে কোন বিষমে আছি। আমি এই জগতে দেবগণেয় ঐ ও বিলিগের জ্ঞান- আন করি, সেই সেই আমার বুটি বিনীতভাবেই বিহিত সম্পত্তি অনেক দেখিয়াছি; কিন্তু আপনার আয় অনস থাকে; (কোন কূল জনজনিত ঔদ্ধত্য আমার আলোয় মহান পি এন করি নাই। এই জগতে অনবরত ঘুরি না।) এৰি অপরকে পাৰ কৰিতে সমর্থ হইলেও তা খুনিয়া একমাত্র মহান লােক পাওয়া যাইতে পারে, করি না, পক্ষের নিকট শক্ত হলেও আমি জেলে সে জােন অজ্ঞানী মহান লােক কুত্রাপি পাঞ্জা যায় না। M ;
৪; যােগবত- রাণ। কোনও বাঁশের মধ্যে কদাচিৎ মুক্তা পাওয়া যা, সেইরূপ কোন ইন্ধা ভুণ্ডের স্থায় প্রাণ ও অপবায়ুর বিরােধ অভ্যাস করিতে অগংখণ্ড কদাচিং ভবাশকে দেখিতে পাওয়া যায়। আমি পারেন, তাহারাই ভুণ্ডের ন্যায় অস্থিতি করিতে পারেন। তুমি অদ্য সুমহৎ শুভকাৰ্য সম্পাদন করিলাম, যেহেতু পূণ্যাত্মা এক্ষণে বিচিত্র বিজ্ঞানদৃষ্টিসমুদয় শ্রবণ করিলে, অর্থাৎ আত্ম- মূক্তপুরুষ আপনাকে দেখিতে পাইলম। ১। তােমার জ্ঞানের দ্বিবিধ উপায়ই শ্রবণ করিলে। তােনার এক্ষণে যাহাতে মঙ্গল হউক, তুমি মঙ্গলময় আত্মগুহায় প্রবেশ কর, মধ্যাহ্নকাল অভিরুচি হয় বিবেচনাপূর্বক তাহাই করিতে থাক। উপস্থিত, আমি এক্ষণে সুবপুরীতে গমন কৰি। তুণ্ড, মহর্ষি রাম কহিনে-ভগব। আপনি ভুতলদিবাকররূপে উদিত উক্তবাক্য শ্রবণ করিয়া বৃক্ষ হইতে উখিত হইয়া সঙ্কলকলিত হইয়া জ্ঞানরশ্মি দ্বার। বিষম দৌরাত্মকারী (আত্মসাক্ষাৎকারের কযুগল আর বক্ষের সুবর্ণ পল্লব তুলিয়া লইলেন। পূর্ণবুদ্ধি ভূখণ্ড বিঘ্নকারী) আমার হৃদয়গত নিখিল অন্ধকার । অজ্ঞান দূর সেই সুবর্ণময় পল্লব দ্বারা একটা পাত্ৰ নিৰ্মাণ করিয়া তাহা করিলেন। আপনার অনুগ্রহে আমি প্রবুদ্ধ হইলাম, জ্ঞাতব্য তুষারধবল কল্পতরুর কুসুমকোরে ও মুজাজালে পূর্ণ করত এক বিষয় নিতে পারিয়া নিজ আম্পদে প্রবিষ্ট হইলাম, যেন অৰ্য্য গ্রত করিলেন। পরে সেই চিরজীবী ভুত ভক্তিভরে সেই আমি আর যে আমি নই, অন্যবিধ হইয়াছি। অধ্য পাদ্য ও পুষ্প দ্বারা মহাদেবের ন্যায়, আমার আপাদমস্তক আপনি যে ভুগুখোপাখ্যান কীৰ্ত্তন করিলেন ইহা অতি অর্চনা করিলেন। অনন্তর আমি “হে বিহগেন্দ্র। তােমাকে বিস্ময়কর , কি আশ্চর্য্য। ইহাতেই আমি পরমার্থ বুঝিতে আর কষ্ট করিয়া আমার সঙ্গে আসিবার আবশ্যক করে না” এই সমর্থ হইলাম । কিন্তু হে ব্ৰহ্মন আপনি ভুগুৰিত বলিয়া, সেইস্থান হইতে উথিত হইয়া পৰ্কীয় তা উদ্দীন ; কীৰ্ত্তপ্রসঙ্গে এই যে মাংস চৰ্ম্ম অস্থি দ্বারা নির্শ্বিত শরীর- হইলাম। তথাপি সেই ৰাম্বল একযোজন পথ আমার অনুগষন গৃহের কথা বলিলেন, উহা হা কর্তৃক নিৰ্মিত ? কোথা করিয়াছিল, পরে আমি বলপূর্বক সেই পক্ষীর হস্তখার করিয়া | হইতে উৎপন্ন ? কিরূপেই বা উহা স্থিতিমান্ হইল? উহার আমার অনুগমন হইতে নিবৃত্ত করিলাম। পরে আমি ক্ষণকাল- | অধিবাসীই বা কে? ইহা আমার নিকট বকুল। ৬-১০। বশিষ্ঠ মধ্যেই আকাশপথে অকৃত হইয়া গেলে, সেই বিহুগে বাধ্য কহিলেন,- হে রাঘব। তােমাকে পরমার্থ বুঝাইবার নিশি, হইয়া ফিরিয়া গেল,-সাধুসঙ্গ পরিত্যাগ করা বড়ই কষ্টকর। তােমার দোষমূহের নিরাকরণার্থ তােমার কথিত প্রশ্নের যথা- এইরূপে আমরা দুই জনেই সেই আকাশপথে সাগরতরঙ্গবৎ যােগ্য উত্তর বলিতেছি, শ্রবণ কর। হে রাম। এই যে শরীর- অদৃষ্ট হইয়া গেলাম। পরে আমি সেই ভুতপক্ষীয় স্মরণ গৃহেব কথা বলিয়াছি, অস্থি যাহার শূণা, ( খাম, খুটি, রক্তমাংস করিতে করিতে সপ্তর্ষিমণ্ডলে আসিয় উপস্থিত হইলাম , আমি ঘর যাহা বিলেপিত নয়টী দ্বারে যাহা সুশােভিত, সেই শরীর- উপস্থিত হইবামাত্র আমার পত্নী অরুন্ধতী আমাকে সাদরে অর্চনা গৃহ কাহারও দ্বারা নিখুঁত নহে। বাস্তবিক উহা নিৰ্ম্মিত নহে, করিলেন। ৯-১৬। যে সময়ে আমার সুমেরুশিখরে ভুণ্ডের নির্মাণের আভাসমাত্র , উহা ঐরূপ প্রতীয়মান হয় মাত্র, উহা সহিত সাক্ষাৎকার হইয়াছিল, তখন সত্যযুগের প্রারম্ভ, মাত্র দ্বিতীয়চলের ন্যায় সংসাত্মক । দ্বিতীয়ারে স্যায় সংসাত্মক, অর্থাৎ ভ্রান্ত মুঢ় ব্যক্তির নিকটে দুইশতবর্ষ অতীত হইয়াছে। হে রাম। সত্যযুগ অতীত হইয়া সং, অন্য জ্ঞানীর চক্ষে অসং। অলপ্রতিবিম্বিত চন্দ্র যেমন দ্বিতীয় এক্ষণে ত্রেতাযুগ চলিতেছে। হে নিপুংদন তুমি এই ৱেভযুগের আর একটা চ বলিয়া বােধ হয়, বাস্তৰিক কিন্তু তাহা নহে চন্দ্র মধ্যসময়ে উৎপন্ন হইয়াছ। অদ্য অষ্টমবর্ষে সেই সুমেরু একই তাহার প্রতিবিম্ব, এই দেহও তদ্রুপ প্রতীয়মান হয় মাত্র। পরে উপরে সেই দুণ্ডের সহিত আবার সাক্ষাৎ করিয়া যখন দেহান থাকে, তখন উহা অবস্থিত (সত্য বলিয়া বোধ ) আসিলাম, দেখিলাম, ভুতও সেইরুপই অক্সর অমর হইয়া হয়, সুতরাং অসৎ হইলেও তৎকালে সং হইয়া উঠে এই অবস্থান কৰিছে। তােমার নিকট এই যে বিচিত্র ভুশুকথা ও উহাকে সদসাত্মক বলা হইয়াছে। ১১—১৫। স্বপদ-নি- কীৰ্তন করিলাম, তুমি ইহা সষ্য বিচার করিয়া এতক্ত কাৰ্য কালে স্বপ্ন সত্য বলিয়া বােধ হয়, অন্য সময়ে (আগ্ৰদবস্থায়) উহা করিতে থাক। বাৰীকি কহিলেন,-যে নিৰ্ম্মলমতি মানব এই মিষ্টা। বুদবুদ বুদবসকে সত্য বলিয়া বােধ হয়, যখন বিলীন সুমতি ভুণ্ডের উপখ্যান পৰ্যালোচনা করিয়া তত্বানুসন্ধান হইয়া যায়, তখন মিথ্যা, এই দেহও সেইরূপ প্রতীতিত্বে সভ্য করিবে, সে জন্মমরণাদি-ভয়সল অসত্য ময়ানী হইতে ঝটিতি হয়, অন্য সময়ে অর্থাৎ যখন বিশুদ্ধ আত্মাই দৃষ্ট হয়, তখন হইতে পারিবে। ১৭-১। মিথ্যা হইয়া যায়। মরীচিকাসপিও ভ্রান্ততাতিসকে যথার্থ সৰিং সর্গ সমাপ্ত ২৭। সলিল বলিয়া বােৰ হয়, অন্য সময়ে মিথ্যা হইয়া যায়। দেহ এভিকালে সং, অন্য সময়ে অসৎ। এই দেহ মাত্র আভাস স্বরূপ, ইহা এইরূপেই প্রতীয়মান হয় মাত্র এই দেহই আমি বিংশ । এইরূপ দেহাকার মননই নেই। শত তুমি “এই মাংসন্ধি- বশিষ্ঠ কহিলেন—বে নব। তােমার নিকটে তুখোপাখ্যান না নেই আমি ইত্যাকার ভ্রান্তিবিলাস পৰিভাগ কর, কীৰ্ত্তন করিলাম , তুণ্ড ঈদৃশ মহতী বুলিবলে মােহসঙ্কট হইতে ভ্রান্তিবিলসিত এই দেহ একটা কেন? সজবনে এই দেহ উবী হইয়াছেন। হে মহাবাহো। তুমিও ভুকীর কত সহ উৎপন্ন হইতে তাহার ইয়তা করা যায় না, ফলে এ নিবােধ অভ্যাসপূৰ্ব্বক কথিত উপায় অবলম্বন করি, তুমি কোন দেহকে আমি বলিৰে তােমার সঙ্কলিত সেই ত সাব হইতে উত্তীর্ণ হও। ভুত যেরূপ অভ্যাসজনিত অসংখ্য। ১৬-১৯। ভুত যেরূপ অভ্যাসজনিত অসংখ্য। ১৬-১৯। হে রাম! তুমি সুখশয্যায় শয়ন হইয়া যে ও কনলে প্রাপ্তব গরুপ এ ইয়ৰে তুমিও যে গুময় শরীরের নিজট পৱিত্ৰণ ক, ভােলা লেগে সেইরূপে পদ প্রাপ্ত হও। যাহার বিষয়ে অনাসক্ত-বুৰি কোথায়? তুমি এবার মলােত, বেলের বর্গপুরীথে 2 নির্বাণ প্রকরণ-পুৰ্বভাগ ৫। সেই সময়ূ ব্যাপ্ত হইয়াছে বলিয়াছি, বা সুমেরুপৰ্বতে পরিভ্রমণ কর, সে দেহ তােমার কোথায় ? সম অর্থাৎ প্রকৃতি দৃষ্টিতে আকাশে যেমন ময়ূরপুচ্ছ দেখা অগ্নকালেও আবার যে স্বপ্ন হয়,সেই স্বপ্নে যে দেহে তুমি মহী- যায় না, সেইরূপ দৃষ্টিতে এই অগংলী প্রতীয়মান হন না। মগুলে ভ্রমণ কর, তােমার সে দেহ কোথায় ? তুমি নােজমধ্যে ৩৭—৪২। আপনার মনেরাজ্যকরিত হস্তী ব্যাঘ্রাদি দেখিয়া আবার মনােরজ। লাভ করিয়া তাহাতে যে দেহে মহাবিভৰসম্পন্ন যেমন তীব্যক্তিও ভয়চকিত হয় না, দ্রুপ সুধী নিজসকাল- প্রদেশে ভ্রমণ কর, সে দেহু তােমার কোথায় ? তুমি মনােরাজ্যে কল্পিত সংসারে কোনরূপ ভয় করেন না। যখন একমাত্র এই থাকিয়া যে যে দেহে বিচিত্র জগৎক্রিয়া সম্পাদন করিয়া থাক, এইরূপে প্রতিভাস প্রাপ্ত হইতেছেন, তখন এই সংসারমার্গে তােমার সে দেহসমুদয় কোথায় ? হে রাম। তুমি যে দেহে থাকিয়া কে কি অন্য ভীত হইবে ? তবে যে ভীত হয়, সেই মুচ সঙ্কল্পময়ী অনুরাগিণী বিলাসিনী কান্তাসদ্যোগে মুখ লাভ কর, ব্যক্তির মােহ দূর করা কর্তব্য। ব্যক্তির মােহ দূর করা কর্তব্য। কারণ সেই ব্যক্তি অপগমােহ তােমার সে দেহ কোথায় ? হে রাম! তােমার এই যে দেহগুলির | হইয়া বিশােধিত ও নির্মল হইলে এই জগতের মােহ র দৃষ্ট কথা বলিলাম, এই সমস্ত দেহ যখন মনের কল্পিত ও অসভ্য হয় না। আত্মার শােথনােপায় সমগ্ জ্ঞানলাভ, তােমার এই ক্ষৎসামিয় দেহও সেইরূপ মনেরই জানিবে। জ্ঞান লাভ করিতে পারিলে, সুবর্ণ যেমন তাম্রভাব প্রাপ্ত হয় না, ২০-২৬। এই সম্পদ, এই দেহ, এই দেশ ইত্যাকার যে বিভ্রম, সেইরূপ আত্মা আর মললিপ্ত হন না, এই অগৎ চৈতয়েরই তাহা চিত্তবীৰ্য্যরূপ সন্ধ—সেই সঙ্কল্পেরই বিলস। হে রঘু- আভাসমাত্র, সুতরাং ইহা অসৎও নহে, সৎও নহে এইরূপ নন্দন। তুমি এই সংসারকে দীর্ঘস্বপ্ন বা দীর্ঘচিত্তবিভ্রম অথব জ্ঞানলাভ করিয়া অন্যবিধ কল্পনা ত্যাগ করার নামই সমগ্ জ্ঞান- দীর্ঘ মনােরজ বলিয়া জানিবে। আমার এ বাক্য সত্য কিনা, লাভ। ৪৩–৪৭। চিদাভাস ব্যতিরেকে জীবন, মরণ, জ্ঞান ও তাহা তুমি যখন পরমাত্মার স্বীয় ইচ্ছায় সূর্যোদয়ে জগদ্বাসীর ন্যায়, স্বর্গ এসমূদ কিছুই নহে অর্থাৎ সমস্তই চিদাভাস চিৎকার, প্রবোধ (জাগরণ জ্ঞান ) লাভ করিবে, তখনই সম্যক্ জানিতে এইরূপ যে একতা, তাহাই সম্যগুদৃষ্টি। তুমি, আর্মি, সমস্ত পরিবে। স্বল্পকালীন সঙ্কল্পপরম্পরায় এই জগৎ যেমন অন্য সংসার ও তদার এই দিকসমূহ কমই আম হইতে পৃথক বিধ দৃষ্ট হয়, সেইরূপ এই সঙ্কল্প কল্পনা তখন তােমার নিকট অন্য নহে, এই সমস্তই একমাত্র প্রকাশ আত্মস্বরূপ, এই প্রকার ৰূপ (মিথ) হইয়া যাইবে। ২৭-৩০। পূর্কে তোমার নিকট দর্শনকেই বুধগণ সমগণন বলিয়া থাকেন। সদসদাত্মক (১) কমলযােনির উৎপওি যেমন মনেরই সল্পসস্তৃত বলিয়াছি, এই সংসারে মন সম্যক্ দৃষ্টিলাভ করিলে যথার্থ বাস্তব পদার্থ সঙ্কল্পকল্পনাময় মনই অড়রসহকারে এইরূপে বিচিত্র রচনায় দর্শন করিতে কদাচ বিরত হয় না এবং কাচ এস এই দেহও সেইরুপ মনেরই প্রতি- হইয়া উদিত হয় না। মন সমগ দৃষ্টিলাভ করিলে সমুদয় ভাস জানিলে। মনেরই কল্পিত আভাস যেমন কমলধােনিরূপে বাহবন্ধুর অসত্তা ও সভা ( অধিষ্ঠান ব্ৰহ্মচৈতঙ্গে পৰিশেষিত উৎপন্ন হইল এবং পূর্বদেহের পরে পরদেহ যেমন সঙ্কল্পবলে হওয়ায়) নির্ণয় করিয়া নিষ্কাম শান্তিলাভ করিয়া থাকে। এর বিচিন্তিত হইল বলিয়াছি, অন্যান্য দেহও তদ্রুপ জানিবে। বাসনার তখন কাহারও নিন্দা করে না, কাহারও স্তৰ করে না, ইউলাভ অধিক্যে দেহেব সঙ্গটন যেরূপ ধারাবাহিক হইয়া আসিতেছে, হর্ষবােধ করে না, অনিষ্টলাতেও শাে করে না, কেবল শীল ষেরূপে অত্যন্ত হইয়া উঠিয়াছে, পরেও দেহ সেইরূপভাবে (শান্তিময়) সব ধারণ করিয়া অবস্থান করিতে থাকে। সন্সটিত দেখা গিয়া থাকে। এই দেহাকৃতি বা জগদাকৃতি মহান ৪৮-৫২। সকল বস্তুরই যখন মরণ অবশ্যম্ভাবী, তখন বন্ধু সম্বল্প—ইহা পৌষসহকারে (মনকে প্রত্যক মুখ করিয়া আত্ম- বিচ্ছেদে কেন বৃথা খেদ করিয়া থাক ? যখন অবশ্যই আমি গরিব দর্শনকরিতে গেলে কেবল চিৎ বলিয়াই প্রতিপন্ন হয়। হে এ নিশ্চয় আছে, তখন আপনার মরণকাল উপস্থিত হইলে কেন রাম। যদি উহার (উক্ত চিতির) অন্যথা ভাবনা কর, অৰে উহা বৃথা দুঃখিত হও। পুরুষ জন্মগ্রহণ করিয়া যখন এই কিঞ্চিৎ অন্যরূপই প্রতিপন্ন হইবে। “এই সেই আমি, এই আমার বিবাদির অধিকারী হইবে, তখন তাহার আবার তাহার অন্য সংসার” ইত্যাকার ভাবনায় উহা দেহ বা সংসার বলিয়াই বােধ | আনন্দ কি ? এই সংসারে সকল জীবেরই আদি আসিতেছে ও হইবে। হে রাম। যে প্রকারে ভাবকে দৃঢ় করা যায়, অহা যাইতেছে, সুং ইহাতে আবার শােক কি? এই অগজল সেই প্রকার সত্য বলিয়াই প্রতীয়মান হইয়া থাকে। ৩১-৩৬। সাগরে বুদবুদরিয়ায় উঠিতেছে, বাড়িতেছে, ফুরিত হইতে, হে রাম। ভীৱৰেগে যাহা ভালনা করা যাইবে, পরম প্রিয়তমা বিলীন হইয়া যাইতেছে, ইহাতে শােকের বিষয় ত কিছুই দেখি কামিনীয় স্থায় সর্বত্রই তাহা ভদ্রুপে ঝটিতি দৃষ্ট হইয়া থাকে। না। যাহা সৎ, অহা সদাই সৎ, যাহা সৎ, অহা সর্বদাই স্বল্পকালে যেমন (রাত্রিতেও) 'দিনব্যাপার দেখা যায় এবং স্বল্প- অসৎ, তাহা কখনই স হয় না, এই জগৎ এই অসতী তাবনায় দিনব্যাপার খন অত্যন্ত হইয়া সত্য হয়, ডাকবলে মায়ারই বিচিত্রময়। ইহাতে শােকের বি কি? ৩-৫৮। অভ্যন্ত এই সংসারও সেইরূপ সত্য বলিয়া লক্ষিত হয়। “বান্তৰিক আমি হইতেছি না, হই নাই, হইও না” এই দেহ অসময়ে যেমন শীঘ্রধ্বংসী রুশ একদিনের গায় গীব বলিয়া কামন-বায়েদি বিচিত্র দোষে উৎপন্ন হইয়াছে, ইহাতে প্রতীয়মান হয়, সেইরূপ সঙ্কলিত এলস্থিত এই সংসার দীর্থ- শােকের বিষয় কি আছে? যদি আমি দেহ হইতে পৃ হই- স্থায়ী, এমন কি নিত্য বলিয়া বােধ হয়। মরুভূমির আতপ লাম, সে আমি কে? সে এৰি চিনাস (চৈ-এতিবি), গগনে যেমন নদী সংঘৃষ্ট হয়, সেইরূপ সঙ্কলবশে এই পৃথিবী বস্ত- আমার বাবার সায়দাব কি? সভাই বা কি? আর কসভাই বিক অসতী হইলেও লক্ষিত হইতেছে। যেমন দৃষ্টিলোৰে আকাশে ময়ূরপুচ্ছ দেখা যায় অর্থাৎ মগজের বিচিত্র ক লক্ষিত হয় (১)ৰ হাৰ উপান ৰলিয়া সৎ আর সতী মায়া এই জগলীও সেইরূপ ভ্রান্তিক এভমান হইতে। ইহার উলানি এলয় সৎ। ) বােগবাণিষ্ঠ রামায়ণ। ৪ বা কি? যাহার এ দুখিত হই—দশী মুনির এখস্থিথ করিল, আমি আর নিকট যাহা পাইতাম, অবখাশ নিচী মন ফলত অমিত হয় না, উদিত হয় না, পৰিপ্ত হয় তাহা ভাগ করিয়াটি এই প্রকার নষ্টধনাতির অভিলাষে যে , কেবল শান্ত হইয়া ব্রিা করে। সর্বোত্তম পদে (ব্ৰহ্মপদে) রাগক্ষেব্যাপার, তাহা অতি তুচ্ছ। ওন, বন্ধু, মিত্র এসমুদয় অবস্থিত মুনি, নিখিল ৰাহৰতে বাধশত পরিশােধিত ব্ৰহ্মৰই নশ্বর, ইহা আসিতেছে ও যাইতেছে, বুদ্ধিমান মানবের ইহাতে কেবল গ্রহণ করেন; যেমন তিত্তিরী পক্ষী কুলায় নির্মাণ করি- অনুরাগই বা কি আর বিরাগই বাকি অর্থাৎ উপেক্ষাই শােভা বার এ তৃণের মূলদেশ হইতে কোমল তৃণ বাছিয়া লয়, ড্রপ পায়। ৭১-৮০। এই যে প্রিয় অপ্রিয় অভাব-ভাব-সম্পর্মিনী ব্ৰহ্মবিৎ নিখিল বাহবস্তর মধ্য হইতে সারাগপরিশােভিত পরমেশ্বরী মায়া, ইহাই সমস্ত সংসার রচনা করিয়া ভােলােপ ব্ৰহ্মত্বই গ্রহণ করিয়া থাকেন। সত্যস্বরূপ ব্ৰহ্মত্বগ্রহণ করিবার ব্যক্তিকেই পাতিত করিতে। হে রাখব। ধনবল অন্য আত্মীয় ত এই অলর সংসারের অসারতা পরিত্যাগ করেন এবং জনবল এ সমস্তই মিথ্যা, ইহা বাস্তব নহে, একমাত্র আই ইহাতে কিঞ্চিত্ৰও অস্থা করেন না, কারণ আস্থাই সর্ব- সত্য। যাহার সত্য। যাহার আদিতে ও অবসানে সত্তা নাই সৎ, মধ্যে তাহার নাশের মূল। যেমন উত্তম রজু দ্বারা বলীবর্দ সহজে বদ্ধ হয়, কিরূপে সত্তা হইবে? অর্থাৎ তাহা ভিকালেই অসৎ, তাহা কেবল সেইরূপ আস্থাতেই জন্তু আবদ্ধ (আকৃষ্ট হইয়া পুড (আস্থা মনােব্যথাই প্রদান করে? অপরের কল্পিত আকাশপাদপে কোন করিতে করিতে তাহাতেই আসক্ত হইয়া পড়ে)। ৫১-৬৩। বুদ্ধিমান্য ব্যক্তি প্রীতি দেখাইয়া থাকে ? একজন আকাশে একটা অতএব হে অনুষ। তুমি বুদ্ধিবলে ইহাই (এই ব্ৰহ্মই) দৃঢ়রূপে রমণীমুর্তি কল্পনা করিল, অপর দূস্থ ব্যক্তি তাহার সহিত সভােগ নিশ্চয় করিয়া আস্থাবিহীন হইয়া বিহার কর। মহতী বুদ্ধির করিল। এই ঘটনা যেমন, এই সংসারও ঠিক তদ্রুপ, সাহায্যে অনায়াসে অস্থা ও অনাস্থা উভয়ই পরিত্যাগ করিয়া অতএব তুমি এই সংসাররূপ মহাভ্রমে পতিত হইও না। এই যাহা কর্তব্য, তাহাই করিবে, যাহা অকর্তব্য, তাহার উপেক্ষা যে প্রাণিবর্গসঙ্কুল বিশাল সংসার মূঢ়দিগকে আকুল করিতেছে, করিবে, কদাচ হা করিবে । যাহার নিকট এই এগং আভাস- তত্ত্বদর্শীরা ইহাকে গন্ধনগরের তুল্য জ্ঞান করেন। মাত্র বলিয়া বােধ হয়, তিনি দিনাবসানে জগতের ব্যয় (১) অন্তরে অল্পসময়ে কল্পিত নগরীর ন্যায় মিথ্যাই উখিত হইয়াছে। তুমি শীতলভাষ ধারণ করেন। হে অনখ। তুমি এই পদার্থশির এই যে সংসার দর্শন করিতেছ, ইহা একটা দীর্ঘ স্বপ্নদৃষ্ট পুরী উপরে বিশিষ্টবুদ্ধি পরিত্যাগ করিয়া ইহাকে সামান্যতঃ আভাস বা বৃক্ষ, অজ্ঞাননিদ্রায় আক্রান্ত হইলেই এই স্বপ্ন দেখা যায় (ব্রহ্মচৈতন্যেরই প্রতিবি) রূপে দর্শন করিতে থাক। হে রাম। ইহা স্বপ্নাদি ভাবাপন্ন সুষুপ্ত ব্যক্তির ন্যায়, সর্বত্র সিঁতিমান ও পর চিত্তের কল্পনা-বিশেষে কলঙ্কিত ঐ আভাস-মাত্ৰও পৰি- সর্বত্র অনুস্যত হইয়া উঠিয়াছে। তুমিও গাঢ় অজ্ঞাননিদ্রায় ত্যাগ করিয়া আভাসবিহীন এই অবস্থান কর। হে উত্তম। আচ্ছন্ন হইয়া এই সংসারপ্নসম দর্শন করিতেছ। ধনরত্ন- তুমি আভাস পরিত্যাগ করিয়া সর্বগামী অথচ সৰ্ববর্জিত নিধনপ্রাপ্ত পুরুষশ্রেষ্ঠ যেমন অলক্ষ্মী পরিত্যাগ করে, তুমিও একান্ত নির্মল নিত্য-চিকাশময় হইয়া থাক। আমি অহং তদ্রুপ এই বিশাল অজ্ঞাননিদ্রা পরিত্যাগ কর। ৮১-৮৫। নহি, আমার এই ভোগালও সত্য নহে” ইত্যাকার চিন্তা তুমি প্রভাতকালীন পদ্মের ন্যায় প্রবুদ্ধ হও, প্রবুদ্ধ হইয়া সূর্যের করিতে থাকিলে এই বৃথা আড়ম্বর (প্রপঞ্চ) আর অনর্থ ঘটাইতে গায়,সর্বদা উদিত নির্বিকল্প চিদাভাস শীয় আত্মাকে সন্দর্শন কর। পারে না। আমি সময় চিৎপরূপ এইরূপ ভাবিতে পারিলে হে মহাবাহাে। প্রবুদ্ধ হও, প্রবুদ্ধ হও, আমি তােমাকে বার বার এই বিশাল জগৎপ্রপঞ্চ আর অনর্থকারী হয় না, এই দ্বিবিধ প্রবোধিত করিতেছি, প্রবুদ্ধ হইয়া অনাময় আত্মদিবাকরকে চিন্তনােপায়ে যাহা বলা হইল, তাহাই সত্য, এইরূপ চিন্তনই অবলোকন কর। হে রাম । আমি শীতল জ্ঞানবরি সিঞ্চন পরমসিজিদ। ৬০-৭২। হে রাম। যদি তুমি এই উপায়য়ের করিয়া তদীয় শব্দে (সুমধুর বাক্যে পারে অলসিগন-শকে) মধ্যে একটাকেই মনোরম বলিয়া জান ত তাহাই কর, কিংবা তােমাকে প্রবােধিত করিতেছি। হে রাখব। প্রবুদ্ধ হও, পরম হে জন। যদি দুইটাকেই সাধু বলিয়া বিবেচনা কর, তাহাই কর। জানলাভ কর, সতস্বরূপ দর্শন কর, অলীক জগদভ্রম পরিভাগ হে কল্যাণীয়। তুমি এইরূপে বিহার করত রাগম্বেষের ক্ষয় কর। বাস্তবিক তােমার জন্ম, দুঃখ, দোষ বা ভ্রান্তি কিছুই নাই, করিতে থাক। এই লােকে, আকাশে বা স্বর্গে বাহ কিছু উনিত তুমি সমুদয় সঙ্কর পরিত্যাগ করিয়া আত্মাতে সুস্থিরভাবে অবস্থান রহিয়াছে, হে রাম। রাগম্বেষের ক্ষয় হইলে সমস্তই লন্ধ কর। হে মহাত্ম। তােমার নিখিল বিকলাষজাল বিগলিত হইয়া থাকে। হে রাম। মুগণ রাগম্বেলি-দূষিত বুদ্ধিতে যাহা হইয়াছে, তুমি সুষুপ্ত ব্যক্তির ‘ায় সারবতী বিক্ষেপণ দৃষ্টি করে, তাহা তাহাদের ঝটিভি বিপরীত ফই প্রজ্ঞন করে। যেমন লাভ করিয়াছ, তুমি অতি বিশাল নিত্য ব্ৰহ্ম, তুমি পরম বিশুদ্ধি দগ্ধ-নীতে হরিণের পদার্পণ করে না, সেইরূপ, লাষ্ট করিয়া শান্তিময় পরমব্রহ্মে অবস্থান কর। ৮-৯৪। দ্বেষাদিদূষিত চিত্তবৃত্তিতে কোন ই থাকে না। যাহার অষ্টাবিং সর্গ সমার।। মনোগর্তে রাখবে-ভু এৰেশ করে না, তিনি কত, তাঁহার নিকট কি না পাওয়া যায়। যাহারা বুদ্ধিমান, ধৃতিমাল, চর ও শাত্ম হইয়াও মগজেবে কলুষিত, তাহারা শৃগালতু, তাহা একেত্রিংশ অঙ্গ। দিকে বিক। ৭৩৭৮। স্থায়। আমার সত্তি অপর ভােগ বাকি কহিলেন- নিশ্চল নিষ্প ও একটি (১)বিনের অবসানে সুর্যের তেজ কমিতে থাকায় জগৎ গত হইয়া বশিষ্ঠের উপদেশবাক শ্রবণ করিতেছেন, তাহার আত্মা হইতে থাকে। এর উপদেশকা শ্রবণ করিয়া পরমানন্দময় বিশ্রত থাৎ ) নির্বাণ-প্রকরণ-পুর্বল বজ্ঞান হইয়া পরমাননে বিভাের হইল। আকার সকল দুখে আক্রান্ত হয়। সময় দেহমাত্রই যায় কি নাই; শ্ৰোতৃবর্গ বশিষ্ঠের উপদেশগুণে উপশম প্রাপ্ত হইয়া - অর্থাৎ ইহার অনিন্তি আমরা কিছুই লক্ষ্য করিতে পারি বিশ্রান্ত হইছে, এই সময়ে, মম যেন শাশির উপর জল না, আমরা জানি ইহা সত্য-সত্যই মিথ্যা। মূঢ়লােকই ইহার বর্ষণ করিয়া তি হয়, সেইরূপ ঝামের আত্মবিশ্রান্তি দেখিয়া ঐ অয় না কেন করিয়া থাকে। যেমন চিত্রিত পুত্তলিকায় কোন আত্মবিশ্রান্তি স্থির রাখিবার অ শিমুনির ৰচনামৃত (ক্ষণ অঙ্গহানি হইলে বা কিছু নষ্ট হইলে কোনও তি নাই; কালের জন্য ) বিরত হইল। পরে অর্থমূহুৰ্ত্ত অতীত হইলে রাম সেইরূপ সময় এই মানব ক্ষয়প্রাপ্ত বা ক্ষীণ হইলে কোনই যখন প্রতিবুদ্ধ হইলেন, তখন বাগ্মিপ্রবর বশিষ্ঠ আবার সেই ক্ষতি নাই। যেমন মনঃকজিত রাজ্যের কাঘাতে কোনই ক্ষতি বিষয়ই বলিতে লাগিলেন। বশিষ্ঠ কহিলেন,—হে রাম। তুমি নাই, যেমন ভ্রমদৃষ্ট দ্বিতীয় চন্দ্র নষ্ট বা ক্ষণ হইলে কোনই এক্ষণে উত্তমরূপে প্রবুদ্ধ হইয়াছি, তুমি এক্ষণে সাত্মলাভ ক্ষতি নাই, যেমন স্বপ্নদৃষ্ট কৰ্ম্মের ব্যাঘাত হইলে কোনই ক্ষতি করিয়াছ, তুমি এক্ষণে ইহাই অবলম্বন করিয়া থাক, এই সংসার- নাই , যেমন মরীচিকানদীর অপিরূপ সলিল নষ্ট হইলে চক্রে ক্ষর পদার্পণ করিও না। হে রঘুনন্দন! সঙ্কল্পই এই কোনই ক্ষতি নাই , সেইরূপ সঙ্কল্পমাত্ররচিত স্বভাবতই নশ্বর, সংসারচক্রের ভি, এই নাভি (চক্ৰমধ্যবর্তী কাষ্ঠ তাহার নাম- এই মাংসময় শীরত্র নষ্ট হইতে কোন ক্ষতি নাই। ১৬২৫। শুর অর) রােধ করিলে এই সচক্র আর চণিতে পারে না। চিরে সঙ্গে কল্পিত এই দীর্ঘ সময় হে ভূষিতই হউক, এই সঙ্কল্প অর্থ মনােরূপ নতি যদি ক্ষোভিত অর্থাৎ রাগন্বেষাদি আর ভূষিত নাই হউক, চিতির তাতে কোনই ক্ষতি নাই। হে ধারা ক্ষোভ প্রাপ্ত হয়, তাহা হইলে এই সংসারচক্র বলপূর্বক রাঘব। এই সশরীরের ক্ষতিতে আত্মাও বিচলিত হন রুদ্ধ হইলেও বেগে চলিতে থাকে। অতএব যুক্তিপূর্বক ( বিচার- না, চিতিও নষ্ট হন না, ব্ৰহ্মও বিপ্লুত হন না, এই দেহের পূর্বক) চূট বৈরাগ্য অভ্যাসরু পরম পুরুষকার অবলম্বন | ক্ষয়ে কাহার কি ক্ষতি ? দুর্ণমান চক্রের উপরে অবস্থিত ব্যক্তি করিয়া বুঝিবলে সংসারচক্রের নাভি চিত্তকে রুদ্ধ করিবে। বুদ্ধি | যেমন চতুঃপাশ্ববর্তী চক্রসমূহের ন্যায়, সমুদয় দিল ঘুৰিছে ও শামসহকারে পুরুষকার প্রয়ােগ করিয়া যাহা সিদ্ধ করা { বলিয়া বােধ করে, এরূপ সােথ করার হেতু চক্ৰভ্ৰমণনিবন্ধন দেহ , যায় না, এম কাব্যই নাই। বালককে বুঝাইবার নিমিত্তই | সেইরূপ সহসা মিথ্যা জ্ঞান প্রবল হইয়া উঠিলে সেই মিথ্যা- কেবল দৈব একটা কল্পিত হইয়াছে, অএব ঐ দৈবকে জ্ঞানরূপ চক্রে আট ব্যক্তি দেহচক্র অবলােকন করে। সে তখন দূণে পরিহার করিয়া নিজ যত্নৰলে প্রথমে চিত্তকে রুদ্ধ করিবে। বোধ করে “এই দেহচক্র ঘুরাইয়া দিলে ঘুরিতে থাকে,” উদেশ ১। হে অনম্ব। এ জগৎ বাস্তবিক অসং হইলে বিরিঞ্চি হইতে পরিত্যাগ করিলে পড়িয়া যায়, নষ্ট করিলে নষ্ট হইয়া যায় ” হইতে প্রখিত অজ্ঞানরূপ এসেং বলিয়া প্রতীয়মান হই- ' ফলতঃ ধৈৰ্যবলে এই মহা বিদূরিত, কর। সকলেরই কৰ্ত্তব্য। তেছে। হে অনঘ। অজ্ঞান বা অন্তির বাহুল্যহেতুকই এই দৃশ্য ! সঙ্কল্পই এই দেহের কর্তা, ইহা বহুতঃ অসং হইলেও মিথ্যাজ্ঞানে জাতি হেসকল সগল্প হইতে উখিত হইয়া গতায়াত , সৎ হইয়া উঠিয়াছে। যাহার কৰ্তাই অসত্য, সে কিরূপে সত্য করিতেছে। সঙ্কল্পই এই দেহের ফুল, এই সঙ্কল্প ত্যাগ করিতে হইবে ? সে বাস্তবিকই রজুতে সর্পজ্ঞানের ন্যায়, মিখ্যাই উৎপন্ন দেহ আর কদাচ উৎপন্ন হয় না। হে রাম। বুদ্ধিমান ব্যক্তির ভাতিমাত্র। ঐ দেহ, অসত্য হইলেও এই জগৎক্রিয়াকে সত্য কাচ সুখদুঃখ বিজর করা কর্তব্য নহে, কারণ তাহাই সঙ্কল্প। করিয়া তুলিয়াছে। হে রাম। দেহ ত জড় সেই জড় দেহ কর্তৃক চিত্রলিখিত মনুষদেহের অপেক্ষা এই জীবন্ত মানব জঘন্য , যাহা কত হইতেছে, তাহাকে বাস্তবিক কৃত বলা যায় না। দেহ চিৰিত মানবের সঙ্কল্প নাই; জীবন্ত মানবের তাহা আছে , তৎকালে ভ্রান্তিসময়ে কিছু করিলেও কদাচ কর্তৃবাচ্য একারণে জীবন্ত দুঃখে মানমুখ হয়, বাপজলে আবদন হয়, হইতে পারে না। ২৬–৩৪। ইচ্ছাই কর্তৃত্বের কারণ, অড়দেহের চিত্রিত নর হা হয় না। চিত্রিত মানব যেরূপ স্থায়ী হয়, ত ইচ্ছাই নাই, নির্বিকার আত্মাতেও ইচ্ছা সবে না, অতএব জীবন্ত মানব যেরূপ স্থায়ী হয় তাহার মৃত্যু কেহই আটকাইয়া জগতের কর্তা কেই নাই, আত্মা কেবল অষ্টা হইতে পারেন। রাখিতে পারে না, নিজেই সে আথিব্যাধিতে জীর্ণ হইয়া থাকে। যেমন নিৰ্বাতস্থিত প্রদীপ আপনাতেই অবস্থান করে, অন্যান্য নেত্রন্সে ক্লিন্ন হইয়া থাকে, চিত্ৰিত দেহ যদি কেহ নষ্ট করিয়া | পদার্থে কেবল সাক্ষিভাবে অবান করে, আত্মাও এই জগতে ফেলে, তবে নষ্ট হয়, নতুবা নষ্ট হয় না, কিন্তু মাংসময় দেহের। সেইরূপ অবস্থান করিতেছেন। দিবাকর যেমন আকাশে থাকি- নাশ অবশ্যম্ভাবী, সে আপনিই নষ্ট হইয়া যায়। ১০-১৫। ষত্ব- ' ই দিবসের কার্য সম্পাদন করিতেছেন, হে রাম! তুমিও পূৰ্ব্বক রাখিলে চিত্রিত মানব বেশ সুশ্রী থাকে, কিন্তু মাংসময় তদ্রুপ (অনাসক্তবে ছিপুৰ্ব্বক) রাজকাৰ্য করিতে থাক। দেহ প্লষজ্ঞরক্ষিত হইলেও ঝটিতি নষ্ট হইতে পারে, আহার বৃদ্ধি ও অসভ্য শুস্ক-দেহুগৃহ বালকলিত যক্ষেয় হয়, “সক্ত হওয়ায় কদাচ সবে না, সেই কারণে আমি বলি, চিত্রিতদেহ এই মাংস ইহাতে অকস্মাৎ নিখিল সাদিগের পরিত্যক্ত অসার অহঙ্কার ময় সময় সেই অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। চিত্রিত দেহে যে যে শছে চিত্তনামক বেঙ্গল কোথা হইতে আসিয়া রে আশ্রয় লইয়াছে, সঙ্কলদেহে তাহা নাই , অতএব চিত্রিত অপেক্ষাও জড়দেহ জন্ম। তাই যায় না। ফলে তুছি এই তাহ বা যায় না। ফলে তুমি এই অহঙ্কারবেতালের হে অন| সেই মাংসময় দেহে আবার অবস্থা কি? অনুরাগ কি? ভৃত্য হইয়া পড়িও না, হে রাম। শিলা রাখিও ইমর ভূত হে মহামতে। এই যে মাৎসময় দীর্ঘসঙ্কল্পমে, ইহাতে আবার হইলে অবশেষে কে যাইতে হইবে। ৩৫–৪। চিত আদা কি? ইহাত সঙ্কজনিত সেই অপেক্ষা , দেহগৃহ পাইয়া এমনই করিয়া তুলিয়াছে যে, পরদিগকেও কারণ স্বপ্নসঙ্কজ দেহ ও অলকাশয়িী অহা ৰ সুখ-দুখে ভয়ে সমাধির আশ্রয় লইতে হইয়াছে। যিনি আপনার শরীরগৃহ আত্রত হয় না, আর এই যে দীর্ঘসজ দেহ, ইহা দীর্ঘ হইতে চিত্তৰেকে নির্বাসিত করিতে পারিয়াছেন, তিনি এই 3s । T } <ও। যে ব্যক্তি চিত্তরূপ যক্ষ কর্তৃক দৃঢ়রূপে আক্রান্ত হইয়াছে, বােগবাশি-রামায়ণ। সংসাররূপ নগরে থাকিয়াও আর কাচ ভীত হন না। তুমি শঠ চিত্ত বা অহঙ্কার বলিয়া জানিও। বস্তুতঃ তুমি সৰ্ব্বজ্ঞ কি আশ্চৰ্য। যাহার চিত-বেতাল ক অভিভূত দেহগৃহে। আম্মা, তুমি কদাচ মন নহু, তুমি মনােমােহকে দূরে পরিহার থাকিয়া থাকিয়া কেবল অনন্তকোটি দেহ নষ্ট করিল, তাহারা কর, কেন তুমি এই নােমােহগ্রস্ত হইছে। হে উত্তম রাম। অদ্যাপি কি ও তাহাতেই আত্মবুদ্ধিতে অবস্থান করিতেছে! শূন্য দেহগহে অবস্থিত এই মপিশাচ আত্মাকে স্পর্শ করিতে না অর্থাৎ তাহারা এত ফ্রেশ পায়াও যে উহা পরিত্যাগ করিতে যত্ন পারিলেও মৌনভাবে “স্তাহাকে স্পর্শ করিয়াছি” ভাবিতে থাক। করিতেছে না ইহা বডই আশ্চর্যের বিষয়। হে রাখব। যাহারা , সংসারজহেতু ধৈৰ্য-সূৰ্বষের হরণকারী অমঙ্গলময় এই চিত্ত- চিত্তবতালগ্ৰন্ত দেহগৃহে খাকিয়াই মরিতেছে, তাহাদের বুদ্ধি পিশাচকে পরিত্যাগ করিয়া তুমি যাহা খাক, তাহা হইয়া স্থির বুদ্ধিহে। ৪১-৪৫। হে সাদে। অস্কারকপ মহান যক্ষের | তাহাকে না শাস্ত্ৰবিচার না শুকপদেশ, না বন্ধুঞ্জন কেই পরিত্রাণ আয় এই অঞ্চ (পােড) দেহগৃহে যে আস্থাবান হইয়া অবস্থান করিতে পারে না। যাহার চিত্তবেতাল ক্ষীণ হইয়াছে, একবারে করে, সে-ই পিশাচ , কারণ এ দেহ কদাপি স্থায়ী বা স্থির! শান্ত হইয়াছে, অল্পকর্দময় হরিণের ন্যায়, তাহাকে রূপদেশ, নহে। অতএব তুমি মহতী বুদ্ধিবলে অহঙ্কারের অনুবৃত্তি ত্যাগ ' শাস্ত্ৰবিচার বা বন্ধুবর্গ ইহারা অনায়াসেই উদ্ধার করিতে পারে। করিয়া, অহারকে একবারে ভুলিয়া গিয়া ঝটিতি একমাত্র আত্মা- ৬২-৬৯। এই জগৰূপ শূন্ত পুরীমধ্যে উন্মত্ত চিতঘক্ষ উপদ্রব কেই অবলম্বন কর। যাহার-অহঙ্গার-পিশাচ-কর্তৃক গ্রন্ত হইয়া করিয়া দেহগৃহকে একবারে দৃষিত ধরিয়া তুলিছে। দেহৰূপ নরকে যাইতে বাসনা করে, সেই মেহমান্ধ ব্যক্তিদিগের না মিত্র ' এভাগে উৎপন্ন এই শূন্য জগকপ বিশাল অরণ্য চিবেতালের না বন্ধু কেহই থাকে না। অহঙ্কারদষিত বুদ্ধিতে ৰাহা কুরা ' আবাসভূমি হওয়ায় কাহার না ভয়ঙ্কর হইয়াছে ? এই যায়, তাহার ফল বিষৰঞ্জীর দলের ন্যায় মৃত্যুই ঘটে। যে মূর্ণ জং-নগৰীমধ্যে চিত্তপিশাচে উপদৰ নাই, এমন দেখগহ- বিবেকধৈৰ্য্য পরিত্যাগ করিয়া আপনার অহঙ্গার লইয়া মহােসর মাত্র কতিপয় সাধুপুরুষের সেব্য হয়। হে রঘুনন্দন। এই ঘত করে, তাহাকে তুমি নষ্ট বলিয়া জানবে। ৪৮-৫০৷ হে রাঘব। দি দেখিতেছ, বা শুনিছে, এই সমস্ত দিই দেহ-শ্মশানবাসী যাহারা অহঙ্গারপিশাচের বশীভূত হইয়া পড়িয়াছে সেই শােচ উন্নত মােহ-বেতালগুণে পরিপূর্ণ । এই জগদরণ্যানীগধ্যে আত্মা নীয় ব্যক্তিবর্গ নরকানলের ইন্ধন হইয়া থাকে। যাহার কোটর- অজ্ঞবালকের ন্যায় মােহমঘ, একমাত্ৰ ধৈৰ্ঘবলে আশপ্রযত্নেই মধ্যে অহঙ্কারভুজঙ্গ গর্জিত হইভে থাকে, সেই দেহতকে ইহাকে উদ্ধার করা যাইতে পারে, অতএব তাহাই করা অচিরে নিপাত করা কর্তব্য। হে মহানদিগের শ্রেষ্ঠ রাম তােমার উচিত। ৭০-০৩ হে রাম। এই জগকপ জার্ণ অরণ্যে ভরূপ এই দেখমধ্যে অহঙ্কারপিশাচ থাকুক বা না থাকুক, তুমি এই নৃগকুল বিচরণ করিতেছে, তুমি এই চরশ্য হরিণশিশুর শুষ, দেহকে বুদ্ধিপূর্বক অবলোকন করিও না। এই অহঙ্কাইপিশাচ বিষয়তৃণলাভে মত্ত বা তুষ্ট হইও না। এই ভূতলরূপ অরণ্যমধ্যে মনে মনে তিরস্কৃত ও অজ্ঞাত হইল আর কিছুই করিতে অনেক হরিণশাবক বিচরণ করিতেছে বটে, কক। তুমি পারিবে না। হে রাম। এই জেহালয়ে চিত্তপিশাচ বিদ্যমান বলপূর্বক অজ্ঞানহীকে বিনাশ করিয়া সিংহের ন্যায় বিচরণ কর। থাকিলেও অনন্তবিলাস আত্মার কি ক্ষতি ? অং আত্মায় হে নিশ রাম! এই জীপরূপ জঙ্গলমধ্যে অন্যান্য মুদ উপেক্ষাবুদ্ধি সত্বে উ থাকিয়াও কিছুই করিতে পাবে না। নরহরিণপণ মেকপ বিচরণ কবিতেছে, তুমি সেকপ কও না চিত্ত কর্তৃক অভিভূত পুরুষের যে কত বিপদ, তা শতবর্ষেও হে রাম। তুমি বন্ধুজনৰুপ পলভূমিতে মহিষের ন্যায় ডুবিষা গণনা করিয়া উঠা যায় না। হায়, হায় আমি মরিলাম, আমি । থাকিতে যাইও না, কারণ তহা ক্ষণকালমাত্র শীতল থাকে, পুলািম'ইত্যাকার যে দুঃখব্যাপার—তা অক্ষর-পিশাচেরই। পরিশেষে গাত্রে কর্দম লেপিয়া দেয়। এই বিশাল বিশাল শক্তি, অন্যের অর্থাৎ আত্মার নহে। যেমন আকাশ সাগামী ' দূরে পরিহার করবে, সখুজনের পদ্ধতির অনুবর্তী হইবে, হইলেও কাহারও সহিত সমৃদ্ধ নহে, সেইরূপ আত্মা সর্বগামী একম' অন্যতই মহান ইল বিচার করিয়া একমাত্র হইলেও অহঙ্কারের সহিত সঙ্গত নহেন অর্থাৎ আত্মা ‘অহং'-রুপে ! আত্মকেই আশ্রয় করিবে। অপবিত্র হত তুচ্ছ জঘন্য দেহের অনুভূত হন। হে রাম। এই চক্ষণ দেযন্ত সুনাত্মক প্রাণের জন্য বিষয়কৰ্গমে নিমগ্ন হওয়া উচিত, নহে। কারণ তাহাতে সহিত সম্বদ্ধ হইয়া যাহা করে, তাহা গ্রহণ কর, অহঙ্কারেরই চিন্তারূপিণী অত্যন্তকাপন বৃক্ষসী (আন করিবার জন্য হাঁ কাৰ্য। আক্ষ কিছুই করেন না, তবে যে, আত্মাকে চিচেষ্টার করিয়া রহিয়াছে)। এই দেই এক জনে ( সঙ্গে নির্মাণ কারণ বা হয়াছে, তাহা ক্ষের বিষয়ে আকাশ যেমন করিল, অপর যক্ষ (অহঙ্কার) আসিয়া ইহাতে আশ্রয় করিল, কারণ সেইরূপ কা জানিৰে;ফলঃ আকাশ যেমন কর্তৃত্ব অপরের (মনে) দুঃখ হইল, তােগ করিল, আর এক জনে আত্মাও কত নি মহিমায় প্রতিষ্ঠিত। যেমন দীপের (জীবে), বিচিত্র মুখের চক্র। ৭৪৮৯। এরের যেন সমিষিমাত্রেই গৃছলিজি প্রকাশিত হয়, সেইরূপ মন জাকার খায়ণ ঘনত্বই স্বরূপ , আত্মারও তদ্রুপ, আত্মাতে সামান্যয্যতীত কখিয়া আত্মার সঙ্গিবিমাত্রেই ফুৰিত হয়। ৫১-৫১। হে ঘাম! অন্য কিছুই সম্ভব না অর্থাৎ দুঃখভােক্তা শরীরাণি রূপ আত্মার ও চিত্ত-আকাশ ও পৃথিবীর ন্যায় প্রকাশ ও অন্ধকারের একেবারে অসম্ভব। যেমন প্রস্তরের কঠিন্য প্রস্তর হইতে পরম্প বিশ্লিষ্ট ,ইহাদের আবার সম্বন্ধ কি ? গে রঘুনন্দন। অভিন্ন অর্থাৎ পৃথক্ তাহার সত্তা নাই, এই মনঃপ্রভৃতির শক্তির প্রযোজক আত্মশক্তি যারা আবৃত থাকাতেই আত্মা হইতে পৃথক স নাই; আত্মার সত্তা লইয়াই ইহার চিকে মুখগণই আত্মা বলিয়া দর্শন করে। কারণ আত্মা সগত | সা, ব্যতিরেকে মনঃপ্রভৃতি অভাবই সিদ্ধ হয়। পাষাণের বিভু নিত্য প্রকায়। হাদয়গত যে মহান অন্ধকার—তাহাকেই 'পাষাণ, অটের , যেমন পাষাণাদির সত্তা হইতে অভিন্ন। ১ । T ৫ O নির্মাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। এই মানসালি তদ্রুপ আত্মা হইতে অভিন্ন। ভগবান অ হইয়াছে তা তোমার তপস্যা নিবিয়ে অসাধন করিতেই শেখর পুর্বে কৈলাসকদরে বসিয়া নিখিল সংসারহুখের ত? তুমি প্রাপ্য বিষয় পাইছ ত? তােমার ভীতি প্রশান্ত শান্তির জন্য এই বিষয়ে বাহা আমাকে বলিয়াছিলেন, সেই হইয়াছে ত?” হে রঘুনন্দন। সৰ্ব্বলােকের অধীশৰ ৰে মামােহবিনাশী আর একটা দর্শনের পথ তােমাকে বলিতেছি, ভবানীপতি আমাকে এইরূপ oিা কৰিলে আমি সানুনয়নে শ্রবণ কর। স্বর্গলােকেরও অপর পারে কৈলাসনামে একটা পর্বত কহিলাম। ১১-১০৬। হে মহেশ্বর। হে ত্রিলোচন। বাহাৱা ঐ পঢ়ী একত্ৰিত চকিরুণপুঞ্জের ন্যায় উজ্জ্বল, আপনার স্মরণরূপ মঙ্গলকাৰ্যে রত থাকে, তাহাদের দুষ্প্রাপ্য এবং ভগবতী গৌরিদেবীর বিহার-মন্দির। সেই পৰ্বতে ভগবান কিছুই নাই; তাহাদের ভীতি কুত্রাপি নাই। যাহারা আপনার অর্ধেন্দুশেখর মহাদেব বাস করেন। একদা আমি সেই ভগবান অনুসরণজনিত পরমানলে ঘূর্ণন চিত্ত হইয়া অবস্থান নেন, মহাদেবকে পূজা করিবার ও সেই পর্বতে গিয়া গঙ্গাতটে এই জগধ্যে তাহাদের নিকট প্রণত হয় না, এমন কোন আশ্রম করিয়া তাঁহার পুজা করিতে লাগিলাম। আমি তথায় প্রাণীই নাই। যে স্থানের মানবগণ আপনার স্মরণেই একান্ত ভঙ্গ করিবার জন্য তলীর নিয়মে বহুদিন অবস্থিতি করিতে নিতে থাকে, সেই প্রকৃত দেশ, সেই প্রকৃত জনপদ, সেই প্রকৃত লাগিলাম, তৎকালে সেইস্থানে সিদ্ধগণ অসিয়া আমাকে পর্বত। হে প্রভো। আপনার স্মরণকরা অতীত পুণ্যের ফল, বিৰিয়া বসিতে, আমিও তাঁহাদের নিকট শাম্রার্থ-সংগ্ৰহ বর্তমান পূণ্যকর্মের অতিবর্ধক এবং ভাবী সুকুতে বীজম্বরূপ করিয়া লইতাম , তথায় আমি বহু পুস্তক সংগ্রহ করিতাম। হইয়া থাকে। হে প্রতে। আপনার অনুসরণ, ধার পূষ্পচয়ন করিবার একটা পাত্র প্রস্তুত করিয়াছিলাম। হে একমাত্র কলশ, ধৈৰ্যরূপ চন্দ্রিকার চন্দ্ৰৰূপ এবং মেক্ষিপুরীর রাম। এইরূপে উপস্থা করিতে করিতে সেই কৈলাসবনকুঞ্জে দ্বারস্বরূপ। হে ভূতপতে। আমি অপর অনুসরণরূপ চিন্তা- কাল অতিবাহিত করিতে লাগিলাম। ৮২-৯০ অনন্তর মণির সাহায্যে নিখিল আপসের মস্তকে পদার্পণ করিয়াছি অর্থাৎ একদিন শ্রাবণমাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমীদিবসে রাত্রির প্রদোষ- নিখিল আপকে তুচ্ছ জ্ঞান করিয়াছি। হে রাম। সেই সুপ্রসন্ন ভাগ মাত্র অতীত হইয়াছে, দিসকল প্রশান্ত, কোন জন্তুর ভগবান মহেশ্বরকে এই কথা বলিয়া প্রণত হইয়া আবার স্বাহা সাড়া শব্দ না, ঠিক যেন কাবৎ নিস্পন্দ রহিয়াছে, বনমধ্যে বলিয়াছিলাম, তাহা শ্রবণ কর। ১০৭-১১৩, ' “হে ভগন এত অন্ধকার যে খগ দ্বারা ধরিয়াছেন করা যায়। এমন সময়ে আপনার অনুগ্রহে আমার সকল দিক্ পূর্ণ, কিছুই অভাব নাই, অর্থাং রাত্রির প্রথম যামাৰ্দের পর আমি সমাধি হইতে বুখিত কিন্তু হে দেবেশ। একটা বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে, তাহা প্রায় হইয়া বক্ষবিষয়ে দৃষ্টিনিক্ষেপ করিতে যাইতেছি, সেই জিঙ্গাসা করিতেছি, আপনি প্রসন্নমনে তাহার নির্ণয় করিয়া সময়ে দেখিলাম,-কাননমধ্যে সহসা তেজঃপুঞ্জ আবির্ভূত হইল। দিন। দিন। হে প্রভে। যাহাতে কোন উদ্দেগ থাকেনা, নিখিল সেই তেজঃপক্ষ শত খেতমেধের ন্যায়, বহু চমগুলের ন্যায়, পাপের ক্ষয় হয়, এমন সর্বকল্যাণবর্ধনকারী দেবচ্চনার বিধান দিক্চক্র আলােকিত করিয়া তুলিল। গাঢতিমিরাচ্ছন্ন সেই | কিরূপ? তাহা আমাকে উপদেশ করুন। ঈশ্বর কহিলেন, হে গহনকুঞ্জ পরিষ্কার হই গেল। আমি সেই তেজপুখ নিরীক্ষণ ব্ৰহ্মবির । যাহার সং অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠাতা মুক্তিলাভ করে, করিয়া বিয়ে অনুপ্রাণময়ী জ্ঞানদৃষ্টি দ্বারা চতুর্দিক দেরিতে সেই সত্তেম লেবানবিধান তােমার নিকট বলিতেছি, এৰণ গিয়া দেখিলাম,-ভগবান চন্দ্রকলাথারী মহাদেব গৌরীদেবীর কর। হে মহাবাহাে। হে দ্বিজ । তুমি যে দেশের অচ্চলৰ হতে হন্তৰ্পণ করিয়া সেই পর্বতসাৰ শিকে গমন করিতে- কথা জিজ্ঞাসা করিছে, সেই দেব কে ? ২। তুমি জান কি? ছন, তিনি অগ্রে অগ্রে আসিতেছেন, নদী পথপ্রদর্শন করিয়া পুণ্ডরীকাক্ষ সে দেব নহেন, ডিলােচন সেদেব নহেন, যােনি নিতে। আমি তখন সাবধানে উঠিয়া অস্থিত শিষ্যাকে । সেদেব নহেন, নুরপাতও সে দেব নহেন যিনি দেব, জিনি পবনও সম্বোধন করিয়া অৰ্য্যপাত্র লইয়া সন্তুষ্টচিত্তে তাহার দৃষ্টিপূত নহেন, সূৰ্য্যও নহেন, চন্দ্রও নহেন, অনলও নহেন, ব্রাহ্মণও নহেন, পুরােভাগে গিয়া উপস্থিত হইলাম। অনন্তর আমি দর হইতেই রাজাও নহেন, আমিও না, হে দ্বিজোত্তম। তুমিও না, ভগবান্ ত্রিণােচনদেশকে পুষ্পাঞ্জলি প্রদানপূর্বক অর্থ দিয়া প্রণাম সেই দেবতা কমলাও নহেন, মভি সে দেবতা নহেন, তবে সে করিয়া পাবনা করিলাম ১১-১৮। অনন্তর তিনি চত দেব কে ? যিনি অকৃত্রিম, যাহায় আদিও নই, সেই নিরতিশয় সদৃশ শীল সার্ভিহারী সরল দৃষ্টিপাত দ্বারা বহুক্ষণ আমাকে কাকলী চিৎই দেশ আকারাদি দ্বারা পরিচ্ছন্ন কৃতার্থ করিলেন পরে ত্রৈলক্যসা সেই মহাদেৰ পুষ্প, পরিমিত বস্তুতে দেবভাব কিরূপে সম্ভবে ? এই যে কয়টীৰ কথা সামুতে উপবেশন করিলে আমি নিকটে গিয়া তাহাকে পা, বলিলাম, ইহারা সকলেই ত পরিমি ও পূরিমিত, উরাং অ্য,পন্স প্রদান করিয়া তাহার চরণাগ্ৰে ৰহ পারিজাতপুষ্পের সে হইতে পারে না। কৃত্রিম না অনন্তময় টিকেই অঞ্জলি প্রধান করিলাম। বহুবিধ ভােত্রপাঠ ও নমস্কার প্রায় বুধগণ দেব বলিয়া আনেন। হে চিৎই বেণকে অর্ভিহিত হন, আমি যথাযথভাবে তাঁর পূজা করিলাম। নয় আমি তাহাকেই লােকে পূজা করে তিনি কত সাবা, ভাই হই- মাতৃকামণ্ডল-সমন্বিত সখীসহিতা ভগবতী গৌরীদেবীর তেই এই সমুদয় উৎপন্ন হয় তাহারই সাপী আত্মার সেইরূপ পূজা করিলাম। এইরূপে সঁহাদিগের পূজা করিয়া স্বরূপে বিরাজ করছে।৯৪–১২৩ যাহরা ঐ সময়ের তত্ত্ব আমার অন্তঃকর পুর্ণবরের ন্যায় শীতল লইল। তাঁহাদের অবগত নহে, তাহাদের পক্ষেই মূর্তি বা পরিচ্ছিন্ন কঙ্গতদেবের সম্মুখে উপবেশন করিলাম, তখন ভগবান চলশের সুলভ অর্চনা বিহিত হইয়াছে। এ যােবাপী পথে যাইতে অসমর্থ ৰচনে আমাকে কহিলেন,—“ব্ৰক্ষ। তােমার চিত্তবৃত্তি এতি- তাহার জন্য একক্রোশ পথ কজন করিতে হয়। রুদ্রাদিদেবের ম হইয়া পলপদে বিশ্রান্তি লাভ করিয়া কল্যাণকারী উপাসনায় বেফল শক্ত করা যায়, তাহা পৃৱিচ্ছিন্ন ইয়ার যােগ।
৪৪০ বােগাষ্ঠ-কামায়ণ 2 অপরিচ্ছিন্ন আত্মদেবের উপাসনায় যে আনন্দরূপ সলাত করা প্রতিভাত হয়, জাগ্ৰৎ নামক স্বপ্নদশাতে আমাদের নিকট ঠিক ব, তাহা অকৃত্রিম অন এবং অন্ত। যে এই অকৃত্রিম ফল সেইরূপ প্রতিভাত হইয়া থাকে। স্বল্পকলিত পরীমশ্যে যেন ভাগ করিয়া কৃত্রিম ফল লইস্তে যায়, সে মারকানন পরিত্যাগ চিকা ব্যতীত আর কিছুই সম্ভবে না, একমাত্র চিলাকাশই করিয়া করকাননে প্রবেশ করু। মাহাৱা “কে পূজ্য ?” এই ঐরূপে কলিত হয়, আগ্রাবস্থাতেও তাহাই হইয়া থাকে। বিষয় অবগত আছেন, তারা নিৰ্ম্ম। মঙ্গলময় চিন্তাকেই পুঙ্খ যেহেতু চিদাকাশ ব্যতীত চেত অন্য কোন লুই সন্তুবে না, সেই বসিয়া জানে । সেই চিন্ময়র পূজার প্রধান পপ বাে, সমত্র কারণে এই নিখিল চেতৎ সৎচিত্ৰই বুঝিতে হইবে। পর- ও শহি। ঐ বোধ সমতা প্রভৃতি কুহুম আরা আত্মদেবের যে আকাশরূপী ব্রহ্মে ত এম সঙ্কল্পই, এই ব্রিজসংৰূপ ধারণ করিয়া অচ, আহাই দেবাচঁনা বলিয়া জানিও আকৃতির অর্চনা উখিত হইয়া ফৈজ্ঞে যায়, প্রতিভাত হইতেছে , ফলতঃ তুমি অর্চনাহ। ১২৫-১২৮ যাহারা আত্মচৈতরে উপাসনারূপ ইহা চিলাকাশে স্বপ্নের ন্যায় অলীক জানিবে। ১-১৬। দেবার্চনা প ব্য গ করিয়া কৃত্রিম দেবার্চনায় বৃত হয়, তারা স্বপ্নদৃষ্ট ঘটপটাদি যেমন চিদাকাশরূপী আত্মা, অভিন্ন অন্য কিছুই চিরকাল কে প্রাপ্ত হয়। হে ব্ৰহ্মন। আঁহারা জ্ঞা, জ্ঞেয় হইয়াও নহে, সৃষ্টির প্রান্তে এই সৃষ্ট টুপটালি একমাত্র চিদাকাণ, অধ্যান ছাড়া (সমাধি হইতে বুখিত হইয়া) সাকার দেবতার ইহা তথ্যকথা। স্বল্পকল্পিত নগরে যেমন বিশুদ্ধ জ্ঞান ব্যতীত পূজা করেন, তারা কৃত্রিম ভােগের আশাই করেন না, বালকের আর কিছুই নাই, এই জগয়েও তদ্রুপ চৈতন্য ব্যতীত আর কাড়ার মত করিয়া থাকেন। কারণ তাহারা জানেন, ভগবান্ কিছুই নাই। যে কোন সৃষ্টিবিশেষ, ত্রিকাশনায় যে কোন ভাব আত্মাই মঙ্গলময় দেবতা ও জিনিই সকলের পরম কারণ। সেই অভাব পদার্থ বা দেশ, কাল, চিত্ত সমস্তই একমাত্র ডিলাকাশ। আত্মরূপী দেবতাই সর্বদা জ্ঞানপূজায় পূজনীয়। তুমি এই যাহাকে এই পরমার্থ সত্য বলিয়া নির্দেশ করিলাম, যিনি জীবাঝাপন্ন অয় চিকাশকেই ব্ৰহ্ম বলিয়া জানিও, এতদ্ভিন্ন ত্বং'রূপী, যিনি 'অহং'রূপী বা নিখিল জগৎরূপী, সেই চিদাকাশ আর কেহই পূজ্য নহেন। এই আত্মার পূজাই মুখ্যপুজা। আত্মাই পূজনীয় দেবতাইহা জানিবে । চিলাকাশৰূপী পরমাত্মাই অনন্তর আমি তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম (বশিষ্ট কহিলেন, তােমার, আমার, তদ্ভিন্ন অঙ্গের, জগতের এমন কি নিখিল এভো। চিদাকানরূপী আত্মা বেরুপে এই জগদলাবে পরিণত বস্তুজাতের দেহস্বরূপ, তদ্ভিন্ন ইহাদের স্বরূপ আর নাই। হইলেন এবং যেরূপে জীবাদিতাবাপন্ন হইলেন, তাহা আমার হে মুনি। সঞ্জিত স্বপ্নপুরীতে যেমন চিদাকাশ ব্যতীত আর নিকট ব্যক্ত করুন। ঈশ্বর কহিলেন, “কলের অবসানে যাহা কোন স্বরূপ নাই, সৃষ্টির প্রারম্ভ হইতে এবং এই সৃষ্টিতেও অবশিষ্ট থাকে, সেই অসীম অপার চিদাকাশই সর্বত্র বিদ্যমান ভং চিকাশ ব্যতীত আর কোন রূপ দেখিনা। ০৭-১৫২। রহিয়াছেন, ইহাতে চ্যে অর্থাৎ দৃশ্য অগভাৰ একেবারেই একোনলিন সর্গ সমাপ্ত ১৯ অসম্ভব। যেমন সূর্যচন্দাগির প্রকাশ আপনা আপনিই বহুলী- ভূত হইয়া পড়িলে সেই স্বপ্রকাশের যে বাহিরে প্রভাকারে স্পন্দন সেই স্পন্দন যেমন নীলপীদিরূপে প্রসিদ্ধ হয়, ত্রিংশ সর্গ তদ্রুপ ঐ অপরিচ্ছিন্ন চিদাকানের মায়িকবাসনাদিমার্গে যে স্পন্দন, তাহাই এই জগৰূপে প্রসিদ্ধ হইয়া উঠিয়াছে। এই প্রকারে স্বপ্ন ঈশ্বর কহিলেন,-এইরূপে এই নিখিল বি কেবল পুরীয় স্থায়, আভাসমান এই জগৎ ভ্রান্তিবশত চিংরূপে প্রতিভাত পরমাত্মাই, এই পরমাকাশপ ব্ৰহ্মই পরম দেব বলিয়া কীর্তিত হইতেছে। পরমার্থ বিচার করিয়া দেখিলে এই জগৎ অমূলক, হন। এই দেবের পুজাই শ্রেয়ঃ, এই পূজা হইতেই নিখিল ইহা বেগ নিৰ্ম্মল চিনাকাশরূপ আত্মাই । চিৎ যে চেপে মঙ্গল লাভ করা যায়। এই দেবের পুকুতেই সকল অধিষ্ঠানভূত পরিণ হই অশ্বারে সলনি করেন, তাহা নহে, কারণ ব্ৰহ্ম লাভ করা যায়, এই দেবেই সমুদয় প্রতিষ্ঠিত রহিয়াছে। চিং অপরিণামী ও অম্বয়, সুতরাং তিনি রূপান্তর ধারণ করেন এই দেবের আরাধনা করিলে যে সুখ লাভ করা যায়, তাহা না। বিচিং ময়। আর সমাচ্ছন্ন থাকাতেই এই চেত্যজগৎ অনাদি, অনন্ত, অদ্বিতীয়, অনুপম ও মূখণ্ড। সে সুখ-লাভ উহা হইতে ভিন্ন বয়বেথ হয়। ফলতঃ স্বপ্নপুরীর ন্যায়, এই করিতে কোন বই আয়াসের প্রয়ােজন হয় না, বিনা আয়াসেই যে জগৎ অতিদিহইতেছে, ইহু লম্ব অপরিণামী চিলাকাশ, তাহা হয়, সে সুখ অনুত্রিম। হে মুনিবর! তুমি প্রবুদ্ধ ইগতে অভ কিরূপে আসিরে ? এই যে পৰ্বতমালা ইহা হইয়াছ, অজ্ঞান ল করিৎ, সেই কারণে তােমাকে এ সে চিনাকা; এই পুং, ইহাও সেই চিদাকাশ, এই যে কথা বলিতেছি। এই পরমদেবের অর্চনায় পুপপাদির প্রয়ােজন আত্মা এই যে ব, পঞ্চভূত' সমস্তই সেই চিন্ম হয় না। বাহারা অব্যুৎপন্নবুদ্ধি বালকের ঋষ কোষলচিত্ত, অনিৰে। সৃষ্টির প্রতে ভিন্ন র্গে পরীমধ্যে সর্বত্রই তুমি জ্ঞান লাভ করে নাই, তাহাদের জন্যই পূপাদি কৃত্রিম অন্বেষণ করিয়' দেখ, এ চিকাৰ বতী আর কি যন্ত মেৰপূ বিহিত হইয়াছে। জ্ঞান ও মিমাদি গুণের এইও অা একলা১=১০০। আকাশ পর সম্ভাব হওয়াতেই লােকে মিথ্যাকল্পিত পূষ্পৰূপাদি উপচার কাশ,ষ্ণকাশ চিষ্টি ও এগৎ এই সময় পাপ, বৃক্ষ, থাৱা আকৃতি না করিয়া দেকে পূজা করিয়া থকে। ১। আলির স্যায় পর্যাতেমাত্র ফল একই বস্তু , তবে যে নিজ সঙ্কজকল্পিত পূধূপাদি উপায়ে অরিপক পূজা করিয়া এখন মায়য় দ্বৈত অনুভূত হয়, ইহা তত্ত্বষ্টি আৰা বালকেরাই (মূঢ়োই) সুতােৰ লাভ করিয়া থাকে। তাহাৱা দেখিলে বোথ ইবে যে চিকাশ ঐ সময়ে দ্বৈত জগৎপে নয় সঙ্কলিত অর্থ আর বুধা বোর্ড করিয়া এ এতি। এই চিদাকাশ অথবা যেরুপ জগদাকারে মিথ অর্গাজি ফল লাভ করিয়া থাকে। হে ব্রহ্ম!এই যে ।
নির্বাণ-এৰুৱণ-পূর্ব। ১ নহেন, ৩ পূপকূপাদি দ্বারা পূজা, ইহা বালকে বুদ্ধিকল্পিত পুজা, যে পূজা নাম আকাশ, কারও নাম জীব, কাহারও নাম চিৎ, কাহার ভযাদৃশ তজ্জলীদিগের সমূচিত,—তাহা বলিতেছি। হে পরম নাম কলা (অবয়ব, কাহারও নাম চিন্ত, কাহারও নাম ক্রিয়া, বুদ্ধিম। ঐ যে দেশের কথা বললাম, ঐ দেব আমাদিগেরও কাহারও নাম দ্রব্য, কাহারও কারও বা বােগ্যতানুসারে বৈচিত্র- আদি, উনিই ত্রিভুবনের অাধার পরমাত্মা, অন্য কেহ নহে, অনুসারে ভাৰ, বিকার ইত্যাদি না হয়, কাহারও নাম প্রকাশ উনি ব্রহ্মা বিষ্ণু ৰুদ্র প্রভৃতি হইতেও অতীত। উনি সর্ববিধ কাহারও নাম শৈলতম, কাহারও কাহারও নাম চন্দ্র সূৰ্য্য প্রভৃতি সঙ্কল্পের অতীত, উনি সমুদয় সঙ্কল্পের আধার, উনি শির সর্বময়, এবং কাহারও নাম ইত্যাদি। ২২—৩১। বসন্ত ঋতু বৈমন অথচ সর্ব নহেন। উনি দিক, কাল প্রভৃতি দ্বারা পরিচ্ছিন্ন আপনার ইচ্ছা না থাকিলেও আপনার স্বষবশতঃ তরুলতার উনি নিখিল আরও প্রকাশ করিতেছেন, ঐ চিময়মূর্তি অঙ্কুর উৎপাদন করেন তদ্রুপ চিত্ম। নিরিচ্ছ হইলেও ব্রহ্মই নিৰ্ম্মল দেশকে অভিহিত হইয়া থাকেন। হে মুনে। যতই এই জগৎলী বিস্তার করিয়েছেন। এই সমস্ত ত্রৈলোক্য- ঐ সংবিং, সতীত, সকল পদার্থের অভ্যন্তরে অবস্থিত, রূপ সাগরের যথার্থস্থিতি (স্বরূপ) নিরূপণ করিতে গেলে দেখিতে সকলের সাম্প্রদ এবং সকলের সত্তা অপহরী (অর্থাৎ তাঁহার পাওয়া যায়, একমাত্র চিরূপ সলিলই বিদ্যমান আর কিছুই সত্তায় সকলের সত্তা, তাহার সত্তা না থাকিলে সমস্তই নাই, ইহাই উহার শরীর। চিপি ঈশ্বরী শরীররূপ পবনে অসত্য হইয়া যায়)। হে ব্ৰহ্ম। ঐ ব্ৰহ্ম ভাব ও অভাবের ভ্রমণকারী চিত্তরূপ ভ্রমরের সঞ্চিত সঙ্কল্পরূপ মধু আস্বাদন করিয়া (মু ও অরে, কাৰ্য্য ও কারণের ব্যাবহারিক ও প্রাতি থাকেন সুর, অনুর, গন্ধর্ব, শল, সাগর-সমথিত এই জগৎ ভাসিকের, মধ্য (অন্তরালবর্তী সাক্ষিচিমাত্র অথবা অধিষ্ঠান), জীবৰ্ত্তে জলের ন্যায় চিৎসায় থাকিয়াই প্রবাহিত হইতেছে। ঐ ব্ৰহ্মই দেবশলে অভিহিত হইয়া থাকেন। উদ্বার একটা নাম এমসম্পাদক এই সংসারচক্র চিৎ-চক্রে পড়িয়াই ঘুরিতেছে। পরমাত্মা আর একটা নাম ও তৎসং”। ঐ আত্মা মহাসৱা- বন্ধহেতু চিত্রময় যে আচার (কর্তৃত্ব ভােক্তৃখাদি ), তাহাই ঐ অভাবে সৰ্ব্বত্র সাবাপন্ন, উহাকেই মহাচিং বলা হয়, উনিই সংসারক্রের সঞ্চলন। ৩২-৩৬। বর্ষাঋতু যেমন ইন্দ্রধনু ও পরমার্থশব্দে অভিহিত হন। ৭–১৫। যেমন লতার মধ্যে বর্জযুক্ত মেঘখণ্ড ধারা অব্যাপ হনন (নিবারণ) করে, সেইরূপ বস রহিয়াছে, সেইরূপ ঐ চিত্তত্ত্ব সামান্যরূপে ও মহাসভারূপে চিই চতুর্ভুজ বিমুর্তি ধারণ করিয়া অসুরমণ্ডলী বধ করিয়াছেন। সৰ্ব্বত্র অনুস্ত রহিয়াছেন। হে অনস্ব! তােমার যে চিত্ত হে ব্ৰক্ষ ঐ চিতিই বৃষরূঢ় চন্দুশেখর ত্রিনেত্র রুদ্র হইয়া ত্বদীয় পত্নী অরুন্ধতীরও যে চিত্তত্ত্ব, পার্বতীর যে চিত্ত্ব, মদীয়- গৌরীদেবীর মুখকালের ভূল হইয়াছে। ঐ চিই দেবরাজ Aণর যে চিত্ত্ব, আমার যে চিত্তত্ব এবং সমস্ত জগতের যে চিং, ইন্দ্র হইয়া ত্রৈলােকের চূড়ামণি হইয়াছেন। ঐ চিৎই এই উত্তমবুকি ত্ববিদগণ এই সমস্ত চিত্তত্ত্বকে দেব বলিয়া নির্দেশ ত্রৈলােক্যমধ্যে ভেজোরূপী চ্যাদি হইয়া সমুদ্রনীরের ন্যায় করেন। হপদাদিবিশিষ্ট অপর জীবিশেষকে যে যে বলিয়া কল্পনা কখন পাতিত, কধন উৎপতিত, কখন বা আত্মাতে সন হইতে করা হয় , হে ব্ৰহ্মন। কল দেখি, তাহাতেও চিক বীত আর ছছন। ঐ চিই চন্দ্রিকারূপে চতুর্দি আলােকিত ও নিখি- কি সার আছে ঐ চিই সংসারের সার, ঐ চিত্ৰই সকলের ভূতের সর্তারূপিণী কুমুদিনীকে বিকসিত করিতেন। গর্ভবতী সার, ঐ চিতই সময় দেশ এবং ‘অহং-রূপ ঐ চিত্ত হইতেই নালী যেমন আপনার উদরে গর্ভধারণ করে, সেইরূপ এই চিৎই সমুদয় লাভ করা যায়, হে ব্ৰহ্মন। সেই চিত্তত্ব দূর অবস্থিত দর্পণ হইয়া এই প্রতিবিম্বিত জগৎ বা জগৎ জগৎপ্রতিবিম্ব নহেন, তিনি কাহারও দুষ্প্রাপ্য নহেন, তিনি সর্বদা দেহমথ্যে করিতেছেন। ৩৭-৪৪। জলের শক্তি যেমন এলসমূহুরূপ বিরাজ করিতেছেন, তিনি সর্বত্রই বিরাজ করিতেছেন, এমন কি সমুদ্র হইয়া সমুদ্রের স্বরূপ-সভাসম্পাদন করিতেছে, সেইরূপ আকাশেও রহিয়াছেন। ১৬-১। সেই চিতই এই কাৰ্য- ঐ চিই এই চতুর্দশ ভুবনতি ভুবর্গের সত্যসম্পাদন করিতে সমুদয় করিতেছেন, ভোজন করিতেছেন, পালন করিয়েছেন, গমন ছেন। ঐ চিই আকাশরূপ কে রিক ক্ষুদ্র উদ্যান হইয়া করিতেছেন, নিশ্বাস পরিত্যাগ করিলে, সেই সংবেদনকারী বিচিত্র তেজপুরূপ কুসুম, বনসঙ্কল্পরূপল্লব এবং সত্তাসমূহ- চিত্তত্ব প্রত্যেক অঙ্গে সংবেদন ( জ্ঞান ) করিতেছেন ' হে রূপ ফল ধারণ করিয়াছেন। ঐ চিতিই লতারূপিণী “ইয়া সদ মুনীশ্বর। বিচি চেষ্টাযুক্ত এই দেহপরী আঁহার গপে নিবদ্ধ সদাত্মক বিচিত্র দৃশ্যকুম ধারণ করিয়াছে, ঐ দৃশ্যকুসুমসমুহ হইয়া প্রকাশিত, তিনি এই পুৱৗমথ্য অবস্থান করিতেছেন। তিনি পার্শনসহ নহে অর্থাৎ মর্দনে বিচারে প্রাপ্ত হয়। জীব- এই শরীরগৃহমধ্যবর্তী গহন অন্নমধ্যদিবা কোষসমন্বিত বুদ্ধিরূপ সহ ঐ চিতার পরাগ, বাসসে ঐ লতা রঞ্জিত, সৰিকল- গুহার মধ্যে গুহের হইয়া রহিয়াছেন। শিষ্যদিগকে উপদেশ কালরূপ বলে ঐ শতা আবৃত, চিরচেষ্টার কপিকা হে দিবার জন্যই মনােরূপ ষষ্ঠেন্দ্রিয়েরও অতীত সেই নির্মল আত্মার পূর্ণ। লতা জতীত অসংখ্য বিকালে ‘চিৎ' এই সংজ্ঞা কলিত হইয়াছে। তিনি চিন্ময় সূক্ষ্ম সর্বব্যাপী বিশােভিত, ঐ লতা নত দরূপ বিলাস উসিলী নির্লেপ, তিনিই এই ভাস্বর আভাস করিতেছেন অথচ করিতেছে । অর্থাৎ পত্র-স্পন্দে বিশােভিত হইতেছে সমন্ত ঋতু । হে ধীম। ইে অতি নির্মল চিৎ, বসন্ত যেমন সরসভাৰ (সত্যাদি ) পর্বজালে ( গ্রন্থিসমুহতা কর্কশভাবাপন্ন প্রদান করিয়া রাজিকে রঞ্জিত চাচিক্যবিশিষ্ট করে, ভদ্রুপ হইয়াছে, আড়শৈলালি পদার্থ ঐ ভর মূল শফা (ড়ি), অগসিদ্ধির জন্য এই অঞ্চত্রে কাৰ্যসম্পাদন করিতেছেন। ঐ লতার স্থানে স্থানে চতুলিশ এরীররূপ এন্থি হইয়াছে। উহার অভ্যন্তরে চিঙ্গির যে সকল সাক্ষুঞ্জপ্রদানরূপ সুন্দর উহার মূলদেশ হইতে এ পর্যন্ত সর্বাঙ্গ, প্রবৃত্তিরূপ শবরণে চমৎকারিতা রহিয়া তৎসমুদয় বিচিত্রভাবে বহির্গত হইলে এবঠত। ৪৫-৫০। এই ডিভাই চতুর্দিকে চন্দ্ৰসূৰ্যাদি বিচিত্র নানাপ্রকার পদার্থ উৎপন্ন হয়, তাহাদের মধ্যে কাহারও প্রভাৰ গায়, বিচিত্র দৃষ্ণকুমকসিত করিতেছেন। এই মা - ০০২ যােশবাশিষ্ঠ রামায়ণ টিতিই সর্বত্র বস্তুসমূহের উৎপাদন, অভিমান-সার ও বিখ্যাতি সুশীল। স্ত্রী যেমন স্বপ্নে উপাতি—সজ করিয়া দুঃশীল অঙ্গ- করিয়া দিতেছেন। এই মহাচিতির সাহায্যেই সূৰ্য্যাদি তেজপুঞ্জ বিধা হইয়া যায়, সেইরূপ অন্যপ্রকার হইয়া যান। যেমন শান্ত নিত্য ভাসমান হইতেছে। দেহসকল সেই চিতির সত্য চেতন সুশীল পুরুষ ক্রোধকলুষিত হইয়া ক্ষণকালধ্যে অন্যপ্রকার জডুরূপী ভোক্তৃক ভােগ্যাদি ভ্রান্তিক্রমে লােকের প্রীতিকর (আক্ষসভাবাপন্ন ) হইয়া যায়, সেইরূপ এই চিংও বিকল্পলাস্থিত হইয়া উঠিয়াছে। এই যে জগৎসমুহরূপ ধূলিলে, ইহা হইয়া স্বরূপের অন্যথাভাব ধারণ করিয়া ফেলেন। হে ব্ৰহ্মন। অবত্যারূপিণ ঐ চিতির সুতায় দৃশ্যদেখারিণী হইয়া ঐ বিকল্পকলুষিত চিং নিজ স্বরূপভ্রষ্ট হইয়া ক্রমে আপনাকে জড়- চিতি হইতে আপনাকে পৃ বিবেচনা করত নৃত্য কৰিতে ভাবনা করিয়া নিজ কনাবলেই সবিকল্প বুদ্ধির বিষয় হইয়া থাকে(বুলিপক্ষে উড়িতে থাকে। প্রদীপ যেমন গৃহস্থিত থাকেন। ৬৬–৭০। এই চিৎ স্বই আকাশযুক্ত পরমাণুময় বস্তুসমূহের প্রকশ করে, সেইরূপ ত্রৈলোক্যরূপ প্রদীপের (সূক্ষ্মভুতময়) শব্দম্পর্ণ প্রভৃতি ভােগ্যতের বীজাত্মক চেত্য- শিখারূপিণ ঐ চিতিই এই জগৎগত কাৰ্যসমুদয় প্রকাশ ভাব (মায়ােপলকিত চিত্রি বিষয়) প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। পরে করিতেনে চিই জগৎগত পদার্থসমূহের আকার ধারণ তিনি সমষ্টি প্রাণভাৰ প্রাপ্ত হন। পরে তিনিই আবার পঙ্কীকত করিয়া, চন্দমগুলে শশবং (কলঙ্কং) সর্বত্র লক্ষ্য হইতেছেন। সূক্ষ্মভুতসম্বলিত হইয়া ক্রমে সপ্তদ্বীপাৰি দেশৰূপে ও নিষেমাদি এই পদাথপটলী চিরূপ রসায়নের সেকেই বাসন্সিলসিও কালরুপে বিভক্ত হইয়া পড়ে। অনন্তর ঐ চিতি প্রাণহারুণ- সুন্দর লতার ন্যায় বর্ধিত (রূপবান) হইয়া ফল ধারণ করিতেছে। পূর্বক জীব হইয়া ক্রমে বুদ্ধি ( অহঙ্গার) ও মন। চিত্ত) হইয়া ঐ চিতির ছায়াতেই গৃহের অভ্যন্তরে অন্ধকারের ন্যায়, সকল থাকেন। চিতি মনােভাবাপন্ন হইয়া, “আমি চণ্ডাল হইতেছি” পদার্থের জড়তা উদিত হইতেছে। ৫১-৫৭। যদি দেহমধ্যে এইরুপে মননে ব্রাহ্মণ যেমন চণ্ডালত্ব প্রাপ্ত হয়, সেরূপ সংসার- চিভির চমৎকাবিতা না প্রকটিত হইত, তাহা হইলে ত্রৈলােক্য ভাব প্রাপ্ত হয়। ঐ ব্ৰহ্মচিং অজ্ঞানশবলিত রূপ ধারণ করিয়া মধ্যবর্তী সাকার পদার্থসমুহ চিনি: ঐ ছয় ও জডতা পরিত্যাগ দেহ-বাকারে সঙ্কল্পিত হইয়া তংযুক্ত জডতায় অসৰ্বজ্ঞ করিলে অকংবই ধারণ করিতে পারিত না। চিদাকাশসাহায্যে হইয়া বারংবার ভােগসঙ্কল্পে সংসারী হইয়া পড়েন। ৭১-৭৪। প্রকাশিত এই দেহগুইমধ্যে ক্রিয়ারূপিণী চঞ্চলা কুলবধূ সঙ্কল অনন্তসল্পমন্ত্রী উক্ত চিতি জড়তাসঙ্কজে স্থূলভাব ধারণ করিয়া রূপ শিশুকে ক্রোড়ে লইয়া বিরাজ করিতেছে। ঐ চিবালোক জড়তহেতু ( অতিশীলধনিবন্ধন) জল যেন পাষাণভাৰ (বরফ- ব্যতীত কাহার জিহবাগ স্কুরিত হইয়াও বস্তুর প্রকাশিত 'ৰ) প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ জড়তানিবন্ধন যোহ প্রাপ্ত হইয়া হইতে পারে ? কোথায় বা ঢাহা দেখিছ? (অর্থাৎ চৈতন্য- থাকেন। মুেনে। তৎকালে ঐ চিতি চিও মন, মােহ, মম যােণ ব্যতিরেকে জিহ্বাগত হইলেও কোন বস্তুবই সাদ ইত্যাদি নামে অভিহিত থাকেন, ঐকপ ড়ভব প্রাপ্ত হইয়াই পাওয়া যায় না), “আমি ইহা খাইতেছি” ইত্যাকার জ্ঞান থাকিলে তিনি সংসারে জাত হইয়া থাকেন। প্রথমে এইকপে মােহপ্রাপ্ত অনুভব না হইলে, কদাচ ভুক্তদ্রব্যের আস্বাদ পাওয়া যায় না। চিতি তৃষ্ণগলে নিপীড়িত ও কাম-ক্রোধ-ভয়ে ভীত হইয়া হে বশি। মনােযােগ দিয়া শ্রবণ কর। এই দেহতরু হপদাদি ভাব ও অভাবগ্রস্ত হইয়া পড়েন। তখন তার স্বীয় অনন্ত খাসমন্বিত ও কেশলকূপ লতাজালে জড়িত থাকিলেও অন্তরে বিশালতা থাকে, তিনি পরিছিন্ন হইয়া পডেন। তৎকালে তিনি চিরি চৈতর যােগব্যতীত কি শোভা পাইতে পারে। দুঃখদাবানলে দগ্ধ ও শােকরূপ অমঙ্গলে কাতরতাপন্ন হইয়: ফলে এই টিংই এই চরাচর জগৎ-আকার ধারণ করিয়া বুদ্ধিপ্রাপ্ত “আমি এই প্রত্যক্ষ দুঃখমেহদিশভাৰ” ইত্যাকার অমূলক ভয়ে হইতেছে, কি-থিত হইতেছে, ভোজনক্রিয়া সম্পাদন করিতেছে। বিকল হইয়া পড়েন। তখন তিনি দেহমাত্র স্থা স্থাপন একমাত্র এই চিংই বিদ্যমান রহিষছে আর কিছুই নাই, যাহা করিয়া সাতিশয় দীনভাবাপন্ন হইয়া পড়েন। তাঁহার বিলােল কিছু দেখিতেছ, সমস্তই একমাত্র চিং '৫৮-৬২ বশিষ্ঠ কহিলেন, চেঞ্চল ) শরীর ভাৰ-অভাবরূপ দোলায় দুলিতে থাকে, তিনি -হে রাম। ভগবান ত্রিলােচন সুধাকরের ন্যায় সুময় নিল জরাজীর্ণ বনহস্তিনীর গল্প, মােহ-মঙ্গপপে মগ্ন হইয়া আর উঠতে বচনে আমাকে এইরূপ উপদেশ দিতে খকিশে, আমি তাঁহাকে সমর্থ হন ন। তিনি তখন এই অপার অসার সারবিকারের সুধাকরের ন্যায় নির্মলচনে জিজ্ঞাসা করিলাম,-হে দেৱ। দশায় আপতিত হইয়া সন্তাপে উপহৃদয় হইয়া পড়েন, রাগ যদি এই সমস্ত জগৎ একমাত্র সর্বগামী চিই হয়, তাহা হইলে ও ক্রোধ আসিয়া তাহাকে বশীভূত করিয়া ফেলে। তিনি তখন সেই চিদাত্মক এই দেহ মুরণ ঘদিসময়ে মৃন্ময়ী মেদিবিহীন যুথভ্রষ্ট হরিণীর ন্যায় অবশ হইয়া পড়েন। তখন তিনি বিভবের ভিীর গীয় সেনাবীহয় কেন? এই দেহ প্রথমে চিন্ময় হইয়া আবির্ভাবে জাষ্ট ও অপচয়ে দুঃখিত কাতর হইতে থাকেন। বালিকা পর আবার চিঘিহীন হইল, এই কল্পনা কেন প্রত্যক্ষ অনুভূত যেমন আপনার সম্পূরকল্পিত বেতাল দেখিয়া পান করে, সেই হইতেছে ? কারণ চিং অবিনাশী অপরি, তিনি ত জড় হইতে রূপ তিনি আপনার সঙ্গে উপস্থিত সমদৃষ্টিতে ( বিপদে ) জীত পারেন না। ৬০—৫, ঈকহিলেন, হে ব্ৰহ্মন! তুমি অতি হইয়া পলায়ন করেন। কন্টকলােলুপা উপত্নী যেমন নিখাদি উত্তম প্রশ্ন করিয়'ছ, হে ব্রহ্মবির। তুমি যাহা জিজ্ঞাসা করিলে তিক্তকলকে সুমধুর জ্ঞান করিয়া তদ্বিষয়েই ইচ্ছা করে, অপ তা বলিতেছি, শ্ৰণ কৰ। এই শরীরমধ্যে যে সর্লভূমী ইনিও কালে তুচ্ছ বিষময় সংসারমুখ উৎকৃষ্ট ভাবিয়া বাঞ্ছা চিৎ বিরাজ করিতেছেন, ইবি দ্বিবিধু। ইহার মধ্যে একবিং চিৎ করেন। চিতি এইরূপে দোষালেড়িত হইয়া অধঃপতিত হইয়া চলষ্টিসমষ্টিবুদ্ধিতে উন্মুখ। অর্থাৎ বিজ্ঞানময় শব্দাচ্য কর্তৃপড়েন ৭৫-৮। তিনি বিষম সঙ্কটে পতিত হইয়া পরম বিষমতা ভোক্তৃভাষা। অন্য চিৎ অর্থাৎ যিনি কুটস্থ চৈত, তিনি নিখি- প্রান্ত হন, দুঃখ হইতে দুঃখে, বিপদ হইতে বিপদে পতিত হইয়া ঐ ভিতি সঙ্কল্পবলে আপনাকে জীবশ্বরূপ ভাবনা কর বহুল অনর্থে জড়িত হইয়া পড়ে। এইরূপে নিশ্চেষ্ট অবণ আৰু নিৰ্ব্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ ৩ স্থায় পতিত হইয়া চিতি নরকালি ভূমিতে গমন করিয়া জারুণ কষ্টে নাই। হে মুনিবর! তােমার নিকট এতক্ষণ এই বাখর পতিত হন। মনুষ্যজন্ম লাভ করিও ইনি বাল্যাবধি কেৰল (ডিভি) কথা বললাম, ইনিই জীশক্তি, শােচনীয়। এই ব্যবহারকৌশল শিক্ষা করিয়া সুচতুর হইয়া আপনার বন্ধের হেতু চিতি নীচব্যবহারে অবশ হইয়া পঙধৰ্মাক্রান্ত হইয়া পড়েন। ধনপুত্ৰদারাদি সংগ্রহের জন্য বিচিত্র কৌশল দেখাইতে থাকেন। ১১-১৫। ইনি কৰ্ম্মানুসারি-স্বভাবগ্রস্ত হইয়া পরমাত্মার মােগোপযোগী বিবেক কদাপি লাভ করিতে সমর্থ হন না। এবং শােচনীয় হইয়া পড়েন। ইনি নিজেই দুঃখসল অনন্ত ভ্রান্তির বিবিধপশাপ চিতি সকলের নিকটেই শঙ্কিত হইতে থাকেন। ক্রমে আশ্রয় লইয়া থাকেন। খাদ্য যেমন অস্থায়ী কথুক (তুৰ) অমিদায় উপনীত হইয়া স্বল্প সলিলম্বিত শরীর ন্যায় দুইফট ধারণ করে, সেইরূপ ইনি বিনাশী সহজ মল ধারণ করিয়া থাকেন, করিয়া প্রাণ পরিত্যাগ করেন। বাল্যাবস্থায় সকলকর্মে অক্ষম, ইনিই অবিদ্যারূপে অনিষ্টতভাবে অবস্থান করেন (চিতিশক্তি যৌবনে চিন্তাকুল, বার্ধক্যদশায় অতি দুঃখা হইয়া মরিয়াও তিনি জীবশক্তি অবিদ্যা)। এই চিতিশক্তি জীবভাৰপ্ৰাপ্ত হইয়া মুক্তিলাভ করিতে সমর্থ হন না; কারণ পূর্বকৃত কর্মের ফলে ভর্তৃহীনা নায়িকার ন্যায়, দুর্ভাগ্যসন্তপ্ত ও অনন্ত বিভব হইতে আবদ্ধ হইয়া পড়ে। ঐ সময়ে তিনি পূর্বকৃত কর্মের বিচিত্ৰতানু- বঞ্চিত হইয়া শােক কেিত থাকেন। হে মুনিবর! তুমি সরে স্বৰ্গনগরে সুশ্রী, পাতালকোটরে নাগী, দৈত্যভবনে অনুরী, জড়রূপিণী অবিদ্যার কদূর সামর্থ তাহা একবার অবলােকন ভূতলে মানবী রাক্ষসালয়ে রাক্ষসী, বনমধ্যে বারী, গিরীশ্র- কর, যেহেতু পুর্ণব্রহ্মস্বভাবা চিংও এই বিদ্যাবলে নিজস্বরূপ শিখরে সিংহী, কুলপর্বতে কিন্নী, সুমেৰুপৰতে বিদ্যাধরী, বিস্মৃত হইয়া ঘটাস্ত্রের ঘটায় অন্তঃপ্রবিষ্ট আকাশের ন্যায় কেবল আরণ্যগর্তে হিংস্ৰজন্তু, ঝুকের লতা, কুলায়ের বিহঙ্গী, পর্বতসানুর অধঃপনাৰ্থ গমন করিতেছেন। হায় কি কষ্ট।১০৬—১০৯। লতা, এবং অরণ্যের মৃগী হইয়া জন্ম গ্রহণ করেন। ৮৫-১৮। ভিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩০ * চিতিই নারায়ণ হইয়া সাগরে শয়ান থাকেন, ব্ৰহ্মপুরীতে কমল- যােনি ব্রহ্মা হইয়া ধ্যাননিরত থাকেন, কৈলাসে ত্রিলােচন হইয়া কান্তার এর্দাজে সঙ্গত থাকেন। স্বর্গে সুররাজ ইন্দ্র হইয়া থাকেন। ঐ চিতি সূৰ্য্য হইয়া দিনরচনা করিতেছেন, একত্রিংশ সর্গ। জলধর হইয়া জলবর্ষণ করিতেছেন, বায়ুৰূপে সকল অঞ্জকে ঈশ্বর কহিলেন, সকালে আমি উন্মত্ত হইয়াছিইত্যাকার স্পন্দিত করিতেছেন। ঐ চিতিই সংবংসসচত্র, ধুপ, মন্বন্তর | মােহ আকুল হইয়া দুঃখ অনুভব করার ন্যায় ঐ চিতি “আমি হইয়া প্রবাহিত হইতেছেন। ঐ চিতিই যথাক্রমে দিনরাএিরূপে দুঃখবতী” ইত্যাকার ভাবনা করিয়া অজ্ঞানবশতঃ উক্ত অলীক ভেজাভাব ও তিমিরভাব ধাবণ করিতেছেন কোনস্থলে জীবজগম্ভব উপস্থিত করিয়া থাকেন। যেমন মূঢমতি কোন বৃক্ষাদির ৰীজৰূপে ও রসৰূপে উল্লাসিত হইতেছেন, কোনস্থলে কোন বন্ধু (অতিশয় বিপন্ন হইলে) না মরিলেও আমি মরি- নিশ্চল পাষণপে অবস্থান করিতেছেন, কোথাও রসবতী নদীরূপে আছি ভাবিয়া ব্যাকুল হইয়া রােদন করে, ঐ চিতিও ভদ্রুপ প্রবাহিত হইতেছেন, কোথাও বা বিস্তৃত কুমুদ কুসুম হইযা' শােভা নষ্ট না হইলেও নষ্ট হইয়াছি ভাবিয়া দুঃখ করেন। যেমন পাইতেছেন, যেীনস্থলে পলনিকর হইয়। শােভা পাইতেছেন, বিনা কারণে বিপর্যস্ত বুদ্ধিভ্রান্ত কুলালচক্রাদি স্থির বলিয়া বৃষ্টি কোনস্থলে কাষ্ঠ বহ্নি প্রভৃতি রূপে শোভা পাইতেছেন, কোন- গােচর বরে অর্থাৎ বুদ্ধির দোষে চক্র ঘুরিতে থাকিলেও ঘুরি- স্থলে শৈত্যগুণে শীতল বারি হইতে.ছন, কেয় আকাশাদি তেছে না, নিশ্চল হইয়া বহিয়াছে বােধরে, সেইরূপ ভ্রান্ত হইয়া রহিয়াছেন, কোথাও বা কিছুই হইতেছেন না, কোথাও ‘অহং ভ্ৰমৰশত চৈতন্যে এই জগৎ স্থির রহিয়াছে বলিয়া দর্শন উজ্জ্বল আকৃতি ধারণ করিতেছেন, কোথাও কঠিন শিলারূপিণ করে। চিত্রই এই চিডির সংসার-অনুভবের প্রতি কারণ। হইতেছেন, কোথাও নীলবর্ণা, কোথাও হরিতবর্ণ হইতেছেন, অথচ কারণীভূত সেই চিত্ত কিছুই নহেমিথ্যা,কারণ চিত্ত কোখাও এখি হইতেছেন, কোথাও মহা হইতেছেন। ঐ চিতি ব্যতীত অন্য বস্তু একেবারেই অসম্ভব, চিৎ-ভিন্ন আর কিছুই নাই। সর্বময়ী সমিণী ও সর্বশক্তিমতী বলিয়া এই এই প্রকারে ১৪। মুদ্রাং কারণই যখন নাই, ভূখন চ্যেজগৎ ও অসম্ভব প্রকাশিত হইছেন, ফলে তিনি আকাশ অপেক্ষাও নির্মশ ও অর্থাৎ নাই। যে চিতি প্ৰষসহকারে চুিকে চেত্য (অগং) উক্ত বিভিন্ন প্রকার হইতে সম্পূর্ণ পৃথক। জল যেমন স্পন্দগুণে করেন, ঐ চিতিও, চি$ বা চিত্তের অধীন চেত্য (গ)নহেন, তাদি ভাব ধারণ করে, সেইরূপ ঐ চিতিযেস্থানে যখন যেরুপে পরন্তু ঐ চিতি বিশুদ্ধ । যেমন পাষাণ, ভৈল থাকে নাসেই আপনাকে বিবর্তিত করিতেছেন, তখন তাহাই অনুভব করিতে- রূপ উক্ত চিতিতে ভ্রষ্ট, দৃশ্য ও দর্শন কিছুই নাই। চন্দ্রে যেমন ছেন। ১৩-১৫। ঐ চিতিই হংসী, বকী, কাকী, বক, তুরগী, কৃষ্ণবর্ণতা নাই, সেইরূপ উক্ত চিতিতে কর্তা, কর্ম, বা ক্ষরণ খরিণী, বলাকা, বারী, কিন্নরী, কুকুরী, কাকা(এক প্রকার পক্ষি কিছুই নাই। আকাশে বৈমন নতন অঙ্কুরােদগম হয় না, সেইরূপ জতি) পিঙ্গলী, শালী (ইহারাও এক প্রকার পক্ষী) ভ্রমরী, ঐ চিডিতে প্রমাতা, প্রমেয়, প্রাণ—কিছুই নাই। নন্দনকাননে মক্ষিকা, শুকী, কী এ, খ্রী, শ্ৰীতি, রতি, শম্বরী (মায়া), শৰ্বরী, যেমন খনির নাই, সেইরূপ উক্ত চিভিতে চিত্তবৃত্তি, চেতন ৰা শশী ইত্যাদি নানা বােনিতে সর্বদা পরিভ্রমণ করিতেছেন। যেমন চেত্য বিষয় প্রভৃতি কিছুই নাই। আকাশে যেমন পৰ্বতত্ব নাই, সলিলাবর্তে তৃণ পড়িলে ঘূরিতে থাকে, সেইরূপ ঐ চিতিই সেইরূপ ঐ টিভিতে আমিত্ব, তুমি, তত্ত্ব (পরোক্ষবস্তু) প্রভৃতি এই সংসারে বিবর্তিত হইতেছেন। গতী যেমন আপনার কিছুই নাই। কলে যেমন অভাব নাই, সেইরূপ উ শকে ভয় পায়, সেইরূপ ইনি আপনার সফল হইতেই ভীত চিতিতে নিজ দেহত্ব বা পদেহত্ব কিছুই নাই। পরমাণুতে যেমন হইতেছেন। ইহার স্থায় চঞ্চলা অবলা মুগ্ধা বালিকা আর সুমেরু সুমেরু পর্বরে অব একা অসম্ভব, সেইরূপ উক্ত যােগবাণিষ্ঠ-ৰামায়ণ। । = চিন্তিত নানা অনাত্বকই নাই। যেমন বিষম উষক্ষেত্রে ভদমুকুল চিন্তা প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। যেমন সুবর্ণ মলস যােগে লতা থাকে না সেইরূপ ঐ চিতির নাম বা রূপের গন্ধও নাই। তাম্রভাব ধারণ করে এবং মল পরিষ্কার করা হইলে আবার স্বর্ণ- যেমন সূৰ্য্যমগুলে রাত্রি নাই, সেইরূপ ঐ চিতিতে নাই নাই ভাবেই প্রাপ্ত হয়, এই চিতিকেও তদ্রুপ জানিবে । দর্পণ যেমন ইত্যাকায় সর্ববিধ বন্ধনিষেধও নাই । তুষারে যেমন উষ্ণ মার্জিমল হইলে বন্ধুর প্রতিবিম্বধারণযোগ্য স্বচ্ছভাব ধারণ নাই সে রূপ উহাতে বঙ্গতা বা অবতা কিছুই নাই। ৫-১০। | করে দ্রুণ উক্তচিতিও অজ্ঞানবশত জড়জীবভাব প্রাপ্ত হইয়া যেমন শিগর্ভে বৃক্ষ জন্মায় না, সেরূপ ঐ চিতিতে শত | তত্ববােধবশতঃ আবার স্বীয় কৈবল্যপদ প্রাপ্ত হন। ২২-২৫। বা শূন্যতাৰ কিছুই নাই। আকাশে যেমন মহতী শুস্থত। এই চিতি অজ্ঞান-অনুভব হওয়াতেই এই সংসার উপস্থিত হয়, বা অশুস্থতা কেবল সচ্ছভাবেই পর্যবসিত হয়, সেইরূপ উক্ত এই চিতির স্বরূপ অবগত হইতে পারিলে এই সংসার অসৎ চিতিতে শূন্যত' বা অন্য কিছুই নাই, উহা কেবল নির্মূল নাই, উহা কেবল নিৰ্ম্মল হইয়া পলায়ন করে। এই চিতি যখন আপনার চিবের অন্য ভাবেই পর্যবসিত। কাহারও (হিগণ্যগর্ভের) চিত্তনামক চিতিঃ) অসৎ অহস্তাব প্রাপ্ত হন, তখন অবিনশ্বর নিত্য হইলেও কেন দোষ হইতে উৎপন্ন হইঃ চিতি যে দুঃখ অনুভব করেন, তাই বিনাশ প্রাপ্ত হন বলিয়া বোধ হয়। বৃক্ষের ফল যেমন বৃন্ত- নহে, এ যে সংসাররূপ অর্থ, হা ঐ চিত্তসৃষ্ট দেহ ইন্দ্রিয়াদি- প্রচ্যুতিকারক অমাত্র স্পন্দই উচ্চ পর্বততট হইতে অধঃপত্তি বিষয়ে মহন্তাবনাবলে উৎপন্ন হইয়াছে, উক্ত ভাবনার নিবৃত্তি | হয়, সূক্ষ্ম চিৎ পদার্থ হইতে এই যে বিশাল জীষভাব, ইহাও হইলে উক্ত অনর্থ উপশক্ষিত হইয়া যায়, আর কিছুই থাকে না। তদ্রুপ জানিবে। ফলতঃ এই বাই রূপসাদির সওা একমাত্র ঐ ভবনাসত্বে তত্ত্ববিদেরও ইহা দুরপনেয় অন ক ভঁহার নিল। চিং, এই যে অধ্যন্ত ভেদাভেদ, ইহাও অজ্ঞানসম্ভূত, অনন! নিবৃত্ত হইবে না, তাৰ সঁহার নিকটেও ইহ। স্থিৰ অনলে লয়প্রাপ্ত হইয়া থাকে। চিইন্দ্রিয়প্রভৃতিতে চিও থাকিবে । এই ত্রৈলোেত তুণের ন্যায় অসার জানিয়া তবিং | সাক্ষীর যে বােধ, তাহা উক্ত চিতির সঙামাত্রেই হইয়া থাকে। হইয়া অনায়াসে দূর করিতে পারেন সঁহার নিকটে ইহা অসাধ্য, ] এবং উহার যে কাৰ্যব্যবহার, তাহাও উক্ত চিতির আলােকস- তথাপি ভাবনাসত্বে ইহা দুঃসাধ্য হইয়া পঁডিয় । তবে ভাৰ- সদ্ভুত। ২৬-৩০। উক্ত চিতির সন্নিধানচালিত ব্যানবাৰু ত্যাগ যে আপনিই হইবে তাহা নহে, ভাবনাত্যাগে পুৰুষকা হইতে নয়নতারার যে স্পন্দ, সেই পক্ষগত যে দীপ্তি, তাহাই প্রয়োজন পুরুষপ্রষন্ন ব্যতীত ইহু। কিছুতেই কুত্রাপি ঘটিতে তৈজন ইন্দ্রিয় অর্থাৎ চক্ষু। ঐ দীপ্তি বা তৈজস ইঞিয় বহিনীয়- পারে না। ভাবন(ত্যাগ করিয়া এই সংসাররূপ অনর্থ দূরীভূত মান অকরণব্যাপ্ত ঘটপটাদিতে তদাকানাকারি নীলপীতাদি করিতে পারিলে স্যাপিনী উক্ত চিতি নির্বিকল্প অঞ্চয় বলিয়া ঘটাদির বােধ সনুভব, ইহাও ঐ পরমা চিং। কৃ ও বাৰু ইহ। প্রতীয়মান হইবে, ফলতঃ উক্ত চিতিই নিখিল তেজঃপদার্থের জড় তুচ্ছ অর্থাৎ স্বতঃ শূন্য , অতএব এতদুভয়ের সংযােগ প্রকাশকারিণী নিৰ্ম্মল একমাত্র বন্ধু, দ্বিতীয় কার নাই। নিত্যা রূপ যে স্পর্শ তাহাও উঃ চিঃসত্যাসত। গতন্মত্রের সহিত নিৰ্ম্মল উক্ত চিতিই বস্তুর প্রকাশ করিতেছেন। উনি নিত্য- ঘাণপবনের যে সম্বন্ধ, যাহাকে গহ্মজ্ঞানবলে, ঐ গজলও গন্ধা- উদিত, নিৰ্ম্মন, নিরঞ্জন, উহাতে কোন প্রকার বিকাব নাই। ঐ কারাকরিত চিরুরি নিমিও বলিয়া গন্ধসংবিং নামে অভি চিতি ঘট, পট, গর্ত, কুড, শকট, সুর, অসুব, বানর, নাগ, খর, হিত। তখন উক্ত জ্ঞান অন্তঃকরণ হইতে বিছিন্ন হয়, তখন সাগর, নিখিল স্থানেই বিদ্যমান । ১১-১৮। ঐ চিতি সর্বত্র উৎকে পরমা চিং বলিয়া জানিবে। এইরূপ তম্মত্রের সাক্ষীর ন্যায় অবস্থিত, কুত্রাপি স্পন্দিত হইছেন না। নিখিল সহিত শ্রবণেন্দ্রিয়বায়ুর যে স্পর্শ, উহাকে শব্দসংবিৎ হে , দ্রব্যের প্রকাশন ব্যতীত যেমন দীপের অন্য গেন কাৰ্য্য নাই, অন্তঃকরণণ্ডিবিরহিত যে ঐ সংবিধ, তাহা মুসুলিশ -তাহাই উক্ত চিহিয়ও তদ্রুপ প্রকাশকারিতা ব্যতীত আর কোন ক্রিয়াই পৰা চিং বলিয়া অভিহিত হয়। ৩১-৩৪। কর্মেন্দ্রিয়ের নাই। চিতি এইরূপ স্বতসম্পন্ন হইলেও পূর্পে দেহাদিভাবে প্রতিনিমিত্ত যে সঙ্কল্প বাহা চিতের কনুষ্য মনন-নামে অভি- মলিনা হইয়া বিকল্পময়ী হন তখন তিনি অজড় হইলেওড় হিত ঐ মনােৰুভির সাক্ষী সংৰিং, তাহাকে নির্মল আত্মচৈতন্য হন, সর্বগামিণী হইলে অস হন। ঐ চিৎ নির্বিকল্প সূক্ষ্ম বলিয়া জানিবে। প্রশাকি। ঐ নিত্যা ডি অপাতে অবস্থাৰু থাকিয়াই প্রায়শিরীরে প্রতষিৰিত হইয়া সূক্ষ্ম অবস্থান করত টিকশিলা যেন আপনাতে ব্যাদি প্রতিবিম্ব কৌশেষ ও অটিষিপ্তির ন্যায়, শীয় সংবিৎকেই হয়- ধারণ করে, সেইরূপ আপনার অন্তরে এই জগত্তাব ধারণ করিতে- পদাদি রূপে বিস্তার করে।১৯-২১। অবিশ্বাস পুরুসের বাসন- অদ্বিতীয়া চতি নির্বিকারভাবে এই এই অগম্ভব ময় ৪ 'যেমন ঋত্মি যেখাগল ও অন্তরে ঝেংক্ষপে ধরণ করিলেও কদাচ অমিত, উদিত, স্পন্দিত ব' বর্জিত হইভে ব্রিজমান ওয়াজ 4 * উবাত্মক হয় সেইরূপ দেন না। সঙ্কলবলে ঐচিতি জীবভাব ধারণ করলেও নিঃসম্বল- উক্ত চিঠি জাগ্ৰণয় পুরুষের বাহিরে রূপাদি আকারে, অন্তরে ভাবে আপনাতে অবস্থানপূর্বক এই জড় জগৎকে অজড় বাস্ত মন করে বিদ্যমান থাকি জান এন উতষয়ক হইয়া আৰে গৰুনা করত অস্বরূপেই অবস্থিত আছেন * জীব এই খাকেন দুর্জনসংসর্গে সাধু ব্যক্তি যেমন অসাধু হইয়া যায়, চিতির রথ, জীবের রথ সংস্কৃতি, অন্যায়ের নখ বুদ্ধি, বুদ্ধির রখ সেইরূপ ঐ স্মৃতি নির্মূলা চিৎই দেহাদি আকারে চেতিত হইয়া , মনের রং গণ, এশের রথ ইন্দ্রিয়গণ, ইন্দ্রিয়গণ রথ দেহ এই দেহের রং কর্শেলিগ , কথিত এই রথপরায় কার্ঘ্য এনে সয়া থাকিলেই অভাব হয়, যাহাতে কোন বস্তুর স্পন । আরাম দেহরূপ পিঞ্জনের মধ্যবর্তী এই যে সত্তা একেবারেই নাই, তাহাতে নাই নাই বা বলাও বসত জীববিগের দোলাচক্র, ইহা মূলকারণ ঈদের গায়িক ঐ হভি অংশ। সত। ৩৫-৪১। কারণ এই সমস্ত প্রপঞ্চ প্রতিভাবশতঃ = নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ আত্মাতে অসং স্বপ্নের ন্যয় বিবৃত হইয়াছে। ইহাতে বিন্দুমাত্রও বাত্রিং সর্গ। সত্যতা নাই, মরীচিকাসলিলের স্যায় অলীক। হে মুনীর। কথিত রথপশয়ার মধ্যে যে প্রাণখের কথা বলিয়াছি, পণ্ডিত ঈশ্বর কহিলেন-হে মুনে। এই পরমা চিৎ নিখিল জীবের গণ ঐ প্রাণরখকে কল্পনার রথও বলিয়া থাকে, কারণ প্রাণবায়ু শরীরমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া কিরুপে কাৰ্যকারিণী হয় এবং কিরুপে যখার প্রবহমাণ হয়, মানসকনাও খায় অবস্থান করে। যথায় যুক্ত হইয়া(অনুকুল দেহাদি শবর্তী হইয়া(আজ্ঞ, আলােকসম্পদ, রূপও সেইখানে। ফলবান প্ৰাণবায়ু বখায় অব- ভােক্তা, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ইত্যাদি) সংজ্ঞা প্রাপ্ত হইয়া থাকেন, তাহা স্থিতি করে, সেই স্থানেই পরিস্পন্দিত বা বিচলিত হইতে থাকে। বলিতেছি, শ্রবণ কর। এই চিভির এক শক্তি আছে, সেই শক্তি। যে বনে বাত্যা প্রবাহিত হয়, সেই বই ঘূর্ণমান বা বিকম্পমান (অনাদিমায়ারূপিণী আবরণ আপনার আবরণশক্তি দ্বারা নিজের হয়। মন আকাশে লীন হইলে প্রাণবায়ুর স্পন্দন থাকে না। আশ্রয় ব্ৰহ্মকে যেন নিহত কৰিষা অর্থাৎ নাই, প্রতীত হইতেছেন যেমন ভেজ না থাকিলে রূপ থাকে না, সেইরূপ প্ৰাণবায়ু প্রশমিত না ইত্যাদি প্রকার প্রতীয়মান করিয়া চিরসঞ্চিত বিপুল বিচিত্র হইলে অন্তরে মনের কণামাত্রও থাকে না। ৪২-৪৬। বাত্যা বিবিধ কামনা বাসনাময় গনসচেষ্টা ও বিহিত নিষিদ্ধ কার্ষিক থামিয়া গেলে আর ধূলি উড্ডীন হয় না। ফুলতঃ প্ৰাণবায়ু মুখায় বাচিক কৰ্ম্মজাল দ্বারা মনোভাবে পরিণত হইয়া চিৎস হইতে অবস্থান করিবে, মুনও তথায় অবস্থান করিবে (ইহাতে আৱ আগত হইলেও জড়ক হইয়া পড়েন। হে ব্ৰহ্ম। এইরূপে সন্দেহ নাই)। রথ যে যে স্থানে যাইবে, সারথিকেও সেই সেই ব্যবহারদশায় উপনীত ঐ ব্ৰহ্মশক্তি জ্ঞানেন্দ্রিয় ও কর্মেলিয়- স্থানে গমন করিতে হইবে। প্রাণবায়ু দ্বারা চালিত হইলে চিত্ত প্রণালী দ্বারা ভ্রষ্টা দৃশ্য দর্শন প্রভৃতি বিবিধ প্রকারে প্রকটিত ক্ষেপণীযশ্রনির্মুক্ত পাষাণের ন্যায়, ক্ষণকামধ্যেই দেশান্তরে ইইতে থাকেন। হে মুনে। পরমা চিৎ এই মায়াশক্তির প্রসাদেই যাইতে পারে, অথা প্রাণবন্ধুর নিরােধে মনও ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। কলঙ্কিনী হইয়া এই জগৎরূপ গন্ধর্বনগর নির্মাণ করিতেছে, যেখানে কুসুম, সেইখানেই সৌরভ , যেখানে বহ্নি, সেখানেই অথচ কিছুই করিতেছে না। এই যে জডদেহ, ইহা চিত্ত বুদ্ধি যেখানে চন্দ্র, সেখানেই তার কিরণ বা কান্তি , যেখানে ' প্রভৃতির অবিল্যমানে কাষ্ঠকুডাবিং নিচেষ্টভাবে অবস্থান প্রাণবানু, সেইখানেই মন। বায়ুস্পন্দনবশতঃই চাক্ষুষাদি জ্ঞান করে এবং তাহাদের বিদ্যমানে ইহা আকাশের দিকে উৎক্ষিপ্ত হইয়া থাকে , উক্ত বায়ু, নিখিল অঙ্গে অনুরস প্রবেশ করাই পাষাণখণ্ডের ন্যায় স্কুরিত (স্পন্দিত ) হইতে থাকে। ১৫। বার জন্য নিখিল নাড়ী স্পর্শ করিয়া থাকে। ৪৭-৫০। চিত্ত- যেমন অভিজড় লৌহ অয়স্কান্তমণির (চুঙ্গকপাথরের) নিকটে মনোঘটিত লিঙ্গশরীবাত্মক প্রাণকোটরে বিশ্বপ্রতিষিভাবে প্রাণকোটরে বিশ্বপ্রতিবিম্বভাবে স্কুরিত হয় (অর্থাৎ তদ্বারা আকৃষ্ট হইয়া চেনের ন্যায় তাহার দিগুণিত হওয়ায় চিতি যে স্বারভব, ইহা ঐ প্রাণবায়ুর কাৰ্য- নিকট গমন করে, সেইরূপ এই জীৰ সৰ্বগামী পরব্রহ্মের ভিন্ন আর কিরুপে হইতে পারে ? আকাশের ন্যায় স্বচ্ছ এই সন্নিধানবশতই ফুরিত (স্পন্দবান) হইতেছে। সৰ্বব্যাপিনী সংবিঃ ( চিং। জড় অজড় সকল পদার্থেই বিদ্যমান। যখন এই চিতিশক্তিবলেই এই জীবনিচয় ফুর্তি ও বিকাশ লাভ প্রাণমাতের স্পন্দে স্পষ্ট অভিব্যক্ত হইয়া সঙ্কলিত হয়, কধিতেছে, অর্থাৎ এই জীবনিচয় চিরিই প্রতিবিম্ব , যদি বল, তখনই ইহা অনুভবগােচর হইয়া থাকে। ঐ চিতি জড়পদার্থেও ভেীতিক ব্যস্বতব জীব অদ্রব্যস্বভাব চিৎস্বরূপের কিরূপে সামাত্র স্বরূপে অবস্থান করিতেছেন। ঐ চিৎ জড়দেহে প্রাণ প্রতিবিম্ব হয়, তাহাতে বলি, কেবল দ্রব্যেরই যে প্রতিবিম্ব পড়ে বাসু দ্বারা উদ্বুদ্ধ হইয়া অখ্যন্ত চিতির সহিত অভিন্ন হইয়া এমন নহে, দর্পণে ঠিক্ গুলির প্রতিবিম্বও লক্ষিত হইয়া থাকে, অনুভব করিয়া থাকেন। জীবদ্দশায় (প্রাণসতে) যে দেহ, এন্থলেও তাহা জানিবে। ব্ৰহ্মপ্রতিবিম্ব হইলেও এই জীব, নিজ বিবিধ উল্লাসে চেষ্টিত হয়, সেই দেহই প্ৰাণবায়ুর অভাবে মনন- স্বরূপ বিস্মৃত হওয়ায় জড়ােৰাপন্ন হইয়াছে। যেমন সং ব্রাহ্মণ শৃশ্য ও নিশ্চল হইয়া যায়। হে মুনে। পরমা চিৎ নিজ মােহ-কুকৰ্ম্মালিনিবন্ধন নিজস্বরূপ ভুলিয়া গিয়া. শূদ্রভাব প্রাপ্ত পুৰ্যষ্টকেই প্রতিবিম্বিত হইয়া থাকেন। দর্পণেই প্রতিবিম্ব দেখা হয়। ঐ চিতি নিজস্বরূপ ভুলিয়া যাওয়াতেই চিতভাবে আপতিত যায়, পাগরি পার্থে (কদাচ)' লেখা যায় না। হে ঋযে। হইয়াছে। এমন দেখাও গিয়া থাকে যে, মহৎলােকেও মােহ- তুমি নিখিল কাৰ্য্যের একমাত্র কারণ মনকেই পূৰ্যষ্টক বলিয়া বণতঃ বিকলপশাগ্রস্ত হইয়া গনতাবাপন্ন হইয়া পুড়িয়েছেন। জানিও, ভিন্ন আচাৰ্য্যগণ আপন আপন কল্পনা অনুসারে শিষ্য- যেমন মালা দ্বারা বারি সঞ্চালিত হয়, সেইরূপ এই চিতি দিগকে বুঝাইবার জন্যেই ঐ পুষ্টককে ভিন্ন—নানা প্রকারে প্রাণনায়ুর সমান ও অবশ হইয়া এই দেহকে সঞ্চালিত কুরিতেছে। কলিত করিয়াছেন। সময় এই দৃশ্যজাল হা হইতে উদিত যেমন প্রবল বায়ুবেগে ‘পাষাণখণ্ড চালিত হয়, সেইসকল এবং যাহাতে অবস্থিত হইয়া অনুভূত হইতেছে এবং যাহা হইতে মননশক্তিমান জীব ক্রিয়াস্বভাব প্রাপ্ত হইয়া চলিত কৰিছে মনই দেহাকারে ভ্রমিত হইতেছে, তুমি এই বিশ্বকে সেই পরম হে ব্ৰহ্ম। পরমাত্মা শুরীকেটকে চালিত করিবার জন্য 'মন ও বহু বলিলকে।৫১-৫। প্রাণ এই দুইটা দৃঢ় বাহনের সৃষ্টি করিয়াছেন।—১২-ঐ চিৎ একত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩১। এডুরূপ অলীকার করিয়া জীৰভাৰ প্রাপ্ত হইয়া আরুপ ঘােটকে যেজিত মলােপ যে আরূঢ় হইয়া যত নিপভ্যাগ না করিলেও কেও অপদার্থ হইয়, কোথাও নষ্টপদার্থ হইয়া, কোথাও পদার্থই,কেও এক পদার্থ হই, স্বজ্ঞ একটা পদার্থ হইয়া পড়িতেছেন। ফলত ভৰ যেমন জল হইতে অপৃথক তদ্রুপ এই চিতিঃ জগৎ হইতে ভিন্ন নহেন। মনে যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ বৃত্তিতে প্রতিফলিত আছে আশ্রয় করিয়াই জীবজগৰ তাৰকাল দেহ জীবিত থাকে, পর্যাষ্টকের অবসানেই দেহকে মৃত স্কুরিত হইতেছে। এই যে দৃশ্যবন্ধুগামিনী ৰূপসম্পৎপ্রত্যক্ষ হই- বলা হয়। ২৬-৩১। পরস্পরবিরােধী বাত, পিত্ত, কফ নামক ও তেছে, ইহা কেবল আলেক আশ্রয় করিয়াই, কারণ আলােক রাগন্বেষাদি নামক মলাশির প্রকোপে এবং শাদি কত দেহের ব্যতীত কচ রূপ প্রকাশ হয় না। যেমন দীপ থাকিলে গৃহ হে ৰা ভঙ্গাদিকে ছৎপদ্মষ যখন অভ্যন্তরে স্কুরিত হয় না আলােকিত হয়, সেইরূপ নিরাময় পরমাত্মচৈত বিদ্যমান আছে তখন পুষ্টক, বাতন্ত্র-নিরােধে বাতপুঞ্জের ন্যায় আস্তে আস্তে বলিয়াই জীব জীবিত বহিয়াছে। যেমন একমাত্র জল হইতেই গগনে মিশিয়া যায়। নিজ সঙ্কলবশতই জীব মরণাদি দুঃখনিচ তরল এবং তরঙ্গ হইতেই ফেরাজি উৎপন্ন হইতেছে, তদ্রুপ ভােগ করিতেছে ও শরীরস্থ পদ্ম অবিরত প্রবাহিত হইতেছে। আধিকাধি প্রভৃতি দুঃখরাশি এই জীব হইতেই উৎপন্ন হইয়া যাহাদের হৃদয়ে সর্বদা নিৰ্মলা বাসনাই বিরাজ করে, সেই জীবগণ পল্লবিত হইতেছে। শরীরকমলের পদস্বরূপ জীব অধিব্যাধি স্থির ও একরূপ হইয়া চিরজীবী ও জীবন্মুক্ত হইয়া থাকেন। দ্বারা জর্জরিত হইয়া তরঙ্গবাপন্ন বায়ুভাভিত সলিলের স্থায় ৩২-৩৫। হৃৎপন্বন্ত্র নিরুদ্ধ হইলে এবং প্রাণবয়ু শান্তিপ্রাপ্ত দৈ-দুঃখে বিশ ইয়া থাকে। সূৰ্য্য যেমন আপনি * মেখমণ্ডল হইলে এই দেহ অধীরভাবে ভূতলে পতিত হইয়া কাইপাষাণের প্রকাশ করিয়া তার। তিরােহিত হইয়া পড়েন, সেইরূপ চিৎশক্তি ন্যায় অবস্থান করে। হে মুনে। এই পূৰ্য্যষ্টক যে সময়ে আকাশ নিখিল শক্তির আধার বলিয়া “আমি চিং নহি” ইত্যাকার ভাবনায় বায়ুতে বিলীন হন, মনও সেইকালেই আকাশে বিলীন হইয়া এই দেহমধ্যে অবশ' বিশ মােহগ্রস্ত হইয়া পড়ে। থাকে। মন সুচিরকাল ভােগ্যশল্পীরভাবে অভ্যস্ত থাকিয়া বাসনা- উৎকট মতি মদে মস্ত ব্যক্তি যেমন মোহবশতঃ তৎকালে নিজ খচিত থাকায় যেখানে যেখানে বিলীন | ভাত হউক না কেন, অঙ্গচ্ছেদ হইলেও তাহা অনুভব করিতে পারে না সেইরূপ চিতি সেই সেইস্থানেই নিজ কর্মফলে স্বৰ্গনকালি দেখিয়া থাকে। যেমন উক্তরূপ বিবশতাপন্ন হইয়া মােহবশত আত্মসংবিদের অনুভব গৃহস্থ দূরে গেলে গৃহ শূন্য পড়িয়া থাকে, সেইরূপ মনও প্রাণ করিতে সমর্থ হন না। মদিরাম ব্যক্তি মন্ততার অপগমে যেমন | চলিয়া গেলে শরীর শবরূপে পরিণত হয়। সর্বগামিনী মতাবস্থায় কৃতকার্য্যের স্মরণ করিতে পারে, তদ্রুপ উক্ত চিতি | ব্ৰক্ষচিংই চেতভাব হইতে চেতনভাব, চেতনভাব হইতে যখন স্বীয় চিৎসরূপে অনুভব করিতে সমর্থ হন, তখনই মােহ | জীবভাব, জীবভাব হইতে মনােভাব , মনােভাব হইতে পুৰ্য- হইতে বিচ্যুত হন (মােহ বিনষ্ট হইলেই নিৰ্বিয়ে স্বরূপ অনুভব কারুতি প্রাপ্ত হইয়া আভিবাহিক দেহধারিণী হন। পরে করিতে থাকেন)। ১৩-২২। কুষ্ঠরােগগ্রস্ত ব্যক্তির গলিত সূক্ষ্মভূতের সমষ্টিরূপ ঐ আভিবাহিক দেহ চিত্তকে ক্রোডে করিয়া (অণিত) অঙ্গুলাদির যেমন স্পন্দনপ্রবৃত্তি থাকে না (অসামর্থ্য অবস্থান করুত স্বপ্নভ্রমের ন্যায় ভাবনাবলে স্থূল দেহ নিরীক্ষণ বশতঃ সেইরূপ যখন সাহব্যাপী জীব চৈষ্টবিলুপ্ত হওয়ার করেন। ভ্রমে ভাবনা চূটীভূত হইলে, ভাবি ঐ স্থলে তবুিদ্ধি প্রাণবায়ুর স্পন্দশক্তি পদাদি অবয়বের অনুসরণ করে না অর্থাৎ স্থাপনপুৰ্ব্বক তাহাতেই আসক্ত হইয়া ক্ষণকালমধ্যে অতিবাহিক- কুষ্ঠরােগগ্রস্ত ব্যক্তির গলিত হতদাদির ন্যায় যখন অঙ্গে অঙ্গে ভাব বিস্মৃত হইয়া যান। এইরূপ অসত্যভূত এই স্থূলশরীরে অপহৃত চৈতন্য জীবের হস্তপাদি নিস্পন্দ হয়, তখন সংবিৎকৃত্রিমভাবনাবলে সত্যবুদ্ধি স্থাপন করত অসত্যকে সত্য ও সত্যকে স্পন্দবিহীন দেহমধ্যে হৃদয়মধ্যবর্তী কমলদল যজ্ঞকার্যে অব্যবহৃত অসত্য করিয়া তুলেন। ৩৬–৪৩। সর্বগামিনী ঐ চিৎ একাংশ- একপার্গে অবস্থিত কাঠপত্রের ন্যায় নিষ্পভাবে অবস্থান করে। মাত্রে অর্থাৎ আপনার অংশ কল্পনা করিয়া তাহার একাংশে জীব কমলদল নিস্পন্দহইলে জলন্ত নিস্পল (অবীজিত) হইলে হইয়া মন হন এবং মন হইয়া পুষ্টকরথে আরােহণপূর্বক বহপবনের স্যার ঐ অন্তঃস্থ রাণবায়ুসকলও প্রশান্ত হইয়া যায়। জগৎ আক্রমণ করেন। যখন এই চিৎ সূহ্মাত্মক প্রাণময় পুষ্টক প্রাণবায়ু প্রশান্ত হইয়া অন্তঃশী হইলে জীব আকাশশারুরে রূপ দেহ উত্থাপিত করেন, তখন লােকে উহাকে জীবিত বলিয়া এতিতে ধূলিপটনের মা প্রশান্ত হইয়া রূপ-উপাধির লহেতু ব্যবহার করে। ফলতঃ তাহার সে জীবিতাব, শবের অভ্যন্তরে পূর্ণ ও নানােপাধির লহেতু মূক অর্থাৎ কারণাত্মা হইয়া বিরাম বেতালের প্রশেহতু স্পন্দিত-বেয় জীবিতভাবশঙ্কার তুল্য। করেন। হে মুনে। তৎকালে অলীয় মনও রজোগুণবিহীন উক্ত পুষ্টকের বসানে চিত্ত যখন গগনে বিলীন হয় তখন দেহ ও নিয়াখায় হইয়া সেই প্রাণবন্ধ সহিত কারণ-আত্মপদ লাভ কাইপাৰণদিবং অচেতন হইয়া পড়ে, সেই অবস্থায় দেহকে করিয়া অশেষ হয় এবং কবীরে তার পুনরায় দেহাৰিাৰ- মৃত বলা হয়। যেমন নবীন বৃক্ষপণ কালক্রমে জীর্ণ হয় সেইরূপ বিষয়ে উন্মুখ হইতে থাকে। এইরূপে বিকলদশাগ্রস্ত নিখিল জীবভাবাপন্ন ঐ চিৎ অজ্ঞানতাবশতঃ আপনার অজর অমর কারধেয় কহিত পুষ্টক শান্ত হইয়া গেলে, লেহু নিশ্চল হইয়া ব্ৰহ্মরূপ ভুলিয়া গিয়া কালক্রমে বিবশ হইয়া জীর্ণ-দেহগত অসামর্থ্য পতিত হয়। অরুপের' অজ্ঞানরূপ মােহবশতঃ চিজ্ঞে যে প্রান্ত হন। পরে পদ্মঘ যখন জীবগত স্মৃতিশক্তিবিহীন চেত্যাকারে অণু-হাতেই বাসনাসমুদয় স্পন্দিত হইয়া হইয়া নিশ্চল হয়, প্রাণনায়ু যখন নিরুদ্ধ হয়, হে মুনে! তখনই থাকে। ঐ বাসনা থারা চলিহইলই কি অন্তরে অস্বরুপের মানকে মৃত বলা হয়। যেন র পত্র থাকলে জাইয়া বিস্মৃতিপূৰ্ব্বক অলীকৰাৰ স্মরণ করিতে থাকে। ক্রমে হয়- বিশীর্ণ হইয়া বচ্যুত ২, মানবগণের শরীরও ভদ্রুপ জাত কমলশের ফুরণে সমুদয় পুষ্ট পরিকুল হইয়া উঠে, ঐ হইয়া আবার কালক্রমে বিলীণ হইতেছে। যেমন করে পত্র হামলষকে নিল করিতে পারিলে পুষ্টক বিনষ্ট হইয়া পদেহীলিগের লেহ জাত ও মৃত হইতেছে, (জন্মমৃত্যুই ইহার যায়। হেঘি। যাবৎকাল দেখে পুষ্টক অবস্থান করে, স্বভাব এখন ইহার আয় শােক বা দুই কি? ৪-৫। চিলের মধ্যে এই যেরূপ বুদণভিক বে কত দিকে কত * অলিভাজাতে বৃষ্টির ইতি প্রমাণ উখিত হইতেছে, তাহার সংখ্যা নাই; বিদগণ এই বুলের নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ ৪; প্রতি আস্থাই করেন না। কখিত ব্ৰহ্মচিং সর্বশামিণ হইলেও সেইরূপ কাৰ্য্যকারণের এ গারলিঙ্কন একরূপ সি হইতে এই চিত্তপণে প্রতিবিম্বিত হইতেছে, দর্পণব্যতীত আর কোন পারে, অংকা, ব্ৰক্ষ উপাদান কারণ—এইরূপ বলিলেও তােমার পদার্থই অন্তরে বস্তু-প্রতিবিম্ব ধারণ করিতে পারে না। এই সন্দেহের ভক্ষন করা যাইতে পারে। আর যদি সমস্ত যিকারের পরিপূর্ণ নির্মল চিমাকাশে প্রাক্তন শুভাশুকর্মের পরিণতিরূপ পরমসত্তাব্যতিরেকে ব্যাবহারিক সত্তা স্বীকার না করা হয়, তাহা সুখদুঃখফলভােগাদিরূপ কোলাহলে মুখরভাবাপন্ন (আকুল সমময় হইলে ত এই দ্বৈত, চিতেই বিকল হইয়া পড়ায়; তাহাতেও বিচিত্র) চিৎ-অচিং জীবজগৎ কল্পনাপুঞ্জ আপতরমণীয় বিবিধ কােন বিরোধ দেখি না, ঐচিৎস্বরূপ ব্ৰহ্ম স্বয়ংই চেত্যর্বিক আকারে জন্ম-মরণাদিক্রমে আত্মাকে বিলুপ্ত ও গপিত করিবার চেতময় হইয়া স্কুরিত হন , সুতরাৎ পরমার্থ-চিৎই ঐ বিকাভুত নিমিত্তই স্ফুরিত হইতেছে। ৫১-৫৩। চেত্যাদির সার , অতএব উহাচেত্য) চিৎক্ষুরূপ হইতে ভিন্ন নহে। দ্বাত্রিং সর্গ সমাপ্ত। ৩২। উক্ত চিৎস্বরূপের বিকল্প এই বিকারাদি উক্ত চিৎ হইতে আবির্ভূত হইয়াই ব্যাবহারিক বন্ধুসমূহে বিবিধ কাৰ্যকারণালিভাবে উপ- যােগিতা লাভ কৰিছে। ব্ৰহ্মসভায় ব্যাবহালিক অগতের সন্তা ত্রয়স্ত্রিংশ সর্গ। স্বীকার করিলে, জলঅঙ্গ শৈলােপরি মনির, শশশ ওশ- হইতে উৎপন্ন ব্রীহি যবাদি অঙ্কুর সমস্তই একরূপ, এতৎসমস্তই বশি জিজ্ঞাসা করিলেন,—“হে চন্দ্রশেখর। মহাত্মা চৈতন্য- ব্ৰহ্ম সত্য হইতে পারে, নতুবা এ সমস্তই একপ্রকার অলীকমাত্র, ত—যিনি অনন্ত অর্থাৎ দিক্কালাদিরূপে অপরিচ্ছিন্ন এবং এক- রাং শাহ অলীক ও শৈল গভঙ্গ প ইত্যাদি রূপ অর্থাৎ ঘঁহার সজাতীয় বিজাতীয় পা ঝুগত কোন ভেদ নাই, প্রকার বিকল্পে যে অবান্তর বৈলক্ষণ্য, তাহা মূঢ়কতি সেই চৈতন্যরূপ আত্মত দ্বৈতভাব কেমনে আসিল ? অর্থাৎ তাহার সন্দেহ নাই। (নিজসভা যখন কাহারই নাই, বন্ধ এ দ্বৈতজগম্ভব আপন হইতে তাহাতে উৎপন্ন হইতে পারে না, সত্তাতেই যখন সকজন করা হইতেছে, ইহা সত্য, ইহা মিথ্যা কারণ তিনি বিকারশূন্য ও নিরবয়ব, অপরের সাহায্যও উৎপন্ন এইরূপে কল্পনা কেন ? ব্রহ্মসঙ্কায় শশশুঙ্গও সত্য হইতে ইতে পারে না, কারণ তিনি ভিন্ন অর দ্বিতীয় কেহ নাই। যদি পারে)। ফলতঃ এই জগতে পদার্থসমূহের অজ্ঞানজনিত পরস্পর বলেন, কারণ ব্যতিরেকেই এই দ্বৈতভাব উপস্থিত হইয়াছে ? যে তেল লতিফ, অহা সাক্ষাৎকারে (আসল বস্তু তাহাতে আমার জিজ্ঞাস্য এই-হে মহাদেব। এই আত্মচৈতন্য জানিতে পারিলে) এক হইয়া যাইবে, এবিষয়ে আর বাগ্বিতণ্ডার নফারণ অনন্তকোটিবন্ধনে আবৃত (পরিব্যাপ্ত) হইয়া জ্বপেই এখােজন কি ? ফলতঃ হে দ্বিজ। বাবং অজ্ঞান না দূরীভূত রিখিত হইয়া পড়েন , তবে আর হার যে বন্ধন হয় বং সহস্র যুক্তি দিলেও প্রত্যক্ষ ভ্রান্তিসিদ্ধ এই জগত বিচ্ছে। সন্তাবিত খাকে না, সুতরাং দুঃখ দূর করিতেও পারেন পদার্থ কিছুতেই যাইবে না। এক্ষণে সার কথা এই যে, তরুণ না। কারণ যাহা বিনাকারণে উপস্থিত হইয়া থাকে, তাহার একটার বিন্দু, বুদবুদাদি যেমন জল হইত্ত্বে ভিন্ন নহে, সেইরূপ ব্রহ্মের উচ্ছেদ করিতে আর একটা উপস্থিত হইলেই হইবে, তদ্ভিন্ন অপর সর্বশক্তিও ব্ৰহ্মরূপ হইতে ভিন্ন নহে। পুষ্প, পলব, পত্র হবন্ধনও উৎপন্ন হইতে পারে, যেহেতু তঁাহার কোন কারণে প্রভৃতি যেমন লতা হইতে ভিন্ন নহে। দ্বিত্ব, একত্ব জগৰ আবশ্যক হুইতেছে না। ঈশ্বর উত্তর করিতে লাগিলেন,-“সেই প্রভৃতি এবং তুমি আমিত্ব প্রভৃতিও ভদ্রুপ চিৎস্বরূপ হইতে ব্ৰহ্ম কেবল ব্যবহারদৃষ্টিতে সর্বশক্তিমান, পারমার্থিক দৃষ্টিতে ভিন্ন নহে। ৬-১২। এই যে চিতির দেশকালাধিরূপে ভে জিনি একমাত্র সৎ—এই প্রকার সৃষ্টিৰয় যখন ব্যবস্থিত হইয়াছে, করা হইয়াছে, উক্তভেদ-চিৎ, তন্নি আর কিছুই নহে, তখন তাহাতে (পারমার্থিক দৃষ্টিতে ফি-একরূপ কলিত অংশ অতএব “দ্বৈত কিরূপে আসিল” এই প্রশ্নে যে তুমি টিভি লইয়া আপত্তি করা—অমূলক। কারণ দ্বিত্ব যদি থাকে ত একত্ব দ্বৈতের আশঙ্কা করিয়াছ, তাহা ভ্রান্তি, অতএব তােলার এইরূপ হইতে পারে, আবার একত্ব ঋদিনে দিত্ব হইতে পারে। কারণ প্রশ্নই উচিত হয় নাই। এই যে দেশ, কাল, ক্রিয়া, সন্তা, নিয়তি একত্ব দ্বিত্বের ব্যাবর্তক-বিত্বের বারণাই একত্ব। দ্বিত্ব যখন প্রভৃতি শক্তি—এ সমস্তই চিদাত্মক, কারণ চিলির সত্তাতেই একেবারেই অপ্রসিদ্ধ, ধন আবার অপ্রসিদ্ধ-বারণের জন্য ইহাদের সন্তা। যেমন একই সলিলতরঙ্গ, উর্মি, বীচি প্রভৃতি একত্ব কল্পনা করা কেন ? ফলতঃ চিপ ব্ৰহ্মে ব্যবহারিক দিক- ভিন্ন জি নামে অভিহিত হয়, অপ, একমাত্র চিতই চিৎ, রণার্থই একত্বও কলিত , একারণ তাহাতে একত্ব দ্বিত্ব উভয়ই ব্ৰক্ষ, চিত্ত, চে, অহং ইত্যাদি নামে অভিহিত হইয়া থাকেন। অসৎ; অতএব তঁহাতে একত্বও যখন অসিদ্ধ হইল, তখন এক এই চিহিলাসরুপসাগরে তরঙ্গের সম্ভাবনা না থাকিলেও যে দ্বিত্ব উভয়েরই অভাব সিন্ধ হইয়া গেল, কারণ, এক না হইলে অঙ্গিভব অর্থাৎ যেন অজিতভাবে বিবর্তিত খুন তাহাকেই দ্বিতীয় হইতে পারে না এবং দ্বিতীয় না হইলেও এক হইতে চেস (বা চেত্য) বলা হয়। এই পরম চিতত্বকে ভিন্ন পারে না। ১৫। দি উপথে বিহারসিরি জাহাৰিক ভিন্ন ৰাদিগকেই শূন্য, কেশর, দেহ ব্ৰহ্ম, কেহ ঈর ও দৃষ্টি ও পারমার্থিক দৃষ্টিকে এক করিয়া সার বৈবিধ্য কানা কেনি ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন সংজ্ঞায় অভিহিত করিয়া থাকেন। করা যায়, তাহা হইলেও পরমার্থ সভ্যপদাৰে যাৰহুনিক সভায় এই অহং নমে যাহা অভিহিত হইতেছে। এই হই পরাম, দ্বৈতগারে কিছুই বিয়ে হয় না, কারণ-যেমন একই বীজ বা এইপে নমরুপের অতীত হইলে অহা এবানস অ-পত্রফলাক্সিলেবিহইলে যেমন তাহাতে নানাত্বক গোল হইয়া থাকে(আবৃ রূপ অনির্বচনীয়)। ১৩-১৮। করা হয়, অর্থাৎ অনুরদিগকে জিভিন্ন পদার্থ বলিয়া ব্যবহার করা এই গেৎ সৃষ্ট হইতেছে হা উক্ত মিণি শতারই ফল হয়, ফলে তৎসমুদয় সেই একমাত্র বীজেরই রূপান্তর, এলেও পুদি,উক্ত চিতি হইতে িনহে, হেইহা চিষয়। যদি } যােবা-ই-রামায়ণ ৪ T ভূমি অভিষেকের আয়ে এই মিথ্যা জীব জগত্তাবিষয়ক প্রশ্ন , নির্মলভাব প্রাপ্ত হইয়া পরমানন্দ লাভ কর। সর্বশক্তিময় করিয়া থাক ও শ্রবণ কর। উক্ত চিতি যখন মহতী অবিভাজপ আত্মা যেরূপে বাহা সৃজপে ভাবনা করেন, সকলে তাহাই উপনেত্র (চশমা) থারণ করে, তখন তিনি জীবনামে অভিহিত ; তদ্রুপে দেখিতে পান। সক্ষমাত্রই এই জগৎ, রাং ইহা হইঘিতীয় শাল স্থায় অলীক বা জীবজগদভাৰ সলনি মিখা, হে ব্ৰহ্ম। সঙ্কজের অভাবে উহা কোথায় লয় পাইয়া কুরিয়া থাকেন। ঐ চিতি নিয়েই স্বভাবতই “আমি, অচিৎ যায়। সামাৰুতে একত্র পূঞ্জীকৃত এই অরূপ মেঘমালা ব্ৰহ্মভিজ্ঞ ইত্যাকার ভাবনা করিয়া বিকল্পময় ভিন্নভাব থারুণ অসঙ্কলরূপ প্রবল মারুতের স্পর্শমাত্রেই পরম্পদে বিলীন হইয়া করেন। উক্ত চিতি নিফলরূপে অবস্থিত থাকিয়াও কল্পিত ফয়। এই যে তৃষ্ণারূপি কালতিকা বর্ধিত হইয়া ফুলকিত আকারে সংসারুনদীতে অবগাহন করিয়া ঔপাধিক হইয়া উঠিয়াছে, সঙ্কল্পই এই লতিকার মূল। হে মুনে! তুমি সকল চেকপে এই সমস্ত প্রপঞ্চ অনুভব করিতেছেন। ঐ মূলােচ্ছেদন করিয়া এই লতকে বিশুদ্ধ কর। ৩৯-৪৪। চিৎ নিজেই এই পূর্বকের সহিত একতাপ্রাপ্ত হইয়া জীব- স আদি নিরুত্তি হইলেও যদি জগৎ আভাসমান থাকে, তাহা রূপতা প্রাপ্ত হন। ঐ জীব চিৎস্বরূপের প্রকাশেই চিন্ময় হইয়া হইলে তাহা প্রতিভাসমাত্র জানিবে , যাবৎ উক্ত প্রতিভাস ক্ষয় জীবিত থাকেন। ক্রমে তিবহিকদেহধারী ঐ জীব “আমি না হয়, তাবৎ (জীবন্মুক্তগণ) এই সংসারবিভ্রমকে গন্ধৰ্ব্বনগরের পঞ্চভূতময় সুলদেহাত্মক” এইরূপ ভাবনা করিয়া তাকার (পঞ্চ. স্যায় অলীকরূপ প্রতীয়মান করেন। (প্ৰাৱক্ষয় একেবারে ভূতমষ। একটা দ্রব্য হইয়া প্রাণিদিগের গদ্যভবের সহিত প্রাণি- না হওয়ায় তাহাদের ঐ ভ্রান্তপ্রতীতি থাকে মাত্র , সত্য বুদ্ধি দিগের উদরগ হইয়া বীরুপে পরিণত হ। তাহার পরে এই থাকে না। তবে তৎকালে ভ্রান্ত প্রভাতিজন্য তাঁদের কোন আমি প্রাণ হইয়াছি" এইরূপ অনুভব করে ১৯-২৫। দুঃখ বােধ থাকেনা, কারণ অজ্ঞানই স্বস্বরূপের আবিরক, সেই ফলে অনুভবাত্মক ব্ৰহ্মই উক্ত অহংআদি ক্রমে পঞ্চভূতময় স্থূলদেহ অজ্ঞানই দুখের মূল, তাহা তাঁহাদের তখন নাই। বিকাল অনুভব করত (ভ্রান্তিবশত) চক্ষুদির দ্বারা স্থাবর জম বাহ পর্যন্ত নবরাত প্রাপ্ত রাজার মনে উদিত হয় না যে, “আমি পদার্থের অনুভব করেন এবং নিজেও ও অনুভববাসনায় তদা- রাগ” অংকালই রূজা আমি সকলের অধিপতি” এই কার ধারণ করেন। মৃন্ম অতিবাহিক দেহ অবস্থিত ছিং পুনঃ রূপ আধিপত্য বিস্তুতি হেতু পূর্ণসুখভােগ করিতে পায় না, সঞ্চিত স্থূলভবাসনার প্রাবলাহেতু সুভাধৈর চূট অভ্যাস ক্ষীণ অর্থাৎ দুখ অনুভব করিতে থাকে। যখন জানিতে পারে আমি হওয়ায় কাকতালীয়বং সহসা সূক্ষ্ম আকার পরিত্যাগ করেন, যেমন রাজা তখন আর আনন্দের সীমা থাকেনা, তখন তার পূর্ণমূতি পুরুষ কনাবলে স্বসম্মুখে উজ্জল বেতালমুক্তি উপস্থিত কয়ে, (অরজ অবস্থার স্মৃতি। বউমান আগুজনের উপদেশজনিত উক্ত %ি এক হইলেও (অদ্বিতীয় হইলেও) ভিসঙ্করে & ‘আমি রাজা' ইত্যাকার স্মৃতি দ্বারা শরসমাগমে নিজ জড়তগুণে ভাব উপস্থিত করেন। যেমন আমি কিছুই করিতেছিনা" এইকপ অগাচ্ছাদনকারিণী বর্ষাঋতুর গায় বাধিত হইয়া যায়। জীব- সঙ্কল্পে পুরুষের র্তৃত্ব নিবৃত্ত হয়, সেইরূপ আবার অদ্বৈতসঙ্কল্পে। মুক্ত পুরুষেরও এইরূপ পূবশ্বতি ( প্রাক্তন সঙ্গীর্ণ জীবতাবের আত্মার দ্বৈতভাবের নিবৃত্তি হইয়: খাকে। দ্বিত্বসঙ্কল্পে একেরই সূরণ ) বর্তমান “আমি ব্ৰহ্ম” ইত্যাকার প্রবল স্মৃতি দ্বারা বাধিত দ্বিত্ব হয়, অদিত্ব সঞ্চলে অনেবেরও দিত্ব অনেক। নষ্ট হয়। হইয়া যায়। ৪৫-৪৭। পূর্বশ্ববিােথের হেতু বৰ্ত্তন স্মৃতির অবিকার সর্বদা সৰ্ব্বগামী পরমাত্মারূপ আত্মতে দ্বিত্ব নাই। প্রাবল্য, বর্তমান স্মৃতির প্রাবণ্যের হেতু মনন দিলিখ্যাসন প্রভৃতি হে মুনে। সঙ্গলবলে শাহ রচিত হয়, অসন্সেই তাহার ক্ষয় হইয়া পৌরুষত্ব, সেই কারণে যে চিত্তবৃত্তি সহ গনপ্রবাহিনী। থাকে, যেমন মনোরঞ্জ ও গন্ধর্বনগর। ২৬-৩২। সঙ্ক করি- • সুদৃঢ়) হয়, তাহারই বৃদ্ধি। বীর যে স্ত্রীর ধ্বনি অপেক্ষাকৃত ভেই ক্লেশ, সঙ্কল্প বিনাশে কোন ক্লেশ নই, সঙ্কল্প যক্ষ ও উচ্চতাহাই আসিয়া অযে কর্ণে প্রতিঘাত প্রাপ্ত হয়। হে মুনে। গানগরীর স্রষ্টা, ক্ষয়কা নহে। প্রবল সঙ্কৰলে যে এই দুঃখ তুমি “আমি একমাত্র আত্ম” এইরূপ একাভিমুখী ভাবনা করিতে আলিয়াউপস্থিত হইয়াছে, ইহা একমাত্র সম্বলের অভাবেই ক্ষয় হইতে পারে,“সুতরাৎ ইহার জন্য আর কষ্ট কি? ঘসামান্য হইতে পারিবে। অতএব এইরূপ বাহপূজা তােমার স্থায় লােকের থাক, অদৃণী ভাবনায় সুসিদ্ধ হইলে তুমি নিশ্চয়ই সেই পূর্ণ ব্ৰক্ষ সঙ্কলেই মানৰ অগাখ দুঃখে নিমখ হয়, যদি কিছুই সনু না কর্তব্য নহে, কারণ যাহারা তুচ্ছফলের আকাঙ্ক্ষা করে, তাহারাই করে, তাহা হইলে অক্ষয় সুখভােগ করে। তােমার চেনা যত বাহপূজা করিয়া থাকে, তাহাদেরই সেই পূজা শােভা পায়। রুশ সঙ্কল্পভুক্ত না হয়, তাৰৎকাল তুমি রমণীয় নন্দনকাননে | তােমাদের পুজনীয় দেবতা সেই পরমার্থ স্য একমাত্র পরমা বস কৰিলেও এরুত সুস্বাস্থ্য লাভ করিতে পারিবে না এততিয় অন্য পূজার আয়ােজন কিছুই নহে অর্থাৎ (পুজনীয় অতএব তুমি নিজ বিবেকমাত আরা সঙ্কজমেষকে অপসারিত প্ৰঙ্গি সংঘটন, পূজার জব্যসংগ্রহ ও পুজক) এ সমস্ত সংগ্রহ করিয়া শারদগগনের চায়, পরম নির্মলতাৰ ধারণ কর। তুমি কিছুইনহে। কারণ সে সমস্ত সাপ্পী অলীক মনেরই কয়লা- উন্মাদিনী সঙ্কলনগীকে মণি আর বিশুদ্ধ করিয়া ঐ সক্ষনদীতে মাত্র হাতে প্রকৃতপেয়ে পুলিপে সবে)। ৪৮-৫০। জন আত্মাকে আখ কত না হইয়া অবস্থান কর। ৩৮। তোমার চিত্মা সঙ্কমার সঞ্চালিত হই গণ- নির্গ সমান্ত। স্যা ভূকাশে নিখিল তো হয়। এ কবি বেড়াইতেছেন, অতএব তুমি তাহাকে বলপূর্বক খলিল হার ধাপ নিরীক্ষণ কর। তুমি নিজেই ( অবিবেক আই) এর গজনিত কলুষৰ বিৱিত করিয়া পরম নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। ৫ সখিবেশের (কাঠিৰুেসৈবের অতি সে চতুন্ত্রিৎশ সর্গ। | বায়ুর অন্তঃস্থিত শক্তির ব্যায়, যখন যে স্থানেই সকলেরই ঈশ্বর কহিলেন,-অতএব তুমি শেষপুজ ঘাৱা যে বিশ্বের পুজা সারগরূপে পূৰ্য্যবসিত হইতে থাকেন, তখন আকাশে কৰিছে, এই বিশ্ব বাখদৃষ্টিতে অসৎ হইলেও অধিষ্ঠান-দৃষ্টিতে শূন্যশক্তির চায় পরকাশগত হইয় চেত-অংশে উন্মুখৰ যে সৎ ও দেবস্বরূপ তাহা যুক্তিযুক্ত, আর যে বৃষ্টিতে ইয়াতে (বাহবিষয়ের দিকে ঔৎসুক) পৰিণ করিয়া নিৰ্বাত সলিলের দ্বিত্ব একত্ব নাই ব্যবহারদৃষ্টিতেই কেবল ফিত্ব একত্ব, তাহাও যুক্তি চায়, নিশ্চলভাবে অবস্থান করেন। ক্রমে পবনকশার শখ সুক্ত। কেন না, চিতির মােহজনিত যে বিরূপ, তাহাই সংসার, ত্যাগের ব্যায়, রমলেখার (পুষ্পের সূৰ একাংশের) সৌর অপি চ বিচারে তিনি নিষ্কলঙ্ক ও অসংসারী প্রতিপন্ন হইতে ত্যাগের ন্যায় কালত্ব ও আকাশ পরিত্যাগ করিয়া লয় ছেন বলিয়া তিনি অভিজ্ঞ ও অস্ত্র। আমি এই দৃশ্যদেহাদিস্বরূপ দৃশ্যৰম্ভর অনুভব হইতে সর্বপ্রকারে মুক্তি লাভ করেন। তখন ইত্যাকারে কলঙ্কিত হওয়াতেই চিৎ বন্ধ হইতেছেন। দৃকটন- না জড় ওনা অজড় হইয়া(অর্থাৎ জড়জড় উভয়ভাব হইতে) কারী কল্পিত এই লিংকে আপনা হইতে অভিন্ন জানিতে বিমুক্ত হইয়া বিশালতা (অপরিমিয়) জাতি কত এক পারিলেই তিনি মুক্ত হন। ঐ চিৎ বা সাকারভাব না অনির্বচনীয় সত্তা ধারণ করেন। সে মহাত্তা দিককালাদিপ করিয়া দ্বিত্ব প্রাপ্ত হইয়াই নিজ অখণ্ড সঙ্গ পরিত্যাগ করিয়া পরিচ্ছিন্ন হয় না, মহাসত্যরূপে অবস্থিত নিষ্কলঙ্ক অনাময় ঐ চিতি সেন। এবং দৈকি সুখখানি সম্মিলিত ঐ কল্পিত অসত্য তখন (জাগ্রত, স্বপ্ন ও সুষুপ্তিদশায় পনীত পরিণতরুপে ভাবকে ক্ষণকালমধ্যেই সত্য সৎ বুলিয়া গ্রহণ করিয়া থাকেন। অভিহিত হন। তখন তিনি নিখিল বার প্রকাশ ও আনতাম ব্যবহারদৃষ্টিতে তিনি নিখিল নমরূপাত্মিক হইলেও শূন্যস্বভাব, অপেক্ষাও উৎকৃষ্টতর প্রকাশ ও আনন্দস্বরূপে অনির্বচনীয় বিশ- উহাতে “সত্য বা অসত্য ইত্যাদি প্রকার বিকল্প নাম-রূপালি লাক্ষ (বিখ) সাক্ষীৰং অবস্থান নেন। হে সুব্রত। তােমার কিছুই নাই , তিনি স্বল্প নিরবয়ব ও বিশুদ্ধ। ১-৫। সর্বময় এ চিতির এই বিতীয় অবস্থা বর্ণন করিলাম। হে ভবিবর। ( পূর্ণ ) নিরুপম ব্ৰহ্মই প্রথমে আকাশের ফ্লায় বিকাপ্তা এলে তৃতীয় অবস্থা বর্ণন করিতেছি, শ্রবণ কর। ১১। নিজমায়। শক্তিবলে মনােরাই জাগ্ৰৎ স্বপ্ন, সুষুপ্তি, সৃষ্টি, স্থিতি, ওপরে এই চিতি ব্ৰহ্মাকার অখণ্ড (চিত) বৃত্তি ও ভ্যাও সংসার, এবং আধ্যাত্মিক, আধিভৌতিক ও আধিদৈবিকরূপ ব্রহ্মের (রনীরবৎ ) একীভাব হওয়ায় নামপাভীত হইয়া ব্রহ্ম ত্রিবিধ পথে প্রান্ত আগপে প্রকটিত হইতেছেন। নিজ আত্মা ইত্যাদিসংজ্ঞা হইতেও অতীত হওত কেবল রূপে অবস্থান ইলিয়বর্গের একাংশ মনকে মন দ্বারা ছিন্ন করিতে পারিলে করেন। তখন তিনি কোন প্রকার বিকার না থাকায়, কাল- সত্যস্বরূপ ব্রহ্মের সাক্ষাৎকার হয়; তাহা হইলেই জগজ্জাল অপেক্ষাও স্থির অমােতীত স্বরূপে একেবারে নিষ্কল হইয়া ছিন্ন হইয়া বিলীন হইয়া যায়, জগজ্জাল বিলীন হইলে কল্পনাত্মক তুরীয়াতীত প্রভৃতি নাম হইতে অতীত পরম পুরুষার্থরূপে সংসল্পবন্ধনও বিশীর্ণ হইয়া ছিন্ন হইয়া যায়। তৎকালীন যে অবস্থান করেন। সেই চিতিই নিখিল সুখের অবধি এবং জীবসত্তা (জীবন্মুক্ত পুরুষের সন্তা) তাহা " ইনামিকা” বলিয়া সর্ববিধ মাল হইতেও প্রধান হইয়া থাকেন। সর্বোত্তম অধছে অভিহিত হয় (অর্থাৎ তখন সে সত্তা ইতি নামে ব্যবহৃত হয়), বিবর্জিত পৰিত্ৰা এই কেবলা চিতিস্থিতিই তৃতীয়া বলি সে জীবসত্তা তৃষ্ট (ভর্জিত ভাজা) বীজের স্যায় পুনরঙ্কুরোৎপাদন- আনিবে। তােমার নিকট চিঠির এই বাণী অবস্থার কথা শক্তিশূন্য হইয়া অবস্থান করে। সে সভা অকালে নিখিল বলিতেছি, ইহা নিখিল পথের ও নিনি পথিকের দূৰত্ৰী; হে দৃশ্যের বাধ হওয়ায় প্রত্যক্ষ বৃক্ষরূপে পরিশােধিত হওয়ায়, মুনে। এইজন্য এবষ্কৃত চিতি আমার বাক্যের অগােচর অর্থাৎ পন্তী নামেও অভিহিত হইয়া থাকে, সে জীবসত ক্রমে | আমি ইহা বুঝিতে অসমর্থ। হে মুনে। আমি তােমার নিকট প্রীতিপূর্বক চেত্যৰিষয়ের যে অনুস্মরণ তাহাও পরিত্যাগ করিতে যোচিভিন্ন কথা বললাম, ইনি জাগ্ৰস্বপ্নাদি মার্গমের অতীত ; থাকেন এবং মনােমােহরূপ জানিন্মুক্ত হইয়া শারদ-গগনের এই চিডিই সনাতন পরমদেব, ভূমি এই পদে (পণে ) ন্যায় নির্মলভাবে বিরাজ করে। ঐ সত্তা পূর্বে চেত্যভাবরূপ অবস্থানক। হে মুনে! 'এই বিশ্বের উপাদান ঐ চিতি, এবষ্কৃত চাঞ্চল্য প্রাপ্ত হইলেও তখন বিশুদ্ধ চিপে অবস্থান করেন। ধারণায় এই বি এম (চিন্ময়), হে সুনীখ!' এই চিতিই ঐরূপ অবস্থায় তরিৎ জীবন্মুক্ত(যোগী) জীবদ্দশাতেই সংসার- অমিতীয় সত্যরূপ,“ইনি কাহারও উপদান’হেন” এইরূপ পায়- সাগর হইতে উত্তীর্ণ হইয়া নিখিল পদার্থের সত্তাত্রে পরিটি নাবিক ন এই বি এম নহে। পারমার্থিক জ্ঞানে হইয়া থাকেন। ৬-১০। তখন তিনি পুনর্জন্মবীজরহিত সৌধুপ্ত কিছুই নহে, এইবিধ উৎপও নহে, কিষ্টও নহে। ফলে এই পদের (নিরতিশয় আনন্দরূপ স্বপেয়) পাণ্ডিত্যে (নে) অপরি- বিব্রহ্মাণ্ড সবই একাকার শান্ত আকাকোষৰৎ ।২১-২৩। চ্ছিন্নতা প্রাপ্ত হইয়া বিতত ব্ৰহ্মপদে বিশ্রান্ত হন। যে বিয়! কার একমাত্র চিতিই অওৈ সংক্ষুব্ধ সুধিকারী,মুন চেত- তােমার নিকট ক্ষয়ের পর প্রথমে উক্ত চিচ্ছক্তির যে অবস্থা পে অবল করিতেছেন। এমন কি লিস্থায়ী (বিভ) হয়, সেই অবস্থা বর্ণন করিলাম, এক্ষণে ইহার পত্রিবিতীয় কালও শশলালিও এই চিতির কাছে অনিত্য। বিদিগের কল্পিত অষস্থা কীৰ্ত্তন করিতেছি, শ্রবণ কর। মনােনা হইতে মুক্ত এই আকাশশিলালিও এস, অং ও লগত পর্ণ সত ডিজিই শান্তিময়ী, নিখিলাড়ি (চাদি) ও নিখিল ইলেকিচিতি সভাতেই সফলই একল, কিছুইতে অ(অজ্ঞানাকার ও কাৰ্য) হইতে মুক্ত হইলে বিশাল লা; টিসভাত অলীক সত্য এবং চিতি অসত্ততে আকাশের গায় আহাৰে বিয়া করিতে থাকেন। অনন্য সতও কইয়া যায়। এ সমস্তই থাকুন তিনি কালক্রমে দৃঢ় অরণার অনুভবের আয় ফিলার অন্তর্গত অতীত শত বিব ব্ৰহ্ম। প্রণৰে তুলনাত্মক যে বিত ::. যােগঠি-রামায়ণ, তিনিই মা গতি। বাল্মীকি কহিলেন—ভগবান্ ঈশ্বর মগ্ন দেহেতেই ঐ চিৎ প্রতিবিম্বিত হইয়া থাকে। হে মুনিবর। এইরূপে উপদেশ প্রদান করিয়া ঐ মুনিবর বশিষ্ঠ স্কনী যেমন বস্তু সম্মুখে থাকিলেও মলযুক্ত দর্পণে প্রতিবিম্ব না পড়ায় প্রভৃতি স্বজনবর্গের সহিত প্রশান্ত সংসারের পিরস্থিত তাহার সত্তা থাকে না অর্থাৎ দর্পণে তাহা তখন অসৎ বলিয়া তুরীয় ব্ৰহ্মপদে বিশ্রান্তিলাভ করত মুহূৰ্তকাল নিশ্চেষ্টভাবে বােধ হয়, সেইরূপ প্রাণহীন শরীরবিদ্যমানেও হাতে চিৎসা করিতে লাগিলেন, ওকালে হরি চিত্তবৃত্তি থাকে না। ৬-১১। এই কারণে সর্বগামিনী হইয়াও উক্ত চিতি পরমানন্দ চিনেকগপে পরিণত হইয়া গেল। কাজেই অপর বাবর আকারে আকারিত বুদ্ধিবৃত্তি দ্বারা দেহাদির স্পন্দনে ইন্দ্রিয়বর্গ কিষ্ট হওয়ায় তিনি নিশ্চলতাবে অবস্থান করিতে সমর্থ হন এবং ঐ চিতিই ব্ৰহ্মাকায়ে আকারিত চিত্তবৃত্তি হইতে পানি। ২৮-৩১। বােধ লাভ করিয়া পরম কল্যাণময় কৈবল্যকাপে জি করেন। ঐ চিতির অভিব্যক্ত বেরূপ, তাহাই নিখিল বন্ধুর সত্তা- চতুঞ্জিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩৪। প্রদ দৈব বলিয়া অভিহিত হন। ঐ চিদ্রুপই হরি, ঐ চিপই শিব, ঐ চিপই অল ব্রহ্মা, ঐ চিপ দেই সুরেশ্বর। ঐ পর- মেশ্বরই অনিল, অনল, চন্দ্র, সূৰ্য্য আকার ধারণ করিতেছেন। পত্রিংশ সর্গ। ঐ দেবই নিখিল,চৈতন্যের আকর সর্বগামী চেতল অত্য। বশিষ্ঠ কহিলেন,অনন্তর মুহূর্তকা এভীত হইলে গৌরী ঐ আত্মাই দেবেশ দেবগপ্রতিপালক দেবদেবখাতা স্বর্গরাজ। রূপিণী পদ্মিনীর সবের মহাদেব আমাকে প্রবুদ্ধ করিবার জন্য যে কোন জীবই উক্ত মহাচিতির ফুট প্রকাশ লাভ করিয়া ধীরে ধীরে বহনে উন্মীলন করলেন। তখন তাহার বদনাকাশে 'মিথ্যামোহপরবশ হন না, আঁহারাই এই জগতে ব্রহ্মা বিষ্ণু নেত্ৰত্ৰিত্যরূপ সূৰ্যায়িচলা উদিত হইয়া, সূৰ্য্য উদিত হইয়া শিব প্রভৃতি হইয়া থাকেন। যেন উত্তপ্ত লৌহখণ্ড হইতে যেমন দিবসগ প্রকটিত করেন, তদ্রুপ তাহার এবােধসমাধি জ্বলন্ত লৌহক নিঃসৃত হয় এবং সমুদ্র হইতে যেমন জলবিন্দু একটিত করিয়া দিল। অর্থাৎ সমাধি হইতে ব্যথিত হইলেন। ইততঃ বিক্ষিপ্ত, সেইরূপ এই ব্রহ্মা বিষ্ণু হদি ঐ পরম চিৎ (উপদেশ দিতে দিতে সমাধিমগ্ন হইয়াছিলেন ,মার সৌভাগ্য- | হইতে বিনিঃসৃত হইয়াছেন। ১২-১৭। সেই পরপদ হইতে প্রণােদিত হইয়া ক্ষণকামধ্যেই সমাধি হইতে প্রবুদ্ধ হইয়া উৎপন্ন এই ব্রহ্মাদিও ভ্রান্তিময়, ইহারা ভ্রান্তিময় কল্পনাজাল পুনরায় উপদেশ দিতে লাগিলেন)। ঈশ্বর কহিলেন, হে মুনে। বিস্তার করিতেছেন, একমাত্র অবিদ্যাই এই সমস্ত ব্ৰহ্মলি তুমি প্রথমে বিচার দ্বারা ঝটিতি নিজ প্রত্যক্রুপের সত্তা নিশ্চয় প্রঞ্চিপশত সহস্র শাখাপ্রশাখা বিস্তারপূর্বক বিশাল আকারে কর ( অর্থাৎ স্বরূপ অবগত হও)। পৰু যেমন শব্দৰ ধারণ সমুদিত হইতেছে। এই যে, বেদ, বোর্থ, ক্রিয়াকলাপ ও জীবালি করিয়া নিস্পন আকাশকে ধূলিজাড্যাদি কলুষিত করে, সেইরূপ এই সমস্থই ঐ অবিদ্যালয় বিজড়িত রহিয়াছে। দেশকালবিধঃ- অজালে আপনাকে জড়িত করিও না। বাহবিষয়ের যাহা খ্রিণী অনন্ত এই অবিদ্যা পুনঃপুনঃ কত প্রকারে যে প্ররিত দেখিবার তােত সমস্তই দেখিয়াছ, আর কেন জাস্তিবিজড়িত | হইতেছে, তাহা না করা কঠিন। ফলতঃ ইহার বিষয় বর্ণন খাক এই তিময় সংসারে তত্ত্ববিদ্যােগীর ভাজ্য বা অদেয় ত করিতে কেহই সমর্থ নহে। এই চিত্মা ব্ৰহ্মবিষ্ণুশিবাদিরও কিছুই দেখিতেছি না। তুমি অসির ন্যায় হইয়া শান্তি-অশান্তিময় পরম পিতা এবং রক্ত যেমন পল্লবরাশির মূলকারণ (রক্ষ না এই বিকলসমূহকে দলিত করিয়া ধীর হইয়াছ; ঐরূপে বিকল থাকিলে পল্লব থাকে না) সেইরূপ এই মহাদেবই সকলের মূল সমূহ দলিত না করিতে পারিলে তুমি ধীর হইতে না, এক্ষণে ধীর হইতে না, এক্ষণে কারণ। সৰ্বশ্বরূপ এই চিলাই সকলের সাৰবিয়া কথিত হন , তুমিই আত্মলনে সমর্থ হইবে , অতএব তুমি আম্মদী হও। ইনিই সকলের চৈতন্যসম্পাদন করিতেছেন। ইনিই সকলের ১৫। তুমি এক্ষণে নিখিল প্রপঞ্চের বাহুরূপে অবস্থিত - সত্তা প্রদান করিতেছেন ইনি প্রত্যেক ইন্দ্রিয় ও প্রত্যেক বোধ না করিবার জন্য আপাতত এই দৃশায় থাকিয়াই বস্তুতে স্কুরিত হইতেছেন, ইনি সর্বদা সর্বত্রই ভারূপে কথিত উপণে শ্রবণ কর। আত্মলাভের জন্য চেষ্টান হও, উদিত হইতেছেন, বিগণ ইহাকেই অৰ্চনা ও ফলন করিয়া নিশ্চষ্ট হইয়া থাকিলে কিছুই হবে না। এই বলিয়া জিল থাকেন। ১৮-২৩। ইনি চৈতন্যরূপে সর্বত্রই অবস্থান করিতে এরীর বা দেরিতে আত্মবুদ্ধি পরিত্যাগ কর” এই একা ছেন বলিয়া ইহার অর্চনায় আবাহনমন্ত্রাদি ছুিই আবশ্যক হয় উপ দি গেহাতাত্রম পরিভাগের উপায় বলিতে লাগিলেন। না;ইনি সকলের অন্তরে নিত্যই আহত রহিয়াছেন, আত্মচৈত- এই দেহ-গৃহ প্রাণঘায়ুর শাহায্যেই যন্ত্রের সায় নত হইতেছে, এই চিদাম্মাকে সর্বত্রই পাওয়া যায়। হে মুনে। ইনি যে, প্রাণবায়ু না থাকিলে এই দেহ নিস্পন্দ হইয়া কে অবস্থিতি যে বড় প্রাপ্ত হইতেছেন, সেই সেই বন্ধুতেই উত্তর স্বরূণ করিত। দেহের কবি শক্তি পবনে, জনশক্তি কে ও ভরে মনরূপ মন এবং সাকী দৃষ্টির স্বরূপ নিজেই টিভি। সে জ্ঞানশক্তি মূৰ্ত্তিন, আপেক্ষাও নির্মলা; ধারণ করেন। হে মূলে। তুমি এই সুরের চিত্যকেই সংবর সত্তাই ইহার অস্তিত্বের প্রতি কাৰণ। শনি! সকলের জন্য পুনম স্তোত মূল্যবান ৰন্ত এবং নিখিল করা প্রাণও কিশর আশ্রয় দেহ; শক্তির কারণ ঐ এল পদার্থের ও সকল মূহৎ যর চরম সীমাবলি আনিবে। এ- যে সামান্তৰায়ুরূপেই বিদ্যমান থাকে। ধাহাকে চিজ শােকভয়বিনাশী এই আমার সাক্ষাৎকার লাভ করিতে রিলে যাইতেছে, তিনি আকাশ অপেক্ষাও নি তাহার লি জীব সৃষ্টীলেরায় আর রিত হয় না (অর্থাৎ একেবারে শাই, কেন বৃথা অসমে পতিত হইয়া থাকে। যেমন নির্বাণ মােৰুণাভ করে)। যিনি নিখিল এতে নরপে শনিহলে হাতে প্রতিবিম্ব পড়ে, সেরূপ এনাে- আন কত অভয় এল কবিনে এবং যে গর্ব দেবের এইং কর্ম করিলেও কি করিতেছেন না। ইনি দ্রুত হয় পরিণত হইয়া পড়ে, ও এক লােকাল হয় নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ ৪৪। উপাসলা বিনা অয়াসেই সিদ্ধ হইতে পারে, হে মুনিবর। তুমিই কায়বর্জিত হইলেও মহাকায় অর্থাৎ ব্রহ্মাণ্ডশরীর। মহাকা সেই অজ পরম-পদ (আত্মা) হইতেছ, অতএব কি জন্য বহু হইলেও ইনি কায়সূত। ইনি অন্য অর্থাৎ যষ্টিক সময় দৃষ্টিতে মুগ্ধ হইছে?২৪-২৮। হইলে এত অর্থাৎ তাহার প্রথম মুিহূর্তক, আবার পঞ্চত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩৫। প্রাতঃ হইলেও ইহার উক্ত অন্যত্বের কিছুই ব্যাখাত নাই। ইনি অধ্যও নহেন, প্রাতঃও নহেন; অথচ অধ্যও বটে প্রাঃও বটে। ১১-১৫। ইহার কাছে “ভিণ্ডি “ ভিখিলে মন্ত” পুপিচ্ছিলি” “সালঘ” “বিবিৎ” “চলিং “সালাে” “কালাসো” বত্রিংশ সর্গ। গুলুলু” “শিলী” ইত্যাদি অনর্থক কথাও সত্য হতে পারে, ঈশ্বর কহিলেন,—এই চিপ আত্মার সাক্ষাৎকারে পুনর্জন্ম এমন কি বেদাদি শাস্ত্রোক্ত কথাসমূহ যেমন সত্য, নেই সভ্য নিৰারিত হয় বসিয়া, হ্মবিদগণ, নিখিল বস্তুর সত্তারূপে অবস্থিত হইতে পারে, এমন কিছুই (বিষয়) নাই, যাহা ইহাতে সভ্য সানুভুতিময় বিশুদ্ধ এই দেবকে সংসারনােগবিনাশী সর্বেশ্বর হইতে পারে না এবং এমন কোন বস্তুই নাই, যাহা ইনি নহেন। বলিয়া, নির্দেশ করেন। তুমি এই নিৰ্ম্মল চিৎসার আত্মাকে (অর্থং অলীক আকাশকুনুমাসিও ইহাতে সত্য হইতে নিখিল বঙ্গব বীজ, সংসারের সার এবং সমস্ত কর্মের মধ্যে পারে এবং ইনি ভিন্ন কিছুই নাই। হাতে সমুদ, ঘঁহা উত্তম কৰ্ম্ম বলিয়া আনিবে। ইনি নিখিল কারণের কারণ হইলেও হইতে সমুদয়, যিনি সমুদয়, সমুদয় হইতে যিনি এবং যিনি (পরমাতঃ ) কারণ নহেন এবং নিকলঙ্ক, (নির্লেস) ইনি নিখিল সর্বময় , সেই সর্বপ দেশকে নিত্য নম্র। পত্রপল্লব- ভাবনীয় পদার্থের ভাবনস্বরূপ অথচ নিজে অভাবনীয় এবং পরিশােভিত ভাজলে পরিবৃত, নিবিড়াল তরুবর, নিবিড় অভবস্বরূপ (জন্মবিবর্জিত)। ইনি নিখিল বুদ্ধিতির প্রকাশ ঘসৌদামিনী কমনীয়া বিলাসিনী স্বীয় ফলপত্র- সশােভা করিতেছেন এবং চৈতন্যত্মক জীবের অন্তরে চিংসাররূপে বিরাজ, যারা অন্য বনের সমৃদ্ধি শােভাকে বৃষ্টির ন্যায় সঙ্কুচিত করিয়া মান রহিয়াছেন। ইনি নিজে প্রত্যক্ষরূপে অবস্থিত থাকিয়া আত্মসাৎ করিয়াছে। অমল অলপল্লবতিত কনমালাধারী বুদ্ধিবৃত্তির ব্যাপ্তি দ্বারা নিখিল বঙ্গ বেদ্যবস্তুর প্রকাশ করিতে পুরুষগণের প্রধানতম বিশ্বম্ভর বিষ্ণু, জগমােহিনী নবনীরদ- নিখিল বেদ্যবস্তুর অধিষ্ঠান অঙ্গরূপে অবস্থান নিলী স্বীয় দেহশোভার সহিত আমিনী লরী দেবীকেও মুষ্টিক করিতেছেন। ইনি একরূপ হইলেও মায়া দ্বারা বহুরূপে ভাবিত একীভূত করিয়া রাখিয়াছেন। ইত্যাদি বিধি অর্থ এই হন। ইনি নিখিল জ্যোতির জ্যোতিস্বরূপ এই নিৰ্ম্মল আত্মা শ্লোকের আছে অথচ পঠনষত্রে ইহা নিরর্থক ৰশিয়া প্রতীয়মান আলৌকিক বলিয়া কাহারও আলােকনীয় হন না। ব্ৰহ্মবিদগণ হয়)। ১৬-১৯। জানেন, এই বিমল চিদাত্মা প্রকাশময় একমাত্র বীজ হইয়াও বহু যত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত। বীজস্বৰূপে অবস্থিত হইতেছেন। ১৫। পৃথিব্যাদি কোন ভূতই ইহাতে অবস্থিত নহে, ব্যাবহারিক সত্য বা প্রতিভাসিক অসত্য কিছুই ইহাতে নাই। জগৎসা ও অ্যাকৃত কারণসত্তার সপ্তত্রিংশ সর্গ। বাধ হইয়া গেলে, ইনি যে সাক্ষী চিত্ররূপে পর্যবসিত হন, তুমি ইহাকে তাহাই জানিবে। ইনি নিজে রাগস্বরূপে বিদ্যমান ঈর কহিনে,যে সবের পূর্বোক্ত এবং অন্যান্যপ্রকার হইলেও রঞ্জনকারী, রনের করণ ও রজেরূপ হন। ইনি অনর্থক বাক্য বা শব্দসমূহের অর্থও সত্য হয়, সেই নিখিল নিলে আকাশস্বরূপ হইলেও ঝটিতি সুশােভিত প্রাচীর হইয়া জগতে সত্তারূপ মণির পেটিকাস্বরূপ মাৰলিত কন্ধে খাকেন। চিত্তরূপে বিকাস এপ্ত এই চিতিতে কোটি কোটি অগৎ বিভাস কোন শক্তি না বিকশিত হয়। সেই চিপী পরম মমরীচিকা কুরিত হইয়াছে, হইবে ও হইতেছে। প্রকাশ মণিতে যে সমূৰীশক্তি, বিচিত্র জগঞ্জে আরােপ করিতেছে, এই চিদাআয় এই জগৎ তদীয় সত্তাত্রে সম্পন্ন হইলেও এচ তাহাদের প্রকাশ স্পষ্টভাবেই হইতেছে। এই ঐরী চিৎসা কিছুই সম্পন্ন হইতেছে না। অম্বির উষ্ণতা যেমন জঙ্গি হইতে বাণিৰীকণার অভ্যন্তরে অবস্থিত, থাকিয়া ক্ষেত্রে পরিত অপৃথ, দ্রুপই ইহা (অগৎ) উক্ত চিতি হইতে ভিন্ন। এই মৃত্তিকা, জল ও কালাদি' সহকায় কারণের সাহায্যে প্রথমে চিরকা নিজ উদরে মহামে থারণ করিলেও মহামেরুকে আচ্ছ- অনােপালন করিয়া ক্ৰমে অলভাব হইয়া ওদন হইয়া দান করিয়া থাকিলেও বিদগণ ইহাকে পরমাণুর সমান আল থাকে। ঐ ঐরী শক্তি সরূপে সলিলের যে ও আবর্তের করেন। ৬-১০। ইনি মহাকলকে আপন গর্ভে ধারণ করিলেও মধ্যে স্থান করিয়া কঠিন শিলালিংযােগেও নিমােতি ও নিমেষরূপে কখিত হইয়া থাকেন, ইনি সমগ্র কল আক্রমণ চাশেমিংবােগে উদরমধ্যপ্রবেশরূপ সলিলের শব্দ উৎপাম, করিয়া অবস্থান কৰিলেও ঐ নিমেষপরিমিত কালত্ব পরিত্যাগ করিয় থাকেন! এই চিৎসই কুমরে মধ্যে মকর- করেন না। ইনি কেশরে গায় অতি মূল ইয়াও নিখিল রসগরুপে অবস্থান কত প্রাণের বিকাশপ্রাপ্ত হইয়া মহীৰও ব্যাপিয়া রহিয়াছেন। সসাগর-বনপরিহিতা পৃথিবী নাসারকে উফুন করে। যেমন তুকে কু (ফাকা) ইহার শেষ সীমা বাপিতে পারেন নই। ইনি সংসার- পর্বত জমে উৎ তৃণমজলিজে সচ্ছল ওত কৰে রচনা না করিলেও তাহার কর্তৃত্ব প্রাপ্ত হইয়াছেন। ইনি লােৰুৰাসে পরিপূর্ণ হইয়া যেন মূল একটা লােকালয় স্বাক্ষপে দ্রব্য নহেন, কোন দ্রব্য ইয়াতে না পাৰিলেও ভবন। ইনি হইয়া বিল হইতে পৃথক সশর আসন দিকে ছে। এs ) 13 বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ T ব্যাবহারিক সঞ্জতে সত্য করিয়া তুলেন।১৩। পিতা যেমন নিয় িনাট্যশালা ব্রহ্মাণ্ড, তাহা সকল ঋতুর মরশিতে আপন পুত্রকে আপনার আত্মবােধে তারা নিজ কার্যসাধন সমাকীর্ণ, তাহাতে পুনঃপুনঃ সলিলধারাবণ অভিনয়করণের করিতে চেষ্টা করেন, সেইরূপ এই চিন্তা বায়ুরূপস্পন্দকোষী গাত্রের ধর্মবিমূবং লক্ষিত হইয়া থাকে। মেঘমালারূপ দশা হইয়া তৰপ আপনা হইতে উৎপন্ন ত্বগিলিয়কে জ্ঞানের (পাড়) বিশােভিত নীলাম্বর ঐ ট্যশালার অভিনেত্রীর পরি- নিমিত্ত এবভ করেন। ঐ চিৎসই আবার আপনার প্রকৃত ধোবাস। বিবিধ রত্নখচিত বিশুদ্ধ সপ্তসাগর ঐ অভিনেত্রীর স্বরূপসিসি নিমিত (মােক্ষলাভের অঙ) আপনাকে নিখিল হস্তুবলয়। ঐ অভিনেত্রী অহদিবসপপ্রভৃপি নেত্র- অগরে সম্মিলিত সভাসমূহাত্মক একরূপ ভাবনা করিয়া আকাশের কটাক্ষপাতে অস্বরল উগসিত করিতেছে। কুলপৰ্বত সকল আর নিখিল প্রপঞ্চকে শূন্যময় কৰিা ফেলেন। ইনি আকাশ ঐ অভিনেত্রীর শিরােভূষণ কিরীটালি, তাহা কখন অবনমিত বা রেখে নিজ সত্তার প্রতিবিশ্ববৎ প্রতীয়মান ক-নিমেষা- উন্নমিত হইতেছে। সলিলা ভাগীরথী উহার হারঘষ্টি , মিলানে লাঞ্চিত কাল-নামক নির্মল আকার ধারণ করেন। ঐ গঙ্গাসলিলে প্রতিবিম্বিত শশী, ঐ হারের চন্দ্রকান্তমণি। মহেশ্বর সদশিব হইতে আৰম্ভ করিয়া এই জগৎ,প্রপঞ্চ সমস্তই সান্ধ্যমেঘ উহার করপল্লব, তাহা কখন বাহিরে বিকাসিত পরিনীল , সুতরাং নিখিল কাৰ্য্যের ব্যবস্থাপিকা নিয়তিই কখন বা তিরােহিত। ভুবনবসিজনগণ ঐ অভিনেত্রীর গাত্রভুষণ, মূলশক্তিই) “ইহা এইরূপ, ইহা তক্রপ নহে” এইরূপে স্বয়ং তাহা অবিরত ঝনঝনায়িত হওয়ায় ঐ নাট্যশালা অতিমনের উৎপন্ন হইতেছে। ৭-১০। অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত্রিতে গৃহমধ্যে দীপ হইতেছে। ভূতল, গাল, নভন্তল ঐ নটীর পাদবিক্ষেপ থাকিলে যেমন গৃহমধ্যস্থিত বস্তুসমুহ প্রকাশিত হয়, তদ্রুপ ভূমি। অরকাপুঞ্জরূপ ঐ নটীর গাত্রনিঃসৃত স্বেদবিন্দু কখন অপরিচ্ছিন্ন সভ্য ঐ চিজ্যোতিতেই এই জগৎরূপচিতপরম্পরা উদগত হইয়া আবার বিলীন হইয়া যাইতেছে। ঐ নদীর প্রকাশিত হইতেছে। কথিত নিয়তি পরকাশনগরের নাট্যশালায় গগনরূপ মুখে চন্দ্ৰসূৰ্য্যরূপ কুণ্ডলযুগল দোলন্বিত, ঐ মুখমণ্ডল (আগ্রাদি ভূমিতে) নিজ শক্তিসম্পাদিত সংসারনাটকের স্মিতশােভী (খিত এস্থলে চন্দ্ৰসূৰ্যেৰ প্ৰকাশ)। ব্রহ্মাণ্ডকপাট অভিনয় দর্শন করত সাকীভাবে অবস্থান করিতেছেন। বশিষ্ঠ ঐ নাট্যমন্দিরের চন্দ্রাতপরূপে কল্পিত হইয়াছে। অনুর বিতাড়িত জিজ্ঞাসা করিলেন-হে জগন্নাথ। এই শিব চিদাত্মার শক্তি আক্রোশমান লােকনিকর ঐ নটীর মুক্তাগুন্দিত উত্তরীয় বসন। কিরূপ? এবং কিরূপে তাহা অবস্থিত রহিয়াছে, সাক্ষীভাব | সুখদুঃখদশা ঐ নাট্যক্ষের নটীর বসব পরিস্ফুটকরণ। এই কিরূপ? এবং উক্ত শক্তিসমুহের ব্যাপার কি প্রকার ও কিয়ং- সংসারনাটকের অভিষে, বিবিধবিকারভঙ্গীপূর্ণ নিয়তিবিলাস- পরিমাণ ? তাহা আমার নিকট কর্তন করুন। ঈশ্বর কহি- বিষয়ে এই পরমেশ্বর সর্বদা সাক্ষী হইয়া সর্বদা একস্বৰূপে লে,-“হে সৌম্য। মঙ্গলময় চিত্মারূপী শান্ত সময় নিরাকার অবস্থান করিতেছেন , ফলতঃ তিনি উক্ত নটী ও নাটক হইতে অপ্রমেয় পরমাত্মার ইচ্ছাস, আকাশসা, কালসা, নিম্নতি, সম্পূর্ণ বিভিন্ন রহিয়াছেন, উহার সহিত তাহার কোন সম্পর্ক সন্ত মহাস, জ্ঞানশক্তি, ক্রিয়াশক্তি, কর্তৃত্বশক্তি, অকর্তৃত্বক্তি নাই। ২৫-২। প্রভৃতি কত প্রকার যে শক্তি আছে, তাহার ইয়ত্তা করা যায় না। সপ্তত্রিংশ সমাপ্ত। ৩৭। ১১-১৬। বশিষ্ঠ পুনরায় জিজ্ঞাসিলেন,-“দেৰ। এই শক্তিসমুহ পরমাত্মার কোথা হইতে কিরূপে উৎপন্ন হইল এবং এই শক্তিতে বহুৰ কিরূপে আসি ও ইহাদের ছোভেদ কি একার, আইব্রিণ সর্গ। তাহা ব্যক্ত করুন। ঈর কহিলেন-অনন্ত মহল চিত্মার মায়িক বিকলকল্পিত যে চিদভেদ, তাহাই শনািমে অভিহিত ঈশ্বর কুহিলেন,—“এই অনুভূতিস্বরূপ চিং মাত্র সর্বগামী হয়। ঐ শক্তি আৰুত্ব কর্তৃত্ব, ভাে, সাকিবের জনা ফেবই সকলের আশ্রয় ও সাধুদিগের সর্বদা পরম পূজনীয়”। করিয়া সলিলের অভিভভাবধারণের ন্যায় বিবিরূপ ধারণ ইনি খট, পট, শকট, অবউ, (গ) ৰা মানৰ সর্বত্রই অস্থিতি করিয়া থাকেন। ঐ শক্তি নক কালের নিকট ক্রমে শিক্ষিত কৰিতেছেন। বুদ্ধিগণ সর্বদা সকলের বাহিরে ও অন্তরে হইয়া এই ব্রহ্মাগুরূপ নৃত্যমণ্ডপে নৃত্য করিয়া থাকে। ১৭–২০। অবস্থিত। এই দেকেই শিব, হয়, হরি, ব্রহ্মা, ই, ফুৰেষম পরকালপরিমিত ও হার অন্তর কর ও অবকাল ইত্যাদি নানারূপে পুজা করিয়া থাকেন। “হে মহামতে। হে পরিমিত যে শক্তি, তাহাই নিয়ভিদামে অভিহিত হয়। উক্ত অজ্ঞ! ঐ দেবের বাহপূজা যেরূপে সম্পাদিত করিতে হয়, তাহা নিয়তি এবার ঈশ্বরের ক্রি, বহু, ইচ্ছা বা কাল ইত্যাদি নামে অগ্রে বলি, শ্রবণ কর , পরে আন্তরিক পূজার কম চাষণ করিও। অভিহিত হইয়া থাকে। মহাজের অস্থিতি পর্যন্ত “ইহা এইপে এই বেগৃহ শাস্রোক্তন আনাদি সংস্কারে পবিত্র হইলেও অবস্থিত ইভাকার নিয়মে অবস্থানহেতু এবং তৃণ হইতে পৱ ইহা পরিত্যাগ করিতে হইবে, এই দেহের সাক্ষী ডিজাগে যে জ্ঞান অনির স্পন্দপ এইপ্রকারে নিরবচ্ছিন্নভাবে নিয়মনহতুক তাছাই পরম পবিত্র, হাই খপূর্বক গ্রহণ করিতে হইবে। ঐশক্তি নিতিসংজ্ঞায় অগ্রিহিত খয়াছে। ঐ নিয়তি থাৎ অন্তরে ধ্যান করাই এই দেবের পুজা ; এভদ্যতীত ইহার পূজায় মন অবােধ ব্যর পরিমাতি না হয়, তাবৎকাল উতে আর কোন ক্রন্দনাই। অতএব ত্রিভুবনের আধাই এই লেকে হয় মৃত ও অগৎসমূহনাটকের অয়ি করিতে থাকে। উর | সর্বদা ধ্যান খায়। পল করিশে। এই দেবের চিপ বের আল মুয়ি বিবিধ রসসি পূর্ণ বিবরূপ আমি দেখীপ্যমান এক নিখিল প্রকাশের প্রকাশকারী। এই এর চিফনী। উক্ত এজিদে অবসানে এলষণে বিশেষিত চিএকাশই এইভাবের পিরভাগ; অতএব ইহাই পাবর্তন বা বাণিত হইয়া থাকে। ২। ঐ আশ্ৰণীয়। অপায় পরমাকাশের বিপুল বিশালতা এই দেবের ।
নিৰ্মাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। ১১ গ্রীবাদেশ। অনন্ত যে অখােবা আকাশকোষ, তাহাই ইহার গৃহে যেমন জােগসমূদয় উপভোগ করেন, আপ অয়াশ পাদপদ্ম , বিশাল অনন্ত দিল ইহার ভুজমণ্ডল, চতুর্দিৰ্ত্তী নিমেষকালমাত্র নিখিল বিষয়ভােগ উপভােগ কৰিা । লােকসকল ইহার করত মহান অনিকর। ইহার হৃদয়কোষ- মুঢ় ব্যক্তিও এই দেবের এইপে পুজা করিলে গাে-গানের ফল কােণে ব্ৰহ্মাণ্ডপরস্পর বিশ্রান্ত রহিয়াছে, ইহার অপার শরীর লাভ করে। মানব যদি শতনিমেষকাল মাত্র এই প্রভুর পু প্রকাশস্বরূপ এং পরকাশের (জ) পারে অবস্থিত ইহার করে, তাহা হইলে অশ্বমেধযজ্ঞের ফল লাভ করে। অর্থঘটিকা- চতুর্দিকে অন্তরাল দিকে উ ও অধদিকে ব্রহ্মা, ই, হরি, রুদ্র মাত্র এই প্রভু মিল আত্মদেবের পূজা করিলে, নব সহ ঈশমুখ দেবগণ খােত করিয়া অবস্থিতি করিতেছেন। ৬-১১। অমেধযজ্ঞের ফল লাভ করে। যে ব্যক্তি একঘটিকা মাত্র এই ভূতশ্রীকে উক্তদেবের নােমাবলী বলিয়া চিন্তা করিবে। ধ্যান-উপহার দ্বারা এই আত্মদেবকে আত্মা দিয়া পুজা করে, সে বিবিধারকাৱিণ ব্রিজগৎ-রূপ যন্ত্রের রজতা ইচ্ছাপ্রভৃতি রাজসূয়-যজ্ঞের ফল লাভ করে। এইরূপে অর্ধদিবস পূজা করিলে শক্তিসমুহ দেবের শরীরস্থিত নাড়ী বলিয়া জানিবে। এই পরম মানব একলক্ষ রাজসূয়-যজ্ঞের ফল লাভ করে। এইরূপে এক দেবতাই সর্বদা সাধুগণের পূজনীয়, ইনি সকলের আধার সর্ব দিবস পুজা করিলে, মানৰ পৰম কৈবল্যধামে বাস করে। গামী অনুভূতিময় চিৎপরূপ। ইনি ঘট, পট, অবট, ভিত্তি, শকট, আত্মদেবের এবংপ্রকার খ্যানই পরম যােগশষে অভিহিত হয়, মনুষ্য সর্বত্রই অবস্থিতি করিতেছেন। ইনিই শিব, ইনিই হর, ইহাই সর্বোত্তম ক্রিয়া , তোমাকে আত্মদেবের এই বাহু পুজার ইনিই হরি, ইনিই ব্রহ্মা, ইনিই ই, ইনিই বম, ইনিই কুবের, ইনি বিষয় কহিলাম। যে মানব নিখিলপাপৰিষাতকারী এবংবিধ বিবিরূপ ধারণ করায় অনন্ত পদের বাচ্য, ভেদবুদ্ধি পরিত্যাগে পবিত্র পূজা অক্লিষ্টমনে ক্ষণকালও সম্পাদন করতে পারে, হে ইনি একমাত্র সন্তাশরীর , অতীত ইহার আর কোন শরীর যত্মরূপি বশিষ্ঠ। সে মানষ আমার ন্যায় মুক্ত হুইয়া, নিজপদ নাই। ১২-১৫। জগৎসমূহের বিবর্তনকারী কলদেব ইহার জ্বর- লাভ করিতে সমর্থ হয় এবং সমস্ত সুরাসুরগণ তাহার পূজা পল, শৈল-সমন্বিত সমস্তভূবনময় এই ব্রহ্মাণ্ড ইহার মন্ত্রিপবলিত করিয়া থাকে। ২৮-৩৭। কোন অংশের একদেশ, মুতরাং ইছার দেহের এককোণত্র বলা অষ্টবিং সর্ম সমাধ। ৩৮। যাইতে পারে। সহচক্ষু, সহকর্ণ, সহস্ৰমস্তক, সংবা শান্ত এই মহাদেবকেই চিন্তা করিবে, ইষ্টার দর্শন-শক্তি সর্ব্যাপিনী, ইহার ঘ্রাণশক্তি সর্বব্যাপিনী, ইহার স্পর্শশক্তি সর্বব্যাপিনী, ইহার বাসনশক্তি সর্বত্র অবস্থিত, ইহার শ্রবণ ও মননশক্তিও একোনটারিং সর্গ। সর্বত প্রসারিত। অথচ ইনি সকল প্রকার মননের অতীত , ইনি ঈশ্বর কহিলেন—“ঘাহা নিখিল পৰিত্রের পবিত্রতাকারী, সাপেক্ষা পরম শিবময়। ইনি সদাই সর্বকর্তা, ইনি নিলি যাহাতে নিখিল তমাে দূর হয়, আত্মদেবের মেই আভ্যন্তর পূজা সঙ্কল্পিত বিষয় প্রদান করে। এই সময় দেব নিখিল ভূতের এক্ষণে বলিব, শ্রবণ কর। ঐ আভ্যন্তরপূজা শয়নে স্বপনে, গমনে, অন্তরে অবস্থিত, ইনি সকলের একমাত্র সাধন। এই অবস্থানে, সর্বসময়েই হইতে পারে। ঐ পূজাও ধ্যানাক্ষিকা, দেবেশ্বরকে এইরূপে চিন্তা করিয়া তৎপরে ইহার ঘষি সকল প্রকার ব্যবহারদশাতেই উহা সম্পাদিত হইতে পারে। পূজা করিবে। ১৬-২১। হে ব্ৰহ্মবিদের শ্রেষ্ঠ। সংবিদ্রপী ঐ পূজাতেও শরীরস্থিত নিখিল ব্যবহারকর্তা পাম শিব এই এই দেবের যে উপচারে পূজা করা হয়, তোলার নিকট গেই দেবকে সর্বদা স্তরে ধ্যান করিতে হইবে। এই আত্মণে উপছারের কিনি কহিতেছি, শ্রবণ কর। এই দেবের পূজায় শয়ন, উত্থান বা গমন করিতেই থাকুন, স্পর্শালি বিষয়সকল পূপ, দীপ, কুসুম, দান, কুকুৰ, কপূর, অন্নাদি দা বিভবপণ ভােগ করিতেই থাকুন বা ত্যাগ করিডেই থাকুন, এই বিপুল ভােগ- বা অন্যান্য বিচিত্র উপকরণ কিছুই প্রয়ােজন হয় না। কেবল রাশির ভােগ ভাগ উভয়েরই কর্তা বা আগ্রাদিবিষয়ের অনন্যসলভ্য শীতল (শান্তিময়) অবিনাশী আত্মবােধ মুতেই সম্পাদনকারী নিখিল কার্যের স্বরূপ দেহরূপ লিঙ্গমধ্যে শান্ত- ইহার পূজা হইয়া থাকে। ইহাই ইহার পরম ধ্যান, ইহাই ভাৰে ( নির্বিজেপরুপে অবস্থিত এই বােধলিঙ্গ অর্থাৎ, আত্ম- ইহার পরম পুজা। যাহা অন্তরে বিশুদ্ধ চিত্ররুপে সেবক উহার ঘাপ্রাপ্ত স্বরূপজ্ঞানে উহার মৃৎকাঠালিম লিঙ্গান্তর অবস্থিত, দর্শনে, শ্ৰষণে, স্পর্শনে, ভোজনে, ঘ্রাণে, শয়নে, স্বপন, (প্রতিমায়) পরিত্যাগ করিয়া পূন করিতে হইবে। ১- নিঃসত্যাগকালে, কখনসময়ে এবং আদান-বিসানে সময়ে তাঁর কর্মফলের প্রবাহে গতি ভােগবিষয়ে অযহেতু স্বরূপে বিশুদ্ধ চিত্ররূপে অবস্থিত করিতে হইবে। বিজি লা না করিতে পারিলেও বিও আখবােধরূপ মানে পুরস্বাদযুক্ত বিশুদ্ধ ধ্যানমুখা দিয়াই এই আত্মেরের পূজা বিশুদ্ধ হইয়া নিত্য বােধরূপ উপচারে উক্ত বােলিজকে পুজা করা বিধেয়। ঐ থানবিষয়ে একাগ্রভাবে চেষ্টাই ইমেৰপূজার করিতে হইবে। এই আলেবের এবংবিথ পুলিয়ে কখন কুসুম। খনই এতদীয় পুজার উপহার, ধানই এতণীয় পুজা ইহাকে গগনমণ্ডল উজ্জ্বলকারী আদি-মণ্ডলপোৰু করিবে, ব্যাপার, ব্যানই পাল, অধ্য, বিশুদ্ধ চিত্মক চৈতই এতদীয় কখন ভাবনায় ইহাকে চলে সমুদি জখন কবি। ধ্যান, অধিক কি বলিব, নই এই দেবের পুজায় আরও বিৰে, ইনিই প্রতিভাসিক পাছুহের মধ্যে সংবিৎ খবতীয় উপকরণ জানিৰে। ২২-২৭। নব্যতিরেকে কিছুতেই রূপে অবস্থিতি করিতেছেন,ইনিই গতবার যারা প্রাণস্বরূপে এই আত্মদেবের লাভ হয় না, খানবলেই এই আত্মার স্বরূপ মুখ নি এবাহিত হইতেছেন। ইনি শব্দাজি বিষধরসকে নিন প্রকাশ-রূপ অনুগ্রহ লাভ করা যায়। হে দুমতেছে মুনে। এই আনন্দরসে ভিসায় মধুর কমিলা আদালন করেন। ইনি প্রাণ খ্যানের প্রভাবেই এই আত্মৰে প্ৰসন্ন হইয়া, দেহাভিমানী হইয়া আপনবায়খে আলােহণ করিয়া প্রাণ ও দুরূপ ফুল - বােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ । } সাহায্যে বিচরণ করিয়া থাকে; আলমধ্যবর্তী হামধ্যে ইনি শরীরই (অক্সাই) ঐ পুজকের পূজ্য দেবতা। উক্ত পূজক সৰ্ব্ব- এভাবে অবস্থান করেন; ইনি নিখিল দৃষ্টির ভা, গামিনী সমবুদ্ধিতে যথাপ্রাপ্ত (অনায়াসলভ্য ) সর্ববন্ত দ্বারাই নিখিল কর্মের কর্তা, নিখিল ভােজ্য দেশের ভােক্তা, এবং সকল উক্ত চিন্ময় দেবের উপাসনা করিয়া থাকে। ২৬-৩০। এই প্রকার সংবিদের (ভবেরস্মৰণকর্তা। ইনি নিখিল অঙ্গে আত্মদেবের পুজা করিতে হইলে বিশেষ আয়োজনের প্রয়ােজন হয় চেঙ্গা সঞ্চার করিয়া প্রকাশ করিতেছেন, ইনি বিষয়সমূহের ভাবনা না, সম্মুখে যাহা পাওয়া যায়, বাহু-আভ্যন্তর নিখিল বন্ধুর দ্বারাই ও অভাবনা উত্তর দশতেই লক্ষিত হইয়া থাকেন। ইনি নিখিল | তাঁহাকে পুজা করিতে হয় না। গন্ধপুষ্পদি উপচার সংগ্রহের প্রকাশ অকাও প্রকাশময় সর্বগামী শিবময় এই আত্মদেবকে নিমিত্ত কিঞ্চিত্রও যত্বের আবশ্যক নাই। যে যেরূপ জাতি, এবংপ্রকারে চিন্তা করিবে। ৭-১২ । আরও ভাবিৰে, ইনি কলা- শাস্ত্রে তাহার যেরূপ অধিকার কীর্তিত হইয়াছে, সে তদনুসারে সহি হইলে ফলাযুক্ত, দেহমধ্যবর্তী হইলে গগনচারী, অরঞ্জিত । আপন আপন বাতি বস্তু দিয়া পয়মবিহু পরমাত্মদেবের পূজা হইলেও রঞ্জিত, ইনি সর্বাঙ্গ্যাপী বেবস্বরূপ। ইনি মনের করিবে। যে বহুষিৰণালী, সে যথাপ্রাপ্ত ক্য-ভােজ্যাদি দ্বারা মননশক্তির মধ্যে অবস্থিতি করিতেছেন, প্রাণ ও আপনবায়ুরমধ্যে! শয়নে, উপবেশনে, গমনে সর্বসময়েই শান্তিময় আত্মদেবের পূজা উদিত হইতেছেন , হৃদয়, কণ্ঠ ও তার মধ্যে রহিয়াছেন, খুগ করিবে। যে কান্তাসম্ভোগ ও বিবিধ সুরস ভক্ষাভােজনবিলাসী, ও নাসাপুটে গতায়াত করিতেছেন। ইনি শৈবশাস্ত্র-প্রসিদ্ধ সে যথাপ্রাপ্ত অাপন মুখসার উপহার দিয়া সম্বােধনপূর্ষক আত্ম- ত্রিংশ (ছত্রিশগ্রকার) তত্বের চরমস্থানে অবস্থান করিতেছেন। দেবের পূজা করিবে। যে আধি-ব্যাধিপীড়িত মােহপ নিমগ্ন ইনি আপনার মধ্যে শাদি বিষযজালের সৃষ্টি করিতেছেন। ইনি ' সে যখাপ্রাপ্ত আপন দুঃখসার দিয়াই আত্মদেবের পূজা করিবে। মনােবিহঙ্গকে ইতস্ততঃ পরিচালিত করিতেছেন। ইনি সবি | ৩১-৩৫। এই জগতে যত কিছু চেষ্টাবস্তু আছে, যাহার যাই। নির্বিকল্প বিবিধ বাকুপথেই অবস্থান করিতেছেন , যেমন লি- অাত্মত্ত, সে তত্তদবস্তু এবং মৃত্যু, জীবন, স্বপ্ন প্রভৃতি যাহা তাহার রাশির প্রত্যেকেতেই তৈলসগন্ধ রহিয়াছে, সেইরূপ ইনি সকল অভিলষিত, তাহা দিয়াই আত্মদেবের পূজা করিতে পারিবে, অবয়বের মধ্যে সমৃদ্ধ রহিয়াছেন। ইহাতে কোন প্রকার কলা ( হাতে তাহার কোন বাধা নাই)। যে দরিদ, সে আপন বা কলঙ্ক নাই, অথচ ইনি পঞ্চভূততন্মাত্র স্থূলদেহরুপে পরিণত' দারিদ্য দি, যে রাজা সে আপন রাজ্য দিয়া আত্মদেবের পু। হইলে মূর্তি ধারণ করেন। ইনি সর্বদেহে অবস্থিত থাকিয়াও করিবে, কারণ এই আত্মদেবের পূজার পুষ্প বিচিত্রচেষ্টা, যাহ ব পদ্মের একদেশে অবস্থিতি করিতেছেন। ১৩-১৭। বিমল যেরূপ কা*, তাহা এবং উপহার দৃব্য, এই সংসার-প্রবাহ পতিত প্রকাশ চিত্র হইয়াও ইনি কলা (অংশ) কল্পনা করিয়াছেন। আত্মা , সুতরাং যাহার যেপ অবস্থায় অবস্থিত, তাহাকে দৃশ ইনি অনুভূতিরূপে সর্বত্রই প্রত্যক্ষ দৃশ্য হইতেছেন। ইনিই আত্মা উপহার দিয়া সেই অবস্থা স্বার অাত্মদেবের পুজা কবিত আবার আত্মস্বরূপ ভুলিয়া গিয়া প্রত্যক্ত চেতনভাব প্রাপ্ত হইয়া হইবেইিাই শাস্ত্রের উপদেশ। যে ব্যক্তি নিজ নিজ পুত্রবরে ভােগাখী হইয়া থাকেন। ইনি নিজেই আপনার অতিরিক্ত সহিত কলহ করিয়া কালাতিপত করে, তাকেও অত্মদেবের (স্বভিন্ন ) পদার্থসমূহের বেষ ধারণ করিয়া, ক্ষণকালঃধ্যেই যেন পূজা করিতে হইলে আপন শপিন মনোতি রাগষেদি দিয়াই বৈভব প্রাপ্ত হইয়া পড়েন। কুমে ইনি হস্তপদাবয়বসমন্বিত এই সৌম্য আত্মদেবের পূজা করিতে হইবে। তবে প্রধানত কেশনথলযুক্ত হইয়া দেহরূপে পরিচিত হইয়া ভাবিতে থাকেন। সর্বভূতে সমতাপ্রদর্শিনা মিলতাই এই আত্মপুজার শ্রেষ্ঠ উপ- ১৬-২০। পত্নীগণ যেমন উত্তম পতির সদা সেবা করে, , করণ, সেই উপকরণ যাহাতে সংগৃহীত হয়, তারই চেষ্টা করা দেইরূপ বিবিধ ব্যবহাৰতী বিচিত্র বহুবিধ মনঃশক্তি সর্শদ। আমার আবশ্যক। ধস্থ আত্মদেবের পূজা করিতে হইলে সাদিগের উপাসনা করিতেছে। মন আমার স্বামপাল , দ্বারপাল , সে আমাকে দুদমে যাহা অনুক্ষণ থাকে, যাহা চন্দ্রের ন্যায় মধুরতায়, সেই জগন্দ্রয়ের বিবরণ জানাইতেছে, এই চিন্তা আমার ঘরবাসিনী মৈত্রী দ্বারাই তাহার পূজা করা উচিত। মৈত্রী, করুণা, উপেক্ষা, বিশুদ্ধস্বভাব প্রতিহারী। বুদ্ধি আমার শক্তি, ক্রিয়া আমার মুদিতা হৰ্য), ক্রোবাদি নিগ্রহশাম ইত্যাদি বিদ্ধভাব দ্বারাই কমনীয়া কামিনী, জ্ঞানসকল আমার অস্থিত বিচিত্র ভূষণ, কর্মে- আত্মার অর্চনা করিতে হয়। ৩৬-৪০। ভোগালের মধ্যে ক্রিয় ও জ্ঞানেন্দ্রিয়গণ ৰামার আয়; আমি সেই অনন্ত আত্ম, যা আকস্মিক উপগত হইতেছে বা যাহা চিরদিন রহিয়াছে , বা আমার আকৃতির পরিসীমা নাই, আমি পূর্ণ এক অদ্বয় আত্মস্বরূপে অনিনুতবর্তী এমন যথাপ্রাপ্ত বিষয় দ্বারাই আত্মদেবের অর্চনা অবস্থান করিয়া নিখিল বহু পুরণ করিয়া কহিয়াছি ”। ২১-২৫। করিতে হইবে। বিহিতনিষিদ্ধ ভোগসমূহের ত্যাগ ৰা তাহাতে আলেবের একার স্বচ্ছ প্রভাবের পৰিচয় লাভ করিলে একান্ত অনুরাগ, যাহা যাহার অভিলষিত, সে তারাই বিশুদ্ধ পূজক অন্তরে দেবত্বপূর্ণ হইয়া অগীনাবে অবস্থান করে তখন আত্মদেবের অর্চনা করিবে। বাছিত ৰা অবস্থিত, যুক্ত বা অযুক্ত আর সে অস্তমিত বা উদিত হয় না (মৃত্যু হয়), সন্তুষ্টও ত্যক্ত বা অত্যক্ত যাহা যাহার অজিত, তদ্বাঝাই সে ঈশ্বরের হয় না, কুপিত হয় না, যুক্তও হয় না, তৃপ্তিলাভও করে না, অচেনা করিবে। যাহা একেবারে নষ্ট হইতেছে, তাহার উপেক্ষা কোন বিষয়ের বাঞ্ছা বা ভাগ কিছুই করে না। সে অন্তরে করিবে, যাহা পাওয়া যাইতেছে, তাহার সংগ্রহ করিবে, এইরূপে সমাপ, জীমুক্ত সমান ব্যবহারী সনাকৃতি হইয়া সর্বত্র নির্বিকারভাবে বখাপ্রাপ্ত বস্তু যারাই আত্মদেবের পুজা হইয়া সমী হয়, সেই মহামতি তখন একান্ত সৌম্যভাব প্রাপ্ত থাকে। ইউনিষ্ট সময় বিষয়েই পরম সমভাব স্থাপনপূর্বক হইয়া সর্বতােভাবে সুন্দমালয় হইয়া, যতদিন দেহ থাকে, ততদিন প্রতিদিন আত্মপূজব্রত করিবে।১-৪৫। “সমস্তই ব্ৰহ্ম” এই অপরিচ্ছিন্ন এক আত্মা হইয়া অবস্থান করে। এইরূপে ত্রি বুেিত সমই অতিও বলিয়া নিবে, আবার ব্রহ্মসম্বলিত ছিল উনার যতিক্রমে মেষপু করিতে থাকে, চিন্ময় মায়াময় বিগত সমস্তকে শুভাশুভ উভয়ত্মক জলিতে, নির্বাণ-এর-পূর্বভাগ। । । সমস্তই আত্মময় কৰিৰে, এইরূপে প্রতিদিন আত্মপূজাৰত হয় নিকলীয়া একাশমান হউক, তােমায় মনােবৃত্তি করিবে। যাহা পাতরণীয় বা যাহা আপাত দুঃসহ (বিস) এমা ও প্রয়ােলিক অমিত হইয়া যাউক; তুমি তৎসমূদয়কেই সমান জ্ঞান করিয়া আত্মপুত্ৰত করিবে। এই শরীরনামক আত্মদেকে যে, কাল, ক্রিশ্বর বৈচিত্র্যে সব সেই এই আমি” ইহা আমি নহি” এবংপ্রকার বিভাগ কল্পনা বস্তু সর্ববিধ সুখদুঃদি উপহার দি নিত্য পূ ক এক পরিত্যাগ করিবে। “সমস্তই ব্ৰহ্ম” এই স্থির করিয়া আত্মপূজা সর্বচেষ্টা বুদ্ধিতে অবস্থিত হও।১-৬০। করিবে। সর্বদা সৰ্বরূপে সর্বপ্রকার আকাৰবিকারস একোনহানি গর্গ মাও॥৩১। প্রাপ্ত বস্তু দ্বারাই সর্বপ্রকারে সর্বময় আত্মার পূজা করিবে। যাহা অনিষ্ট তাহা পরিত্যাগ করিয়া, বাহ ইষ্ট তাহাও পরিত্যাগ করিয়া অথবা আত্মবুদ্ধিতে উতকেই (সৃষ্ট সনিষ্ট দুইকেই) চারিংশ সর্গ। স্বীকার করিয়া তরা নিত্য আত্মদেবের পূজা করিবে। ৪৬-৫০। সাগর যেমন নদীসমূহের বাঞ্ছা বা আগ কিছুই করেন না, খর কহিলেন-“ঘকালে যথাশক্তি তুমি যে কাৰ্য্য করি- দৈববশ উপস্থিত হয় বলিয়া তাহাদিগকে ভােগ করেন, সেইরূপ ভেজ বা করিতেছ না, ইহাতেই তােমার শান্তিময় চিত্ৰ আৰু বাঞ্ছা ৰা ত্যাগ উভয় প্রকার বুদ্ধি পরিত্যাগ করিয়া স্বভাবতই দেবের পূজা করা হইতেছে। কারণ এই আত্মদেব তাদৃশ পুজ দৈশে সমুপস্থিত ভােগসমূহের ভােগ করিবে। তেই আকাতি এবং প্রকটিত (সম্মুখে সাক্ষাৎকারদা) বা অতুচ্ছ বিষয়দৃষ্টি অন্য যে উদ্বেগ তাহা একেবারে করিবে না। হইয়া থাকেন, নিজে ঈর ঐ আস্বদে তাদৃশ পুতে পার- আকাশ যেমন বিচিত্র বিস্তৃত পদার্থের উপরে পতিত হইয়াই ধিকরূপে নিরতিশয় আনন্দস্বরূপের প্রকাশ এবং মায়ারণত থাকে, সেইরূপ তুচ্ছ অতুচ্ছ বিষয়ের জন্য উদ্বেগ বা হর্ষ হইয়াই প্রাপ্ত হন। বেন বহ্নিকণা বহ্নি হইতে পৃথক্ নহে, সেইরূপ থাকে, তাই বলিয়া তাহার অনুসরণ করা বুদ্ধিমানের কর্তব্য। এই রাগযদি ফের অর্থ নির্মল আত্মাতে পৃথকৃপে অবস্থিত নহে। দেশকালক্রিয়ার সহযােগে যে শুভ বা অশুভ আসিয়া নহে। নিজের বা অপরের রাজত্ব বা বিজ্ঞান (অর্থাৎ উপস্থিত হয়, তাহা নির্বিকারভাবে গ্রহণ করিয়া তারা আত্ম- আমি দরিদ্র অথবা রাজা, এইরূপ অন্যেও দরিদ্র বা আজ এইরূপ দেবের পূজা করিবে। এই আত্মপূজাবিধিতে যে সমস্ত ভিন্ন জ্ঞান) এবং তজ্জনিত যে সুখদুঃখাদির অনুত তাহাই আত্ম- ভিন্ন উপচার নির্দিষ্ট হইল, তৎসমুদর একরূপ সমাসরূপৰসেই দেশের পূজা জানিবে। ঐ নিত্য আত্মাকে যে বিশ্বকাপে জ্ঞান আস্বাদিত করিতে হইবে, সবই এক বুঝিতে হইবে। তৎসমুদয় করা, তাহাই তাহার পূ, ঐ আত্মা ব্ৰহ্মই আকাদিক্রমে কেমন না অম, না কটু, না তিক্ত, না কথায় , বিচিত্র সমিশ্রিত ঘটাদিরূপে বিবর্তিত হইতেছে, দ্রুপ জালাদিপেও বিবর্তিত হইলেও তৎসমুদয় কেবল মধুর বিবেচনা করিবে। বিচিত্র রসগত হইতেছেন।১৫। এই জগৎ উক্ত একমাত্র শিষ আত্মস্বরূপ যে সমতা, তাহাই বড় মধুর, রসশক্তি ইন্দ্ৰিয়াতীত, তারা হইয়া আত্মার সভাতেই আভাসমান হইতেছে, অসম্ভব্যতীত সমভাবাপন্ন রসশক্তি দ্বারা) যাহা ভাবিত হয়, তাহা ক্ষণকাল- ই আভাসমান হইতে পারে না, এই নিখিল প্রপঞ্চ আয়- মধ্যে অমূত হইয়া উঠে৫১-৫৬ | সমতানুধায় বাহা মাখান যায়, সত্ততেই এতীত হইতেছে। এই জন্য ইহাও আত্মস্বরূপে অক তাহাই চন্দ্র হইতে ক্ষরিত অভিনব অমৃতের স্থায় অতিমধুর হয়। স্থিত। কি অা। এই আত্মা ঘটপটাদি পদার্থ হইয়া অন্যবিধ ব্ৰহ্মকদৃষ্টিরূপ সমতাগুণে নিজে আকাশের ন্যায় হইয়া নির্বিকার হইয়া পড়িয়াছেন, জীবর্দিস্বভাবে বিবর্তিত হইয়া ইনি নিজস্বরূপ ভাবে মনোলয়পূর্বক যে অবস্থা, তাহাই মুখ্যপুজা। যিনি একেবায়ে বিস্মৃত হইয়া পড়িয়াছেন। অতএব সমস্তই যখন এক তৰিৎ উপাসক, তিনি স্বচ্ছ পাষাণবৎ কঠিন চিদম্বন হইয়া অনন্ত আত্ম তিনিই যখন সৰ্বশ্বরূপে অবস্থিত হইয়াছেন, তখন পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় সমজ্যোতি ও পূর্ণ হইয়া অবস্থান করিবেন। আবার পূ, পূজক বা পূজা এল কোথা হইতে আসিল; ভবিং উপাসক বাহিরে বা কৰ্তব্য-কাৰ্যসাধন করিতে থাকি ফল অন লাভ করিলে এই পূজপূজাদি শব অলীক লেও অন্তরে রঙ্গনা' বিষয়ানুরক্তি) কুহেলিকা-নিন্মুক্ত আকাশের মিথ্যা বলিয়া প্রতিপন্ন হয়। হে ফল। পূজপূজাদিব্যবহার স্থায় বিশদ হইয়া পূর্ণভাবে বিরাজ করেন। ৫৭-৬০। যখন নিয়ত(পৰিচ্ছিন্ন আকারেই সংকলিত হয়, বস্তুতঃ তাহা শান্ত অজ্ঞানমে একেবারে অন্তর্হিত হইয়াছে, অহাব-কুহেলিকা ঈরে সৰিভই হয় না, কারণ ঈর অনিয়ত ( অপরিচ্ছিন)। প্রশান্ত হইয়া গিয়াছে, হৃদয়বিদারক উপদ্রবসল (কাম- যে দেব পূজপুজৰিতাৰে অবিচ্ছিন্ন (পরিচ্ছিন, তিনি কখনই ক্রোখাদিরিপুর্গ, শরৎপক্ষে মেধতি মেধতি আদি।) স্বপ্নেও নিত্য নির্মল সর্বশক্তির অনন্ত ঈশ্বরভাবে ভাজন (পাত্র) লেখা যাইতেছে না, তখনই ভৰিং উপসিকরূপ রাকাশ হইতে পারেন না। ৬-১০। হে ব্ৰহ্মণ। আঁহার অতিনির্যক সম্পূর্ণভাবে বিরাজ করেন। তুমি জীবদ্দশাতেই সর্বোত্তম চিপ জিগতে প্রসারিত হইতেছে, তাদৃশ আত্মরূপী ঈয়ের ব্ৰহ্মপদে অবস্থিত হইয়া লগ্রসূত শিশুর স্থায় এই সমস্ত আকৃতি কল্পনা করা উচিত হয় না। হারা এই তত্ত্ব অবগত প্রপঞ্চ বিকল্পনাকালপজিশত চিদাভাস ও চিন্তে মুলত প্রশান্ত আছেন, সেই ভদী পণ্ডিতগণকে আর উপদেশ দিন কিছুই শিব আত্মময় দেখিতে থাক; সূৰ্য্য তােমার নিকট আনন্দমুখাপূর্ণ নাই, যাহাৱা পরমেশ্বরকে দেশকালে পরিচ্ছিন্ন বলিয়া কলা করে, অনিকেই উপদেশ দেওয়া আবশ্যক, তাহাখিগকেই * সদ্যপ্রসূত শিশু যে সমস্তই একরূপ দেখে, তাহার আমরা উপদেশ দিয়া থাকি। অতএব তুমি তাহাদের সে পরিচ্ছিন কোন বিষয়ের বিজ্ঞান তখন একেবারে থাকে না, সেইরূপ ছুষ্টি পরিত্যাগ কর, আমি অবশেষে বা লিলাম, তাহাই নে। (সেই অদৃষ্টি) লক্ষন করিয়া সম, স্বচ্ছত, বিষয়াসক্তি • ৫২ যােগণিষ্ঠ-রামায়ণ নিরাময় হইয়া বখাপ্রাপ্ত বিয়ে উপভােগ করত এৰি বুলি ধৰণ করিয়া প্রথমে হস্তকে মলিন কৰি পরে তাহা ধুইয়া খ-দুখ শুভ-মৃত সমূদয় উপহার দিয়া আসবের মা কেলিলে হত আপনিই নিৰ্মল হইয়া যায়, সেইরূপ সৎ- করিতে থাক। তুমি এলে বিচার দ্বারা ক্লাহ হইতে জীবকে সঙ্গাদি অবিদ্যা-অংশ যারা অবিদ্যা-অংশ বিচার করিলে অধিক পৃথক করিয়া পরিশােধিত করিয়াছ, একৃত সাধু যাহা , তাহা তামসিক উভন্ন বিদ্যাংশই বিনষ্ট হয়; কেবল প্রকাশ আম্মা প্রাপ্ত হইয়াছ; যাহা প্রকৃত তত্ত্ব, তাহাও পাইতে মোর অক নির্মল হইয়া প্রকাশ হন। আত্মাই আত্মা দ্বারা আত্মার শিষ্ট নাই; ভােমর মাত্মাকলঙ্ক একেবারে প্রেরিত হইয়া বিচার করেন, দর্শন করেন, পরে সেই আত্মা হইয়াই থাকেন, গিয়াছে; এই বাই জগৎপ্রপঞ্চ আর ভােমাতে সংলগ নাই, ইহাতে অবিদ্যার (জড়বুজির) প্রয়ােজন নাই , ব্রং অবি- তএব টিকতনে যেমন কোন বৰ দাগ লাগে না কার যে ক্ষয়, তাহা বিধগণে অনুভবসিদ্ধ। ৬-১০। যত দিন সেইরূপ এই জন্মদুঃখাদি কিছুই আর তােমাতে লাগিতেছে এই বিদ্যারূপ বৰ কিঞ্চিৎ না বস্তু থাকিবে, তত দিন জাত্মাকে ন্ম।১১-১৫। অবগত হওয়া যাইবে না, গুরুপদেশালি আত্মজ্ঞানের কারণ নহে। চারিশ সর্গ সমাধ। যিনি গুরুর উপদেশে আত্মজ্ঞান লাভ করিবেন, তিনিও ত ইন্দ্রিয়- ঘটিত পুষ্টকাম, কিন্তু পরব্রহ্ম এ সকলের অতীত, সে ব্রহ্ম একচবিংশ শর্গ। নিখিল ইন্দ্রিয়ের জন্ম হইলে তবে প্রকাশিত হন। সুজা শুরু, কিরূপে আত্মজ্ঞানের কারণ হইবেন? যাহার অবর্তমানে যে বস্তু বশিষ্ঠ জিজ্ঞাসা করিলেন,হে দেব। সেই পরব্রহ্ম যদি লাভ করা যায়, তাহা যিমানে কিরুপে পাওয়া যাইবে ? হে কোন ধর্মই না স্পর্শ করেন, তবে তাঁহাকে শিব বলা হয় ব্রিজ। গুরুপদেশাদি আত্মজ্ঞানের কারণ না হইলেও অপরের কেন? আম্মা বলা হয় কেন ? পরমাত্মাই বা বলা হয় কেন? উপদেশে বিস্মৃত নিজকণ্ঠস্থিত হারলাভের স্যায় আত্মরানের হে ভগবন। যে ব্রিলােকেশ। তিনি সৎ অপি চ তিনি কিছুই সাধক বলিয়া তাহার কারণ বলা হইয়াছে। শিষ্যের অজ্ঞান নহে তিনি খুত, তিনি বিজ্ঞান ইত্যাদি বিভিন্নতাই তাহাতে' করা বিকাশের জন্যই রূপদেশ প্রয়ােজন হয়, তৎএনােজন সাধিত হয় কেন ? তাহা আমাকে বলুন। ঈশ্বর কহিলেন, এই জগতে হইলে আত্ম অনির্দেশ এবং আ হইলেও নিজেই প্রসন্ন একমাত্র তিনিই বিদ্যমান, জিন সৎ তাহার আদি বা অন্ত নাই হন। শার্থের দ্বারা আত্মঘােধ লাভ করা যায় না, গুরুবাক্যেও বলিলা তাঁহাকে অনাদি অনন্ত বলা হয়, তিনি বরের প্রকাশ নহে, আত্মা নিজেই বুদ্ধ হ, নিজবােধই আত্মার স্বভাব। পেক্ষা করেন না বলিয়া তাঁহাকে অলাভাস বা স্বয়ং জ্যোতি ১১-১৫। অথচ রূপদেশ ও শাস্রাবচার না হইলে আত্ম- বলা হয়। তিনি ইন্দ্রিয়সকলের গম্য হন না বলিয়া তিনি যেন বােধে প্রবৃত্তিই হইবে না, একারণে স্বজ্ঞানের প্রকাশের জন্য অকিঞ্চিৎ অর্থাৎ শুত হইয়া পড়িয়াছেন। বশিষ্ঠ পুনরায় মিজা- গুপদেশ শাস্ত্ৰার্থবিচারের সহিত ইহার সম্পর্কও রহিয়াছে। সিলেন, হে ঈশান। বাহা বুদ্ধাদিযুক্ত ইন্দ্রিয়র্গেরও অকৃত, গুরু ও শাস্রাবের সহিত শিষ্যের চিরসংবােগ টিলেই দিবসে আহা কিরুপে নিশভাবে পাওয়া যাইতে পারে? যাহা বুরি জনব্যবহালের ন্যায় অজ্ঞান সাধিত হইয়া থাকে। কর্মেন্দ্রিয়, অগ্য, তাহার বােধের উপায় কি? কিরূপেই বা তাহা পাওয়া জ্ঞানেন্দ্রিয় প্রভৃতি ও মুখদুঃখাদি প্রভৃতির ক্ষয় হইলেই যাইতে পারে? ঈর কৱিলেন, সে আত্মবস্ত প্রকাশের নিমিত্ত অবশােধিত যে আত্মা, তিনিই ‘শিব’ ‘তৎসং ইত্যাদি নামে বুদ্ধিবৃত্তি প্রভৃতির প্রয়ােজন হয় না, ব্রহ্মাকারাকারিত সাত্ত্বিকভাবে অভিহিত হইয়া থাকেন। যথায় বাধকালে জগতে অসত্তা ও পৰিণত বুদ্ধিবৃত্তি যায়। কেবল আবরণ করিতে হয়, সে আপেশায় জগতের সত্তা স্থিরীকৃত হয়, আকাশ অপেক্ষাও আত্রণ অবিদ্যা, ঐ অবিদ্যাবরণ অ হইল প্ৰহ্মৰ স্বয়ংই দিল সেই অধিষ্ঠাতই অনন্ত এবং সৎশকের দ্বারা নির্দিষ্ট একাশিত হয়, তাহাই (কাই) তাঁহার সাক্ষাৎকার। হইয়া থাকেন। ব্রহ্মা, ফ, ইপ্রমুখ লােকপালগণ যাহারা হাতে আর ইন্দ্রিয়বৃত্তির প্রয়ােজন কি? বিলি মূমু (মন) বিচিত্র জগৎ ও বিশুদ্ধ ত্ব এতদুভয়ের ঐক্যমনরূপ বিশুদ্ধ তিরিশমনমালিসাধনলে খেল সার্বিক অবিদ্যাংশপে পরিণত নিষ্কলঙ্ক আত্মস্বরূপে অবস্থান করিতেছেন, আঁহারা পরমার্থের হইয়া ক্রমে সৎত্র সৎসঙ্গ সদগুরু নামক সাত্ত্বিক অৰিদ্যারে অদূরে জীবমুক্রের দৃষ্টিগােচরে অবস্থান করিতেছেন, শাহাৱা সাহায্যে বিশুদ্ধ সাত্ত্বিক অবদ্যিাংশ যে ব্ৰহ্মাকারিত-বুভিরশৱা স্বরূপে সম্পূর্ণরূপে বিশ্রান্ত হন নাই বলিয়া বিদ্যা অর্থাৎ বিশুদ্ধ পাৱা রজক যেমন মল দ্বারা (মাগবিদ্যাদি দ্বারা) অস্ত্রের কিঞ্চিত্র বিদ্যাংশে অবস্থিত, সেই সুপণ্ডিতগণ অধিকারী- মালন করে, সেইরূপ আপন অবিসাং ফান করিয়া মিগের মুক্তিপনের ইচ্ছায় মুক্তির উপাসকলিগের তত্ত্বজ্ঞানের পূখপ এখন করেন। ১৬। কাকতালীয় গায়ে নিমিত বেদ, পুরাণাদির অর্থের মীমাংসার ও একাগ্র হইয়া সৌভাগ্যবশতঃ পুর্ণকার বৃত্তি যারা অবিদ্যার ক্ষয় হইয়া নামরূপৰিহীন এই ঈশ্বরের ‘চিৎ বন্ধ ‘শিব ‘আত্ম ঈ গেলে, আত্মা আপনিই যে আপনাকে দেখেন অর্থাৎ একাণ ‘মা’ ‘ঈশ্বর ইত্যাদি বিভিন্ন সংজ্ঞা (নাম) কল্পনা করিয়া- বলেন, ইহা তাহার নিশ্চিতভাৰ। শিশু যেমন হতে অার ছেন। ১৬২। হে বশিষ্ঠ। এই আত্মত্ব এইরূপে অগ (জগারোপের অধিষ্ঠান বণি) (সর্বদা সর্বভাবের নির্বাহক * নও অবিদ্যা, বুদ্ধিবৃতি অবি, শাস্ত্র সংসদৰি বলিয়া) বিনামক স্ব ইহাই ব্ৰহ্মখ স্থির করিয়া নিশ্চিত এৰিা, মন বিদ্যারূপ মল দ্বারা আন বিদ্যাংশ ফলন হও। আইন বিষ’ আত্মা ‘পরব্রহ্ম' ইত্যাদি শফভেবেই কলি জিপে প্রকাশমান হয়, সে প্রকাশের পর আর ভাই আর সে কল্পনা করিয়াছেন; ৰাবিক তাহার তো নাই। বুঝিনা, এই জন্য ইন্দ্রিয়ের চর। ২১-৫। হে মুনিয়ক। অবিং এইরূপে দেবার্জনা করিলে নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ: অমূলাদি ভৃত্যগণ যে পরমপতে প্রতিটিভ, সেই পরমপ প্রতি পরিজ্ঞাত হইলে সঙ্কলনগরের ন্যায় অলীকই হইয়া যায়। এ ঠিত হইয়া থাকেন। বশিষ্ঠ কহিলেন,—“হে ভগ। এই দৃ সংবিজিত অর্থাৎ জ্ঞাত হইলে শিবভাব প্রাপ্ত হয়, আর জগৎ অবিদ্যমান হইলেও (আত্মতত্বে না থাকিলেও) কিরূপে যদি অজ্ঞাত হয়, তাহা হইলে কিছুই বলা যাইতে পারে না। বিদ্যমানবৎ হইয়াছে, তাহা আমার নিকট সংক্ষেপে বলুন। কারণ যাহা অজ্ঞাত, তাহাকে বন্ধুভাৰ প্রাপ্ত হইতে পারে ঈশ্বর কহিলেন –“ঐ যে ব্ৰহ্মাদি শব্দের অর্থ উহা একমাত্র টিং কি রূপে? ৪২-৪৬। যদি কেহ বলেন যে,—তই চিত্ৰৰ বলিয়া জানিবে। নির্মল আকাশও উহার কাছে (অণুর কাছে আত্মবস্তুই সঙ্কল্পবশতঃ আপনার অভ্যন্তরে দৃশ্যভাব লাভ করেন, সুমেরুর ন্যায় স্কুল। ঐ চির চেভাব প্রাপ্ত হইয়া নামৰােগ্য তাহা হইলে পরম অণুরমাণ ঐ আত্মার আত্ৰসত্তা প্রথম (নামসম্বন্ধযোগ্য) হইয়া থাকেন, আবার যখন নির্বিক কল্পিত শরীরেই (চিরাভ্যাসবশত) সুলতাদর্শন করে, ইহা সমাধিপ্রসিদ্ধ চিন একরসম্বভাবে অবস্থিত হন, তখন উক্ত তাঁহাকে স্বীকার করিতে হয়। কেননা সঙ্কলকলিত বন্ত মিখ্যা, ছেত্যৰও দূরে যায়, ইহা নিশ্চিত। ঐ চিৎ ক্ষণকাল বেঙ্গ্যভাব তাহা কখনই সত্য হইতে পারে না। (ফলভ ইহাই স্থির বে) ভাবনা করিয়া অহভারের অনুসরণ করেন। যেমন স্বল্পকালে সেই ব্ৰহ্মই নিজ কানাবলে আপনাতে এই স্থূলভাবাপন্ন এস পুরুষ বহষ্ঠী-ভাৰ প্রাপ্ত হয় (“আমি বন্যহস্তী” এইরূপে আপ- দর্শন করেন এবং ঐ দেহেরই মাত্ররূপ চক্ষুদিকে স্বস্ব বিষয়ে নকে অবিতে থাকে)। ২৬-৩০। ইহার ঐ অহাৰকল্পনা নিয়মিত নিরীক্ষণ করিতে থাকেন, পরে আপনাকে পুরুষ ভাবনা হইতে যে দেশভাৰ কালভাৰ কল্পনা আসিয়া উপস্থিত হয়। করিয়া কাকঅলীয়ে পুরুষাকৃতি ধারণপূর্বক সন্তুষ্ট ও পুষ্ট ঐ রূপিণ কল্পনাসকল ক্রমে ঐ অহাৰ কল্পনার সখী হইতে থাকেন। ক্রমে গন্ধৰ্বনগরের ন্যায় (স্বপ্নদৃষ্ট মনুযষয় স্যায়) (সহচরী) হয়। উক্ত দেশকালকল্পনামবেত হস্তাবকল্পনা অলীক জীবদশাপন্ন এই সুন-দেহ দর্শন করেন। ৪৭-৫০। বশিষ্ঠ স্পবিজ্ঞান লাভ করিয়া বাতকণার স্যা, প্রাণস্পন্দ প্রাপ্ত হইয়া পুনরায় জিজ্ঞাসা করিলেন, ভগৰ। এই অগং গন্ধর্বনগরের ন্যায় জীবসত্তা বা জীবশক্তি নামে অভিহিত হয়। ঐ জীবশক্তি, তথা (স্বপ্নদৃষ্ট মানবের স্যায়) অলীক হইলেও দুঃখ উৎপাদন করিতেছে, বিধ অবস্থায় ‘আমি’ ইত্যাকার নিশ্চয়বতী হইয়া বুদ্ধিব প্রাপ্ত এই দুঃখ ক্ষয় করিষার উপায় কি? ঈশ্বর কহিলেন,-বাসনাই দণ্ডত অজ্ঞপদে অবস্থিত হন। তখন উহাতে শব্দশক্তি, জ্ঞান- দুঃখের হেতু,ঐ বাসনাও অগৎ-বিদ্যমান হইয়া থাকে, যখন এই শক্তি, ক্রিয়াশক্তি আলিয়া আপন আপন রূপবিস্তার করত স্ফুরিত জগৎ একেবারে অবিদ্যমান হইবে, মরীচিকাসলিলের স্যায় নিতান্ত হইতে থাকে। উক্ত শক্তিসমষ্টি মিলিত হইয়া ঝটিতি স্মৃতির অলীক বলিয়া প্রতিপন্ন হইবে, তখন কেবা কাহার বাসনা করিবে, আনুকূল্যে লঞ্চলক্ষে বীজীভূত ভূতাত্মক মনােমে অভিহিত বাসনাই বা কোথা হইতে উৎপন্ন হইবে, বল দেখিবে, সুগনর হয়। বুধগণ তথাবিধ মনকে অতিবাহিকামে অহৈত করেন , কি মরীচিকাসলিল পান করিতে পারে ? দ্রষ্টা, মন, মননাদি ধর্ম, ঐ মন অন্তঃস্থিত ব্ৰহ্মশক্তিতে পরিব্যাপ্ত হইয়া জ্ঞাতৃপদবাচ্য অহৰসমগিত জগৎ অবিদ্যমান হইলে যাহা একমাত্র সৎ, সেই হন আত্মার প্রকাশতাবলেই উক্ত জ্ঞাতৃভাব সম্পাদিত হইয়া ব্ৰহ্মই পরিদৃষ্ট হন। যাহাতে বাসনা নাই, বাসনীয় নাই, বাসনা- থাকে। ঐ অবস্থায় উক্ত চিত্তে কতকগুলি শক্তি উৎপন্ন কীও নই, কেবল কৈবল্য ( মুক্তি বিদ্যমান নিখিল সঞ্চ হয়, ঐ শক্তিগুলি ক্রমে বাহিরে অবস্থিত হইয়া বাস্তবিক উদিত এমবিদূরিত। ৫১-৫৫। এই সংসার সত্যই হউক, আর অসত্যই না হইলেও উদিত অর্থাৎ প্রকাশিত হইয়া পড়ে। ৩১~-৩৫। হউক, এই সংসারযক্ষ হার নিকট চিরবিলীন, তাহার নিকট সে শক্তিগুলি এই-বযুসন্তা, স্পন্দসা স্পর্শসত্তা, জ্বাচসত্তা, কৈবল্য ব্যতিরেকে আর কি অবশিষ্ট থাকিতে পারে? যেন রূপসত্তাপ্রকাশকারিণী তেজসত্তা, রূপসত্তা, জলসা, স্বাদুসত্তা, শূন্যস্থানে অলীক বেতালের উৎপত্তি, সেইরূপ অনামিকা চিত- সুসসত্তা, গন্ধসত্তা, ভূমিসত্ত, হেমসভা স্থূল ব্ৰহ্মাণ্ডসি, বাসনাও অলীক উপ , ইহার শান্তিতে (এই নিব্রাস হইলে দেশসত্তা ও কালস। ঐ মন সময় আকাবর্জিত এই সন্তা- অক্ষ শান্তি তাহার সন্দেহ নাই। যে ব্যক্তি অাবে, জগতে সকলকে আপনার সহিত অভিন্নরূপে ক্রোড়ে করিয়া (সংগ্রহ এবং মরীচিকাসলিলে আদা প্রদান করে(সত্যজি স্থাপন করে ), করি) বক্ষবীজ যেমন আপনার অভ্যন্তরে আপনার সহিত সেই দুদ্ধি মানবকে ধিক্। তাকে উপদেশ দিতে নাই। অন্নিরূপে অঙ্কুরপত্রাদি ভাব ধারণ করিয়া অবস্থান করে, তদ্রুপ তবিদগণ বিবেকা জীবকেই উপদেশ দিয়া থাকেন, যে বহু অবস্থান করিয়া থাকে' ৩–৪১। এত সমষ্টিই পুষ্টক ভমে পতিত হইয়া মিথ্যাদেহাদিনে অভিমানী, আর্থগণের জানিবে; ইহাই অতিবাহিক দেহ জানিবে। ফল হে বশিষ্ঠ। উপেক্ষিত মিথ্যাম সে বালককে (মূখকে) তাহার উপদেশ দেন অপরিচ্ছিন্ন বােধম্বরূপ ব্ৰহ্মই এই সমস্ত বিভাগবিশিষ্ট হইয়া না। যে ব্যক্তি তাদৃশ অজ্ঞ ব্যক্তিকে উপদেশ দেয়, সে স্বপ্নই ফুরিত হইতেছেন। অয়ি বশিষ্ঠ ! এই সমুদয় এইরূপে (অঃ- যুবককে সুবর্ণণা কঙ্গা সম্প্রদান করিয়া বসে। দৃষ্টিতে) সম্পন্ন হইতেছে, (তদৃষ্টিতে) কিছুই সম্পন্ন হইতেছে একচত্বারিং। সর্গ সাপ্তা | না, এ সকল (পুষ্টক) না জ্ঞান না জ্ঞানরূপ না চিলভাস- সম্বলিত চেতন, অর্থাৎ কিছুই নহে অলাধার সমুজেরমধ্যে জলের বিবিধ বিলাসের স্থায় এই পূৰ্যষ্টক পরমব্রহ্মেকেবল বিচারিংশ সর্গ। আত্মস্বরূপে সংস্বরূপে ফুরিত হইতেছে, অর্থাৎ তাহা হইতে অণুমাত্র লি নহে। এই প্রপঞ্চ আত্মচৈপে জ্ঞান বশিষ্ঠ কহিলেন,-“ভগন! তাহার পরে সেই জীব দেহ করিলে উহা ঐ সবিদ এক আত্মস্বরূপ, তাহা হইতে পৃথক্ দেখিল (বলিলেন, সেই জীব সৃষ্টির প্রাতে আকাশে অবস্থিত জ্ঞান করিলে উহা অচেঞ্জ জড় হইয়া পড়েন , ফলত উহা হইয়াকিরূপ অবস্থা আর হয় ? জয় কহিলেন,—“সেই জীৰ ১ ৪৪ যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ পূর্বোক্ত ক্রমে পরম আকাশেই স্বপ্নদৃষ্ট মনুষ্যের স্যায় পরব্রহ্ম সাধারণ করিয়াছে। ঐ রে আমি পুরুষ নিখিল কাৰ্য করিতেছে, হইতে সম্পন্ন শরীর অবলােকন করিতে থাকে। চিন্ময় ব্রহ্মের ইহাও সঙ্কলের অনুসারে হইয়াছে। স্থাবরজাতিরও এইরূপে সৰ্ব্বব্যাপি বিধায় সেই জীব শরীরধারী হইয়া স্বপ্নদৃষ্ট মানবের অকালমধ্যে উৎপত্তি হইয়া থাকে। (অগুজাদি) চতুর্বিধ ন্যায় কাৰ্য করিতে থাকে। তাহার পরে সেই জীৰ “আমি অব্যক্ত জীবজাতিই এইরূপে উৎপন্ন হইয়াছে। ১৬২। রুদ্রদেব সনাতনপুরুষ” এইরূপে আপনাকে নির্দেশ করে বলিয়া পুরুষমে হইতে তৃণপর্যন্ত সমস্তই মায়াময়ের সঙ্কল্পক্ষণে উৎপন্ন হইয়া প্রসিদ্ধ হইয়া পড়ে। এইকপে প্রথমােৎপন্ন সেই জীব কোন থাকে। তন্মধ্যে (বাসনায় তাবশতঃ ) কেহ কেহ পরমাণুর সৃষ্টিতে সদাশিব নামে এয, কোন সৃষ্টিতে বিষ্ণুনামে অভিহিত হন, সমান, কেহ কেহ অণুপ্রমাণ। অতীত ৰা ভবিষ্যৎ সৃষ্টিতেও এই সেই বিষ্ণুর নাভি হইতে উৎপন্ন জীব পিতামহ নামে অভিহিত স্থাবরজম জীবজাতির উৎপত্তিকার এইরূপই ছিল এবং হন, কোন সৃষ্টিতে সেই প্রথম উৎপন্ন জীব পিতামহনামে, কোন থাকিৰে। যখন পরমার্থকের সাক্ষাৎকার দ্বারা এই সংসারমায়া তে তদ্ভিন্ন অন্য কোন নামে অভিহিত হন , সেই সঙ্কল্পময় বৈচিত্র্যের লয় হয়, সর্ববিধ ভেল উপশান্ত হইয়া যায়, তখনই পুল সঙ্কল্পবশে মূর্তিমান হন। ১। সেই প্রথম সঙ্কল্পই অক্সাসবশত শান্তিময় ব্রহ্মে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়। যদি এই সেই মনোমূর্তি ধারণ করিয়া যাহ। যাহা কল্পনা করে, তাহাই ভদ্রুপে পরমা চিতি হইতে নিমেষের শজগের অর্থভাগমাত্র (এতিসূক্ষ্ম) অনুভৱ করিতে থাকে। সেই নিখিল সঙ্কময় পদার্থ (অত- কালকলা সময়ম্বরূপ বিচ্যুতি ঘটে, তাহা হইলেই এই অবস্থা দৃষ্টিতে) শূন্য বেতালের ন্যায় অসং মিথ্যা। এবং ভ্রমদৃষ্টিতে আসিয়া উপস্থিত হইবে। চিৎস্বরূপে প্রতিষ্ঠাই ব্ৰহ্মভাব, এই সং সত্য হইয়া পড়ে, এইরূপে অহাবই জরূপে বিস্তৃত ব্ৰহ্মতা তত্ত্ববিদের অনুভবসিদ্ধ , উহা চিদাত্মায় অবস্থিত। উক্ত হইয়া উঠে। এইরূপে প্রথম উৎপন্ন পুরুষ আপনার সৃষ্ট বিষয়ের চিৎসৰূপে প্রতিষ্টাই (চিংস্বরূপই) এনাদি প্রকাশ আত্মা বা ব্রহ্ম দ্রষ্টা হয়, নিমেষত্রেই আবার সে আপনার স্বরূপবিচারে) শব্দে কীৰ্তিত হইয়া থাকে। এই সৃষ্টি প্রৌঢ়ভাৰ ধারণ করিলে, চিমাকাশে পৰ্য্যবসিত হয়, আবার আপনার স্বরূপৰিস্মৃতি অটিলে ( দৃঢ়রূপে প্ৰখিত হইয়া গেলে) উক্ত মহান (অপরিচ্ছিন্ন চিৎ নিমেষমাত্রেই অনন্ত সংসারাবে পরিণত হইতে পারে। কল্পনা- স্বরূপের বিকাস থাকে না, অসত্য দিক, দেশ, কালরূপ পরি- পটু নিমেষই প্রতিভাসের বিপর্যয় ঘটিলে মহাকপরম্পরা চ্ছেদে আত্মার পরমাণুভাৰ ( ক্ষুদ্রভা পরিচ্ছিন্নতা) সঙ্গত হইয়া অনুভব করিতে থাকে। ৭-১০। প্রত্যেক পরমাণুতে, প্রত্যেক উঠে। ক্রমে ঐ চিদাত্মার পরিচ্ছিন্নভাৰ ভুতন্মত্রের সহযোগে আকাশে, প্রত্যেক রুণেই সৃষ্টি, কল্প, মহাকল, ভাব, অভাৰ সমুদয় ক্রমে দেব, দানব, বৃক্ষ, লতা, হরিণাদি-জন্তুৰূপে উৎপন্ন হইয়। সমুদিত হইয়া থাকে। পরস্পর বাসনার একতাবশতঃ কোন কোন থাকে। সদসদকপ এই বিশ্ব যে, বিশ্বগামী বিশ্বকৰ্মা নিত্য বিতত সৃষ্টি জীবগণের পরস্পর একসময়ে দৃষ্ট হইয়া থাকে, কোন কোন অনন্ত সুদৃঢ় ব্রহ্মপদে কুসুমমালার ন্যায় এথিত রহিয়াছে, অথচ সৃষ্টি পরস্পরে দৃষ্টি হয় না। তাহার কারন তৎ সৃষ্টিস্থ জীবগণের সেই ব্ৰহ্ম না দূরে, না নিকটে, না উদ্ধদেশে, না অপােদেশে বাসনার বিভিন্নতা। সংসরূপ আত্মার সাক্ষাৎকার ঘটিলে কোন কুত্রাপি সংলগ্ন নহেন, তিনি আমারও নহেন, তোমারও হৃষ্টিই দৃষ্ট হয় না, কারণ সৃষ্টিরুপে অবস্থিত জীবের নিকটেই নহেন, তিনি না পূৰ্ব্ব, না অদ্য, না প্রভাত, না সং, ন| অসং, না এই সৃষ্টি সম্ভাবিত হইয়া সত্য হইতেছে, পরমাত্মভাব সং-অসৎ এভদুভয়ের অন্তরালবর্তী, এই যে নিখিল মিথ্যা বিকল্প- মাকাশে উহ সম্ভাবিত নহে, তাহাতে ঐ সৃষ্টিপরম্পরা পরম্পরা, এ সকলেরও প্রমাতা উক্ত প্রকাশ ব্ৰহ্মচৈতন্যব্যতীত আকাশ স্বরূপেই পৰ্যবসিত হইয়া যায়। এই সৃষ্টিসমুন্তু আর কেহই নহে, যাহার সাহায্যে এই বাহ ব্যবস্থারপরম্পরা নিজে সদসংস্বরূপ (অর্থাৎ ভাবে নিয়তও নয়, অসং ফলবতী হইতেছে, সেই প্রমাণসমূহও জলে অগির অবস্থান- সভাবে নিয়তও নয়। স্বপ্নদৃষ্ট পৰ্বত যে সঙ্গে লয় বং উক্ত ব্ৰন্ধে একান্ত অসমর্থ অর্থাৎ তিনি প্রমাণ-প্রমাতা- প্রাপ্ত হয়, তদ্রুপ অনভঙ্গ এ সৃষ্টিপরম্পরা বিলীন হইয়া দির অতীত। মুনে। তুমি আমাকে যুহি। যাহা জিজ্ঞাসা যায়। সৃষ্টিসমূহে কোন দেশ বা কাল আক্রান্ত নয়, ইহা কর্তৃর্ণ করিয়াছিলে, তাহ। বলিলাম , এক্ষণে আমরা যাই, তোমার মঙ্গল আয়ত্ত করে নাই; অর্থাৎ ইহা দেশকালের খাৱা অবিচ্ছিন্ন নহে, হউক। অয়ি পাৰ্বতি। গাত্রোখান কর, আই, ষাই।২১-৩০। ইহার কত্বও কোনরূপ নিয়মিত নাই। এই সৃষ্টিপরম্পরা , বশিষ্ঠ কহিন,—“ভগবান নীলকণ্ঠ এই কথা বলিলে আমি পরূপ নহে, কাল্পনিক সন্তাও ইহাতে নাইকণিকসও ইহাতে তঁাহর উদ্দেশ্যে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করিলাম ,(তৎপরে) তিনি নাই, ইহার কিছুই জাত হইতেছে না, কিছুইনষ্ট হইতেছে না। আপনার পরিবারবর্গের সহিত গগন আরোহণ করিলেন। ১১—১৫। ফলতঃ একমাত্র চিৎই আপনাতে সঙ্কসপে এই ত্রৈলােকের অধিপতি ভগবান উমাৰত প্রস্থান করিলে পর, সমুদয় প্রপঞ্চবৈটির বিস্তার করিয়াছেন, এই অনুৎ স্পন্দই আমি ক্ষণকাল তঁাহার উপদেশগুলি মনে মনে চিন্তা করিতে নগরীর ন্যায় পতিত উপতিত হইতেছে। যেমন সক্ষলগিরি, লাগিলাম, পরে আমি নজ পরিশােধিত পবিত্র বুদ্ধিতে অনন্ত দেশ কালাদির আক্রমণ করে না, সেইরূপ এই সৃষ্টি অণু, আত্মদেবের পূজা করিতে গিলাম এবং তাতেই শান্তিলাভ মাত্রও দেশ-কালনির আক্রমণ করিয়ে না। যেমন সঙ্কজ করিয়া জড়দেবতার উপাসনা ত্যাগ করিয়াছিলাম। ৩১-৩২। সুমেরু, দেশকালাদি কিছুই আক্রমণ না করিয়া থাকিলেও বিচারিং সর্গ সমাপ্ত। ০২। (সকালে) আক্রমন করিয়াছে বলি বােধ হয়, সেইরূপ বিখ্যাত অং অন্য দেশ কালাচ্ছি আক্ৰম করিয়া না কিলেও ( অনিয়) আক্রমণ করিয়া রহমাছ নিধ্যা বােধ হয়। যাতে এ যে কালাদি চিনতি হয়, এই অংও তার নির্বাণ-প্রকৱণ-পূর্বভাগ। ৪৫৫ হে অপরি- ত্রিচারিং সর্গ। অন্তরে হইতেছে না, তুমিও সকলের অন্তরে অবস্থিত । এ সমুদয় তােমার কাছে কিছুই নয়, ইহা এইরূপই অকিঞ্চিৎ বশিষ্ঠ কহিলেন-“রাম। সেই মহেশ্বর আমাকে এই জগত কর, অব ইহার জন্য বৃথা সন্তপ্ত হইতেছ কেন ? কে উপদেশ দিয়াছিলেন, আমি নিজেও এই অগতত্ত্ব বুঝি- ছিন্ন চিপ! (যদি জগৎ তুচ্ছ বলিয়া বিশ্বাস না কর, অহা তেছি, বোধ হয় তুমিও এই অগৎ যেরূপে অবস্থিত, তাহা বুঝিতে হইলে) তুমিই এই অগপ হইতেছ , ইহাতে তােমার অবয়ব, পারিতে। যে সংসারমায়ায় অলীক ভ্রান্তিতে অলীক জীবে আপনার অবয়বের পরিবর্তনে আবার হর্ষই বা কি? আর এই অলীক জগদ্দন করিতেছে, সেই সংসারমায়ায় সত্যই বা শােকই বা কি?১১-১৫। বৎস! তুমি চিত্ররূপ, এই কি, আর অসত্যই বা কি? লোকিকব্যাপারেও দেখ না কেন? জগৎ গেমা হইতে ভিন্ন নহে, অতএব তােমার আবার হেয় বিবিধ কল্পনাপই কবি সম্মান ও অর্থের আশায় বাজাকে সুমেরু উপাদেয় কল্পনা কোথায়? এইরূপে এই জগৎস্পন্দ যখন চিদ্রপই, পৰ্বত বা কল্পর বলিয়া বর্ণনা করিল, রাজও কবির বাক্যে জগৎসংসার যখন চিন্ময়ই, তরঙ্গমালা যখন সাগরই, তখন শোক আপনাতে সুমেরুত্ব বা কল্পবৃক্ষ অনুভব করিতে লাগিলেন, বা হর্ষের অবসর কোথায় ? হে রাম! তুমি অদ্য হই নতুৰ। কবির বাক্যে অলীকতাবুদ্ধি স্থাপনা করিলে তাঁহাকে চিকেতানতা প্রাপ্ত হইয়া মুমুঞ্চদশায় উপনীত থাকিয়া তুরীয়া- ধনাদিপ্রদান করিয়া সম্মান করিবেন কেন? যেমন জলে দুৰত্ব, বস্থায় অবস্থান কর। তুমি নিখিল জগদ্বৈচিত্র্যরূপ বৈষম্য হইতে যেমন বায়ুতে স্পর্শ, যেমন আকাণে শূন্য, তদ্রুপ আত্মাতে বিমুক্ত হইয়া জগদাভাসকে ব্রহ্মের সহিত একরসভপন্ন করিয়া, এই সৃষ্টিভাব অর্থাৎ যে আত্মার স্বরূপ জানে না, সেই আত্মাতে প্রকাশময় শরীরে উপারবুদ্ধিতে নিত্য আত্মদেবের অনায় নিরত সৃষ্টির কল্পনা করে। সেই অবধি অদ্যপৰ্যন্ত আমি মহেশ্বরের থকিয়া পরিপূর্ণ সাগরের ন্যায় অবস্থান করিতে থাক। হে কথিত প্রণালীতে আত্মদেবের অর্চনা করত স্বস্থবে অবস্থান রঘুনন্দন। তুমি অগসমুদয় শুনিয়া এক্ষণে পরিপূর্ণবুদ্ধি করিতেছি। ১৫। হে রাম। আমি এইরূপে আত্মদেবের হইয়াছ, তথাপি যদি আরও কোন জিজ্ঞায় থাকে, তাহা অর্চনায় ব্যাপৃত থাকায় বাস্ক ব্যবহারপরস্পর সম্পাদন করিয়াও জিজ্ঞাসা কর। ১৬-২০। তুমি প্রথমে (বৈরাগ্যপ্রকরণে ) অক্লিষ্টমনে এতদিন অতিবাহিত করিয়া আসিতেছি। আমি যথা- ৰাহ। জিজ্ঞাসা করিয়াছিলে, যদি তাহার মধ্যে কোন অবশিষ্ট প্রাপ্ত যখন যাহা কৰ্তব্যকপে উপস্থিত হইতেছে, তাহা) ক্রিয়া বা থাকে অর্থাৎ কোন প্রশ্নের উত্তর শুনিতে বাকী থাকে ত পুনরায় আচাররূপ কুম এরা আত্মদেবের অর্চনা করিয়া আসিতেছি, আজ জিজ্ঞাসা করিতে পার। রাম কহিলেন,-“হে ব্ৰহ্মন। আমার এ আত্মপূজা সুষুপ্তিকালে বিচ্ছেদপ্রাপ্ত হইলেও এক্ষণে আমার সমস্ত সন্দেহ সম্পূর্ণরূপে অপনীত হইয়াছে , দাপি বিচ্ছিন্ন হইতেছে না, রাত্রিদিনই নিৰ্ম্মাহিত হইতেছে। | অখিলজ্ঞাতব্য বিষয় আমি অবগত আছি, আমি ( আপনার যদি চ এরকম গ্রাঙ্কগ্রাজকতাব সকল সেীরই সমান আছে, উপদেশে) অকৃত্রিম (পরম তৃপ্তিলাভ করিয়াছি। হে মুনে। অর্থাৎ আমি যেমন সুপ্তিকলেও অদ্যাল-মনুল দ্বারা আত্মদেবের | এক্ষণে আমার দ্বৈতমল ক্লালিত হইয়াছে, চেত্য বা কল্পনা পূজা কবি, এইরূপ জীবমাত্রেরই হইয়া থাকে, পাপি যোগীর : কিছুই এক্ষণে আমার আছে বলিয়া বােধ হইতেছে না। তৎকালে সহিত তাহার বিশেষ আছে অর্থাৎ যোগী একাগ্রভাবে আমার যে অজ্ঞন ছিল, এক্ষণে তাহা প্রশান্ত হইয়াছে, অসুদেবেরই পূজা করেন, যা করেন সমস্তই আত্মদেবের নামে | অজ্ঞানবশে আমার আত্মার কলঙ্ক আছে” এইরূপ যে ভ্রান্তি উৎসর্গীকৃত, সর্বদ। তগতচিত্ত খুঁকেন। অন্যান্য অরে। | ছিল, আপনার অনুগ্রহে তাহা এক্ষণে গিয়াছে। বাস্তবিক তাহা নহে। এই জন্য যােগিকৃত আত্মদেবের অর্চনাকেই আমি কেহই জন্মে না বা মরে না, অত্মাও বাস্তবিক কলঙ্কিত নহেন। অর্চনা বলি। হে রঘুপতে। তুমিও এইরূপ যুক্তি আশ্রয় করিয়া, এ সমস্তই ব্ৰহ্মময়, আমি এইরূপ অভ্যুদয় লাভ করিয়াছি। অসঙ্গচিত্ত হইয়া এই সংসাররূপ শূন্য কাননে বিহার কলিতে আমার আর কোন প্রকার সংশয়, স্থা, প্রশ্ন, কিছুই নাই, আমার থাক, দেখিবে কিছুতেই খিন হইবে না। হে সুব্রষ্ঠ। যখন তুমি চিত্ত বিশ্বকর্মার যন্ত্রে ভার্মিত সূৰ্য্যমগুলের ন্যায় বিশুদ্ধ ও নিম্মল বন্ধুবিচ্ছেদ বা সম্পত্তিবিচ্ছেদজনিত মহান্ থাশিতে নিপতিত হইয়াছে, সুমেরু-পৰ্বতে যেমন আর সুবর্ণের প্রয়ােজন নাই, হইবে, তখন তুমি এইরূপ সুক্তি অবলম্বন করিয়া বিচার (কেন না সেই যথেষ্ট সুবর্ণের খনি) সেইরূপ সাধুগণ শিষ্য- করিবে। ৬-১০। বন্ধুজনের অত্যুদয়ে এবং সম্পদলাতে - দিগকে যে মস্ত আচার ব্যবহারের উপদেশ দিয়া থাকেন, লাভ করা এবং ধনবন্ধুবিচ্ছেদে শােক করা উচিত নহে। কারণ আমার সে সকল আচার উপদেশে প্রয়ােজন নাই, আমি নিখিল সংসারের ঘটনা প্রতিনিয়ত এইরূপই ঘটিতেছে। এই তাহাতে নিস্পৃহ হইয়াছি। এমন কোন বই নাই, যাহার জগতের ঘটনাপরম্পরা যেরূপে আসিতেছে, যেরূপে যাইতেছে আশা করি, এমন কোন বস্তুই, নই, যাহার আমি অভিলাষ এবং যেরূপে জনগণকে পরিভূত করিতেছে, বিষয়সমূহের এবংবিধ করি। ২১-২৭। এই চরে এমন কোন বস্তু নাই, যাহা ব্যাকুলতাবিধাঙ্গিনী বিচিত্রা গতি তুমি অবশ্যই অবগত আছ। আমি গ্ৰহণ করি বা ত্যাগ করি। হে মুনে। “ইহা হেয়, ইহা এইরূপ অতর্কিকারণে ধন, প্রেম সমূদয় আসিতেছে এবং লয় উপাদেয়, ইহা সৎ, ইহা অসং, এইরূপ ভাবনারূপ ভ্রম আমার পাইছে। হে নিৰ্ম্মলতে। এই সমুদয় জগৎকাৰ্য গেমার একেবারে নাই। আমি স্বৰ্গও ইচ্ছা করি না, নরকের উপরেও বিদ্বেষ বা ঘৃণা করি না, আমি মারাচলের স্থায় অচলভাবে * কারণ—সুষুপ্তিকালেও “আমি সুখনুপ্ত ছিলাম, কিছুই আত্মাতেই অবস্থান করিতেছি। এই রামরূপ (আমি) মারাচল আনিতে পারি নাই” এইরূপ অজ্ঞানের অনুভব থাকে, তারাই এক্ষণে বিশ্রান্ত (সংসারকপ ক্ষীর-সাগরের মধ্যস্থলে ঘুর্ণন হইতে তখন তাহার পূজা সম্পাদিত হয়। বিরত) শূন্য (স্পন্দশূন্য পক্ষে) হইয়াছে, সংসার- ।
৫ বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ । ওক, ইহা শাচিত্তে -৩৬ - জলব্ধির ক্ষীবিন্দু জগবিরূপে ইতস্তত বিকীর্ণ হওয়ায় তাহা ব্রহ্মদৃষ্টি হার মানসথে উদিত, আনরূপ সুমেরুশিখরে যাহার নিঃশেষিত হইয়াছে। হে মুনীর। আপনি দেখুন, যে মুচের অবস্থিত্তি অহংভাবরূপ পাভালাভ্যন্তরে তাহার পজ এসব। হৃদয়ে “এই জগৎ যেরূপ দৃষ্ট হইতেছে, এইরূপই ইহা ভিন্ন | দেখিতেছি, তােমার স্বভাব সমতা ও সত্যের স্বরূপক্ষে, আমি ইহাতে আর কোন ভ নাই" এইরূপ জ্ঞান বদ্ধমূল হইয়াছে, বুৰিতেছি, তােমার সংসারবিকল্প প্রণীণ হইয়াছে, অবিদ্যার তাহারই “ইহা বহু, ইহা অব” এই প্রকার সম্ভাপয়িনী মােয়র আচরণ দূর হইয়াছে। হে সৌম্য। তােমার পূর্ণসাগর- কল্পনা থাকে। ২৮-৩২। সেই মূঢ় পুরুষ যে বিষয়ের অন্য কাত্ম গম্ভীরা নিৰ্মল সমতা-আমাকে এইরূপ বুঝাইয়া দিতেছে যে, রাম হয়, অমধ্যে এমন কোন বিষয়ই আমরা দেখিতে পাই না। হে (তুমি) স্বরূপে অবস্থিত (জ্ঞ) হইয়ছ। তােমার নিঃস ভগব! আপনার প্রসাদেই আমি এই বিশুদ্ধ চিদাকার জীবনে নৈরাগে, ভাবনা-অভাবে এবং মন শুরুপে পরিণত বৃত্তি বিচিত্ৰতরঙ্গময় জড়সংসারসাগর হইতে উত্তীর্ণ হইয়াছি। হউক। ৬-১০। যে যে বন্ধু তুমি পাইচ্ছে, পরিপূর্ণচিন্ময় বাহা সম্পদের চরমসীমা, তাহা জ্ঞাত হইয়াছি; বিপদেরও ব্ৰহ্মপত্তামারূপে ভততেই অবস্থিত, সুতরাং ব্ৰহ্মলাভে চসীমা দেখিয়াছি, যাহা সৰ্বসার পরমানন্দ তাহাও অকাতরে সর্ববলত, আশা কিসের জন্য থাকিবে ?)। আত্মজ্ঞানের অভাবেই পাইয়াছি। হে পরমেশ্বর। এক্ষণে আমি পূর্ণ হইয়াছি, সংসার বন্ধন আত্মজ্ঞানের প্রভাবেই মুক্তি, অতএব হে রাম। অনুমানাধি- সাগরে আমার মন অপু বীরত্ব লাভ করিয়াছে। সে বীরত্ব বলে তুমি স্বয়ং স্বাত্মবােধে ৎপর হও। যে অবস্থায় ভোগতে অন্যের অভেদ্য (কিছুতেই অপরে পরাজয় করিতে পারে না) রুচি থাকে না, কিন্তু যুণাগ্রাঞ্জ সুখদুঃখনির্বিকারে ভােগ কৰু এবং সেরূপ বীরতে আমাকে বিদলিত করিতে পারা যায়। যায়, তাহাই বাসনাইনতা, আকাশনিলসমতও ইহারই আমার মনের আর কোন বিকল্প নাই, কোনরূপ বাঞ্জা নাই , নামান্তর। বাসনা-রহিত অঃকরণে কর্ম কর, শত বিক্ষোভেও আমার মন সুদৃঢ়রূপে স্থির লাভ করিয়াছে , এই জগতে আকাশবং নির্বিকার থাকিবে। জ্ঞাতা, জ্ঞেয় এবং জন, এতৎ- প্রসিদ্ধ নিৰ্ম্মল বস্তু যাহা যাহা আছে (পূর্ণচন্দ, শরদাকাশাদি) এয়ই, এমন কি দুঃখাদি পৰ্যন্ত সমস্তই তৎসমস্তই অতিক্রম করিয়াছে এবং অন্তরে সাতিশয় অন- আত্মায় অনুভব কর, আর সংসারযন্ত্রণা ভােগ করিতে হইবে না। লাভ করিয়া সর্বোত্তম পদে অবস্থিত হইয়াছে।” ৩' ১১-১৫। মনের উন্মেষে ও নিমেষেই সংসারের উদয় ও কয় ত্রিচারিং সর্গ সমাপ্ত।৪৩। হয়। প্রাণায়াম এবং বাসনালােধ দ্বারা মনকে উন্মেষশূন্য অর্থাৎ বিষয়সঙ্গত কর। প্রাণের উন্মেষ ও নিমেষ সংসারের উদয় ও জয়ের দ্বিতীয় কারণ। অভ্যাস ও সংযম দ্বারা সেই প্রাণকে চতুশ্চত্বারিংশ সর্গ। উন্মেষশূন্য কর। অজ্ঞানের আবির্ভব ও তিরােভাবেই করে আরম্ভ ও অসন। গুবাক্য শাস্ত্রোপদে ও সংযমের সাহায্যে বশিষ্ঠ বলিলেন,-ইন্দ্রিয়সংক্ত বিষয়ের সম্বন্ধ থাকিলেও অজ্ঞান দূর কর। অজ্ঞান দূর কর। যেমন আকাশ পােচ্ছ ধূলিসঙ্গে ভাষাত্তর- কর্তৃত্বাভিমানত রাগষেবর্জিত হৃদয়ে যে কৰ্ম্ম করিবে, তাহা প্রাপ্ত বােধ হয়, সেইরূপ চিংস্বরূপের চেভভাবে স্পন্দনহেতুই বন্ধনের হেতু নহে। কোন দ্রব্যের প্রথম লাভক্ষণে যেমন সন্তোষ এই সংসাররূপ ভাবান্তর উপস্থিত। জাগতিক ভাবস্কুণের মুল হয়, একক্ষণ অতীত হইলে তেমন সন্তোষ আর থাকে না, ইহা দৃশ্য ও দর্শনের সম্পরূপ দ্রষ্টার অলীক ভাবার। যেমন রূপ অনুভব না করিয়াছে কে? • কামনাকালে কামনীয় বিষুরীভুত পরিমলনের মূল-মালেক ও কুড্যানির সন্ধ। বস্তু প্রাপ্ত হইলে যেমন সন্তোষ হয়, অন্য সময়ে সেরূপ সন্তোষ কুডের অর্থাৎ দেয়ালের রং বুঝা যায় না, আলােকের যােগ থাকিলে হয় না, অতএব এইরূপ ক্ষণিক সুখে অজ্ঞ ব্যক্তিই আসক্ত হইয়া বুঝা যায়। দৃশ্য ও দর্শন উভয়ের সহিত সম্বন্ধ না থাকিলে জগৎ থাকে, অন্তে নহে। কামনকালীন সন্তোনের অর্থাৎ ক্ষণিক পরিজন বা দুঃপত্তিই হইত না। ১৬-২০। দৃশ্য ও দর্শনের সন্তোষের মূল কামনা। আর সেই সন্তোষের পরিসমাপ্তি সন্তো- সম্বরূপ স্পন্দের অভাব হইলে, এই জগদাভাসময়ী সংবিং চিত্র- ষের অভাবে, অতএব কামনা পরিত্যাগ কর। অর্থাৎ যাহা লিখিত পুরুষের হৃদয়ে ভাবনার ন্যায় উৎপন্ন হইতে পারে না। ক্ষণিক সুখের হেতু তাহা ত্যাগ করাই কৰ্তব্য। { অর্থাভর এই চিত্তের স্পন্দ হইতেই মায়ার উৎপত্তির ঢিম্পদের অভাব হইলে বলাতেই কামনায় অবস্থান, কামনার অবসানেই সুখ, কামনা- এই মায়ার লয় হইয়া থাকে। সলিলের স্পর্শেই ভঙ্গের উৎপত্তি, কালে যে সন্তোষ হয় না, তাহার হেতু কামনা। বিষয়লাভে যে সলিলের স্পর্শ না হইলে তরঙ্গ উঠে না। তবােধ লাভ করিয়া সন্তোষ, তাহার সমাপ্তি পরবর্তীকামনায় , অতএব কামল। ত্যাগ বাসনাৎণ পরিত্যাগ করিতে পারিলে অথবা প্রাণবায়ু নিরুদ্ধ করিতে কর। অর্থাৎ কণিক কামনাগের মল যখন কশিক মুখ,তখন পারিলে চিত্ত নিস্পন্দ হয়, তাহা হইলে আর স্পন্দ কোথা হইতে প্রকৃত কামনত্যাগে প্রকৃত সুখ না হইবে কেন?)। যদি এক গবে? সংবিৎস্পন্দ নিরুদ্ধ হইলেই চিৰ অচিত্ত হইয়া যায়, বার সেই ব্ৰহ্মপদ প্রাপ্ত ইয়াছ ও কালদোষে অহংভাবগন্ধে প্রাণযু নিলােখ ঘটিলে সেই চিত্ত চিত্ত হইয়া যায় অর্থাৎ যেন আর ডুৰিও না। ১-৫। কেরাম। তুমি আত্মজ্ঞানরূপ পরপন পৰ্য্যবসিত হয়। বিষয়নিমের সহিত ইশ্রিমের সম্বন্ধে মহালৈনের শিখরদেশে বিশ্রাম লান্ত করিতেছ, পুনর্বার অহং- ৰেনুখ হয়, তাহা বস্তুতঃ ব্ৰহ্ম খই,সেই সুখের পরম অবধি থে ভাবরূপ মহাগত্রে অবশ্যই নিপতিত দুইবে না। কেননা, অনন্ত পূর্ণসংবিৎরূপ দৃষ্টি ভদ্ৰাৱাই মনঃক্ষর করিতে হয়। ২১-২৫। যেখানে চিতের অভ্যুদয় নাই, তাহাই অকৃত্রিম সুখ, * টকাকার মুলশ্লোলকল্পখমপদং প্রাপ্তিপ্রাকৃক্ষণপরিমিতি সে অকৃত্রিম সুখ সুমেরুপৰ্বতে হিমগৃহের স্থায় অর্গাদিতেও ক্তি । ভক্তি। নাই। চিত্তের বিনাশজনিত যে সুখ, তথা অপরিসীম; সে মুখ অকার নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। ৫৭ বাক্যের দ্বারা প্রকাশ করা যায় না। সুখের কদাচ ক্ষয় হয় না, মূখাদি বিহিত মহাকৃতি ফল, উহার অঙ্কুর বার কিংবা তাহা কখন উদিতও হয় না, কদাচ উপও হয় না। বেধেই কুষম, কিছুই দৃষ্টিগােচর হয় না। উহা দেখিতে একটা অতি বৃহৎ চিত্তের নাশ ঘটিয়া থাকে। দুর্বোধ অর্থাৎ ভ্রান্তিই চিত্তের নাকায় পিণ্ড, উৎপত্তি বা পরিণাম উহার কিছুই দৃষ্টিগােচর সম্ভাৰ প্রতীত হয়; ঐ ভ্রান্তিতেই বালককজিত বেড়ালের ভয় হয় না। ঐ মহা সমস্ত ফলের (সমুদায় পুরুষর্থের ) সার । এই মােহশ্রী ঘনীভূত হইয়া উঠে। অবােধ বিদ্যমান হইলেও ঐ অতি বৃহৎ ফল নিরঞ্জন, নির্বিকার; উহার মজ্জা নাই, ষ্টি, আপাততঃ প্রতীয়মান হইলেও) এ চিত্ত বিলাপ্ত হয়। তাকে (আঁটি) বীজও নাই। শিলার স্থায় উহনীর (অর্থাৎ বিজ্ঞান নুষর্ণভাবে পরিণত করিলে যেমন তাম্রভাবের অসত্তা হইয়া যায়, ধন) ও দৃঢ়। দুধাবি-চন্দ্রমওলসদৃশ উহা সংবিদাতের স্যায় (তা আর থাকে না, তাই সুবর্ণ বলিয়াই অভিহিত হয়, সেই নিরতিশয় আনন্দৰসাৰী * উহা সমুদায় সুখের কোষ, রূপ তখন এই চিত্ত সৎ হইলেও সৎ হইয়া যায়। নিজের এবং শীতলতা ও আলােকের আধার (পাঠাতর, কত্ত), উহা চিত্ত, চিত্তনামে অভিহিত নয়, তাহা নামে অভিহিত হয়। দেখিতে শৈল বা মৃৎপিণ্ডের মত। উহাই আত্মার মাগলি ত্ববােধে চিত্ত তার সুবর্ণভাৰপ্রাপ্তির ন্যায় নামতঃ ও অর্থত হৈরণ্যগর্ভানান্ত পরমানন্দরূপ কৰ্ম্মফলের মজা সারস্বরূপ। এবিধ হইয়া যায়। ২৬-৩। ভ্রান্তির বীজত্বই চিতের চিত্তত, আর ঐ হিরণ্যগর্ভান ফল অপেক্ষাও যাহা যাহা পরম অব্যক্ত, অহা তজুবােধে বিলীন হইয়া যান্ত্র , ভ্ৰষাংশই বােধে প্রশান্ত তাহারও যাহা মজ্জা (সার), ঐ শ্রীফলেরই সেই মজ্জা, তাহাই হইয়া যায়, যাহা সৎ, তাহার কাচ অভাব হয় না। বিকল্পময় আত্মচমৎকুতি, দেশকালপত্রে যাহা নির্ণীত হয় না, তাদৃশ চিত্তাদি পদার্থ শঙ্গাদির স্থায় অবন্ত (অসং), আত্মৰােথে অনন্ত অপরিচ্ছিন্ন স্বভাব কর্তৃক উহা বুকিত, উহাই মৈত তাহা লয়প্রাপ্ত হয়।ঐ চিত্ত জগৎস্থিতিতে থাকায় কিছুকাল সত্ত্ব বর্জিত শ্রীফলস্বরূপ পরিগ্রহ করিয়াছে। ৭-১৫। কারণ, রূপে তুরীয়াবস্থায় বিহার করিয়া, পরে তুরীয়াতীত হইয়া থাকে। আত্মচমৎকুতির অধ্যাসেই ভেদবুদ্ধি। আত্মচঞ্চকৃতিই সেই একমাত্র ব্রহ্মই এই বিপুল অংকপ ভ্ৰমবিলাসে পর্যবসিত ভেদবুদ্ধিজাত অথবা দ্বিতীয়তাৰ পৰম গুয়েজনীয় চিন্ময়- হইতেছেন, একমাত্র ব্রহ্মই এই অনেকৰূপে প্রতিপন্ন হইতেছেন, রস মজ্জাস্বরূপ পারমার্থিক সন্নিবেশবৈচিত্রঃ সমন্বিত, উহা অণু এই জন্য তাঁহাকে সর্বময় বলা সুসঙ্গত হয়। হে রাম। হৃদয়মধ্যে অপেক্ষা অণীয়সী, মহান অপেৰু মহীয়সী, সনাতনী বলিয়া মনােরখকল্পিত প্রাসাদপীক্টাদি যেমন কিছুই বাস্তবিক বিদ্য- বার্ধক্যাদি বিকারাদি, সৰ্ব্বদাই অতিবালিকার ন্যায় বিয়া- নাই, তদ্রুপ ঐ ব্ৰহ্ম ব্যতীত আর কিছুই নাই।৩১-৩৫। মান। এতাদৃণী কৃতিশক্তিই “এই স্ত্রী আমি” এই নপুংসক চতুচত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৪ । আমি ইত্যাদি ভেদের প্রতি কারণ। ইহা অন্য’ ইহা ’ি ইত্যা- সির হেতু অবিল্যামল : উহু বস্তুত কিছুই নহে, উহা প্রকাশ চিন্ময়ের নিকট আকাশময়ের স্থায় অসম্ভব, তথাপি ঐ সকল পচকারিংশ সর্গ। দ্বৈতভেদবুদ্ধিরূপ অবিদ্যামলের প্রতি হেতু ঐ আত্মচমৎকৃতি, সেই আত্মচমৎকৃতিই যখন ঐ বিশ্বফলের স্বরূপ, সুতরাং উহা বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। একটী অপূৰ্ব্ব রমণীয় সংক্ষিপ্ত অনন্ত অর্থাৎ অদ্বৈত এবং সৎ। ঐ আত্মচমংকুতি শক্তিই অহঙ্কার ব্যাস্ত এৰণ কর, বৃত্তান্তৰণে বিস্ময় ও উল্লাস হয় এবং প্রকৃত উৎপত্তির পরেই আকাশ ও আকাশগুণ শব্দ এবং ত্রৈলােকের বিষয়ে তােমার জ্ঞান এঘিৰে। নির্মল পরিস্ফুট একটা অতি বিশাল ব্যষ্টিসমষ্টি পরমাণুভেদে অহঙ্কার বিস্তার করত আম্মািনিক বিরল আছে, তাহার পরিমাণ বহুসহস্র যােজন, বহুযুগেও আবরণ লাভ করিয়া বিরাজ করিতেছেন। ঐ ঐকলজ্জার ওহর ক্ষয় হয় না, তাহার রস অক্ষয় এবং সারভাগ সুধার স্লায় ইহাই চমৎকৃতি যে, স্বকীয় স্বরূপ পরিবর্তন বা পরিত্যাগ না সুমধুর। সেই বিফল ফহুকালের পুরাতন হইলেও, শশিকলার করিয়া ক্রমশ সংবিৎশক্তিরূপিণ হইয়াছেন। মন্দর সেই সংবিৎ ন্যায় সুন্দর কোমলতায় সমুজ্জ্বল। উহা ভুষনবৃহ-মগত মহা- শক্তিই অলরূপিণী হইয়া নিজ নির্বিকাররূপে জগদাকায়-দৃষ্টি মেরুর স্যায় শােভমান, মন্দরাজির ন্যায় অচল ও দৃঢ়, মহাপ্রলয় বিস্তৃত করেন। এই অনন্ত বিস্তৃত নভােমণ্ডল, এই কালময়ী কল, পৰবেশেও অবিচলিত এবং উহা এ বিশাল বিস্তীর্ণ যে, এই যে লিতি বলিয়া যাহা কখিত হয়, এই যে স্পন্দরূপিণী ক্রিয়া, কোটি কোটি অযুত যােজনেও ইহার ইয়ত্তা করা যায় না। আর এই কৃষ্ণবিস্তার, এই অবিশ্রান্ত পরিশ্রম, এই রাগন্বেষবৰস্থিতি, উহার জগৎ-শারণের আলিমূলও কে স্থির করিতে পারেন এই হেয়ােপাদেয়বুদ্ধি, এই ত্বা, এই মত্ত, এই ভত্তা, এই নাই। ব্রহ্মাণ্ড ঐ বিশ্বফলের উপরিগত; নিকটে ঘাইলে বােধ ব্রহ্মাণ্ডসমূহ, ঐ উহু, এই অণ, ঐ উ ও এই অঃ ইত্যাদি হয়, যেন পর্বতে উপরে সূর্যপকণপঙিক্ত রহিয়াছে।১৬। যাহা কিছু সকলই হাতে প্রতিষ্ঠিত। ১৬–২৩। ইহা সম্মুখেও হে রাখব। এমন কোন ড়িপ্রিয়ভােগ্য রস নাই যাহা উহার ইহা পাতে, উন্থা অতিদূরে ও ইহা নিকটে, ইহা ভূত, ইহা বর্ত- অভূত রসরাজিকে অতিক্রম করে। এরূপ অস, তথাপিরিপক মান, ইহা ভবিষ্যং সকলই সেই বিশ্বের মজ্জা এই যে অন্তর্বর্তী- হইলেও পতিত বাজরালেষে আক্রান্ত হয় না। ব্রহ্মা, বিষ্ণু রুদ, অনন্তকল্পনা কলনিলয় জীবগণ-সমন্বিত ব্ৰহ্মাণ্ডমণ্ডপমণ্ডিত ইন্দ্র ও অন্য কোন চিরজীবিক্ষণ পর্যন্ত ঐ বিশ্বফলের উৎপতি (হরি) ক্রীড়ামণ্ডপমণ্ডল, এই বেইলির অলরা রহরূপ মূল বা বৃন্ত কিছুই জানিতে পারেন নাই। ঐ যে গু-গুডি) পৰপৰিশােভিত কমল কণিকাকীর্ণ লেকপক্ষমালিকা, এই *(কিংবা) এলাদি কেহই বলের আয় রিজীবী নহেন, * ঐতিতে ঐ আনন্দময়র আনন্দের কিছু অংশই ও Tং কেহ উহার উৎপত্তি, মূল ও অবগত নহেন। ভূত বলিয়া কীর্তিত। কোসেভিচানন্দময় ০ ৪৫৮ যােশবাশিষ্ঠ-রামায়ণ - যে সর্বত্র মহারুদ্রগণপূর্বকোটা আকাশপলখী, যাহা বিষয়ুলম্পট, অসম্ভব, কারণ ঘহার অবয়ষ নাই, তাহার মুখ্য অন্তঃপ্রদেশ বা হা স্বৰ্গতগণের অধঃপতননিমিত্ত প্রভাবশালিনী ও তাহাদিগের পরিণাম কিছুই সম্ভবপর নহে। যাহা এই চতুর্দিকে দৃষ্ট হই- পলকালে প্রখময়ী হয়। (নক্ষত্ৰপাতকালে তাহা বােধগম্য) তেছে, চিঘিরে ইহা কেবল বিবর্ত চমৎকার মাত্র আমিষে যাহার উত্তরদিকে সুমেরুরূপ অগংপঙ্ক কণিকা শােভমানা, চিতিরূপ মরীচৰীজের এই জগদাখ্যা চমৎকৃতি। যেমন বিজি- ঘহাতে দেবরূপ টুপদগণ পরমশােভমান ইন্দুমণ্ডলের মধুপান ব্যক্তির মনঃকল্পিত পদ্মবনসন্নিবেশ শিলাগতে থাকে; ড্রপ ঐ লালসায় বিহার করে এবং নরক যাহার মূল, এই সেই অগৎরূপ মরীচৰীজের সুষুপ্তি অবস্থার স্থায় সৌম্যভাবপ্রাপ্ত অন্তরে ঐ জয়ঠাফের উদ্দামসৌগন্ধশালিনী স্বর্গ-লক্ষ্মীপণ পুষ্পমঞ্জরী চমৎকৃতি অবস্থিত আছে। মন্ত্রীদের যেমন উপরে আবরণের যাহার তারকারাজি কেশর, যাহা ব্ৰহ্মপ সাগরতটে অবস্থিত, কাঠিন্য, অভ্যন্তরে তাদৃশ নহে, ঐ চিন্মরীচের অন্তর তাদৃশ। এই সেই পারাবারবিরহিত আকাশলীলা-সরোজিনী, এবং হে ইবন। এ বিষয়ে এক বিস্ময়করী রমণীয় বিচিত্রা আখ্যা- বাজাতে ক্রিয়াসমূহ কুন্তীরাদির ন্যায়, মাস ঋতু প্রভৃতি স্নহের যিকা বলিতেছি, এষণ কর। যিকা বলিতেছি, শ্রবণ কর। ১। এক মহাশিল আছে, তাহা আয়-আবর্তের ন্যায় এবং যাহার প্রজা সৃষ্টিরূপ অবর্তে (বা সিন্ধপ্ৰকাণশালিনী, সুখস্পর্শা, অতি বিস্তীর্ণা, নিবিড়া ও সারবতী জন্মমৃত্যুরূপ আবর্তে ) ভূরি ভূরি ভূতগণ উন্মজ্জিত নিমজ্জিত হইয়া বলিয়া সদা অক্ষুব্ধ। সরােবরের ন্যায়,তাহাতে রমণীয় অস্তবিকশিত মান, যাহা প্রাণিগণের আয়ু পরিমিত বিস্তীর্ণা, এই সেই বহুতর কমল বিরাজমান, (মনের কল্পনার অসীমতা, অতএব, ক্ষণমুহূর্ত আদি কল্পপৰ্য্যন্ত সমস্ত কালাবয়বরূপ পল্লবভূষিত কত আছে তাহার অন্ত নাই। তাহাদের দলগুলি পরস্পর মিলিত, সূৰ্য্যচন্দ অগ্নি প্রভৃতি তেজপদার্থরূপ কেশরশালিনী গগনপদ্ম কমলগুলি পরস্পর আহত হইতেছে। সকলগুলিই পরস্পর সমন্বিত কালনলিনী এই সকল ভাববিকারসম্পন্ন, এই জয়ামৃত্যু সংশ্লিষ্ট, কতকগুলি আবৃত আছে ও কতকগুলি প্রকটিত আছে, বিচিকা, এই বিদ্যা অবিদ্যার বিলাসসমন্বিত, এই শার্থ-দৃষ্টি, কতকগুলি অধােমুখে, কতকগুলি উমুখে ও কতকগুলি বা সকলই সেই বিফলে মজাচমংকুতি। এই প্রকারে সেই তিজুখে অবস্থিত , সকলের মূল পরস্পর মিলিত ও সকলের বিশ্বমাচমংকুতি বৃষ্টিসমষ্টি সঙ্কল ও সন্নিবেশমধ্যে অধিষ্ঠান মুখগুলিও পরস্পর সংলগ্ন। কতকগুলির মূল কণিকাজালে ও করিয়া রহিয়াছেন। তাহা শান্ত, স্বস্থা, নির্ধাধা, সৌম্য, ভাবলয়- কতকগুলির মুলের মধ্যে কণিকা। কতিপয়ের উর্ধে মূল ও ব্রিহিতা, সকলের কর্তৃত্ব সাধনকারিণী অথচ অকর্তৃত্ব প্রকাশে কতকগুলির অথােদেশে মূল এবং কতকগুলির একেবারেই মুল অর্থাৎ উদাসীনভাবে অবস্থিত। ঐ বিষযজ্জাচমৎকৃতি, অষৈতা নাই। তাহাদিগের নিকটে মুকুলিত পদ্মাকার সহ সহ শখ বলিয়া একা, সর্ব স্বরূপিণী বলিয়া বিবিধার ন্যায় অনুভবগম রহিয়াছে, এবং বিকসিত পদের আয় বিশাল চক্রনিবহুও থায় (বস্তুগত্যা একা) আর ঐ মজ্জা-চমংকুতিই দ্বৈতসাধনী বিরাজমান। ৭-১২। রামচন্দ্র কহিলেন,—ইহা সত্য বটে- বলিয়া অনেকাত্মিকা, আবার সতীয় বিজাতীয় স্যো বলিয়া আমিও এইরূপ এক মহাশিলা দেখিয়াছি, তাহাও এইরূপ কমল- বিবিধা একা, দ্বৈতৰিকল্প-নিরাসিনী বলিয়া সেই শক্তিই একা, | রাজি-পরিবৃত বটে, হাতে মহাহরির ধামরূপ শালগ্রাম বিদ্যমান সুতরাং স্বগতভাবিরহিতা (অর্থাৎ ঐ বিমজাচমংকুভির 'আছে। মুনিবর বশিষ্ঠ, রাম যে তাহার আখ্যায়িকাৰ ভাৰগ্ৰহণ আন হইলে আর কাহারও দ্বৈতভ্রম থাকে না। তাহাই করিয়াছেন, তাহা তাহার বাক্যে বুঝিতে পারিলেন ও তাহাই সত্যস্বরূপিনী স্থিরা মহতী চিচ্ছক্তি। ২৪-৩৬। অনুমােদন করিয়া বলিলেন, যথার্থ বটে, তুমি সেই আমার পঞ্চচত্বারি, সর্গ সমাপ। । দৃষ্টান্তভূত শিলা দেখিয়াছি ও তাহা তুমি জান। দৃষ্টান্তিকস্বরূপ চিত্মাও বাদ্যশস্বভাব ও ভাঙ্গতে যাহা নিরবকাশ চিদঘন প্রাণের প্রাণ নিরতিশয় আনন্দরূপ বর্তমান, তাহাও তুমি দেখিয়াছি, তুমি জন , কিন্তু আমি যে শিলার কথা তােমাকে দিলাম ইহা অপূর্ব, ঘটচারিংশ সর্গ। যাহার অন্তরস্থ মহাকুক্ষিতে সমস্ত বিদ্যমান, অথচ নাই ।। রামচন্দ্র কহিলেন-হে ভগব। হে সৰ্বসার। আপনি ঐ মংখিত শিলা চিশলা, উহারই অন্তরে নিখিল জগৎ যাহা বলিলেন, সম্বন্ধে আমার বুদ্ধিতে ইহাই বােধ হয় যে ঐ অবস্থিত, যাত্ব, একাত্মক, একরসত্ব, ও কুটস্বত্ব আদি উহাতেই বিশ্বরূপিণ মহচিকন ক্ষের স সম্বন্ধেই আমাকে উপদেশ আছে; ঐ শিলা ও কিছু নহে, যাহা ‘চিং” বলিয়া কথিত, দিলেন। আমি, তুমি ইত্যাদি সমগ্ৰ অহংতা আই টিজার তাহাই ঐ শিলা। যদি চ উহার অভ্যন্তর ঘন ও নিরবকাশ এমন রূপ, ইহাতে যৈত, ঐক্য, কল্পনাদি কিছুই তো নাই। তদুত্তরে তি, সামান্য যুদ্ধ পর্যন্ত উহাতে নাই, তথাপি এমনই মায়া যে, বশিষ্ঠ কহিলেন—মেরু-আদির প্রতিষ্ঠা যেমন ব্রহ্মাণ্ডকুণ্ডে উহার অভ্যন্তরে আকাশে বিপুল অনিলের ন্যায় অবিল জগৎ মজ, ড্রপ ব্ৰহ্মাণ্ডাদি জস্থিতি সমস্তই সেই চিৰিলের মজা; বিদ্যমান। ঈষৎ ও নাই, অথচ উহাতেই স্বর্গ, আকা বায়, কেবল যে অহং-কালিমা, তাহা নহে। হে রাম। চিঘিরে পৃথিবী, নদী, পর্বত, দিসমূহ,সকলই বর্তমান আছে। উহাতেই মজা বলিতে তদন্মগত অবয়বপুণের রাণীভূত পরিণামবিশে, এই নিজিড়া জগৎপন্ন প্রকাশিত। (উহা ভিন্ন শুদ্ধাত্মক বত বা এরূপ ভক্তি যেন তােমার না হয়; কোন বিষয় পর, খােল) মাথার স্কপ এই সৃষ্টিরূপ আর আলস্থানীয় পর * পাঠক। এই রূপ দৃষ্টান্ত উপদেশ লি লিখিত ব্যাখ্যায় যদি হত, তাহা হইলে পরিণামরূপ না হইত, এই বৃষ্টি বিস্তীর্ণ হয়ে পড়ে, এই সামান্য সঙ্কেতেই বুৰিয়া লইবেন। মজার তত পারে সম্ভাবনা থাকাতে ঐসব পাঠক! এইখানে বুঝিযেন এই বণিপিত শিলা ত্মাির (অর) সাকল্যের বা এদেশের বিনাশ বা পরিণাম বিৰ, ৰক্ষশিলাও ব্রহ্মবি, একই এলাদেশ।
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। ব অন্য কোন কিছুই নাই)। অগং অন্য বন্ধু বলিয়া বােধ হয় বটে, চিত্মক জানবে। যেমন বীজ অঙ্কুর, শাখা, পাব ইত্যাধিরূপ বস্তুতঃ তাহা অঙ্গ নহে ও শুদ্ধ চিদাত্মকও নহে, কিন্তু মায়া- উত্তরােত্তর বিকারে পরিণত হইয়া তাহার প্রতি কারণ হয়, প রূপ মাত্র। ১৩–১৯. যেমন প্রস্তরখণ্ডে শখপতি চিত্র চিদনের চিনত্ব ও এই ব্রিজগৎ বিকায়ে ক্রমশ পরিণত হইয়া অক্ষিত হয়, তদ্রুপ শিলিমন নিজকল্পনায় ঐ শিলায় বর্তমান- তাহার কারণরূপে অবস্থিত অনিবে। বীরূপ কারণ ও কাৰ্য বৰু ভূত-ভবিষ্যৎরূপ চিত্র অঙ্কিত করিয়া রাখিয়াছে ও করে। ঐ পত্ৰপুষ্পদি, ইহাদিগের একত্বও দ্বৈতভাৰ, দ্বৈতভাবও একত্ব। সকল অঙ্কিত মূর্তি ঐ শিলাতে, যেমন শিলাতে শালঞ্জিকা উহাদিগের একের অভাবে দুইএরই অভাব হইয়া থাকে। এই অর্থাৎ খােদিত প্রতিমূর্তি বস্তুর্বের ন্যায় প্রকাশ পায়, তদ্রুপ জগৎ জাড্যকল্পনা হইতেই সমুদ্ভুত, কারণ, “চিৎ” কথন এরূপ যখার্থের ন্যায় হইয়া রহিয়াছে, বাস্তবিক তাহা নহে। অডভাব হইতে পারে না। ২৮-৩২। খে, যাহা চিৎ, তাহা পাষাণে নানাবিধ অক্ষিত মুর্ভিসন্নিবেশ-দেখিতে বিভিন্ন, কিন্তু কখন চিবিপরীত হতে পারে না, চিং অচিৎ, এই সময়ের কখন পণখও সেই একই, সেইরূপ ঐ শিলায় প্রতিভাত সকল বর্তমান নাই, যাহা ঐ জ্বয়ে অভিহিত, তাহা অন্তরে এক ও দেখিতে বিভিন্ন , কিন্তু সকলই ঘন একপিণ্ডাকার। যেমন শিলায় পৰম্পর অভিন্ন, পরস্পর পরস্পরের অন্তর্গত। মহাশিলার অত্য- অঙ্কিত পদ্ম সেই শিলা হইতে অভিন্ন হইলেও ভিন্ন আকারান্তর তরে অঙ্কিত রেখাদিভেদ যেরূপ বহুভাবে বর্তমান, বাস্তবিক সমন্বিত বলিয়া বােধ হয়, সেইরূপ এই সৃষ্টিব্যাপার (অর্থাৎ সৃষ্ট শিলা একই, দ্রুপ এই জগৎও ঐ চিদন বিৰে পৃথক্ এভিজাত পদার্থ ঐ) চিং, শিলা হইতে অভিন্ন হইলেও বোধ হয় যেন মজ্জাদিস্বরূপে অবস্থিত, বাস্তবিক তাহা ভিন্ন হে। রেখা জিন্নাকার ভিন্ন বস্তু। সুষুপ্তি অবস্থায় অর্থাৎ যখন পাষাণদারণ যন্ত্র উপরেখা বিশিষ্ট প্রকাণ্ডশিলায় স্যায় একই ব্ৰহ্ম, ত্রৈলােক্যময় দ্বারা বিলাতে পদ্মকার বা চক্রাকার খোদিত না হইয়াছিল, স্বৰূপে দৃশ্যমান। শিলাগৰ্ভস্থিত পদ্মাদি চিহ্ন যেমন শিল্পীর অবস্থায় সেই শিলাতে সেই পন্য বা চক্ৰমূর্তি যে ভাবে ছিল, এই বাসনাসরূপ মাত্র ও তাহা কেপ ক্ষমােদরহিত নিত্য বলিয়া জগদাবলীও সেইরূপ ঐ শিলায় আছে, ছিল এবং ইবে। যেমন প্রতিভাত হয়; তদ্রুপ তুমি আমি প্রভৃতি প্রজ্ঞাবসংবলিত শিলায় পদ্মলেখারাজির বা ময়ীচের অভ্যন্তরস্থ চমৎকুতি, অর্থাৎ | অগগতিও কমােদয়বিহিত নিত্যস্বরূপে প্রতিভাত জলিবে। কামল সারাদির উৎপত্তি বিনাশ নাই, সেইরূপ ঐ চিৎশিলায় ও যেমন শিলান্তর্বর্তী রেখাদি শিলাময়ই, অতও আহা শিলা, চিৎমরীচবীজে এই সৃষ্টিকপ পদ্ম ও চমৎকৃতি উদয়াস্তরহিত হইয়া | সারও আহা শিলা, সুন্নাৎ তাহা যেরূপ শিলান্তর হইতে বর্তমান আছে। যেমন সাধ্বী স্ত্রীর হৃদয়ে তার অভীষ্ট পতির। পৃথকু বন্ধু বলিয়া বিচারিত হয় না, তদ্রুপ এই যে অম্মদুবিদিত মূর্তি সদা জাগরূক থাকে এবং যেরূপ বিশ্বফলের অভ্যন্তরে জীকররূপ জগৎকর্তা বা তদীৱ কাদি ও কাৰ্যরূপ অগৎ, মজ্জাসার ওতপ্রোতভাবে অবস্থিত, সেইরূপ হে রাম। এ অনন্ত সমস্তই টিতি অর্থাৎ চিৎস্বরূপ আনিবে। তত দেখিলে যেরূপ বিকারসম্পন্ন ব্রহ্মাণ্ডমণ্ডলীও চিৎশিলায় বা চিবিয়ে বর্তমান শিলান্তী পদ্মাদির স্পন্দন বা অস্পন্দন আবির্ভাব বা তিরে- জানিবে। যখন বিকারী ব্ৰহ্মাণ্ড চিত্র, (অর্থাৎ কেবল ভাব, পরিগণিত হয় না, আত্মলনে জগৎক। আলির চিৎস্বরূপ), তখন সেই বহ্মাণ্ডবিকার এই জগৎশরীরাদিতেও সেই অবস্থা জানিবে। এই জগৎ বা ব্ৰহ্মকে কেহ কখন নির্মাণ চিন্মাত্র , এই যুক্তি প্রদর্শনের কোন অর্থ নাই, অতএব তাহা করিতেও পারে না, বা বিনাশ করিতেও পারে না, সুতরাং এই নিল। কারণ, যেমন জলে জলবিন্দু উৎপন্ন হইয় ক্ষণকালেই জগং বা বন্ধ কাহার নির্মিত নহে, হয়ও না, বিনষ্ট হয় না। । বিলীন হয়, ভদ্রুপ এই বিকারাদির ব্রহ্মাণ্ডের চিত্ৰতা দর্শনেই গিরিশৃঙ্গ যেমন গিরি হইতে পৃথক বা অধিকারপ্রাপ্তও নহে, ঐ তৎক্ষণাৎ চিত্ৰতা লাভ করে। চিতি অনন্ত বলিয়া চিতির ব্ৰহ্মও ভাবে প্রভৰ উল্লাস বিলাস প্রভৃতি সূচক মাত্র। বিকারও অনন্ত। ২০-২৭। যাহা নাম আরা বিদিত, সেই নামের বহুশিল্পীর বিবিধ ও বিরুদ্ধ মানসকলনাভেদে শিলা যেমন লয়ে বয়ও লয় হইয়া থাকে। যেমন কবির বৰিত গন্ধর্বগরের নানারূপে প্রকাশ পাইলেও তাহা এই অভিজ্ঞ শিলারূপে বৈচিত্র্য কেবল নামমাত্র, বাস্তবিক পাঠক তাহা দেখিতে পায় অবস্থান কর, ভদ্রুপ নালালীববিরুদ্ধ কনাতেও , এইরূপ এই জগৎসৃষ্টিরূপ বিকারাদি নামমাত্র , কিন্তু সেই একই সেই এক স্বরূপে অবস্থিত জানিৰে । কবিবর্ণনায় বোজ্জার চিত্ৰতাহেতু তদীয় জ্ঞানবশত তাহা যেমন, যেখানে যে আকাৱে কল্পিত হত, সেখানেই সেই আকারে সত্য বলিয়া অতীত হয় ও সেই কণিত ও নগরদি উক্তিমাত্র। অবস্থিত জানিবে, বস্তুগত্যা কিছুই ভেদ নাই। সকলই ব্ৰহ্ম- সিদ্ধ হইলেও প্রতীতিকারক যেরূপ চৈতময়ই থাকে, সেইরূপ সাত্মক, অর্থাৎ দৃশ্যমান যাবতীয় পদার্থে ব্ৰহ্মপত্তা বর্তমান, এই বিকারাদি ও অর্থপূহ সমই ব্ৰহ্ম জনিবে, কারণ অৎসাই এই দৃমান পদার্থের । হয় বিমানের জগতে বিকাৱালি বলিয়া বা অন্য কিছুই নাই। ব্ৰহ্ম যেমন স্বপ্ন অর্থ ও কল্পনাঙ্গে অবিনােথ অনুভব করে ও যখন অনন্ত, তখন নিরর্থক ও সার্থক বর্জন ও অবল সহ কয়ে, বাস্তবিক তাহা অলীক; প এই সমস্ত ঐ মুখি- সকলই ব্ৰহ্ম, সুতরাং বিকারাদি যাহা কিছু সফলই পক্ষে ভেদবৈচিষৎ পরিমান ও অনুভূত হয় অলিৰে। বাস্তবিক অবস্থিত ও ব্রহ্মই ক্রমে উৎপাদিত হইয়া থাকেন। যেমন সন্তকেই সেই একই ব্ৰহ্ম ওসঙ্গাত্মক স্বপে প্রকাশন। মরীচিকা জলভ্রমের প্রতি কারণ, তদ্রুপ ব্রহ্মই প্রতিপাক। অতএব এই বিৰিভাৰৰিকাত্বপূর্ণ এইজতে সরে যাহা এই জনিবে—অর্থাৎ অহা কিছু নহে, সমস্তই চিংবরূপ। বেজপ মহাভ, তাহা শিবর্তী পদ্মাদিসন্নিবেশবং উন্মােষিত বাসন বী পূলের অভ্যন্তস্থিত হইলেও, বীজের অভ্যন্তর পৃথকৃ মাত্র। এই জগৎ উস্থিষিত বাসনাশাস্ত্র হইলেও চিন বলিয়া যােব না, অর্থাৎ পূণিত বীজসভার শেন ব্রহ্মাকাময় ৰলিয়া নিত্য ওশানুরূপ। ডিম পদ্মলিবৎ অনুবৃত্তি, চিম্বাপেরও অদৃশ আবৃত্তি জানিবে। এতএব সবই জ এই দৃষ্টিপ্রমুখ। ঐ ব্ৰহ্মাকার পরিমান হইলেও যােশবাণিষ্ঠ-রামায়ণ = বহুত কখন ইহা সত্তা বা স্বরূপ স্থিতিলাভ করিতে পারে নহে, তদ্রুপ ঐ • চিত হইতে পৃথক ধৰি এই জগতের শ। ৩-১। সভাই হয়,অতএব যাহা কিছু বৈচিত্র্য বা নানাত্ব ভেদ, অহা বিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৪। ঐ চিন্ময়, দ্বিতীয় আর কিছুই নাই। আর যদি ঐ শিলাহইতে পৃথকুন ধরা যায়, তাহা হইলে যেমন ঐ সকল পদ্মবিশ্বদি বিচিত্র চিত্র আর পৃথক বন্ধ থাকে না, একই সেই শিলাগৰ্ভ জ্ঞান হয়, সম্প্রচারিংশ পর্গ। অপ এই অগং প্রপঞ্চ ঐ শিলান্তর হইতে পৃথক্ না নিলে সকল ঐ নানাপাথগ্রপঞ্চ একই ঐ চিৎশিলা গঙ, ইহা প্রম মুনিবর বশিষ্ট কহিলেন-হে রাঘব। আমি যে তােমাকে হয়। মৃগতৃষ্ণাক্রান্ত জীব মরুমরীচিকায় জলমে ধাবিত হয়, আর চির চেন ফলের সহিত দৃষ্টান্ত দেখাইলাম, তাহার স্থলাভিজ্ঞগণ তাহাকে স্থল বলিয়া অবগত হয়, কিন্তু বিধান কারণ, ঐ অচেতন ফলের ন্যায় ঐ চিত্তত্ব যখন নিজের স্বরূপ- বিচক্ষণ তাহা সূর্যরশ্মি লয়া বুঝেন, অল্পতে সত্য আতপ, আর সন্ধানবিমুখ তখনই সৃষ্টি , ঐ চিত্তত্বের যে অপর যুগ-বৎসরালি ভ্রমানুমিত জলাদি অসভ্য, হে রাম। এইরূপ সদসন্ময় মরীচিকার রূপ অল্প তাহাতেই নিজ সন্ত্রাসন্নিবেশে যাহা প্রবৃত্ত হয়, তাহাই। ন্যায় তুমিও সদসপু বলিয়া আমাকে বুঝিতেছ, তুমি তাহা নহ সৃষ্টি, ইহা চিরে সমান সন্তান স্বগত জে নহে। যাহা দেশ, বাস্তবিক তুমি সেই চিৎস্বরূপ। মেন জলরাশি হালিৰিবর কাল বা কাষ্টাসি দুষ্ট হয়, তাহাও তন্ময় অর্থাৎ চিন্ময়,অতএব ইহ' মধ্যে দ্রব্য বলিয়া স্পন্দিত হয়-চলাচল করে, কিন্তু বাস্তবিক অ, ইহা চিদ) ভি ইত্যাদি কল্পনাও ইহাতে উপপন্ন হয় না। জলের স্পন্দন নাই, তদ্রুপ ঐ কলনােমুখ অর্থাৎ ব্যাপারেমুখ। সমস্ত শব্দ, শব্দার্গ, বাসনা ও তৎপ্রযুক্ত সজৰিকাদি কল্পনার চিনঘনের অন্তরও স্পন্দিত হয়। শিলাঞ্চিত শম পদ্বলি যেমন জ্ঞাতাও একাত্মক অর্থাৎ আগ্রণালি অবস্থাত্ৰয়েও ঐ চিন্ময়, অতএব শিলাময়, সেইরূপ ঐ চিৎশিলাস্থ জগৎ শিলপদ্মাদিও চিন্ময়, কিন্তু কি করিয়া ইহাকে অসং বলা যাইতে পারে ? ২-৩। যেমন ফলের তাহা সাধারণরদ্ধির বোধগম্য নহে বলিয়া অতন্ময় বলিয়া বোধ অভ্যন্তরস্থিত মজ্জাদিসন্নিবেশ একই বঙ্গ, অথচ পারিভাষিক হস্তু, অতএব তুমি এ জগংপধাদি পদার্থ সমস্তই ঐ জিশিলাগঞ্জ নামাদিতে নানা অর্থাৎ বীজ, সার ইত্যাদি হইয়াছে, তদ্রুপ ঐ জানিবে ও-বুঝিতে চেষ্টা কর। দৃষ্টান্ত দ্বারা তােমাকে যে মহা- চিত্তত্বেরও পারিভাষিক নামাক্ৰমবৈচিত্র্যে সত্তা ও ঘনত একই। শিলার কথাৰলিলাম ৰা তুমি যাহা দেখিয়াছি বলিলে, হাও হইলেও নানাভাবে বিরাজ করিতেছে। ঐ চিংশিলা। শিল্লিগণ শতসহস্র চেষ্টা করিয়াও উহাতে ছিদ্র দলের অস্তি, সারসত্তক ঐ চিৎসা ও তদন্তরস্থ সিদ্ধি অর্থাৎ সন্নিবেশ করিতে পারে না উহাতে ভেদবিকার নাই, উহা অজ ও শান্ত, নিষ্পত্তি না না হইলেও নালা, অবিকৃত হইলেও বিকৃতং | যাহা সন্নিবেশ পন্থাদি, তাহা মিথ্যা বলিয়া উয় সন্নিবেশ ভাসমান। শিলামধ্যগত পদ্মাঙ্গিন্নিবেশবং জগং বলিয়া যা বলা ভাসমান। নিৰ্ম্মল শরণকালের ন্যায় নির্মল নিরঞ্জন ব্ৰক্ষই এই হইয়াছে, তা দর্পণে প্রতিবিক্ষিত নগরের ন্যায় ঐ চিপণে এগং প্রকাশিত করিয়া তাহাতে তাপ বিতরণ করিতেছেন, প্রতিৰিঙ্গিত ঐ চিৎক্ষৰূপই বাৰিক বথিক কিছু প্রতিভাত না । ডুবসম্পন্ন নমুনানন্দপ্রদ চন্দ্রের ন্যায় এই জগৎ উদ্ভাসিত হইলেও প্রতিভাত বলিয়া বােধ হইতেছে। যেমন অদ্ভুত মাফিক করিতেছেন এবং চ যেমন প্রকাশমান, দ্রুপ অগৎস্বরূপে শক্তি থাকায় চিন্তামণির সমীপে যাহা চিন্তা করিবে, সেই ' প্রকাশমান অছেন। ব্রহ্মস্বরূপে এই সুষুধাভ অর্থাৎ বাসনা- মনােরখই তাহাতে পাওয়া যায়, তদ্রুপ ঐ পরম চিংণিতেও মাত্র স্বরূপ বলিয়া অনিত্য এবং ব্রহ্মাত্মক বলিয়া, শিলালিখিত শত সহস্র জগৎ বিদ্যমান রহিয়াছে। যেমন মুক্তাশুতি (ঝিনুক) পদ্মের ন্যায় নিত্যস্থিত, (অর্থাৎ শিলাঙ্কিত পথ পত্নস্বরূপে বিনশ্বর মধ্যে মুক্তারাজি, সেইরূপ চিৎশুক্তি সম্পুটক (কোটায়) এবং শিলাস্বরূপে অবিনশ্বর, তপ এই জগৎও ঐরূপ বুঝিবে। কাৰণ মধ্যে এই আগমুক্তা তন্ময় হইলেও অন্যবং দৃশ্যমান হইয়া ব্রহ্মেরক্ষর যেরূপ অবস্থিত, অগংও ঐ ব্রহ্মে দ্রুপ অবস্থিত। আছে, যেন সেই চিৎ সটকে ক্ষোদিত হইয়া বিস্তীর্ণ রহিয়াছে। •। যেমন ক্ষ ও পাপ নাম মাত্র প্রভেন, কিন্তু বস্তুত যেন তা আদিত্য স্বীয় অবির্ভাব-ডিনাের্ত আরা আহােৱাত্র অ ও ধাহা, পাপ ও তাহা, জপ ব্ৰহ্ম জগৎ নাম মাত্র পক্ষে, বিধান করিতেছেনও জাগতিক দ্রব্যসমূহ দেখাইতেছেন, সেই ফলতঃ কিছু প্রভেদ নাই। এই নিখিল জগৎ ও যাহা, চিৎ- রূপ ঐ ভাস্বা চিৎও স্বীয় অঙ্গেই প্রকাশ-অপ্রকাশৱপ স্বরূপও তাই, অভিন্ন অন্য কিছুই নাই। চিৎম্বরূপের আয় এই জগন্দ্রব্যের প্রকাশ ও প্রকাশ করিতেছেন। সমুদ্রগর্ভে যে সকল কাগজ্ঞে ভাব কখনই নাই। মরুভূমি তাপ যেমন আবর্ত (জমি) অঙ্গালি স্পন্দভেদবিলাস সকলই সেই গল্পে আভাস অর্থাৎ ভ্রম উৎপাদক, দ্রুপ ঐ ব্ৰহ্মই এতে সমুদ্রশিলান্তমিবেয়ে যায় ঐ ৎিশিলান্তমিকে অভি আভাস জানিবে। যেমন কাকালি (বরফ) কেবল আকারে কি , হইলেও ভিন্ন সমান। যাহা আছে বা নাই, অতীত না কিন্তু তাহা সমই অল, কিংবা বুঝি কেমন পরিণাম নিল অনাগত, বা বৰ্তমান সফলই সেই চিৎশিলাশরীরে অতি অলরুণ ধারণ করে, দ্রুপ এই মেণি মুল পদার্থনি - পুলিকা। ভাবাভাবপদার্থের মধ্যে যাহা সত্য, তাহা ঐ পুর্ব-দশীর নিকট শুদ্ধ (জিন) ত্বাদি ী স্বরূপে প্রতি যতি চিঘিরে মঙ্গ, যিনিফলের পদার্থসম্পত্তি যাহা কিছু ভাত হয়। এ অষবিদ দিব্ৰহ্মাণ্ডাত বাজগৎ ও অথ জাসারই এবং সেই সেই মাসারই বিশ্বময় ও চিদি হিরণ্যগর্ভপৰ্যন্ত অঞ্চগঞ্জে যাহা পৰম আৰু অর্থাৎ তাই বিফল। সেইরুপ পদার্থসমাই যখন চিৰিয় মজা- উত্তরােত্তর পেত ষাকৃত অ (নবিক- সা, ন ই ডিম, ও অহাই চিৎ। যেমন শিলঙ রহিত)পৰ্যন্ত বিভাগ কৱিত কৰিতে মে বাহা উপনীত পরিত্যাগ কমিগ পানি না কেন জামাবাবুবি হয়, তাহাই পৰম অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ বলিয়া বেগত হন। এই -িএর- লুগ • মান পঞ্চকৃত • মেরুদিই অগীত ভূতসমূহ, আয় পীকৃত পদার্থ যাহা আহা চিত, পদার্থে সারসত্তা অষ্টত্বারিংশ সঙ্গ। থাকিলেই মুখপঞ্চে সেই সভল সার হইতে সার হয়, ঋণ কহিলো-বোন আমধ্যে ময়ূর তাহার পানি কেবল সুলপ্রপঞ্চেই যাহাদের সাৱজ্ঞান, ভাইয়া অজ্ঞান। যেমন পৰিমনা পাইয়ও এবান করে, দ্রুপ ঐ বিশুদ্ধ চিঙে পরমাণুগত বসতি স্থূললে ইত্রিয়গােচর হয়, অথচ সেই হাদি অগং ও দিনাকালি ৰহিগৎ সমস্তই অনিত সুনজনগত সশক্তি পরমাণু হইতেই উপচিত হই নেত্রশােচর ভাবে অবস্থিত আলিবে। যাহাতে বস্তুগত্যা কিছুই উৎপন, হয়। হে রাখব। ব্ৰহ্মসন্তাও তদ্রুপ স্কুলপদার্থে স্কুলজনগত অথচ অবিদ্যাৰলে তাহাতেই সমস্ত জগৎ বিদ্যমান। সেই রসক্তির ন্যায় মূল টাগি হইয়া অনুমানা জনিবে। চিনাবলই এই দেহে অঙ্গের সরূপ এণরূপ ধারণ করিয়া ঐ রসক্তি যেরূপ তৃণলতা ও অল এভৃতির ভিন্ন ভিন্ন রূপে বৈষয়িক সুখসারলে চিত্তবৃত্তি ভেরুপে ও লেখাজোকার খেচর হয়; কিন্তু অপশক্তি বাহ, তাহা একই, তদ্রুপ ব্ৰহ্মতা প্রভৃতি নানারূপে ক্ষটিকে বা কপর্ণালিতে চবিশ্বের আয় এতি- নানাভাবে আবির্ভূত হইতেছেন। দেখ, সেই ব্ৰহ্ম ন বিম্বিত হইয়া আছেন ও হইতেছেন, নিরতিশয় আনল সেই অনুভূত হইতেছেন, আবার কখন সেই ব্ৰহ্মতাই অব্ৰহ্মতা বলিয়া মূল চিলনরূপে বর্তমান। ইহা তাহার প্রতিকি বিষয়ালন্দশ হেইেেছন। যেমন রূপবিসের অর্থাৎ নীলপী তালি বর্ণ- অনুভব যারাই অনুমেয়। সেই আত্মস্বরূপ নিরতিশয় দুমান- বৈচিত্রের সূক্ষ্ম পরমাণুগত সাম্য, তদ্রুপ এই সমস্ত ঘটালি কেই তুরীয়পদে অবস্থানকারী মুনিগণ, দেশ, গণসং, সি ব্যক্তির ব্রহ্মসভাই গুণিগুরূপ অম্বর বিখতীয় বৈলক্ষণ্যরূপ ও মহর্ষি সকল সর্বদা অনুভব করেন অপরের বিবিধ (অলীক) অসত্তাস্বরূপিণী হইয়া বিরাজমানা জানিবে। ইহাই নিয়ম যে, দৃশ্যদর্শনে প্রাণস্পন্দ হওয়াতে চিত্তবিক্ষেপ হয় বলিয়াই ভাই উৎপত্তিকালে কারণ কাৰ্যজপে ও লয়কালে কাৰ্য কারণৰূপে অনুভবগম্য হয় না, এই যাহারা নিরুদ্ধদৃষ্টি নিৰ্ণিমেষ ও পরিণত হইয়া অবস্থান করে। দেখ, যেরূপে ময়ুরের পিচ্ছ, পৰু ভগতেন্দ্রিয়বৃতি, ভঁহারাই অঙ্গ দৃর্শনাসক্তিৰিহিত ও বাজি ও কাঠিন্য ময়ুর উপাদান অগুরসেই বর্তমান, তদ্রুপ এই নিস্পন্দ। কর্মপথে অবস্থান করিয়াও যে সকল ষষ্টসগুভূমিকা- মেরু-খাদি মুল কাৰ্যজগৎ তিরোভাবকালে চিতে ও একেবারে রূট মহাত্মগণ বা বসন্ত চিন্তায় মুহূর্তকাক লিপ্ত নহেন, মহাপ্রলয়কালে সেই চিত্তরে অবস্থান করিয়া থাকে। ময়ুরের যাহারা সংবিৎ সংবেদ্য (জ্ঞান ক্ষে) সম্বন্ধ ত্যাগরূপ সমাধিতে উপাদানভূত অণ্ডরসে যেরূপ বিচিত্র পিচ্ছিকাপুঞ্জ আছে, উপ অবস্থিত ও হাদিগের প্রাণ মন চিত্রাঙ্কিত দেহের ন্যায় নিস্পন, এই অধ্যাপক চিত্তত্বেও এই নানাত্ববৈচ্যি বিরাজ করিতেছে' তাঁহারাই চিত্ত ও চিত্তের অরণীয় বিষয় ত্যাগপূর্বক স্বপদে যেরূপ মার ও ময়ময় অগুরু বৈচিত্র্যময়, তদ্রুপ ভেদৃষ্টিতে অর্থাৎ ভূমানন্দ ব্ৰহ্মপদে সমভাবে অবস্থান করেন। জগদীশ্বর জগৎ ও জগদধিষ্ঠিত ব্ৰহ্মও নানা স্বরূপ। অগুস্থ রসরূপ মরুর যেরূপ অভ্যন্তরে সব স্বরূপানন্দময় হইয়াও বাষিক মাজ যেরূপ নানারূপও বটে অথচ একত্র নসরূপী বলিয়া একরূপও জাগতিক ব্যবস্থা প্রতি করিতেছেন, তপ ঐ ষষ্ঠাদিভূমিকা- বটে, ঐ এও ভাতৃ জানিবে '২১-৩১। যেমন সদসডের রূঢ় মহাপুরুষগণও অন্তরে ব্রহ্মময় অখণ্ড বৃওিরাস্পন্দনে সেই সত্তা সমতায় অবস্থান করে অপ ঐ ব্ৰহ্ম যখন বাস্তব, ও অংশে নিরতিশয় আনন্দস্বাদরূপে পরমপুরুদার্থ যেমন সাধন এ যখন ভয়, তখন ব্রহ্ম দ্বৈতাদ্বৈতভত্মিক। কারণসৎ করেন, সেরূপ আবার চিচেত্যম্পন্দনে ৰাহিক ব্যবহারপ্রতিষ্ঠা ও অসতের তত্ব সম্বতে পর্যবসিত অর্থাৎ অভাব বলিতে গেলে, কপ অর্থসাধন করিয়া থাকেন। যেন কিরণ নিল, তরু- কোন ভাৰবন্ধুর এভাৰ বুঝিতে হইবে, কিন্তু সেই অভাব শুশু- পল্লব প্রভৃতির অন্তরে প্রবেশ করত আদিত (উদ্ভাসিত) নিউকখন হইতে পারে না, এৰ সেই ভাৰপদার্থ পরমব্রহ্মই করে, তদ্রুপ ষষ্ঠাদিভূমিকাধিরূঢ়, মহাত্মদিগের ব্যহিক নৃবিষয়ের জনিবে। সুত্ৰাং ব্রহ্ম অষয় বলিয়া ভিন্ন-ভিন্ন-স্বভাব এই জগৎ সহিত বুদ্ধিবৃত্তির সংঘােগে ত্রিপুটীতে (জাতৃজ্ঞেয় জ্ঞান ) নিতি- অনুভূয়মানমাত্র উপপভিসি নহে। এই জন্য চিকে ওতপ্রোত শয় আনন্দ ভিক্ত হইয়া অন্তরে আঙ্কল প্রদান করে, ফলে ভাবে অবস্থিত,যেমন ময়ূরে অওরস ও অগুরসে ময়ুর, দ্রুপ এই ভঁহাদিগের সকল ব্যারই সুখময়। মণ্ডল হইতে নির্গত এতে চিত্ত্ব ও চিত্তত্বেং অধতি রহিয়াছে। এবং ময়ুর ও হইয়া নিল গগনে কৌমুদীর জ্যোৎস্নায়) , ঐ গুজ- অসবৎ ঐ ব্ৰহ্ম, জগৎ এক অথচ ভিন্ন। ঐ ব্ৰহ্মচিন্তই নানা বিশ্বকাপ পরমার নিবিপে (বিও) আহাদময়, বিধ পদার্থ ভ্রমরূপ পিচ্ছাপশােভিত জগৎময়ুরের অ৩ৱস, ঐ সকল মহাত্মদিগেই অনুভবগম। সকল মহাত্মগেরই অনুভবগম। তাঁহার দেহাদি কোন আহাতে এই জগন্ময়ুর ভাসমান, উহা অষয়ুর অর্থাৎ ময়ুর বলিয়া উপাধি নাই, তাহা দর্শনমােগ্য নহে, উপদেশবিষয়ীভূভও নহে, কিছুই নাই (অর্থাৎ গং লির কোন জিয়া বন্ধ নাই। অভিনিকটে নহে, অতিদূরেও নহে, তাহা কেবল অন্য কেবল এম সাই পৰম ৰন্ত বিদ্যমান আছে আনিবে, আত্মার বিশুদ্ধ চিপ। তাহার কেহ নাই, ইবি নাই, এ অতএব অহতে জে বৈষ্ণ কোথায় ?। ৩২-৩৫। নাই, চিত্ত নাই ওনাও নাই। আহা জীবও নহে, সপ্তরিৎ সর্গ সমাপ্ত। পরূপও নহে, বিভিওনয়ে এবং অংও নহে। অতি নিকটবর্তীও আছে, দূরেও নহে বা মাস্টও নয়, মধ্যবর্তীও * যাহার পক্ষীকরণ করা হইয়াছে।বোৰু লেখ। মুল নহে ৰামখ্য নহে, ও নহে, ও হে লা ও সৃষ্টি বিধানা আকৰি পথত আগয়ে বিভক্ত ফন্দি নহে। কোনও নিও নহে ৰা শালগ লk প্রত্যেকের এক এক কে বিশ বৎ এতির এ নিয়েও হে, আর তাহাই কাল ও তাহাজ ণ এক এক বেলায়েত পাক তে। যারা পরি; অভিনয়ে। এই হােৰি যুিক্ত হ৯ে বোন-রানা, নন্ত বাসনারণে আন এন, দেহকোষবিরহিত (কায় বাস- অরূপপরিবর্তনে আৰু পুৰ্বাৰী এৰি , হে বৎস! নাই সেলাত বেদমভসিদ্ধ। চিত্তে বাসনায় অনন্ত দেহ তাহাই বিকারগরিণামাদি-পদবাচ্য। নে, দুষ্ট অভি হইলে কলিত হইতে হইবে, সুতরাং দেহকোষও নয়) যে যত, আর সেই ছবি দুরূপ লাভ করিতে পারে না। কিন্তু এ এ সংসর ঐ অনন্ত দেহকোৰ মায়া হয় বগুলিচৰ ব্ৰহ্ম হইতে যে জগৎস্বরূপে আবির্ভাব, ইহার আবিভাবতিলেভাবে স্পন্দিত হয়, তাই আত্মা বলিয়া মধ্যে সর্বত্রই ব্ৰহ্ম, তাহা কেবল নির্মল ব্রহ্মই জানিবে,ইহাই গৰিত। ঐ চিফব্রহ্মই মাকজাদিকালে আবির্ভূত অব্যকৃত পার্থক্য। অতএব মুখালির ন্যায় ব্রহ্মের বিকারিতা নাই, আর কমলনহেন, (১) কাত অর্থাৎ প্রাকৃদি এখপও পরমাণুর অণুৰ বেরূপ অবয়বীর প্রতি কারণ, তাহাও নহে। কিংবা সৃষ্টিকালেও ইহলােক বা পরলােকে অখি বায়ু ইহাতে নাই। কারণ কেকালাদি পরিচ্ছেবিশিষ্ট বা ক্রিয়া এদিয়া গহনে, শােষণে, ক্লেদলে ৰা লােমিবিকারে বিকৃত সংযােগবিভাগ প্রভৃতি বিশিষ্ট পদার্থেরই বিগঠন হন না, উহা সবিকার বা নির্বিকার বস্তু কিছুই নহে। এই কারণ আছে,কিন্তু যে ব্রহ্মর দেশকালাদি পরিচ্ছে নাই, দেবকুনিচয় কত উৎপন্ন হইতেছে, কত বিনষ্ট হইতেছে, কিন্তু সংযােগবিভাগাদি কিছুই নাই, সেই অনাদি অন অবিভক্ত ঐ আকাশের কি বাহিরে, কি ভিতরে কোথায়ও উৎপত্তি- অসংযুক্ত ব্রহ্মের অববিক্রমও কিরূপে গম্ভব? যে ব্ৰহ্ম আলি বিনাশের কথা কি, খণ্ডবিভাগ পর্যন্তও হইতে পারে না। অ অন্তে সমান, তাহার এই শশী ক্ষণবিকার সংবিদের এব দেহাদির বিকার দর্শনে ঐ চিহ্মের বিকার কল্পনা কি করিয়া বিবৰ্ত্তমাত্র, কারণ অবিকারের বিকার অসম্ভব। এই ব্রহ্মের মনে স্থান পাইবে ? হে আত্মবিদগ্রণী। ইহা বলিয়া দেহাদি পৃথক সংঘবদ্য (জ্ঞেয়) ও নাই, সংবিত্তি (জ্ঞান) ও নাই, তাহা “ব্ৰহ্ম” বস্তু বুঝিও না,ঐ আত্মাই দেহাদি সমস্ত, কেবলমাত্র নােথবিরূপ এই শব্দমাত্ৰবাচ্য, চিদাত্মার ব্যায়, তাহার কাহারও সহিত সঙ্গ ভায় অর্থাৎ যখন বােধের বিকতি ঘটে, তখন উহা ঈষৎ পৃথক নাই। আদি অন্তে যেরূপ বক্স দৃশ্য হয়, সেই ব্ৰহ্মকে তদ্রুপে বলিয়া অবস্থিত বােধ হয়। নিগণ নিজ সৰ্বশেনি সিদ্ধ সকলে বলিয়া থাকে, মধ্যে যে তাহার বিকারের সহিত সংস্পশ বুজিবেই এই বিশ্বসংসার যে আত্মম ভাহা জানিয়ছেন , রহিত, তাহা কেহ বুঝিতে পারে না বলিয়াই ঐ পূৰ্কাৰ অতএব হে রাম। 'তুমি রাজকার্য্যে দেবীপ্যমান থাকিয়াও নির্বাণ প্রকাশ পায়। আত্মা কিন্তু আদি অন্ত মধ্যে সর্বত্র সর্বদা সম- (অর্থাৎ তত্ত্বজ্ঞানে সাংসারিক যন্ত্রণা হইতে মুক্ত। অর্থাৎ নির্বি- অবে বিরাজমান, বিকার আত্মারই বন্ধু বটে ,কিন্তু আত্মত কার আত্মদর্শনে মূস্বরূপ ও নিম্মল হইয়া অবস্থান কর। কখন সেই বিকাৱষয় হন না। সেই আত্মতত্বই অরূপ বলিয়া এই যে স্থাবরমাত্মক জগৎ দৃষ্টিগােচর হইতেছে, ইহা সমস্তই ঈশ্বর, একণিয়া ঈশ্বর নিত্য বলিয়া ঈশ্বর, তাহা কখনই বিক- নিও নিশাত্মক, উপাধি প্রভৃতি ধর্মবিহিত ব্ৰহ্ম। ইহা রের অধীন হয় না।১৯ রান কহিলেন-রােত সখন বিকার নাই, আদি নাই, ইহা লি, শান্ত ও সমা। হে না। সেই ব্ৰহ্ম এক এবং একান্ত নিল, তখন তাহাতে সংবিৎস্বরূপ কাল, কর্তা, কারণ, কর্ম, ক্রিয়, নিদান, সৃষ্টি, স্থিতি, লয়, অবিদ্যার আবির্ভাব কিকপে সবে? বশিষ্ঠ বলিলেন, ঐ সমস্ত সংমণাদি সমস্তই ব্ৰহ্ম, ইহা যখন তুমি দেখিছে ও তাহাতে ব্ৰহ্ম পূর্ণ, উহা ভূত-ভবিষ্যৎ-বর্তমান, ত্রিকালেই বর্তমান উহার ঝয় যখন অবিস্বরূপ লাভ করিঙ্গ সম হইয়াছ, তখন বিকার নাই, আদি, অন্ত নাই, বা অবিদ্যাও নাই, ইহাই বির তোমার কি বার এই সংসারচক্রে জমণ সত।১০। জাবি। এক্ষ” এই শব্দে আরা বাত ও বাক যে ক আটলানিং সর্গ সমান্ত। ৮। দেখিতে পাওয়া যায়, তাহাতেও ঐবিকারাদি অঙ্কর সম্ভাব নাই, তবে যে তােমাকে উহার তার সন্তাৰ খলিল, উহ উনপঞ্চাশ সর্গ। সহজে বুঝাইবার রীতি। তুৰি,মি, জগৎ, দিক, বর্গ, আকাশ, পৃথিবী ও আখি এভূতি সকলইখলা , ইহার দি, অন্ত নাই, রাম কহিলেই ব্ৰহ্ম! যদি সেই কোলানি বিবিধ উহাতে স্বল্পমাত্রও অবিসশর্ক নাই। “অবিনা ইহা-নাম পরিচ্ছেদ নিয়ভিশয় মহীয়ান এর উৎপত্তি বিকাৱালি মাত্র জানিবে, উহার সত্তা নাই, উহা এমমাত্র। হে রাম । যাহার কিছু নাই, তবে কিরুপে এই অং ভায়রূপে প্রতিভাত সভাই নাই, যাহা বাস্তবিক মিথ্যা, তাহার স্বরূপই বা কি? আর হইতেছে। বশিষ্ঠ বলিলেন, (২) দুগ্ধ হইতে দধির গায় যে তাহা কি একাই ৰা হইবে বল?১০-১৪। রাম কহিলেন, এতে। আপনিই ও পূর্বে উপম-এরণে বলিয়াছেন, অবি- (১)কােনাে ভিন্ন দুৎপত্তি। কে এই প্রকারে বিচার করা হয়?” অতএব তাহা কি বলুন? (২) কারণে কাৰ্যোন্ড পাচ একা, এখ-আতিরােহিত বশিষ্ঠ বলিল,ঘূহ। তুমি এ পর্যন্ত অজ্ঞানাচ্ছন্ন ছিলে এগৰাৎ যুহায় পূর্বাবস্থায় পরিবর্তন না হইয়া তে রূপান্তর, বলি তােৰাকে দৃশ কলিজ-মিশা বুবিহির্ভূত বাক্যে যেমন মত্তিকায় টাকায়। এজি এক যেন নেয় বুঝাইছিলাম। ইয় অৰি, উজীৰ ইত্যাদি অনাক্রম করভাব, বল হাতে আছে, অথচ বরফ দেখিলে জল কেৰল অজ্ঞানিবােধের অই কোধিগণকর্তৃক কথিত। যে পর্যায় না যায় না, তাহা আছে বটে, কিন্তু এজি হই। পর্যন্ত মন আবদ্ধ থাকে, সে পর্যন্ত মন ঐ শক্তি অবিদ্যোপ- এ এগৰ যেমন তে সর্প। আচ্ছা এখন যেমন বেশ বিভিন্নস্থায়ে এই না। ঐ জীব যুক্তি ব্যায়া তাৰ অলবাসতেও অৰ। কিইবাগ- বেগম করার পর তা আয়াতে না হইয়া যােজিত আইন গণি, কে আয় পুনরায় দুই যায় না হয়। যে কা মুক্তিতে সাধিত , শত সযমেও এই অহা হইয়াছে। ইহাই এ ফুলে। পাতি ২। নে, তাৰা কাৰ বুক ॥ ।
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। ০৭ একমাত্র তাই শত যঙ্গেও হইত না। ১৬-১৯। প্রবুদ্ধ (অন) এমবিলম্বিত দ্বৈতভাব ( অর্থাৎ দ্বিত্ববুদ্ধি) পৱিত্যাগ কর ব্যক্তিকে “সকলই ব্রহ্মময় এই উপদেশ প্রদান করা, আর তুমি আস্বেভাবরূপ নিয়তি আনন্দবিভবে পরিপূর্ণ হয়। নুহৰ জৰিয় স্থান অর্থাৎ শাখাপত্রালিৰিহীন বৃক্ষের নিকট অত্যাহও। নিও, দুঃখ, ভূত-ভবিষৎ-বর্তমান এই ত্রিকালেও (বা চিবি) নিকট আত্মদু নিবেদন করা উভমই সমান। নাই ও দুঃখ বলিয়া কোন পার্থ নাই , -মুচকে যুক্তি দ্বারা প্রবুদ্ধ করিতে হয়, আর প্রাজ্ঞকে তত্ত্বোপদেশে আত্মা বিরাজমান। ইহা আমাদিগের পরমার্থ (প্রতিপাদক) সমস্ত বুঝাইতে হয়। মূঢকে যুক্তি দ্বারা প্রবােধিত না করিলে সার উপদেশ। ৩০-০৬। এত কা আয় না। হে রাম! তুমি এতকাল অজ্ঞান উনপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত ৪১ ছিলে, এখন তুমি যুক্তি থাকা অববাণিত হইয়াছ, সম্প্রতি তুমি প্রবুদ্ধ, সুতাং যে উপদেশে মায়া বুঝিতে পারিবে, অহা বলিতেছি শ্রবণ কর।১৬-২০। হে রম। আমি ব্ৰহ্ম, এই পরিমান ব্রিজগৎও ব্ৰহ্ম, এব এই ভূলোকও ব্রহ্ম, পঞ্চাশ সর্গ। ইহাতে দ্বিতীয় কল্পনা নাই , তুমি যাহা ইচ্ছ। তাহা করিতে থাক, বাম কহিলেন, আমরা। আপনার প্রদালে অখিল তােমর ঐচ্ছিক ব্যবহারে বাস্তৰ ব্ৰহ্মত্বের কিছুই হানি হইবে না। জ্ঞাতব্য বিষয়ই আমি জানিতে পারিলাম, এবং এইব্যের যে ক্ষয় এই ত্রিজগৎ জ্ঞানের আগের মহাসংবিৎ ভ্রান্তি বাধার অবধি নাই, তাহাও নিৰ্বিয়ে দেখিলাম, আজ আমি আপনার প্রদত্ত মাত্র , ইহার অন্তরে একমাত্ৰ পৰম প্ৰত্যয়বান সর্বব্যাপক ভাগর । ব্রহ্মজ্ঞানামুতে পরিপূর্ণ হইলাম। (রামের উজিতে আমি হলে অহং ব্ৰহ্ম বর্তমান ; তুমি কার্ঘ্য করিচ্ছে, অথচ সেই অহংস্বরূপ আমরা—এই বহুত্ব মূলে আছে, তাহার কারণ এখানে তুমি সে কার্যে লিপ্ত হচ্ছে না। হে রাখব। তুমি অবস্থিতি পূর্ণরাম সমস্তই অহংময় দেখিতেছেন)। পূর্ণৱ সকাল হইতে কালেও গমন, শ্বাস-প্রশ্বাস-ভ্যাগ, গহণকালে এবং শয়নাবস্থায় এই ব্যষ্টি জীব প্রাণমাত্র উপাধি-আশ্রয়ে পূর্ণরূপ পূর্ণই, ইহাই অনুভব কর যে, আমি সেই অহংভবরুপ ভান্সর চৈত্বরূপ আর সমষ্টি আকাশীদিও সেই পুর্ণব্রহ্ম হইতে ‘‘পূর্ণ রূপে ব্যাপক পরমাত্মা। তুমি যদি রীতিমত নির্মম নিরহঙ্কার ও প্রাজ্ঞ আবির্ভূত, উপাধি পরিচ্ছেদ ত্যাগ করিলে সেই পূর্ণব্রহ্ম পূর্ণ, হইয়া খাক, তাহা হইলে সেই শম্ভ সঞ্জীবে বিরাজিত চিমেক এই জীবতত্বপূর্ণ অর্থাৎ অখণ্ড ঐক্যমত, এতএব ভ্রমর হইলে বস ব্রহ্মতাজাত্ম লাভ কর। অর্থাৎ ভাব, তুমিই সেই নিল বেশ বুঝা যায় যে, সেই পূর্ণব্রহ্মের পূর্ণতা পূর্বের ন্যই সম্পন্ন শ। এবং ভাব, তুমিই সেই সর্বণ একাত্ম শুদ্ধ সংবিধময়াত্মক অবস্থিত রহিয়াছে। হে গুরো। এক্ষণে আমি যে আবার প্রশ্ন হইয়া, অনাগিনিধন এত্যু পরমপদরূপ আভাসত্বরূপে করিতেছি তাহা আমার লীলাপ্রশ্ন মাত্র, ইহাতে আমার জ্ঞান বিরাজ করছে। যেরূপ শত-সহ কুন্থে একই মৃত্তিকা বর্ত- আরও বৃদ্ধি হয় এবং সাধাৱণেরও হয় ইহাই আমার উদ্দেশ্য। মান, অদ্রুপ যাহা আত্মা, যাহা তুৰ্য বলিয়া বিদিত এবং যাহা হে ব্ৰহ্ম। আমি আপনার বালকপুত্র, আর আপনি বিদ্যা প্রকৃতি ও জগং নামে প্রসিদ্ধ, এ সমস্তই সেই আমার পিক, ইহাতে আমার উপর জোধ করিবেন না। অভিন্ন সম্মাত্ৰৈকাত্মক ব্ৰহ্ম। গট হইতে যেমন ঘটে মৃন্মতা এই কৰ্শ,নেত্ৰ, শর্শনেন্দ্রি, রস, গ্রাণেন্দ্রিয় সকলই মৃতপ্রস্তর অর্থাৎ মুত্তিকা ভিন্ন নহে অগাং ঘট বাৰিক মৃত্তিকাই বর্তমান থাকে ও তাহা স্পষ্টভাবে দেখা যায়, অপি মুক্তির 2 এবং অটের নুতাই বাস্তবিক, তদ্রপ আত্ম হইতে একুতি ইসিক কি এ বিষগ্রহণ করিতে পারে না? অল্প জীবিতা- ভিন্ন নহে অর্থাৎ প্রকৃতিই বাস্তবিক আত্মা। ২১-২১। জলের বই কিরূপে পারে। যদি কেহ বলেন, ইন্দ্রিয় বহিবে আবর্তসদৃশ আত্মার ঐ যে বিবর্ত অর্থাৎ স্পন্দন, তাহাই আসিয়া টালির বাহত্ব অনুভব করিয়া রে প্রবেশ করত প্রকৃতিকে কথিত অর্থাৎ আত্মার স্পন্দনেই প্রকৃতির আবির্ভাব বলিয়া দেয়, তাহা হইতে পারে না। কারণ এই অলিগােলালি অতএব আত্মাই প্রকৃতি। যেমন বায়ু ও স্পন্দন নামেই জি, ইদ্রিসকল এড়, ইহাদের পৃথক চেজ বা কখলে সামখ্য নাই বগত্যা ভিন্ন নহে , সেইরূপ আত্মা ও প্রকৃতি নামমাত্র ভিন্ন, অতএব জড় হইয়াও কি করিয়া শরীরে টার্কি বাহত্ব অনুভব বাস্তবিক তাহা নহে। অজ্ঞানবশই আস্থা ও প্রকৃতি এই করে ? যদি কেহ বলেন, ইলিয়সকল বাহিক বিষয় হল লইয়া ভেলবুতি, আন উৎপন্ন হইলে ঐ ভেবুদ্ধি আর থাকে না। যাইয়া স্থাপিত করে, তাহাও সম্ভব। কারণ দেখা যায়, কখন চ দেখ,-জ্ঞানবশতই রজুতে সর্পক্রম সত্য হইয়া যায়। চিৎ. রাদি ইন্দ্রিয় দেখিতেছে বা অনুভব করিতেছে, অন্তরে অনুভূত ক্ষেত্রে যে কল্পনারূপৰীয় পতিত হয়, তাহা চিন্তাঙ্গুয়ে পরিণত হইতেছে না। যদি অন্তরেই কাৰিত, তাহা হইলে তাহা বসুল হইয়া ক্ৰমশঃ তাহা হইতে সংসার-কাভাগ দুইয়া পড়ে। এ হইয়া থাকিত বা বাহিরে চলিয়া আসিতে দেখা যাইত। তাহা কল্পনাৰীজকে যদি কেহ আত্মজ্ঞানরূপ পছনে দগ্ধ করে, যায় না? এখভটাদি বিষয় ইন্দ্রিয়কে স্বাধিকারে আকর্ষণ করে, তাহা হইলে গণে বারি পেঁল করিলে যেরূপ আর , আয় সেই বিবাকৃষ্ট ইন্দ্রিয় বিষয়ে সহিত মিলিত হই হয় না, তদ্রুপ ঐ আত্মজ্ঞােনলকানাবীজও সঙ্গে বামনা- লেকার উদ্দেশে, কিংশ অয়েলই যায়, শেলিই তাহার বারি সেচল কৰিলেও আর কুরিত হইয়া সংসারন সৃষ্টি করে দৃষ্টান্ত। প্রথম সুয়ে প্রাণেনি আকৃষ্ট হয়, পরে নাসিকা সেই না। আর যদি চিত্র ঐ কল্পনাৰীজই পতিত হয়, যাকে আৰুৰণ করিয়া স্তরে কিঞ্চিৎ নীত করে, ইহাও আপনি তাহা হইলে আর দুঃখময় শরীয়রূপ বৃক্ষের কারণ চিন্তারই উৎপন্ন হয় না। হে আৰ। ভূমি অবােধ লাভ পাঠক। এখানেই বুৰিৰে, গমের এই সব নিজের করিয়াছ। এখন ৰােরনিৰ্শন অনগ্রসূত এভৰপু এ নহে, সাখরণের । - ৪ যােগবাণিষ্ঠ-শায় নিতে পারেন না; পরস্পর সংযোগ না হইলে কি হয় না সংবিং আনেশ্লিব্যাপারে প্রাতৃত্ব, কর্নেলিয়ায়ে কর্তৃত, নিকটে না নিও হয় না। নয়নের সহিত দের সংযােগ ওপারের ফজল, সুখের আগে যে আচ হয় না বা এতকালে চর নিকট খট লইয়া বানীও হয়না, নিলিখতাবে সাগরে একাশ করায় ক্ষিপ্রভৃতি তিপালিত দূর হইতে এত হইয়া থাকে। যেমন টে বাঁধিলে সেই করেন, এবং sৎসমূল অধ্যাসে এই সকল বিশিষ্ট হইয়া বটকে আকর্ষণ করে, জাপ ইখ্রিও আকর্ষণ করিবে, ইহা যে সংবিং, জীবাখতে জীব বণিকথিত ও তাহাই আড়ং এসব, কারণ রক্ষ্মবদ্ধ তে আকর্ষণ হয়; কিন্তু ভিন্ন স্থানে প্রাধান্য ঐ পুষ্টক। যখন ঐ জীবদেহে অভাব হয়, তখন ও ভিন্ন স্থানে ঘট থাকিলে রক্ত আর আকর্ষণ করিতে সেই তাবুঝিতে আকালের কাছে বেশ জীবও ই- পারে না, তদ্রুপ ইন্দ্রিয়ও ভিন্ন ভিন্ন স্থানৰর্তী হইয়াও প্রত্যক্ষ বিষাদ প্রভৃতি দ্বারা আক্রান্ত হইয়া নানারূণ খরণ করে। অন করিতেছে। আর বুজুটের ব্যায় উভয়ের আকরও নয়, উভয়ই কালক্রমে গুৰ্যষ্টক পৰেৱ অনুগত হইয়া অনন্ত বাসনালা- অর্থাৎ ইন্দ্রিয় ও বিষয়, ভিন্ন স্থানরােগিত লৌহলাকার ন্যায় প্রমুত অনন্ত আকার থাৱণ করে। যেমন আসেন করিলে অবস্থিত , অতএব পরম্পর অসং ইন্দ্রিয় ও বিষয়ের রজুটের বীজ ক্রমশঃ অনুরকাগুলবাদিরূপ ধারণ করিয়া থাকে, তদ্রুপ ন্যায় পরস্পর আকর্ষণ করলে সম্ভবপর হয়? বা নোলির মধ্যে ঐ সমষ্টিব্যক্তি জীবও বাসনাবাৰি যেনে সমস্ত গলাকার ধারণ কি করিয়াই বা ঐ মুল ঘটাদি প্রবেশ করিবে? হে গুলাে। করে। ঐ আদ্য চিদা মি” নহি, কি রকমণবী- এ সকলের ত্ব জ্ঞাত হইয়াও সাধারণের জন্য এই সকল বিশেষ দিই আমি, এরূপ ধারণ মিথ্যা-জ্ঞানবশই হইয়া থাকে। বিশেষ প্রশ্ন বারবার জিজ্ঞাসা করিতেছি, আপনি কৃপা করিয়া ১৮-২১। যেমন সমুদ্রে ভরজাত কাষ্ঠ, কখন উ দায়, কখন সমস্ত প্রশ্নেরই সবিশেষ উত্তর প্রদান করুন। ১৮। বশিষ্ঠ বা আধােগমন করে,তদ্রুণ সনাক্রান্ত জগঞ্জীৰও উথ- কহিলেন-হে রাম। যথার্থ বিবেচনা করিলে বুঝা যায় যে, প্রত্যক্ষ গমনে ভ্রমণ করিয়া থাকে। সনকাদি তুল্য কোন জীৰ নিজ প্রমাণাদির কারণ ইন্দ্রিয়াদি প্রক্ষের বিধীভুত ঘটাণি ও চিত্তাদি বিশুদ্ধ জাতিপ্ৰযুক্ত প্রথম জমেই আত্মবােধ লাভ করত ৰবঞ্চন- যাহা প্রত্যক্ষ প্রমাণাদির ব্রা বলিয়া জান, ইছা নির্মল চৈত মুক্ত হইয়া পরমপদ লাভ করে। কোন জীব বা বহুকাল বা জন্ম ব্যতিরিক্ত অন্য কিছুই হইতে পারে না। যে চিৎকারূপ ব্ৰহ্ম গগন ভোগ করিয়া অবশেষে কাতর হইয়া পরে আত্মজ্ঞান লাভ করত অপেক্ষা নিল, সেই চৈতই নিজ মায়াবিচিত্র স্বভাব দ্বারা পূর্ব আর সেই পরমপদ লাভ করে। হে সুমতে ! এই পূর্ব বাসননুসারে আত্মরূপকে স্বীয় দি হইতে পূর্বাঞ্চকরূপে প্রকার জীবের সৃষ্টি ও ইহাই তাহার রূপ, শরীর লাভ করিয়া জীব কল্পনা করিয়াছেন। সেই চিত্ৰহ্মই জস্থিতির কারণ প্রকৃতিরূপ কিরূপে জনেদি দ্বারা যদি বাহৰ অন্তরে উপলব্ধি করে, ধারণ করিয়াছেন, আর সেই প্রকৃতিরই অবয়ব হইতে ইন্দ্রিয়াদি তাহা বিশেষ করিয়া বলিতেছি, শ্রবণ কর। যখন ঐ চৈতন্য জীব- করণ ও ঘটালি (কর্ম) উৎপন্ন হইতেছে। এই প্রকাৱে পূৰ্য্যষ্টক- রূপে পূৰ্য্যষ্টকে প্রতিবিম্বিত হইয়া পরিচ্ছেদ্য (অর্থাৎ “কিরূপ রূপে পরিণত সেই চিত্বই স্বম্বরূপ চিতালি পৃষ্টকের স্বভাৰ। আকার” এতদ্বিষয়ে অকারীয় হন, তখন তাহার ঐ ষষ্টক্রিয় বশতঃ স্বীয় অষয়ব অর্থাৎ চিশুবৃত্তিরূপ অবয়বে পরিণত হন, সেই মনও ইন্দ্রিয়সমূসম্বলিত দেহ হয়, তখন জীবরূপী চৈতন্য নিজ অবয়বেই টাদি বাহ্ন বস্তু বহিরাকারে প্রতিবিম্বিত হয়, ( অতএব । ইলিয় যারা স্বদেহান্তগত সুখদুঃখাদি অনুভব করিতে থাকেন। মৃত দেহ হইতে পুষ্টকঘটিত নিজদেহরূপ জীব অপহৃত হয় | বাহ্নিক কিছুই অনুভব করিতে পারেন না। পরে যখন অ% বনিয়া আর দর্শনসামর্থ্য থাকেন) ।১২। রাম কছিলেন, যদি টাদি বাহবন্ধ দ্রষ্টব্যরূপে উপনীত হয়, তখনচক্ষুলি ইলিয়রূপী এইরাই হয়, তবে যে পুষ্টক পীরুত ভূতভাগ দ্বারা গলে | কৃর দ্বারা সেই জীবচৈতন্য ঘটাদি বাছাকাশপর্যন্ত অপদার্থে পরিণত হইয়া জগৎসহ নিৰ্মাণ-বিষয়ে মহিমা প্রকাশ করিয়া | পতিত হন, তখন সেইটালি বস্তু স্বীয় আকারে ব্যাপ্ত সে থাকে এবং যে পুষ্ট ঐ জগৎনির্মাণ মহিমার প্রতিবিম্বগ্রহণে ইন্দ্রিয়ারে নির্গত জীব, চৈতন্যের সংস্পর্শে চৈতন্যের সহিত দর্পণক, সেই পুষ্টকের রুপ কিরূপ? ৫ ষড়ৈশ্বর্যশালি। | একত্ব লাভ করে, (অর্থাৎ সেই চৈতন্যসংস্পরূপ চৈতন্য- তাহা আমাকে উপদেশ প্রদান করুন। বশিষ্ঠ প্রত্যুত্তরে বলিলেন, | ধ্যাসে আত্মরূপ বিষন্নতা লাভ করে)। অতএব জীবচৈত- যে ব্ৰহ্ম বিনিখন, নিয়াময় তেজোময় শুদ্ধ চিত্র, কলাকসনা সমর্থিত দেবীরই যে ইন্দ্রিয়ের সহিত বাহ্যবস্তুর সম্ব, অহাই বৃত অর্থাৎ অংশ কল্পনাবিহিত ও জগতের বী, সেই অনুভবের প্রতি হেতু, মুক্ত বা মৃতব্যক্তির তাহা নহে। যাহা ব্রহ্মই আকাৰি ক্ষত সৃষ্টির পর সেই অপৰ্কীকৃত ভূতপঞ্চকে যাহা স্বচ্ছতৰ বস্তু (তাহা এই দেহের অন্তঃকরণ বৃত্তি বা নে- লিঙ্গশরীর ও পীকৃত ভূপঞ্চকেহ্মাণ্ড সৃষ্টি করি, প্রতিন্নিস্বরূপ অশ্মি, তাতেই বাহ ঘটাদি ব প্রতিবিম্বিত হয়, প্লেই প্রতি কানাে হইয়া পূৱ অভিমানস্বরূপে ধারণ কর দেহা- যিয় আবার অন্তর্গত জৰি, চৈতন্যের সহিত যখন সহয়, তখন ভ্যন্তরে জীবরূপ হন। সেই জীৰই ৰাসনাৰ্থন ও অপুষ্টি- অন্তরে অনুভব হতে থাকে। আর জীবের অনুভৰ বাহিক সহকারে পুষ্টিলাভ করেন এবং বাকি আন্তরিক ব্যাপার আর আমি হইতে পারে না, কার বদলি জীৰ বাহিরে আছে পরিক্ষারজপে স্পন্দিতও হন। তখন সেই ব্রহ্ম এভিমান বটে কিন্তু তাহা ছিরে প্রায় করে না।২২-২৯। যখন ভেদে নানা নাম ধারণ করেন। তিনি অহংভাবে অহঙ্কার, নেত্রতারকায় পরিকৃত উজ্জ্বল নীলমণিকা থাকে, (অর্থাৎ মহেতু মন, বােধ নিয়ে যায় বুদ্ধি ও ইন্দ্র (পদার্থ) দৃষ্টি পটল গােৰ- (লিশ থাকে) অন টার্কি বাহৰয় েইলিয় নাম ধারণ করেন। তিনি দেহভাৰনানিবন্ধন প্রার্তিবিশ্ব সহ চিরতি আহাতে প্রবেশ করে; ইহাতেই অনন্ত যে কয় এইরূপে জিনি সৰ্বসাধাৰণ প্ৰজাব- বাহ্যটালি পদার্থ-এতিবিম্বিত হইয়া থাকে এরূপ সকলে কহিয়া *পূর্বষ্টক” নামে কথিত হন। ১৩-১৭। যে কেন; অতএব অন্তরে কি করিয়া তাকারে প্রবেশ s নির্বাণ-এ-পূর্ব করে, এ আশঙ্কা বৃথা। পরে সেই নয়নতারকায় প্রবিষ্ট পদার্থ ভাবনা করে, সেইরূপই পরিশেষে প্রাপ্ত হয়। ক্রপ সেই অভিমানী জীবের সহিত এতিবিাকারে সংশ্লিষ্ট হয়; এইরূপে সমষ্টি হিরণ্যগর্ভ ব্ৰহ্মার সমষ্টি মনােব্যাপারে যেরূণ সংকি সেই ঘটাদি বাঙ্গব সেই অহঙ্কারসম্বলিত জীবের জ্ঞে হইয়া (জ্ঞান) উৎপন্ন হইয়াতি, যেরূপ ইন্দ্রিয় ও যেরূপ ইলিয়া পড়ে। ঐ যে জীব-পদার্থ সংযােগ উহা বালকেরও হয়, পশুরও (অর্থাৎ ইমিগ্রা বিষয়) উৎপন্ন হইয়াছিল, সেইরূপ ॥ হয়, এমন কি কোন কোন স্থাৰর জড়পদাথেও হয়, তাহার তােমারও স্বীয় মনে সংৰিং (জ্ঞান) ইন্দ্রিয় ও ইন্দ্রিয়ার্থ উৎপন্ন নিদর্শন দেখ,-এমন কালি আছে, যাহাকে স্পর্শ করিলে হইয়াছে। ১-৪। সৃষ্টির পূর্বে যে শুদ্ধ ংবিৎ আবির্ভূত তাহার পত্রাদি সঙ্কুচিত হইয়া যায়, তখন জীব কেননা তাদৃশজীব- হইয়াছিলেন, তাহা ব্যষ্টিসমাটির একই উৎপন্ন হইয়াছিলেন, পার্থসংযোগ না করিবে ? স্বচ্ছ নয়নতারকার রশ্মি তাহার পর ঐ সংবিধই ‘অহং” অভিমানসম্পন্ন অনজীব জীবচে বোধ হইয়া পুরােবর্তী দৃশ্যৰস্তুকে আক্রমণ করে ; পুৰ্যষ্টক সমষিত হন। এইরূপ হইলেও সেই সংবেদন অনিন্দনীয়, তখন জীব, নিজ চৈতন্ত্র দ্বারা তাহা অনুভব করেন , অতএব অর্থাৎ তথাপি সেই সংবিৎ বিশুদ্ধ নিরঞ্জন। যখন সংবিৎই দূরস্থ বর সহিত কি করিয়া সম্বন্ধ হয়, তাহার আশঙ্কা তুমি একমাত্র বস্তু, তাহাই যখন অনন্ত, অহা কি বস্তু, ইহা যখন করিতে পারি না। স্পর্শানুভাবেরও ( কাচ প্রত্যকের) এই ক্রম, কেহই জানিতে পারে না, তখন সেই অনাময় অর্থাৎ নির্দোষ রস ও গন্ধে জীবসংস্পর্শদ্ভূত সম্বন্ধ প্রত্যয়গম্য। কিন্তু শব্দ নিৰ্ম্মল সংবিতত্ত্বে অন্যের অস্তিতা অসম্ভব, অর্থাৎ তাহাতে অকিশনিষ্ঠ , অতএব শব্দের রত্তি প্রতিবিম্ব ব্যতিরেকেই কর্ণ- কি দোষ কি গুণ, কি মন, কোন বস্তুই নাই, অর্থাৎ সেই কাশে প্রবেশ করে ও তৎক্ষণাৎই জীবাকাশে প্রবিষ্ট হয়, গন্ধও | সংবিৎই সত্য, অন্য তাহার নিকট অসত্য, কারণ অন্য সমস্তই ঐরূপে বায়ু দ্বারা অন্তরে প্রবিষ্ট না হয় কেন ? ইহা তুমি যলিতে দেশকালপরিচ্ছিন্ন, স্কুল এবং বকর্তৃকও পরিচ্ছিন্ন হয়। ঐ পার না, কারণ ইলিয়ানের রীতি ঐ প্রকারই। ৩০—৩৫। বাম সংবিংকে যে লােকে ক্ষন” বলে, তাহা মন্তব্যাদির গােীভূত কহিলেন, হে ব্ৰহ্মন। এ মাসে, দর্পণে, মণিতে জলাদিতে বুদ্ধিবৃত্তির অধ্যানােপ মাত্র, বাস্তবিক উহা মন নহে, জীবও ও নবপল্পবাদিতে প্রতিবিম্বরূপ দেখা যায়, ইহা কি ? আমাকে নহে, কিংবা পুষ্টকাত্মিকাও নহে। বিদ্যাবিলাগালি ঐ সংবিং- বশূন। বশিষ্ঠ বলিলেন—হ বােদ্ধবয়। মুখদর্পণাদি অত্যন্ত তত্ত্বের গৰূপ বলিয়া জান, কিন্তু উহার বিদ্যা-বিলাসাণি কিছুই জড়বস্তুও ঘট ও চিওি প্রভূতি জীবের যে পরস্পর সাপেক্ষ স্বরূপ নই, উহা মন-ইন্দ্রিয়ের অতীত সদা বিরাজমান পরমাত্মা। প্রতিবিম্ব তাহা চৈতন্যত্মার প্রান্তি জানিবে। কেবল যে প্রতি প্রাজ্ঞরা যাহা “কান্তি” বলিয়া আনন, উহাই সেই ব বিশ্বই ভ্রান্তি, তাহা নহে , এই যে জগৎ দেখিতেছ ইহাও ভ্রান্তি, নাস্তিক মূটেও “নাস্তি” ইহাকে বলে, তাহাও ঐ 'সংবিং” অতএব এই জগতও বিশ্বাস করিবে না। জলের তরঙ্গের ন্যায় উপদেশের জন্যই এইরূপ কল্পনা যে, সেই ব্ৰহ্ম হইতে চিত্তি ‘অহং’ ইতালি প্রপঞ্চতরঙ্গ জানিবে, সেই জিলই সদা মননাত্মক জীব উৎপন্ন হইয়াছে, বাস্তবিক উহা কেবল ভুম। নিত্যভাবে বিরাগন' সেই পরম চিৎসমুজেঁ দেশ, কাল ও ক্রিয়া যেমন কোন প্রকারে যদি ব্যাধি উপস্থিত হয়, তাহার মূল অনু- কিছুই নাই, অতএব অন্য সেই চিন্ময়তা প্রযুক্ত দেশকাল সন্ধান করিয়া সময় ক্ষেপ করা অপেক্ষা চিকিৎসা করাই কৰ্তব্য, ক্রিয়া পরিচ্ছেদ্য নহেন, উহ সদা সর্বত্র বিরাজমান আনিবে। কারণ মূলকল্পনাদি চিকিৎসারই উপায় মাত্র , ভদ্রুপ অবিদ্যা- হে রাম। তুমি সর্বদা অনাসক্তচিন্ত হও, তােমার বুদ্ধি রূপ ব্যাধি উপস্থিত হইলে মুল অনুসন্ধান না করিয়া উপদেশ সুখ মিথ্যা বলিয়া অবগত হইয়া শান্তিময়ী হউক , এবং অন্য অবিল্যা দূর হইলে পরে বিচার দ্বারা স্বরূপজ্ঞই অবশেষে ভষমায়াবধিমুক্ত হইয়া নিবিষ্টচিত্তে আনন্দময়ভাৰে সাৰ্য্য উপস্থিত হয়; সেই জ্ঞানই প্রশান্ত নিখিলবময়। যুলমণিতে অবলম্বনপূর্বক অবস্থান কর অর্থাৎ ব্রহ্মস্বৰে নিৰিচিত্ত যেরূপ মহাচল প্রতিবিম্ব হয়, দ্রুপ ঐ জ্ঞানেই আকাশাদি সমস্ত হও। ৩৬-৪০। প্রতিভাত রহিয়াছে। যাতে সক্রিয়, ব্যবহারকালে সজ্ঞবৎ পঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। ৫০। প্রতীয়মান “বস্তুনিচৰ অসৎকাপে অবহিত; তুমি সেই জ্ঞানে জাগতিক বিষয় সমর্পণ করিয়া জীবন্মুক্ত অবস্থায় অবস্থানপূর্বক নিম্মলকায়ে বিরাজ কর। ৫-১২। যে বস্তু বাস্তবিক নয়নগাে একপঞ্চাশ!সর্গ। হইতেছে, কি করিয়া তাহার অসত্তার উপব্ধি হইবে, ই যেন আশা করিও না। কারণ, ঐ সকল দৃশ্যমান বস্তু মৃগতৃষ্ণাঙ্গলের বশিষ্ঠ কহিলেন,রাম। খােথ হয়, তুমি আমার বাক্যের ন্যায় মাত্র। উহা হইলেও সৎস্বরূপে প্রতিভাত হয়; তৎপৰ্য বুৰিয়াছ যে, সৃষ্টির পূর্বে যখন তুমি সেই অনাদিলিখন বাস্তবিউহা সৎ নহে, অজ্ঞানবশত উহার সত্যতা, দৃষ্টিতে ব্ৰহ্মধরূপে বর্তমান ছিলে, তখন ব্রহ্মার স্থায় তােৱও চক্ষুয়া দেখিলে বাস্তবিক বাহ, তাহা প্রত্য হয়, তখন ভ্রমও হয়। কিছু ছিল না। সৃষ্টির আদিতে ব্রহ্মারও যেরূপ সমষ্টি পুষ্টক জীব ও পুষ্টকাদি যাহা কিছু, তাহা অৰিলাৰ ভ্ৰম, আবির্ভূত হইয়া উদীয় নেই পূষ্টকের ব্যবহাৰ্য্য অর্থে (বিয়ে) অৰিনার কনা বা সত্যতা যাহা কিছু তাহা সেই সভায় সংৰি (জ্ঞান) যেরূপ প্রকাশ পাইয়াছিল, যষ্টিজীব তােমাৱও সন্নিধানবশতই জনিৰে। সেই অৰিা হেতুই এই জীবাদি সেইরূপ পূর্বষ্টকালি উৎপন্ন হইয়াছে ও এর ব্যষ্টি হয়েছে। কল্পন” ইহাই শালুকার বলিয়াছেন। এক্ষণে তােমায় প্রবােখের দেখ, গর্ভাবস্থানকায়ে যষ্ঠ মাসে গর্ভই শিশুর যেরুপ ইদ্রিজি সেই বিদ্যা কি? অহা তােমাকে বলিতেছি একাগ্রচিত্তে হয়, সেইরূপ ভূমিষ্ঠ হইলে সেইরূপই হইয়া থাকে এবং অবস্থায় শ্রবণ কর। ১০–১৭। চিত্ত যখন আৰনােমুখী অর্থাৎ সেই গর্ভস্থ শিশু (জ) বালানুসারে যেরূপ অলিৰিত ৰত বাহৰ গণনােক, তখন কলাপলকে আচ্ছন্ন হইয়া পূর্ব- ঐ মিতাভুত -- । ত -- --- ৪৭০ যােশবাণিষ্ঠ-রামায়ণ করূপ ধারণ করত জীবত্ব প্রাপ্ত হন। এখন যে বস্তু যেরূপে তাহাই আবার যেমন অঙ্কুরে পরিণত হয়, হে রাম। ঐ ভাবনা করে, সেই চিত্রও সেইভাবে অনুভব করেন। রাত্রিতে আত্মাও সেইরূপ কালভেদে জবাজাবাকারে বিল্লাল করিতেছেন। বালক যেরূপ যদিনিভয় দেখাইলে সত বলিয়া জ্ঞান করত “ইহা এই প্রকার হইবে, উহা ঐ প্রকার হইবে, উহা হইবে ভীত হসই হউক, আর অসত্যই হউক ভগ ঐ জীপ না” ইত্যাদি সমস্তই ঐ সর্বের আত্মাতে বিস্তীণ রহিয়াছে। চৈ পঞ্চমাত্র কল্পনা সত্যতা ধারণ করিয়া সেন ও নিজে জগতে ৰাৱা ঘাহা বৈবিক্রম, তাহার অন্যথা করিতে কাহারও সেই জীপে থারণা করেন; এবং সেই আত্মাতে ইন্দ্রিয়াদি। শক্তি নাই। দেখ নপৰকল্প নির্মল আকাশে আকাশের স্বরূপ, এর বর্তমান থাকায় ইহা সত্যবােধে দর্শন করেন। ঐ পঞ্চতত্র ' অংশ ৰা কাৰ্য্য কিছুই প্রতিবিম্বিত হয় না, কারণ আকাশেই হইতেই নাকি পঞ্চভূত উৎপন্ন হইছে। অহুর যেরূপ ক্রমশঃ বল, আকাশ কাৰ্যেই বল, আর তদ্ভিন্ন ভূতান্তরেই বল, আকাশের শত শত শাখাপ্রশাখায় পরিণত হইয়া সেই অঙ্গুর হইতে অন্য ভেদ অসম্ভব, কেবল ঐ আকাশই নিম্প্রডবিঙ্গ দর্পণভবৎ বলিয়া প্রতিভাত হয়, তদ্রপ ঐ পঞ্চভূত ও পঞ্চতত্র হইতে স্বচ্ছষরূপে দেদীপ্যমন, অবিদ্যাসমন্বিত ব্ৰহ্ম আকাশবৎ স্বরূপে অ বলিয়া বোধ হয় , বাতৰিক উভয়ই এক। জীব তাহাতেই ' বর্তমান বটে, কিন্তু ঐ ব্ৰহ্ম নিজ আয়াতেই নিজস্বরূপই নিধি। ইহা প্রিয় মন প্রাণ আদি অন্তর্ব ও ইহা ঘটাদি বাহ বস্তু- | বস্তু ও বস্তুশ্যালিকাপে প্রকাশমান রহিয়াছেন ও জীপে প্রতি- ভাকে যথার্থ বলিয়া ধারণ করত যেৰূপ বসনা করে, সেইরূপেই বিম্বিত হইয়া বিরাজমান আনিবে। বহ্ম স্বভাবতঃ চিমৱস্বরূপ দৃঢতা অবলম্বন করে। ১৮-২২। চন্দ্রের কিরণজাল বলিয়া বলিয়া দেহশূন্য হইলেও ভেদকল্পনায় দ্বৈতভাব ধারণ করিয়, লােকের যাহা বারণ, তাহা চলের আত্মপ্রকাশ মা , তদ্রুপ ' থাকেন ও করিতেছেন। ৩১-৩৪। সৃষ্ট্যাদিতে যে বস্বভাবে ঐ যে নিখিল বিষমুখ আদি তাহা বিষয়ইন্দ্রিয়সম্বন্ধে প্রকাশ আত্মপ্রকাশ হয়, সেই স্বভাব অসত্য হইলেও আত্মার সত্যতা মান সেই চৈতন্যের আত্মানন্দমাত্র। নীচের তীক্ষ্ণ বা নেই স্বভাৰও সত্য বলিয়া অনুভূত হয়, এমন কি আত্মার সত্য- আকাশের শূন্যতা যাহ, তাহা ভিন্ন পদার্থ না হইলেও যেরূপ ' তায় ঐ আত্মতে সে স্বভাবও অব্যভিচারিভাবে বর্তমান রহিয়াছে। অন্য বলিয়া ধারণা, ভদ্রুপ ঐ আত্মার শাহা অনুভব বা জ্ঞান, যেমন সুবর্ণনিৰ্ষিত কটকে (কেয়ুর 'মেই সত্য, কটকত্ব মিথ্যা, তাহাই অন্য বলিয়া অর্থাৎ বিষয়সন্নিকর্ষজনিত সুখ ইত্যাদি ' তদ্রুপ ঐ চৈতন্যাত্মাও জীবদেহে সত্যাসত্য স্বরূপে বর্তমান অর্থাৎ উপলব্ধি হয়। এই লৌকিক কর্মে ইহা হইবে, এই বৈদিক কৰ্ম্ম সেই জীবদেহে ব মনে চৈতন্যই সত্য, অন্য জীব বা মন মিথ্যা; আচরণে এইরূপ সুখাদি হইবে ইত্যাদি নশ্বর খ উদ্দেশে রে কিংবা সুবর্ণনির্মিত ভাণ্ডে (ঘটে) সত্য সুবর্ণ, যেরূপ বিখ্যাকার এই লৌকিক পারলৌলিক কৰ্ম্মাচরণরূপ নিয়ম বিহিত আছে, তাহা ভাণ্ডথরূপে ৰমান, তদ্রপ মনে চৈতন্য জডতাৰূপ সত্যাসত্য ঐ সাংসারিক বিষয়ভোগে পুরুষার্থে পৰ্যৰসাৰ নিশ্চয় করিয়াই উভয়ই বর্তমান জানিবে। ঐ চি সৰ্ব্ব্যাপী , সুতরাং মনেও নিৰে। ঐ নিয়ম-দ্বয়ের মধ্যে এক স্বাভাবিক অনুরাগাদিকৃত চিত্তরে চৈতন্য নিযুত বিরাজমান , অতএব চিত্তরে ঐ যে প্রতিনিয়ম, অপর শাস্ত্ৰকৃত প্রতিনিয়ম বিবিধই সঙ্কলাত্মক চৈতন্য জডভাব, তা বাস্তবিক সত্য নহে। কটকের হেমত্বের ঐ নিয়মম্বয়ের মধ্যে অন্যতর কোন একই পুরুষের স্বাভাবিক ন্যায় যে চিন্তত্বের জড়ভাব তাহা কখন কখন বর্তমান থাকে। যত্নে হইয়া থাকে, অন্যথা হয় না। ২৩-২৬। যেমন গুড় ও চিত্তই চিত্তত্বের জড়দেকারত্মক, তাহা যখন দৃ ভাবনায় দেব- মধুপই খণ্ডশকরূপে রূপান্তরিত হয়, কিংবা যেরূপ মৃত্তিকা স্থাবরাদির মধ্যে যাদৃশ ভাবাপন্ন হয়, তখন সেই ভাবই ধারণ টাকার ধারণ করে, সেইরুপ ঐ আত্মাই স্বভাৰ ৰাশাস্ত্র উৎ- করে। ৩৫-৩৮। ঐ চিত্র অন্তরে বালিকার বিকাসে ষের অঙ্গরের অনুসারী হয়। তফলরূপে বিবর্তিত হয়। বৈচিত্র্য জাৱা যখন নানা আকার ভাবনা করেন, তখনই কালে কিন্তু রাম । মধু মৃত্তিকা একেবারে রূপান্তরিত হইয়া পূর্বাবস্থা নানারূপে বিরাজ করেন। যেমন স্বপ্নে গ্রাম দেখিচ্ছে, আর হইতে অবস্থান্তর (বিকার) লাভ করিলেও সেই মধু বা গুড়ের যখন স্বপ্নে বনাদি দেখিলে, তখন সেই স্বপ্নময় গ্রাম বনাদিতাব যাব ও অটের উপাদান মৃত্তিকর মৃংখৰূপত্ব কে বলিয়া প্রাপ্ত হইল, দ্রুপ বাসনার বৈচিত্র্যে ঐ স্বপ্নের প্রতি সময় শার সহিত দৃষ্টান্ত দিলাম বটে, পরন্তু ঐ আত্মার মৃত্তিকা বা দেহরূপী ঐ জীবচৈতও দেহ হইতে দেহান্তরে গমন করিতেছে। মধুর ন্যায় বিকার অর্থাৎ পরিবর্তন নাই। কারণ, যাহা দেশকালাদি, যেরূপ স্বপ্নে তােমার নরদেহ প্রতিভাসমান । অলীকদৃষ্ণ) হই- পরিচ্ছেদ ও গলায়, তাহারই বিকারাদি সম্ভব , যে আত্মা দেশ- চ্ছে, আবার সেই স্বপ্নদৃষ্টনম্বরূপ ক্ষণকালেই কুড্যস্বপ্নদর্শনে কালাদিপরিচ্ছেদ্য বা পরাধীন নহে, সেই ঈশ্বর আত্মার মুধুর কুড্য হয়, তাহাও পটম্বপ্নে টাকার ধারণ করে, তদ্রুপ মরণরূপ বিকারাদি সাধ কি করিয়া হইতে পারে ? কিংবা বেমনও মূর্ঘসময়েও ক্ষণকালের মধ্যেই এই জীবদেহ দেহান্তররূপী হয়। অর্থাৎ, নখও মধুরস অর্থাৎ বৰন্তকালীন রসে সুৰু আকার , অতএব হে রাম। জীবের জন্মমৃত্যু সমস্তই অভ্যআতি- বারণ আজ বসন্তকালীন সে ষনপ্রদেশে এদিকে পুল ওদিকে ছাসিকমাত্ৰ) স্বপ্নের অরূপ রয়ে যায় এই জীবকুল যাহা নব কিশলয় ইত্যাদি অহং বৈচিত্রবং বিচিত্র দেখা যায়, অথচ | অনুরূপ থারণ করে,অহা প্রতিমাসেই আনিবে। ৩৯-৪। একমাত্র বসই ঐ নানাভাৰ পুরণ করিয়া থাকে, প] যেরূপ দেহের যৌবন বার্ধক্য প্রভৃতি কালিক পরিবর্তন (অর্থাৎ আমাদিগের আত্মহ সেই সন্তাম্বরূপ এই ঘটপট-কুড্য- 'কালনিয়মে ঐরূপ পরিবর্তন হয়), ক্রপ ঐ জীবের দেহান্তর- আমি ইত্যাদি জগৎলে নানা হইয়া নিজ আত্মস্বপেই তাৰ কোলর্নিমনে হয়, তাহা নহে, কারণ যদি শরীর বালি সে তৈভাৰ আহরণ করেন। ২৭-৩০ যদ্রপ যে নিয়ে অবস্থাপন্ন হয়; কিন্তু প্রকৃত সেই দেহ, ইহা নিশ্চয়ঙ্কপে বুঝা সূফিরলে থাকে। সেই মেঘই বায়তে ৰারিলালকারী খ, আর জীবদেহের ভুভবিষ্যৎ দেহসমূহ সত্যভিজ্ঞানাদি দ্বারা মেঘষপে খকিয়া লক্ষপে বীজমধ্যে প্রবেশপুৰ্ব্বক পরে জানা যায় না, এমনি কি দেহান্তর হয় কি না? তাহাতে এখন - ।
। নির্বাণ-প্রয়ণ-পূর্বভাগ এন বর্তমান, অতএব জীবদেহের দেহান্তৱ বাল্যবোণিৱ চায় পর্যন্ত নিয়ত ভ্রমণ করিতে থাকে। সকলেরই ঐ অতিবাধিক কাশিক পরিণাম নহে, উহা অজ্ঞ শাসনাসমুভুত জানিবে। ঋথে দেহ কখন ৰা সুপ্তি অবস্থায় কখন ৰা অগ্নাবস্থায় অবস্থান করে। দুই অদৃষ্ট বিবিধ বই বৃহত, কিন্তু হে বেল্যবিদগ্রণী রামচন্দ্র। এখন ঐ অধিক দেহ সুষুপ্ত হইয়া বাসনারুপে অত ঐজীৰ স্বপ্নে জগজপ তুষ্ট আনিবে ,(কাণ সংসার অনাদি, এবিষ্ট হয় যারা বিবৎ হয়, তখন বিলুপ্ততি এই এৰ জীবের অনুভূত কিছুই নাই, মণকালে 'বিদেহের অথকটিকার-স্বরুপে অবস্থান করে; এবং ( এবং (চন করণীভুত কর্তৃক উঘােধিত বাসশসাৱেই দেহান্তলাভ, প্রতিৰিৰ সৰু-নিবন্ধন ও সকল অসৎ সুহার করিতে হ) ঝিন্তু বাক্য ব্রহ্মসাক্ষাৎকার হয়, তত ব্রহ্মাৰ কালানসম কীপ্যমান হয়। ঐ অতিবাকি দেই ঐ দেহান্তরব বাসময় স্বর্গ হইতে পারে না। তাহার কারণ ঐ স্থাদি অবস্থায় এল কি পুণ্যপ্রভাবসস্তুত সম্পর্ক চিদব্ৰহ্ম “শিব, অমৈত, চতুর্থ ইত্যাদি স্বাধিনবাচ্য মাত্র, তিনি সর্বণা মুখসল ফলাবস্থায়ও এডভার আধিক্যবশতঃ তুরীয়দৃষ্টি যার দৃষ্ট হন, তঁাহার উক্ত লক্ষণ ত্রিবিধ স্বপ্নই নাই, সুষুপ্রিচুর থাকায় গাঢ় মােহান্ধকারে আমি কে। আর জাগ্রন্থ কখন তিনি অনুভবগম্য হন না, অতএব ভ - জীলের মুপ্তিই এড়ত, স্বপ্নাবস্থায় চিত্তভ্রমণই সংসাৰু, জাগ্র- সম্বন্ধীয় ব্যসনার অভাবনিবন্ধন, তাহার বাসনাময় স্বরূপ হইতে বস্থাই তুরীয়াৰ, আর যাহা প্রৰােখ, তাহাই মুক্তি। জীবের পারে না, তাই তিনি নির্মলা নিয়ন চৈতন্যমাত্র। ঐ প্রবােধেই মুক্তিলাভ, এবােধেই জীব নিৰ্ম্মল হইয়া তাত্রের চিলঞ্জই জীবৰূপী হইয়া স্বীয় স্বিভাৰ বশঃই আজ স্বপ্নে সুবর্ণত্বলাভক পরমাত্মা লাভ করে। জীবের প্রবােখনিবন্ধন অপূর্ব অভিনব বস্তু দেখিতেছেন এবং অগ্রদৃষ্ট বস্তুও দেখিয়া | কে মুক্তি, তাহা দুই প্রকার ; এক জীবমুক্তি, অপর দেহ- খাকেন। এই জন্যই অদৃষ্টবিষয়েও নিয়ম্বরভবনা দ্বারা তদ্বিষয়ে মুক্তি। তুরীয়াবস্থাই জীবনূক্তি, তাহা হইতে তুরীয়াতীত বাসনা এরূপ দৃঢ় ও প্রবল হয় যে, পূর্বদৃষ্ট বিষয়বসনাপৰ্যন্ত উৎ পদভ হয়, তাহাই যে বলিয়া কীৰ্তিত , তাহা হইতে প্রভাবে বিলুপ্ত হইয়া যায়, অতএব বাসনাও পুরুষকার কর্তৃক জীব উৎকৃষ্ট চিত্ৰ ব্ৰহ্মরূপ প্রাপ্ত হয়। ঐ বােধ বুদ্ধির পূরুষ- পরাজিত হই থাকে। দেখ, পূর্বদিনকৃত কুকর্ম অদ্য অনুষ্ঠিত প্রষঙ্গেই হয়। ৫ । তখন এই দেহেই জ্ঞান দ্বারা সেই সকভাবে সুকর্শে পরিণত হয়, অতএব সর্বথা বুঝিলে যে, পরমাত্মা কি? কিরূপ আকার, কিম্পরিমাণ ? মন্ত প্রমাণই জীবের দেহাদি, বসনারই পরিমান মাত্র , মােক্ষব্যতিরিক্ত ঐ অসুরে অবগত হইয়া হইয়া যায়। অজ্ঞাতপ্রমাণ জীবও জীবদেহের শান্তি নাই, যত দিন মোক্ষ না পাইবে, তত দিন পরমার্থ স্ব ,কিন্তু অজ্ঞানবশতঃ শিলাখণ্ডের ন্যায় দৃঢ় এলে জীবের চক্ষুরাদি সমস্তই দেশকালানুসারে কেবল উন্ময় নিমগ্ন যে তীব্রতা অবলােকন করে, তাহা সুদীর্ঘ স্বর্গমি মাত্র। হইতে থাকিবে। জীব চৈতন্যের মােক্ষপৰ্যন্ত দেহাকারকজি কারণ জীবের অন্তরে চিকলব্যতীত অন্য কিছুই নাই। সেই বাসনা বর্তমান থাকে, অতএব যেমন রাত্রিতে বালক য়ে সম্মুখে চিৎকলাকেই অন্যভাবে দেখিয়া জীব বৃথানােক করে মাত্র ;জীবের অপরপ্রদর্শিত যক্ষরূপ দেখিতে থাকে, তদ্রুপ ঐ বানাই জীবের অন্তরে সেই পরমাত্মা ব্যতীত অন্য কিছুই নাই। এই যে ইস্যজ্ঞ পঞ্চভূতময় দেহরূপে সম্মুখে বিরাজ করে, তাহাই জীর দৃষ্টি পরিমান জগৎ, ইহা মায়াবিঞ্ছিত মাত্র। যেমন ব্যালীমধ্যে গােচর হয় ,ইহাতে নিও মােক্ষ কিনা জীবের দেহাদি নিবৃত্তি জল সিদ্ধ করিলে তাহা স্ফুটিত হইঞ্জ বিবিধ প্রকার হয়, তাহা নাই। ৪৩–৪১। অমুৱ মন, বুদ্ধি, অহঙ্কার পঞ্চমাত্ররূপ ও বাবিক অলীক পদার্থান্তর নহে, কেবল মােলয়েই পদার্থ আভিবাহিক দেহ,হাই পুষ্টক বলিয়া কখি। পঞ্চৗকৃত আকাশ বলিয়া রে হয়; তদ্রুপ এই জীবাণুপথেরও উৎপত্তি বিনাশ শালিটি ও স্কুল মুরূপ পুৰ্য্যষ্টক কেন নাই, একথা বলিতে পার গমনাগমারূপ সংসার সমস্তই খ্যিা ভ্রমময় দৃষ্টমাত্র জানিৰে। না, কারণ যদি অমূর্ত মনােবুদ্ধাদির পূণতা থাকিত, তাহা হইলে বাসনাবন্ধনই উহার বন, বাসনালয়ই উহারল। জীবাণু তুলমূর্তরূপও পুষ্ট হইত,ঐ চিত্মা লিঙ্গশরীর অমূর্ত, উহার সুষুপ্তি-অন্যায় সিঁতি, বাসনারই অবধিমাল , সেই বাসনাবধি পঞ্চদ্রুত আকাশই অতি স্থূলতা (অর্থাং উহার স্থূলতার স্বপ্নে বিচিত্রভাবে প্রকাশন হয়, ঐট বাসা মােহে আচ্ছন অবধি নাই, তাহা অসম্ভব ) উহার বা মহাক, দেহ হইয়া জীব স্থাবল্পতভিৰ প্রাপ্ত হয়। যখন জীবের বাসনা সুমেরু অর্থাং ঐ পিরিীরে পঞ্চভূতাত্মক জগতৰ আনিবে। মধ্যম ৰয় থাকে, তখন তিষােনি প্রাপ্ত হয়। বন বাসনা মুক্তির অনুপযােগী বলিয়া সুলসম্ভাৰকল্পনা যুক্তিবিরুদ্ধ ; যে, অল্প থাকে, তখন খুভাষ (অর্থাৎ মনুষ্য গন্ধদিব। এ কেবল নই যদি দেহালিপ্রপঞ্চ ইল, তাহা হইলে রােগাদি হইয়া থাকে। বাসনায় অরতম্যে যেরূপ বৈচিত্র প্রকাশ, দ্রুপ অভ্যাসে মনের রাজসভাব দূর হইলে শজি সাধনসম্পত্তি লাভ এহাক বৈচিত্রেও অলিৰে। সেখ, যে সময় সুষুপ্তি বিচ্যুতি ঘটে, পরে জানােদয় হইলে মনঃকলিত সমন্ত প্রপঞ্চ স্বল্পপ্রান্ত হয় তখন দেহের অভ্যন্তরক্ষিত নখগ্ৰ পৰ্যন্ত প্রাণ শংভাবরূপ বােধ হয়, আর সেই প্রপঞ্চের মূল কি, তাহাও গােচরীভূত হ জীবন যাৱা “আমি এই প্রকার , এই পরিমিত” ইত্যাদি পরিচ্ছে থাকে, তখন কাকারাপ অবস্থাবন্ধন আর থাকে না। অটে, তখন টানি পদার্থ ব্যয় বলিয়া বোধ হয়। কালে মুখ্যাদি অবরও অভাৰ ট , এজলে মুক্তিলাভ হয়। , এরুপে মুক্তিলাভ হয়। কুয়ালি ইলি রে একরণ নিত হয়, সেই আকরণ- সুষুপ্তি নারী যে অবস্থা, তাহা নিখিল দোদি এরূপ অড় আরে বৃতিময় জীবও নির্গত হইয়া টানি বাবর সহিত মিলিত সমূহকে বাসনারূপে উপশহর করত আত্মনিতি করে; আর হইতে, জামিট আনিতো” ইত্যাশর গ্রাহুগ্রাহকের বাঙ্গা- যে স্বয়ী অবস্থা, তাহাই দেহপ্রত্যঙ্গলিনী (অর্থাৎ দেহের যিকা সায়ে; হাই বিচিত্রভাবে প্রকাশ পায়। এইরূপে অনুভবকারিণ) অবস্থায় সম্পন্ন হইয়াই ঐ আজিৰহিক অতি আচত বৰ বাহিৰু সাৰপৃক্ত হয়, সেই দেহ আর অম দেহ বারণ করিয়া এই দৃশ্যমানকায়ে নােক “চি”ই গ্রাহকের বাসনারুপে মৃগতৃষ্ণর কায় প্রকাশ পান।
৭ বােগণিত-মায়ণ অতএব গ্রাহগ্রহগণি বুদ্ধি সমস্ত মৃগতৃষ্ণার আয় ভ্রম বিলাসমাত্র ভূত ব্যষ্টিজীবের অনুসম্বরূপ মােহের বশবর্তী হইয়া আকতাবে উহা বাসনাধ্যস্থ ; বাস্তবিক কিছুই নাই, এই জীবদেহে আ (অর্থাৎ ভূততুনরূপে) অবলোকন করে, যে সকল অহঙ্কায় কর্তৃক কিছুই পরিত্যক্ত হয় না বা কিছুই গৃহীত হয় না। ঐ দেহালিজড় তাহাকে আত্মস্বরূপ ভাবিয়া আড় বােধ করে; আর এক চিত্মাই বাহাঙ্গর কলাকার হইয়া প্রকাশমান, অতএব যাহা অসত্য, তাহাকে সত্য বলিয়া বােধ করিয়া থাকে।। এই ব্রিজগৎ চিৎচমৎকুতি মাত্র জানিবে, ইহাতে ভেদৰিকল্পনা জীবসমূহ সূৱে অভ্যন্তরে অখিল ব্রিজগম বলােকন করত নিয়ন; অলনে আমরা সকলেই সেই চিৎস্বরূপে বিরাজ ভেলকানা পররূপ ভয়ে আঁতত হইয়া, স্বভ্রান্ত ব্যক্তির মান, ভিলেও এই গবাহাত্যন্তর ত্রিজগৎ ‘চিং ব্যতিরিক্ত অন্য ফায় ভ্রমণ করিতেছে ও করিতে থাকে। ঐ সকল কল্পনায় রে কিছুই নহে যেমন তত বিবেচনা করিয়া দেখিলে সমুদ্রে সত্যতা আরােপ করে, তাহার প্রতি কারণ এই যে ব্যষ্টিভাবে অঙ্গ বুদি সমস্ত কিছুই নহে, এক গগন অপেক্ষা নিল ভ্রমণ করিলেও এই জীবসমূহের যাহা অত্যন্ত (পরম ) জীষ, তাহা এ জল মাত্র বুঝা যায়, তদ্রুপ এই সমস্ত জগৎও তত সৰ্বগ, অনন্ত ও সত্য, তাহারই সত্য, জীবসমূহ যা ভাবনা বিবেচিত হইল শূঝা যায় যে, ইহাতে বাসনা অবস্থাদি ভেদসমূহ করে, সেই সত্য বস্তুর সম্বন্ধনিবন্ধন তাহাও তৎক্ষণাৎ সত্য বলিয়া কিছুই নাই, কেবল ইহা একমাত্র অনাময় পরমপদ।৬১-৭১। জাত হয় (অতএব যখন জীবের ঐ পরম জীবের সহিত বহর একপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। ৫১। সঙ্গ ত্যাগ করিয়া অসত্যে সত্যম শিবৃত্তি হইবে, তখনই জীব- মুক্তি লাভ করিবে) ৫-৭। মহাবাহাে নাম। থাং বোন পুণ্ডরীকাক্ষ পাণ্ডুনন্দন অৰ্জকে অসঙ্গরূপ যে শুতগতি উপদেশ করিবেন এবং অর্জুনও যাহা আশ্রয় করিয়া (উত্তর কালে) দ্বিপাপ সর্গ। মহামুনিব্রত ধারণ করত স দুঃখনির্মুক্ত জীবমুক্ত হইবেন, বশিষ্ঠ কহিলেন,-মালেমার মনে এ আশা হইতে পারে, আর যে উপদেশ বলে সেই জীৰমুক্তি সুখময় আত্মজীবনও এত্যেক জীবের স্বপ্ন ভিন্ন লি, জাগ্ৰৎপ্রপঞ্চই সকলের এক বিসর্জন দিবেন, তাহা তােমাকে বলিতেছি, শ্রবণ কর, শ্রবণ করিয়া একার, অতবে কি করিয়া স্বপ্নাবস্থা বা জাগ্ৰদৰস্থা হইবে ? কিন্তু তুমিও অর্জনের ন্যায় জীবন যাপন কর। তাহা শুনিয়া রাম রাম। জীবের আর্কিতে জীষসমষ্টিরূপীবের যাহা স্বপ্ন, যাহা কহিলেন, হে ব্ৰহ্মন। সেই পালন অর্জুন কোন সময়ে জন্ম নানকল্পনাপ্ৰভবে কোমলাকারে বিদ্যমান, তাহাই আমাদিগের গ্রহণ করিবেন? এবং ভগবান্ হরিই বা তাঁহাকে কি প্রকার অগ্রণবস্থা কল্পিত সংসার জানিয়ে , ইহা সত্যও নহে ৰ অসন্ময় সঙ্গবিহীনতার বিষয় উপদেশ দিবেন, তাহা বলিতে আক্ষা হউক । নহে। কারণ, যষ্টিজীবের ন্যায় সমষ্টির স্বপ্ন হয় না, সেই জন্যই বশিষ্ঠ বলিলেন, যেরূপ আকাশের আশ্রয়ে মহাকাশ বৰ্তমান, আমাদিগের যাহা জাগ্ৰদব, তাহাই জীবসমষ্টিরূপ জীবের দ্রুপ তােমার আত্মায় এক সৎ মহাত্মা আছেন, তাঁহার আদি জাগ্ৰস্বপ্ন উভয়ব হইতে উৎপন্ন; অতএব স্বপ্ন হইতে ভিন্ন না, অন্ত নই, তাহার নাম কেবল কল্পনা মাত্র, সেই আত্মা নহে। হে বেধ্যবিয়ে! দেখ, স্বপ্ন অসত্য, কোন বস্তু নহে, ক্ষতিক স্ব স্ব মহিমান্ত অবস্থিত, (তাহাতেই বিশ্বসংসার তেষাদিগের অগপ্রসিদ্ধ ভুবনমালিভাৰ যাহা সত্য ও বত স্থিতি করিয়া থাকে। যেমন মুগ্ধ হইজেটলি অলঙ্কারের বলিয়া বিদিত, উহা সত্যও নহে, বন্ধুও নহে, অতএব সমষ্টি বৈপত্তি বলিয়া সুবর্ণ কটকারি বর্তমান জলে যেরূপ ভরঙ্গে জীবরূপ জীবের তাহা স্বপ্ন জানিবে। স্বপ্নদৃষ্ট বস্তু যেমন অনু আবির্ভাব বলিয়া সেইলেই তরঙ্গের স্থিতি দেখা যায়, সেইরূপ মাত্র, অহা যেমন বাহিরে কাপায় না, জীবসমষ্টিরূপ জীনের সেই বিমল আত্মতৈ এই সংসারবিভ্রম অবস্থিত।৮-১২। যাহা বলিল, উহাও জীবের শান্দিতে প্রকাশ ছিল এবং পক্ষিগণ যেমন জালে আবদ্ধ হয় স্থান করে, তাহার রায় আমাদিগের স্বপ্নের প্রকৃতভাৰ যেরূপ শীঘ্র প্রকাশ পায় না অর্থাৎ এই দৃমাল সংসারজালে চতুর্দশবিণ ভূতজাতি পলি আবদ্ধ থে বহু দেখিলাম, ভাগ মিথ্যা অজ্ঞান অনেক হয় না, হইয়া অবস্থিত জালিবে। তথ্যে যাহাদিগের চরিত্র ভিতি জ্বণ ঐ সমষ্টিজীবেরও চৈতন্যভাব শীঘ্র প্রকাশ পায় না। আন্দিতে ৰণিত হইয়া থাকে, যম চত্ৰ সূৰ্য প্রভৃতি সেই সকল এ এত উহ উহায় শীঘ-স্বপ্ন, দীর্ঘতাই ঐ শখের সাধারণ স্বপ্নের মহাত্মগণ এই পক্ষীকু পায় সাবের লােকপীলপদ সহিত বৈহে অনষ। জীবন বেজপ এক স্বপ্নের পর প্রাথ হইয়াছেন। ইহা তিস্মৃত্যুক্ত আচারবিহিত পুণ্যকা, এ স্বপ্ন নন করে ও স্বপ্ন যাহা সত্য, তাহাও সত্য ইহা উপল বলিয়া অনুষ্ঠেয়, ইহা তৰিপৰীত পাপকাৰ্য, লিয়া ন করে, তদ্রুপঐ জীৰ সমষ্টিরূপ জীবও চিন এ অতএব ইহা হেয় (পরিত্যাজ্য) এই প্রকার অধিকারানুরূপ সত্যতা নিবনই (ঋকই ফেরেসত্যতামূক) অসত্যকে সন্ধানুযায়ী জ্ঞান-অনুসারে তাঁহারা আত্মমধ্যাখান করিয়া সত্যরূপে মাগত দেরিতে থাক, ইহাই উহার স্বপ্নের পর গল্প থাকেন। হে অনুষ। যম এবং কাল শীয় অধিকার কালােতে ববের বিপরীত দর্শনই উহার স্বপ্ন। যৎস। দেশ, যে ব্ৰ নিজ চিরে অচলৰ দিৱত সম্পাদন কৰিছিলেন—কিছুকাল বন্ত অড় নহে, কেহ অজড় বস্তুকেও ঐ সমর্থিীৰে ল গত হইল তিনি এখন আর তাহা নাই। কারণ কেন, আমি এ দিন কলােতে সমান ছিলাম আর আমি কখনই না, অর্থায়ই অন। জীল যেরূপ এক স্বপ্নের পর ইহা মনে করিয়া থমবায় করলে তা দির করিতে অর্শন করে, তাহার স্থায় ঐ সমজিৰ চিন গ্ৰহ্ম সত্য প্রবৃত্ত হন, আর তিনিএভি সূগেই কিছুকাল গত হইলে হইলেও দেহবশতঃ) ষ্টিলোকে এ বস্তু গৰ্শন কৰিছে । পরবাে।
নির্বাণ-এণ-পূর্বাণ। ৪ জীবহিংলালিবন্ধন পাপে ভীত হইয়া তপস্যা করিয়া থাকেন। নয় বা ইকেও কেহ হলন করিতে পারেনা। যা কখন অষ্ট, কখন না, কখন জাদশ, কখন পঞ্চ, কখন সপ্ত, কখন বা অনন্ত, আছার রূপান্তর নাই বলি সর্বদাই একরুপে ষােড়শ বর্ষ পর্যন্ত কৃন্ত তপস্যায় মনােনিবেশপূর্বক উদাসীনের সংরুপে বর্তমান, যাহার আকাশ অক্ষা সূত্র স্বরুপ, সেই পর- স্থায় অবস্থান করিলে, মৃত্যু এই সংসারজল কোন প্রাণীরই হিংসা যে আত্মায় কিরুপে কে কি করিতে পারে ? হে জ্ঞানময় নি করেন না। হাতে বর্ষাকালে যেরূপ অৰ্মাক্ত হস্তীকে মণককুল আত্মাকে এইরূপে অনন্ত অব্যক্ত আদিমধ্যহিত অবলোকন কর। দংশন করিলে তাহার যাদৃশী অবস্থা হয়, এই পৃথিবীও ভদ্রুপ তােমার দে যখন চৈ স্বরূপ লাভ করিয়া অপরিচিত অহিংসানিবন্ধন বতর সন্নিবিষ্ট পরস্পর মিশিষ্ট প্রাণি নির্দোষ হইয়াছে তখন তুমি আজ নিত্য নিরাময় রিজন) সমূহে পরিব্যাপ্ত হইয়া গতিবিধি বন্ধ হইতে থাকে। হে রাম। ব্ৰহ্মস্বরূঞ্চ লাভ করিয়াছি; অএব স্বজন-সংযােগ-বিয়োগজ মুখ অনন্তর মুরুগণ সেই সমস্ত বিচিত্র প্রাণিগণকে পৃথিবীর ভার দুঃখ প্রকাশ করা তােমার উচিত নহে। ২-৩১। হরণের নিমিত্ত বিবিধ উপায়ে হার করেন। এইরূপে সহযুগ বিপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। ৫২। শত শত ভাৰহণৰূপ বৰহাৰাদির অনুষ্ঠান, অনন্ত প্রাণিসমূহের অধিকার এবং অসীম অগং অতীত হইয়াছে, হইতেছে ও হইবে। এখন সেই পিতৃণায়ক যম সূৰ্যাত্ব। হে সাধ। উনিই সম্প্রতি ত্রিপঞ্চাশ সর্গ কতিপয় যুগ অতীত হইলে নিজ প্রাণিহিংসা পাপণের জন্য এণিপীড়ন কৰ্য্য পরিত্যাগপূর্বক বাদব পৰ্যন্ত ব্ৰতাচরণ ভগবান্ কহিলেন, হে অর্জুন। তুমি যখন জরামরণালি { নির্বিকল্পসমাধি অলম্বন করিবেন। ১৩-২৩। সেই অন্য ষডুবিকারনির্মুক্ত অতএব খাত সৰ্ব্বভূতাত্মার স্বরূপ অর্থাৎ মরণধৰ্মাক্রান্ত প্রণিগণের মৃত্যু না হওয়াতে পৃথিবী বনসঙ্কুল সকলের আত্মা, আর তুমি (তুমি রূপ অভিমানী আত্মা) একই, ভায়াবনত হইয়া দীনভাব ধারণ করিবেন। পতিব্রতা রমণী - তখন “তুমি স্বয়ং অপরের হন্তা” বলিয়া যে মনে অভিমান কর্তৃক পরিতা সইয়া যেমন নিজ পতির শরণাপন্ন হয়, পৃথি- করিতেছ, তাহা একেবারে ভাগ কর। যাহার অপর বীও সেইরূপ গীবতারবহনে ক্লিষ্ট হইয়া বিপদূবন্ধু ক্রীহরির শর অহঙ্কারের আধিপত্য নাই, যাহার বুদ্ধি (কোন কাৰ্য্য করি। ণাগত হইবে। তখন জনার্দন লীহরি (ভূভারহরণমানসে) তাহার ফলদর্শনে) সিদ্ধিতে হর্ষ , অসিভিতে বিদাদি বিষয়- নিখিল দেবাংশ, ইয়া নরনারায়ণৰূপে দুই মুণ্ডুিতে অবনীতে বিকারে লিপ্ত হয় না, সে ব্যক্তি এই সংসার নিখিল প্রাণীদিগকে অবতীর্ণ হইবেন। একমূৰ্ত্তি বসুদেবনন্দন বলিয়া বাসুদেব, অপুর নিহত করিয়াও নিহত করে না এবং তাহাকেও কেহ নিহত পানন্দ বলিয়া পাণ্ডব অর্জুন বলিয়া বিদিত হইবে। ধৰ্ম্মনন্দন করিতে পারে না অন্তরে যে দেহাদিতে অভিমান বা অন্য "ধিষ্ঠির” এই নামে পাণ্ডুর জ্যেষ্ঠপুত্র হইবেন, তিনি জগত কোন প্রকার বুদ্ধিবৃত্তি উৎপন্ন হয়, তাহাই অন্তরে অনুভূত ধার্মিক বলিয়া বিখ্যাত হইবেন, সমুদ্র মেখরপে তলীয় রাজ্যের হইতে থাকে তাহতেই “এই সেই অমি” আমার সেই দেব সীমা প্রদর্শন করিবে। দুর্যোধন নামে ভদীয় পিতা-পুত্র ভাতা এক এভৃতি) এই আমি মরিতেছি, আমি করিতে” ইত্যাদি বোখ জন হইবে, অনিলের বিরােধের ন্যায় ধৰ্ম্মনন্দনের অনুজ ভীমের হয়, অতএব এবংবিং সংবিং অর্থলস্তিলিক জ্ঞান, মন সহিত তাহার যুদ্ধ ঘটিবে, ভীমই নকুলের স্যাসেই দুৰ্যোধন "ইতে অপহৃত কর। হে ভারত। উক্তরূপ সংবিৎ” অর্থাৎ সর্পের প্রতিযােদ্ধা হইবেন। পৃথিবীর একালিত্য গ্রহণকরাই “আমি তা” ইত্যাদি ভ্রমাত্মক অজ্ঞানে আবদ্ধ হও, আর উতপক্ষের বানুনা, সুতরাং উভয়পক্ষেরই এমবাসনা তাহাতোমি এমষ্ট হইলাম” অর্থাৎ এই হত্যা করিয়া পাপে উদ্দীপ্ত হইবে, তদুপলক্ষে অষ্টাশ অক্ষৌহিণ ভীষণ সেন পলােক হারাইলাম, আর ইহলোকেও বহুবিয়ােগ আদি ৰ্বেও সমবেত হইবে। ২০-৩১। হে রাখব। স্বল্প বিষ্ণু গাখীৰষা সর্বনাশ ঘটি ইত্যাদি নির্বেদ যারে পাইৰে, অতএব অর্জনের মূর্তিতে সেই অষ্টাদশ অক্ষৌহিণসহ কুরুকুল সংস্কার দেখ, একমাত্র ভ্রমে তুমি উভয় সুখদুঃখে অভিভূত হইয়া করিয়া পৃথিবীর তার লাঘব করিবেন। বিষ্ণুর যেহে অৰ্জলি পরিতাপ পাইৰে। যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশবর্তী হইযা বিমূঢ় অরূপ পরিগ্রহকারী, অহা প্রকৃত অব প্রাপ্ত হইয়া থাকে, সুতরাং প্রাপ্ত হয়, সেই স্বকীয় আত্মার অংশভূত পরিচ্ছেক বলিয়া ক্রোথ হর্ষ প্রভৃতি যাহা কিছু নরখ অর্থাৎ অবিদ্যাজনিত এক অংশ) সত্ব আদি গুণরিকারবিশিষ্ট দেছেন্দ্রিয়াদি যারা কাৰ্থ করিয়া ভাৰ, সে সমস্ত তাতে খবি। সেই অবিদ্যানেই অর্জুন আপনাকে তাহার কার্ড বলিয়া স্বীকার করে। ১। বিচার উলসৈঙ্গগত স্বজগণকে মরণােন্মুখ নিরীক্ষণ করিয়া বিষাদভুর করিতে হইলে চক্ষু দর্শন করুক, কর্ণ শৰণ করুক, কৃগিশি যুদ্ধ হইতে বিরতােযাগ হইবেন। হে রাঘব। তখন হরি উপ- করুক, রমনা সাস্বাদন করুক, এ বিষয় ব্যাপারে ভূমি কে। স্থিত কাৰ্যসিদ্ধির মঠ অর্জনাময়ী দেহকে স্বসিজ,আত্ম অর্থাৎ চক্ষুদিরই এই বিয়ে প্রকৃতি আত্মা কেহ নয়, অতএব বােৰ স্বকীয় জ্ঞানময় দেহ দ্বারা ক্ষমাণ উপদেশে প্রবুদ্ধ করি- চক্ষুদিকৃতকার্ধে আত্মাতে কর্তৃত্বাতিল কর্তব্য নহে। কেন। “এই আত্মর জন্ম মৃত্যু কিছুই নাই , ইয়া বড় বিকাররহিত মাত্মাদিগের অন্তঃকরই সঞ্চার্দি কৰ্ম্মনুষ্ঠানে রঙ হয়, এ পদার্থ, কারণ ইহার এখন বা পরে প্রাদুর্ভাৰ চাই, ইহা আজ, কি অন্তঃকরণত্তি, কি অস্থিকরণ, কোন বিষয়ই তােমার নিত্য ( হ্রাসবৃদ্ধি যশিলা) শাশ্বত ও পুন। এরীর বিনষ্ট বা আত্মাকেহ নহে, ইহা তুমি স্বয়ং দেখিতে পাইতেছ। আর এই অবস্থার প্রাপ্ত হইলেও ইহার বিনাশ নাই। বে এই আত্মাকে কেশের গী বলিয়া যাহার উদ্দেশে শেক করিতেছ, সে হত এবং বইহাকে ভক বিবাহ করে, উভই বিষয়েই বা ভােঙ্গ কে? হে তে। আরব, যে প্রকৃত অ অবগত নক, কারণ এই আত্মা, কাহার খাতক কাৰ্য্য অনেকের সহিত মিলিত হইয়া অনুষ্ঠিত হয়, সে কাব্যে ৪ যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ এতিমান অর্থাৎ আমি একা ইহার কর্তা; এই একার সমাকারে ঈশ্বরে আত্মসমর্পণরূপ,সা এবং আন ও অতিমান ৰুক্তিতে পরিমাণ হইতে হয়। দেখ, যেগিগণ যােগের বিভাগ কিরূপ? হে এল। আমার মহামােহনিরুরি (অর্থাৎ যাহাৱা উচ্চপদ জায়ােহণে ইচ্ছুক, তাঁহারা পর্যন্ত) এ সে গুলি যথাক্রমে বলিয়া দিতে আজ্ঞা হয়। অথবা কিভাবে আত্মশুদ্ধির উদ্দেশে কেবল কামনােবুদ্ধি এবং বলিলেন, সঙ্কল্পসমূহের ক ও খুন বাসনার বিল হইলে যে ইক্রিয়াদির আর কখনুষ্ঠান করিয়া থাকে। যাহাদের দেহ নিয়নবাসন, প্রপঞ্চবিত, অভাবনীয়াকার ভাবনাৰতিস্বরূপ অহঙ্কাররূঋবিষে জর্জরিত হইয়া মৃতপ্রায় হয় নাই, (১) তাহারা এভগাস্বরূপ (ব্রহ্মবিদগণ) নির্বিকলসমাধিতে পরিপাক অবস্থায় কোন লৌকিক বা শাস্ত্রীয় করিয়া করে না এবং সেই যাহার সাক্ষাৎকার লাভ করেন, তাহাই পরব্রহ্ম ব্ৰহ্মসারূপ্যলাভে কার্যের ফল ভােগ করিয়াও ফলগী হয় না, কারণ আহাদের উদ্যোগী অর্থাৎ জীবের অজ্ঞান নিত্তি হইলে, ব্রহ্মরূপে বিষয়ে আসক্তি প্রভৃতি রোগ একেবারে বিদূরিত হইয়া যায় চিত্তের একনিষ্ঠাই জ্ঞান, বুদ্ধি নিয়ােগ অর্থাৎ তলনিগণের পে ধইদশী বিজ্ঞ হইলেও, মানব (সঙ্গদোষে দুঃশীল হইলে চিত্তেকারে অনুকুলধারা যারা ব্ৰহ্মরূপের উপলদিই যােগ , আৱ শোভলীয় না, দ্রুপ এই দেহও অভিমানরূপ অমেধ্য অভিমানের বিষয়ীভূত সকল অঞ্চ এং অভিমানই আমি অর্থাং অপবিত্রভাবে দূষিত হইলে আর পােভন্বিত থাকে না। ইত্যাদিকে অধ্যােমুখ করাই অর্থাৎ প্রকাশ হইতে না দিয়া যে ব্যক্তি নির্মম, নিরহঙ্কার, ক্ষমাবলম্বী ও সুখে দুঃখে সম- সকলই ব্ৰহ্ম ইত্যাকার ধারণাই ব্ৰহ্মাৰ্পণ বলিয়া কথিত ভাবান্ধিত, সে ব্যক্তি অবশ্যকর্তব্য শাস্ত্রীয় কৰ্ম্ম, আর অনাবশ্যক যেমন পাষাণের হৃদয় নাই, দ্রুপ ব্রহ্মের অন্তর বহির্ভাগ নাই। লৌকিক কৰ্ম্ম করুক, আর নাই করুক, তাহাতে লিপ্ত হয় না। ব্ৰহ্ম শান্ত ও আকাশের ন্যায় নিৰ্ম্মল, তিনি দৃশ্যও নহেন এবং দৃষ্টি হে পভুনন্দন। সংগ্রামে অপমুখ হওয়া দ্রোচিত কৰ্ম্ম, অতীতও নহেন। যদি বল দৃষ্ণ নহেন দৃং দ্রষ্টচক্ষুরাদিও তুমি ক্ষত্রিয়, যুদ্ধই তোমার কাৰ্য, বন্ধুবধাদি প্রয়োজক বলিয়া নহেন ইহাও আপনার বলা উচিত,-কারণ দু-চাদিও অতি নিষ্ঠুর হইলেও, ইহা তােমার প্রেয়স্কর, কেন না,—ইহাতে ধৃত হইয়া থাকে এ আশঙ্কা তুমি করিতে পার না, কারণ তুমি চিত্তশুদ্ধি দ্বারা (যােগীর মায়) অঞ্জনাদিমুখভাগী দৃ অথাৎ চরাদির দ্রষ্টা ত তদ্ভিন্ন অন্য বস্তু নাই , জগতে হইবে এবং ধৰ্ম্মবল, যশােবল, রাজবল, স্বর্ণবল, সকল অ্যুদয়ই চক্ষুই একমাত্র দ্রষ্টা, অতএব সেই ব্ৰহ্ম দৃশ্য নহেন তিনি দৃ এ কাৰ্য দ্বারা প্রাপ্ত হইবে। ৬-১৩। বন্ধুবধ ও গুরুবধ অর্থাং চক্ষুদির ন্যায় দ্রষ্টা। সুজাং এই জগও অহঙ্কার ইত্যাদি দ্বারা কুৎসিত ও অধময় হইলেও, শাস্ত্ৰপ্ৰমাণানুসারে অভিমানী ব্রহ্মে অধ্যন্ত মাত্র। উক্ত স্বভাব হইতে যাহা সদৃশ এ কাৰ্য তােমার পক্ষে শ্রেষ্ঠ, (এবং ইহাতে তুমি প্রত্যায়ভাগী অন্যভাবে প্রকাশমান তাহাই জগং প্রতিভাস অর্থাৎ প্রকাশ, হইবে না' এই যিয় ভাৰিয়া, তুমি এই যুদ্ধে ক্রয়ে প্রবৃত্ত অহা আকাশের ন্যায় মাত্র, কিছুই নহে। অতএব এই জগৎ হইয়া ধৰ্ম্ম লাভ কর অর্থাৎ বিজয়ী হও। বিদ্যানের কথা কি, তাহারই অষ্ণতা বা প্রতিভাস্বরূপ। এইরূপ জীবকুলের প্রতেক মুখেও স্বৰ্ম লন করে, কৈ না বা শ্রেয়স্কর। যাহাদের যে অহতাব, তাহা অধ্যায় মাত্র, আহাতে আগ্রহ করা উচিত মন হইতে অহঙ্কার বিগলিত হইছে, তাহাদের মন পাতিত্যাবহ নহে। উহা সেই চৈতঙ্গেরই কোটি কোটি অংশের অংশ ধারা মহাপাতককোটিতেও লিপ্ত হয় না। হে ধনঞ্জয়। তুমি সিদ্ধি কলিত হইয়া আবির্ভূত জানিবে। এই যে ভাৰ ব্ৰহ্ম হইতে অসিদ্ধিতে সমস্তবরূপ যোগ অবলম্বনপূর্বক নিঃসঙ্গতাৰে কৰ্ম্মানুষ্ঠান পৃথক ভাসমান, তাহা বাস্তবিক পৃথক নহে; কারণ, পার্থক্য করিতে থাক। কাৰ্যফলের প্রতি আসক্তি না রাখিয়া গত ক বা পরিচ্ছেদ কিছুই ব্রহ্মে নাই। “ব্ৰহ্ম জানি” অর্থাৎ করিলে, তুমি অল্প নিহতও হইবে না বা অর্মে আবদ্ধ হইবে “ব্ৰহ্ম জ” ইহা যে বৰত হয়, ইতাছিতেওঁ যে অহং পৃথক । •হে । তুমি আত্মদেহ শাহ্মময় ভাবি আত্ম- বস্তু, তাহা নহে, অর্থাৎ এই কার আতা ইত্যাদি উপপত্তি যারা কর্মকেও ব্রহ্মময় করিতে চেষ্টা কর এবং সেই আত্মকও আবার যে কয্যে পার্থক্য নির্ণ, হাও যুক্তিসিদ্ধ নহে। এইরুপে যে যদি অন্ধে সমর্পণ করিতে পার, তাহা হইলে ভূমি অশষধ্যে ব্ৰহ্ম প্রকার অহংভাব পৃথক ৰ নহে, সেইরূপ ঘটালি মমতারূপ হইতে পারিবে। আর যদি তুমি নিণ ব্রহ্মজ্ঞানে অসমর্থ মট পর্যন্তও পৃথক ৰন্ত নহে; সমুদ্র যেরূপ আপন পূর্ণতা ধারণ হও তাহাইলে সৎ ঈশ্বরে তােমার সমস্ত কাৰ্য্য সমর্পণ কর, করে, সেইরূপ আমি তুমি ইদি ভাৰ ও আমার তােমার আর সেই ঈম হইয়া নিরাময় হও। যদি তুমি বুঝিতে পার, ইত্যাদি ভাৰ সমস্তই পূর্ণতাকারে ব্রয়, বাহা পৃথক বলিয়া জ্ঞান ঈশ্বর সর্বভূতে “আ”-রূপে ব্যাপিয়া আছেন, তাহা হইলে হয়, তাহা পদার্থের প্রতিভাস মাত, ইহাতে অহংভাব আগ্রহ তােমার দ্বারা এই মহীমণ্ডল ভূষিত হইবে। অতএব হে অর্জু। ক যুক্তিযুক্ত নহে। লেখ, এই “অহং মমতা” অর্থাৎ আমি, তুমি, ভূমি একমাত্র ঈশ্বরেই সর্বসম্বর সমর্পণ ও সন্ন্যাসযােগ অপ্রিয় আমার তােমার ইত্যাদি বিকল সেই সেই বিয়ের বৈচিত্র্যে করিয়া মুক্তমতি, শান্তচিত্ত, খুনি, (অর্থাৎ দুঃখে অনুদ্বিগচিত্ত, বৈচিত প্রকাশ পাইলেও ঐ এরে বয়ে যে ঐ সকল মুখে নিস্পৃহ, রাগক্রোধাদি-বিবর্জিত, স্থিরবুদ্ধি) ও সর্বত বৈচিত্র সভার কারণ সংকিশময় একই আত্মা প্রকাশমান, সমদর্শী হও। ইহাতে লেমার ফাগুন আশঙ্কা নাই, তুমি কি তাহার আয় বৈচিত্র্য নাই। সেই একত্বে তােদর আগ্রহ না হয় ইতে পারিবে। অৰ্জন কহিলেগ! সত্যাগ,ব্ৰহ্মণ, কেন? হে অর্ধ। এই বিচার করিয়াই লােকে সংসারবিভাগ জানিতে পারে, তখনকার আর আংযমণিভাবে আগ্রহ (১) ভােগলম্পটই মৃত্যু হেতু অহঙ্কারই সেই মৃত্যুহেতু থাকে না, তাহার লয় বুড়িতে হয় ও হাতে সেই ব্যক্তিবর্গ ভােগসর প্রবর্তক ,হঙ্কার না থাকিলে আর সেই লেগ ফলে নিঃস্পৃহতারূপ যে গ গ তাহাই পাস” বলিয়া লালসার এতিয় না, সুতরাং মৃত্যুও ঘটে। কথিত। সময় সত্যাগের নামই সবিহীন;
নির্বাণ-প্রকরণ-পাগ। ৪৭৫ T কাজলিরূপ তৈক্সে সময়ে উপাদান ঈশ্বর মাত্র , ভাবে , তাহার আর পূর্ণ হয় না। যে ব্যক্তি সর্বভূতে কে অধি- ভাবিয়া দেখিলে একমাত্র ঈশ্বরত্বই অনুভূত হয়; অতএব অনুভাবে | তিত দেখে, সে সশব্দের অর্থ ঐ অধিনকারী আত্মাৰ্যতিরিক্ত দেখিলে এই বৈচিত্ৰভেল কিছুই নহে, সমস্ত একই মাত্র। আর কিছুই হয় না, সুভাষ সর্বপদার্থে একত্ব স্বীকার করে, এই প্রকার যৈতাৰ বিগলিত হইলে ঈশ্বরে সর্বসমর্পণ খুটির। ও একশব্দের অর্থ প্রত্যাগত্যার স্বভাৰ অর্থাৎ ভৎসতা মাত্র অবগত থাকে, তাহাই ঈশয়া আনিবে । জীব-জ্ঞানৰণই হয়, আর সেই আত্মা ও সং অর্থাৎ মুর্তভূয়স্বভাষ (অর্থাৎ ঐ চিমত্মা ব্রহ্মে ভেদ উপস্থিত হয়, নামের বিভিন্নতাই তাহার ক্ষিতি, অপু, তেভাৰ), বা অসৎ অর্থাৎ মরুৎসামরূপ কারণ; অতএব তাহা নাম মাত্র জানিৰে। ঈশ্বর বােধাকা অর্থাৎ সুক্ষ্মভূতদ্বয়ম্ভবও নহে, কিন্তু ভুমান চিদোভাবই সেই জ্ঞানময়, ইহা শব্দার্থ যাত্ৰ, ঐ আত্মাই অগাপী বলিয়া জগৎ আত্মা, ইহা যাহার অনুগত হয়, সে ব্যক্তি উক্তপ্রকার যে একই সেই ব্ৰহ্ম, ইহাতে কোন সংশয় নাই। দেখ, আমিই অনুভব করিবামাত্রই অচিৰে সৰ্ববিকাৱৰিবৰ্জিত ভুমানন্দময় দিল, আমিই জগৎ, আমিই স্বীয় কৰ্মাশ্রয় ও আমিই কৰ্ম কৈল্য লাভ করিয়া থাকে। যিনি ব্রিলােকস্থিত জীবসহ জানিৰে। হে অর্জুন। কাল ও আমি, দ্বৈত অবৈতভা, তাহাও অন্তরন্থি প্রকাশক আলােকস্বরূপ, ঘহার কঢ়ি অনুভগম্য আমি, আর আমিই সেই দ্বৈতাদ্বৈতভাৰ নিয়মাধীন জগৎও অর্থাৎ অনুভব ব্যতিরেকে যাহার উপলব্ধি হয় না, সেই আমিই জানিবে। অতএব হে অর্জুন। তুমি আমাতে অর্থাৎ ঐ (দ্বৈত- 'আত্মা, ই স্থির নি। হে ভারত। ত্রিভুবন জল, গ্য- বৈরূপ-পরালরক্ষণে) অধিকারতারতম্যে আত্মমন সমর্পণ দুগ্ধাদি ও সমুজাত লবণাদির অন্তরে বসরূপে যিনি অনুভূত কর। আমার গুণ শ্রবকীৰ্ত্তনাদি দ্বারা আমাতে ভক্তিমান্ হও।' হইয়া থাকেন তিনিই আত্মা। বাহা অখিল শরীরীর অন্তরে জ্ঞানযজ্ঞ, কৰ্ম্মযজ্ঞাদি দ্বারা আমারই যজন করিতে থাক, আমার সূক্ষ্ম অনুভবকপে বৰ্ত্তমান এবং অনুভবনীয় বিষয়ৰিমুক্ত , অতএব উদ্দেশে সর্বদা নমস্কার কর। হে অর্জুন। এই প্রকার যােগে দুর্লক্ষ্য বলিয়া সূ, সেই স্যাপী বস্তুই আত্মা জানিবে। যেমন আমার প্রতি টিওনিবেণপুৰ্ব্বক মপরায়ণ হইতে পারিলে, তুমি সমগ্র দুষ্টের অভ্যন্তরে সারভাগ ঘূরে অবস্থিতি, সেইরূপ “আত্মা” রূপী আমাকে লাভ করিতে পারিবে। ১৪-৩৪। সকল পদার্থের অভ্যন্তরে অধিষ্ঠাতৃরূপে এবং সকল দেবীর অভ্য- অর্জুন কহিলেন,হে নেবেশ । আপনার পর এবং অপর নামে অরে প্রকাশরূপে আমার সেই পরমৰূপ বর্তমান। যেমম সমূদ্র- যে দুইটীৰূপ আছে, তাহা কীদৃশ এবং সিদ্ধিলাভের জন্য আমি স্থিত ত্বসমুহের অন্তর্গত তেজঃ বাহিরেওপ্রকাশ পাইয়া থাকে, কোন্ সময়ে কোন্ রূপের আশ্রয় লইব বলুন। ভগবান সেইরূপ দেহে লিপ্তভাবে না থাকিলেও আমিও আত্ম” রূপে কহিলেন,হে অনষ। আমার সামান্য এবং পরম নামক দুই প্রকাশ হয়ছি। যপ শত সহস্র ঘটের অন্তরে বাহিরে রূপ জালিৰে। তন্মধ্যে শঙ্খচক্রগদাধর ও হস্তপদাদিবিশিষ্ট আকাশের স্থিতি, তদ্রুপ এই ত্রিভুবনরূপ শরীরে আমার ( সর্বজনসাধারণ সুগমপই) সামান্যরূপ, আর আমার যে অবস্থিতি ও ব্রিজগতের সর্বশরীরীতেও “আত্ম”-পে আমার অনাময় অদ্বিতীয় আদ্যরহিত অশুদ্ধচিত্তগণের হুবখ্যরূপ, যার নির্লেপভাবে স্থিতি। যেন মালস্থ গ্রথিত শত শত মুজার ব্ৰহ্ম আত্মা, পরমা, ইত্যাদি শব্দে অভিহিত হয়, তাহাই অভ্যন্তরে সূত্র অলকিতভাবে প্রেত থাকে, তদ্রুপ দেহাভ্যন্তরে পরমরূপ। যে কাল পর্যন্ত তুমি আত্মজ্ঞানের অভাৰপ্ৰয়ৰু আত্মারও স্থিতি অলক্ষিত ভাবে জানিবে। ব্ৰহ্মাবধি তৃণ পর্যন্ত যে অবুদ্ধ থাকিবে অর্থাৎ যে পর্যন্ত তােমার বুদ্ধির উন্মেষ না সমস্ত পদার্থ দেখিতে পাওয়া যায়, সেই অখিল পদার্থেই সে পৰ্যন্ত তুমি আমার ঐ চতুর্ভুজাকার সামাঙ্গরূপের পূজা করিতে অন্তঙ্কেমে সামান্যসত্তা বর্তমান, তাহাই আত্মরূপী জন্মরহিত থাক। ঐরূপ করিতে করিতে চিত্তশুদ্ধি দ্বারা মাের চিতে এ অহস্তাদি অর্থাৎ আমি তুমি ইত্যাদি জগত্তা অর্থাৎ অবোধসঞ্চার হইলে আমার সেই অনাদি অনন্ত পৰমৰূপ জালিতে জগৎ ইত্যাদি ভ্রমন ক্রমপনিবেশ থাকিলেও তার দ্বারা পারিবে, উহা জানিতে পারিলে পুনরায় আর জন্মগ্রহণের ক্লেশ ঈষৎ ফুরিকার যে ব্ৰহ্ম অর্থাৎ তাহাতে যাহা সামান্য ভােগ করিতে ৪ না। ৩৫-৩১। হে অরিমনি। আর যদি পােপলব্ধি হয়, তাহাই ব্ৰহ্ম। ৪০-৫৪। (অতএব অধিষ্ঠাত্ ভােমার চিত্তশুদ্ধি হইয়াছে, ইহা বিবেচনা কর, তাহা হইলে রূপে সর্বস্ততে যে নির্বিকার ব্রহ্মতা, তাহাই বাস্তবিক, আর ঐ আমার (ঈশ্বরের) পারমার্থিকশপ আত্মাতে তােমার আত্মাকে মুক্তাতে সূত্রের ন্যায় অমিতৰে বা কাজের প্রভার স্থায় একট একরসীকৃত করিয়া বুদ্ধি সহায়ে পৰমপূর্ণ অখণ্ডসরূপ আত্মাকে জীবভাবে যে ব্রহ্মের স্থিতি, উক্ত উভয়েই অধ্যাসপেক জাগতিক আল কর, অর্থাৎ তাহাতে একনিষ্ঠা অবলম্বন কর। এই দিগুল ব্যবহার কজি, অতএব বাস্তবিক আত্মা হন্তব্যও নহে বা আমি, অগং আমি, এই আমি ইত্যাদি যাহা কিছু তোমাকে হত্যাও নহে বা হননজস্ত পাপও ঐ আত্মায় স্পর্শে না)। এই বলিলাম, তােমাকে আত্মত টিপ দিবার জন্যই আমার এরূপ যে নিখিল জগৎপ, তাহা ঐ আত্মাই নিয়ে, সংহে বলিবার প্রয়োজন। বােধ হয় আমার উপদেশে তুমি সাকুরপে অৰ্জ্জুন! শুভাশুভ জগদুঃখ দ্বারা উহার কি লিপ্ত হইৰে। প্ৰতি- প্রবুদ্ধ হইয়া পরপদে স্বরূপে শাতিলাভ করিতেছ, ভােমার সঙ্কল্প বিম্বের সহিত আদর্শের যেরূপ সম্বন্ধ, সেইরূপ “ব্ৰহ্ম” সার্কিপে সকলের পরিয়া হইয়াছে ; এখন তুমি আত্মার সত্যস্বরূপ (সংসারে বর্তমান আনিবে। অগতের যাবতীয় নশ্বর পদার্থের একাত্মময় হও। ভূৰি সৰ্বত্ৰ সৰণী ও বােগযুকাত্ম হইয়া মথ্যগত থাকিলেও যে ব্যক্তি দেখিতে জানে সেই ইহাকে অৰি- অাস্থাকে সর্বভূত অধিষ্ঠিত ও সর্বতকে আত্মায় অবস্থিত অর্থাৎ নশর (নিত্য) দেখে। ৫৫৫৬। এই আমি, (অর্থাৎ সন্দেহে আর এ সকল জীকে গলােন কর। যে ব্যক্তি আত্মাকে আমি মি এই যে চিদশের জন) তাহাও আমি, ইহা আমি সৰ্ব্বভূত আনি আত্মার একরূপ অর্থাৎ আত্মা একই ইহার নহি (অর্থাৎ আড়দেহ ইশিয় ইত্যাদি বিষয় আমি নহি) জেন বা দ্বিতীয়ত না এবংবিধায় এক স্বীকার করে, আমি এই প্রকার বলিতেছি ইতালি যত কিছু তেজবিভাগােজি ০৭৬ বােগবাণিষ্ঠ-রামায়। সকাই ৰ মাৰ পরিচায়ক, যাহাভেল ভাই দর্পণে আর প্রতি কৰিচ্ছে, অতএব তােমার হিরে ও আমি পুনরায় পরম বিষে যেরূপ বা প্রতি বিশ্ব অর্পণ ও প্রতিৰিত যটে যেরূপ উপদেশ দিয়েছি, শ্রবণ কর। হে ভারত। বিমের সহিত ইসি- ভেদ অর্থাৎ খটপ্রতিবিম্ব, প্রতিবিম্ব ও দর্পণগত এ দর্পণ সম্বদ্ধ হওয়ায় শীত, উষ্ণ আদি অসুতৰ হয় এবং তাহাতেই মুখ, প্রতিবিশ্বও প্রতিৰি, তথাপি তাহার ভেদজ্ঞানের ন্যায় পূর্বোক্ত দুঃখ হইয়া থাকে,—ঙিীয় উহা অনিত্য, কারাবাহার উৎপত্তি, ভেদজ্ঞান জানিৰে। ফলে আমিই গর্পণ যেমন প্রতিবিম্বে লিপ্ত তাহার বিনাশ আছেই। যখন ঐশীত, উষ্ণ, সুখ, দু সমস্তই নহে এবং এতিবিশ্ব দ্বিতীয় বস্তু নহে, তদ্রুপ নির্লিপ্ত অভেদ জন্য, তখন উহার নাশত খবৰী, অতএব উহা একিলিকর- (অ) আপে নির্লিপ্তভাবে সর্বাত্মা (সকলশরীরে আর্ভূিত বােখে সহ ও উপেক্ষা করিয়া উহাতে বৈরাগ্য অবলম্বন কর। হে পাণ্ডব। তুমি আমাকে এইভাবে নিও। যেমন সমুদ্রে ঐবিষয়েন্দ্রিয়সম্বন্ধ বা সুখ-দুঃখ ও সেই অক্ষয় পূর্ণানন্দস্বভাব জলস্পনু হইয়া থাকে এবং তাহাতেই বিলীন হয়), সেইরূপ হইতে পৃথক্ নহে, এই বােধ জমিলে, সুখই বা কোথায়? আর অঙ্কিত চিন্তু আমি তুমি ইত্যাদিভাৰ বা সৃষ্টি লয়- দুঃখই বা কোথায়? আরও প্রিয়তমধনপুত্রসশনে আমি পূর্ণ” বিকারাদি সমস্ত আত্মাতেই প্রবর্তিত হয় ও (আত্মাতেই বিলীন ইত্যাদি ভ্রন্তিতে যে অভিমানিক সুখ এবং সেই প্রিয়তম ধন্যদি- হয়)। যেমন পর্বতের প্রস্তর রক্ষের দারুতা, তরঙ্গের জলভাবই বিযুক্ত (অর্থাৎ খণ্ডিত আমি হ্যাঙ্গি ভমে যে দুঃখ উৎপন্ন হয়, যথার্থ , তদ্রুপ পদার্থের আত্মত্বই পারমার্থিক বোন্তৰিকলিবে। হাও কিছুই নহে কেননা, নিরবয়ব ঋয়ােদবিহিত আত্মাতে যে ব্যক্তি আমাকে সর্বভূতে ও সৰ্ব্বভূহকে আতে অবলােকন আবার খণ্ডন পূরণ কোথায় ? (কারণ যহা অল্পী বা উৎপত্তি করে, সে ব্যক্তি দর্পণের প্রতিবিম্ব সচেষ্ট হইলেও লক্ষণ যেমন বিনাশধৰ্মী, তাহারই খণ্ড পুরণ আছে ),অতএব “মি ধনবন্ধু- নিৰ্ম্মল নিশ্চেষ্ট নিশ্চল থাকে, তদ্রুপ এই সদা সচেষ্ট ক্রিয়াকুল পূর্ণ” ও “আমি ধনবন্ধুবিযুক্ত” এই যে উভয় খণ্ডনপূরণভাব, ভূঙ্গির মধ্যে আত্মাকেও ঐ দর্পণবং নিক্রিয় ও অভাবে তাহা মােপলব্ধ , সুতরাং তাহাও পূর্বোক্ত তাৎপৰ্যাবােধে অস- ( উদাসীনভাবে) অবলোকন করে। যেমন বিবিধকার বিকারে অব বােধ হইলে স্বতই নিবৃত্ত হয়। যাহার স্পণ ( বিষয়) ও এল, যেরূপ কটকাদি অলঙ্কারে সুবর্ণ, হে অর্জুন। আত্মাও সেই- মাত্রার ইন্দ্রিয়ের সত্যতা প্রীতি নিবৃত্ত হইয়াছে, সেই মাত্র ভাবে সৰ্ব্বভূতে অবস্থিত আনিবে। যেমন সমুদ্রের জলে বিবিধ স্পর্শভ্রমাত্মক অর্থাৎ মাত্ৰা ইন্দ্রিয়ের স্পর্শ অর্থাৎ বিষয়াধীন উর্মিমালাই চঞ্চল অর্থাৎ কথন উৎপন্ন হইতেছে, কখন বিলীন বিত্তের অনুগত ভ্রমাত্মক জীবই তণী, তারই সুখে দুঃখে হইতেছে, কিন্তু সমুদ্রঅল একই ভাবে বর্তমান, কিংবা স্বর্ণে সমানজন, এবং তাহাতেই সেই জীব মােক্ষলাভের উপযুক্ত। কটকালি অলঙ্কারও যেরূপ চঞ্চল অর্থাৎ কতবার উৎ বিলীন যখন সেই নিরতিশয় আনকৈরস আত্মা সর্বময়, তখন এই হইতেছে, কিন্তু স্বর্ণ সেই একই ভাবে বর্তমান, পরমাত্মায় ভূত সকল দুঃখাদিভেদও অ, অতএব ঐ সকল দুঃখাদিতে সকলই গণও তদ্রুপ আনিবে। হে ভারত! পদার্থনচয়ই বল, আর আত্মময় , সুতরাং ঐ দুঃখালিভেল প্রিয়তম ধনপুত্রালভেদরূপ ভূতগণ (জীবকুলই) বল, আর ঐ বৃহৎ এহ্মই বল, দর্পণ সুভেদের ন্যায় স্থিত, আর ঐ সকল দুঃখাদিভেদের প্রতিকূল প্রতিবিম্বের ন্যায় সমস্তই এক, ইগতে ঈষৎ পার্থক্য নাই, স্বভাব (অর্থাৎ বিরক্তিজনক স্বভাব । মিথ্যা, উহার সওা নাই, অতএব সমস্তই যদি একই সেই নির্বিকার ব্রহ্মমাত্ৰপৰ্যবসিত যাহাৱ সত্তা নাই, তাহা কেননা সহ করা যাইবে। ১-৫। মুখ- হুইল, তখন ত্রিভুবনে মাদি ভাবৰিকারের আশ্রয়ভূত অল্প আৰু দুখালি সান্তের কিছুমাত্র সত্তা বা লে নাই, কারণ যখন কি আছে ? আর তােমরই বাঐ বন্ধুৰধাদি বিকার কোথায়? এর আত্মজ সর্বময়, তখন যাহা আ না, তাহার সা কিরূপে এই জগৎই বা অন্য কি ? বৃথা কেন মােহের বশবর্তী হইতেছ? হইতে পাকে? যাহার সানাই অর্থাৎ যাহা মিথ্যা পদার্থ, তাহার সাধুগণ এই আত্মত, শ্রবণপূর্বক মনে সুখে দুঃখে সমানরূপ বিদ্যমানত অন্তৰ, আর যাহা স ব সত্য পদার্থ, তাহার অনুভব করেন, অন্তরে সেই অভ ব্ৰহ্মকে অনুভব কর নির্জ অভাবও নাই, সুতরাং যখন সুখখাদি উৎপত্তিবিনাশবিশিষ্ট হই জীবন্মুক্তশরীরে বিচরণ করেন। এইরূপ জীষকা পদার্থ, তখন বাস্তবিক উহার অস্তিত্ব নাই,সেই সংস্বরূপ পরমা- হইতেই সাধুগণের ক্রমশঃ মনে মােহ আদি অবসাদ দূর হয়; আই সৰ্বকাপ হইয়া বর্তমান। যাই। কিছু বিকা বহুত সভার সুখ, দুঃখ, শীত, উষ্ণ প্রভৃতি ঘষ আর তাহাদের থাকে না ; অসুভ হয়, তাহা সেই আত্মার অধিষ্ঠানের সভ্যতাবলেই জানিবে, এবং তাঁহারা অধ্যাত্মজ্ঞানে পরিপূর্ণ হইয়া অধ্যাত্মব্যানে বিভাের ফলে সুখদুঃখাদি কিছুই বাস্তবিক নাই। জগৎ সং, আর ঐ থাকেন, তাহা হইতে তাহাদের কামনা আর প্রতিনিও হয় না। নিরতিশয় আনন্দময় এ অসৎ, এ বুজি পরিত্যাগ কর এবং অবস্থায় উপনীত হইয়া তাঁহাৱা অব্যপদ (বিদেহমুক্তি লাভ জগৎজার মধ্যে যে উভয় সংঘটনের কারণ মনও , তাও করেন। ৫৫-৬। কিছু নহে” বিয়া মন হইতে নারিত কর। একমাত্র সেই ত্রিপঞ্চাশ সর্গসমাপ্ত।। চিলাই সং তাৰি৷ সেই চরম বহু মণ আৰম্ভ করিল প্রতিষ্ঠিত হও হে অর্জন। শরীর অরে থাকিলেও এর মুখেও হর্ষ নাই হবে গালি নাই, ঐ গ্লানি প্রভৃতি দৃ, আর আতাহার শাকিতাবে (উদাসীন বে) এটা, ( অতএব গনি প্রভৃতি কখন দশ হইতে পারে না। গান কহিলেন- মহাবিহাের। আমি দেখিতেছি, ঐ আকাই চৈ, অলিভ্য মিয়াভূত রীরের অন্তরে তুমি এসিংকায় আমার উপদেশ শ্রবণে অভিলাষী ও যাহা থাকিয়াও সৎ সত্য নিত্য অড় চিন্তাই মুখের উপরে দিতেছি, তাহার গংপথ্য গ্রহণ করিয়া ও অনুব ভাজন, তাহাই হে, ঐ চিত্তালিরূপ এবং কত ৰা বিনষ্ট চতুঃপঞ্চাশ সর্গ।
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। ৭ ন হইলে আত্মার (আম) কিছুই হয় না। ৬-১০। হে অর্জুন! তাহার প্রতিপাপ কর্ম আমায় কওঁ এই যে সিটিত হােলি কাদির ভােলাপে বিল্যমান, উহা তাহা অব কৰ্তৰ বলিঘা স্থির করে, সেই ব্যক্তিই জ্ঞানসভূত মায়ামমাত্র অনিবে। আষা হইতে যাহা পৃথক মনুষ্যসমায় বুদ্ধিমান বলিয়া পরিগণিত ও সেই ব্যক্তিই ৰণি জ্ঞান হয়, সে সমস্ত দেহাদিও কিছু নহে ৰা দুখালিও কি কৰ্মা, অর্থাৎ তাহারই সমস্ত কাৰ্য অনুষ্ঠান করা হয়। হে নহে, কারণ, এ সংসারে এমন কি আছে বা অনুভূত হয়, যাহা অর্জুন! তুমি কৰ্ম্মফলের অপেক্ষা কৰিয় কাৰ্যে প্রবৃত্ত হইও আ হইত পৃথক, অতএব কে কি অনুভব করিবে বল। না এবং ক উপস্থিত হইলে তাহার অনুষ্ঠান পরিত্যাগেও নে হে ভারত। এই যে দুঃখ বলি কথিত, তাহা অবােধজাাতি, তোমার শক্তি না হয়। তুমি শিখি-সিজিতে এমরূপ মােন সুত্রঃ সৰু বােথ উৎপন্ন হইলেই ঐ দুখাদির নাশ হয় অবলম্বনপূর্বক নিঃসঙ্গতাৰে কৰ্ম্মানুষ্ঠান করিতে থাক। তুমি যেমন অজ্ঞান বই রজুতে সর্পভ হয়, সেই অজ্ঞান | কর্মাসক্তিপরিহারে দৃষ্টিতে এমাদের আশ্রয় গ্রহণ না করিয়া দূর হইয়া জ্ঞান লয় ইলেই মাগত সর্পভয় আর থাকে না, নিষ্কভাব অবলম্বন ব্যতিরেকে যেমন ভাবে অবস্থান করিতে হয়, সেইরূপ দেহাদি দুঃখাদি কাৰৰধৰশই উৎপন্ন ৰনিয়া অবােধ- সেরূপ সমতাৰ অবলম্বনপূর্বক অবস্থান কর। যে ব্যক্তি কখ- নাশ হইয়া ৰােখ উৎপন্ন হইলেই তাহা আর থাকে না। এই যে ফলে আসক্তি পরিত্যাগপূর্ষক নিজতৃপ্ত ও নিরাশ্রয় হই নিখিল বি, ইহ। সাক্ষাৎ জন্মরহিত পূর্ণব্রহ্ম, অতএব ইহার অবস্থান করে, কৰ্ম্মানুষ্ঠানে প্রত্ত হইলেও তার কর্ম করা হয় উৎপত্তি নাই, বিনাশও নাই। তুমি ইহা সত্য ও পরম বলিয়া না। কর্শে আসক্তিকেই (জ্ঞানিগণ) কর্তৃত্ব বলিয়া নির্দেশ জানিও। এই জ্ঞানেরই নাম পমবােধ ও সত্যবােধ। ১১-১৫। করেন, উহা কৰ্ত্তার অপেক্ষা করে না অর্থাৎ কাৰ্য্য স্বয়ং না যাহা কিছু উৎপভিবিনাশ-ধর্মী দেখিতেছ, তাহা ঐ ব্ৰহ্মাৰ্ণবের করিলেও তাহাতে আসক্তি থাকিলে কর্তৃত্ব আসিয়া পড়ে। তরল, আজ তােমার ভাদৃশ ৰধের উদয় হইয়াছে, অতএব তুমি | দৃষ্টিতে প্রারূপ মুখ খাকিলেই আসক্তির আধিপত্য বটে, আজ ব্ৰহ্মাৰত্তে বিরাজ করিতেছ, তুমিই এখন নিরাময় ব্রহ্ম। অতএব ঐ মাদরূপ মুখভাই পরিত্যাগ করা উচিত। ২২-২১। সমন্ত কাল, ক্রিয়া, দেশ, তুমি, আমি, সৈন্যগণ, সকলই সেই যে ব্যক্তি ঐ উৎকৃষ্ট ত্বজ্ঞানের আশ্রয় গ্রহণ করেন, সে ব্যক্তি ব্রহ্মসমুদ্রে স্পন্দনের ন্যায় বর্তমান, এই ব্রহ্মে ভাৰাভাৰ ৰিকল্প অনাসক্ত মহাত্মা হইয়া পড়েন, সেই আসক্তি ব্যক্তি সকল-কৰ্ম কিছুই নাই। মান, মদ, শােক, ভয়, চেষ্টা, সুখ, দুঃখ ও দ্বৈতয়ব ব্রত খাৰিলেও তাহার কোন কাধ্যে কর্তৃত্ব প্রকাশ পায় না, সুত এ সকল মিখ্যা (তাহ। পরিত্যাগ কর), কেবল এক সেই সত্য কঁহাৰ কাৰ্য করিয়াও করা যায় না এবং তাহাতেই বিদেহকৈবল্য স্বরূপ ব্ৰহ্মরূপী হও। এই অক্ষৌহিণীসমূহের বিনাশরূপ ব্ৰহ্ম লাভ ঘটে। দেখ, কাশ হইলে অভােক্তৃত্বের আবির্ভাব স্বর। বর্ধিত করিয়া অনুভশ্বরূপ প্রযুক্ত শুদ্ধ ব্ৰহ্মকে ব্রহ্মময় কর। অর্থাৎ বাহার'য়ে কর্তৃদ্বাভিমান নাই, তাহার ভাগবাসনার উদয় ৮ ভারত। সুখদুঃখ, লাভ ও জয়পরাজয় কিছুই লক্ষ্য না হয় না এবং তাহা হইতেই “সকলই এক অঙে” বােধ হইয়া করিয়া তযিক জ্ঞান পরিত্যাগ করত ও ব্রহ্মময়তা লাভ কর। থাকে, ঐ একত্বভাব হইতেই অনন্তত্ব ও তাহা হইতেই বিস্তৃত তুমিই সেই সাক্ষাৎ ব্রহ্মসমুদ্র (ইয়া মনে স্থির কর)। লা- অন্ধত্ব লাভ হয়, তুমিও ঐরূপে ব্রহ্মস্বরূপ হও। হে অর্জুন। যে লাভে সমজ্ঞন করতঃ অনিশ্চয়ের দ্বারা নিজেকে নুি এক অন বিবিধ বুদ্ধি পরিত্যাগপূৰ্ব্বক নানাত্ব অর্থাৎ দ্বৈতভাবরূপ মলিন- জাগতিরূপ ধারণাকর গুহাগত বায়ুর ন্যায় স্পন্দনশৃঙ্গ হইল্প ভাবিমুক্ত হইয়া পরমাত্মময়তা লাভ করিয়াছেন, সে ব্যক্তি প্রমাস- প্রকৃত কাৰ্যানুষ্ঠানে অগ্রসর হও। ১৬-২১। হে কুম্ভীনন্দন! বণতঃ নিষিদ্ধ কর্ম কম্বিয়াও তাহার কর্তৃত্বগী হন না। যাহার হােম, দান, ভোজন অথবা যাহা করিতেছ বা কর অথবা যাহা সকল কর্মানুষ্ঠান কামনাসঙ্কবিবর্জিত, সে ব্যক্তির জ্ঞানরূপ করিবে, ওসমাই সেই আত্মা ব্ৰহ্ম, ইহা জানিয়া স্থিরতা অজিতে সকল ক(অর্থাৎ কর্ম অদৃষ্ট শুভাশুভ) দন্ধ হইয়া অবলম্বন কর। যে অন্তরে যকার চিত্ত হইয়া থাকে, সে ধায়, তাঁহাকেই সুখীগণ “পণ্ডিত” বলিয়া থাকেন। যে ব্যক্তি নিশ্চয়ই তাহা প্রাপ্ত হয়। অতএব তুমি সত্যস্বরূপ ব্ৰহ্মলাভ সৰ্বত্ৰ সমনী, সৌম্য, স্বস্থ, শান্ত ও সমগ্র বিষয়েই নিহ, করিবার নিক্ষিত সত্য ব্ৰহ্মময় হও। যাহাৱা ব্ৰহ্মজ্ঞ, তাঁহার সে ব্যক্তি তণ কর্মপরায়ণ হইলেও নিফভাৰ প্রাপ্ত হইয়াছে। উপস্থিত কৰ্মকে ব্ৰহ্ম ভাবিয়া তাহার অগ্রার্থিত স্বত স্বাগত জানিবে। ৩-৩৪। হে অর্জু! তুমি শীত-উষ্ণ সুখ-দুঃখ কাৰ্যককেও ব্ৰহ্মরূপে স্থির কর কেবল যা কাৰ্য করিয়াই প্রভৃতি স্বভাৰ উপেক্ষাকাণে পরিত্যাগ কর, সর্বদ। ধৈৰ্যা- বান, তাহার ফলের জয় অপেক্ষা করেন না। যে ব্যক্তি কর্ম বলম্বনপূর্বক সনাবলী হও। অলঙ্কলাভ এবং বন্ধুবর রক্ষার মাত্রেই (অর্থাৎ ইন্দ্রিয়াদিনিপাস্য ব্যাপারে) অ (অর্থাৎ প্রতি রিহারপূর্বক এএম ডিম্ভে পরমাত্মাকে বিলম্বন করিয়া নিক্ৰিব্ৰহ্ম) অবলোকন করেন—অর্থাৎ যত কিছু কৰ্ম্ম অনুষ্ঠান অবস্থান কর, আর যাহা উপস্থিত হইবে, মাত্র সেই উপস্থিত করিতেছি, ইহায় বাৰিক সত্তা কিছুই নাই, কাৰণ সব্ৰহ্ম কর্মের অনুসরণ করত ইহলোকের ভূষণ হইয়া বিরাজ কর। পরূপ আত্মার ত কত্ব নাই , অতএব তাহামিখা, তাহাতে নং- যে, যে ব্যক্তি হস্তপদাদি ইন্দ্রিয়সকল বাহিরে গত করিয়া মনে স্বরূপ ব্রইনাল, এই তাৰ বাহার হয়, তার কর্মে (এং মনে ইলিমের বিষয়গুলি স্মরণ করিতে থাকে, সে ব্যক্তি মিথ্যাচার নিএিলোেকশ করে অর্থাৎ কৰ অ্যারােপ করে কপটাচাৰীৰ কিবােৰী ৰলিয়া কবিত। আর যিনি মনের ‘অথাৎ আমি যাহা কৰিভেহিত্যাদি যাহা হয়, আমি ত সহিত ইলিকে বিষয় হইতে সংযত কবিয়া ফলাভিসন্ধান পৃথক্য নহি। এগই আমি , সুরাং আমার কন্যা, পরিত্যাগপূর্ধক কমেক্রি বা কৰ্ম্মানুষ্ঠান করিয়া থাকেন, হে সেই খেই অনুষ্ঠান, এইরূপ যে কাৰ্য করে এবৎ অর্জন। তিনি শ্রেষ্ঠ। হে নয়! যেমন পৰ্বত হইতে নদী এর সর্বত্র প্রতিষ্ঠার বিচ্যুতি নাই, গমণ সফলই ব্ৰক্ষ, নানাপথে নির্গত হইয়া অচল গভীর জলপ সমুজে প্রবেশ যােগণিত-রামায়ণ । সমুজলভাৰ প্রাপ্ত হইয়া তাহাতেই বিলীন হয়, তদ্রুপ এই সকল কোথায় কিছুই নষ্ট হয় না, যখন জগতে একমাত্র অবিনাশ মায়াবিনাস বিষয়কামনা সকল যে আত্মজ্ঞানী ব্ৰহ্মময় সন্ন্যাসী! আত্মাই যিমান, তখন কে কোথায় কি বিনষ্ট করিবে?--১০। নিকট মিখ্যাৰছে উপেকিত হইয়া অবশেষে আত্মায় বিলীন | এই আমার ই বহু পুত্ৰালির নাশ ঘটিল, এই আমি ইব হইয়া আত্ৰতা লাভ করে (অর্থাং আত্মঘরূপেই পরিণত হয়)' পাইলাম, ইহা বন্ধ্যায় (স্বাদিল্পিত) পুত্রবৎ মােহভ্রমণতি অর্থাৎ যে সন্ত্রাসী ঐ সকল বিষয় কিছুই নহে বুঝিয়া অহাও বিক্ত অন্য কিছুই দেখি না। কারণ যাহা অসত্য অর্থাৎ মিথ্যা “আ” বােধ তাহাকেও আত্মময় করিয়া ফেলেন, তিনিই প্রকৃত পদার্থ, তাহার সত্তা অর্থাৎ অস্তিত্ব নাই, আর যাহা সৎ অর্থাৎ শাভিলক্ষ মুক্তি লাভ করেন। আর যে ব্যক্তি বিষয়কামনা সত্য পদার্থ (অর্থাৎ পূর্বকৰিও আত্মা) তাহার অভাব হইতে পর, তাহার মূক্তি কথনই হয় না *। ৩৫-৩৮। পারে না, অলী পণ্ডিতগণই সৎ ও অসৎ উভয়ের এই চতুঃপবাণ সর্গ সমাপ্ত। ৫৪। নির্ণয় (বাবা) দেখিয়া থাকেন, অজ্ঞাত্রো তা নিয়ে অসমর্থ। যাহার যারা এই নিখিল জগৎ পরিাপ্ত, তিনিই সৎ সত্য বা সাস্বরূপ, তাঁহারই বিলাশ নাই , (কারণ অবয়বীরই পঞ্চপঞ্চাশ পর্গ অয়জি আছে, যাহায় অবয়ৰ নাই, তাহার হ্রাবছি কিছুই নাই। তিনি অব্য, সুতরাং কে তাহার বিনাশ করিতে পায়ে ভগবান কহিলেন, হে অর্জুন! তােমাকে যে দেহধার। না। সেই আত্মা সর্বদাই একরূপ অবিনা, ইমি, মন সংখন অনুপালাদিভােগ ত্যাগ করিতে বলিতেছি, তাহা নহে , প্রত্যক্ষালির অবিষয় বলিয়া আণবিচ্ছিন্ন, নিত্য সত্তাস্বরূপ পদার্থ তােমার ভোগ ত্যাগ করিতে হইবে না; কিন্তু তুমি ভােগের এ রূপ আত্মার এই যে দেহ, ইহা অখ্যাসমাজ, মৃগ ফিকাদিতে চিন্তা করিবে না বা ভােগের সৌষ্ঠবৰিবানে আসক্তি বৃথিবে না | সত্য অনাদিকুদ্ধি যেরূপ প্রমাণপি হইলে তাহ। আর থাকে কেবল মাত্র যথাপ্রাপ্ত বিষয়ের অনুসরণ করিয়া লাভালাভে সমভাব ' না, এই দেহও তদ্রপ স্বল্প- ইণির ন্যায় মিথ্যা বলিয়া নশ্বর অবলম্বনপূৰ্ব্বক অবস্থান করিবে। এই জন্মদি যডবিকারস্বভাব অর্থাৎ প্রকৃত জ্ঞান উপস্থিত হইলে ইহার অস্তিত্ব নাই। এই যে অনান্য দেহাশিতে আত্মবুদ্ধি পরিত্যাগ কর এবং অমাজিরিহিত সেই আত্মার দেহ ৰলিয়া প্রতিভাত, ইহারই ঐ ভাবে নাশ সঙ্যস্বরূপ আত্মাতেই আবৃদ্ধি অবলম্বন কর , হে মহাবাহাে। আছে, অতএব হে ভারত। যায় না, তাহাই অসৎ, আর যাহা সেহকিনলে কিছুই নষ্ট হয় , আর যদি আত্মার নাশ হয়, তাহাই অসৎ, তাহাই নশ্বর মুরাং মিথ্যাভূত বন্ধুবর্গের মেহনালে তােমার নাশ জানিযে। কিন্তু সেই নিত্য আত্মার নাশ নাই। আত্মা কোন অনর্থের আশঙ্কা নাই, তুমি যুদ্ধে প্রবৃত্ত হও। আরও দেখ চিত্তস্বরূপও নহে, উহা সর্বপরিগ্রহ, সুতরাং আত্মায় শীতালি আত্ম একই বস্তু ত্রিজগতে বর্তমান, ইহার দ্বিতীয় বস্তু কিছুই দেহ নাই এবং আত্মা কর্মে প্রবৃত্ত হইয়াও অর্থাৎ কর্ম নাই, কারণ যখন সফলই মিথ্যা, তখন সৎ অর্থাৎ মিথ্যা বন্ধুর করিয়াও কিছু করেন না। পণ্ডিতেরা আসক্তিকেই কর্তৃত্ব বলি সন্তান কোথায়? এতএব সং আত্মাই এৰিী, ঐ সং থাকেন অর্থাৎ কর্মে আসক্তি হইতেই কর্তৃদ্বাভিমান জমে, আত্মাই অনন্ত যাহার চিরসভা প্রসিদ্ধ, তাহার বিনাশ কটিতে আসক্তি থাকিলে কাৰ্য্য না করিলেও কর্তৃত্ব আন্সি পড়ে, মনের পারে না। দ্বিত্ব বা একত্ব কাৰ্য্য বা কারণ পরিত্যাগ করিতে আল্লাচ্ছন্নঅই সেই ভাবের প্রতি কারণ, অএব এম বাহা অবশিষ্ট থাকে, তাহাই সদসত্নে মধ্যবর্তী, তাহাই শান্ত পরিহার অবশ্যকর্তব্য।১-৫। পরশন আশ্রয় করিয়া তাহাই পরমপদ ব্ৰহ্ম বলিয়া কথিত। এ কহিলেন, অনাসক্ত মহাকা হইতে পারিলে সকল কর্মে রঙ থাকিলেবুলে হে ভগব। তবে আমি মরিলাম” ইহাই নাকি? আর লােকে কত্বের উদয় হয় না। আত্মা অজর অবিনাশী ও আন্তবিহিত নিয়তির অধীনই বা কেন ? হে একে! ঐ ঘনিয়াদি সুখ- ইহাই নিগণের উক্তি, আত্মায় বিনাশ আছে ৰা হয়, ইয় দুই বা কেন সঙ্গটিত হইয়া থাকে ? ভগবান বলিলেন, দুর্জোয় (কুৰােখ)। সেই দুর্বোধ হইতেই লােকে দুঃখ লেগ ভূমি, জল, তেঃ (অগ্নি), বায়ু, আকাশ” এই অত্র নিশ্চিত করে; তাের যেন তাদৃশ দুর্বোধ না হয়। আনিস মনােবুদ্ধিত ব্যষ্টিসমষ্টি স্কুল-কলেজে দাত্ম্য অৰই আত্মার উত্তম ব্যক্তি স্বা বিনাশ কেন না, কারণ তারা আত্মকে জাবভাব, আত্মা এইরূপ জীবজাৰ এণ্ড হইয়া জীবহ অবস্থান এজাক্স” বলিয়া জলে, অনাত্মদেহাদিতে তাঁহাদের আত্ম-বুর্তি করেন। সেই জীবই জন্ম, মরণ, সুখ, দুঃখ, নিয়তি ইত্যাদি বা আত্মসৃষ্টি নই। অৰ্জন কহিলেন, হে মাল, নিনা। ভ্রমের নিমিত্ত)। পশুশাবক যুদ্ধ আর যেন আকৃষ্ট হইয়া আপনি যাহা বলেন, তাহা যদি ঐরূপই হয়, অর্থাৎকার একাল হইতে স্থানান্তরে নীত হয়, ঐশীবও দ্রুপ বাশারুল শই নাই, তাহা হইলে বাহাৱা মূঢ়, ভাহাদেরও ও দেহ লাশ রঞ্জু আরা আকৃষ্ট হইয়া দেহ হইতে দেহান্তরে গমন করে এবং হইলেও প্রিয়তম বস্তু আর নাশ টন। ভগবান্ বলিলেন, নিয়ে পীর হায় জীব এই লেহ-পিলভ্যন্তরে অবস্থিতি করে। -হাহাহ। আমার উক্তি ঐ একাই, যৰিক অ অ বৃক্ষের পত্র হইতে রস যেমন পায়ে গমন করে, আর সেই পত্ৰ শুদ্ধ হইয়া যায়, অপহীৰ ৰাখনার এল হাই * অন্তর ৩৮ শ্লোক। অর্থ। যেমন পূর্ণসমুদ্রে নানা দেশকালনিবন্ধন এক দেহ বৱিত হইলে দেহান্তরে গমন কয়ে, লালী পতিইচ্ছে, পূর্ণ সমুদ্র কিন্তু সেই অচল গম্ভী- পুষে খন-পত্র অবস্থা গ্রহণ করে। বায়ু বেরুপপুল জাৰে কিছুমাত্র আলােচ্ছাসানি হচ্ছে না, জল হইতে গৰু আহরণ কর দিতে থাকে, সেইরূপ লীৰ পুৱীর বাহায় শত শতনায় ঐ সমুদ্রের তায় নি বীর অভাব, হইতে চক্ষু নালিকা শিহৰা পৰু ইত্যাদি সহ গ্রহণ সেই ব্যক্তি জিভ ফয়ে, বিষখে মুক্তি নাই। কৰি দেহান্তরে মান কমে। ১৯-২১। যুক্তি আর বুলি •• - নির্বাণ-প্ৰৱণ-পূর্বভাগ বানাবই জীবের স্কুল দেই, ইহাই যুক্তিসিদ্ধ হয়, অন্য করিবে এবং যাহার উপর কাজ এভিনিবেশ স্থাপন কয়িতে, ঐ কিছুই নহে। বাস কাগ করিলে ঐ দেহের ক্ষয় হয়, বাসনা উভয়ের মধ্যে যাহার উপর আগ্রহের আধিক, তাহারই ; লর সহিত সিলেহের কম হলে জীব পরগন এখপ অর্থাৎ তাহারই প্রাদুর্ভাব হয়, অতএব যাহা মোরে হইয়া থাকে। ঐলিক পুরুষ বেরূপ মায়াবলে শুতে ভ্রমণ অভিনিবেশ, আর ভােগে দৃঢ় অভিনিবে, তাহাদের নােমর করিয়া থাকে, সেইরূপ জীব বাসনার অনুগত লিঙ্গলে পরমাত্মার অভিনিবেশেই পাতৰ ঘটে; সুতরাং তুমি বলিতে পায় না যে, এভিবিষলাভে অমিত এবং ভযভারাক্রান্ত হইয়া বিবিধ ' অনেকে জ্ঞানের অন্য বন্ধ করিলেও কাম ক্রোম বাসনাই হালি- ঘােনিতে ভ্রমণ করিতেছে। ৰায় যেমন সু হইতে সৌরভ গগর এল হয়। অতএব ধরা বুজিমা, তাঁহার বিগিরি লইয়া হিতে থাকে, জীবও সেইরূপ বাস -রীর হইতে। বিনী হইয়া যাইলেও এ এলএভ বহিতে থাকিলেও ইত্রিয়ভাৰ অর্থাৎ কাদি শক্তি লইয়া নানীযেলিতে ভ্রমণ শাস্ত্রানুসারী পুরুষকার পরিত্যাগ করেন না ( আদি কাল হইতে করিতেছে। জীব দেহ হইতে নিহত হইয়া বাইলে, বায়ু' অজ্ঞান ও মুঢ় বুদ্ধি আশ্রয় করিয়াই জীব শাস্ত্রীয় যুদ্ধে শান্তভাব অবলম্বন করিলে বৃক্ষের শেপ অবস্থা হয়, উপ অভিনিবেশমূক্ত বাসনার বৈচিত্র্য চিরাভ্যন্ত স্বর্গ, নরক ও সৃষ্টি ইন্দ্রিয় সকল ব্যাপারহিত শেনির হইয়া যায়। প্রভৃতি সুদুঃখ অনপরম্পরা সর্বদা সর্বত্র দেখিয়া থাকে। নিঃশব্দ হয়, উহাই লােকসিদ্ধ মৃত্যু জনিবে। তৎকালে অর্জুন কহিলেন-জগং স্থিতি নিৰিতীভূত জীবের ঐ স্বর্গ নরক দেহ নিশ্চেষ্ট হইয়া ক্ৰমশঃ হেভেলদি দোষে অভূ হইয়া যায়, বৃষ্টি প্রভৃতি ভয়ের কারণ কি ? আমাকে বলুন। গবান কহি- জীব বিনির্গত হইয়া যায় বলিয়া দেহ তখন মৃত বলিয়া নির্দিষ্ট লে-অর্জুন। অন্য কারণ কিছুই নাই, যে বাস ঈশ্বরের পৰ্যন্ত হইয়া থাকে । ২২-২৬। তখন জীব এাণবায়ু মুত্তিস্বরূগে মাত্ৰ কৰ্ম্ম কামনাদির ও সুখ দুঃখের হেতু, সেই অসাধারণ লোপ থাকিয়া চিমাকাশে বা ভূতাকাশে যেখানে অবস্থান করে, সেই বাসনাই চিরভ্যাসবশত প্রৌঢ়তা প্রাপ্ত হইয়া এই সংসারভ্রমের সেই স্থলে স্বীয় বাসনার অভ্যাসবশতঃ সেই সেই বিস্তৃত আকৃতি উৎপাদিকা, অতএব যাহারা আত্মশ্রেঃ কামনা ককেন, তাঁহাদের দর্শন করিয়া থাকে। জীব এই দেহকে অসৎরূপে অবলােকন করে, পৱম, পুরুষাৰ্থ লাভের জন্য বাংলারই সমুলে ক্ষা করা তুমিও এই দেহের বিনাশেরও অসত্তা অবলােকন কর অথবা উচিত। এজুন বলিলেন,- দেবদেবেশ। সেই বাসনা সুষুপ্ত অবস্থায় লােকে যেমন দেখিতে পায় না, তুমিও সেইরূপ কোথা হইতে উৎপন্ন হয় অর্থাৎ বাসনার মূল কি? আর কি এইদেহ হায় নাশ বা তাহার অসত্তা কিছুই না দেখিতে পায়। করিয়াই ৰা সেই বাসনার ক্ষয় হয়, তাহা বলুন। ভগবান কারণ, যাহার সা যে ভাবে অবলােকিত হয়, তাহার না কহিলেন-জ্ঞান মােহবিল যে অনাত্মার আত্মীয় সেইভাবে দৃপ্ত হইয়া থাকে । এসিদ্ধি আছে, আদিষ্টিতে চতুর্মুখ হইয়া থাকে, তাহাই বাসনার ফুল, আত্মজ্ঞানরূপ মহা- ব্রহ্মা এই সমস্ত সৃষ্টিতে বা গো এ প্রভৃতির আকারবিষয়ে বােরে উইলেই ঐ বাসনার সমূলে বিলয় হইয়া থাকে। পূর্বসৃষ্টির অনুভ-বাসনার অনুসারে যেরূপ ভাবনা করিয়াছেন, হে কৌন্তেয়। তুমি আত্মস্বরূপ নিতে পারিয়াছ, সভ কি, সেইরূপই কল্পনা করিয়াছেন। তিনি যে মৃত্তিকা গুলি লইয়া তাহাও তুমি জানিতে পারিয়াহ; এই সেই আমি (রূপ অহা ) নিৰ্মাণ করিয়াছেন, তাহা নহে, সমস্তই তাহার বাসনানুসারী ইয়া আমায় , আমার দ্বারা ইহা হইতেছে ইত্যাদি মমতারূপ ভার কল্পনামাত্র। আর তুমি এ কথাও বলিতে পারি না যে, বাসন পরিত্যাগ কর। ৩২-৩৮। অৰ্জন কহিলেন-হে লেক- আদ্যক্ষর উৎপতিকালে না হয় সমস্তই বা মিথ্যাস্বরূপ দেবেশ। বাসনা হইলে গং জীবেরও ত বিনাশ হইয়া হইল, কিন্তু মধ্যক্ষণে স্থিতিকালে অথক্রিয়ায় ব্যাপৃত লেখিতেছি, যাইবে। কারণ, যাহার সভায় যাহার প্রকাশ, তাহার বিনাশ হইলে অতএব তাতে সার্বজনীন সভ্যতানুল আগুনীয়, অতএব সেই প্রকাশিতেরও কিশ হইয়া থাকে। অন্মাদি দেশ- স্থিতিকালে উহা কখনই মিথ্যা আছে ; কারণ উৎপত্তিকালে কালনেশ্লিাকৃতি জীব যদি কিষ্ট হইল, অবরে (অর্থাৎ ( প্রথম বলে) যাহাবে 'ভাৰে দৃষ্ট হয়, নাশ পর্যন্ত সে বন্য পরমানন্দ বিবরূপ পরমপুরুষারে)ও মৃত্যুর অর্থাৎ আভ্য- সেই ভাবেই থাকে, তাহার ভযান্ত হয় না। কেননা, যে কৰিৎ কি অনুর্থনানের কেই বা ভাল হইবে। সুতরাং আমি শক্তি আছে বলিয়াই পদার্থের সকা প্রতীতি জমে, সে বৎ দেখিতেছি, অনওশনাক্ষ ত নর্থেই নিন। ৩৯৪। শক্তি না থাকিলে জব্যের সত্তারই অঙৰ হইয়া পড়ে, সেই খি আহা শুনিয়া ভগবান ছিলেন-হে মহাখতে। তুমি যাহা ঠানভূতা সাসমবেত সংবিৎশক্তিই যথােপাপের স্থিতির প্রতি বলিলে, ঐ দোষ হইতে রিতু যদি ঐ প্রতিবিম্ব মাত্ত সংসারী হেতু অর্থাৎ উৎপত্তিকালে যে পদার্থ বেঙ্গল ও যাদৃশ ভাবাপন্ন হয়, জীব তিনি হইতে ভূত-পঞ্চমাত্রাধীন মালিনেকাল সংবিএভাবেই সেই পদার্থ বিনা পত সেইরূপে সেভাবেই জেঙ্গি হইত, উহা অহা নহে, উহ আন্তৰিক সেই এ, থাকে। সূত্মাৎ যদি এই জেহাদি বই বাসনময় হইল, তখন সেই ক্ষেরই কলি সরু অলিবান যে অবিন্যায় নি। যেরূপ কৃপুল উটলি অকৃত দাহালি চেষ্টাই নষ্ট হয়, কলুবা অর্থাৎ নিজ অঙ্গনে ম আত্মকার, অহাই কিংবা যেরূপ পুলিলকৃত পাপের অফ লাগিয়া বাসনাকৃতি বীৰ আদিবে। হে ভারত। সেই আজ বন হয়, দ্ধপ পূবন (শুভ) ৰাসকল্পিত নেলি আকালেও অজ্ঞান পাই এৰিাবিমুক্তিলাভৰণত নরও কম- শুভ সভাপ্রসূত অবমলাটি পুরুষত্বশত অথও বিহীন অবস্থায় স্থান করে, তখন সেই জীব (আরূপ) ব্ৰহ্মাকার জ্ঞান থাকা সলে বিনাশ হইয়া থাকে। ২৭-৩১। এবং কেইমােক বলি নিবে। হে মহা! ধৰ্ম্ম, অর্থ, কাম ও মােমের মধ্যে যাহার উপর উহাই আমার বিৰল যেরূপ ভাবে ভি” অবলােকন পুজী মােজৰীৰিয় গা এতিবেশে এমনি করিয়া বাসনালাশ হইতে মুক্ত হইতে পারিলে জুক্ত হit বেগবা-িতামায়। যায়, ঐখাপ লােফই মুক্ত বলিয়া কথিত। তুমিও এইয়ে অপু যায়। বে, নির্মিত ভিত্তির মা অসার হলেও অহা নুতন করিতে পার; অএষ এ বিষয়ে সংশয় পৰিভাল অতিবৃষ্টিতে ঐ দূত জিভও সায় সত্য বলিবােধ হইছে। কর। যে ব্যক্তিসক্ষম হয় নাই, সে ব্যক্তি সর্বজ্ঞ ও গর্ব তত চিত্রে ভিত্তি বা ফলক পৃথক হয়; কিন্তু চিত্ত মি হও পিলখাপর বা মাত্মাৰ চিকনের রেভিৰি উলকিত হয় তাহার আবার আগের স্পষ্ট বলিয়া , বোস্তপ্রমাণবিক্সহিত যে পরমাত্মায় শুতে ঐ প্রতীয়মান হইলেও, ইহাই আশ্চর্যের বিষয় যে, মাত্র অলি পুচ্ছের স্যায় নানাভমােনাদিনী বাসনা আয়ে ভে নাই, তাহার কারণ চিত্ত হইতে বিশিষ্ট এ আর ত কুরিত হইয়া জীব জগংরূপে প্রকাশমানা হয়, সেই পরমাত্মাই কিছুই নাই। হে কমনক্ষন। সেই চিত্ররচনা - অপো এবার অধিকারিদেহে বেদান্তপ্রমাণ শীতে ত্বজ্ঞানী ইয়া সমূহ শতম আনিবে, গে যেরূপ মনে একক্ষণের মধ্যে এই বকনা-বন্ধন হইতে মুক্ত হন, কারণ সমূলবাসনাই এই পর ত্রিজন্মে; উপৰি বিলয় ভয়ক প্রতিভীত হইয়া থাকে, মায়ার বন, আর তাহাৱ কমই। যাক ৪১-৫। তদ্রুপ মন ও সাভয় এ সকলই শূন্ত অর্থাৎ কিছুই পঞ্চপঞ্চাশ সর্গ সমাধ।৫৫। নহে, ইহা অস অর্থাৎ মিথ্যা, যাহা কিছু সত্যতা প্রতীতি হয়, তাহা মনেরাজ্য চিরন্তন বলিয়া আনিবে। বাস্তবিক সত্য নহে। ১০-১৩। ভ্রান্তিকলিত পদার্থসমূহে যে সত্যকলন (অর্থাৎ তাহার সত্য), ভাহার কালয়েই অভাব, অতএব অজ্ঞান বটগান সর্গ । উদয়ের পূর্বেই তাহা কীদৃণ এবং কি ৰা সভ্য পদার্থ হইবে । ভগবান্ কহিলেন,-অর্জুন। এইরূপে বাসনা ত্যাগ করিয়া যেমন -কিরণে দৃমান শরৎকালীন মেঘমণ্ডল সেই সূৰ্য- জীবন্মুক্ত অবস্থায় উপনীত হও এবং অন্তরে যিক্ষ শান্তিভব কিরণেই ফল হইয়া বিলীন হয়, তদ্রুপ বসন্তলি কালক্রমে প্রাপ্ত হইয়া অকারণ বন্ধুবৎজন্য দুঃখ পরিত্যাগ কর। ৰাজ্যকৌমাৰ-আদি অবস্থাক্রমে বা ষড়ভাৰবিকারত্ৰমে দেখিয়া নিপাপ। অকরণ আকাশের ন্যায় নির্মল কর, মৃত্যুর সেই দর্শনরূপ আলােক স্থায় পদার্থের যে ব্যবহারিক সভ্যতা ৰ' শঙ্কা বিসর্জন দেও এবং ইষ্টানিষ্ট সঙ্কল্প পরিহারপূর্বক বৈরাগ্যের অক্ৰিসামর্থ্যরূপ সত্যতাপ্রতীতি জন্মে, পদার্থে সে প্রসিদ্ধ পথে অগ্রসর হও। ব্যিবহারপৰম্পৰাগত অবশ্যকর্তব্য সভ্যতা অজ্ঞানরূপ আলােকে আবার বিলীন হয় অর্থাৎ তত্ত্বজ্ঞান উপস্থিত দৈনন্দিন ক্য (যেমন তােমার এই যুদ্ধ ও যোগাজি হইলে পার্থের আর সভ্যতা থাকে না। অশ্লব এই যে অন্যান্য প্রয়ােজনীয় কর্মসকল অনুষ্ঠান কর, তাতে তােমার - সমস্ত দেখিতেছ, ইহা মনােৰূপ চিত্ৰকারেয় চিত্রস্থিত চিপুত্তলিকা- জ্ঞানের কোন ক্ষতি হইবে না। শিষ্টব্যবহারপরম্পরাগত যে মাত্র। এই ত্রিভুবনাদি চিত্রের আর নাই, কারণ যাহার ভিও খসঙ্গত কৰ্ম অনুষ্ঠিত হয়, তাহই জীবন্মুক্তভাব, লােকপ্রসিদ্ধ নাই, তাহার আর আকার কি কৰে? সুতরাং মনােরূপ- জীজ্ঞক্তি পূর্বোক্তকারই জানিবে। মাত্র দেহের চেষ্টাভ্যাগই চিত্রকরের এই ত্রিজগৎচিত্রের ভিত্তি না থাকায় ইহার কোন জিমুক্তি নহে। “এই কর্ম ত্যাগ করি,” “এই র্ম অবলম্বন আকার নাই আনিবে। হে অর্জন। ত্রিভুবনালি চিত্রের ও করি” ইহা মূঢ় ব্যক্তির মনের অবধারণ, জ্ঞানী ব্যক্তি এ অস্তিত্ব নাই, ঐ সৈগণেরও নাই বা তােমারও নাই , অতএব বিষয়ে সমতা অবলম্বনপূর্বক অবস্থান করেন। কে তাহাকে মারিবে বল। হে অর্জন। এই সকল জ্ঞাত হইয়া শান্তচিত্ত যুক্তিপণ শিষ্টপরম্পরাগত কর্মসকল সম্পন্ন করত তুমি বধ্য ওতক-ভ্রম এবং তজ্জনিত লােকমালিন্য ত্যাগ করতঃ জীবন্মুক্ত সুখি অবস্থাপন্ন ব্যক্তির আয় একীয় আত্মতে সঙ্কল ব্ৰহ্মাকাশে নির্মল নিরঞ্জন হইয়া অবস্থান কর। চিলাকাশের বধাদি শাবস্থায় অবস্থানপূর্বক “জ্যোতির্ময় আত্ম” রূপে প্রাত প্রবৃত্তিই নাই, যাহা প্রাতিভাসিক প্রবৃত্তি, অহা ব্ৰহ্মাকা-ময়ই হইয়া থাকেন। যেমন কুৰ্বের (কচ্ছপের) শিরঃপ্রভৃতি অঞ্জ জানিৰে। ১৪-১৭। অতএব কালক্রিতি চিত্ররচনাকৌশল ও সকল বাহিরে প্রকাশ পাইয়া আজ বিক্ষেপে সত হইয়া অন্তরে বৈচিত্র্য ভেদাদি সমস্তই নিৰ্ম্মল ব্রক্ষাকাশ, যেমন চিত্তগত প্রবেশ করে, ভদ্রুপ সুনৰলে বাহার শিকল তুচ্ছ বিষয় মনােরাজ্য চিত্র সমস্ত প্রপঞ্চাকা হলেও কিছুই নয় বলিয়া ইতে বিনা চেষ্টায় স্বতই বিনত সংচি হইয়া হয় আকাশস্বরূপ অর্থাৎ শূন্যময়, তদ্রুপ এই সমস্ত অসৎ + অপেক্ষা পরমাত্মাতে মনের সহিত নিশ্চল ক রস দুই অবস্থিতি করে, সুম জানিৰে। চিত্রকর চিং ও চিত্ত তাহার ভিত্তি, আহাতে সেই বই জীবন্মুক্ত। এই ব্রি চিত্রের স্বরূপ, চিত্তরূপ ঐচিৎ চিত্তকর চিত্র করিয়াছেন, এ কথা বলিলেও সমস্ত শূন্যময় চিত্রকরইযিয়ে অধিষ্ঠান আত্মাতে পালাকপ্রশিদ্ধ বৈচিত্র্যে বলিয়া আকাশ হইতে কিছুই পৃথৰু হয় না। সেই আকাশেই ভিত্তিত ব্ৰিকালশক্ষণ প্রকাশমান এই সমগ্র ব্রিজগৎ চিত্র পবসিত হয়। হে অর্জুন। যেমন চিত্তে জগতের নির্মাণ এঞ্চিত করিয়া রাখিয়াছেন। প্রথমতঃ ঐ চিত চিত্রকল্প জ্ঞানকাণে কয় প্রকাশ পায়, তদ্রুপইহলােকেও ক্ষ-উ জন্ম-মৃত্যুও কণিক জ্ঞানস্বরূপ বলিয়া অক্ষুট হইলেও আভাসসমৰিত অন্তঃকরণ প্রকাশমান জনিবে। এই খ, কাল ভাবনায় মােহাজ্জ বলি তুলিকা একা এফুট (অভিব্যক্ত করিয়া এক ভূত হইয়া তোরে নানা অনুভবাত্মক মনােৱায়ে যে ব্যঘাতকভাষা- লিচিত্রিত করিয়াছেন। ৬৯ এর চিত্রকর অগ্রে চিত্র বির কল্পনা করিতেছিলে, আমার উপদেশে তাহার নাম 'হইল। । ভিডি রি করি তাহলে নি কি করে এই মন বোমা বিনা কারণ নােৱাৰ ফলয় শপ ছি কিন্তু সমষ্টি মনের স গত বলিয়া সফর সেইরূপকেও করিতেও সমর্থ, সেই জন্যই এই মিতা- করিলেন, পরে চিত্রফলক করিলেন, আকাশই ফুসংসার অনাদি-অনন্তকৰিী ৰলিয়া ৰােখ হয়। ১৮। ঐ চিরতি ৰা ফলক। আহহ কি বিচিত্র , কি মন কেন করে, বসকে অসত্য করে, নি একতাল তা বিষ্ময়কর নহে, কিন্তু এই অসৎ (অর্থাৎ অধিৰিহীন) হচতুষ্টয়, বিবেক বৈরাগ্য উহার স্তনযুগল, সত্ত্বগুণ তাহার উপর অরূপ মনােরাজ্যের যে সত্যতাপ্রতীতি অলে, তাহাই জাতি কলুক (কাঁচুলি) রূপে অধিষ্ঠিত; অনস্তানি নাগবেষ্টিত মহীউলই আশ্চর্যের বিষয়, এই ভ্রম মনেরই প্রভাবে উৎপন্ন হইয়া থাকে। উহার পাকার পঠ , মখলােক উহায় উমর, আর সেই উদরে যাহা বৈচিত্রময়শ্বরূপে দৃশ্যমান হইভে, সেই চিত্রই এই সুমেরু আদি নানাৰণের পর্বতমালা পরচনার কার্য করিতেছে। অণিল জগৎ। এই বৃষ্টিতে (অর্থাৎ সৃষ্টিতে যে লেকে ৰঞ্জ উহার চাৰ্যরূপ গােনসের ক্রিয়ায় রাত্রি ও অন্ধকারের শতা অর্থাৎ ইহার কেহ উহ করিতে পারে না, ইহা সুমেরু-শিকরণরূপ চপলতার নাশ হইতেছে, এ ও বিদ্যুৎ অধিনয়, এরূপ কল্পনা করে, তাহা কেবল সেই নির্বাণনিমুক্ত উহার পঙিক্ত। চতুর্দশ ভূবনভেদে যে চতুর্দশবিধ পরস্পর আত্মর অধ্যাসবশতই ও সেই আত্মায় প্রতিভাসমাত্রই, ইহা বিসদৃশ প্রাণিসমূহউহার উদগত নােমঞ্চ ভারাগণ ইহার করাল উৎপন বলি তেকে বুঝিতে পারে না যে, এই অগং ভূহ ও পুলক। ঐ প্রাণিগণে যে প্রয়বাদ বৰ্তমান, তাহাই উহার কণিক।) এই জগৎ সেই অজ্ঞাত-ত্ব আবার অন্য প্রতিভা আগামী কষমালা; (ঐ মালাকিত কক্ষপুষ্পের কেশর সর্ব- মাত্র, অতএব আত্মার অধ্যারােপেও বা নিবৃতিতেও ( অর্থাৎ তােমুখী সদবুদ্ধি) াৈগ্য সম্বাসনারূপ সৌরভে এক পরিপূর্ণ। বাধ হইলেও) কোন মতেই ঐ জগতের বসার অর্থ চিত্ৰচাৰ নিমিত্ত বিচিত্র বাসনাদি বিবিধ উপকরণ পাইয়াই দিত হইতে পারে না। আর যদি এই জগতে স্থিতি খাকিত, ঐ চিচিত্রকর অচিরে বিশিষ্ট চিত্ররচনায় সক্ষম হইয়াছে; তাহা হইলেও ইহার স্থায়িত্বভ্রমনিয়াকরণে এযঙ্গের অপেক্ষা হাতেই এই যষ্টিসমষ্টি জীবসমন্বিত বিবধবিলাসমণ্ডিত হইত, এই জগৎ কোন কালে ছিল? ইহা ত “চিং”-ত্বে শূন্যময়ী ঐ ত্রিলােকীরূপা সঙ্গিনােহরা উমা নটা পুত্তলিক। অবস্থিত চিত্তৰূপ চিত্রকরের চিত্রমাত্র। ইহাই আশ্চর্যের বিষয় অঙ্কিত করিতে পারিয়াছে। ৩৩-৩৭ যে, যে ত্রের ভিত্তি নাই, নীলপীতাদি অঙ্কনসাধন বঙ্গ অর্থাৎ পঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত ॥৫৬। বর্ণনাই, তথাপি ইহা এক ভিত্তি উজ্জ্বল প্রকাণ্ড চিত্ররূপে পুরােভাগে প্রশমন রহিয়াছে। ২৪২৮। ঐ দেখ, এই জগৎ দেখিতে কেমন ‘নয়নকর্ঘক, চিত্তহর, ইন্দ্রিয়গ্রাহী, যে সপ্তপঞ্চাণ সর্গ। দেখে, সেই ইহাতে আসক্ত হইয়া পডে, বিবিধ তিমিররূপ কৃষ্ণবর্ণে কেমন উহা অঙ্কিত রহিয়াছে। ঐ দেখ, অসংখ্য ভগবান্ কহিলেন, হে অর্জুন। ঐ চিত্ররচনায় ইহাই অতি- তেজোৰূপ কিরণচ্ছটায় উঙ্গ বিচ্ছুরিত রহিয়াছে। দেশ, কতক- আশ্চর্যের বিষয় যে, পূর্বে ভিত্তিবিহীন চিত্র সমূদিত হয়, পরে সুগাদি অবয়ব, নানারাগে (বিষয়রাগে) রঞ্জিত, বিবিধ দৃষ্টিবিলাস ভিত্তির প্রাদুর্ভাব। (অর্থাৎ মনের জগলাকার কঙ্গনামাত্র এই সম্পন্ন, নানা অনুভবই উহার লােচনরূপে বিরাজিত, নানা জগৎচিত্র আহত হয়, পরে তদন্তগত ভূতগণ ভুবনরূপ বিরাট গ্রহই উহার উগ্ৰপ্ৰভা। সূর্যের উদয়ে পূর্বদিকে আর অন্তকালে আধারস্বরূপে কলিত হইয়া থাকে, কিংবা ব্যষ্টিসমূহই সমষ্টি, পশ্চিমদিকে দেখ, কেমন নানা বর্ণে ঐ চিত্র চিত্রিত রহিয়:ছে। তাহাই বিরাট, তাহাই আধার, তাহার কল্পনা ব্যষ্টিকনার অধীন। ঐ দেখ ঐ নভােমণ্ডলরূপ নীলসনারে কেমন ঐ চন্দ্ৰসূৰ্য অগ্রে ব্যষ্টিকননা না করিলে সমষ্টি কম হইতে পারে না, তারারূপ কমলনিচয় বিকসিত রহিয়াছে। ঐ দেখ, শরৎ আদি সুষ অগ্রে আধারবিহীন আধের চিঃচনার পরে আধার কালভেদে বিবিধ রচনাসমন্বিত ঐ উপরিস্থ মেঘমালাই ঐ চিত্রের ভিত্তি)। ভিত্তিবিহীন চিত্র প্রকাশ পাইলে বিস্তৃত ভিওি কৃষ্ট পত্র ও মঞ্জরীরূপে বিরাজ করিতেছে, ঐ চিত্রের ত্রিশােকরূপ হইয়া থাকে, (ইজাৰলে) তুফল ( অলাল্প, উ) জলে ভিন্ন ভিন্ন কোষ্ঠে, ঐ দেখ। কেমন ঐ সুয়ানুর নয়রূপ ময় হয়, আর শিলা ভাসিতে থাকে, ইহা যেরূপ বিচিত্র, মাঝার পুলিকানিচ অঙ্কিত রহিয়াছে। আকাশ ঐ চিত্রের ভিত্তি , দেখ, কাৰ্যও তদনুরূপ বিচিত্র জানিৰে। ঐ জগৎচিত্রের কথায় আবশ্যক চিত্তের ঐ দৃশ্যমান ব্যোমভিত্তি কেমন ঐ উৎকৃষ্ট চন্দ্র সূৰ্য্যের নাই, সেই শুয় চিচিত্ররূপ এই ব্রিজগতেও যে চিনাকাশ- আলােকরূপ সুধালেপনে (বেতবর্ণে) অশ্যের স্নায় সুকুমা স্বরূপ তােমায় পথও (অলীক ৰলিয়া শস্যময়) অহরূপ শূন্যত (চলল) ভাবে শােভা পাইতেছে। ২৯-৩২। দেখ, কামুক আবির্ভূত হইয়াছে। আবির্ভূত হইয়াছে; ইহা উহা অপো আরও আশ্চর্যের বিষয়। ( কামনাশীল) চপলমতি চিত্তরূপ চিত্রকর স্বীয় অধিষ্ঠানভূত ব্ৰহ্মা শূন্যই সকল শূলমন্ত্র করিয়াছে, শূঙ্গেতেই শূন্যের লয়, শূঙ্গেই শুন্যের কাশেই কেমন ঐ ত্রিলােকীরূপা মনােহরা হাবভাববিলাসময়ী নটী- অনুভব, শুন্তেই শূন্যের ভােগ, কােতেই শুরু বিদীর্ণ, অতএব পুত্তলিকা অঙ্কিত রহিয়াছে। ঐ দেখ, নব নব উমেষশালিনী বুদ্ধি যদি এগতে সেই চিদাকাশকেই দেখিতে পাও,তাহা হইলে তােমার উহায় নাট্যশালারূপে বিরাজমালা। স্বয়ং সাক্ষীভূত চৈতন্যই উহার দৃষ্টিও খুময় হইয়াছে, ইহাই আশ্চর্যের বিষয়। অনন্তবিলা প্রদীপের কাৰ্য করিতেছে। প্রদীপের প্রতিবিম্বগ্রাহীuক্রম আয় বাসনাই রর খায় এই জগৎসংসারকে বেষ্টন করিয়া আছে। ঐ চৈতন্যদীপের প্রতিবিম্বগ্রাহী বুদ্ধিবৃত্তিরূপ আভরণের দ্বারা হে বর্জন! ঐ বাসনারতে চিনাকাশপৰ্যন্ত বেষ্টিত হইয়া সমস্ত লােক প্রকাশিত ও উজ্জ্বল হয়। আহে। হিমাচলই ঐ থাকেন। আর্ণে যেমন প্রতিবিম্ব, সেইরূপ এই জগৎ জ্বন্ধে নটীৰ অলতিকা, মে উহার কেশপাশ, চই উহার নেত্র, প্রতিষ্ঠিত জলিবে; অতএব যখন আধার এ নহে, ঐ সেই চক্ররূপ নেত্রপাতে ঐ নীল সম নােক দনি হয়। এতে ছেলে তের ছেলে কিছুই নাই। যখন সৰুই ম, সুতরাং ধর্থকামব্যাবর্তক প্রতি-নিবৃত্তি শত্রই উহার বাসযুগল, ই এভিজাত হেভোদির বিষয়ীভূ এগংও সেই ব্রহ্ম সৎ পাতলই উহার উকুল প্রভৃতি সৎ । উন্নতভূগই হতে অরি; সেই সংবরূপ চিলাকাশ পর্বষ। তখন উহার উন্নত নিত,ইরি, একাই এই দেশটাই উহার কে কখন কাহাকে কি এ কোন স্থানেই ৰা হেভেদ করিতে ;
বেগবাণিঙনায় বন, অর্থাৎ যেদিবহুদি ব্রহ্মব্যক্তি অতিরিক্ত সরূপ অর্থাৎ মহাভূতাদি দেশৰিখ নেত্রের অভাসক, পদার্থ লেখিলেই হয়। যখন সকলই ব্ৰহ্ম, এই জ্ঞান হইবে, তখন সকলবর্জিত, শুজ ও নয়নপথের বহির্ভূত। যেমন লেকের কে কাহার ছে করিবে, কোথায় বা করিবে, কি অই ৰা কষিবে, পরমাণু প্রভৃতি অতি বস্তুকে দেখিতে সমর্থ হয় না, আর কোন সময়ই বা করিবে বল। ১-৭। এই পথে বুৰিলে, চিস্বভাব বলিয়া নিৰ্মল আসক্তিশূন্য, অতএব শুদ্ধ চিত্ত ব্যভিৱিক্ত তােমার বাসনা যখন “ব্রহ্ম” বস্তুর অতিরিক্ত পদার্থ বলিয়া মনুষ্যের বাসনা ঐ সৰ্বাতীত পদনে সক্ষম নহে।১। এভীতি, তখন সকলই যদি ব্ৰহ্ম হইত, তাহা হইলে বাসনার যে ব্ৰহ্মপক্ষলাভ ঘটিলে এই নিখিল স্কুল দৃমান ঘটলটারি নি অভাৰ অর্থাৎ বাসনা বলিয়া যে অন্য কিছু নাই, ইহাত সিদ্ধই লয়প্রাপ্ত হয়, তুচ্ছ বাসনা উহার কি করিতে পারে, অর্থাৎ ও হইল, অতএব যে ব্যক্তি ঐ অনীক- বারও ভাগ করিতে ব্রহ্মরাপ্তিতে সূন্ম বাসনা কোথায় চলিয়া যায় (অর্থাৎ আর পারে নাই,সে সর্ব-ধৰ্ম্মপরাশ হইলে সর্বজ্ঞ হইলেও পিঞ্জস্থ থাকিতে পারে না। যেমন আগ্নেয় গিরিতে নিলেশ থাকিতে হিৰা একের ন্যায় সম্পূর্ণ বন্ধ জানিবে। যাহার চিত্তভূমিতে পারে না, সেইরূপ ঐ শুদ্ধ চিত্রের নিকট অর্থাৎ ও অপ্রাপ্তি অত্যমাত্রও বানাবীজ বর্তমান, আহার তাহা হইতে পুনরায় গুটিলে চিত্ত নিল হইলে অবিদ্যার লয় হইয়া থাকে। ধূলির বিস্তৃত সংসারও উৎপন্ন হইয়া পড়ে, অতএব চিত্তে অণুমাও চায় অতিতুচ্ছ ও অতিক্ষুদ্র ভােগবন্ধুনবাসনাই বা কোথায় ? বাসনার অবকাশ দেওয়া উচিত নহে, তাহাই অনর্থসহস্রের মূল- আর ঐ জগজ্জালগ্রাসী চিত্তরূপ বিপুল অনিসই বা কোথায় ? বীজ জানিবে। অভ্যাসবশত বাসনাধীন বন্ধিপ্ত হয়, যাবৎ নিজে ঐ শুদ্ধ ব্ৰহ্ম অবগত হইতে না পারা যায়, সে আহা সত্যসংবােধ-(সত্যজ্ঞান) জপ বহিসংযােগে দক্ষ করা পর্যন্ত ঐ অবিদ্যা নালা আকারে ও বিকারে প্রতি খাকে কর্তব্য, এইরূপে ঐ বাসনাবীজ করিতে পাৱিলে আর তাহা (নিজের প্রাদুর্ভাব দেয়। যাহার উদরে অখিল ব্ৰহ্মাণ্ড অঙ্কুরিত হয় না। যাহার মনের বাসনাবীজ লম্ভ হইয়াছে, তাহার অন্তর্গত, তাদৃশ গগনের ন্যায় ঐ আত্মায় দুদক সই লয় মন স্বচ্ছ হইয়াছে, সেই ব্যক্তির তাদৃশ বাগবিহীন নির্মল মন প্রাপ্ত হয়, একমাত্র নির্মলতাই বিরাজ করে। ৭-১১। সেই এলে পদ্মপত্রের দায় সুখদুঃখাদিবিষয়ে বা কোন বস্তুতেই ময় পূর্ণতাস্বরূপ, সমগ্র জগদাকারবিবর্জিত, যাক্যের অতীত পরম বন্ধু হয় না, উপরে ভাসিতে থাকে মাত্র । হে অর্জুন। তুমি তােমার কাহার সহিত উপমিত হইবে বল ? হে অর্জুন! তুমি অন্তরে অসীম বাসনাজাল বিসর্জন ও এই মদু ভগবদগীতারূপ পর- পূর্ণাঙ্খা দর্শন করিয়া অভিমত কামনা পরিহাররূপ নিবৃত্তিলক্ষণ পাবন উপদেশ শ্রবণপূর্বক মনের মােহ দূর করত বন্ধুবান্ধব মন্ত্রযুক্তিসহায়ে বিষয়বিষ-বিচিকাস্বরূপ প্রবৃত্তিহেতু অন্তঃকরণের উদ্দেশে ধার্দিচিন্তায় মনের সমস্ত কে পরিহার করিয়া বাসনাকে সর্বতােভাবে বিসর্জনপুৰ্ব্বক সার-বন্ধন হইতে চিত্ত (ৰাসনাত আত্মায় চিত্ত বিসর্জন দিয়া) এক শান্ত উন্মুক্ত ও ভবিচ্যুত হও এবং সকল অনর্থের বহির্ভুত হইয়া রূপ নির্বাণ নির্ভ নিবতিসম্পন্ন হও।৮-১২। ‘আমিই ভগবান্” এইরূপ জ্ঞানে বিরাজ কর। বশিষ্ঠ কহি- সপ্তপঞ্চাশ সর্গ সমান্ত। লেন, ব্রিলােকনাথ হরি এই কথা বলিয়া ক্ষণকাল মৌন- বলম্বনপূর্বক অর্জুনের সম্মুখে উপবেশন করিয়া থাকিবেন। অন তখন প্রমর যেমন তে কমলখঞ্চের নিকট গমন করে, তদ্রুপ অষ্টপঞ্চাশ সর্গ। সেই ভগবানের উপদেশের নিকট গমন করিবেন, অর্থাৎ তাহার মর্মার্থ গ্রহণ করবেন। তখন অৰ্জ্জুন বলিবেন, হে ভগবন। অন কৰিলেন-হে চ্যুত! আজ আপনার এলাকার সিনপতি নূর্ঘ্যের উদরে নলিনী যেরূপ বিকশিত হয়, তাহার খায় আমার মােহ দূর হইল, আমি এখন স্মৃতিলাভ করিয়াছি, অর্থাৎ অষৎপতি। আপনার উপদেশে আমার মতিও বিকাস হইয়াছে, আমার স্বতঃসিদ্ধ আত্মতত্বের প্রকাশ টিয়াছে—আমি বুধের এখন আমার মন হইতে সমস্ত শোকভাৱ বিগলিত হইয়াছে। কর্তা কিনা ইজদি যাহা কিছু আমার মনে সন্দেহ ছিল সে সকল, অন্তঃকরণে পরম জ্ঞানের উদয় হইয়াছে। কৃষ্ণসারথি সন্দেহই দূর হইয়াছে। এখন আমি নিসন্দেহ হইয়া অবস্থিত, গাণ্ডীবখারী অর্জুন এই কথা বলিয়া গাত্রোখানপূর্বক মনে এনে আপনি যাহা বলিবেন, হাই করি। অহা শুনিয়া সকল সহ বিসর্জন দিয়া বণলীলায় এর হইবেন। ভগবান বলিলেন হোন। বাহার চিত্ত হইতে জ্ঞান- ৎকালে গবাদি ও খি সকল ক্ষতবিক্ষতহে কবিরাজ এভাবে রাগাদি নোবৃত্তি সকল নিব হইয়াছে, তুমি আনিও কলেবরে ইতন্য প্রধাবিত হইবে। তাহাদের শোণিতস্রোতে সে তাহার চিত্ত শান্তিলাভ করিয়া বাসনা পরিহারপূর্ষক সাখরুপ পৃথিবী প্লাবিত হইয়া মহানদীরূপে পরিণত হইবে। অনের হইয়াছে, অতএব তোমার চিত্ত হইতে বন্দি জ্ঞানৰশও নিনি শালে ও ধূলিপটলে আকাশের নেক, দিনমণি মনােৰুতি শান্তি পাইয়া থাকে, তাহা হইলে তােমার চিও: আচ্ছন্ন হইয়া পড়িকে। ১২-১৭। শায়লা সরা হইয়াছে আলিৰে। ঐ সবতেই অপঞ্চাশ মাও। ৫৮। যায় রে সর্বত্র সময় হইলেখিরে সৰিয়তি সেই এত চেতনপদপ্রাপ্তি হয়, ঐ শাইতেছিত (সু “বিনা অবাসন' এই পাঠাইখা এইরূপ। আর বির সতীত)। ভূল হইতে উনি উড্ডীন পীকে একা শুয়ে শ্বশনা” এই পাঠের ব্যাখা -হা সকলের যে কেদেখিতে পায় না, সেই ব্যক্তি সেই জীভ চিৎজাৰ ৰলি দিল এবং সহিত বলিয়া ও তিন ক্ষুধাৱা কেই ভয় দেখিতে পায় না। সেই এশকেশকের যেমন কে দেখিতে পায় না, ধরে ৫ জন করিতে পারেন। ঐ এক প বাসনা তাহাকে মেলে।
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্ব। লর বলিয়া ৰােধ হয় এবং মাৰিকলও তাদৃশ আদিৰে। একোনবষ্টিতম সর্গ। উহার বাস্তবিক বিদ্যমানতা নাই, বিচার করিলে উহা কিছুই থাকে না, সকলই বিগলিত হয়। এই মিখাযাত্মক ‘অহং” আদি- বশিষ্ঠ কহিলেন,রাখব। তুমিও অর্জনের ব্যায় কলুষ- স্বরূপ বিল জগতে আমি কি লইয়া আস্থা অবলম্বন করি, আর নাশিনী দৃষ্টি আশ্রয় করিয়া নিঃসঙ্গরূপ সন্ন্যাস অর্থাৎ সৰ্ব্বগ বুদ্ধিই কি করিয়া সেই সজরহিত অষয়বস্তুকে প্রাপ্ত হইবে। ও ব্রহ্মপণ দ্বারা সেই অখণ্ড সচ্চিদানন্দ ব্ৰহ্মাত্মা হইয়া অবস্থিতি এবং বুদ্ধি সেই আত্মপকে পাইয়াই ৰা তাহার কি নির্ণয় করিবে ? কর। যিনি সকল বস্তুর এখার, যাহা হইতে সকল ৰক্ত উৎপন্ন, “সেই বুদ্ধিকৃত আদি মধ্য অঞ্চ আদি পরিচ্ছেদ বা সঙ্কলফনালিও সংহারকালে সকল বস্তু বংশরূপ প্রাপ্ত হইয়া থাকে, সর্বকালেও অহং স্বরূপ ব্ৰহ্ম” এই বিচার করিলেও ঐ আদ্যন্তৰিত্নহিত যিনি ভয় হইয়া বর্তমান ও বিনিই সময়, তিনিই নিত্য পরম মাত্মক আকাশের ইবোই বা কি হইবে। যাহার এর বিচার আত্মা জানিবে। সর্ব প্রপকের বহির্ভূত বলিয়া তিনি দূরেও দ্বারা এই নিশ্চয় যমুন হইয়াছে, সে ব্যক্তি বাহিরে লােকৃবিরুদ্ধ থাকেন এবং গত বলিয়া সর্বদা সেই আত্মা নিকটেও থাকেন, বা শাস্ত্রবিরুদ্ধ ব্যবহারে ব্যাপৃত থাকিলেও তাহার ঐ স্থিতি অতএব তিনি দূরে ও নিকটে সর্বত্র সমভাবে বিরাজমান। বিনাশ ঘটে না, ঘখর ম সম অপেক্ষা সমব্রহ্মে অবস্থিত হইয়া আকাশের স্থায় তিনি সর্বব্যাপী হইয়াও জাভির ন্যায় কেবল সেই জয়বুজিরহিত হইয়াছে, সেই মহাত্মার অন্তরে সর্বদা ঐ স্থিতি সেই বস্তুতেই পৰ্যাঞ্চমাত্র , অতএব এইরূপে সকলেই সেই এক উদয়াস্ত রহিত হইয়া বিরাজ করিতেছে আনিবে। ১০-১৫। আত্মা, অন্য কিছুই নাই, সুত্রাৎ পরিচ্ছিন্নস্বরুপে তুমিও সেই যাহার চিত্তে আকাশের ন্যায় শূন্যতার উদয় হইয়াছে, সেই মহা- আত্মার অবস্থিতি করিতেছ। তৎসত্তায় তোমারও সভা, অতএব আই সেই ব্ৰহ্মময় হইতে পারিয়াছেন, সেই ব্যক্তি সুষুপ্তবুদ্ধিসহায়ে কি পরিচ্ছিন্নভাবে কি অপরিচ্ছিন্নভাবে সৰ্ব্বধা তুমি সেই আত্মাই ভাবনায় অদ্বৈতপদে আনােহণ করিয়াছেন, অতএব ব্যবহারে সে হইতেই ও তাহাতেই রহিয়াছ , ইহা বুঝিয়া তুমি সংশয় পরি-মহাত্মা যদৃচ্ছাচারী হইলেও হার ভাবনার ব্যত্যয় কোনপ্রকারে ত্যাগপূর্বক তন্নিষ্ঠ ও তন্ময়তা অবলম্বনপূর্বক তুমিই সেই অপরি-মটির সম্ভাবনা নাই। যেমন আদর্শে প্রতিবিম্ব পতিত নয় ছিন্ন আত্ম, ইহা মনে ধারনা কর। বিবেকগণ জগতে দুই প্রকার | কাৰ্য্য করিতে থাকিলেও যেমন মানুপমানালিপ্রযুক্ত জোভাবি- চিদাত্মার রূপ অনুভব করেন, এক চিত ও চিত্তবৃত্তি প্রতিবিম্বিত ভাজন হয় না, ঐ আপুরুষের ন্যায় যে আদর্শ পুরুষের ব্যবহার চেত্য (অনুবের বিষয়ীভূত) অর্থের প্রকাশ, তাহা চিনিশ্চিত, নিষ্ঠা থাকিলেও ঈষৎ মাত্রও হৃদয়ের মানাপমানাদি দুঃখ প্রভৃতি অপর চিত্ত চিত্তবৃত্তি ও ঘিয়ের আবির্ভাব তিলােভাযাদি সৰ্ব্বা ক্ষোত (বিকার) না জন্মে, সেই পুরুষই মুক্তি পায় থাকে বস্থাতে সাক্ষী অর্থাৎ উদাসীনভাবে ভ্রষ্টা যে সংবিধস্বরূপ, উহা আৰিবে। যেরূপ দর্পণে লােকের ক্রিয়া প্রতিবিম্বিত হইলেও চিকর্তৃক অনির্মিত অর্থাৎ নিত্যসিদ্ধ। উভয়ই যদি ঋবেদ্য- দর্পণের কোনরূপ অন্যথাভাব ঘটেনা, দর্পণের যেমন বৈচিত্র্য সেই বিনিম্মুক্ত অর্থাৎ চেত্যকর্তৃক সংবেদ্য ও ত্রিপুটী * বিনির্মুক্ত হয়, রূপই থাকে, সেই প্রকার ঐ চিন্মণিদর্পণে সকল জাগতিক তাহাই পরমপদ ব্ৰহ্ম জানিবে। ঐ অনির্শ্বিত অর্থাৎ নিভসিদ্ধ ব্যবহার প্রতিবিম্বগত জানিবে, তাহাতে প্রতিবিম্বের স্থায় চিণির সংবেদন অর্থাৎ সংবিং ও চেত্যমুক্ত মূক্ত যে চিদাভাস, আহাই কোন বিকার বা চেষ্টা নাই। অর্পণের আয় উহা একই ভাবে পরমপদ নিব।১। সেই সংবেদ্যবিনিক সংবিৎ অবিকৃত অবস্থায় বিরাজমান জানিৰে । যেমন দর্পণে প্রতিবন্ধ ১স্থতিই পরা, তাহাই আনন্দোৎক, পরম্পরার পরাকাষ্ঠা, ভাই পড়িলে অর্পণের নিশ্বলতামুক্ত সেই পণের স্বরূপ প্রতি সর্বোৎকৃষ্টা, তাহাই সৃষ্টির দৃষ্টি, মহত্বের মহ, মাঙ্গেরও পরম বিশ্বাকার বলিয়া বােধ হয়, অর্পণের জেই নির্মল কার নার মাছ ও, তাহাই আত্ম, তাহাই বিজ্ঞান, আহাই শ, হাই বােধ হয় না, দ্রুপ ঐ পরম নির্মল চিমণির নির্মলতাযুক্ত পরমব্রঙ্ক হাই শ্রেয়, তাহাই শিব, তাহাই শান্ত, তাছাই এই জগৎ যেরূপ ভাবে বা যে ব্যবহার হইয়া অবস্থিত, সেই বিদ্যা ও তাহাই পরা স্থিতি। যাহা এই দেহাভ্যন্তরে নিখিল অবস্থাতেই প্রতিবিম্বিত হইয়াছে, অহাৰ অণুমাত্রও ভেন বিপৰ্যয় অনুভবম্বরূপ টিভির আত্মা বলিয়া কণিত , যাতে সম আৰু টে নাই। অহাতে ঐ চিচ্চমৎকৃতি জ্ঞান আর হইতেছে না, ড্রবলিং সংশপে অনুভূত হয়, সেই (খ) বই এরুল উহাই সক্রিয় অগং” এইরূপে অবভাস (প্রভাতি) হইতেছে। তিলে তৈল, জগদগরে দীপ, জগদকের রস ও তাহাই - এ জগতে এক নাই, বিও নাই, এই নিথল বৈচিত্র্যময় রূপ পশুর পলক অর্থাৎ তাহাই এই বিশ্বের সার। তাহাই বাচ্যবাচক শিষ্য, বিষের ইহা ও চেষ্টা, এর বাক্য প্রাণিগণরূপ মুজালের অন্তর্বর্তী অবকাশ আকাশব্যাপী অত্য- ব্যাখ্যাকল্পনা, আমার আদেশ ও তােমার প্রতি আমার উপদেশ শুরন্থ (সু) সূত্র ভাই জুতরূপ মরীচলিচয়ের পরম ভী। সমস্তই সেই চিন্ময় আনিৰে। ১৫-২০। ঐ “চিৎ”াং ৰীয় ৫১। তাহাই পদার্থে পদার্থত্ব অর্থাৎ পদাধৰ্ম্মরূপে বিমান, খিরুপেই বিবর্তিত হইয়া থাকেন; ঐ চিরে পরিন তাহাই পৱৰ তত্ব, তাহাই বর সত্তা অর্থাৎ যথার্থতা, এ বি এই সংসার। ঐ চিৎকালে শনাভাবই শক্ত ও তাহাই স্ব সদর এস এfৎ অষখাতা। তাত্ত্বিক পরমপদ। এখন ঐ চিরুপের শন প্রশান্ত (নিত)হইবে, স্বৰূপে বােধরূপ অলৌকিক উপায়ে বা অস্বরূপ আবভি, তখন এই সংসারের শক্তি অর্থাৎ নিরুতি হইৰে। তেমার এই রিক্ত লব্ধ হয় না, কেবলমাত্র সেই স্বরূপেই গন্ধ , চিত্ত যখন সেই অপরিচিত্রে মহাচিতে পরিণত হইতেন তাহাই ঐপদ অলিৰে। বিচার না করিলে সকল অভাবই এই কাণৰ বৎ জীব জগৎ ইপি এনে জন্মেও ব্রিা পথ দে জজ্ঞাজে এই ভিৰিখই মা হইবে। সেই ভাবের বিলই গরুর হাই ব্রিী বাসনা। এবি মিখাস্বরূপ হইয়া বল ঐ সংৰিং- বেগবাশিমায়ণ। । স্পন প্রসিদ্ধ অড়বভাবের উপাসক, অখন শতাই ঐ সর্বাত্মভাবদর্শন (সকলের আত্মবুদ্ধি)কৃত্রিম হইলেও তাই। পরিনি চিত্তরে জড়ে পরমবরূপ, ইহাই অনুভবশলিগণের উক্তি। আত্মদৃষ্টির নিরাশ করিয়া জ্ঞানের উপযােগী হইয়া থাকে। অনাত্মনিরূপ যে সংসার, তাহা অনাত্মজগদীকারকে যথার্থ- অতএব কৃত্রিম বুদ্ধি ব্যতিরেকে সিদ্ধিলাভ অর্থাৎ নিভিয়াল শরূপে ভাবনা অধীন, এবং দ্রুপই অনুভূত হয়, অর্থাৎ যতক্ষণ আত্মতস্বরূপ প্রাপ্তি দুর্ঘট ২৬-৩৩। যদি বল, সেদিতে পৰ্যন্ত ঐ অগাকারে ঘষার্থবুজি, তাবৎকাল পর্যন্তই এই আত্মবুদ্ধি নিরাশ কৃত্রিম হইলেও তত্ত্বজ্ঞানের উপযােগী হয়, তাহা সংসার সংখপে বর্তমান থাকে। আর সেই অনাত্মজগৎকে হইলে হস্তপদাদি ছেন সত্ত্বেও মুক্তি হইতে পারে, दणि যখানে না তাৰিলেই হয় লয় হয়; অতএব জীবন্ত কোন শাস্ত্রে বা জানিগণের অনুভবে স্বীয় অঙ্গদলন বাছেনও ব্যক্তির সংসার বন্ত্রের স্যায় অসার অর্থাৎ খুব যেমন সর্বাত্মদর্শনের ন্যায় স্বল্পতলশনের উপদােগী বলিয়া এসি সারশূন্য বলিয়া আর বন্ধন কার্ধের উপযোগী হয় না, সেইরূপ হয়, তাহা হইলে তাহাও জীবন্মুক্তের লক্ষণ হইবে। কারণ জীবকের সংসারও হাতে যথার্থ ভাবনার অভাবে সারশূন্য এই চিৎ যে পর্যন্ত অবােধাত্মা অর্থাৎ অজ্ঞানাচ্ছন্ন (১) থাকেন, অক্ষযন্ত্রের ন্যায় আর বন্ধনের কারণ হয় না। যখন ঐ সংসার সেই সে পর্যন্ত ঐ “চিং” প্রকাশিত বুদ্ধাদি কোটিতে প্রবেশ করত স্পন্দনরহিত চিত্ৰই হইল, তখন উহা সেই নিস্পন্দ স্বয়ং শব্দরূপিণী হইয়া বাহ্ন বিষয়ের উপর স্পন্দিত হন, তাহা- চিৎস্বরূপেই পৰ্যবসিত, অতএব ঐ চিহস্পক্ষই এই মাতৃমানাদি তেই সেই সিরূপের বিভ্রম দর্শন ঘটে। পরূপ সংসারচক্ৰবাহ বলিয়া জানিগ-বিদিত। ২১-২৫। বােধের উদয় হইলে ঐ চিৎস্বরূপের নিবাত নিম্প দীপের যেরূপে কটক আদি অলঙ্কারস্বরূপ সুবর্ণে বর্তমান, মাতৃমান- স্যায় স্পন্দন অস্পরূপ দশম কোথায় গমন করে, তাহার প্রমময় (অর্থাৎ জ্ঞানজ্ঞেস্বরূপ ত্রিপুটী) স্বরূপ সংসারও স্থিরতা নাই অর্থাৎ তাহা বাধিত হইয়া অন্তর্হিত হয়। অন্তর্ধানের তদ্রুপে ঐ চিৎস্বরূপে বর্তমান জানিবে । ঐ চিৎস্পন্দ যাহা কথা ত দূরে থাকুক, বাস্তবিক বিচার করিলে ঐ প্রশান্তস্বরূপ সংসারে পরিণত হয়, তাহাই স্বিরূপ হইতে পৃথক নহে। চিংপ্রদীপের স্বভাবতঃ স্পন্দন অস্পন্দনের কথা মাত্রই নই। চিৎস্বরূপে যে পরিস্পন্দন, তাহাই চিত্ত, চিত্তের অবােধ অর্থাৎ স্পন্দহীন (অর্থাৎ আত্যন্তিক চেষ্টারহিত) প্রাণবায়ুর যে রূপ সংও অজ্ঞানই সংসারে পরিণত হয়, বােধমাত্রেই ঐ চিংস্পন্দ নহে, অসৎও নহে এবং মধ্যবর্তীও নহে অর্থাৎ অনিচনীয়ও কটকের ন্যায় ঐ চিৎকাপ হইতে প্রকাশ পায় , হে রাম। নহে তাহাই অজ্ঞানস্পন্দবিবর্জিত চিত্ততত্ত্বের মোক্ষনামক রূপ বােধ উদয় হইলেই তা শুদ্ধ চিংস্বরূপে পর্যবসিত হয়। জানিবে। যখন ঐ অভিন্ন অর্থাৎ চিত্তাহ্মা চিৎম্পন্দশুদ্ধ সাত্মতত্ত্ব বােধমাত্রেই ভােগবাসনার ক্ষয় হইয়া থাকে। ভােগ চিৎপরুপের ব্রহ্মাকার ধারণ করে তখন ঐ চিৎস্পন্দ বন্ধনেরও বাসনার ক্ষয় হইলে সহজসিদ্ধ ভােগেরও যে চিন্তা তাহার নিমিত্ত নহে এবং মােক্ষেরও নিমিত্ত হয় না, কেবল আম্বরূপে পরিত্যাগই জীবন্মুক্তের লক্ষণ। আর জীবন্মুক্ত মহাপুরুষগণ বর্তমান থাকে মাত্র। আর ঐ চিংস্বরূপ বদি ব্যর্থ চিত্তাকার- যে ভােগচিন্তা করেন না, তাহার প্রতি কারণ এই যে, ঐ সকলের ধারণ ও তাহার পরিত্যাগ কিছুই না হয়, তাহা হইলে স্বাক্স অপেক্ষা ভােগসমূহ জীবন্মুক্তগণের অভিমত নহে। কারণ, বন্ধন মােক্ষ ইহার নামও থাকে না। মােক হউক ইজাকার সুস্বাদু খাদ্য-ভােঙ্গনে পরম পরিতৃপ্ত হইয়া কোন ব্যক্তি আবার বােধও অন্তঃপূর্ণতর হানি করে এবং মোক্ষ না হউক, অথবা ঐ কদম (কুৎসিত অল্প) ভােজনে বাঞ্ছা প্রকাশ করে ? অতএব সেই | স্পন্দবিক্ষোত চিত্মক না হউক, এরূপ ইচ্ছাও বন্ধের হেতু পরম আত্মতত্বলাভে পরিতৃপ্ত জীবন্মুক্তগণ আর এই ভােগ আনিবে, এব যাহা অলংবেদন অর্থাৎ কিছুরই জ্ঞানাভাব, পৃহা রাধেন না, স্বভাবতঃই যে ভোকাঙ্ক্ষা পরিহার, ইহাই যাহাতে আভাস জড়তার সম্পর্ক মাত্র নাই, যাহা পরমপদ বলিয়া জীবন্মুক্তত্বের অপর প্রধান লক্ষণ (নিদর্শন) জানিবে। মদীর (কতিতে) কথিত, যা চিং পদার্থের একমাত্র স্বরূপ ও সংস্থান, আত্মচিই (বুবি) ভােক্তভোগ্য ভােগাকারে স্পন্দিত হইয়া যাহা চেতোন্মুখস্বরূপ নহে, সেই জ্ঞানাভাবই (অংবেদনই) সময়স্বরূপে বিরাজমান। , এইরূপ নিই যে নিরন্তর অভ্যাস পরম শ্রেয়স্কর জানিব। যাহা সেই মহাচিংস্বরূপের সঙ্কলশব্দার্থ দৃঢ়তায় অন্তরে বদ্ধমূল হয়, তাহাও অপর এক জীবন্মুক্তকের স্বরূপম্পল, তাহাই বক্ষন-মােক্ষের উপযােগী, দেখিলে বিচারপূর্বক লক্ষণ। যে ব্যক্তি লােকানুরােধ রক্ষার নিমিত্ত নির্লিপ্তভাবে কেবল আর থাকে না। বিচারপূর্বক দেখিলে ঐ অভাব নিরাশ্রয় মাত্র দেহরণের উপরেগী লেগ করিয়া যায়, সে ব্যক্তি ভােগ হইয়া বিনষ্ট হয়, তখন কে কাহার কি বন্ধন করিবে, আর কেই বা করিলেও তাহার বাস্তবিক ভোগ করা হয় না, সেই বুদ্ধিমান সেই মুক্ত করতে বল। ঐ সঙ্কলত্যাগের ইহাই উপায় যে, যদি ভবিৎ।বেন একব্যক্তি এন্তিবশ শূন্যে লগুড় আঘাত করি- বিবেকের আশ্রয় লইয়া নিজকুত গল্পে ইহা আর সক্ষতি, ইহা তেছে, আখাভকারীয় ভ্রান্তি জানিয়াও যেমন অপর জ্ঞানী ব্যক্তি কেবল তাহার অনুরােধ রক্ষায় মানসেই আকাশে ওড়াখত (১)“কিনা কৃত্রিম বুক্কা” ইহার অর্থায়ও আছে তাহা ৩৩ করে, কিন্তু তাহার সে চেষ্টা বেরূপ বৃথা, কেবল অনুরােধ রক্ষাই শোকের আর যদি বল ইত্যাদি তাহাও লক্ষণ হইবে, ইহার মাত্র, ভদ্রুপ অনুরােধে ভােগ করা বৃথা চেষ্টাই জানিৰে, উহা পরিবর্তে নয়। তাহাতে ‘ৰিকৃত্রিম সূলে বি কৃত্রিম বাস্তবিক ভােগ হয় না। আর যদি বলঅনুরােধে আকাশে গুড়া- এই লুপ্ত প্রকারের যেওনা আবশ্যক। আত্মস্বরূপ আবির্ভাব যাত করিলে বালেগ করিলেও আমি করিতেছি,” এই ভ্রান্তি বিষয়ে অকৃত্রিম অখণ্ড ব্রহ্মাকার বুদ্ধি ব্যতিরিক্ত স্বীয় জ লইয়া পূর্বোক্ত সৰ্বাত্মরূপবুদ্ধির কৃত্রিমতা হইবার সন্তান, চ্ছেনালি কোটি কোটি সাহসিক কাধেও সিদ্ধিরূপবােন লত একি করিয়া তাহা জীবশি হইতে পারে,” গেমার হয় না। এখায় চার বােনা আবক ও ইহা সুগম আশা সত্য বটে,কিন্তু ঐ কৃত্রিম বুদ্ধি জীবমুক্তির সাধন। দেখ, সর্বসম্মত বলিয়া বোধ হয়।
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ, 5.5 নহে, ইত্যাদি বিভাগ পরিহার করিতে পারিলেই সঙ্কজ উদিত আগ্রভঋষ্টিকালে গ্রহণ করিতেছেন এবং যে ব্ৰহ্ম সুষুপ্তি হইয়াও বাহিরে কোন ক্রিয়া করিতে না পারায় ব্যর্থ হইয়া নষ্ট এলয়ে হনন করিতেছেন, যে ব্ৰহ্ম তুরীয় অবস্থায় সংবিৎংবেদ্য- হয়। অতএব সেই সঙ্কলই অসঞ্চ, হাই স্পন্দত সঙ্কল, অর্থাৎ বিবর্জিত (অর্থাৎ জানজােয় জি) স্বরূপে বিরাজমান, সেই তাহা হইলে সমস্তু অবারিত হইল, সমস্তই অসফল এবং সমস্তই ব্ৰহ্মই সব অদ্যবহিত সদা সর্বত্র বর্তমান হইলেও অল্প হইয়া যায়। ঐ চিত্তকর্তৃক স্পন্দের ও স্পন্দময় বায়ুর তত্ত্বজ্ঞানমাত্র লভ্য। এবং তিনিই সত্মসামাঙ্গরূপে নিখিল বস্তুতে জয় সাধিত হইলে একমাত্র নিঃস্পন্দ চিদনই অবশেষে বর্তমান অধিষ্ঠান করত অখিল বঙ্কত হইয়া ব্রিা করিতেছেন। থাকে। সংসারও ঐ স্পাদিময়, অং স্পনালির গনের সহিত তিনিই আকাশে আকাশ, শব্দে মত, স্পর্শে স্পর্শ, এগিলিয়ে তাহারও জয় হয়, আর তখন সংসার থাকে না। চিৎস্পন্দ স্বত্ব ও রসে রসত্বরূপে বিমান। তিনিই রানেক্রিয়স্বরূপে চিৎসরূপের তেজঃপ্রকাশই মাত্র, ইহা বুঝিতে পারিলে চি- রসনায় এবং রূপম্বরূপে রূপে দৃষ্ট হন। তিনিই সৃপিলিয়- ব্যতিরিক্ত আর কিছুই থাকে না। ইহাতেও সংসারনিত্তি স্বরূপে নেত্রে ও পেশ্ৰিষরূপে নাসিকায় বর্তমান। তিনিই গজের ঘটে। যাহারাতত্ত্বজ্ঞানী জীরমুক্ত, তাহাদের এই দৃ-জগৎকে গন্ধত্ব, কাষের কায়, ভূমির ভূমি, জলের জল, বায়ুর বায়ু, স্বপ্ন বলিয়া প্রমা হয়, অতএব তাঁহারা এই দৃঙ্গময় দীর্ঘ-স্বপ্নে তেজের তত্ত্ব ও বুদ্ধির বুদ্ধিপে বিরাজ করিতেছেন। তাঁহার আর অন্য ক্ষুদ্র স্বপ্ন প্রাপ্ত হইয়া আত্মচঞ্চলতাদি ভ্রমরূপ মোহাভি মনস্তারূপে মনে, অহঙ্কারারূপে অহঙ্কারে, সংবিত্তি অর্থাৎ বুদ্ধি- ভূত হন না, তঁাহারা বুঝিতে পারেন, এ সমস্ত আত্মসংবিদেরই স্বরুপে সংবিলে অর্থাৎ বুদ্ধিতে ও চিত্তে চিতারূপে অধিষ্ঠান। বর্গ। যাহাতে এই নিখিল জগদাকারের উপলব্ধি বাধিত হইয়াও ৭-১০। তিনি বক্ষে বৃক্ষপে, পটে পটত্বকাপে, ঘটে ঘটত্বরূপে বলপূর্বক নিরন্তর আনন্দ বলিয়া সুন্দর-স্বরূপে উৎপন্ন হয় এবং ওটরকে বটত্বরূপে বর্তমান। তিনিই স্থারের স্ত্রত্ব, অঙ্গমের যাহাতে ঐ পূর্পোক্ত সকল সংবিভিৱ (জ্ঞানের সত্তা ও স্থিতিরও জঙ্গম, পাষাণের পাষাণত্ব ও চেতরে অর্থাৎ দুর্বিধ প্রাণীর উদয় হইয়া থাকে, আবার যাহাতেই ঐ সকল সংচিতিরূপ অখিল চেমত্ব। তিনিই অমরের অমরত্ব, নয়ের নরত্ব, ভিজাতির কল্পনাকার পথও বিগলিত হয়, সেই প্রত্যগাত্মৰূপকে উক্তপ্রকার কৃিত্ব অর্থাৎ পশুত্ব, ক্রিমিকীটাদির ক্রিমিত্ব। তঁাহার যুগবৎ- বিচারপূর্বক ধ্যানে অবলােকন কর। ৩৪-৪৮। সাদিভেদরূপে কালক্রমে কালত্বরূপে অস্থিতি এবং ঋতুতে একোষষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৫৯। ঋতুরূপে, ক্রটি ক্ষণ ও নিমেষাদিতে স্বরূপে অর্থাৎ ক্রটিালি রূপে সেই বিভুর স্থিতি জালিবে। তিনিই শুরুবর্ণে শুরু এবং তিনিই কৃষ্ণবর্ণে কৃষ্ণা, ও ক্রিয়ার স্পন্দ ও নিয়ত্রি নিয়ম ষষ্টিতম সর্গ। নিয়ত্বি। সেই পরমেশ্বরই স্থিতিতে স্থিতিরুপে, নাশে নাশরূপে ও উৎপত্তিতে উৎপত্তিরুপ ব্রিাজকরিতেছেন। তিনিই বাল্য- বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই সকলের আদি চিখন পরমপদ কালে বাল্যভাবে, যৌবলে যুবভাব, জরায় জৰে ও মৃত্যু পরতত্ত্ব অর্থাৎ ব্রহ্মতত্ত্ব এই ভাবেই বিরাজমান আনিবে। মহারূপ সময়ে মৃতপে অর্থাৎ মৃত্যুর মৃত্যুত্ব হইয়া ব্যাপিত আছেন। ব্রহ্মা বিষ্ণু হর পর্যন্ত সকলেই তন্নিষ্ঠ হইয়া অবস্থিতি করিতে ১০-২০। কোন পদার্থ ই সেই পরমেশ্বর হইতে ভিন্ন বা ৱিহিত ছেন। শুৎ এই মানুষাদি হয় পৰ্যন্ত সকলেরই যে বিভূজি নহে, যেমন সমুদ্রের ভঙ্গীকালির সহিত জলের কোন কােন উৎকর্ষ দৃষ্ট হয়, অহা সেই চিদন ব্ৰহ্মতত্বে প্রতি বলিরাই নাই, তরীকাদি সমস্তই সেই অসামাঙ্গ। ড্রপ সেই জানিবে। নৃপতিগণ যেরূপ মান-সুখে পরিতুষ্ট থাকেন, পরমেশ্বরইসকল পদার্থ, তঁাহা হইতে পদার্থের কোন ভেদ নাই। ড্রপ ব্ৰহ্মপৰ্য্যন্ত সকলেই সেই ব্রহ্মের বিভূতিলাভ করিয়াই এই সকল নানাত্ববৈচিত্র্য মিথ্যা। শি যেমন মিথ্যা বেতালের শক্ত আনন্দোৎকর্ষে প্রকাশিত হইয়া থাকেন এবং ভবিষ্ঠ কল্পনা করে, সেই সভম্বরূপই আত্মনিভাবে এই মিথাকল্পনার হইয়াই লােকে, স্বর্গে বিমানবিহারী দেবগণের স্থায় আকাশে সৃষ্টি করিয়াছেন। হে মহা। সেই সর্বব্যাপী নিরঞ্জন অহং- গমনাদি ক্রিয়া দ্বারা পরম আনন্দ অনুভব করেন। সেই ব্ৰহ্মকে স্বরূপ-কর্তৃকই এই জগৎকল্পনার বিধান, ঐ অহংস্বরূপ-কওঁকই লাভ করিতে পারিলে মৃত্যু ও শােকের বশীভূত হইতে হয় ম, এই বিশ্ব-সংসার বিবিধ বিলাসে পরিব্যাপ্ত রহিয়াছেন। যাহা কিছু তাঁহাকে পাইলে জীবের আর প্রাণধারণ নিমিত্ত ভােজনেচ্ছাদি দেখিচ্ছে, সকলই অহংস্বরুপে বিভূতি, অহৎ ব্যতিরিক্ত অন্য দ্বারা পীড়িত হইয়া জীবন ধারণের জন্য কষ্ট পাইতে হয় না এবং কিছুই নাই, এইরূপ স্থির করত শান্তমতি ইয়া স্বীয় মহিমায় মায়াবন্ধনেও রুই হইতে হয় না। সাধারণ জীবও যদি সেই সুখে অবস্থান কর। ২১-২৪। অপার পরমাকাজিপীর সালামাতপত কাশকালও ভাবিতে যষ্টিত সর্গ সমাপ্ত। | পারে, তাহা হইলে সে মুক্তমনা মুনি হইতে পারে। এবং নিখিল সংসার অনুষ্ঠান করিলে তাহাকে “কেন এ কর্ম করিলাম” বলিয়া অনুতাপ করিতে হয় না। রাম বলিলেন- একষ্টিতম স্বর্গ। মন, বুদ্ধি, অহঙ্কার ও চিত্ত দি বৈ যাহাতে হয় পাই- আছে, সেই নির্বিশেষরুপে আতাতপূর্ণ চিত্ৰই সত্তাসামান্য রাম কহিলেন,—এই গৃহ নগরগুলি সমস্ত জগৎ সেই বলিলেন, কি মন আদি সকল বিশেষবিশিষ্ট সময় ঈই ব্রহ্মের স্বপ্নসদৃশ ভাভিকলিত বিভূতিমাত্র, অতএব য় অর্থাৎ সামান্য বলিয়া উপদেশ দিলেন, তাহা আমাকে বলুন। — মিষ্টামাত্ৰ অস্তিত্ববিহীন। ইহাস মরে যায় দেহপরি- যে ব্ৰহ্ম সৰ্ব্বদেহে অধিষ্ঠিত থাকিয়া ভেক্ষন, গান গমন ও অন্তরে এহকারী বালিৰ দৃষ্টিতে বা কেন এই স্বপ্নৰৎ ভক্তিমাত্র ৪৫ বােগণিষ্ঠ-রামায়ণ। এীতি হয়, আর আমাদের দৃষ্টিতেই বা কেন অতুল্য বােধ না লদি সাধারণের স্বপ্নে যাহা সৃষ্টিকাদির প্রতিভাত হয়, তাহা তখন হই সব দৃঢ় প্রত্যয় হইয়া থাকে। আমাদেৱই যে সত্য বলিয়াই বোধ হয় এবং তাহাতে তৎকালে দৃঢ় প্রত্যয় জমে, দীর্ঘকাল অনুবৃত্তি দেখিয়া সত্যতাপ্রতীতি হইবার সম্ভব, ইহাও কিছুতেই তখন তাহা মিত্যা বলিয়া বোধ হয় না, সেইরূপই এই হইতে পারে না, কারণ ব্ৰহ্মাদি মত্ত অপেক্ষা দীর্ঘায়ুও তাঁহাদেরই জগৎপ্রপঞ্চে সত্যতাবুদ্ধি জানিবে, বাস্তবিক ইহা ঐ স্বপ্নের ন্যায় অধিকতর সভ্যতা এভীতিতে ধূল লন্তৰ, অতএব হে মুনির। মিথ্যা মাত্র। আর এই যে বর্ষাকালীন জলপ্রবাহের য় বুজি ইহার কারণ কি বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, দেখ, যে অতি প্রাপ্ত প্রজাপতিসৃষ্টির দীর্ঘকালস্থায়ি, বাস্তবিক তাহাও অম্ম- অর্থাৎ সংস্কারপরম্পরা অবাধে চলিয়া আসিতেছে, তাহইি দাদির স্বপ্নের ন্যায় নিমষত্রে উৎপন্ন জানিবে। অতএব ব্ৰহ্মা সভ্যতা দৃঢ়তার প্রতি হেতু, আর যাহার মধ্যে প্রতিবন্ধক ঘটিয়াছে নিমেষত্রেই কাদিকল্পনা করিয়া থাকেন এবং যেমন ঐ সৃষ্টি- তাহা নহে। যখন ঐ পদ্বধােন প্রজাপতি ব্রহ্মা পুর্বে উপিসকা- নামক সামান্য স্বল্পমাত্র প্রজাপতির প্রপঞ্চতা প্রত্যয় বর্তমান, বস্থায় ছিলেন, তখন তাহার তনের উদয় না হওয়ায় তদীয় সেইরূপ আমাদিগেরও প্রত্যেকের স্বপ্নে দীর্ঘ এপতার প্রতীতি আস্বত পূর্বতন সৃষ্টি আমাদিগের অনুভূত সৃষ্টির রায় সমস্ত হইয়া থাকে। জল যেমন দ্রবত্বপ্রযুক্তই অববির্ভাদি আকারে প্রাণিরূপ জীবপ্রতিভাসাত্মা সত্যরূপে প্রতীত হইত, এখন প্রকাশ পায়, তদ্রুপ এই সৃষ্টিপরম্পরাদি দৃশ্যের যাহা প্রকাশ তঁাহার জ্ঞানপ্রকাশে আর তাহা সত্য বলিয়া প্রতীতি হয় না। তাহা সেই চিত্তত্বের অস্তিত্ব প্রযুক্তই জানিবে এবং সেই চিত্তত্ব যে পর্যন্ত অজ্ঞান, সে পর্যন্তই চিতি সর্ব্যাপিনী বলিয়া সকলই জানেই ইয়ার মিথ্যাত্ব উপলব্ধি হইয়া থাকে। অএব যখন জীবাত্মক হয় এবং সর্বত্রই সংসার সত্যস্বরূপে প্রতিভাত হয়। এই সৃষ্টি-লক্ষ্মী স্বপ্নম্বরূপই হইল, বাস্তবিক ইহার সজ্ঞতা নাই, ঐ সংসার সম্যক্ দর্শনবিরােধি অজ্ঞান হইতেই উৎপন্ন , সমাকু খন সৃষ্টি-অদিসমবেত প্রাজাপত্য পদ বিলীনই জানিবে, অর্থাৎ দর্শন ঘটিলে উহার নাশ ঘটে। অর্থাৎ উহার অস্তিত্বের লােপ ইহা যে অত্যন্ত অসৎ, তাহা সম্ভবপরই বুট এবং বেদে যাহা হইয়া মিখ্যারূপে পরিণত হয়। ১৪। অতএব ঐ পদ্মঘানি কথিত আছে যে, “ইহার নিরোধও নাই, উৎপত্তিও নাই, মুক্তি প্রজাপভি যে এই এপপ্রতিতাস তদীয় তত্ত্বজ্ঞানে বাধিত হইয়া নহে, মুমুক্ষুও নহে ও ইহারও নিরােধ নাই, ইহাই পরমার্থ সার” স্বপ্নস্বরূপ ক্ষণনশ্বররূপে উপস্থিত হয়, তাহা অজ্ঞ অম্মদতিতে ইত্যাদিও সম্ভবপর। অতএব যাহা যেরূপে ও যাদৃশ দৃষ্ট হয়, অহংতাপ্রতীতির সহিত মিলিত হইয়া দৃঢ় হইয়া পড়ে অর্থাৎ তাহা সেই ভাবেই বর্তমান, ইহাই স্বপ্নবিশ্রামের রীতি, এ বিষয়ে এই জীবকুলকে সত্য ভাবিয়াই স্বপ্নং অস্তিত্ববিহীল সমস্ত ইহা অসং স্বপ্নবৎ মিথ্যা হইয়াও কি করিয়া ব্যবহারযোগ্য প্রপঞ্চ প্রকাশ করিয়া তাহাতে তাঁহার সত্যতাপ্রতীতি বদ্ধমূল হইয়াছে, এ সকল প্রশ্ন বা বাদানুবাদ করা নিষ্প্রয়ােজন। আরও হয়। প্রজাপতিগণও যে স্বজিত প্রপকের বেধে কি দেখ, অজ্ঞানের অঘটনকারিণী শক্তি আছে, কারণ ভয়ে বিনাশিত বুঝিতে পারেন না, তাহার প্রতি ভােজকাদৃষ্টই কারণ যাহা হয় না, তাহা জগতেই নাই, ভ্রমবশতই এই ব্রিজগতে অর্থাং অদৃষ্টই সেই জ্ঞানের প্রতিবন্ধক। দেখ, যেমন নিদ্রিত বিচিত্র বিচিত্র বস্তু দৃষ্ট হইতেছে, ভ্রমবশতঃ অসম্ভবও সম্ভবপর ব্যক্তি স্বপ্নভোগ কর্মকর্তৃক প্রতিরুদ্ধশক্তি হইয়াই স্বপ্নদৃষ্ট হইয়া থাকে , দেখ, জামধ্যেও অগ্নি প্রজালিত হয়, তাহার বস্তুর অলীকতা ও অতি ভজিশিতা উপলব্ধি করিতে পারে না, দৃষ্টান্ত দেখ সমুদ্রে বাডবানল। ১-১৭। শুন্যেও নগর দৃষ্ট হইয়া দ্রুপ সমষ্টিস্বপ্নম্বরূপ এই জগতেও প্রজাপতিগণের নশ্বরতাজ্ঞানে থাকে, তাহার উদাহরণ ঐ সমস্ত বিমানচারিদেবতাদির স্বর্গাদি প্রতিবন্ধক লক্ষিত হইয়া থাকে। সেই প্রতিবন্ধক ঐ পূর্বোক্ত লােক। শিলাতেও পদ্মের উদ্ভব হইয়া থাকে, তাহার উজ্জ্বল অদৃষ্ট জানিবে)। হে রাম। যেমন সাধারণ ব্যক্তির স্বপ্নে নিদর্শন ঐ দেখ, মৃত্তিকাসম্পৰ্কশূন্য হিমালয় (আদি) পর্বতেও যাহা প্রতিভাস হয়, তাহা অম্মাদি সজীব জগৎস্বরূপেই বৃক্ষরাজি। একলেই সকল পুণ্যফলস্বৰূপ অভিলষিত বস্তু, ব্যব- হইয়া থাকে, (অর্থাৎ স্বপ্নে জীব ও জগৎ প্রতীতি হয় এবং হার যােগ্যদ্রব্য এবং পুষ্পসকল (পুষ্পশ্রেণীতে পাঠান্তরে) আহা আদি-অন্তবর্জিত প্রবাহ চলিতে থাকে, ব্রহ্মার যাহা বিরাজমান, কল্পতরুই অহার প্রমাণ' শিলও বৃক্ষের ন্যায় ফলদান স্বপ্নে প্রতিজ্ঞাস বলিলাম, তাহাও এই জীব জগৎস্বরূপেই প্রতিভাস করে, চিন্তামণিই তাহার প্রত্যক্ষ দৃষ্টান্ত। শিলার মধ্যেও জানিবে এবং তাহার প্রবাহ অনাদি ও অনন্ত। দেখ, বীর আলিগণের অবস্থিতি, দেখ, শিলার মধ্যেও ভেক অবস্থিতি হইতে বই তাহা হইতে ফল ও হা হইতেই বীজ হইয়া করে। প্রস্তর হইতেও জল নির্গত হয়, চন্দ্রকান্তমণিই অহার ক্রমাগত বীজ ফলইতেছে, এইরূপে বীজই যেরূপ তজ্জন্ত বৃক্ষের উদাহরণ। নিমেষত্রেই ঘট পট হইয়া যায়, স্বল্পজ্ঞানেই তাহার ফলরূপে পরিণত ভিন্ন অন্য কিছুই নহে, তদ্রুপ এই স্বপ্ন পুরুষ প্রমাণ দেখিতে পাওয়া যায়। অসত্যেরও সত্য হয়, দেখ, হইতেই স্বপ্নপুরুষ হইতেছে, যে অষ্টা স্বপ্নে পুরুষাকৃতি দেখিতেছ, লােকে স্বপ্নে নিজ মরণ নিজেই অনুভব করিতে থাকে। আকাশে ঐ দ্রষ্টা দৃশ্য উভয়ই স্বপ্ন ; কেহই পৃথন্তু নহে। ৫-৮। যাহার অকস্মাৎ জলের অবস্থিতি দেখা যায়, ভূতগণের অন্তরস্থ এলই সত্যতা নাই, তৎকর্তৃক সাৰিত অসত্যই হইবে। সুতরাং এর নিদর্শন। বিতানের (চানােয়ার। স্যায় আকাশে অল অবস্থান স্বনরকারি অর্থক্রিয়াসানে সমর্থ হইলেও ঐ সমস্ত"সতে করে, স্বর্ণদীপাই তাহার হয়। স্কুলশিলাও উড ডীন হয়, সভা ডাকা সঙ্গত নহে। অতএব এই সমস্ত স্বপ্নপতি পক্ষঘারী পতিগণই তাহার প্রমাপক। শিলার মধ্য হইতে যায় এফে তর সত্যতা প্রতীতি থাকিলেও তাহা পরিত্যাগ করিবে ইচ্ছা তাই পাওয়া যায়, চিন্তামণিতেই সন্দেহ খুন হইবে। এ সত্য বলিয়া জ্ঞান থাকিলেও এ সমস্ত সে কিছুই নহে, ইহা ১৮২৩। যাহা চিন্তা কৱিবে, তাহাই উৎপন্ন হইবে, সুজােগানে র করিয়া সকল প্রপঞ্চই পরিখার করিবে অর্থাৎ কিছুই কক্ষসমীপেই গুহার দৃষ্টান্ত। আবার হে রাখব। চিন্তা করিলে নিয়ে স্থির ধারণা করিবে। আরও দেখ, যেমন - উৎপন্ন হইবে না, যেমন দেখ মােফালি, (তুমি, মােক উৎপন্ন অত্যর নিৰ্মাণ-এর-পূর্বভাগ। হউক, ব্ৰহ্ম বিনষ্ট (অর্থাৎ অলীক) হউক, এই নিখিল প্রপঞ্চ সত্য প্রকারে পরিণত হইত। এক। তিনি সমাধিধিরত ইয়া হউক, নিয়ভিজ্ঞ লােপ হউক, বেদ অপ্রমাণ হউক, ইহা নিরন্তর একাগ্রচিত্তে স্বাসনে আসীন হইয়া স্বীয় ক্রিয়াকম চিন্তা চিন্তা কর, তথাপি তাহার ফল হইবে না)। অচেঙ্গও কাৰ্য করে, করিতে লাগিলেন। চিন্তা করিতে করিতে তৎক্ষণাৎ তাঁহার যন্ত্রের পুরুষ দেখিলেই তাহা বুঝিবে। এইরূপ এবং অন্যান্য মনােতই এই প্রতিভা প্রকাশ পায় যে, “আমিই লীলাক্রমে এসব বিচিত্র সংঘটন শ (ইএল) গন্ধৰ্ববিদ্যাদি মায়া শাস্ত্রজ্ঞানহীন মামা ব্যক্তিদের কাৰ্যানুসরণ না করিয়া থাকি ফিলাসের আরও দৃষ্ট হইয়া থাকে। দেশজ (অর্থাৎ দূরত্বলিতে এই প্রকার নিন্তর তাহার অন্তরণ জলের অৰিন করিলে যে চক্রের প্রাদেশিকতৃাদি দৃষ্ট হয়। কাগজ (অর্থাৎ ঔঃপাতিক পূর্ব প্রহস্পন্দন ও স্থিরতা পরিত্যাগ করিয়া জল যেমন আকাশস্থ কবন্ধাদি) ক্রিয় (অর্থাৎ মোগাদিসস্কৃত) আকারান্তর অর্থাৎ আবর্তস্বরূপ ধারণ করে, তদ্রুপ পার দ্রব্য(অর্থাৎ ঔষধাজনিত) বত্ব (অর্থাৎ রত্নের অসাধারণ পুরুষান্তররূপ বারণ করিল। খন নিজ বাসনানুসারে আমি শক্তি হইতে প্রকাশমান) সঞ্চরণীয়জ (অর্থাৎ পিচবেশ জীবট হইলাম, এইরূপ চিন্তায় জীবট নাম ধারণ করত ভদী প্রভৃতি যে অনন্ত বিচিত্র বিচিত্র আরবিভ্রম সৃষ্ট হয়, চিত্তরূপী নর কাকতালীমবং অবস্থিতি করিতে লাগিল। ১৭। তাহাই গন্ধর্বজনিত এবং সে সমস্ত বােধ হয় যেন সত্য হইতেই সেই জীবটপী সেই স্বপ্নজিত পুরুষও স্বপ্নযােগে এক নগর উৎপন্ন হইয়াছে। অসম্ভব ও সম্ভব হইয়াছে,দেখ, এই বিশ্ব নিৰ্মাণ করিয়া তাহাতে পুরবীথী কল্পনা করত সেই পুৰােমথ্যে অাণ্ডের নাশ অসম্ভব হইলেও অবশ্যম্ভাবী বােধ হইয়া সব অবস্থিতি কত বিহার করিতে লাগিলেন। ভ্রমর যেমন পদ্মমধুপানে হইতেছে, আর সম্ভবপরও এই জগৎসৃষ্ট্যালিরূপ স্বপ্নবিভমের মত্ত হইয়া থাকে, সেইরূপ সেই নগরে অবস্থিতি করত মনের সুখে প্রণয়ে ও তত্ত্বজ্ঞানে অসম্ভব প্রতীত হওয়ায় তৎস্বরূপেরও নিবৃত্তি পানীয়পানে মত হইয়া গাচনিদ্রায় অভিভূত থাকিলেন। মন হইতেছে। ব্ৰহ্মস্বরূপে দেখিলে অসত্য কিছুই নই আর জগৎ- যেমন এক দেশ হইতে দেশান্তরে গমন করে, তাহার ন্যায় সেই স্বরূপে দেখিলে সত্য কিছুই নাই। অতএব এই সৃষ্টিস্বপ্নে সর্বত্র পুরুষ স্বপ্নে নিজের বোদিপাঠে ও সৎকর্মানুষ্ঠানে পরিতু সকলই সস্তব ও সকলই দেখিয়া থাকে, সকলের দ্বারাই হই, বিপ্রভাব দেখিতে পাইলেন অর্থাৎ স্বপ্নে বিপ্র লাভ তেছে। স্বপ্নে বুদ্ধিমগ্ন হইলে যেমন সকল স্বপ্নদৃষ্টই স্থির বলিয়া করিলেন। কোন দিন সেই দ্বিশ্রেষ্ঠ দৈনিক পূজাহ্নিকালি বােধ হয়, এই সৃষ্টিস্বপ্নে যাহার লুদ্ধি ম, সেও সমস্ত স্থির যথার্থ কাৰ্যানুষ্ঠানে পরিশ্রান্ত হইয়া আত্মতত্ত্বজ্ঞান ও সম ব্যবহার স্বরূখে দেখিয়া থাকে। জীব ভ্রমের ভমাক্রান্ত হইতেছে, স্বপ্নের সংস্কারস্বরূপে অন্তলীন হওয়াতে বক্ষবীজের পর স্বপ্নে অভিভূত হইতেছে এবং তাহাতেই স্থিরত্যয় অব- যেমন ভাৰী শাখাপবাদি নিহিত থাকে, সেই বীজের ন্যায় অষ- লম্বন করিতেছে, এইরূপেই জীব বিমুগ্ধ অবস্থায় বর্তমান নিবে। স্থিতি করিয়া নিদ্রিত হইলেন। সেই ব্রাহ্মণ স্বল্পবােগে নিজের যেমন মুগ্ধযুগ গমধ্যে পনরূপ স্বীয় দোষনিবন্ধনই এক গর্ত আত্মা সামন্তরূপ ধারণ করিছে দেখিলেন , সেই সামন্তু আবার হইতে অন্ত গর্তে পতিত হয়, তদ্রুপ এই সংসারগর্তে কোন দিন আহারাদি সমাপনান্তে শট নিদ্রামগ্ন হইয়া দেখিলেন, পাতনসাধন বিষয়রাগাদিমােহে আচ্ছন্ন জীবকুলও পায় তঁহার রাজচক্রবর্তিত্ব লাভ ঘটিয়াছে। পুষ্পবেষ্টিত লতার স্ময় বুলিয়া সমান (অর্থাৎ মৃগের গর্তে যেরূপ পতন হয়, জীবের তিনি তখন চারিদিকে বিবিধ ভােগবেষ্টত রহিয়াছেন। সেই এই সংসার-গর্ভে বা দেহরূপ শর্তেও উজ্জ্বল আত্মপভ হইয়া সার্বভৌম সম্রাট আবার কোন দিন সূর্য অস্তগত হইলে থাকে); অতএব একথাক্রান্ত দেহাদিবিবরে প্রবেশভ্রমরূপ অস্থচিত্তে নিতি হলেন, তখন তাহার পূর্বতন স্ত্রীকে আসক্তি- মােহ আচ্ছন্ন হইতেছে ও হইয়া থাকে। ২৪-৩১। রূপ আচার ফলােম্মুখ হওয়ায় স্বপ্নে দেখিলেন, যেমন বৃক্ষাদি একষ্টিম সর্গ সমাপ্ত। কার্য কারণবীজে অবস্থিত থাকে, তাহার স্থায় শীয় দেহে অনিল- নীয় সুরমণ রহিয়াছে। এবং বক্ষান্তৰ্গত রস যেমন মারীরূপে উৎপন্ন হয়, তড়প স্বীয় আত্ম ত সেই অস্ত্রী- বিষ্টিতম সর্গ। মূর্তিতে উদিত হইয়াছে। পরে সেই সুররমণীমূর্তি রতিশ্রমে পরিশ্রান্ত হইয়া গাঢ়নিদ্রার আশ্রয় করিবামাত্রই দেখিল, যেমন বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাখব। এ বিষয়ে তােমাকে এক জনের সাম্যাব, অবর্তাকার ধারণ করে, দ্রুপ সেই রমণীর উদাহরণপূর্বক পুরাবৃত্ত বলিতেছি, শ্রবণ কর, যাহা কোন এক মৃগীনয়ন সৌন্দর্যসন্মবিন্ধন মৃগীরূপ ধারণ হইয়াছে। মৃগীর। মননশালী ভিক্ষুর ঘটিয়াছিল। কোন এক মমবৈরাগ্যাদি- অতিশয় লতাণে লা ছিল, সুতরাং সেই চঞ্চলনয়না সশল্প পরিগ্রাজক ছিলেন, তিনি সর্বদাই সমাধি অভ্যাস করিতে মৃণীও কোন সময় গভীর নিদ্রাফট হইয়া অবস্থায় দেখিল, এবং নিতকাল স্বকীয় আমেচি শ্ৰৰণাদি ব্যবহারপ্রসঙ্গেই নিজ অভ্যাসারে আত্মাতে বক্সীরূপ রহিম্মছে। চিতা সমস্ত দিন যাপন করিজে। সমাধির (১) অভ্যাসবশে তদীয় নিবন্ধন পরও দর্শন হইয়া থাকে, যাহা দুষ্ট বা ক্ষত হয়, চিত্ত বিত হইয়া পূর্ববাসভ্যাগম হয়, এবং জল যেরূপ চিত্ত তাহার স্মরণ করিয়া থাকে, কোন মতে চিত্তের স্মরণের অজাকার থ করে, ওকালে তদীয় সেই বিশুদ্ধ চিত্ত নাশ হয় না। অএব চিত্ত যখন দুই বাত বস্তুর সংস্কার যাহার চিন্তা করিত, শীঘ্রই অদ্ভাব প্রাপ্ত হইত। অর্থাৎ ধারণ করে, তখন স্কারলে বেরূপ তাহার স্মৃতি হয়, স্বপ্ন জুলহই থাকে, যার কোনরূপে প্রতিবন্ধক হয় না। ৮-১৮। (১) চিত্তের থ্যের বর আকারে দৃঢ়তা সেই মৃগী লতাপজবে আসক্তিবশত ভs এক পূষ্পমন- জাকারকাৰিতা ও পূর্বশ্বরূপ ভাসােনই সমাধি গজৰশাণিী বীদিগের বিনিমধ্যবর্তী এলিজ নহের ৪৮ বােগৰাতি ৰামায় প স্যায় শােভমানা লতার রূপ ধারণ করিল। সেই লতা অতঃস্থিত হইলেও পূর্ববর্ণিত ময়ুরের অণ্ডসে ময়ুরাকৃতির ব্যায় নীভূত সাকিচৈত, যারা নিদ্রা জড়তাপুষুপ্তি অনুভব করিয়া, বীজাত্তৰ্গত হইল, তখন সেই হংসযনে সেই চিন্তা পুনঃপুনঃ আন্দোলিত মছুর যেমন অকভাবে অবস্থান করে, তদ্রুপ ঋগ্নেমুখী করিয়া সংস্কার বদ্ধমূদ্ধ হইলে ব্যাধিরূপ করিয়া সংস্কার বদ্ধমূদ্ধ হইলে ব্যাধিরূপ ঘুণত হইয়া মৃত্যু বুদ্ধি দ্বারা অন্তরে ফুটতর (ভ্রমর কর্তৃক) আছেন দেখিতে হয়, সেই বাসনার অনুশীলনে সংস্কার বদ্ধমুল থাকায় পাইল। তাহাতে ভ্রমরাকারে সংস্কার উদ্বুদ্ধ হওয়াতে সেই উদ্বুদ্ধ ভাবনাবশে ব্রহ্মার বাহন হংসম্বরূপে সমুৎপন্ন হইয়া সেই সংস্কার বুদ্ধি দ্বারা স্বপ্নযােগে সুষপ্ত আত্মায় ভ্রমরারে পরিণতি এলােকে প্রগাঢ় বিবেক ব্রহ্মার উপদি বিবেকবৈরাগ্য ও দেখিতে পাইল। অনন্তর সেই লতা ভমরাকার ধারণ করিয়া তত্ত্বজ্ঞাদির সাহায্যে এবােসঞ্চার ও লৌকিক ভােগ্য- বনলতাসমূহে এবং প্রফুল্ল কমলিনীতে উপবিষ্ট হইয়া নায়ক যেরূপ নিয়ে সারবত্তা বুদ্ধিসহকাল লৌকিক দৃষ্টি বিগলিত হইলে জীব যুবতীতে আসক্ত হইয়া বিহার করে, তদ্রুপ বিহার করিতে মুক্তি লাভ কৰিলেন, এইরূপ জীবদ্দশাই যদি সেই হংসরূপধারী লাগিল। ১৯—২২। সেই ভ্ৰষর মুক্তালতার চায় শশাঙ্গন ভিকু নিরতিশয় আনন্দময় মােখলাভ ঘটিল, তখন বিপণি- কল্পিত পুষ্পসমূহে বিচরণ করিতে করিতে প্রিয়া-বিশ্বাথর সদৃশ পরিমিতি যুগের অবসানে ব্রহ্মার সহিত বিদেহমুক্তি লাভ করিয়া সুস্বাদু সুস পুস্পমকরন্দ পান করিতে লাগিল, এবং একদিন তাহার কি অধিক লাভ হইবে কিংবা সাধিত হইবে? কারণ অত্যন্ত আসক্ত হইয়া সেই মৃণালিনীর মৃণাল সংলগ্ন হইল। তাহার যাহা লাভ ঘটিছে, অতিরিক্ত পুরুষাৰ্থ কিছুই জড়মতি হইলেও তাহার কখন কখন তাহাতে অতি সন্তোষ ও নাই। ৩১-৩৭। অনুরাগ বৃদ্ধি পাইতে লাগিল। একদা এক গজ সেই নলিনীকে বিষষ্টিতম স সমাপ্ত। ২। চঞ্চল করিবার জ% (মর্দিত করিবার অন্য আগত হয়। কারণ মনােহর বন্ধু নষ্ট করিতে মুড়দিগের উদ্যম অধিক হইয়া থাকে, এই কারণেই সেই গজ সেই নলিনীকে মর্দিত করে। ঐ ভ্রমর পন্থের নালের সহিত সেই গজের মধ্যে নীত হইয়া খাদ্যের ত্রিবষ্টিতম সর্গ কায় পিষ্ট হইয়া চুর্ণ হইয়া যায়। অবস্থায় ভ্রমর সেই মত্তমা মুনিবর বশিষ্ঠ কহিলেন, কোন সময় সেই হংস কমলাসন সর্শনপ্রযুক্ত তদাকার চিন্তা করিয়া তৎক্ষণাৎ আপনাকে মত্ত হস্তি- ব্রহ্মার ‘আসন-নলিনীলে ক্রীড়লাভবলে অর্থাৎ ব্রহ্মসামীপ্য কপে দেখিতে পাইল। যেমন জীব শৃঙ্খলাদিবন্ধন অপেক্ষা মুক্তিপদ প্রাপ্তিৰলে ব্রহ্মার সহিত রুদ্রপুরে গমন করিয়া রুদ্রকে কঠোরতর সংসারে নিপতিত হইয়া পরাধীনতাদুঃখ অনুভব করে, দেখিতে পাইলেন। তথায় দেবদেব রুদ্রের জ্ঞান-যােগ ঐখাদি তদ্রুপ সেই গজও শৃখলাবদ্ধ হইয়া পরাধীনতার ক্লেশ ভােগ সর্বগুণােৎকর্ষদর্শনে সেই হংসের “আমিই রুদ্র” এই করিতে করিতে শুকসাগরের ন্যায় গভীর (হপিকনিৰ্মিত) খাতে তন্ময় ভাব উপস্থিত হয়। আমিই ক্ষুদ্র হইব” এই প্রকার নিপতিত হয়। সেই হন্তী মদদে মত্ত হইয়া-সর্বদা ইতস্তত তঁাহার বুদ্ধির স্থিরতা পড়ায়। জীবন্মুক্ত সেই হংসের রুদ্রপৃহা সর্পে বিচরণ কৰিতে থাকে এবং রাজার প্রবল বল নিধন ও তদ্ভাবনাভ্যাসে দেহভাগ করুদ্ৰশরীর ধারণ কিরূপে করিয়া তাঁহার প্রিয় পাত্র হয়। বিবেকরূপী বায়ুর দ্বারা যেমন সম্ভব? এ আশঙ্কা মনে করিও না, যেমন আদর্শে যার জীবপাৰি দেহাদ্যভিমান বিনষ্ট হয়, দ্রুপ সেই হস্তী এক প্রতিবিম্ব প্রতিফলিত হয় তদ্রুপ রুদ্রের প্রতিবিম্ব তদীয় দেহে নিশাযুদ্ধে বীর্য খভা ও নিস্ত্রিংশ (ব্রিংশ জুলি অপেক্ষা কিছু প্রতিবিম্বিত হইয়াছিল (অর্থাৎ তাঁহার সারূপ্য মুক্তি হইয়াছিল অধিক পরিমিত থাকার অস্ত্র ছুরিকা) দ্বারা ছিন্ন দুই পক্ষই জানিবে , আর ইহা জন্মতও নহে, কিন্তু এর শেষোপনীত প্রাপ্ত হয়।২৩-৩০। নিরন্তর নিজ গণ্ডে ভ্রমর সন্নিবেশ দেখিয়া ইচ্ছায় যােগীর স্যায় মানসলেহকগণ যারা পূর্বদেহ ত্যাগমাত্র আসিতেছে, সেই চির অভ্যাসনিবন্ধনও মৃত্যুকালে গজসমূহের জানিৰে। গন্ধ যেমন বায়ুর অনুগমন করে, কিংবা পুষ্প যেমন কুত্ত হইতে ভ্রমরগণকে উড্ডীৰ দেখিয়া তাহার ঐ ভাভ্যাস অবকাকার পরিগ্রহ করে, তাহার স্যায় ঐ হংস রুদ্রভূত শরীর ধারণ *স্কার উদ্বোধিত ও বদ্ধমূল হওয়ায় সেই গজ পুনরায় অলিপে করিয়া পূর্বদেহ পরিত্যাগ করিল। সেই হংস রুদ্রগণকোটির পরিণত হয়। পূর্ব বাসনার অনুরক্তিনিবন্ধনক্রমে বনলতাদিগের মধ্যে প্রধান গাণপত্য পদবীতে আরূঢ় হইয়া সেই সেই প্রসি সেবা করিয়া পূনরায় সে পদ্মিনীর্ষে উপনীত হয়। অজ্ঞানীর শিবপুরােচিত আচার অবলম্বনপূর্বক রুদ্রভবনে বসুখে বিহার পক্ষে শাসনায় কাতাস করা কঠিন হইয়া থাকে। সেই করিতে লাগিলেন। হংসের ঐ সারূপ্যমুক্তিতে রুধৰ্ম অ- অলিভাবেও সে পুনরায় হন্তিপদতলে নিপতিত ও নিপিষ্ট হই সংহারানির অভাব হইলেও সেই রুদ্রসম্বন্ধীয় জ্ঞান ও ঐবধাদি চুর্ণ হইয়া যায়, তৎকালে পাশ্ববর্তী হসন্দর্শনেতদুদ্বোধিত বাসনায় নাতে রুখটে, সুতাং সেই হংসরুদ্র সর্বোত্তম ভান কলহংসাকারে পরিণত হয়। সেই কলহংস বহুকাল ঘনিপরম্প ও ঐবিলাসে প্রসিদ্ধ রুদ্ৰসাৰ লাভ করিয়া সেই বুড়ি রায় লুণ্ঠন করিতে করিতে পাতি (পচা) জন্ম ভ্রমণ করে, এভাবে স্বকীয় পূর্ব-সম্বর অশে বৃত্তান্ত দর্শন করিতে অনন্তর সে পুনরায় ঐ হংসধোনি প্রাপ্ত হইয়া অন্যান্য হুংসগনসহ লাগিলেন। মায়াদি আবরণবিরহিত বিজ্ঞানব রূই ভগবান বিচরণ করিতে থাকে। পরে সেই হল গােষ্ঠিতে ব্রহ্মার হংসে রুদ্রলেৰ ভৎকালে নিনে উপবেশনপূর্বক স্বীয় অ অ অ আকারাদি বর্ণনাৰণে তাহার সেই শব্দ ও ও অরুত্তাক্ষণে বিশিত হইয়া আপনাকে উদ্দেশ করিয়া সমৰে ব্ৰহ্মহংসংবিং অর্থাৎ এখদ্ভুত ব্ৰহ্মহংস” ইত্যাদি মনে বলিতে লাগিলেন ।। আহহা এই মায়া কি বিচিত্র! ৰনৰ জানে তাহার দম (অর্থাৎ সেই হাম ইহার কি বিশ্ববিননাহি শক্তি। এই মায়া অসত্য হই সেই ভি মনে) আমিও ব্রহ্মার হংস হই, এই বাসনা এ মরুভূমিতে ভ্রান্তিজ্ঞাত বৎ সত্যের স্থায় প্রতীয়মান হইতে।
নিশ-প্রকরণ-পূর্বভাগ এখন আমার মনে পড়িল, আমি প্রথমে পারমার্থিক স্থিতিতে চিৎ- লতারূপে পরিণত হয়। তার হেন অর্থাৎ ভ্রমর কর্তৃক পু পরূপই ছিলাম, পরে ঐ মায়াংশে “আমি বহু হইব” এই জৰিকা যান অবকান-ললিকাও তা অনুভব করে। তখন সেই লতা বিশ্বরূপ লাভ করি। ঐ চিত্তস্বরূপ তাতেই আমার সর্গসঙ্কজ অন্তরে জ্ঞান ছিল বলিয়া চিরাভ্য, ভ্রমরস্বরূপ ভাবনায় তার বৃত্তি প্রাপ্ত হই, আমার ইহাও এখন স্মরণ হইতেছে। তাহার পর কারিতা হই সেই হিৰ লদেহের সহিতই ভ্রমরস্বরূপে সেই সঙ্কল্প নিবন্ধনেই আমি সর্বসম্পন্ন হইয়া চিশে সর্বয় আপনাকে সেখিল। সেই অমর মাপন অনুভব করি। ও জডাংণে গগনাদিবিভাগে বিভক্ত হইয়াছি। অনন্তর সূচ্ছ- পরে হীল আকারে এবং পরে আবার অলি আকারে এইরূপে কমে যাষ্টিসমষ্টি সূন্ন স্কুল দেহে চিৰাভাস স্বরূপে প্রবেশ করিয়া ক্রমশ ক্রমশঃ হংসধােন অববি নবভি-যােনি পর্যন্ত বারবার এই স্থলভূতপঞ্চকে ও সূক্ষ্ম ভাত্রে নিশ্ৰিত দেহে ভালাহ্মসংসৰ্গাখ্যাস সংসারবিভ্রমে পতিত হইয়া ভ্রমণ করিতে লাগিল। সে ভিকুই ও বাসনা বৈচিত্র্য দ্বারা চিত্রপটের ন্যায় রঞ্জিত হইয়া জীবরূপে আমি, এই প্রকার স্বকীয় নিবন্ধন এই অসংখ্য সংসারযাপারে পরিণত হই। এবং সেই জীব অনাদি কাল হইতে পরম্পরা (সংসারবেগে) এমণ করিতে করিতে এক্ষণে তাহার শেষ সীমায় অনুভব করি কোন সৃষ্টিতে স্বীয় বৈরাগ্য সমাধিনৈপুণ্য বিষয়ে উপনীত হইয়া রুদ্ররূপে অবস্থান করিতেছি। এই যে অসত্য অক্ষুব্ধমতি ভিক্ষুম্বরূপে প্রাদুর্ভূত হই। ৭-১। সেই ভিক্ষু হইলেও সত্যবং প্রতীয়মান বিবিধ বিচিত্র সংসার-বনস্থলী, পদ্মাসনালি দ্বারা দেহস্থির ও হস্তপদাদি প্রাণেন্দ্রিয় প্রভৃতির ইহাতেই আমি কার না ভ্রমণ করিলাম। কোন সৃষ্টিতে রােধ করিয়া আমার ইহাই ইষ্ট ও মনােহর বিবেচনায় জীবটরূপে, কোন সৃষ্টিতে বা শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণরূপে ও কোন সৃষ্টিতে বা যে ব্যকিক দেবতায় মানসপূজাদি লীলার খেচ্ছাক্রমে ও বসুধার অধিপতি হইয়া ভ্রমণ করিলাম।১৮—২৩। সেই সকামভাবে স্থিরতাসম্পাদনে আরম্ভ করিয়াছিল, তাহার আমিই কখন বা পবনে হংস হইয়া, কখন বা বিন্ধ্যকচ্ছে মত অভাববশতই সেই ভিক্ষু অ মননাদি ( ধারণাদি) ভাব করা হইয়া, কখন বা হরিণস্বরূপ প্রাপ্ত হইয়া এই দেহঘত্রে ও বিস্মৃত হইয়াও পরিত্যাগ করিয়া সেই সকাম বাফিক মনােফাদিতে এবংবিধ কত প্রকার শাপন্ন হইয়াছি। সেই আদি- মানসপূজাদিই নিরন্তর অনুভব করিতে লাগিল। অহার সৃষ্টিতে সেই চিলেক-সম্বরূপ পরম পদ হইতে পরিভ্রষ্ট হইয়া কারণ চিত্তে যখন যে চমংকুতি (অর্থাৎভাববৈচিত্র রূপ চমংকুতি (অর্থাৎভাৰবৈচিত্র্য রূপ ববি এবংকাল পর্যন্ত এ সংসারে আমার কত অনন্ত বর্ধ- সঙ্কল) বদ্ধমূল হয় তাহারই তখন অধিক প্রাদুর্ভাব, তাহাতে সহস্র, কত অনন্ত চতুষুপ্ত, কতদিন, কত ঋতু ও কত লােক-চরিত্র পূৰ্বভবেরও অভাব ঘটে, আর তাহার প্রভাব থাকে না। দেখ, যে অতীত হইল, তাহার ইয়ত্তা নাই। ভিক্ষুক-বেনিতে ভৰানী বসন্তকালে লতা যে রসপানে হরিদর্ণে রঞ্জিত হইয়া চমৎকার হইবার অনুরূপ উপায় শ্রবণমননাদি অভ্যাস বদ্ধমূল থাকিলেও শােভা ধারণ করে আর নিদাদে সেই লতারই সেই পূৰ্বরস প্রমালবশতঃ তাহা উল্লঅন করায় বারংবার যোনিপরম্পরা ভ্রমণ শুষ্ক হইয়া যায়, লজর আর সেই হরিদ্বর্ণচমৎকারিতা থাকে না, করি এবশেষে ব্রহ্মহংসম্বরূপ লাভ করি, অর্থাৎ আমিই ব্রহ্মার সেই বাসন্তী পরিপূর্ণ মনােহারিণ লতা তখন শুষ্ক হইয়া জীর্ণভাৰ হংস হই, তদবস্থায় রুদ্রসমৰূপ সাধুসলভ করিয়া সেই পূর্ব- ধারণ করে। বিবৱাভ্যন্তরে যেমন পিপীলিকাগণ ভ্রমণ করে, সেই ভন অভ্যাস এক্ষণে তত্ত্বজ্ঞানে পরিণত হইয়াছে। ২৪-২৭। ভিক্ষুও মনে মনে বাসনা বদ্ধমূল হইয়া পরিণভাবস্থায় উপনীত যে বিষয় দৃঢ় অভ্যাস করিবে, তাহা বাধা-বি কাটাইয়া উচিত হওয়ায় (১) জীবটরূপে প্রাদুর্ভূত হইয়া নানাযােনিতে ভ্রমণ হইবেই—এমন কি, মধ্যে জন্ম সহস্র হইয়া যাইলেও সেই পূর্ব- করিতে লাগিল। অনন্তর সেই জীবট েিজর প্রতি ভক্তিমান্ ছিল অভ্যাস একে অনুসরণ করিয়া থাকে এবং তাহাই উদিত বলিয়া আপনাকে দ্বিরুপপ্রাপ্ত অবলােকন করে। কারণ ভাব হইয়া পুরুষার্থ সাধন করে)। সাধুসঙ্গ ঘটিলে জীষের অণ্ডত অর্থাৎ বাহা উদ্ভূত আর অভাব অর্থাৎ যাহা অনুভূত এতদুভয়ের চিন্তাভ্যাস নিবৃত্তি কাকতালীয়ায়ে কদাচিৎ হইয়া থাকে। বৈপরীত্য ঘটিলে কাৰ্যবিষয়ে বলবানেরই অর্থাৎ অভ্যাসপাটালি বাসনালিত্যাগাভিলাষী পুরুষের প্রাক্তন অধ্যসনার অভ্যাস দ্বারা যাহার লাধিক্য, তাহারই ফল প্রকাশপূৰ্ব্বক প্রাদুর্ভাব আর কালান্তরে সাধুসলে উয়ােমুখ হইলেও পুরুষের উদ্যম অপে অন্যের তিরােভাব দেখা যায়। সেই বিঞ্জ নিরন্তর সামন্তপ্রাপ্তি- করে। বিনা পুরুষের চেষ্টায় কেবল সাধুসঙ্গ তাহার সম্পূর্ণ কামনার চিন্তা করিত বলিয়া সেই চিন্তাৰণে সামত্ত হইল। দেখ উদয় ঘটন। বেল যে আবাসনার চার ত বাসনার বুক যে রস আকর্ষণ করে, তাহাই পরে ফুলকুপে পরিণত হয়। অভ্যাস পূর্বত সংস্কারে প্রকাশ পাইলে তাহার প্রভাবেই রাজ্যের জন্য ধর্মানুষ্ঠান করাতে পরে সে সার্বভৌম নৃপতি হয়। বিনা পুরুষকারে অভণ্ড বাসায় নিবৃত্তি হইবে, তাহা নহে। কারণ অনন্তর ধর্মানুষ্ঠানের সহিত কামপ্রবৃত্তির অধীন হওয়াতে সেই সেই পুরুষ যে সহসাই দুৰ্বাসনায় করিতে পারে না। রাজা আবার সুরমণীজপরিগ্রহ করে। পরে সেই সুরমশ বহু জন্মজন্মান্তয়ের পুরুষকারে সম্মাসনার দৃঢ়তা হইলেই তবে সে অবস্থায় মৃগলােচনের সৌন্দৰ্য্য লাশনিবন্ধন-রঞ্জিত মৃগরূপে জন্ম- দুর্বাসনা নাশ করিতে সক্ষম হয়। দেখ, নিরন্তর অসের গ্রহণ করে। অহ জীৰে বাসনার মােহ কেবল দুখেরই হেতু, এমন যে, এগুয়ে ও জন্মজন্মান্তরে যাহা নিরন্তর অভ্যাস কর হায়। সেই মৃগী মনে মনে লক্ষণে বাসনা মাখায় অবশেষে যায়, তাহা যদি জাগ্রপ্তাবায় মিথ্যাও হয়, তাহা সত্যস্বরূপে হইয়া থাকে। তাহার নিদর্শন দে, মিখ্যাত দেবতা (১) এঠবাসন-বলিতে গেলে পুরা বাসনা অর্থাৎ অনাদি বাসনও অর্থ হইতে পারে; তাহার কারণ শাস্ত্রীয় বাসনার * অর্থাত, জীব যদি কাকতালীয় হু কাচিৎ সাধুসঙ্গ লাভ শৈথিল্য হইলে সেই অনাদি যে অমৰ বাসনা তাহারই প্রাদুর্ভাব করে, তাহা হইলে জীবের অশুভ চিন্তায় অভ্যাসনিরতি । অভাবী এই অর্থ ডাকাত। এরূপ অর্থচকাকারসত নহে।
যােগবাশিষ্ঠ-আমায় উপাসনাদি করিলেও আগ্ৰ স্বাবস্থায় সত্যরূপে অনুভযোগ সেই রুদ্র ওভিউয়ে উথিত হইয়া চিমাকাশের এক কোণস্থিত সেৰভাবদি প্রদান করে; অতএব সেই পার্থ বস্তুতে কি ব্ৰহ্মান্তরে গমন করিলেন। উভয়ে তথায় এবেশ করিয়া শ্রবণযনালি ষত্ব করা যায়, তাহা যে প্রমাণগম্য পরমার্থ সত্য ভূলোকে উপনীত হইলেন এবং তগত জীবটাধিকৃত দ্বীপ- লাভের উপৰেগেী হইবে, তাহাতে আর কি ৰক্তব্য? যে মওলান্তৰ্গত দেশ ও সেই গৃহে প্রবেশ করিয়া করে অসিধারী ভাবনা দেবতাদিগের শরীরেও ভেগাথা ক্রিয়া ঘটাইয়া থাকে, সংজ্ঞাহীন নিদ্রিতাবস্থায় বের ন্যায় নিপতিত জীবটকে দেখিতে (কিংবা) যে ভাবনা দেবতাশরীরলরে ও সেই মেৰশরীরের পাইলেন। সেই জীট সংসার প্রদেশের আপনাদিগের রুদ্রভি- গােবিক্রিয়ার সাধন, কৃশ অনাত্মবিষয়ক শাস্ত্রীয় ও দেহ ও অভিপ্রায় (অর্থাৎ জীবট বােধনের অভিপ্রায়) ও কোটি ভানুষ উভয়ের অর্থ দুঃখবিশ্রিত মুখের নিমিত্ত হইয়া সূৰ্য্য সমদ্যুতি প্রভাবও অন্তর্হিত করিয়া সেই জীবটকে এবােখিত উদিত হয়। সুতরাং তাদৃশ অনাত্মচিন্তারূপ সৰ্বভাবনার উচ্ছে করিলেন এবং অলীয় চিতে আপনাদের চিদাভাসলক্ষণ তত্ত্বজ্ঞ এই আত্যন্তিক মনর্থ জয়, আর অন্তরালে যে দেবহুদি প্রাপ্তি, জীবরূপ চেতনার যােজনা করিলেন; তখন সেই অন্তরে একরূপ তাহা জয় নহে। ২৮-৩৭। অঙ্কুর যেমন অলীকবিস্তার সম্বলিত হইলেও বাহিরে তিনরূপে বর্তমান থাকিলেন, তঁহারা অন্তরে আপনার গুঝতাব লাভ করে, অর্থাৎ আঙ্গুরের গুজব প্রাপ্তি বােধশালী হইয়াও বহিরে অজ্ঞানের স্যায় বিচরণ করিতে লাগি- যেরূপ মিথ্যা, দ্রুপ ঐ ভাবনাই নিজ আত্মাকে এই মিথ্যা দেহ- ললন , তাহাদের বিস্ময়বিকারের লেশমাত্র না থাকিলেও বাহিরে ক্লপে অবলোকন করে অর্থাৎ ভাবনাই দেহরূপে পরিণত হয়, বিশ্বকাপন্ন ভাব ধারণ করিয়া রহিলেন এবং ক্ষণকাল চিত্রপূত- বাস্তবিক দেহ কিছুই নহে, ভাবনামাত্র। ভাবনা (অনাত্মচিন্তা), লিকার ন্যায় তুফীস্তাব অবলম্বন করিয়া থাকিলেন। ৩৮-৪৫। যদি বিশেষরূপে সংলক্ষিত অর্থাৎ বিচারিত হয়, তাহা হইলে অনন্তর তাহারা তিন জনে চিদাকাশে অথ্যস্ত জীবট-চিত্ত পরিণাম- সংসারে কোন বস্তুই আর অবশিষ্ট থাকে না, অর্থাৎ সকল ভূত চতুর্দিকে প্রাণিগণের শব্দে মুখরিত বিপ্রসংসারে প্রবেশ বস্তুরই অস্তিত্নের অভাব ঘটে, আর সেই ভাবনার উচ্ছেদও কষ্ট করিলেন। তাঁহার তথায় প্রবেশ করিয়া ক্রমশঃ সেই ভুলোকে সাধা বা সাব্য নহে। কারণ ভাবনা স্বই নিতত্যাচ্ছিন্ন অর্থাৎ সেই ব্রাক্ষণাধিষ্ঠিত-মীপে উপনীত হইলেন। পরে মওলান্তৰ্গত তাহার অস্তিই নাই, অতএব আমাদের সেই ভাবলাম হয় দেশেও সেই ব্রণের বিষয়ে তদীয় গ্রামে এবং ক্রমশঃ সেই হউক, অথবা আমাদের এই আকাশবর্ণবং জগদাকান-ভমের ব্রাহ্মণের আলয়ে উপনীত হইলেন। তাহারা দেখিলেন, সেই কালন অন্য তাহার অসংবেদনমাই (তাহার জ্ঞানাভাব মাত্রই ) ব্রাহ্মণ স্বীয় পােয্যবর্গবেষ্টিত হইয়া নিদ্রিত রহিষ্মছেন। তাঁহার বিশিষ্টরূপে হউক। আর আনাভাব নাই হউক, অজ্ঞান দ্বারা ব্রাহ্মণী বহির্গত নিজ জীবনের ন্যায় প্রিয়তম পতির কণ্ঠে আলিঙ্গন ইহাকে বাধিত করিতে পারিলে কুদ্ধসর্পের ব্যয় ইহার কোন করিয়া রহিয়াছেন। তৎক্ষণাৎ ৩াহকে প্রবুদ্ধ করিয়া তণীয় চিতে শক্তিই নাই। কারণ তত্ত্বজ্ঞানে বােধ হয়, এই অসন্ময়ী ( মিথ্যা- চেতনার সঞ্চার করিলেন। ভাহা দেখিয়া ত্রস্থ ব্যক্তিগণ সকলে ভূত) অধিষ্ঠানস্বভাবম্বরূপা অগদাকাভাবনা কেবল কৌতুকের অতিৰিস্মিত হইল (১)। ৪৬-১৯। অনন্তর তাহারা চিদাকানে এই প্রবর্তিতা ও প্রতিভাসিক সভায় বর্তমান। অতএব বাহা প্রকাশমান চিত্তাকারে বিবর্তিত চিতির পরিণামস্বরূপ সামন্ত বিনােদের (কৌতুকের জন্য বর্তমান, তাহা আর কি করিবে? সংসারে গমন করিলেন। সামন্ত সেই সংসার ভ্রমণের বিস্তীর্ণ অং জ্ঞান থাকিলে ইহা দ্বারা অণুমাত্র অনিষ্টের সম্ভাবনা প্রদেশে সুন্দরভাবে ব্রিজিত, তাহার পর তাহারা সেই সামন্তা- নাই। অতএব যখন সমস্তই কৌতুকের জন্য, অন আমিও কৌতু ধিঠিত ভুবনে, মশঃ বীপে ও অলীয় মণ্ডলে প্রবেশ করিয়া কের নিমিত্ত উথিত হইয়া আমার সেই সমস্ত সংসার (অর্থাৎ দেখিলেন, মত্ত সামন্ত পৰ্যপঙ্কজে নিদ্রিত, তাহার অঙ্গকান্তি স্বীয় বিবিধ যােনিস্বরূপ) অবলােকন করি অর্থাৎ তাহাতে প্রাদুর্ভুত সুবর্ণের ন্যায় উজ্জ্বল। অলীয় নে হেমাঙ্গললনার কুচকোটরে হই এবং সেই সকল উপাধিকে সম্যক্ প্রবােলান দ্বারা সেই সমস্ত নিহিত রহিয়াছে, ৰােখ হইতে যেন ভ্রমরীর সহিত ভ্রমর কমল- উপাধি হই উদাসীন আত্মাকে পৃথক্ করত একীভূত করি৷ কোষে সুপ্ত অহিয়াছে। নারী সমাকীর্ণ হইলে বুকের যেরূপ শােভা একত্র সমাবেশভ করিয়) স্বশ্বরুপে অবস্থান করি (১)।৩৩-৩৭। হয়, কিংবা প্রদীপমালার মধ্যবর্তী চারিদিকে রত্নখচিত বর্ণের ঐহংসরুদ্র এইরূপ চিন্তা করিয়া যেখানে সেই ভিক্ষু লুপ্তাবস্থায় যেরূপ শােভা হয়, কান্তাকুল-বেষ্টিত সেই সামন্তেরও তা শােভা শৰে গায় নিপতিত ছিলেন, সেই সৃষ্টিব্যাপারে গমন করিলেন। হইয়াছে। ৫০-৫৫। ক্ষণাৎ সেই ক্ষুদ্র প্রদীয়চিতে চৈতন্য তখন তিনি সেই ভিক্ষুককে জাগরিত করিয়া স্বীয় চিৎশভূত সংযােজিত করিলেন। তখন তাহারা প্রায় অবস্থানকালে বহু জলীয় চিত্তে স্বীয় অংশভূত চিদাভাসরূপ জ্ঞ জীবের যােজনা হইলেও একঞ্জাব প্রাপ্ত হইলেন, এবং বাহিরে বিপন্ন হইলেও করিলেন। তখন ভি নিজের ভ্রম সমস্ত স্মরণ করিতে লাগিলেন বিবিরহিতাবস্থায় বিরাজ করিতে লাগিলেন। অনন্তর তঁাহারী এলবির্ভাবনিবন্ধন বিস্ময়ের আক্রমণ অতিক্ৰম কৰিলেও সেই আভিবাহিক শরীরে সেই চক্রবর্তী রাজসংসারে উপস্থিত হইয়া জি আপনার অনেক অনুমিতসাধ্য ক্ষুদ্র জীবটাদি শরীর লাত সেই সম্রাটকেও প্রবুদ্ধ করিলেন, এইরূপে তাঁহারা অভিহিক কালের মধ্যে হইতে দেখিয়া বিস্ময়াবিত হইলেন। অনতর শরীরে অত্যন্ত সারে পরিভ্রমণ করিতে করিতে হারা নিদ্রিত ছিল, তাহাদিগকে প্রবুদ্ধ করিলেন এবং যাহারা মৃত্যুমুখে পতিত (১) পাঠক। যেমন আকাশ এক, কিন্তু পাঁচটী গৃহ করিলে হইয়াছিল, তাহাদিগকে পুনরুজীবিত করিলেন। তাহারা সকলেই সেই আকাশ পরিচয় হইয়া বিভিন্ন হয়, ঘর ভাঙ্গিলে সমস্ত অকাই এক হইয়া যায়, এইরূপ এখানে পৃথক ও একীকর (ইহার হয়তাহারা খায় অবস্থিতি করিয়া নিবে। বিবিহিত হইলেও বাহিরে বিজিৰ প্ৰকাশ করিনে। ।
৪৯১ | নির্বাণ-এয়ণ-পূর্বভাগ এহংসরূপ চিপরিণতি প্রাপ্ত হইয়া অবশেবে কদ্রভাব প্রাপ্ত বর্তমান জানিবে। ঐ গরু শিলাদিগত ভ্র যেরূপ টকালি অস্ত্র দ্বারা হইলেন এবং রুচিচেনা হাদিগর চিত্তে চৈত সংক্রান্ত নির্মিত হয়, সেইরূপ ঐ নিৰিৰয় পর শুদ্ধ চিত্র যে বিষয়- হওয়ায় নৈসম্পন্ন-প্রযুক্ত তাহাদের সেইসকল উত্তম আপাদন অর্থাৎ তাহাতে অখা জগাণিরূপে আৰু তাহাই রুদ্র মূর্তিতে পরিণত হইয়া বিরাজ করিতে লাগিল। পরমে- জগতের কারণ, হাতেই এই জগৎ প্রকাশমান। বাস্তবিক শরয় তাহাই স্বরূপ যে, তদীয় সংবিৎ (জ্ঞান) একই অথচ তিনি চিকরস ব্রহ্মে যে অগাকার এড়ত প্রতীয়মান হইয়া থাকে, ভিন্ন জ্জি দেহে বিবিধ চেষ্টায় ব্যাপৃত রহিয়াছেন; তাঁহার রূপ তাহা নিফারণ, অর্থাৎ মিথ্যাজ্জন ব্যতীত বাস্তবিক তাহার কারণ একই নখ তিনি নানারূপে প্রতিভাত। তাহাতেই সেই পরমেশ্বর নাই, সর্বদাই ঐ ব্ৰহ্ম আকাশের ন্যায় নির্মল স্বরূপে বর্তমান রুদ্রদেহ এই সংবিং (জ্ঞান) সম্পন্ন থাকিলেন। এদিকে ভিন্ন আনিবে। ৬৭। হে ব্রায়। ঐরূপ জ্ঞানই এই দৃশ্যমান ভিন্ন দেহে নানাবিধ ব্যাপার অনুষ্ঠান করিতে লাগিলেন এবং বন্ধন, আর ঐ জ্ঞানের নিবৃত্তিই মােজ, এখন তােমার যা মনের একরূপ হইয়াও নানারূপে বিরাজ করিতে লাগিলেন, তাহাতেই রুচিকর হয়, তাহাই কর। সৃষ্টি, অষ্টি,(জন্ম, অশ,) বন্ধ, শরু মূৰ্ত্তি হইল। কিন্তু সেই শতরুদ্র মূৰ্ত্তি (মায়া) মােক ঐ জ্ঞানময় অর্থাৎ সৃষ্টি ও বন, বা বন্ধন বল, আবরণ শত, চিন্ময়স্বরূপে বিরাজ করিতে খাকিলেন এবং ঐ তাশ নেই তাহার প্রকাশ, আর সে জ্ঞান না হইলে সৃষ্টিও প্রতিভাসিক সৎসারের আধার হইয়া সর্বজগতের অন্তর্বামিস্বরূপে নাই, বন্ধনও নাই জানিবে, তদুভয়সাক্ষী হইতে ঐ উভয়ই অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। ৫৪-৫৮। হে রাম। এইরূপ ভিন্ন নহে, এখন যাহা ইচ্ছা তাহা করিতে পার। না দেখিলেই বহুতর শত শত রুদ্র বর্তমান, ভিক্ষুদ্রজিত শত জগতের মধ্যে যাহার নাশ হয়, তাহার নাশের জন্য আবার আয়াস কি ? তুফী তােমার মাথতি অনুভূয়মান স্বরূপে বর্তমান জগৎই একাদশ ভাব অবলম্বন করিলে অর্থাৎ কিছুই না করিলে যাহা পাওয়া প্রমের রুদ্র জানিৰে। জীবের এ ভিক্ষুর স্যায় যে যে সংসার যায়, তাহত হস্তগতই বুঝা উচিত। অতএব যাহার জ্ঞানমারেই উৎপন্ন হয়, সেই সেই সংসারে অপ্রবুদ্ধ জীবগণ পরস্পর মিলন প্রকাশ বলিয়া ভজ জ্ঞানই স্বরূপ, তখন তাহার জ্ঞানাভাবেই তাহায় সশনে অক্ষম হয়। আর সঁহাদের মনে তত্ত্ববােধের উদয় হয়, নাশ অর্থাৎ জ্ঞানাভাবই তাহার নাশ।—সেই জগৎজ্ঞানের যাহা তাহারাই সমুদ্রে তরঙ্গের একাকারবং সকল জীবের একাকার সঙ্গী চৈতন্য তাহা সর্বদা প্রাপ্তই আনিবে, ইহা বুঝিয়া যাহা ইষ্ট অনুভব করেন, অথবুদ্ধ জীবগণ কেবল স্থূলমাত্ৰনিষ্ঠ অর্থাৎ তাহা করিতে পার। যেরূপ অঙ্গ জরে স্পন্দনই মাত্র, এই জগতের সুলগ্রাহীমাত্র তাহাতেই তাহারা পরিতৃপ্ত, সুতরাং অগংও সেই চিস্বরূপে তাদৃশভাবে বর্তমান জানিবে। হে অহা লােষ্টখণ্ডের ন্যায় জড়বং বর্তমান মাত্র। স্থূলতা দৃষ্টির রঘুনন্দন। তরঙ্গ ও জলের ভেলের ন্যায় অগং ও চিক্ষের এ অপগমেই মিল যেমন বনিবন্ধন অঙ্গ ও সলিল পরশুর ভাষমাত্রই ভেদ জানিবে। যখন এই দেশকালস্বরূপ (সেই মিলিত হইয়া থাকে, সেইরূপ প্রবুদ্ধ জীবসমূহও চৈতন্য শক্তিতেই চিৎস্বরূপে অবস্থিত থাকিলেও ) জলে ভঙ্গের ন্যায় অন্যথা পরস্পর মিলিত হইয়া সেই চৈতন্য শক্তির মিলন দেখিয়া থাকে। স্বরূপে বর্তমান , এই জগৎ বিত্তের উপাদান ব্রহ্মে পূর্বে ঐ এই উদ্ভূত সংসারে যে প্রত্যেক্ ভিন্ন ভিন্ন জীবশি দৃশ্যমান দেশাদি কিছুই ছিল না, পরে আরােপিত হইয়া এই জগৎ- হইতেছে, ইহা বাস্তবিক অসত্য হইলেও চিংসার ব্রহ্মের সৰ্বব্যা- কোটিতে দুষ্ট হইয়াছে। যে ব্ৰহ্ম স্বপ্রকাশ আত্মরূপ তৈমা, পিযুক্ত সত্যলিয়া প্রতীয়মান হইতেছে, অতএব জীব যখন সেই ব্ৰহ্মই অবিদ্যাবরণযুক্তই ঈষৎ কাশিতে আয় হইয়া সর্বজীবের অভূত সেই ব্রহ্মের সহিত ঐক্যলাভ করিতে পারিবে, জগৎস্বরূপ ধারণ করত স্বরূপ অতিক্রমে অন্যভাৰ ধারণ করিয়াছেন অর্থাৎ বুঝিবে ব্ৰহ্মভিন্ন অন্য কিছুই নাই, সমস্তই তদীয় কল্পিত বলিয়া খােধ হইতেছে। চিপ পরমাত্মার পারমার্থিকস্বরূপ জ্ঞান- রূপ ও তাহাই জীবপদবাচ্য, তখন জীবের পরস্পর মিলন ময় জড় নহে, এই ত্রিমগৎ ভেগকষ্টকল্পিত, উহার তদর্শিত সঘটন হইবে, তাহাই জীবের মিলল। যেমন ভূমি যেখানে উপায়ে উপসংহার কর, তাহা হইলে দেখিবে, “বিকার নামমাত্র” যেখানে খনন করিবে, মৃত্তিকা অপসারিত রিলে সেইখানে এই তিকথিতই পর্যবসিত হইবে, দেখিবে ব্রিজগৎ বাজাত্রেই সেইখানেই বশেষে সর্বব্যাপী আকাশই প্রকাশ পায়, সেইরূপ অবস্থিত। সেই বাদ্যত্রও ঐ ব্রহ্মে নাই, তিনি প্রশান্ত বচন ভশনে ঘসমস্ত প্রপঞ্চ হইতে সত্যরূপ মৃত্তিকা অপনীত পর শিস্বরূপ (মঙ্গলময়) পমাত্মামাত্র। এইরূপে আত্মচৈতন্য ও করিবে তখন ঐ আকাশস্বরূপ সেই সর্বব্যাপী চিহ্মই পাইবে, জগৎ এই যে উজি, ইহাকে বা অর্থে কিছুতেই ভিন্ন নহে, তভিন্ন আর কিছুই পাইবে না, সেই সকল মিথ্যা প্রপঞ্চ তখন সেই কস্মিকালেও ইহা স্বৈরূপে অবস্থিত নহে, ভর ও জল, ইহা চিৎমাত্রেই অবশিষ্ট হইবে। যেমন এই বিভাগযুক্ত প্রপঞ্চে দুই বস্তু বলা যেমন উচিত নহে, সেইরূপ অগৎ ও চৈত। এই পঞ্চভূতের সভা অনুভব করিতেছ, সেইরূপ সৰ্ব্বভূতে আত্মস্বরূপে দুই ব্যবহার অবিধেয়। কারণ উহা ভিন্ন বস্তু নহে, কখনও সেই চিহ্মের সত্তাও বর্তমান, ইহা অনুভম্ব কর। ৫৯। নাই, অজ্ঞতাবশতই ঐ বৈভেদের উপলব্ধি, তাহা অজ্ঞান যেরূপ দে, কাষ্ঠে বা শিলাস্ততে কোন পুরুষ হবিধুরগাদির অবস্থাতেই উপযুক্ত জ্ঞান হইলে বৈভেদাদি ব্যবহার কি করিয়া প্রতিমূর্তির অনুরূপট অন্ত্রে শুভ্র () এবখ করিয়া"তাহাতে | উচিত বা সাত হইতে পারে? ৬৮-৭৫। ঐ পুরুলির আকালি পরি বিভাগ করিলে সেই কাই ব্রিফতম পর্ণ সমাপ্ত।। বা শিলাখই বিবিধ বিচিত্র শালভজিকারূপে প্রাণ পায়, বাৰি সেই একই কায় বর্তমান থাকে, কিন্তু তাহাতে লাল- ভরিকার অবৈচিত্র্য ও বিবিধ বহু প্রভৃতি তাতে সই এভমান হয়, উপ সেই একাত্মা ব্রিহ্মে এই জগৰৈচিত্র যােগণিত-খামায়ণ আকর অজ্ঞানে যেরূপ যেরূপ আলোকিত হইয়া থাকে, অর্থাৎ চতুঃষষ্টিতম স্বর্গ। জোষ্ট কর্তৃক উদ্বোধিত বাসনা জারা চিন্তে যাহা যাহা রাম কৃহিলেন,—মুনীর। অনন্তর সেই ভিক্ষুকের স্বপ্নশরীর পৰ্যালোচিত হয়, ডিব্ৰহ্মও সর্বাত্মময় বলিয়াই সমগ্রই সেই জীবট ব্রাহ্মণালির ও হংস প্রভৃতির কি হইয়াছিল? বশিষ্ঠ সেই বিষয়রূপ সম্পূর্ণভাবে দৃশ্যম্বরূপে প্রাপ্ত হন। হে রাম। সে বলিলেন ফাংশভূত সেই সকল জীবটালি রুদ্রের সহিত দশায় সঙ্কল্প এবং স্বপ্ন যুগপৎ দৃষ্ট হয়, তাহা বলিতেছি জন্মলাভ করিয়া পৰশরে ভূত ভবিষ্যৎ সংসারব্যাপার দনি শ্রবণ কর,(অভ্যাসযােগ পরিপাক দশাই সেই দশা,) অভ্যাস- করত, তত্যতার সহিত মুখে অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। যােগ ভিন্ন পরমপদ লাভ ও ঐ স্বপ্নসগুলের যুগপ দৃষ্টি স্বাটে সেই প্রথমে কৌতুকদর্শনে প্রবৃত্ত রুদ্র মুখােক্ত সমুদিত মায়াশক্তি না। যাহাদিগের বােগবিজ্ঞানদৃষ্টিলাভ ঘটিয়াছে, তাহারা অবলােকন করিয়া নিজ অংশভূত জীবটাদিকে পুনর্বার সংসার- অত্যাস বিনাও স্বত যােগসিফিল আছে বলিয়া সর্বত্র সব স্থিতির উদ্দেশে প্রেরণ করিলেন। রুদ্র তাহাদিগকে বলিলেন,- দেখিয়া থাকেন , শঙ্করাদিই তাহার দৃষ্টান্ত। একাগ্রতা নাই তােমরা অস্বস্থানে গমন কর এবং আয় কিয়ৎকাল কলত্রাদির বলিয়া আমি অগ্রগত এবং সঙ্কলিত বস্তুর সিদ্ধি লাভ করিতে সহিত অবস্থান করিষা ভােগবাসনা চরিতার্থ করত আমার নিকট পারিতেছি না, কারণ, যে সঙ্কলিত ও তদন্য বস্তু উভয়ই আগমন করিও। ১-৪। এবং আমার অংশে মদীয় পুরভূষণ আশ্ৰধ করে, সে উভয় ভ্রষ্ট হয়। আর যে ব্যক্তি একনি, গণস্বরূপ প্রাপ্ত হইবে। তাহার পর মহাপ্রলয়কালে যখন এই তাহার সকল অভিমত সিদ্ধি হয়। কেননা, দক্ষিণদিকে গমন জগদাতাসের ক্ষয় হইবে, তৎকালে আমরা সকলে সেই পরমপদ করিতে করিতে কে কোথায় উত্তরদিকে গমন করিয়া থাকে ? প্রাপ্ত হইব। এই বলিয়া ভগবান্ রুদ্রদেব তথা হইতে অন্তর্হিত সক্ষাের্থপরায়ণ ব্যক্তিগণই সক্সিত বিষয় অবত ছেন, হইলেন এবং সকল সুদগণের অন্তঃস্থিত সংসারদর্শনকারী সাক্ষি যাহারা অগ্রগত বিষয়পরায়ণ, তঁহারাই অগ্রগত বিষয় অবগত চৈতন্যরূপ ধারণ করিয়া তদন্তরাল জীবটাদি সংসারসমূহের আছেন, কিন্তু যে ব্যক্তির অগ্রগত বিষয়ে বুদ্ধি, সে যদি সঙ্কল্পিত প্রত্যেকে গমন করিলেন। তখন সেই সকল জীবট ব্রাহ্মণাদি স্ব স্ব বিষয় লাভ করিতে অভিলাষী হয়, তাহার একনিষ্ঠতা না থাকায় স্থানে গমন করিলেন। তথায় আপনাদিগের কলত্রাদির সহিত নে উভয়ই হারায়। সেই জন্যই সেই ভিক্ষুঞ্জীব একনিষ্ঠ সংসার-ভােগ করিতে লাগিলেন। এইরূপে কিছুকাল ভোগ করিয়া ছিলেন বলিয়াই রুদ্রত্ব লাভ করত সৰ্বাত্মতা ও প্রসিদ্ধ রুদ্রদেবের দেহাবসানে রুদ্রলােক লাভ করিয়া উৎকৃষ্ট গণমধ্যে সন্নিবিষ্ট হই- সর্বজ্ঞতা লাভপুর্বক সকলই প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। উহার অদৃশ বেন *। কোন সময় তাহাদিগকে তারকাকারে দেখা যাইবে (দেখা একনিষ্ঠা ছিল বলিয়াই তাদৃশভাবাপন্ন হন, নচেৎ হইতেন না। গিয়া থাকে)। ৫। বাম কহিলেন, জীবট ব্রাহ্মণাদি সকলেই সে যে অন্তৰণ্ডী জীবটাদিতাহারা ভিক্ষুর সঞ্চলােৎপন্ন জীব বটে, ভিক্ষুর সঙ্কল্প হইতে সমুদ্ভুত, তাঁহারা কিরূপে সঙ্কল্পাকার সম্পন্ন কিন্তু তাহারা যখন প্রত্যেকে ভিন্ন হইয়া পৃথক পৃথক জগতে অৰ- হইয়াও সত্যত’ব প্রাপ্ত হইলেন? কারণ, সঙ্কতি বিষয়ের আবার স্থিতি করিয়াছিলেন, তখন তাহারা রুদ্রন ব্যতিরেকে পরস্পর সত্যতা কোথায় ? বশিষ্ঠ কহিলেন,-(তুমি) অধিান চিদংশে দর্শন করিতে পাবেন নাই। সেই রুদ্রের ইচ্ছামেই জীবের যে অধ্যও অংশ, তাহাতে সালিক সভ্যতাকে বিবেক সাহায্যে ভেদ জ্ঞানসম্পন্ন অপ্রবুদ্ধ জীবগণ উৎপন্ন হইয়া থাকে এবং ত্যাগ কর। কারণ, সেই সদসংসংৰতি সাঙ্করিক অর্থে যাহা তাহার ইচ্ছায়ই জীব তদীয়রূপ প্রাপ্ত হয় এবং এরূপধারীও (সদতিরিক্তরূপ) পর্বে বা উত্তরকালে তাহা নাই জানিবে, অর্থাৎ হয়, কিন্তু এই সংসারে আমি বিধ্যার, আমি পণ্ডিত, ইত্যাদি তাহার অস্তিত্বই নাই , তবে যে অস্তিত্বের উপলব্ধি হয়, তাহার জীবের নিজ নিজ ইচ্ছা ও একাগ্রতার সাফল্য অর্থাৎ সে বিষয়ে কারণ ব্ৰহ্মপদ সৰ্বাময় , তদৰিষ্ঠানভূত (অর্থাৎ সালিক অর্থের জীবের নিজ ইচ্ছা নিজ একনিষ্ঠাই হেতু এবং ভাহাতেই জীব অধিষ্ঠানত) সেই সৰ্বাত্মময় ব্ৰহ্মপদের সানিবন্ধনই উহার নিজের খানের অর্থাৎ একাগ্রতার সাফল্যের দৃষ্টান্ত দেখাইয়া অন্তি উপলব্ধি হইয়া থাকে এবং তাহাতেই ভােগকারীর অদৃষ্ট থাকে, অন্য জীবের এই প্রসিদ্ধ ক্রিয়াস্থিতিতে অর্থাৎ সেই সেই উদ্বোধিত সাঙ্করিক অর্থের ক্রিয়াসমৰ্থ্য পরিদৃষ্ট হয়। স্বপ্নে বা ব্যবহার অবস্থাবিষয়ে ঐ ভিনুসৃষ্টিই দৃষ্টত। জীব আপনার মানসসঙ্গে যাহা দৃষ্ট হয়, সে সমস্ত সর্বকালেই সেই অধিষ্ঠান ধ্যানধারণাদি যন্ত্রানুসারে ( আপনার যাহা যাহা ই অর্থাৎ ) সংচিংস্বরূপ ব্ৰহ্মাত্মক হইয়াই দেশকালাত্মক স্বরুপে যেন দেশ এক বহুত্ব, মূত্ব বা পাণ্ডিত্য, দেবত্ব কি ন সমস্তই দেশ কাল অরে গমন করিয়াই সেই অধিষ্ঠানে বিদ্যমান রহিয়াছে। (এখন ক্রিয়াদির ক্রমানুসারে বা যুগপৎ (যথেচ্ছভাবে ) সম্পাদনে দেশান্তর গমন করাই কি? অহা বলিতেছি শ্রবণ কর। যেমন সমর্থ। ৯-২৫। অহাৰ হেতু যে, জীব মা ব্রহ্মস্বরূপ দেখ, একদেশ হইতে দেশান্তার গমন মনচাদির পুটুতা দিন বলিয়া অনন্ত, সেই জন্যই জীবের সর্বশক্তিশালি ও আছে, আর আদিকাল ও সুজিবেকার্দি উপদেষ্টা পুরুষ প্রভৃতি কারণকলাপ যখন জীব এক এক দেহাভিমানরূপ অন্তু অর্থ পরিচ্ছেদবিশিষ্ট তিরিক্ত লব্ধ হয় না, সেইরূপ স্বয়ও আগ্রনথিতে স্বল্পায়- তখন উহার এককাৰ্যমত্রে শক্তি আছে, শক্তি স্বভাবানু- স্থায় সেই চিতিরিক্ত লব্ধ হয় না। চিন্তের কোন সঙ্কুশ বাসনার সারেই জীবের তৎ কাৰ্য্য স্বভাব ব্যবস্থিত জানি,ব। প্রাণ- দিগের কর্মানুসারে স্বর্গরাদ অনর্থ সহ বিধাতৃরূপে সৰি * বশিষ্ঠের উপদেশকালেও শহরা সংসারে ছিলেন, কাশ এবং সর্বপ্রাণিসংহারে প্রয়াস্বরূপে সাঙ্কোচ অগণীখর এই অত ভবিষ্যৎ নির্দেশ হইলেন। এই অর্থ করিলে পরের অহিংস্র অর্থাৎ হিংসাযুক্ত বৈষম্য-নৈণ্য-দো। কারণ, সহিত বিসম্বাদ ঘটে না, ভবিষ্যৎ করিয়ে তারকাকারে দৃষ্ট এই জীবসমূহ বাহা ইচ্ছা করে, তাহাই সেই ইচ্ছানুসারী হইলেন, এই পরে বর্তমান প্রয়ােগ করিতে হয়। চিলার সক্ষমাত্রেই সম্পন্ন হইয়া থাকে। তিনি কাহার ওকছু নির্বাণ-প্রকরণ-পূভাগ ৪৯৩ ০ অনিষ্ট করেন না। ধ্যানধারণালি ফঞ্জে স্বেচ্ছানুসারে যথায় এ নহে)। আভাস জীবমাত্রের মৃত্যুরূপ যে হিঙি, তাহা অশিতি, একজগে ও নানারূপে টে। সেই খাবারলি চিকাপেই আকৃতিলাভ করিয়া থাকে। এই এই সংসার এভাবেই কত যােগিনীগণ ও যৌগিগণ ও দেশকালানুসারে খণ্ডকে পৃথক করিয়া পরে এক হইয়া থাকেন। (সকল জীবেরই শ্রণিীগণের প্রতি অনুগ্রহ বা নিগ্রহ ক্রীড়াশি আধিকারিক মরণকালে উদ্বুদ্ধ কৰি গল্পের ব্যয় অস্বরূপে মােক মেহদি কল্পনায় অবস্থান করিয়া থাকেন। যােগিগণ যে ইহলােকে পৰ্যন্ত আভাত হয় মাত্র। সুতরাং সকল জীবই মৃত, পৃথক যাহা ক্রিয়া সম্পন্ন কৰি স্বগৃহে ৰা অত্র যা ইচ্ছা তথায় নানা কিছু দৃষ্ট হয়, অহা অগ্নকলসকল দেহী এই ভিনুর আকার ও খাদি পরলােকে যুগপৎ এর ভোর ঘরবস্থান করেন, ন্যায় অপরিচ্ছিন্ন হইয়াও মােক্ষ গন্তু দেহে পৱিচ্ছিন্ন হইয়া তাহাঅনেক অনেক প্রকারে সৃষ্ট হইয়াছে। দে, কাউৰীধা- আকুলভাবে অবস্থিতি করেন। হে রাম। আমি এই ভি উপা- জুন গৃহে অবস্থিতি করিয়ও বােগভাবে তস্করদি অসাধু- | খান এরা তােমাকে সকল জীবের তত্ত্ব বলিলাম। হে রাম। দিগের সন্নিধানে আবির্ভূত হইয়া ভয় প্রদর্শন করত শাসন সকল সেই পূর্ণরূপ পরম ব্ৰহ্ম হইতে পন্দিত হইয়া উৎ- করিতেন। ২৬২১। বিষ্ণু ক্ষীরসমুদ্রে অবস্থান করিয়া পৃথিবীতে পন্ন, কেবল যে ভিক্ষু, তাহা নহে। সকল জীবই মােহ হইতে অনাদি পরিগ্রহব্যবহার করিয়া থাকেন, যােগিনীগণ স্বর্গলােকে মােহারে গমন করিতেছে, ইহা আমাদিগের প্রতিদিন স্বপ্নে যােগিনীগণমধ্যে বিরাজিত থাকিয়াও ভূলোকে পশুপেয়াদি অনুভসিদ্ধ। প্রস্তরখও যেরূপ উচ্চ পর্বতশিখর হইতে উপহার গ্রহণ করিবার নিমিত্ত গমন করেন। দেখ, দেবরাজ পরিভষ্ট হইয়া ক্ৰমশঃ অধঃপতিত হয়, সেইরূপ জীবও পরশ স্বর্গ-সিংহাসনে উপবেশন করিয়া যজ্ঞে অবনীতে অবতীর্ণ হইয়া হইতে পরিভ্রষ্ট হইয়া এই স্বল্প দর্শন করত মােহ হইতে থাকেন। ভগবান্ অনার্দন এই যুগেই (রামাবতারে জনখানে মােহান্তরে গমন করে এবং এক স্বপ্ন হইতে পুনরায় স্বপ্নান্তরদর্শন চতুর্দশ সহ রাক্ষস-নিধনকালে) স্ব এক হইয়াও করিয়া থাকে। এই স্বপ্ন হতে প্রান্তরে পতিত হইয়া মায়ায় সহমূর্তি ধারণপূর্বক (রাক্ষসগণকে নিধন করিতে) পূনরায় একরুপে অর্থনীভূত হইলেও জীব কখন কখন স্বয়ং কুত্রাপি বা কোন অবস্থিতি করেন, এবং পুনরায় শত শত ভক্ত নরদিগকে তাহা- কারণবশতঃ এই (মিথ্যাভূত) জন্মদি দুঃখ যে মিথ্যা, তাহা দিগের প্রণতিতে তুষ্ট হইয়া প্ৰণিপাতগ্রহণে অনুগৃহীত করিবার দেখিতে পায় অর্থাৎ বুঝিতে পারে। অতএব জীবের দেহনামের জন্য মনুষ্যবিগ্রহ ধারণ করিবেন এবং কুরুসভায় দুৰ্য্যোধনাদি | প্রতি যে “অ” অর্থাৎ অহং অভিমান (আত্মাভিমান) তাহাই সকলকে মােহিত করিবার অন্য একই সহরূপে প্রাদুর্ভূত বন্ধন , আর স্বাত্মলাভই মােক্ষ। রাম কহিলেন,—আছে। হইবেন। সেই ভগবান অনাৰ্দনই এক হইয়াও অংশাবতার লীলা জীবের কি বিষম মােহই হইয়া থাকে? যেরূপ অল্প পরিশ্রম- দ্বারা জগতের স্থিতিবিধান করিয়া থাকেন। রাজৰি নিমিরাজ যেরূপ দিতে নিদ্রিত , সুতরাং সুষুপ্রিমুখে বঞ্চিত হইয়া জীব বিদেহতা প্রাপ্ত হইয়া একাই সর্বপ্রাণিগণের নেত্রে বাস করত স্বপ্নে মায়ায় অতিশয় ভীষণ দুঃসঙ্কটে পতিত হয় ও তাহাই একসময়েই নিমেল সম্পাদন করিতেছেন , (তাহাতেই নিমেষ নিয়ে বলিয়া বুৰে। জীবও সেইরূপ নানা আকারবিকার-উৎপা- নাম হইয়াছে)। ভগবানও সেইরূপ নিমেষের ন্যায়, এক হইয়াও দিনী মিথ্যাজ্ঞানরূপ কােরবাশিনীস্বরূপা মায়ায় অভিভূত হইয়া ঘােড়শ সং মূর্তিতে একসময়ে বােড়শ সহ কান্তাকে উপভােগ বিবিধ ভীষণ দুষসঙ্গটে পতিত হয় এবং ইহাই আশ্চর্যের করিবেন। এইরূপ সেই ভিক্ষুসঙ্কল্পভুত জীবট ব্রাহ্মণাদিগণও বিষয় যে, তাহা নিজেও সত্য বলিয়া বিবেচনা করে। রুদ্রের অনুজ্ঞায় সঙ্কলিত পুরীতে (ভিক্ষুর সঙ্গলপুরীতে) হে ভগবন। জগৎস্থিতিবিষয়ে আপনি যাহা বলিলেন যে, সকলই গমন করিল। তথায় বহুকাল ভােগ করিয়া রুদ্রপুরীতে উপনীত সর্বত্র সর্বদা সম্ভবপর, তাহা আমার অনুভবে আসিতেছে , হইবে এবং গণরূপ লাভ করত দিব্যপরিচ্ছদে ভূষিত হইয়া কিন্তু এইরূপ গুণবিশিষ্ট হইয়াও জীবটাদি মােহাত্মা কোন ভিক্ষুক অবস্থান করিবে। সেই সকল গণ রুদ্রের সহিত মহামহারত্বস্তবক- সত্যই কোথায় আছে? কিংবা আমাকে বুঝাইবার জন্য কল্পনা বিরাজিত প্রফুল্লনবকল-লতাগৃহে নানা লেকে ও কৈলাসবৈকুঃ করিয়া বলিলেন? ইহা অন্তরে যােগদৃষ্টিতে দেখিয়া আমাকে ব্ৰহ্মলােকালি শিবপুরীতে বিহার করত বিবিধ গীতবাদ্যনাট্য- শীল্প বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, যদ্যপি আমি তােমাকে ইহা কল্পনা কুশল বিদাধরীমধ্যে দেবগণকর্তৃক নমস্কৃত হইয়া মরণবিনাশন করিয়া বলিয়াছি, কিন্তু তাহা আমি অন্তরে যােগবলে দেখিয়াই সুধাপূর্ণ চন্দ্রকলা শেখরে ধারণপূর্বক শিবের স্থায় বিরাজ যখন কল্পনা করিয়াছি, তখন তাহা মিথ্যা হইবার নহে, আজ করিবে। ৩০-৩। রাত্রিতে আমি সমধিস্থ হইয়া এই ত্রিভুবনরূপ মঠ পর্যবেক্ষণ চতুঃষষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৬৪। | পূর্বক কল্য প্রাতঃকালে তােমাকে বলিব, কোথায় এইরূপ ভিক আছে কি না ? বাল্মীকি কহিলেন,-মুনিবর বণিক এরূপ কহিলে ওদিকে বহির্ভাগে (সঙচক) প্রলুব্ধ মেগনগন্তীর মধ্যাহ্ন ডিখিলি উদ্ভূত হইল। তখন সজল নৃপতিবর্গ ও পঞ্চবতিতম সর্গ। পৌরগণ সেই মুনিপুৰ বশিষ্ঠের চরণতলে পুস্পাঞ্জলিপরম্পরা বশিষ্ঠ কহিলেন,—সেই ভিকু যদি আপাতত স্বীয় মনােমথ্যে প্রদান করিলেন। ওংকালে তাঁহাদিগের অনিলালোলিত পুস্বর্ণণ উক্ত প্রকার ভুম চিন্তা করিয়াছিলেন; কিন্তু সেই ভকে নিজের কারি-তরুয়ারি স্যায় শােভা হইল। সকলেই মুনিশ্রেষ্ঠগণকে প্রাক্তন ও কবিত্ব গৰিয়া গহার লকালে স্বা। পুজা করিয়া আপন আপন আপন হইতে উখিত হইলেন। হইতে পূখকঃ কত বিশেষজ্ঞপে ( আয়বজিরিত) দর্শন এইরূপে এণমপম্পার সহিত স ল হই। পূর্বদিনের মত মিছেছিলেন। * (বাস্তবিক উহাও আইতে অণুমাত্রও সমস্ত খেজুরগণ স্থানে গমন করিতে লাগিল এবং সকলে ।
১০ যােশবাশি-রামায়ণ আহ্নিক ধৰ্মকৰ্ম যথাক্রমে সাদয়ে সম্পন্ন করিতে লাগিলেন। এই করে এই মৰিত ভিীয় ভিক্ষু, তৃতীয় আছেন কিনা? অখিল খেচর-ভূচর জীবগণ সেই মুনিবর বশিষ্ঠপ্রেক্ত জ্ঞান তাই আমি দানীং উপলব্ধি করিতে পারি নাই। আমায় চতুর অভ্যাস করিতে করিতে ক্ষণকালের ন্যায় রাত্রিযাপন কমিল হন অলির স্যায় এই অপরূপ পদ্ধে ভ্রমণ করিল, তথাপি আমি এবং অসুখ হইতে পূনরায় রামক জিজ্ঞাসিতবিষয়ের উত্তর ঐ মনের সাহায্যে তাদৃশ তৃতীয় ভিন্তু এই সৃষ্টিতে যে প্রণে ঔৎসুক্যলিল তাহাদিগের নিদ্রাও হইল না, রাজি করিয়া পাইলাম না। অনন্ত, আমি শীলাক্রমে এই সৃষ্টি হইতে প্রভাতের অপেক্ষায় তাহাদের নিশা কেন কলের ন্যায় দীর্ষ বােধ অন্যান্য বৃষ্টি দেখিলাম, আহাতে আকৃষ্ণ তৃতীয় ভিক্ষু বর্তমান হইতে লাগিল। এরূপে তাহারা কোন প্রকারে রাত্রিযাপন করিল। দেখিতে পাইলাম। চিলাকাকোযে মান সেই হাতে পরে প্রভাত হইলে যখন লোকে স্বস্বকার্যে ইতস্তত গমনাগমন দেখিলাম, তৃতীয় ভিক্ষুও বর্তমান এবং এত্য ৰক্ষার নিশ্রিত করিতে লাগিল, তখন সকল খেচর-ভূচরপ্রাণিবৃন্দ মহারাজ ! সৃষ্টিতে এই সৃষ্টির মত ভুবনসন্নিবেশ রহিয়াছে। এইরূপ সমস্ত সুখের সভায় উপনীত হইয়া পূর্বদিনৰৎ পুনরায় ব্যাখ্যানশ্রণো- 'সৃষ্টি-পরম্পরাতেই তাদৃশ তাদৃশ সন্নিবেশ এবং সমস্ত পদার্থ টিত সভাসন্নিবেশের ক্রমরচর উপবেশন করিল। -২০। বর্তমান সৃষ্টির সদৃশ বিরাজমান। এই সর্গে বে যে মুনি ও যে পঞ্চমষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত।৫। যে ব্রাহ্মণ বা তাঁহাদিগের বাশ আচার, ভবিষ্যৎ সৃষ্টিতেও তাদৃশ হইবে, অনেকবার হইয়া গিয়াছেও হইবে। এই ভিক্ষুর আর আমার ও আমার আমার মত আমার এবং তা মুনির ন্যায় মুনিগণের আচার ও নুি আচারও হইবে। সেই যষ্টিতম সর্গ। সৃষ্টিতে ঐ নারাও হইকেন, আর ঐ ভিক্ষু ও অঙ্গ হইকেন বাল্মীকি কহিলেন, মুনিবর বশিষ্ঠ ও বিশ্বামিত্র প্রভৃতি মুনি- তাহারও ইহার স্যায় ক্ষানচৰিত্ৰ হইবে। এবং তাদৃশ ভূরি ভূরি গণের সহিত খেচর সিন্ধুবর্গ সভায় আসিয়া উপবেশন করিলে, পরে অন্য ভিও হইবেন। এইরূপ সমস্তই জম্মদি হইবে, এইরূপ নৃপতিবৃন্দ এবং তৎপরে সামন্তপ্রমুখ অন্যান্য সকলে উপবিষ্ট ব্যাসও হইবেন, শুকও হইবেন, শৌন, ক্রতু, পুলহু, অগত্য, হইলেন। অনতর রাম লক্ষণ অসির সেই সভায় আসীন হইলে ভূত বা অজিরা সকলেই হইবেন, যেরূপ ইহারাও হইবেন, সেই সকলে নিস্তব্ধ হইল, তখন সেই রাম-লক্ষ্মণাধিষ্ঠিত সমবিন্তার রূপ অন্যান্য সকলেও হইবেন। ১১। তাঁহাদিগের রূপ ও সভামণ্ডপ নিত নিষ্কল পাক সরােবরের ন্যায়, সৌম্যতাৰ কাৰ্যাদি এইরূপ হইবে। এরূপ যে একবার তাহা নহে, বহুবার ধারণ করিল। অনন্তর মুনি বশিষ্ঠ কাহারও বাক্য বা প্রশ্নের হইবে, চিরকালই এইরূপ হইয়া আসিতেছে ও চিরকালই হইতে অপেক্ষা না করিয়াই (পূর্বতিজ্ঞনুসারে) বলিতে আরত্ত থাকিবে, কারণ মায়ার এরূপই প্রসার ও প্রাদুর্ভাব। যতদিন এই করিলেন, কারণ শাখুগণ কালু বলিয়া স্বরত হইয়াই বল মার প্রাদুর্ভাৰ থাকিবে, ততদিনই সমস্ত হইতে থাকিবে। পূর্বক বুঝাইয়া দেন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাজন! হে রঘু সমুদ্রে তরঙ্গের ন্যায় সৃষ্টি-পরম্পরায় সমস্তই বারবার বিবর্তিত কুরূপ আকাশের শক রঘুনন্দন। গত কল্য আমি জ্ঞাননের হয় অর্থাৎ গমনাগমন করে, করিবে ও করিতেছে। আহাদের যোগে সেই ভিক্ষুর বহুক্ষণ ব্যাপি অন্বেষণ করিলাম। পরে বউ মধ্যে কোনটা বা একেবারে সম্পূর্ণ সদৃশ হয়, কোনট বা অর্থসদৃশ কশ আমি কোথায়ও তাদৃশ ভিক্ষুককে না পাইলাম, ততক্ষণ আমি ক্রয় হয়, কোন বা ঈষৎ সদৃশ হয়, কতকগুলি বা একবারে তাশ ভিক্ষুর দর্শনাভিলাষে সখীপ ও কুলাচলপৰ্বতাজি- বিসদৃশ। মায়। এই প্রকারে মহৎব্যক্তিদিগকেও মােহিত সমন্বিত সমস্ত পৃথিবীমণ্ডল বহুক্ষণ ব্যাপিয়া (বােগলে) ভ্রমণ করিয়া মােহিনীরূপে বিস্তৃতা রহিয়াছে। (উহার প্রভাবে ক্ষণ করিলাম এবং লবিতে লাগিলাম, কেমন করিয়া মনোজ কানের মধ্যে মানসচেষ্টা ও 'হােচিটারূপ কর্ম না হই (অর্থাৎ মনঃকলিত) বাহিরেও উপলব্ধি করিতে পারি। এইপে কেবল আমাদের প্রতিপত্তির (জাতিরই একাশ হইয়া থাকে) রাত্রির দ্বিগ উপস্থিত হইলে পর পুনরায় আমি সমাবিলে উত্তর- অর্থান্তর। হে অন। সেখ, নিরব কালস্বরূপ একক্ষণের দিকে সমুদ্রের বেলার ঝায়, বায়ু যেমন সমুদ্রমধ্যে প্রবাহিত হয়, মধ্যে ইচ্ছারূপ মানসচেষ্টাই হইতে পারে না, শারীরিক চেষ্টার তাদৃশ মনােগতিতে গমন করিয়া মনে মনে দর্শন করিয়াছি।যন্ত্ৰীক ত কথা কি? কেবল ভ্রান্তিই প্রকাশ পায়। ভিচরিত্রে তাহার নামক জনপদের উপরিভাগে ঝিন নামক এক প্রসিদ্ধ মা - শষ্ট উদাহরণ দে! একবিংশতি হােৱাত্ৰই বা কোথায় ? পদ আছে, তথায় বিহার-নামক এক বন্ধনে আশ্রয় স্থান আছে। আর অনন্ত জীবটারি আকৃতি বা তাহার সমাধিই বা ১৮। ভৰায় এক ফুটায়ে দীর্ঘশনামক এক কপিলকে সমাবি কোথায়? (অর্থাৎ একবিংশতি দিনের মধ্যে অনন্ত জীবটাদি নিয়ত মুনি আনে, তিন ফুটীয়বারে দৃঢ়রূপে অর্গল বক্ত শরীরপ্রাপ্তি অসত্তব। অতএব মনের গতি কি ভয়ানক। করিয়া সমাধিময় আছেন। এইরুপে একৰিতি দিবস অতীত যেরূপ জলের উপরিভাগে বিবিধমানালি কোলাহল- হাছ, পাছে তাহার খান ভঙ্গ হয়, এই ভয়ে এমন কি প্রিয় সমন্বিত কাল বিকশিত হয়, সেইরূপ এই বে বিবিধ কলহ- ভূতগণ্যন্ত সেই কুটারে প্রবেশ করে না। আর নিয়ন্তা বিধাতজ ফােল কোলাহল-সছুল অাৎ বিকশিত রহিয়াছে, ইহা কেবল বিধান আর সেই ভিকু বিদেহকৈল্যের চরম সাক্ষাৎকার ঐরূপ (ক্ষে)প্রতিমাত্র। যেরূপ বছিলা হইতে খি- লাতে উদ্দেশে দেহত্যাগ করিকেন, এইরূপই ফিতার নিয়ম। সমুজ্জ্বল মহাগির উৰহইয়া থাকে, জপ সেই পলি পদার্থ এইকালে খালি অবস্থায় তার একবিংশতি মত্রি এত সবেন বা নৈর এ হত এই হইয়াছিল। অচিত্তে সেই ভিণত সবসর বর্তমান আফসার উত হইয়াছে ও হইয়া থাকে। এই ভিন্ন ছিলে রূপাতি কোন প্রাক্তন কাজেও বলিলেন, আমি মনে যেল হইয়াছিল, সেইরূপ ফল এবৰয় অন্তঃ নির্বাণ-করুণ-পূর্বভাগ। ; প্রত্যেক অপরূপ প্রতিভাসখত সমূদিত হইয়া থাকে। সেই থাকে। পরমাত্মাই অবিবেকদিন জীবত্ব প্রাপ্ত হন এবং সেই সেই খণ্ডভ্যন্তরে যে জীৰখণ্ড সেই জীৰ এণ্ডভ্যন্তরে যে পরমাত্মাই এই সময় দীর্ঘশ্বথ হইতে গায়ে উপনীত হন; বিচিত্র জগও উদিত হয় ও হইয়াছে, তাহা মায়াটির বিৰেকে সমই চিত্র আঘাতে পর্যবসিত হয় ও সেই ৰি কাৰ্য, (বৰিক উহার অস্তিত্ব নাই। সেই প্রথম ও বেকে এতিভাসমান জীবরূপ আত্মা তখন (স্ববিবেক উম) গন্তৰ্গত সমস্ত খও পরস্পর ব্যবহারদৃষ্টিতে মিথ্যাভাবাপন্ন সমস্তই আত্ম, ইহা দেখিয়া থাকেন। যে যাহার প্রতিস, তা কারণ সেই সর্বব্যাপী সর্বাত্মা কারণের কারণ খৰধে জাগ্রতা লাভ করে, এব এই জীব সেই আর চিংসতৈকর বই রুপে প্রতিভাসমান। অতএব এতিতাস, জহা বােধ জমিলে সেই সুবােধ আকাছেই শ্য- যখন বােধে অভাব পরিহার ঘটিবে, তখন আর কিছুই সত্য বসিত হয়; অবােধশত সেই আত্মাই করবনগুলিসমতি বলিয়া ভাবুকি থাকিবে না। ২২। সাররুপে প্রকাশিত হই থাকেন। ১-১। ভান্তিই প্রাণি গণের প্রত্যেক সংসারও প্রকাশ করিয়াছে। তিমুর স্বপ্ন বটুমি সর্গ সমা।। যেরূপ জলের আবাণিবিভাগসা বর্তমান, দ্রুপ উহাও জানিবে। যখন সমষ্টিভূত হিরণ্যগর্ভ ব্রহ্মার মনােমাত্র নির্মিত এই স্যাপার স্বপ্নই হইতেছে, তখন টিজীবেরও তাহা সপ্তষ্টিত বর্গ। তাদৃশ স্বপ্নক হইতে পারে, কিন্তু চিত্তের স্বচ্ছতা না থাকায় মহারাজ দশরথ বশিষ্ঠের বাক্য এবণপূৰ্ব্বক বলিলে, সকল লােকের ভাশ অস্বচিত হইতে ঘাহা উখিত হয়, তাহা হে মুনিনায়ক। আমার প্রেরিত এই সকল মন্ত্রী প্রভৃতি স্থির সত্যের ন্যায় অবভাসমান হয়। আর চিত্তশুদ্ধি হইলে অধিকৃত লােক সেই কুটীরমধ্যবর্তী ভিক্ষুককে সমাধি হইতে পিতামহ ব্রহ্মার গায় সকল স্বপ্ন বিলাসবৎ অসত্যরূপে আভাত উখিত করিয়া সত্বর এখানে আনান করুক। বশিষ্ঠ কহিলেন, হয়। তাদৃশভাব হইলেই জ্ঞান হয় যে, ঐ ব্ৰহ্মই প্রত্যেক ভিন্ন রাজন। সেই মহাভিকুর দেহে এখন প্রাণ নাই, প্রাণস্থিতিহেতু ভিন্ন স্বরূপে ব্ৰহ্মাণ্ড কোটির ন্যায় কোটি কোটি হইয়া উচিত আরসাদি ভাগ শুক হইয়া বিবর্ণতা প্রাপ্ত হইয়াছে, এশে হইয়াছেন ও হন এবং তাহাই স্থিরীকৃত হয়। এই জীৰ ব্যক্তি- ঐ ভিক্ষু সজীব নহে। সেই ভিক্ষুর জীবন ব্রহ্মার হংসত্ব প্রাপ্ত প্রপঞ্চরূপে, সমষ্টিপ্রপঞ্চরূপে, সাধারণপ্রপঞ্চপে বা প্রত্যেক হইয়া জীবপদে অবস্থিতি করিতেছে, এখন আর সেই অসাধারণ প্রপঞ্চরূপে যেরুপেই স্কুরিত হউক না; তথাপি হয়ে ভিক্ষু সংসার নাই। (অতএব আমি সঙ্কল্প করিলে আর প্রতিভানসমর্থ যে দীর্ঘ বিভ্রম অবলােকন করে, তাহা স্বল্পবং মিথ্যা তাঁহাকে উজ্জীবিত করিতে পারি না, কারণ দেহভােগ্য প্রারব্ধ জব্রহ্মবিশ্বাসরূপ জ্ঞান হইতে বিচ্যুত হইয়াই অর্থাৎ তাহার থাকিলেই আমার সঙ্কল সিদ্ধ হইতে পারিত)। একমাসকাল আবরণনিবন্ধনমাত্র কারণেই চিং সভাযাত্রকে আশ্রয় করিয়া কুটারের অর্গলমুক্ত করিও না,ভিক এই নিষেধ করায় তদীয় কোন দেবনরভিখাদিদেহে জরা, মৃত্যু দুঃখের ভান হইয়া ভৃত্যগণ তাঁহাকে দেখিতে ইচ্ছুক হইয়াও অন্তরালে অবস্থিতি থাকে। সেই স্বপ্নে বিচিত্র সুতলিনী জীবচিৎশক্তি নিজের করে, পরে মাসান্তে ভূতগণ বলপূর্বক অর্গল মােচন করিয়া চিন্তাংশের স্পন্দনমাত্রেই অধােভাগে পাতাল কিংবা উলােকে হাকে দেখিবার অন্তরালে অবস্থান করিতে লাগিল।১৪। স্বর্গ (নিরস্তর নির্মাণ করত তাহ) লেগ করিতে থাকে। তাহার পর মান্তে ভৃত্যগণ সেই ভিক্ষুর দেহ সেই কুটীর পরমাত্মচিৎই প্রাণবলনায় তদধীন শরূপিণী হইয় আহাতে হইতে বহিস্কৃত করিয়া জলে নিক্ষেপ করে। ভয় ভক্তবৃন্দ জীব নাম গ্রহণ করত আত্মায় দেহাকার প্রাপ্তি ও বহির্ভাগে গমন সেই কুটীরে সেই ভিন্ন পূজাদি ব্যবহারবন অ ভক্তমন করিয়া বিষন্নাকায় বিভ্রম হরণপুৰ্ব্বক বিলুষ্ঠিত হন। প্রত্যাশায় কল্পিত দৃঢ় বলি। অনুন ভনীয় প্রতিমূর্তিস্বরূপ এক শিলাপ্রতিমা কি চিতরূপ উপাধিস্বরূপ ভ্ৰাতিমাত্র অপরাধে পরমাত্মাণ প্রতিষ্ঠিত করিল। এই প্রকারে সেই ভিক্ষু দেহমুক্ত হইয়া হে ? কিংবা পরব্রহ্ম সেই কি প্রত্যাগাত্ম হইতে জ্ঞি ? নগণে বর্তমান, অতএব কি করিয়া সেই প্রাণচেষ্টাদিব্যাপার মুখের প্রতিবিম্ব পড়িলে কি মুখের মুখত্ব যায় প্রতিবিম্ব হইতে দেহ বধিত হইবে? (প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দিয়া তখন মুখ ভিন্ন হয় ?প ঔপথিক জীৰ নাম বা দেবতাদি মেহলাৰ বটি প্রস্তুত প্রকৃত কথা বলিতে আর করিলেন, ৰঙি কিংবা প্রাণবা চাদি ইন্দ্রিয় নাম থাণে কি পরমাত্মা বলে বলেন) এই গুণময়ী মায়া নিশোধ কারা অর্থাৎ ভ্রান্তিপরশৱ নহত (পরমেশ্বরত্ব) অর্থাৎ যোগ্যতা বা শ্ৰেষ্ঠতা যায়? বাসেই হেতু বিকেলশক্তিতে দুর্নিা, কিন্তু সভ্যাতবোধ অর্থাৎ নামের উপযােগীই হন না ? কিংবা সেই জীবদেহাদি নাম হইতে ব্ৰহ্মজ্জান হইলে তাহা যারা অনায়াসে ঐ মায়ায় নিলাস করা জিন ব্ৰহ্ম লি হইতে পারেন ? (অতএব উপাধিশেই পরমাত্মায় যাইতে পারে। ঐ মায়াই অস্তিত্ব হইলেও এই এ সকলই সম্ভব এবং এই ভ্রান্তিহেতু জীবনমরূপালিলে থাকিলেও রচনা করিয়াছেন। সুবর্ণের যেমন কটকতারূপ অভাব, ড্রপ ভিনি সেই পরমাত্মাই ও সফলই সেই পর। এর ব্যাস (ব্রহ্ম) প্রভিসের যে অভাপবিপন, তাহা হইলেই ও অধিষ্ঠানের অন্যথা ঘটে না, এইপক্ষের একতাই ঐ মামার বিয়ে নিবে। ৫। যে মায়া শত্রবিহিত পরম পুরুষাখ ফ)অতএব এইরূপ ঐক্যলে আগষ্টি তাহ হার কমাত্রে ৱত, সেই “বিকার মাত্র” ইত্যাদি ব্যবহারটিতে মেৰিলে আকাণে (আকাশে নিল) মহা ভিকথিত যাকে বিচার-টিতে দেখিলে মিথ্যা বলি অনুমিত আকাশেম, লেনিনবলের যায়, এংজপ ঝল্প পর হইয়া পরমাত অবস্থিত এবং পর্যবসিত হয়; এলা; ইয় উপৰিং, মাটিতে কথাই নাই। জালীর ঐ মায় (এ) নিমাই বিনষ্ট আরও দে, মুইতে যা পণ ভি, এন হাতে মু। ।
যোেগবাণিষ্ঠরামায় এভিবিষ্যতে দিতিতে বণিয়া ভ্রম হইতে পারে, কিন্তু এই ঐক্যকল্পনা রহিত চিদুই অবশিষ্ট অর্থাৎ পৰ্য্যবসিত হন। ঐ যে জীলােকে নিজ স্বারপৰে অভয় ব্রহ্ম, তাহারই মূর্তামূর্তরূপ চিদব্ৰহ্মরূপ চমগুলে সরূপ কলঙ্ক স্কুরিত হয়,উহা কলঙ্ক নহে, ফলে প্রতিষ্ঠিত আছে; অতএব দর্পণগত প্রতিবিম্ব গায় চিলন রহ্মেরই উহান শরীর, ইহাই চিনি। তুমি সেই দিন ইহার অভাভনের সম্ভাবনাও নাই, তথাপি বালক যেরূপ র্পণে অঙ্কের বিস্তীর্ণ পদে অবস্থান কর, সেই পূর্ণভাবে অবস্থান করিতে এ প্রতিবিলনে আতঙ্কে চমকিয়া উঠ, সেইরূপ অভয়ব্রহ্মে পারিলে সঙ্কলাদি সমস্তই সেই চিদঘন ৰহ্মের সহিত একস আস্থিতি লিয়াও যে জীব আর ভয়ের হেতু আছে ভাবিয়া এন্তিপূৰ্ব্বক পৃথক সত্তাও হই তােমার আত্মস্বরূপে সত্তা তীত ., ইহাই আশ্চৰ্য। ১০-১। অবােধর প্রতি হইবে। এই যুক্তি দ্বারা তুমি নিখিল বন্ধুর আত্মকরসতা সম্পাদক বুজিল্যই হেতু, বুদ্ধিম্পন্দন না হইলে অন্য বুদ্ধি হয় না, নির্দোষ বােধসার সম্যক্রুপে অবলম্বন কর। হে রাম। তুমি অতএব সমাধি অভ্যাস দ্বারা বুজিশন নিবারিত হইলে ভেদ- যদি চিদঘন ব্রহ্মপদে উপনীত হইতে পার, তাহা হইলে তুমি বুণি সংজ্ঞা এই বুদ্ধিতে লীন হয় এবং সেই বুদ্ধিও সঙ্কলকলঙ্কত চিচ্চবিশ্ব হইবে। তাহা হইলে তােমার ভাবা- পূর্ণ ব্ৰহ্মাকারে চরম সাক্ষাৎকার লক্ষণ পরিণাম দ্বারা ঘৃত যেরূপ ভাব পদার্থের লয় ঘটিবে। তুমি তখন ভব্য হইবে, তখন তুমি যে ত হইয়া প্রম্বলিত থিতে লয় পায়, দ্রুপ সেই প্রদীপ্ত স্বতঃ পদার্থকে স্পর্শ করিবে, সমস্ত পদাৰ অমৃতময় হইয়া যাইবে। একাশ ব্রহ্মে লর পাইয়া থাকে। তাহার কারণ চিৎশস্বরূপ (তখন তােমার আশ্চর্য্য মহিমা প্রকাশ পাইবে এবং আমার সেই সর্বাত্মা অক্ষে সে চিৎম্প প্রকাশ পায়, অহাই স্পন্দন বােধ হয়, এখন তুমি তাদৃশ ভাবাপন্ন হইয়াছ।) তুমি ভাষা- এশন ভূণাদি বলিয়া কতি, বাস্তবিক উহা কিছুই নহে, ভাবাদি কল্পনার হেতু চিন্ম গ্রহণ করিয়া অর্থাৎ ভবাভাবাদি কজিভমাত্র , অতএব এই অদুর্ভেদ্য জগৎ বােধমাত্রেই কিরূপে পরিত্যাগপূর্বক চিন্ময়স্বৰূপে উপনীত হইয়া চিহ্মের সমান বিলীন হয়, তাহার আশঙ্কা নাই; কারণ উহা অবাস্তব চিৎস্পন্দ উল্লাসৰিলাসের অন্তরে যথাখে বিশ্রাম লাভ কর। হে রাম! মাত্র। এ জগতে স্পন্দন অস্পন্দন কিছুই বাস্তবিক নাই, একত্ববা তুমি আনন্দ সমুদ্ৰনামক স্বরূপে অবস্থান করত অবগত হও যে, দ্বিত্ব হারও বাস্তবিক সত্তার অভাব, একমাত্র শুদ্ধ চিত্র- পদ অস্পন্দ, সঙ্কল্প বিকল্প ইত্যাদি যাহা কিছু চিত্তভ্রাস্তিভেদ, সব ব্ৰহ্মই একভাবে বিরাজমীন আছেন আনিবে। সার বিচার তৎসমস্তই সৰ্বাকারা নিবৃত্তি অর্থাৎ সুখকরা শান্তি সত্তাস্বরূপে আর নিখিল শব্দ ও তাহার অর্থ একরসস্বভাব বলিয়া জ্ঞাত হইলে বর্তমান। আর এই যে পূর্ণঅপূর্ণরূপ দশায়, তাহা একই সেই একমাত্র চিত্রই পরমার্থসভ ও তাহারই অস্থিত্ব, ইহা উপলব্ধি এষ, ইহা সম্যকরূপে ধারণা কর। ২৮-৩৬। হয়, তখন এই প্রপঞ্চ কিছুই নাই , এই জ্ঞানও থাকে না, ভাব সপ্তমি সর্গ সমাপ্ত ॥ ৬৭। জ্ঞানের ত কথাই নাই। ভেদজ্ঞানেই ভেদের উৎপত্তি, তাছাই এভির চিহ্ন, অতেলঙ্গান হইলে সমস্তই মন হয়, একমাত্র সেই পরমপদার্থ ব্ৰহ্মই অবশিষ্ট থাকেন। হে রাম! তুমি অবােধ অষ্টষষ্ঠিতম সর্গ। নিবনই নানা স্বরূপ হইতে অর্থাৎ অবােধবশতই নানাবিধ এই বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রামচ। তুমি মনের বিলাসিতা অর্থাৎ ভ্রমনে তুমিও নানারূপ ধরিতেছ, অবােথরূপ নানাত্ব যদি না দেখ স্বাভাবিক প্রভির অনুসারিতা পরিত্যাগপূর্বক সুষুপ্ত যৌন তাহা হইলে তুমি বােধস্বরূপে পূর্ণ চিদ্রপীই হইতেছ, এ বিষয়ে আশ্রয় করত সকল প্রকার কল্পনারূপমলমুক্ত হইয়া সেই পরম তুমি যাকে ইচ্ছা জিজ্ঞাসা করিতে পার। বাস্তবিক এইরূপই পল অবলম্বনপূর্বক অবিচলিতভাবে অবস্থিতি কর। রাম কহি, পরষার্থ, অতএব তােমার শমার বা অপরের সকলেরই পরম লেন,হে ব্ৰহ্ম। আমি বাজৌন (অর্থাৎ বাচষমতা, অক্ষ নিঃশঙ্ক সর্বদাই অক্ষুন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত আছে জানিবে।২২-২৭ মৌন (অর্থাৎ ইন্দ্রিয়সংযম) ও কাঠমৌন (অর্থাৎ কাঠের ন্যায় নিঃশঙ্কতার উদয় হইলে আর স্বপ্ন, জাগরণ, সুষুপ্তি, তুরীয়াবস্থা, নিঃস্পশভাবে অবস্থিতি) এই ত্রিবিধ মৌনই জানি, আপনি সর্ব- বল, মােক বা অন্যপ্রকার কল্পনা কিছুই থাকে না। অবােধবশত প্রকার যৌনবিষয়ে সমর্থ বলিয়া মেননশ হইয়াছেন, অতএব এই ইস্যর্শনাদি ত্রিপুটা অগং বলিয়া বিদিত হয়। যখন অবােধ এই সুষুপ্ত মৌন কি ? তাহা আমি জানি না, আমাকে উহা সত্য, তখন জহার শান্তিই (অর্থাৎ নিবৃত্তিই ) এক জগৎ নামে বুঝাইয়া দিন। বশিষ্ঠ বলিলেন, মুনিগণের মধ্যে মৌনী মুনি দ্বিবিধ, বর্তমান। কারণ সেই শান্তিই ব্যাপকতাস্বরুপ মৃধাতুর ব্যাপ্তি এক কাতপন্থী দ্বিতীয় জীবন্মুক্ত। ১৩। যিনি আপা- অর্থে নিষ্পন্ন যে অগং নাম, তাহাতে অর্থাৎ ভদ্যােপ্যতাম্র ব্যবস্থিত লােচনা ও সেই তত্ত্বানুভবরসবিরহিত বলিয়া নীল কুঞ্জ ইণিরূপ ত্রিপুট কোথায়? অর্থাৎ হার অত্যন্ত অর্থ- চান্দ্রায়ণালি ক্রিয়াতে দৃঢনিশ্চয় হইয়া অনুষ্ঠানৰ্যাসক্ত এবং সিদ্ধি, সুতরাং ত্রিপুঢ়ী কখন জগৎ হইতে পারে না। সক্ষ হঠাৎ ইন্দ্রিয়গ্রামজয়কারী(অর্থাৎ হঠযােগদি আরা ইন্দ্রিয় জয় হইতে চিন্তু প্রাণদিয় ন হয়, বেথের ঊয়ে যখন নিঃসঙ্কত করিয়া মৌনতাৰ ধারণ করেন সেই মুনি কাতাপস বা কাষ্ট- অর্থাৎ সঙ্কলের এতাব ঘটে, তখন স্পণও অস্পন্দ হয়, অর্থাৎ অপী। আর যিনি এখঃ যেরূপভাৰে হইতে হয়, চিরকালই কেৰ উনিত হইলে নিঃসঙ্কতা আখে, নিঃসঙ্গতা হইলে আর হইতেছে বুঝিয়া সেই যথার্থ ব্রহ্মজ ভাবনাপুর্বক পৰিত্ৰান্ত- ন থাকে না। সঙ্কলরহিতাচিং স্পল পল উত্তহইতেই করণে আত্মায় অবস্থিতি করেন। এদিকে আপনাকে বাফিক ব্যব- নহে, অর্থাৎ চিৎ সঙ্কল্পপথ অলি মিলে তখন পলন হারে সাধারণ অপশীর স্থায় দেখান, কিন্তু অন্তরে নিয়তি এশল সকলই সমান। চিত্ৰহ্মের অনাবশতঃই অর্থাৎ অ- শয় আনসে খালে পরম পরিতৃপ্তি অনুভব করিয়া থাকেন, শইশষে ঐক্যালিরূপ সঙ্কল্প উদিত হয়, আর চিহ্মের তিনিই জীবন্মুক্ত বা মুক্ত মুনি। এই প্রকার শান্তভাবাপন্ন যিৰিখ শক্ষাৎকার নেই (অর্থাষ বিচার দ্বারা চিন হলেই তৈ মুমিশ্রেষ্ঠণের যে ছিনিয়রূপবাহাই, যৌন ব্যাভি। -- |। ( নির্বাণ-ফর-পূর্বগ বেলবিদগণের মতে সেই যৌন চারি একাৰ, ৰাভূমৌল, একে না অর্থাৎ চিরে চিম্বর অন টে, অথচ চেঞ্জ মৌন, কাঠমৌন ও সুযুগুমোন। ৪৭। বাক্য সফরে মমি আচে হয় না অর্থাৎ মনের যে একেবারে অভাৱ ঘটে, তাহা নহে; যমন বলপূর্বক ইঞ্জিনিগ্রহের নাম জমান এবং সকল আহার ভুকভিমান থাকে না। তখন সেই চিত্ত বা একা কো ত্যাগই কাম। এইরূপ বিল গ্যালােয় পদার্থ = খং বিবিশিষ্ট, কি লং অন্তিবিহীন কিংবা যদিও মলােমৗন বলিয়া পঞ্চম মৌলও সম্ভবপর হইতে পারেট, দুময় এৎ সংও হ, অসৎও নহে, উষের কিন্তু মূর্ধা ও যুধিতেই মনের সৌভাৰ খটে, (অ সময় কিছুই কে,(অ) তখন সং অর্থাৎ ইহা উত্ত, অসৎ ফটে অতএব তাহা কাতাপসেই সম্ভবপর বলি কাষ্ঠমৌরে অর্থাৎ ইহা অত কি ইহা সৎ নহে, অসৎও নয় এ অন্তর্গত, এই উহা পৃথক্ গণনীয় হইতে পারে না। জীবন্মুক্ত জ্ঞানও থাকে না। কি ধ্যানকাল, ফি ধ্যানকাল, সকল সময়েই ব্যক্তৃিণই আত্মানুভকালে মৌনভাব অবলম্বন করিয়া যে (বি- বিনিবন্ধন) ও ভারতবিভাগ বলা থাকে। পূর্বোক্ত প্রথম ত্রিবিধ মৌৰিশেৰে কাষ্ঠতাপসই অধি- বিভাগৰিৱহিত, অত্যাসপ্রিপেক্ষ, অপরিচ্ছি, আত্মরূপ সম্পা কত, অর্থাৎ কাষ্ঠকাপসের ঐ এখম ব্রিরি যৌন জব পরিলক্ষিত কহেতু ও আত্মত্বমুক্ত আন্তবিহীনভাব, তাহাই হয়। সুষুপ্তমৌৰস্থায় তুরীয়াবস্থা বর্তমান, অর্থাৎ উহা ঐ মুখমৌন। এই নানাভ্রমাত্মক জগৎ ভ্রমসমূহেই পরিপূর্ণ ব্রিবিধেয় অতীত চতুর্থাবা বলিয়া কবিত,জীবমুক্ত ব্যক্তিতেই ঐ ইং ৰাবিক সেই যখস্থিত আত্মজ, তডিল বৈচিদি কিছুই অবস্থা বর্তমান অর্থাৎ জীবন্মুক্ত ব্যক্তিরই ঐ অবস্থা অটিয়া থাকে। নহে। যােখে যে শেষ পরিত্যাগপূর্বক অবলিভি, তাহারই নাম পিও ঐ প্রথম ত্রিবিধ মৌনভাবে মৌনত্ব সিদ্ধি হয় অর্থাৎ মুখমৌন। অনেক প্রকার বিজ্ঞান) রূপের আত্ম শিক- বাজৌনও মৌন বটে, তথাপি ঐ ত্রিবিধ মৌন মলিনমনেরই দৃঢ় অঞ্চলে (মঙ্গলময় খরগে) পূর্ণ হইয়া নে অবস্থান, তাহাই সুষুপ্ত নিশ্চমৰূপ মাত্র, উহ। জীবেরবনেরই সাধন, কাতাপসই ঐ যৌন।(অর্থায়)এই অনন্ত জগৎ সেই অনেক প্রকার চৈত- ত্রিবিধ মৌলাবস্থায় অবস্থিত আনিবে। কাষ্ঠমৌনী ব্যক্তি বা ময় শিবরূপ আই বিস্তৃতি লাভ করিয়াছে। তৎকর্তৃক পূর্বক ইনিগ্রহ আর অনুরে অহম্ভাবের স্মৃতি পরিহার ও ইহা ব্যাপ্ত, এইরূপ জ্ঞান যে অবস্থায় এটিয়া থাকে, তাহারই বাহিরে দৃশ্যপ্রপঞ্চ ও বায় অর্থাৎ নামপ্রপঞ্চের সম্পর্ক না নাম সুধুথমৌ। ১৪-২০। যে জীষ্মক্ততে সর্ব রাখিয়া এবং অনাবৃত আত্মাকে না দেখিয়াও মুমুখ্যবস্থার প্রায় অলক্ষনবিহীন ও শান্তিচুকমাত্র ভাবে অবস্থান বছs নিত্য আত্মদৃষ্টির অধিনশয়তা প্রযুক্ত ভন্মাচ্ছাদিত অখির স্যায় সৎ অসৎ কিছুই নাই, কেবল মাত্ৰ তৰ্মিক পূর্ণৱন্ধ পূর্তি সালিমাত্র জ্যোতি সমন্ত অবলােকন কর অবস্থান করেন। হয়, তাহাকেই উত্তম (মুধুপ্ত) মেনি বলিয়া থাকেন। বিকৃত ঐ ত্রিবিধ যৌনই বৃথানকালে (বােগভ অবসরে) আবার স্কুরিত ভাৰে সমুখত ভৰাভাবরূপ দশবিশেষ আৱাৰে সংবিদের জাভা- চিত্তচাঞ্চল্যরূপে পরিণত হয়, তাহাতে ঐ পূর্বোক্ত ত্রিবিধ মৌনী তা অৎ বির্তে অভাব, তাহাই পরম (খ) যৌন অবস্থান করেন। আর ঘাহার সেই সচ্চিদানন্দ ব্রহ্মবােৰ প্ৰাখহন, বলিয়া কীড়িত। চিত্তবৃত্তির অভাবে তা ব্যাপারহিত চিতে আঁহাৱা নিখেবুখানাদি লীলায় আর ঐ ত্রিবিধ মৌনভাবে বধিত বলিয়া রে অন্তরে সমতা ও যাহা সংবিবৃতির আবর্তন অস্থিতি করেন না। ৮-১৩। অথবা মুযুথমৌনী ব্যক্তিগণ সূতা, তাহাই (মুখ) মৌন। এ জগতে আমি নাই, পূর্ণাত্মাতে অবস্থানশীলায় সেই পূর্ণাত্মজ্ঞানলাভে পূর্বতন ত্রিবিধ অও কেহ কিছুই নাই, মনও নাই, মানসকলনা বিকল মেনে নে ৰক্ষনৰ অহা তুচ্ছবােখে পরিত্যাক্ত বলিয়া কুপিত কিছুই নাই, এই প্রকার বাৰিত ইয়া যে জীৰমুজের হউন আর সচ্চিদানন্দ বিলাসমাত্র ইহা বুৰিয়া কুপিত নাই হউন, সংবৎ অর্থাৎ জ্ঞান দ্বারা প্রতিভাদের অভাব, তাহাই অবিচ্ছিন্ন তথাপি তাহাদের ঐ ত্রিবিধ মেনে উপাদেয় জ্ঞান অর্থাৎ তাহাই এতিমৌনিতা(যুথমৌন)। এজগতে (স্যাসাজের জায়) উৎকই এই জ্ঞানই নাই। এই অনুভবেই সুষুপ্তমৌন ব- আখমাত্রে আমিই বর্তমান আছি, সর্বত্রই “অহং” বিরাজমান, মান, ইহাই জীবন্মুক্ত অবস্থা, অতএব জীবজিই নুযুগুমের সমস্তই খণ্ডিাং মগলময় শব্দার্থনাক সভাসানাত ভিত এ পুনর্জন্মবিরহিত জীবেই তাহা হইয়া থাকে; অতএব তুমিও সেই কিছু আছে, তা জানই মুস্তমৌন ৰলিয়া উক্ত।২১-২৬। ডিমধুর সুযুগুমোনের কথা শ্রবণ কর। অন সিদ্ধ হইলে যেহেতু মৌন অবস্থায় নবিং সর্বাধক থাকার সহ- অবঘেই তাহা সিদ্ধ হয়, উহা পূৰ্বযৌনবৎ ক্লেশ সাপেক্ষ নহে। ঐ বৃত্তি প্রম আনকেও গ্রাসকারিণীর আয় হয় বযুথমৌনে বা তাহার আবির্ভাব হইলে প্রাণসংশের অৎ অকালে অবাজে প্রভৃতির কল্পনা কোথায়? অর্থাৎ ৪ প্রাণায়ামে আৰক নাই এক উk, এ ওম এই বিবিধ মুখমৌন অবস্থায় কোন অসিই একে না, এই ঔষয় সঞ্চয় যারা একে সনজিত করিতে হয় না। মুখমীনের যৌন অনত ও উহা হইতেই সর্বপ্রকার যোনের বিস্তার আবির্ভাব ঘটলে, আর বিৰে ইলিনকে উলসিত হইছে। এই যুথমৌনই অনন্ত বলিয়া প্রবােসম্বিত বা বেয়ে অর্থাৎ বিয়ের একাতে কিংবা নিবেশ গ্লানি এক অবিকোশিত করে বলি নিল দুরী সেই যুক্ত হতে হয় না। সময় এই নানাজনার হর্ভাৰ অৰিনাৰাধক বুঝিকেও বাধিত করে বলি তুাতীত বা এত্ব থাকেনা অথচ হার শান্তিও হয় অর্থাৎ এই নানা জানিৰে। “বো সবি আনভূমিকায় আগে পঞ্চমী আনি কমাবে বিলুপ্ত হয়, তাহা নহে, নমন্ত এই বৈচিত্র্য সম্পূর্ণ ভূমিকায় সখিরইলে, ভূমিকা পৰিৱৰলে, ঐ সৌধু এক সমাধান, ভূসমাধিক জকে বিরাজ করে; কিন্তু তায় যুঞ্জনের নিকট ভ্রম বলিয়া এবং দুর্বাতভ সমাধি, এই ভূমিকায় নৃৎ ও গাবস্থাতে অনুমিত হয়; তাহাৱা হাতে লিপ্ত থাকেন না; সুরা আর হইয়া থাকে। বাম। তুৰিত্ৰভূতও সাধু হইয়াৎ, এখন ভূমি একে এভাবে । এইরূপায় চি চি এই ভীতিকনে শইয়া সর্বত্র নিপুণতার সহিত ব্যবহার 2 ফেশনা। = নুসরণই করব কমিয়ে গৰিহও, ভূৰি এখন অবতীর্ণ হইবারই বা কম কিংৰশিষ্ঠ কহিলেন, ধর মহে জীবন্মুক্ত-স-বি ভিভিভূৰিত জুহু হি। এ সি এবং জীবজরী, তাঁহাদিগের আয় লাগৰ ব্যক্তি স্কুল কারয় বাধিত করিয়া আকারে কু ভােগল আর ক্লিনিয়ম কি কারণ, তাহাদিগন্তু এ হইতে পারি, তাহারই এই প্ৰকাৰ স্থিতি নেয়া হয়। হে আল উয়ে অরম নাই, সকুলই সুখী। যারা এ রাম। প্রতি তােমারই এরূপ দেখিতে এ এস হয় , তাহাদিগেই সেই সকল জিনিয়মাদি জাজে। এতি । বাৰ। তুমি ওঁ এই (কোপনিষদুন্নভিজমে রাগ--লােগদি দেবজে খণ্ডিচিত বলিয়া মাধ্যমে লালিহিত হই দুধপনে অধিষ্ঠান কর, “নিখিল বঙ্গ (অর্থাৎ মৎস্যজাতি যেন দুর্বল অভিই হউক, আর পরাজিই বিশাল এই যে এসিজি, অহ নড়ীর কাজে ভূখন হউক, তাহাকে গ্রাস করিয়া থাকে। এই সংসারে ব্যবহার কিন্তু, ইহা বুৰিয়া জীবন্মুক্তাবস্থায় চিনাকায় একণিত পথে গমন করিয়া অর্থাৎ দুর্বলকে পীড়িত কনিই ক্রিয়ানি হয় অবস্থান ক। ৩১। বিলা মশা কালি পরম দুঃখভােগ করিয়া কে। তম সর্গ সমা।। আর বাহার বন্দুক শা, তাহারা ইষ্টার্নি বততে নিমগ্ন হন না, তার কারণ, আঁহাৱা জিরে ও বানায় পথ অতিক্রম করিয়াছেন। তাঁহার কাকতালীয় ভাবে অকস্মাৎ হর্ভূত কাৰ্যসকল করিয়া যান। করুন আর নাই করুন, কিছুতেই উনসপ্ততিতম সর্গ। তাঁহাদিগের আসক্তি বা আগ্রহ নাই। এইরূপ কাকতালীয় রাম কহিলেন-হে মুনিনায়ক। ইতিপূর্বে আপনি যে শত গায়ে বিষ্ণুরও মনুষ্যের চায় জন্ম-কর্ম, ত্রিনয়ন মহাদেব না রুদ্রের কথা বলিলেন, কিরূপে সেই শরু হইল? কারণ, শত অমুজৰ ৰহ্মারও ঐরূপ মনুবৎ জন্ম-কর্ম নিৰে। ৬-১২। রদ্রের কথা শুনি নাই, গণসমূহের সহিতনায় ঐ রুদ্র শত, ঐসকল সিদ্ধ শীগণের নিকট নিন্দা জানিন্দার পাত্র কিছুই কিংবা অতিরিক্তনী ভদ্র, অহা আমাকে বলুন, আর যে নাই, হেয় উপাদেয় তাহাদের কিছুই নাই, আত্মীপৰভেদ ভিকুলীৰটাদির গণহাথিয় কথা বলিলেন, আহা কি রুদ্রনই তাহানােই এবৎ এমন কর্ম নাই, বাছা সেই সকল সিদ্ধ গণ, কিংবা গণজ্জি অস্ত্র রুদ্র আছেন ? অহা বলুন। বশিষ্ঠ জীষকে কায়দ্ধ কষিতে পারে। সৃষ্টির আদিতে অগ্নি আদিয় বলিলেন,-ভিকু বে স্বপ্ন শত মন করিয়াছিলেন, তাহাই শত উষ্ণ আলি যেরূপ প্রসিদ্ধিলাভ করিয়াছে, হরিহরাণিরও সেইরূপ শরীকার ধারণ করে, ইহা তুমি পূৰ্বৰণিত তােদি কাৰেই চৰিত্ৰবেশ ক্রিয়াদি ঘিমও সেই সৃষ্টির আদি হইতে প্রসিদ্ধিলাভ আনিতে পাৰিয়ছ বলিয়া আমি বিশেষ করিয়া আর বলি নাই। করিয়াছে এবং ব্রাহ্মণাদিরও উপ স্বজাত্যুচিত কৰ্ম্ম-নিয়ম ভিকু এথে যে সকল জীৰটালি আকার হয়, সেই সকল আকারই এসিদ্ধি পাইয়াছে জানিবে (মুখ্য যে ঈশ্বর, তাহারই ইচ্ছায় শত হয়, আর সেই গণতই চােখে পানিবনও এরূপ ব্যবস্থা জানিবে)। কিন্তরে ( অর্থাৎ যাহারা জীবন্মুক্ত কুদ্রাং-প্রযুক্ত রুদ্ৰশত ; রুদ্রের সেবক ও পার্ক, অতএব সিদ্ধ নহে, তাহাদের) আর খি প্রভৃ িায় নিয়মবদ্ধ বা আমিভৃত্যভাব বিন হইলেও তাহারাও প্রমূখ্য ক্ষুদ্র হয়, আর সৃষ্টির আদিভে অভিব্যক্ত কহে, পরক দৃষ্টি প্রচারিত হইলে হারা যে রুশভত্ব লাভ করিয়া আর যে গণশত হইয়াছিল, , সেই সেই-বিতে পৃথক অহার প্রতি ইহই কারণ যে, জাহাৱা ৎ রুদ্র হইলেও পূর্বসিক পারলৌকিক হল ফলক শাস্ত্রীয় এক কি ঈশ্বরকোটি রুদ্রের পরিচালিৰিখিতে পরিণত হইত; কলিত অনুষ্ঠান বাগাদিশতঃ তাহার স্বয়ং কলনা করিয়া অহাৰ কাৰণ ইহাই , তাহাদিগের কর্ম ভোগান্তি থাকে (ইহাই বৈশাহের আম। শরীরী জীবের এসি বিষয়ে সেই প্রথান কলেবেরই আগুজ। রুহ কৰিলেহে চতুর্কি মৌন হইতে (ভে) যে বিদেহমুক্তৰিকাক মৌন, ভগবন। এর চিত্ত হইতে লইত। ল। তাহাতােকেনি নাই, অহা বলিতেছি এণ কর। উহা কি করিয়া সেই গরু ৮ ৮ কিমি? এক এ+পে অতিশয় শিলি স্মি আত্মকাণ, জঞ্জাবিই করিয়া সেই রুদ্র ঋটিচৈতনে জিপি তে যেন পরম মােক।' সজ্ঞানের অষবােক একৰি এ কমিলৈ। জুর বলিলে, যাহাদের ৰৈ থাৎ বিবেক বিচার এ রাযােগ থাকা যায় যুদ্ধ (মায়ানি) আবরণ নাই ও যাহারা সস, তা না হয়, তাঁহাই স্যলাে। আর যারা প্রাণদিবা- হা কন ককে, তাহারা সেক্ত চুল পােকজিরো অনাময় আফবিহিত পদে আশ্রিল বেগঞ্জ সর্বশবিদায়ী মাথতিবিষসংবিৎ, এসি মা যেযেন। আমি সেই ভাৱিই বলে তাহা এ করেন। ১-৫। আরও সেই অক্রি শান্ত পদ ফলক-শগ সর্বয়া (রূপী ) । সৰ্ব্বাপী, তখন সেই = এই দেহ কেহ সাধ্য থাৰে ৰোগ ব্যায়া পাইয়াহেল ও না যখন যাহা যেভাবে তাকে, সেই সর সর্বাধিক পাকা থাকে। ১৩-২lr যে ব্যক্তি সাতও যােগ দেই এ ভাষা জ্বগই স্বীয় সর্ববুতি থাকা অব লিয়া একখেন, তিনিই ঐশান্ত পদের খকার লাভ করেন; থাকেন। রাম কহিলেন, এইরুপ ঐই কি সেই নিজামিল এলেন না সে ন আখি হয় কে -কে, যিনি সর্বশক্তিমান, সেই হও কি এসে একি থাকে এবং উজছে। শত লেপনশাতী মিশা নিবাসীক হিনি। হাতে প্রাণ ও উত্তরে ভিন্ন বিট কে সি করেন? এবং অন্যদের মনােনিতে এক ল বস হিক, ঐতিই পপ নিবে।
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্ব রাসুলাই চিত্ত ও সেই বাসনাপময় মনই বাহাক্তকরণ এণেও মলব্যভিরতি অসঙ্গ এবং বেন ভিক্তি এদির চেয়প সং । সেই মন সাধ্য কিবা পকী এ ভূ না পাইলে তি তৃণখ পরিত্যাগ করে না, বােগ উতরে এত মায়া বিলীন হয় (অর্থাং আনলে জ্বল মন জ্ঞানবতিরিক্ত এ পরিত্যাগ করেন। ২-৩৪। পরিণত হইয়া) ঐ কারণ ও প্রণাদি উভয়ের কর্মব্যাপারে একমাত্র জ্ঞান হইতেই মন বাসনাবিরহিত হইয়া বিদ্যুত হইয়া কারণ হয় না; (অর্থাৎ প্রবৃত্তির 'হেড় হয় না) বালক যেমন থাকে এ জ্ঞান উদয় হইলেই মন প্রাণ হইতে ববির- বেতাল দর্শন করে, সেইরূপ মনই দেহকে (আত্মারূপে দর্শন হিত হয়, আৰু মন শন গ্রহণ করে না, এইরূপে মন নিশ করে, তাই সংসার ও মনই আহাৰ হেতু; সূরাং সেই অন হুইলে একমাত্র শান্তিই অবশিষ্ট থাকে। জ্ঞানের উনলেই যে যদি বিলয় পায় অর্থাৎ অজ্ঞানরূপে পরিণত হয়, তাহা হইলে বাসনার নাশ হয়, তাহার প্রতি কারণ, জ্ঞান হইতেই সকল পদা- সেই মন আর ঐ মেহন করে না। অর্থাৎ মনের শান্তিতেই রে অস্তিত্ব নাশ ঘটে, এইপে মৈত বাধ হইনে বসারওনাশ সকল সংস্মৃতির শান্তি । ১১-২৪। আমর্শনেই যে মনে হয়, তখন প্রাণ ও চিভের বিলােপ টে। গান মন এ নাশ হয়, তাহার প্রতি হেতু আত্মত। অদর্শনেই মিখাস্বরূপে হইয়া আর দেভাব দর্শন করে না, যে বাসনা নিজের মনে ঐ মনের উৎপত্তি, স্বপ্নে নিজ মরণ বেরূপ দেখা যায়, বাস্তবিক পরমপদ প্রাপ্ত হইবে, তাহাই মন বলিয়া কবিত। কারণ আহা সম্পূর্ণ অলীক, উহার কিছুমাত্র সত্যতা নাই, তদ্রুপ মনের বাসনামাত্রই চত, বাসনার অভাবেই তাহা পরমপদ। উল্লিখিত অস্তিত্ব জানিবে, সুতরাং আত্মতত্ত্বগনই যখন উহার উৎপত্তি, | জ্ঞান বাসনা-সমন্বিত সকলের নিরাকরণ করিয়া আজকে তদ্দর্শনেই উহার লয়। এতাদৃশ অলীক মন হইতেই এই সংসা-' পরিণত সমু, আর সেই তত্ব অবশেষে অচল জ্ঞানস্বরূপে রের সৃষ্টি জ্ঞান দ্বারা ঐ মন বাধিত হইলে আর আমি-আমার অবস্থান করে, ইহাই অনিষ্টগণের উক্তি। ৩৫-৩। উপদে-উপদেশ বন্ধন-মােক্ষ এ সকল আর কোথায় থাকে, হে রাম। মজুতে সর্পভমের ন্যায় এই সংসারে বিৰেকমাত্রে আর কি হইতেই বা হয় ? মন বাধিত হইলে কিছুই কিছু নহে। ইহাই পৰ্যন্ত ৰা পৰিণাম। অদ্বৈততত্ত্বের এৰণাদি এভ্যাস, অতএব (উত্তম মধ্যম অধম আধিকারিভেদে) দৃঢ়রূপে পরমতত্ত্বের প্রাণরােধ, চেতক্ষয়, এ সকলের মধ্যে একটা সিদ্ধ হইলে অভ্যাস, এদিয় ন ও মনের নিগ্রহ (সংযম) এই কয়টা পরস্পর সকলই সিদ্ধ হয়। ভারতের স্পন্দন নিরুত হইলে মােক্ষশব্দের অর্থসংগ্রহ অর্থাং উহাই অধিকারীভেদে সাথৰত্ৰ যেমন বায়ুও শান্ত হয়, তাহার স্যায় এবার পরিপন বিভ এবং উহাকেই মােক্ষ বলিয়া থাকেন। ২৫-২৭। ইহা শুনিয়া হইলে মনও শান্ত হয়। মীরসৰে এণবহির্গত হইলে উলিখিত রাম কহিলেন,-মুনে। প্রাণের লয় যদি মােক্ষের কারণ হয়, ক্রম আর ছেদন বা পাখির বারা) শরীরের না হইলে তাহা হইলে জগণ মরিলেই মুক্ত হইতে পারে। বশিষ্ঠ প্রাণবায়ু বাছাকায় বায়ুর সহিত মিলিত হইয়া জাবপ্রাপ্ত হয় কহিলেন, মননের নাশ না হইলে ঐ ত্রিবিধ উপায়ে কখন মুক্তি এবং অবস্থায় এই দৃশ্যমান নিখিল পদার্থের যে যে ভাবে সব- হইতে পারে না, অতএব ঐ ত্রিবিধ উপায়ে মনের ময়ই এখানসাধ্য স্থিতি, তৎসমস্তই অবলােকন করে। ঐ প্ৰাণবায়ু দেহবিহীন হইয়া জানিৰে, তাহা যত শীঘ্র হয়, ততই মঙ্গল। মৃত্যু হইলেই যে প্রাণও আকাশে যেরূপ কর্মোদ্ভাবিত বাসনাময় শুরনরপতৃভির মনের নাশ হ, তাহা নহে, নৃত্য মুহামা , মৃত্যুকালে ঐ প্রাণ দেহ অবলােকন করে, তদনুরূপই ব্যবহার জল করিয়া থাকে। ও মন মূর্ঘকালের ন্যায় গলিত সৈন্ধবের মত বাসনারূপে অবস্থান বে একাৱ ৰাৱৱ স্পন শান্ত হইলে গন্ধ নিতে হয়, সেই একার করে, পুনরায় উৎপত্তিকালে আবার আবির্ভূত হয়। প্রাণ- মনের স্পন্দন শান্ত হইলে প্রাণবায়ুও নিবৃত্ত হয়। ৩৯-৪৪। নির্গমের সমকালে এই দেহের ঘুঘুরশব্দ নিরুত্তি হইলে যখন বেয় প্রাণ ও চেতঃ পরস্পর নিযুক্ত হয় না, লিসংক্রান্ত প্রাণ শরীর ত্যা করে, তখন বাসনা কাম কৰ্ম্ম দ্বারা উপ পুষ্পসৌরভের ন্যায় উভয়ে মিলিত হইয়া অবস্থিত। মনের স্থাপিত বিদেহের আকার অনুভব করিয়া বাহাকাশে ভাল বই প্রাণ ও তাণের স্পন্দনই মন এসেই পরশ - দেহাৱন্তের অনুকুল ভূতমাত্রার সহিত সঙ্গত হয়। ঐ ভূতমত্তা সারথি হইয়া নিরন্তর গান করিতেছেন। উয়ারসাৱখির বসনামাত্ৰাত্মকই জানিৰে, অতএব তাদৃশ বাসনাময় এনেবিশিষ্ট গায় পরস্পর নিসান করিতেছে। অগ্নি ও উষ্ণ ইহাদের প্রাণের সহিতই ঐ ভূতমাত্রা মিলিত হয়, ইহা যুক্তিসি, স্নায় পরস্পর আবার আধেয়স্বরূপ, উহাদের একের অভাবে সূরাং ঐ ভূভমাত্রা কখন বাহিরে অন্য জীবের প্রাণের উভয়েরই অভাব, এবং উহাৱা বলয়ের এর মােক্ষনামক সহিত মিলিত হইতে পারে না। প্রাণ, বাসনার সহিতই উৎকৃষ্ট কার্য করে, অর্থাৎ ঐ মূণবিনাশ হইলে উৎকারে দেহান্তরে উৎপন্ন হয়, তাহার কারণ, প্রাণ নিয়ে মােক, তাহার না হয়। শেষ পরমকাে এলে বাস সহকারেই পূর্বদে পরিত্যাগ করে এবং কেন মন হইতে দ্বৈতভাব দূর হইলে মন শান্তৰ এপ্ত হইয়া নিবত পূল্পের গয় তিলে প্রবিষ্ট হইয়া ( সেই ভিলাহুবহু জৈলের হয়। এখন সেই মনেই লীন, অর্থাৎ উভয়েই একীভূত তখন সহিত মিশ্রিত হয় ও তৃহাতে পোণি কষ্ট ভােগ করে। মনেরুণেরও। যাহা অনন্ত জজ, তুমি কিায় তদ্রুপ প্রাণ দেহান্তরে উদীয় ককাশ ও ভদন্তর্গত বানিবহের যায় ঐকে জয় করিতে ঢোক; মন যদি সেই ঘরে সহিতও সংমিশ্রিত হয়। এবং হাতে ঐ গন্ধবং ক্লেশানু গল্প পায়, তাহা হইলে আজই অবশেৰে হিয়ত প্রাপ্ত হয়। জল কয়ে, অতএব নয়ণ মাত্রেই যেমন প্রাণের নাশ হয়, তাহা যাহা নিরতিশয় শ্রেরূপ এবং এ, কমেৰক্ষাকায় এহে। দৈৎ, যেমন অপূর্ব সমুদ্রে মগ্ন হইয়া হয়, চিরুতি, উষের নিরুক্তিতে যাহা এগিয়ে সেই চমবস্তু কিন্তু তা কি হয় না, ঐ বাসনাসমন্বিত মনও মৃত্যু হইলে, চিম্বরূপ গণ সমর্গ করিয়া তাহাতে প্রাণের ধারণা সকলে এভাবে থাকে। যেমন সু, এ্যভিষিক্ত থাকেন না ! দিৱভাপও। এইরুপে যে পর্যন্ত তার বুদ্ধিলাপ T ।
too বােগবাশিষ্ঠ-ৰামায়ণ ভাৰ সম অাসবশত চরমসাঙ্গাকার যারা বিনষ্ট হইয়া অর্থাৎ অভাৰ টে। এই সংসাবখশিবিষয়ে বেলকৃত অভাবে পরিণত না হয় সেপৰ্যন্ত এক মুখোকায় বৃত্তি প্রশ্নসমুদায় প্রসঙ্গক্রমে আমার স্মৃতিপণে সমুদিত হইল, সেই যাৱা ভাবনা করিবে। আহার না করিলে যেরূপ শরীরের ক্ষয় শুভ প্রশ্নসমূহ বলিতেছি, এবণ কর। বিমহাটীতে এক হয়, সেইরূপ প্রত্যাহারপরায়ণ ব্যক্তিরও নির্বিকল্প সমাধি ঘৱা বিপুলাকৃতি বেতালের বাস, সেই বেতাল অজ্ঞজনে অবজ্ঞা-নি এলওনলের লয় হইয়া থাকে। মনের প্রাণের সহিত লয় হইলে সগর্বে তাহাদিগের নেচ্ছায় এক নগরে (মণ্ডলে) গমন করে। একমাত্র পরম বন্ধুই অবশিষ্ট থাকেন। মন যাহাতে একতান হয়, ঐ বেত কোন এক সন রাজার দেশে কিরাজ্যে রাজার ডিজাল স্বভাববশতঃ মনের আয় শেষ বারের ও বধ্যজন বলিদানরূপ উপহার আর নিত্যতৃপ্ত হই নিধি- হইয়া যায় তখন মন শকালের মধ্যে সম্ভাবই প্রাপ্ত হয়। এইরুপে কেপে সমাধিমুখে কালযাপন করি। সাধুগণ ন্যায়শী, এত ধারণাদি ত্রিবিধ উপায়ে ব্রহ্মে একতান হইলে মনের নির্বিকনা- ঐ বেতাল ক্ষুধার্ত হইয়াও বিনা কারণে বা নিরপরাধে কাহাকেও সমাধিপরিপাকে ব্ৰহ্মভাব প্রাপ্ত হয়। '৫–৩। বুদ্ধির সাহায্যে সম্মুখে পাইয়াও হনুল কৱিত না। কালক্রমে অথায় বখ্যজন অবিদ্যার অস্তিত্ব নাই ও তত্ত্বজ্ঞানের অভ্যাস না করিলে পরমপদ দুর্গত হওয়াতে বনবাসী সেই বেতাল ন্যায় ও যুক্তিসহকারে প্রাপ্তির অন্ত উপায় নাই, ইহা প্রমাণাদি দ্বারা যুক্তিযুক্তভাবে আহারের জন্য ক্ষুধায় প্রেরিত হইয়া নগরান্তরে গমন করিল। বুঝিয়া তাহার স্তন ধারণাদি অবলম্বনে তত্ত্বজ্ঞানের অভ্যাস তথায় একলা এক ভূপতি নিশাকালে দুষ্টজনে অনুসন্ধান ও করিবে। শরুকালে মেঘ অপগত হইলে নুবর্তী তুষাররাশিও অঙ্করদির বধের জন্য বহির্গত হইয়াছিলেন। ঐ উগ্ৰ নিশাচর যেরূপ নিবৃত্তি হয়। মনের শান্তিতে তদ্রপ সংসার মৃগতৃষ্ণিকার বেতাল তাহাকে পাইয়া মেঘের ন্যায় ভয়ঙ্কর শব্দ করিয়া নিবৃত্তি হয়। হে রাম! চিত্তই অবিদ্যা, অতএব বিচার দ্বারা বলিল। ১৮। রাজ! আমি ভীমভাব ভীষণ বেতাল, মনকে ব্ৰহ্মাকারে পরিণত করিয়া সেই মনের দ্বারা চিত্তের লয় আজ আমি আপনাকে পাইয়াছি, অতএব আপনই আজ কর। ঐ চিতজষের রূপ সেই জধিষ্ঠান আত্মাই (শয়তানহে , আমার ভােজ, আর কোথায় পলায়ন করিবেন, আজ আপনি কারণ, তাহার প্রভাব পরমপুরুষার্থ হইতে পারে না। মন পরম বিষ্ট হইয়াছেন। কিনষ্ট হইয়াছেন। তাহা শুনিয়া রাজা বলিলেন, নিশাচর। পদে মদুমাত্র বিশ্রান্ত হইলেই ব্ৰহ্মাকারে পরিণত হয় ও মন তুমি যদি আমাকে অন্যায়পূর্বক বলপ্রকাশে ভক্ষণ কর, তাহা তাহাতেই নিরতিশয় প্রকাশ অনস্বাদ পাইয়া আর ব্যুথানের হইলে নিশ্চয়ই তােমার মস্তক সহস্রখণ্ডে বিদীর্ণ হইবে। ইচ্ছা করে না। ৫৪৫৭। সাংখ্য ও যোগ যারা এই প্রকার পরম তখন বেতাল বলিল, আমি ন্যায়পূর্বক আপনাকে ভক্ষণ পাজিপ ফল লাভ হয়। হে রাম। যদি তােমার চিত্ত সাংখ্য বা করিতেছি না ব্যয় কখই আপনাকে বলিতেছি, আপনি রাজা, যােগে বিশ্রান্তি লাভ করিয়া ককালের জন্যও সলভি শাস্ত্র মতে আপনার সকল অর্থীরই আশা পূরণ করা করিয়া থাকে, তাহা হইলে তােমার দিয়ে আর উৎপত্তি হইবে কর্তব্য। অতএব আমার সবর বা এা পূরণ করুন, । অবিদ্যাবিহিত চিত্তই সশব্দবাচ্য, উহা সংসার- আমার এই বক্ষ্যমাণ প্রশসমুহের উত্তর প্রদান করুন। (আর বীকে কমিয়া তাহার অনাদিকা শক্তি নাশ করে এবং আমার এই প্রশ্নের অর্থও দুর্বোধ নহে)।১২। কোন চিতে ঐ সত্বের উদয় হইলে ব্ৰহ্মভাববিচ্ছেদ ঘটে না। তাদৃশ সূর্যের রশির সূক্ষ্ম পরমাণু এই ব্রহ্মাণ্ড। মহাগগনরেণু কোন সস্থ ব্যক্তি বিরল; যে মহাত্মা সনুভাবাপন্ন হইয়াছে, তাহার যাতে একুরিত হয়-শত হবার স্বপ্নের পর স্বপ্নাত্তর অবিদ্যা-বিগলিত ও বাসনাজাল ছিন্ন হইয়াছে। তিনিই আকর্তৃক প্রতি পূর্বপুর্ব সত্যতা ত্যাগ করিয়া কোন পুরুষ আপনার অসন্তাৰিত বলিয়া জ্ঞাপন আর প্রাজ্ঞীর পরমজ্যোতিঃ স্য ভাস্ক স্বচ্ছ সত্যাস্বরূপ ত্যাগ কষিয়া ত্যাগ করে না। যেমন অবলােকন করিয়া শান্তিলাভ করিয়া থাকেন। হে সুল! জীব- কালীকাশের অন্তরে অন্তরেও তদন্তরে কেবল বুকমাত্র (খােলা- মুজাবায় পূর্বোক্ত ত্রিবিধ উপায়ের অভ্যাস সহায়ে আত্মায় মাত্র) দুপ কে অন্তরে অন্তরে ও তাহাও অন্তরে বই আশ্রযুপি ভ্রান্তি बारितोय समिति অৰিানাশে বস্ত্রের প্রতিভাবাবিশিষ্ট শিলই অণুরূপে বিরাজমান। এই প্রসিদ্ধ বিশাল আকাশ ভূজি ও ভঙ্গাকার দুৰনয়, সূৰ্যমণ্ডল মেরু প্রভৃতি অনন্তব্ৰহ্মাণ্ড কোন সৰ ৰলিয়াকত। তাম্র যেমন শৰিণিসম্পর্ক সুৰণৰ প্রাপ্ত স্বাৰ আগতে বর্তমান অণুর পরমাণস্বরূপ। কোন্ নিরব হইলে তার পুনরায় কলমলিতভাৰ এপ্ত হয় না ভদ্রুপ ঐ মন বায়নাধীন হইয় শক্তিহীন হইলে আর রাগমে এজি পরমাণু হইয়াও মহাগিরির শিলান্তৱে এই ব্রিজগৎ বর্তমান যে ব্রিজগতের বনতর সকান্তরূপই মজার। হে দুরাত্ম। মালিকায় সংসার অবসান করে না। ৫৮-৬১। হ আখনি()নরপতে যদি তুমি এই প্রশ্নের উত্তর একোনমিসর্গ সমাপ্ত।১। নবন্দিতে পার তাহা হইলে শান্ত যেমন জগৎ গ্রাস করেন, সেই আমি তােমাকে তােমার রাসত এলামণ্ডকে সপ্ততিম সর্গ। কলেরায় বলপূর্বক গ্রাস করি। ১১-১৮। বশিষ্ঠ কহিলেন-বিচার আর নউ হইলেই জীব ও সপ্ততি সর্গ সমাপ্ত চিতে শান্তি হইয়া থাকে, এ জীৰ ৰা চিত্ত কিই থাকে না; এই উপায়ে সম্পন্ন বে কার্যকারীরূপ আবিষ্কার * দুরাত্ম শব্দের ইহাই তৎপৰ্য যে, দুষ্টদেহাতি আৰু উপা, আহাই মােৰু বলিয়া কথিত। এই মন ও তুমি আমি বুজিলিল(২) সুতরাং আত্মঘালি সম্বােধন, গেহানিতে এটি এবং প্রভৃতি মৃগতৃষ্ণায় এসে স্যায় অর্থাৎ আত্মবুয়ি-নিবন্ধন শৱিচ্ছিন্ন আত্মাকে পরিচ্ছে করিয়া তাহার অতিরিন এক; কাল বিচার করিলেই উহার , বিনাশ করিয়াছ। ইহাই ভােলে অভিযায়।
2 নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। দিনীর প্রকাশ ও কুত্তি হইয়া থাকে ও তাহাতেই এই একতিতম সর্গ । জগতের সভা। রে বেতাল পূর্ববতি শবলে ব্ৰহ্মরূপ ত্রৈলােক- বশিষ্ঠ কহিলেন, বেতল একুকার বলিলে পর রাজা মণ্ডপমণি মহাসুধের পারবি তত বে আগা মুখার্থিকারি- হায় করিয়া স্বীয় দক্ষিণে আকাশও নিজ পরিধেয় গণের নিকট গুকায় সাক্ষাৎকার মাত্র প্রসিদ্ধ ; এই এনধি সমুণ ফরত প্রশ্নের উত্তর দিতে আরম্ভ করিলেন। রাজা বলিলেন, কারীর নিকট অস্কুট, তাদৃশ প্রত্যশাস্রাতে অগিলিজের ভায় এই তােমার আমার আশ্রিত ব্রহ্মাণ্ডরূপ ফল বর্তমান, ইহা জীবও জগতের পৃথক্ সত্তা ও কর্তৃত্বভােক্তৃত্বাদি অনন্ত সম্রমের (অজ্ঞদৃষ্টিতে) অজয় ও উত্তরােত্তর দশগুণ এলাদি আবরণে উলেখ অবস্থিত রহিয়াছে, কিন্তু পরমা দৃষ্টিতে দেখিলে অল্প পরিবেষ্টিত (*) তাদৃশ সহস্র সহস্র ফল যাহাতে বর্তমান, চঞ্চল মাত্র কিছুই নাই; অতএব তুমি গ পরিহার করিয়া শান্ত পল্লব (কল চঞ্চল ভুবন ) সমূহসমন্বিত এক অত্যুচ্চ বিশাল শাখা হও, তােমার প্রশ্নের আড়ম্বর নিবৃত্ত হইয়াছে, এখন তুমি শান্ত- আছে, তাদৃশ সহস্র সহ শাখাবিশিষ্ট এক দুর্লক্ষ্য প্রকাণ্ড প্রশ্ন হইয়া অবস্থান কর। ১৯-২১। মহাকও আছে। আবার অদৃণ সহস্র সহস্র বক্ষসকুল অনন্ত একসপ্ততিতম সর্গ সাধ। ৭১। সমন্বিত এক মহানও আছে। ১৫। অদৃণ সহ সহ বন যথায় বর্তমান, তাদৃশ বিশাল বিস্তীর্ণ শৃঙ্গসঙ্কুল গিরিও বিসতিম সর্গ। আছে। তাদৃশ সহ হত্র শৃহবহুল পর্বতসমূহ যেখানে অবস্থিত এরূপ অতিৰিীৰ্ণ মহাদেশও আছে। যথা । রাজা কহিলেন—কালসত্তা অর্থাৎ মহাকাশপ ডিসম্বলিত সহস্র সহস্র মহাদেশও অন্তর্গত এরূপ মহান নদী (রূপ মায়াকাশসভ, স্পসত্তা অর্থাৎ স্পদ (ক্রিয়া) শক্তিপ্রধান আবির্ভূত অনাবিত প্রবহণখাদি বায়চেষ্টা) সমন্বিত বৃহৎ জপ সূত্ৰাত্মকৗশসা, চিন্ময়ীসত্তা কিংবা তাহা হইতে নিকৃষ্ট চিদাভাস- আছে। তাদৃশ সহস্র সহ দ্বীপপুঞ্জও যায় বর্তমান, এৰম্ভত সন্তা, ইত্যাদি সকণ মায়াকাশদির সভাই সূক্ষ্ম বলিয়া নির্দোষ- বিচিত্র (নামণি) রচনাসমন্বিত মহাপীঠও আছে' আদৃশ ঐ রেণুই “পরমাত্মারূপ মহাৰায়ুতে কলিত অনেক বিকার সংস্র সহস্র মহাপীঠকপ পৃষ্ঠীসমন্ধিত এক অনন্তবিস্তীর্ণ চঞ্চলভাবে প্রস্ফুরিত রহিয়াছে ও হইয়া থাকে। পরমাত্মাই মহাভুবন আছে তাদৃশ সহস্র সহস্র মহাভুনসম্পন্ন গগনপীঠের যখন নিখিল বস্তুতে অনুগত সত্তাস্বরূপ, তখন তাহাতে আবার স্যায় ভীষণ এক মহা অণ্ড আছে। তাদৃশ মহাগু করণ্ডক (কোটা- কালাদিসও প্রস্ফুরিত, এই আধারধেয়ব্যপদেশ কি প্রকারে বৎ আধার) এক স্পন্দহীন বিপুল জলাধার সাগর আছে ৬-১২। নিজ শরীরে সৌরভরূপ ভেদ ঋই কল্পিত করিয়া নিজ আত্মাতেই হইল? এসন্দেহ যেন তােমার না হয়। কারণ, যেরূপ পূই তদৃশ কোমল তরঙ্গসঙ্কুল লক্ষ লক্ষ সাগরসমন্বিত আত্মবিলাসময় নিজ শরীরে সৌরভরূপ ভেদ ঋই কল্পিত করিয়া নিজ আত্মাতেই নিজ কজি গরুপ আধেয় হইয়া অবস্থিত, তদ্রুপ পরমার্থ এক মহাসাগর আছে। তাদৃশ সহস্র সহস্র মহাসাগর বাহার উদরস্থ জল, এতদশ এক সর্বব্যাপী অত্যুন্নত্ত মহাপুরুষ (বিষ্ণু) সত্তাই কালালিসভাতে আপনাতেই কল্পনা করিয়া ভিন্নস্বরূপে আছেন। অন্য লক মহাপুরুষ মালার গান্থ যাহার বক্ষস্থলে আবার অনাতেই আপ্তে হইয়া অবস্থিত আনিবে। (১ বিরাজমান, এভাদৃশ এক সর্বসত্তার প্রধান পরমপুরুষ (রুদ্র) প্রশ্নের উত্তর।) এই জগৎরূপ মহাষণে এ স্বপ্ন হইতে আছেন। তাদৃশ সহস্র সহ মহাত্মা পরমপুরুষ বাহার স্বপ্নান্তরে প্রাপ্ত হইয়াও বিরুত হন না। তিনি একই ভাবে স্বপ্নদোষ- মতে কেণ ও লােমরাত্রির স্যায় প্রঙ্কুরিত রহিয়াছে, সম্পর্ক নিঃসঙ্গ জোতীরূপে বিল্লাজমান ,অতএব তাদৃশ ৰােখ- এবভূত এক মহাসূৰ্য্য আছেন। প্রত্যক দৃষ্টি হইতে অন্য পরাকু স্থির রুত হন। (তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর।) কালীদ্য যেরূপ অন্তরে মাত্র নিবন্ধন ব্ৰহ্ম কেবল শান্তস্বরূপেই বিস্তার বা পুষ্টিমাত্রে দৃষ্টিতে প্রতিভাবান সশ্রণীর প্রত্যক্ষভূত এই সকল ক্ষুদ্রাদি ব্ৰহ্মান্ত অসংখ্য কল্পনা,সেই সূৰ্যেৰ দীপ্তি, এই দৃশ্যমান ব্ৰহ্মা অন্তর পত্ররূপে সমুদিত হইয়া আকার ধারণ করে, অন্তরে তাঁহার দীপ্তির ত্রসরেণু, চিত্মাই উক্তভাব সূর্য, এই আমি কিন্তু সেই পত্ৰই, সেইরূপ এই বিখও অন্তরে অন্তরে ব্রহ্মেই জেমার প্রশ্নের উত্তর বলিলাম। ঐ সূৰ্য্যই এই নিখিল জগতের কিন্তু সেই সেই আই বিরাজমান। এই সমস্ত বিবৰ্ত্ত জগদ্বিার বিবর্তিত ওবান্তর কারণে পরিণত হইয়া থাকে, অন্তরে অন্তরে তাপবিতণকারী ও প্রকাশক। ১৩–১৮। বিনই সেই সূর্যের আত্মা, এতাদৃশ যে পূতাশয় পরম ভাস্কর, এই হ্রক্ষাগুরুপ সভাপিনিমিত্তই সেই ব্ৰহ্মজ্ঞ সব্ৰহ্ম আত্মা প্রভৃতি নামে কীর্তিত ভুষনের অভােগ তাহারই সরেণু। সূর্যের কিরণে এই জাগতিক হন বাস্তবিক সেই ব্ৰষ্ণব সর্বধর্ম, হাতে কোন ব্যপদেশ শােভার ন্যায় সেই বিজ্ঞান পরম সূর্যেরই দীপ্তিতে এই গরুণ নাই, সেই বস্তু কিছুই নহেন; আর অন্য কিছুই কিছুই নহে। দেখ, পটের পটলা অন্তসত্তায় পর্যবসিত হয়, এইরূপ ভাতা এই ব্রহ্মাণ্ড (১) এইরূপ সহ ব্ৰহ্মাণ্ডগর্ভপীরুত মাভূ২) কার্পাসস, কার্পাসস৷ ফলসত্তা, ফলসা সয়, সত্তা ও গর্ভ গন্ধদাত্র (৩) এইরূপ উত্তরােত্তর সাদি চতুটা বীজলাজিসভায় ইত্যাগিক্রমে যে যে সত্তা বিভাবিত হয়, (৭) গর্ভ হৈরণ্যগর্ভ মন (৮) অতীত অনাগত সন্ত গর্ত সেই সেই সৰ অনুৰনিশ্রিত আকার পরিত্যাগ করিয়া বা ভূত তন্মাত্র রাশি (১) গর্ভ কল্পকাল (১০) তদখঙ উত্তরােত্তরের যুদ্ধের ন্যায়, তৎ সুবরূপ চিত্রেই গসিত হয়; এএ দিন স্বরূপ ব্রহ্মা বিষ্ণু রুদ্রের আয়ুকালও সেই সকল কলাত্মক সেই নির্মল চিত্ৰই এই এলাকারে বিস্তৃত। পৰমান্য তাঁহারা জিন (১৩) অনকোট তাঁহাদিগে সাবিহার ও পলভ্য বলিয়া পরমাণু আবার ঐ পরই অনন্ত বলিয়া প্রবর্তক মায়াশল বন্ধ (১৪) এই চা পদার্থ এই এলে, ব্রহ্মাঙালি মেরুপন্তু সকলের মুর। ( প্রশ্নের উত্তর।) কলাখালি কল্পনায় ক্রমবর্ণিত হইতেছে। এই তাদি সমস্ত জগৎ সেই অথচ অনন্তপুরুষেরই যােগাষ্ঠি-ঘামায়ণ। বরূপ। ঐ ৰহ্মাকি শুভর তাকায় পরিচ্ছিয় সিক যায়। পরিচ্ছে (বিয়ে) বলিয়া অথব্রহ্মাদিবং স্বরূপৰিহীন চতুলপ্ততিতম সর্গ। এবং হাইল নাড়ীচ্চিত্রে নান পরমাণুবই নিবে। রায় কহিলেন-হে প্রভাে? চিতের পূর্ণতা চমৎস্কৃতি (পঞ্চন মেয়র।) চক্ষুদির অগাের বলিয়া তিনি নিবন্ধন নরপতি ভগীরথ বেল গাকে আনয়ন করিতে পারিয়া- পরমাণু শব্যাপী বলিয়া মহাগিরি এবং অ্যামােপডিতে ছিলেন, তাহা আমাকে বলুন। যশষ্ঠ কহিলেন,-ভগীরথ নামে ঐ ব্ৰহ্মপুরুষের সমস্ত মুমূর্ত পদার্থই অবয়বরূপ, আবার সমুদ্রমেখলা ধরায় অধীশ্বর কোশলবংশতিলক এক পর- তিনি অপবাসে 'নিরবয়ব। হে সাধ্যে। এই ব্রিজ ধার্মিক রাজা ছিলেন। “চিন্তামণি” মণির নিকট যেরুল সঙ্কল- সে বিনম্বরূপে মজ্জা, কারণ হার্দাকাশরূপ বিজ্ঞানমাত্রের মাত্রেই অতীবন্ত পাওয়া যায়, সেইরূপ তাঁহার নিকট আখিগণ অর্থত্তি-জগই মজ্জাযৎ প্রসিদ্ধ জানিবে। (যষ্ঠ প্রশ্নের উপস্থিত হইবামাত্র আপনাদিগের প্রার্থনা নিবেদন না করিয়াও উত্তর।। রে বালকসদৃশ বেতাল! এই ডিশ বিজ্ঞানমত্রের ইচ্ছামত অভীষ্ট ৰ এপ্ত হইত। তাহাদের হার নিকট খ-কৌশলে প্রকাশ আত্মবিজ্ঞানস্বরূপ আনিবে। দাদৃশ বেতাল | প্রার্থনা বাক্য ব্যয় করিতে বা ত পরিশ্রম পাইতে হইত চাটট (অর্থাৎ বিশ্বাসঘাতক অঙ্কর পামর) ইহাকে আক্রমণ না। নরপতির অষে দুঃখ বা মলিনভাব কিছুই হইত না বা কি করিতে পারে না, অতএব তুমি আমার উপদেশে বরং তাঁহার মুখ দানােৎসাহােল্লাসে চন্দ্রমণ্ডলের ন্যায় প্রসন্নই আপনাকে অসুপথে অরূট করিয়া জর্প পরিত্যাগপূর্বক থাকিত। তিনি সাধুগণেরই ব্যবহার ব্যবস্থালির অঙ্গ অবিরত অবস্থান কর। ১-১১। খনন করিতেন। কোন স্থানে যদি ধৰ্মত তৃণমাত্রও পাইতেন বিসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭২। স্বর্গ-চিন্তামণি কামধেনুর গায় সাদরে গ্রহণ করিজে ১-৪। যেরূপ ব-(হীরক) বেধনমণি লৌহবধ্য বজ্রের ন্যায় দৃঢ়তর ব্রিসপ্ততিতম সর্গ। হীরক খণ্ডকে ছিদ্রিত করিয়া গুণৰ) প্রবেশদ্বােগ্য করে, বশিষ্ঠ কহিলেন,-বেতাল রাজমুখে এই প্রশ্নোত্তর শ্রবণ তৎকালে ঘূর্ণমান যন্তচক্রের পরিভ্রমণকারী কিরণচ্ছটায় (বেন- কৰি বিচারসমর্থ বুদ্ধি আরা বুঝিল, রাজা পরম তত্ত্বজ্ঞানী যরে সমুজ্জ্বল ভাব দেখায়, সেইরূপ রাজা ভগীরথ বলবত্তর হাতে সে শান্তি লাভ করিল। তখন সে শান্তচিত্ত হইয়া দুর্জনগণকে শাঝিরা ক্ষত-বিক্ষত করিয়া চরণে শৃঙ্খলবদ্ধ করিয়া (রাজাকে একমনা ও অনিন্দিত বুঝিতে পালি) সেই অনিন্দিত ভেরসাধন ও দমনে গুণসম্বলিত করিতেন ও তাহাদিগের চরিত্র চর এক বন্ধুকে অবগত হইল, এবং বিষম ক্ষুধা বিহূত হইয়া শােহন করিয়া সচ্চরিত্র গুণ করিতেন। যৎকালে তাহাদের দেশ সমাধিস্থ হইল। হে রাম । আমি তােমাকে বেলপ্ৰশ্নসমূহ | আক্রমণ করিতেন, ভদানীং তাহার প্রতাপে জাজ্বল্যমান পূর্বোক্ত বলিলাম, এই রাজবতি প্রকারে চিনতে জগতের স্থিতি যচক্রের ন্যায় রথচক্রনেমিরেখায় সেই দুর্জ শত্ৰু-সতিমণ্ডল জানিবে। ঐ চিলর কোষগত বিশ্ব বালকের ভ্রান্তিকল্পিত বেতাল অঙ্কিও করিলে। নিপুমবহ্নিকান্তি দুমিণি দিবাকর সমুপিত হইয়া শরীরের ন্যায় বিচারেই বিলীন হয়। যাহা পরমপদ, তাই যেমন গৃহাভ্যন্তরস্থ নৈশ অন্ধকার ও ব্যবহারদৈ অর্থাৎ কার্যে অবশিষ্ট থাকে। ১৪। অধুনা তুমি সকল বিষয় ও জাল অবসাদ দূর করে, সেইরূপ ধুমত অগির স্যায় দেদীপ্যমান হইতে কে প্রভাত করিয়া বাহা পরমাত্মাতে প্রতিষ্ঠিত ও দেহশ্রীশালী নৃপতি ভগীরথ সতত প্রজাপালনজন্য সর্বত্র পরি- যাহা স্বভাবতঃ উপস্থিত হয়, তাদৃশ কর্ম নিলিপ্তভাবে ও অনিচ্ছা- ভ্রমণ করিয়া পরিশ্রান্ত হলেও প্রজাবর্গের অধৰ্মভিহেতু পূর্বক করিয়াও, এবং নিশ্চয় বুদ্ধি হইয়া অবস্থান গৃহান্ধকার ও দৈ অর্থাৎ দারিজ হরণ করিতে সেই নৃ- কর। হে নীল বলিয়া মুনিক কম। তুমি মনের ব্যর শ্রেষ্ঠ স্বীয় প্রতাপ পক্রমাদি সমূছুত অখিকণধার চতুর্দিকে মনকে আকাশের ন্যায় নির্মল কর ও সেই এক বস্তুতে সর্বতি বিক্ষিপ্ত করিয়া শত্রুর নিকটে মধ্যাহ্নকালে তৃণাড়িতে অগিচ্ছটা লয় করিয়া চিত্তে নিত্তিসাধন কর; হাতেই তুমি সর্বত্র উদিগরণকারী কামণির ন্যায় উজ্জ্বলভাৰ খাঁর করিতেন। ব্ৰহ্মভাব দেখিয়া সমনি হইতে পারিবে, এণে অহাই হইতে তিনি মৃদুতা ও নিষ্ঠভাব অবলম্বনপূর্বক সকলের অন্তঃকরণ সন্তুষ্ট চেষ্টা কর। এই ভূমি হিবুদ্ধি ও মােহ হও , তাহা হইলে রাখিয়া মৃদু ও শীতল চৰকান্তমণি যেরূপ স্নিগ্ধ সুধাকর নিশা- ওষণাপ্তবিমের অনুসরণ করিলে রাজা ভগীরথের আয় রে কর উদয়ে প্রভাষ ধারণ করে, তদ্রুপ ব্ৰিহ্মতত্ত্বজ্ঞানীর সমীপে যাহা দুঃসাধ্য কাহাসি করা যায়। সগর অংশুমাল কি ভাবে অর্থাৎ আর্দ্রাক্তকরণে অবস্থিতি করিতেন ঐ নীশ এভৃতি নৃপত্তি যে কাৰ্য সাধ্য বা সুলভ হয় নাই, আজ ভগীরথ ভগীরথই গঙ্গাপ্রবাহলক্ষণ জগষজ্ঞােপবীতে তৃতীয় গুণ গঙ্গাকে অংশ গ্রহণ করিয়া নিয়ে শান্তি, তৃপ্তি সমদখিনিগুণে মর্তে অবতীর্ণ করিয়াই পূর্ণ কষিয়াছেন। তাহার কারণ, পবিত্ৰহেতু সগপুলিশের সীল তাহাদিগের খাত সমুদ্রের নিবিশ্বরূপ গেৰীত ত্রিক জগৎগৰিত্ৰকাৰক, অতএব জগতের যতাে গঙ্গাকে অবতীর্ণ করিয়া দুঃসাধ্যসাধন করিয়াছিলেন সেইরূপে পৰীতস্বরূপ গঙ্গাবাহ অনুগ পালে থাকি। বিয়ায় নি যে ব্যক্তি সম্পূর্ণরূপে চিত্ত, যাহার অন্তঃকরণবৃত্তি (অন্ধ- ত্মক ছিলেন। মহারাজ ভগীরথ গাকে মর্ত্যে আনিয়া ত্রিখানায় ন) পরিতৃপ্ত ও অন্তরে যে ব্যক্তি সময় আত্মতে নিত্য- ত্রিগুণাত্মক করিয়াছিলেন। যেরূপ সর্ব দিগন্তবর্তী এধিসমূহ ধনে কাল অভি, দি ব্যক্তির অভিজুল (দুঃসা) অতীষ্ট পূর্ণসট হইয়া থাকে ও বেরুপে জিনি তাহাদিগের পূরণ অর্থহইয়া থাকে। ৫-৮। সষে বিশাল করিয়াছিলেন, সেইরূপ পাল থাৱা গাঙ্গুনি কর্তৃক बिमनिवास110॥ পলখিত সমূদ্রকে হপুর হইলেও ভিন গঙ্গাকে তুলে নিয়া লীয় প্রবাহে পূর্ণ করিয়াছিলেন। সেই লােক অগীর নির্বাণ-এর-পূর্বভাগ। ব্ৰহ্মপে গালগর্ভে নিপতিত ৰাৰ লগন্নপূত্রণিকে খুনী অমানি( এনি পন্নিহা আলি) জন সমুদিত হইলে রূপ সােপান আরা লেকেরূঢ় কৰিছিলেন। (অবিচ্ছিন্ন তাহাতে চিত্ত যেথার্থ নিতে পারিয়া তন্নিষ্ট হয়, তাহাতে অবসা থাকিলেও তিনি পাখাৱা ব্রহ্মা, শঙ্কর ও আমুলির পূর্ণাৰ প্রাপ্ত হও , আর সেই শ্যুতিঁনিবন্ধন জন্মগ্রহণ আল্লখ করিয়া পৰিচ্ছি দৃঢ় বিশুসম মন হইতে বারবার কৰিত হন। ঐপ গৃহাদিতে অনাসক্তি মমতাজাগ - খে গাইলে অর্থাৎ ফুট নিবশতঃ অবিচ্ছিন্ন অপশ করিয়া নিয়ে নিত্যকাল ডিসেমৰ(গুচৰিত্র শ্রবণকীৰ্ত্তনালি ভগব- থিয় হইয়া পড়িছেন। এই দুখদায়ী শট লোকৰাত্ৰাসম্বন্ধীয় ভক্তি ভগবানের এতিতে, কিন্তুনিষ্ট অর্থাৎ নির্ষে উপ বিচার করিতে করিতে তােমার যায় সেই ভূগতির যৌবনকালেই নীতু আত্মার নিয়ত ভাৰাক্কশ ) অন যােগে বিন্নত আত্মচিন্তা, অকস্মাৎ মরুভূমিতে লতার উৎপত্তির তার বৈরাগ্যবােগ- নিনে অবদিভিযােন এসপরিহার, অধ্যাত্মামনিত্যতা সংরুত বলিয়া চমৎকার বিচারবুদ্ধির উদয় হয়। ৫-১৪। অর্থাৎ এ মনননিসিনালির অভ্যাস ও 'জ্ঞানাননি যখন তিনি একান্তে আসীন হইয়া চিন্তা করিতে লাগিলেন, এই অর্থাৎ পরমানি এই সকলই জ্ঞান, এভত্তি সই জগদত্রা কি সম্ববিন্নহিত ও আৰুৰে পরিভ্রমণ করিতেছে, জ্ঞান। হে বাল। অভাবের উতি ঘটিলেই রাগ- দিন যাইতেছে ও রাত্রি যাইতেছ, পুনরায় আবার দিন আবার যে রিসার্যাধির ঔষণ আনল হয়। ২৫-৩১। রাত্রি আসিতেছে, এই প্রকার শত আদান-প্রদানব্যবহারেরও গীরখ কহিলেন, মহাভাল। অহংভাব ঐ কলেবরে পর্বত পুনরাবির্ভাব হইতেছে, যে কর্মের ফলভােগ কবি বিরস বােধ রায় চির (যসূল) হইয়া আছে কি উপায়ে তাহার হইয়াছিল, তাদৃশ কৰ্মই আছে, জীবের দৃষ্ট হইতেছে, কিন্তু পরিহার সম্ভব? ত্ৰিত কহিলেন, বিষয়ভেগবাসনা অন্তরে অপূর্ব পরম পুরুষার্থকল কাহারও নাই) যাহার প্রাপ্তিতে সমস্তই প্রকাশ পাইয়া শুদ্ধ আর আকার ধারণ করিয়া থাকে, সেই প্রাপ্ত হওৱা যায়, কিছুই আর অবশিষ্ট থাকে না, তাদৃশ কাৰ্যই শেবাগ পৌরুষ দ্বারা আগ ও তদ্ভব পরিহার সুতি, ভিন্ন কর্মফল বিচিকা মাত্র, অর্থাৎ বিচিকাৰ চার করিতে পারিলে হারের ফিলা হয়। আমার রাজাপার আজি দুঃখই তাহার ফল। যে কাৰ্য পুনপুনঃ করিয়া পদ্যুষিত অটিয়াছে, আর আমার প্রতি কাহার গৌরব এক খাকিবে হয়, সেই পর্যুষিত কৰ্ম্ম করিয়া মুবুদ্ধিরাই লজ্জি হয় না, না। যে আমি স আখীর মনোরম পুরণ করিতাম, তাদৃশ মূঢ়বুদ্ধি ব্যতীত কোন্ বুভিমান ব্যক্তি বালকের ন্যায় কাৰ্য্য আজ সেই আমি কি করিয়া ভিক্ষা করিব? গণ উপহাস করেন। অনন্তর একদিন নরপতি ভগীরথ সাররে অত্যন্ত করিবে আর কোন কলিই বা কলম্বণে জীবিত থাকিব। ভীত ও উদ্বিখচিত্ত হইয়া ত্ৰিনামক স্বকীয় গুরুদেবকে জিজ্ঞাসা এইরূপ চিন্তাযুক্ত সজ্জা-অভিমানাকিত পূৰ্ববং গৃহে করিলেন, ৰিছে। আমরা এই এত নিরন্তর পরিভ্রমণকারি- বিষণাপ পিঞ্জর যাবৎকাল পর্যন্ত সর্বত্যাগসহকারে ভয় জীবগণের রাগঘেষাদি সংসারবৃত্তির অরক্তি ও অর ফলস্বরূপ নাই থাকে, তাবৎকাল পর্যন্ত অহঙ্কার স্পষ্টরুপে প্রকাশ স্বৰ্গনরক মনুষ্যঘােনি আলি গহন অরণ্যে দীর্ঘকাল ভ্রমণ করিলা) পাইয়া নৃত্য করিতে থাকে। যদি তুমি বুজির সহায়তায় এ অতিশয় শিল্প ও অবসন্ন হইয়া পড়িয়াছি। ভাবনু। লিকলিলে সৰুকে পরিত্যাগ করিয়া বিচলিত অৰে স্থান করিতে পাই, জন্মসংসারের হেতু জরামরণমােহামিরূপ সদুঃখের অন্ত অর্থাৎ তাহা হইলে তােমার অহঙ্কারের লয় হইবে, তখন তুমি শরমপদ উপশম ঘটে, তাহা আমাকে উপদেশ দান করুন। ব্রিল লাভ করিয়াই তলাপ্য লাভ করিতে পারিবে। ফলতঃ তুমি যদি কহিলেন, হে পাপসম্পর্ক রান। শ্ৰৰণমননাদিন চতুট মুক্ত সময় দিচিহ্ন পরিতগপূর্বক উপায়ে চিত্যন্ত বিক্ষেল বৈষমর্দিবিহীন সশ-আত্মক বিভ- অকিঞ্চন (অর্থাৎ গত এক দরিদ্র) হইতে পার, এবং বিহীনম্বরূপে বিন্যসময় অনাদি সিদ্ধ ব্ৰক্ষাকরে আবির্ভূত পূ কে রাত্র অগণপূর্বক দেহাভিমান বিসর্জন দিয়া সেই প্রত্যক্ জ্ঞানে পরিপূর্ণ হইতে পাৰিলে প্রকার দুখ বিদূরিত শত্রুপক্ষের নিকটই ভিলার্থ গমন করিতে পার ও প্রেসংশয় হয়, সমুৎসাৰগ্ৰন্থি শিথিল হইয়া যায়, সংশয় আর থাকে না এবং ইটালির পরিৰ সহকারে আমার আর জিজ্ঞা ও কর্মসকল সমতাপ্রাপ্ত হইয়া থাকে। একমাত্র বিশুদ্ধ বিজ্ঞানময় কি নাই এই প্রকার বিচারে আকে অর্থাৎ রকেও পরি- এই ৱে বলিয়া কখিত, এই নিভকাল স্যাপী, উহার আগ কৱিতে পার, এল জিসংশয় হইতে মুক্ত হয় উদয় অর্থাৎ উৎপত্তি বা বিনাশ কিংবা অপ্রকাশ কিছুই দেখা এসে ভীতলায় আমার গুরুর নিকট কিছুই প্রষ্টব্য নাই যায় না ১৫-২৪। শীরখ বলিলে—মুনিবর। আমি জানি, যা ধারণা করা পেরায়ণ থাকিয়া তাহাকে ঐভাবে) এ সংসারে কেবল নিও, নিৰ্ম্মল, শান্ত, চুত চিমাত্র এক পা- ভাগ কতি পান্ত, তাহাইলে(শর ভাৰৰ পথ অতিক্রম ই আছেন, দেহাদি - যাহা, তাহা কিছুই নয়, তাহাও রতসর্বোৎকৃষ্ট মূলে উচ্চ পদবীতে আলােহণ কৰি যে আত্মা নহে, তাও আমি আনি এবং আপনার উপদেশে সর্বেক এক হইতে পারিবে।(তুমি তখন দু পারে বুবিয়াছি। কিন্তু ঐ সমসৰিৰে বােয় উভয়ের মধ্যে এখন সজা অস্থিতি বিবে)।৩২-৩ বােধপ প্রতিপত্তি যার কল আমলকও স্পষ্টতা এ গুভিজ সমাপ্ত ৭৫। হইতেছে না; এতএব আমি কি করিয়া ইবভাশহেতুক বিপ শান্তিতে মাত্র ৫ আগমই হইতে শামি, আয় উপায় বলুন। ত্ৰিত কহিলেন, (ভােমার এই কালিতে অজিন ও ভবিষয়ে চিকন এই এইরূপ নিল এবং মাজেই ভােমাৰ শই তিতি ইনে) অকালে যােবাষ্ঠ-কামায়ণ অনুশ পরমানন্দ উপভোগ করিতে লাগিলেন। , জন, পঞ্চসপ্ততিতম সর্গ। এ বিব, অধিক প্রি সই ব্ৰতি সিও অণিমানি বশিষ্ঠ কহিলে-অনন্ত নৃপতি গুণীজন গুরুদেবের য- অষ্টসিজি পৰ্যন্ত জীর্ণতৃণের চায় জ্ঞান করিতে লাগিলেন। বিনিত এই একার উপদেশ শ্রবণ করিয়া মনে মনে বামা কীয় কৰ্ম্মানুসারে এই লেখাপ্তি ঘটিলা, তার প্রায় আপনার কর্তব্য দ্বিয় করতঃ তৎসাধনে বন্ধসফল হইলেন। ভদন- কলিবান যে পর্যন্ত অায়ুর পরিমাণ, ইচ্ছা না কিনে ওর কিনি গত হইলে @িনি সর্বত্যাগকসিরি মানসে ঘখি ভাবৎকাল পর্যন্ত এই দেহ স্বীয় কর্মানুসারে ধারণ করিতেই ক্টোম (হইতে সর্বদক্ষিণ বিশ্বজিং পৰ্য্যন্ত সময়) যজ্ঞে অ- হইবে, ইহা নিশ্চয় করি তাঁহার অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। উনি করিলেন। শেষ তিনি পাাপায় বিচার না করিয়াই সেই উৎর মুনিদ্বয় আপনাদিগেৱ পূৰ্বাচরিত কালক্রমে ব্রাহ্মণদিগকে ও নিজ বান্ধৰবৰ্গকে গাে, তুমি সূদি ন অফা- উপস্থিত সুখদুঃখ উভয়েই আনন্দ প্রকাশ করিতে লাগিলেন, ওর গান করিলেন। সেই রাজা ভগীরথ নিবদত্রয়য্যে সর্বস্ব দান কারণ হার। ইচ্ছাকে সর্বতােভাবে বিন নিলা সেই সম করিয়া ভীষন মাত্রাপিষ্ট হইলেন। এইরূপে রাজ্যখনত হইতেও স ন্ধে একীভূত ও তাহাতেই স্বভাবত পরম হইলে প্রকৃতিবর্গ পুরবাসী সকলে ভিন্ন হয়, মহারা লীখ সেই শান্তির আশা হইয়াছিলেন। ১৮-২১। এজাপুঞ্জসমাত বিখরাজ্য সীমান্তর্নিহিত শকে তৃণের ব্যয় পঞ্চলভিভমসর্গ'সমাপ্ত। ৭৫। অকাতরে দান করিলেন। বিপক্ষ পৰু আসিলা রাজ্য গৃহাদি সমস্ত অধিকার করিল; তখন তিনি কোপােত্র পরিধান করিয়া স্বকীয় মণ্ডল হইতে বহির্গত হইলেন। ১৬। যেখানে যন্সপ্ততিতম সর্গ। তাহাকে দেখিয়া ভগীরথ বলিয়া কেহ চিনিতে না পারে, এমন কি বেখানে ভগীরথ নামে রাজা ইহা নামমাত্র লোকের বিদিত । বশিষ্ঠ কহিলেন—রাধীণ গীরখ সবায় ভ্রমণ করতে নাই, তিনি তাদৃশ দূরবর্তী গ্রাম ও অরণ্যে ধৈৰ্য্যসহকাৰে ৰাস করিতে একদা কোন মগুঝরে উপস্থিত হইলেন, ম যেমন কমিতে লাগিলেন। এইরূপে অকালমধ্যেই তাঁহার সকল যাসনা ক্ষুদ্ৰমৎস্যদি ভক্ষণ করে, কালও সেইরূপ অত্ৰত্য নৃপতিকে গ্রাস নিত্তি হইল এবং পরম শান্তির সঞ্চার হওয়াতে তিনি আত্মাতে করিয়াছিল। তাঁহার পুত্ৰাদি কিছুই ছিল না সুতরাং প্রজাবর্গ বিন্তি লাভ করিলেন। তিনি দুপৃষ্ঠ ধ্বীপসমূহ পরিভ্রমণ ভিন্ন হইয়া দেশের ও নিজদিগের পালনমৰ্যাদার ব্যতিক্রম মনে করিয়া কালক্রমে একদা দর্শনেচ্ছার অধীন হইয়া সেই বিপক্ষ পালনকার্যের উপযুক্ত গুণলীসম্পন্ন নৃপতির অন্বেষণ করিতে গত স্বকীয় পরে উপনীত হইলেন। শমাবলম্বী ভগীরথ খর ছিল। তাহারা সে ভিক্ষাচারী মুনিবেশধারী বিরতাস শ্ৰেীবদ্ধ বিবিধ ভবন ভ্রমণ করিয়া পৌর ও মন্ত্রবর্গের নিকট কি গীরথকে দেখিয়া তাহাকে সর্বগুণসমন্বিত বােথ করিয়া প্রার্থনা করিলেন। তাঁহাকে দেখিয়া পুরবাসী ও অমাত্যর আনয়ন করিল এবং সৈন্যগণ আগত হইলে রাজপদে অভিষিক্ত চিনিতে পারি। তাহারা রাজাকে পাইয়া বিচিতে অভ্যর্থনার করিল। তৎক্ষণাৎ ভগীরথ বর্ষাকালে সরােবর যেমন অলপ সহিত বিবিধ পূজাপকরণে পূজা করিলেন। নব নৃপতি তদীয় শত্রু হয়, দ্রুপ সৈন্যগবেষ্টিত হইয়া শীঘ্র গজষ্টে আরােহণ করি- আলিয়া এলো। আপনার রাজ্য আপনি গ্রহণ করুন এইরূপ লেন। তৎকালে জগন্নাথ ভগীরথের জয় হউক” এই বৰ প্রার্থনা করিলে তিনি আপন গ্রহণে নগৰ প্ৰকাশ কৰি সমুখিত হইয়া গিৰী পৰ্যন্ত পরিপূর্ণ করিল। লেন। রাজ্যগ্রহণ দূরে থাকুক কােন যতীত তাহাদিগের নিকট কোশলগ্রহ। শত্রুরীভিও মৃত্যু হইল) তখন অযোধ্যা তৃণ পৰ্যও গ্রহণ করিলেন না। তায় তিনি কিয়দিবস ফন সমস্ত পূর্বমন্ত্রীপুরােহিতাদি প্রকৃতির্গ, থায় তিনি রাজ্য- করিয়া অত্র গমন করিলেন। সকল লােকেই “হায়। এই সেই পালন করিতেছে, ইহা শ্রবণে সমাগত হইয়া নাবিপকে মহারাজ ভগীরথ, তাহারা এই অবস্থা ইতাদি পালাবি কে এই কথা নিৰেণ কৰিল। রাজন? আপনি এলিগেরই একাশ করিতে লাগিল। অনন্তর জন্য এক স্থানে শতিভ রাজা, আপনি যে শত্রুকে নিজ রাজ্য পুরস্কার দিয়াছিলেন, তিনি কবিয়া) অন্য একসময়ে সেই বিষাক্ত বুদ্ধি, ভগীরথ কোমল ক্ষুদ্র মত যেন নুহৰ মংগের গ্রাসে পতিত হয়, সেই সেই আত্মারাম গুরুদেব ব্রিল মুনিয় সন্নিখানে উপস্থিত হইলেন। রুপ কালগ্রাসে নিপতিত হইয়াছেন। অতএব আপনি নিজ রাজ্য তিনি স্বকীয় গুদেবের চরণবাদি কৰি তাহার সহি এও তাহার পালন করি আমাদিগের প্রতি প্রসন্নতা প্রদর্শন কিছুকাল পরে, বনে, গ্রামে, গগয়ে, এরপদে ও লােকালয়ে করল। আর দেখুন প্রার্থনা করিলেও যে অর্থ করস্থ হয়, নাস্থানে বাস করিবেন। গুরু শিষ্য উভয়েই সাম্যপন্ন তাহার পরিভাগ করা উচিত নহে। বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই ৰীত- ও সমান হইয়া আত্মাতে বিশ্রাম কর হ হইয়াছিলেন। , বিষৎস, বিগতবিস্ময়, যাণকাৰ্যানুযায়ী, সমী, শান্ত একদিন তাহাৱা এই কুতুহভূত সেহরণ-সম্বন্ধীয় বােপকৰ মন মৌনী (পরিমিতহিসবা) গুগীরথ জার্গের এই করিতে লাগলেন। কি এ এই দেহএই সেই ৩ প্রার্থনায় সাত হইয়া সস চিতি পৃথিবীর শাসনভার গ্রহণ করিলেই বা আমাদের কি ক্ষতি? যাহাকে শক্ত যে করিলেন।ীয় পিঅগণ (১) যে জয়ে অফে করিতে বাসের অনুসরণ করিয়া ইহা খেলে ই থাকুক। ৭–১৭। করিতে পৃথিন করিয়া সমূদ্রের আকার করেন এবং তাঁহার এইরূপ নিচয় করিয়া তাহাৱা উর হইতে বনায় গান করিতে অগিলেন এবং কাছে এই বিষয় সামা, বাহা। ১)এনে পিতামহ দিতে এতিম বুবিতে হইবে। ও নয়, মুখ ও যে তাহাওহ, পিজমহলে পিরিতে হইবে। (এদিকে নির্বাণ-একপূর্বভাগ তালে ইয়া কপিলমুনির শাপে ভস্মীভূত হন, মহারাজ বিগত সমুৎপতি, সেইরূপ এই সংসারেও পূর্ব ভগীরথ গরুড়ের বাক্য জনগৰায় এবণ বলেন যে, গঙ্গাজলই যেরূপীহ, এবিখও সেইরূপ দৃষ্ট হইয়া থাকে; শিখিজ- তাঁহার কপিলখাপদ পিতৃপুরুষগণের উদ্ধারের সাধন, (তরি রি সংসারেরও সেইরূপ ব্যবস্থা জানিৰে। সেই অথই ভূতপূর্ন অন্য জল নহে)। এখন ঋণীগজা ভূখণে প্রবাহিত ছিলেন না, শিখিবর রাখার ব্যায় ক্ষমা কথার নায়ক শিখি রাজাও (তিনিই গঙ্গাকে আনয়ন করেন) ও তাহা হইতেই পিতৃ তাদৃশ মভেজ হইবেন; তঁাহার বৃত্তান্ত এই বলিতেছি, এখন পুরুষের গঙ্গাজলাঞ্জলি গান প্রসিদ্ধ হয়। ১-১২। যেদিন সেই কর। পুর্বে সপ্তম মনু অতীত হইলে অষ্টম মনুর অধিকারকালে কথা শ্রবণ করিলেন, সেই দিন হইতেই মহাৱা ভগীরথ গঙ্গাকে চতুর্থ অভীত হইয়া জর্থ হরি আর সময়ে ব্যাপরযুগে এসি ভূলে অবতীর্ণ করিবার মানসে নিয়ম অবলম্বন করিলেন। বিষ্ণগিরির অদূরবর্তী জীপে উজ্জয়িনীনগরে প্রকাশিখি শাস্তিগুণ-সমন্বিত ভূপতি ভগীরথ গঙ্গাননার্থ ভাজি করিতে নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি ধ্যৈ লা শম গম ও মানি অভিলাষী হইয়া মন্ত্রিগণের হতে রাজ্য সমর্পণ করতঃ তপস্যার সফল গুণের আধার, শূর ও সাচায়স ছিলেন, সতত এ বিজন বুনে গমন করিলেন। অনায় সহস্র বৎসর ব্রহ্মা, সোনাবলম্বনই তাহার ব্রত ছিল। তিনি সকল যজ্ঞের আহর্তা, শঙ্কর ও হ্নমুনির আরাধনা করিয়া গঙ্গাকে অবতীর্ণ করিয়া সকল ধনুর্ধরগণের জেতা ও বাপীকৃগড়াগালি সফল কার্যের ভূতলে যােজন্য করিলেন। এই অবধি শিশিরােবিহারিণী অনুষ্ঠত ছিলেন। তাহার শরীর অপূর্ব ছিল, সমগ্র পৃথিবীর নিল অঙ্গভঙ্গীগােভিনী ত্রিগামিনী সুরধুনী গঙ্গা স্বর্গবাসী তিনিই ভরণকর্তা অধিপতি ছিলেন। দেখিতে তাঁহার আকার মহাত্মগের বহুতর পুণপুজের জায় নভপ্রদেশ হইতে ভূতলে কোমল নি ও মধুর ছিল, তিনি লোকশাস্ত্রে সণিৰ নিপু। অবতীর্ণ হইলেন। তখন সেই ফুরঙ্গীশালিনী ফেনপরূপ- ও প্রীতির সাগর ছিলেন। তাঁহার আকৃতি সুন্দর শান্ত সুভল হাবিকাশ-বিয়াজিত প্রসন্নপূণ্যমঞ্জরী-সমন্বিত সাক্ষাৎ ধৰ্ম্ম- অর্থাৎ সৌভাগ্যসূচক ছিল, তিনি প্রতাপশালী ধর্মবসল কিনা- সতিস্বরূপিণী ত্রিমাগবাহিনী ভাগীরথী মহীপতি গীরথের যেৰ ৰজা (অর্থাৎ অপরের বিনয় শিক্ষা খাতে হয়, তা সমূদ্ৰ পৰ্যন্ত যশঃপ্রচারের বীথিকাস্বরূপ অবনীলে শােভা বাক্যের বক্তা) সকল পদের পাতা ওলােত ছিলেন। সর্বদাই পাইতে লাগিলেন। ১৩-১৭। তিনি সংসঙ্গে থাকিলে, সর্বদা সকল ক্ষতি শ্রবণ কৰিলে। ইসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৬। তিনি সকলই আনিলে, পি হার অভিজ্ঞতা অভিমান হিল না, ত্রৈদিব্যসন তিনি তৃণভুল বােৰ পৰ্শও করিলে না।৭-১৬। বাল্যকালেই তাঁর পিতা বর্গারােহণ করেন, সপ্তসপ্ততিতম সর্গ। (তাঁহার পিতা মাত্র মলাধীশ্বর ছিলেন)(কিন্তু) সেই বশী শিখিধ্বজ অবস্থায়ই নিজ বাহুৰীৰ্যে ঘােড় বসর বামে বশিষ্ঠ কহিলেন, রামচন্দ্র! তুমি শান্তচিত্ত হইয়া ভীরণ দিগ্বিজয় করিয়া সম্রাটপদ লাভ করত সাম্রাজ্য সশবিতে ভূমণ্ডল যেরূপ শেষাবস্থায় রাজ্যশাসনকালে বুদ্ধিসহায়ে দৃষ্টিকে স্থির রাখিয়া পরিপূর্ণ করেন। সেই ধীমা শিবিধ্বজ মন্ত্রিগণের সহিত নিঃশঙ্ক- ছিলেন, তদ্রুপ তােমার এই দৃষ্টিকে স্থির করতঃ সমভাব, চিত্তে ধর্মানুসারে এজাপালন করতঃ নি কীর্তিকলাপে দিকসমূহ সমর্শিতা ও স্বভাব অবলম্বনপূর্বক যখন যে কাৰ্য্য উপস্থিত ক্লীকৃত করিয়া অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। অনন্তর কতিপয় হইৰে, সম্পাদন করিয়া যাও। আর বিভব পরিত্যাগপূর্বক বৎসৱ অতীত হইলে (যখন তঁহার পূর্ণ যৌবন উপস্থিত হল) মনোরূপ বিহঙ্গকে আক্রাধে ক করিয়া শান্ত করঃ শিখিধ্বজ তখন বসন্তকালপ্রাদুর্ভাবে পপসফল বিকসিত, কিরণ কু রাখার ব্যায় অচলভাবে আত্মতে অবস্থান কর। রাম বলিলেন, জিত ও পুরাগে কপূরের ন্যায় প্রবল পরস্পর মিলিত রূপ হে ব্ৰহ্ম! ঐ শিখিধ্বজ কে? কেমন করিয়াই ৰা পরমপদ কপাটসমর্থিত, সৌভ শােতমান পকবরূপ বিতান চাদোয়) প্রাপ্ত হন। আমার জ্ঞানবির অন্য আমাকে একথা বলিয়া দিন। বিয়াজিত, শাখারূপ অপুখ্যে মীকালরূপ কােণায় কে বশিষ্ঠ কহিলেন,-পূর্বকরে আগরে নিখিধ্বজ ও তাঁহার পত্নী, বহু ভ্ৰমমিথুন পরস্পর আনতে প্রবৃত্ত হইলে এবং এই দম্পতি জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন এবং এই বর্তমান কঙ্গেও শশাঙ্ককিরণে ও তুষারশীরেড কললীকলীর জনগ্রান্ত সেইরূপেই তাহারা উৎপন্ন হইকেন, তাহাদের পূর্ববৎ এই কলেও জলেও পত্রে মৃত্যুকারী বায়ু হিতে থাকিলে পূর্ব হইতেই ৩ পৰম্পর প্রণয়বন্ধন হইবে। তাহা শুনিয়া রামচ কহিলেন, সৌন্দাশ্রিণে চুড়ালার প্রতি অনুরক্ত তদীয় চিও তাহার হে ভগৰ হেৰাগ্নিবর! পূর্বে যাহা যেরূপ হইয়াছিল, এক্ষণে প্রতি সদুক হয়। ১৪২৩। কুংমাশি সৌরূপ শর তাহা সেইরূপই হইতেছে ও ভবিষ্যতে হইবে, -ইহার কারণ অনে ও বঙ্গবনসদৃশ জীয় কাগজৰিত মন মত্ত হইয়া সেই কি? তাই আমাকে বুঝাইয়া দিল। বশিষ্ঠ কহিলেন,-জগৎষ্টি কান্ত চুড়ালাবতিরিক্ত কোন বিষয়েই সংসাই না। বিষয়ে নিয়তিরূপ ব্ৰহ্মাদি দেবতাদের যে সত্য সময় জ্ঞান, তিনি কেবল চিন্তা করিতেন, কতদিনে আমি উদ্যান বললাম হায় নি তাই এই একার বিভিন্ন হেতু। ১। ও লীলামলিন খ্য সেই হেমাতুলন্তনী মনােহারিণী যেমন একটা আর গায় আল বহুভর বহুবার হইয়া এলাকামিনীকে মে তদীয় দেহ যিনি কৰি পকে আবার তাই হত আফল আহাতে হয় এবং স্বল্পট যেমন স্থাপন কৰিব। ভ্রময় বের কর বেলাতে ভারীকে পুর্বে উৎপজ না হইলেও হইয়া থাকে, কিন্তু তাহা হি করিলে গ্রহণ করে, সেসব দিনে আমি সেই আমার ভুজলায় - পুনরায় যেমন জাহাতে হয় না, সেই সময় সরকারি(ঝ দুলতি বালায় পরিণয় কৰিব। বঙ পর্ষসমিবোধহইয়া থাকে। যেমন সমােবরেস আর সেই ইয়ীই ৰা কৰে আমায় কা মানতে । 2 ।
হইয়া মৃণালহার, কুন্দন, ফি ও পুষ্পিত লতাহলে হইছিল। পরপর পরস্পরের হয়ে বাস করায় একই পুঞ্জীভূত লগৰ অভিলাষিণ হইবে। এই প্রকার চিন্তা অরুত জীবস্বরূপ মেয়ে সংক্রান্ত হইয়া অস্থিতি কল্পিত পরায়ণ হইয়া সেই শিখিজ কখন পূষ্পচয়নাভিলাষী হইয়া ছিলেন। ব্রাহ্মণ বটু যেমন শানিমৰ খাদশ বৎসর কালের বনান্তে ও মানন বিগার করিতে লাগিলেন। কখন বা মধ্যে গুরুমুখে বেঙ্গবিদ্যা শিক্ষালাভ করে, সেইরূপ চূড়ালা বুনে, কখনউনে, কখন কমলিনীর সমীপে, কখন বা লতা- সর্বশার্থ বৈদ্য ও চিত্রশিলাদি গৈৰিয়েতবিরে পার- গৃহে, কখন বিবিধ উদ্যানে ভ্রমণ করিতে লাগিলেন। কখন বা শীৱ নিকট সুশিক্ষিত হইয়ছিলেন। ঐ রাজা শিখি সেই অমন হইয়া বন উপবন বিন্যাসবর্ণনাসম্বলিত কথায় ও চুড়ালার নিকটেই নৃত্যবাদিক্রজি বাৰিদ্যা শিক্ষা লাভ করিয়া শারগর্ভ কতে আসক্ত হইলেন। কখন ৰা মনে মনে কলাপাত্র বিশারগ হইয়াছিলেন। অমাবস্যার নি যেমন চন্দ্র চঞ্চল কুন্তলতা হারবিরতি। সুষণকলসপয়ােল্লা কুমারীগণকে সূৰ্য পরস্পর মিলিত হইয়া পরস্পর পরস্পরের কলায় সঙ্গত হইয়া কলা করিয়া তাহাদিগের সুখ্যাতি ও আদর সৎকার করিতে বিরাজ করেন, সেইরূপ সেই দম্পতিও পরস্পরের কাৰিা ছিলেন। কখন বা সেই সঙ্কলিত মণীগণকে কল্পনায় বেশ পরস্পর বিচিত হই একাদয় ও এক হইয়া অস্থিতি করিতে ভূষা ধারা অলঙ্কৃত করিতেছিলেন ভব্য মন্ত্রিগণ রাজাকে স্থা- লাগিলেন। সেই পরস্পর পরস্পরের প্রতি অনুরাগী দম্পতি পথ দেখিয়া তাঁহার মানসিক সঞ্চয় ও হিলিত জানিতে মিশ্ৰিভদুগ্ধ জলের ন্যায় একরস হইয়াছিলেন এবং পপ ও সৌর- পালি, ইঙ্গিতাকার অবগত হইয়াই মন্ত্রী, বিবাহ লক্ষণ স্থির ভেজায় এবীতে অবতীর্ণ হরগোবর অভিন্নভাবে বিরাজ কমিয়া অনন্ত মন্তিবর্গ পরস্পর অনুরাগশীলাদির বিচার করিতেছিলেন। এইরূপ বৈদ্য সুন্দরমতি ও সশস্ত্র পণ্ডিত পূৰ্ব্বক তাহার বিবাহের এ সুরাঞ্জরপতির নিকট প্রদীয় যৌবন- সেই দম্পতি ধৰ্ম্মরক্ষণাদি কার্যের জন্য ভূমিতলে অবতীর্ণ করল, সম্পন্না যুবতিপরিবৃত কাকে রাজার সহিত বিবাহ দিবার জয় কমলাপতির স্থায় শােভা পাইতেছিলেন। তাঁহাদের পরস্পরের প্রার্থনা করিলেন। রাজা শিখিধ্বজ নিজের প্রতিমূর্তির ন্যায় সেই প্রতি প্রগাঢ় অনুরাগৰশ সর্বদাই সন্নতা ও মাধুৰ্য্য অৰিচলিত আত্মানুরূপা সুরাজনন্দিনীকে বিবাহ করেন। চুড়াল নমী ছিল। কোন সন্ধি বিষয় কিংবা লােকরহস্য, প্রত্যেক করিয়া সেই সুরাজদুহিতা নৃপতির অপরূপ সুন্দরী ছিলেন। চুড়াল ৰা একেবারে) জিজ্ঞাসা করিলে এক কালেই ও এক বিষমেই তাহাকে পতি পাইয়া প্রফুল পদ্মিনীয় স্থায় শোভা পাইলেন। সূৰ্য্য- উভয়ে সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারিলে। ৩৮-৫০। তাঁহারা দেব যেমন পদ্ধিনীকে বিকসিত করেন, সেইরূপ রাজা শিখিধ্ব উভয়েই গুরুদ্বিজাদির বিনয় হিতাদিব্যবহাররূপ অনুবৃত্তি কৰিলে। ইন্দীব্রুনয়না চুড়াকে অনুরাগ প্রদর্শনে প্রীতিপ্রফুল্ল করিলেন। উভয়েই লােক ত্যন্ত ও শাস্ত্রগম্য হয়ে অভিজ্ঞ ছিলেন। পরস্পর পরস্পরে চিত্তসমর্পণকারী এ এমন পভির উয়েই কলাকলাপসম্পন্ন ছিলেন এবং উভয়েরই শৃঙ্গারাদি এরাগ (দিন দিন বৃদ্ধি পাইতে লাগিল ।২০-৩৪। নবরসরূপ রসায়ন স্কুরিত হইত। ব্ৰহ্মাণ্ডাৰৰ সভ্যলােকে গম্ভীর হাবভাববিলসানি-শৃঙ্গারচেষ্টাখালী চুড়াল নবলতিকার ন্যায় নিজ সরোবরে মামদো মৃদুগামী হংসমিথুনের ন্যায় সেই অঙ্গে শােভা পাইতে লাখিলেন। রাজচিত্রানুবর্তী মন্ত্রিগণ তাহার সর্বোৎকৃষ্টসৌন্দৰ্যশালী দম্পতি অন্তপুরমধ্যে রতিভােগবিলাসে ভােগ্য বস্তু সান করিতে লাগিলেন। এবং সেই খাকি বিহার করত বিজ্ঞান করিতে লাগিলেন। ৫১-৫২। মগ্রিগণ রাজ ভার পাইরা এগিকে অভিলষিত অর্থ প্রদল সসখুমি সর্গ সমাপ্ত।৭৭। কম্বিতে লাগিলেন , তাহাতেই প্রজগণের কোনরূপ বিশৃঙ্খল ঘটিল না। তিনি এমপানবিষয়ে নিশ্চিন্ত ও সুখী হইয়া বা হংস যেরূপ বলিনীর সহিত কেলি করিয়া থাকে, সেইরূপ নি জয়িতার সহিত কখন বা পুরমধ্যে, কখন বা দেয়, কখন বালা এইসপ্ততিতম সর্গ। কলিনীতে, কখন যা উনানে, কখন বিহারস্থানে, কখন বা লতা বশিষ্ঠ কহিলেন-ইরূপে সেই গানপ্রেষণালী দম্পতি গছে, কখন না কদমবনজিতে, কখন ৰা চমগুরুগতি কহ বৎসর যাবৎ প্রতিদিন বিভিন্ন অতিরিক্ত যৌন লীলা ঘর। বীনিতে(শ্রেণীবদ্ধচন অনুযুক্ত পথে, ন ব মাৰ- বিহার করিতে লাগিলেন। অনন্ত পুনঃপুর বহু বৎসর অতীত জামচঞ্চলা কালীকলী বক্ষবজিবিরাজিত “লে, কখন না হইলে কুন্তু বিণীণ বা সচ্ছিদ্র হইলে যেরূপ তাহা হইতে অল পূরান্তে, ফান বা কান্তে, কখন ৰা দিগন্তে, কখন বাবােৰর এ গলিত হয়, সেইরূপ তাহাদের যৌন ক্রমে মে বিগলিত হইলে জিতে, কখন ৰাগসমূহে, কখন বা অন্তে ও কখন ৰা অক্ষু (দেহ যখন শিথিল হইয়া পড়িল, তখন বিচার করিতে লাগি এখীরঅতি ব্যতিত কাননে হাির করিতে লাগিলেন। বলি। লেন;-এই দেহী -চিপ হুজুর দেহ লইয়া ব্যবহার- বর্গ কারা কৰিত ক্ষেত্রে উত্তমরূপে বৃষ্টি হয় শত উৎপন্ন হইলে পথে ভ্রমণ করিতে, ফল পৰু হইলে যেমন তাহার পত নেমেদুর আকাশ ও নামল ফুল বেরূপ রমণীয় শােল অৰি, ড্রপ ইহার মৃত্ব অর্থাৎ দেখিয়োগ অনিশ্বৰ্য। বারণ করে, তদ্রুপ কমনীয় দণ্ডিয় পরস্পরের কানিট, কারণ কলােপরি বিরূপ অশনিসপাতে ব্যায় কারা এই দেহ অতি আনন্দ জনক হইয়াছিল তাঁহারা পরস্পর ধন নিযুক্ত আয় করিবার ও সুখী হইয়া রহিয়; করললের ২ন না, উল্পেই কাৰ্য উভয়ের প্রীতিকর হইত, আং স্থায় অতি গলিত হইছে(অর্থাৎ পাইয়ে); লা পর পরস্পরের নিকট সকল কলামির এক কিন্তু এত্র জােগতৃষ্ণা ও গোলা বর্ষাকালে লাৰু অ লাভ করিয়াছিলেন পরস্পরের গুণে ফ লায়লা বলিপাইয়াঙ্গাইলে। এই যৌবন কালীন ত্রিভাবাপন্ন হয় একই পরিবারে যায় সে গান করে। এদিকে নির্ব-gষণ-পূর্ব। ইএল যেমন সত্য, এমোনিত ওজভাৰে ভৰি সেইসল, খালি নেহেই , পণ্ডিত মিথাৎ জী হইয়াই আহ। মুখসলকে খত হইতে পার শখের অনুষণ ও বয়ে য় দেখে রত্নতায় পলা ফল। আমিষে গঞ্জের খ গ্যাত্মিকাশি যুক্ত; সুতরাং এবাবেয়ায় উহাগের ভবই সি নিবে। ত্রিবিধ কুখ ও তৃ হয়ে আবির্ভূত হইয়া ব্যথিত করে। ব্যথিত করে। যখন ব্যক্তি যারা নােট্ট র মন (খালি) বা আড় বেকি বর্ষাকালে বৃষ্টিধারা পতিত হইলে জলে যেরূপ বু উৎপজ চালিত হয়, তখন ঐ যষ্টির তায় মল-আদিও সংৰোগৰােগ্য দ্রব্য হয়, ও তাহা যেরূপ এই আছে, এই লাই, এই বীর বলিয়া সঙ্কজক শক্তিবিশিষ্ট জড়ই বলিতে হবে। আর কর, ইহাও এই আছে, এই নাই। জীব বিচারপূর্বক যে ঐ যে সাকশক্তি তাহাও জড়ের ৩ বলিয়া জড়ই। সকল ব্যবহারের অনুসরণ করে, তা বগঞ্জে আম র যা পাষাণখরে আর নিশ্চমাত্মক বুদ্ধি আর এই এসার। আমাকে সপত্নীসংগ্রহে আসত নেয়া যদি প্রেরিত হয়, আর তা ঐ নিৰিকা বুদ্ধিও অড়, মালিনী স্ত্রী বেন সর পলা করে, সেইরূপ যৌনও সন্তু ইহাই নিশ্চয়। খাত যেমন নষীকে প্রবাহিত করে তপ গমন করিয়া থাকে। ১৮। বেজপ সময়ে বর রুল শুষ্ক হইয়া এহস্কারই বুদ্ধির চালক। অহঙ্কারও সাশ, শবের ন্যায় থাকে, সেইরূপ ইষ্টবিষয় লাভ না ঘটিলে শন বলপূর্বক দুর্ঘনায়- অড়। বালক যেরূপ ভ্রমাত্মক যক্ষ সৃষ্টি করে, না অন্য বস্তু মান হয়। (যদি এই রূপই হইল বে) যাহা পাইয়া চিত্ত দেখিনা হাতে ধরে অধ্যাস আরােপিত করিয়া ভীত হয়, জ্ব অণাদি দুর্দশাতে সপ্ত না হয়, এইরূপ সংসারে রি প্রবচ্ছিন্ন চিদাভাসরূপ জীবও জীব অন করে অর্থাৎ বালকের সুন্দর এর কোন বস্তু আছে অর্থাৎ তাহার বস্তুর বিদ্যমানতা আয় জীবরূপের অখ্যাল করিয়া কে, অতএব অধ্যখ বলিয়া কোথায় ?তাহারা দুই স্ত্রীপুরুষে এইরূপ বিচার করিয়া অাৰু- জীবও wড়; হয়নিত এলাথিক চিমীকাশমাত্র ১৬৩। শাই সংসারব্যাধির যে, ইহা নির্ণয় করিয়া তাহাই দীর্ঘকাল ঐ পুকুমার জীব স্বান্ত বিশ্বটততে পরিপূর্ণ হইয়া জীবিত ব্যাপিয়া বিচার করিতে লাগিলেন। একমাত্র আত্মানেই এই থাকে, সাক্ষিভাবে প্রকাশকলকে কলঙ্কিত। সেই বি- সার-বিটিকার খাতিটিয়া থাকে, এই প্রকার নিশ্চয় করিয়া চৈতই জীবরূপ সমন্ত নিতেন অব সেই চিরন্তন আত্ম- হারা উভয়ে আত্মজ্ঞানপরায়ণ হইলেন। তৎপরায়ণ ভগপ্রাণ রূপ চিৎস্বরূপ যারাই জীবিত রহিয়াছে। বায়ু যারা সৌরভ গতচির তন্নিষ্ঠ এবং সেই অধ্যাত্মবেতৃগণের শরণাপন্ন যেমন উজ্জীবিত থাকে, ও খাত যেরূপ নদীর প্রবাহের জীবন হইয়া রহিলেন। তখন তাহারা সেই অঙ্গনের অর্চনা ও অর্থাৎ স্থিতির হেতু, ক্রপ জে যিয় বিশিষ্ট চিপই। অন্নতে চেষ্টাবলম্বনে কি করিতে লাগিলেন। অনন্তর সেই জীবের জীবন, আহাতে জীন্স ৰিত থাকে। ঐ অসত্য জড় দম্পতি গাঢ় অভ্যাসৰণে প্রাণ আত্মগত হইলে পরস্পর ও চেত্য অর্থাৎ কােন বিষয়টি অংশে অকাত্ম শর্ক অধ্যাস- পরস্পরের প্রবােধ সঞ্চার করত সেই পরমাত্মায় প্রতিস্থাপন নিবন্ধনই চিভাব অড়ের স্থায় ইয়াছেন। উফল বা করিলেন এবং তাঁহারা পরস্পর সেই অধ্যাত্মন্ত্রেই সৰু সমুদ্রজলে অগ্নি যেরূপ নিজ ভাষারূপ তথা কক্সন, তপ চিং চিন্তা শ্রবণ ও পরম্পলবােন (বুঝন) রূপ আরত (অর্থাৎ স্বরূপও উপাধিসম্পর্কে নিজ ভাস্বর পত্যাগ করিয়া থাকেন; চেষ্টা) অবলম্বন করিলো। হে রামচন্দ্র। অনন্তর সেই চূড়ালা সেই এই সংশে চিস্বভাব হইতে কলাভ করিয়ই যে অধ্যাত্মশায় বেত্তাদিগের মূখ হইতে সংসারসাগর-ণােপ- খট, পট, ইত্যাদি সভা চিলাকালের সহিত একসী অর্থাৎ যােগী রমণীয় পৰিভাস পাত্ৰাৰ্থনবরত এবণ করিয়া দিবা- অভিভাৰ সমন্বিত বলিয়া বােধ হয়; অর্থাৎ চিৎসাই এ টার্দিক মাত্র এই প্রকার বিচার করিতে লাগিলেন। ১-১৫ এবং টাদি ধ্বংস পাইয়া মৃদদিতে হয় প্রাপ্ত হইলে আমি শরীরব্যাপার ত্যাগ করি, আর নাই করি, আমি বিচার- চিকাৱই আবার ট নাই বা পট নাই, ইত্যাদি সভা পৱিত্যা পূর্বক আত্মদর্শন করিয়া দেখি (চেল খাতু) আমি এই কাৰ্য করিয়া অভাৰস্বরূপও হন, কিন্তু চিৎসমাধি হইলে এবং কারণ খাতে কি হই? এই সংসারগ মােহ কাহার কি অই চিংভাবে চেত্য বিষয়ের একা জলিলে, ঐযে বাসনােপ- বা এ মােছর আবির্ভাব ? ও কোথায় কি হইতেই বা উৎপন্ন স্থাপিত চিৎস্বভাবের বিষয়ে উলুকানিরন্ধন উৎপন্ন সদু, হইল? এই যে হে, ইহা এড়, অতএব ইহা আমি নহি, ইহা তৎ সমই অফায়েই পূর্ণরূপ ত্যাগ করিয়া ক্ষণকালের নি। (কারণ, বাহা আমি বত্মিা এসিড, অহাড়তাবাপন্ন মধ্যে সাক্ষা চলাকার অর্থ হয়। এইরূপে সাক্ষাৎ চিৎম্বরূই বা মুঢ় নহে)। তয় আমি সুখ, আমি গৌর” ইহা বুজিবুতি চেত্য বিষয়ে উন্মুখ হইয়াই, অবিদ্যাৰণহেতু, ধ্যাপরম্পরায় থাকিলেই অনুভূত হয়, স্বকামান নহে, সুতরাং এই দেহের অ ও অসপ ইয়াছে। ঐ জগৎরূপ বুদ্ধিতে অনাবৃত জড়ত্ব বাল্যকাল হইতে সিদ্ধ। এই যে বাল্যকাল হইতে সিদ্ধ- স্বভাৰ চৈতকর্তৃক স্বীয় তত্তাকারে ব্যাপ্তি আৱা ফুল এবি আমি স্কুল, আমি গেীর ইজ্ঞাদি তাহা বুভিরতি থাকিলেই অনু বরণের না হইলে এবােধিত হইয়া থাকে। চুলা এইরূপ ভূত হয়, বকাশ নহে(অঙৰ হােদি সবই জড়, তাহা বিচার করিয়া উপায়ে চি আৰিাণনা ে প পৰি কখন যাহাকে ‘অহং আমি বলি, তাহা হইতে পারে না। আর কাগ কৱি ৰোগ প্রাপ্ত হইতে পারেন,”ই চিন্তা করিতে সে কর্মতিসমূহ, তাহা ত এই দেহ হইতে ভিন্ন হপালি লাগিলে।” পরে ক্ষমাণ রীতিতে তাঁহ আত্মভ ৰােৰ অববরূপ মাত্র। অবয়ব আর বে অবসবাইলে পেনাই জন্মিল। তখন চুঙ্গালা ভাবিতে লাগিলেন, হে! আমার কি উ একই আড়ম্বরূপ মাত্র। আনেশ্রিয়সমূহও রূপ শয়ীরা- ৰৰ শাৰ, ৰ উহাও এই। (যদিও আমি এদি * সকশক্তিম আভা (১) সি যা , সূ লিশেহাবয়ব দেহাবয়ব নহে, ইহা বানালে সিকান্ত চিহ্নিত যা শজিৎ এই পাঠ ােেগণিত-রামায়ণ সৌভাগ্য। যাহা নিৰ্ম্মল জে, সাং জানিবার বস্তু; আজ চিত্ৰন্ধে সমষ্টি চিত্ত হইতে অনুদিত হইয়াও উনিত হইয়া অহা ৰকালের পর দিন পালিকাৰ।২-৩। ঐ চিৎ থাকে। তাহা হইলে সেই স্বপ্ন ইন্দ্রজালালিতে চিপ বই স্বরূপ আত্মতত্ত্ব আদিতে পারিলে কাহারও পুরুষার্থ হইতে চিতকৃতি লরূপী হইয়া ভাদি ব্যভেদে অনাকার হইলেও বিচ্যুতি কাটে না কোন কালেও হানি হয় না, কারণ তার যেরূপ তাহাতে আত্মবতিরিক্ত অণুমাত্র কিছুই নাই, সেইরূপ প্রাপ্তিই সকালান্তি এবং এতে কোন বস্তুর দুঃখসান চিত্র “হ” স্বরূপও অগভানবিশেষ ভোকান্নাকায়িত হই- বলিয়া পরিভুক্ত হয় না, কারণ সেই আত্মজ্ঞানে সমস্তই আছেন, পরমার্থ পূচির ‘অহং” (আমি) ব্যতিরিক্ত অনকৈরস হইয়া পড়ে। আর এই যেমন, বুজি ইয়ালি, অণুমাত্রও কিছু নাই; আরও অভাবের যখন সীমা নাই, এখন এই সকল চিহিসেয় পরিচ্ছেদ হেতুমাত্র। এহছ। এ সংসারে অহংভাৰ, অর্থাৎ অহংকাৰ জি যা কিছু প্রতিভাত হয়, তাহা সমই অসৎ মিখ্যাপক, সমস্তই দেখিতেছি অন্ধকাৱাত দৃষ্টি চিত্ৰই কিন্তীণ। ৩৬-৪২। সেই চিত্র অহংরুপের জয় পরিকল্পিত পদে অবস্থিত, অর্থাৎ তা ভাজিপরিকল্পিত মাত্ৰ। নই, মৃত্যু অর্থাৎ দেহবিয়ােগ নাই; অর্গনাকরূপ সদসংগতি কেবল একমাত্র মহাসানামে পরিগণিত হচিই বর্তমান। নাই, আর সেই চিমাত্র (অপরিহি) মহাকা-ের ধ্বংস অসম্ভব। ঐ মহাচিং নিষ্কলঙ্ক। সমা, শুদ্ধ ও নিরহঙ্কানরূপিণী , শুদ্ধ ঐ চিৎস্বরূপ সুৰ্য্য তিনি, উহার ছেদন বা দহন কিছুই সংযেন জ্ঞানই তাঁহার আকার, তিনিই শিব অর্থাৎ নাই। আজ আমার সৌভাগ্য যে, শান্ত ও নিৰ্ব্ব হইতে ভূমান স্বরূপ বণিয়া পরমমাল, সন্মাত্র এবং ঐ মহাচিং কখনও পারিলাম। এখন আমি ভ্ৰমমুক্তভাবে নির্বাণলাভ করিতেছি, সেই ভূমানন্দ মঙ্গলম্বভাব হইতে বিচ্যুত হন না, এগ অচ্যুত মরুভ্রমণরহিত সমুদ্রের ন্যায় নিশ্চলভাবে অবস্থান করুিত পণবাচ্য। সেই মহাটিই সখি অাৎ মূল অবিদ্যাৰণ পারিতেছি। (এখন বুঝিয়াছি ) আত্মকাণে দৃঙ্গাভাস কিছুই আঁহা হইতে একেবারেই নিবৃত্ত হইয়াছে, কখন তাহাকে আবৃত নাই, উহা অতি নিৰ্ম্মল, অজ, অচ্যুত, উছার বাধা নাই, নির্মল করিতে পারে না; এই এই বিমলা এবং সেই হেতুই সদা পরম ওকানিক পরিচ্ছেদশূহ। ঐ আত্মাকাশ অন অর্থাৎ নিহত্যাৰতী। সেই মহচিই বোস্তাদিশাস্ত্রে ব্ৰহ্ম ও পরমাত্মাদি শেবকুণ্ড পরিচ্ছেদহিত, আৱন্ধ স্কুল পর্যন্ত প্রাণির কর্মফল- নামে পরিকীর্তিতা। চিত্ত, চেত্য ও চেতনরূপ ত্রিটা ঐ মহাচিং সমূহ ও তৎসাধনব্যাপার নিস্ফল সাধন ও বখাচেষ্টা মাত্র; কারণ হইতে ভিন্ন বস্তু নহে; কারণ, সেই সাক্ষীভূত মহাচিৎই ঐ সকই আকাশ, উহা অন্য কিছুই নহে। সুহুরমুত অখিল কিন্তু চেত্যাদি ত্রিপুটীয় সঞ্চিতাৰে চৈতন্যদাত্রী অর্থাৎ তৎককই বিশ্ব ঐ আত্মকাণময়, সুতরাং উহা অকৃত্রিমই। যেরূপ চেলিত হইয়া ঐ চিতাদি অনুভবাসি করিয়া তৎকবলাভ করে, লালালি পুরুষকর্তৃক নিৰ্ষিত সেনা কিংবা বালকনিৰ্মিত পুরুষ- ঐ ত্রিপুটী স্বয়, কিছুই করিতে পারে না। ঐ মহাচিৎ পরিচ্ছেদাদি জাতির অনুরূপ চললাদিবিশিষ্ট নৃয় সেনা,-মৃত্তিকামাত্রই, সিদ্ধা নগেন এবং ঐ সাফিতি ত্রিপুটীর আবির্ভাবের পূর্বেই স্বও সেইরূপ এই দৃশ্যময়ী (জগৎ) সত্তা চিন্মাত্ৰৈক্যময়ী এই সিন্ধ বলিয়া আফা জিপে বিখ্যাত ৩১-৩৫। জ্ঞানের অগোচর একত্ব, বিব, অ, অহংভিন্ন, ইত্যাদি ভ্রম সংমােহই বা কি, যে চিত, তাহাই ঐ সাক্ষীচু মহাচিতের অনুরূপ, সেই মহা- ও কাহারই বা এবং কি নিমিতই বা কোথা হইতে আসিবে ? জিই মনঃ বুজি ইলিদি ও ইক্রিয়াদিগােচর অক্ষপে বিবর্তিতা এখন আমি অনন্ত পারমার্থিক স্বরূপ লাভ করিয়া শান্তি প্রাপ্তি- হন। চিঝা মনােবুদ্ধি-জাদি বিবৰ্ত্তাকারে প্রমাতৃভাব প্রাপ্ত পূর্বক (নির্বাণস্বরূপে) অবস্থান করিতেছি। এখন আমি মােক হইলে তাহাতে অঙ্গাণ কজনাকর এই জগৎ ভৌতিক সুখে সর্ব নিবৃত হইয়াবষয়ৰিয়মিত কনুবর্ণবং প্রাপ্ত হয় পদার্থের সত্তা ফুরিত হয়। এই যে অগংসভারূপ পদার্থ প্রসিদ্ধ, স্বরূপেই অবস্থিতি করিতেছি। যা অচেতন ৰাচেল প্রকাশ তাহা অধিষ্ঠানভূত মহাচিতেরই পরমরূপ অর্থাৎ রূপান্তর মাত্র (ঐ মান, আর যাহা তাহায় ভোক্তাস্বরূপে অনুভদি করিতেছে, চিত্ৰহ্মের রূপ বিবিধ, মূর্ত ও অমূর্ত এবং তাহাই ক্ষতিগ্রসিদ্ধ। তদুভয়ই ভাসমান অদ্রি যে এ চিদাকাশই মহাচিতে কারণ, সেই চিৎই ক্ষটিক মনির স্যায় সংযুক্ত না হইয়াও নির্লিপ্ত অবস্থিত। ইলা অর্থাৎ এই ঐইহার ইহাতে' ইত্যাদি, অহংতা ভাবে এতিবিম্ব গ্রহণ করে, তাই এই জগৎসা ও সেই জগৎ. অর্থাৎ আমি তুমি ইত্যাদি এতডি বা অন্য কিংবা ভাষা- স্যা ব্যাবহারিক ও প্রতিভাসিক সমসম। শংষ অধিষ্ঠানা ভাব সব কিছুই ঐ আত্মচিনাকাল হ্ম নহে।ঐ চিরুব্রহ্ম শান্ত, সারী হই উদিত হইতে। মহাড়িতে নেই অতীয় অগদ- সর্বনিন, কেবল পস্বরূপেই অবস্থিত। শিখিধ্বজ সহধর্মিণ বিৰকারিশ শক্তিই এই বেজস। বর্তমান, তাহা মায়া- চুড়াল এইরূপ বিচার করিয়া রম এলেধনিবন্ধন অর্থাৎ ভিন্ন অন্য কিছুই নয়, কারণ তাহা শনিসহইতে এ নহে। এতন্তিক মােহলিরুতি হওয়ায় যথস্থিত পরমাত্মত্ব আনিতে স্বর্ণনির্মিত অলঙ্কারাওাঝাদি বিচিত্রতা যেরূপ সেই অলঙ্কারাদির পারিলেন। তখন তঁাহার রাগমােহতমােবিলাস অর্থাৎ অবস্থা- ভাবস্থায় স্বর্ণে বিলীন হইলে যেরূপ মাত্র মেয়ে অর্থাৎ হেমসত্তা- এয়ের স্বপ্ন নিবৃত্ত হইল; তিনি মরণ নড়ােৰণ্ডলেয় ন্যায় নি গেই প্রকাশ পায়, সেইরূপ এই জগৎসা অন্তে সেই চিং স্বরূপে বিরাজ করিতে লাগিলেন। ৩-৫। সত্তায় প্রকাশ পায়, সেই চিংসই সেই জগৎসরূপ আত্মাকে এগুলি সর্গ সমান্ত। ৭৮। নিয়েই আমুল করেন। (ঐ সত্তার পূর্বোক্ত যুক্তিতে অগং, বৈচিত্র ফুণৰূপ চিত্তেদের বিষাকারভেদে অসভ্যতা পর্যালোচনা কৰিলে আমি পরমব্রহ্ম চিত্ৰই পৰ্যবসিত হয়, যেমন আলাদিতে দুবাকাতেমচি আর সি সমূদ্রাদি এলে অবিদিহইয়াও উদিত হয়, সেইরুপ মহা- নির্বাণ-এৱপূৰ্বগ . এসৌভাবাপন্ন হইছে। হে মহাভাগে। তােমার চিত্ত এখন একোনাশীতিতম । বড়ভাতিহা নিল এর ন্যায় ও পূর্ণভলিবল পু বশিষ্ঠ কহিলেন,-এইরূপে সেই চুড়াল দিন দিন ক্ৰম কীরসমুদ্রের আয় সৌন্দর্য ধারণ করিতেছে। এখন দেখিতেছি, অন্তর্মুখীন হইয়া (অর্থাৎ স্তরে আত্মচিন্তা যারা আত্মারামের কোন বিভব বা তৎসভূত আনৰন্ত প্রভৃতির সহিত আমার উপলব্ধি কত স্বাভাবিকরূপে অবস্থান করিতে লাগিলেন। চিতের তুলনা হইতে পারে না। বালকদলী ও মৃণালার সদৃ। তাঁহার রাগ, আসক্তি, সুখ দুখাদিজাৰ সকলই জিরােহিত কোমল চাপল্যখনি সেই পূর্ব ই তেলের অতি হইল; তিনি নিশ্চেষ্টা হইয়া পড়িলেন। কেবল প্রকৃত আচারের প্রযুক্ত তােমার বুড়ি অর্থাৎ দেহের উন্নতিলাভ এটিয়াছে বলি অনুসরণ করিয়া যাইতে লাগিলেন, কোন বস্তুর গ্রহণ বা পরিত্যাগ বােধ হইতেছে। শিশিপগমে লতার গায় তুমি পূৰ্বৰৎ দেহাদি কিছুই করিজে না। পরমাত্মলাভরূপ মহালাভে তাহার অন্তরাত্মা সন্নিবেশসমন্বিত হইয়াও (অর্থাৎ তােমার সেই দেহাজি গঠন (অর্থাৎ দেহান্তবতী মন ও অন্তর্বর্তী প্রত্যগাত্ম) (পূর্ণানন্দে ভাব পূর্ববৎ থাকিলেও অন্য প্রাপ্ত হইয়া অন্যব্যক্তি দ্যা পরিপূর্ণ হওয়ায় সমস্ত সন্দেহজাল ছিন্ন ও ভবরূপ মহার্ণবের রূপধারণ করিয়াছ বলিয়া বােধ হইতেছে। (তৰে) তুমি কি পারে গমন সিদ্ধ হইয়াছিল। তিনি পূর্বসংসার হইতে অনুপান করিয়াছ? কিবা সাম্রাজ্য লাভ করিয়াছ? অথবা বহুকাল পরিশ্রান্ত হইয়াছিলেন, এক্ষণে জ্ঞানলব্ধ নিরতিশয় বসানাদিয়ােগ মন্ত্রাদিসিদ্ধি আয়োগ কিংবা রাজবােগ হঠ আনন্দবন পরপদে বিশ্রাম লাভ করিলেন। তিনি তখন সকল যােগাদি উপায়রূপ যুক্তি দ্বারা অমরত সাত করিয়াছ? আমি উপমার অতীত (নিরুপমা) ও বাগৰিষয়বহির্ভূত। অর্থাৎ নীলােৎপলবিলোচনে। অথবা তুমি রাজ, চিন্তামণি ৰী ত্রৈলােক্য নামােল্লেখ পথের অতীত হইলেন। এইরূপে সেই বরবণিনী অপেক্ষা উৎকৃষ্ট কিংবা অন্য কোনরূপ দুর্লভ লাভ করিয়াছ? রাজভামিনী চূড়াল অল্পকালমথ্যেই জ্ঞে বিষয় পরিজ্ঞাত তাহা জানিতে ইচ্ছা করি। ১১-২০। তখন চুড়াল কছিলেন- হইলেন।১। যেরূপ এই অনির্বচনীয় স্বরূপ জগৎ সন্ম- আমি ইহা অর্থাৎ মূঢএনএসি এই দেহে আত্মবুদ্ধি ত্যাগ স্বীয় স্পন্দমি অন ব্যক্তির হৃদয়ে অকস্মাৎ সমুদিত হয়, করিয়া যাহাতে (অকিঞ্চিৎ অর্থাৎ) অশেষ নামরূপ আকার সেইরূপ তজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির হৃদয়ে মাদি সকলই স্বয়ং লয় আদি (কিঞ্চিৎ ) অর্থাৎ কিছুই নাই,(১) থাৰিধৰ বাত্মতা পাইয়া থাকে (এই জন্যই স্বল্পকালের মধ্যেই চুড়ালার অনাদি অজ্ঞসহায়ে প্রাপ্ত হইয়াছি, সেই অই আমি এরূপ খ্ৰীমতী মহম এম বিদূরিত হইল)। সেই সকল প্রকার যৈতৰ হইয়াছি। মরসানাদি সাধনমারে যে কিঞ্চিৎ কিঞ্চিৎ অর্থাৎ বিবর্জিত শান্ত ব্ৰহ্মপদে বিশ্রাম লাভ করিয়া চুড়াল সমৰিহীন। তুচ্ছ স্বল্পমাত্ৰ আকাদি লাভ হয়, তাহা প্রাপ্ত হই নাই, তাহা হইয়া শরৎকালের স্বচ্ছ মেঘমালার স্থায় শােভা ধারণ করিলেন। আমার নিকট তুচ্ছ, সেই জন্যই আমার এরূপ ঐ (২)। আমি বুৱা গাভী যেরূপ দুমােহ তৃণজলাদি সমন্বিত সমালােক এই পরিচ্ছিন্ন অসত্য সকল প্রকার বহুকৈ ত্যাগ করিয়া যায় অর্থাৎ ঘথায় রৌদ্র ও জ্যোৎন্সা আলােকের উপভােগ সমান অপরিচ্ছিন্ন অন্য বস্তু যাহা সত' (এধিত) অথচ অসভ্য তাদৃশ শৈলা দৈবাৎ প্রাপ্ত হইয়া জানানভাবে অবস্থিত করে, (অর্থ সৎ অর্থাং মুর্ত, অ অা অমূর্ত প্রপঞ্চরূপ নাই) তদ্রুপ সেই শিখিধ্বমহিৰী চুড়া সমালােক অর্থাৎ জাগ্ৰাদি তাদৃণ পৰম বকে প্রাপ্ত হইয়াছি, তাহাতে আমি এরূপ সকল অবস্থায় একরূপে মান এভগাকে আগ্রাদি সীমতী হইছি। যাহা ঘষ্টি অর্থাৎ সৃষ্টিকে অতিক্রম না সঙ্গাত্মক প্রভাব প্রাপ্ত হইয়া সেই আত্মাতেই অনাকুলভাবে করিয়া অর্থাৎ সৃষ্টিদৃষ্টিতে দৃশ্যমান হইলে কিৎি অর্থাৎ অবস্থান করিতে লাগিলেন, এবং স্ববিবেকের নিয়ত দৃঢ় অভ্যাস পরিচ্ছিন্ন বস্তুপে পৃ হন, আর নাশ অতিক্রম না করি নিবন্ধন জ্ঞানপ্রকাশে আদ্যোলয় অর্থাৎ পূৰ্ণানন্দস্বরূপের অর্থাৎ প্রলয়দৃষ্টিতে দেখিলে যাহা কিঞ্চিৎ অর্থাৎ কিছুই নহে, আবির্ভাব হওয়াতে বাগভভাৱস্থায় না যায়ণ কৰিলে। অনন্তর একদিন রাজা শিখিব সেই সর্বান্দৰ নিৰপত্নী (১)একসমত জাগ করিয়া যাহা কিঞ্চিৎ কিঞ্চিলকার নহে, চূড়ালার অপূর্ব শাসন করিয়া বিস্ময়সহকারে এলমুখে তাহা প্রাপ্ত হইয়াছি ও যাহা কিঞ্চিৎ অকিঞ্চিাকায় নহে; তাহা বলিলেন। ৬-১০। ভৰি। চলোয় কিংবা উত্তম পালক গইয়ছি,ই গঢ়োক্তি। রাজা থাকিলে পৃথিবীর যেরূপ শােভা বৃদ্ধি হয় সেইরূপ (২) চীকাতে ইহার জিচারি একার অর্থ। দ্বিতীয় পর্ব। দেখিতেছি, যেন তুমিও পূনমায় সানলাভ করিয়া কিংবা আমি কিঞ্চিৎ কিঞ্চি আকার অর্থাৎ জাগ্ৰৎস্বর্গ হয় গাই পুনপুন বেশদিতে ভূষিত হইয়া অধিক শােভা পাই নাই, কিংবা অকিঞ্চিৎ কিঞ্চিলকার অর্থাৎ অনুগৰ তাহও ছে। প্রিয়ে। তুমি কেন অমৃতসাৰ পান করিয়া ৰা ভ্য পদ ত্যাগ করিয়াছি। কেবল তুরীয়স্বজবেই আছি, এ এপ আমার লাভ করিয়া কিংবা যেন আনন্দগ্রবাহে পরিপূর্ণ ও অধিক ।-আমিন্মোপাসনা আরা কিঞ্চিৎ কিঞ্চিৎ আকার অর্থাৎ লােভমানা হইয়া বিরাজ করিজে। কামিনি! জুৰি শান্তিময় কান্ত হানি হিরণ্যগর্ভান্ত গদ অনাকৃত আলাসিতায় প্রাপ্ত সুন্দর শরতি বারণপূর্বক কেও জিত করিয়া কি এক হই নাই কিংবা অকিঞ্চিৎ কিঞ্চিাকার রূপও এ এই অনির্বচনীয় নেতা থারণ করিচ্ছে। হে প্রিয়! দেখিডে, নাই, কিন্তু সর্ব ভ্যাখ করিয়া যথরূপে অবদিতি করিতে ভােমার চিত্ত এখন ভােলা নহে, উহা আদিল, তাহাতেই ইত্যাদি। অর্থ। আমি এই বিললেই পরিচিত বিবেকাঙ্খিত সমভাবাপ, শীয় ও চাপৰহিত হইয়াছে। জীবাকার ত্যাগ করিয়াছে কি কিঞ্চিৎ সহ এ হে এবতে! কেতেছি, তােমার মন লিভুবনকে ভুল অর্ক করবিশিষ্ট, বাৰিক যাহা বিএ বােধ করিয়া অগতের অখিল রসাস্বাদন করিয়া অনন্ত সর্বোৎকৃষ্ট অব্ৰহ্ম প্রাপ্ত হইয়াছি, তাতে আমি এরূপ যােশবাণিরামায়ণ ; ভাদৃশ বস্তুকে আমি যখন্বিত (অর্থাৎ কুটস্থ মানষভাবে ; দ্বিত) জানিতে পারিয়াছি বলিয়াই এরূপ শ্রীমতী হইয়াছি। নীতিতম সর্গ। (সুদূবস্থিত)ঙ্গেগ্য ব্যয়কে ভােগ করি। দূরে পরুিত্যাগ করিলে বশিষ্ঠ কহিলেন-বরানন। চুলা আত্মাতে বিশ্রাম ধে সন্তোষ মনের আকাক্ষা নিত্তি হয়, সেইরুপ আমি অনুভব করিতেছিলেন; (তাহাতেই তিনি সৱল ও উদারভাবে লােগ না করাই স৪ এবং (তম্ভোগজনিত) হবে (বা ও আত্মশােভা নিমিত্ত সমস্ত কথা বলিলেন, ) (কিন্তু) নৃপতি ঞ্চিত হইয়া) কোপে আবিষ্ট হইনা, তাহাতেই আমি এরূপ শিখিধ্বজ তাঁহার বাক্যের অর্থ ও অভিলায় উপলব্ধি করিতে না শ্ৰীমতী হইয়াছি। আমি এখন একাকিনীই আকাশসদৃশ পারিয়া সহা= বদনে বলিলেন,-অয়ি বরষণিনি। তুমি কতক নির্মল হাভ্যন্তরে হার্দ (অর্থাৎ জলধিষ্ঠাতা) (অথবা অতি গুলি অসম্বন্ধ প্রলাপ প্রয়োগ করিলে, ইহাতে তােমাৰ দোষ মানী) ব্রীকে দর্শন করিয়া ( পার্থিব ) রাজভােগে গতি তখ- নাই, তুমি বালিকা, তােমার এখন বুজি পরিণত হয় নাই, পূর্বক সেই পাত্ৰহ্মে রতি স্থাপন করিতে পারিয়াছি, তাহাজেই অএব তোমার পরের বােধানুকুল 'বাক্যোচ্চারণে কৌশল আমার এই অসাধারণ অপূর্ব দেখলাবণ্য। আসন, উদ্যান, গৃহ কোথা হইতে আসিবে ? তাহাতে আবার তুমি রাজনন্দিনী, সদা প্রভৃতিতে আমার এই দেহ বর্তমান কিলেও আমি কিন্তু পূর্ণা- রাজভােগেই আসক্তা থাকিয়া কাল যাপন করিতেছ, ভাল, এতে অবস্থিতি করিতেছি, ভূষণালি শরীরভােগ বা সম্মাদি তাহাই করিতে থাক। দেশ, সাকারেরই শােভা প্রসিদ্ধ, যাহা মানসলােগ, কিংবা তাহার এলাভপ্রযুক্ত লজ্জাদিতে এখন আমার কিঞ্চিৎ অর্থাৎ সামান্য একার ত্যাগ করিয়া অপ্রতক্ষস্বরূপ আর স্থিতি নাই; তাহাতেই আমি ঈদৃশ অপূর্ব' শ্রীধারণ করি অর্থাৎ নিরাকার লাভ করিয়াছে, তাহা ত প্রত্যক্ষসপ- তেছি। ২১-২৬। আমিই জগতের প্রভু অথচ আমার (আত্মার) ত্যাগী শূন্যময়, তাহার আবার শােভ কি বল ? (১) তুমি কিঞ্চিত্র (দেহাজি) রূপ নাই, এইরূপ এখন আমি একমাত্র যে বলিয়াছ, আমি অভুক্তভােগে পরিতৃপ্ত, তাহা তােমার আত্মতেই সন্তোষ লাভ করিয়াছি, তাহাতেই আমার এরূপ অসম্বপ্রলাপ। দেখ, যে ব্যক্তি আমি অভুক্তভােগ্য পদার্থে এলাভ। দেহাদি অধিষ্ঠান দৃষ্টিতে এই (দেয়ালিই) আমি, আর তুষ্ট হইয়া থাকি” বলিয়া ভােগসমুদায় বিসর্জন দিয়া থাকে, সে (আরােপিত দৃষ্টিতে) এই (হােলি) আমি নহি, এইরূপ আমিই ক্রোবােয় লােকে যেমন আসন শয্যাদি ত্যাগ করিয়া থাকে সমস্ত, অথচ আমি কিছুই নহি, এইরূপ আমার দৃঢ়সংস্কার তাহার ন্যায় ত্যাগ করিয়া কিরূপে শােভা পাইয়া থাকে? বল। হইয়াছে বলিয়াই আমার এল গেদুশােভা। মুখ, অর্থ, নর্থ আর দেখ, তুমি যে বলিয়াছ, “আমি একা আকাশবং শূন্যহৃদয়ে বা অন্য প্রকার স্থিতিসম্বন্ধে আমার প্রার্থনা কি অভিলাষ কিছুই বিহার করিতেছি” তাহাও অ-কারণ, নিজের ভােগ এবং নাই এবং আমি অনর্থভাগ বাসনাও রাখি না, যথাপ্রাপ্তবিষয়েই অন্যের অর্থাৎ মিত্ৰত্য প্রভৃতি আভেজনরূপ আভােগ, এই পরিতুষ্ট থাকি অর্থাৎ সুখই হউক, দুইই হউক, যখন যাহা সমস্ত পরিত্যাগ করিয়াও সেই গেসাধন ধনাদি সষও ট, তাহাতে সন্তুষ্ট থাকি, সেই কারণে আমার এরূপ ধারণ। বিসর্জনপূর্বক একাকী শুতে “আকাশে” পিশাচ স্যায় বিহার যাহার প্রভাবে রাগষেদি হ্রাস প্রাপ্ত হইয়াছে, তাদৃণী সখীসদৃশী করে, সে ব্যক্তি শােভা পায়। ইহা কিরূপে সঙ্গত হইবে। নিজ্ঞ ও দৃষ্টির সঙ্গে সংসাপখে বিহার করিতেছি, বল। ধীরবুদ্ধি ব্যক্তি ভিক্রোফের 'ধৈৰ্যমাত্ৰলে আসন বাহালের প্রজ্ঞা ও শান্তি প্রভাবে রাস্তু ও ঘেষালি বসনশষ্যাদি পরিত্যাগ করিয়া শীত উৰু মুখ তৃষ্ণালি দুঃখ সক কম পাইয়া অঙ্গীভূত হইয়াছে, তাদৃণ সখীগ সমভিব্যহারে করত একাকী আত্মার আশ্রয়ে অবস্থিতি করে, সে কিরুপে ক্রীড়া করিয়া থাকি, তাহাই আমার এরূপ গ্রীবারণের কারণ। শােভমান হইবে?১। এই দেখ আমি নহি, অর্থাৎ আমি হে মাখ। এই জগতে আমি নানরশ্মিতে ও ইন্দ্রিয়াছি এবং দেহধারী নছি, আমি অন্য কার, আমি কিছুইনহি, অথছ আমি মনের দ্বারা বাহা প্রত্যক্ষ করিতেছি, সেই সমস্ত প্রত্যশীভূত সর্বপ্রকার, এইরূপ এলাগীয় আর শােভা কোথায়? স্বাহা বিজাল কিছুই নহে, সমস্তই সবখা মিথ্যপ্রগৰু, এই দেখিতেছি, তাহা কিছুই নয় তএব কিছুই দেখিতেছি না, প্রকাবেই এখন আমি অন্তরে অনুভদৃষ্টিতে দেখিতেছি, অথচ আর যাহা সম্পূর্ণ এই সমস্ত প্রপঞ্চ অপেক্ষা অ প্রকার, তাহাই সেই ইন্দ্রিয় শনােক্ত অকিঞ্চিৎ অর্থাৎ নিপ্রপঞ্চ কোন বস্তু অন্তরে দেখিতেছি, ইহা প্রলাপই, সুং অস্তিত্ববিহীন (অসৎ) দেখিতেছি (১)। এই প্রকারে (আমায় বােধের উলয়ে চি নির্মল বাহার এবংৰিধ এলাশৱিকাশ, সে কিরূপে শােভা পাইবে । হইয়াছে বলিয়া। এখন আমি অন্তরে বাহিরে কি এক প্রবাহিত বল। (এই অই তোমাকে বলিয়াছি ও বলিতেছি) তুমি স্বরূপ দেখিতেছি। হে আমি। তাহাতেই আমি অনন্তকালের বালিকা, সুতরাং চপলা ও মুখ। এৰি বিলাসিনি এরি। অত নিলুর পর অলাভ করিয়াছি-৩১। আমি এই কারণেই তােমাৱ সহিত বিৰিখ আপৰিল বিহার এনতিম সর্গ সমান। ৭৯। করি, (এই বৃথা এপানি পরিত্যাগ করিয়া) আইন, তুমিও আমাৱ সহিত বিয়ার কর। আজ শিখি এইরূপ প্রিয়া চুলকে কে হা করিত্তেকরিতে বলিয়া অসম্ভৱ অট্টহা করিলেন। (১) এ কেহ অন্ত প্রকার বা কন; যা (প্রকার অর্থ ব্যক্তি মান সাকার আগ लशिंग মনােৰছি সেই " দেখিতেছি না; ইহাতে করিয়া আনিকার না করে, সেই প্রত্যক্ষ সন্ত্রসভাগী এ পৃ খ্যাত হয়, কিন্তু তাহা ফর সঙ্গত প্রায়, সেকিরুপে শােভা পাইতে পারে। এ কা- বুলি না। করে হ। স্তকালে নির-এরপূর্ববঙ্গ এবং হাল সমাগত দেন করিবার এ খাত্রোখান যােকর্ষের এম হইলেও ভাল ক্রিয়ার উর্বে দুরী করিয়া সেই এনাহ (অপু) হইতে বিঞিাত হইলেন। অর্থাৎ ক্রিয়ার ফৰ অনুসারে সিদ্ধি আলি, ভারত। ৭-১০। চুলা তখন, “হায় কি কষ্টের বিষয়। রাজা নাই, আকাশগনের উপায়ীভূত গুটিকাসিদ্ধি, নসিখিড়গসিজি, আত্ম না জানায় আত্মতে বিশ্রাম লাভ করিতে পারেন নাই, পাদুকাসিন্ধি প্রভৃতি (আবেগিণী প্রভৃতি বহন সূতরাং আমার কথার অর্থ বুঝিতে পারিলেন না, এইরূপ ভাবিয়া, এসি) আছে;তােমার অনুসারে সে সমথের নিল বিভ্রান্তঃকরণে আত্মকর্মে মনােনিবেশ করিলেন। হে রাম। তলানীং কষ্য হয়, তাহা বিস্তৃত করিয়া না বলিলে হয় না, সুতরাং সেই রাজপতি এবিধ আর পাখিৰশীলায় কাপন বিস্তার করিয়া দিতে হয়, তাহা বলি হারামি নহে, করিতে লাগিলেন। একদা সেই ভিতৃপ্ত ইচ্ছাবিহিত। এভাদৃণ অজানবিয়মিত অত শ্রোতৃগেন্তু সেই সিজি চুড়ালার আকাশে গমনাগমনরূপ দেবং সঞ্চারে ইচ্ছা হইল। বিষয়ে দৈবাৎ এতিবেদয় হইলে অখাতে প্রতিদিন অনন্ত সেই নৃপক্ষিণী গৰুৰ আকাশগমনাগমনরূপ অভিলাষ মহান দোষ উৎপন্ন হয়, আর তােমাও সবিতায় আত্মজ সিজির উদ্দেশে সকল প্রকার ভােগ পরিত্যাগপূর্বক নিন এবরূপ প্রকৃত অর্থের যিয় উপস্থিত হয়; এ আহার এদেশের আশ্রয় লইলেন। (তৎকালে রাজা শয়নলে দুই নিরূপণ এখানে অনুচিত।১১-২৭। এইরুপ রত্নসিড়ি, মলিছি লি বৎসরের জন্য রানী ত্যাগ করিয়া প্রবাসী ছিলেন, ওষধিসিদ্ধি ও পদির নিরূপণও (শাস্ত্রাদিতে বর্ণিত হইলেও) সুতরাং চুড়াল। একাকিনী ও একাগুনিতা হইতে পারিয়াছিলেন। | থাকুক, কারণ এই বিস্তার প্রকৃত আত্মজ নিরূপণ বিষয়ের হানি অবস্থায় আসনবন্ধনে স্বীয় দেহাবৱৰ অৰস্থাপিত (স্থির করিয়া কারক। হে আম। অতএব শৈলসি বেশ সুমেরু প্রভৃতিতেও উগত প্রাণবায়ুর খেচরসিজমুকুল মধ্যে নিরেভ্যাসরূপ বাস করলে সিদ্ধিলাভ হয় বটে, কিন্তু তাশ কৃতকৃত্য পুরুষের যােগসাধন করিতে লাগিলেন।১১-১৫। রাম কহিলেন,—এই নিকট ঐ সমস্ত বিস্তার ভূহ ও এরুত বিয়ের অন্তরায় মাত্র। যে স্থাবর মাত্মক জগৎ দেখা যাইতেছে, ইহস্পন্দচ্যুত অর্থাৎ অতএব, যখন শিখিধ্বজের উপাখ্যালপ্রজে উথাপিত হইয়াছে, ক্রিয়া যারা নিপালিত হইয়াছে। কারণ কালিকার শব্দ তখন প্রণালি বায়ুর নিযােসম্বন্ধীয় সিটি ফলের কথা বলিয়ে, (অর্থাং চেষ্টা ব্যতিরিক্ত) কাহারও উৎপত্তি দেখা যায় না, অতএব শ্রবণ কর। অন্তঃকরণস্থিত অন্তঃকরণস্থিত সাধ্যসাধনের বিষয়ীভূত বাসনা যদি এইরূপই হইল, তবে জিজ্ঞাসা করি , ক্রিয়ামক শব্দের পরিত্যাগ করিয়া পায়ু আলি কার সনেট করত আৰু কিরূপে নিষ্পত্তি, আর কিরূপেই বা সেই ক্ৰিনামক ৰার (অর্থাৎ সিদ্ধাদি আসনে উপবেশনপূর্বক কার্যকগ্রী প্রভৃতি উৎপত্তি অনুভবপথে আরােহণ করে, তাহা বলুন। হে ব্ৰক্ষ। সম ও নিশ্চল করিয়া নাসা নিরীক্ষণ প্রভৃতি ধােগাতে আর এ আকাশে গমনাদিরূপ সিজিসহ কোন্ যশাৈলী দৃঢ় ক্রিয়াম) অবলম্বন করিবে। হে মুত বাম। এইরূপ অভ্যাসুনিপা শব্দবিলাসের ফল, তাহাও বলুন। অনাত্ম ভােজন এবং অসনের ৩জিবিধান, যােগশাস্ত্রের সম ব্যক্তি সিরি এই হউক, আর আজ্ঞ ব্যক্তি লীলাভ্রমেই আলােচনা, ও ও আচার অবলম্বন, সাধুসঙ্গ, সঙ্গ, হউক, কিরূণে উহা সাধন করিয়া থাকে, অহা আমাকে বলুন। দুখাসনে উপবেশন, কিছুকাল ন প্রাণায়াম অভ্যাস তাহা শুনিয়া বশিষ্ঠদেব কহিলেন, হে রব! এ জগতে সর্বত্রই কোলােজদি পরিহার ও তােগ বিসনি কৰিলে এবং রেচক, সাগ্যবত ত্রিবিধ , উপালে, হেয় ও উপে। (কিংবা উৰ পুৱক ও বুক সমরূপে অত্যন্ত হইলে তৎসমস্তৰিং বোগীর বুরি) আনুকূল (অর্থাৎ যা নিয়ে মুকুল) যন্ত্রক প্রাণের উপর প্রভু জন্মে, তখন ভৃত্যগণ যেমন প্রভুর পদানত সাণিত হয়, তাহা উপাদেয় আলিয়া (অর্থাৎ বিচারপূর্বক দর্শনে অধীন থাকিয়া কাৰ্যসাধন করে, সেইরূপ এণালিও তাঁহার ইহা আমার অনুকূল নহে, ইভভাকালবোৰে) যাহাপরিত্যক্ত হয়, অধীন থাকিয়া কাৰ্যসাধন করে। যে ঘৰ। প্ৰাণাদি বায়ু তাহা হে, এতদুভয়ের মধ্যাৰহাই উপেক্ষা। ১৬-২০। নিজের অধীন হইলে সমস্ত অধিকারীরই ভ্যালি মােক পৰ্য্য হেমতে। সাক্ষাৎ বা পরশাসছে যা পুরে অনুকুল, সমস্ত সম্পত্তিই মুলত হয়। (জীবের দেহমধ্যে যে চারিদিকে তাহা উদে বলি গ্ৰণীয়; আর যাহা অধিক অর্থাৎ বিস্তীর্ণ বিসতি খায় বেতি ৰণি পরিমণ্ডলিকার, অতএব সুবিভিনী সাখন, তাহা অগ্রাহ হেয়, এজয়ের ম্যাবস্থাই অসতে আড়ীসমূহ আরা বেষ্টন করিয়া আছ বলিয়া উপে। বিনু মালিগালী ব্রহ্মবিৎ পুরুষের যে আবেগুনিকা নামে নুয়ানাড়ী আহ, যাহা স্থানে অবস্থিত ও সকলই আশয়, তখন তাহায় তৎসমস্ত কিছুই বেল। কখন শত শত নাড়ীসতি; (এবৎ মূলাধার হইতে ব্ৰহ্ম র্যন্ত কখন ঐআলী নুর লীলাক্রমে ঐ উপাৰখনে পৰিত্যাগ সচক্তে অনুৰেণপূর্বক বহির্গত হইয়াছে। (ঐরুমাল কর এই বিলােকন করেন যা একেবারেই দর্শন কক্ষে মূলা সত্ৰিয়াকার বেষ্টিত সগুণ্ডলিনী শক্তির গান) না। অনায় যাহা উপেক্ষা, তাই মুঢ়ের উপায়; আর উহার আকার নিতে যাঞ্চের অগ্রগতি এক গ্যৈসম্পমের ভাই হেয়। এশে সেই বিক্রি করলে মূলপবর্তনশ বা সলিলপরিবর্তনরূপে ৰে আৰওঁ হায় , সাধিত হয়, তাহাষণ কর। যেwগ বসসমাগম ভূলকে প্রন লিখিয়া দেখাইতে হইলে লিখিত অ শুকালে তিনি করে, সেইরূপএসারে সালি িদেকাল এলে কুণ্ডলাকারে মিত। সুর, খ, গ, মূল, কট সি হাজীকে আৰিত কবিকে। হাল! এভূতি সকল এল শহবিল্লা আছে। নেলি জুটিয়ে মলৈ উক্ত শেণিক অন ২৮-৩৮। শীতকালে তিনি হত সর্প যেরূপ নিল শীয় সিজিএযুক্ত কে আদিপ ক্রিম এ দেশ শীয় করে রাতে, উজ্জ্বল হনিগুকায়ে দ্বিত; আগে উনাই এক কান ঐ লিলিদি র ব শুভ্র এবং উহা প্রলতি পলিত আর এবং এক নকলে আখ ইয়া আবাভাৰ ল মেজর এবাহে নন তি; বেল । বলয়াকাররেখায় ফুটিত চৰিম্বের ন্যায় কুণ্ডলাকায়ে বর্তমান, বিদ্যমান আছেন, কিন্তু ঐ চিপ সংবিৎ যখন দুমত্রেয় কিংবা জঠরাগিতে গলিত (যোগশাস্ত্রপ্রসিদ্ধ মন্তকৰ চৰিলীন অধীন হন, তখনই কোন কোন স্থানে উহার উন্থ দৃষ্টিগােচর হয়। হইয়া মূলরেঞ্চত হয় এবং যেরূপ ঘনীভূত হইয়া কুণ্ডলাকারে যেরূপ সূৰ্যাপ সর্বব্যাপী হইলেও ডিভ্যাদি একদেশে বিভি অবস্থান করে, ক্রপ ঐ সুষুম্ননাড়ীতে কারে অবস্থিত হইয়া থাকে, সেইরূপ ঐ চিৎসংবিদেরও একদেশে প্রকাশ, জানিয়ে। উরুসন্ধি গুহ হইতে মধ্য পৰ্যন্ত সকল শর্শ ঐ চিৎংবিৎ সর্বত্র বিদ্যমানা হইলেও (বুদ্ধিতে অবজে ও কলি ভাতে অনুন্যতা রহিয়াছে এবং মনােবৃত্তির সাহায্যে প্রতিবিম্বগজন যারা বিকারে একে-নিবন্ধন বহুল ইয়া) এর চঞ্চল ও বহিঃপ্রদেশে প্রণালি পণে অনবরত বুদ্ধিচাঞ্চল্য বশজ্ঞ দেহমথ্যে (জলে প্রতিবিম্বিত সূৰ্য্যবিম্বের স্যার) সুযুমার অভ্যন্তরে কালীকোষের আয় কোমল অরলাকারে অবস্থান করেন। তাহাতে উপাধিলিমের তারতম্যে মূখার যে শক্তি প্রস্ফুরিত রহিয়াছে তাহার গতি বীণামূলে চিৎকাশেরও তার। ঐ চিমন্ত মৃৎশিলাদি বহুতে অবিদ্যা- লক্ষ্য স্ত্রীবেগের স্যায় বেগে দেদীপ্যমানা, (ঐ গতিই পরমসূক্ষ্ম জড়তায় একিভূত হইয়া ভজলে শৈত্যের প্রায় বিনষ্টভাবে সৃষ্ট পৰা সৰ্বমূলতৃতা শব্দব্রহ্মাত্মিকা স্কুত্তি, তাহাই প্রাণসম্পর্কে হন। এবং দেবমনুষ্যাদি অভিব্যক্তভাবে বৃক্ষাদিতে প্রচ্ছন্নভাবে নাভি, লয়, কঠদেশে উত্তরোত্তর পরিস্ফুটা হইয়া এবােকন অবস্থিত অর্থাৎ বহির্ভাগে জ্ঞান্তিৰেচনায় অক্ষম হইয়া অবস্থিত করুত ৰৈখরী ইত্যাদি ভেলকে ভজনা করে)। কুণ্ডলাকার ধারণ দৃষ্টিগােচর হইয়া থাকেন। ঐ ত্রিবিধ উপাধির সর্বানুতসিদ্ধ করে বলিয়া উহারই নাম কুণ্ডলী। ঐ কুণ্ডলীই প্রাণিগণের সম্ভাবরূপ লক্ষণে ঐ চিষ সর্বত্র অনভিভূতাবস্থায় বিজতি, পরুমা শক্তি, উহাই সকল প্রাণ, ইন্দ্রিয়, বুদ্ধি প্রভৃতি শক্তিও অর্থাৎ ঐ তারতম্য চিংশে, সাংশে নহে। হে অনয়। মনুদি সভা স্কুত্তি প্রভৃতি সাধন করে বলিয়া প্রদা(অর্থাৎ ৰেগবিধান দেহে ও পশুস্থাবরাণিদেহে যা তারতম্যে ঐ সংঝিম নির- কারিণ)। উহাই মিলমূখে নিরন্তর প্রাণবায়ুকে উর্যেটংক্ষিপ্ত স্তর উদিত হইয়া থাকে, তাহা আমি তােমাকে পুনরায় ক্রমে ক্রমে এবং আপনাকে অযােগে নিঃসৃত করিয়া ক্রুদ্ধ ভুজীর বলিতেছি, শ্রবণ কর। ৫০—৩। চেতন অচেতন ভূতসমূহ এবং আয় অনবরত এসএল ত্যাগ করিতেছে। এবং উহাই উগী এই অখিল নভােমণ্ডল সমস্তই চিত্ৰ সন্মত্ত অর্থাৎ কেবলমাত্র কমুখী হইয়া স্পন্দনের অহেতু হইয়া থাকে। ৩৯-৪৩। চিৎ ও সস্তা এবং চিৎসায় সত্তাসম্পন্ন এবং আকাশের ন্যায় এ ছয়স্থিত প্রাণায়ু কুণ্ডলিনীকর্তৃক আকৃষ্ট হইয়া আপন মাত্র অর্থাৎ নিস, বিভু ও সূ। ঐ চিন্ত এইরুপ কেবল বৃত্তিতে কুণ্ডলিনীপদে গমন করে, তখন অগীকৃত ভূততন্মাত্র চিত্র ও সামাত্র, উহার বিকাৰ বা আমর ( মলিনতাদি । সস্তৃত অন্তঃকরণ জীবস, স্মৃতি, সঙ্কল্প, অধ্যবসায় অভিমান, কিছুই নাই , মায়াজিত একদেশে আকাশাদি সূক্ষ্মভূতের ক্রমে রাগ-আদি ভে েঅন্তরে উদিত হয়। গদ্ধে অনিীর ন্যায় এই অ্যাসবশত ঐ চিৎই চূডও পঞ্চকস্বরূপে অবস্থিতি করি- দেহে কুণ্ডলিনী, যাহাদিগের মৃদু বিষয়সন্নিক, রূপম্পৰ্শ, সেই তেছেন। ঐ ভন্মত্ৰপঞ্চকই প্রণ, মন, বুদ্ধি, জ্ঞানেলিয় ও কর্শে- সেই চাদির অধীনে উদিত হইয়া যেরূপ যেরূপ ভােক্তার প্রিয়, এই পঞ্চ প্রকারে প্রকাশিত শিল্পীর ধারণ করে। চিৎ ঐ অদৃষ্ট দৃষ্ট সামগ্রী বৈচিন্যে প্রস্ফুরিত হয়, সেইরুপ সেইরূপ সেই লিঙ্গশরীরে প্রতিবিম্বস্বরূপে প্রবেশ করিয়া এক দীপ হইতে যেমন সেই ইন্দ্রিয় কারা অবশেষের কূর্তি ও তৎফলভােগলক্ষণা- শত দীপ উৎপন্ন হয়, উপ শত শত হইয়াছেন। (তুমিও বিদেয় আবির্ভাব ঘটিয়া থাকে। প্রথম যেরূপ এই মৃদু চক্ষু | আন্ত।) এইরূপে তুমিও নিজ সংৰিকে অন্তর্ভূত জমাদিবিকার রাজি ৰাৱা বিষয়স্পর্শ ঘটিবে, সেই রূপই কুণ্ডলিনী বেগে স্কুরিত অগ্ৰদাদি অবস্থাভেদে গ্রহণ করিয়া যি অর্থাৎ জীবভাব প্রাপ্ত হইবে। তাহার, কারণ, কাৰ্যকারণসলাজাগবিধায়ী অভ দেখিচ্ছে।ঐ লিংকৰণ ভাত্র পকের অবশিষ্ট কিছু ত্র বৃত্তিার বহির্ভাগে নির্গত হইয়া বাহু বিষয়ের সহিত তাহার যে জীবের দেবানুযাদি আকারের বাগনানুগৰী সফলবরূপী অসা- পরশৱ আজিন অর্থাৎ রুতিব্যাপ্তি প্রযুক্ত যে ব্যাপ্তি উৎপন্ন হয়, মাত্রেই পঞ্জীকৰণ যারা ফুল দেহত্ব প্রাপ্ত । কতক বা পশুত্ব সেই ব্যক্তি দ্বারা যেরূপ বিষৰে আৰৱণনাশে স্কুটতর সংবিৎ ব্যবত্বালি, কতক ৰা হাৰাণি পরান্ত ব্রহ্মাণ্ডভাৰ খার। অর্থাৎ টালিখা উদ্ভূত হয়, কুণ্ডলিনী সেগেও সেই প্রকারে করি ততগত জুনের বােগ হয়। এবং কতক দেশ- কুৱিত হইয়া থাকে।৪৪-৪৬ হদয়কোষ ঘাবীর লডীসমূহ ঐ জ্বালিভাৰ, কতক বা জব্যত্বমিভাৰ পৰিগ্রহ করে। হে অমু- কুণ্ডলিনীতে সমিজ আছে, যেরূপ নলীসমুহেৱ গতি ৰিলি ই ন রাম! এইরপে এই অৎ যে পত্রের স্পন্দনমাত্র, লেও এক সমুদ্রেই তাহাদের পতন, তদ্রুপ নাড়ীসমূহ (কুণ্ডলিনীর তাহা সিদ্ধ হই এবং ঐ চিৎক্ষবিও সর্বত্র বিলাল রানি এবনরূপ ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে ধারস্বরূপ হইলেও) আছেন, কেবল ইহাই প্রলে যে,) চৈত্র অভিব্যক কুলিনীতেই হারা উৎপন্ন অর্থাৎ বিস্তীর্ণ ও হাতে বিলীন এলিলঞ্চটি জিনে-প্রণালিবন বেশ্যালিহে মৎসকুচিত হইয়া থাকে। ঐকুশুলিশহণস্বরূপেই উগলে চিৰসংবিং মুখ্য ডেভন নামে অবস্থিত। গণির শিক্ষ তি কর সাপ হইছে। এই ঐ কুলিই সকল আর আব্রাণিত নিশবে অরে সংবিৎ মাত্র থাকা ব ৰ। কাৰ কহিলেন-চৎশক্তি ও বিশ্বরূপ, এরি সাধারণ লােকের হাত প্রযুক্ত এড় মাৰে হইতে কি কি কোন প্রকার পরিচ্ছে এসি হইয়া আসি.আন, নিৰে। ই ভিৰিৰ তাৰ হার সেই কুণ্ডলিনীকো হই কি ওকি ও বহিরি কারণ এই-যেন নিতে জে বিলীন শনিব?তা। ৪৭। বশিষ্ঠ কহিনুহ (জিৰী) হয় এবং সাফাতে শিশির কেলাটে এ শীতে সব পাৰে গ গ + ণঙৰ এ এই শে কি ল নির্বাণ-পূর্বভাগ। হয় ঐ বৃক্ষের পূপ, করে অবদেশে অরণের ব্যায় চঞ্চল থাকে, ঈবদনপ্রদেশে অব্যৈ তাহাদেও ৰ বাসনা সুপ্ত অর্থাৎ অক্ষুট বা বিলীনপ্রায় ; ঈষৎ চাও তন্ত দেশে এলে মা চলভাবে অব যেমন তীরে। কাহাদেরও বা বাসনা এবষ্ক বা বিকসিত, স্থান করে, সেইরূপ এই চিৎ, নরপরাণি দেথকে যেন নরহরি। কারাও বা ৰাসকলুচিসমতি কোথায় ঈষং চলাকারে, কোথায় বা অত্যন্ত আড়ভাবে অবৰিতি (অর্থাৎ কাহারও বাচিত বসলাকলুষিত) যেমন ভিখার্জি। করিতেছেন। দেখ, ঐ সমূদ্রে এখানে চ, এখানে বিচ কাহারও ৰা মুৰা, যেন মােশামিগণ। ৰাসার শ ইত্যাদি ভেদ হইলেও তাহা কি সমূত্র বলিয়া ৰজত হয় না? আমি করা তাহাদের নিকট বাসা আস্তিত্ব। ৫-৭১। অাৎ এনভাৰ ধাৰণে ভাতার অভাবে যেমন সেই ঘৃতসমুদ্রের বাসনার বৈটিu নিৰলই দেনরাদি পঞ্চক গশি এবং ভলিবলই সমুত্বের ব্যাখাত ঘটে না, সেইরূপ স্বাৰার্ণিভাবে চিপের তাহােি াকাশে ও ভূমিতে গমর্দি বিচিত্র ব্যবহালােগবােগ হানি হয় না, অতএব সুর নর তিকৃ বিকলিতে চৈতন্য অক্ষ হস্তপাঙ্গাদি। সেই বাসনাকজিত, হপাটালি কন্ট্রেলিয়সংযুক্ত তই আনিবে। অথবা ঐ জড়জড় বিবেক আখ্য পঞ্চকেরই, দেবাদি পঞ্চকশিল্প য 'সংবিবৈচিত্রে নাদিযগ্য উহা চি নহে, কারণ, “চিৎ”-বম্ভর কোন ধর্মই নাই। হে ব্যবহারােচিত মন, বুদ্ধি, অহঙ্কার, চিত্ত, ঃ, শ্রোত, প্রাণ মুসল, এনষ। দেহদি আকারে পরিণত ঐ পক প্রণধারণার অধীন স্পী-আদি অন্তকরণ ও বাকরণরূপ সঙ্কেত বাসনানুসারেই পলও চৈত্য দ্বারা জীবরূপে চেতন হইয়াছে, স্পন্দই তাহার হইয়াছে, তাহাই প্রতি প্রাণীতে বিচিত্র স্বভাবরূপে দৃষ্ট হইয়া প্রয়ােজক, শৈলাদি ত জড়ই, স্থাবরালি শরীর বা অনিলের থাকে। এইক্ষপে পশুগণের চারি পা, পুচ্ছ ও শৃঙ্গয়, পঞ্জীর চা, অধীন হইয়া স্পন্দিত হয়, (কিন্তু অন্তরে চেতনাবিশিষ্ট এই পঞ্চম ও পূছ প্রভৃতি, সর্পাদির ফণা, মে ও পুচ্ছ ইত্যাদি, সমস্ত ব্যবস্থিত বিকল্পসমূহ স্বভাববশতই দৃষ্ট হইয়া থাকে। কমিটি সকলের ব্যবহারযােগ্য অবয়বাদি সঙ্কেতকলিত হইয়াছে হে রঘুনন্দন। যদি তুমি পূর্বোক্ত স্বভাবের উপর এরূপ আপতি এবং স্বাৰরাখিও অন্যান্য সঙ্কেত ঐরূপ জানিযে। হে আধাের কর যে, “স্বভাৰ বলিতে স্বাত্মকভাব বুঝা যায়, তাহা কিরূপে বিরুদ্ধ এই সমস্ত বিচিত্র দেখালি পঞ্চকরাশি আদি, অন্তও মধ্যে চল বিকাত্মক হইৰে ? কারণ বিরোধ পরনাপেক্ষ, আর কাকতৰ (বিকারী), জড় ও অধিষ্ঠান সংচিৎম্বরপে অচল ও অজড়রূপে অন্যালেকী নহে। যদি স্বকীয়ভাব স্বভাব বুঝায়, তাহা হইলে কূর্তি পাইতেছে। হে মহীপতে। অহো। কি আশ্চর্য্য মামা। তাহাও মাত্র সাপেক্ষ, পয়সাপেক্ষ নহে, অতএব কিরুপে পর। সমষ্টিগােচর প্রযুক্ত অভিব্যাপ্ত এক সঙ্কল্পরূপ পরমাণুই সৃষ্টিরূপ সাপেক্ষ বিকল্পের স্বরূপ নিমিক হইতে পারে ? তাহা হইলে তুমি আকাশসমূহের বীজ, আর তাহাতেই এই সমস্ত পঞ্চক অভাব পরিত্যাগ করিয়া কিরুপে বাক্যের উপর এরূপ অনুযােগ বর্তমান অর্থাৎ সঙ্কল হইতে সৃষ্টি, তাহা হইতেই এই করিবে ? কারণ বাক্যই মাত্র টিং জড়াদি শব্দরূপ ও অজ্ঞাপক। দেবাদি পঞ্চকসমূহের আবির্ভাব)। বাক্য নিজের পৌনরুক্ত ভঙ্গের জন্যই নিজের অণকে ঐরূপভাবে ইৰিয়ৰ সেই পপ সমূহের কারব, সেই পুষ্পের (ইন্দ্রিয়গ্রাহ ব্যবর্ত্তিত করিয়াছে, তাহাতেই চৈতন্য ও জাড্য বিদ্ধ বলিয়া বােধ বিষয়রূপ আমােদ —অর্থাৎ-সৌরভ), বহুভ ইচ্ছাপিৰ ভ্রমন্ত্রী হয়। এইরূপ শীত-উ-আদি ধর্ম ও হিম-অখি-মাদি বীর প্রকা- তাহার উপরে বিরাজ করিতেছে, চঞ্চল কর্শ্বেক্রিয়গণের ক্রিই শক বাক্য কোথায়? সকলই এই প্রবল সর্বত্র পরিদৃশ্যমান হইয়া ঐ পূল্পের মঞ্জরী। স্বচ্ছ স্বৰ্গলি লােই তাহার বিটপ-এ খাকে। ৬১-৬৪। আবা বাক্যের উপরও এখােগ অকর্তব্য, শাখা, মেরু প্রভৃতি গিরিগণ তাহার মূল, নীল জলধৱপটলই কারণ, ঐ বাক্যও ঐ বাসনাকল্পিত বিকলপকার্থের প্রকাশক পরিচয়, দশমিকই তাহার চঞ্চলা ভা। হে রঘুনন্দন। এই মত্র , সুতরাং উহাও পরাধীন, কিন্তু বাসনার অংশগ্ৰাহী সেই চতুৰি শৰীয় বন বা যাহা হইবে, হাই ঐ বৃক্ষের অসংখ্য সেই বিরুদ্ধ বিকল্পভাব বিকারী লিঙ্গরূপ ঐ বকের স্থিতির সর্বোৎকৃষ্ট ফল। ৭২-৭৮। হে রাম। ঐ পঞ্চবীজসমছিত উপরই অনুযােগ করা উচিত। স্থিতির উপরই বা অনুবােগ কেন? পঞ্চকলাপ স্বভাব-অর্থাৎ বিবেক আত্মা মুইডেই উৎপন্ন কারণ, পূর্ব পুর্ব বিরুদ্ধ বিকল্পসহ যখন বাস অনুসারী, হয় এবং কালে স্বয়ংই নষ্ট হইয়া থাকে। আর স্বয়ং নানারূপ তখন যে প্রাঙ্ক পুরুষ বিরুদ্ধ বিকল্পনামূল অন্বেষণ করেন, প্রাপ্ত হয় এবং গতকাল লড়, ভভকালই একাশন থাকে, তার কর্তব্য,—যে খানা চিত্তকে ইতস্ততঃ বিবিধ ক্ষিদ্ধ বিকল্প কিছু বিবেদেখিলেই সমুদ্রে তরঙ্গের য় শান্তি (অর্থাৎ সহত্রে লইয়া যাইতে বিক্ষিপ্ত হয়, সেই বাসার উপরই নয় এপ্তি হয়। পরাগটিনিবজন জড়তাতেই ইহার উন্নতি, আর আপত্তি করা। জীবের অশুভ তিবরাগিবে ও শুভ প্রত্যষ্টিলিয়ন বিবেকেই উহায় সমুদ্রে ভঙ্গের চায় শান্তি শেবাদিতাৰে উজিত পঞ্চক প্রবুদ্ধ বাসনাৰদায় ও বস- (এ) নিয়ে। হে ম! যে পঞ্চক বিনাসসমূহ (নির্বান) নাবস্থায় অবস্থান করে, অতএব বাসনার উপরই যিলহতু লয় পর্যন্ত বিৰেৰে ৰঙী হইয়া থাকে, তাহাদের এই সময় বিষয়ের অনুযােগ করা কর্তব্য। যথায় পদােগের ফল পুনরায় এ দেহ, মৃত্যুঞ্জণভােগআদি ভােগ কতি আছে, তথাই অনুৰোগ করা কর্তব, শুতে মুক্তিফেরিনে হয় হে গমনাগমনই ক্ষাতে কে, আবার ফল। বাউলর অনাগ করিতে হয় সেগুন নিয়ন। s, ৰালি উপর শুয়ে কষিত্রে কোনই নয়। তিন মাস . বাসলাম পূর্ণাঙ্গ হইলে যে আদি সুৰণি এল তা হইয়াম। বিকেল খেলিগেণিত बोगति का मोदक। बागलाज मानिक कमरे कशाला 'मला - মে-িরামায়ণ, E আপ মােহামী আয় বা কালে মিহিকায় যায় এড়ত একাতিতম সর্গ। হয়।১১-১৬। চিভের অসাধন না করিলে ই ফুর্তি টে, বশিষ্ঠ করলেন, স্কুল-নেহাত্মক পঞ্চকের বক্তৰে মূলাধার মূল অর্থাৎ অজ্ঞান প্রকাশ পাইলে, ঐ (ইচ্ছ-মুখতা শারীৱিক মধ্যে পূর্ণবণিত কুণ্ডলিনীতে লিঙ্গনহাক পকের উনভূত ব্যাধির আন্তরিক হেতু) আর ( তল্পিবন্ধন) দুরন্নাদি তুলে সূ প্রথম প্রাণপক কুরিত হয়। এতে অন্তরে ফুলি ভােল, শ্বশানাদিতে গমনাগমন, নিপী-অনাদিকালে জােন- সেই কুণ্ডলিনী মারুত ও স্বধর্সে , ও সংবিৎ এই বিহাদি ব্যবহার, ক্রিয়ার অনুষ্ঠান প্রকাশ ও দুর্জনসহবাসদ ব্রিৰিব নালাপে এহর্ভূত হইয়া কলনালি ব্যাপারুণ উপাধি নিবন্ধন এবং ব্যথ্রি-বিষ-সর্পতঙ্কলিয়ের ভাবনা করিলে আরব, চিৎ, জীব, মন, সঞ্চ, বুড়ি হুঙ্কার, পূৰ্যটক, লি (পূর্বোক্ত কাৰণসমূহেই হউক বা অন্য কোন কারণে) নাড়ী- ইভণি - ধারণ করেন। তাহার মধ্যে কালা দ্বারা কলাহই- সমূহের সমূহে গমসের প্রবেশ না হওয়ায় কীণতা হইলে আছেন, চেতননিবন্ধন চিং ইয়াছে, জীষন আরা জীৰ, মনন বাযিগুণ অরবেশে প্রাণ, কপিত্তদি-প্রকোপদোৰে ব্যাকুল এর মন, সজহেতু সক্ষ, বােধ যারা বুভি অহংভাব আর হইলে, আবাভাগি দ্বারা শরীর বিকল হইলে,-বর্ষা ও নিয়ে অহঙ্গার হইয়াছেন, তিনিই এই পূৰ্যটক নামে কবি হন। ঐ যেরূপ নদীর আকার খরিবর্তন হয়, সেইরূপ (পূর্বোক্ত ) কুণ্ডলিনীই জীবদেহে সর্বোত্তম সাধশক্তি রূপে বিরাজ করিতেছেন বােষধযুক্ত অস্বাস্থ্যকারণ দেহে ব্যাধি সমূত হয়, তাহাই (তাহার অভাবেই জীব মৃৎ।। শক্তিতে ঐ কুণ্ডলিনী দেহের আকার পৱিবৰ্ত্তন। প্রাক্তন বা ঐহিক শুভাশুভমভির আপানরুপে সতত দিকে বহিতে থাকে, গনরুপে নাভি মধ্যে ব্যহার প্রবলতা, তাহাই ঐ আধিক্যাধিক্রমে সংঘােজিত মধ্যে অবস্থান করেন, আর উদানরূপে উপরিভাগে প্রবাহিত কৰি থাকে। যে রঘুকুলখুরক্ষয়! এইরূপে পর্গীকৃত ভূতময় হন। আধােভাগে এপানরূপে প্রবাহিত, আহাই সর্বদা ম্য প্রাণীর অধিষ্যাধির উব। এক্ষণে ঐ আধিক্যাধির বিনাশ অর্থাৎ ভাগে সৌম্য অর্থাৎ অপল উান কর্তৃক আকৃষ্ট হইয়াও হয় কিরূপে হয়, বলিতেছি, শ্রবণ কর। ১৭-২২। এ সংসারে নিশ্চলভাবে অবস্থিত, ভংকর্তৃক এবষ্ট হওয়ায় বাবতী ব্যাধি দ্বিবিধ, সামান্য অর্থাৎ কোমল ও সার অর্থাৎ দৃঢ়তর , হইলেও উদানরূপিণ হইয়া পুরৰে স্থান করেন, র্থাৎ কি মধ্যে ব্যবহারিক অর্থাৎ ক্ষুধা-তৃষ্ণা-স্ত্রী-পুত্র-লাকসাদি ও দু- দেহকে বহির্নির্গত হইতে দেন না। যদি উহাকে যন্ত্রপূর্বক পড়াই সামান্য এবং বাহা আজিবিকারের মূল, তাহাই বারণ না করা যায়, তাহা হইলে সেই জীববিৎ সমস্ত পুর্বক সার অর্থাৎ দৃঢ়তর। অতিমত অনুপান স্ত্রীপুত্রাদি বস্তু প্রাপ্ত আকর্ষণ করিলেও ধােলিকে নিঃসৃত হইয়া যায়। সেই জীন হইলে সামান্য ব্যাধির শান্তি হয়, আধিক্ষয় হইলে ভৎসভূত সংবিৎ যদি বলপূর্বক নির্গত হইয়া যায়, তাহা হইলে লােকের ব্যাধিও বিষ্ট হইয়া থাকে। হে মাঘব। আত্মজ্ঞানের উদয় মৃত্যু ঘটে। যদি যুক্তিপূর্বক (যােগৰলেই জীবসংবিৎকে ব্যাতিরেকে সার ব্যধির বিনাশ ঘটে না। দেখ, বহুতর লোক- থার না করা যায়, তাহা হইলে ঐ জীৰসংৰিং সমস্তই উড়ে যাবারদর্শনে রজু বলিয়া বােধ হইলই সুহাতে সর্পভ্রম নষ্ট গমন করে, বলপূর্বক তাহা নির্গত হইলে পুরুষ তখন মৃত্যুগ্রস্ত হইয়া থাকে। হে রাম। যেমন বর্ষাকালে নদীটস্থিত লতা- হয়। জীৰসংবিদের উ-যোগমনাগমন ত্যাগ করিয়া (অর্থাৎ সমূহকে সমূলে পাতিত করে সেইরূপ ব্যাখিয়ই সকল আছি- প্রাণপান-গতিনিয়ােৰ অভ্যাসে ইকৃতি জপুর্বক)( সমান ব্যাধি বিলাসের ফুলকে। ব্যাবিসমুহের মধ্যে যাহা আথি ভাবে দেহে অবস্থান করিতে পারিলে দেহাভ্যন্তস্থিত বায়ুর হইতে উপন্ন নহে, সে সকলের চিকিৎসা আনাম্বাসাধ্য , চিকিৎ রােথ এওয়ায় ব্যাধিনাশ । (দেহের মধ্যে একশত প্রধান শত্রাদিতে উক্ত ব্য, মন্ত্রাদি শুভস্ত্যয়নভির অনুষ্ঠান বা নডী, তাহার শাখাসমূহই সামান্য নাড়ী; সাত নাড়ার কফ প্রচীন পরম্পরাগ চিকিৎসায় শান্তিলাভ করে। হে রামচন্দ্র। পিত্রাদিল্লিতে ব্যাপার-ব্যতিক্রম বা ব্যাপারে বলে আশা তীর্ঘদিতে স্বান, , ওষধি প্রভৃতি ও বদ্ধপরম্পরাগত ঔষখাদি বােগ , আর এখান নাড়ার বিকলতাৰাং ব্যাপারে বা চিকিৎসাশাস্ত্র প্রতি সমকাই তুমি জান, অতএব তােমাকে আর ভাবে প্রধান রােগ হইয়া থাকে)। ৫-১০ গ্রাম কৰিলেহে কি উপদেশ দিব, বল?।২-২৮। আহা শুনিয়া মচ মুনীর। এই শীতে আধি-ব্যাধি প্রভৃতি কি হইতে উৎপন্ন ও বলিলেন, না। আবি হইতে কিরূপে ব্যাধি উৎপন্ন হয়। এই হইতেই বা লিষ্ট হয়, তাহা আমাকে খৰখ সয় বলুন। ব্যতিরেকে ম্যাণিরূপ উপায়েই কিরূপে উহার বিনাশ বশিষ্ঠ বলিলেন, (সারে) আধি-ব্যাধিই দুঃখের কারণ, তাহার ঘটে?(ভর) বণি কহিলেন, চিত্ত ক্ষুব্ধ হইলে দেহও ক্ষোভ নিরুত্তিই মুখ এবং জানলে তাহার সহ বিনাশই শােক প্রাপ্ত হয়। দেখ, শাখাতে পীড়িত ৰাশরভয়ে ভীত হরিণের ন্যায় বলিয়া কথিত। এরীরে আধি-ব্যাধি 'এককালেই উপস্থিত প্রাণিগণ ক্রুদ্ধ হইলে মুখ পথ দেখিতে পায় না, তাহা না হ কখন কখন বা প্যালেখি কখন পরস্পরের দেখিয়াই একু পথ পরিত্যাগ করিয়া বিপথে গমন করিয়া থাকে। - কারণ হইয়া পরস্পরে উপতি । বৈহিত ঐরুপ সংক্ষোভে প্রাণবায়ুও সলঙ্গ পরিত্যাগ করিয়া, জলে কাজিৰু ৰাসক মানসিক পীড়াই তান্তি, উজই মূল হী প্রবেশ কয়লে এ যেন ক্ষুদ্ধ হইয়া নিজের বাহুপথ- ভজন উৎপন্ন হইলে উৎই ম হইয়া থাকে। আর টরে উলিত দু জ্জ আখালিয়ে থাকে। ই এভাযনিবন্ধন ইবি-ভিৱেকে ও হয় এর যদি কিল বিভবে গমনাগমন উ আহা হইলে, তিনি স্বাস্থ্যহেতু তাকে পরিভাগ করিয়া নিন্মক্ত রাঙামী বলে বর্ণাশ্রম প্রমের যে বিবাহ এমনিতে আসক্তি মিলেই লাইহাপাইনা সেইসলও এবার সময় হিত কপিবি- এল টি-টে। হাতেই এত পড়ি এলে যুক্ত নয় । আর এ নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। কর্তৃক দেহ ক্ষুব্ধ হইলে নদী যেরূপ কখন পূর্ণা বেগবতী, কখন বা উপনীত হইয়া উচ্চপদ প্রাপ্ত হন। ৪৪-৪৯। মক ও কপালের জলতা তিয়া থাকে সেইরূপ নাড়ী সলও কখন পূর্ণভাবে সন্ধিরূপ কপাটের বহির্ভাগে বাদশাঙ্গুলপরিমিত যে মূর্চা অর্থাৎ সবগগতি কখন ৰা রিক্ত হইয়াছিরগতি হয়। এণবায়ুর সঞ্চা ঘােড় নামক স্থান আছে, যায় যখন কুতনীশক্তি রেয় ব্যতিক্রম ঘটিলে ভুক্ত-মানিও কখন কুলী, কখন অজী, নাড়ীােেথক লেচকয়ােগাহারে উন্ধে আকৃষ্ট হইয়া জুড়ী কখন যা অতিজীর্ণ হইয়া দোষাবহ হইয়া উঠে। নদীবেগ যেমন সুযুমার অন্তর্গত প্রাণপ্রবাহৰণে মুহুৰ্তযাত্ৰ ৰস্থিতি করে, তখন কাঠাদিকে পশ্চিম হইতে পূর্বদিকে (সাগরাজুিখে) লইয়া যায়, ব্যামবিহারী সিদ্ধগণের সাক্ষাৎকার লাভ ঘটে। 'রাম কবি সেইরূপ (সমান-নামক) প্রাণবায়ু ভুক্ত-অন্নালিকে (সরুপে পরিণ লেন-হে ব্ৰহ্ম। যখন অাদির চক্ষু কর্ণদি ইন্দ্রিয় অদিত, শত করিয়া রে নি আয় শরীরে লইয়া থাকে অর্থাৎ সঞ্চা- অতৰ হাৰ সন্নিক হলেও বিগণের অগােচর অং বিত করে। যে অন্ন-সঞ্চারণকালে নিরুদ্ধ হইয়া শরীরে অবস্থান দ্বারা সিগণের দর্শন লাভ দুলভ ও অসম্ভব, অব চাক্ষুষ- করে, তাহাই ধাতুবৈষম্যরূপ পরিণামস্বভাবযুক্ত শেষে ব্যাধি- প্রভা সমিক ব্যতিরেকে ষােড়শতে প্রাণধারণমাত্ৰ সিদ্ধগিগের রূপে পরিণত হয়। এইরূপে আধি হইতে ব্যাথির উৎপত্তি, সাক্ষাৎকার লাভ সম্ভব হইতে পারে, তাহা কিরূপ-লুন। সেই দিবিনাশে ব্যধিরও বিনাশ ঘটিয়া থাকে। এক্ষণে বশিষ্ঠ বলিলেন,-হে মহাবাহাে। বায়ুভূত সিগণ অজ্ঞানায় মন্ত্র দ্বারা যেরূপে ব্যাণি বিনষ্ট হয়, তাহার ক্রম বলিতেছি, শ্রবণ ভূচর পুরুষের ইন্দ্রিয়গণ দ্বারা আদিব্য উপায়ে দৃষ্টিগোচর হন না। কর। ২৯-৩৮। হরীতকী ফল যেরূপ উদয় হইলে বেচকের ইহা যাহা তুমি বলিলে, তাহা সত্য বটে, কিন্তু হে রাখব। কাৰ্য করে, সেইপ তত্তং দেবতার সরল-আদি তৎগ্রবণ অর্থাৎ বিজ্ঞানৰত অর্থাৎ যােগাভ্যাস দ্বারা মনের সংস্কার অর্থাৎ বায়ুর বীজ বং, বহির বীজ বৎ, পৃথীবীজ লং, কণ বীজ বং, এই নির্মলতা হইলে ঐ স্বপ্নবৎ স্বার্থপ্রদ ঐ ব্যোমবিহারী সিদ্ধগণও সমস্ত মন্ত্রবর্ণ মায়িকভবনা বশতঃ অর্থাৎ মন্ত্র বর্ণ ভাবনা দ্বারা দূবস্থিত বুদ্ধিনেত্র দ্বারা দৃষ্ট হইয়া থাকে। স্বপ্নালোকনও যে তত্তং দেবতার ভাবনা করিলে তংপ্রভাবে সমস্ত নাড়ীস্থ ব্যাধি- প্রকার, সিদ্ধসনও তদনুরূপ; কিন্তু স্বপ্ন অপেক্ষা সিক্ত আকারে পরিণত অনরসদর উৎসারণ ও পচন কাৰ্য ঘটিয়া প্রাপ্তিতে ইহাই বিশেষবে, স্বপ্নে যাহা স্বার্থসিদ্ধি সন্দর্শন ঘটে, থাকে, তাহাতে বধি বিনষ্ট হয়। ছে সাধে! এইরূপ সাধু- তাহা অলীক , আর সিদ্ধপ্রাপ্তিতে সংবাদ, বরদান, ফলপ্রাপ্তি- সেবারূপ বিশুদ্ধ পুণ্যকাৰ্য দ্বারা মন কষিতকাঞ্চনৰ নিৰ্ম্মলতা প্রাপ্ত প্রভৃতি সত্য অক্ষুন্ন হয়, আৰ এরূপ ব্যবহারমাতা সিদ্ধ হইয়া থাকে। পুর্ণ সুধাংশুর উদয়ে এই জগতে যেরূপ নিৰ্ম্মলতা দর্শনে ঘটিয়া থাকে, কিন্তু স্বপ্নে তাহা নহে। লেচক-অভ্যাসবােগে প্রকাশ পাইয়া প্রফুল্লতা প্রকাশপায়। হে রাখৰ। সেইরূপচিত্তশুদ্ধি মুখ হইতে বহির্ভাগে ঘলিপরিমিত প্রান্তে প্রাণবায়ু বিরত ঘটিলে দেহে আনৰ বৰ্জিত হইয়া থাকে। এইরূপ সত্নশুদ্ধি ঘটিলে লাভ করিলে অপ-কায় প্রবেশ-সিদ্ধি ঘটে। রাম কহিলেন, হে প্রাণ ৰয় যথাক্রমে প্রবাহিত হয়, আর তাহার ব্যতিক্রম হয় না, ব্ৰ। সিদ্ধপ্রাপ্তিতে যোি অর্থাৎ ব্যবহারক্ষমতার্থতাবলি- তখন সেই প্রাণঘায়ু ভুক্ত অন্নাদি জীর্ণ করে, তাহাতে ব্যাধি লেন, হাতে স্বভাবকেই হেতু বলিতে হইবে অথচ সকল অগৎই বিনষ্ট হয়। আমি তােমাকে কুণ্ডলিনীর কথাপ্রসঙ্গে আধি-ব্যাধির যখন মায়াময়, সুতরাং তাহার দিতি অনিয়ত, ইহা আপনিও উৎপত্তি-নশ-ক্ৰম বললাম , এখন প্রকৃত কথা বলিতেছি, শ্রবণ আমাকে অনেকবার উপদেশ দিয়াছেন। যেমন টের পটাকা কর। ৩৯-৪৩। কুণ্ডলিনী পুষ্টকনামক লিঙ্গদেহাত্মক জীবের লাভ ইত্যাদি দৃষ্টান্তও দেখাইয়াছেন, তবে একমাত্র স্বভাবেরই প্রাণনামিকা অর্থং অথরিকৃত এবং অন্তরামােদের মঞ্জরীস্বরূপ কেন নিয়ত স্থিতি, তাহা আমাকে বলুন, আপনাকে আমি এরূপ জালিবে। সেই কুণ্ডলিনীকে যখন পুরক অভ্যাসলে পূর্ণ করিয়া অনেক বিরক্ত করিতেছি, আপনি তাহা সহ করিতেছেন ও সমভাবে অস্থিতি করিতে পারিবে অর্থাৎ কুড়াতে প্রাণঘায়ু করুন। কারণ, শ্রোতা উকট এম কৰিলেও বক্তার দায় হ্রাস রোখ করিয়া খ্রিয়তা লাভ ঘটিলে মেরুর ন্যায়-স্থিরতা না হয়, হয় না, বা অনুকম্পাকাণে সেই সমস্ত দুশ্রশ্নের উত্তর তাহাতে শরীরের পুষ্টিলাভ এটে, তাহাই গরিমাখা সি। প্রদান করেন, কিছুতেই বিশ হন না। ৫০-৫৭। তাহা যে সময় পূরক দ্বারা পূর্ণ দেহুয়ধ্যে মূলাধার হইতে ব্ৰহ্মরঞ্জ পর্যন্ত শুনিয়া বশিষ্ঠ কবিদেশগত্য সঙ্কল) আত্ম পরমেশ্বরের যে প্রাণবায়ুকে উছে আকর্ষণ করিয়া কুণ্ডলিনী প্রণবায়ুরােগজনিত স্বজব নামেশক্তি যে ভাবে প্রকাশ পাইয়া থাকে, তাহা হুষ্টি-আলি উষ্ণতা ও তৎপ্রযুক্ত শারীরিক পরিশ্রম ও মাসিক শ্রমকে ব্যাপারেই সেই ভাবে স্থিতি লাভ করে ( প্রলয় কালে নহে, ইহা অাসপটুনিবন্ধন অমৃত সেনারাসহ করিবার জন্য উঠে নীঃ নিশ্চয়। অতএব তাহার দুটি প্রতি কালে সঙ্কযুক্ত ব- হয় এবং ঐরূপনীত হইয়া যখন আৰুণ ৰ স্যায়, দীর্ঘাকালে এগৰ নিয়ম যাবৎ কিল ভাৰৎ পৰ্যতাই নিয়নব হইয়া অজ্ঞাসবশ সপীয় , বেগে ভাসদৃশী মেহজ সমস্ত নাড়ীকে থাকে, প্রয়ে থাকেন, সুতরাং সর্বনিম্নভি দে বিরােধ নাই। গ্রহণ করিয়া উগমন করিতে সমর্থ হয় তখন চাষ্য- অৰিা যখন কোন বস্তুই নহে, তখন বশক্তি কাজে গত হইয়া কুপোক ৰেহ্মণং আকৃষ্ট হইয়া) উমে গমন করে, ভিন্ন হইয়া থাকে। নে, কামরুপা কোনোদি সেইরূপ ঐ কুণ্ডলিনী আপাদমস্তক দেহকে শাড়ী আর মিরবকাশ যাত। এইযে বিবি এলিপেতি করিয়া বায়ুপুণে আকাশনের উপযোগী লঘুভাবাপন্ন নেয় নিশ্চিতল, এত সন্ত , এ এই এক উ উরিয়া হাতেই কান সিদ্ধয়। এই যে জন্মিয় মিণি মিল সৃষ্ট জন্ধি ব্যক্তির লয় আৰগা (কায়াক্কা যুক্ত হয় অহা বেক)সেই এক এক প্রাণী ও ফল- লক্ষণ)১) অ্যালবিলাসযােগ্যহায্যে খােলিশ। উত হয় জেমি কিনে নেই সেই এলিজ িিবিকশিত হইএকা আত্র। . কি . না ।
যােগছি-আমাণ । তৰে ৰেগিগণ মৃন্ম ছিদ্রাদিতে গনের অ ও আকাশালিতে যেরূপ উজ্জ্বল ওউ হয়, পউষ্ণতাৰ এণ্ড হইয়া থাকে। ব্যাপ্ত হইবার জন্য কিরুপে অণিমমহিমাদি সিভিলাভ কষিয়া ঐ সবসহাপ জঠরাগিকে যােলি তারকাকারে ধ্যান করিয়া অণুত্ব ও স্থূলত্ব প্রাপ্ত হন। বশিষ্ঠ কহিলেন, কাষ্ঠ ও করে থাকেন। বেগিগণকর্তৃক চিন্তিত হইয়া পদ্ধে যেরূপ ভ্রমরের স্থিতি, (করাতের)সংঘৰণে সেরূপ ছেদ অর্থাৎ ঘৈণীভাৰ নিশা হয়, তাহার হয় তাহাদিগের ভৎপয়ে মরবৎ তারকাকারে অস্থিতি এইরূপ বদ্ধ পলকে অতি উৎপন্ন হয় এবং প্রাণপান করিয় এই দেহে সর্বত্র তেতােক্ষপে বিচরণ করে। উহই ঘর্ষণেও স্বভাবতঃ জাঠরাগ্নি উৎপন্ন হইয়া থাকে, স্বভাবই চিপে চিন্তিত হইয়া একাণময় জ্ঞান প্রকাশ করে, এমন কি, উহার প্রতি কারণ। কুৎসিত দেহযন্ত্রের অপ্রদেশে নাভির ব্যবধান দূরবর্তী সকল পদার্থের সাক্ষাৎকার-সিদ্ধি প্রদান করে; উk এবং অধঃপ্রদেশে মিলিত বলিয়া পরস্পর সংশ্লিষ্টমুখ তাহাতে এমন কি, লক্ষযজন বন্ধুও নিত্য সৃষ্টি হইয়া থাকে। আমাশয় ওপাশয় এই ভাস্বরূপ স্থূণমাংস, উর্ধে আকাশ, বাড়বালির যেমন সমুদ্রল ইন্ধনের কাৰ্য করে, অর্থাৎ সমুদ্র- স্থিত এবং অপােদেশে জলনিময় পরস্পরসংশ্লিষ্ট ভাগ সম্পন্ন জলেই বাড়বানল যেমন উদ্দীপ্ত হয়, সেইরূপ মাংসরূপ পঙ্কজ হই নিমে জল দ্বারা ও উর্ধে বায়ু দ্বারা ভিন্ন ভিন্ন দেশে বিশিষ্ট হৃদয়সলােবরকোশায়ী জঠরাগিয়ও সন্নিহিত শরীরস্থ আকষামাণ হওয়ায় বেতলতার তুঙ্গের ন্যায় কম্পিৰস্থায় অলসরূপ লই অকলনবােগ্য কাঠের 'কাৰ্য্য করিয়া থাকে। অবস্থান করে। যেরূপ পদ্মরাগমণির আধার (কৌটার) মধ্যে যাহা শীতল এবং নির্মল, তাহাই উহার “আচ্ছা” রূপে উক্ত হইয়া মুক্তাবলীর শােভা, সেইরূপ সেই মাংসের নিয় ভাগের নামে উক্ত হয়, ঐ সোম হইতে অগির উৎপত্তি, এইরূপে মূলভাগশ্বৰূপ নিজ আশ্রয় মূলাধারে ঐ কুণ্ডলিনী সকল কাৰ্য- এই দেহই অগ্নি ও সেশস্বরূপ বলিয়া অগ্নীষােম। (দেহের কারণসংঘাতের প্রাণদানকারিণী হইয়া লক্ষ্মীরূপে বিরাজ করেন। বহির্ভাগেও জগৎপ্রকাশ ও উষ্ণতা এবং শৈত্য-জাডনিবন্ধন পকালে ক্ষুদ্রাক্ষমালার আবর্তনে যেমন অব্যক্ত শব্দ হয়, সেইরূপ অগীবােগাত্মকতা)।দেখ, সকল উষ্ণাত্মক ভেজােত্রই সূৰ্য ঐ কুণ্ডলিনীও (আবর্তনকালে প্রাণ অপানবায়ুর উদ্দিারণ ও অগ্নি নামে অভিহিত এবং যাহা শীতলধর্মাবলী, তাহাই নিগিরণের দ্বারাও সল্সল অব্যক্তক উৎপাদন করিয়া থাকে সােম নামে অহিত, ঐ উভয় কারা এই জগৎ বিহিত। এবং দণ্ডাহত সপীর ন্যায় উর্ধমুখে বিবর্তিত হয়। যেমন এই অথবা বিদ্যা ও অবিদ্যা-অর্থং চিং ও জড়গাপে সদসাত্মক পর্গ মর্তের মধ্যে বিহিত ও নিষিদ্ধক্রিয়াই প্রাণিগণের উর্দ (অবিদ্যালবল) থৈ ব্ৰহ্ম এই জগঙ্গাকারে বিবর্ধিত হন, সেই অধােগর প্রতি হেতু, সেইরূপ ঐ কুণ্ডলিনীই স্পন্দধৰ্ম্মিণী হইয়া ব্ৰহ্মই এই প্রকাশজাড্যাত্মক অগ্রীষোমরূপে বিভক্ত হন। প্রাণ অপানের উজ অথােগভিন্ন প্রতি হেতু অর্থাৎ ঐ কুণ্ডলিনী, তাহাতেই মনীষিগণ বলিয়া থাকেন, সংবিং অর্থাৎ জ্ঞানময় স্পন্দেই প্রাণ অপানের উ অধগতি হইয়া থাকে, ঐ কুণ্ড | প্রকাশস্বরুপ (কিংবা জ্ঞানপ্রকাশিকা) আসস্ফুর্তি ও বাহ লিনীই (হৃদয়পদ্মের) চাক্ষুষাণি জ্ঞানরূপ মধুর (অর্থাৎ রূপাদি পদার্থপ্রথা প্রভৃতি সূৰ্য্য ও অগ্নি এবং সমােমধ জড়তাঙ্গরূপ বিষয়াস্বাদের) বিবােধনে সূৰ্যসদৃশ এবং উহাই ঈংকমলের যটু অসং অবিদ্যাদিই যেম। রাম কহিলেন, হে বঙ্গবৱ পদী অর্থাৎ পদ্মে ভ্রমর উপবেশন করিলে যেরূপ হয়, তাহার ন্যায় মুনিশ্বর। আমি বুঝিলাম, যে বায়ুরূপী সােম হইতে অগ্নির জীবয়ে ঐ কুশুলিশী অবস্থিত। যেমন বাহপবনে ক্ষের | উৎপত্তি হইয়াছে, কিন্তু সােমের উৎপত্তি কিরূপে হয়, তাহা পত্ররাজি কম্পিত হয়, সেইরূপ ঐ কুণ্ডন্সিী সকল জ্ঞানকর্শ্বে আমাকে বলুন। ৬৮-৭১। বশিষ্ট বলিলেন,—অগ্নি এবং সােম শিয়াদির শক্তি ও পুর্বোক্ত পদ্ম নাডীজাল প্রভৃতি হৃদয়গত ইহারা পরস্পর কার্যকারণভাবে অবস্থিত এক ইহাৱা পৰ্যায়ক্রমে আভ্যন্তরিক বায়ুতে এবং বাফিক বায়ুতেও) কম্পিত করে। ও এককালে পরস্পর পরাজয় করতে ইচ্ছা করে। হে রাম। ৫৮-৬৭। হে রাম। এই বাহ আকাশ যেমন বিশাল ও তাহাতে ইহাদিগের উৎপত্তি বিষয়ে বীজারের ন্যায় পরস্পর পরস্পন্নের সভাৰতঃ বানিবহ দৃঢ় কাষ্ঠ-পাষাণাদি ও মুদ্র পর্ণ-শাদি কবলিত উপাদান, দিবস ও রাত্রির ন্যায় পরস্পর পরস্পরের নিমিত্ত কেবল করে এবং কালক্রমে জীর্ণ করিয়া ফেলে,সেইরূপ অন্তরাকাশেও ইহাদিগের স্থিতি ,ছায়া ও আপের ন্যায় পরস্পর পরস্পরকে প্রাণবায়ু সকল অন্নভােজন কয়ে ও সেই ভুক্ত জল্লাদও জণ উপঘাত করিয়া থাকে। উহাদিগের যুগপং প্রাপ্তিবিষয়ে ছায়া করিয়া থাকে। ঐ পূর্বোক্ত পদ্ম নাড়ী ভন্ত্রাদি প্রাণবায়ু আতপং স্থিতি এবং পর্যায়ক্রমে প্রাপ্তিতে দিবা ও রজনীর নাম পরিপুর্ণ হইয়া (লোহাকার ভার ন্যায়) ভলকারে পরিণত নিবে। ইহাদিগের কাৰ্য কারণ দুই প্রকার কথিত আছে, এক হয়। ঐ হৃংপদ্মাদি সরকারে পরিণত হইলে, অন্তরে প্রবিষ্ট অল্প সৎক্ষপ পরিণামসভৃত, দ্বিতীয় বিনাশরূপ পরিণামজাত। যেরূপ বসন্তকালে বৃক্ষের অশুয়ে প্রবিষ্ট পার্থিব বস যেমন পল্লবমরী অস্থায় বীজের ন্যায় এক হইতে অপরের উৎপত্তি, (এই যে কা পুষ্প ফল ইত্যাদি আকারে পরিণত হয়, সেইরূপ সকপে পরিণত কারণভাব, ইহা সংস্বরুপের পরিণাম হইতেই নিষ্পন্ন ,এই জন্য। হয়। সেই স আবার মতে, রক্ত মাংসে, মাংস ত্বস্বরূপে, ইহাকে সংরূপ পরিণাম বলিয়া আবার দিন ও রাত্রির ন্যায় ৰু মেলারূপে, মোঃ জার্জেনা অেি ও অস্থি শুক্রকুপে, একের পাশে অপরের উৎপত্তি, এই কার্যকারণভাবকে বিনাশ এইপে কাধে এসে পরিণত হয়। তাহার মুখ্য সকল পরিণামজাত বর্ণিয় বিনাশপরিণাম বলা যায়। তদ্রুপ পরিণাম বসে তা পরপর প্রধাতু গরিণাম পৰ্যন্ত ঐ ৰায়ু সপ্ত নিদর্শন যে মৃটের ক্রমবিভিন্ন অর্থাৎ মৃগয় শটের ক্রমিক পরিণ- বাজুল উয়ােক্ত পৰিণৰসিরি এ বংশসমূহের গা মের চাকুৰ প্ৰভয় থাকে, সুস্রাং এই সপ পরিম পয় গলনে এতিৰ অৰি পালন করিয়া থাকে। কাৰ্যকারণভাৱে চালঘমাণ ব্যতিরিক্ত প্রমাণ দিয়েন। এইবোৰত শত যখন ঐআমি আর তির বিনাশশক্তিশালী মিত্রির বিভি এ সময় সত হয়, যা বিয়ের এক বা একান্ত অ এ ক্লিক নিৰাশ-প্ৰৱণ-পূর্বভাগ। เรา কারণ, কাৰ্য দশার কারণের অভাব। যেমন দিতে রাত্রির উপলব্ধি করে, অতএব বস্তুর পরিমাণানুসারে সেই অগির সপ পরিণাম হয় না, সুতরাং ঐ অনুপলব্ধিই মুখ্যপ্রমাণ। ৮০৮৭।(বাহারা দ্বারা সােমর প্রতি কারণ। আর অভাব পরিণামেসােমের এই দুর্ভুক্তি বলেন যে, “স্বাৰা কাৰ্যকরে, তাহাই কারণ, কারণের প্রতি কারণ, কেননা এগ্নি বিনষ্ট হইয়া শৈত্য প্রযুক্ত যে বায়ুভাব কার্যকারিতা কারণে অভিনিবেশ লক্ষণ অাস্থাতেই তৃষ্ট হইয়া প্রাপ্ত হয়, অতএব অভাৰপরিণাম দ্বারাও অগ্নি সােমের প্রতি থাকে, প্রকাশস্বরূপত্র ও প্রকাশমাত্রেই যাহা ক্ষয় পায়, তাদৃশ কারণ। দেখ, বাড়বানল সপ্তসমুদ্রের জল পান করিয়া ধূমােগায় দিনের রাত্রিনির্মাণে আস্থা নাই, অতএব উহার কর্তৃত্ব কিরূপে করতঃ মেথাকার ধারণে সেই সপ্ত সমুদ্রের সলিলই উৎপাদন সম্ভব? এবং রাত্রির ও দিনের কর্তৃতা নাই, একের অভাবই করে | সূৰ্য কৃষ্ণপক্ষে অমাবশ্যাপর্যন্ত চন্দ্রকে গ্রাস করিয়া, অন্যের ভাব, এইরূপে অভাই যখন পরিণাম, তখন তাহাদের সারস পক্ষী যেমন মৃণাল ভক্ষণ করিয়া তাহা উক্ষিণ করে, কাৰ্য কারণভাবে কোন মূলভিত্তিই নাই। এইরূপ অচেন্স স্মৃতি সেইরূপ শুক্লপক্ষে আবার উদিগরণ করিয়া থাকেন। সে কালে কাদিরও পটাদি উৎপাদনে আস্থা সম্ভব নহে, কারণ আস্থা সােম মুখের ন্যায় বর্তমান, তাদৃশ বসন্ত গ্রীস্মাগমে প্রাণ অর্থাৎ চেতনেরই ধৰ্ম্ম, আরও মৃত্তিকা মর্দন না করিলে তাহা হইতে উম্মার সহিত বায়ু ভৌমরস পান করতঃ বর্ষাকালে অভ্রাকারে ঘট নিষ্পন্ন হয় না, আর মৃত্তিকা মর্দন করিলে ত মৃত্তিকার সুলত প্রাপ্ত হইয়া বৃষ্টি দ্বারা পুনরায় জগৰূপ শরীর পূর্ণ করিয়া নাশই হইয়া যায়, তা কি করিয়া সংস্বৰূপে (ভাস্বৰূপে ) খকে, কিংবা প্রাণ বায়ু, অপান মুখে অপাদি উদরে আসিলে পরিণত হইতে পারে ? আর যে মৃৎপিণ্ড ঘট ব্যতিরিক্ত উভয়ানুগত অনুতােপম তাহার রস পান করিয়া মেঘের স্যায় পরিব্যাপ্ত সকল মৃত্তিকানামে কোন তৃতীয় কিছু আছে, তাহাও হইতে পারে না, নাড়ীলে আগমন করতঃ সেই শরীরকে পূর্ণকরতঃ আপ্যায়িত কারণ তাহা নাই, আর যে বীজার বিষয় হদিস দেখিতে গেলে করে, তাহাই সােমপরিম। উন্ধে সূর্যরশ্মিই জলশােষণ করিয়া বীজাদি স্থিতিকালে বা নষ্টোন্মুখ হইয়া, কি নষ্ট হইতে হইতে বা থাকে, এইরূপ কল্পনা করিলেও জল সন্ধ্রপ পরিণামেই সূর্যরশ্মিত্ব নষ্ট হইয়া পরে অঙ্কুরােৎপাদন করে, তাহা নহে। কারণ, প্রথম প্রাপ্ত হয়। (শুক্লরূপেই জলের অনুণম দৃষ্ট হইয়া থাকে)। ঐ জলই কল্পস্থিতিকালে যদি অঙ্কুর উৎপন্ন করিত, তাহা হইলে কুশূলেও আবার বহ্নির প্রতি কারণ। জলের শৈত্য প্ৰত্বনাশ হইয়া উষ্ণতা (গােল) অঙ্কুর হইত, দ্বিতীয় তৃতীয়কঙ্গ নষ্টেমুখ বা নাশ হইতে ও কক্ষতার উদ্ভব হইলে সেই জল অগিরূপে পরিণত হয় , হইতেও উৎপাদন কবিতে পারে না। তাহার কারণ, উৎকালে ৰূপে বিনাণপরিণামে সেই জল বহ্নির প্রতি কারণ। তাহা নিজেকেই রক্ষা করিতে অসমর্থ, আহা কি করিয়া বা কোন দণীর। লেখিয়া থাকেন যে, অখিল বিনাশে সন্ধ্রপ পরিণামী যুক্তিতে অঞ্চকে উৎপন্ন কৰিব ? চতুর্থকল্পওনষ্ট হইয়া করিবে, চন্দ্র এবং চন্দ্রের বিষণে সরূপ পরিণামী অগ্নি। যেরূপ দিন তাহ। সর্লাভৰবাধিত, অব কাহারও কিছু হইতে উৎপত্তি বিনষ্ট হইয়া রাত্রিতে পরিণত হইয়া থাকে, সেইরূপ অগ্নিও বা বিনাশ নাই, কিন্তু স্বভাবতঃই সমস্ত উৎপন্ন হইয়া থাকে, বিনষ্ট হইয়া সােমরূপী হইয়া থাকেন। ১৮৯৮। অম, ও বিনষ্টও হয়, এ বিষয়ে পৌৰ্বাপৰ্য্য দেখিয়া অবিবেকৗরই কাৰ্য প্রকাশ অর্থাৎ অন্ধকার ও আলােক, ছায়া ও আতপ এবং জিন কারণভাব বিকল্পনা করিয়া থাকেন।”-এইরূপ আস্থা নাই, ও রাত্রি, ইহাদিগের মধ্যে বা সন্ধিতে যে ব্যাও তমঃপ্রকাশ ও আস্থা নাই বলিয়াই কর্তৃত্বও নাই, এইরূপ দুঠুক্তিবাদিগণ যাহা বিলক্ষণরূপ (সংস্বরূপ ব্ৰহ্ম) বর্তমান, তাহা অভিজ্ঞতাগণও স্বয়ং অনুভব করা যায়, তাহার শলাপ করিয়া থাকেন। (কারণ অবগত হইতে পারেন না। তমঃ ও প্রকাশের সন্ধি উল তাঁহাদিগের যুক্তিতে অনাস্থাদি-খুক্তিবুদ্ধি অকর্তৃত্ববুদ্ধিকে উৎপন্ন বিলোপাত্মা শুন্যরূপ হইতে পারে না, তাহা অবিলােপী অর্থাৎ করে, যদি ইহাই হইল, তাহা হইলে উহাতেই ত ব্যকারণভাব অন্যরূপ। কারণ ঐ সন্ধির ঐ তমঃগ্রকাশের পরস্পর সংলগ্ন রহিয়াছে যে, ‘অকর্তৃবুদ্ধির প্রতি অনাস্থাদিবুদ্ধি কারণ” শরীর, (শূদ্যের সন্ধি হইতে পারে না। পুর্বোত্তর কালের অতএব ইহাতেই ত তঁহাদিগের নিজের অনুভবের অপলাপ হই- অনুগত ভাবভাবরূপে সপেক্ষ নিরূপণ দ্বারা ও অভাবরূপেও তেছে, আর যদি না উৎপন্ন করে, তাহা হইলে অনুভবলীর প্রকাশাভাবরূপই অমেরূপ এক বন্ধু এবং মের অভাব রূপই পরকে বুঝাইবার জন্য এরূপ যুক্তি উপন্যাসই অনুভবরুদ্ধ প্রকাশ এক বস্তু, ইহাই সৰ্বানুভবসিন্ধু, অব এক ঐ মঃ ও প্রলাপ মাত্র, এইরূপ রাত্রিও চরমভাববিকাররূপ অভাবপরিণাম প্রকাশ আনিষ্ঠ ও বহিঃসন্ধিতেও বর্তমান, ঐ উভয়েরঅণুমাত্রও দ্বারা দিনের প্রতি কারণ, ইহাত অনুভবসিদ্ধ, নাশ বা ভাববিকার অন্যথাভাৰ নাই। যেমন পৃথিবীতে অন্ধকার ও আলোক কারণ নহে, কারখ,—উৎপত্তি-আদির ন্যায় ঐ নাশভাব বিকার- এই উভয়টত অহােরা, সেইরূপ সকল প্রাণী এবং নিখিল ভাবেরই ধৰ্ম্ম বলিয়া অনুভূত। এইরূপ বীজুরাদি অবস্থাতে অনু- ব্যবহার চৈতন্য ও জড়তা এই উভয়ঘটিত জানিবে। যেরূপ জলময়- গত দ্রব্য অৰাধিত প্রত্যভিজ্ঞান দ্বারা অনুতসিদ্ধই এবং তাহাই বিশ্বে সূৰ্য্যকর দ্বারা সুবিম্ব অমৃতময় কলা প্রতিফলিত হইয়া কখন স্থিত হয়, কখন নিনঃ অর্থাৎ নষ্টোমুখ হয়, সে সকল তৎক্ৰমে চন্দ্রের শুভ্র শরীর উভয়ারব্ধ হইয়া অর্থাৎ উমিশ্রণে অবস্থাভেদ মাত্র , অবস্থাভেদসমন্বিত বীজাবিই অরদির কারণ, প্রকাশমানসেইরূপ চিৎ ও জড় উভয়রূপের মিশ্রণে এই জগৎ- অবস্থাভেদনিবন্ধন তাহাতে কোন দেই নাই; অতএব যাহারা স্থিতির আরও জানিবে। হেয়া! তুমি এই প্রকাশ ঐ প্রকার ভেদ হেতু প্রমাণবিরহিত গৌরবগ্ৰন্ত উৎপত্তি- অনল ও সূৰ্য্যকে চিপ আনিবে এবং অড়য় ভকে সােম- আদির প্রলাপ প্রকাশ করেন, তাহারা মুখ) তঁাহাদের অবজ্ঞা কলিক বহিস্কৃত করা উচিত। হে রঘুনন্দন! অভাবও প্রত্যকের কায় প্রমাণের কাৰ্য করিয়া থাকে। দেখ, অগির অবই সকল ধীর গৰি ধরিসাত্মক শােম রূপ, এই জন্য সর্বত্র এতে ীরে প্রতি এমাণ। অগি ধুমভাগে মেকার থারণ অলরূপে উক্ত হইয়াছেন।
৯ যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ শরীধারী বলিয়া নিও। যেমন বহির্ভাগে আকাশ সূৰ্যোলয় রূপ ফুর্তিতে উৎপন্ন করিয়া থাকেন। যেমন সৃষ্টির আদিতে দেখিল কৃষ্ণপক্ষের রাত্রির অন্ধকার বিদূরিত হয়, সেইরূপ নিৰ্ম্মল ব্ৰহ্ম মায়াশবল হইয়া সবিং শীতােষ্ণরূপে ব্ৰহ্মাণ্ডকার ধারণ চিৎসূৰ্য দৃষ্ট হইলে এই সংসারের মূল ভঃ বিনষ্ট হইয়া থাকে। কর অন্ধি ও সােম-আখ্যা ধারণ করিয়াছেন, মানুষের—অর্থাৎ ৯১-১০৮। বেপরােত্রে চন্দ্র প্রকাশমান হইলেসৌরকররাশি ব্যক্তিজীবদেহের সৃষ্টিতেও সেইরূপ অমীযােম নাম জানিবে। হাতে প্রবেশ করতঃ চন্দ্ৰধৰ্মাক্রান্ত হইয়া চত্রিকায় পরিণত হন, যেরূপ কৃষ্ণপক্ষে অখ্যাত্ম সূৰ্য্য সােমের শুভ্র পঞ্চদশ কলা প্রতিপং তখন সভায় তিনি সন্তান হন ও নিজ সভায় সাবিচুত তিখি হইতে আরম্ভ করিয়া গ্রাস করিয়া থাকেন, কিন্তু বানায়ী হইয়া থাকেন, বাস্তবিক তখন সৌর-প্রপুঞ্জের অভাবই নিখিল এক চিপা কলাকে অবশিষ্ট রাখেন, আবার শুক্লপক্ষে কমে জনের অনুতগােচর হইয়া থাকে, ভদ্রুপ স্বয়ং প্রত্যগাত্মা এ সেই উভুত সেই কলাসমুদয় উদিগরণ করিয়া থাকেন, তখন আড়ােদেহরূপে দৃষ্ট হইলে সেই অস্বরূপে চিৎ প্রকাশখন সেই সকল কলায় ক্রমশঃ পরিপূর্ণ হইয়া ধ্রুব। কলা পূর্ণচন্দকার হইলেও সেই জড়ধৰ্মাক্রান্তার ন্যায় বলিয়া বোধ হয় এবং প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ হৃদয়স্থিত প্রাণসূৰ্য্য অপানরূপ সােমের মুখ- ভৎসত্তয় তদীয় সত্তা হয় অর্থাৎ তখন জড়সাই মাত্ৰ জ্ঞাত হয়, নাসিকাপথে প্রবিষ্ট শুত্র পঞ্চদশ কলা গ্রাস করঃ মুখের বহি- চিৎসার আর প্রকাশ থাকে না, তখন তদীয় সত্তা অসত্যবৎ ভাগে বানার্জী এক কলা অবশিষ্ট রাখিয়া পুনরায় সেই সকল হইয়া গড়ায়। চমলে প্রবিষ্ট সূৰ্যপ্রভারূপ অগ্নি জলময গ্ৰস্তকলাকে উষ্ণ করিয়া উদির করিয়া থাকে, সেই সকলে চমকে দেদীপ্যমান করিয়া থাকেন, এ দিকে দেহে ও জীবে পরিপূর্ণ হইয়া ঐ ধ্রুবা কলা বহির্ভাগে আপাননামক সোমকারে অনুপ্রবিষ্ট চিৎ পরমায়ুকাল পর্যন্ত স্বীয় প্রভাকে অহংভাবাদি পরিণত হয়, (তাহার মধ্যে বহির্ভগে প্রাণপন সন্ধিকাল দ্বারা প্রথিত করেন, এইরূপ সৌররূপ—অর্থাৎ সূৰ্যপ্ৰভামণ্ডল পৌণমাসী, হৃদয়ে কিন্তু অমাবশ্যা, অন্তরালদেশে ইপিলার অন্যান্থমিলনে তাদাঝাধ্যাসপ্রযুক্ত চন্দ্ৰস্বৰূপ হইয়া থাকে এবং প্রত্যেক উ ও অধোগে প্রতি যাড়ী প্রাণসূর্যের চিং ও স্বীয় সংবিস্ময় আমি মনুষ্য চেতন ইত্যাদি স্বীয় অনু প্রবাহ তাহারই দুই অসুন, মোদি দ্বাদশ মাস এবং তদন্ত ভৰনুসারী দেহস্থ রূপহইয়া থাকেন। বাস্তবিক চিৎ নিস্ক্রিয়া, রালে সংক্রান্তি সকল অবস্থিত। অপান সােমের প্রবাহসমুহ চিতের সঙ্গোচক উপাধি কিছুই নাই, কেবল চিতের উপলব্ধি চৈত্রদি মাস কিছুদিৰোগ ও অন্যান্ত পর্ব নিষ্পন্ন হইয়। হয় না, দীপের দ্বারা যেরূপ আলোকের অবগতি, সেইরূপ থাকে, ইহ। যােগিগণের প্রাকৃত) যে মূখের বহির্দেশে দেহরূপ উপাধি দ্বারা ঐ চির অবগতি হইয়া থাকে , এইজন্যও (প্রাণ) কর্তৃক এস্ত এবানী অপানসোমের যােড ঐ চিত্তের দেহধত্ব এম হইয়া থাকে, প্রকৃত দেখিলে দেহ- পুরণীকলা ঐ প্রাণক উদগীর্ণ কলায় পূর্ণ হইয়া ক্ষণকাল ধৰ্ম্মাদি কিছুই নাই। ঐ চিতের অজ্ঞানাবৃত অবস্থায় যে চেত্যরূপ পূর্বদিকে পূর্ণিমা চন্দ্রের দ্যাৰ দ্বাদশজুল পরিমিত হয়, সেই উপাধিতে উন্মুখ প্রথা নিয়ম, তাহাতেই তঁাহার লাভ হইয়া স্কুলে তুমি কুস্তকসহায় মনের ধারণ সম্পাদন করতঃ বদ্ধপদ থাকে অর্থাৎ তন্নিবন্ধনই সাধারণ প্রত্যক্ষ গােচরত। সেই যে অর্থাৎ স্থির হইয়া অবস্থান কর । অর্থাৎ স্থির হই। অবস্থান কর। যে এলাকাশে কলাগ্রাস লাভ, তাহাই অনর্থপ্রাপিল সংসার। আর যদি চেতৰূপ উপাধি ক্রমে গ্রস্ত হইয়া অপাননামক চন্দ্র অমাবস্যাতে চন্দ্রের ন্যায় শাবস্থায় লাভ করা যায়, তাহাই নির্বাণ নিবে। যেমন কেবল শুদ্ধচিপ বাখ্য-কলাত্মিক স্থিতি অবস্থান করে, গৃহভিত্তি প্রভৃতিতে সৌরকিরণ প্রতিফলিত হইয়া মিশ্রিত হইলে তথায় অন্তরে কুম্ভকাবলম্বনে বদ্ধপদ হইয়া অবস্থান কর। উষ্ণ গৃহভিত্তি সেই ঝিরণাত্মক বলিয়া বোধ হয়, সেইরূপ পরস্পর অগ্নিই চিলাদিত্য, আর শৈত্যই সােম বলিয়া কথিত। যথায় ঐ সম্বলহীন অর্থাৎ সম্মিশ্রণাধীন যুদ্ধপে বাক্য ব্যবহাল্পে বিষয়ক উভয়ই (জর্দরেচক ও অর্ধপুৱক সহায়ে অন্তরালে প্রাণের উভয় প্রযুক্ত এই দেহ ও দেহী অগ্নীষযমাত্মক জনিকে। হে রাখব। দিকে নিৰোধ আৰ) বিশ্ব প্রতিবিম্বৰ তুল্যরূপে অবস্থিত, তাহাতে যখন নির্বাণের অর্থাৎ উপাধি-নিবৃত্তি দ্বারা নিরতিশয় আনন্দাবি- বিরতা অবলম্বন কর। হে অনছু! (যেমন বসন্ত, গ্রীষ্ম, বর্ষা ভাবের ত্যন্তিক সিদ্ধি হয়, তখন অগির কেবল স্থিতি হয় এবং শরৎকালে জমে উষ্ণতা শতকে গ্রাস করে বলিয়া মােমের জড়তার আতিশয্য অর্থাৎ জলশিলাদি ভাব হইলে সােমের কেক অক্ষি সংক্রান্তি এবং শরৎ হেমন্ত শীতকালে ঐ উষ্ণতাকে আবার স্থিতি হইয়া থাকে। (পূর্বেই বলিয়াছি, প্রাণ, আপটন ও ঐরূপ শীত ক্রমশঃ গ্রাস করে বলিয়া অগ্নির সােম সংক্রান্তি হইয়া অগ্নীঘােম প্রকৃতি, তাঁহার মধ্যে) প্রাণবায়ু উষ্ণপ্রকৃতি অগ্নি, আর তাকে ও তাহাদের সন্ধিয় এবং বিষুবই সূৰ্য্যের শেষাদিতে অপান শীতপ্রকৃতি সােব, উহার মুখমার্গগত হইয়া ছায়া ও আত সংক্রান্তি হইয়া থাকে, সেইরূপ জীবশরীরেও জঠরাখি আপন পের স্থায় অবস্থিত জানিৰে। শীতলধাবলী অপানে অত্যুফ শৈত্যকে গ্রাস কৰিলে সােমের অগ্নিসংক্রান্তি হয় ও ঐ প্রাণ- পাবক ভেজাত্মতা প্রাপ্ত হইয়া ) বর্তমান এবং আদর্শে প্রতিবিম্বের খ্রিউফাকে বাহুশৈত্য গ্রাস করিলে অগির সােমসংক্রান্তি আর আবার ঐ অপাৰায়ু প্ৰাণবায়ুতে (ভাদায্যলাভে) অবস্থিতি হইয়া থাকে, ঐরূপ সূৰ্যসংক্রান্তির কথা পূর্বে বলা হইয়াছে, করিতেছে ও করিয়া থাকে। সূৰ্য যেমন বহির্দেশে কুড্যালােক তুমি ঐ শরীরের সােম-জগির সংক্রান্তি অবগত হও, কার সম্পাদন করেন, অর্থাৎ সূর্যের আলােককুড্যা অর্থাৎ হভিভিরূপ এই যে বাহসংক্রান্তির কাল, তাহা তৃণ্য জানিবেহে রামচন্দ্র। উপাধিত হইয়া আলােকিত করিলে তাহা যেমন ফুড্যালােক যেমন বহির্ভাগে সংবৎসর ও সেই সংবৎসরের ক্রাক্তি অয়ন- বলিয়া কথিত হয় এবং সূর্যই হার ক, দ্রুপ ঐ মুদ্রণ প্রয়াত্মক কাল, উক্ত বিষুৰয় বর্তমান, সেইরূপ বদি গতিতে কুণ্ডলিনীস্বরূপ চিপ অগ্নি মূলাধার হইতে কণ্ঠ পৰ্যন্ত চতুর্দলাদি ভিন্ন প্রাণপান বায়ু এ অন্তরেও ঐ সংক্রান্তি-অনাদিসমূহ, পপতি পরাণি বৈরী পর্যন্ত বাতাসুঝ চােষকে নিজভায় প্রত্যক্ষ প্রভূত টার্মিয় স্থায় স্পষ্টভাবে নিতে পার, তাহা অথং অফানি শক্তিতে এবং অনুভূতি দ্বারা অর্থাৎ অপ্রথা হইলে তুমি ঐ বৌগিকতায় বিরাজ কৱিৰে । যােগিমধ্যে নির্বাণ গণ্য হইবে; এর। যদি মহুপদি হইতে এ পরে আশ্রয় গায়ই তাহা কর্ম করে। পয়ে আশ্রয় সই জাল করি করে। মাতৃগর্ভন্থিত কলসমুহে লইয়া অন্য যাঙ্গে প্রবৃত্ত হও, তাহা হইলে তুমি শােভা জরায়ুতে তিল বীজশক্তি এৰি হস্ত পানি বন্ধু যেমন গাইবেন।১০১-১৯। অবস্থান কর, সেইরুল ইকলিনী ভাঙ্গার পর ফুলবণ একামি সর্গ সমাপ্ত।৮১। আরে এ বি জৰ থারণ। ৭-১২। হে রব! জীৰশক্তি যে খেসারী রুমে ইতে সামান্য তৃণ প আকার ধারণ করিয়াকে, ইয়া প্রমাণ নহে। হে রাম। তুমি বশীতিতম সর্গ। এই যােগসাধ্য অণিমাণি সাধন এবং করিলে, এক্ষণে ক্ষতি মধুর আনসিসিতে ভশ্যে কি? তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। বশিষ্ঠ কহিলেন-যােগিগণের দেহ (অণিমানি সিন্ধি খারা) এই সারে ৩ অলতিসৌম্য একমাত্র চিন্মপদার্থ বর্তমান সে জবে স্থূল- সূব ধারণ করে, তাহা বলিছে, শ্ৰৰণ আছে। তিনি হইতে দু এবং শান্ত , তিনি অগৎও ক। সন্ধ্যাকালে মেঘমালায় বিদ্যুৎওষৎ হলপক্সকোষের উজ নহেন বা জগক্রিও নহেন (এবং গুলভাবেও এই জগৎ বা কর্ণিকোপরি আঠর অনলশিখা বর্তমান, উহা দেখিতে হে অক্রিয়া কিছুই থাকিতে পারে না)। কে যেরূপ কলিত ভ্রমরের স্যায় ( হাই পরমাত্মার আসন) বায়ুবেগে যেন অগ্নি বনভূদিলে ভীত হইয়া থাকে, তজ্জণ মূঢ় জীবই সঙ্কলের প্রজ্বলিত হয়, দ্রুপ ঐ অগ্নিকুণা বর্জনসংবিত্তি প্রযুক্ত অর্থাৎ অর্থাৎ বাসনায় ভরে পতিত হইয়া এই মিথ্যময় শরীরের প্রতি বনজ্ঞানে সৰ্ব্বদেহ বাপিয়া যেরূপ শীঘ্র জালিত হয়, সেইরূপ দৃষ্টিপাত করিয়া থাকে ও তাহাতে ঐ মিথ্যাময় স্থূলৰীৱ দেখিয়া বন্ধন উপায়জ্ঞানেও জ্বলিয়া থাকে, সেই বর্ধিত অঙ্গি অন্ত থাকে, তাহাই উহার মুলব। আর যখন জীবের জ্ঞানলীগে অগ্নির স্যায় দেহ দগ্ধ করে না, কিন্তু সংবিৎস্বরূপ বলিয়া সূর্যের সমকি প্রকারে আমােক বিকী হইবে, তখন শরৎকালের শেষের আয় প্রক।শাডিশষ্য পাইয়া থাকে। অপ্তি যেমন সুষকে গলিত হয় জীবের সঙ্কমোেহ অর্থাৎ বাসনাজনিত মােহ ক্ষয় প্রাপ্ত করে, তাহার ন্যায় ঐ অগ্নি বর্ধিত হইয়া প্রভাতে নভােমণ্ডল হইবে। হে রাখব। ঐ সঞ্চলসমূহের ক্ষয় হইলে, তৈল নিঃশেষ সমুদিত দিবাকরসম-প্রভ হয় এবং হন্তদালি অসমম্বিত দেহকে হইলে দীপের স্থায় এই বেহ শান্তি পাইয়া থাকে। ১২১৯। গলিত করে, অর্থাৎ পার্থিব গন্ধভাগ ও কাঠিন্যকে তাহার | নিদ্রার অপগমে যেমন স্বপ্নদর্শন হয় না, সেইরূপ সত্য সাঙ্গাকার উপাদান জলভাগে উপসংহত করে। এইরূপ পদার্থ পৰ্যন্ত | বটিতে জীবের আর এই দেহ দর্শন হয় না। তবে ভাবনা দ্রবীভূত করে, তাহার পর ঐ আন্ধি শোষণ যুক্তিতে বিশেষ করিয়াই জীৰ এই যেহাবৃত্ত হইয়া বর্তমান। সেই একমাত্র প্রযুক্ত অর্থাৎ অগ্নিস্বৰ বিশেষহেতু জলের শৈত্যস্পর্শ করিতে পরমতত্ত্ব ভাবনা করিলেই জীব দেহহীন জমা ও সুখী হইতে অসমর্থ হয় ও স্বীয় উষ্ণতাবলে উপসংহার যুক্তিতে জলকেও পারে। হে রাম। যাহা বাস্তৰিক আত্মা নহে, সেই অনত্ম দেখা- শােষণ করে এই রীতিতে দেহ হইতে বহিভূত হইয় মনোরূপ নিতে যে আত্মভাবনা, তাহাই আয়ের মারুণ তমঃ, এই দৃশ্যমান আত্তিবাহিক দেহমাত্ৰ এৰস্থিতি করে। যেমন প্রাণবায়ুপ্রভাৰে সূর্যালােকও হা দূর করিতে পারে না। কিন্তু প্রকৃত আত্মাতে নীহার বিলীন হয়, সেইরূপ ঐ অগ্নি পার্থিৰশরীর ও অলীয় শরীর আত্মজৰ আশ্ৰয় করিয়া আমিই “নির্মল নিরঞ্জন সর্বব্যাপী চিৎ- বিদূত করিয়া বিক্ষোভিত প্রাণযুকর্তৃক উপসংহত হইয়া বিলীল স্বরূপ” এইপ্রকার জ্ঞান উদয় হইলে সেইজ্ঞানসূৰ্য্যই হৃদয়গুগত হয়। ১৬। সেইরূপ ধুমলেখা আমি হইতে নির্গত হইয়া গেনাশ করিতে সম হন। (ঐ অনসিজি কৃঢ় হইলে জীব ক্রমশ সেই আখি হইতে নিঃসম্পর্কীবে আকাশে অবস্থান করে, মুক্ত হতে যায়, তখন সেই জীবনুকাবস্থায় বিল্লোলে অনানীঃ কুণ্ডলিনীশক্তিও সেইরূপ মূলাধার শুধুমালাড়ীখিচুত ইচ্ছামত বা প্রাভিসিক হেল্পনাও সিক্ত হয়। কারণ হইয়া (তৎসংস্কায়খালী) আতিবাহিক গেহাকাশে স্থান করিয়া হাৰাবগত হইতে পারিয়াছেন, সেই সকল মহা- থাকে। তখন সেই কুণ্ডলিনীশক্তি মলােবুদ্ধিময় জীদি ঘটিত পুরুষের বাহা ভাবনা করেন, ফুট ভাবনা দ্বারা আশু তাহাই শিশল্পীরে অহরকে ক্রোড়ে স্থাপন—অর্থ সঙ্কলন করে, প্রগাের করিয়া থাকেন। হে ৰাঘৰ। দৃঢ় ভাষায় মূঢ় তীয় অন্তরে প্ৰিকাশ চমৎকার ও ফোবিহার সৎকায় বিকটা বিষকে মৃত ওনি করে, আর অমৃততক কুৱিত থাকে, তাদৃশ অবস্থায় নগরের ধূমলের ন্যায় সুত্র দুই দিকে বিষমিশ্ৰিত ৰণি দূবন কালে হাও মালছিদ্রে বল, (কঠীন) শৈরে বল, সামান্য তৃণে বলও বিষ হইয়া । ই জুয়েভু দেখা গিয়াছে ও যায়। যাহা ত্তিতে উপলখণ্ডে স্বর্গে বা ভূতলে ৰল, যেখানে প্রবেশ করিয়া ঘুঢ় য় না করা হয়, শীঘ্রই তাহাই হইয়া থাকে। যেভাবে নির্গত হইতে যােজিত হইয়া থাকে, তথায় প্রবিষ্ট হইয়া ২-২৬। সত্যগলাঞ্চিত এই যেই যেই থাকে, আর সেইভাবে নির্গত হইয়া থাকে। যে, রামচ। যােগিগণের মিথ্যাভাবনায় ভাবিলে এইদেহ ৰহ্মাকাশে পরিণত হয়। যে শক্তিস্বরূপাইলিনী যে সময়ে পুসংহত অণভাগকে স্বা। এণিমাজি এপ্তিবিষয়ে জ্ঞান অর্থাৎ আঘােগের এমিতে পৰূিত আন চর চর এলষত্রে যেমন কথা ভেবেশি, তুমি সাধুখের কি, এলেভেমাকে কুপে নিলিহইলে লতায় পূর্ণ হয়, সেইরূপ, সে পরিপূর্ণ অনুষগের কথা (অর্থাৎ হে প্রবেশ করিয়া ভােগাতি- হইয়া থাকে। হে অশ। চিত্রকর যেরূপ চিত্ৰ কৰিবার সময় বিষয়ক কথা বলিতেছি, এ কর। যেমন ৰাণৰাসংক্রান্ত মনােমখে ঋণ আর ভালা করে, অনুরূপ রেখা অঙ্কিত পূস্পসৗরভ আক রা ভাল যােজিত হয়, সেইরুপ ব্রেক করে, সেইরূপ ঐ কুণ্ডলী সপুর্ণ হইয়া পূর্ব পাৰিব ভাসযোগেীকে গত কমি যখন পরদেহে যােক ভাগকে মােকারে গলা করিতে ভাবনা'ক, যােগশক্তিশত করতে এই দে, কাষ্ঠ লেবং শহীদই বােগবাচিমাৰ পরিত্যক্ত হয়। সিজগণকর্তৃক পরকীভােবদারিতে করিকিন্তু জীয় স্বামী শিখিধ্বজ কিছুই বুঝিতে পারিলেন । বার জন্য জীব পরকীয় দেহে জীদে ও মতিতে ষ বিনিয়েশিত কেবল বুঝিলেন, আমার এই গৃণি মুগ্ধ। কলাভিজা বালিকা হইয়া থাকে, এবং বেল গলসেচনকারী ব্যক্তি করন্থিত কুন্তের মাত্র। রাজা চড়ালাকে এইরূপ মাত্রই আনিয়াছিলে। বালক জলধারা ইচ্ছামত বেজকে ইচ্ছ, সে কুতে সরে জলসেচল ভৰুতে সারে জলসেচন যেমন বেদাদি বিন্যা কি, তাহা বুঝিতে পারে না, সেইরূপ রাজা করিতে পারে ও করিয়া থাকে তদ্রুপ অভিমতানুসারে স্থবির- শিখিধ্বজ এতদিনেও সেই এবংবিধ গুণশালিনী চলারও অমাদি যে দেহে ইচ্ছ, তাহাতেই ইচ্ছাপূর্বক আদর দেখাইয়া প্রকৃত স্বরূপের অনুধাবন করিতে পারিলেন না, শুদকে যেমন প্রবেশ করিয়া থাকে। বসরাম। এইরূপে যােগি পরদেহে যজ্ঞক্রিয়া দেখাইতে নাই, তাহার স্থায় চূড়াল। সেই রাজাকে সিদ্ধি ভােগ করিয়া তদনন্তর পূর্বদেহ থাকিলে তাহাতেই আত্মজ্ঞান লাভ করিয়ায় আত্মগত বিশ্রাম লাভ করিতে পারেন পূনরায় প্রবেশ করেন। কিংবা ইচ্ছা হইলে তা দেহে প্রবেশ নাই বলিয়া তাহাকে সিন্ধি প্রশন করিতে সমর্থ হন নাই পূর্বক অভিমত সময় পর্যন্ত অবস্থিতি করেন। কিংবা বােগিগণ কাম কহিলেন,- রাজা শিখিধ্বজ ভণিী মহতী সিদ্ধযােগিনী পদেহে প্রবেশপূর্বক তত্তদ্দেহে ভােগ সমাপন কৰিয়া অনন্তর চড়ালায় উপদেশপ্রয়াসেও যখন ৰােয় পাইলেন না, তখন অন্যে অন্তঃকরণের বিস্তার সম্পাদনে জগৎ পরিব্যাপ্ত করিয়া দেহাদিকে কিরূণে প্রবুদ্ধ হইবে ?৮-১২। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রঘুকুল- (অংং স্থাবর জঙ্গম সর্বদেহাদি) প্রতিবিম্ব উপাধি ও তৎপ্রতি নন রাম। বিজ্ঞানলাভের জন্য অরুকরণ প্রয়ােজন, ইত্যাদি বি জীব, তৎবিলোপাথি সাদিগুণ এবং তদচ্ছি চিংস্বরূপ শাস্মোক্ত ব্যবস্থামাত্র পালনই গুরুত উপদেশক্রম, অ কখন বিশ্বসমূদয় , ইত্যাদি সমস্যব্যাপিনী সংবিংকর্তৃক পরিপূর্ণ হইয়া অনধিকারীয় বলপূর্বক উন উৎপাদন করিতে পারে না। হে অবস্থান করেন। যােগৈৰ্যসম্পন্ন জীব চিৎকাশ (অর্থাং রাম। সাধন-চতুষ্টয়সম্পন্ন পবিত্ৰাক্স শিষ্যের বিশুদ্ধ প্রজ্ঞাই জ্ঞপ্তির চৈতন্য প্রকাশ পাইলে জীব )সদা ভূদিত সর্বদোষবিনির্মুক্ত প্রতি অর্থাৎ জনগতের প্রতি কারণ। শাস্ত্রে অর্থাৎ আত্মজ্ঞান- প্রকাশ স্বতন্ত্র বিদিত হইয়া যাহা যাহা পাইবার ইচ্ছা করে, বিরহিত শাস্ত্রজ্ঞানে, পুণ্যে অর্থাৎ চিত্তশুদ্ধি যাহার অঙ্গ নহে, অচিরে তাই প্রাপ্ত হইয়া থাকেন, এই অঙ্গই তত্ত্ববিদগণ তাদৃশ কাম্যকসমূহও পরােক্ষ শব্দমাত্রজ্ঞান ব্ৰহ্মরূপ আত্মতত্ত্ব অল্পদ্ধির আদর করেন না, কিন্তু নিরাবরণকেই নিরতিশয়া- অবগত হইতে পারা যায় না, সর্প যেমন নিজের পদ নিজেই নন্দরূপ সম্যক পদ বলিয়া থাকেন। ২৭-৩০। অবগত হয়, সেইরূপ অম্বাই আত্মাকে জানিতে পারে, অর্থাৎ শীতিতম সর্গ সমাপ্ত। ২। আত্মজ্ঞান অসাধ্য (ভাহা বিচারে চরমসাক্ষাৎকার বৃত্তিতে আরূঢ় আত্মা ঘরাই হইয়া থাকে।) তাহা শুনিয়া রাম কহিলেন-হে মুনে। জগতের স্থিতি যদি এইরূপই হইল, তবে কিরূপে গুরুর উপদেশক্রম আত্মজ্ঞানের প্রতি কারণ। শীতিতম সর্গ । বশিষ্ঠ বলিল,-ব-পরিবারবেষ্টিত হইলে ব্রাহ্মণের যেরূপ বশিষ্ঠ কহিনে-সেই রথমহিৰী চূড়াল উক্তরীতি-অনু- অবস্থা হয়, তাহার ন্যায় ( বিকচ্ছে) বিন্ধ্যককে (বিন্ধ্যাটবীর সীমান্তদেশে বা বিপর্বতের এক পার্শে ধনশালী অতি সারে প্রাণ ধারণাদি দৃঢর অভ্যাসগুণে অণিমাজি গুণৈধৰ্য্য- সম্পন্ন হইলেন। তখন তিনি কখন বা, আকাশপথে গমন ও লম্বভাব এক বণিক বাস কতি। হে রাম। হে মম। একা ভ্রণ কখন ৰাসমূদ্রগর্ভে একেকরিতে লাগিলেন এবং নির্মলা শীতলা করিতে করিতে তাহার তৃণগুচ্ছপরিপূর্ণ বিন্ধ্যকাননমধ্যে একটা মজার ব্যায় মােহমালিই ও ত্রিতাপের উপশম হওয়া মামলা শীত কপর্দক পতিত হয়। স্বীয় কুপণস্বভাৰ-নিবন্ধন সেই বণিকৃ ঐ অর্থাৎ শান্তিময়ী হইয়া বখাপীঠ'বিচরণ করিতে লাগিলেন। একটা মাত্র কপর্ককের জন্য তিন দিন যত্নসহকারে সত তৃণ সেই চুড়ল (কাষৰুদি কলৈৰ্য বলে। সমীর ন্যায় স্বামীর তুষাদি গুরিকার করিতে থাকে। তাহার অনুসন্ধানের প্রতি কারণ যে, সেই বণিক চিন্তা করিয়াছিল, বলি এই কপর্দক পাই, তাহা বল ও মন হইতে বিযুক্ত হইলে না, অথচ সকল রাজা এবং অগণ্ডলে বাস করিতেন। বিদ্যদ্ৰজিতা খামেলার হইলে ইহাতে কোন বন্ধ কিনিয়া তাহা বিক্রয় করিলে চাটি স্যায় বি প্রকাশক শেভমান অলঙ্কায়ে বিভূষিতাম সেই কপর্দ হইবে, এইরূপে তাহা হইতে আটটা এবং কালক্রমে ললনা ব্যোমবিহারিণী হইয়া কখন গিরিমালায় কখন বা ভূতলে জীনভাবে রাত্রিশিব আহার নিদ্রা বিসন মিয়া অন্বেষণ করিতে তাহা হইতে শতসহ হইবে, এইরূপ চিন্তা করিয়াই সেই বনে ভ্রমণ করিতেন। সুত্র যেমন মুক্ত প্রবিষ্ট হয়, সেইরূপ চড়ালা নিজ ঐশ্বৰ্য্যৰলে। কখন কাষ্ঠে, তৃণে, উপলে, প্রাণি-শরীরে, মশন থাকে, লােকে উপহাস করিলেও তাহা সে বুঝিতে পারিল না, ভল, অনলে, অনিলে ও কখন বা সলিলে সর্বত্র প্রবেশ করিতেন। লক্ষ্যই করিল না, অনন্তর জি দিন পরে বণিকৃ সেই জল সেই চূড়ালা কখন মেরুর উপরিস্থিত সকলের উপর, কখন হইতে এক পূর্ণচন্দ্রবিন্দ-সদৃশ মহাচিন্তামণি প্রাপ্ত হয়। ১৭-২১। বালােকপালপুৱসমূহে, এবং দি ও আকাশের উরে এ সকল আহা খাইয়া সেই বণিক পরিতুষ্টহৃদয়ে পরবে গৃহে এত তুরআছে, সেই সকলে বা কখন মনখে ৰিহাৰ কৰিতে গমন করিল, উহাতে ছাত্র সংসারের য; ভােগ লাভ লাগিলেন। ঐশ্বৰ্য্যপ্রভাবে তিনি সর্বভূজেরই ভাষা বুড়ি হয় এবং দারিদ্র্য প্রভৃতি সমস্ত অনর্থ নিবৃত্তি , অং সে পাৰিজে অহাতেই তিনি হিজাতি, গুলিশাচাদির সহিত নাকাঙ্খা হইয়া ভিন্নভাবে অবস্থান করে। এই প্রকার ঐ বিরাট অয়, অয় ও নাগগণের সহিত এবং ন্যাথর, অপর ৩ (বণিক) হােৱাত্র অক্লান্তিবোধে কপর্দকের যেৰণ করিতে সিগণের সহিত সতাষণাদি ব্যক্ত কতেন। ৭। করিতে যেরূপ জগলুল। (মুল)চিন্তামণিরত্বলাভ করিয়াছিল, ডাল হবাঝীয় স্বামীকে হাস্যজ্জলত উমেশ দিলে, অপ গুরু উপদেশক্রমে শনিরূপণ দ্বারা আগত লাভ নির্বাণ-প্রক-পূর্বভাগ। ৫১ করা যায়; গুরুপদেশক্রমে এক গবে পরােক্ষস্থানের অষণ গো, তুমি, সুবর্ণপ্রভৃতি গি, হেমন্ত আজি গুজির করিতে করিতে অ অপরোক্ষ নিভ্যজ্ঞানেরও লাভ ঘটিয়া চ্ছ চায়নি এবং শলী দেবালয়ালিতে ব্রণ থাকে।২২-৫। হে অষ। ঐ সকল ইবিয়ের অতীত, আর কত লাগিলেন। যেরূপ বুখী ব্যক্তি বেরেরে আর শত্যাদি শব্দক ও তৎশৰে বােথাদি ইন্দ্রিযােজ্য সংবৎ নহে, তাদৃশ ভূমি খন করি খুনের খেল নিবৃত্তি করিতে অর্থাৎ চিত্তবৃতি, গুরুর উপদেশে শাবৃত্তিই উৎপন্ন হয়, সেই পারে না, দ্রুপ বালা এইরূপভাৰেও মনের অণুমাত্রও এটি শাব্দযুক্তির মধ্যে যে প্রত্যন্ত স্বচ্ছতম চরমরতি, তাহাতে নিত্য লাভ করিতে পারিলেন না। ১া তখন সেই মন নরপতি অপরােক্ষ অর্থাৎ ইন্দ্রিয়াতীত ক্ষের ভূৰ্ত্তিবিষয়ে শিষ্ট বুদ্ধির ত্রিদিব চিন্তাক্ষিতে শুক্ত হইতে লাগিলেন এবং সংসার ব্যাধির স্বচ্ছতা ও ব্রহ্মস্বভাব এই উভয়ই প্রয়ােজক, অতএব হে অনখ। ঔষধ চিন্তুা করিতে লাগিলেন। সেই চিন্তাপরবশ দীনাথ উপদেশে আত্মতও লাভ কিছুতেই হইতে পারে না, সুতরাং নৃপবর শিখিধ্বজ ধিক্সান্তঃকরণে নিজের রাজ্য ও সেই অতু গুরুপদেশ তাহার প্রতি কারণ নহে। এরূপ হইলেও গুরুর মহাবিবকে বিষােপ জ্ঞান করিতে লাগিলেন, সে সমস্ত সম্মুখে উপদেশ বিনা আত্মতত্ত্ব জ্ঞান জন্মে না, কারণ কপর্দক অন্বেষণ থাকিলেও তঁাহার এখন দৃষ্টিগােচর হইত না। অনভর একদিন ব্যক্তিরেকে কে কোথায় চিন্তামণি লাভ করিয়াছে বল, আর ঐ রাজা শিষিত ক্রোড়ে উপবিষ্টা (কসমীপৰীনী) চুলাকে বণিকু চিন্তামণির অন্বেষণ করিয়াছিল বলিয়াই ত চিন্তামণি লাভ নির্জনে পাইয়া মধুরৰচনে এই কথা বলিলেন। চুড়ালে। করিতে করিয়াছিল, যদি তার চিন্তামণি গবেষণ না হইত, আমি বহুকাল বাজভ করিলাম ও বহ-বৈভব-পা ভোগ তাহা হইলে কিরূপে চিন্তামৰি লাভ টিত, বল? কারণ না করিলাম। এখন আমি সে সমস্ত বতে বৈরাগসলম হইয়াও যেমন ঐ কপর্দক চিমনির প্রতি কারণ হইয়াছিল, হইয়াছি, ইচ্ছা করিতেছি, বুনে গান করিব। হে অধি' সেইরূপ গুরূপদেশ কারণ না হইলেও ঐ মহাখ (মহাপ্রয়ােজনীয়) দেখ, যিনি বনবাসী, তাহাকে কি সুখ, কি দুঃখ, কি সম্প, আত্মতত্ত্ব লাভের প্রতি কারণ হইয়া থাকে। হে রাখব। বিশ্ব কি বিপৎ কিছুই খায় করিয়া আক্রমণ করিতে পারে না। বিমােহিনী মহগঞ্জিনিপকেও মােহিত করিয়া থাকে। (উহারই | দেখ, বনবাগদিগের দেণত মােহ নই, সংগ্রামে লােঞ্চয় প্রভাবে ) অন্য বস্তু যত্নপূর্বক অন্বেষণ ও অন্য বন্ধুর সমাগম | শাই, এইরূপে আমার বােধ হয়, বনবাসিগণের (আমাদিগের ঘটে। ত্রিজগতে ইহা দেখা যায় ও শুনা যায় যে, লােকে অপেক্ষা) অধিক মুখ। অমি বরুননে! এখন ঐ বনবাণী এ কাৰ্য করে, আর তাহার অন্য প্রকার ফল প্রাপ্ত হয়, তােমার ও আমার অপশ উৎপাদন কৰিছে, ঐ বনরামিও অতএব আত্মত লাভের পর প্রারব্ধশেষে উপনীত জগমের। তােমার আর শােভা। দেখ, পপবকই উহাদের পয়োধর নর্লিপ্ত ৰে ও অনিচ্ছায় উপেক্ষা দ্বারা অভিহিত করাই | কেনিচ্ছবি পল্লবই উহাদের পাৰি, চল শুভ জলদশালাই পমশ্রেয়। ৬-১। উহার অংক। যেখ, হালের খায় গুরুত্ব পূপ- শতিতম সর্গ সমাপ্ত। পাগই উহাদের অাগের কাধ করিজুে, পুস্কাল উহাদের লঞ্চার। উপভোগ বালাই হালঃ নিউট, তরঙ্গরূপ মুলবিত নই উহাদের মুক্তামালা, পশ্রেণ উহাদের নন, পুষ্পপরিপূর্ণ লতাই ইহাদের অ, অভিযুদ্ধ চতুরশীতিতম সর্গ। মৃগণই উহাদের পুত্র এবং হারাও খেমা কা ময়ল- হাৱশােভিত, অবঃ অতিমৌগন্ধশালিনী এবৎ তুমি যেন বশিষ্ঠ হলেন- রাজা নিধি, সন্তানের মৃত্যুতে মৃগগণকে ফলমূল ভেজন কাও, সেই বনী কলও দ্রুপ লােকে যেমন শােকাদি যােহজাব প্রাপ্ত হয়, অর্থাৎ কে গদিগকে ফল ভোগ করাইয়া খা েও তােমার অয়ে আচ্ছন্ন হইয়া সংসার অন্ধকারময় দেখে, তাহার তার জ্ঞানরূপ কয় তাহাদেরও সুস্বাদু নদীস্রোত ও নিষ্য বর্তমান। বিশ্বাস স্থান ব্যতিরেকে মােহাচ্ছন্ন হইলেন। তখন জিন সুখ দেব, নির্জনদেশে যেরূপ শন নির্মল ও নিবৃত্ত খাকে, চন্দ্রমণ্ডল ঘিতে অন্ধাকঃকরণ হইলেন, তৎ তখন মন্ত্রী প্রভৃতি অতীঃ কি ব্ৰহ্মধাম কিংবা হালয় প্রান্তিতে সেইরূপ ঘটে না, এ সৃঞ্জনবর্গ সাক্ষণ বিভূতি নিকটে আনান করিয়া দিলেও তিনি সে হে ভখি। তুমি আমার এই মন্ত্রণায় ব্যথা দিও না, পতিব্রতা সফল অগ্নিশিখার ন্যায় জ্ঞান বিয়া আহাতে আসক্ত হইলেন রমণীগণ খগেও ধীর হজার অঙিকুলাচরণ করে না। না। কেবল ব্যাধের নিক্ষিপ্ত শর হইতে দৈবাৎ রক্ষা পাইয়া চলা কহিলেন-হারাজ। যে সময়ে যাই, হা করিলেই মৃগাদি যেমন নির্জন স্থান আশ্রণ করে, অপ সেই রাজা। শােভা পায়, জি নহে, দেখু ৰন্তেই পূলের পােচ্ছ, আ শিখিধ্ব একান্তে, দিগন্তে, নিয়ে ও গুহাতে অনুরক্ত হইলেন। তাহার ফল শরৎকালেই শােভা পাইয়া থাকে। জরাজীর্ণ হে রাখব। তখন তােমায়ায় সেই মহীপতিকে অগণ জলি এচীনগণেৱই বনবাস উপযুক্ত, খুবার বল সঙ্গত নই;- অনুনয়-বিনয়ে ও মু দিল্লা এৰু ফরজ সৈনিক কাৰ্যসকল অঙৰ আপনার পবিষয়ে আমার অভিরুচি নাই। ৫ কইতে লাগিল। এখন সেই নরপতি উৎকট বৈরাগ্য অবলম্বন মহারাজ। যে পর্যন্ত মাগির যৌবনকাল না অতিক্রম করে , পুর্বক পরিজিকের স্থায় শান্তচিত হই অবস্থান করিতে অগি- আনু, সে পর্যন্ত আমরা পুতে ফেরূপ ফ গাে, লেন, তখন তিনি উৎকৃষ্ট উৎকই জেগে-এফ কি, রাজতে তাহার শিয়া গৃহেই শ পাইতে থাকি। - পর বিরক্ত হইলে, সে সকল ভোগ কলিতে জিন লি সিগেৱ ৰাক উপমিতি গলিকে গ্রে কােন হইলে। হে মক। তদানীং নিযেৰ ৰাও ঋণগণকে বিরাজিলসহিত সমজব উপস্থিত হইবে, ই এম ৫ খণ্ড স আপন কাৰ্য (কিছুতেই তিনি প্রজাদিগের রাত্রি যাপন করিলেন। পুনর্বার প্রাতঃকাল সমাগত হইলে। যােলাঠি-মায়ণ উভয়ে তাদৃশ লাসমধিত হযেমন গােয় পরিত্যাগ করিতে নিজ যৌবনের ফল লাভ করিল। এদিকে রাজা করিয়া গমন করে, তবে এই গৃহ শিরিয়া গান শিখিধ্বজ সন্ধাদি অনুষ্ঠান সমাপন করিয়া নিজ গ্রিয়া চূড়ালার কৰিব। হে অসময়ে এখােলন পরিত্যাগ করিলে জ্যর সহিত সাগরে মৈনাকের প্রায় শয্যায় শয়ন করিলেন। অনন্তর রিতু মহৎ হইবে এবং প্রজাগণঅসীম কাব্য করিতে নিশীখাল গমগত হইলে যখন সমস্ত অনগণ কি হইল বিলে নিবরণ করিবে। কারণ ভৃত্যগণ পরস্পরে প্রভুকে অকার্য ও সকল অন টনিদ্রা শিলাগঞ্জে নিলীন হইল এবং পয়ে হইতে গান করিয়া থাকে (অথবা এভূ ও ভৃত্য পরম্পরই ভ্রময়ীর ন্যায় চুড়াল। কোমল বা শয্যায় গাঢ় নিদ্রায় রকে এক হইতে নিষরণ করিয়া থাকে)। আহা শুনিয়া আচ্ছন্ন হইলেন। সেই সুযােগে রাজা শিখিধাজ রাহমুখ বিধবল কহিলেন,—য়ি কালয়নে। আমি অেমায় যেমন ত্রের প্রকেশনে এনে পরিত্যাগ অন্তে, উদ্ধপ তাই স্বামী, অতএব আমার এই বিষয় বিঘ্ন করিও না। জানিও, নিদ্রিতা জয়িতাকে ক্রোড় হইতে ধীরে ধীরে উখাপিত করিয়া, আমি সেই দরবী বিন-কাননে গমন করিয়াছি। অয়ি অন- অয়ি অন- পরিত্যাগ করিলেন। অল্পী-কাভিসমলিত উলােলকল্লোল বীর- বদ্যাঙ্গি। তুমি বালিকা, তােমার দে গমন করা উচিত নহে, সমুদ্র হইতে নারাম যেরূপ উখিত হন, প শয়ানা প্রণ- হে কোমলাজি।(তোমায় যায় কোমলারীরা) শ্রীলােকের কথা যিনীর যে অন্ধ শ্রাবণশয্যায় শয়ন করিয়াছিলেন, তাহা কি বনে প্রবেশ এ পুরুষের কষ্টসাধ্য। স্ত্রীলোক কঠিন হইতে উখিত হইলেন। ৩২-৪৫। আমি চোর-পুষ্টবর্গকে নিগ্রহ কষ্টসহিষ্ণু হইলেও বনবাসে সমর্থ নহে। দেখ বনজাত পূষ্পমঞ্জরী করিবার জন্য রাত্রিতে যাইতেছি, এইরূপ বলিয়া ও এই কার্যে উপনজাত পুষ্পমঞ্জরী অপেক্ষা কঠিন হইলেও শত্রাঘাত সদ্য অনুচরবর্গকে নিযুক্ত করত রাজা শিখিধ্বজ পুর হইতে নিস্পৃহ- করিতে পারে না। অতএব প্রজাপালন পরিঙ্গ জন্য যে আশঙ্কা চিত্তে নির্গত হইলেন। না যেরূপ দ্বিতীয়বিরহিত হইয়াও সমুদ্রে করিচ্ছে, তুমিই তাহাদিগের পালিকা হইয়া এই উত্তম রাজ্যে প্রবেশ করে, ৰাজ শিখিধাজও “হে মজল!ি তােমাকে নমস্কার অবস্থান কর ও করা উচিত। কারণ স্বামী কোথায় গমন করিলে করি” এইরূপ বলিয়া রাজলক্ষ্মীকে নমস্কার করত মণ্ডল হইতে (বা তাহার মৃত্যু হইলে) তাহার অভাবে স্বয়ং কুটুম্বভার বহন নির্গত হইয়া ভীষণ অরণ্যানীতে একাকীই প্রবেশ করিলেন। করাই স্ত্রীর ত্র।২২-৩১। বশিষ্ঠ কহিলেন,-সেই জিতেন্দ্রিয় তিনি ক্রমশ গাঢ় অন্ধকারসদৃশ গুল্মকীণ ক্ষুদ্র প্রাণিপরিপূর্ণ নরপতি শিখিধ্বগ ইন্দুবঙ্গনা স্বীয় গতিকে এইরূপ বলিয়া স্নান সেই উগ্র গহন বন ও নিশা উভয়ই ক্রমশঃ অতিবাহিত করিলেন। করিবার জন্য উথিত হইলেন এবং নিত্যক্রিয়া সমাপন করলেন পরে প্রাঙকা হইলে সূর্যের সহিত রাজা শিখিধ্বজ গহন বন ও অনন্তর ভগব ভাস্কর (সায়ংকাল উপস্থিত হইলে) নিজ কর্তব্য দিন যাপন করি। সয়ৎকাল উপস্থিত হইলে বনভূমিতে বিশ্রাম জগতিক প্রভাবেক্ষণ পরিত্যাগ করিয়া অস্তাচলে গমন করিলেন, করিতে লাগিলেন। ( সমস্ত দিন অভুক্ত থাকিয়) দিবাকর (কেহই অহাকৈ নিবা করিতে পারিল না। এদিকে রাজা অদৃশ্য হইলে তিনি স্নানাদি করিয়া কিঞ্চিৎ ফলমূল ভক্ষণ করত দুয়োখা করিলেন না) পরিঙ্গা করিয়া নিখিল জন-দুর্গমবনে তিনি অভিলীম-গতিতে কত পুর, কত মণ্ডল, কত গিরিও কত গমন করিতে উদ্যত হইল। সূৰ্যেৰু সঙ্গে সঙ্গে তদীয় প্রভাও নদী অতিক্রম করিলেন, এইরূপেতঁাহার বাণশ রাত্রি অৰ্ত্তিবাহিত নিজ বিস্তীর্ণ পরিব্যাপ্ত) রুপ পরিহার করিয়া সূর্থের অনুগমন হইল। অনঙ্গর মন্দৱ-পর্বতের তটে যে দুর্গম কানন বর্তমান, করিল, এ দিকে গভির প্রতি অনুয়াগিণী চুড়লাও স্বামীকে যে মূল হইতে অনপলপুদি অতি দূবর্তী, তথায় উপনীত নিজ-গৃহ-হইতে নিক্রান্ত হইতে উদ্যত দেখিয়া ঐ এভার ব্যায় হইলেন। ৪৬-৫২। সেই কান্দন বাপীসকলের জলে নিজ সৌন্দবিলাসাদি বিসর্জনপূর্বক স্বীয় পতির অনুসরণ পরিপই হয়- বৃকল বিশাল, কুলাকার ধারূণ করিয়াছে, কবিত উদ্যলেন। দেখিয়ে দেখিতে যামিনী ভ- যে সকল বাপীর , বংশগ্রণী আর প্রতিহত হইয়া ধূসৱিত ভুবনকে পরিব্যাপ্ত করিল। বােধ হইতে লাগিল, যেন সৰে প্ৰহিত হইতেছে। ভথায়, পূর্বে দ্বিজগণের যে নিজসখী গঙ্গাকে (মস্তকে) বায়ণ করিতে দেখিয়া কৃষ্ণা যমূলা আশ্রম ছিল, তাহা শবেণী ও আদর্শনে জ্ঞাত হওয়া ভলিঙ্গ মালেকে আলিঙ্গন, করিতে উদ্যত হইয়াছে। গ। সিতে লতাবুস ভয় বিরাজমা, একটা যমুনার চরিত্র কণিই বৈন এলাকারে অবস্থিত বিৰূপ রমণীগণ প্রাণীও আমায় নাই। অত রক্ষতা প্রাণিগণের প্রধান তমাল বৃক্ষরূপ ঝলক ক্রোড়ে করিয়া সাগমেঘরূপ প্রকালৈ মন ফুলফলে পরিপূর্ণ।"নি হত্ৰত কোন সমাল জােৎস্নারূপ হা বিস্তার করিতেছ। কিনী ও দিনপতি এই সলিলপরিপূর্ণ, শত শীতল নিগ্ধ সফল ডিগল অপপার দি৷োল সুমেরুপ্রদেশরূপ নিজ পবিত্র প্রদেশে রীশশাভিত আরা এক নিজের বাস খানে বিহার করিতে গমন করিতেছেন। এদিকে অর্মোপকাপ পর্ণশালা নির্মাণ করিলেন। বিদ্যুজ্জালসমন্বিত নীলজলমণ্ডল * পাপনিমিত্ত ও কর ও ভীষণ আতগৰিছিত সুমেরুর এ পরে বর্ষাকালকৃতপয়ে আহত হইয়াছিল। নৃপতি । শে। এনিশানায়ক চলতি বিঘায় করিতে আগমন কয়ি শিখি সেই ঠিকমনির মণ ফলভেজনক্ষন, * জন; এগাদৃশ সময় গণসৌধলে তারাগণ মান পুষ্পও, কম, কামাল, অৰ্যপাত, শতনালণের , হলেন। ৰােখহইতে লাগিল, যেন দিগনগণ মলল লাঞ্জলি বসিবার কুশাসন ও মৃগচর্ম, এই সকল সংগ্রহ করিয়া অথায় কি করিয়াছেন। চন্দ্ররূপ আনে পরিশােভিতা তিমিরখানা স্থাপন করিলে বেবিধাতা কাষ্ট গতিবিলা- তুলনী যামিনীকামিনী নিজ বের বেশে তাঁহার গুফায়ক এখ% বর ও তৎসমূহ (এজি ও) এ প্রান্ত হইয়া কুমুলহি বুনৰিকল করিতে প্রতিষ্ঠিত করিছেন, তিনিও প পভায় উপযোগী হয় না। ৫৩ নির্বাণ-ফণ-পূর্বভাগ। 'আরও অন্যান্য যন্ত্র স্থাপিত করিলেন। নীং তিনি প্রাঃকালে রব! তিনি জাতি গিভেদীয় পঙি যাহা প্রকারে প্রথম প্রহরে প্রথম সন্ধ্যা করিয়া পরেজপ করিজে, দ্বিতীয় যেহেতু সে সময় যে যে কাধে ও পর্যন্ত উদিত হইলে প্রহরে পুষ্পচয়ন ও ফলমূলতুশকাষ্ঠাদি সগ্রহ করিতেন, তৃতীয় এবং যেরুপে তাঁহার কাজ নিতি লাভ অর্থাৎ ভূমান বিশ্রান্তি এহরে মাল দেবার্চনা কৰিলে। পরে কিঞ্চিৎ কনফল কল ঘটিবে, তৎই তাঁর চিত্ত গেল।। মুশলালি ভোজন করিয়া অপপরায়ণ হইয়া সেই জিতেত্রি শিখি- এইরূপে তিনি সেই স্বামীর একাৰী বিষাদ ধ্বজ রাত্রিযাপন করিতে লাগিলেন। এইরূপে সেই মানবাধিপতি ভবিষ্যত চিন্তা করি যেশিলে সমস্ত অনেক বিষয় শিখিধ্বজ ময়গিরি-টান্তপ্রদেশে পূর্বোক্ত প্রকারে পর্ণশালা পুয়াের্তীর যায় অবলােকন করিয়া তদরূপ আচৰণ করিবার নিৰ্মাণপুৰ্ব্বক আত্মায় অবস্থিত থাকিয়া অখিয়ে দিনযাপন অন্ত গমনে বিরত হইলেন, (অর্থাৎ তিনি যোগৰলে ভবিষ্যৎ করিতে লাগিলেন। তিনি ক্ষণকালের জন্যও পূর্বানুভূত নব দেখিয়া যাহা হইবার হইৰেই বুঝিয়া গমন হইতে বিরত নৃপতিবিলাস স্মরণ করেন নাই, হৃদয়ে বৈয়াগ্যের উদয় হইলে হইলেন)। তিনি তখন বুঝিলেন, আমার কাজ গমন থাকুক, রাজলক্ষ্মী কাহাকে এমন কি কোন পরিজকেই বা আকর্ষণ কিন্তু অনতিবিলম্বে আমারও উহার পার্থে আসিতে হইবে, করিতে পারে। বলিতে কি? অতিদরিদ্রও ইন্দ্রপদের প্রার্থী ইহা নিয়তির নিশ্চয়ই আছে। এই প্রকার চিন্তা করিয়া চূড়াল পুনরায় অন্তঃপুরে প্রবেশ করিলেন এবং শশিরে ই-কলার স্থায় চতুরতিম সর্গ সমাপ্ত ৮৪। শয্যাতে শয়ন করিলেন। সেই ললনা সকল পোরজনকে আস দিলেন যে, সম্প্রতি রাজা কোন কারণে রাজধানী পরিত্যাগ কবিয়া অন্যত্র গমন করিয়াছেন। এইরূপে তাহাদিগকে আশাসিত পঞ্চাশীতিতম সর্গ। করিয়া অবস্থান করিতে লাগিলেন। কলমধাস্থ শালিধা) প হইলে উৎপালিকা যেরূপ কােত্রের প্রতি সতর্কতাবে ফুষ্টি রাখিরা বশিষ্ঠ কহিলেন,-এইরূপে সেই রাজা শিখিজ কমধ্যে তাহার পালন করে, উপ সেই চুড়ালসর্বত্র সমশিনী পূৰ্ণানন্দময় মঠে অবস্থান করিতে লাগিলেন, এ দিকে চুড়াল হইয়া স্বামীর সেই রাজ্য, যেরূপ ভাবে স্বামী পালন করিতেন, সেই গৃহে কি করিলেন, এখন অহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। সেই ভাবে পালন করিতে লাগিলেন। এইরূপে পরস্পর মুখাবলােক- নিশীথকালে নরপতি শিখিধ্বজ প্রস্থান করিলে, যখন তিনি বিহিতভাবে একের রাজ্যপালন ও অপরের বন রক্ষা করিতে অনেক দূর গমন করিয়াছেন,তখন তদীয় নহিষী চুড়াল, গ্রামে নুপ্তা | করিতে সেই দম্পতির বহুদিন অতীত হইল। ১৩-১৮। কনৰাম হরিণীর ন্যায় ও পাইয়া জাগিয়া উঠিলেন। দেখিলেন, পতি | অবস্থায় রাজা শিখিধ্বজের ও স্বগৃহে অবস্থানে সেই চূড়ালার জ তাহাকে ত্যাগ করিয়া গিয়াছেন, শষ্যা শুন্য রহিয়াছে। তাহাতে | দিন, পক্ষ) মাস, ঋতু ও বৎসর বিগত হইল, অধিক আর কি ভার ও পূর্ণচন্দ্ৰৰিত্নহিত গগনমণ্ডলের ন্যায় শষ্যার শােভাবিঙ্গ | বলিব, বনে রাজার ও নিত সদনে চুড়ালার অবস্থান করিয়া আল্লশ ভিলেহিত হইয়াছে। কুৎসিত কারকর্দমাদি জলে সিক্ত হইলে বৎসর অতীত হইল। বহু বসন্তে তরুকোটরে বাস করিতে মহালতিকার যেমন পত্রাদি ম্লান হইয়া যায়, তাহার ন্যায় সেই করিতে আক্রান্ত হইলেন। সেই নে অধিকার অবস্থায় চূড়ালারও তখন বদনমণ্ডল ম্লান হইয়া উঠিল। অপৰ নিকৃৎ নপতির যখন বহু ব অতিক্রম করে বাসনার পরিপাক সাহে অবশ হইয়া পড়ি, এইরূপে তিনি অতিশয় দুঃখাভিভূত হইল, চুড়াল তাহারই প্রতীক্ষা করিতেছিলে এক্ষণে তাহা খিম-লয় হইলেন। তখন তিনি নীহারা দিলীয় স্যায় গালিতে পারিয়া এই আমার সময় বিচার করতঃ অক্ষয়টে আকুল, অবিল ও অসন্ত্রভাবে অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। গমনে ইচ্ছা করি। কারণ, চুড়াল স্বামীর অজন স্বীয় অবস্থায় তিনি কলকাল শয্যায় উপবেশন করিয়া চিন্তা তে উপদেশকে যে, আম দুইই আনিন। এখন লাগিলেন, হায় কি টের বিষয়। প্রভু রাজ পরিত্যাগ করিয়া তিনি রাত্রিযােগে পুর হইতে নির্গত হইলেন এবং আকাশ- গৃহ হইতে বনে গমন কমিছেন। অএব আর আমি এখানে পথে লক্ষ প্রমান রিলেন। নত বায়ুসহায্যে আকাশপথে থাকিয়া কি করিব ? আমি তাহারই নিকটে যাইব শাস্ত্রে কথিত যাইতে যাইতে কঙ্গোপসনপরিধান, রত্নস্তবকভূষিত আছে, স্বামীই স্ত্রীর প্রথম গতি, (হা অভাবে পুদি গতি নন্দনকাননবাসিনী, কান্তজুগি, সিভিসারিকা দেখিতে হইয়া থাকে। এই প্রকার চিন্তা করিয়া চূড়ালা স্বামীর পাইলেন। এবং গমন করিতে করিতে চকলাস্পর্শী ভূধাক্স অনুসরণ করিবার জন্য উখিত হইলেন এবং বানপথে শীকরবী বায়ু গে করিতে লাগিলে। সিহােমগণের গাত্রশ্মি নির্গত হইয়া আকাশ মার্গের আশ্রয় গ্রহণ করিলেন। সেই মন্দারমালা-হরিচনকর্মীদির সম্পর্কে ঐ বায়ু লৌকিক যােগিনী, বায়ুশরীরে, বায়ুর সাহায্যে বা বায়ুর পথ আকাশপথে সৌরভে চারিদি আমােধিত করিতেছিল। এইরূপে যাইতে স্বীয় মূখ দ্বারা সিদ্ধগণবিতীয় চত্ৰৰ উৎপা কর ভ্রমণ যাইতে যখন তিনি অম্বরপথে অনুক্তিনী হলেন, তখন চত্র- করিতে লাগিলেন। এবং সেই ত্রিতে গমন করিতে করিতে মওললক্ষণ অমৃতসমুদ্রের মহাপরম্পরারূপ স্কিল জোন বগত নিজ পতিকে দেখিতে পাইলেন। দেখিলেন, তিনি খড়গ দেখিতে পাইলেন এ যখন মেথান্তরালে গমন কৰিতে লাগিলেন, ছন্তে একান্তে ভ্রমণ করিতেছেন এবং যে সময়ে বেতলাদির ভ্রমণ তখন দেখিতে পাইলেন, বিদ্যুমালা মেনে লয় হিয়াছে, করে, সেই সময় তাদের স্থায় তাঁর প্রাদুর্ভাব হইয়াছে। তাহাৱা একবারও নিজলতি অমুণেৱ সহিত নিযুক্ত হচ্ছে না। পতিকে আশাবস্থায় দেখিয়া গগলকাটনে অব কাজ স্বামীর অনশনে সেই চূড়াল বা তাহাতে দৃষ্টিপাত করিতে আওলীয় ভবিষ্যৎ পদার্থসমূহ চিন্তা করিতে লাগিলেন। হে লাগিলে, মনে বলিতে লাগিলেন, কি আশ্চর্য। আমার বিবেক ৪ বােগর যে, কবে সেই সমুদিত হইয়াছে, থাণি “মামার মন উৎকণ্ঠিত হইতেছে, যাইতে যাইতে তিনি দেখিলেন, কোন বনের একদেশে পর্ণ বুঝিলাম, শরীরিগণের স্বভাব আজীবন অচল ভাবে অবলিত থাকে। কুটার নির্মাণপূর্বক তদীয় পতি অস্থিতি করিতেছে। তাঁহাকে তাহাতেই আমার মনের এপ উৎক হইতেছে দেখিয়া চুড়াল বুঝিলেন, যেন নিজ পতি দেহান্তর আশ্রয় করিয়া এ দিন স্বামীকে পুনর্বার দেখিতে পাই। রহিয়াছেন। তিনি দেখলেন,তাহার স্বামীর যে শরীর হকের বিভূষিতা বা স্বীয় পতি কে ফলের জয় কটকগুলাদি দ্বারা ভূবিত ছিল, বাহার কান্তি সুমেরুর স্থায় ত্যাগ করে না। এই জন্যই বোধ হয়, আর মন বিবেকবুক উজ্জ্বল ছিল, তাহা এক্ষণে দুর্বল, কুফষণ, জীর্ণপত্রের আয় হইলেও এর উৎকণ্ঠিত হইয়াছে। এই সিনারীগণ শ্রেষ্ঠ অবহিত। ৩৮-৪৭। আজ সেই পতি যেন কলমিশ্রিতলে শেষযোনিরস্তুব। হইয়াও যেরূপ অভিসারিকা পথে প্রস্থিত হইয়া স্নান করিয়াছেন, যেন শিবের দ্বারপাল ভঙ্গীশ বিরাজ করিতে স্বীর কান্তাভিমুখ গমন করিতেছে, সেইরূপ কবে আমি আমার ছেন, পরিধানে তার চীরাম্বর, নিস্পৃহ ও শান্ত হইয়া একাকী প্রাণেশ্বরকে পাইব, ইহাই আমার মনে হইতেছে। কি অবস্থান করিতেছেন। আজ তিনি ভূতলে উপবিষ্ট থাকিয়া আশ্চৰ্য। আমি বিবেকবু, তথাপি এই মৃদুমন্দ গন্ধবহ, পুষ্পমাল্য গ্রন্থন করিতেছেন। জটা তাঁহার আজ মন্তকের এই সুশীতল চকিরণসমূহ এবং এই বনরাজি, এই সকল মুকুটের কাৰ্য্য করিতেছে।' পীবরনী অনবদ্যালী (অনিন্দিত- আমাকে উৎকন্ঠিত করিতেছে। হে জড় চিত্ত। বুধা কেন তুমি | দেহা সৰ্ব্বাঙ্গসুন্দরী) চূড়ালা স্বামীকে দৃশৰস্থাপন্ন সন্দর্শনে নৃত্য করছে। হে সাচিত্ত! কোথায় খেমার সেই আকাশ কিঞ্চিৎ বিষ্ণা হইয়া স্বয়ং মনে মনে চিন্তা করিতে লাগিলেন, নির্মল বিবেকি গমন করিল ? অথবা হে সখে চিত। তোমার অহ! আত্মজ্ঞানাভাবরূপ অজ্ঞান ( অর্থাৎ অনাত্মবস্তুকে আত্ম- দোষ নই, তুমি নিজের ভর্তার এত উৎকণ্ঠিত হইচ্ছে। জ্ঞান করিয়া প্রকৃত আত্মজ্ঞান না লাভ করা) কি বিষম মূখতা। কিংবা তুমি কই থাক, তুমি উৎকণ্ঠিত থাকিলে আমার মুখতাবশতই এবার ঈশার আবির্ভাব ঘটিয়া থাকে, যখন কি ক্ষতি ? অনন্তর চূড়া আপনার দেহকে সম্বোধন করিয়া আমার এই লীবান্ অতিপ্রিয় পতি খনমােহ দ্বারা চদয়ে অভি বলিলেন, হে মুঙ্গে। যদি তােমার স্বামীর দেহ আলিঙ্গনাদি হত হইয়া এই দশাপ্রাপ্ত হইয়াছেন, তখন অদ্য যাহাতে এই করিবার জন্য উৎকণ্ঠিত হইয়া থক, তাহা তোমার বৃথা। কারণ উটজে আমার প্রিয় প্রাণনাথ বিদিতবেদ্য হইয়া ভোগ-মােক্ষ শ্রী তোমার ভর্তা জরাগ্রস্ত হইয়াছেন, এখন তিনি তােমার প্রতি নির- প্রাপ্ত হন, তাহা আমি অবশ্যই করিব, তাহাতে কোন সন্দেহ পেক্ষ হইয়াছেন,আর তােয়তে তঁাহার ঔৎসুক্য নাই। ১৯৩৬। নাই। এক্ষণে আমি তঁহাকে সর্বোৎকৃষ্ট বােধ দান করিবার সম্ভাবনা করি, তিনি এখন তপশী হইয়াছেন, তাহার শরীর এখন জন্য আমার এই রূপ পরিত্যাগ করিয়া অন্য কোনৰুপে তাঁহার কশ, বাদন। আর তাহার নাই, আর বােধ হয় রাদিভােগে সকাশে গমন করি। কারণ আমার এই পত্নী বলব” ইহু। তদীয় মন নির্মুল হইয়াছে, অর্থাৎ আর তঁাহার রাজ্যাদিভােগে মন ভাবিয়া পছে উনি আমার বাক্যানুযায়ী কাৰ্য্য না করেন, অতএব বা আসক্তি নাই। যার নদী যেমন মহান মিলিত হইয়া আর তাপসরূপ ধারণ করিয়া ক্ষণকালের মধ্যেই উহাকে প্ৰৰোধিত পৃথকভাবে অবস্থিতি করে , তদীয় বাসনালতিকাও বােধ হয় করি। ৯-৫৪। করি। ৬-৫৪। স্বামী অধ্য বৈরাগ্য বশত বিচিত্ত তাদৃশ হইয়াছে, তিনি এখন একান্তে আসক্ত হইয়া একাত্মা নীরস হইয়াছেন, অতএব এখন ইহার নির্মল চিন্তে আত্মতত্ত্ব প্রতি (ইচ্ছা) বাসনার উশমলাভ করতঃ অবস্থান করিতে- ফলিত হইবে। হা মনে করিয়া চূড়াল। ব্রাঙ্গণ-বালক রূপ ছেন, মনে হইতেছে, এখন তিনি শুল্ক বুকে যায় অবস্থিতি বারণ করিলেন। ক্ষণকাল ঈষৎ ধ্যানমাত্রেই স্ত্রী-মূর্তির অন্য করিতেছেন, থাপি হ চিত্ত। তোমার উৎকণ্ঠর বিষয় কি ? হইল, জল ও তরঙ্গে বাস্তবিক অভেদ না থাকিলেও ব্যব- আমি মণ উপায়ে স্বামীর মরি উ েকর অর্থাৎ হারিক ভদ, দ্রুপ স্ত্রী-পুরুষে বাস্তৰিক ভেদ না থাকিলেও ব্যব- তরুন উপনপূর্বক প্রারব্ধবেধেয় ভােলােক অভিভূত হারিক ভেদ-অনুসারে স্ত্রী-মূর্তি নষ্ট হইয়া পুরুষ-মুক্তিতে পরিণত করিয়া তােমার সহিত সম্মিলিত করিব। তুমি আর উৎকণ্ঠিত হইল। সেই ব্রহ্মপুত্র-রূপধারিণী চুলা বনমধ্যে উপস্থিত হইওনা। আমি সেই সুনিপখালা তার কলাবিহিত হইলেন। মুহমন্দ হাতে বিকসিতবদনী চুড়াল। স্বামীর সম্মুখীন নিরঞ্জিত মনের সমীকরণসাধনে রাজ্যে নিযুক্ত করিব এবং হইলেন। স্বামীশিখিধ্বজ, সেই ব্রাহ্মণ-বালক রূপরিশী পীকে আমরা উভয়ে সুখে ৰাস কৰিব। অহহ। কি সৌভাগ্য। আজ বহ- সম্মুখে উপস্থিত দেখিবেন। বুঝিলেন, কাননান্তর হইতে সমাগত কালাতে আমি শুত মনেপ্রাপ্ত হইলাম। কারণ, আমার স্বামী, সেই ব্রাহ্মণবালক সাক্ষাৎ মুক্তিম তলা। উহার অঙ্গ-আভা থবােব আমার তুল্য আন্তার্থ চিন্তা করতঃ (আমার ভুল গলিত কাঞ্চনের ন্যায় গৌর , গলদেশে মুক্তামালা, শুরুবর্ণ যজ্ঞে- পদে প্রতিষ্ঠিত হইবেন)। আজ আমার সমগ্র আনন্দবাশির পবীত স্কহ্মদেশে দৈাদুল্যমান, পরিধান শুভ্র বসনমুগণ, করে মধ্যে ইহাই সর্বোৎকৃষ্ট আনন্দ ও ইহাই সর্লোপরি বরমান কমণ্ডলু এবং বিতন্তি-পরিমিত যিগুণিত মনােহর ক্ষুদ্রবীজ-গ্রথিত যে, অতঃপর সমান মনোবৃত্তির সঙ্গম আস্বাদন করি। কারণ, অক্ষত্র। সেই বালক, মন্তকে নিবিড় কুল ও তপ্রদেশসমু- মন মনোবৃত্তির আশ্বনমুখই সর্বোৎকৃষ্ট সর্বোপরি ভাসিনী সেহপ্রভা, ভ্রমরমাদিত কমলের ন্যায় শোভা নন্দ। এই প্রকার ভিন্তাসহকারে চুড়াল আকাশপথে গমন পাইতেছিলেন। ৫৫-৬ষ সেই ঝলক, কুণ্ডলসমুস্তাসিত বন- করিতে করিতে পর্বত, দেশ, মেঘ ও দিগন্ত অতিক্রম করিয়া মণ্ডলে নালি সূর্যের এবং শিখা-অখিত মল্লারপুলে এরপরে উপনীত হইলেন, এ আকাশচারিণ বাই শশাঙ্গ উয়ারে গা বিমান। তার কোরিও সূলক্ষিতাৰে ৰনমধ্যে প্রবেশ করিলেন। তাঁহার গমনাগমন শাভিরশীলাভূক্তি; সেই ব্রাহ্মণবালক, বেশ সজে, জিতেত্রি, বার খায় ও লতার স্পন্দনে অমিত হইয়াছিল। এইরূপে তাঁহার ললাটে শুভ্র তিলক, সুমেরু-গম পূর্ণচত্রের গায় . s বিন্ধা-এফ পূজা মনােহর ; তাহার হাতে কতই সৌধ । ৰাল-লত ব্রাহ্ম। অর্থাৎ চূড়ালা বলিলেন, হে কাজ। আপনি যেজপ দিলা চাঞ্চল্যভূষিত সেই ব্রাহ্মণকে অবলােকন করিয়া, শিখিধ্ব করিলেন, অনুসারে সমুন বলিতেছি;কিত কর্তাকে কোন কোন দেবকুমার আগমন করিতেছেন বােধ করিয়া পাদুকা পরিত্যাগ ব্যক্তি বঞ্চনা করিতে সময়। এই গলে না লয় কয় প্রত্যুদগমন করিলেন এবং বলিলেন, দেবকুমার নমস্কার করি, এক চিত্ত মুক্তি আছেন। তিনি পুণ্যলক্ষ্মীয় কলীয় এল এই আসনে উপবেশন করুন, এই বলিয়া অঙ্গুলি নির্দেশে পত্ৰাসন সুন্দর জিলতুল্য। এক সেই দেবর্ষি নারদ, সুহেয় দেখাইয়া দিলেন ও তাহার করলে পুষ্পরাশি এখান করিলেন, সমাধিস্থ ; সেই হেমময় শেষে প্রবহমাথা প্রক্রিী আহাতে বােধ হইল, যেন চন্দ্র, কুমুদণ্ডপজৰে হিমবৰণ কৰিতে মন্দাকিনী সুমেরুলীর কলম্বিত সুন্দর ফুল ব্যায় জি- ছেন। ব্রাহ্মণকুমার বলিলেন-হে রাজর্যে। আপনাকে নমস্কার, মানা। সমাধি অন্তে মুনির কিনারে কয়শিনমিত্তি এই বলিয়া পুষ্পগ্রহণপূর্বক পত্ৰাসনে উপবেশন করিলেন। | লীলাময় কলকলধ্বনি শ্রবণপূর্বক সেই বায়ু কি ভাই আনিবার শিখিধ্ব বলিলেন, হে মহাভাগ দেবকুমার। কোথা হইতে এ যেন কিঞ্চিৎ কৌতুকাবিষ্ট হইয়া বচ্ছাৰে দৃষ্টিপাত করি- আগমন করিতেছেন? আপনার দিন আজ আমি দিন সফল লেন। তখন দেখিতে পাইলেন, যা,তিলােত্তমা এতৃতি অঙ্গত্রে- মলে করিতেছি। হে মানদ। এই অৰ্য, এই পাল্য, এই সকল গণ নদীজলে উন্মগ, পুরুষবর্জিত-প্রদেশ,নিঃশঙ্ক রমণীগণের পূপ এবং এই গ্রথিত মাল্য গ্রহণ করুন, আপনার মঙ্গল হউক। অঙ্গে বসন নাই, জলক্রীড়ায় আঁহারা আসক্ত। যে অপমাে- ৬৩৭। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে অনঘ রাম। শিখিধ্বজ, ব্রাহ্মণ- গণ, হেমকমল-কোরকগমিত কুমণ্ডলে পরস্পর সংস্পষ্ট হইয়া কুমার-রূপধারিণ নিজ প্রিয়তমা পত্নীকে এই বলিয়া পাদ্য অৰ্য ফলভারাবনত বৃক্ষের ন্যায় শোভা পাইতেছিলেন। তাহারা গলিত পূষ্প এবং মাল্য যথাবিধি অৰ্পণ করিলেন। ব্রাহ্মণরূপিণী চুড়াল | সুবর্ণ রসধারায় পূর্ণভাস্কর উরুদেশ কারা যেন মদনমন্দিরের স্থান্ত বলিলেন, আমি ভুলে অনেক স্থান ভ্রমণ করিয়াছি, কিন্তু শ্রেণী সজ্জিত করিয়া রাখিয়াছেন। যাহার সলিলে চন্দ্রের খছ আপনার নিকট যেমন অর্চনা প্রাপ্ত হইলাম, সেরূপ অর্চনা আর প্রতিবিম্ব অঙ্গে সঙ্গে প্রতিফলিত, সেই আকাশবিহারিণী মা- কোথাও প্রাপ্ত হই নাই। হে জন। আপনার হৃদয়গ্রাহী কিনীও অপরাগণের লাবণ্যরসপ্রবাহের নিকট বুঝি লজ্জিত। উপযুক্ত বিষয়দর্শনে বুঝিতেছি, আপনি নিশ্চয়ই অতি চিরজীবী অঙ্গলেগণের নিতম্বদেশ-মদনে দেবােগ্যান-ভম রথচক্র- হইবেন। হে সাবে। আপনি ফলসন দূরে পরিত্যাগ করিয়া সদৃশ এবম্প্রকার বাসেতুর ন্যায় দৃজাবে অবহি, তাহাতে মন্দা- শান্তচিত্তে নিৰ্বণহেতু তপা সঞ্চয় করিয়াছেন ত? হে সৌম্য। কিনীর স্রোত প্রতিহত হইয়া * মার্গান্তরে প্রবাহিত হইতেছে। আপনার এই সাম্রাজ্য পরিত্যাগপূর্বক মহাবলসেরূপ শান্তব্ৰত অৰ্পৰোগণের দেহ অত্যন্ত স্বচ্ছ, পরস্পরের সঙ্গের প্রতিবিম্ব অলিধারার ন্যায় সবখানে সেবনীয়। ৭১-৭৫। শিখিধ্বজ পরস্পরের অঙ্গে নিপতিত , এইরূপে প্রত্যেক শরীরেই সকলের বলিলেন, ভবন। আপনি দেবতা, আপনি যে সকলই আনিতে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ অবলােকিত হওয়াতে তাহা প্রত্যেকেই কালকল্পতরু পারিয়াছেন ইহাতে আশ্চৰ্য্য কি? অলোকসামান্য শােভচিহ্নই সমুদ্ভূত বিরূপের ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছিলেন। সেই যে কাল- আপনার দেহের পরিচয়। আমি বিৰেন করি—আপনার রূগী কল্পতরু, সংবৎসর তাহার শাখা, পক্ষ তাহার পঙ্গব, ষড়ঋতু এই অঙ্গ সকল চল হইতেই আবির্ভূত। নতুবা দর্শনমাত্রেই খুশখানিকর এবং দিনশ্রী তাহার কলিকা, অব্যক্ত আকাশ- অনুতাভিষিক্ত করিবার শক্তি আপনার থাকিব কেন? আমার রূপী কাননে আলোককুম-পরাগে কালকাতার । এলগ প্রিয়তমা ভাৰ্যা আছেন, তিনি এক্ষণে আমার সেই রাজ্য পালন অর্থাথ চক্র কালশীরে স্রোত এবং অখগ নিস্তব্ধ পলি করিতেছেন, হে সুন্দর। তাঁহার সকল অগই আপনার আয় কল্পতরুশাখায় নিশীল আর সমুদ্র কলকাতার একটা মাত্র দেখিয়াছি। আপনার এই শান্তিময় কমনীয় বপু শুভ জলদলে আলৰাল স্বরূপ। সেই জগৱেগণ নিজ নিজ বুন-গুবকের গিরিশৃঙ্গের খায় এই পুষ্প দ্বারা আপাদমস্তক আচ্ছাদিত করুন। সমস্পী বলিয়া কমলকোরক উৎপাটনপূর্বক মলের আগে আমার বােধ হইতেছে, আপনার এই নিষ্কলঙ্ক শশাঙ্কলিত কুসুম- তাহার দল ছেদন করিতেছিলেন। তাহাদিগের দোদুল্যমান অলকা- ফল কোষল কলেবর সূৰ্যভাপে মান হইতেছে। হে দেব। আমি বলি, কে এবং লক্ষনতারা মধুকরের স্থলাভিষিক্ত। অধিক আর দেবপূজায় এই শুক্লপূষ্প মন করিয়া রাখিয়াছি, আপনার কি বলিব, সেই অপরােণ বা রমণীমণ্ডল প্রকৃতপক্ষে রমণী, অ-সম্পর্কে তাহা সফল হউক। আজ অভ্যাগত ভদৃশ মহা- মণ্ডল নহে;কিন্তু অমৃত-কোষসঞ্চয়ী দেবতাগণ নিরাপদে অমৃত ভবের পূজায় জীবন সার্থক হইল। সনের পক্ষে অভ্যাগত রক্ষার জন্য সুধাকরগুলের কলাসমুহকেই এই নির্জন সুমেরু- ব্যক্তি দেবতা অপেক্ষা অধিকতর পূজা। হে নির্মল আনন। করে সর্বভূত দুর্লভ ফুকমলামােদিত পদ্মিনীপবাকৃত আপনি কে? কাহার পুত্র, কি উদ্দেশে আপনার শুভাগমন গ্রাণিত কলমদাকিনীজীৱে এক সন্তু করিয়া রাখিয়াছেন- অনুগ্ৰহ করিয়া সহর প্রদানে সন্দেহ দূর করুন। ৭৬+৩। অর্থাৎ দেবগণের সপেনে যতি -কলাসমূহই তাহাৱা সেই কমনীয় কামিনীমণ্ডল লােকন করিয়া মুনিরের মন সংসা ‘হিমাভ-শিক-ভূষিতালিকনুন্দর’ মূলে এইরুপ পাঠ অনলযুকহইল—ল হইল,—কিন্তু বিবেক আশ্রয়ে সর্থে সত। হিমাডভডিকছুষিজলিকসুন্দর। এই পাঠের দুইল না। অচেনা মুনিৰৱেৰ প্ৰাণৰায় চিলিত আনময় হৃদয়ে তার মতে উপস্থিত হইল। কি বাভের তাহার অভিলক লেখাট), সৌদ অর্থাৎ সেই যে সদ্যচ্ছিল, দুষার কণকাৰী হিষক এবং দ্বিধাভঙ্গ এভায় আলােক আলােকিত,' সেই দেহে সে কি সুমেরু সালয় পূর্ণয়ে নাের । উৎপালিত গলালুপ হইবে গেণিত-বাশার মৃণালসূত্রের গল্প লিলাভু হইলেন। শিখিধ্বজ বলিলেন, শরীবেই আছে নৰ নুতসময়ে খাষ এবং দুমুভব- সেই দেবী নাৰণ, , জীবন্মুক্ত, ইচ্ছা ও অগ্রাধ বর্জিত সময়ে অল্প দেখা যায় কেন?ৎ জীবের যে নাড়ার তাঁহার তুলনা নুই, অন্তরে ও বাহিরে তিনি আকাশের গায় সহিত যোেগ হইলে স্বভাব হয়, সে নাড়ীর সহিত যােগে নিবন্ধ।পি তিল কি ও মানলিত হইলেন। অভাব হইবার সন্তান নাই, অতএব স্বাস্থ্য হেতু দুখনাড়ী চূড়াল বিলেন-হে রাজর্ষি । নিতুন সকল জীবেরই এমন ও অস্বাস্থ্য হেতু দুখ নাড়ী বিন্নি। মনে কর, সুবেশধারী কি নেবপ্রভৃত্তিও দেহ মায়া-স্বভাবে তৈভাবে অৰিত। খনিগণ মনোহর বিহাৰপথ এবং কুবেশধারী নীলােকের অমই হউক আর অজ্ঞেয়ই হউক, তখন নিপাত না হয় পমীপথ এ নহে। ৰে কে সরে যাব নাড়ীপ এৰি না জলিল শরীমন্ত্রেই জগতে মুখদুঃখময়। দীপের আলাে হওয়াতে শান্তভাবে থাকেন, সেই সেই সময়েই ইহাকে ফের বৃদ্ধি ও চন্দ্রের এ সমুদ্রজির চাষ তৃপ্রিভৃতি কোন মূক্ত বলিয়া আনিবে। আর যে যে সময়ে জীবের অধিকতর কারণে সুখের বৃদ্ধি হইয়া থাকে। ক্ষুধা এতৃতি কোন দূর্বিবায়ু পূর্ণ নাড়ীর সহিত গাঢ় সম্বন্ধ, সেই সেই সময় কোন কারণে মোবরণে অন্ধকারের স্থায় মুখরি হয়। এ ইহাকে বলিয়া আনিষে।মুখ-দুঃখানুভবের আ জীবের যে বিষয়ে মায়স্বভাবই হেতু। নির্মল সত্যস্বরূপ আত্মত্ব নিমেষ- বিক্ষোভ, হাই বঞ্চন, বন্ধন আর কিছু নহে। সেই বিক্ষোভে মা ও বিস্মৃত হইলে, বর্ষার মেষের ন্যায় মুল অলীক প্রপঞ্চের অভাবেই মুক্তি , জীবের এই দুই অবস্থা। শঠ ইন্দ্রিয়গণ যতক্ষণ প্রাদুর্ভাব হইয়া থাকে। অনবরত অনুসন্ধানফলে নিমেমাত্র সুখদুঃখ-দশ উপস্থিত না করে, তরুণ জীব স্বরূপানন্দ শান্তভাৰে কালও স্বরূপ-বিস্মরণ যাহার না হয়, তাহার চিত্তে পণরূপ থাকেন। চন্দ্রদর্শনে সমুদ্রে যেরূপ উয়াস হবু সুখ দুঃখ দর্শনে পিশাচের আবির্ভাব হয় না। যেমন আমােক ও অন্ধকারে জীবেরও সেইরূপ উলাস হয়, অজ্ঞেয় অসীম সমুদ্রের রাসে অহােৱাত্রের ব্যবস্থা, সেইরূপ সুখ ও দুঃখেই শরীরের ব্যবস্থা। জলময় মুর্তি স্ফীত হয়, আর অজ্ঞেয় অসীম জীবের আনন্দ তবে অঞ্জ ওয়ে এই মাত্র তারতম্য যে, এ ব্যক্তি দেহাত্ম চৈতস্বরূপ উল্লাসে বিক্ষুব্ধ হয়। হে মাজ। সুখ বা মুখের ভাবমুক্ত সুখ-দুখবনে কুদুমগের খায়, চিত্তে গঢ়িরূপে নয়, উপায় দর্শনে, আমিষ দর্শনে মারের ন্যায় জীব বিক্ষোভপ্রাপ্ত আর অজ্ঞনীর চিত্তে সুখ দুখ জনপ্রভাবে সংলগ্ন হতেই হয়, বিক্ষোভের হেতু মুখাদির প্রতি অনুরাগ। মুখাদির প্রতি পারে না: ৮৪–১১৫। যেমন টিকে পদ্মরাগ ইন্দ্রনীলমণি অনুরাগের হেতু অজ্ঞতা। অজ্ঞানপ্রভাবে মায়ামলমুক্ত জীৰ প্রভৃতির বর্ণ প্রতিবিম্বিত হয়, কিন্তু সংলগ হয় না, তরে নরূপে প্রতিষ্ঠিত হইলে, সুখদুঃদি থাকে না, তাহাতেই হৃদয়ে মুখদুণে ভবও অনেকটা ঐরূপ। স্ফটিকে তবু সম্মুখস্থ জীবের শান্তি-অৎ মুক্তিলাভ হয়। সুখাদি পদার্থ অলীক, পদার্থের প্রতিবিষণাভ হয়, কিন্তু শক্ত ভরে চিত্তে আন অলীক মুখাদির সহিত শামায় বন্ধ নাই, এই অামার এইরুপে প্রভাবে মুখের পাতও হয় না। আর আজ্ঞাব্যক্তির বুদ্ধি অস্থিতিও মিথ্যা। জীবের এই প্রকার জ্ঞান হইলে নির্বাণপ্রাপ্তি কৃগবর সন্ধমাত্রই গাণে রঞ্জিত হয়, এই সেই দৃশ্যৰক্ষর হয়, তাহাই জীবের শান্তি। মুখ্যতি অলীক পদার্থ, যাহা আত্ম- অভাবকালেও বুদ্ধির সেই রঞ্জিতৰ অর্থাৎ মুখদুঃখ দূ হয় না। স্বরুপ নহে, তাহাই অর্ণাক, এই প্রকার ভত্বজ্ঞান হইলে, জীব কমান্ত্র রক্তবর্ণ হ, কুতুম নষ্ট হইলেও তাহার রঞ্জন বস্ত্ৰ দুখানুভবে প্রবৃত্ত হন না, তখন জীবের কেবল শান্তিলাভই হইয়া হইতে দূর হয়না, অজ্ঞনীয় বিষয়াগও এইরূপ। এই বিষয় থাকে। ব্রহ্মভির কিছুই নাই সকল পদার্থ ই ডিলাকাশ বজন ও তাহার অভাবেই বন্ধন ও মুক্তির ব্যবস্থা। বাসন্স ব্ৰহ্মসভায় পধসিত, এইরূপ দৃঢনিশ্চয় হইলে, জীব তৈলহীন মুক্তি আর দৃঢ় বাসাই বন্ধ। শিবিধ্বজ বলিলেন, হে প্রভাে। দীপের আয় নির্বাপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ অঙ্গনের স্যায় খাজি, দূর বা সবিহিত ই অনিষ্ট বিষয়ের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তিবশত মেরে বসানেই জীব-দীপ নির্বাণ হয়। ১২৫-১৩৭। জীব মুখমের উৎপত্তি কিরূপে হয় তাহা বলুন। আপনার বাক্য এনে জিৎ নাকি চিন্তা আর কাকে ব্ৰহ্মরূপ বুঝিতে অতি মহৎ, অতি নিৰ্ম্মল এবং ইহার অতি মহান। মেশক পারিলে, শাৰি এতিত্বে বিশ্বাসহীন হয়, সুতরাং তাহার এথনে ময়ুরের গায় ইহা এৰণে আমায় দিয়ে। আর না থাকে না। আর ফেভ থাকে না। দীৰ কিন্তৰিক বনহীন, তাহার চুল বলিলেন,-সুখের উৎপত্তি বক্ষ্যমাণ রীক্ৰিমে -এম এরুপকে বিভ্রান্তি শুধুমাত্র হইতে পারে না আসে সঙিহিত ইট বস্তুর সম্বন্ধ দেহ বা কর-নাদি-অল দ্বারা সজি কি না এ জীৰ রিত্রে লুসারে প্রবের প্রথম হিত ইউষ সম্বন্ধ শব্দ বা সুমানজিরা প্রাপ্ত হই যােত অনুসারে অবমােন চলিতেছে। মুখের উৎপত্তির কারণ আফি; তাহার ন্যায় অজ্ঞান-লিত শিশষজ বলিলেন, হে দেবকুমাখসুখানুষের উপযুক্ত নাড়তে মুখসংবিদের হয়ে উষয় হয়। হয়ে বিক্ষোভনিবন্ধন সেই বের সম্পর্ক হইলেও বাধন কিরূপে। চুলা বলিলে, সংব ভেণ্ড হই,এখায় জীবের প্রতি কতই তো রাজা, মাত্র যেমন সৈক রিভিত হন।—অর্থাৎ সেই দু-চৈত এ-চৈততে মিলিত হন। জােন, ভগ নােক্ষপ্ত জীব,আংশিক চৈwiপ্রেরণায় প্রণালি -১২৩। জীৰ লগয়ে অবস্থিত; শয়ায় প্রত্যেক ইমর পঞ্চবায়ুকে বিলোভিত করাকেন। যেমন পরিণত পত্র মত জীবের শর্ক নাড়া-খাৱা হয়- জীবেসিযােজক রাতের সহিত দৃঢ়লে মূলী লীয় জলীয় পরিভাগ করে ফাত নির্দিষ্ট নড়ী আছে। যেরূপ মূলসিঙ্গল স্কুল নেব কে?) গ যান বায়ু প্রেরণায় বিচলিত পনি গর্ব অবকাষকে ব্যাপ্ত করে জেল সুংসংদি দ্বারা বিনুর মেলায় আশায় বুগঞ্জেয় জায় নি অনুতী স, বিলম্মুেখ বায়ু গড়ী সকলকে একিয়, । জীবের খাৰে আবেলি নিকে কাকরণের নির্বাণ-প্ৰৱণ-পূৰ্ব্বগণ। অভাব। ১৩-১৭। আত্ম পরিত্যাগ করে। যেমন আকাশ-সত সূক্ষ্ম কণীয় বিধায় সুধাগর পুরণে তার দেই নলমুনি কমনীয় সুমেরু ভাগ মোক পবন-বিশেষের যারা মিলিত হই মোদি অবস্থা শৈলের উপরে সঙ্কতিক (বী) দ্বারা যে কুত্ত পূরণ কৰিলে। হইতে বর্ষণ-লরূপে ধােভাসে নিপতিত হয়, তা সেই যে সেই কু পার্কে সুল, তাহার মধ্যভাগ অভিগভীর ; উহা সার ও মজাসার কর্তৃক পরিত্যক্ত অংশ সমুদয় সর্লাহ হইতে এত সুদৃঢ় যে, উহার আঘাতে পাশ পর্যন্ত বিদাৰিত হইতে পাত্রে। বিচ্যুত হইয়া ক্রমে নাড়ী দ্বারা পরস্পর মিলিত হইয়া অােদেশে ১৯। ফুস্তুমধ্যে সেই বীৰ্য্য গর্ভক্ষপে পরিণত হইয়া আল নিপতিত হয়। অনন্তর অহা অক্ষপে দৈহিকড়ী-প্রণালী সাগরে সূৰাময় চক্রের আয় জিবিশ্ববৎ মনোহর হইয়া একমাস অনুসারে স্বতই বহির্ভাগে আসিয়া থাকে। শিখি বলিলেন, মধ্যে বাড়িয়া উঠিল, সেই গল্পে মেহে আকৃষ্ট হইয়া মুনিও সেই দেবনন্দন। আপনি মহাজ্ঞানী, তত্ত্বজ্ঞানের পুর্বে সাংসারিক সময়ে নিজ অগ্নিকাধে শিথিলত্ব হইয়া পড়িলেন। মাস যেমন পদার্থের ব্যবস্থা কিরূপ, তাহা আপনি একই অবগত আছেন, যথাসময়ে পূর্ণচন্দ্র প্রসব করে, বসন্ত কাল যেমন পাণি প্ৰসৰ আপনার কথাতেই ইহা বুঝা যাইকেছে। পূর্বে যে আপনি করে, দ্রুপ সেই ঘট যথাকালে কমলােচন একটা গর্ভ প্রসব স্বভাবের কথা বলিয়াছেন, সেই স্বভাৰ কাহাকে বলে? চুড়াল করিল। সেই গর্ত অঙ্গসমুদয়ে পূর্ণ হইয়া কুন্ত হইতে বিনির্গত বলিলেন, কলের প্রথম সৃষ্টিকালে—যেমন ব্রহ্মই হটপট-গঙ হইল। বােধ হইল যেন কুমধ্যবর্তী একটা ক্ষুদ্র ক্ষীরা- ইত্যাদিরূপে ব্রহ্মে প্রকাশিত হইয়াছেন, বর্তমান সময়েও সেই সাগর হইতে অপর একটী বিহীন পূর্ণচন্দ্র উথিত হইল। ব্যবস্থা। কিন্তু ব্রহ্মের এই টালিরূপে প্রকাশ কাকতালীয়-য়ায়ে সেই গর্ভ কতিপয় দিবসের মধ্যেই বন্ধিত হইয়া হায় জলবুদবুদের উৎপত্তিবিনয়ে এবং ঘুণাক্ষর-ফায়ে হয়, শশধরের ন্যায় ক্রমে অসৌন্দর্য্যে উজ্জ্বল হইয়া উঠিল। এইরূপে যে হওয়া পণ্ডিতেরা তাহাকেই স্বভাষ বলেন (স্বভাব ক্রমে নারদ মুনি সেই সন্তানের যথাযােগ্য সংস্কার-কাৰ্য্য সম্পাদন অর্থে অদৃষ্ট)। এই স্বভাবের সাহায্যে জগতের পরিণতি। করিয়া এক ভাণ্ড হইতে ভাণ্ডারে ধন স্থাপনের শুষ তাহাতে বিবিধ বিকারস্বরূপ দেই এই স্বভাববশই জগতে প্রকাশ বিদ্যাখন বিন্যস্ত রাখিলেন, অর্থাৎ তাহাকে আপনার অধীত মান, আবার স্বভাববশতঃই কোন কোন দেহ বাসনাক্ষয়প্রযুক্ত সমস্ত বিদ্যা অধ্যয়ন করইলেন। ১২-১৬। মুনিব না পুনর্জন্মের হেতু হয় না, আবার দৃঢ় বাসনাবশতঃ পুনঃপুনঃ অল্পদিনের মধ্যেই তাহাকে নিখিল শাস্ত্রে সুপণ্ডিত করিয়া আপ- উপরি হেতুও কত দেহ হইছে—ইহার মুলও সেই নর প্রতিবিম্বের ন্যায় করিয়া তুলিলেন। মুনিনানুক নাৱা, সেই পুত্রের সহবাসে টিকগিরিতে প্রতিবিম্বিত স্যাসমূলিত নক্ষত্র পঞ্চাশীতিতম সর্গ সমাপ্ত।৮৫। নায়কের সায় লােখা পাইতে লাগিলেন। অনন্ত, সেই নারদ ঐ পুত্রকে সঙ্গে লইয়া এলকে গমন করিয়া কাকে অতি বাদন করিলেন। নয় তাঁহার পুত ক্ষাকে অভিবাদন বড়শীতিতম স করিতে, ব্রহ্মা ঐ নাগপুত্রকে (নির পৌত্রকেবেলজি- ✉ কিরূপ অধ্যয়ন করিয়াছে তাহা পরীক্ষা করি আপনার চুড়াল কহিলেন,“এই বিশাল জগৎ আত্মাৰ হইতেই ক্রোড়ে লইলেন। পরে কমলদানি, সেই কুশুমা পুত্রকে উৎপন্ন হইয়া বাসনাসূত্রে এখিত হইয়া স্থিতিত করত ধর্ম ও আশীর্বাদ করিয়াই সর্ব ও তানে বিশ্রাম্ভ করিয়া অধর্মের বশে অবস্থিত রহিয়াছে। হে মুনে! জীব (জনভ্যাস দিলেন। হে সাথে। আমি সেই কুত, আপনার সম্মুখে রহি- স্বরা)•বাসনার আয় করিতে পারিলে আর ঐ ধর্ম ও অধর্মের আছি, আমি কমলবােনির পৌত্র; আমি নারদমুনির পুত্র। বশীভূত হয় না, তাহা হইলে পরে আর জন্ম গ্রহণ করে আমি তুত হইতে উৎপল, সেই আমার নাম কুর। আমি না, ইহা আমরা অনুভব করিয়া থাকি। শিবিধ্ব কহিলেন, পিতার সঙ্গে এই ব্রহ্মপরীতে মুখে অবস্থান করিতেছি হে বাগিব। আপনি অতি-উদার ও গভীযুক্ত কথা চতুষ্ট আমার হৃদু, এই ৰেসকল মাৰ ক্ৰীড়াসহচর, বলিতেছেন, আপনার এ উপদেশ অতিগৃঢ় এবং পরমা সরস্বতীই আমার মা, গায়ত্রী আমার মাতৃসা (মাসী), কালিৰে বুঝিতে পারিয়াছি। হে সুন্দর। অদ্য আপনার লােকে আমার গৃহ, আহাতে আবার ব্রহ্মার পৌত্র হইয়া যে এই উপদে কৰি আন - সুখে আছি। আমি ইচ্ছামত সন্তাগতে বিচরণ করিতে পারি, করিয়াল (ইল। এতে আপনার উৎপত্তি প্রকার আর আমার ঐ এতে চিন্তা করাও শীলা, বস্তুতঃ কাত নিকটসক্ষেপে বর্ণন করুন; তাহার পরে আপনার এই লাভ নহে। ১৭-২৫। আমি এই ভূলে বিচরণ কৰিলেও আমায় বাক্যলি ভাল করিয়া শ্রবণ করিব। ০৫। কমবেলির পাগলীভলেসহ হয় না, আমার কেবল ২ জয় মহা সেই নারলমুনি কোথায় বীর্য স্থাপন করিলেন না আমার শরীরওনি। আজ আমি আকাশ তারা আমার নিকট যধৎ বন করুন। চুলা কহিলেন, যাইতে যাইতে সবে আপনাকে দেখিতে পাইলাম; এই কাকে তাহার পরে তিনি চিরূপ মতাজকে বি বুলি এই স্থানে গুলি একে স বলিলাম। বল নি আরা বিযেরূপ আলালে বল করিয়া পার্শস্থিত বিচিত্র টিক চিয়রি নি। এইরূপে এৰি দিয়া হইয়া যায় বাহ সেই বীর্য নিকেল কলে; বােষ হইল যেন, অনুভব করি না, আপনার নিকট কীর্তন করি চক্রের উপর এক চত্ৰ গণিলেন। এবার জলীয় বীর্য আষ। যাহার সমণে গেলে এর উজান বক যেতে ঠিয়ালর গে বিগলিত মুখারে ভুল হতে সেই গ শামুণেয় বিসিত বিষয়ে এবং পানি দিয়ে । সনির্মিত মুখারশিদিয়া সৰু আন নিয়ে গতি •• (গত অফ T বােগবাণিষ্ঠ-আমাণ।। যাহা জিজ্ঞাসা করিকে আমি অহায় উত্তর দিতে প্রস্তুত এই মধ্যে মি দুখত ক্ষের জাতক হইয়া যাইতেছি। আছি)। যাত্মীকি কহিলেন—মুনিবর করে এই পৰ্য্যন্ত কথা আমি সময়পে এই তপন্স করিতে থাকিলেও কেল দুঃখে শেষ হইতে হইতেই দিবাবসান হইয়া গেল; সূৰ্য্যদেব সাংকৃত্য উপর দুঃখরাশিতে আকুল হইতেছি; এমৃত আমার নিকট গলে সাবা করিবার অস্তাচলে গমন করিলেন। সভা সকলে পত্রিত হইতেছে। চুড়াল কহিলেন—আমি এৰি একদিন পরশ অভিবাদন করিয়া সানালি সমাপদাৰ্থ উখিত পিতার নিকট জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম যে “হে এতে জল লে, পরদিন প্রকালে বিক্ষণের সহিত আবার সেই ও ক্রিয়ার মধ্যে কোনটা ভাল তাহা আমার নিকট বলুন।১১-১৫ সাগতে প্রবেশ করিলেন। ২৬-৩০। পিতামহ বলিয়াছিলেন,—বংস অ্যানই পরম উৎকৃষ্ট, কাম, বড় ডিম সর্গ শা৮ি৬। তাহাতেই কৈল্যলাভ নিসন্দেহে বটিয়া থাকে, ক্রিয়া কেবল (অর্গাদিভােগ প্রদান দ্বারা) চিত্তবিনােদন করে , তাহা কেবল কাল অতিপাত করাহয় মাত্র। হে পুত্র! যাহার জ্ঞান- দৃষ্টি লাভ করিতে না পারে, ক্রিয়া কেবল তাহাদের এই ; সঞ্চাশীতিতম-মর্গ। তাহাদেরই ক্রিয়ার আশ্রয় করতে হয়, যাহার পটৰ নাই, কি কম্বলও পরিত্যাগ করিবে? ফলে বাহার যাহা না হয়, খি কহিলে যেমন পর্বতােপরি একতাৰে সঞ্চা সে তাহাই করিবে। অজ্ঞ ব্যক্তির বাসনাই সার , এজ অ- লিত প্রবল মারুতবেগে মেঘখণ্ড অত্র চালিত হয়, দ্রুপ সর্গ- ব্যক্তি ক্রিয়াফল লাভ করিয়া থাকে। যিনি তত্ত্বজ্ঞ, তঁাহার কোন মধ্যে (এই সংসারমধ্যে) দেদীপ্যমান মদীয় পূণ্যচয়েই বােধ হয় প্রকারই বাসনা নাই,-এ নিখিল ক্রিয়াই তাহার নিকট আপনি এখানে আনীত হইয়াছেন। হে স'থাে । সঁহার বাক্যে নিল, কারণ, বাসনার অভাবে সমস্ত ক্রিয়াই গুলসেকের অভাবে ধারা ক্ষতি হয়, সেই আপনার সহিত সম্মিলিত হওয়ায় আমি অদ্য ধৰ্ম্মতই ধন্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইয়াছি—অর্থাৎ পূর্ব ঋতুর কোনই চিহ্ন থাকে না, সেইরূপ বাসনার ক্ষয় হইলে লতার স্যাক্স নিস্বল হইয়া যায়। যেমন অন্য ঋতুর আগমনে পরম ধন্য হইয়াছি। রাজ্যলাভ প্রভৃতি এমন কোন সুখস্বাচ্ছন্দ্যই। ক্রিয়ার ফলও একেবারে বিলুপ্ত হয়। হে পুত্র। বাসনাশূন্ত্রের ক্রিয়া আমার চিত্তকে তেমন সুশল (পরিতৃপ্ত) করিতে পারে না, যেমন সাধুসমাগমে পারে। যে সাধুসমাগমে বিষয়গপরিশূহ শরণের স্থায় স্বভাবই নিলা কোনকালেই তাহার ফল অপরিসীম ব্রহ্মানন্দ সৰ্বসাধাৰণ্য বিরাজ করিতে থাকে, সেই ধরে না। যক্ষ-ভাবনাকারী বালকই যক্ষ দেখিয়া থাকে, অন্যে নহে, অপরিসীম ব্ৰহ্মানন্দ সর্বসাধারণ্যে বিরাজ করিতে থাকে, সেই সেইরূপ যাহার দুঃখ বাসনা বর্তমান রহিয়াছে, সেই মূঢ় ব্যক্তিই (অনির্বচনীয় শখের হেতু) সাধুসমাগম কাহার না প্রীতিকর হয় ? বশিষ্ঠ কহিলেন, শিখধ্বজ রাজা এইরূপ বলিতে থাকিলে, ঐ। দুঃখ দেখিয়া থাকে, অন্যে নহে। বিকসিত হইয়াও শরলতা যেমন 'লিপুত্ররূপিণী চূড়াল, হাৰ কথায় বাধা দিয়াই পুনরায় বলিতে। ফল প্রদান করে না (অর্থং তাহাতে ফল চলে না। সেইরূপ লাগিলেন। ১। চূড়ালা কহিলেন, এ কথা এখন থাক, আমি যিনি তজ্ঞ, হার নিটে বিশাল আর শুভ বা অণ্ডক্রিয়া যাহা বলিবার—অর্থাৎ আপনি যাহা জিজ্ঞাসা করিয়াছেন, তাহা কোনফলই প্রদান করে না। অজ্ঞদশাতেই যে বাসনা অহা- সমস্তই বলিয়াছি, এক্ষণেহে সাধ। আপনি"কে এই পৰ্ব্ব রাণিরূপে প্রতীয়মান হইতে থাকে, তা তৎকালেও বাস্তবিক কি করিতেছেন ? এবং কত দিনই যা এইরূপ বনবাসী থাকিবেন, নাই। ঐ বাসলা মূর্খতাবশতঃ মরুভূমিতে মহান জলাশয়ের স্যায় তাহা আমার নিকট বলুন, আপনি এই অরণ্যে কি উদ্দেশে রুস মিখাই উদিত হইয়া থাকে। “সমস্তই ব্ৰহ্ম” এইরূপ ভাবনা- করিতেছেন, তাহা আমার নিকট সত্য করিয়াই বলিবেন, কারণ বলে যাহার মুগ্ধতায় প্রাপ্ত হইয়াছে, মরুদেশ বলিয়া যে জানে, ভলম্বীরা কদাচ মিথ্যা কথা বলিতে জানেন না। শিখিধবল কহি তাহার নিকট মরুভুমিতে লাশ জ্ঞানের স্থায় উক্ত মূখত- লেন-আপনি দেবপু, আপনি নিখিল শােকতাবিয়ে মুক্ত ব্যক্তি আর বাসনা উদিত হয় না। ১৬-২৫। একমাত্র অভিন; আপনি যথাযথ বিব্রণ সমস্তই নিভেছন, আপনার বাসনার পরিহার করিতে পারিলেই জীব জামৃত্যুবিহীন অক্ষয় নিকট আমি আর কি বলিব ? অথবা হে মহাশয়। যদি আপনি পদ হইয়া অবস্থান করে, আর জন্ম গ্রহণ করে না। বুসনাক্ত সাত অবগত আছেন, তথাপি আপনার নিকট সংক্ষেপে আমার মুই ,ে আর বাসনিক মননপদবা ,ঐ জ্ঞান বিবরণ বলিতেছি,হে মহাশয়! আমি সংসারভয়ে ভীত হইয়াই লাভ করিয়া তারা জ্ঞেরুপদ প্রাপ্ত হইলে, অর্থাৎ স্বয়ং জ্ঞান কমধ্যে বাস করিতেছি, আমি শিখিব নামে রাজা। হইতে জীৰ আৰু জন্মগ্রহণ করে না। চুড়ানা (পিতামহের অজ্ঞ। আমি সংসারের পুণভয়েই সাতিশয় ভীত হইয়া কথিত উপদেশ সবিস্তর কহিয়া পুনরায়) বলিতে লাগিলেন, রাজভ্যাগ করিয়া এখানে আসিয়াছি। ১। হে অ!ি হে রাধে। সেই মহাত্মা পিতাহাদিগণ বলিয়াছেন,-জ্ঞানই সারমধ্যে খাঝিলে বারংবার মুখ, জন্মমৃত্যু ও ক্লেশ ভােগ সর্বোৎকৃষ্ট। অতএব আপনি কি জয় এনে পতিত রহিয়া- বলিতে হয়, এ কারণে নব্য আসি তা করিতেছি। যেমন ফে। হে রাজন। এই যে, এই দিকে কম, এই দিকে, সেছি ভাগ্যদোৰে গলি, তাহার এ নিধিও পা দুটি এই দিকে পীর আসন ঋহিয়াছে, ইহাও অনর্থপরম্পরা, যে আমি এই দিলে বিচ কৱি কৰি গল ইহাতে আপনি কি অনুরাগ এল করিতেলে। ওকে শ্রমিক নিতে পারেনা। মাঝে। बगावात ऐका - कान कई माय • এনে ঘূণজো প্রচলিত র , ভাই নয়, তে নি না; গলে কালয়ে গত কাচা গবেপােকালি গাই তাই এই করি,এম, আহ টেন, সহায় হইয়া পড়িছি। ঘূৰে বিশ-একৱ-পূর্বভাগ। রাজন। আপনি দেখিতেছেন না কেন যে, আমি কে? এই। মলমতি অপ লােকেরও বুভি বিকাস হইয়া থাকে। মহামতি জগৎ কোথা হইতে উৎপন্ন হইল? কিরূপেই বা ইহার লয় হয়?' * এইরুপ উপদেশ লাভ করিলে সই সংসার হইতে মুক্ত আপনি আজ্ঞে যায় অবস্থান করিতেছেন কেন? ২৩। হইয়া থাকে। ৪১-৬। হে রা। আপনি পারাবাযেদী বিদিগের পদানুগত সামি সর্গ সমান্ত। ৮৭। হইয়া কিরূপে বন্ধ কিরূপে মােঙ্ক হয়, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিতেছেন না কেন? আপনি এই শৈলগতে কেন বা ভগঃ ক্লেশে জীফন অতিবাহিত করিয়া কাটব অবস্থিতি করিতেছেন। অষ্টাশীতিতম সর্গ। সমদশী সাদিগের স বাস, তাহাদের সেবা ও তাঁহাদের নিকট প্রশ্ন যারা সন্দেহ ভাজন করিয়া যে বিচারযুক্তি লাভ করা যায়, চুড়াল কহিলেন, কোন স্থানে একজন মান পুর বাস তাহাতেই মুক্তিলাভ হয়। অতএব আপনি এই অপঃক্রেদি- করি। সাগর যেন পরস্পরবিরােধী বাড়বানল ও জলের রূপ বহির্মুখী দুশ্চেষ্টা পরিত্যাগ করিয়া কমধ্যে সাধু ব্যক্তির আধার, দ্রুপ পরস্পরবিরােধী গুণসমূহের ধার সেই পুরুষ সঙ্গে অবস্থিত হইয়া ভূগর্ভস্থ কীটের স্থায় নিশ্চলভাবে অবদান অস্বৰিদ্যায় অন্যান্য চতুঃষষ্টিকলায় সুপণ্ডিত এবং ব্যবহাৱৰিয়ে করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, শিখিধ্বজ রাজা দেবরূপিণী ঐ রমণী বিচক্ষণ; সে লিখিল সঞ্চলের চ সীমায় উপনীত হইয়াছিল, থাৱা এইরূপে বােধিত হইয়া অপুর্ণবদনে বলিতে লাগিলেন। কিন্তু এ (এএ হয় নাই। বাড়ল যেমন ৩১-৩৫। হে দেবতনর। খহুদিনের পরে আমি অদ্য আপনার সমুদ্রশােষণকাৰ্য্যে এরও, সেইরূপ সে বহষসাধ্য চিন্তামণির সাহায্যে প্রবুদ্ধ হইলাম। আমি এত দিন মূখতাবশতই সাধু সাধন করিতে প্রবৃত হইয়াছিল। কালক্রমে মহা অধ্যবসায় সঙ্গ পরিত্যাগ করিয়া বনে বাস করিয়া আণিতেছি। কি সম্পন্ন ঐ পুরুষের বিপুল ধরে চিন্তামণি সিদ্ধ হইয়াছিল (সম্মুখ- আশ্চর্য্য! অদ্য আমার সমস্ত পাপ দূর হইল, যেহেতু আপনি বর্তী হইয়াছিল)। যাহাৱা অতি অধ্যবসায়ী, তাহাৱা (বিপুল আসিয়া আজ আমাকে এবােধ নিলেন হে বন। আপনি যত্নে) কি না সাধন করিতে পারে? বাহার কোন প্রকার সহায়-- আমার গুরু, আপনি আমার পিতা, আপনি আমার মিত্র, সম্পত্তি নাই, সে যদি বুভিসহকারে অভাবে চেষ্টা বা আমি আপনার শিষ্য আপনার চরণযুগলে প্রণাম করিতেছি উদ্যোগ করে, অহা হইলে সে নিৰ্বিৰে কাৰ্যসাধন করতে সমর্থ আপনি আমার প্রতি কৃপা প্রদর্শন করুন। যাহা আপনি ! হয়।১। যেন উদয়াচলের শিখস্থিত কোন লােক সেই অভিউত্তম বিবেচনা করেন, বাহা এলিলে আর শােক করিতে স্থানে উদিত চকে দূৱস্থিত বলিয়া বােধ করে, দ্রুপ সে চিন্তা- হয় না, যাহা প্রাপ্ত হইলে আমি নিৰ্ব্বত্তি লাভ করি, আমাকে মণি মুখে হয়ে পাইয়াও দুষ্প্রাপ্য বলিয়া বােধ করিল। যেন সেই ব্রহ্মের বিষয় উপলে দিন। জ্ঞানসম্মন্ধে ঘটল অতি দরিদ্র ব্যক্তি সারাজ্য প্রাপ্ত হইলে, তাহা পাইলাম বলি, “পটজ্ঞান” ইত্যাদি প্রকার অনেক বিভাগ আছে, এই সমস্ত বিশ্বাস করিতে চাহে না, সেইরূপ সে সকল মতি রাজা চিত্র জ্ঞান-বিশেষের মধ্যে পরম আন কি, যাহা দ্বারা এই সংসার- মণি পাইয়াও পাইব লিখি করিতে পারি না। নিটতি কেশ হইতে মুক্ত হওয়া যায় ? ৩৬-৪০ চুড়াল কহিলেন, সেই মহামণির প্রতি উপেক্ষা করিয়া সে অভিদুঃখে বিস্মিতচিতে “হে রাজৰে। যদি মদীয় বাক্য উপাদেয় বলিয়া আপনার এই ভাবিতে লাগিল।—এ কি মণি? না, এ মণি নহে, মণি যদি ধারণা হইয়া থাকে ত শুনুন,আপনার জিজ্ঞাসিত জ্ঞান যে হইবে, তবে আমার দৃষ্টিগােচর হইবে কেন? তবে কি একবার কিরূপ, তাহা বলিতেছি। যে আমার কথায় আস্থা স্থাপনা করে না, স্পর্শ করিয়া দেখিৰ? না না—প করিব না, যদি মণি হয়, স্বাণুর (মুড়াগাছের) নিকটে কাকের স্থায় আমি তাহার নিকটে তাহা হইলে এভাগের শর্মিত্রেই পলায়ন করিবে। বুখ বকিতে চাই না। যে ব্যক্তি বক্তার কথা উপাদেয় বলিয়া আজ সার মধ্যে কখন এ মহামণি সিংহইতে পারে না। কারণ বােধ করে না, অনাপূর্বক বক্তাকে (কেবল বকাইবার অস) এন্ত্রে লিখিত আছে যে, কত চেষ্টাতেই ঈদৃশ মহামণি সিদ্ধ জিজ্ঞাসা করে, তাদৃশ ব্যক্তির নিকটে কোন কথা বলা অন্ধকারে হইয়া থাকে।-। আমি অতি দরিদ্র, সেই দায়িত্বশতই কালনের ব্যায় নি। শিখিধ্বজ কহিলেন-আপনি হে জাতিসঙ্কুচিত শানে ভাসম এই সমগ্র চিত্র বলিতেছে তাই আমি বিচার না করিয়াই বেদবাক্যের ভয় অলােকরিতেছি। আমার এত সৌভাগ্য সহসা কোথা উপাদেয় বােধ করিতেছি, আমি ইহা সত্যই বলিতেছি। চুড়াল হইতে বর্ষিত হইবে যে, এখনই আমি সর্বসিজিদ মহামণি কহিলেন, পুত্র যেমন পিতার বাক্যে কোনরূপ কায়ণের অনুসজ্ঞান লাভ কৰিৰ। সে অতি সৌভাগশালী মহাত্মা অতি বির, কৰিয়াই তাহা গ্রহণ কমে, তুমিও সেইরূপ আমার যাকে ফের আর কালেই অভীষ্ট লাভ টে। আমি অতি কোনরূপ কারণে অনুসন্ধান না করিয়াই (ইহা কেন বলিলেন, ভাষানপুর আমার ভাগ অতি অল্প, একমাত্র দুর্ভাগ্যের ইহার কারণ কি? এইরূপ কাক জিজ্ঞাসা না করিয়াই) চুপ আগুৱ মা ও ব্যক্তির এই সিজি কিরুপে সবে? রিয়া গুনি খাও। এর পর মনে মনে হাই শুভ” এই সেই মত এইরূপ বিবিধপ্রকার অৰিতৰুে সৰল কর রূপ ভাল করিয়া কারণের মানবুজি পরিত্যাগ করিয়া আমার নিজের মুখ মণি লইতে যত্ন করিল না। ১১-১৫। কথাগুলি ভিসুখকর গীভিন্ন জায় প্রতিপূর্বক এবণ কর। যাহার জন্যে যান যাহা দুশঙ, সে ভাষা গাইতেই আমি তােমার নিকট মনােরঞ্জৰে এই বিষয় বলিতেছি, শ্রবণ পারে না, এই কাণে ঔদ্ধ চিন্তামণিকে পাইয়াও হেলা । এইরূপ উপশেনের পর অন্য উজাগৰীষণীয় যাই। «য়ে সে (হতি হইয়া অবস্থান করিলে বুৱি সকরুণ বিকাশ হবে; এই উপভোের রায় সেই মহামণি উড়িয়া চলিয়া গে; বে অব সে সি বােগবাশিমায়।। . কাৰ্যফলতাহাকে পগি কর (ভাহার কাম বা না), কালানলের আয় ভী; এবং যে পর্বতে উৎপাটনেস। বেশন পৰিভক্ত , গ (1) পৰিণ করিয়া থাকে, না অন্য যেমন বিদ্যালকে আবদ্ধ করিয়া রাখিয়াছিলেন, (ধনু হইতে এর ছাড়িয়া দিলে তাহার সহিত আর তার সম্ব উপেত্র যেমন বলিকে ৰন্ধ করিয়া রাখিছিলেন, সেইরূপ সেই থাকে না, সে ৩ ঘড়ি কে যি পড়ে। এইরূপ এইরূপ বিশালকায় হীহপিকের (মাঝে) লৌহ-শৃঙ্খলে সুদৃঢ়রূপে নিৰ্বজিত আহার সে সময়ে হইয়া পড়িয়াছি, কারণ) সিদ্ধি বন্ধ থাকিত। লৌহশৃনে আবদ্ধ সেই হী, হস্তিপাকের (কাৰ্যফল) যখন যাইবার হয়, তখন পুরুষের বুদ্ধিটি লােপ ' অনুগড়নে পীড়িত হইয়া সার্ভিনয় যাত্রণ প্রাপ্ত হয়, এমন করিই চলিয়া যায়, আবার যখন আসে, তখন বুটিকড়ি দিয়াই কি হরশনলে সমান ত্ৰিপুর যেরূপ ব্যথা প্রাপ্ত হইয়াছিল, আসে; (অর্থাৎ বুদ্ধি প্রদান করে। যে ব্যক্তি উপস্থিত সিদ্ধির সেইরূপ নিতান্ত পাইত। ১৫। লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ উপেক্ষা করে, সিদ্ধি তাহার সমস্ত বুদ্ধিশুদ্ধি লােপ করিয়া চলিয়া থাকি। সেই হস্তী, হক্তিকে দূরে অবস্থিতি-নিবজন, আহার যায়। তাহার পরে সেই পুরুষ মহামণি লাভ করিবার গিখের বহির্ভূত হইয়া তিন দিন অতিবাহিত করিল। আবার চেষ্টা করিতে লাগিল। অখ্যক লােকে আপনার ক্লেশে ক্লিষ্ট সেই মাত সেই অবসরে শৃঙ্খলচ্ছপনের চেষ্টা কাৰ্যে কখন ক্লেশ বােধ করে না; (পুনঃপু বিফলমনাের করত বনসঞ্চালন বা কিঙ্কিণীনিবং ধ্বনি করিতে লাগিল। হইয়াও চেষ্টা করিয়া থাকে। অনন্তর সে দেখিল সাথে এইরূপ করিতে করিতে এক দিন দুই অন্যের সাহায্যে মূর্ত- এক অখণ্ডিত উজ্জ্বল কামণি রহিয়াছে, সেই কাণ্ড মধ্যেই লৌহশৃখল গয়া ফেলিল। বােধ হইল যেন, দৈত্য পরিহাস-নিপূণৰঞ্চকগণের দ্বারা অলক্ষিত হবে তাহার সখে আসিয়া স্বৰ্গয়ের অল তাজিয়া ফেলিল। তাহার পরে সেই আনীত হইয়াছিল, সে তাহা জানিতে পারে নাই। সেই খ, গজের শত্রু হন্তিপক দূর হইতেই চুরি যেমন সুমেরুপৰ্ব্বতের এক সেই কাওক “এই চিন্তামণি” বলিয়া উপায়ে পান করিয়া প্রান্তে থাকিয়াবলি খরা স্বর্গবিদ্বৎস দর্শন করিয়াছিলেন, সেইরূপ ছিল। অলােকে দােহৰণ মৃত্তিকাওকেও হলবিশেষে হুতীর শৃঙ্খলনে ব্যাপার খিল। তাহার পরে শৃঙ্খলা বুবলিয়া ধারণা করিয়া থাকে। ১৬–১। মােহের এমনই করিয়া ফেলিলে পর হরি অমেরু-শিখর হইতে অবতীর্ণ হইয়া মহিমা যে সােহব। লােক আটকে , শত্রুকে মিত্র, স্বর্গদলনকারী অলিকে যেরূপে আক্রমণ করিয়াছিলেন, সেই রকে সর্প, দলকে জল, অমৃতকে বিষ ও চক্রকে মাহত অপ প্রথমে ভালক্ষে উঠিয়া লক্ষ প্রদান করিয়া বলিয়া বধ করিয়া থাকে। সে সেই পােড়৷ মণি (জখ হস্তীর মন্তকোপরি পতিত হইল। ৬-১০। পতিত হইয়া সে কাচ)পাইয়া আপনার পূর্বতন ঐশ সই পৰিত্যাগ কমল দ্বারা হস্তীর মস্তক প্রাপ্ত না হইয়া ব্যাকুলভাবে করি, মনে করিল-“এই চিমণিহইতে সময়ই ৰাভাৰত পৰু ফলের ন্যায় ভূতলে পতিত হইল। হাকে সমুখে পাওয়া যাইবে, অতএব এ নাজি রাখিয়া আমার কি ? পতিত দেখিয়া সেই মহাতীর দয়ার সঞ্চার হইল, তিগ- পাপী লােকে পূর্ণ এই নে কেক সুখকর, ইহাতে কি আতিতে সদ্গুণশালী সাধু জন্মিয় থাকে। পতিত ব্যক্তিকে দলিত এনােজন? আমার সেই গতপ্রায় গৃহেই বা কি প্রয়ােজন? করিয়া আমার কি পুরষকার প্রকাশ হইবে” এই ভাবিয়া সেই বন্ধু বান্ধবেই বা আমার প্রয়োজন কি? আমি দূরে যাইয়া এই ঋী সেই শত্রু মাহতকে মারিয়া ফেলিল না, কেবল বিপুল মণির সামনে যথেষ্ট সম্পত্তি অল করিম ইচ্ছামত সুৰ অলরাশি যেমন বৃহৎ সেতু ভয় করিয়া অগ্রে থাৰিত হয় কাল কর্তন করি।” এই স্থির করিয়া সেই মণি লইয়া এক জপ শৃবৃহভে করিয়া ৰিত হইল। দিবাকর যেমন জন্য এরণ্যে গিয়া উপস্থিত হল। তাহার পরে মধ্যে আকাশের মেঘালি তো কৰি চলিয়া যান, সেইরূপ সেই সে সেই কাট৩ লইয়া কিছুকাল পরে নিল মুখর অনুরুল হষ্টী খনজে করিয়া দয়াপরবশ হইয়া প্রস্থান করিল। গজ কগিরির স্থায় মাের মলিন বিষ কিতি (মৃত্যু) মায়া চলিয়া গেলে সেই হগিক সুখদেব ও সুচিত্ত হইয়া গাত্রে- আক্রান্ত হইল। মুখঙা অন্ত নেই অল্প সুস্থ এভৃতি খান করিল; তাহার শারীরিক (উচ্চদে পভ-ত) ও মানসিক বিপলেও তা কষ্ট হয় না, আপনার রকেলে রায় (গজ পাছে মারিয়া ফেলে) ব্যখা গুদ্ধে সহিতই অতিদূরে মলিন মূর্ধতসকল আপদের শিরােপা জিমা ২২-২৩. চলি গেল।১১-১৬। উন্নত তালক্রর শিখর হইতে এটাশীতিতম সর্গ সমাপ্ত।৮৮। মই যে মিমি মে এই দুর্তে (আরই। হইয়া থাকে। বর্ষাভে বেন উত্তম- ও মেল বাত হইতে থাকে, সেইরূপ অসাধুলিশের কুকর্শেই বলরুদ্ধি হইয়া থাকে। সেই মাহত, কানে (এইরূপ একেনবতিতম সর্গ। আহত হইয়াও) মনে কণিক উৎসাহিত হইল । চুড়াল কহিলেন-৫ দুপতে। এ আর এক মনোের বিকার যথেষ্ট চেষ্টা করিতে লাগিল);কিভাহার কোন পাশান বলিছে, শ্রবণ কর। হে মাথে। এই উপাখ্যান উপায়ই সিদ্ধ হইল না, এ চলিয়া গেল। ভেনার বুদ্ধি বিকাসের উপমূক্ত (উ) উন্ময়(বক্ষ গরু মাহ এৰি যুৱাইলে গলাব্যক্তি যেন দুঃখিত নিলফ)। বিমধ্যে একটা একাও মূখপতি হত ২, সেইরুল সাতি দুঃখিত হইল। তাহার পর রাই যেন ৰা । সেই অতীকে দেখিয়ে বের হয় যেন, গত রে মেনে না চকে এষ কৰিবা কােষ করে, হে বিন উক্ত বিশাল হার বরণ করিয়াছে। আর সেইপনেধ্যে অন্তত এর যে কলিতে লাগিল। লতি ব এবং নয়ি না, প্রশ্নের बाल करिए कति এক কলস হবে ০ নির্বাণ-প্ৰৱণ-পূর্বভাগ। প্রাপ্ত হই, দেখিল হুতীটি যেন সমভূমি হইতে অগক্রান্ত হইয়া , কিন্তু জলে পাষাণের স্নায়, জ্ঞানে বিগলিত (নর) হইয়া ফলে বিশ্রাম করিতেছে। অনন্ত, যেখানে সেই হইতে পার নাই বিভ্রান্তি লাভ করিতে পার নাই)। হোয্যে। হন্ত অবস্থান করিতেছিল, সেইখানে গাখী লােকদিগের তুমি যে সর্ব ত্যাগ করিয়াছ, ঐ অকৃত্রিম সর্বভাগকেই আমি সাহায্যে গজবজনের উপবােগী সামগ্রী আনয়ন করিয়া সেই চিন্তামণি নাম দিয়াছি, কারণ চিন্তামণি নিখিল দুখের অন্ত- দুন্তিপালক কাননের চতুর্দিকে সেই গজের বন্ধ থাকায় কারী,ঐ সর্বত্যাগেও সমুদয় দুঃখ দূর হইয়া থাকে। তুমি বিশ্ব (চতুর্দিকে গড়) খনন করিল। বােধ হইল, বিধাতা যেন ভূমণ্ড বুদ্ধিতে ঐ সর্বদুঃখহর সর্বভাগৰূপ চিমনিসাধন কৰিছে। লের চতুর্দিকে সমুদ্রলয় খনন করিলেন। ১৭-২৩। সেই ধূর্ত হে জন। বিজৰে সত্যাগ করিতে পারিলে সমৰ মাহুত সেই খাতের উপরিভাগ, নব লতাজাল দিয়া ঢাকিয়া পাওয়া যায়, ঐ সর্বত্যাগই সাম্রা, চিন্তামণিতে কি লাভ রাখিল, বােধ হইল, শরৎকাল যেন শূন্যতারূপ সূত্ৰজাল যারা হইয়া থাকে। হে লাখে! তােমার সে সর্বত্যাগসিত অস্বল্পল কিয়া দিল। কিয়ং দিবস অতীত হইতেই সেই হইয়াছে, যে সর্বত্যাগ জগতের নিখিল ঐকে তুচ্ছ করে, হন্তী কমধ্যে বিচরণ করিতে করিতে লাগিয়ে পর্বতের স্যায় এবং যে সর্বপরিত্যাগে অধ্যাত্মবিদ্যারূপ নিৰ্বতিয় আনএপ্তি সেই খামধ্যে পতিত হইল। পাতালপ্রদেশের ন্যায় ভীষণ সিদ্ধ হইয়া থাকে। কেন না, তুমি—গারা, পুত্র, বন্ধুবান্ধব সহিত বলমাকৃতি সেই রূপ সাগরের মধ্যে পতিত হই, সেই সমস্ত রাজত্যাগ করিয়া আসিয়াছ, যেমন ব্ৰক্ষা আপনার রাত্রি হতী হন্তীপকের গবন্ধন শৃঙ্খলে আবদ্ধ হইয়া গেল। সেই হন্তী কাল উপস্থিত হইলে, এই জগৎষ্টিরূপ ব্যাপার পরিত্যাগ করিলা এইরূপে পুনরপি পাতালমণ্যে বলিরাজের ন্যায় দৃঢ়বদ্ধ হইয়া থাকেন। বিনতানন্দন গরুড় যেন গজকচ্ছপ লইয়া বিশ্রামার্থ অদ্যাপি অভিজুখে অবস্থান কৰিঙেছে। ২৪-২৭। যদি ঐ পৃথিবীর প্রান্তভাগে গ্লিাছিলেন, সেইরূপ তুমি নিজ দেশ হইতে হন্তী পূৰ্বেই ঐ শত্রুকে মারিয়া ফেলিত, তাহা হইলে আর অদ্রি এই মণীয় আশ্রমে আসিয়া উপস্থিত হইয়াছি। তুমি এরূপ এতবন্ধ-নিবন্ধন দেশ প্রাপ্ত হইত না। যে মা এই বিন্ধ্য- সর্বত্যাগ করিয়াছ বটে, কিন্তু শরৎকালীন স্বচ্ছ বায়ু যেমন পৰ্বতবাসী গজের ফায় মূখতাবশতঃ বর্তমান সুযোগে ভবিষ্যদ- মেঘনীহারালি কলঙ্কে জড়ভাৰ পরিত্যাগ করিলেও আকাশে বিপদের প্রতীকার না করিয়া রাখে, সে এইরূপ দুঃখে পতিত হয়। আপনার মূল্পসত্তা পরিত করে না, অর্থাৎ আপনার স্বভাব হস্তী বন্ধনমুক্ত হইয়া ভাবিয়াছিল যে, “আমি শখল হইতে পরিত্যাগ করে না, সেইরূপ তুমি অহংতিরূপ অবিদ্যা এখনও মুক্ত হইয়াছি” (আমার আর কোন ভয় নাই) এই ভাবিয়া পরিত্যাগ করিতে পার নাই, ঐ অহং অভিমানই মন , ঐ সন্তুষ্ট ছিল বলিয়াই সে দূরস্থিত হইলেও আবার বন্ধ হইয়া মনকে জাদয় হইতে অপসারিত করিতে পারিলে এই অপূর্ণ পড়িল। মুখতা কোথায় না অনিষ্টকারী হয়! হে মহান। পরমানন্দ ব্ৰহ্মরূপেই পৰ্যবসিত হয়। কিন্তু তােমার এখনও তুমি নিজে বদ্ধ না হইয়াও যে “আমি বন্ধ এইরূপ ভাবিভেচ্ছ, সে ভাব হয় নাই, ‘অহং’ অভিমান বিদ্যমান রহিয়াছে। আকাশ এইরূপ ভাবনাই মূর্খতা, এই মুখতাই পরম বন্ধন। অতএব যেমন মেজালে সৃষ্ট না হইলেও অদ্বারা আবৃত থাকে, সেইরূপ তুমি এরূপ মুখত পরিত্যাগ করিয়া, মুক্তিলাভের জন্ত আত্মার তুমি ত্যাগ অত্যাগ দুই প্রকার বিয়েই জড়িও রহিয়াছ। বন্ধনকারণ এই ত্রিজগংকে আত্মা হইতেই উৎপন্ন এবং ৭-১১। ভবংকৃত এই সর্বত্যাগ মহান দরূপী পরমানন্দ আকাময় বলিয়া আনি—এইরূপ ধারণা বলবতী হইলে একমাত্র নহে, সে পরমানন্দ এক অনির্বচনীয় পদার্থ, তাহা বহুদিনের বহু আত্মাই পরিশােধিত হইবেন, তখন আর তিনি বন্ধ থাকিকে আয়াসসাধ্য। প্রবল বাত্যায় যেমন কানসম্পদ বন্ধিত হইতে না;নতুবা মুখতাসূত্রে জড়িত থাকিলে আত্মাই সমস্ত বানাদি থাকে, সেইরূপ ভাবলে যখন তােমার সঙ্কল আবার ক্রমে দুঃখের উৎপতিকেত্র হইয়া উঠিবেন। ২৮-৩১। (অহং অভিমান) ৰতি হইবে, অন তােমার এই সর্বত্যাগ একোননবতিতম সর্গ সমাপ্ত।৮৯। কোথায় উড়িয়া যাইবে,-এ নতুন আবার সময় রাজ্য সম্পদের অভিলাষী হইবে। যে ব্যক্তি হয়ে অনুমাত্রও চিন্তাকে স্থান দেয়, হার সর্বত্যাগি কিরুপে সৰ হইতে নবতিতম সঙ্গ। পারে? সমাণস্পন্দ রে লাগি,সে রবে নিপল শিখিধ্বজ কছিলেন-হে দেয়। আপনি মলিসাকের ভাব কিরুপে হবে। পণ্ডিতগণ চিন্তাকে চিত্ত এলে অভিহিত ও বিন্ধ্যাচলবাসী হন্তীয় উপাখ্যান আরা বের সূচনা করিতে করিয়াছেন; সঙ্কল উহার আর একটা পর্যায়, সেই চিন্তা ছে—অর্থাৎ ইহাতে মদীয় নিলাভে যে উপায় সূচিত কৰিা ঘশ ফুরিত হইতে থাকিবে, ভকল চিত্তভাগ রিপে দেন, তাহা পুরপি বিয়ে বন করুন। চুালা কহিলেন, সৰে? ১২-১৫। হে সাথে। চিন্তা আর আক্রান্ত চিতই হে রাজন! আমি তােমার হৃদয়গৃহের চিভিত্তিতে যে কথা- কাবমধ্যে গরপে একটিত হইয়া থাকে, সেই চিত্ত রূপ চিত্র এক্ষিত করিতেছি, তাহা এনে বিচিত্র ব্যাখ্যাপ বিদ্যমান থাকিতে নিরঞ্জন (নিশ) সর্বত্যাগ বিকাপে লাভ ৰণৰাৱা উন্মীলিত করিয়া দিতেছি, (পরিস্ফুট করিতেছি)একণ করা যাইবে? বেশ গ্রাম বিং কাহারও লড়াইলে কর। ঐবে শাম্রাজনে পণ্ডিত অথচ অনলাভ কৰি উড়িয়া পলাইয়া যায়, সেই সরে এলেই আকরণ পারে নাই—এমন বহু সাধকের কথা বললাম, হে মহীপতে! হইতে এ ভগবুজি এহিত হইয়া যায়। চিতাই এক্স- তুমিই সেই সাধক। আদিত্য সেন সুমেরুটের চিরপরিচিত আগের ত্র এক সর্বভার সহ হা হইয়া বিধায় ভালো অভি, তুমিও জপ নিখিল-ত্র অবগত কে। যখন তুমি নিশ্চিন্তা সত্যাগের সৎকার করি ৯ !
বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ পাব নাই, তখন তোমার সর্বত্যাগও উক্ত নিশ্চিতভাবকে দ্বারা ইহাই বলিয়াছি , তুমিই অগণ দ্বারা আবদ্ধ হইয়া সঙ্গে লইয়া প্রস্থান করিয়াছে। প্রার্থনা করিয়া, আন করিয়া বিপন্ন হইচ্ছে।১৫। আশা লৌহশৃঙ্খল অপেক্ষা বৃহৎ, বিষয় আনিয়া পৰা না করিলে, কোন লােক না দুঃৰিত ইয়? তুমি এবং কঠিন, (লৌহশৃঙ্খল) বহুদিন ব্যবহৃত হইলে ক্রমে ক্রমে যত্বপূর্ধক সত্যাগকে আনিলে, কিন্তু তাহার সমাদর করিলে না, যা প্রাপ্ত হয়, কিন্তু আশা তাহা হয় না, আশা উল্লেখ সূতরাং সে থাকিবে কেন। হে কমলােচন। তােমার সে বাড়িতে থাকে। দূর হইতে গজ মাহুত লক্ষিতভাবে গজকে সংবরূপ চিন্তামণি চলিয়া গিয়াছে; তুমি এক্ষণে সনেত্রে দেখিল যে বলিয়াছি, উহা আর কিছুই নয়, অজ্ঞানই ক্রীড়ার অপরূপ কাটমণি নিরীক্ষণ কমিচ্ছে। তুমি অলপ্রতিবিম্বিত নিমিত্ত তােমাকে একাকী বড় দেখি, তাহাই ৰশিয়াছি ল সত্যচন্দ্ৰ বুৱিস্থাপনের আয় দৃষ্টিভ্রমে সমুদিত তপস্যারূপ শক্ৰকৃত শৃখলবন্ধন যে ছিন্ন করিল বলিয়াছি, তাহাতেও তুমিই দুঃখতেই উপাদেয় বুদ্ধি করিয়া বসিয়া আছ। ১৬-২। তুমি ভােশভূমি কন্টকাকীর্ণ রাজ্য ত্যাগ করিয়া, নিষ্কণ্টক এদেশে আগ- প্রথমে বাসনাশূন্য অনাসক্ত হইয়া সৰ্বত্যাগ লাভ করিবার উপক্রম মন করিলে, ইহাই বম্মিছি। সাথে। লবন্ধন কখন অনায়াসে করিয়ও পরে বাসনাময়ী বৃথা তপস্যা দ্বারা কেবল দুখের পথ ছিন্ন করা যাইতে পারে, কিন্তু মনের ভােগতৃষ্ণা নিবারণ করা বড় পরিস্কার করিতে বসিয়াছ , তােমার ঐ তপস্যা আদি, মধ্য ও কঠিন। হন্তীর শৃখলবন্ধনের ছোনকালে হন্তিপক পড়িয়া গেল অবসানে (সর্বসময়েই) বিষময় ফল প্রদান করিবে। যে যে বলিয়াছি, তাহার অর্থ তুমি যখন রাজ্যত্যাগ কর, তখন ব্যক্তি অনায়াসসাধ্য অপৰিমিত আনন্দের বিষয় পরিত্যাগ অজ্ঞান পতিত হইল। ৭-১০। পুরুষ বিরক্ত হইয়া যখন ভোগের করিয়া ক্লোসাধ্য পরিমিত ঘর সাধনে প্রবৃত্ত হয়, সেই শঠ আশা ত্যাগ করিতে ইচ্ছা করে, তখন বৃক্ষ ছেদনকালে রক্ত- আত্মহত্যা বলিয়া অভিহিত হয়। তুমি সর্বত্যাগ লাভ করিতে বাসী পিশাচের ন্যায়, অজ্ঞান কম্পিত হইতে থাকে, (একেবারে আরত্ত করিয়াও বনভূমিতে তপা-কৈপ্রদ অঞ্জনে আবব্ধ নষ্ট হয় না, কিন্তু দুর্বল নাশশামুখ হইয়া পড়ে। বিবেকী পুরুষ হইয়া পড়িয়া, সে সত্যাগ সাধন করিতে পামিলে না। হে যখন ভােগজাল পরিত্যাগ করিয়া অবস্থান করে, তখন অজ্ঞান, সাথে। তুমি বহুদুঃখপূর্ণ রাজ্যবন্ধন হইতে মুক্ত হইয়া বনবাস- বৃক্ষছেদনের পর বৃক্ষবাসী পিশাচের ন্যায় সে স্থান হইতে পলায়ন নামক দৃঢ়বন্ধনে আবার বন্ধ হইতে তোমার রাজ্যে যে তোমার রাজ্যে যে করে। বৃক্ষ হেদিত হইলে যেমন ক্ষস্থিত বিহগনীড় (পাখব চিন্তা ছিল, এক্ষণে তাহা অপেক্ষাও শতবতাতপাদি ক্লেশচিন্তা বা) পড়িয়া যায়, সেইরূপ ভােগরাণি ত্যাগ করিলে অজ্ঞান - ( দ্বিগুণ বেশী হইয়া উঠিয়াছে। যাহারা বনবাস-ক্লেশ কখন ভূত হইয়া যায়। তুমি যখন বনে প্রস্থান কর, তখন তােমার অজ্ঞান অনুভব করে নাই, তাহাদের পক্ষে কনবাক্লেশ সংসারন্ধন শিথিল হইয়া পড়িয়াছিল বটে, কিন্তু মনের ত্যাগ (তত্ত্বজ্ঞান) কপ ক্লেশ অপেক্ষা অধিক বলিয়া বিবেচনা করি। (এই জন্যই মহাখা দ্বারা তাহা একেবারে নিহত হয় নাই, অর্থাৎ এখনও আমি বলিলাম)হে সাহাে। তুমি ভাবিয়াছিলে, “আমি চিন্তামণি তুমি তত্ত্বজ্ঞান লাভ করিতে পার নাই। এই সেই অঞ্জন পাইলাম, কিন্তু আমি এখন দেখিতেছি)তুমি একখণ্ড স্ফটিক আবার অভূদিত হইয়া তােমাকে পরাভব করিল , বনমধ্যে মণিও পাবে না। হে কমলা। আমি তােমার কাৰ্য্যকেই তােমাকে তপস্যারূপ খাতমধ্যে নিযুক্ত করিয়া ফেলিয়া দিল। মণিপ্রাপ্তি কখর সমান বলিয়া বর্ণন করিলাম, এক্ষণে তুমি ১১-১৫। যদি তুমি যখন রাজ্যতাগ কর, সেই সময়ে উপস্থিত আমার এই মণিকাচ-দৃষ্টান্তের বিষয় নিজে বিচার করিয়া দেখি, অজ্ঞানকে নিহত করিতে পারিতে, তাহা হইলে অজ্ঞান নিলে যাহা নিল তত্ত্ব বলিয়া বুঝিবে, চিত্তকোষে ভাগই দূপে গ্রথিত ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়া তােমাকে আর নষ্ট করিতে পারি না, সেই শত্রু কবিয়া রাখ।২১৭। হপিক, হস্তীকে আক্রমণ করিবার অন্ত যে খাভ-বলয় করিল, নবতিতম শর্থ সমাপ্ত। আহার এ-জ্ঞান * তােমাকে নিখিল পাশে প্রপন কলি। হে রাজসত্তম' গজ সেই সময়ে যে রাজকীয় গজ বন্ধনসামগ্রী প্রাপ্ত হইয়াছিল, সে সকল অজ্ঞানরাজ্যের অভ্য একনবতিতম সর্গ। সুরেই ছিল। হে সাথে। তুমি গজাতি না হইলেও নিজে গন্দ্র হইয়া অজ্ঞান শত্ৰুকর্তৃক ভীষণ অরণে বলপূর্বক নিক্ষিপ্ত চুড়লো কহিলেন-হে রাজশাৰ্দল' এক্ষণে বিন্ধ্যবাসী অদ্ভুত হইয়াছিলে। অভিনব লভপুকে আচ্ছন্ন সেই যে খাবলয়, হস্তিরতম্ভ এৰণ , ইহা শ্রবণ করিলে জ্ঞান লাভ তাহ শম দম প্রতি সাধুজনের মনোবৃত্তিতে আবৃত উপ- করিতে পারিবে। হে রাজন! ঐ যে বিন্ধষনের হস্তীর কথা ক্লেশ, ইহাই দেখাইয়াছি। হে রাজ। তুমি এইরূপে অদ্যাপি বলিয়াছি এই স্থানবাসী তুমিই ঐ হন্ত। বিবেক এবং বৈরাগ্য সুগারুণ দুখময় অপরূপ থামধ্যে পাতলমধ্যে ৰলির ন্যায় বন্ধ এই দুইটা ঐহীর শুভ্র দম্ভ। ঐ যে হুন্তিপালক হন্তীর অঞ্জ রহিয়া। তুমি নিজে হস্তী, আশা ভােমাৰ বনল, মােহ মণব্যাপারে তৎপর হইতেছিল, উহা তােমার অম্লান, অ (অজ্ঞান)তোমার শত্রু, খাতায় তােমার নিদারুণ বরুন, এই নই তোমার আক্রমণে তৎপর হইয়া তােমাকে দুঃখ দিতেছে। হে রাজ। যেরুপ অতি বলবান হীকে অপেক্ষা নকলহ ভূল বিন্ধ; এই গেমারই বৃত্তান্ত যথাযথ কর্তন করিলা পুণ কৌশলে বদ্ধ করিতে সমর্থ হয়, জ্বগ প্রভূশক্তিশালী এক্ষণে যাহা করিতেছ, তাহা কর। ১৬২২ এনতিসর্গ সমাপ্ত।। হইলে তােমাকে ভাে-অপেক্ষা নূনল মূর্ষতায় (অজ্ঞানে) যের চাকায় উপনীত করিয়া লাতিয় ভীত করিতেছে। ঐ অসম লৌহ-শৃল কারা হতী ৰা হইল বলিয়াছি উহা ;
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ কুটারের পত্রভিত্তি এবং কুটারের দ্রব্য অজিন প্রভৃতি এ সমস্তও নিবতিতম সর্গ। আমার নহে, তাহাও আমি কাগ করিলাম। বশিষ্ঠ কহিলেন, চুড়াল কহিকেরান। সেই সময়ে জ্ঞাতব্য-বিষয়ে বিশুদ্ধচিত্ত শান্ত অনুমতি সেই শিখিধ্বজ রাজা এই বলিয়া, অভিজ্ঞ, নীতিবিষয়ে নিপুণা-চুড়াল তােমাকে যাহা উপদেশ আসন হইতে উঠিলেন, বােধ হইল যে, গিরিশৃঙ্গ হইতে দিয়াছিলেন, তদনুসারে কি জন্য তুমি জ্ঞানার্জন করিতে পার মেঘ উঠিল। ১৬-২০। সূৰ্য যেমন আপনার রথে থাকিয়াই নাই? সেই চূড়াল তত্ত্বজ্ঞনীলিগের প্রধান, তিনি যাহা বলেন, নিখিল লােককাৰ্য প্রত্যক্ষ করেন, সেইরূপ সেই কুম্ভ আসনে বা যাহা করেন, সমূদই যথার্থ কর্তব্য কৰ্ম্ম , যত্নপূর্বক তাহ। উপবিষ্ট থাকিয়াই রাজার সেই কাৰ্য (উথান ব্যাপার) দেখিয়া সকলেরই করণীয়। অথবা হে নৃপ। যদি চূড়াশার কথানুসারেই ঈষৎ হা করিলেন। আহা করিতেছে করুক, ইহাই ইকর কা না করিলে, ভবে নিজ বুদ্ধিতে যে সত্যাগ স্বীকার পরম পবিত্ৰ কৰ্ম”,মনে মনে এইরূপ ভাষিয় কুম্ভ মৌনবলক্ষন করিয়াছিলে, তাহাই বা কেন স্থির করিয়া লা রাখিলে। শিখিধবজ করিয়াই তঁাকে দেখিতে লাগিলেন। সাগরের মধ্যবর্তী নিষি কহিলেন—আমি কল, বিত্ত, রাজ্য, দেশ সমস্তই ত্যাগ যেমন উপরের উন্নত ভূমি হইতে বৃষ্টি-জলদি আহরণ করিয়া করিয়াছি , পাপি “ আমার সর্বত্যাগ করা হয় নাই” বলিতেছেন একত্র জড় করে, সেইরূপ শিখিধ্বজ রাজা নিজের সমুদয় ব্যবহার্য্য কেন? চুড়াল কহিলেন, হে রাজন। দারা, গৃহ, ধন, রা, পাত্র (ভাণ্ডাদি) আশ্ৰম হইতে বাহির করিয়া একত্র অড় করি- ভূমি, রাজচ্ছত, বান্ধব এ সমূদয় ত তােমার নয়, তবে তােমার এই লেন। সূর্য যেমন স্বীয় কিরণ প্রদান করিয়া ধ্যকান্ত-মণিকে সাদয়ের আবার ত্যাগ কি? সর্ববত্যাগই বা কি করিয়া কৰিলে? প্রহ্মলিত করেন, সেইরূপ রাখা সেই দ্রব্যগুলি একত্র সংগ্রহ ১-৫। ফলতঃ তােঙ্গর এখনও সর্বত্যাগ হয় নাই, কেন না, করিয়া অগ্নি জ্বলিয়া দিলেন। প্রলয়কালে সূৰ্য যেমন আপনার সর্বোত্তম বিষয়রাগ তোমার এখনও অপরিত্যক্ত রহিয়াছে। সেই কিরণানলে জগদ্দাহ করিয়া সুমেরুতে উপবেশন করেন, তদ্রুপ বিষমুরগ ত্যাগ করিতে পারিলে তবে বিশােকপদ প্রাপ্ত হইবে। সেই শিখিধ্বজ সেই দ্রব্যগুলি অগ্নিতে জন্ধ করিয়া আসনে শিখিধ্বজ কহিলেন, মহাশয়। রাজ্যই যদি আমার না হয়, কিন্তু উপবেশন করিলেন। ২১-২৫। “হে স্বামীকে অমালিকে, এই সমস্ত বন ত আমার , এক্ষণে আমি শৈলবৃক্ষাদিপূর্ণ এই। এবং তুমি আমার কাৰ্য্যকরী ছিলে, তখন পরকে ক্লেশ দিয়া বলও পরিত্যাগ করিলাম। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। জিতেন্দ্রিয় নিজের স্বার্থসাধন করিবার বুদ্ধি আমার যায় নাই, একারণে বীর শিখিধ্বজ এই কথা বলিয়াই নিমিষমধ্যেই কুন্তের কথামত, তােমাকে কষ্ট দিয়াছি, এক্ষণে আমার সে ভ্রম দূর হইয়াছে, বর্য। যেমন নদীতটগত ধূলিজাল ধুইয়া ফেলেন, সেইরূপ সেই এক্ষণে তুমি আমার আর কোন উপকারে লাগিবে না। আমি কাননের প্রতি আস্থ। (আমার বলিয়া অভিমান) মাজত। চিরকাল মন্ত্রকাননে ভ্রমণ করিয়া আসিলাম, কাৰ্যপথে দ্বাির ( পরিত্যাগ করিলেন, এবং সেই মত নিশ্চয় হইয়া করিয়া আসিলাম, ধৰ্ম্মস্থান যাহা দেখিনার সমস্তই আমার দেখা অবস্থান করিতে লাগিলেন। শিখিধ্বজ কহিলেন, আমি বৃ, হইয়াছে, হে সখ! এক্ষণে আমি বিশ্রাম করি” এই বলিয়া পত কান্তারসমন্বিত এই কানন হইতে বাসনার উচ্ছেদ শিখিধ্বজ নিজ অক্ষমালা অনলে নিক্ষেপ করিলেন। বােধ হইল করিলাম , নিশ্চয়ই এক্ষণে আমার সর্বত্যাগ সিদ্ধ হইয়াছে। যেন, প্রলয়কালের মহাবতা আকাশের নিল সরকাশ্রেণী কুন্ত কহিলেন, -পর্বতট, কানন, কার, জল, বৃক্ষ ইত্যাদিও উৎপাটিত করিয়া প্রলয়ানলে নিক্ষেপ করিল। “হে মৃগচর্ম। তােমার নহে, তবে তােমার সর্বভাগ কিরূপে সিদ্ধ হইল ? আমিও একটা নরগ, এই কারণেই বন হইতে প্রচ্যুত ৬-১। সর্বাপেক্ষা বলবান বিষয়গ তােমার এখনও অপরি. তােমাকে এবং অজ্ঞানবশই আসনরূপে কল্পনা করিয়াছি; ভক্ত রহিয়াছে , এই বিষয়রাগ সম্পূর্ণরূল ত্যাগ করিতে পারিলে তােমার দ্বারা যথেষ্ট উপকার পাইয়াছি , এখে যাও, তােমার পথ বিশােকপদ প্রাপ্ত হইৰে। শিখিধ্বজ কহিলেন, এ সমস্তও মঙ্গলময় হউক। ৬-৩০। তুমি এলে নষ্ট হইয়া আকাশরূপে আমার নহে, জল, স্থল, পর্ণশালাসমন্বিত এই অমেই আমার ; পরিণত হও, নক্ষত্ৰমণ্ডিত আকাশও তােমার ন্যায়। এই বলিয়া তাহা এক্ষণে আমি পরিত্যাগ করিলাম। বশিষ্ঠ কহিলেন, তিনি সেই মৃগচর্ম অনলে নিক্ষেপ করিলেন। বােথ হইল যেন, রাম। জিতেন্দ্রিয় বীর সেই শিখিধ্বজ এই কথা বলিয়াই কুন্তের প্রবল বাত্যা আসিয়া সমুদ্র হইতে পর্বতসমূহ উত্তোলন করিয়া উপদেশে প্রবোধ প্রাপ্ত হইয়া নিমেষমাত্ৰ ধ্যান করিয়া, বায়ু বানলে নিক্ষেপ কৰিল। তাহার পর, “হে সাধু কমগুলো! তুমি যেমন আপনাতে সংলগ্ন হইয়া স্কুরিত ধূলিকণা পরিত্যাগ করিয়া সুবৃত্তশালী (মঙ্গল অথচ সুচরিত্র) , তুমি জলধারণ করিয়া থাকেন, তদ্রুপ বিশুদ্ধ বুজতে আশ্রমের প্রতি আস্থাও পরিত্যাগ আমার যে উপকার করিয়াছ, আমি তাহার সমরূপ পরিশােধ করিলেন। ১২-১৫। শিখিধবল' কহিলেন, এখন আমি করিতে পারিলাম না। হে কমগুলো! তুমি আমার পরম সুহৃদ লতাবৃর্ণসমলিত আশ্রম হইতে বাসনা নিবৃত্ত করিলাম, তােমাতে মনােহর সৌজন্য স্থিরভাবে বিরাজমান রহিয়াছে, এক্ষণে নিশ্চয়ই আমার সন্ধ্যাগ সিক্ত হইয়াছে। কুম্ভ তুমি সর্ববিধ সাভার একাখার। হে ঝ। তুমি যে বহিতে কহিলেন, বৃক্ষ, স্থল, জল, গম, ল, বিজন, পর্ণশালা এসমস্তই দেহ পরিশােধিত করিয়া আমার নিকট আসিয়াছিলে, আবার তােমার নহে, অতএব তােমার সর্বত্যাগ কিপে সিদ্ধ হইল? সেই বহিতেই দেহ শােধন করিয়া গমন কর; তােমার পথে এ সকল হইতে অতিরিক্ত সর্বোত্তম বিষয়রাগ ভাের এখনও কুল হউক।” এই বলিয়াসেই কমণ্ডলু অব্বিতে শােধনপূর্বক অপরিত্যক্ত রহিয়াছে; এই বিরাগ নিঃশেষে ভ্যাগ করিতে কোন শ্রোত্রির বিপকে প্রদান করিলেন। ৩১-৩৫। বাহা পারিলে তুমি পরম বিপােকপদ প্রাপ্ত হইবে। শিখিল উকষ্ট , তাহা কোন সাধুকে বা অমিকেই দেওয়া উচিত। কহিলেন, মহাশয়! যদি তাই হয়, তাহা হইলে এই কুচার ও অনন্তর 'হে আসন ! মুখের বুদ্ধি যেমন ও-পাপেই আসক্ত ৫৩ যােব শিৰামায়ণ সেইরূপ তুমি সর্বদা ও অপােদেশে অবস্থান কর (দেশে নাই সমস্তই ভাগ করিয়াছি)। ৬-১৯। কুন্ত কহিলেন, হে থাক ), অতএব মুখবুদ্ধির ন্যায় তােমার দাইতাগ কেশভােগ রাজ শিখিধ্বজ। ভােমার এখনও সর্বত্যাগ করা হয় নাই, তুমি করা উচিত, তুমি বহিতে ভস্ম হইয়া যাও।” এই বলিয়া তিনি সর্বত্যাগজনিত পরমানন্দের বৃথা অভিনয় করিও না, বাস্তবিক উজ্জ্বল চিমে অবস্থিতি করিবার জন্য,-শুদ্ধিলাভের জন্য, সেই তুমি এখনও সর্বত্যাগী হও নাই। তােমার এখনও সৰ্বোত্তম কোমল আসন খানি অগ্নিতে নিক্ষেপ করিলেন। তাহার পর রাগ (বাসা) অপরিত্যক্ত রহিয়াছে; সেই রাগ ভ্যাগ করিলে কুতের প্রতি বলিলেন, মহাশয়। যাহা ত্যাজ্য হয়, তাহা শীঘ্রই তবে তুমি পরম বিপােকপদ প্রাপ্ত হইবে। বশিষ্ঠ কহিলেন- ত্যাগ করা কর্তৃব্য , সে সমস্ত ভ্যাজ বন্ধ রাখিয়া দিলে কেৰল হে মহাৰাহে কমললােচন রাম। সেই রাজা এই কথা শুনিয়া উদেয় বই বৃদ্ধি করা হয়; এইজন্য আমি এই সমুদয় ক্ষণকাল চিন্তা করিয়া বলিলেন, হে দেবাত্মজ। সত্যা করিলেও প্ৰজাত শীই অনলে প্রক্ষেপ করিতেছি , এক্ষণে অগ্নি একে তবে এক্ষণে আমার ইন্দ্রিয়পর্গে পূরিত রক্তমাংসয় দেহ অবশিষ্ট বার এই সমস্ত দ্রব্যগুলি যদি দগ্ধ করিয়া ফেলেন, তাহা হইলে রহিয়াছে রহিয়াছে , অতএব এক্ষণে আমি এই উদেশ হইতে নিয়ে আমি পরম সন্তুষ্ট হই। হে সাথে। আমি নিক্রি হইবার পড়িয়া দেহ বিনষ্ট করি, তাহা হইলে নিশ্চয়ই সর্বত্যাগী হইব।” জন্য এই সমুদয় কাৰ্য্যের উপকরণ ত্যাগ করিতেছি, এজন্য মনে বশিষ্ঠ কহিলেন, এই কথা বলিয়াই সেই রাজা সখীপস্থিত গর্তে কোন কষ্ট করা উচিত হয় না; অনুপযুক্ত বস্তু কে বহন করে? দেহত্যাগ করিবার নিমিত্ত যেমন গাৰোখান করিলেন, অমনি কুন্ত সেই রাজা এই কথা বলিয়া, কাল যেমন জ্বলিত প্ৰলয়ালে বলিলেন, হে রাজ। তুমি নিরপরাধী দেহকে কি অন্য মহগর্তে অগং দাহ করেন, সেইরূপ বনবাসীর ব্যবহারযােগ্য সেই সমুদয় নিক্ষেপ করিতে যাইতেছ? অজ্ঞরুষতই কুপিত হইয়া আন ভােজনপত্রাদি এককালে বহ্নিতে নিক্ষেপ করিলেন। ৩৬-৪১। সন্তানকে মারিয়া ফেলে। তােমার এই অতিদীন জড়দেহ ঘনৰতিম সর্গ সমাপ্ত। ২। মূকস্বভাব , ইহার দ্বারা তোমার কোন অনিষ্টের সম্ভাবনা নাই অতএব শরীরত্যাগ করিও না। মূস্বভাব এই দেহ নিশ্চল হইয়া আত্মাতেই অবস্থান করিতেছে। জলে ভাসমান কাষ্ঠ যেমন অঙ্গ দ্বারা চালিত হয়, তদ্রুপ এই দেহ অপরের দ্বারা চালিত হয়, (ইহার নিজের কোন কাৰ্য্যই করিবার তা নাই)। ১২- নিবতিতম সর্গ। ২। মত্ত তস্কর যেমন (চুর করিতে গিয়া গৃহস্থের দৃষ্টিগােচরে বশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্তয় সেই রাজা আপনার অজ্ঞ মন- পড়িলে পলায়ন করতঃ) একপাশে স্থিত দুর্বল ব্যক্তিকে হস্তে কর্তৃক বৃথা সঙ্কল্পবলে কল্পিত সেই শুষ্ক তৃণমন্দিরও দয় কল্পি পাইলে প্রহার করিয়া চলিয়া যায়, সেইরূপ অন্য একজনই এই ফেলিলেন। অভিজ্ঞ তথায় তাহার আর যাহা যাহা ছিল, তৎসমুদয় দেহকে কষ্ট দেয়, তাকেই বলপূর্বক নিগ্রহ করা উচিত। এই সেই মুনিব্রতধারী রাজা শিখিধ্বজ অক্ষুব্ধ মনে ক্রমে সর্বত্র সম- দেহ মুখদুঃখাদির উৎপত্তিস্থান বলিয়া অপরাধী নহে। যেমন কল- বুদ্ধিতে নিক্ষেপ, ত্যাগ ও ভঙ্গ করিতে লাগিলেন। আপনার বান * বায়ুবেগে স্পন্দমান হইলে ফলপতন জ অপরাধে অপ. খাদ্যদ্রব্য বসন-ভূষণাদি যাহা কিছু ছিল, সমস্তই সন্তুষ্ট মনে রাধী হয় না, কারণ, বাতাসই প্রবাহিত হইয়া বৃক্ষ হইতে ফল- অগ্নিতে নিক্ষেপ করিতে লাগিলেন। চতুর্দিকে বহ্নি এলিত পূষ্পদি নিপাত করে, সুতরাং বাতাসই দোষী, সাধু রুখের পোেষ হইলে, তখন সেই আশ্রমে আর জলপ্রাণীও দৃষ্ট হইল না, সেই কি?সেইরূপ দেহ অপরের দ্বারাই সুখদুঃখাদির আম্পদ হয়, আশ্রম বীরভদ্রে বলে বিধ্বস্তু কাজের স্থায় প্রতীয়মান হইতে সুতাং তাহার দােষ কি? হে পদুলােচন। যদি তুমি শরীরত্যাগ লগিন যেমন খিলঞ্জ পূরী হইতে লােকসকল ভয় কর, তথাপি অেমার সর্বত্যাগ সিদ্ধ হইবে না, বরং তাহা বিষয় হইয়া পলায়ন করে, সেইরূপ সেই আশ্রম হইতে মৃগকুল ফল প্রদান করিবে। তুমি বুখাই এই নির্দোষ দেহকে উচ্চ মােমন্থ (ভক্ষিত চর্বণ) পরিত্যাগ করিয়া, (অগ্নিভয়ে পলায়ন দেশ হইতে পরিত্যাগ করিতে যাইতেছ। তােমার এইরূপ করিল। ১। ভীষণ অনল প্রজ্জ্বলিত হইয়া, শুরু কষ্টের সঙ্গে দেহত্যাগে দেহের পীড়নকারীর ত্যাগ করা হইবে না, সে থাকি- সেই রাজার দ্রব্য সকল দগ্ধ করিয়া ফেলিল। সেই ভূপতি সেই বেই। ২১-২৫। যেরূপ মহন্তী কক্ষকে উৎপাটিত করে, সেই মহমান দ্রব্যগুলির প্রতি মমতা ত্যাগ করিয়া, কেবল শূন্য নগ্নদেহ রূপ যে তোমার এই দেহকে নিগ্রহ করিতেছে,সেই পাপীকে হইয়া সন্তুষ্ট মনে বলিতে লাগিলেন, হে দেবনয়। আমি এ যদি ভাগ করিতে পারি, তাহা হইলে তুমি বাস্তবিক মহাভ্যাণী সমূয়ের প্রতি বাসনা ত্যাগ করিয়াছি; আমি এক্ষণে গণী হইবে। হে ভূপতে। তুমি যদি তাকে ত্যাগ করিতে পার, হইয়াছি, আহহ! আমি এতদিনের পরে প্রবুদ্ধ হইয়াছি, তাহা হইলে তােমার দেহাদি সমস্তই ত্যাগ করা হইবে। নতুবা আমি শুল্ক ও কেবল হইয়াছি। আমি অনায়াসেই বােধপ্রাপ্ত এইরূপে দেহাদি বারবার পরিত্যাগ করলেও আবার বারংবার হইয়াছি। এই সঙ্কলিত বইসমুহের মধ্যে ত কিছুই পার নাই! উৎপন্ন হইবে। শিখিধ্বজ ভিসা করিলেন, হে সুন্দর। এই করে হেতু এই বিবিধ বস্তু যখনই পরিভাগ করা যায়, তখনই দেহ কে চালিত করে, এই দেহাদির জন্ম ও কর্মের বীজ কি? ফল সাতিশয় সুখী হয়। আমি এৰণ শান্ত নির্বাণপ্রাপ্ত হখিত কাহাকে ত্যাগ করিলে সমস্ত ভাগ করা হইবে, অহা আমাকে হইয়া অনুক্ত হইতেছি; আমার বন্ধসমূহ ক্ষয় প্রাপ্ত হইয়াছে, বলুন। কুত কহিলেন-হে লাখে! হে যান। দেহত্যাগ, আমি সর্বত্যাগ করিয়াছি, আমি এক্ষণে দিগম্বর দিন (গৃহ- বুজাত্যাগ, বা পর্ণশলাদি হক। এ সকলের কিছুতেই ওদিকে সমান ( পূইয়াছি। হে দেবপুল। আমার এই সর্বত্যাগ করা হয় না। যাই এই সকল স্বরূপ এবং বাহা হইতে মাগে অায় অবশিষ্ট কি আছে? (অর্থাৎ আর কিছুই অবশিষ্ট এই সমুদয় উৎপ, সেই সময় একটা বস্তু পরিত্যাগ করিলেই T নির্বাণ-প্ৰৱণ-পূর্বভাগ সত্যাখ হইবে ২৬৩। শিখিধ্বজ কহিলেন, হে সর্বভব না। বিলি প্রকৃত সত্যাগী, জিন মুক্তা যেমন আপনার অভ্যন্তরে জ্ঞানীদিগের শ্রেষ্ঠ। যাহা সর্বময় সর্বগত এবং সর্বদা সকলের সূত্র ধারণ করে, সেই ব্রিালেই এই নিখিল জগৎকে আপনার হেয়, সে সব কি,? তাহা আমার নিকট (স্পষ্ট করিয়া) অভ্যন্তরে ঘন লে; অর্থাৎ তিনি, অপরিচ্ছিন্নভাবে আত্মাকে বলুন। কুত কহিলেন-হে সাথে। আমি চিত্তকেই সর্বময় বস্তু গ্রহণ করেন। যিনি ভ্যা করিয়াছ, সব্যাগ করি বলিয়াছি। এইচিত্ত সর্ববস্তুতে সম্বন্ধ। ইহা জড়ও নহে, অড়ও শূন্যস্বরূপ হইলেও হাতে ব্রিকালবর্তী এই সমস্ত জগৎ সুত্রে নহে। এই ভ্রান্ত-চিত্ত জীব, প্রাণ ইত্যাদি নামে অভিহিত হইয়া মুক্তাবলীর খায় এগিতভাবে বিদ্যমান থাকে। ৪৬-৫০। যিনি থাকে। হে রাজন! তুমি পনিও চিত্তই, তুমি আনিও তৈলহীন জীপের আয় সব ত্যাগ করিয়াছেন, তিনি তৈলযুক্ত প্রণী- চিৰই মনুষ, চিত্তই অগজাল, তুমি চিত্তকেই সমূদয় বলিয়া গেয় স্থায় সমুদয় প্রকাশিত বলেন। বিলি সব পরিত্যঙ্গ জানিও। হে মাতে! বক্ষবী যেমন বৃক্ষের কারণ, তৎ মনই কম্বিয়া তৈলহীন লীগের রায় বিলীন হইয়া থাকেন, তিনি তৈ- রাজ্য, দেহ, আশ্রম প্রভৃতি সকলেরই বীজ বলিয়া জানিবে। বুক্ত জীপের প্রকাশন হল। দীপের আয় প্রকাশমান হন। সমুদয় ব্যত্যাগ করিয়া সকলের মীভূত এই চিত্তকে পরিত্যাগ করিতে পারিলে তুমি যেরূপে একক হইয়া রহিয়াছ, সেইরূপ তুমি সৎকথিত সমস্তই ত্যাগ করা হয়। হে রাজন! বখন চিত্ত ত্যাগেই স- সর্বত্যাগ করিতে পারিলে বিজ্ঞানস্বরূপে অবশিষ্ট থাকিবে। হে ভ্যাগ সবে এবং তাহার অত্যাগে তাহা সম্ভবে না, তখন চিত্ত ! যেমন সন্ত বন্ধু বন্ধ হইয়া গেলেও তুমি যাহা তাহাই ত্যাগই সত্যাগের উপায়, ইহা নিশ্চিত। ৩১-৩৫। সমস্ত ধর্ম আছ, একার হইয়া যাও নাই, সেইরূপ মামতিতে সর্বত্যাগী অধৰ্ম্ম, রাজ্য বা কানন, এসকল দুখ ভােগ কেবল চিত্তবানেরই হইলে তুমিই পরম পুরণ নির্বাণপদ হইবে, সে পুরুষার্থ তােমা কাটিয়া থাকে, যাহার চিত্ত নাই, সে পরম সুখী। (ক্ষুদ্রতম) হইতে পৃথক হইবে না। সর্বত্যাগই শুরু আঁকা, নিখিল নেয় বীজ যেমন (বিশাল ) কাব থারণ করে, সেইরূপ ( অতি) আশ্রয় হইয়া বিরাজ করেন। আকাশ যেমন সূৰ্য্য চলির এই চিন্তই জগপে দেহার্দিকাপে বিবর্তিত হইতেছে। বুক বক আস্পণ, দ্রুপ সেই আত্মাই অনন্ত ও মহানু জানারি যেমন বাতাসে চালিত হয়: পৰ্বত যেমন ভূকশে চালিত হয়, আম্প। ৫০-৫৫। দত্যাগরূপ পান করিতে পারিলে ভাষন্ত্র যেমন কর্মকার দ্বারা চালিত হয়, সেইরূপ এই দেহ (নির্লেপ) আকাশে যেমন কোন বস্তুর প্রতিভাত হয় না, সেই চিত্তের দ্বারাই চালিত হইতেছে। তুমি নিবে, এই চিত্তে সেই সর্বত্যাগীকে কোন প্রকার জামৃত্যু ভয় আসিয়া বাধা দিতে সকল বিষয়ের ভােগ, জয়, জরা, মৃত্যুপ দেহধৰ্ম্ম এবং শম, পারে না। সর্বত্যাগই নিল মত্বের কারণ, তুমি যদি এরূপ দম প্রভৃতি মহামুনি ধৰ্ম্মের সুদৃঢ় পেটিকা (ইহাতে নাই সর্বত্যাগ করিতে পার, তাহা হইলে অনন্ত অকির জ্ঞানস্বরূপে এমন পদার্থ নাই)। এই সময় চিত্তই অগক্রপে দেহাদি ব্রিজ করিবে। সর্বত্যাগই পরম আনন্দ, তদ্ভিন্ন আর সব আকাররূপে বিবর্তিত হইতেছে। হে মুনিৰ্ম্মী রাজন। এই দারুণ দুখ;তুমি এই প্রকার সর্বত্যাগ দৃঢ়রূপে স্বীকার চিত্ত বিভিন্ন কাৰ্য-অনুসারে মন, বুদ্ধি, মহৎ, অহঙ্কার, প্রাণ, করিয়া যা ইচ্ছা তাই কর। যে এইরূপ সর্বত্যাগ করিতে পারে এব ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিত হইয়াকে। ৩৬-৪১। তাহার নিকট সৰ আসিলা উপস্থিত হয়। জল অখিতেও যেমন হে মপিতে। সময় এই চিত্ত সকল প্রকার অধিব্যাধির প্রবেশ করে, সাগরেও তেমনি প্রবেশ করে। আত্মপ্রসাদকারী সীমায় উঠিতে পারে, এই চিত্তকে পরিত্যাগ করিতে পারি যে জ্ঞান, অহা সর্মত্যাগের মধ্যেই অবস্থিত। সর্বত্যাগ সৰ্মত্যাগ করা হয়। হে ত্যাগবেদীর শ্রেষ্ঠ। চিত্তত্যাগকেই বুণ স্বরূপ হইলেও তাতেই অন বিদ্যমান রহিয়াছে, তাহার সর্বত্যাগ বলিয়া নির্দেশ করেন। হে মহাবাহ। সেই চিত্ত দৃষ্টান্ত) ভণ্ডের মধ্যবর্তী যোগ, তাহাই রত্নাদি থাকে। ত্যাগ সাধিত হইলে বাহা সত্য, তাহা অনুভূত হইবে। চিত্তকে (জাং শূভাগে থাকায় বাধা কি? ৫৬০। সর্বত্যাগের পরিত্যাগ করিতে পারিলে এই অৈত-পঞ্চ লয়প্রাপ্ত হয়, তাহা প্রলবেই শাক-মুনি নাের কলিকালেও সুমেরুপৰ্বতের আয় হইলে ঐক্য মাত্র পরিশােধিত হয়, সে ঐক্য পরমশান্তিময়, অচল হইয়া কিভাবে অবস্থান করিয়াছেন। হে মহারাজ। অতি নিখুঁল অনাময়। চিত্তই এই সংসারশস্যের ক্ষেত্র; এই সৰ্ব্বতাগনখিল সকদের মাথায় , যে যৎকিঞ্চিৎ গ্রহণ করে না, কােত্রের ক্ষেত্র নষ্ট হইলে শস্যের উৎপত্তি আর কিরূপে হইবে। তাহাকেই সৰ দিতে হয়, (অর্থাৎ পরিচ্ছিন্নভাবে আত্মাকে জল যেমন তরঙ্গভাবে বিবর্তিত হয়, সেইরুপ যে গ্রহণ ঝরে না,সে পরিচ্ছন্ন রূপে তাঁহাকে প্রাপ্ত হয়)। বিচিত্র চেষ্টান্ন চিন্তই ভাব ও অভাপে বিলসি(বিচি) জব হে দুলতে। দি সব পরিত্যাগ করিয়া শান্ত সুস্থ আকা- পার্থরুপে বিবর্তিত হইতেছে। হে ভূপতে। যেমন সাম্রাজ্য লাভ কে চায় হইতে পারিলে, যেরূপ ইচ্ছ, সেইরূপই হইতে হইলে আর কিছুই লাভ করি বাকী থাকে না, সমস্তই লাভ পারিবে। যেসভাৰ ভূমিপাল। তুমি এই কাজ বিষয় আগে করা হয়, সেইরূপ চিতের উদ্দেরূপ সর্বত্যাগ করিতে পারিলে মনে মনে চিয় করিয়া তাহার পরে ভাগ কর, ক্রমে কেও সমস্তই প্রাপ্ত হওয়া যায়। হে সর্বত্যাগী রাজ। তােমার নিকট ‘আমি ভাগ করিলা ইত্যাকার অভিমানবিশিষ্ট অহঙ্কার পরি- এ ব্যক্তি যেমন সত্যাগের বিষয়-অর্থৎ সর্বত্যাগের মধ্যে ত্যাগ কৰি জন্মুক্ত হও ।। এ ব্যক্তিকে যেমন রাগ করিচ্ছে, তদ্রুপ অন্য ি ডিম খাও।৩। তােমাকে সর্বভাগের বিষয় করিতেছে, অর্থাৎ তােমাকে ভাগ করিতে, অহা হইলে তুমি তাজ (অপলের ত্যাজ্য) আত্মাকে ঐশ কৰিচ্ছে, মুভ তেমন্তু সর্বভাগ সিদ্ধ হইল কৈ? অর্থাৎ পৰিলি আর এতে আমার এ সর্বগি সিদ্ধ হইবে ১৫।
হােগণিষ্ঠ-রামায়ণ। ;; । আপনার এই আগাম চিতের ক্ষেত্র , অর্থাৎ মায়া হইতেই ইহার উৎপত্তি। চতুনবতিতম সর্গ এখম উৎপন এই মাত্র হইতে ‘আমি’ ইত্যকা নিশ্চয়তা বশিষ্ট কহিলেন, কুন্তু যখন এই কথা বলিতেছিলেন, সেই যে অনুভব, তাহাই ইহার অন্থর। নিশ্চাত্মক আকার ঐ সময়ে উদারায় রাজ শিখিধ্বজ মনে মনে বারংবার চিত্যাগের অভূতৰ বুন্ধি নামে অভিহিত হইয়া থাকে। বুজি নামক ঐ আঙুলের বিষয় বিচার করিতে করিতে তাহাকে কহিলেন। মহাশয়! আমি সঙ্কল্পরূপ বে খুলভাব ধারণ, তাহা চিত্ত বা মনােনামে অভিহিত হৃদয়াকাণের বিহঙ্গম, হৃদয়কপ ক্ষের মর্কট মনকে ভাগ করিতে হয়। তাহার পরে পরমার্থ নির্বিকার বিধায় স্বরূপ পুনঃপুন চেঞ্জ করিতেছি, কৈ ত্যাগ করিলেও ত যাইতেছে না, মিথ্যাচিভম্মের অনুসন্ধানকারী ঐ সাক্ষীভূত চিত্তবৃক্ষ (চিদাভাস) আষায় আসিতেছে? ধীবরের মৎস্য-ধারণের স্থায় আমি এই জীবামে অভিহিত হয়, অস্থিক্ষায়ুবলে রঞ্জিত এই শরীর ঐ কে ধরিতে ( স্বীকার করিতে ) লনি; কিন্তু হে উত্তমকে চিত্তরফের কাণ্ড; মূল প্রদেশ হইতে গ্রভাগ পৰ্যন্ত মূর্ত দ্রব্যের ন্যায় পরিত্যাগ করিতে আনিনা। অতএব হে অকুরের উৎপত্তিকালে সমুদয়ের যে খ, তাহাই ইহার ভগব। আগে আমার নিকট চিতের স্বরূপ কীর্তন করুন, হে বাসনা। ইন্দ্রিয়সকল এই চিরকের দূর প্রসারিত দীর্থ শাখা। এভাে। তাহার পরে ইহার ভাগ করিবার উপায় বলিকেন। ভাৰ ও অভাব হইতে উৎপন্ন, শুভ অশুভ ফলে পূর্ণ ভােগজল কুন্ত কহিলেন-হে মহারাজ। বাসনাই নিজের মনের স্বরূপ এই বলের অবান্তর শাখাসমূহ ; মেধ্যবর্তী ছোট ছোট ডাল)। নিবে, চুিশক বাসনারই নামার বলিয়া অভিহিত হইয়াছে। হে রাজ। তুমি প্রতিক্ষণে ঈশ চিত্তরূপ অব বৃক্ষের এই চিন্তের পরিত্যাগ অতিসহজ স্পন্দনমত্রে সম্পাদিত হইতে, শাখাচ্ছেন করত ইহার মূলদেশের উৎপাটনে যত্নবান হও। পারে , এই চিত্রপরিত্যাগ রাজগ্রাপ্তি অপেক্ষাও অধিক আনন্দ ১৬-২১। শিবিধ্ব কহিলেন, হে মুনে। আমি কিরূপ প্রস, কুষম অপেক্ষাও মনােম। (তবে এই চিত্তত্যাগ যে সকলেই | উপায়ে এই চিত্তবৃক্ষের শাখাদি ছলনপূর্বক নিঃশেষরূপে মূলােৎ- করিতে পারে, অহা নহে)। তবে মুখের নিকট ইহা (চিত তবে মুখের নিকট ইহা (চিত্ত পাটন করিব, তাহা বলুন। কুম্ভ কহিলেন—এই চিভক্ষের পরিত্যাগ) অতি নীচলােকের সাম্রাজ্য প্রাপ্তির ন্যায়, তৃণের বানারূপিণী ফলভরে নত পশমন যে শাখা আছে, বিচার- মরুভাৰ ধারণের ন্যায় যে দুসা, তমিয়ে আর সন্দেহ জানবলে আসক্তি ত্যাগপূর্বক তৎসমুদয়ের ভাবনা ত্যাগ করিতে নাই। ১-৫। শিখিধ্ব কহিলে-মহাশয়। পারিলেই তাহা ছেদিত হইয়া যায়। যিনি আসক্তচিত্তে মৌন- কথায় এক্ষণে বুঝিলাম, কিন্তু বাসনাখরূপ, তাহা অতি চঞ্চল ভাবে শান্তবাদের একমাত্র শান্ত আত্মাই পরিশােধিত, আর স্বরূপ। আমার বােধ হইতেছে, এই চিত্তের আগঞ্জ অকে কিছুই বাস্তব নহে, ইত্যাকার) বিচার করতে থাকেন এবং গলাধঃকরণ করা অপেক্ষাও কঠিন। মুনিবর। এই চিন্তই অনিচ্ছাপক যথাপ্রাপ্ত কার্য্যের সম্পালন করেন, যিনি আপন শরীররূপ যন্ত্রের পরিচালক, হৃদকমলের ভ্রমর, মােহসমীরণের পৌরুষবলে চিত্তবৃক্ষের শাখাসমূহ কর্তন করত অবস্থান করিতে সঞ্চরণস্থান আকাশ, জগৎরূপ কমলের মূলীভূত মুণল এবং থাকেন (শখাচ্ছেন করিতে করিতে তৎকর্মে নিপুণ হন), সুবাহদ অনলস্বরূপ, চিকুনুমেই সৌর এই সংসার। | তিনিই ইার পোটনে সমর্থ হইবেন। ২২-২৫। চিত্ত অতএব যাহাতে অনায়াসে এববিধ সর্বানমূল চিত্তকে পরিত্যাগ | বুকের মূলােৎপাটনই প্রধান কাৰ্য, শাখাকন আনুষঙ্গিকমাত্র । করিতে পারি তাহার উপায় বলিয়া দিল। ১। কুত ' (ফলত মূলােৎপাটন করিলেই পাচ্ছেন হইয়া যায়)। অতএব কহিলেন-হে সাথে। এই ভিতের সমূলে উদেই সংসার- তুমি চিরক্ষের মূলােৎপাটনে যত্নবান হও। হে মখতে। দীঘদশি এইরূপ সংসারফকেই চিৰভ্যাণ বলিয়া নির্দেশ প্রধান ক বলিয়া তুমি চিত্তরূপ কন্টকৰনের অগ্রে মূলদেশই দক্ষ কৰিছেন। শিখিবে কহিলেন, মহাশয়। আরও বােধ কর, এইরূপ করিলে তুমি চিশত হইবে। শিখিধ্বজ জিজ্ঞাসা হইতেছে, চিত্রত্যাগ উপেক্ষা ছিলাশই কাৰ্যসিদ্ধির সম্যক্ করিলেন, হে মুনে। এই অবজী চিত্তবৃক্ষের বীজ কি রকম উপায়। ব্যাধির প্রতি হার মমত্যাগ করিলেও ব্যাধি বি' অমিতে অন্ধ হইতে পারে, তাহা আমার নিকট বলুন। মানে তাহার অভাব কিরূপে অনুভূত হইবে? ব্যাধির অভাব কহিলেন,হে রাজন! “আমি কে? কিরুপে এইরূপ আকার অনুভব করিতে গেলে, ব্যাধির একেবারে উচ্ছেসাধন করিতে বারণ করিলাম এইরূপ অবিচাররূপ অগ্নিই চিক্ষের বী হইবে (চিত্তও একপ্রকার ব্যাধি)। কুন্ত কহিলেন, এই লক্ষ করিতে পারে। শিখি কহিলেন, হে মুনে। আমি চিহ্নের বীজ অহাৰ (অৰি এৰাং আত্মার অজ্ঞ)। আপন বৃদ্ধিতে অনেক বিচার করিয়া দেখিয়াছি, হে আমি এই চিত্তরক্ষঐ বীজ হইতে উৎপন্ন হইয়াই শাখাৰ ফলশী নহি, পৃথিবী হি, বনভাগমণ্ডি অদ্রিতট নহি, বন নহি, হইয়া পড়িয়াছে। তুমি এই চিৎক, সমূলে উৎপাড়ি শাদিও মহি, মাংসরকাস্থিময় দেহাদিও নহি, কারণ এ সকল কর, আকাশবং শুইয়ে হও। শিখিখন জিজ্ঞাসা করিলেন, জড়পদার্থ, কর্মেন্দ্রিয়ও নহি, জ্ঞানেন্দ্রিয়ও নহি, মনও মহি, -হে মুনে। চিত্তে মূল কি? আর কি? ইহা কোথা বুজিও নহি, অহঙ্কারও নহি, কারণ, এ সমুদয়ও জড়পদার্থ, আমি ইতে উৎপন্ন হইল? ইহার শাখা কি কাণ্ড কি? আর ত জড় নহি, পরে বুঝিয়ছি যে, সুবর্ণে কটকভাৰ যেরূপ চিন্ময় কিপেই বা এ চিত্ত উমূলিত হয়, (আহা আমার নিকট আত্মাতেই ই ‘আমি’ ‘তুমি ভাবও সেইরূপ। সেই চিকা না করিয়া বলুন)। কু কহিলেন-এই চিত্র ‘অহংকাৰ আত্মা এই বাঙালি জড়সমূহের আধার , তিনি এই শিখি অর্থাৎ আত্মঘরূপের অজ্ঞান হইতেই উৎপ, সুতরাং এই চিত্ত শভূতি বিষয়ের আলি (কারণ)। আকাশে যেমন বিশাল- নিরূপ। হে মহামতে। ইহাই (নই) চিতকারে কৃক্ষের অবস্থিতি একাত্তর সেই, হাতে এই সমুল বীজ জমিও। ১১-১৫। পরম সেমারূপ ক্ষেতাই অৰ ভিতৰে স্থিতি করিতে পারে না। ২৬-৩৬। যে নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ ভগব। এইরূপে আমিত্বমলের শালন কৰিত হয় নিয়ও, যাহাতে চিত্তবীজ নিবৃত্ত হইতেছে, অপরদিকে আমি দেরি আমি, অন্তরে যিনি এসে প্রত্যক্ষ সাক্ষী চৈত, তাঁহাকে বসতার অসত্তাও বুঝিতে পারিতেছি না, যাহাতে তাবুঝিতে জানিতে পারিতেছি না বলিয়া, হে মুনে। আমি চিরকাল দুঃখ পারি, তাহার উপদেশ করুন ৪৭-৫০। কুন্ত কহিলেন,যদি সন্তপ্ত হইয়া রহিয়াছি। কুঃ কহিলেন,-হে মহীপতে। হে দেহাদি বই থাকে, তাহা হইলে অঙ্কর সত্তা হতে পারে বটে, নির্মল। তুমি যদি কথিত দেহাদি পৰ্থ না হও, কেননা তাহা কিন্তু তাহা ত নাই অর্থাৎ দেণিবস্তু বা তসত্তা ত নাই, জড়, তাহা হইলে হে মহাপতে। বল দেখি তুমি কে?” শিখি- সুতরাং তাহা আবার বুঝিবে কি? শিখিধ্বজ কহিলেন-যাহার ধ্বজ কহিলেন, হে বিঘর। আমি সেই নিৰ্মল চিন্ময় আত্মজ্ঞান, স্বরূপ স্পষ্টই উপলব্ধি হইতেছে, কনােত্মক সেই বস্তু অসৎ যাহার সন্তাতেই এই বা জড়বস্তুসমুহ অবগােচর হইতেছে কিরূপে হইবে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ দৃশ্যমান এই দেহাদির অপৰূপ এবং ইষ্ট অনিষ্টরূপে বিভক্ত হইতে। আমি এবংবিধ হইলেও করিতেছেন কিরূপে? অন্ধকার আবার কিরুপে প্রকাশ হইবে? বিনা কারণে বা কোন কারণবশতঃ আমাতে নিশ্চয়ই মল সংক্রমিত হে মূলন। হন্তপদাদিমা প্রত্যক্ষ কাৰ্যফলে-উল্লাসপ্রাপ্ত সর্বদা রহিয়াছে, এইজন্য আমি সেই পরমপদ জানিতে সমর্থ হইতেছি অনুষমান এই দেহ নাই আপনি বলিতেছেন কিরূপে? কুন্ত না। হে মুনে। এই অৎ, মন আমার আত্মায় নহে, তথাপি কহিলেন-হে ভুমিপাল। যে কার্যের কারণ নাই, এ জগতে ইহাকে কালিত করিতে পারিখেছি না বলিয়া দারুণ কেশভোগ এখন কাৰ্য্যই নাই, তবে যে সেরূপ কার্যের জ্ঞান, তাহা ভ্রান্তি করিতেছি। কুম্ভ কহিলেন,—মহাবাহো। তােমাতে দে মহামূল বই আর কিছুই নয়। এই শরীরকাৰ্যও কারণ না থাকিলে সংক্ৰমিত্ব রহিয়াছে এবং সৎই হউক, আর অসৎই হউক, যাহাতে কদাচ প্রত্যক্ষ হইত না, যাহার বীজ নাই, এমন দ্রব্য কোথায় তুমি সংসারী হইয়া রহিয়াছ, তােমার সে মল কি, তাহা আমাকে দেখিয়ছ? কারণ ব্যতিরেকেই যে কাৰ্য্য সদ্ধপে অনুভূয়মান হয়, বল। শিখিধ্বজ কহিলেন, চিত্তরক্ষের বীজ যে অহাব, তাহাই তাহা দ্রষ্টার ভ্রান্তিবশ,-যেমন মরীচিকাসলিল। ৫১-৫৬। আমার মল , সে মল কিরূপে ত্যাগ করিতে হয়, তাহা আমি ফলত তুমি ইহা অবিদ্যমান মিথ্যা ভ্রান্তিবশতই বিদ্যমান পূনঃপুনঃ তাহ! ত্যাগ করিতেছি, তথাপি তাহা জাম্মি রাখিও। যে বলপূর্বক তথ্যনির্ণয় করিতে চায় না, আবার আমার নিকট আসিতেছে। ৩৫-৪১। কুন্ত কহিলে, তাহার নিকটই মরীচিকাসলিল সত্য বলিয়া উপলব্ধি হয়। শিখি- কারণ হইতে যে কার্যের উৎপতি, তাহা সর্বত্রই সত্য হইয়া ধ্বস কহিলেন, যাহা একেবারে মিথ্যা, যেমন দ্বিতীয় চন্দ্রবিশ্ববি, থাকে। যাহা কারণ হইতে জ্ঞপন্ন নম্ব, অহা সত্য নহে, যেরূপ তাহার আর কে কারণ অনুসন্ধান করতে যায় ? কোন্ ব্যক্তি দ্বি –ফলতঃ দ্বিচক্ষের সস্তা কুত্রাপি নাই। অহম্ভাবরূপ কারণ বা বন্ধ্যাপুত্রের সন্ধানে অলঙ্কার-সৌন্দর্য্য দেখিতে যায় ? কুঞ্জ হইতে এই মনঃপ্রতিরূপ যে কাৰ্য, যাহা সংসারের অস্বরূপ, কহিলেন-হে রাজন। এই নিরাদি অস্থিপঞ্জয়,-ইহা কারণ —এইরূপে ইহার (উত্তরোত্তর) কারণ অনুসন্ধান করিয়া বল, | ব্যতিরেকেই কাৰ্য, তুমি একাৰ্য্যকে অস্তববশত অবিদ্য- অর্থং অহাব হইতে যেমন মনঃপ্রভৃতির উৎপত্তি, সেইরূপ মান বলিয়া আনি। শিখিব কহিলেন, - হে মুনীর। অহাবের উৎপত্তি কোথা হইতে, তাই একাংশ বল। শিখি যে হস্তপদাদিমান শরীর সর্বদাই প্রত্যকাশের হইতেছে, পিতা কহিলেন, মুনে।* “আমি” ইত্যাকার জ্ঞানই এই অংবের ইহার কারণ হইতে পারেন না কেন ? ৫৭–৬০ কু কহিলেন, কারণ বলিয়া আমার বােধ হইতেছে, অএব হে মুনিবর! -হে রাজ। পিতাই যে আছেন, তার (প্রমাণ) কি? যখন যাহাতে আমার এবংবিধ (দুঃ) জ্ঞান নিবৃত্ত হয়, তাহার উপায় কারণ নই, ৬ন পিতাও নাই,, যাহা অসংপাৰ্থ হইতে ফলুন। আত্মচৈত চেতভাবে ভাবিত হওয়াতেই আমি এই উৎপন্ন, তাহাকে অই বলা হয়। কাৰ্যপদার্থসমূদয়ের কারণকে দেহাদিরূপে অবস্থিত হইয়া, কেবল দুঃখেরই কারণ হইতেছি। বীজ বলা হয়, হে রাজ। এই জগতে ৰজ ব্যতীত অনুর অতএব হে মূলে। আমার এবংবিং (দুই) জ্ঞান নিরাকরণার্থ কদাপি সম্ভাবিত নহে। এই জগতে যে কার্যের কারণ-বী আপনি চেত্যকাৰ নিরাকরণের উপায় বসুন। কুত কহিলেন- খুঁজিয়া পাওয়া যায় না, বীজের অভাবনিবন্ধন সে কাৰ্য্য নাইই যদি তুমি চিতির চেষ্টভাষ প্রাখিবিষয়ে চেত্যকেই কারণ বলিয়া বলিতে হইবে, অব যে তাদৃশ অহেতুক কার্যের জ্ঞান হইচ্ছে স্বীকার কর—অর্থাৎ এইরূপ কারণ যদি নিয়া থাক, তাহা হইলে তাহা ভান্তি। কারণহীন কাৰ্য্য যখন বাস্তবিকই নাই, তখন খোর অভিশায় প্রকাশ করিয়া বল, তাহার পরে তােমার কথা তাহার জ্ঞান ভান্তিব্যতীত আর কি বলা যাইবে ? তাদৃশ কার্যের শুনিয়া তোমার কথিত ঐ কারণ যাহাতে প্রকৃত কারণ না হয়, অনুভব দ্বিতীয় চন্দ্রের স্যায়, মরুভূমিতে সলিলের স্থায় এবং বয়- তাহা বুঝাইয়া দিব। ৪২-৪৬। যাহা কারণ না হইয়াও তােমার নারীর সন্তানের রায় জানিবে। নারীর সন্তানের আয় জানিবে। শিখি কহিলে-পুত্র, এই জেসজ্ঞানরূপ চেত্যচৈতন্যের কারণ হইয়া গড়াইয়াছে, পিতা, পিতামহ ইয়দের মধ্যে সর্বপ্রথম পিতামহ অাৎ হিরণ্য- তাহা আমার নিকট বল। শিখি কহিলেন—মুনে। এই গর্ভ , তিনি এই জগন্দ্রয়ের প্রথমােৎপত্তির প্রতি কার না হন দেহাদি (বাহ) আধ্যাত্মিক পদার্থের সত্তাই এই অেয়নপ কেন? ৬১৫। কুঃ কহিলেন-হে ভূপতে। যিনি সব চেত্যচৈতন্যের কারণ বলিয়া আমার প্রতীয়মান হইতেছে। যেমন প্রথম পিতামহ, তিনিও ত নাই; কারণ না থাকিলে যখন কোন বায়ু বিদ্যমানেই স্পন্দ হয় বলিয়া বায়ু স্পন্দের কারণ, সেই বন্ধৱই সত্তা নাই, তখন পিতামহের অস্তিত্ব কিরূপে স্বীকার রূপ শরীরদি বস্তু আছে বলিয়াই—অর্থাৎ তাদের সহেতুই করি। কারণ, তাহার কারণ একেবারেই নাই। তবে এই অহাৰজ্ঞান দেহাদিরূপে উলিত হইতেছে। তবে ঐ যন্তসত্তা সৃষ্ট জগঞ্জে অষ্টাক্ষপে পিতামহ সকলের প্রত্যক্ষ হইতেছেন। আবার সময়ে অসত্যরুপে প্রতীয়মান হয় বটে, অর্থাৎ যখন তিনি সেই মানােপাধিক পাই, তাহা হইতে পৃথন্তু নহে। অমূর্তর জ্ঞান হয় তখন। আমার একদিকে অহাৰ জ্ঞান, সেই মি আত্মা হইতে পৃথকুপে যে তাহার প্রীতি, অহ ।
৫ হে দুলাল। চিদাত্মাই প্রধান দেব, এই আহ্মপৰ্যন্ত শিব, শান্ত এবং অল্প, সেই ব্রহ্ম বিরূপে কাহার নিকট কর্তা ও যােগবাণিষ্ঠ রামায়ণ মরীচিকাজলের ন্যায়, অন্তিবশতই বলিতে হইবেবং হার এই ক্ষের কর্তৃত্ব কারণত্ব কিছুই নাই, ইহার উপাদান যে কাৰ্যকারিতা, তাহাও ভ্রান্তিময়। পিতামহের অভ্যন্তরে এই ৰা নিমিত্ত কারণও কিছুই নাই ,ইনিষ্কিাৰণীয় হচ্ছে, ইনি জগতের স্থিতি এখং পিতামহ হইতে এই অগৎ উৎপন্ন, এইরূপ কিরুপে কৰ্ত্ত হইবেন? নুং এই জগৎ যখন কারণ মিধ্যা ধারণা, তোমায় বোধ হয় এখন গিয়াছে, অর্থাৎ আমার বলিয়া কাৰ্য হইতে পারিল না, ওখন এই অগংকে তুমি দ্বৈত- উপদেশে বােধ হয় ইহা বুঝিতে পারিয়াছ। সম্প্রতি তােমার রূপ পরিচ্ছেদ অনন্তরূপ দেশকাল-পরিচ্ছেদ-রহিত একমাত্র অবশিষ্ট যে ভযটুকু আছে, তাহা দূর করিয়া দিতেছি, শ্রবণ কর। সৎচিদেরসব্ৰহ্মৰূপেই সম্ভাবনা কর। যাহা অতর্কীয়, অজ্ঞেয়, । আগ পরম্পরা চিদাঅকপে সেই চিদাআতেই একামান। এই ভােজ হইতে পারেন? অতএব কিছুই ব্রহ্মের কুত নহে, এই পযােনি প্রভৃতি নামকল্পনাও তঁহারই এবং আঁখতেই হইতেছে, অগালিও কিছু বিদ্যমান নহে, তুমিও কর্তা নহ, ৰা ভােক্তা নই। এইরূপে বিচার করিয়া দেখিলে এ সমস্তই একমাত্র শান্তভাব তুমি সেই শান্ত শিব অজ ব্ৰহ্ম। কারণ নাইবলিয়া এই জগৎ ব্ৰহ্ম, দ্ভিন্ন অন্য কিছুই নহে। ৬-৭০। কাহারও কাৰ্য নহে, তবে যে কারণ না থাকিলেও ইহাকে কাৰ্য চতুনবতিতম সর্গ সমা। ১৪ বলি অফ, তাহা ভ্রান্তিমূলক। কাৰ্য নয় বলি জগতের অস্তিত্বও নাই, এইরূপ সৃষ্টিও নাই। যখন এ অগং কোন কারণ হইতে সভূত কাৰ্য্য নহে, তখন জগনামক পদার্থের অভাবই সিদ্ধ হইল। সুতরাং তাহাকে সিদ্ধাপে জ্ঞান করিতে কে যায় ? পঞ্চনবতিতম সর্গ। (ভবিং ত যানই না)। অতএব ঈদৃশ জ্ঞান যখন নাই, অর্থাৎ শিখিধ্বজ কহিলেন,—অব্ৰহ্মৰূপৰ্যন্ত এই জগং যদি ভক্তিই অসি বক্কর সিদ্ধিজ্ঞান (অংক, জ্ঞান ) যখন অস্তিত্ব, তখন হয়, তবে কার্যকারিতা ইহার কিরূপে আসিল এবং ইহা দুঃখের অভাবের আবার কারণ কি ? (তাহাও নাই)। এক্ষণে বােধ হেতুই বা কেন হইল। কুম্ভ কছিলেন-যেমন অত্যন্ত শৈত্য হয় তুমি বিশুদ্ধ হইয়াছ, মূক্ত হইয়াছ, তােমার নিকট এখন বন্ধ বশতঃ শিলাব প্রাপ্ত হইলে সলিলের কাঠিন্ত অনুভূত হয়, মুক্তির কথা কিছুই নহে। শিখিধ্বজ কহিলেন-ভগব। এক্ষণে সেইরূপ এই অগম সত্যরূপে ভাবিত হওয়াতেই সুদৃঢ় সত্য আমি ঠিক বুঝিয়াছি, আপনি উঞ্জ যুক্তিপূর্ণ উপদেশ দিয়াছেন। হইয়া কাৰ্য্যকারী এবং সুখের হেতু হইতেছে। বুধগণ জানেন ১৯-২০। হে মুনিবর! এক্ষণে,বুঝিলাম যে, ব্ৰহ্ম নিজে কারণ যে, এই ঘনীভূত অজ্ঞান (ভ্রান্তি। যখন শিখি—অর্থাৎ নির্বত বিহীন বলিয়া কারণ হইতে পারিলেন এবং কর্তা যখন কেহ নাই হইতে থাকে, তখন এ অগম্ভাবও কমে নষ্ট হইয়া যায়। এই তখন অগং নামক একটা পদার্থও বাস্তবিক নাই এবং ( কল্পিত। অজ্ঞান নিবৃত্ত না হইলে কখনই এই জগদ্যাবের নিরুত্তি হয় না। নামরূপ-দৃষ্টিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। অতএব সেই ব্ৰহ্ম, চিত্তাদিরও বাহলুদ্ধিবৃত্তিকে ক্ষীণ করিতে পারিলেই এই অজ্ঞান নষ্ট হইয়া বীজ নহেন, মহন্তাবাদিও কিছুই নহে, ইহাই ঠিক। আমি যায়। এইরূপে অঞ্জন নষ্ট করিয়া পরমপদের সাক্ষাৎকার লাভ এক্ষণে বিশুদ্ধ হইলাম, জ্ঞানবান হইলাম, শিবশান্তিময় হইলাম। করিতে পারিলে, এই বাদ্যদৃষ্টির উপশম হইয়া থাকে। লৌকিক এক্ষণে আপনার কথায় বুধিলাম, চিৎসা ব্যতীত চেতনামক ঘটতেও দেখা যায় যে, যে বস্তু পূর্বাপেক্ষা সূক্ষ্মভাব ধারণ কিছুই নাই, আমিই সেই চিং, অএব আমাকে নমস্কার। করিতেছে, তাহার পুৰ্বভাব জমে বিগত হইয়া একবারে লয় ভবৎকখিত যুক্তি-অনুসারে বিচার করিয়া দেখিলে বােণ হয় হইয়া থাকে। ১-৫। এই রীতিতে অজ্ঞানাশ করিতে পারিলে, প্রতীয়মান হয় যে “আমি” প্রভৃতি দৃশ্য সমূদয় অসং। কি হে নৃপ। তুমি সেই আদিপুরুষ (পূর্ণব্রহ্ম) স্বরুপে অবস্থান আশ্চৰ্য। অনেক দিনের পরে, এই দিক-দেণ, কালে অবচ্ছিন্ন করিতে পার, অতএব তুমি এই জগতের অস্তিত্ব মরীচিকা- বিভক্ত ক্রিয়াল এই অপদার্থ আমার নিকট বিলীন হইয়া সলিলের অস্তিত্বের মত জ্ঞান কর। এই কিভ্যাদি ভূতসমূহও গিয়াছে, অবিনশ্বর শান্ত একমাত্র ব্রহ্মই অবস্থিত রহিয়াছেন। পিতামহের অহেতু অসং মিথ্যা , যাহা অসি অভন্তা- আমি শান্ত হইলাম, নির্বাণখ হইলাম, পূর্ণভাবে অবস্থিত ভাবগ্রস্ত, তাহা দ্বারা যাহা সিত করিতে যাওয়া যায়, তাহা হইলাম এবং কোথাও যাইতেছি না, উদিত হইতেছি না, কখনই সিদ্ধ হয় না। মরীচিকাসলিলের খায় উদিত এইউপ- অস্তমিত হইতেছি না, একভাবেই অবস্থিত রহিয়াছি , আপনি নত্যমান কিতাদি পঞ্চভূত বিলর দ্বারা শুক্তিতে রজতবুরি বেরূপ দেকর হইয়া একতাবে অবস্থান করিতেছেন, এ কা, বিলীন হইয়া যায়। কারণে অন্তৰে কাৰ্য্য হয় না, এম পেই অবস্থান করুন। আমিও বিশুদ্ধ বানােচর পরম সত্ত্বেও যে কাধের অস্তিত্ব দেখা যায়, তাহা মিথ্যাজ্ঞানে, নতুবা পুরুষার্থ সুখময় আত্মঘরূপ হইয়া রহিয়াছি। ২১-২৫। অর স্বরূপ কিছুই পাওয়া যায় না। মিখ্যাদৃষ্টিতে যাহা দেখা পঞ্চম পর্গ মাও ১৫। যায়, তাহার কুত্রাপি অস্তিত্ব হইতে পারে না। মরীচিকা-সলিল দিকে ঘট পূর্ণ করিয়াছে, বল দেখি?-১০। निरिक्षक কইলেন-অনন্ত, অজ, শক্ত, শান্ত, অচ্যুত, শুরূপী ব্রহ্ম বেজিষ্টা পিতামহের কারণ না হন? কুরু কহিলেন- যবতি গর্গ। বাহাপুর্ববর্তী, তাহাই হেতু, যাহা পরবর্তী, তাহাই কারণ, কিন্তু বশিষ্ঠ কহিলেন-সেই শিবিৰ নৃপতি এইরূপে আয়- অঙ্কে পূর্ব পরত্ব কিছুই নাই, মুং তিনি কারও নন, বিশ্রান্তিলাভ করিয়া, শান্তচিত্তে নির্ধাদেশ দীপের ব্যয় অচল কার্য মহেন; তিনি (কুটন্তু অপরিণামী) এ সকলের অতীত। হইয়া রহিলেন। অহাৰ পরে অন্তু যখন দেখিলেন, রাজা নিবি- নিৰ্ব্বাণ-প্রকরণ-পূৰ্কভাগ। কল্পসমধিদশায় উপনীত হইয়া মনুকে ব্ৰহ্মানে পরিণত করিয়া বিদ্যমান থাকে, সেইরূপ দেশকাল দ্বারা পরিচ্ছেদ ব্ৰহ্মে এই ব্ৰহ্মকরলে অবগাহন করিতে ইচ্ছুক হইতেছেন, তখন তাহাকে কারণহীন জগৎ অন করিতেছে। ১৬-২১। এই জগজপ- বক্ষ্যমাণপ্রকারে অবােধ (তন) দিতে লাগিলেন। কুন্ত রাজ্যের মহারাজরূপ ব্ৰহ্মই সর্বশ্রেষ্ঠ , এই ব্রহ্মই কেবল জবি- কহিলেন,-হে রাজ। তুমি এক্ষণে অজ্ঞানড্রিা হইতে উখিত নাশী। ইনি দ্বৈততাৰবিবর্জিত, নিৰ্ম্মল এবং শান্ত, হইয়াছ, তুমি এক্ষণে প্রবুদ্ধ হইয়াছ, তুমি এক্ষণে না অময় নিকট তৃণবিন্দু। এই সত্যস্বরূপ ঈশ্বরের সত্তাতেই এবার অথবা অন্তময় হইয়া কুৰ্তব্য কৰ্ম্ম সম্পাদন করিতে থাক। হে জন্মৎ শ্রেষ্ঠ হইয়া উঠে, এই আত্মরূপী ঈশ্বরের সত্তাজ্ঞনেই এই রাজ' তুমি এক্ষণে জন্মুিক্ত হইয়াছ, তােমার কলিত পরিচ্ছিন- জগৎসভা অনুভূত হইতেছে। হে ভূপতে। এই যে বুিশাল ভাব গিয়াছে, তোমার কোন অনিষ্টের আশঙ্কা নাই, তুমি সহসা জগৎ, ইহার মধ্যে সেই চৈতরূপী আত্মাই একমাত্র সার এই বিকাশপ্রাপ্ত অপরিচ্ছিন্ন পূর্ণ আত্মরূপে অবস্থিতি করিতেছ। কমনীয় চিৎসার একক পদার্থ, ইছায় দ্বিতীয় আর কেহ নাই। বশিষ্ঠ কহিলেন,-কুন্তের নিকট এই উপদেশ প্রাপ্ত হইয়া, শিখি- ' অতএব কৈল্পনা নাই, তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা; এই নিৰ্ম্মল অক্ষয় ধ্বজ প্রকৃত জ্ঞানলাভ করিলেন , এতকাল তিনি মােহপেটিকায় শান্ত, পূর্ণ, আত্মতত্বই কেবল প্রতিভাত রহিয়াছে। ২২২৫। আবৃত ছিলেন, এক্ষণে তাহা হইতে নির্গত হইয়া সাতিশয় শােভ এই সময় আত্মতত্ত্বই সর্বদা সৰ্বভাবে উদিত ও বিদ্যমান ;ইনি ধারণ করিলেন। ১-৫। মুক্তাত্মা বিশ্রান্তবুদ্ধি ঐ শিখিধ্বজ অদৃশ্য বলিয়া, অলভ্য বলিয়া কাৰ্যও নহেন, কারণও নহেন , উনি দৃশ্য বস্তুসমূহের অসত্তা অনু করিয়া, পুনরায় কুকে জিজ্ঞাসা প্রত্যক্ষাদির অগ, অনিচনীয় অদ্ভুত পদার্থ, সর্বাত্মক সূক্ষ্ম করিলেন, হে আমার জ্ঞানদাত ও আনন্দদায়ী। এক্ষণে আমি অনুরূপী এই নির্মল আই সৰু। যাহার আখ্যাবিহীন স্বরূপ প্রায় পূর্ণজ্ঞান লাভ করিয়াছি, তথাপি সম্যক্রুপে জ্ঞানকে দৃঢ় ব্যবহারদশায় আখাবা হয়, পরমার্থদৃষ্টিতে যিনি আভাসবিবর্জিত রাখিবার আশয়ে আবার জিজ্ঞাসা করিতেছি, আপনি তাহার প্রভারূপী এবং পরমার্থদৃষ্টিতে সৎ হইলেও ব্যবহারদৃষ্টিতে বিনি উত্তর দিন। অবিদ্যাবরণে আচ্ছন্ন অভাবিবর্জিত শান্তশিব অসং হন, সেই আত্মতত্ত্ব কিরূপে জগতের কারণ হইলে? আত্মপদে এই দ্রষ্টা, দৃশ্য, দর্শন নামক বিশ্বের প্রতীতি হয় কেন? অর্থাৎ আপনার প্রতি আপনি কি কখন কারণ হইতে পারে , কুম্ভ কহিলেন,“হে মহারাজ। তুমি উত্তম প্রশ্ন করিয়াছ, যদিও জগৎ ত তিনিই)। এই চৈতন্য আখ্যা বলিয়াও কাহারও তুমি তত্ত্বজ্ঞান লাভ করিয়া পূর্ণ শােভাধারণ করিয়াছ, তথাপি বীজ বা কারণ নহে, এজন্য এই বিশাল অঙ্খা হইতে কোন তােমার এই বিষয় নিতে এখন বাকী রহিয়াছে, অতএব প্রমাণাদিরই উৎপত্তি হইতে পারে না। তিনি কর্তা, কর্ম, করণ এক্ষণে ইহা এবণ কর। স্থাবরজামাত্মক এই নে কিছু দৃষ্ট হই, এ সকলের কিছুই নহেন। তিনি সত্য, অক্ষত, চিদঘন , তাহার তেছে, এ সমস্তই প্রলয়কালে বিনষ্ট হইয়া যায়। ৮-১০। তখন সে অক্ষত আত্মস্বরূপ আভাস এবং আনুষরূপ। ১৮-৩০। এমন এক গভীর নিশ্চলভাব অবশিষ্ট থাকে যে, অহা না ভেজ, হে মুনিবং-আচাৰধরি। সেই পরমব্রহ্ম হইতে কোন বই উৎ- না অন্ধকার, কোন প্রকারেই তাহার নিরূপণ করা যায় না। পন্ন নহে, আমি যে, কারণমুক্তাদির দৃষ্টান্ত উল্লেখ করি- মহাকলের অবসানে যে, সেই বিশালভাব, হাই পারব। তাহা আছি, সে অঙ্গাদি যেমন জল হইতে পৃথকৃরূপে বন্ধ হয় না, নিৰ্ম্মল চিৰস্তু পরকাশ শান্ত দেদীপ্যমান, সে বহুতে কোন (অর্থাৎ অলওযে, তরঙ্গাদিও সে সেইরূপ দেশকালপরিচ্ছেদ- প্রকার কলঙ্গের লেশমাত্রও নাই, কেবল পরম জ্ঞানময়। সেই শক্ত পরব্রহ্ম হইতে এই কারণহীন জগৎ ভিন্ন নহে,একই। অভিনিৰ্মল বন্ধই একমাত্র উদিতান্ত বিশাল উজ্জ্বল, তাহাই শিখিধ্বজ কহিলেন,—সমস্তই বুবিলাম, কিন্তু জলাপিতে যেমন পরমাত্মক খেজ, তাহাই নিশ্চল জ্ঞপ্তিরূপী। বৈষম্যদোষ- কারণসহ তরঙ্গাদি রহিয়াছে, সেইরূপ পরন্ধে কারণহীন গং বিবর্জিত সেই আনন্দিত শিববস্ত কাহারও তর্ক বা জ্ঞানের অহস্তাবাদি বিদ্যমান”,এই বিষৰ দৃষ্টান্তের মর্ম বুঝিতে পারিলাম গােচর নহেন, তঁাহাকেই পূর্ণজ্ঞানে পূর্ণভাবাপম নিশ্চল ব্ৰহ্ম না। কুন্ত কহিলেন, মীপতে। এক্ষণে বােধ হয় ঠিক বলা হয়। তিনি সূক্ষ্মতর হইতে সূক্ষ্মত, অথচ স্কুল হইভেও বুঝিতে পারিয়াছ যে, “এই জগৎ বা আমিত্ব” এ সকল কি মূলত, গুরুতর হইতে গুরুতর শ্রেষ্ঠ হইতেও শ্রেষ্ঠ। ১১-১৫। নহে, সম্পূর্ণ মিথ্যা। অং শব্দ যে অর্থে ব্যবহৃত হয়, সে অর্থ- আর তিনি এত সূক্ষ্ম যে, তাহার নিকট এই আকাশ, পরমাণুর শূন্য শিবম এক জগৎ আছে, সে জগৎ সূক্ষ্মতর আকাশ দ্বারা নিকটে সুণের ন্যায়, অতি গুল বলিয়া বােধ হয়। আবার আকনই নিশ্চিত। আকাশের যেমন শতা, তেমনি ঈশ্বরে তিনি এত ফুল যে, তাঁহার নিকটে এই জগৎ পরমাণুর ন্যায় এগং। ৩১-৩৫। “এই জগৎ আপনার যথার্থরূপের সমান অভিন্নরূপে কোথাও প্রতীত হইতেছে, বা ফোখাও একে (চিপ) অন্য কোন রূপের সমান নহে”, এইরূপে এই জগৎকে রেই প্রতীত হইতেছেনা। ঈশ মাশবলিত পরমাত্মক সম্যকারে জানিতে পারিলে ইহা শিবময় হয়। সকালে অধিষ্ঠানে যে, এই বিশ্বের ক্ষুইহাসেই বিষ্ণুর নাভিকমলাত আনিলে হলবিশেষে বিষও অমৃতের কাৰ্য করে। সমজ্ঞানের ব্ৰহ্মার অমাবরূপ জ্ঞানের অধ্যাসই জালিবে, ফলতঃ বিটু অভাবেই এই জগৎ দুঃখপ্রদ এবং অমঙ্গলময় হয়। বিষবৃদ্ধিতে আত্মই এই জগদ্ধপে অস্থিতি করিতেছেন। বায়ু ও বায়ু অমৃত গাইলেও তা বিষের ন্যায় কার্য করে, সেইরূপ এই চিদী- যেমন এক, শুন্য আকাশত্বের যেমন কোন পার্থক্য নাই, ভগ খ, যেরূপ দশায় অবস্থান করিয়া, যেরূপ জ্ঞান করিবে, কালতি চিত্র ও হস্তবেরও পার্থক্য নাই। কারণ ভয়ঙ্গ যেন বেশ প ধাৰণ করিবেন; (অশিবজ্ঞানে অবিভাব এবং বিজ্ঞান কাল পরিচ্ছিন্ন সলিলমধ্যে অবতি, নেইল কারণহীন অগৎ শিবভাব প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। বহ্নিশিখা যেমন তিমিয়াদি নেত্র- দেশকালাদিরূপে অপরিচ্ছন্ন পত্ৰন্ধে অবত রহিয়াছে। যেমন রােগগ্রস্ত ব্যক্তিদিগের নিকট বিচিত্র আকারে প্রতীয়মান, এক কাৱণবিশিষ্ট দেশকালের যাৱা পৰিচ্ছিন্ন মূবর্ণের মধ্যে কটক ভিলও স্বরূপের অর্থাভাব প্রাপ্ত হয় না, কেবল অমবশতই ।
) যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ অহাদিগের নিকট রিপে এতীত হয়, সেইরূপ এ ব্ৰহ্মসত্তা তিনি কাহারও বীজ নহেন, বা কারণ নহেন তিনি বিশুদ্ধ জ্ঞান- ভলিগের নিকট পৃথক অগং-আদিভবে ভাবিড় হইলেও, প্রকৃত স্বরূপ, তডি (বিশুদ্ধ জ্ঞানব্যতীত) তঁাহাতে আর কিছুই নাই, তাহা নহেন, প্রকৃত সত্তা যাহা তাহাই আছে। চিৎখরূপে এই যে জগৎ বা শহুৱাবালি, এ সমস্তই সেই অনন্ত ব্রহ্ম। অবস্থিত যে পরব্রহ্ম, তিনি আপনার স্বরূপ ভুলিয়া গিয়া, দেহ, শিবিধ্বজ কহিলে, মুনে। দেহী, জগ ইত্যাদি প্রকারে লক্ষিত হন। ৩৬–৪০। ফলতঃ শান্তিময় ব্রহ্মে এই জগৎ, অহতাবালি কিছুই নাই, ইহা যদি এক্ষনে বুঝিলাম বটে যে, শিব তিনি একই প্রকার শিব শান্ত কেবলরূপে বিদ্যমান আছেন, যথার্থই হয়, তাহা হইলে তাহার সৃষ্টিবিষয়ের অনুৰ থাকিতে অতএব তাঁহাতে জগৎ অইতাৰ আদি বিষয় লইয়া প্রশ্ন করাই পারে, তাহা আমার নিকট সত্বর কীত্তন করুন। কুন্তু উচিত হয় না। যহা বিদ্যমান আছে, তদ্বিষয়ে প্রশ্নই শোভা কহিলেন,-অনন্ত বিশাল সেই অধিষ্ঠান চিই অখ্য, জগতের পাইয়া থাকে, দৃষ্টিমাত্রেই যাহার অস্তিত্ব অনুভূত হয় না, সংবিৰূপে প্ৰখি হইতেছেন, সেই অতিনির্মল চি ই এই তাদৃশ বিষয় লইয়া প্রশ্ন করিয়া ফল কি? সুষৰ যেমন আকৃতি অগপ বিশাল আকার ধারণ করিয়াছেন, তিনি বিজ্ঞানময় জিন্ন সত্তা নাই, (অর্থাৎ সুবর্ণয়ে সস্তা প্রত্যগোচর হয় না, নহেন, বা কোন পদার্থ নহেন, শূন্যতাও নহেন। তিনি সুবর্ণপদার্থের সত্তাই প্রত্যক্ষ গােচর হয় ), সেইরূপ ঈশ্বরে কেবল জ্ঞানরূপী চৈতন্যই কেবল। সলিলের ড্রজৰ যেমন জগৎ অহাৰ আদি ব্যতীত আর কিছুই জিজ্ঞাসা করিবার নাই, অর্থাৎ ইহাতে জগৎ আদি বিষয়ই জিজ্ঞ, তদ্ভিন্ন আর জিঙ্গাইঅকারণ, তদ্রুপ সেই চিঙি অচিংভাবও কারণ সেই অনন্ত ঈশ্বররূপ। চিং আপনাতে সমভাবেই অবস্থান করিতে- কিছুই নাই। ফলতঃ কারণ নাই বলিয়াই জগৎ নাই, কেবল একমাত্র ব্রহ্মই এইভাবে বিবর্তিত হন, ব্রহ্মের প্রকৃত স্বরূপের | উষ্ঠার বিরােধী অস্বচ্ছভাবের বা অপত্তা প্রতিযােগীও কেহ ছেন, কেন না, উহার সত্তা বা পচ্ছবের ব্যবচ্ছেদক এবং অফুরণই এই জগংকপে প্রকটিত হইয়া থাকে। এই নিখিল ভাবপদার্থ মায়াময় ঈশ্বরেরই অবস্থান্তর , সেই মায়াময় ঈশ্বরের নাই। সুতরাং উহাতে অস্বচ্ছতাব একেবারে না থাকায় স্বচ্ছ দ্বারা চালিত হইয়াই, এই ভাব সমুদয় স্ত্রী-পুরুষানুমানের ন্যায় বই নিয়মিত রহিয়াছে, উহার স্বচ্ছ চিংস্বরূপকে অস্বচ্ছ অদ্ভুত পঞ্চভূতের সৃষ্টি দ্বারা এই বিচিত্র ভাবের উৎপাদন জগম্ভাবের কালিয়া কল্পনার মোগ্য হইলে তিনি কৃট অঞ্চয়” করিতেছে। ৪১-৪৫। ফলত মাগিক চিৎপদার্থ দ্বারা আবৃত ইত্যাদি শ্রুতি এবং ভবিদের অসুখবিরুদ্ধ বলিয়া সেকপ কল্পনা চিত্ৰই কেবল বিবিধপ্রকারে তত্তংকাৰ্যরূপে পরিচ্ছিন হইতেছে। কর হয় না। তিনিই সেই একমাত্র শান্তচিং, ইহাই জাতি- ঐ চিরই নরূপ অাপনার দ্বারা ব্যাপ্ত থাকিলে,—অর্থাৎ সত। ফলতঃ শাহাকে কোরূপে ইঙ্গিত করা যায় না কিরূপ কেবল অপরিচ্ছিন্ন জ্ঞানস্বরুপে ভাসমান থাকিলে অপূৰ্বভাব তাঁহার আরুতি, হা বলা যায় না, তিনি কিরূপে পরিদৃশ্যমান ধারণ করেন, সেই ভাব লইয়াই সকল বস্তু পূর্ণ হইতেছে, জগতের কারণ হইবেন ? অতএব ব্ৰহ্ম কোন কাৰ্য্যেই কখনই এই বাহন্ত সকল তন্নি আর কিছুই নহে। চিন্ময় আত্মায় বীজ বা বারণ হতে পারেন না, সুতরাং এই সৃষ্টি যে নাই, কেবল চিৎস্বরূপই প্রতিভালমান হইতেছে, সেই চিৎস্বরূপের তা স্থির, প্রকারান্তরেও এই সৃষ্টিকে উপপন্ন করা যাইতে অস্ফুরণই এই সৃষ্টিরূপে অনুভূত হইতেছে। সৃষ্টির প্রাক্কালে এই পারে না, কারণ, চিংস্বরুপের অবিদ্যমানে এই জড়ষ্টির সম্ভাই চিং নিজস্বরূপ ত্যাগ না করিয়াই-সৃষ্টিরূপে উৎপন্ন না হইয়াই, হইতে পারে না, এই যে কিছু দৃষ্ট হইতেছে, সমস্তই চিতির নিজেই নিরাময়, অনন্ত, অনধি, তেজোময়, মনােজপ হন। তাহার সহিত এতই সম্বন্ধযুক্ত যেন চিদঘন, (চিং পূর্ণরূপে ) উখিত পরে, স্থূলতকল্পনায় আভাসিত হইয়া, বিরাটভাব ধারণ করিয়া হইয়াছে। এই সমস্ত কারঃ পুনঃপুনঃ বলিতেছি যে, এই যে নিজেই আকার নিরীক্ষণ করেন, তাঁহার সেই আকার তঁাহার অহস্তাব এবং জগৎ-শব্দরগুনা, ই কখনই কাৰ্য হ, কাৰ্য স্বরূপ হইতে অণুমাত্র বিভিন্ন নহে বলিয়া ইহা সংই, পরে হইলে তাহার কারণ থাকি, কারণ ত নাই। তবে এই বি- ভাবলে ভুতভাব ধরণ করিয়া ক্ষণকালমধ্যেই ভাব প্রভৃতি যে চিতর গড় অংশ(অগং), ইহা আকাশকুসুমের স্যা প্ররণ করেন। এইরূপে শান্ত স্বভাবতই নামরূপবিবর্জিত অলীক কল্পনামাত্র। এই আগতের কারণসিদ্ধির জন্য ইহাকে অনির্বাচ্য প্রকাশজ্ঞানরূপ একমাত্র আত্মতই মায়া-দৃষ্টিরূপ চিপ বলা, এবং চিপ এই জগতের কারণ ঐ চিং, ইহাও জগদ্ধপে স্কুরিত হইয়াছে, এইজন্য তিনি সর্বভাবে অবস্থিত বলা যায় না; কারণ, তাহা হইলে এই অগং নিত হইয়া যায়; রহিয়াছেন। ৪৬-৫২। ইহার নাম আর হইতে পারে না, কারণ, উহার নাশকালেও oিs বিদ্যমান থাকে। যদি কেই বলে যে, চিতির কাণ চিদ্ধ, যাবতিতম সর্গ সমাপ্ত ॥১৬। তাহা অন্য কাহাকেও গলা করিয়া হইতেছে না” তাহা হইলে চিজপ জগতের না চিপ,সে কিরূপে আপনার উৎপত্তির : আশন প্রতিযােগীর প্রকাশকার। বে? সঙ্গী চৈত, ঘর। সগুনবতিতম সর্গ। উভয়ের (উৎপত্তি ওনাল এগের) আতৰত হইতে পারে । কারণ, চিং চিতের বিষয় হয় না, অতএব উনিশ বু কহিলেন, দেশকালালিত পরিচ্ছেদঃক্ত সুবর্ণে যেন ধাকি অং জড় পদার্থ। এইরূপে জগতের এই সিদ্ধ হইলে, নিকত্ব ভাব রহিয়াছে (কার্যকারণ ভাব আছে। ব্রহ্মে ও ইহার কারণ কেহ না থাকায় সর্বদাই ইহার জন্ম ও নাশ হইতে অগতকাৰ্যকারণ ভাৰ নাই কেন না,—সর্বদা শান্ত ব্ৰহ্ম থাকে। কারণ, তাহার নিবারক কেহ নাই। ( কিন্তু এই এ হইতে কোন এই জমিতেছে না বা তাহাতে কোন বাই লয় বে এইরূপ) নিজ পতিধর্মী, হার কোন প্রমাণ নাই এওঁ হইতেছে না। উক্ত ব্ৰহ্ম সর্বদা আপন সত্তাতেই অবস্থিত, এবং তাহা অনুভষেও বিরোধী। মুআয় অনুতবিরুদ্ধ প্রমাণ A ।
নির্বাণ-প্রকরণপূর্বভাগ বিবর্জিত এই জগতের নিত্য উৎপত্তি স্বীকার করা অপেক্ষা, অনখ্য অনাকৃতি আত্মলেবের কর্তৃত্ব নির্দেশ করা হইয়াছে; বাহা বিদ্বাদিগের অনুভবসিদ্ধ এবং ভিন্ন জবিরােধী, সেই তাহা কেবল অবৈত বাের্থ একমাত্র তাহারই সর্বকালি অখণ্ড চিৎস্বরূপেরই স্বীকার কর না, তাহাতে বাধা কি? তবে বলিয়া প্রশংসামাত্র করা হইয়াছে। ফলতঃ তাহা যথার্থ নহে, বেচিং, অচিৎ ইত্যাদি বিবিধভাবের প্রকাশ, তাহা চিতেই তিনি নিয়ি নিল ইত্যাদি বলবতী ভিন্ন সহিত তাহার বিচিত্র লীলামাত্র। ১-১৫। একমাত্র চৈতসত্তাই বিদ্যমান, বিরােধ হইয়া পড়ে। ফল যিনি নামবিহীন আকুভি এবং দ্বিত্ব বা একত্ব কিছুই একেবারে নাই। অতএব হে ভূপতে। ৰাহ শাহাতে কোনই প্রতিঘাত নাই, সেই ঈর্মই এই জগৎ নির্মাণ এই জগতের সত্তার একান্ত অভাবই নিশ্চিত, সুতরাং এ বিষয়ে করিতেছেন, এরূপ বলা কেবল উপহাসের হেতু, যাহারা নিধুবুজি ভাব একেবারে অসম্ভব, সে অঞ্চ তােমার অহং’ ভাবও তাহারাই এই কথা বলিয়া থাকে। হে রাজ। এই সমস্ত নাই। অস্তাবনা যখন নাই, তখন চিত্ত আবার কি? তাহাও যুক্তি ও প্রমাণে দেখা যাইতেছে যে, চিত্ত নাই। ( অধিক কি) নাই। এই সকল যুক্তিতে প্রতিপন্ন হইসেছে যে, অহং'রূপী হে সাবধা। যখন জগই নাই, তখন সেই জগতের অন্তর্গত চিত্ত নাই, সুতরাং জ্ঞানরূপ ভেও নাই, একমাত্র বাসনা চিদি কিরূপে থাকিবে ? ৬১০। বাসনকেই চিত্ত বলা শূন্য শান্তমনা মৌনী পৰমাকাশময় চিৎই বিদ্যমান। তিনি দেহ- হয় , বাসনা আবার যদি বাসনীয় (বাসনার কাৰ্য) বিষয় থাকে, বানু বা দেহশূন্য হউন না কেন, তিনি অচলের স্থায় অচলবে তবে সস্তুৰে। ৰাসনীয় জগৎ যখন অসৎ, অখন চিতের জাতিত্ব সকল পদার্থে বিদ্যমান রহিয়াছেন। এইরূপে বিশুঙ্গ চিৎই যখন কিরূপে হইবে বা থাকিবে ? এই যাহা প্রতিভাত হইতেছে,এ উপলব্ধি হইল, জড় পদার্থের যখন একেবারেই প্রসিদ্ধি হইল, কেবল আত্মাই আপনাতে আপনি প্রকাশিত হইতেছেন- অথিষিণী ভাবনাও যখন অল্প হইল, তখন চিত্তে ‘অহং’ মায়ােপাধিক সেই আত্মাই আপনার “চিত্ত” “জগৎ" ইত্যাদি নাম ইত্যাকার পদার্থ নাই , বোর্থ চিন্তা করিয়া দেখিলে একমাত্র কল্পনা করিয়াছেন। এই যে বাসনার বিষয়দৃশ্য জগৎ, মই যখন ব্ৰহ্মই অনুভূতির বিষয়। সেই জ্ঞানময় ব্রহ্মই একমাত্র সত্য, প্রথমতঃ কায়ণের অভাবহেতু উৎপন্ন নহে, খন চিত্ত কোখা স্বাং চিন্তা আবার কোথায় থাকিবে ? অতএব তুমিই অকারণ- হইতে আসিবে? অতএব এই যাহা কিছু প্রতিভাত হইতেছে, যুক্ত শাশত অনেক হইলেও এক সেই নিৰ্ম্মল এন্ধ হইতেছ এ সমস্তই চিনাকাশময় পরমাকাণ এবং অনন্তবিস্ফারিত জ্ঞান- এই সমুদষ্ম জগৎ অসং এৰণ স্বরূপ, অনাদি অনন্ত নেই ব্রহ্মই স্বরূপ। এই পরমাকাশে যে অল্পমাত্ৰ এইবে কিছু ফুরিত কেল থাস্থিতভাবে অবস্থান করিতেছেন।-১৬-২১। হইতেছে, ইহা চিপ উৎপন্ন হয়, সুত্রাং চিত্ত ৰা জগৎকাৰ্য্য সপ্ততিতম সূর্গ সমাপ্ত। ১৭। কিছুই নাই। ১১-১৫। “আমি”, “তুমি”, “গ” ইত্যাকার যে বােধ, তাহা বাস্তব বোধ নহে , নিখিল অনর্থের হেতু এই বোধ আমার নিকট মিথ্যা স্বপ্ন বলিয়া বােধ হইতেছে। বাসনাকা জন্টনবতিতম সর্গ। জগতের অভাবহেতু বাসনাই যখন নাই, তখন বাজনাময় চিত্ত কি প্রকার এবং কোথা হইতে কিরূপ বা উপন্ন হবে ? শিখিধ্বজ কহিলেন,—মুনে। “চিত যে একেবারেই নাই", যাহারা অজ্ঞ, তারাই “চিন্ত, এই দৃশ্যজগৎ" এইরূপ বােথ করিয়া এ জ্ঞান আমার এখনও সুদৃঢ়রূপে হন নাই, অতএব যাহাতে থাকে। আমি দেখিতেছি, ই চিত্ত অসৎ, ইহা কোনই আকার আমার এই জ্ঞান পরিস্ফুটাৰে হয়, অস্থার জন্য আরও যুক্তি নাই এবং ইহা পূর্কে উৎপন্ন হয় নাই। কারণ নাই বলিয়া নির্দেশ করুন, এখনও আমি ভল করিয়া বুঝিতে পারি নাই। সৃষ্টি আদিতেও এ জগৎ উৎপন্ন নহে, শাস্ত্রীয়প্রমাণে এবং কুন্ত কহিলেন-হে রাজন! বাস্তবিকই চিত্ত নামক কোন লোকচক্ষুতে অনুভূত হইতেছে বলিয়া দৃশবহুকে অনাদি উৎপত্তি পদার্থ কোথাও নাই, যাহা চিত্তের ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে, নাশবিহীন নিত্যৰন্থ বলা যাইতে পারে না। আকারবিশিষ্ট খুল তাহা অক্ষয় ব্ৰহ্ম বলিয়া জানিও। এই সমুদয় চিত্তকাদি জগৎ এবং প্রতিমােগ্য (অর্থ দর্শনে যাহার স্বরূপ কিছুই থাকে অজ্ঞানাত্মক, অজ্ঞানের বাধ হইয়া গেলে ইহাদের সন্তাই থাকে না। এই জগতের লৌকিকপ্রত্যক্ষ ও শাক্সীয়প্রমাণ দ্বারা যে না। এইজন্য লইতে “আমি” “তুমি” “সে” ইত্যাদিপ্রকার কল্পিত মহাপ্রলয় প্রভৃত্বি বিকার, অহারও নিরূপণ করাযায় না, অর্থাৎ কল্পনা কিরূপে তিষ্ঠিবে ? অগং নাই, এই যাহা কিছু আছে, তং মহালয়াদি যে নাই, তাহা বলা যায় না কারণ এ বিষয়েও সমুদয়ই ব্রহ্ম। সুতরাং সেই সময় ব্রহ্ম আবার কাহার বােধগম্য কোন প্রমাণ নাই। ১৬-২০। “শস্ত্র প্রমাণ লােকপ্রত্যক্ষ হইবেন? ( পনি আপনার বােবগম” ইহাই বা কিরূপ, বেদার্থসিন্ধান্ত এই সম কারণে সিদ্ধ ত্রিবিধ প্রলয় নাই,”ই কথা)। মহালয়ের পর সৃষ্টিসময়েও এই জগতের বিদ্যমানতা! কেবল উন্মন্তু ব্যক্তি বলিয়া থাকে (অর্থাৎ জগৎকে নিত বলা তত্ত্বদর্শীদিগের অধীকৃত, অৰ“এই যে চিভের স্যায় প্রতি ত! উন্মত প্রলাপমাত্র)। যে ব্যক্তি 'লােকালুভব শাস্ত্র ও বেদকে হইতেছে এবং এই জগৎ” এই বলিয়া যাহা নির্দেশ করিয়াছি, প্রমাণ বলিষা স্বীকার করে না, সে অসং লােক হইতেও অতি মূঢ়, অথ বল তােমাকে বুঝাইবার নিমিত্ত কমিহি ।। সাধুলোক তাদৃশ ব্যক্তির সংসর্গে থাকেন না। প্রতিভধােগ্য উপানিমিত্ত প্রভৃতি কারণের অভাবহেতু এবং নিখিলভাবে আকার এই দৃপক্ষের প্রতি অপ্রতিহঁত নিরাকার বস্তু বিছুই (পদার্থেরই কারণব্যতিরেকে উৎপত্তি সহেতু, অজ্ঞান কারণ হতে পারে না। হে মুনিব্রত। এইরূপে (অষ্টিতে) বুদ্ধিৰিন্তিত এই অং (আন্তৰিকই) বিদ্যমান নাই। সেই ব্রহ্মরূপে প্রতীয়মান, এই অসৎ ব্যবহারশায় মুর্তিমান আঁকায় জন্য এই যাহা কিছু ভাসমান, সমস্তই এখ, ভষি অ কিছু ব্যবহাকাৰ্যকারী হইতেপারে, এবিষয়ে কোন বিরােধ নাই। নহে। তবে যে ক্ষতি যিনি কত, ভােক্তা মহেশ্বর”, এইরূপে ২১-২৫। অতএব অপ্রতিহত অনন্ত বা বিভাগ অনন্ত 1 ૧૨ যােগবাণিত-রামায়ণ । নিরাকার শান্ত সর্বময় এই ব্রহ্মের যে স্বতঃপ্রকাশ, তাহাই সৃষ্টি বা সঙ্কই অতি অনর্থক বন্ধের এবং উক্ত সঙ্কন্ধেয় অভাবই বিল একা-আকার ধারণ করিয়া থাকে, ঐ ব্ৰহ্ম আপন শরীরকেই মােক্ষের কারণ হইয়া থাকে। ৬-১৯। সত্যরূপে প্রতীয়মান বন্ধ অণমধ্যে আগলে অসুল করিয়া থাকেন, আবার কালমধ্যে মুক্তি ও সঞ্চশব্দের প্রতিপাদ্যবিষয়ের স্বরূপ জ্ঞানকে কেবলীভাৰ তাদৃশ অনুভৱ হইতে বিরত হইয়া, নিরাকার ব্রহ্মরূপে অবস্থান বা মুক্তি বলা হয়। “আমি” ইত্যাকার জ্ঞানের অভাবই সিদ্ধি করেন। এতএব এই সমুদয় প্রপঞ্চ একমাত্র ব্ৰক্ষ অগং প্রভৃতি (অভীলাভ), আর “আমি” ইত্যাকার জ্ঞানই বিপদ, অতএব বুৰি বহুবিক কোথাও নাই, চিদি কোথায়, দ্বৈত্ব, একত্ব প্রভৃতি তুমি “সেই আমিই আমি নছি” ইতাৰ বিশুদ্ধ জ্ঞান লাভ কলই বা কোথায় ? চিন্তাদির অভাবই বা কোথায় ? (অর্থাৎ করিয়া অস্বরূপে অবস্থিত হও। আমিত্ব জ্ঞানের অভাবরূপ চিদি থাকিলে ও তাহার অভাব অনুভূত হইবে)। এইরূপে সক্ষভাবই সমাক্ জ্ঞান, এই সম্যক্ জ্ঞান লাভ কৰিলে অসৎরূপ জানিতে পারলে এই জগৎ এশা হইয়া যায়, তখন একমাত্র সঙ্গ ক্ষয়প্রাপ্ত হই, অভীষ্ট লালন করিয়া থাকে। অনিৰূপ নিরাশ্যর অঙ্গ ব্ৰহ্মই যথাস্থিত হন, অলােকের অনুভূত এই ব্ৰহ্মস্বরূপে কাৰণতা হেতুভাৰ) থাকিতে পারে না, সুন্নাহ জগৎ একান্ত অসৎ বলিয়া নানা অনানা কিছুই নহে, অতএব কারণ না থাকায় কাপাথও নাই। ১২-১৫। কাপার্থের তুমি এবম্প্রকার বুদ্ধি অবলম্বন করিয়া, যথাযথভাবে লৌকিক অভাব যখন সিদ্ধ হই, তখন বিষয়ক জ্ঞানও হইতে পারে না ব্যবহারে রত খাকিয়াও (তত) কষ্টের স্যাক্স নিশ্চল (বাক্যাদি অতএব কারণের অনিবৰ অহাৰ একেবারেই নাই। ব্যাপারশূন্য) হইয়া থাক। ২৬–৩০। অহাৰ যখন নাই, তখন সংসার আবার কাহার এবং কিরূপ? অতএব সংসারও নাই, সমস্তই একমাত্র পরহ্মে পরিশেষিত। অষ্টনবতিতঅ সর্গ সমাপ্ত। ৯৮। এই যাহা কিছু প্রতিভাত হইতেছে, তৎসমুদয়ই আত্মাতে সৎ- স্বরূপে অবস্থান করিতেছে , পরমব্রহ্মে পরিপূর্ণভাবে যুগপৎ প্রতি ভাত হইতেছে। সেইজন্য এই সমুদয় প্রপঞ্চপাষাণখেদিতে স্যায় নবনবতিতম সর্গ। তাহাতে অচলভাবে বিরাজমান, 'এই জগৎকে তুমি পরব্রহ্মের রঙ্গিল বলিয়া অবগত হইও। সঙ্কর নষ্ট হইয়া গেলে গলিত শিখিধ্বত কহিলেন-হে মুনিবর। আপনার অনুগ্রহে নগরের যেমন কিছুই থাকে না, একেবারে অলীক হইয়া যায অামার মােহ গিয়াছে, স্মৃতিলাভ করিয়াছি, (বিস্মৃত আত্মার কিছুই থাকে না, সেইরূপ ভৰেথর সময়ে এই জগৎ আকাশের সাক্ষাৎকার করিতে পারিয়াছি), আমার সন্দেহ দূর হইয়াছে, স্থায় স্বচ্ছ সদসন্ময় বলিয়া জানিও। প্রতিবিম্ব পুরুষের ন্যায় স্পন্স আমি বিশ্বান্ত অন হইয়াছি। আমি যাহা জানিবার, তাহা মান এই জগতের বাস্তবিক শন শন নাই, ইহা শান্ত ও আনিয়াছি, মামলাগর পার হইয়াছি, মহামৌন অবলম্বন মননহীন, জংশকের প্রতিপাদ্য কোন পদার্থই ইহাতে নাই, করিয়াছি, এক্ষণে আমি শাক্ত নিরাময় তর হইয়া অনরুপে যিনি এইরূপে জগদ্দর্শন করেন, তিনি এত দ্রষ্টা। ১৬-২১। অবস্থান করিতেছি। আর্ঘ্য। আমি এতটাকাল কেবল সংসার- বুধগৰ জানেন যে, যথার্থ জ্ঞান লাভ হইলে এই বৰূপ ও সাগরে ঘূরিয়া ঘুরিয়া বেড়াইছি, সম্প্রতি অচল অক্ষয় স্থান লাভ অন্তর্বর্ত মনোরূপ সমস্যই অসার হইয়া যায়, তাহকালিক এ করিয়াছি। হে মুনে। এক্ষণে আমি জানিতে পারিয়াছি যে, অবস্থা নির্বাণশ অভিহিত হয়। যেমন স্পন্দহীন বায়ু (দীপের এই অহম্ভাবনি ব্রিজগং বাস্তবিকই নাই , মুখের আনে ইহা সাহায্যতিরেকে) যেমন কাণগত প্রকাশ, যেমন বলাদি বাস্তবরূপে প্রতীয়মান হইতেই, আমি এ সমুদয়কে একমাত্র ব্রহ্ম অবস্থানিম্মুক্ত সুবর্ণ, এই অংও তেমনই এপে সাবনা করিয়া বলিয়া অবগত হইতে পারিতেছি। কু কহিলেন, যেখানে অগই লয় আসার অসংপ্রয় এই যে বহরূপ ও অন্তর্বর্তী মনােরূপ নাই, সেখানে আমি” তুমি” এরূপভাবের বিকাস আকাশের জগতের প্রত্যন্ত করিয়া দিচ্ছে, এই সমস্তই অক্ষের রূপ, তন্নি উপরে সারপানের ন্যায় ( গন্ধর্থনগরীর ন্যায়) কিরুপে আর কিছুই নহে। যেমন সমুদ্রের নানা তন্ন অঙ্গশব্দের দ্বারা সবে। (অর্থাৎ একান্ত মিথ্যা। ১৫। তুমি এলে অভিহিত হয় না, তাহা একমাত্র অলরুপে এড়ীত হয়, সেইরূপ শামন মৌনী হইয়া যথাযথ লৌকিককাৰ্য সম্পাদন করত সৃষ্টি কারা অভিহিত না হইওে এ হিী একমাত্র প্রশান্ত সাগরের তিথীর আবন্দের ন্যায় অবস্থান কর। এই বলিয়া প্রতীয়মান হন। “এই দুটিই ব্ৰ, ৰহ্মই ব্যক্তি, সৃষ্টিশ যাহা কিছু অম্বিত, সমস্তই একমাত্র শান্ত ব্ৰহ্মরূপ। আমি এই ব্রহ্মে সংঘােজিত না থাকিলে, ইনি শাখপে প্রতীয়মান হন। জগৎ” এই শফযুগল দ্বারা প্রতিপাদিত বিষয় (বাস্তবিকই) আকা- এদের বুঝিতে ফেলে সৃষ্টিকের অর্থ বুঝিতে হয়, আবার শেরজায় শময়। নিখিল-সংসার-নামক এই যে কিছু প্রকাশিত সৃষ্টিশব্দের অর্থ বুলিতে গেলে এখশব্দের অর্থ বুঝিতে হয়। রহিয়াছে, এ সকল চিজি বিদিতমাত্র, ফলতঃ আকাময় অতি সুপ্ত শব্দ বা শব্দারে আনা আগ করিতে পারিলে ইনি এবং অনন্ত। বলয়াকার ফি তিরােহিত হইলে, স্বর্ণবলয় যেমন বিশুদ্ধ চিলাকাশপে অবস্থান কবেন, তখন ইহাকে একে মাত্র স্বর্ণ বলিয়া বােধ হয়, সেইরূপ এই অগং প্রভৃতি পারি অভিহিত করা হয়। এ জগয়ে এবং ব্রহ্মলেজিয়ে এতি তবিশিষ্টবুদ্ধি ভিলেহিত হইলে একমাত্র ব্রহ্মই বিদ্যমান অর্থযুগলের জ্ঞানের পর যখন শখও অর্থের জন্য সমৰূপে সি খকেন। সমষ্টিভূত অহাৰ যেমন আপনা হইতে জপ হয় অর্থাৎ উভয়ের পৃথক জ্ঞান নিবৃত হয়, তখন এর সমা, ষ্টিভূ অহবও সেইরূপ আপনা হইতে উৎপন্ন শত যে জব এশি, অ অক্যের অগােচ। ৫ রান। সনাত্র। সমষ্টি ব্যষ্টিভুত বন্ধমূক্তি উক্ত অহৰগ্রহণও এই সদয় অস্ত্রে জপ অহা যথাভিহিয়, তাহা পাষাগের ভাগের আয়ত্ত হইয়া রহিয়াছে, অর্থাৎ “আমি” ইত্যাকার ন্যায় শচল ব্রহ্মরূপই। এক্ষানবশ সুখন এই জগৎ সর্বময়।
অর্থাৎ ব্রপের প্রতিই চিত্তকে বাচক। এমন ' । নিপ-প্রকর -পূর্বভাগ জনস্বরণ হইতে নির্মুক্ত থাকেনও ইহা এক আত্মস্বরূপে ই বা কি প্রকার? সানিতিক বিকারে ফুপিত ধাতু (সম- অবস্থান করে, অর্থাৎ ব্রহ্ম ও জগতের সত্তা একই, দুইই এক মৃত্যু) হইয়া যে উচ্চৈরে বলিতেছে-“মি মষিলাম,” সেই পদার্থ, কাচ ইহা বিভিন্ন হয় না। ২২৩০। ব্যক্তিকে মৃত বলিয়া এনি, তা তৎকালিক ক্ষণকাল জীবনও ভশমাত্র জানিবে।১১-১৫। (ফলতঃ চিত্ত বাগ নামে কোন নবভিন্ন সর্গ সমাপ্ত। ১৯। পদার্থ নাই)। তবে যে এই চিত্তাদি বিদ্যমান বৃষ্ট হইতে আহা মরীচিকা-সলিলের স্থায়, দ্বিতীয় শ্রের ন্যায়, বালক-কতি বেতালের ন্যায়, আর অলাতচক্রের গায় ভ্রান্তিময় নিবে। শততম সর্গ । বাহার স্বরূপ কেবল ভ্রান্তিপু, তাহা কিরূপে সত্য হইবে? বহু শিখিধ্ব কহিলেন-হে মহায়তে। আপনি যেরূপ কহিলেন, অজ্ঞানময় ভ্রান্তিকে চিত্ত নাম দেওয়া হইয়াছে। অজ্ঞানকেই চিত্ত তাহাতে আমি বুঝিলাম এই যে, পরম কাশ যেরূপ, কাৰ্য্যও বলা হইয়াছে। সেই অনরূপ চিত্ত অসৎ হইয়াও সৎ হইয়া সেইরূপ, অর্থাৎ ব্ৰহ্ম কারণ যে প্রকার, তদীয় কাৰ্য্য এই জগৎও উঠিয়াছে, আত্মস্বরূপের অফুরণই উক্ত অজ্ঞান, অস্বরুপের সেই প্রকার। কুন্ত কহিলেন,—“যে বস্তু কারণ, তাহারই স্ফুরণই জ্ঞান। আত্মরূপের স্ফুরণরূপ জ্ঞানলাভ কৱিলেই উক্ত কাৰ্য উৎপন্ন হইয়া থাকে, যাহা আদৌ কারণ নহে, তার কার্ঘ্য অজ্ঞানের ক্ষয় হয়। হে সাদে। মরুমরীচিকায় যে জলযুক্তি, তাহা কিরূপে হইবে ? এই ব্রহ্মে ত কোন কারণভাৰ নাই, সুয়াং মিথ্যা ভ্রান্তি, “ইহা বাস্তবিক জল নহে—এইরূপ যথার্থ জ্ঞানলাভ ইহার কোন কাৰ্যই নাই , এই বাহু। কিছু বিদ্যমান রহিয়াছে, হইলেই, উক্ত ভ্রান্তি বিদূরিত হইয়া থাকে। এইরূপ “ইহা চিত” সমস্তই শক্ত অজ। কারণ হইতে উৎপন্ন যে কাৰ্য্য, তাহা এইরূপ ধারণা বদ্ধমূল হইলে উক্ত অজ্ঞান সুদৃঢ় হইয়া থাকে, কারণের ন্যায় হইয়া থাকে বটে, কিন্তু যাহা উৎপন্ন নহে, তাহাতে কিন্তু চিত্ত নাই”—এইরূপ জ্ঞান হইলে পরে তাহা সমূলে ফিনষ্ট সাদৃশ্য কি প্রকারে আসিবে। বাহার বীজই নাই, বল দেখি, তাহা হইয়া থাকে। ১৬-২০। যেমন রজুতে ভুজবুদ্ধি অজ্ঞানভ্রান্তি- কিরূপে উৎপন্ন হইবে ? যাহার কোন সংজ্ঞা নাই, যাহার স্বরূপ সভূত এবং তাহা “ইহা সর্প নয়”-এইরূপ-লীলায়েবদ্ধমূল নির্বাচন করা যায় না, তাহা কিরূপে কাজ হইবে?১-৫ হইলেই বিনষ্ট হয়, সেইরূপ আত্মায় এই চিত্ত অজ্ঞান ভাতিহইতে কারণের প্রমাণসি, দেশকালাদি নাই বলিয়াই ইহাতে কারণ উৎপন্ন।—যখন হয়ে “চিত্ত নাই”—এইরূপ জ্ঞান দৃঢ় হইবে, নাই, কারণ, দেশকালবশতই কাৰ্যসকল কারণসমন্বিত বলিয়া তখন অজ্ঞানসভূত ‘আমি মন, চিত্ত’ এ সকল কিছুই থাকিবে প্রমাণিত হইয়া থাকে। কর্তৃদি কোন ধর্মই যাহার নাই, না। (বই) এই জগতে চিত্ত বা অহঙ্কারাদিযুক্ত দেহ কিছুই এইকপ ব্ৰহ্ম যে প্রমাণের বিষয়, সে প্রমাণ এরা নিমিত্ত বা নাই। একমাত্র নির্মল চিই বিদ্যমান রহিয়াছে। সেই চিৎ বিমূঢ় উপাদান কারণের প্রমাণ কিরূপে করা যাইতে পারে? যিনি কর্তা (মায়া-কলঙ্কিত) হইয়া, এই সঙ্কল্প চিত্রনিক্স সৃষ্টি করিয়াছেন, নহেন, কর্ম নহেন, কারণ নহেন, এই শান্তিময় ৰখে কারণভ। আবার যখন বুদ্ধ হইয়া সঙ্কল ত্যাগ করেন, তখন এই চিনি নাই, অতএব এই অ কারণবর্জিত, এই আগষের অর্থ সমুদয় ত্যাগ করিয়া থাকেন। ২১-২৭। হে মহাহ। সব তুমি ব্ৰহ্মস্বরূপকেই বুঝি, এবং ইহাই হৃদয়ে ধারণ করিও। বলে যাহা আদিয়া উপস্থিত হয়, উক্ত সঙ্কলের অভাবে তাহা এই গং অসষ্যদর্শীদিগের নিকটেই বিশালভাৰ ধাৰণ করে। বায়ুযোগে ঈীপশিখার স্যায় অণমধ্যে নিষিয়া যায় (তাহার অস্তিত্ব যাহা অজর, শান্ত, একমাত্র চিৎ, তাহাই প্রমাণ (যথার্থ জ্ঞানৰ পৰ্যন্ত কে না)। সমুদয় সাগর যেমন কেবল এল, সেইরূপ বিষয়) হইয়া থাকে। আহা যারাই এই জগৎ শান্ত সৎ ব্ৰহ্ম এই সমস্ত জগৎ আত্মত্বপূর্ণ অনন্ত ব্রহ্মসভাময়-ইহাতে আকারে পরিজ্ঞাত হওয়ায় চিত্তের কথিত ব্ৰহ্মভারে যে ব্রহ্মস ব্যতীত আর কিছুই নাই। আমি নাই, তুমি নাই, চিত অন্যথাভাব, তাহাই নাশকে (ব্রহ্মের স্বৰূপহালিশকে) অভিহিত নাই, ইন্দ্রিয় নাই, আকাশ নাই, আর কিছুই নাই—আছে হয়, ইহা পণ্ডিতগণের অনুসিদ্ধ। ৬-১০। হে মহীপাল। কেবল একমাত্র নির্মল আত্ম, একমাত্র আত্মারই কেবল অস্তিত্ব তুমি চিত্তকে না-বভা নিও ,ঐ চিত্ত নাময় (নাশস্বরূপ); বিদ্যমান রহিয়াছে। সেই অই ঘটাদি আকারে বিবর্তিত কালের অন্য দুটিত আত্মস্বরূপের নাও , চিত্ত প্রভৃতি আমি—এইরূপ কল্পনা আবার কি? ফল এ না অতি ফে অভিহিত হয় ;আত্মস্বরূপের সুস্পষ্টভাবে নজপ সঙ্কল্প জঘন্য। এই তিন জগতের কোথাও কিছুই উৎপন্ন বা মৃত ভাব দ্বারাই ঐ অলপ সঙ্কল (ঘকে চিত্ত বলা হয়) হইতেছে না, কেবল এই চিতির একই সৎ অসপে ভাৰিত প্রাপ্ত হইয়া, অধী (মু8ি) সিদ্ধ কৰি দিয়া থাকে। নামেই হইতেছে। ২৬-৩০। এই সমস্তই আত্মপক্ষ-যিনি যাহার অভাব, সেই অসৎ ব্রহ্মস্বরুপের প্রতীতি যদি বিশ্ব কে অনন্ত এবং সর্ব প্রকাশ, হাতে দ্বিত্ব একত্ব নাই, ভ্রান্তি অভিহিত হয়, তাহা হইলে হে কমলনয়ন! কিরূপে অহা বিষ- লাই এবং মরণাদি ভীডিওগই। য় সখে! তুমি সমুদয় মান হবে। যে দুই হ উলেন পূর্বক বাক্যে বলি ইলিয়-শ্রামে সর্বত্রই সৎস্বরূপে অনন্তস্বরূপে অবস্থান করিতে। তেছে—“আমি ” সোহ্মণ হইবে কিরুপে? হায় ব্রাহ্মণ হে মহামতে। বাস্তবিক ভূমি সংসা-হুতাশনে দগ্ধ নহু এক কোথাও নিত নং-তুমি নিলেপ, নির্বিকার। কুলি পুর্বকবিতা ও সা এক” এই তােমার কিছু নষ্ট হইতেছে ৰা বৃদ্ধি হয় না, কর উপর নির্ভর করিয়া শিথিল বিসা করিলেন, এ তুমি নিৰ্মক আকাশলী এবং নয় লেপ। তুমি কি কম হইতে উৎপাত না হয় কেন? ইতি, নিকি এক ক্রিশ কিরণ ব্যতীত চলে ৩৪৪ বােগবা-িরামা এবং যাহা উপব্ধি হয় না, সুতরাং চাই কিরণরূপ। যিনি যদি অনন্ত আজ ভােমার বাসনা পূর্ণ, আজ তুমি জ্ঞানােপদেশ ও আর এবং সর্বদা একবে বিরাজমান, যা অস্থ, বৃষ্টি, বা বিকার তুমি ঠিক্ প্রবুদ্ধ হইয়াহু। আজ সাধুৰ্যপণে তােমায় কোন ধৰ্ম্মই নাই, যাহাতে কোনরূপ কলঙ্ক নাই, এই জগং নিখিল শুভ অশুভ কর্মের ক্ষয় হইল। হে রাজন! আজিকার যাহার আংশিক শীলামাল, যিনি সকলের আদি এবং যিনি সৎ- প্রাতঃকালেই তুমিমি চি” এইরূপ অজ্ঞানে মগ্ন ছিলে, এক্ষণে ঘরপে বিরাজমান, তুমিই সেই আত্মতত্ব। ১৩৫। আমার উপদেশে তােমার সে অজ্ঞান বিদূরিত হইয়াছে—তােমার শততম সর্গ সমাপ্ত ১০০ । চিত্তক্ষয় প্রাপ্ত হইয়াছে, হৃদয় হইতে তুমি বললাম চিত্তকে বিদূরিত করিয়া প্রবুদ্ধ হইয়াছ। সুষমধ্যে যতক্ষণ সময় মন অবস্থান করিতে থাকে, ততই অজ্ঞান থাকে, চিত্ত চিত্তরূপে একাধিক শততম সর্গ। পরিত্যক্ত হইলে আপনিই নের বিকাল ৪।১৬-২০। দ্বি- বশিষ্ঠ কহিলেন,-রাজা শিখিধ্বজ কুন্তু মুনির এই অকৃত্রিম একত্ব জ্ঞানই চিত্ত, ইহাই অজ্ঞান, এই চিত্তরূপ জ্ঞানের যে লয়, অর্থাৎ অভাব, তাহাকে জ্ঞান বা পরমা গতি বলা হয়। হে নৃপ। ( যথার্থ) উপদেশ গুলি মনে মনে ভাবিতে ভাবিতে ক্ষণকাল- তুমি চিত্ত ত্যাগ করিয়া এত হইয়াছ, মুক্ত হইয়াছ, যাহা সত্তা- মধ্যে সেই আত্মপদে পরিণত হইলেন-আত্মভাব প্রাপ্ত হইলেন। অসত্তফউভয়ময় সেই’অসং (খান) পদ তুমি পরিত্যাগ করি- হার নয়ন ও মন, নিমীলিত হইল, বাক্য প্রশান্ত হইল, দেহ স্পন্দ নিরােধ হইল, বােধ হইতে লাগিল, তিনি যেন প্রস্তর- আছ , তুমি এক্ষণে গতশােক আয়াস সহীন অনন্য মহােদ খখাদিত একটা প্রতিমূর্তি। হে মহাবাহু রাম। মুহূর্তকাল এই মৌমাবলম্বী মুনি হইয়া নির্মল আত্মস্বরূপে অবস্থান কর। শিখিধ্বজ রূপ ঋকিয় তিনি প্রবুদ্ধ হইলেন, নয়নযুগল উন্মীলন করিলেন কহিলেন,-“ভগব! যদি এইরূপ হয়, তাহা হইলে পর যে মুখ, দেখিয়া কুনুরূপিণী চুড়াপা কহিতে লাগিলেন,—রাজ। তুমি অহারই কেবল চিত্ত বা তাহার দ্বারা জনিত ক্রিয়া থাকে, হে প্রভো! যিনি প্রবুদ্ধ হইয়া অজ্ঞান লাভ করিয়াছেন, তাহার বিক নির্য-- সুভশনে শয়ান হইয়া নির্বিকল্প আর চিত্ত থাকে না। এক্ষণে আমার জিজ্ঞাস্য এই যে, তত্ত্ববিদের মুলাভ কৰিনে? অন্তরে প্রবুদ্ধ হইয়াছ ত? ভ্রান্তি ত্যাগ যদি চিত্ত না থাকে,তবে গীমুক্ত যুদাবিক্তিগণ লৌকিক ব্যবহার করি, ছ ত ? যাহা আনিবার তাহা জানিছ ত? সম্পাদন করিতেছেন কি রূপে? কেননা আমাদের ত মন নাই দেখিবার তাহা দেখিয়াছ ত? শিখিধ্বজ কহিলেন,—“ভগ। ২-২৫। এই বিষয় আমাকে স্পষ্ট করিয়া বুঝাইয়া দিন, আমি আপনার প্রসাদে, যাহা সকলের উঞ্জে অবস্থিত, যাহা পরম আনন্দের আধার, সেই অনন্ত পদবী মুনি করিয়াছি। বাহার। আপনার এই বিষয়ক উলদেশরূল জ্যোতি দ্বারা আমার হৃদয়গত নিখিল জ্ঞাতব্য বিষয় অবগত আছেন, সেই মহাত্মাদিগের সঙ্গ বলি, তাহা ঠিক বটে, পাষাণে বেন অঙ্কুরােদগম হয় না, কি অপূর্ব। কি মধুর সুধাময়? কি সার ফল প্রদান করে। কি মধুর। (অহা বর্ণনার অতীত)। আমি জন্মিয়া অবধি সেইরূপ জীবন্মুক্তলিগের ত্তি থাকেই না বটে, কিন্তু আমি এচি শব্দে পুনর্জন্মসম্পাদিকা ঘনীভূতবাসকেই নির্দেশ করিয়াছি, এত কাল ধরিয়া যে মহানুধা লাভ করিতে পারি নাই, আজ আপনার সক্ষলাভ করিয়া তাহা প্রাপ্ত হইলাম, ধন্য সাধুসঙ্গের ভষিদের সে বাসনা নাই , কাজেই চিত্তও নাই। তত্ববিদের যে বাসনায় লৌকিকব্যবহার সম্পাদন করেন, তুমি জানিও সে বাস- মহিমা। হে কমলা। আমি এ অপুর্ব সুধাময় অনন্ত আত্ম পুর্বে যে লাভ কর্মিতে পারি নাই, তাহার কারণ নয় পুনর্জন্ম হইবার সন্তান। নাই। তত্ত্ববিদের সে বাসনা সক কি, আমার নিকট স্পষ্ট করিয়া বলুন। কুন্ত-কছিলেন, নামে অভিহিত, নিয়তেত্রিয় মহাত্মা জীবন্মুক্ত স্বরূপিণ বাসায় অবন করিয়া অসঙ্গভাবে শৌবিহার সম্পাদন করেন, তেগো-ত্যাগপূর্বক মন যখন উপশম প্রাপ্ত হয় এবং সমস্ত তাহার ফলাচ পুনর্জন্ম নিয়ে অবস্থান করেন না। ২৬-৩০। লিমের ভােগবাসনা যখন পূর্ণ হইয়া যায়,-আর কোন মােহ চিকেই চিত্ত বলা হয় আৰু প্রবন্ধ চিত্তকে সত্ব বলা হয়, বিষয়ে আকা থাকে না, তখনই চিত্তে নিৰ্ম্মল উপদেশাবলী যারা অপ্ৰবদ্ধ তাহার চিত্তে অভিযাহার প্রবুদ্ধ, আঁহাৱা বিশুদ্ধ-পরিশুভ্র বস্ত্র কুরঞ্জনার স্যায় সংলগ্ন হয়।১-১০ শরীরসতি বাজনাময় অনন্ত ভােগরাশি আজ তােমার পূর্ণ সন্তে অবস্থিত। চিত্ত পুনরায় জন্মায়, সত্ব আর নাহ নৃপভে। অপ্রবুদ্ধ ব্যক্তির বন্ধন আছে; প্রবুদ্ধের আহা নাই। তুমি তাই আজ তােমার দেহ হইতে (লিঙ্গ দেহ হইতে) এসে অবস্থানপূর্বক মহাতাগী হইয়াছ, তুমি সম্পূর্ণরূপে হইয়াছে; সমুদয় মল, বৃক্ষ হইতে পরিপক্ক ফলের ন্যায় বিগলিত হইয়াছে, চিজ ত্যাগ করিয়াছ, ইং আমি জানিতে পারিতেছি। হে রাজন হে কমল লােচন। হে সাধা! গাছের ফল যেমন না পাকিলে তুমি এক্ষণে পুনর্জন্ত্রের হেতু বাসনাসমূদয় হইতে নির্মূক্ত হইয়া পড়েন, সেইরূপ ভােগবালনা পরিপাকপ্রাপ্ত পূর্ণ না হলে এক শেভিত হইছে। হে মুনে। আমাৰ ৰােধ হইতে, দৈহিকমন সম্পূর্ণরূপে অপুণত হয়না সথে ' স্মৃণালের গল্প তােমাৰ মন আকাশের ন্যায় স্বচ্ছ হইয়াছে, মনে কি না কোমল বস্তুতে যেমন লাগিৰামাত্র বাণ বিদ্ধ হয়, সেইরূপ ফলনা নাই। তুমি এক্ষণে শান্তি প্রাপ্ত হইয়াই,সর্বত্র সমতা অস্থিতি পূর্ণ হইয়া গেণে—সব শেষ হইলে মনােমধ্যে নির্মল গুরুপদেশ করিতেছ, তুৰি পূর্বে যে সর্বভাগ করিতে আরম্ভ করিয়াছিলে, সহজে প্রবেশ করে, অর্থাৎ কাৰ্য্যকারী হয়। আর এ আজ তাহা সিদ্ধ হইল। ৩১৩। হে সালে। উপনি কক: রাশনাসমূহের পুর্তি হইয়াছে বলিয়াই আমি বিয়ের গুণে সমর্থ মেধতী পরমােণশল্পী বুচিতে যে এইরূপ কে দিলাম। হে মহান। তুমি সেই চিত্ত ভগ, ইহাই স লা থানাদি ফল,এই চিত্ত আই বােধ প্রাপ্ত হইৱে অজ্ঞান বিদুরিত হই। ১৯—১৫। স্বর্গ এবং মুক্তি। তপয় কষ্ট কুখ করিতে পারি।
৪৫ নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ কিন্তু এই চিত্তত্যাগে আত্যন্তিক দুঃখ নিরুত্তি হইয়া থাকে, এই হে মহপিতে। এই বৈলকে কার দুখ আছ, সুভ চিত্তভাগে যে, সমতাময় মুখ, তাহার কাচ আ হ চিত্তচাঞ্চল্য হইতে উপয় জনির। ৪১। বাহার না। এই সুখই সৰু, ইহা অর্গাদিসুখের স্নায় বিনশ্বর নহে। চঞ্চলভাবিহীন কোনরূপ শব্দ নাই, একেবায়ে স্থির শান্ত, স্বর্ণালি ফিশ, তাহাৱও আবির্ভাব-তিরােভৰ আছে, হায় ব্যক্তি সই মহা আনন্দে মগ, সেই ব্যক্তিই সম্রাট, সাম্রাজ্য ত্ৰৈকালিক সভা নাই, বর্তমানে তাহা কেবল স্বপ্নের স্থায় সৃষ্ট সুখ অনুভব করিতেছে। হে জানি। তুমি তােমার চিত- হয়। স্বর্গ বা কি নকল? আনন্দকর হইলেও বা তাহা কয় পৰ ওপৰৰ উতকে এক করিয়া এত ব্ৰহ্মপদে এত জনের ভাগ্যে ঘটিতে পারে, ফলে স্বর্গ লাভওলি বিষয়। তবে লাভ করিয়া যথার অবস্থান কর। শিবির কহিলেন, হে যাহারা এবংপ্রকারে আত্মলাভে সমর্থ হয় না, তাহাদিগের পকেই বিভাে। আপনি গর্ববিধ সংশয় দূর করিতে পারেন, অতএব শস্য ক্রিয়াকাণ্ড তফলপ্রদ। কাজেই তাহাকে সেই ক্রিয়াকাণ্ড ও স্পন্দাজৰ এতদুর একতা কিরূপে হয়, আহা আমার নিকট লইয়া থাকিতে হয়, যাহার ভাগ্যে সুবর্ণলাভ ঘটে না, সে সব কীর্তন করুন, আমি এ বিষয়ে সন্দিহান হইয়াছি। কুন্ত তাহার ভাগ্যলব্ধ পিত্তলও পরিত্যাগ করে কি ? তাহা করে না, কহিলেন-সমুদয় জগৎ এক বন্ধু, এক চিত্ৰই এই সমস্ত সে পিত্তল লইয়ই সন্তুষ্ট থাকে। কিন্তু তােমার চুড়ালাদির যেমন একমাত্র এই সাগর, বিশুদ্ধ (নির্মল নিস্প} বারি সংসর্গে এইরূপ অজ্ঞানকাণ্ডে এলােচর অনায়াসেই আয় যেমন ভঙ্গ সঞ্চলনে স্পন্দিত হয়, সেইরূপ উক্ত চিমাত্ৰ বুজি লাভের সম্ভাবনা রহিয়াছে; সুতরাং তুমি কি জন্য এই অপরূপ বৃতি স্পন্দিত হইয়া থাকে। ঐ নির্মল চিত্র ‘, স’ অনর্থকর্মে ব্ৰতী হইচ্ছে। ৩৬৪। আশ্রমাদি কল্পনায় ইআদি নামে অভিহিত হয়, মূঢ়গণ ঐ চিত্রকেই অঞ্চলে সম্পানীয় এই কুকার্যে তােমার প্রবৃত্ত হওয়া উচিত হয় নাই। দেখিয়া থাকে। ঐ চিত্রের শব্দই এই সৃষ্টির সারসর্বস্ব এই পলি কার্যের মধ্যভাগ-যখন ফলভােগ হয় সেই টুকু ঐ চিৎপল হইতেই এই সংসার। বিন্ধাদিরূপ পৰিম্প মাত্র মুখ, নচেৎ এই ফল ভােগে প্রথমাবস্থায় অনেক আরাস, হায় দ্বিতীয় (শ)শকলের ন্যায়' চিত্তি উক্ত কণভােগের পরে আবার দুঃখে আপতিত হইতে হয়, তবে তুমি এবং শনাভাব এই উত্তকে একরূপে ভবন করিতে পারিতে থে এবং কাল তপস্যা করিয়াছ, তাহা বিফল হয় নাই, কেননা নির্মল শিয় আই পৰ্যৰস হন। এই যে সংসার, ইহা এই তাতেই ভােমার কষায়পাক—অর্থাৎ ভােগৰাসনা উক্ত চিৎস্পন্দ ব্যতীত আর কিছুই নহে; সমকুণীর নিকটে পূর্ণ হইয়াছে, এই অই তুমি আত্মলাভে সমর্থ হইয়াছ। ইহা বিলীন হইয়া যায়, আর কিছুই থাকে না। যাহারা তােমার এই তপস্যারূপ বিকঙ্গনাভাগ এই আত্মজ্ঞানেই পৰ্য- অসমী, তাহাদের নিকটেই রজুতে ভুভমের আয় বসিত হইয়াছে। এখন তােমার আর উপায় এখােন ইহা উদিত হয়। শুক্রবতী চিৎই সৃষ্টিনামে অভিহিত হন। নাই, এখন এই আত্মজ্ঞানে স্থির হইয়া থাক, আনিও এই আবার যখন শুক্রান্ত হন, তখন অনন্ত বিশাল আকারে অতিনি চিলাকাশ হইতেই সময় (ৰাহ) ভাৰপদার্থ বিকসিত থাকেন। এখন নিঃীয় পদেরও অতীত, এ হয়, উৎপন্ন হইয়াছে। এই ভাব পদার্থসমূদয় হাতেই ধৃষ্ট হই তখার তৎকালীন প্রতিভাসমান স্বরূপ ৰাকৃপথেরও অতীত। তেছে আবার (জলবুব) হাতেই বিলীন হইতেছে। শাত্ৰালােচনা, সৎসঙ্গ প্রভৃতি উপায়ে দৃঢ় অভ্যাসযােগে, চিত্ত “ইহা কাৰ্য” ইহা কাৰ্য্য নহে এইরূপ সঙ্কল্প ব্ৰহ্মসাগরের জল এখন চলমার ব্যয় নির্মলভাব ধারণ করে, তখনই চিতির উক্ত বিন্দু। হে সখে শিখিধ্বজ। তুমি বিফল কর্ম পরিত্যাগ করিলা অনন্ত বিশাল সমুচিত হইয়া থাকে। চিরি উক্ত, অনন্ত পূহ্মের আশ্রয় গ্রহণ কর। যে রমণী স্বামী লাভ করিতে পারে বিশালভাৰ কেবল আপনার অনুভগম্য, যাহারা আপনার নাই, সে আপন লব্য ভারী খামীর নিকটে ইহাও প্রার্থনা করে স্বরূপ অনুভব করিয়া বুঝিয়াছে, তাহাদের আত্ম-অনুভব ইহার যে “তুমি আমার ই প্রার্থনা কর,এস্থলে সে আপন স্বামীকেই উক্ত স্বরূপ বলিয়া দিতে সমর্থ। তুমি আপনার স্বরূপ অনুব কেবল প্রার্থনা করে না-কেন? কাল সেই ব্যথিত করিতে পারিয়া বলিয়াই সেই অনাদি মধ্য আত্মস্বরূপ অনুভব সেই আমি কর্তৃক সম্পাদনায় সকল বিষয়েরই প্রাপ্তি হইতে পারে, করিতে পারিগাছ; হে সাথে। তুমি জেবিবর্জিত রূপবিহীন অর্থাৎ পরম প্রেমাথার নিরতিশয় আনন্দরূপ আম্মার নিকট মহাচিত্মা হইয়াছ, তোমার আর শােক করিবার কিই নাই; অন্য প্রিয়বস্তু দ্বা করা পো কেবল আত্মলাভ প্রার্থনা তুমি এখন হইতে এই ভাবেই বীতশােক হইয়া অবস্থান করিতে করাই উচিত, কেন না তাহাতে আর কিছুই লাভ করিতে ৰা থক। ৫১-২। থাকে না। বল জ্ঞানী মহাগ এলৰিক্ষিত রবির একাকিমার্গ মও। তুচ্ছসঙ্কলরচিত ভাৰসমুকে আপলের আয় ভাল করিয়া আল করেন, (হায়া জাতি আর কিছুই চান না)। অর্গ, মুক্তি প্রভৃতি ফল যা কিছু আছে, তৎসমূদয় পরিত্যাগ কৰি আধিপতম সর্গ। তুমি সমভাবে অবস্থান কর। তুমি এই পদার্থসমূহের নং- পরিত্যাগ করিয়া সংশ গ্রহণপূর্বক ৰী হইয়া নিল কুম্ভ কৰিলেহে মহীপাল শিখিধবল! বেলে এই বি নিষ্পদ হইয়া অবস্থান কর। কারণ,-যে নিশ্চল নিশ, যাহার উখিত ও নিহইতেছে, তাহা সমস্তই তােমার নিকট কীর্তন চিন্ত স্পন্দিত হয় না, অহাজ নিকট এ সংসারজৰ লিউ করিলাম। হে মুলিক। ভূৰি আমাৰ উপদেশ এ করিম দিত হয় , হে সাবে। আৰিক এশিয়ায় যাত্রা তাহার শিক কলিফ ক গজানে আনীত বিপন্ন কল্পে যেকরি উই আর থাকে না। মন কৰিতে পারে এণে পান পদ (ক) শী বেগবাশিষ্ঠায়ণ নেয়া হইয়াছে। আমি এণে যেসভায় গমন করি অ্য। এশে বলিতেছি, শ্রবণ কর। চুড়াল এইরূপ ফুৰেণে পর্বদিবসে সেখানে মােক হই নামনিৰ আহিবার | শিখিজকে এবুদ্ধ করিয়া (জ্ঞান দান করিয়া বা হইতে কথা আছে; তিল আসিতেছেন, যদি না আমাকে দেখতে অন্তর্থিত হইয়া দ্রুতগতিতে নভেমণ্ডলে উখিত হইয়া মায়া- না পান, তাহা হইলে আমার উপরে তুই হইবেশ; দিনের কল্পিত দেৰপুত্রের আকার ত্যাগ করিলেন। সুন্দর মনােমােহন জলকে রাগানিত করা উচিত হয় না। (এলে তমাকে রীর্তি ধারণ করিলেন। আকাশ-গতিতে আপনার রাজ- শেষ না বলিয়া রাখি) তুমি হও আর মাত্র সঙ্কলের গণীতে গমন করিয়া অপূরমধ্যে বেশ করিলেন, রুশকাল ৰ দিও না, কোন বিষয়ের আস্থা রাখিও না, সর্বদা এই মধ্যেই প্রায় সর্বলোকের এতক্ষগােচর হইয়া রাজকাৰ্য্য করিতে গবেই কালাতিপাত করিবে, যা বলি, ইহা নাম পৰিত্ৰ অগিলেন। পরে আবার তিন দিনের পরেই আকাশে অ- সার কথা। বশিষ্ঠ কহিলেন,-ইং তলিয়া শিবির রাজা গবেই আসিয়া বােগলে কুলের আকার ধারণ করিলেন। এবং শহন্তে লইয়া এম করতঃ যেন তাঁহাকে অভয় দিতে শিবিজের নিকট গিয়া উপনিত হইলেন। খায় কানমথ্যে বাইকেল, ইতিমধ্যেই তিনি তথা হইতে অভহিত হইলেন। প্রবেশ করিয়া দেখিলেন, রাজা নির্বিকল্প সমাধিমগ্ন হইয়া কৃত্রিম স্বপ্নদৃষ্ট বস্তু যেমন স্বপ্নভঙ্গে আর দেখা যায় না, সেইরূপ রাজা (খােদিত) কক্ষের ন্যায় নিশ্চলভাবে অবস্থান করিতেছেন। শিখি কুকে আর মুখে দেখিতে পাইলেন না। কুম্ভ তাঁহাকে তলৰ দেখিয়া মনে মনে বারবার আলােচনা করিতে প্রস্থান কৰিলে রাজা সাতিশয় বিশ্বন্ধিত হইলেন এবং মনে লাগিলেন, ইনি এলে সৌভাগ্যক্রমে আত্মপদে বিশ্রান্ত হইয়া মনে তাহাকেই ভাবনা কর চিত্রাণিত পুলিকাৰৎ নিশ্চল, ব, গম, হইয়া রহিয়াছেন, আমি এলে ইহাকে এই ভাবে অবস্থান করিতে লাগিলেন। আরও মনে মনে চিন্তা সমাধি হইতে বােধিত করি, এখনই ইনি দেহত্যাগ করিবেন। করিতে লাগিলেন,—বিধির কি আশ্চর্য লীলা! বিধিই আজ কেন? (যদি না সমাধি করি, তো সম্বাই মরিবে, তাহা আমাকে কুমুর্নিরূপ ধারণ কমিয়া জ্ঞান সান করিয়া গেলেন; এক্ষণে উচিত নহে), রাজ্যেই থাকুন, আর বনেই থাকুন কিছু যাহা আমি এতকাল পার পরিজম করিয়াও লাভ করিতে কাল ইনি দেহথায়ী হইয়া থাকুন। পরে আমরা দুই জনে সম হই নাই। নতুবা কোথায় বা নারদের পুত্র কুন্ড। আর এক সময়েই দেহত্যাগ করিয়া কৈবল্যগ প্রাপ্ত হইব। ১-৫। কোথায় আমি শিখিব,এখানে আসিয়া কুলির আমাকে আরও এক কথা ইহাকে যে উপদেশ দিয়াছি, তাতে ইনি উপদেশ দেওয়া একেবারেই অসম্ভব। এতএব আর কিছুই নয়; সপ্তমভূমিকা পৰ্যন্ত যাইতে সমর্থ হইকে না, হয়ত ইহার মধ্যেই জা। তাই আমাকে স্যৰু আনান কমিল। ১-১০। ভোগ করিয়া ফেলিবেন, জীমূক্তিজনিত মুখ আর ভোগ মেনশন কুন্ত আজি কি অপূর্ব বুরিপুর্ণ উপদেশ দিগেলেন! করিতে পারিবেন না, অতএব ইহাকে অভ্যাসবােগে আবার কি আ। আমি এতদিন মােহনিদ্রায় আৰু ছিলাম, আর এবােধিত করি। চুড়ালাএইরূপ মনে মনে স্থির করিয়া সেই আমি শােহমিগ্রা হইতে সমবুদ্ধ হইলাম। আমি স্বামীর সম্মুখে উপস্থিত হইয়া বিকট সিংহনাজ করিতে লাগিলেন, এতকালহা কাঠ, ইহাফা এইরূপ মিখা ভ্রান্তিচক্রে তাহার সেই শাের-সিংহনাদ বনবাসীদিগের অন্তরে ভীভিসঞ্চার নিপতিত হইয়া ফ্রিলাপরূপ কোথকার কুকামে দুরি করিয়া দিতে লাগিল। এইরূপ বারবার সিংহনাদ কৰিলেও 'সেই ছিলাম, এতদিনের পর আজ আমি আমার বিশু ল মহারাজ শিখিব যখন বৃহৎ পঙ্গলার স্থায় অণুমাত্রও চালিত পদবীতে রুট হইয়াছি, এই শান্তিময় পাবী বেরুমান ছিলেন না, তখন তিনি কথা হয় শরীর চালিত করিতে হইতে উদ্ভূত হইয়াই আমার বাসনা সন্বষ মনকে শক্তল লাগিলেন; যখন সেই রাজা চালিত এবং ভুমিতে পাভিত করিয়া দিছে। আজ আমি শান্ত, আজ আনি নিবন্ত, আজ হইলেও বাহন লাভ কৰিলেল নন সেই কুন্তপিণী চুড়াল আমি কেবল সুখী, আয় আয় তৃণা সইবারও বাসা নাই; মনে মনে ভাবিতে লাগিলেন, কি আশ্চর্য্য। সাধুভাবাপন্ন মণীয় আমি যখস্থিভাবেই অবড়ি খাকি। রাজা শিখিখজ এইরূপ অলী-আপ গণিত হইয়া অপৰা হইয়াছেন, ইহাকে চিন্তা করিয়া বাসমূহ হইয়া পাষণখােধিত মূর্তির পায় নি এক ৰড়সহজ ব্যাপার নহে, কি উপায়ে এখন ইকে ভাবে মৌনান করিয়া অবস্থান করিতে লাগিলেন। শিখি- এরি। এই মহাত্মাকে প্রবুদ্ধ করিয়াই বাকল কি? ধ্বজ তাহার পসেই প্রকার নির্বিক নিলফন সমাধিতে এ এইরূপে ক্রমে বিমেসূতি লাভ করিয়া যথামুখে অবস্থান মগ্ন হইয়া গিৰিয়ে ব্যয় নিয়ে অবস্থান করিতে লাৰি । আমিই আমার এ নারী দেহ ত্যাগ করিয়া একেবারে চির লে। সেই সমাধিতে তিনি নিল আবহাও, সফলত পশীসহ সমগ প্রাপ্ত হই। রুল ও চিরদিনের বিশ্রাবুজি হয় অচিরয়ে যায় মধুমিতী চূড়াল এই িনেই ভাগ করিতে উন্নতি হইয়া খবৰে সি কবি কালি। ১১-১৭। আৰ' ভাবিতে লাগিলেন, অব সহ মেহতাশ কৰিব ধিক শও।১২। শী, একবার দেখি, এই আর দেহে হলরে ময় যদি বানে মাত্র কণিকা থাকে তৃ স্বল। সৰু ক'। এ হতে পা; ক্রমিকভস। কুশ উপনিত বুঝে মূলগণে এ নােশিব নিঝিগা- পুশলে শ এক হয়, তাপ। তা হইলে কি নয় বা কফি পবিত্র হজ করতে যাবেন না বুলি ; এগিয়ে চুদা , পাই নি। শহরমুখ এ হা হইলেন ! 1 পারে; যেমন নির্বাণ-প্রকরণ-পূৰ্বভাগ ৫৪৭ আমিও ত ইহার সহিত সমভাবাপন্ন হইতে পাৰিব।১১-২ চূড়ালা আপনার দেহপর পরিত্যাগ করিয়া অনাদি অনন্ত স্বামী- এইরূপ চিন্তা করিয়া সুন্দরী চুড়ালতিকে স্পর্শ করিয়া বা চিভত্বে অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। ভয় তিনি সমাজে চৈতঙ্গের কারণ সত্ত্বশেষ (বাসনার কণিকা) রহিয়াছে জানিতে অবস্থিত স্বামীর চৈতন্দ করিয়া দিয়া পড়িল যেমন আপনার পারিলেন। রাম জিজ্ঞাসা করিলেন,-এন্ম! যাহার চিত্ত নীড়ে আসিয়া উপস্থিত হয়, সেইরূপ আপন দেহে আসিয়া উপ- একেবারে প্রশান্ত হইয়া গিয়াছে, যে কাষ্ঠ পাষারে স্যায় জড়তা স্থিত হইলেন। তাহার পরে তিনি বুয়ের আকার ধারণপূর্বক প্রাপ্ত হইয়াছে, চৈত একবারে নাই, সেই ধ্যানমগ্ন ব্যক্তির কুকাননে অবস্থান করতঃ মধুকরের ন্যায় ৩৭ গুণ রবে আন্তে সকুশেষ আছে, ইহা কিরূপে জানা গেল ? বশিষ্ঠ কহিলেশী আন্তে সামগান করিতে লাগিলেন। ৩১-০৩। বসন্তকালে মধ্যে পুষ্পফলের জয় হৃদয় মধ্যেই সত্ত্বশেষ বিদ্যমান থাকে,ঐ নিহিত পন্বিনীকুল যেমন আবার জাগিয়া উঠে, সেইরূপ সেই সৱশেষ পরমাণুর ন্যায় দুর্লক্ষ্য, উহাতেই প্রবোধ হইয়া থাকে, বেদধ্বনি শ্রবণ করিয়া সঙ্গিনী বিচিৎ রাজার শরীরে চিত্ত স্পর্শবিহীন, যাহার যিত্ব একত্ব-আদি কোন প্রকার বিকাশ আবার জাগিয়া উঠিল। তৎপরে শিখিল ভূপতি আপন সজ নাই, যাহার চৈতন্যই একমাত্র * এবং স্পন্দবিহীন, তাদৃশ সম্পত্তি (চৈত) প্রাপ্ত হইয়া আদিত্যদেব কমলিনীকে যেমন যােগির শরীর যাবৎকাল সমভাবে অবস্থান করে, হৃষ্ট বা স্নান বিকশিত করেন, সেইরূপ আপনার দৃষ্টি উন্মীলিত করিলে কিছুই হয় না, না অন্তমিত না উদিত সমভাবেই অবস্থান করে, দেখিলেন, সমুখে কুত সামগান করিতেছেন , বােধ হইতেছে, তা। বাক্তির সশেষ (বিশুদ্ধ বাসনা কণিকা) আছে বা থাকে, যেন মুর্তিমান দ্বিতীয় সামৰদ আসিয়া উপস্থিত হইয়াছেন। ইহা অনুমান করা যায়। যে ব্যক্তি দ্বিত্ব একত্ব প্রভৃতি বিকল্প- | আহা কি আনন্দের দিন। মুনিবর কুত আজি তাই আসিয়া ভাবনায় কলুষিত, তাহার মন স্পন্দিত হয়, সে ব্যক্তির দেহও উপস্থিত হইয়াছেন।” এই বলিয়াই রাজা কুন্তের উদ্দেশে পুশা (কালক্রমে) অভাব ধারণ করে, যাহার সেইরূপ শব্দ নাই, জলি প্রদান করিলেন এবং বলিলেন,—“ভগনু। আজি আমাদের চিত্ত যাহার নিল, তাহার কিছুই হয় না, তবে যতদিন তাহার কি সৌভাগ্য। যেহেতু আমি আজি আপনার পবিত্র চিপরে বিশুদ্ধ বাসনাকণিকার ভােগাবসান না হয়, ততদিন সেই বর্তমান | পথিক হইলাম। অথবা মহাত্মাদিগের স্বভাবই এই যে, পরের একভাবেই থাকিয়া যায়। হে রাম। বসন্তকাল যেমন নানাবিধ প্রতি অনুগ্রহ করা, সেইজন্যই আপনি আমাকে অনুগ্রহ করিতে কুসুমের আকর বা কারণ, সেইরূপ চিত্তস্পন্দই এই নিখিল জগৎ | আসিয়াছেন। আপনার আসিবার কারণ আমাকে পবিত্র করা, স্থিতির কারণ। হে রঘুবংশতিলক। এই যতদিন পুনর্জন্মের নতুবা আর কি কারণ থাকিতে পারে। তাই আমার নিকট বীজ থাকে, ততদিন চিত্ত এক দেহু হইতে অন্য দেয় গহন বসুন। কুন্ত কহিলেন, হে আনন্দিত। আমি বে অবধি তোমার করিবে, এবং তাহার জনিত যে হব যা কোঋদি বিকার, তাহাও নিকট হইতে গিয়াছি, সেই অবধি আমার চিত্ত ভােমার সঙ্গেই থাকিবে, কিছুতেই সে বিকারসমুদয় বশে আনা যাইবে না। অবস্থান করিতেছে, সেই অবধি আমি আর রমণীয় স্বর্গে থাকি (মানসিক বিকাৰসমুদয় প্রশমিত হলে কায়িক বিকারও প্রশ- না;তােমার নিকটেই থাকি-কারণ চিত্ত যে বিষয়ের প্রতি অতি- মিত হয়) চিত্ত যখন প্রশমিত হয়, তখন দেহ বাসনাধীন চিতের নাৰী হয়, তাহা সর্বদাই তাহার নিকটে উপস্থিত থাকে এবং দ্বারাও পরিত্যক্ত হয়, তখন সে দেহে আকাশে বস্তু প্রতিঘাতের সমুদয় রমণীয় বস্তুর সার বলিয়া বােধ হয়। এই জগতে আমার, স্থায় কোন বিকারই লগ বা এভিঘাতপ্রাপ্ত হয় না। ২১-৩০। তােমায় স্থায় বিশ্বাসী বন্ধু, আত্মীয়, সৎ, সখা বা শিষ্য আর জল স্থির নিস্পন্দ হইয়া সমভাবে অবস্থান করিলে তাহাতে যেমন কেহই নাই; ইহাই আমি মনে করি। শিখিধ্বজ কহিলেন, ভরঙ্গাদির আবির্ভাব হয় না, সেইরূপ সত্বসমূহ ঐরূপ সঙৰ “প্রভাে৷ আজি আমার কুলপর্বতে বহুদিনজাত মুফতলে ধারণ করিলে চিন্তে কোন প্রকার ক্রোধাদি বিকার লকিত হইবে ফল ধরিয়াছে, যেহেতু আপনি সাভিলাৰী না হইলেও (আল- । যতদিন প্রারব্ধ ভােগবাসনার অবসান না হয়, ততদিন সেই সক্ত হইলেও) আমার সঙ্গে থাকিতে ইচ্ছা করিতেছেন, হে সেইভাবেই থাকে; যখন আরব্ধভােগের বিশুদ্ধ বাসনাকণিকা প্রতে। এই কন, এই রুক্ষ, এই আজ্ঞাকারী ভৃত্য আর করি ধীরে ধীরে সমাপিত হইয়া যায়, তখন দেহও একেবারে পরি- সেছে, যদি আপনার স্বর্গে থাকা অভিচিত না হয়, ত এই খানেই ভক্ত হয়, সে বাসনা-কণিকায় অবসান না হইলে বিশুদ্ধসত্বের থাকুন। ৪১। হে সাধাের আপনি আমাকে যে বােগযুক্তি উপলব্ধি হইবে না। হে আম। যে দেহে চিৎ নাই এবং সত্ব ও দিয়াছে, তাহাতে আমি জেল বিশ্রাম লাভ করিয়াছি, বােধ হ চৈতন্য নাই,সেই যে অতপষোগে হিমের স্যায় পড়ে মিলিত এইরূপ বিশ্রামসুখ স্বর্গেও নাই। আপনিও এই প্রকাশময়ী খ হইয়া যায়। শিখিধ্বজ মাজৰ ঐ দেহে চিত্ত নাই বটে, কিন্তু বিশ্রান্তি কুলম্বন করিয়া স্বর্গে বা ভূতলে সেখানে ইচ্ছা সবাই সত্ব আছে, সেই অস্তই সেই ডেপুজে পরিপুষ্ট রহিয়াছে এবং একভাবে বিহার করিতে পারেন। কু কছি,-“হে কাজ। কোন প্রকার গ্লানি এও হইতেছেনা। সুরমণ চুলা আমীর ভূমি মহাশ পদে বিশ্রান্তি লাভ করিয়াছ ? এই কে যে অঞ্চৰি গৰ্শন করিয়া দেহত্যাগ করিতে পারিলেন না; ভাবি মানুষ পরিত্যাগ করিছ ত? আপার সালহইতে লেন “ইহার হতে বিতাপ দিয়ে প্রবেশ করিয়া তােমার কি গিয়াছে। ক্ষ। এই বিভােগ তােমার হায় ভাবে অষিত হয় এই ইহাকে এবােধিত করি; নিকট নীরস সার বলিয়া বোধ হইয়াছে ত? গেমার মন তাহা হইলে এ দুইকে ; আর এখন যদি ইহাকে না করি, তাহা হইলে ইনি কার পরে আপনি এতইফেল ; ভিণিত বুটি বাহুতে পখৰু ইয়; ভাল আমাকে একাকী থাকিতে হইবে; কিন্তু আমি তাহা এলশ। তৎকালে তাহার বুৰি বিৰু-ৈমিলিত পারি না, অতএব ইহাক আর্মি এবং ক্ষয়ি।”-এই ভাবিয়া রহিয়াছে। = ৫ । সূত্র হইয়া উমণ করিতে লাগিলেন। তৎকালে হারা যe যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ এক্ষণে হেয় উপাদেয় দশ হইতে উত্তীর্ণ হইয়া শান্ত সমভাবে হয় নাই। ৬-১০। সেই বহুগল কোথাও ধূলিধূসর হইয়া, অবস্থিত হও যথাপ্রাপ্ত বিষয়ে অনুদ্বিগ্নভাবে প্রবর্তিত হই- কোথাও চন্দনচর্চিত হইয়া, কোথাও বা ভৰিলিপ্ত হইয়া বিচল তে? শিবির কহিলেন,-গুণ! আপনার অনু করিতে লাগিলেন। কোথাও বা দিব্য বসন পরিধান করিতে গ্রহে আমি নৃতীত বিষয় দর্শন করিয়াছি, সংসারসীমার অন্ত লাগিলেন, কোথাও বা যিচিত্র যন্ত্র পরিধান করেন, কোথাও বৃক্ষ প্রাপ্ত হইয়াছি, লব্য বিষয়ের নিশ্চয়ও লাভ করিয়াছি। আমি বন্ধু পরিধান করিয়া কান কাটান; কোথাও কুসুমমণ্ডিত হইয়া আজ বহু দিনের পর বিশ্রান্ত অনাময় হইয়াছি। যাহা লব্য, থাকেন। কিছুদিনের মধ্যেই বাজ শিখিধ্বজ সমচিত্ত ও সত্ব হা সমই পাইয়াছি , কিন্তু দিনের পরে পরিতৃপ্ত হইয়াছি, পূর্ণ হইয়া কুরে স্থায় শােভা ধারণ করিলেন। অনন্তর মানবতী আর কিছুই আকাক্ষা নাই। এক্ষণে আমাকে আর উপদেশ চুড়ল শিখিধ্বজকে ক্রমে দেব-কুমারের ন্যায় শােভমান দেখিয়া দিরও কিছুই নাই , সব বিষয়েই আমি পরিতৃপ্ত হইয়াছি, মনে মনে চিন্তা করিলেন। “এই আমার স্বামী অধীনভাবে অবস্থান আমি বিগতজ্বর হইয়াছি,—ক্রিপ হইতে মুক্ত হইছি। যাহা করিতেছেন, এই রমণীয় কী, এক্ষণে আমাদের এই ভাবে জানবার তাহা জানিয়াছি, যাহা ত্যাগ করিবার তাহা ত্যাগ যে অবস্থিতি (জীবন্মুক্ত দশা), ইহা অনায়াস সি, ইহাতে কামের করিয়াছি, যাহা পাইবার তাহা পাইয়াছি, তত্ত্ব, পরত্ব, সত্ত্ব, যাহা প্রতারণা নাই। কিন্তু যাহারা জীবন্মুক্ত, তঁাহার। যথাপ্রাপ্ত ( প্রারব্ধ কিছু যুমন্তই আমার, আমার নিকট আর কিছুই পরকীয় বাসনার অনুসারে আনীত) ভােগসমূহ অনুভব করিয়া থাকেন, নাই, আমি সংসার হইতে বহির্গ, মােহভয় আমার বিগত উপস্থিত ভােগেও বিরাগ দেখান-এটা তাঁহারা মূতার কাৰ্য হইয়াছে। কোন বিষয়েই আমার অনুরাগ নাই , আমি নিত্য বলিয়া অনুমান করেন, কিন্তু যখন যেরূপ প্রারব্ধবশে যেরূপ ভােগ উদিত, আমি সর্বত্রই সমভাবে সর্বময়ভাবে শান্তভাবে অবস্থান আসিয়া উপস্থিত হইবে, তাহাই তখন উপভােগ করা উচিত। করিতেছি, আমি নিজেই সর্বময় ; আমাতে কোন প্রকার উদারমতি এই শিখিধ্বজ রাজা আমার নিজ পতি, ইনি এক্ষণে সঞ্চলের লেশমাত্রও নাই, আমি আকাশকোষের ন্যায় বিশদ আধিশূন্য এবং এখনও ইহার নবীন বয়স, আর এই পুষ্পমণ্ডিত সমভাবে সর্বত্রই অবস্থান করিতেছি। ৫২-৬১। ভবন, এরূপ অবস্থায় যে নারী আপন পরিপ্রতি কামবতী না হয়, ধিকশতম সর্গ।১০৩। সে জীবন্মুক্ত হইলেও প্রারব্ধ কৰ্ম্মের অবহেলনরূপ অপকৰ্ম্মে যে দূষিত, তাহাতে সন্দেহ নাই। কোনরূপ দুঃখ যাহার নাই, এবংবিধ নারী এইরূপ পূষ্পলতাময় গৃহে আপনার স্বামী পাইয়াও তঁাহাতে আলাপূর্ণ করে না, সেই নিন্দিত কামিনীকে ধিক্। চধিকততম সর্গ। বেশী-- শববাহিত সুন্দর বশিষ্ঠ কহিলেন—রাম। কালনমধ্যে বিদিতবেদ্য সেই পতিকে পাইয়া অভীষ্টসিজি না করে, সেই কুকামিনীকে খি। কুন্ত ও শিখিধ্বজ ইহারা দুইজনে পরস্পর এইরূপ বিচিত্ৰ আখ্যা আর অনিন্দনীয় আপন ভােগ ভাগ করিয়াই বা ফল কি? ফলতঃ ক্লিক কথাবার্তায় তিন মুহূর্ত অতিবাহিত করিলেন। তাহার পরে তত্ত্বজ্ঞানী—যিনি বেদ্য অর্থাৎ জ্ঞাতব্য বন্ধ অবগত হইয়াছেন, তাহাৱা তথা হইতে গাত্রোখান কম্বিয়া গিরিশ্রন্থে, সারসনিনাদিত ভঁহার আপন প্রারব্ধ কৰ্ম্মফলে উপনীত বিষয়ভােগ করা উচিত। সরােবরে, কুন্দনকাননে এবং অন্যান্য বনস্থলীতে ভ্রমণ করিতে ১১-২০। অতএব আমার এই সম্মানকারী ভর্ত। যাহাতে এই লাগিলেন। সঁহারা দুইজন বনে বনে ভ্রমণ করতঃ পরস্পর কাননে আমাতে রতি মুখলাভ করেন। আপনার প্রজ্ঞাবলে বিচিত্ৰ আধ্যাত্মিক কথাবার্তায় আট দিন অতিবাহিত করিলেন। আমি সেইরূপ উপায় করি।” আমি সেইরূপ উপায় করি।” কুন্তবেশধারিণী চুড়ালা এই তাহার পর একদিন কুত্ত বলিলেন চল, আমরা অন্য এক প- ভাবিয়া সেই বনভূরে অবস্থান করিয়া কোকিলপত্নী যেমন রে বনস্থলীতে গমন করি , শিখিধ্বজ বাজাও হাতে সম্মতি কোকিলকে বলে, সেইরূপ পতিকে বলিলেন, অন্য চৈত্রমাসের প্রদান করিলে উভয়ে তথা হইতে প্রস্থান করিয়া বিবিধ কানন, শুক্লা প্রতিপৎ, এই শােভদিচ্ছে স্বৰ্গীতে দেরাজের এক অল, নদীট, সােবর, লতা, গিরিশৃঙ্গ, নিবিড় গহন, নদী, বিরাট সভা হইবে, সেইখানে আমাকে পিতার নিকট উপস্থিত ঘাষ, দেশ, নগর, নানা জল্পর নিনাদে মুখৰিত গিরিসমূহ, থাকিতে হইবে, অব অদ্য আমাকে আর যাইতে হইবে; কু, তীর্থ ও সেবায়ন প্রভৃতি নানাস্থানে পৱম্পর সমাহে- যখস্থিত নিয়ম লঙ্গন করা ত এখনই উচিত নয়, আজ তথায় উভয়েই সমান-সৰু সমান-উৎসাহ ও সদা সমভাবাপন্ন হইয়া ভুমি নবকুমিতা এই বীতে উদ্বিগ্নচিত্তে ক্রীড়া করতঃ আমার অবস্থান করিতে লাগিলেন।।১-৫। হে রাখব। তদবধি তাহার প্রতীক্ষা কৰিতে এক, আমি সায়ংকালে নিই আর দুইজনে সমবুদ্ধি হইয়া, এক পিতৃগণের ও দেবগণের পূজা করি তোমার নিকট আসিয়া উপস্থিত হই; স্বর্গে থাকা অপেক্ষাও জে এবং একত্র আহার করিতে লাগিলেন, কি আগপি, তােমার নিকটে থাকাতে আমার অধিক প্রীতি হয়। এই কথা কি তুষারশীল প্রদেশ, সর্বত্রই তাঁহারা অখিমনে অবস্থান বলি, কুত স্বীয় মুৎকে পারিজাত কুমাৰী শ্ৰীতি-উপহার কলিতে লাগিলেন। গিলয় সেই দশভিক্ষুগল পরস্পর দিলেন, বােধ হইল ফেন নন্দনকাননের প্রতি তাছায় যে প্রীতি সুরক্ষায় একত্র হইয়া উমাকাননে বা মন্দারগহনে বিচরণ আছে, তাহাই উপহার দিলেন। তৎপুলে রাখার শীঘ্রই কুরিতে লাগিলেন। হে রাম। প্রবলবাজ যেমন সুমেরু পড়কে আসিবেন” এই কথা বলিতে বলিতেই তিনি সেই কাননভূমি লিত করিতে পারেন; সেইরূপ এই বাড়ী ইহা “বাড়ী হইতে শালীয় মরে যায় তবেগ নােমওনে আরােহণ —এইরুপ বিকল কলাতাহাদের মনকে আকর্ষণ করিতে সমর্থ করিলেন। আকাণে যাইতে যাইতে মালা হইতে পানি নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। বিকিরণ করিতে লাগিলেন। বােধ হইল যেন তুষারময় মেখ সিদ্ধ। জল যেমন সাগরের দিকেই ধাৰিত হয়, সেইরূপ জ্ঞানী বায়ুেেগ চতুর্দিকে বিশণ তুষার বিকিরণ করিতে লাগিল। বা অতত্বজ্ঞানী এবং এই সমগ্ৰ দৃশ্যপ সমস্তই নিয়তির পথে তখন রাজা শিখিধ্বজ ময়ূর যেমন উৎফুল্পনয়নে মেষ দর্শন ধাবিত—অর্থাৎ সকলই নিয়তির অধীন। তত্ত্বজ্ঞানীরা যতদিন করে, সেইরূপ যতদূর দেখিতে পাইলেন, ততদূর উৎফুলনয়নে দেহ থাকে, ততদিন অন্তরে সমবুজি থাকিয়া (কেবল বাই শুষিয়- তাহাকে দেখিতে লাগিলেন। বুদ্ধিমানের সঙ্গ পরিত্যাগ করা মন। না হইয়া) বা হস্তপদাদি সঞ্চালনব্যাপারে অখণ্ডিতভাৰে বড়ই দুষ্কর হইয়া উঠে। ২১-৩০। পরে চুড়াল শিখিধ্বজের এই নিয়তির আদেশ পালন করিয়া থাকেন। কিন্তু যাহারা অজ্ঞ, দৃষ্টিপথ অতিক্রম করিয়া নভােমণ্ডলেই কুক্তদেহ পরিত্যাগ তাহারা একেবারে সুখদুঃখদশায় জর্জরিত হইয়া কেবল ভগত করিয়া, আবভব শান্ত হইলে জলী যেমন নিজ শান্ত মধুর চিত্তে নিতির আদেশ পালনে যত্ন; এজন্য তাহাদের নিকট মূর্তি ধারণ করে, সেইরূপ নিজ কমনীয় রমণীমূর্তি ধারণ করিলেন। নিয়তি এরূপ হইতে পারে না, খণ্ডবিণ্ডিত হয়, তহারাও তৎপরে সেই আকাশপথ দিয়াই, মঞ্জরিত কল্পতরুর ন্যায় সুন্দর উত্তরােত্তর এক লক্ষ দেহ ধারণ করিতে থাকে। অয়ি না। পতাকানােভী স্বর্গবং রমণীয় আপন পূরীমধ্যে প্রবেশ করিলেন, জীবগণ জানিয়া থাকে যে, মুখশায় এইরুপে থাকতে হয় এবং বসন্তশ্রী যেমন অলক্ষিতভাবে পূষ্পলতামণ্ডিত তরুকাননে আসিয়া দুঃখদশায় এইরূপে খাকিতে হয়, ইহা অলক্ষনীয় নিয়তির শীলা অধিষ্ঠান করে সেইরূপ অদৃশ্যভাবেই তিনি ললনাকুলশােস্ত্রী জানিবে। এই নিয়তির লীলা কি অজ্ঞ কি বিজ্ঞ সকলের উপরেই অন্তঃপুরমধ্যে প্রবেশ করিলেন। সেখানে সমুদ রাজকাৰ্য ঝটিতি সমানভাবে আধিপত্য করিতেছে (বুধগণ তাহাতে একরে আভ- সম্পাদন করিয়া শিখিধ্বজের নিকটে বৃক্ষ হইতে ফলপুষ্পের ন্যায় বিক মগ্ন হন না, তাই তাঁহাদের কোন ক্রেণ থাকে না, ঢেল। হঠাৎ আসিয়া পতিত হইলেন। রাত্রি যেমন কমলকে ম্লান করে, কেবল তাহাই জীবনের সার মনে করে, এইজন্যই অশেষ যন্ত্রণা শীতকালের নিশায় চন্দ্র যেমন নীহারময় হইয়া কিঞ্চিৎ ম্লান হইয়া ভোগ করিয়া থাকে)। ০১-০১। পড়েন, সেইরূপ সেই চুডালা স্বামীর সম্মুখে উপস্থিত হইয়া | চতুরধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১০৪ | মূখ স্নান করিলেন। শিখিধ্বজ তাঁহাকে অবস্থায় উপস্থিত দেখিয়া উঠিয়া পড়াইলেন এবং মিনা হইয়া সমাদরপূর্বক বলিতে লাগিলেন-হে দেয়। আপনাকে নমস্কার, আপনাকে পাধিশততম সর্গ । আজ বিমনা দেখিতেছি কেন। আপনি যে কুন্ত, আপনার এইরূপ বিষাৰ ত ভাল নয়, আপনি বিষাদ পরিত্যাগ করিয়া শিখিধ্বজ কহিলেন-হে মহাভাগ। হে তত্ত্বজ্ঞানীদিগের এই গগনে উপবেশন করুন। আঁহাৱা জ্ঞাতব্য ব্রহ্মেরক্ষা প্রধান। আপনি যাহা বলিলেন, তাহাতে আপনার উদ্বেগের কার লাভ করিয়াছেন সেই সাধুগণ, পদ্ম যেমন সনি হয় কারণ কি প্রতিপন্ন হইল, আপনি উদ্বিগ্ন হইলেন কেন, তাহা , সেইরূপ হর্ষবিষাদজনিত বিকারে আক্রান্ত হন না। আমাকে পুন। কুম্ভ কহিলেন, হে ভূপাল। শ্রবণ কর, তােমার বশিষ্ঠ কহিলেন,—মহীপতি এই কথা বলিলে কুন্ত আসনে উপ নিকট আমার মনের কথা সমস্তই খুলিয়া বলিতেছি। আজ স্বর্গ- বেশন করিয়া বিশীর্ণ বেণুধ্বনির ন্যায় ভগ্নস্বরে কহিতে লাগিলেন, পুরীতে যাহা যাহা ঘটিয়াছে, তাহা সমস্তই বলিতেছি। কারণ “যে সকল তত্ত্ববিদেরা দেহের অবস্থিতি পর্যন্ত সমচিত্ত থাকিয়াও মুখদের নিকট দুঃখের কথা জানাইলে অলবর্ষণে অলদের স্থায় ৭ বথাপ্রাপ্ত কৰ্ম্মেত্রিচেষ্টার সফলতা সাধন না করে , তাহার মুখের অনেকটা লাঘব হইয়া থাকে। আর এইরূপ দুঃখের প্রকৃত জ্ঞানী নহে, তাহারা শঠ, (অভিপ্রায় এই যদি চিত্ত- কথা হুদ যদি জিজ্ঞাসা করিয়া জানিতে চাহে, তাহাতেও চিত্ত সমর ব্যাঘাতকর না হয়, তাহা হইলে যথাপ্রাপ্ত বা বিষয় কতক ফলসংঘােগে সলিলের ন্যায় নির্মলভাব থা করে, মুখের ভােগ করা কর্তব্য, তাহা না করা শঠতার কাৰ্য)। ৩১-৪০ | লাঘবই হয়, (অর্থাৎ তােমার এই প্রশ্নে আমি বড়ই সুখী হই- হে রা। যাহার তত্ত্বজ্ঞানী নহে অর্থাৎ মূঢ়, তাহারাই সম- আছি। আমি আপনাকে পূষ্পমঞ্জরী প্রদান করিয়া এস্থান হইতে চিত্ততার অভাবে ইন্দ্ৰি নিগ্রহ করিতে পারে না। তত্ত্বজ্ঞানিরা আকাশপথ অতিক্রম করিয়া স্বর্গপুরীতে গিয়া উপস্থিত হইলাম, তাহা অনায়াসে করিতে পাজেন ,এইজন্য বাদশাতে ও বিষয়ভােগ তথায় ইসভায় আমার পিতা উপস্থিত থাকিয়া যথারীতি সম্পা- দশাতেও ইন্দ্রিয় নিগ্রহ করিতে সমর্থ হন। তিলমাত্ৰই তৈল, গণয়ে আমাকে বিদায় দিলেন। আমি তথা হইতে আকাশে আছে, দেমাত্রেই বা কাৰ্য্যদশা আছে, যে দেহদশ প্রাপ্ত হয় না আসিয়া উপস্থিত হইলাম, আদিত্যদেবের আখের সঙ্গে ধাঁয়ুপথে অর্থাৎ দেহধারীর কার্যসম্পাদন করে না, সে অসি ছাত্ৰা চলিতে লাগিলাম। অনন্তর সূৰ্য্যদেব কিছু দূর অামার সনে আকাশকর্তন কর্মে ব্যাপৃত হয়।চিতের সমতলাভ কৰি দৈহিক আসিমা অঙ্গপথে গিয়া পড়িলেন, আমি আর এক পথ দিয়া কাৰ্য্যদয় কোন কষ্ট বোধ না করাই অজ্ঞানীর কাৰ্য। কষ্ট আকাশপথে যেন সাগরে ভাসিতে ভাসিতে আসিতে লাগিলাম বােধ না করিয়া দৈহিক সম্পান দােষ কি? সমঅলাভও আসিতে আসিতে সমূণে দেখিলাম, জলপূর্ণ মেধৰণীর মধ্য ব্ৰহ্মবিষয়ে চিরে একাগ্রতা-নিবল হয়, বর্শমিমের নিগ্রহে দিয়া প্রতিবেগে দুর্বাসা মুনি আসিতেছেন। তিনি মেৰবসন পরি- নহে, সাং কর্শ্বেক্রিমের কাৰ্য্য সম্মলনে সমতার কোন ধান করিয়া বিদ্যাপ বলয় করে থাকা ফরিয়া আসিতে, ক্ষতি নাই। যত যিন দেহ না যায়, তত দিন কেবল কর্মফ্রি মেধযুক্ত সলিলে ভঁহার গাত্রগণ থৌত হইয়া যাইতেছে, ঠিক দ্বারাই যথাসময়ে যথাযথ ব্যবহার সম্পান করিতে হইবে। যেন অভিসারিকা বৰণর স্থায় আসিতেছেন; যিনি ভূষিত জ্ঞানেক্রিয়ের দ্বারা নহে। হিরণ্যগর্ভ-এভৃতি নিখিল জ্ঞানীই পাপচ্ছায়াসমখিতা ভূগীরথীর দিকে সা-বার্থ ধাবিত হইছে দৈহিক কাৰ্য গলার প্রপািলন করিয়া থাকেন, ইহা নিয়ড়ি ছেন; বােধ হইতেমেযেন তাহার প্রিয় পােলর দিকে এক ৫০০ যােগবাশিষ্ঠ-ৰামায়ণ মান হইয়াছেন।১-১১। আমি আকাশে যাইতে যাইতে তাহাকে হইতে গিল ,অর্থাৎ ক্রমে অন্ধকারে পথ দেখা যাইতে নমস্কার করিয়া কহিলাম, হে মুনে। আপনি নীলবসন পরিধান লাগিল না, পথিকগণও পথ পরিত্যাগ করিয়া বিল্লামার্থ করায় আপনাকে ঠিক অভিসারিকা নারীর ন্যায় বােধ হইতেছে। কোন স্থানে অভিড়া গাড়িতে লাগিল , যে সকলগখিকে গৃহে হে মায়ের মানাক্ষি। সেই দুর্বাসা মুনি আমার এই কথা শুনিয়া আসিয়া উপস্থিত হইতে পারিল না, তদীয় বিরহিণীগণের হৃদয় ক্রু হইয়া আমাকে শাপ প্রদান করিলেন। বাও, তুমি যেমন গাশাক-অন্ধকারে পূর্ণ হইল। ব্যাধ যেমন চতুর্দিক হইতে আমাকে এই কটু পরিহাস উক্তি প্রদান করিলে-এই অপরাধে পকিসকল ধরিয়া এক সঙ্গে বাধিয়া লয়, সেইরূপ তারকারূপ বই তুমি রাত্রিকালে লম্বকেশী পীনস্তনী হাবভাববিলাসবতী রমণী হইবে, রাজিমাত অগং, অকালে ইততঃ বিচরমাণ বিহুগল এক বু ব্রাহ্মণের মুখে এই অশুভ কথা শ্রবণ করিয়াই আমি (হত স্থানে জড় করি—অাৎ সন্ধ্যাকাল উপস্থিত হওয়ায় বিহগকুল বুদ্ধি হইয়া) তাবিতে লাগিলাম,-ইত্যবসরে তিনি হা হইতে আপন আপন কুলায়ে আসিয়া আশ্রয় লইল। সরােবরে কুমুকুসুম, অন্তর্ধান করিলেন। হে সাবধা। আমি এই জন্য উদ্বিগ্ন হইয়া অাকাশে নক্ষত্ররাজি যুগপৎ বিকসিত হওয়ায় উভয়ে যেন পর- আসিয়াছি এই তােমার নিকট সব কথা বললাম, আমি রাত্রি স্পরকে উপহাস করিতে লাগিল। ভ্রমরকুল মধুলােভে কুমুদবনে কাল উপস্থিত হইলে নারী হইব, নারী হইয়া কিরূপে রাত্রিযাপন আসিয়া উপস্থিত হইল, চঞৰাকৃমিথুন পরস্পর বিযুক্ত হইয়া করিব এই আমার ভাবনা, আর আমি রাত্রিকালে শুনবতী নারী দুখে চীৎকার করিতে লাগিল। ২২-৩০। চন্দ্র উদিত হইল, হইব, ইহা পিতার নিকটেই বা কিরূপে ব্যক্ত করিব। আমি এক্ষণে সেই সময়ে সেই বহুযুগল গাত্রোখান করিয়া সাদেবীকে নমস্কার যুবাদিগের লােভনীয় পদার্থ হইয়া পড়িলাম। হা। দৈবের কি করিয়া লতাগহনমধ্যে বসিয়া আপন আপন জপকাৰ্য সমাধা বিচিত্র গতি। হায় কি কষ্ট! আমাকে লইয়া এখনই দেবকুমার- করিলেন। তাহার পর কুন্ত শনৈঃ শনৈঃ স্ত্রীমূর্তি ধারণ করিয়া গণ কামাতুর হইয়া কলহ কৰিতে আরম্ভ করিবে। হায় । আমি | বাগদগদরে পূনরাবর্তী শিবিকে বলিতে লাগিলেন। রাত্রিকালে কাশিনী হইয়া দেবত, ব্রাহ্মণ বা গুরুজনের নিকটে রাখ বােধ হয় আমি এখন স্ত্রী হইয়া পড়িলাম, হায় আমি লজ্জাপরবশ হইয়া কিরূপে অবস্থান করিব। বশিষ্ঠ কহিলেন, লজ্জায় মরিলাম। আমি পড়িলাম, আমার অঙ্গঘষ্টি যেন গলিত হইয়া “হে রাখবােত্তম। সেই চুড়াল এই বলিয়া ক্ষণকাল মৌনাব. যাইতেছে। রাজন! এই দেখ, আমার কেশকলাপ সন্ধ্যাকালের লম্বন করিয়া রহিলেন, পরে আবার ধৈৰ্য্যৰলে চিত্ত সমাধান অন্ধকারপটলের ন্যায় বাড়িয়া উঠিল; রাত্রিকালে অন্ধকারের মধ্যে করিয়া । চিত্ত স্থির করিয়া বলিতে লাগিলেন,-অখবা আমি যেমন গ্রহনক্ষত্রাদি তারকানিচয় দেদীপ্যমান হইতে থাকে, আম- মূঢ় ব্যক্তির ন্যায় নােক করিতেছি কেন? আমার আত্মার ইহাতে রও কেশকলাপে তেমনি মুক্তামালা ঝক করিতেছে। এই দেখ, কি ক্ষতি হইয়াছে, হইলামই বা স্ত্রী, তাই ত এই দেহেরই পরি। আমার বক্ষস্থলে শুন উখিত হইতেছে বােধ হইতেছে, যেন বৰ্ত্তন, দেহ ত আমা হইতে পৃথক, অতএব দেহ যেরূপ হইতে বসন্তকালে দুইটী পকেৱক আকাশমুখ হইয়া উঠিতেছে। এই চাহে হউক, আমার কোন ক্ষতি নাই। ১২-২১। শিখিধ্বজ দে, রম-দেহের ন্যায় আমার বসন মে পায়ের লক্ষ পৰ্যন্ত কহিলেন,-আপনি পরে যাহা সিদ্ধান্ত করিলেন, হে দেবনন্দন! লম্বমান হইয়া আমার সর্বাঙ্গ আচ্ছাদন করিল। অয়ি সখে। তাহাই ঠিক, দৈহিক অবস্থাপরিবর্তনের অনুশােচনায় ফল কি? এই দেখ আমার অঙ্গ হইতে বকুসুমের স্যায় নানাবিধ ভূষণ, দেহের উপরে যা অবস্থা পড়িতে ইচ্ছা করে, পড়ুক, তাহাতে রই, মাল্য, আদি বহির্গত হইছে। এই দেখ, আমার মকো- কোনই ক্ষতি নাই, আত্মা তাহাতে লিপ্ত নহেন। এই যে ঘত কিছু পরি আজ চকিরণবং উজল পর্বতস্থ নীরের ন্যায় বিধৌত সুখ বল বা দুঃখ বল, সমস্তই কেবল দেহের উপরে আপতিত পটুব শােল পাইতেছে। হে মান। সমুয় রমণীচিহ্ন আজ হইতেছে, দেহীর ইহাতে কিছুই ক্ষতি করিতেছে না। এই সমস্ত আমার পরিস্ফুট হইয়া উঠিল, হায় কি কষ্ট! কি দুঃখের বিষয়, ঘটনায় আপনার খেদ করা উচিত নয়, আপনি যদি ইহাতে হায় আমি কি করি! আমি আজ রমণী হইয়া পড়িলাম। হে খে করেন, তাহা হইলে আর কে লােকের এরূপ শেদের শান্তি সাথে! আমি অন্তরেও বাস্তবিক নিতম্বনের গুরুভারবহন- করিয়া দিবে, আর কেই বা শাস্ত্র অনুশীলীদিগের অগ্রে বিল্লাল ক্লেশ অনুভব করিতেছি, আমার চৈতন্য এলে আপনাকে নারী- করিবে? ফলঃ আপনার এ খেদ, প্রকৃত খেল নহে, লােকা মূর্তি ভাবিতেছে। ৩১-৪১। বনমধ্যে কুম্ভ এই কথা বলিয়া চারের অনুসরণ-লােকে এই বিষম দয় আপতিত হইলে যে যৌবলম্বন করিলেন, রাজাও তঁাহার তাদৃশী অবস্থা দেখিয়া করে, তাই আপনিও করিলেন, ইহা আপনা বাহিক আত্মৰিক বিকল হইলেন, কাল তুীতারে অবস্থান করিয়া পরে শিখি নহে। যাহা হউক এলে আপনি সমভ প্রাপ্ত হইয়া অখিলভাবে বলিতে লাগিলেন,—কি কষ্ট। সেই মহাসত্বসম্পন্ন মহাপুরুষ আজ যেমন ছিলেন, তেমনি খান। বশিষ্ঠ কহিলেন, কাননমধ্যে সুন্দরী রমণী হইলেন, হে সাথে! আপনি বিদিতৰেদ্য, সেই বহুযুগল পরস্পর থিম হইয়া এইরুপে পরস্পরকে আশ্বস্ত আপনার অজ্ঞাত কিছুই নাই, আপনি নিয়ত্রি গতি অবগত করতঃ অবস্থান করিতে লাগিলেন। অনন্তর জগতে প্রদীপরূপ আছে, অতএব অবজাৰী টনৰ আর খেদ করিকেন সূর্য্যদেব ফুখের মণী সম্পাজনের অই যেন অচলে না, ইহা আপনার নিয়শিন, আপনি কি করিবেন। সেই গান করিলেন, যখ হইল বেন সেই ক্ষ হওয়ায় (জৈ সেই ঘটনা বা অবস্থা জানীদিগের কেবল দেহের উপরেই সুমাইয়া যাওয়ায়) দীপ নির্বাণ হইল। মনুষ্যদিগের কাৰ্যেৰু আসিয়া, পড়িয়া থাকে, চিতের উপরে নহে; এজন্য তাঁহাৱা ইহার সহিত সমােবরের কমল সকল ক্ষোভাব ধারণ করিল এক শােক বা হব প্রাপ্ত হন না; যাহারা দুলুরি, অজ্ঞান লাভ এ বাকসান হওয়ায় জনগণ ও কর্ণ হইতে বিব্রত করিতে পারে নাই, তাদের এই দশাসকশ একবারে দিতে গিয়া , কমল মুয়িত হইল; পথসকল পকের সহিত আ , কেবল নেবে নয়। এত অহাৱা একান্ত অধীর নির্মাণ-একৰণ-পূর্বভাগ। ets হইয়া পড়ে। কুক কহিলেন, “তুমি যেরূপ কহিলে অহাই করি, এবং বলশেভিলী কামিলীগণ নৃত্য কৰিছে। হে রাত্রিকালে রমণী হইয়া আমিনে কালযাপন করি, নিয়তির আর্ত বিস্তৃতান মহাৱা। আমরা মাত্রিকালে সেই শঅন কে করিতে পারে? নিয়ভির নিয়ম আমাকে অবশ্যই পালন বিউশষিত হইলে শনারিণী তারকাবলী ৰীয় গতি পূর্ণ করিতে হইবে। এইরূপ সিজাতের পর তাঁহার পর মনে চলের সহিত একত্রইনারে বিবাহমহােৎসবের গয়িদর্শিক কষ্টের লাঘব কর এক শয্যায় শয়ন কৰি উৎকণ্ঠায় দীর্ঘত হইবে। হে আল! এই বন্য হইতে গাত্রাখান করুন, অনুভুমান সেই রজনী বাপন করিলেন। নয় রাত্রিপ্রভাত আনুন, আমরা বিয়ে ও কুশনাদি প্রব্যের সংগ্রহ হইলে যুবতি শ্রীমূর্তি পৱিত্যাগপূর্বক কুন্ত পূর্ববৎ তুচকুঞ্জবিহীন করিয়া যথাসম্ভব মণিরজানি সংগ্রহ করিয়া লইব। এই পুরুষমূর্তি ধারণ করিলেন। সেই বরবশিনী রাৰিী চুড়াল বলিয়া কুত সেই ভূপসিমভিব্যাহারে পুষ্পসন ও রত্নাফিসংগ্রহ দিবাভাগে কুরূপে ও রাত্রিকালে রমণীগে স্বামীর নিকট অব করিতে লাগিলেন। সেই সমতল শােভমান পর্বতমধ্যে পুষ্পচয়ন স্থান করিতে লাগিলেন। তিনি রাত্রিভাগে কুমারীরূপিণী ও দিবা করিতে মুহূর্তষ্যে তাহারা রাশি রাশি পূপ তুলিয়া ফেলিলেন। ভাগে কুস্তকপিণী হইয়া সেই স্বামীর সহিত বন্ধুভাবে বনে বনে সেই পর্বতে অভটে মণি, মাণিক্য, বসনভূষণহায় প্রভৃতি বিচরণ করিতে লাগিলেন। সৈই চূড়াল রমণীমূর্তি ধারণ করিয়া ব্যকাশি সংগ্রহ করিয়া রাখিয়া দিলেন। বােধ হইল বেল স্বামীর সহিত বহুভাবে কৈলাস, মন্দর, সুমেরু ও সহ পর্বতের কামদেব, পুণফলল সৌভাগপূঃ একত্র সংগৃহীত করিলেন। সানুপ্রদেশে খেজুরূপে বিচরণ করিলেও তাঁহার যোগসম্পত্তি পরস্পর সাতিশয় মিত্রজ্ঞাপন সেই কুত্ত ও শিখিব বিবাহ- অনুগ্ন রহিল। ৪১-৫০। দ্রব্য সংগ্রহপূর্বক তাহা সুবর্ণন্দরে রক্ষিত করিয়া দুইজন মন্দাকিনীতে আন করিতে চলিলেন। তথায় গিয়া কুন পঞ্চাধিক শততম সর্গ সমাপ্ত।১৫। গজকুন্তের আর বিশাল ক্ষক্ত মহারাজ শিখিধ্বজকে বহু অদ- পূর্বক আন কইলেন।১১। ভাবী পতি শিবিও বড়ধিকততম সর্গ। ভাবীপত্নী সেই চুড়ালাকে স্নান কইলেন, মান সমাপনান্তে উভয় ক্রিয়ফল বা ক্ৰিত্যাগ দুইয়েতেই ইচ্ছা হইয়া বণিষ্ঠ কহিলেন-অনন্তর কিয়দিবস অতীত হইলে কুরু- দেবতা, পিতৃলােক ও মুনিগণের পূজা করিলেন। পরে সর্বদা রূপধারিণী চুড়াল স্বামীকে কহিলেন-হে পন্নপত্রা। হে জানরসে পরিতৃপ্ত সেই অপস, জাগতিক নিয়মের বশে আশ্ন রজন্। আমার একটা কথা শ্রবণ করুন। আমি প্রতিদিনই আপন যোগবলে কলিত সুস্বাদু জাহাৰ্য্য দ্রব্য ভােজন করিলেন। রাত্রিকালে রমণীরূপে অবস্থান করি; এক্ষণে আমার ইচ্ছা যে, তাহারা দুইজনে,ফলমূলভােনান্তে কবুত ও দুকুল যন্ত্র রমণীর ধৰ্ম্মক সফল করি , অতএব কোন উপযুক্ত ডাকে পরিধান করিয়া বিবাহনে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। এই আত্মসমর্পণ করি। এই ব্রিজগতের মধ্যে আপনাকেই উপযুক্ত সময়ের মধ্যে পরশ বিবাহ করিবার নিমিত্ত উৎকণ্ঠিত সেই ভ। বলিয়া বােধ করি , অতএ আপনি রমণকালে আমাকে বলের প্রীতিসাধনা যেন দিবাকর অস্তাচলে গমন করিলেন। বিবাহ কৰি ভাৰ্যারূপে গ্রহণ করুন। হে লাখাে। প্রিয়জৎ। অণর সাসময় উপতি হইলে, তাঁহারা নিজ নিজ অখ- আপনার সহিত আমি অনান্যাসন্ধ শ্রীমুখ সন্তাগ করিতে ইচ্ছা মৰণ পাজি সমাধা করিলেন। তাঁহাদের বিৰহ দেখিবার করি, আপনি ইহাতে বাধা দিবেন না। সৃষ্টিগ্রান্ত হইতে পর্যায় নিশিই কেন মে নক্ষত্র পুঞ্জ আসিয়া আকাশে দেখা দিলে, ক্রমে প্রবৃত্ত সাধনায় মনােহর সুখ যদি স্বতঃই (বিনা আমাসে) পরস্পসক্ষত শ্রীপুরুষের প্রতিদাখিনী সখীভূত রজনী কুমুদনিক আসিয়া উপস্থিত হয়, তবে তাহা ভােগ করিতে দােষ কি? বিকাসরূপ হা কর ভূরবিন্দু বিকিরণ করিতে করিতে আসিয়া আমরা সকল বন্ধুতেই ইচ্ছা অনিচ্ছা দুইই ত্যাগ করিয়া অর্থাৎ উপস্থিত হইলেন। ব্রহ্মা যেমন গগনতলে চন্দ্ৰসূৰ্যাদি জ্যোতিক ইচ্ছ। অনিচ্ছা এই উচ্ছন্নের বশবর্তী না হইয়া আমাদিগের অভীষ্ট এবীপের রায় নিয়া থাকেন, সেইরূপ কুম্ভ সেইপর্বত কা সম্পাদন্ করিয়া থাকি। শিখিধাৰ কহিলেন, হে সখে। এহেরএনীল কান্তি স্থাপন করিলেন। রাত্রিকাল সমাগত এইরূপ কা করাতে শুই অশুভ কিছুই দেরিতেছি না, অতএব হওয়ায় খুব শান্ত হইয়া থাকে চন্দন, কন্ধুরী, কু, হে মহামতে! আপনার অভিমত কার্য সম্পাদন করিতে পারেন। কপূর প্রভৃতি বিলােপনবে ভূষিত করিলেন। তিনি রাজাকে আমি সমতাপ্রাপ্তচিত্তে এই লিংকেই এক আপে গনি (মনের সাথে) , কে, মা, শিরােভূষণ, কালভাত করিতেছি। অতএব আপনি যাহা ইচ্ছা করিতেছে, তা পট, বিলি পুলের মাল্য কালতার পূপগুচ্ছ, পারিজভ, কতে পারেন। কুত কহিলেন—“হে মহীপাল। যদি তাহাই মন্দানুভূতি পুপ, চাকার চুড়ামণি এবং বহুবিধ মণি হয়; অহা হইলে অধ্যই ওলয় উপস্থি; অ 'শ্রাবণ মাণিক্যাধি যার যারা বিভূষিত করিলেন। এবং নিজে পুণি(বিবাবে উপযুক্ত বি) ইহা আমি পুৰ্ব্বদিন গণনা কামখে পৰণত বিলাসবতী হইয়া পড়িলেন। ২১- করিয়া রাখিয়ছি। ১-১০। হে মহাবাহে! পুশয়ে ৩২। জিনি মনে ভাবিতে লাগিলেন; “আমি এ অন্যকার গাত্রেই আমাদের দুইজনের (শুভ) বিৰাই, হইৰে। হইলাম, সে আমার কান চরিণ করিবার নিমিত্ত ইহাকে আসুন, আমরা বিবাহের জন্য মহগভে সুরম্য শৃণে আত্মসমর্পণ করিতে হইবে, এব এ সময়ের বাহা'ক, অহা এক মণিময় শয়ে যাই; সেই বিষয় নয়। বিবাহের উপযুক্ত যাউক; আমি বন্ধু, তােমার কান্ত হইলাম, ভূৰি আমাৰ স্থান , তথায় সর্বদা অগ্রণীপ জ্বলিতেছে; এবং তাহার বাহিরে ভঙা হইলে, এ আমাকে গ্রহণ কর, “হে কাম! তুমি সর্বদা পূফলভরে অবত উভুক্ত শ্রেণী বিরাজ করিতেছে, আমায়, নিকটে এইস, হে জয়ে। তােমার আসিন্মর যােশবাণিষ্ঠ-রামায়।। সময়” এইরূপ চিন্তা করিয়া তিনি সম্মুখ ভাগে অবস্থিত। চাৰিটা নারিকেল ফল রাখা হইয়াছে, বিবিধ পুষ্পলতা আনীত উল্যদাদিত্যের আয় কমনীয় ভর্তার নিকটে কামের নিকট হইয়াছে; ফলগুচ্ছের ন্যায় মশনায় মল্পিশােভিত পুস্পস্তব রক্সি গায় গমন করিলেন এবং বলিলেন, “হে মানদ। আমি কোপম মুক্তাসকল এক পাত্রে বিন্যস্ত রহিয়াছে। দেখিলে অপূর্ব মােৰ ভাৰ্যা, আমার নাম মনিকা, আমি প্রেমসহকারে কুষম বলিয়া মনে হয়, সেই বেদীতে উপবেশন করিয়া তাঁহার জেমার চরণে প্রণাম করিতেছি।” অনবদ্যালী সেই কামিনী নেই বেণিমধ্যে চন্দনকাষ্ঠ এরা 'বহ্নি স্থাপন করিলেন। এই বলিয়া লজ্জায় অবনতমস্তকে আনন্দে উৎফুল পতিকে নমস্কার প্রজ্বলিত জানলের শিখা দক্ষিণাবর্ত গতিতে উজ্জলিত হইয়া উঠিল, করিলেন, নমস্কারকালে তদীয় মাকে এলকাবণী ইতত সেই সুন্দর নবদম্পতি সেই প্রবলিত এলকে প্রদক্ষিণ কলিয়া সঞ্চালিত হইতে লাগিল।” এবং বলিলেন, “হে নাথ। তুমি অগ্নির সম্মুখে পল্লবাসনে উপবেশন করিলেন। পরে শিখিধ্বজ আমাকে ভুষণদানে ভূষিত কর, এবং অমি জ্বলিয়-অগ্নি সাক্ষী কাস্তার দ্বারা উঠিয়া উঠিয়া অখিতে লাজ ও তিলের আহুতি করিয়া আমার পাণিগ্রহণ কর। হে রাজন! তুমি এলে সাতি প্রদান করিলেন, অনন্তর শঙ্কর শঙ্করীর ন্যায় সুনােতন সেই ৪ শােভাের করিয়াছ , আমাকে কামাতুরা করিচ্ছে, রতির নবদম্পতি অগ্নি প্রদক্ষিণ করিলেন। তৎপরে দম্পতি পরস্পর সহিত বিবাহকালে কামদেব যেরূপ সৌন্দর্য ধারণ করিয়া রতির আনন্দের ঈষৎ হয়ে বদনশােভা ৰতি করতঃ পয়স্পরের জ্ঞান, আনন্দবর্ধন করিয়াছিলেন, তুমি তদপেক্ষা সমধিক সৌন্দর্ঘ্যে সর্বস্ব লুট হৃদয় প্রেমময় করিয়া পরস্পরকে প্রদান করিলেন ভূষিত করিয়া আমাকে সাতিশয় আনন্দিতা করিতেছ। হে রাজ। এবং অনলে পুনরায় অহতি প্রদানপূর্বক তিন বার বহ্নি অঙ্গ- তােমার এই মাল্যগুলি চকিরণের স্থায় শােভা পাইতেছে, কি কৰিলে। সেই বন্ধু যুক্তকর হইয়া এইরূপে পাণিগ্রহণ জেমার বক্ষস্থলস্থিত হায় আকাশগঙ্গার প্রহের স্থায় অতিস্বচ্ছ কাৰ্য সমাধা করিয়া উভয়ের করত্যাগ করিলেন। এবং সন্তা- দেখা যাইতেছে। ৩৩–৪। হে নৃপ। গেমার তুলে মন্দার- কাল নিকটবর্তী বলিয়া উভয়েই পরমালাদিত হইয়া স্মিতবদনে কুসুম গ্রথিত হওয়ায় তুমি সর্বাঙ্গে পরাগমাখ চঞ্চল মধুকরের নবােদিত চযুগলের ন্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। তৎকালে সহবাসে কনককমলের ন্যায় অপূর্ব শােভা ধারণ করিয়াছ। হে তাহাদের বদষয় যেন দুইটী চন্দ্ৰ নৰ-উদিত বলিয়া বােধ হইতে এতে। তুমি অঙ্গবিন্যস্ত রত্নের কিরণে কুসুমের সৌন্দর্য্যে, শরীরের লাগিল। ৫১-৬০। তৎপরে পুর্বেই সজ্জিত অভিং কুসুম- নৈসর্গিক শােভায় তেজে ও ধৈৰ্যগুণে রত্নাকর হযেরুকেও এ গিয়া উপবেশন করিলেন। ঐ সময়ে নিশাকর উদর পরাভূত করিয়া অবস্থান করিতেছ।” সেই ভাবী নৰম্পতি সৌন্দৰ্য্য জনমানসেই যেন আকাশের চতুর্ভাগে গিয়া উঠিয়া পরস্পর এইরূপ কথোপকথনে সন্তুষ্ট হইয়া অবস্থান করিলেন, পড়িলেন। চঞ্চলমতি চন্দ্র সেই সময়ে রমণীর গঢ়ব্যাপার দেখিবার তাঁহাদের পূর্বদাম্পত্যপ্ৰায় প্রচ্ছন্ন রহিয়া গেল; নুতন দাম্পত্যের নিমিত্তই যেন সেই লতাগৃহের |্যন্তরে কিরণ দৃষ্টি সঞ্চারিত সঞ্চার হইল)। মহারাজ শিবিধ্বৰ মণিকাঞ্চনময় পালঙ্কে উপ- করিতে লাগিলেন। চন্ত্রের কিরণে চতুর্দিক আলােকিত, কান্ত বেশন করিয়া নূর মনিকা নামখানি মহারাজ্ঞীকে নিজে নবদম্পতি সেই সময়ে সেই সেই বিচিত্র অভিনৰ মধুর সম্ভাষণে বিৰিখ মণি, রত্নালঙ্কার, বিচিত্র পূষ্পমাল্য, পূষ্পবিলেপন্য,শিরাে- মূহুৰ্তকাল অভিহিত করিলেন। তৎপরে তাঁহার পূর্বেই যে ভুষণ ও বসনাদি দ্বারা বিভূষিত করিতে লাগিলেন। পতিকর্তৃক কাঞ্চনময় করে গুগুণখ্যা কঞ্জিত করিয়া রাখিয়াছিলেন, সেই বিবিধভূষণে ভূষিত সেই কাজী মনিকা শিখিধ্বজকে মদনাে- বনে গিয়া প্রবেশ করিলেন, সেই গুগুগৃহে প্রবেশ করিয়া আ করতঃ বিবাহের জন্য উকটি সাক্ষাৎ সিরিয়া দেখিলেন, অভিনব কুম্যা সজিত রহিয়াছে, তাহার চতু পার্বতীর গয়, কামকান্তা রতিস্যায় শোভা পাইতে লাগিলেন। পার্থে স্বর্ণকমলরাণি খােদিত করা রহিয়াছে, প্রদীপ জ্বলিতেছে মহারাজ মহারাজ্ঞী ভূষণে ভূষিত করিয়া কহিলে-অয়ি চতুর্দিকে মন্দার পারিজাত প্রভৃতি বড় বড় পুষ্প সজ্জিত রহি- মৃগনয়নে। আজ তুমি নবােলগত লক্ষ্মীর ন্যায় শােভিত হইতেছ। আছে, সে সকল দিব্যপুষ্প কদাচ স্নান হয় না। রাজ চুড়াশার যেমন শটার ইন্দ্রের সহিত শুভবিবাহ হয়, যেন লজীর নারায়ণের সত্য সঙ্কলবলে কলিত এক একটা শয্যাপ্রমাণ বৃহৎ পুষ্প তথায় সহিত শুভবিবাহ হয়, যেমন গৌরীর সহিত শসুর শুভবিবাহ হয়; দীর্ঘ চন্দ্রমণ্ডলের স্থায় শােভমান রহিয়াছে, সেই কমনীয় তদ্রুপ তােমার আমার সহিত শুভবিবাহ হউক। কমলারের পুপগুলি তুষারময় স্থানের ন্যায় অতি শীতল। তাঁহাদের সেই কায় কোমলহৃদয় তুমি অন্য বিলােল নীলােৎপনয়নে দৃষ্টিপাত পূণ্যা কীনােদাগরের জলধারার গা সম্পিণ্ডিত (এক কত ভ্রমরঝঙ্কারশালীনুগন্ধি পদ্মিনীয় স্থায় প্রমান হইতে । অড় কা) জেলার স্থায় অতি মনােহর-দেখিলে বােধ হয় তােমাকে বলম্বিনী কামকল্পবৃক্ষের শতা ৰলিয় বােধ হইতেছে, কেন ভিত্তিপ্রদেশে প্রতিবিম্বিত কর্পের প্রতিমূর্তি। সেই বন্ধু তােমার আলােহিত করযুগল রক্তবর্ণ পবের স্যায় প্রতীয়মান বহুদিনের পর পূর্বাবা হতে সম্পূর্ণ বিভিন্ন পুপগয়ে সুবাসিত হইতেছে, তােমার স্তন দুটী পুস্তকের শােভা থারণ করিয়াছে। রময় নবনপতি হইয়া সেই নির্মল পুষ্পশয্যায় উপবেশন করি- ৪১-৫। তােমার কোমল এব তুষাৱেৰ গায় তিল ও লেন, বােধ হইল যেন মনে আপনার অনুরূপ সুবিস্তৃত নির্মল। তােমার সুমধুর হাসি যেন চত্রিকা বিকিরণ করিতেছে, সুন্দর কীনােদসাগরে অল্প হইল। সেই কাম্ভ নবদম্পতি কুম তােমার দর্শনেই আজ পূর্ণচন্দ্রের শােল সদনে যেরূপ আনন্দ শষ্যায় শয়ন করিয়া কালের উচিত বিচিত্র প্রণয়মধুর সম্ভাষণ , সেইরূপ আনন্দ হইতেছে। এৱিরি। গাত্রোখান কর, এবং পরস্পর প্রণ উহার প্রদান কর সেই সুখী মূহুর্ত বিবাহৰেণীতে আসিয়া উপবেশন কর। বশিষ্ঠ কহিলেন, (এই কালের মধ্যে মুখে লাহিত করিয়া দিলেন। ৬১-৭। যদি তাহার বিবাহবেকিরি আৰেহ করিলেন। সেই বড়খিকম সর্গ সমাপ্ত।১৬। বেণীর চতুর্থে গঙ্গাজলপূর্ণ কলস স্থাপিত রহিয়াছে,দিকে নিবণ-প্ৰৱণ-পূর্বভাগ। । সপ্তাধিকততম সর্গ। , সেইরূপ আের রাশিতে আকৃষ্ট হইয়া আমরা স্বৰ্গলে হইতে এই স্থানে আসিয়ছি। এএৰ উঠ, স্বর্গে যাইবে আইন, বশিষ্ঠ কহিলেন,—“অনন্তর এই ভুৰনৰ সূৰ্য্যরূপ রঞ্জন স্বর্গে দেবাজনাগণ তােমার অপূর্ব গুণরাশি শ্রবণে মূর্ণ হইয়া দ্রব্যে রঞ্জিত হইলে অর্থাৎ প্রভাত হইলে শিথিলকামিনী মাের আগমন প্রতীক্ষায় উন্মনা হইয়া রহিয়াছে। আের স্বর্গে মনিকা আবার কুন্তভাব থাৱণ করিলেন, সেই কুত্ত ও শিখি যাইবার জন্য এই পাদুকা, গুটিকা, বসদিন রহিয়াছে, তুমি উভয়ে বিবাহিত দেৰগতি হইয়া প্রতিদিন এইরূপে সেই মহেন্দ্র এই সাফলসমুহের অন্যতম সাধনের সাহায্যে (যাহা তোমার ইচ্ছা) পর্বতের গুহার মধ্যে অবস্থান করিতেন, এবং পূষ্পশােভিত স্বর্গে চল। তুমি শুনকে গমনপূর্বক এই জীবন্মুক্ত অবস্থায় পফলসমন্বিত বিচিত্র কারাজিতে বিচরণ করিতেন। তাঁহারা, থাকিয়াই বিষিখ ভােগরাশি উপভােগ করিবে, সেই জন্য আমি পরস্পরের প্রতি সদা সন্তুষ্ট থাকিয়া দিনের বেলায় বন্ধুভাবে এবং তােমার নিকট আসিয়াছি। তােমার স্থায় সাধুরা কদাচ উপস্থিত রাত্রিভাগে প্রিয়দশতিভাবে অবস্থান করিতে লাগিলেন ,লপ ও সম্পদের অবমাননা এবং অপ্রাপ্তবিষয়ের বান্ধও করে না, তদীয় প্রভা যেমন ক্ষণকালও বিশ্লিষ্ট না, সেইরূপ তাহারা (অতএব উপস্থিত সম্পদ কাগ করিও না)। হরি যেমন কপি বিশ্লিষ্ট থাকিতেন না। তাঁহারা কনকু, পর্বতের গু, এই ভিলেকী পবিত্র করিতেছেন ,সেইরূপ তুমি অজ্য নিৰ্বিয়ে তমালগহন, মন্দারকানন এবং সৎ, দূর, কৈলাস, মহেন্দ্র, স্বর্গলােকে বিহার করত স্বর্গলোক পবিত্র কর। শিখিধ্বজ মলয়, গন্ধমাদন, বিন্ধ্য ও পােকালোদি পর্বতের এটে বিহার কহিলেন-হে দেবাধিপতে । আমি সমস্তই স্বর্গবৎ দর্শন করি- করিতে লাগিলেন। চূড়াল ভিন চাৰি দিবস অন্তরে যখন স্বামী তেছি, আমি সর্বত্রই স্বর্গসুখ অনুভব করিতেছি, আমার নিকট নিদ্রা যাইঙ্গে, সেই সময়ে আপনার নগরে গিয়া রাজকাৰ্য করিয়া সৰ্ব্বত্রই স্বর্গ, “এই স্থানেই স্বর্গ, অন্যত্র ইহা নাই” এরূপ আমি আবার আসিতেন। রাত্রিকালে দম্পতিতবাপন্ন সেই বু ও বোধ করি না। হে এভে। আমি সর্বত্রই সন্তুষ্ট হইতেছি, শিখিধ্বজ দিবাভাগে পরস্পর বন্ধুভাবে বিবিধ কুসুমমালপরিহিত আমি সর্বত্রই মুখে বিহার করিতেছি, আমার মনে কোনরূপ হইয়া আনন্দে বিচরণ করিলে। সেই দেবদম্পতি সেই বা না থাকায় আমি সর্বত্রই আনন্দ অনুভব করিতেছি। হে মহেন্দ্ৰ পৰ্বতের সুরম্য সরল তরুসফুল রত্নভিত্তি গুহারূপভবনে শক্র। এক স্থানে নিয়ত অবস্থিত তুচ্ছ একটামাত্র যে-স্বর্গ, ঘথায় দেকিন্নরগণের নিকট পূজিত হইয়া একমাস অতিবাহিত করি- আপনি যাইতে বলিতেছেন, আমি সে স্বর্গে খাইতে ইচ্ছা কৰি লেন। তাহার পর হস্তপ্রাপ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অমােলশালী মন্দার- না, অতএব আমি আপনার আজ্ঞা পালন করিতে সমর্থ হইলাম পাপে পরিপূর্ণ শক্তিমান পর্বতের করলতময় ভবনে এক পক্ষ না। ইন্দ্র কহিলেন-হে সাবধা। যদিও বিজিতবেদ্য পূর্ণবুদ্ধি যাপন করিলেন। ১-১০। তাহার পরে পগবান পর্বতের মহাত্মাদিগের বিভােগ করন করা উভয়ই সমান, প্রাপি দক্ষিণদিঘী টপ্রদেশে পারিজাত কাননের মধ্যে দেবভোগ্য আমার মনে হয়, তাঁহাদের প্রারক্ষয়ের জন্য বিষয়ভােগ করাই এক পুষ্পস্তবকমণ্ডপে দুই মাস অতিবাহিত করিলেন। চাহার উচিত। “ভোগই বাসনায় করা কর্তব্য। দেবরাজ এই পরে সুমেরুণর্বতের প্রচণ্ড পর্বতে (ভসন্মিহিত ক্ষুদ্র পর্বতে) কথা বলিতে, রাজা যৌনাবলম্বন করিয়া রহিলেন, কোন উত্তর জনদীর জটে সুবর্ণময় এক অবনতটে অস্ফুফলের রসমধু পান দিলেন না। তখন ই আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, “তুমি এ কলিয়া একমাস কাটাইলেন। হে মহাভাগ। সেই বন্ধুগন এই স্থান হইতে গাইতে ইচ্ছা করিতেছ না কেন ?” শিখি রাত্রিকালে দম্পতি, দিবাগে বন্ধুভাবাপন্ন হইয়া উত্তর কুরুদেশে কহিলেন, আমি অদ্য খাইতে পারিলাম না। সময়ান্তরে যাইব। দশ দিবস এবং উত্তর কোশলদেশে সপ্তবিংশতি দিবস এবং অন্যান্য তৎপরে দোজ কহিলেন-হে কুত! মাের মঙ্গল হউক, পর্বতের বিচিত্র রমীয় স্থানসমূহে কতিপয় দিবস করিয়া এই কথা বলিয়া অন্তর্হিত হইলেন। যেমন সাগরের বায়ু বাস করিতে লাগিলেন। এইরূপে কতিপয় মাস অতীত হইলে প্রশান্ত হইয়া গেলে উপরে ভাসমান কেনা ও মকর মর্পপ্রভৃতি সেই চুড়াল। দেবপূবরূপ ধারণ করিয়া একদিন মনে মনে চিন্তা জলজসহ তরকল্লোলরাশিও প্রশান্ত হইয়া যায়, সেইরূপ করিলেন। এই শিবিধ্বজ মহারাজের বিষয়ভোগে প্রকৃত দেবরাজ ইন্দ্র অন্তর্হিত হইলে সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য দেবগণও সকলে আসক্তি আছে কিনা একবার পরীক্ষা করিয়া দেখি, তাহাতে ক্ষণকালমথ্যে আ হইয়া গেলেন। ২১-৩২। যদি ইহার আসক্তি একেবারে নাই দেখি, তাহা হইলে (বুবি) সপ্তাকিম সর্গ সমাপ্ত। ১০৭। ইনি (প্রকৃততত্ত্ব লাভ করিয়াছেন)। আর'কানও বিষয়- ভেগে আসক্ত হইবেন না—এইরূপ চিন্তা করিয়া চুড়াল কন- মধ্যে যারাবলে দেবগণও রােগণের সহিত দেবরাজ ইন্দ্রকে অষ্টাধিক শততম সর্গ। উপমিত করিয়া দেখাইলেন। বনবাসী বিধি সেবন ইন্দ্রকে পরিবারবর্গ সমভিব্যাহারে উপতি দেখিয়া তাহাকে ধাবিধি বশিষ্ঠ কহিলেন—চুড়াল। সেই ইসমাগমরূপ:মায়ায় উপ- পূজা করিলেন। শিখিধ্বজ কহিলেন—দেবরাজ। আপনি কি সংহার করিয়া মনে মনে চিন্তা করিতে লাগিলেন। সৌভাগ্যক্রমেই অন্য বহুদূর হইতে এস্থানে আগমন জনিত বেশ স্বীকার করিলেন এই নরপতি ভােগবাসনায় আকৃষ্ট হইলেন না, ইনি ইসমাগমেও (কষ্ট করিয়া আসিলেন, জহা আমাকে অনুগ্রহ করিয়া বলিতে হইবে। ১১-১১ইত্ৰ কহিলেন, মহারাজ। বনবিহারী পক্ষী * টীকাকার এই লেজাৰ লিখিয়ালে, যখন আমি আবার যেমন তাহার হৃদয়ে সমান সূত্র জড়িত থাকিলেও আকাশে বাজে প্রতিষ্ঠিত হইব, সেই মা আপনার শখের সাহায্য উঠিতে গিয়া সূত্রের আকর্ষণে আবার সেই বনের দিকে প্রত্যাবৃত করিবার এ স্বর্গে যাইব, এমশে যায় কোন প্রয়ােজন নাই।
৫৫ বােলারমাণ, অর্থাৎ ইলের ঐরূপ বিষয়লােভর প্ররােচনাবাক্যেও শান্ত স আসিলে? যাও আবার সেই কান্তকে প্রণয়ব্যাপাৰে সন্তুষ্ট কর। পূর্ণভাবে অবস্থান করিতেছিলেন, সে সময়েও ইনি অচঞ্চলভাবে এই ত্রিলােকমধ্যে পরস্পরের অভিলষিত প্রেম বড়ই দুর্লভ। হে উপেক্ষা বুদ্ধিতে কথাবার্তা কহিয়াছিলেন। (যাহা হউক) আর্মি মানবতি। আমি তােমার এরূপ কাৰ্যে কোনপ্রকাৱই উণে প্রাপ্ত আর একবার ইহাকে পরীক্ষা করিয়া দেখিব; অনুবাগৰিৱেষয় হই নাই, জ্ঞানবান পুরুষ নিজের অতীষ্টম বহুমাত্রিকেই এই- বুদ্ধিমােহকারী অপূর্ব ঘটনা উত্থাপিত করিয়া ইহাকে পরীক্ষা, রূপ পরের ভােগ্য করিয়া দেন; অতএব হে ক্ষীণাঙ্গি। তুমি করিয়া দেখি।-এইরূপ চিন্তা করিয়া চুড়াল রাত্রিকালে চলায় দুর্বাসার শাপজনিত কামিনী মূর্তিতে যাহা অভিলাষ, তাহাই হইলে কমধ্যে রমণীমূর্তি ধারণপূর্বক (শিখিধ্বজ রাজা) মনিকা' করিতে পার ; পন্তু আমার নিকট তুমি যে কুন্ত, সেই কুই নাস্ত্রী বা সাজিলেন। তৎকালে বিকসিত নানাজাতীয় কুমের আছ, আমি জানি, আমি যেমন বীভাগ, তুমি কুপ্তও সেইরূপই সৌরভ বহন করিয়া মৃদুমন্দভাবে সমীরণ প্রবাহিত হইতেছিল, বীভাগ হই আছ, (এই ব্যাপারে তােদর বীণতা বিষয়ে শিখিধ্ব নদীতীরে বসিয়া জপ করিতেছিলেন, এমন সময়ে আমার অণুমাত্র দ্বিধা ভাব হয় নাই। মনিকা কহিলেন, মহা- সেই মদনিক। মদগর্বিত হইয়া নিবিড়ভাবে পপগুচ্ছে সমাচ্ছন্ন ভাগ |ীলােকের প্রকৃতিতে এইরূপই চঞ্চলতা, (শন্ত্রেও লেখা সন্তানকলতানিতি বনদেবীদিগের অন্তঃপুরভবনে প্রবেশ করিলেন। আছে) শ্রীলােকের কামু অ, অতএব আপনি কুপিত হইবেন তথায় প্রবেশ করিয়া কুসুমমালা ধারণপূর্বক সঙ্কনিশ্চিত কমনীয় না; আপনি যখন সন্ধ্যা জপ করিতেছিলেন, তখন আমি অন্ধকার একটা উপপতি কণ্ঠে লইয়া কল্পিত পূষ্পশয্যায় শয়ন করিলেন। এ রাত্রিতে ঐ নিবিড়নে একাকিনী অবস্থিতি করিতেছিলাম, দিকে শিখিধ্বজ জপ সমাপন করিয়া ইতস্ততঃ তাহাকে অন্বেষণ এমন সময়ে ঐ ব্যক্তি আসিয়া আমার নিকট প্রার্থনা করিল, করিতে করিতে সেই লতাকুষধ্যে আসিয়া দেখিলেন, মনিকা আমি অবলা বাকী (বেচারী) কি করি, সম্মত হইলাম । রমণী সুন্দর এক উপপতিকে কণ্ঠে ধারণ করিয়া শয়ন করিয়া আছেন। পর, (বিবাহিতা) বানা(কুমী) হউক না কেন, সেই পুরুষটির ক্ষুদে মনিকার কুকালে বেষ্টিত রহিয়াছে, সে নিজের প্রাপ্ত হইলে তাহার ইচ্ছাপূরণে বাধা দেয় না, তাহাৰ গাত্র চন্দনে বিলিও, শষ্যায় পরিবর্তনজনিত সংঘর্ষে সেই যদি হঠাৎ বাতি বিষয়ে বিস্তু উপস্থিত হয়, বরং তাহা হইলে পুরুষটীর শিরােভূষণ পুষ্পমাল্যাদি সমুদয় বিপৰ্য্যন্ত (আলুথালু) সে নিতান্ত অধীর হইয়া পড়ে। যতদিন পর্যন্ত পুংসমাগম পুরুষের হইয়া গিয়াছে। সেই পুরুষটীর শ্রবণদেশ, কপােলদেশ, অলাহ সহিত দেখাসাক্ষাৎ) না হয়, ততদিনই স্ত্রীলোেক শুচি থাকে ও কুন্তল মদনিকার সুবর্ণকান্তি দ্বিগুণিও বাহুরুপ উপাধানের নতুবা স্বামীর ক্রোধ নিষেধ বা ভাড়া কিছুতেই স্ত্রীলােকের সতীত্ব (বালিসের) উপরে স্থাপিত রহিয়াছে, উভয়েরই বদনজগুণে রক্ষা হয় না, (পরপুরুষের দেখাসাক্ষাৎ বন্ধ করাই স্ত্রীলােকের ঈষৎ হাস, দেখিলেনকামলসপরিহিত সেই যুবকযুবতী সতীত্বরক্ষার উপায়)। ১১। আমি বিবেকহীন অবলা উভয়ে উভয়ের মুখ মূখার্পণ করিয়া কামাতুরভাৰে শয়ন করিয়া নারী, আমি মােহবশ অপন্সর নিকট নিতান্ত অপরাধ করিয়া আছে। উভয়ের অবিলোড়নে কণ্ঠমাল্য ও শষ্য পরিমান হইয়া ফেলিছি। হে না। আপনি আমাকে ক্ষমা করুন; সাধুগবে গিয়াছে, অঙ্গসংশ্লেষচ্ছলে পরস্পর পরস্পরকে যেন আত্ম-অনুরাগ কমাই স্বভাবসিদ্ধ। শিখিধ্বজ কহিলেন-হেলিকে।আকাশে প্রদান করিতেছে, উদ্দামমমন্থর সেই স্ত্রীপুরুষত্বয় পরস্পর মুখখামুখি যেমন বৃক্ষ অথ না, সেইরুপ আমার মনে কাচ ক্রোধের উদয় হইয়া পরস্পর পুষ্পপ্রহার ও পরস্পরের ক্ষোদেশে আঘাত করি- হয় না, তবে সাধুগণের আরবিরুদ্ধ বলিয়া তােমাকে বহুরূপে র তেছে।১-১০। রাজা শিখিধ্বজ নির্বিকারটিতে ইহা অবলােকন লইতে ইচ্ছা করি না। হে ভামিনি! তুমি বন্ধুরূপে পূর্বে যেমন করিয়া পরম সন্তোষ লাভ করিলেন; এবং মনে মনে বলিলেন, আমার সহচর ছিলে, সেইরূপই থাক, বন্ধুভাবে আমরা সেইরূপই “আহা। এই মিথুন দুইটা বেশ সুখে শয়ন করিয়া আছে। বীজাগ হইয়া সর্বদা মুখে বিচরণ করিতে থাকি। ২১-৩০। পরে অরা ইহাকে দেখিয়া ভীত হইলে ইনি তাহাদিগকে বশিষ্ঠ কহিলেন—“শিখধ্ব এই কথা বলিয়া তথায় পুর্ববৎ সম্বােধন পূর্বক এই বলিয়া প্রস্থান করিলেন,-“হে যিডুগয়! সমভাবে অবস্থান করিলেন, চুড়ালাও তাঁহার ভােগ্যাসনা ও (কামুকযুগল) তোমরা আপন ইচ্ছামত মুখে অবস্থান কর, আমি রাগমােদির তাদৃশ ঐকান্তিক অভাব দেখিয়া সাতিশয় হৃষ্ট হইয়া তােমাদের কোনই বিঘ্ন করিতেছি না।” তৎপরে মুহামধ্যেই চিন্তা করিতে লাগিলেন, কি আশ্চৰ্য। ইনি পরমসমতা লাভ মনিকা সেই মায়া-প্রপঞ্চেরউপসংহার করিয়া তথা হইতে বহির্গত করিয়া ভগবান্ হইয়াছেন, ইহার কিছুমাত্র বিষয়ে অনুরক্তি নাই, হইলেন এবং সেই সন্তোগবিপৰ্য্যন্ত শরীরেই স্বামীর নিকটে একেবারে হে জীবন্মুক্ত হইয়া অবস্থান করিতেছেন, বিষয়- আসিয়া উপস্থিত হইলেন। উপস্থিত হইয়া দেখিলেন, তাঁহার জােশ, মহতী সিন্ধি, সুখ, দুঃখ, আল সম্পদ, কিছুতেই , ইনি স্বামী শিবিধ্বজ রাজা এক পার্শ্বে সুবর্ণময় শিলাতলে বসিয়া আকৃষ্ট হইতেজেন না। আমার বােধ হইতেছে, ভাবামায়ে সমাধিস্থ রহিয়াছেন, তঁাহার ননযুগল ঈষৎ বিকাসপ্রাপ্ত (অর্ধে- সকল প্রকার সমৃদ্ধিই দ্বিতীয় নারায়ণের আয় ইহার নিকট উপ- শীলিত অবস্থায়) যুহিয়াছে। সেই কামিনী মনিকা সেই স্থান দ্বিত, নাৰায়ণ যেমন ভাবমাত্রেই সমুদয় সিদ্ধি লাভ করতে আগমূন করিয়া প্রথমে জানত মুখে কিছুক্ষণ বিন্নভাবে চুপ পাচেন, ইনিও ক্রপ ভাবনা আর সমুদয় সিদ্ধি লাভ করিতে কলি আঁড়াইয়া রহিলেন। এর কামধ্যেই শিবিধ্ব সমইয়াছেন। আমি এক্ষণে ইহাকে নিখিল আৰভাত রাজার ধনজ হইল। তিনি অন্ধভাবে অতি মধুরবচনে স্মরণ করিয়া দিই, এইরূপ পরিত্যাগ করিয়া আমি একা আঁক কৰিলে—“হে কৃজি। তুমি হঠাৎ আনলে বাধা দিয়া চুড়ালাই হই। এইরুপ লিয়িকা চুড়াল মনিকারীর গ আসিলে কেন? এই জগতে সকল জীবই আলাভের অত করিয়া আপনার অরুত চুঙ্গালীর প্রদনি করিলেন। তিনি বা ইছে, তুমি কেন প্রাপ্ত আনন্দের উপেক্ষা করিয়া মালিকাশরীর হইতে আপন চুড়ালাদে নির্গত করিয়া ব্যক্তি নির্বাণ-প্ৰৱণ-পূর্বভাগ। ett ৰৰ স্যায় যোগধারণাবতী খাকিয়াই সম্পুট হইতে প্রতীয়মান অমাবস্যাদিবসে চন্দ্ৰ একত্র মিলিত হইয়াছেন, যেন দুই হইতে লাগিলেন। শিবিজ দেখিলেন, সেই মনিকাই প্ৰণ পৰ্বত একত্ৰ উৎকণহইতেছে, উভয়ের অধ যেন পঙ্কসংযোগে মধুৱা অনবদ্যাসী প্রিয়তমা চূড়ালারূপে অবস্থিতি করিতেছেন। সুদৃঢ়ভাবে বন্ধ করা হইয়াছে। অনন্তয় মুহূর্তকালের পর তাহাৱা বু তৎকালে নিজ প্রিয়তমাকে বসন্তকালের কমলিনীর ন্যায়, পুলকের উগমহেতু স্বভাবাপন্ন ঘর্মাক্ত স্বস্ব বাহু ধীরে ধীরে ভুতলােখিত লক্ষ্মীর ন্যায়, রঙ্গপপটিক নিঃসৃত ত্বকাতিয়ায় ঈষৎ শিথিল করিলেন। পরস্পরের অপূর্ব সমাগমে অমৃতপণ- নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। ৩১-৩১। হৃদয় সেই সম্পতি পরস্পরের সংশিষ্টবাহু উন্মুক্ত করিয়া অল- অষ্টাধিক শততম সর্গ সমাপ্ত। ১০৮ স্থিলয়নে শূদয়ে অবস্থান করিতে লাগিল। নরপতি ক্ষণ- কাল ঘন আনন্দে প্রগাঢ়প্রণয়ে মৌনভাবে অবস্থান করিয়া কান্তার চিবুকপেশে কাপণপুর্বক কহিতে লাগিলেন-হে ভঙ্গি। নবাধিকশততম সর্গ। তুমি কুলষণদিগের বাহিত অমৃতাপেক্ষা অতি মধুর পবিত্র অনুরাগরস কত যে ছড়াইয়াছ, তাহার ইয়ত্তা নাই (অর্থাৎ বশিষ্ঠ কহিলেন,‘অনন্তর প্রিয়তমাকে নিরীক্ষণ করিয়া আমার প্রতি তােমার ঈশ অনুরাগবাহুল্য কথায় প্রকাশ করা শিখিধ্বজ বিস্ময়ে উৎফুনেত্র হইয়া বিস্ময়বিকৃতম্বরে বলিলেন, অসম্ভব )। হে মিনি। তুমি বাল-শশাঙ্কবং কোমরাঙ্গী হে উপলপত্রা!ি হে সুন্দরি। তুমি কে? কোথা হইতে হইয়াও আমীর জন্য দারুণ ক্লেশ ভােগ করিয়ছ। তােমার আসিয়াছ? এই খানে কিয়ৎক্ষণ অবস্থান করিতেছ? এবং কি গুণের পরিসীমা নাই), তুমি যে বুদ্ধিতে আমাকে দুস্তর সংসার- জন্যই বা এখানে রহিয়াহ? তােমার অঙ্গসৌষ্ঠব ব্যবহার, গহবর হইতে উদ্ধার করিলে, তােমার সেই অতিতী অতি শিতকার ও বিনয়ভঙ্গী ঠিক আমার পত্নীর ন্যায়, তােমাকে পবিত্র বুদ্ধির উপমা কাহার সহিত দিব ? হে কৰি তােমার ঠি আমার পত্নীর অংশ বলিয়া বোধ হইতেছে। চুড়াল এ অপূর্ব গুণরাশির বলে তােমার নিকটে অরুন্ধতী, শচী, গৌরী, কহিলেন-“হে প্রভাে। আপনি যাহা অনুমান করিতেছেন, গায়ত্রী, লক্ষ্মী ও সরস্বতী ইংরা ঈড়াইতেই পারেন না। তাহা যথার্থ, আমি আনার পত্নী চুড়ালা, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ হে সুন্দরি। এক কথায় তুমিই মুক্তিমতী বুদ্ধি, মুর্তিমতী লক্ষ্মী, নাই। আমাকে চুড়াল। বলিয়াই আনিবেন, এতদিনের পর আজ মুর্তিমতী কান্তি, মুর্তিমতী ক্ষম, মূর্তিমতী মৈত্রী, মুর্তিমতী দয়া, আমি স্বীয় অকৃত্রিম শরীরে আপনার নিকট উপস্থিত হইয়াছি। এবং সৌন্দৰ্যাংশেও রমণীকৃতি যত রমণী আছে, তন্মধ্যে তুমিই আমি তােমাকে প্রবুদ্ধ করিবার জন্যই কুন্ত প্রভৃতি দেহরচনা শ্রেষ্ঠ। ১২-২৩। তুমি পরম অধ্যায়সহকারে আমাকে করিয়াছিলাম, তােমাকে প্রবুদ্ধ করিবার জন্যই অরুণামধ্যে এত প্রবুদ্ধ করিলে, এক্ষণে কিরূপ প্রত্যুপকার করিলে তােমার কাণ্ড করিয়া ফেলিলাম, তুমি যে দিন মােহবশতঃ তপস্যা করিবার মন সন্তুষ্ট হয়, তাহা ফল। ফুলমণগণই পৱম অধ্যবসায়ৰলে জন্য রাজ্যত্যাগপূর্বক বনে আসিয়াছ, আমি সেই দিন হইতেই অনাদি অনন্ত মােহকাননে পতিত ভূত্রাকে উদ্ধার করিয়া থাকে। তােমাকে বোধপ্রদান করিবার নিমিত্ত উদ্যত হইয়াছি। এই মেহবী কুলকামিনীগণ যেরুপ ভর্তাকে উদ্ধার করিতে সমর্থ, কুস্থদেহেই আমি তােমাকে বােধিত করিয়াছি, আমার এই (আমার এক্ষণে বিশ্বাস হইয়াছে যে গুৰূপদেশ, শাস্ত্রচর্চা বা কুন্থাদি দেহ নিৰ্মাণ কেবল তােমাকে বােধ দিবার জগই। হে মন্ত্রাদিসাধনেও সেরূপ উদ্ধার পাওয়া যাইতে পারে না। মহীপতে। এই যে কুত্তাদি দেহ সমস্তই মায়া-কল্পিত, ইহাতে কুলকামিনীগণ একাই ভর্তার সখা, ভ্রাতা, সুহ, মিত্র, ভৃত্য, কিছুমাত্র সত্যাংশ নাই, এক্ষণে তুমি বিদিতবেদ্য হইয়াছ, শুরু, ধন, শাস্ত্র ও গৃহের যে কাৰ্য্য, তাহা সমুদয় সম্পাদন করিয়া তানবলে সমস্তই দেখিতে পার, অতএব হে জ্ঞ। তুমি ধ্যান দিয়া থাকে। অতএব কুলাঙ্গনাদিগকে সর্বদা সর্বপ্রকারে বলে ঝটিতি সমস্ত প্রত্যক্ষ করিয়া দেখ। চূড়ালাকর্তৃক এইরূপে পুজা করা উচিত, যাহাদিগের উপরে উভন্ন লােকের মুখ প্রতিষ্ঠিত অভিহিত হইয়া রাজা ধ্যানােপযােগী অাসনবন্ধাদি করিয়া ধ্যানৰলে রহিয়াছে। কিন্তু তুমি সংসাসাগর পার হইয়াছ, কোন সমুদয় আত্মবৃত্তান্ত তন্ন তন্ন করিয়া প্রত্যক্ষ করিলেন। রাজ্য ত্যাগ বিষয়েই তােমার আর ইচ্ছা নাই, সুতরাং তােমায় এ উপকারের হইতে আরম্ভ করিয়া এই চূড়ালার দর্শন পৰ্য্যন্ত যে কিছু ঘটনা প্রত্যুপকার কি করিব, তাহা স্থির করিয়া উঠিতে পারিতেছি ঘটিছে,-মহালের চিন্তায় সমস্তই প্রত্যক্ষ করিয়া লইলেন। না। আমি তােমাকেই সমান্য কুলাঙ্গনা বণিয়া নির্দেশ রাজ্যভাগ হইতে আরম্ভ করিয়া বর্তমান ক্ষণের ঘটনা পৰ্য্যন্ত করি , তুমি এক্ষণে নিজগুণে নিধিল ফুলাঙ্গনাকে পরাজয় কিছুই আর তাঁহার অজ্ঞাত রহিল না। ১-১১। পতি সমুদয় করিয়াছ; এখন হইতে রমণীর সৌজদ্যাদি গুণবিচারে তুমিই ঘটনা প্রত্যক্ষ করিয়া সমাধি হইতে বিরত হইলেন, সমাধি হইতে সর্ব প্রথম নির্দো হইবে। আমার বােধ হয়, বিধাতা তােমাকে বিত হইয়া আনন্দে নয়নে পূলকোণ বাহুমুল প্রসারিত গুণসমূহের দ্বারা অপর নারীর্গের বিজেত্রীরূপে নির্মাণ করায় কবি গাঢ়য়েহে হবাষ্পকুললােচনে ইচ্ছাফুর্তি কয়ি তিনি অরুন্ধতী প্রভৃতি বিখ্যাত রমণীগণের কোপভাজন হইয়াছেন। কান্তাকে আলিঙ্গন করিলেন, “বােধ হইল যেন একটী নকুল কু- হে রূপসৌজন্যপ্রমুখ গুণরাশিৱ পেটিকারূপিণি! তুমিই সভী, লীকে আলিঙ্গন করিল। আনিকালে তদীয় অঙ্গ যেন আনন্দে আমি তাের গুণে তােমাকে পূনরায় আলিঙ্গন করিতে উৎসুক গলিয়া গেল। তঁাহ দর আলিঙ্গনসময়ে পরস্পরের হৃদয়ে যে হইয়াছি, আইস আবার আমাকে আলিঙ্গন কর। ২৪-৩২। ভাব সমুখিত হইয়াছিল, সে (অনুগ ভাব) বাকি সব চুড়াল কহিলেন, “দেব! তুমি যখন আকুল হইয়া( জনহারা মুখে বর্ণন কন্ধিতে পারেন না। তাঁহাৱা পৰম্পর আশ্লিষ্ট হইয়া হইয়া) বারংবার নীরস কৰ্ম্মকালে ব্যাপৃত হইতে থকিলে, অঞ্চল বহাল অবস্থান করিতে লাগিলেন, বােধ হইতে লাগিল, যেন আমি তােমার জন্য বড়ই দুঃখিত হইয়াছিলাম। সেই আমি যােগবাগিষ্ঠ-রামায়ণ - ০ তােরই জল তােমাকে প্রদান করিয়াছি , সে জ্ঞান ত আমারও প্রভাে। এশে তেমার রুচিকর কি ? তাহা বল। শিখি ব্যর্থ হে দেব। আমি এ বিষয়ে কি করিলাম যে, তুমি আমার | কহিলেন, হে কলাজি! আমি এক্ষণে প্রতিবেও জানি না, এত গৌরব করিছে। শিখধ্বজ কহিলেন-হে বারােহে। এবং ইচ্ছা করিতেও জানি না, তুমি যাহা করিতেছ, আমি তাহা তুমি যেরূপ অর্থসম্পাদন করিলে, সমগ্ৰ কুলান এখন দ্রুপই জানিতেছি, হে প্রিয়ে। তােমার এক্ষণে যাহা যাহা হইতে সেইরূপ স্বার্থসম্পাদন করুক। চুড়াল কহিলেন,হে ' অভিমত তাহাই হউক (কিছুতেই অপভি নাই)। আমি কান্ত! তুমি এক্ষণে বােবযুক্ত হচ্ছে, হে বিভাে। তুমি এক্ষণে আকাশের স্যায় স্বচ্ছ ; হে সুন্দরি তােমার যাহা ইচ্ছ। যাহা জগৎরূপ জালের টে( চরমসীমায়) গিয়া বিশ্রান্ত হইয়াছ। জানিচ্ছে, তাহাই কর। আমিও মণি-কর্তৃক প্রতিবিম্ব গ্রহণের এখন আর তােমার সে পূর্ব মােহ আছে কি? “ই। ন্যায় তাহাই ধারণ করিব (তোমার কৃত বা ক্রিয়মাণ কাৰ্যই করিতেছি, ইহা প্রাপ্ত হইতেছি না ,, এই প্রকার বুদ্ধির করিব), আমি এক্ষণে বাসনিম্মুক্তচিত্তে যথাপ্রাপ্ত অনিন্দ্য বিষয়ের দশবিশেষ চাঞ্চল্যকে এক্ষণে মনে মনে উপহাস করিভেচ্ছ ভ? প্রশংসাও করি না, নিন্দাও করি না, ভােমার যাহা ইচ্ছা, তাহাই হে দেব। সেই তুচ্ছ তৃষ্ণা সেই সংকল্পরূপ কুকরন—সে সমস্ত কর। ৫০-৫৫। চুড়াল কহিলেন,-“হে মহাবাহেদি এই তােমাতে আকাশে পর্বতস্থিতির ন্যায় অন্য আর লক্ষিত হইতেছে রূপই হয়, তাহা হইলে আমায় কি মত, তাহা শ্রবণ কর , ত ? আমি নাথ। অদ্য তুমি কি প্রকার হইয়াছ, কাহাকে হে জীবন্মুক্ত-আত্ম। তাহার অনুষ্ঠান করিতে হইবে। আমরা অবলম্বন করিয়া রহিয়ছ, কি ইচ্ছা করিতেছ, হে বিভাে। এক্ষণে মুখতানাশী যে সর্বত্র একবােধ, তাহা লাভ করিয়া পাশ্চাত্য দৈহিক চেষ্টাই বা কিরূপ দেখিতেছে,-অর্থাং পরে ইচ্ছা ত্যাগপূর্বক আকাশের ন্যায় বিশদ হইয়াছি। আমাদেরও ভােমার দেহদশা কিরূপ হইবে ভাবিতেছ ? ৩৮-৪০। শিথি- যে প্রকার ইচ্ছা, সেই পরমাত্মারও সেই প্রকার ইচ্ছা, ধ্বজ কহিলেন—হ মধ্যে মধ্যে শ্বেতকুষমপূর্ণ নীলকমলমালাবৎ আমাদের এই ক্ষুরালি ইলিবর্গের স্ব স্ব বিষয়ে অনিচ্ছাতেও নয়নযুগৰিণি। তুমিই যাহার যাহার অন্তরে প্রকাশকরূপে পরমাত্মার কোনরূপ বৃদ্ধি নাই, সেই পরমাত্মা সৰ্বভাবেই অবস্থান করিতেছ, আমিও তাহার তাহার অন্তরে প্রকাশরূপে অব সমভাবে অবস্থিত, সুতরাং নিষ্ক্রিয় অসঙ্গ, চিত্ৰপরমত্মরূপ স্থান করিতেছি। আমি এক্ষণে নিরীহ হইয়াছি, নিরংশ হইয়াছি, তত্ত্ববিদের বিষয়ভােগ অভ্যসনীয় নহে। অতএব হে পুরুষােত্তম। আকাশের স্থায় স্বচ্ছ হইয়াছি, আমাতে আর কোনও প্রকার মলা, আমরা বিষয়ভােগের আদি, মধ্য ও অবসানে যেপ আছি, নাই, কোন প্রকার ইচ্ছা নাই। আমি এক্ষণে শান্ত প্রমার্থ সেইরূপ খাকিয়া কেবল শেষটুকু পরিত্যাগ করিয়া অবস্থান মৎস্বরূপ হইয়াছি , আমি আজ বহু দিনের পরে আমি হইয়াছি। করিতেছি। হে এভাে। এক্ষণে আমাদের অবশিষ্ট জীবনকাল আমি এক্ষসেই দশা প্রাপ্ত হইয়াছি, হরি হদিও যে দশার | বর্তমান রাজ্যতেগেই অতিবাহিত করিয়া ক্রমে যথাসময়ে বিদেহ উচ্ছেসাধন করিতে পারেন না, আমি প্রত্যপ্রবণ একমাত্র মুক্তি লাভ করি। ৫৬–৬০। শিখিধ্বজ কহিলেন, অয়ি তলে। চিত্তপথেই অবস্থিত। আমি কিধিত্ৰও চিত্ররূপে পরিনিষ্টিও “আমরা আদি, মধ্য ও অবসানে কিরূপ আছি,” তাহা বল , অব্র হইতেছি না, হে ভ্রমরোপনীলনয়নে। আমি মক্রমেই সংসার | “অবশিষ্টটুকু পরিত্যাগ করিয়া অবস্থান করিতেছি” ইহারই বা হইতে মুক্ত হইলাম মনে করিতেছি, মূলত আমি সর্বদাই । অর্থ কি ? চূড়াল কহিলেন,-হে রাজসত্তম। আমরা আদি, এক মাত্র স্বস্থ হইয়া রহিয়াছি। হে সুন্দরি। আমি না তুষ্ট,না মধ্য ও অসান ও কোন কালেই রাজা নহি (অর্থাৎ সর্বদাই থি, না ইহা, না তাহা, না স্কুল, না সূন্ম, এক কথায় আমি রাজভােগে উদাসীন অঙ্গ আত্মস্বরূপেই অবস্থান করিতেছি। সত্যস্বরূপ হইতেছি। আমি তেজোমণ্ডল হইতে মাত্র নির্গত পূর্বে ( আমরা রাজা) এইরূপ মােহই কেবল আমাদের বেশী হইয়াছি—ভিত্তিতে পতিত হই নাই, এখন নিরালম্বন অক্ষয় , ছিল, সেই মােহমাত্র ভ্যালি পূবই রহিয়াছি। তুমি আলোকের সমান। আমি শান্ত, আমি জগতের বিমতা দূর | স্বনগরে রূজা হইয়া নিজ আসনে উপবেশন কর, আমি তােমার করিয়া সমতার সংস্থাপক, আমি স্বস্থ ও বিগতশয় (মনঃশ)। রমণীরসরূপ মহিষী হই। পতাকাপরিশােভিত আমাদের হে পন্ত্রিতে। আমি পরিনির্বাণ, আমি এক্ষণে তােমার অনুরূপ রাজপুরী তুৰ্যনিনাদে প্রতিধ্বনিত হউক, চতুর্দিকে পুষ্প বিকীর্ণ হইয়াছি, আমি যাহা, তাহাই আছি , তদ্ভিন্ন যে অন্য কিছু হই হইতে থাকুক, অধিবাসিগণ আনন্দে মত্ত হউক, সুন্দরী নর্তকীগণ মাছি, তাহা বলিতে পারি না। হে তরঙ্গবং চঞ্চলাপাজি। হে নৃত্য করিতে থাকুক। এবপ্রকারে আমাদের রাজপুরী পুষ্পেপরি বিশালাক্ষী! আমি তােমার অনুগ্রহেই সংসারসাগর হইতে উত্তীর্ণ মধুকরগুনাথিত মঞ্জরী-শােভিত অভিনবলতাবিশোভিত হইয়াছি, অতএব তুমি আমার গুরু, তােমাকে আমি নমস্কার বসন্তলক্ষ্মীর সুষমা ধারণ করুক। ৬১-৬৫। বশিষ্ঠ কহিলেন, করি। আমি বহুবার নিয়ে পরিশোধিত বর্ণের ন্যায় আর “চুড়ালাকক এইরূপে অভিহিত হইয়া বিগতর শিখিধ্বজ মাকলুষিত হইতেছি না, আমি এক্ষণে শান্ত, স্ব, মুদু, বীতরাগ, রাজা ঈষৎ হাস্য করিয়া অক্ষুন্ধভাবে মধুবচনে কহিলেন,--আমি নিরবুদ্ধি হইয়াছি। ৪৭। আমি এক্ষণে আকাশের ন্যায় বিলালি। যদি এইরূপই হইল, তবে স্বর্গলােকে সিজগণের যে সর্বগামী ও সৰ্বাভীত হইয়া স্বরুপে প্রতিষ্ঠিত হইতে করি ভােগসম্পত্তি, তাহা আমাদের আত্মীভূত, তাহা ভােগ করিতে ভেহি। চুড়লা কহিলেন-হে মহাসত্বসম্পন্ন। হে হৃদয়প্রিয় কহিলেন, “হে রাজ। ভােগেও আমার । নাই, ঐশ্বর্যেও ক্ষতি কি? হে প্রিয়ে। তাহাই কেন করি না? চুড়াল এণের। যদি এইরূপই হয়, তাহা হইলে হে মহামতে। হে আমার কামনা নাই, কেবল স্বভাবের বশে খাপ্রাপ্ত বিষয় লইয়া * আমার চিত্র-পরিনিষ্ঠা বা সম্বসার-মুক্তি কিছুই নূর থাকিতে ইচ্ছা করি। আমার নিকট স্বর্গ সুখকর নহে, সুখকর নহে, কোন কাৰ্যই আমার সুখকর নহে। আমি নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ ৫৫৭ স্বস্থচেষ্টিত হইয়া যথস্থিত ও অক্ষুব্ধভাবে অবস্থান করিতে চাই। উপস্থিত। সৈগণকৃত ভুলিনাদে শৈলগুহা, বমিথ্যকোট ইহা সুখ” “ইহা সুখ নহে এইরূপ ঘ (বিনােধ) আমার নাই, সকল প্রতিধ্বনিত হইতেছে, তাহাদিগের মৌলিস্থিত রজকিরণে আমি শান্তি পরমপদ যখমুখে অবস্থান করিতেছি। ৬–৭০। চতুর্দিকের অন্ধকার ছিন্ন ভিন্ন চর্ণিত হইয়া যাইতেছে। তৎসময়ে শিখিধ্বজ কহিলেন,-অষি বিশালাঙ্কি। তুমি সমবুদ্ধিতে ঠিক সেই স্বপদম্পতি মণ্ডলাকার ভুগতিতে (ঘুরিতে ঘূরিত) সমুপস্থিত যুক্তিযুক্ত কথাই বলিয়াছ, আমাদের রাজত্যাগেই বা কি ? গ্রহ- হৃষ্টসামগণজিত এক মদমত্ত গৰুৰীপে (গন্ধপ্রধান হীতে) নেই যা কি? কিছুতেই ক্ষতি নাই। আমরা সুখদুখশর আরােহণ করিলেন। ১৪-১৫। অনন্তর প্রবলপরাক্রমশালী রাজা ভাবনা পরিত্যাগ করিয়া বিষেষ হইয়া যথানিত অস্থভাবেই শিখিধ্বজ প্রিয়ম মহিষী চুড়ালসঙ্গে পলাভিরখসল সৈদল অবস্থান করিতেছি। সেই প্রাচীন শতিঘয়ের এইরূপ কথা লইয়া চলিতে লাগিলেন। সেই বনভূমি হইতে সেই পৰ্ববং বার্তায় দিবাবসান হইয়া গেল, অনন্তর তঁাহারা খালেদান করিয়া বিশাল সৈন্যদল লইয়া প্রবলতায় যেন শেল ভেদ করিয়া চলিতে উৎকণ্ঠিত হইয়াও অনুষ্ঠিতভাৰে ঘখাপ্রাপ্ত দিব্যাপার লাগিলেন। সেই মহেশ্রাল হইতে প্রস্থিত হইয়া সেই মহীপতি শেষ করিলেন। কাৰ্যজ্ঞ পুর্ণচিত্ত জীবন্মুক্ত সেই দম্পতিথয় স্বর্গ- পথিমধ্যে নানা পর্বত, দেশ, নদী, গ্রাম ও আল শন করিতে ভৈৗগেও অবহেলা করিয়া একশষ্যায় শয়নপূর্বক সেই সেই প্রণয় করিতে আসিতে লাগিলেন এবং প্রিয়াকে আপনার বৃত্তান্তসকল চেষ্টায় বৃজনী অতিবাহিত করিলেন। প্রণয়ীদিগের বুদ্ধির উৎকণ্ঠা- শুনাইতে শুনাইতে অল্পকালমথ্যে স্বৰ্গৰৎ শােভমান নিল রাজ- দায়িনী সেই দীর্ঘ রজনীতাহাৱা প্রণয়মধুর ভােগ মােক সুখের ধনীতে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। তথায় তাহার সামন্তরাজগণ কথায় মুহূর্তকালের মত অতিবাহিত করা দিলেন। ৭১-৭৬। তাহার আগমন বার্তা জানিতে পারিয়া মহাসমারে আনন্দে নবাধিকতম সর্গ সমাপ্ত।১০১। জয়শ করিতে করিতে বহির্গত হইল। তৎপরে তারখরে তুৰ্য- নিনাদকারী সেই শৈলয় (তাহার সঙ্গী সৈন্য ও বাজধানী দশাকিততম সর্গ। হইতে নির্গত সৈন্য) একত্র হইলে সেই দুই সৈঙ্গল সমতি- ব্যাহারে রাজ নগরমধ্যে প্রবেশ করিলেন। ১৬-২১। পুরী- বশিষ্ঠ কহিলেন,—অন্তর সূৰ্য্যদেব উদিত হইলে নােমও অন্ধকার হইল, জগৎপ্রকাশক মণিরূপ সূৰ্য্যদেব এ যেন প্রবেশকালে পুরবাসিনী রমণীগণ উহার উপরে লাক্ত ও মশা- পেটিকামধ্যে সংস্থাপিত ছিলেন, এক্ষণে তথা হইতে বহির্গত জলি বর্ষণ করিতে লাগিল। তিনি পথের দুই পাৰে ৰণিদিগের অভিনেহির বিপৰিশ্রেণী দেখিতে দেখিতে পুরীমধ্যে প্রবিষ্ট হইলেন। জনগণের চক্ষুর সঙ্গে সঙ্গে কমলাকর উমীলিত হইল। কাৰ্যষ্যাপৃত জনগণের সঙ্গে সূৰ্য্যরশ্মিও চতুর্দিকে ছড়াইয়া হইলেন। তখন ধ্বজপতাকাসহুল মুক্তামালায় মনােহর সেই পড়িল। সেই সময়ে সেই দশতিয়ুগল গাত্রাখান করিয়া সন্ধ্যা- রাজভকন নর্তকীদিগের নৃত্যগীতে আরও মনােহর হইয়া উঠিল। ধ্বজপতাকাতে সেই রাজভকন কালে কৈলাসপৰ্বরে ফিক সমাপনপূর্বক সুবর্ণকারের মধ্যে কোন সিদ্ধ এক পাসনে উপবেশন করিলেন। অনন্তর চূড়ালা উঠিয়া সঙ্কল্পবলে সম্মুখে- রাজার আগমনকালীন উপযােগী ঘষখ মঙ্গল দ্রব্যসকল সজ্জিত কায় উন্নত ও সুশ্রী ৰােধ হইতে লাগিল। এজাবর্গ রানে পনীত রত্নকলসকে সঞ্চলেই সপ্ত সাগরের সলিলে পূর্ণ করিলেন। রাজার আগমনকালীন উপযােগী যখষখ মঙ্গল দ্রব্যসকল সজ্জিত করিয়া রাখিয়াছিল, তিনি রাজভবনে প্রবেশ করিয়া প্রণ তৎপরে সেই চুড়ালা এক পার্শে পূর্বমুখে অবস্থিত স্বামীকে সেই অবর্গের সমাদর করিলেন। পরীমধ্যে প্রবেশানন্তর রাজা লকলসের সলিলে স্বরাতে অতিৰিক্ত করিলেন। ১৫ দেব- রূপিণ কলাঙ্গী চুড়ান্ত ভাকে সঞ্চলে-আনীত বর্ণময় সিংহা- কাৰ্য্য করিতে লাগিলেন। হে রাম। শিৰিধ্বজ তাহার পরে সাত দিন মহা উৎসব করিয়া নিজ অন্তঃপুরে গমন করতঃ রাজ- সনে বসাইয়া কহিলেন, এক্ষণে মুনিগণের উপযুক্ত ভূমণ্ডলে দশ সহস্রবৎসর রাজ্য করিয়া চূড়ালার সঙ্গে একত্র শম্ভ ভেজ পরিত্যাগ করিয়া আপনাকে অঃ নােকপালের ই দেহভাগে কৃতসঙ্কল হইলেন। হে রাম। তৎপরে মহা তেজ ধারণ করিতে হইবে।” চুড়ালাকর্তৃক এইরূপে অভিহিত মতি শিবিধ দেহভাগ কায় তৈলন দীপের আয় একেবারে হইয়া রাজা শিখিধ্ব “এইরূপই (তুমি যাহা বলিলে তাহাই। করিতেছি”—এই বলিয়া অরণ্যমধ্যে মহারাজ হইয়া উঠিলেন। হইল না দশ হাজার বৎসর তিনি সমদৃষ্টি হইয়া চূড়ালার নির্বাণপ্ত হইলেন, তাঁহাকে পুনরায় আর জন্মগ্রহণ করিতে অনন্তর দ্বারপালপদে অবস্থিত মানবতী চুড়ালাকে কহিলেন—জাখ তােমাকে দেবীপদে অভিষিক্ত করি”—এই বলিয়া তিনি তাঁহাকে নির্বাণপদ প্রাপ্ত হইলেন। সেই অৰ্য্য শিখিধ্বজ ভয়বিয় সনে সুখে বিহার ও রাজপালন করি চুলার সেই একেবারে সমােবরে স্নান করাইয়া মহাদেবীপলে অভিষেককরণপূর্বক সেই অভিমানৰিৱেষৰিহীন ও অনাসক্তবুদ্ধি হইয়া মৃত্যুকে জয় করিয়া নিজ প্রিয়মাকে পুনরায় নিলেন। ৬—১০ হে কমলদল- চেনেহে প্রিয়ে। তুমি সঙ্কলবলে রুশকালমখ্য মহান ঐষধ কেয়াপ্ত কর্মের অনুষ্ঠান করত নুহৰাৰ একাধিপত্য করিলেন। তিনি সমাত্রে অবশিষ্ট হইয়া পৃৰিবীর সম্ভৱ সহ প্রবল সৈফল সংগ্রহ কর। বরবর্থিনী চুড়ল স্বামীর এই কথা শ্রবণ করিয়া বর্ষাঋতু'যেমন মেঘজাল বিস্তার কয়ে, সেই মণি হইয়া অবস্থান করিয়া পরম মােক্ষপণপ্রাপ্ত হইলে। হে বিবিধ ভােগসমুহের আলপূর্বক দীর্ঘকাল নিখিল রাজী,চুড়া- রূপ গণকামধ্যে সবলে সৈখ কৰিলেন। রা! তুমিও এইরূপ প্রাপ্ত করে সুম। কম গভশাক তঁাহারা দেখিলেন, হন্তী আসল একদল সৈন্য কানমল হইয়াসধিতে অবস্থান কথষ। ভােগ, মুক্তি ও নাদির আচ্ছা করিয়া ধ্বজ গগনমণ্ডল পৰিষাপ্ত করত আসিয়া অনুসরণ করিয়া বুখিত হবাক, তােমার সমাধি ও বুখান * পরস্পরের প্রতি লেগের এ উৎষ্ঠিত হইও বাসনা নাই বলিয়া উৎকণ্ঠা। দশখিকভপর্গ সমাপ্ত।১৯০। ।।
যােগবাশি-মায়ণ লাভ না হওয়ায় দুঃখে দীর্ঘণিাস ত্যাগ করি, একদিন বিন্ন একাধিকশততম সর্গ। মনে উপদেষ্টা সেই পিতার নিকটে গিয় উপস্থিত হইলেন। পিতা বশিষ্ঠ কহিলেন, আম। তােয়ার নিকট এই শিখিধ্বজের পুত্রকে দেখিবামাত্র আলিঙ্গন করিলেন,-কচও ভক্তিপুর্বক পিতার উপাখ্যান সবই বলিলাম, যদি এই শিখিধ্বজ উপাখ্যান- পূজা করিয়া বিষয়ে পুনরায় জিজ্ঞাসা করিলেন। পিত। আমি কথিত পথে চলিতে পার, তাহা হইলে আর তােমাকে কাচ ক্লেশ সব পরিত্যাগ করিয়াছি, এমন কি, গাত্রের কন্থা ও বংশবৃষ্টি ভােগ করিতে হইবে না। রাগমেষবিনাশিনী এই যুক্তি অবলম্বন পর্যন্তও ত্যাগ কুরিয়াছি; তথাপি আমি স্বপদে বিশ্রান্তিলাভ করিয়া তুমি সর্বদা দৃঢ়কলে সেই পরম পদ অবলম্বনপূর্বক করিতে পারিতেহিঁ না, আমি এক্ষণে কি করি বলুন। ১৫-২০ অনাসক্ত বুদ্ধিতে অবস্থান কর। শিখিধ্বজ যেরূপে রাজ্যপালন বৃহস্পতিকহিলেনংস! আমি যে তােমাকে সর্বত্যাগ করিতে করিলেন, হে রাম। তুমিও এইরূপে রাজকৰ্ম্ম করত ভেণী ও বলিয়াছি, সে সূর্যশব্দের অর্থ দিত, তুমি সেই সময় চিত্তকে মুক্ত উভয়াত্মক হইয়া থাক। হে রাখব। বৃহস্পতিজয় কট যদি ত্যাগ করিতে পার, তাহা হইলে প্রকৃতত্যাগী হইয়া সুস্থ এই শিখিধ্বজের পদ্ধতিতে যেরূপে বােথ (জ্ঞান) প্রাপ্ত হইতে পারিবে, সর্বজ্ঞ পণ্ডিতের চিত্যাগকেই সুৰ্বতা বুলি হইয়াছিলেন, তুমিও সেইরূপে বুদ্ধ হও। রাম কহিলেন,—ভগবান জানেন। বশিষ্ঠ কহিলেন, বৃহস্পতি পুত্রকে এই কথা বলিয়া বৃহস্পতির পুত্র ভগবান্ কচ যেরুপে প্রবুদ্ধ হইয়াছিলেন, হে দ্রুতপদে আকাশপথে গমন করিলেন। তাহার পর কচ চিত্ত ভগব। তাহা আমার নিকট সংক্ষেপে কীৰ্ত্তন করুন। বশিষ্ঠ ত্যাগ করিবার জন্য অধিবুভিতে চিত্তের অন্বেষণ করিতে কহিলেন, “হে রাজ। শ্রবণ কর, দেবগুরুনান শ্ৰীমান কচও লাগিলেন। তাহার পরে যখন বহু চিন্তা করিয়াও কাননমধ্যে শিখিধ্বজ রাজার মতই—তাহার অবস্থিত উপায়েই পরম ন চিলের দেখা পাইলেন না, তখন আবার পিতাকে মনে মনে লাভ করিয়াছিলেন। ১৫। শৈশবকাল অতিক্রম করিয়া কচ চিন্তা করিতে লাগিলেন; ভাবিলেন, চিত কি প্রকার ? পদ ও পদার্থণাস্ত্রে সুপণ্ডিত হইয়া সংসার হইতে উদ্ধার বাসনায় এই যে পরিদৃশ্যমান পদার্থসমূহ, ইহাকে ত চিত্ত বলা যায় না, বৃহস্পতিকে জিজ্ঞাসা করিলেন,-ভগব। আপনি সকল ধৰ্ম্ম এই যে হস্তপদাত্মক দেহ ইহাকেও ত চিত্ত বলে না, অতএব এই অবগত আছেন, অতএব বলুন দেখি, এই যে সৎসাৱপিঞ্জর, ইহা নিরূপরাধী গেহকেই বা ত্যাগ করি কিরূপে? যাহা হউক, পিতার হইতে জীৰ কিরুপে আপনার জীবন ছিল করিয়া নির্গত হইতে নিকটে আবার গিয়া আনি, চিত্ত মহারিপু কে? তাহার পরে পারে? বৃহস্পতি কহিলেন,—ংস। সর্বত্যাগ করিতে পারিলেই জনির কটতি চিত্তত্যাগ করিয়া বিগতক্ষর হইতে পারি। জীব এই এনক্রিপ মকরের ( অলআর) আম্পদ এই সংসার- বশিষ্ঠ কহিলেন,-এইরূপ চিন্তা করিয়া সেই কচ স্বৰ্গলােকে সাগর হইতে নিরুদ্বেগে উত্তীর্ণ হইতে পারে। বশিষ্ঠ কহিলেন, গমন করিলেন, তথায় গিয়া পিতার নিকটে উপস্থিত হইয়া একচ পিভার এই পরম পবিত্র বাক্য এবণ করিয়া সমুদয় পরিভাগ ভক্তিপূর্বক পিতার চরণবন্দনা করিয়া প্রণাম করিলেন। এবং পূর্বক বিজনকাননে গমন করিলেন। ৬-১০। পুত্রের এইরূপ একান্তে তাঁহাকে লইয়া গিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন; ভগবন। কনগমন দেখিয়া বৃহস্পতি বিন্দুমাত্র উৰিয় হইলেন না, কারণ আপনি যে চিত্রত্যাগের কথ বলিলেন, সে চিত্তের স্বরূপ কি? মহতের সংযােগ-বিয়ােগ (সম্পদ-বিপদ) উভয় অবস্থাতেই চিত কাহাকে বলে, তাহা আমার নিকট বলুন, তাহার পরে আমি আচলের স্থায় স্থির থাকেন। হে অনখ। অনন্তর চাৰি পাচ তাহা ভাগ করি। বৃহস্পতি কহিলেন,—“চিত্তবিং পণ্ডিতেরা বৎসর পরে কচ কোন নিবিড়বনমধ্যে গিয়া পিতার সাক্ষাৎ নিজ অহঙ্কারকেই চিত্ত বলিয়া নির্দেশ করিয়াছেন। জীবের অন্তরে লাভ করিলেন। দেখিবামাত্র পিতাকে অভিবাদনপূর্বক পূজা যে‘অহংভাব’ আমি (এই দেহই আমি) ইত্যাকার করিলেন, পিতা পুত্রকে (সমেহে) আলিঙ্গন করিলেন; যে জ্ঞান বা এলি, তাহাকেই চিত্ত বলা হয়। কচ কহিলেন, অনন্তর বাণীয় পিতাকে বিমধুর বাকে পুনরায় জিজ্ঞাসা “হে তেত্রিকাটি বেকাশের প্রক, মহামতি। পিত। এই করিলেন,—নি। আর আমি য় আট বৎসর হইল গর্বত্যাগ অহঙ্কারই চিত্ত, ইহা কি, তাহা বুঝাইয়া বলুন ( এই অহঙ্কার করিয়াছি;কি কৈ বিশ্রান্তি ও অ্যাপি লাভ করিতে পারিলাম ও আত্ম, ইহা ত্যাগ করিলে ত আত্মত্যাগ করা হয়, সেই আত্মাই লা। বশিষ্ঠ কহিলেন-রহশতি বনমথ্যে করে এইরূপ কাতর ত আমি, আমিআমাকে কিরুপে ভাগ করিব?) এই চিত্তের বাক্য শ্রবণ করিয়া ‘গ তাল কর' এই কথা বলিয়া স্বর্গে চলিয়া ত্যাগ করা বড়ই কঠিন বলিয়া বিবেচনা করি। বোধ হয়, ইহা গেলেন। ১১-১৫। মুশতি চলিয়া গেলে কচ বীর হইতে কেহই কৱিতে পারে না। হে বােগির! এই চিকে কিরূপে বাদি পর্যন্ত ত্যাগ করিলেন, ফলাদি ত্যাগ করিয়া, তিনি আগ করা যায় ? ২৭-৩০। হস্পতি কহিলেন, এই অফারের এদিকে চলন্ত গাইতেছেন, অপর দিকে উদিত হইতেছেন ত্যাগ অতি সভ, এমন কি, একটা না সুম ছিল করিয়া এইরূপ শরণাকার কার শােভা বারণ করিলেন। তাহার কেলাপেও, মুদ্রিত করা পেক্ষাও সহজ; এই পরে কোন কাননধ্যে গিয়া এক গুহার অন্তরে আশ্রয় করিয়া আক্তার জ্ঞাগে মািত্র কে ইহে ভনয়। যেরুপে এই শানকার তাৰ মেঘবালি পরিহার করিতে লাগিলেন। - চিভাগ করা যায়, তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। কৃতিপাতি সেই কচ কখন কখন দিগন্তে বা করিয়া বিভ্রান্তি জ্ঞান হইতে যে বস্তু উপ অহা উজ্ঞানের অভাবে অর্থাৎ জানলাভই আপনিই নষ্ট হইয়া যায়। যে! এই • শালাকা নো বা ভয় । বৰ সৰ্ক কশিমা যে অহঙ্কারের কথা বলি, আহা বাঁৰি নাই, উহা মিথ্যা ভ্রান্তি যায়; সেইরূপজিনি নোরার সর্ব পরিণত লাগি এলাক। উএকাহিইলেও বাককলিত নেমে লেনা গলার হার থাকিতে লাগিলেন। সত্য হইয়া উঠিয়াছে। রফে মিশা সগর্জা, মরু - নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ ভূমিতে যেমন নিখ্যা জলভ্রান্তি হয়, সেইরূপ অহঙ্কারও মিখ্যা- অনাবৃষ্টিভয়ে আঙ্গুল চাতক যেমন সহসা বাবা প্রাপ্ত হইলে ভ্রান্তির বিলাস। যেমন চলুর যে ঘটিলে একমাত্র চন্দ্রকেও পরম আনন্দিত হয়, সেইরূপ আমি আপনার উপষ্টি জ্ঞান- দুইটা বলিয়া জ্ঞান হয়, ফল তাহা যেমন ভ্রান্তি, সেইরূপ এই সুধা পান করিয়া এরে পরম তৃপ্তিলাভ করিতেছি।৬-১০। অহঙ্কার ভ্রমক্রমে প্রতীয়মান হয়, বাস্তবিক অহঙ্কার ও নহে, আমার অন্তঃকরণ যেন মুসিক্ত হইয়া শীতল হইতেছে। আমি ওন। একমাত্র কন্যানিলন্তত সত্য, আর সবই নিখিল অতুলসলের অধিকারী হইয়া সর্বোপরি অবস্থান করি- মিস ভিজিএলেকাওনি তেছি। চকোর যেমন বারংবার চন্দ্রিকা পান করিয়াও সম্পূর্ণরূপে জানস্বরূপে সর্বত্রই বিদ্যমান। যেমন বিলােল উখি পরিতৃপ্ত হইতে পারে না, উনােয় কেবল তাহার পিপাসাই সর্বত্রই একমাত্র জল, সেইরূপ একমাত্র চৈতন্যই সর্বদা নিখিল বৃদ্ধি পাইতে থাকে, সেইরূপ আপনার এই অমুতােপম উপদেশ অকুতে প্রকাশরূপে বিদ্যমান রহিয়াছেন। ইহাতে অস্তাবই বাক্য বারংবার শুনিয়াও তৃপ্ত হইতে পারিতেছি না, এখনও বা কি? এবং তাহা কোথা হইতেই বা উখিত হইবে? জলে আমার অনির আকাক্ষা অহিয়াছে—অথবা হে ঈশ্বর। কোথায় বা ধূলি উখিত হইয়া থাকে? অনলেই বা কোথায় পরিতৃপ্ত হইয়াও আবার আপনাকে প্রশ্ন করিতেছি, পরিতৃপ্ত জল উখিত হইয়াছে? অতএব হে পুত্র। “আমি সেই এই হইয়াও কে অগ্ৰন্ত চন্দ্রের সুধা পান করিড়ে বিরত হয় ? (দেহ)” ইত্যাকার বিলাস পরিত্যাগ কর। এইরূপ হে মুলিবর। আপনি যে যি পুরুষের কথা বলিলেন, ঐ ভাতিজ্ঞান অতি তুচ্ছ পরিমিত এবং দি ও, কালের বশীভূত; মিখ্যাপুরুষ কে? যে বস্তুকে অবস্তু করিল এবং অব অগংকে এই জ্ঞান কচি বাস্তব নহে। বাস্তবপক্ষে তুমি দিকু-কালাদি বন্ধ করিয়া তুলিল, ইহা আমার নিকট সত্বর বলুন। বশিষ্ঠ রূপে অপরিচ্ছিন্ন, স্বচ্ছ, নিত্য উদিত, বিশাল, সময় ও একমাত্র কহিলেন, “ৰ। তােমাকে ঐ মিথ্যাপুরুষ যে কে। তাই নির্মল চৈত্য। চতুর্দিক ফল, কুসুম ও পল্লবের একীভাবাপন্ন বুঝাইবার নিমিত্ত একটী মনােহর গজ বলিতেছি,-শ্রবণ কর, রস যেমন মধু, সেইরূপ তুমি সর্বদাই এই জগৎসমূহের সার এই গল্প তত্ত্ববিদগণের হাস্যজনক। ১১-১৫। হে মহাবাহে ! নিরতিশয় আনন্দময় চৈতন্যস্বরূপে অবস্থিত, তুমিই সর্বদা নিৰ্ম্মল- মায়াময় এক পুরুষ আছে, সে বালকে স্যায় কোমল বুদ্ধি- তর অনন্ত চিদাত্মা, হে কচ। তুমি সত্তাস্বরূপী, তোমার এই সম্পন্ন এবং অভিমূখ। সে এক শূনে উৎপন্ন হইয়া অহাৰ-কান আবার কি ? ৩১-০১। সেই স্থানেই অবস্থান করে; আকাশ যেন কে, একাদশবিকতম সর্গ।১১। মরুভূমিতে যেন মরীচিকা, সেই স্থানে মেনি সেই পুরুষ। নে বোনে বাস করে, সে স্থানে ভক্তি আর কিছুই নাই, যাহা আছে, (বাহা প্রতীয়মান হইতে) তাহা সেই, সেই দ্বাদশাধিকশততম সর্গ। দুর্মতি। তখার আর যাহা ছুি দেখিতে, তাহা ভ্রান্তি , (৬ হার দৃষ্ট যাহা কিছু, তাহাও সে, কেবল ভ্রান্তিক্রমে সেই বশিষ্ঠ কহিলেন,-দেবগুরুতন কচ পিতার নিকট এইরূপ পৃথ দেখিতে)। সেই স্থানে রক্ষিপ্ত হইয়া আহার এই উৎকৃষ্ট উপদেশরূপ পরমযােগ প্রাপ্ত হইয়া ক্রমে জীবন্মুক্ত হইয়া স্থির সঙ্কল্প হইল যে, “আমি আকাশের, আমি আকাশ, আমার উঠিলেন। হে কম। প্রশাহবুজি কচ যেরূপে মােহশ্রন্থি ছেদন আকাশ, আমিই আকাশকে রক্ষা করি। আমার প্রিয় বন্ধু করিয়া নির্মম ও অহঙ্কারশত হইয়াছেন, তুমিও সেইরূপ হইয়া আকাশকে আমি ঘত্বপূৰ্ব্বক রক্ষা করি'—এইরূপ চিন্তা করিয়া নির্বিকারভাবে অবস্থান কর। তুমি এই অহঙ্কারকে অসৎ সে আকাশ রক্ষা করিবার অন্ত গৃহ নির্মাণ করিল। ১৬-২০। বলিয়া আনিও এবং অসং জানি। এই অহঙ্কাকে একেবারেই গৃহ নির্মাণ করিয়া গৃহের মধ্যে সে মনে করিল, “আমি আকাশ আপনাতে স্থান দিও না, ফলতঃ অহঙ্কারের ভাগই হইতে পারে রক্ষা করিয়াছি, এই গৃহমধ্যবর্তী আকাশ আমার আর যাইবে , অসৎ শৃঙ্গে আবার ভাগই বা কি, আর গ্রহণই বা না।”—হ বধুন। এইরূপে সে গৃহাকাশ লইয়া সন্তুষ্ট হইয়া কি? অহঙ্কার যখন একেবারে অসম্ভব (শীক), তখন রহিল। অনন্তর কিয়ৎকাল পরে তাহার সেই গৃহ শাৰদীয় তােমার জন্ম-মৃত্যুই বা কে? আকাশদৈত্ৰ বীজপন কৰি বায়ুতে আকাশমটায়ী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মেঘের ন্যায় নষ্ট (বিন) কে তাহার ফলেগ করিতে পাঁয় ? তুমি নিরুৎশ, সলশূন্য, সর্ব হইয়া গেল। তখন সে গৃহাকাশের জন্য শােক করিতে লাগিল, ভৰষর, বিশাল অট পরমাণু অপেক্ষাও সূ চৈতরূপ। হায় আমায় গৃহাকাশ! তুমি নষ্ট হইয়া গেলে, হায়! তুমি ১৫। যেমন জলের এপ্তি, যেন দুৰে কটকাদি কালমধ্যে কোথায় গেলে, হায় হায়! নির্মল আকাশ ভূমি উন্ম ভাবশ্রাপ্তি; সেইরূপ উক্ত চৈতই খবভাবনায় উক্ত অবস্থা হইয়া গেলে।”—এইরূপে ৰ বিলাপ করিয়া সেই দুর্মতি আকাশ হইতে জি এর অবস্থাপন্ন হইয়া পড়ে। এনষশই মজা করিবার ও একটি ফুল নিৰ্মাণ করিল। কুল নির্মাণ এই সখ জগৎ মাপে অবস্থান করিতেছে। ৫ন। করিয়া সেই কূপাকাশ গইয়া সজষ্ট হইয়া বলি। অনন্তর জ্ঞানের উন্ম' হইলে এ সফললাদি) এর হইয়া যায়। কালক্রমে তাছায় সে কুপও বিনষ্ট হইয়া গেল; কৃপকাশ অতএব তুমি বিধ-একটি পরিত্যাগকরিয়া মৈত্রে অবশিষ্ট গেলে সে আবার সেই শােকাকুল হইল; বিলাপ কৰিছে হও, মুখে থাক; বিবিখা পুয়েব্যথা কথিত হইওনা। লাগিল; কুলাকাশে বিলাপ করিয়া শীল এক নির্মাণ আউলায় এই বেসায় কীভূত হয়; ই করিল। তু নিমাণ করিয়া সেই কাশ লইয়া সকালের জাল'শরৎকাল’ আবির্তষে বিকার (বিকসমূহের সহিত কালাতিপাত করিতে লাগিল।হেরম' কালাৰে নেলফেয়) খণ্ডিহয়। আম কহিলেন, তাহার সে ও নষ্ট হইয়া গেল, ভগ যে দিকেই যায়;
যােগবাদি-রামায়ণ - তাহার সেই দিকেই বাজ পড়ে। তাহার পরে কুকারে পরি কূপ, কুণ্ড, চতুলি, কুত প্রভৃতি দেহ ধারণ করিয়া মনে এত বিলাপ করিয়া সে আকাশ রক্ষার্ণ একটা কুণ্ড নিৰ্মাণ এনে ভৰে—“আমি আমার আত্মরক্ষা করিলাম।” হে রাখব। করিল। এবং সেই কুণ্ডাকাশ লইয়া সন্তষ্ট হইয়া থাকিল। তুমি সেই অহঙ্কারের নামগুলি শ্রবণ কর, ঐ অহঙ্কার জগদাকারে কিছুকাল পরে তাহার সে কুণ্ডও নষ্ট হইয়া গেল, যেন তো বলসিত,যে সকল নামে সকলকে একেবারে মুগ্ধ করিয়া রাখি- আসিয়া অন্ধকারকে গ্রাস করিল। তখন সে কুণ্ডাকাশের অঙ্গ ছে। ১-১০। জ্বী, বুদ্ধি, সু চি, মায়া, প্রতি আক, শােক করি। কুথাকাশের জন্য শোক করিয়া সেই আকাশ- কুলনা, কাল, কলা ইত্যায় বহৰিণ না ইহা বিতই রহ্মার্থ থায় একটা সকার মহাগৃহ নিৰ্মাণ করিল, সেই । কল্পিত বহুবিধ আকারে এই অহঙ্কার সহরুপে গৃহটার চারিদিকে চারিটা ঘর।, তাহার পরে সে সেই গৃহমধ্য- বিহার করে। এই যে বিস্তৃত কাশ, ইহাতে এই জগৎ ভিত্তি বর্তী আকাশ লইয়া সন্তুষ্ট হইয়া থাকিল।২৬-৩০। বায়ু যেমন হীন (অমূলক), ইহা নিশ্চিত। ঐ মিথ্যাপুরুষ বৃথাই সুখদুঃখ জীপত্র-নিপাত কয়েন, সেইরূপ প্রনালী কা তাহার সে অনুভব করিতে থাকে। ঐ মিথ্যাপুরুষ আকাশে আত্মশঙ্কা করিয়া গৃহও সফর কবলিত করিলেন। সে তার জন্য শােকে আকুল টাকা-দি রক্ষা করিবার এ যেরূপ ক্লেশ পায়, হে রাম। তুমি হইল। চতুল গৃহের নিমিত্ত শােক করিয়া সে আকাশ রক্ষার বেন সেইরূপ কেশে না পতিত হও। যিনি আত্মা সূত্র হইলেও অন্য একটা মোকৃতি কুল * নির্মাণ করিল, এবং সেই কুল আকাশ অপেক্ষা বিস্তীর্ণ, সেই বিশুদ্ধ, শিব, শান্তিময় আত্মাকে লইয়া আকাশ রক্ষা করিতে লাগিল। তাহার পর বায়ুশে কেই বা গ্রহণ করিতে পারে? কেই বা রক্ষা করিতে পারে ? মেঘের ন্যায় কালবশে তাহার সে কুকূলও বিলীন হইয়া গেল; অব জীবগণ শরীররূপ গৃহের বিনাশ হইল “আত্মা নষ্ট হইল” তাহার পর সে কুলনাশহেতু শােকে অত্যন্ত পরিতপ্ত হইল। বলিয়া বৃথাই শোক করে। যে ঘটাদি নষ্ট হইয়া গেলে অন্তু- এইরূপে সে কুম্ভ, কু, চতুশাল, গৃহ ও কুল লইয়া সময় গত আকাশ অখণ্ডিভাবে থাকে, তাহার কিছুই নষ্ট হয় না, সেই অতিপাত করিতে লাগিল। সেই মুখ এইপে গৃহ, কূপ, প্রভৃতি রূপ দেহু নষ্ট হইলে দেহীর কিছুই নষ্ট হয় না, দেবী সর্বদা উপায়ে গুহামধ্যে আকাশ গ্রহণ করিয়া তাহার গমনে আগমনে নির্লেপ হইয়া অবস্থান করিতে থাকে। যিনিজা বিশুদ্ধ চিৎস্বরূপ, (সেই গৃহাদির স্থিতি নাশে)বিমূঢ় হইয়া কখন ঘন দুঃখে তিনি আকাশ অপেও অণু, তিনি আপনার অনুভূতিস্বরূপ, দুঃখিত হইতেছে, কখন বা সুখী হইতেছে। ৩১-০৪। হে রাম। আকাশের গায় তাহার নাম নাই। ফলতঃ কোথাও কিছুই উৎপন্ন বা মৃত হইতেছে না, কেবল ব্ৰহ্মই এই জগরূপে বাদশাধিকশতম সর্গ সমাপ্ত। ১১২ | বিবর্তিত হইতেছেন।তুমি একমাত্র ব্রহ্মকেই সভ্য, শান্ত, অনাদি, অনন্ত, অব-অভাব হইতে নির্মুক্ত জানিয়া সুখী হও। তুমি জ্ঞানল নিখিলবিপদের আধার অনিত, অসত, আস- এয়ােদাধিকশততম পর্গ। নিপাত, বিকে, অনুৰ্য, অজ্ঞ অহঙ্কার পরিত্যাগ করিয়া পরি- রাম কহিলেন,-“এতে। আপনি মিথ্যাপুরুষের কথা শেষে সুদৃঢ়ভাবে বিশুদ্ধ চিত্রে অবস্থান করতঃ উত্তমভাব প্রাপ্ত প্রসঙ্গক্রমে মায়াপুরুষের কথা বলিলেন কেন ? আকাশ রক্ষাই বা হও। ১৯৭১। কাহাকে বলিতেছেন। বশিষ্ঠ কহিলেন—“রাম। তােমার নিকটে ত্রয়োদশাধিকশঅ সর্গ সমাপ্ত ॥১১৩। এক্ষণে মিথ্যাপুরুষের যথাশ বাত প্ৰকাশ করিয়া বলিতেছি, শ্রবণ কর। হে রঘুনন্দন। এই যে মায়াময় পুরুষের কথা বলিলাম, তুমি ইহাকে শূন্য-আকাণে উপ-অহঙ্কার বলিয়া জানিও। হে স'খে। যে আকাশকোষে এই জগৎ অবস্থিত চতুর্দশাধিকশততম সর্গ। রহিয়াছে, সৃষ্টির পূর্বে ঐ আকাশ অনন্য অসৎ ছিল। তবে বশিষ্ঠ কহিলেন—পর হইতে প্রথম উৎপন্ন মন। সেই ঐ আকাশ যে অধিষ্ঠানশুন্য, তাহা নহে ব্ৰহ্ম অক্ষভাৱে উহার আমলনাত্মক। ঐ মন বিশাল ব্রহ্মে থাকিয়াই স্থিতি লাভ অধিষ্ঠানরূপে অবস্থান করিতেছেন। বায়ু, হইতে যেমন সুল করিয়াছে। হেরাষ! পুপম যেমন সৌরভ, সাগরে যেমন উৎপন্ন হয় এবং আকাশ হইতে যেমন শব্দ উৎপন্ন হয়, ভর, সূর্যে যেমন কিরণজাল জেনি পরব্রহ্মে = রহিয়াছে। সেইরূপ ঐ আকাশ হইতেঅহঙ্কার উৎপন্ন হয়। সেই অহঙ্কার আত্মত্ত সেই মনের অদৃশ্য হওয়ায় বিস্মৃত হইয়াছে, আ আত্ম না হইয়াও ভ্রান্তিশে আত্মৰে ভাবিত ও আকাশে অন্ধের বিস্মৃতি ঘটাতেই ঃ স্থিতিলাভ করিয়াছে। হেরাম। বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়া কানাসহলে ইহা আমার ইষ্ট, ইহা আমার এই জগৎ সর্ণের কোয় স্থান হইতে আগত নহে ইষ্ট নহে”—এইরূপ ভাবনা করিতে থাকে। তৎপরে কল্পিত ইহা পরমাত্মাতেই ভ্রান্তিল উপস্থিত। হে আব! “যে ব্যক্তি আমি” ইত্যাদি নামে ই, অনিষ্টের প্রাপ্তি—পাইবার বিষয়ে সূর্যকে পরিত্যাগ কল্পিা (ভাবনা না ভাবিয়া) ইহা বুঝি যত্নবান হয়। ঐঅহঙ্কার আত্মানা হইয়াও এইরূপে আত্মরক্ষার (এইরূপ) পৃথক অন করে তার নিকট রশ্মি সূৰ্য্য হইতে নানাবিধ দেহ ধারণ করে এবং দেহের বিনাশে আবার পৃথক বস্তু যদি বােড়। এ ব্যক্তি কেফুরে কবুজি পরি- যাহইয়া পড়ে। ঐ অহঙ্কারই মায়াপক উহাই যিখপুরুষ, ভগ করিয়া “ইহা কে ইেরুপ রুপে ভাষনা করে, ৪াৰ মায়াবলে বৃখা উদিত হইয়াছে। ঐ অহঙ্কার আকাশে- তাহার নিকট তাহা কেলেই এভায়মান হয়; সুরলে নহে। আর যে ব্যক্তি কিনলকে সূৰ্য্য হইতে আসিয়াল লত রাখিবা খান (মই) ভাবনা করে; তাহার নিকট কিরণ দূৰ্যপেৰীয়মান নির্বাণ-প্রকরণ-বভাগ। হয়, তখন রশ্মিতে বিকল থাকে না। এ ব্যক্তি মতে এ গলে, এতে কথোপকথনে বৰলে, নিজাম স এলবুজি পরিত্যাগ করিয়া ভর একটা পৃথক দ্রব্য বলি ভাল অবস্থাতেই “আরে কোন প্রকার বিকাৱ নই, একমাত্র করে, হার নিকটে তাহা অপেই এভীত , কলচ আই সভ্য” এই ভাৰনাপূর্বক বাছাই করবে, জবাই অলরুপে ভীত হয় না। যে ব্যক্তি অকে অলরূপে ভানা তুমি নির্মল বিল চিমাৰ বলিয়া আসিবে। ২১-২৬। এ করে, তাহার নিকট উহা (ভঙ্গ) অসামান্য এইরূপ জ্ঞান বিশালাকার, সেই বিশালাকার ব্রহ্ম ভিন্ন আর কিছুই নাই। হয়; সে জ্ঞান নির্বিকল। যে ব্যক্তি কেৱকে কনকরূপে জগতের সমুদয় পদার্থের সার যখন একমাত্র সংবিৎ, তখন এই ভাবনা করে, তাহার নিকট কেরুর কনকরূপেই প্রতীয়মান হয়, সমগ্র জগৎবিখই ইহাতে আর কোন কল্পনা নাই। সেরূপ প্রতীতিকে নির্বিকল্প প্রতীতি বলা হয়, বহ্নিশিখায় অশাল সেই সবিলেরই দুষণমাত্র। সূৎ “ইহা অন্য এক বহ্নিবুজি পরিভাগ করিয়া শিখারূপে ভাবিলে তাই শিখারপেই পদার্থ, ইহা আর একটা পদার্থ এইরূপ মিখা ভাবনা কেন? প্রতীয়মান হয়, তাহাতে আর যহিবুজি থাকে না। ৭-১০। পরিমান সমস্ত পার্থের মধ্যে একমাত্র সবই যখন প্রকা বুদ্ধিবৃত্তি বাকৃশ আকার ধারণ কৰিবে, ঠিক সেইরূপ অৰই এ সিদ্ধ সত্য ৰ, তখন ইহাতে সংব্যে আবার কি? বা, মােনই হইবে। যদি হিলিখার আকার ধারণ করে তা বহ্নিশিখাভাব থাৰণ বা কোথা হইতে আসিৰে। অতএব রাম! তুমি ইহানে, করিবে, মেঘমালার আকার ধারণ করে ত মেঘমালাভাব ধারণ ইহ বন্ধন” ইত্যাকার নিস্ব ভাবনা সমূলে উপাট করিয়া করিবে অর্থাৎ বুদ্ধি বহ্নিশিখালিত চলন উগমনাদি যে ধর্ম মৌনী, জিতেত্রিয়, অভিমান, অহঙ্কার মাহাত্ম হই। তৎসমুদয় প্রাপ্ত হই থাকে। যে ব্যক্তি বহ্নিশিখাকে বহিরুপেই কাৰ্য্য করিতে থাক। ২৭৩। ভাবনা করে, তাহার নিকট তাহা একমাত্র বহিপই প্রতীয়মান হইবে, ইহাকেই নির্বিকল্প জ্ঞান বলে। যে ব্যক্তি ঐ নির্বিক- চতুর্দশাকিততম সর্গ সমাপ্ত। ১৪। ভাবাপন্ন অর্থাৎ গ্রাহ-গ্রাইক বিবিধ বিকলই যাহার নাই, সেই ব্যক্তিই মহান। সেই ব্যক্তির বুদ্ধিই অক্ষ ও পদধিকততম সর্গ। মহত্ত্বসম্পন্ন, সেই ব্যক্তিই প্রাপ্তব্য বিষয় প্রাপ্ত হইয়াছে, সে ব্যক্তি আর কখনই বৈলিক পদার্থে (সত্যবুদ্ধিতে) আসক্ত বশিষ্ঠ কহিলেন-হে এন। হে রামচন্দ্র! তুমি সমুদ হয় না। অতএব হে রাম। তুমি নিখিল ভিন্নভাৰ পরিত্যাগ আশঙ্কা পরিত্যাগপূর্বক নিত্য ধৈৰ্য্য অবলম্বন করিয়া মহাক, করিয়া সংবেদ্যনির্মুক্ত বিশুদ্ধ চিতে অবস্থিত হও। বায়ু যেমন মুহাদ্যোক্তা ও মহাভাগী হইয়া থাক। রাম কহিলে-এঙ্গে। আপনা হইতেই স্পন্দশক্তির পালন করে, সেইরূপ আত্মা মহাকর্তা কাহাকে বলে, মহাভ্যাগী কাহাকে বলে, মহাভােকাই নিজেই প্রকাশময় আত্ম-শক্তিতেই সঙ্কনী শক্তির উদ্ভাবন বা কাহাকে বলে, তাহা আমার নিকট সম্যকরূপে কীর্তন করুন। করেন। ১১-১৫। সঙ্কল্পশক্তির আবির্ভাব হইলে আত্মা যেমন বশিষ্ঠ কহিলেন,মএই (মহাকর্তা ইত্যাদি) ব্ৰত্ৰয় পূর্বে পৃথরুপে প্রতীয়মান হইয়া সঙ্কল-কল্পনায় মশােক্ষপে বিবর্তিত চামৌলি মহাদেব, ভীশকে বলিয়াছিলেন, ভূলী তদবধি হইয়া আপনার আকার ভাবনা করিতে থাকেন। ঐ সঙ্কলাত্মক বিজর হইয়া অবস্থান করিতেছে। পূর্বে একদিন ভগবান্ শশিশেখর চিত এই জগৎকে যেরূপ সঙ্কজ করে; সঙ্কল্পবলে ক্ষণকালমধ্যে সুসমপর্বতের উত্তরদিশ্বর্তী অনলােম উজ্জ্বল এক শূঙ্গে সমগ্র তাহাই হইতে পারে। সঙ্কল্পবলে মন, অহঙ্কার, বুদ্ধি, জীব, পরিবারবর্গ লইয়া অনিতি করিতেছিলেন। সেই সময়ে আত্ম চিত্ত ইত্যাদি নাম ধারণ কৱত ব্রহ্মা হইতে আয়ত্ত করিয়া কীট জনৰিষয়ে সমমহাতেজা ভঙ্গীণ কৃতাঞ্জলিপুটে উমাপতিকে পর্যন্ত হইতে পারে এবং সুমেরু হইতে আরম্ভ করিয়া মরু প্রণাম করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন-“হে দেবজেবেশ! হে ভগবন ভূমিতে পৰ্যন্ত পরিণত হইতে পারে। চিত্ত সবশতই যি পরমের। আপনি সব, এই আপনার নিকট আমি কিছু একত্ব প্রাপ্ত হইয়া জগৎথিতি বিস্তার করে এবং সেই জবি ভিসা করিতেছি, কৃপা কৃরিয়া সর হার উত্তর প্রদান করুন। ভিতে নিজেই বিভিন্নভাৰ ধারণ করে। ফল এই যে বিল ১-৬। হে নাথ আমি এখনও অবিশ্রান্তি লাভ করিতে পারি এ, ইহা সময়তেই হই, ই না সত্য, না মিথ্যা নাই, আমি অবৎ চলা সারা দেখিয়া সাতিশয় বিমূঢ় ঠিক স্বপ্নপরয়তা। ১। হীৰেয় মনঃকলিত রাজ্য হইয়াছি, আমি এই অগপ জীবনে কিরুপ ধারণা চ যেমন বিবিধ রাজপযােগী আড়ঘরে আরও উজ্জ্বল হয়, পর- কবি বিজয় ও না হইয়া থাকিতে পারি? (আহা)। ব্রহ্মের বিশাল মনেরও গভাবে বিরাজমান হয়। অন ঈশ্বর কহিলেন,-গুৰি সমূখশকা পরিত্যাগপূর্বক খত হৈ হইলে এ সকল বখতিৰহ্মরূপেই সব ; তখন এর লক্ষন করিয়া মহাতােক্তা, মহাকর্তা, মহাভাগী হইয়া যাক। * সকল কিছুই থাকে না। পরটিতে দেখিলে ইহার জীশ কহিলেতাে। ময়া কাহাকে বলে, মহলে কিছুই দেখিতে পাওয়া যায় না; শীক (ব্রা) কাহাকে বলে, গীই বা কাহাকে বলে, তাই বলে দেখলেই বােধ, এই ভূখণ শত বিতায় করিতেন। আমাকে বুঝাইয়া দিন। ঈর কহিলেন-হে মহাজাগাবে ব্যক্তি যেন একমাত্র সলিলই আবর্ত জানি না কত হয় যথার্থ বা দুইই করিতে পারে, সেই সমূদ্রাকার ধারণ করে, সেইরূল উক্ত মনও নিবিৰ লক্ষণে ব্যক্তি মহাক। বেক্তি পেলা হইয়া , যে, মুখ, বিন্নি আকার ধারণ কৰিছে সকলোেৰু দুখ, , ফল, লিট) একভাবে সম্পাল- চিভাসমুক্ত মনের স্পন ব্যতিরেকে কোন প্রকায়ই বিকার পূর্বক সহকরিতে পারে, তাহাকেই মহাকালে। সেক্তি প্রাপ্ত হয় না। অতএব তুমি লেবুটি পরিত্যাগ করিয়া গমনে, নোনীফার বিষেষতিও হয় কাৰ্য করে- ৫ নােগান্তি-মায়। অহাকে মহাকাশে। যাহা বুজি এক ও মানসিক দুঃখের সহিত দেহ, মন ও ইক্রিয়াদির সত্তা পরিত্যা কর্মে ধর্ম, এইরুল কুশাযুক্ত নয়, সেই ব্যক্তিই মহাকর্তা। করিয়াছে, অর্থাৎ এ সকলকে মিথ্যা বলিয়া দুচ থারণা করিয়াছে, সর্বত্র গেং এ ইচ্ছা হইয়া কাধে যে উদাসীনভাবে তাহাকে মহাভণী বলা যায় যে ব্যক্তির অন্তরে “দেহ আমার অবস্থান করে, তাহাকেই মহাকাৰলে। যাহার উল বা আনন্দ নয়, অনও নাই, যুক্ত অনুক্ত কর্ম আমার নাই, এইরূপ নি, কিছুই নাই যার বুদ্ধি সর্বত্র সমান ও এক বাহার হইয়াছে, তাহাকে মহাণী কহে। যে ব্যক্তি করণ হইতে কিছুতেই অবসাদ বা প্রসাদ নাই, তাহাকেই মহাকর্তা বলে। ধর্ম, অধৰ্ম্ম, মনে মনন যা চেষ্টা সমস্যই ত্যাগ করিয়াছে, তাকে যাহার বুদ্ধি যথার্থবিষয়ে (পরব্রহ্মে) কূর্তিত হইয়াছে, মহাত্যাগী কহে। এই দৃ কলনা যায়। দেখা যাইতেছে, ইহা যাহার কিছুতেই আসক্তি নাই, এবং উপস্থিত ফর্মের অনুরূপ বিনি সম্যকরূপে ত্যাগ করিতে পারিয়াছেন, তাহাকে মহাত্যাগী ফেরে, তাহাকে মহাকর্তা বলায়। যে ব্যক্তি উদাসীনভাবে বলা যায়। হে অনুষ। দেবদেব শঙ্কর ভৃঙ্গীশকে পূর্বে এইরূপ খালাি অন্যের প্রেরণায় কাহই সমবুছিতে কর্ম অক দুইই উপদেশ দিয়াছিলেন, হে রাম। তুমি এইরূপ যুক্তি অবলম্বন লালন করে এবং অন্তরে সমভাব থাকে, তাহাকে যা করিয়া গতঘর হইয়া থাক। নিত্য উদিত নির্মলনস্ত অঙ্গ কর্তা বলা হয়। যে ব্যক্তি স্বভাবতই শান্তভাবাপন্ন থাকিয়া শুভ ব্রহ্মই বিদ্যমান, অভিন্ন কোনরূপ কল্পনাই না, তুমি সর্বদা এত কর্মেনুষ্ঠান কর সমতা ভাগ করে না, তাকে এইরূপই গৰিতে থাক; ইহাতে তোমার নিখিল বৃত্তি শান্ত ও মহাকর্তা বলে। যাহার মন জন্ম যিভি, ফিন্য , অন্ত সকল সিলভাৰ বাৰু করিবে, এইরূপে তুমি নিরজনভাব প্রাপ্ত হইয়া অবস্থাতেই সমভাবাপন্ন, তাহাকে মহাকও বলা হয়। ৭-২০। নির্বাণলাভ করিতে সমর্থ হইবে। ৩১—• পরমাত্মরূপী এই যে ব্যক্তি কোন বিষয়েরই যে করে না এবং কোন বিষয়েরই অনাময় ৰহ্মই সকল কলপ্রসিদ্ধ, সমুদয় কাৰ্যসমূহের মূলকারণ, একা করে না, যথাও সকল বিষয়েরই ভোগ করে, সেই ব্ৰহ্ম বিৰিণ সৃষ্টিতে বিভিন্ন বিশালতাৰ বার করিলেও অহাকে মহাজো করে। যে ব্যক্তি গ্রহণ করিয়াও গ্রহণ করে বঙ ভিসি বিপরশ আকাশই। অর্থাৎ যাহা কিছু , কাৰ্য্য করিয়াও কাৰ্য করে না, বিয়ে ভােগ কৰিও ভােগ প্রতিভাত দেখিতেছ, সমস্তই আকাশ জৰিবে। হে সাথে। করে না, (অর্থাৎ বুদ্ধিপূর্বক কিছুই করে না, তাহাকে মহা- “এই ব্রহ্মে অন্য কিছুই (সৎই হউক আ অসৎই হউক ), ভােক্তা বলা হয়। যে ব্যক্তি অধিবুদ্ধি ওইচ্ছা হইয়া সাক্ষী কখনই সম্ভব না” অন্তরে এইরূপ দৃচনিশ্চয় হইয়া নিঃশঙ্কভাবে যায় সমূদয় লােকব্যহার অবলােকন করে, তাহাকে মহাভােক্তা অবস্থান কর। তুমি অন্তঃকরণের ব্যাপারগুলি সর্বদা অন্তর্মুখ বলে। বাবার বুদ্ধি মূখ, দুঃখ, জয়, পরা, , ভাৰ-কিছু রাখিয়া সমুদয় বা সম্পাদন করিতে থাক, দেখিৰে তেই বিচলিত হয় না। তাহাকেই মহাভােক্তা বলে। যে ব্যক্তি কিছুইতেই থিম হইবে না, বরং ইহাতেই চােষার অহঙ্গার রা, মৃত্যু, বিগ, রাজ্যলাভ এবং শাসিতই রমণী বলিয়া দূর হইবে। ৪১-৪৩। আনে, অহাকে মহালো বলা হয়। আর যেন নানাস্থানের পঞ্চগধিকতম সর্গ সমাপ্ত।১১৫। নানাপ্রকার ল কি ভাল কি মন সকল রকম লই), নির্বিকার- ভাবে গ্রহণ করে, সেইরূপ যে মহাখ বা মহা সমস্তই সম- আৰে (নির্বিকারভাবে গ্রহণ করে, তাহাকে মহাভোক্তা বলে। বােড়ধিকততম সর্গ। যেমন চক্রওল কিরণ হয় না, সেইরুপ অহিংসা, সমতা ও ভুতি শাহার নিকট হইতে একেবারে যায় না, অর্থাৎ যে হিংসা, রাম জিএদিলেন-হে ভগ। হে সর্বধর্ম। অহঙ্কার সমতা ও ভূষ্টিমান, আহাকেই মহাভােজা বলে। যে ব্যক্তি কি নামক চিৰ বিশিত হইলে বা বিগলনােমুখ হইবে মনের বাসনা- কি তিক্ত, কি , কি লবণ, কিম, কি উত্তৰ, ফিল- বরে এ কিসে অনুমান করা হবে। বশিষ্ঠ কহিলেন, ক সকলপ্রকার খাদ্যই সমান আকালে আহার করে, তাহাকেই জযেমন কমলের গাত্রে ফল হয় না, সেইরূপ লােভ মহাভােজা রুল। যে সাধু ব্যক্তি কি সরস কি নীল, কি মােহ প্রভৃতি যেসকল অপরে উৎপাদন করিয়া দিলেও সুক্ৰীডা, কি ক্রীড়া সমস্তই সমানভাবে দেখিয়া থাকে, তাকে অহা নিতাত্তি সংলগ্ন হয় না। অহঙ্কার চিত্ত বিগলিত মহাভােতাল হয়। যে ব্যক্তি কি লবণ ব্য, কি হই, দু একবার এনে বােগীর মুখে, মুদিতালি- শখিনিশ্রিত খাদ্য, কিন্তু বাকি অশুভ, সর্বত্রই সমান লাল সর্বই কিমান ক, বাসনাগুড়ি নেই সয়ে কৃষ্টি, তাহাকেই বাজেজা বলা হয়। ২১-৩০। “ইহা খাত, চির যেতে কে, ক্লেখ র ফ লাখ, মােহও ক্রমশ ই অখাদ্য” এইরূপ ফলন ভাগ করিয়া যে ব্যক্তি বিশৃং মীভূত হইয়া যায়। ফলে ক্ষান্ত হইয়া পলায়ন করে, হইয়া এক প্রকার শ্যই হার করে; তাহাকে মহাজাে নােক কােথায় খায় । ইমি সকল ব্যাহতি বলা যায়। যে ব্যক্তি কি আপ কি কি কি উখি হন, ওরে কোল্পগই পেলেন কাে, ফিদুখ-সমস্তই সাজষে স করে, তাকে মহা বৃদ্ধি হয় না, এ আয় হয়ে অলি অধিকাৰ কৰি তােক বলা যায়। যে ব্যক্তি , , , , , নৃ করি । কাল (শাহিনী) ও এসকরে প্রতি শিখাবোধ হওয়ায় এখন, তাহাকে সম মসিহ অধিকার করে। তg অাপন নাগী হয়। যে ব্যক্তি যিসকল বিষয়ে বাজিয়ে দুলি কে কে, কথা তুচ্ছ ঝায় চেষ্টা ও একাৰ নি বুনিপূর্বক ভাল ফল অয় অন্তরে লিপ্ত। ডি বিগলিত হইবেশী কবি তাকে ভণী বলা হয়। যে জি দৈহিক ও ীৈ, মুনিতা, করুণা প্রতিবেশীর, ল, মুনি-হ।
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ দেবগণেরও শূহণীয় হইয়া থাকে; তখন তাহার অয়েল ইন্দ্রিয়ের ভীত কোন পদার্থই নাই। তবে আছে বটে, একমাত্র সমতারূপিণী চন্দ্ৰিকাৰ উদয় হয়। তাঁহার শরীর উপন্ত কান্ত অবিনাশ এক সত্য বস্তু, যাকে বলা হয়। হে রাজন! সেব ও পরের ইচ্ছার অব্যাখাতক হয় এবং নির্মুল ও বিনীত এই যে সর্ব পুর্ণ সৃষ্টি-পারা, ইহাসেই আস্বরূপ মহাস- হয় ; তাদৃশ ব্যক্তির নাকার দেখিলেই দূর হইতে মহৎ ববি ণের প্রতিবিল, সে আত্মৰন্ত ইহার কারণ নহে। সেই আমার অনুমান হয়। কখন বিল, কখন দারিদ্র্য এইরূপ বিরুভবে ফুরণশক্তি প্রকাশষভাবে উৎপন্ন হইয়া কতক ব্ৰহ্মাণ্ডভাব থার। বিষম বিচিত্র সংসারভ্রম, সাধুদিগের আনন্দ বাবে কিছুরই কারণ করে, কতক ভূতৰ ধারণ করে। ব্রহ্মের সেই ফুরণশক্তি হয় না। যে ব্যক্তি, মােহবশ একমাত্র জানালােকে সভ্য (চিলাভাস) প্রথমে ব্ৰহ্ম হইতে ভিৰ বারণ করিয়া পূনপি বিপদের আশঙ্কায় এই আত্মবস্তু লাভ করিবার জন্য বন্ধুবান্ তাহা সেস্নিভাব(গভব ) ধারণ করে, এইরূপেই জগতের না হয়, সেই নরাধমকে ধিক্। আমি রাম! যে ব্যক্তি সমুচিত উৎপত্তি। ফলতঃ সেই ব্ৰহ্ম সর্বদাই নিরাময় (নির্বিকারভাবে ) চির বিশ্রান্তির জন্য এই দুঃখগার অমসাগরের পর হইতে ইচ্ছা করে, “আমি কে? এই জগৎ কিগে আসিল হয় অবস্থান করিতেছেন। তাঁহার বন্ধ বা মােক কিছুই নাই, একত্ব বা দ্বিত্ব তাহাও নাই, আছে কেবল সংৰিৎসার (ৰহ্ম)ৈ অবসানেই বা কি? বিষয়ভােগই বা কি লাভ? ইত্যাকার বিবেক বর্তী বুদ্ধিই আকৃশ ব্যক্তির পরম উপায়।১-১২। যেমন একমাত্র জলই ভঙ্গ আবর্ত প্রভৃতি নানা আকারে কুরিত হয়। সেইরূপ একমাত্র চিৎই এইরূপ নানা আকারে স্কুরিত যােড়খিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১১৬। হইতেছে , সেই চিব্যতিরেকে আর কিছুই নাই। অএব তুমি বন্ধমােলকল্পনাকে দূরে পরিত্যাগ করিয়া সংসারভঙ্গ বন্ধু হই৷ ব্ৰহ্মরূপে অবস্থান কর। ৮—১৫। সপ্তদশধিকততম সর্গ। সপ্তদশখিকশততম সর্গ সপ্ত। ১৭। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে ইক্ষাকুলােব। তােমাদের পূর্ব পুরুষ ইক্ষাকু ভূপতি যেরূপ মুক্ত হইয়াছিলেন, তাহা বলিতেছি অষ্টাদশাধিশতম পর্গ। শ্রবণ কর। ইক্ষাকু রাজা আপন রাজ্য পালন করিতেছিলেন, একদিন নির্জনে বসিয়া তাহার মন চিত হইতে লাগিল,-“এই মনু কহিলেন-“হে ভূলতে। ঐ বিও চৈঙ্গে বিন্যান্সি যে দৃশ্যপ্রপঞ্চ, যাহাতে অহরহ জরা মৃত্যু সংক্ষোভ ও সুখ দুঃখ বিম্বিত যে চৈত সঙ্কবিষয়ে উন্মুখ হয় সেই প্রতিবিচেই আসিক্সে ও যাইতেছে, এই প্রপঞ্চেৰ হেতুকি ?”—এইরূপ জলের অভাব ধারণের গায় জীবজৰ ধারণ করিয়া থাকে। চিন্তা করিয়া তিনি নিজে অনেক ভাবিয়াও জগতের কারণ নির্ণয় সেই চিএতিবিম্বসত জীবসকল এই সৎসারে বিকীর্ণ হইয়া করিতে পারিলেন না। অনন্তর একদিন ভগবান্ প্রজাপতি মন্ত্র পড়ে, এই সংসার হার অগ্রেই উন্নিত হয়, সুতরাং জীবগত ব্ৰহ্মােক হইতে তাহার সভায় আসিয়া উপস্থিত হইলেন। যে সুখ দুখাদি মােহ, অহঐ প্রিভিবিষ মনেই ধর্ম, আত্মার ইক্ষাকু তাহাকে যথাবিধি পুজা করিয়া জিজ্ঞাসা করলেন, হে নহে। যেমন ব্রহ অ সময়ে দৃষ্ণ হইলেও চন্দ্রগ্রহণকালে ভগব। হে দয়াসাগর! আপনার এ অনুগ্রহই আজ আমাকে দৃষ্ট হয়, সেইরূপ অনুভবরূপ আত্মা (বাস্তবিক দৃশ্য না ধৃষ্টতা প্রদান করিয়া আপনার নিকট প্রশ্ন করিবার ও আমাকে হইলেও অন্তঃকরণরূপ দৃশ্যে দৃষ্ট হইয়া থাকেন। যিনি পরমেশ্বর বাচাল করিতেছে—অর্থাৎ আপনি অনুগ্ৰহ করিয়া আসিল্প আমার আত্মা, তিনি কি শাচর্চ, কি গুরূপদেশ, কিছুতেই দুষ্ট হন না; প্রশ্রয় বাড়াইলেন বলিয়াই আমি নিঃশঙ্কচিত্তে আপনাকে কিছু যখন বুদ্ধি বিশুদ্ধ হয় “আমি, আমার এইরূপ ভাব বুড়ি হইতে জিজ্ঞাসা করিতেছি। গ। এই যে সৃষ্ট জগৎ, ইহা দেখা ভিনরাহিত হয়, তখনই তিনি আপনা হইতে সৃষ্ট হন। লােকে হইতে আসিল? ইহার স্বরূপ কি প্রকার ? ইহার পরিমাণ কতটা? যেমৰ পৰিককে রাগমেগবিহীন বুদ্ধি লেখে অর্থাৎ নিঃসম্পর্ক ইহা কাহারকে ইহার পা করিল? কন বিস্তীর্ণ জলে বদ্ধ পথিকের প্রতি যেমন নুরাগও হয় না, বিয়ে হয় না, সেইরূপ বিংশগণ যেমন কোন উত্তম উপায় পাইলে আলবন্ধন হইতে মুক্ত আপন ইন্দ্রিয়বর্গকে বাগবিহীন বুদ্ধিতে দেখিতে হইবে; হইতে পারে, সেই আমি কিরূপ উপায়ে এই বিষম সার (ভবেই আত্মশন টিবে)। ১-৫। সাধুব্যক্তি ইত্রিয়বর্গের ভাঙি হইতে মুক্তিলাভ করিতে পারি? (অহা বলুন)। ১-৭। এতি আগরও করেন না এবং তাহাগের (উপবাসাদি দ্বারা) উৎ- ম কহিলেন-“আহহ! বহুদিনের পর তােনার বিবেকোয় পড়নও কনে না। সাধু ব্যক্তি মনে কক্ষে-ইজিয়বর্গ সকল হইয়াছে, তুমি উত্তম প্রশ্ন করিয়া, ইর উত্তর শুনিলে পদার্থেই একভাবে আবিষ্ট হইয়া থাৰে বস্থান করুক, অর্থাৎ ভূমি ব্যথা অনর্থসঙ্কট হইতে মুক্ত হইৰে। হেগ। এই যে কষ্টকর বিষয়েও যেমন, সুখকর বিষয়েও দ্রুপ ভাবে সমান কিছু সৃষ্টি হইতেছে, ইহা বাবপক্ষে কি-লীক।ইহা মুখে অবস্থান করুক। অতএব হে প্রভৃতি সর্বসাধাৰণ পদার্থকে ঠিক গন্ধর্বনগয়ে যায়, রুভূমিতে প্রতীয়মান, সলিলের স্থায় বুৰিপূৰক দূরে পরিহার করিয়া থাকলে সর্বদা আয় ভিবশঙ প্রতীয়মান হইতেছে। (সাংবাদিগের মতে) হইয়া থাক। “আমি দেহ” ইত্যাকার বুভিই সংসায়নের হেতু কার্য উপাদানে পরম শ্বশ্বরুপে বিদ্যমান থাকে পরে নিমিত্ত মূল কাচ এপ বুদ্ধি কয়েন না (টিও ) আমি অহা পরিস্ফুট হয়, কিন্তু তাহাও সঙ্গত নড় কেননা,-আশয় আকাশপে সূ চিত্রখণ”—এই যে শাশ্বতী বুড়ি ৰেলক্ষিতবে অবস্থিত কা, গাজী ইলিয় কাহায়ই আসনের হেতু নহে। যেমন সাগলের ভিতরে বাহিরে নহে, জাং তাহা আছে বলিব কি করিয়া মনােরূপ যত সর্বত্রই , সূর্যের তেজ যেন সর্বত্রই পতিত হইছে, ৫ বােগবাণিষ্ঠ-নামায়ণ সেইরূপ আত্মা সকল বস্তুঙেই অবস্থান করিতেন।—১। অভাবরূপ তাৰ আৱা আর কিছুই নাই—এইরূপ রয় সুবর্ণের রােদি অলঙ্কারভাব যেমন গলিৰে-বৈচিত্রা, যারা সাইকেল (আলক্ষনশূহ চিৎখরূপ) এইরুপাল সেই এই অগলিও আত্মার সলিকেশবৈচিত্রমাত্র। প্রাণি- করিতে হয়। “ইহা রমণীয়, ইহা রময় নহে ইত্যাকার রূপ অমায় পূর্ণ এই জগৎরূপ তটিনীসমূহ মৃত্যুরূপ বাড়বানল- হেয়পাদেয় জ্ঞানই দুখসমূহেকাৰণ, সমরূপ কনলে উক্ত বিশিষ্ট ৰণ কালসাগরে * গিয়া মিশিছে। যে কাজ। এই জ্ঞানকে অন্ধ করিতে পারিলে দুধ আর কোথায় ? হে রাজন! ৰূপে জগৎসমূহ গ্রাস করিয়া এখনও অপূর্ণ ঐ কালসাগরকে যিনি নিজ পৌরুষ অবলম্বন করিয়া সমাধির অভ্যাসবলে সমুদয় সূরে পান কৰিয়া থাকেন, তুমি সেই আত্মরূপী মহান অগস্ত্য মুনিকে বিস্মৃতিরূপ অন্ত্র দ্বারা “ইহা রমণীয়, ইহা রমণীয় নহে ইজাকার সর্বদ চিন্তা কর। আত্মভিন্ন দেহাদি দূ ৰঙতে আত্মবুদ্ধি বৈষম্য কল্পনাকে অন্তর হইতে ঝটিতি উচ্ছেদ কর। হে রাজ। পরিত্যাগ করিয়া বাসনা হইয়া যথাহুখে অবস্থান কর। জনগণ বাবার অভাবনরূপ সমাধি ঘর বা বস্তুর ভাষােক কি অদ্ভুত মােহগ্রস্ত হইয়া উঠিয়াছে। যেমন অনেক খুলে দেখা করূপকে উলিত করিয়া পরমাকাণ অপেক্ষা দুগ্ধ হইয়া যায়, মূঢ় জননী আপনার ক্রোড়ধ্যগত পুত্রের বিস্মরণে “পুত্ৰ বীতশাকে থাক। ৬-১০। হে বৎস! তুমি এখনে বিবেক কোথায় গেল’ বলিয়া দিয়া উঠে, সেইরূপ অগরে লােকসকল শােভিত হইয়া সমাধিবলে বাহবন্তর ভাবনা পরিত্যাগ কর এই আত্মার অঙ্গ আত্মা কোথায় গেল বলিয়া, রােদন করিয়া তাহার পরে পূর্ণ আত্মস্বরূপে বিশাল ভুনব্যাপী হইয়া অনন্ত বেড়ায়, মােহবশত জানে না যে—নিজেই আত্মা। ১১-১৫। অপরিচ্ছিন্ন ব্ৰহ্মানন্দলাভে সংসারপীড়ান্ত ও অখণ্ড ব্রহ্মের অজর অমর এই আত্মাকে জানিতে না পারিয়াই মূঢ় লােক দেহাপ- সহিত একতাপত হইয়া কিছুকাল পঞ্চমী ষষ্ঠী ভূমিকায় অবস্থান গমের সময়ে ‘হায়! আমি মরিলাম, হায় আমি অনাথ, আমার কর, পরে সপ্তমী ভূমিকায় উপনীত হইয়া বিক্ষেপ-বিক্ষতার কেহ নাই” ইত্যাদি প্রকারে রোপন করিয়া থাকে। যেমন জল একান্ত অভাবহেতু পূর্ণচন্দের চন্দ্রিকায় স্থায় স্বচ্ছ অভ্র অভয় স্পন্দৰণ(বায়ুসংবােগে চঞ্চল হইয়া উঠিলে) নানা আকারে চিলাকারে অবস্থান কর। ১১-১২। লক্ষিত হয়, সেইরূপ চরূপী ব্ৰহ্ম সঙ্কল্পবশভ নানাভাবে বর্ধিত একোনবিংশত্যধিক সর্গ সমাপ্ত। ১৯। হইয়া পড়েন। হে বৎস! তুমি সঙ্কলঙ্ক শােধনপূর্বক তাহাকে আত্মাতে সন্নিবেশিত করিয়া, উপশান্ত হইয়া কে লােক ব্যরসিদ্ধির জন্য সময়ে সময়ে পালিত হইয়া অস্পলব্রহ্মবৎ বিংশত্যধিক শততম সর্গ। সুমে বন কত রাত পা কর। ১৬-১৮। মনু কহিলেন,—“প্রথমে সসংসর্গে থাকিয়া শাচর্চা দ্বারা অষ্টাদশাধিতম সর্গ সমাপ্ত ১১৮। বুদ্ধিবৃত্তিকে পরিষ্কার করিয়া বর্ধিত করিবে, ইহাইযগীর যােগের প্রথম ভূমিকা। তাহার পরে বিচারণা-নাৰী দ্বিতীয় ভূমিকা, তাহার পরে অসঙ্গ আত্মার যে ভাবনা, তাহাকে তৃতীয় ভূমিকা একোনবিংশত্যধিকততম সর্গ। বলা হয়। তৎপরে বাসনাবিলয় দ্বারা সাক্ষাৎকার করিয়া মনু কহিলেন, “বিভু এই পরমাত্মা (অজ্ঞ ব্যক্তির নিকটে) অজ্ঞানাদি প্রপঞ্চের যে বাৎ, সেই অবস্থাকে চতুখী ভূমিকা উৎপত্তিধর্মিণ অবিদ্যাশক্তিবলে হুষ্টিরূপ স্পন্দনে বালকের ন্যায় বলে। তাহার পরে বিশুদ্ধ চিন্ময় আনন্দরূপ যে অবস্থা, তাকে ক্রীড়া করেন। (জ্ঞানীর নিকটে) সংহারাত্মিক শক্তিবলে সমুদয় পঞ্চমী ভূমিকা বলে। ঐ অবস্থায় যোগী অপ্ত অর্থবুজের সৃষ্টি আপনাতে সংহার করিয়া লইয়া অবস্থান করেন। ইহার ন্যায় হইয়া জীবন্মুক্তপে অবস্থান করে। তার পরে সহজেই সৃষ্টিশক্তি যেমন আপনা হইতে উৎপন্ন, সেইরূপ ইহার সংহার- ব্ৰহ্মকারের অনুভব হইলে তাদৃশ বৃত্তি ষষ্ঠী ভূমিকা শব্দে 'শক্তিও আপনা হইতে উৎপন্ন। চন্দ্র, সূৰ্য্য, তপ্ত লৌহ, বহু নির্দিষ্ট হয়। যে সময়ে সুষুপ্ত ব্যক্তির গায় নাননাকারে প্রভৃতির কিরণের ভেদ যেরূপ কল্পিত, রুক্ষ, পত্র-পাখাদি প্রভেন অবল হয়। তাহার পরে যখন তাদৃশ বৃতিও ক্ষীণ হইয়া গিয়া যেমন কতিত, নির্ণর সলিলের ইতস্ততঃ নিহত বিলুশি যেমন একমাত্র ব্রহ্মই পুর্ণ কাশরূপে অবশিষ্ট থাকে, তখন জীৰি ভিন্ন ভিন্ন বলিয়া কলিত, বিশাল হ্মে এই জগৎও সেইরূপ অবস্থায় বেবস্থিতি, অহাকে সপ্তমী ভূমিকা বলা হয়। ১। বুফ্যাদি ৰাৱা কলিত। অজানীদিগের নিকট ইহা সেই ব্ৰহ্ম ঐসমী ভূমিকায় অবস্থাকে তুরীয়া বলে; দুরবস্থার হইলেও অভিন্ন পার্থরূপে প্রতীয়মান হইয়া শ্রেদ হয়। অতীত যে অবস্থা, তাহা পরনির্বাণস্বরূপ সমভূমিকার বংস! একবার দেখ, কি অত মায়া বিশ্ব বিমােহিত করিয়া চৰ অন্য এ বাতি ব্যক্তি । এই রাখিয়াছে, যে হেতু আত্মা (মায়ামুজীব) আপনার সর্বাঙ্গে সাত প্রকার ভূমিকার মধ্যে প্রথম তিনটা ভূমিকা ঠিক আজ সংলগ্ন আত্মাকে দেখিতে পাইতেন না। ১। রে ব্যক্তি বা চতুৰী ভূমিকা ঠিক অম্মাবস্থা, কারণ সে আমার এই এই সমস্ত জগৎ চিন্সৰ্পণময় এইরুল ভাল করত বিশৃহ জং ঋগে গায় বলিয়া বােধ হয়। আহার পরে যে পঞ্চমী হইয়া অবস্থান করিতে পারে, সেই ব্যক্তিই (মােহবণে অভ্যে) ভূমিকা ঠিক যুক্তি অবস্থা কারণ সে অবস্থায় সুখি- ব্ৰহ্মক ধারণপূর্বক মুখে অবস্থিত হয়। আমি কার কালের গ স আয় বােধ হয়। যষ্ঠ ভূমিকায় না কিছুই জানি , সে অবস্থাকে সুৰীয়াও হয়। * মূলে “কামসাগ’ এইরূপ পঠ আছে, তাহা লিপিকর- ঐ ভুৱীৰস্থায় পরবর্তী অবস্থাকে সপ্তমী ভূমিকা লয়, যে এমামুলপাঠ “কালার” এইরূপ হইবে। অবস্থায় আত্ম প্রকাশ হল। আর অলিক একৃাণ নির্বাণ-প্রকরণ-পূৰ্বাগ। অবস্থা বাকা-মনের অগােচর। অকালে সমুদয় দৃ আত্মাতে একবিংশত্যধিকততম সর্গ । বিলীন হওয়ায় চেত্য একেবারে বিলুপ্ত হয়, সব সমান বলিয়া বােধ হয়, ঐরূপ অবস্থাপন্ন বােগীকে নিঃসন্দেহে মুক্ত মদু কহিতে এ বা বিষয়ে বলা যাইতে পারে। ৬-১০। সে সময়ে যোগীর বুদ্ধি পরিপূর্ণ স্থাশ থাকে তদিনই আত্মা জীব পদবাচ্য হন। হইয়া ভােগনুখে বা দুঃখে কিঞ্চিত্রও আকুলিত হয় না, সে নিবনেই উহ উৎপন্ন হয়। বিকেলে ঐ আশা যখন ক্ষয়প্রাপ্ত বিষয় ভােগের আশা, উহাও বৰিক নহে, বিবেকের অভাব- অবস্থায় বােগীর শরীর থাকিতেও পারে, না থাকিতেও পারে। তৎকালে যোগী “আমি না মৃত, না জীবিত, আমি না সৎ, না হয়, তখন আত্মা জীবভাব পরিত্যাগ করিয়া নিরাময় ব্ৰহ্মভাব অসং” এরূপ ভাবাপন্ন এবং আত্মারাম হইয়া অবস্থান করুন, বা হন। তুমি উ অথ, তাহার অথবা আৰাৰ উৰে তাদৃশ অবস্থাকেই মুক্তি বলা হয়। সে সময়ে জীব ব্যবহারশায় গমন করিতে ইচ্ছা কর ? অহা কর , কিন্তু দেখিও যেন এই থাকুক বা সমাধিময় থাকুক, পরিবারবেষ্টিত হইয়াই থাক, আর সংসাররূপ আর যন্ত্রের চিন্তারূপ রতে মটৰৎ বন্ধ হইয়া একাকী থাক, সকল অবস্থাতেই আমি অত কিছুই নহি, থাকিও না। যাহারা মােহবশতঃ “ইহা আমার, আমি ইহায়, আমি একমাত্র টিং” এইরূপ জ্ঞান করেন, সেজন্য কদাচ ঈদৃশ ব্যবহাররূপ গাঢ় ভ্রান্তিতে মগ্ন হয়, সেই ধূর্তগণ এখােন শোকাকুল হন না। তখন বুঝিতে থাকেন, আমি নিলেপ দেশেরও অখােদেশে গমন করে। “ইহা আমার, আমি ইয়” রাগ বাসনাশূন্য অজর নির্মল চিদাকাশ”, তখন আনিতে এই দেহই আমি”-এই প্রকার মােহকে যাহারা বুদ্ধিপূর্বক ত্যাগ থাকেন—“আমি অনাদি, অনন্ত, শুদ্ধ, বুদ্ধ, শান্তি সমসমাজস করিতে পারিয়াছে, তাহারা উদেশের উদেশে গমন করে। চিংম্বরূপ”, এ তৎকালে তিনি কিছুতেই শােকাকুল হন না। ১-৫। হে রান। তুমি অবিলম্বে প্রকাশ নিজ আত্মাকে ১১–১৫। “দেবতা, মনুষ্য, হস্তী, সূর্য, আকাশ ও তৃণগ্র প্রভৃতি অবলম্বন করিয়া এই অলংকে চিদাকানপূর্ণ বন কর। চিলি সকল বগুতেই যিনি রহিয়াছেন, আমি সেই নিত্য চিৰস্তু”,এই- ঈদৃশ অখণ্ড-স্বরূপ যখনই জ্ঞাত হওয়া যায়, জীব उपनई রূপ জ্ঞান করিয়া যােগী তখন আর শােকাকুল হন না।'মাহার সংসার হইতে উত্তীর্ণ হইয়া পরমেশ্বর হইয়া উঠে। ব্রহ্মা, বিষ্ণু রূপ জ্ঞান করিয়া ঘােগী অখন আর শােকাকুল হন না। “যাহার ইত্ৰ, রুশ প্রভৃতি দেবগণ যাহা যাহা করিয়া থাকেন, চিলাকাশ বিলাসের অন্ত নাই, সেই চিত্রি মহত্ব আমার উদ্ধ, অর্থ ও পার্শ্বদেশ ব্যাপিয়া রহিয়াছে” এইরূপ জ্ঞানলাভ করিলে কে দেহ আমিও সমূদয় করিতেছি,” এইরূপ ভাবনা ঝা উচিত যে যে দর্শনে যে যে কথা বলা হইয়াছে, হে বৎস! (আত্ম আর ক্ষয় প্রাপ্ত হয়। বাসনাসহকারে যে বিষয়লােগ করা যায়, তাহা ভােগকালে সুখকর হয়, আবার তাহার অভাব হইলে দুঃখের লালা অনন্ত নিরঙ্কুশ (নিয়মিত নহে, সকলই সবে)। চিত্ত সভায়) তৎসমস্তই সত্য হইতে পারে, কারণ,—চিপ আত্মার হেতু হয়, এইরূপে মুখ ও মুখের বাসনা-সহাবশ্বিতিই প্রসিদ্ধ , বাসনা ক্ষীণ করিয়া অথবা একেবারে বাসনাশূন্য হইয়া বিষয়ভােগ পরিত্যাগকে চিত্রভাষাপন্ন মৃত্যুঞ্জয়ী যােগীর যে পরমানন্দ করিলে তাহা সুখকর হয় না এবং বিষয়ের বিনাশকালেও দুঃখের নানা মত, না চিন্ময়, না অচিন্ময়, না আত্মরূপ, ন হয়, তাহার উপমা কোথায়? -১০। তুমি এই জগৎকে হেতু হয় না। অতএব হে জন। যে কৰ্ম্ম করিবে, তাহা বাসনা- শুবুদ্ধিতে করিতে। অহা হইলে পরে বীজের চায় সে অন্যরূপ,এইরূপে ভাৱিক। এই আত্মস্বরূপ হইলেই কর্মে আর বাসনা উৎপন্ন হইবে না। দেহ-ইন্দ্রিয়াদি দ্বারাই প্রকৃতি প্রান্ত হইয়া যায়, ফলতঃ মােগনামক কোন দেশ কৰ্ম্ম সম্পাদিত হয় , মুজৎ এলে পেনির সহিত আত্মার কোন কাল বা কোনরূপেই স্থিতি নাই। হামমােহর অভেদ কল্পনা করিলে আমি এতৎসমূদয়ের কর্তা, ভোক্তা এইরূপ হইলেই এই বিষয় ভাবনাগী প্রকৃতি লয়প্রাপ্ত হইয়া বলা যাইতে পারে, কিন্তু আমি যখন দেহাদি হইতে যায়, এবংবিধ প্রকুলিয়ই মােক্ষনামে অভিহিত। এইরূপে তখন আমি দেহলিকৃত কর্মের কর্তা হই কিরূপে? ১৬-২১। আথসাক্ষাৎকার করিতে পারিলে জীবের শার্থের বিচারপলতা, তত্ত্বজ্ঞানী দেহ-ইন্দ্রিয়াদি পদার্থ হইতে আমিত্ব জ্ঞান দূর করিয়া বিবিধসময় কাব্য কৌতুক এবং সমস্ত বিকলকলা সব দূরে শশাঙ্কের ব্যায় শীতল পূর্ণভেজে আদিত্যৰৎ দেবীপ্যমান হয়। যায়, তখন কেবল সম শত স্বরূপ হইয়া মুখে অবস্থান মেহম্মলিবৃক্ষরূপ, কুত ৰা ক্রিয়াণ সকল তাহার তু একৰিত্যধিক সর্গ সমাপ্ত ২১ খুরূপ, জান-মারুতে চলিত হইলে ঐ ভুল কােথায় উত্মিা য। সশ প্রকার জ্ঞানই অনভ্যাসে নষ্ট হইয়া যায়, এর 'এলে এ ই না, যা সুত্রে রোপিত থাগের রায় দিল দিল টি হতে থাকে। বিংশত্যধিকততম সর্গ। যেমন কূপ, সয়ােবর, নদী, সমুদ্র সর্বত্রই এই নির্মল মনু কহিলে-পূর্বোক্ত অবস্থাপন্ন যােগী পে বর পরি সলিল, সেইরূপ সকল বখতেই এই বিরুপ আজই একমাত্র ধান, যেরূপ এ ভেজন বা যে কোন স্থানে শক্ষন করুন স্কুরিত হইতেছে। এ হে বৎস! জাতি-প্রতীয়মান কেন, তিনি সর্বদা সমাটে যায় বিরাজ করে। আনুশ এই সঙ্কজনিত বহু বৈচি. এসকল কিছুই নাই, এই অংকে যােণী, হি যেমন পিরলে করিয়া লিত, সেইরুপ সভার একাংশ বৱািই জানিও। ২২-২৬। সারল জে করিয়া নির্গত হইয়া এল তিনি আশ্রমতে, শনিয়ম প্রভৃতি স সিয়শের বির্ভূত। তার বিভকশন সমাপ্ত।২• (১)মুলেশী ঝণে বোলি"-এরূপ পাঠ , তাহা ও মূল পাঠ—“মজুঝি এইরুপইবে।
নােমি। কোনরূপ বিষয়া থাকে না, তিনি নির্বিচনীয় আনন্দ উপভােগ অন্য মণিশত্রাদিসিদ্ধ ব্যক্তি আত্মকের কাছে পেতে পারেন করেন এবং পিরণােমণ্ডলের স্যায় অপূর্ব লােভ ধারণ করেন। না; কিলবিং সেই আত্মতৰে সদা পরিতৃপ্ত ও প্রশান্ত তিনিদের এক প্রসন্ন (নিৰ্ম্মল)। তিনি ভাবে অবস্থিত হন। বহু লােকেই তপস্যা, অস্ত্র ও মালিবলে পরমাণক্ষে হইয় আই অঞ্চতে বুকলে, আকাশগমনালিবিষয়ে সিদ্ধ হয় বটে কিন্তু তাহা আর একটা ভিনি সফলত্যাগী সর্বদা সন্তুষ্ট আলত হইয়া অবস্থান অপূর্ব বিষয় কি? ত্ববিদ যে নিত্য নিরতিশয় আনন্দ লাভ করেন; তিনি পাপ, পুণ্য কিছুতেই লিপ্ত নহেন। ১-৫। করেন, তাহার নিকট তাহা অকিঞ্চিৎকর। অপুর্বশকে যদি অন্য ফটিক মণিতে যেমন কোন বস্তুরই চিহ্ন সংলগ্ন হয় না, সেইরূপ লােকে যাহা পায় নাই—এরূপ অর্থ ধর, তাহাতেও মণিমাদি অনীর অন্তঃকরণ কর্মফলমুখে বা দুখে আক্রান্ত হয় না। জনিত যে অণিমাদি সিদ্ধি, তাহা অপু বলা যায় না, কেননা, তিনি জনসমাজে বিহার করত কোন প্রকারে শরীরের কোন স্থানে তাহা পূর্বেও অনেকে সাধন করিয়াছে, আর সকলের আত্মভূত কর্তিত হইলে ক্লেশবােধ অথবা নিজে কোন স্থানে পুজিত হইলে ত্বশীর তাহা সাধন করিতে বাকী থাকে না, অবিদ যেহেতু অন্য হর্ষবােধ কিছুই করেন না, ঠিক প্রতিবিম্বিত প্রকৃতির সকলেরই আত্মস্বরূপ, এজন্য তত্ত্ববিদের তাহা অপরের সঙ্গেই দ্যায় সর্বভাবে সর্বকালে সমান হইয়া থাকেন। তিনি পূজ্য বলিয়া সিদ্ধ হইয়া যায় , তবে অন্য মণিমাদি সাধক হইতে তত্ত্ববিদের যদি কেহ তাঁহার পূজা করে, তাহা হইলে তিনি পূজকের প্রশংসা বিশেষ এই যে, ভবিং কুত্রাপি আস্থা স্থাপন করেন না, তাঁহার বা তাহার প্রতি সমধিক প্রীতিও প্রকাশ করেন না। যদি কেহ ন বিষয়াসক্তিশুন্য ও নিৰ্ম্মল, তিনি মূঢ়বুদ্ধির ন্যায় বিষয়ে আসক্ত পূজা না করে, তাহাতেও তিনি নির্বিকার অর্থাৎ তাহার প্রতি হন না, তাঁহার মহতী বুদ্ধি কদাচ তুচ্ছবিষয়ে আকৃষ্ট হয় না। অণুমাত্রও অসন্তুষ্ট হন না। সর্বপ্রকার আচার ও সর্বপ্রকার এক কথায়—তত্ত্ববিদের বিশিষ্টতা এই যে, তবিদের এই সংসার- নীতি পরিত্যাগ করিয়াও তিনি পরিত্যাগ করেন না—অর্থাৎ অনা- রূপ চিরন্তন ভ্রম একেবারে শান্ত হইয়া গিয়াছে, সে জন্য তিনি সক্তভাবে বুপিক বখাপ্রাপ্ত কর্তব্যকর্মে পালন করিয়া সর্বদা সুখী, ভঁহার কাম, ক্রোধ, লােভ, মােহ ভয় প্রভৃতি থাকেন। তঁহাকে দেখিয়া কেহই উদ্বিগ্ন (আশঙ্কিত) হয় না, বিপদ একেবারে ক্ষয় প্রাপ্ত হইয়াছে, তঁহার মূর্তি নিখিলধৰ্ম্ম- তিনিও কাহাকেও কোনরূপ শঙ্কা করেন না। তাঁহার আসক্তি, ব্ৰহ্মচিন্ময়ী, ইহাই তত্ত্ববিদের লক্ষণ। ১৬। দ্বেষ, ভয় ও আনন্দ খাকিয়াও নাই। নিপুণবুদ্ধি কোন লােকেই ব্রয়বিংশত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১২৩। সেই মহাত্মার অগাধ মহিমার পরিমাণ করিতে সমর্থ হয় না, অথচ তিনি এমনই সমগতি যে, সামান্য বালকের বশীভূত হইয়া পড়েন। ৬-১০। হে রাজন! তাৰ বােগী ত্যাগ করুন বা না-ই করুন, কিংবা কোন পুণ্যক্ষেত্রে গিয়া দেহভাগ করুন চতুর্বিংশত্যধিকততম সর্গ । অথবা চণ্ডালের বাড়ীতে দেহত্যাগ করুন না কেন, তিনি সেই বশিষ্ঠ কহিলেন, যে কোন (পুতি) ব্রাহ্মণ শূদ্রাসহবাস প্রথম জ্ঞানলাভ হইতেই মুক্ত হইয়াছেন, তাঁহার সে প্রযুক্তির রূপ কুকর্মে আসক্ত হইয়া ক্রমে নিজ ব্রাহ্মণ্যংশে জলাঞ্জলি দিয়া কিছুতেই বাত হইবে না। কেননা, বন্ধের হেতু ‘আমি”- শুদভাব প্রাপ্ত , সেইরূপ ঈশ্বরও (আত্মা) বুদ্ধাদি সঙ্গ ইত্যাকার ভ্ৰাতির উচ্ছেদ হইলেই মুক্তি, তাহা ত অগ্ৰেই হইয়া নিবন্ধন ভােগাযুক্ত নিজ বিশুব্ধ আনন্দময় পূর্ণ স্বভাব উপেক্ষা রহিয়াছে। বিলি ঐশ্বৰ্য-সুখ কামনা করেন, তিনি তাদৃশ মহাত্মাকে করিয়া জীবভাব অঙ্গীকার করিয়া বসেন। উপাধিপ্রাধান্য- পূজা করিবেন, অভিবাদন করিবেন, ভক্তিপূর্বক নিরীক্ষণ করিয়া বশতঃ ভােগ্য ও উপস্থিতে প্ৰাথাবশতঃ ভােক্তা এই বিবিধ নমস্কার করিবেন। হে রাজ! সংসারয়ােগমুক্ত জীবন্মুক্তগণ ভূতই (ভােগ্য ও ভােক্তা এই দুই প্রকার ভুত) মায়া-বশেৎপন্ন জান আরা বেগম পত্ৰি পদ প্রাপ্ত হন, তাহা যজ্ঞ, দান, বিবিধ সংস্কারের অনুযায়ী হিরণ্যগর্ভরূপ আত্মার প্রথম স্পন্দ ভগ, তীর্থ্যাত্রা কিছুতেই পাওয়া যায় না। বশিষ্ঠ কহিলেন, হইতে (গন্ধৰ্বনগরাদির ন্যায়) আবির্ভূত হইয়াছে, ফলতঃ উহা ভগবান্ মনু, মহারাজ ইক্ষাকুকে এইরূপ উপদেশ দিয়া ব্ৰহ্মলোকে মিথ্যা, উহার বাস্তব কোন কারণই নাই। ভূসকল ঈশ্বর হইতে গমন করিলেন, ইাকুও তাহার উপদেশমত কার্ত করিয়া স্থির আগত হইয়া আপন আপন দেহকৃত কর্মের অনুসারেই পুনঃ অর্থাৎ মুক্ত হইলেন। ১-১৫। পুনীন্তর ভােগ করিয়া থাকে। এইজন্ম (দেহধারণ) দ্বাবিংশত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত।২২। ও কর্ম পরম্পর কার্যকারণ ভাবে গ্রথিত, তুর পাব হইতে সর্বপ্রথমে জীবসকলের ৫ আগমত, সুহা কর। পুত্র তাহাদের সুখ বা যাহা হয়, তাহার প্রতি কারণ তাহাদের কর্ম। কর্মের প্রতি কারণ অজ্ঞান হইতে এয়ােবিংশত্যধিকতম সর্গ। উৎপন্ন সঙ্কল।১৫। এইরূপে কারণপরম্পরার পর্থালােচনা রাম কহিলেন—“হে আত্মবির। হে ভগবন। আপনি কৰিলে সন্ধলই সংসারযুক্ষনের কারণ হইয়া পড়ে'; অতএব বেঙ্গল জীবকের লক্ষণ বলিলেন, তাতে বিশেষ অপূর্ব আর তুমি সঙ্কল্প পরিত্যাগ করা—সঙ্কলঙ্গতাই মােঙ্গ একান্ত সফল এটা কি বলিলেন? অর্থাৎ মমিলিসিত ব্যক্তির যেন যাহাতে না হয়, তাহার উপায় অভ্যাস করিতে থাক। সকাল- জেদি লিপি বিশেষত্ব না হয়, তদ্রুপ বসুক্তের বিশেষ ভাগের উপায় গ্রাহকভেলত্যাগ; অতএব যাহাতে গ্রাই- কি লাভ হইল? বশিষ্ঠ কহিলেন—নীর বুদ্ধি মণিমাদি গ্রাহকভেল-ভ্রান্তি বিদূরিত হয়, ভবিষয়ে সতর্ক হও। প্রতিনিয়ত বিক্তির পক্ষ কোন অংশে বিশিষ্টতা লাভ করে—অর্থাৎ যে সক্ষণ চবিতে এনে ভহার পরিত্যাগপূর্বক গ্রাম বা ৩ নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। গ্রাহক এই দুই প্রকার ভাল হইইে বিমুক্ত হও, অর্থাৎ না নহে, স্বপ্নও নহে, কেন না ইহাতে সঙ্কল থাকে না, সুষুপ্তি অব- গ্রাহ, না গ্রাহক-এইরূপ হইয়া আক। ল ক গুমি হয়ে স্থাও বলা যাইতে পারে না, কারণ মুরি অবস্থাকালীন যে এত কোন প্রকার ভাবনা না রাখিয়া সব পৱিত্যাগ করিয়া যাহা অবশিষ্ট (অজ্ঞান) তাহাও এ বয় থাকে না। ৪-২৫। থাকে, ভৎস্বরূপ হইয়া থাক। হে অনুষ। ইন্দ্রিয় অনবরত যে তুরীয়াবস্থায় উপনীত হইতে পারিলে, যখস্থিত এই জগৎ শান্ত যে বিষয়ে নিপতি হইতেছে, তাহাতেই অনুরাগ কৰিয়া আৰত আৰাধিত হইয়া ; এইরূপ জগতের বিলয়ৰস্থানীজিন্মেই হইতেছে, দৈবাৎ তাহাতে বিক্ত হইলে, তাহা হইতে মূক্ত হইয়া থাকে, এনীলিগের নিকট জগৎ স্থির থাকে। যখন হইতেছে। এই সংসারণে তােমায় জোন বস্তু প্রীতিকর দি অহঙ্কার-কলার কাগ হ, চিত্ত বিণ (১) হইয়া যায় , সমত কে, ত তুমি বদ্ধ হইয়াই থাকিবে, না থাকে ত মূক্তই হইবে। আসিয়া উদিত হয়; আসিয়া উদিত হয়; সেই সময়েই এই দুরবস্থা উপস্থিত হয়। ৬-১৫। অতএব এই সংসারে তৃণ হইতে আর করিয়া দেবশরীর হে বিষুেধােম। এই বিষয়ে তােমার নিকট একটা দৃষ্টান্ত পৰ্যন্ত স্থাৰৱজঙ্গমাত্মক ষত পদার্থ আছে, ইহার কিছুই শেৱ দেখাইতেছি, শ্রবণ কর। এই দৃষ্টান্তের মর্ম অবগত হইতে প্রীতিকর-আসক্তিকর না হউক। তাহা হইলে পরে ভূমি ব্যহা পারিলে তুমি বােৰাপ্ত হইবে—একা এৰু বিজনকাননে করিবে, যাহা আহার করিবে, যাহা হবন করিবে বা যাহা দান কোন মুনি হচেষ্টান্ত হইয়া মৌলভাবে অবস্থান করিতেছিলেন। করিবে, প্রকৃতপক্ষে তাহার মধ্যে কিছুই কর্তা বা ভোক্তা হইবে এমন সময়ে এক ব্যাধ, বাণৰিজ হইয়া পলায়মান মৃগের সৎ না, তুমি শান্ত, মুক্ত হইয়া থাকিবে। সাধূলিগের স্বভাবই এই পশ্চাৎ প্রায় আসিয়া তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করিল, “মুরি! যে, তাঁহারা তাঁত ন্য অনুশােচনা করে এ আশায় নিক্ষিপ্ত শৰে বিদ্ধ হইয়া একটা মৃগ এইদিকে আসিছে, বিরও চিন্তা করেন না, কেবল উপস্থিত গ্রহণ সেই যুগটা এহান দিন কোনদিকে গেল, বলিতে পারে। করেন, (তাও বুদ্ধিপূর্লক, ইচ্ছাপূর্বক নহে)। হে রায়। তৃষ্ণা, মুনি তাহাকে উর দিলেন, “হে সাথে। আমার সর্বত্র সমান মোহ, মদপ্রভৃতি ভাবসমুদয় মনেতেই গ্রথিত থাকে অতৰ ব্যবহারকারী বনবাসী। হাতে আম ব্যস্থ ক সক্ষম তুমি জ্ঞানবান্ মন কারা তাদৃশ অজ্ঞান মনকে উচ্ছেদ কর। করিতে পারি, এরূপ অহঙ্কার আমাদের নাই,অর্থাৎ বাহ কাঠ ভুমি অতিচী লৌহ দ্বারা লৌহের ন্যায় বিবেফতীত আমাদের এক্ষণে অভ্যস্ত হইয়া গিয়াছে। হে সখে। আমাদের মন দ্বারা উক্ত অঙ্গ মনকে ছেদন কর, তাহা হইলে সমূদয় মনই এক্ষণে সমুদয় ইলিমের কাৰ্য্য করিয়া থাকে। হক ভাতির একেশলে শান্তি হইয়া যাইবে। ১৯-১৫। ঘঁহার মন আমাদের একেবারে সিয়াছে, এক্ষণে আগ্রৎ, স্বপ্ন, সুষুধি মালনে নিল, তঁাহারা মল দ্বারাই মলক্ষালন করিয়া নামক কোন গাই আনি না, ভূরাবস্থায় অবস্থান করিতেছি। থাকেন। অস্ত্র দিয়া অস্ত্র নিবার, বিষ দিয়া বিষনিৰায়ণ, সে অবস্থার কোনও কৃ ৰ নাই।” হে রাঘব। সেই বা এইকপ জাতীয় বস্তুর দ্বারা স্বজাতীয় বস্তুর নাশ যথেষ্ট মুনিনখের এই বাক্য শ্রবণ করিয়া তাহার কোন অর্থ বুঝি দেখ গিয়া থাকে। জীবের রূপ ত্রিবিধ-সূল, সূয় ও পরম, পারিয়া অভিমতস্থানে গমন করিল। হে মহাবাহাে। এই তন্মধ্যে প্রথম দুইটি পরিত্যাগ কর, চরম যে গৱম রূপ, তাহাই এই বলিতেছি, তুরীয়শা ভিন্ন আর কোন দশাই নাই, গ্রহণ কর। এই যে হস্তপদাদিমা দেহ, ইহা কেবল ভােগের নির্বিকল্প চিতিকেই তুরী বলা হয়, সেই তুরীয়াশাই এই নৃত্য করিতেছে , ভােগের নিমিত্তই জীব এই স্থূলরূপ সভা, অপর সব মিথ্যা। চিত্তের জাগ্রৎ, স্বপ্ন, সুষুপ্তি নামক (দেহ) থারণ করিয়েছে। হে রাম। সময় আকারে জীবের অত্রকে যথাক্রমে যাের, শান্ত ও মূঢ় বলা হয়। যেরূপ অসংসার হইয়া আসিতেছে , তুমি সেই রূপকে চিত্ত বা জাগ্ৰন্ময় চিকে যে, গময়কে শান্ত ও সুষুপ্তিভাবাপন্ন চিত্তকে অভিবাহিক দেহ বলিয়া জানিও। আর যাহার আদি অন্ত কিছুই মুড বলা হয়। এই ত্রিবিধ অবস্থাকে অক্রিম করিতে পারিলে নাই, শিকিল সত্য চিত্র বিশ্বের সরণকারী, জীবের সেই চিত্ত মৃত হয়। ঐতিচিত্তে সত্ব মানে যে সম এক বস্তু থাকে, রূপকে তুমি তৃতীয় পরমরূপ বলিয়া জানিও। ১৬-২০। জীবের সকল যােগীরাই সেই কাকে পাইবার নিমিত্ত যত্ন করেন। এইরূপই বিশুদ্ধ ও তুখীয়পদ নামে অভিহিত। হে রাম! ভেদজ্ঞানবিহীন মহাত্মা মুনিগণ সর্বদা মুক্ত হইয়া বে অবস্থায় পূৰ্বৰূপ পরিত্যাগ করিয়া এইরপে প্রতিষ্ঠিত হও,দেখিও যেন পূর্নরূপয়ে আত্মবুদ্ধি করিয়া বগিও না। রাম কহিলেন,হে নিরাময় হইয় অবস্থান কর। ২৬-৩৯। শন করেন, তুমি নিখিল সঙ্কলবিলাসনির্মুক্ত সেই তুরীয়পতে মুনিনায়ক। আপনি যে তুরীয়াবস্থার কথা বলিলেন, কুরী জাগ্রৎ, স্বপ্ন, সুপ্তি, এই তিন অবস্থায় থাকিলেও দুর্বিং ত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১২০। আঃ লক্ষিত হয় না, অতএব উহা আমি বুঝিতে পারি নাই, আপনি উহা আমাকে ভালরূপে বুঝাইয়া দিন।” বশিষ্ঠ কহিলেন, হন্তৰ (আগ্রহ ও বাবস্থায় বিক্ষেপ) ও হত্তাব (সুখি- দশায় হায় মূলী বিকেল) অর্থাৎ ব্যক্টিভূত জীবেপাখি এবং সমষ্টিভূত জীৰৰপাখি (যাহা সৎ ও সৎ নামে বিখ্যাত। পরিত্যাগ করিলে অসৰু সৰ স্বচ্ছ যে ৰন্ত বিদ্যমান থাকে, (১) দুৱীমাবস্থাভেও জীবের ই থাকে, তৎকালে জীব তাকেই তুরীয় বা তুৰ্য ফলা হয়। জীবনে যে অবস্থায় স্বচ্ছ জীবমুক্ত ৰা অভিহিত হয়, তখনও সে জাগ্ৰৎ ও ব্যবহারণ- শান্ত সমতা উদিত হয় এবং ব্যবহারণশষ যাহাতে সাজীৰে অন্ত থাকে। মুং তখন চিত্ত বিশ হয় কিরূপে? এই মন অস্থিতি হয়, তাহাই তুরীয়া। দূীয়াৰ জাগ্রও নিৰাৱণৰ ৰশিষ্ঠ পরে একটা দৃষ্টান্ত দিতেছেন। ৫।
বেশবাভ-লামায় পঞ্চবিংশত্যধিকততম সর্গ। অ হইছে। কর্মসকলেই বা আমার কি প্রমো। হাতে কেন বা বিন করা । যাহাতে কর্মর ফল বশিষ্ঠ কহিলেন- অধ্যাত্মশাস্ত্রের সিদ্ধান্তই এই যে, নিখিল যতই শূভ্রান্তি;ঐবিদ্যাও নাই, মায়া নাই, আছেন কেবল কি আছে? অর্থাৎ সেইরূপ বিশ্রান্তি এক্ষণে আমার আক স্বরূপ উৎপত্তি মৃত্যু এভৃতি বিকার নাই, এমন পরম বিশ্রান্তি শান্ত ব্ৰহ্ম; সর্বশক্তিমান স্বচ্ছ সমসত্ম একমাত্র শাম্ভব্ৰহ্মই হইয়াছে, যে পুরুষ বিবেকনে অন্তরে এইরূনিশ্চয় করিতে সর্বত্র বিদ্যমান। কেহ কেহ ইহাতে আবার কিছুই নাই, সব পারিয়াছে, তাহাকে নিবৃত্ত বলা হয়। সাধুবুদ্ধি বিবেকী ” এইরূপে শূন্য বলিয়া থাকেন। কেহ কেহ তাহাকে বিজ্ঞান বলিয়া থাকে, তঁহারা বলেন, একমাত্র বিজ্ঞানই মানব বখন “আমি বৈরাগ্যবান হইয়া কিরুপে সংসার-সাগর বিদ্যমান, আর সব মিখ্যা।” কে বা তাহাকে ঈর বলিয়া পার হইব?” এইরূপ বিচার করিতে থাকে, তখন হইতেই একেল।—এইরূপ নানা মত অবলম্বন করিয়া বাদীরা পরস্পর চিত্তশুদ্ধি হয়, এইরূপ সৎকর্ম (শৌচ সৎসঙ্গ ঈশ্বনােপাসনালি) সে দিন দিন ভােগটি হইতে বিরত হইতে থাকে, যাহাতে বিবাদ করিয়া থাকে। হে অনখ! তুমি এ সমুদয় ছাড়িয়া চিত্তশুদ্ধি হয়, এইরূপ সৎকর্ম (শৌচ সংসঙ্গ ঈশ্বনােপাসনালি) দিয়া মননবর্জিত প্রশান্তবুদ্ধি দীপচিত্ত নিৰ্বাণ প্রাপ্ত হইয়া হইলে দিন দিন পরম সন্তোষলাভ করিতে থাকে। তাদৃশ ব্যক্তি করিতে থাকে, এইরূপ সৎকর্মে চিত্তশুদ্ধি হওয়ায় তৃষ্ণা মহামেনী হও। তুমি আপনাতে আপনি পুণৰী হই, মূক, অন্ধ, বধিরের ন্যায় সর্বদা অরক্তিযুক্ত শান্ত হইয়া আতেই গ্রাম্য এডচেষ্টাকে সর্বদা ধূলা করেন, পরের মৰ্ম্মোদঘাটন করেন হে রাঘব। তুমি জাগ্ৰদবস্থাতেই না সরল পণকার্য করিতে থাকেন। যাহাতে মনের কোন যুধিস্থ হইয়া কৰ্ম কর, অন্তরে সর্বপরিত্যাগী হইয়া বাহিরে প্রকার উয়ে নয়, এরূপ মুদ্র অর্থাৎ আল্লয়াসসাধ্য, কল্প বখাপ্রাপ্ত কর্ম সম্পাদন কর, চিত্তের সভাই পরম দুঃখ, চিতের (নিয়ষছি ১.করিতে গলে পাপকার্য হইতে সতত ক্রীত অসত্তাই পরম সুখ, অতএব তুমি অভাকলে চিকেক কবির হন, বিষয়ভােগের অপেক্ষা একেবারেই করেন ৬১৩, একমাত্র চিন্ময়া হও। বাহ রমণীয় ৰ অৱণ জ্ঞান করিয়া দেশ, কাল, পাত্র বিবেচনা করিয়া, যাহাতে কাহারও উদ্বেগ বা বনা পরিত্যাগপূর্বক পাষাণের ন্যায় নিশ্চল হইয়া থাক। কোন কষ্ট না হয়, এইরূপ নেহ ভালবাসাপূর্ণ উচিত কথা, লােককে এইরূপে তোমার আচেষ্টাতেই সংসারজয় সিক্ত হইবে। সুখ, বলিয়া থাকেন। এইরূপ অবস্থাপ্রাপ্ত সাধু-প্রথম ভূমিকা অ বা সুখসুখ কিছুই চিন্তা করিবে না। এইরুপ আত্ম- প্রাপ্ত হইয়াছেন, বুঝিতে হইবে, তিনি কামনােবাকো সেই তুমি দুঃখ নাশ করিতে পাঝিৰে। ৰিং এগুৱে পুৰ- সজনেয় সেবা করেন। তিনি যে কোন স্থান হইতে সেই চক্রের ন্যায় অমৃতময় হইয়া পৰি সুখ লাভ করিয়া থাকেন। তিনি সাদিগের সেবাদুকূল ধনাদি অনিয়া দ্বারা আধুদিগের সেবা ত্রিভুবনের সারবস্তু আত্মত পরিজ্ঞাত হইয়া পরম আনন্দ লাভ করত তাহাদের নিকট হইতে জ্ঞানশাস্ত্রের কথা শ্রবণ করেন। করুত বাহকার্য সম্পাদন করিয়াও করেন না (অর্থাৎ তার সংসার হইতে উত্তীর্ণ হইবার আশয়ে যিনি এইরূপ বিচার হইয়াছেন, তিনিই যোগভূমিকায় পদার্পণ করিয়াছেন, অভিজ্ঞ দল করেন না)। অপরে যদি অধ্যাত্মন্ত্রের কথা লইয়া থাকে, ত তাহাকে লােক পঞ্চবিংভ্যথিকশতম সর্গ। ১২৫। ঠকাই পার্থসাধনকারী প্রতারক বলিয়া আনিবে। (এই প্রথমা ভূমিকার শুভেচ্ছা,ইহা পূর্বেই বলা হইয়াছে। তাহার পরে বিচালনায় দ্বিতীয় বােগভূমিকায় উপনীত হইয়া, অতি, স্মৃতি, ও আচার, ব্যান, থারণা প্রভৃতি কৰ্মসমূহের ব্যাখ্যাকা ষড়বিংশত্যধিকততম সর্গ। সৎপাতে আর । ঘাম কহিলেন,—“ভগন। আপনি ও সথকার যােগ সুপণ্ডিতের নিকটে থাকি পদ ও পদার্থশাস্ত্রসমূহের মর্ম ও ভূমিকার কথা বলিলেন,—উহার অভ্যাস হয় কিমলে? এবং বিভাগ অবগত হইয়া তাঁহার নিকট শ্রোব্য বিষয় শ্রবণ করিয়া প্রত্যেক ভূমিকায় যােগীর লক্ষণ কিরূপ হইতে থাকে। তাহা নৃ গৃহ যেমন কোন গৃহস্থের নিকট হইতে গৃহস্থালীক আমাকে বিশদ করিৱা বসুন। বশিষ্ঠ কহিলেন—প্রথম পুরুষ সমুদয় নিয়া , সেইরূপ কি কৰ্তব্য, কি অকর্তব্য তাহার ই একত্র, প্রবৃত্ত এবং নির্ব, বেস্বর্গলাভের জন্য ব্যয় নির্ণয় করিয়া এল। আরিক মদ, মান, মাস, লােভ সে প্রবৃত্ত, যে মােঞ্চাভিলাষী, সে নিরু; ক্রমে ইহাদের লক্ষণ প্রভৃতি ও পূর্বেই ত্যাগ করিয়াছেন, অৰে লােকমৰ্যাদা রক্ষার্থ পরিষ্কার করিয়া বলিতেছি, শ্রবণ কর। মুক্তি আবার কি? (লােক ব্যবহার্থ) বাহিরে যাহা কিছু ছিল (উক্ত মদ-নাদি), গেপূর্ণ এই সংসারই আমাৰ ৰহমত”—এইরূপ নিচ করিয়া তাহাও মে হির বাহকের স্থায় পরিত্যাগ করেন। এস যে নিত্যনৈমিত্তিক ও কাম্যক করিতে থাকে, তাহাকে এর বুবিশিষ্ট হইয়া তিনি শা, গুরু ও সজ্জনের সেবা করত হয়। প্রচণ্ড ৰাভ্যায় উতে সাগর ম্যবর্তী কর্ম সমূত্রের খবৰ মৰ্মাৰ অবগত হন। তাহার পরে কাণ্ড যেন অতি শনি গ্রীবা উয্যে এৰিও যেমন কোন পূণ্যায় (ভবে) শয়ন সেইপ বিগত করিয়া থাকে, সেই (সেই কুৰাৰ ন ন প্ৰৰে নায়ী তৃতীয় বােগভূমিকায় অনায়াস প্রাপ্ত হন। তার গয়ে নিগরে ) বহুমর পর (নের সংসারে শা( এতিপাদ্য সভবতে) এবং নিশ্চলতাৰে বুনি শয়াতের পর) পুরুষ বিবেকবান হইয়া দির বুড়ি স্থাপন করিয়া শিলালে উপবেশনপূর্বক পখীর চায়ে থাকি অধিতে থাকে, “এই সংসার সার, হাতে আমার অধ্যাপারে আলাপে সংসারের বিদায় ও বেগ-ভ্যাসে কেন এমন নাই; পষিত (যা পূর্বে অনেকবার বিশাল আয়ু ক্ষেপণ কল্পিত থাকেন।১–২১। এইরূপ কি -১০। - নির্বাণ-প্রকরণ-পূৰ্বাগ। হইয়াবনবিহারে চিত্তের উপশমহতু শোেতমান অব দূখে প্রথম তুমি হইতে তৃতীয় ভূমিকায় আপনিই আরূঢ় হওয়া যায়। কানযাপন করেন। এইরূপে সানুগ্রর অভ্যাসে ও লুকাধের পুর্বে যে শ্রেষ্ঠ অসৎকাজের কথা বললাম , উহা এই তৃতীয় অনুষ্ঠানে জীবের বদৃষ্টি আনশকি) নিৰ্ম্মল হইয়া উঠে। ভূমিকাতেই হইয়া থাকে। এই ভূমিকায় অধিক্সড় পরুষ সমূয় এই তৃতীয় ভূমিকা প্রাপ্ত হইয়া অৰিৎ দুইপ্রকার অসংসদ স পরিত্যাগ করিয়া থাকে। রাম কহিলেন-ভগব। তাহ অনুভব করিতে থাকেন, দুইপ্রকার অসংস:কি কি, তাহা হইলে পরে যে ব্যক্তি অসৎকুলজাত মূঢ় এবং যশিস লাভ বলিতেছি শ্রবণ কর।—অসৎসঙ্গ সামান্য ও শ্রেষ্ঠভে বিবিধ। করিতে পারে নাই, তাহার উদ্ধারের উপায় কি? হে ভগ। “আমি কর্তা নহি তােক নহি, (কাহারও বাধ্য নহি, কাহারও, আমার আর একটা ভিজা আছ, যদি প্রথম ভূমিকায়, দ্বিতীয় বাধক নহি ইত্যাকার ধারণ করিয়া বা বস্তুতে যে অনাসক্ত ভূমিকায় বা তৃতীয় ভূমিকায় আরূঢ় হইয়া মরিয়া যায়, তাহা তাহাকে সামান্য অসৎসঙ্গ কহে। ২২-২৫। সুখ দুঃখ যাহা | হইলে তাহার কিরূপ গতি হয়? বশিষ্ঠ কহিলেন, যে ব্যক্তি কিছু হয়, সমস্তই প্রাক্তন কর্তৃক কৃত এবং ঈশ্বরের অধীন। মূঢ় অসৎফুলজাত দোষী, তাহারও সাধুসংসর্গ না ঘটিলেও এবিষয়ে আমার কোন কর্তৃত্ব নাই, এই বিপুল ভােগরাশি, আপনা-আপনি বিচারবলে বৈরাগ্যের উদয় হইলে ক্রনে ইহা একটা সঙ্কট ৰোগস্বরূপ, সম্পদও বিষৰ আগস্বরূপ। এই ভূমিকায় আরােহণ হইতে পারে। বৈরাগ্যোলয়ই ভূমিকালুপ্তির যে আত্মীয়জনের মিলনজনিত সুখ, ইহাই আবার বিয়েগদুঃখের হেতু, যাহার শত জন্ম ধরিয়া আত্মচ্চিার ও সাধুসঙ্গেও বৈরাগ্যের হেতু, সুতরাং ইহাকে সুখ বলা যায় না, ইহা বুদ্ধির এক প্রকায় ' উদয় হয় না, সে মুঢ় ব্যক্তির উদ্ধারের উপায় নাই, সে চিরকাল পড়, অথবা মুনােবাখা। কাল সমুদয় বকে সতত আপনার সংসারে আবদ্ধ হইয়া থাকে। বৈরাগ্যের উদয় হইলে এই কবলে আনিলার জ চেষ্টিত হইতেছে।”—এই প্রকার থারণায় ভূমিকাপ্রাপ্তি ও দ্বারা সংসারনাশ হইবেই,ইহা শাস্ত্রের সারমর্ম। অনিত্যবােধে সমূদয় বিষয়ের প্রতি অনাস্থাপূর্বক যে ভাৰত্যাগ, ৩৮-৪৯। জয় যে ব্যক্তি যােগভূমিকায় আট হইয়া মরিয়া তাহাকে সামান্য অসৎসঙ্গ বলা হয়। ঈশ ভাবনাকালে যায়, তাহা হইলে সে যতটুকু ভূমিকায় অজট হইয়াছিল, অদমু- যােঙ্গীয় মুন শাস্ত্রপ্রতিপাদ্য সত্যৰ যে ব্ৰহ্ম, তাহাতেই লগ থাকে। সারে তাহার পূর্বকৃত পাপের ক্ষয় হয়, সেই পায়ের ফলে সে অসাধুসংসর্গ পরিত্যাগপূর্বক সাধুসংসর্গে এইরূপ ক্রমিক যোগা- স্বর্গবলী হইয়া অপয়ার সহিত বিমান, লােকপালপুরী, সুমেরু ভ্যাসে থাকিয়া শ্রবণমননাত্মক আত্মজ্ঞানােপায় প্রবােগ করিতে পৰ্বতন্থ উপবন কুঞ্জ প্রভৃতি রমণীয় স্থানে বিহার করিয়া বেড়ায়। হইবে।২৬-৩। আপনার চেষ্টাসাধ্য নিয়ত এইরূপ অভ্যাসযােগে এইরূপে তাহার পূর্বকৃত দুর্ল, সুকৰ্ম্ম ও ভােগজল সমুদয় - আত্মবম্ভ করস্থ আমলকী ফলের ন্যায় সম্পূর্ণ আয়ত হইয়া প্রাপ্ত হইলে, মর্ত্যলােকে শান গুণবান্ পবিত্ৰাত্মা সাধুজনের পড়েন, সংসারসাগরের পরবর্তী পর্যকারণ সারবস্তু আত্মত ভবনে বােগী হইয়া জন্মগ্রহণ করে। ৪৭-৫। এইরূপে জন্ম- এইরূপে আপনার প্রত্যক্ষ হইয়া পড়েন। তৎপরে “আমি কৰ্ত্তা গ্রহণ করিয়া তাহারা পূর্বজমের অভ্যস্ত যােগই অবলম্বন করে, নহি, ঈশ্বরই কর্তা, পুর্ণরুত বা ইদানীং ক্রিয়াণ কোন কর্মই পুর্বজন্মে যে কয় ভূমিকা অভ্যস্ত হইয়াছিল, তাহা স্মরণ করিয়া আমার নাই”—এই প্রকার শব্দাবনাও দূরে পরিত্যাগপূর্বক যথাক্রমে পরবর্তী ভূমিকায় অধিরূঢ় হইতে থাকে। হে রাম । শান্ত যৌন ( বাক্য মন আদির চেষ্টা)-ভাবে যে অবস্থান এই প্রথম ভূমিকায়কে জাগ্রং বলা হয়, উহাকে জাগ্ৰৎ বলার তাহাকে শ্রেষ্ঠ অসংস কহে। যখন চিত্ত কি অন্তরে, কি কারণ এই যে, ঐ সময়ে বাবার যথাযথ ভেদজ্ঞান থাকে। বাহিরে, কি উদেণ, কি অপােদেশে, কি কোন দিকে, কি উহাতে কেবল বােগীলিগের আভাৰ সমুদিত, যে আর্যভাৰ আকাশে, কি কোন পদার্থে, কি কোন অপদার্থে, কি জড়ে, সন্দর্শন করিয়া মূরিাও মুমকু হইতে ইচ্ছা করে। যিনি কি চিলাসে কোন বিষয়েই অবস্থিত থাকে না, কেবল শান্ত পৰ্যৰে আপনার কর্তব্য কাব্যের অনুষ্ঠান করেন, অকর্তব্য কান্ত প্রকাশ আকাশের ন্যায় প্রকাশ্মরশু চিপে কার একেবারে করেন না অথচ সামান্য লােকের ন্যায় ব্যবহারী অবস্থান করে, তখনকার সেই অবস্থাকে শ্রেষ্ঠ অংস বলা হইয়া থাকে, তাহাকে আৰ্য বলা হয়। যিনি শাস্ত্র ও নিজ হয়। সন্তোষ যাহার সৌরভ, সৎকর্ম যাহার নির্মলপত্র, চিত্তরূপ, কুলাচারের অনুসরণ করিয়া আপনার মনােম কৰ্ম্মানুষ্ঠান করেন, নালাগ্রে যাহার অবস্থিতি, বি, যাহার নাশসংলগ্ন কষ্টক, তাহাকে বলা হয়। ৫১-৫৫। প্রখ্য ভূমিকায় যােগীর সেই বিবেকরূপ কমল অন্তঃকরণে উৎপন্ন হইয়া বিচারলুধের অভাবে আর দেখা নে, দ্বিতীয় ভূমিকায় আহা বিকাস উদয়ে বিকাশ প্রাপ্ত হইলে এই অসৎসঙ্গনায়ী তৃতীয়ভূমিকারূপ প্রাপ্ত, লয় ভূমিকায় তাহা ফলে পরিণত হয়। যে যােণী ঈ- ফল ধারণ করিয়া থাকে। ৩৬-৩৭। শুদ্ধচিত্ত জ্ঞানীদিগেৱ আৰ্যভাবসম্পন্ন হইয়া মৃত হন, তিনি আপনার সমসঞ্চিত সহবাস পূকরে পঞ্চ কাকতালীয়যােগে প্রথম বােগ ভােগ সকল বহুদিন ভােগ করিয়া পুনরায় বগী হইয়া গ্রহণ ভূমিকায় আবির্ভাব হয়। সুখার অনুষের গল্প আবির্ভূত হইব করেন। প্রথম ভূমিকাষের অভ্যাসে অজ্ঞান ক্ষয়প্রাপ্ত হইলে মাত্রই ঐ, যেগভূমিকাকে বিবেক-সলিলের যারা সিঞ্চন করিয়া সমৰূপে গুনের উদয় হয়, চিত্ত পূর্ণচন্দ্রের স্থায় পূর্ণ যত্নপূর্বক রক্ষা করিতেহয়। শুভেচ্ছানাী এমা ভূমিকা ভাব ধারণ করে। তার পরে সুখী ভূমিকায় উপনীত বােগী- সাথতুষ্টয়ের মধ্যে যে সাধনের সাহায্যে আর্ভূিত হয়, গণ সমূল প্রণ বিভাগ-অনাদি অনন্ত এক বস্তু বণিয়া কমীল যেমন জলসেকে বৃণির অসুরকে বর্ধিত করে, সেইরূপ অন করেন। তখন তাহাদের নিকট তৈভাৰ কেবারে দূরে বিচারলে সেই সাধনকেই অস্ত্রে বর্ধিত করিতে হইবে। যায়, অদ্বৈতভাব আসিয়া স্থির হইয়া উঠ, দু ভূমিকারূঢ় এইরূপে একটা ভূমিকা বর্ধিত হইলে ক্রমে অন্তত ভূমিকাসন যগিগণ লােকসমূহকে স্বপ্নের স্নায় অবলোকন আপনিই আয়িয়া উপস্থিত হয়। চেষ্টা এইরূপ সমভাৰে থাকিলে । প্রথম ভূমিকাকে এ বলা হইয়াছে, ৫৭০ যােগবাণিষ্ঠ-ঘামায়ণ চতুৰী ভূমিকাকে মূল্প বলি নির্দেশ করা হয়। কারণ সে অবস্থায় করিয়াছি ,ঐ ইজাকারিশ উন্মত্ত হইয়া, বীরকানমধ্যে বিবিধ সব স্বপ্ন দেখা যায়। পরে শরৎকালের মেঘখণ্ডের রায় , প্রকারে উলাস করিয়া বেড়ায়। মত্ত ইন্দ্রিয়লকল উহার শাৰক প্রতীয়মান সে স্বপ্নবং ভাবও বিলীন হইয়া গেলে, যােগী ক্রমে | সুমধুর বাঙ্গী উহার বৃহত, ৩ অশুভ কৰ্ম্ম উহার দন- মেনিন্মুক্ত থাকাশের স্থায় বিশুদ্ধ চিত্র স্বভাব প্রাপ্ত হন। যুগণ, সৰ্বপ্ৰসায়ী সনাসমূহ উহার মন , ঐ মামৰকরিণ এইরুপে পঞ্চ ভূমিকায় উপনীত যােগী চিৎসমানে অবশিষ্ট মনােরূপ গহনকাননে সংলীন হইয়া থাকে। ৭১-৮০। হে রাখ। হন। ঐ পঞ্চমী ভূমিকাকে সুখুথিলা নামে অভিহিত করা এই পরিমান সংসার, ঐ কৰিণীর সংগ্রামভূমি, নৱগ এই হয়; কারণ তৎকালে নিখিল ভেদজ্ঞান প্রশান্ত হইয়া যাওয়ায় সংগ্রামভূমিতেই পুনঃপূঃ জয় পরাজয় লাঙ্গ কল্পিা থাকে। এই যােগী মাত্র অদ্বৈতভাবে অবস্থিত হন, দৈতভাব বিগলিত হওয়ায় ইচ্ছারূপিণী হস্তিনী অথম জীবসমূহকে বিললিত করিতেছে, চিত্ত- যােগী তখন অন্তরে অপার আনন্দ লুভব করিতে থাকেন। পঞ্চম কোত বাসনা, চেষ্টা, মন, চিত্ত, সঙ্কল, ভাষা ও স্পৃহা এগুলি ভূমিকাপ্রাপ্ত যােগী সুষুপ্ত ব্যক্তির ন্যায় আনন্দঘন হইয়া অবস্থান ঐ করিণীর মানুষ। ধৈৰ্যপ তীক্ষ্ণ ন্ত্রর সাহায্যে, অৰ- করেন। তিনি বাহিরে কৰ্ম্ম করিতে থাকিলেও সর্বদা অন্ত- লীলাক্রমে বিচরণকারিণ এই সর্বমধী ইচ্ছাকরিণকে সর্ব- খরত্তি হইয়া থাকেন। তিনি পরিশান্তভাবে অবস্থান করায় প্রকারে পরাজয় করা উচিত। “ইহা এই বস্তু, ইহা, অষ্ট বস্তু সর্বদা নিদ্রালু ব্যক্তির স্যায় শক্ষিত হন। এই ভূমিকাতেই তিনি এইরূপ ভেদজ্ঞান যতদিন অন্তরে বিরাজমান থাকে, ততদিন অভ্যাসবলে সনাক্ষর করেন। ৬১-৬৫। তাহার পরে তিনি এই বিষম কুসংসাররূপ বিচিকা বিদ্যমান থাকে। “মামার ইহা মষ্ঠী ভূমিকায় অধিক্সট হন, সেই ভূমিকার নামান্তর তুরীয় , যে হউক”,এইরূপ বাসময় মন যত দিন থাকিরে, এই সংসার ভূমিকায় “আমি না সৎ, না অসৎ, না আমি, না অহঙ্কার”-এই ততদিন থাকিত্রে। এই মনের উপ-ন্তি হইলেই মে, অধ্যাত্ম- রূপ জ্ঞান হয়। সে অবস্থায় মননক্ষয় হওয়ায় দ্বিত্ব একত্ব বিভাগ খাতের ইহাই তাৎপৰ্যা। ৮১-৮৫। ইচ্ছাশূন্য বিশ্বন মনেই হইতে নির্ভুক্ত হন। তৎকালে হৃদয়গ্রন্থি ছিন্ন ও সমুদয় সংশয় দশে তৈলবিন্দুর স্যায়, নির্মলতাসম্পাদিকা নিৰ্ম্মল উপদেশবাণী অপনীত হয়, সব ভাবনা দূরে যায়, যােগী তখন জীবন্মুক্ত হইয়া কাৰ্যকরী হইয়া থাকে। বাহুবিশ্বতি রহিত করিলেই ইচ্ছারূপ থাকেন। তখন তিনি একেবারে নির্মাণ না হইলেও সর্বণ। সংসারার নষ্ট হইয়া যায়, পুনৰ্ব্বার যদি কখন ইচ্ছা অঙ্কুরিত হয় পটচিত্রিত প্রদীপের ন্যায় নির্বাণ হইয়া থাকেন, কালে তিনি অমনি তখনই ঐ অনর্থকারিণী ইচ্ছাকে ছেদন করিয়া ফেলিবে। আকাশস্থিত শূন্য কলসের ন্যায় ভিতরেও শত বাহিরেও শূন্য হইয়া বাহ্যৰন্থর অভাবনরূপ অস্ত্র দ্বারা বিষাঙ্কুরসম ঐ ইচ্ছাকে সৰ্ব্বতে- থাকেন, আবার সাগরের অন্তর্নিমজ্জিত পূর্ণ কাজের জন্য ভাবে কর্তন করা উচিত। ইচ্ছারঞ্জিত-জীৰ কখনই দীনভাৰ ভিতরেও পুর্ণ ও বাহিরেও পূর্ণ হইয়া অবস্থান করেন। তখন হইতে মুক্ত হয় না। ভিন্নদিকে চিত্তের তুফীস্তাবে (ব্যাপার- তিনি যেন কি একটা অভূতপূর্ব বড় হইয়া পড়েন অথচ কিছুই শত হইয়া) যে অবস্থান, হাই অসৎবদনের চেষ্টা—অর্থাৎ চিত্তকে হন না। এইরূপে ষষ্ঠ ভূমিকায় অবস্থান করিয়া যােগী ক্রমে এইরূপ নিৰ্যাপার করিতে পারিলে ব্যবস্থার বিস্মৃতি আপনিই সপ্তমী ভূমিকায় আরোহণ করেন, সপ্তমী ভূমিকায় অধিরূঢ় ঘটে। চিভের এববিধ অবস্থা প্রথমে অবতিত হইয়া সাধন করিতে হইয়া একেবারে বিদেহমুক্ত হন। ৬৬-৭। এই সপ্তমী হয়, পরে তাহা অভ্যস্ত হইয়া গেলে অবধানের প্রয়ােজন হয় না, ভুমিকার অবস্থা বাক্যের অগম্য (কথায় ইহা প্রকাশ করা যায় না) তখন স্বতই মৃতদেহের স্যায় চিরনিদ্রিত হইয়া যায়। হে রাম। এই অবস্থা সংসার ভূমির সীমা। এই অবস্থাকে কে শিব বলি তুমি প্রত্যাহাররূপ বড়িশ যারা ইচ্ছারূপিণী মাতঙ্গিনীকে জন খাকেন, কেহ ব্ৰহ্ম বলিয়া খকেন, কেহ একতিপুরুষের একীভাবে কর, সাধুগণ “ইহা আমার হউক” এইরূপে বিষয়ের দিকে অবস্থিতি বলিয়া থাকেন, এইরূপ অপরেও নিজ নিজ কল চিত্তের অনুধাবনকেই কল্পনা বলিয়াছেন। ৮৬-১০। বাহবন্ধুর অনুসারে অন্য অন্য প্রকারে অভিহিত করিয়া থাকেন। ফলতঃ অতানই করুণাগ নামে অভিহিত হয়। হে রাম। তুমি এই অবস্থা কোনরূপে কথায় বুঝান যাইতে পারে না, তবে যে স্মৃতিকেই সঙ্কল ও অভিকেই শিব বলিয়া আনিও, তবে সঙ্কল ও কোন প্রকারে লােককে বুঝান হয় মাত্র। হে রদত্তম। তােমার স্মৃতিতে বিশেষ এই যে, স্মৃতি পুর্বানুভূত বিষয়ের হয়, আর নিকটে এই সপ্তপ্রকার ভূমিকার কথা বিয়ে করিয়া বলিলাল। পূর্বে যাহা অনুভূত নহে, তাহারই সঙ্গ হয়। হে মহামতে! তুমি এই ভূমিকাসকল ক্ৰমে অভ্যস্ত হইলে আর দুঃখ ভােগ করিতে অনুভূত স্মৃতি ও অননুভূত সঙ্কল্প এই দুইটাই বিল্পত হইয়া কাষ্ঠ- হয় না। মৃদুমন্দগামিনী অভিমদমত্তা এক করিণী আছে তাহার বং নিশ্চলভাবে অবস্থান কর। এই যে আমি বাহু উত্তোলন অশুদ্ধয় অতিবৃহৎ, সে সর্বদা যুদ্ধ করিতে উদ্যত। যুদ্ধ করিয়া করিয়া এত টীকার করিতেছি, বােধ হয়, ইহা কেহই সে যােব অনর্থ ঘটাইয়া থাকে, নর যদি সেই কলিগকে এ শুনিতেছে না, ( শুনিলে এই ফললাভ করিত) আমি দুয়ো- করিতে পারে, তাহা হইলে এই সমগ্র ভূমিকায় জয়ী হইতে ভূয়সকলকে বলিয়া রাখিতেছি যে, সল না করাই পরম মসল; পারে। ৭১-৭৫। সেই মমতা কৰিকে যে পর্যন্ত বলে , অতএব সফলভ্যাগ বিষ লােকে চেষ্টা করি না কেন? করা না যায়, সে পর্যন্ত কে সংগ্রাম ভুমিতে মুয়ােজা বলিয়া সক্ষণ আর কিছুই নহে, তুফানে অবস্থান করি এই তাহা পরিচিত হইতে পারে ? রাম কহিলে,-“গুগ। ঐ কৰিণী সিদ্ধ হয় , তুফীত হইয়া সফলত্যাগ করিলেই সেই পয়ষপণ কে? ঐসংগ্রাম নিই নাকি? আর ঐ করিপকে কিরূপেই প্রাপ্ত হওয়া যায়। হে রাম! সেই পরমপদ পাখির নিকটে ॥ নিহত মা যায়। কোথায় বা ঐ করিণ ক্রীড়া করে, সাম্রাজালাত তৃণের বৎ পায়। ১১—১৫। সঙ্কলভাগে যে তা আমাকে নিম্ন বলুন।” বশিষ্ঠ কহিলে-খাম। ইহা দেহশও লােপ করিতে হই, তাহা নহে, পলিকে বিগেন আমার হউক, এইরূপ ইচ্ছাকেই আমি পরিণ বলিয়া নির্দেশ কালে যে পাম্প, হাতে যেমন কোন সঙ্কজ নাই, সেইরূপ নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ আপন কর্তব্যকর্মে যে শরীয়, তাহা স না থাকিলেও তিনি অণিমাদি অষ্ট ঐশ্ব প্রায় জ্ঞান করিয়া ভবিষয়ে ইচ্ছা হইতে পারে। অধিক কি বলিব, সংক্ষেপে বলিয়াকান্দিবে, সতেই ত্যাগ করিলেন। তিনি শিবপদে পরিণত হইয়া নিৰ্ম্মা হইয়া পুরম বল, সহজই মােক। অতএব হে রাম। তুমি সম- রহিলেন ; আর কোন কথাই বলিলেন না। ভর কহিলেন, ই শান্ত, অজ, অনন্ত, ধ্রুব, অব্যয়, যথার্থ চিপ জ্ঞান করিয়া কি আশ্চর্য্য! রাম ইহার মধ্যেই পরমপদ প্রাপ্ত হইলেন শান্তভাবে যথামুখে অবস্থান কর। ব্ৰহ্মবিদগণ তাদৃশ সমস্ত লে- মুনিনায়ক। আমাদের কিরূপে এ পরমপদ প্রাপ্তি হইবে? আমা. স্মিতই জীব্রহ্মের একতরূপযােগ বলিয়া জানেন। অতএব তুমি দের উপায় কি, কোথায় বা মাদৃশ অজ্ঞ পাপী। আর কোথায় বাসনাশ হইয়া ঈদৃশ যােগ অবলম্বনপূর্বক কর্ম করিতে থাক। বা ব্ৰহ্মাদিরও প্রার্থনীয় দুর্লভ নামের জায় অবস্থিতি, আমাদের যদি সমাধিমগ্ন হও, কর্ণ করিও না। বুধগণ বাহবন্তর বিস্মৃতি ভাগ্যে কি এইরূপ অবস্থিতি ঘটিবে? হে মুনীশ্বর। হে গুৰৱা। পূর্বক যথার্থ চিন্ময়কেই যােগ বলিয়া জানেন। অতএব তুমি কিরুপে আমি বিশ্রাম লাভ করিব? কিরূপে এই দুষ্পর সংসার অত্যন্ত সময় (ব্ৰহ্মময়) হইয়া যেরূপ হও, তাহাই থাক। সমুদ্র হইতে উত্তীর্ণ হই, তাহা সত্বর বসুন। বাল্মীকি কহিলেন, হে রাম। শিব, শান্ত, সৰ্ব্বগত, অবােধাত্মক, এক ব্ৰহ্ম ভাবনাকেই অয়ি জ্ঞানের বােগ্যপাত্র। তুমি আদি হইতে শেষপর্যন্ত এই সর্বত্যাগ বলা হয়, তুমি সর্বদা অসুরে তাদৃশ ব্ৰহ্মভাবনা করত রাম-ৰশিষ্ঠ সংবাদ বুদ্ধিপূর্বক বিচার করিয়া—অর্থাং ৰশিষ্ঠ রামকে নজ কর্তব্য কৰ্ম্ম সম্পাদন করিতে থাক। চিমধ্যে “আমি” যাহা বাহা বলিয়াছেন, তাহা সমীপে বুঝিয়া বিচার করিতে আমার”জ্ঞান রাখিলে দুঃখ মুক্ত হওয়া যায় না, আমি থাক, আমিও তোমাকে এইরূপেই কিঞ্চিৎ উপদেশ দিতেছি, এষণ আমার” জ্ঞান দূর করিতে পারিলে, দুঃখমুক্ত হওয়া যায় (যব কর। ১-১০। এই যে অবিদ্যাপ্রপঞ্চ, বুধগণ ইহাতে অণুমাত্র কথাই পরিষ্কার করিয়া বলিলাম, এক্ষণে) তােমার যাহা ইচ্ছ, সত্যাংশ নাই বলিয়া বিবেচনা করেন, কিন্তু অবিবেকীরা ইহা তাছাই কর। ১৬১০২। লইয়া বিবাদ করিয়া মরে। সংবিভিন্ন কোন বই নাই, অতএব বড়বিংশত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১২৬। তুমি কেন এই রখা অবিদ্যাপ্রপঞ্চে রুদ্ধ হইছে? হে সখে! তুমি এ বিষয়ের (বশিষ্ঠো গুঢ় বহরে) এবং আমি যে গূঢ় রহস্যের উপদেশ দিব, তাহা অজ্ঞাস করিয়া বিওচিত হও। সপ্তবিংশতাধিকশততম সর্গ। এই অবিদ্যার্থপঞ্চ-বিষয়াবৃত্তি জাগ্ৰৎ হইলেও ইহাকে নিদ্রা (স্বল্প) বলিয়া নির্দেশ করা হয়। প্রবুদ্ধ ব্যক্তি এই অবিদ্যাতিমিরের এই বলিয়া বাশ্মীকি চুপ করিলেন। ভরদ্বাজ কহিলেন,“হে মধ্যবর্তী নিরঞ্জন চিৎপ্রদীপরূপ। হে সখে। এই জগৎপ্রপঞ্চের গুরো। নিৰ্ম্মলমতি রঘুকুলধুরন্ধর শ্রীমান্য রামচন্দ্র মহামুনি বশি- মুলও শু (মিয়া অজ্ঞান ) অগ্রও শূ, মধ্যেও শুন্য ইহার ষ্ঠের নিকট নিরন্তর প্রসিদ্ধ এই জ্ঞান শ্রবণ করিয়া কি আরও সবই শুময়; কিছুই ইহাতে সার নাই, এই জন্যই সাধু মনীষি- কিছু জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন ? না ইহাতেই সমমুখপরিপূর্ণ পূর্ণ- | গণ ইহাতে আস্থা করেন না। বহু বিলাসসম্পন্ন এই সংসার বেশিস্বরূপ হইয়াছিলেন। (যদি «লেন “তোমার নিজের অনু- অসৎ হইলেও অনাদি বাসনার দেবে সৎরূপে দৃষ্ট হইতেছে। মানে বুকিয়া দেখ না কেন? রামের অন্য কোন জিজ্ঞাষ আছে তুমি চৈতন্যরূপিণী মঙ্গলময়ী পীযুষলতা উপেক্ষা করিয়া বাসনাময়ী কিনা ?" তাহার উত্তরে ইহাই বলিতেছি যে, রাম যদি আমার স্যায় বিষলতায় আরোহণপূর্বক মােহময় হইতেছ কেন ? নিরালম্ব- লােক হইতেন, তাহা হইলে বলিতে পারি যে, রামের কোন সংৰি ৰােগিগণ জানেন যে, চিত্তস্থিরতাসম্পাদক নিরলগজ্ঞান জিজ্ঞা আছে কিনা। কিন্তু রাম ত আমাদের সমকক্ষ লোেক অবলখন করিলে প্রথমেই (অজ্ঞাবতেই) এই গ্রভাব নহেন, তিনি আমাদের অপেক্ষা অনেক উচ্চপথে আরােহণ করিয়া- দূরীভূত হয়। তৎপরে তুৱীয় দশায় শুধু জাগ্ৰৎ কেন, ছেন। তিনি পরম যােগী, তিনি বিশুদ্ধ জ্ঞানস্বরূপ হইয়াছেন, জাগ্রৎ, স্বপ্ন, সুষুপ্তি এই তিনি অবস্থাই থাকে না। কৃতিগণ তাঁহার জন্ম মৃত্যু নাই,—তিনি তাহা জয় করিয়াছেন, তিনি দেব যতদিন এই অমৃতরসময়ী চৈতন্যরূপিণী মহানদীতে আত্মরূপে গণের শ্রেষ্ঠ এবং জগতের পূৰ্ব্ব। তিনি নিখিল গুণাধার , লক্ষ্মীর অবগাহন করিতে পারেন, ততদিনই উহা ভীষণ দুস্তরময় সহচর, তিনি এই ব্রিজগতের উন্নতি, রক্ষা ও অনুগ্রহের কৰ্ত্তা, গভীর ধলিয়া বােহ, ইহাতে একবার অবগাহন করিলেই সুব্রং তঁাহার আর জিজ্ঞা আছে কিনা, ইহা অনুমান করা কিরূপ মুখ, তাহা অবগত হওয়া যায়। হে সখে। যে বস্তু আমাদের অসাধ্য; অৰে ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে শ্যাঘর কোন জিজ্ঞাই প্রথমেও এই, শেষেও নাই, সে বস্তু মধ্যেও নাই জানিৰে; নাই”, অনুমান করিতে পারি )। বাল্মীকি কহিলেন,—“কমল সেবনে জগজপ বস্তু পােপম মিথ্যা জ্ঞান করিবে। লােচন রাম বশিষ্ঠের নিকট এই বেদান্তসংগ্রহ বাক্য শ্রবণ করিয়া অবিসস্তৃত এই বিভিন্ন বস্তু সকল ক্ষণকাল বুদবুথেয় সমস্ত বিজ্ঞান অবগত হইলেন। তাঁহার অথও ব্ৰহ্মাকারে আকা- চায় উদ্ভূত হইয়া জ্ঞানসাগরে বিলীন হইয়া যাইতেছে। রিত চিত্তিতে নিত্য নিরতিশয় আনন্দময় আত্মতত্ত্বের আবির্ভাব ১১-০। তুমি ইহার মধ্যে শীতলয়ে চৈতরূপিণী নদী হইল, তাহার বিদ্যাসট উদঘাটিত হইয় গেল, অর্থন তিনি অবগত হইয়া তাহাতে অবগাহন কর, অসুখদায়ী বহির্জাকিরূপী নিৰ্ম্মল চিদঘন হইয়া পড়িলেন। তখন আর তাহার প্রশ্ন বা মিলা তােনার নিকট হইতে দূরে যাউক। এক অজ্ঞানসগয়ই উত্তরের কথিত বা অকথিত অশের বিবেচনা করিবার চেষ্টা স্বষিকায়ভূত অসৎ কাপ্লাষিত করিয়া আঁখিয়াছে; ইহাতে “আমি” থাকিল না, তাঁহার প্রাণ তখন আনন্দধায় পূর্ণ হইল, গাত্র রােমাঞ্চিত হইল। তখন তিনি সকলের অধিষ্ঠানরূপ সমাত্রে * মূলে “জাগ্ৰদেন পতি” এই পাঠ ছ, এগুলো- অবস্থিত হইয়া সর্বব্যাপী চিৎখরূপে অবস্থিত হইলেন। তখন দেখনিগতি” এইরূপ পাঠ হইকে। চাকাকারেরও এই মত।
৫ যােগ-রামায়ণ। ; হে বস। ইত্যাকার নই এই জ্ঞানসাগরের প্রথম তরঙ্গ, সে তর পুরুষকার না করে কোন কাৰ্যই সিদ্ধ হন। মুহেরের - অৰিদ্যারূপ-মারুতের সঞ্চলনে উখিত হইয়া থাকে। চিত্তের গুইলেই লােক প্রাণবিষয় প্রাপ্ত হইতে পাত্র, ঈশ্বরের ভবিষয়ে স্থান আসক্তি প্রভৃতি ইহার আরও কতকগুলি ক্ষুদ্র সুগ্রহলাভ ঈশ্বরের উপাসনা বানিয়ে । সে ক্ষুদ্র তরঙ্গ আছে; মমতা ইহার অবত্ত, এ আবর্ত বই উৎপন্ন যতদিন প্রবল প্রাক্তন কর্ম বিদ্যমান থাকে, আভিজাত্য, চরিত্র, হইতেছে। আসক্তি দ্বেষ ইহার অন্তবর্তী কুন্তীর ;এ কুন্তীর নীতি বা বিক্র, কিছুতেই কিছু হয় না, এজন্য শাস্ত্রে কেবল যদি তােমাকে আসিয়া আক্রমণ করে, তাহা হইলে তােমার এত্তন কর্মেরই প্রবল বলা হইয়াছে। তাই বলিয়া অনরূপ পাতালে প্রবেশ অনিবার্থহইবেই হইবে। অতএব কেবল ঈশরােপাসনায় যে কাৰ্যসিদ্ধি হইবে, তাহা নহে, যশ তুমি এ সাগর হইতে উত্তীর্ণ হইয়া কেবলরূপী অমৃতসাগরে নিমগ্ন নিয়মাদিও করিতে হইবে। এই যমনিয়ামাণিজনিত যে জ্ঞান, ইও, সে অমৃতসাগরের সুধাময় তরঙ্গ সর্বদাই শান্ত; তুমি এমন সে জ্ঞান লাভ করিতে আশঙ্কা করিতেছ কেন? অহা সাধন অমৃতসাগর ছাড়িয়া দ্বৈতজ্ঞানরূপ লবণসাগরের অঙ্গে হাবুডুবু করিতে কোন ভয় নাই, কোন কষ্ট নাই। বমনিয়মাদি অভ্যাস ইতেছ কেন? ২১-২৫। কেই বা আছে, কেই বা করিতে করিতে অতর্কিতভাবে আসিয়া উপস্থিত হইবে, সে গিয়াছে, কিই বা কাহার আসিয়াছে? ফল “আপিল” জ্ঞান লাভ না করিলে কিছুতেই নিৰ্বাণ লাভ হইবে না। ঈ ‘গেল ইহা মােহ ব্যতীত আর কিছুই নয়, তুমি এইরূপ হস্ত দিয়া ললাটলিপি মুছিয়া দিতে পারেন না, ঈশরােপস, মায়ামমাছে নিমগ্ন হইতেছ কেন? তুমি বিবেকী হও, বিবেকী সঙ্গে সঙ্গে যমনিয়মাদি অভ্যাস করিতে করিতে ললাটলিপি হইয়া আমােহ আর নিপতিত হইও না। “এই সমুদয় অর্থাৎ প্রাক্তন করে ক্ষয় হইলে তবে জ্ঞান লাভ করিবে। জগৎ যখন একমাত্র আত্মাই” ইহা সকলেরই মত, তখন ৩৬-৪০। এ বিষয়ে ঈশ্বরেন্থারূপিণী নিতিশক্তির সখ। তোমার কি গিয়াছে যে, তুমি তাহার অঞ্চ বলিতে হইবে, নতুবা অবাঙমনসগােচর অখণ্ড চৈতন্যের বােধকর্তা শােক করিবে। পরব্রহ্মের এই যে জগদাকারে বিবর্তন, ইহা গুরুই বা কোথায় ? আর সেই দুরূহ গুরূপদেশ বুঝিবার শক্তিই বালকের নিকটে, যাহারা ভবিং তাহারা জানেন, “আনন্দময় বা কোথায় ? আর এই মােহবল্লরীই বা কোথায়?-অর্থাৎ ঈশ ব্ৰহ্ম সর্বদাই অবিবর্তী একরূপে অবস্থিত।” অবিবেকী লােকই রেজারূপিণী অচিন্তনীয় নিয়তি না থাকিলে কিছুতেই এ সকলের শােক করে, ইষ্টবস্তু পাইলে হঠাৎ হব বোধ করে, কিন্তু সম্ফটন হইতে পারে না হে ভরদ্বাজ। তুমি তােমার মােহকে তত্ত্ববিং তাহা হাসিয়া উড়াইয়া দেন। তবে তত্ত্ববিদের কখন কখন বিবেকবলে একেবারে নিহত কর, তাহা হইলে তুমি এক্ষণেই মােহ দেখা যায়ু বটে, কিন্তু তাহা চেষ্টার অনুকরণমাত্র বাস্ত অসাধারণ জ্ঞানলাভ করিলে, সন্দেহ নাই। মহাবলশালী রাজা বিক নহে। সেই আত্মতত্ত্ব অতি মূল্ম, এই অশ্য তাহা আবদ্যা- মহাসমর উপস্থিত হইলেও সতিশষ উৎসাহের সহিত যুদ্ধ করিতে ছন্ন হইলে অঞ্জলেকের নিকট জলে সুলভ্রমের ন্যায়, মস্থলে থাকেন, আর যাহার বল , সে সামান্য বিপদেও শোকাকুল জল ভ্রমের ন্যায় বিপরীত দেখা যায়। ২—৩০। যখন পৃথ্যিাদি হইয়া পড়ে, কিন্তু তুমি মাবলশালী তােমার বিবেকবল বিল মহাভূত হইতে পরমাণু পর্যন্ত সমস্ত জগৎ একমাত্র ব্রহ্ম, তখন ক্ষণ আছে, তুমি শোক করিতেছ কেন ?) বহু জন্মের পরে পুণ্য গিয়াছে বলিয়া শােক করিবে কাহার জঙ্ক। যাহা অসং, তাহার ফলেই জ্ঞান হয়, ইহা জীবন্মুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তে অনুমান করি ত অভাবই হইতে পারে না, হে সব। আবির্ভাব ও তিরে- পূণ্য-সত্তার অর্জনে যত্ন করিতে হয়, একেবারে হইবে না—এরূপ ভাৰ ইহা কেবল মায়াজিত বস্তুই হই থাকে। পরন্তু ইহা নিরাশ হইয়া বসিয়া থাকা ভাল নয়। হে বৎস! যে ৫ মায়িক হইলেও পূৰ্ব্বক পাপপূণরূপ পুরূষষত্বখলেই বিষবৎ হইয়া তােমাকে এইরূপ বন্ধ করিয়াছে, সেই কৰ্মই আষার মিত্র অনর্থক হইয়াছে, পূর্বতন পাপপুণ্যের না হইয়া গেছে, এই হইয়া তােমাকে মুক্তি প্রদান করিবে—অর্থাং কামনাশূন্য হইয়া পুণ্য মায়িক জগৎ ইন্দ্রজালক্রিয়ার স্যায় অলীক হইয়া যায়। তােমার কর্ন ফর, নিশ্চমইলে পাইবে। ৪১-৪৫। যেমন বর্ষার জল এখনও পূর্বকৃতকর্ম (পাপ পুণ্য) যায় নাই, সেইজন্য তােমাকে ধার দাবানল নির্বাণ করিয়া দেয়, সেইরূপ সাগুদিগের পুণ্য কৰ্মই বারংবার উপদেশ দিলেও তুমি বুঝিতে পারিতেছে না; অতএব প্রাক্তন পাপনাশ করিয়া ত্রিতাপ শান্তি করিয়া দেয়। হে সখে। প্রাক্তন পাপকর্মের ক্ষয়ের নিমিত্ত অব্যাপী গুরু পরমেশ্বকােয় যদি তুমি এই সংসার ভ্রম দূর করিতে চাও, তাহা হইলে কুত ভজন (সগুণ ঈরের উপাসনা খরা পাপ ক্ষয়) কয়। পুণ্যফল পত্ৰহ্মে অৰ্পণ করিয়া তাহাতে আসক্ত হও। যত জপি তোমার সমস্ত পাপ ক্ষয় হয় নাই, সেইই তুমি এরূপ ক্ষণ বাহুর এতি আসক্তি ততক্ষণই এই বিকল্প কল্পনা , জল বদ্ধ রহিয়াছ, দেবদে পরমেশ্বর এই কপাশ দিয়াই জীষপশু- উয়েল হইলে সাগরও প্রতিকুল—অর্থাৎ তীতিগামী হয়, জল দিগকে বন্ধন করিয়া রাখেন। তুমি প্রথমতঃ সকার ঈশ্বরের নিশ্চল হইলে সাগরও স্থির থাকে ' তুমি বিবেকদৃষ্টি আচ্ছ- উপাসনা কর, তাহার পরে (সাকার উপাসনা দ্বারা) তােমায় এনকাৰী শােককে অবলম্বন করিতেছ কেন? তুমি এলে চিত্তশুদ্ধি হইলে নিরাকার পরমততে সহজে স্থিতি লাভ করিবে। শোকাহ্ন, এত অভয় এষ্টি কলম্বন কর। ৩১২৫ সাকার ঈশ্বরের উপাসনাজনিত চিত্তশুদ্ধি দ্বারা যেমন চঞ্চল তমালা দ্বারা অপহৃত হয়, সেইরূপ বাহার শােক তুমি এল জ্ঞানান্ধকারের এই য্যামােহশক্তি পাজ, করিয়া হর্ষের বাধ্য হয়, তারা কখনই মহতের গণনায় গণ্য হয় না। বির অন্তঃকরণে ইন্দ্রিয়সমন যােগের পন্থা অনুসরণ কর। ৬ । হেসবে। এই অভের সমুদয় বীৰ আহাের শােক তৎপরে ভূমি সকাল সমাধি অবলম্বন করিলেই আপনা আপ হর্ষালি-দশদোল আরূঢ় দিয়াছে । কাল কামাদি ষডুবি নিই এত্য আৰু গৰ্শন লাভ করিবে। তাহা হইলে পরে কােলাবস্ত্রে বসিয়া সর্বদা ক্রীড়া করিতেছে, অতএব ইহার এ তোমার সাৱত এই বুদ্ধিমণী এভাত হইয়া যাইবে। কেবল ভিন্ন হইতেছে কেন? ক্রীড়াকৌতুকী কাল বিকিএকয়ে এই ? তীর ভূ } কর। -৫৫। নির্বাণ-প্রকর-পূর্বভাগ জগৎকে সৃজন করিতেন, সংহাৰ কৰিলেছেন, আবার অন হইতে ১, আহা অবগত হইয়া ইহাদিগকে তাহাতেই বিলীল করিতেছেন, আবাসংহার করিলেন। কারণ সমূদয়- করিবে। প্রথমে আমি ঝি” এইরূপ ভাষায় প্রণবের কারা বস্তুকে আক্রমণ করিয়া আহার করিতেছেন, ইত্ম বিশেষ কিছুই বিরাটু আত্মায় অবস্থান করিয়া পরে উকারা সূক্ষ্ম লিসষ্ট্যাক রাখিতেছেন না, সকলকেই সমানভাবে ভক্ষণ করিতেছেন। যখন হিরণ্যগর্ভে সেই বিবের লয় করিয়া অবস্থান করিবে। দেবগণও এই কালের করালকবল হইতে মুক্তিলাভ করিতে তাহার পরে মারপ্রতিপাদ্য ত্রিগুণাত্মক মানােপাষিক অরুত পারেন না, তখন সামান্য নিমেষমা কণস্থায়ী মনের কথা আর কি ব্রহ্মে আহ (পূর্বোক্ত হিরণ্যগর্ভের) লা করিয়া ঐ অব্যাকুল বলিৰ? তুমি বিপত্তিকালে অধীর হও এবং সকালে হৃষ্ট হইয়া ভাবে অবস্থান করিবে। তাহার পরে মাত্ৰালতি সকলের নৃতী কর কেন? একবার কালের জন্য নিশ্চল হইয়া মূল কারণ বিশুদ্ধ ব্রহ্মে সেই অব্যাহত ভাৰকেও বিলীন কৰি ঐ বিব্ৰহ্ম হইয়া অবস্থান করিবে। শরীরের মাংসাদি পার্থিব এই সংসারনাটকের অভিনয় দর্শন ভরদ্বাজ। মনী (বিবেক) ক্ষণভঙ্গুর বহুভাঙ্গসঙ্কুল এই অংশ পৃথিবীতে নীল করিবে, যজ্ঞাদি অলীয় ভাগ জলে ও জগঞ্জে ৩ কিঞ্চিত্রও বি হন না। তুমি অমঙ্গলের জৈস ভাগ ভেজে নিক্ষেপ করিবে। বায়ু- মহাবায়ুতে, হেতু শাক পরিত্যাগ করিয়া মঙ্গল চিন্তা কর, চিদানন আকাংশ আকাশে নিক্ষেপ করিবে। এইরুপে প্রণালি ইলি ঋছ আত্মাকে ভাবনা কর। যাহারা দেবতা, গুরু ও ব্রাহ্মণের বর্গকে তদীয় কারণ পৃথিব্যাদিতে বিলীন করিবে। কর্তার প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা করে এবং শাস্ত্র মানিয়া চলে, তাহাদের প্রতি ভােগসিদ্ধির জন্য কর্ণভাবাপন্ন দিকে দিকে বিলীন করিয়া আপ- মহেশ্বর আপনিই অনুগ্রহ করেন। ভরদ্বাজ কহিলেন, গুয়া। নার কর্ণ ও বিদ্যুতে বিলীন করিবে। চলুকে সূর্যমণ্ডলে, আপনার অনুগ্রহে আমি সমস্তই বুবিলাম, বুৰিলাম,- বৈরাগ্য জিহ্বাকে জলে, প্রাণকে বায়ুতে, বাকৃকে অগিতে ও হস্তকেই অগ্না পরমবন্ধু আর নাই, এবং সার অপেক্ষাও পরম শত্রু বিলীন করিবে। বিষ্ণুতে আপনার চরণদ্বয়, সূর্কে পায়ুনেশ আর নাই। এ যাবৎ সম্পূর্ণ গ্রন্থে বশিষ্ঠ যে সকল উপদেশ কশ্যপে উপস্থভাগ ও চন্দ্র মনকে বিলীন করিবে। ১১। দিলেন, আমি এক্ষণে সংক্ষেপে তাহার সারভাগ শুনিতে বুদ্ধিকে চমুখ ব্ৰহ্মাতে বিলীন করিবে। এইরূপে ইন্দ্রিয়গুলিকে ইচ্ছা করি। যাশ্মীকি কহিলেন-ভরদ্বাজ! এলে ইত্রিয়দেবতায় বিলীন করিবে। ভিক্যের অনুসরণ করিয়াই তােমার নিকট মুক্তিপ্রদ এই মহাজ্ঞানের কথা বলিতেছি, এবণ অগ্নি প্রভৃতি দেবগণ ইন্দ্রিয়পশে অবস্থান করিতেছেন বলা কর ,(কারণ) ইহা শ্রবণ করিলে তুমি সংসারসাগরে আর নিষপ্ত হইয়াছে, অকপােলকলিত কল্পনায় নহে। এইরূপে আদেহ হইবে না। যিনি এক হইয়াও সৃষ্টি, স্থিতি, সংহারভেদে বিলয় করিয়া ‘আমি বিরাট এইরূপ চিন্তা করিৰে। ব্রহ্মাণ্ডমধ্যে অনেকরূপে অবস্থান করেন, সেই সচ্চিদানন্দমূর্তিকে আমি নম- যিনি অর্ধনারীশ্বর প্রভুরুপে অর্থাৎ যিনি ব্রহ্মাণ্ডরূপী বিরাটের স্কার করি। এই গৎ প্রপঞ্চ লয় প্রাপ্ত হইলে যে প্রকারে আত্ম হৃদয় পৰমধ্যে সর্বদা অবস্থিত এবং ব্রহ্মবিদ্যা যাহার নারী- তত্ত্ব প্রকাশিত হন, তিনিৰ্দিষ্ট রীতির অনুসরণ করিয়া তেমার মূর্তি) অবস্থিত, সৰ্ব্বভূতের আধার সেই অব্যাকৃত ব্ৰহ্ম জগতের নিকট সংক্ষেপে সেই উপায় বলিতেছি, শ্রবণ কর। তােমার ত কারণ বলিয়া অভিহিত হন। তিনি জগদ্বাসী সকলের পিত পূর্বাপর বিচারুবিষয়ে বিলক্ষণ সূক্ষ্মযুক্তি ছিল, তাহা নষ্ট হইল বলিয়া সকলের জীৰিকোপায়ে অবস্থান কত হকি ও বৃষ্ট্যালি কিরূপে? তােমার সে বুদ্ধি খাফিলে যাহ। বলা হইয়াছে, যজ্ঞষ্টিরূপে অবস্থান করতেছেন। পৃথ্যাদি পঞ্চভূত্রে আবরণ ইহাতেই কয় আমলকী ফলের স্যার অনায়াসে সব জানিতে এই ব্রহ্মাণ্ড অবস্থিত রহিয়াছে, এই ব্রহ্মাণ্ডের বাহিরে পারিতে। আপনা আপনিই মনে মনে বিচার করিতে হয়, দ্বিগুণ পৃথিবী, তাহার বাহিরে বি৭ কল, এলের পর দ্বিত তাহা হইলে সেই পদ প্রাপ্ত হওয়া যায়, যাহা প্রাপ্ত হইলে ভেজের পরে দ্বিগুণ বায়ু, বায়ুর পরে দ্বিগুণ আকাশ এইপে পর আর শােক করিতে হয় না। সৎসঙ্গ, শাস্ত্রালােল ও বিবেক পর ক্রমে প্রত্যেকটীতে ব্যস্ত সমতভাবে এই জগৎ গ্রথিত এই তিনের সাহায্যে বৈরাগ্যযুক্ত মনে ইহা বারংবার চিন্তা করা রহিয়াছে।(যন্ত অপীত, সমস্ত পঞ্চীকৃত) ইহার মধ্যে পার্থি- বাজলে নিপে কৰি জীয়াং। এতে নিক্ষেপ করিবে। উপরে তৈজসাং বায়ুতে, বায়ু অংশ আকাশে, আকাশ সপ্তৰিত্যধিকতম সর্গ সমাপ্ত। ১৭। সকলের উৎপত্তিকাৰণ মহাকাশে নিক্ষেপ করিবে। তৎপয়ে বােগী অবকাল লিঙ্গ শরীরে সেই মহাকাশে অবস্থান করিবে। বাল ভূত, কর্ম, অবিদ্যা, দশ ইত্রিয়, মন, বুদ্ধি এতৎসম অষ্টাবিংশত্যধিকততম সগ। ষ্ট্যাকরীরকে বুধগণ নিরীৰ ৰলিয়া থাকেন । এক্ষপে বাকি কহিলেন,—“শ্রমে কাম-নিষিকৰ্মৰন করিয়া স্কুলেপাখি বিলয় করিয়া অর্থভাবাপন্ন হইয়া ব্রহ্মাণ্ডের বাহিরে বিষয় ও ইলিমে সংশ্লেষবশতঃ যে সুখ তাহা হইতে উপরত গমনপূর্বক (আমি বিরাট এইরূপ অভিমান পরিত্যাগপূর্বক হইয়া নাত, দাত ও শাখাকে এভাবিত হইবে। তাহার পরে দু ভূতাত্মক সমষ্টি ভূত নিশরীরে আমি আত্মা হিরণ্যগর্ত কোমল আসনে সমাসীন হইয়া চিত্ত ও ইন্দ্রিয়ের ক্রিয়াণেপূর্বক এইরূপ চিন্তা করিবে। বুদ্ধিমান যোগী এইরুপে ভূতাত্মক যশ মলের নিসাধন না হয়, তা প্রণব জপ করিবে। সাঁই শিরীরে মুখ হিরণ্যগর্তপে অবস্থিত হয় পরতে তার পরে এর গুড়ির সিমিত প্রাণায়াম কৰিৰে। পরে সমষ্টি লিখীরকেও জাঞ্চীকৃত “ভূতাপেক্ষাও উপাড়ি ক্রিয়গুলিকে ধীরে ধীরে গত বিষয় হইতে নিবৃত্ত করিবে আকারো মায়ানে উপস্থিত চিনাকালে অঞ্জ সেইলি , বুদ্ধিক্ষেত্র ইহাদিগের মধ্যে বেটায় যাহা ফিশীল করিয়া ফেলিবে। ১১। যে অবস্থায় যাহা এই উচিত। ২১-৫।
৭ দেশবাশিরামায়। এগৎ নামরূপনিও হইয়া অবস্থান করে, তাহাকে । কেননা ভিন্ন আর কেহ চিদানন্দময় ব্ৰহ্ম নহে, আমিই কবলে কেহ প্রকৃতি বলেন, কেহ মায়া বলে কে অবিদ্যা একমাত্র পর। ৩১। বাল্মীকি কহিলেন—খে। যদি বলেন, আবার কেহ অপু বলিয়া থাকেন। প্রলয়কালে সূদয় ভূমি সংসারভ্রম দূর করিতে ইচ্ছা, তাহা হইলে সমূহ ঃ পদার্থ সেই অব্যাকুল আনে বিলীন হইয়া পরস্পর সম্বন্ধশূন্য ব্রহ্মে অৰ্পণ করিয়া তাহাতে প্রণয়ী হও; ভরদ্বাজ কহিলেন ভােগ্যতারূপা হইয়া অব্যক্তরূপে অবস্থিত হয়। দিন “হে গুমরা। আপনি যে জ্ঞানের কথা কহিলেন, আমি তৎসম পুনঃসৃষ্টি না হয়, ভগিন তস্বরূপে (অ্যাকৃত স্বরূলে) অবস্থান অবগত হইয়াছি। আমায় বুদ্ধি নিৰ্ম্মল হইয়াছে, সংশয়ওষয় যায়, করে। সৃষ্টি হইবার হইলে আকাশাদিক্রমে সৃষ্টি হয়, সৃষ্টির হইয়াছে, আর বিলম্ব নাই, এণে আর একটু জমিতে ইচ্ছা সংহারকালে আবার তা সৃষ্টির বিপরীত মে সংহার করি বে—অর্থাৎ লজ্জন হইলে বিরূপ ভাবে চলিবে, অমী হইয়া যায়। এইরূপে বিরাট হিরণ্যগর্ত ও অব্যাকৃত-নামক স্কুল কর্ম কি প্রকার ? হে প্রভভ। কাম বা নিত্যনৈকিত্তিক কর্ম সক শ, কারণরূপ সমষ্টিভূত অবস্থায় পরিত্যাগ করিয়া অব্যয় সে সময় করিতে হইবে কিনা, তাহাও বলুন।” বাল্মীকি কহিলেন, তুীয় পদ প্রাপ্তির নিমিত্ত সেই ভুৱীয় পদের ধ্যান করিবে। এই “যে কর্ম করিলে উপস্থিত-কার্কের কোন ব্যাঘাত হয় না, মুমুমুক্ষণ পে লিঙ্গশরীরের লয় করিয়া পরমানন্দরূপ ব্রহ্মে লীন হইবে। তাহা অনায়াসে সম্পন্ন করিতে পারেন। তবে নিষিদ্ধ বা কাম- ভূত(সূ ভূত) ইত্রি, মন, বুদ্ধি, বাসন, কৰ্ম্ম, বায়ু, এই সমুদয় পুৰু কোন কার্য কৰ্ম একেবারে করিতে পারিবেন না। জীন বিশুদ্ধ ব্ৰহ্ম যখন অজ্ঞানাবরণে অব্যাঙ্কত থাকেন, তখনই যখন ব্রহ্মগুণসম্পন্ন হইবেন, তখন নিখিল নােণ পরিত্যাগ লিশল্পীর নামে অভিহিত এজন্য লিঙ্গশরীরেরও মূল ঐ পূর্বক ইলিগ্রামের ব্যাপার শুকরিয়া সর্বগামী হইয়া দেয়, অজ্ঞান ,(কাজেই অজ্ঞান বিয়ে লিঙ্গশরীরেরও বিলম্ব হয়)।” ইত্রি, মন, বুদ্ধিরও যিনি অতীত,—সেই পরব্রহ্মকে সেই ভরদ্বাজ কহিলেন, এতে। এক্ষণে আমি লিঙ্গশরীররূপ শৃঙ্খল পরব্রহ্মই এই আমি ইত্যাকারে ব্যান করিবেন, তাহা হইলে ক্তি হইতে মুক্ত হইয়াছি। আমি এক্ষণে চিলৎশ বলিয়া চৈতরূপ লাভ করিকেন। জীব যখন কা, কান্ট, করণ ইত্যাদি ভাব- অমৃতসাগরে প্রবিষ্ট হইয়াছি। আমি সর্বোপবিবিবতি হইয়া নিখিল উপথিশূ সুদুত হইয়া পড়ে, তখনই মুক্ত পরমাত্মার সহিত অভিন্ন হইয়াছি। আমি কুটন্তু সর্বব্যাপী ন। য জীব সকল ভূতে আপনাকেও আপনাতে সকল ভূতকে কেৱল চিৎস্বরূপ হইয়াছি, আমি চিৎশক্তি নহি। ঘট ভঙ্গ অভিন্নরূপে দর্শন করেন, তখনই মূক্ত হন। যখন জীব জাগ্রৎ, হইলে ঘটাকাণ বা কলসাকাল ক্রমে যেমন এক মহাকাশ হইয়া স্বপ্ন, সুষুপ্তি-অৰু অবস্থায় ভাগ করিয়া তুরীয় আপনে যায় ,সেইরূপ বহু জিতেই যত্বপূৰ্ব্বক উক্ত চিৎস্বরূপ একই প্রবেশ করিয়াছেন, তখনই মুক্তিলাভ করেন। জীবের পরমাত্মায় বলিয়া গিয়াছেন। যেমন অক্সিতে অগ্নি প্রক্ষেপ করিলে দুই তুরীয়ামে যে অস্থিতি, যাহাতে আগ্রৎ-অগ্নাবস্থার বীণরূপ অখিই এক হইয়া যায় , পার্থক জ্ঞান আর থাকে না। (লােকেও) বাসনা, কৰ্মৰা অত্যন কিছুই নাই , সেই চিংমুখমন্ত্রী অবস্থাই অমরূপেই উহা গৃহীত হয় বিশেষরূপে নহে। যেমন কার জ্ঞানযােগের চরমসীমা, সেই চিৎমুখী অবস্থাই পরম সুখানুভব ভূমিতে তৃণালি প্রলে করিলে তাহা লবণ হইয়া যায়ু, সেইরূপ স্বৰূপ ।৪৬–৫১। পুরুষের মন অন্তমিত হইলে জন্ম কিছুই উপ- চেতন এই জগৎ চৈতয়ে নিক্ষেপ করিলে ইহাও সেই চময় লব্ধি হয় না, একমাত্র ব্রহ্মই বিদ্যমান থাকেন। হে মাজ। বাহার হইয়া যায়। ২১-৩। যেমন লবণ বা সৈন্ধব সমুদ্রে মিশ্রিত সুখময় কল্লোল সর্বদা প্রস্ত, তুমি সেই কৈবল্যরূপী সুধাসাগরে হইলে লবণ বা সৈন্ধবনাম ও ফ্লপ হইতে নির্মক হইয়া সমূত্র- মগ্ন হও, তৈজ্ঞানরূপ ঘণবিতরজে ম হইতেছে কেন? ভাব প্রাপ্ত হয়। যেমন জলে জল, ক্ষীয়ে কী, ঘৃতে ঘৃত মিশিলে তুমি আগতের বিভপুরণকারী অগণ্ডক পরমেশ্বরকে ওজন এক হইয়া যায় , যাহা মিশ্রিত করা হইল বিনষ্ট না হইলেও । হে বৎস। বশিষ্ঠ যেরূপ আনমার্গে—যেরূপ যোগমার্গে রামকে যেমন তাহা পৃথকৃরুপে গৃহীত হয় না, সেইরূপ আমি উপরে দিলেন, তাহা পেশায় নিকট সমূহ বর্ণন করি- সৰ্বভাবে চৈতন্যে প্রবিষ্ট হইয়া চৈতন্য হইয়া গিয়াছি। সর্ব লাম। এসে হে মহামতি খাজ! তুমি বাক্যের অবােধ- পরম কারণ নিত্যানন্দ পর ব্রহ্মে জানি নিত্য সর্বগত শান্ত পূর্বক এই অধ্যায়ে বিচার করিলে নিশ্চয়ই মূলত অনিন্দ্য নিরজন নিল নিক্রি শুদ্ধ পরব্রহ্ম হইতেছি, অs সমর্থ হইবে। সেই সকল কা সিত্তি হইয়া থাকে, ইহা পর ও আমাতে কোন প্রভে নাই। আমিই দেয় বেদের আজ্ঞা ; অতএব তুমি সব ত্যাগ করিয়া মনকে দৃঢ়ভাবে উপাদেয় ভেদনিক লিৱিক্রিয় সত্যসঙ্কল্প সত্যরূপী বিজ অভ্যাসে নিযুক্ত কর।” আজ কহিলেন-“হে মুনে। রাম কেবল পক্ষ হইতেছি। আমি পাপ পুণ্য হইতে নিযুক্ত উপাধি ত্যাগপূর্বক গয়ই আত্মতে একতা প্রাপ্ত হইয়াছে, অগতে পরম কারণ অন্য নময় অখিত পরম ভাল এহেন পন্ন রখকে নিৰ বিপে আবার বললাম ব্ৰহ্ম। এইরূপ গুণমুক্ত সবদিলিত সকল বন্ধ আনিলেন”- আনিয়া আমি সেইরূপ অসের নিতি ঘ অন্তরে অবস্থিত পরব্রহ্মকে শ্রবণমনন রুনি কর্মে তৎপর বান বই, যাহাতে বুন সময়ে ওইপ ব্যবহার। হইয়া থান করিতে । এইরূপ ধ্যান অভ্যাস করিতে করিয়ে থাকিতে পারে।” ৫৬। কি কহিলেন-“ৰে পুররে মন অন্তমিত হয়-পরহ্মে লীন । শন অন্ধষি মনৰী সাধু বলে পরিণত হইয়া মিিছল, সেই সময় হইতে আত্মা স্বল্পই একণিত হই নে।• আত্ম বিশ্বামিত্র বিজয় অনিকে কবিনে মলগ এক হইলে নিল দুঃখ দূর হয় এবং আপনাভে এক অনির্বচনীয় । যশি। পল্লি এই যন। আপনার এ (নির আসিয়া উপস্থিত হয়। এইরুপে যােগী নিজেই আনন্দময় আর উৰ যি শক্তি) | সই কইল। চিনি । প্রাপ্ত হন; তাঁর করে আকাশ হইলে জিনি অন্তি করিয়া উণে এনান, শনি, এমন কি লিখিত ।
৩ নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ। শাব-ভাষ সমাবেশ করিয় দিতে পারেন, অর্থাৎ শিকে পঙ্গু চিরদুখীহইবে। বীকি কহিলেন, বিশ্বামিত্রের এই কথা শ্রবণ যায় অজ্ঞানী করতে পারেন, তিনিই প্রকৃত গুরু। রামও করিয়া তাবিত বণিষ্ঠ এভূতি যােগীগণ ও অন্য সকলে আপনার একজন সৎশিষ্য। গ্রে নিজেই সংসারবিরাগী রামের ভবিষ্যৎ ঘটনা সকল অবগত হইয়া রামচন্দ্রের চরণকমলে বিশুদ্ধাত্ম হইয়া বিভ্রান্তিলাভের আকাক্ষা করছিলেন, সেই অর্থেগ্রহণপূর্বক তাহাকে স্মরণ করিতে লাগিলেন। বশিষ্ট ও জন্যই উপদেশমাত্রেই পরমপণ প্রাপ্ত হইয়াছেন। কেবল যে অত্যান্ত মহর্ষিগণ রামচন্ত্রে বিষয় যাহা শুনিলেন, তাহা শুনি গুরূপদেশে জ্ঞানেলয় হয়,তাহা নহে,এ বিষয়ে বিষের বুদ্ধিবৃত্তি পুর্ণতৃপ্তি প্রাপ্ত হইলেন না, আরও অনিবার জন্য স্পৃহা রহিল। মিশিগালে থাকা আক। বি কাম, কর্ণ ও বাসনারূপ মলয় তৎপরে ভগবা ৰণিত ঋৰি নিধি রামচক্রে গুণরাণি শ্রবণ শােধিত না হইলেই বা কিরূপে বুঝিবে ? গুরু শিষ্য উভয়েই করিয়া মনে মনে ভাহার বর্ণন কর বিশ্বামিত্রকে কহিলেন। উপযুক্ত হওয়া আবশ্যক, তাহা হইলেই ঈদৃশ সুফল লাভ ঘটিয়া “হে মুনে বিশ্বমিত্র। কমলােচন রাশ, আত্ময়ে কে ছিলেন— ঋকে; উপমুক্ত গুরুশিষ্যের সংযােগে শিষ্যের ঈশ জ্ঞান লাভ দেবতা না মনুষ্য ।।৭৮-৮০। বিশ্বমিত্র কহিলেন, “হে মুনে। অনেক খুলেই দেখা গিয়াছে। হে মুনে। এক্ষণে কৃপা করি আপনি এই রামকে ভগবান্ বাসুদেব বলিয়া বিশ্বাস , ইনিই রামকে ব্যথিত করুন (সমাধি ভঙ্গ করিয়া দিন), রামের দ্বারা সেই পরম পুরুষ, ইনি অগতে হিতে অন্য সমুদ্র মন্থন করিয়া- আমার কাৰ্য রহিয়াছে, আর ঈদৃশ কাৰ্যে (গমের বুখান ছেন, ইহার নিগঢ় তত্ত্ব গভীরাকার উপনিষত্ ব্যতীত আর বিষয়ে) আপনিই সমর্থ হইবে, যেহেতু আপনি পমপদে কেহই বলিতে পারে না, ইনিই পুর্ণানন্দময় শ্রীবৎসলাঞ্ছিত পর পরিণত বহিছেন (ব্রহ্মরূপে অবস্থান করিতেছেন। ৫৯-৬৫। ব্ৰহ্ম। ইনি দাদিত হইলে নিখিল প্রাণীর সমুদয় পুরুষার্থ খন হে বিভাে। আমি যে কাৰ্য্যের উদ্দেশে আসিয়াছি, বােধ করিয়া দিতে পারেন। ইনিই মিথ্যাভূত এই অগীয় মিখ্যা হয়, আপনার তাহা মনে আছে এবং সে কার্যের জন্য রাজা পদার্থচ্চিয়ের সূজন করেন, কুপিত হইয়া আবার নষ্ট করেন, দশরথকে অতিকষ্টে প্রার্থনা করিয়া রাখিয়ছি, তাহাও বােধ হয়, ইনি বিশ্বের আলি, বিশ্বের জনক, খ, ভর্তা ও সকলের মহাব। আপনার স্মরণ আছে। হে মুনে। আপনি বিশুদ্ধমনা, আপনি যাহারা বিচারলে আর মিথ্যা এই সংসারন্ধন গণ্ডল করিয়া আমার উচ্চ বিফল করিবেন না। কেবল যে আমার স্বার্থ, জগৎকে ফাকি দিয়াছেন, (জগতের সঙ্গ ত্যাগ করিয়াছেন। সেই সাধনের জন্য বলিতেছি ৷ নহে, বাম অনেক দেৰ কাৰ্য্যও বীতরাগ মুনিগণই ইহার মহিমা অবগত আছেন। ইনি কোথাও সাধন করিকেন , রাম অবতারের কার্য সম্পন্ন কবিকেন, আমরা আসুপ্রতিষ্ঠিত মূক্তরূপে অবস্থিত, কোথাও তুরীয়পদ নামে মাত্র ইহার সহায়তাকবি! রামকে আসিদ্ধাশ্রমে লইয়া যাইব, অবস্থিত, কোথাও প্রকৃতিরূপে অবস্থিত, কোথাও বা প্রকৃতি রাম তথায় গিয়া রাক্ষস বধ করিবেন, অহল্যাকে মুক্ত করিবেন, পুরুষরুপে অবস্থিতি করিতেছেন। ৮৯৫। ইনিই ত্রয়ীময় এবং থর্ভ কৰি তাহার পণস্বরূপ জনকললিনীকে বিবাহ করি- বেদ, ইনি জ্যৈরূপগহন অতিক্রম করিয়াছেন, কেন, বিবাহের পর পথিমধ্যে রাম আমাগ্যের পরলােকমার্গ বেদের পার্থসার-স্বরূপ এই অদ্ভুত পুরুষই শিক্ষাকালি নােধ করিয়া দিবেন। তাহার পরে ৰীত হইয়া পিতামহাদি বড়বিৎ অজেয়যুক্ত হইতেছেন, ইনিই চতুৰ্বাহ পালন- ক্রমে অধিকৃত অজ্য পরিত্যাগপূর্বক নির্ভয়ে বনে বাস করতঃ কর্তা বিষ্ণু, ইনিই বিষ্টা চতুর্মুখ ব্রহ্মা, ইনিই সংহারকর্তা দণ্ডকারণ্যবাসী প্রাণিগণের উদ্ধার করিবেন, বিবিধ খান ত্রিলােচন মহাগেৰ। ইনি অজ হইয়াও মায়া শজিবনে অত পবিত্র করিবেন। এর পরে রাবণ কর্তৃক সীতাহরণ-প্রযুক্ত হইয়া থাকেন; ইনি সর্বদা জাগরুক ( মােহ নিদ্রায় কপি দুর্গতিলে রাবণাদি বধ করিয়া স্ত্রীসঙ্গীলিগের কদূর শােচনীয় আবৃত হৰ না), এই ভগবান রাম রূপবিহীন হইও বি- দশ ও অস্বাস্থ্য হয়, তাহাও দেখাইবেন। বুদ্ধমৃত গরু বানালির রূপ ধারণ করিয়া সকলকে পালন কক্কিতেছে। বিক্রম যেমন জীবন দান কবেন। ৬৬–৭০। নিজে জীবন্মুক্ত, অতএব অবশ্যম্ভাবী বিজয় বহন করে, তেজ যেমন প্রকাশ ধৰ্ম বহন নিস্পৃহ হইলেও কর্মকাণ্ডপরায়ণ হইয়া সীতার চরিশুদ্ধি করে, শাস্ত্র যেমন বুদ্ধির উৎকর্ষ বহন করে (অর্থাৎ বিক্রমে যেমন পীকা কবির নিষ্টাচারপতির পালন করিবেন। জ্ঞান এব জয়, তেজ যেমন সর্বদা প্রকাশ এবং শাম্রালােচনায় যেমন যেমন মুক্তির কারণ, কর্মও সেইরূপ মুক্তির কারণ, ইহা বুদ্ধিবৃত্তির উত্তেজনা নিশ্চিত হয়। সেইরূপ বিনতানন্দন গরুড় ইলি নিজে জ্ঞান ও কর্মের পালন করিয়া লােৰুকে শিক্ষা ইহাকে বহন করে। এত এই দশরথ। যাহার, পুত্র পরমপুরুষ, দিবেন। যাহারা ইহার দর্শন, নাগরণ, এৰণ এবং ধষ্ণ সেই দশানন। এই রাম যাহাকে এভিযােকাপে চিন্তা ইহার চরিত্রের অনুকরণ করিবে, এবং ইহাকে ভক্তি করিবে; করিবেন। ৮। হা স্বর্গ! তুমি এক্ষণে এই মহাপুরুষের ইনি সে সাত লােক যেরূপ অবস্থায় থাকুক না কেন, তাহা শর্ণে বতি আছ; হায় অনন্তদেবও পাতাল হইতে আসিয়া দিগকে দূক্তি প্রদান কল্পিবেন। মহাত্মা রামচন্দ্র এইরূপে আমার লক্ষপে অবতীর্ণ হইয়াছেন। ইহাদের আগমনে মধ্যম তােক এবং নিৰিল ত্রিকোণীর অশেষ কল সাধন করিবেন। (মলােক) আজ সকলের শ্রেষ্ঠ হইল। অৰী মহাপুরুষ ৭১-৭৫। হে নিখিল জনগণ। গেষরা এই মচকাকে লঙ্কার আজ রাতে বীর্ণ হইয়াছেন, এই কাম চিলান অব্যয় কর, তাহা হইলেভােৱা সর্থে লাভ কৰিৰে, আমি আশা আত্মা, নিয়তক্রিয় যােগীরা রামের অবগত আছেন, আমরা করি, তােমাদের মধ্যে কে কে রামের জীবন্মুক্ত হইয়া ইহার প্রকৃত কিছুই জানিনা, আমরা ইহাকে আকৃষ্টরূপেই দেখিতে জানি। আমরা শুনিয়াছি; খুব পবিত্র করিবার * মূলে পাঠছে মেলা ভাহাত, পাঠ এই ভূতলে এই অংশে অবতীর্ণ হইয়াছেন। হে বশিষ্ঠ। এমন “রামেই। আপনি রামকে ব্যবহার করুন। বাকি কহিলেন- ৫৬ বােগবাষ্ঠিরামায়ণ মহামুনি বিশ্বামিত্র এই বলিয়া বিরত হইলে মহাতেজঃ বশিষ্ঠ সন হইতেছি না, তথাপি আপনি যাহা বলিলেন, তাহা রামচকে কহিতে লাগিলেন।১১-১৫। "হে মহাবাহহ। আমাকে অবশ্যই করিতে হইবে। যেহেতু হে মহামুনে। বেদ, চিন্ময়। মহাগুন। বাম রাম। উঠ, লেমার এখন আত্মবিশ্রান্তি পুৰাণ ও স্মৃতিশাস্ত্রে বাক্যই বিধি ও বিপরীত কাৰ্য যে লাভের সময় নহে, তুমি (ব্যবহার না থাকিয়া) লােকের প্রীতি বলিয়া কীর্তিত আছে।” সাজা দয়ানিধি রাম এই বলিয়া বনিক, এতদিন তােমার আপনার কর্তব্য লৌকিক ক্রিয়া মহাত্মা বশিষ্ঠদেবের চরণ গণপূর্বক পুনরায় বলিলেন,-“হে সম্পন্ন না হয়; ততদিন বগীর স্যায় সমাধিময় হইয়া থাকা সভাসদগণ। আপনারা সকলে অষণ করুন, ইহাতে আপনাদিগের সমুচিত হৈ, লৌকিক কাৰ্য্য সম্পাদন করা অর্থেও কর্তব্য। মন হইবে ইহা সুনিশ্চিত; আপনারা অনুন যে, জ্ঞানী গুরুর অতএব হে বৎস! তুমি কিালরাত্যাদি বিষয় সকল ভােগ নিকট হইতে আত্মজ্ঞান লাভ করা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট কাণ্ড আর করিয়া তাহার পৱে সমাধিষয় হইও, এক্ষণে দেৰকাৰ্যাদি সম্পাদন নাই।” ১০১-১০৫। সিদ্ধপ্রমুখ সকলে উত্তর করিলেন, “রাম! কর, সুখী হও।” বাশ্মীকি কহিলেন-পরব্রহ্মে লয়প্রাপ্ত রাম এই আমাদের সকলের মনেই এই ধারণা আছে, এক্ষণে তাের পে অভিহিত হইয়াও যখন কিছুই উত্তর প্রদান করিলেন না, অনুগ্রহে এই ধারণা আরও সুদৃঢ়রূপে বন্ধমূল হইল। হে মা- তখন বশিষ্ঠ সুমুয়ালাড়ী দিয়া আস্তে আস্তে রামের হৃদয়পুণ্ডরীকে রাজ রামচন্দ্র। তুমি সুখী হও, তােমাকে নমস্কার, এক্ষণে প্রবেশ করিলেন। ইহার পরে বশিষ্ঠদেবের প্রক্রিয়ালে প্রথমে বশিষ্ঠদেবের রুনুমতিক্রমে আমরা যথাস্থানে গমন করি।” বাল্মীকি প্রণালির বীজস্বরূপা আধাশক্তিতে প্রাণের ও মনের আবির্ভাব কহিলেন, এই বলিয়া সকলে রামচন্দ্রের প্রশংসা করিতে করিতে হওয়ায় তাহাতে চিভাসপে অনুপ্রবিষ্ট হইয়া রামনামক জীব প্রস্থান করিলে; রামচন্দ্রের মন্তকোপরি পুষ্পবৃষ্টিতে লাগিল। প্রাণ হারা সমু নাড়ীরন্ধ্রে প্রবেশপুর্বক নিখিল ভঞ্জনেন্দ্রিয় ও হে অজ। তােমার নিকটে রাষচক্রের আবিশ্রান্তি কথা- কলির সকল পরিপুষ্ট করিয়া ধীরে ধীরে নৱনৰয় উন্মীলিত রূপ অমৃতসমূণৰ বৰ্ণন করিয়া বলিলাম, তুমিও এইরূপ যােগে করিলেন। তৎপরে বশিষ্ঠানি ময়ীষিগণকে সম্মুখে উপস্থিত দেখিয়া সুখী হও। তােমার নিকট বণিদেবের বিচিত্র উপদেশাবলিরূপ জাহারা কি বলেন, তাহার প্রতীক্ষা করিতে লাগিলেন। নিজে কু প্রথমালা যাহা প্রকাশ করিলাম, রাম রামচন্দ্র বাহাতে সিদ্ধিলাভ কুভ্য হইয়াছেন বলিয়া তাহার কোন প্রকার ইচ্ছা বা “ইহা কৰ্তব্য, করিলেন, এই বিচিত্র উপদেশাবলি নিখিল কৰিলেয় ও নিখিল ইহা অকৰ” ইতালি প্রকার বিচারশক্তিও ছিল না; যােগীর সেব্য, পরমগুরু কৃপাকটাকে ইহা মুক্তি প্রদান করিতে এজন্য নিজে কোন কথাই বলিলেন না। ১৬–১০০। তৎপয়ে সমর্থ। যে ব্যক্তি প্রতিদিন এই রামবশিষ্ঠসংবাদ শ্রবণ করে, বশিষ্ঠ পুনরপি ঘামকে সম্বােধন করিয়া পূর্ববং উত্থানের কথা সে যে কোন অবস্থার কে হউক না কেন, শ্রবণমাতেই মুক্ত বলিলে ভগবান রামচন্দ্র গুরুবাক্য বলিয়া তাহা অবহিতটিতে হইয়া পত্র প্রাপ্ত হইবে।১০৬-১১। শ্রবণপূর্বক কহিলেন,-প্রভে' আপনার অনুগ্রহে আমি শাকিসত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১২৮। নিষেধ ৰা বিবি কিছুই জানি না; অর্থাৎ কোন্ কা করিতে হইবে কোন কাৰ্য করিতে হইবে না, এ সকল কিছুই বুঝিতে নিৰ্বাণপ্রকরণে পুৰ্বভাগ সমাপ্ত যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ নির্মাণ। উত্তরভাগ। স্পন্দিত হইও। ১১•। আমি হও উত্তােলনপূর্বক এই যে প্রথম সর্গ। উচ্চ টীকার করিতেছি, এই যে এত হিতকথা বলিতেছি ,বােধ রাম কহিলেন,—“ক্ষন। দেহাদির উপরে অহংভাব-কলা হয়, ইহা কেহ শুনিতেছে না,কাহারও ভাল লাগিত্রে না ; পরিত্যাগপূর্বক সমুদয় কম পাস করিলে ত দেহীর দেহই থাকে পি আমি বলিতে ছাড়িব না; আরও বার বার বলি-সঙ্ক- , অতএব জীবদ্দশায় কল্পনাত্যাগ কিরূপে সম্ভব হয়, তাহা ত্যাগ করই পরম শ্রেয়ঃ, অতএব ব্যহাতে সঙ্কলত্যাগ হয়, আমাকে বলুন। বতি কহিলেন জীবদ্দশাতেই ও কল্পনাত্যাগ, সেইরূপ ভাবনা কেহ করিতেছে না কেন? (বুবিয়াছি, মোহ যাহার জীবন বাই, তাহার আবার কলত্যাগ কি? হে রাম। বশত সেরূপ ভাবনা কেহ করিতেন।) যােহের কি অদ্ভুত এই কল্পনা ত্যাগের যথার্থ অর্থ তুমি এখনও বুঝিতে পার নাই, মহিমা! সর্বহা বিচাৱনামক চিন্তামণি হৃদষধ্যে থাকিতেও ( এই জই এইরূপ জিজ্ঞাসা করিলে, এক্ষণে বলিতেছি, শ্রবণ সকলে তাহা হেলায় হারাইতেছে। হে রাম। তোমাকে বার ক-শ্রবণ করিয়া ইহা কর্ণের অলঙ্কারস্বরূপ করিয়া রাখ। শয় বলিতেছি , তুমি অসঙ্কল্পময় অভাবনাময় (ৰাকৰক্তর কতজ্ঞ পণ্ডিতেরা অহংজবকেই কবলিয়া থাকেন, সেই ভাবনা ভুইয়া অবস্থান কর। যাহা বলিলাম,—ইহাই পরম অহংভাষকে-কাশ অর্থাৎ অপরিচ্ছিন্ন ব্রহ্মরূপে ভাবনা কয় শ্ৰেষ্ণ কি না, তাহা একবার নিজে অসুল করিয়া দেখ। কেই সঙ্কলত্যাগ বলে। বাহ্ন পাৰে অনুভবকেই কল্পনা- হে রাম। বাহার নিকট সাম্রাজ্যও তুচ্ছ তৃণের ন্যায় অসার, বিদেরা কল্পনা বলিয়া নির্দেশ করেন। সেই অনুষকে কেবলমাত্র চুপ কলি..খলিটু যদি সেই পৰম পদ আকাশরূপে ভাবনা করাই কানাভ্যাগ। সাধুগণ দেহাদি - পাওয়া যায়, তাহা লা কবিরকে কোন এক দেশে গমন বন্ধুর প্রতি আত্মাভিমানকেই কল্পনা বলেন, সেই অভিমানকে করিতে ফুসফল পঞ্জিক পথােপরি পদসঞ্চালনে (পদস্পণে ) অপরিঙ্গি শু ব্ৰহ্মভাবে ভাবনাই সঙ্কভাগ শকে অভিহিত যেমন কোন সঙ্কজ নাই, তাহার সঞ্চল কেবল সেই অভীষ্ট হয়। যেমন প্রত্যক্ষন—অর্থাৎ বর্তমান দৃশ্যের ভাবনাকে সঙ্কন দেশে উপস্থিত হও, সেই তুমি সঙ্কল হইয়া পথিকের বলা হয়, সেইরূপ তুমি অপনােক্তজ্ঞান স্মৃতিকেও সঙ্কল্প বা কান পদসঞ্চালন্দের স্থায়, কর্ণ কর।১১-১৫। ভূমি সমুদয় কৰ্ম্ম- বলিয়া জানিও , সাধুগণ উক্ত স্মৃতির অভাবকেই শিৰ ব্ৰহ্ম বলিয়া চলেকাজা পরিত্যাগ করিয়া সুপ্ত ব্যক্তির প্রায় সংস্কার- জানেন। অতীত ও অনাগত বিষয়ের জনকেই স্মরণ বলা হয়। কেবল উপস্থিত কৰ্মমাত্রই করিবে, কিন্তু তাহাতে বুজি হে মহাম। তুমি উক্ত প্রকার ভূত-ভবিষ্যৎ-বর্তমান বিষয়ের রাখিবে না, বুতি স্থাপন করিবে সেই অপরিমি চিলাকাশে। ভাবনা পরিত্যাগ করিয়া, সমুদয় বৃন্তু একেবারে ভুলিয়া গিয়া যেন আগলির আপনা হইতে কোন চেষ্টা ৰা পাজি নই, কাষ্ঠবৎ নিশ্চল হইয়া অবস্থান কর। তুমি সমুদয় বন্ধুর স্মৃতি কেবল কাজের সংঘােগে বা বায়ুসঞ্চালনে সঞ্চালিত হইয়া স্বরূপ হইয়া ও শিশু শব্দের অপুর্বক কেবল স্পন্দিত হয়, সেইরূপ তুমি সফল না করি, সুখ দু গ্রানা উপস্থিত অত্যন্ত নিত্যকাৰ্য ব্যবহার করত অবস্থান কর। করিয়া বুদ্ধিপূর্বক সংস্কারবশে কেবল উপস্থিত নেই শলিত ফুলালচক্র (চবি) কোন 'সত না থাকিলেও হও। যেমন আপন কৌতুক উৎপাদনে এ নৃতকারী অভ্যাসশে ঘূর্ণিত । হে অনখ। তুমিও ক্রপসনা কাঠপুত্তলিকা য় বসবােধ হয় ন; কেননা তাহার ব্রাখিয়া অভ্যাস—অর্থাৎ পুসংস্কার বা উপস্থিত নিত্য তো নাই, সেইরূপ ভােমাৱও উক্ত কর্মকরসময়ে তে থাকু। বাবিক তােমারু চি নাই, বাস ডিভের (কাষ্ঠণিকার নৃভ্যর্শক) লােকের মত রুবােকৗতুক সংস্কারমাইকেল যােতে আঁকান কল্লিতেছে; সেই সম্ভাৰু লােখ কেন নায়। জেলার সাইলি হেমন্তকালে বেগে কে সমস্ত ঘােমাতে আমি লাগিকে কে তাহাতেই তার মত নীরস এর আকারনাত্রে পরিলকি হউক।
যােগবাতি-রাম। ৫ . না; । শীতকালে সৌরতাপে বৃক্ষ যেমন রস লয় জড়িত ও অন্না হইতেই এই প্রতিভাসিক দৃশ্যব; কিন্তু এই দুণ্ডের নিজেও ৰসত হইয়া থাকে, সেইরূপ তুমিও জ্ঞানভান্তরের কোন স্বরুপ নাই; অলীক। জগৎ-নামক এই যে এক উত্তাপে রসহ প্রাণাদি বর্গের সভাত্রে কাষ্ঠপুতলিকাবৎ দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, ফলে ইহা সুবর্ণের বলয়কের স্পন্দিত হইয়া অবস্থান কর'১৬-২০। হেমন্ত-ঋতু যেমন শিবমষ আত্মা হইতে পৃথক কোন বস্তু নহে। ইহাকে পৃথক বাস অন্তঃসরস ভক্ষসকল ধারণ করে, সেইরূপ তুমিও রূপে না আনাকেই সাধুগণ ইহার কম বলিয়া থাকেন। অন্তরে বরণত ইলিয়সকলকে চিদ্রসে অসিত করিয়া ধারণ ইহায় ক্ষয় হইয়া গেলে, একমাত্র সত্য সেই পরব্রহ্মই অবশিষ্ট কর। যদি তুমি ইলিয়সকলুকে বারসে রসিভ করিয়া রাখ, তাহা থাকেন। ৩৪-৩৭। হইলে কোন কৰ্ম কর আর না-ই কর, তােমার সংসাররূপ এখন সর্গ সমাপ্ত। ১। শিকিছুতেই উপশান্ত হইবে না, যদি তুমি বায়ু, অগ্নি ও জলিলাদি অচেতপদার্থের স্থায় সরুলশূন্য হইয়া স্পন্দিত হইতে শার, তাহা হইলে তুমি অনন্ত শ্ৰেমেলাভ করিতে সমর্থ হইবে। বসনা হইয়া অভ্যাসবনে নিও ব্যবহা-কর্মে দ্বিতীয় সর্গ। যে কর্তৃতা, ইহাই পরম ধৈৰ্য, এই ধৈর্য্য ধরাই জমজর বশিষ্ঠ কহিলেন—“রাম। যাহা অদ্বৈত, যাহা একতা, নিবারিত হয়। বাসনা-সঙ্কশ হইয়া যথাপ্রাপ্ত কয়ে একমাত্র শান্ত, মননশৃঙ্গ, পরমার্থদৃষ্টিতে তাহাই আত্মস্বভাবে অনুসরণ করত কুলালচক্রের ভ্রমণের স্নায় স্বীয় নিত্য কর্মে অবস্থিত। পুত্তলিকা-সৈন্য যেমন কর্দময় কর্দমেরই রূপান্তর ; স্পন্দিত হইও। ২১৫। কৰ্ম্মফলের দিকে বুদ্ধি রাখিও এই জগৎও তেমনি ঐ শান্ত শিব আত্মারই বিবর্ত। মন, কৰ্মত্যাগ করাতেও কোন ফলাকাজা করিও না, ফল অহঙ্কার, বুদ্ধি প্রভৃতিরূপ চিত্ত আত্মময় , ঐশিষ-অজ্ঞাতেই কথা, কলাকাজা না রাখিয়া কৰ্ম্ম করা বা না করা,উভয়ই এই সমস্ত কাল, ক্রিয়া, আকার শক্তি প্রভৃতি মালার কায় সমান , ফলাকাঙ্ক্ষা যদি ত্যাগ করিতে পারি, তাহা হইলে গ্রথিত রহিয়াছে। বাহরূপ, আলােক, মন প্রভৃতি সমস্তই ঐ তুমি কৰ্মত্যাগ না করে অনুষ্ঠান, যেরূপ ইচ্ছ, সেইরূপই শিবময় আত্মপঙ্কেরই বিকার জন্য এই রূপার্পিও ভন্ময় ও করিতে পার। অধিক আর কি বলব, সংক্ষেপে সায় অনন্ত। অতএব ইহার অনুভবকারী আর কে কিরূপে হইতে কথা বলিয়া রাখি যে, সঙ্কলই মনােবন, আর সঙ্কল্পের পারে? প্রমাণ, প্রমেয়, প্রমাতা, গে, কাল, কি, ভাব, অভাবই মুক্তি। এই সংসারে কৰ্ম ৰা অক কিছুই নাই, অভাব, বিবর্ত প্রভৃতি সমস্তই ঐ শিব-আত্মময়। অতএব ঐ আছে কেবল একমাত্র শিব শান্ত এ সময় অনন্ত আত্মা। সৰ্বসার আত্মরূপ পরমেশ্বরইতে পৃথক ‘আমি আমার'-নামক অতএব তোকে নৃতন কিছুই হইতে হইবে না, তুমি যেমন আর কিছুই নাই। অতএব তুমি অনাসক্তচিত্ত হইয়া পাষাণের আছ, তেমনই থাক। তুমি কে একরুপে অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় ব্যয় নিশ্চলভাবেবস্থান কর। ১-৫। রাম কহিলেন,-প্রভাে। ব্রহ্মরূপে এবং অকৰ্ম্ম অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় ব্রহ্মকেই অবশ্যকর্তব্য যিনি আমি” “আষা ইত্যাকার অসং ভাবনা পরিত্যাগ করিয়া- কপে জ্ঞান কত যস্থিত চিপেই যথাসুখে অবস্থান কর। তে, সেই জ্ঞানী মহাপুরুষের কর্মকরই বাকি অশুভ সাংগণ দৃশ্যৰ অভাককেই চিত্তম এবং অকৃত্রিম যােগ আৰু কৰ্ম্মত্যাগ করতেই বা কি শুভ হইতে পারে। আমার (ব্রহ্মদ্বারপ্রাপ্তির উপায় নিয় জানেন। অতএব তুমি বােধ হয়, তাঁহার পৰুে কৰ্মত্যাগ ও করণ দুইই সমান। বশিষ্ট একুসুজাৰে .ছেরা ভাগ করিয়া কম কহিলেন-হে অনুষ। আপাতঃ তােমাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা হইয়া থাক। ২৬-৩০! যখন সম শান্ত শিৰ একত্বিপরিশু করি, যদি জানত না দেখি, তুমি কর্ম কাহাকে বল? কর্মের বিশুদ্ধ অনন্ত আত্মতত্ত্ব ছাড়া আর কিছুই নাই, তখন কে আর বিস্তারই বা কি? হার মূলই কি প্রকার ? সেই মূলেরই বণি কি জন্য খেদ করিবে ? মরুভূমিতে অর স্যায় ভোেমাতে ফিনাশ করিতে হয়, তাহা হইলে কল দেখি, কিরূপে সেই মূলের সরে উল না হউক; পাষাণগর্ভে লতার গল্প তােষাতে বিনাশ হয়? রাম কহিলেন-হে ভগন। যাহা নাস্ত, আহত ইচ্ছার উল না হউক , তুমি যখন বহুভকাশ সমূলেই বিশিত হইতে পারে, তাহার আর খালি কর্তন ৰ, তখন তুঝি জীবিই থাক, আর অজীবিতই এক, ক বি করিতে হয় না। বুদ্ধিমান ব্যক্তি শুভাশুভাক তােমার কোন কাধেই একােজন নাই এবং কর্ম না করা নিজ কর্ম সমূলেই বিশিত করিতে পারেন, কোন প্রয়ােজন নাই। ৩১-৩৩। যখন তুমি কর্ম ও একম সহজে একবারে নষ্টও হইতে পারে। হে ব্ৰহ্মন। কালের উভয়েরই বাত্মক এবং শাশ্বত রূপ, তখন তুমি প্রতি মূল কি-তাহা বলিতেছি এবণ করুন , মূল কি,-তাহা বলিতেছি এষণ করুন , সেই সকল উৎ সিক কীরূপ হইলেও বাস্তৰিক তােমাতে কর্মতা নাই এবং পাকিত করিতে পারিলে ঐকব আর অরিত হইতে পারে কারণে বিবর্তিত হইলেও বাস্তবিক তােমাতে কত্ব নাই। না। হে ব্ৰক্ষন।'এই যে, ইহাকেই আমি বুলি কথা বলিতেছি, আমি আমার'-এইরূপ জ্ঞান তােমার বুঝিয়াছি, এই সরকানে জমিয় কে। পানি থাকিবে, ততক্ষণ তুমি দুখৰূক্ত হইতে পারিবে না, বন অনিচ ইহার শাখা। ১২। এজয় এই নেহরুকের নােয় আমি আমার আম বিদূষিত ইৰে, জনই তুমি বুখপ; মুখ- ইয়া ফকির, ককালের এ এই ইৰে; এক্ষণে মাের যা ইচ্ছা তাই কর। বন যৌবনশােভ এনােহ, ইয়া উঠে; বার্থক্য কি আমার দিয়া কোন পাই নাই , বিকসিত হইয়া একে। এতিমুহুর্তেই কাল এ পাপ পিৰ পাৰ ; সেই ভি উ মরে যায় বিশ্ব য়; যেতে নির্বাণ--এক-উত্তরভাগ এর এক । ইহার স্বরূপ পত্ৰসকল সঙ্কুচিত হইয়া থাকে। বার্ধক্যরূপ আপনিও আশ্নকে বলিয়াছেন; আমি যাহাকে কর্মমূল বলিয়া শরৎকাল উপস্থিত হইলে, এই হরঙ্গের পর্ণসকল নির্দেশ করিলাম, আপনি আমাকে তাই বলিয়া দিছিলেন। করিয়া যায়। অগপ সমধ্যে এই বক্ষ অমিয়া থাকে, ১৯-৩০। বশিষ্ঠ কহিলেন, আখৰ। এই চেতভামুখী চিৎ- কলএরূপ পরগাছা এই বক্ষ এড়াইয়া থাকে। হপালি স্বরূপ সূক্ষ্মকৰ্ম্ম, দেহের অবস্থিতি পর্যন্ত ইহার ভাগইনাকিমার ইহার রক্তবর্ণ পলব, ঈষৎ রক্তবর্ণ সুরেখাসমৰিত হতপদ অনুষ্ঠানই বা কি? ঐ চিৎ অন্তরে বা বাহিরে বেরূপ অনুভব তঙ্গ এই বৃক্ষের চঞ্চল পত্র। অন্তরে স্নায়ু ও অস্থি দ্বারা লিপ্ত করে, তাহা অসত্য হইলেও ভ্রান্তি আকারে নৃশ্য হইয়া কোমল মসৃণ মূর্তি, কুমনীয় অঙ্গুলীসক। ইহায় সমীরণসঞ্চালিত থাকে, অমনি অহা সত্য হইয়া উঠে। খলি ভাদৃশ অনুভব না কোমল পল্লব। মণীক্ষাগ্র দ্বিতীয় চক্রের ন্যায় দর্শনীয় কোমল রাখে, তাহা হইলে আর এরূপ ভৰে পতিত হয় না, চিভিন্ন এই নখপক্তিইহার কলিকা (কোরক)। এই কলিকাগুলি পুনঃপুনঃ যে ভ্রান্তি, ইহা সত্য কি মিখা, তাহা বিবেচনা করিয়া দেখিবার উৎপন্ন ও ছিন্ন হইয়া থাকে। ১৩-১৮। পুর্বকৃত কর্মই এই আবশ্যক করে না। কেননা, এই চিৎই উক্ত ভ্রান্তিরূপে সিফাস- গেহাজপে উৎপন্ন হয়, ইহার মূল-কর্মেশ্রিয়সকল। ঐ প্রাপ্ত হয়, বাসনা, ইচ্ছা, মন, কয়, লইত্যাদি উহার মূলগুলির মধ্যে যে গুলির ছিদ্র আছে, সে জল কামাদিসর্পের নামান্তর। দেহীর দেহগৃহ যতদিন থাকিবে, ততদিন সে প্রবুদ্ধই বাসস্থান হইয়া দুষ্ট হইয়া যায়। যে গুলির ছিদ্র নাই, সে হউক আর অপ্রলুদ্ধই হউক, অস্থার চিত্ত থাকিবেই, কিছুতেই ওলির গ্রন্থি আছে। ইহার মধ্যে কোন কোন মূল সুদৃঢ় তাহাকে ত্যাগ করা যাইবে না। ৩১-০৫। অস্থিরূণ গ্রন্থি যারা ষদ্ধ, কোনগুলি পঙ্কমগ অর্থাৎ অন্নর কথা, চিত্ত লইয়াই ত জীবন, অতএব জীবদ্দশাতেই বা কিরূপে পরিপূর্ণ। উচ্ছায় রক্তরূপ রসপ্রবাহ বাসনা আরা পীত হইয়া তাহার ত্যাগ হইতে পারে? তৰে “আমি আসল অধিভী কুটস্থ যায়। বাঁধনে কৰ্ম্ম করিয়া দেহীরা দেহের রক্ত শুকাইয়া চত” আমি নিস্ক্রিয়-কিছুই করিতেছি না। এইরূপ ভাবনায় কেলে। উহার মধ্যে কোন কোন মূল গুলমুক্ত (চরণস্বয়), কোন কর্মপ্রতিপাদ্যবিষয়ের ভাবনা আগ করিতে পারিলে কর্ম মূল বেশ সুদৃঢ়। কোন কোন মূল সুন্দর ত্বকে আবৃত এবং ও কৰ্ম্মরূপ বিকল্প পরিত্যাগ করিয়া কমে নিলেই অজ কোমল। ভগব। আমি ঠিক করিয়াছি যে, ঐ কৰ্ম্মেলিয়রূপ | আত্মরূপে পর্যবসিত হওয়া যায়। এতদ্ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে মূলগুলিরও আবার নেলিয় নামে কতকগুলি মূল আছে। কৰ্মত্যাগ করা সস্তাবিত নহে; অন্য রকম উপায়ে কর্মত্যাগ ঐ জ্ঞানেন্দ্ৰিয়ৰূপ মুলসকল সুদূরবর্তী বিষয়ে উৎপুর হইলেও করিতে গেলে তাহার কিছুই করা হয় না। দৃশ্যপ্রতিভাসের ( দূরবিসয়া) হইলেও দেহের বাহিরে গেলেও) উহাদিগকে । যখন আপনা আপনিই বাধ হইয়া যায়, তখনই এই গ্রহণ করিতে পারা যায় ,ঐ ইন্দ্রিয় ফুলগুলি চক্ষুগোলকালি পঞ্চবধ | জগন্ত্রে অত্যন্ত অসন্ন অনুভূত হয়, তখনই প্রকৃত চিত্যাগ স্থানে আশ্রয় করিয়া থাকে।-বাসুনাকৰমে ডুবিয়া থাকে, ঐ হয়, সাধুগণ সেই ভাগকেই এরুত ত্যাগ এবং যে বলিয়া মুলগুণি বেশ সরস এবং বৃহৎ। ঐ জ্ঞানেন্দ্রিম্নরূপ মুলগুলির | থাকেন। অনুভবণীয় দৃশ্য বস্তু থাকিলেই তাহার অনুভব হয়, আবার মূল আছে, সে মূল জগন্দ্ৰব্যাপী মন , এই মন বিশাল নতুবাহয় না, সৃষ্টির পূর্বে এই অভাবনীয় বস্তুর জ্ঞান একে ন্যাতি। ঐ মনোয়াণ মূল জ্ঞানেশ্রিরূপ শিরার বারেই ছিল না। অতএব অনুভবনীয় বস্তুর বিয়ের পর তাহার সাহায্যে অনন্ত রূপদিয়স আকর্ষণপূর্বক উপ-কৰি অনুভব (জ্ঞান) আবার কোথায় থাকিৰে সুভদাং জ্ঞাত আবার পরিত্যাগ করিয়া থাকে। ঐ মনেরও, এবার মূল মোেমুখীভাব পরিত্যাগ করিলে তাহার যে স্বরূপ থাকে, অর্থ আছে, সে মূল জীব , চেতভাব-উন্মুখ চিদাত্মাই ঐ অনও নহে, কুর্শন, আহাকে পাতাকে অভিহিত করা জীব-শকে অভিহিত হইয়া থাকেন। ঐ চেতনই নিখিল মূলের হয়। ৩৬-৪০। চদাভাসাত্মক যে চেতনতাহাকেই ক্রিয়া একমাত্র রুপ দেত্যের একমাত্র কারণ। ঐ যে বলা হয়, কারণ তাহারই বুলি উপাধিকারী ব্যাপারে আল- চেতন—যাহাকে চেত্যেমুখী চিৎ বলা হয়, তাহাও মূল প্রতিৰিষিত আকাশের ন্যায় অলীক এবং জগৎনা মিথ্যা প্রপঞ্চ শূন্য নহে, তাহারও মূল আছে, সে মূল ব্ৰহ্ম , কিন্তু ব্রহ্মের উদিত হয়। ফল আজ জিকে বুঝাইয়া বলিতে হইলে আর মূল নাই,-ব্ৰহ্ম শিমূল, কেননা, ঐ ব্ৰহ্মই অনাদি অন মােলকে নিস্বরূপ বলা যায় না, গুনীল মােক চেন অনখ্য বিশুদ্ধ সত্যস্বরূপ। এইরুপে চত্যমুখী চিৎই নিলি স্বরূপ বলিয়াই জানেন। এ ঘভদিন দেহখাকে অতনি কর্মের বীজষপ, ঐ বীজ প্রথমত আপনাকে ‘অহংকাপে কিছুতেই কভাগ হইতে পারে না। যারা কর্মকে সমাজ- ভাবনা করিয়া ক্রিয়াত্মক শপে উৎপন্ন হয়। হে' মুনে। পূর্বক গ্রহণ করে, তাহাৱা কিছুতে ফর্মের মূল ত্যাগ করিতে এইরূপ প্রণীতে আমি বুঝিয়াছি যে, চেতােমূখী চিতই নিখিল পারে না, ৰসাত্মক মনের েচিদাভাসসংবিৎ, তাহাই কর্মের করে প্রধান বীজশ্বরুপ। ঐ বীজ থাকিলেই দেহরূপ বিশাল মূল। প্রত্নতত্ত্বজ্ঞান ব্যতিরেকে দেহস্থিতি পর্যন্ত সংবিৎ শাখ স্বীকৃষ্ণ উৎপন্ন হইয়া থাকে। ঐ জীব চৈ অহ- ভ্যাগ করিতে পারা যায় না, হে আৰ। এই ৰিই বাসনা প্রভৃতি কান্দি সখিগনে ফা হইয়া এবং তার ভাবনাক্রান্ত অন্যান্য ফসল উৎপালন করিয়া নেয়; এবং উক্ত করে ধুত্বে হইলেই উহাকর্মেরাজপ হয়, নতুবা উহাসেইমত্ৰথল গশ্রেষ্ঠ। এই দৃ দক্ষিণা বা চিৎ আপনার সাধ্য বিরাজমান থাকে। চৈত, চেকার ভাবনা এরা আক্রান্ত হই এলবিভি-া নুসন্ধান না করিলেই কে মূণিত সেই কবীজ হইয়া উঠে, আহা না হইলে যে শরণই করা যায়। সংেিদর অনুমান না আখিলে সংৰিৎ আপনিই সর্ব পরপরই বিদ্যমান, অব আর কিই নাই। হে যায়। সংসার সমূলে উৎপাটনও ব্যায়া সহ মুনীর। দেহাদি হকারন যে, কী কারণ, ইহা হইয়া উঠে। যাহাতে সি নাই, খাত সভা ।
যােগবাপিষ্ঠ-ৰামায়ণ কোন প্রকার ভেদ নাই, একমাত্র সেই অনন্ত আকাশই বিদ্যমান করিতে পারিলে জবি অনন্ত আত্মা পাষান্তে গায় অটল আছে। ব্ৰহ্মবাণী মুনিগণ সেই আকাশকেই অনাময় নিখিল হইয়া থাকেন। এ হে রাম। শূকর যেমন বিশাল গন্ত চেনের সারপ বলিয়া জানেন। ১৭। দ্বারা মৃত্তিকা নন করিয়া ওলকচুর মূলােভেশন করে, সেইরূপ দ্বিতীয় সর্গ সমান্ত। তুমি সসারের মূল উত্তােলন করতে থাক। এইরূপে মূলে- তােন করিতে পাৰিলেই কবীজের সমূলােচ্ছে করিতে পারিবে, অ কোন উপায় ইহা করিতে পারিবে না, হে তৃতীয় সর্গ। রব। এইরূণ চেষ্টায় তমার আগুনে সর্বদা অতি দৃশ্য অাম কহিলেন, “হে মুনিবর! ব্রেনকে কিরূপে আবেদন অন্তর অনুভূতিরূপ কৰ্মৰীজ একেবারে নিবৃত্ত হইয়া যাউক। করা যায়, তাহা আমাকে বলুন, কারণ অসতের সত্তা ও সত্তে এই কবীর পরিক্ত হইলে জীবের ব্ৰহ্মবাতিরিক্ত দা- অসত্তা ত কখনই হইতে পারে না।” বশিষ্ঠ কহিলেন,—“রাম। ভাসাত্মক পঞ্চ লয়প্রাপ্ত হইয়া যায়, তখন আর তত্ত্ববিদের যখন অসতের সত্তা ও সতের অসত্তা হইতে পারে না, তখন এই ৰা তাজ কিছুই থাকে না, তখন বিং শতভাবে বেদনের আবেদনত্বশাখিও সহজে হইতে পারে। এই যে অবস্থান করেন, জগ বা অহৰ কাহাকে বলে, তাহাও তিনি বেদনশক এবং ইহার অর্থ ইহাকে তুমি বুজুতে সর্পভ্রমের ন্যায় তখন বুঝিতে পারেন না। রজুতে সর্পভ্রমের ন্যায় তখন বুঝিতে পারেন না, আলশের ন্যায় শৃঙ্গযু হইয়া মরীচিকায় জলবুজির হায় অসভ্য বলিয়া জানিও। ইহার অজ্ঞানই ফস্থিভাবে অবস্থান করেন। বেল বখাপ্রাপ্ত কর শ্রেয়ঃ, ইহার জ্ঞানই মুখের কারণ , অতএব হে রাখব। তুমি সং আচরণ করেন, তাহাও এত অনবহিত মা করেন যে, পর- অর্থাৎ কুট আত্মরূপকেই নিতে চেষ্টা কর, কদাচ অসৎ কণেই করেন নাই বলিল্লা বােধ করেন। ১৯-২০। যেমন কে আন্তরূপে বুঝি না। বেদনশব্দের অর্থবোধ করাই নদীপ্রবাহে নিপতিত ভূণাঙালি নিজের ব্যতিরেকেই জীবের দুঃহেতু, অতএব তুমি এই বেদনশকের (ন এই স্পন্দিত হয়, সেইরূপ তাহাদের কর্মশ্রিয়সকল মনােবিকার- শব্দের অর্থবােধ পরিত্যাগ করিয়া যখস্থিতভাবে অবস্থান কর। ব্যতিরেকেই পক্ষিত হয় , ব্যতিরেকেই পলিত হয়, অর্থাৎ বাহকর্মকরখসময়ে তঁাহাদয় সমুদয় দৃশ্যবস্তুর বােধরূপ ব্যবহারদশাতে উক্ত অর্থবােধের মনােপতি স্থির থাকে, মন কিছুই জানিতে পারে না যে, তিনি কি উচ্ছেদ করিতে হইলে ব্যবহারিক জ্ঞপ্তিশব্দের অর্থকে কূট করিলেন। যখন নির্বাসন অর্থাৎ বিরতি নিরতিশয় খনন্দ- চিংস্বরূপে ভাৰন করিয়া এবং তাহাতেই মুক্তির উদয়, ইহা রস লব্ধ হয়,তখন ঠাহাদের ইরিত্তিগুলি সেই আনন্দভোগের স্থির করিয়া বিক্ষেপ হইয়া ব্যবহারী হও। বিবেকবান হইয়া নিমিত্ত ধাবিত হইলেও রাগ হওয়ায় স্ব স্ব কিয় প্রকাশে শুভাশুভাত্মক নিজ কর্মকে নাশ করা অবশ্যকর্তব্য, তাহাও অমর্থ হই কিছুই বুঝিতে পারে না। ঈদৃশ অনিচনীয় নান্তি ইত্যাকাৰবােধে (তন হলে) আপনিই সিদ্ধ হইয়া আনন্দের স্নানই কৰ্ম্মত্যাগ, হাতত্ত্বজ্ঞান লাভ হইলে স্বতই যায়। কর্মের মূল সমূলে উমূলিত হইলেই সংসারশান্তি হইয়া উৎপন্ন । তখন তাঁহাদের শরীর স্পরূপ র্ণ করা যায়। যতক্ষণ পর্যন্ত কর্মের মূলােচ্ছে না হয়, ততক্ষণ ততক্ষণ না করা সমান হয়—অথা তাহার কিছুই প্রয়াজন থাকে না। অবিচার করা উচিত। বিশ্বের অভ্যন্তরগত মজা, অভ্যন্তরে যে বাহন-শে, হুইল্প, বাসনাশূন্য হই, ককৃত কর্মের বীজাদি উৎপাদন করে, সেই বীজদি যেমন বিষ হইতে ভিন্ন অনুসন্ধান বাখিয়া শান্তভা েযে অবস্থান, তাহাকে কম্মত্যাগ নহে, সেইরূপ চিৎরূপে আত্মা আপনাতে যে চিত্তনামক কুহ। কৰ্ষণমূলের চিরম্মিতি লাভ করিয়া, কর্মকে আর না ত্রিপুটা না করেন, “সেই ব্রিণু তাহা হইতে কিছু স্মরণ করিয়া ব্যতমধ্যৰ ন্যায় নিলে নিস্পক্ষভাবে যে অবস্থান, ভিন্ন নহে। ভূলােকের অন্তর্গত মূখীপন বিভণি যেমন আত্মকেই কাগ বলা হয়। ১১-২৫। যাহাৱা বিপরীত ভূলোক হইতে ভিন্ন নহে, সেইরূপ আকাশের অন্তর্গত বুঝিয়া, অত্যাগকে ত্যাগ বলিয়া ধারণা করে, সেই সকল অজ্ঞ পৃথিব্যাদি পদার্থও পরমাত্মা হইতে অণুমাত্রও পৃথক নহে। পপিকে কত্যাগরূপ পিশটা আসিয়া ভক্ষণ কৰিষ: ফেলে। -১০। যেন । ও জুলের অন্তর্গত দুৰত্ব পরস্পর যাহাৱা সমূলে কচ্ছেদ করিয়া শান্তি লাভ করিয়াছে, অবিভিন্ন পদার্থ, সেইরূপ চিন্মত্ব ও চি একই পদার্থ। তাহাদের কর্মের অনুষ্ঠান বা অনুষ্ঠান কিছুতেই প্রয়োজন নাই। জ্বলে যেমন দুৰত্ব ও জেলে যেমন অনেক বিদ্যমান থাকে। সুজ্ঞানীরা করে সূক্ষ্মীকে সমূলে উচ্ছে করিয়া একমাত্র সেইরূপ পরহ্মে চিন্তাৰ ও চিভাব দুইই বিদ্যমান আছে। সমঅবেলাহিহই যথায়ে অবস্থান করুন। ত্বজ্ঞানীরা দৃশ্যপ্রকাশ করাই টিভির কৰ্ম্ম, সেই কুটস্থ চৈতন্য হইতে ঐ প্রবাহপতি (অভ্যন্ত বখাপ্ত) কর্মে সামাতি দৃশ্য, ভ্রমপ্রতীয়মান যক্ষের মার বৃথাই উদিত হইয়া থাকে। হইয়া (বুদ্ধিপুৰ্ব্বক অনুষ্ঠান কবিয়া) ফলে তাতে “আমার বস্তুগত অহা উদিত নহে, এ কর্ম নাই—ইহা স্থির। যখন কাৰ্য” এইরূপ এজি হইয়া থাকেন, তাহারা যখন চিতির দৃথকাশ আহতুক বলিয়া বায়ু ও বায়ুশলের ব্যয় মোক্ষলক্ষ্মীরূপিণী গণিীয় ক্রোড়ে অধিব্ধ হন, তখন পরমানন্দে অপৃথক, সেইরূপ আগ্রং, স্বপ্ন ও সুষুপ্তিদশায়' প্রতীয়মান উন্নত হওয়ায় যে , যে তাঁহার মুরিসপনে 'উন্মত্ত পদখিনিচয়ও আত্মা হইতে অপৃথক-আত্মাই। সেই ঐ হইয়াছেন, 'ক্লম পরমানলে এই বিভোর হইয়া পড়েন যে, কর্মসমূহের বিস্তারস্বরূপ, মুলদেশ আর অহংভাব, সংসার বােধ হয়, যেন তাদের জেহাদির অস্তিত্বজ্ঞান একেৰামেই উৱ পৰিত শাখা, চিভাসাত্মক ক্রিয়ায় (বাথরূপলল- ই (১)। তখন তঁাহান্নাম বুদ্ধ ব্যক্তির আয় হইয়া জাের করিতে পারিলেই স্পহীন বায়ুর চাষ উহা শাখাসহ (অন্তি) হইয়া যায়। এইরূপে চিদাভাসের উচ্ছে (ইহাজী মুজদিগের কথা। == নির্বাণ-এর-উত্তরভাগ যেন কোন এক অনির্বচনীয় ভূমিতে উপনীত হন। যাহা সর্মূলে সমূলে উলিত হইলে, নিত্য চৈতস্বরূপ | অবশিষ্ট থাকেন, পরিত্যক্ত হয়, তাহাই প্রকৃত ত্যক্ত, মুলো না করিয়া যে ইহাই পরম নির্বাণ গৰস্থা। দেহে আত্মবুদ্ধি ও জগতে মমত্ব ভ্যাগ, তাহা ও শাখা হেনমাত্র। কর্মক্ষের শাখা হইতে জ্ঞান বাহার উলিত না হয়, তাহার জ্ঞান, শক্তি, ত্যাগ এবং মূল পর্যন্ত সমন্ত, সমূলে উৎপাটিত করিতে না পারিলে সাহা নিৰ্ব্বতি কিছুই হয় না। দেহে আত্মবুদ্ধি ও জগতে মমত্ব-জ্ঞানে আবার সহ শাখা বিস্তার করিয়া বাড়িতে থাকে। ২৬-৩১। যে অপশম, তাহাই জ্ঞান ও শিষরূপ আরুপে পৰ্যবসল, হে রাম। কখিতগ্রকার বেদনত্যাগেই কৰ্মত্যাগ সিদ্ধ হইয়া তাহাতেই আবার এও হয়, তুলতিরিক্ত আর কিছুই নাই। থাকে, অন্য কোন উপায়ে নহে, অতএব তুমি কখিতরূপ উপায় অজ্ঞানভাবে আমি আমার এই ভাব বিনষ্ট হইলে, এতে অবলম্বন করিয়া অবস্থান কর। যাহারা এইরূপে কৰ্মত্যাগ না মমত্ববুদ্ধিও দূর হয়, তখন এতে পৃথক অস্তিত্ব থাকে না, কমিয়া এ কর্ম করিতে যায়-অর্থং অ্যাগকে ত্যাগ বলিয়া নির্বাণষন চিৎকারূপে অগ অবস্থিত হয়, অস্থায় কিছুই কোন বিবেচনা করিয়া তাহাই করিতে যায়, তাহারা আকাশ মারণকর্মে অংশেই ক্ষয় প্রাপ্ত হয় না। নিরহঙ্কারভারে ভাবনা হইতেই ব্যাপৃত হয়। অন লাভ করিলে কৰ্ম্মত্যাগ আপনা হইতেই অহঙ্কারের নির্বিয়ে ক্ষয় হয়, ইহাই মুক্তির উপায়, এতৎসম্বন্ধে সম্পন্ন হয়। ইচ্ছাশূন্য জীবনূক্তের মহারুতে কোন কৰ্ম্ম করিলেও বহু পরিশ্রম-ক্লেশের মােন কি? অহংতুতি নিহার-বুজি তাহা অক্রিয়াস্বরূপ, কেননা তাতে কৰ্ম্মৰীজ বাসনা নাই। | উভয়ই ভ্রান্তি, বাস্তবিক টিস্বভাবতিরিক্ত প্রকৃত সতা উহার তাহাদের সে কলে কোন ফলই নাই, ভােগেচ্ছায় পুদ্ধিপূর্বক নাই, চিংস্বরূপ আকাশের ন্যায় নির্মুল, সূতা ভুমের যে কর্ম করা যায়, তাহাই সফলক্রিয়া, এজন্য তাকে ক্রিয়া অস্তিত্ব কোথায়? এম, এমহেতু, ভ্রমকাৰ্য্য এবং ভক বলা যাইতে পারে , কুরজু দ্বারা বেষ্টিত কূপঘটী জলােভােলল কিছুই নাই, এ সমস্তই অজ্ঞানমাত্র, অজ্ঞান হইলে এ করিয়া শস্যক্ষেত্রে সেচনপূর্বক শস্যোৎপাদন করিতে পারিলেই সব তােমার কিছুই থাকিবে না। সমস্তই চিৎস্বরূপ, সেই তাহা সফল—অর্থাৎ যথার্থ কৰ্ম্ম বলিয়া বােধ করিতে হইবে, সত্য-চিৎই অসংম্বরূপ প্রতীয়মান হন, অতএব তুষস্তাবে নতুবা বখা কায়চেষ্টারূপ স্পল নিল। ৩২—৩৬। জ্ঞানে থাক, প্রকৃতপক্ষে সত্য চিস্বরূপ, বলিনা সমস্তই নির্বাণের কৰ্মত্যাগ হইলে, সেই বাসনা-রহিত জীবন্মুক্ত পুরুষ, গৃহে রূপ। ১-১০। েনিমেৰে অহংবুদিউস্থিত হয়, সেই নিমেষেই বা অরণ্যেই অবস্থান করুন, অথবা দরিদ্রতা প্রাপ্ত হউন বা ধনী | নিরহঙ্কার-বুদ্ধি উপস্থিত হইলেই শােকের কারণ একে হউন, তিনি যে ‘শম’ তাহা অবধারিত। শমপ্রাপ্ত ব্যক্তির পক্ষে না। এইরূপ সাবধানে সতত উপস্থাপিত নিরহঙ্কারভাবের গৃহই নির্জন সুদূর কাননের স্থলাভিষিক্ত, আর যাহার শম-প্রাপ্তি | মহিমায় অহংবুদ্ধিকে আকাশকুসুমের স্থলাভিষিক্ত করিয়া হয় নাই, নির্জন গভীর অরণ্যও তাহার পরে অনতাপূর্ণ নগরীর কাকারূঢ় অর্জুন-শরীরের ন্যায় অপরালুখভাবে ব্ৰহ্মপম দৃঢ়ব- তুল্য। শাত্মচেতা তত্ত্বজ্ঞানীর ঈদয়েই মনােহর নির্মল বিশাল লক্ষনপূর্বক অধিনখর স্থিyি Wাপ্ত হও। তুমি অহংবুদ্ধিকে বনভূমি, সে বনভুমি স্বপ্নেও মানুষের প্রবেশগম্য নহে। এইরূপ আকাশকুসুমের স্যায় ভাবিৰে এবং কোন ভাবেই যাহার দৃশ্যপ্রপঞ্চ জ্ঞানানলে ভৰ্মীভূত ও জ্ঞানাক্ষি নির্বাণ দুই বিচলিত হইবে না; এইরূপে ভবসমুদ্র পার হও। যাহার স্বীয়- আছে, সেই তত্ত্বজ্ঞানী পুরুষের সমগ্র জগৎই শুময় নিস্পন্দ স্বাকবিজয়ে বীরতা নাই, সেই পও উত্তম পদ লাভ করিবে, মহারণ্য , সংসারের কোন পদার্থের সহিতই সে অরণ্যের বল,-এমন কথা কি বলিতে আছে? যে সুপণ্ডিত প্রথম সম্বন্ধ থাকে না। যে ব্যক্তি অজ্ঞান-বিহীন মূঢ়, বিষ- স্বয়ং কামাদিযভুবর্ণ জয় কলেন, তিনিই পরম ফুলের অধিকারী ব্যাপার তাহার হৃদয়ে অবস্থিত, অনন্ত সঙ্কলই তাহার মূল , হন, কামাদি-জয়ে অশক্ত মানব গভতুল্য, পরম ফলের অধিকার সসাগরা ধরা তাহারই হৃদয়ে বিরাজমান। অজ্ঞান দীনজনের তাহার নাই যিনি স্বীয় অন্তঃকরণ-সামর্থ্যে মনােরজিয়ে দয়েই বিবিধ ঘন্বপূর্ণ আড়ম্বরময় বিবিধ গ্রামমণ্ডলী অবস্থিত। নিযুক্ত, অথবা জয় করিয়া বসিয়া আছেন, তিনিই বিবেকের আশ্রয় শাখানগর নগরমণ্ডল শৈলসঙ্কুলা বিবিধ কাৰ্য-জনিত বিবিধ লইয়া প্রকৃত পুরুষপদবাচ্য হইয়া থাকেন। সমুদ্রে পাষাণের বিকারপূর্ণ বিমলা ধরণী, অজ্ঞানী জনের মলিন হয়েই নিল স্যায় যে যে বিষয় মেতে এক্ষিপ্ত হইবে, আত্মার নির্লোভাব গণতন প্রতিবিম্বিতের ন্যায় প্রতিফলিত হইয়া থাকে। ৩৭-৪৩। চিন্তা করিয়া তত্তাবৎ হইতে দূরে থাকিবে। যুক্তি বিচারে তৃগয় সর্গ সমাপ্ত। ৩। এহংভাব-নিবৃতি হলে, চিৎম্বরূপ মুখ উপলব্ধ হয়, তখন মােহগ্রস্ত হইবার কারণই থাকে না। সুবর্ণভৰ ব্যতীত বালি অলঙ্কারের কেমন পৃথক সত্তা নাই, অজ্বল অজ্ঞান যতীত ধূ চতুর্থ পর্গ। পলাখেও স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নাই। তােমার সেই অজ্ঞালনা বশিষ্ঠ বলিলেন,-জ্ঞানস্বরূপ আত্মায় তত্ত্বজ্ঞানের উময়ে অহ দৃখলদার্থের স্মরণত্যাগেই হইবে। বায়ুতে চঞ্চলের ন্যায় স্কার প্রভৃতি সমূদয় জড়পদার্থের আর পূৰু অস্তিত্ব থাকে না। ঘােমার অন্তরে যে যে ভাবের উদয় হইবে, অহংভাবনরূপ তৈলাভাবে প্রদীপের আর অ এপ্তি হয়, এইরূপে ৰে ভাগ, জ্ঞানপ্রজবে তাতে আশ্রয় বিনষ্ট কর। ১১। যে তাহাই প্রকৃত, প্রকারান্তরে ভাগ হয় না। কাগ, ত্যাগই ব্যক্তি এখমে লােভ, ম, মদ এক মােহ অন্তু করিতে পারে নহে, জগং-ক্ষুর-শত, অহঙ্কারাজি নিখিল জড়পদার্থের অতিরিক্ত চাই, ধ্যাত্মন্ত্রের চর্চা তার পক্ষে নি। পবনে স্পন্দন- অবিনশ্বর বোম্বরূপ বতিীয় আই ত্যাগ পা–অর্থাৎ আত্মই শক্তি এসে তােমাতে বে অহংভাব বর্তমান, তুমি পরমাত্ম মুক্তির স্বরূপ। দেখাদিতে যে আত্মশুদ্ধি, আর জগতের বস্তুকে ভাব প্রাপ্ত হইলে, স্পন্দনশক্তি বায়ু হতে যেমন ৰাস্তবিক যে আত্মায় ভােগ্য বলিয়া কন, তাহা হৈীন শপের গায় পৃৰু নহে—প অহংভাবও তােমা হইতে পৃথক থাকিবে যােগণি-মণ F । কূটস্থ চিত্রের প্রভাবে জগৎসৃষ্টি পরমাত্মায় বিলীন হইয়া স্বর্গ, মর্ত, বায়ু-আকাশগিরি, নদী, দিলসমগ্রই অনুস্তাৱৰূপী মাল্যে বিলীন ভাত সপেঁয়ায় আশ্রয় স্বরূপে বসিত হইয়া বিকসিত উগ্ৰকুসুমে সৌরভ মাত্র। ৩৬-৪০। দিন-প্রবৃত্তি শােভা পাইয়া থাকে। এইরূপ উৎপত্তি ও বিলীনব যে যেমন রূপদর্শনের ও চেতনার হেতু তদ্রুপ অহাৰ-বিস্তারই তৈভাবের বিরোধী তাহা নয়, কেননা, পরমাত্মার উদয় অন্ত অগসৃষ্টির হেতু। দিন-প্রবৃত্তি হইলে যেমন পদার্থ প্রকাশিত কাচ নাই। অথচ পরমাত্মা হইতে ভিন্ন কোন পদার্থই নাই। হয়, দ্রুপ অহাব হইতেই অসৎজগতের আবির্ভাব হইয়া অঙৰ ভাৰ, আর অভাব অর্থাৎ উৎপত্তি আর নয় কি আছে ? থাকে। ব্ৰহ্ম-সলিলে অহন্তাষ-তৈলবি নিপতিত হইয়া যে অজ্ঞানভাৰে জ্ঞাতা জ্ঞান এবং জ্ঞেয় বিলীন ইলে, পূর্ণ ঝটিতি বিস্তৃত হয়, তাহাই জিগৎ-চক্র। আহতাব- শান্ত শিব পরমতত্ত্ব (যাহাকে তুমি বলা যায় সেই পূর্ণ শান্ত শিব ননসৃষ্টির গায় উন্মেবমাত্রেই জগৎ অবলােকন করেন, অসত্যকে পরমতত্বে অবস্থিত বুঝা যায়। তত্ত্বজ্ঞান,—যাহা আছে, তাই চিরসত্য বােধ করেন, কিন্তু নিমেষত্রেই তাহার ব্যতিক্রম ভ্রাতভাবে দেখায়, নৃঙ্গ কিছু প্রসব করে না। ২১-২৫। অহতাববিস্তারে সংসারের অনুব, আর তাহা নিশসম্বলহীন সূর্যে নিশাস যেরূপ ভ্রমকল্পিত, নির্বাণহীন ব্রহ্মে তিরােহিত ও পরিক্ষীণ হইলে, নয়নতারকাযুগলের স্থায় দৃষ্টি নির্বাণ-সম্বন্ধও তদ্রুপ, অর্থাৎ তাহা ব্রহ্মের স্বরূপ, কিন্তু ধর্ম বা গােচর হয় না। ৪১-৪৫। নিত্য-জ্ঞানপ্রভাবে অহাৰ-নিৰ্ম্মল ফল নহে। শান্ত ব্রহ্মে শান্তিপ্রাপ্তিও নুতন নহে, পরমানন্দরূপ হইলে এই যে সংসার-মরীচিকা তাহা সম্পূর্ণরূপে গত হয়। ঙ্গে অপ্রাপ্তিও নৃতন নহে, সকলই ব্রহ্মের স্বরূপ, আকাশ এই প্রার্থনীয় প্রধান বস্তু আত্মচৈতন্য ভাবনা মাত্র লভ্য প্রভৃতি পদার্থও সত্য নহে, অতএব অসত্য-বন্ধনের অপগমরূপ ইহা নিত্যসিদ্ধ , ইহার জন্য খেদ বা মােহ অভিভূত হইও না। যে নির্বাণ তাহা আবার নির্বাণ কি? শাস্ত্রাঘাত, রােগের যন্ত্রণা, হে অল রামচন্দ্র। সহায়প্রভৃতি সাধনশূন্য, অথচ স্বীয় মাত্র- এ সৰ সই হয়, কেবল অহাৰনিবৃত্তিমাত্র সদ্য করিতে সাধ্য অহাৰবর্জন হইতে অধিকতর শ্ৰেৱ কাৰ্য তােমার কি এতই ক্লেশ। অহাৰ জগৎপদার্থের অঙ্কুর, সেই আর কিছু দেখিতেছি না। হে রাম। প্রথমে তুমি বৃষ্টি-অহঙ্কার ভাৰ নিৰ্ম্মল হইলে জগই নিমূল হয়। অসার বাষ্প বিস্মৃত হইয়া—ক্ষিতি-আকাশ-শৈল-সাগর-বায়ুমাৰ্গরূপে অখিল- যেমন সারসম্পন্ন পদার্থের ন্যায় আদর্শ মলিন করে, আবার বিৰ-পূৰ্ণ করত এইরূপ সর্মপ্রসিদ্ধ পরম মহা সমষ্টিভাবে খাকিবে, তাহা অপগত হইলে আদর্শ সুপ্রসন্ন হয় , উদ্ধপ অসার অনন্তর সমস্ত-ব্যস্ত চরাচর জগৎ-ব্ৰহ্মই , এই ভাবনায় প্রপঞ্চ- অন্ধায় সারপদার্থের স্থায় জীবকে মলিন করে, অথচ অহঙ্কার বর্জিত, করণহীন, নির্মল, অখণ্ড চিনা রূপে স্বস্থ, শান্ত ও বীত দূর হইলে আত্মও প্রসন্ন হন। পরমাত্মারূপী। পবনে অহাবই শােক হইয়া থাকি। ৪৬–৪১। স্পন্দনশক্তি, অহম্ভাবরূপ স্পন্দনশক্তি অপগত হইলে জনির্দেশ, চতুর্থ সর্গ সমা। ৪। অাভাস, অজ, অব্যয়, অনন্ত (দ্বিতীয় অথচ আকাশ) মাত্র অবশিষ্ট থাকে। ২৬-৩০। অহঙ্কবই প্রথমে চিদাত্মায় পঞ্চম সর্গ। এব্যপ্রতিবিম্ব প্রতিফলিত করে, অহাব দূর হইলে চিৎশক্তি আসহান আজ অনন্ত অব্যরূপেই অবস্থিত হন। পরমার্থ বশিষ্ঠ কহিলেন, যে ব্যক্তি প্রথমে মন ও ইন্দ্রিয়ণের স্বভাৰ রূপ নিৰ্ম্মল শারদ নভােমণ্ডল এহস্তাব রূপী জলদজালের অপগমে জয় করিয়া বিবেকবৃন্ত হয়, তাহার সকলই শীঘ্ন সিদ্ধ হয়। যে পরম নিৰ্ম্মল অনন্ত শােভায় শােভিত হন। হে রাম। ব্ৰ বুজিহীন ব্যক্তি, অন্তঃকরণের ভাৰমাত্ৰ-গয়ে অকৃতী, বালুকা- সুষর্ণরূপ, চিরকাল অহাৰরূপ তামিলের (খামার কসের) নিপীড়নে তৈলের ন্যায় তাহার পক্ষে উত্তপদপ্রাপ্তি দুটি। সর্গ জীবৰে তাম্রভাষ প্রাপ্ত, তাহার স্বরূপ তিরােহিত, হয়ে অল্প উপদেশও নির্মল বস্ত্রাদিতে তৈলবিন্দুর স্যায় কিন্তু অহঙ্গায়-অমল (পিটি) ছুটিয়া গেলে তিনি পরম অনুপ্রবিষ্ট হয়, কিন্তু মনােবৃত্তি বহির্মুখী—অর্থাৎ অশুদ্ধ থাকিলে, উজ্জল কান্তিসম্পন্ন স্বরূপে প্রতিভাত হন। পদের শক্তি দর্পণতলে মুক্তার ন্যায় ধর্মোপদেশ তাহানের অনুপ্রবিষ্ট হয় না। তিরােহিত হইলে, অর্ধমাহাত্ম্য অলক্ষ্য হয় সেইরূপ অহাব- এ বিষয়ে পুরাতন ইতিহাস প্রচলিত আছে পুরাকালে সুমেরু- তিরােধানে বিক্তি ব্ৰহ্ম অর্থাৎ অনির্দেভাব প্রাপ্ত হন।' শি এই ইতিহাস আমার নিকট কীৰ্ত্তন করেন। অহম্ভাবে অবস্থিত ব্রহ্মেরই পদার্থান্তরের গন্ধ নাম-সম্বন্ধ থাকে, আমি একদা সুমেরুশিখর-কাটস্থিত দুমুকে নির্জনে কথা- যেমন বিলীন অনও কারণরুপে পর্যবসিত হইয়া জলমে প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করি, ৫ ভুনুও। মূঢ়মতি আত্মজ্ঞানহীন নির্দিষ্ট হয় অন্ধ্রপ ভিনিও নামবিশেষে উদ্দিষ্ট হইয়া থাকেন। কোন দীর্ঘজীবী তােমার স্মৃতিপথে উদিত হইতেছে কি? হে ৩১-০৫। বাসনার অভাবে জগতের মূল অহব যদি কিনষ্ট মাম। আমি এইরূপ প্রশ্ন করিলে ভুযুও আমাকে বললেন, হয় তবে তুমি, আমি, জগৎ এবং বন্ধন ইত্যাদি বিচার নিরর্থক। পুরাকালে লােকালােক পর্বতের শৃঙ্গে এক বিদ্যার বস করিতেন। যেমন ঘটাকারে পরিণত হইলে তাহার উপাদান মৃত্তিকা কি ধাতু চিত্তবিলেপ-এযুক্ত সদা তঁাহাকে দুঃখভোগ করিতে হইত। হারও বিস্মৃতি হয়, তদ্রুপ অহাবের উদয়ে সন্তাৰহ্মৰ, তিনি সদাচাল ছিলেন; কিন্তু ‘নিত্যনিভ্যষবিযেৰু তাহার বিভাৰ এবং আত্মভাৰ আনসাগরে হয়। এছাপ অছালাপ হয় নাই। তিনি বিবিধ ভগ, যম ও নিয়মে দেহ শুদ্ধ করিয়া- বীজ হইতে সারুপিণ বিল উঠিয়া থাকে, গমনাগম ছিলেন, তপঃএভাৰে আয়ুবি হইয়াছিল, চাৰিকল তিনি জীবিত শীল অনলগৎ ইহার ফলস্বরূপ। হাবরুপ মরিনীলের বাকিরা গেইল পাড়ি করিতে লাগিলেন। ভপি তাঁহার অভ্যন্তরে বিচিত্র ব্যাপার, দুখর, পাগর, ধরণী নদী, বহিরিত্রিয় আত্মজ্ঞান হইল না। (বভলিল ইত্রিকায় অর্থাৎ বহিরিক্রিয় এবং রূপনি ও কামনা প্রভৃতি সবই সেইবিলভার ফল এবং অনুণের ভয় না করা যায়, ততদিন আত্মজ্ঞান ত হইবার নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরঙ্গ। যে নাই, অমনি তঁাহার অন্তকরণের চাঞ্চল্য দূর না বলে চিত্তের মহাবােগ কামরা উত্তপ্ত হইতেছি আমি দুর্বা- হওয়াতেই অজ্ঞান উদয় হয় নাই)। কিন্তু চতুর্থ কলের শেষে সনায় বিদ্ধ ও দুরুচ্ছে বলে জড়িত হইয়া পড়িয়াতি মেয়ের শব্দে বিদ্রভূমি হইতে বহির্ভূত মনির স্যায় সহসা তাঁহার আমাকে উদ্ধার করুন। বিশাল পত্র গুণ কমলের উপরেও বিবেক উৎপন্ন হইল। এত কালের তপয় বিবেক উৎপন্ন না যেমন তুষারপাত হয়, সর্ববিদ্যায় সিদ্ধি প্রভৃতি গুণগ্রামবিভূষিত হইলে লেকের পােনুষ্ঠানে প্রবৃত্ত হইবে কেন। (এই বিদ্যাধর ব্যক্তিকেও তেমনি দুঃখপ্রদ কানি দোষ আসিয়া আশ্রয় গ্রহণ প্রথমে অজিতেন্দ্রিয়, তাহার পর, যম-নিয়ম অবলম্বনে বহিরিত্রি করিয়া থাকে, এই এত সৰ্বাবিদ্যায় সিহইলেও আমাতে উক্ত আয় করেন, কিন্তু মনের বিক্ষেপ অর্থাৎ চাঞ্চল্য দূর হয় নাই। গােৰসকল আশ্রয় লইয়াছে এবং আমাকে ধীর করিয়া তুলিছে। যদিন চাঞ্চল্য দূর না হইল, ততদিন এত অপা-মেও তঁাহার কমলের অভ্যন্তরে মশকনিকলের রায় কত যে জীর্ণ জন্তু বার- “বিবেক’ হইল না; ক্রমে অতিদীর্ঘকাল যমনিয়মাদির অভ্যসে বার উৎপন্ন ও মৃত হইতেছে, তাহার সংখ্যা নাই; অথচ তাহারা মনের বিক্ষেপ পৰ্যত দূর হইল, তখন “বিবেক-বুদ্ধি উপস্থিত না ধৰ্ম্ম, না সুখ, কিছুরই অধিকারী হইতেছে না। ভদ্রুপ 'তুচ্ছ হল। মনের বিক্ষেপ দূর না হইলে কদাচ আত্মজ্ঞান হয় না)। অসার বিষয় ভােগে লালসায় বারবার বল ক্লেশই পাইছি, তখন বিদ্যাধর ভাবিলেন, এই জন্ম ত হইয়াছে, এরা উপস্থিত , বারবার কেবল সেই সমুদয় বিষয়ের কাছে এখরিত হইয়াছি। ইহার পর মৃত্যু হইবে, তাহার পর আবার জন্ম, আবার কারা, ১-৫। এতাবৎকাল নখ ভােগের আয় কিন্ত গতিতে এইরূপ ধারাবাহিক যাতায়াতে প্রয়ােজন নাই, আমি এই সব কেবল ঘুরিয়া বেড়াইয়াছি, মরুভূমির জ্ঞায় এই সংসারমার্থে যতই ভাবিতেছি, ততই কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হইতেছি, শাশ্বত বিচরণ করিয়া বেড়াইয়াছি, কিন্তু কুপি ইহার অন্ত বা স্থিরতা সনাতন বিকারহীন একমাত্র কি আছেন? অহা আনিবার জন্য প্রাপ্ত হই নাই। এই যে সংসার ভােগসামগ্রী, ইহা আপাত বিদ্যা আমার নিকট উপস্থিত হইলেন। তখন তাহার স্কুল মধুর ক্ষণবিনাশ-পুনঃ পুনঃ সংসার ক্লেশের হেতু; আপাততঃ দেহ ও সূক্ষ্মদেহের প্রতি মতা দূর হইয়াছে, সংসারে বিষ্ণা মধুর বােধ হয় বটে, কিন্তু ক্ষণকাল-মধ্যে বিকৃত হইয়া আবার হইয়াছে, আর বৈরাগ্য উপস্থিত। বিদ্যাধর আমার নিকট ভীষণ হইয়া উঠে। হে মাননীয় । পােড় বিদ্যাধরাছে আমার উপস্থিত হইয়া যখখাচিত প্রণামাদি করিলেন, আমিও তাহার অণুমাত্র স্পৃহা নাই, আমার ধারণা হইছে, উহা অতি অবশ্য ; অর্চনা-অভ্যর্থনা করিলাম। অনন্তর উপযুক্ত অবসর বুঝিয়া এই উহাতে কেবল আমি বড়, অপরে অমা অপেক্ষা অভিনিকৃষ্ট- উত্তম কথা বলিতে লাগিলেন। বিদ্যাধরের উক্তি-“ইলিরূপী ইত্যাকার অভিমানই বাড়িতে থাকে , ইত্যাকার দুরভিমান শ—আপাতত মৃদু (অর্থাৎ মুখকর), কিন্তু পরিমে দুঃখপ্রল, যাহাদের আছে, আহাদের নিকট ইহা অভিমধুর বলিয়া থে প্রস্তরের ন্যায় দুর্ভেদ্য (অর্থাৎ অজেয়), ছেদন ও ভেদনে দক্ষ হয়। বিষয়ভােগ করিতে আমার বাকী নাই, আমি কুসুম- (ছে ভে-সমস্তই ত ইন্দ্রিয়ের জন্য) এবং আত্মার নিপাত এই কোমল চত্ররথ কানন গর্শন করিয়াছি। তথায় দেখিয়াছি, কবুক শস্ত্র 'বারাই হইয়া থাকে । ইন্দ্রিয়গণ সুদয়ের অন্ধকারময় গণ সমন্ত ৰৈৰ প্ৰদান করিতেছে। মেরুকুমে, বিদ্যাধরলে, অরণ্য সদৃশ, কামাদ মটকুল-পরিব্যাপ্ত, দুঃখরূপ-পবনগে সুরমবিমানে এবং বায়ুমার্গে ইত্যাদি কত রমণীয় স্থানে বিহার তরঙ্গাষিত ভীষণ এবং দাবানলযােগে বিপৎসল, কিন্তু কি করিয়াছি। অনেক সময়ে সুরসেনার সঙ্গে বিশ্রাম করিয়াছি, আশ্চৰ্য। এ দাবানলে-ইলি অরণ্য বন্ধ হয় না, কেবল শম আবার অনেক সময়ে, সুরম্য পুরীমধ্যে গলে কমনীয়-হায়-ভূৰিতা মালিঙর কাচ উৎপন্ন অন্তুর হয়, অজ্ঞানরূপ-ধূমান্ধকারে কান্তার বহ-লতায় বিশ্রাম করিয়াছি' হে জাত। এণে সে গরিব্যাপ্ত এই ইন্দ্রিয়নিকর জয় করিতে পারিলে, এত সুখলাভ সমস্তই আমার মানসীব্যখারূপে বিষপে,গ্ধ হইয়াছে, এতে হয়, ভােগ দ্বারা প্রকৃত সুখলাভ হয় না, অতএব আমার এ সকল বুঝিয়াছি, তৎসমূদয় ভােগজত অসারদারু। कात्र বিল্যাং-ভােগে প্রমােন কি? ৫-১৪। কমনীয় রূপরাশি দনি-লাগলায়, তাহার বদন-সৌন্দর্য শিক্ষায় পঞ্চম সর্গ সমাপ্ত। উকয়নে কাল কাটাইয়া কেবল দুঃখই ভােগ করিয়াছি। তখন বুঝি নাই যে, এই কান্তার বসনভূষণালি সৌন্দৰ্য্য আপাততঃ দৃষ্টি হায়ী, ইছার রক্তমাংসাদিতে কিছুমাত্র কমনীয়তা অই। যষ্ঠ সর্গ। ঈদৃশ বিবেক না থাবিতে চক্ষু সেই দিকে ধাবমান হইত। অনর্থ- চেষ্টায় ব্যাকুল চিৎ, যতক্ষণপর্যন্ত নানাবিধ বন্ধনে আবৃত হইয়া বিদ্যাধর বলিলেন,-“হে ভুযুও? আমি ত্রিপে কত, বিলম্ব আপজেয় বশীভূত না হয়, ততক্ষণ সে অনর্থ চেষ্টা হইতে কিছুতেই সহনে অসমর্থ, পরমপান নিত্য নির্দোষ সর্বোৎকৃষ্ট জনপদ বিবৃত হয় না।—১৬। হে ভাত। আমার এই জ্ঞানেন্দ্রি যাহা আছে—তাহা আমাকে শীঘ্রই বলুন, আমি আর বিলম্ব অনর্থলাভের জন্য ইতস্তত ধাবমান হইতেছে, উদ্দাম অখের স্যায়, করিতে পারিতেছি না। আমি এতাবৎকাল সুপ্ত হইয়া জড়ের কিছুতেই ইহার গতিরােধ করিতে পারিতেছি না। কিছুতেই uায় অবস্থান করিয়াছি, হে মুনে' একাণে কান্তি আত্মার প্রাণে ইহাকে নিবৃত্ত করিতে পারিতেছি না। নে কেন প্রবুদ্ধ হইয়াছি। হে মুনিবর। আমি ‘আমি’ ইত্যাকার মােহ- অতিদুষ্ট শর্তৃক ৰীত হইয়া অলীয় প্ররোচনায় পথের দুর্গন্ধ এলবাহী অগ্রণালীতে নীত হয়। সেই নে গাহৰিকা দ্বারা * স্বশাণি—ইহার অর্থ—আমার নিপাত এই শস্ত্র ৱা পরিত্যক্ত ), সেরূপ আমি এই দুই ফ্লাশ-কর্তৃক দুর্গ হয়। টাকার বলেন,—শরীর-প্রবিষ্ট শয়ভূতি শর্থাৎ এময় প্রণালীতে (গর্তে) নীত হইতেছি। নীতি-বিবর্জিত হয় এবং শরীরবিষ্ট শাদি সমান। এই রসনা-কর্তৃক আমি অনেক সময়ে হস্তী শৃগালের আসামি । } 1 যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ ময় পর্বতে ভ হইয়া আঘাতপ্রাপ্ত হইয়াছি। আদিত্য নষ্ট বা সৃষ্টি হয় নাই, এরূপ লােক জগতে অতি বিল। যাহার দেবের বৃত্তি প্রাপ্ত নগণের ন্যায় গিলিমের লােলুপত শরীররূপ-লগরের সীমান্ত পৰ্য্যন্ত আক্রমণ করিয়া অবস্থিত, দুই আমি কিছুতেই নােম করিতে পারিতেছি না। যেমন হরিণের ইলিয়সৈন্যগণকে পরাজয় করিয়া উঠিতে পারে, তাহারা প্রকৃত তৃণভােন বাজার হরিণকে অতি দুর্গম কারে লইয়া যায়, বােন্ধা, কেননা, এই ইতিস্যৈ অতি প্ৰৰল, অহঙ্কার ইহার সেইরূপ, হে মূরি। আর্যরশ্রবণেন্দ্রিয় শুভ-শাস্বালােপ পালক, শীতােষ্ণাদি ইহার বখ। ভীষণভােগহস্তী এই সেলের হইয়া আমাকে বিষম পথে লইয়া যাইতেছে। বিষয়সমূহ দুর্লভ অযে জি করিতেছে। তৃষ্ণা ইছাদের বাগুরাঅক্স, ইহাদের বলিয়া রে হাদিগকে ত্যাগ করিতে চাহিতেছি, তাহা নহে, হন্তে লােভরূপ ভীষণ অসি বিরাজ করিতেছে। ক্রেথিরূপকুলে আহার আমার দুর্লভ নহে, আমার নিকটে এণত হইয়া আসিয়া ইহারা আরও ভীষণ, ইহার চতুর্দিক চেষ্টারূপ দুরৰে আমার প্রিয়কাৰ্যসাধন করিতে যত্নবান হইতেছে, বিনীত ভূতের আকর্ণ; এই সৈগুলে সর্বদাই কাকোলাহল হইতেছে। মত যায় তাহারা সর্বদাই আমার চরণতলে নত হইয়া রহিয়াছে, ঐরাবত হয়ী-গণ্ডমূল জে করা যদি সহ হইলেও হইতে গদ্যরবমিশ্রিত , কত সুরম্য শকি আমি অতিগােচৰ পারে, কিন্তু বিপথগামী ইন্দ্রিয়বর্গকে নিগ্রহ করা (আপনার করিয়াছি। বিজধানী মণিভূষণৰকাৰকারিণ রমণসম্পদ বশে আনয়ন করা) অতি কঠিন। ৩৬। হে সবা। পৰ্ব্বত, সমুদ্রতীর প্রভৃতি কত রমণীয় পদার্থ দর্শন, স্পর্শন ও জ্ঞানীদিগেরও ইন্দ্রিয়জয় করাই মহ, বীরত্ব, গরুষকার ও উপভােগ করিয়াছি। বিনীত কাক্কাদিগের দ্বারা আনীত সুস্বাদু বিশ্রাম সম্পদের পরাকাষ্ঠা। পুরুষ সখন আর নিক্ষিত ইরি- সুর বড়বিধ রুবহুকালগরিয়া আস্বাদন করিয়াছি। ১৭-২৪। বর্গ-কর্তৃক বিষয়ের দিকে তৃণের ন্যায় আকৃষ্ট না হয়, সেই প্রশস্ত অট্টালিকায় বসিয়া আমি কত সময়ে নিবিয়ে পট্টবস্তু, সময়েই সে দেবতাদিগের অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ হয় । মহা- কামিনী, হার, কুমু, ছফেননি-শষ্যা ও সমীরণ গিন্দ্রিয় সম্পন্ন যে সকল লােক জিতেন্দ্রিয়, তাহারাই পৃথিবীমধ্যে প্রকৃত দ্বারা সেবা করিয়াছি। হে মুনে। আমি মারুতসঞ্চালিত পুরুষ, অত্রি আর সকলকে আমি শশীল মাৎস্যন্ত বলিয়া বমুখগন্ধ, চন্দন উলীয়াদির গন্ধ,কপূর কুমাদির গন্ত ও কুখম-গন্ধ বিবেচনা করি। হে মুনে। এই পঞ্চ ইন্দ্রিয় মনােরূপ সেনা- স্বচ্ছন্দে উপভােগ করিয়াছি। আমি পুনঃপুনঃ বিষয়সকল শ্রবণ, পরি সৈন্য, এই ইন্দ্রিয় সৈঙ্গ জয় করিবার যদি কোন উপায় শর্শন, দর্শন, উপভােগ ও আম্রাণ করিয়াছি, এক্ষণে তৎসমুদয় একে ত বলুন, আমি জয় করিয়া ফেলি। আমার বােধ হয়, আমার নিকট শুক নীরস হইয়াছে। এক্ষণে তৎসমূদয় বা ভােলা পরিত্যাগ না করিতে পারিলে এই ইষিরূপ মহা- ভেঞ্জনের ন্যায় বোধ করিতেছি, আর তাহা কি উপভােগ করিব? রােগের শান্তি, কি ঔষধ, কি ভীৰ্থপৰ্যটন, কি অন্য কিছুতেই আমি সহ ৰ ধরিয়া আখতষপর্যন্ত জগন্মলে যত কিছু হইবে না। ৪১-৫। যেমন স্বরের পথিমধ্যে একাকী ভােগ্য আছে, সন্তই ভােগ করিয়াছি, পি পরিতৃপ্ত হইতে কোন পথিককে পাইলে তাহাকে ভীষণ অরণ্যে লইয়া গিয়া পারি নাই। বহুদিন ধরিয়া সসাগরা ধরায় একচ্ছত্ৰাধিপত্য। উৎপীড়িত করে, সেইরূপ এই ইন্দ্রিয়গণ সংসারকাননের গভীর- করিয়া, কলিগকে উপভােগ করিয়া, শত্রুলকে বিদলিত করিয়া ভাল লইয়া গিয়া আমাকে বড়ই কাতর করিয়া তুলিয়াছে। লাভ যে কি হয়, তাহা ত বুঝি না, ফলতঃ কিছুই লাভ নাই বলিয়া এই ইন্দ্রিয়রূপ পন্থল (ক্ষুদ্ৰজলাশয়) পঙ্কময় অপ্রসন্ন (অনির্মল বােধ হইতেছে। যারা ত্রিজগতের আধিপত্য করিয়া গিয়াছেন, পম্বল পদে আবিল দুর্গন্ধ শৈবালে পরিপূর্ণ, মহান্ দুর্ভাগ্যের যাহাদের বিনাশসন্তান ছিল না, তঁাহারও এককালে তমসাং আক। এই ইলিয়রূপ জল লােকের আতঙ্ক উৎপাদন করে; হইয়া গিয়াছেন। ২৫-৩০। অতএব যাহা প্রাপ্ত হইলে আর ইহা নীহারালে (জড়ত, পক্ষান্তরে তুরাশি) অতি গহন, কোন বিষয়ই পাইতে বাণী থাকে না, সেই বস্তু গাইতে যা করা এই জন্য এই জঙ্গল অতিক্রম করা অতি কঠিন। এই ইন্দ্রিয়রূপ বিয়ে কষ্টকর বিষয়ভােগ চেষ্টায় লেন ফল নাই। যাহারা চির পঙ্কজাত মৃণাল ছিদ্রযুক্ত গ্রন্থি; ইহার অন্তর্গত গুণ (সূক্ষ্ম দিন সুম ভােগ্যসকল ভােগ করিয়া আসিয়াছে, তাহাদের বাসনা পক্ষান্তরে সূর) অতি স্ব বলিয়া দুর্লক্ষ্য। ইহা মধ্যে এমন কেহই কৃষ্ট হয় না, যাহার মন্তকে কল্পতৰ আৰি জড়ষয়। এই ইলিয়রূপ কার সলিল (লবণ) রুক্ষ, অঙ্গ- ভাৰ হইয়াছে,সেই ভদৰ প্ৰসাদে তাহার নাম চিরকালের সঙ্কুল, ভীষণ, নাদিজলজন্তু এই সলিলমধ্যে অবস্থান করায় অন্য একেবারে পূর্ণ হইয়াছে এবং আনুশভােগীর মধ্যে এমন ইহা তি ভীষণ মােহ রজনীতে এই লবণাস্তু রকের আয় ৰূচ কোন ব্যক্তিই নাই যে, সে চিরকালের মত যেমন পাইয়া করিতে থাকাষগণের নিকট রত্ন বলিয়া বােৰ হয়, তাহাদের সর্বত্র স্বচ্ছন্দে বিহার করিয়া বেড়াইতেছে। দুষ্ট বালক বেন শান্ত রঙ্গলােভ পান করে।৪৬-৫০। এই ইন্দ্রিয় সকল মৃত্যু শিশুকে প্রতারণা করে, সেইরূপ ইলিয়বর্গ আমাকে এই দুর্গৰ স্বরূপ, কেন না মৃত্যুতে যেমন বন্ধুব উদ্বিগ্ন হয়, ইহাও তদ্রুপ বিষয়কাননে প্রতারণা করিয়া লইয়া বেড়াইয়াছে। এই ইত্রি অকাৰ্য্য সাধন দ্বারা বহুদিগের উদ্বেগ উৎপাদন করে। মৃত্যু হইলে সকল যে আমার শক্ত প্রবঞ্চক, তাহা আমি এতবৎকাল আনিতে যেমন আবার দেহ উৎপন্ন হয়, ইহাও তদ্রুপ পুনর্দে লাভের গন্নি নই, আজ আনিতে পারিলাম, ইহাৱা আমার বিষম; হেতু,—অর্থাৎ বাসলা বিলয় না হইলে আত্যন্তিক দেহ লমও হয় এজবৎকাল আমাকে পূনঃপুনঃবনা নিয়া কষ্ট প্রদান করি না, অথচ ইঞিা থাকিতে বাসনার বিলম্ব হয় না, এই জ ইলিই যাচ্ছে। শ ইন্দ্রিয়রূপ ব্যাধের এপেই হতভাগ্য মানবগকে পুনরায় দেহলাভে হেতু। মৃত্যুতে যেমন আত্মীয় স্বজন করুন- এর কবি সংসারলে লইয়া গিল, বহিরে বার বার স্বরে ক্রন্দন করে এবং মৃত্যু হইবে বলিয়া মূয়ু ব্যক্তিও করুণ- আশ্বাস এলান করিয়া অবকাশ পাইলে একেবারে নিহতকবিগ স্বরে ক্রন্দন করে, সেইরূপ এই ইন্দ্রিয় অনিষ্ট উৎপাদন কৰি৷ ফেলে। ৩-৫। এই বিষৰ বিষয়-ইম্বিরূপ বিষধরগণ কর্তৃক লােঝকে করুণষরে কালাই থাকে। এই ইন্দ্রিয় ভীষণ কালন- নিৰ্মাণ-প্রকরণ উত্তরঙ্গণ। = স্বরূপ, এ কাননের অন্ত নাই; অবিবেকালিগেরই হা শক, এই বিকেবি স্থির খুজি বড়ই শােভা পাইছে। নির্মাতা বিবেকাদিগের ইহা মিত্র (কোন অনিষ্টসাধন করিতে পারে না। এক্ষের ত্বীয় অঞ্চকর। এখানে উপদেশ বাক্য এহণে সৰখ ভয়ানক মেধ এবং ইঞ্চিনচা উভয়েই সমান, কেননা উভয়েই হইবে, নির্মল দর্পণে দ্রব্যের প্রতিবিম্ব সহজেই পড়িয়া থাকে। নাস্ফোট (গর্জনশীল অথচ নিরন্তর চঞ্চল) এসার, মলিন, জড় আমি যাহা যাহা বলিতেছি, তৎসমকাই স্বীকার করিয়া লইবে, (জলময় অথচ চেতনকা) এবং বিদ্যুৎপ্রকাশ (বিদ্যুৎফুক্ত তর্ক করিও না, আমরা বহুদিন তর্ক-বিতর্কাদি করিবার পর অথচ বিদ্যুতের ন্যায় ক্ষণিক সুখের হে)। ইন্দ্রিয়নি এবং এই সাবসিদ্ধান্ত করিয়া রাখিয়াছি। লেমার আকাশে যে যে গর্ভবতল ভূমি উভয়েই ভুল, কেন, উজই ক্ষুদ্র প্রকার ভাবের উদয় হয়, তাহা আত্মা নহে, অনুকরণে চিরকাল অন্বেষণ আশ্রয় (বিষয়াসক্ত জীব ক্ষুদ্র প্রাণী, অথচ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অন্তু করিলেও আত্মাকে পাইবে না, আত্মা এ সকল পদার্থের অভ। প্রধান জীবগণের পরিত্যক্ত এবং রস্তমপরিব্যাপ্ত (রজোগুণ ও আত্মসম্বন্ধে যে ভ্রম ধারণা আছে, তাহা ত্যাগ করিয়া আমার মােঞ্জণে ব্যাপৃত, রাগ-মেষ-বিষাদ-মােহের হেতু, অথচ ধূলি ও উপদিষ্ট আত্মজ্ঞানে নিরত হও। খছি তােমার নিশ্চয় হয়- অন্ধকারময়)। পুরাতন বিবরম্বার এবং ইন্দ্রিয় উভয়েই সমান, তুমি নাই, আমি নাই, অ নাই, তখন তোমার সকলই কেননা—পতিত করিবার ক্ষমতা উতরেই আছে, দোষ-ভুলে থাকিবে, অথচ তাহা দুঃখের মূল হবে না, এত সুখ ও উভয়েই পূ, লক্ষ লক্ষ কর্কশ-কষ্টকে উভয়েই আচ্ছন্ন (কন্টক মঙ্গলের কারণ হইবে। অজ্ঞান হইতে অস্ত্র উৎপত্তি কি কাটা অথচ দুঃখের মিশ্রণ, ইলিয়-সুখে দুঃখমিশ্রিত কিনা)। জগৎ হইতে অজ্ঞানের উৎপত্তি—বিচার করিয়াও ইহা বির রাক্ষস এবং ইন্দ্রিয় দুইই সমান, কেননা আত্মরিতা, অনাৰ্য্যতা, করিতে পারি নাই, কেননা অঞ্জান ও জগৎ একই বস্তু। সাহসিকতা এবং অপ্রিয়তা উভয়েরই ধৰ্ম ।৫১-৫৬। জীর্ণ মৃগতৃষ্ণায় অলমের গায় ব্রহ্মেই অগভ্রম হয় , ভয় বিষয় পদার্থ সশ আর ইলিয়—সমান, কেননা —উভয়েই সুস্থ গর্ভ, অসার, বন্ধুত্বহীন, সুং ভাস্তু-দৃষ্টির বিষয় হইয়া সত্যবং প্রতিভাত বক্ৰ ( অলরল অথচ ব্রহ্মানের প্রতিকূল) গ্রন্থিযুক্ত ( গ্রন্থি হইলেও তা অসত্য। এই অসভ্য জগৎ কিছুই নহে অথবা গাট অথচ বন্ধন-সামর্থ) এবং কেবল দাহ করিবার উপযুক্ত। কিছু বৈ কি, ইহা ত ব্ৰহ্মই বটে। মৃগতৃষ্ণায় অলভ্রম হয়, কিন্তু ইন্দ্রিয় এবং অসম্পূর্ণ নগর উভয়েই তুল্য, কেননা, মােহান্ধ তাহা জল নয়, পরন্তু মৃগতৃষ্ণা—এইরূপ ব্রহ্মে অগভ্রম হয়, জনগণের অপকৃষ্ট কাৰ্য—উভয়েরই সঙ্গী, উভয়েই দুষ্টুপ-গহন, আমি,-এইরূপ ভ্রম হয়, কিন্তু তাহা জগৎ বা তুমি আমি নয়— (ইন্দ্রিয়ের রুপ অথাৎ ঘর বা ছিদ্র দেহবিকারে পূর্ণ, অপকৃষ্ট, পরন্তু ব্ৰহ্ম। যাহাতে জগ নাই, এই জ্ঞান হয়, তাতে এইজন্য ইন্দ্রিয়-দুপ, আর তাহার উচ্ছেদসাধন করা যায় না জগতের প্রতিভাসও (ভ্রমনও হইতে পারে না। (এখানে বলিয়া তাহা গহন, এই কারণে ইন্দ্রিয়-দুপ-গহন, আর ঘট নাই এই জ্ঞান হইলে, তখন খট আছে, এমন ও কু-নগরের কৃপ অপরিক্ষত, স্থানে স্থানে গহন অর্থাৎ বন, এই হয় না)। ১-১০। তুমি জানিবে অহাৰই জগতের বী, তাহা কারণে অসং-নগর দুক্ষুপ গহন) এবং নিতান্ত তুচ্ছ। কুলালচক্র হইতেই, সাগর-ভূধর নদ-নদী ভূমণ্ডলময় অগৰূপ প্ৰকাণ্ড ও ইন্দ্রিয় সমান, কেননা, উভয়েই টালি বিবিধ পদার্থের বনস্পতির উৎপত্তি। মূল অহাৰ বীজ হইতে প্রকাণ্ড জগৎ কারণ, এবং ভ্রম ও পঙ্কসম্বন্ধ উভয়েই বিদ্যমান। (ইয়িবৃত্তি পাপের উৎপত্তি। বিষয়বসাট্য পাতালদি অদভুবন সেই না থাকিলে, যদি থাকে না, সুষুপ্তিকালে জীবের পক্ষে এটালি বুকের মুল। অখিনী প্রভৃতি সপ্তবিংশতি নক্ষত্র—সেই কক্ষের নাশ হয়, আবার ইন্দ্রিয়ত্তি হইলে ঘটাদি উৎপন্ন হয়, এইজ প্রধান কণিকা, অন্যান্য নক্ষত্রসমূহ তাহার কোরকসমূহ, ইলিয়কে ঘটাদি মুনীভূত বলা হইয়াছে। এখন ইমিষের গণের ধর্মাধর্ম সেই কক্ষে পুষ্পগুচ্ছ, আর পূর্ণচন্দ্র ফলগুচ্ছ। কল, আর পঙ্ক অর্থাৎ পাপসম্বন্ধও ইন্দ্রিয় হইতেই হয়, এইজন্য স্বঃ মহঃ-জনঃ-প্রভৃতি স্বর্গলােকসমূহশখাস্থ বিল কোটর, এম ও পঙ্কসম্বন্ধ তাহাতে আছে। আর কুলালচক্র ঘটের কারণ আর সুমেরু মন্দর এবং সহভৃতি পর্বসমূহ সেই বৃক্ষের ইহা ত প্রত্যক্ষসিদ্ধ, ভ্রম—অর্থাৎ ঘূর্ণন এবং পঙ্ক অর্থাৎ কর্দম- পরাজি, সপ্তসমুদ্র সেই বৃক্ষের অবাল, পাতাল মূল-কোটর, সম্বন্ধ তাহাতে আছে)। হে বিপলিস্তারণ। আমি এইরূপ সত্যতােদি যুগ—কৃক্ষের ছুণ, বৎসর মাসাদি তাহার খালি ইন্দ্রিয়-বিপসাগরে নিমগ, অকিঞ্চন, দয়া করিয়া জানােপদেশ পর্ব, জ্ঞান আহার উৎপত্তি-ভূমি এবং জীবগণ পক্ষিসহ যারা আমাকে আপনি উদ্ধার করুন। সকল শাস্ত্রে আছে, ভ্রান্তিজ্ঞান তাহার মধ্য ও (ড়ি। এবং নির্বাণ লাভই ভবশ পরমােকই নিগণের সংসর্গই সংসারণােক বিনাশের হার দাবানল। বহিঃপ্রত্যক্ষ এবং সঙ্কলাদি মনােবৃত্তি সেই বৃক্ষরাজেয় তুমসৌরভ, বিপুল সূক্ষ্ম আকাশ এই বক্ষের मई म नयाा বনভূমি, আর নিখিল শুকিশ্রেণী এই বৃক্ষের প্রথম অরণ গুরুত্ব ( আঁশ)। ১১-১৭। ঋতুসকল এই কক্ষের বিবিধ শাখা, দশমিক ইছার উপশাখা, স্কানরূপসে ইহা পরিপুষ্ট এবং সপ্তম সর্গ। পবন এই রুক্ষ, সতত স্পন্দন। চন্দ্র সূর্যের কিরণমালা এই তুযুণ্ড বলিলেন-হে ব্ৰহ্ম। অনতর আমি তাঁহার এই বিশুদ্ধ বাক্য শ্রবণ করিয়া তাহার অনুসারে সুস্পষ্টবাক্যে উত্তর করিলাম,-হে বিদ্যাধর-প্রর। সাধু সাধু। তােমার ভাগ্য প্রসন্ন, তোমার চৈত হইয়াছে, বহুকাল পরে সংসারূপ * চাকাকার বলেন, 'জীবদেহের নেত্ৰপুত্র ও ওষ্ঠাধয়, এই অন্ধকূপের গর্ত হইতে যে উখি রুইবার ইচ্ছা করিয়াছ, ইহাতে বক্ষের পূরন্ত শুক্তিজাল শ হইতে যে কষ্টে পূত পরম শে এপ্তি হইবে। অনল সুবর্ণরেখার খায় তােমার , আলিতে হইয়াছে, তাহানা বলাই ভাল। এণ উপর। ৫৭- যােগবতিয়মান অষ্টম সর্গ। T মনোময়ী রমণীয় কুসুমমজী এবং অকাই সমুদয় যত্র শিশুদের ক্রীড়াসামগ্রী কৃকের স্থান অধিকার অয়াজের কুসুমলেভ্রান্ত ভরন্দ। এই অসত্যক্ষ 'আকা, করতঃ তাহাদের অভিলঘু বিশ্বাস পবনসম্পর্কেও চালিত হইতেছে পাতল দিগুমণ্ডল ব্যাপ্ত করিয়া সত্যবৃক্ষের ন্যায় অবস্থিত, অহ- এবং যথায় সক্ষাকালীন মেঘমাল কর্ণ, ভূষণের, শরতের নখ ভাজপ সেই বৃক্ষবী, অনন্তবরূপ অনল র ন হইলে, চামরের ও প্রলয়কাণীন বারিধরেরা তালতের প অধিকার করি- সেই বৃক্ষের বিবর্তাপদান সংব্ৰহ্ম হইতেও পুনরুৎপত্তির মাছে ও এই ভূল যায় দ্ক্রীড়ার উপযােগী চিত্রিত পত্র ও নাকা এক না। ১৮। নক্ষত্রণালয় সুশােভিত অন্তরীক্ষ বাহৰ বিতান হইয়াছে, সেই মণ্ডপের আকাশ লক্ষ পরিক্ষত চরমধ্যে গৃহী জনেরা সগুন সর্গ সমাপ্ত। ৭। জগতে আবির্ভাব ও ভিনােভাবের জ্ঞানকে পণ রাখিয়া দূy- ক্রীড়া করিয়া থাকে সেই ক্রীড়ায় অসংখ্য প্রাণিগণের প্রতি জন্ম মরণাদিই শারিকা সমূদয়ের পুনঃপুন প্রত্যাবৃত্তি হইতেছে ভণ্ড কহিলেন, বিদ্যাধর! পাতাল প্রভৃতি সপ্ত এবং চন্দ্র সূর্যাদি নব গ্রহেরই খায় নষ সখ্যক শায়িকার স্থান ভণ্ড কহিলেন, বিদ্যাধর! পান প্রভৃতি সপ্ত অধিকার করিতেছে হে মহাভাগ। এই প্রকার সঙ্গে যেমন লােকাশিত এই ভূলােক যাহার মূলদেশ, লােকালােক পর্বতের সঞ্চয়কারীর অন্তরে নিয়ত ভাবনার সাহায্যে সত্যের ন্যায় অতীত গুহা প্রদেশ যার বাসস্থান, এবং দিগন্তুরে ও অন্তরীকে হয়, তেমনি চিমংকাররূপ এই বিশ্বের স্বরূপলক্ষ মণ্ডপ সঞ্চ বিবিধ শাখপল্লবদির বিস্তারে যাহা অতি চঞ্চল হইতেছে, সেই বলে চিত্রকরের চিত্তে চিত্রিত চিত্রের স্যায়ই উৎপন্ন হইয়া থাকে। মান সংসারলামৰূপ অঙ্কুর হইতেই নিয়া থাকে সকলই মিথ্যা প্রকাশ পাইতেহে ও প্রতিভাসলে রহিয়াছে ও ঐ বীজকে যিনি জ্ঞানরূপ অনলে দগ্ধ করেন, তাহার নিকট এই বিশ্বের প্রকাশ হয় না। সম্যক্ বিচারবলে পরীক্ষা কৰিলে পরী- জয় এসড্রপই কষ্ট হইয়া থাকে। ১। যেমন সুবর্ণে কটক পরমার্থরূপে কিছুই নাই, আকস্মিক উদ্ভূত মায়াকৃত হস্তখাদির ক্ষকের নিকট তুমি, আমি, এ সকল কখনই থাকিতে পারে না, ইহার নাম তত্ত্বজ্ঞান, ইহা সাহায্যেই সংসারবীজ দক্ষ হইয়া কেয়ূরাদি সকলই থাকে, তেমনি একমাত্র চিমৎকার-মধ্যে এই অলি #সার আছে, এই জ্ঞান দিগের একান্ত কাধীন থাকে। যে পর্যন্ত তােমার অহংজ্ঞান বিদূণিত না হইবে, এবং সংসারবীজের ধ্বংস নাই এবং এই অহংজ্ঞানের অভাব হইলেই সুং যেরূপে যত্ন করিতে অভিলাষী হইবে, তাহাই কর। যে তুমি আমি এ সমুদয় কিছুই থাকিবে না, এই জ্ঞানকেই শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ঐহিক অনুপানাদি ও পারত্রিক বন্ধ দানাদি যাবৎ কাৰ্য্যেরই ফলাকাঙ্ক্ষান্ত হইয়া অনুষ্ঠান করেন, তঁাহার এই অশ্বই শেষ, কহে। আর যখন এই বিশ্বের উৎপত্তিই কোন প্রকারে ঘটি- তেছে না, তখন কোথায় আমি কোথায়ই ঝ তুমি আর একত্ব করিয়া থাকেন বলিয়া তাহার কোন বন্ধনই থাকে না। হে আর তাহাকে জমিতে হইবে না, কারণ তিনি কর্মকে অক্রিম স্বত্বাদির বিবেচনাই বা কি, সকলই ভ্রম জানিবে। যাহারা প্রথমে পুণ্যাত্ম। তুমি অপসাধনী অরিবেকপদবীকে অতিক্রম গুরূপদেশ দিয়ে ধারণপূর্বক অতিশয় যত্নসহকারে তদনুসারে করিয়া একালে ত্রিকাগংপাৰন বিতীয় বিবেকমার্গে উপস্থিত হইয়াছ, অখিল সঙ্গ ত্যাগের জন্য উদ্যোগী হন, হারাই তৃত্বজ্ঞান লাভ তােনার চিভের পবিত্রতা অর্শনে বিবেচনা করিতেছি যে, তুমি আর করতঃ মােক্ষপদে এজিঠিত হন, কারণ যেমন সুস্কার পাকশাস্ত্রের আপতিত্ব হইবে না; মাং এক্ষণে চেষ্টাশুক অমল মিষ- অভ্যাস করুত অত্যন্ত যত্নপূর্বক পাকাৰ্যে নৈপুণ্য দেখাইয়া পা অবলম্বন কর মন প্রভৃতি যাবৎ বৃকেও পরিত্যাগ উত্তম পাক করত রাজসম্মানাদি পাইয়া থাকে, তেমনি অধিকারী ।। ব্যক্তি যত্ন করিলেই বিবেকিতা লাভ করিতে পারেন, নচেৎ সম্ভব অষ্টম সর্গসমাধা নাই। হে মহাভ'। এই সংসারকে ইন্দ্রজালের ন্যায় চিচ্চমৎ- কারমাত্র জানিৰে, সূতরাং অন্তরে বাহিরে কি দিগন্তে কোথাও ইহার অবস্থান নাই ও এই অগপ চিত্ত বাসনার বিকাশেই অকুলােকিত হয় ও তাহার পরেই চিত্রকরের চিত্রপটে চিত্রিত Hবশ দল। চিত্রের আয় নিমেষমধ্যেই , পাইয়া থাকে। হে বিদ্যাধর। ভুধু কহিলেন, হে মহাভাগ। তুমি চেত ও চিৎরূপের এই সংসার একটা বহুলখােজনবিস্তৃত কাঞ্চনময় মুক্তামণি- সম্যক না জানিলেও সলিলমধ্যে পতিত সূৰ্যকিরণের ন্যায় ভাপ- খচিত মণ্ডপের স্বরূপ ; উহা সুমেরুসদৃশ বহুসংখ্যক মণিময় শুন্তে ইয়াই শান্তভাবে অবস্থান কর, আর যৈমন আল বাহনে আবৃত ও অসংখ্য ইয়ুথে বিরাজিত থাকায় কান্ত-সন্ধ্যাকালীন নিজের সম্পূর্ণ অসদৃশ হইলেও সলিলরাশিতে অবস্থান করে, মেঘমালার পরম সুন্দর হইয়াছে এবং ঐ মণ্ডপের নানাস্থানে অগ এই চেত্য আপাত দর্শনে অচল হইলেও বত চেতন নিয়ত বাসকারী বালবৃদ্ধ শ্রীজনের ক্রীড়াসাধন স্বর্গ পাতালদি বলিয়াই চেতন চিত্রের মধ্যেই অবস্থিত আছে। এক এক- লােক সমূললক্ষণ সমুাক (পেট) সকল স্থাপিত আছে। যে মাত্র বায়ু যেন অনলখির উৎপাদক ও বিনাশক, সেইরূপ সৰু সমুদগক-হুরে নদী পর্বত কাছি স্থানেয় এবং একা চিৎশক্তিই চেতনাচেন যিবিবৃতিরই কা হইডেন। বরূপ বীজ সমূদয়ে পরিপূর্ণ ও অগশক চন্দ্র সূৰ্য্যাদির এতএব “আমি আছি” এই প্রকার তােমার অহংজ্ঞানান্যাত্মক ব্যবহারে শব্দাষমান হইয়া কোন স্থান অন্ধকারাচ্ছন্ন কোম্পাও ৰা সচেজং চিত্রেই অবস্থিত হউক, তদবস্থায় যা হওয়া তেজসম্পর্কে সমুজ্জ্বল হইতেছে। এবং বে ক্রীড়াকৌতুকাগার উচিত তুমি সব হইয়া থাক। যেমন সলিলমিশ্রিত দুঞ্জ, সলিলের মণ্ডপে স্ত্রীর অলঙ্কারসাধন কলসমূদয় রক্ষিত আছে, সর্বত্রই থাকে, তেমনি তখন চিৎস্বরূপ তুমি সকল ভাবেই নাহানের সৌরভে দশদি আমােদিত মইয়া থাকে, খখায় কুলাচল কি হিরে কি একান্তে সই বিরাজ করিবে। আর যদি নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরণ। ভােমার অহংজ্ঞান পরিত্যক্ত চিব চিতির সহিত একতা-ও আবার ,সুতরাং নিঃশঙ্ক হইয়া অন্যান করিয়া অচেন চিনভাসে হয়, উবে ব্ৰহ্মরূপ তুমি কার দ্বারা উপনিত হইবে, তখন আপনি খয়ই উপাত্ত হও। এবং ব্ৰহ্ম নিত্যানন্দময় বলিয়া ভােমা ভিন্ন কিছুই থাকিবে না। এই সুরাসুরাশ্রিত স্বৰ্গ, তঁাহার কাৰ্যকারী কোন কারণ নাই, লুৎ সৃষ্ট্যাদির নিতান্ত মর্ত, পাতলাত্মক সংসারস্থানও কালবিশেৰে হৰ্য, বিষাদ, অ, অসস্তবে অজ দি শিৰই রহিয়াছেন। কিন্তু যাহারা নিজ পরাজয়, পলায়ন, অনুসরণাদি নানাভাবে পটে চিত্রিত দুইলেও মুখতার বিলাসে একমাত্র চিশ অক্ষের সভা বুঝে না, সৃষ্টির কেমন বাস্তবিক উহা মূলিদেহের তা সমূদয় ব্যাপারেই অসম্পৃক্ত অভাবে তাহাদের কিরূপ বন্ধন-দশা হইবে তাহা কি বুবিতেই থাকে, তদ্বৎ মায়াৰণে ধূমান সংসারও শুদ্ধচিমাকাশে অদ্বয় না? যখায় যথায় পরমব্রহ্ম, সেই সেই স্থানেই এই জগৎ রহিয়াছে, অহ্মের অভেদেই অবস্থান করিতেছে, জগৎস্বরুপে নহে। যখন এংবিধ জ্ঞানীরাও অর্থমুক্ত সন্দেহ নাই। তাহাদের বিবেচনায় এই মিখ্যা জগদ্রুপ ও চেতন সত্যব্রহ্মস্বরূপ উভয়ই চিৎস্বরূপে তুশে কাঠে জলে সর্বত্রই পরমব্ৰক্ষ হিয়াছেন, অথচ সর্বত্রই প্রতিবিম্বিত হইবে, তখন তােমার চেতনাচেতনের মধ্যে যাহাতে সৃষ্টিব্যাপার পরম্পর অশুরে গ্রথিত আছে। হে মহাত্মন। আস্থা হয়, তাহাই স্বীকার করিবে। কারণ মরুপ্রদেশে সূর্যকিরণ অনন্ত পরমব্রহ্মে স্বত্ব ও অষ্যত্ব অর্থাৎ স্বীয় ব্যবৰ্ত্তকধৰ্ম ও দেখিয়া অনভিজ্ঞ লােকেরা মহানদীরূপে জ্ঞাত হইয়া উত্তরণোপায় অপরিচ্ছেদক ধৰ্ম্ম উভয়েরই অভাষপ্রযুক্ত শীয় স্বভাৰনিরূপণ পাইয়া কুলদেশে অবস্থান করে, কিন্তু যাহারা সূর্ঘ্যেরই নিতান্ত অযুক্ত, আরও যে তাহাতে অববিরোধী ভাবের একান্ত কি জানে, তাহাদের নিকট ঐ স্থান প্রতিবন্ধকবিহীন হয়, অসম্ভব বলিই হাতে গবাদি দুষ্ট বাগজাল আশ্রয় করিতে তপ তজ্জদিগের নিকট এই সংসারভাব বিস্ময়কর হইলেও পারে ন--অর্থাৎ তদীয় স্বভাবনিরূপণ অযৌক্তিক। এইরূপে সভম্বরূপে প্রতীত হয় না এবং যাহাদের দৃষ্টি অন্ধকারে আক্রান্ত নিত্য অনন্ত ব্ৰহ্মে স্বত্ব ও অভাবের নিতান্ত অব ও স্বত্বাব আছে, তাহারা যেমন আকাশে কেশে (কাশপুল) দেখিয়া স্বতঃসিদ্ধ , সুতরাং স্বভাবশপ্রয়োগ কিছুতেই থাকিতে পারে থাকে, তেমনি সংসারেই মগ্ন মূঢ়ব্যক্তিদের নিকটই এই অবাস্তব না। হে সাদে। পূর্বোক্ত যুক্তি অনুসারে এ সংসারে শুদ্ধবৃতি অগপ বিলাস পাইয়া খা$ে। হে মহাভাগ। “তুমি আমি অহাব নিত্যন্ত দুর্লভ , সুরাং উহা বালকের নিকট যক্ষ- এই প্রকার বুখা জ্ঞানময় জগৎ ব্রহ্মেরই প্রতিবিম্ব মাত্র, জ্ঞানীরা সংবাদের স্থায় সকলই মিথ্যা, অতএব পরমপদ অহং- এ বিষয়ে কিছু বলেন নাই, যাহারা অজ্ঞ, তাহাদেরই কতিমাত্র। সম্পর্কবিহীন হইলেও লাভ করা যায়, আর অভাবে পরিপূর্ণ যেমন মরীচিকায় অবাস্তব গন্ধৰ্ব্বনগরাদির প্রকাশ হয়, তাহারই এই জাত সম অনুভবে সুপরীক্ষা দ্বারা জ্ঞাত হইলেই স্থায় এই জগৎ প্রতিভাত হইতেছে, ইহাতে সত্য কিছুই বিলীন হয়। জগৎ ও ব্ৰক্ষ উভয়ের ভেদাভেল পাক্রমে নাই। ৭-১২। শব্দেরই বিলাস মাত্র , যেমন প্রাক্তন হেম ও পরভূত কটক নবমসর্গলমাপ্ত। উভয়ের বাস্তবিক ভেদ নাই, তদ্রুপ উহারেও ভেদ সঙ্গ- মা কথিত হইয়াছে, ৰাহুবক নহে।১-১৯। এম র্গ সমাপ্ত।১০ ম পর্গ । ভুরু কহিলেন-হে বিদ্যাধর। এই জগৎ অচেতন হইলেও চেতন ব্ৰহ্ম হইতেই ইহার স্ফুৰ্ত্তি হইতেছে, সুতরাং একাণ সঙ্গ। চেতন বলিয়াই আনিবে। যেমন জলে প্রতিবিম্বিত বছি জল হইতে ভুলুগু কহিলেন, হে বিদ্যাধর! যিনি অনাবৃত দেহে ও পৃথক্ নহে, তেমনি এই জগয়েও চৈতন্য ভিন্ন জড়তা কিছুই অস্ত্র ও রুণীর অনাদি অবয়রে সংস্পর্শে অনুভব করিয়াও নিবি- নাই, সুতরাং তুমি চেতনাচেনে অভেদ জ্ঞান রাখিয়া চিত্রকরের কার মনে অবস্থান করেন, তিনিই পরপদে প্রতিষ্ঠিত হন এবং সেই চিকচিত্রিত চিত্রের ন্যায় ও আকাশে গন্ধৰ্ব্বনগরাদির প্রায় বুঝিয়া কাল পর্যন্ত পুরুষ যত্নসহকারে অভ্যাস করিবে, যাবৎ তাহার অসীম হইয়া অবস্থান কর এবং দৃশ্যমান সাগরসলিলে ভাবী কাদি বায়ুপদাৰ্থ হইতে যিকার ফিরিত ও মুখশ্রান্তিপূর্ণ বেবি যেন থাকে, তেমনি লয়সময়ে আগষ্মে সূক্ষ্ম অচিপে সুষুপ্তি সমাগতা না হইবে এবং যেমন পদ্ম সলিলগত ব্ৰক্ষে অবস্থানসূচক বেদাদি থাকিলেও জগতে চিপার হইলেও উহাতে সলিল সংলগ্ন হইতে পারে না, তেমনি যিনি খণ্ডন হইতেছে না এবং কোন কারণ ব্যতীত যেমন নিল যথার্থ স্বরূপ অবগত হন, তাহাকে কোনপ্রকার নেই অগ্রসর সলিলে ফেনবিন্দুর প্রকাশ হয় না, তেমনি কারণ না থাকিলে হইয়া কিছুমাত্র আক্রমণ করিতে পারে না। যে অজ্ঞ, তাহারই কেমনে বন্ধ হইতে এই জড় সৃষ্টির প্রকাশ পাইবে। আর এই বিবেচনা হয় যে, স্বদেহে অস্ত্রাদি সংলগ্ন হইতেছে, কিন্তু অহেতুক সব্যাপারে কিছুই করি নাই; সুতরাং এই জগদাদি অবস্থায় যে, শান্তচিত্ত, ব্যক্তি অস্ত্রাগাদি সমুদয় অসংলগ্ন বলিয়া কিছুই হইতেছে না ও কাহারও বিনাশ নাই এবং কায়ণের দর্শন করেন অর্থাৎ জানেন তাহাকেই সাক্ষাদষ্টা—অর্থাৎ চর এত অভাব বশতই এই দৃশ্য কিছুই অমিজেছে না ও মরু- জ্ঞানবান বলা যায়। এবং বিষ যেমন অন্তরে স্বল্প ঘুণাকারে অঞ্জলশে সলিলের স্থায় এই জগৎ সম্মুখে তৃষ্ট হইলেও কিছু পরিণত হইলেও অপর্যালােচনায় বিষ ব্যতীত ঘূণতা কোন হে। হে মহাভাগ। একমাত্র আজ অনন্ত প্রশান্ত এই বিশিষ্টপদার্থ নহে, তেমনি ব্রহ্মও বাস্তবিক স্বরুপ পরিত্যাগ না আছে, কারণভাৰে সৰ্গ্যাপার না থাকায় অখণ্ড ব্রহ্মই করিয়া জীৰভাৰে অধিষ্ঠান করে মাত্র। আপাতত দর্শনে ঐ প্রতিপাদ্য হইতেছেন, সুত্রাং তুমি বিলাসদৃশ আকাশতুল্য ও জীবভাবতজ্ঞানের বিরােধী হইলেও বস্তুত নহে। সেই বিষ ব্ৰহ্মস্বরূপী বলিয়া আজ হইচ্ছে, এলে তুমিই একমাত্র আনের অমরণশী হইয়াও যেমন মরণক্ষ্মী মুজ ঘুণজীব হয়, তেমনি ৩ যােগবাণঠ-রামায়ণ =ক্তিও স্ব-স্বভাব ত্যাগ না করিয়াই জড়রূপ চিত্ৰ যখনই আকাশে, কালে, যানে, জলে, স্থলে, নিদ্রায়, আশ্রয় করে এবং যেমন ঘূণ বিভিন্ন হইলেও ভঙিয়ের স্থায় জাগরণে ও স্বপ্নদশায় অভিমুখ হয়, তখনই দৃশ্যমান ভ্যের প্রতীত হইয়ই কোথায় উঠিতেছে, তেমনি সংসারও ব্ৰহ্মস্বরূপ ও প্রকাশ হইয়া থাকে। অতিনির্মল নির্বিকার চিকাশ হইতে ব্ৰহ্মস্থিত হইয়াও অতির ও তথায় বিদ্যমানের স্যায় দৃষ্ট হয়। প্ররণ বা অপ্ৰসরণ কিছুই সম্ভব না। ১-১০। ভবিৎ হে মহাভাগ। যেন বিষ, যখন স্বিত্ব ত্যাগ না করে, তদীয় , মুখদুঃঋদিভােগ অনুভব করেন না এবং আপনাকে আমি”নামক সাবষ্টে তখন জন্ম-মরণের সম্ভব হয় না ও অন্তরের এক স্বতন্ত্র জীব বলিয়াও জ্ঞান করেন না ; দুৰত্ব যেমন সলিলে, ক্যাদি দেহিভাৰ দৃষ্টে জন্ম-মরণ অবশ্য থাকে, তেমনি জীবের সেইরুপ তিনি কুটন্তু পরব্রহ্মে অবস্থিতি করেন। তিনি সস- যখন ব্রহ্মস্বভাব দেখা যায়, তখন তাহার জন্ম বা মরণ একান্ত শূন্য, এইজ অন্ধকারে যেমন সর্পের গানচিহ্ন দেখিতে পাওয়া অসম্ভব; কিন্তু উহাতে জীবধভাবে ঐ জন্ম-মরণ সর্বথা রহি- যায় না, সেইরূপ নি বুদ্ধি, লজ্ঞ হর্ঘাত্মিকামনােৰ্বত্তি, ভীতি, আছে। যিনি দেহেন্দ্রিয়াদির বিষয় বস্তুতে অহং-মমতাদিবােধে স্মৃতি, কীর্তি, ইচ্ছ। ইত্যাদির বিষয় সকলকে দেখিতে পান না। কোনরুপে নিমগ্ন নহেন, তিনিই ভবসাগর পার হন, নচেৎ কেবল ! ব্ৰহ্মৰূপ চন্দ্রমশুল হইতে নির্গতজীবচৈতন্যরূপ জ্যোৎস্না ও তাহার দৈবমুখাপেক্ষী হইলে উহা ঘটে না, অতএব হে মহােদয়। যে অংশ চাকুদি জানরূপ অমৃন্দ্রে ভ্রময় এই যে সৃষ্টি, ইহা ঈশ্বর পুর্ণব্রহ্মে সমুদয় প্রিয়ভাবের আন্তরিক সুখময়ী সৰ্বাতিশায়িনী (ব্রহ্ম) হইতে অতিরিক্ত নহে। পরমেশ্বর ব্ৰহ্ম এইরূপে আপনা শীতল অবস্থা রহিয়াছে, সেই ব্রহ্মের কেন অবহেলা করবে? হইতে অভিন্ন জগলাকারে ক্ষুন্বিত হইলেও যথার্থপক্ষে যখন আর যখন সচ্চিদান ব্রহ্মের স্বরূপে জগৎপদার্থের সত্তার জ্ঞান পতিদানন্দরূপে দীপ্যমান আছেন, তখন দেহাদিতে আত্মতি- হইবে, তখন নির্মল আত্মায় মন, অহঙ্কার ও বুদ্ধি প্রভৃতি কলঙ্ক মানী অহঙ্কাররূপী অণর যাহা স্কুরিত হয়, যাহা সমূদয় জগৎ, স্পর্শিতে পারে না, যেমন ভুমি দৃষ্টিপ্রসারে আপাতত ঘট পটাদি জীব ও জীবের বন্ধনমুক্তি কল্পনারূপে জলে তরঙ্গাবাদির স্যায় দেখিয়া থাক, তেমনি শরীরকে দেখিবে, কিন্তু অহাৰ বা প্রতীয়মান হয়, তাহা আর কিছুই নয়, কল্পিত চিত্তমাত্র। এই যে মমতানি-বুদ্ধিসহযােগে কদাচ দেখিব না, তখন সর্বসী হইয়া সৃষ্টিরূপিণী তরঙ্গাবৰ্তময়ী নদী জীবনিচয়ের মজ্জন ও উন্মজ্জন- বাহিরে জাগতিক বস্তুজাত ও অন্তরে মনােবুদ্ধি প্রভৃতিকে পৰ্য- জনিত কলকল শকে নিয়ত বহিয়া যাইতেছে, ক্ষণকালমধ্যেই বেক্ষণ না করিয়া স্বাভাবিক সংস্থানে বিচরণ কর; তাদৃশ অবস্থানে আবার ইহা তত্ত্বসাক্ষাৎকারে বিলয়প্রাপ্ত হইয়া যায়। ১১-১৫। সম্পদ ও বিপদ প্রযুক্ত মুখ বা দুঃখহেতু কাহারও কখনই কোন জল যেমন আবৰ্ত্তাকারে প্রতীয়মান হয় ঘুম যেন মেম্বাকারে রূপ গুণ যা দোষ হয় না। যেহেতু,-তখন বিবেকীর কিছুতে পবিণত হয়, ব্ৰহ্ম ও মন হইতে পৃথক্ তীররূপে প্রতীয়মান এই ত্ব থাকে না বলিয়াই তিনি কিছুরই ভােক্তা হন না। ১-১৫। জডত্মক সৃষ্টিও সেইরূপ ব্ৰহ্ম ওন হইতে পৃথকৃপে প্রতীয়মান 'একাদশ সর্গ সমাপ্ত।১১। হইতেছে। দলতঃ ইহাও ঐ বন্ধ রুনঃ প্রভৃতি হইতে পৃথক্ নহে। করপত্র দ্বারা (করাত দ রা) কর্তিত কাষ্ঠখণ্ড (তা। যেমন বক্ষকাণ্ড হইতে ভিন্ন না হইলেও তদ্ভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়, বাদশ সর্গ। সেইরূপ দিক্কালালি হইতে অতীত সে ব্ৰক্ষ হইতে অভিন্ন এই ভুমু কহিলেন, হে বিদ্যাধর। আকাশে অন্য আকাশ সৃষ্টি কঁহা হইতে ভিন্নজবে প্রতীয়মান হয়। মৃদু হইলেও উৎপন্ন হইয়াছে, এই কল্পনা যেমন ভ্রান্তিমূলক, অদ্বয় আত্মাতে পাষণের ন্যায় সুদৃঢ় এই সংসারৰূপ কদপীকাণ্ড আগাগোড়া সু এপঞ্চবঙ্গপ অহাবের কল্পনাও তদ্রুপ ভ্ৰমমাত্র এবং সমান হইলেও সল্পরূপ পনচয়ে কিঞ্চি= বৈষম্য প্রাপ্ত আকাশে দ্বিতীয় আকাশ জম্মিতেছে, এই ভ্রমের আমিই যেমন হইয়াছে, সঙ্গজ পত্ৰ কাটিয়া ফেলিলে বিবেকদৃষ্টিতে ইহা সমান সম্পাদক, তেমনি আমিই অবিদ্যায় আবৃত হইয়া এই অসপে লক্ষিত হয়। এই জগৎ ঠিক যেন একখানি চিত্রলিখিত বড় প্রসূত বিশ্বকে সপে ব্যথার করিতেছি। আকাশে যেমন জয় রাজ ,ইহা দেখিতে অতি সুন্দর, সহস্র খুন, সহস্র মন্তক, সহ আকাশায়াই আছে, দ্বিতীয় আকাশ সঞ্চায়িত পুরুষের নন, সহ মুখ ও সহস্র হস্ত্রের ব্যাপার এই চিত্রখানিতে সম্পন্ন কলা আকাশ-শরীরে প্রতিভাসিত হয় তেমনি আমিও অবিদ্যা হইতেছে। ইহাতে কত নুর, অর, গন্ধর্ষ, বিদ্যাধর ও নাগ সূ আত্মাকে না কৰিবই আমি নহি ইত্যাদি প্রতীতির অবস্থিতি করিতেছে, বিবিধ পর্বত, বহুবিধ শরীর, নানা দেশ ও বিষয় হইয়া থাকি। অতএব যেমন পরমাণমধ্যে শুরুহৎ মেরুর নদী দেশপ্রমাণের ন্যায় ইহার অতি সঙ্কীর্ণ স্থানে কোন স্থান অধ্যাহার হয়, তেমনি পরম চিৎস্বরূপ ব্ৰহ্মকেই সমুদয় মুল সঙ্কুলান করিয়া রহিয়াছে। ইহা বিবি গে রতি, বিগ কানার অধিষ্ঠান বলিয়া জানিবে এবং অজ্ঞান-লক্ষণ চিনই (ত্ৰৈাগ্য, পক্ষান্তরে বিবর্ণ) আসিয়া ইহার আকাশ হইতে সূক্ষ্ম চৈকেও অহবালির অাস করিয়া, অংশ মার্জন করিয়া প্রােঞ্জিত করিয়া দিয়াছে, (১) ইহা উদ্রোত্তর স্থূলভাব কল্পনার অবগত হন এবং অচৈতন্যের জডষরূপ পবন দ্বারা স্পন্দিত হয়, ইহা অন্য আসার অবশির আশ্রয়েই পাঞ্চভৌতিক জগতের সৃষ্টি হইতেছে। ( ( চিত্রপকে হালকা, অপরে কিছুই নয়); এই অফ যেন জলের বিস্তার হইতে আবাদি বেলব্যাপার হইয়া থাকে, বেশী উপসহ নহে (চিত্রপকে-চিত্র বেশ এ অলরার স্থায় অচিপ ভরে যখন বিশ্রান্তি-অর্থাৎ (১) পিকে-একটা বর্ণের উপরে আর একটা উচ্ছ। প্রলয় হয়, তখন উহা নিস্পণ বায়ু ও চিলাকাশের সহিত উপমিত বর্ণ (র) পড়িয়া সে বর্ণনটাকে লােপ করিয়া দিয়াছে। হইয়া থাকে। সুতরাং দেশকাণাত্মক জগতের প্রকাশবিষয়ে জগৎপক্ষে-বৈরাগ্য আর মলমার্জনা হওয়ায় কাহারও কা, শূন্য, নিরাভাস চিত্রের প্রকাশই একমাত্র কারণ; এই কাহারও ভেদজ্ঞান বিদূরিত হইয়াছে।
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ। . সহিতে পারে না, বেশী খাটিলে নষ্ট হইয়া যায়; এগৎপক্ষে ক্ষয় হয়, অবশিষ্ট চতুর্থগ আপনার ঘরে ফল। বিচারসহ নহে,—বিচার করিয়া দেখিতে গেলে ইহার কিছু বিষয়ে ইচ্ছা হইলে পুরুষ বিষয়ভোগ হইতে বিরত হয়, এমন থাকে না।) মনােহর বিয়ে (ক) ইহা অতি সুন্দর; কি, বৈরাগভােগে বান্ধা থাকে না, তখন সে আপন চেষ্টাতেই ইহার ভ্রষ্টা ৰাভা চেল( ব্ৰহ্ম)।১৬-২২। যেমন এলে অবিদ্যার অবশিষ্ট চতুর্থাংশ বিনষ্ট করতে সমর্থ হয়। এইরূপে তৈলবিন্দু পড়িলে তাহা চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে, সেইরূপ সংৰিং সাধুসমাগম, শাণবিচার এবং নিজ ই অবিদ্যারূপ মলের বিকলাত্মক অসত্য মনােমধ্যে প্রতিবিম্বভাবে নিপতিত হইয়া ক্ষয় হইয়া থাকে, উক্ত কারণত্রয় যথাক্রমে প্রাপ্ত হইলে ক্রমে চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। মনােমধ্যে প্রতিবিম্বিত উক্ত সংবিৎ বিনষ্ট হইবে। এককালে যদি শরত্ৰ উপস্থিত হয়, তাহা হৃদয়ক্ষোভকারী কামনা-বাসনা প্রভৃতি দ্বারা বেষ্টিত হইয়া পুত্র হলে এককালেই বিদ্যা নষ্ট হইবে। অবিদ্যায়ের পর কাদির প্রতি জে ও মিথ্যা বিষয়সমূহের আস্বাদন করত যাহা অবশিষ্ট থাকে, তাহাই পরব্রহ্ম নামরূপ-বিবর্জিত এজন্য শীত হইতে থাকে। আদি সংবিৎ এই ‘আমি’ ইজাকার অসৎ হইলেও সৎ। ইনি অজৱ অনাদি অনন্ত এক ঘন ব্রহ্ম। বিকলে বহির্মুখী হইলেও প্রকৃতপক্ষে এত্ব হইতে বারিত্বের ন্যায় ইহাতে সঙ্কলফুর্তি কিছুই থাকে না, হে রাম। তুমি ঈদৃশ ব্ৰহ্ম- পরমাত্মা হইতে পৃথকু নহে (জলত্ব ও ঝরিত্ব যেমন একই সাক্ষাৎ করিয়া প্রমাণ প্রমেয় মােহ নিণপদ প্রাপ্ত হইয়া পদার্থ, সেইরূপ জীবভাবাপন্ন সংবিং ও ব্রহ্মসংবিৎ একই পদার্থ। বিশেষভাবে অবস্থান কর। ৩৭-৪১। চিসূৰ্য্যরূপ আত্মা নিজেই প্রথমে আমি’ হইয়া সৃষ্টিরূপে অভি- বাদশ সর্গসমাপ্ত। হিত হইয়া থাকেল, অতএব সৃষ্টি বা অষ্টা তাহা হইতে পৃথক নহে। ২৩২৫। জনৰ যেমন নিজ শাক সত্ত্বা স্পর্শ (অর্থাৎ জল স্পন্দিত হইতেছে এস্থলে জলকে স্পরূপে বুঝিলে ত্রয়ােদশ সর্গ। স্পন্দনের কর্তৃৎ তাহাতে হইতে গরে , এজন্য বলিতে হয়, কহিলেন,—“আকাশে যেমন যুগপৎ বিকীর্ণ সূৰ্যা- চুমু জল স্পন্দ নহে, কল্পনায় ইহা বুঝিতে হয়, প্রকৃত পক্ষে দ্রব হইতে অতিরিক্ত স্পল একটা পার্থ নহে)। সেইরূপ চিত্মা লােকের ধারণের জন্য কোন স্তন্ত বা আধার নাই এবং হও আকাশালিপ্রপঞ্চ নির্মাণকালে আকাশতৃরূপে অবস্থিতও হন না, পারে না, সেইরূপে মায়াবশে এত এই জগতেরও ধারণ আকাশের কর্তাও হন না বা অপরের আকাশলিগ-জ্ঞান করিবার জন্য পুপ্রসিদ্ধ কোন দেশ বা ইহার সীমাব্যবচ্ছেদক হইতে সমর্থ হন না, আমরা যখন চিদাআতে আকাণাদি বিকল্প কোন কালও হইতে পারেনা (যখনই জগৎকল্পনা, দেশকালাদি বর্ণনা করি, তখন কল্পনাৰলে আগে দেশকালাদি বিভাগ করিয়া কল্পনাও অমনি সঙ্গে সঙ্গে হইয়া থাকে)। এই জগয়ও লই, সুতরাং এই চিদাত্মার জলবের সহিত দৃষ্টান্ত অসম্ভব মনের সঙ্কল্প ব্যতীত আর কিছুই নহে, এই জন্য ইহা বায়ুর নছে। ফল কথা এই যেমন, অহঙ্কার, বুদ্ধি প্রভৃতি যাহা অভ্যন্তরসঞ্চারী সৌরভকণার ন্যায় অতিল, অতিস্বচ্ছ, ওশান্ত। কিছু দেখিতেছ, ইহাকে তুমি অবিদ্যা (অন) বলিয়া হে সাথে! চিতির বৈচিত্র (রূপান্তর) এই জগণুর নিকটে জানিও। চেষ্টা কৰিলে, এই অল্যিাকে ঝটিতি বিনষ্ট করা বায়ুমধ্যসঞ্চারী গন্ধকও সুমেরুপক্সে আয় বিশাল , কারণ যায়। এই অবিদ্যার অর্ধাংশ শাস্ত্রবিদের সহিত কথাবার্তায়, বায়ুমধ্যসঞ্চারী গন্ধক অপরে আঘ্রাণ দ্বারা অনুপ করিতে তাহার পরে কিছু অংশ শাস্ত্ৰবিচারে, অবশিষ্ট অংশ আত্ম- পারে, কিন্তু জগদল তাহা সবে না। যেমন আপনার দৃষ্ট স্বপ্ন সাক্ষাৎকারে বিনষ্ট হইয়া যায়। এইরূপ ক্রমে এককালে লােকে আপনিই দেখিতে পায়, অপরে তাহা দেখিতে পায় না, সম্পূর্ণভাবে অবিদ্যার ক্ষয় হইলে যাহা অবশিষ্ট থাকে, তাহা যেমন মনােরখকলিত পদার্থ-যে কল্পনাকারী তাহার চক্ষেই নামরূপবর্জিত সৎস্বরূপ। ২৬–০। ঝম কহিলেন, “ব্ৰহ্ম। কেবল দৃষ্ট হয়, সেইরূপ এই জগৎও যাহার নিকটে উদ্ভূত, অবিদ্যার সাঃসম্ভাষণে অর্ধেক, শাত্মার্থবিচারে দিংশ ও আত্ম- সেই কেবল অনুভব করিতে পারে, কিন্তু গৰুকণা সৰ্বসাধারণেই সাক্ষাৎকারে অবশিষ্ট অংশ বিনষ্ট হয় কিরুপে ভাই আমাকে নুিভব করিতে পারে (এইজন্য এই অগং অতি) এই শষ্ট করিয়া বুঝাইয়া দিন। হে মুনিনা। আর যে আপনি ক্রমে বিষয় লইয়া 'লােকে এক পুতন ইতিহাস কীজন করে, যে এককালে এই একটা কথা বলিলেন, ইহা কি? আমি বুঝিতে ইতিহাসে সরেণুর মধ্যে দেবরাজ ইন্দ্র এক ঘটনা উলখিত্ন আর সেই নামরূপবিষতি সংই বা কি? আছে।১। কোন সময়ে কোন এক কল্পবৃক্ষের এক যুগল সংশই বা তাহাতে কি ছিল? আমাকে বুঝাইয়া বলুন। বশিষ্ঠ শাখায় একটা উষর ফল হয় (সে উড়ম্বর জগৎ)। সুরাসুরাদি কহিলেন, অবিদ্যালাশ করিতে হইলে প্রথমে সংসারে বিরক্ত প্রাণিগণ সেই ঊষরমধ্যে থাকিয়া মশকের চায় গুণগুণ শব্দ হইয়া সংসার হইতে উদ্ধারপ্রার্থীগনের সহিত এবং আত্মবিং করে। স্বৈন্ধ থাকায় সুদৃঢ় স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল উক্ত পুণ্ডিতের সহিত এই সংসারটা কি? তা বিচার করিতে হয়। উষরের ভীষণ কপাট। চিতির বৈচিত্র্যে ঐ ফলটা অতি পণ্ডিত ব্যক্তি যে কোন স্থান হইতে সংসারবিরাগ বিয়ে হর, ঐ বিশাল ফলটা বাসনারসে পূর্ণ। বিবিধ মুক্ত অৰি সাধুর অন্বেষণ করিয়া লইয়া যন্ত্রপূর্বক তার আরাধনা ঐ ফলটার সৌরভ চিত্ত উহার মধুর আস্বাদ, এরূপ করিবেন। ৩১-৩৫। হে ভৰিলের অগ্রণী নাম। এইরূপে বিশাল ঐ উসকে যে সকল সুখ অৎসরূপ ( শূন্ম সাধু-সহবাস সুসম্পন্ন হইলে শ্রেষ্ঠ ভূমিকায় আৰােহণ কৰিতে ভাবিজগতের কারণরূপ) শাখাসমূহের মধ্যে ঐ ফলটা বিদ্যমান পারিলে অবিদ্যার অর্ধেক প্রাপ্ত হয় নিবে। সজনসংসর্গে রহিয়াছে, অহঙ্কাৰ উহার বৃহৎত্ব (বোঁটা), সমান আলােকে অবিদ্যার অর্ধেক নষ্ট হয়, চা ভাগের এক ভাগ শাবিচারে (ক্ষী-চৈততে উহা সমূল। জন উহার বিকসিমুখ পারিলাম না, যােগণিত রামায়ণ T চতুর্দশ পর্গ (এই);ঐসাগর ও নদীরূপ নিয়ে পরিব্যাপ্ত। পঞ্চতন্মাত্র- ত্রৈলােকের রাজা হইয়া একটা পুত্র উৎপাদন করিয়া বখাকালে কোষে উহা আবৃত; উপরে ভাসমান তারকানিকর উহার জীবনের অবসানে পরমপদ প্রাপ্ত হইলেন, কুপুত্রও সেইরুপে অঙ্গনিঃসৃত নীহাবি। উহাতে অনেক কাক-কোকিল বসে, মহা- রাজ্যপালন করিয়া পুত্রোৎ ননপূর্বক দেহাবসানে পমপদ প্রাপ্ত কঙ্গের অবসাতে উহা পাকিয়া পড়িয়া যায়। উহা যখন নষ্ট হইয়া হইলেন। হে সুন্দর। এইক্ষণে সেই রাজ্যে ইন্দ্রের পুত্র যায়,তখন নির্বাসন ব্ৰহ্মবে-পরিণত হইয়া যায়। ৬-১। সুরা- পৌত্রালিক্রমে সব পুরুষ অতীত হইয়াছে, এখনও সেই রাজ্যে সুরাদি মকপূর্ণ ঐ উড়ম্বরমধ্যে ত্রিভুবনের অধিপতি সুররাজ ইন্দ্র তাঁহারই কণধয় রাজ্য করিতেছে।' অ্যাগি সেই সঙ্কলিত বাস করেন। দেখিলে বােধ হয়, যেন মধুকলসের মুখে মধুমক্ষিকা- এসরেণুর মধ্যবর্তী জগতে সেই ইলের বংশধৱই ইন্দ্রপাণ্ড দিগের রাজা বসিয়া আছেন। গুরুপদেশ অজ্ঞাস করিয়া উহার হইয়া রাজপালন করিতেছে। আকাশমধ্যে লুকিরণ-পবিত্র সেই কতকটা আবরণ ( অবিবরণ) প্রাপ্ত হইয়াছে। ঐ মহাত্মা পরে কবিগলিত হইয়া গেলেও একেবারে নষ্ট হইয়া ই, সকলপ্রকার কল্পনায় সীমান্থরূপ আত্মাকে ভাবনা করিয়াছেন, গেলেও সেই ইন্দ্র নষ্ট হইয়া যায় নাই। ২৭-৩০। পূর্বাপরবিচার্নে তাহার বিলক্ষণ নৈপুণ্য জন্মিয়াছিল। কিছুদিন আমােণ সর্গ সমপ্ত। ১৩। পরে এক সময়ে খাবশালী নারায়-দি দেবগণ কোন স্থানে নিভূত হইয়া অবস্থিতি করিতেছেন, এমন সময়ে সেই ইদের প্রবলপরাক্রমী অনুরক্ষিগের সহিত যুদ্ধ বাধিয়া গেল, যুদ্ধক্ষেত্রে অসুরগণ অন্ধ-বহ্নি বর্ষণ করিতে লাগিল, তৎপরে ইন্দ্র ভুলু কহিলেন, সেই ক্রসরেণু-মধ্যগত আগতে সেই ইন্দ্রের মহাবীৰ্য্যশলী ঐ অনুমদিগের নিকট পরাজিত হইয়া দ্রুতপদে বংশােৎপন্ন সদগুণসম্পন্ন এক সুরধিপতি ছিলেন। তাহার শরীর- পলায়ন করিতে লাগিলেন , দৈত্যগণও তাহার পশ্চাতে পশ্চাতে পরিগ্রহ সেই শেষ সেই শরীরের অবসানে আর জমগ্রহণ ধাবমান হইল, অথম (পাপী) তােক যেমন কুত্রাপি সুখ পায় করিবেন না একেরে নির্বাণ প্রাপ্ত হইবেন। বৃহস্পতির না সেইরূপ ই অধিবেগে ছুটিয়াও তাহানের হাত ছাড়াইয়া নিকট উপদেশে তাহার আত্মসাক্ষাৎকাররূপ জ্ঞানপ্রাপ্তি ঘটিয়া- কোথাও বিশ্রামস্থন পাইলেন না। তাহার শত্রুরা) পশ্চাতে ছিল। অনন্তর বিদিতবে আজভােজী দেবগণের অধি- ছুটাছুটি করিয়া যখন কিঞ্চিৎ দিগভ্রম প্রাপ্ত হইল, তখনই অমনি পতি ঐ ইন্দ্রবংশীয় রাজা কেবল যথাপ্রাপ্ত ( আবশ্যকীয় ) ইন্দ্র সেই অবকাশে শরীরসঙ্কল (স্কুলশরীরসঙ্ক)—আপনাতে প্রশান্ত কর্মের অনুষ্ঠান করত ত্রিগজতের রাজ্য করিতে লাগিলেন। করিয়া (পরিত্যাগ করিয়া) সূৰ্যকিরণের অভ্যন্তরস্থ এক ক্রসরেণু- একা দাবলিগের সহিত যুদ্ধ করিয়া তাহাদিগকে পরাজয় মধ্যে সংবিজ্বর্গে প্রবেশ করিলেন। বােধ হইল যেন পদ্মকোষের করিলেন , তৎপরে অজ্ঞান হইতে সমুত্তীর্ণ ঐ সুরপতি এক মধ্যে মধুকর প্রবেশ করিল। ১২-১৮। সেইখানে প্রবেশ শত যজ্ঞ করিলেন। তার পরে কোন কাৰ্যের অনুরােধে করিয়া তিনি বিশ্রাম করিতে লাগিলেন। বহুক্ষণের পর আশ্বস্ত মৃণালদণ্ডের সূক্ষ্ম তন্তুমধ্যে বাস করিলেন। সেই সূক্ষ্মতমধ্যে হইলেন, তাহার পরে তিনি ভূতপূর্ব সংগ্রামের ঘটনা একবারে অবস্থান কয়াও তিনি যুদ্ধে জয়-পরাজরাদি বহুবিধ ঘটনা ভুলিয়া গিন্না নিবৃত্তি অবলন করিলেন, আর কোথাও যাইলেন অনুভব করিলেন। পরমঙ্গল ঐ দেবরাজের এক সময়ে ইচ্ছ। না। অনন্ত তিনি সেইখানে কজন বলে গুহ নিৰ্মাণ করিয়া হইল যে, আমি যথাবিধি ধ্যানাসক্ত হইয়া ব্ৰহ্মতত্ত্ব নিরীক্ষণ আপনাকে গৃহমধ্যে অতি মনে করিতে লাগিলেন। পূর্বে করি। তৎপরে একান্তে স্থান করিয়া ধ্যানধলে দেখিতে আপন সিংহাসনে বসিয়া যেমন আনন্দ অনুভব করিতেন, সেইরূপ, লাগিলেন বাহ্ন ও অভ্যন্তর-বিক্ষেপহেতু সকল (চিত্তচাঞ্চল্যের সেই কল্পিতমধ্যে কল্পিত পদ্মাসনে বসিয়া আনন্দ অনুভব কারণনিচয়) পরিত্যাগ করিয়া এশান্তবুদ্ধি হইয়া সর্বশক্তিময় করিতে লাগিলেন। অনন্তর সেই গৃহস্থ ইত্ৰ সেইখানে এক সময় পরব্রহ্ম নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। দেখিলেন, কল্পিত নগর নিরীক্ষণ করিলেন। সেই নগরের এটিীর ও মন্দির পরব্রহ্মই সর্বময় সর্বত্র সকল বস্তুতে অবস্থান করিতেছেন, সকল মণি, মুক্তা, এলাজিরা নিশ্চিত। তৎপরে সেই নগর সর্বত্র তাহার অসংখ্য হস্তপদ, সর্বত্র তাহার অসংখ্য মস্তক, মধ্যে প্রবেশ করিয়া জনপদ দেখিতে পাইলেন, সেই জনগমধ্যে মুখ ও নয়ন সকল দিকেই হার অসংখ্য শ্রবণেক্রিয়। নানাবিং পর্বত, অ্য, গ্রাম, গুরী, গােশালা প্রভৃতিতে সুশাে তিনি সমস্ত স্থান বাপিয়া অবস্থান করিতেন। ১-১। হাতে ভিত। তা সফলসমতি ই ক্রমে সেইখানে জগৎ গনি কোন ইলিয়ের কোন রূপাদি বিষয়-গ্রহণশক্তি নাই, অথচ করিলেন; সেই অও বহু পর্বত, নদী, সাগর-বিজিত, সমস্ত ইন্দ্রিয়ের রূপাদি বিষ-গ্রহ-ক্তি তাহাতেই বিদ্যমান। বংস-মাসাদি কাল, যাগ-যজ্ঞলি কি সমস্তই সেই অগতে তিনি কুত্রাপি আসক্ত নহেন, অথচ তিনি সকলকে ধারণ করিতে চলিতে লাগিল। পরে ক্রমে সেই সঙ্কল্পবলে সেইখানে ছেন, তিনি নি। অথচ ভােক্তা। তিনি চরাচরভাবে নিখিল জি অগং কল্পনা করিয়া ফেলিলেন,-দেখিলেন-পাতাল, মই মেয়ে ও বাহিরে অবস্থিত। অতি সূক্ষ্ম বলিয়া তাঁহাকে আকাশ, স্বর্গ, চল, সূৰ্য সময়ই বিদ্যমান, সেই ব্রিজগতে আনিতে পারা যায় না, তিনি দুৱস্থিত হইলেও নিকট অ যে একাধিপতি মুররা হইয়া বিবিধ ঐ ভােগ করিতে করিতেন। রুপে তিনি সর্বত্র অতি করিতে, লাগিলেন। তাহার পরে তাহার কু এক ত বীর্থশালী পৃথিবীরূপে তিনি সর্বত্রই আছেন। পৰ্বতরুপে তিনি সকল পূনমিল;এইরূপে প্রশংসার সহিত ভােগ করিয়াই নেই রহিয়াছেন, সমূলে ছিল সর্বত্র অবস্থিত। সর্বত্র আয়ুঃশেষ হইলে, দেহ পরিত্যাগ করিয়া সেই প্রদীথের তিনি সংরক্ষণে অবস্থিতি করিতেছে: আকাশরুপে তিনি বিশপ প্রাপ্ত হইলেন। ১৯-২৬। তার পরে লই সর্বত্র বহিনে;গাত্র সংসারজপে, অক্ষপে এক নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ ক্য, এই স্থিতি কতেন। ১০-১৩। সর্বত্র তিনি মােক্ষরূপে, সর্বত্র তিনি আসচিপে, সর্বত্র তিনি সর্ববরূপে অবস্থিতি করিতে পঞ্চদশ সর্গ। ছেন, অথচ তিনি সবজিত—অর্থাৎ এ সৰলর কিছুই হাতে ভুমু কহিলেন, যেখানে আমি তুমি ভাব, সেখানে নাই। তিনি বটে, পটে, অনিলে, অনতে, বুকে, পর্বতে, শক, অগপুর্বেই আসিয়া উপস্থিত হয়। এজন্য পরমাণমধ্যে ও বানরে, আকাশে সর্বত্রই বিরাজ করিতেছেন।” এইরলে সেই প্রসরেণুর ভিতরেও ইয়ে জগৎ উৎপন্ন হইল। আকারে দেবরাজ সেই সূক্ষ্ম পরমাণুতেই বিবিধপ্রাণিসল বিৰিখ চেষ্টা- নীলিমাবর্শের গায় উৎপন্ন এই অগভমের মূল অহাৰ, অহ- সঙ্কুল স্বৰ্গনরকাণিবিশিষ্ট জগন্দ্রয় দর্শন করিলেন। যেমন রীচের বাভিমানী আত্মাই এই অগমের মূলকারণ বলিয়া অভিহিত অভ্যন্তরে (কাল), যেমন আকাশের মধ্যে শূকতা, সেই হন। ব্রহ্মপৰ্মতের আকাশকাননে বাসনাৱলে সিক্ত অহত্যবেক্ষণ রূপ আবির্তাবলিনোেভাকালাত্মক চিন্ময় আত্মার অভ্যন্তরেই বীজ হইতেই এই অবুকের উৎপত্তি। নক্ষত্রনিচয় ঐ ত্রিশ রহিয়াছে। ১৪-১৭। ইন্দ্র জীবভাববিমুক্ত বিজ্ঞানে ক্ষের পুষ্পরাশি, মেঘনীহারিকাঃ পর্বতমালা ঐ ক্ষের এইরূপ ব্ৰহ্ম সর্শন করিতে করিতে ক্রমে ধ্যানমগ্ন হইলেন। উনায়- পল্লব। নদীসমূহ ইহার শিরা (উটা); বাসনামূলক ভোগ- বুদ্ধি মহাত্মা ই ধ্যানলে সমূদয় একত্র (হ্মে) দর্শন করুত সমূহ ঐ বৃক্ষের ফল। এই জগৎ অহাৰরূপ সলিলের স্পন্দ; মনে করিতে লাগিলেন যে, আমারই এই সৃষ্টি। এইরূপ মনে চিতির চমৎকারিতা (বৈষয়িক সুখ) ইহার মাধুৰ্য, উত্তরােত্তর করি, এইরূপ দেখিয়া তিনি প্রথমতঃ পাতাল হইতে স্বর্গলােক বাসনাবিস্তৃতি এই অহাবসলিলের স্পন্দস্বরূপ জগতের পৰ্যন্ত সমুদয় স্থানে (মনে মনে ভ্রমণ করিয়া পরিশেষে ইন্দ্রলােকে ব১-৫। তারকানিচ ইহার অলবিন্দু, নন্ত আকাশ উপস্থিত হইয়া ইন্দ্রকে দেখিয়া আপনার ইছাৰ সংস্কার ইহার অনন্তখাত (আধার,) আবির্ভাব তিরােভাৰ এই আছ- উদ্বোধিত হইয়া নিজে ইন্দ্রভাব প্রাপ্ত হইলেন, ইভাব প্রাপ্ত ভাৰ-জলাশয়ের মহান আবর্ত; গিরিসকল ইহার তরঙ্গ; হইয়া বহুংটনাশোভিত ত্রৈলােক্য রাত শাসন করিতে লাগিলেন। জগদ্বাসী জীবগণ ইহার আলেখ্যচিহ্নের ন্যায় রেখা , চন্দ্র সূৰ্য্যাদির ১৮—২০। হে বিদ্যাধরকুলপতে। পূর্বতন ইশ্রের বংশে উৎপন্ন আলােক ইহার কেনা, ব্ৰহ্মাণ্ড এই অহাবায়ের বুরু। সেই দেবরাজ অদ্যাপি সেইরূপে অবস্থিতি করিতেছেন। তাহার এই জলাশয়ে মােক্ষ-প্রবেশনিবারক বিশাল মােহ-সেতু বিরাজ পরে, তিনি হৃদয়মধ্যে বীজৰূপে (সংস্কাররূপে ) অবস্থিত। জ্ঞান- করিভেছ। এই দুমণ্ডল ইহার কমপি। চিদাভাসাত্মক যােগের অভ্যাসৰশে তাঁহার সেই মৃণালসূত্রে অবস্থান ভান্ত মনে জীবসকল এই জলাশয়ের জলকাক। এই অহাৰ ঠিক পবন- হইল। ত্রসরেণুর মধ্যবর্তী ইন্দের কথা যাহা বনিলাম, মূল স্পন্দনের স্যায় কখন এতীয়ন হয়, কখন বা সূত্রের মধ্যবর্তী তদীয় বংশজ ইশের কথা যাহা বলিলাম এই অনুষকেই তুমি জগৰ বলিয়া জানিও। এই অহাৰরূপ আকাশ মধ্যে সেইরূপ শত সহস্র ইশ্রের সেই রকম শত সহ কমলের সৌরভকে তুমি আগৎ বলিয়া অবগত হও। -১০। ঘটনা অতীত হইয়াছে এবং বর্তমানেও হইতেছে, যেমন পবন ও ওলীয় পরস্পর ভিন্ন পদার্থ নহে, সেইরূপ যখন ভূমিকাসকল ক্রমে প্রাপ্ত হইয়া যাইতে থাকে, 'ব্ৰহ্মপদ এই অহাৰ ও অগং পরস্পর ভিন্ন নহে, একই পদার্থ। যেমন অপ্রথিত—মর্থসাক্ষাৎকৃত অবস্থায় উপস্থিত হইতে থাকেন, দৃশ্য- জলের দ্রবত্ব, অগ্নির উষ্ণত্ব, তেমনি অভাবের এই অভাব। তরঙ্গচঞ্চলা অতিদীর্ঘ। এই মায়ানদীও এদিকে তখন সেই ব্রহ্ম হাবের মধ্যেই এ জগতের মধ্যেই অহাৰ। পরস্পরের পদের অনুভবের দিকে উন্মুখ হইয়া ক্রমে সত্যস্বরূপের পূর্ণা- সাহায্যে আবির্ভূত এই অহস্তাব ও জগৎ ঠিক আধার ও আছে- লােকে একেবারে বিলীন হইয়া যায়। হে অনষ! মায়ার এবংবিধ ভাবে অবস্থিত। যে ব্যক্তি জ্ঞান লাভ করিয়া বাহুবার আত্মদর্শনে কিনাশপ্রাপ্তি বিশেষ বিয়ের কথা নহে, মায়ার অভাবের সাহায্যে জগতের বাজধপ হস্তাবের মার্জনা করিতে উৎপত্তিও আকস্মিক দেখা গেল, কারণ মায়া নাই অথচহঠাৎ পারে, জলের দ্বারা চিত্র ধৌত করার ন্যায় তিনি এখােপ মলকে যে কোন সময়ে যে কোন স্থান হইতে মায়া উৎপন্ন হইল, উৎপন্ন জাণিত করিতে পারেন। ফলতঃ হে বিদ্যার! আমি” তুমি হইষ্যমাত্রই ইহা দৃষ্টিগােচর হয়, যেমন শেষ হইতে বৃষ্টি হয়, নামে কোন ৰা নাই, এই “আমি” “তুমি” কিছুই নহে। ইহা সেইরূপ ঐ মায়া আহস্তাবরূপ বৈচিত্র্য হইভেই উৎপন্ন হইয়া বস্তু-শৃঙ্গের ন্যায় অনীক। ব্ৰহ্ম অতিবিস্তৃত অনন্ত, তাহাতে খাকে। আতপষোলে নীহারকণিকার স্যায় (আত্মসাক্ষাৎকার সঞ্চলের লে মাত্র নাই, হাতে হাবের কোন কারন নাই, হইলে) দেখিবামাত্রই (ইহার প্রতি দৃষ্টিপাত দৃষ্টি স্বরূপ সুতরাং এ আহৰ সভ্য নহে; মিথ্যা। ১১-১৫। লৌকিক নির্বাচন করিতে যাইবামাত্রই ) ইহা বিনষ্ট হইয়া যায়। সকলের ঘটনাতেও সম্ভবপর হলেও কারণ অবশ্য মিথ্যা—আহাতে সাক্ষিত ব্ৰন্ধ হেতু পরমার্থষ্টিতে সকল প্রকার বিকল, থাকিতে পারে না, কিন্তু এলে কারও সম্ভব নহে; যাহার ফারণ এই অত ইহাতে অহঙ্কার বিস্তৃত মানবিক ও ইলি- বলিতে যাই , অহারই মূলে বিত্ব নাই, কারণ—এই অহাৰ বিক-কিছুই এইস্থানে নাই। ইহাজাগ্রহবশ্বপৰিত, বাসলা- বয়সূত্রের wয় অলীক। ইহা কুত্রাপি নাই। অহাব যখন ময় স্বল্পপদার্থওঁ কিছুই নাই; এইরূপে বিচারুকল সময় শেষ নাই, তখন অসৎও নই। জগতের যখন এভাৰ সি, তখন করিলে যাহা অবশিষ্ট থাকে, তাহাও সমুন আকাশমাত্র ও যাহা কিছু অবশিষ্ট, অহা চিন্ময় নির্বাণ; অতএব তুমি শান্ত ডিলাজলজী। ২৫-১। ইয়া নুয়ে অবস্থান কর। এইরূপ মুক্তিতে অভাব ও তে এভষই দুশি হইল, এ বৰ , ফন প্রভৃতি কি দুর্দশদর্শ সমাপ্ত। ১৪। তােমার নাই। যাহা নাই, তাহা নাই, অবশি তুমিই শান্তভাবে অবস্থান কৰিছে। তুমি সকপে আন t ষােড়শ শর্গ। প্রতিফলিতচৈলেজে ৰস বিলীন হয়, তখন শরীর। যােগবাশিরাম ২৭ করিয়াছ, দেখিও আর যেন অমূলক ভ্রান্তি অর্জন করিও সপ্তদশ সর্গ। না। তােমাতে কল্পনাকলঙ্ক একেবারে নাই, তুমি বি, শান্ত মঙ্গলময় নিত ঈশ্বর। অধ্যারাপে এই আকাশ পর্বতের শুভাশুভলালি সংসার-ফলসবিনী ইচ্ছা, অহঙ্কাৰ স্যায় হইয়া পড়ে, দে এই জগৎ পরমাণু-স্বরূপ আকাশের পরিত্যাগ হইলে অরেই উপশম প্রাপ্ত হয়। এভাবে অভাব- জয় হইয়া পড়ে। ১৬। জান অভ্যাস করিতে করিতে লােষ্ট পাষাণ ও দুর্ণে সমজ্ঞান পথগাশ সর্গ সমাপ্ত। ১৫। হয়, অনন্তর সংসারপীড়া দূর হইয়া থাকে, পুনরায় তাকে সশসক্রেশ পাইতে হয় না। আহৰ ফেন বকে, পরমাত্মবােথ অধ্যস্থ অগিচুর্ণ বা রুল, তাহা ব্ৰহ্মপ অনলে সম্মিলিত হইলে, তাহার বলে অহং প্রভৃতি দৃশ্যৰস্তুনিয়রুপ বারুদের সহিত মিলিত অন্তরও (পাথুরেগুলি) নিক্ষিপ্ত হইয়া ভূলুণ্ড কহিলেন,আমি এইরূপ বলিতে বলিতেই দেখিলাম জানি না সহসা কোথায় পতিত হয়। বৃষনিচয়ের মধ্যে সেই বিদ্যাধররাজ বাজ্ঞানশূন্য হইয়া সমাধিমগ্ন হইলেন; তাহার শরীৱষও এই প্রস্তরখণ্ড স্বরূপ (ইহা বলাই বাহুল্য), তাহা পরে আমি বারবার প্রবুদ্ধ করিতে চেষ্টা করিলাম, কিন্তু সে চেষ্টা ঐ অহাৰরূপ নামধ্য হইতে বহির্গত হইয়া সহসা কোথায় বৃথা হইল , তিনি পরম নির্বাণপ্রাপ্ত, তঁাহার দৃষ্টি বদূঙ্গে গমন করে, তাহা বলিতে পারি না। ৫। অত্যাবরূপ হিম- নিপতিত হইল না। ভাবত্র উপদেশেই তিনি প্রবুদ্ধ হইয়া অংকের অভাৰতাৰনাফিলিত চৈতজ্যোঞ্জি পরমপ্রদ প্রাপ্ত হইলেন। তঁাহার জন্য আমাকে অার অধিক চেষ্টা প্রভাবে কোথায় যেন উড়ান হইয়া ঝটিতি বিলীন হয়, তাহার পাইতে হইল না। ১-৩। (বশিষ্ঠ রামতে সম্বােধিয়া কহিলেন) গনস্থান অবগত হওয়া যায় না। অহতাবের অভাবভাবনা- চিতে উপদেশ ছড়াইয়া পড়ে (সহজে কাৰ্যকারী হয়)। রূপপত্র বিবর্ণ হইয়া পড়ে। কিন্তু এই রস তখন সহসা কোথায় ‘অহং নামে কোন বস্তুই নাই , অতএব অন্তরে মিথ্যা অহস্তাবনা যে যায়, তাহা জানিতে পারা যায় না। যে যায়, তাহা জানিতে পারা যায় না। অহতাবের অভাবভাবনা- করিও না, শক্তিলাভের জঙ্ক যত্নবান হও, এতদ্ব্যতীত শেষাকে রূপ সূৰ্য-কিরণ,-অত্যাবরূপ বুসকে শরীরপত্র হইতে বিরুপ আর উপদেশ করিবার কিছুই নাই, ইহাই সাধু উপদেশ। মণ করিলে, অহা পরগ (ব্ৰহ্ম বা সূক্ষ্মরূপ) প্রাপ্ত হয়। শয্যা, লর্ণণের উপরে নির্মুল মুজা রাখিলেহা যেমন গড়াইয়া পড়িয়া কর্দম, পর্বত, গৃহ, আকাশ, জল, স্থল, যেখানেই অবস্থিত হউক যায়, সেইরূপ এই সাধু উপদেশ অব্যলােকের চিত্তে পতিত নাকেন এবং দুল, মৃন্ম, নিরাকার, রূপান্তরে পরিণত, সুপ্ত অথচ হইলে বিধ্বস্ত হইয়া যায়, কোন কাৰ্যসাধন করিতে পারে না। নিদ্রিত ( বিলম্বে ফলজনক) প্রবুদ্ধ (জাগ্রৎ, অথচ ফললামুখ) সৰ্যকিরণ যেমন সূৰ্য্যকান্তমণিতে পতিত হইলে প্রদীপ্ত হইয়া ভষভাৰপ্ৰাপ্ত (ভস্মীভূত অথচ ভমিশ্রিত গৃহীত, স্থানান্তরে বহ্নি উদিরণ করে, সেইরূপ অব্য মনুষ্যের চিত্তে পতিত হইলে | নীত, নিমখ, দূৱস্থ বা নিকটস্থ যে ভাবেই থাকুক না কেন, শরীর- এই উপদেশ তাহার অন্তরে প্রবেশপুক সুদৃঢ়ভাৰে লগ্ন হইয়া রূপ বটবীজ অহম্ভাবরূপান্থর অন্তরে রাখিয়া তাহা হইতে বিচারনামী মোহাহিকা উদিরণ করিয়ে থাকে। ৪-৭। সংসারপ শাখাজাল কমধ্যে প্রকাশিত করে। অহং ভাবনাই দুঃখরূপ লাবণীবৃক্ষের বীজ, তদ্রুপ মমত্বভাৰও অহস্তাবকেও বটৰীজ বলিলে হয়, ঈ বটীজের অন্তরে দেহরূপ দুঃখালীর মূল-স্কাদি, তাহা হইতে অনুরাগাদি শাখার উৎ বৃহৎ বনস্পতি বিরাজমান, তাহাই বখায় তথায় সংসাররূপ পত্তি। বীজরুপে অহাব ও বাপে মমত্বের অস্তিত্ব, শত শানিবহ বিস্তার করিয়া থাকে। শত শত শাখাপত্ৰপুষ্প- শত নহেতু ও সংসারভাবের কারণ ইচ্ছা (শাখারূপে) উৎপন্ন। | ফলসবনস্পতি যে ৰীগর্ভে নিহিত থাকে, তাহাত প্রত্যক্ষ রাল কহিলেন-হে মুৱি বশিষ্ঠ। এবংবিধ অজ্ঞাত ব্যক্তিও দৃষ্ট, আয় নিলি নৃ প্রপঞ্চজ্ঞানসম্বলিত দেহ যে সূক্ষ্ম অং- বাধীনী হয়, একমাত্র তত্ত্বজ্ঞানই যে দীর্ঘ হেতু এমন ভাবের অন্তরে নিহিত থাকে, তাহা জানিগণের জ্ঞাননেত্রের নিয়ুম নাই। ধহারা চিরকাল অভ্যাস দ্বারা চিত্তশুদ্ধি গােচর। যিনি ত, চিদাকাশই যাহার স্বরূপ বলিয়া অব- লাভ করিয়াজে স্ব উপদেশ মাত্রেই তাহারা অভয়দ পৰম ধরিত, তঁাহার' দেহ বর্তমান থাকিলেও অস্তারে সত। পদ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। বশিষ্ঠ বলিলেন,-সেই জীবন্মুক্ত (লেহাদ্যভিমান থাকে না, সেই জীবন্মুক্ত এবং বিদেহমুক্ত পজির ভুযুও আমাকে এই বিবরণ বলিয়া ঋষমূক পর্বতে পুরুষের ব্ৰহ্মন-মহানল-গন্ধ অসত্য অহস্তাবৰীজের গর্ভ হইতে (মত-শাপভীত) শালীর ভায় ভূকীভূত হইলেন। হে আর সংসারবৃক্ষ উৎপন্ন হয় না। ৯-১৪। রাম। আমি সেই জীবন্মুক্ত দুধু এক যথাস্থানস্থিত সেই বিদ্যা এখন সর্গ সমাখ।১৭। (রের সহিত বিদায়-সম্ভাষণ করিয়া মুনিমামণ্ডিত স্বীয় এনে এগিত হইলাম। হে রাখ। বিজ্যারের উপদেশজনিত অক্ষরে প্রসঙ্গ তুমু কাকের উক্তি ক্রমে অন্য তােমাকে লাে। এই সুখ কাকের সহিত আমার যে সয়ে তালি, সে সময় হতে এখন একাদশ দিমুগ অতীত * চতুর্থ শ্লোকের যে অং বৈশ্য আছে, তাহা তৃতীয় এছ। ৮-১৪। শ্লোকের মধ্যেই বােলা করিলাম, নঙ্গু ও ৪র্থ শ্লোক মােড় সর্গ সমাপ্ত। ১ দুইটাই প্রায় সমান। অনুবাদে পুনরুক্তি হয়।
বোদি চৰিধ-বাণিপুখে তেহেন। ঐরূপ সচেতন বা অচেতন অ বোন, নিজদেহে। নির্বাণ-এয়ণ-উত্তর। অষ্টাদশ সর্গ। বলিয়া অলীক, উপ ভূমিলে গং দেখিচ্ছে, উহাও মিথ্যা আনিৰে। অগং বলিয়া কেবল অলীক ভ্রান্তিই উদিত হইয়াছে, বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রাখব। মূঢ় ব্যক্তিরাই বলিয়া থাকে, কিন্তু ঐ ভ্রান্তিরও বস্তুতঃ উদয় বা লয় কিছুই নাই, জ্ঞাননে মৃত্যু হইলে মন, বুদ্ধি ও অহঙ্কারাদি সমস্তই বিনষ্ট হইয়া যায়; উন্মীলিত হইলে ঐ ভ্রান্তিই আবার কপিণ বলিয়া বিবেচিত কিন্তু বাস্তবিক তাহা কখনই হয় না। মনীষিগণ বলেন, পূর্বভাব হইবে। ১৪-১৯। যদিচ ৰাহু-দৃষ্টিতে ঐ ভ্রান্তি ও ভ্রান্তিময় বিস্মরণ সহকারে যাবৎকাল না ভৎ ভােগকৃষ্ট ক্ষয় হয়, তাবৎকাল অগৎকে উদিত ও আকাশ বায়ু দ্বারা পরিচালিত বােধ কর, পৰ্যন্ত যে সঙ্কল্পান্তরেয় দৃঢ়রূপে অস্থিতি, তাহাই মৃত্যু। তুমি তথাপি, নৌকার মধ্যবর্তী আৰােহীগণ যেমন, নৌকার চলন অনু- দেখ, অনতিবিম্বিত শৈলজির ন্যায় তােমার সম্মুখেই মেৰু ভৰ করিতে পারে না, সেইরূপ জীবগণ পৃথিবীতে অবস্থিত মন্দ প্রভৃতি ঐ পর্বত সকল অবাস্তব হইলেও যেন দিগবায়ু থাকিলেও উহার স্পন্দনাদি লক্ষ্য করিতে সমর্থ হয় না। চিত্র আর চতুর্দিকে চালিত হইতেছে। যাহাদিগের ভােগাদৃষ্ট এক কাৰ্য্যে যত্নশীল চিত্রকর, সামান্য কান্তে যােজনাত প্রাসাদ রূপ, তাহাদিগের অন্তরে অনন্ত সংসাৰ-পরপর কালীত্বকের চিত্রিত করিলে, যেমন উহার ক্ষুদ্রতা কল্পনাবশত উহা ক্ষুদ্র ন্যায় উপর্যুপরি পরস্পর সমভাবে মিলিত, আর যাহাদিগের বলিয়া অনুভূত হয়, সেইরূপ সূক্ষ্মতম পরমাণমধ্যেও বৃহৎ ভােগাদৃষ্ট ভিন্ন প্রকার, তাহাদিগের ওরূপ মিলিত নহে কিন্তু কল্পনায় বৃহৎ জগৎ বােধগম্য হইয়াছে। মাগার প্রবিষ্ট মুষিকগণ বাস্তৰিক ঐ সংসার-পরম্পরা কিছুই নহে, উহা শূন্যমার্গে শূণ যেমন রাশেক্ষা অঞ্জলি পরিমিত খাদ্যানিকেই সমাদর করে এবং রূপেই অবস্থিত। ১৩। রাম কহিলেন, মুনির। আপনি যে বালকগণের যেমন স্বর্ণালঙ্কারাদি অপেক্ষা মন্ময় পুত্তলিকাতে অধিক বলিলেন দেখ ঐ মেরু প্রভৃতি পর্বতপুঞ্জ, তােমার সম্মুখে আদর হয়, সেইরূপ ক্ষুদ্রাশয় ব্যক্তিই অতিক্ষুদ্র বস্তুকেও বৃহৎ যেন বায়ু দ্বারা চালিত হইতেছে” আপনার এই অমােঘ বাক্যের বলিয়া বিবেচনা করিয়া থাকে। অজ্ঞানারত জীবাত্মার অলীক তাৎপৰ্য ভকিছুই বুঝিতে পারিলাম না। তৎশ্রবণে বশিষ্ঠ বলি- অগান্তি বশতই চিত্তের ইহকাল, পরকাল এবং ধৰ্ম্মাধৰ্ম্মফল লেন, রাম। বীজাভ্যন্তরে তরুণরের ন্যায় প্রাণের মধ্যে চিত্ত ও ভাবনা হইয়া থাকে। ২০-২৪। ইহা হেয়, ইহা উপাদেয়, চিভের মধ্যে এই বিবিধকার বিশাল জগৎ বিদ্যমান রহিয়াছে। ইত্যাদি জ্ঞানই অন্তরের অজ্ঞতা , সর্বজ্ঞ হইলেও যাবৎকাল স্বভাব তরল নীল যেমন অধিজলের সহিত মিলিত হয়, ঈদৃশ ব্যবহারজনক প্রারব্ধ ক্ষ না হয়, তাবৎকাল তাহার বং তদ্রুপ জীব পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হইলে তদীয় প্রাণবায়ুও আকাশ কিঞ্চিং মূঢ়তা থাকিবেই থাকিবে। এইজন্য সচেতন হােজ্বরূপ মহাৰায়ুর সহিত মিশ্রিত হইয়া থাকে। আকাশ-বায়ু দ্বারা লৌকিক পুরুষ যেরূপ স্বীয় অবয়বনিচকে দৃষ্টিগোচর কয়ে, পরিচালিত ঐ প্রাণৰায়ু সকলের অভ্যন্তরে সাত্মক জগৎসমূহও সেইরূপ সমষ্টিজীবরূপ হিরণ্যগর্ভাখ্য পুরুষ, স্বীয় সর্বজ্ঞতাসত্বেও ইতস্ততঃ সঞ্চরমাণ হইতেছে। রাম। আমি জ্ঞাননেত্রে দেখি- অন্তরে বিশাল জয় সলনি করিয়া থাকেন। শুদ্ধ চৈস্যময় তেছি, সমস্ত দিনই সলাত্মক অগৎসমূহে পরিব্যাপ্ত প্রাণ- আত্মকা অনন্ত, অজ ও অব্যয়। তিনি মায়াবছিন্ন হওয়াতেই বায়ুপূর্ণ আকাশৰায়ু দ্বারা পরিপূর্ণ রহিয়াছে। আমি যেমন এই জং সকল, সেই আত্মাকাশেরই অবয়বস্বরুপ প্রকাশনা দেখিতেছি, সেইরূপ তুমিও আননেত্র উন্মীলনপূর্বক অবলােকন হইতেছে। লৌহপিণ্ড যদি চৈতন্যলাভ করিতে পারে, তাহা কর দেখিবে, ঐ সঙ্কল্পময় জগৎসমূহে মেরুময়ালি গিরির সকল হইলে সে যেমন স্বীয় অভ্যন্তরে সূক্ষ্মরূপে অবস্থিত মুর ও পরিচালিত হইতেছে। তিমধ্যে তৈল যেমন গাঢ়রূপে সংশ্লিষ্ট সূচ্যাদি বস্তুকে দর্শন করিবে, দ্রুপ জীবও স্বীয় অভ্যন্তরীণ থাকে, তথৎ আকাশবায়ুর মধ্যে মৃত জীবগণের প্রাণবায়ু এবং সংস্কার বশতঃ ভ্রান্তিময় খিগং সন্দর্শন করিতেছে। যাহদৃষ্টিতে প্রাণবায়ুর মধ্যে মন ও ঐ মনের মধ্যে জগৎসমূহ বিরাজমান অচেতন এবং জ্ঞানবৃষ্টিতে অখিল বস্তুরই আত্মময়ত্ব হেতু আনিবে। বোমতুল্য নােমর এণবায়ু বেমন কোম-বায়ু দ্বার সচেল মৃৎপিণ্ড যেমন, বাদিকে ধীর অজ বলিয়া মনে চতুর্দিকে চালিত হইতেছে, দ্রুপ তাহার অস্বরূপ অগংপুঞ্জও করে, সেইরূপ জীবও অগংকে নিজ অরূপে বিচেচনা কৰি পরিচালিত হইতেছে জানিও। পরিপূর্ণ, আকাশ ভূমাদিযুক্ত জগত্ৰয় বস্তু কোন বস্তু না হই বৃক্ষশব্দার্থযুক্ত ফুকে নিরীক্ষা করে এবং তাদৃশ সচে লেও ভ্রান্ত দৃষ্টিতে পুষ্পদির গরু জয় চতুর্দিকেই সঞ্চরমাণ ব: অচেতন দর্পণ বেষন, স্বীয় অঙ্গে হদৃষ্টিতে প্রতিবিম্বিত বােধ হইয়া থাকে। হে রঘুনন্দন। সাত্মক ঐ জগৎসমূহ যে ও অন্তদৃষ্টিতে অপ্রতিবিম্বিত নগরকে ভান্তদৃষ্টিতে অনুভব ও আর স্বপ্নদৃষ্ট নগরনিচয়ের ন্যায় অলীক, ইহা জ্ঞানদৃষ্টিতেই সৃষ্ট অভ্রান্তদৃষ্টিতে অনুভব করিয়া থাকে, সেইরূপ অদ্বিতীয় ও হইয়া থাকে, বহিষ্কৃষ্টিতে হয় না। ৪-১৩। আকাণ অপেক্ষাও চতময় ব্রহ্মই জগলয় সলনি করিতেছেন। রাম। অল সূত্র ঐ জগৎসমুহ, সর্বদা সর্বত্র বিদ্যমান রহিয়াছে, কিন্তু ঐ যেমন কেবলমাত্র অলীক দেশ, কাল, ক্রিয়া ও দ্রব্যময়, আমিত্ব জগৎপু করুনামাত্র-সস্তৃত বলিয়া কিছুই নহে, এজন্য বস্তুত সেইরূপ, যত উভয়ই আত্মা, আস্ত জি কিছুই নহে, এজ অপুমাও চালিত হয় না। মাখব। সমীরণাজে অবস্থিত শূন্যময় আত্মস্বরূপ আমিত্ব ও অগং এই উভয়ের অণুমাত্রও পার্থক্য সৌরভ যেমন ইতস্তত চালিত হয়, সেইরূপ শূন্যময় জগৎসমূহও নাই। ২৫–৩২। কল্পিত সচেতন মৃৎপিণ্ডালি উপমা দ্বারা আমি পরিচালিত হইতেছ। টালিপাত্র বানান্তরিত হইলেও তথ্য যে তােমাকে বুঝাইয়া দিলাম, ইহাতে উপমানের একদেশের বর্তী আকাশের যেমন কোন ব্যতিক্রম হয় না, সেইরূপ ত্রিজগদ সতিই উপমেয়ের সাম্য নিৰে। স্থাবর-অমাত্মক যে এই ভ্রান্তিপূর্ণচিত্তে শালি হইলে আত্ম নিলভাবেই অবস্থিতি অগৎ দেখিতে, ইহা ব্রহ্মাবে অতি সম জীবেরই শরীর করিতেছে; মৃত্যজিদিগের অণ যেমন কে সজম বলিগ স্থিরীকৃত হইয়ছে, অতএব আননেত্র উন্মীলিত হইলে ৯০ মােগাষ্ঠি-আমাণ জানিবে যে, সর্বপ্রকার বিজ্ঞান-বিহীন, বিশুদ্ধ আত্মসমপ্রদ অবস্থায় উন্মীলিত হইলেও ফল নিমীলিত এবং ব্ৰহ্মজ্যোতিতে পরম বস্তুতে অষ্ণবস্তুর সংসর্গ-শৃঙ্গ নিৰ্ম্মল হীরকোপলের মধ্য- আলােকিত থাকিলেও অজ্ঞান ইমিরে সমাবৃত। নলীনিচয়ের ভগের ন্যায় অণুমাত্র বিভিন্নতা নাই। মূঢমতি ব্যক্তিগণ, যে সলিল যেমন নদীসমূহে পৃথকৃরূপে অবস্থিত থাকিলেও অলনিখিতে কোন কারণে যেস্থানে যে সময় যে ভাবেই যেরূপ বিবল্পজ্ঞান সম্যক্ মিশ্রিত এবং গগনমণ্ডলে সমকালে উদিত চ-সূর্য-গ্রহ- উৎপাদিত করিয়া দেয়, চিন্ময় আত্মা সেই ভাবেই তৎকালে খায় নক্ষত্রাদিতি যেমন বিশেষরূপে সম্মিলিত হইয়াও ফল তক্ষপে বিরাজমান হইয়া থাকেন। মনের চৈত না থাকায় এমিলি, ড্রপ ঐ অগং সকল জানিবে । ৪১-৪৭। আকাশে যেমন অফুরাগম অসম্ভব, সেইরূপ মনেও আপনা অষ্টাদশ সর্গ সমাপ্ত। ১৮। হইতে সঙ্কল্পের উদ্ভব হয় না। সুতং মনে চৈ:ময় আত্মা অনুপ্রবিষ্ট হইলেই হাতে সঙ্গের উদয় হইয়া থাকে জানিবে । অজ্ঞান-তিমিরাত অন্তঃকরণে যে যে প্রকারই বিকলবােধ সমুদিত একোনবিংশ সন্ম। হয় সমস্তই অসং এবং চিদাকাশ অনন্ত ও সর্বব্যাপী বলি ভৎসমুদয়ই চিলাকাশের জানিবে, মনের নহে , কিন্তু অন্তরে রাম কহিলেন, হে মুনে। জীবের স্বরূপ কি? তিনি কি জ্ঞানােদয় হইলে আর কোন প্রকার বিকল্প বােধই তাতে প্রস্ফু- প্রকারে শরীর কল্পনা করেন ? এবং থেরূপে তাঁহার পরমাত্মতা রিত হইতে পারে না। সঙ্কল্প-কল্পিত অলীক অখিল বস্তুই যে, সর্বজন-প্রসিদ্ধ ও তিনি যে উপায়ে বা-ব্যবহার করেন, আপনি কখন কল্পনীয় অলীক বহুকে বোধগম্য করিতে পারে না, ঈদৃশ ভত্তদ্বিষয় কীৰ্ত্তন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, রাম। যিনি স্বীয় বালকাদি-হৃদয়েও সত্য বলিয়া প্রতীত হইয়া থাকে, কিন্তু বহুত সম্বল্পবশে চেত্য নামে অভিহিত, সঁহার অপর নাম চিৎ, সেই উহা স্বল্পলব্ধ-দ্রব্যবং সত্যরূপে অনুভূত হইলেও সম্পূর্ণ মিথ্যা, অনন্ত চেকাশস্বরূপ ব্ৰহ্মকেই মনীষিগণ জাঁকামে কীর্তন কারণ স্বপ্নদৃষ্ট পদার্থ কি কেহ কখন প্রাপ্ত হয়। ৩৩-৪০। করেন। তিনি পরম শূন্মও নন, সুলও নন , তিনি শূণ্ঠও নহেন সঙ্কল, বাসনা ও জীব, এই পদার্থত্রয়কেই সত-কুট আত্মা আপ এবং শূন্যান্তৰ্গত আকাশও নহেন, সেই একমাত্র চিৎস্বরূপ সর্শ- নাতে চিত্রিত করিয়া রাখিয়াছেন, সুতরাং স্বার্থ যেমন স্বপ্ন ব্যাপী ব্ৰহ্ম, স্বীয় অনুভৰ দ্বারাই প্রকাশমান হরেন। তিনি অখিল পুরুষেরই বহন হয়, সত্য পুরুষের নহে, সেইরূপ চিত্রিত অসভ্য বস্তু হইতে সূক্ষ্মতম অথচ যাবতীয় স্কুল পদার্থ হইতেও জা, ঐ চিত্রিত সঙ্কল্পময় অলীক সংসারকে সত্য বলিয়া জ্ঞান স্থূলতম। তিনি কোন বন্ধুস্বরূপ না হইয়াও নিখিল বস্তুরূপ , করিলেও বাস্তবিক উহা অসত্য এবং ঐ সংসার যে অসভ্য জানিগণ অবস্থাভেদে তঁাহাকেই জীব বুলিয়া থাকেন। জীবের, সত্যকূটস্থ আত্মার নহে, তাহাতে আর সন্দেহ নাই। রাঘব। যে যে পদার্থের যে যে বিভিন্ন রূপাদি দেখিতেছ, রাম। সত্য সনাতন ব্রহ্ম তত্ত্ববােধের পুর্বে যেমন জগদ্ধপে একমাত্র সেই ব্ৰহ্মই আপনাকে তত্তদরূপে জান করতঃ আপনিই সেই জীব- জগতে স্বীয় সত্যতা বিস্তার করতঃ সত্য নাম থালণ করেন, ড্রপ ভত্তরূপে প্রকাশমান হইতেছেন জানিও। রাম। আবার জ্ঞান হইলে তদীয় জগৎরূপ কিশীন হওয়ায় অসত্য ব্ৰহ্ম, যে সময়ে যে ভাবে যে রে বন্ধু ভাবনা করেন, অথবা নামে অভিহিত হন এবং যদি তিনি অবিদ্যাবশে আত্মহারা সেই ভাবে সাত্মক তত্ত বস্তুরূপেই বিরাজমান হইয়া থাকেন। হইয়া সারপাশে বদ্ধ, তথাপি তিনি নিত্যমুক্ত। জীবের স্বরূপ বায়ুর স্পন্দনের ন্যায় নিজের অনুভব দ্বারাই कादन আতিবাহিক দেহের সহিত একমাত্র অবিদ্যা বিলুপ্ত হইলেই সেই নির্ণেয়, শিশুদিগের অনুভূত যক্ষের ন্যায় উহাকে বুঝাইয়া দিতে জীবরূপী আত্মা, পূর্ণরূপে প্রকাশমান হইয়া সংসার হইতে আমি সমর্থনই। বায়ু সমভাবে বর্তমান থাকিলেও স্পন মুক্তিলাভ করত: শিবত্ব প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। এই জন্যই বলিয়াছি, ব্যতীত তাহার অস্তিত্ব যেমন বিলুপ্ত বলিয়া বিবেচিত হয়, তদ্রুপ যে, কল্পল বশতই জগতের অস্তিত, বাবিক উহা ব্ৰহ্মাতিরিক্ত মুক্তি বা সুষুপ্তি সময়ে বা বস্তুর অনুভব না থাকায় ঐ জীবের কিছুই নহে। অজ্ঞান দৃষ্টিতেই বােধ হইয়া থাকে যে, গগনাঙ্গনে জীবত্ব বিনষ্ট হইয়া যায়, তখন তিনি ব্রহ্মতা প্রাপ্ত হন। জীব, জগৎ-সমূহ শালি-তুলবৎ বায়ুপ্রবাহে চালিত হইতেছে, কিন্তু স্বীয় বিশুদ্ধ জ্ঞানময়ত্ব হেতু ঈীয় ইচ্ছানুসারেই অহংজ্ঞান বশতঃ আননেত্রে অবলােকন করিলে বুঝিবে যে, উহাই আবার বিশাল দেশ, কাল, ক্রিয়া, দু এবং তৎশক্তির সৃষ্টি করিয়া স্বয়ং শিলাবৎ অচলভাবে অবস্থিত করিতেছে। তাই বলিতেছ বিকাশমান হইতে থাকেন। তখন তিনি আপনাতেই দেশ, অখিল পদার্থের ভাণ্ডস্বরূপ বিস্তৃত এই শূন্যময় আকাশে কাল, ক্রিয়া ও দ্রব্যসমুহে পরিব্যাপ্ত অথচ বস্তু অৎশূন্য আবিদ্যাৰণেই অনন্ত জগৎসমূহ বিমান রহিয়াছে। মধ্যে অসত্য হইলেও সত্য প্রকাশমান উত্তদেশ কালাদি রী কতকগুলি জীবের ভেগাঙ্কুষ্টের তুল্যহেতু কতিপয় জগতের সম্পন্ন স্বীয় সমষ্টিচিত্ততাকে অবলােকন কনে। উক্ত সই সাম্য আছে, আর ভােগাদৃষ্টের অসাম্য অন্য কতকগুলির এক চিত্ত, বহুe wং না হইলেও হিমকণার গায় অসংখ্যরূপে নাই। রাম। নিজের অন্তস্থিত, নিখিল ভোগ্য বস্তুতে পরিপূর্ণ প্রকাশমান হয়। জীবন-সত্বেও যেমন স্বপ্নাবস্থায় স্বীয় মৃত্যু অনুভূত সুয়পুৱাদির তুল্য, বিবিধকার্যে ব্যাপৃত দিগ্দিগন্তস্থ জনগণে হয় এবং ঐ অসময়ে কখন আপনাকে ব্যাঙালি বলিয়া ৰােধ পর্যিাপ্ত ঐ ভগৎসমূহ, এ সর্বশক্তিমান বলিয়াই অনন্তরূপে হইলে আপনার অ সকলও যেমন ব্যাল্লাদির অঙ্গের ন্যায় অতীত বিকাশ পাইতেছে এবং উহাদিগকে বদ্ধমূল বলিয়া বােধ হইলেও হইয়া থাকে, জীবের সমষ্টি চিত্তজ্ঞানও সেইরূপ অসভ্য জানিবে। করা চলিল-মধ্যবর্তী প্রতিবিম্বৎ নিতান্ত অণতর। জীব, স্বীয় বিতচিমকে বিস্মৰণপূর্বক দৃশ্য অবস্থা ভাল দিন মহাসাগরের তরঙ্গমালার স্থায় প্রক্কা-মনি , ঐ জগৎ করতঃ তৎ অদৃশৰয় প্রাপ্ত হন। ১-১৫। ওনার দৃণ ও চিরস্থায়ী বলিয়া প্রতীত হইলেও অন্ততঃ বিখর, আগ্ৰৎ জীব, আপনাকে স্কুল সমষ্টিস্বরূপ বিড়াত্মারূপে ক্ষীত ৰলিয়া নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ = বিবেচনা করত আপনাকেই মনঃসমষ্টিস্বরূপ এবষয় চবিশ্বের মাল হইয়া অ্যাপি বিরাজ করিতেছেন। অতএব হে রং। আয় অলােকন করেন। এইরূপে আত্মা চবিশ্বম্বরূপ হইলে | ঐ চমণ্ডলকেই জীবসমজিপ বিৱাই জীবের স্থান এবং কাকতালীমূবং বিভিন্নরূপে সমুদিত পঞ্চজ্ঞানেন্দ্রিয়কে স্বয়ংই পঞ্চাবয়বযুক্ত শরীর বলিয়া সকলেই অনুভব করিয়া থাকেন বােথ করিয়া থাকেন। তৎপরে সেই জীব আপনা হইতেই জানিও। চমলায়ক বিরাট জীব হইতেই ওষধিনিয়ে যে সেই পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের রূপদি ভােগের দ্বারস্বরূপ সময় অমৃতকৰ নিপতিত হয়, তাহা হইতে প্রশ্ন উৎপন্ন হইয়া থাকে। পথস্থান পঞ্চ আর কল্পনা করেন। অতঃপর সেই দেহীদিগের জীবনের উপকরণ সকল সেই অস্ত্র হইতে আয়মান নিময় অব্যক্ত আত্মা এইরূপে পঞ্চবিং অবয়বাণিত হইয়া হইয়া চতুর্দিকে পরিব্যাপ্ত হইতেছে। ঐ সকল জীবনােপ স্বীয় অনন্ত আকার বােধ করতঃ পূর্ণবিাই পুরুষরূপে বিরাজ করণই সজীব দেহিগণের দেহে জীবরূপে অবস্থিত এবং উহাই মান হন। আকাশবৎ সুবিমল নিত্য আনন্দ ও জ্যোতির্ময়, বিবিধ জন্ম ও কর্মের হেতুভূত মনঃস্বরূপে বিকাশ। পাইয়া না- শান্ত সেই আত্মা এবারে মনঃসমষ্টি কল্পনা করত মনাে- প্রকারে সচেষ্ট হইতেছে। ঐরূপ সহস্র সহ ৱািই জীৰ ও ময়রূপে সেই পৰব্ৰহ্ম হইতেই প্রথমে বিকাশমান হইয়া শত শত মহাকল অতীত হইয়া গিয়াছে, ভবিষ্যতেও কত সহজ থাকেন, অতএব মূলসমষ্টিরূপ সেই বিরাড়াত্মা যে, সেই হইবে এবং বর্তমান সময়েও নানাপ্রকার রহিয়াছে। রাম। অদ্বিতীয় পরমপুরুষ পরমেশ্বর , তাহাতে আর সন্দেহ নাই । ব্রহ্ম হইতে অভিন্ন, সমষ্টিও ব্যক্তিদেহরূপ অনন্ত ও মহৎ অবয়বে তিনি পঞ্চভূতাত্মক না হইয়াও যেন পঞ্চভূতাত্মক বালয়া অনুভূত অণিত, সঙ্কলাত্মক সেই মহা-বিরাট পুরুষ, পূর্বোক্ত প্রকাবে হন। তিনি স্বয়ংই আবির্ভূত ও স্বয়ংই তিনােত এবং স্বয়ংই সর্বদা সর্বস্থানেই বিদ্যমান রহিয়াছেন। ৩১-৩১। প্রসূত ও স্বয়ংই সঙ্কুচিত হন। কণাদি অসংখ্য কল্পকাল একোনবিংশ সর্গ সমাপ্ত। ১৯। তাহার স্বীয় সঙ্কল্পবলেই সৃষ্ট হয়, এবং তিনি যকৃচ্ছাক্রমেই কখন ঐ অনন্ত কল্পকাল ও কখন ক্ষণকালমাত্র প্রকাশমান হইয়া আবার তিরােহিত হন। এইরূপে পুনঃপুনঃ আত্মপ্রকাশ করিয়া পুনঃপুনঃ বিলীন হইতেছেন। ১৬-২২। মনােমর ঐ বিই বিংশ সর্গ। পুরুষই সকলের মূলকারণ ঈশ্বরের দেহরূপ, বুধগণ হাকেই বশিষ্ঠ বলিলেন-হে বকুলতিলক। সঙ্কলাত্মক পঞ্চভূতময় অতিবাহিক দেহ বলিয়া উল্লেখ করেন তিনিই অখিল জীবগণের বিরাটু জীব, যে বস্তুকে যেরূপে কল্পনা করেন, স্বয়ং ব্রহ্মাকাশই পুৰ্য্যষ্টক, এবং আকাশস্বরূপ ও অসীম। তিনি সুস্থ ও সুল, সেইরূপ ধারণ করিয়া থাকেন। মাম। এই নিমিত্ত বিদ্বদগণ, ব্যক্ত ও অব্যক্ত সকলের বাঙ্ক অন্তর যাহা কিছু সকলই অখিল জগৎকেই তাহার সঙ্কল্পস্বরূপ বলিয়া কীর্তন করেন। সেই তিনি। যদি তিনি কিছুই না অথচ যেন তিনি কিছু, বলিয়| ব্ৰহ্মই সৃষ্টিপ্রারম্ভে পূর্নবাসনানুসারে পঞ্চভূতময় বিরাটৰূপে প্রতীত হইয়া থাকেন। রাম! পৰু জ্ঞানেন্দ্রিয়, মন প্রাণ ও প্রকাশমান হইয়া ফিত্যাদি পঞ্চমহাভূতাত্মক বিষয়ােপভােগে অহঙ্কার এই আটটি তাহার প্রধান অঙ্গ এবং ভাবাভাবময় প্রবৃত্ত হন। ঐ ািই পুরুষই, জাগতিক নিখিল পদার্থের কারণ সমস্তই তাহার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জানিবে। শব্দ ও শব্দার্থের কল্পনা জানিবে, আং কাৰ্যমাত্রেই যখন কারণের ভুলগুণ প্রাপ্ত হয়, সহকারে তিনিই এই চতুর্বেদ কীৰ্ত্তন করিয়াছেন এবং তিনিই তখন ঐ বিরাটু জীবও যেমন অগৎ সৃজনে সমর্থ, সেইরূপ যেরূপ মৰ্যাদা স্থাপন করিয়াছেন অদ্যাপি অহা অবিচলিত প্রত্যেক ব্যক্তি জীবও যে, আপনাতে সর্ববিষয়ক সৃষ্টিক্ষম, তাহাতে ভাবেই চলিতেছে। অনন্ত উর্ধ্বাকাশ যাহার মস্তক, পৃথিবী আর সন্দেহ কি? যখন, মনােবৃত্তি অনুসারে নিজজ্ঞানই পাল, স্বর্গ ও মর্তের অন্তরাল উদর, ব্ৰহ্মাণ্ড শরীর, অন্যান্য বাহু ও আন্তরীণ বিবিধ বিষয়ৰূপে বিকাশ পাইনে বিরাটের আয় লােক সকল পার্শ্বদেশ, সলিল রক্ত, পৰ্বতপু মাংসপেশী, ব্যষ্টি জীবও তওবস্তুকে ভদ্রুপে অনুভব করিয়া থাকেন, কোন নদীসকল সর্বব্যাপী শিরানিচয়, মার্তণ্ডমণ্ডল ও চক্ষুঃ, বিষয়ই তাহার অবােধ থাকে না, তখন প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিজীব ও বাড়বাগি পিত্ত এবং শশাঙ্কমণ্ডল তঁাহার জীব শ্লেষ্ম শুক্র, সমষ্টিজীব উভয়ই তুল্য। অতিক্ষুদ্র বীজকোষমধ্যে গিরিরের ন্যায় বল, বল, ও সঙ্কলাগার মনঃস্বরূপ, আর পরব্রহ্মই তাঁহার প্রকৃত প্রকাণ্ড তরুবর যেমন অস্থিতি করে, সেইরূপ সরীসৃপ হইতে আত্মা। অালিরূপে আনশের কারণ উক্ত মনােময় ইমণ্ডল মহের পৰ্য্যরে অন্তরে এই বিশাল জগদম বিদ্যমান। ১৬। শরীররূপ বুকের মূল, এবং কৰ্ম বুকেরবাজস্বরূপ। ২৩-৩০। ঐরূপ ভ্রান্তিবশতই সরীপ হইতে রুদ্ৰ পৰ্য্যন্ত প্রত্যেক ব্যষ্টি অখিল পদার্থই ঐ মন হইতে উৎপন্ন হয়। মনীষিগণ মীর, কৰ্ম্ম জীবই অতিক্ষুদ্র অন্তরে, অজ্ঞানে নহে, স্বীয় অনন্তজ্ঞানবলে ওখও মসমূহের হেতুভূত ঐ মনােম ইমণ্ডলকেই ব্রিাট অনন্তবিষয়ের সৃষ্টিকর্তা। বস্তুত এই জগৎসংসার বিাড়াতেও জীব বলিয়া উল্লেখ করিয়া থাকেন। ঐ বিরাট জীব ইমও যেরূপ বিস্তৃতভাবে অবস্থিত, সেইরূপ ক্ষুদ্রাপি ক্ষুদ্রতম অখিল হইতে ত্রিজগতে যাবতীয় জীব, যাবতীয় মনঃ, যাবতীয় কৰ্ম্ম, ব্যষ্টিজীবেই বিস্তৃতভাবে বিরাজমান জানিবে, কিন্তু যথার্থরূপে বাবতীয় সুখ ও যাবতীয় সেই প্রসূত হইতেছে। ব্রহ্মা বিষ্ণু বিবেচনা করিলে দেখিবে, জগৎ সুলও নহে, সূরও নহে, ফলক। মহেশরাখি হায়ই কক্ষময়চিত্র এবং সুন্দুরাদি সমস্তই তাঁহার উহা কিছুই নহে, একমাত্র জাতিই, উহাকে যেখানে যেরূপ চিত্তের চমৎকারময় বিকার মাত্র। চিন্ময় বিরাট আত্মা প্রজাপতি, বিস্তারিত করে, সেখানে ভগই অনুভূত হইয়া থাকে। রাম। উক্ত চন্দ্রমণ্ডলে স্বয়ং সানীরুপে অভিন্ম হিমকানিচরে রায় যে মন্মে কল্পনাতে এই অs,ঐ এন চন্দ্র হইতে এবং চন্দ্র হুমম অমৃতকলামসমূহ অনুভব করতঃ দৃষ্টি প্রাতে যখন এই মন হইতে হর্ভুত হইয়া থাকে; এইরূপ ব্যষ্টিজীবও সেই দেবতাদির আকার কল্পনা করেন, তখন স্বয়ং তক্তপে প্রকাশ বিরাষ্ট্র সমষ্টি জীব হইতে উৎঙ্গ জানিয়ে; অথবা কেহই কাহারও বাগবাণিত-রামায়। - উৎপত্তির কারণ নহে, উই এক। বাস্তবিক এল ও জলের অঙ্গ নিকট প্রকাশ করুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, যে ব্যক্তি সাংসারিক যেমন একই বস্তু, ব্যষ্টি ও সমষ্টিজীবও সেইপ্রকার। বিদ্যগণ, সুখসন্তোগাৰ্থ অভিনেতার স্থায় শাখা যা শাস্ত্র পাঠ করে, শুক্ৰকেই জীবের সারভাগ কহিয়াছেন। ঐ জীব হিমকণার ন্যায় কিন্তু কপি শৰিহিত কাৰ্যানুষ্ঠানে যত্নবা হয় না, বিদগণ সূত্র এবং ঐ সরবং জীব হইতেই পিতামাতার সন্তোগকালে তাহাকেই জ্ঞানবন্ধু বলেন। শাস্ত্রাভ্যাস জন্য শাবােথ, যাহার অচল পূর্ণনিময় ব্রহ্মের অনলকলা প্রহৃত হইয়া থাকে। ঐ কেবল ভােগেই নিয়ােজিত থাকিয়া বৈরাগ্যাজিলে বঞ্চিত, তাহার শুক্রবৎ জীব-চৈ শুক্রতন্ময়তা প্রাপ্ত হইয়া ময়রূপেই সেই ভকখায় পরকে বঞ্চনা করিবার চাতুরীবােধরূপ শিল্পকাৰ্যই আপনি আপনাতে যে ব্ৰহ্মাভাসরূপ আনন্দ উপভােগ করেন এবং উপজীবিকা বলিয়া তাহাকে জ্ঞ নবন্ধু বলিয়াছেন। যাহার আপনা হইতেই যে পঞ্চভূতময় দেহরূপতা প্রাপ্ত হন, প্রকৃত শাস্ত্রপাঠ করিয়া পরিচ্ছদ ও খাদ্যালি লাভেই সন্তুষ্ট হইয়া পক্ষে এবিষয়ে কাৰ্যকারণভাব কিছুই নাই। ৭–১২। জীবের তাহাকেই শাস্ত্রালােচনার ফল বলিয়া বিবেচনা করে, নটারি ন্যায় তাই ঐরূপ, কিন্তু স্বভাব বুলিয়া এরূপ মনে করিও না যে, সেই সকল শাস্ত্রার্থের অভিনতৃগণকে জ্ঞানবন্ধু বলিয়া জানিবে। “ভাব ত কিছুতেই যাইবার নহে, সুতরাং মুক্তি কিরূপে হইবে” যে ব্যক্তি, স্বীয় বর্ণোচিত বেদবিহিত কুলাচারাদির অবিৰুদ্ধ নিকাম কারণ জীব) ও স্বভাব (জীবত্ব) এই উভশকের মধ্যে অগ্নিহােত্রাদি ধৰ্ম্মকাৰ্যেই সতত প্রবৃত্ত, মনীষিগণ তাহাকেও সশব্দের অর্থ যদি আত্মা অর্থাৎ শুদ্ধ ব্ৰহ্ম হয়, তাহা হইলে ব্ৰহ্ম জ্ঞানবন্ধু বলেন, কিন্তু তাদৃশ ধম্মানুষ্ঠানে চিত্তশুদ্ধি হইলেই ভিন্ন যখন কিছুই নাই, তখন ও স্বভাব একই বন্ধ, উভয়ের অনতিকালমধ্যে তাহার তত্ত্বজ্ঞান সমুদিত হইবার সব বলিয়া মধ্যে কোনটাই ভেদক বা ভেল্য নহে এবং ভেদ পদার্থও নহে পূর্বোক্ত জ্ঞানবন্ধু অপেক্ষা ঈশ জ্ঞানবন্ধুতা অনেকাংশে সুজ্জাং শব্দার্থ ভিন্ন স্বভাব শব্দের প্রকৃত অন্য অর্থ নাই। আর উৎকৃষ্ট ও উহা গ্রাফ বটে। মনীষিগণ, আত্মজ্ঞানকেই প্রকৃত যদি শব্দার্থ অবিদ্যাবচ্ছিন্ন জীব হয়, তাহা হইলে স্বভাব শব্দের জ্ঞান ও অন্যান্য জ্ঞানকে জ্ঞানভাস কহিয়া থাকেন। কারণ অজীন এবং স্বীয় জীবত্ব হেই তিনি যখন তখন আপন হই অন্যান্য জানে প্রকৃত সারপদার্থ ব্ৰহ্মানন্দৱস হৃদয়ঙ্গম হয় না। তেই জীব ও জীবত্ব এক হইতেছে সুতরাং প্রকৃতপে স ও স্বভাব যাহারা আত্মস্থানরস আস্বাদন না করিয়াই কণামাত্র বথা অঙ্গ শবে কি আভ্যন্তরিক, কি বাহিক কোন প্রকার ভেদ জ্ঞানে সন্তুষ্ট হইয়া সতত অীম ক্লেশকর কাধ্যে ব্যাপৃত, তাহা- লক্ষিত হয় না, এজন্য বায়ু সতত সঞ্চরণক্রিয়াত্মক হইলে বিগকে নিষ্ট জ্ঞানবন্ধু বলিয়া জনিবে। মুমুক্ষু ব্যক্তির যাবৎকাল বিক বুদ্ধিতে তাহার সঞ্চরণক্রিয়া হইতে ভেদ কল্পনা করত পর্যন্ত জ্ঞান, জ্ঞাতা ও জ্ঞেয়াদি ভেদজ্ঞান উপশমিত না হয়, তাহার সহিত সঞ্চরণ করিতেছে” এইরূপ ক্রিয়ার যোগ করা যায়, অর্থাৎ যতদিন না ব্রহ্মের সহিত একতা হয়, তাবৎকাল পর্যন্ত সেইরূপ বিকল জ্ঞান বশতই ধ ও স্বভাব শরে ভেজ কলিত সন্তুষ্টচিত্ত হওয়া বিধেয় নহে , অতএব রাম! তুমি তাদৃশ জুনিবন্ধু হইয়া থাকে, নতুবা বস্তুতঃ কোন ভেদ নাই। জন্মান্ধ, যেরূপ হইয়া বিষয়ভােগরূপ ভরেগে সস্তুষ্ট হইও না। ইহ সংসারে যিনি মার্গ দর্শনে অক্ষম, ভদ্রুপ বিমল চৈতন্যময় ব্ৰহ্মই অবিদ্যারূপ মােক্ষলাভে অভিলাষী হইবেন, তাঁহার পরিমিত পথ্য ও পবিত্র কুহেলিকায় আচ্ছন্ন হওয়াতেই আত্মদর্শনে অসমর্থ হইয়া প্রাণে- আহারীয় দ্রব্য সংগ্ৰহাৰ্থই অনিন্দনীয় কাৰ্য করা কর্তব্য এবং ক্রিয়াদিরূপ জড়ময় প্রাপ্ত হন এবং বিবিধ বস্তু জ্ঞান করিয়া প্রাণধারণের জন্য আহার, ৩ জানিবার নিমিত্ত প্রাণধারণ ও থাকেন। স্পন্দনশক্তিযুক্ত বায়ু যেমন স্পন্দন হইতে অভিন্ন যাহাতে পুনরায় সংসারক্লেশে পতিত হইতে না হয়, তজ্জন্যই হইলেও জনগণের নেত্রে পৃথক্ বলিয়া প্রতীত হয়, সেইরূপ এই ভত্বকথা জিজ্ঞাসা করা বিধেয়।১১। জগৎপ্রকাশক অবিদ্যাশক্তিতে আকৃত হইয়া একমাত্র আপনা- একবিংশ সর্গ সমাপ্ত । কেই দুষ্ট, ও দৃশ্যভেদে বিবিধ কল্পনাপূর্বক তাহাতেই অভি- নিবিষ্ট থাকিয়া আপনাকে অবলােকন করিতে অসমর্থ। এই নিমিত্ত মনীষিগণ, অহংক্রানরূপ ভ্রান্তিময় অগীক মহা অজ্ঞান দ্বাবিংশ সর্গ। গ্রন্থির ছছনই মােক বলিয়াছেন। অতএব হে রাম। তুমি অজ্ঞানরূপ মেঘাবরণ অপসারণ-পূৰ্ব্বক মুত্তামূর্ত অখিল বন্ধুকে বশিষ্ঠ বলিলেন-হে রাষৰ। যিনি জ্ঞানের পরিপাকত অলীক বােধ করতঃ অহংজ্ঞান হইয়া আপনাকে নিরুপাধি ব্ৰহ্মতন্ময়তা হেতুক শাদিবিষয় ও চিত্তকে অসদুস্থ, উহা কেবল নির্মল ফন চৈস্যময় জ্ঞানে সতত মুখে অবস্থান কর। ৩-১৮। সঙ্কলিরই পরিণাম বলিয়া বুঝিয়াছেন এবং যাহার হয়ে কৰ্ম্ম- ফল স্থান পায় না, পণ্ডিতগণ তাহাকেই জ্ঞানী বলিয়া থাকেন। বিসর্গ সমাপ্ত । যিনি অন্তঃকরণের ভােগ্য বিষয়সমূহের চাক্ষুযাদি জ্ঞানবিষয়ে সাক্ষীরূপে অবস্থিত, অদ্বিতীয় চিন্ময় ব্রহ্মাকে সম্যকুকারে অবগত একবিং সর্গ। হইয়া নিখিল বক্সকেই বাসনামারূপে অবস্থিত বলিয়া বােধ করেন না, তিনিই জ্ঞানী। অকৃত্রিম একমাত্র আত্মত- যনি বলিলেন,-মম। সধা জ্ঞানী হইতে চেষ্টা করিবে, লাভে যিনি শান্তিপ্রাপ্ত হইয়াছেন, যাঁহার অলি ব্যবহারকার্যে কিন্তু কখন জ্ঞ নদু হইবে না। আমি বােধ করি অজ্ঞানীও বরং শীতলতা লক্ষিত হয়, তিনিই জ্ঞানী বলিয়া কথিত। যাহা স্থায়ী শ্ৰেষ্ট, তথাপি জনবহুত ভাল নয়। রাম কহিলেন, হে মুনিবর। পুনর্জন্মরূপ বন্ধন উচ্ছিন্ন হয়, ঈদৃশ তত্ত্বজ্ঞানই প্রকৃত জ্ঞানপদ কিরূপ লক্ষ্মণাত্রান্ত বিকে আনৰ এবং কাহাকেই বা জ্ঞানী বাচ্য, আর অন্যপ্রকার জ্ঞান কেবল পরিচ্ছল ও খাদ্যালি ভােগ বলে। জনবহুতে ও নিয়েই বা কি ফল? তাহা আমার বন্ধু প্ৰদান করিয়া থাকে, এ উহা ইভ শিল তুল্য জৰিকামাত্র নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরগ। প্রকৃত জ্ঞানশব্দের প্রতিপাদ্য নহে। যিনি কামনাশূন্য হইয়া যিনি কামনাশূন্য হইয়া তদ্রুপ ঘঁহাদিগের ব্ৰহ্মভিন্ন জ্ঞান নাই, সেই তত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তিগণের শারদীয় গগনমণ্ডলের ন্যায় আবরণবিহীন বিমল-হৃদয়ে ধারাবাহিক পৰে সঁহাদিগের কাৰ্য্যচেষ্টা প্রকৃত অচেষ্টার মধ্যে গণ্য। ব্যবহার কাৰ্য সকল নির্বাহ করিতে পারেন, তঁাহাকেই সকলে সঁহাদিগের “ইহা আমার কাৰ্য, আমি করিতেছি ইতালি পণ্ডিত বলেন। ১-৫। অখিল বস্তুই যখন ভ্রান্তিমূলক, কিছুই অভিমান তিরোহিত হইয়াছে, ভঁহারা উৎষ্ট বৃষবৎ সংসার- নহে, তখন উহার অার উৎপত্তিই বা কি আর উৎপত্তির কারণই বন্ধনকে অতিক্রম করিয়াছেন; সমীরণ যেমন বৃক্ষপত্ৰাদিকে বা কি, উহা বিনা কারণেই বস্তুত উৎপন্ন না হইলে যেন উৎপন্ন পরিচালিত করিলেও পত্রাদির সহিত লিপ্ত নহে, সেইরূপ সেই এবং বস্তুত বিদ্যমান না থাকিলেও যেন বিদ্যমান বলিয়া ভ্রান্তি নিগণ কর্তৃক কণ্য কৰ্ম অনুষ্ঠিত হইলেও তাহারা তাহাতে হইয়া থাকে। বীজ হইতে অঙ্কুৰাৰপত্তি দৃশ্যমান হইলেও বীজকে লিপ্ত হন না। ১১-১৭। নদীতীরবাসী ব্যক্তি যেমন কূপের অঙ্কুরের কারণ মনে করি না। কারণ প্রলয়কালে যখন উভয়ের প্রশংসা করে না, অপ যাহারা প্রথম দৃষ্টিলাভ করিয়া সংসার- কিছুই থাকে না, তখন সৃষ্টিরন্তে বীজ কিরুপে আসিল ? মুখ সাগরের পার দর্শন করিয়াছেন তাহারাও কখন পাত্রিক স্বর্গাদি- ভ্রান্তিজ্ঞানে বীজদি ভাবপদার্থের যে আবির্ভাব, উহাই উৎপত্তি জনক কার্যের প্রশংসা করিবেন না। হে অন। যাহাদিগের ও ভিয়ােভাবই বিলয়, ঐরূপ যাহা হইতে যাহার উৎপত্তি ভ্রম হয়, অন্তঃকরণ বাসনাজালে জড়িত, সেই মুঢ় ব্যক্তিগণই করে তাহাকেই গুহার কারণ বলিয়া ব্যবহার করি। ঈদৃশ কারণ প্রশংসা করিয়া থাকে এবং প্রকৃত বােধ না থাকাতেই তাহারা ব্যবহার বশত বীজাদি ভাবপদার্থ পশ্চাৎ পরস্পর কারণত্ব প্রাপ্ত তিতিবিদিত কাৰ্যেয় অনুষ্ঠান দ্বারা তত্তৎ কৰ্ম্মফল উপভােগ হইয়াছে। অলীক শশশৃঙ্গও মরীচিকাজল প্রত্যক্ষ দৃশ্যবস্তু হই করে। শকুন পক্ষী যেমন অধঃপতিত আমিষের উপর পতিত লেও যখন ভ্রান্তিজ্ঞান বিদূরিত হইলেই আর উহার সত্তা থাকে হয়, সেইরূপ ইন্দ্রিয়-নিচয়ও স্ব স্ব গ্ৰাহ রূপাদি বিষয়ের উপর না, তখন উহা বে সম্পূর্ণ অসত্যবন্তু তাহাতে আর সন্দেহ কি ? সবেগে পতিত হইয়া থাকে, এই যােগী ব্যক্তির স্বীয় মনের সুব্রাং উহাদের আবার প্রকৃত উৎপত্তি বা উৎপত্তির কারণ দ্বারা ইন্দ্রিয়গণকে আবদ্ধ করত ব্রহ্মেতে চিত্ত সমৰ্পণপূর্বক তন্ময় কিরূপ? যাহার শলশৃঙ্গাদির কারণ অনুসন্ধান করেন, তাহারাও হইয়া অবস্থান করা কর্তব্য। ১৮-২০। রাম। কোন প্রকার গঠন বন্ধ্যার পুত্র-পৌত্রের স্কন্ধে আরােহণ করিয়া থাকেন, অর্থাৎ বন্ধ্যার সন্নিবেশ স্বর্ণ যেমন প্রায়ই দৃষ্টিগােচর হয় না, তদ্রুপ ব্ৰহ্মও পুত্ৰাদি স্কন্ধে আরোহণ যেমন নিতান্ত ভ্রান্তির কাৰ্য, শশশৃঙ্গাদির জগৎসন্নিবেশ নহেন সত্য, তথাপি যিনি, ব্ৰতয়তা লাভ কারণাথেষণও তদ্রুপ। সত্যরূপে বিকাশমান অসত্য বীজাদির করিয়াছেন, তিনি সেই বিষময় ব্ৰহ্মকে সৰ্গাদি শব্দার্থ-বিহীন যদি নিতান্তই কারণ-কল্পনা করিতে হয়, তবে অজ্ঞানই উহার জগসন্নিবেশ বলিয়া অনুভব করিয়া থাকেন। একমাত্র কারণ জানিবে, যেহেতু দানােদয় হইৰ মাত্রেই উহাদিগের বিলয় গভীর অন্ধকারময় প্রলয়কালে যেমন কোনরূপ বিভাগাদি ব্যবহার হইয়া থাকে। ৬-১০। জীব আপনাকে বুদ্ধি চিদভার্দিবিহীন হয় না, কেবল মাত্র ঘন চিন্ময় পরব্রহ্মেও সেইরূপ জানিবে। অদ্বিতীয় কূটন্থ চিন্ময় আত্মরূপে বুঝিতে পারিলেই স্বয়ং ব্রহ্ম হইয়া বায়ুচালিত মেঘখণ্ডের মধ্যবর্তী অংশ যেমন মেঘখণ্ড হইতে? থাকেন, আর বুদ্ধিপ্রভৃতিকে আত্মরূপে জ্ঞান করিলে যে জীব,সেই অবিভক্ত হওয়ায় নিশ্চল হইলেও দিগভাগানুসারে সচল বলিয়া জীবই থাকেন। আমবৃক্ষ যেমন হেমন্তে সুপ্ত প্রায় থাকিয়া অনুভূত হয়, প্রণয়কালে ভূতগণের স্বীয় জ্ঞানত্মিকা ঐখরী সত্তা বসন্তাগমে রসসঞ্চার হওয়ায় পুনরায় পল্লবাদি দ্বারা সুশােভিত সেইরূপ বস্তুত অচল হইলেও সচল বলিয়া সম্ভব করিতে হইবে। হইয়া যেন আগ্রাবস্থা লাভ করত সহকার নামে কথিত নিশ্চল তড়াগাদি অসমধ্যে কিয়দংশ জলের স্পন্দন হইলে ঐ হয়, তদ্ধর অচেল স্বপ্নাবস্থাপন্ন জীবও পরমাত্মারস-সঞ্চারে স্পন্দ জলাশ যেমন নিস্পন্দ লাশ হইতে অভিজ্ঞ হইলেও বিমলাবে খেমান ও জাগরুক হইয়া পরমাত্মা নাম ভিন্নরূপে প্রতীত হওয়ায় বস্তু ভিন্ন কি অভিন্ন তাহা বচনাতীত, প্রাপ্ত হন। জীব ইন্দ্রিয়াদিকে আত্মজ্ঞান করত জীবরূপেই সেইরূপ ব্ৰহ্ম সংবিদাত্মা জীবাভাসও ব্ৰহ্ম হইতে অভিন্ন হইলেও অবস্থিত থাকিয়া বিবিধ ঘােনিতে বারংবার পরিগ্রহপূর্বক যেন ভিন্ন। দিগভাগানুসারে ভিন্ন অথচ ফলে অভিন্ন, এক অশেষরকার ক্লেশ-পরম্পরায় জর্জরিত হইয়া থাকে। রাম। গগনতলে যেমন বহুল গগনাংশের প্রতীতি হয়, সেইরূপ বহুত সলিলরাশির যেমন দৃশ্য দর্শনজ্ঞান ও আমি করিতেছি বলিয়া অভিন্ন হইলেও ভিন্নযৎ প্রভীত অবয়ববিহীন পরমব্রহ্মেও অভিমানালি না থাকায় নিম্নদিকে গমনাদি কাৰ্য্য স্বভাবের কল্পনাবশে বিবিধ অবয়বাৰিত অপূৰ্ব জগৎবৃষ্টি প্রতিভাত কাৰ্য ব্যতীত অহাৰ কাৰ্য বলিয়া গণ্য নহে, সেইরূপ সঁহাগ হইতেছে। ঐরূপ ভাবেধেই কদলীবৎ অগরে মধ্যে ভষ্টিলাভ করিয়াছেন, তাঁরাও যে কিছু কাৰ্য করেন, অহঙ্কার ও অহঙ্কারের মধ্যে অগং পরস্পর সংশ্লিষ্ট রহিয়াছে। ভং কাৰ্য্যে তাহাদিগেরও মননাদি অভিমানের অভাব বশত হিমালয়াদি পর্বত যেমন স্বীয় বন্ধ হইতে নির্গত দেহ-মধ্যবর্তী চেষ্টা চেষ্টার মধ্যেই পরিগণিত হয় না, অর্থাৎ তাঁহারা কর্তব্য সলিল-রাণিকে আপনা হইতে ভিন্ন মানসসরােবরাদিরূপে দর্শন বিষয়ে সর্বদা সচেষ্ট হইলেও বস্তুতঃ নিশ্চেষ্ট বলিয়া আনিবে। করে, অপ অহঙ্কারময় জীবও বাহু ও মানস ফ নাভিমান যাহারা দৃশ্যবস্থার সৌন্দর্যের মূলসীমা দর্শন করিয়াছেন, সেই বশতঃ ইন্দ্রিয় দ্বারা যেন বহির্নির্গত স্বীয় অন্তর্গত জগকেই সকল তত্ত্বদর্শীদিগের চতুর্দিকে বিস্তৃত ইন্দ্রিয়জ্ঞানগম্য অখিল বাহবস্তুরূপে অবলােকন করিয়া থাকে। একমাত্র সুবর্ণপিণ্ডে পদার্থ বিদ্যমান থাকিলেও তাহাদিগের পক্ষে না থাকা স্বরূপ কটকাদি পর্যালােচনা আর অতীত বা ভবিষ্যৎ কটকালিরূপ নিবে। কারণ তাহারা তত্তংপলাখনিচয়কে ব্ৰহ্ম ভিন্ন অপদার্থ দেখা যায়, কিন্তু কেবল সুবর্ণরুপে দর্শন করিলে আর সেরূপ ই বলিয়া জানেন না। ফলত তদপে জ্ঞান না থাকায় এল হয় না, সেই প্রকার অহঙ্কারান্বিত জীষও ভ্রাতিষণে অকারণ কাপ স্পন্দত হইলেও তাহার সেই শন যেমন অস্পন্দনের তুল্য নাকেই অপরূপে দর্শন করিয়া থাকে। অতএব যাহারা অগয়ে ৫৯ যােগণিত-রামায়ণ প্রকৃত অবস্থা দেখিয়াছেন, সেই জীবন্মুক্ত ব্যক্তিগণ, জীবিত থাকি ভূমিতলে ব্যাপক ভূমিরস যেমন কিয়দংশ হইতে মধুমাসে অনুর লেও জীবিত নন, মৃত হইয়াও মুত নন এবং বিদ্যমান থাকিলেও রূপে উদ্ভূত হয় ভদ্রুপ সর্বব্যাপী ব্রহ্মচৈতই অজ্ঞানাবৃত বিদ্যমান নহেন। যে শােপ, গােষ্ঠস্থিত ভাণ্ডেতেই আসক্ত চিত্ত, হওয়ায় বিপরীত ভাৰ হেতু প্রথমে মনোরূণে উদভূত হইয়া পরে সে গৃহে অবস্থানকালে গৃহকৰ্ম্ম করিলেও যেমন তাহার করে কিয়দংশ হইতে ইন্দিররূপে উদিত হয়। এজন্য যে ব্যক্তি, এই প্রতি দৃষ্টি থাকে না, তক্রপ ব্ৰহ্মাসক্তচিত্ত উপুরুষ অখিল সংসা-দেহাদিভাৰ বস্তুতে অভাবরূপতা চিন্তা করিতে অক্ষম, কর্মব্য কাৰ্য কৰিলেও তৎকাৰ্য্যদর্শনে অক্ষম। ২১-৩০। মােক্ষসাধনে যত্নবিহীন, সেই মূঢ়মতির অনন্তদুখ কখনই উপশমিত ব্ৰহ্মাণ্ডময় বিরাট পুরুষের হৃদয়ে বিরাট জীবচন্দ্র যেমন অবস্থিত, হয় না। আর যিনি অখিল বস্তুকেই ব্ৰহ্মরূপে দর্শন করেন,তিনি যে সেইরূপ প্রতি ব্যষ্টিদেহতেই রেতােম হিমকণাকার ব্যক্তিজীব কোন প্রকার বই পরিধান করুন, যে কোন বস্তুই ভােঙ্গন করুন অবস্থিতি করিতেছে,ঐ জীব স্কুলদেহে স্থূলরূপে ও সূক্ষ্মদেহে ও যে কোন স্থানেই শয়ন করুন, অন্তরে নির্মল আনন্দনে পরি- সম্মরূপে বিরাজমান জানিবে। পিতৃহৃদয়ে বেতােরপে অবস্থিত তৃপ্ত থাকিয়া সম্রাটের ন্যায় বিরাজ করিয়া থাকেন। তাঁশ ব্যক্তি অহঙ্কাবাত্ম জীব, প্রথমে মাতর জননেন্দ্রিয় দ্বারে নিক্ষিপ্ত হইয়া পূর্ণতম ব্ৰহ্মময় বাসনাযুক্ত হইলেও তাহাকে বাসনবিহীন বলিয়া আপনাকে তদ্বারা পরিচ্ছিন্ন বলিয়া কল্পনাপুৰ্ব্বক অহংজ্ঞান বশত জানিবে। তাহার অন্তর, আকাশের ন্যায় শূন্যময় হইলেও অন্যময় কম অসত্য হইলেও সত্যরূপে প্রতিভাসিত আত্মশরীয় অনুভব এবং তিনি অাকাশবৎ বহুঙ্কানভাবে শ্বাস-প্রশ্বসাদি বায়ু করিতে থাকে। অহঙ্কাত্ম জীব, কুসুমে সৌরভের গায় এইরূপে ক্রিয়াযুক্ত। ক্রিয়াযুক্ত। মননক্রিয়া নির্বাণ হওয়ায় কেবলমাত্র ব্রহ্মানন্দরসে প্রথমে মাগর্তে বিবিধ কৰ্ম্মের ভাণ্ডস্বরূপ অক্ৰসারময় দেহে সন্তুষ্ট হৃদয় সেই মহাপুরুষ, কি উপবেশন, কি শয়ন, কি গমন যে অবস্থিতি করিয়া থাকে। চমণ্ডলস্থিত জ্যোৎন্সা যেমন অখিল কোন কাৰ্যেই অবস্থিত থাকুন না কেন, গভীর নিদ্রাভিভূতব্যক্তির ব্ৰহ্মাণ্ডমণ্ডপে প্রহৃত হয়, সেইরূপ সেই শুক্র অহংজ্ঞানই স্থায় বহুম্বত্বেও তাহাকে ববিষয়ে উদ্ববাধিত করা যায় না; এক- গর্ভস্থ জীবের আপাদমস্তক নিখিল অসেই প্রস্ত হইয়া থাকে। মাত্র জ্ঞানস্বরূপ জীবপুরুষ, সর্বত্র অবস্থিত হইলেও পকেরে পর অন্তঃকরণময় বাছজ্ঞানরূপ উদক, ইন্দ্রিয়-বরূপ প্রণালী গন্ধের ন্যায় শরীর মধ্যে দৃঢ়রূপে অবস্থান করেন। মনীষিগণ, দ্বারা বহির্মিত হইয়া ধূম যেমন মেঘরূপে মণ্ডল পরিব্যাপ্ত অখিল ণীকেই একমাত্র জ্ঞানগৰূপ বলিয়া স্থির করিয়াছেন। করে, দ্রুপ ব্রিজগৎ পরিব্যাপ্ত করিয়া থাকে। যদি সমুদয় ৪১-৫০। ঐ স্থানের বাহু প্ৰসরণই ভ্রান্তিময় অগং এবং উহা দেহমধ্যেই অন্তরে ও বাহিরে অহংজ্ঞান আছে বটে, তথাপি ব্ৰহ্মনিষ্ঠ হইলেই জগদভ্রান্তির বিনাশ হইয়া থকে , ইহাই সারভূত ঈদয়ন্থিত শুক্রে ঐ জ্ঞান বিশেষরূপে অবস্থিত। সঙ্কলাত্মক উপদেশ জানিও। রাম। ব্রাহ্মানন্দরূপ অনুপম ঐশ্বৰ্য্যলভার্থ জাব, হৃদয়মধ্যে যেরূপ সন্ধান্বিত হইয়া অবস্থিত করেন, স্বীয় হৃদয়কে পাষাণবং দৃঢ় ও ছিদ্ৰশূন্য করিয়া, বিভাদি অখিল রায় তাদৃশ সঙ্কজানুরূপ দেহ ধারণপূর্বক বহির্নির্গত হইয়া বা বস্তুতেই যাহাতে বিতৃষ্ণ হইতে পার তদ্বিষয়ে সচেষ্ট হও। থাকেন। সমাধি পরিপাক বশতঃ চিভের স্থিরতর অন্ধকার হে সদাশয় রাখব। এতাবৎকাল তােমার যে হৃদয় চিদাত্মজ্ঞানে অবস্থিতিরূপ নিশ্চিত ব্যতীত অন্য কোন প্রকারেই অহং বঞ্চিত ছিল, আজ সেই হৃদয়ের অজ্ঞান বশতঃ ফটিকোপলের ইত্যাকার ভ্রম বিদূরিত হইবার নহে। অতএব হে রাম। ঐ মধ্যস্থলে কল্পিত শূন্যময় ছিদ্রবং, বস্তুতঃ অলীক অভিলাষৰূপ ছিদ্র অহং ইত্যাকার ভ্রমকে শান্তি করিতে হইলে শাস্তির উপায় মনন- অদ্বিতীয় ব্রহ্মানন্দরসে পরিপূর্ণ প্রকাশ পাউক। যিনি ইত্যাদি নিদিধ্যাসনাদি দ্বারা সতত চিন্ত্যমান ব্ৰহ্মচিন্তাকে ক্রমে নির্বি- প্রকার জগতত্ত্ব বিদিত আছেন ও যে ব্যক্তি কিছুই বিদিত নয়, কল্প সমাধিবলে তােমার অম্বরঙুল্য সম্পাদন করিতে হইবে, সেই উভয়ের অখিল ভাবভাবময় কাৰ্য্যে সত্যতাজ্ঞানের অভাব অর্থাৎ তুমি যখন ব্ৰহ্মকে অদ্বিতীয় সর্বব্যাপক অকশিল্পপে ব্যতীত অপর কিছুই বিশেষ নই, অর্থাৎ যিনি অভি, তাহার ভাবনা করিতে পারিবে, যখন ব্ৰহ্মভিন্ন কোন বস্তুই তােমার তৎকাৰ্য্যে সত্যতাজ্ঞানের অভাব ও যিনি অজ্ঞ তাহার সত্যতা অনুভূত হইবে না, তখনই তােমার অহংজ্ঞান অপহৃত হইবে গন, এইমাত্র বৈষম্য জানিবে। এমতে স্ফটিকেপিলে দ্রষ্টা দৃষ্টির জানিও। ব্ৰহ্মতত্ত্বজ্ঞ মানবগণ, এই জগতে ৰাহিক ও মানসিক স্যায় চৈতন্যসভাই বাসনা দ্বার উন্মােষিত হইলে জগৎরূপে ও বাস- দৃশ্য বস্তুর দর্শনাভিমান ও বাচিন্তনীয় বিষয়ের চিন্তা পরিহার- নার অভৰ বশতঃ নিমেধিত হইলে আখ্যাঙ্ক অপরিচ্ছিন্ন পরম- পূৰক কাষ্ঠপুলিকাৰ ব্যায় কৰ্ম্মেন্দ্রিয়ের ব্যাপার শূক্ত হইয়া রূপে প্রকাশ হইয়া থাকে। অখিল দৃশ্য বই পুনঃপুনৰ্ব্বার অবস্থিতি করেন। ৩১-৪০। যাহার ব্রহ্মভিন্ন কোন বিষয়েই কিনষ্ট ও জয়মান হয়, এই উহা অসং, যাহা বিনষ্ট ৰা উৎপন্ন ভাবনা নাই, তিনিই মুক্ত বলিয়া কথিত, তিনি সততই জীবিত ও কিছুই হয় না, তাই সং এবং তুমিই সেই সং। এই জ্ঞানে আকাশবৎ শুদ্ধ চিত্ত; তাহাকে দেখিলে বােধ হয় যেন, তিনি জগতের মূলকারণ অজ্ঞান তিরোহিত হইলেই জগম্ভ্রান্তি নির্মূল কোনরূপ শলাদি বন্ধন হইতে মুক্ত হইয়াছেন। রাম! | হইয়া থাকে, তখন তাহাকে অন্বেষণ করিলেও পাওয়া যায় না, পূর্বেও বলিয়াছি ও এখনও বলিতেছি যে, শুক্ৰতি অহং- মরীচিকা যেমন জল দান করিতে পারে না, সেইরূপ সে এখন নই অখি-ব্রহ্মাণ্ডে সূৰ্যপ্রভার ন্যায় পদতল হইতে মস্তক আর জগতে অফুর উৎপাদনে সমর্থ হয় না। বস্তুত এত পৰ্য্যন্ত দেহের সর্বাংশেই পরিব্যাপ্ত হইয়া থাকে। একমাত্র মনি দ্বারা অহং-জ্ঞান ছিন্ন হইলে দগ্ধ বীজ যেমন অঙ্কুরােৎপাদনে শুক্রজীব-চৈতই, দর্শনেন্দ্রিয় ও নেত্রগােলক, আনেশ্রিয় ও অসমর্থ, সেইরূপ সেই হিল্প অহাৰ দৃষ্ট হইলেও অন্তরে সংসা- তিরা এবং এৰণেন্দ্রিয় ও কৃতিবিবররূপে আপনাকে ভান করত রাখুন উৎপন করিতে পারে না। কোন বিষয়ে মুখ না আপনিই তক্তপে প্রকাশমান এবং আপনিই নিদি পঞ্চপ্রকার থাকায় হায় চিঃ বিনষ্ট হইছে, যিনি ব্ৰক্ষানসে কানাজল বলপূর্বক তাহতে নিমখ ও বন্ধ হইয়া থাকেন। সুস্থতা লাভ করিয়াছেন, সে নিত্য মুক্ত পুরু, কেন কাৰ্য নির্বাণ-প্রকল্পণ-উত্তরভাগ। করুন বা নাই করুন, সতত ব্রহ্মেতেই বিরাজ করিয়া থাকেন। অতীৰ বিস্তৃত। আমি সেই অরণ্যমধ্যে বিচৰণ করিতেছি, অতএব চিত্তের শান্তি হইলেই প্রকৃত শান্তি বলা যায়, নতুবা এমত সময়ে এক পরিশ্রান্ত পথিক আমার সম্মুখে দৃষ্টিপথে পতিত কেবল শমাদি যুক্ত হইলেই যােগিগণকে শান্ত বলা যায় না, হলেন এবং তাহার তৎকালীন কারোক্তিও আমার কর্ণকুহরে কারণ চিত্তই যখন ভোগবাসনার আকর, তখন চিত্তশান্তি ব্যতীত প্রবিষ্ট হইল।১৮। তিনি বলিতেছিলেন, হায়! পাপক ভােগবাসনা কিছুতেই নিৰ্ম্মল হয় না। জীব, জ্ঞানলাভে চিত্ত- দুর্জন সংসর্গ যেমন সভাপদ, মধ্যাহ্ন কালীন প্রচণ্ড দিবাকরও দেহাদিরূপ মূর্তিশূন্য হইলেই অপরাহ্নকালীন মেঘাবরণ তাদৃশ ক্লেশকর। ও। আমার মর্মস্থান যেন গলিত হইতেছে, প্রখর দিবাকরের ন্যায় বিল জ্ঞানালােকময় হইয়া ব্ৰহ্মস্বরূপ কিরণমালার মধ্যে যেন অগ্নি স্কুরিত হইতেছে। বনরাজির পল্লব- প্রাপ্ত হন, তখন তিনি সেই ব্যক্তি হইলেও অন্য ব্যক্তি স্বরূপ শিরােভূষণ সকল আতপভাপে সঙ্কুচিত হইয়া যাইতেছে ; গাষ এভীত হইয়া থাকেন। এতাদৃশ স্থিতি পুরুষের দেহ হইতে অতএব এক্ষণে সম্মুখবর্তী গ্রামমধ্যে প্রবেশ করা যাউক। ঐ ভলীয় চিত্ত, ষৎকালে দূর্ববর্তী চন্দ্রমণ্ডলাদিতে চরাদি দ্বারা গমন স্থানে বিশ্রামপূর্বক ত্বরিতগমনে পথ অতিক্রম করিব। তিনি করে, তৎকালে সেই পুরুষ ও চন্দ্রাদিমগুলের অন্তরাতস্থিত মনে মনে এইরূপ চিন্তা করত সম্মুখবর্তী এক কিরাত গ্রামে আলােকময় যেরূপ, উহা পরমাত্মারই রূপ আনিবে। কপূরবং প্রবেশ করিতে বাসনা করিলে আমি তাহাকে কহিলাম, হে মিত্র। সুবিমল, অনন্ত, অব্যক্ত, মনোহর, চিদাকাশ, আপনাতে যে তােমাকে কল্যাণাকৃতি বলিয়া বােধ হইতেছে, কিন্তু তুমি সংসার মায়াৰশে চমৎকারিত্ব অনুভব করেন, তিনি সেই স্বীর চমৎকার- বিরাগান্বিত ব্যক্তিগণের উপযুক্ত পথ পরিজ্ঞাত নহ, হে মরু- কেই জগৎরূপে প্রতীতি করিয়া থাকেন। এই জগৎ, অঙ্কজনের ভূমিস্থ মহারণ্য-পথিক। তােমার এই স্থানে আগমন শুভজনক নিকট ভ্রান্তি-বিদূরিত হওয়ায় উপেক্ষিত দীপবৎ জগদ্ধপে নির্বাণ হউক। হে অজ্ঞপথিক। এই পৃথিবীতে পথিমধ্যে যে গ্রাম প্রাপ্ত দেদীপ্যম ন অবিনাশী ব্রহ্মরূপে প্রকাশমান হইলেও অজ্ঞ দেখিতেছ, উহার মধ্যে সম্যক্ অতিথিসংকার করে, এমত কেহই জনের নেত্রে ব্রহ্ম হইতে প্রাদুর্ভূত বিবিধ নিয়তি-প্রথা ও ভােগ- নাই। আর এক কথা, তুমি ভখায় অপানাদি দ্বারা শ্রান্তি অপ- নন্দে পরিপূর্ণ এবং শূন্যমার্গে অবস্থিত বলিয়া প্রতিভাত হইয়া নয়ন করিলেও প্রকৃত বিশ্রামমুখ প্রাপ্ত হইবে না। নিশ্চয় জানিও কে। ৫১-৬২। কামক্রোধাদির বশীভূত পামর জনগণের আস্বসস্থল গ্রামমধ্যে দ্বাবিংশ সর্গ সমাপ্ত প্রকৃত বিশ্রাম সুখ নাই। লবণাস্তু পানে যেমন তৃষ্ণা নিবারিত হইয়া বরং পরিবর্ধিতই হইয়া থাকে, তদ্রুপ বিষয়েপভােগ সুখে বিশ্রামের পরিবর্তে শ্রান্তিই ভােগ করিতে হয়। সম্মুখে যে গ্রাম দেখিতেছ, ঐ গ্রামের অধিবাসী পুলিন্দজাতীয় কন্য মানব- এয়ােবিংশ শর্গ। গণ, কুরঙ্গগণের স্থায় মনুষ্যের পদসঞ্চার শব্দ সহ করিতে পারে বশিষ্ঠ কহিলেন—রাম। তুমি বৈরাগ্যাদিলক্ষণাক্রান্ত বিবর না এবং উপযুক্ত পথে বিচরণ করে না। উহারা অতীব দুরাচার, মঞ্জির স্যায় বাগ্য অবলম্বনপূর্বক অখিল ভবভবন পরিত্যাগ পাষাণ প্রতিমার ন্যায় উহাদিগের হৃদয় কিছুতেই ভীত নহে। করিয়া পরিদৃশ্যমান সংসারতও হৃদয়ঙ্গম করত উখিত হইয়া উহাদিগের কোন বিষয় বিচার নাই, উহাদিগকে জ্ঞানের কথা ব্ৰহ্মপদে গমন কর। পূর্বকালে মস্কি নামে কোন এক সংশিত বলিতে যাইলে উহার প্রজ্বলিত হইয়া থাকে। অলভারাবনত ব্ৰত ব্রাহ্মণ ছিলেন। তিনি আমাকর্তৃক উপদিষ্ট হইয়া কিরূপে শীতল মেঘমালার যেমন মরুভূমিতে বিশ্বাস হয় না, দ্রুপ নির্বাণ প্রাপ্ত হইয়াছেন, শ্রবণ কর। কোন সময় আমি তােমর কৌলিন্যশালিনী উদারবুদ্ধিও উহাদিগকে বিশ্বাস করিতে পারে পিতামহকর্তৃক তাহার কোন প্রয়ােজন বশতঃ নিমন্ত্রিত হইয়া না। ফল কথা, অন্ধকারময় গিরি-গুহা-মধ্যে সর্প হইয়া অবস্থান সপ্তর্ষিলােক হইতে ধরাতলে আগমনপূর্বক তদীয় পিতামহের করাও ভাল, প্রস্তরমধ্যে কীটরূপে বাস করাও উৎকৃষ্ট এবং অলিয়ে আগমনার্থ ভূতলে গমন করিতে করিতে কোন এক মরু মরুভূমিতে পঙ্গু কুরঙ্গদেহে অধিষ্ঠান করা উত্তম, তথাপি গ্রাম্য দেশমধ্যবর্তী প্রখর সূর্যকিরণে ভীষণ উপময় সুদীর্ঘ মহা জনগণের সংসর্গ কদাপি প্রশংসনীয় নহে। মধুমিশ্রিত বিষক অরণ্যমধ্যে উপস্থিত হই। ঐ স্থানের বালুকা সকল অতিশয় যেরূপ নিমেষমাত্র আস্থান বিষয়ে মধুর এবং আস্বাদনের ক+ উত্তপ্ত এবং উহার চতুর্দিক ধূলিপটলে ধূসরিত। রাম। সেই কাল পরেই শরীরের বিকৃতি অবস্থা সম্পাদন করত আস্বাদকারীর অরণ্য এত দীর্ঘ যে, তাহার সীমা লক্ষিত হয় না। উহার জীবন সংহার করিয়া থাকে, গ্রাম্যজনগণও তদ্রুপ আনিবে। কোন কোন প্রান্তে দুই একটা কুৎসিত গ্রামমাত্র আছে। ঐ গ্রাম্য অধাৰ্মিক জনরূপ প্রচণ্ড সমীরণ, ধূলিপটলে ধূসরিত কলেবর স্থানে আকাশমণ্ডল সতত ধূলি দ্বারা আছন্ন থাকায় অবিরত ঝঙ্কা- হইয়া সংকীর্ণ বাসভবনাদিতে জীর্ণতা প্রাপ্ত হয় এবং পানি বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় এবং দিবাকরের প্রখর উত্তাপে ভুগ পরিব্যাপ্ত বন ভূমিতে ব্যগ্রভাবে প্রমাণ হইয়া থাকে। হে নিরতিশয় উত্তপ্ত বলিয়া স্থানে স্থানে মরীচিকাজল প্রার্থদিগকে অনষ! আমি সেই পথিককে এইরূপ কহিলে তিনি আমার কথায় সআপ প্রদান করায় শান্তির লেশমাত্র নাই। তথায় পথিকগণকে যেন অমৃতায়মান সুশীতল সলিলে স্নান করত সুস্থ ও অসান্বিত অতি ক্লেশে পথসঞ্চারে প্রয়াস পাইতে হয়। ঐ শস্যময় স্থান, হইয়া কহিলেন,-বন। আপনাকে আত্মতত্ত্বজ্ঞ মহাত্মা বলিয়া এরূপ সুবিস্তৃত যে, ব্রহ্মের ন্যায় বিশ্বব্যাপক খলিলেও অত্যুক্তি হয় বােধ হইতেছে; অধিক কি আপনি পূর্ণ আত্মস্বরূপ, Cএর । অবিদ্যা যেমন মােহময়ী মরীচিকায় পরিব্যাপ্ত, দিগ্ভ্রমরূপ কলুন আপনি কে? পথিক ব্যক্তি যেমন ঔৎসুক্যাশিত অ্যাকুল- হিমালীমালায় সমাকীর্ণ শুন্য ও অরুপিণী এবং সুবিস্তৃত, সেইরূপ চিত্তে গমন করিতে করিতে পথিমধ্যে গ্রামমাৎসব সলনি করে, ঐ প্রদেশও মরীচিকাময়, বিভ্রান্তিজনক, শান্ত, জড়ােয় ও আপনিও জ্বল উদাসীনভাবে অব্যাকুল হয়ে সকল লােককে যােগঞ্জি-রামায়ণ। যখত নিরীক্ষণ করিতেছেন। আপনি কি অমৃত পান করিয়াছেন?' থাকে। এক্ষণে আমার জিজ্ঞাস্য এই যে, তুমি কি নিমিত্ত সংসার অথবা আপনি কি অখিল লােকের ঈশ্বর? আপনার কিছুমাত্র ত্যাগ করিতে বাস করিতেই। এবং কোন্ বিষয়ই তােমার সহায় সম্বল না থাকিলেও পূর্ণ শশধরের গায় লােভমান জানিতে ইচ্ছা বল। কারণ, আমার বিবেচনায় গুরু যাহা শিষাকে হইতেছেন।১-২৫। হে মুনে। আপনি যেন শূষয় হইয়াও উপদেশ করেন, শিষ্য পূনঃপুনঃ প্রশ্নাদিকা ঘর একপর্দিষ্ট স্বীয় সর্ববস্তুতে পরিপূর্ণ এবং যেন আনন্দে ঘূর্ণমান হইয়াও স্থিরতম। জিজ্ঞাত বিষয় সফল করিয়া থাকেন। শিষ্য, রাগ-যােনি ও আপনি যেন পরিদৃশ্যমান বস্তুসমূহের মধ্যে কোনটাই নন, অথচ বৈরাগ্য বিবেকাদিযুক্ত হইলেই গুরুজনের উপদেশপ্রভাবে শত- যেন সকলই; আপনি যেন কিছুই নন, অথচ যেন অনির্বচনীয় ময় পরমপদ প্রাপ্ত হন। আমি সতীষণরূপ পরীক্ষা এরা কি বস্তু, আপনাকে সর্ববিষয়ে উপস্থিত অথচ পরম কমনীয় তােমাকে জানিয়াছি যে, তুমি উপরে যােগ্যপাত্র এবং নিরতিশয় প্রদীপ্ত অথচ মুখদৃশ্য, সর্ববিষয়ে নিবৃত্ত, অথচ যেন উৎ- তুমি বখই জন্মদিন হইতে উত্তরণেচ্ছু বলিয়াই এইরূপ সাহ-তেজ-সম্পন্ন বলিয়া বােধ হয়, অতএব বলুন, কিরূপে অপ- কহিতেছি। ৩১-৪৩। নার ঈদৃশভব হইল? আপনি ভূলোকে অবস্থিত হইলেও বােধ ভয়ােকিন সর্গ সমাপ্ত। ২৩। হইতেছে যেন, আপনি অখিল লােকের উপরে মার্গে অবস্থিতি করিতেছেন। আপনাকে সংস্থিত অথচ যেন অসংস্থিত, সর্ব- বিষয়ে অন্য বিহীন অথচ যেন মাদুশ জনগণের উদ্ধারবিষয়ে প্রগাঢ় আস্থাযুক্ত দর্শন করিতেছি। ভবদীয় বিশুদ্ধ অন্তঃকরণ, চতুর্বিংশ শর্গ। বিমল চমগুলবৎ অমৃতময় হইলেও চামৃতবৎ কোন বস্তুতেই বশিষ্ঠ বলিলেন,-আমি এই কথা বলিলে সেই বিবর শক্তি লিপ্ত লা ওষধি প্রভৃতি কোন পদার্থস্বরুপে অবস্থিত নহে। আপনি মদীয় পদ ৪ প্রণিপাতপূর্বক আনন্দ বিস্ফারিতনেত্রে পথিমধ্যে অমৃতরূপ রসায়ন পূর্ণ কলাবান্ সুশীতল পূর্ণচমবং বিবেকরূপ আমাকে বহনকরতঃ কহিল, ভগব। আমি চল-দৃষ্টির ন্যায় বহু রায়নান্বিত চতুঃষষ্টিবিদ্যাকলাযুক্ত ও শীতলতাময় হইলেও নি বার দশলি ভ্রমণ করিয়াছি, কিন্তু আমার সংশয় নিরাকরণ লঙ্গ ও প্রদীপ্ত সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিসম্পন্ন ভবণীয় আত্মাতে আমি করিতে পারেন এরূপ কোন সাধুকেই প্রাপ্ত হই নাই। অন্য যেন অঙ্কুরমধ্যে প্রকাণ্ড কাণ্ডফলাদিযুক্ত করে স্যায় সংসার- আমি বর্দীয় কৃপায় জ্ঞানলে প্রাপ্ত হওয়ায় সমুদয় দেবাদিদেহের মণ্ডলকে অবস্থিত এবং আপনার ইচ্ছাতে ভাবভাবময় অখিল মধ্যেও শ্রেষ্ঠ যে ব্রাহ্মণদেহ, সেই ব্রাহ্মণদেহের বই যেন সন্দর্শন করিতেছি। বস্তুতঃ হিরণ্যগর্ভের স্যায় আপনি নিজদেহকে সার বলিয়া জ্ঞান করিতেছি এবং আজ দেহধারণের যেন ইচ্ছা করিলেই আপনা হইতে সময় সৃষ্টি করিতে ফুল হইল বলিয়া বােধ হইতেছে। হে ভগব। মানবগণের পারেন। হে মহাভাগ। আমি শালিকুজাত ব্রাহ্মণ, আমার সংসার-কাষপ্রদ বিদিশা সন্দর্শন করিয়া অতিশয় কাত্ম হই- নাম মঙ্কি , আমি তীর্থধাতাপ্রসঙ্গে বহুদূর গমনপূর্বক বহুল ফ্লছ। এই সংসারে জীবগণের বারবার জন্ম, বারংবার মৃত্যু ও তীর্থ সন্দর্শন করিয়া বহুকালের পর সম্প্রতি আত্মীয়গণেব নিকট, সততই সুখদুঃখের ভ্রান্তি হইতেছে সত্য, কিন্তু সমুদয় সুখকর গমন করিতে উদ্যত হইয়াছি। কিন্তু এই ভূমণ্ডসমধ্যে অবিল কাৰ্য্য বাবকই পরিবানে দুঃখপ্রদ বলিয়া প্রকৃতপক্ষে প্রাণিপুঞ্জকেই বিদ্যুৎ ক্ষণস্থায়ী দেখিয়া, আমার সংসারে দুঃখময়, এজন্য হে মুনে। আমার বিবেচনায় সুখের অবস্থা হইতে বিরাগ জন্মিয়াছে, এজন্য আমার আর গৃহগমনে প্রকৃত অনুরাগ দুখাবস্থা বরং ভাল। হে সৌম্য। দুঃখ যেমন আমার সুখ নাই। হে ভগবন। আপনি কৃপা করিয়া সত্যরূপে আত্মপরিচয় বলিয়া বিবেচিত হইতেছে, সেইরূপ আমার সমস্ত সুখই পরিণামে প্রদান করুন। আমি জানি, সাধুগণের চিত্তসগােবর, অতিশয় ভীষণ দুঃখময় বােধে আমাকে দুঃখ প্রদান করিয়া থাকে। গভীর ও প্রশস্থ। যাহারা দর্শনমাত্রেই সকলকে সূর্যবং মিত্র বক্রম, দন্ত, লোম ও অন্ত্রাদির সহিত শিথিলতাপ্রাপ্ত হইয়াছে বলিয়া জ্ঞান করেন, এবংবিৎ সাধুজনরূপ সাের সন্নিখানে সত্য, কিন্তু উত্তরােত্তর ভােগ্যবিষয়ে আসক্ত বুদ্ধি কিছুতেই অখিল প্রাণিগই কমলনিচয়ের ন্যায় বিকসিত আশ্বাসিত হইয়া মােসাধনে বত্ববতী নহে এবং অন্তঃকরণও উত্তরােত্তর বর্ধমান থাকে। মহাত্ম। মদীয় চিত্ত, মােহবশত সং কিছুতেই বিষানুরাগে জড়িত ও কুসঙ্কল্পবণে বিবেকশূন্য হইয়া কিছুতেই সংসারত্ৰান্তিজনিত দুঃ পরিত্যাগ করিতে সমর্থ নহে, ইহা আমি জ্ঞানপ্ৰভায় আলােকিত হইতেছে না। আমার মন সততই স্থির করিয়াছি, অতএব আপনি দয়া করিয়া জ্ঞানােপদেশ মানে অবাদিকের শুষ্ক পত্রাদি দ্বারা পরিব্যাপ্ত কুৎসিত গ্রামবৎ আমার সেই দুঃসহ দু নিবারণ করুন। ২৬-৩৭। তখন বশিষ্ঠ নানাপ্রকার জঞ্জালে জড়িত এবং মনীয় জীবিকা সর্বাঙ্গে পূতিগন্ধ- কহিলেন, হে মহাযুদ্ধে! আমি গগনতলবাসী মুনি ৰশিষ্ঠ, অ মূক্ত আমিষলােভী শকুন পাবৎ বাসনারূপ দুর্গন্ধপূর্ণ বিষয়ামিষ নামক রাজর্ষির কোন প্রমােন শক্ত ভূলোকে উপস্থিত হইয়াছি। লােলুপ চরাদি ইক্রিয় যারা নিরন্তর পাপময়ী। আমার বুদ্ধি, তুমি আর খেদ করিও না, মনীষিগণ যে পথে গমন করেন, তুমি কণ্টকাকীর্ণ লতার গায় ফুটিল ও জীষণাকৃতি। এবাণের সেই পথেই আগষন করিয়াছ, এত সার-সাগরে পরপারে দর্শনেন্দ্রিয় নেত্র যেমন দীজি আলােক হইয়া অন্ধকারময় এম উপনীত হইয়াছ আনিবে। অমত্ম ব্যক্তির এবংবিং রাত্রিযোগে র কাপে করে, সেইরূপ আমার আয়ুও বৈলিনী উদারমতি, ঈদৃশ বচনাবলী ও এতাদৃশ শক্তিপূর্ণ অজ্ঞান অমােম আসলিণী অসীম রথা চিন্তা ক্রমশ বৃথা আকৃতি কখনই সম্ভব না; নুং ভুৰি যে মহাত্মা তাহাতে কীণতাপ্রাপ্ত হইতেছে। ফল-পুষ্পহীন অঞ্চলতার কাজ মীয়- * নই। সামান্ত পাণণেই মণি যেমন বিমলভাব থারা বিষয়তৃষ্ণা কিস্মািত্র সই করিতে না পারায় বিউএর যে, বৈখ্যরূপ রঞ্জনবোশেই চিত্ত বিবেকযুক্ত হইয়া হইয়াও সম্যকরূপ বিনষ্ট হইতেছে না। নিত্য নৈমিত্তিকাদি নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ T । যাহা কিছু কাৰ্য করিয়াছি, তৎ সমস্তই পূর্ব পূৰ্ব জন্মকৃত পঞ্চবিংশ দগ। দুষ্কৰ্ম্মরাশিতে কি পরিমাণে দুষ্কর্ম ক্ষয় করতঃ বিপ্রাপ্ত হইয়াছে। কিন্তু বাসনামক কর্মবীজ কিছুতেই বিনষ্ট না হইয়া বণিষ্ঠ বলিলেন,—বি। ইন্দ্রিয় দ্বারা বিষয়গাপভােগরূপ উত্তলােতর অনর্থের নিমিত্ত সততই আমাকে কাম্য ও নিষিদ্ধ সংবেদন, অতীত বিষয়ে পুনঃপুনঃ চিন্তারূপভাবন এবং তা কার্যে প্রবর্তিত করিতেছে। পুত্ৰকলত্রাদিতে আসক্তি চিন্তা চিত্তে তাকার দৃঢাসনা ও তন্নিবন্ধন মরণাদিকালেও জীবনও জীর্ণ হইল, কিন্তু সংসারসাগর পার হইতে পারিলাম ভাবীদেহাদির স্মৃতি এই চতুর্বিধ পদার্থ ই বস্তুতঃ মিথ্যাভূত সংসার-যন্ত্রণাদায়িনী ভােগাদা দিন দিন পরিবর্ধিত হইলেও এই সংসারে বিবিধ অনর্থের হেতু। উহারই জন্মান্তরা- হইতেছে, অর্থোপার্জন- বিপুল প্রয়াসরূপ মহা আপদ, দির মূল কারণ। তন্মধ্যে পূর্বোক্ত সংবেদন ও ভাবন শেষােক্ত বিবােৎপন্ন কণ্টক বৃক্ষণ পুত্ৰকলত্রাদিতে কখন পরিপূর্ণ ও দুইটা অপেক্ষা অধিকতর সর্বকােষের আকর, আবার ঐ দুইটার কখন অপরিপূর্ণ অবাসগৃহেই চিন্তাক্ষরে বিকারগ্রস্ত হইয়া ক্রমে ভিতরে সর্বপ্রথমটা আরও গুরুতর। বসন্তকালীন ভূমিরসে লতা ক্রমে ক্ষীণতা প্রাপ্ত হইয়াছে। অভ্যন্তরে গুপ্তভাবে অবস্থিত যেমন অনুভূতরূপে অবস্থিতি করে, এইরূপ ঐ প্রথমােক্ত ভুগের ফণামণির উদ্ভাসিত অন্ধকারময় সর্পবির যেমন সংবেদন মধ্যেই অলি আপদ অদৃশ্যভাবে অবস্থান করিতেছে। রলােলুপ দুপুঁজি ব্যক্তিকে প্রতারিত করে, সেইরূপ ধনবাসনাও যাহারা আপনারূপ পরিচ্ছদ পরিধানপূর্ষক অতিগহন সংসারমার্গে অক্ষতধনাঢ্য ব্যক্তিকে প্রতারণাপূর্বক বিবিধবিপদে নিপতিত বিচরণ করে, অতীত বৃত্তান্ত সকল বিচিত্র আড়ম্বরে তাহাদিগের করত: পং বর্ধিত হইতে থাকে। অসীম আশারূপ কল্লোল- নিকট উপস্থিত হয়। কিন্তু যিনি বিবেকী, তাহার বসন্তাপগমে মালায় পরিব্যাপ্ত থাকায় মলিন ও নিষ্কল চিত্ত শুদ্ধসাগরের ভূমিরসের স্যায় অখিলবাসনার সহিত সংসাৰভ্রান্তি ক্রমে ক্রমে ন্যায় কিছুতেই পূর্ণ হইবার নয় বলিয়া নিতান্ত ভাগ্যহীন। অপ্রাপ্ত হইয়া থাকে। বসন্তকালীন ভূমিরস যেমন কদলী - বিবেকিগণ আমাকে ইন্দ্রিয়পরবশ জানিয়া স্পর্শ করেন না। তির পরিপুষ্টি সম্পাদন করে, সেইরূপ বাসনা দ্বারাই সংসাররূপ শ্লেষ্মাতক বৃক্ষ যেমন কন্টকাকীর্ণ ও অমেধ্যস্থানে অবস্থিত থাকে সকীনামক কন্টকময় গুলাের স্ফীততা হইয়া থাকে। একমাত্র তদ্রুপ আমার মনও সতত কণ্টকসদৃশ বাসনাজালে ব্যাপ্ত ও মধুমাসরস বেরূপ ভূতলে বিবিধ তরুলতামিপূর্ণ বনরূপে প্রাদুর্ভূত অমেধ্যবিষয়ে আসক্ত,উহা বস্তুতঃ অসৎ হইলেও উহার আড়র হয়, তদ্রুপ বাসনারসই জীবচৈতন্যে নানা প্রকার বপূর্ণ অলীক অতিমহান এবং শরীরস্থ নােগান্তগত অর্জুনবাতবৎ সতত চঞ্চল। সংসাররূপে উদিত হইয়া থাকে। অসীম মহাশূন্য মধ্যে শূন্যতা আমি বহুবার মৃত হইয়াছি সত্য, কিন্তু আমার মন কিছুতেই মৃত ব্যতীত অপর কিছুই নাই, সেইরূপ এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সেই শূন্যময় হয় না। উহা অভিলষিত বস্তুশূন্য হইয়া কেবল দুঃখদানের সুবিমল ব্ৰহ্মচৈতন্য ভিন্ন অন্য কোন বন্ধুই নাই। চFমর ব্রা নিমিত্তই জীবিত রহিয়াছে। মদীয় অনামিন কিছুতেই পূর্বোক্ত সংবেদন স্বরূপ নহে, তিনি পৃথক এইরূপ যে অনাদি প্রভাত হইতেছে না। অহঙ্কাররূপ যক্ষ নিরন্তর ঐ রাত্রিতে স্থিরতর প্রতীতি, ইহাই অবিদ্যাজনিত ভ্রান্তি এবং ঐ বিদ্যা- মুখে বিচরণ করিতেছে ; শাস্ত্র ও সাধুজনের সংসারূপ চন্দ্ৰতারা ভ্রমই বিশাল সংসাররূপে প্রকাশমান হইতেছে। সুতরাং বালক উদিত হইলেও বিবেকর্ঘ্যের উদয় ভিন্ন উহার প্রগাঢ় মােজাল দৃষ্টিতে প্রতীয়মান বেতালের ন্যায় বঃ অসং হইলেও সংরূপে কিছুতেই তিরােহিত হইবার নহে। প্রভােঅজ্ঞানাঙ্ককাররূপ প্রকাশমান এই সংসার যখন অজ্ঞানান্ধকারেই প্রাদুর্ভূত তখন মদমত্ত মাতঙ্গের দমনকারী কেশরীসদৃশ কৰ্ম্মজালরূপ তৃণপুজেয় জ্ঞানালােক দ্বারাই কণমধ্যে উহার ধ্বংস হইয়া থাকে। ভূপৃষ্ঠে গহনকারী অনলস্বরূপ বাসনাময়ী রজনীর ভ্রান্তিময় অন্ধকারের প্রবাহিত অখিল সৰিজ্জল যেমন সাগরে মিলিত হইয়া সাগরের ও বিনাশক বিবেকৰ্য্যও কোন প্রকারেই প্রকাশ পাইল না। আমি | পরস্পরের সহিত একতা প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ জ্ঞানৰলে সমুদয় দৃষ্ণ ঐ রজনীর অন্ধকারে প্রকৃত দৃষ্টিবিহীন হইয়া নিয়ন্তর অন্তুকেই 'বহুর যখন পার্থক্য কিষ্ট হয়, তখন আর, ইহা অমুক ইহু। অমুক বল্প বলিয়া বোধ করিতেছি, মদীয় চিমাঙ্গ সদাই উন্মত্ত নহে, এরূপ বােধ হয় না, তখন সমস্তই জ্ঞানময় আত্মরূপে প্রতি রহিয়াছে, ইন্দ্রিয়গণ, সতত আমাকে ছেদনবং যন্ত্রণা প্রদান ভাত হইয়া থাকে, সুতরাং সকলই এক হইয়া যায়। মৃন্ময়ভাণ্ড করিতেছে; জানি না অদৃষ্টে আরও কি ঘটিবে? আমার অদৃষ্ট যেমন মৃত্তিকা হইতে ভিন্ন ৰলিয়া লক্ষিত হয় না, প নিখিল দোষে শাস্ত্রভৃষ্টিও ব্যক্তিগণ সংসার হইতে নিস্তারলাভৰ্থ জ্ঞায়মান পদার্থই জ্ঞানময় ব্রহ্মভি প্রতীত হয় না। ১-১৮। যে অনদৃষ্টিকে দূরে পরিহার করিয়া থাকেন, অহাৰ স্যায় বিগ, বােধ-বেথিত বন্ধুকে বােধস্বরূপ বসিয়া থাকেন। কারণ, আমাকে অন্ধ করিয়া বাজালে জড়িত করিতেছে। অতএব বােধ ও জড়ের যদি পরস্পর অন্ধকার ও আললাকের ন্যায় বিরুদ্ধ হে তাত। ঈদৃশ মােহময় বিপদে বাহা কর্তব্য এবং যাহাতে ভাব থকে, তাহা হইলে বােধময় আত্মা কখন বােধ জড়বস্তুকে পরিণামে কল্যাণ হয়, আমি তদ্বিষয়ই জিজ্ঞাসা করিতেছি, কৃপা প্রতীতি করিতে সমর্থ হইত না; সুজাং যাহাকে তুমি জড় বলিয়া করিয়া করুন। প্রতে। আমি জানি, সাধুগণ বলিয়াছেন, সাধু- বিবেচনা করিতে সেই জড ওবোধের কিছুমাত্র বিভিন্নতা নাই। সংসর্গ হইলে মােহরূপ মিহিকাজাল ছিন্ন হইয়া যায় এবং শরৎ কি দ্রষ্টা, কি সর্শন ও কি দৃশ্য, প্রতেক্যেই বােধস্বরূপতা একমাত্র কালীন দিনগুলের অখিল নােরথ রাগাদিদোষ হওয়ায় সার, অর্থাৎ সকলই জ্ঞানময়, এঙ্গ আকাশ-কুসুমবৎ বােধভিন্নতা বিমলতাপ্রাপ্ত হয়, এতএব হে মহর্ষে। আপনি আমাকে সংসার- পদার্থ নাই। জলের সহিত জলের স্থায় জাতীয় বস্তু জাতীয় শান্তিপ্রদ উপদে দানে সাগণের মুখনিঃসৃত সেই বাক্য সত্য বস্তুর সহিত মিলিত হইলেই এক প্রান্ত হয়, এই স্বীয় এ ১২। বাত্মক জগতের সহিত স্বীয় অনুভবেরও পরস্পর একত্ব আছে চতুর্বিং সর্গ সমা। ২৪। নিজানিও। কাষ্ঠ উপলাদির বলি বােধময়তা না হয়, তাহা ০২ যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ হইলে অসত্য জাদির স্থায় উহাদিগের সর্বদা জুতৰ চৈতাংশভুক্ত এক স্বৈরূপ; সুজাং চৈতময় হইত না। দৃশ্যবস্তু সকল, একমাত্র বােধস্বরূপ বলিয়াই বস্তুত ঐক্যের বিষয় কিছু চত হইতে পারে না, এজন্য উহাদের বােগ্ন হইতে অভিন্ন হইলেও ভ্রান্তিবশে অন্য বস্তুবং অনুভূত একতা কি প্রকারে সন্তুবিতে পারে? অপিচ অংশগভ হইলেও হয়, কিন্তু বােধময় না হইলে স্বীয় জ্ঞান দ্বারা কখন উহা পরিজ্ঞাত জড় বা অজড় কোনটাই স্বীয়রূপ পরিত্যাগ করে না; একারণ হইত না। বায়ু বেমন একমাত্র স্পন্দনম্বরূপ, অণৰ যেমন অংদী ও অংশের উভয় রূপভাও কদাচ সন্তৰ পর নহে। যে একমাত্র জলস্বরূপ, এই অখিল বিশাল জগগত বই বস্তুর যে স্বভাব তাহা কিছুতেই যাইবার নয়, এজন্য বস্তুতঃ সেইরূপ একমাত্র বােধস্বরূপ। এই জগতে দ্রষ্টা ও নৃত্যাদি যত কিছু অজড় পদার্থ স্বীয় স্বভাবলে নিজের অজড়তা রূপ পরিত্যাগ- পদার্থ দেখিতেছ, তৎসমস্তই একবস্তু, জ্ঞানােলয় হইলেই পূর্বক কোন প্রকারেই জড়তা প্রাপ্ত হয় না। তবে যে চৈতময় উহাদের ঐক্য অনুভূত হইয়া থাকে। পরস্পর সংশ্লিষ্ট জতু দৃশ্য অজড় বস্তুকে জরূপে অবলােকন করিতেছ, ইহার কারণ, কাষ্ঠের মিশ্রণ যেমন প্রকৃত জ্ঞানাভাব বশতঃ বহিষ্টিতেই উহাতে হৈ আছে বলিয়াই ও রূপ বােধ হয়, নতুবা জড় লক্ষিত হয়, কিন্তু জ্ঞানদৃষ্টিতে দেখিলে উহারা পরস্পর সংযুক্ত ও অজুড়ে বস্তুত একতা নাই, যাহাতে অজড়কে জড় বলিয়া ভিন্ন প্রকৃত মিশ্রিত বলিয়া বিবেচিত হয় না। দ্রষ্টা ও দৃশ্যাদির জ্ঞান হইতে পারে। মানসিক অসংখ্য কুৎসিৎ বিকার বশতঃ মিশ্রণ সেরূপ সংযোগ মাত্র নহে, উহারা অজ্ঞান দৃষ্টিতে জতু বিবিধ প্রকার বাসনা ও অভিমানে জড়িত হইয়াই উক্ত প্রকার কাঠাদির ন্যায় সংযােগজ মিশ্রিত হইলেও জ্ঞানদৃষ্টিতে জতু অসাধু দৃষ্টিতে ব্ৰহ্মতত্ত্ব সমন্বয় করত অনেকে শল্যচ্যুত শিলা কাষ্ঠানিয় স্থায় উহাদিগের ভেদ থাকে না, তখন এক হইয়া যায় । খণ্ডের ন্যায় ক্রমশঃ অধিক অধঃপতিত হইয়া থাকে। আধারদ্বয়ে অবস্থিত সলিল ও আধাদ্বয়ে অবস্থিত ক্ষীরের যেমন মানবরুপ তৃণনিচয় বাসনাবায়ু দ্বারা ইতস্ততঃ পরিচালিত হইয়া পরস্পর এক বন্ধুরূপ এক অনুভবসিদ্ধ, সেইরূপ দৃষ্টি ও জন্ম জন্মান্তরে যে সকল দুঃখ উপভােগ করে তাহা বানাতীত। দৃশ্য বস্তুরও একতা জানিবে, নতুবা জতু কাষ্ঠের ন্যায় সংযোগমাত্র লোক সকল বিষয়সে রঞ্জিত হইয়া রমণীগণের করতলাহত রূপ একতা নহে। দ্বিজবর। অখিল পদার্থই যখন একমাত্র কন্দুকবং নিরতিশয় ভ্রমণপূর্বক দেহাবসানে নিয়ে পতিত হয় এবং চিত্র্যময় ব্ৰহ্মস্বরূপ তখন তুমি আমি কে? সকলেই নিত্যমুক্ত তথায় অনন্তক্লেশে জর্জরিত হইয়া পুনরায় আবার অন্যপ্রকার সেই সনাতন, তবে ত্বদীয় অহং ইত্যাকার জ্ঞানই ভব- দেহ ধারণ করে। ২১-২৮। বন্ধনের হেতু এবং অহংজ্ঞানের বিলােপই মুক্তির কারণ পঞ্চবিং সর্গ সমাপ্ত।২৫ জানিবে সুরাং ঈদৃশ ভববন্ধন যখন নিজের আয়ত্ত, মনে করিলেই অহঙ্কার পরিহার করিয়া মুক্ত হইতে পার, তখন সে বিষয়ে আর তােমার অক্ষমতা কি আছে। হায় কি আশ্চৰ্য্য। কি জন্য যে, অসত্য অহঙ্কার বস্তুতঃ অনুৎপন্ন হইয়াও দুষ্টনেত্রে ষড়বিংশ সগ। দৃষ্ট দ্বিতীয় চন্দর স্থায় এবং মরীচিকা জলের ন্যায় উৎপন্ন বলিয়া বশিষ্ঠ বলিলেন, ব্ৰক্ষণ। বর্ষাগমে কীটগণের নৃশ দুর্গম জানি না। ১১-২•। যখন ইহা আমার, ইহা আমার সংসায়মর্গে পতিত মানবগণের পুৰ্ব্বপূর্বজন্মে উপযুক্ত লক্ষ লক্ষ নহে ইত্যাদি প্রকার ভ্রমজ্ঞানই সংসার-বন্ধের কারণ এবং আমি ক্লেশপ্রদ ব্যাপার সকল পুনরায় উপস্থিত হইয়া থাকে । অটবী কিছুই নই, আমার কিছুই নাই, সকলই সেই ব্ৰহ্ম ইত্যাকার মধ্যস্থিত উপলখণ্ডসমূহের ন্যায় পরিদৃশ্যমান পদারাদি বস্তু জ্ঞানেই মুক্ত হওয়া যায় তখন এরূপ উপায়ও আপনার অধীন, সকল পরস্পর সম্বন্ধ না থাকিলেও একমাত্র ভাই শৃঙ্খলার সুতরাং এরূপ স্বাধীন উপায় থাকিতে যে অসীম সংসার যন্ত্রণা ন্যায় পরস্পরকে এধিত করিয়া রাখিয়াছে। বসন্তসময়ে ভূমির ভােগ করিতে হয়, ইহা কি সামান্য মুখ। এরূপ মনে করিও রসসঞ্চাৰহেতু কাননভূভাগ যেমন তরু লতাদিতে অগম্য ও যে, ক্ষুদ্র বদরী ফল যেমন কুন্তমধ্যে পতিত হইলে তাহার অন্ধকারময় হয়, তদ্রুপ মানবগণের চিত্ৰক্ষেত্ৰও বিষয়-রসঞ্চারে অনুভব হয় না, সে কুন্ত দ্বারা তিরোহিত হয় এবং টাকা নানা ঘটনাবলীরূপ নিচয় দ্বারা নিবিড় ও তমোরত হইয়া যেমন ঘট দ্বারা মহাকাশ হইতে পৃথকৃত হয়, সেইরূপ নিরবচ্ছিন্ন থাকে। হায় কি আক্ষেপের বিষয়। প্রাণিণণ একমাত্র বাসনাংশে শুকাময় আত্মচৈতন্য ও অহঙ্কার দ্বারা অলীকৃত অদৃশীকৃত অবশ হইয়া বিবিধ জন্মে অসংখ্য বিচিত্র সুখ দুঃখ উপভােগ বা পৃথকৃত হইয়া থাকে। কারণ, পূর্ণ আত্মচৈতন্যের এরূপ করিতেছে। হায়। বাসনা কি বিষম বস্তু। অখিল জনগণ প্রকৃত কোন সম্বন্ধই নাই, যাহা এরা বদরী ফলের ন্যায় তিনখান রূপে নিজ সত্তা না থাকিলেও কেবল বাসনাবশেই অন্তরে এই বা টাকাশের ন্যায় অচ্ছে হইতে পারে। অবিদ্যাভাবেই সংসার ভ্রম অনুস্থ করে। বস্তুতঃ অপার আনন্দ ও অমৃতময় স্তব্ধ অদ্বিতীয় আত্মার ভিন্নরূপে কল্পনা করুনাসিদ্ধ মাত্র, সুজ্জং প্রকৃত জ্যোতিশ্বরূপ খিল পদার্থে সুশীতল আত্মা ও চন্দ্রমণ্ডলে কিছু আত্ম-চৈতন্য ও জীবচৈতন্যের পরস্পর জ্ঞান হইলেই উভয়ের মাত্র প্রভেদ নাই। যে ব্যক্তি, পূর্বাপর বিবেচনা না করিয়াই তুচ্ছ একাত্মতা অনুভূত হইয়া থাকে। জৈমিনী মতাবলম্বী যাহা, যৎকিঞ্চিৎ বস্তুতে অভিলাষী সেই মাদবিহীন মূঢ় ও বালকে তাহারা বলেন যে, জড় ও অজড় উভয়েরই ঐক্য আছে, তাহা কি প্রভেদ। মৎস্য যেমন শুভাশুত বিচার না কবি জীবনান্ত দিগের সেই একতা, পরস্পর সম্যক অপৰিস্তানজন্যই সংঘটিত পৰ্য্যন্ত বড়িশ গ্রথিত আমিষ পরিত্যাগ করে না সেইরূপ যে মূর্ব জানিবে; কারণ, আড়ৎশগত বাহা কিছু, তৎসমস্তই যখন জড়, শুভাশুভ জ্ঞানশূন্য হইয়া আমরণান্ত লব্ধ বিষয়ামিষ পরিত্যাগে এখন এড়াংশগত যে ঐক্য উহাও জড়, সুতরাং আড়রূপ ঐক্যের সমর্থ নহে, হাতে আর কাটজাতি মংগে কি বিশেষ আছে? কিরূপে ফুর্তি হইবে এবং চাংশ যখন চৈতই হয়, তখন দেহ ও স্ত্রী-পুত্র-ধাদি সমুদয় বই বালুকানিৰ্মিত শুল্ক শরীরবৎ নির্বাণ-করণ-উরাগ। নিতান্ত ক্ষণভঙ্গুর। শান্তিগুণ ব্যতীত আব্ৰহ্মৰ পৰ্যন্ত শত শত অগন্ত্রে নির্মাতা, অপর কেহই কর্তা বা অন্য কিছুই কাৰ্য যােনিতে অকল ভ্ৰমণ কৰিলেও কিছুতেই চিত্তের শান্তি হইবে নাই। তাহার চিৰকাৰ্য্যের কোন প্রকার জন্য ও তুলিকানি না। ১-১০। পথ প্রদর্শনপূর্বক গমন করিলে পথের বহুরতা না থাকিলেও শৃঙ্গমার্গে স্বীয় সঙ্কল্পলে অখিল জগৎ চিতি যেমন পথিকের ক্লেশদানে সমর্থ হন, সেইরূপ অপৰ বিচার করিতেছেন। ম যে সময় যাহা কল্পনা করে, সেই সময়েই করিলেই সংসারবন্ধনে ক্লিষ্ট হইতে । পিশাচ যেমন, একমাত্র সেই চিন্ময় আত্মাই মনঃকলিত সেই বস্তুতে ভাসরূপে সাবধান ও জাগরুক ব্যক্তির কিছুমাত্র অনিষ্ট করিতে পারেনা, অবস্থিতি করিয়া থাকেন। এ ঘখন আত্মাতিরিক্ত দৃশ্য কিছুই তদ্রপ বদীয় চিত্ত, বিবেক বিষয়ে অবস্থিত হইলে বাসনা আর নাই, তখন যেকোন বৃকে আত্মন্দ্রি বােধ করিতেছ, তৎসমস্তই তাহাকে কবলিত করিতে পারিবে না। চক্ষুসরণে যেমন অসত্য, ফলকথা কোন ব্যক্তি, কিরূপে কোথায় কি করিবে? রূপের অবলোকন হয়, সেইরূপ চৈতময় আত্মার এসরণেই আমি সুখী এইরূপ বােধই সুখ এবং আমি দুঃখী এইরূপ অহঙ্কারপূর্ণজগৎ প্রকাশ পাইয়া থাকে। হে কামাগিরিপুনাশন। বােধই দুঃখ, নতুবা কোন বই সুখদুঃখের কারণ নহে। কারণ, নেত্র নিমীলনে অখিলরূপ দর্শনের উপশমের স্যায় জীব চৈতন্য যাহা কিছু পার্থিব পদার্থ দেখিতেছ, সমস্তই সেই ব্যোমময় আত্মা নিমীলিত হইলেই সমুদয় দৃশ্য বস্তুর উপশম হইয়া থাকে। এই এবং সমস্তই সেই আত্মভাবেই অবস্থিত। বস্তুত চিদাকাশস্বরূপ অহঙ্কারময় জগৎ বস্তুতঃ অসৎ, একমাত্র শুদ্ধ চৈতময় আত্মাই অখিল পার্থিব বস্তুরই স্বপ্নদৃষ্ট শলাদির ন্যায় মিথ্যা পার্থিবত্ব অবিবেক বশতঃ ঈষৎ প্রসূত হইয়া বায়ু যেমন গগনাঙ্গনে জানিৰে। ২১-৩০। অহঙ্কার যতই উহাদিগের ভ্রমাত্মক স্পন্দন বিস্তার করে, সেইরূপ আপনিই শূন্যময় আপনাতে ঐ অস্তিত্ব এবং অহঙ্কারের বিলোপ হইলেই শান্তিময়ী ব্রহ্মস্বরূপ অসত্য জগৎকে প্রসূত করিতেছেন। সুবিমল ব্ৰহ্ম চৈতন্য, অনুভূত হয়। সবর্ণের বলয় যেমন বস্তু বিভিন্ন না হইলেই বহৃত কিছু না করিয়াও অন্তরে মৃত্তিকা বা স্বর্ণাদি দ্বারা কল্পিত বিভিন্ন প্রতীয়মান-বলয়রূপ আছে, তদ্রুপ তােমারও অপৃথকূল্য কুম্ভের ন্যায় ফলত অসত্য হইলেও সত্যরূপে অসত্য অহন্তাৰ জানিবে, এজন্য যিনি শান্তিমার্গে অধিরূঢ়, সেই প্রতীয়মান এই জগৎরূপে আপনিই প্রকাশমান হইতেছেন। শান্তচিত্ত মহাত্মার অহস্তাব থাকে না। মগুণান্বিত জ্ঞানী গগনমণ্ডল যেমন শূন্যমাত্র, অনিল যেমন স্পন্দন মাত্র, উম্মিমালা ব্যক্তি শুন্যময় হইলেও ব্রহ্মানন্দরসে পরিপূর্ণ হইয়া অবস্থান যেমন জলমাত্র, এই জগৎও সেইরূপ ব্ৰহ্ম-চৈতন্য মাত্র। সলিল- করেন, তাহার হয় সুশীতল এবং মানসিকভি সকল নির্ব। স্থিত সলিলাভিন্ন পর্বত প্রমাণ ভরঙ্গমালার ন্যায় এই জগয়ই হওয়ায় তিনি নিন। তিনি সকল কাৰ্যেই উদাসীন, এজন্য সেই নিরবচ্ছিন্ন নিবিভাগ শান্ত প্রকাশ ভিন্ন আর কিছুই নয় তিনি কোন কার্য করিলেও অকর্তা বলিয়া অভিহিত হন। জানিও। যাহার অখিল বাসনা নির্বাণ হইয়াছে, সেই শান্ত ভক্ত তাহার কোন প্রকার বাসনা না থাকায় তিনি চেষ্টাভিযানশূন্য, পুরুষের অন্তরে ঈদৃশ শীতলতা সমুৎপন্ন হয় যে, যাহাতে প্রদীপ্ত সুতরাং তাহাকে দেখিলে বােধ হয় যেন, পাষাণপ্রতিমা, এজন্য অনলকিসদৃশ সাংসারিক তাপ সকল চন্দ্রেয় গায় শীতলভাব তিনি কোন প্রকার ব্যবহার করিলেও বােধ হয় না, যেন কিছু বারণ করে। অখিলজগৎ, নিরতিশয় শান্ত সৰ্ব্বধ্যাপক কল্যাণময় করিতেছেন, যেন সমভাবেই অবস্থিত বলিয়া বিবেচনা হয়। আত্মরূপে প্রকাশ পাইলে কিরূপে কি কাৰ্য্য বা কি সাধন দ্বারা দোলমঞ্চ দোদুল্যমান হইলেও তাহাতে সুপ্ত শিশুর অঙ্গ যেমন জ্যোতির্ময় ব্ৰহ্ম ভিন্ন অপর কি বস্তু উৎপাদিত হইতে পারে ? স্পন্দিত হইলেও তৎকাৰ্য্যে তাহার আত্মাভিমান না থাকায় একমাত্র সেই ব্ৰহ্ম সভাই সমস্ত পদার্থের নিজ নিজ স্বরূপ, তিনি যেন নিম্পদভাবেই অবস্থিতি করেন। যিনি, বাহুজ্ঞান- যে পদার্থে ব্ৰহ্মসভার স্ফুরণের কোন বাধা নাই, সমস্তই শূন্য হওয়ায় পূর্ণজ্ঞানময় প্রাপ্ত হইয়াছেন, যাহার কোন বিষয়ে অব্যয় ব্ৰহ্মম্বরূপে প্রকাশ পাইয়া থাকে। ১১-০। অঞ্জলােকের আশা, চেঙা, মমতা বা শুভকামনা নাই, তাদৃশ ব্যক্তির সেই অনুভব সিদ্ধ যে তত্ত্ব পদার্থ ও উৎপাদি বিকার, উহাতেই শান্ত অনন্ত আত্মমতা হেতু কিরুপে আত্মাভিমান সন্তুবিতে বাধা অনুভব হয়, কিন্তু আমিত সম্যক্রুপে পরিদর্শন করিয়াও পারে? বাহার দ্রষ্টা, দৃষ্ণ বা দর্শন কিছুই জ্ঞান নাই, সুতরাং সেই বাবক তত্তং পদার্থেত্বের প উপত্যাদির বিকারের সভা উপ- যিনি একপ্রকার নিরাকার, সেই নিরপেক্ষ ব্যক্তি কোন বিষয় লব্ধি করিতে পারিতেছি। আমি জানিতেছি, উহা আকাশ অবলােকন করিলেও কিরূপে তাহার আত্মাভিমান হইবে ? পূল্পের ন্যায় কিছুই নহে। হে দ্বিজ। যাহা কিছু বাথক বিষয়ে অপেক্ষাই দৃঢ় সংসার বন্ধন এবং সব বিষয়ে দেখিতেছ, তৎসমস্ত মনঃকল্পিত, মনের বিনাশে উহারাও উপেক্ষাই সংসারযুক্তি জানিবে। এজন্য যিনি তাদৃশ উপেক্ষার বিনষ্ট হইবে, অতএব তুমি চিত্তকে পরিহার করতঃ জ্ঞানী অভ্যন্তরে বিশ্রাম করেন, তিনি আর কোন্ বস্তু নিরীক্ষণ করিবেন ? হইয়া মহা উপলেখায় শান্তভাবে অবস্থান কর। ইহাতে এরূপ বস্তুতঃ তিনি দেখিও দেখেন না। এই শরীরের পার্থিব শঙ্কা করিও না যে, ‘মনের বিলােপে রূপাদি মনন ও রূপাদি যখন ভ্রমাত্মক স্বপ্নষৎ অসত্য, তখন কোন্ ব্যক্তির কি অন্য প্রকাশক চক্ষুদিও বিলুপ্ত হয়, সুত্রাং জ্ঞানীরও বিলোপ কাহার প্রতি অপেক্ষা থাকিতে পারে ? এত জ্ঞানী ব্যক্তি, সমুদ হইবে, তবে কিরূপে মন শক্ত হইয়া অবস্থান করিব? কারণ, চেষ্টা, সমুদয় কৌতুক ও সমুদয় ক্লেশ পরিহার করতঃ কেবল এ অনী সেরূপ চিত্তশূন্য নহে, এ জ্ঞানী, সেই অনন্ত এ জ্ঞানময় হইয়া অবস্থান করেন। হে রাম। সেই মকি, এবিধ অব্যয় অস্বরূপ হইয়া থাকে। হে প্রিয় চিত্ত পরিহারপুর্বক বাক্যশ্রবণে স্বীয় সুবিস্তৃত মহমেহজাল ভুঙ্গের কধুক ভ্যাগে আকাশকল্প আত্মভাবে অবস্থি ব্যক্তির নাম-রুপেরই অননুজ ঘাষ নিঃশেষরূপে পরিত্যাগ করিয়াছিলেন। তিনি এইরূপে হয়। কারণ, তাদৃশভাবে অবস্থানের দৃঢ়ভর অভ্যাস না থাকায় মােহশূন্য হইয়া শতবর্ষকাল বাসনাবিহীন লদয়ে ধারাবাহিক সমই স্বপ্ন বিকাষের ব্যয় বােধ হইয়া থাকে। হিরণ্যগর্ভাশ। কর্তব্য কাৰ্যের অনুষ্ঠানপূর্বক শতবর্ষ পরে কোন নির্জন পাৰ্বতীয় যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ ৬০৪ প্রদেশে সমাধি অবলম্বন করিয়া অবস্থান করেন। সেই যােগির দেহাদি ও দেহাদির চলতা অনুভূত হইয়া থাকে। এইরূপে মল্কি, ইন্দ্রিয়জ্ঞানশূন্ত এক পাষাণের স্যার অবস্থাপন্ন হইয়া চিতের যেমন দেহাদি ও দেহের যেমন চিকল্পিত পদার্থ, সেইরূপ অধ্যাপি তথায় অবস্থিত আছেন, অতিক্লেশে প্রবােধিত করিলে জীবও দেহ ও চিত্ত উভয়েরই কল্পিত জলিবে , মৃত্যং সেই তবে তিনি কদাচিৎ এবুদ্ধ হন। হে রাখব। তুমিওএইরূপউপায়ে পরম বন্ধুতে আর বেভাব কিরূপে সম্ভবপর। আহা কিছু অজ্ঞান লাভে সমূদ্যতচিত্ত হইয়া বিবেকবলে অআনন্দে বিহা- দর্শনাদি করিতেছ, তৎসমস্তই সেই একমাত্র শান্তিময় ব্ৰহ্ম, তিনি বার্থ শান্তি অবলম্বন কর, তােমার মতি যেন, বিষয়ভােগে অনু- অতি বৃহৎ জ্ঞানময় বলিয়াই সকলে তাহাকে বন্ধ বলেন। ঐ ব্ৰ রাগিণী ও বিবেকশূন্য হয়। শরৎকালীন নীরস মেঘমালার ন্যায় ভিন্ন জগৎ-আদি কিছুই নাই, এমন কি ভ্রান্তিও তাহা হইতে অন্য কমধ্যে দীন প্রাপ্ত না হয়। ৩১=৪। পদার্থ নহে। যেমন আকাণে অরণ্য, বালুকাময় স্থানে জল এবং বড়বিংশ সর্গ সমাপ্ত। ২৬। চন্দ্রমণ্ডলে বিদ্যুৎ থাকিতে পারে না, সেইরূপ দৃষ্টিতেও নেহা- দির অস্তিত্ব থাকে না। হে সত্যধিকাংবর। অসত্য এই জগদমে ভীত হইও না, আমি তােমাকে যেরূপ কহিলাম, ইহাই পরমসত্য জানিও। জগৎই সভ, বিদ্যমান ব্রহ্মের অস্তিত্ব অসত্য, পূর্বে যে সপ্তবিংশ সর্গ। তােমার এই ভি হইয়াছিল, তাহা নি:সন্দেহ সদুপদেশে ভিরাে- বশিষ্ঠ বলিলেন-হে সৌম্য। তুমি বাহ-অভ্যন্তরীণ যাবতীয় ভূত হইয়াছে, অতএব অঞ্চ আর কি সংসারবন্ধনের কারণ আছে? বৃশূিন্য হইয়া শান্তচিত্ত ও যথােপস্থিত কাৰ্যের অনুসারী হও, স্থালী ও কুত্তাদি যেমন মৃত্তিকামাত্র, সেইরূপ এই জগৎও চিত্র স্ফটিকমণি-নির্শিত পুত্তলিকা যেমন সং হইলেও অসং সদৃশ জানিবে , বিচার করিয়া দেখিলেই জগতের অস্তিত্ব বিলীন হইয়া প্রতীয়মান হয়, তুমি তাদৃশ হইতে চেষ্টা কর। যে চিদাকাশ এক থাকে। রাম। তুমি শান্তিময় মদীয় উপদেশে অহঙ্কারশূন্য হইয়া হইলেও অখিলকপে প্রস্তুত বলিয়া অনুভূত হন এবং প্রবােখােদয় সম্পসময়ে ও বিপৎসময়ে এবং উন্নতি ও অবনতির সময়ে হইলে যাহাকে এক বা সমুদয় বলিয়া অর্থাৎ ব্যক্তি বা সমষ্টি হ-বিষাদাদি পরিত্যাগপূর্বক সমভাবে অবস্থান কর, আমার কিছুই বলিয়া বােধ হয় না, তাদৃশ আত্মাতে আর কি প্রকারে উপদেশ বিস্মৃত হইয়া ব্রহ্মের সহিত স্বীয় একত' ভুলিয়া থাকিও নানাত্ব কল্পনা হইতে পারে ? আদ্যন্ত রহিত সমুদয় শূন্থমার্গই না। হে রঘুবংশচন্দ্র রাম। তুমি যদি ব্রহ্মের সহিত নিজ একতা পরমাত্মা দ্বারা পরিপুর্ণ, এজন্য ভ্রমাত্মক শরীরের উৎপত্তি বা নাশ সুস্পষ্টরূপে পরিঙ্গত হইয়া অবস্থান করিতে ইচ্ছা কর, তাহা দর্শনে সেই অধিকারী আদ্যন্তরহিত পূর্ণ পরমাত্মার আর বিকার হইলে চিসোপক হধ-শোকাদি পরিত্যাগপুর্ধক অথবা উদাসীন বা খণ্ডতাদি কিরুপে সম্ভবপর ? মনের চাঞ্চল্যবশতই জড়বস্তুর ভাবে তাহাদিগের অনুবর্তী হইয়া সুখে অবস্থিতি কর।১০-১৯। সৃষ্ট্যাদি কাৰ্য্য স্কুরিত হয় এবং মনের চাঞ্চল্য তিরােহিত হইলেই সপ্তবিংশ সর্গ সমাপ্ত। ২৭ সলিলে তরঙ্গমালার খায় ঐ সকল বস্তু পরমাত্মাতেই অভিন্নরূপে প্রতীত হইয়া থাকে। শুভ জলজালে বসনার ন্যায় দেহে অহংজ্ঞানও নিতান্ত নিল ও অসত্য, অতএব তুমি অসত্য অস্টাবিংশ সর্গ। বন্ধু নেহাদিতে অহংজ্ঞন করতঃ নিমগ্ন হইও না। ঐরূপ স্কুল- বশতই বারংবার জন্মপরিগহ করিতে হয় এজ অনন্তু সুখ ও রাম কহিলেন-হে বিভো। আপনি অদৃষ্টের সহিত সংশ্লিষ্ট ঐ লাভাৰ্থ সেই পরমকল্যাণময় সৰ্বাদিভূত পরম বন্ধুকেই। বীজ, অঙ্কুর, পুরুষ ও কৰ্ম্মের প্রকৃত পুনরায় আমার নিকট ভাবনা কর। এই জগতে সতত সমভাবাপন্ন চিদাকশময় সেই ' কীর্তন করুন। বশিষ্ট বলিলেন,-রাম। এই জগতে অষ্ট, পুরুষ ব্ৰহ্মই একমাত্র পরমব, তঁাহার অন্ত বা ইয়া কিছুই নাই, ত্বদীয় পুরুষের কাৰ্য্য ও ঘট ঘটত্বনি হা কিছু বুঝিতেছ, সমস্তই অন্তঃকরণ সেই পৰম পদার্থ লাভেই তংপর হউক। এইরূপ। সেই চিন্ময়ের স্পন্দন মাত্র, নতুবা বস্তুতঃ কেহই কাহার উৎ- নিশ্চয় হইলে তুমিও সেই নিরঞ্জন পরমাত্মারূপে বিরূজা পালক বা উৎপাদ্য নহে। চিন্ময়ের স্পন্দন ব্যতীত পুরুষ বা করিবে। ধ্যানক, ধ্যান ও ধ্যেয় বস্তু বলি। যাহা বুঝিতেছ, উহা' পুকৃষকৰ্ম্ম ঘট-পটাদি কিরুপে উৎপন্ন হইবে ? ঐ চিংস্পন্দন কিছুই সত্য নহে, ধ্যাতা বা ধ্যেয় কিছুই পার্থক্য নাই, সকলই থারাই জগতের সৃষ্টি। ঐ চিংস্পন্দন বাসনাযুক্ত হওয়াতেই সেই ব্ৰহ্ম। দ্রষ্টা, দৃশ্য ও দর্শন, সকলই সেই চিবিভূতিমাত্র, প্রপঞ্চময় জগৎ প্রাদুর্ভূত হইতেছে, কিন্তু বাসনবিহীন হইলেই যাহা তুমি জড়বস্তু বলিয়া বােধ কৰিছে, উহাও সেই চৈতই সংসার তিরােহিত হইয়া থাকে। এই নিমিত্তই মনীষিগণ স্বরূপ পরমাত্মা হইতে ভিন্ন নতে, বস্তুত সকলই চৈতময় এক- বলিয়াছেন, স্পন্দনময় তরঙ্গ, আবাদি দ্বারা সমূদ্ৰমধ্যে প্রবিষ্ট মাত্র ব্রহ্ম। ধ্যান ও খ্যেয়াদি সমস্তই ভ্ৰম, ধ্যেয়বস্তু যে ব্ৰহ্ম, তিনি হইলে উহা যেমন সম্পন্দ হইয়াও স্পষ্ট প্রতীত হয়, খ্যান ব্যর্তীও সতত সমভাবেই প্রকাশমান। ১১। বুম। তদ্রুপ চিৎম্প বসনাবিহীন হইলেই উহা অস্পন্দনের মধ্যে সেই চিন্ময় আত্মা সততই শান্তিময় ও সমভাবাপন্ন, প্রতিপত্রই গণ্য। রাম। নিশ্চয় জানিও চিৎস্পন্দনময় পুরুষ ও কর্মের সৃষ্টি উদিত হউক আর প্রলয়ানিলয়ই বহমান হউক, সমুদ্র যেমন বিষয়ে কল্পনাং ভিন্ন অণুমাত্র প্রভেদ নাই। জল ও তরঙ্গের আহাতে ক্ষুব্ধ ও শুদ্ধ হয় না, আত্মত্ব সেরূপ বা শুদ্ধ হইবার স্থায় চিংস্পন্দনময় পুরুষ ও কর্মের কল্পনাশেই দ্বিত্ব জ্ঞান , নহে। যে ব্যক্তি অরণী আরোহণে গমন করে, আহার নেত্রে যেমন উহা ৰাৰ নয়। রাম। হিম ও শৈত্য যেমন অভিন্ন, সেইরূপ তীরতি শৈলাদি সচল বলিয়া প্রতীত হয় এবং শুক্তিতে কর্মরই পুরুষতা ও পুরুষেরই কতা জানিৰে। বহুভ যেন যে যেন রজন হয়, দ্রুপ চিত্তের ভ্রান্তিবশতই একমাত্র এই হিয়, সেই শৈত্য এবং যে শৈত্য, সেই হিম, তদ্রুপ যে কর্ম, } নির্বাণ প্রকরউত্তরভাগ সেই পুরুষ এবং যে পুরুষ সেই কর্ম। অদৃষ্ট, কৰ্ম্ম ও মনুষ্যাদি আত্মাই প্রকাশমান ছিলেন। হে সাথে। বস্তুতঃ এই বিশ্ব সমস্তই সেই চিন্ময়ের স্পন্দনরূপ রসের পরিণাম, নতুৰাৰ মণ্ডলে বীৰ ৰা অহুর এবং পুরুষ বা কৰ্মাদ কিছুই নাই, নট কৰ্ম্মাদি কিছুই পৃথক্ নহে। একমাত্র ব্রহ্মচৈতন্যই স্পন্দনহেতু যেমন সুনুদি বিবিধ বেশ পরিগ্রহ করে, দ্রুপ একমাত্র জগতের বীজম্বরূপ, স্পন্দনের অভাব হইলে উহার আর ব্রহ্মই পরিদৃশ্যমান বিবিকারে বিরাজমান হইতেছেন। হে বীজ থাকে না এবং ঐ বীজই অভ্যন্তরে অসুররূপে অবস্থিত এনাময়। তুমি এইরূপ নিশ্চয় করত বৃথাপুরুষকৰ্ম্মাদি বিচার- বলিয়া অঙ্কুৰস্বরূপ। ১-১১। উক্ত ব্ৰক্ষ চৈতন্যের স্বাবই শঙ্কা পরিত্যাগপূর্বক বাসনা ও সর্বপ্রকার সঙ্কল্পবর্ষিত হইয়া এইরূপ যে, মহাসাগর যেমন কখন কোন স্থানে স্পন্দনময় ও ব্রহ্মক্ষপে যথেচ্ছ অবস্থান কর। হে রাম। সর্বপ্রকার অতি কখন কোন স্থানে নিঃস্পভাবে অবস্থিত, সেইরূপ কখন লাষ ও শঙ্কা পরিত্যাগপূর্বক কওঁৰকাৰ্যের অনুষ্ঠান করতঃ স্পন্দিত ও কখন নিস্পন্দ। বাসনাযুক্ত চিংস্পন্দন, অকারণ ব্ৰহ্মরূপে অবস্থান কর এবং সফলমনস্কাম ও নির্ভয় হইয়া ৰীজৰূপী হইয়া দেহাদি অঙ্কুরের কারণ হয় হয় এবং ঐ শান্তিপুর্ণদয়ে ব্রহ্মানন্দরসে পরিতুষ্ট হও। ২৫ চিংস্পন্দই তৃণ-গুল্ম-লতাদির অত্যন্তরীণ যথাযথ কাৰ্য্যের বীজ, অষ্টাবিংশ সর্গ সমাপ্ত।২৮। উহার আর বীজ কিছুই নাই। বস্তুত অথিও উকতার গায় বীজ ও অঙ্কুরের বিভিন্নতা নাই। পুরুষ ও কর্মের ন্যায় যে বীজ, সেই অঙ্কুর এবং যে অঙ্কুর সেই বীজ জানিও। অল যেমন একোনত্রিংণ সর্গ। স্পন্দিত হইয়া স্কুল-দাম্মাদি বুদবুদ উৎপাদন করে, সেইরূপ একমাত্র চিৎ ভূময্যে স্পন্দিত হইয়া বিবিধ প্রকার স্থাবর বশিষ্ঠ কহিলেন,-রাম! তুমি বাসনাশূন্য ও বীতরাগ হইয়া প্রকাশিত করিয়া থাকেন। বিবেচনা করিয়া দেখ, চিৎব্যতীত অদৃষ্টি অবলম্বনপূর্বক সর্বত্র অখিল কন্মকে সেই সুবিমল অতি কোমল ভূমধ্য হইতে বতুল্য কঠিন অনিচয় নিসারণ শান্ত চিত্ররূপে দর্শন করত অবস্থান কর। তুমি আকাশবৎ করিতে আর কে সক্ষম হইতে পারে ? লতাদির অভ্যন্তরীণ রস বিমলভাৰপ, প্রাজ্ঞ, অদ্বিতীয় ঘন চিপে অবস্থিত, সতত যেমন নিজ ভাৰস্তর মাত্র পুষ্পফল বিস্তার করে, ড্রপ প্রাণি সমভাবান্বিত, সৌম্য, সর্বদা সর্ববিষয়ে সম আনন্দময়, মহাশয়, গণের শুক্ররসের অভ্যন্তরস্থ চিংই অখিল জমরূপে বিস্তৃত ও ব্রহ্মভাৰ প্রাপ্ত হইয়া সামান্যই হউক আর মহৎই হউক হইতেছে। সর্বত্র সমভাবে অবস্থিত সেই চিৎ যদি বলবতী উপস্থিত শােক বা আপৎকালে অথবা ঘাের সঙ্কটাদিসময়ে না হয়, তবে কে আর সুরাসুরাদির উদ্ভাবনে সমর্থ হইতে অন্তরে দুঃখানুভব না করিয়া দেশকালাদ অনুসারে বাষ্পবর্ষণও পারে। সেই স্মৃনময় ব্রহ্মের বিষ্ণুরণই অখিল স্থাবর-অঙ্গমের ক্রন্দনাদি করতঃ লৌকিক-আচারানুষায়িক মৌখিক দুঃখ প্রকাশ আদি বীজ, তঁাহার আর কেহ বীজ নাই। বীজ ওঅদ্ভুত, অদৃষ্ট, করিবে এবং শীত-গ্রীষ্মদি অন্য বস্ত্রাদি ও চন্দনালি-ব্যবহার পুরুষ ও কাৰ্য এবং উর্মি, বীচি ও তরঙ্গের যেমন পরস্পর কিঞ্চি- মুখেও বাহিক বিরত থাকিবে না। সর্বদা সাধুস্বভাব থাকিয়া ও প্রভেদ নাই, যেহেতু মনুষ্য ও কর্শ্বে এবং বীজ ও অঙ্কুরে বাসনা দ্বারা আক্রান্ত মুক্তির খায় প্রিয় ব্যক্তি বা প্রিয়বস্তুর দ্বিত্ববােধ হয়, সেই মহানুভব বিজ্ঞ পশুকে সর্বদা নমস্কার করি। সমাগমে, উৎসবে ও অভদয়ে বাকি আনন্দ প্রকাশ করিবে। পুনঃপুনঃ জন্মগ্রহণের বীজস্বরূপ বাজচৈতন্যের অন্তরে যে বাসনা-, রাষ! তুমি আত্মাভিমানশূন্য হইয়া বাত বাসনাবশীভূত রস অবস্থিত থাকে, ঐ রসই দেহাদি অঙ্কুর উল্লসিত করে, ' অজ্ঞলোবৎ লাবানল যেমন তৃণনিচাকে অন্ধ করে, সেইরূপ এজন্য অসঙ্গরূপ অগ্নি দ্বারা তাহাকে দগ্ধ কর। মানব, যে কোন মৃত্যুকাৰ্য সংগ্ৰামাদিতে বিপক প্রাণীদিগকে দগ্ধ কর এবং কার্যা করুক বা নাই করুক, শুভাশুভ কাৰ্যে যে চিরে অনাসক্তি মােপস্থিত অর্থোপার্জনকর কাৰ্য্যে অনুন হৃদয়ে বকবৎ উহাকেই বুধগণ অসঙ্গ বলিয়া থাকেন। ১২৪। অথবা একাগ্রচিতে অর্থোপন করিতে থাক। হে অরিনিক্ষন। বাসনার উৎপাদনই অসঙ্গ জনিৰে, যাহাই হউক তুমি যে সমীরণ যেমন জলশূন্য জলজালকে বিদলিত ঝরে, দ্রুপ তুমিও কোন উপায়ে অনুরে বাসনাকে উৎসাদিত কর। কিংবা তুমি ব্রহ্মে একাগ্রচিত্ত ও বিকল্পনাশূন্য হইয়া বাসনাভিভূত মূঢ় পুরুষকার দ্বারা হঠযােগদি যে কোন প্রকারে বাসনায় শুকর ব্যক্তির ন্যায় অশেষ অরিবকে বলপূর্বক বিদলিত করিবে বলিয়া মনে কর, তাহাই করিয়া বাসনার নির্মুল করিতে সচেষ্ট এবং দায়াই ব্যক্তিবিগের প্রতি উদার ভাব দেখাইবে। তুমি হও, উহাই পরম কল্যাণপ্রদ। অহাৰই বাসনার মূল, অতএব আনন্দকর কাৰ্য্যে বাহিরে আনন্দিত এবং দুঃখজনক ব্যাপারে ভূমি পুরুষকার দ্বারা অথবা যদি কোন অন্য উপায় তােমার বাহিরে দুঃখিত হইবে, দরিদ্রদিগের প্রতি দয়া করিবে এবং বীর- পরিজ্ঞাত থাকে তারা অহস্তাবকে তিরোহিত কর, ঐ অহত্যাবের গণের নিকটৰীরতা প্রকাশ করিবে। ১-১০। যে ব্যক্তি শান্তিপূর্ণ নিবারণেই বাসনায় জানিৰে। অহঙ্কার পরিহারপূর্বক বাসনা- উদার হৃদয়ে অন্ত দৃষ্টি অবলম্বনপূর্বক সদানন্দ হইয়া আখে ক্ষয় না করিতে পারিলে কিছুতেই নিস্তার নাই , জাং যাহাতে বিহার করত কর্তব্য কাৰ্যের অনুষ্ঠান করেন, হে অনা। তিনি অহঙ্কার ও বাসনা দূরীভূত হয়, এরূপ পুরুষকার ব্যতীত সংর- যেমন, কাৰ্য করিয়াও কৰ্ম্মফলে লিপ্ত হন না, দ্রুপ তুমিও পারাবার হইতে উত্তীর্ণ হইবার আর কোনই উপায় নেখি ন। আত্মাভিমান পরিত্যাগপূর্বক যাহা কিছু করিবে, তাতে তােমার একমাত্র আত্মচৈতাই অখিল জগতের আলি এবং তিনিই বী, কৰ্ম্মলেপের সম্ভব নাই। হে সাথে! তুমি আত্মচিন্তা বারা তিনিই অঙ্কুর, তিনিই আই, জিনই পুরুষ ও তিনিই শুভাশুভ অদৃষ্টি হইলে, ত্বদীয়গাত্ৰপতিত বখায়ও ব্যর্থ "ইয়া যাইবে। নিখিল কৰ্ম্ম। সর্মগ্রখমে বী, অঙ্গু, দৈব, কৰ্ম্ম ও মালবাদি । যে ব্যক্তি, সর্ব-সা-বিরহিত আকাশ-স্বরূপ পরমাত্মাতে যথেচ্ছ কিছুই ছিল না, কেবল একমাত্র সেই অনাদি অনন্ত চৈম' অবস্থিতি করেন, তিনিই আরাম ও তিনিই মহেশ্বর। কোন ৩ যােশবাশিষ্ঠ-রামায়ণ। } প্রকার অস্ত্রশস্ত্র তাহাকে বিললিত করিতে পারে না, হুতাশন দগ্ধ উত্তর দিয়াছি। এক্ষণে তুমি পরমপদে বিশ্রান্ত জ্ঞ হইয়াহ, করিতে সমর্থ হয় না এবং জলরাশি আদ্র ও মারুত শুষ্ক করিতে সুতরাং তুমি আর সবিকল্প প্রত্যুত্তরের উপযুক্ত নই।২৭-৩৪। সক্ষম হয় না। অতএব তুমি নিত্য নিরতিশয় আনন্দস্বরূপ অরা- হে বৎবর। আর্থ ই বল, পরমাথই বল এবং ৰহই বল আর মরণাদিত অনাদি অনন্ত ব্ৰহ্মময় স্বীয় আত্মাকে, সুদৃঢ় ভযুক্ত অল্পই বল, যত কিছু বাক্য আছে, হে সাধাের গবাক্ষবিরাণি মন্দিরবৎ দৃঢ়রূপে আলিঙ্গন করিয়া নিশ্চিন্ত হৃদয়ে বিতৰে অব- যারা গৃহপ্রবিষ্ট সূৰ্যকিরণ যেমন অসীম ত্রসরেণু দ্বারা পরিপূর্ণ, স্থান কর। অরূপ বৃক্ষের পদার্থসমূহুরূপ কুমুনিচয়ের সৌরভ- সেইরূপ অখিল ৰায় অঙিলাপেই প্রতিযােগী, ব্যবচ্ছে, সংখ্যা স্বরূপ সারকুত ব্ৰহ্মচৈতন্যকে আশ্রয়পূর্বক অখিল বাহুবকে ও পরমার্থদি ভ্রম যিলসিত হইতেছে। অবিনাশীব্ৰহ্মরূপে ভাবনা করত সুখে অবস্থিত থাক। যাহারা ব্যক্তিকে মলঙ্কাঙ্কিত উত্তর দেওয়া উচিত নহে এবং এরূপ অন্তদৃষ্টি সহকারে দ্বৈতবােধবিহীন হইয়া বাহিরে কর্তব্য কাৰ্য্যের বাক্যই নাই, যাহাতে ভ্রমকলঙ্ক অবিদ্যমান, সুতরাং তুমি যখন অনুষ্ঠান করেন, তাঁহারা জীবিত থাকিলেও পাষাণের স্যায় তাহা অকৃজ্ঞতর হইয়াছি, তখন তােমাকে বায় উত্তর দেওয়া আমার দিগের কোন প্রকার বাসনাই উদিত হয় না। রাম। তুমি অবিধেয়। তুমি আমার জ্ঞানী শিষ্য, তােমাকে আমায় যথার্থ কুৰ্মাঙ্গবৎ অন্তরে ও বাহিরে বৃতিশূন্য হইয়া কর্তব্যকাৰ্য্যের উত্তর দেওয়াই কর্তব্য। পণ্ডিতগণও এ বিষয়ে কাষ্ঠবৎ মৌন- অনুষ্ঠান করত মনকে এসরণ ও অন্তঃপ্ত করিয়া রাখ। ভাষকেই নির্দোষ যথার্থ উত্তর বলিয়াছেন এবং তাহারা বলিয়া ১১-১৮। এইরূপে অন্তরভিৰিীল অথচ বহিৰ্বত্তিমৎ সুতরাং থাকেন, বাৰৎকাল না তত্ত্বজ্ঞানােদয় হয়, ভাবৎকাল অজ্ঞান সুপ্ত ও বুদ্ধপ্রায় চিত্তে যাহা কিছু কর্তব্য সম্পাদন কর। তুমি বশতই পরম বস্তুকে বাক্যের বিষয় ও জানােদয় হইলেই বাক্যের অন্তরে বাসলাহীল হইয়া বালকাদিবং কর্তব্য কাৰ্য করিলে অগোচর বলিয়া বােধ হয়। অতএব তুমি যখন জ্ঞানলাভ করিয়াছ, দীয় চিত্ত আকাশবং কিছুতেই লিপ্ত হইবে না। হে রাধব। তখন মৌনভাব থারাই তােমাকে সুন্দর উত্তর প্রদান করিয়াছি। তুমি সর্বদা নির্শ্বিকল্প সমাধি অভ্যাস করত চিত্তকে বিলীনপ্রায় রাম। বক্তা দূস্বরূপ, সেইরূপই বলিয়া থাকে। আমি অন্তরে অনুপ্ত ও বাহিরে কিঞ্চিত্র পরিকূট রাখিয়া সুখে অবস্থান যখন সেই জ্ঞানগম্য নির্বিকল্পবস্তস্বরূপ, তখন নিশ্চয়ই কর। হে অন। জানশে চিনুকে বিনষ্ট করিয়া সঙ্কল্পরূপ বাক্যের অগােচর, সুৎকিরূপে ৰাকীরূপ মলকে গ্রহণ করিব ? কলঙ্কবিহিত বিশুদ্ধ আত্মজ্ঞানে অবস্থিত খাকিয়া কোন কাৰ্য বাক্যমাত্রই সঙ্কল্প দ্বারা কলঙ্কিত, এজন্য আমি আর অবাচ্য কর বা নাই কর, কিছুতেই তােমার প্রত্যয় নাই। তুমি বিষয় বলিতে চাহি না। ৩৫–৪১। রাম কহিলেন, হে ব্ৰহ্মন। জাগ্ৰদবস্থায় গমনাদি করিয়াও সুযুণভাবে খাকিয়া কিছুই গ্রহণ বা বাক্যের প্রতিবােগী ব্যবচ্ছেদাদি যে সকল দোষ আছে, তৎসমুদয় পরিত্যাগ করিও না। যদি তুমি জাগ্ৰদবস্থাতেও সুষুপ্তপ্রায় এবং পরিহারপূর্বক বলুন আপনি কে? তখন বশিষ্ঠ বলিলেন- সুষুপ্ত অবস্থাতেও জাগ্রস্থ হইতে পার, তাহা হইলে জাগ্ৰৎ ও তবিদাৎবর রাঘব। এমন যদি হয়, তবে যথার্থ কথা শ্রবণ কর, সুষুপ্তি অবস্থার সেই এক জন্য তুমি নিরাময় হইয়া সেই সৰ্ব্বা- তুমিই বা কে? আমিই বা কে? এবং এই জগই বা কি? তীত পরমবরূপে বিরাজ করিবে। হে বাম! তুমি এইরূপ কিছুই নহে। হে তত। এই আমি সৰ্ব্বসঙ্কলবিরহিত নিরাময় অভ্যাস দ্বারা ক্রমে ক্রমে সেই আদ্যরহিত, সৰ্ববস্তুর অতীত চিকাশমাত্র, আর কিছুই নহি। কি আমি, কি তুমি, কি এই পরমপদ প্রাপ্ত হইতে যত্নশীল হও। জগতে বিভিন্নতা বা একতা অখিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ড, সমস্তই সেই বিশুদ্ধচিলাকাশমাত্র। সর্বব্যাপী কিছুই নাই, এইরূপ স্থির নিশ্চয় করত আকাশবৎ নির্মলান্তঃকরণ সুবিমল জ্ঞানময় সেই পরমাত্মামধ্যে তুমি আমি সকলেই সেই হইয়া পরম বিশ্রামমুখ অনুভব করা১৯২৬। রাম কহিলেন, নির্মল আনময় আমত্র, তাহা হইতে আমাদিগের আর পৃথ- হে মুনিশাল। যদি এইরূপই হয়, তবে আমিই বা কে, কিরূপে কৃত্ব নাই। আত্মাভিন্ন আর কিছুই বলিতে পারি না। বিশ্বগণ, আপনিই বা আমাকে রাম বয়া বুঝিতেছেন ? এবং যশিষ্ট নামক শিষ্যগণের সংসার-মুক্তির এই চেষ্টমান হইয়া স্বপক্ষের উদ্- আপনিই বা কিরূপে অবস্থিত রহিয়াছেন ? বাশ্মীকি কহিলেন- ভান করত অহংত্ব প্রকাশ করেন এবং একমাত্র সেই পরম রামচন্দ্র এইরূপ কহিলে বখিবর বশিষ্ঠ মুহূৰ্তাৰ্ধকাল মৌনাক বস্তুকেই বিবিধ প্রকারে কীৰ্ত্তন করিয়া থাকেন। শান্তিপূর্ণ লন করিয়া রহিলেন, মহৰি বশিষ্ঠ যৌনবলম্বন করিলে জীবন্মুক্ত ব্যক্তি, সতত কৰ্তব্যকাৰ্য্যের অনুষ্ঠান করিলেও সর্ব- সমুদয় সভ্য মহাজনগণ, “একি।” ভাবিয়া সংশয়সাগরে নিমগ্ন বিষয়ে ঔদাসীন্যহেতু বের ন্যায় যে অবস্থান করেন, তাঁহার সেই হইলেন। তখন রামচন্দ্র পুনরায় কহিলেন-হে ভগবন। আপনি অহঙ্কারশূন্য, অন্য বন্ধুতে ভেদজ্ঞানরহিত সুখ-দুঃখ-বিকার-বিহীন আমার স্যায় মৌনী হইয়া কি জন্য অবস্থিতি করিতেছেন? অবস্থানই মঙ্গলময় পরমপদ নিবে। অহঙ্কারই মুক্তির অভাব- ত্রিগমধ্যে শিষ্যগণ কর্তৃক উদ্ভানীয় এরূপ ত কোন তর্কই স্বরূপ, এত হৃদয়ে অহংজ্ঞন থাকিলে কিছুতেই মুক্তি চিন্তা দেখি না, যাহা গুরুজনের উত্তরযােগ্য নহে। বশিষ্ঠ বলি- হইতে পারেনা। ৪২-৫২। যিনি অহংজ্ঞান দ্বারা মুক্তি আঘেষণ তেল,হে অনষ। এরূপ মনে করি না যে, আমার আর করেন, জন্মায়ের চিত্ৰগনি-এয়াসের স্থায় তঁাহার সেই চেষ্টাও বুঝাইবার ক্ষমতা নাই বলিয়া যুক্তি ফুরাইয়াছে, তবে তাের বিফল। বস্তুতঃ জড় না হইলেও যাহাতে শরীর চালিত হয়, ও প্রশ্ন চরম সীমায় উপনীত ৰলিয়া যৌনাৰখনই উহার প্রকৃত যাহাতে হয় না, এরূপ উবিধ কাৰ্যেই আঁহার চিত্ত জড়পদার্থ উত্তর জৰিবে। অষ্টা দুই প্রকার ও অজ্ঞ, তন্মধ্যে যে পাষাণে ব্যয় জড়তাৰে অৰতি থাকে, তাহার সেই অবস্থানকেই অজ্ঞ তাহাকে অজ্ঞতাপূর্ণ ও সে জ্ঞানী তাহাকে জ্ঞানপুর্ণ উত্তর অয়াময়ণাদি নিৰ্বাণগদ জানিও। লৌকিকভােগোবিহীন নেওই কর্তব্য। হে মহামতে। তুমি এবংকাল অজ্ঞানা- অজ্ঞানিগণ যেন নিজ জ্ঞানি আপনাতেই অনুভব করেন, অতে কাৰে আৰুত ছিলে, এজন্য তােমাকে বিবিধ বিজ্ঞানময় প্রত্যু- অনুভব করিতে পারে না, সেই একান্ত জীবমুক্ত ব্যক্তিও শুয়াই নির্বাণপ্রকরণ উত্তরভাগ। সেই নির্বাণগদ অনুভব করিয়া থাকেন, অপরে বুনিতে সক্ষম সমুদয় বাসনা আর পরিবৃত হইলেও তাঁহাকে বাসনা হয় না। ঐ কল্যাণময় নির্মল নির্বাণগ, কেবল একমাত্র ব্রহ্ম বলিয়া আনিৰে। হে ব্য! স্বপ্ন, মায়া ও ইজালালিতে যেমন ময়তা, উহাতে আমিত্ব তুমিত্ব বা আমি-তুমিত্বের বিভিন্ন এলীক অদ্ভুত বিষয় সকল দৃষ্ট হয়, সেইরূপ একমাত্র সঙ্কজেই কিংবা অন্য প্রক'রত্ব কিছুই নাই। বুধগণ চৈতময় আত্মার জ্ঞেয় এই অদ্ভুত সংসার প্রকাশমান হইতেছে, সুতরাং উহা দৃষ্ট জানকেই চৈতন্য বলিয়াছেন এবং উহাই সংসার ও উহাই অনন্ত হইলেও উহাতে আবার আস্থা কি? ফল কথা সুখ-দুঃখ পাপ ক্লেশের নিদান বন্ধন। আর ক্রেয় বস্তুর অবােধই অচেনত্ব ও পূন্য কিছুই নাই, উহা সমস্তই অসম্ভব, কেহই উহার কর্তা তাহাই শান্তিময় অব্যয় পরম মােক্ষপ নিবে। পরম শান্তি বা ভােলা নাই এবং কাহারই কিছু নষ্ট হয় না। সমস্তই মগ্ন আত্মায় দিলাদি দ্বারা ব্যবচ্ছেদ না থাকিলেই জ্ঞেয় বস্তুর শস্যময় ও নিরালম্ব, মমতা ও প্রত্যাদি সকলই নেত্রদোষজনত সম্ভব নাই, সুতরাং তখন কে আর কোন বস্তুর জ্ঞান করিবে? দ্বিতীয় চন্দ্র ও স্বপ্নদৃশ্য বঃবৎ অসত্য। হে ভূপগণ। স্বপ্ন দৃশ্য জগতে জ্ঞানান্তৰ্গত বাসনানুসারী সঙ্কল্প শমণি উৎপন্ন হয়, সেই অহঙ্কারও কিছুই নয়। মানব অখিল যেমন জ্ঞানময় হইলেও স্বীয় জ্ঞানময়তা পরিহারপূর্বক অন্যরূপে দ্বৈতজ্ঞানশূন্য বা তত্ত্বজ্ঞগণের ব্যবহার কিংবা কাষ্ঠ-পাষাণবিৎ এভীত হয়, তদ্রুপ এই বহির্গত জগতেও বুৰিবে। বস্তুতঃ অচলভাবে সমাধিস্থ হইয় কাটালিবৎ মোবলম্বীই হউক সর্ব- মনােবুদ্ধাদি সমস্তই আনমাত্রের অনুসারী, জ্ঞানময় হইয়াও প্রকারেই ব্ৰহ্মৰ লাভ করিয়া থাকে। রাম। দ্বিতীয় নির্বি- বহির্জন বশতঃ উহারা জড়ায় বিভিন্ন বক্স বলিয়া অনুভূত হইয়া কার ব্রহ্ম নানারূপে প্রকাশমান হইলেও কি প্রকারে যে তাহার থাকে। ৫১-৫৮। যিনি বাহ ও অন্তরে সতত সমভাবে নিশ্চলতা, সর্বচিত্রময়তা, নানারূপ ও সাবয়ব সিদ্ধ হয়, বিরাজমান, যিনি নিল একমাত্র চৈতন্যময় ও ঘহাতে অণুমাত্র তদ্বিষয়ে পূৰ্বোল্লিখিত যুক্তি ভিন্ন অপর আর যুক্তি কিছুই নাই। ভেদ নাই, ঈদৃশ আয়াতে ভেদবুদ্ধি যে কি অনর্থের নিমিত্ত, তাহা এক্ষের স্বভাবই যে ঐরূপ বিচিত্র, তাহাও বলা বায় না, কারণ বলা যায় না। যাহাতে কোন প্রকার বন্ধুরই প্রতীতি হয় তিনি যখন নির্মল সর্বসঙ্গবিবর্জিত, তখন কিরূপে অন্য পদার্থের না, এরূপ বিশুদ্ধ জ্ঞান ও শূন্যে কিছুমাত্র প্রভেদ নাই, এরূপ মনে সহযােগে তাঁহার সেইরূপ স্বভাবের সম্ভব হয় এবং তিনিই যখন করিও না, উহাদিগের যে প্রভেদ তাহা বুধগণই পরিজ্ঞাত আছেন সর্বময় তখন তাহার স্বীয় স্বাৰ বলিলেও সকল পদার্থেরই উহা বাক্যের অগোচর। গভীর অন্ধকারমধ্যে চঃপ্রত্বে যেমন সেইরূপ বিচিত্র স্বভাব হইত, সুতরাং ব্রহ্মে স্বভাবের সভারই অনির্বচনীয় সদসপ আভাস লক্ষিত হয়, সেইরূপ সুবিমল উল্লেখ হইতে পারে না এক নাস্তিকদিগের কুতর্কপূর্ণ বাক্যে ব্রহ্মেও এই জগ প্রতিফলিত হইতেছে। রাম। আমি যেমন জ্ঞানময় আত্মাতে যে জ্ঞানের অভাব আছে, ইহা যুক্তিবিরুদ্ধ। বাসনবিহীন হইয়া “এই আমিই সেই চিদাকাশময়” এই জ্ঞানে কারণ তাহা হইলে কেহই দৃষ্টির গ্রাহ্ন বা গ্রাহক হইতে পারে সংসারমুক্ত হইয়াছি, তদ্ধপ তুমিও যদি বাসনা পরিত্যাগ করিতে না, এজন্য তাহাতে যে অনির্বচনীয় জ্ঞানের অস্তিত্ব আছে, পায়, তাহা হইলে তুমিও সেই চিদাকাশরূপে অবস্থিত হইয়া তাহাতে আর সন্দেহ নাই। অতএব হে রাখব। যে ব্রহ্মরূপ মুক্ত হইবে। যিনিই “বাসনা শূণ্ঠ হইয়া, আমিই সেই চিদাকান” পরম সতত সমভাবাপন্ন ও নিৰ্ম্মল হইতেও নিল, তত্ত্বজ্ঞ এইরূপ অন্তরে স্থির করিতে পারিবেন, তিনিই ব্যবহারে অজ্ঞসদৃশ ব্যক্তিগণ নিরবধি যাহার সেবা করেন, যাহাকে অপহরণ করিতে ও বিদ্যমান হইলেও স্বয়ং অবিদ্যমান ও চিন্ময় হইয়া সংসার- পারে না ওবহার কয় নাই, তুমি সেই পরমার্থ সত্যস্বরূপ কেশ হইতে শান্তিলাভ করেন। জীবগণের অবিদ্যারূপ অনল ব্রহ্মরূপে বিরাজ করিতে থাক এবং যথেচ্ছ বিহার ও পান-ভােজন- আমি অজ্ঞ” ঈদৃশ অজ্ঞানৰায়ু দ্বারা প্রজ্বলিত হইলেও আদি করিয়া সুখী হও কিছুতেই তােমার সংসারবন্ধন হইবে না, “আমি ব্ৰহ্ম” এবংবিধ জ্ঞানে উহা প্রশমিত হইয়া থাকে। কারণ, বস্তুতঃ ব্ৰহ্ম হইতে তােমার পৃথক্ সত্তা নাই। ৬৯-৭১। সংসারযুক্ত ব্যক্তিগণের বস্তুতঃ অজড় হইলেও জড়ের গায় যে একোনত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত। ২১। বহ বিষয়ে অবােধ, বিঘদূগণ, তাহাকেই অক্ষয় অধিকারী পরম মােপ বলিয়াছেন। মানব, নিজ জ্ঞান রাই নি আনিত্ব অনুভব করত মুনি হইয়া থাকে এবং অহেতু সৰিণৰ ব্রিংশ সগ। অজ্ঞতা লাভ করতঃ পশুররুত্বাদি প্রাপ্ত হয়। এই আমি ব্ৰহ্ম এই জগৎ" ইত্যাদি স্থান অবিদ্যাজনিত অলীক ভযমাত্ৰ। দীপা বশিষ্ঠ বলিলেন,-রাম! অহংজ্ঞানই পরম অবিদ্যা, উহাই লােক দ্বারা যেমন অন্ধকার দৃষ্ট হয় না, সেইরূপ জ্ঞানালােকেও মুক্তিপথের বিরােধী, এ যে সকল অজ্ঞানাঙ্ক ব্যক্তি এইং- ঐ জগৎ লক্ষিত হইয়া থাকে না। অখিল সক্ষবিরহিত জ্ঞানেই মুক্তি অনুসন্ধান করে, তাহাদিগের সেই কাৰ্য উত্তে শান্তমতি জ্ঞানী ব্যক্তি, ইন্দ্রিয়গ্রামসম্পন্ন হইলেও অন্তরে বা কাৰ্য। প্রকৃত অজ্ঞানতানিবন যে অহংজ্ঞান, উহাই অজ্ঞতার বাহিরে কিছুই অনুভব করিতে পারেন না। ৫-৬৮। সুষুপ্তি নিদর্শন। শান্তচিত্ত অজ্ঞব্যক্তির আমি, আমার জ্ঞান নাই। অবস্থায় স্বল্প ব্যয় সমাধিকালে আত্মজ্ঞানােয় হইলে জীবন্মুক্ত জ্ঞানী ব্যক্তি, অহঙ্কাৱৰূপ মল পরিত্যাগপূৰ্বৰু নিৰ্বাণ সমূদয় বাহ দৃশ্যম্ভই বিলয় হইয়া থাকে, সমাধিভঙ্গে পৰীতে আরূঢ় হইয়া দেহ ধারণ করিয়াই হউক, আর বিদেহ পুনরায় যাহা দেখা যায়, তখন তৎসমস্তই আরা বলিয়া অতীত হইয়াই হউক সত সর্বশূেন্য হইয়া অবস্থান করেন। গগনমণ্ডলে নীলক্সে ন্যায় বলে দিতালিবােণ জ্ঞানী ব্যক্তির ক্ষয় যেমন নিন্ম রৎকালের আকাশও সেরূপ প্রান্তি ভিন্ন আর কিছুই নহে, আকাশ ও উভয়ই সমান। নহে, যেমন নিশ্চল, ভিমিত সাগরও সেরূপ নহে এবং যেমন যিনি এই অখিল ব্রহ্মাণ্ডকে সত্য বলিয়া বুঝিয়াছেন, তিনি কান্তি ও মুল, পরিপূর্ণ হিমাংশুমণ্ডলের মধ্যভাগও বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ সে প্রকার নহে। চিত্রাঙ্কিত সংগ্ৰামতৎপর সগণের মূল বিষবং উপেক্ষা করিলেও অভিলােকের নিকট যেমন তাহা প্রতীয়মান হইলেও বাস্তবিক যেমন তাহারা অক্ষুব্ধ, তদ্রুপ আলী আদৃত হয়, সেইরূপ মনীয় ৰচনাবলী অজ্ঞলােকের হেয় হইলেও ব্যক্তি কর্তব্য কাধের অনুষ্ঠান করিতে থাকিলেও বস্তু নিশ্চল। এ দৃশ অভিজের নিকট অব ই সত্য ও যুক্তিসঙ্গত বলিয়া গ্রাহ মুক্তি-সৰ্গাধিরূঢ় জ্ঞানী ব্যক্তির চিতের নিশ্চলতা বশতঃ যাহা কিছু হইবে। দেখলি চিপর্যন্ত সম শরীর জড় বণিৱ বিচার- বাসনা বলিয়া বুঝিছে, উহা বাসনার মধ্যেই গণ্য নহে, গন্ধ সিদ্ধ হইলেই যখন অহংজ্ঞানের অভাব দেখা যায়, তখন বসলাপির তমালার ন্যায় উহা কেবল দৃশ্যমাত্র। ওরঙ্গমালায় সমা- আমি যে ব্ৰহ্মভিন্ন কিছুই নই, ইহা সম্পূর্ণ সত্য। বিচার দ্বারা কুল মহাসাগরের তরঙ্গসকল পৃথকৃরূপে পরিদৃশ্যমান হইলেও ঐ ধাহাদিগের অখিল ভেদজ্ঞান প্রশমিত হয়, তাহৰাই মুক্ত হন, সাগর ওজনিচয় যেমন জল ভিন্ন কিছুই নহে, সেইরুপ অখিল ভঁহাদিগের সেই মূক্ততাতে একমাত্র অহংজ্ঞানেরই বিনাশ হইয়া বই বিভিন্নরূপে দৃষ্টিগোচর হইলেও উহা ব্ৰহ্ম ভিন্ন অপর কিছুই থাকে, নতুবা বস্তুতঃ অপর কিছুই বিনষ্ট হয় না। মুক্তিবিষয় নহে। শান্তিমার্গাধিষ্ঠিত যাহার চিত্ত বাহিরে সংসারতরঙ্গে লুব্ধবৎ বিষয়ভােগাভিলাষপৰিত্যাগ, বিচার ও মনননিগ্রহ ভিন্ন অপর প্রতীহইলেও সাগরের ন্যায়বহুত অন্তরে অক্ষুব্ধ ও সতত প্রসন্ন। কোন উপযুক্ত উপায় নাই, অতএব হে মােক্ষাভিলামি অগণ! উঁহাকেই মনীষিগণ মুক্তপুরুষ বলিয়া থাকেন।১-৮। সলিলময় তোমরা ভবিচারাদি দ্বারা ভ্রান্তি পরিহারপূর্বক ব্রহ্মময় স্বীয় সাগরে একমাত্র সলিলই যেমন বিবিধরূপে প্রকাশ পায়, তদ্রুপ আত্মারই শরণ লও। বিদগণ, সৰ্ববাসনাবিরহিত মানসিক জ্ঞানময় পরব্রহ্মেতে একমাত্র জ্ঞানই অহংত্বরূপে ও দৃশ্যমান ব্ৰহ্মভাবকেই মােক বলিয়াছেন, ঐ মােক্ষ জ্ঞান ব্যতীত কদাপি বিবিধ প্রকারে কূৰ্ত্তি পাইতেছে। বঃ নানাপ্রকার আবার কিছুতেই হয় না। জ্ঞানময় আত্মতে একবার জগদূভ্রান্তি সমুদিত কি । গগনমণ্ডলে প্রসূত নীহাৱঘুমের যেরূপ গজরথাদির আকুতি হইলে, কোন প্রকারেই এরূপ বিশ্বাস হয় না থে, জগৎ কিছুই প্রকাশ পায়, কিন্তু উহা যেমন সেই ধূম ভিন্ন কিছুই নয়, একমাত্র নয়, সকলই ব্ৰহ্ম, ব্ৰহ্ম ভিন্ন আর কিছুই নাই। এই নিমিতই ব্ৰহ্মতে এই অখিল দৃশ্যই সেইরূপ বিভিন্নভাবে লক্ষিত হই- অনন্তকালের মত সংসারবন্ধন ঘটিয়া থাকে। জগৎ ও আমি ভেছে। হে সমাগত অভিজ্ঞগণ। এতাবৎকাল মদীয় উপদেশে কিছুই নহে, ঈদৃশ বুঝিয়া বন্ধুবান্ধব, স্ত্রী, পুত্র, ধন-সম্পদূ ও তােমাদিগের যখন অভিজ্ঞতা জন্মিয়াছে, তখন সংসারক্লেশের শরীরের প্রতি আস্থা হইয়া জীব যখন চৈতন্যময় হয়, তখনই জন্য বিষ হইবার প্রয়োজন নাই, এক্ষণে তোমরা “এই নিখিল সে মুক্ত হইয়া থাকে, অন্যথা কিছুতেই মুক্তি নাই। ১৭-২৫। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডই ভ্রান্তিময়” এইরূপ বিচার করত এভিশূন্য হইয়া ত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত ৩০। উৎকর্ষ লাভ কর। অন্তুর যেমন স্বীয় অন্তরে বৃক্ষ পত্র ও ফলপে প্রকাশ পায়, তদ্রুপ অনাবৃত জীবও অহঙ্করমধ্যে বিচিত্র জগৎ রূপে প্রতিভাত হইতেছে। ভ্রাম্যমাণ অলংকাঙালির অখি- শিখাতে ভ্ৰান্তিৰণে যেমন দগুচক্রাদির জ্ঞান হয়, সেইরূপ একত্রিংশ লগ। বাহিরে দৃশ্যবস্তুর সত্তা ও অন্তরে মনঃসত্তা সত্যরূপে প্রভাত বণিষ্ঠ বলিলেন, হে রাম। অন্তরে অসত্য-বস্তু বা অবস্তু, হইলেও কামুককল্পিত ললনার স্থায় বাস্তবিক উহা সম্পূর্ণ যাহাই অনুভূত হয়, চিদাভাসে তাহারই অনুভূতি হইয়া থাকে অলীক। অঞ্জব হে শ্রোতৃবৃন্দ! এই জগৎ যেরুপে উদিত, এবং তাহাই প্রথমে অত্যাসবশতঃ বাহবিষয় অনুৰ জন্য বাহ্ন সেরূপে বিলয়প্রাপ্ত, যেরূপে কাৰ্যকারী এবং যে প্রকারে উহাতে পদার্থরূপে প্রকাশ পায়, এই বিষয়ে নিজ স্বপ্নবৃত্তান্তই নিদর্শন সুখ-দুঃখের অনুভব হয় ও যে প্রকার উহায় দেশকাল, বহুবা জানিবে। ফলকথা পরিদৃশ্যমান অখিলবন্ধই চিৎস্বরূপ, ঐ চিৎ উল্লিখিত মদীয় যুক্তি দ্বারা তদ্বিষয় বিচার করুত উহা বে সম্পূর্ণ গগন অপেক্ষাও স্বচ্ছ,-একমাত্র চিই যখন জগদবেশ গ্রহণ মিথ্যা, ইহা বুঝিয়া নিশ্চিন্তচিত্তে শান্তভাবে অবস্থান কর। শৰবং করে, তখন সমস্তই সে চিন্ময়, কোথাও অন্য কিছুই নাই, শান্তচিত্ত জ্ঞানী ব্যক্তি, ইষ্টানিষ্ট-বিষয়ে যথােচিত কাৰ্য করিলেও ইহাতে আর নয় কি হইতে পারে ? হইতে পারে? কোন পদার্থেরই অসুরে ব্রহ্ম ভিন্ন অপর কিছুই অনুভব করেন না। জীবন্মুক্ত প্রকৃত পক্ষে নাশ, অনর্থ, জন্ম, মৃত্যু, শূন্যতা বা নানাত্বাদি যক্তিগণ, জীবিতই থাকুন আর নাই থাকুন, ভঁহাদিগের মনাে- কিছুই নাই, সমস্তই একমাত্র ব্রহ্ম ব্ৰহ্ম ভিন্ন দ্বিতীয় বই বাসনা-বিহীন অহংজ্ঞান যে জগৎ দর্শন করে এবং তাহাদিগের নাই। অ-জ্ঞানােদরে জগৎ ও অহংদির বিনাশ হইলেও সে জীবচৈত্য তদুভয়ই কেবলমাত্র জ্ঞানময়, উহাতে জড়ভাবের বস্তুত কিছুরই বিনাশ হয় না; অলীক স্বপ্নাদির ধ্বংস হইলে লেশমাত্র নাই, উহাই পরমপদ জানিবে। ১-১৬। সাগরে যেমন কোন বস্তুরই প্রকৃত পক্ষে ধ্বংস হয় না, তদ্রুপ অসভ্য জলের অস্তিত্বই যেমন শৃখলাবদ্ধ অর্ণবধানের ক্লেশকর ভারবহনের অহংঙ্গালির বিলােপে আর কি বিলুপ্ত হইবে? মিকা প্রতীয়মান হেতু, সেইরূপ সংসারশূলাবদ্ধ মানবগণের জড়ভাই অনন্ত সঙ্কলনগরাদি আবার নষ্টতা কি? উহার নাশ যেমন অসম্ভব, শেভার বহনের নিদান। মরণান্তে প্রাপ্য স্বৰ্গভােগাদি যেমন সেইরূপ অসভ্য অহংত্বাদিরও প্রকৃতপক্ষে আর নাম কি? জীবিত ব্যক্তিকে আশ্রয় করে না তদ্রুপ মুজিও অজ্ঞাতপরাধেই উহা যখন অসত্য, তখন উহার নাই নাই বুঝিবে। যদি বল, যেন অজ্ঞকে আশ্রয় করিতে পরান্মুখ । যে কিছু স্বৰ্গাজিফল জগৎ অসত্য বলিয়া বিষয়ক কোন প্রকার নিন্দাবাদ বা নির্ণয় সলেসিঙ্গ, তৎসমস্ত সল্পবশেই বিনশ্বর, সুজাং যাহাতে সঙ্ক কিরুপে সৰিতে পারে। কারণ, যেমন অলীক আকাশকুসুমের নাই,তাহাই সত্য অক্ষয় মােক্ষপ জানিও। হে রাম! এক্ষ আবার নিন্দা বালিং কি সেইরূপ উহা যখন অলীক, তখন ভন্ন আমি বা অয় কোন বই নাই, এইরূপ ধারণা করত উহার আবার কি কি? আহা হইলে বুঝি ও, ও তুমি অভিব্যক্তি স্বীয় অনভিজ্ঞহেতু অমৃতকে শাস্ত্রাদির অনুযায়িক কা-পয়ায় হইয়া নালাকার ভাবনা নী নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ করিলেই যে, পাষাণৰ অবস্থিত এবং স্বীয় ব্রহ্মময় সির থাকে, অতএব সাংসারিক সমুদয় বিষয় পরিত্যাগ করিয়া এই যে জগৎ অসৎ হইলেও সংরূপে কল্পনাপূর্বক তাহার নিল আকাশৰৎ নিলিগুজবে অবস্থান কর। সংসারকে বিয়ে ৰাৱা বৈরাগ্যাদি উৎপাদনের উপায় কল্পিত হইয়াছে, উহাই বিষয়লিচমের অম্মলণই পরম মঙ্গলদায়ক, এ যাহাতে সর্ব- নির্ণয় জানিৰে। —। এরূপ মনে করি না যে, আরেই বিষয় বিস্মৃতি হইতে পারে, এরূপ উপায় করা কর্তব্য। বস্তুত যেন নির্ণয় হইল, কিন্তু ভ্রান্তিময় স্বর্গালি জব্দের নির্ণয় কি এগতে কেহই এটা মা তাে নাই, এমন কি সংসারে হইবে? কারণ, ত্বদীয় সংসারিক পুরুষার্থতি সাত্মক অগং অস্তিত্বৰক্তি নাই; সমস্তই সেই একমাত্র শান্তিময় ব্রহ্মে যখন ক্ষণকালমধ্যেই নিঃশেষরূপে উপশমিত হইয়া থাকে, অবস্থিত, একমাত্র তিনিই অধির ব্যায় নিরন্তর স্পন্দিত হই- তখন স্বর্গাদি অগণ্ডি বিষয়ে ইহাই নির্ণয়। ইহাও বেধ তেছেন। “অখিল অগই সেই অদ্বিতীয় সৎ ব্ৰহ্ম” এইরূপ করিও না যে, প্রলয়াদিতে যখন জগৎ স্বয়ই বিলীন হয়, তখন জ্ঞানােদয় হইলেই চিদাতাস ও পাখি উভয়ের বিলােপ হয়, তখন ব্রহ্মজ্ঞানের আবক কি? কারণ ব্রহ্মজ্ঞান হইলে যে, সৃষ্টির জলরাশির গুফতা বশত সাগরাভ্যন্তরের আয় সেই শিবময় ব্রহ্ম বিলােপ হয়, উহা চিরদিনের জন্য, কিন্তু এলপিতে যে বিলােপ, বই প্রকাশ পাইতে থাকেন। ৫। যাহার চিত্ত সেই উহাসেরূপ নহে। প্রলয়কালে জগতের বীজ উমূলিত হয় না, পরমতত্বে বিশ্রাম করিতেছে এবং যিনি সমী, তিনি সমাধি কেবল উহার কাৰ্যই তৎকালে থাকে না, এই মাত্র। কারণ, অবস্থাতেই থাকুন আর কোনরূপ কাৰ্যই করুন, সকল অবস্থাতেই কাৰ্য্য সকল সঙ্কমূলক, সুতরাং ব্রহ্মজ্ঞল দ্বারা উহা মুলাে- তাঁহাকে রাগন্বেষাদিত দেখা যায়। অথবা সেই মুক্ত পুরুষের চ্ছেদ না হইলে কিছুতে চিরকালের নিমিত্ত সৃষ্টির নাশ হয় না, একমাত্র শান্তিভাবই অবশিষ্ট থাকে বলিয়া কিছুতেই রাগৱেষাদি পূনরায় সৃষ্টি-প্রাতে আবার প্রাদুর্ভুত হইবেই হইবে, এইজন্যই লক্ষিত হয় না, বঙ্কঃ যাসনাবিহীন খুলি কিরূপে সাধারণ লােকের প্রলয়াদিতেও কাৰ্য সকলের সভা আছে আনিবে। ফল কখা, ন্যায় রাগাদির বশীভূত হইঘা কাৰ্য্য কন্নিবেন ? যতদিন না ক্ষে স্বপ্নদৃষ্ট পুরুষের স্থায় বস্তুতঃ অসত্য যে সকল ব্যক্তি জগৎষ্টি কাগ্রতা সপ্তমভূমিকাতে অধিরূঢ় হয়, তাবৎকালই বাগদ্বেলি- সমৰ্শন করিতেছেন, তাহারা ও তাহাদিগের সেই সৃষ্টি, প্রকৃত সুস্থ হইয়া কর্তব্য কাঠের পালন করিয়া থাকেন। नश्य পক্ষে মরীচিকা-কালের রামাগার স্যাৰ কেবল ভ্রান্তিময় মাত্র। ভূমিকাধিরূঢ় শান্তচিত্ত মুনি, রাগ, ভয় ও ক্রোধাণিবিহীন হইয় বন্ধ্যাপুত্ৰৰং সম্পূর্ণ মিথ্যা। এই বস্তুনিচকে যাহারা সত্য বল্পত প্রস্তর না হইয়াও নিয়ত প্রস্তরখণ্ডৰৎ অবস্থিতি করেন। বলিয়া জ্ঞান করে, বস্তুতঃ আমরা তাহাদিগের তদ্বিষয়ে সিদ্ধান্ত পদ্বীজের কোষমধ্যে যেমন সম্পূর্ণাবয়বাশিত পদ্মল বিদ্যমান করিতে অক্ষম। ভ্রষ্ট ও দৃশ্যাদি জ্ঞানবিহীন তত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তি থাকে, তদ্রুপ আত্মাতেই এই অদ্ভুত সুপ্তবং অগভ্রান্তি বিজ দিগের হৃদয়ে পরিপূর্ণ সাগরােপম এক অনির্বচনীয় ব্রহ্মানন্দ- মান জানিবে, উহা বাহবন্ত কিছুই নহে। সেই পরম বন্ধুর পূর্ণতা সততই বিরাজ করিতেছে। তত্ত্ববিদ্গণ কোন কার্যে বাতাভাবনাতেই যা বহু প্রতীতি হইতেছে এবং আত্মতা আসক্ত থাকুন বা নাই থাকুন, তাঁহারা বিশাল বরাবরের স্থায় ৩ ভাবনা দ্বারাই তিনি আত্মরূপে প্রকাশমান। সমই সেই পরম নির্বত-স্থানস্বিত নিকম্প দীপশির ন্যায় নিশ্চল ও সমভাবে পদার্থের ভাৰনামাত্র জানিও। অন্তরে যে স্বপ্নাদি ভাতি, উহাই দেদীপ্যমান হইয়া চিত্তে সর্বদা অবস্থান করেন। তাঁহা- তাহার বাস্তা, নতুবা ভয়ে অবস্থিত হইলেও উভয় দুম্ভের দিগের অন্তরে সলিলপূর্ণ সাগরের ন্যায় অভাবনীয় আনন্দপূর্ণতা যেমন পার্থক্য নাই, তদ্রুপ তাহারও অণুমাত্র বিল্পিত নাই। ও অচিন্তনীয় শীতলতা লক্ষিত হইয়া থাকে। ১০-১৫। এই জল ও জলতরঙ্গের আধারতা ও আথেয়তাও যেমন ভ্রান্তিমাত্র, সংসারে অজ্ঞপুরুষগণই বাসষয়, কিন্তু কেহই সেই বাসন,কে সেইরূপ জলবস্থায় পরিদৃশ্যমান বস্তুনিচয়ের স্থ্যৈ ও স্বপ্ন নিরীক্ষণ করিতে পারেন না, ঐ বাসনা হইতেই সংসার সৎ- পদার্থের অওৈ ভ্রান্তিময়ষত্র। অদিতে আত্মার জিতা প। আলােকের অসদ্ভাবেই যাহা দৃষ্ট হয়, আললাকের আনবশতই উপলব্ধি হয়, কিন্তু তখন বিভিন্ন বােধ বিলুপ্ত সদ্ভাব হইলেই তাহা আর থাকে না। বিস্ময় বিবিধ হইয়া যায়, খন আয় উহার বিভিন্নতা থাকেনা। আত্মার কাৰ্যকর বক্ষাদিই উহার দৃষ্টান্ত, সুতরাং এজনদৃষ্ট-জগৎ সর্বসম্মদি বিরহিত শান্তরূপই বন্ধ ভাবনাহে ব্ৰহ্মরূপে ফুর্তি জানােলয়েই বিনষ্ট হইয়া যায়। দেহ-মাংসাদি সমস্তই ফিত্যাদি পাইয়া থাকে, আর ব্রহ্মভাবনার অভাব হইলেই ব্ৰহ্মময় হইতে পংমহাভুতের সমষ্টি মাত্র, উহা অসভ্রান্তিময় জড়পদার্থ এবং পারেনা। স্বপ্নাদি বােধপ্রশমিত হইলে আত্মার যে বিশুদ্ধরূপ বুদ্ধি অহঙ্কার ও চিত্ত সকলই ভত্ত মহাতে বিকারত্র, অত প্রকাশ পায়, উহার অস্তিত্ব বা নস্তি কিছুই নাই বলিলেও ছুিই নয়। অতএব বুদ্ধি অহঙ্কার ও চিতের ভুভমিতাবােধ হয়, উহা বাক্যের অপাের। আত্যন্তিক ভ্রান্তি বিদূরিত হইলে পরিহারপূর্বক চিমতারূপে যে দৃঢ়াৰস্থান, উহাই মূক্ত আনিবে। বিনিময় প্রাপ্ত হন, সেই মুক্ত পুরুষই স্বীয় স্বরুপ অবগত আত্মচিং, লিঙ্গোপাখির সহিত মিলিত হইলেই চেতত্যা- হন, নতুবা কোন বিঘ্যক্তিই তা উপদেশের বিষয় নহে; তা হেতু বাসনার অস্তিত্ব, নতুবা মুক্ততার উদয় হইলে আর এতএব হে রাম। সকলেরই অহংক্সন পৱিত্যাগপূর্বক ভয়, মান, কিৎরূপা বাসনা কোথা হইতে কিরূপে সংটিতে পারে। যাহার বিষাগ, লােত, মােৰ, দেহ, মনন, ইন্দ্রিয়, চিত্ত ও এড়ভদি শুভ, এই অসৎ সংসারভ্রম সমুদিত হয়, অজ্ঞন সমভূত হইলেই শান্ত, অক্ষ, অলিভোবিহীন, অ, অদ্বিতীয় নির্বাণ ব্ৰহ্মৰ তিনি আর মরীচিকা-লং অসত সেই সংসার দেখিতে পান না, এই সমাধিতে অবস্থান কলই বিধেয়। ২৬-৩৬। অন কাহার সংসা, সংসার কিরূপ, কোথা হইতেই বা সংসার, একত্রিং স সমাপ্ত।৩১। কিছুই আন থাকেনা। পূর্বোক্ত প্রকার আনালােক উৎপন্ন হইলেও চিত্তে বিষয় মুজিবপুল সরঞ্জলে আহত হইয়া যােশবাশি-রামায়ণ যাত্রিংশ সর্গ। বা কি? এর সহবাসে যাবীবুন এইরূপ গিল্প করা কর্তব্য। গুরূপ হুৰ্য্যের প্রভা যখন অখিল জগৎ উজ্জীবি প্রকাশ বশিষ্ঠ বলিলেন,-স্পন্দন হইতে বায়ুর চায় চিৎএসরণ পায়, অহঙ্কানরূপ তিমিরজাল বিচ্ছিন্ন হয় এবং মধ্যে বন্ধুত কালেই অসত্য হালও এগৎ প্রসূত হইয়া থাকে, কিন্তু ঐ প্রকাশমান হইতে থাকে, তখন সেই অজ্ঞ দিব্যকরেরই আরা- অগভ্রম উদিত হইলেও ব্ৰহ্মৰূপতা জ্ঞান হইলে আর ফ্রেশের ধনা কর। প্রকৃত জ্ঞানী নির্ধারণে সমর্থ হইলে, যে যে ব্যক্তি কারণ হয় না, কেবল ব্ৰহ্ম হইতে বিভিন্ন জগৎ জনা বশতই উহা তােমাপেক্ষা অধিক জ্ঞানশালী, তাঁহাদিগের প্রত্যেককেই পৃথক বিষম কর্থের হেতু হয়। যেমন চক্ষুর প্রায়ণ জয় রুলের জব পে আরাধনা করিবে, কারণ এক সময়ে সকলের সেবা করিতে হয়, কূটচৈতন্যেরও তদ্রপ এসরণ হেতু এগৎ, ভ্রান্তি উতি থাকিলে তাহাদের কথাপ্রসঙ্গে তর্করূপ পিশাচিক উদ্ভুত হইতে হইতেছে। কিন্তু ঐ চিৎ যে এত হয়, উহা ব্য, কারণ বস্তুত পারে এবং তর্কক্ষে প্রকাশ হইলেই জ্ঞানী ব্যক্তিরও বালকের বনচেত্যবন্ত কিছুই নাই, তখন উহার চেত্য বস্তুতে প্ৰসরণ হয় 'অহং' ইত্যাকার ভ্রান্তিকেই যুক্তি সঙ্গত বলিয়া বিবে নিতান্তই ভ্রান্তিমূলক। দেখ বন্ধার পুত্রের মৃত্যু যেমন অসঙ্গত, হইয়া থাকে এই জন্যই বলিতেছি বুদ্ধিমান ব্যক্তি, নির্জনে এক ড্রপ অসংএসরণও যে নিরতিশয় অসৎ, অহাতে আর সংশয় এক করিয়া প্রত্যেক জ্ঞানী ব্যক্তিকেই সেবা করিবেন, এককালে কি? উক্ত চিংএসরণ, বালকের বাকার জ্ঞানের ন্যায় অবিদ্যা অধিক জ্ঞানীর আরাধনায় কুফল হয়। অনন্তর ধাশক্তিকে উক্তে- বণ বুখা জং জ্ঞান করিয়া থাকে এবং এত জ্ঞানােদয় হইলে জিত করিবার জন্য নিজ বুদ্ধি অনুসারে তাহাদিগের উল্লিখিত অর্থ আর সে জ্ঞান হয় না। অহং ইত্যাকার চিৎএর ই অহং- সকল চিপটে মিলিত করিয়া বিচার করিবে। হা হইলেই ভাবের উৎপত্তি, এই অহং জ্ঞাশেই নিদারুণসংসার বন্ধন ক্লেশ ক্রম সর্বশবিরহিত সেই যে নিত্য বস্তু পরব্রহ্ম, তাহাতেই সস্থ করিতে হয় এবং অহংভাব বিদূরীত হইলেই মুক্তি হইয়া তময়তা প্রাপ্ত হইবে। রাম। বিপশ্চিগণের সহবাসে স্বীয় থাকে। এজন্য সৎসার-বন্ধন ও মুক্তি উভয়ই নিজের অধীন। বুদ্ধিকে সতা করিয়া অজ্ঞানলতিকাকে কণাকায়ে ছিন্ন করিয়া মনোবুদ্ধাদির পাষাণাদিবৎ নিশ্চল পদার্থের ন্যায় যে অবস্থান ফেশ। আমি যে মুক্তির উপায় বলিলাম, ইহাই যুক্তিতে সন্তু- উহাই ব্ৰহ্মচিন্তা এবং উহাই ব্ৰহ্মসমণি ৰা মুক্তি, উহাতেই চির পর এবং ইহা নিজের অনুভবসিন্ধ, সেই জন্য এইরূপ বলিতেছি , শান্তি ও উহাতেই সংসারক্লেশ চিরদিনের জন্য তিরােহিত হইয়া ইহা জানি যে, আমরা অসম্বন্ধপ্রলাপ বলক নহি। মোদি থাকে। যে সভাস্থ বিষুধগণ। তােমরা অজ্ঞের ন্যায় বৃথা দ্বৈতাদি উনয়ে মহাকাশের এবং অঙ্গবিকাশে মহাসাগরের যেমন কিছু নানা বিকল্প জটিল বাক্যসন্দর্ভ দ্বারা সংশৱান্বিত হইয়া অশেষ মাত্র ক্ষতিবৃদ্ধি হয় না, ক্রপ মননশূন্য জীবন্মুক্ত ব্যক্তিরও কিছু ক্লেশও কণ্ঠশাবাদি বিষাদগ্রস্ত হইও না। ১-৮। টি বাসা- তেই ইষ্ট বা অনিষ্ট নাই। এই অখিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডই সেই বিত জীব, স্বীয় সঞ্চাচিত অল্পপ্রায় সৎ রূপালি দর্শনৰৎ সতত সাপী নিশ্চল নিরাময় ব্রহ্মেতেই মন্ত্ৰীচিকাবৎ অসত্য বিলম্বিত অসৎ দুঃখনিচয়ও উপভােগ করে। কিন্তু বাসনাবিহীন ব্যক্তি, হইতেছে। বিচার আই জানা যায় যে, এইংৰস্ত কিছুই নই, সতত মিত্রাভিভূত প্রায় খৰিয়া সঙ্কজেরচিত রূপাদি দর্শনবং প্রকৃত সুতরাং সঙ্কল্লাদি কিরূপে কোথা হইতে কোথায় সন্তবিতে দুখেরও অধীন হন না। অতএব বাসনার অপচয় হইলেই মুক্তি। দেশকাল ক্রিয্যেগে বাসনা ক্রমশঃ অতি ক্ষীণত প্রাপ্ত হইয়া আৱিংশ সর্গ সমাপ্ত ৩২। নিখেই বিলীন হইয়া যায়। গাজনে মেঘমালালি যেমন ক্ষীণতা প্রাপ্ত হইতে হইতে পরিণামে পরমাণুৰৎ হইয়া একেবারেই ভিরাে- হিত , দ্রুপ বনাও কমে অতি কী হইয়া সাবিহীন জয়ঞ্জিংশ সর্গ। হইয়া থাকে। জানিগণের সংসর্গ ও ধর্মশাস্ত্রের অভ্যাস হেতু মুতাই যেমন ক্ৰৰে পাণ্ডিত্যরুপে পরিণত হয়, সেই প্রকায়, বশিষ্ঠ কহিলেন-৫ ব্যক্তি স্বীয় পুরুষকার ও সাধুসর্গে আমিই ব্ৰহ্ম এইরূপ ভাবনা যারা জ্ঞানেজয় হইলে বাসনা, জমে এমশ্রিত বুদ্ধি বা অভিজ্ঞতা লাভ করিতে না পারেন, তাঁহার শতম হইয়া মুক্তিরূপে পরিণত হইয়া থাকে। মদীয় যুক্তি আর অভিজ্ঞতালাভের উপায়ান্তর নাই। বিষ, মৃত্যুর হছু মুসারে “আমি ব্ৰ, ব্ৰহ্ম ভিন্ন আমি কিছুই নই জীবিত ৰা হইলেও রাসায়নিক উপায় কল্পনা দ্বারা যেন তাহা শীয় বিষ অর্গাছি গত ব্যক্তির অন্তরে যে ঈশ শান্তিময় নিশ্চম, উহাই পরিত্যাগপূর্বক অনুভের কার্যকারী স্বয়, দ্রুপ অখিল কলিত মুক্তির উপযােগী প্রকৃত জ্ঞান। বায়ুতে দ্রব্য ও ক্রিয়া এই উক্ত বস্তুই শীয় শাস্ত্রীয় উপায় প্রতিকল্পনাৰলে সংসার-বনে রূপ প্রভাভির ন্যায় একমাত্র ব্রহ্মেই এই অগং ওজীব প্রকাশ হেতু পরিহারপুর্বক মুক্তির উপযােগী হইয়া থাকে। যাবৎকাল শাইতে। আমি কে? এই সমই বা কি একার? এৰ কল্পনার বিনাশ না হয়, তাৰৎকন উল্লিখিত প্রতি কর্তব্য প্রকার বিচার। যেই ঐ অশং ও জাম্ভি বিলীন হই এবং কল্পনার বিমই মুক্তি। বিয়ােল পরিত্যাগই কনার যায়। “আমি কিছুই নই এই জ্ঞানই নির্বাণ, কি এ বি শান্তি হয়, নতুবা কিছুতেই নহে। যিনি বাক্য ও মনের এরাও মৃত হইছেসাধু ও বিচার রান্নায় এই বিষয় এ শর্থের চিন্তা করেন না, তাঁহারই ক্রমশ কনাশান্তি দৃঢ় শীতে পারা যায়। আমােক একা তিমির ও দিবস যারা হইয়া থাকে। অহংকান ভিন্ন আর অপর এৰিা নাই। ঐ নী বিশিত হয়, তদ্রুপ চ্ছ ব্যক্তির সংসর্গেও এ আইন উগ-মিত হইলে যে, পদার্থ চিন্তা বিরােহিত হয়, ইঞ্জর বন বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে।১-১৭। আমি কে? উহাই মােগ,মাে উম হইতে পৃথ কোন যন্তনহে। - এইচিং কি? কিপে হইল? জীবই বা কে? জীবনই সাক্ষাৎকারেন্ন পয়েও যদি পূর্ব আনুভূত অং ওজীৰঙাৰে পার? ১৭।
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ --- T } কিঞ্চিত্রও অনুগ যুক্ত হইয়া অণুমাত্র দেহাদি অহাৰ ভাবে প্রবাহিত হইতে থাকে। এর অঙ্গকদিগের জীবন-দী- আয় কর, তাহা হইলেই অপার দুঃখে নিপতিত হইবে, আর সকল, ভীমনিদাষিত, আবৰ্তবহুল ও রঙ্গমালায় আকুল; উহাকে একেবারে পরিত্যাগ করিতে পারিলেই চিরশান্তি ও নদীসকল অজ্ঞজীবগণের সঙ্গে সঙ্গেই এহিত হয়। যাহা কিছু সিদ্ধি লাভ করিতে পারিবে। পরমতত্বের অজ্ঞানবশতই এই ৰাহ সৃষ্ট পদার্থ বোধ করিজে, তৎসমস্তই বন্ধ চৈতন্যের প্রশ্রণ অখিল বস্তু বস্তুতঃ অসং হইলেও সংরূপে দেবীপ্যমান | লেশমাত্র। উহারা নেত্রদোষজন্য দ্বিতীয় চন্দ্র, বালক দৃষ্ট বেতাল, হইতেছে। এবং বাহনবিহীন হইয়া যাহার ঐ অসং। মরীচিকা ও স্বপ্নৰৎ নিভই ভৰিম। ব্রহ্মচৈতরূপ জলের জ্ঞান বিদূরিত হইয়াছে, আমরা সেই মহাত্মাকে নমস্কার করি। তরমালা স্বরূপ সহ স বে সৃষ্টবদ্ধ দৃষ্টিমর্গে ভ্রমণ করি- পাষাণের স্থায় হজ্ঞান হইয়া যিনি নিয়ত পরব্রহ্মেই নিবিষ্ট ছে, প্রকৃত বিচার করিতে পারিলেই উহাৱা অসত, আর থাকিয়া সেই চিন্ময়েরই ভাবনা করেন, তাহার তাদৃশ অন্তর্দৃষ্টিহেতু ভ্রান্তিপূর্ণ অনুভবেই সত্য বলিয়া বিবেচিত হয়। দেখ, চৈতন্য বহিদৃষ্টি না থাকায় এই নিখিল দৃশ্যবই বিলয়প্রাপ্ত হয়। এই প্ৰসরণে ভ্রান্তিশে গগনাঙ্গমেরও গন্ধর্বগারাদি জগতে অস্তিত্ব দৃশ্যবন্ত সকলের সত্তা থাকুক আর নাই থাকুক, অভরে উহা ধৃষ্ট। অনুভূত হয়, কিন্তু বাস্তবিক তাহা অসত্য, সেইরূপ সমস্ত প্রত্যক্ষ হইলেই দুঃখভােগের নিমিত্ত হয় এবং দৃষ্ট না হইলেই সুখবুদ্ধি জগৎও জানিও। এই সৃষ্টিভ্রম, ব্ৰহ্ম-চৈতন্যের বিকাশরূপ হইয়া থাকে। বাজ্ঞানের অভাব হইলেই উহা আর দৃষ্ট হয় জলের বুদবুদম্বরূপ, অহং ইত্য কারাদি বিকৃতভাবই উহার । দেহিগণের ইহলােক ও পরলােক এই দুইটা বিষম ব্যাধি , আকাররূপ। চৈতন্যের নির্বাখই জগতের বিলয় এবং উন্মীলনই আধ্যাত্মিকাদিভাবে জড়িত দেহীগণ ঐ ব্যাধিদ্বয় জন্যই যােরর অগং, বস্তুতঃ জগং অন্তরেও নাই, বাহিরেও নাই, দৃশ্যমান দুঃখ-পরম্পরা উপভে গ করিয়া থাকে। ১-১০। অজ্ঞ জীবগণ , সমস্তইনা সত্য, না অসত্য, ফলে ব্ৰহ্ম জ্ঞি কিছুই নাই। জীব আজীবন যথাশক্তি বিষয়ভেগরূপ কুৎসিত ঔষধসমূহ দ্বারা ইহ- , নিজেই সেই গগন অপেক্ষা নিশ্চল, স্বভাব ও ভাবত্ব বিরহিত লােকরাগের প্রতিকারে যত্নবান এবং পলােকরােগের চিকিং- অব্যয়, অব্যক্ত, অনাদি, অদ্বিতীয় চিন্ময় ব্রহ্মকেই নানারূপে দর্শন সায় একেবারেই বিরত , শহর সংপ্রকৃতি, সেই সকলপুরুষই করেন। বায়ুর স্পন্দনের যেমন কারণ নির্দেশ হয় না, তদ্রুপ শান্তি, সৎসঙ্গ ও তত্ত্বজ্ঞানরূপ অমৃতকল্প ঔষধনিচয় দ্বারা পরলােক। স্বভাৰ শুন্য ব্রহ্মেরও আপনা হইতে যে সৃষ্টিজ্ঞান জন্মায়, উহার রূপ মহাব্যাধির চিকিৎসায় যত্নশীল। শাহারা পরলােকনােগের মূলকারণ যুক্তিতে বুঝান যায় না, এই সৃষ্টিপরম্পরা ব্রহ্মময় চিকিৎসায় সাবধান হন, তাহারা খায় শান্তিবলে মুক্তিমার্গের ' সাগরের স্বপ্নানুভূত পদার্থবং ভ্রান্তিপূর্ণ রঙ্গমালা-স্বরূপ। বস্তুতঃ সুশীতল ছায়ায় বিশ্রাম করিতে পারেন। যিনি এই জীবনেই ' ব্রহ্মে স্বপ্নভ্রান্তি বা সৃষ্টি কিছুই নাই। এই অখিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডই নরকরােগের চিকিৎসা না করেন, তিনি রােগগ্রস্ত হইয়া ঔষধশূন্য । সেই একমাত্র চিত্তশূন্য, অভাসবিহীন, সতত সমতাপন্ন, চিন্ময় পরলােকে গমন করিয়া আর কি করবেন? হে অজ্ঞ মানবগণ । ব্ৰহ্ম , তাঁহার দ্বিতীয় নাই, তঁাহার ক্ষয়ও নাই। তিনি সৎও নন, তােমরা বখা ভোগরূপ ইহলােকরােগের চিকিৎসা দ্বারা অকারণ অসৎও নন এবং তিনি সদসং উভয়রূপীও নন, ফলে তাঁহার জীবন অতিবাহিত করিও না, আত্বজ্ঞানরূপ ঔষধসেবনে পর- | স্বরূপ নির্ণয় হয় না। যিনি ব্ৰহ্মভাবে অবস্থিত, যাহা বাহবিষয়ে লােকের চিকিৎসা কর। বায়ুচালিত পত্ৰখণ্ডে অবস্থিত জল- অনুভবরূপ ব্ৰহ্ম-চৈতন্যের প্রসারণ উপশমিত হইয়াছে তাহাকেই কণার স্যায় আয়ুঃ অতি ক্ষণভঙ্গুর, সুত্রং অবিলম্বে যপূৰ্ব্বক মনীষিগণ মুনি বলিয়া উল্লেখ করেন। ২২—৩১। যিনি জীবন পরলোকরূপ মহাব্যাধির চিকিৎসায় প্রবৃত্ত হও। প্রায় ঘত্বসহ- সত্ত্বেও মূরিবং অবস্থাপন্ন, যাহার অহংজ্ঞানের সহিত অখিল কারে পরলোকরূপ মহাব্যাধি চিকিৎসিত হইলেই ইহলোকব্যাধি জগদূভ্রান্তি বিদূরিত হইয়াছে, সকলে তাহাকে মুনিসত্তম বলিয়া আপনা হইতেই উপশম হইবে। বিগণ অখিল অগণকেইব্ৰহ্ম থাকেন। সঙ্কলের অভাব হইলেই যেমন সঙ্কলনগর তিনহিত চৈতন্যমাত্ৰ বলিয়া বিদিত আছেন। ঐ চৈতন্য প্ৰসরণই জগৎ, হয়, তদ্রুপ ব্রহ্মেতে ভ্রান্তিজ্ঞানজনিত অহংজ্ঞানসমন্বিত অং এজন্য পরমাণুর মধ্যেও শত শত শৈলমালা পরিবেষ্টিত জগৎ বিদ্য- ও বহন তিরােহিত হইলেই বিল প্রাপ্ত হইয়া থাকে। উক্ত ব্ৰহ্মচৈতন্য প্রসরণই রূপাদিৰাহবন্ধু ও স্বভাবরূপিণী মূল অবদা ব্যতীত অপর সমুদয় নাম-রূপাদিরূপ মনপ্রভৃতি আভ্যন্তরীণ পদার্থনচয় জানিৰে, সুন্নাৎ একমাত্র কর্থেরই কোন না কোন হেতু আছে। কিন্তু স্বভাবের যে চিলাকাশেই অখিল পদার্থ অনুভূত হইতেছে, এজন্য অগম হেতু, তাহা পবিজ্ঞাভ হইলেই মুক্তিলাভ করা যায়। বস্তুতঃ নিতান্তই অসত্য। সহস্র সহস্রবার প্রলয় হইলেও জগতের এই জগতে কোন পদার্থেই কোন প্রকার স্বভাব নাই, ভ্রান্তি দূর হয় না, উহা প্রলয়কালেও যেমন, সৃষ্টিতেও সেই উহা অবিদ্যা মাত্র। সৰ্বাৰ অনুৰই, সেই মহাচিন্ময় ব্ৰহ্ম- রূপ; ফলকথা উহা মিথ্যা ভ্রান্তিময় বলিয়া প্রলয়কালেও উহা বারির দ্রবতা স্বরূপ জানিও। পদার্থচিয়ের যে কিছু অনুভব বিনঃ যাষ্টিসময়েও উৎপন্ন হয় না। বিষয়ভেগরূপ পাবে হইতেছে, সমস্ত মহাচপ অনিলের স্পন্দন ও মচিৎকাপ নিময় আত্মাকে যদি নিজ পুরুষকার আর পরিত্রাণ করিতে না ব্ৰহ্মণগনের শূন্যতা মাত্র বুঝিৰে। বায়ু ও বায়ুর শলের যায় পারা যায়, তাহা হইলে আর উপায় নাই। ১১-২১। সাগর ওজগৎ অজি। স্বপ্নায় স্বীয় মরণের আয় নিজ জাতি- যেমন অলরাশির আধার, তদ্রুপ অখিতেত্রিয় ভােগপনিময় যশেই উহার অসভ্য বিভিন্নতা এভীত হইয়া থাকে। এদিন মুঢ়ব্যক্তিও আপসমূহের পাত্র হয়। জীবনের প্রথম অবস্থা পরিস্ফুটপ অবিচার না করা যায়, অবকানই ঐরূপ ভ্রান্তি বেন বাল্য, সেইরূপ বিষয়রােগের শান্তি বিষণে , আর যখন উত্তমকাল বিচারশক্তি উতি ক, খন ঐ বিসনই নির্বাণের প্রথম অবস্থা। ব্যক্তির জীবন-নদী, ভ্রান্তিও ব্ৰহ্মৰ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। কারণ, উক্ত ভ্রান্তি, কাকু হইলেও চিত্রায়িত নীল নদীর নাম নিশ্চল ওসম অসত্য, এই তৰােধ হইলেৰং উ এপ্তি অল্প যােগ-িরামায়ণ লক্ষিত হয় না; সুতরাং সেই নির্মল হইতেও নির্মল একমাত্র হয় না। অবয়ববিহীন কোন জীব যেমন স্বপ্নাদি অবস্থায় শীয় ব্রহ্মই অবশিষ্ট থাকেন; অতএব হে রাম। যাহার আদি মধ্য অবয়বচি কল্পনা করত আপনাকে সাবয়বসম্পন্ন বলিয়া জ্ঞান অন্ত কিছুই নাই, যিনি নিরতিশয় নিৰ্ম্মল, সতত সমভাবাপন্ন, করে, তদ্রুপ সেই নিত্য বিষয় নিশ্চল অদ্বিতীয় এই এই শরম কল্যাণময় এবং নিত্য ও অদ্বিতীয়, তুমি সর্বপ্রকার বিবিধ অবয়বযুক্ত জরুপে প্রকাশমান হইতেছেন। চিৎরূপ জরা-মােহ-বিকারালি ভ্রান্তি পরিহারপূর্বক সেই ব্রহ্মাকাশের কুলালীই, অন্তরে লক্ষ লক্ষ ভণ্ডস্বরূপ বিবিধ বস্তু সৃজন করি- বা এও হও । ৩২-৪৪। তেছে, সে জগদাদি যাহা কিছু মনে করে, সমস্তই তাহার ত্রয়ন্ত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৩০ | দৃষ্টিগোচর হয়। সাগর যেমন স্বীয় দ্রবরূপহেতু আপনাকে রাফিরূপে জ্ঞান করে, দ্রুপ একমাত্ৰ ৰহ্মই নিজ চিপতা- | নিবন্ধন আপনাকেই অগংরূপে অনুভব করিতেছেন। তিনি রূপৰিহীন হইলেও অরে যেরূপ জ্ঞান করেন, আপনাকে সেই চতুস্ত্রিংশ সর্গ। রূপেই নিরীক্ষণ করিয়া থাকেন, আর বাহা জ্ঞান করেন না, তাহা বশিষ্ঠ কহিলেন,-রাম। যিনি উপস্থিত সুখ-দুঃখাদিতে দেখেন না। মায়াবচ্ছিন্ন ব্ৰহ্ম সর্বশক্তিমং বলিয়া কি চেতন, কি অভিভূত হইয়া বিনষ্ট হন, তিনিই নিয়ত বিনাশ প্রাপ্ত হইতে অচেতন সকলই তঁাহার মাঝপদেহে অবস্থিত, আমি যে এই থাকেন, কিন্তু যিনি তাহাতে নষ্ট না হন, তিনি অবিনাশী, তাহার ! চেতনাচোদির কথা উল্লেখ করিলম, ইহা কেবল উপদেশার্থেই আব কোন কালে নাশ নাই। উক্ত সুখ-দুঃখাদির কারণ ইচ্ছাদি । জানিবে, বস্তু উহা সম্যৰু সমীচীন নহে, ফলকথা-জগৎ সৎ সুতরাং যাহার ইচ্ছাদি আছে, তাহার অবশ্যই মুখাদি ঘটিয়া বা অসং কিছুই নয়। চিন্ময় আত্মা যেরূপ ভাবনা করেন, তাহাতে থাকে, যদি সুখ-দুঃখাদির চিকিৎসা করিতে হয়, অৰে অগ্রে ইচ্ছ। সেইরূপেই প্রকাশ পায়, কিন্তু তাহার ভাবনা ভিন্ন কিছুই প্রকাশ পরিত্যাগ কর। ফলে সেই পরমপদে আমি এবং এই জগং ' হয় না, সুতরাং আমাদিগের এ বিষয়ে আর চেতনাচেতনের ঈদৃশ কান্তি নাই। পরিদৃশ্যমান এই সমস্তই, সেই শান্ত, , কিরূপ অর্থগ্রহ হইতে পারে। চেতন ও অচেতন (তদবস্তুকপে অনাল, নির্বাণ, অব্যয় একমাত্র ব্রহ্ম। জানি না কে, সেই সর্ব- অনুভব ও অননুভব) আত্মার স্পন্দও অস্পন্দনব।নিশ্চল স্ফটিক- ময় সুবিমল ব্ৰহ্মকাণে অহংব্ৰহ্ম ও জগং ইত্যাদি ভ্রান্তিপূর্ণ মণির মধ্যবর্তী বিনিচয়ের স্পন্দন বা অস্পন্দন যেমন তার শব্দ বিন্যাস কল্পনা করিয়াছে। সেই ব্রহ্মাকাশে অহং বা জগৎ আয়ত্ত বা যন্ত্রাদিসাধ্য নহে, আত্মার ঐ স্পন্দন ও অস্পন্দনরূপ কিছুই নাই, এমন কি প্রকৃত পক্ষে ব্ৰহ্মাদি শব্দও তঁাঙ্গাতে চেতন ও অচেতন তত্তস্থরূপে অনুভব ও অননুভব ) তদ্রুপ, প্রযােজ্য নহে। সেই শান্ত অদ্বিতীয় অবাক্সনসগােচর ব্রহ্মই তদৃষ্টিতে দেখিলে যাহার অস্তিত্ব আবার যা কাণ কিছুই যখন সময়, তখন এই সংসারে কিরূপে কে কর্তা বা ভােক্তা লক্ষিত হয় না , জানি ন| অহংজ্ঞানরূপ সে যক্ষ কিরুপে কোথা হইতে পারে ? এস্থলে এরূপ বুঝিও না যে, সমস্তই যখন অসত্য হইতে উথিত হইয়াছে। অহংরূপ দে যক্ষের বস্তুতঃ সদা নাই, তখন উপদেশাদিও অসত্য , সুং ব্রহ্মেণদেশের উপায় নাই। হায়, কি আশ্চর্যের বিষয় আমরা তোমরা প্রভৃতি সকলেই কিনা কারণ, অসত্য অখিল পদার্থেরই অসত্যতা সম্পাদন করিলেও তাহারই বশীভূত। ১৯৭০। দিগভ্রান্তিকালে অস্বরতলে যেমন উপদে সেই সত্য সনাত একমাত্র ব্রহ্মই অবশিষ্ট থাকেন বন্ধুতঃ অম্বর হইতে অভিন্ন হইশেও ভিন্নবং প্রতীয়মান কেশো- বলিয়াই সকল পদার্থেরই অপহ্ন করা হইয়াছে। যেমন ভ্রান্ত ও প্রকাশ পায়, একমাত্র ব্রহ্মেতেও সেইরূপ ভ্রন্তিপূর্ণ ৰঙ্গতঃ পুরুষের সম্মুখবর্তী পিশাচাদির ভীষণ কাৰ্যেও ভ্রান্তিশূন্য ব্যক্তি অভিন্ন আকস্মিক এবং ভাব প্রকাশমান হইয়া থাকে। আমি ও দেখিতে পায় না এবং যেমন এক শয্যায় শয়ান পুরুষয়ের মধ্যে অখিল জগৎ, সমই একমাত্র ব্রহ্ম, ইহার আবার নাশ বা উৎ- একের অনুভুত স্বপ্নসভূত মেঘগর্জন অপরে অনুভব করিতে। পত্তি কি ? অতএব এই জগতে হর্ষ বা বিষাদের কারণ কি হইতে পারেনা, তদ্রুপ যাহার জগৎভ্রান্তি বিগলিত হইয়াছে, সে আর : রে ? ব্রহ্মের সশঙিমা আছে বলিয়া তাহার ভাবনা ভ্রান্তদৃষ্ট-জগৎ দর্শন করে না, সুতরাং তাহার পক্ষে অখিল ! ষায়িক এই জগৎ প্রতিভাত হইতেছে। তিনি জগৎ ভাবনা না ভূগরই তিনােভাব হইয়া থাকে। যাহা নিজ জ্ঞানে অবস্থিত,! করিলে আর জগতের অস্তিত্ব থাকে না, এজন্য বলিতেছি, রাম। তাহাই সকলে সুজন করিয়া থাকে, এইরূপই স্বভাপ্রসিদ্ধ | তােমার জগৎ ভাবনা তিরোহিত হউক। জগতের চিপতা হেতু আছে, এজ পিচাদির কাৰ্য্যে স্বীয় জানে সর্বদা নাই বলিয়াই সেই ব্ৰহ্মাকাশই অদৃষ্টবস্তু ও সঙ্কলনগরবৎ অগংরুপে প্রকাশ সহসা সকলে তাহা লক্ষ করিতে পারে না, যখন জ্ঞানের উদয় হয় হন , অতএব জগৎ সেই ব্ৰহ্ম হইতে কিরূপে পৃথক হইতে পারে ? তখনই দেখে। ঐ জ্ঞানও আত্মস্বরূপ; কারণ সমস্তই যখন সেই নিশ্চল সলিলরাশিমধ্যে যেমন ভাঙ্গাদি, অনুৎকীর্ণ কৃষ্ণ কাছে জ্ঞানের নিকারমাত্র, এজন্য কি অহংজ্ঞান, কি অপর অখিল জগৎ, যেমন কাষ্ঠময় পুলিকা এবং ভূমিতে যেমন টাসি অকারণে সমই সেই পরমাত্মা হইতে ভিন্ন। সফর ও স্বাবস্থার ব্যায় বর্তমান থাকে, ব্রহ্মেতেও জগৎ তদ্রপ নিবে। নিরাকার, সর্বাবস্থাতেই নিরবয়ব একমাত্র জল বেন বিবিধ অববাষিত নিয়াধার নির্মল বন্ধে যাহা অনুভূত হয়, তাহা যুক্তি অনুসারে উর্মিমালারূপে বিরাজ করে, সেইরূপ একমাত্র নিজনই সেই ব্ৰহ্মই; অতএব আমি জগৎ কখনই বিভিন্ন ব নহে। নানা অবয়ব হইয়াও নানা অবলম্পন্ন জগৎরূপে ফুর্তি বায়ুর বিচিত্র স্পন্দন বেন পৃথকৃরুপে বুখ্যমান হইলেও বায়ুমা, পাইতেছে। ১-১০। একমাত্র এই বিশেষজ্ঞকে সেইরূপ অহমাদি ও জলদি সমস্তই সেই স্বভাববিহীন একমাত্র উনে নানারূপে বিকাশ পাইতেছেন, কিন্তু ঐরূপ জ্ঞানােদয় এক্ষেই স্বরূপ আনিও। মেখের মধ্যে যেন বুক, গ, এ বইঃ এত বলিয়া দৃষ্টি দ্বারা দৃষ্টাইলেও উহার উপলব্ধি ও সুগলির আকার লক্ষিত হয়, ক্রপ সেই সিন্নার নিয়ায় নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ । --- । । এক্ষেও অহংভাব ও অগং দৃষ্ট হইয়া থাকে। অখিল সৃষ্টবই চৈতন্যের যে কুপি অবস্থানরূপ অবস্থা, উহাই ব্ৰক্ষভাব, সেই শিবময় ব্রহ্মে অবয়বরূপে বিরাজ করিতেছে। কারণরূপ উহারই উপাসনা কর। রাম। শাস্ত্রজ্ঞ ব্যক্তিগণ, সেই চৈত্যয় বীজাদি মধ্যে কার্যরুপ বৃক্ষপত্রাদি যেমন অবয়বরূপে প্রতিভাত ব্ৰহ্মকে সংক্ষুব্ধ, যাহা অজ্ঞদিগের ভবসিন্ধ বিবর্তময় এবং হয়, উহার উপমাও সেইরূপ জানিবে। রাম। মংপ্রদর্শিত যুক্তি অক্ষুব্ধ, যাহা নির্বিবর্ত কুট পূর্ণানন্দস্বরূপ, এই বিবিধরূপ- অনুসারে ব্রহ্ম হইতে জগতের পার্থক্য অসম্ভব হেতু তুমি অন্তরে সম্পন্ন বলিয়া কীর্তন করিয়া থাকেন, তন্মধ্যে তুমি যেরূপ নিজ নিশ্চল, আয়াস, উপাধিবিহীন ও ভ্রান্তিবিবর্জিত হইয়া মঙ্গল বােকর, তাহাতেই একাগ্রচিত্ত হও, বৃথা বিবেকবিহীন আকাশৰং সতত সমভাবে অবস্থান কর। বস্তুত কি তােম, হইও না। ৪২-৪৯। কি আমরা, কি অখিল জগৎ এবং কি কাশাদি, কিছুই নাই। সমস্তই সেই নিশ্চল একমাত্র ব্রহ্মই বিরাজমান রহিয়াছেন। তুশ্বিংশপর্গ সমাপ্ত। ৩৪। অশেষ পদার্থেতেই বিশেষবােধ পরিত্যাগপুর্বক মেরুলারে নিমিত্ত ত্বরায় আমিই সেই সৰ্থবিধ বৈশিষ্টবিহীন সভ্য চিৎস্বরূপ বলিয়া বিবেচনা করিতে থাক। পার্থক্য বোধকে বল ও পত্রিংশ পর্গ । অপৃথক বােধকেই মােক জানিবে। অতএব তুমি জ্ঞনিদিগের বশিষ্ঠ বলিলেন,—ম। আমি ইতিপূর্বে যে বলিয়াছ নিয়মাদি অনুসারে পার্থক্য জ্ঞানবিহীন হইয়া শাস্তভাবে অবস্থিতি | জীবচৈতশে কাকালমধ্যে একদেশ হইতে দূরবর্তী দেশে গমন কর। ২১-৩৩। দ্রষ্টা কখন দৃশ্যতা এবং জ্ঞান কখন তো ! কালে যতক্ষণ পূর্বস্থান ত্যাগন্তে অন্য স্থান প্রাপ্তি না হয়, সেই প্রাপ্ত হয় না, সুতরাং জ্ঞেয়বস্তুর অভাব হেতু জগন্ত্রে অস্তিত্ব। মধ্যকালে যে তাহার নির্মিষয় নিৰ্ম্মরূপ প্রকাশ পায়, উহাই নাই, এজন্য কিরূপে কে, কি জান করিবে? এইরূপে দ্রষ্টা ও আত্মার পরমরূপ, তুমি কি গমন, কি শ্রবণ, কি স্পর্শন, কি দৃশ্যের অভাব জন্য সুপ্তি অবস্থায় যেমন বাস্যজ্ঞান থাকে না, ' আম্রাণ, কি উন্বেষণ, কি নিমেষণ এবং হাদি সকল অবস্থাতেই জাগ্রং অবস্থাতেও সেইরূপ নিবে। নাম। তুমি তাদৃশ চিরশান্তিলাভাৰ্থ সতত তাদৃশ আত্মরূপময় হও। তুমি জীবন্মুক্ত অবস্থাপন্ন হইয়া শরৎকাশীন নিল আকাশবং অবস্থান কর। গণের উপযােগী ও স্বপ্ন কুণাচারের অনুরূপ কাৰ্যে ব্যাপৃত থাকি বায়ুর স্পন্দন ও বায়ু, যেমন অভিন্ন, বঙ্গ ও ব্রহ্মের চিংৰূপতাও , লেও যদি তাদৃশ বাসনাবহীন, জীবাতাস সত্য আত্মনিষ্ঠা সেই প্রকার একই বঙ্গ। সমস্ত বস্তুতে চিদজ্ঞানের অভাবেই হইতে বিচলিত না হও, তাহা হইলেই তােমার তন্নিষ্ঠতারূপ বিদ্যা জগৎ ও দৃশ জানেই মুক্তি। ব্ৰহ্মৰূপ বয়ুর চিৎ, স্পন্দন সুমেরুর ন্যায় অচল থাকিবে। আর অবিদ্যার রূপ ঈদৃশ যে, বি- স্বরূপ, ঐ স্পন্দনেই জগন্দর্শন হইয়া থাকে। ঐ চিংস্পন্দনের দ্যার প্রতি প্রকৃত দৃষ্টি করিলেই তাহার অস্তিত্ব উপলব্ধি হয় না। যে অভাব, উহাকেই মনীষিগণ নিৰ্মাণ বলিয়াছেন। বীজ এবং তদৃষ্টিতে দৃষ্ট হইলে যাহার সভা প্রমাণিত হয়, তাহা সেই যেমন স্বীয় অন্তরে আত্মৰূপ পল্লবাদি দর্শন করে, তদ্রুপ সেই , পরবিদ্যার রূপ জানিও। উল্লিখিত অবিদ্যার সাহেতুকই অসু- মহাচিংই আত্মস্থ নিজরূপ সৃষ্টি, অনুভব করিতেছেন। বীজ ভূত ও অনুভূতির উৎপত্তি, নতুবা বিচার করিলে বুঝিবে যেমন আপনার পত্রাদি অবয়ব ভাবনা করত পত্রাদিরূপে প্রকাশ যে, কোন ব্যক্তি কোথায় কিরূপে কোন্ ব অনুভব করিবে। পায়, সেইরূপ সেই মহাচিংও জগং ভন্ন সহকারে জগদাকারে তখন অন্তরে আনা হইতেই শান্তির উদয় হইবে। মূল কথা, বিকাশ পাইয়া থাকেন। বৃক্ষাদি ভাবপদার্থের যেমন ক্রমিক | এক ও জগৎ একই বস্তু, সেই এক বস্তুই অবিদ্যাৰণে অনেক বিবিধ বিকার প্রকাশ পায় এই সৃষ্টিপরম্পরাও তদ্রুপ একমাত্ৰ | প্ৰকাশ পাইতেছে। সেই একমাত্র ব্রহ্মই, সর্বময় হইয়াও সৰ্ব্ব- চিতেই নানা প্রকার বিকার জানিযে , এ বিষয়ে সর্বপ্রকার বং এবং নিৰ্ম্মল হইয়াও মলিনবং বিরাজমান হইতেছেন। তিনি বীজই দৃষ্টান্ত , ফলে বৃক্ষাদি যেমন বীজের বিকার বলিয়া উহা অশূন্য হইয়াও শূন্য এবং প্রায় হইয়াও অন্যং, ব্যাপক বীজের স্বরূপ, সেইরূপ জগৎ ও চিদবিকার বলিয়া চিৎস্বরূপ হইয়াও অব্যাপকব ও অধ্যাপকং হইয়াও ব্যাপকবৎ, অনুভূত বুঝিও। নিশ্চয় তানিবে, এই অখিল জগৎই সেই নির্বিকার হন। বস্তুত তাহার কোনার বিকার না থাকিলেও বিদ্যা নিরাময় আদ্যন্তরহিত পরব্রহ্মময়। ৩৪-৪১। সঙ্কল্পনগরবৎ (তু যেন বিকারী এবং সতত সমভাবাপন্ন ও নিশ্চল হইলেও জগতের এই দ্বৈতাদ্বৈতবিকার, নিজ সঙ্কল্পবশেই উৎপন্ন ও যেন অনিশ্চল। তিনি সং হইলেও অসদ্ববং অদৃশ্য বং সঙ্কল্পবশেই ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়া থাকে। তুমি শূন্যত্ব ও আকাশের অদৃশ্য হইলেও যেন দৃশ্যরূপে প্রতিভাত হইতেছেন। তাহার ভে যেমন বুঝিয়াছ, ব্ৰহ্ম ও জগতের তাদৃশ অসভ্য বিভিন্ন বিভাগ বা জড়তা না থাকিলেও তিনি বিভাগযুক্ত ও জড়বং অনুভূত জানিবে। ব্রহ্মের যে মহাচিপিণ নিশ্চলসভা উহাই আমি হইয়া থাকেন। বঙ্গ তিনি জ্ঞানগম্য না হইয়াও যেন জ্ঞানগম্য তুমি প্রভৃতি সম। স্বীয় অজ্ঞানবশতই আমি মানব এইরূপ এবং নিরবয়ব হইয়াও যেন অবয়ব দ্বারা শােভমান হইতেছেন। বােধ হইতেছে। জগংরূপ সেই বৃক্ষে, লে অবং কোন ১-১। একৃতরূপে তাহার অহংবােধ না থাকিলেও তাহাকে যেন বত উৎপন্ন বিবেচিত হইলেও বস্তুত উৎপন্ন নহে এবং বিনষ্ট অহংজ্ঞানমুক্ত, বিকাশ না থাকিলেও যেন বিকাশ, কোন প্রকার হইলেও বস্তুতঃ বিনষ্ট হয় না। অবয়বে যেমন অবস্তুবী, আকাশে কলঙ্ক না থাকিলেও যেন কলকী এবং ইলিয়ােছরতা না থাকি- বেশন আকাশ এবং জলে যেমন জল বিরাজ করে, দ্রুপ লেও অবিদ্যাবশতঃ গেন ইতিগােচর বলিয়া বােধ হয়। তিনি একমাত্র ব্রহ্মই পদার্থ খরুপে আপনাতেই আপনি বিরাজ সম্পূর্ণ আলােকময়, অথচ গাঢ় অন্ধকার পুরাতন অথচ নবব, করিতেছেন। নিমেষ মধ্যে একস্থান হইতে স্থানান্তরে পরমাণু অপেক্ষা সুক্ষ্ম, অথচ তলীয় অভ্যন্তৰে অখিল ব্ৰহ্মাণ্ড, অবস্থিতি করিবার সময়ে যেটুকু অন্তরালকাল, তন্মধ্যে জীব- তিনি সর্বময় হইলেও ক্লেশকর প্রভূত যজ্ঞ নাদিও লবণ -- ১১ যােব শিষ্ঠ-রামায়ণ || মননাদি দ্বারা তাহাকে দৃষ হইতে অতীত লিয়া জ্ঞান হয়। জীবরূপ এই ঐ রূপাদিকে স্বাদুবিবেচনায় সমাদর করি তিনি সংসারজালে জড়িত না হইয়াও অবিদ্যাৰণে তাহাতে জড়িত থাকেন। উজ্জ্বল চ্যাদির রূপাদি-সৌন্দৰ্য প্ৰলয়াদিকালে এবং অনেকথা বিরাজমান হইলেও অদ্বিতীয়। রাম। মহোদধি উজ্জ্বলতম ঐ ব্ৰহ্মতেই উপশমিত হয় এবং জাগ্ৰস্বপ্নাদি যেমন সলিলরি আধার, সেই ব্ৰহ্মকেও তদ্রুপ জ্ঞানসমূহের অবস্থায় তেজঃপরূপ আলােক যেন তেজ হইতে উৎপন্ন হয়, আকর এবং মায়া হইলেও মায়ারূপ অংশুমালার প্রকাশক সেইরূপ ব্ৰক্ষ হইতে অজি রূপালিশােভাও ঐ ব্ৰহ্ম হইতে সুবিমল ভাস্করস্বরূপ জানিও। তিনি তুলক অপেক্ষা লঘু হই প্রকাশ পায়। তুহিনজামধ্যে শুভূতাবৎ চিপ রে লেও অখিল জগৎ-রত্নের মহাভাণ্ডস্বরূপ এবং দৃষ্টিগােচর না দৃশ্যমান অখিল জগৎ প্রতিভাত হইতেছে এবং দৃশ্যমান পদার্থ হইলেও মায়ারূপ মরীচিমালাবিত শশধরস্বরূপ। তিনি অনন্ত, শােভাও চন্দ্র হইতে অংশুমাল বন্যায় তাহা হইতেই প্রাদুর্ভূত তাঁহার পার নাই, অথচ তিনি কুত্রাপি অবস্থিত নহেন। তিনি হইতেছে। সেই নিরবয়ব ব্রহ্মরূপ রঞ্জনদ্রব্য হইতে এই আকাশে বিবিধ বনরাজিযিয়াজিত এবং অশেষ শৈলসমূহশােভিত অগচ্চিত্র যখন উৎপন্ন, তখন ৰঙতঃ ঐ জগতের জমরণালি জগজ্জাল নির্মাণ করিতেছেন। তিনি অখিল সূক্ষ্মতম হইতেও বিকার নাই, উহা নিশ্চল ব্ৰহ্মময় জনিবে। গগনানে ঐ তম, সুলতম হইতেও স্থূলতম, গুরুতম হইতেও গুরুম এবং ব্রহ্মরূপ বনত হইতে জগজ্জালৰূপ গুলুমলাজড়িত ব্রহ্মময় শ্রেষ্ঠতম হইতে শ্রেষ্ঠতম। তাঁহার কেহ কৰ্ত্তা নাই, তিনিও দৃশাখা সকল প্রবর্তিত হইতেছে। ব্ৰহ্মরূপ অচলপর্বতে বন্ত কিছু করেন না এবং তঁাহার করণ বা কারণ কিছুই নাই নানাত্নরূপ অনন্তকুমনিচয়ে পরিশােভিত হ্রাসবৃদ্ধিময়ী নদী তিনি প্রায় হইলে তাহার অন্তর নিরন্তর পরিপূর্ণ। তিনি সতত প্রবাহিত হইতেছে। এই বোমাত্মক রঙ্গালয়ে নিয়তিরূপিণ অখিল ব্রহ্মাণ্ডের ভাণ্ডার হইয়াও সতত শুন্যময় অরণ্যপ্ৰায় এবং নর্তকী নিয়তই জগতের অভিনয় করত নৃত্য করিতেছে। অনন্ত শেলের ন্যায় কঠিন হইয়াও আকাশখণ্ড অপেক্ষাকোমল। নিম্নতি নর্তকী, মায়াপ্রপঞ্চময় ব্ৰহ্মরঙ্গালয়ে কালস্বরূপ শিশুকে তিনি সর্বকালে সর্ববহুস্বরূপ, তিনি কোমলতম এবং পুরাণ অথচ বারংবার প্রসব করত বারংবার অভিনয় করাইতেছে। জগং- সতত নবভাবাপন্ন , তিনি আলোকময়, অথচ অন্ধকারস্বরূপ এবং নিচয়ের কোটি কোটি মহাকল ও খণ্ডকন্স সকল ঐ বালকের তিমিরজায় অথচ সৰ্বব্যাপক আলােকপরূপ। ১০-১৯। তিনি নেত্রের উন্মেষণ ও নিমেষণ স্বৰূপ। শত শত প্রতিবিম্বের উদয় প্রত্যক্ষ হইলেও বৃষ্টির বহির্ভূত এবং সম্মুখস্থ হইলেও দৃষ্টির হইলেও মুকুর যেমন ইচ্ছাদিবিকার থাকে, তদ্রুপ নিরন্তর দূরবর্তী। তিনি চিন্ময় হইলেও অড এবং জড হইয়াও চিন্ময় শত শত জগৎ প্রকাশ পাইলেও ঐ কাল, বিকারশূন্য হইয়া বস্তুতঃ তাহাতে অহংভাব না থাকিলেও অহংভাবযুক্ত এবং অহং. নিশ্চল ভাবে অবস্থিতি করিতেছে। ফিত্যাদি পঞ্চভূত যেমন ভাবমুক্ত হইলেও প্রকৃতরূপে অহংভাববিহীন। “আমি” এই জ্ঞান ফিত্যাদি পঞ্চময় বর কারণ, সেইকপ ঐ কালকে, ভূত, সেই ব্ৰহ্ম হইলেও অন্য বন্ধুর ন্যায় এবং অবং হইলেও ভৎসরূপ ভবিষ্য, ও বদমান সৃষ্টিসমূহের আদি কারণ জনিও। উহার জানিবে। সেই পরিপূর্ণ অর্ণবরূপ ব্রহ্মের অভ্যন্তরে দ্রবস্বভাবাপন্ন উন্মেষেই জগৎ সৌন্দৰ্য্য ও নিমিষেই প্রলয় উপস্থিত হইয়া থাকে, ত্রিভুবনরূপ উর্মিমালা প্ররিত হইতেছে। তুষারের শুতা কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে, প্রকৃরূপে উহার উশেষ বা ধারণের ন্যায় একমাত্র তিনিই স্বীয় অস্থিত অখিলবকে ধারণ নিমেষ কিছুই নাই, উহা সতত সমভাবে আঘাতেই অবস্থিত। করিতেছেন এবং তুষার দ্বারা যেমন শুকত প্রকাশ পায়, সেইরূপ যে সকল মহামহা ব্ৰহ্মাণ্ড এবং তদন্তৰ্গত যে সকল পদার্থের তাহা দ্বারাই এই অখিলষ্টি প্রতিভাত হইতেছে। সেই দেব, সৃষ্টি স্থিতি প্রলয় ও অমরণাদি বিবিধ দশা প্রকাশমান দেশকাল ও অবয়বদিবিহীন হইয়াও জল যেমন তরঙ্গাবলীবিস্তার হইতেছে, তৎসমস্তই স্পন্দন যেমন একমাত্র বায়ুসরুপ, তদ্রুপ করে, সেইরূপ নিরন্তর অসত্যময় জগজ্জাল বিস্তার করিতেছেন। সেই অপার চিদাকাশস্বরূপ, বুঝিয়া সতত নিশচলভাবে অবস্থিতি এই বিশাল শূন্যময় কাননে পড়তময় পৰু পল্পবাতি জগৎসমূহ কর। ৩০-০১। রূপ জীর্ণ মরী সকল বিকাশ পাইতেছে। অতীব বিমলমূৰ্ত্তি সেই পত্রিশ সর্গ সমাপ্ত ৩৫। পরমাত্মাই, প্রতিবিম্ব দর্শনাভিলাষে স্বই দশরূপ ধারণ করিতেছেন। অপরিচ্ছিন্ন একমাত্র সেই ব্ৰহ্মতেই গগনলের ফলক ব্রহ্মাণ্ডের স্বেচ্ছকল্পিত লৈােক্যরূপ অঙ্গে দেদীপ্যমান বত্রিশ সর্গ। চৰ্যাদি ও চ্যাদি হইতে উৎপন্ন চদি ইলিয়নিচ জীবে দর্শনাদি বিষয়ে চিকে চমৎকৃত করিতেছে। ২০-২১। বশিষ্ঠ বলিলেন,-মাম। এই জগতে যত কিছু পদার্থ দেখি- সেই পরমাত্মা, অভ্যন্তরবর্তী বাসনাময় প্রপঞ্চ ও বহিঃস্থিত চ্ছে, সমস্তই জলে আবর্তের ন্যায় ব্রহ্ম হইতে ভিন্নরূপে প্রকাশ ভুবনরূপে অন্তরে ও বাহিরে দীপ্যমান হইতেছেন। তিনি জাগ্রং পাইয়া প্রথমে চিকে চমৎকৃত করিয়া পরিণামে বিষম রাগ, যে অবস্থায় নানারূপ ও সুষুপ্তি অবস্থায় অনানারূপ ভাবাভাবময় ও নরকাদি অনর্থ উৎপাদন করিয়া থাকে। অঙ্গ যেমন বস্তুতঃ আকারে নিয়তই প্রকাশমান। জিহ্বা বেন নিজরূপ মুখবিবরে অভিন্ন হইলেও জলেপরি ভিন্নরূপে প্রকাশ পায়, তদ্রুপ, অখিল নিজেই রসাস্বাদন করত নিজেই চমৎকৃত হয়, সেই প্রকার, বই একমাত্র ব্রহ্মরূপ হইয়াও বিভিন্নাকারে গভীত হইতেছে। কারূপিণী পদার্থশােভা ব্রহ্মেরই ইচ্ছায় ব্রহ্মের জন্যই ব্ৰহ্মেতেই মহাকাশই এই অখিল বিশ্বের রূপ, উহা সমুদয় বিভিন্নপ্রকার বিষয় উৎপাদন করিয়া থাকেন। এই অবিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডই সেই জ্ঞেয় বস্তুর সারস্বরূপ বুঝিবে, সমাধিরূপ পরম উপশম মারাই পেলের তাস্বরূপ বলিয়া পণ্ডিগণ কীৰ্ত্তন করেন। উহার বাধ্যখ্য উপলব্ধি হইয়া থাকে। গগনাঙ্গনে বালকগণের টি- ভূলােকদি সফল উহার কার্ড এবং রূপসাদি উহার অঙ্গ, কলিত যক্ষাদি যেমন বালকগণের সম্মুখবর্তী থাকিলেও আমাদিগের নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ নেত্রে উহা কিছুই নয়, তদ্রুপ এই বিখও তদৃষ্টিতে কিছুই নহে, উপদেশেও তাদৃশ শান্তি সম্ভব নাই। ইচ্ছার উদয় যেমন দুঃখের কেবল শিশু ও শিবং অলােকের চিত্তেই উহা সত্য বলিয়া কারণ, ইহার শক্তি নেইরূপ সুখকর। ইচ্ছােদরে যেরূপ দু বিবেচিত হইয়া থাকে। আকাশ ও পুত্তলিকা দৈন্তের আয় বতঃ অনুভূত হয়, নয়কেও সেরূপ নহে এবং ইচ্ছার শান্তিতে যে সুখ এই বিশ্বের রূপ বা মননলি কিছুই নাই, অদৃষ্টিতেই উহার হয়, ব্ৰহ্মলােকেও সেরূপ সুখ অনুভূত হয় না। জ্ঞানিগণ ইচ্ছ- যেমন রূপ-মননাদি প্রকাশ পায়, সেইরূপ এই বিশ্বের জানিৰে; মাত্রকেই চিত্ত এবং ইচ্ছার শান্তিকেই মোক্ষ বলিয়াছেন। কি কুং ফলে এই বিশ্বের আবার বিশ্ব কি? চিন্ময় ব্ৰক্ষভিন্ন শাস্ত্রনিচয়, কিভপা,কি নিয়ম, কি ঘম, এতং সমস্তই ইচ্ছার রূপাদির সার আর কিছুই লভ্য হয় না, আং উহাতে বিশ্ব শাক্তিবিধানপূর্বক মােক এসব করিয়া থাকে। প্রাণীদিগের আর কি আছে। অপর ব্যোমবৎ বিশ্বতা অলীক পদার্থ ; যাবৎ পরিমাণে ইজ উদিত হয়, তাবৎ পরিমিত দুঃখরূপ বা অপবােদ্ধা পুরুষের বােদ্ধত্বই অগভ্রান্তি এবং জগদবিষয়ে অনুদ- অঙ্কুরিত হইয়া থাকে এবং ঐ ইচ্ছ৷ বিবেকবলে যে পরিমাণে বােধই অভ্রান্তি, সুতরাং স্মৃতি ও অস্মৃতিবৎ উক্ত বোদ্ধত্ব ও ক্ষীণতা প্রাপ্ত হয়, দুখ-চিন্তারূপ বিসূচিকাও তৎপরিমাণে বােদ্ধত্বও তােমায় আয়ত্ত। সেই বিশ্বব্যাপ চিদাকাশময় ব্রহ্ম উপশমিত হইয়া থাকে। আর বিষানুরাগবশত লােকের ইচ্ছা মহাকাশ-স্বরূপ বলিয়া কখনই কোন প্রকার স্বভাবের ব্যত্যয় যে পরিমাণে ঘনতা প্রাপ্ত হয়, দুঃখ-চিন্তায় বিষয়-ভাঙ্গমালাও সব নহে। জ্ঞানদৃষ্টিতে বিশেষরূপ নিরীক্ষণ করিলেও যখন এই তাবৎ পরিমাণে বর্ধিত হইয়া থাকে। ২১-২৮। স্বীয় স্বরূপ ব্ৰহ্মময় বিশ্বের স্বভাবের বিকার লক্ষিত হয় না, তখন কি ক'রে ঔষধ দ্বারা যদি ইচ্ছারােগের চিকিৎসা না করা হয়, তাহ তাহা ঘটিবে? তুমি আমি সমস্তই সেই চিদাকাশ, তঁাহাতে হইলে এই রােগের আর কোন যে উকষ্ট ঔষধ আছে, তাহা বিকারাদি কিছুই নাই, এজন্য আমি ত কুত্রাপি ব্ৰহ্মব্যতিরিক্ত বিবেচনা হয় না। যদি সমারূপে ইচ্ছার শাড়িতে কেই যত্ন দেখিতে পাই না। সমস্তই নিশ্চল নিৰ্ম্মল পরম কল্যাণময় করিতে না পারে, তাহা হইলে ক্রমে ক্রমে অল্প অল্প করিয়াও একমাত্র ব্রহ্ম , শিলাময়আত কাননের স্থায় আমিও কোথাও তাহার শান্তিবিধানে যত্নশীল হইবে। কারণ একবার সৎপথে তুমহালি ভ্রান্তি দেখিতে পাই না। মদীয় বাক্যাবলীকেও তুমি পদার্পণ করিলে আর তাহাকে অবসন্ন হইতে হয় না। যে ব্যক্তি সেই চিদাকাশৰূপ শূন্যত্ব জানিবে। কারণ, ইহা বলীয় চিলাকাশ- ইচ্ছারােগের উপশম বিষয়ে যত্নবানূ না হয়, সে নিতান্ত নরাধম, ময় আত্মাতেও স্বয়ং অবস্থিত আছে।১-১১। পাষাণময় বা সে দিন দিন শীয় আত্মাকে অন্ধকপে নিক্ষেপ করিয়া থাকে। চিত্ৰত পুরুষের ন্যায় ইচ্ছাদি বিহীন হইয়া যে অবস্থান, মনীষিগণ একমাত্র ইচ্ছাই অশেষ-দুঃখলালিনী সংসারলতার বীজ উহাকেই নিত্য পরমপদ বলিয়া থাকেন। যিনি, ইচ্ছাদিত্য অতএব জ্ঞানালে তাকে সম্যকরূপে দগ্ধ করিতে পারিলেই সে হইয়া অব্যাকুলচিন্তে কাষ্ঠময় মানবের ন্যায় কষ্য কৰ্ম্মের অনুষ্ঠান আর অঙ্কুরিত হইতে পারে না। ইচ্ছামাকেই সংসার এবং করেন, তিনিই প্রকৃত প্রশান্তচিত্ত ও মৌনী। অঞ্জ পুরুষ জীবিত ইচ্ছার অাবকেই নির্বাণ জানিবে। এজন্য, যাহাতে ইচ্ছা থাকিলেও তঁাহার জীবন, বেণুদণ্ডের স্থায় অন্তর ও বাহিরে উৎপন্ন না হয়, ভবিষয়ে যত্ন কর, বৃথ-ভ্রান্তিপূর্ণ যত্নান্তরের প্রয়োজন শুন্যময়, তাহাতে কোনপ্রকার রস বা বাসনা নাই, তিনি, অখিল কি? যদি ইহাতে সন্দিহান হও, তৰে শাস্ত্রোপদে ও শাস্ত্রোপ. জগৎকেই উক্ত বেণুদ গুবং অন্তর্বহিঃপুন্যময় ও বিরস বলিয়া দেষ্টাদিগকে কি বৃথা জ্ঞান করিচ্ছে? যদি নিতান্তই ইচ্ছামনে বিবেচনা করেন। যাহার হৃদয়ে দৃশ্য বা অদৃশ্য কিছুই প্রীতিজনক অসমর্থতা বিবেচনা কর, তবে কি জন্য চিত্তসমাধি অবলম্বন না নহে, তাহার বাহিরে ও অন্তরে চিংতি বিরাজমান; তিনি করিতেছ? সমাধি অবলম্বন করিতে পারিলেই আর ইচ্ছার সংসারসাগর হইতে উত্তীর্ণ। হে রাম। তুমি, যাহাতে প্রারব্ধ অনুসন্ধান পাইবে না। বিবেকবলে যাহার ইচ্ছামনে সামর্থ্য শেষমাত্র ক্ষয় হয়, এবংবিধ ব্যাতিরিক্ত বাক্যব্যবহার পরিহার না হয়, তাহার পক্ষে কি এরূপদেশ, কি শাস্ত্রাদি সমস্তই পুৰ্ব্বক দেহাদিতে অহংমমতাদি সম্বন্ধরহিত হইয়া মধুর শবে বংশী নিরর্থক ব্যাঘ্রাদি- হিংপুর্ণ জলে হরিণীর জন্ম যেন মৃত্যু বং বাসনা হয়ে বক্তব্যবিষয়ে বাক্যাবলী উচ্চারণ করিবে। নিমিত্ত হয়, সেইরূপ, ইচ্ছ। বিষবিকার অনন্ত দুঃখের আকন্তু বেশ্য দির ফুটাগারব, বাসনা, ইচ্ছা ও মননাদি বিহীন হইয়া সংসারে মানবগণের উৎপত্তিও কেবল মরণের অঙ্ক আনিবে। অক্ষুব্ধভাবে উপস্থিত স্পর্শনীয় বিষয় স্পর্শ করিবে। দীবং ভয়, ২৯-৩৮। ইহা যদি মানবকে বালকবং চপল করিয়া না নুরাগ ও অভিলাষাদি শূন্যহৃদয়ে আস্বাদনীয় ঘণ্ডুরস আস্বাদন তুলে, তবেই আজানের নিমিত্ত যৎকিঞ্চিৎ যত্ন হইয়া থাকে। করিবে। চিত্রিত নেত্রবৎ বাসা, অনুরাগ, মান ও গাছি পরি- নতুবা কিছুতেই হয় না। অতএব ইচ্ছাকেই উপশমিত করিতে ত্যাগপূৰ্ব্বক উপস্থিত দৃশ্যৰ সকল পুনঃপুনঃ দর্শন করিবে, এবং চেষ্টা কর, তাহা হইলেই আত্মজ্ঞান লব্ধ হইবে। নিশ্চ জানি, উল্লিখিত প্রকার বাসনাদিমিহীন হইয়া বনবায়ুর স্যায় ভ্রাণেন্দ্রিয়লগ ইচ্ছশূন্যতাই নির্বাণ ও ইচ্ছাধীনতাই বন্ধন , এ, যথাশক্তি গন্ধ-পূমির গন্ধ আম্রাণ করিবে। ১১-২২। ঝাম। উক্ত প্রকারে ইচ্ছাকে জয় করিতে চেষ্টা করিবে, ইহাতে আর দুক্ষতা কি এমুক্ত কর্ষেক্রিয় বিষয়েও পূর্ববৎ তুচ্ছতা বােধ করত যদি বিষয় আছে। ইচ্ছাকেই জন্মমৃত্যু-জ্বরাণিরূপ কর ও খনিৰলির ভােগ-রােগের চিকিৎসা না করিতে পার, তাহা হইলে শক্তি বীজ নিও, অতএব অন্তরে শমরূপ অনলে সর্বদা সেই ইচ্ছ লাভের আর কথাই হইতে পারে না। যে ব্যক্তির বিষয়ভােগৰিৰ বীজকে দগ্ধ করিবে। যে উপায় হইতে ইহার বিলােপ হয় আস্বাদন করিয়া দিন দিন তাহাতে অনুরাগ অর্জিত হয়, সে নি সেই সেই উপায় হইতেই মুক্তি লাভ হইয়া থাকে। এ দেহে প্রজ্বলিত অনলে অক্ষয় গুচ্ছ নিক্ষেপ করিয়া থাকে। এই বাহাতে বিবেক বৈগ্যাদি উপায় লাভ করা যায়, এইরূপ উপা নিমিত্ত বােজবি ইত্যাগকেই শান্তির প্রধান উপায় বলেন। বাসাধ্য হলখিত ইমকে বিনষ্ট করতে চেষ্টা পাইবে। বঃ মন, ইচ্ছা হইলে যেরূপ শাতিলাভ করে, শত শত আয়, সে যে উপায়েই ইচ্ছার উৎপত্তি, সেই সেই উপায়েই ।
যােশবাণিষ্ঠ-রামায়; তােমরা কি ? সায়বন্ধনের পা উদ্ভূত হয়, ঐ পাপপূণ্যময় বনপা-ই করিলে উহার সঙ্গ যখন উপলব্ধি হয়, তখন সভ্য সভ্যই অশেষবিধ তুঃখপ্রদ। যিনি সাধু, তঁাহার অকালও যদি ইচ্ছার উহা ভাতি-জনিত অকিক-প্যেৎ অলীক জানিবে, যত বিশসাধন ভিন্ন বা অতিবাহিত হয়, তাহা হইলে দগণ বৃদি মধ্যে এমত কোন বস্তু নাই, যাহা প্রকৃতপুরুষার্থ সম্পাদন কর্তৃক সর্বস্ব ব্যক্তির ন্যায় তঁাহারও আর্তনাদ করা কর্তব্য। করিতে পারে; অতএব উহাতে আর কৌতুক কি আছে? সাধু পুরুষের অবরে যে পরিমাণে ইচ্ছা উপশম প্রাপ্ত হয়, সেই দৃশ্যদিকে সৎপদার্থ বােথ করিলেই দারুণ দুঃখ ও অলংবােথেই পরিমাণেই তাঁহার মুক্তির নিমিত্ত কল্যাণ পরিবর্তিত হইয়া পরম সুখ। উপদেজি-জনিত উহাকে অসত্তাবােধ প্রথমে থাকে। বিবেকবিহীন আত্মার যে ইচ্ছা-পা, উই সংসার মনন ও পরে নিদিধ্যাসন বশ ক্রমে দৃঢ়তা প্রাপ্ত হইয়া থাকে। বিষকে এলসিনম্বৰূপ নিবে। হয়ত ভাগ্ৰ অতএব হে অধম শ্রোতৃবৃন্দ। তােমরা সর্বপ্রকার বিকার ভীষণ অখিশিখা, স্বীয় আশ্রয়ভূত হয়ে পাপপুণ্যের অনুষ্ঠান- সেই পরমব, শাস্ত্রোপদেশাদি দ্বারা স্পষ্টরূপে প্রকাশমান জনিত শত্রুতাবশতই যেন জীবপশুকে পতিত করিয়া ত্বদীয় হওয়াতেও কি জন্য আদর্শন প্রাপ্ত হইছে? সুখ-দুঃখপ কুবীজের কোষ দশ করিয়া থাকে। ৩১-৪৫। আত্মার বৃথা বন্ধন নিমিত্তই গৃঙ্গ কৌতুক পরিহার করিতেছ যনি সর্গ সমাপ্ত। ৩৬। না? কাৰ্যকারণভাবাদি সমস্তই যখন একমাত্র ব্রহ্ম, তখন জ্ঞানমাত্ৰাত্মক এই বিশ্বব্যাপক দৃশ্যসমূহে যে একমাত্র ব্রহ্মরূপতা ব্রিজমান, তাহাতে আর শয় কি? অব ব্যোমৰূপ সর্বময় অদ্বিতীয় বৃক্ষ, পূর্ণরূপে বিরাজ বুঝিয়াও যাহাৱা কাৰ্যকারণভাব সপ্তত্রিংশ সর্গ। লইয়া ব্ৰহ্মনিরূপণার্থ উপায় অন্বেষণ করে, তাদৃশ পশুতুল্য বশিষ্ঠ বলিলেন, রাম' তুমি ইচ্ছারূপ বিষবিকারের শন্তির শিষ্যগণে আমাদিগের প্রয়ােজন নাই। শমি এ বিষয়ে কাৰ্য্য- নিমিত্ত পুনরায় ভ্রমৰিয়ােগর পূর্বোক্ত জ্ঞানযােগের বিষয় এবং কায়ণতাদিযবাধক বাক্যেরই ব্যবহারক্ৰম বুঝি না। যদি কর। ষব। যদি আত্মভিন্ন কোন পদার্থ থাকে, তবে তুমি একাই হেতু নির্দেশ করিতে হয়, তবে জানিও যে, বায়ুর তাহা ইচ্ছা করিতে পার, কিন্তু তাহা যদি না থাকে, তাহা হইলে স্পন্দনে, সলিলের দ্রবত্বে এবং আকাশের শূন্যত্বে যে হেতু আয় আত্মভিন্ন কি ইচ্ছা করিবে? চিন্ময় ব্রহ্মের ভাগ বা অবয়ব চিদাম্মার দৃশ্যাদিরূপত্বে সেই হেতু,—অর্থাৎ অবিদ্যাৰশেই কিছুই নাই, তিনি আকাশ হইতেও সূক্ষ্ম ও শুন্য। আমি ও জগতের উৎপত্তি জানিও। যখন কাৰ্য-কারণতাদি সমই সেই অখিল জগৎ তাহারই প্রতিসমত্র, সুতরাং তােমার ইচ্ছা ব্ৰক্ষ, তখন ব্রহ্মে যে সৃষ্টর কারণ-নির্দেশ, উহা স্বীয় বিলজ্জতা করিবার বিষয় কি আছে? সেই ব্যোমরূপ ব্ৰহ্মই জ্ঞাতা, জ্ঞেয়ও মাত্র। এই অখিল জগই সেই শান্ত শিবময়, ইহাতে সুখ- নিখিলজগৎরূপে প্রকাশমান হইতেছেন; এজন্য কি জ্ঞাত, কি দুঃখ কিছুই নাই, ইহা সেই চিন্ময়ের চিন্মাত্র ভিন্ন কিছুই নহে, জ্ঞেয় কি জগৎ, সমস্তই সেই ব্যোমব্রহ্ম , সুতরাং ইচ্ছার সুতরাং ইহাতে আবার কিরূপে ইচ্ছার উদয় হইবে ? যুদ্ধসজ্জায় বিষয় আর কি হইতে পারে? কে বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্ন এবং গ্রাহকই সজ্জিত মুন্ময় পুত্তলিকাতে যেমন মৃন্মষতা ভিন্ন কিছুই নাই, বা কে? সুতরাং তাহাদিগের আবার সগন্ধ কিরূপে সম্ভব, তদ্রপ অখিল দৃশ্য জগৎ ও অংগদিতে ব্ৰহ্মেতর কোন সত্তাই এজন্য অমুদাদি শাখুচিভের আর সে সম্বন্ধ জ্ঞান নাই, এবং অবস্থিত নহে।১০। রাম কহিলেন, মুনীর। এমন যদি বাহাদিগের তাদৃশ জ্ঞান আছে, তাদৃশ জনগণের অস্তিত্ব অনুভূত হয় তবে কোন বিষয়ে ইচ্ছার উদয় হউক আর নাই বা হউক, হয় না। গ্রাহগ্রাহক-সম্বন্ধ সনিষ্ঠ হইলেও অদৃষ্টিতে উহাতে হাতে ক্ষতি কি? হাত সেই ব্ৰহ্মই, তবে ইচ্ছসম্বন্ধে বিধি দেখিতে পাই না, বস্তুতঃ অলীক কৃষ্ণবর্ণ শশাঙ্কের ন্যায় অসভ্য বা নিষেধের প্রয়ােজন কি? রানের ঈদৃশ বাক্যশ্রবণে বশি সেই সম্বন্ধের কিরূপে উপলব্ধি হইবে। ফল কখা, অজ্ঞানই কহিলেন, রাম। সত্যই কহিয়াছি, যথার্থ বিধি-নিষেধের প্রয়ােজন গ্রাহকাদির সত্তা, অদৃষ্টিতেই উগর সত্যতা প্রতীত হয়, এজ, নাই, কিন্তু ইহাও জানি যে, প্রযোধােদয় হইলেই ইচ্ছা ব্ৰহ্মৰূপে জানােদয় হইলে গ্রাহগ্ৰাহকাদি যে কোথায় অন্তর্হিত হয়, প্রতীত হয়, তখন আর উহা অষ্ট ৰ বলিয়া বােধ হয় না, তাহার অনুসন্ধান থাকে না। অদৃষ্টির সভাবই ঈদৃশ যে, তাহার মুরাং তৎপূর্বে যে উহা অনর্থক হইবে, তাহাতে সংশয় নাই। উৰে অসত্য অহংতা আত্মাতেই বিলীন হইয়া থাকে এবং যেরূপে মানবকে প্রবোধযুক্ত বলিয়া জানা যায়, সেই লক্ষণ যে সেই অহংজ্ঞানের বিলােপেই অখিল দ্রষ্টা ও দৃশ্যাদি জ্ঞান কিরূপ, আমি তদ্বিষয়ে সত্য বলিতেছি শ্রবণ কর। সূৰ্যোলয়ে বিলুপ্ত হয়, উহাই সিৰ্ব্বাণ ঐরূপ শান্তিময় নির্বাণে দৃশ্যদি যামিনীর স্যায় জ্ঞানের উদয় হইলেই ই ত পনা হইতেই জ্ঞান নাই এবং যেখানে দৃঙ্গাদি জ্ঞান, সেখানে শান্তি নাই। বিলয়প্রাপ্ত হইয়া যায়, কিন্তু জানােগয়ে ইচ্ছাদি একবার বিলীন হায়া ও আপের ন্যায় একদা বৃদি ও শক্তির অনুভব হয় না। হইলে আর তাশরূপে প্রকাশ পায় না। তৎকালে ঘভবােধ যদি এককালে উভয়েরই অনুভব হয়, তাহা হইলে উভরে যখন ও বাসনা এখন বিলুপ্ত হয়, তখন কিরূপে আর ইচ্ছার পরপর বিরুদ্ধ তখন নিশ্চয় ঐ উন্মই সত্য এবং অসত্য উদয় হইবে? ২১-২৫। নিখিল দৃষতেই নীরস জ্ঞানে হইলে উহাতে শান্তির সম্ভাবনা কি? আর নির্বাণ যে সর্বদুঃখ- যাহার কিছুতেই কোন বিষয়ে ইচ্ছার উদয় হয় না, তাহাই বিতি, জরা মরণাদি ক্লেশ পরশান্তিময়, তাহা জ্ঞানি অবিদ্যা উপশমিত হইয়া যায় এবং নিল মুক্ত উদিত হইয়া মাত্রই মুভ করিয়া থাকেন। দৃঙ্গলি খিল যাই ভ্রান্তি থাকে। ৎকালে তার দূৰতে বিরাগ বা অনুরাগ অস,উহা কখন এ নহে, এ ভাবনা পরিত্যাগ কিছুই থাকে না, কেবল স্বভাবতই তাহার দুষ্টু দৃদি শােভা পূর্বক নির্বাণপন অঢ়ি হও। কালবৃষ্টিতে অবলােকন ভাল লাগে না। তাদৃশ জীবন্মুক্ত পুরুষের কাচিং বলি পয় নিন্দা-এ-এতকাল। প্রেরণায় কোন বিষয়ে কাকতালীয়বং ইদায় উদয় হয় না শুনলেন স্বয়ই মরীচিকা-জলতরঙ্গবং সাগরণে প্রতি অনিচ্ছা হয়, তথাপি তাহার সেই ইচ্ছা ও অনিচ্ছা যে একমাত্র ফলিত হয়, প শুন্য আত্মতে স্বীয় অন্তঃকরণই সাগর, ব্ৰহ্মময়, তাহাতে আর সংশয় নাই। ফলে জ্ঞানি-ব্যক্তির আকাশ, পৃথিবী, নদী ও শৈলাদিরূপে শােভমান হইয়া থাকে। অভিনব ভােগ্যবিষয়ক ইচ্ছা ও অয়ই না, আর যদি পূর্বাভাস ৪১-৪৫। স্বনির্শি নগর ও বালকবৃষ্ট বেতালাদিবং নিতান্ত বশত কদাচিৎ কিঞ্চিৎ জন্মায়, খাপি নিতান্ত অবস্থায়ী। অলীক দৃশ্য জগতে অসভ্যতা ভিন্ন আর আছে কি? অহং জীবের একবার যদি বিশিষ্ট তত্বজ্ঞান সমূলিত হয়, তাহা হইলে পদার্থ অসত্য হইয়াও ভ্রাক্তিবশে সত্যবং প্রকাশ পাইতেছে, তাহার ইচ্ছা একেবারেই বিলীন হইয়া যায়, কারণ, এলােক কিন্তু বস্তুতঃ কেহ ভ্রান্তিমান্ না থাকিলেও ভ্রান্তি প্ররিত হই ও অন্ধকারের ন্যায় তত্ত্বজ্ঞান ও ইচ্ছার কিছুতে একত্র অবস্থিতি তেছে এবং ঐ ভ্রান্তিও নিতান্ত অসত্য জানিবে। এই ভ্রান্তি সৎ হয় না। ২৬-৩০। অস্ক পুরুষ কখন বিধি-নিষেধের অধীন নহে, অসৎও নহে এবং সদসৎও নহে; গন্ধর্ব-নগরাদি আকার নহেন, তাহার ইচ্ছা পুর্ণভাবে প্রশমিত তিনি কোন বিষয়েরই ধারা অবক্ষুভিত আকাশের স্থায় ইহা ৰচনাতীত অতীন্দ্রিয় এক অন্বেষণ করেন না, সুতরাং কে আর কি জন্য তাঁহাকে কোন অদ্ভুতরূপে প্রকাশমান জানিবে। এই জগতে বিজ্ঞান- বিষয় পালন করিতে কহিবেন ? ইচ্ছার আ কি অভাব ও বিহীন তত্ত্বপুরুষের ইচ্ছা ও অনিচ্ছা যদিও সমান, তথাপি অভয়দান দ্বারা জীবগণের সন্তোষ-সখনই তত্ত্বজ্ঞানের চিহ্ন, আমার বিবেচনায় ইচ্ছার অনুদয়ই মঙ্গশকর। বায়ুর অথবা তত্ত্বজ্ঞ বলিয়া যে সকলের অনুভব হয়, সেই অনুবই স্পন্দনের যেমন কারণ নাই, তদ্রুপ বিনা কারণেই চিদাকাশে চিহ্ন। যংকালে বিরসবোধে দৃশ্যবস্তু কদাপি কুচিন না হয়, চিলাকাশময় আত্মার ‘অহং’ ইত্যাকার জ্ঞান উৎপন্ন হইয়া থাকে। তৎকালেই ইচ্ছ। আর প্রকৃত হইতে পারে না, তখনই জীব ঐ চিলাকাশময় আত্মার যে চেত্যৰস্তুতে উন্মুখ, উহারই নাম ক্ত উদিত হইয়া থাকে। যিনি, বােধােদয় হেতু দ্বৈত বা চিৎ, উহারই নাম সংসার এবং উহারই নাম ইচ্ছ। আর ঐক্যজ্ঞান-বিবর্জিত হইয়া শান্তভাবে অবস্থিতি করেন, ইচ্ছা উহাতে যে বিমুখতা, তাহাতেই মুক্তি জানিবে। এইরূপ যুক্তি ও অনিচ্ছাদি সর্বপ্রকার মানসিক ভাবই তাহার ব্রহ্মময়। থৈত হৃদয়ঙ্গম করত বিষয়াসক্তি পরিত্যাগ কর। এই জগতে যখন বা অদ্বৈতবােধ এবং ঐক্য বা অনৈক্য জ্ঞান তিরােহিত হওয়ায় | আত্মভিন্ন অপর কিছুই নাই, তখন ইচ্ছা বা অচ্ছিা, সৃষ্টি বা যিনি কোন বিষই ব্যথা না হয় নিলান্তঃকরণে নিশ্চলভাবে প্রলয় যাহাই হউক, কিছুতেই কাহারও কিছুমাত্র ক্ষতি নাই। আত্মাতেই অবস্থিত, তিনি এই সংসবে কোন কাৰ্য্যের অনুষ্ঠান শুরূপ চিদাকানে ইচ্ছা-অনিচ্ছা, সং-অসৎ, ভাব-অভাব, করুন বা নাই করুন, কিছুতেই তঁাহার কিছুমাত্র ক্ষতিবৃদ্ধি এ সুখ-অসুখ ইত্যাদি কোন প্রকার কল্পনারই সন্তৰ নাই। নাই এবং রান প্রাণী হইতেই তঁাহার কোন প্রকার উদ্দে ৪৬৫৩। বিবেক শান্তিতে চিতের তৃপ্তিসাধন হওয়ায় যাহার সিদ্ধির অবক থাকে না। ৩১-৩'। কি ইচ্ছা, কি অনিচ্ছা, ইচ্ছ। দিন দিন ক্ষীণতা প্রাপ্ত হয়, মনীষিগণ তাহাকেই মােভাগী কি সং,কি অসং, কি আপনি, কি অত ব্যক্তি, কি জীবনধারণ, বলেন। ইচ্ছারূপ ক্ষুরধার দ্বারা নিভিন্ন হয়েই শােকালি কি মরণ, সকলই তাঁহার পক্ষে সমান, কিছুতেই হার লাভ- শূলবেদনা প্রাদুর্ভূত হয়, কোন মণি-মন্ত্ৰীষবাণিই ঐ বেদনা লাভ নাই। তাদৃশ জীবন্মুক্ত জ্ঞানী পুরুষের কিছুতেই ইচ্ছার নিবারণে সক্ষম হয় না। বিধাতা, প্রাণিগণের দুঃখ-নিবারণার্থ উদয় নাই, যদিও কদাচিৎ হয়, তবে সেই ইচ্ছাও সত্য যত কিছু মন্ত্ৰেীষধাদি উপায় নির্ধারণ করিয়া দিয়াছেন, আমি পূর্বে সনাতন ব্রহ্মম্বরূপ জানিবে। যিনি, “মুখ বা দুঃখ কিছুই নাই, | বহুবার যন্ত্ৰপুৰ্ব্বক পরীক্ষা করিয়া দেখিয়াছি, বাহার হৃদয়ে মিথ্যা অধিল জগই সেই শান্ত আজ শিবময়” অন্তরে ঈদৃশ জ্ঞান | ভ্রান্তি প্রবল, তাহার পক্ষে কোনটাই কাৰ্য্যকারী নহে। ল কথা করত শিলাবং নিশ্চল ভাবে অবস্থিতি করেন, বুধগণ, তাহাকে যদি ভ্রান্তিময় অসত্যৰ দ্বারা সংসার- দুয়ােগের চিকিৎসা নী বসিয়া থাকেন। পূর্বোক্ত প্রকারে জগৎতত্ত্ব নিশ্চয় করত | ব্যবহার করিতে পারি, তবে কঙ্গনালে মুখব্যাদনপূর্বক কেন যিনি বিষকে অমৃতের ন্যায় দুঃখকেই সুখ বলিয়া ভাবনা করিতে অপ রর চিত্তজিত পর্বতকে কবলিত করিতে না পারি। পারেন, সেই ধাৰপ্রতি মানবই তত্ত্ব বলিয়া অভিজিত ৪৬-৫৭। অবােধ উদিত হইৰামাত্র যাহার অস্তিত্ব বিলুপ্ত হইয়া হন। ৩৭-৪০। ব্রহ্মে যে জগৎ অবস্থিত, উহা ব্ৰহ্মই ব্রহ্ম, লায়, ঈদশ ভ্রান্তিমূলক অপভ্য উপায়ে যদি অপর দুঃখাদি বিনষ্ট আকাশেই আকাশ, সতেই সং ও শুন্যেই শুন্য অবস্থিত জানিবে। করা যায়, তাহা হইলে কেনই বা না শশশৃঙ্গ দ্বারা গগনতল বিনি জ্ঞানকাণময় হইয়াও বিষয়জ্ঞানবিহীন, যিনি সতত আচ্ছাদিত করা যাইবে। একমাত্র চিলাকাশই অহংভাব বা সমভাবাপন্ন, নিশ্চল, পরমকল্যাণময়, সৌম্য ও বিখ্যাপী, জড়তাময়নিৰন্ধন কণকালমথ্যে কমধ্যে নির জলের শিলাকার প্রাপ্তির বস্তুতঃ যাহাতে বিশ্বদি কিছুই নাই, তাদৃশ একমাত্র ব্রহ্মই ন্যায় মনন জন্য দেহালি আকারা অধিগত হইয়া থাকে। জীব, যখন অবস্থিত, তখন বিনয় অহংজ্ঞান যে নিতান্ত ভ্রান্তিমূলক স্বীয় চিপতা হেতুই স্বপ্নে স্বীয় মরণবং অসত্য এই দেহিতা তাহাতে আর সংশয় কি? যাহা কিছু স্থাবর মাত্মক এই অনুভব করিয়া থাকে, কিন্তু চিৎশক্তি সই অক্ষত আসিবে। অগং অবলােকন কৰিছে, তৎসমস্তই অঙ্গের চিকলিত আকাশে নীলিমা যেমন বন্ধু কোন বস্তু নহে বলিয়া প্রকৃতরূপে নগরব। নিতান্ত অলীক , উহা সেই নিশ্চল চিদাকাশমাত্র। অসত্য হইলেও ভ্রান্তিয়ানে সত্য ববি প্রতীত হয়, জাপ অপরের চিন্তাসত নগমধ্যে তুমি যেমন নির্বিয়ে গমনাগমন ঈরেও এই বিশ্ব সৃষ্টি না অসৎ, না সরূপ বুঝিবে। শুত্ব ও করিতে পার, কেহ তােমাকে বাধা দেয় না, তদ্রুপ স্বীয় অন্তরে আকাশে এবং স্পন্দন ও বায়ুর চায় সৃষ্টৰস্তু ও ব্রহ্মেরও ক হিত ভ্রান্তির এই জগতেও বড় কেহ কাহারও কোন কাৰ্যে মাত্র তেল না, উভয়ই এক বন্ধু ,এই সংসারে অগালি কি বাধা দিয় নাই। তৃষ্ণার্ত শ্রান্ত ভ্ৰষ্টার দর্শনাক্রয় যেমন উৎপন্ন বা বিনষ্ট হয় না, নিদ্রাগত ব্যক্তি স্বপ্নবৎ কেবল উহা লােগণিত-রামায়ণ । প্রতিভাসমাত্র। পৃথিব্যাদি সমস্তই যখন অন্ধের প্রতি সমাজ, | সত্য। কিন্তু হে শ্রোতৃর। বস্তুত বিজ্ঞানমাত্র পরমার্থবাদ ও তখন বস্তুতঃ উহা অবিমান, এত চিকাময় সৃষ্টবর ' দুঃখ দ্রব্যাদি সপ্তপদার্থবাদও সত্য নহে, ঐরুপ অনুভব আদান-প্রদানে আবার এভিনিবেশ কি? দেহ ও ভূমাদি কেবল তে ম'দিগের নিজ নিজ সঙ্কলনুসারেই ফলিত হইয়া আদান-প্রদানের কারণ কিছুই নাই, ইহা ব্রহ্মের প্রতিভাস খাকে। ত্বণীয় অন্তরে চিত্ৰহ্মের যে একাশনশক্তি, তাহাই জগৎ- মাত্র। আপনাতে ও অখিলবস্তুতে কেবল এক ব্রহ্মচিরেই রূপে প্রকাশমন, এত জল ও জলের তলতার স্থায় অগং ও সৱা জানিবে। বুদ্ধাদি ও বুদ্ধাদিপ্রতিসক ব্ৰহ্মচৈতন্যের ব্রহ্মে কিছুমাত্র বিভেদ দেখি না। রাম। কাল, ব্ৰহ্মাণ্ড, চতুর্দশ- ভেদাভেদের অসম্ভবশ ইনি ইহা করিতেছেন, এরূপ ব্যব- ভুবন, আমি, তুমি, ইন্দ্রিয়নিচয়, শম্পাদি ইন্দিয়ভােগ্য ও হারের কারণও অসং ,কেবল একমাত্র পরম বন্ধই যে সৎ, ভােগ্যর উপভোগ, ইদি সমস্তই সেই অন্ধ অব্যয় ঈশ্বর তাহাই সম্ভবপর। স্বপ্নাবস্থায় ক্ষণকালধ্যে যেমন অজীর্ঘ- চিদাকাশময়, সন্ত্রাৎ বিষয়ানুরাগালি কিছুই নই, কিরূপে ঐ কালস্থাধী জমরণ দি অনুভূত হয়, তদ্রুপ ব্রহ্মেতেই কল্প ও রাদি সম্ভবপর হইতে পারে। ৭৫-৮৪। কলকাৰ্যাদি সকল কোন হেতু ও ক্রমব্যতীত প্রকাশ পাইতেছে। সপ্তত্রিংশ সর্গ সমাপ্ত ॥৩৭। ৫৮–৬৭। চিলাকাশ যখন আপনি আপনাতে জগৎ অনুভব করেন, তখন পৃথিবী, শৈল, লোক ও স্পন্দনাদি সমস্তই সেই চিদাকাশমাত্র ব্যোমমম ভিত্তিতে মিয়রঞ্জন দ্রব্যে চিত্রিত অষ্টত্রিংশ সর্গ । গচ্চিত্র বিরাজমান , এঅঞ্চ বস্তুত জগৎ উৎপয়, বিনষ্ট, বণিষ্ঠ বলিলেন,-ঐন্দ্রজালিক মানসিক্ত চক্ষু যেমন উপশমিত বা ক্লিষ্ট কিছুই হয় না। ফলে, জগদুরূপ উত্তাল আকাশে মহাশৈল ও অন্তর্গত গহবরাদি সর্শন করে, তদ্রুপ তরঙ্গমালায় সমাকুল দ্রবময় চিৎসলিলে কবে কিরূপে কোন বস্তু চিব্ৰহ্মই অলীক স্বীয় ভ্রান্তি দ্বারা বিৰোধিত হইয়া জগৎ দর্শন উদিত বা বিনষ্ট হইবে ? পূর্বোক্ত প্রকারে দৃশ্যাদি বস্তুরই যখন করিয়া থাকে। প্রান্তিকল্পিত এই বাহুব্রহ্মজগৎ ও চিত্তবৃত্তি অসম্ভব, তখন জগৎ যে শুময় অলীক, উছার যে অস্তিত্ব অনুসারে চিত্রিত অগ, এই উভয়ই বস্তুতঃ পরমার্থস্বৰূপ ও নাই, ইহা নিঃসন্দেহ , মাং সেই জগৎশুন্যতময় মহা অক্ষুব্ধ , এজন্য উভয়ই সমান জনিবে। ভিওিপটে অঙ্গিত চিলাকাশেরই বা জাগরূপে কি প্রকারে উদয় বা অন্য সন্তবিতে চিত্রময় জগৎ যেমন বস্তুত ভিত্তি হইতে অভিন্ন হইলেও পারে ? ব্রহ্মের সৃষ্টিবিষয়ে বিচিত্র বাসনামুখী সঙ্কলবশতঃ ভ্রান্তিময় অনুভবে ভিন্ন বলিয়া বিবেচিত হয়, দ্রুপ এই বাঙ্ক কখন পৰ্বতশ্রেণীও গগনবৎ এবং গগনও পৰ্বতৰ প্ৰতীত জগৎও বগু জ্ঞানরূপত হেতু জ্ঞান হইতে অভিন্ন হইলেও হইয়া থাকে। এই জন্যই যােগিগণ সংবিৎরূপ সিগোষচুণের ভ্রান্তিময়-অনুভববশতই জ্ঞানবহিংও বলধা প্রতীত হইয়া বলে নিমেষার্ধ মধ্যেই অগকে আকাশ ও আকাশকে ত্রিজগৎ থাকে, কিন্তু ঐ জ্ঞান যখন সত্যরূপ, তখন জগতের জ্ঞান- রূপে পরিণত করিতে পারেন। ৮৭। মহাকাশমধ্যে বহির্ভূতরূপাও যে জ্ঞানময়তাহেতু সত্য, তা জানিবে । যেমন সিগণের সঙ্কল্পজনিত অসংখ্য নগর প্রকাশ পায়, সকলই যখন জ্ঞানরূপ এবং কখনই কোন প্রকার অসদবর সেইরূপ ব্রহ্মেতে সহস্র সহল জগঃ প্রকাশমান হইতেছে, সত্তা উপলব্ধি হয় না, তখন আমাদিগের মতের সহিত বিজ্ঞান- কিন্তু সমস্তই সেই চিদাকাশমাত্র আনিবে। মহাসাগরে আবর্ত বাদ ও বার্থবাপেরও প্রকৃতপক্ষে ঐক্য আছে, অতএব ভ্রান্তি সকল যেমন পরস্পর মিশ্রিত হইলেও পৃথকৃরূপে অবস্থিত জ্ঞানে ক্ষুব্ধবৎ প্রতীত হইলেও যত চিপে অক্ষুব্ধ শান্তিময় বলিয়া প্রতীত হয়, কিন্তু বন্ধুতঃ উহারা অল ভিন্ন যেমন কিছু আকাশ, অনল, তেল, সলিল ও ক্ষিতিরুপে শােভন শূন্যময় নহে, উপ সেই মহাচিন্ময় ব্রহ্মেই মহাসর্গ সকল পরস্পর একমাত্র ব্রহ্মসভাই সর্বত্র সমভাবে বিরাজ করিতেছে। সত্য- মিলিত একবস্তু হইয়াও বিভিন্নরূপে প্রতিভাত হইতেছে, কিন্তু সনাতন সেই ব্ৰহ্মী সৰ্বময়, এজন্য যাহা কিছু দেখিতেছ, জ্ঞাননেত্রে নিরীক্ষণ করিলেই আসা যায়, উহারা সেই চিনাকাশ সৎসমস্তই তিনি, তিনি সর্বত্রই বিরাজমান, তাহা হইতেই ভিন্ন অপর কিছুই নহে। পণ্ডিত ব্যক্তি বলিয়াছেন সিদ্ধ ঘােগিগণ সমন্ত, এতএব সেই সৰ্বরূপী ব্ৰহ্মকে নমস্কার। দৃষ্ণবস্তু, স্বীয় যেরুপে যােগৰলে একলােক হইতে দূরবর্তী লােকান্তরে গমন ‘স্মতাহেতু যখন দ্রষ্টার ( চিভের) সহিত একতা প্রাপ্ত হয়, করেন, সেইরূপেই লােকান্তর দর্শন হইয়া থাকে। আকাশে তখনই দৃশ্যবস্তু অঙ্গভূত দুইচিং দৃশ্যৰস্তুকে অনুভব করি। যেমন শূন্যময় বিবিধ বস্তু দেখা যায়, তদ্রুপ সেই বিনা পরম থাকে। দৃশ্য যদি চিন্ময় না হইত, তাহা হইলে চিৎ, কখন তাহর ব্রহ্মেই অগং ও ভূনিচয় অবস্থিত। চিলাকাশের জগদভাজি সহজ পরিজ্ঞানে সমর্থ হইত না, কারণ, চিও অড়ের একত্র সমাবেশ নিজ আমােদরূপ সুতরাং উহারা ফটিকমণির অভ্যন্তরে প্ৰতীয় কাচ সম্ভবপর নহে। যৎকালে দুষ্টা, দৃশ্য ও দর্শন মিত্র রূপময়, মান রেখাং অলীক জানিযে, এজন্য অগৎ বা ভূতলিচ উদিতও তৎকালেই অখিল জগতের অনুভব পরমার্থরুপে ফলিত হয় না এবং বিলীনও হয় না। পুষ্পমােন যেমন পরস্পর মিলিত হইয়া থাকে। আর যদি বস্তুতঃ চিদাত্মক অষ্টা ও কৃত ভাবিশে থাকিলেও অষপিতৰ, সেই প্রকার কােমময় অগনিচয়ের এক না হয়, উথের যদি পার্থক্য জ্ঞান থাকে, তাহা হইলে পরস্পর মিলসত্ত্বেও সিদ্ধভূমির স্থায় যেন আমিলিত বলিয়া প্রতীতি প্রস্তর যেমন ইলও দর্শন ও মর্দন করিয়া তাহার সাস্বাদনে হয়। অখিল জগৎই সঙ্কল্পাকাম, এত যে যে কাৰে অনুৰ অনভিজ্ঞ, তদ্রুপ সেই অভ্রষ্টও দৃশ্য দর্শনাদ করিয়াও করে, জগৎ সেইকপেই অবস্থিতি করিয়া থাকে, এ নিমিত্ত যে তাহার প্রকৃত রসগ্রহণে বঞ্চিত। অল, যেমন রশিতে নিমগ্ন সফল যোগিদেৱ সংকল্প ও মােহ দীন হইয়াছে, তারা যে হইয়া সিইয়া যায়, দ যও সেইরূপ দৃষ্টায় চমধ্যে নিম অগংকেজ বলিউল্লেখ করেন, তাহাদিসের সেই কথাই হইয়া উভয়ে একতা লাভ করে বলিয়াই তাহার অনুৰ হইয়া নিকাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ ৬১১ খাকে, নতুবা পরস্পর সন্নিকট কাষ্ঠবয়ের স্থায় কেহ কাহাকে দৃশ ব্রহ্মানন্দ পূর্ণজ্ঞানীর দৃষ্টিতে অণিমানি অষ্টসিভিও তৃণৰ অনুভব করিতে পারি না। ১-১০। কাষ্ঠখণ্ড, যেমন কাষ্ঠকরূপে হুপদার্থ। ত্রিলোকমধ্যে সারাদি এমন কোন বস্তুই দেখি না, ঐক্য থাকিলেও চিদংশে ঐক্য না থাকায় অপর কাষ্ঠখণ্ডকে যাহা মহাত্মার লােভৎপাদন করিতে পারে, মহাত্মা পুরুষ, অখিল অনুভব করিতে পারে না, দ্রুপ দৃশ্যও যদি চিদংশন্য সর্বয়া বিশ্বকে একগাছি লেমের অংশ স্বরূপ বোৰ কৰি থাকেন। অড়ব হইত, তাহা হইলে চিপী দর্শক কখনই তাহা পরিজ্ঞাত আত্মজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি যেখানে সেখানেই অবস্থান বা গমন করুন, হইতে পারিত না। এরূপ মনে করি না যে, কাষ্ঠখগুঘয় কুত্রাপিতঁহাদিগের দ্বৈত-সঙ্কজনিচ উদিত হয় না। যাহার জ্ঞানে হইতে দ্রষ্টা ও দৃশ্যের জড়ত্ববিষয়ে কিছু বিশেষ আছে বলিয়া অখিল বিশ্বমণ্ডলই ব্ৰহ্ম, সেই আত্মহারা মহাত্মার আর কিরূপে কাষ্ঠদ্বয়ের মধ্যে কেহ কাহাকে অনুভব করিতে পারে না। কোথ। হইতে ইচ্ছাদি উৎপন্ন হইবে? যিনি, সকল বিষয়েই কারণ, সকলেই জানেন, কাষ্ঠ যেরূপ অচেতন জড়বস্তু, অপর নিশ্চেষ্ট, যাহার কিছুতেই ই বিশেষ জ্ঞান নাই এবং যিনি অচেল জড়বস্তুও ঠিক তদ্রুপ, উহাদের যে তারতম্য আছে, ঐশ্বৰ্য্য ও দারিদ্র্যকে একই মনে করেন, ভাল মহাত্মার মহিমা হাত কেহই জানে না, এজন্য অখিল দৃষ্ণবস্তুই, চিপী কে বর্ণন করিতে পারে ? সর্বত্র সমগণী, নির্মল জ্ঞনাকাশময় দর্শকের সহিত সমন চিত্মক বলিয়াই দর্শক তাহা দর্শন মহাপুরুষের কোন প্রকার মৃত্যুকারণ দ্বারাই আত্মীয়াদির মৃত্যু করিতে সমর্থ। এইরূপ এষ্টা ও ঘৃশ্য, যখন সমান চিদাত্মক এবং কোন প্রকার জীবন হেতুতেই কাহারও জীবন হয় না, ফলে হইল, তখন দৃশ্যান্তৰ্গত সলিলানিলাদি এবং সলিলাদি পঞ্চভূত কি আত্মীয়ের বিনাশ বা কি আত্মীয়ের জীবন কিছুতেই তাহার ময় দেহে অবস্থিত বুদ্ধিপ্রণাদি সমস্তই যে, সেই মহাচিন্ময়, বিষাঙ্গ বা হর্ষ দেখা যায় না। অলোকে ভ্রান্তিপূর্ণ হৃদয়ে ভ্রান্তি কিছুই বিভিন্ন নহে, তাহাতে আর সংশয় কি? প্রাণাদিকপে | বশতই মরীচিকাময় নদীকূলম্বয়ং অলীক জন্ম মৃত্যুর উপলব্ধি ভাবনা বশতই প্রাণবুদ্ধাদির সভা এবং ঐ ভাবনা চিতের হইয়া থাকে। যখন আমরা সম্যক পরীক্ষা করিয়াছি, তখনই চমৎকারিতাম, আবার ঐ চমৎকারিতা স্বতই উদিত আমাদিগের ভ্রান্তি বিধটিত হইয়াছে, এবং তখনই বুঝিয়াছি হইয়া থাকে। একমাত্র ব্রহ্মস্যাই অগ্ৰস্বপ্ন ও মুমুপ্তিময় বন্ধুঃ এ জগতে প্রকৃত পরীক্ষক নাই, জন্ম-মৃত্যু নিতান্ত ভ্রান্তি জগৎরূপে বিরাজমান। শুক্র ও বটাদিবীজের স্থায় আত্মাও মূলক , সমস্তই একমাত্র নিশ্চল অবিনাশী ব্ৰহ্মম। ২০-৩০। প্রসবশক্তি দ্বারা আক্রান্ত জানিবে, এজন্য যত কিছু দেখি- যিনি দৃশ্য হইতে বিরামত করিয়া পরম শান্তি প্রাপ্ত হইয়াছেন, তেছ, সমস্তই ব্রহ্মের বিবর্তমাল, সুতরাং বহুনিচয়ের ভেদ, সেই আত্মারাম মগপুরুষই ভবসাগরের পরপারে উপনীত, তিনি কল্পনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সারভাগযুক্ত সূক্ষ্ম বটাদি-সমুদয়- বিদ্যমান হইলেও অবিদ্যমান। যাহার মনােবেগ অমিত, বীজমধ্যে সূক্ষ্মতম সারভূত যে বে অংশ আছে, সেই সেই যিনি আপনাতেই পরম শান্তিলাভ করিয়াছেন, সেই ব্রহ্মানন্দপূর্ণ অংশই কাণ্ডশখাধি ও পুনরায় তত্তংশাখালি হইতে তাদৃশ নিৰ্ম্মলচিত্ত সাধুকেই মনীষিগণ, নিৰ্বাণদীপৰৎ নির্বাণ পুরুষ ৰীজরূপে প্রকাশ পাইয়া থাকে, কিন্তু তত্তং সমুদয় সারাংশ কিন্তু তত্তং সমূদয় সারাংশ বলিয়া উল্লেখ করেন। অখিল দৃশ্য জগৎ যাহার প্রতি উৎপাদনে একমাত্র ব্রহ্মেতেই অবস্থিত জানিবে। যাহা হইতে যে অংশ অসমর্থ, যিনি আকাশবং নিশ্চল, সাধুগণ তাঁহাকেই মুক্ত পুরণ সূক্ষ্ম, তাহাই সেই স্কুলের কারণে এবং যাহা স্কুল, তাহাই বলেন। ফলকথা, বিচারের অভাব বশতই অহংপদার্থের অস্তিত্ব কাৰ্যৰূপে প্রসিদ্ধ। কারণরূপে প্রসিদ্ধ ঐ সম্মাংশই সূক্ষ্মতম ব্ৰহ্ম- আর বিচার করিয়া দেখিলেই বেশ বুঝা যায় যে, অহংৰস্তু কিছুই ময় আত্মা, ঐ সূক্ষ্মতম আত্মা হইতেই তত্তং সুলৰস্তুর উৎপত্তি, নাই, সুতরাং বিচার দ্বারা যদি অহংবস্তুরই অভাব হয়, তবে সুতরাং একমাত্র ব্রহ্মই অখিল বস্তুরূপে বিরাজমান। ঘটাদি বস্তু আর জগৎই বা কি, আর সংসারই বা কি? একমাত্র চিনাকাশই যেমন আমূল বস্তু ভিন্ন কিছুই নহে, তদ্রুপ আমূল অখিল স্বীয় চৈতন্যের অন্য প্রকার অনুভব হেতু বুষ্ক্যালি আকারবিশিষ্ট জগৎকে যে যেরূপেই দর্শন করুক, উহা ব্ৰহ্ম ভিন্ন অপর কোন হইয়া দৃশ্যাদি বহুপূর্ণ জগৎ অনুভব করিয়া থাকেন। ত্বদীয় মন, বস্তুই নহে। শত শত প্রকার আকারে গঠিত সুবর্ণে যেমন যদি সর্বপ্রকার পদার্থ হইতে বিরত হইতে পারে, তাহা হইলে সুবৰ্ণ ভিন্ন অপর কিছুই নাই, তদ্রুপ ব্ৰহ্মময় তুমি-আমি-প্রভৃতি তুমি সকলই আত্মময় দর্শন করিতে পার, তখন তুমি সর্বদা যাহা অখিল জগতেও একমাত্র ব্রহ্ম ব্যতীত অপর কিছুরই কিছু অনুষ্ঠান করিবে, তৎসমস্তই তােমার কল্যাণময় ব্ৰহ্মস্বরূপ অস্তিত্ব নাই। ১১-১৯। তােমার একপাশ্বে নিদ্রিত ব্যক্তি, হইবে। রাম! তুমি যাহা করিতেছ, যাহা খাইছে, যাহা আহুতি স্বপ্নে যে জলদলি অবলােকন করে, সেই জলদাবলীর সহিত দিতেছ, যাহা দান করিতেছ এবং যাহা কিছু তপস্যাদি করিতে, তােমার যেমন কোন সম্বন্ধই থাকে না, তদ্রুপ ন্যাত্মক সৃষ্টি, সমস্তই সেই অব্যয় শিবময়, বস্তুতঃ তুমি, আমি, দিকু, কাল, প্রণয়াদির সহিতও ব্রহ্মরূপ কামারও কোন সম্বন্ধ নাই বুঝিবে , ক্রিয়া, আকাশ, লােক, আলোক ও পর্বতাদি দেখিতেছ, অর্থাৎ ব্ৰহ্ম সর্বময় হইলেও বিষম্ভের সহিত সম্পূর্ণভাবে নির্লিপ্ত। তৎসমুদয়ই সেই শিবময় চিদাকাশ পরিব্যাপ্ত রহিয়াছে তালিবে। আকাশে যেমন মলিনতা ও গন্ধর্বদেনানী কঙ্গনামা, বস্তুতঃ ৩১-৩১। কি দৃশ্য যজ্ঞ সন্দর্শন, কি মনন, কি ভূত ভবিষ্যৎ আকাশ ভিন্ন কিছুই নহে, তদ্রপ জগতে যা কিছু দেখিতেছ, বর্তমান এই কালত্রয়, কি অগং এৰৰ কি আরামণাদি, সমস্তই তৎসমস্তই সেই একমাত্র ব্রহ্মাকাশ ভিন্ন অপর কিছুই নহে। সেই শিবময় মহাচিদাকাশমাত্র। রাখব ! তুমি সংশয়, অভিপ্রায়, অপর রূপ সমস্ত কল্পনামাত্র। অবনীতলে জলসিক্ত নটবীজইচ্ছা ও মননাদি পরিহারপূর্বক অহংজ্ঞানবিরহিত নির্বাণ- কোন প্রকাণ্ড বটবলরুপে প্রকাশ পায়, সেইরূপ ভ্রান্তিময় সঙ্কল পদারুট মুলি হইয়া যেমন অবস্থান করছে, সেইরুপই অবস্থিত অনুরে পুষ্পরূপে অবস্থিতি করত পরে বিশাল জগৎ-ফলরূপ ধারণ কর। রাম! তুমি যাহা কিছু কার্য করিবে, তৎসমস্তই ই- ফয়ে। যিনি, অহংজ্ঞানবিহীন এবং ব্রহ্মের সহিত একপ্রাপ্ত, মননাদি শুন্যাকরণে করিবে, তাহা হইলে নিল যেমন স্পন্দন ও T যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। পণ ।। r সঁ হার অস্পন্দন দ্বারা বিবিধ কার্য করিলেও কর্মলেপ, তৎ তুমিও উপলব্ধি হইবে। আর স্বীয় সং আত্মরূপে বিশ্রামের স্বভাব কৰলেপবিহীন হইবে । বয় থাকা খোদিত কাঠময়ী প্রতিমার যেমন এই যে, উতে অহংজ্ঞান জগৎ ও দুঃখাদি সমস্তই তিরােহিত বাসনালি কিছুই থাকেনা, তৰং তােমারও চেষ্টা, শারূপ যন্ত্রবাহ হইয়া যায়, কেবল একমাত্র চিন্ময় ব্রহ্মই প্রকাশমান থাকেন। উপায় ত্বরা শোধিত হই। বসনাদিবিহীন হউক এবং ক্ষণকালয্যে একস্থান হইতে লক্ত যােজন দূরবর্তী স্থানে চক্ষু বাসনাদিশূহৃদয়ে চেষ্টানুরূপ কাৰ্য্য করিতে থাক। হে রাম। দ্বারা গমন কালে মার্গমধ্যে বিশ্বব্যাপক বন্ধ চৈতষ্ণের যে নিস্পন্দ পিতা মাতা প্রভৃতি আত্মীয় স্বজনের বহু দর্শনে গেমায় যে বায়ুর সদৃশ, অনন্ত আকাশকোষপ্রতি, লতা বিকাশেপম, বুদ্ধির অনুরাগ বা অননুরাগ কিছুই থাকে না, চিত্রিত নীপবৎ তুমি অগােচর, শান্ত, প্রকাশমান, সুবিমল চিন্মম্বরূপ সর্বজনপ্রসিদ্ধ এরূপভাবে অবস্থিত করিবে যে তােমার স্বজন দর্শনের অস্তিত্ব বা উহাই সেই সংক্ৰহ্মের স্বভাব বলিয়া বুধগণ উল্লেখ করিয়া- অনস্তিত্ব যেন হে নির্দেশ করিতে সমর্থ না হয়। বর্তমান বিষয়- ছেন। যাহার চিত্ত, সেই ব্রহ্মেতে অবস্থিত, তাদৃশ বিবেকী জেগে অনুরাগবিহীন এবং ভাবী বিষয়ভােগে নিষ্ট্রে বাসনা পুরুষের অগভ্রান্তি বিগলিত হইয়া থাকে। সকলেরই পরি- সাধাক্তির সংশাস্ত্র বা স্বীয় সুখ বিশ্রামের হেতু এর কি জ্ঞাত আছে যে, সুষুপ্ত ব্যক্তির স্বপ্ন বোধ এবং স্বাগত ব্যক্তির আছে ? এজত জ্ঞানপুর্ব । ব্যবকার্যে অভিসন্ধিবিহীন, সুষুপ্তি বােধ থাকে না, ঐ সুষুপ্তি ও স্বপ্নাবস্থায় যেমন সুষুপ্তি ও নিৰ্ম্মলচে ঃ সাধুপুরুষের সংশান্ত্রের অনুসরণই সাধুত’র প্রকৃত স্বপ্নবোধের বিপর্যয় ঘটে না, সর্গভ্রান্তি ও নির্বাণভ্রান্তিও তদ্রুপ, অর্থাৎ যাহার জগদান থাকে, তাহার নির্বাণান এবং যে অষ্টত্রিংশ সৰ্ণ সমাপ্ত। ৩৮। নির্ধাণ পদবীতে আরূঢ়, তাহার জগদবেধ কিছুই হইতে পারে । ফল কথা স্বপ্ন, সুষুপ্তি,সর্গ বা নির্বাণ কিছুই নহে, উহার। কেবল ভ্রান্তি স্বভাবম্বরূপ, বঃ সমস্তই একমাত্র সেই সত্য সনাল শান্তিময় ব্রহ্ম। ভ্রান্তি নিতান্ত অসত্য বস্তু, কারণ তত্ত্ব একোনরিংশ সর্গ। দৃষ্টিতে নিরীক্ষণ করলেই উহার আর উপলব্ধি হয় না, ফল যাহা বশিষ্ঠ বলিলেন রাম। সংসারভ্রান্তি-নিরাসক শুক্তিকাৰৌপ্যবং অলীক, তাহা কিরূপেই ব পাওয়া য ইবে, যাহা অকৃত্রিম ব্ৰহ্মস্থান সমুংপন্ন হয়, তাহার শাস্ত্রীয় ব্যবহারেও কোন পাওয়া যায় না, তার অস্তিত্ব যখন নাই বলিয় প্রধান তখন প্রকার সঙ্কল্প থাকে না, কারণ তিনি, সগল্পকেও হৃদ্গম্য করিতে ভ্রান্তির সদ্ভাব কিরূপে সবিতে পারে ? কারণ প্রকৃতকপে অসমর্থ এজন্য তাহার যে সঙ্কল তাহাও অসং। দর্পণে খাস- দর্শন করিলে ভ্রান্তিরও উপলব্ধি হয় ন', বস্ত্র ও যে বর যেরূপ জনিত মলিনতার জন্য ভ্রান্ত পুরুষেরই ভ্রান্তিজনিত অহন্তারূপ স্বভাব, তদ্ভিন্ন কিছুই কেহ অনুভব করিতে পারেন। কেবল মালিঙ্গ প্রাদুর্ভূত হইয়া থাকে। কিন্তু তত্ত্বজ্ঞ পুরুষের সেই বন্ধুর স্বভাবই সকলেরই রুচিজনক হয়, একমাত্র ব্রহ্মপ বসুর অহংজ্ঞান, বিনা উপায়েই বিনষ্ট হইয়া যায়, বিশেষ অনুসন্ধানেও স্বভাবই বিবিধ প্রকার না হইয়াও বিবিধরূপে বিকাশ পাইতেছে, তাহার উপলব্ধি হয় না। যাহার চিতাবরণ ক্ষয় প্রাপ্ত হয়, যিনি জানিব, এ বিষয়ে রথা তর্ক-বিতর্কে ফল কি? যাহা ছু সর্ববিষয়েই চেষ্টাবিহীন, তাঁহার আত্মা, সততই ব্ৰহ্মামৃতরসে দেখতেছি, তৎসমস্তই সেই চিন্ময় বন্ধের ভাসমাত্র বলিয়া পরিপূর্ণ, তিনি নিরতিশয় ব্রহ্মানন্দরূপেই বিরাজ করিয়া থাকেন। বুঝিতে পারিলেই পরম শান্তি, অন্যথা ভীষণ সংসার কেশ" অক্স- পুচি যেমন গগনমণ্ডলকে উদ্ভাসিত করে, তদ্রুপ, যাহার বুদ্ধিতে অন্তরে এইরূপ বিচার করিয়া যা লাল বের হয় কর। অন্তঃকরণ জ্ঞানজ্যোতিতে প্রদীপ্ত, যিনি সর্বপ্রকার সন্দেহৰূপ ১১-২০। সূক্ষ্ম বীজমধ্যে স্থূল ম রবং সূক্ষ্মতম অমূর্ত বন্ধে গতীর অন্ধকারময় মিহিকাঙ্গালের নিরাসকারী প্রচণ্ড সমীরণ- যে মুজগৎ আছে , মনীষিগণের এই কথাই উত্তম কথা । স্বরূপ, হা দ্বারাও অধিষ্ঠিত স্থান উদ্ভাসিত হইয়া থাকে। সলিলে দ্রবত্ববং রূপ, আলােক, মনন, বুদ্ধি ও অহঙ্কার দি সমস্যই যাহার সংসার ও সন্দেহ তিরে চিত্ত হইয়ছে সঁহার কোন ক্ষেতে ব্ৰহ্মৰূপে অবস্থিত বুঝিবে, বম্ব রূপৰি সকলই প্রকায় চিতাবৰণ নাই এবং যিনি ব্ৰহ্মজ্যোতিলাভ করিয়াছেন, সেই ব্ৰহ্মাকাশময়। মূৰ্ত্তন্তু যেমন স্বরূপ অবয়বচির দ্বারা সেই শরদাকাশবং নিৰ্ম্মলচতাঃ জানিব্যক্তিকে সাক্ষা, আত্মা বিবিধ 'ক্রয়ার অনুষ্ঠান করে, সংচিদাকাশও তদ্রুপ কামৰূপ ভূক্ত বলিয়া সকলে জানেন। সেই স সম্বন্স-লিহীন, নিরাপার, নিচয় দ্বার নানা কার্য করিতেছেন, কিন্তু বস্তুতঃ কিছুরই কর্তা শান্ত, শীতলকরণ জ্ঞানী পুরুষ, ব্ৰহ্মলােকাগত বায়ুর স্যায় নহেন। বাকপুরুষের চেষ্টা পরিচালিত হইলেই যেমন জড় সকলকে স্পর্শ করিয়া পবিত্র করেন। ভ্রান্তিময় অসজ্ঞানের বাদ্য যন্ত্র হইতে শব্দ নিঃসৃত হয়, তদ্রুপ তুমি-আমিও চিলাহ্মা- স্বভাবই এই যে, তাহাতে স্বপ্নাবস্থায় যার পুত্র দর্শনের ন্যায় থিষ্ঠিত বলিয়াই আমাদিগেরও অর্থ বালিযুক্ত অহমিত্যজি শব্দ অর্গাদি জ্ঞান হইয়া থাকে। এই জগৎ বস্তুতঃ অসত উচ্চারিত হইয়া থাকে। আপাততঃ প্রকাশমান আকিলেও ও- হইলেও ইহার যে অনুভূতি হইতেছে, ইহা কেবল অসভ্রান্তি সৃষ্টিতে যাহার অস্তিত্ব থাকে না, তাহার কখনই সত্তা নাই, সুতরাং আনেরই স্বভাব আনিবে। এই অসত্য সংসারে বঙ্গত তত্ত্বজ্ঞানের পুর্বে প্রতীয়মান হইলেও তজ্ঞানেলয়ে বন জগৎ বন্ধ ভিন্ন সত্যবন্তু কিরুপে সবিতে পারে ? অগং ও ব্ৰহ্ম ভিন্ন প্রতীত হয় না, তখন অখিল জগই যে ব্ৰহ্মময়, তাহার মুক্তিবােধক শব্দদ্বয়ই বন্ধ্যার পুত্র সন নিতান্ত অলীক। সংশয় কি? এজন্য একমাত্র ব্রহ্মই ব্রহ্মেতে অবস্থিত। যাহার ব্রহ্মরূপেই জগতের সত্যতা, বম্বত জগৎ কাহারও কর্তৃক নির্মিত জগৎস্বপ্ন সন্দর্শন করিছে, তাদৃশ স্বপ্নপুরুষগণের কালি নহে, উহা অচিন্তনীয় ও নিরাপার।১-১০। জাতের ব্ৰহ্ম আত্ম'তে অস্তিত্ব নাই, এ হার আকাশ-কুমৰং ব্ৰহ্মভূত রূপতা না হইলে আমিই বা কে, আর কিরূপেই বা জগতের অম্মাদির আশ্রয় গেনক্রমেই অবস্থিত নহে জানিবে।২১-২৬।
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ বায়ুতে স্পন্দনবৎ সেই সকল স্বপ্ন পুরুষ, স্বরূপ নিজ নিজ চত্বারিংশ সর্গ। জৎ ব্যবহারের সহিত অম্মানিতে টি অবশ্যই অবস্থিত, কেবল জড়াংশেই তাহাদিগের খপুপ অস্তিত্বের অভাব, বশিষ্ঠ কহিলেন,পণ্ডিতগণ রূপজ্ঞান, মনােবৃত্তি, ভাবনা, বুড়ি কারণ তাহারা ও তাহাদিগের তত্তদ্ব্যবহার উভয়ই শান্ত ব্রহ্মা- প্রভৃতি ইন্দ্রিয়জ্ঞানকেই এই কৃত্রিম বা আভ্যন্তর নিখিল বশর কাশময় , সুত্রাং প্রভগাত্মম্বরূপ আমাতে নিঃসন্দেহ সেই স্বরূপ বলিয়া জ্ঞাত আছেন। ঐ পরিচ্ছিন্ন অকৃত্রিম স্বরূপ ব্রহ্মের সত্তা আছে। তৎ স্বপ্নবৎ পুরুষের স্বপ্নবৎ ভাতিজ্ঞানে (জন) যখন নিজসত্তার তিরোধানকারী অবিদ্যারূপ অকৃত্রিম বশিরূপী আমিও ব্ৰহ্ম ব্যতীত অপর সত্য পদার্থ , কিন্তু আমি শরীরে (পরিচ্ছিন্নভাবে প্রকাশিত হন, তখনই এই সৃষ্টি ভ্রান্তির তদৃষ্টিতে দেখিতেছি, তাহারা আমার নিকট সুষুপ্তব্যক্তির স্বপ্ন গায় প্রতীত হইয়া থাকে। আবার যখন এই পরিচ্ছিন্নভাৰ সদৃশ নিতান্ত অসত্য, ব্ৰহ্ম ব্যতীত তাহাদিগের অপর সত্তা নাই। হইতে অপত হইয়া শান্তিময় নিজ স্বভাবে স্থিত হন, তখনই এই হাদিগের সহিত আমার যে কোন কাৰ্য ব্যবহার, তাহা আর অগংরূপ দৃশ্য সুষুপ্তিদশায় স্বপ্নের ন্যায় প্রশান্ত হইয়া যায়। হে কিছুই নহে, তাহা ব্রহ্মেতেই ব্ৰহ্ম অবস্থিত জানিবে, অর্থাৎ রাম। বিষয়ভােগ একটা সংসারের মহংনােগ, বন্ধুরাই দৃঢ় বন্ধন হারা, আমি ও ব্যবহার সকলই ব্ৰহ্মময়। তাহারা জগৎ যে- স্বরূপ, অর্থ কেবল অনর্থ ই ঘটায়, এইরূপ আপনা আপনি বিচার পেই দর্শন করে করুক, তাহাতে আমার কোন ক্ষতি বৃদ্ধি নাই, করিয়া পৰব্ৰহ্মে বিলীন হও। আত্মার অস্বাভাবিক অবস্থাই আমি স্থির দেখিয়েছি, আমি বশিষ্ঠরূপে ব্রহ্মে আমার সন্তা নাই , সৃষ্টি, স্বাভাবিক অবস্থাই বিশুদ্ধ চৈতন্য । হে রাম। তুমি অখিল জগৎই একমাত্র ব্রহ্মসত্তা, তাহাতে বশিষ্ঠ রামাদির পৃথক্ স্বাভাবিক অবস্থায় উপনীত হইয়। পকাশ হও। শান্তি- সত্তা নিতান্ত ভক্তিমূলক। তবে যে আমি বশিষ্ঠরূপে তােমায় লাভ কর, কথা কষ্টভােগ করিও না। ১৫। তুমি ভাবিতে উপদেশ দিতেছি, উহা কিছুই নহে, বহুত আমার বশিষ্ঠরূপ থাক ‘‘আমি আপনাকে বুঝিতে পারিতেছি না , দৃশ্য জগন্দ্রমও ও এই উপদেশ বাক্য, ব্রহ্মেরই বিবৰ্ত্তমা, তােমারই উপকাৱাৰ্থ দেখিতে পাইতেছি না, আমি শক্তি ব্ৰহ্মে প্রবিষ্ট হইতেছি, যেন উহা তােমার নিকট পৃথকৃরূপে সমুদিত হইতেছে। যিনি আমি নিজেই নিরাময় ব্রহ্ম। হে রাম। তুমি দেখিতেছ সবই দুঃখাদি অখিল বি বন্ধুকেই অবিদ্ধ বলিয়া মনে করেন,- তুমি, কেষল ‘তুমি' শব্দেরই ছড়াছড়ি , কিন্তু আমি দেখিতেছি সব অর্থাৎ মার সুখদুঃখাদি কিছুই নাই, যাহার আত্মা শুদ্ধ সংকি শান্তিময়, কেবল পরম কাশ, ইহাতে তুমি আমি ভেদকিছুই স্ময়, নেই তন্তু ব্যক্তির হৃদয়ে ভেগেচ্ছা বা মােক্ষে কিছুই নাই। তুমি, অনিলে স্পন্দধ-র ন্যায়, পরমাকাশরূপী ব্রহ্মেই ফুরিত হয় না। ২৭-৩১ মানবগণের যে সংসার বনরূপ ও এইরূপয়সাদি মনােময় বিভ্রম সকল দেখিতেছ, বােধ করিতেছ মােক্ষবিষয়ক ক্রমাভ্যাসরূপ কর্ণনা উহাও ব্ৰহ্মব ভিন্ন কিছুই উৰ যথাৰ্থ, ফলে উ কিছু নহ। যিনি আপনাকে ব্ৰহ্মরূপে নহে, মােহবশতই তোমার ঐরূপ বিভিন্ন বােধ হইতেছে, বস্তুতঃ জ্ঞান করেন, তিনি এই সৃষ্টিপ্রপঞ্চ অনুভব করেন না, যিনি তােমার ঐ ভ্রান্তি, গোষ্পদে মহাসাগর-ভ্রান্তিৰং নিতান্ত অসত্য। আপনাকে সৃষ্টিময় ভাবেন, তিনি ব্ৰক্ষ জানিতে পারেন না। সংসার-কেশের শান্তি, স্বীয় ব্রহ্মভাবের সাধক-মােক্ষবিষয়ে সুষুপ্তি দশাগ্রস্ত ব্যক্তি স্বপ্ন দেখিতে পান না সুপ্ত ব্যক্তিও কি বিপুল ঐশ্বৰ্য্য, কি বন্ধুবান্ধব, কি যাগ-যজ্ঞাদি কাৰ্য, কিছুই সুযুদশ অনুভব করিতে পান না। যিনি প্রশান্তবুদ্ধি ও প্রবুদ্ধ কোন উপকার করিতে সক্ষম নহে। উচ্চস্থান হইতে জল হইয়াবমুক্ত হইয়াছেন, তিনি জাগ্ৰৎ ও স্বপ্ন অবস্থার ন্যায় ব্রহ্মও পতিত তৈলবিন্দু যেমন নানাবর্ণের চাকার ধারণ করে, সেইরূপ অগতের স্বরূপকে একমাত্র প্রকাশরূপে অনুভব করেন। ৬-১০। একমাত্র ব্রহ্মচিংই চেত্যবস্তুৰ সংকল্পবশতই ত্বরায় জগৎরূপে যিনি প্রকৃতজ্ঞান লাভ করিয়াছেন, তিনি সমস্তই একমাত্র আত্ম- প্রকাশমান হইতে থাকে। জাগ্রং অবস্থায় স্বপ্নরান্ত স্মরণ স্বরূপ বলিয়া জ্ঞান করেন। বিশুদ্ধাত্মা যােণী শরৎকালে মেষ- করিলে উহা যেমন হাঙ্গোদ্দীপক অলীক বলিয়া বিবেচিত হয়, মালার ন্যায় ক্রমে শান্তিলাভ করিয়া থাকেন। যেমন স্মৃতি বা বিবেকবান পুরুষের নিকট অহংত্ব ও জগজালও সেই প্রকার। কঙ্গনাপথে বর্তমান যুদ্ধ ব্যাপার উদ্দীপক হইলেও ফলে কিছুই পূৰ্মোক্ত ভূমিকাভ্যান যােগ দ্বারা ঐ জগজ্জাল এরূপ ক্ষয়প্রাপ্ত নয়, ভ্ৰমমাত্র, সেইরূপ তুমি আমি ইত্যাদি জাগতিক ঘটনাও হয় যে, তখন আর আমি বা সার কিছুই থাকে না, কেবল ভাস্তি বলিয়া জানিও। পরিদৃশ্যমান এই মায়া , ইহা আত্মাতেও একমাত্র ব্রহ্মই অবশিষ্ট থাকেন। স্বীয় ব্ৰহ্মভাবরূপ অর্ক, যেরূপ নাই, ইহার ব্রষ্টাও কেহই নাই, ইহা শূন্যও নহে, অশুন্যও উদিত হয়, তােগান্ধকারও সেইরূপ অন্তর্হিত হইয়া থাকে। নহে, এমন এক অদ্ভুত প্রকার ভ্রান্তি। তখন আর কোন প্রকার অসদৰই অনুভূত হয় না। এইরূপে চতুরিং সর্গ সমাপ্ত ৪০ ভােগবাসনারূপ তিমিরজাল তিরােহিত হইলে বু্যাদি ইন্দ্রিয় নিচয়ও মােহ ও স্থূল দেহানির অধ্যাস হইয়া থাকে এবং প্রদীপ্ত ব্ৰহ্মজ্ঞানে এরূপ ফুরিত হইতে থাকে যে, সমুজ এচত্বারিংশ সর্গ। পাপ হইতে এত লােকবং সর্বস্থান পরিব্যাপ্ত করিয়া এক ভাবে দেদীপ্যমান হয়। ৩১-৩৮। বশিষ্ঠ কহিলেন,—“হে রাম। তুমি আমি ইত্যাদি প্রকার আর অস্বাভাবিক অবস্থাকে আত্মার স্বাভাবিক অবস্থায় উপনীত একোনমিং সর্গ সমাপ্ত। ৩১। করিয়া নির্বাণ করিয়া দণ্ড। ইহাকে নির্বাণ করা প্রলুবুরিই কাৰ্য ,কারণ বুদ্ধবুদ্ধি যেখানে, বিয়ের প্রতি বৈরাগ্যও সেই খানে, সূৰ্য যেখানে, আলােকও সেইখানে; বিষয়ের বৈরাগ্য যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ ৬ হইতেই আত্মার অস্বাভাবিক অবস্থায় নিবৃত্ত হইয়া থাকে। এই যথার্থ দেখিতে গেলে ইহা সেই অব্যয় শান্তিময় পর্যন্ধ। জগৎ একটা অদ্ভুত চিত্র, ইহার অধার নাই, া নাই, উৎপত্তি- বিরহিত জর অনাময় এক ঐ ৰহ্মই (ভাতি- সংগ্ৰহণীয় উপকরণ নাই, কারণ নাই; দ্রষ্টা নাই , রূপও | বণে সর্বদা উৎপত্তি-বিলাশ-সঙ্কুল উজল বিভিন্ন কাল্পনিক নাই , অথচ ইহা আপনা আপনিই প্রতীয়মান হইতেছে, জগপে প্রতীয়মান হইতে থাকেন। হে রাম। অজ্ঞান প্রকৃত পক্ষে ইহা কিছুই নহে, কিছু প্রতীয়মান হইতেছে না, হইলে আকাশে প্রতীয়মান কেশগুচ্ছের ন্যায় এই সমস্ত অনাময় অব্যয় পরাহ্মই শান্তিময় নিজসভায় অবস্থিত করিতে প্রপঞ্চ বিলীন হইয়া যায়, তখন কেবল ব্ৰহ্মই স্বকীয় স্বভাব ছে। আকাশে চিবৈচিত্ররূপ জীষগণের কল্পনারূপ নৃত্যমগুপে প্রাপ্ত হইয়া প্রশান্ত মন চিনাকাশরূপে প্রতীত হইতে নানারঙ্গে রঞ্জিত কত যে অগংরূপ চিত্ৰপুত্তলী নৃত্য করিতেছে, থাকেন। ১৬-২৩। হাকে গণনা করিয়া উঠিতে পারে ? আকাশরূপী ঐ ভদ্রুপ একচত্বারিংশসা সমাপ্ত। ০১। চিত্ৰপুত্তলিকা সকল পরমাণুৰ আকাশমধ্যে নানারস ভাৰ বিকার দেখাইয়া নৃতভাবে নৃত্য করিতে থাকে। ব্ৰহ্মলোক ঐ চিত্র- পুত্তলিকার গ্রীবদেশ, দিগুন উর ভুলতা, পাতাল উহার | হিচত্বারিংশ সগ। চরণ, নিখিল ঋতু (ঋতু কুমনিচষ) উহার শিরােভূষণ বশিষ্ঠ কহিলেন-শাতিময় কূটন্থ আত্মায় প্রথমে যে চিত্তৰৎ কুমমালা। চন্দ্র সূৰ্য্য উহার চঞ্চল নয়ন -সর্বদা ঘূর্ণিত হই প্রকাশ (সৃষ্টির প্রারম্ভে হে চিতভাবস্ফুরণ), অহা প্রকাশময় তেছে , নক্ষত্রনিচয় উহার গাত্রদলাম , সপ্ত লােক উহার চিমত্মা হইতে ভিন্ন নহে। কারণ, তাহাতে নামরূপ উপাধি দেহলতা, নির্মল আর উহার বসন, সমুদ্র উহার লয় , কিছুই নাই; তাহা পরব্রহ্মের শায়ই নিৰ্ম্মল , এই চিত্তের লোকালােক পৰ্বত উগর কাপৗদাম, ভৌতিক শরীর রক্ষার অধীন এই জগৎও উক্ত চিৎ হইতে পৃথক্ নহে, সুতরাং সৃষ্টি নিমিত্ত ইতস্তত ধাৰন জীবগণ উহার নিঃশ্বাস-বায়ু, কন প্রভৃতির সম্ভাবনাই বা কোথায় হইবে ? চিত্তরূপ অদিত্যের উপবন উহ, হা-কেয়ভূষণ, বেদ পুরাণ উহার বাক্য, সং ও আগমনে কুটন্থ প্রত্যক্ত আকাশে মরীচিকা মের ন্যায় এই যে অসং কর্ণের ফলস্বরূ। সুখ ও দুঃখ উহার বিলাস। ১-১০। বাহরূপাদি সংবি প্রতিভাত হইতেছে, ইহা উক্ত চিত্তরূপ সম্মুখে এই যে জাদ্ধপ পুলি চার নৃত্য দৃষ্ট হইতেছে, ইহা | সূর্যের সঙ্গে সঙ্গেই অন্তগমন করিয়া থাকে। যতক্ষণ চিত্ত, ব্ৰহ্মরূপ বাবর দ্রব , ব্ৰহ্মরূপ বায়ুর স্পন্দন । নিদ্রাবস্থায় সুষুপ্তি ততক্ষণ এই জগৎ , সুতরাং চিত ব্রহ্ম হইলে জগৎকেও ব্রহ্ম না হওয়া যেমন স্বপ্নের কারণ , সেইরূপ অস্বাভাবিক অবস্থায় বলি মানিয়া লইতে হইবে। বায়ুব স্পন্দ কাহারও সাহায্য অবস্থিত চিৎকেই ঐ নৃত্যের কারণ বলিয়া শ্রুতিতে উল্লিখিত ব্যতীত নিজেই হইতে থাকে। সূষ্টাদির প্রভা যেমন কাহারও হইয়াছে। অএ হে রাম। তুমি চিতির প্রকৃত-স্বভাব চিন্তা সাহায্যাপেক্ষী না হইয়া আপনিই চতুর্দিকে ছড়াইয়া পড়ে, সেই করত জাগ্র অবস্থাতে ও অজ্ঞানের বিনাশ হওয়ায় অনুপ্ত রূপ এই জগৎ পরব্রহ্মে আপনা আপনিই প্রতীয়মান হইছে। এবং নিখিল দ্বৈতভাবের উপশম হওয়ায়, সুষুপ্ত হইয়া অব্যগ্রভাবে জলের যেমন দ্রব, আকাশের যেমন শূন্য, বায়ুর যেমন অবস্থান কর, কখন আর এই স্বপ্ন দেখি না। অজ্ঞান স্পন্দত্ব, তদ্রুপ এই জগং ঐ আত্মারই অপু বিবৰ্ত্তন। অখণ্ড হওয়ায় জাগ্রণবস্থাতেও বাসনাও বিষয়ানুরাগশূন্য হইয়া মুসুপ্ত চৈত্যরূপ অথও আকাশে এই যে জগৎ প্রতীত হইতেছে ব্যক্তির ন্যায় যে অবস্থান তাহাকেই তত্ত্ববিদগণ আত্মার স্বভাব মন্দির নির্মলতার স্যায় চৈতরেই চৈতন্যভাব ফুরিত হইতেছে। বলিয়া থাকে, সেই স্বভাবই আত্মার মুক্তি (বন্ধন মােন)। -৫। জলে যেমন দ্রব, আকাশে যেমন শূন্যত্ব, বায়ু ফোন সেই স্বভাবে প্রতিষ্ঠিত হইতে পারিলে জগদ্ধপে অবস্থিত ব্ৰহ্ম | স্পন্দ, মহাচৈত তেমনিই এই জগৎ। বায়ু যেমন স্পন্দকে কর্তা, কর্ম, করণ, দ্রষ্টা, দৃশ্য, দর্শন, রূপ, আলােক ও অনল এই! আপনার স্বরূপ বলিষ্মা জ্ঞান করে, সেইরূপ ঐ চিৎ জগংকে সকল ভাৰ হইতে শূন্য বিশুদ্ধ কেবল রূপে অবস্থিত আছেন বলিয়া আত্মস্বরূপ বলিয়াই অনুভব করেন। ইহাতে একত্ব দ্বিত্ব প্রভৃতি বােধ হইবে। ১১-১৫। তখন বােধ হইৰে যিত্ব-একত্বতি পার্থক্য কিছুই নাই। যখন বিবেক থাকে না তখন এই জগৎ পূর্ণ কমনীয় বিশুদ্ধ ব্রহ্মে বিত্ব একত্ববিবর্জিত পূর্ণ কমনীয় ব্ৰহ্মই। উজ্জ্বল বেশে আসিয়া উপস্থিত হয়, যখন বিবেকের আবির্ভাব অভাবে বিরাজ করিতেছেন। সৃষ্টিস্বরূপে অবস্থিত সত্য বন্ধ হয়, তখন ইহা ভঙ্গুর বলিয়া প্রতিপন্ন হয়, অজ্ঞান হইলে এশ সত্য আত্মরূগেই অস্থিতি করিতেছেন, তিনি পাষাণ- এই জগতের সত্তা কিছুই থাকে না, তখন একমাত্র অবিনাশী বিরের ন্যায় অতি কঠিন, আকাবিরের ন্যায় প্রকাশমন | সবাই পরিশােধিত হয়। মহাচৈতন্যরূপী অনাদি অনন্ত (অনাবৃত, স্বত্বের মধ্যভাগে চায় ধন (কঠিন) হইলেও বিশুদ্ধ জ্ঞান ব্যতিরেকে আর কিছুই নাই, ইহা ভালরূপে বিচার আকাশের ন্যায় আকাশময়। জলাপি চাদির প্রতিবিম্বের করিয়া দেখা গিয়াছে; এই মহাচৈতকেই কেই শান্ত শিষ, আয় (জগদূতাৰে পৰিণত হইয়া) ক্ষুব্ধ হইলে অক্ষুব্ধ, অসৎ কেহ শাখত ৰক্ষ, কেহ শূ, কেহ বা জ্ঞধিস্বরূপ বলিয়া কীর্তন (ভঙ্গ)হইলেও (সৎ নিত্য ৰন্ত)। তখন চিত্ত হাতে করিয়া থাকেন। ঐ অনন্ত আত্মচৈতন্য আপনাকে চেত্যরূপে মিশিয়া যাইবে, জগৎ তখন কনার বস্তু বলিয়া বােধ হইৰে। ভাবনা করিয়া নিজ স্বৰে অবস্থিত থাকিলাই অভাব বাৰিকও সাজনগর যেমন সঙ্কজ হইতে জি নহে, সেইরূপ এই প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। এই যে ধ্যন্ত (কলনাসভূত) বহুসমুহ এপ আগস (এডিবি) ঐ পযার্থ ব্ৰহ্ম হইতে ভিন্ন চৈতলেই ইহার ফুর্তি, এইজন্য চিৎসা ব্যতীত ইহার নহে,এই এ চক্ষুর (চৌক) সুষণ পাঠের ফায় সর্বাবক পৃথকা নাই। শলের কারণ বায়ু ব্যতিরেকে যেমন আর কিছুই শ বিস্তৃত আকারে ললিত হইলেও একপক্ষে কিছুই নহে, নাই,সেইরূপ চিতির সভা ব্যতিরেকে চিন্ত্রেও চিত্ততা নাই।
নির্বাণ-প্রকরণ-পূর্বভাগ সৃষ্টিভ্রান্তিতে যে সস্তা এভীত হয়, তাহাও ঐ ব্ৰহ্মসারই প্রদান করিয়া থাকেন। এই আত্মপুর কাছে ক্ষুদ্র-ই- এধীন। পত্ৰহ্মের সাতেই এই জগমের সত্তা, তাহার প্রভৃতির পুজা জীর্ণ তৃণকণার ন্যায় অতিতুচ্ছ (কোন কাত্রেই সত্তা হইতে বিচ্যুত হইলে, ইহা অসৎ, শাস্ত্রেও এই কারণে নহে)। হে স বাে। পরমেশ্বর আর কেহই নহেন, জগদমকে সং অসং দুইই বলা হইয়াছে। যদি চিভির এক পরমেশ্বর, এই আত্মরূপ পরমেশ্বরকে বিবেক, সংসদ ও জড় পদার্থের দ্বিত্ব উক্ত চিতির সভায় স্বই ফুরিত না শমরূপ পুলােহার আত্মা পূজা করিতে পারিলে ইনি সদ্য মােক হইত, তাহা হইলে কূট অথচিদাকাশে একত্ববিদ কে বল প্রদান করিয়া থাকেন। ৬-৩০। বার্থবন্তু চিনি কল্পনা করিত? কে স্বকীয় সভা প্রদান করিয়া প্রকাশ করিত। পারিলেই দেখিতে পাইলেই এই আত্মদেবের পূজা করা হয় কারণ জড়পদার্থের মধ্যে এমন কোন পাই নাই, যাহা দ্বারা সেই পূজাতেই ইনি সর্বোৎকৃষ্ট ফল প্রদান করিয়া থাকে। ঐরূপ এক বিবৃতিপাদন সম্ভবপর হয়। ফলতঃ বিষ ও যেখানে আত্মের বিরাজমান, কোন মুঢ় সে স্থানে অন্যদেবতা পরমকাণ চৈতন্যের প্রভেদ কেবল নামমাত্র, বাস্তবিক নহে, স্থাপন করিয়া পুজা করিতে যায়। যে ব্যক্তি সৎসঙ্গ, সন্তোষ ও স্পন্দ ও বায়ুর পার্থক্য যেমন কেবল স্পন্দ ও বায়ু এই শব্দভেদে, শান্তি দ্বায় আত্মদেবের পুজা করিতে পারিয়াছে, তাহার নিকটে অর্থঃ পার্থক্য নাই, অৰ্থত বায়ু ও স্পন্দ একই, সেইরূপ এই সপবিষ, অনল ও অস্ত্র শিরীষকুনুষের ন্যায় কোমল-অর্থাৎ বিশ্ব ও বিশ্বের পরমাত্মার প্রভঙ্গ বাস্তবিকই অসৎ। একমাত্র এ সকল বিপত্তিতে তাহার কিছুই হয় না। যাহাদের বিবেক মহাচৈতন্যই সং, তাহাতে দ্বিতীয় ভাব একেবারেই অসম্ভব। নাই, তাহারা দেবাচ্চলা, তপস্যা, তীর্থাত্রা ও কানাদি সৎক এই মহাচৈতন্যই বিশ্বের ন্যায় প্রতিভাত হইয় থাকেন, বাস্তবিক করিলেও তা উম্মে ঘৃতাহুতির ৪ায় নিল হইয়া থাকে। বিশ্বনামে কোন পদার্থই নাই। সুবর্ণে যেমন কটকভাবের একমাত্র বিবেক থাকিলে ঐ সমস্ত কৎকর্মের সুফল প্রাপ্ত পার্থক্য কখনই কোন সুলেই সত্য বলিয়া গৃহীত হয় না, হওয়া যায়, অতএব যথার্থ বস্তু অবগত হইয়া বাসনার হ্রাস সেইরূপ পরহ্মে দেশকালের অনুরে ধেই বিশ্বের পার্থক স্বীকার করত বিবেক সেবা করিতে এত কুণ্ঠিত হয় কেন? কি অদ্ভুত করা যাইতে পারে না। সুতরাং জগৎ ও পরব্রহ্মের দ্বিত্ব একত্ব মােহ। ৩১-৩৫। নিষ্কামভাবে যাগযজ্ঞাদি কর্ম করিয়া চিত্তকে যখন অসহাৰি তখন ইহাতে কাৰ্যকারণভাবও কিরূ প প্রসন্ন করিতে পারিলে বিবেক নামক সৰু পুরুষ আপনিই হইবে ?১৩-১। যদ কাৰ্য্যকারভাব থাকে ত তাহা কল্পনা হইয়া থাকে। অন্তঃকরণে বিবেকের উদয় হইলে সেই উদিত বাতীত আৰু কিছুই না , আকাশের যেমন শূন্যত্ব এবং জলের বিবেককে শান্তি থা” দ্বারা বর্ধিত করা কর্তব্য। যাহাতে যেমন বউ, আকাশ ও আল হইতে ভিন্ন নহে, সেইরূপ ঐ বাহ-ভাগবিলাসের প্রলােভনে উদীয়মান বিবেক শুষ্ক হইয়া না কৰ্য্যকাণভাব উক্ত পরমব্রহ্ম হইতে ভিন্ন নহে। আকাশের নীলিমা যায়, তাহার চেষ্টা করিতে হইবে। পরমার্থ বদর্শন করিয়া যেমন আকাশ হইতে ভিন্ন নহে, সেইরূপ এই অগৎ বন্ধ দেহের সভার প্রতি অনাস্থা করিবে, একমাত্র আত্মার সাতেই হইতে ভিন্ন নহে। ব্রহ্মও যেরূপ, অসৎও সেইরূপ, ইহাতে আস্থাবান হইবে। লজ্জা, ভয়, বিষাদ, ঈ, সুখদুখ সমস্তকেই আবার ছিত, একত্ব কোথায়? আ'শের নীলিমা যেরূপ, এহ্মের এককালে পরা করিবে। দেহের সম্ভার আস্থা হইতে জগদ্ভাবও তদ্রুপ , একমাত্র বিস্তৃত সর্বময় চিদাকাশে এই হইলে এইরূপ তাৰিত হইবে, জগৎপ্রভৃতি ও শরীর প্রভৃতি নখল প্রপঞ্চই শৃঙ্গ। পাষাণময় পুত্তলিকায় যেমন পাষাণত্ব, দৃশ্য পদার্থ প্রথমেই যখন ছিল না, তখন আজ আবার আহা এই জগৎ প্রপঞ্চেও তেমনি চিকাৰ। ফলত এই উভয়ের কাৰ্য কোথা হইতে আসিবে? বদিচ কারণমাত্রেরই কাৰ্য আছে। কারণ ভাববৈচিত্রা কিছুতেই সস্তাৰিত নহে। আকাশে অর্থাৎ ব্ৰহ্ম যখন কারণরূপে বিদ্যমান, তখন ইহার কাৰ্য অনাকাশৰ কি কখন সম্ভবপর হয়? মহাচৈতে এই জড়স্থষ্টি জগৎও সিদ্ধ আছে, অথাপি তাহাত উক্ত কারণ হইতে ভিন্ন ভ্রান্তিবশত প্রতিভাত হয় মাত্র, বাস্তবিক সত্য নহে। হে নহে, উহা ঐ ব্ৰহ্ম হইতে পৃথক নহে। উহা সেই সাবধা। পাষাণের উপরে খােদিত পুত্তলিকা যেমন পাষাণ ব্যতীত নিৰ্মল ব্রহ্মেরই প্রকাশ, খাদি বন্ধ যেমন জ্ঞান হইতে পৃথক আর কিছুই নহে, সেইরূপ এই বিশ্বকে ঐ যথান্বিত পরব্রহ্ম হইলে অজ্ঞায়মান অবস্থায় থাকিলে অসৎ হইয়া পড়ে (অর্থাৎ বলিয়া জানিতে পারিলে উহা (বিশ) বিপ্রাপ্ত হইয়া যায়। চকু আছে বলয় প্রকাশ পায় না)। সেইরূপ এই অগৎও জ্ঞান মুদ্রিত করিলে যেমন বাহৰন্ত কিছুই দেখা যায় না, সেইরূপ কাষ্ঠ- হইতে পৃথক্ হইলে আয় প্রকাশিত না হওয়ায় অস্তিত্বহীন পাষাণবৎ নিশ্চেষ্ট হইয়া সমাধিমগ্ন হইলে ব্ৰহ্ম এই সংসারগাৰ হইয়া পড়ে। সুজাং নিখিলজগৎ ঐ প্রকাশ-চৈ (চিলা- বিলুপ্ত করিয়া নিজস্বতাৰে অতি রহিয়াছে বলিয়া বােথ ভাস) মাত্র। ঐ একা-চৈতন্যও যথার্থ বিশুদ্ধ চৈ নহে, হইবে। ২১২৫। স্বপ্নদশায় দৃষ্টবদ্ধ সকল আগ্রাবস্থায় যেমন উহা আত্মতত্বের প্রতিবিম্ব মাত্র ; বিশুদ্ধ প্রত্যক্ত চৈপে অলীক হইয়া যায়, চকু মুদ্রিত করিয়া জানালে দৃষ্টবস্তু যেমন পরিজ্ঞাত হইলে উহাও প্রশান্ত হইয়া যায়। ৩৬। চক্ষু উন্মীলিত করিলে সৰুখে দেখিতে পাওয়া যায় না, অলীক এইরূপে বের অভাব হইলে প্রতিৰিৰ হইতে পৃথককৃত বলিয়া বােধ হয়, এই ৰাহৰণ সেইরূপ অলীক বলিয়া হইয়া একমাত্র বিও চিই বিদ্যমান থাকে; সেই বিত ভবন' কষ্টিয়া সেই ভাবনাও পরিত্যাগপূর্বক পাষাণের স্থায় অচল চিৎই অখও নিত্য; তাহার শারীরদি কিছুই নাই, তিনি হও, এবং অন্তরে চিনের হইয়া থাৰে সমভাবে অবস্থান শান্তিময় হাতে জ্ঞান--প্তি কিছু নাই। তিনি পাষাণের ফর। এইরূপে বিবেক উপহার দিয়, যেরূপ উপকরণ ব্যয় অল। হে সভ্যগণ! তােমরা সকলেই শান্তচিত্ত জুটিৰে, তাহাই উৎসর্গ করিয়া পরম আত্মাকে পূজা কৱিৰে। হইয়া সেই বিশু চিপে তিতি ও পাষাণময়ী পূমিকায় স্বীয় আত্ম বিবেক যায়। পুজিত হইলে পূর্ব আনরূপ ৰৱ অায় নিশ্চল হইয়া অবস্থান করিতে থাক; যদি কেহ ভােষা- :: বােগবাতি রামায়ণ দিকে চালিত করে, তবে চলিত হই। নতুবা একভাবেই খ্রিচারিং সর্গ। থাকিও। তােমাসের জন্য সত্য আকুতি আপলের অঙ্গে তােমরা সৎ অসৎ উৎকার সররূপে অবস্থান কর। বণিষ্ঠ কহিলেন, এত পরিজ্ঞাত হইলে অহাৰ, অগৎ তােমরা সারভূৰি স্পর্শ না করিয়া একাকোষের তার বিশদ ও নিখিল ভােগ্য বস্তু সমই অসত্য হইয়া যায়। মূঢ়গণ হইয়া অবস্থান কর। যাহারা যথার্থ জ্ঞানী, তাঁহার এইরূপই ভোক্তা ও ভোগ্যের পরস্পর সম্বন্ধ অনুভব করিয়া, মােহবশতঃ হইয়া থাকেন। তাঁহাত্মা আবশ্যকীয় নিত্যকমাত্র সম্পাদন সেই অনুভবকা বলিয়া ভােতাকেই আত্মা বলিয়া থাকে। করেন। ইচ্ছাপূর্বক কোথাও গমন বা কোখাও অস্থিতি যথার্থ জ্ঞানে তাহাকে আত্মা বলে না, ফলতঃ (বাস্তব জ্ঞানে) করেন না। আবশ্যকীয় উপস্থত নিকর্মের অঙ্গ যে টুকু গতি আত্মভোক্তা নহেন, ব্ৰহ্মই আত্মা। যখন দেখিবে ভেগসলিল বিধি করিতে হয়, তাহাই করেন। অথবা হে সক্ষসগণ । ভাল লাগিতেছে না, তখনই বুঝিবে অজ্ঞনজর ছাড়িয়া গিয়াছে, তােমরা সব ত্যাগ করিয়া প্রশান্তচিত্তে চিত্রিত পুত্তলিকার ন্যায় অন্তঃকরণ জানে শীত হইয়াছে। বাচ্যবাচক ভম লইয়া নিনে সমাধিমগ্ন হইয়া অবস্থান কর। ৪৫। সমাধি আলােচনা করাতে কোন ফল নাই, যাহা প্রকৃত নির্বাণ, হাতে সময়েই হউক আর ব্যবহারদশাতেই হউক, যখন পুরুষ অহংজ্ঞান একেবারে নাই, অতএব বাচ্যবাচক (নাম রূপ বিষয় ) বচ্ছিন্ন ভাবে আত্মজ্ঞান লাভ করিতে পারে, তখন তাহার পরিত্যাগ করিয়া নির্বাণেরই ভাবনা করিতে থাক। স্বপ্নদৃষ্ট নিকটে এই জগৎ সঙ্কলপুরীর ন্যায় এবং স্বপ্নের ন্যায় প্রতীয়মান পদার্থসকল স্বপ্ন বলয় জানিতে পারিলে, যেমন আনন্দন হইয়া ক্ৰমে একেবারে অস্তমিত হইয়া যায়। তাহার পরে করিতে সমর্থ হয় না, এমন কি অস্তিত্বই থাকে না, সেইরূপ আত্মসাক্ষাৎকার প্রাপ্ত হইয়া যােগী চমুস্মন্ লােকের জ্ঞানের যখন পরমার্থস্বরূপ ব্রিজ্ঞাত হওয়া যায়, তখন এই অহংজ্ঞান ও কায় প্রত্যক্ষভাবেই পূৰ্ণানন্দ অনুভব করিতে থাকেন। জগং রুচিকর বলিয়া বােধ হয় না, অসভ্য বস্তু বলিয়া স্থিরীকৃত ব্যক্তি কেবল কতিপয় মােকতিপাদক বাক্য শুনিয়াই আমি হয়। মায়াবী ঝরু যেমন মায়াবলে আপনার অধিষ্ঠিত কক্ষের ভজ্ঞ হইয়াছি” এই বলিয়া মূঢ়লােকের নিকটে অন্ধ ব্যক্তি উপরে অসত্য আত্মীয়স্বজন ও গৃহ দর্শন করে, সেইরূপই জীব কর্তৃক রূপ বর্ণনের স্থায় মেকের কথা বর্ণন করত অন্তরে মান এই সংসার খর্শন করিতেছে। ১-৫। ভ্রান্তিকল্পিত যক্ষ ও যক্ষ অপমানাদি দ্বারা দগ্ধ হইতে থাকে, প্রকৃত জ্ঞানীর ন্যায় পুরীযেমন কল্পনাকারীর নিকট সত্য বলিয়া প্রতী হইলেও শাস্তিমুখ কদাপি প্রাপ্ত হয় না। কোন কোন অলোক তাহার মিথ্যা, এই জগৎ ও অহাৰও সেইরূপ মিথ্যা বলিয়া জুন উপদেশকে যথার্থ জ্ঞানগর্ভ মনে করিয়া সেই অসৎ উপদেশেও কৰিবে। অন্ধকারে উন্মুক্ত প্রান্তরে যেমন এতিময় যক্ষ দৃষ্ট হয় কুর্থ (সফলমনােরখ) হইয়া থাকে। বাস্তবিক কৃতার্থ না সেইরূপ আবরণশূন্য অনন্ত পরমপদে দুর্দশ ভুবনের চতুর্দশ হইলেও মূর্খতাবশতঃ কৃতার্থ হইলাম বলিয়া মনে করিয়া থাকে। প্রকার জীব অজ্ঞানবশে প্রতিভাত হইয়া থাকে। ৬-৮। উন্মুক্ত ফলে কিছুক্ষণ পরেই সেই অলােকের উপদেশ মত সুফল না প্রান্তরে ভাবিশেই যক্ষের প্রতীত হইতেছে, ইহা বুঝিতে পাইয়া বাস্তবিক যে কৃতার্থ হই নাই, তাহা বুঝিতে পারে। পারিলে যেমন আর যক দেখা যায় না, অলীক হইয়া যায় , মুখলােকের কল্পিত উপদেশে লোকে কৃতার্থ হইবেই বা কেন? সেইরূপ অহংজ্ঞানকে ভ্রম বলিয়া বুঝিতে পারিলে, চিও যথার্থ বুধগণকল্পিত উপাকে উপায়ই বলেন না, কারণ তাহতে চিংস্বরূপে পর্যবসিত হইয়া যায়। হে রাম! তুমি এই কল্পনা নিমেষমধ্যে ভাব-অভাব ভ্রান্তিনি দুঃখ আরও বাড়িতে পরিত্যাগ করিয়া সমস্ত ইচ্ছা হইতে বিরত হইয়া আদান- পারে। জগৎকে ভ্রমরূপে পরিজ্ঞাত হইয়া নিখিলবিষয় বাসনা বির্জন বুদ্ধি পরিত্যাগপূর্বক শান্ত চিৎস্বরুপে অবস্থান কর। পরিত্যাগপূর্বক সমাহিত হইয়া অবস্থান করাকেই বুধগণ নির্বাণ যথার্থ বিবেচনা করিয়া দেখিলে, দৃশ্য একেবারে অনী, যাহাকে শবে অভিহিত করিয়া থাকেন। ৪৬-৫১। হে রাম। আমি মূলােকে দৃশ্য বলিয়া মনে করে, তাহা অষ্টাও নহে , দ্রষ্টা সেই তােমাকে যাবৎ যা উপদেশ করিয়া আসিলাম, ইহা যদি নির্মল চেস্য , বৃথা কেন একটা অলীক বলপূর্বক সিদ্ধান্তে গলের ন্যায় কতি মনে কর; তাহা হইলে চিপ-সলিলের আনিছে। দৃশ্য বাস্তবিকই নাই; যেরূপ বসন্তঋতুর সরসভাবই সন্ধানই পাইবে না, সম্মুখে জগদ্ধপ মরীচিকা দেখিতে বাসন্তিক ফল, পুল, পল্লবঙৰ ধারণ করে, সেইরূপ একমাত্র পাইবে। যদি আমার উপদেশ একাগ্রভাবে শুনিয়া যথার্থ মনে নিজস্বজৰে পূৰ্ণ চিৎই সৃষ্টিভাব প্রাপ্ত হন। জগৎ নামে যাহা কিছু করিয়া, প্রত্যকৃষ্টিতে অজের নির্মল জ্ঞানস্বরূপের সাক্ষাৎ এতিলত হইতেছে, ইহা বিশুদ্ধ চিত্রেরই অনুভবমাত্র। ইহাতে করিতে পার, তবেই ঠিক নির্বাণ প্রাপ্ত হইবে। আম্মা বিত্বই বা কি? আর একই বা কি? এ সকলের প্রতি দৃষ্টিপাত ব্যক্তির কেবল উপদেশের উপর নির্ভর করিয়া যে জ্ঞান, তাহা না করিয়া তুমি নির্বাণ হইয়া অবস্থান কর। চিন্ময় আকাশ হও, জ্ঞানই নহে, কেননা প্রত্যক্ষ বন্ধুকে পরােক্ষ বলিয়া জ্ঞান পরম রস আস্বাদন কর, নির্বাণরূপ আশায়ী নন্দনকাননে কৰিলে তাহাকে ত ভ্রান্তিই বলিতে হয়। অতএব তুমি তা নিশঙ্কভাবে স্থান কর। হে ভ্রাতবুদ্ধি মানবগগণ! তােমরা আনকে তুচ্ছ করিয়া যাহাতে সেই অ্যৰ পরমপদ সাক্ষাৎ এই শুষ সংসারকাননে কেন বিচৰণ করিতেছ? তােমরা অলীক করিতে পার, তাহারই চেষ্টা কর। তুমি নিজেই সেই অনলি আশায় দূষিতাশ হইয়া কৈ মৰীচিকাসলিনে প্রতি মৎ উৎপত্তিনাশবিহীন জনস্বরুল হও; সেই গনস্বরূপ হইও না, এ হইয়া যতভাবে দুরিয়া বেড়াইও না। ১-১৫। ইতােমার মুক্তি। হে মুগ্ধ হরিণীর মাগণ! তােমরা অলীক বিভােগল চিরিং পর্গস। ৪৫ মরীচিকা-সলিল পান করিয়া বা নাক করিও না। এ গতরের বিকাএ ই, গর্কে মই ও না; ।
নির্বা-করণউত্তরগ। তােমরা যাহাকে সুখ বলিয়া মনে করিছে। তাহা বাস্তবিক সুখ পান না। অন্ধ ব্যক্তির নিকটে চা বহু সকল যেরূপ অনুভূত নহে,—তাহা দুঃখ। দেখ, সে তােমাদিগকে অধঃপতিত করিতে হয়, জ্ঞানীর নিকটে এই জগৎ সেইরূপ বােধ হইয়া থাকে। বসিয়াছে। ব্ৰহ্মচেল মহাকাশের নালিকাস্বরূপ এই জগৎকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ না হওয়ায়, তাহা ভ্রান্তির ন্যায় অসৎ বলিয়াই আকাশের ভাবিলে প্রতীয়মান কেশগুচ্ছের ন্যায় নিও, কদাচ বোধ হইয়া থাকে।৩১-৩৩ এই অগং অলিগেরই বিষ, অ- ইহাকে সত্য বলিয়া জ্ঞান করিও না। এ সকলের প্রতি দৃপা জিগেই ইহা দুদ বলিয়া বিখ্যাত, এবুথব্যক্তির ইহার সহিত করি, যথার্থরূপে পরিণত হও। ১৬-১৮। হে মানবগণ। কোন সাই নাই। স্বপ্নদৃষ্ট মুখভােগ যেমন স্বপ্ন বলিয়া জ্ঞান তােরা এই সংসাররূপ গর্ভশয্যায় শয়ন করিও না, কারণ এই হইলে আর ভাল লাগে না, সেইরুপ এই জগৎ প্রবুদ্ধ ব্যক্তির গর্ভশয্যায় শয়ান মানবশরীর সমীরণসঞ্চালিত পত্ৰপতিত নীহার রুচিকর হয় না। এবুদ্ধ ব্যক্তির বিভাগজ্ঞান কিছুমাত্র থাকে না, বিন্দুর ন্যায় ক্ষণভঙ্গুর হইয়া রহিয়াছে; তাই বলি, তােমরাও যেন কুত্রাপি বিমােণ থাকে না তাহার অন্তঃকরণ সদাই শাতিসুখে পরি- লাশি এই দশাপ্রাপ্ত না হও। তােমরা অনাদি অনন্ত অখণ্ড তৃপ্ত। তত্ত্বজ্ঞানী চিত্ত বিষয়ভােগ দ্বারা আকৃষ্ট হইয়া পরিত্যক্ত সাবে অবস্থান কর, অস্বাভাবিক যে দৃশ্য দুঃশা, ইহা হইতে হইলে পরক্ষণেই ধান ব্যতিরেকে সমভাবেই অস্থিতি করিতে বিচ্যুত হও। অজ্ঞলােকের নিকটে অতীত যে সংসার, তাহা পারে। জলের গতি যেমন নিমণিকে, তত্ত্বজ্ঞানীর চিতগতি তেমনি বাস্তবিক অসং। তাহার কিছুই বিদ্যমান নাই; যাহা অবশিষ্ট পরহ্মের ধ্যানের দিকে; এই গতি ফিাইয়া আবার ছাড়িয়া আছে, তহা নামরূপবিবর্জিত। হে রাম। তুমি দিলে স্বতই সেই পরহ্মের ধানের দিকেই ধাবিত হয়। যদি বল, শালী পশুরাজ সিংহের খায় তৃষ্ণাপ লৌহশৃঙ্খল ছিন্ন করিয়া অজ্ঞ:নে বাহবজ্ঞানেরই বাধা হওয়ায় বহিরিক্রিয়ের ক্রিয়াই সংসারপিঞ্জর ভেদ করিয়া যথেচ্ছভাবে সকলের উপরে বিচরণ নিরুদ্ধ হউক, অন্তরিন্দ্রিয় মনের ক্রিয়া নিরুদ্ধ হয় কিরূপে, তাহার কর। আমি আমার' ইত্যাকার ভ্রান্তির নিবৃত্তিই মুক্তি, সে উত্তরে বলি, মনও বাহবন্ত ছাড়া নহে, বাহুবন্তু ইয়াই মন ; মুক্তি যােগীর আত্মসত্তা ব্যতীত আর কিছুই নহে। ঐ মুক্তিই বাহৰস্তু দ্বারাই মনের রঞ্জন, এই মনই বা সমুদ্র হইতে চরম বাসনাবিলয়, উহা সংসারপথ পরিশ্রান্ত ব্যক্তির বিশ্রাম আরম্ভ করিয়া সামান্য জলাশয় পর্যন্ত সমস্ত প্রবারের জল যেমন গার , উহাতে আধিভৌতিকাদি ত্ৰিতাপ-ক্লেশ অনুভব করিতে হয় একত্র সম্পিণ্ডিত হইলে সাধারণ জলস্বরুপেই প্রতীত হয়। সেই না। ১৯-২৪। এই যে জগদ্রপ পদার্থ, ইহা অনির্বচনীয়ভাবে রূপ বাহ্য অভ্যন্তর নিখিল পদার্থই একমাত্র মনােক্ষপেই স্ফুরিত পরিপূর্ণ, কারণ, মুখলোকে ইহা হইতে যাহা প্রাপ্ত হয়, জ্ঞান হইতে থাকে। মনই এই বাহবন্ধুরূপে বিস্তৃত হইয়া পড়িতে শোকে তাহা (দুঃখরাখি) প্রাপ্ত হয় না; নিলােকে যাহা প্রাপ্ত থাকে। যেমন জল ও তরঙ্গের বাস্তবিক কোন পার্থক্য নাই,সেং- হন, মুখলােকে তাহা পরমানন্দ) প্রাপ্ত হয় না, গঙ্গা গােদাক্সী রূপ বাহ অন্তর বস্তু ও মনের কোনই পার্থক্য নাই। যেমন পবন প্রভৃতি বিভিন্ন জলময়ী মূর্তি যেমন মহাসাগরে মিলিত হইয়া ও স্পন্দ এতদুভয়ের একটার শাস্তিতে অপরটার শান্তি সেই সঙ্গে একাপ্ত হইলে আর উপলব্ধি হয় না। সেইরূপ অমনিবৃত্তি ঋতই হইয়া যায়, সেইরূপ উক্ত মন ও বাস্তু এই দুইয়ের হইলে, এই জগম্ভাবও পরব্রহ্মে মিলিত হইয়া অদৃশ্য হইয়া যায়, একটীয় অভাবে আর একটীর অভাব (ক্রিয়ালেপ) আপনিই আর পাওয়া যায় না। ভ্রম বিদূরিত হইলে প্রবুদ্ধ নির্বাণপ্রাপ্ত হইয়া যায়। পরমার্থ বস্তুর (আত্মচৈতন্যের কাছে অতি ব্যক্তির নিকটে এই জগম্ভাৰ একেবারে বিলীন হইয়া যায়। অার ঐ নও বাহবন্ধুর মধ্যে একের শান্তি হইলে অপরের দশাতৃণের ভন্ম যেমন বাতাসে অদৃশ্য হইয়া যায়, নিজস্বভাবে শান্তির জন্য কোনই ক্লেশ পাইতে হয় না। ৩৪-৪১। দৃশ্য বিশ্রান্ত (মুক্ত) সাধুর নিকটে এই জগৎ, সেইরূপ অদৃশ্য হইয়া পদার্থ ও মন একই বস্তু বলিয়া একের লাশে উভয়ের নাশ যায়। নির্বিকল্প স্বপ্ৰকাশ নিরতিশয় আনন্দই ব্ৰহ্মঝের মুখ্যার্থ, অনিবাৰ্য , এই জন্য যখন নষ্ট হয়, তখন দুইই নষ্ট হয়। বিনি পরিবর্তনশীল জগং উহার মুখ্যার্থ নহে, জগৎশব্দের মুখ্যার্থ ঐ ব্ৰহ্মত পরিজ্ঞাত হইয়াছেন, তিনি কখনই সময় অর্থের বাসনা ব্ৰহ্মশব্দের দ্বারা কিছুতেই সঙ্গত হয় না। কারণ যাহা গতিশীল করিবেন না, তজ্জত চেষ্টাও করিবেন না। ব্ৰহ্মজ্ঞান পরিবত্তনশীল, তাই জগৎশকের প্রকৃতি-প্রত্যয়ে লভ্য-অর্থ। হইলে ঐ অর্থ ও মনঃ( বাহৰ যিৱক বিরতি)আপনা হইতেই ব্ৰহ্মণব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় লভ্য-অর্থ যাহা সর্বব্যাপক অনন্ত অপরি- নষ্ট হইয়া যায়; ঐ অর্থ ও মনের নামও স্বপ্নদৃষ্ট ব্যাবথের চ্ছিন্ন, অহা ঐ নিরতিশয় আনন্দ ব্যতীত আর কিছুই নহে। ন্যায় অনষ্ট বস্তুর ন—অর্থাৎ মূলেই ঘাহার অস্তিত্বের অভাব, অজ্ঞ জাতি শিশুর নিকটে, এই প্রপঞ্চ যেরূপ অনুভূত হইয়া থাকে, তাহার আবার নাম কি ? তাহার নাশত ত্ৰৈকালিকই রহিয়াছে; (শিশুরা যেমন আত্মীয়, পর, ভাল, মন্দ, ভেদাভেদ দেখিয়া স্থির কেবল ভাঙিবশে মধ্যে মধ্যে অস্তিত্বে অনুভব হয় মাত্র। করিতে পারে না)। তত্ত্বজ্ঞানীর নিকটে ইহা সেইরূপ অনুভূত অন্ধকার রাত্রিতে পথিমধ্যে যাতে বাইতে পথের পার্শে কোথাও হইয়াছে। (তত্ত্বজ্ঞানীও বালকের ন্যায় সব সমান দেখিয়া মৃন্ময়-পুত্তলিকা দেখিলে, দ্য গড়াইয়া আছে মনে কৰি অনতি থাকেন )। ২৫-৩০। সর্বভূতের যে রাত্রি, তাহাতে সংযমী লােকে যেমন ভয় পায় এবং বুজিতে তাহাকে মাৰিলে যায়, আগিয়া থাকেন; আর যাহাতে সর্বভূত আগ্রৎ, অহাই আত্মজ্ঞ পরে যখন তাহাকে যথার্থ মূম-পুৰণিকা বলিয়া আনিতে পারে, মুনির রাত্রি। অর্থাৎ নিখিল অজ্ঞােক অনাকারে আবৃত তখন তাহার প্রতি শত্রুতাৰ ও, যেন আর থাকে না; বলিয়া বাহাতে সুষুধের ন্যায় অবস্থান করে, সেই আত্মতে এবং ঐ মৃায় পুলিকা তাহার নিকটে কেন যথার্থরূপে প্রকাশ যােগিগণ অগ্রং হইয়া থাকেন। ইলিগ্রান্থ শাদি বিষয়সকল পায়, সেইরুপ এই বই-প্রপঞ্চ ও মন অজ্ঞানীর নিকটে যথার্থ ধাৰা মুদিগের আগ্রহ বলিয়া এসি, তাহাজ্ঞানীর সমকে ব্রহ্মরূপেই পর্যবসিত হইয়া যায়। অজ্ঞ ব্যক্তিই এই নিখিল চিত্রিত বস্তুর স্থায় বিদ্যমান থাকিলেও অজ্ঞানী তাহাকে দেখিতে প্রপক্ষের লেক, জ্ঞানীর নিকটে ইহা পরমার্থ চিন ;
বাগবাশিমায়ণ। ব্রহ্মরূপে পর্যবসিত হইয়া যায়। এক ঋরে দুই বাক্তি রহিয়া, আত্মজ্ঞান হইলে অহংজ্ঞান আর কেই না। কারণ করি একজন সুপ্ত, আর একজন গ্রৎ,অপ্ত ব্যক্তি যে স্বপ্ন দেখিতেছে, প্রারতে এ আপনাকে সৃ পার্থরূপ জ্ঞান করিয়া নিজেই সে স্বপ্ন জাগ্ৰৎ ব্যক্তি যেমন দেখিতে পায় না, বালকের নিকটে সর্বত্র হিরণ্যগর্ভ হইয়া স্বীয় সঙ্গ অনুসারে যে নিখিল বাহ- প্রতীয়মান ষষ্ণ কেমন সম্মুখবর্তী প্রাচীন পুরুষে দেখিতে পায় না। অভ্যন্তর এপঞ্চরূপ প্রাপ্ত হইয়াছেন, তাতে তাঁহার নিজের সেইরূপ অজ্ঞ ব্যক্তির নিকটে এতীম এই জগং ধীর ব্যক্তির স্বরুপের কোন হানি হয় নাই; তিনি যাদৃশ ভাদৃশই আছেন। নিকটে পিশাচ-গ্রীতির ন্যায় জ্ঞানীর নিকটে প্রতীত হওয়ায় জল যেন ভঙ্গতাৰ প্রাপ্ত হয়, সেইরূপই তিনি অগম্ভব প্রাপ্ত অলীক ৰলি বোধ হয়।৪২-৪ অজ্ঞ ব্যক্তি তত্ত্বজ্ঞানীকে অজ্ঞ হইয়াছেন। মূল হইতে শাখা পর্যন্ত সমগ্র বৃক্ষের সত্তা বলিয়া ভাল করে, ফলতঃ মুখনিৰজন তাহাদের সে ভাবনা যেমন এক, (মূলের সত্তা, শাখার সভা ইত্যাদি পৃথৰু সত্তা যেমন বন্ধ্যার পুত্র-পৌত্রাদি ভাবনার স্থায় নিতান্তই অযৌক্তিক। - স্বীকৃত হয় না। সেইরূপ জ্ঞাতা জ্ঞান ও জ্ঞেয়াত্মক একই বিগণ জ্ঞাতশব্দের অর্থ জ্ঞান বিষয় না ধরিয়া সমস্তই জ্ঞানম্বরূপ স এই জগতে নির্বিকারভাবে অবস্থিতি করিতেছে। সে বলিয়া জানেন। সৃষ্টির মধ্যবর্তী অনালি সৃষ্টির মধ্যবর্তী অনালি অনন্ত নির্বিকার সন্তা, একমাত্র নেই; (আর কাহারও সে সত্য নয়। যেমন জ্ঞানকেই তঁহারা সত্য বলিয়া নেন। সে জ্ঞানের ভিতরে একমাত্র আকাশই লক্ষখােজনব্যাপী হইয়া গীপ্তি পাইতেছে, মনঃকলিত কোন পদার্থ নাই, বিভাগ ও অন্ত ইহাতে কিছুই সেইরূপ একমাত্র জানই সর্বব্যাপী অখণ্ডস্বরূপে দীপ্তিপ্রাপ্ত নাই। নিৰ্ম্মল জ্ঞানবরিই মন ও বুদ্ধিরূপ রঙ্গে যেন আকুলিত হইতেছে। একমাত্র জ্ঞানই জ্ঞাত জ্ঞেয় জান প্রভৃতি হয়; ফলত বিবেচনা করিয়া দেখিলে বাপ্রপঞ্চ ও মন একেবারে সকল অবস্থাতে নির্যলস্বরূপে একভাবে বিরাজ করিতেছে। অসম্ভবপর বন্ধ হইয়া পডে, ইহা কে কোথাও আছে বলিয়া বােধ দুতাদি পদার্থ যেমন ধনীভূত হইয়া পাষাণের ব্যায় কঠিন হয় না। এই যে জগদূভ্রান্তি, ইহার কোন অর্থ ই নাই, ইহা বৃথা। হয়, সেইরূপ উক্ত ব্ৰহ্মচৈতন্য চেত্যভাব প্রাপ্ত হইয়া আপনাকে শরৎকালের বিশুদ্ধ নিল জ্যোতি যেমন নির্মল আকাশ ব্যাপিয়া চিত্তরূপে পরিণত করেন। ৩১-৬৫। দেশ কালের উপস্থিতি অবস্থিত হয়, সেইরূপ তুমি নিৰ্ম্মল স্বভাব পয়মচিকাণকেই ব্যতিরেকেই বােধরূপ নিজের অজ্ঞান বশতঃ ঐ আত্ম চেত্যভাৰ আশ্রয় করিয়া থাক। ৪৭৫। হে রাম! তুমি জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও প্রাপ্ত হইয়া যান, ফলতঃ তিপ্রদর্শিত যুক্তিতে ঐ আত্মা এক- সুষুপ্তিরূপ অবস্থাভেদে বিভিন্নতাপ্রাপ্ত নিখিল জ্ঞেয় প্রপঞ্চ পরিহার মাত্র জ্ঞানস্বরুপেই বিদ্যমান রহিয়াছেন। যদিও এই বিশুদ্ধ করিয়া সপাধ্যাস হইতে বিমুক্ত রজুর স্থায় স্বীয় অনাময় স্বভাবে চিলায় অজ্ঞানের স্থিতি কোন ক্রমেই সম্ভবে না, তথাপি অবস্থিতি কর। একমাত্র ক্ষুদ্র বীজই যেমন শাফলাদি-সমন্বিত অজ্ঞান অবস্থায় মুঢ় লােককে বুঝাইবার অন্য হাতে অজ্ঞান বিশাল বৃক্ষভাব ধারণ করে, সেইরূপ একমাত্র বুদ্ধিবৃত্তিই সমস্ত কল্পনা করিতে হয়। এই জন্যই ধন অজ্ঞান হয়, তখন মহাত্মা বাহ ও আভ্যন্তর প্রপঞ্চভাব ধারণ করিতেছে। অতএব ইহ যােগী পুরুষের অজ্ঞানের লয় হইলে দুটি স্নেহ দ্রব্যের মনের ও প্রপঞ্চের পৃথক্ অস্তিত্ব আর কোথায় স্বীকার করিব, কাঠিন্যের ন্যায় গাতেই গলিত হন—অর্থাৎ নিরতিশয় আনন্দপূর্ণ তাহা বল। য়ে বস্তু যখন বাস্তবিকই অলীক, এখন একমাত্র ব্ৰহ্মভাবে পরিণত হইয়া ভাঙি হওত সর্বদা সমাধিমগ্ন হইয়া জ্ঞানই অনন্তপদ। সেই অনপদই প্রকাশ ব্রত, তাহাতে থাকেন (বাহ বন্ধু কিছুই দেখিতে পান না): ৬৬৬৮। তেলপ্রপঞ্চ কিছুই নাই। বাস্তবিক মনােবৃত্তিই ( উক্ত মহাচৈতন্য বিচারিং সর্গ সমাপ্ত। ৪০। রূপ ব্ৰহ্মতত্বের প্রতিবিম্বই-চিদাভাসই। বাঙ্ক প্রপঞ্চকপে এত হ, ফল সে প্রতি ব্রহ্মলের অভাব জ্ঞানরূপ ভ্রান্তি বাতি আর কিছুই নহে। ৫১-৫৪। মনই বাহবস্তুপে পরিণত হয়, চতুশ্চত্বারিংশ সর্গ। মনও সর্বাত্মক আৰ চিলাহ্মরই অভবাত্মক প্রান্তিমাত্র। বাস্তবিক রাম জিজ্ঞাসিলেন-হে মুনিবর। সমাধিবৃক্ষ যেপে মনের কোন কারণ নাই। এই বাপ্রপ মিথ্যা হইলেও উৎপন্ন হইয়া পত্র-কানাখ-প্রশাখাদি বিস্তারপুর্বক বর্ধিত ভাৱিবশে অস্তিত্ব বলিয়া প্রতীত হয়। বন্যপ্রপঞ্চকপে হইয়া বিবেকিঞ্জীবনরুপ ফল ধারণ করি চিরুপ মুগকে ছায়া প্রতিভাত এই মন বিনা কারণেই প্রতিভাত হয়। ঐ মন দান করত তাহার এমদূর করে ; তহা আমার নিকট কীর্তন বিদ্যুতের প্রকাশং ক্ষণস্থায়ী। তুমিও ঐ মনােরুপী হইয়াই এই করুন। বশিষ্ঠ কহিলে-রাম! তুমি সমাধিক্ষের কথা সংসারে ঘুরিয়া বেড়াইভেছ। যদি নিজের প্রকৃত স্বভাব অবগত জিজ্ঞাসা করিলে, ঐ বৃক্ষের প্রশ্রয় গ্রহণ করা সকলেরই উচিত হইতে পায়, তাহা হইলে কার ঘুরিয়া বেড়াইবে না, ভমেও আর উন্নত পুপলসমন্বিত ঐ বৃক্ষের ছায়ায় বসিতে পারিলে সকল পতিত হইবে না। মনঃকল্পিত এই সংসার অসুজন হইলেই এম দূর হয়, ঐ রুল বিবেমিনুষ্যরূপ কাননের মধ্যেই উৎপন্ন বিলয়প্রাপ্ত হয়। শুক্তিকায় রৌপ্য ভ্রমের ন্যায় এমে পডিয়া লােক যু, ঐ ক্ষের বিষয় তােমার নিকট আমূল বর্ণন করিতেছি, বৃথাই কষ্ট পায়। তত্ত্বজ্ঞান—যাহা যথার্থজ্ঞান তাহা হইলে আর শ্রবণ কর। এ সংসারকাননে বিবিধ কষ্ট ভােগ করিয়া অথবা এ ভ্রম থাকে না, তখন এ সংসারও আর থাকে না। নির্মাণ প্রাক্তন শুভদৃষ্টবলে স্বতই ঐ সংসারকাননের প্রতি ক্লিাগ অন্ধ হইতে পৃথকু সত্তা স্বীকার করাই ভম, সেই ভ্রম—অর্থাৎ উপস্থিত হয়, বুখগণ সেই বিরাগকেই এই সমাধিক্ষের বীজ বলিয়া আমি ইত্যাকার ভম, ইহা কেবল দুখের জঙ্গই হইয়া থাকে কীৰ্ত্তন করিয়া থাকেন। পূর্ববত শুভ কৰ্মৰূপ হল দ্বারা কষিত, কারণ অবজ্ঞান-মরীচিকা সলিলের মা বঞ্চিত করিয়া জীবকে মুকুলী দ্বারা সর্শদ সিক্ত, নিসবায়ুর অবাধসঞ্চারে অপার কষ্টে ফেলে, জীৰ আপনার ভ্রমেই এইরূপ কষ্টে পড়ে সুপরিক্ষত উন্মুক্ত চিত্তকেই বুধগণ এই সমাধিক্ষের উৎপত্তি কারণ অহংজ্ঞান ঐ মচিকা-সলিলে নিতান্ত অলীক ৫৫-৬০ ত্রে বলিয়া নির্দেশ করিয়া থাকেন। সংসারের প্রতি গৈলপ ০ ব্বিাণ প্রকরণ-উত্তরা। সমাধিবীজ বিবেকি-লোককাননের পবিত্র চিত্তক্ষেত্রে আপনিই পাব, প্রজ্ঞ উহার এমী। সৈলিলে ঐ বক বৃদ্ধি গিয়া পড়িয়া থাকে। মহাবুদ্ধি (বিবেকবান্) যখন আপনার চিন্ত- প্রান্ত হইয়া থাকে। বর্ষাকালের শেষের ন্যায় ঐ বক্ষ সকল দিক ক্ষেত্রে এই সমাধিবীজ পতিত হইবে, তখন অখিন্ন হইয়া (কাম করে। চন্দ্র যেমন শীতল কিরণ দি লােকদিগের দিনের ক্রোধাদির বেণ সহ করিয়া) যত্নপৰ্ব্বক পার্বত্র নিগ্ধ আপনার বেলার আততাপ বিদূরিত করেন, সেইরূপ ঐরক সাংসারিক হিতকারী পচ্ছ সুপার গয় মধুর শত সংসদ ও অন্যান্থশাস্ত্রের আপ নিবারণ করে। মেষ যেমন ছায়া এলান করে, সেইরূপ ঐ চৰ্চাৰূপ সলিল সে করিবেন। ঐ সলিল সারয়ােগ বৃক্ষ শক্তিরূপ ছায়া প্রদান করে। বায়ু যেন আকাশের মেঘ শান্তিকারক চক্রের মুথার নাম সুশীতল ক্ষতি উপাদেয় পদার্থ। সরাইয়া দিয়া আকাশকে নির্মল কর, সেইরূপ ঐ সমাধি উহার সেক ব্যতিরেকে চিক্ষেত্রে সমথিবীজ অঙ্কুরিত হওয়৷ প্রদত্ত শান্তিচ্ছায়া চিত্তাল বিদূরিত করিয়া চিকে নির্মল করিয়া সুকঠিন। ১-৮। সংসার-বৈরাগ্য-খ্যানবীজ চিতক্ষত্রে পতিত দেয়। কুলপর্বত যেমন সুদৃঢ়ভাবে অবস্থিত হইয়া অটল হইয়া হইলে যাহাতে নষ্ট হইয়া না যায়, বহুপূর্বক সেইরূপ রক্ষা করা থাকে, সেইরূপে ঐ বৃক্ষ বর্ধিত হইয়া স্বয়ই ৰজমুল হইয়া উচিত। সে সময়ে তপস্যা, (গুরু-দেব-দ্বিজাতির পূজা) গান সুদৃঢ়ভাবে অবস্থান করে, তখন আর তাহাকে উলিত করা যায় ক্রোধলােভাদিপরিত্যাগ, তীৰ্থপৰ্যটন প্রভৃতি সংকৰ্ম্ম করিতে হয়। না। উপরে মুক্তিলের সুবক ধারণ করে, এইরূপে বিবেকরূপ এইরূপ উপায়ে যখন বীজ অঙ্কুরিত হইবে, তখন সেই অঙ্কুর বা কলক্ষ দিন দিন বদিত হইতে থাকিলে, বেণীর হৃদয়কানন ছায়া- করিবার জন্য মুদিতা নায়ী প্রিয়ার সহিত অতি সন্তোষকে নিযুক্ত | সমান্বত হইয়া সুশীতলভাব ধারণ করে।২১-৩০। সেই ছায়ায় করিবে, কারণ সঙ্গেযই ঐ অঙ্কুর বক্ষণ করিতে সুনিপুণ ৯-১১ হৃদয়ের সমস্ত ভাপ বিদূরিত হইয়া হাদয় শীতল হয়। তুমায়ের তাহার পরে আশা, স্ত্রীপুত্ৰাদির প্রতি অনুরাগ ও কামক্রোধাদি- ন্যায় শীতল( শান্তিভূষিত) বুদ্ধিরূপ সুরম্য শাখা বিস্তৃত হইয়া রূপ যিহুমকুল আসিয়া যাহাতে ঐ অঙ্কুর না ভাঙ্গিয়া দেয়, তাহার পডে। চিনি সংসারপ্রান্তরে পরিশ্রান্ত চিহরিণ ঐ ছায়া। চেষ্টা করিতে হইবে, অর্থাৎ ঐ মন্তোষরূপ রক্ষক দ্বারা ঐ সমস্ত বিশ্রাম করিয়া পরম সুখ অনুভব করে। ঐ চিত্তহরি জন্মাবধি আশাদি-পক্ষী আসিলে ভাভাইতে হইবে। প্রাণায়ামাদি সৎ- সংসারকাননে পৰ্যটন করিয়া সাতিশয় পরিশ্রান্ত হইয়া পড়ে, ক্রিয়ারূপ সার্জনী দ্বারা ঐ ক্ষেত্রের র (পূলি) মার্জনা পথিমধ্যে যদি এখন সুপথ পায়, তাহা হইলে বাণীদিগের কোলা- করিতে হয়, অচিন্ত্য আলােকপ্রদ বিবেকরূপ আতপ প্রবেশ হলে ব্যাকুল হইয়া সে পথ হারাইয়া ফেলে। কামাদি ব্যাথগণ করাইয়া ঐ ক্ষেত্রের তমঃ (অজ্ঞানরূপ ছায়া) দূর করিতে হয়। ঐ চিত্তহরিণের ছেচ খুলিয়া লইবার জন্য যে সময়ে উহার ( যেপানে ছায়া বেশী, সেখানে গাছ ভাল হয় না। দুরুতরূপ মেঘ অনুসন্ধান করিতে থাকে, তখন ঐ দুর্বোধ হরিণ অসার শরীর হইতে উহাতে সম্পদ ও প্রমদারূপ অশনিপাত হইয়া থাকে, রূপ কন্টকাকীর্ণ গহনে লুক্কায়িত হইতে গিয়া কষ্টকবিদ্ধ ও এইজন্য প্রৰণাৰ্থ চিন্তামগ্ন হইয়া ধৈৰ্য, ঔদার্য, দধা ও জপ-তপ, অপ্রায় হইয়া উমূখে তাকাইতে থাকে। ঐ হরিণ সংসার- অনাদি উপায়ে ঐ সমস্ত উপদ্রব নিবারণ করা কর্তব্য। এইরূপে কাননে বহমান বাসনারূপ সমীরণে চালিত হইয়া অহংজ্ঞানরূপ ধানবীজ সংরক্ষিত হইলে তাহা হইতে অতি সুন্দর বিবেকনামক। মরীচিকানদীর দিকে ধাবিত হইয়া বিষর্জরিতবৎ ব্যাকুল হইয়া নষ অঙ্গুর উৎপন্ন হয়। বিবেক-অষ্ণু উৎপন্ন হইলে চিভূমি পড়ে। ভােগবিষয়ে নিতা আসক্ত ঐ হরিণ হরিণ শপপ্রায় ক্রমে সুশোভিত হইয়া পূর্ণচন্দ্রোদয়ে আকাশের ন্যায় শাভিত নব নব বিষয়ের দিকে ধাবিত হইয় জর্জরিত হইয়া পড়ে। হইয়া থাকে। তাহার পরে সেই অঙ্কুর হইতে প্রথমে দুইটা পত্র পূত্রপৌত্রাদির প্রতিপালনব্যাপারে ত্রিবিধ তাপরূপ দাবানলে নির্গত হয় , একটা পত্র অধ্যাত্মশাস্ত্রের চর্চ', অপর পত্র সাধুসঙ্গ। তাপিত হইয়া ঐ হরিণ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইয়া অনর্থশর্তে গিয়া ক্রমে বৈরাগ্যরসে সিক্ত হইয়া ঐ দ্বিপত্র অঙ্কুর কাণ্ডভাব ধারণ পতিত হয়। চিহরিণ সম্পদরূপ লতাজালে জড়িত হইয়া অনেক করিয়া ক্রমশঃ উন্নত ও দৃঢ় হইয়া থাকে, সন্তোষপ একে আত সময়ে দ্যতাদিরূপ কিরাতে হন্তে পীড়িত হইয়া থাকে। হয়। তাহার পরে অধ্যাত্মশাস্ত্রের সিদ্ধান্তরূপ বর্ষাকালের আবি- তৃষ্ণানদী ধরিতে গিয়া তরঙ্গাহত হয়, ব্যাধিরূপ দুই ব্যাধের ভাবে ঘন ঘন বরাগ্যসলিলে সিক্ত অল্পদিনের মধ্যেই বন্ধিত নিকটে তাড়িত হইয়া অনেক সময়ে ঐ চিত্তহরিণকে পলায়ন হইয়া উঠে। ১৬–২০। এইরূপে অধ্যায়শাস্ত্রের আলােচনা করতে দেখা গিয়া থাকে। দৈববিড়ম্বনা ঘটিকার সস্তাবনা সাধুসঙ্গ ও বৈরাগ্যরূপ সলিলে পরিপুষ্ট হইয়া সুদৃঢ় হইতে ঐ আছে কিনা, অজ্ঞতাবশতঃ তাহা না বুঝিয়া অনেক সময়ে ঐ চিত্ত বক্ষ বিষয়াস ও ক্রোণরূপ বানরের আন্দোলনেও কিছুমাত্র সহসা একটা অকাৰ্য্য করিয়া পরিশেষে প্রতিকুল ফলপ্রাপ্ত হইয়া, বিচলিত হয় না। অনন্তর বিজ্ঞানশোভিত ঐ ধ্যান হইতে যেন ব্যাধ আসিতেছে দেখিয়াই সঙ্কুচিত হইয়া পড়ে (কি করা এই সমস্ত সরস ও বিস্তৃত শাখা নির্গত হইতে থাকে। আত্ম- উচিত তাহা নির্ণয় করিয়া উঠিতে পারে না)। ৩১-৩৭। ঐ ভরে স্কুটাভাব, একমাত্র আত্মতত্বেরই সত্যজ্ঞান, আত্মত- হরিণ আপনার ভােগ্যবস্তু হইতেও অনেক সময়ে বিপদূপ্রাপ্ত হইয়া স্বপে অস্থিতি নিলীব, নির্বিকভাব, সমতা, শান্তি, শঙ্গাকুল হইয়া পড়ে। পাছে কোন শত্ৰু আসিয়া আক্রমণ করে, মৈত্রী, করুণা, কীর্তি ও উদারতা এই সমস্ত ঐ ক্ষের শাখা, এই ভয়ে ঐ হরিণ সৰ্ব্বদাই অকুল, উহার শরীরে ভূতপূর্ব শমাদিগুণরূপ পত্র ও যশােরূপ কুসুমে সুশােভিত ঐ সকল প্রারচিহ্নও অনেক সময়ে দেখা যায়, (পূর্ব পুর্ব দুঃখের অনুভব শাখায় বেষ্টিত হইয়া ঐ বৃক্ষ যােগীর নিকটে পারিজাত বৃক্ষের সংস্কার উহাতে বিদ্যমান থাকে)। বন্ধুর-ভূমিতে পড়িয়া ঐ শােভা ধারণ করে। এইরূপে শাখাপত্র-পুষ্পসমন্বিত হইয়া ঐ হরিণ অনেক সময়ে দিশাহারা হইয়া ঘুরিতে থাকে। কাম- সমাধির প্রতিদিন উন্নতিলাভ করা সাধককে জ্ঞানমূল প্রধান ক্রোধাদি-বিকাররূপ পাষাণও বা ঐ হকি প্রায়ই আহত হই করিয়া থাকে। এ উহার কুমগুচ্ছ, শমাদিগুণ উহার থকে। ফারূপ কন্টকাকীর্ণ পতামহলে বেশ করিয়া কত সময় বােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ। ক্ষতবিক্ষত হয় নির্গত ই হরিণ আপনার বুদ্ধি অনুসারেই যাহা ইচ্ছা তাহাই করিয়া থাকে। পরের কপট ব্যবহার বুঝিতে পথচারিংশ সর্গ। উহার কিছুমাত্র অভিজ্ঞতা নাই। ৩৮—•। ইন্দ্রিমে বশিষ্ঠ কহিলেন-হে পশুপ! এই চিত্তহরিণ বিশ্রামার্থ আসিয়া ঐ হরিণ শাবার পলায়ন করিতে থাকে। কারূপ দু সমাথিপাপের ছায়া প্রাপ্ত হইয়া বিশ্ৰমখ অনুভব করিয়া সেই এজের বিষৰ পদতলে পড়িয়া ঐ হরিণ কত সময়ে দলিত হইয়া খানেই চিরস্থিতি করে, আর কুপি খাইতে চাহে না। তাহার যায়। বিষয়রূপ বির সর্পের বিষয় ফুকরি-মারুতে ঐ হরিণ পরে সেই সমাধি ক্রমশঃ বর্ধিত হইয়া আপনার পুষ্পস্তবকের একেবারে মর্মিত হইয়া পড়ে। কামুক হইয়া অাসক্তিবশতঃ (পঞ্চকোষের) মধ্যবর্তী পরমার্থরূপ ফল শনৈঃ শলৈ প্রকাশ অনেক সময়ে কামিনীরূপ শঙ্কময় এদেশে প্রােথিত হইয়া পড়িয়া করিতে থাকে। অধঃস্থিত চিহরিণ বৃক্ষশাখায় যখন ঐ সুরম্য থাকে, (গত আর উঠিতে সমর্থ হয় না), উহার পৃষ্ঠদেশ পবিত্ৰ ফল দেখিতে পায়, তখন সেই হরিণ মনুষ্যরূপ ধারণ করি ক্রোধরূপ দাবানলে দগ্ধ হইয়া প্রায় হইয়া যায়। বিষয়ের ঐ ফল আস্বাদন করিবার জন্য একে আরােহণ করিতে থাকে। দিকে সর্বদা আকষ্ট হইয়া ঐ হরিণ অনেক সময়ে সাতিশয় অঞ্জ কর্ম পরিত্যাগ করিয়া সাতিশয় যত্নসহকারে তখন ঐ ফল বিপদাপন্ন হয়। ৪১-৪৩। অভিযরূপ দংশ-মণকালি উহার লইবার জন্যই ব্যস্ত হয়। আরোহণ করিবার সময়ে প্রথমে সমাধি- গাত্রে বসি। উহাকে দংশন করিয়া উৎখাত করিয়া তুলে, অনেক বুকের উপরে এক পদ উত্তােলনপূর্বক ভুলস্থিত অপর পদের সময়ে ঐ চিত্তহরিণ বিষয়ভােগ-জনিত আমােদরূপ শৃগালের নিকট তুলসং (আমি আমার ইত্যাদিভাব) পরিত্যাগ করিয়া হইতেও তাড়িত হইয়া দূরে পলায়ন করে। নিজের কুকর্মের উপরে আরােহণ করে। উপরে আরোহণ করিয়া অপােদিকে ফল অনেক সময়ে ঐ চিত্তহরিণ দাবিরূপ শার্দুল কর্তৃক আক্রান্ত আয় দৃষ্টিপাত করে না, (যদি পালিত হইয়া পড়িয়া যায়), হইয়া পড়ে। শ্রীপুত্রাদির প্রতি আসক্তিরূপ মােহ অন্ধ হইয়া এই আশঙ্কায় পক্ষাঅরে বাপ্রপঞ্চের দর্শন হইতে একেবারে যেখানে সেখানে ছুটাছুটি করিতে গিয়া গমধ্যে পতিত হয়। বিরত হয়, বাহপদার্থ কিছুই দেখিতে পায় না)। ১-৫। সমাধি- মানরূপ সিংহের গর্জন শুনিয়া ঐ হরিণ ভয়ে আকুল হয়। মৃত্যু- বক্ষে আরােহণপূৰ্ব্বক উক্ত পরমার্থ ফল ভোজন করিয়া সর্প যেমন রূপ ব্যাজ উহাকে আপনার নখচ্ছেদ্য পুষ্পের স্যায় জ্ঞান করে, পুরাজ করুক পরিত্যাগ করে, সেইরূপ প্রাক্তন সংস্কারসহ (অকেশে মারিতে পারে), গৰ্বরূপ অজগরসর্প উহাকে গিলিবার (বাসা) পরিত্যাগ করে। (ভূতপূর্ব ঘটনা আর কিছুই স্মৃতি অ জনশূন্য মহারুণ্যে উহার আগমন প্রতীক্ষা করিয়া থাকে, মই পথে নিতে পাবে না। সুমধুর ফলের রসাস্বাদনে একেবারে খানে বাইলেই গৰ্বরূপ অজগর উহাকে গিলিয়া ফেলে *। অতি- বিল হইয়া যায়)। যদি কখনও পূর্বতন অবস্থা মনে হয়, লোভী ঐ হরিণ বাঙ্গুর খাইবার জন্য সর্বদাই মুখব্যাদান করিয়া উচ্চপদে আরূঢ় আত্মারদিকে দৃষ্টিপাত করত, “এবং আমি কি থাকে। কামিনীসদ্যোগে শক্তিপ্রদান করে বলিয়া যৌবনের সহিত মূঢ় ছিলাম” , এই বলিয়া পূৰ্ব্বল অবস্থাকে উপহাস করে। ঐ চিত্তহরিণ বন্ধুত্বস্থাপন করে, কিন্তু যৌবনরূপ বন্ধু উহার লােভরূপ হিংস্ৰজন্তুর ভয় হইতে মুক্ত হইয়া সে ঐ বক্ষের চিরসহচর হয় না, ক্ষণকালের জন্য আলিঙ্গন করিয়া (সদ্ভাব করুণাপ্রভৃতি অন্যান্য শাখায় বিচরণ করত সম্রাটের ন্যায় দেখাইয়া কাছে থাকিয়া) পরিত্যাগ করে। (আর কাছে আসে পূর্ণকাম হইয়া বিরাজ করে। ক্রমে তঁাহার তৃষ্ণা ক্ষয় হইয়া যায়, না, ইন্দ্রিয়রূপ ঝঞ্জাবায়ু কুপিত হইয়াই যেন উহাকে বিষম যে তৃণ সদ্বুদ্ধিরূপ চক্রের পক্ষে অমানিশা, দুঃখরূপ চন্দ্রের কাছে কান্তারে (নরকে বারংবার নিক্ষেপ করিতে থাকে। ৪৪-৪৮। | তিমিররােগ (অর্থাৎ তিমির নেরােগ) হইলে এক চন্দ্র যেমন হে ভাবী মহারাজ রামচন্দ্র। শীতকালের নিশায় শতক্লিষ্ট প্রাণি 'বহুচন্দ্র বলিয়া বােধ হয়, সেইরূপ তৃষ্ণার প্রভাবে দুঃখ সমধিক কুল যেমন সূর্যোদয় হইলে সুতাপে শান্তিৰোধ করে, সেইরূপ হইয়া উঠে সেই লৌহমলের ন্যায় প্রাণিবর্গের বন্ধনের তৃষ্ণা এই যে চিত্তহরিণের কথা বললাম, এই হরিণ যদি ঐ সমাধির তাঁহাকে দিন দিন পরিত্যাগ করিতে থাকে। তখন তিনি প্রাপ্ত আশ্রয় পায়, তাহা হইলে শান্তিলাভ করে, প্রকৃত সুখপ্রাপ্ত হয়। বিয়ের উপেক্ষা করেন না, অপ্রাপ্তবিষয়ের ব্যাও করেন না। হে শ্রোতৃবর্গ। মূঢ় জনগণ তলতমালকুলাদি বৃক্ষের ছায়ার ন্যায় চলের ন্যায় নির্মল হইয়া সকল অবস্থাতেই অন্তঃকরণে শীতলভাব মীয় প্রাসাদে অবস্থানপূর্বক ভােগবিলাস চরিতার্থ করিয়া যে ধারণ করিয়া থাকেন, কিছুতেই উত্তপ্ত হন না। তখন শানির্দিষ্ট মুখের কণামাত্রও লভ করিতে সমর্থ হয় না. তােমাদের চিত্ত শমমাদিগুণ-রূপ পল্লবের উপরে অবস্থান করিয়া অপােদেশে হরিণ যদি সবিশপের ছায়া আশ্রয় করে তাহা হইলে সেই উন্নত অবনত (বিষ) জগতের গতি নিরীক্ষণ করিতে থাকেন। ম সুখ অনায়াসে প্রাপ্ত হইবে। ৪৯৫০। এ যাবৎ যে বিষবল্লীর বিষয় পূনিকরে সমাকীর্ণ বিষম পথে চত্বারিং সর্গ সমাপ্ত। ৪৪ বিচরণ করিয়াছিলেন, তাহা স্মরণ করিয়া মনে মনে আপনার সেই দেদশাকে উপহাস করিয়া থাকেন।—১২। ক্রমশঃ তিনি ঐ সমাধিক্ষের উচ্চতর শাখায় আরোহণ করিয়া যথেচ্ছভাবে সেই রক্তে বিচরণ করত রাজার গায় লাভা পাইতে থাকেন। ডিপক্ষে জনশূন্য আপনা অপেক্ষা উৎকষ্ট লােক যেখানে তখন তাহার ভূতপূর্ব স্ত্রী, পুত্র, ধন, মিত্র প্রভৃতির সহিত নাই; এইরূপ আপনার সম ৰা আপনা অপেক্ষা উচ্চর সমাগম, জন্মান্তরের ঘটনা অথবা স্বপ্নাবস্থার ঘটনা বলিয়া মনে ক্তি না থাকিলেই মুখলােকে গর্ব করিবার সুবিধা পায়। মনে হইতে থাকে। আহা চি তখন শান্তিপূর্ণ ও নির্মল। এজয় রমিই বড় নােক; আম্মা অপেক্ষা আর কে বড় আছে? লৌকিক ব্যবহার কশায় তাহার ত্রিম অনুরাগ, বধ, , মােহ নিরন্তপাপেশে এ আইপি ক্রমায়তে”। প্রভৃতি বৃত্তিসকল অভিনয়কালের নটের হান্সবাদির আয় - । = নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরণ। শণী হয় না, বাহিরেই কেবল দেখা যায় মাত্র। তথন সম্মুখ- করিয়া ঐ পরমপদেই বিমলাভ করিয়া থাকেন। পরমার্থ বর্তী অঙ্গভঙ্গীময় সংসারনণীর গতিসকল নিরীক্ষণ করি, (শেবিত ধূ জস), ও টিং শােধিত অ চৈত, উক্ত ব্যক্তির চেষ্টার স্থায় মনে করি উপহাস করিয়া থাকেন। এতদু ঘন অখও একরূপ পরমানলে পরিণত হয়, তখনই তিনি অপুর্ব পমপদে বিশ্রাম লাভ করিয়া জীবদ্দশাতেও শবের তাপসযােগে তুরবির কায় ভেদবুভি বিলীন হইয়া যায়। দ্যায় হইয়া থাকেন—অর্থাৎ বাহ শ্রীপুত্রধনাদি বিষয় সকল অধিব ধনুককে আকৰণ করিয়া ছাড়িয়া দিলে যেভাবে ছিল, কিছুই দেখিতে পান না, কেবল সেই বিশুদ্ধ পরমােয়ত জ্ঞানময় সেই ভাবেই অবস্থিতি করে, আকৰণনিবন্ধন ভাবের আধিক্য ফলের দিকে দৃষ্টিপাত করিয়া পঞ্চমভূমিকারূপ অত্যুচ্চস্থানে আর বাকিরা যায় না, সেইরূপ বােগীও সাক্ষাৎকার লাভ আরােহণ করিয়া থাকেন। ভূতপুর্ব সাংসারিক বিপত্তি সকল করার পর যদি কখন সাংসারিক বিষয়ে বিক্ষিপ্ত হন, তাহা হইলে বারংবার মনে হইলে সন্তোষজলে নুধা পান করিয়া পরিতৃপ্ত সেই পি বিয়ে এবার যে অসাক্ষাৎকারেই ধাবিত হন, হইয়া সুস্থভাবে অবস্থিতি করেন, এবং অর্থরূপ অনর্থের বিনাশ সেরূপ অবস্থায় কোমল পূষ্পমাল্যের ন্যায় সরল বা বক্র যে ভাবে হইলেই সমধিক সন্তোষলাভ করেন। ১৩-১৯। নিদ্রিত নিদ্রিত ইচ্ছাসেই ভাবে স্থাপিত করা কোনক্রমেই সঙ্কৰে না। থামের ব্যক্তিকে জাগাইয়া দিলে সে যেমন সাতিশয় বিরক্তিবােধ করে, গাত্রে অঙ্কিত পুত্তলিকা যেমন খামের পৃথক সভায় অসত্য সেইরূপ তিনি সমাধিমগ্ন হইলে যদি কেহ তাহাকে বাহবিষয় ও খামের সত্তায় সত্য। এই বিও তেমনি পরব্রহ্মে সত্য ও ভােগের ন্যায় ব্যবহার কাৰ্যে উদ্বুদ্ধ করে, তাহা হইলে অতিশয় অসত্য দুইই বলা যাইতে পারে। সুতরাং ব্ৰহ্মকে সপ্রপঞ্চ, বিরক্ত হন। বহুদিন ধরিয়া পদ সঞ্চারণে দেশবিদেশে ভ্রমণ করি- অপ্রপঞ্চ দুইই বলা যায়, কিন্তু সপ্রপঞ্চ বক্ষেরই জ্ঞান হয়, বার পরে একট বিশ্রামলাভ করিতে অবসর পাইলে শীঘ্র আর নিম্প্রপঞ্চ স্বভাবের জ্ঞান হয় না। এজন্য নিপ্রপঞ্চ স্বভাবের পরিশ্রম করিতে যেমন প্রবৃত্তি হয় না, সর্বদাই বিশ্রাম করিতে ধ্যান করিতে পারা যায় না। যখন সাক্ষাৎ জ্ঞান হয়, ইচ্ছা করে ,সেইরূপ কখিত যােগী এযাবৎ মােহবশতঃ সংসার ধন ত জীব ব্রহ্মস্বরূপ হইয়াই অবস্থান করে ; তখন ধ্যান ঘটনায় পরিশ্রান্ত হইয়াছিলেন বলিয়া ঐ সমাধিবৃক্ষে বিশ্রামলাভ করিবে কিরূপে? ৩১-৩৫। বাহার বাহু দৃশ্যের প্রতি বৈরাগ্য করিয়া পূর্ববৎ আর আর পরিশ্রম করিতে ইচ্ছা করেন না, সদাই উপস্থিত হইয়াছে, সে অবুদ্ধ ব্যক্তির আদরের বস্তু দৃশ্যকে ঐরূপ বিশ্রামলাভ করিয়া থাকিতে চাহেন। যেমন ইনশূন্য অগ্নি ত্যাগই কেবল করিতে পারে, তদ্ভিন্ন ধ্যান (চিন্তা আবার সমীরণ দ্বারা সঞ্চালিত হইলেও আর প্রদীপ্ত হইতে পারে না, কাহায় করিবে? অতএব সমাধি শব্দের অর্থ চিন্তা নহে; কৃত ক্রমে আপনা আপনিই নিৰ্মাণ হইয়া যায়, সেইরূপ ঐ যােণী প্রপঞ্চকে সাক্ষী চৈতন্য স্বরূপে যে জ্ঞান, সেই জ্ঞানকে যথার্থ বহিনিঃশ্বাসপ্রশ্বাসে সবার মানবের ন্যায়ু লক্ষিত হইলেও ভিতরে স্বরূপে সমাহিত অর্থাৎ স্থাপিত কার নামই সমাধি। যখন দ্রষ্টা অহংজ্ঞান বিলুপ্ত হওয়ায় পূর্ণস্বভাবে শান্ত হইয়া যান। ক্রমশঃ লাকী চৈতন্য ও গ ( গং) এতদুভয়ের একতাসম্পাজক জ্ঞান অত্যাদবসে বাহ্য পদার্থের উপরে হার যে বৈরাগ্য উপস্থিত হয়, মনের মধ্যে ফুট হয়, তখন জীব সেই জ্ঞানস্বরুপে সমাহিত হইয়া ভোগলিত দৃষ্টির স্ব তহা আর কিছুতেই নিবৃত্ত করিতে পারে বিশ্রাম লাভ করে। দৃশ্য প্রপঞ্চের জড়ত্ব দুঃখাদির বিরােধী যে (আর কখনই তাহার ভােগবাসন উদিত হয় না)।সেই পরমার্থ চিদানসভা, তাহাই তত্ত্বজ্ঞানীর স্বভাব। প্রপঞ্চের সত্তা ফলপ্রদ সর্বোৎকৃষ্ট পথে আরূঢ় হইয়া যােগী যে ভূমিকায় (ষষ্ঠ- স্কুত্তিই সাধুগণ অতত্ত্বজ্ঞানীর ধৰ্ম্ম বলিয়াছেন। যিনি অতজ্ঞ, ভূমিকায়) উপনীত হন, সে ভূমিকা কিরূপ তাহা কথায় বলা যায় বাহ্ন বিষয় কেবল এঁহারই রুচিকর হয়, অজ্ঞানীর নহে। । ২০২৪। জ্ঞানবান পথিক যেমন মরুভূমিতে যাইতে ইচ্ছা যিনি অমৃত পান করিয়াছেন, কটু খাদ্য তাহার কখনই ভাল লাগে করেন না, সেইরূপ ঐ যোগী নিজের ভােগের চেষ্টা করেনই না। ৩৬-৪•। যদি ধ্যানশব্দের অর্থ নিজ স্বরূপের পুনপুন , যদি অপরের চেষ্টায় তঁাহার সম্মুখে কোন ভোগ আসিয়া অনুসন্ধানকে বল, তাহা হইলে ত ভাই তত্ত্বজ্ঞানীর পতা- উপস্থিত হয়, তাহা হইলে তাহাতে বিরক্ত হইয়া সেই ভােগের সিদ্ধ, কারণ জ্ঞানী, ত্রিবিধ ইচ্ছা পরিত্যাগ করিয়া বিতৃষ্ণ অভিমুখে গমন করেন না। অন্তরে পূর্ণমনা (সর্বপ্রকার অভাব হইয়াছেন। তিনি সর্বদাই আত্মনিষ্ঠ, তিনি ইচ্ছা না করিলেও হইতে বিবর্জিত চিদানন্দময়) ঐ যােগী সাংসারিক ব্যাপারে (জাগরিত ব্যক্তি জাগ্ৰৎ স্বরুপের জ্ঞানের আয়) তাহার নিদ্রিত এবং মদবিহ্বল ব্যক্তি স্যায় সদানন্দ হইয়া মৌমাবলম্বন- উক্ত ধ্যান আপনা হইতেই হইবে। স্বরূপের অনুসন্ধানরূপ পূর্বক এক অভূতপূর্ব স্থিতি লাভ করেন। পক্ষী যেমন অনায়াসে খান তৃষ্ণাদিকারণেই বিচুতি হইয়া যায়, যাহার তৃষ্ণা বাগ্রে উঠিতে পারে, সেইরূপ ঐ বােগী ঐরূপ অবস্থাপন্ন হইয়া একেবারেই নাই, সে স্বরূপ পরিত্যাগ করিয়া আর কোথায় ক্রমণ ঐ পরমাফলের নিকটবর্তী হন। তখন সমস্ত বাসনা থাকিবে ? সে ত সর্বদাই স্বরুপে অবস্থিতি করিবে। অথবা বুদ্ধি একেবারে পরিত্যাগ করিয়া আকাশের ন্যায় হইয়া সেই বাহু প্রপঞ্চ বিষয়ে কৃষ্ণাঙ্গ জ্ঞানীর আবার যে তৃষণ উদিত হয়, পরমার্থলেই কেবল আস্বাদন করেন এবং আস্বাদন করিয়া সে তৃষ্ণা অনন্ত অপরিচ্ছে। কারণ সে নিজে অপৰিচ্ছিন্ন আত্ম- পরিতৃপ্ত হন। ঐ যে পরমফল প্রাপ্তির কথা বলিলাৰ, উহা অল্পপে উদিত হইয়াছে। তােমালের ধ্যেয় এই বাহু বিয়ের জন আর কিছুই নয়, উহা সঙ্কর পরিত্যাগপূর্বক বিশুদ্ধ স্বভাবের যতটুকু হয়, এই জ্ঞান সমস্তই তত্ত্বজ্ঞানীর ব্যবহারে লইয়া যাও, অবস্থিতি। যখন ভেদজ্ঞান একেবারে তিরােহিত হইয়াছে, লেখিৰে ইহাতে তঁাহার তৃষ্ণাপূরণ কোনরূপেই হইবে না। এই কেবল অভেলই অশেষ হইয়া যায়, তখন সেই অভেদকেই এই সেবায় বিষয়ে ক্ষা করে না, কারণ বাহ্য বিষয়ের ফার বুধগণ অনাদি অনন্ত বিশুদ্ধ ব্ৰহ্ম বলিয়া কীর্তন করিয়া থাকেন। বিষয় অতি অল্প, যােগীর যে অপরিচ্ছিন্ন তৃষ্ণা, তাহার বিষয় ২৩। বুধগণ স্ত্রী পুত্ৰ ধন জন প্রভৃতি সমুদয় পরিত্যাগ অনেক। অনন্ত তৃষ্ণার বিষয় পরিত্যাগ করিয়া কে সামান্য ভূগর বাগবাণিত-মায়। বিষয় লইতে যায়। (বাহার দশ টাকা পাইবার আশা আছে, চিত্রিত বলিয়া প্রতীত হয়, অজ্ঞ ইহাকে সত্য বলিয়া মনে করে; সে কি কখন দশ টাকার আশ পরিত্যাগ করিয়া তিন পয়সার জন্য তত্ত্বজ্জনী ইহাকে চিত্রিত বস্তুর স্থায় স্থান করিয়া ইহা কোন ধাবিত হয় ?) মুং বাহ্য তৃষ্ণার বিক্ষেপ না থাকাতে ছিন্নপক্ষ বিপদের আশঙ্কা করেন না। তাহার চিত্তে এই অণ; শূন্যময় পর্বতের একত্ৰ অৰস্থিতির ন্যায় যােণীর ধ্যান (নিজ স্বরূপ চিন্তা) অথবা নিদ্রিতাবস্থায় দৃষ্টবর ন্যায় প্রতিভাত হয়, छानौ मानव আপন হইতেই হয়। এই জন্য যতদিন ঐরূপ বিশুদ্ধ বােখের যখন পরমত সাক্ষাৎকার করেন, তখন তার কাছে অহাৰ উদয় না হয়, ততদিনই সমাধির জণ্ঠ যত্ন করিতে হয়। যখন বা ভগৎ কিছুই প্রতিভাত হয় না। তখন তাঁহার হৃদয়ে এক বিশুদ্ধ বােধশ্বৰূপ আত্মা সাক্ষাৎকৃত হন, তখন আর সমাধির জন্য অনির্বচনীয় তত্ব স্কুরিত হইতে থাকে। যিনি অন্ধ্রপ্রবুদ্ধ সম্পূর্ণরূপ যত্ন করিতে হয় না, কারণ সে সময়ে সমাধিত্ব থাকিতেই পারে না। ভলাভ করিতে পারেন নাই, তাহার চিত্ত জ্ঞান অজ্ঞান-উভয়- তাহাতে ভালরূপে জলন্ত অগ্নিতে ঘৃত বিন্দু কথই থাকিতে পায় সুক হইয়া অঙ্ক অন্ধ আর্দ্র কাষ্ঠের ন্যায় প্রতিভাত হয়। না, তখনই দগ্ধ হইয়া যায়। ৪১-৪৫। বিষয়ের প্রতি সাতিশয় ৫৬-৬০। অজ্ঞান হইলে এই জগৎ এক বলিয়া বােধ হয়, বৈরাগ্যই সমাধিকে অভিহিত হইয়া থাকে, যিনি সেই বিষয় অজ্ঞান না হইলে ইহা বিভিন্নরূপে প্রতীয়মান হয়, যত দিন বৈরাগ্য লাভ করিতে পারিয়াছেন, তিনি মনুষ্যদিগের মধ্যে অজ্ঞান,ততদিনই তােক বিবাহ করিয়া মরে , যখন জ্ঞান লাভ ব্ৰহ্মা, তাঁহাকে নমস্কার করি। ঐ বিষয়-বৈরাগ্য ক্রমে কূট হইয়া করে, তখন সকলেই মিত্ৰতা করে, কাহারও সহিত আর বিবাদ গেলে, ইন্দ্রাদি দেবতা ও অসুরগণ যােগীর কোন অনিষ্ট সাধন করে না। যাহার তত্ত্বজ্ঞান পরিপক্ক হইয়াছে, তিনি জগতের সভা করিতে পারে না। বিষয়ের প্রতি অভিলাষ একেবারে না বা অসত্তা কিছুই বুঝিতে পারেন না, কারণ তখন তিনি সর্বদা থাকাই ঝরে যায় সুদৃঢ় ধ্যান ( সমাধি) যহাতে ঈদু সমাধি- ভয়ই হইয়া থাকেন। সপ্তম ভূমিকায় অরূঢ় ব্যক্তি যেমন লাভ করিতে পার, তাহার চেষ্টা কর। তত্ত্বজ্ঞান দ্বারা ভেদবুদ্ধি জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও মুপ্তি ইহার কোন প্রভেদ দেখিতে পান না, তিরােহিত হইলে আর কোন ধ্যানেরই আবশ্যকতা থাকে না সবই একরূপ দেখেন, সেইরূপ ঐ যোণীও জগতের স অসত্ত্ব বিশ্বশব্দের অর্থ মুখলােকের নিকটেই বিদ্যমান, যাহারা বিদ্বান, কিছুরই পার্থক্য অনুভব করিতে পারেন না। চিনুহরিণ সমাধিক্ষে তাহারা বিগশব্দকে তুচ্ছ বলিয়া জ্ঞান করেন না, এমন কি, উঠিয়া পরমাথফল লাভ করিল, এই কথাপ্রসঙ্গে যে চিত্তনাশের ইহা তাঁহাদের চকেও পতিত হয় না। হে বুগণ! কথা বললাম, সে চিন্তকে তুমি বলনা বলিয়া বুঝিবে , কারণ জ্ঞানী এবং অজ্ঞ, বিশ ও বিশ্বশতি, জ্ঞান ও অজ্ঞান বাসনা নষ্ট হইল , আত্মা বাসনারূপ নিগড়ব হইয়া সমাধিক্ষে এই সকল যাহাতে এক হইয়া প্রকাশ পায় , তােমরা সেই । উঠিয়াছিলেন, তাহার পরে তার সে বাসনানিগড় ভগ্ন হওয়ায় বিবেকাদিগের জ্ঞানমার্গে উপস্থিত হইয়া বিশ্রাম লাচ্ছ। তিনি মুক্ত হইলেন , নতুবা চিনশশব্দে অস্বনাশ বলিলে ত কর। ৪৬-৫০। এই জ্ঞানমার্গে আত্মাতিরিক্ত সত্তা, বা মােক্ষই হয় না, নিজেই যদি নষ্ট হয়, তাহা হইলে তাহার আর অসত্ত্ব, দ্বিত্ব বা একত্ব কেহই নির্ণয় করিতে পারে নাই থাকিবে কি? সে (ধ মুক্ত হইয়া যাইবে। ধ্যানপাগপ এইরূপে নির্বাণ প্রাপ্তির প্রথম উপায় শাস্ত্রচর্চা, দ্বিতীয় উপায় সাধুসঙ্গ, | বর্ধিত হইয়া বহুদিনের পরে যে স্বয়ং উৎপন্ন জ্ঞানরূপ ফল ধারণ তৃতীয় উপায় ধ্যান, এই উপায়ত্ৰিভয়ের মধ্যে পর পর কথিত | করে, মুমুচিহরিণ সেই জ্ঞানরূপ সুরস ফল আস্বাদন করিয়া উপায়ই পূৰ্ব্ব পূর্ণ কখিত উপার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। বিশাল দেহ বাসন শৃঙ্খলের বন্ধন হইতে মুক্তি লাভ করে। ৬১-৬৫। (অপরচ্ছিন্ন স্বরূপ) এই অপরােক্ষ ব্রহ্মচৈতন্য জীব নামক । পঞ্চচরিংশ সর্গ সমাপ্ত। আপন প্রতিবিশ্বের আদর্শম্বরূপ অন্তঃকরণরূপ উপাধিবণে বিচ্ছিন্ন । রূপ ধারণ করিয়া থাকেন। ঐ ব্ৰহ্মচৈতন্য স্ব স্ব করে বৈচিত্র। অনুসারে আব্ৰহ্মপৰ্যন্ত সম বিষম সকল শীরেই সমভাবে যত্বারিংশ সর্গ । উদিত হইয়া থাকেন। ইহার মধ্যে যাহার ভাগ্য উৎকৃষ্ট, তিনিই জ্ঞানযোগ্য পবিত্র জন্ম প্রাপ্ত হইয়া শাস্ত্রচর্চা ও সংসজাদি বশিষ্ঠ কহিলেন,-“এইরূপে পরমার্থ ফল রস সাক্ষাৎ নুনুত উপায়ে জগৎরূপ কলুকক্রীড়ার পূর্বাপর সমস্ত হলে ঐ ফল ক্রমে মুক্তিরূপে পরিণত হইয়া যায়, তখন সেই অবগত হন, তিনি জ্ঞান ও বৈরাগ্য এতদুভয়ের এক সিন্ধি পরমার্থলের সাক্ষাৎকরাত্মিকা চিংডিও বাধিত হইয়া যায় , করিলেই উভয়েরই সিদ্ধিলাভ করিয়া থাকেন। এই জগদ্ধপ চিহরিণ নিজেই ঐ পরমার্থ হইয়া যায়। তাহার সে হরিণত্ব তুল, লরূপ অনলে দগ্ধ হইয়া উত্তরােত্তর বৃদ্ধিরূপ বাতাসে জলীণম্নেহ প্রদীপের স্থায় নির্ধাণ হইয়া যায়। তখন কেবল ঐ উড়ান্বিত হইয়া কোথায় যে অদৃ হইয়া যায়, তাহা জানি না। পরমার্থিক দশাই বিদ্যমান থাকে। সে দশায় কেবল অনন্ত ফলে পরব্রহ্মেই মিণিয়া যায়। অগপ ভ্রান্তি অমুলক হইয়াও অপরিচ্ছিন্নভাবেরই স্ফুরণ হইয়া থাকে। মন ধানক্ষের আঁহার নিকটে বিলীন নহে, অর্থাৎ যিনি প্রত্যক্ষগােচর করেন, ফল প্রাপ্ত হইয়া নিজ নােথরূপ হইলে ছিল অচলের স্থায় আঁহার তত্ত্বজ্ঞান চিত্রিত অনলের ন্যায় জড়তা (অঙ্গন অনলপকে সুদৃঢ়ভাবে স্থিতিলাভ করে। তখন তাহার মনােভাব কোথায় শৈত্য) দূর করিতে পারে না। ৫১-৫৫। অজ্ঞব্যক্তি অগ চলিয়া যায়; কেবল বাধলু বিগবিহীন সময় নিৰ্ম্মল জ্ঞান- ৰে এভিনিবিষ্ট বলিয়া তাহার জগদূজ্ঞান যেমন আরও বাড়িতে স্বরূপই বিদ্যমান থাকে। চিত্রেয় সত্তা তখন পবিত্র হইয়া থাকে, সেইরূপ যিনি জ্ঞানী, তিনি জ্ঞান লাভ করিয়াছেন জ্ঞানস্বরূপে প্রকাশ পাইয়া থাকে, তঁাহার সেই অনাদি অনন্ত বলিয়া তাঁহার নিকট ঐ অগজাল স্কুরিত হয় না। অন্যক্তির জ্ঞানস্বরূপ নির্মল প্রকাশরূপ ফল প্রদান করিতে থাকে।। নিকটে ঘষার্থরূপে প্রতীয়মান এই জগজ্ঞান, জ্ঞানীর নিকটে তখন সকল প্রকার বলনা বা সঙ্কল একেবারে বিদূৰিত হইয়া T নিৰা--এ-উতরণ অনাদি অনন্ত অন্যাল তানই কেবল অবশিষ্ট হয়। যতদিন সপ্তরিং সর্গ। এম সাংকার না হয়, পরমপদ বিঙিলা না করা , ততদিন মন বিষয়ে অনুসন্ধান করে, খানলাভ করিতে পারে বশিষ্ঠ বলিলেন, হে আম। হাৰ সংসারভারে নিতা । মনঃ পরমার্থ স্বরূপ প্রাপ্ত হইয়া কোথায় যে চলিয়া যায়, পরিশ্রান্ত হইয়া মরণাদি গটে শরীরপাত করতঃ বিশ্রামের তখন বাসনা, কর্ম, হ, ক্রোধ প্রভৃতি যে কোথায় চলিয়া যায়, বাসনা করেন, তাঁহাদের প্রকর্ষ লাভের কথা শ্রবণ কর। তাহা জানি না। তখন কেবল দেখা যায়, যােগী একমাত্র ধ্যানমগ্ন প্রথমে সংসারের প্রতি বৈরাগ্যবশত অজ্ঞানপালির হইয়া পক্ষহীন পর্বতের ন্যায় ববং ঘৃভাবে স্থির হইয়া অবস্থিতি অনুষ্ঠানে বা জন্মানীয় বলে যখনই হৃদয়মথ্যে বিবেক করিতেছেন। যােগী ঐরূপে পরমায় বক্ষণ কৰিতে থাকিলে কণা জন্মিয় থাকে, তখনই আপভপ্ত ব্যক্তি যেরূপ শ্ৰমহাৰী তাঁহার নিখিলভােগ বিদূরিত হয়, ইশ্রিয়ত্তি সকল প্রশান্ত মার্গমধ্যস্থ বৃক্ষের ছায়া আয় করে, ক্রপ সেই জীবগণ হইয়া যায়। নিখিল দৃশ্য নীরস বলিয়া বােধ হয়। ৬-১০। সর্বোত্তম বলিয়া বিখ্যাত ভ্রাভিনাশক গুণরাশিয় আশ্রয় লইয়া ক্রমে হার বৃত্তি সকল একেবারে প্রশান্ত হওয়ায় যখন থাকে এবং পথিক যেমন আপতিত জ্ঞচিহ্ন সুপকে দূরে পরিহার তিনি অনায়াসেই পরমপদে বিশ্রান্তি লাভ করেন, তখন তাহার করে, মেনি তিনিও এদিগকে পরিত্যাগ করেন ও নেতা- সমাধি স্বতঃসিদ্ধ, কে তাহা নিবারণ করিতে পারে। মহাশয় পরাণ হইয়া গান মান যজ্ঞ প্রভৃতি অপার অনুষ্ঠান কলেন। ব্যক্তিগণ যতদিন চিত্রিত ব্যক্তির স্থায় হইয়া লেগ সকলকে চশমণ্ডল যেরূপ অমৃতকে ধারণ করিতেছে, তেমনি তিনি অদৃশ্য করিতে না পারেন, ততদিনই বিষয়বৈরাগ্য ভাবিতে তখন লােলােভনীয় আব্দকর অকৃত্রিম স্বৰােগ্য কোমল খাকেন। যখন আত্মসাক্ষাৎকার করিয়া বাসনা-বিবতি হইয়া ব্যবহার ধারণ করিয়া থাকেন এবং কোন সুশীল ব্যক্তি পরের জগৎপদার্থসমূহকে আর দেখিতে পান না, তখন যন্ত্রের স্যায় চিত্তের অনুসরণ করতঃ পরের প্রয়োজন সাধন কষিয়া সকলের সুদৃঢ় সমাধিকে কে যেন তাঁহাকে বলপূর্বক আনিয়া দেয়, ফলে প্রিয় হন ও শাস্ত্রীয় কর্মে নিতান্ত অনুরাগী থাকায় সর্বোৎকৃষ্ট তাঁহার অঙ্গ কিছুমাত্র কষ্ট করিতে হয় না। বর্ষাকালের নদী- হন।১-৬। এবং নবনীত মণ্ডের স্থায় নির্মল এবং শীত প্রবাহের ন্যায় সমাধি যখন বলপূর্বক আসিয়া তাঁহার চিত্তক্ষেত্র সুকোমল ও মনােহর সেই সাধুর নসঙ্গমসঙ্গত ব্যক্তিকে অধিকার করে, তখন তঁাহার মন সেই সমাধি অবলম্বন করিয়া সাতিশয় সুধিত করিয়া থাকেন, কারণ বিবেকী ব্যক্তির ব্যবহার আর বিচলিত হয় না। অজ্ঞানবলে বিষয়ের প্রতি যে বৈরাগ্য চকিরণের ন্যায় অতি শীতল ও পবিত্র বলিয়াই সাধারণকে উপস্থিত হয়, তাহাকেই সমাধি বলে অন্য কাহাকেও নহে। শীতল করিয়া থাকে। বিবিধ মুনােহর তুষমাকীর্ণ উদ্যান ১১-১৫। সুদৃঢ় বিষয়-বৈরাগ্যকেই ধ্যান বলা হয়, সেই সমূদয়েও তাদৃশ বিশ্রাম পাওয়া যায় না, সাধুসমাগমে যে বিষয়বৈরাগ্য ক্রমে পরিপক হইয়া বজ্রের ন্যায় মুমূঢ় হইয়া যায়। প্রকার নির্ভর বিশ্রাম হয়। স্বাগদার বি সলিলের ভার এই বিষয়ের প্রতি বৈরাগ্যই অঙ্কুরিত ধ্যান। সাক্ষাৎকার (বিবেকীদিগের সহিত সঙ্গতি) পাপরাশি প্রক্ষালন করিয়া রত্তিতে আবির্ভূত ব্ৰহ্মই অবিদ্যার উচ্ছেদে জ্ঞানস্বরূপ, নিখিল পবিত্রতা সম্পাদন করে। সংসারে বিরক্ত হইয়া তাহার বাসনার উচ্ছেদে ধ্যানস্বরূপ এবং নিখিলদুঃখের উচ্ছেদে ' উত্তরণেচ্ছক বিবেকিজনের সম্পর্কে লােকের চিত্ত হিমগৃহ- আনন্দরূপে নির্বাণস্বরূপে পরিণত হন। যদি ভােগবৈরাগ্য । সম্পকীয় ণীল হইয়া থাকে। বিবেকিনে যেরূপ উপস্থিত হয়, অন্য ধ্যানের কোনই আবশ্যক নাই; যদি ভােগ- মহতী অমরতা আছে, তাহা দেবগন্ধর্বকন্যার বা মানবীনে বিতৃষ্ণা উপস্থিত না হয়, তাহা হইলে ধ্যান করিয়া কি ফল মিলে না। হে রাম! ক্রমণ নিষ্কাম কর্মের অভ্যাসে বুদ্ধির হইবে? যিনি সমগজ্ঞান লাভ করিয়াছেন, দৃশ্য পদার্থের নির্মল হইয়া থাকে, পলে যেরূপ সন্নিহিত ভূমি প্রতি আস্বাদ যাহার একেবারে নাই, নির্বিকল্প সমাধি তাহার বিশ্বচ্ছলে প্রবেশ করে, তেমনি গুরুমুখ হইতে শার্থ সমুদয় অবিরতই হইতে থাকে। ফুৰ ৰাহার আর রুচিকর হয় না, হৃদয়ে প্রবেশ করে। ১৩। মহারণ্যে কালী যেরূপ তাঁহাকেই বুদ্ধ বলে। যখনই ভােগসকল বিরক্তিকর হয়, তখনই মূল এনােহাজির বিস্তারে ক্রমশ বৃদ্ধি পায়, সংজ্ঞাও দ্রুপ জ্ঞান উদিত হয়। যিনি স্বভাবে বিশ্রান্তি লাভ বিবেকিনে খানেই আশ্রয় লইয়া শাস্রার্থরূপ বসসম্পর্কে করিয়াছেন, তঁহার আর ভোগের আবকভাই নাই। আপনার ক্রমশ বৃদ্ধি পাইয়া থাকে, তখন সেই প্রজ্ঞাশালী মুনির্মল নিজ স্বভাবপ্রাপ্ত না হওয়াই ভােগের কারণ, তাহা প্রাপ্ত হইলে বিবেকিহৃদয় দর্পণের মত স্বরূপে প্রতিবিম্বিত যাবরই আবার ভোগ কি। শচর্চা ও পাখির পরে সমাধি- সর্বপ্রকার অনুভব করিয়া থাকে। সাধুসহবাসে ও অর্থের নিরত হইবে। যখন সমাথিবিরত হইয়া বিশ্রাক্তি লাভ কৰিৰে, অৰধারণে যাহার আত্মার শুদ্ধি হইয়াছে, সেই প্রজ্ঞাবান এখনও শাস্ত্রপাঠ এবং জপ করিতে হয়। সমস্ত শঙ্কা দূর ব্যক্তি অগ্নিসংযােগে মলবিহীন ও ক্ষণমাত্র আখি হইতে করিয়া সমস্ত কষ্ট পরিহার করিয়া শরৎকালের মেঘের ছায় উন্নত করে স্থায় প্রভাসম্পন্ন হইয়া শােভা পান ও মুষর্ণের নির্মল সুযুগুসমান শান্ত ও শম হইয়া নির্মাণস্বরূপে অবস্থিতি স্যায় কমনীয় ও আলােককারী সূৰ্য্য দ্বারা যেমন ত্রিভুবন করিবে। ১৫। প্রকাশিত হয় বিবেকা ব্যক্তি জাপ স্বীয় আত্মপ্রকাশক আন্তরিক আলােকেই সর্বদা উলিত থাকেন। ১৪-১৭। শটকামিং সমাপ্ত । এবান ব্যক্তি শাস্ত্রের ও সাধুসমাগমে সেই প্রকারে অভ্যাস ও সেবাটি গাৱা একাণ করিয়া থাকে, যে একার দশকে উক্ত আয়ের অনুভব করিতে পারেন। শারে -- T বােগবাশিষ্ঠ-কামায়ণ জ্ঞানে ভারাক্রান্ত বিৰেকী ক্রমশ সজ্জন হইয়৷ ছে বেদনায় আক্রান্ত হইয়া সেই দুঃখরাশিকে সততই অনুভব করিয়া সামগ্রী সমুদয় উপেক্ষা করত পঞ্জব-নিক্রান্ত পাখালির থাকে। হে রাম। অর্থে রা-চৌরাদি হইতে সতত অর্থ স্বাধীন হৃদয়ে বিচরণ করিয়া থাকেন ও ভােগাভিমুখে সম্ভব বলিয়া অর্থ অনর্থময় এবং সশদ নিত্য আপদসঙ্কুল গমনরূপ দৌভাগ্যকে প্রতিদিন পরিহার করিয়া আত্মবংশকেই সংসারের ভােগ সমুদয় মহাশে বাতীত আর কিছুই নহে সত্য সমূল করিয়া থাকেন, যেমন একচন্দ্র হইতেই নক্ষত্র সমূদয় কিন্তু মুড়ো মােহ বশতঃই এ সকলকে অন্য প্রকারে সদ্বিবেচনায় দীপ্তিশালী হয়। চন্দ্র রাহুগ্রাস হইতে নির্গত হইলে যেরূপ গ্রহণ করিয়া থাকে। হে রঘুনাথ। পুরুষ যে পর্যন্ত অনর্থময় শােভা ধারণ করেন, সেইরূপ বিৰেকীর মুখমণ্ডলও তখন অর্থের প্রার্থনা না করিবে, তব সংসারে তাহাকে বিষয় চিন্তা- ভােগসৰ্কশূন্য অপূর্ব অপু শােভ ধারণ করিয়া জাল সন্তপ্ত করিতে পারিবে না এবং যে পুরুষের মুক্তিলক্ষণ স্বর্গপুরে কল্পবৃক্ষ যেরূপ দেবগণের প্রশংসনীয়, তিনিও তদ্রুপ পরম পুরুষাৰ্থ অভিমত হইবে, সে ব্যক্তি অর্থকে সংসাররূপ জ্ঞানীদিগের নিতান্ত প্রশংসা-ভাজন হন। ১৮-২২। তিনি স্কুণের শিখা বিবেচনায় অবলােকন করুন ও স্বয়ং শান্তি লাভ অন্বেষী হইয়াও প্রাভােগের প্রতি যে করিয়া স্বয়ং অন্তরে করুন। হে রাম। অর্থ অন্য কিছু নহে, কেবল এই শােক লজ্জিত হন সত্য; কিন্তু ভােগসাধনের অভাব হইলে সমধিক মােহালি বিকার-সস্তৃত অরা-মরণ প্রভৃতি কর্মের ও দৈত্য- সন্তুষ্ট থাকেন। জাতিস্মর চালাদি যেমন সময়ে স্বীয় দৌরাত্ম্য প্রভৃতি অপ্রিয় ভাবেরই রাশি মাত্র বলিয়া জানিবে। জাতির প্রতি উপহাস করে, তেমনি তিনিও পূর্বানুভুত এই সংসারে অরামরণধী জীবনের একমাত্র সন্তোষই রাগাদিরূপিণী অল স্বীয় নারীকে বর্তমান দশায় স্মরণমাত্র মরণনিবারক সর্বদুঃশাপহারী মহৌষধি। বসন্ত ঋতু, নন্দন- করিয়াও অনুতাপে স্মিতমুখ হইয়া উপহাস করেন। অন্যান্য কাল, পূর্ণচন্দ্র ও অপরাগণ এ সমুদয় একস্থ হইলেও এক- সিদ্ধব্যক্তির ভূমিতে সমুদিত চক্রের ন্যায় সেই মহাত্মাকে প্রণয়- মাত্র সন্তোষাই ইহাদের অপেক্ষা উৎকৃষ্ট হয়। বর্ষাসঙ্গমে বশে দেখিবার বাসনায় নয়নযুগল বিস্তার করিয়া আগমন করেন। সরকারের স্থায় সন্তোষসম্পর্কে সাধু-হৃদয়ের পূর্ণ হইয়া তিনি উচিত বুদ্ধি দ্বারা নিত্যই ভােগের প্রতি অনাদর করতঃ থাকে ও সাধু ব্যক্তি সন্তোষ অবলম্বন করিলে শীতল। হৃদয়- সিজন সন্নিধানে লস্যিাদি ভােগকেও স্বীকার করেন না। গ্রাহিণী সুরসা প্রসন্না ভেজাস্বতাকে লাভ করিয়া সমধিক-শােভ'- আসানীর অন্তরে এখমেই সংসারবৈরণ উৎপন্ন হইয়া থাকে প্রাপ্ত হন-যেমন বসন্ত সমাগমে বৃক্ষসমুদয় পুষ্পরে পূর্ণ যেমন শরৎকালে পাপের শৈত্যপ্রকাশের পূর্বেই নীরস হয়। হইয়া শােভিত হয়। এবং যে ব্যক্তি সর্বদা অসন্তুষ্ট হইয়া অর্থের স্বাস্থ্যকাম ব্যক্তি যেরূপ বস্যের আশ্রয় গ্রহণ করে, তেমনি আকাঙ্ক্ষা করে, সে ব্যক্তি পাদুকা দ্বারা নিষ্পিষ্ট কীটের ন্যায় তিনিও পরিণাম মঙ্গলের জন্য স্বয়ংই সঙ্কনের সহিত সম্পর্ক দুর্বলাত্ম হইয়া চেষ্টামাত্র কবে ও সতত দুঃখের পর দুঃখ ভােগ রাখিয়া থাকেন ও তাহাতেই সেই মহাত্মা মামিতি হইয়া করে এবং সেই খনার্থীরা উদ্বেল সমুদ্রমধ্য নিপতিত রঙ্গাঘাতে নিৰ্মল সােবরে মগজে স্থায় শাস্ত্ৰসাগরে নিমগ্ন হন। হে বিশজনের ন্যায় কুৎসিত আকার লাভ করিয়া কুত্রাপি মুখে রাম। সধুঞ্জন সন্নিহিত বিপন্ন ব্যক্তি। বিপদ হইতে উদ্ধার অবস্থান করিতে পায় না। হে রাম। আরও বলি শুন, সংসারে করেন ও সূৰ্য যেমন প্রভ-মধ্যে সকলকে প্রবেশিত করেন, এমরূপ সম্পদ অতি ভয়ঙ্কর, পণ্ডিত ব্যক্তি কেহই অজগরের তেমনি তিনিও সম্পদে নিয়ােজিত করিয়া থাকেন। বিবেকিজনের ফণার ছায়ার ন্যায় সেই নারীতে আসক্ত হন না এবং যে মূঢ় সর্বাগ্রে পরস্বামিক বস্তুর প্রতিগ্রহে বৈমূখ্য হইয়া থাকে, তিনি অর্থের অর্জন রক্ষণ প্রভৃতি কাধে এই প্রকার অনর্থ জানিয়াও স্বামিক সামান্য বন্ধুতেই মহাসন্তুষ্ট থাকেন, বিবেকী ব্যক্তি পরধন তাহার অভিলাষী হয়, সেই নরাকতি পশুকে স্পর্শ করাও প্রতিগ্রহে পরাজু ও সদা সন্তুষ্ট থাকিয়া ক্রমশঃ নিস্পৃহ হইয়া অনুচিত। যে ব্যক্তি নিঃস্পৃহতারূপ পাত্র যারা মনের বাহ্য ও স্বার্থ মাত্রেই উপেক্ষা করিতে অভিলাষী হন এবং যাচকদিগকে আন্তরিক উদ্বােগলক্ষণ, অর্থাৎ সমুদয় অভীষ্টরূপ তরুরাজিকে সামাঙ্গ বহু শাকের কণীমাত্রও প্রদান করিতে লজ্জিত না হইয়া ছেদন করেন, তাহারই জ্ঞানরূপবীজের উৎপত্তি কােমরূপ ভাদৃশ অভ্যাসের সম্পর্কে পরিণামে স্বীয় দেহমাংস পর্যন্ত প্রদান হৃদয়ে প্রকাশ পায়—অর্থাৎ নিৰ্ম্মল হয়। প্রথমে সংসারের করিয়া থাকেন। যেমন খবমান ব্যক্তির নিকট পােপ-পরিমাণ প্রতি বৈরাগ্য রাখিয়া সাধুসঙ্গ ও সচ্ছাস্ত্রের আলােচনা করিয়া স্কুল অতি অল্প অনুভূত হয়, তেমনি যাহারা বিবেকের অনুসরণে তারে কৃঢ় চিন্তাপূর্বক ভােগসমূদয় পরিত্যাগ করুত বাস- চিত্তকে আয়ত্ত রাখিয়াছে, তাহাদের নিকট স্বীয় মূখত অতি বিহীন হইয়া বিবেকী পরমপদ প্রাপ্ত হন। ২৩–৫৩। সামান্য বিনাে হয়। সাধু ব্যক্তি প্রথমে পরকীয়ৰস্তু গ্রহণে সখচারিং সর্গ সমাপ্ত। ৪৭। নিরভিকে অতিত্বে অভ্যাস করিয়া স্বীয় বৈরাগ্যৰলে স্বার্থ- বিষয়েও বিরক্তাবকে সংগ্রহ কমিযেন, নর ভােগপরিতলের সহিতই সার্থকে ত্যাগ করিবেন, তখন পরম শান্তির নিমিত্তই অষ্টারিংশ সর্গ । এই প্রকার ক্রমিক উপায় অবলম্বন করিয়া থাকেন। সংসারে অসংখ্য নক যথ্যেও ভাঙ্গণ দুধ অত হয় না, বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। সাধু ব্যক্তির অনুরে প্রথমে যাই যাৰীৰন অর্থোপার্জনপ্রয়াসে ঐহিক পারত্রিক দুশির সংসারের প্রতি বৈরাগ্য উপস্থিত হইলে পর বিনি সাধুসমাগম তুল্য হইতে পারে। যদিও মুঢ়দিগের পারলৌকিক দুঃখের লাভ করিয়া নিজ বুদ্ধি বা শাস্ত্রের অভিপ্রায় অবগত হন ও স্মরণ হয় না, তথাপি ভাহারা শয়ন, উপবেশন, গমন, ভ্রমণ, ভােগের প্রতি নিস্পৃহ হইয়া সজনপদবীতে অধিরােহণ করেন। রমণ প্রভৃতি যে কিছু কার্য করে, তৎসমূদয়েই যাতনায় ও মনো তখন তাহার হৃদয় প্রকাশ হইয়া পরম পদের অভিমুখ হয় U নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তর তিনি ধনরত্নাদি ৰসকলের অন্ধকারের স্মায় তুচ্ছ বিবেচনায় সরূপী হইয়া সর্বস্থানে আছেন এবং তিনি ৪র্বান্তবর্তী বাসনা করেন না, প্রত্যুত যেমন উচ্ছিষ্ট ও শুষ্ক পত্রাদিকে গৃহ সর্বময়, এক্ষণে সেই সৰ্বস্বরূপ বিষ্ণুকে নমস্কার করি। ১৮-২৩। হইতে নিয়াকরণ করে, তেমনি অর্থের সঙ্গমাত্রেই পরিত্যাগ বায়ু হইতে গমনাদি শক্তির স্যায় সেই কারণ-পুরুষ হইতেই করেন। হে আম। ভারবাহী পথিক যেমন ক্রমশঃ শ্রান্ত ও অসমর্থ এই সৃষ্টি-স্থিতি-বিকায়াদি প্রকাশ পাইতেছে এবং স্থাবর ম হইয়া ভার দ্রব্যের এক একটীকে আত্মশক্তি ও দ্রব্যের গৌরব অখিল সংসার অভিমত প্রদানে তাঁরই নিরন্তর পূজা করিয়া অনুসারে পরিত্যাগ করে, তেমনি বিবেকী ব্যক্তিও স্ত্রীপুত্রাদি থাকে। তিনি ভক্ত কর্তৃক বহু ভক্তি সহকারে পুজিত হইয়াই স্বজনরূপ ইন্দ্রিয়-ভােগ্যদিগকে ভারভূত বিবেচনা করেন ও প্রসন্ন হইয়া থাকেন, সেই চিন্ময় মহাপ্রভু পরমাত্মা জীবের যখাকালে শক্তনুসারে ক্রমিক আহাদের সত্যাগ করেন। তদীয় পূর্ববলে প্রসন্ন হইয়া জ্ঞান সম্পাদনের নিমিত্ত বক্ষ্যমাণ চিত্ত শান্তিময় বলিয়া ভােগমাত্রেরই অনুভব করেন না। অধিক পবিত্র দূতকে শীঘ্র প্রেরণ করেন। রাম কহিলেন-হে মুনে। কি বিবেকীরা নির্জনে, দিগন্তরে, সবরে, অরণ্যে, উদ্যানে, পরম প্রভু পূণাত্মা ভক্তের নিকট কাহাকে দূত করিয়া প্রেরণ পূণ্যতীর্থে, নিজগৃহে, মুহজনের ক্রীড়াসভায়, অরণ্যভেজে কিংবা করেন এবং সেই দূত কিরূপেই বা তত্ত্বের উদ্বােধন করিয়া থাকেন, শাস্ত্রীয় তর্কাদির বিচারে এ সমূদয়ের কিছুতেই স্থিরভাবে তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে বৎস! পরমাত্মা অবস্থান করেন না। সেই বিজ্ঞানবাদী জ্ঞানী ব্যক্তি তখন বিবেক নামক দূতকেই পাঠাইয়া থাকেন, সেই বিবেকই আকাশে সমসমাদি গুণােপেত হইয়া মৌনভাবে আত্মাতেই স্ফুর্তি পাইয়া চন্দ্রের ন্যায় জীবের হৃদয়রূপ গুহামধ্যে আসিয়া পরমানন্দে অবস্থান সেই দেহেন্দ্রিয়াদির অধিষ্ঠাত ব্ৰহ্মস্বরূপেরই অন্বেষণ করিয়া করেন। ২৪-২১। বিবেকই ৰাসনবদ্ধ জীবকে ক্রমশঃ বুঝাইয়া থাকেন। এই প্রকার অন্বেষণের অভ্যাসবশে সহজেই বিবেকী থাকেন এবং এই দুরুত্তর ভবসাগর হইতে অবিবেকীকে উত্তরিত ব্যক্তি পরমপদে বিশ্রাম করেন। হে রাম। আলুবােধ ব্যতীত করেন। ঐ প্রসিদ্ধ জ্ঞানাই অন্তরাত্মা, উনিই পরম ও অপর কোন অর্থেরই বােধ নাই বা কিছুই নাই, এই পরমেশ্বর, ইহারই বেদসম্মত নামান্তর ওঁকার। দেব, দানব, প্রকার স্বীয় অনুভবশালী পরমপদ অন্তুরেই অবস্থিত বলিয়া নাগ ও মনুষ্যগণ, জপ, হােম, তপস্যা, দান, বেদপাঠ ও যজ্ঞ পণ্ডিভেন্না নির্দেশ করেন। সকল বস্তুজাতের অভদজ্ঞানের প্রভৃতি সৎকার্যের অনুষ্ঠান করিয়া নিরন্তর তাহাকেই প্রসন্ন করি- সহিত যাহা আত্যন্তিক সম্বন্ধে পরিণত থাকায় যাহার বােধ ৰােমাৰলি নক্ষত্রনিচয়, অস্থিনিচয় জীবসক্স ও হৃদয় আকাশস্বরূপ তেছে। তাহার বৈখানররূপের মস্তক স্বৰ্গ, চণয় পৃথিবী, বা শূন্যতা নাই, তাহাকেই পরমপদ জানিবে। যেমন অচেতন প্রস্তরের ক্ষীর প্রশ্রুত হয় না, তেমনি যাহারা স্বসংবিদ মাত্রে হইয়াছে। পরমেশ্বর চিনত্মা বলিয়াই সর্বস্থানে সর্বদা যাই- বিশ্রাম করেন, সেই মনঃশুন্য সজ্জনদিগের কদাচ বিষয়ভাব তেছেন, জাগ্রন্থ আছেন ও নিরীক্ষণ করিতেছেন, সুতরাং বি- বিন্নিত হয় না, তখন সেই আত্মপরায়ণ স বিষয়নিরােধী পদে রূপের হস্তপদ চনু কর্ণালি সৰ্বদিকে সর্বদা স্বকাৰ্যতা উপস্থিত হইয়া মনােবিহীন মৌনভাব ধারণপূর্বক চিত্র লিখিতের হইয়া রহিয়াছে। বিভু বিবেকদূতকে উদ্বােধিত করিয়া জীবের আর স্বভাবেই অবস্থান করেন এবং সেই আত্মতত্ত্বজ্ঞের মন চিত্তরূপ পিশাচকে ধ্বংস করেন, অতঃপর জীবকে অনির্বচনীয় সর্বার্থসম্পন্ন হইয়াও অর্থবহীন অতিমহং হইলেও পরমাণু আত্মপদৰীতে উপনীত করেন। ৩০-৩৫। অতএব আত্ম। নিজ শক্তিতে তুল্য ও পূর্ণ হইলেও শূন্যস্বরূপ হইল থ'কে , এজ তিনি সমুদয় বিক ও বিকার সমুদয়কে পরিত্যাগ করিয়া স্বয়ংই প্রসন্ন হউন, কারণ এই কামক্রোধাদিরূপ মেনিচয়ে আছি তখন মনঃপূত হন। বিশেষ তাহার তুমি, আমি, দিক ও কাল প্রভৃতির জ্ঞান চিত্ররূপে থাকিলেও হাতে স্বরূপে অবস্থান সংসারূপ রাত্রির অজ্ঞানরূপ অন্ধকারে মনে করে না বলিয়াই দীপ যেমন অন্ধকার দূর করে, তেমনি তিনি সদা ভ্রমণ করতেছে, উহাতে নিজ জ্ঞানময় আত্মাই পূর্ণচন্দ্র শুৰূসক স্বরূপে থাকিয়া আন্তরিক অজ্ঞানরূপ অন্ধকারকে ও স্বরূপে বিদ্যমান। এই সংসাররূপ দুরন্তসাগর বাসনারূপ বা রাগন্বেষ ভদিকে দূর করিয়া থাকেন। ১—১৭। ভরজে সমতুল, মনােরূপ প্রচণ্ড বায়ুতে আলােড়িত, মরণরূপ অঞব যাহাতে রজো স্পর্শ করিতে পারে না ও যেখানে অ- অগাধ আবর্তে ঘূর্ণমান, ইন্দ্রিয়রূপ দুষ্টগণের আশ্রয় ও অরূপ প্রকাশের নিতান্ত অসম্ভব, যিনি সত্ত্বগুণের পরে অবস্থিত, সেই একমাত্র প্রধান নৌকা। পরমাত্মা প্রথমে অভিমত পূদ্রনালি অনন্ত জলের আধার, ইহার পারে যাইবার সাধন, বিবেকই ত্রিগুণাতীত ব্ৰহ্মস্বরূপী নরসূর্যকে প্রণাম করিবে এবং তেলবুদ্ধির পাইয়া প্রসন্নতা লাভ করিলে এ সংসারে বিৰেকরূপ দূতকে লয়সহকারে যাহার চিত ভিৱােহিত হয় সেই জ্ঞানবানের পরামর্শী করিয়া প্রেরণ করেন, পরে সৎসঙ্গ শাস্ত্ৰচৰ্চ্চাৰি অংকালিক অবস্থা বাক্যের দ্বারা বর্ণনা হয় না। হে মতিন। পরমেশ্বরকে দিবারাত্র ভক্তিবােগে আরাধনা করিলে তিনি মারা তত্ত্বজ্ঞান জন্মাইয়া জীবকে নির্মল অদ্বয় পৰমপদে আনয়ন প্রসন্ন হইয়া ভক্তকে এই প্রকার নির্মাণপদ প্রদান করিয়া করেন। ৩৬-৪০। থাকেন। রামচন্দ্ৰ কহিলেনহে মুনিবর! আপনি সমুদয় অষ্টচত্বারিংশ সর্গ সমাপ্ত। ৪৮। তত্ত্বজ্ঞণিগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, সুতরাং আপনার অবিদিত কিছুই নাই, এক্ষণে বলুন, ঈশ্বর কে এবং কিরূপেই বা ভক্তিবেগে তঁাকে প্রসন্ন করা যায়। বশিষ্ঠ কহিলেন,“হে বুজিমন। ঈশ্বর একোনপঞ্চাশ সঙ্গ। তােমার সমিধানেই আছেন ও তাঁহাকে মুখেই পাওয়া যায়। বণিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। গাহারা বাসনা পরিত্যাগ পূর্বক হে রাম। নিজ মহা জ্ঞানময় আত্মাই পরমেশ্বররূপে কথিত বিবেকের পুষ্টি করিয়াছেন, সেই মহদিগের অসামান্য মহত্ত্বই হন। সেই পরমেশ্বর হইতেই সমুদয়, হাতেই সকল ও তিনিই অমিয় থাকে। সেই মহৎদিগের ঔদাবতী গাভীৰ্যশালিনী বােগণিষ্ঠ-রামায়ণ মহতী বুদ্ধিকে চতুর্দশ ভুষনের সম্পদ জন্তুরা এলােল দেখাইতে। জ্ঞান উদিত হইলে প্রথমে বাহতাব প্রাপ্ত হইয়া স্থূলতা পায় , পারে না। এবং দৃশ্যমান সংসার চিত্তের মাত্র এই বিশ্বাস হয়ে যেমন সলিল অতি শীল হইলে জড়তাবশতই স্কুল কাদির বদ্ধমূল হইলেই যাই ও অন্তশ্চাৱা চক্ষু, কর্ণ, মনপ্রভৃতি ইলিয়- আকার ধারণ করে। চিলাকা নি অজ্ঞানের সহিত মিলিত হইলেই গ্রামরূপ হিংস্র ও লীভূত অজ্ঞান দূরিত হইয়া থাকে। স্বপ্নানুভূত বিষয়ের স্থায় স্কুলভাবপ্রাপ্ত হন, তখনই চিত্ত অহার বিশেষ আকাণে চযুগলের স্থায়, মরুভূমিতে সলিলের ন্যায়, জ্ঞাপক হইয়া স্বদেশের অবতারণা করিয়া থাকে। কিন্তু ঐ সকল এবং অন্তরীকে গলগলাদির স্থায় এই জগৎই যদি নিতান্ত অবস্থাতেও চির বস্তুতঃ রূপান্তর হয় না, তবে যে কিছু ভ্রমাত্মক বলিয়া প্রকাশ পাইল, তখন আর বাসনা কিরূপে পার্থক্য লক্ষিত হয়, তাহা কেবল বিভিশকে কল্পিতমাত্র। হে কোথায় থাকিবে, এবং বাসনা যদি না থাকিল, অৰে এক রাম! স্বপ্নদর্শন হইতে মন যেমন অন্তর্ভাবে ও বহির্ভাবে জড়িত আকাশই অবশিষ্ট রহিল, কিন্তু এই বাসনাশূন্য অবস্থা মনের সত্তা হইয়া বিকৃত হয়, বােধাত্মাৰ কিন্তু ড্রপ অনুরে ও বাহিরে বহু না থাকিলেই হইয়া থাকে। ঐ দশকে বিবেকী কিছুতেই ত্যাগ দর্শনে মুগ্ধ হইলেও বিকৃতি হয় না। কারণ যোধা আকাশ করিতে পারেন না।১৫। আগ্রাদি এই অবস্থায়ই অতি বলিয়া ভদীয় আকারও আকাশ এবং কালাদির ন্যায় কলাচ বিকৃত প্রসিদ্ধ, পুনশ্চ যে অবস্থা এই তিন অবস্থায় অসংপৃষ্টা—অর্থাৎ হয় না। সুতরাং স্বপ্নের মত হয় না। সুতরাং স্বপ্নের মত ঐ আকাশেরও অথরূপে পরিণতি বাতব্যবহারে বাধ থাকিলেও বাহব্যবহারকারিণী সেই অবস্থাকেই নাই, ঐরূপ বাহবিষয় কদাচ বােধবশে অনুর্তাবকে প্রাপ্ত হন। পরমা কহে। হে রাম। ঐ পরমাবস্থাপক্ষের নিকট বিচিত্র রত্ব যেহেতু বােধত্ব কখনই অত্যন্ত বিসদৃশ জড়রূপ পাইতে রাজির প্রতাপুরে স্যায় হরূপ এই জগৎ আত্মা, ঘন, বা পার্থিব পারে না। বােধাকা কখনই দৃশপন্ন হয় না, যদিও তদবস্থায় কিছুই অনুভূত হয় না, কেবল চিদাভাসমাত্র লক্ষিত হয়। যেমন উপনীত হন, তথাপি পুর্ববৎ অবিকৃতই থাকে না বা কিছুমাত্র আকাশে বিচিত্র রনিচয়ের কিরণজলি লক্ষিত হয়, তেমনি এ অরূপও হয় না, একমাত্র বিজ্ঞানে পরিণত আত্মা সমা জগতের রূপদর্শন শূন্যমাত্র, এ সংসারে ভূপ্রপঞ্চ, জগৎ কিছুই প্রকাশমান হইলে, বােধ ও অবােধ এই উভযার্থক বেদবাক্যেরও সত্য নহে, কেবল ইহা ব্ৰহ্মসংজ্ঞক মহারত্বের প্রভাবই প্রকাশ বিলোপ হইয়া থাকে এবং আভিবাহিক-শরীরী মনের স্বীয় মুদ পাইতেছে এবং সৃষ্টিব্যাপার না থাকায় নানা নাই ও প্রলয় নাই, | ভাবনাবশেই মহাভূতান্তভাবে অবস্থিত্তি জ্ঞান হয়। কিন্তু যেমন সুতরাং বিনাশ অসম্ভব, কেপল রূপবিহীন কল্পনায় সুধাংশু- নটো স্বরূপে মিখ্যাকলিত পিশাচতার প্রকাশ করে, তেমনি জালই ঘনীভূত হইয়! প্রতিভাসিত হইতেছে, সশরীরের আকাশনিৰ্ম্মল অতিবাহিক চিও তখন মিথ্যা অধিভৌতিকতার ঘনীভূত পিতাব নাই, তাই কল্পনা কত আকাশ অদ্ভুতাদির কল্পনা করিয়া থাকে।১৬-২৮। হে রম! যেমন আমি উত্ত গান মানৱজ্যে কেবল শূন্য বেয়ই অসঙ্গতি হইয়া থাকে। 'নহি, এইরূপ জ্ঞানের উদয়ে উন্মত্তের উন্মত্ততা দূর হয়, তেমনি এই সকল কারণে শূন্য ই যদি কোন বস্তু না হইল, তবে তাদৃশ , অভ্রমণের অভ্যাসেই প্রান্তি সম্যক্ পরিজ্ঞতা হইলেই উহার আশার বাগদেবর অবস্থান কোনমতেই সংবে না। কোন উপশম হইয়া থাকে, ভ্রান্তির স্ব-স্বরূপে সম্যক্ জ্ঞান হইলে পা কি করলাম। ভাবী আকাশ বিশ্রাম করতে পারে ? । বাসনার উচ্ছেদ হয়। স্বপ্নকে স্বপ্নকলে স্বপ্ন বলিয়া বুঝিলে ৬—১২। এইরূপই চর চর পিণ্ডত য নাই, অথচ শূন্যতাও : কাহারও কি কোনরূপ ভাবনা থাকিতে পারে? ঐ বাসনার ক্ষয়ে নাই , সুতরাং যে এক সংই তখন অবশিষ্ট আছেন, তঁাহার কোন- | সংসারভাবেরও উপশম হয়, কারণ বাসনাকে দুষ্টা যক্ষিণী বিবেচনায় রূপে বিচলন নই। সম্যানের ভাসমান নানাত্ব সম্মত্রে। পণ্ডিতের। উহার উচ্ছেদে যত্নবান হন এবং পুরুষের অজ্ঞানজনিত লীন থাকে বলিয়া, নানা রূপ হইলেও নানভিন্ন স্যান্ন অবস্থার উন্মত্ততা যেমন অভ্যাসৰণেই দূটীকৃত হয়, তেমনি জ্ঞানাভ্যাসে করেন,—যেমন সুবর্ণপিণ্ডের মধ্যে কটককেরাদি নানা আকার ঐ উন্মত্ততার কালে উপশম হইয়া থাকে। যেমন অতিবাহিক- নিহিত থাকে। হে রাম। সধারণের বুদ্ধি সর্বদা উমাধম-বিষয়ে দেহকে তজ্ঞেরা জ্ঞানাভ্যাসের অনুগ্রহে আধিভৌতিকতায় উপ- ধাবমান হয় বলিয়া কিছুতেই স্থির থাকতে পারে না, সুতরাং স্থাপিত করেন, তেমনি অতিবাহিক দেহই জীবরূপলাভ তাশ বুদ্ধি এ সন্তাস্বরূপের অাশ ব ধাবিত হইয়াও ক্লেশই করিয়', দৃঢ় জ্ঞানাভ্যাসে ব্ৰহ্মরূপে উপনীত হস্তু। হে রঘুনাথ। কেবল পাইয়া থাকে, তবে উহার প্রাপ্তির উপায় একমাত্র অভ্যাস প্রথমে জগৎকারণ পরমেশ্বরের স্বরূপ বােধের এক বুঝিয়া • যোগ যে অধিকারী ব্যক্তি এই ভূ-ভবিষ্যদ বর্তমান জগতের কাশপর্যন্ত অখগুদিরভাব অবগত হইবে, যাবৎকাল অথবৃত্তির উৎপত্তিকে বিশেষ বিচারণা দ্বারা স্কুল ও প্রপঞ্চে বিরহিত | সম্যকপরিণতি না বুঝিবে। চিত্তের বাহু ও অভ্যন্তর উপশান্ত সন্মত্ৰ খং বোধশ্বরূপে অবত হন, তাঁহাকেই তন্থ বলিয়' হইলে স্বরূপতা প্রকাশ ২া থাকে , অতএব সেই আকাশে নির্দেশ করেন ও সেই দ্বৈতভবঙ্গ শান্তিপূর্ণ আত্মজ্ঞে নিকট পম সুশীত স্বরূপকে অবলম্বনপূর্বক শান্তিময় হও। জ্ঞানী এইস সরপ্রপঞ্চ খাকে না। ১৩-১৫। হোম। সংপুরুষের ব্যক্তি স্নানঘজ্ঞ বৃত হইয়া সংসার জয় করিয়া সর্বত্যাগরূপ নিকট হিত কথার ন্যায় এই সমুদয় উপদেশবাক্য তত্ত্ব-জ্বর স্বতঃই দক্ষিা প্রদানপূর্বক যজ্ঞান্তে ধ্যানরূপ সুপ নিখাত করত সৰ্ব্বোং- অনুভূত হয় বলিয়া এ সকল তঁহারাই বিশেষণ , উহার নিকট কষ্ট অবস্থান করেন। যদি তণ্ডাঙ্গার বর্ষণ হইতে থাকে, ভূপ্রপঞ্চের পিণ্ড নাই ও প্রত্যক্ষতাদির শূন্যতাও নাই, সুতরাং প্রলযপবন বহিত খকে কিংবা ভূল কম্পিত হয়, তথাপি সেই এজয়শ্রষি মনও নাই। কেবল সম্মাত্র পারমার্থিকরূপে অবশিষ্ট হানী আত্মাতেই শলাত করেন, কদাচ আত্মবিচ্যুত হন না। আই এবং অন্তরে চেন এই পরা ভবিষয়ে উন্মুখতাই | ভদীয় মনস নে বন হয় ও তিনি প্রাণাদির সম্যক্ নিৰােধ চৈত-সাং সংসারভাবের জ্ঞান, কিন্তু ঐ জ্ঞানের প্রকাশ করিয়া অসাধারণ অবস্থানে অবস্থিত করেন।২১-৪০ হে রাখব। নিতান্ত অনর্থকর ও অগ্রকাশই ক্যাণকর হইয়া থাকে। কারণ ঐ বাহবিষয়ে নিতান্ত বাসনাশূন্য হইলে, চিত্ত যেরূপ সহজে উপশন্ত নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ। হয়, শাালোচনা, গুরূপ, পাও দশপ্রভৃতি উপায়ে সেরূপ আমরা তাহাদের স্বপ্ন-মধ্য হইৰ ও তঁহাদের চিরন্তন বলিয়া শান্তিসাধন হয় না। জ্ঞানীর নিকট সম্পদ সমূদায় একান্ত বিপদ আগ্রাবকে প্রাপ্ত, সুতরাং তাঁহারাই স্বপ্নজাগ জীব। আমরা এইরূপ ভাবনা হইলে মনরূপ তৃণরাশিতে সর্ববিষয়ে নিঃস্পৃহতা- যে তাঁহাদের স্বপ্নন, তাহার কারণ, সর্বব্যাপী পরমাত্মা সর্বদা লক্ষণ আমি সর্বভাগৰূপ অনিলসম্পর্কে প্রবাহিত হয় এবং তখন সর্বস্থানে সর্বশ্বকাপে আছেন বলিয়াই স্বপ্নাদিগের অন্তঃকরণে আন্তরিক বাকি অজ্ঞানলক্ষণ যে নােহান্ধকার, ব্ৰহ্মথের বাসনা স্বরুপে আমরা আছি ।১১। রাম কহিলেন, হে ভূতভৌতিকরূপলক্ষ। যে পিণ্ডভাব ও চক্ষুরালি ইলিয়ে যে দেব! তাহারা যেসকল করে জন্মিয়াছিলেন, এক্ষণে যদি সে শব্দার্থজ্ঞান, এ সমুদয় এই চিত্মাই অরূপে সূর্তি পাইতেছে কলের কল্পনায় হইয়াছে, তবে কেমনে বর্তমান করে তাহাদের বলিয়া বিবেচিত হয়। যেমন মণি স্বদেহে বিম্বিত বস্তু আস্ব অবস্থান হইতে পারে। বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রম! যেমন স্বপ্ন স্বরূপেই প্রকাশ করিয়া থাকে, তেমনি চিত্মাও ঐ সকল ভ্রমের পর লােকে নিদ্রাল পাইয়া থাকে, তেমনি জীব সফল প্রতিবিম্ব ধরিতেছেন মাত্র , বস্তুত উহারা তাহা হইতে পৃথক্ ঋণ সংস্কারনুসারে অন্য দেহকে আশ্রয় করিয়া থাকেন এবং নহে। ৪১-৪৭। যেমন ধূম আকাশে মেধাকারে লক্ষিত হয় সেইমত কল্পিত অপর কলের সংকেও দেখিয়া থাকেন। কারণ, তেমনি অখণ্ড চিতিই দেকানৰ-নাগমনুষ্য-গৃহ-পর্বত-গহবরাদি কল্পনাময় আকাশ নিত্য ৰাখাত ও সুগম আছে। সেই স্বপ্নজাগর নানা মূর্তরূপে প্রসূতা হইছে এবং এই জড় ব্রহ্মাণ্ডে জীবগণকে সঙ্কময় জগংলক পরিপক উহুরের কটম্বরূপ সমুদয় বই চিৰিবৰ্তের নদীস্বরূপিণ, উহা প্রাণ সম্পর্কে সরসা। আনিবে, এক্ষণে সঙ্ক-জাগরের কথা বলিতেছি শ্রবণ কর। ঐ নদীতে চিকাশরূপ সলিলে জীবসত্মরূপ শফী মৎসুগণ কোন পুরন করে কোন আগতে কোন স্থানে সঙ্কলপরায়ণের বিচরণ করত সর্বদা অজ্ঞানরূপ জল দ্বারা বন্ধ হইতেছেও সেই নিদ্রাবিহীন হইয়া অবস্থান করিতেন। ১০-১৪। অথবা যাহারা হেতুকই নিজের স্বরূপে অবস্থিতি বিস্মৃত হইয়াছে। ঐ চিংই ধ্যান হইতে বিচলিত হইয়া মােরাজ্যের অধীন হন ও পূৰ্বাব- সরূপলক্ষণ আকাশের প্রাঙ্গণে ধনরূপে ঘনীভূত মেঘের মত স্থানের অনুধ্যান বিলুপ্ত হওয়ায় সঞ্চলের বৃদ্ধি করেন এবং থাকিয়া পৃখিব্যাদি নানা আকারে আপনাতেই বিলাস পাইতেছে। যাহাদের সঙ্কলই চির জাগরের অভিমানবন্ত হওয়ায় সমুদয় হে রাম। বাসনা ব্যতীত অপর সমুদয় অংশেই সমস্ত জীব মানসব্যপার সঙ্কল্পেই অস্তমিত হয়, উহহারাই সঙ্কল্প জাগর তুল্য স্বভাবসম্পন্ন, কেবল বাসনার বৈচিত্র্য বশতই শুস্ক পত্রের জীব। তাহারা সঙ্কল্পের বিরাম হইলে প্রাক্তন ব্যবহারকেই স্যায় উঠিয়া বিবিধ স্বর্গ-নরকাদিতে পড়ি থাকে ও সকলেই আশ্রয় করিয়া থাকেন, তাঁহাদের দৃষ্টিতে এই আমরা সকলে জড বলিয়া, বংশীধ্বনি যেমন অক্ষুলিনিবেশবিশেষে বিশিষ্টধ্বনি সঙ্কল্পের ব্যয় উৎপন্ন বলিয়া সঙ্কলপুরুষরূপে প্রতীত হই। প্রকাশ করে, তেমনি বাসনাধীন বলিয়া পৃথকৃরূপে প্রতীত হয়। ইহাদিগকেই সঙ্কল্পজাগর বলে, ইহারা সলেই শয়ান আছেন হে রাখব। তুমি প্রথমে শ্রবণমননাদি সাধনচতুষ্টয়ে সম্পন্ন হইয়া এবং দৃশ্যমান অমৃদদি লােকসমুদয় ইহাদেরই সঙ্কময় জীবনে (থ্যানের বিভূত অলকে) প্রাণায়ামাদির অভ্যাসের প্রবেশ করিয়াছি নিবে। এক্ষণে কেবল জাগরদিগের কথা বলি- করত বাসনাজাললক্ষণ সংসাররূপ সুদৃঢ় পিঞ্জরকে অতিশীঘ্র তেছি এবণ কর। তেছি শ্রবণ কর। তাহারা প্রথমে পরমাত্মা ব্ৰহ্ম হইতে এই সাক্ষাৎকার রূপ উপায়ে ভাঙ্গিয়া পূৰ্ণানন্দময় ব্রহ্মস্বরূপে উদিত কলে শরীর লাভ করিয়াছেন ও তঁাহাদের পূর্বে কোনরূপ উৎপওি- হও, কদাচ সংসারী অজ্ঞের ন্যায় হইবে না। ৪৮-৫৩। বিকাশ নাই বলিয়া তৎপরূপ স্বপ্ন শূন্য , সুং ঠাহারাই কেবল একোনপঞ্চাশং সর্গ সমাপ্ত। জাগর।১১-২১। ইহাদেরই আবার উত্তরাঞ্জ নে স্বপ্ন জগররূপ কাৰ্য্যের নিদান সুষুপ্তিতে সঞ্চরণ করিয়া উৎকৰ্ষলাভ করিলে চিরজাগর সংজ্ঞায় অভিহিত হন এবং সেই চির- পঞ্চাশৎ সর্গ। জগৱোই নিজ দুরদৃষ্টানুসারে জাগ্ৰদ্দশাতে অজ্ঞানাবৃত হইয়া জড়তাৰ আশ্ৰয় কৰিলে ঘন আগ্রৎসংজ্ঞায় নির্দিষ্ট পঞ্চমৰদ্ধজীব । বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। এই যে সমুদয় দেব জানৰ ঘঁহারা শাস্ত্রালােচনা ও সাধু সঙ্গাদি উপায়ে সম্যক্ প্রবুদ্ধ হইয়া নাগ-গন্ধর্ব-মনুষ্যাদিলক্ষণ জবি লক্ষিত হইতেছে, ইহাদের জাগ্রস্তাবকে স্বপ্নের মত দর্শন করেন, সেই বিলক্ষণ জীবেরাই মধ্যে কাহারা স্বপ্ন-জাগর, কাহারা বা সঙ্কল্পজাগর, কেহ জাগ্রৎকাপ্ত হন এবং যাহারা সম্যক জ্ঞান লাভ করিয়া সপ্তম কেবল জাগরমাণ, অপর কেহ চির আগ্রতে অবস্থিত, অষ্ণ ভূমিকায় অখিরূঢ় হইয়া পরমপনে বিশ্রাম করেন, তাঁহাদিগকে সকল ঘন-জাগ্রতে অবস্থিত, কেহবা জগৎস্বপ্ন এবং কাহারা কীণ আগ্ৰীৰ কহে । হে রাম। এই তােমাকে জীবগণের যা ক্ষীণজাগর। এই জীবের সপ্তবিং ভেদই নির্দেশ আছে। সমুদ্রের মত সপ্তবিধ ভেদ বলিলাম, তুমি ইহা সমকু অবধারণ কাম কহিলেন-হে এভাে। সাগরভেদে দীদাকার সলিলের করিয়া উত্তরের কল্যাণ লাভ কর। হে রাম! তুমি জগতের ৪ায় এই সপ্তবিধ জীবের যেরূপ পার্থক্য আছে, তাহা আমার বহুবিচারলক্ষণ ভ্রম পরিত্যাগ ক, কারণ এক্ষণে বিলক্ষণ সমগঞ্জনের নিমিত্ত বর্ণন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। জ্ঞানরূপ খনৰ তােমাকে আশ্রয় করিয়াছে; অতএব তুমিই কোন পুরাতন করে কোন ভুবনে যে কতকগুলি জীব জীবদ্দশাতে শৃত্বে ও অণুত্বে বিবর্জিত সম্মা আদি মুক্ত শরীর লাভ নিদ্রিত খাকিয়া স্বপ্নালােকন করিতেছিল, তাহাদের নিকট করি।২২-২৫। এই জগৎ স্বপ্নভাবে প্রতীত হয়, সেই জীবগণকেই স্বপ্নজাগর পঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত ৫ | সংজ্ঞায় নির্দিষ্ট জানিনে। অথবা কোথায় মুগুজীবগণের স্বয়ং উদিত যে স্বপ্নপঞ্চ যখনই আমাদের গােচর হইবে, তখন যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ, T অমল ব্ৰহ্ম বিখবার হইও কেবল অধও। যেমন পিওবিহুৰ একপাশ সগ। খট পিণ্ডরূপী ও ঘটাবস্থায় পিণ্ডও ঘটরূপী হয়, তেমনি এই শ্রীরাম কহিলেন,হে ব্ৰহ্ম। আকাশে বুকের মত কেমনে সামা এক বস্তুর দৃষ্টিতে এই প্রপঞ্চেরও স্বপ্নকাণে জাগ্ৰদৰস্থাও সেই পরমব্রহ্ম হইতে অহেতুক কেবল জাগরভাবের বিকাশ হয়, স্বপ্ন এবং জাগ্রংকালে স্বপ্নাবস্থাও জাগর, স্বপ্ন এবং জাগ্রৎকালে স্বপ্নাৰস্থাও জাগর, এইরূপেই অত্ত্ববিদেরা তাহা বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, হে মহামতে। কোন কাৰ্যেরই অগংকে বুঝিয়া থাকেন। আগ্রৎকালেও জাগ্ৰৎ চিত্র- কারণ ব্যতীত উৎপত্তি হয় না, সুতরাং এ সংসারে কেবল জাগর রূপে বিবেচিত হইলে মৃগতৃষ্ণা-সলিলের স্যায় অবস্থান করে ও ভাবের সব হয় না, তাহার অনন্ত বশতই অন্য সমুদয় জীব- বিচারবলে উহাকে আয়ত্ত করিলে স্বপ্নহুল্যতা পাইয়া থাকে। সন্ধু সংসারভাবও কারণে অভাবে হইতে পারে না। এই বর্ষাকাল অভীত হইলে মেয়েরা যেমন ঘন তুষারভাব বিমােন ভ্ৰাস্তজালে কিছুই অইতেছে না ও কিছুই বিনষ্ট হইতেছে করে, তেমনি ত্বজ্ঞের নিকট সমগ জ্ঞানের প্রকাশ থাকায় না, তবে উপদের প্রতি উপদেশের জন্যই শব্দাদির আডর ভূতসঙ্গও জ্ঞানীর দেহাভিমানের সহিত মূর্তভাৰ পরিবর্জন হইতেছে জানিবে। রাম কহিলেন, হে দেব। মনােদ্ধি করেন এবং যে যেমন বানিয়ােচন করিতে থাকিয়া শেষ প্রভৃতির সম্পর্কে চেতন করিয়া কোন পুরুষ এই মূর্ত শরীর আকাণত্ব প্রাপ্ত হয়, অেনি সত্যের যাথার্থ্যজ্ঞান হইলে জ্ঞানীর সম্পাদন করিতেছে এবং কেবা নেহানুরাগদি বন্ধন দ্বারা জীব- নিকট এই পিণ্ডিত জগৎ অহঙ্কারের সহিত ক্রমশ উপশান্ত গণকে মােহিত করিতেছে, তাহা লুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে হইয়া থাকে। তখন জ্ঞানীর নিকট দৃশ্য শরতের মেখের মত রাম। কে কখনই এই শরীর বিধান করে না ও কেহই কখন ছিন্নভিন্ন হইয়া ক্রমশ মৃগতৃষ্ণা-সলিলের ন্যায় মিথ্যাভূত হয়, প্রাণিগণকে মােহিত করিতেছে না, ভবে একমাত্র সলিল যেমন তাহাতেই জ্ঞানযােগে উহা দূরেৎসারিত হয়। ১৩–২৪। ভবঙ্গাবাদি নানা আকারে দৃষ্ট হয়, তেমনি অনাদি অনন্ত | হে রাম। প্রজ্বলিত অখিতে সুবর্ণ, ঘত কিংবা কাষ্ঠ নিহিত বােহাত্মাই আত্মায় অবস্থিত হইয়া নানা বস্তুর আকারে লক্ষিত | হইলে অগ্নির সহিতই যেমন একৰূপতা লাভ করে, তেমনি হন এবং বাহ বলিয়া বিশিষ্ট বস্তু কিছু নাই, সেই অনন্ত | বিশিষ্ট জ্ঞানের উদরে সংসার ও চিত্ত ঐ বােধের সহিতই বােধ জ্ঞাই বাহ্য বঙ্গরূপে স্কুরিত হইতেছেন, যেমন ভূমধ্যবর্তী সরূপতা প্রাপ্ত হয়। যেমন শিশুর শৈশব অতীত হইলে বাহ। বীজ বাহিরে বিশালবৃক্ষের আকারে উৎপন্ন হয়, তেমনি আন্তরিক বিষয়ের জ্ঞানের উফরে গৃহমধ্যেও পূর্বানুভূত পিশাচভন্ন বিদরিত বােধয়ই বাহবন্সর আকারে লক্ষিত হইতেছে। হে রঘুনাথ। হয়, তেমনি এই ত্রিভুবনে অঙ্গনের প্রকাশে মূত্তাদি আকার- অথবা যেমন স্তম্ভের মধ্যে খােদিত বিশাল পুত্তলিকাদি অন্ত কল্পনাও ক্রমশ ক্ষয় পাইয়া থাকে। বস্তুত অনন্ত নিরাকার হইতে পৃথৰু নহে, তেমনি এই অখিল সংসার বােধার- বােধাত্মার নিকট জগৎ, চিত্ত ও তমূলক অজ্ঞান এই তিনটা মধ্যেই তৎস্বরুপে অবস্থিত রহিয়াছে এবং বাস্তব অনুসন্ধান অকারণই প্রতিভাত হইয়া থাকে, সুতরাং একপ বােধে পিণ্ড করিলে ঐ বােথাত্মার বাহু অভ্যন্তর কিছুই নাই, উহা দেশ ; গ্রহের সম্ভাবনা কোথায় ? বিশেষতঃ এই অগং চিত্তের ন্যায়ই কালানুসারে অনন্ত, পুদির আমােদর ন্যায় উহাতেই বাহ | বােধাত্মায় অবােধ হইতে প্রকাশ পাইয়া থাকে, সেই অবােধ ও আন্তর উভয়বিধ জগতের কল্পনা করিবে। তবে যে ব্ৰহ্ম- | যদি সম্যক বােধসম্পর্কে বিদূরিত হয়, তবে তখন কিরূপে পিণ্ড লােকাদি দূরবর্তীরূপে প্রসিদ্ধ আছে, উহা কেবল বাসনাবশেই। কল্পনার অস্তিত্ব থাকিবে ? হে রাম। সুবর্ণ যেমন আমি- ঐরূপ ঘটিয়া থাকে। সুতরাং বাসনাক্ষয় হইলে পণ্ডিতদিগের সম্পর্কে গলিত হইলে সাতিশয় কোমলতা প্রাপ্ত হয়, তেমনি কোন শাসনাই দূরবর্তী লােকান্দিতে গমন করে না, তখন সমগ্র জাগ্রই স্বপ্নের অবরােধে মুর্তাদ্যাকার কঙ্গন'রূপ সুলপ্রপঞ্চ জগৎই অস্বরূপে নিতান্ত সন্নিহিত হইয়া থাকে। যদিও এক পরিত্যাগ করিয়া থাকে। এইরূপে জগরাবস্থা বিচারবলে স্বপ্ন- বেআই দেশ-কালাদি প্রতিপাদ্য বলিয়া দেশ, কাল, ক্রিয়া, দশার ন্যায় তুচ্ছবােধে অজ্ঞাত হইয়া থাকিলে ভােগানুরাগাদি লােক, রূপ, চিত্ত ও আত্মা এ সময় গ্রাহক শব্দার্থে বিহীন শরৎকালাবসানে সলিলের স্থায় নিতান্ত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, এবং হন, তথাপি কোন পদার্থই শূন্য নহে। ১-১২। হে রাঘব। | এই দৃশ্য সম্পংসমূদয় স্বপ্নের ব্যায় পরিজ্ঞাত হইলে নিতান্ত শূন্য নহে বলিয়াই ঐ সমূদয় পদে চূদনবিহীন পদবিদ এটা- হেয়ত্ব লাভ করে, তখন উহার বর্তমান থাকিয়াও বিবেকীকে দিগেরই জ্ঞানের প্রসার হইয়া থাকে। সাধারণ ব্যক্তির উহা হয় নিজাদনের জন্য বাধ্য করতে পারে না, কারণ আত্মসুখ- না, কারণ যাহারা অস্থির অহংভাবরূপ গভীর গর্তে নিপতিত তৃপ্ত জ্ঞানী ব্যক্তি বিষয়াস্বাদনের বহুদূরে অবস্থিত আছেন, যদি আছেন, হারা কখনই সেই অখালােক দেখিতে সমর্থ হন তাহারাও বিষয়াস্বাদনে অভিমুখ হন, তাহা হইলে আগ্রতে ও । হে রাম। এই বিশ্ব সৃষ্টিতে চতুর্দশ প্রকার অনন্ত ভূতগ্রাম মুম্বপ্তে এক সন্তুবে এবৎ ভ্রান্ত ও জ্ঞানীতে কোন প্রভেই রূপ ঘুণরাশি রহিয়াছে, ইহা অজ্ঞানীর নিকট দেহের অবয়বের থাকে না, ভল এই সংসার চিত্তরূপে পরিণত হইয়া ন্যায় প্রতীত হইয়া থাকে তারা অন্য কিছু দেখেন না। হে রাম। স্বরূপে অবস্থান করিতে হাস্য-রােনাদি পদার্থ হইতে কারণের অভাব হেতুক সৃষ্টির উপর নাই, বিরামও নাই অথবা সত্যজ্ঞানের নিবৃত্তি হইয়া থাকে। কারণ, হে মতিমন্। ব্যবহারনে যাদৃশ কারণ হইৰে, কাৰ্যও অপ হইয়া থাকে মৃগতৃষ্ণা-সলিলের স্থায় একান্ত মিথ্যাভূত এই দৃশ্যজাত কোন যেমন সহ প্রশান্ত সাগরের মধ্যে অঙ্গাঙানি আছে, তেমনি মতেই বিবের আল-য হইতে পারে না। হে রঘুনাথ। অচঞ্চল হ্মে জগৎচিত প্রভৃতি পদার্থ সমুদয় রহিয়াছে এবং শামতি জ্ঞানী ব্যক্তির জগতের প্রতি সত্যজ্ঞানের অভাব হইলে যেমন অন্তর্গত নানা ভাণ্ডাজি হইলেও মৃৎপিণ্ড একই ও অঙ্কুরে তিনি অগংকে গবাক্ষবিয়ে নিপতিত দীপকিরণজলের গায় কটফকেয়ুদির রূপ সম্পন্ন হইলেও সুবর্ণপিণ্ড একই, তেমনি নিরাকার আকাশ স্বরূপ দর্শন করিয়া থাকেন। এইজন্যই নিৰ্বাণপ্রকরণ উত্তরভাগ । চিত্ত ভ্রমাত্মক একুশলাদির ভ্রান্তিময়ী আস্বাদন কল্পনাকে সুজাং আমি আত্মীয় দৃষ্টির অনুসারেই যাহা বলিতেছি, তুমি জগরপুরুষ পরমার্থভঃ রুপে বুঝিয়াই তাহা হইতে নিবৃত্ত ' শানিত ও চির হইয়া আমার সেই কণমুখকর উপদেশ হন, বিশেষ যাহাতে কোনরূপ বস্তু নাই, তবিষয়ে আহত সকল শ্রবণ কর। হে রাম। এদেশে করিত নদীতে সলিলের কোনরূপেই সন্তৰে না, কেহ কি, স্বপ্ন বলিয়া বুঝিলে স্বপ্নদৃষ্ট- ন্যায় এগতে বাস্তবিকতা নাই বলিয়াই এই দৃশ্য সমুদয়রূপ ক্রম কনকের প্রত্যাশায় ধাবমান হয়। এই দৃ স্বপ্নের তায় অৰিাসংজ্ঞায় অভিহিত হয়। এই রাম। শাস্ত্রোপদেশের জন্যই অকিঞ্চনরূপে পরিজ্ঞাত হইলে, কখনই ইহাতে অনুরাগ থাকে আমার অনুরোধে সেই অবিষাকে মুহূর্তের জন্য সত্যবিশ্বাসে , বিশেষ দ্রষ্টার দৃশ্য-দশারূপ দোষের মূলগ্রন্থির বিচ্ছিন্ন হইয়া অবলম্বন করিয়া আমার বাক শ্রবণ কর। যখন তােমার মদুপদিষ্ট যায় , সুজ্জং কৃতী ব্যক্তির অহঙ্কার ও মনন বিলুপ্ত হয় ও স্বজ ফলের সিদ্ধি হইবে, তখন এই অবিদ্যা কোথা হইতে কেনই বা নাদিতে স্নেহ থাক না, সেই জ্ঞানবান, রাগ ও আয়াশে বিরহিত হইতেছে, তদ্বিষয়ক সন্দেহ থাকিবে না, প্রত্যুত অবিদ্যা কিছুই হইয়া অবস্থান করত শান্তি লাভ করেন। ২৫-৪০, হে রাম। নহে ও উহার সত্তা নাই, এবিধ জ্ঞানের বিকাশ হইবে। যেমন শিখার অভাব হইলে দীপের কিরণ থাকে না, তেমনি হে রাম! এই বিরমাত্মক যে কিছু সংসার দেখা যাইতেছে, অনুরাগ বন্ধন ত্রুটিত হইলে বাসনারও লােপ হইয়া থাকে এবং এ সমুদয় মহাপ্রলয়কালে সর্বপ্রকারেই বিনষ্ট হইয়া অজ্ঞানদশায় গন্ধর্বনগরের আয় ভাতিরূপ এই নিখিল সংসার থাকে, সূক্সং যেমন ঘটমধ্যস্থিত গলিলের বিলুপরিমাণে নোদয়ে দীপের আংশুমাগার ন্যায় প্রকাশস্বভাব শূন্য আকাশ পৃথকৃষ্ণরণ হইলে ক্ষয় হইয়া থাকে, তেমনি এই জগতে মাত্র লক্ষিত হইয়া থাকে। তত্ত্বজ্ঞপুরুষ আত্মাকে দেখেন না, ভূমাদিরূপ অবয়বের বিশ্লেষণ করিলে অবশ্যই ধ্বংস হইয়া যায়। আকাশ অথবা শৃশ্যও দেখেন না, কারণ তিনি চরমােন্নতিতে অর্থাৎ যেমন শাখাদি অবয়বের নাণে বৃক্ষ নাশ হয়, তেমনি একপ্রকার সপ্তমভূমিকায় থাকিয়া কেবল সেই পরমপদ দর্শন করেন, যেখানে বস্তুর ক্ষয় হইলে জগদববী ব্রহ্মেরই অনন্তত্ব ও অস্তিত্ব আত্মা নাই যাহা শূন্য নহে, জগৎ কল্পনাও নহে ও যে স্থানে চিত্র খণ্ডিত হইয়া যায় ও তাঁহার সব পৰ্যন্ত বিদূরিত হয়, ইহা বা দৃশ্য-দর্শনবুদ্ধি যায় না, কেবল সমুদয় যখাবৎ অবস্থিত আছে। দেখিয়া চার্বাকের ন্যায় আমরা মশক্তিকে মদিহাবয়বের ন্যায় এবং অজ্ঞের নিকটই এই ভূম্যাদি দূমি বলিয়া বিবেচিত হয় , জ্ঞানকেই ব্রহ্মের অবয়ব বলিতে পারি না, যেহেতু মাদৃশ কিন্তু জ্ঞানীর জ্ঞানােদর ভূম্যাদির আকর শূন্য স্বরূপতা পাইয়া আস্তিক অননর মতে বিজ্ঞানাধীন দেহ স্বাধদেহের ন্যায় কদাচ বিদ্যমান হইয়া থাকে না। ৪১-৫। হে রাম। যিনি সত্য হইতে পারে না।১-১৯। তবে জগতের নাশেও যে অখণ্ডাপাধি হইয়া আকাশের ন্যায় নিৰ্ম্মল হন, সেই পুরুষ জলবয়বী ব্রহ্মের অস্তিত্ব থাকে তাহার কারণ এই যে, দৃশ্য শােভা নিঃসঙ্গরূপে অবিদ্যমান হইয়া সর্বদাই বিদ্যমান আছেন এবং যে পুনঃপূনঃ প্রকাশ পাইয়াও বিলীন হইতেছে, সে কেবল সেই নিত্য মৌনীর মান অস্তগত হওয়ায় তিনি কৰ্ম্মবঙ্কন উচ্ছেদ অনির্বচনীয়া অবিদ্যার কাৰ্য, আর যে যাইতেছে, সে যে আবার করত সংসারসাগরের পারে নিত্য অবস্থান করেন। হে রঘুনাথ। ফিরিতেছে, ইহাও বলা যায় না। অপে অই আসিতেছে, স্বেদজাদি চতুর্বিধ শরীর, ভদাবার ভুবক তার গগন, পর্বত, ইহাই স্থির, ৫হতু আমরা অনুভবের অনুগামী এবং সেই নিচয় ও অন্যান্য সাধন সমূদয়, এই সকল দৃশ্য বস্তুর একমাত্র মূর্তভাব প্রলয়ে আকাশরূপ ছিল, এ বাক্য নিতান্ত অসং । অজ্ঞানই মূল উপাদান কারণ , অতএব জ্ঞানসম্পর্কে ঐ মূল- যদি আকাশেই ছিল, তবে তাহার আবার লাশ কি? তবে এ সুনের উপশম হইলে এই দৃশ্যত বিদ্যমান হইয়াও অসদ্ধপতা বিষয়ে জগাদি কাৰ্য্য ও অবিদ্যারূপ কারণের একতা দেখিয়া প্রাপ্ত হয়। জ্ঞানীর জয় এই প্রণালীতে বিকল্পবিহীন থাকায় আমাদের সিদ্ধান্তে উভয়ের স্বারূগই স্থির। বিশেষতঃ সকল শনুিমুক্ত হয় ও সেই বিদ্বান তখন স্বরূপে থাকিয়া আত্মানন্দে দর্শনের সিদ্ধান্তেই উভয়ের পার্থক্য নাই, মুৎ পরমার্থস্বরূপ পরিতৃপ্ত হন এবং নির্ধাধ হইয়া অবস্থান করেন। ০৬–৪৯। বতে খামারে বিবাদ নিয়োেজন জনিৰে। হে রাম। যে কিছু দেখা যায়, এ সকল অনাদি অনন্ত শান্ত বোধস্বরূপ চিন্ময় একপাশ সর্গ সম প্ত ॥ ৫১। আকাশ, ইহাই অনুভূতিপ্রমাণে স্থির হইতেছে,এক্ষণে যেরুপে এই সমুদয় ইমিগােচর হইলেও অনুভূত হয় না ও যেৰূপে ইহাই এন্ধাভেদে সিদ্ধ হয়, তাহা ক্রমশঃ বলিতেছি। হে রাম। দ্বিপক্ষাণ সঙ্গ। মহাপ্রলয়সময়ে ক্ষুদ্র বিধি মহাদেব পর্যন্ত সমুদ, কৃ- নাম কহিলে,-হে মুনে। ঐ বােধাত্মা অর্থাৎ কূটন্থ চৈত, বস্তু বিনষ্ট হয় বলিয়া বুদ্ধির বা মনের কোনরূপ কাৰ্যই থাকে যে প্রকারে অগক্রপে প্রতিভাত হন, আপনি এ উভয়ের পার্থক্য না। সেই অনাদিকালে আশেরও উপশম হইলে ক্রমশ বায়ু, খণ্ডনের দ্বারা আমাকে উহা সবিস্তারে বুঝাইয়া বলুন। বশিষ্ঠ ভেজ, সলিল ও অন্ধকার একান্ত ধ্বংস প্রাপ্ত হয়, এইরূপে সমুদ বলিলেন-হে রাম। মূলঙ্কন্ধত্ৰপৰাদি নানাকারে ঘটিত শব্দৰিষয়ই সাতিশয় বিনষ্ট হইলে তখন একমাত্র সহপ্রতি পাপের ন্যায় অজ্ঞ আত্মারও যে অগপ হয়, উহা দর্শনসম্পর্ক পা নিরাময় শান্ত বােথাকাই অবশিষ্ট থাকেন, তাহার আলি ও থাকিলেই আছে, স্বচিত্তে এই প্রকারই এসি, অরুপ নহে ও ধ্বংস না থাকায় জিন চিরন্তন অব্যয় এবং ইমিগোচর বা যাহা দৃষ্টিবহির্ভুত, তাহা অল্পমভির স্মরণাতীত বলিয়া বাক্য আরাকা নহেন বলিয়া তাহার কোন নাম নাই। তিনি সিদ্ধ। কিন্তু বিশ্ব ব্যক্তি পূর্বাপর শাস্ত্রানুমত বরই গনি সর্বভূতের অন্তরাত্মা হইয়াও স্বয়ং শূন্য এবং উহাই সদসংনির্দেশ করিয়া থাকেন; কিন্তু যখ দৃষ্টিবিষয় হইলেও শাস্ত্রনিষিদ্ধ, আহ পরম পদ। সুতরাং উহা বায়ু, আকাশ, বুদ্ধি, মন বা শূহ ভােগ্য বলিয়া লন করেন না ও তাহার সম্পাদন করেন না। এসবের কিছুই নহেন, তবে সর্বশ্বরূপ অঙ্ক চিন্ময় আকাশ যােগবাতিমা মাত্র। যিনি তাঁহাকে সম্যক জানিয়া তৎপলে অবস্থিত হইয়াও, পরমাণুতে দৃঢ়ব্যাপারে সম্পৃক্ত থাকিলেও ভথায় কিছুই কোনরূপে অদ্বিহীন হন, তিনি তাঁহাকে সম্যক্ অনুভব করিয়া থাকে, অপর ' জীপ্তি পায় না। হে মধুখ। সেই অশরীরী আত্মার অঙ্গ সাধারণের কেবল শাস্ত্র দ্বারা তাঁহার বর্ণন মনে করিয়া থাকেন। বলিয়া যে কাল আকাশ বায়ু প্রভৃতি পদার্থলিচকে বর্ণনা করা যে উহা কাল, মন, আ, সং, অসৎ, দেশ ও দিক্ এ সমুদয়ের হইয়াছে, উহা নিতান্ত মিখ্যাকেরই আরােপ হইয়াছে। কারণ, কিছু নহে, কিংবা কালদেশের মধ্যবর্তী বা অন্তঃপাতী নহে, উহাদেরও কোন অবয়ব নাই এবং সেই অবিনাশ আত্মতত্ত্ব, তবে যাহার জ্ঞানের উচ্চসীমায় আছেন ও সংসারভাৰ উপশম সমুদয় ভাবের বিকাৰে বিহীন হইলেও ক্ষতিগণ আঁহাকেই সর্ব- হওয়ায় যাঁহারা সংসারপরে গিয়াছেন, সেই চির পুরুস্লোই স্বরূপ বলিয়া নির্দেশ করিয়াছেন। ৪১–৪৯। ইহাকে কোন প্রকার অনির্বচনীয় অবক্সনস গােচর স্বভাব- পঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। ৫২। রূপেই অবগত হন। হে রামচন্দ্র! শ্রুতি প্রভৃতি যারা ঐ বােধাত্মায় যে ভাব সমূদয় নিষিদ্ধ হইয়াছে, আমি নিবুদ্ধিবলে সাগরে তরঙ্গের ন্যায় যে সমুদয়ের নির্ধারণ করিয়াছি এবং উচ্চস্তন্তে খােদিত না হইলেও নানাবিধ কৃত্রিম পুত্তলিকা যেরূপ ত্রিপাশ সর্গ। সর্বস্থানেই থাকে, তেমনি সেই বােধাস্তায় সমুদয় জগন্ডাৰৰ সৰ্বল। রাম কহিলেন-হে দেব। সমুদয় স্মৃতিবিষয়ে যেরুপে তদীয় সর্বত্র বিদ্যমান আছে, এইরূপে জগদ্ব্যাপার সমুদয় তাহাতে ভাব রহিয়াছে এবং যে প্রকারে কালে কালতা, আকাশে থাকিলেও তথায় জ্ঞানদশায় থাকে না, সুতরাং আত্মা সৰ্বস্বরূপ আকাশ, জডে জড়ত্ব, বায়ুতে বায়ুত্ব, ভূতভবিষ্যন্বিষয়ে তদ্ভাব, হইয়াও সর্বস্বরূপ নহেন। যােগজনেরা বােধাত্মাকে সৰ্বভাব- স্পন্দস্বরূপে স্পন্দভাব, মূর্তরূপে তাৰ, পৃথনিষয়ে পৃথগৃভাব, বিহীন দেখিয়াও স্বেচ্ছাবশেই তথা সৰ্বভাবের পরিণাম দর্শন অন্তবিহীন অনন্ত, অধিক কি যেরূপে এই দৃশ্য বক্ততে করিয়া থাকেন। ১২-৩৫। এবং সেই সৰ্বস্বরূপ পদ সৰ্বভাবে দৃশ্যতা ও সৃষ্টিমাত্রেই সৃষ্টিত্ব রহিয়াছে, হে বাখিবর । পরিপূর্ণ অথচ সর্বার্থবিহীনরূপে লক্ষিত হয়। হে বুজিম। যে আপনি এই সমুদয় বন্ধুর অসাধারণ ভাৰ সকলের অব- পর্যন্ত সমাধিকাল না হইবে, ভাবৎ তােমার সর্বভবে শান্তি স্থানের বিষয় সদুপায় ক্রমে নির্দেশ করুন , যেরূপ পূৰ্ব্বাপর- সমগজ্ঞান উৎপন্ন হইবে না, কারণ তােমার আত্ম-সন্দেহই সহিত বর্ণন করিলে ক্ষুদ্রমতিরাও সহজে বুঝতে পার। বশিষ্ট তখন জানােৎপত্তির প্রতিবন্ধক হইয়া থাকে। হে রাম। যে বলিলেন, হে রাম। তুমি যাহা জিজ্ঞাসা করিলে, তাহা আর ব্যক্তি দৃশ্য সমুদয়ের আভাসে বিহীন চরম সাক্ষাৎকারকে প্রাপ্ত কিছুই নহে, কেবল অনন্ত চিদাকাশ পরব্রহ্মই বিলাশ পাইছেন হন, সেই বিলচিত্ত ভিময় পরুষই অনির্বচনীয় ব্ৰহ্মভাবকে সেই চিদ্রপী অজ্ঞেয় শান্তিময় আত্মা অয়ভাবে অবস্থিত অবলােকন করিয়া থাকেন। এবংবিধ ব্ৰহ্মরূপেও যে, তুমি আমি তাহাতেই বস্তুর ভাবের অধ্যা হইতেছে। ১৫। হে রাখব। ইত্যাকার ত্রৈকালীন জগদ্ভ্রম দেখা যায়, সে কেবল এক সুবর্ণ- মহাপ্রলয়-সময়ে ব্রহ্মা বিষ্ণু ও মহেশ্বর প্রভৃতি সহিত নাম সকল পিগুমধ্যে অনেক রৌপ খণ্ডের স্থায় কালনার সাহায্যেই উৎপন্ন ও রূপসমূদয় তিরোভূত হয়, তখন যে শুদ্ধসত্ত্ব অবশিষ্ট থাকেন হইয়া থাকে, কিন্তু হেমপিণ্ডে যেমন কজয়িতার কল্পিত রৌপ্য উহাই পদার্থনিচয়ের ভাব এবং মা মােহ ও তম প্রভৃতি যে ভাণ্ডালি সপে লাভ হয়, সেই মত পারমার্থিক সক্ৰণী ব্ৰহ্ম সমুদয় সৃষ্টির কারণরূপে নিণীত, সে সকল কিছুই সেই সদাত্মায় হইতে এই কল্পিত জগতের পার্থক্য লাভ করা যায় না। ৩৬-৪০। নাই, সুতরাং তাহার লয় হয় না, সেই নিত্য শান্ত সুনির্মল হে রাম। সেই বােত্মা জগৎ হইতে নিতান্ত পূখত বলিয়াই আদ্যন্ত-বিরহিত সন্মাত্রই অবশিষ্ট থাকেন। যখন তিনি চিন্ময়ষপ তিনি জগদ্বৈতভাব সম্পন্ন আছে , সুং দেলিশব্দের ধারণ করেন, তখন এ কথা বলা যায় না যে, তিনি নাই, আর যখন নিমিত্তীভূত জাতিগুণক্রিয়াদির সম্পর্ক-বিহীন দেশকালক্রিয়ায় তিনি নির্মুলরূপে প্রতীত হন, তখন আছেন এ কথা বলাও পরূপ সমুদয় তঁাহাতে পুৰ্ব্ববৎ থাকিলেও কার্যত সে সমস্ত কিছুই নিতান্ত অযুক্ত এবং আত্মসংবিদ নিমেষমধ্যে যােন প্রাপ্ত নাই এবং চিত্র যেমন চিত্ৰমধ্যে মিথ্যা তরঙ্গসঙ্কুলা তরঙ্গিণকে হইলে তৎকালিক তাহার যে রণ"সেই নিবিষয়রূপই তৎপলের চিত্রিত করে, সেই মত কায়িতাও ব্রহ্মে জগতে কল্পনা করে জানিবে। এই প্রকার যাহার বাৰু ও অভ্যন্তর বাসনাকাল ও মাত্র ও মৃত্তিকাগিতে যেমন কলিষ্যমাণ ভাগুরাশি নিহিত থাকে, বিষয়মােহ বিদূরিত হইয়াছে, সেই যোগিবর অর্ধরাত্রে জাগ- তেমনি পরব্রহ্মেও এই জগম্ভাৰ নিহিত রহিয়াছে , অং সংসার বিত হইয়া নিশ্চিন্ত মনে সমাধিতে অবস্থান করিয়া যে রূপ অনুভব তথায় না থাকিলেও রহিয়াছে ও তাহা হইতে পৃথক্ না হইলেও করেন, তাহাই তৎপদে রূপ জানিবে এবং সুখে বা দুঃখে অসং- স্বভাবঃ হা হইতে নিত বিভিন্ন কেবল একমাত্র নিত্য নির্মল স্পষ্ট জ্ঞানীর যে শান্তিময় অচঞ্চল চিত্তস্বরূপ, তাহাই তৎপদের প্রশান্ত অয়া তদান সম্পর্কে প্রশান্ত স্বরূপে অবস্থান করি স্বরূপ, অথবা তৃগু তরুলত প্রভৃতির উৎপত্তিবিষয়ে অনুগত যে তেছেন। এবং এই ত্রিভুবনরূপ কুত্ৰিৰ পুলিকা-সমুদয় সাধারণ সভার বিকাশ হয়, তাহাই ভৎপদের স্বরূপ ও বন্ধু মাত্রে- ব্ৰহ্মৰূপ দাসতে অনুংকীর্ণ হইয়াই শােভা পাইতেছে , অথবা রই ভাব। সেই সাধারণ সত্তাপে এই টপটারি আকারে অধিকা আত্মায় এই সৃষ্টিষ্যাপার সময় তরঙ্গের ন্যায় দীপ্তি- জগদ্রুপ অব্যক্ত দেখা যাইলেও উহা যে আগন্তুক বলিয়া কারণ পাইয়া থাকে। হে নাম। সতিশয় অনশ জনে পরিপূর্ণ চিন্ময়- যুক্তের ন্যায় ও নানা আকারে পাষণের স্থায় প্রতিভাসিত হইতেছে, সরোবরে চিম্বন নিঃসৃত অমৃতষ্টির তুল্য এই সৃষ্টি দর্শন বিভাগ এ সমুদয়ই, মিথ্যাগুতরাং কারণেৱ অভাবেই এসমূদয় কিছু উৎপন্ন বিহীন ও অবিকারী আত্মাতে বিভাগাবস্থায়ও বিকৃত হইয়াও হয় নাই ও কোনবপে উহার সত্তা নাই। যেহেতু বাহার কারণ অপ্রকাশে প্রকাশমান হইয়াছে। এই সংসারমণ্ডল প্রত্যেক নাই, তাহার সত্তা অনিশ্চিত। এ বিষয়সকলে নিত্য স্বয়ং প্রত্যাদি নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ T T যারা অনুঃ করিতেছে, আঁইহাকে লুকাইবার শক্তি কাহারও চিদাকাশ ভিন্ন আর কিছুই নহে এবং যাহা প্রকাশ পায় ও নাই, আর শুও জগতের কারণ হইতে পারে না, যেহেতু শূন্যের প্রকাশমান আছে যাৎ কাৰ্যরূপও যাহ। উদয় হয় না ও যাহা আদি অন্ত না থাকায় সর্বত্র সর্ববল্পর সত্তা সিদ্ধ হইত এবং উদিত নাই অর্থাৎ কাৱণরূপ; এছুক্ষ্ম অর্থাৎ ব্রহ্ম ও দৃজাত ব্রহ্মের মূর্তি নাই বলিয়া তিনিও এই মূর্তিমং ব্রহ্মস্বরূপ জগতের অধিকারীর নিকট ভিন্ন নহে, সূত্রাং এই সৃষ্টিব্যাপারের কারণ কারণ কোনমতেই হইতে পারেন না। সুতরাং নিরাকার বলে শব্দের ন্যায় অলীক , সেই কারণে বিশেষ যত্নপুর্বক অনুসন্ধান যে এগজপ প্রতিভাত হইতেছে উহাও ব্ৰহ্ম। সেই চিলাকা। করিলেও কিছুই কারণ পাওয়া যায় না। হে রাম। যাহার কারণ স্বয়ংই দূরুপে প্রতিভাত হইতেছেন। তবে আগতের চিহ্ম- নাই, তার বিকাশ নিতান্ত ভ্রমাত্মক স্বীকার করিতে হইবে ও ভাৰ হইতে যে পৃথকৃত্ব লক্ষিত হয়, উহা নিতান্ত ভ্রমাত্মক, মিথ্যাভ্রমের সত্য-স্বরূপতা কিছুতেই বলা যায় না, বিশেষ কারণ এই কারণে সর্ববই সেই অনাময় আজ অব ব্ৰহ্ম ব্যতীত অপর ব্যতীত কোন কাৰ্যই থাকিতে পারে না। ঐ সে কাৰ্য অপুত্রকের কিছু নহে। এহলে ক্ষতি বলে,—পূর্ণ হইতেই পূর্ণের বিকাশ সৎপুত্রদর্শনের স্যায় ভ্রমমাত্র উহাতে সদ্ধপত্ব নাই। ৮-১ হইয়াছে, পূর্ণেতেই পূর্ণ বিরাজ করেন ও পূর্ণব্রহ্মপুণেতেই বিশেষ যাহা কারণবিহীন হইয়া বিরাজ করে, তাহা সর্বপ্রকারে উদয় পাইয়া পূর্ণব্রহ্মপে অবস্থিত আছেন। হে রম। যাহার সঙ্কলিত গন্ধবনগরাদির স্থায় দুষ্টার স্বভাব (অর্থাৎ স্বরূপ আমােদর নাই, যিনি নিরাকার স্বচ্ছ শান্ত ও অদ্বয় চিদাকাশস্বরূপ চিদই) বিলাস পাইয়া থাকে এবং ইহাও নিণীত আছে যে, হইয়া সদসৎ উৎসেতেই একরূপে উদিত আছেন ও যাহা সর্বদা বােক্সই বস্তুরুপে বিলসিত হন, কিন্তু তিনি চিলাকাল হইতেও সর্বশ্বরূপ, সেই উত্তম জ্ঞানময় ব্রহ্মই অবশিষ্ট, উহাই আদি ও অতি সূক্ষ্ম এ বিষয়ে স্বপ্নদৃষ্ট সঙ্কলময় পৰ্ব্বতই দৃষ্টান্ত স্বরূপে উহাই নির্বাণ, এ ভিন্ন বন্ধুভাবাদি কিছুই নহে। ২১। অনুভূত আছে। রাম কহিলেন, হে মুনিবর। যেমন ক্ষুদ্র বীজের মধ্যে ভাৰী বিশালবৃক্ষ নিহিত থাকে, তেমনি ক্ষুদ্র ত্রিপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত '৫৩। পরমাণুতে এই বিশাল জড়ষ্টি কেন থাকিবে না তাহা ফলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রঘুনাথ। যথায় বীজ আছে, ভােয় ভাবী বিশাল শাখাপল্পবােপেত পাদপ নিহিত থাকে সত্য, কিন্তু উহা চতুঃপঞ্চাশ সর্গ । ভূমিজদিরূপ সহকারী কারণবশেই উৎপন্ন হইয়া থাকে বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। এই জগৎ আকাশের ন্যায় নিবে। কিন্তু মহাপ্রলয়ে গর্ব বস্তুর ধ্বংস হইলে এই জগৎ বিমল বলিয়া প্রসিদ্ধ আছে, তথায় বস্তুর ভাষাত্মক ব্ৰহ্মই অবস্থান সৃষ্টির কারণীভূত কোনরূপ সকার বীজের সন্তান হয় না ও করিতেছেন বলিয়া ঘটপটাদি বস্তস্বরূপ চিদাকাশই আকাশে দীপ্তি তাহা হইতে অদুৎপত্তিবিষয়ে কোন সহকারী কারণও থাকে পাইতেছেন, সুতরাং জগৎ শব্দের যে অর্থ তাহাও কাৰ্য-কারণ- না, আর পরব্রহ্মকে জগৎকারণও বলিতে পারি না; যেহেতু বিহীন অজ স্বরূপ, তুমি আমি জগৎ ইত্যাদি শব্দের অর্থশ্বরূপ তঁাহার আবার আকারকল্পনা কোথায় ? কারণ হাতে পরমাণু শান্ত ব্ৰহ্ম ব্ৰহ্মেতেই অপৃথক্ ভাসমান হইয়া অবস্থিত আছে, কিন্তু সম্পর্কও নিতান্ত অসম্ভব , সু হাতে জগৎকারণ খাবিল পৃথকৃরূপে নাই, আর সমুদ্র পর্বত যে ভৱৰ প্রভৃতি যে কিছু দৃশ্য না। হে রাম। এই সকল কারণেই সত্যাসত্যস্বরূপ জগতের তৎসমুদয়াত্মক জগৎ অচল দারুর ন্যায় ব্রহ্মরূপেই রহিয়াছে। হে কাৰণাত্মক বীজের নিতান্ত অসম্ভব হেতু কেহই কোথাও রঘুনাথ। স্রষ্টা ব্যক্তি স্বরূপে থাকিয়া প্রকৃতির যশেই দৃশ্যের দ্রষ্টা কোনরূপ জগৎসা প্রাপ্ত হয় না। বিশেষত ক্ষুদ্র পরমাণুর হইতেছেন, ঐরূপ কর্তাও কর্তৃত্ব পাইতেছেন, কিন্তু কাৰ্যকারণের মধ্যে বিশাল সংসার আছে এরূপ বলাও নিতান্ত অসঙ্গত। যেমন অভাববাভই জ্ঞাত্ব, কর্তৃত্ব, জড়ত্ব, ততক্তৃত্ব, শূন্য, বন্ধুত্ব এ সমুদয় ক্ষুদ্র সর্ষপকণার মধ্যে প্রকাণ্ড সুমেরু আছে বলিয়া অজ্ঞে জগতে নাই, কেবল সত্য চিদন অনাদি অনন্ত সর্বশ্বরূপ শান্ত ও অসম্ভবই কল্পনা করে। ১৬২৪। বীজ থাকিলেই কাৰ্যকার- বিধি-নিষেধে একরূপ অষয় ৰহ্মই বিস্তৃত আছেন, সৎ জীবন ব্যাপার ঘটিতে পারে, কিন্তু জগতের আকার নাই বলিয়া বীজেরও মরণ, সত্য মিথ্যা, শুভ অশুভ এ সমুদয়ের জ্ঞান আকাশনদীর অসম্ভব, সুতরাং অঙ্কনকরূপ কার্যকারণভাবও নাই, অতএব ভঙ্গল সলিলের ন্যায় নিতান্ত ভ্রমাত্মক, কেবল এক ব্ৰহ্মই যাহা পরমপদার্থ সেই ব্ৰহ্মই জগতে পর্যবসিত হইতেছেন , সর্বস্বরূপ জামিবে। ১৭। যেমন জীব স্বকালে ব্যাবহারিক সুতরাং এ ক্ষেত্রে কিছুই বিকাশ পাইতেছে না ও কিছু ধ্বংস পুরাদিতে অসংম্পৃষ্ট থাকি প্রতিভাসিক গৃহকোবিগত হয়, পাইতেছে না। তবে যে কিছু দেখা যায়, তৎসমুদয় চিদাকাশ, তেমনি এক ব্ৰহ্মই জীবভাবে বিভক্ত হইয়া দৃশ্যতা ও দর্শকত্বপ্রাপ্ত উহাই চিলাকাশে ভ্ৰাম্ভ অগঞ্জপে লক্ষিত হয় ও অশুদ্ধে এগুদ্ধের হন, ইহা কল্পনামাত্র, এই যে জগৎ অনুভূত গৃহাদির স্থায় ন্যায় ও গুদ্ধের ন্যায় দেখা যায় এবং বায়ুতে স্পন্দনের ন্যায় চিদাকাশে রহিয়াছে, উহা অন্য কিছুই নহে, কেবল নিপ ব্ৰহ্মই তদীয় আকাশরূপ প্রতিভাসিত হইতেছে সুং এ বিষয় কোন জীবআর সহিত বিভাগ প্রাপ্ত হইয়া অভাবে বিরাজ করিতেছেন, প্রকার সৃষ্টিশব্দের বিবস্ত্র কল্পনা থাকে না। এবং যেমন আকাশে সুং এই সৰ্বরূপ অগপ এমে বেরূপে দৃশ্যবিহীন ছিল, শূন্যতা ও সলিলে দ্রবত্ব আছে, তেমনি আত্মাতে অবিবৰ্তরূপ এখনও দৃণ লজ্বপে আছে জানিবে। যেমন যে ব্যক্তি বৃক্ষান্তরাল বিশুদ্ধ পার্থক্যই সৃষ্টিভাবে সমবেত আছে, বাস্তবিক ভিন্নতা আরা চন্দ্রকে দেখিতেছে তাহার নিকট চন্দ্রের একস্থান হইতে নাই; সুতরাং আমাদিগের নিকট ভাসমান ব্ৰক্ষই জগদ্রুপে অস্থানে গানের ব্যবহিত স্থান নির্দিষ্ট হয় না, মেনি প্রকার বিভত আছেন, উহার আদি অন্ত নাই বলিয়া ঐ নিত্য সত্যরূপ নিকট জগতে 'পরিচ্ছেদ নাই। যেমন আবৰ্ততরঙ্গালি বন্ধের উদয় নাই ও লগ্নও হয় না। যেমন প্রমাতার দেহ আকারে সলিলই লক্ষিত হয়, তেমনি চিলাকাশে অগজপ কমধ্যে দেশগমনবিয়ে শুন্যত্মক বলিয়া বারংবার নির্ণীত go যােগবাণিষ্ঠ-কামায়ণ। -- = হইয়াছে, তেমনি এই অগও আকাশস্বরূপে অবস্থিত আছে ভিন্ন সত্তার স্বীকার নাই। আর দুঃখ ও মুখরূপেই অবস্থিত এরূপে এবং বায়ুতে পন আলে দ্রবত্ব ও আকাণে তা স্বধর্ম ' পৃষক ল কেমনে থাকিতে পারে? হে রম! জীবন ও মরণ বলিয়া সমবেত আছে, তেমনি এই অগংও বস্তুসম্পর্ক এতদুভয়ের স্থিতিরূপিণী সত্তাও ব্রহ্মবাত্মিকা বুঝিয়া যাহার চিত্ত হইয়া আভেই অভিন্ন ভাবে প্রতিভাত হইতেছে। হে চিরবিশ্রাম অনুভব করে, তিনিই শীতলান্তঃকরণ বলিয়া অভিহিত রাম। এই অসৎ পরমার্থভাবে অবস্থিত সংবিন্নত ; যদিও হন এবং তখন তঁাহার সমুদয় কৃর্শন বিদূরিত হওয়ায় যে উহার অস্যোলয় নাই ও সূৰ্যসম্পর্কবিহীন বলিয়া উহা শুনভ ' সংবি প্রকাশ পায়, তিনি সেই সংবিষয় হন বলিয়া মুক্তসংজ্ঞায় সংজ্ঞার যােগ্য, তথাপি তানভ নিতান্ত অপ্রসিদ্ধ। কারণ সৰ্ব, অভিহিত হইয়া থাকেন। বিশেষ সমুদয় দৃশ্যের অত্যন্তাভাব জাতের চিৎস্বভাব তাদৃশ আকার অঙ্গ কিরুপে হইতে থাকায় যে কোনরূপ পর-সন্তালে সৃষ্টিব্যাপারের অস্তিত্ব বা পারে। সুতরাং তুমিও সমুদয় দৃশ্য পরিত্যাগ করিয়া চিদাকাশ- | অভাব থাকিলেও যে দৃজাতের জ্ঞান নিবিষয় হয়, তাহাই ধরপে অবস্থান কর। ২-৩৩। তাঁহার মুক্তত্বের সাধক। হে রাখব। যাহা চৈত্য নহে, তাহা চতুঃপঞ্চ সর্গ সমাপ্ত ৫৪। চিতিক্রিয়ার রূপ হইতে পারে না ,সুতরাং তত্ত্ববাে চিতিভাবে সহিত এক প্রাপ্ত হইয়া ব্যবহারে শান্ত থাকেন ও চিদ্রুপ কাচে বারংবার যে বিলস, উহাই অগৎসংজ্ঞায় কথিত হয়। পঞ্চপাণ সগ। কারণ অতি বিমল পরমাকাণে বন্ধন বা মুক্তির সম্পর্ক কোন বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। যদি জগতের ব্ৰহ্মদৈতই। রূপেই থাকু সম্ভব নহে, এবং চিনাকাণের স্পন্দন বা সঙ্কল প্রতিপন্ন হইল, সুতরাং করণ ব্যতীত সৃষ্টিব্যাপারে ভাব ও জগতের স্বরূপ, উহা পৃথিব্যাদি পৃথক, ভূতময় কখনই নহে অভাবের স্বীকার ও পরিত্য।গরুপ ভুল সূ চরাচর বিশ্ব পূর্ন এ স্থানে দেশ কাল দ্রব্য ক্রিয়া আকাশ এ সকল কিছুই নাই। হইতেই উৎপন্ন হয় নাই জানিবে। বিশেষ এ কথা বারংবার। তবে প্রতিভাসমাত্রে সমুদয় সুত্রে ন্যায় বিলসিত হইলেও বলা হইয়াছে যে মূৰ্ত্তিমান বৃক্ষাদির কারণীভুত বীজের ন্যায় বাস্তবানুসন্ধানে নিতান্ত অসং, ইহা কেবল পরমার্থত চিদনই কখনই নিরাকার আত্মা সৃষ্টিব্যাপারের কারণ হইতে পারেন না দীপ্তি পাইতেছে ও ইহা শূন্য না হইলেও শূন্য ও আকাশ সুভং অনুভবসম্পন্ন তত্ত্বজ্ঞানী করুনাময় সংসারকে চিৎকাভাব হইতে সমধিক সুনির্মল এবং ইহার আকার দৃষ্ট হইলেও • অবগত হই গত সত্মবন করেন। এক যিনি আকারবিহীন ও অসৎ হইলেও অতি দীপ্তিসম্পন্ন এবং অতি যাশ ভাবনা করেন, তিনি তদনুরূপ ফল পাইয়া থাকেন। যেমন শুদ্ধ একমাত্র চিৎরূপ। হে রাম। চিদাকাশের কলুষ মদিরাসম্পর্কে ক্ষুব্ধ আত্মা অনুসারে মত্ততাই প্রাপ্ত হয়, তেমনি যে রূপ তাহাই জগং ও অকলুষ স্বচ্ছ যে রূপ তাহাই যে পূর্বোক্ত অজ্ঞ আত্ম চিতার স্বভাব ভাবনুরূপ সৃষ্টিব্যাপরেরই অনুগত নিৰ্ব্বাণরূপে সজ্ঞিত আছে, উহা সর্বত্রই এত হইয়াছে এবং হইয়া থাকেন। হে রাম। সেইরূপ যখন দেখিচ্ছে সমুদয় । আকাশে শূন্যত্বের ন্যায় সাগরে প্রবন্ধের ন্যায় ঐ জগৎ ভিন্ন উৎপত্তি শৃঙ্গ বলিয়া কিছুই নাই, তখন একমাত্র সদসতে তুল্য ও নহে, এক জানিবে। ১২-২৪। শান্ত ব্ৰহ্মকেই অবগত হও এবং সলিলে সলিলবের স্যায় । পঞ্চপঞ্চ শ সর্গ সমাপ্ত। ৫৫ চিক.শেই যে চিলাকাশ রহিয়াছে ও সেই চিন্ময় নিবন্ধন যে জাং বিলাল পাইতেছে, সেই কারণেই ব্ৰ আপনাকে জগদাকার করিয়াছে বলিয়া এবার আছে। বস্তুত ঐ জগৎ টপঞ্চাশ সগ। সুপ্তাবস্থার ব্যাষ অনুভূত হইতেছে কিংবা কাচাকৃত চক্ষুর দৃষ্টিতে । বশি বলিলেন-হে রাম। বেশ আকাশে শস্তত্ব হতার আকাশের বৈপ্যের স্কাই সৃষ্টিজলে ভাবিত চিলাকাশে এই হানিকর হয় না, তদ্রুপ চিন্ময় আকাশে সর্বদা সর্বস্বরূপ ব্ৰন্ধ বিচিত্র আলিযুক্ত জগৎ বিলাস পাইতেছে; সুতরাং এই জগৎ স্বচ্ছভাবেই বহিয়'ছেন। ঐ তাঁহার স্বচ্ছতা দূর করিতে অঙ্কের নিকট কাচাৰৱণে দর্শন বা স্বপ্নানুভবের ন্যায় প্রতিজ্ঞাসিত পারে না। যেখানে চিৎশক্তি, তথাই সৃষ্টিব্যাপার থাকিলেও পদার্থ হইতেছে, বঙ্গত চিদাকাশই কেবল বস্থান করিতেছে আলিকে। সমুদয় চিন্ময় বলিয়াই কুত্রাপি চিদ্ভাবের সম্ভাবনা নাই। যেমন হে রাম। সৃষ্ট্যাবতকালে যেরূপ নদীর তরঙ্গনিচয় প্রবাহিত স্বপ্নদশায় শৈলাদি পদার্থসমূদয় চিদাকাৰেই দুষ্ট হয়, তেমনি ছিল, আজিও সেই ভাবে আছে, এই প্রকার সমস্ত পদার্থ, জাগরণকালেও পদার্থে প্রকাশ অথম চিন্ময় পরাকাশরূপেই অনু- রচনাই দৃষ্টি বিষী; আরও যেমন নদীর তরঙ্গশেভ জলসভার ভূত হইতেছে আনিবে। হে মুমি! এ বিষয়ের সম্পূর্ণ ভ্রান্তিয়ােগর অতিরক্ত নহে, তেমনি অগতে চিনাকালে চিৰীজপতার ঔষধিরূপ পাষাণােপাখ্যান তােমায় বলিতেছি, পূর্বে আমিই এই অতিরিক্ত কোনই সৃষ্টিব্যাপার নাই।১-১১। আর মৃত্যু যে ভাবে প্রকৃতিচিত্র দেখিয়াছিলাম শ্রবণ কর।একদা আমি দর্শনে অত্যন্ত না কি বলিয়া স্বীকার করিবে? কারণ উহা সর্ব অবগত হইয়া পূর্ণকাম ছিলাম, তখন আমার এই ভ্রম- তাহার সুষুলিশান্ত মানবপে এসি সুখবিশেষ, ঐরূপ সঙ্কুল লােকব্যবহার পরিত্যাগ করিবার না হয় চির- পুনরায় দেহাদিস্বরূপে যে সংসারের উদয় দেখিচ্ছে, উহাও তাহার বিশ্রামের জন্য নিনাভিলাষে কোন দেবালয় বসিয়া সংসারভাব নতন সংসার। আং অমরণেও মুভি স ন পরিত্যাগপূর্বক প্যানে অল্প হই, বক্ষ্যমাণ চিন্তা করিতে থাকায় কোনরূপ ভয়ের কারণ নাই। আর যদি কুকর্মসমু থাকিলাম ।দেখিতেছি যে, এই সাংসারিক ব্যাপার নিতাই মুতের নরকসম্পাদক ৰয়া তাহা হইতে হয়, তাহা হইতে নশ্বয় ও এই আপাত মনাের লােকস্থিতির পরিণাম নিতান্তই ঐ ভয় জীবিত মুতের পক্ষে সমান। কারণ এর এক্ষ দুঃখকর। কাহারও পক্ষে কোন শেবা কালে কোন উপায়েই নির্বাণ-প্রকরণ-ভাগ। ১৪১ উহা সুখকর নহে। বিশেষত এই দৃশ্যদর্শনে ভ্রষ্টার ভুমিতে, কোন স্থান বা নক্ষত্রমালায় সমতুল আছে, কোন উত্মক ফল উৎপন্ন হয় ও দুরন্তবেগে ভিন্ন হয় বলিয়া, কানে খেচরেরা বিচরণ করিতেছে, কোন স্থানে পবনদেব উওে উৎপাদন করিয়া থাকে। তবে তার কি দেখিতেছি; কুগিত হইয়া প্রবলভাবে প্ৰবাত হইতেছেন, কোন স্থান নানা তুমি ও আমিই বা কে? সমুদয়ই সেই অনালি চিনাকাশরূপ উৎপাভজালে সঙ্কুল আছে এবং কোন স্থান মেখমণ্ডলে ব্রিাজিত সংসার চিন্ময় আত্মাতেই অবস্থিত আছে। ১১। সুতরাং রহিয়াছে, কোন স্থানে বা অদৃষ্টপূৰ্ব পিশাচেরা বিচরণ করিতেছে, এই সি-বিদ্যাধর-দৈত্য-দানবগণ নিতান্ত দুর্গম স্থান পরিত্যাগ কোনস্থানে বিবিধ অসংখ্য নগরসমুল নিবেশিত আছে, কোন পূৰ্ব্বক এ অপেক্ষা কোন উত্তম স্থানে, এই নিদের অন্তর্ধাদি স্থানে বা সূৰ্য্যেৰ ৰখ রহিয়াছে, কোন স্থান চন্দ্রাদি গ্রহদিগেয় রখে উপায়ে গােপনভাবে রাখিয়া আমি সর্বভূতের অঙ্গ ঋকিয়াই আক্রান্ত আছে, কোন স্থানে অসহ সূৰ্য্যসতাপে জীবগণ মানুতেছে, সম নিৰ্ম্মল শাস্যিময় পরমপদে নির্বিকলক সমাধির সাহায্যে কোথাও বা সুশীতল চন্দ্রকিরণ বিলাস পাইছে, কোন গমন করিয়া,বেদনাশূন্য হইয়া অবস্থান করিব। এক্ষণে সেরূপ প্রভাদি দেবযােনিবিশেষে আকুল থাকায় ভীষণ হইয়াছে; সাতিশয় শুন্যপ্রদেশ কোথায় পাইব, যেখানে যাইলে পঞ্চভূতের কোন স্থান বা ভয়ানক অগ্নিসম্পর্কে দুর্গম হইয়াছে, কোথাও সম্পর্কজনিত বেদনা অনুভব করিতে হইবে না। পর্বত সমাধি- বেলালেরা নৃত্য করিতেছে, কোথাও বা পক্ষিরা গরুড় বিরাজ স্থান হইবে না, কারণ, শব্দারী কানন, সলিল মেষ ও প্রাণিসঙ্গে করিতেছে, কোন স্থানে মহাপ্রলয়কালীন ৰারিদগণ ও কোখাও সমাকুল বলিয়া নিতান্ত চঞ্চল। গিরিগণ অকেও চঞ্চল করিয়া প্রলয়কালীন বায়ু রহিয়াছে। আমি এই সময় অতিক্রম থাকে, সুজাং তাহারা আমার প্রতিকূল বলিয়া শত্রু, ঐরূপ করিয়া ক্রমশ অতি দূরে উপস্থিত হইলাম ও তথায় অতিবিস্তৃত পৰ্বতের উপত্যকাদেশ কিরাতপ্রভৃতি নীচলােকে বেষ্টিত সূক্ষময় নির্জন স্থান পাইলাম। সেই স্থানে ম মন্দ নয় বলিয়াও সমারি প্রতিকূল ও জনপদ মাত্রেই বিষয়ৰূপ সর্লে বহিতেছে এবং স্বপ্নেও সে স্থানে কোন প্রাণীরই সমাগম সুং আমার পক্ষে বিষময় হইয়াছে। ১০-১৫। সম্ভবে না কোনরূপ শুভ বা অশুভ হি খায় নাই দেখি। যেমন নগরসমুদয় সংক্ষোভকারী নাগরিকলনে পুর্ণ থাকায় সেই স্থানচী সংসারের নিতান্ত অগম্য বলিয়াই বুঝিলাম।২-৩ আমার ভ্যাজ্য আছে, তেমনি সাগরের অভ্যন্তর স্থাও অসংখ্য তখন আমি ভখায় এক অতি বিস্তৃত কুটীর কনায় নির্মাণ অলচর জীবে পরিপূর্ণ আছে বলিয়া প্রতিকূল হইতেছে। ঐরূপ করিলাম, উহা কমল-কলিকার আবরণে এমনই সুন্দর হইল সমুদ্রের তীরভূমি বা লেপলদিগের আবাসস্থান এবং পাতালগর্ভ যে, দেখিবামাত্র বিবেচনা হয়, যেন পূর্ণচন্দ্রের মধ্যভাগ দু- ও গিরিশৃঙ্গসমুদয় অসংখ্যপ্রাণিসঙুল বলিয়া আমি পরিত্যাগ কাটে ছিদ্র করিয়া রাখিয়াছে, উহাতে কলার, কুমুদ ও মন্দার করিতেছি। ঘদিচ এরিগুহা নির্জন বটে, তথাপি উহাতে সিংহ- প্রভৃতি পুষ্পের কলিকাসমূদয় নিতান্ত শােভা পাইতে লাগিল। সাদি বাস করে এবং তত্ৰত্য লতাসমূদয় বায়ু-নিনাদলে তখন আমি মনে মনে ঐ প্রদেশকে সমস্ত প্রাণীর অগম্য বিবেচনা গান করে ও পুষ্পবিকাশরূপ হান্য প্রকাশ করিয়া পল্লবরূপ কর করিয়া, সেই স্থানেই পদ্মাসন করিয়া অত্যন্ত মৌনভাব ধারণপূর্বক বিস্তারে অতি নৃত্য করিতে থাকে বলিয়া সমাধির প্রতিকূল শতবর্ধতে পুনরায় আত্মার অ্যুত্থান স্থির রাখিয়া নিদ্রাসুখ- যদিও দক্ষিণাপথে সরোবরসমুদয় সমাধিস্থান বলিয়া সক্তর স্মা, শান্তচিত্তে নির্বিকল্প সমাধিতে বসিলাম। তখন কথিত হয়, তথাপি তােয় মৎস্যদির আঘাতে ও স্নানকারী মুনি- আমি আকাশে খােদিতের স্যায়ই, নিৰ্ম্মল আকাশে সমভাবে দিগের করম্পর্শে কমলসমুদয় নিতান্ত চঞ্চল হইলে জলের আবর্ভ থাকিলাম। হে রাম। চিত্ত বহুক্ষণ যাহার অনুসন্ধান করে, উপস্থিত হইয়া সমাধির বিষ্মর শব্দের উৎপত্তি হয়, তখন গামি ত ক্ষণেই তাহা দেখিয়া থাকে, সূত্মাৎ সমাধির পূর্বক্ষণে যে মৌনী খাকিব সুতরাৎ তাহার নিবারণে আসক্ত হওয়ায় ঐস্থান শতবর্ষ সমাধিকালরূপে নির্ণয় করিয়াছিলাম, সেই শতবর্ষ আমার আমার কোনমতেই মনােম নহে। ১৬—১৯। নিবরভূমিও হৃদয়ে বােধবী নিখাসবায়ুর ন্যায় বিস্তৃত থাকিয়াও আচ্ছন্ন বায়ুসম্পর্কে উড্ডীয়মান তৃণরাজি ও ধূলিনিচয়ে সঙ্কুলা হইয়া ছিল, এক্ষণে হৃদয়ক্ষেত্রে তাহার বিকাশের কাল আসিল। সেই বায়ুরজ্জলে শব্দ করে বলিয়া আমার সমাধির যােত নহে, বােধবীজ প্রবুদ্ধ হইলেন এবং শীতসম্পর্কে শুষ্যমাণ পাদপের সুভৱাৎ আকাশ সর্ববিধ বিক্ষেপক-কারণ বলিয়া উহারই সুদুর বসন্তাগমে রসােদয়ের ন্যায় তাহারও তখন যাম্বেদনার অনু কোন প্রদেশে আমি বুখপ্রদ ঘােগােপায় অবলম্বন করিয়া অবস্থান হইতে লাগিল। ৩৩–৪। সেই শতবর্যকাল আমার নিকট কবি, উহারই কোন এক কোণে কল্পনার সাহায্যে কুটীয় ॥চনা নিমেষের মত অতীত হইয়াছে। তাহার কারণ একাগ্রচিত্ত ব্যক্তির কৃৱিষ তাহারই মধ্যে বজ্জের মত সুদৃঢ় হইয়া ৰাসনা পরিহারপূর্বক পক্ষে যুদৗৰ সময়ও অনুণের ন্যায় প্রতীত হইয়া থাকে। করিব। হে রাখব। আমি এই প্রকার চিন্তা করিয়া সুনির্মল অনতর ক্ষয় বসন্তসমাগমস্য আন্তরিক আনন্দ বাহিরে আকাই গমন করিলাম। তথা ৰাইয়া দেখি তে, সমূষয় পূরুপে প্রকাশ পায়, তদ্রুপ আমার বুদ্ধি প্রভৃতি ইত্রিকা- স্থানই সু সহ বিকেল-কাণলে পরিব্যাপ্ত রহিয়াছে, সমূদয় বহু বিকাশকে প্রাপ্ত হইল এবং তখন আমাতে প্রণালি কোন মানে সিগণ অৰণ করিতেছে; কোথায় শেষভাল গান বায়ুপকের ও ইজি-নিচষের সমাগমে আমি জীবনকে কৰিছে, কোন অব দিয়েদিগের আবাস; কোথায় বা পাইলাম , দর্শনে ইহারূপিণী পিশাচী কর্তৃক শাকপলিকিত যয়ে গৃহনির্মাণ করিয়াছে, কোন স্থানে,শ্রেষ্ঠপুর রহিয়াছে; অহঙ্কালরূপ পিচ কোথা হইতে আসিয়া আমাকে স্পর্শ কোন স্থানে যুদ্ধ হইতেছে, কোনখানে বৃষ্টি হইতেছে, কোথায় বা করিতে লাগিল। যেমন অত্যুন্নত রক্ষকে এল বায়ু কোথা হইতে যোগিনীগণ উৎইয়াছে ; কোন স্থানে বা মৈত্যালয়ের সমীপে অতর্কিতজৰে আলিয়াই নির্মিত করিয়া থাকে। ৪১-৪৩। দেবালসংযুক্ত গলার মহিয়াছে; কোথাও বা এই লাশ সর্গ মাত্র।
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ : বিজ জি কিছুই নহে, তেমনি আদি সৃকিলে সৃষ্টিব্যাপার সপ্তপণ গর্গ। শুদ্ধচিত্রেরই বিলাস, আর কিছু নহে এবং সচ্ছ চিনাকশে যে রাম কছিলেন-হে দেব। আপনার জ্ঞানের মূলীভুত নির্বা- চিলাকাশ আছে, উহাই কাের স্বরূপ সৃষ্টি-ব্যাপার, এরূপ হিয় ণের উদয় হইলেও তখন কি প্রকারে আপনাকে সেই রূপ থাকিতে কোথায় সৃষ্টি, কোথায় বিদ্যা, কোথায় বা অজ্ঞতা ও পিশাচ আক্রমণ করিল, এ বিষয় আমার সন্দেহ নিয়াকরণের অহঙ্কারাদিই বা কোথায় থাকবে। সামুয়ই সেই শান্তিপূর্ণ ঘন অন্য বব বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন-হে রাম । কি জ্ঞাণী কি অজ্ঞ ব্রহ্মস্বরুপ। হে রায়। এই তােমাকে অহংভাবের শান্তির কথা কাহাৱই দেহ অহঙ্কার ব্যতীত থাকিতে পারে না। কারণ আধেয় বলিলাম,ঐ অহভাৰ সম্যক্ নিরীক্ষিত হইলে কলিত পিশাচের বর কখনই আধারবিরহিত হইয়া অবস্থান সঙ্কৰে না, এ বিষয়ে স্নায়ই লয় পাইয়া থাকে। আমি যখনই এই অহংভবকে সম্য শাহ বিশেষ আছে, তাহা বলিতেহি একাগ্ৰমনে এবণ কর। এনিতে পারিলাম, তখন উহ আমাতে থাকিলেও শরৎকালীন যাহা শ্রবণ করিলে তােমার অহঙ্কারপিশাচ শান্তি পাইবে, এই মেয়ের মত নিস্থলাবাল হইয়াছিল।২০৭। যেমন চিত্রিত অহংভবরূপ পিশাচ অবিদ্যমান হইলেও অজ্ঞানরূপ বালক অমিদাহ, দহ বস্তুতে কার্যকারী হয় না, তেমনি অহংভাব ও অন্তরে উহার কল্পনা করিয়াছে, সেই অজ্ঞানকাশেই উহা হয়ে সৃষ্টির সমগ জ্ঞাত হইলে নিলই হইয়া থাকে। হে বাস করে, কিন্তু যেমন দীপসম্পন্ন পুরুষের নিকট আকারের খব। যখন সবিকালে অহঙ্কারের আগে ও ব্যবহারকালে স্বরূপ থাকে না, তৎ জ্ঞানীর নিকট ঐ অজ্ঞানই নাই, কারণ তদ্বিষয়ে অনুরাগে আমার সমভাব আছে, তখন আমি আকাশের সম্যক্ অনুসন্ধানে যাহাকে পাওয়া যায় না, তাহার অস্তিত্ব স্যায় সৃষ্টিব্যাপারে ও ভিন্ন বিষ েএক ভাবেই বহিরছি আনিবে। কোথায়? এই অজ্ঞতারূপিণী পিশাচীকে যতই বিচার করিয়া বিশেষত আমি অহঙ্কারের কেহ নহি ও অহঙ্কারও আমার কিছুই দেখিতে যাইবে, ক্রমশই উহার নয় ভিন্ন আর কিছুই দেখিতে নহে, সুতরাং এই প্রপঞ্চকে সাতিশয় ঘন চিলাকায় বলিয়াই পাইবে না। যেমন রাত্রিতে আকারবিহীন যক্ষ প্রভৃতির জানিৰে। যেমন আমার তেমনি অন্যান্য জ্ঞানীদিগেরও এ বিষয়ে বিলাস হয়, তেমনি প্রথমে অবিদ্যার বিলাস হইলেই নিত্যা চিত্রিত অখিতে অগ্নিবােধের ন্যায় কদাচ এ প্রকার অজ্ঞান অজ্ঞতার উৎপত্তি ইয়া থাকে। যেমন দ্বিতীয় চল থাকিলেই ভৰ নাই। আমি নাই, অন্য কেহ নাই, অধিক কি সমুদয়ই নাই বিতীয় কলঙ্ক মৃগ থাকিতে পারে ঐ অবিনা আবার সৃষ্টিয্যাপার এরূপ সিদ্ধান্ত হইলে তুমি প্রকৃত ব্যবহারী হইষ শিলার ন্যায় শাকিলেই সভূত হইয়া থাকে, নচেৎ কোখাও হয় না। এই মৌনী হইয়া অবস্থান কর। হে রাম। তুমি আকাশকোষের সৃষ্টিব্যাপারও অজ্ঞজনের বিদিত হইলেও অনুৎপন্ন বলিয়া তার গুবপু হইয়া শিলার স্যায় সৰ্বভাব দূর করিয়া চিরকাল অব- উহার অস্তিত্ব নাই ও আকাশপাপের স্থায় কারণভাব- স্থান কর। আজি সৃষ্টিকালে ও দৃষ্টির পূর্বকালেও সমস্তই চিন্ময় প্রযুক্তই পূর্বেও ইহা জন্মায় নাই। যখন শতরূপা আদিষ্টি রহিয়াছে, কোন প্রকার দৃশ্যই নাই, সুতরাং সমুদয়কে ব্ৰহ্মরূপে পরমাকাশের মধ্যে রহিয়াছে, তখন বিত্যাদির জ্ঞানবিষয়ে আর মঙ্গলময় বলিয়া অবগত হও।২৮-৩৩। কারণ কিরুপে সন্তবে? বিশেষতঃ মনােজপ যঠেক্রিয় নিরাকার, সঞ্চপঞ্চাশ সর্গ সমাপ্ত। wং উহা কখনই সাকার টপটাদির কারণ হতে পারে না। হে রঘুনাথ। কারণরূপ বীজ হইতে স্কুলের জন্য নিশ্চিত আছে, কিন্তু যেখানে বাজ নাই, হায় কেমনে ছুর কিতে পারে? টপ সগ। যেহেতু কারণ ব্যতীত কখনই কোপ কাধ আইতে পারে না। কেহ কি কখন আকাণে একামাল বল দেখিতে পায়। তবে রাম কহিলেন-হে ভগব। আপনি আমার কানে যেমন আকাশে কানাৰণে যে কালি দৃষ্ট হইয়া থাকে, তাহাতে এই অতি বিমল বিস্তৃত উদার যে ভূয়োনের কথা বলিলেন, ৰান্তৰ বজাৰ না থাকায় সঞ্চল জ্ঞি উহা কিছু নহে, তেমনি তাহা অতি বিস্ময়কক হইয়াছে। সমুদয় পদার্থ সর্বদা সর্বস্থানে সৃষ্টিব্যাপারে যে অব্যাহত সৃষ্টির আনুষ হইয়া থাকে, সর্বকারে আত্মানুভাবে সম সপে অবস্থিত আছে সভ, কিন্তু তাহা আকাশে শত কায়িকা সঙ্কল আনিবে এবং ঐ এলে। আমার একটা সন্দেহ উপস্থিত হইয়াছে যে, পাণখান সূতিরুপে যে অবিকৃত চিনাকাশ আম্বাতে বিলাস পাইতেছে, বলি যে পূর্ন ব্যাপারে নির্দেশ করিয়াছেন, তাহা কেমনে ঘটিল, না চিন্ময় বলি ঈশ্বরই । আমরা অত্যই গল্পে সে বিষয়ে আমার ক্ষয় দূর করুন। বণিষ্ঠ কহিলেন-হে যে পূর্বশর প্রভৃতি অনুৰ কৰি থাকি এ বিষয়ে সেই রাম। সর্বপদার্থ সর্ব সর্বস্থানে রহিয়াহে, ইহাই সমর্থন বল্পসৃষ্টিই অবিল দৃষ্টান্ত হয়। যেমন টিকা গে ব্যাপার কমিবায় অ আমি তােমাকে পাবাণীখান দৃষ্টান্তস্বরূপে বলিতেরি উপস্থিত হইয়া এষ্টিতে এর এতিভাত হয়, তেমনি এক কম। ভিন নিশ্চিন্দ্র পার করে এ ৰ পূৰ্মে বেশ মহাকাশে খলে অ এক অব্যয় এ অধিষ্ঠান থাকায় সমস্ত সে সংশ সৰ হইতেছে, এই এভিভাসিত হন, তেমনি কালেও আলিগের নিকট তাশ বিষয়ই এত কম দেখাইভে, অথবা আকাশের নিতাই উপস্থিতি হইয়া থাকে। কিন্তু বৎস। এ ব্যাপারে নাই শ মহাকাৰ চিকা সমুন সূষ্টি রূহিয়া, ইহা এত ওয়ি সম্পর্কও নাই, সময় সেই নিলার এই এক বর্ণিতে এবং ওখ গত ৰীরি ও খৰু সনি খান করিতেন এবং সেই জয়প এর জে এভূতি বনে সব ব্যাপার রহিয়া, বা মিল রূপ বিন্যায় করেন, অ লে এরা ইহাই এত বলি নেইছে। বাম দিলেই থাকে।-৯। কেন জলে স্বাস্থকরলি জির মহা! লিটলটারি ফেও পার মহিয়ছ বলিতে নির্বাণপ্রকরণ উত্তরভাগ । : ছেন, তবে কেন ঐ সৃষ্টিসমুদয় শুদ্ধ চিলাকাশে দেখা শব্দমাত্র শ্রবণ করিলাম; কিন্তু সেই বাক্যের অর্থ বুঝিতে যাইবে না, তাহা বলুন। ১৮। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। পারিলাম না, তথাণি সেই শব্দের কোমলতা ও মধুরতা শ্রবণে আমি তােমার নিকট সত্যস্বরূপেই উহা বর্ণনা করিলাম। যে সৃষ্টি ইহা প্রতীতি হইল যে, উহা স্ত্রীলিত ও তমিবন্ধনই দেখা যাইতেছে, তাহা চিলাকাশ, চিদাকাশেই অবস্থিত আছে। অনুচ্চ বলিয়া দূর হইতে শুনা যাইতেছে না। এবং ভ্রমর- বাস্তব দর্শনে ঐ সৃষ্টি প্রথমে হয় নাই, আজিও বর্তমান নহে, তবে বুকের ন্যায় মনােহর ও বীণাধ্বনির ন্যায় অনুরাগসম্পাদক ঐ যে দৃশ্য প্রকাশ পাইতেছে, তাহা ব্রহ্মস্বরূপ ব্রহ্মেতেই অবস্থিত শব্দ বালকের মােলনের স্থায় নহে ও বুবার অধ্যয়নের মতও জানিবে, কিন্তু আরােপিত দৃষ্টিতে এমন অণুপরিমাণ ভূমিও নাই নহে বলিয়া বােধ হইল। আমি সেই শব্দ শ্রবণ করিয়া বাহা সৃষ্টিব্যাপারে পূর্ণ নহে—অথচ শেখাও সৃষ্টি নাই, সকলই আশ্চর্যান্বিত হইয়াই শব্দসারে গলিক অবলােকন করত এই চিদকাশরূপী ব্ৰহ্ম , ঐরূপ তেজের অনুপরিমাণও সৃষ্টিব্যাপারে প্রকার চিন্তা করিতে লাগিলাম।সিদ্ধৰিদ্যাধরদিগের সঞ্চার- পূর্ণ থাকিলেও কোথাও সৃষ্টিসম্পর্ক নাই, সকলই সেই চিনাকাল বিহীন লক্ষ-বােজন শূন্য স্থান অতিক্রম করিয়াই আকাশের এই ব্ৰহ্মস্বরূপ। ঐ প্রকার বারুরও অনুপরিমাণ আকার ও সৃষ্টি ভাগ অবস্থান করিতেছে, সুং সর্ব শূন্যময় এখানে ঈদৃশ বাপারে পূর্ণ থাকিওে কোথাও সৃষ্টি নাই, সকলই সেই চিদাকাশ শব্দের কিরূপে সম্ভব হইতে পারে, আমি বিশেষ অনুসন্ধান ব্ৰহ্ম এবং অণুপরিমাণ আকাশও নাই। যাহা সৃষ্টিষ্যাপারে পূর্ণ করিয়াও শব্দের কারণ দেখিতেছি না। আমার পুনরাবর্তী আকাশ নহে,অথচ কোথাও সৃষ্টিসম্পর্ক নাই,সকলই সেই চিলাকাশরূপ অনন্ত অতি নিৰ্ম্মল ও নিতান্ত শুন্য, জাং এখানে বিশেষ যত্ন- ব্ৰহ্ম এবং এরূপ পঞ্চ মহাভূতই নাই, যাহা সৃষ্টিতে ব্যাপ্ত নহে, পূর্ষক দেখিয়াও প্রাণীর সমাগম সব বলিয়া দেখিতেছি না। অথচ কুত্রাপি সৃষ্টিসমাবেশ নাই কেবল সেই চিদাকাশ একা যখন আমি এইরূপ বারংবার চিন্তাপূর্বক দেখিয়াও শব্দকারীকে ভিন্ন আর কিছুই নহে। ১—১৫। এবং পর্বত সমুদয়ের এমন দেখিতে পাইলাম না, তখন বক্ষ্যমাণ চিন্তা করিতে থাকিলাম, অণপরিমাণ ভাগ নাই, যাহা সৃষ্টিসম্পর্কে ঘন না আছে -অথচ যে,আমি প্রথমে উপাধিত্যাগকালে আকাশ হইয়া যে আকাশের কুত্রাপি সৃষ্টিব্যাপার নাই, সমুদয়ই সেই চিদাকাশ ব্ৰহ্ম, ঐরূপ সহিত এক পাইয়াছি, সেই কারণে আমিই আকাণমধ্যে ব্রহ্মের অনুমানও সৃষ্টিবিহীন না হইলেও কোথাও সৃষ্টি সম্পর্ক বর্তমান আকাশগুণ শব্দ ও শব্দার্থকে করিতেছি। ১-১০। এক্ষণে নাই, সকলই চিদাকাশ ব্ৰহ্ম এবং সৃজনব্যাপারের এমন শুভাগ আমি বর্তমান দেহাকাশকে পুনরায় সমাধিবলে এই স্থানে রাখিয়া নই, যাহা সর্বদা ব্ৰহ্মস্বরূপ নহে, সুতরাং ব্রহ্ম ও সৃষ্টি এই উল আলবিন্দু যেমন অধিক জলের সহিত একতা পাইয়া থাকে, তেমনি কথায় ভিন্ন মাত্র, বাস্তবিক উভয়ের পার্থক্য নাই। হে রাম। চিকাষপ্ত হইম্বা আকাশের সহিত একতা প্রাপ্ত হইব। সৃষ্টিসমূদয় পরম ব্ৰহ্ম ও পরম ব্রহ্মই সৃষ্টির কাৰ্য, যেমন সূর্যের আমি ইহা চিন্তা করিয়া পদ্মাসনে অবস্থিত হইয়া পূনরায় দেহ ও অখির সন্তাপ একই, তেমনি এতদুভয়ের কিছুমাত্র প্রভেদ নাই। ভাগ করিবার বাসনায় সমাধি করিবার জন্য নয়নযুগল মুদ্রিত তবে এই সৃষ্টি ও ইহা ব্ৰহ্ম, এতদুভয়ের পরস্পর ভেদ না থাকিলেও করিলাম ও তখন ইন্দ্রিয়সম্বদ্ধি বাহবিষয়সম্পর্ককে ইন্দ্রিয়- যে ভিন্নরূপে প্রতীতি হইতেছে, সে কেবল কুঠাৱাহত কাঠের নিবােণ দ্বারা ও অন্তঃকরণবিষয়ক মন্তব্যাদিকে মননাদি উপায় উত্তরের জায়মান শব্দের ন্যায় ভিন্নার্থবিহীন হইয়াও অবাস্তব দ্বারা পরিত্যাগ করিয়া সংবিস্ময় ও স্পন্দময় চিত্তাকাশ হইলাম। পৃথক বিলাস পাইতে মাত্র। অজ্ঞের ব্যবহারে এতদুভয়ের ক্রমশ তাহাও ত্যাগ করিয়া বুদ্ধিতপদে উপনীত হইলাম, তাহাও দ্বৈতভাৰ থাকিলেও ঐ ব্ৰহ্ম ও সৃষ্টিশব্দের অর্থ কেমনে প্রকাশ ভাগ করিয়া বাস্তব চিমাকাশে অবস্থানপূর্বক জগদাকার প্রতি পাইবে ও জ্ঞানীর নিকট উভয়ে একতা থাকায় ঐ শব্দার্থ বিম্বের একটা দর্পণস্বরূপ হইলাম এবং সামান্য সলিল যেমন কেমনে কাহার ন্যায় দীপ্তি পাইবে ? ১৬-২১। হে রাম। সমুসলিলের সহিত ও গন্ধ গরে সহিত মিলিত হয়, তেমনি অতএব অজ্ঞের ব্যবহারকালেও এই জাত অনাদি অনন্তু আমিও তখন সেই স্বভাবের সহিত আকাশপেই উপনীত শান্তিময় স্বচ্ছ আকাশরূপেই প্রতীত হয়, সুং এই তুমি, হইলাম। ১১—১৫। তখন আমি নিরাকার হইয়াও মহাকাশ আমি, পৰ্বতনিচয়, দেব, দানব প্রভৃতি সমুদয় চূজাকে ব্যাপিয়া অনন্ত সর্বব্যাপী হইলাম ও নিজের আধার না থাকিলেও চিলাকায় নির্বাণ বলিয়া অবগত হও, এবং যেমন জীবের চিত্তে আমি সমস্ত জগতে আর হইলাম। আমি সেই স্থানে অসংখ্য স্বপ্নদৃষ্ট ব্যবহারসমূষয় জাগরকালে স্মৃতিবিষয় হইয়াও অস্বরূপই ত্রৈলােক্য, ৰণত সংসার ও লক্ষাধিক অগণিত ব্রহ্মাণ্ড দেখিতে অবশিষ্ট থাকে, তেমনি তুমি এই জগষ্যাপারকে আত্মস্বরূপে গনি পাইলাম; কিন্তু ঐ সমূদয় পরস্পর দর্শনে আকাশরূপ তাত্মা কম। ২৩। ভিন্ন কিছুই নহে। এবং সেই অসমূদয় পরস্পর এক সময়ে बनानगर्गममा প্রাপ্ত ব্যক্তিবিগের বশে রায় ব্যবহারনে মহাব্যাপার হইলেও অপর দৃষ্টিতে আসক্ত বলিয়া - অথচ এবং উহারা মাইতেছে না পাইলে বারবার তি হতে এবং অতীত, বর্তমান অবৎ কাসেদা উনের সতৰ এনেতৈম । হইতে এক বহুতর চিত্র ভিত্তিতে থাকিলেও জিপি আবার- রাম কহিলেন-হে এজে। আপনি এককোণে সজ- বিহীন হইয়াছে—যেন সমুদয় মনগরে বহুতর রাজ ময় তুচীৱমধ্যে শত বৎসর পরে সমাধি হইতে বিরত হইলে কি নিৰ্মাণ কৰিছে এবং কতকগুলি নিরাবণস্বরূণ হইয়াও এক টিয়াছিল, তাহা বলুন। বাণী কহিলেন-হে রাম। আমি মাত্র আরশে সংযুক্ত রহিয়াছে ও পাঁচ আঙ্গপ আৰয়নে অঞ্চল সমাধিভঙ্গে যুদ্ধ হয় তথায় স্পষ্ট-বাক্যযুক্ত মনােহর সঙ্গত ছয়টা একমাত্র অবক্ষণে জড়িত আছে। ১৬-২২।হে ৬১৪ যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ রাম। পঞ্চীতে পাঁচ ও অপঞ্চীকৃতের পাঁচ এই দটা আবরণ তন্মধ্যে কতকগুলি কিছুকাল স থাকিয়া পৃথকৃরূপ হইচ্ছে; চিত, ইহার সহিত তন্মাত্র, অহঙ্কার, মহত্তত্ব ও প্রতি এই চারটা কিংবা উহারা পরমার্থৰস্বরূপ বিশাল পাপের অনন্ত ফলস্বরূপ মিণিয়া সাংখ্য কল্পনায় যােডশাবরণ হইয়াছে। ইহারা গণনায় বলিয়াই উহাদের পরস্পর ভেকজন হইতেছে। উহাদের মধ্যে চতুর্বিংশতি প্রকার আবরণ হইয়াছে। ও কাহার মতে ছত্রিশ কতকগুলি কিছুকালস্থায়ী ও কতক বা দীর্ঘকাল থাকে। কতক প্রকার আকাশক আবরণে আবৃত আছে। এই সমুদয় গুলি কাল, দেশ, ও স্বভাবের নিয়মে থাকিয়া বহুপরিমাণ অসংখ্য জীপঙ্গুল পঞ্চভূতমষ হইয়াও শূস্বরূপ ও কতকগুলি হইতেছে। কতকগুলির বা তাদৃশ নিয়ম থাকিয়াও বহুল পরিমাণ পৃথিব্যাদিভূতুষ্টয়ে'পেত, অন্য কতকগুলি পৃথ্যিাদি তিন হইয়াছে এবং কতকগুলি স্থানে সূৰ্যাদি না থাকায় কালনির্ণয় ভূতে আবৃত ও কতক বা পৃথিব্যাদিভুতদ্বয়পেত। এইরূপে হইতেছে না, উহার যদৃচ্ছাক্রমে জন্মাইয়া বৃদ্ধি পাইয়াছে ও দিও কালকে লইয়া সপ্ত মহাভূতই একস্বভাবসম্পন্ন হইলেও অতি স্থির হইয়া অবস্থান করিতেছে। ঐ সমুদয় শুন্যাকায়, কোন স্থানে ভবদ্বিখজনের অনুভবক্ষেত্রে উহার মধ্যস্থিত জীবাদির পরমাকাশে কবে অশিয়াছে, তাহার কোনরূপ নিরূপণ নাই মৃতা পরিণাম ও বচিত্র প্রভৃতি ভেদ নিতান্ত দুর্জেয়। এবং আকাশ সূর্ণ সুমেরু প্রভৃতি পর্বআলায় পরিপূর্ণ ঐ সমুদয় সূর্য প্রভৃতি প্রকাশ কববিহীন বলিয়া নিত্যাহ্মকার- এই সমস্ত স্থান চিত্তবিস্ময়কর চিদাকাশে স্বল্পসমূহের শােভা ময় এবং প্রলয়েরও সুষুপ্তির ন্যায় সতত একমাত্র হিরন্যগর্ভ- পাইতেছে এবং এই পৃথিব্যাদি বর এবম্বিধ অনুভব নিতান্ত দেব কর্তৃক নিত্য অধিষ্ঠিত হইলেও কোথাও বিশিষ্ট প্রজাপতি- ভ্রমাত্মক ও ইহাদের প্রকাশবিষয়ে কোন কারণও নাই, সুতরাং গণর অংশদেবগণের নােবিধ আশ্চৰ্যব্যাপারে পরিপূর্ণ এই সমুদয় জগৎ অধিষ্ঠান স্বরূপে থাকিলেও বাস্তবরূপে বিদ্যমান এবং শাস্ত্রসম্পর্কবিহীন হইলেও কোথাও বৈরাগপ্রতিপাদক নহে এবং যদিও ইহার অনুভূতিদ্যানে সত্যরূপে প্রতীত শাস্ত্রে পরিপূর্ণ ও ক্ষুদ্র কীটের মত ব্যবহারশীল দেবতা প্রভৃতি হইতেছে, তথাপি মরীচিকাসলিলের স্যায় ও চন্দ্রয়ের ও প্রাণিগণে সঙ্গুল রহিয়াছে। ২৩-২৮। কোন স্থানে বা কলি- আকাশের বর্ণের মত ইহারা থাকিলেও নিতান্ত মিখায় । প্ৰৱেশে বেদ বিলুপ্ত হওয়ায় ব্রাহ্মণাদির পরম্পরাক্রমে সন্ধেভিত হে রাম। ঐ সমুদয় অগং চিদাকাশে কল্পনাৰলে বহু পরিমাণে আচারমাত্র রহিয়াছে, কোনস্থান প্রজ্জ্বলিত অগ্নিময়, কোন স্থান উদ্ভাসিত ও বাসনারূপ বাসু কর্তৃক বিচালিত হইয়া নিজ নিজ ব স্বতই নিত্য প্রকাশমান। ঐ চিদাকাশের কোন স্থান এক ব্যবহারেই এত হইতেছে। ব্রহ্মস্বরুপ উদুর বৃক্ষে। ডুমুর মাভ জলে পরিপুর্ণ, কোন স্থান বা একমাত্র পবনে পুরিত গাছে) দেশ দানব নাস ও মনুষ্যের মশকের তুল্য হইয়াছে ও আছে এবং উহার কোন ভাগ নিশ্চল, কোন ভাগ বা নিরন্তর ভোগসুখ, রসপূর্ণ তদীর ফলসরূপ এই ব্রহ্মাণ্ড সমুদয় চিন্ময়- অস্থির , কোন স্থান প্রকাশ পাইয়া বাড়িতেছে , সর্বাঙ্গসুন্দর পবনে ঘণিত হইতেছে অথবা সৃষ্টিসম্পাদক জ্ঞাতব কেবল কোন স্থানের চতুর্দি সর্বভাগ্যে পরিপূর্ণ হইলেও উহা অত্র চিত্তত্ব লক্ষণ বলকেরই কল্পনাময় এই সমুদয় নগরের আকাশে খাবমান হইতেছে। ঐ চিলাকাশের কোন স্থান কেবল দেবতা- উৎপত্তি হইয়াছে। যেমন পঙ্গম ক্রীড়নদ্রব্য সূৰ্যকিরণসম্পর্কেই দিসের সৃষ্টিতে পুর্ণ, কোথায় কেবল মনুষ্য , কোন স্থান কেল প্রকাশিত হয়, তেমনি এ সমুদয়ও তুমি, আমি, সে, এই এবধি দানবগণ পরিপূর্ণ, কোন ভাগ বা কীটগণে নিবিড় হইয়াছে এবং অভিমান-বুদ্ধিতেই এবম্বিধ সুদৃঢ়রূপে উজ্ঞাসিত হইতেছে, কিংবা সেই চিৎকোষে কদলীদলের ভাবের ন্যায় পরমাণুতেও যেমন বসন্তকালীন রসসম্পর্কে কাননসমুদয় বিবিধ কটকষায় অন্তরের অন্তর তাহার অন্তর জন্মিয়াছে ও জন্মিতেছে এবং যেমন ফলসমূহে পূর্ণ হয়, তেমনি নিত্য তৃপ্তিশালিনী অনুরাগবতী সৈনিকদিগের স্বপ্নসমুদয় পরস্পরের দৃষ্ট নহে, তেমনি ঐ মহাভূত অববিখটনাই ইহাদিগকে এইরূপে প্রকাশ করিতেছে। সমুদয় থাকিয়াও পরস্পরের সৃষ্টিৰহির্ভূত ও পরস্পরের অনুভবের এবং সৃষ্টিপ্রতিপাদক শ্রুতিবাক্যালির আলােচনায় জানা যায় যে, বিষয় নহে এবং উহারা নানারূপ হইলেও সুনির্মল অনন্ত আকাশ- ইহাদের ব্রহ্মপরূপ কৰ্ত্তা আছেন অথচ অনাদিয়ে পরিচায়ক স্বরূপ ওপর তুলাবস্থানে থাকিয়াও পৃথক পৃথক্ ব্যবহার- ক্ষতিদর্শনে ইহাদের কেহ কৰ্ত্তা নাই বলিয়া ইহাৱা চিলাকাশে শালী হইতেছে। ২১-৩৫। এবং কতকগুলিতে পৃথক শাস্ত্রের স্বতই এইরপে উৎপন্ন ইহাই স্থির হয় ৩৬৫৪। এই জগৎ দুশীলন দৃষ্ট হইতেছে ও কোন কোন স্থান পরস্পর সমুদয় এবান্তরূপে প্রকাশমান হইলেও পরমপদার্থস্বরূপ, ভিন্ন হইলেও পরে বড়ই মিশ্রিতের ন্যায় সন্নিহিত আছে মুস্তাং ইহারা লাভে ব হইলেও তাহা নহে ও বিদ্যমান এবং একস্থানসীয়া মৃত্যুর পর অপত্র যাইতেছে বলিয়া থাকিলেও নহে এবং যাহাতে চতুর্দশ ভুবন, দশবিধ দেবযােনি ও পরস্পর পরস্পরের পরলােক ও পরস্পরের নিকট অন্তর্ধানশক্তি এক মনুষ্যজাতি বিলাস করিতেছে, সেই জগৎসমুদয়ের যুক্ত থাকায় সকলই সিদ্ধনগরের ন্যায় হইয়াছে। প্রত্যেক অভ্যন্তরেও তাদৃশ জগলাকার রহিয়াছে। বাহিরে অন্যান্য প্রায় স্থানেই ভিন্ন ভিন্ন মহাভূত ও ভিন্ন ভিন্ন পৰ্বত রহিয়াছে, দৃষ্ট হইতেছে এবং ইহাৱা স্বর্গ, নরক, পাতাল, বন্ধু ও মিত্রাদির এবং সমুদয় স্থান পুরােৰী হইলেও বাশ ব্যক্তির চেষ্টা সম্পর্কে নানাচেষ্টায় হইলেও বাস্তবিক শূন্য ব্যতীত কিছুই যত্বের অবিষয় বলিয়াই মাদৃশ অনের কথায় উহাদিগকে নিতান্ত নহে। যেমন ক্ষীরসাগরের সলিলেরমেহ অর্থাৎ ব্ৰৰীভূতই সার এম আনিবে এবং কতকহান মােসাম্রাজ্যের লক্ষ্মীদেবীর ও তরঙ্গিতে অন্তরে ও বাহিরে পুনপুনঃ গতাগতি করিয়া কুলােপম স্বচ্ছাকাশে কিরণজলের স্থায় শােভা পাইতে। থাকে, তেমনি এই জগৎসমূল্পও আনন্দরূপসাগরে পূলকিত কােন স্থানে চিৎ সূৰ্যমগুলের সূক্ষ্ম অনুর আম দীপ্তি পাইতেছে। বারংবার প্রকাশ পায় আপনাদের নরত্ব খ্যাপন করি- গুলি পান সেই পূৰ্বরপেই উৎপন্ন হইতেছে এবং কতক তেন্ত্রে এবং সূর্যকিরণের ন্যায় আমারূপ জগৎসমুদয় বায়ুর স্থান পরস্পর বিষক্ষন বিসদৃশ হইলেও শশের স্থায় আছে ও শশনের মত স্বভাবতই উৎপন্ন হইয়াছে। এবং প্লে লুণ্ড নির্বাণ-প্রকরণ-উতরণ। দিগের অপপদর্শনের ন্যায় বুদ্ধি, অংকার ও চিত্তরূপ পত্রে না কিছু শ্ৰৰণও করে না, সুতরাং কমে, মহাকল্পেও সৃষ্টি- সঙ্কুল কল্পনাময় বৃক্ষরূপ এই জগৎসমূদয় সাধারণের নিকটও বিষয়ে উহাদের সকলেরই একভাব এবং যে কজান্তকালে পুরা- সত্যকপে বর্তমান নাই। এখানে বেদপুরাণাদি প্রসিদ্ধ করে বর্ত প্রভৃতি মেঘগণ উন্ময় হইয়া বর্ষণ করে, উৎপাতায়ু প্রবল নিশ্চিত কলের কল্পনারূপ নিদ্রাবেশে গাঢনিদ্রিত থাকিয়া ভাবে বহিতে থাকে ও স্বভাৰতঃ বিদীর্ণ হিমালয়ের যােরর ব্রহ্ম- সকলেই মূল্পে ব্যয় হইয়া শবপায় আছে। এবং অতি মণ্ডপকে বিকশিত করে ও প্রজ্বলিত অগ্নির সম্পর্কে কুবেরবাদ নিবিড় পরব্রহ্মস্বরূপ দুর্গম কাননে চিপ গন্ধর্ব কর্তৃক নির্মিত পর্যন্ত ধ্বনিত হয় এবং যে সময়ে স্বামশ কন্দুকের ন্যায় দ্বাদশ গৃহের ন্যায় এই জগৎসমুদয় রূপ দীপসম্পর্কে সমূহ্মণ অকাশে ভ্রমণ করেন ও পতনােমূখ দেবালয়ের ভীষণ পতন রহিয়াছে। হে রাম। আমি সেই সমাধিসময়ে অনন্ত দিমগুলকে ব্যাপ্ত করে, সমুদয় পৰ্ব্বতের মধ্যদেশ ত্রুটিত হইয়া চিদাকাশে অকারণেৎপন্ন ও অকারণেই বিখর জগৎসমূদয়কে ঘােররবে পতিত হয় এবং যখন প্রলয়াগ্নির সম্পর্কে দমন অন্ধকারকৃত চক্ষুর নিকট মিথ্যাভূত কেশরাজিদর্শনের ন্যায় ভ্রান্তি- বংশাদির স্পোটহেতুক অব্যক্ত পটপটাশব্দ হইয়া থাকে ও বলে দেখিয়াছিলাম। ৫৫-৩। আকাশরূপ সমুদ্র তখন আত্মার স্বরূপ ভ্রমবশতই ক্ষুব্ধ দেবগণরূপ একোনষ্টিম সর্গ সমাপ্ত।৫১। যাদোগণ নিত্যন্ত কোভিত হইয়া থাকে এবং দেব, দান-নাগ ও মনুষ্য ইহাদের গৃহের ভীষণ রােদনশকে অন্তরীক্ষ ব্যাপ্ত হইয়া থাকে, সমুদ্রের স্বর্গ পৰ্যন্ত প্রসূত সলিলপ্রবাহে সূর্বের ও চন্দ্রের মণ্ডল পুরিত হয়, এতাদ কল্পান্তকালকে এই জগৎসমূদয় যতম সর্গ। পরস্পরে সম্যকু বুঝিতে পারেনা, যেমন এক গৃহে নিদ্রিত বহু- বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। অনন্তর আমি পূর্বোক্ত জনেরা স্বল্পকালীন রণবেগকে বুঝিতে পারেনা। হে রাম। শব্দের কারণ অন্বেষণ করত চারিদিকে ভ্ৰমণ করিয়া বহু সময় | আমি তখন সেই সমুদয় জগতে সহস্র রুদ্র, শতকোটি ব্রহ্মা, লক্ষ ব্যাপির অসাম চিদাকাশপ প্রাপ্ত হইলাম, তখন আমি সেই বি ও অসংখ্য কল্প দেখিলাম এবং উহার কোন স্থান সূৰ্য্য- শব্দকে বীণাধ্বনির ন্যায় শুনলাম, ক্রমণ উহার বর্ণপদ সুব্যক্ত | বিহীন বলিয়া তথায় দিবারাত্রির বিভাগ নাই ও কল যুগ বর্ব হইল, পরে ঐ শব্দ আধাচ্ছন্দের আকারে পঠিত হইতেছে। ইহাদেরও সীমা নাই, সৎ থাকার ক্ষয় ও উদয় যুক্তি দ্বারা বলি বোধ হইল। আমি শব্দানুসাবে তৎপ্রদেশে দৃষ্টি নিক্ষেপ | নির্ণয় হয় না। ১০-২২। চিৎশক্তিতেই সমূদয় রহিয়াছে, তাহা করিয়া দেখিলাম, এক নারী প্রভাজাল বিস্তারে আকাশকে | হইতেই সকল হইয়াছে, সমুদয়ই চিন্ময় ও সমুদয় হইতেই চিভের উদ্ভাসিত করিয়া আমার পাৰে স্থিরভাবে রহিয়াছে, বায়ুসম্পর্কে। প্রকাশ এবং চিং সং ও সর্বস্বরূপিণী , ইহাই আমি তথায় তাহার মাল্য ও বসন কম্পিত হইতেছে, নয়নযুগলে কুন্তল আসিয়া দেখিলাম। হে রাম। তুমি টপটাদি বে কিছু চিন্তা করিয়া পডছে ও কেশবন্ধন শিথিল হইয়াছে। দেখিলেই বােধ হয়, বাক্য দ্বারা নির্দেশ করিবে, তখন সেই তােমার কথনীয় নাম: সাক্ষাৎ লা আসিয়াছেন এবং কানের ন্যায় গৌরবর্ণা নব রূপাত্মক চিৎস্বরূপেরই উদয় হয় ও তার নামরুপ যখন যৌনসম্পন্ন। সেই নারীর বনদেবীর ন্যায় সুন্দর সর্বাবয়ব হইতে আকাশ হইতেও শূন্যরূপেও অবগত হয়, তখন সেই নামরূপ অসাধারণ সৌরভ ছুটিতেছে। ত, হার পুর্ণচন্দ্রের ন্যায় বদন | কখনাত্মক চিরেই নাশ হইতেছে নিবে। ঐরূপ আকাশ শব্দ- যৌবন মাগম বিশেষ প্রকুল হইয়া পূপরাশিরূপ হাস্যকে ধারণ | রুপী বলিয়া নামৰূপ কল্পনায় নির্দিষ্ট অং শব্দে আকাশই করিয়াছে এবং চন্দ্রর ন্যায় কান্তিশালিনী সেই আকাশবাসিনী পরিস্ফুট হইতেছে, ক্রমশঃ সেই শব্দাত্মা আকাশ চিলাকাণে সুন্দরী মুক্তাহারসম্পর্ক নিতান্ত কমনীয়া হইয়াছে। তখন সেই পরিণত হইতেছে। হে অধুনাথ। আমি তখন সমূদয় • সুন্দরী আমার অনুসরণ করত পার্গে আসিয়া মৃদু মৃদু হাস্য- দর্শনকে আকাশসস্তুত বুকের মঞ্জীর স্থায় মাত্র বুঝিয়া সংযোগে মধুঃস্বরে এই আৰ্যাটা পাঠ করিল।-হে মুনিবর! অবশিষ্ট চিলাকাশই আনন্দময় অনিয়া খায় অনুভব আপনার চৈতন্য খলদিগের ন্যায় রাগম্বেষাদি দোবে দূষিত নহে করিলাম। ২৩-২৬। আমি তখন পরম পুরুষ সাক্ষাৎকাররূপ এবং সংসরূপ সাগরে ভাসমান ব্যক্তিদিগের আপনিই একমাত্র অন চিদাকানে অসীম হইয়া তৎকাগ্য লাভ করত সেই তটজাত বৃক্ষস্বরূপ অবলম্বন বস্তু; সুতরাং আমি আপনাকেই সমাধিসশায় একার সঙ্কভাব অনুভব করিলাম যে, ব্রহ্মাণ্ডে বারংবার প্রণাম করিতেছি।১৯। আমি তখন সেই বাক্য সমুদয় অন্তর্গত দশদিক্ তদন্তৰ্গত দেশ কাল দ্রব্য ক্রিয়া এ শ্রবণ করিয়া দেখিলাম যে, একটা স্ত্রী রহিয়াছে, তাহাতে সকলই সেই ব্ৰহ্মণক্ষণ চিলাকাশেই অবস্থিত আছে এবং আমার প্রয়োজন নাই ভাবিয়া তাহাকে আদর না করিয়াই সেই সঙ্কলিত সংসারণমূদয়ে আমার স্যায় জ্ঞানবান ও বডি গমনে উদ্যত হইলাম। অনন্তর জংস্বরূপিণী মাত্মাকে দেখিয়া নামক বহুতরই ব্ৰহ্মপুত্ৰ মুনিশ্রেষ্ঠদিগকে দেখিলাম এবং সপ্ততি- নিতান্ত বিস্মিত হইয়াই ত হাকেও আদর না করিয়া চিদা- সংখ্যক মাৰ-পৰি ব্ৰেযুগের ভেদ ও শত সত্যযুগ কাশে বিহার করিবার জন্য ব্যস্ত হইলাম এবং আমি তখন শত পরযুগ দেখিলাম, পৃথক পৃথক বাসনার প্রকাশেই এই তজ্জনিত চিন্তাকে বিশেষরূপে পরিত্যাগপূর্বক আকাশস্থিত সমুদয় দৃষ্ট হই, কিন্তু ভষ্টিতে ব্রহ্মস্বরূপ চিদাকাশ ব্যতীত জগন্ময়াকে সম অনুভবের জয় চিরকালরূপ হইলাম। কিছুই দেখিতে পাইলাম না, মুত্তাৰ জগৎ ব্রহ্মতে নাই তখন দেখিলাম, সেই সমুদয় ভয়াবহ অং শূন্য আকাশে অবস্থান একই রহিয়াছে। একেবল দৃষ্টিভেদেই অনুভব হয়। কারণ করিতেছে। যেমন স্বপ্নে কল্পনাও বাক্যে অবস্থান করে ঐ জগৎ সমৃদয় দৃশ্যই সেই অনাদি অনন্ত আজ নেই পদ। যে সমূদয় শম্বরূপ বলিয়াই কখনও কিছু দেখে, যত কিঞ্চিৎ দেখে রাম! কাহারই নাম বা রূপ নাই, সকল পাষাণের এ বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ নিশ্চল মৌলশালী, সুতরাং যে কিছু দীপ্তিমং হইছে, ঐরূপ কোন স্থানের জীবদিগের দর্শনেন্দ্রিয় না থাকায় চালু সকলই সেই ব্ৰহ্ম ভিন্ন কিছুই নহে। তবে অনুভূবিষয়ের জ্ঞানের অভাব আছে সুতরাং তাহাদিগের নিকট সূৰ্যাদি তে স্থায় নিরাকার চিৎশক্তিই বাৰ চেত ব্যতিরেকেও আত্ম- পদার্থ নিতান্ত নিল হইতেছে। এবং কোথাও বা ঘ্রাণশক্তি সত্তকেই নিরাকার আকাশে কল্পনাময় চেত্য জগদ্ধপে প্রতি বিহীন জীবগণের নিকট বস্তুর সৌরভ বুখা হইতেছে ও কোন ভাসিত করিতেছেন। ২৭-৩৪। হে রাম। আলােক যেমন কোন জীবের বাকশক্তি না থাকায় উহারা পরস্পর মূক হইয়াও প্রকাশ করে, অথচ নিজের অতিরিক্ত কোন প্রকাশ না থাকায় সন্ধেতে কার্য নির্বাহ করিতেছে, কাহাদিগের বা ত্বখিয়ি না প্রকাশ করে না, তেমনি সমুদয় ব্রহ্মস্বরূপ হইয়াও হদির থাকার অন্তরের আর স্পর্শশক্তিবিহীন হইয়া রহিয়াছে। কতক- প্রকাশস্বরূপ হইতেছে। জগৎসমূদয় চিলাকালস্বরূপ হওয়ায় গুলিস্থান মনােরাজ্যের বিলাস বলিয়াই বুঝিলাম এবং কোন কোন ব্ৰহ্মতে তদ্বাসিলোকেরা সন্তাপকর চবি ও সুশীতল কোন লােকের জীবের ব্যবহারক্ষেত্রে থাকিলেও পিশাচাদির গায় সূৰ্যসমুদয়কে দেখিয়া থাকেন। যেমন পেচকেরা অন্ধকারেই যেমন পেচকেরা অন্ধকারেই ইন্দ্রিয়ের অগােচর হইতেছে ,কোন স্থান এক রাশীকৃত মৃত্তিকা- দেখিয়া থাকে, আলােকে দেখিতে পায় না, তেমনি হা- ময়রূপে দৃষ্ট হইল, কতক জলময় ও কতক বা অগিপূর্ণ দেখিলাম। দিগের বিপরীত দর্শনাদি ব্যবহার হইতেছে জানিবে এবং ঐরূপ কোন ব্ৰহ্মাণ্ড বায়ুপূর্ণ, কোন স্থান বা সর্বপ্রকার ও কেহ পুণ্য করিয়াও স্বর্গ হইতে ভষ্ট হইতেছে, কেহ বা পাপ সৰ্ব্বকার্যক্ষম বস্তুজাতে পরিপূর্ণ রহিয়াছে। হে রাম। সেই করিয়াও স্বর্গে যাইতেছে, কেহ বা বিষপানেও জীবিত আছে চিলাকাশে জগৎসমুদয় চিদাকাশময় হইলেও বিশিষ্ট সিদ্ধি- অথচ কেহ অমৃতপান করিয়াও মৃত্যুমুখে পতিত হইতেছে। এ সপন মদীয় মানসের কল্পনায় তখন এইরূপে বিলাস পাইতে বিষয়ে যিনি হিতাহিত বলিযা যেমন বুঝিতেছেন ও যাহার লাগিল। ৫১-৫৮। যে ব্রহ্মাণ্ড কেবল মৃত্তিকাভূপে পরিপুর্ণ দানে যেরূপ স্বতই প্রকাশ পাইতেছে, তাহার নিকট সং বা বলিলাম, তাহাতে দেহিগণ ভূগর্ভমধ্যে ভেকদিগের স্যায় অবস্থান অসৎ সেইরূপেই অদৃষ্টশে শীঘ্র ব্যক্ত হইতেছে। এই সংসার করিতেছে ও একমাত্র সলিলে পুৱিত জাতের পর্বত অরণ্য রূপ কানন চিকাশে নানাশপশোভিত হইয়া ঘুরিতেছে, প্রভৃতি স্থানে চঞ্চল জলচরের ন্যায় প্রাণিগণ নিয়ত ভ্রমণ করি- ইহাতে তিলসমুদ, যন্ত্র-নিষ্পেষিত হইয়া তৈল ক্ষরণ করিতেছে তেছে এবং যাহা কেবল অগ্নিতে পরিপুর্ণ আছে, তথাকার জীবের ও কাষ্ঠে প্রস্তরে ভিত্তিতে চঞ্চল পুলিকার দেবনারীদের সহিত জলবিহীন হইয়া অখিময় অজারের স্থায় শপ্তি পাইতেছে এবং গান করিতেছে ও আলাপ করিতেছে এবং জীবগণ বিস্তৃত বস যে প্রদেশ বায়ুমাত্রে পুর্ণ আছে, তথাকার জীবেরাও বায়ুময় সমু- নের ন্যায় উন্নত মেম্বকে পরিধান করিতেছে ও ব্রহ্মাণ্ড ভেদে দম্ভ অবয়ব ধারণ করত অর্জুননামক বসুযােগের ন্যায় বিরাজ রক্ষসমুদয়ে প্রত্যেক বৎসর নৃ নৃল ফল উৎপন্ন হইতেছে। করিতেছে। যে আকাশই ব্রহ্মাণ্ডের স্বরূপ, প্রায় প্রাণিগণ ৩৫-৪৩। এবং কতিবিধ প্রাণীদের অবয়বসমূদয় অযথাস্থানে আকাশরূপী হইয়াও সৃষ্টিব্যাপারে দর্শনগােচস হইয়া অবস্থান নিবিষ্ট রহিয়াছে ও তাহার মস্তক দ্বারা ভূতলে গমনাগমন করি- করিতেছে। হে রাম! সেই চিদাকাশের দিলে যে সকল কোন ব্রহ্মাণ্ডে বেদশাস্ত্রের বিরুদ্ধ ধর্মাচার দেখা যাই- পালাভিমুখী অবস্থিত ও চঞ্চল ও অস্থির অগং বহিয়া, তেছে। কোন কোন অবােলােক পলি জীবমাত্রে পরিপূর্ণ আছে, সেই সমূদ ( চিসমুদ্রের বুদ্ধ দস্বরূপ ) বিবিধ ব্রহ্মাণ্ডে এরূপ কোন কোন জগতের কাম-বিষয়ে কোনরূপ অভিজ্ঞতা না থাকায় কিছুই নাই, যাহা তখন আমার দর্শনগােচর হয় নাই।৫১-৬৪। কেহই শ্রীঅন হইতে জন্মাইছে না বলিয়া অত্ৰত্য প্রাণীদের যষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৬|| হৃদয় পাশের গায় নিতান্ত রসবিহীন। কোন স্থান সৰ্পৰছল | ও তথাকার লােক লােষ্ট্রেও রয়ে তুল্য বুজি রাখায় ধনাদির ব্যক হার জানে না, মুন্না ভাহাদের লােভ বা গর্ষ কিছুই নাই। কোখাও অহংবের লাঙ্গ সর্বদেহেতেই এক আত্মার মন একষ্টিতম সর্গ। হইতেছে, পৃথকু আত্মাকে পাইতেছে না, সুতরাং সেই অং ৰণিষ্ঠ কহিলেন-হে রঘুনাথ। এই যে সকল প্রাণসংক স্বেআদি ভেদ ৰহৰিথপ্রাণিসভুল হলেও একবিং জীবেই জীবেরা জলে জলবেগের তার চিদাকাশে চিৎভাবসম্পন্ন হইয়া ব্যাও আছে। যেমন নখ-কেশাদি ছিদ্যমান হইলেও একই, তেমনি বাসনাসম্পর্কে উদ্ভাসিত হইতেছে, ইহারাই সঞ্চাদির সম্পর্কে জীৰ পৃথশারে থাকিয়াও সৰ্ব্বভূতে আপনার মত বুঝিয়াই পৃথক মন নামে নির্দিষ্ট হইয়া থাকে। আমাদিগের সেই আকাশের ন্যায় জীবেরও একাত্বাবধাৰণ করিয় থাকেন। কোথাও বা বাসনা না বিশ চিত্ত সমুদয়ই স্বান্তৰ্গত বসনার বিকাশে অনন্ত জগদ্ধতে খায় অনন্ত অপার সুস্থ মাত্রই আছে, তবে তথায় চিৎশক্তিই পরিণত হইয়াছে। রাম কহিলেন, হে দেব। মহালয়াৰ- সংস্কারবিষয়ের আবির্ভাব করিয়া সেই রূপের অবসানে পূন সানে সর্বভূতের মােৰু হইলে সংসারণী অজ্ঞানাদি না থাকায় রায় অগপ পাইতেছেন। ৪৪-৫। এবং ব্ৰহ্মস্বভাবশীদের কেমনে পুনরায় সৃষ্টিব্যাপার হইয়া থাকে, তাহা বলুন। বশিষ্ঠ নিকট এই সমূদয় ব্রহ্মাণ্ড নিতান্ত অলীকের ন্যায় অতীত হইয়া কহিলেন, হে রঘুনাথ। মহাশেষে নিতি, জল, বায়ু, খি, একে বলিয়া তলির দৃষ্টিতে সমস্ত প্রাণিসজ কাষ্ঠনিশ্মি আকাশ প্রভৃতি পঞ্চভূতে ধ্বংস হইলে ব্ৰহ্মা হইতে সামান্য আর রায় চেতনরূপেই লক্ষিত হয়। কেন জগতে নক্ষত্রাদি কীট পৰ্যন্ত জীবজগৎ মুক্ত হয়, তখন যেরূপে এই জগতের জােতিঃপদার্থের মণ্ডপ না থাকায় সনিরূপণ দুর্ঘট হইতেৰে অনুভব হয়, তাহা শ্রবণ কর। তখন যাহাকে মুলি ব্ৰহ্মচিত্র ওকোন স্থানে বের শ্রবণশক্তি না থাকায় পরস্পর পদের কহেন, সেই চিন্ময় ই থাকেন, তাহাকে কোনরূপে নির্দেশ এ হাদির সঙ্কেতেই সমস্ত ব্যবহার নির্বাহ হইতেছে। করা যায় না। এই জগৎ তাহারই হয় বণিয়া ভঁয় হইতে ভিন্ন ৮ নির্ধা-ণ-উত্তরভাগ । নহে। সেই রুমব্রহ্ম নিজ হদকে কৌতুকষণে বদৃষ্টিতে অফারূপ কোটর, প্রলয়রূপ গুঝ, কোথাও বা মহাপ্রলয়রূপ , রূপে অনুভব করেন, মুক্তদৃষ্টিতে ভাল অনুভব হয় । কোন বনে বা হরিহৱাদি দেবতালক্ষণ গুছ, কোথাও বা জাত্য- আমরাও বাস্তবরূপে এ জগতে কোনরূপ সভা অনুভব করি স্বরূপ ত্বক এবম্প্রকারে নিরাকার চিদাকাশই আকারভেদে না, সুজাং এ জগতের নাশ কোথায় ? কেমলেই বা উৎপন্ন বিদ্রুপ কক্ষে সদৃশ ভাব হইতে ভিন্ন না হইয়াই অবস্থান হইবে ? এইরূপে যদি পা কারণের নিত্যত্ব যিয় হইল, অন করিতেছেন , সুতরাং এখানে ভাৰী পদার্থ, এখানে অতীত ও ভলীয় হৃদয়ভূত জগৎও অবিনাশী। তবে যে মহাক, এভৃতি বর্তমান পার্থ, এই সৃষ্টি, এই ধ্বংস এ সমস্তই স্বীয়ভাবরূপ উহারা তাহারই অবয়বমাত্র। ঐপে অবিনাশী করতে, আত্মস্বরূপ, সেই ব্ৰহ্মই অচলতাৰে অৱস্থিত আছেন। এই সৃষ্টিবিকাসারূিপ অবয়বে জড়িত আছে, সুজাং পূ এতাদৃশ পরমব্রহ্মল চিনাকাশে চন্দ্রমণ্ডলে বিমলতার স্নায় কলাবসানে সৃষ্টিভেম্বরূপ বস্তুও উজপে গ্যালাচিত হইলে সৃষ্টয়াদি স্বরূপ কোন প্রকার বনভাব নাই , কারণ বিমল পাওয়া যায় না।১-১০। হে রাম' পূর্বাক্তকারণে কখনই কাহার পরমাকাশে জৰ বাজারে প্রসর কোথায় ? কোথায় বা তাহার কিছুই বিনষ্ট হয় না ও উৎপন্ন হয় না। সেই একমাত্র শাশ্বত আদি, অন্ত ও নখের কনা, আর কেমনেই বা তাহাতে লােক- ব্ৰহ্মই রূপে অবস্থিত আছেন। এবং চরমৰিশাল আকাশে বিশেষের বিলাস সবে। ১১। তবে সে বিষয়ে জ্বরূপ ও অভিক্ষু পরমাণুর সংল ভাগে যে শুদ্ধচিত্রের সত্তা আছে, একটা দোষ রহিয়াছে, উহা আত্মগ্র বুদ্ধিতে সম্যক্ দৃষ্ট হইলেই এই জগৎ সেই মহাচিতির শরীরস্বরূপ, সুতরাং সেই সতার উপশমিত হইয়া থাকে। যেমন অগ্নি ধাহা হইতে প্রজ্জলিত হয়, নাশ না হইলে কেমনে এগরে না সম্ভব । ঐ সভারও সেই বায়ুর সইে নির্বাণ হইয়া থাকে, দ্রুপ অজ্ঞান দৃশ্য কখন বিনাশ নাই; যেমন স্বপ্নদশায় সংবিদের হৃদয় জগডপে দর্শনে জন্মিয়া সেই দৃশ্যেরই অবাস্তব রূপদর্শনে বিনষ্ট হয়। ভাসমান হয়, তেমনি চিদাকাশই আদি সৃষ্টিসম্পর্কে প্রকাশ বিশেষ অঞ্জন অস্বরূপে সম্যক্ জ্ঞাত হইলে “ছিলনা” বলিয়াই পাইতেছেন, যেহেতু সৃষ্টিব্যাপার চিলাকাশের অবয়ব। উহার পরিজ্ঞাত হয় তখন বন্ধ ও মুক্ত উভয়ে অসংম্পৃষ্ট একমাত্র ব্রহ্মই ফয়ােদ বেরূপ তাহা বলিলাম, সকলই সেই চিদাকাশ, সুতরাং জ্ঞাত হল। হে বাম। আমি মুক্তিবিষয়ে পূর্বোক্তপ্রকার জ্ঞানাদি কাহার ধ্বংস ও কাহার বা প্রকাশ গবে না। এবং এই উপায় আত্মধানুসারেই কহিলাম। সর্বদা বিচারশীল অধিকারীই পরমার্থ সংবিদকে ছেদন, দহন ও শােষণ করা যায় না, উহা এই সমুদয় উপায় লাভ করেন, সে বিষয়ে সন্দেহ নাই। তখন অজ্ঞলিগের দৃষ্টিগােচর হয় না, উহার হৃদয় যেরূপে দেখা fনি এই অনাদি জগং ক’ন হয় নাই, তবে লক্ষণ স্ব-স্বরূপ যাইতেছে, উহা ঐরূপই, যখন ঐ সংষিদের না নাই, তখন ' বন্ধুই প্রতিভাত হইতেছ? এইরূপ দেখিয়া বিচারবতী দৃষ্টিতে তদন্তৰ্গত জগদাদির অনুভবও জমাইতেছে না, নষ্ট হইতেছে না, অণিমাদি অষ্টগুণশালী ঈশ্বরভাবতেও তৃণের মত বিবেচনা করিয়া তদন্তৰ্গত জগদাদির অনুভও জমাইতেছে না, নষ্ট হইতেছে না, আমিই আনন্দময় ব্রহ্ম ইহা নিশ্চয় করত আত্মাতেই পূর্ণকাম তবে বেল স্মরণ ও বিস্মরণরূপ স্বভাৰবশেই অনুভব ওঅননুব- প সুখ-দুঃখের কল্পনা করিতেছেন। ১১-১৫। কারণ ৰে ৰে হইয়া অবস্থান করেন। ৩-৩৫। বস্তু স্বরূপ হয়, সেই সেই বস্তু তাহার বিনাশ ব্যতীত বিনষ্ট একটিতম সর্গ সমাপ্ত। ৬১। হয় না, সূত্মাৎ সমূদয় কৃগ ব্ৰহ্মস্বরূপ ও হ্মের প্রায়ই নিত্য বলিয়া অকিণী জানিবে। এবং মহাপ্রয়াদি সমস্ত সেই মহাকালরূপ বক্ষেরই অবয়ব। বিশেষত সেই চিন্ময় পরমাকাশে দ্বিঘটিতম সর্গ। উৎপত্তি ও বিকাশ কিরূপে সম্ভবে ? কেমনেই বা সেই নিরাকার আকাশে এললি ভাবের বিকার সম্ভব হইবে। সুতরাং এই কাজ কহিলেন-হে মুনির। আপনি কি অসীম চিকা মহাপ্রলয়াদি ভাবসমূদয়াত্মক জগৎসমুদয় সংবিদ্রুপ ব্রহ্মেতে রূপ হইয়া এই সমুদয় দেখিয়াছিলেন, অথবা চিমাকাশের এক ব্ৰহ্মরূপেই অবস্থিত আছে। মানসসঙ্কল হইতে উৎপন্ন ভাগে পক্ষীর যত ভ্রমণ করিতে থাকিয়াই নিৰীক্ষণ করিয়াছিলেন, যদিও যেমন, তেমনি সসস্তৃত জগৎ নিরাকার নির্মল হা বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, হে রম! আমি তখন অনন্ত চিভিন্ন কিছুই নহে এবং যেমন বৃক্ষরূপ দেহীর শাখা পব ফল সর্বব্যাপৰু চিলাকাশ স্বরূপ হইয়াছিলাম। আমার সেই পূর্ণাবস্থায় পূপ প্রভৃতি অবয়ব, তেমনি আকাশ বিশন অনিৰ্দেশ্য, পরমার্থভূত কোনরূপ গমনাগমনই টিতে পারে না, তখন আমি বহুস্থানে রেও প্রলয়, মহাপ্রলয়, নাশ, উৎপত্তি, ভাব, অভাব, সুখ, খাকি কোনরূপ গতিশক্তিমান হই নাই , সুতরাং এই আমি, জু, জন, মরণ, সাকায়-নিরাকারত্ব প্রভৃতি অংশভূত অবয়বই এই আশাতেই তখন সমুদয় লেখিয়াছিলাম এবং যেমন নিবে। যেমন এই ব্ৰহ্মৰূপ অবয়বী অবিনা জেনি উহার হােপ হইয়া কাৰবি । পৰ্য্যন্ত দেখিয়া থাকি, অলি অবয়বেরও নাশ নাই, কোনরূপে ব্যক্তও হন না। এই অববববী- তখন চিন্ময়যেহে নয়নেত্রিমহীন হইলেও আমি চিন্ময় নয়নেই ভূত সমুদয়ও ৰক্ষ, স্বরূপত এক বলিয়া উভয়ের কখনই কোন উহা দেখিলছিল। সেই সমাধিকালে জাকাৰবিহীন হই। রূপে পার্থক্য নাই। ১৬২০। যেমন বৃক্ষের সত্তাই কর মূল এ বিল চিকাৰখলে অবস্থিত ছিলাম, তখন আগৎসমূয় তেমনি পরমার্থভূত ব্রহ্মের সংবিধূই মূল; আং উভয়ের অপে অবয়ব হইয়ামিল, হাতে বাস্তবিক না হইলেও কিৎ স্বপ্য থাকায় ঐ পরমালাপের কোন স্থানে ফিল আন্তৰিকঅয় না হয় নাই।১৫। এ বিষয়ে তােমার স্বকৃষ্ট অন্ত অর্থাৎ মধ্যক, কোথাও লােফাররূপ স্কুল স্ক, অথায় অশালাই এখাস্বরূপ-ৰাং যেমন স্বপ্নে যে দৃশ্যের অন্তৰ মূখীপালির ব্যবস্থারূপ শাখা, নদী-পর্বতাদি পদার্থরূপ পব, চল হয়, উহা কিইন, সকলই , এইরূপ আমার দৃষ্টমাত্রই সূৰ্য্যাদির প্রকাশরূপ ধূপকাররূপ হৰিতবর্ণ পাবরি গামা, আকাশ এবং বক্ষ, অর্থাৎ বদেহী জীৰ বেমন কি , যােগণি-রামায়ণ T পত্র-পুষ্প-ফলাদি অবলােকন করে, আমিও তেমনি জাত্মজ্ঞানময়- | জ্ঞাত হয় ও স্বপ্নে আকাশই ভূমিতে কণাদি পথে গমনালি নেত্রে সমস্ত দেখিলাম, কিংবা অসীমসাগর যেমন সমুদয় অচর ব্যবহারের বিষয় হয়, তেমনি তুমি, আমি, সে এই, সমুই দিগকে ও লগবুদবুদ ফেনসমুদয়কে স্বম্বরূপেই অবগত হয়, চিলাকাণ। এবং স্বপ্নে যেমন মানবদিগের যুগ্ধ-কোলাহলদি আমিও জ্বপেই জ্ঞাত হইলাম এবং অবয়রী মাত্রেই যেমন ব্যাপার মিথ্যাস্বরূপ হইলেইও অনুভূত হয়, তেমনি আমারও অবয়বসমূহকে অস্বরূপে শনিয়া থাকে, আমিও তখন সৃষ্টি সমাধিকালে রূপদর্শনাদি ব্যাপার হইয়াছিল। যদি বল যে স্বপ্ন সমুকে আমারই বলিয়া বুঝলাম। হে রঘুনাথ। এখনও গলায় দৃশ্যদর্শনাদি-ব্যাপার কিরূপ কারণ হইতে ঘটিতেছে, আমি জ্ঞানময় হইয়াই সেই সৃষ্টিসমুদয়ক দেহে, আকাশে, তােমার এবংবিথ বাক্য নিতান্ত অনুচিত, যেহেতু এ বিষয়ে স্বানুভব জলে, ৰূলে সর্বত্রই পূর্বৎ দেখিতেছি এবং জ্ঞানময় হইয়াই ব্যতীত কার নাই। ঐরূপ এই এগৎস্বপ্নদর্শনও আমি পুরেবত্তী বিশ্বের অভ্যন্তর ও বহির্দেশকে অগ্যাপারে অবিদ্যাচ্ছ। চিদাত্মার স্বভাবমাত্র। জিজ্ঞাসা করিবে যে, স্বপ্ন পূর্ণ আছে বলিয়াই বুঝিতেছি। যেমন জলাধিষ্ঠাতা দেব কেন দেখা যায়, তাহার প্রতি এই উই নিশ্চিত যে, বসভাককে, হিমাধিষ্ঠাতা শীতলতাকে, পবনাধিষ্ঠাত পাকে তুমি দেখিচ্ছে, ইহাই স্বপ্নদর্শনের কারণ । সুষুপ্তির ন্যায় আপনার লিয়াই বুঝিয়েছেন, তেমনি শুদ্ধ ৰেথময় আত্মা প্রলয়ের পরে প্রথম সৃষ্টি আরম্ভ করিয়া স্বপ্নদৃষ্ট জীবের ন্যায় সমুদয়কে আত্মস্বরূপেই জানিতেছেন। অধিক কি বলি, কলনাময় বিরাট আত্মাই পরস্পাপেক্ষী হইয়া চিমাকাশে বিনি বিবেকী হইয়া বিশুদ্ধ কানের সহিত একতা পাইয়- বিলাস গাইতেছেন। হে রাম। আমি তোমাকে বুঝাইবার জন্যই ছে, তাহ'দের সহিত আমারও একতা হইয়াছে, কারণ স্বৰ্থশব্দ দ্বারা তুলনায় এতে ব্যবহার করিতেছি মাত্র, বত আমি তাদৃশ আত্মাকেই অনুভব করিতেছি। এবং উহাদিগের এই দৃশ্য সৎ নহে, অসং নহে, স্বপ্নও নহে, কেবল ব্ৰহ্মমাত্র। সমগদর্শন হইয়াছে ও উহারা বিজ্ঞানের সহিত স্বরূপ্য হে রাখব। আমি তখন শ্লোকাঠিনী কান্তাকে তদীয় অভিপ্রায় পাইয়াছে বলিয়া জ্ঞাতা, জ্ঞেয় ও বিষয় ন এই বিষয়ত্ৰয়াত্মিকা আনিবার বাসনায় জিজ্ঞাসা করিলাম, এ বিষয়ে তুমি বিস্মিত বুদ্ধি তাঁহাদের কোনরূপেই হয় না। দিব্যদর্শন পৰ্বতবাসী হইও না। স্বপ্নে যেমন স্বপ্নদৃষ্ট ব্যক্তিদের সহিত ব্যবহার হইয়া ব্যক্তিকে কোটিহােজাহরের অন্তর্গত ও বহির্গত দিব্য থাকে, আমারও তখন সেই রমণঃ সহিত দ্রুপ প্রণালি ভৌমাদি ভাবসমুদয়কে সহজেই বুঝাইয়া থাকেন, আমি ব্যবহার ঘটিয়াছিল। হে রাম। যেমন স্বপ্নগত ব্যবহারসমূদয় তখন তাহাই বুঝিয়াছিলাম এবং ভূমণ্ডলে তস্বরূপাভিমানী শুদ্ধ আকাশ, তেমনি আমার সমাধিকালীক প্রশ্নকে, আমাকে ও ব্যক্তি যেমন ধাতুরসাদি নানাব অবগত হয়, আমিও তেমনি এই জগৎকে আকাশরুপেই অবগত হও এবং স্বপ্নজগতের রূপের অঙ্গের অগোচর আত্মাকে বুঝিয়াছিলাম। রাম কহিলেন, স্যায় এই জগৎ আকাশমাত্র ও জাগরুশার ন্যায় সৃষ্টির আদিতেও হে দেব। কমলােচন। আপনি স্বণিত দশায় উপনীত জগতের উৎপত্তি স্বপ্নযাত্র। এই জগদ্ব্যাপার স্বপ্নই বল কিংবা ইলে সেই আৰ্য-শ্লোকপাঠিনী রমণী তখন কি করিয়াছিল, উহা কিছুই নহে, কেবল নিল বােধলক্ষণ সম্মা রহিয়াছে, অহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। তখন সেই রমণী তবে স্বপ্নের ষ্টা তােমরা আকারসম্পন্ন হইয়া আছ , কিন্তু এই আধ্যা পাঠ করত নিতান্ত বিনয়সহকারে আমার নিকট আকাশে অগৎ স্বপ্নের ব্রষ্টা একমাত্র চিদাকাশই আনিবে , যেমন এ ক্ষেত্রের আকাশবপু হইয়া অবস্থান করিল। তখন আমি যেরূপ আকাশ ভ্ৰষ্টা অমল আকাশ, দৃশ্যও তেমনি এই স্বপ্নরূপ জগতে অমল নেহী, সে নারীও তেমনি অকশষ হইয়াছিল, আমি সমাধির আকাশই জগৎস্বরূপে আছে। এবং চিদাকাশের নিরাকার হয়ে পূর্বে আর কখন তাহাকে দেখি নাই, তথায় আমি আকাশবপু, যে স্বপ্ন স্বভাবতঃ স্কুত্তি পাইতেছে, তাহার আবার জন্ম কোথায় ? রমণী আকাশদেহা ও চিদাকাশৰূপ অগাল, ইহাই অবস্থিত সুং কেমনেই বা তাহার আকার ঘটিতে পারে, যখন দেহী ছিল।৬-২০। রাম কহিলেন, হে মহাশয়। যদি দেহাবয়ব হইলেও তােমাদিগের স্বপ্নজগৎ নির্মল আকাশ ভিন্ন কিছুই ত্যি ভাল প্রভৃতি যত্নে প্রণবাবু হইতে উচ্চরিত বর্ণই বাক্য নহে, তখন নিৱাকার চিদাকাশরূপী ব্রহ্মের সৃষ্টিরূপ স্বপ্ন কেন প্রকাশ করে, তবে কেমনে সেই আকাশময়ী নারীর বাক্যোচ্চর অকাল না হইবে,সুং চিদাকাশের কোনরূপ কারণ নাই, সন্তবিল, আর কেমনেই বা আত্মরূপী হইলেও আপনার রূপ - কোন আধারও নাই এবং ইনি জগৎ-স্বপ্নকে প্রণয়ন করিয়াও ব্যাপার ঘটিল। এ বিষয় নিশ্চিত থ্য আমার নিকট বর্ণন করুন। অকুতের আয় দেখিয়া থাকেন। হিরণ্যগর্ভাশ্য রূপ ব্রাহ্মণ বশিষ্ঠ বললেন, হে রাম। রূপদর্শন ও শব্দোচ্চাৱণাদি ব্যাপার আতিকোমল চিলাকাশরূপিণী মৃত্তিকা দ্বারা ইন্দ্রিয়ছিদ্ররূপ গরু- যেমন স্বপ্নে প্রতীত হয়, তেমনি সেই চিলাকাৰে তত্ত্ববহার সম্পন্ন দেহাদিস গৃহ নির্মাণ করিয়াও করেন নাই। হে রম। টিয়াছিল , কিন্তু ভাংকালিক নৃ পরমাখত আকাশস্বরূপেই তুমি এ সংসারে কর্তৃত্ব নই, ভােক্তৃত্ব নাই, জগজাল নাই ছিল। সেই মলেগাচর তাকালিক ভূই যে কেবল আকাশ কিছুই নাই, এই প্রকারে সমুদয় পরিহারপূর্বক জ্ঞানী হইয়া রূপ তাহা নহে, সমূদয় এই ভ্রান্তিকল্পিত জগজ্জল সুনিল অন্তরে পাষাণের মত মৌন থাকিয়া বাহিরে অবস্থানুসারে বিচরণ আকাশমাত্র। হে রঘুনাথ। চিংপ্রভাবে চিন্ম দেহ জগনায় কর, তাহা হইলে প্রায় ক্ষয়ে এ দেহ থকুক বা না থাকুক, মাজম থাকিলেও ঘেসম্পর্কে বিহীন ও পরমার্থরূপ-মহা- তাহাতে তোমার কোন ক্ষতি বা বৃদ্ধি হইবে না। ২১–৪৬। এমন হ য়াই নিশ্চিত বিলাস পাইতেছে ও টিমদেহে বিভিম সর্গ সমাপ্ত। ইনিয়র অস্তিত্ববিষয়েও ভ্রমাত্মক জ্ঞান আছে, সুতরাং ঋগে যেমন নেদির অবস্থান, আমার চিশরীরও তা আলিৰ যেমন খুখে অসন্তু সপে ও সস্তু অসঞ্জলে ন নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ ১৪১ ত্রিশতম সর্গ। বিগলিত হইলেও উহারা লেস্বরূপ বলিয়া উত্তপ্ত স্থাণীতে নিপতিত জলবিন্দুর স্যায় একবারে শূক্ত হইয়াছে, আমাদের মাম বলিলেন,-সুনিয়। আপনার সেই কঙ্গনামাজে যা পরস্পর কাহাকে কেহই জানিতে সমর্থ হয় না, অনাবৃত পরিণত, সুতরাং অবয়বার্দিবিহীন, এ অবস্থায় সেই রমণীর চেলরূপী বলিয়া ঐ সকল অগং সর্বদা যেন সুপ্ত থাকিয়া সহিত আপনার দৈহিক সম্বন্ধ কিরূপে হইল? আর দেহ ব্যতীত কেবল স্বপ্নই দেখিতে একে। এই জগতে জীবসকল রাত্রি ক চটত প প্রভৃতি বই বা উচ্চারিত হইল কিরূপে? বশিষ্ঠ কালে নুপ্ত হইয়া স্বপ্নময় আর এক জগতে অবস্থিতি কত দিন বলিলেন,-বর্ণেচ্চারণ নেই কারণ নহে, শবদেহ কোন প্রকারেই কল্পনা করিয়া দিনের কার্য সম্পন্ন করিতে থাকে। দৈত্যক্ষ শব্দ উচ্চারণে সমর্থ নহে, ইহাত সকলের প্রত্যক্ষসিদ্ধ। সেই দেবগণ কর্তৃক নিহত হইয়া স্বপ্নজগতেই অবস্থিতি করিয়া থাকে, রূপ-বর্ণ উচ্চারণ কেহই করে না, বর্ণের উৎপত্তি নাই, ইহা অবশ্যই স্বীকার করিতে হইবে, নতুবা উপায় নাই। ইহা অক্ষ্মানিগণের মত। বর্ণোচ্চারণ যদি সত্য-সত্যই দুইত, কেননা, তাহারা অজ্ঞান লাভ না করিয়াই হঠাৎ নিহত হয়, তবে স্বপ্নাবস্থায় যে বর্ণ উচ্চারণ হয়, স্বপ্নদ্রষ্টার অর্থবােধও এজন্য মুক্তি পায় না, অভাবও প্রাপ্ত হইতে পারে না হয়—ব্যক্তির পার্শ্বস্থ আৎ ব্যক্তি তাহা শুনিতে পায় না (যেহেতু তাহার চিদাভাসকপী)। এবং তাহাদের জাগ্রং কেন? অতএব স্বপ্নে যেমন কিছুই থাকে না, একমাত্র জ্ঞানই অবস্থায় দৃশ্য দেহও থাকে না, সুতরাং স্বপ্নজগৎ ব্যতীত কেবল সত্য বিদ্যমান আর সবই মিথ্যা ভ্রান্তি, তেমনি পরম আর কোথায় তাহলের অবস্থিতি হইতে পারে বল ? অধিক কি, আকাশে একমাত্র চিলাকাশই প্রাপ্ত রহিয়াছেন; আকাশে সকল জীবই শুপ্ত বাসনারূপে স্বপ্ন-জগতেই অবস্থিত, অন্যের চিদাকাশের বিকাশই কেবল স্বভাবসিদ্ধ , সুতরাং যাহার চক্ষে দ্বারা নিহত হইয়া তাহারাও ঐ অনুরাদির স্থায় স্বপ্নজগতেই তিমির রোগ হইয়াছে, তাহার নিকটে চন্দ্রের যেমন কৃষ্ণ অবস্থিত করে। কারণ তাহারাও জ্ঞানাভাবে সহসা মুক্তি বর্ণতা অনুভূত হয়, সাধারণ মূঢ় লােকের নিকট অকাশের লাভ করিতে সমর্থ হয় না, হঠাৎ মৃত্যু হইলে শরীর না থাকায় নীলিমামূর্তি যেরূপ প্রত্যক্ত হয়, পাষাণে গান করিতেছে জাগ্ৰ জগতে অবস্থিতিও সবে না, সুতরাং বাসনাময় 'চৈতচ্ছ- অন্তিমে লবিশেষে ইহাও যেৰূপে প্রতীত হয়, সেইরূপ স্বরূপে তাহারা স্বপ্নজগৎ ব্যতীত আর কোথায় থাকিবে বল ? চিদাকাশই প্রতিভাসিক (ভ্রান্তিপ্রতীয়মান) অবয়ব প্রাপ্ত হইয়, রাক্ষসেরাও এইরূপ দেবগণ কর্তৃক নিহত হইলে স্বপ্নজগতে গিয়া বিভিন্ন ভব প্রাপ্ত হওত প্রতিভাত হইতে থাকে, সপ্নে শরীরে অবস্থান করে। হে রাম। এইরূপে যাহারা নিহত হয়, যে শাদি বিষয়ান হাও এই চিদাকাশ ব্যতীত আর তাহাবা নিতান্তই অজ্ঞ, মুক্তিলাভ তাহাদের ভাগ্যে কলাপি কিছুই নহে। আকাশের যে সাকাররূপে প্রকাশ, তাহা যেমন ঘটে না, সচেতন ৰলিয়া তাহারা পাষাণের ন্যায় এডভাবে অব আকাশ হইতে লি নহে, সেইরূপ স্বপ্নে যে চিদাকাশপ্রকাশ স্থিতি করিতে পারে না, অতএব স্বপ্নজগতে অবস্থিতি ব্যতীত জগজা কার ধারণ করে, তুমি সেই অগদাকারকে ঐ চিদাকাশ অর্থাৎ স্বপ্নকল্পনার ন্যায় জগৎ কল্পনা করিয়া সেই কল্পিত বণিয়াই বুঝিবে। অতএব স্বপ্ন ও অগ্র যখন এক বলিয়াই , জগতে অবস্থিতি ব্যতীত আর কি করিবে বল? সাগর, পৃথিবী সিন্ধান্ত করা হইল, তখন সম্মুখে যে বন্ধু দৃষ্ট হইতেছে, এবং ও পর্বতাদি-সমন্বিত এই দৃশ্যপ্রপঞ্চ আমরা যেমন চিরকাল সত্য- সমাধি অবস্থায় যাহা দৃষ্ট হয়, তৎসমস্তই সেই একমাত্র রূপে অনুভব করিয়া আসিতেছি, ঐ দিগণও সেইরূপ চিদাকাশ। এইজন্য এই অং সত্যবৎ স্থিরবৎ প্রতীয়মান হয়, কল্পিত স্বপ্নদৃষ্ট অনুভব করিয়া থাকে। এখানে এগ (সাকাশের সত্যতার ইহার সত্যতা) পরন্তু ইহা সেই চিং, সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়-ব্যবস্থা যেরূপ পরিপাটীতে হইয়া থাকে, স্বরূপ ব্ৰহ্মরূপেই অস্থিতি করিয়া থাকে। রাম জিজ্ঞাসি উহাদের কল্পিত স্বপ্নজগতেও ঠিক সেইরূপই হইয়া থাকে। লেন ভগব। এই জগ ঘৰি স্বপ্নই হয়, তবে ইহা জাগ্রং আমরা যে অগং দর্শন করিতেছি, সেই সৎ ও আমাদিগকে হইল কিরূপে? স্বপ্ন, মিথ্যা, জাং, সত্য, যা একেবারে বদি উহারা দর্শন করে, তাহা হইলে আমাদের এই জগৎ মিথ্যা, তাহা সত্য হইবে কিরূপে ? ইহা আমাকে বুঝাইয়া দিন তাহাদের নিকটে ও আমরা তাহাদের নিকট স্বপ্নপুরুষ যদি বশিষ্ঠ কহিলেন—রাম। জগৎ কিরূপে স্বপ্নময় হইল, তাহা প্রতীয়মান হই। স্বপ্নপুরুষ নিজের অনুভবেও যেরূপ প্রভাত বলিতেছি শ্রবণ কর। স্বপ্নদৃষ্ট পদার্থ যেমন স্বপ্নদ্রষ্টার আত্ম হয়, অন্যের অনুভবেও ঠিৰু সেইবই প্রতীত হইয়া থাকে, হইতে ভিন্ন নহে, সত্যও নহে, স্থায়ী নহে ( স্বপ্নভঙ্গে আর সুন্নাৎ অনুভববলে তাহা সত্য হওয়া বিচিত্র নহে, সভ্য থাকে না বলিয়), সেইরুপ এই জগৎও অন্য হইতে ভিন্ন নহে, হইবার কথা, কারণ, সভ্যতার কারণ যে অধিষ্ঠান-চৈত, পৃথকৃরূপে ইহা সত্যও নহে এবং স্থিরও নহে। এইরুপ বীজ, তাহা সর্বগামী সকলেই সমভাবে অবস্থিত। ১৯৭৪। রাশির অভ্যগুরে বীজের স্থা। আকাশমধ্যে সমান সমান অএব সেই সমস্ত স্বপ্নপুরুষ যেমন সত্য, সেইরূপ প্রতিস্বপ্নে আরও জং অনুভূত হইয়াছে। আরও দেখা গিয়াছে যে, আমরা যে সকল পুরুষ দর্শন করিতেছি, তাহাও সত্য, তুমি প্রত্যেক জগতের ভিতরেই বিবিধ প্রকার জন্য সকল পরস্পর গল্পে যে সকল পুরুষ দর্শন করিচ্ছে, তাহাও সত্য , কারণ অদৃশ্যভাবে অবস্থিতি করিতেছে।১১। সেই সকল জগৎ সর্বময় ব্ৰহ্ম সর্বত্রই সমভাৰে বিরাজ করিতেছেন, সেই বন্ধ পরস্পর কেহ কাহাকেও দেখিতে পায় না, ফুলের শােলার) সভায় সকলেরই সভা হইতে পারে। তা অবস্থায় যে মধ্যে রাশীকৃত বীজ হইতে যেমন দুই একটা বীজ ভিতর হইতেই পলাখ আদৃত হইয়া গেল; ইহা যেমন অনুভব হয়, সেইরূপ গলিয়া পড়ে, সেইরূপ ঐ জগৎসকল যে জগতের ভিতর সৃষ্ট স্বল্পকালে তৎসমুদয়ের সভা অমুল হইয়া থাকে, হয়, সেই স্থান হইতেই বিগলিত (অ) হইয়া যায়। অনুভবনেও তাহার সত্যতা অপরিহার্য্য হইয়া উঠে। ব্ৰহ্মণ যােশবাণিরায়ণ। স্বীকার করিলেও কোন কথাই নাই, কেননা, সমস্তই হাতে আকাশের স্থায় নির্মল, জোভাগ উহাতে কিছুম নাই। ঐ সত্য হইতে পারে। সমস্ত জগৎই যখন আকাশেরই কা, ভূমি নিজকান্তি দ্বারা অন্যান্য লােৰু স্বর্গ প্রভৃতিকে পরাজয় তখন সমস্তই আকাশ, সময় আকাশ সর্বদা সর্বত্রই বিরাজ করিয়া ব্রিজ করিতেছে। দেবগণ ও সিদ্ধগণ অল্পদিগের করিতেছে, কুত্রাপি তাহার ক্ষয় নাই। সেই আকাশই অনাদি সমভিব্যাহারে ঐ স্থানে বিহার করিয়া থাকেন। ঐ ভূমিতে অনন্ত নিৱৰকাশ পূর্ণ পরব্রহ্ম, তঁাহার ক্ষয় বা উদয় কিছুই নাই। সঙ্কলমাত্রেই সকল প্রকার ভােগ্যসনা চরিতার্থ করা যায়। ঐ সেই পকাশরূপী পরহ্মে অসংখ্যচিত্ত, সেই অসংখ্যচিত্তে ভূভাগের বহিপ্রান্তে লােকালােক নামে এক পর্বত, জংলীয় অসংখ্য অগৎ। সেই অসংখ্য জগতের প্রত্যেক জগতের প্রত্যেক প্রকোষ্ঠব প্রতীয়মান ঐ ভূভাগের বলয়ের স্থায় প্রতীয়মান সূ আকাশভ গে প্রত্যেক লােকে, প্রত্যেক দ্বীপে, প্রত্যেক হইতেছে। ঐ পােকালােক পর্বতের অর্থভাগ মুখশোকের পর্বতে, প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক গৃহে, প্রতিগে, প্রতিবর্ষে যত হৃদয়ের ন্যায় সর্বদা গাঢ় তম( অজ্ঞান পক্ষান্তরে অন্ধকার) দ্বারা জীৰ মরিয়া মুক্তিলাভ করিতে সমর্থ হয় না, সেই তত জীবেরই পরিব্যাপ্ত। অপর অর্থভাগ সাব্বিক লােকদিগের চিক্তের ন্যায় প্রত্যেক একটা একটা স্বপ্নসংসার পৃথকভাবে কল্পিত হইয়া সর্বদা প্রকাশময়। ঐ পৰ্ব্বতের কোন অংশ সাধুসমাগমের থাকে। ২৫-৩২। সেই সমস্ত সংসারের জগতে) প্রত্যেকের স্যায় আলাদজনক, কোন অংশ সমাগমের ন্যায় উদ্বেগকর। ভিতবে আবার অসংখ্য মানব, সেই মানবদিগের প্রত্যেকের মনের ৬-১২। বুদ্ধিমান ব্যক্তির চিত্তে যেমন সকল বিষয় স্পষ্ট ভিতরে আবার জগৎ রহিয়াছে, সেই জগতের ভিতরে আবার প্রকাশিত হয়, সেইরূপ ঐ পর্বতের কোন স্থান আলােকময় মনুষ্য, সেই মনুষ্যের মনে আবার জগৎ, এইরূপ এই দৃশ্য জগন্মৰ বলিয়া তথাকার সকল বন্ধ প্রকাশিত হইতে থাকে। কোন ভ্রান্তির অবধি নাই। যিনি ব্রহ্মবিদ তিনি ত ইহার অবধি | স্থান মুর্থ বেদজ্ঞ পণ্ডিতের চিভের স্যায় অতি গভীর। কোন একেবারেই পাইবেন না, কারণ তিনি জানেন, সমস্তই বহ্ম। | স্থানে চক্রের কিরণ একেবারে প্রবেশ করে না, কোথাও সূর্যের হে রাম! জলে, স্থলে, আকাশে, পাষাণে, ভিত্তিতে সর্বত্রই যে | কিরণ একেবারে যায় না। কোন স্থান শােকে পরিপূর্ণ, কোথাও চিংস্বরূপ বিদ্যমান রহিয়াছে, তাহাই আমাদের এই সমস্ত বিশ্ব কিছুই নাই—চতুর্দিক শূন্য। কোন স্থানে দেবপুরী, কোন স্থানে ৰা জগৎ। এই জন্য সর্বত্রই কত যে অগং প্রতীয়মান হয়, ' দৈত্যপুরী, কোন স্থান পাতালের ন্যায় অতি গভীর, কোন স্থানে অহাৰ সংখ্যা করা যায় না' যিনি তত্ত্ববিং তাহার নিকটে উন্নত পর্বতশৃঙ্গ, দেখিলে বােধ হয় লােকালােক পৰ্বত যেন গ্রীব। সমস্তই এক ব্ৰহ্ম; যাহারা অস্থ, তাহাদের মনেই কেবল এই উত্তোলিত করিয়া পাড়াইয়া আছে, কোথাও কেবল গত, সেই কৃগ জগৎপ্রপঞ্চ। ৩৩-৩৫। গমধ্যে শকুনি-পেচকাদি পলিগণ বাস করে, কোথাও মনোহর তিষ্ঠিতম সর্গ সমাপ্ত। ৬৩। সানুদেশ,কোথায় বা উন্নত শৃঙ্গ উঠিয়া বিধাতার পুরী স্পর্শ করিয়াছে। কোথাও বা শূন্য মহারণ্য, সেই মহারণ্যে কেবল সতত প্ৰলয়ৰায়ু বহিতেছে। কোন স্থানে রমণীয় কুসুমকানন, থায় বিদ্যাধীরগণ গান করিয়া থাকে। কোন স্থানে পালনের চতুঃষষ্টিতম সর্গ। ন্যায় গভীর গুহা, সেই গুহামধ্যে কুন্তাও নামে এক প্রকার বশিষ্ঠ কহিলেন—তাহার পরে সেই কামিনা উৎপলের ন্যায় , ভাস্কর পিচাশ বাস করে। কোথাও বা নন্দনকাননের তুল্য কটাক্ষবিক্ষেপ করিয়া ভৃঙ্গচালিত মালামালার স্থায় চঞ্চলনয়নে! মনােহর ঋষিদিগের আশ্রম। কোথাও বা মেঘমালা পর্বল আমার দিকে দৃষ্টিপাত করিতে লাগিলে আমি তাহাকে জিজ্ঞাসি- অবস্থিত খাকিয়া উন্মওভাবে গর্জন করে। কোথাও বা মেঘমাল লাম,-হে কমলােরসদৃশি। তুমি কে? তুমি আমার নিকটে | অত্যন্ত বিরল, কোন স্থানে কেবল গুহাম, সেইজন্য অতিভীষণ। কি জন্য আসিয়াছ? তুমি কাহার (কন্যা বা ভা)? আমার কোন স্থানে লােকগণ জনপদধ্বংস উপস্থিত হওয়ায় স্ব স্ব স্থান নিকটে কি প্রার্থনা করিছে ? তােমার বাসন কোথায় ? ত্যাগ করিয়া বনের মধ্যে আলিয়া ভূতপ্রেজে বাসা ভাজি বিদ্যাধরী কহিলেন, মুনিবর। আমি যখন বিপন্ন হইয়া আপনার দিতেছে। কোন স্থানে অধিবাসী জনগণের সৌজন্যে দেবগণও করুণা লাভের জ আসিয়াছি, তখন আপনি আমাকে অশঙ্কিত পরাজিত। ১৩-২০। কোন স্থানে সর্বদা প্রবলবেগে এত বায় ভাবে সকল কথাই জিজ্ঞাসা করিতে পারেন, আমিও আমার হয়েছে যে, অথায় স্থাবর-জম কোন জনই হিঙ্গিতে পারে না। সমুদয় বস্তু আপনার নিকটে নিঃশঙ্কতাবে বলিতেছি বণ কোখাও স্থাবর-অসম জীবজাতি উপবশ হইয়া চিরস্থায়ী হইয়া করুন। পরমাকাশের কোন এক কোণে আপনাদের অগং নামে রহিয়াছে। কোথাও ভীষণ মরুভূমি,ভেঙে শকে কেবল প্রচণ্ড একটা গৃহ আছে; সেই গৃহটার জিটা প্রকোষ্ঠ স্বর্গ, মর্ত্য ও বায়ু বহিতেছে। কোথাও কমল-কানে সরসপীরা মধুর পাতাল। বিধাতা হিরণ্যগর্ভ সেই গৃহে মায়াবলে কল্পনালামী কুজন করিতে। কোথাও লতরঙ্গের মেঘগর্জনের মর্যরনি এক কুমারী সৃজন করিয়াছেন। ঐ গৃহের বলয়াকারে ঘাপ ও কর্ণবিবরপূরিত কৰিলেছে। কোথাও অস্পনােরল হইয়া সমুদ্র দ্বারা পরিবেষ্টিত পাটলবর্ণ ভূভাগ অং-লক্ষ্মীর যেন কর দোলায় দােদুল্যমান হইছে তাহা দেখিয়া দর্শকলের স্মর- একোষ্ঠবৎ প্রতীয়মান হইতেছে। ১-৫। সপ্ত দ্বীপ ও বিকার উপস্থিত হইতেছে। ঐ পর্বত্রে কোন কোন দিক সালের বহিরে চারিদিকে দলসহ যােজন ব্যাপিয়া এক কুত্তাও পিশাচাদিতে পরিপূর্ণ। কোথাও বা নদীর তীরে বসিয়া একা নুবর্ণময়ী ভূমি আছে। সেই ভূমি দিবারাত্রি সমভাবে সিগণ বিদ্যাধরী সমভিব্যাহারে নৃত্য ও গীত কুরিতে। ইউজাল তেতে ভাস্বর হইতেছে। লােকের সফলফল কোথাও বা জলবষী মেলিফের প্রবল বারিধারা নদীপ্রবাহরূপ এলান করে ঐ ভূমির উপরিভাগ চিন্তামণি যারা গ্রথিত, উহা বা বিস্তার করিয়া লুষ্ঠিত হইতেছে। কোথাও বা সদাগতি বায়ু নির্বাণ-প্ৰৱণ-উত্তরগগ - নানা স্থান হইতে বিবিধ মেরূপ বস্ত্র বানিয়া আশীকৃত কৰিতে মাত্র নাই। হে দেববিদলিগের শ্রেষ্ঠ। আমি তাহারই ভাৰ্য্যা ছেন। কোথাও বা কমলিনী মুদ্রিত কমলের অমর কুদ্ধ হই হইলেও ঘাের বিষয়াসক্ত। আমি নিমেকালও তাহার অভাবে থাকায় নেত্ৰ মুদ্রিত করিয়ানে ধ্যান করিতেছেন। কোথাও জীবন খাত্ৰণ করিতে পারি না। হে ব্ৰহ্ম। আমি তাঁহার , বা কামিনী অপয়ােগশশু সিকামিনী আব্দুলচৰণ কত আমাকে তিনি কিরুপে সূন করিলেন এবং আমাদের উভয়ের বনের শােভা বিস্তার করিত্রে। ২১-২৬। ঐ লােকালােক এই অকৃত্রিম নেই কিরূপে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হইত, তাহা বলিতেছি পর্বতের অর্ধগে সূর্যদেব প দিয়া থাকেন, এবং তথায় এৰণ করুন। ৪১-৪৫। আমার স্বামী শৈশবকালে যখন কিঞ্চিৎ নণের ব্যবহার সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়; অপর ভাগে ভাের জানলাভ করিয়াছেন, তখন এক দিন নির্মল আত্মভবনে অবস্থান নৈ। অন্ধকার, লােকসমাগম একেবারে নাই, কেবল নিশাচ কৱি মনে মনে চিন্তা করিয়াছিলেন, “আমি যেরূপ স্বাধ্যায়শীল, দল মত্ত হইয়া নৃত্য করিতেছে, কোখাও সর্বদ বিপ্লব-বিপত্তিতে আমার অনুরূপ ভার্যাকিরূপে উৎপন্ন হইতে পারে ?” হে কমল লােকংস হইছে। কোথাও বা মূর্তিসম্পন্ন সৌরজ, কোথাও বা মৃতিসম্পন্ন সৌরাজ্য, লােল। সেই বিখ্যাত এইরূপ চিন্তা করিয়াই, চন্দ্র যেমন নির্মল- লােকগণ তাহাতে উন্নত হইয়া সুখে স্বচ্ছন্দে কালাতিপাত করি- জ্যোৎস্না প্রসব করে; সেইরূপ মনে মনে অনিন্দ্যাজী এক কামিনী সেছে। কোনস্থান একেবারে শূন্য ; কোন স্থান বা বহু লােকের সৃষ্টি করিলেন, সেই কামিনী তাহার মানসী, মন্দার কুসুম আবাসভূমি। কোথাও গভীর গুহা, কোন স্থান পাতালের সেই কামিনীর কবরীতে। হে ঋষিবর। আমিই সেই কামিনী। ব্যায় অভিভীষণ। কোথাও বৃহৎ কর। কোথাও বা এল তাহার পরে আমি বসন্তকালে পূষ্পমঞ্জরীর ন্যায় দিনদিন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত একেবারে নাই, প্রাণিগণ অলাভাৰে হাহাকার করিতেছে। হইতে লাগিলাম। আমি আকাশের ন্যায় সহ-অম্বরপরিহিত। কোথাও বড় বড় স্তী বাস করিতেছ, কোথাও মত সিংহ (অাকাশ পক্ষে অম্বরপরিহিত আকাশময়, পক্ষান্তরে অম্বর যন্ত্র) অবস্থান করিতেছে। ২৭-৩০। কোথাও জনপ্রাণ নাই, অথচ নিৰ্ম্মল নেত্রতারকা পূর্ণেন্দুমুখী বন্দী হইয়া ক্রমে ক্রমে লোক প্রচুর বৃক্ষলতালি রহিয়াছে, কোথাও উন্মত্ত নিশচিরকুল বিরাজ মনোহারিণী হইয়া উঠিলাম। আমার পয়ােধর-যুগল পুষ্পকলি- করিতেছে। কোথাও করবন, কোথাও বা ঘন ঘন তালতক্ষর কার ন্যায় উন্নত হইয়া উঠিল , করপল্লব-শােভিনী ও সমগ্ৰগুণ- কন। কোথাও আকাশের গায় স্বচ্ছতলয় সরােবর , কোথাও শালিনী হয় জমি উদ্যানের নবলতার ন্যায় শােভা পাইতে বা জীর্ষ মরুভূমি। কোথাও কেবল ধূলি উড়িতেছে, লতাপত্রাদি লাগিলাম। আমার নয়নযুগল হৰিণী-নয়নের ন্যায় সুহইল। কিছুই নাই , কোথাও বা সকল ঋতুর শােভা পাইতেছে। ক্রমে আমি যৌবনে পদার্পণ কর। নিখিল লেকের কপোল- সেই লোকালোক পর্বতের শিখরদেশে আকাশের ন্যায় নির্মল বত্ব- কারিণী হইয়া মনেহরণ করিতে লাগিলাম। আমি হাৰ ভাৰ ময় যে সকল শিলা আছে, সেই সমস্ত শিলাই এক একটা ক্ষুদ্র বিলাস ও সকটাক্ষ দৃষ্টিপাত করত সর্বদা গীবাশ্যে আসক্ত পর্বত, সেই সকল শিলাখণ্ডের উপরে কান্ত মেঘনিচয় অস্থির হইয়া পড়িলাম , যে তাহাতে এতই আসক্ত হইলাম, কিছুতেই ভাবে অবস্থিতি করিয়া থাকে। দুখের ন্যায় স্বচ্ছ সলিলের আহাতে পরিতৃপ্ত হইয়া উঠিতে পারিলাম না। আমি নিজে স্যায় ও সূর্যের ন্যায় শুভ্রবর্ণ সেই সমস্ত শিলাখণ্ডের উপরে সৌভাগ্যবতী, তথাপি আমাকে যিনি কল্পনায় নিৰ্মাণ করিয়াছেন, সিংহ-ব্যাদি হিংস্ৰজন্তুগণ পুত্র-পৌত্র লইয়া স্বচ্ছন্দে বাস তিনি সমগণী, সেইজন্য আমিও সৰ্বত্ৰ সমদৃষ্টি হইলাম। কি করিয়া থাকে। সেই শিলাখণ্ডগুলির উত্তরদিকে পূৰ্বদিক সৌভাগ্য, কি দুর্ভাগ্য, সবই একরূপ দেখিতেছিলাম। আমি মােহ- স্থিত এক শিলাখণ্ডের মধ্যে আমি বাস করি। আমি যাহার জালে জড়িত হইতাম না, এই জন্য কি সম্পদ, কি আপদ উভয় ভিতরে বাস করি তাহা বক্সের ন্যায় কঠিন একটা দশাতেই অভিন্নভাবে অবস্থিতি করিতেছি। আমি কেবল স্বামীর সাধারণ যন্ত্র , বিধাতা আমাকে তাহার মধ্যে কুত করিয়া রাখিয়া- গৃহই রক্ষণ করিতেছি, এমন নহে, এই নিখিল ত্রৈলােক্যকপ ছেন। হে মুনিবর। আমি সেই শিলাখণ্ডে রুদ্ধ থাকিয়া গৃহই আমাতে ধারিত রহিয়াছে । ৪৬-৫৪। আমি তাহার হুসংখ্যক-যুগ অতিবাহিত করিয়াছি। ৩১-৩৬। সেই কুলঙ্গিণী ভাৰ্যা, আমা হইতেই তাহার না হয়, আমি তাহার শিলাখণ্ডে ৰন্ধ আমি যে কেবল আছি তাহা নহে, আমার পোষ্যবর্গের প্রতিপালন করি। এবং এবােক্যরূপ গৃহের সমস্ত স্বামীও সেই শিলাখণ্ডে সায়ংকালে কমলমুকুলে ষট্পদ যেমন বন্ধ আসবাব আমি একাই বহন করি। তাহার পরে ক্রমে আমি হইয়া থাকে, সেইরূপ বদ্ধ হইয়া আছেন। আমি সেই স্বামীর পূর্ণষুবতি হইয়া পড়িলাম। আমার তনযুগল অত্যুন্নত হইল। সহিত সেই সংকীর্ণ শিলাগহবরে থাকিয়া বহুকাল অতিবাহিত ফলপূষ্পশেলি লুচ্ছলতার স্যায় শােভা পাইতে লাগিলাম। করিয়াছি , অদ্যাপি নিজের একটা মাত্র দোষে (কামনদোষে ) আমার পতি সর্বদা ব্যাখ্যায় ও ভপায় রত ও দীর্ঘসূত্র , এই মুক্তিলাভ করিতে পারিতেছি না। আমরা উভয়ে মমতাগ্রস্ত কারণে এবং আরও নিগট কোন কারণ বশতঃ অধ্যাপি আমাকে হইয়া চিরদিন অবস্থান করিতেছি, সেই পাষাণসঙ্কটে কেবল বিবাহ করিয়া উঠিতে পারেন নাই। আমার ইচ্ছা—তাহার সহিত আমরা দুইজনেই যে বদ্ধ আছি তাহা নহে, আমাদের সময় যৌবনের ভােগসি চরিতার্থ করি, কিন্তু আমার ভাগ্যে অহা পরিজনও সেই স্থানে বন্ধ রহিয়াছে। ৩৭৪। সেই পুরা ঘটে না, এই অঞ্চ আমি নলােপরি নিপতিত নলিনী রায় তঁাহার পুরুষ আমার পতি বিজ সেই স্থানে বন্ধ রহিয়াছেন, একস্থান বিরহে সাতিশয় অন্ধ হইতেছি। শীতলতাস-সঞ্চালিত কমল- হইতে এক অঙ্গুলিও নড়েন না, সেই স্থানে থাকিয়াই শতফুণ দলের উপরে বসিৱা আমি জ্বলন্ত অজারে উপৰেশজনিত ক্লেশ জীবিত রহিয়ছন। আমার পতি অশ্য ব্রক্ষচারী, সর্বদা অনুভব করি ; আমার অ যেন দগ্ধ হইয়া যায়। নানাজাতীয় বেদশাঠে রত হইয়া একাকী নির্জনে অলসের ন্যায় বসিয়া কুমনিচয়ে পরিপূর্ণ উদ্যানভূমি আমার নিকটে উত্তপ্ত সৈকত আছেন। তিনি অতি সরলপ্রকৃতি; ইন্দ্রিয়চাপল্য তঁাহার কিছু ভূমি অথবা মরুভূমি বলিয়া মনে হয়। ৫৫-৬০। চারিদিকে যােগণিষ্ঠ-রামায়ণ J কমল, কলার ফুটিছে, মন্দ মন্দ মারুত-সখানে তরঙ্গমালা রসিক ও মখুরব্যবহার হয়, তবে সে রমণীর সৌভাগ্য অরু খেলিতেছে: রিসপক্ষী মনােহর কুজন করিতেছে; এমন রমণীয় খাকে, জন্মও সার্থক হয়। যাহার স্বামী অরসিক, সে অতি সরাবর আমার নিকটে নীরস (শুষ্ক মরুভূমি) বলিয়া মনে দুর্ভাগবতী, যাহার বুদ্ধি সংস্কারপন্ন নহে, তাহার বুদ্ধি বৃথা। হয়। আমি মন্দার, পল্প ও কুমুদ-কুসুমের মাল্য খুলে পরিয়া দৃষ্ট লোকের ভাগ্য যে সম্পদ, তাহা' বিল এবং যাহার জাতি মনে করি, বেন কষ্টকের উপরে পতিত হইয়াছি, গাত্রে যেন লজ্জা বেশ্যা কর্তৃক বিতাড়িত হইয়াছে, সেই অধ পুরুষ বুখা কে জ্বলন্ত অঙ্গীর বিদ্ধ করিয়া দিতেছে। আমি শালা নিবা- (তাহাকে ধিক্)।১-৫। সাধুর হন্তে নিপতিত যে সম্পদ, রণার্থ কমল, কলার, কুদ ও কদলীপত্র যারা শয্য-রচনা করি; সেই সম্পদই সম্পদ, শমদমাদিগুণসম্পন্ন ও সরলবুদ্ধিই বুদ্ধি, কিন্তু আমার গাত্র-স্পর্শ হইতে হইতেই সে শীতল সরস-শ্যা সমদর্শিতাই সাধুতা, সেইরূপ স্বামী যে রমণীয় অনুগত, সেই শুষ্ক মৰ্ম্মর হইয়া একেবারে ভস্ম হইয়া যায়। কোন রমণীয় বিচিত্র রমণীই সৌভাগ্যবতী। শতিযুগল পরস্পর অনুরক্ত হইলে মনােহর বক্ষ দেখি ল আমার মনে দারুণ যন্ত্রণা হয়, তখন কি আখি কি ব্যাধি, কি আপদ কি ঈতিভয় কিছুতেই তাহাদের আমার নয়ন-যুগল অঞলে আপ্লুত হইয়া উঠে। ১৬০। মনে ক্লেশের উদ হয় না, সকল রকম ক্লেশেই তাহারা মনের আমার নয়নযুগল হইতে দরদরিধারে বিগলিত উত্ত বাষ্পবিন্দু আনন্দে কালাতিপাত করে। যাহাদের স্বামী নাই, অথবা গলার কমল ও উৎপলের মালার উপরে পড়িয় উত্তাপনিবন্ধন যাহাদের স্বামী মন্দ স্বভাবসম্পন্ন অর্থাৎ পত্নীর উপর বিরক্ত, সেই কমল-উৎপল শুষ্ক করিয়া পরে নিজেও শুরু হইয়া যায়। যখন অভাগ্যবতী নারীদিগের নিকটে প্রচুর কুসুম-বানন এমন সন্তাপ বড়িয়া উঠ, তখন উদ্যমণে গিয়া কদলী-কাণ্ডের কি নন্দনকাননও মরুভূমি বলিয়া বােধ হয়। পতি মন্দ উপরে পল্পবনির্মিত দোলায় দেদুল্যমান হইয়া লজ্জায় মুখ ঢাকিয়া হইলে তাহাকে ত্যাগ করাও রমণীর কর্তব্য নহে , কারণ রোদন করিতে থাকি। তুষারকিরে আকীর্ণ কদলী-দল-নিতি শালে আছে, জগতের সকল বই মনের অনুকূল না হইলে ভবন আমার নিকটে অতি-উত্তপ্ত খদির-কাঠের স্বলন্ত অঙ্গারের (গুণহীন হইলে) পবিভক্ত হইতে পারে, কিন্তু রমণী কিছু স্যায় ভীষণ বলিয়া বের হয়। পদ্মিনীনালে সারসসারসী তেই পতি পরিত্যাগ করিতে পারিবে না। হে মুনিবর। আমি এই ক্রীড়' করিতেছে দেখিলে আমার মনে গতিশয় কষ্ট হয়, তখন জন্যই এ যাবৎ এত দুঃখভােগ করিয়া আসিলাম, পতি বিরক্ত আমি অবনতমুখে আপনার যৌবনের নিন্দা করিতে থাকি। হইলেও তাহাকে ত্যাগ করিতে পারি নাই, আমার দুর্ভাগ্য ক. রমণীর বস্তু দেখলে আমার অত্যন্ত কষ্ট হয় তখন আর না দূর, তাহা আপনি একবার বিবেচনা করিয়া দেখুন। তুষারপাতে কানিয়া থাকিতে পারি না, অন্ধ-রমণীয় বস্তু যখন আমার নয়ন- নলিনীয় রস যেমন ক্রমে ক্রমে শুদ্ধ হইয়া যায়, সেইরূপ গোচরে পতিত হয়, তখন একরূপ ভাল থাকি, শোক বা হর্ষ অমার অনুরাগ পতিসঙ্গ-অতবে ক্রমে ক্রমে বরাগে পরিণত কিছু হয় না। মন বস্তু দেখিলেই আমার মনে আনন্দ হয়। হইয়াছে। এক্ষণে আমার বৈরাগ্যবাসনা হইয়াছে, তথাপি কষ্টের সময় আমি খুচ্ছাকেই পরমাদরে আহান করিতে থাকি , বিষয়ানুরাগ সম্পূর্ণরূপে অপহৃত হয় নাই, এই জন্য হে কারণ মুচ্ছবস্থায় আমার শােক-দুঃখ কিছুই অনুভব করিতে মুনে। এক্ষণে আপনার উপদেশ অনুসারে বিষয়ানুরাগশূন্য হয় না। মন্দার, কুল ও কুমুদ কুসুম দেখিলে আমার মনে হইয়া নির্বাণ লাভ করিতে ইচ্ছা করি। ৬-১২। যাহার। হইত, যেন কামানল বিরহীদিগের গাত্রম্ম ইতত বিকীর্ণ সংসারভােগবাসনা চরিতার্থ করতে পারে নাই, পরন্তু মুক্তি হইয়া রহিয়াছে। আমি এইরূপ কলার কুমুদ, কুল, উৎপল, পথের পথিক হইতে পারে নাই, তথাবিধ জীবগণ মৃত্যু মৃণাল, মালতী ও কদলীপৱনৰ্ম্মত শীতল-শয্যকে উত্তপ্তগাত্র প্রবাহে ভাসমান , তাহাদের জীবিত থাকা অপেক্ষা নৃত্যুই ভাল। সংস্পর্শে বিশুক করত নতুন যৌবনকাল বৃথাই অতিবাহিত রাজা যেমন অপয় রাঙ্গার সাহায্যে শক্ররাজাকে জয় করিতে করিয়াছি। ৬-৭১ চেষ্টা করে, সেইরূপ আমার স্বামী এক্ষণে দিবারাত্র কিসে চতুষ্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৬৪। নির্বাণ প্রাপ্ত হইবেন, তদ্বিষয়ে যত্নবান হই একমাত্র মনের সাহায্যেই মলকে জয় করিবার নিমিত্ত সচেষ্ট আছেন। হে ব্ৰহ্মন। আমার সেই স্বামী ও আমার যাহাতে অজ্ঞান নাশ হয়, আপনি আমার জন্য জ্ঞানগর্ভ উপদেশ দিয়া আমাদের আত্ম- পঠিতম । জ্ঞান করিয়া দিন, আমরা আত্মাকে ভুলিয়া আছি, আপনি বিদ্যাধরী কহিলেন,-অনন্তর কিংকাল অতীত হইলে স্মরণ করাইয়া দিন। ১৩-১৫। যে সময় হইতেই আমার শংকালের অবসানে পলব যেমন নীরস হইয়া যায়, সেইরূপ স্বামী আমার অপেক্ষা ত্যাগ করিয়ায় আত্মনির্ভয় করিয়া অব- আমার সে অনুগ (ভােগবাসনা) কনে বরাগ্যে পরিণত স্থিতি করিতেছেন, আমার সেই সময় হইতে এই জগৎ নীরস হইল। আমার বৃদ্ধ স্বামী সরাচিত নির্জনে এক কী থাকিতেই বলিয়া বােধ হইয়াছে। সেই অবধি আমি সংসারবাসনার আবেগ তিনি ভাল বাসেন। তিনি আমার প্রতি হেক্ট অরসিক পরিত্যাগ করিয়া আকাশসঞ্চরণ হেতু ভীব্র খেচরী-বিদ্যা অব- হইয়া মৌনবলম্বন করিয়া আছেন। মনে হয়, আমার জীবন লক্ষন করিয়া অবস্থান করিতেছি। সেই খেচরী-বিদ্যাবলে আমি বৃথা। (ৰাচিয়া থাকায় আমার কোন ফল নাই। যাহার স্বামী আকাশপথে ভ্রমণ করিতে শিখিয়ছি। আকাশবিহারশক্তি এরূপ আসি, হার সে স্বামী থাকা আগে বিধবা হওয়া আমার এক বেশ অভ্যস্ত হইয়াছে। এই শক্তিবলে আমি ভাল, মরি যাওয়া ভাল, ব্যাধিগ্রস্ত বা কোন প্রকারে সিদ্ধানের সহিত শাবার্তা কহিতে সমর্থ হই। তাহার বিপন্ন হই। খাও সহ । যদি সময় যুষ। স্বামী পরে আমি ভাবনাবলে আপনার আবাসভূমি ব্ৰহ্মাণ্ডের পূর্বাপর নির্বাণ- এক-উত্তরভাগ সমস্তই নিরীক্ষণ করত হৃদয়ে ভাদৃশভাবনা সুদৃঢ় করিলাম , চঞ্চল ভযুক্ত দিবসরূপ কমলসকল সকল সময়ে সকল স্থানে ক্রমে সে তালাশক্তি আমার সিদ্ধ হইয়াছে। অর্থাৎ এক্ষণে বিকসিত হইতেছে। সেখানেও চত্র চক্রিকারূপ চন্দন । আমি ভানেলে কাস্থ আমলকীলের আয় সমস্ত জগৎ চতুর্দি লেপন করিয়া রজনী ও রােহিণীদেবীর হৃদয়স্থিত অম দেখিতে পাইতেছি। তৎপরে জগতের মধ্যভাগ সমস্ত দর্শন (রজনীপক্ষে ম-অন্ধকার, রোহিণী পক্ষে তম—শোক ) দক্ষ করিয়া তাহার বাহিরে বৃষ্টিপাত করিয়া দেখিলাম, লােকা করিয়েছেন। সেখানেও আকাশে দিগুলরূপ বর্তিকা হইতে লােক পর্বতের বৃহৎ নিলা রহিয়াছে, সে শিলার কথা পুর্বে বলি মীহাররূপ মেহক্ষয়কারী সূৰ্যরূপে প্রদীপ বায়ুবন্ত্র দ্বারা সঞ্চালিত আছি। ১৬-২০। হে মুনে। এত দিনের মধ্যে আমাদের উক্ত হইয়াই ভূতল ও গগনরূপগৃহে (আলােক গান দ্বারা) লােভ য়ের কাহারই ব্রহ্মাণ্ডের পারদর্শনেচ্ছা হয় নাই, অন্য ইচ্ছা করিয়া আছেন। ৬-১০। সেখানেও ত্যাবাভূমি ( আকাশ ও হইয়াছে। আমার স্বামী কেবল বেদার্থের চিন্তাতেই মগ্ন, ভূতল) ঘরটম্বের ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। আকাশে সর্বদা ঠাহার কোন বিষয়ে ইচ্ছা নাই, ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমান কোন প্রমিত গ্রহনক্ষত্ৰচক্র ট্রযন্ত্রের উপৱিতন ঘূর্ণিত পাষাণখণ্ডবৎ ঘটনাই তিনি অবগত নহেন। সেই কারণে আমার স্বামী বিঘা শােভা পাইতেছে। ঐ যন্ত্র বায়ুরূপ রজু দ্বারা আবদ্ধ। ব্রহ্মা ঐ হইয়াও পরমপদ লাভ করিতে পারেন নাই। আজ আমরা দুই যন্ত্র সঙ্কল্পবল নিৰ্মাণ করিয়াছেন। কনক্ষত্র ঐ ঘরটন্ত্রের জনেই যত্ন করিয়া পরমপদ লাভ করিবার বাসনা করিয়াছি। হে মধ্যবর্তী কীলক (খোঁটা)। ঐ ঘরটুযন্ত সৃষ্টিকাল হইতে আরম্ভ ব্ৰহ্মন। আমার প্রার্থনা, যাহাতে পরমপদ লাভ করিতে পারি, করিয়া নিয়তি দ্বারা বুর্ণিত হইতেছে; ঐ যন্ত্রে ভূসমূহুরুপ অতএব আপনাকে আজ আমার প্রার্থনা সফল করিতে হইবে। ততুল পিষ্ট হইতেছে। ক্যাপৃথিবীর কপাটরূপী জলধরের মহতের নিকট অখী হইয়া আসিয়া কেহই কখনও বিফলমনাে- গর্জন ঐ ঘরট্রযন্ত্রের স্বরধ্বনি। সে জগতেও ভূমণ্ডল সাগর, রথ হইয়া ফিরিয়া যায় না। হে মানদ । আমি সিগণের মধ্যে দ্বীপ ও পর্বতমালায় আকীর্ণ, আকাশ বিমানরূপ নগরীতে অনেক স্থানে অনুসন্ধান করিয়া দেখিয়াছি, আমাদের অজ্ঞান পূর্ণ । পালপ্রদেশ দৈত্য দানব ও নাগগণে পরিপূর্ণ। সেখানেও দূর করিতে সমর্থ আপা ব্যতীত আর কেহই নাই। হে ব্ৰহ্ম। নীলবর্ণ ভূমণ্ডল চপলা ত্রৈলােক্যলক্ষ্মীর মণিময় কুণ্ডলের স্থায় দে করুণাসিদ্ধে। । সাধুগণ বিনা কারণেই (উপকারের আশা শােভিত হইতেছে। সেখানেও স্থাবর-জম সমস্ত জীবজাতি না করিয়াই) আর্থিগণের বাঞ্ছা পূরণ করিয়া থাকেন। আমি আপ- বুদ্ধিবৃত্তিশুন্য বাহ বায়ুপক্ষের স্থায় অন্তরে সূক্ষ্ম প্রাণরূপ স্পন্দ- নার শরণ গত, আমাকে উপেক্ষা করা আপনার উচিত হয় না। সংবি লইয়া অমরহণ করিয়েছে। সেখ নেও ঋষিগণ স্ব স্ব কৰ্ম আপনিই আম কে প্রত্যাখ্যান করিবেন না।২১-২৬। করিতেছেন। পৃথিবী যথাস্থানে সলিলে পূর্ণ রহিয়াছে, সমীরণ পঞ্চষ্টতম সর্গ সমাপ্ত। ৫। বানরের চপলতা করিতেছেন। আকাশ অবকাশযুক্ত (ফাকা) রহিয়াছে। জে আপনার দীপ্তিক্রিয়া সম্পাদন করিতেছে। সে জগতেও খেচর, ভূম, জলচর, বনচর, প্রাণিগণ জাত ও মৃত যষ্টিতম সর্গ। হইতেছে। পশুপালক যেমন সযত্নে পশুপালন করে, সেইরূপ বশিষ্ঠ কহিলেন,—“সেই ব্রহ্মাণ্ডগগনে কল্পিত আসনে সমা- সেখানেও কাল-কল্প-যুগ ও বংশরাদি নিজ বাহ-নিচয়ের বলে সীন বিদ্যাধরীর এই কথা শ্রবণ করিয়া, সেই আকাশেই কল্পিত সুরানুর হৃদি প্রজাবর্গের পান করিতেছেন। সেই সমস্ত আসনে উপবেশনপূর্বক তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম,—হে বালে। এজাবগও অনন্ত অগাধ গতীর কালসাগরে আবর্তের তার আপনার ত মূর্তি রহিয়াছে দেখিতেছি এবং আপনি যে পাষাণ- বারবার উৎপতিত ও বিলীন হইতেছে। চতুর্দশ প্রকার বিবরের কথা বলিলেন, তাহাতে ত সূক্ষ্ম কেশাগ্রও থাকিতে পারে জীবরূপ ধূলিল্লাশি বায়ুপালিত হইয়া শরৎকালের যায় অবাকত এমন স্থান নাই, অতএব সেই শিলাষধ্যে আপনি থাকেন (অধিষ্টানভূত নির্বিকারচিৎ) আকাশে বিলীন হইতে কিরূপে? তথায় গতায়াতই বা করেন কিরূপে? এবং কি ১১-২০। উচ্চক্ষত্ৰচয়রূপ ভূষণখারিণী অনুরবসনা স্বৰ্গদেশী জন্যই সেই স্থানে অবস্থিতি করেন, তাহা আমাকে বলুন। চক্ৰসূর্যের কিরণরূপ চামর বীন করিয়া প্রমুপ্ত জগৎকে বিদ্যাধী কহিলেন,-মুনির। আপনাদের এই জগৎ বেরুপ প্রবােধিত করিতেছেন। অতি সহিষ্ণু দিকসকল, বাত্যা, ভূকম্প, বৃহৎ, সেই শিলামধ্যে আমাদের দ্রুপ বিশাল জগৎ রহিয়াছে; মেঘাড়স্থরাদিজনিত ক্লেশ স্বস্থানে থাকিয়াই সহ করত যেন তাহাও একটা বৃহৎ সংসার। সেখানেও পাতাল আছে,পাতালে অত্তিত হইয়াছে। সেখানেও ভূকম্প, উল্কাপাত, অনাবৃষ্টি, নগনিচয় আছে, পৃথিবী আছে, পর্বত আছে, এল আছে। বাত্যাপ্রভৃতি উপদ্রব হইতেছে, জ্যোতির্বিদগণ সে সমস্ত আকাশে বায়ু বহিতেছে। অখিসলিল সাগর শােভা পাই- উপদ্রবের পূর্বেই লােকদিগকে বলিয়া দিতেছেন। কাল তেছে। এজাৰগও তথায় গতিবিধি করিতেছে। ভূতগণ সর্বদা যেমন কলষ্টি হইতে আরম্ভ করিয়াভূতসমূহ গ্রাস করিতেছেন, জন্মিতেছে ও মরিতেছে, বায়ু বহিতেছে, অসতরঙ্গ ছুটিতেছে, সেইরূপ ঝাড়বানলও সেখানে প্ৰলিত হইয়া সসাগরের জল আকাশে দেবগণ বিশ্বাস করিতেছেন। বৃক্ষ আছে, আকাশে পন করিয়া ফেলিতেছে। সে জগতেও ঠিক তােমাদের জগতের গ্রহনক্ষত্রের উদয় আয়; রাজশণ পৃথিবী পালন কৰিছে রায় পাতালৰলি পাতালে, গগনচরিশ গগনে, ভূতলবা»ি » নদীসকল কেমন অমূদ্রগামিন, সেইরূপ সেখানে দেব, দানব, ভূলে অফস্থিতি করিতেছে। বায়ুর গতি অনুসারে পর্বত, মানবদিগের আচার-ব্যবহার আকন (তের অস্থিতি পর্যন্ত) মহাসাগর পনিও পরিবর্তিত হইতেছে।২২৫। চলিয়াছে। ১৭। সেখানকার লোককাপ মেয়ের যেরূপ ইষ্টিজম সর্গ সমাপ্ত ।। - ন বােগশ-রামায়ণ। ৬৫ ৩ এই অগং আমি স্পষ্ট দেখিতে পাইতাম, সেইজন্যই যাহা হউক সপ্ততিতম সগ। আদর্শপ্রতিবিম্বের স্যায় ফুটবেও দর্শন করিতে পাইতেছি। বিদ্যাধরী কহিলেন,—“হে মুনে। আপনি অনুগ্রহ করিয়া আপনি একেবারেই দেখেন নাই, সুতরাং আজ দেখিবেন একবার আমাদের ভাতে আসুন। আমি জানি, মহত্যে অদ্ভুত কিরণে? প্রভাে। অনেকক্ষণ রথ কথাবার্তায় কালাতিপাত করি- ঘটনা দেখিবার নিমিত্ত কৌতুহলী হইয়া থাকেন সেই জন্যই আছি, সেই কারণে বিশু আৰািহিক গরূপের সহিত দেহাত্মতা আপনাকে অনুরােধ করিতেছি, আপনি শিলামধ্যে আমাদের জগৎ বাহাতে অনন্ত বিশুদ্ধভাব বিরাজিত, তাহা ভুলিয়া গিয়াছি। কিরূপে রহিয়াছে, তাহা একবার প্রত্যক্ষ করল)।” সেই বিশুদ্ধ চিকাশের বারবার আস্বাদন করিয়া অন্তরে যে একটা বিদ্যাধরী আমাকে এই কথা বলিলে পর, নিরাকার গন্ধ যেমন অভ্যাস (সুদৃঢ় সংস্কার) উদ্বুদ্ধ হইয়া থাকে, অনুকরণও ঠিক ত্যার সঙ্গে সঙ্গে অলক্ষিতভাবে শূন্যে উঠে, সেইরূপ আমি য় হইয়া যায় , ইহা আবালবৃদ্ধ সকলেরই হইয়া থাকে। শূন্যৰূপে সেই শূন্যরূপিণী বিদ্যাধরীর সহিত আকাশে চঙ্গিতে অভ্যাসলে সিদ্ধ হয় না, এমন কাৰ্যই নাই। যাহার অভ্যাস লাগিলাম। অনন্তর আমি তাহার সমভিব্যাহারে যাইতে গাইতে নাই, তাঁহার এক অবিচার সৎ শ্রবণ বা ভাবনা সবই সুমধুর আকাশপথ অতিক্রম করিয়া নভশ্চারী দেবাদি জীবের বৃথা। ১৯৭১। আমি আপনার তের অনুরূপ ভমে আবাপ-ভূমিতে উপনীত হইলাম। সে স্থান অতিক্রম করিয়া পতিত থাকিলেও আপনার জগতে গিয়া আপনার সহিত কথােপ, অনেকক্ষণের পরে খেভমেঘমণ্ডিত কোনাে কথনরুপ ভম আমাকে আকৃষ্ট করিয়াছে , অর্থাৎ আপনার সহিত শিখরাকাশে গিয়া উপস্থিত হইলাম। তাহার পরে সেই বিদ্যা- কথােপকথন অনেকক্ষণ আচৰিত হওয়ায় এক্ষণে তাহাই আমার বরী উত্তরদিকের পাশে অবস্থিত চন্দ্রবং শুভ্র মেঘমণ্ডল হইতে হৃদয়ে সংস্কররূপে জাগরূক হইতেছে, এই জন্যই আমার নিজ নির্গত হইয়া আমাকে সেই তপ্তকাঞ্চনকাল্পত উন্নত শিলার জগতের অনুভৰ-সংস্কার তিরােহিত হইয়াছে। তখার নিকটে লইয়া গেলেন। ১৫। সেখানে গিয়া দেখিলাম, কারণ অতীত ঘটনা ও বর্তমান ঘটনা এতদুভয়ের মধ্যে বর্তমান রৌপ্যময় শুভ পাষাণই কেবল অালাক্রান্ত পর্বতটের ন্যায় ঘটনারই প্রভাব অধিক। হে মুনে। যাহারা আপন আপন শােভা পাইতেছে, আর কিছুই সেখানে নাই। (সেই বিদ্যাধরী অভীষ্ট সাধন করিতে ইচ্ছুক, তাহারা অভিজ্ঞ লােকদিগের কথিত) অগৎও সেখানে দেখিতে পাইলাম। তখন আমি সেই উপবিষ্ট উপায়ে সেই কয্যের জন্য বারবার চেষ্টা না করিলে রমণীকে জিজ্ঞাসিলাম,—“আপনি যে জাতের কথা বলিয়া কিছুতেই তাহার ফললাভ করিতে পারে না। ( এক কথায় কেহই ছিলেন, তাহা কোথায়? আপনি যে সূৰ্য্য, অগ্নি, ক্ষুদ্র ও নক্ষত্রাদির কোন কাৰ্য্য সাধন করিতে পারে না। এই যে আমার আমি কথা বলিয়াছিলেন তাহা কোথায়? সপ্তলােকই বা কোথায়? ইত্যাকার অজ্ঞান্তি হয়ে দৃঢ়রূপ গ্রথিত ছিল, জ্ঞান- সমুদ্র, আকাশ ও দিকুসনুদাষ কোথায় ও প্রাণিবর্গের জন্মমৃত্যু চর্চায় তাহা এক্ষণে বিলুপ্তপ্রায় হইয়াছে, অভ্যাসের মহিমা কোথায়? প্রকাণ্ড যেখাড়ম্বরই বা কোথায় ? নক্ষত্রনিচয়মণ্ডিত কতদূর, তাহা একবার বিবেচনা করিয়া দেখুন। ২২-২৪। আকাশই এখানে কোথায় ? পর্বতশ্রেণী কোথায় ? মহাসাগল্প- | আমি আপনার শিষ্যতুল্যা অবলা নারীজাতি হইয়াও এই শিলার শ্রেণ কৈ? সগুণীপ কোথায় ? কাঞ্চনমন্ত্রী অবনি কোথায় ? | উপরে জগৎ দেখিতে পাইতেছি, আর আপনি সর্বজ্ঞ হইয়াও কালের ক্রিয়াই বা কোথায় ? ভূত ও অগভ্রমই বা কোথায়? দেখিতে পাইতেছেন না, ইহার কারণ কেবল অভ্যাসই জানি- বিদাধর, গন্ধ, দেব, দানব, নর, মুনি, ঋষি, রাজা প্রভৃষ্মিই বেন। এভাসলে বিজ্ঞ হয়, পর্বত চূর্ণ করিতে পারা বা কোথায়? সুনীতি, দুর্নীতি, পুণ্য, পাপ , স্বর্গ, নরক, এ যায়, বাণ দ্বারা সুস্থিত লক্ষ্যও বিদ্ধ করিতে পারা যায়, বই সমস্তই বা কোথায়? দিব, রাত্রি, প্রহর, মুহূর্ত, এভৃতি কান অভ্যাসেই মহিমা আনিবেন। মিথ্যাজ্জনরূপিণ বিচিকা যে বিভাগই বা এখানে কৈ? দেব-দানবের শত্রুতা, ও অন্যান্য | এইরূপে বৃত্তি প্রাপ্ত হইয়া সত্যরূপে সুদৃঢ় হইয়া যায়; তাহা জীবনের ভালবাসা ও বিষে এখানে কোথায়? আপনি যাহা বিচারের অভ্যাসে (বারংবার জন্য বিচার করিতে করিতে) বিল যাহা বর্ণন করিয়াছিলেন, কৈ তাহার ত কিছুই এখানে দেখিতে প্রাপ্ত হইয়া যায়। হে মুনে অভ্যাসগুণেই কটুভ্রব্য মিষ্ট পাইতেছি না।—১। আমার এই কথা শুনিয়া সেই ভূজ লাগিয়া থাকে। বোধ হয়, দেখিয়া থাকিবেন যে, কাহারও নিন্ম লােচনা ববর্তিনী বিমিভাবে সেই শিলার দিকে দৃষ্টিপাত করিয়া গ ভাগে, কাহারও মধু ভাল লাগে (অভ্যাসের গুণে।। আমাকে কহিলেন, হে মুনে। আমি আপনার নিকট যাহা যাহা সর্বদা নিকটে থাকারূপ অভ্যাসের ও অনাত্মীও আত্মীয় বন্ধু বলিয়াছিলাম, তৎসমস্তই আমি গণপ্রতিবিম্বের ন্যায় দৃষ্টিগাে হইয়া যায়, আবার সর্বদা দূরে থাকারূপ অভ্যাসলে আপনার করিতেছি। এখনও যে আমি ইহা দেখতে পাইতেছি, তাহার প্রিয় অডিও গলা কমিয়া যায়। বিশুদ্ধ ভিদাকাশ যে কাৰণ নিত্য অকুল,আপনি কার হার কমে নাই; অভিহিক কে বলিন হইতে হইতে জর আধিভৌতিক শাপলার হাপটে এই জাতের মত আর অঙ্কিত নাই, এই বলিয়া থারণ লুট হয় , অাও এলে এতে আলি- কাশেই আপনি ইহা একেবারেই দেখিতে পাইলেন না। আর কেন। ২৫-৩। ঐ আধিভৌতিক জােহই আবার যারা একন, আমরা অনেক দিন হইতে এই বিয়ের আলােচনা অভ্যাস গুণে পশীর কাশে অকে; অভ্যাসের আছি; এই অ যাহা এখন বিহিক যে কি এভুত মহি, অহা এবার বিজয় কৰি নেন। পূe আমরা ভুলিয়া বিছি, এজৎ এর বিল; ইহা আজ বিফল হয়া যায়, উখি গেলিলিও বিল হইতে পারে, অনেকদিনের জন্য, আবাপি আমার কাছে ইহা আকাণে জগও বিশ(বিপরীত) হইয়া থাকে। কিন্তু এভাল বই পরিতাছে; আমি পষ্ট দেখিতে পাইতেছিনা। পূর্বে বিফল হয় না। অভ্যাসে এমনই এ সেবনে) নির্বাণ-করণ-উত্তরভাগ হইল না। সাধ্য কাৰ্যও সাধিত হয়, ক্রিও মিত্র হইয়া যায়, যিষও না, অতএব আমরা এক্ষণে সমাধিরূপ ধারণালে প্রাচীন আড়ি অযুত হইয় উঠে। যিনি অভীষ্ট কাধে অভ্যাস ত্যাগ করেন, বহিকভারে অভ্যাস করি, তাহা হইলে পরে শিলার অন্তর্গত তিনি অথম। বন্ধ্যার যেমন সন্তান হয় না, সেইরূপ তিনি অগং প্রকাশ হইবে। বশিষ্ঠ কহিলেন, বিদ্যাধরীর ঈদৃশ বাক্য কখনই কাৰ্যসিদ্ধ করিতে পারেন না। ৩১-৩৪। বারংবার যুক্তিযুক্ত বিবেচনা করিয়া আমি সেই সেই পৰ্বতের অধিত্যকা- অভ্যাসে যে সমস্ত লৌকিক সৎ কৰ্ম্ম আপনার অভিমত প্রিয় প্রদেশে পদ্মাসনে সমাসীন হইয়া সমাধি করিতে লাগিলাম। তখন বলিয়া বােধ হইয়াছে, সে সমূদয় কৰ্ম্মও সহসা পরিভাগ কর। আমি নিখিল বার্থের ভাবনা পরিত্যাগ করিয়া একমাত্র চিৎ- উচিত হয় না। তবে পূনঃপূঃ বৈরাগ্য অভ্যাস করিয়া সেই সমস্ত স্বরূপে ভাবিত হইতে লাগিলাম। সেই ভাষলে ক্রমে আমি কর্শের প্রতি আস্থাশূন্য হইয়া বেগিগণ যেমন মৃত্যু পর্যন্ত আপ- পূর্বকথিত আধিভৌতিক-ভাবনাজনিত আধিভৌতিক-সংস্কাররূপ নার জীবন রক্ষা করে, মৃত্যুকাল উপস্থিত হইলে তবে যােগ দ্বারা মলা পরিত্যাগ করিলাম। অনন্তর শরৎকাল উপস্থিত হইলে জীবন পরিত্যাগ করে; সেইরূপ ক্রমে যুক্তিপূর্বক তাহা পরি- আকাশ যেমন নির্ধলভাষ বারণ করে, সেইরূপ আমি চিদাকাশ- ত্যাগ করিবে। যে ব্যক্তি অভীষ্ট জ্ঞান লাভ করিতে পুনঃপুনঃ ভাব প্রাপ্ত হইয়া পাদৃষ্টি প্রাপ্ত হইলাম। তাহার পরে সেই যত্ন না করে, সে নরাধম । সে অনষ্ট কাধের জন্য পুনঃপুন চিন্ময়ী ভান সত্যরূপে সুদৃঢ়ভাবে অভ্যস্ত হওয়াতে আমার যত্ন করি, কেবল অনিষ্ট প্রাপ্ত হয় -ঘাের নরকে পতিত হয়। দেহের উপরে আধিভৌতিক ভ্রম একেবারে অন্তমিত হইল, সঁহারা আত্মবিচারবিষয়ে অভ্যাস পরিত্যাগ করেন না, তাহা- তখন আমার ভাস্থলে কেবল স্বচ্ছ মহাচিদাকাশতাব উলি রাই সংসারকে অসার বলিয়া বুঝতে পারিয়া গভীর মায়া-নদী হইল , সেই মহাচিদাকাশভাবে অন্ত উদয় কিছুই লক্ষিত হইতে উত্তীর্ণ হইতে পারেন। ৩৫-০৭। অন্ধকার রাত্রিতে ঐ ভাব সদা স্বকালরূপে প্রকাশিত হইতে যে ঘট দেখিতে ইচ্ছুক, প্রদীপের আলোেকই তাহাকে নিৰ্বিয়ে লাগিল। অনন্তর নি সাক্ষীস্বরূপে নিৰ্ম্মল ভেজে দেখিলাম, ঘট দেখাইতে পারে, সেইরূপ অভ্যাসই অভিমত বন্তু প্রকাশ সম্মুখে আকাশ ও শিলা কিছুই নাই। কেবল পরমতই করিয়া নিয়ে প্রদান করিয়া থাকে। কল্পবৃক্ষ যেমন বাচকের দেদীপ্যমান রহিয়াছে। তখন বুঝিলাম, সেই পরমার্থক্ষণ পরম- মনােমত ফল দান করে, চিন্তামণি যেমন অভীষ্ট ফল বিজ্ঞান ওই আমার আত্মা, সেই আত্মাই পাষাণময়ী ভালায় পাষাণ করে, শরৎকাল যেমন শস্যফল প্রদান করে, অভ্যাসও তদ্রুপ, দর্শন করিয়াছে। স্বল্পকালে যেমন গৃহমধ্যে কুৎশিলা রহিয়াছে অভীষ্ট ফল দান করিয়া থাকে। অভীষ্ট বস্তুর (আত্মজ্ঞানের) | বলিয়া দেখা যায়, (স্বল্পকালে আত্মা যেমন শিলাভাব ধার- পুন পুনঃ দৃঢ় অভ্যাসরূপ সূধ জনগণের অন্তঃকরণ এইরূপভাবেই করে) সেইপ সেই বিশুদ্ধ নির্মল চিলাকাণই ঐ শিল- আলোকিত করে যে, তাহাদিগকে কখনই আর দেহ-ভূমিতে ভাৰে পরিণত হইয়াছিল। এই যে শিলাভাব দর্শন, ইহা স্বপ্ন ইন্দ্রিয়ােস্ত্রী মােহনিদ্রাদামিনী রজনীর মুখ দেখিতে হয় না। যদি বল, ইহাকে আগ্রহ অবস্থায় ব্যবহার বলিয়া বােধ হয় একমাত্র অভ্যাসরূপ সূর্যই সকল জীবের ফয়ে সকল প্রকার কিরূপে? তাহার উত্তরে বলিতেছি শ্রবণ কর, বােধ হয় দেখিয়া বস্তু প্রকাশ করিয়া থাকে। (অর্থাৎ অভ্যাস ব্যতীত কোন থাকিবে যে, স্বপ্নেও লেকে অধিক ব্যাপিয়া স্বপ্ন দেখিতেছে, কৰ্ম্মই সিদ্ধ হয় না। এই যে চতুর্দশ প্রকার জীবজাতি; এখন আমি প্রবুদ্ধ রহিয়াছি এইরূপ বোধ করিয়া, নিজে ইহাদের মধ্যে কেহই অ্যাপ ব্যতিরেতে কোন কৰ্ম্মই সিদ্ধ অ সুপ্ত পুরুষের স্বপ্নদৃষ্ট পুরুষ হইয়াছি, এই স্বপ্ন দেখি। করিতে সমর্থ হয় না। এক কাৰ্য পুনপুন করাকেই অভ্যাস নিজে প্রবুদ্ধ আছি, যাহা দেখিতেছি, করিতেছি ইহা আমার বলে , সেই অভ্যাসই পুরুষার্থ . সেই অভ্যাস ব্যতীত অভীষ্ট আগ্রন্থ অবস্থার কাৰ্য, এই বলিয়া মনে করে, সেইরূপ সিদ্ধির আর কোন উপায় নাই। নিজের বিবেক-বুদ্ধিতে শিলাভাৰদৰ্শনরূপ স্বপ্নও দীর্ঘকালব্যাপী হইলে আঘৎ বলিয়া যাহা অভিমত বলিয়া বােধ হইবে, তাহা সাধন করিতে বােষ হয়। ১-১০। সুপ্তহইয়া স্বপ্ন দেখিতে দেখিতে যাহারে হইলে দৃঢ়ভ্যাসনামক যত্ন করিতেই হইবে, নতুবা কিছুতেই মন্তক কর্তিত হয়—অর্থাৎ নিহত হয়, তাহাদের সেই স্বপ্নেই সিন্ধি হইবে না। জিতেত্রি পুরুষের হৃদয়ে অভ্যাস গ্রৎসংসারের কাৰ্য হইয়া যায়, কারণ এর আক্ষরিত হইতে সাত উদিত থাকিতে এমন কোন কাৰ্য্যই নাই, যাহাসে সিদ্ধ পারে না; স্বপ্ন দেখিতে দেখিতেই মৃত্যুযন্ত্রণা দুভব করিয়া করিতে পারে না। এ অভ্যাসের গুণেইভীর লােক ঘের প্রাণত্যাগ কর; সুষ সে স্কুলে স্বপ্নই তাহাকে জাগ্রন্তানে সাহসী হইয়া হিংস্ৰজন্তু-সমাকীর্ণ ধাের কাননে, পর্বতগুহায় পর্যবসিত হয়, ইহা এই স্বীকার করিতে হইবে। পঞ্চের সর্বত্রই নিয়ে বিতরণ করিয়া থাকে। ৪১-৪৫। মূলীভূত আননিত্রার উচ্ছেদ হইলে বােধ হয়, তাহলেই এরুত s বা উদিত; সে এব মহেন্ত । সমি দশমা।। লির জন্য বহু আসে অনেককার পরে আর থাকে। এ ব্যতিরেকে ব যখন শ কিছু নই, অন অবষ্টিতম অঙ্গ। তােমরা সব কিছু দে, সংশেই বিশুদ্ধ বাণ; আমিও সেই বি টিন একাকেই দিলারে এ কবি- বিদ্যাধরী কহিলেন—“মুনি! এক্ষণে আমাদের সমাধিরূপ ছিলাম। সেখানে পৃথ্যাদি নামে বাগুৰ কোৰ পৰাই এ অভ্যাস না করিলে দেণিতে আধিভৌতিক বুৰি নিবৃত্ত করিতে পারি নাই। তিনি স্কুলের পুর্বে পারমার্থিক যে হইবে না, অতিবাহিকতাবও পালিত হবে না; তা না হই আকার ছিল, তবিদগণ আর আই লাভ করেন। লেও সাক্ষীরূপে অপরজগতের প্রত্যক্ষ দর্শন করা যাইতে পারিবে পহ্মের যে আফা, এই খিল ভূলে পাখি যােগবাণিত-রামায়ণ T আকার, সেই আকারই ক্রমশঃ মনােরজ ও সঙ্কল নামে করিয়া দেখ। যাহা সপ্রথমে প্রত্যক্ষ হইয়াছে, সেই সাক্ষী পর্যবসিত হইয়া মুট লোকদিগের নিকটে জগৎ বলিয়া স্বরূপ চিংসকেই প্রত্যক্ষপে দর্শন কর। যাহাতে লোকদের অঙিহিত হয়। মাশবলিত ব্রহ্মের জগৎ-অর-সম্বলিত যে অনুভব হয়, সেই প্রত্যক্ষ পরিত্যাগ করিয়া যে ব্যক্তি মায়াম সত্তা, তাহাকেই অতিবাহিক গেই বলে। বাস্তবিক তাহা পর- ঐহিক প্রত্যক্ষ স্বীকার করে, সে অতি মূঢ়।২৬-০৪। অতএব ব্ৰহ্মাই, পরল হইতে কিছুমাত্র ভিন্ন নহে। নিত্য প্রত্যক্ষ বিশুদ্ধ নিখিলভূল্পে আতিবাহিক আকারই সত্য, তাহাতে আধিভৌতিক চিশই ঐ অভিবাহিক দেহরূপে প্রকাশিত হয়। ১৯১৬। জ্ঞান পিশাচদর্শনে গায় অলীক। যাহা মিথ্যা সঙ্কল্পময়, তাহা এক্ষের বেসত্তা অতিবাহিক দেহ বলিয়া উল্লেখ করিলাম, ঐ সত্তা প্রত্যক্ষ ও সত্য হইবে কিরূপে? যাহা নিজেই মিথ্যা, তাহা সৃষ্টির পূর্বে চিদাভাসাত্মক জীবের প্রথম অতিবাহিক দেহ, কাৰ্য্যকারীই বা হইবে কিরূপে? যেখানে প্রত্যক্ষই অসৎ, সেখানে উহা প্রথম সমষ্টিৰূপে অবস্থিত থাকে, হিরণ্যগর্ভ ঐ দেহের সত্যই বা কিরূপ হইৰে? অসিদ্ধ বস্তু দ্বারা সাধিত বস্তু কোথায় নামান্তর ঐ আতিৰাহিক দেহ দুদ্ধিবশতঃ সমষ্টিভাব বিস্মৃত সত্য হইতে পারে ? আধিভৌতিকের প্রত্যক্ষ যখন অসিদ্ধ হইল, হইয়া ব্যষ্টিভাবে পরিণত হইলে সর্বসাধারণের প্রত্যক্ষ মন নাম তখন অনুমানাদি কিরূপে যথার্থ হইবে ? যেখানে হস্তী গতায়াত ধারণ করে। সমষ্টিভাবে উহা কে যেগীদিগেরই প্রত্যক্ষ করে, সেখানে যে মেষ গতায়াত করিবে, তাহার আর কথা কি ? ব্যষ্টিভাবে উহা সকলেরই প্রত্যক্ষ হয় , ফলতঃ উহা একই চিং, অব প্রমাণ দ্বারা সিদ্ধ দৃশ্য কুত্রাপি নাই। যাহা রহিয়াছে, অরূপ, রােই কেবল বিভিন্ন ধারণ করিয়াছে ।১৭-২০। তাহা সেই চিখন ব্ৰহ্ম। স্বল্পকালে স্বপ্নদ্রষ্টার গৃহের আকাশেই এই এক্ষণে যাহা প্রভাক্ষ করা যাইতেছে, সর্বসাধারণের হইলেও যেমন পৰ্বত প্রতীত হয়, অপরের গৃহক শে জাহা হয় না, উহা বাস্তবিক মিথ্য। হে রাম। যােগীদিগের যাহা প্রত্যক্ষ হয়, সেইরূপ আমরা শিলাভাবনাবিশিষ্ট হওয়াতে আমাদের চিই তাহাই ঠিক প্রত্যক্ষ ভহাই প্রকৃত প্রত্যক্ষ বলিয়া জানিও। শিলা হইয়াছিল। আমাদের আত্মা তখন এই পত, এই কি আশ্চর্য্য মায়'। যাহা প্রথমে প্রত্যক্ষ ছিল, সম্প্রতি তাহা আকাশ, এই অগং’এইরূপ ভাবনাময় হইয়াছিল বলিয়াই আকাশ একেবারে পরােক্ষ হইয়া গিয়াছে। যা কোন কালে প্রত্যক্ষ তখন তাদৃশ বিচিত্রভাব ধারণ কহিয়াছিল। যিনি প্রবুদ্ধ, তিনিই হয় নাই (একেবারে মিথ্যা) তাহাই আজ প্রত্যক্ষ হইয়া ইহা বুঝিতে পারেন, যিনি প্রবুদ্ধ নন, তিনি কখনই তাহ উঠিয়াছে। এ কেবলই মায়ার খেলা। অতিবাহিক দেহ- বুঝিতে পারেন না। যে কথা শ্রবণ করে, সে-ই তাহার অর্থ যাহা প্রথমে উখিত হইয়া প্রত্যক্ষ হইয়াছিল, তাহাদিগকেই তুমি বুঝে, যে শ্রবণ করে নাই, সে বুঝিবে কিরূপে? অথবুদ্ধ সত্য ও সর্বব্যাপী বলিয়া জনিও। আর এই আধিভৌতিক মেহ, ব্যক্তির নিকটে এই ভ্রান্তি সত্য হইয়া উঠিয়াছে। বৃক্ষ পর্বত ইহা কেবল মায়া। অবর্ণে বয়াৰ অনুভূত হইলেও তাই। এক স্থানে স্থিরভাবে দমন থাকলেও উন্মত্ত ব্যক্তির নিকটে যেমন নাই, সেইরূপ অভিবাহিকে আধিভৌতিকভাৰ কিছুই বৃক্ষ পৰ্বত নৃত্য করিতেছ বলিয়া প্রতীত হয়। যাহাৱা ঘােগী নাই, বিচারশক্তি-বিবেকশক্তি না থাকাতেই জীব ভক্তিকে দিগের প্রত্যক্ষ পূৰ্ণানন্দস্বরূপ বুঝিতে পারিয়াও অন্য তুচ্ছ ভ্রান্তি ও অন্তিকে ভ্রান্তি বলিয়া বােধ করে। কি আশ্চর্য্য চমুরাদিপ্রত্যক্ষ প্রমাণ বলিয়া স্বীকার করে, তাহারা মােহ। বিচার করিয়া দেখিণে আধিভৌতিক দেহ কুত্রাপি পাও। তুখের মায় অসার, সেই শঠদিগের স্বারা কোনই প্রয়ােজন যায় না, পরন্তু আভিবাহিক দেহ কি হইলােকে কি পরলোকে নাই। ৩৫-৪৩। সর্বত্রই অক্ষয় রহিয়াছে। মরুভূমিতে যেমন মিথ্যা বারিকুক্তি আটষট্টিতম সর্গ সমাপ্ত। ৮। হইয়া থাকে, সেইরূপ অতিবাহিক দেহে বুখা থিভৌতিক ভানা দৃঢ় হইয়া উঠিয়াছে। ২১-২৫। স্বাণুতে যেমন পুরুষ- ভাতি হয়, সেইরূপ অভিবাহিক দেহে আধিভৌতিক জ্ঞান দেহ একোনসপ্ততিতম সর্গ নজনিত ভাতিমাত্র। ভ্রান্তিবশে শুক্তিকায় যেমন রৌপ্যভাবের জ্ঞান, মরীচিকায় অজ্ঞান ও চনে জিজ্ঞন হয়, সেইরূপ বাহায় অবৎ প্রতীয়মান হয়, সেই অদৃশ্য-সূৰ্যাদি জ্যোতি বশিষ্ঠ কহিলেন,-“জ্ঞাননেত্রে দর্শন করিলে, জগৎসকল অতিবাহিক হে আধিভৌতিক জ্ঞান কায়াশেই হইয়া থাকে। পদার্থেরও এবিষয়, নিরাময় ব্রহ্মই ঐ শিদিরূপ রূপে জীবের অধিবেজনিত মােহের এমনই অদ্ভুত মহিমা যে, যাই এভীৱমান হয়। সেই মহাকাশ ব্ৰহ্মৰূপ মহাণপণে লৈ নদী মিথ্যা, তাহাই ত হইয়া উঠিছে, যাহা সত্য, তাহা মিথ্যা হই পৰ্বত প্রভৃতি নিখিল ভ্রম প্রতিবিম্বের ন্যায় প্রতীয়মান হইয়া ছে। যােগীলিগের প্রত্যক্ষ (চিৎপ্রকাশ) ও মানসম্পইহা কেই সত্য বলিয়া স্বীকার কর মাত্র এই একাশ ও শশৱা উচ্চ শকে। সেই যথেচ্ছ ব্যবহারিণ বিজারী সেই শিলামধ্যবর্তী লোকের বাবার সিদ্ধ হইতে পারিবে। যে ব্যক্তি প্রথম প্রত্য জগতে প্রবেশ করিলেন; সালে আমিও তাহার সমতি (যােগ) পরিত্যাগ করিয়া সত্য বিষয়কে সত্যরুপে বাহারে সেই জগতে প্রবিষ্ট হইলাৰ। সেই পরমমরী বিদ্যা- এ কম্বিয়া অতি করে, সে ব্যক্তি নিজের মােহফু থাৱা এরী ব্ৰহ্মলােকে প্রবেশ করিয়া ব্ৰহ্মার সম্মুখে উপবেশনপূর্বক একুত মরীচিকা পান করিয়া সুৰ অস্থিতি করে। আমাকে কহিলেন,-“হে মুনিবর! ইনি আমার স্বামী, বিবাহ বিগণ ভােগকে দুঃখ বলিয়াই জানেন, এই সুখ বে - করিবার ই আমাকে ইনি সঙ্কজষলে অন করেন, এ যাবৎ ফি, অহা তঁাহারা অনুভব করিয়া থাকেন। এবং যে খ ইনি আমাকে ভরণ-পােষণ করিয়া আসিতেছেন। ইনি নিজেও কত্রিত হয় আদি ও অন্ত নাই, তাকেই এক সুৰ অগ্ৰৰ পুৰাণপুরুষ, আমিও এক্ষণে জরাগ্রস্ত হইয়াছি; এই বলি অয়েল। অতএব এত এত কি তার বির গ ইনি আর আমাকে বিবাহ করিলেন না; সেই আমি নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তর ৫। বৈরাগ্য লম্বন করিয়াছি, ইনিও বেশ অবলম্বন কৰিষ, বিবাহ এরিষার অটল বিবাহ করিলেন না কেন? যেখানে সুষ্ঠুভাৰ, দৃশ্যভাব ও শুভাৰ কিছুই নাই, সেই পরম- ইহঁকে এই দুখিতা করিলেন কি ? তাহার আনুপূর্বিক পদে প্রবেশ করিতে ইচ্ছুক হইয়াছেন।” যে সময়ে সেই বিবরণ কীর্তন করিয়া মামার সন্দেহ ভঞ্জন করুন। আমার রমণী আমাকে এই কথা বলিতেছেন, সেই সময়ে এগতে ঈশ প্রশ্ন শ্ৰৰণ কল্পি অ অগয়ে ব্রহ্মা আমাকে কহতে মহাপ্রলয় উপস্থিত হইবার উপক্রম হইয়াছে, তাহার পর সেই অগিলেন। ৫ মুনে! অব করুন, আপনার নিকট আত রমণী আবার বলিলেন,-“সম্প্রতি ইনি ধ্যানমগ্ন হইয়াছে, সমস্ত বিবরণ উলেখ বলিতেছি, কারণ সাধু ব্যক্তির নিকটে কাঠ-পাষাণ’দির স্থায় নিভাবে অবস্থান করিতেছেন।১৮ কোন কথাই গােপন রাখা কর্তব্য নহে-সৰ কথাই খুলি অতএব হে মুনীর। ভােপদেশ দ্বারা ইহাকে এবং আমাকে বলতে হয়। অবস্থান কোন এক সম্বৰ সৰ্বদা বিদ্যমান বােধিত করিয়া সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়ের মূলীভূত ব্ৰহ্মন ম পরমপথে রহিয়াছে, আমি সর্বদা একভাবে বিদ্যমান সেই স—অর্থাৎ উপনীত করুন। বিদ্যারী আমাকে এই কথা বলিয়া সেই 'চ প্রকাশ হইতেই প্রকাশিত হইয়া থাকি। আমি আকাশল ধ্যানমগ্ন ব্রহ্মাকে প্রলুব্ধ করিবার জন্য তাঁহাকে উদ্দেশ করিয়া সদর আস্থাতেই অবস্থিত। ভাবী সৃষ্টিতে আমার নাম স্বয় কহিতে লাগিলেন,—“নথি। এই মুনিবর অন্য আমাদের গৃহে হইবে। যথার্থ কথা বলিতে হইলে আমি ভাত নহি, আমি কিছুই উপস্থিত হইয়াছেন, এই মুনি আর এক অগগৃহে ব্ৰহ্মার দেখিতেছি না, আমি জুন বৃত-দোকাশরূপী হইয় চিদাকাণেই নয়, সংপ্রতি ইনি আমাদের গৃহাগত অতিথি। গৃহস্থ ব্যক্তির অবস্থিত করিতেছি। এই যে আপনি আমার গুখে অবস্থিতি বেরূপ অতিখি-সৎকার করিতে হয়, ইহারও সেইরূপ আতিথ্য করিতেছেন, আমি আপনার সম্মুখে অতি করিতেছি, পৰম্পর করুন। পাদ্যাখ দিয়া এই মুনিপুজবের পূজা করুন। ভবাশ কখােপথন করিতেছি, এ সমস্তই ভরজে ভজে আহত মহাত্মগণই সাধুদিগের অর্চনা করিয়া মুকৃত অর্জনের ॥ হইয়া শব্দ হইতেছে বলিয়া বােধ করিতেছি। ফলত এ সকলই ইচ্ছুক হইয়া থাকেন। সেই বিদ্যাধরীর এই কথার পরে সেই সেই অজ অজর শান্তব্ৰহ্ম। ২১-৩০। কালক্রমে রূপবিস্তৃত মহামতি ব্রহ্মা, জলময় সাগরে যেমন আর্ত উঠে, সেইরূপ হইয়া আমার যখন মালিয় উপস্থিত হয়, তখন সমুদ্র হইতে নিজ জ্ঞন-স্বরূপ হইতে প্রবুদ্ধ হইয়া উঠিলেন। শিশির-! ওরঙ্গভাবের ন্যায় চিনাকালরূপী আমার অন্তরে আমি আমার ঋতুর অবসানে বসন্তঋতু যেমন তুমগুলে সুকুমরূপ নেত্র ইত্যাকার বাসনার উদয় হয়, সেই বাসনা এই কুমারী; তুমি উন্মীলিত করে, সেইরূপ সেই নয় ব্রহ্মা ধীরে ধীরে নয়নযুগল ! ৰা অপর ব্যক্তির নিকটে পৃথকৃরূপে প্রতীয়মান হইলে আমার উন্মীলিত করিলেন। বসন্তক লের নৃভন লতাপৰ যেমন আপ কাছে ওহ আপনার চৈতন্যরূপ হইতে পৃথক বলিয়া মনে নাতে নুন রসের সঞ্চার করে, সেইরূপ উদীয় অঙ্গসকল হয় না। অপরে চলে উৎপন্ন বলিয়া বােধ হইলেও আমাল ধীরে ধীরে বাত্মচেতনা প্রকাশ রিল—অর্থাৎ সৰ্বাঙ্গ স্পন্দিত নিকটে এই বাসনা অনুৎপা বলিয়াই ৰােধ হয়। আমি জানি, হইল। ১১-২০। প্রভাত হইলে হংসাদি বিহঙ্গগণ যেমন আমি কি সত্তাস্বরূপ, আম র ক ৰা উদয় নাই। আমি প্রফুলকমল-সরোবরে গিয়া উপস্থিত হয়, সেইরূপ সেই সময়ে আত্মা, আমি নিজস্বরূপ হইতে অবিচ্যুত হইয়া আত্মাতেই দেব, গন্ধ ও অপরাগণ চতুর্দি হইতে সেই স্থানে আসিয়া অবস্থিতি করিতেছি। আমি নিজস্বরূপেই পরমানন্দে দিয়ে উপস্থিত হইল। অনন্তর বিধাতা সম্মুলে আমাকেও ঐ বিলা- ইয়া শাছি, এমি নিজেই প্রভু। আমার উপরে প্রভূ কেহই সিনীকে দৃষ্টিগোচর করিয়া প্রণব উচ্চারণপূর্বক মধুরস্পরে নাই। আমি’ ইত্যাকার ভ্রাজিরূপিণী যে বাসনা, যাহা জগগে কহিতে লাগিলেন,হে জ্ঞানরূপ সুধার মহাসাগর। আপনি পর্যবসিত হয়, সেই বাসনা হইতেই এই রমণীর উৎপত্তি। সংসাররূপ সার পদার্থের সারভূত আত্মাকে করস্থিত আমলকী এই রমণী ঐ বাসারই অধিষ্ঠাত্রী দেবতা, এ আমার গৃহিণী ফলের আয় দর্শন করিয়াছেন, হে মূলে। আপনার মঙ্গল নহে বা গৃহিণ করিবার ইহাকে আমি অনও করি নাই হউক। আপনি বহুদূর হইতে আগষন করিয়াছেন, আপনার এ নিজেই বাসার আবেশে “ আমি ব্ৰহ্মাৰ গৃহিণী” এইরূপ পরিশ্রম হইয়াছে, অতএব এই আসন, ইহাতে উপবেশন ভাবনা করিয়া নিজের নােৰে ৰা দুপ্ত হইতেছে, কারণ করিয়া শ্রান্তিদূর করুন।এই বলিয়া তিনি দৃষ্টিপাত দ্বারা আমাকে নিজেই এ বাসনার মধ্য হইতে উৎপন্ন হইয়াছে। ৩১-৩৬। আল দেখাইয়া দিলেন ; আমি “হে ভগ! আপনাকে অভি- কোনওতি সর্গ সমাপ্ত। বাণন কৰি” এই বলিয়া সেই মণিময় পীঠাসনে উপবেশন করিম। ১৬-২০। অনন্তর সেই সমাগত দে, গন্ধর্ব, মুনি ও বিদ্যাখরগণ সকলেই তাঁহাকে যথাযােগ , কতি, প্রণতি ও সপ্ততিতম সর্গ। পূজা করিলেন-তৎপরে মুহূর্তকামধ্যে সকলের প্রণামযাপার শেষ হইলে আমি সেই ব্রহ্মাকে জিজ্ঞাসিলাম,“হে ভূত ভবিষৎ অন্য খুলে ব্রহ্মা কহিলেন—“এখলে আমার সকলকলিত জগৎপ্রপঞ্চের ঈশ্বর! এই মণ আমার নিকটে উপস্থিত হইয়া আয়ুর পরিমাণ শেষ হওয়ায় আমি চিবিত্ত চিকাৰখপ আগ্রহসহকারে আমাকে যে জ্ঞানগর্ভ উপদেশ দিতে বলিলেন, হইতে এ ( নির্বিকার আনন্দময় একপ) আকাশখরুল ইহার কারণ কি? দেব। আপনি তো, আপনি নিখিল গ্রহণ করিতেছি; এই এই জগতে মহাপ্রলয় উপতি জ্ঞানের পাগ; আপনার উপদেশের আকতাই দেখি না, হইয়াছে। হে মুনীল। এই মহাপ্রলয়ের সময় উপস্থিত হে এৎপতে। তবে ইনি কি জ মূঢ় ব্যক্তির গা মাকে হইয়াছে দেখিয়া ইহাকে আমি পরিভাগ করিতে উদ্যত হই এইরুপউপদেশ দিতে বলিলেনঃ হে কে। আপনি ইছাকে গাছি ; সেই আই এ এইরূপ বিরসভাৰ গায়ণ কৰিছে। R বােগাণিষ্ঠ-রামায়ণ। ( এই রমণীও ক্ষমাপ্ত হইতে রক্ত কলিয়াছে)। আমি এই চৈতই শিলাকায় অবস্থিতি কাছে। স্পন্দ যেমন বই এই চিকাণৰ পরিত্যাগ করিয়া আৰ্য অাকাশ হই, বায়ুর অঙ্গ, সেইরূপ অগৎসমুহ এই চৈতন্যের অঙ্গ। এই তখনই মহালয় উপস্থিত হয় , এবং বাসনারও ক্ষয় হইয়া বিজ্ঞানখন আত্মাকেই মূঢলােক অগং বলিয়া বুঝিয়া থাকে। যায়। সেই আই এই বাসনাদেৰী বিরসভাব প্রাপ্ত হইয়া ঐ চৈ অনাদি অনন্ত হইলেও সালি ও শান্ত হইয়া পারছি মীয় পথের অনুসরণ কৰিছে। কোন উরমতি না অব ধারণ করেন। এই চৈতশিল অনাদি অনন্ত হইয়াও নির্মাতার অনুসরণ করিবে? (বুদ্ধিমাত্রেই একের পদাঙ্ক ভ্রাভিজ্ঞানে সাদি ও সাত হইয়া থাকেন। নিরাকার হইলেও নুসরণ করিয়া থাকেন। অদ্য কলিযুগের মে-জুগের আজ সাকার হইয়া থাকেন,-জগৎ ইহার অন্ধ হইয়া পড়ে। স্বল্পকালে পরিবর্তন হইবে মনু ইন্দ্র প্রভৃতি দেবগণ ও পাপন এগণ চৈত্যই যেন নিজ আকাশময় রূপকে নগর-গৃহাদি রূপে জ্ঞান সকলেই আজ আত্মদিন। অন্যই এই জগৎপ্রপঞ্চের অবসান , করে, সেইরূপ চৈতন্যই নিষপকে পাষাণ ও অগং বলিয়া শ্যই মঙ্গল, অদ্যই আমার বাসনাশেষ, অশ্যই আমার জ্ঞান করেন। বাস্তবপক্ষে এই চিদকালই কেবল সর্বত্র আকাশদেহের অবসাম হইবে। হে ব্রহ্ম। এই জন্যই এই একভাবে বিরাজমান, ইহাতে নদীও বলেছেন, চক্রের ন্যায় বাসনাদেবী ক্ষয়প্রাপ্ত হইতেছেন। কমলাকর শুষ্ক হইয়া গেলে কিছুই পরিবর্তিত হইতেছে না, কোন বস্তুরই বিপৰ্যয় ঘটিতেছে (কমলের অভাবে ) গন্ধকুণ্য আর কোথায় থাকিবে বল? যেমন না,—সবই চিকাশ। সমধ্যে পৃথকৃভাবে জল থাকা যেমন অড় সাগর হইতে চঞ্চল অঙ্গমাল উথিত হয়, সেইরূপ অড় এই সংবে না, সেইরূপ এই চিনাকাশে জগৎ ও প্রলয়াদি কিছুই বাসনা হইতেই বিনা কারণে বৃথাই ইচ্ছা উজিত হইয়া থাকে। পৃথকৃরূপে সাধিত হয় না। সুতরাং সুতরাং অধ্যানােপ-দৃষ্টিতে মেহাভিমানবভী এই বাসনার স্বতঃই আত্মনের ইচ্ছা হইয়া (এমকে) সর্বত্রই অন্তু অসংখ্য জগৎ রহিয়াছে। অপবাদ থাকে। এই বাসনা দেবী ধ্যানধারণার অভ্যাসযােগে আত্মত দৃষ্টিতে (যথার্থ জ্ঞাননেত্রে) একমাত্র সর্বময় শান্ত চতই দেখতে দেখিতে চতুৰ্বর্গ সখনতৎপর প্রজাবর্গে পরিপূর্ণ ভবদীয় সর্বত্র বিরাজমান, ইহাতে জগৎ কোথাও নাই। মহাকাশমথ্যে ব্ৰহ্মাণ্ড দর্শন করিয়াছে। এই বাসনা আকাশে সঞ্চরণ করিতে যেন ঘটাকাণাদি মহাকাশের সত্তায় বিদ্যমান রহিয়াছে, পৃথক করিতে পর্বতের উপরে শিল সম্পৰ্শন করিয়াছে, নিজ ব্রহ্মাণ্ডের সয় নহে, সেইরূপ জগৎসকল শূন্যস্বরূপ হইলেও চিংস ম আধাররূপে ঐ শিলার দর্শন করিয়াছে, আমরা কিন্তু ঐ শিলাকে সত্য হইতে পারে। হে মুনি বশিষ্ট। এক্ষণে তুমি স্বীয় জগতে আকাশরূপেই দেখিতেছি। বেখানেই এই আকাশ, সেইখানেই গমন করিয়া নিজ কলিত সমাধি-আসনে উপবেশন করিয়া অগৎ, সেইখানেই পৰ্বত। এই যে আমাণের ব্ৰহ্মগুনিচয়, শান্তি লাই কর। মৎকল্পিত এই অগৎসকল এক্ষণে পরমপদে ইহার মধ্যে আরও অনেক জগৎ বিদ্যমান রহিয়াছে। ভেজ্ঞানে সীন হউক , আমরা এক্ষণে অনন্ত ব্ৰহ্মপদে গমন করি।২১-২৮। (বুখান শান্ত থাকায় আমরা তাহা দেখিতে পাইতেছি না। যখন সপ্ততিম সর্গ সমাপ্ত ॥৭০ | আমরা সমাপিষণে জ্ঞানময় হই, তখনই যােগদৃষ্টিতে সেই সকল শং দেখিতে পাই। ঘটে পট,অনিলে, অনলে, জলে, খুলে, লায় সর্বত্রই অসংখ্য জগৎ রহিয়াছে। এই যে জগৎ, ইহা বলা ভ্রান্তিমাত্ৰ , ইহা স্বপ্নদৃষ্ট নগরীর ন্যায় যেখানে সেখানে একসপ্ততিতম সর্গ। হইতে পারে? এই অগমামাও মিথ্যা, ঐ মিখ্যা শ্ৰম কোথায় বশিষ্ঠ কহিলেন-ভগবান্ ৰহ্মা এই বলিয়া নিল বক্ষ- থাকিতে পারে। যদি থাকে ত একমাত্র অধিষ্ঠাল-চৈতন্যই লােকবাজিনের সহিত পদ্মাসনে আসীন একান্তে সমাধিময় আছে, নতুবা কিছুই নাই। এই অদ্ভ্রান্তি বাহাৱা বুঝিতে হইলেন। প্রণবের শেষার্ধ অন্ধত্ৰাত্মক যে নাদবি, তাহার পাৰিয়া চিলাকারে সহিত একতাপ্রাপ্ত জান করিয়াছে, তাহারা শাখি অংশে চিবিলয় করিয়া তিনি বাসনা গমন করিলেন আর ভ্রাম পতিত হয় না; তদ্ভিন্ন আর সকলেই ভ্ৰমান্ধ। হে বাসনা শান্তি করিয়া বাজ্ঞাত হইয়া চিত্রিত পুত্তলিকায় স্থায় মুনে। এই বাসাদেবী নিজ বৈরাগ্যহেতুক আপনার অভি নিশুলভাবে অবস্থিতি করিতে লাগিলেন; বাসনাদেবীও তাঁহার শষিত সিকি করিবার জন্য ধ্যান ধারণাদি এভাৰলে আপনার ব্যায় ধ্যানমগ্ন হইয়া নিজের কোন শ (স্মৃতির বীজাদি) আর নিকটে উপস্থিত হইয়া আপনি অন্তর্হিত থাকিলেও আপনাকে অবশিষ্ট রাখিয়া শান্ত আকাশময় হইলেন। এইরূপে লােক দর্শন করিতে সমর্থ হইয়াছে। এরূপদেশ ব্যতিরেকে আন পিতামহ সৰিলিত ইয়া মে কণৰ বারণ করিলে লাভ করা যায় না বলিয়া এ ভােমার কাছ গিয়াছিল। এই আমি সর্বগামী অনন্ত চিরকাশপে অবস্থিতি করিয়া দেখিলাম, বাসনাই এইরূপ অজ্ঞজনের নিকটে মায়ার ন্যায় মারিক উপারি শকাল-মধ্যেই তাহার মত কল্পনা বিকহইতে আরম্ভ করিল। অনুসরণ করত জীবের চিৎশক্তিরূপে প্রকাশ প্রাপ্ত হই।ে সাগর, পর্বত ও গলাতি পৃথিবী এবং পৃথিবীর তৃণ দিগের নিকটেই ৰহ্মশক্তি দিনন্ত চরণে আদি-উৎপাদক শক্তিগই ক্রমে ক্রমে অন্তমিত হইতে কাশ পাইতেছে। তত্ত্বজ্ঞ জানে, এই জগতে কোন কাৰ্যই লাগিল। সেই পৃথিবী বিয়াইলে সেই ব্রহ্মার শরীরের একাংশ মছে না বা কোন কাৰ্য্যই নষ্ট হইতেছে না। একমাত্র মাত্র। এই চৈ লােপে লেহীর মেয়ে বাশ অবস্থা হয়, লৰ , কাল, ক্রিলে এ পাইনে। ,ে ব্রহ্মার চৈত কি হয় সেই পৃথিবীও তদ্রুপ চেতনা , বিল, ব্য, ক, বুদ্ধি প্রভৃতি কন্যই আপনি উক্ত ও অভিী হই বিশ্বভাব ধারণ করিল। হেমন্তকালের লাল বয়ৰ বলিয়া জানিমে। ইহার অত উ আসলে তা বেশ বিত্ত হইয়া যায়, সেই পৃথিবী সবাই এভাৰে জি করিয়েছে। ১২। নেও এই লে। ১-৮। চৈলােপ হই যে সব উৎস করি ফোন। ও এস আৰ উখিত বৃহৎ বৃহৎ খালা মহাকামী বায়ু এর বিভিন্ন নির্বাণ-প্রকরণউত্তরভাগ। আমাদের অঙ্গসকল যেমন বিরলতাব ধারণ করে, সেইরূপ বিরিঞ্চির লােক পীড়ন করিয়া স্বীয় উদয় পুরণ করিতে আরম্ভ করিল। চৈতন্য বিলুপ্ত হইতে আরম্ভ হওয়ায় ধরাতল হত হইতে সমন্তদেশ শুষ্ক হইয়া গেল। বসন্তাদি ঋতুর শােভা কুত্রাপি লাগিল, চারিদিকে যুগপৎ নানা উপদ্রব হইতে আরম্ভ হইল। আর লক্ষিত হইল না। ব্ৰহ্মা বা-চৈতন্য উপসংহার করিয়া পাপানলে দগ্ধ হইয়া মানবগণ নরকের দিকে ধাবিত হইতে সমাধিমগ্ন হইলে পৃথিবীতে উক্তপ্রকার দুরব ঘটিল। মহাপ্রলয় লাগিল। পৃথিবী দুর্ভিক, আকস্মিক দ-ভঙ্করের উপদ্রব, রাজার আসক্স, সকলেরই আসমতু, অনেকে খনই মৃত্যুমুখে পতিত অত্যাচার, রােগ, শােক ও দৈন্ত দারিদ্র্যাদি বিপত্তিতে পরিপুর্ণ হইল। বিধাতা জলভাগ হইতে নিজ সংবিৎ সংহার করিয়া হইল। কামিনীগণ দুশ্চরিত্রা হইয়া উঠিল, মানবগণ উজ্জ্বল লইলেন, একারণে সাগরসকল মহাভিত হইয়া উদ্বেল হইয়া হইয়া কুকর্মপরায়ণ হইল।১-১৯। সূৰ্যদেষ দূলি ও নীহারিকায় উঠিল। সমুদ্রের জল স্ফীত হইয়া তীরে উঠিতে লাগিল, উত্তাল আচ্ছন্ন হইয়া ধূসরবর্ণ ধারণ করিলেন। লােকসকল রােগ, শােক ও তরঙ্গমালা আন্দোলিত করিয়া উম্মতের য়ায় নগর্জন করিতে শীতাতপাদি ক্লেশে মহাব্যাকুল হইয়া পড়িল। অগ্নিকাণ্ডে, ভগ করিতে সাগর সকল তীরস্থিত বনরাজি ছিন্নভিন্ন করিয়া ফেলিল। পাবনে ওষুজে দেশরা উৎস হইয়া গেল। একেবারে বৃষ্টিবদ্ধ ২১-২৮। উত্তাল তমালা ভীরে উঠিয়া আবর্তের ায় উদ্বর্তিত হওয়া অন্নকষ্টে জনগণ পাপকর্ম করিতে লাগিল। আকস্মিক হইতে লাগিল। উত্তুঙ্গ তরঙ্গসকল উদিকে উখিত হইয়া ভাে- প্রবল ব্যাতাদি-উৎপাতে পর্বত, নগর প্রভৃতি সব বিধ্বস্ত হইয়া মণ্ডল আক্রমণপূর্বক বড় বড় মেঘের ন্যায় প্রতীয়মান হইতে গেল। কোথাও বা কেহ পুৱৰিয়ােগ হইয়াছে বলিয়া রােদন লাগিল উত্তাল তরঙ্গ ও আবতের উচ্চ শব্দ গিরিগুহায় গিয়া করিতে লাগিল, কেহ বা অনুষ্ঠানাপন্ন বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণের মৃত্যুতে প্রতিধ্বনিত হইতে লাগিল। কানে স্থানে ঘন ঘন বারিবিবী রােদন করিতে লাগিল, কোথাও বা মুনি ঋষি প্রভৃতি হিতৈষী সাধুর মেঘনিয়ে পর্বতসকল আবৃত করিয়া ফেলিল। মাদি দুর্দান্ত প্রাণবিয়ােগ হওয়ায় জনগণ কাতর হইয়া রােদন করিতে আরম্ভ জলজন্তুগণ বেচলিত তরঙ্গমালার উপরে বীরদর্পে পর্যটন করিল জলাভাবে মানগণ যেখানে সেখানে নির্ভর কৃপখনন করিতে লাগিল। তরঙ্গমালার উপরে ভাসমান মাহি জলজ- করিতে লাগিল , জাতিবিচার না করিয়া রাজা ও অপরাপর গণ গভীর অরণ্যমধ্যে বিশাল বৃক্ষরাজির স্থায় শঙ্কিত হইতে জনগণ সাহার তাহার কন্যা বিবাহ করিতে লাগিল, তাহাতে লাগিল। সিংহের মধ্যে সমুদ্রের জলপ্রবাহ প্রবেশ করায় বর্ণসঙ্কর হইতে লাগিল ,দিশুদ্ধ বর্ণ প্রায় রহিল না। জনগণের সিংহগণ বহির্গত হইয়া সম্মুথাগত কুরালি জলজন্তুর সহিত মধ্যে কেহ কেহ অবিক্রয় করিয়া জাবিনির্বাহ করিতে লাগিল যুদ্ধ করিতে লাগিল। রজবেগে আকাশের উপরে উৎক্ষিপ্ত কেহ কেহ চতুষ্পথে দেবত প্রতিমা স্থাপন করিয়া তাহা দ্বারা রজি নক্ষত্রনিচয়ের শ্যা শােভা পাইতে লাগিল। উৎক্ষিপ্ত উপার্জিত অর্থে জীবিকানির্বাহ করিতে গিল। কামিনীগণ তরঙ্গমালার সঙ্গে মকরাদি ওজন্ধুগণ আকাশে উখিত হইয়া বেশ্যাবৃত্তি করিয়া জীবিকানির্বাহ করিতে আরম্ভ করিল। আপনার সম্মুখবর্তী মেঘের উপরে উঠিয়া খেলা করিতে লাগিল। জীবিকার জন্যই প্রজাবর্গের নিকট হইতে করগ্রহণ করিতে লাগিল, উচ্ছল ঝটিকায় সমুদ্রের তরঙ্গমালার পরস্পর আঘাতে ঘাের লােকের জীবন কেবল দুঃখময় হইয়া উঠিল। নিখিল প্ৰজা কেবল শব্দ হইতে লাগিল। জলমগ্ন হস্তী সকল বিষম তরঙ্গাঘাতে ফশই ভােগ করিতে লাগিল , নারীগণের কেবল অধর্যের দিকেই মগে অল্প হইয়া বিকট চীৎকার করিতে লাগিল, বড় বড় উর্থি হি হইল । লােকেশরগণ সুরাসেবী হইয়া যায় অত্যাচারী সকল প্রবল বায়ুবেগে অত্যুচ্চ গগনে উখিত হইয়া সূৰ্য্যদেবকে হইল। চতুর্দিক কেবল অধাৰ্মিক লােকে পরিপূর্ণ হইল, ধৌত করিয়া দিতে লাগিল। উচ্ছলিত সমুদ্রের খরলোতে বেদাদিশাস্ত্র পরিত্যাগ করিয়া জনগণ কেবল কুণাস্ত্র শিক্ষা করিতে সন্নিহিত পর্বতসকল চুৰিত হইয়া গেল। ২১-৩৪। সমূদ্র সকল ল নিল। দুষ্টলােকের উন্নতি ও সাধু-লােকের অবনতি হইতে তরঙ্গরূপ কর দ্বারা তটস্থ পর্বতসকল অপহরণ করিতে লাগিল। লাগিল। ভূপালগ অসাধু হইয়া পড়িল, পণ্ডিতগণ তাহাদের সমুদ্রের জলপ্রবাহ উন্মত্ত হইয়া পৰ্জন করিতে করিতে গিরি নিকটে অবজ্ঞার পাত্র হইলেন। পৃথিবী কেবল লােভ, থে, হারূপ গৃহষখে ফেল করিতে লাগিল। দুপালগণ যেমন বিষয়ানুরাগ, ক্রোধ, কাত্যাকাণ্ডজ্ঞান লােপ ইত্যাদি অনর্থে পরি- শত্ৰুপুরী আক্রমণ করিয়া শত্রু নিপাত করে, সেইরূপ সাগরের পূর্ণ হইল। জনগণ স্বধর্মত্যাগ করিয়া পরধগ্রহণ করিতে উত্তাল-অঙ্গাল্পিত গণপ্রবাহ ভীরুশখিহিত কানন আক্রমণে লাগিল। পাবগুগণ ব্রাহ্মণের প্রতি উৎপীড়ন অত্যাচার করিতে লাবানল প্রশমিত করিয়া দিল। উলতরঙ্গমালা গভীর- গন আরম্ভ করিল। ঘাের পারগণ সর্বদা কেবল দুর্বলের পীড়ন করিতে করিতে আকাশে উখিত হইয়া নগণের গৃহে প্রবেশ করিতে লাগিল। ১২-২০। দেশ, বিয়ে অধিষ্ঠিত গ্রাম ও করিয়া তাহাদিগকে গৃহ হইতে বিতাড়িত কৰিতে লাগিল। পুৱী সকল লিগের দ্বারা আক্রান্ত হইয়া এলােৱে উৎপন্ন তীরসন্নিহিত কাননে বলতাদি শ্রোতেবেগে উলিত হইয়া, হইয়া গেল। বিবেকহীন মানবগণ আগাভমধুর কাধে প্রবৃত্ত উতুঙ্গ তরঙ্গমালায় সঁহত আকাশে উঠিয়া, আকাশকেও হইয়া পরিশেষে অশেষ গুণ প্রাপ্ত হইতে লাগিল। তখন লােক কাননময় করিয়া তুলিল। উত্তাল মালা উড়ে উখিত সকল ঘাের অলস হইয়া পড়িল। সকল প্রকার বিপৰি আসিয়া হইয়া গল পর্বত্রে ৱ আকাশ আর কলি। উর্ষে হইয়া গেল; জনাকীর্ণ নগর একেবারে অন্য হইয়া গেল। হইয়া চলায় চালিত হইতে লাগিল। রৈজি বাহুর সর্বত্র তােশলে সঙ্গে সময় ভ্যা হতে লাগিল। এজয় জল শােনকারী ভীষৎ হৎ গত হইতে ভাগ্য এজাগণ বিপন্ন হইয়া গালে হাকাম সব করতে যাতে বৃহৎ বৃহৎ শিলাখ মিলে পড়া ভীষণ শব্দ লাগিল। এভাবে প্রায় সকলেই চোখতি আৰম্ভ কৰিল। বইতে শনিল। উতে ভিত মজলি এল।
যােশবাণিষ্ঠ-রামায়ণ অঙ্গাঘাতে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হইতে লাগিল। তীর হইতে অনুভব করিতে লাগিল। ভূমিকম্পে কলাস, মেরু, মন্দর, প্রভৃতি নিপতিত পৰ্বতসকল অতল জলধিতলে নিমগ্ন হইয়া গেল। বড় বড় পৰ্বসকল স্থানচ্যুত হইয়া গেল। কল্পবৃক্ষ হইতে ৩৫-৩১। অলপতিত পক্সে গুহামধ্যে অনিয়ত অসংঘর্ষ বক্তবর্ণ পূবক বর্ষণ হইতে লাগিল। পৰ্বত, সমুদ্র, নগর, হইতে থাকায় হামধ্যে ক্ষটিকাদি মণি বহির্গত হইয়া সাগরের কানন প্রভৃতি সমস্তই জীর্ণশও প্রচণ্ড উৎপিতবাভায় আহত সহাশবনের তের ন্যায় প্রতি হইতে লাগিল। ভরাহত জনগণের কোলাহলে পরিপূর্ণ মহাদেবের নেত্রাললে নিপতিত জলজসকল নিম পর্বতের দীর্ঘ ও ওহাবিবর আশ্রয় ত্ৰিপুরের স্থায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। ৫২-৫৬ করিয়া করি হইতে লাগিল। সমুদ্রের কচ্ছপ সকল তীর একসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭১। সন্নিহিত জলপ্রবাহে পতিত পাপনিচয়ের শাখাগমতে নিলীন হইয়া অস্থিতি করিতে লাগিল। যমের মহিষ, ইন্দ্রের ঐরাবত দিগগজগণ সমুদ্রগর্ভে পর্বতপতনকে ভয়বিহবল ও উৎকর্ণ সিপ্ততিতম সর্গ। হইয়া শুনিতে লাগিল। জল পতিত হইয়া মথ-উষয় পর্বতের উপরে মৎস্য উঠিয়া খেলা করিতে লাগিল। ছিন্ন-ভিন্ন হইয়া বশিষ্ঠ কহিলে,-“বিরাটদেহ ব্ৰহ্মা প্রাসবায়ু আকর্ষণ করিতে বিপর্যস্ত কাননের মধ্যে সমুদ্রের জল প্রবেশ করিয়া সে স্থান (আপনার হৃদয়ে উপসংহার করিতে) আরম্ভ করিলে বাতঙ্ক অতি শীতল করিয়া তুলিল। সমুদ্রগর্ভে বাড়বানল প্রজ্জ্বলিত অবস্থিত বায়ু (এবহবায়ু) গ্রহনক্ষত্রাদি ধারণরূপ স্থিতি পরিত্যাগ হইয়া উঠিল। কাননের বৃক্ষনিচয় সাগরসলিলে গিয়া পতিত কবিল। কারণ সেই বাতক্ষদ্ধরূপে অবস্থিত প্রবাদি বামুই ঐ হওয়ায় ইন্ধনাভবে দাবানল নিৰ্বাণ হইয়া গেল। জলমগ্ন স্বয় প্রাণ , সেই প্রাণবায়ু যখন তিনি আকর্ষণ করিয়া লইলেন, পর্বতের উপরে উঠিয়া জলহস্তী সকল লহস্তীর সহিত যুদ্ধ তখন কাহার সাধ্য গ্রহনক্ষত্রাদি ধারণ করিয়া রাখে। বৃক্ষার বাধাইয়া দিল। সমুদ্র সকল সে সময়ে অান্দোলিত জলমগ্ন প্রণয়ু ঐ বাভস্কন্ধ ব্ৰহ্মা-কর্তৃক আষ্ট হইলে গ্রহনক্ষত্রাদি ধারণা পর্বতসমূহের সর্বণে উচ্ছলিত হইয়া উত্তালতরঙ্গতা করত শক্তি পরিত্যাগপূর্বক সমতাপ্রাপ্ত হইয়া বিক্ষোভিত ও বিপর্যন্ত যেন নৃত্য করিতে লাগিল। ৪০-৪৫। বিশাল পৰ্বরে উচ্চ হইয়া গেল। ভীষণ অগ্নিকাণ্ড উপস্থিত হইলে জ্বলন্ত অঙ্গাররাশি শিখরে যে সকল বনভূমি আছে, সেইখানে গিয়া প্রাণিগণ আশ্রয়- যেমন উপরে উখিত হইয়া আবার নিয়ে পড়িতে থাকে, সেইরূপ গ্রহণ করিল। উত্তাল তরঙ্গমালা জলে ভাসমান মৃত হন্তার আকাশের নক্ষত্রনিচয় আধার হইয়া বৃক্ষ হইতে পুষ্পনিকরের দেহরূপ বাদ্যবাদিত করি। পলিমথ্যে অরগণের স্থায় উদ্ভট নাম ভূতুলে পতিত হইতে লাগিল। ক্রমে পবনধার প্রশান্ত ভাবে ক্রীড়া করিতে লাগিল। তৎপরে সেই বিক্ষুব্ধ সাগরে হইলে সৎক্ষেত্রে উৎপন্ন সুকুৰূপ গণের ভোগভূমি বিমানসকল পতিত হইয়া দিগগজনিচয় শুণ্ড উনােলনপুৰ্ব্বক গগন-ভেদী কালক্রমে কর্মক্ষয় হওঘাতে ভূমিলে পতিত হইতে লাগিল। বৃংহত ধ্বনি করিতে লাগিল। তাহাদের সেই অতি গভীর ১। ব্রহ্মার সন্ধাপ ইন্ধন ক্ষয়প্রাপ্ত হইতে আরম্ভ হইলে চীৎকারশকে পাতলরূপ তালু বিলীণ হইতে লাগিল। দিগগজ, প্রদীপ্ত বহ্নিশিখার ন্যায় খেচরদিগের গতি প্রশমিত হইয়া গেল। সকল পৃথিবীধারণরূপ কাৰ্য্য পরিত্যাগ করিয়া সাগরে পতিত তাহারা পেরেরা) আপনাদের শক্তিলােপ হওয়ায় সেই প্রলয়- হইলে পৃথিবীর সুমেরু প্রভৃতি পর্বতরূপ সকল উচ্চলিত সমীরণে আকাশপ্রদেশে তুলারাশির গায় ঘুরিতে ঘুরিতে নিঃশব্দে হইল, কালধ্যে পৃথিবীও স্বস্থানচ্যুত হইয়া বসিয়া ভূপতিত হইতে লাগিল। ভূমিকম্পে বিনিত হইয়া সুমেরু পড়িল, চারিদিক হইতে সমুদ্রপ্রবাহ পৃথিবীর উপরে উঠিতে ও ইন্দ্রাদি গেণের আবাসভূমি ও কলবৃক্ষসমস্তই ভুপতিত লাগিল। তখন পৃথিবী সেই সাগপেরি শৈবাল-লতার দায় হইতে লাগিল। ৬-৮। রাম কহিলেন, “ব্ৰহ্ম। আপনার ভাসিতে লাগিল। নভােমণ্ডলে তখন পূফাবর্তকাদি প্রলয় উপদেশে বুধিলাম, ব্রহ্মা চিৎসঙ্কলাত্মক মনঃস্বরূপ হইয়াই ব্ৰহ্মাণ্ড- মেখ গভীর গর্জা করিয়া উঠিল, সেই গর্জনধ্বনি চতুর্দিকে শরীরে প্রসিদ্ধ হইয়াছেন, কিন্তু ইহাতে আমার মনে মহান প্রতিধ্বনিত হওয়ায় আকাশ যেন বিদীর্ণ হইয়া গেল। আক। সন্দেহ উপস্থিত হইয়াছে। এই যে ভূলোকাদি আমাদের প্রত্যক্ষ হইতে আবৰ্ত্তাকারে ধূমকেতু পতিত হইতে লাগিল। সেই গেচর রহিয়াছে, ইহা কি উক্ত সঙ্কল্পরূপী চতুর্মুখ ব্রহ্মের অঙ্গ? পমকেতু সকল সুবর্ণ রঙ্গময়, দেখিতে ঠিক সিরলিপ্ত ভুঙ্গে, আমার তৰােথ হয়, অঙ্গ হইতে পারে না, কারণ ব্ৰহ্ম অমূর্ত আয় প্রতীয়মান হইতে লাগিল, সেই ধূমকেতুর ভায় আরও মনােময়, এই ভূলোকাদি মূৰ্ত্তিমাল (মূৰ্ত্তিহীনের অঙ্গ কিছু বিবিধ উৎপাতনিচর উরু শিখা বিস্তারপূর্বক চতুর্দিক অন্ধ মূর্তিমান্য হতে পারে না, যদি অঙ্গ হয় কোন অঙ্গ? স্বৰ্গই বা করিয়া আকাশ হইতে, দি হইতে ও ভূমি হইতে উখিত কোন অঙ্গ। পাতালই বা কোন অঙ্গ? এবং কিরূপেই বা ইহা হইতে লাগিল। ৪৬-৫১। বিধাতা কর্তৃক সঙ্কজ সংহার করিয়া সঙ্কময় ব্রহ্মার অঙ্গ হইল? আর এক কথা, যদি তিনি বিরাটদেহ এইরূপে উপেক্ষিত হইয়া পৃথ্যাদি ভূসফল ও অসুয়ালি ভূসকল হন, তাহা হইলে তাহারই শৱীরভূত এই ব্রাহ্মণ্ডের এক কোণে সাতিশয় বিক্ষোভিত হইল। চন্দ্র, সূৰ্য, বায়ু, ই, অগ্নি ও বম সত্যলােকে তিনি কিরূপে কিলেন। আমার ত এশা হইয়াছে ইহাদের প্রভাব লােকে গিয়া ব্রহ্মার শরীরে মিলিত হইল। যে, ব্রহ্মা নিকার সময় , আর এই জগৎ সাকার। এই অঙ্গই এ ঐ চাদি দেবগণ পরস্পর কোলাহল করত পতনােন্মুখ এইরূপে সন্দিহান হইয়াছি। যদি ইহা অন্যকোন প্রকার হয় হইলেন। ভীষ ভূমিকম্প উপস্থিত হয় বক্ষসকল কটকট তাহা হইলে আপনি তাহা আমার নিকটে কীর্তন করুন। শবে নিপতিত হইয়া ধরাশায়ী হইতে লাগিল। পতিসকল ১-১৯। বণিষ্ঠ কহিলেন, প্রথমে ইহসৎও ছিল না,অসৎও ভূমিতে অধিষ্ঠান করিয়া দোলায় অধিলােহণজনিত আন্দোলন ছিল না, ছিলেন কেবল একমাত্র সর্বব্যাপী লিমা চিপী ১ ৩ নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ পরমাকাশ। সেই পরমাকাশই স্বীয় আকাশবকে এই দৃশ্যরূপে হয়; যদিন তাহা না হয়, ততদিন এই পঞ্চ হৃদয়পটে ভাবনা করেন তিনি চিন্ময়ত্বনিবন্ধন আপনার স্বরূপত্যাগ না মুরূপে অঙ্কিত থাকে। সেই ব্ৰহ্মরূপের অজ্ঞানই এই নৃ- করিয়াই ( সর্বদা আপনার স্বরূপে অবস্থিত হইয়াই) চেতন হন। বিস্তারের কারণ। ৩১ ৩২। ৫ ব্রাম। তুমি জানিবে, সেই চেতনই ক্রমণ ঘনীভূত হইয়া সিপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। জীৰ ও মনােরূপে পরিণত হন। এইরূপে সমস্তই যখন চিদাকাশে অভ্যাসবশত উৎপন্ন , তখন সাকার কিছুই হইতে পারে না। সেই বিশুদ্ধ চিনাকাশ এখনও সেই পূর্বের স্যায় আপনার স্বরূপেই অবস্থিতি করিতেছেন। এই যে দৃশ্য-প্রপঞ্চ প্রতিভাত হইতেছে ত্রিসপ্ততিতম সর্গ। ইহা উক্ত শান্তিময় চিদাকাশ হইতে ভিন্ন নহে। ১২-১৫। রাম কহিলেন-“হে ব্ৰক্ষন। আপনার উপদেশে আমি অনন্তর সে নিশ্চল অক্ষয় আকাশই সঙ্কলাত্মক হইয়া ‘অহং এক্ষণে বেশ বুঝিতে পারিয়াছি যে, বন্ধন, মুক্তি ও অগং এ সকল ভাবনা করত মনােরূপ ধারণ করে। সেই সঙ্কময় চিদাভাস প্রভেদশূন্য নহে, সৎও নহে (আত্মসত্তায় অসৎ নহে, এবং ‘আমি’ ইত্যাকারে ভাবিত হইয়া, সর্বদা আকাশে আকাশরূপে পৃথক সভাস্বীকারে সৎও নহে) এবং সকলের আদি যে আত্মা অবস্থিতি করিয়া ক্রমে মিথ্যা জগৎ-প্রপঞ্চ অনুভব করিতে তিনি অনির্বচনীয় বস্তু, তঁহার অন্তও নাই, উদয়ও নাই। থাকে। ভাবনাবলে সেই আকাশ-আকার দর্শন করে, সুরং তথাপি হে মুনিবর। আর একবার আমার নিকটে ঐ বিষয় সে আকারও সঙ্কলাত্মক শূন্যই জানিবে। তুমি যেমন শূন্যকেই কীর্তন করুন। আপনার অনুতােপম উপদেশবাক্য বারবার সব নগরপে ভাবনা কর, সেইরূপ অজ চিদাকাশ! শুনিয়া আমি পরিতৃপ্ত হইতে পারিতেছি না। হে বিভাে। আকাশে আকাশকেই দেহদর্শন করেন, দেহ বলিয়া অনু । এই যে সৃষ্ট্যাদি-ব্যাপার দর্শন এবং শুভাদি জ্ঞান এ সকলের করেন। চৈতই নিৰ্ম্মলম্বৰূপ বলিয়া যতদিন তাঁহার এইরূপ কিছুই সত্যও নহে, অসত্যও নহে। যাহা সত্য, তাহা আমি ভবনা থাকে, ততদিন দেহাদি অনুভব করিয়া আবার স্বেচ্ছাক্রমে বুঝিতে পারিয়াছি, তথাপি আর একবার আপনি সৃষ্টির অনুভব ভাবনার বিলয় করিয়া আপনা আপনি লয়প্রাপ্ত হন। ১৬-২০। কি প্রকার, তাহা বর্ণন করিয়া আমার উক্ত প্রকার বােধ সুদৃঢ় সশন আমাদের ন্যায় তত্ত্বজ্ঞান হইবে, তখন তুমি এই সংসারকে করিয়া দিন। বশিষ্ঠ কহিলেন, রাম। এই দেশ-কাল-ক্রিয়াদি শুন্য সত্য বলিয়া বুঝিতে পারিবে। যথার্থতত্ত্ব পরিজ্ঞাত হইলে বিশিষ্ট স্থাবর-অঙ্গাত্মক যাহা কিছুই দৃষ্ট হইতেছে, ইহার লাশ বাস শান্ত হইয়া যায়। অহঙ্গার অদ্বৈত পরব্রহ্ম মােকাপে মহানাল অথবা ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশখর, ই, চন্দ্র প্রভৃতির শেষ অবশিষ্ট হইয়া যায়। হে রাম। এইরূপে যিনিই ব্রহ্মা, তিনিই অবস্থাবিপৰ্যয়—মহাপ্রলয় নামে অভিহিত হয়, এই মহাপ্রলয় অগৎ হইতেছেন। হে রাম! এই জগৎ এইরূপে বিরাটুদেহে হইয়া গেলে যাহা অবশিষ্ট থাকে, তাহাই শান্ত অতিনির্মল অঙ্গ ব্রহ্মার নেহু হইয়াছে। সঙ্কময় চিদাকাশের যে ভ্রান্তি, হাই অনাদি ব্ৰহ্ম, সে ব্ৰহ্ম বাক্যের অপাের, সুজাং তঁাহার স্বরূপ জন্য, তাহাই ব্ৰহ্মাণ্ড বলিয়া কথিত হয়। সময় যাহা কিছু বুঝাইয়া দেওয়া কিরূপে গন্তবে? সুমেরু-পর্বত যেমন সর্ষপের দেখিতেছ, সমস্যই সেই ঢিলাকাশ। বস্তুতঃ ইহাতেই জগৎ, তুমি কাছে অতিস্থূল, সেইরূপ শুন্য আকাশ তাহার নিকটে অভিস্কুল। আমি কিছুই নাই।২১—১৫' নিৰ্ম্মল চিন্ময় আকাশে কিরূপেই বা আমরা ত্রসরেণুকে যেরূপ পর্বত অপেক্ষা সূক্ষ্ম বলিয়া বিবেচনা জগৎ থাকিবে ? কিরূপেই বা উৎপন্ন হইবে ? এ বিষয়ে সহকারী করি, সেইরূপ এই বিশাল ব্রহ্মাণ্ড যাহা অপেক্ষা অতি কারণই বা কে হইবে? অতএব যাহাকে জগং বলিয়া দেখিতেছ, | মহাপ্রলয়ের পরে সেই অনুভবরূপী আদ্যশান্ত পরমাকাশে তাহা অলীক, যাহা আস্বাদন করিতেছ, যাহা তােমার রূচিকর | থাকিয়া দি ৰা কাল যারা অপরিচ্ছিন্ন সঙ্কল্পশু মহান চিলাকাশ বোধ হইতেছে, যা দেখিচ্ছে, সমস্তই অলীক, সমস্তই শুন্য। | স্বপ্নের ন্যায় অতীত-জগতের একটা সুদৃঢ় সংস্থায় পরমাণুঙাৰ বত চৈতই নিজে অলােকদিগের নিকটে জগদাদিরূপে যেন অনুভব করিতে থাকেন। স্বপ্নের স্যার আপনার অভ্যন্তরে আস্ব ল্যমান হইতেছেন। বায়ু যেমন স্পরুপে অনুভূত হয়, 'ঐ অসত্য পরমাণুভাৰ পৰ্যালােচনা করিয়া ব্ৰহ্মশব্দের বিশাল সেই আত্মা এই দ্বৈতরূপে অনুভূত হইতেছেন। দ্বভাব বর্জন চিপ অর্থ ভাবনা করেন। ঐ চিৎস্বরূপই চিন্ময়নিষন্ধন করিলে এই প্রপঞ্চকে কিছু (সত্য) ব বলা যাইতে পারে, দ্বৈত অন্তরে আপনার চিদণুত্ব ভাবনা করেন। তাহার পরে সেই বর্জন না করিলে–দ্বৈতভাব স্বীকার করিলে ইহা কিছুই নহে। ভাবনা করিতে করিতে তিনি দ্রষ্টার ন্যায় হইয়া পড়ে। লােকে কলঃ তুমি অচ্ছ নিরাময় শত চিদাকাশকেই জগৎ বলিয়া স্বপ্নে যেমন আপনাকে নিজেই মৃত দর্শন করে, সেইরূপ ঐ অণু- জানিও। হে রাখব ! আমার ন্যায় তুমিও যথার্থ-( চৈত) জ্ঞানে প্রমাণ চৈতন্তু আপনাতে আপনিই অষ্টা হন। তাহার পরে সং, অবার্থ-দেহাদি) জ্ঞানে অসৎ। তােমাতে কোন প্রকার চিৎস্বরূপে এক হইলেও আপনাতে দ্বিত্ব দান করিয়া আপনাতেই বিশেষত্ব নাই, অতএব তুমি এসকল দেহাদির প্রতি মমতা দৃশ্য ও দ্রষ্টা উতরূপ হইয়া অবস্থিতি করেন। উক্ত চৈত হইয়া অবস্থান কর। ২৬-৩০। তুমি বাসনাবিবর্জিত শামনা, অত্যন্ত নিরাকার হইলেও আপনার অণুপ্রাণ শরীর দর্শন চাঞ্চল্য ও মৌনী হইয়া কেবল উপস্থিত আবশ্যকীয় নিজকর্ম করিয়া দৃশ্যরূপে উষিত হন, এবং সেই ধূ ধূ শরীমের দ্রষ্টা সশান কর, অথবা তাহা করিও না। যদি কর ত একেবারেই হইয়া উঠেন। তাহার পরে ঐ অপ্রমাণ স্বীয় রূপকে একাণময় আসক্ত হইও না। যিনি অনাদি নিত্যজ্ঞানস্বরূপ, তিনিই দৃশ্যরূপে দান করিয়া সেই অনুভব-বলে অভাবপ্রাপ্ত বীজের ন্যায় প্রতীয়মান হন; ভিন্ন দৃশ্য বলিয়া আর কোন বস্তুই নাই। সেই উছুনভাব (কীভাৰ) অনুভব করিতে থাকেন। ১–১৭। অনাদি লিত্য যন্তর যথার্থরূপ জ্ঞান হইলে ইহা স্পষ্টই বােধ সেই সঙ্গে সঙ্গেই তখন দেশ, কাল, ক্রিয়া, দ্রব্য, ভ্রষ্টা ও দর্শন যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ । বলে, বস্তুতঃ নি অব্যক্তস্বরূপ প্রকাশিত হয় না, সে সময়ে বাক্যাদি ব্যবহার বীজ, তিনিই মুক্তির সৃষ্টিরূপ অর্গল (বিল) প্রদান করিয়া আবির্ভূত না হওয়ায় ঐ দেখাদি অব্যক্ত অর্থাৎ নাম-বিবর্জিত থাকেন। তিনিই সংসাররূপ বারিধারার মেমৰূপ হইয়া অবস্থান করে। ঐ অণুপ্রমাণ চৈতঙ্গ যে স্থানে প্রকাশ নিখিল কার্যের কারণ, কালক্রিয়া প্রভৃতির নেতা, তিনিই হয়, তাহাকে সে বলে, যে ক্ষণে প্রকাশ পায়, তাহাকে কাল সকলের আদি পুরুষ। তিনি বাস্তবিকই উৎপন্ন নহেন, তথাপি ঐ প্রকাশকে ক্রিয়া বলে। ঐ প্রকাণ দ্বারা যাহা উপলব্ধ উৎপন্ন বলিয়া প্রতীয়মান হইয়া থাকে। তাঁহার ভৌতিক-দেহ হয়, তাহাকে দ্রব্য বলে, ঐ উপলব্ধির কর্তা যে লহাকে নাই, আঁহার শরীরে অস্থিও নাই , কেহই তাহাকে মুষ্টিমধ্য দ্রষ্টা বলে, এবং ঐ উপলকে শন বলে। দ্রব্য-গুণ-ক্রিয়াদি গ্রহণ করিতে পারে না। সুপ্ত ব্যক্তি যেমন স্বপ্নকালে মেধ- কানার আধার বলিয়া ঐ উপলব্ধ-বিষকে দ্রব্য বলা হয় । গর্জন, সাগরগর্জন, সিংহগর্জন প্রভৃতি শ্রবণ করিয়া উত্তেজিত এইরূপে আকাশেই আকাশরূপী অসভ্য দেশকালাদি পরিচ্ছিন্ন হইলেও বাস্তবপক্ষে নিঃশব্দ হইয়া অবস্থান করে, সেইরূপ অথবা অনন্ত উচ্ছুনভাবে (উপচয় ) ক্রমে উদিত হইয়া থাকে। তিনি এই বিরাটুবপু হইয়াও স্বীয় পণহীন সূক্ষ্ম শরীরে সূক্ষ্ম 'চতন্যরূপী জীবের প্রকাশ যে ছিদ্র দ্বারা দেখা যায় অবস্থিতি করিতেছেন। যেমন জাগরিত ব্যক্তির নিকটে স্বপ্নে সেই ছিদ্র দেহবর্তী হইলে চক্ষু হয়। এইরূপে পাঁচটা ইশিষের দৃষ্ট যােদ্ধাদিগের কোলাহল স্মৃতিপথে উদিত হইতে থাকায় উৎপত্তি। ঐ ইলিয়পঞ্চকের বিষয়গুলির মধ্যে প্রথমে যে বিষঘটী অসংও বােধ হয় না, সং বলিয়াও বোধ হয় না, সেইরূপ এই উৎপন্ন হয়, এবং যতক্ষণ তাহার নাম না হয়, তত তাহা জগৎপ্রপঞ্চ তাঁহার নিকটে সংও নহে, অসংও নহে। ৩১-৭৩। ভত্ৰনামে অভিহিত হয়, সেই বিষয়টা আকাশরূপী, অর্থাৎ তিনি বলঞ্চযােজন-পরিমিত বিশালদেহ হইলেও তাঁহার লােম- অতিসূক্ষ্ম। এইরূপ উক্ত চিদণুর প্রকাশরূপ আকাশই ক্রমে মধ্যে লিগ অবস্থিতি করিলেও তিনি পংমাণুর মধ্যে প্রতিষ্ঠাত ঘনীভূত হইয়া পরিপুষ্ট দে হয়। সেই দেহ ( অতিবাহিক দেই। হন। ঐ অজ ব্ৰহ্মা কুলপৰত ৰূপগুণ দ্বারা বদ্ধ জগৎসমূত্মক রূপাদির অনুসন্ধান করিয়া ইন্দ্রিয়পঞ্চক অনুভব করে। উক্ত হইলেও আবার এত সূক্ষ্ম যে, বটবীজপ্রমাণ সূক্ষ্ম ছিদ্রও পূর্ণ চিনু এইরূপে দৃশব্দাগির বারংবার অনুভৱ করিয়া পরিপুষ্ট করিতে পারেন না। তিনি শতকোটি জগৎপে বিস্তীর্ণ হইলে হয়, সেই পরিপুষ্ট অবস্থাকে গৃহীত বিষয়সকলের মরণাবস্থায় যে অণুপ্রমাণ, সেই অপ্রমাণই রহিয়াছেন। জ্ঞান (চিত্ত) বলা হয়, নিশ্চয়কর অবস্থাকে বুদ্ধি বলা হয় এবং স্বপ্নদৃষ্ট পৰ্ব্বতের ন্যায় কোন স্থান পরিব্যপ্ত করিয়া অবস্থিত সঙ্কল্পবিকল্প দশায় তাহাকে মন বলা হয়। পরে সেই মন নহেন। উছকেই সয় বলা হয়, ইনিই বিরাট বলিয়া কথিত অঙ্গাবপদে আরূঢ় হইয়া আপনা আপনিই আপনার দেশকাল হন, ঐ ব্ৰহ্মাই ব্রহ্মা গুরূপী ও জংশৰীৰ বলিয়া কৰি মন , কত পরিচ্ছেদ স্বীকার করে। উক্ত চির শব্দ'দি-বিষয়জ্ঞান অথচ তপক্ষে তিনি আকাশময়। হাকেই সনাতন শা, প্রথম যখন উৎপন্ন হয়, তাহার পরবর্তী জ্ঞানের সময়ে সেই তঁহাকেই দ বলে, তিনিই ইন্দ উপেন্দ্র, ব1 মেঘ প্রভৃতি অতীত স্কানসময় পূর্ব নামে অভিহিত হয়। তার পরে নে দেহ শরণ বিয়া থাকেন। প্রথমে তিনি অনুপ্রমাণ ক তাহা উনামে অভিহিত হয়। উক্ত চিদণু এইরূপ ক্রমে দি চৈতন্য, তার পরে তেজোময় চিশুরূপ হইছিলেন, পরে সকলের নাম কল্পনা করিয়া থাকে। উক্ত চিল আকাশের ন্যায় তিনি ক্রমে এই বিরাট দেহ ধারণ করিয়া এই ব্রহ্মাণ্ডই আনি।” বিশদ হইলেও নিজেই দেশ, কাল, ক্রিয়া, দ্রব্য ও শব্রে ইত্যাকার অনুভব কৰি থকেন। সেই ব্রা স্পন্দন অজ্ঞানরূপে প্রকাশিত হইয়া থাকে । ঐ আকাশরূপী চিকণ করিয়া স্পন্দ অনুভব কবিয়া থাকেন। বাহার সেই অনুমান আপনার আকাশস্বরূপেই উক্তরূপ অনুভব করিতে করিতে স্পন্দ বানু নামে বিখ্যাত হইয়া ক্রমে বাতঙ্ক অর্থাৎ আবহ আভিবাহিক দেহ হইয়া পডে। ১৮-৩০। আতিবাহিক দেহ প্রভৃতি সপ্তপ্রকার বায়ুচক্ৰৰূপে অবস্থিতি করিতেছে। এ বত- হইয়া উক্ত চিনণু বহুকাল ভাবনা করিতে করিতে আপনাকে স্কন্ধই তাঁহার প্রাণ ও অপনয়র স্পন্দ। উত। তিনি সঙ্গলে আধিভৌতিক বলিধা নিশ্চয় করে। এইরূপে নিৰ্ম্মল আকাশে প্রথমে স্পন্দপেই অনুভব করেন। বালকে যেমন পিশাচ আকাশই ঈদুশ বিভ্রমের সৃষ্টি করিয়াছে, ফলতঃ ইহা মরীচিকা কল্পনা করে, (কল্পনাবলে পিশাচ দর্শন করে। সেইরূপ তিনি নদীর সলিলের স্থায় অত্যন্ত অসং। তৎপরে আকাশময় ঐ চিত্তে যে অসত্য ভেজক কল্পনা করেন, তাহাই এই আকাশের চিদণু আপনার শরীরের কোথাও মস্তক কল্পনা করে, কোথাও সূৰ্য-চন্দ্রগ্রহ-নক্ষত্রাদি জ্যোতিমণ্ডল হইয়াছে। তাহার জঠর চরণ কল্পনা করে, কোথাও বক্ষঃকল্পনা করে, এইরূপে সমুদয় হইতে যে প্রাণ-অপন বানু, বহিতেছে, সেই বাসুর গতায়াতরূপ অবযুব কল্পনা করিয়া, ভাৰ, অভাব, আদান, বিসর্জন, ইত্যাদি দেলই ঐ বাতঙ্কন্ধ নাম ধারণ করিয়াছে। জগং ঐ ব্ৰহ্মর ভেদজ্ঞানের আধারস্বরূপ দেশকালাদি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পরিপুষ্ট বিশাল বসুল। প্রত্যেক জীবগত বাসনায় যে ব্যাষ্টিভূত আকার কল্পনা দ্বারা নিশ্চয় করিয়া লয়। ক্রমে তাহার সেই শরীরের সৃষ্টি হইয়াছে এবং প্রলয়কাল পর্যন্ত যাহা হইতেছে, আকার ইন্দ্রিয় কারা পরিচালিত হইয়া বিষয়ের দিকে ধাবিত এ সকলেরই আদি বীজ ঐ ব্ৰহ্মা। ৪৪-৫৪। ঐ ব্ৰহ্মাই হয়। অনন্তর সেই চিৎ, আত্মকল্পিত হস্তপদাদিমা আকৃতি নিখিল ব্যষ্টিভূত জীবের বাসনাস্বরূপ, এই তাহা হইতে এত করে। এইরূপে উক্ত চিনু ব্ৰহ্মা হয়, কিছু হয়, মহাদেব বাসনাময় ব্যষ্টিদেহসকলও উৎপন্ন হইয়া তাহারই অরে হয়, তুমি হয়, অথচ কিছুই হয় না;-যেমন তেমনই থাকে, অবস্থিতি করিতেছে। সেই আদিবীজের চৈতন্য আদি বীজেও এই শুয়েই বিদ্যমান থাকে, জ্ঞান জ্ঞানেই বিদ্যমান থাকে। যেমন ছিল, অদ্যাপি প্রত্যেক জীবেও সেইরূপ অবস্থিতি ঐ যে ব্যষ্টিভূত কলিত চিল, উহার সমষ্টিভূত চিদ—যিনি করিতেছে, সেই হিরণ্যগর্ভের বাতি চৈতন্যই সর্বত্র একভাবে ব্রহ্মা, তিনি ব্যক্টিভুত শরীরের আর, ত্রৈলােক্যরূপ তার বিরাজ করিতেছে। চন্দ্র সেই ব্ৰহ্মর শ্লেষ্ম, সূর্য তাঁহার পিত্ত, নির্বাণ-প্রক-উত্তরণ = বায়ু তঁাহার বায়ু, গ্রহনক্ষত্র, তাঁহার নিষ্ঠীবন শ্লেষ্মকি, শুক্র, হিমালয় পর্বত উহার শ্লেষ্মা, অভিলােক ওড়ন। পর্বতসমূহ তাহার অস্থি, মেধমূহ তাহার মেদোৎস, উহার পিত। যাতঙ্কন্ধ নামে প্রসিদ্ধ আবশ, নিবহু প্রভৃতি ম- ব্রহ্মাণ্ডকটাহের উকিপাল তাহার মন্তক, যােবৰ্তী কাল বাসকল উহার হৃদয়ের বাণ-আপনাদি বায়ু। ৬—১৫। ক- খও তাহার চরণ, এই ব্রহ্মাণ্ডের যে আবরণ আছে, বহু দূরে ক্ষের ক ও অভিন্ন অন্যান্য কানন ও উপবনসকল এবং সর্গসমূহ আছে বলিয়া আমরা তাহা দেখিতে পাই না, সেই আবরণ উচ্ছার শরীরের নােমাবলী, উবর্তী সম ব্ৰহ্মাণ্ডখণ্ড ইহার তাহার চর্ম। হে রম। তুমি এই জগৎকে সঙ্কময় ঐ বিশাল মস্তক। ব্রহ্মাণ্ডে উখিণ্ডের মধ্য হইতে যে, প্রদীপ্ত বিরাইদেহ বহ্মারই কমনাত্মক শরীর বলিয়া আনিবে। অতএব মোতি নির্গত হইতেছিল, তাহাই উহার মন্তকের শিখা। ইনি আকাশ, পর্বত, পৃথিবী, সাগর প্রভৃতি সমস্তই চিনাকাশ, অতএব নিলেই মন, এইজ ইচ্ছায় আর স্বতন্ত্র মনের কল্পনা করিবার সবই শান্ত। ৫৫-৫১। আৰকতা নাই। ইনি নিজেই কল্পিত মন, সেই মাই ক্রিসতিতম সর্গ সাপ্ত ৭৩। এই সমস্ত ভোগ করিতেছে , নতুবা অন্য কোথায় কাহার ভােক্তা হইয়াছে বল দেখি? ইনি নিজেই ইন্দ্রিয়বর্গ, অভিন্ন ইহার পৃথকু ইন্দ্রিয় কিছুই নাই। কারণ ইন্দ্রিয়গণও তঁাহার কল্পনামাত্র, মনও যাহা, ইন্দ্রিয়ও তাহা, অবয়ব ও চতুঃসপ্ততিতম সর্গ। অবসুবীর ন্যায় ইন্দ্রিয় ও মনের কিছুমাত্র পার্থক্য নাই, উহা বশিষ্ঠ কহিলেন,—হে রাম। সেই পাষাণের মধ্যে ব্রহ্মার একই। স্বপ্নেও ত দেখিয়াছ যে, একমাত্র মনঃই সমস্ত ইন্দ্রিয়ের কল্পনায় যে জগৎ দেখিয়াছিলাম, সেই জগজ্রপ ব্ৰহ্মণগীরের কাৰ্য্য করিতেছে। স্বল্পকালে বাইন্দ্রিয় সকল নিষ্ক্রিয়-অবস্থায় অঙ্গ-সন্নিবেশবৈচিত্র কি প্রকার ?—অর্থাৎ কিরূপ ব্যবস্থায় কোটী থকে, একা মনই সমস্ত ইলিয়রূপ ধারণ করিয়া কল্পিত বস্তু হার কোন অঙ্গ হইয়াছিল, তাহা বিশেষ করিয়া বলিতেছি, দর্শন করে। ১৬। জগতের যাবতীয় লােকের কাৰ্য,সমস্তই শবণ কর। পরম যে চিদাকাশ, তাহাই ঐ বিশ্বাটুরূপ ব্রহ্মার তাহার কাৰ্য্য, কারণ তাঁহার সঙ্কলই ব্যাটভূত। সমস্ত পুরুষের শরীর , ঐ শরীরেব আদি নাই, অন্ত নাই, মধ্য নাই , এই বেশে সর্বপ্রকার কার্য সম্পাদন করিতেছে। তাই বলিয়া আমাদের জগকপ শরীর হার ঐ চিদাকান শরীরের কাছে তি লঘু । জন্ম-মৃত্যুতে যে তাহার জন্ম-মৃত্যু হইবে তাহা নহে , জব- কারণ এই ব্রহ্মাই আপনার কল্পনসম্ভূত ব্রহ্মাণ্ড শরীরের বাহিরে সমষ্টিভূত জলে জন্মমৃত্যুই তাঁর জন্মমৃত্যু বলিয়া জানিবে, সঙ্গীন অবস্থায় সাক্ষী চিদাশপে অবস্থান করি আপনার অভিন্ন ইহার অন্য আর জন্ম-মৃত্যু নাই। কারণ এই জনসমষ্টিরূপ কল্পনাত্মক ব্ৰহ্মাণ্ড দর্শন করিয়া থাকেন। পরমার্থ-দৃষ্টিতে তাহা জগৎও আমাদের সঙ্কল্পরূপী সেই ব্রহ্মা, তিনি ব্যতীত ইহাতে আকাশসৰূপই। এই ব্রহ্মা প্রথমে তৈজসাকার হইয়া পরিপুষ্ট আর কিছুই নাই। তাঁহার সঙ্গেই জগতের সন্তা, তাহার হওত আপনার সঙ্গলময় তৈজস অণ্ডকে পক্ষীর মণ্ডের স্যায় মৃত্যুতেই জগতের মৃত্যু। বায়ু ও তদীয় স্পর্শের সা যেমন দুই ভাগে বিভক্ত করেন। ঐ অণ্ডের দূরস্থ আকাশময় এক এক, জগৎ ও ব্রহ্মার সত্তাও তদ্রুপ একই। জগং যাহা, সেই ভাগকে তিনি উর্ধ্বভাগ বলিয়া মনে করেন, নিম্নবী পৃথিবীরূপ বিরাটু ব্ৰহ্মাও তাহ, যিনি বিরাটু, তিনিই জগৎ। অগ, ব্রহ্মা ও ভাগকে তিনি অপােভাগ বলিয়া মনে করেন , ঐ দুই ভাগই বিরাট,—এই তিন শব্দ একার্থক, ইহা বিশুদ্ধ চিদাকাশেরই তাঁহার আত্মস্বরূপ—পৃং নহে। ১-* | তন্মধ্যে উর্জস্থিত সঙ্কল। ২১-২৫। রাম কহিলেন,-“হে ব্ৰহ্ম। সেই বিরাট ব্ৰহ্মাণ্ডভাগ ইহার মশুক, অবােবস্তী-ভাগ ইহার চরণ , এবং ব্রহ্মা আকাশরূপী হইয়াও সম্বলবণে সাকার হইতে পারেন, ইহা মধ্যভাগ (আকাশ) ইহার নিতম্ব। দূরবশ্লিষ্ট ঐ উর্ষ ও এক্ষণে বেশ বুঝিতে পারিয়ছি। কিন্তু সেই ব্রহ্মা আপনার দেহের অধােভাগস্বয়ের মধ্যভাগকে লােকে অতবিস্তৃত অনন্ত শ্যামবর্ণ মধ্যে ব্রহ্মলােকে কিরূপে থাকিলেন, ইহা এক্ষণেও বুঝিয়া উঠিতে অকশপে দর্শন করিয়া থাকে। স্বর্গ ইহার সুদেশ, স্বর্গ ইহার তালুদেশ, পারি নাই। আপনি এই বিষয় আমাকে আর একবার বুকাইয়া নক্ষত্রনিচয় ইহার রুধিরবিন্দু। দেব, দানব ও নরগণ ইহার দিন। বশিষ্ঠ কহিলেন—রাম। ধ্যান করিবার সময় তুমি যেমন দেহস্থিত বুদ্ধি ও প্রাণবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বৃত্তি (স্পন্দ)। ভূ, আপনার দেহমধ্যে অবস্থিতি কর, আমাদের সঙ্কলপী পিগমও প্রেত ও পিশাচ উহার দেহমধ্যবর্তী কুমি, সূৰ্যলােক, চন্দ্র সেইরূপ দেহমধ্যে অবস্থিতি করেন। যাহারা বিবেকী পুরুষ লােক ইত্যাদি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিভাগ উছার দেহস্থিত ছিদ্র। চঁহারা স্পষ্ট অনুভবই করিয়া থাকেন যে, দেহের-(স্কুল রীরের) ব্রহ্মাণ্ডের অধোবী খণ্ডের তলদেশ ইহার পাগল। পৃথিবীর মধ্যে এই দেহের প্রতিবিম্বের স্যায় আর একটা দেহ অবস্থিতি অধােৰী পাতালবির ইহার জানুবিবর। প্রবাহে চঞ্চলায়মান, করে (সে দেহ অতিবাহিক)। অতএব যখন তুমিও নিজদেহের সমূদ্র ও দ্বীপরূপ কাঞ্চীসূত্রে পরিবেষ্টিত ভুমণ্ডল উহার শরীরের মধ্যে অবস্থিতি করিতে পার, তখন আমাদের পিতামহ সময় মধ্যবর্তী অঘন ও নিতমণ্ডল। কলকল শব্দে বাহিনী নদী- ব্রহ্মা নিজদেহ মধ্যে অবস্থিতি করিতে পারিবেন না কেন? স্থাবর সকল উহার দেহমধ্যবর্তী শিরা, সেই নদী সকলের জল ঐ জীবও যখন আপনার বীজ দেংমধ্যে অবস্থান করিতে সমর্থ হয়, পিয়াসকলের মধ্যবর্তী বস। অমুখীপ উহার হৃৎপদ্ম, সুমেরু তখন ব্রহ্মা ও কল্পনাত্মক চৈতন্য আপনার দেহে থাকিবেন, তাহার ঐ তৎপদ্মের কণিকা। শূন্য দিকসকল উহার উদয়। পর্বত আশ্চর্য্য কি? ২৬-৩০। সাং ব্রহ্মা ৰক্ষাতকারে সাকারই সকল উহার শরীরমধ্যবর্তী যকৃৎ ও প্লীহাদি। বস্ত্রখণ্ডের ন্যায় হউন, আর কাশরূপে নিরাকারই হউন, তিনি অন্তরে বাহিরে প্রতীয়মান কোমল স্নিগ্ধ যেসকল উহার মেদোমাস। চন্দ্র সর্বত্রই বিরাজমান আছে। তিনি বাহিরে বিরাট-ব্ৰহ্মাণ্ডপে সূৰ্য উহার লােচনয়, ব্ৰহ্মলােক উহায় মুখ, সােমরস উহার অন্তরে (ৰহ্মাণ্ডের ভিতরে) আমি’ ‘তুমি’ ইত্যাদি ব্যক্তি বােগবাশি-রামায়ণ সমষ্টি ভৌতিকরূপে, এবং আত্মার (গরূপে ) আত্মারাম হই, তেছে, সমস্ত জগৎ ও সমস্ত পুরী যেন শিখাসমন্বিত অঙ্গনে কাঠের স্থায় মৌনী ও পাষাণের খায় জড়ভাবে অবস্থিতি করিতে পরিব্যাপ্ত হইয়া উঠিয়াছে। বহ্নিশিখারূপ রক্তবর্ণ পটসমূহে ছেন। কেবল যে ব্ৰহ্মাই এইরূপে অব স্মৃতি করিছেন, তাহা মিসকল সিয়ায়মান হইয়া উঠিয়াছে। প্রজ্জ্বলিত দিকপাল- নহে, তত্ত্ববিদ মাত্রেই এইরূপে অবস্থিতি করিতেছেন,-তত্ত্ববিদ ভবনেবিদ্যুৎপুঞ্জ পটের শােভা পাইতেছে। ১৩–১৫। পরে এরাধ এতই সহ্ন করেন যে, যদি কেহ তাহাকে বলে গৃহসমূহু কটকট চটচট শব্দে বহ্নি-লঙ্ক হইতেছে। ভুল করিয়া আবার ছাড়িয়া দেয়, তাহা হইলে তিনি কাষ্ঠশিকার হইতে উখিত শিলার ন্যায় ঘন দণ্ডাকার ধূমপটলে এই অগণ জয় নিশ্চলভাবেই অবস্থিতি করেন, তাহাতে কিছুমাত্র কুপিত হন গৃহ যেন সহস্র সহস্র কাচময় স্তন্তে শশাভিত হইতেছে, দমান । অলপ্রবাহের স্থায় যদি তাঁহাকে কেহ নিরু করে, বা অজ প্রাণিসমুহের গগনভেদী উচ্চ চীংকারে চতুর্দি অতি ভীষণ কর্তন করিয়া দেয়, তাহা হইলেও তিনি যেরূপভাবে অবস্থিত, হইয়া উঠিয়াছে। চতুর্দিক হইতে দহমান আণিবর্গ ও গৃহ, সেইরূপ ভাবেই থাকেন। তিনি বিধি কাৰ্যজালে জড়িত হইলেও কল, এরাদি পতিত হওয়ায় প্রধােন্তী পদার্থনিচ চটচট কে অন্তরে পাষাণে ন্যায় অটল ও সুস্থির হইয়া অবস্থিতি করেন। স্ফুটিত হইয়া যাইতেছে। যে খানেই দৃষ্টিপাত করি, দেখি- হর্ষ, ক্লোথ বা বিষাদদি দ্বারা কিছুমাত্র বিকৃত হন না। ৩১-৩৩। দহন জনগণ ছুটাছুটি করিতেছে। উদশ হইতে নক্ষত্র- চতুঃসপ্ততিতম সর্গ সমা।৭৪। নিষেয় নিপাতজনিত আঘাতে ব্রাতস্থিত বুতুনিকর চূর্ণিত হইয়া যাইতেছে, তুর্দিকে রাশি রাশি মৃত-প্রাণী পড়িয়া চটচট কে বহ্নি দ্বারা দগ্ধ হইতেছে, তাহাদের পূতিগন্ধে তত্তংস্থান একেবারে বাসের অযােগ্য হইয়া উঠিয়াছে। মহাসাগরের জলও উত্তপ্ত পসপ্ততিতম সর্গ। হইয়া উঠিয়াছে, জলচর জন্ধুসকল কিংক্ষণ ছটফট করিয়া জালা বশিষ্ঠ কহিলেন,—“অনন্তর ব্রহ্মা ধ্যানমগ্ন হইলে, আমি ব্ৰহ্ম- জুড়াইতেছে। সর্বলিগ্যাপী বহ্নিদহে পুরীসমুহের মধ্যস্থ লােক- লােকের সম্মুখে অবস্থান-পূর্ষক চতুর্দিকে দৃষ্টিপাত করিয়া দেখি- সমূহের চীৎকার একেবারে শান্ত হইয়া যাইতেছে। ১৬-২০। লম, পশ্চাৎভাগে মধ্যাহ্নকালীন সূর্যের হায় এরতেজা, অ'র দিন্তী পৰ্বতসমূহ দগ্ধ হইয়া নিপতিত দিগজের দন্তরূপ একটা সূর্য উদিত হইয়াছেন। বােধ হইল যে, দিগুমণ্ডলে স্তন্ত্রের সাহায্যে ধৃত হইতেছে,-অর্থাৎ বহ্নিদাহে বিশীর্ণ হইলেও দিদছি উপস্থিত হইয়াছে, পৰ্বতন্থ অরণ্যে অগ্নি সংলগ্ন হইয়াছে, সমুদ্রময় হইতেছে না। পর্বতের গুহা হইতে কুণ্ডলাকারে আকাশে যেন বহ্নিলোক আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে। সাগরে ধূমরাশি নির্গত হইতেছে। পতিত পর্বতের ভারে পুরীসকল বেন বাড়বাপ্পি জ্বলিয়া উঠিয়াছে। তাহার পরে আবার দেখিলাম, একেবারে পিসিয়া যাইতেছে। বড় বড় পার্বত্য হন্তী পচপচ নৈকাণে এক জ্বলন্ত সূৰ্য্য উদিত হইয়াছেন। ক্রমে দেখিলাম, শব্দে লগ্ন হইতেছে। তপতপ্ত প্রাণিসমূহের সম্বিপাতে সাগর ও দক্ষিণদিকে সূৰ্য্য, অগ্নিকোণে সূৰ্য্য, পূর্বদিকে সূৰ্য, ঈশানকোণে পৰ্বতসমূহ যেন স্বরাক্রান্ত হইয়া পড়িতেছে। দমান বিদ্যাধর- সূৰ্য্য, উত্তরদিকে শৰ্য, বায়ুকোণে , পশ্চিমদিকে সৰ্য, এইরূপ কামিলীগণ বিলীর্ণহৃদয় হইয় নিপতি হইতেছে। বহ্নি- সকলদিকে সূৰ্য্য দেখিয়া আমি সাতিশয় বিস্ময়াপন্ন হইলাম। কোন কোন অমর যােগিগণ নােদন ও চীংকারে পরিশ্রান্ত হইয়া তাহার পরে, এইরূপ দুর্দৈবের বিষয় বিচার করিয়া দেখিতেছি, ব্ৰহ্মরভেদপূর্বক মস্তকপথ দিয়া নিঃসৃত হইতেছে। পাতাল- এমত সময়ে সমুদ্র হইতে বাড়বানলের ন্যায় ভূল হইতে এক মধ্যেও বহ্নিশি জ্বলিত হইয়া ভূতল পর্যন্ত উত্তপ্ত করিয়া সূৰ্য্য উঠিলেন। ১-৬। তাহার পর দিসমূহের অন্তরালদেশেও তুলিতেছে। শুদ্ধ সাগরমধ্যে ন প্রভৃতি ভীষণ জনজনিচয় ঐ সমস্ত সূর্যের প্রতিবিগের ন্যায় আরও টি সূৰ্য্য উদিত বহ্নিপে একেবারে সিদ্ধ হইয়া যাইতেছে, তাহাদের রূপেরও হইলেন। ঐ সৰ্য সকলের মধ্যস্থলে উতি, ঐ সূৰ্যত্রয় ব্রহ্মা, সম্পূর্ণ পরিবর্তন হইতেছে। বড়বানল জলরূপ ইন্ধনের অভাবে কিছু, শিষ এই ব্রিক রুদ্রেরই আকুতি। সেই সূৰ্য্যসমূহক সহস্রভাবে বিভক্ত হইয়া উড়িয়া যাইতেছে। দ্বাদশ সূর্যের রুদ্ৰশরীরের তিনটা লােচন, ঐ তেজোমুক্তি দশটা সূৰ্যরপে প্ৰথর শিখপুঞ্জে নৃত্য করিতে করিতে গগনচারিণী অঙ্গরাদিগকেও উদিত হইয়াছে। দাবানলে যেমন শুদ্ধ অরণ্য দক্ষ হইতে থাকে, আক্রমণ করিতেছে। তাহার পরে দেখিলাম, প্রলয়ান উজ্জ্বল সেইরূপ সেই দ্বাদশ দিবাকর চতুর্দি সন্তু করিতে লাগিলেন। শিখারূপ রক্তবস্ত্রধারী তরজলিরূপ মালপরিহিত হইয়া নটের সমস্ত জগতের রসঙগ একেবারে শুল্ক হইয়া যাওয়ায়, পারুণ গ্রীষ্ম কাৰ নৃত্য করিতে করিতে এবং উদ্দাম যােদ্ধার ন্যায় বিকট উপস্থিত হইল। এখি নাই, অঙ্গার নাই, অথচ ঝটিতি অখিদাহ টীকার করিতে করিতে চতুর্দিকে বিচরণ করিতে লাগিল। (ইতে লাগিল। হে পদ্মপলাশলােচন। সেই অতি জমি উদগত শিখাসমূহ উহার উা বায়ুর ন্যায় এবং ধূমপটল কেন হে (সূৰ্যরিসম্ভাগে) আমার অ অত্যন্ত ব্যখিত হইডে কলাপের স্থায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। ঐ নট জগৎরূপ লাগিল, বােধ হইল যেন আনল গলা হইয়া গেল। পরে জীর্ণভানে নৃত্য করতে অত করিল। ২৪-২৭। সেই স্থান ত্যাগ করিয়া সবেগে নিক্ষিপ্ত করে যায় একেবারে বন, জল, দ্বীপ,মণ্ডল, জল, স্থল, পুরী, নগরী, জলিতে লাগিল। দূরবর্তী (উ) আকাশে গিয়া উঠিলাম। দূরতর আকাশে পাতালদি-ভুবির, ভূমির উা মহাকাশ, দশ দিক, এমন কি উঠিয়া দেখিলাম, প্রচণ্ডতেজ বা সূৰ্য্য একেবারে দশদিকে স্বর্গ পর্যন্ত সকল মুনই অখিতে ম হইতে লাগিল। পুরী, উদিত হইয়া ঘোরতর আপ প্রদান করিতেন। ৭-১২। সৌধ, রমণীয় বাণিজ্য বান একেবারে শূন্য হইয়া গেল। সাগর, নিব্যাপী বহ্নিশিখার স্যায় আকাশের নক্ষত্রনিচ পিণ্ডীভূত পর্বত, শৃঙ্গ ও পর্বতশৃঙ্গবাসী সিদ্ধগণ পৰ্যন্ত বহ্নি-দগ্ধ হইয়া হই যেন কালিয়া উঠিয়াছে। সপ্তসাগর ভীষণ গন কৰি লয় প্রাপ্ত হইয়া গেল। ২৮-৩০। না, নী, সরােবর, দেব, নির্বাণ-প্রক-উত্তরভাগ সমস্ত বা সত্য, নর, উরগ, ও দিকসমূদয় বহ্নিশিখায় শনশন শফে দগ্ধ অন্তরীক হইতে লেকপালগণের পুরী বহিল হইয়া পড়িতে হইতে লাগিল। বহ্নিশিখারূপ উজ্জ্বল-কেশধারিণ দিল লাগিল; তাহার উত্তপ্ত অঙ্গাররাশিতে পরিপূর্ণ দিগুল ও অত্র স্ ভন্ ইত্যাকার ভীষণ শব্দে ইতস্তত ভৰি নিক্ষেপ করত পর্বতশিখর একেবারে ভৗষণ হইয়া উঠিল। সুমেরুপৰ্বতের ধূলি-ক্রীড়ারত কুরাক্ষসীর স্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। সুবর্ণসকল অগ্নির উত্তণে গলিয়া গেল, সেই গলিভষণে গুময় স্থানসমূহের গুহামুখ হইতে বহ্নিশিখা নির্গত হইতে ত্র্য বৃ, গুহা, প্রত্যন্তপর্বত সমস্তই পূর্ণ হইয়া গেল, আপে লাগিল, তং সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ হইয় রক্তভাবাপন্ন গুহােদবী বরফের ন্যায় গণিতসুবর্ণে সুমেরু অতি কমনীয় শােভা ধারণ জসকলও বাহির হইতে লাগিল। কালানল-গাহে হতশ্রী সেই করিল। তুষারময় হিমাচলও অনলসম্পর্কে ক্ষণকালমধ্যে দুর্জনের সেই দিকসকল, সদ্যোনিঃসৃত রক্তের হায় লােহিত বর্ণ বহ্নিশিখায় নিকট হইতে শীতলান্তঃকরণ বিশুদ্ধহয় সাধুর ন্যায় দ্রুত(পল- স্থলপত্মের মধ্যগত শােভাধারণ করিল।৩১৩৪। গ্যাপী খ্রিত পৰুে গণিত) হইল। হিমাচল ঠিক গলিত লাক্ষার বহ্নিশিখাসমূহ থকৃথক্ শব্দে বক্তবস্ত্রের স্থায় চতুর্দি আচ্ছাদন ব্যয় হইয়া গেল। সেই বিষম বিপত্তিতেও মলয়াচল নিল করিয়া ফেলি ,বােধ হইল যেন নভােমণ্ডল সান্ধ্য জলপটলে সৌয়ভ বিস্তার করিতেছিল। মহাত্মার। বিপদের সময়ে নিজ আবৃত হইল। বিকশিত কিংশুককানন যেন উড়িয়া আকাশদেশ অসামান্য গুণরাশি পরিত্যাগ করেন না। মহাত্মা ব্যক্তি যেমন আবৃত করিয়া ফেলিল, আর মনে হইতে লাগিল, যেন বাড়ােল মৃত্যুমুখে পতনােন্মুখ হইলেও লােকের সন্তুষ্টিসাধন করিয়া সমুদ্রের উপরে উখিত হইয়া চতুর্দি আছন্ন করিল, যেন থাকেন, কদাপি কাহারও দুঃখের হেতু হন না, সেইরূপ মলয়- অশােকানন বিকসিত হইল, যেন সমস্ত জগন্মশুল স্থলপদ্মময় পর্বতস্থ চন্দনরুক্ষ দক্ষ হইয়াও সৌরভদানে জীবগণের আনন্দ- হইয়া উঠিল। জগৎ যেন বালসূর্যের কিরণপুজে আবৃত হইয়া প্ৰদ হইয়াছিল। উত্তম বস্তু কদাপি অবন্ত হইয়া যায় না উঠিল। কাননমধ্যে হতাশন নানাবর্ণের জ্বলন্ত শিখাসমূহ ও (খারাপ হয় না, যেহেতু সুবর্ণ এলকালানলে গন্ধ হইয়াও ধূমপটল রূপ বেশবিন্যাস করিয়া যুবা পুরুষের ন্যায় উদ্ধতভাবে নষ্ট হয় নাই, যেমন তেমনিই ছিল। সেই প্রলয়ালে সুর্ণের বিচরণ করিতে লাগিল। অনন্তদেব সংস্র ফশমণি বিস্তার করিয়া ও আকাশের কিছুই নষ্ট হয় নাই। ৪৫-৫৪। উঠিয়াছেন বলিয়া বােধ হইতে লাগিল। সূর্যের উদয়াস্ত না নষ্ট হইলেও সুবর্ণ ও আকাশের নাশ হয় নাই বলিয়া সুবর্ণ হউক, বিন্ধ্যপতে এই প্রকার ইচ্ছা তখন ফলবতী হইল। ও আকাশ অতি শ্লখনীয় পদার্থ হইয়াছিল। আকাশের নাশ না দক্ষিণদিক্স্থিত সহপর্বতের উপরিস্থ কানন বহ্নিশিখায় দগ্ধ হওয়ার কারণ আকাশ বিভু,অর্থাৎ সকলের অপেক্ষা অধিক হইল। বৃক্ষশাখা বহ্নিদগ্ধ হইয়া অারবং প্রতীয়মান হইতে স্থান-ব্যাপী , যেখানে কোন বস্তু নাই বা থাকিতে পারে না, লাগিব। সপতে হুতাশনের এত উপদ্রব যে, সহ তখন সেখানেও আকাশ। সুবর্ণের কোনরূপ মলাদি দোষ নাই, অসহ্য হইয়া উঠিল। সমস্ত নভােমণ্ডল অগ্নিময়, মধ্যে মধ্যে শােধিত বলিয়া সুবর্ণ অক্ষয়। এই জন্যই রজঃ ও তমোগুণকে সমরূপ ভ্ৰমানিচয়ের কালিমা ও বহ্নি-শিখাসমূহরূপ রক্তকমল নিকৃষ্ট বলে এবং সত্ত্বগুণকে বিশুদ্ধ ও শ্রেষ্ঠ বলে। পুমাচ্ছন্ন লক্ষিত হওয়ায় আকাশ যেন সমরকম সরোবরের হয় প্রতীয় শিখা-সম্ভারে উজ্জ্বল বহ্নিরূপ মেঘ, সাগর ও পর্বত দক্ষ করিয়া নান হইতে লাগিল। বহ্নিশিখারূপ জালামালায় সুশােভিত ধূমরূপ বায়ুচালিত কাননের ন্যাধ বিধ্বস্তভাবে বিক্ষিপ্ত হইয়া অঙ্গার বর্ষণ কে-শালিনী মৃত্যুরূপ নর্তকীগণ পর্বতের গুহায়, পৰ্ব্বতের শৃঙ্গে, করিতে লাগিল। প্রসনলের উত্তাপে চতুধি জীবজাতি আকাশে সর্বত্রই নৃত্য করিতে লাগিল। পৃথিবীর তলদেশে শুষ্কতায় পত্রের ন্যায় হইয়া গিয়া পরে একেবারে দগ্ধ হইয়া গেল, অগ্নি জ্বলিতেছে, উপরে প্রাণিসমূহ তপ্ত খাদ্যের ন্যায় ফুটিয়া সজল মেমংলা পর্যন্ত প্রলয়ানল বন্ধ হইয়া গেল। ত্বজ্ঞানীর এদিক ওদিক্ পড়িয়া যাইতেছে, দেখিলে বােধ হয়, যেন পৃথিবী দোষের ন্যায় খাও কিছুমাত্র ভস্মও দেখা গেল না। নিম্ববর্তী একখানি ভাষ্ট্ৰপাত্ৰ (ভাজাখােলা)। সেই প্রলয়সময়ে আরও ভীষণ বহ্নি জ্বলিত হইয়া উঠিতে না উঠিতেই রুদ্রদেব কুপিত বোধ হইল, এই পৃথিবীখানি যেন বক্ষে করাঘাতপূৰ্ব্বক রোদ- হইয়া নয়নাল দ্বারা কলাসপৰ্বত দগ্ধ করিয়া ফেলিতে লাগি- কারিণী জগদ্ধপিণী লক্ষ্মীর প্রকোষ্ঠসংলগ্ন নানা বর্ণের মণি দ্বারা লেন। বৃক্ষ ও বড় বড় শিলাসমূহ অন্ধ হইয়া চটচট শব্দে কাটিয়া শােভিত কঙ্কণশ্রেণ। তখন হুতাশন-দক্ষ শৈলসকল চটচট শব্দে, যাইতে লাগিল। দেখিয়া বােধ হইল যেন পর্বতসকল ক্ষুদ্র শিল- বৃসকল কট কট রবে, দেশসকল হল হল বৰে ভস্মসাং হইতে খণ্ড লইয়া পরস্পর যুদ্ধ করিতে লাগিল। পর্বতােপরি ভীষণ লাগিল। ৩৫-১৪। হুতাশন সাগরসকল, ফেনরাশি বমন বহ্নিজালা সশব্দে আলােড়িত হইয়া দূরস্থ ব্যক্তির সঙ্গে পর্বতে করত সূৰ্য্যপ্রতিবিম্বিত নিজ মুখে তরঙ্গরূপ করের আঘাত করিয়া শিরােভূষণৰৎ এতীত হইতে লাগিল। ৫৫-৩১। বােধ হইতে যেন রোদন করিতে লাগিল। যেমন মূর্ব লােকেরা যাহার প্রতি লাগিল, অন্তরীক্ষে যেন রক্তকমলকানন বিকসিত হইয়া উঠিয়াছে, রাগিয়াছে, তাহাকে মারিবার উপায় কিছুই না পাইলে মৃত্তিকা সেই সময়ে জাৎ একেবারে শুত হইয়া গেল, সে জগৎ যেন শিলাদি দংশন করে, সেইরূপ সাগর সকল বন্ধ হইয়া জলশূন্য আর নাই , তাহা কেবল লােকের স্মৃতিশােচর রহিল। এই অগৎ সমতল প্রদেশে পরিণত হওয়ায় (অভ্যন্তর পর্বতাদি সমস্ত বে অসুর-মূর্খ লােকেরা ঐ ভীষণ প্রলয়নল দেখিয়া তাহা ভন্মসাৎ হইয়া যাওয়ায় বোধ হইল, যেন পর্বতাদি গ্রাস করিয়া প্রত্যক্ষ বুঝিল। ভীষণ অপময় বহ্নি এইরূপে লোকবিধ্বংস ফেলিয়াছে। সমস্ত সাগর শুন্যময় হইয়া যাওয়ায় বােধ হইতে করিয়া জগতের সত্তা লােগ করিতে আরম্ভ করিলে তখন বাস্ত লাগিল, যেন সাগর আকাশসমুহ গ্রাস করিয়া ফেলিয়াছে। বিকই জগৎ সংবলিয়া সাধারণের মনে ধারণা হইল। বজ্রপাতে মাগরণমূহের মধ্যবর্তী গুহাসমূহ হইতে নির্গত গুহ গুহ ইত্যাকার প্রাণিসকল উৎপীডিক হইতে লাগিল, সেই প্রলয়-সময়ের ভীষণ শব্দকে পবনদেব যেন অনুকরণ করিতে আরম্ভ করিলেন। বায়ু চতুর্দিকে বড় বড় অঙ্গার বর্ষণ করায় নিয়স্থল গুময় বলিয়া যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ যােধ হইতে লাগিল। দেবগণ প্যন্ত সেই ভীষণ বায়ুবেগে করিতেছে। আরও মনে হইতে লাগিল, মেরূপ সাগরসকল বিদলিত হইয়া গেলেন। বােধ হইল, বহ্নিমধ্য হইতে যেন সেই ঐ মহাপ্রলয়ে আলােড়িত হইয়া যুগপৎ ঘোর নিন্দা করিতে ভীষণ বায়ু উখিত হইয়া সমস্ত গ্রাস করিতে লাগিল। অন লাগিল। আরও মনে হইতে লাগিল মহাপ্রলয়ে বিক্ষুদ্ধ ক্ষীরােদ- গ্ন বক্ষসকল অন্ধ হইয়া সশকে বিদীর্ণ হইতে লাগিল। প্রচণ্ড সাগরের আলোড়নে এই মহান শব্দ উখিত হইয়াছে, অথবা বায়ু অন্তরীক্ষে সেই ভরাশি বিকীরণ করিয়া আকাশকে মেঘময় ব্রহ্মাগুরূপ ঘটাযন্ত্রে ফোয়ারা ছুটিয়াছে। তাহারই জলধারা নির্গ- করিয়া তুলিল। আকাশে অঙ্গাররাশি উড়িতে লাগিল, ভৎকালে মনে এই শব্দ হইতেছে। আমি ঐরূপ গর্জন শ্রবণপূর্বক মষ- এমন কোন স্থান ছিল না, ঘখানে অঙ্গারময় গৌরবর্ণ জল। মালার দিকে দৃষ্টিপাত করিয়া মনে করিলাম, এই সব্যাপী লেখা যায় নাই। মধ্যে মধ্যে পর্বঙ্গের স্যায় ভূপাকার বহ্নিপুজ প্রলয়ানলে মেঘ আসিল কিরূপে, তাহার পরে চতুর্দিকে ভরূপে তদুপরি কলযুক্ত শিখপুঞ্জে মরতবর্ণ হইয়া শোভা পাইতে দৃষ্টিপাত করিয়া দেখিলাম, কোন দিকেই মেষ নাই, আকাশে লাগিল। সেই প্রচণ্ড বায়ুর এ গে যে, ক্ষণকমধ্যে সেই কেবল অঙ্গারবৃষ্টি হইতেছে; আকাশময় কেবল ভীষণ অগ্নি। বায়ুর বেগে সকল স্থানে একেবায়ে বহ্নি ছড়াইয়া পজি, এইরুপে সেই অগ্নির উত্তাপে শতকোটি-যোজন-দূরস্থিত পদার্থসমুহ প্রচণ্ড অখিব সহিত প্রবল বায়ু বহিতে লাগিল। ৬২-৬৫। ভস্ম হইয়া যাইতেছে। তাহার পরক্ষণেই কিছু দূরে গিয়! অনুভব পঞ্চসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৫। করিলাম, উদকের বয়ু শীতল, নীচের বায়ু অগ্নির ন্যায় উত্তপ্ত । যে স্থানের বায়ু শীতল সেই স্থানে লক্ষ্য করিয়া দেখিলাম, প্রলয় -মঘসকল অবস্থান করিতেছে, সে সমস্ত মেখে কিছুমাত্র অগ্নি বটুসপ্ততিতম সর্গ। তাপ লাগিতেছে না, সে সমস্ত মেঘ নিম্নবর্তী লােকের দৃষ্টিগােচর হইতেছে না। তাহার পর পশ্চিম দিক হইতে ভীষণ কল্পবায়ু বশিষ্ঠ কহিলেন,—“তৎপরে পর্বতসমুহ বিকম্পিত করিয়া বহিতে লাগিল, সুমেরু, হিমাল, বিন্ধ্যাচল ভূতি বড় বড় পর্বত কলাবায়ু বহিতে লাগিল। নভেমার্গে সাগরকল্লোল প্রবলবেগে সেই বায়ুতে তৃণের স্থায় বুরিতে লাগিল। ১১-১৫। সেই উখিত হইয়া খবৰ্ত্তাকারে আলােড়িত হইতে লাগিল। সমুদ্রের প্রবল বাতাসে বহ্নিজালারূপ পৰ্বতসকল অগ্নিকোণের দিকে জল উপরে উ খত হওয়ায় সদ্ৰ শূন্য হইয়া গেল, এতদিন সমুদ্র তৎক্ষণাৎ ছড়াইয়া পড়িল। সেই বহ্নিজালারূপ পৰ্ম্মতের পাশে যে ধনে ধনী ছিল, ত-কালে সেই সলিলধনে বঞ্চিত হইল, সমস্ত অঙ্গাররূপ পক্ষা উড়িতে লাগিল , তাহার মধ্যে জলন্ত কাষ্টসমূহ জলমগ্ন হইয়া পৃথিবীর জলাভাব ক্লেশ একেবারে বিদূরিত হইল। অরণ্যের ন্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিশ। অঙ্গাররূপ মেমালা দেখিলাম,-ভূমণ্ডল অরাজক, প্রাণিশূন্য এবং প্রচণ্ড কালানলে ঋমেঘের ন্যায় এদিক ওদিক ঘূণিত হইতে লাগিল। আকাশে সমস্ত ভৰ্জিত হইয় গিয়াছে। কালবশে রতিলও একেবারে ভরাশিপে মেষ ও বাসুশােভিত অঙ্গরের ধূলি উতষ্ঠান বসালে গিয়াছে, তাহার কিছুমাত্র অস্তিত্ব নাই। ১-৫। এতে •গিল। অগ্নিকোণ হতে লন্ত অস্ত্র বহন সর্গের চিহ্নমাত্রও নাই, সমস্ত সৃষ্টি বিধ্বস্ত হইয়া গিয়াছে, করিয়া প্রবল বায়ু বহিতে লাগিল, বোধ হইল, ধেন পক্ষবান সমস্ত জগঃ সৌরলোকময় হইয়াছে, দিল যেন শােক- স্বাচল । গেরু) আসিয়া উডিয়া পড়িছে। ধরমণ্ডল সাগরে মগ্ন। এমন সময়ে পূর, আবর্তক প্রভৃতি ঘোলা • পতনিচয় অঙ্গার-রাশিঙে পূহইয়া গেল। দ্বাদশ সূর্ঘ্যের বুলােমর দানবদলের স্থায় সবেগে নভােমণ্ডল আক্রমণ করিয়া তে এককালে ধেন প্রদীপ্ত হইয়া উঠিল। ১৬-২০। কোন অতিগীর গর্জন করিতে লাগিল। সেই গভীর গর্জন শুনিয়া সাগরেই জল নাই, কেবল অগ্নি , যদি কোথাও ল মিলে, তাহাও বোধ হইতে লাগিল, ব্রহ্মা আপনার অন্তম্ভিত্ত ভেদ কলিন, অখিময় অতি উওপ্ত। বনে বৃক্ষপত্র একেবারে নাই, ৰ ভ সেই জন্যই এইরূপ বিকট শব্দ হইল। উচ্ছলিত সাগর- হইয়াছে, বৃক্ষনকল আগুনে দাউ দাউ করিয়া জলিতেছে মালা পরস্পর আঘাতপ্রাপ্ত হইয়া যেরূপ গর্জন করে, সেইরূপ ব্ৰহ্মলােকে অবস্থিত ব্রহ্মা, ব্রহ্মার পুরী, তত্ৰত্য অন্যান্য দেবগণ ঘের গর্জন হইতে লাগিল। মালােক পূীমধ্য সাগরে বালক, বৃদ্ধ ও অঙ্গনাগণ সমস্তই অগ্নিদগ্ধ হইয়া আকাশে আসিয়া প্রতিধ্বনিত হইয়া সেই মেঘধ্বনি ভাষণ হইয়া উঠিল। পড়িতে লাগিল। পরব্রহ্মরূপ অপযাণ সরোবরে উৎপন্ন প্রলয়- অদ্যমান কুলপর্বতসমুহের ঘের চটপটকের সহিত মিশায় ঐ নল িণী পদ্মিনী অঙ্গাররূপ ধীজ, ফুলিঙ্গরূপকেশর ও জালরূপ শব্দ আরও ভয়ানক হইয়া পড়িল। ৬-১০। ঐ শব্দ ব্ৰহ্মাণ্ড- পল্লবসমৰিও হইয়া অপুর্ব শােভা ধারণ করিল। ২১-২৫। স্বরূপ শখের মধ্যপ্রদেশ পরিপূর্ণ করিয়া তাহার ভিত্তিপ্রদেশ বড় বড় হস্তী, বড় বড় কক্ষ বায়ুর আহত হইয়া বিস্তৃত অঙ্গার- প্রতিদ্বত প্রাপ্ত হইয়া বাহিরে ঘনীভূত হইয়া প্রকাশ পাইতে কর্দমে পতিত হইয়া পাতাল পর্যন্ত নিমগ্ন হইতে লাগিল। এমন লাগিল। স্বর্গ, মর্ত্য ও রসাতলের প্রতিধ্বনির সহিত মিশিয়া, সময়ে কশ্যামল প্রলয় মেঘমালা ভীষণ গর্জন করিতে করিতে যেন শাখাসমন্বিত হইয়া (আরও বাড়ি) উখিত হইতে লাগিল জলবাহী উসৈন্তের ন্যায় ভূলনিকটবর্তী নভোমণ্ডলে লক্ষ্য- সেই ভীষণ শব্দ সমস্ত দিভিত্তিতে প্রতিহত হইয়া তত্তস্থান গতিতে সহসা আসিয়া উপস্থিত হইল। সেই মেঘমালার মধ্যে আকর্ষণ করিতে লাগিল। ঐ শ, সপ্ত সাগরের সম্মলনে কত্ত বহি স্যায় আজমান বিদ্যুৎপুঞ্জ পর্বতের ন্যায় স্থিরভাবে যে অপূর্ব এক পানীয় উৎপন্ন হইয়াছে, তাহা পান করিবার অবস্থিত হইয়া বিরাজ করিতে লাগিল। ঐ মেঘমালার এক এ ব্যগ্র হইয়াই নে চতুর্দিকে সাশরাভিমুখে খাবিত হইল কোণেই সপ্ত সাগরের জল অঙ্কোচে স্থান প্রাপ্ত হইয়াছে। হইতে লাগিল,-মহাপ্রলয়রূপ দেবরাজ যেন দিগ্বিজয় চতুর্দি ভিত্তির ন্যায় রাণীভূত নীহারপুঞ্জে আচ্ছন্ন হইয়া গেল। করিতে বহির্গত হইয়াছেন, তাহারই ঐরাবত-হস্তী যেন গর্জন সেই মেহমাগার গভীর গর্জনে ব্ৰহ্মণ্ডের দৃঢ় ভিত্তি যেন বিদীর্ণ = | নির্মাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ হইয়া যাইতে লাগিল। সেই মেঘমালা গােলাকার মণ্ডলে দ্বাদশ লাগিল। ভস্মমাখা মেলায় আকাশ ধূসরষর্ণ হইয়া গেল। সূৰ্য্য বেষ্টন করিয়া তড়িংসহচর হইয়া গভীর গর্জন করিতে চতুর্দিকে বৃহংকায় মেষসকল উড়িতে লাগিল। ভয়ঙ্কর মেষ- করিতে আকাশে উদিত হইল। ঈশ ঘাের প্রয়দশায় সমূদ্র মালা যেন বাষ্প ব্যপদেশে জলবিন্দু উগাৰণ করিতে লাগিল। সকল বিক্ষুব্ধ হইয়া গেল। যেথ হইল, নীলকিরণ নিশানাৰ নুশন একে বায়ু উঠিয়া ব্রহ্মাণ্ডভিওিতে গিয়া প্রতিহত পূর্বের ভীষণ উত্তাপে দগ্ধ হইয়া প্রাণত্যাগপূর্বক পুনরায় জন্মগ্রহণ হইতে লাগিল। এবং সেই বয়ুভরে উর্ঘদিকে উড়ান বহ্নি- করিয়া পুর্বাপেক্ষা দ্বিগুণ শীতলায় অন্য এক আকার ধারণ করি জ্বালায় লােকপালগণের পুরীসকল দগ্ধ হইয়া গেশ। জল, যাছেন। ২৬-৩০। ঐ মেঘমালা সুবর্ণসদৃশ তড়িৎগুণ দ্বারা নিজ বায়ু ও অগ্নির দারুণ সঘর্ষে বিদীর্ধমাণ পাষাণখণ্ডের টঙ্কার- জলসমূহ স্তম্ভিত করিয়া কাষ্ঠের স্থায় নিশ্চল করিতে লাগিল। ধ্বনিতে লােকের কর্ণবিবর বধির হইয়া উঠিল। আকাশের দেখিয়া বোধ হইল যেন তুষার-সমাচ্ছন্ন হিমাচল পৰ্ব্বত আপনার অন্তরে ন্যায় স্কুলস্থূল জলধারার বর্ষণে প্রণয়বহ্নি আলোড়িত উদরে ধারণ করিয়া রাখিয়াছে। ব্রহ্মাণ্ডবিধাৱগকারী কঠিন বস্ত্র ইয়া ছমছম শব্দ হইতে লাগিল। গঙ্গা যাহাদের ক্ষুদ্র তরঙ্গ নিনাদে নভােমণ্ডলকে তুমুল করিয়া ফেলিতেছে। আকাশ হইতে স্বরূপ, সেই বিশালকায় নদীসমূহই যেন ভীষণ মেম্বরূপে আকাশে চতুর্দিকে রাশি রাশি তুষার বর্ষণ হতে লাগিল, বনমধ্যে বিদ্যু- উঠিয়া সমস্ত অগংকে জলপ্লাবিত একাকার করিয়া ফেলিল। তের আলোক প্রবিষ্ট হওয়ায় বােধ হইতে লাগিল, বনমধ্যে যেন দেদাশমান দ্বাদশ আদিত্য ঐ কান্ত মেঘমালার উপরে অলিতে অগ্নি জ্বলিয়া উঠিয়াছে , মেঘসমূহের গভীর গড়গড শব্দে ব্ৰহ্মাণ্ড থাকায়, তমালপত্রের উপরে ফুটন্ত কুমগুচ্ছ রহিয়াছে বলিয়া মণ্ডল যেন মাটি| যাইতে লাগিল। চতুর্দিকে ঝমঝম শব্দে বৃষ্টি বোধ হইতে লাগিল। পৰ্বত, দ্বীপ, নগর প্রভৃতি উচ্চতর স্থান- হইতে লাগিল, শীতল তুষার-ধারায় আকাশমণ্ডল যেন প্রাচীরময় সকল প্রবহমাণ গিৰিনদীসমূহে প্লাবিত হইয়া গেল। প্রয় হইয়া গেল। ৩১-৫। স্কুল স্থূল জলধারা স্বর্গমর্ত্যরূপ মণ্ডপের কালের বিষম বাত্যায় ও দারুণ বৰ্ঘাতে পর্বতসকল চুর্ণ বচুর্ণ বণ্যময় স্বল্প বলিয়া প্রতীয়মান হইতে লাগিল , সেই স্থূল হইয়া গেল। পরস্পর আহত হইয়া আৰাকারে পতিত জলধার র আবাতে ধরামগুল যেন, শৈলধারা প্রহার করিলে যে বিপর্য্যন্ত গ্রহনক্ষত্রগণ আকাশে উড্ডীয়মান অাররাশিকে বেদন হয়, সেই বেদনাই অনুভব করিতে লাগিল। স্বলন্ত অঙ্গার আরও দ্বিগুণ করিয়া শিল। ১-১২। চতুর্দিকে প্রবাহিত সমূহে জলধারা পডি। চটপট শব্দ হইতে লাগিল। ভীষণ প্রচণ্ড সমরিণে আহত জলমগ্ন পতের ন্যায় বিশাল তরঙ্গমালার মেঘগর্জনে লােকসকল মুচ্ছিত, পতিত ও ভযুসঙ্গ হইয়া , সর্ষণে জলমধ্যবর্তী পর্বতসমূহ বিদাণ হইতে লাগিল। ঘন হাহাকার করিঙে লাশি। বৃষ্টিদেবী অনল-সন্তাপিত পৃথিবীর | ঘন বিন্দুযুক্ত বাষ্পবধী বিশাল কান্ত জলধরে সূর্যের কিরণ জ্বাল। দেখিয়া অঙ্গারময় জগৰূপ গৃহে উপস্থিত হইয়া যেন | পর্যন্ত আচ্ছন্ন করিয়া চতুর্দি অন্ধকার করিয়া তুলিল। বাবণ-ব্যপদেপে পৃথিবীকে প্রত্যুদগম করিল তখনও চতুর্দিকের সেই নিবিড় অন্ধকারে পথ একেবারে কুদ্ধ হইয়া জলপাবি নভােমণ্ডলের মধ্যে মধ্যে বহ্নিশিখা অলিতে থাকায় | গেল। ভূমণ্ডল বিশীর্ণ ও খণ্ড খণ্ড হইয়া গেল। পৃথিবীর আকাশওল স্থলকমল শােভিত কাননের ন্যায় শােভা পাইতে | চতুঃখ ভায়া সমুদ্রগর্ভে পতিত হইয়া গেল, তীরস্থিত শৈল- লাগিল । সেই বহ্নিশিখার উপরিভাগে শীতল সলিলশীকররূপ সমূং সেই সঙ্গে সাগরে পতিত হইয়া বিলুণ্ঠিত হইতে লাগিল; পক্ষ প্রসারিত করিধা জানিচয় স্থলকালে ভ্রমরপঙক্তর ন্যায় হাতে সাগর ভীষণ আকার ধারণ করিল। সেই সময় জল প্রতীয়মান হইতে লাগিল। তৎকালে চট্টুকে দিগুল তুলিয়া লইবার জন্য যে সকল মেঘমালা সাগরে আসিয়া হল- পূরণকাশ সেই ভাষণ মেঘ ও বহ্নিজালার সম্মিলন দুর্বারণীয় সংলগ্ন হইয়া অল লইতেছিল। তাহারা তরাখতে উৎক্ষিপ্ত শক্রসমূহের বিষয় অস্ত্রনিচয়ের পরস্পর কাটাকাটি ও ঝন খণ্ড খণ্ড শিলার আঘাতে চূর্ণ বিচূর্ণ হইয়া গেল। জুলস্থিত রুনানিতে অতি ভীষণ প্রবল সংগ্রামের ন্যায় অতি ভয়ঙ্কর হইয়া মেঘমালা হইতে উথিত বজ্রধ্বনির সহিত মিশ্রিত হয়। সেই উঠিল। ৩৬-৩১। সাগরের তরজনি আরও ভীষণ হওয়াতে দিকুট যেন ভাজিয়া টুসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৬। পড়িতে লাগিল। প্রলয়মেঘমালারূপ কলপাপের শাখাবাহর আস্ফালনজনিত ঘােরনিনাদে তাহার কট-টঙ্কার শব্দে ব্ৰহ্মাণ্ড ভিত্তির মধ্যপ্রদেশ যেন বিদীর্ণ হইয়া খাইতে লাগিল। অর্গ, সপ্তসপ্ততিতম সগ মর্ত্য, পাতাল খণ্ড খণ্ড হইয়া একত্র মিশিয়া গেল, মিশ্রিত সেই সকল মরুভূমির পর শুরু নীরস হইয়া আকাশে উড়িয়া বশিষ্ঠ কহিলেন,-অনন্তর ক্ষিতি, অপ, তেজ ও বায়ু এই আকাশদেশ আবৃত করিয়া ফেলিল। বায়ুবেগে চালিত হই ভূতুষ্টয়ের দারুণ বিপব উপস্থিত হইলে লােকের যাবৃশ পরস্পরে সপ্রাপ্ত লেবদানবগণ পরস্পরকে প্রহার করিবার অবস্থা ঘটিল, ক্রমে তাহা বলিতেছি শ্রবণ করে। আকাশে মেঘ- অন্য অস্ত্র ঘুৱাইতে লাগিল, তাহাদের মধ্যে কেহ সেই প্রমানলে পটল ভলিপ্ত হইয়া উডডীয়মান তমাল-কাননের স্যায় প্রতীয়মান একেবারে বন্ধ হইয়া প্রাণত্যাগ করিল, কেহ অর্ধমৃত হইল, হইতে লাগিল। বুমরাশি মহাসাগরের মহা পড়িয়া দুরিতে হ বা শরীর হইয়া পলাইয়া গেল। কলা বভবেশে লাগিল। আর্দ্র বস্তুর উপরে সেই সুনীল ধুমায়মান বহ্নিশিখা উড্ডীয়মান অরাশি অবাতরােগগ্রস্ত (১) রােগীর ন্যায় টিমটিম শব্দে জ্বলিতে লাগিল। সকল জগৎ ধুমময়, মেখে আকাশে দুরিয়া বেড়াইতে লাগিল, ছিন্ন-ভিন্ন প্রাণিগণ সেই পরিপূর্ণ হইয়া গেল। সেই সময়কর মুছম ইত্যাকার দীর্ঘশক যেন বৃষ্টিধারার জঘােষণকারী পটহনি বলিয়া মনে হইতে (১ একরূপ উৎকট বায়ুরোপ।
৬ যােগাষ্ঠিরামায় জম্মের মধ্যে গলিত জীর্ণ পাত্রর ন্যায় উড়িতে লাগিল। ১৩-২০। একেবারে চূর্ণ বিচূর্ণ হইয়া একাকার হইয়া গেল, যে জগৎ উস্থিত লােকালয়সকল অন্তরীকে ঊহমান শিলাসমূহের আঘাতে চিদাকারে ভেজে কামধ্যেই নষ্ট হইয়া যায়, সেই জগঞ্জে ভগ্ন ও চুর্ণ হইয়া ভাষণ শব্দসহকারে নিয়ে নিপতিত হইতে ঈশ দারুণ প্রলয়ে একেবারে নয় হওয়া বড় অর্যের বিষয় লাগিল। কোথাও বা চতুর্দি হইতে প্রবল বায়ু আসিয়া মিলিত নহে। ৩৫-৩৮। দারুণ বৰ্ণায় অগ্নি প্রশান্ত হওয়ায় চতুর্দিকে হইয়া গভীর ভয়ঙ্কর শব্দে গিরিগুহায় প্রবেশ করিতে লাগিল। ভস্ম উড়িতে লাগিল, সেই প্রশ্নের সহিত দেবগণও চতুর্দিকে কোথাও বা বায়ুবেগে উৎপাটিত লােকপালগণের পুৰসমূহ বিকীর্ণ হইতে লাগিলেন। জগতের অস্তিত্ব পােপ হইয়া গেল, আবৰ্ত্তাকারে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পড়িয়া যাইতে লাগিল। প্রবল ঝটিকা অগং তখন ভূতপূৰ্ব্ব পদার্থ হইয়া গেল, জগতের ব্যাপার তখন অসুরদিগের আয় কর্কশ শব্দ করিয়া বহিতে লাগিল, উর্মে কার হতাৰশিষ্ট জীবগণের কেবলমাত্র স্মৃতিপথে বিরাজ করিতে উড্ডীয়মান বনসমূহ ৰায়ুবেগে গৃহের গব্যক্ষের ন্যায় প্রতীয়মান লাগিল। চতুর্দিকে শূন্যময়-প্রবল ব্যাভয় অনবরত কেবল একটা হইতে লাগিল। দেব-দানবগণ, নাগগণ, দ্বাদশ সূৰ্য্য, ও অগ্নিদগ্ধ সাঁ সাঁ শব্দ হইতে লাগিল, জগতের ললাপ হওয়ায় সব শান্তিময় পুর'সকল আকাশে মশকশ্রেণীর স্থায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। হইয়া গেল। সত্যসত্যই এবারে সৃষ্টি লােপ হইয়া গেল, মহিলেন তখন দেখাগেল, প্রবল ঝড় বৃষ্টিতে ভাঙ্গয়া চুরিয়া পর্বতের কেবল একমাত্র পরমাত্মা, তদ্ভিন্ন সৃষ্টিনামক কোন পদার্থ আছে বিশালতা কমিয়া গিয়াছে, দেবালয়সকল ভগ্ন হইয়াছে, উপরে বলিয়া আর বােধ হইল না। বাস্তবিকও সৃষ্টিনামক কোন পদার্থই জল, নীচে অনল, উপরে অপােমুখপ্রবাহী জলপ্রবাহের ধাের নাই, পবনই কেবল এই বিপৰ্যাস ঘটাইতেছেন, বীলরাশির গম্ভীর শব্দ হইতেছে। ঘাের বাৰিবর্ষণে ও ভগ্ন পর্বতের ন্যায় তিনিই কোথা হইতে এই জগৎনামক একটা অলীক পদার্থ নিপাতনে দিপালপুরী একেবারে চুৰ্ণিত হইয়া যাইতেছে, দেব- উড়াইয়া আনিয়া ফেলিতেছেন, আবার যখন ইচ্ছা হইতেছে, জানব, সিন্ধ, গন্ধর্বদিগের গৃহ সকল পড়য়া যাইতেছে। পৰ্ষত শুধনই আবার কোথায় বিলীন করিতেছেন। তাহার পরে অন্ত- সকল অগ্নিহে অঙ্গারে পরিণত হইয়া একেবারে চুর্ণ হইয়া রীস্থিত স্বলন্ত অঙ্গারসমূহ চূর্ণ বিচূর্ণ হইয়া সুবর্ণচূর্ণের স্থায় গিয়ছে। প্রবল ঝটিকাবা ধুমের ন্যায় পদার্থসমূহকে একবারে প্রতীয়মান হওয়ায় আকাশমণ্ডল স্বণকুটারময় হইয়া গেল। অসার করিয়া ফেলিতেছে। তৎপরে,দেবালানবদিগের রত্বময় অসার এদিকে ভূমণ্ডলরূপ বিশালখও অন্যান্য দ্বীপও সাগরের সহিত গৃহসকল গলিত-ভিত্তি হইয়া নসাগর সলিলের স্থায় রত্নের স্থানষ্ট হইয়া সপ্তম পালে গিয়া পতিত হইল , অন্য পাতাল- ঝনঝন শব্দে পূর্ণ হইয়া খণ্ড খণ্ড হইতে লাগিল। উদ্ধতি সমূহও সেই স্থানে পড়া লুণ্ঠিত হইতে লাগিল। আকাশ সপ্তলোক হইতে জলসমূহ অপােদেশে পতিত হইতে লাগিল , হইতে আরম্ভ করিয়া সপ্তম পাতাল পর্যন্ত সমুদয় ভূল পর্বতাদি সেই সপ্তলোক হইতে নিপতিত গৃহ ও জনসমুহে গগনতল একাকার হইয়া প্রলয়কালীন কােন ব্যাত্যায় আকুল হইয়া সমাকীর্ণ হইয়া গেল। উ হইতে নিপতিত সেগণ সাগরের গেল। যেমন ক্রোধ মুখচিত্তে ক্রমশঃ বাড়িয়া উঠে, সেইরূপ স্যায় অবিৰ্ত্তাকারে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পড়িতে লাগিলেন। উ হইতে তরঙ্গমালাসঙ্কুল সহস্র সহস্র নদীপ্রবঙ্গে সেই একার্ণব ক্রমশ অর্ধদগ্ধ বিশীর্ণ পদার্থনিচয় প্রবল বায়ু দ্বারা সঞ্চালিত হইয়া বাড়িয়া উঠিতে লাগিল। সেই ভীষণ প্রলয়ের বারিধারা প্রথমে ইতন্ততঃ উড্ডীন হইতে লাগিল। ২২-৩০। সুৰ:ময় বৈদূৰ্য্য মুষলের গায়, তাহার পরে এক একটা খামের ন্যায়, তার পরে মণিমঃ স্ফটিক মণিষয় দেবালয়সকল উহইতে ঝন ঝন শব্দে এক একটা তালবৃক্ষের ন্যায়, তাহার পরে নদীপ্রবাহের ন্যায় পতিত হইতে লাগিল। ভস্মময় মেঘসকল উপরে উঠিতে নিপতিত হইতে লাগিল, সেই সময়ে ভীষণ মেমাল। সপ্তদ্বীপসহ লাগিল, চতুর্দিকে বারিধারার প্রবাহ ছুটিল,-তরঙ্গমালা উঠিতে সংদয় ভূগুল আচ্ছন্ন করিয়া অবস্থান করিতে লাগিল। যেমন লাগিল। ভূতল ও পৰ্বতনিচয় সেই জলে ডুবিয়া গেল। শাস্ত্রীলােচনা ও সজ্জন সংসর্গে আপদ বিদূরিত হইয়া যায়, সেইরূপ কুহদাকার পর্বতসমূহ জলস্রোতে ভাঙ্গিয়া গিয়া সাগরপাতত সেই ধাের বাৰিবৰ্বে দাহকারী সেই বহি প্রশান্ত হইয়া গেল। পর্ণনিচয়ের ন্যায় খণ্ড খণ্ড হইয়া বৃণিত হইতে লাগিল। উর্দ ও অধোবর্তী পদার্থসমূহ পরিষত্তিত (উর্থের বস্তু নিয়ে, হতাশশিষ্ট দেবগণ আকুল হইয়া রোদন করিতে লাগিলেন। নিম্নের বস্তু উর্ধে উঠিতে লাগিল ) হইতে লাগিল। চুণিত শৈল- কোথাও বা মুমুর্য, প্রাণিগণ ছটফট করিতে লাগিল। শত শত খণ্ড পরস্পর আহত হইয়া খন ধনু শকে জলমগ্ন হইয়া গেল, ধূমকেতু আকাশে উদিত হইয়া ঘূর্ণিত হইতে লাগিল। সেই দুই বালকের ক্রীড়াসামগ্ৰী হইলে পৰু বিম্বলের যেরূপ দশা সময়ে অগং একেবারে ভীষণ দৃশ্য হইয়া উঠিল। ৩'—৩৪। দূর হয়, এই ব্রহ্মাণ্ডের অবস্থাও তখন ঠিক সেইরূপ হইল।৩১-০৯ হইতে জীর্ণপর্ণের স্থায় প্রতীয়মান মৃত ও অর্ধত জনসমূহ সপ্তসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৭। বায়ুচালিত হইয়া আকাশে উখি হওয়াতে আকাশল অবকাশ- শু। সন্ধার্ণ) হইয়া গেল। গিরি গর গর স্থূল জলধারা সমূহ নিপতিত হইতে লাগিল। ভূতলে শত শত নদী বহিতে অষ্টসপ্ততিতম সর্গ। লাগিল, গৃহ ও পর্বলকন সেই নবজাত নদীসমূহে ভাসিতে লাগিল। পুর্শে যে হাের এভশন সহ শাখা বিস্তারপূর্বক শম- বশিষ্ঠ কহিলেন-এইরূপ প্রবল ঝড়-বৃষ্টিসময়ে বড় বড় শম শৰে জ্বলিতে ছিল, ঐ দারুণ যাতে অহা একেবারে প্রশান্ত রক্ষাংশ পতনে ধরাতল চুর্ণ-বিচূর্ণ হইয়া গেল। কলিকালের হইয়া গেল। বড় বড় পর্বতসমূহের উপর দিয়া খরতরবেগে ভূপতি স্যায় জলের বেগ ক্রমে বাড়িয়া উঠিল, আকাশ-গঙ্গার লাগতে বহিতে লাগিল। নদীস্রোতে নিপতিত তৃণাশি যেমন প্রবাহে ও বৃষ্টিস্বলধারা প্রবাহে সেই একাণৰ ক্ৰমশঃ ফীত হইয়া খণ্ডখণ্ড হইয়া অদৃশ্য হইয়া যায়, সেইরূপ সেই ভীষণ সম্পর্ষে জগৎ উঠিল, সেই একাণবের উপর দিয়া সহস্র সহস্র নদী প্রবাহিত নিৰ্ক গি-প্রকরণ-উত্তরঙ্গ ৬৬৯ হইতে লাগিল ,মেরু মন্দরাদি গত সেই আলমধ্যে পতিত হইয়া একাণৰ ইনের সংলােচন ধারণের গায় সেইরূপ বিত মগোশ্রয় হইতে লাগিল। মুখ অধিপভি স্যায় সেই একার্ণব অসংখ্য বুহু ধারণ করিল। দূর হইতে দেখিয়া বােধ হইতে ক্রমে এত ফীত হইয়া উঠিল যে, সেই জলপ্রবাহে ভাসমান লাগিল,-“সেই জলপ্রবাহ যেন দোকাশের গায় বিশাল পানিচয়ের শৃঙ্গসকল সূৰ্যমগুলে গিয়া ঠেকিল।১৪। রূপ নয়ন আর নদীর ন্যায় ধাৰাবাহী অগখ্যাপী মেঘমালা আলমগ্ন মেরু, মন্দ, কৈলাস, বিন্ধ্য প্রভৃতি বড় বড় পর্বতসকল নিরীক্ষণ করিতেছে। সেই একাণৰ পৰা পৰ্বর স্নায় সেই একাৰ্ণবের জলজ বলিয়া বোধ হইতে লাগিল। অনাদি উখিত উত্তাল ভবঙ্গমালারূপ বাহু দিয়া পূফাবর্তকাদি মেরু নাগরাগণ গলিতভূমির কমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া কর্দমমগ্ন সকলকে যেন আলিঙ্গন করিতে লাগিল। সেই একাণৰ এই মৃণালের স্থায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। এলােপরি ভাসমান ত্রৈলোক্য গ্রাস করিয়া পরিতৃপ্ত ও অদ্রিরূপবলয়রী উত্তাল অর্ধনগ্ধ বৃক্ষসকল শৈবালবনের স্যায় অমিত হইতে লাগিল। ওরঙ্গমালারূপ বাহুমণ্ডল বিস্তার কৰিা বরখরে যেন গান দগ্ধ অগরে ভন্মরাশিতে সেই একাণব কর্দমকলুষিত হইয়া করিতে করিতে নৃত্য করিতে লাগিল। সেই একাব প্রবাহের গেল। উদীয়মান আদশটা ভাস্কর সেই একাণৰে পরে স্থায় উপরে নদীর ন্যায় ধারাবর্ষী মেঘমালা, মধ্যস্থলে দগ্ধ পর্বতনিচ প্রতীয়মান হইতে লাগিলেন। নভােমণ্ডল সেই সূৰ্যকমলের অপােদেশে পঞ্চম:খ্য ভূমণ্ডলধারী অনন্তাদি ভুজঙ্গগণ অবস্থতি নালের ন্যায় এবং কিরণপুৰু ইহার মৃণালের ন্যায় হইতে লাগিল। করিতে লাগিল। জলধারারূপ নদী গঙ্গাপ্রবাহ অনবরত জলপ্রবাহে উন্মগ্ন হইয়া ভাসমান পর্বতের প্রান্তদেশে অবস্থিত নিপতিত হইতে থাকায় পর্বতশৃঙ্গরূপ ফেনবুদবুদ কখন ময়, মেঘমাল উন্মত্ত হইয়া গর্জন করিতে লাগিল। ইন্দ্র, চন্দ্র, বায় কখন উন্মগ্ন হইয়া আসিতে লাগিল। ১৯—২৪। স্বর্গপুরী প্রভৃতি দেবগণ ও পুরপত্তন-নিচয় উর্দ হইতে ঘরিতে ঘুরিতে বিখণ্ডিত হইয়া সেই জলপ্রবাহে ভাসিতে থাকা স্বর্গবাসী নও সেই একার্ণবপ্রবাহে আসিয়া পড়িতে লাগিল। এক সময়ে শুরগণ ক্রন্দন করিতে লাগিল। বিদ্যাধরীগণ সেই জলপ্রবাহে শাহারা জগঞ্জে মধ্যে প্রবল প্রতাপশালী ছিলেন, সেই দেবদানব- পদ্মিনীর ন্যায় ভাসিতে লাগিল। চুর্ণ-বিচুর্ণ ত্রৈলােক্যমগুল সেই গণ তখন সেই জলপ্রবাহে কাষ্ঠবং ভাসিতে লাগিলেন। ক্রমে একাৰ্ণবের পর এবাহে ঘর্ঘর শব্দে ভাসিতে লাগিল। হায়! হায়। এমে সেই জলপ্রবাহ স্ফীত হইয়া উপরে উঠিয়া সূৰ্যমণ্ডল সে সময়ে সকলেই রঙ্গমালায় আপ্লুত, কাহাকেও রক্ষা করে স্পর্শ করিল। গভীর গর্জনকারী জলধরবৃন্দের অতিন্দুল বারি এমন কেহই ছিল না। সেই কালের করালগ্রাস হইতে কে ধারা-পতনে সেই এবাহে যে সমস্ত সুদীর্ঘ বুহুল উঠিতে লাগিল, কাহাকে পরিত্রাণ করে ? সে সময়ে আকাশও ছিল না, দিনান্তও দর্শকদের চলে সেই বুদ্বদসকল জলে ভাসমান পৰ্ব্বত। ছিল না, উও ছিল না, সৃষ্টি ছিল না, কোন প্রাণীই ছিল না, বলিয়া ভ্রম হইতে লাগিল। ৫-১০। কান্তসময়ের সেই ছিল কেবল জল,—সবই এসময় এলাকার । ২৫-২৮। বারিদমালা এদিক ওদিক ঘুরিয়া ঘুরিয়া প্রবাহােপরি ভ্রমণ, সেই অষ্টসপ্ততিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৮ | বুদবুদের উপরে বসিয়া বিশ্রাম করিতে লাগিল। তাহা দেখিয়া বোধ হইতে লাগিল , সেই এক সেই সমেঘ বুদবুদরূপ নেত্র- কারা সন্নিহিত অপর মেধসকলকে নিরীক্ষণ করিতেছে। সেই একোনাীতিতম সর্গ। মহাপ্রবাহের ভীষণ নিনাদে গগনমণ্ডল প্রতিধ্বনিত হইতে লাগিল, আকাশের সহিত কুলাচলনিচয় সেই প্রবাহে নিমগ্ন হইতে বশিষ্ঠ কহিলেন—“ অনন্তর আমি আকাম অবস্থান লাগিল। সেই উন্ময় কুলপর্বত-সকলের উপরে প্রচণ্ড বায়ুবেগে করিয়া প্রভাতকালে সূৰ্যপ্রভার ন্যায় প্রকাশময় ব্রহ্মলোকে জলরাশি উখিত হওয়ায় তৎসমুদয় একেবারে ডুবিয়া গেল। দৃষ্টিপাত কৰিলাম। দেখিলাম, সেখানে ব্রহ্মা প্রধান পরিজনবর্গে সেই প্রবাহের মহাশ্রোতঃ স্বরধ্বনিতে আরও তুমুল হইয়া পরিবেষ্টিত হইয়া সমাধিমগ্ন রহিয়াছেন, দেখিলে বােধ হয়, যেন উঠিল। সেই একাণবপ্রবাহে খণ্ডখণ্ড ভাবাপন্ন এই ব্রহ্মাণ্ড পাষাণময়ী একটা মূর্তি বিরাজ করিতেছে। দেবগণ, মুনিগণ, পরিবর্তিত ও উত্তিত হইতে থাকায় লক্ষযজন স্থান ভাবে শুক্র, বৃহস্পতি, ইন্দ্র, চন্দ্র, বরুণ, যম, অনিল, অনলও এই বিস্তৃত ও উর্ঘদিকে উন্নত হইতে লাগিল। পর্বতসকল সেই দেবগণ আত্মখ্যাননিত হইয়া তাহার দুপাশে অবস্থান উত্তাল তরঙ্গমালায় তৃণের ঘূর্ণিত হইতে থাকায় আদিত্য- করিতেছেন। সিদ্ধ, সাধ্য, গন্ধর্বদিগের অধিপতিগণ, সকলেই মণ্ডল উহার শিলাসম্বর্ধণে চুর্ণবিচূর্ণ হইতে লাগিলেন। একাণবে ধ্যান-পরায়ণ হইয়া চিত্র-লিখিত্রে ভার নিশ্চলভাবে অবস্থিতি নিময় পৰ্বতসমূহকে দেখিন্না মনে হইতে লাগিল, সেই একাণব করিতেছেন। সকলেই পদ্মাসনে যেন নির্জীব হইয়া অবস্থান প্রবাহরূপ ব্যাখ বেন ব্রহ্মাগুরূপ কুলাস্থিত পৰসমূহ রূপ করিতেছে। তাহার পরে দেখলাম, সেই ব্যটা সূর্য সেই দ্রোণকাকদিগকে (ঈড়কাকলিকে) অরূপ জালে আবদ্ধ কৰি ৰানে উপস্থিত হইলে, উপস্থিত হইয়া তাহারাও তাহাদের তেছে। সেই জলপ্রবাহে মৃত অর্ধমৃত অসংখ্য প্রাণ মগ ও ন্যায় পদ্মাসনে আসীন হইয়া খানমগ্ন হইলেন। সুপ্তোথিত উন্মগ্ন হইতে লাগিল। উত্তাল তমালায় সেই প্রাণিনিচয় ব্যক্তি যেমন স্বপ্নাবস্থায় বৈ আর দেখিতে পায় না, সেই মকরাদি জলজকার ন্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। উ হইতে রূপ তাহার পরে সেই কলঘােনিকে আর দেখিতে পাইলাম নিপতিত মৃতশিষ্ট (জীবিত) দেবগণ জলপ্রবাহে সন্তরণপূর্বক না; জ্ঞানীয় বাসনার চায় ব্রহ্মার সেই লােকজনকেও আৰু পৰিশ্ৰাস্ত হইয়া উন্ময় ফেনষ পর্বতের শিখৰে উঠিয়া অবস্থান দেখিতে পাইলাম না। তখন ব্রহ্মার সেই সঙ্কজসি নগর অরণ্যের কত মশকের স্যায় এতীয়মান হইতে লাগিলেন। ১—১৮। শান্ত হইয়া গেল। যেরুপ আকস্মিক বিপ্লবে হঠাৎ নগর ইদানীন্তন আকাশ যেরূপ বিস্তৃত দেখা যাইতে, তৎকালে সকল বিধ্বস্ত হইয়া গেল, সেইরূপ সেই ব্ৰহ্মণগও বিধ্বস্ত = -৭০ যােগব শিষ্ঠ-রামায়ণ হুইল। ক্রমে ক্রমে সেই মুলি, খয দেব, গন্ধর্ব, বিদ্যাধর করিতে ইচ্ছাকবেন না, কেননা, তাহা হইলে ধৰ্ম্ম, সমাজ প্রভৃতি প্রভৃতি সকলেই অদৃশ্য হইয়া গেলেন। তাহার পরে আমি বিশৃখলায় জং উৎপন্ন হয়, এতদ্ভিন্ন তােমার মতের বিপক্ষে আকাশে অবস্থান করিয়াই অবহিতচিত্তে জানিতে পারিলাম অনেক যুক্তি আছে, তাহা এক্ষণে থাক অপর আর একটা দোষ যে, তাহারা সকলেই ব্রহ্মার ন্যায় নির্বাণপ্রাপ্ত হইয়া দিতেছি শ্রবণ কর। জ্ঞান যদি মাদকতাশক্তির ঙ্গায় জড় বন্দু- ছেন। বসনা হওয়ায় তাহারা আত্মস্বরুপে পরিণত হইয়া সংযােগের ফল হয়, তাহা হইলে মৃত ব্যক্তির পিশাচদেহ প্রাপ্তি প্রবুদ্ধ (জাগরিত) ব্যক্তির নিকট স্বপ্নদৃষ্ট বস্তুর স্যায় অদৃশ্য অসম্ভব হয়, অথচ মৃত্যুর স্থান হইতে দূর দেশেও এইরূপ হইয়াছেন। এই যে দেহ, ইহা কাক, বাসনাবলে ইহা পিশাচভাব উপলব্ধি-গোচর হইয়া থাকে। ১৮-২৫। প্রত্যক্ষই পরিস্ফুট ( দৃঙ্গ) হয় বাসনার ক্ষয়ে ইহা জাগরিব্যক্তির নিকট একমাত্র প্রমাণ, অনুমান, উপমান, শব্দ, অর্থাপত্তি, অনুপলব্ধি স্বপ্নের ন্যায় আর প্রকাশিত হয় না। যেমন স্বপ্নাবস্থায় আকাশে সম্ভব এবং ঐতিহ্য প্রমাণই নহে ইহাই চার্বাকের মত, এ মতে সেই পশন , নেইরুপ আকাশেই বাসনাবশে এই দেহের সুতরাং শিশাচাদির প্রত্যক্ষ ভ্ৰমমাত্র। যখন পিশাচদিগকে চক্ষে দেখা আবির্ভাব হয় , বাসনাবিলগ্নরুপ অগ্ৰদবস্থায় আর ইহার কিছুই যায় না, তখন ভ্রমভিন্ন আর কি বলিব ? আর এক কথা এই যে, দৃষ্ট হয় না। বাসার ক্ষয় হইলে জাগ্ৰদ্দশাতেও কি অতিবাহিব পিশাচের ক্রিয়া দেহের উপরেই হইয়া থাকে, তাহা যে সান্নিপাতিক কি আবিশেভিক কোন দেই আর লক্ষিত হয় না। ১-১৫। বিকারের কাৰ্য্য নহে, ইহা কে বলিল ? চার্বাকের এই কথার এই দেহুদর্শন বিষয়ে স্বপ্নদর্শনই দৃষ্টান্ত, আবাল বৃদ্ধ বনিতা উত্তরে আমরা বলি, হ চার্বাক। প্রত্যক্ষ ভিন্ন প্রমাণ না থাকিলে সকলেরই ইহা অনুতবসিদ্ধ, শাস্ত্রেও হাই স্মৃত হইয়াছে। এইরূপ কথা বলিতে পর বটে কিন্তু তাহা ত নয় , প্রত্যক্ষ ভিন্নও যে শঠ নিজে এইপে অনুভব করিয়া ও গােপন করে স্বপ্ন যে প্রমাণ আছে, অনুমানাদিও যে প্রমাণ, নতুবা তে মার সকল দৃষ্ট বন্ধু প্রভৃতিকেও সত্য বলিতে চায়, সে ব্যক্তির কথা কথাই অপ্রমাণ হইয়া উঠে, তুমি যাহা বলিতেছ, লোকে তাহা ছাডিয়া দাও, তাহাকে কোন উপদেশ দিতে নাই, সে ব্যক্তি বিশ্বাস করিবেন কেন? তােমার কথা ‘য বিশ্বাসযােগ্য এ বিষয় কি দুল-সুপ্ত, তাহাকে কে জাগরিত করিতে পারিবে ? যদি বল, কোন প্রত্যক্ষ প্রমাণ আছে ? কথার অর্থ লোকে সুৰে, অৰ্থান এই দেহ পিতামত দি কর্তৃক উৎপাদিত, পিতামাতার দেহ প্রত্যক্ষ নহে, সেই অর্থানকে অভ্রান্ত বলিতে হইলে অনুমানা- হইতে উৎপন্ন। স্বপ্ন দেহ ত সেরূপ নহে, স্বপ্নদেহ এক দিকেই প্রমাণ বলিয়া গণ্য করিতে হয় অতএব তােমাকে বই মিথ্যা। তাহার উত্তরে আমি বলি, সংকৰ্ম্ম দ্বারা যে অগত্য স্বীকার করিতে হইতেছে, অনুমানাদিও প্রমাণ এমন স্বর্গ দেহ লাভ করা যায়, তার ত উৎপাদক কেহ নাই , যদি হইল, তবে পরলোক, স্বর্গ, নরক, সত্যরূপে সিদ্ধ না সে দেহ স্বয়ংই উৎপন্ন হন্ত তােমার মতে তাহাও মিথ্যা , হইবে কেন? আর পর-দেহস্থিতপিশাচের সত্যতা যদি অস্বীকার তােমার মতে তাহা হইলে পরলােক নাই, ফলতঃ তাহা বলিলে কর, তবে মাদক দ্রব্যের মতাশক্তিতেই বা বিশ্বাস কর কেন? তুমি নাস্তিক হইয়া পড়। পিতামাতা কর্তৃক উৎপাদিত দেহ তাহও ত পরকায় দেহের বিকার দর্শনে স্থির করিতে হয়। ব্যতীত আর দেহ নাই, ইহা স্বীকার করিলে পূৰ্বকল্পের পিশাগ্রস্ত বা ভূতবিষ্ট ব্যক্তি এমন অনেক অমানুষিক কাৰ্য করে অবসানে সমুদয় দেহের ক্ষয় হইয়া গেলে পরবন্ধী করে যে, তদনে—পরের মতাদর্শনে মাদক দ্রব্যের মাদকাশক্তির প্রারম্ভে আতিবাকি দেহ সষ্ট্যাক হিরণ্যগর্ভেয়ও অসত্তা যায় পিশাচের অস্তিত্ব তােমাকে অবশ্যই মানিতে হইল, সুতরাং হইয়া পড়িত, কেননা, হিরণ্যগর্তের (কহ উৎপাদক নাই, মৃত ব্যক্তি যে পরপােক আছে, তাহা বিশ্বাস না করিবে কেন? হিরণ্যগর্ভের সভা শীকার করিলে বর্তমান কলও হইত না, অথচ যদি কাকতালীয় ব্যায়ে আকস্মিক পিশাবেশে পরের কাৰ্য্য দ্বারা বর্তমান কল্প সর্বদাই রহিয়াছে, সকলেই ইহা দেখিতেছে। পিচের অস্তিত্ব স্থির করিলে, তবে শাস্ত্রমূলক পরলােকের সত্য- স্কুল পদার্থই নশ্বর , তাহার অবয়ব আছে, অবয়বের য় সন্দেহ কেন? জীব রে যেরূপ অনুভব করে, বাহিরেও সংযােগ বিভােগ হ, সেই সংযােগ বিয়ােগ হইতেই স্থূল জগতের সেইরূপ দেখিয়া থাকে, ইহার দৃষ্টান্ত রজু সর্প; প্রথমে মনে নাশ অবশ্যম্ভাবী , অতএব যাহারা বলেন জগৎ চিরকালই সমান, সলের উফ, তার পর বাহিরে রজুতে সভ্য সপভ্রম, কখনই তাহার বিনাশ হয়না, তাহাদের মত যুক্তিযুক্ত নহে। আর জুতে সর্পের অভাব জ্ঞান হয়, তখন সর্পের অসতীত অনুভূত এক সম্প্রদায়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে যদি বল, জগতের ত নাশ নাই, হয়, তবেই সে পদার্থের অস্তিত্বই বল আর তাহার অভাব বল, পর পৃথিবী এভূতি ভূতচতুষ্টয় হইতেই জড় জীবনয় অগৎ, দুইই অনুকমূলক , পরলােকের অস্তিত্ব যখন অনুমানমূক, জ্ঞান ইহা প্রভৃতিও দেহেয়ই । পৃথিব্যাদির পরস্পর সংযােগ গুন তাহার অপলাপ করিবার বা নাই। পলারে শপ ফলেই জ্ঞানের উদয়, গুড় গুল প্রভৃত্তি যােগে যেমন বেদ সাক্ষী, মৃত ব্যক্তির পরলােক আছে এ জ্ঞান জীবিতাবস্থায় মাদকতা শক্তি 5াসায়নিকসংবােগর ফল, জ্ঞানও ঠিক দ্রুপ। বেদাদি শাস্ত্র হইতে উত, মৃত্যুর পরেও সে জানের সংস্কার তবে তাহার উত্তরে বলি, এইরূপ হইলে যে, পুরাণ, ধৰ্ম্মশাস্ত্র ও থাকে, এসে বল দেখি জীবিতাবস্থায় যাহা সত্য বলিয়া অনুভূত, ইতিহাসে বর্ণিত প্রলয়বার্তা মিথ্যা হওয়াতে শাস্ত্র মিথ্যাবাদী হইয়া মৃত্যু কি তাহাকে সত্য বলিয়া উড়াইয়া দিতে পারে? তাহা পড়ে। হে মহামত। শাস্ত্রকেই যদি প্রমাণ বলিয়া মনে যদি পারে, তবে জবিভাবস্থায় যায় সত্য বলি অনুভূত; মৃত্যু কর, তবে শাস্ত্র হইতে অনেক দিন তােমাদের কে তাহাকে সত্য ৰা যিয় করিয়া দিতেই বা না পারিবে কেন? আমায় আমি “বষ্কাশত পূত্র এ করিতেছে” এইরূপ বাক্যে অতএব যে রাম। নখ পৰা এই সিলিখীয় এম জে আর নিতম্ভ ও উপহাকাশদহ কি? অনশক্তি এৰে কল, এনতর বা মূরীভূত আর কোন বুলি লােকই বেদাদি শত্রু আমাণ্য শােপ আতিবাহিক যে অনুজ কলিয়া দেদি ভলের কণভী হন।
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তভাগ ৭১ । সেই বাসনাগুয়ে , দৃষ্ট, এবং দর্শনরূপ ত্রিপুটী ব্যাধি দূর হয়, পাত করিয়া বাের বর্ণ কান্তমেঘের আয় অনন্তনােপ আর সেই বাসনা থাকিণেই সংসাৰায়ী পিশাচীর আবি- ভয়ানক এক মূর্তি নয়নগােচর করিলাম; তথাবিধ ভীষণমূর্তি ভাব হইয়া থাকে। প্রথমে ব্রহ্মের জগৎ সম্বন্ধে প্যা- সন্দর্শন করিয়া কিঞ্চিৎ ভীতও হইলাম , দেখিয়া মনে হইল, লোচনা হইয়া থাকে, পরে সেই পর্যালােচনার মূলীভূত যে বাসনা, আলসঞ্চিত সমস্ত নৈশ অন্ধকার মূর্তি পরিগ্রহ করিয়া আসিয়া তাহাই জগপে প্রকাশ পায়, অতএব বাসনাশান্নিকেই নির্বাণ উপস্থিত হইয়াছে। বােধ হইতে লাগিল, সেই উজ্জ্বল কামবর্ণ বলিয়া জানিবে আর বাসনার অস্তিত্বকেই সংসার বলিয়া জানিবে । মুক্তিটা এক লক্ষ বালসূর্যের কিরণের ন্যায় দেদীপ্যমান হইছে, সেই বাসনা প্রলয়ে বা পূর্ব সৃষ্টিতে ব্ৰহ্ম হইতে যে উৎপন্ন, তাহা সেই মুৰ্ত্তর মুখমণ্ডল আদিত্যয়ের স্থায় উজ্জ্বল তিনটা মনে নহে, কেননা নির্লেপ পরব্রহ্মে বাসনাসগন্ধ অসন্তষ, অতএব আরও ভীষণদর্শন হইয়াছে; সেই লােচন হইতে সর্বদা যেন বাসনার অভ্যাস সম্বন্ধ পরব্রহ্মে স্বীকার করিতে হয়। আর সেই বহ্নিশিখা উদগীণ হইতেছে, দূর হইতে দেখিলে বােধ হয়, যেন বাসনা—যতদিন জ্ঞানােলা না হয়, ততদিন কারন্তরে উৎপন্ন বিদ্যুৎ স্থিরপ্রভা (অচঞ্চলা। হইয়া প্রকাশ পাইতেছে। ক্রমে বলিয়া মানিতে হয়, পরিশেষে বাসনার পৰ্য্যবসানও ব্রহ্মেতেই দেখিলাম, সেই মূর্তির তিনটী নয়ন, পাঁচটা বদন, দশটী বাহু এবং জানিবে। এই পর্যন্ত যে জ্ঞন, তাহাকেই পণ্ডিতেরা নির্মাণ হন্তে শূলমন্ত্র শোভা পাইতেছে। সেই আকুতি অনন্ত মুক্তির মূল বলিয়া বিবেচনা করিয়া থাকেন। হে রাঘব। এ বিষয়ে আকাশের অপেক্ষাও বিস্তৃত বলিয়া মনে হইতে লাগিল। দেখিয়া অপরিজ্ঞানই সংসারবন্ধন নিবে। এই বিজ্ঞানন অাত্মাই ভাবিলাম, চিন্ময় আত্মাই বুঝি নাম মূর্তি পরিগ্রহ কায়া জ্ঞান ও অজ্ঞানের স্বরূপ, ইনি নিজেই জ্ঞানরূপে স্কুরিত হন, অবস্থিতি করিতেছেন। ৫-১১। সেই কৃষ্ণবর্ণ মূর্তিটা একাণবে অবির নিজেই অজ্ঞানভাবে তিরোহিত থাকেন। চৈতাংশ পরিপূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডের বহিরাকাশ পর্যন্ত ব্যাপিয়া অবস্থিতি করিতে মঃত্র নিণস্বরূপ আত্মার বন্ধ- মােনই কেশ, কিন্তু মােক্ষ লাগিল, দেখিয়া বােধ হইল, আকাশ যেন হস্তপদাদি-সংযুক্ত সবনে পরিশ্রম ত একেবারেই নাই, কেননা আপনাকে চিনিতে হইয়া শােভ' পাইতে লাগিল। তঁাহার ন সাবিব-নিঃসৃত সমীরণে পারিলেই মুক্তি, চৈতন্যরূপ আশ্বার বিষয়জ্ঞান হইলেই বন্ধন, সেই বিশাশ অনন্ত একাণব আলােড়িত হইয়া তরঙ্গায়িত হই। এবং তাহা একেবারে বিনষ্ট হইলেই মুক্তি , এই যে অসভ্য- উঠিল। তাহা দেখিয়া বোধ হইতে লাগিল, অমৃতমন্থনকালে জগং সত্যবং প্রকাশ পাইতেছে তাহার মূলও ত সেই বিষয়- নারায়ণ যেন ভুজ দ্বারা ক্ষীরোদ-সাগরকে আলে ড়িত করিলেন । জুন। স্বপ্ৰকাশ চৈতন্য সুষুপ্ত অর্থাৎ বিষয়গ্রহণে বিরত হইলেই মনে হইতে লাগিল, সেই মহাপ্রলয়ের জলরাশি যেন পুরুষমুক্তি মুজ্ঞিনামে অভিহিত হন, তিনি প্রবুদ্ধ হইলেই বন্ধপদবাচ্য হন, ধারণ করিয়া উখিত হইল, নিখিল অহঙ্কার যেন একত্র সমষ্টি এই বন্ধন ও মুক্তির মধ্যে যাহা তোমার অতীষ্ট তৎসম্পাদনে ভূত হইয়। কারণ সেই কৃষ্ণবর্ণ মূর্তি ধারণ করিয়া উপস্থিত যত্নবান হও। হে নিৰ্মলাশয় রাম। অনন্ত অনাদি নিৰ্ম্মল এক হইল , বৃহদাকার কুলাচলসমূহ হেন সমস্ত আকাশ পরিব্যাপ্ত মাত্র জ্ঞানস্বরূপ অদ্বিতীয় ব্রহ্মরূপে বাসনা, যন্ত্রণা, শঙ্কা, ঐক্য ও করিয় পক্ষ বিস্তারপুর্বক উড়িবার উপক্রম করিল। ১২-১৫। ভাব পরিবর্জন করত শান্তিতে অবস্থান কর। ২২। আমি সেই মুক্তির ত্রিনয়ন ও ত্রিশূল দেখিয়া দূর হইতেই রে একোনাশীতিতম সর্গ সমাপ্ত। ৭৯। রুদ্রদেবের মূর্তি বলিয়া স্থির করিয়া নমস্কার করিলাম। রাম কহি- লেন,—ভগ। রুদ্রদেবের মূৰ্ত্তি গুরূপ কৃষ্ণবর্ণ ও বিশাল কেন? তাঁহার পাঁচ মুখ কেন? বাহুই বা কিজন্য দশটা? তঁাহার নয়ন তিনটা কেন? তঁাহার আকুতি এরূণ ভীষণ হইল কেন? হে অশীতিতম সর্গ । মুনে। তিনি কাহার আদেশে কি প্রয়ােজনে একাকী আবির্ভূত বশিষ্ঠ কহিলেন,—“এইরূপে ব্রহ্মলােকবাসী সেই সকল দেব- হইলেন? তখন কি কাৰ্যই যা করিলেন? তাঁহার পশ্চাতে যে ছায়া গণ বর্তিকার ক্ষয়ে প্রদীপের ন্যায় ধীরে ধীরে নির্বাণপ্রাপ্ত দেখিতে পাইলেন, তাহাই বা কাহার? তাহা আমাকে বলুন। হইয়া অদৃশ্য হইয়া গেলেন। ব্রহ্মা ব্ৰহ্মাৰ ( আত্মাতে ল) বশিষ্ঠ কহিলেন,-“হে কাকুৎ। অঙ্কর হইতেই যেন ঐ রুদ্র প্রাপ্ত হইলে পর সেই দ্বাদশ আদিত্য আখির ন্যায় জ্বলন্ত কিরণ- নামা দীর্ঘ মূর্তি উখিত হইয়াছেন, বিষম অভিমনাত্মক ঐ রুদ্র- পুঞ্জে জগংকে যেরূপে দগ্ধ করিয়াছিলেন, সেইরূপ ব্ৰহ্মলোকও দেবকে দূর হইতে আমি আকাশের স্থায় নির্মল আকাশ বলিয়া দগ্ধ করিলেন। ব্রহ্মলোক স করিয়া তারাও ব্রহ্মার স্যায় বােধ করিতে লাগিলাম। আকাশের স্থায় উদ্ধলবর্ণসেই ভগবান ধ্যানমগ্ন হইলেন এবং বর্তিকা ও লৈ পুড়িয়া গেলে প্রদীপের রুদ্রমূর্তি চিকাশময় বলিয়া আকাশ নামে অভিহিত হইয়া স্যায় ক্রমে ক্রমে নির্বাণপ্রাপ্ত হইলেন। অনন্তর সেই ব্ৰহ্মশােকও থাকেন। তিনি সর্বগামী সৰ্ব্বভূতের আত্মম্বরূপে বিরাজ করি- একাণৰ হইয়া গেল, রাত্রিকালে প্রগাঢ় অন্ধকার যেমন ভূমণ্ডল গেছেন, সেই সমষ্টিত অহঙ্কাররূপ ধদেবের শরীরসংলগ্ন আচ্ছন্ন করিয়া ফেলে, তমালায় ভীষণ সেই একাৰ্ণৰও সেই পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে তত্ত্ববিদগণ তাহার পাঁচ মুখ বলিয়া নির্দেশ করেন। রূপ ব্ৰহ্মলােককে প্লাবিত করিয়া ফেলিল। ১।ব্রহ্মলােক পঞ্চকক্রিয় তাঁহার দক্ষিণদিগের পাচটা হত, পাঁচ প্রকার পর্যন্ত সময় জগৎ জলপ্লাবিত হইয়া সুপ রসময় ভ্রাকাষণের বিষয় তঁাহার বামদিকের আর পাঁঠা বাহুরূপে শােভা পাইতে স্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। সেই কমাতের মেঘমালা, লাগিল, এইরূপ দেখিয়া বুঝিলাম, তাহার ক খানি হয়। একাণরে উত্তাল শালা, জলে ভাসমান পর্বতশ্রেণী ও মৃত ১৬-২২। ঐ মূর্তি চর্বি জাতির সহিত মায়াসম্বলিত দেবশরীরের সংণে বিশীর্ণ ও চুণিত হইয়া সেই একাকলিলে ব্ৰহ্মাৰ তুমু ব্ৰহ্মা কর্তৃক যখন পরিত্যক্ত হয়, তখন বিলীন হইয়া গেল। ঐ সময়ে আমি আকাশের দিকে দৃষ্টি ঐ রুদ্রমূর্তি আকাশমায় পর্যবসিত হয় কাৰণস্বৰূপে অবহিত যােগণিত-রামায়ণ করেন। সেই রুদ্র সমুদয় কাধের বিয়ে অবশিষ্ট কারণের বলিতে ছ শ্রবণ কর। ঐ পদার্থচতুষ্টয়ের মধ্যবর্তী পদার্থ ঐ একাংশরূপে অবস্থিতি করিতেছেন; আমি যে তঁাহার আকৃতি রুদ্রদেব, উনি আধাশূন্য হইয়া আকাশে অবস্থিতি করিতে- বর্ণন করিলাম কৰাৰ্থপক্ষে উহা মিথ্যা, তবে ভাষিণে ঐরূপ ছিলেন, উহার শরীর নীলবর্ণ আকাশের । ৩৫-৩১। উনি আকারবান দৃষ্ট হইয়া কেন মাত্র। বায়ু বেমন সর্বদা সর্বত্রই আকাণে স্পন্দহীন সৌরভৰুণার ন্যায় অবস্থিতি করিতেছিলেন, অবস্থিত, সেইরূপ ঐ সর্বশক্তিমান্ রুদ্র অনন্ত চিদাকাশে, ভূতা দ্বিতীয় পদার্থ ব্ৰহ্মাণ্ডগৃহের একাংশ,—দেখিতে পৃথ্যাকাশের স্যায়, কাশেও সকল ভূতের শরীরে অবস্থিতি করিতেছেন। ২৩-২৫। ঐ পদার্থ (দ্বিতীয় পদার্থ ) বহু দূরে সপ্তপাতালের নিম্নপ্রদেশে তৎকালে তিনি নিজস্বৰূপ হইতে নিখিল ভূতভাব তিনহিত অবস্থিত। পর্বতাদি-সমন্বিত পাতাল ভূতলও আকাশের পঙ্কময় হওয়ায় আকাশস্বরূপ হইয়া কালের জন্য সমস্ত বিক্ষুব্ধ পার্থিংশে পরিব্যাপ্ত হওয়ায়, ঐ পদার্থটা প্রথম পদার্থ অপেক্ষা করিয়া ক্রমে একেবারে ক্ষীণ হইয়া শান্তি লাভ করিয়া ছলেন। সুল। তৃতীয় পদার্থ উত্তী ব্রহ্মাণ্ডের একাং, ঐ তৃতীয় পদার্থ স, রজ, তমঃ এই গুণত্রয় , ভূত, ভবিষ্যৎ, বর্তমান কালয়, বহু দূরে অবস্থিত, দৃষ্টিশক্তি ততদূর পর্য্যন্ত প্রসাৰিত হয় না। চিত্ত, অহঙ্কার ও বুদ্ধি, প্রণবের অক্ষত্রয় এবং বেদত্রয় (তিন বেল) এ কারণে আমি তাহা স্পষ্ট লক্ষ্য করিতে পারি নাই, কেবল তখন ঐ রুদ্রদেবের নয়নশ্রষরূপে পরিণত হইয়াছিল, তিনি তৎ আকাশের গায় নীলবর্ণ দেখা গিয়াছিল। ব্রহ্মাণ্ডের দূর- কালে এই ত্ৰৈল্যেককে ত্রিশুলে করিয়া, করে ধাৰণ করিয়াছিলেন। বিশ্লিষ্ট যে অখণ্ড ও উখি, যাহাকে আমি যথাক্রমেথিতীয় ও ২৬-২৮। যখন নিখিল ভূতে তিনি ব্যতীত আর কিছুই নাই, তৃতীয় পদার্থ বলিয়া নির্দেশ করিয়াছি, তাহার মধ্যবর্তী যে তখন তিনিই সর্বভূতের দেহরূপে অবস্থিত বলিতে হইবে। (১) অনাদি অনন্ত ব্ৰহ্মর স্থায় নির্মল বিস্তৃত প্রকাশ, তাহাকেই তিনি নিজসৃষ্ট নিলিসত্বের উপলব্ধিস্বরূপ, তঁাহার এই সৃষ্টিকরণে আমি চতুর্থ পদার্থ বলিয়া ঠিক করিয়াছিলাম। এই চাৰি পদার্থ প্রয়োজন—হার স্বভাবই , নিজস্বভাববশতই তিনি নৃত্য করেন, ভিন্ন, আর কোন পার্থই অন ছিল না। ৪০-৪৫। রাম তিনি বাক্য ও মনের অগােচর চিদাকাশ কর্তৃক প্রেরিত হইয়া সৃষ্টি কহিলেন-“হে ব্ৰক্ষ। ঐ ব্ৰহ্মাণ্ড-কটাহের১) বহিরে কি করেন। আবার যখন তৎকর্তৃক প্রলয়ের জন্য চালিত হন, তখন ছিল। ঐ ব্ৰহ্মাণ্ড কটারে বাহিরে কতগুলি কি কি আবরণ সমুদয় অগং গ্রাস করিয়া শিবরূপে অবস্থান করেন। ক্রমে সেই ছিল, তাহা আমাকে বলুন ? বশিষ্ঠ কহিলেন,-“ঐ ব্ৰহ্মাণ্ডখণ্ড- শিবরূপও পরিত্যাগ করিয়া কানন্দস্বরূপে প্রতিষ্ঠারূপ পরম শান্তি স্বয়ের বাহিরে ছিল দশগুণ এল। সেই জল অনন্ত, উহা ব্রহ্মাণ্ড- প্রাপ্ত হন। সর্বশক্তিমান্ ঐ রুদ্ৰ নিৰ্ম্মল আকাশরূপী বলিয়া কৃষ্ণ। এগুমের সন্ধিস্থলের আকাশের বাহিরে বিস্তৃত হইয়া অবস্থিত। উনি এই অগংনির্মাণের পরে, অাবার ইচ্ছা হইলে একেবারে এ জ উ বিশ্লিষ্ট ব্ৰহ্মগুরদ্বয়ের ভিতরে আসিতে পারি সমুদয় একাকার করিয়া সমস্ত পান করিয়া ফেলেন, সমুদয় না। সেই দশগুণ জলের বাহিরে, বহ্নিজ্বালাময় দশগুণ ভেজ, পান করিয়া হাতে আর আসিতে না হয়, এইরূপ ভাবে একে তাহার পরে দশগুণ নিৰ্ম্মল বায়ু, অহার পরে দশগুণ নিৰ্ম্মল ৰারে শান্তি লাভ করেন। তাহার পরে দেখিলাম, তিনি নিখাস- আকাশ, তাহার পরে অনন্ত স্বচ্ছ ব্ৰহ্মকাণ। অপরাপর সম্প্র- বায়ু দ্বারা সেই মহাণব আকর্ষণ করিতে উদ্যত হইলেন , অনন্তর দায়ের মতে ব্রহ্মাণ্ডের নে মায়াব ব্রহ্মের স্বরূপাকাশে যে নিশ্বাসবায়ু দ্বারা আকৃষ্ট হইয়া, সেই মহাসাগর বাড়বানলের ন্যায় অন্যান্য একার আবরণ কল্পনা, তাহা ঐতিসম্মত নহে বলিয়া আমরা বহ্নিশিখপুপর্যিাপ্ত তদীয় বিশ্বারিত বদনে প্রবিষ্ট হইল। স্বীকার করি না। ৪৬-৫০। রাম কহিলেন,-“হে মুনিবর। জগতের অস্থিতিশার সমুদ্রে যে বাড়বানল দেখিতে পাও ব্রহ্মাণ্ডৰ্পরের উপরে ও নিম্নে যে বিস্তৃত জলদি রহিয়াছে, তহাও তিনি , সেই অহঙ্কারাত্মক রুদ্রই বাড়বানল হইয়া, বত উহার ধারণকর্তা কে? কোন্ আধারে ঐ সমস্ত পদার্থ অস্থিতি দিন গং থাকে, ততদিন সাগরে নিত্য নিত্য বর্ধমান সলিল করিতেছে? অহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন—পার্থিব পদার্থের পান করিয়া থাকেন, পরন্তু প্রলয়ের সময় উপস্থিত হইলে একে অংশভূত ঐ ব্ৰহ্মাণ্ডংও যেরূপ ভাবে পদ্মপত্রের স্থায় অবস্থিত বরে সমুদয় পান করিয়া ধেলেন। আর কিছুই অবশেষে রাখেন ভৎবহিঃস্থিত অলালিও ঠিক ঐরূপ, বা উহাকে আশ্রয় করিয়া না। উচ্চভূমি সলিল যেমন অনায়াসে (কোন প্রকার বাধাপ্রাপ্ত অস্থিতি করিতেছিল। বানরশাবক যেমন মাতার উদদেশ নাহইয়া) গমধ্যে এবিষ্ট হয়, সর্প যেমন অনায়াসে গতথ্যে দৃরূপে ধারণ করিয়া থাকিয়া, মাতার সঙ্গে সঙ্গেইলষ্ট প্রদান প্রবেশ করে, প্রাণবায়ু যেমন অনায়াসে মুখমধ্যে প্রবেশ করে, কয়ে, ঐ গুলাদিও সেইরুপ, ঐ ব্রহ্মাগুর অবলম্বন করিয়া সেইরূপ সেই একাণরে অলরাশি সমস্যই সবেগে তঁহার অবস্থিতি করিতেছিল। তৃষ্ণার্ত ব্যক্তি যেমন জলের দিকে মুখমধ্যে প্রবেশ করিল। সাধুসঙ্গ যেমন দোষসমূহ নষ্ট করে, খাৰিত হয়, দ্রুপ ঐ বা এলাদি পদাথ পঞ্জিহিত ব্রহ্মাণ্ডনামক সূৰ্য যেন অন্ধকার দূর করেন, সেইরূপ সেই ষ্ণকায় রুদেব বিশাল আকৃতির অনুগামী ( আশ্রিত ) বাহিরের জলাপি মুহর্তমধ্যে সেই জলরাশি পান কৱিয়া ফেলিলেন। পাতাল হইতে পা ঐ ব্রহ্মাণ্ডের অবয়বের ন্যায়, ঐ ব্ৰহ্মাণ্ডকে অবলম্বন ব্ৰহ্মশেক পৰ্যন্ত সব শ হইয়া গেল, আকাশে ধূলি, ধূম, সাগর, করিয়া (ধরিয়া) থাকায়, স্ব স্থানচ্যুত হয় নাই। ৫১-৫৪। বায়ু কোন পদার্থ ই ছিল না, সৰ সমান হইয়া গেল। সেই রাম কহিলেন,-ব্ৰহ্ম' কথিত ব্রহ্মাণ্ডথপরই বাকিরূপে সময়ে আকাশের ন্যায় নির্মল-স্পহীন চারিটা পদার্থ কেবল অবস্থতিকরিতেছে? ঐ ব্ৰহ্মাণ্ডথরের আকার কিরণকেই সৃষ্ট হইয়াছিল। ৫ে রঘুনন্দন! সেই পদার্থ কি কি ? তাহা (১) ব্রহ্মাণ্ড একটা গােল ডিস্কের স্থায় ; ডিষের ভিতরে বঙ্গ (১)ংকা রুদেবের নেই সকলের দেহাত্মাভিমান, মাংস বাহির হইয়া গেলে যেমন দুইখানি খেলা, সেই অর্জনে সকলের দেহরূপকলাহইয়। ৩ নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তর। বা ঐপর ধরিয়া রহিয়াছে? কেনই বা উহা নষ্ট হয় না? তাঁহার বিশাল সেই বীণ,তাঁহার বদনশ হইতে সতত বহি আহা আমাকে কলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন,—ম । এই যে আলা নির্গত হইতেছিল। তিনি বাসন্ত বনরাজির ন্যায় পলপাৰ জগৎ দেখিচ্ছে, ইহা স্বপ্ন পুরীর ন্যায় অলীক, এ জন্য রমণীয় শেখ বারণ করিয়াছিলেন। দেখিয়া ঘােধ হইল, বনের ইহার থারক কেহ না থাকিলেও ইহা বৃত হয়, ইহা পনে জায় গাঢ় এই আকারে গালা কৃষ্ণা বিভাবরী যেন আকৃতি পরি- হইলেও আপতিত রুহিয়া থাকে; নিরাকার হইলেও সাকার গ্রহ করিয়া শােভা পাইতেছেন। অন্ধকালশী বেন যে বারণ হয়। ইহা মলই যখন মিথ্যা ; তখন ইহার পতিতই বা করিয়াছেন, আকাশের নীলকান্তি যেন সাকার হইয়াছে। করল- কি হইৰে আৰ বৃতই বা কি হইবে? জ্ঞানময় ব্রাহ্মর ফুরণই মুখী অতি দীর্ঘাঙ্গী ঐ বমণী যেন আকাশ পরিমাণ করিবার অ ঈদৃণভাবে অবস্থিত । আকাশে যেমন কেশগুচ্ছ, আকাশে উর্ধে উঠিয়াছেন। তাহার দীর্ঘবাহ ও দীর্ঘ অনু দেখিয়া বােধ যেমন , পবনে যেমন স্পন্দ, তেমনি চিকাশে এই হহল যে, জিলের পরিমাণ গ্রহণ করিবার নিমিত্ত ঐ রমণ জগৎ। চিন্ময়, পরমাত্মায়, এই ব্রহ্মাণ্ড একটা সঙ্কল্পিত নগর। গড়াইয়া উঠিয়াছেন। তাঁহার আকার এত কবে, দেখিলে ইহা আর কিছুই নহে, আকাশে আকাশ, আকারশূন্য হইলেও বোধ হয়, যেন বহুকাল উপবাস করিয়া আছেন। কশ্যামল নিয়ত আকাবা লক্ষিত হয়, যদি বােধ করা যায়, ইহা পড়ি তদীয় বিশাল দেহ বায়ুজনিত মেঘমালার স্থায় নত হইয়া তেছে, তাহা হইলে বােধ হইবে সর্বদাই ইহা পড়িয়া যাইতেছে, পড়িল। ৫১১। তিনি এত কশা যে, স্থির হইয়া দাঁড়াইয়া ইহা স্থিতিশীল নহে। যদি গতিশীল জ্ঞান করা যায় ত বােধ- থাকিতে অসমথা; এই জন্য যেন বিধাতা মুদৗধ শিল্পরূপ রজ হইবে, ইহা সর্বদাই গতিমা। যদি ইহাকে স্থিতিশীল দ্বারা তাহার পতনােমুখ বিশণ দেহ একত্র গ্রথিত করিয়া রাখিয়া- আন করা যায় ত বােধ হইবে, ইহা রাত্রিদিনই একভাবে ছেন। তাহার আকৃতি এত দীর্ঘ লম্বমান, যে হার মস্তক ও অবস্থিতি করিতেছে; যদি বােধ করা যায়, ইহা উর্ধে উঠিতেছে, চরণ-নখ, দেখিবার অঙ্গ আমাকে একবার অতি উর্কে একবার তাহা হইলে বোধ হইবে, ইহা উদিকেই উখিত হইতেছে। অতি নিয়ে গমনাগমন করিতে যথেষ্ট কষ্ট পাইতে হইয়াছিল যদি ইহার বিনাশজ্ঞান করা যায় ত বােথ হইবে, ইহা বিনষ্ট তাহার মস্তক হস্ত প্রভৃতি অঙ্গ কেবল রিও অস্ত্রী মারা হইতেছে , যদি উৎপন্ন হইতেছে জ্ঞান করা যায় ত বোধ হইবে, গ্রথিত। খদির প্রভৃতি কন্টকবল্পীর ন্যায় মূল হইতে শাখপৰ্যন্ত ইহা আকাশে সর্বদাই উৎপন্ন হইতে, যেরূপ জ্ঞান করিবে, তাহার সমস্ত শরীর সূত্র দ্বারা বিজড়িত। ১২-১৪। সূৰ্যাদি দে সেইরূপই হইবে। শরদাকাণে মিথ্যা-দৃষ্টিতে উদিত মূকানি ও দানবগণের বিৰিখ বর্ণের মস্তক কমলমালা দ্বারা মালাগ্ৰন্থন যেমন ভ্রান্তিবশে সত্য বলিয়া বােধ হয়, সেইরূপ আকাশে করিয়া সেই মালা ক েধারণ করিয়াছেন। তাঁহার বাঞ্চলে ভ্রান্তিলে কত যে জগৎ প্রকাশিত হইতেছে, কে তাহার সংখ্যা বায়ুসঙ্কুক্ষিত উজ্জণিখাসম্পন্ন বহ্নির সংবােগে সমুজ করিতে পারে? ৫৫-৬৩। হইয়াছিল। তাঁহার সম্বন কর্ণে সৰ্প মুনিতেছিল, নরমুণ্ড দ্বারা তিনি কুগুল নির্মাণ করিয়াছিলেন। তঁাহার কৃষ্ণবর্ণ বিশাল অশতিতম সর্গ সমাপ্ত।৮ শুনয় বিশুদ্ধ দীর্ঘ লাবু ফলের মত লম্বমান উরু পর্যন্ত বুলিয়া পড়িয়াছিল। তাঁহার দামওলে কার্তিকের ময়ূরপুচ্ছ ও ব্রহ্মার কোলে কিশােভিত ইন্দ্রাদিদেবগণের মুস্তক ঝুলিভেছিল, একাণীতিতম সর্গ। তাঁহার দন্তপংক্তিরূপ চশ্রেণী হইতে নির্মলকিরণপুজ বিলিঃ বশিষ্ঠ কহিলেন,হে রাখব। তাহার পরে দেখিলাম, সেই সৃত হইতেছিল। তাঁহাকে দেখিয়া আমার মনে হইতেছিল, কেন মহাকাশে বিশালদেহ রুদ্রদেব মত্ত হইয়া নৃত্য করিতে আর অন্ধকার সাগরের একটা উৰেখা উঠিয়াছে। তিনি শুষ্ক অলাবু- করিয়াছেন। তাঁহাকে দেখিয়া বােধ হইল যেন, পলিখ্যাপ অল্পীর ন্যায় আকাশ (আশ্রয়) করিয়াছিলেন। তাঁহার সমস্ত ঘনশ্যাম বিশাল আকাশ মূর্তিমান হইয়া স্বীয় সর্বব্যাপি ভগ অঙ্গ বিলােল বায়ুভয়ে পট পট শক করিতেছিল। বিশাল করিয়াছে। চন্দ্র, সূৰ্য, ও বহ্নি তাহার নয়ন, দিকসমূহ তাহার ভঙ্গের স্যায় বায়ু উৎক্ষেপ করিয়া তাম এত বিস্তরপূর্বক বসন, তাঁহাকে দেখিয়া বােধ হইতে লাগিল শ্যামলকান্তিপুরু স্তন্ত নৃত্য করিতেছিলেন, মনে হইতে লাগিল,যেন একাণৰে অশালা মনপ্রা বিস্তার করিতেছে। তাহার দৃষ্টির বাড়বানলের ন্যায় উৎক্ষিপ্ত হইয়াছিল। ১৫-২০। দেখিলাম, তিনি কখন একবাহু জ্বলিতে লাগিল। সঁহার বিলােল বাহুযুগল রঙ্গমালার ন্যায় হইেেছন, কখন বহুবাহ হইতেছেন, কখন অনঙ্গ বিশাল বাহু উৎক্ষিপ্ত হইতে লাগিল, তাহাকে ভদব দেখিয়া বােধ হইল, উত্তোলন করিয়া নৃত্য কল্পিতেছেন; তাহার বাহসমূহের উৎ সেই একাণৰ হইতে জলরাশি মূর্তিপরিগ্রহ করিয়া উখিত হই ক্ষেপণে এই অপরূপ নৃত্যমণ্ডপ কাপিয়া উঠিতে। আছে। ১৪। দেখিতে দেখিতে তাহার শরীর হইতে ছায়ায় তিনি একমুখী, কখন বহুমুখী, কখন বা অনন্ত জয়ঞ্চর মুখ কায় এক মূর্তি নৃত্য করিতে করিতে নির্গত হইল, প্রথমে সেই দেখাইতেছেন, কখন বা একেবারে মুখবিহীন হইতেছেন। কখন মূর্তিটা ছায়া ধারণা হওয়াতে মনে সন্দেহ উপস্থিত হইল;- একপদে অবস্থান করিতেছেন, কখন বহুপ বাহির করিলেন, এখন আকশে কেবল গাঢ় অন্ধকার,-সমস্ত সূৰ্য এককালে কখন অনুতপা হইতেছে, কখন বা একেবারে পা হইতে সাপ্ত হইয়াছেন, এ অন্ধকারে মায়া আসিল কোথা হইতে ছেন। এই সমস্ত ব্যাপার দেখিয়া আমি তাহাকে কারাত্রি বলিয়া তাহার পরে ভালরূপে নিরীক্ষণ করিয়া সিকান্ত করিলাৰ-ছায়া অনুমান করিলাম , মনে মনে বলিতে লাগিলাম, সাইকেই নহে, একটি বিলােনা রমণত্তি তাহার সম্মুখে নৃত্য করিতে ভগবতী কালী বলিয়া নির্দেশ করিছেন।২। এই ছে। সেই মণ কৃষ্ণবণ, কৃষ্ণ, তাহার সালেশিয়া পরিব্যাপ্ত। যন্ত্রের সম্মুখবর্তী কাঠের গর্ত বহিনির পূর্ণ হইলে তাহায় ১৭ যােবা-রামায়ণ নম্বরের সমান হইতে পারে। তাঁহার ললাটা দেখিতে তাঁহার সঙ্গে সঙ্গে নৃত্য করিত্রে। এইরূপ স্থাবর-জমাক ঠিক মধ্যস্থলে অভিযুক্ত ইন্দ্রনীলমণিমৰ পৰ্বতে ভূল। সমস্ত জগৎ তখন তাঁহার শীররূপ লােকাগুরে অবস্থান কর আঁহার বিশাল গময় লােকালােক পর্বতে ইন্দ্রনীলমণিময় অমস্পেল)হইয়া নৃত্য করিতে লাগিল। সেই ভাবতী মধ্যে সর্ব শেষ মধ্যভাগে নি। যতক্ষণ এবং কালীরূপিণী ময়ুরী সমস্ত কাগজপ বিষধর ভুল সকল গ্রাস কম্বিয়া নাশক বিরূপ সূত্রে গ্রথিত ভারকানিচা তাঁহার মুজা- পরিতৃপ্ত ও আনন্দে মত্ত হইয়া নৃত্য করিতে লাগিলেন। তাঁহার হার। ২৫/২৬। নৃত্যকালে তিনি বাংলা উপ করিতে অনন্ত বিশাল শরীরে অবস্থিত ও পূর্বকীয় জাতের গল্প ছিলেন একান্ত কর পপনি আকাশমার্গ বিকীর্ণ এবং কর হইয়ই পণে বা বর প্রতিৰিয়ে যায় এতীয়মান হইতে সঞ্চালনে বিনিঃসৃত নখবিরণের প্রায় শুভ্র মেও তত লাগিল। ৪৩–৪৮। বাস্তবিক কালী যে নৃত্য করিতেছিলেন, এৱিত হওয়াতে আকাশে যেন শত চ উদিত হইতেছে তাহা নহে, শৈলকানদিসমযেত সেই পূৰ্বল আগৎই মহা- বলি বােধ হইতে লাগিল। কল-মে েয় ভ্রাম্যমাণ এলমের (বলে) পরে বিবিধ বিশাল আকৃতি ধারণ করিয়া নৃত্য জীয় বাহাল নবপ্রভা বিস্তার করিয়া লিল আক্রমণ করিতেছিল। আমি বহুক্ষণ ধরিয়া জীয় দেহৰণ সেই করিতে লাগিল। কৃষ্ণবর্ণ ভীষণ বাহরুক্ষের আয়া নিখিল জগতের নৃত্য দেখিতে লাগিলাম, দেখিলাম, সেই পূর্ব অগই আকাশ কানায় করিয়া তুলিলে। নখ ঐ বাহুক্ষের অবিকল অক্ষতভাবে যেন অস্থিতি করিতেছে। ৪৯৫০। তাঁহার পুল, অলিনিচ উহার সভজাল। বিনা অজাসহ বিলােল অসং শরীরে যে সকল অৎ নৃত্য করিতেছিল, নৃত্যগে সেই জাৱা তিনি এবাদি মহানে বেষ্টিত মানবৃক্ষমাণ সকল জগতের তারকানিক বিচলিত হইতে লাগিল, পর্বত উন্নত ভূমিখণ্ডের অনুকরণ করিতেছেন। অনন্ত মহাকাশে সমূহ ঘূরিতে লাগিল; সে-গানগণ মশকনিকলের ন্যায় বায় ইতস্তত বিকী কেকলাপে তিনি আকাশমধ্যে অন্ধকার করে ইতস্ততঃ চালিত হইতে লাগিলেন। এক্ষেত্রে বিপদের হতীর সঞ্চরণ করাইয়া দিতেছেন। তাঁহার প্রবল নিসপনে ও নিখিও চক্রান্ত্রের স্যায় ঘূর্ণায়মান দ্বীপ ও সাগরে আকাশ- সুমেরু পর্বত সকল উৎপাটিত হইয়া যায়। সেই নিখাসবায়ুর মণ্ডল আবৃত হইয়া গেল। পর্বতনি ধন বায়ুবেগে কে চতুর্দিক উদােষিত হইতেছে। তাহায় ঘন ঘন নিঃস উপরে তরজসমীন তৃণের স্থায় উদ্ভাৱমান হইতে লাগিল। বায়ুর শ ঠিক সুকণ্ঠ ন উচ্চ গীতখনির স্থায় বোধ হইতে বায়ুবেগে আকাশে নীলবর্ণ যেসকল আন্দোলিত হওয়াতে লাগিল। ক্রমে নৃত্য করিতে করিতে তাহার শরীর বর্ধিত হইয়া আকাশে একটা দুমধুম শব্দ হইতে লাগিল। ভূতলে কাষ্ঠ উঠিল। আমি সেই অনগগনে অবস্থিত হইয়া এক দৃষ্টিতে অস্থি প্রভৃতি পদার্থজাল পরস্পর সম্সটিত হওয়াতে তৎসমুদয়ের দেখিতে লাগিলাম। দেখিলাম মল, কৈলাস, মেরু, মগর, সহ সন্ধিস্থলের বিশ্লেষ হইয়া পটপট শব্দ হইতে লাগিল। পরপর- এভৃতি পর্বতশ্রেণ মালার স্থায় তাহার গলদেশে দোদুল্যমান সর্ষে জগতের পদার্থনিচ গর্পণের রায় মিলিত অমিলিত হইতে লাগিল। প্রকাশের গ্যাপী মেঘমালা তাঁহার পরিধেয় বিবিধ অবস্থা প্রাপ্ত হইয়া মুভিমতী বিজৰিকাৰ গায় প্রতীয়মান করে জয় শােভা পাইতে লাগিল। ভদীয় সঙ্গে এই ব্রিজ হইতে লাগিল।৫১-৫৫। সুমেরু পর্বত, শখ-বসনে কল্পবৃক পরে আয় এতীমান হইতে লাগিল।২৭-৩৭। তাঁহার এক রূপ আবৃত করিয়া উচ্চ চপ বিশাল বাহু উত্তােলন শহিমালপর্বত মৌলের চায় আর এক কর্ণসুমেরু পূর্বক নৃত্য করিতে লাগিল। আধূ অবস্থাতেও সকল গত ফুলে যায় দুলিতে লাগিল। এই বিশাল ব্রহ্মাণ্ডের তীরে অনতিক্রমরূপ মৰ্যদা ভাগ কৰিতে পারে নাই (অs প্রাণিকোলাহল হার মেখলার ঝঙ্কালের ন্যায় প্রতীয়মান হই তীরের উপরে উঠে নাই)। বক্ষসক ভূল হইতে আকাশে লাগিল। কুলপর্বত সকল আঁহার গলে দোদুল্যমান পূষ্পমালা, আবার আকাশ হইতে ভূলে পতিত ও উৎপতিত হইতে গঙ্গেও পরিস্থ ক সাগয়াদি ঐ মালার মধ্যস্থিত লাগিল। দেখিলাম, পুসকল অােদেশে অর্থশকে লুণ্ঠিত গুবকেতায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। জীর্ণ নগর ও কানাদি ঐ হইছে। গৃহ অট্টালিকা প্রভৃতি সমস্তই লুণ্ঠিত হই- মালার মথ্যকোমল গজবের ব্যায় এতীমাল হইতে লাগিল। হে। সেই ভগবতী কালরাত্রি নৃত্য করিতে করিতে ভ্রমণ দেখিলাম, তাঁহার সেই পুর, নগর, ঋতু মাস, সি, রাত্রি প্রভৃতি করিতে লাগিল। মৃত্যুকালে তাঁহার হগুলঞ্চালনত নয় সমতভের পথনি বিদ্যমান রহিয়াছে। গঙ্গা যমুনা প্রভৃতি নিহৃত হইতে লাগিল, সেই নখভার মধ্যে দিন রাত্রি, চন্দ্র নীসকল। তাছায় গলে মুক্তাহারের ন্যায় ঝুলিতেছে। এ কাঞ্চনের স্থায়ও দূৰ্য প্রভৃতি পদার্থসকল সুবর্ণৰূত্রের গল্প এখাহার কর্ণফুলের লঙ্কার ও চারি বেশ ভঁহার চারিটি এভিভ হইতে লাগিল। সেই সময়ে যে হইতে নিপতিত কনজপে এভীত হইতেছে। সেই শুনছুর হইতে সর্বদা অস, ইে নীলমেঘবদনপৰিধাঙ্গিনী নীহারহারবতী ভগবতী বরূপীর রিত হইতে। ক, যজু সাম, অথ, এই কালাত্রির রিপে শােভা পাইতে লাগিল। অনন্ত আকাশ চাৰিটা বেবি, উক্ত গয়ােলমের অগ্রচুচুক) শােভ তাঁহার এখন কেশপাশ, পাল তাঁহার চরণযুগল, ভূমণ্ডল বারণ করিতেছে। ৩৬-৪২)তিনি ভিল, পটিশ, , শক্তি, তাঁহার উদয় এবং দিয় তাহার বহু বন্নিা বােধ হইতে শর, মুষ্টি, ডােন, এভৃতি এনিমের মাল্য করিয়া গদেশে লাগিল। ৫৬। শাম্যবর্তী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গণ সকল থাকরিতেন, সেই মাল্য হইতে আরও ভূরি ভূরি , তঁাহার ব্রিবলি, পর্বতসমুদ, তাঁহার পার্থদেশ, আলণরূপ নির্গত হইতেছে। দেবাদি চান প্রকার বাণী তাহার মন্বিত অট্টালিকায় সােলাম্বিত এবহালি বায়ু ও প্রাণ আপন প্রভৃতি লােখালীরতায় প্রকাশ পাচ্ছে। তাহার হেমধ্যে অবস্থিত বায়ুকলাহর দেয়। তাঁর মৃত্যুকালে আর দেখিলাম, নগর, এবিনি এভৃতিও যেন পায় মলাতে মাহিয়া বিমল, মুখে, সমভূতিগতনি তাঁহার শরীরে আলো 1 নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ। লিত হইতেছে পপ মজরাযুক্ত যে সমস্ত অগপ মাল্য তিনি প্রভৃতি তাত স্থানসকলৰ ৰ আহাৰ 'মডিয়া অপর স্থানে পরিধান করিয়াছিলেন, নৃত্যকালে সেই সমস্ত মাল্য আন্দোলিত পতিত হইয়া, ঘূণিত হইতে লাগিল। অগাধসঞ্চারী ময়ে হওয়ায় মনে হইল, নৃত্যলে আবার বুঝি তিনি জগৎ জল জলাশয়-সমভিব্যাহারে মরুভূমিতে নীত হইয়া সমূজে যেমন করিতে আরম্ভ করিলেন। তাঁহার শরীয়, দেব-দানবগজল- স্বচ্ছন্দে বিচরণ করিতে পারে, সেইরূপ স্বচ্ছন্দে বিচরণ করিতে লাগাদি জীবগণরূপ ক্লেমসমূহে আকী, সেই বিশাল শরীর লাগিল। নগরসকল ভূলে যেমন স্থির হইয়া থাকে, আকাশে নিস্পলভাবে অবস্থান করিতে না পারাতেই যেন চক্রের তাৰ উঠিও সেইরূপ বিরভাবে রহিল। পর্বতসকল আকাশে ঘুরিতেছে। ১৫। তিনি কর্মল বিভৰ, কর্মের অনুষ্ঠানে উঠিয়া নিরবে অবস্থিতি করিতে লাগিল, কল বাতায় হেতু জ্ঞান ও কর্ম যজ্ঞ এই ভিন্ন সূত্রের যজ্ঞােপবীত থারণ আন্দোলিত হইয়া পর্বতের উপরে গিয়া অবস্থিত করিতে করিতেছেন। আকাশমণ্ডলে নৃত্য করিতে করিতে তিনি যাের লাগিল। আকাশ হইতে নবনিকর নিকসের আর দুমণ্ডলে খয়ে বেদঘােষণা করিতেছেন। তাঁহার সেই নৃত্যক্রিয়ায় জগতে পতিত হইয়া সহস্র সহস্র দীপমালার ন্যায় ঘুরিতে লাগিল। তাই বিশেষ কোন পরিবর্তন না ঘটিলেও ভুল আকাণে ও আকাশ দেখিয়া বােধ হইলবেন, দে-গন্ধব আনন্দে পশমের উপরে ভূতলে প্রতিবিম্বিত হওয়ায় পরস্পর সমান হইয়া যাইতেছে, সেই পূবৃষ্টি করিতেছেন। দেখিলাম, সেই ভগবতীর মেহমধ্যেই জন্য আকাশকে ভূতল এবং ভূলকে আকাশ বলিয়া প্রতীতি সৃষ্টি, সংহার, দিবারাত্রি বিভাগ সমস্তই রাতবির আয় উলসিত হইয়াছিল। তঁাহার বিশাল সিকারি হইতে অতিবেগ হইতে। শুরু-খণ্ডলিষ্ঠাহার শরীরে কৃষ্ণ মণিময় বিকটলবে নিখােস-বায়ু বহিতে লাগিল। নৃত্যকালে তাঁহার দর্পণ-মালার গায় প্রতীয়মান হইতেছে। ৭৬৮০। আরও ঘূর্ণায়মান বাহচতুষ্ট বহু-বাহু বলিয়া প্রতীয়মান হইতে লাগিল। দেখিলাম, চন্দ্রমণ্ডল তাহার শরীরের রাণ-স্থানীয় হইয়া- সেই বাহুচতুষ্টয় বাতাৎক্ষিপ্ত পলাশির আকাদেশ ব্যাপিয়া ছেন। নক্ষত্রনিচ কণ্ঠদেশের সব রত্নহার হইয়াছে। স্বচ্ছ ফেলিল, আমার ধীর দৃষ্টিও সে সময়ে যুদ্ধক্ষেত্রে সৈঙ্গে স্থায়, অম্বর (আকাশ) তাহার পরিধেয় নির্মল অর() হইয়াছে। তাহার অস্থিত জগৎরূপ ৰস্তর সহিত ঘৃণিত ও পরিশ্রান্ত হইয়া সেই অম্বরের মধ্যে মধ্যে জাফল্যমান দ্যুিতায়ি তাঁহার পরিধেয় অবসন্ন হইয়া পড়িয়াছিল—অর্থাৎ আমি স্থির দৃষ্টিতে তাহার নৃত্য বসন্তে উজ্জল রেখা স্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। তাহার নৃত- দর্শন করিতে করিতে ক্ৰমে অসমর্থ হইয়া পড়িয়াছিলাম। নৃত্যনি- রূপ কলাভসময়ে জগন্দ্রয় সশব্দে বিলুষ্ঠিত হওয়ায় বােধ হইতে বন্ধন হার দেহ পরিবর্তিত হইতে থাকায় দেহসংলগ্ন শৈলসকল লাগিল, তাহার চন্দ্র-সূৰ্যরূপ মণিময় ভূষণনিমের ঝঙ্কারধ্বনি যন্ত্রের স্যায় ঘূরিতে লাগিল। গগনচরগণ পড়িয়া গেল, স্বর্গের হইতেছে এবং উক্ত ভূষণনিচয়ের কাতি ঐ ঝঙ্কারের সহিত উদ্ধ দেবালয়সকল ভূমিতে পডিয়া লুণ্ঠিত হইতে লাগিল। সুমেরু হইতে লাগিল। সুমেরু ও অধােদেশে প্রহৃত হইতেছে। সেই সময়ে দিবসরণমত্ত বােঙ্গার ও মলয়পর্বত ৰায়ুবিকশিত পত্রের ন্যায় কাগিতে শাগিল। একাতির ন্যায় শ্যামবর্ণ হইয়া গেল। সূৰ্যদেবের অপতনে হিমালয়-গতভুর-বিন্দুর স্যায় ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত হইতে লাগিল। তেজপুর অন্তর্হিত হইয়া গেল। অধিষ্ঠাত্রাচৈতন্যের বির- পৃথিবীর অত্যান্ত বস্তুসকল গঅভয় মৃণালদশের ন্যায় খণ্ড খণ্ড নিবন্ধন দিয়ে থাকিলেও জনগণ তৎকালে যত লুটিত হইয়া হইয়া গেল। ভঁহার নৃত্যকালে বিদ্ধ ও সহপৰ্বত রাজহংসের কোলাহল করিতে লাগিল, দেখিলাম চতুর্দিকে কেবল অফার। জায় আকাশে উড়িতে উড়িতে বিদ্যাধরদিগের ন্যায় পৃথিবীর অপর ৮১-৮৩। সেই সময়ে ব্রহ্মা, বিষ্ণু শিব, বহি রবি, চন্দ্র প্রান্তে গিয়া পড়িল। তাহার মেহসােবরে জীপসকল তৃণের প্রভৃতি দেবগণ ও অসুরগণ পর বিভক্ত হইয়া ৰাভাৰত ন্যায়, সমূদ্রসকল বলয়ের ন্যায় দেবগহসকল কলের গায় মশকের স্যাম, এড়িয়ে বিক্ষে য় অরিভাবে গত প্রতীয়মান হইতে লাগিল। নীলিম-আভায় নির্মল আকাশের করিতে লাগিলেন। অভের মুখাতে দুটি, সংহার, মুখ, হ স্যায়, স্বপ্নদৃষ্ট জলময় নগরের ন্যায় এবং এক ঘণীভূত উৎপত্তি, নাশ, চেষ্টা, চেষ্টা, নিষে, বিধি, মমৃত্যু প্রভৃতি সমগ্ৰ মূৰ্য্যের মিশ্রিত প্রভাপূজের ফায় প্রতীয়মান ভণীয় বিশাল ভাৰসকল পরশয় বিমােখা বলিয়া সর্বদা পৃগবেই বিদ্যমান অঙ্গ শরীরে স্বর্ণগিরি সুমেরু অন্তঃপাতী স, বি এবং কৈলাস থাকে, কিন্তু বিপতিসময়ে সবই কার বিরােধ আপ করিয়া মলয়, মহেন্দ্র, ক্রৌঞ্চ; মদ, গােল, বিদ্যাধর নগরাদি ও সমগ্ৰ একত্র সম্বন্ধ (মিলিত হইয়া অবস্থান করিতে লাগিল। কালে বসুমতী যেন অম-ভাবাপন্ন হইয়া নৃত্য করিতে আরম্ভ করিল। তঁাহার শরীল চিনাকাশে কত যে হয় মিস্যা সৃষ্টি, স্থিতি, ৬৬-৭৫। সমুদ্র পর্বতে উপরে উঠিয়া নৃত্য করিতে আর হার, বিগৎ, সৎ, পৃথিবী ইভ্যালি ভ্রান্তি প্রতীয়মান হইতে করিল, পর্বত অত্যুচ্চ গগনে উঠিয়া নৃত্য করিতে লাগিল, লাশিল, তাহার ইয়ত্তা করা যায় না। ৮৪–৮৬। তাঁহার শরীরে আকাশ চন্দ্র-সূরে সহিত ভূমণ্ডলের অধঃপ্রদেশে প্রবেশ করিয়া উৎপত্তি, শান্তি, মৃত্যু, উৎসব, যুদ্ধ, সাম, অগ, বিয়ে ওর, কোথায় যে অদৃশ্য হইয়া গেল, তাহা বুঝিতে পারা গেল না। বিশ্বাস প্রভৃতি বিজধৰ্মসকল একাধারে রত্ননিচলের ন্যায় এডি- তাহার পরে দেখিলাম, আকাশে যে স্থানে সূৰ্য্য অবস্থিতি ভাত হইতে লাগিল। তাহার শরীরের মধ্যে ক্লিক দৃষ্টিপরও করেন, সেইস্থানে পাহাড়-পর্বতসহ বনজল উঠিয়া নৃত্য করি যে কত দেখা গিয়াছিল, তাহার ইয়ত্তা করা যায় না। তদীয় তেছে। এইরূপে বিপৰ্যন্ত হইয়া অগৎ, সাগরশ্রোতে নিপতিত শরীর পরর্থ-দৃষ্টিতে চিদাকা-ময়; অপরমার্থ বৃষ্টিতেই তদীয় ভূণের ন্যায়, নৃত্যবেগে বিশ্রান্তে গিয়া ঘুরিতে লাগিল। প্রবল শরীরের অধ্যাত্মন্ত্রের অভিমত স্বজবজ উৎপন্ন মায়ারুপ বায়ুবেগে রাণি যেমন অন হইতে নানাস্থানে নীত হই। আবরণের অনুভূয়মান অন্ত্রে উৎপত্তি, যিতি ও সংহার তিমির যুরিতে থাকে, সেইরূপ কালরাত্রির নৃত্যকালে পর্বত আকাশে স্লোগাক্রান্ত ব্যক্তির দৃষ্টিতে আকাশে কেচ্ছের ন্যায় কুরিত উঠিয়, সাগর সকল দিকৃগ্রান্তে গিয়, নদী, সােব, পুরনগর হইতে লাগিল। নিচ আখিষ্ঠানসভায় অবস্থিত এই জগৎ মােগবাণিষ্ঠ-কামায়ণ ৩৭৬ ? বাছবি চল না হইলেও আপণিতিবিরে অচল পর্বত্নে ন্যায় ভীতিতম সর্গ। চঞ্চল দৃষ্ট হইয়া থাকে। তাহার নৃত্যের আবেশে মায়ার অভ্যন্তরে উৎপন্ন গৎসকল বালকলিত শক্তির আর এদিনে এক স্থিতি রাম জিজ্ঞাসিলেন,-ভব! আপনি পুর্বে যেরূপ প্রল- পরিভাগ করিয়া বিধ স্থিতি গ্রহণ করিতে লাগিল। ৮-৯। সে না করিয়াছিলেন, আহাতে ত বুঝিলাম, সমস্তই নষ্ট দেখিলাম, তার শরীরমধ্যে কখনও ক্রি-শক্তি দ্বারা জগৎরূপ হইয়া গিয়াছে, কিছুই নাই, অষে আবার সেই ভগবতী কোথা মূলগরাশি একত্র সংগৃহীত হইছে, আবার পরক্ষণেই তৎসমু- হইতে আসিয়া কোথায় কিরূপে নৃত্য করিতে লাগিলেন। আর এ আপনিই বিকর্ণ হইয়া পড়িতেছে। ক্রিশক্তিরূপিণী ঐ শপ, ফল, ফলসাদি বস্তুও ত কিছুই নাই, তবে তিনি ই- দেবী কখন লক্ষিত হন, আবার কখনও বা কিছুই লক্ষিত হন মূমের মাল্য কোথায় পাইলেন ? ত্রিজগৎ ল প্রাপ্ত হইল, না। কখন যাহাকে অষ্টপ্রমাণ দেখা যায়, কখন বা তিনি এই কই ও আমাকে বলিলেন, আবার ভগবতী কালীর দেহে আকাশব্যাপিনী অনন্তমূর্তিতে শক্ষিত হইয়া থাকেন। সেই তাহা কোথা হইতে আসিল ? সমন্থই যখন নির্মাণ, কিছুই নাই, ভগবতী কালরাত্রিই আমাদের জগৎময়ী সংবিৎশক্তি। তিনি তখন তিনিই বা কোথা হইতে আসিয়া নৃত্য করিলেন? ইহার গট অনন্ত। বিশুদ্ধপরষাকাশপিণ। ১১-১৩। সেই দেবীই কাল আমাকে ব্যক্ত করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন—যিনি নৃত্য করিতে ভয়ে অবস্থিত জগষের অন্তর্গত চিৎস্বরূপা। এই জন্য প্রাক্তন হেল বললাম, উনি না পূরুষ, না স্ত্রী, তাহার নৃত্যও যাবিক বাসনানুসারে পুরু েমনে যে সংসারজাত উদিত হয়। ঐ কিছুই নহে, তাহারাও কিছুই নহেন, ঐ অবস্থায় তাদের আক ভগবতীই তাহার উপাদান হন। চিভির ঈদৃশ পরিবর্তন বড়ই ভিন্ন বিষয় বাহা বর্ণন করিলাম, তাহাও কিছুই নহে। নিখিল ত। ঐ দেবীই অবিদ্যাবৃত চিৎপরূপা, এজন্য উনিই নিখিল কারণের কারণ অনাদি অনন্ত যে চিলাকাণ্ড, সেই বিশাল প্রকাশ সংসারের চিত্ররুপে দেলীপ্যমান হইয়া থাকেন। যখন বিদ্যাৰলে ময় শিরূপী চিদাকাশই ভৈরবাকারে লক্ষিত হইতেছে। অগ, উহার অবদ্যামালিন্য বিদূরিত হয়, তখন উনি প্রশান্ত আকাশ ভের লয়ের পরে সেই পরমাকাশরূপী চিলকাশই ঐরূপে অব রুপেই পৰ্যবসিত হইয়া থাকেন। এইরূপ ঐ দেবী সংসারি-দৃষ্টি ও হিত রহিয়াছেন। যেমন নিরাকার সুবর্ণ লেখা যায় না, সেইরূপ মুক্ত যােগীর দৃষ্টি উভয়ের গষ্য অবিদ্যাক্রান্ত বিদ্যাক্রান্ত বিবিধ উক্ত পরফাশ চেম্বরূপ বলিয়া উক্তবিধ স্বভাব (কালী ও আকারই ধারণ করিয়া থাকেন। প্রকৃতপক্ষে বিচারদৃষ্টিতে রুদ্রমূর্তি) ব্যতীত থাকিতে পারে না, অর্থাৎ জিতে উক্ত দেখিলে বোধ হইবে, তিনি অনন্ত অনাদি চিকারই কেবল চিদাকাশের আকার স্বীকার করা হইয়াছে, সে আকার ঐ ধারণ করিতেছেন। দেবীর অনন্ত চিন্ময় শরীরে এই দৃশ্যপ্রপঞ্চ কালী ও রুদ্রমূর্তি। ১৬। হে সুধীর। বল দেখি, চেতন স্ফটিক শিলার উপরে পদ্ম-চক্রাণি রেখার স্যায় প্রতীয়মান ব্যতিরেকে কেবল চৈতন্য থাকিতে পারে কি? তিক্ততাশূন্য হয়, ফলতঃ সমুদ্রের অঙ্গমালার ন্যায় ঐ সমস্ত দৃশ্য আকাশরূপিণ মরিচ কি কোথাও দেখিয়াছ? বয়াদি আকৃতি ব্যতিরেকে সুবর্ণ দেবীর আকাশরূপ হইতে অতিরিক্ত নহে। এইরূপে বিশাল থাকিতে পারে কি না, ইহা একবার আলােচনা করিয়া দেখ দেখি ? শীরা ভৈরবী দেবী অনন্ত আকাশ পরিব্যাপ্ত করিয়া সেই নিজস্বরূপবিহীন পদার্থ কিরুপই বা সবে মাধ্যবিহীন জৈরুতি জারুদের পুরােভাগে অবস্থানপুৰ্ব্বক নৃত্য করিতে ইক্ষুস কিরূপে সবে বল? মাধুর্থ যে ইনুস আহ ইক্ষু গিলেন। সেই কলারুদের ললাটস্থিত বহিতে কনভূমি দ রসই নহে। অচেতন (চে শু)যে চৈত তাহাকে চৈত্যই হইয়া স্থাবশেষ হইয়া গেল। নৃত্যাবেশে সেই দেবী ফলা যাইতে পারে না। অথচ চিমাকাশে নাশ ইহাও সম্ভব প্রলয়ের প্রবল ব্যায় বিনিত অৱশ্রেণীর স্যায় আন্দোলিত পর নহে। ৭-১০। চিশ ব্ৰহ্ম হইতে অভিন্ন অগরে উক্ত হইতে লাগিলেন। কুন্দাল, উদ্খল, চৰ্মাসন, ফল, কুত, মুষল, ব্ৰহ্মপত্তা হইতে অতিরিক্ত রূপ হইতেই পারে না; তবে তিনি উলকে (কুপ হইতে জল তুলিবার পাত্র) ও স্থালী এই সমস্ত আপনাতে আপনার অতিরিক্ত বহুরূপ স্বীকার করিবার জন্যই ৰ তাহার মাল্যমধ্যে গ্রথিত। তিনি ঈশ মালা ধারণ করিয়া প্রথমে আকাশরূপে উৎপন্ন হইয়া আপনাকে আকাশভিন্ন নৃত্য করিতে লাগিলেন। তিনি এবংবিধ মাল্য হইতে কুসুমনির ‘করিয়াছেন। এতএব সেই চিন্ময় ব্রহ্মের অক্ষুব্ধ যে সামাত্র, সেই চতুর্দিকে বিজেল করিতে লাগিলেন। তাঁহার উদ্ধত নৃত্যব্যাপারে অমাদি অনন্ত সর্বশক্তিময় সামাত্রই এই ব্রিজগৎ-সৃষ্টি-সংহার। সেই কুমেনিকর ছিন্ন ভিন্ন হইয়া গেল। ১৪-১০০। দেখিলাম, আকাশ, তু, মিকু, নাশ, উৎপত্তি, নাম, শৃঙ্গ, জন্ম, মৃত্যু, মায়া, নৃত করিতে করিতে তিনি আকাশের ন্যায় ভীষনেই সেই মােহ, মান্দ্য, বস্ত, অবন্ত, বিবেক, বন্ধ, মােক্ষ, শুভ, অণ্ড, বিদ্যা, রুণেবের অর্চনা করিতেছেন, রুদ্রদেবও তাঁহার স্যায় বিশাল- অবিন্যা, বিদেহত, দেহৰ, রুশ, সি, চাঞ্চল্য, স্থৈর্য, তুমি, শরীরে নৃত্য করিতেছেন। হে শ্রোতৃবর্গ। মক্তকে গরুড়পক্ষ আমি, অপুর, সৎ, অসৎ, মুখ, পাণ্ডিত, দেশ, কাল, ক্রিয়া, নিশ্চিত শিখায় বিভূষিত, গলদেশে মুণ্ডমালাখারিণী ভগবতী হন্তে দ্রব্য প্রভৃতি কল্পনা, রূপ, আমােক, মন, ক, জ্ঞানেন্দ্রিয়, ক্ষিতি ষষ-মহিষের বিশাল শৃঙ্গ লইয়া পয়মানলে ‘ডিং ডিং পুডিং অপু, তেজ, বায়ু, অখি, আকাশ ইত্যাদিরূপে বিস্তৃত হইয়া থাকে। পচ পচ ঝম ঝম ইত্যাকার তাল-ব্দে নৃত কৰিছেন, এই সমগ্র পৃ প্রপঞ্চই ঐ বিশুদ্ধ নিরাময় চিনাকাল, এবংমধ্যে মধ্যে সেই কালভৈরবের নৃত্যের দিকে দৃষ্টিপাত চিদাকাশ স্বীয় আকাশৰ পরিত্যাগ না করিয়াই এই সমস্ত কঝিতেছেন। হে শ্রোতৃবর্গ। সেই কালরাত্রি কর্তৃক বসান প্রপঞ্চরূপে অবস্থিত হইয়া থাকে। ১১-১৮। মূলত এই সেই কালরু তোমাদিগকে রক্ষা করুন। ১০১২। শতয় প্রপঞ্চ নির্মল আকাশসা, ইহাতে কোন সনােই। একজিমা সৎ ১। স্বপ্নাদি এ বিষয়ে অথও দৃষ্টান্ত। আমি যাহাকে চিন্ময় পর কাবলিয়াছি, তিনিই এই বি; তিনিই সনদ। তিনিই নির্বাণ-করণ-উত্তরণ ১-১১। হরি হইয়া থাকেন, তিনিই চন্দ্র, সূৰ্য্য, ই, রুশ, যম, কুবের প্রতিভাত হইতেন। চিলাকাশে যেমন ও আত্মা দেশী- ও অনল হইয়া থাকেন। তিনিই বায়ু, তিনিই যে, তিনিই মান অধিকাহেন, সেইরূপ পটেও তিলি দীপ্তি আছেন। সাগর, কল্য যে বস্তু ছিল বাছিল না, তাহাও তিনি। ফল প্রলয়কালের সেই ভীষণ ৰহির নর্তনেও তিনি যাহা কিছু ফুরিত হয়, তং সমুদয়ই তিনি,সেই চিন্ময় আকাশের আছেন। হে রাম । শিব ও বিবার আকৃতি নিরাকার, তাহা ক্ষুদ্র অণুকণা। ব্যথা ভাবনাথলেই তিনি ঈদৃশ বিবিধ সংজ্ঞায় তােমার নিকট বর্ণনা করিলাম। (বােধ হয়, অহা বুৰিয়াছ।) ব্যবহৃত হন। স্বভাৰমাত্ৰবােধে তিনি যাহা, তাহাই থাকেন। এক্ষণে তাঁহার নৃত্য কি? তাহার নিরূপণ করিব, এৰণ অদৃষ্টিতে তিনি জড় জগংরূপে অবস্থিত, অদৃষ্টিতে তিনি কর। যেমন শুক্তিকাদিতে ভ্রান্তি হইলে-ক্তিকাদির যথা নিজ বােধস্বরূপে অবস্থিত, অতএব আনিয়া রা, সবই শান্ত, জ্ঞান, ভিনােহিত হইতে তক্তিকাদি অন্য একটা বস্তু (বু দ্বিত্ব, একত্ব কিছুই নাই। জীব যে পর্যন্ত পৱস্বভাব জানিতে আদি) বলিয়া বােধ হইয়াই থাকে, তাহা কিছুই নহে। অবন্তু সমর্থ হয় না, সেই পর্যন্তই সংসারসমুদ্রের অঙ্গমালায় আপ্লুত এইরূপ জ্ঞান ভ্রান্তিতে হয় না, সেইরূপ চোপদার্থের থাকে, যখন জানিতে পারে, তখন অয় হইয়া সেই নিরাময় চেতনও শব্দ ব্যতিরেকে থাকিতে পারে না। তার স্বভাবই পদে প্রতিষ্ঠিত হয়। তত্ত্বজ্ঞান হইলে তখন আর তাহার ভর, হইতেছে স্পন্দ, সুবর্ণ যেমন আপনার আকুটিনমাহায্যে সমুজ, এভাব থাকে না, একাৰ্যে সব প্রশান্ত হইয়া যায়। তখন রূপ্যকরূপে অবস্থিত হয়, সেইরূপ আজও আপনার থাকে কেবল একমাত্র সেই অনন্ত চিদাকাশ। ১৯২৬। স্পন্দগণে রুদ্ররূপে অবস্থিত হইয়া থাকেন। ১০-১৫। ব্যশীতিতম সর্গসমাপ্ত । যাহা চে, তাহা স্বভাব অবশ্যই স্পন্দী হইবে, কারণ স্বভাব হইতেই বস্তুর আকসিমিবেশ। চিন ঐশিব আর যে স্পর্শ, তাহাই আমাদের নিকট নিজ বাসার আবেশে শীতিতম সর্গ। নৃত্যরূপে বিরাজ করে। অতএব কলাতৃসময়ের ভীষণাকৃতি - দেব যে নৃত্য করেন, তাহাকে দিনের নিল ম্প বুলি বশিষ্ঠ কহিলেন,-“এই যে তোমাকে চিত্র পরম আকাশের জানিও। রাম কহিলেন,—“দৃষ্টিতে দেখিলে এই প্রপঞ্চের কথা বলিলাম, ইহাকেই আমি ঐ শিব বলিয়া নির্দেশ করিয়াছি, ত সত্তাই থাকে না, সে মতে আমার জিজ্ঞাস্য কিছুই নাই, ইনিই অকালে রুদ্র হইয়া নৃত্য করিয়াছিলেন। হে ভষ্ট- তবে অতত্বশীর দৃষ্টি অবলম্বন করিয়া আপনাকে জিজ্ঞাসা প্রবর। তঁগর যে সেই আকৃতির কথা বলিয়াছি; তাহা করিতেছি—এই যে প্রত্যক্ষ প্রতীয়মান দৃপ, কলাসময়ে বাস্তবিক আকুতি নহে, চিন আকাশই তাদৃশ আকারে প্রতি- ইহা সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হইয়া যায়, কিছুই থাকে না, সে কান্ত ভাত হন মাত্র। আমি তখন শান্ত আকাশকেই সেই আকুতি হওয়ার পরে মহাশূন্য এই পরমাকা-ে জান, জ্ঞে, জাত কপে দর্শন করিয়াছি। আমি বলিয়াই তাহা জানিতে পারিয়া এই ত্রিপুটীভাব একেবারে বিলয় প্রাপ্ত হয়, তখন চিন ছিলাম, অন্য হইলে কিছুই দেখিতে পাইত না। সেই চেতনের চেত্যানুভব কিরূপে অসম্ভব হয়, অর্থাৎ কালে রুদ্র ও কলান্ত, সেই রুদ্র, সেই ভৈরবী, সমস্তই মায়া, ইহা আমি বেশ ভগবতী কালরাত্রির নৃত্য কিরূপে সম্ভবে, তাহা আমাকে বুঝাইয়া জানিতে পারিয়াছিলাম ১-৫। পরম শূন্য চিকাশই তাদৃশ দিন। বশিষ্ঠ কহিলেন,-“গ্রাম। যদি তাের নয় হইয়া আকারসন্নিবেশে লকিত হইছিলেন, সেই চিদাকাশই থাকে, দ্বৈত-ঐক্যের সন্দেহসাগর নিবৃত্তি করিবার ইচ্ছা হইয়া ঐ ভৈরব আকার প্রাপ্ত হইয়াছিলেন, আমি তখন কল্পনা থাকে ত শ্রবণ কর। এই যে চিত্র আকাশ, ইহাতে চেতভাবে দৃষ্টিতে যাহা দেখিয়াছিলাম, তাহা কল্পনাদৃষ্টি অর্থাৎ বাচ্যবাচক কিছুই নাই। তিনি কখনই কোন বিষয়ের অনু করিতেছেন সম্বন্ধ করুন। ব্যতীত বর্ণনা করা যায় না, এই জন্যই আমি না, সর্বদাই পাষাণের ন্যায় অচল অটল বিজ্ঞানখন আকাশরূপে যেরূপ দেখিয়াছিলাম, ঠিক সেইরূপ (কঙ্গনার অনুরূপ ) বর্ণনা ক্লিাজ করিতেছেন। যাহা কিছু অনুভব করিচ্ছে, ঐ সমস্তই করিয়া বলিলাম। হে রাম। এই জগতে চিরাভ্যাসবনে যে চিডির অভাব, চিতির অভাবই ঐ কালরাত্ৰিত্যরূপে প্রথিত হই- সমুদয় আধিভৌতিক এপষ্ট কননাময় জড় হইয়াছে, জড় হইয়াছে, তেছে, অথচ প্রশান্ত চিৎৰভাৰ আপন সত্ততেই অবস্থিত, তাহার অহাতে লােকের কামধ্যেই সত্যতাত্রম হয়; অণুমাত্র ব্যতিক্রম নাই। যেমন স্বল্পকালে চিংই পুরনগরাদির তায় য্যহাতে সত্বর অপসৃত হয়, তাহা করা উচিত। তিনি ভৈরবী অন্তরে প্রকাশমান হয় অথচ তাহাবাস্তবিক পুরনগরাজি নয়, তাই নহেন, ভৈরব নহেন, কান্তও নহেন, ফলত তৎসমুদয়ই বিজ্ঞানময় আকাশই, সেইরূপ চিন্ময় আত্মা সৃষ্টিরম্ভ হইতে ভ্রাভিমাত্র, কেবল চিকাশই প্রতিভাসমান রহিয়াছেন। ৬। আপনাতে গ্রেপঞ্চ অদূর কর নিয়ে প্রকাশ হইয়াই ঐ চিরকাশ হইতে স্বপ্নদৃষ্ট পুরীর ন্যায়, সঙ্কজকুত সংগ্রামবেগের থাকেন, তাহার নিজ স্বরূপের কিছুমাত্র ব্যত্যয় হয় ন, উক্ত স্যার, কেবলমাত্র বাক্যজালে সামুভবের স্থায় এবং মনঃকলিত চিৎ আপন স্বাক্ষপ আকাবিরে নিয়ে প্রকাশিত হইল নিল রাজবিলাসের ন্যায় এই প্রপঞ্চের উৎপত্তি। স্বর্গে যেমন নগরী কলনায় আপনাতে , কর, অগৎ ইত্যাকার ভ্রম থাৱণ করিয়া দৃষ্ট হয়, নিৰ্ম্মল আকাশে যেন ভ্রমে মুক্তিদর্শন হয় এবং নীল খানে। ১৬-২৬। চিলাকা আপনার অনে স্বয়ংই ফুরিত আকাশে যেমন কেশগুচ্ছ দেখা যায়, তেমনি চিন আঘাতে এভাময় হইয়া তাবাকাশে আমি ভুমি” ইত্যাকার কল্পনা করিয়া অচিং অর্থাৎ ডিভি ইতর জড় যন্তর প্রতীতি হয়। চিন্মাত্র স্বচ্ছ থাকেন। অতএব প্রকৃত পক্ষে ওৈ নাই, একতাও নাই, আকাশ আপনশ্বরূপেই আপনি প্রদীপ্ত রহিয়াছেন। এই যে শূন্যতাও নাই, চে, অচেজ, মৌন প্রভৃতি কিছুই নাই। এ প্রসঞ্চ প্রতিভাত হইতেছ, বুঝিবে ইহা আত্মাই জগদ্ধপে কোখাও কেহই চেত্যরূপে কিছুরই অনুভব করিতেছেন লা; কিন্তু এ ভ্রম - ; গৰু অখন এই হর নাম উমা, )। দেবী কালই । সপশ িপৃথী, ধনী বােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ অতএব অনুভবতাও কেহই নাই, কেবল নেনই অবশিষ্ট ও সবুজ নিখিল প্রাণীর হয় অনাহত নাশপ আকারাদি মাত্রা থাকিতেছে। নিষিক সমাধিই সকল শারে সিদ্ধান্ত, নির্বি ব্রি শব-ব্রহ্মনামক এণবের নম্বভাগের সর্বদা উচ্চাৰণ কর সমাধিও পাবে তার নিশ্চলীৰ, ঘৰ তুফীভাবে হৈ দ্বারা সম্পাদিত হয় এবং হৃদয়-পদ্ধের জুষ্টিপ্রমাণ মিত্রে নিশ্চলভাবে অবস্থান কর। হে রাম! তুমিও ঈশ্বরের অলৌকিক লিঙ্গরূপে অবস্থিত গহনক দিনের মকের তুষ বিন্দুরূপ। দৃষ্টিতে তাকামে যথাপ্রাপ্ত নিজ রাজ্যপালৰি কাৰ্য কর ইকেলাৰলিয়াও ইহার নাম উমা। উক্ত কাল ও কালী আকাশ- পরম বৃষ্টিতে নিশ্চল মন-মান-মােহপরি হইয়া শরীর-জীৰা- স্বরূপা বলিয়া উহাদের বর্ণ কাল। তাহারা সর্গসঙ্গলময়ী দৃষ্টিতে ভিমান পরিত্যাগপূর্বক আকাশের গায় বিশ শান্তভাবে আকাশকেই মাংসময় গামবর্ণ শরীররূপ দেখিয়াছিলেন, তাঁহারাও বিন কম।২৭-৩১। অরুতপক্ষে আপনাদের আকাশ ব্যতীত আর কিছুই নহেন। এলভিম সর্গসমাপ্ত ।। আকাশ যেন আকাশেই অবস্থিত, তাহার আর জি কাথার নাই, সেইরূপাহালের কলিত মীরও আকাশেই অবস্থিত।১-১৫। আকাশে বেন কোন মুক্তি নাই,সেইরূপ তাঁহাদের কোন মূর্তি নাই; তাঁহার ঠিক আকাশের স্থায়ই স্বচ্ছ, দেখিলে বােধ হয়, চতুরশীতিতম সর্গ। আকাশের কেন দুইটা অগ্রজ। এক্ষণে তাহাদের হস্ত, পদ, মস্তক, রাম কহিলেন,—“হে মুনির। ভগবতী কালী নৃত্য করেন মুখ প্রভৃতির বিভিন্নতা বা বহুবিধ একার হল, সূর্ণ প্রভৃতির কি নিমিত? আর তিনি ঐরূপ সূর্ণ, ফল, কুন্দাল মূষলাদির মাল্য মালাধারণ কিরূপ, তাহা বলিতেছি এবণ কর। সেই পরিম্পন্দ- ধারণ করেন কেন? ইহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই ভৈরব, রূপিণী ভগবতী কালী অনাদি অনন্ত চিতিশক্তিরূপিণ হইলেও যাংকে চিনাকাশ শিব বলিয়া উজে করিলাম, আঁহার যে মনাে- নিজ ইচ্ছাতেই সমস্ত বেদেও ক্রয়াস্বরূপ ২ন, এইজন্য “আন ময়ী স্পন্দশক্তি তাঁহাকেই তুমি ঐ মায়া (কালী) বলিয়া করিবে, দান করিবে, হােম করিবে” ইত্যাদি বেদবাক্যবিহিত আনিবে , ঐ মায়া হা হইতে অভিন্ন , পবন ও পবন আনলাদিক্ৰিয়ই ইহার শরীর , এই কারণে ইহার বিবিধ যেমন একই পদার্থ, উষ্ণতা ও অনল যেমন একই পদার্থ, সেইরূপ অভিনয় সহিত নৃত্য ব্রহ্মার কর্মফলস্বরূপ এবং নিখিল প্রাণীর চিন্ময় শিব ও ভণীয় স্পন্দশক্তিও (ঐ মায়াও) সৰ্ব্বলা এক, সৃষ্টি, স্থিতি, জরা, মৃত্যু প্রভৃতিরূপে পর্ণবসিত হয়। ঐ দেবী কাচ পৃথকু মহে। স্পন্দ দ্বারা যেমন বায়ুর অনুমান হয়, উফ ক্রিয়ারূপিণ, ক্রিয়াও মিরম্ন হয় না, এই কারণে (ক্রিয়াত্ব বজায় দ্বারা যেমন বহ্নির অনুমান হয়, সেইরূপ ঐ শিবনামক নির্মল শান্ত রাখিবার জন্য আপনার শরীরমধ্যে হস্ত-পদাদি অবয়ব ধারণ চিদাত্মাও ঐ পশক্তি মায়া আর লক্ষিত হন, অন্য কোন করেন এবং তৎসমুদয় অবয়ব স্বত করিয়া ক্রিয়ারূপে প্রকাশ উপায়ে নহে। ঐ শান্ত শিব চিত্রকেই তত্ত্বজ্ঞানীরা মানস- করেন। ব্রহ্মাণ্ডের ধারণকারিণী কালীরূপিণী কমলিনী আপনার গােচৰ ব্ৰহ্ম বলিয় জানেন। শক্তি তাহার ইচ্ছ,ঐ ইচ্ছ- অদভুত এই দৃশ্যপ্রপঞ্চ হৃদয়ে ধারণ করিতেছেন। অথচ ঐ রূপিণ শক্তিই প্ৰকাশ করিয়া থাকে, সাকাৰমানৰৱে চিন্ময়ী দেবীর আকৃতিনির্দেশ কুপি হইতে পারে না। বিচার ইচ্ছা যেমন কলনাগর নির্মাণ করে, সেইরূপ ঐ নিরাকার করিয়া দেখিলে বিত্ব ব্যতিরিক্ত আর কিছুই তঁাহাতে দৃষ্ট হইবে শিবের ইচ্ছা এই এপ নিৰ্মাণ করিতেছে। ঐইচ্ছারূপিণ না। হে রাম। আকাশের অঙ্গ যেমন শূন্যতা, ৰায়ুর অঙ্গ যেমন স্পশক্তি জীবাশীদিগের জীবনরুপে পরিণত হওয়ায় জীবচে স্পর্শ, চলিকার অঙ্গ যেমন কুমুবিকাস, সেইরূপ চিতির অঙ্গ নামে, সৃষ্টির প্রকৃতি অর্থাৎ মূলকারণ বলিয়া প্রকৃতি নামে দৃষ্ঠা- এই দৃশ্যগ্রপঞ্চ , এই দৃশ্যগ্রপঞ্চও চিভির ক্রিয়া অর্থাৎ স্পন্দ সে অনুভূত উৎপত্তি প্রভৃতি বিকারের সম্পাদন করিয়া ক্রিয়া ব্যতীত আর কিছুই নহে। ফগ সেই চিতিকে নিক্রিয়, নির্মল, নামে অভিহিত হন। ঐ মায়া বাড়গিলার আয় বৃক্ষমান শান্ত, অব্যয়, শিৰ বলিয়া আনিও। তাহা-৩ কিঞ্চিত্র স্পর্শ আভিমণ্ডলতাপে শুরু হইয়া যান ৰলিয়া শুষ্কা নামে অভিহিত অথবা নিশ্চলত-ধৰ্ম দুষের কই নাই; তবে ২য় যে ক্রিয়া হন। উৎপলৰ অপেক্ষাও প্রচণ্ড অর্থাৎ তীর বলিয়া তিনি রূপ, তাহা কেবল অজ্ঞানদশায় আনিবে।৬-২৫। যখন চণ্ডিকা নামে অভিহিত হন। একমাত্র জন্মের অধিষ্ঠান (সর্বত্র প্রকৃত বােধ হওয়ায় ক্রিস্বভাব হইতে ২; হইয়া বাৎ- জয়লাভ করেন বলিয়া) ইহার নাম জয়া;সর্বসিদ্ধি আশ্রয় স্বভাবে অবস্থান করেন, তখন উক্ত টিভিকে শিব বলা হয়। বলিয়া ইহার নাম সিজ; সর্বত্র বিজয় লাভ করেন বলিয়াইহার যখন কুট চৈতন্যের চিতিশক্তিরূপিণী দেবীর অবিদ্যাল নাম বিয়ে, অতী, তা বলে। ইহাকে কেহ পরাজয় করিতে প্রতিকৃশশবে অবস্থিত হয়, তখন সেই অবস্থাকেই পারে না বলিয়া ইহার নাম অপালিত; ইহার মহিমা বে গ্রহণ ক্রিম বা ভগবতী কাশী । লােকই সৃষ্টি- করিতে (বর্ণন করিতে পারে না বলিলাহর নাম দুর্গা। পরে সকল, ঐ কলিতদেহরিণ বিকও টিভি গায়ক অর্থাৎ ইর নামকলীগের ইনিই রথ, উপত্যকাভূলিসমন্বিত পর্বতমুং, অ ও উপযুক্ত বোয়, এ ইহার নাম শত্রী; সর্বত্রে এসব নেন বলিয়া আশীলিকা প্রভৃতি বিদ্যা, যাহাতে বিণ ও নিযেথার্থ বিদ্যমান, যার নাম সাবিত্রী, নােক্ষ প্রভৃতি নিখিল উপাসনার অন যায় তার কর্মের দিকে, যাহাতে পুনােভা। এভৃতি ইহা হইতে প্রবাহিত বলি ইহার নাম সরস্বতী। ইনি থেমের বিষয় উল্লিখিত, যা রাজ, উদূখল, বুসী (চৰ্ম্মা); গৌরদী বলিয়া গৌরী নামে অহিতা; যখন শিব-মীরে শর্ল ও যুগকাষ্ঠ এভৃতি দ্বারা উগলক্ষিত এবষ্কৃত দক্ষিণাখি অজি হন নই গৌরী নামে অভিহিত হত। ইনিষপ্ত প্রভৃতি হেমষিক সকল, ভীষণ সকলের আর নিকাণ-প্রকরণ-উত্তরণ ১৯ ; বয়া বােধ হয়। শু, শক্তি, শয়, দুখী, গদা, আস (তীর্থ, অস্ত্রবিশেষ) দেশের গ্রামপর্বতাদি চালু না করিয়া লােকের কথাই জ, হতাও বোদ্ধবরা ভীষণ ও উজল মণল; সুৱগৰ সকলের সভ্য বলিয়া বােধ হ৩২ গিয়া দেখিলে সজ প্রভৃতি চতুর্দশ শোকে জীবগণ (১), চতুর্ক মহাসমূদ্র, দ্বীপ, বলিয়া বােধ করিতে পারে সেইরূপ ন যােগসি আশী, ভুবন ও লােক-এই সকলই সেই ভগবতী কালীর । এম তিনি আবার যখন হৃষ্টিপহইয়া চিন্তা বলেন, তখন তিনি সিলেন,-গ। এলাকালেও রুদ্রকালীরূপিণী চিতির সেই শিক্ষাকে সত্য বলি iৰ কৰিতে থাকেন। যে সমক্ষে যে অতীত ও ভবিষ্যৎ সৃষ্টিসমূহ ছিল, এই যে আপনি কোন ব্যক্তি গাঢ়নির্মিত হয় স্বপ্ন দেখিতে থাকিলে যদি কে বর্ণন করিলে, হাতে এম এ করি, ৎকালে যে তাহাকে নড়াইয়া দেয়, তাহা হইলে তাহার অগই নাদি সৃষ্টিসমূহ ছিল, ছি৷ কাৰ্যকরণসমর্থ সংযভাবে ছিল, না নড়ে না বটে, কিন্তু তাহার বােৰ হয় যেন গড়ি” সেইরূপ মি, মরীচিকার ন্যায় প্রতীয়মান হইয়াছিল? বশিষ্ঠ কহি সৃষ্টিভাবাপন্ন চিতিশক্তি, সুজিব হতে চাত (বিচ্যুত) লে—“রাম। সত্যসঙ্কল্পবতী চিৎশক্তি ৰাৱা ৰঙ সঙ্কলিত হইলে তখন তাহার নিকট এই গৎও চলিত (ফিন)হইল হয়, সত্যসঙ্কজ চিতি আর তাহা সত্যরূপেই প্রতীয়মান হয় বলিয়া বােৰ য়, কিন্তু পণপ্রতিষিৰ কাম ডাহা বাবিক (সত বলিয়াই বােধ । ;)ডিও (খিতে গেলে তাহা চলিত হয় না, কেননা এই ত্রৈলােক্যরূপ বিলাই ব্যাপারটা একান্ত মিতা বলিয়া বােধ হয়;•াল বই এইরূণ ভির বলিয়া বােধ হইলেও বাস্তবিক কিছুই নহে,এমাত্র। যা সভাতেই বলিয়া হেই এক। ডশন । মুখ ভ্রান্তি জি আর কিছুই নয়, তাহার আর নেই কি? এৰি, সমুখত মূৰ তে ঠিক মুখের ই সত্য আর অচলনই বা কি তাহা ক দেখি। যেমন স্বপ্নদৃষ্ট নগরী বলিয়া বােধ হয়, এই প্রপঞ্চ প চ স স কখন সত্য বলিয়া বােধ হয়, কখন বােধ হয় কিছুই নহে, চিস্বরূপের প্রকৃতস্বরূপ অজ্ঞাত থাকাতেই কখন বােধ হয় ভাঙ্গিয়া চুৰিয়া গিয়াছে কখন যেথ হয় অহাতে এই প্রপঞ্চ সঙ্কলনগরের রায় সত্য বলিয়া বােধ রহিয়াছে,অথচ তাহা সব সময়েই কেবল ভ্রান্তি। এই হয়। আবার যখন বৃঢ়ষ্যাণৰলে চিত বিশুদ্ধ হন, তখন আর পরিমাণ দৃপ্রপঞ্চও সেইরূপ জানিবে। হে রাম। ভূমি বাহপ্রপঞ্চ সত্য বলিয়া বােধ হয় না। আমার ধারণা অর্পণে এই দৃশ্যপ্রপঞ্চকে অবাস্তব অন্তি বলিয়া আনিও। কল্পনায় স্বগ্নকাণে, বা সঙ্করে যেখানেই যা প্রতীয়মান হইয়া দৃষ্টবস্তু, আশাকৃত মনে মনে রা, স্বপ্ন অবস্থায় থােক কাৰ্য্যকারী হইবে, তাহাকেই সত্য বলা উচিত। কেননা, এবং ভ্রান্তি বস্তুর অমুল যেরূপ, এই ত্রৈলােক্যকেও সেইরূপ তৎসমস্তই কাৰ্যকারী ত হইয়া থাকে। যদি ফ র্পণাদি অনুভব করিবে। চিরি ভিতর ‘অশ, জগৎ ঈদুশভাবে প্রতিবিম্বিত বন্ধু কাৰ্যকারী হয় কৈ? তাতে ত আর অনাদি একেবারেই নাই, ফলতঃ “আকাশ-কুশ” কথা যেমন প্রান্তিমূলক আহরণ করা যায় না ? তাহার উত্তরে বলি-দশের ভিতরে । এই জগৎ ও আমিও ভ্রান্তি; ভাল করিয়া আনিতে পারলে এই বস্তু রহিয়াছে, তাহা যারা বাহিরের কাৰ্য কিরূপে হইবে? ভ্রান্তি আর থাকে না। ৩-৫। তুমি যদি বিদেশে থাক, তাহা হইলে তুমি বাটার কোন কা) চতুবতিতম সর্গ সমাপ্ত।। করিতে পার কি? যদি পার, তাহা হইলে তােমারও দেশান্তরে সতা মিখ্যা, তাহার কোন সন্দেহ নাই।২৬-৩৮। দেশের গ্রাম, সেই দেশেরই অহা কার্যকারী হয়, সেইরূপ দর্প+তিবিম্বলি অর্পণালির কাৰ্যকা। হইবে। স্বপ্নে দুই পাতিতম সঙ্গ। নগরাদি গল্পকালে যে ভষ্টার কার্য সাধন করিবে, তাহার সন্দেহ বশিষ্ঠ কহিলেন-“এইরূপে সেই দেবী পরিশ্রম গীর্ঘ নাই। এইরূপ সকলেরই তৎ কালবিশেষে তত্তৰপর বাহুমণ্ডল যারা আকাশ নিবিড় কাম কলি নৃত্য করিতে বস্তুর ঘরা কাৰ্য সাধন হইয়া থাকে। যাহা নিজের যথার্থ লাগিলেন। উত্তর অবগত হইলে বুঝিতে পারিবে, উনি কাৰ্যকারী হইবে, তাহা নিজের নিকটে অবশ্যই সত ৰলিয়া এই চিডি-ক্তিই ক্রিয়ারূপে নৃত্য করিয়েছেন। পূর্ণ, ফুল, বােধ হইবে; কিন্তু আয়ের নিকট তাহা বােধ হইবে না, শয়, শক্তি, গলা, এস, মূষল প্রভৃতি , শিলাদি পদার্থ, ভাব- গ্নে আছ, অসত্য বােধ করিতে পারে; অব চিৎশক্তির অভাব পদার্থ, কাল, কাদিক্রম, এই সাত হার অলঙ্কার। অভ্যন্তরে অবস্থিত সমুদয় সৃষ্টি-পরম্পরাকে যে আত্ম—অর্থাৎ কল্পনা যেমন স্বয়মধ্যে এক নগরী আনিয়া উপস্থিত করে, আপনার নিন্দা জানিতে পারে, তাহার নিকটে তাহা সত্য সেইরূপ উক্ত ভিত্তির শব্দই আপনাতে এ অগৎ গুরণ করি- বলিয়া ৪ন হয়;বে সেইরূপ অন করে, তাহার নিকট তেছে; অথবা কল্পনাই যেন পৰী, সেইরূপ সেই চিতিই অৎ এই মুদয় পঞ্চ কিছুই নয়। এইরুপে ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমান এইতেছেন। পনের যেমন , তেমনি এই স্পাইনি এই জি কালেই অস্থিতিশীল এই সকত সত্য গয়েই চিলি ইচ্ছায়; বায়ুর স্পবেশন কখনও কখনও প্রশান্ত ছয় হইবে, তাহা না বলিলে একে গর্বশৰ ধৰি ন; কেন বা একেবারে খাবে, সেই ঐশিবায় আত্মার ইহারও না, (তাহা হইলে সবই যখন একেবারে নাই; কখনও কখনও প্রশান্ত থাকে। ১-৫। যেমন মুত্তিহীন আত্মাতে এবার সময় কোথা হইতে আসিবে। কেন এ পৰশ আকাণে মূঞ্জিন শলা বিস্তার করে, সেইরূপ ঐ শৰয় আর ই মূর্তিমতী না হইলেও মুক্তি আজ (১) মূৰে “অ” এই পার পরিবর্তে জ” এই নিৰ্মাণ করিতেন। অনন্তর সেই দেবী নৃত্য করিতে করিতে কাকতালীর সম আকরায় আমি আর • নেন পঠ হইবে।
যােগ-িরামায়.. উন্মােচন করিয়া নিকটস্থ শিবের অঙ্গ স্পর্শ করিয়া ফেলিলেন। চৈমাত্রই নির্বাণ শান্ত আনন্দস্বরূপ, এই অনুলেখা বেমন নৃভ করিতে করিতে (বহিতে বহিতে) আজ চৈও স্বীয় কূটৰ প্ৰাপ্ত হইলে নদী যেমন সমুদ্রে নাশের জন্যই বাড়খিতে গিয়া সংলগ হয়। (যড়বানলে মিশিয়া সমুভাবাপন্ন হন, সেইরূপ সেই কূটন্থৰ প্রাপ্ত হয়। লাগিবামাত্রই বিল হইয়া যায়, সেই তিনিও আস্বনাশের জন্যই যে পর্যন্ত নােহবশতঃ চিতি আপনম্বরূপ দেখিতে পান না, সেই সেই বিবকে শকিরিলেন, কেননা পরম কারণ সেই শিবকে পৰ্যন্তই অনন্ত অমাশাগ্রস্ত বিষয়-সংসারে আসিয়া উপস্থিত হন, পর্শ করিবামাত্রই তিনি ধীরে ধীরে কী হইয়া প্রকৃতি হইতে নিজস্বরূপ দেখিতে পাইলে, ভৃঙ্গ যেমন মধু পাইলে তাহাতে বসিয়া ( স্বভাবে ঐ শিব-আত্মভাবে পরিণত হইতে) আরম্ভ করিলেন। আনন্দে বিভাের হইয়া মধুর হইয়া মধুপান করিতে থাকে, সেইরূপ তিনি সেই অনন্ত আকার পরিত্যাগ করিয়া পৰ্বত-প্রমাণ হইলেন, পরমানন্দে সেই নিস্বরূপে নিমগ্ন হইয়া পড়েন। হে রাম! পর্বতমা-ভাব পরিত্যাগ করিয়া নগরপ্রমাণ হইলেন। ঘহাতে জন্ম-মৃত্যু প্রভৃতি ঘনীভূত দুঃখ সকল প্রশান্ত হয়, সেই পরে নগরপ্রমাণ-ভাব পরিত্যাগ করিয়া প্রমাণ হইলেন, আত্ম-তত্ত্ব প্রাপ্ত হইয়া কে ভাইকে ত্যাগ করে, রান এইরূপে সেই লতা-ভাব হইতে আকাশভাবে পরিণত ; আম্বা একবার পাইলে কে তাহা ত্যাগ করিতে পারে ২১২৮ আকাশভাবে পরিণত হইয়াই, শবেগ হইয়া নদী যেমন মহাৰে পঞ্চগতিম সর্গ সমাপ্ত। প্রবেশ করে, তদ্রুপ সেই শিবের আকারে গিয়া মিশিলেন। তখন শিব একই হইয়া পড়িলেন, বি তাঁহাকে পরিত্যাগ করিয়া অদৃত হইয়া গেলেন; তখন সেই মহাকাশে একমাত্র সংহারকর্তা শিবই বিরাজ করিতে লাগিলেন। ৬-১২। রাম কহিলেন—ভগনু' বড়শীতিতম সর্গ । শিবের সংস্পশমাত্রই সেই পরমেরী পি কি কারণে শান্ত বশিষ্ঠ কহিলেন,—“রাম। সেই রুদ্র যেরূপে মহাকাশে হইয়া গেলেন, তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। অবস্থিতি করিয়াছেন, তাহা বলিতেছি শ্রবণ কর। ঐ ক্ষুদ্রও দেহ- তিনিই পরমেশ্বরী প্রকৃতি, তাঁহাকেই লােকে শিবেচ্ছা বলিয়া ভ্রান্তি পরিত্যাগ করিয়া পরে উপশান্ত হইয়া যান। আমি তখন থাকে; ঐ অকৃত্রিমাস্পশক্তিই জগয়া নামে বিখ্যাত। আর দেখিতে লাগিলাম, সেই রুদ্র ও ব্রহ্মাণ্ডের খণ্ড (দুই খানি সেই আত্মাকেই প্রকৃতি হইতে পৃথক পৰিত্ৰ পুরুষ বলে, ভগ খপর চিত্রপিতের ন্যায় নিস্পন্দ হইয়া অবস্থিতি করিতে শারদাকাশের নির্মল শান্ত ঐ পুরুষই শিবরূপ ধারণ করিয়া লাগিলেন। অনন্তর এক মূহুৰ্তমধ্য সেই রুদ্র আকাশমধ্যে থাকেন। ঐ পরমেশরের ইচ্ছারূপিণী চিৎশক্তি স্পন্দময়ী হই। সূৰ্য্যরূপ নয়ন দ্বারা স্বর্গম নিরীক্ষণের ন্যায়, সেই ব্ৰহ্মাণ্ড-ওর ভ্রমময়ী হইয়া সংসারে ভ্রমণ করিতেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত নিত্য (ব্রহ্মাণ্ডের পর দুই খানি) নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। তৃপ্ত অনাময় অনাদি অনন্ত অয় অজর শিবকে দেখিতে না পান, তাহার পরে মুহূর্তকামধ্যেই নিঃশবায়ু দ্বারা সেই ৩য় তণ পর্যন্তই ভ্রমণ করেন। জ্ঞান কেবল তাহার ধর্ম , এইজন্য আকর্ষণ করিয়া লইয়া পাভলের ন্যায় গভীর মুখের ভিতরে নিক্ষেপ জ্ঞানময়ী ঐ দেবী কাকতালীয়ায়ে জ্ঞানময় দেবের স্পর্শ পাইলেই করিলেন। তখন সেই অনন্ত আকাশে তিনি একাই অবস্থান তন্ময়ী হইয়া যান। নদী যেমন সমুদ্রে পড়িলে সমুদ্রভাবাপন্ন হইয়া করিতে লাগিলেন, ব্রহ্মাণ্ডের সেই দুই বিশাল পশু উদরস্থ করিয়া- যায়, নদীর আর পার্থক্য থাকে না, সেইরূপ ঐ প্রকৃতি (উক্ত ছেন। ছেন। তৎপরে মুহূর্তকামধ্যে তিনি আকাশের ন্যায় ঘু জ্ঞানময়ী দেবী) পুরুষের (জ্ঞানময় আত্মার) স্পর্শ পাইয়া ভস্ময় হইয়া গেলেন। তাহার পরে যষ্টি প্রমাণ হইলেন। তার পর হইয়া নিজ প্রতিভাৰ পরিত্যাগ করেন। সমুদ্র যেমন জলময়, দেখিলাম প্রাদেশ প্রমাণ হইলেন, ক্রমে প্রাদেশ প্রমাণ হইতে সেইরূপ নদীও অভিন্ন আর কিছুই নহে, এইজ সমুদ্রে মিশিলে সূক্ষ্ম কাচখণ্ডের ন্যায় বলেন, তাহার পরে আমি আকাশ হইতে নদীও সেই সমুদ্র হইয়া যায়; নদী যখন সমুদ্রে গিয়া পড়ে, তখন দিব্যদৃষ্টিতে দেখিলাম, তিনি অণু অণু পর পরমাণু হইয়া একে সেই সমুদ্রেই বিলীন হইয়া যায়। ১৩২। লৌহের তীর বারে হইয়া গেলেন, দেখিলাম, তিনি শরৎকালের শেষ যেমন যে এরঘণে উৎপন্ন হয়, আবার সেই প্রস্তরে আঘাত খণ্ডের আয় একেবারে বিলীন হইয়া গেলেন। লাগিলে কুতিত হইয়া যায় (নষ্ট হয়, সেইরূপ শিবের ইচ্ছা শিব- বিকট আকৃতি, দেখিতে দেখিতে আমার সঙ্গে তাহা একেবারে চিন্ময় হইতে উৎপন্ন হইয়া আবার সেই দেহকে প্রাপ্ত হইলে কোথায় গেল। ক্ষুধার্ত হরিণ যে বলপতিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিলীন হইয়া যায়। বালির ছায়ায় উপবিষ্ট পুরুষের ছায়া যেমন পত্ৰ পৰ্যন্তও ভােজকরিয়া ফেলে, সেইরূপ তিনি আবরণের কক্ষ ছাতে প্রবিষ্ট হ (মিণিয়া যায়, সেইরূপ প্রকৃতি সহিত ব্রহ্মাণ্ডও ভাণ করিয়া ফেলিলেন, আকাণ নির্মল শান্ত পুরুষের ছায়া প্রাপ্ত হইতে তাঁহাতেই বিলীন হইয়া যায়। চিৎ কেবল এভাবে পৰ্য্যবসিত হইয়া গেল। এইরূপে দেখিলাম, আপনার পুরুষনামক সনাতনভাৰ কানিতে পারিলে আর সংসারে শিলাখণ্ডমধ্যে প্রতিষির স্থায় সেই অগৎ মহাজাতির ঘূৰিয় বেড়ায় না, তন্ময় ভাবাপন্ন হইয়া যায়। ঢাকের নিকট মহাপ্রলয় হইয়া শিল্পা তাহা অনাদি অনন্ত সম্বিলাকালে পরিণত সাবাস ততদিন সবে, যতদিন না সাধু তাহাকে চোর হইয়া গেল। পঙ্গীস্থ লােক যেমন রাখবাড়ীতে উপৰিত বলিয়া জানিতে পাবেন, চোর বলিয়া আনিতে পারিলে আর হইয়া চারিদিকে দেখিরা বিস্মিত হইয়া হতবুদ্ধি হইয়া পড়ে তাহার নিকটে অবস্থান করে না। চিতিও ভদ্রুপ যতদিন সেইরূপ খন আমি সেই নারীমুক্তি (বিল্যাধরীকে সেই পাষাণ- স্বীয় পরভাৰ আলিতে পারেন, ততদিনই এই এস মুক্তি ও সেই বিলাস মনে মনে স্ম করিয়া সাতিশয় বিস্মিত বৈপথে উন্মত্ত হইয়া আনন্দে ঘুরিয়া বেড়ান, যখন নিল হইলাম। ১-১৩। তাহার পরে আর এক স্থানে দৃষ্টিপাত স্বরূপ দেখিতে পান, তখন ত হইয়া অবস্থান করুন। করিয়া দেখিলাম, সেই কলৰোময়ী শিলা, ভগবতী কালীর নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ। ১১ ঙ্গে নিয়ে তার প্রতীয়মান হইতেছে; জানেেত্র বা অন্ত দেবগণ অরণের সহিত সৌহা স্থাপন করিতেছেন। নিব্যচক্ষুতে দেখিলে তাহা কিছুই প্রতীয়মান হইবে না। চৰ্ম্ম- মহাবিশ্বময় মায়াশক চিমত্মায় আমি এই রকম অনেক ভূত চক্ষুতে দেখিলে সর্বত্রই সব দেখা যাইতে পারে, সেই শিলাও ভবিষ্যৎ বর্তমান জগৎ-আড়ষর দৃষ্টিগােচর করিলাম ; কোন দূর হইতে চর্ম চমুতে দেখিলে একমাত্র শিলং বলিয়া বােধ হইবে, অগয়ে দেখলাম, মহালয়ের উপক্রম হইয়াছে, পঞ্চাবকানি সৃষ্টিপ্রভৃতি কিছুই প্রতীয়মান হইবে না। দেখিলাম, সাশেষের যেসকল আকনে আসিয়া উঠিতেছে। এক জগতে দেখিলাম, স্থায় রমণীয় কলধৌতময় কেবল নিবিড় শিলা অবস্থান করিতেছে। নিখিণ প্রশান্তভাবে অবস্থান করিতেছে। আর এক জগতে তাহার পরে আমি বিস্মিত হইয়া বিচার করিয়া দেখিলাম, সেই দেখা গেল, নিখিল রানুর-নৱ সকলেই বিক্ষুব্ধ, দেখিলে বােখ শিলার আর এক ভাগ জগতে স্থায় প্রতীয়মান হইতেছে। দূর হয় যেন, ছােট খাট এক প্রলয় উপস্থিত হইয়াছে। কোন এক হইতে শূন্য প্রদেশে যেমন বিবিধ রঙ্গে রঞ্জিত বিচিত্র পদার্থসমূহ জগতে দেখিলাম, সূৰ্য্য নাই, সব গাঢ় অন্ধকারে আচ্ছন। আর ( জমে) প্রতীয়মান হয়, সেইরূপ আমি আর একটা রমণীয় স্থান এক জগৎ দেখিলাম, সমুদয় স্থান বহ্নিশিখায় পরিব্যাপ্ত, কোথাও নিরীক্ষণ করিলাম, তাহাতেও সৃষ্টিব্যাপার জগৎ বিদ্যমান রহি- অন্ধকার নাই-অতি উজ্জল। আর এক স্থানে দেখিলাম, জগৎ আছে। এইরূপে আমি সেই শিলার যে যে ভাগ দৃষ্টিগােচর হয় নাই, হইবার উপক্রম হইয়াছে, পদ্মনালে মধুকৈটভ দৈত্য করিলাম, তাহাই দর্পণপ্রতিবিম্বের ন্যায় নির্মল জগজ্বপে প্রত্যক্ষ শুইয়া আছে। আর একস্থানে দেখিলাম, পদ্মকোটরে কমলযােনি করিতে লাগিলাম। তাহার পরে আমি কৌতুহলপরবশ হইয়া শুইয়া আছেন। আর একস্থান দেখিলাম,সৰ একার্ণবাকার,-কিছুই সেই পৰ্ব্বত্ৰে সমুদয় শিলা, অন্যান্য ভূমিভাগ ও তৃণ-গুলি সমু- নাই, রঞ্চ আলে ভাসমান বৃক্ষের পত্রে উপরে অবস্থিতি করিতে দয় স্থান তন্ন তন্ন করিয়া নিরীক্ষণ করিলাম। দেখিলাম, সর্বত্রই ছেন। আর এক জগতে দেখিলাম, কল্পরাত্রি উপস্থিত, সর্ব সেইরূপ অনেক জগৎ বিদ্যমান রহিয়াছে। ঈশ অগৎসমূহ দি আলোক গাঢ় অন্ধকারে সমাচ্ছন্ন। ৩২-৪০। আর এক কেবল বাসনাও জ্ঞাননেত্রেই দৃষ্ট হয়, আমিও সেইরূপে সেই স্থানে দেখিলাম, শিলার উদয়ের স্যায় নিস্পন্দ বিশাল আকাশই খানে অনেক গং নিরীক্ষণ করিলাম। ১৪২২। কোখাও রহিয়াছে , সুষপ্ত ব্যক্তির জঠরের ন্যায় অজ্ঞাত সুষুপ্ত ব্যক্তির ন্যায় দেখিলাম, কেবল মাত্র সৃষ্টি হইয়াছে, প্রজাপতি উৎপন্ন হইয়া চন্দ্র কিছুই জানা যাইতেছে না। আর এক জগতে দেখিলাম,-পক্ষ- সূৰ্য-গ্রহনক্ষত্র, দিন, রাত্রি, ঋতু ও বংসৰ কল্পনা করিতেছেন। বান্ পর্বতসমূহ কাকের ন্যায় আকাশে উড়িয়া বেড়াইতেছে, কোথাও কোথাও দেখিলাম, ভূপৃষ্ঠে জনগণ বসতি কবিতে আর আর এক জগতে দেখিলাম, বাবাতে পর্নতসমূহ চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া করিয়াছে। কোথাও দেখিলাম, সাগর খনন অদ্যাপি হয় নাই। যাইতেছে। দেখিলাম, এক জগয়ে সাগরশ্রেণী জলােচ্ছ্বাসে কোথাও দেখিলাম, দৈত্যগণ মাত্র জন্মগ্রহণ করিয়াছে, দেবগণের উম্মত্ত হইয়া উত্তাল তরঙ্গমালাঘারা তীরস্থ পৰ্বত ও তীরভূমি জন্ম হয় নাই। ২৩-২৫। কোথাও দেখিলাম, সত্যযুগের আচার- আত্মসাৎ করিসেছে। কোন জগতে দেবতাদিগের সহিত ত্রিপুরা- বা কেবল সাধুই অবস্থান করিতেছেন। কোথাও বা কলিযুগ- সুর, বৃত্রাসুর, অন্ধকার ও বলি দানবের যুদ্ধ বাধিয়া গিয়াছে। চারে ব্যাপৃত কেবল দুর্জগণ অবস্থান করিতেছে। কোন জগতে নিগৃগজসকল উন্মত্ত হওয়াতে বসুন্ধরা কম্পান্বিত কোথাও অসুরগণের তুমূল সংগ্রাম আরম্ভ হইয়াছে। কোথাও বা হইয়াছে। কোন জগঞ্জে প্রলয়কাল উপস্থিত হওয়ায় মেদিনী অদ্ৰিশ্রেণী সমগ্র ভূমিই ব্যাপিয়া ফেলিয়াছে, কোথাও বা কোন বাসুকির মস্তক্যুত হইয়া জলে লুষ্ঠিত হইতেছে। আরও দেখি- জগঞ্জে জন কাৰ্য্য সম্পন্ন হয় নাই, কেবল ব্ৰহ্মার উৎপত্তি হই, লাম, কোন জগতে রাম শৈশব অবস্থায় রাবণ-রাক্ষসকে বধ আছে; কোথাও দেখিলাম ত্ৰত্য মানবগণ জরা-মৃত্যুবিহীন। করিলেন। কোন জগতে রাক্ষস সীতাহরণ করিয়া রামচন্দকে কোথাও বা চন্দ্রের সৃজনাভাবে হরমৌলি চত্ৰকলা রহিয়াছে, বঞ্চিত করিল। সীতাকে হরণকালে রাবণের মস্তকদেশ মুমেরু আবার দেখিলাম, কোথাও তখন ক্ষীরসমুত্রের মন্থনকার্য সম্পন্ন পৰ্ব্বতের উপরে এবং চরণদ্বয়মৃত্তিকাতে স্থাপন করিয় বিশাল না হওয়াতে ত্ৰত দেবগণ মৃত্যুর অধীন হইয়া রহিয়াছেন, দেহে অবস্থান করিতেছিল। দেখিলাম, কেন জগতে স্বর্গপুরে তখনও অমৃত, উচ্চৈ অখ, ঐরাবত হন্তী, ধরি বৈদ্য, কালনেমি নামক অসুর রাজ্য কৰিছে , দেবগণকে আড়াইয়া কামধেনু, লক্ষ্মী ও কালকূট বিষও উৎপন্ন হয় নাই এবং তথায় দিয়া অসুরগণ তথায় স্বচ্ছন্দে বিচরণ করিতেছে। কোন জগতের শুক্রাচাৰ্য মৃতসঞ্জীবনী নামে মহাবিদ্যার্জনে তপস্যমগ্ন থাকায় স্বর্গলােকে দেবগণ অনুকুল বিতাড়িত করিয়া রাজ্য পালন করি- দেবগ উৎকণ্ঠিত হইয়া তাঁহার তপস্যাভঙ্গে ব্যাপৃত রহিয়াছেন। ভেচ্ছে। দেখিলাম, কোনও জগতে ভাৰতযুদ্ধ হইতেছে, কৃষ্ণ কোথাও দেখিলাম, ইন্দ্র দিতির গর্ভে প্রবেশ করিয়া তাহার সারথি অর্জনমুখ পাণ্ডবগণ ও কৌরবগণ পরস্পর অক্ষৌহিণী গর্ভবিনাশে উদ্যত হইয়াছেন। ২৬-৩১। দেখিলাম, কোথাও সৈন্য নিহত করিয়া ফেলিয়াছে। রাম কহিলেন,—ভগব। বৰ্ণৰৰ্মে মালিঙ্গ প্রবেশ করে নাই, মানবগণ সকলেই তত্ত্ব একটা কথা জিজ্ঞাসা করি, তাহার অগ্রে মীমাংসা করিয়া দিন। জ্ঞানী। কোথাও বা পদার্থসমূহের পূর্বাবস্থার পরিবর্তন আমি পূর্ববঙ্গে উৎপন্ন হইয়াছিলাৰ কেন? হইয়াছিলাম যদি, হইতেছে। দেখিলাম, কোন জগতে বেদান্ত্রের রীতিমত এইরূপ আকাৰেই কেন হইলাম ? তাহা আমাকে বলুন। চর্চা হইতেছে, সকলেই লোেক ক্রিয়া সম্পাদন করিতেছে। ৪১-৫০। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম! সমুদয় পদার্থই পুন কোনও অগৎ যেন মহাপ্রলয় আসিতেছে বলিয়া কিঞ্চিৎ বিপৰ্যন্ত পুনঃ বিবর্তিত হইতেছে। কলসীপূর্ণ মাষকলায় যেমন কলসী হইতেছে। কোন জগতে দেখিলাম, দৈত্যগণ মেষপুরী লুন ঘুরিতে থাকিলে, এক-পার্শ্বের মাষকলায় অপরপাশে পরিবর্তিত করিচ্ছে। কোন অগরে নন্দনকাননে গজলবিন্দর শন হয়, এই নিখিল জগৎ জ্বগ পরিবর্তিত হইতেছে। কোন করিতেছে। কোন জগতে মিলিত হইয়া সমুদ্রমন্থন করিবার কোন পার্থ সমুদ্রতরঙ্গের জয় বার বার ফুরিত হইতেছে খবর যােগবাশিষ্ঠ রামায়ণ ভূমি” “আমি” এই নগণ সকলেই বার বার গতায়াত সেই স্থানে আকাশৰ গনি করিলাম। হে রাম! অগ্নাবতে করিতেছি। আচ জ্ঞাননেত্রে খে- বােধ হইবে, এ সকল যে সকল পদার্থ নি কর, তা যেমন ভােমার আত্মচভয়েই কিছুই নয়; সমূত্র হইতে তরঙ্গের কিছুই পরখ হইতে তব কখয়া খাক, ৩হায় আবার যেমন তােমার আচৈত, বিভিন্ন নহে। কি উৎপন্ন হইতেছে না, ভৰিণই উৎপন্ন আমি তৎকালে যে অগনি করিয়াছিলাম, তাহার আবারও হইতে দেখা যায়। সংসারমে দেখা যায়, অনন্ত জীব আসি- আচৈতন্ত জানিবে ।—১। আকাশই আপনাতে স্পন ছেও যাইতেছে। পূর্বে যাহা একবার গিয়াছে, ঠিক তাহাই পালে, সয়া চিত্তরূপ ধারণ করে। তাহার পরে সেই আবার আসিতেছে অখবা কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত হইয়া আসিতেছে। আকাশ আমি হত্যাকার জ্ঞান অহঙ্কাৰ নাম ধারণ করে, সেই তুমি নিখিল ভূতকে জগৎরূপসাগরের কথা বলিয়া আনিও। আকাশ আরও নীভূত হইলে বুজিনামে অভিহিত হয়, সেই ইহাতে কোন কোন প্রাণী পূর্বের ন্যায় বিদ্যাবুদ্ধি, বন্ধুবর্গ, ধন বুদ্ধি আরও ঘনীভূত হইলে মনােনা ধারণ করে, তাহার পরে পত্তি-সম্বলিত হইয়াই বার বার জন্ম গ্রহণ করে। কাহার সেই মন আপনাতে শব্দতত্র ও অন্য অত্র অনু করিয়া কাহারও বা পূর্বদেহের সহিত ৱেক সাৰু থাকে, কাহারও বা থাকে, ক্রমে তাণ অনুভবে পরিপুষ্ট হইয়া পঞ্চ ইলিয়রূপে চতুর্থাংশের একাংশ সাদৃশ্য থাকে। কাহারও বা পূর্বসাদৃশ্য পরিণত হয়। এইরূপে ইত্ৰৱগণের উৎপত্তি হয়। সুষুপ্তদশ একেবারেই থাকে না,সম্পূর্ণ বিসদৃশ হইয়া জন্মগ্রহণ করে। হইতে স্বপ্নদশাতে উপনীত হইলে লােক যেমন কল্পিত ধূ কালশে কেহ কেহ সমান ও কেহ কেহ বিক্সি ভাবাপন্ন হইয়া বস্তুর দনি করিয়া থাকে, সৃষ্টির শীরত্তেও সেইরূপ নিমেষধ্যেই জন্মগ্রহণ করে। সাগরে যেমন চক্রাকারে জলপ্রবাহ বহিতে থাকে, এই দুকর জগতে এককালেই উদয় হইয়া থাকে, ফলে এই সংসারসাগরেও তেমনি জীবদলিলের প্রবাহ বহিতেছে, এ বিষয়ে মতভেদ আছে। কেহ আকাশাদি ক্রমে জগতের কখন উপর দিকে ছুটিতেছে, কখন নীচের দিকে ছুটি...ছ, উৎপত্তিবলে, কে বলে তাহা নয় একবারেই সংপুর্ণ অগভের কখন সমান ভাবে চলিছে, কখন বা একরুপে খাইতে যাইতে উৎপত্তি। যাহা হউক, আমি কল্পনাৰলে তখন নিৰ্ম্মল অন্যরূপ হইয়া যাইচ্ছে। কখন পরস্পর সর্ষে আহত চিলাকাশকেই সেই মূল্প পরমাণুকণার মধ্যে জগজ্জপে অনুভূত হইয়া চলিয়াছে, অসংখ্য চলিয়াছে, সংখ্যা করে কাহার করিয়াছিলাম। ১১-১৫। যেমন নিল গগনে স্বভাবতই সাধ্য। ৫১-৫১। সর্বা বায়ু বহিতেছে, সেইরূপ চিত্তে স্বভাবই এই যে ষড়ীতি সর্গ সমাপ্ত ॥৮৬। সর্বত্রই আকার দর্শন করে। পরম চিৎশক্তি আপনাতে যাশ রূপের জান করে, বহুষত্বেও তাহার আর অন্যথা করিতে পাৱা যায় না। তাহার পরে আমি (অপৰিছিন্ন হইলেও) যখনই বিস্ময়তা নিবন্ধন (পরিছিন্ন) অণুস্বরূপ হইয়াছি,জ্ঞান সপ্তাশীতিতম সর্গ। করিলাম, তখনই ভাবনাবলে সেইরূপই হইলম। তার পরে বশিষ্ঠ কহিলেন,—“সেই শিলালির উপরে বিচিত্র সৃষ্টি দর্শণ আমি আপনার রূপকে সূক্ষ্ম কেপে ভাবনা করিলাম, * বার পর আমি চিকাশ , সবগ অনন্ত ময় তখনই যেন স্কুল হইয়া পড়িলাম। তাহার পরে যখন আমার হইলেও আপনার শরীরে আবার দেখিলাম, কুমুলের মধ্যে সেই স্থূলরূপ সম্যকরূপে দর্শন করিবার জন্য প্রবৃত্ত হইলাম, জলসিক্ত বাস্তবীজের মধ্যে যেমন পর দেখা যায়, সেইরূপ আমার তখনই তাহা দর্শন করিতে লাগিলাম। ১৬-২০। হে রঘুবংশ- নিজ শরীরেই অঙ্কুরিত সৃষ্টি বিদ্যমান রহিয়াছে, ইহা যে আমি ধুরঙ্কর। সেই সময়ে যাহা কিছু হইয়াছিল, তােমাদিগের আরা কেবল নূজ দেখিলাম তাহা নহে, জলসেকে কীত বীজমাত্রেরই সে সকলের যে যে নাৰ কলিত হয়, তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। ভিতরে যেমন অঙ্কুর থাকে, সেইরূপ সাকার-নিরাকার, bন- আমি যে ছিদ্র দিয়া দেখিতে লাগিলাম, তাহাকে চক্ষু বলে; যাহা অচেতন সকল বলেই জগৎ রহিয়াছে। সুপ্ত ব্যক্তির স্বপ্নে দেখিলাম, তাহাকে কৃষ্ণ বলে; উভয়ের সংযােগে বাহা উৎপন্ন টিময় পুরুষের চৈততে যেমন স্বপ্নকৃত্যকল উদিত হয়, স্বল্প হইল, তাহাকে দর্শন বলে। যখন আমি দেখিলাম, তাহাকে ভঙ্গের পর আবার সেই চৈতন্তেই বেমন জাগ্রপ্রপঞ্চ দৃশ্য হয়, কাল বুল; যেরূপ দেখিলাম, তাহাকে ক্রম বা প্রৌঢ় (প্রবল) সেইরূপ হৃদয় মধ্যেই অনুভূতিস্বরূপ আত্মচৈতন্যেই এই ১ পয়তি বলে, যাহার উপরে দেখিলাম, তাহাকে আকাশ বলে; প্রপঞ্চের (জগতে) উদয় হইয়া থাকে। প্রকৃতপক্ষে সেই যেখানে অবস্থান করিতে ছিলাম, তাহাকে দেশ বলে। এখন প্রতীয়মান প্রপঞ্চ আকাশপ হতে এ নহে।” । ক্রমে আমার উপকার কানা গাঢ় হইয়াছিল। তখন আমার রাম জিজ্ঞাসা করিলেন-হে পাষাকা-রূপি। আপনি যখন চি- কেবলমাত্র এঙ্গে উৰ হওয়ায় অন মাত্র কণরুপে কাশ, তখন আপনাতে সৃষ্টি কিরূপে হইল? আহা আমাকে পুনরায় অবস্থান করিতেছিলাম। তার পরে আমি দেখিতেছি ইত্যাকার স্পষ্ট করিয়া বলুন, আমার হয়ে সন্দেহ দূর করল। বশিষ্ঠ ৰােখও অমাত্রায় উনিত হইল। তৎপরে আমি ছিদ্রকায় যারা কহিলেন,আম। আমি তখন যে অভূ হইয়া (অর্থাৎ ব্রহ্মার যাহা দেখিলাম, ভাই আকাশ হতে বিভিন্ন একটা মূর্তিমান সৃষ্টিকর্তৃত্ব আপনাতে কল্পনা করিয়া অপুরীর মা অসৎ এই পার্থ হইল; আমি যে জি-যুগল আর দেখিলাম, আহ এই অগৎকে আপনার শরীরমধ্যে সত্যরূপে অনুভব করিয়াছিলাম। সেই নয়নয়। অনন্ত আমার কিছু শুনিতেছি” ইত্যাকার জ্ঞানের মহাল ব্যাপার দর্শন করার পরে আমি আকাশরূপে বাল উদয় হয় আমি একটা ঝঙ্কার শুনিল, সেই ঝঙ্কারক কনিয়াই আপনার শরীরের একাংশে জ্ঞানদৃষ্টি উন্মীলিত করিলাম। ধনীর স্থায় আকাশ হইতেই উৎপন্ন হইল। যে ভয় মারা এ শিল জনজি যখনই উলিত হইল, তখনই আমি আমি সেই শ শুনিলাম, তাই এই প্রবণবিক্স ; তাহার পরে নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ • আমার কিঞ্চিৎ শশান হইতে লাগিল; যাহা আৱা আমি ব্যক্তি কি স্বপ্ন দেখিতেছে, তাহা যেন তাহার মনে মনে করিলাম, তাহাকে স্কুলে। অকালে আমি অনুভব করিতে প্রবেশ(১) না করিলে নিতে পারা যায় না, সেইরূপ এই লাগিলাম, যেন কোন পদার্থ আসিয়া করিল, ঘর অগৎকনার আধার চিপ শিলার মধ্যে প্রবেশ না করিতে আমার অস্পৃষ্ট হইল, তাহা সত্যসঙ্কল্পরূপ বায়ুদামে অভিহিত। পালিলে-অর্থাৎ চৈতন্যের স্বরূপ অবগত হইতে না পারিলে, এই ২১। ঈদৃশ অনুভব করিতে থাকিলে আমাতে মাত্র এগৎ যে কিব, তাহাও শান বা না। গণপ্রতি গায় আসিয়া উপস্থিত হইল। তাহার পরে আমাতে যে আম্বালবিদ বাহির হইতে দেখিলে ইহার কিছুই দেখা হইবে না, অলীক হইল, সেই আম্বাজ-সংবিদায় জাৱা সেরি আকাঙ্গ করিলে বলিয়া বােধ হইবে। এই চকু যা যদি দেখা যায়, তাই আকাশাত্মক আমার আম্রাণসঙ্কনে আকৃষ্ট প্রাণ হইতে ঘাণত হইলে ইহার কিছুই দেখা যাইবে না-দেখা যাইবে কেবল উদিত হইল। এইরূপে আমার সমস্তই হইল—অথচ কিছুই বাহিরের লােকালােক পর্বত, সেই লােকালােক পর্বতের হইল না। এইরপেপঞ্চ ইলিয় অত্র আমাতেঅবস্থিতি করিলে অভ্যন্তরে অবস্থিত ব্রহ্মাণ্ডের কিছুই দেখা যাইবে না। যদি ভূমে তৎসমূল্পের অনুভববলে শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস, উদিত অভিবাহিক দেহে জ্ঞাননেত্রে দেখা যায়, তাহা হইলে দেখা হইল। ঐশব্দাদির বাস্তবিক কোন আকার না থাকিলেও ভ্রান্তি- বাইবে-এই সৃষ্টি নির্মল পরমাত্মাই। জানতে দেখিলে বশে সেইরূপে প্রতিভাত হইতে লাগিল। এইরূপ ভাবনা করত সর্বত্রই মুষ্টিৰ নিৰ্মাণ উপশমই লক্ষ্য হইবে। দেখা যাইবে আমি ব্যহা আশ্রয় করিয়া রহিলাম, তাহাকে তােমরা এখন কেৱল ভ্র, তজিল তার সুক্ষ হইবে না। ৫১-৫৫। অহঙ্কার বলিয়া নির্দেশ করিয়া থাক। ৩১-৩৫। ঐ অহঙ্কার বিশুদ্ধ মন শত বুদ্ধিতে বৰ দেখা যায়, তাহাকে যুক্তি বিচার ঘনীভূত হইলে বুদ্ধিনামে অভিহিত হয়। সেই বুদ্ধি ঘনীভূত বলে; বিশুদ্ধ বুদ্ধিতে যে নশন, নেই দর্শন মহাদেবের তিন চক্ষুতে হইলে তাহাকে মনৰলে। এইরুপে অন্তঃকরণভাব প্রাপ্ত হইয়া অথবা ইন্দ্রের সহস্র চক্ষুতেও হইতে পারে না। যােগীলিগের আমি চিলাকা-রূপী আবািহিক দেহে অবস্থান করিতে লাগি দৃষ্টিতে আকাশ যেমন সৃষ্টি পরিব্যাপ্ত বলিয়া বােধ হয়, সেইরূপ লাম, সলতঃ আমি শূন্যাকৃতি আমাতে ঐ হস্তাবাদি কিছুই আমার তখন মনে হইতে লাগিল যে, এই পৃথিবীই সৃষ্টি পরি- নাই , আমি কেবল আকাশরূপী । আমি কল্পিত কোন ব্যাপ্ত, পৃথিবীতেই সৃষ্ঠি বােথ করিতে লাগিলাম, তখন আমি পদার্থেই বােধ করি না। অনন্তর এইরূপ ভাবনাবিশিষ্ট হইয়া পৃথিবী ভাবিতে ভাবিতে পৃথিবীরূপ ধারণ করিয়া ফেলিলাম। কিয়ৎকাল অবস্থান করিতে করিতে আমার আমি দেহী” চিকাশ দেহ আগ না করিয়াই আমি অচিরকালষধ্যে যেন ইত্যাকার জ্ঞান হইতে লাগিল। সকালে উড্ডীন হইয়া পুরুষ সম্রাট হইয়া পড়িলাম। পৃখিবীভাবনায় আমি বুদ্ধিতে পার্থি- যেমন শব্দ করতে থাকে, সেইরূপ আমি শূস্বরূপ হইলেও ঐ বাভিমানী জীবের সমান হইয়া আপনাকে পর্বতপাদি দেহময় ‘অহং-জ্ঞান বলে শব্দ করিতে প্রবৃত্ত হইলাম। ৩৬-৪০। বলিয়া অনুভব করিতে লাগিলাম। ৫৬-৫৯। ক্রমে আমি আমি সেই শৈশষ অবস্থাতেই ও এইরূপ যে শব্দ করিলাম ভূমণ্ডল হইয়া গেলা ,বিবিধ কানন আমার শরীরের রােমের স্থায় তাহাই ওঙ্কার বা প্রণবরূপে প্রসিদ্ধ হইল। তাহার পরে স্বঃ প্রতিভাত হইতে লাগিল। বিবিধ নগর জামার অলঙ্কারের স্থায় মনুষ্যের ন্যায় যাহা কিছু বলিলাম, তাহা পরে বাক্য বলি বােধ হইতে লাগিল, আমি বিধি রাশিতে পরিবেষ্টিত হই প্রসিদ্ধ হইয়াছিল , তােমরা তাহাকে বাক্য বলিয়াই জাল • লাম। গ্রাম নিম্নভূমি আমার অলিপর্বের স্থায় বোধ হইতে এইরূপে আমি সৃষ্টিকর্তা জগদ্গুরু চতুর্মুখ ৰহ্মা হইয়া পড়িলাম। লাগিল। পাতালবিবর আমার টারের স্থায় প্রতীয়মান হইতে তাহার পরে মনােয় হইয়াই আমি হষ্টি কল্পনা করিলাম। লাগিল। কুলপর্বত আমার বাহুসেই বাহ সাগরূপ বলয়ে এইরূপে আমি একটা উৎপন্ন বস্তু হইলাম অথচ আমি জন্ম গ্রহ আশ্লিষ্ট। ভূপূড় আমাৰ শত্ৰীরের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নােম। গিরিও করিলাম না। ব্ৰহ্মাণ্ড দেখিলাম, কিন্তু ব্রহ্মাণ্ডের অন্ত দেখিতে আমার শরীরস্থ । আমার এই পার্থিৰশরীর দিগজের পাইলাম না। এইরূপে আমার মনােময় জগৎ উৎপন্ন হইল গণ্ডলের উপরে অনও দেবের সহস্র ফণার উপরে অবাতি বটে, বাবপক্ষে কিন্তু কিছুই হইল না, যে সকল শূন্য আকাশ, করিতেছিল। হস্তসৈ-সমন্বিত মহীপালগশ যুদ্ধ করিয়া আমার তাহাই রহিল। যাহা ছিল, তাহা একমাত্র জ্ঞানাত্মক কেবল এই পার্থিব-শরীর অপহরণ করিয়া লইয়া থাকে, মাংসাশী প্রাণিগণ আকাশ-ইহাতে পৃথ্যাদি ভৰ একেবারেই নাই। ৪১৪৬। আমার অঙ্গ ভেজন করিয়া থাকে। ক্রমে আমার সেই শরীর আত্মচৈতম্ভে চৈতন্যই এই জগন্ধপ মরীচিকাসলিলের আকারে বাড়িতে লাগিল।—৩। হিমালয় ও বি-পৰ্বত আমার কুরিত হইতে লাগিল। যহিরাকাণেও কোনই বাহুবহু নাই, বিশাল জে স্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। সুমেরুপৰ্বত অন্তরে বাহিরে সর্বত্রই একমাত্র আকাশ। মরুভূমিতে যেমন সুদীর্ঘ গ্রীবার ব্যয় বােধ হইতে লাগিল। গঙ্গালিনী আমার সলিল না থাকিলেও ভ্রমাত্মক জ্ঞানে আছে বলিয়া বােধ হয়, মুক্তাহারস্বরূপ হইল। গুহ, গহন, কচ্ছাদিসমন্বিত সাগর স্পষ্ট যেন দৃষ্টিগােচর হয়। ঐ সংবিদ ও (আত্মচৈতন্য) যিনা- দর্পণমণ্ডলের ন্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। মরুভূমি ও কারণে ক্ষুব্ধ হইল্প আপনাতে ঐরূপ দীর্ঘজগদ অনুভব উষয়কে আমার বল কনের স্থায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। করে। পরব্রহ্মে বাৰিক জগৎ নাই। সংবিহু ভ্রান্তিকে আমার শরীর পূর্ব মহাসাগরে পরিপূর্ণ ছিল, তখন যেন সেই ঐরূপ দর্শন করিয়া থাকে। সংৰিৎস্বভাব অজ্ঞাত হইলেই মহাসাগরের সলিল হইতে যে হইয়া নির্গত হইল। আমার ঈদৃশ ভ্রান্তি উৎপন্ন হইয়া থাকে। অমধ্যেই সঙ্কলিত মনাে- রাজ্যের ন্যায় স্বপ্নদৃষ্ট পুদিয় স্যায় অসৎ এই জগৎ, বিশাল (১) যাহারা পরশরীরবেশবিদ্যা শিখিয়াছেন, তঁাহারাই আকারে প্রতিভাত হইতে কে। ৪৭-৫০। পাখ মুগু মনের মধ্যে প্রবেশ করিন্না জাতে পারেন।
৮৫ যােগবাশিষ্ঠ-রামায়ণ শরীর কুম-কাননে অলঙ্কৃত চন্দনবং জোরাশিতে অলঙ্কৃত। শুনা যাইতেছে। কোথাও কৃষকেরা জরুলের শ কাটিয়া কৃষকেরা আমার শরীর নিত্য কর্ষণ কৰে, উহা কখন শীতল লইয়া গিয়াছে। কোথাও বা বপন করিতেছে। কোথাও অনিলে বীলিত, কখন উত্তপ্ত তপনে ভাপিত এবং কখন বর্ষা- শপূর্ণক্ষেত্র সুশােভিত হইতেছে, কোন প্রদেশে বা হংস-সারস সলিল সিক্ত হইয়া থাকে। ৬৪-৬৭। উন্মুক্ত বিশাল এর পক্ষীতে বেষ্টিত সমােবর কমল-কুষম বিকসিত হইয়া নােতা এই শরীরের মূল, পদ্যকর এই শরীরের চঃ খেত, সুনীল পাইতেছে। কোথাও মরুভূমি, সেই মরুভূমিতে ধূলিধূসর- মেঘমালা উহার মকস্থিত উষ্ণীষ। দশদিকের মধ্যভাগ অভ্যায় গগননাপৰি ধূলিরাশি উখিত হইতেছে, সেই উডউনি পুলি উহার আকিদার গৃহ। লােকালােক পর্বতের সমীপে যে রাশি শুতের ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছ। কোথাও ব্যরশকে বিশাল খাত আছে, সেই মহাখাত এই শরীরের উত্তমা, নদনদীপ্রবাহ ছুটিয়াছে, কোথাও কৃষকগণ কর্তৃক জলন্ধরা সিক্ত তাহা দেখিতে অতি ভীষণ। অনন্ত ভূসমুহের স্পণ উহার উপ্তবীজ হইতে অঙ্কুরের উদ্দম হইতেছে। কোথাও বিষয়- চৈত্য, উহার ভিতরে বাহিৰে বিবিধ প্রাণিগণ পৃথক পৃথক্ সঙ্কটে পতিত অধম মানব—“হে দেব বশিষ্ঠ। আমাকে রক্ষা ভাবে পরিব্যাপ্ত রহিয়াছে। ইহার বাহিরে দেব, দানব, গন্ধর্ব- করুন” বলিয়া চীৎকার করিতেছে। কোথাও বট প্রভৃতি বড় বড গণ, অভ্যন্তরে অপরাপর প্রাণিীটপণ অবস্থিতি করিতেছে। বৃসকল ভূতল-সংলগ্ন প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড শাখা বিস্তার করিয়া ইহার পাতালরূপ ইলিয়বিষয়ে অনুর ও নাগগণরূপ কৃমি বাস রহিয়াছে। কোথাও বা বৃক্ষসকল মূলদেশ ও শিখরদেশ পর্যন্ত করিতেছে। উহার সপ্তসাগর কোশেনানাজাতি অলচরণ অবস্থান সর্বাঙ্গে শাখা ধারণ করিতেছে। কোথাও সাগরতীরে খুন করিতেছে। আমার ঈদৃশ শরীরমধ্যে নানাবিধ জন্তুর আবাস সখ্রিবিষ্ট পর্বতশিলার দায় নিবিড় বৃক্ষসকল দিগন্ত ব্যাপিয়া ভূমি নদ, নদী, সমুদ্র, দিক, শৈল, বীপ, জঙ্গল প্রভৃতি প্রদেশ অবস্থিতি করিয়া সমুদ্রতঙ্গে আহত হইয়া সালিত হইতেছে। অবস্থিত, ইহার অভ্যন্তরভাগে বিবিধ পর্বত ও বিবিধ ১০-১৫। কোথাও ঘনসন্নিবিষ্ট বক্ষসমূহ দ্বারা ভূতলে সূৰ্য্য- জনগণ অবস্থিত। নদী, লতা, শত্রুগণ ও কমলসরােবরে ইহা কিরণ প্রবেশ নিরুদ্ধ হওয়ায় সূৰ্য্যদেব ক্রুদ্ধ হইয়া সেই বৃক্ষসমূহের পরিব্যাপ্ত। ৬৮-৭২। পত্ররন্স আকর্ষণ করিয়া লইতেছেন, হাতে শুদ্ধ পল্লবগণ সন্ধু- সপ্তাশীতিতম সর্গ সমাপ্ত ৮৭। চিত হইয়া যাইতেছে। কোথাও গিরিশৃঙ্গবাসী মায়ের দন্তরূপ অশনির আঘাতে বৃক্ষসকল ভূতলশায়ী হইতেছে। কোথাও সমাধিমগ বােগিগণ নির্মলতনধনে পরমানন্দ অনুভব করিতেছেন, অষ্টাশীতিতম সর্গ। তাহাদের সেই পরমানন্দে আমিও পরমানন্দ বোধ করিলাম আমার শরীরও রােমাঞ্চিত হইয়া উঠিল। আরও আমার বোধ বশিষ্ঠ কহিলেন,-“হে মনুবংশতিলক। আমি এইকপে এক হইতে লাগিল, কোথাও মশক, মক্ষিক, খুকা (উকুন) রহিয়াছে, ভূমণ্ডলস্বরুপ হইয়া আপনার শরীরে নদ-নদী প্রভৃতি পদার্থসকল। | কোথাও কুসুমকোণায়ী নিকরের শত্রু (জরিত মদের জ্ঞানগােচর করিতে লাগিলাম। দেখিলাম, কোথাও রমণগণ উপরে বসিয়া উপদ্রব করে বলিয়া) হস্তিগণ প্রক্রীড়া করিতেছে। আত্মীয়জনের মরণে উচ্চৈঃস্বরে রােদন করিতেছে। কোথাও ১৬-১৯। কোন স্থান অতিশীতল দারুণশীতে গাত্রচর্ম শিথিল যৌনমদমত্ত রমণীকুল আনন্দে মহা উৎসব করিতেছে। কোথাও ও জীর্ণ হইয়া যায়, জল পাষাণ হইয়া গিয়াছে, কোথাও বা জনগণ দারুণ দুর্ভিক্ষে অনাহার-কিষ্ট হইয়া হাহাকার করিতেছে, প্রচণ্ড বায়ু বহিতেছে। কোথাও ক্ষত অঙ্গে পােকা পড়িয়াছে প্রবলে দুর্বলের প্রতি অত্যাচার করিতেছে। কোথাও বসুন্ধরা বলিয়া বােধ হইতে লাগিল, কোথাও বৃক্ষমূলাদি উন্নত হইয়া ধন-ধান্যে পরিপূর্ণ। বানরসকল পরস্পর সৌহার্দসূত্রে আবদ্ধ রহিয়াছে, কোথাও বা মনে হইল জলে ডুৰিতেছে। কোথাও হইয়া অবস্থিতি করিতেছে। কোথাও চােনলে শবরাশি দগ্ধ হই বৃষ্টি পড়ায় নিজের অঙ্গে জল পড়িতে অনুভব করিয়া শৈত- তেছে, কোথাও গ্রামনগর গপ্লাবনে ভাসিয়া যাইতেছে। কোথাও যােগে রােমাঞ্চিত হইতে লাগিলাম, তাহাতে কিঞ্চিৎ সুখও তরলমতি (দুটবকৃতি) সামগণ পরস্ব লুণ্ঠন করিয়া লইতেছে। কোথাও উদ্দাম রাক্ষস ও পিশাচগণ দৌরাত্ম্য করিতেছে। কোথাও উঠিল। কোথাও মৃদুমন্দ পবন-সঞ্চালিত নলিনীলে আচ্ছন্ন অনুভব করিলাম। কোথাও বা বৃষ্টিজলে অঙ্কুরােদগম হইয়া জলে পরিপূর্ণ জলাশয়ের তীরোখিত সলিল দ্বারা সিক্ত শক্ষেত্রের সলো আমার গাত্রে সংলগ্ন থাকায় আতিশয় পরিতৃপ্ত হইতে রাশি বন্ধিত হইতেছে। কোথাও গিরিকর হইতে সবেগে লাগিলাম। ২০২৩। উখিত ঝাপটা বাতাসে অদূরবর্তী মেঘসকল অপসারিত হই অষ্টাশীতিতম সর্গ সমাপ্ত। তেছে। কোথাও বা জনগণ দুখের সংবাদ পাইয়া আনন্দে রোমা- ঞ্চিত হইতেছে। জলপ্রবাহে উত্তাল সােলা খেলিতে থাকায় জল উন্নতন্নত পরিদৃষ্ণ হইতেছে। স্থানে স্থানে প্রদেশে একাননবতিতম সর্গ। শিলাখণ্ড শৃঙ্গের ন্যায় পতিত থাকায় তাহা ভীষণ দর্শনীয় হই আছে। কোথাও বা নগরবাসী জনগণের সগৰ্ব্ব পদশিক্ষেপে রাম জিজ্ঞাসিলেন—এগুরুদেব। আপনি জগৎ দর্শন করি- ধরণী কশিত হইতেছে। কোথাও সংগ্রামস্থলে সামগণ বার উদ্যত হইয়া পৃথিবীজ্ঞানে যে ভূলোক হইলো, উহা কি যুদ্ধষ্টি স্যৈগণের সংহার-সাধন করিতেছে। কোথাও বা আমাদের সত্য দৃশ্যমান ভূলোক? না আপনার মনঃকলিত নিশ্চিন্তু সামগণ শান্তভাবে মুখে অবস্থান করিতেছে। ১-১। বশিষ্ঠ কহিলেন,-“হে রাম! যদি কল্পনাদৃষ্টিতে জিজ্ঞাসা কর, কোথাও শূন্য গহন, দূর হইতে কেবল বাতাসের আঁ আঁ শব্দ তাহা হইলেও ত এই মৃৎ-পাৰণময় পরিমান ভূল সত্য হয় নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ। ৬৫ , কেননা ইহা ত মনঃকনাসভূত, দৃষ্টিতে জিজ্ঞাসা স্বরূপ, এবং আমার সেই ভূমণ্ডলও আকাশস্বরূপ। অজ্ঞানােপ- কর, তাহা হইলে তােমার এই পরিমান ভূতলও কিছুই হিত আত্মার জ্ঞানেই এই জগদ্মে ফুরণ, প্রকৃত জ্ঞান নহে, আমি যে ভূল হইলাম, তাহাও কইনহে; ৰঙত লাভ হইলে এই দুৰণ্ডল বা আমার ধারণা সেই ভূল আমি যাহা, তাহাই আছি, মনঃকল্পনাসত নহে। ঈদৃশ ভূমণ্ডল কিছুই থাকে না। কালক্ৰয়াৰী ত্রৈলােক্যবর্তী জীবলিয়ে কুত্রাপি নাই, যাহা দেখিচ্ছে, ইহাও মনঃকলন-সক্তৃত। ভক্তি বা স্বপ্নসঙ্কল মলােজ্য দতেই হইয়া থাকে। হে আম। যাহাকে সৎ কিংবা যাহাকে অসৎ বলিয়া জানিতেছ, তাহাও ভূত, ভবিষ্যৎ, বর্তমান যত ভূমণ্ডল, সমস্তই সভাসমা, চিৎসা তােমার মনে, আমি ত বিশুদ্ধ চিলাকাশ, সেই চিদাকাশরূপ ব্যতীত আর কিছুই নহে। আমিই সেই ভূমণ্ডল এবং তাহাদের বিশুদ্ধ পরমাত্মা আমার যে চৈতন্দুর্তি, তাহাই সঙ্ক, তাহাই অন্তর্গত যে ভূমণ্ডল, তাহাও আমি। এই জন্যই আমি সেই মন, তাহাই ভূমণ্ডল, তাহাই পিতামহ ব্রহ্মা, চিদাকানে ভূমণ্ডলসকল দেখিয়াছি—অনুভব করিয়াছি। হে রাম। এই চিত্তাকাশ সঙ্ককল্পিত পুরীর ন্যায় প্রকাশিত হইতেছে। অতএব পরমাত্মাই অজ্ঞানদশায় আপনার বিশুদ্ধ স্বভাৰ পরিত্যাগ না তুমি জানি, আমার সঞ্চলই মনঃ, সেই মনই ধারণাভ্যাস, করিয়াই বস্থিত এই জগৎকে সন্ধ্রপ করিয়া বারণ করেন। পরিপুষ্ট হইয়া বিশাল ভূমণ্ডলাকারে পরিণত হইয়াছে। জ্ঞান লাভ কৰিলে দেখিতে পাওয়া যায়, তিনি কিছুই ধারণ বাস্তবিক ইহা তুমণ্ডল নহে, ইহা সেই মন-মনােময় পদার্থ, করিতেছেন না। ১২-২৫। টিদাকাশের বিকাস, চলঙ্গের ফুর্তি, প্রকৃত পক্ষে ইহাতে একোননবতিতম সর্গ সমাপ্ত। ৮১। চেতভাব কিছুই নাই। সেই মানসকল্পনা সর্বদা আকাশরূপে (অমূর্তরূপে) অবস্থিত, তবে যখন ইহাতে ইম্প্রত্যয় (এই পৃথিবী ইত্যাকার জ্ঞান সমুদিত) হয়, তখন ইহা মানসভাৰ পরিত্যাগ করিয়া মূৰ্ত মুলভাৰ ধারণ করে। তখন চিদাকাশেই নবতিতম সর্গ। এই স্থির কঠিন বিশাল ভূমণ্ডল ইত্যাকার জ্ঞান অভ্যাসবশে রাম জিজ্ঞাসিলেন—“ব্ৰহ্মন। আপনি যে সমস্ত জগতের কথা সুদৃঢ় হইয়া যায়। বাচারণ শ্রুতিতে প্রদর্শিত যে ন্যায়, বলিলেন, উহুদের ভিতরে আরও জগৎ দেখিয়াছেন কি না, তাহা তদনুসারে দেখিলে বােধ হইবে এই ভূমণ্ডল কিছুই নহে, ইহা আমাকে বলুন।” বশিষ্ঠ কহিলেন,-“হে রাম। আমি পরমাত্ম- মনােময় সৃষ্টির সূক্ষ্ম স্বরূপমাত্ৰ। অল্পকালে আত্মচৈতন্যই যেমন রূপী হইলেও ভূমণ্ডল ধারণায় আগ্রভুমগুরূপ ও স্বপ্নভূমণ্ডল- পুরাকারে প্রতিভাত হয়, সৃষ্টিকালে চিৎই অন্ধ্রপ এই অগ. রূপী হইয়া মধ্যে সূক্ষ্মদৃষ্টিতে অনুভব করিতে লাগিলাম— আকারে অবস্থান করিতেছ। ৭-১১। এই যে দৃষ্ণ ভূতাছি সর্বত্রই জগৎসমূহ অবস্থিতি করিতেছে, দৃশ্যপ্রপঞ্চ শান্ত জগয়, ইহাকে তুমি চৈতন্যরূপ বালকের মনেরাজ্য বলিয়া হইলেও দ্বৈতস্বরূপে অবস্থিত রহিয়াছে। সর্বত্র অসংখ্য অসৎ জানিও। চিপ আত্মার সঙ্কল্প চিপ হইতে অন্য নহে, এই রহিয়াছে, সর্বত্রই ব্ৰহ্ম অবস্থিত রহিয়াছেন, এই নিখিল বাহ- জগৎও ঐ সঙ্কল্প হইতে পৃথক্ নহে। অথচ এই জগৎ না সত্য আড়ম্বর, সবই শৃঙ্গ শান্ত পরব্রহ্ম। এই পৃথ্যাদি মুল পদার্থ আত্মময়, না জড়পিণ্ডময় না উজ্জ্বল। যতদিন সমকৃজ্ঞান সর্বত্রই রহিয়াছে, অথচ অহা কিছুই নহে,সমস্তই চিদাকাশ, লব্ধ না হয়, ততদিনই এই বস্তুর অস্তিত্ব, এখন সম্যক জ্ঞান বগুতঃ এই অগৎপ্রপঞ্চ স্বগ্নপুরীর ন্যায় অবগত বস্তু। ১-৫। লাভ করা যায় তখন ইহার কিছুই থাকে না। আমি এতদিন যাহাতে নানা, নানা, নান্তিত্ব, অৰ্তিত্ব ও আমি কিছুই নাই, যে উপদেশ করিয়া আসিতেছি, এই উপদেশ ভাল করিয়া তাহাতে এই অগৎপ্রপঞ্চ কোথা হইতে আসিবে? আমি” বুঝিতে পারিলেই তােমার সম্যক জ্ঞান হইবে। আবার সংক্ষেপে ইত্যাদি প্রপঞ্চ (ভ্ৰান্তিৰণে) সত্যরূপে অনুভূত হইলেও বলিতেছি শ্রবণ কর,-এই প্রশান্ত সময় চৈতঙ্গ আপনিই বস্তুতঃ ইহা নাই যদি আছে বলিয়া স্বীকার করিতে হয়, তাই আপনাতে স্কুরিত হইতেছেন, ইহাতে ভূমণ্ডলরূপ, দৃশ্যরূপ, হইলে একমাত্র অনাময় অঞ্জ ব্ৰহ্মই আছেন, ইহা স্বীকার করা যিক একত্ব কিছুই নাই। বৈদূ্যাদি মণি যেমন গুরুপীতাদি উচিত, সৃষ্টির পূর্বে যখন চিকাশ ব্যতীত আর কিছুই ছিল না, অস্থির উৎপাদনে কোন যত্ন না করিলেও তাহাৰ আপল তখন (সৃষ্টির পরে) চিলাকালে প্রতীয়মান এই জগৎকে স্বপ্ন- হইতেই শুক্লপীদি বর্ণ উদিত হয়, চিলাকাল হইতেও পুরীর ন্যায় অলীক বলাই উচিত। ইহার কোন কালেই যখন সেইরূপ দুগতের উৎপত্তি হইয়া থাকে। চিলা কিছুই অস্তিত্ব নাই, তখন ইহাকে নাকি বলা যাইতে পারে না, করেন না, নিজের স্বরূপও পরিত্যাগ করেন না, সুতরাং মনঃ- কেননা বাহার অভাব হইবে, আগে বা পরে তাহার অস্তিত্ব মানিয়া কল্পিত পদার্থও কিছুই নাই, এই যে ভূমণ্ডল, ইহাও কিছুই লইতে হয়। আমি পৃথিবীরূপ ধারণ করিয়া যেমন সেই জগৎ নহে। এ চিদাকাশই সর্বদা ভূমণ্ডলের আয় প্রতীয়মান নিশ্চয় গর্শন করিয়াছিলাম। এরূপ ধারণ করিয়াও সেইরূপ হইয়া থাকেন। এই যে অনন্ত অমল অচল আকাশ, ইহা জলদর্শন করিয়াছিলাম। অজড় হইলেও অলধারণায় (জল আত্মাতেই অবস্থিত। ঐ চিলাকাশের স্বভাবখাত্রের ক্ষুরণ ভাবনায়) ড় লম্বরূপ হইয়া সমুদ্রের ভিতরে গিয়া অনেক যে কার, সেই একারই আছে, তবে ক্ষণে ক্ষণে অতহিত কাল গুলগুলশব্দ করিয়াছি। ভােমাদের গাত্রে যেমন অলক্ষিত- হওয়ায় এই অত্যচ্ছ আকাশই জগদ্ধপে দৃষ্ট হইয়া থাকে। এই ভাবে ক্ষুদ্র কীট উঠিলে তােমরা তাহা জানিতে পার না, জলপ ভূমণ্ডল এক আমার তৎকালের থারণকলিত ভূমণ্ডল দুইই আমি সেইরূপ লকিতভাবে মৃদুমশগতিতে তৃণ, বৃক্ষ, লতা, মহাচিতির স্বরূপ, ইহা তােমারই স্বপ্ন পূরীর খায় অগপ প্রভৃত্রি অন্তরে স্ততে আরােহণ করিয়াছি। কর্ণাহি (কে) বেম প্রতীয়মান হইয়া থাকে। ভােমাষের এই ভূমণ্ডলও আকাশ- এলকিতাবে আস্তে আস্তে করে ভিতরে প্রবেশ করে, সেই যােগবাশিষ্ঠ-আমায়- অলরূপী আমিও মৃগতিতে তৃণ-ভালির অভ্যছরে প্রবেশ করিয়া আকাশ অপেক্ষাও অধিক নি। তুমিও কিছুই নও, এই তৎসমূদয়ের ভিতর বলয়াকার ছিদ্র করি। দেই।—১২। পঞ্চও কিছুই নয়, যাহা কিছু প্রতিভাত হইতেছে, অলরূপী আমি ল ওআল তাল প্রভৃতি কক্ষের পাবে এ ফলে সমকাই এক্ষত্র পরম বােশ্বরূপ। সেই পরম ঘােথ সরূপে অবস্থান কৰি৷ কালক্রমে পৰিপুষ্ট সেই সেই পলি এই রূপও নহে, অধক্ষপও হে। তুমি অনন্ত আকারে থাকিয়া তৎসমুদয়ের রেখা রচনা করিয়া দিছি। আমি টিকাশরূপেই বিকাশও। ২৬-৩১। অলরূপে পানকালে প্রতিদিগের বর্গ কি সুষমধ্যে নবতিতম সর্গ সমাও।১০। প্রবেশ করিয়া সন্তাদি ঋতুভেলে আহাদের ধাতুবৈশ করিয়া গাছি; , পিও ও কমিক বা কখন আহাদের শরীরে সন্দির করিয়া রাখিয়াছি, কখন বিষ করিয়া দিয়াছি, একনবতিতম সর্গ। জঠলানল যারা কতক পরিপক্ক করিয়া দিয়াছি, কতক ভিন্ন ভিন্ন করিয়া দিয়াছি। আমি হিমকণাপে অখিল হইয়া সকল স্থানে বশিষ্ঠ কহিলেন—তাহার পরে আমি উজ্জল তেজোভাৰ- সকল দিকে এক কালে পল্লব্যায় শয়ন করিয়াছি। ১৩-১৫। নায় চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র প্রভৃতি বিচিত্র ৱৰে অতি তেজ আমি নদ, নলী হ্রদ প্রভৃতি এলাশয়ের ভিতরে জলরূপে অনবরত হইলাম। আমি সর্বদা প্রধান হইয়া প্রকাশরূপে সমস্ত প্রবাহিত, কৃচিং কখন কখন সেতুহৃদের প্রাসাদে বিশ্রামও জগৎ ব্যাপিয়া আহসান করিতে লাগিলাম; অন্ধকার-নিচ তখন করিয়াছি। আমি চৈতরূপ দ্বারা অচৈতন্য জড় অংশকে বিষয় সেই নিখিল দৃশ্যপ্রপঞ্চ পরিত্যাগ করিয়া চোরের ন্যায় পলায়ন করত কেবল সেই বিষয়াংশরূপে অবস্থিত হইয়া এক চিৎ করিলে আমি প্রবলপ্রপ রাজার আর শোভা পাইতে লাগি স্বরূপের সন্ধান লই নাই, জড় হইয়া কেবল জড়াশমেই(জলা লাম। রাজা যেমন বিবিধ বেশভূষার পরিশােভিত চর আরা শয়েই) ভ্রমণ করিয়া বেড়াইয়াছি। আমি জলপ্রবাহরুপে পর্বত পৃথিবীর প্রত্যেক বাড়ীর সমস্ত ঘটনা সর্বদা প্রত্যক্ষ রাখেন, শিখর হইতে পাপকারীর ন্যায় দেশে পতিত হইয়া তথা সেইরূপ আমি বর্তিকাশত-বিশােভিত যি প্ৰদীপালির সাহায্যে বিচুণিত হইয়াছি। আমি আকাষ্ঠ হইতে ধূষরূপে নির্গত হইয়া তেলেরূপে নিখিল জগৎ প্রত্যক্ষ করিলাম। সমস্ত জগৎ দর্শন গগনসাগরে সুনীলবর্ণ নক্ষএরূপ মণিৱ অভ্যন্তরগত রত্নকণা হইয়া করিয়া হুষিত (পুলকিত পক্ষে আশিত) চ্যাদির অবস্থান করিয়াছি। আমি যেরূপে নকলের চায় নীলবর্ণ কিলপ মীর নােমর উপরে আকাশরূপ নীলবসন উগত হইয়া অনন্তনাগের শরীয়ে ভগবান নারায়ণের ন্যায় বিদ্যুৎ- হইয়া উঠিয়া)রছিল, আমার গাত্রে দৃঢ়সংলগ্ন হইয়া থাকিতে কান্তার সহিত মেখমণ্ডলে অবস্থান করিয়াছি। ১৬২। এ পারিল না। অন্ধকার সমস্ত রূপাদির গনি রােধ করে, এইজন্য যেমন সর্বকাপে সকল পদার্থের অন্তলেই অবস্থান করিতেছেন, সেই তেজকর্তৃক অন্ধকার দূরে নিক্ষিপ্ত হইল। সমূদয় জগৎ সেইরূপ আমি পরমাণুময় গতিতে পিণ্ডাকার নিখিল পদার্থের ভেজোময় হইয়া সাতি আলােকিত হইল। সেই জ ভিতরেই এলক্ষিতভাবে অবস্থান করিয়াছি। মধুরাণিসরূপে অন্ধকাররূপ তমালকের ছেদনকারী কুঠার রূপ, পন্ন শুদ্ধিকর আমি জিহবারূপ অণুর সহত মিলিত হইয়া সর্বোত্তম রসাস্বাদ দ্রব্য, মুৰণ, মণি, মাণিক্য মুক্তা প্রভৃতিরূপ তেজোময় মানবের অনুভব করিয়াছি। সে অনুভব আত্মার বা দেহে নহে, সে জীবনম্বরূপ। ঐ জে জোসেবীর উৎসৱী অরু-কক্ষ অনুভব কেবল জ্ঞানের। আর যে চেত্য বিষয়, তাহা আমি পেতীতাদি বর্ণরূপ পুত্রের উৎপাদক পিতা। ঐ তেজ ( অধিষ্ঠান চৈত) আস্বাগকারী পুরুষদেহ অথবা অন্য কোন পৃথিবীর প্রতি সাভিনয় সেহকারী, যেহেতু ঐ ভেঞ্জ পৃথিবীকে জীবকই আস্বাদিত হয় না, কেন না, তাহাতে মুখের অগ্বিদাহ হইতে রক্ষা করে; (ভাবা এই অগ্নি সৰ একবারে লেশমাত্রও নাই; এ তাহা আবাসনের বােগ, চিতি লক্ষ (ভস্মসাৎ করিয়া ফেলিতে পারে, কিন্তু পৃথিবীকে কেবল জীববিগে যোহ উৎপাদনের জন্যই অন্তরে ঐ একেবারে ভ করিতে পারে না।) ঐজে সায়ি শীত চেত্যকে প্রকাশ করিয়া থাকেন। আমি সকল দিকেই সকল হইয়া প্রত্যেক গৃহে প্রদীপরূপ পুত্র স্থাপিত কৰিল । অন্ধকারময় ঋতুর রসরূপ হইয়া বিবিধ সুগয়ি কুনুমস উপভােগ করি- পাতাল মধ্যেও ঐ ডেজ এর অল দৃষ্ট হইতে লাগিল। ভূগণে ছি, এবং ভ্রমরকে উচ্ছিষ্ট প্রদান করিয়াছি। কল্পনায় আকী ধূলিময় ভুলে অন্ধ সৃষ্ট হইতে লাগিল। ঐ ভেজ আমি জড় হইলেও বা আড় চেন, এই চেতনস্বরূপে সাত্মক ব্যক্তির মহাকাশয়লে, বেগৃহের নিভ্যতারুণে (১) আমি নিখিল প্রাণীর অঙ্গে অবস্থান করিয়ছি। আমি অলক- অরূপ জীণভবনের প্রদীপপে জল ও অন্ধকারের অন্ত- রূপে বায়ুরৰে আরোহণ করিয়া সৌরভকণার ন্যায় বিমল আকাশ এলী (২) মহান কূপজলে, দিগদিগের নির্মল পর্ণরূপে পথে ক্রীড়া করিয়া বেড়াইছি। ১২৫। হে রা। আমি নিরূপ তুলে বায়ুরূপে, চ-বহ্নির সরুল (৩) এবং সেই অবস্থায় প্রত্যেক পরমাণুতে জগৎ আছে বলিয়া অনুজ আকারে কুরুমলেনরূপে হান করিতে লাগিল।১-১১। কবিলাছি। আমি অজড হইলেও সেই সময়ে অলভাবনায় অড় হয় নিখিল পদার্থের অভ্যন্তরে অতপে অবস্থান (১) সেই বেতনের নর উপাদান। কৰিছি। আমি সেই সময়ে কাশীপরে তার উৎপতি-বিনাশ (২১ অগ্রণী একাকে গ্রাস করিয়া ভিতর নীল নক অগৎ সৃষ্টি কৰিছি। আমার এই সমস্ত রাখিয়া দেয়, সে ফুলের ভিওিকার স্থিরভাবে থাকে, উপর অগ্য এই যে, অংশ, সার বা নিরাকায় এই বােধ কে, কুল তাহা গ্রাস করিয়া রাখিয়াছে। যায়কিছুকেজি, সন্তই সেই ঢিাকা; সেই চিনাকাল (৩) সব জীবন।
নির্বাণ-প্রকরণরভাগ = । ঐ মে দিবসরূপ শরে কেপ, কার রত রূপারি ! আমি আমাকে নিরুপে ভান করিতে লাগিলাম। যে প্রকাশক বলি যেন হার মুর্তিমান অনুগ্রহ রূপ আকাশরূপ নক্ষত্রনিল আকাশপ লতার কুমনির ও স্বর্গের মশকসমূহ বৃহৎ কাচপাত্রের প্রক্ষালনকারী সলিলস্বরূপ। ঐ ভেক্ত হইয়া শােভা পাইতে থাকে। ১২। পরে আমি ভাবনা- নিখিল পার্থের সত্তা প্রদান করে এবং প্রকাশ করে বলিয়া বুলবঙ্গ হইলাম, যে এ বিগলিতে বণিদিগের তুলার চিত্ররূপ পদারে বেন হাের ভ্রাত। ক্রিশিণ শােভা পান করিয়া থাকে; যাহা সমুদ্রকর্তৃক অহয় যারা পঙ্কিনীর (১ (প্রকাশক) ভাস্বরূপ, ভূলের জীবনম্বরূপ। আন্দোলিত হয়। পরে অনাকালে আমি সমুদ্রের জলপাৰী ঐ তেজ চৈতন্যের ফায় চাক্ষুষরূপ প্রত্যক্ষ ও মানসিক বাড়বানল হইয়া আমা হইতে ভীত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শফী এভৃতি প্রভর হেতু।১২-১৪। সেই তেঃ ঐ বিশাল ব্ৰহ্মাণ্ডকাপ মংগের পরিভ্রমণকৌতুক দেখিতে লাগিলাম। তখার পর খাতের মধ্যবর্তী মহাসাগরের রায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। মেঘের জ্বালি ও পরে দাবাজি হই আমি নিজ শরীরে আকাশলম্বিত অসংখ্য নক্ষত্র সেই মহাসাগরের মণিনিয়রূপে জ্বালা শিখকাশ) অব করিতে লাগিলাম। প্রকাশ পাইতে লাগিল। দিল, খতু, বৎসর, রূপ, শীত ভাবনাহলে সামান্য এগি হইয়া কাষ্ঠনিচষণহকারী কাঠফাটন . বাড়বানলাদি জনিত বিক্ষোভে ঐ মহাসাগর সর্বদা ফেনিল দ্বারা কঠিন শবকারী সর্বগ্রাসী ব্যক্তিগত অনুভব করিতে হইতে থাকিল। চাজিরূপ তদীয় উখিমালার মধ্যে লাগিলাম। যজ্ঞের অনল হইয়া আমি আমার শরীরে ঘৃতাহ পূিিনক নিপতিত হওয়ায় উক্ত মহাসাগর এল বিনা পবিল অনুভব করিতে লাগিলাম। আমি অনলতাব প্রাপ্ত হই, কত হইয়া উঠিল। সেই ভেজ এইরুপে অন্দর মহাসাগরণে ধনাগার গল্প করিয়া দিয়াছি, নগর একত্র বহু বাচালমুখের বাগ- প্রতীয়মান হইতে লাগিল। সেই ভেজই সুবর্ণাদির বর্ণ, মনুষ্যাদি বিতায় প্রকৃত পণ্ডিতের পাণ্ডিত্য যেমন তিরােহিত হইয়া যায়, জীবের বল, রত্নালির চাকচিক্য ও ব্যাদির প্রকাশ বলির প্রতীয়মান সেইরূপ ধনাগারে দাহসময়ে মণীয় ভেজ মণিমাণিক্যাদির হইতে লাগিল। ঐভেজ তােমাদেবীর লাহননেত্রলােভী চন্দ্র, উজল কান্তিকে পরাভূত করিয়া দিত। ভাবনাবলে আমি মুভার মুখের ক্ষরিত গেং ওহরূপে ফুরিত হইতে থাকিল। ঐ হার হইয়া দেব-দানব গন্ধর্বকামিনীগণের গনমণ্ডলে বিশ্রাম তে কামিনীগণের কপােল-নয়নালি উজ্জ্বলকারী সহজ বিলাস করিয়াছি। ভাবনাবলে খদ্যোভ হইয়া আমি মার্গসঞ্চরী জন- স্বরূপ হইয়া স্পৰ্দ্ধাসহকারে প্রকাশ পাইয়াছিল। অপি আমি গণের পদতলে পড়িয়া চূর্ণিত হইয়াছি; আবার কখনও কামিনী উক্তরূপ তেলেরূপ হইয়া, যাহারা ত্রিভুবনকে তৃবৎ জ্ঞান করে মুখে তিলক হইয়াছি। রম। দেখ উৎকর্ষ ও অপকর্যের কিরূপ যাদের চপেটাঘাতে প্রবল শত্রু নিহত হয়, তাদৃশ বীরপুঙ্গব অস্থিরতা। সমুদ্রে যেমন ফরী মত লাফাইয়া বেড়ায়, সেইরূপ দিগের মন্তকে বগুহাররূপে প্রকাশ পাইতে লাগিলাম। সিংহালি আমি কখন বা বিদ্যুৎ হইয়া মেয়ের উপরে পঁড়াইয়াছি। কখনও বলবান জদিগের চিত্তে স্বরূপ বিল্লাল করিতে লাগিলাম। বা চককলিকায় স্থায় সুরে সুকোমল অপরের দীপকনিক ১৫। কঠিন কবচভেলী খঙ্গসমূহের প্রহারজনিত টঙ্কার হইয়া কামিনীদিগের ক্রীড়া অবলোকন করিয়াছি। ১১-৩৬। যে যাহারা দিমগুল প্রতিধ্বনিত করিয়া তুলে, তাদৃশ উত কখন বা সেই দীপকনিকার বর্তিকায় কলপাত হওয়ায় হীন- যােবর্গে আমি উট গতিপে প্রতীয়মান হইতে লাগি প্রভ হইয়া আমি কচ্ছপের ন্যায় সঙ্কুচিগাত্র হইয়া অবস্থান লাম। তেজস্বরূপ হইয়া আমি দেবগণের দেবত্ব, মানবগণের করিয়াছি। কোন সময়ে আমি প্রলয়ের মহাবহ্নি হইয়া নিখিল নত্ব, স্থাবরাজির উন্নত ও নিখিলচুর বলরুপে প্রকাশ আগতে ভ্রমণ করিয়া পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িলে মেষের বিদ্যুতের পাইতে লাগিলাম। হে পদ্মপলাশলােলবাম। অনন্তর আমি আয় কজলবৎ গম আকাশে শীল হইয়াছি। কোনও সময় সেই ভাবনা-কলিত জগতের আকাণকোষে, তােমাদের যেমন আমি বাড়বানল হইয়া আকল পৰ্যন্ত সমুদয় জলপান করিয়া মরুলীতে জলভ্রম উৎপাদন করে, সেইরূপ জলভ্রমর মরুভূমির যখন দেখি সমস্ত অগৎ ও জলরাশি আকাশের তায় শূন্য হইয়া কায় দীপ্যমান হইয়া অন্তরে অনুভব করিতে লাগিলাম, সূর্যদেব গিয়াছে, তখন আকাশে নৃত্য করিতে আরম্ভ করিয়াছি। হে গ-দিকে প্রসারিত কিরণজাল (কিরণরূপ পাশ মারা) অগৎরূপ দরদিগুণরাশির আহার! কখনও বা অধ্যায়-গত, আল-বাহু, পক্ষী ধরিতেছেন, পর্বতসমূহ ঐ জগৎপন্দীর অবৎ প্রতীয়মান বিলােল ধুম কুতল ঈদৃশ এখর অগ্নিকাপে সমস্ত জন্তু গ্রাস করি। হইতেছে, ভূভাগ অল্পই দেখা যাইতেছে। ঐসূৰ্য-চত্র কামিনী সমূদয় জল শুষ্ক করিয়া কাঠাদি নিখিল পদার্থ মণীয় খাদ্য করিয়া কুমুদিনীর কোচ (বন্ধনহতু অন্ধকার সাগরে ৰক্ষাগুরূপগৃহের লইয়াছি। ৩৭–৪১। কখনও বা আমি কর্মকারভবনে লোহ- প্রদীপ; দিনরূপ ফলনিচয়ের বৃক্ষ। অনন্তর ভাবনাবলে আমি চন্দ্র রূপে অবতীর্ণ হইয়া কৰ্ম্মকারের লৌহমূগর ও পাষাণ দ্বারা হইলাম, যে চত্র অভে , আকাশের বসল, নিশারূপিণ অতি- আহত বহ্নিকণা উদির করিয়াছি। আবার কখনও বহুমূল্যের সারিকা কামিনীর হাষ, রজনীচরদিগের মূর্তি, জগতে যত কিছু মণি হইয়া বৃহৎ প্রস্তরখণ্ডের ভিতরে অবস্থান করিয়া নিখিল- সুন্দর বস্তু আছে, সকলেরই উপমা, রজনী, দ্রোহিণ ও প্রাণীর অদৃষ্ণ হইয়া শতমুগ অতিবাহিত করিয়াছি। রাম জিজ্ঞাসা- ফুদিনীর প্রিয় স্বামী এবং নিখিল লােকের মুখ ও চক্ষুর লেন,-“হে মানদ।ঋৰি প্ৰবর। আপনি যে সময়ের কথা বলিতে আলাপকারী পরম প্রিয় হইয়া জি করেন। এর পর ছেল, সেই সময়ে আপনি সুখ বা দুঃখ অনুভব করিয়াছিলেন, তাহা আমাকে বলুন, বলিয়া আমার জ্ঞান বর্জিত করুন।” (১) অন্ধকারে কেহ কোন কাজ করে না, সূর্যের আলােকেই ৪২-৪। বশিষ্ঠ কহিলে,অনুষ্য যেমন নিদ্রিত হইয়া, লােকে কাজ করে; এ ঐ আলােক (তেই) কার্যের সচেতন হইয়াও জড় হয়, ঠিক সেইরূপ দৃভাবাপন্ন একাক। হইলে আপনাকে অড়বপন্ন জ্ঞান কলেন। এখন ঐ চিকা যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। ব্ৰহ্ম আপনাকে পৃথ্যাদির ব্যায় জ্ঞান করেন, তখন তিনি সুপ্ত সত্যরূপে প্রতীয়মান যে অগৎ, অহা যেমন জাগ্ৰশায় এলাক হইয়া জড় ব্যক্তির কায় অবস্থান করেন, অন্যথা তিনি যাহা হইয়া যায়, সেইরূপ অজ্ঞষ্টিতে সত্যরূপে প্রতীয়মান এই জগৎ তাহাই থাকেন। তাহার আকাশ-পৃথ্যাদিরূপ প্রকৃতপক্ষে সৎ জ্ঞানীর নিকটে অলীক বলিয়া বােধ হয়, যেমন কোন ব্যক্তি নহে-অসৎ। * ভ্রষ্ট) ও দৃশ্যের প্রতিভাত হইলেও সর্বদা মনােরাজ্যে কল্পিত অার নলীর জ্বলন্ত শিখাময় অত কানা- অবিকৃতভাবেই অবস্থিত। যাহার ঈদৃশ সত্যজ্ঞান হইয়াছে, কারীর গাত্রে সংলম হইলে তাহার কোন ক্লেশ বােধ হয় না, তাহার নিকট এ সমস্তই এক, তাহার নিকট পঞ্চভূত বা দ্রষ্টা, পরন্তু কৌতুকপ্রাপ্ত হয়, সেইরূপ আপনার ইচ্ছায় পাবণালি * ভ্রান্তি কিছুই নাই। (আমার ঈদৃশ সত্যজ্ঞান থাকায়, ভাবপ্রাপ্ত হইয়া উক্ত চিদাকাশ কোনই ক্লেশ অনুভব করেন ভে জ্ঞান না হওয়ায় সে সময়ে কোন দুঃখেরই অনুভব না। হে রাম। পরে আমি বহিভাবনায় বহ্নি হইয় হয় নাই। আমি তখন বিশুদ্ধ ব্ৰহ্মপ থাকিয়াই ঐ সমস্ত কলরূপ ভ্রমর নিচয়ে সুশােভিত বহ্নিজালা কিংশুককুম করিয়াছিলাম। (ভাকালে পৃথিব্যাদি হইয়াছিলাম)। ব্ৰহ্মরূপে বিকসিত করিয়া সমস্ত কানন বহ্নিময় করিয়াছিলাম। হে অবস্থিত না হইতে পারিলে ভাবনাবলে এ সমস্ত করিতে পারা রঘুনন্দন। আমি এইরূপে এণীপ্ত হল সম্পদের ন্যায় চঞ্চল বহ্নি যায় না। যখন সিদ্ধান্ত জানা প্রতিপন্ন হইতেছে যে, নিয়াময় আশারুপে উদিত হইয়া আশকালমধ্যে হঠাৎ একবারে সেভাব আত্মাই এত নিখিল দৃরূপে পরিণত হইতেছেন, তখন বুঝিতে হইত তিরােহিত হইলাম। হে রাম! আমি বহিরূপ ধারণ করিয়া হইবে, আমি তৎকালে ব্ৰহ্মপদে অবস্থান করিয়া আত্মাকেই দর্শন প্রত্যেক পরমাণুর মধ্যে এইরুপে অনেক অগৎ দেখিয়াছি করিয়াছিলাম। ৪৫-৫০। যদি আমি পঞ্চভূভভাবনায় জড়ই আমার দৃষ্ট সেই সকল অগৎ ও তােমাদের এই অগৎ চিদাকা হইয়া যাই, যদি আমার চৈতন্য না থাকে, তাহা হইলে হইতে ভিন্ন নহে। এ বিষয়ে তােমাদের স্বপ্নদৃষ্ট পুরী পৰ্বদিই আমি এইরূপ (পৃথ্যিাদি) হইয়াছিলাম বলিয়া অনুভব করিতে সাধু দৃষ্টান্ত। ৬৬–৭০। পারিতাম না। সুযুথিকালে আমি নিদ্রিত হইলাম ইত্যাকার একমি সর্গ সমান।১১। জ্ঞান বিদ্যমান থাকাতে সুষুপ্ত ব্যক্তি চেজ হইলেও নিদ্রাজনিত অজ্ঞানরূপ জড়তা প্রাপ্ত হইয়া থাকে বটে, কিন্তু অপ্রকাশ অনর্বীয় কোন এক বস্তুর অনুভব সে সময়ে থাকেই। (তাহা নিবতিতম সর্গ। থাকিলে সুষুপ্তিকালে অননুকৃত নিদ্রা অজ্ঞানাদির পরে স্মরণ হইবে কিকপে ?)। যে ব্যক্তি জ্ঞানোয় হওয়ায় প্রবুন্ধ, তাহার বশিষ্ঠ কৰিলে-অনন্তর আমি জগৎ দেখিবার কৌতুহল এক আধিভৌতিক দেহ শন্ত হইয়া যায় , ক্রমে তাহার জ্ঞানময় বণতঃ ধীরভাবে বায়বী ধারণ করিয়া বায়ু ভাবনা করিয়া অনন্ত অতিবাহিক দেহ উদিত হইয়া থাকে। সেই নময় আতি, বায়ু হইয়া পড়িলাম। আমি যে বায়ু ইলাম, সে বায়ু বাহিক দেহকে যােঙ্গী ইচ্ছামত কখন সূক্ষ্ম কখন বা বিশাল লতাকামিনীর নৃত্যশিক্ষক, কমল, উৎপল, কু প্রভৃতি কুমেয় করিতে পারেন, অদৃশ আত্তািহিক দেহদশায় যােগী জীব সৌরভকণাবাহী অবলীলাক্রমে নীহারবিন্দুহরণে তৎপর। সুরত- যুক্তরূপে অবস্থান করেন। ৫১-৫৫। ঐ জ্ঞানময় দেহে অতি- ক্লান্ত সর্বাঙ্গের কূর্তি সম্পাদনে পটু। সে বায়ু তৃণ, গুম, দুর্ভেদ্য কঠোর শিলামধ্যে প্রবেশ করিয়া আবার তথা হইতে লতা প্রভৃতিকে নৃত্য শিক্ষা দেওয়াতে বিশেষ পণ্ডিত। লতা, ঝটিতি নির্গত হওয়া যায় , ঐ জ্ঞানদেহ আকাশ পাতাল সর্বত্রই ওষধি ও কুমােদির সৌরভে আমােণিত। যখন সময় গভাগ করিতে পারে। হে রাম। আমি সেই সময়ে জ্ঞানময় উপস্থিত হয়, তখন বায়ু প্রশান্ত তল সুগন্ধি হয়, আবার যখন যেহে ঐ সমস্ত করিয়াছিলাম, অনন্তর চিদাকাময় দেহে উৎপাতকাল প্রলয় উপস্থিত, তখন ভীষণ আকার ধারণ ঐ সমস্ত কথিত ঘটনা অনুভব করিয়াছিলাম। আন্ধি চিন্ময় করিতে লাগিল। পর্বসমূহ তাহাতে তৃণের স্থায় ভাসিতে শরীরে আকাশ-পাতাল, পাষাণ এমন কি বন্ধের উপরও গতায়াত থাকিল। ঐ বায়ুনন্দনকাননের পারিজাতালি কুসুমের মকরন্দ- কৰিলে কোনরূপ বিপ্ন হইবার সম্ভাবনা নাই। জ্ঞানময় শরীরে পরাগে অরুণবর্ণ। আবার ঐ বায়ুই নরকের দারাশিসমন্বিত সেই চিদাকাশ জড় অজড় সকল পদার্থেই সমভাবে অবস্থিত। ভীষণ নীহারুসন্নিপাতে দেদীপ্যমান হইয়া উঠিল। ১-৫। (ঈদৃশ জানশরীরে দুঃখ পাইবার ত কোন সম্ভাবনাই নাই, ক্লে সাগরে ঐ বায়ু মৃদুমন্দ তরঙ্গসঞ্চালন কৰিছিল, ঐ বায়ুই না। চিত্মার ঈশ গতায়াত আপনার ইচ্ছানুসারেই হইয়া থাকে)। আকাশের মেঘ সরাইয়া চন্দ্ররূপ রূৰ্পণকে আস্তে আস্তে মুছাইয়া যে ব্যক্তি আপনার ইচ্ছায় ইতঃ ঘুরিয়া বেড়ায় তাহার কি দিয়াছিল। ঐ বায়ু নক্ষত্ররূপ সৈন্যের বেগগামী রথ। ঐ যকান ক্লেশ হয়? যদি কে অদূৰ হইবে, তবে বেড়াইবে বায়ুই ত্রিলােকপ্রসিদ্ধ আকাশযান বহন করিয়া থাকে। ঐ ৰায়ু কেন ? বুধগণ কেকল জ্ঞানকেই আজ আভিবাহিক দেহ মনের ন্যায় বোমী, বেন মনের একটা সহােদর। আমি ঐ বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন। হে রাম! তুমিও এক্ষণে সেই বায়ুরূপী হইয়া নিরাকার হইলেও সৰ্বাসম্পন্ন এবং নন আনময় অতিবাহিক দেহেরই অনুভব করিচ্ছে। ৬৬০। কাননের নেতরুকে কম্পিত করিতাম। বায়ুতে এ ভৰিখন ইচ্ছা কৰিলেই “আমি একমাত্র চিৎ” ইত্যাকার ভাব- তুষারবিহুকালে আমার বাদশার পক গাত্রললাম হইয়াছিল; না সূৰ্য্যালি অখিল জগৎ অন্তমিত করিয়া আত্মস্বরূপে সৎ ও উহার সৌৰভ আমার যৌৰমণ হইয়াছিল। মুনির মৃদুতা এলে অসৎ হইয়া অস্থিতি করিতে পারেন। ৬৯ আমার শৈশষ হইয়াছিল। আমি নন্দনকাননে ঐ বয়সে যেন আগৎ পুরুষে যে জগৎকে বিদ্যমান বলিয়া প্রত্যক্ষ করি- সৌন্বন্ত বলপূর্বক মধুরভাবে সঞ্চরণ করিতাম। সে দিন বা তাহা অবিমান হয় এবং স্বাবস্থায় চৈত্ররণ কানন হইতে বহিয়া আসিতাম। কান্তার বমি দুয় ।
নির্বাণ প্রকরণ-উত্ত। T করিম। বহুক্ষণ ধরিয়া গলার মালা আন্দোলিত করিয়া বিবিধ কর্মে ব্যাপৃত থাকিয়া প্রলয়কাল পৰ্যন্ত শকালে অয়েও পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িতাম। পরিশ্রম কাহাকে বলে, তাহা পরিশ্রম কাকে বলে, তাহা বিশ্রাম লাভ করিতে পারি নাই। তেঃ যেমন রসাকর্ষণ করে, জানিতাম না, অথচ লােকের বহু পৰিত্ৰ দূৰ কৰিম। বায়ু- সেইরূপ ভেজের সহােদর ভ্রাভার ন্যায় বসাকর্ষণে ব্যস্ত হতাম। কপে আমি ফিলােল পলৰং অলিননা পুলভারে এক আমি হরণগ্ৰহণালি ক্রিয়ার কর্তা হদি অবয়বের চালনা করিম নতা তাকামিনীদিগকে স্পর্শ করিয়া চপল করিয়া দিয়াছি। দিতাম। আমি নাড়ীপ দিয়া শরীরনগরে নির্বিয়ে গতায়াত করি- আমি চমলের সুধা আস্বাদন করিয়া মেঘণষায় শন তাম। অসময় দেহভাণ্ডে আমি প্রাণ ও অপালিপে পরিণত করিয়াছি, কমলকানন বিধুনিত কুরিছি, কামুকলিগের হইয়া আয়ুরূপ মণির রক্ষণও ব্যয়ে যথেচ্ছব্যবহারী মহাবণিক রভিশ্রম অপনীত করিয়াছি। আমি (বায়ু হইয়া) আকাশগামী (বড মহাভন) হইতাম। শরীরনগরী কখন ভাজিতাম, কখন তুর হইয়াছি, ধূলিরাশি উড়াইয়াছি, য় হস্তীর মদগন্ধ প্রদান বা নিৰ্মাণ করিতাম। অক্ষর, মল, দেহের সূক্ষ্ম সারভাগ করিয়া তদীয় প্রতিদ্বন্দী অপয় গজকে ক্রোধে উন্মত্ত করিয়াছি। রক্তমাদি ও বাতপিত্ত, কফ থাকে পৃথক করিবার কৌশল বিদ্যু:রূপ গােপলিশের বংশ লইয়া তাহার শক করিয়া আমি বেশ শিখিয়াছিলাম। আমি বায়ুভাব প্রাপ্ত হইয়াও প্রত্যেক মেষরূপ গাে-মহিষাদি পশু পালন করিয়াছি। সলিলবিন্দুরূপ অণুতে বহু জগৎ দান করিয়াছি, সেই সমস্ত জগতেও আবার মুক্তার সূত্ররূপে অবস্থান করিয়াছি, ধুলিবিনাশী জলবিন্দুকে শুক পৃখিব্যাদি রূপ প্রাপ্ত হইয়াছি, অথচ আমার অনন্ত বিশাল করিয়া দিয়া তাহার প্রতি শত্রুতাচরণ করিয়াছি। আমি আকাশ- চিদাকাশরূপ চিরদিন একভাবে বিরাজমান, তাহার অল্প কোন কুসুমের সৌরভ, নিখিলশব্দের সহােদর, নিখিলপ্রাণীর অঙ্গ কালেও হয় নাই। কল্পনদৃষ্টিতে দেখিলে দেখা যাইবে, এত্যেক প্রত্যঙ্গচালক এবং ঐ প্রাণদিগের শরীরস্থ নাড়ীরূপ প্রণালীমধ্যে পরাণুতেই সৃষ্টিপরম্পরা চলিতেছে; পরমার্থ দৃষ্টিতে দেখিলে সলিলরূপে অবস্থান করিয়াছি। মৰ্ম্মস্থলের কর্মকাৱলিগের আমি বােধ হইবে, বাস্তবিক কিছুই নাই, অত্যাকারে থাকিবেই বা একমাত্র আত্মস্বরূপ, (নিখিল-ভূতের প্রাণস্বরূপ) হৃদস্বরূপ কিরূপে? প্রত্যেক পরমাণুতে যে সকল অগৎ দেখিয়াছি, গুহাবাসী সিংহস্বরূপ, এবং অগির বলবিৎ—অর্থাৎ অয়ি দেখি- তাহাতেও চন্দ্র, সূৰ্য, বায়ু, অগি, ইন্দ্র, যম, বন্ধ, বিষ্ণু গন্ধ, লেই কোনটা দুর্নশ কোটা বলবান, তাহা বুঝিতে পারি । যাহাকে বিদ্যাধর, নাগ, সাগর, গিরি, দ্বীপ, মহাসাগর, দিগন্তর, লােকান্তর, দুর্বল দেখি, তাহাকে নির্বাণ করিয়া দিই, যাহাকে প্রবল দেখি, লােকপতি, ক্রিয়া, কাল, কলা, স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল, ভাৰ, তাহাকে আরও বাড়াইয়া দিই। আমি সর্বদাই পথিক (সঞ্চরণ- অভাব, জরা, মৃত্যু প্রভৃতি সমস্তই থাকে। হে রাম! আমি শীল)। আমি বায়ুকলে সৌরভরূপ সন্তু লুণ্ঠন করিয়াছি , এইরূপে ত্রৈলােক্যরূপ কালের মধ্যে কথিত পঞ্চভূপে বিহার আকাশযানরূপ নগর ধারণ করিয়া রাখিয়াছি , অপরূপ অন্ধকারের করিয়াছি। ২৩-৩৫। আমি প্রাণি সমূহের মৃত্তিক, জল, বায়ু, চন্দ্র হইয়াছি, শৈত্যরূপ চন্দ্রের উৎপত্তি স্থান ক্ষীরসাগর হই, ও ভেজের সমষ্টিরূপ বৃক্ষের শরীরে বাস কর মূদেশ আর আছি, অর্থাৎ আমি সকলকে শওল করিয়া দিয়াছি। প্রাণ ও ভূমিরস পান করিয়াছি,অনুভব করিয়াছি। সুধাপূর্ণ চন্দন দ্রবের অপাণবায়ুরূপ সূ রজু আরা প্রাণিদিগের দেহধন্ত চালিত ন্যায় 'শেভ শুকতাদি অশােভী তুষারশ্যার ন্যায় চলে করিয়াছি, নিখিল দ্বীপের শত্রুতা ও মিত্ৰতা উন্মই আচরণ শয়ান হইয়া পার্শ্ব পরিবর্তন করিয়াছি। চতুর্দিকে সকল ঋতুতে করিয়াছি ,অর্থাৎ সমুজের মাতে কোন কোন বীপ জিয়া কামধ্যে থাকিয়া আমি বিবিধ সুগন্ধি রস পান করি দিয়াছি, কোন দ্বীপ বা শূলির জমাট বাধি বাড়াইয়া দিছি। কাছি, পীবশিষ্ট ফল মরকেও দিছি। আকাশ-প্রাঙ্গণে সমস্ত জীপেই সঞ্চরণ করিয়াছি। সন্মুখী হইলেও আমি আন্তীর্ণ বিস্তৃত উন্নত শুভ্র, কোমল নষনীয় ভূমিসদৃশ মে সকলের অদূত মনােরাজ্যের স্থায় হইয়া কালাতিপাত করিয়াছি, মালায় শয়ান হইয়াছি। আমি কামবাসন থাকিলেও ভালবৃন্তরূপে স্পন্দরূপ দীর আলান (বন্ধন তত) হইয়াছি, শিরীষকুনুষের ন্যায় কোমল সুনীল কেশগুদে বিলােত শুরু তিনে লৈ হইয়াছি। গঙ্গাপ্রবাহ যেমন বিবিধ ৰূর্ণরূপ এ সুন্দরী ও গর্বদিগের সে একেবারে কুতাৰ পরিচিত মালাকে ধূলিমিশ্রিত করিয়া এক করিয়া দেয়, সেইরূপ আমি হইয়া অবস্থান করিয়াছি। ৩৬-৪০। কুমু কলার কমল প্রলয়তারূপে ক্ষণকামধ্যেই নিখিলপর্বত উৎপাটিত কৰিয়া প্রভৃতি অল কুনুশােভিত পসরােবরে গিয়া আমি হংসীর একত্র রাণীকৃত করিয়াছি। ১৩-২২। আমি ধূ, যে, ধূলি ও সহিত কলরব করিয়াছি। আমি ব্ৰহ্মাণ্ড হইয়া নদীসমূহকে জলের আলােড়নক'ৱী প্রবল বায়ু হইয়াছি, আকাশগঙ্গাপ্রবাহ শিরার ন্যায়, জীবসমূহকে রােমের ন্যায়, পর্বতসমূহকে অস্থির ন্যায় যগর মকরন্দ, সেই আকাশরূপ উৎপলে আমি জয় হইয়াছি। স্বীয় অঙ্গে ধারণ করিয়াছি। অগতে যে সমস্ত পৰ্মত বিখ্যাত আমার বাত্যারূপ শরীর দ্বারা বেষ্টন হইতে মুক্ত জীর্ণ পত্ৰসমূহকে রহিয়াছে, সেই সমস্ত পর্বত, দীর্ঘ নদীরূপত্র ও সমুদ্র আমার আমি মা মলভাবে বিক্ষিপ্ত কৰিছি—অর্থাৎ গ্ৰ ৰাভা জলে প্রতিৰিৰ সমন্বিত পক্ষে স্যায় অবস্থান করিনি। শরী” জীর্ণপত্র উপরে ভূলিয়া, আবার এতে আতে ছাড়িয়া অতীত সিক্ত বিদ্যার প্রভৃতি সচেতন প্রাণিবর্গ আমার শরীর দিয়াছি। শব্দরূপ কমলকানাল বিকাসকারী সূৰ্য হইয়াছি, শব্দ- উকুন ও মশকের প্রায় অবস্থিতি করিয়াছে। শুরু, কৃষ্ণ, পীত, রূপ বৃষ্টির আমি যে হইছি। আমি বায়ুণে আকাশ-কাল হরিত বর্ণের আকারী ব্য প্রভৃতি বানিয়ে আমার আজ, শ্রীবরূপ গৃহে সৰ শলারী খাই, ধূলিক ও অনুগ্রহেই অস্থিতি লাভ করিয়াছিল। ৪১-৪৫। সপ্তীপ বনশ্রীরুপ নায়িকার অলিনে নায়ক হইছি। আমি হিম সপ্ত সমুদ্র আমার প্রকোষ্ঠে ঝলয়ে যায় সন্নিবেশিত হইয়া স্কুলি পিঞ্জীব কদি গশেষ মেদির বারণ ছিল। আমি এভাবে বিস্তাররমশনের জটি স্পর্শ কৰি পানির স্পন্দন, সৌরভ আহরণ, শৈত-সম্পাদল, ইত্যাদি তাহাদের আনজনিত রােমাঞ্চ উৎপাদন করিয়া দিয়াছি।
যােগষ্টিয়ামায়ণ নদীরূপ শিরাসমতি, সলিলুরূপ মজ্জাসমতি, সচ্চিত্র জগৎ নিবতিতম সর্গ। সকল আমার শরীরে বিরূপে উৎপন্ন হছিল। গগন- সঞ্চারী অসংখ্য জাত প্রভৃতি গজ উছুম্বরের ভিতরে মাকে ৰতি কহিলেন,—এইরণে ভাৰনাৰণে অনের পরে কায় আমার হৃদয়ে এস্থিতি করিয়াছে। হে রাম। আমি উক্তবিধ কৌতুক নিহইতে বিরত হইয়া আমি আমার প্রাক্তন ৰহ্মাণ্ডরূপ ধারণ করিয়াছিলাম। নিখিল পাতাল আমার চরণ সমাধিস্থান সেই আকাশ মধ্যবর্তী কুটারমধ্যে গিয়া উপন্বিত হইয়াছিল, ভূল হইয়াছিল উদর, আকাশ মন্তক। তথাপি হইলাম; সেই কুটারমধ্যে দৃষ্টিপাত করিয়া আমার নিরীর আমি পরমাণুভাব পরিত্যাগ করি নাই। ৪৬-৫। আমি কুত্রাপি দেখিতে পাইলাম না। কেবল দেখিলাম, সম্মুখে অপর সর্বদিকে সর্বদা সর্বকাপে সকল কার্য করিলেও অসর্ব ও একটা সিদ্ধ সমাধিমগ্ন অভীষ্ট পদ-প্রাপ্ত হইয়া নিশ্চলভাবে শপে অবস্থিত ছিলাম। আমি কিঞ্চি, কিঞ্চি, সাকারত্ব, সমাসীন রহিয়াছেন। বীরাসনে উপবেশন করিয়া সমাধি নিরাকার, জড়ত্ব, চেতনত্ব সমস্তই এল করিয়াছি। সাগরের নিশ্চল শান্তভাবে উপবেশন করিতেছেন, অচিরবিত বাল- মধ্যে মৈনাকের ন্যায় অন্যায় পর্বতসকল গিয়া অন্তৰীণ হইলে পূর্বের ন্যায় কাষ্ঠ (সবকাষ্ঠ পুড়িয়া গিয়াছে এমন) অনলের সাগরের মধ্যবর্তী তৎসকল যেমন এক একটা জগতের আম গায় অনুপ্ত ও নিশ্চণভাবে অবস্থান করিতেছেন। বীরাসনে বােথ হইয়াছিল, আমিও সেইরূপ বহু কৃষ্টি (জগৎ) প্রত্যক্ষগােচর উপবেশন কমাতে তাঁহার অণ্ডকোষটীসংশ্লিষ্ট পায়ের দুই করিছি। গণ যেমন আপনার মধ্যে প্রতিৰিপুৰী থারণ গােড়ালির মধ্যভাগে অবস্থিত। বিশাল ক্ষযুগল ঈষৎ আনমিত করে, সেইরূপ আমিও আমার শরীরে প্রকট অপ্রকট অনেক এবং গ্রীবা সরলভাবে অবস্থিত হইলেও শখের স্যায় বন্ধুভাবাপন্ন। জগৎ ধারণ করিয়াছি। স্বল্পকালে চৈত যেমন বিবিধ বস্তুর তাঁহার মুন বা বিষয় হইতে অতীত উদার পরম বন্ধুতে সংলগ । সৃজন করে, সেইরূপ আমি আকাশরূপে অবস্থান করিয়াও মুখমণ্ডল প্রসন্ন , মস্তক উন্নত, পাণিযুগল নাভিসন্নিকটে উত্তান আপনাতে এইরূপ মায়াবশে জল, বায়ু, অয়ি ও ভূমির সৃজন ভাবে অবস্থিত। পাণিগবুল হইতে কান্তিচ্ছটা ফুরিত হইতে করিয়াছি। ১৫। যােথ হইতেছে যে, জামপন্থ হইতে তেজ বাহিরে আসিয়া নির্গত সে সময় আকামধ্যে প্রত্যেক পর- মাণুতে আমি অসংখ্য জগৎ দৃষ্টিগােচর করিয়াছি। স্বপ্নদৃষ্টিপুরীর হইতেছে। পদ্মগুলি (চোকের পাল) পরস্পর যুক্ত হইয়া রহি- মধ্যে যেমন খাবার গল্প, সেই স্বপ্নের মধ্যে যেমন আবার স্বপ্ন আছে, নয়নযুগল অর্থনিলীমিত এই অঙ্গ, বাহ বন্ধুর দর্শনশক্তি সেইরূপ পরমাণুর মধ্যে যে জগৎ দেখিলাম, সেই বৃষ্টিজগতে বিলুপ্ত হইয়াছে, দেখিতে ঠিক রাত্রিকালে সজেনে-নিমীলিত মধ্যবর্তী প্রাণুর মধ্যেও আবার অগদর্শন করিতে লাগিলাম। নিৰাত নিকম্প সুপ্ত সরােবরের ন্যায় হইয়াছেন। অন্তঃকরণে আমি নিজেই বীপকুসমন্বিত ভূমণ্ডল হইয়াছি, অথচ সর্ব- কোনরূপ চাঞ্চল্য নাই , উৎপাত আকাশের ন্যায় এশায় অন্তঃ ক্ষপে কিছুই পরিব্যাপ্ত করিয়া অবস্থান করি নাই, সবই আমার করণকে ধীরভাবে অস্থির রাখিয়াছেন। নিজের শরীর দেখিতে না একাংশে হইয়াছিল। আমি পুরুষাদি শরীর ধারণ করিয়াই তু* লাগিলাম। পূর্বে আমি যেমন বিচার করিয়া বিশ্রামলাভের পাইয়া ঈদৃশ মুনিকে সম্মুখে দেখিয়া আমি অবহিতচিত্তে ভাবিতে লতাদির আর উৎপন করিয়া ভূল হইতে রসাকৰ্ষণ করিয়াছি। যখন জমি নিখিল ৰৈতভাবে সংহারকারী জ্ঞানকাল প্রাপ্ত হইয়া অশষ অপা করিয়াছিলাম, এখানেও দেখিতেছি, সেইরূপ বিত হইয়াছি, তখন আমাতে এই নে লক্ষ লক্ষ জগৎ-ইহার অপা করিবার জন্য কোন মহাসিদ্ধ অবস্থান করিতেছেন। কিছুই ছিল না যা থাকে না। ৫৬–৬। চিতি মধ্যে যে পাইব কি?” এই ভাবিয়া ভাবিয়া সেই সত্য ভাবনালে এই আমার বােধ হয়, এই ব্যক্তি ‘আমি সমাধিবােগ্য নিজহাল সকল আত্মমৎকতি বিদ্যমান থাকিয়া আপনা হইতেই আপনার সক্তিরূপ চমৎকারভাব জগতে আরোপিত করিয়া প্রকাশ খান প্রাপ্ত হইয়াছে।১–১২। তাহার পরে আমি যখন মনে করে, তাহাই এই বৃষ্টিরূপে পরিণত হয়। এই যে এত কষ্ট করিলাম, আমার এই সৃষ্টি কিছুই নয় মিথ্যা, তখনই আমার অনুভব করিয়াছি, ফলে ইহা কিছুই নয়, পরমার্থ-(চিৎ )-মৎ- সে সঙ্কল্প ॥ হইয়া গেল, সক্ষম হওয়ায় সেই হাসিরে কার ব্যতীত আর কিছুই ইহার মধ্যে নাই। অধ্যারােপে আলাই স্থানও গেল, থাকিল কেবল একমাত্র আকাশ। স্বপ্নসংজের বিশ্বরুপ ও সর্বকা, অপবাদে তিনি বিশুদ্ধ বােধরূপ, ফলে যাহা সেই নষ্ট হওয়ায় সেই সমাধিময় মহাসিদ্ধ আধারভাবে নিত্তি হইলে স্বল্পকল্পিত পুরী যেমন নষ্ট হইয়া যায়, সেইরূপ কিছু দেখিচ্ছে, সবই ব্ৰহ্মময়। প্রবুদ্ধ ব্যক্তির পক্ষে সর্বময় নিতলে পড়িতে লাগিলেন। আমার সঙ্কল ক্ষয় হওয়ায় সেই জাজাই সর্বত্র সর্বের আশ্রয় ও সর্বগামী, প্রবুদ্ধ ব্যক্তির স্থান যেমন নষ্ট হইল সেই ধ্যানমগ্ন ব্রাহ্মণও অমনি শেষ হইতে নিকট তিনি যে কি, তা আমি জানিই না। আকাশগর্ভেয় স্থায় ধারার রায় নিয়ে পড়িতে লাগিলেন। নে প্রলয়কালে চন্দ্র স্বচ্ছ চিলাকায় এই যে পরম্পরা দীপ্যমান হইতেছে, ইহা তাপের অন্তরে উন্থায় স্থায় পৃথকু অন কৱিবে, ফলে ইহাতে পড়িতে লাগিল। ক্রমে সেই ব্রাহ্মণ নষ্টপুণ্য বৈমানিকের হায়, পার্থক্য কিছুই দেখা যায় না, বা নাই; আছে কেবল একমাত্র হিমনুল পাজপেয় যায় ও আকাশ হইতে নিক্ষিপ্ত পাষাণখণ্ডের গায় ভূলে পতিত হইতে লাগিলেন। যতক্ষণ আমি এখানে, এই বিভি স সমাপ্ত কুও এইখানে থাকা ইত্যাকার অলী সত্যকল্পনা যাই এত হইল, অশনি সঙ্গে সঙ্গে কুচাও সেই ব্রাহ্মরে গন হইতে লাগিল। তাহার পরে আমি ঐকে শিখায় আগায়িত করিবার পর ঐ আকারে দে অতিরিক = ST৯।
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ। ৬৯১ হে আকাশ হইতে ভূতনে গমন করিলাম। সেই ব্রাহ্মণ, এবং বিরক্ত করিয়া তুলে। এলবুরি না হইলে আর কে এই নামক বায়ুনের মধ্যবিষ্ট জল যেমন আবত্তের স্যায় ঘুরিতে | বিষয়াদিতে মজিবে। এরূপিণী বৃন্ধ কী জীবনরূপ অস্বালায্য খাকে, সেইরূপ, ঘুমিয়ে ঘুরিতে সখীপ ও সমুদ্রের পরপারে বুদ্ধিরূপ এফৰী মং ধৰিষাৰ অ শরীরে আলিয়া আভায় দেবতাদিগের এক ক্রীড়াভূমিতে গিয়া পড়িল। তাহার প্রাণ ও নয়; এহেন শরীয়ত কর সাগরের জলবুবুর গায় আপনবাবু তখন উগামী ছিল বলিয়া আকাশ হইতে পড়িতে দেখিতে দেখিতেই অকৃত হয়। দূর হইতে দেখিতে দেখিতেই পডিতে পদ্মাসন বন্ধনপূর্বক ভূতলে পতিত হইল। সেইরূপ দীপশিখার ন্যায় নির্বাণ হইয়া যায়। হায়! হায়! এই উত্তপ্ত বিক্ষোভপ্রাপ্ত হইয়াও সে প্রবুদ্ধ হইল না, অচেতন পাষাণের জীবননদী বড়ই ভীষ, ইহাতে উত্তাল তরঙ্গশালা ও আবর্ত জায় অচল হইয়া তুলার ন্যায় লঘু বা পাষাণের স্যায় ভাবান খেণিতে। এম মৃত্যু ইহার দুই পারে বিশাল অট। হইয়া রহিল। আমি তাহাকে প্রবুদ্ধ করিবার জন্য সেইরূপ সুখ দুঃখ ইহার তরঙ্গ। যৌবনবিলাস ইহার পঙ্ক; বাক্য সত্যসঙ্কলে আকাশের মেঘ হইয়া এলবর্ষণ ও গন্ধন করিতে ধলিমাইহার ফেপু। কাতলী স্থানে কখন কখন দু এই লাগিলাম। যে স্থানে সেই মুনি পড়িয়া উপ করিতে ছিল, নদীর বুদবুদের ন্যায় দেখা যায়। লোক্যবহার ইহার খরস্রোত। আমি সেই শিলারটি অপত করিলে, বর্ষাকালে ময়ূর যেমন অজ্ঞদিগে প্রলাপবাক্য ইহার জলকল শব্দ। যেরূপ জাগিয়া উঠে, সেইরূপ সেই মুনি প্রবুদ্ধ হইল। তাহার অস্ত্র মেঘ ইহার জল শোষণ করিয়া লয়। ভূতলে এই নদী খরলােতে উৎফুল্ল হইল, নয়নযুগল উন্মীলিত হইল। অলধারায় পরিব্যাপ্ত প্রবাহিত। লোভ মােহ ইহার ভীষণ আবর্তের আলােড়ন। দূর সেই মুনি বর্ষাকালে কমলাকরের ন্যায় প্রতীয়মান হইতে হইতে শক শুনিয়া এই নদীকে শীতল বলিয়া ৰােখ হয়, লাগিল। ১৩২৫। তাহার অসাক্ষাৎকরী মনােবৃত্তি প্রান্ত প্রকৃত পক্ষে তাহা নহে, বাস্তবিক ইহা অতি উত্তপ্ত। আত্মীয় হইলে পরমার্থ হইতে বিচ্যুত প্রবৃদ্ধ সেই মুনিকে সরলভাবে স্বজনের সঙ্গে সম্মিলন ও ঐশ্বৰ্য সংসারনবীর জলের আয় এক জিজ্ঞাসা করিলাম, ওহে মুনিবর। তুমি কোথায় রহিয়াছ, কি চলিয়া যাইতেছে, আবার আসিতেছে। যে সমস্ত পদার্থসিয়া করিতেছ? তুমি কে তুমি এই যে এত দূর হইতে পড়িলে, চলিয়া যায়, সেই ক্ষণস্থায়ী পদার্থে প্রয়ােজন কি? আর নূজ যে তাহা বুঝিতে পারিলে না কেন? আমি এই কথা বলিলে পর, সমস্ত ভাব আসিয়া উপস্থিত হয়, তাহাতেই ৰা অহা কিরুপে সেই মূনি আমার দিকে দৃষ্টিপাতপূর্বক নিজের পূর্ব অবস্থা হইবে। কারণ তাহাও ত স্থায়ী নহে, অকাল পরেই কোথায় স্মরণ করিয়া, চাক যেমন জগরের নিকট মধুর শব্দ চলিয়া যাইবে। অন্য সকল নদীর জল চলিয়া গেলে আবার করে, সেইরূপ মধুরে আমাকে কহিল, “মহাশয়। আপনি আসে। কিন্তু দেহলীয় জলবায়ু একবার গত হইলে আর আসে শফাল প্রতীক্ষা করুন, আমি আগে আমার সমুদয় ঘটনা না। এই সংসারসাগরের নিখিল পদার্থই কুলালচক্রে আরূঢ় স্মরণ করিয়া লই, তাহার পরে আমার যাহা যাহা ঘটিয়াছে ঘটাদির ন্যায় প্রতিক্ষণে পরিবর্তিত হইতেছে। চর ইলিয়রূপ তৎসমুদয় বলিতেছি” এই বলিয়া সেই মুনি চিন্তা করিয়া চৌর বিষম বিষয়ৰূপ শত্ৰু চারিদিকে পরিভ্রমণ করিতেছে, বিবেক তৎক্ষণাৎ দিনের ঘটনা যেমন সেই দিনের সন্ধ্যার সময়ে চিন্তা সর্বস্ব অপহরণ করিয়া লইতেছে। এতএব আগিয়া খাক, নিত্রিত করিয়া দেখিলে সবই স্মৃতিপথে উদিত হয়, সেইরূপ সমস্ত থাকিব না, তাহা হইলে যথাসৰ অপহরণ করিয়া লইবে । স্মরণ করিয়া জানিল। তাহার পরে চকিরণের ন্যায় শীতল আয়ু খণ্ড খণ্ড হইয়া পুনঃপুন গলিত হইয়া যাইতেছে; দিন আলাপনকারী সুখ অনিন্দবচনে কহিল,—“হে ব্ৰহ্ম। সকলও কালকর্তৃক বিনাশিত হইতেছে, কেহই তাহা জানিতে এক্ষণে আমি আপনাকে চিনিতে পারিয়াছি, আপনাকে নমস্কার পারিতেছে না। কি আশ্চর্য্য। আজ আমার এই হইল, এই করি। প্রথমে দেখিয়াই ত আপনাকে নমস্কার করি নাই, রহিল, এই গেল, ইহা আমার, ইত্যাকার ভাবনায় আবুল হওয়ায়, তজ যে অপরাধ হইয়াছে, তাহা ক্ষমা করুন মাই ত আয়ু ক্ষয় হইতেছে, মৃত্যু আসিয়া উপস্থিত হইতেছে, ইহা কেহই সাধুগণের স্বভাব। হে মূলে! যপদ যেমন মধুলােভে পল্পে জানিতে পারিতেছে না। যথেষ্ট বিষয় ভােগ করিয়াছি, অনন্ত পদ্মে ঘুরিয়া বেড়ায়, আমিও সেইরূপ ভােগসুখমােহে মােহিত বনভূমিতে ভ্রমণ করিয়াছি, মুখ ঃ অনেক দেখিয়াছি, এই হইয়া অনেক দিন দেবকাননে ভ্রমণ করিয়া বেড়াইছি। সংসারে সাধনীয় আর আমার কোন কাৰ্যই নাই। বারবার মুখ তাহার পরে যখন বুঝিলাম যে, আমি এই দৃশ্যপ নদীর কিনারায় দুঃখ অনুভব করিয়া বারবার বিবর্তিত হই, সংসারের নিখিল বল আমলে সাঁতার দিতে দিতে তরঙ্গমালার সঙ্গে একেবারে অনিত্য বুঝিয়া এক্ষণে আমি ভোগােৎকাশূন্য হইয়া অবস্থান অগাধ আবর্তে গিয়া পড়িয়াছি, তখন উদ্বিগ্ন হইয়া ভাবিতে করিতেছি। লিখিত ভােগ্য বস্তু উপভােগ করিয়াছি, সংসারের লাগিলাম,-“আমি এক্ষণে আর উদ্বেগ না করিয়া কেবল নিখিল বন্যয় অনিত্যতা প্রত্যক্ষ করিয়াছি, কুত্রাপি বিভ্রান্তি প্রাপ্ত চিলাকালে অবস্থান করিতে থাকি , তাহা হইলে আর কোন হই নাই। ৩৯–৫৫। আমি সুমেরুর উলুব্দ শিখরে নন- উদ্বেগের আশঙ্কাই থাকিবে না। এই দৃশ্যপ্রপঞ্চে রূপ, রস, কাননে লােকপালগণের পুরীতে বিহার করিয়াছি, কোথাও চিন গন্ধ, স্পর্শ, শব্দ ব্যতীত আর কিছুই নাই, সামান্য এইরূপ স্থায়ী কোন বস্তুই পাই নাই। সকল স্থানেই কাষ্ঠময় বৃক্ষ, মাংস রসালিতে আর কেন মজিয়া থাকি? সমস্তই ত একমাত্র ময় জীব, মৃন্ময় পৃথিবী, দুঃখ ও অনিত্যতা বিদ্যমান সময় দেখিয়া চিদাকান বা চৈত, অতএব মুভির ন্যায় অসদাকার এই শুনিয়া কিরূপে আখন্ত হইয়া থাকি বলুন। খুন বন্ধু মিত্র বলুন, প্রপঞ্চে আর কােন ব্যকি? ২৬-৩৮। শৰম্পৰ্শদি সুখ বলুন বা বান্ধব বলুন, কালের করালগ্রাসে নিপতিত জীবকে বিষয়, বিষের আয় ভয়ানক , রমণীগণ কেবল কাম মােহ কেহই রক্ষা করিতে সমর্থ নহে। ধূলািশির স্থায় অস্থায়ী জীৰ উৎপালন করে; রাগ-অনুরক্ত পুরুষকেও সময়ে ময়ে গিরি করে প্রবিষ্ট মেঘ গলিয়ে এ প্রতিশেই কীও যােগবাতি-রামায়ণ '; অসা- হইয়া বিলপ্ত হইতেছে। আমি কামকে মনােৱৰ বিষয়ভােগৰুে বিষ্ণৱ সৰ্প বলা যাইতে পারে; যেহেতু উহা বলিয়া জ্ঞান কৰি না; ঐ আমার নিকট অতি বিরস বলিয়া মাত্রেই লােককে খুন করে, দেখিতে গেলে অদৃশ্য হইয়া যায়। বােণ হয়, আমি জানি, এই জীবন যৌবন কামিনীর অপাঙ্গ অনায়াসসাধ্য পরশপনের প্রান্তি চেষ্টা না করিয়া পরিণামে বিরস জুষ্টির রায় স্থায়ী। ৫৬-৬০। হে মূলে। কু কৃত দারুণ কষ্ট চেষ্টাতেই লােকে আয়ক্ষয় করিয়া ফেলিতেছে। উপ- অদ্যই কই মন্তকে আপ-ভার নিক্ষেপ করিবেন, তাহার বাসাদি দ্বারা কী করিয়া যেমন কহীকে বন্ধন করা যায়, সেই জখা নাই, সুতরাং আখন্ত হইয়াই থাকি কিপে? শৰীর রূপ ভােগের আশায় বন্ধ কৃষ্ণাতুর ব্যক্তিদিগের পদে পদে অপমান জীর্ণপত্রের ব্যয় ক্ষশভ্রংশী, জীবন' স্থায়ী; এই সমস্ত দেখিয়া হইয়া থাকে। সম্পদ এবং কামিনী তরঙ্গের ভয় ক্ষণভঙ্গুর, কোন অনিল বুদ্ধি অস্থির হইয়া উঠিয়াছে, মখুরদি ষডুস আমার পণ্ডিত ব্যক্তি সর্পষণার ছত্রের ব্যয়, আপাতত শীতচ্ছায় সেই নিকট নীরস বলিয়া বােধ হইতেছে। এতাবৎকাল নীল বিষয় সম্পদ-প্রভৃতিতে অনুরক্ত হইবে। কাম ও ঐবি সত্য সত্যই ভােগে কালাতিপাত করিয়া আসিয়াছি, অপূর্ব পুরুষাৰ্থ কিছুই যদি রমণীয় হয়, তথাপি অহাতে আসক্ত হওয়া উচিত নয়, কয় সাধন করিতে পারি নাই; সে বিষয়ে কিছুই চেষ্টা করি নাই। দিন তাহা ভােগ করা যাইবে। কারণ জীবন যৌবন কামিনীর এক্ষণে আমার সে মােহ কিঞ্চিৎ মন্দীভূত হইয়াছে, দেহের প্রতি কষ্টাক্ষপাতে স্যায় ভঙ্গুর। যাহা আপাতষণীয় বিষয়সমূহে বিষয়ভােগের প্রতি আমার আর আস্থা নাই; এক্ষণে আমার মজিয়া থাকে, তাহাদিগকে পরিশেষে পরিণামরিস যােরনরকে ধারণা হইয়াছে যে, বিষয়ের প্রতি অনাস্থাই উত্তম অবস্থা, জীবন বাস করিতে হয়। ৭৫৮। অর্থ অভব্যলিগেরই সে , আমি ও বিষয়ের প্রতি আনাই অতি নিন্দনীয় মন্দ অব। ৬১-৬৪। উহাকে কোনরূপেই তুষ্টির কারণ বলি না, কারণ একে ত সবাই মনে করা উচিত যে, মােহকারিণী বিপদ এই আসে, এই উহাকে সংগ্রহ করিতে কত যে শীতাতপাদি ক্লেশ সহিতে আসে, এইরূপ মনে করিয়া কাচ আর সংসারে আসক্ত হওয়া হয়, তাহা বলা যায় না। যদি চ কষ্টষ্টে গৃহীত হয়, অমনি উচিত নহে। নিমােত ভূমিতে জল যেমন ইতস্ততঃ বিকীর্ণ আবার ক্ষণকামধ্যেই নষ্ট হইয়া যায়, কোথাও স্থির হইয়া হইয়া পড়ে, সেইরূপ মানবগণ নিত্য অনিত্য বিহিত নিষিদ্ধ কর্ম থাকিতে পারে না। ক্ষণভঙ্গুর শমী আপাতত মধুর বলিয়া বােধ আরা ইতস্ততঃ বৃথাই চালিত হইতেছে। বিষয়রূপ বিষয় সমীরণ হয়, কিন্তু পরক্ষণেই আবার অসহ্য দুঃখ প্রদান করে, আপাতমাত্র চিত্তরূপ কুসুম হইতে বিবেকরূপ সৌরভ অপহরণ করিয়া তাহাতে লােককে কেবল বিমােহিত করে মাত্র। অর্থ অসাধুসংসর্গের ন্যায় মােহবিষ ঢালিয়া অংকে কেবল মূৰ্ছিত করিতেছে। যেমন আপাতমধুর, পরিণামে বিষম বিপাকে ফেলিয়া দেয়; পৰ্যালােচ- সৰস্তু কোন আবরণ দ্বারা আবৃত থাকিলে অসৎ নই বলিয়া নায় উহা অতি জঘন্য বলিয়াই প্রতীয়মান হয়। যৌন শরৎ- বােধ হয়, সেইরূপ বিরূপ অলীক পদার্থ সৎ বলিয়া ধারণা কালের মেজার ব্যায় ক্ষধ্বংসী, ভােগ্য বিষয়সকল আপাত করায় সৎ হইয়া উঠিয়াছে, প্রকৃতপক্ষে ইহা সৎ নহে—অসৎ। মাত্র মধুর বলিয়া বােধ হয়, কিন্তু পরিণামে বিষম ব্যথাদায়ক। সমুদ্রপত্নী মণীগণ বেল উভয় তটভূমিতে নিজ অঙ্গ হেলাইয়া এমন কোন মহাত্মাই নাই, যাহাকে কৃতাতের হন্তে পডিতে না দুলাইয়া গমন করিতে করিতে সাগরে গিয়া পড়ে, তেমনি মােহমর্থ হয়, অন্ত, কি মহৎ কি ক্ষুদ্র সলকে কলকৰলে তুলিয়া জনগণ মৰমত হইয়া অঞ্জী করিতে করিতে বিষয়ের দিকে লইয়া থাকে। দেহীলিগের আয়ু বৃক্ষশাখাগ-ল অলবিন্দুর স্যায় থাৰিত হইতেছে। চিত্তরূপ বাণ একবার নিক্ষেপ করিলেই বিষয় অতি অলক্ষণস্থায়ী। ৮১-৮। বার্ধক্যদশাগ্রস্ত জীবের কেশ, দম্ভ রূপ লক্ষ্যে গিয়া পড়ে, অথচ কত ব্যক্তি সৌহার্দের স্পর্শও সবই জীর্ণ হয়, কেবল এক তৃষ্ণাই জীর্ণ হয় না, পরন্তু বুদ্ধিপ্রাপ্ত করে না। কি উপকারী, কি অনুগকারী, কাহারও সহিত সদ্ভাব হইতে থাকে। অসীম-ভােগরাশিতে অভিগহন, সমুদয় সেই করে না, সেইরূপ চিত্তবান বিষয়ের প্রতি নিক্ষিপ্ত হইলে আর কাননে একমাত্র তৃষ্ণারূপিণী, বিষময়ীই দিন দিন বৃত্তিপ্রাপ্ত এস্পর্শ(বিবেক বৈরা্যাদি গুণ পক্ষান্তরে গুণ) করে না, হইতে থাকে। শৈশব যৌবনের গায় চলিয়া যায়, যৌবন ও (ৰাণপকে আর আসিয়া ছিলায় সংযুক্ত হয় না)। ৬৫-৭০। শৈশবকালের ন্যায় চলিয়া যায়, কলংসিতা বিষয়ে শৈশব ও একশ আমার খারা হইয়াছে যে, আয়ু উৎপাত ৰায়ুৰ স্যায় যৌন দুইই পরস্পর পরস্পরের উপমানস্বরূপ। অঞ্জলিত এল বড়ই কষ্টকর, বাচিয়া থাকায় কোনই সুখ নাই, বাহাদের মিত্র যেমন অজুলিৰ ফঁক দিয়া রাখিতে রাখিতেই পলাইয়া যায়, সেই বলিয়া জানিতাম, তাহার মিত্র নহে,-শত্রু। বন্ধুসকল করুন- রূপ জীবনও আশু গলিত হইয়া থাকে। নদীতে যেমন যে বিশেষ, তাহাদের মায়ায় অষ্ট হইয়া কেবল বন্ধ থাকিতে হয়, দিকে চলিয়া যায়, সেইদিক হইতে তাহাকে প্রতিনিরুত্ত করা যায় অর্থ—যত অনর্থের মূল। যাহাকে সুখ বলিয়া জ্ঞান করিয়াছি, লা, সেইরূপ জীবনও চলিয়া গেলে আর ফিরে না। ঝাপটাৰাতা- তাহা প্রকৃত মুখ নহে, বিষম দু ,সম্প্রতি বিষম আপদ স্বরুপ। সের ন্যায় দেহ ঠাৎ কোথা হইতে আসিয়া উপন্বিত হয়, কিন্তু বিষয়ভােগ করে একটা মহায়োগ-দুশ্চিকৎ বাধি, এই অচিরেই আবার তল, মে ও প্রদীপের স্থায় দেখিতে দেখিতে বিষভােগবাসনাবাধি একবার যাহাকে আক্রমণ করে, তাহাকে বিলীন হইয়া যামু। ৮-৯০। বাহ পূর্বে নয় বলিয়া অনুভব ল করা বড়ই কঠিন। বিষয়ে ভিকে (আসক্তিকে) আমি করিয়াছি, তাহাতে আবার অমণীয় প্রত্যক্ষ করিয়াছি; যাহা এশে মহা অতি (উষেণ) বলিয়া বুঝিয়াছি। নিখিল স্পন্দই রি বলিয়া বুনিয়াছি, তাহাই আমার অস্থির হইয়া গিয়াছে। বিপদস্বরূপ, সুখ কেবল দুঃখেরই কারণ, জীষন ও মরণেই বাহা সত্য বলিয়া বুঝিয়াছি, তাহাতেই আবার সত্যতা প্রত সিত; জহ। কি অদ্ভুত মায়ায় বিলাস। লােৰুসকল করিয়াছি; এই সমস্ত কারণে আমি সাংসারিক সকল বিষয়েই পরিব, অনিষ্ট, সু, প্রিয়ৰিছে ক্লেশ দেখিয়া তৃষ্ণাত হইয়াছি। ফল সৰাপন্ন হইলে, অবিশ্রান্তিতে বি সিমে করিয়া হইয়া যাইতেছে। ৭১ শ। যে , সে মুখ, বর্গ, মর্ত, পাতালের কোন ভােগ্যবস্তুতেই নাই।
নির্বাণ- একরণ-উত্তরভাগ । চিত্রিত কুমিত লতা যেমন কে আকৃষ্ট করিতে পারে না; রাম জিজ্ঞাসিলেন,-গবন! আপনার সঙ্কলিত পূৱী ও আপ- সেইরূপ নিখিল বিষয়ের ভােজা পাঁচটা ইন্দ্রিয় একত্রিত হইলেও, নাৱ দেহ তখন ও পৃথিবীতে বিলীন হইয়া পরমাণু হইয়া গেল, আমাকে আর বিষয়ের দিকে আকৃষ্ট করিতে পারিবে না। আমি তাহার পরে সিদ্ধলােকে ভ্রমণ করিলেন কোন শরীরে ভাই দীর্ঘকালের পর জন্য অহঙ্কার হইয়াছি। আমার স্বর্গলাভে আমাকে পুন। বশিষ্ঠ কহিলেন,-“ছ এতক্ষণের পরে মনে বা মুক্তিলাভেও ইচ্ছা নাই; আমি একান্তে চিরবিশ লাভ হইয়াছে, তাহার পরে এই জগদহে সেই সিলােকে পােক করিবার জন্য, আপনার স্যায় এই পরমাকাশে আসিয়া উপস্থিত পালদিগের পুরীতে বিচরণ করিতে করিতে আমার যে সমস্ত হইয়াছিলাম। আসিতে আসিতে আপনার কল্পিত কুটা দেখিতে ব্যাপার ঘটিছিল, এণে তাহা বলিতেছি শ্রবণ কর। তার পাইলাম , তখন বুঝিতে পারি নাই যে, উহা আপনার কমিত পরে সেই সিংলােক হইতে বহির্গত হইয়া আমি ইন্দ্রপুরীতে কুটী, আপনি ঐখানে আসিতেছেন। আজ সব বুঝিতে পারিয়াছি, উপস্থিত হইলাম, সে সময়ে আমার ভৌভিক দেহ ছিল না, আমি তখন আমি অনুমানে বুঝিয়াছিলাম, কোন সিদ্ধপুরুষ ঐ কুটীতে অতিবাহিক দেহ অবস্থান করিতেছিলাম, এই আমাকে ছিল, দেহত্যাগ করিয়া নির্বাণপ্রাপ্ত হইল। হে ভগক। এই তথাকার কেহই দেখিতে পায় নাই। আমি তখন না আর, ত আমার ঘটনা, আমি এক্ষণে এইস্থানে রহিয়াছি, এক্ষণে না আধেয়, কেবল মাত্র চিকাশরূপে অবস্থিতি করিতেছিলাম। আমার বিষয় আপনাকে সমস্তই বলিলাম, আপনার দ্বাহ কর্তব্য আমি কিছুরই গৃহীত ছিলাম না বা ভদৃশ স্কুলদশীদিগের হয়, আহা করুন। হে মুনে। বাশ সিদ্ধপুরুষগণও যে পর্যন্ত গ্রাহও ছিলাম না। হে রাম। আমি তখন আকাশত অবহিত হইয়া, বিচার করিয়া না দেখেন, সে পর্যন্ত কোলিক ছিলাম, কুত্রাপি দেশকালের সহিত সম্বন্ধ ছিল না। কেবল ঘটনার আমূল কিছুই জানিতে পারেন না। এমন কি, কমলঘােনি মনঃসঙ্কল্পরূপে অবস্থান করিতেছিলাম। আমাতে পৃথ্বাদিভাব কিছুই ব্ৰহ্মাপ্রভৃতিও ধ্যানদৃষ্টিতে পৰ্যালােচনা না করিয়া আপাতদৃষ্টিতে ছিল না। আমি সময় একটা পুরুষ হইয়াছিলাম । সবিশেষ ঘটনা জানতে সমর্থ হন না। আমরা ত কোন ছার, তখন কোন বস্তুরই স্পর্শ করি নাই বলিয়া কাহারও বােধক অতএব আপনাকে জানিতে না পারায়, আমার যে অপরাধ হই নাই। পদার্থনিচয়ের দ্বারা আবদ্ধ হই নাই। স্বল্পকালীন হইয়াছে, তাহা ক্ষমা করুন। ১১-১৩। মনের ন্যায় কেবল স্বীয় অনুভব দ্বারা ব্যবহারপরায়ণ ছিলাম। ত্রিনবভিন্ম সর্গ সমাপ্ত। ১৩ ১০। হে রাম। সকালের অনুভবই এ বিষয়ে চরম দৃষ্টান্ত, স্বপ্ন দৃষ্টান্তদ্বারা স্পষ্টই বুঝিতে পারিবে, অধিক করিয়া আর বুঝাইয়া বলিতে হইবে না, তবে যাহারা স্বল্পকালের অনু- ভবকে অপলাপ করে, স্বীকার করে না, তাহাদের কথায় কাজ চতুনবতিতম সর্গ। নাই, তাহারা অতিমূখ। গৃহমধ্যে নিদ্রিত পুরুষ যেমন স্বপ্নে বশিষ্ঠ কহিলেন-অনন্তর সপ্তসাগরবেষ্টিত সখীপের বাহিরে নানাস্থানে বিচরণ করে, সেইরূপ আমি তখন স্বর্গবাসীদিগের অবস্থিত আকাশের ন্যায় বিস্তী। সেই সুবর্ণময় স্থানে অবস্থান সম্মুখবর্তী হইলেও তাহাৱা আমাকে দেখতে পান নাই। আমি করিয়া আমি সেই সিদ্ধকে বন্ধুত্ব সহকারে মিষ্টবাক্যে বলিলাম। অপর সকলকে স্থূলপার্থিব দেহধারী দেখিয়াছিলাম, আমি হে মহাপখি। সে সময়ে যে কেবল আপনিই বিচার করিয়া অতিবাহিক দেহধারী বলিয়া আমাকে কেহই দেখিতে পায় নাই। দেখেন নাই, এমন নই, আমিও বিচার করিয়া দেখি নাই, রাম কহিলেন, “আপনি দেহশূন্য আকাশ শরীর বলিয়া ঘদি নিখিল বিয়েতেই ভালরূপে প্রবিধান না করিলে ভুভবিষ্যৎ কাহারও দৃষ্টিগোচর নহেন, তাহা হইলে সেই স্বর্ণময় এদেশে ঘটনা কেহই প্রত্যক্ষ করিতে পারে না। সেই সময়কার ঘটনায় সেই সিদ্ধ আপনাকে কিরূপে মনি করিলেন। বশিষ্ঠ কহিলেন, আমিও আপনার নিকটে অপরাধী। আমি যদি সে সময়ে জানিতে মাদৃশ যােগী ব্যক্তি সত্যসঙ্কৰলে সবই করিতে পারেন, অ পারিতাম যে, আপনি আমার সঙ্কলিত স্থানে আসিয়া তপস্যা আকারও ধূ করিতে পারেন, সঙ্কজ ব্যতিরেকে কিছুই করিতে কাবুতে আরম্ভ করিয়াছেন, তাহা হইলে আপনাকে আর পড়িয়া পারেন না। বিমলাত্মা ৰােণী পুরুষ লৌকিক ব্যবহারে মগ্ন হইলে যাইতে হইত না, আমি সত্য সঙ্কল্প বলে সেই কলিত কুটীকে ক্ষণকামধ্যেই নিজের অভিবাহিক দেহ ভুলিয়া গিয়া থাকেন। অনায়াসে স্থির করিয়া রাখিতাম, নষ্ট করিতাম না। আপনিও “এই ব্যক্তি আমাকে দেখুক” এইরূপ সঙ্কজ করিয়াছিলাম বলি- তাহা হইলে স্বচ্ছন্দে তাহাতে স্থির হইয়া থাকিতে পারিতেন, যাই সেই সিদ্ধ আমাকে দর্শন করিয়াছিল। যাহার ভেদ জ্ঞান এক্ষণে গাত্রোখান করুন, আসুন আমরা সিদ্ধােকে গিরা অবস্থান তিরােহিত হইয়াছে, তিনি সত্যসঙ্কল অর্থাৎ যাহা সঙ্কজ করি- করি , আপনার আপন স্থানে থাকাই অভীষ্টসিদ্ধির প্রধান উপায়। কেন, তাহাই করিতে পারেন। যার জে আন তিলােহিত এইরূপ সিদ্ধান্ত করিয়া আমরা ক্ষেপণযন্ত্র হইতে উনিকে হয় নাই, পরন্তু দৃভূত হইয়া রহিয়াছে, তিনি সঙ্কল্পবলে কিছুই নিক্ষিপ্ত পাষাণখয়ে নক্ষত্ৰবেগে সেই স্থান হতে যুগপৎ করিতে পারেন না। তবে যদি এইরূপ বে একজন সিদ্ধ যোগী আকাশের দিকে ছুটলাম। আহার পরে আমরা উভয়ে পর- অপর একজন সন্নিহিত ঘােগীকে রক্ষা করিয়া সঙ্ক করিতেছেন স্পরকে প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিলাম; তিনি আপনার যে, “আমি ইহাকে দেখি” কিন্তু অপর যােগী সঙ্ক করিতেন গন্তব্যস্থানে গমন করিলেন, আমিও আমার অভিমত স্থানে মন যে, ইনি আমাকে দেখিতে কে না পারেন, এতে এইরূপ ক্ষি করিলাম। হে রাখব। এই পাবলোপাখ্যান ও সিরে বৃত্তান্ত বিষয়ে সরকারী সিদ্ধপুরুষয়ের মধ্যে যিনি অধিক বিশুদ্ধ স্বৰ, সমস্তই তােমার নিকট বলিলাম। ভুমি সংসারে কি ভূত তাঁহার সঙ্কই সিদ্ধ হইবে। ১৯—২৩। আমি সিদ্ধ সৈন্যদিগের টন বৈচিত্র্য, তাই একবার পর্যালোচনা কলিজা নে।১। যেওনাকপানি আয়ে বিচরণ করত নন ব্যবহারে যােগবাণিষ্ঠ রামায়ণ উহার গ্রামে, জড়িত হওয়ায় নিজের অতিবাহিক ভাব বিস্মৃত হইয়া গিয়া- পায়, খাতেও কেহ কেহ পারে। উহারা দেশযােনিবিশেষ, ছিলাম। আমি সেই মহাকাশে অপরের সরে ইচ্ছামত যখন এইজ দেবতাদের ধর্মও উহাদিগের দেখা গিয়া থাকে অন ব্যবহারে (সাক্ষাৎকার ও কথােপকথনাদি ব্যবহারে প্রবৃত্ত অর্থাৎ ইচ্ছামত উহারা বাহা তাহা হইতে পারে। উহা- হইয়াছিলাম, কিন্তু আমাকে কেহই যখন তখন ইচ্ছামাত্রই দের মধ্যে কেহ মনুষের ॥ সম্প, কই কেহ লেখিতে সমর্থ হয়নাই। হে অন! সুপুরুষ স্বপ্নে চীংকার সর্পের ন্যায়, কেহ কেহ শৃগাল কুঙ্কুলের যায়। করিলেও পরে যেমন তাহার সে চীৎকার শুনতে পায় না এলে, জলাশয়, বিস্তারে, পথে, নরকের ন্যায় অপবিত্র -সেইরূপ সেই সুরলোকে উচ্চৈঃস্বরে চীৎকার করিলেও আমার স্থানেই বাস করে। ইহাদের আকার ও বাসস্থানের পরিচয় ও চীৎকার শব্দ কেহই নিতে পায় নাই। সে সমৰে কেই তোমাকে দিলাম, ইহাদের আচার ব্যবহারও বলিলাম। এক্ষণে পড়িয়া যাইতেছে, দেখিয়া আমি তাহাকে ধরিতে যাইলাম, কিন্তু ইহাদের উৎপত্তি কোথা হইতে তাহা বলিব। প্রথমে মায়া- ধরিলাম না, তাহার কারণ, ধারণাপযােগী হাজি ও আমার ছিল শন ব্রহ্মের খবভাৰপ্রাপ্তি ও মনঃআদি উপাধির সৃষ্টি বলিতেছি, না, আমি মনের সঞ্চলরূপে অবস্থিতি করিতেছিলাম। হে রঘু- শ্রবণ কর। হে রাম! চেতভাবশূন্য চিন্ময় সর্বশক্তিমান্ ব্ৰহ্ম নন্দন। অধিক কি বলিব, আমি সে সময়ে সেই পুরলােকের যিনি স্বভাবে অবস্থিত, তিনি চেত্য সঙ্কল্প করতঃ পুরুষের স্থায় পিশাচ হইয়া পড়িলাম, সেলিমের পিশাচ ধৰ্ম আপনাতে অনু- নিরুপে অবস্থিত হইলে জীব নামে অভিহিত হন, সেই জীব জব করিতে লাগিলাম। (পিশাচেরা যেমন অদৃশ্যভাবে বেড়ায়, ক্রমশঃ অভিমানে পরিপুষ্ট হইয়া অহঙ্কার নাম ধারণ করেন। আহাৰ কাৰ্য্য বা আকৃতি অপরে দেখিতে পায় না, আমিও ঠিক সেই অহঙ্কার ক্রমশঃ পরিপুষ্ট হইয়া উঠিলে ভবিগণ তাহাকে তাহাই হইলাম)।২৪-২৮। রাম কহিলেন, হে ভগব। মনঃসংজ্ঞা প্রদান করেন। সেই মনােৰূপী জীবকেই সমষ্টিরূপে আপনি যে দেলােকের কথা বলিলেন, তা কিরূপ? সে ব্ৰহ্ম বলা হইয়া থাকে। সেই ব্রহ্মা সঙ্কল্প গগনস্বরূপ। আকার- পিশাচের আকুতি, জাতি, আচার-ব্যবহার কিরূপ? তাহারা শূন্য ঐ অসত্য মনই এই অসত্য জগতের বীজ। এইরুপে কোথায় থাকে? তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, সিদ্ধান্ত করা গেল যে, ঐ মনই ব্রহ্মা, তিনি দেহ হইলেও “দেবলােকে যাদৃশ পিশাচ অবস্থিতি করে, তাহাদের বিষয় নির্মল আকাশস্বরূপ। তিনি সৎ হইলেও যথার্থ পক্ষে স্বপ্ন তােমাকে বলিতেছি শ্রবণ কর। প্রসঙ্গক্রমে যখন পিশাচের কথা মানুষের ন্যায় অলীক। ৩৮-৪৬। তাহার পার্থিবাদি মুভি উঠিয়াছে, তখন তােমাকে না বলিয়া থাকিতে পারিতেছি না, নাই, তিনি অতিবাহিক দেহবিশিষ্ট। আকাশে সঙ্কল্পিত পুরুষের প্রসঙ্গক্রমে যে কথার অবতারণা হয়, তাহা না বলিলে অসভ্যতা আবার পৃথ্যাদি আকার কোথা হইতে সক্তৰে ? তােমার মন প্রকাশ হয়। কোন কোন পিচ আকাশের ন্যায়, কোন কোন যেমন কল্পনার আকাশে নগর দর্শন করে, সেইরূপ উক্ত মন পিশাচের দেহ অজি মনােময় , তাহারাও স্বপ্নের ন্যায় মনের আপনাতে বিনিক্ষিৰ কল্পনা করিয়া দেখিয়া থাকে। এইরূপে কল্পনাতে হাপাদিমান্য হইয়া তােমর ন্যায় আকৃতি সন্দর্শন মন বিরিঞ্চিভাবাপন্ন হইয়া আপনার কল্পিত বিষয়কে সপে করিয়া থাকে। ঐ পিশাচের মনুষ্যশরীরে মনুষ্যদিগের চিত্ত অনুভব করেন, সাক্ষাৎ দেখেন। যাহাকে জীব বলিলাম, সেই ভ্রমরূপ প্ৰদ এতিবিম্বরূপে প্রবেশ করিয়া তাহাদের চিত্ত জীবও ত সেই সত্যচিন্ময় জ্ঞানশক্তিও তঁাহার বিদ্যমান আছে, আক্রমণ করতঃ তাহাদের দুঃখদায়ী বাসনা উদ্বােধিত করিয়া দিয়া সুং তাহার দর্শনশক্তি না থাকিবে কেন সেই শূঞ্জ মিরাকার থাকে। যাহাদের সবল অল্প, তাদৃশ অধম মানবগণকেই উহারা মনোরূপী ব্রহ্মা আকাশে অথবা ব্রহ্মে শূন্যকে যে ব্ৰহ্মাণ্ড নিহত করে, শরীরের মাংস ভেজন করে, রক্ত পান করে, বল আকারে দর্শন করেন, তাহাই জগৎ। তাঁহার তাদৃশ ধারণ কর করে, এইরূপে চিত্ত আক্রমণ করিয়াই উহারা জীবহিংসা বহুদিনের সত্যভাবনায় ঘনীভূত পরিপুষ্ট হইয়া দীর্ঘ স্বপ্নের করিয়া থাকে। উহাদের মধ্যে কোন কোন পিশাচ আকাশের গাৰু অতি সুন্দর হইয়া উঠে। অতিবাহিক দেহ ব্ৰহ্মা। শায় কোন কোন পিশাচ নীহারিকার সদৃশ, কোন কোন পিশাচ তাদৃশ চিরভাবনায় অনন্ত চিন্ময় ব্ৰহ্মই বহু সৃষ্টিরূপে অনুভূত স্বপ্ন মানুষের আয়, উহারা কল্পনায় আকার ধারণ করিলেও হয়। দৃঢ়ভাবনায় পরিপুষ্ট হইয়া তাহার ঐ অতিবাহিক দেহ প্রকৃতপক্ষে আকাশয়। কোন কোন পিশাচ দেখিতে যেৰ ক্ৰমে অধিভৌতিক ভাব ধারণ করে। আধিভৌতিক ভাব খুখের চায়; কোন কোন পিশাচের দেহ বায়ু। কোন কোন ধারণ করিলে ক্রমে বিভিন্ন প্রকারে সমুজ্জ্বল গং গংরুপে পিচ যে পুরুষকে আক্রমণ করে, তাহার ভ্রান্তিকলিত দেহ পরিণত হয়। ব্ৰহ্মা-চৈতন্যরূপ, সেই ব্রহ্মা সর্বদাই অজাত ধারণ করিয়া থাকে। ফল সকল পিশাচই মনােময়। উহা অবস্থায় অবহিত ( কখনও আত নহে), শুত্ব ও আকাশের ন্যায় বিগকে ধরিতে পারা যায় না, উহারাও কাহাকে ধরিতে পারে না, অত্যন্ত অভিজ্ঞ, পবন ও পবনস্পন্দের ন্যায় অভিন্নরূপে অবস্থিত উহারা আকাশের চায় জাতি হইলেও আপন আপন আকৃতি সেই জীৰও জগৎকে (পার্থিবাদি ) ভুতময় জ্ঞান করেন, তাহার নিয়ে অনুভব করিয়া থাকে। ভাতপাদি লিমিত যে সুখ যে ভূতময় জ্ঞান সন্তৰ নহে, সম্পূর্ণ মিথ্যা। তুমি যেমন দুঃখ, তাহাও অনুভব করিয়া থাকে। উহারা বা জলদি সময় পুরুষ অসত্য হইলেও তাহাকে পাৰিবাদি ভূত সত্য পান মাদি ভোজন এবং কাহাকেও আক্রমণ করিতে পারে পুরুষের ন্যায় দেখিয়া থাক, উহাও তদ্রুপ আনিবে। সেই । ১৩। উহাদের ইচ্ছা, দ্বেষ, স, ক্রোধ, লােভ, ব্রহ্মা ব্রহ্মাণ্ডাৰু নিজ শরীরে এককাঠিন্যাদি বিভিন্ন অংশকে মােহ প্রভৃতি সমস্তই আছে। মন্ত্রবলে ঔষধগুণে, অপােবলে এল, পৃথিবী প্রভৃতি পাঁচ সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছেন, ঐ পঞ্চবিধ বৈধ ও বলে উহাদিগকে বশীভূত করা যাইতে পারে। যােগ ভাগ চিতি যারা পরিপুষ্ট হইলেই জগৎ। যেন ও ফলে, ফলে, ৰা লে উহাদিগকে কেহ কেহ দেখিতে তগতভাৰে ভায় তােমার নিকট কখন কখন সকা বলি নির্বাণ-প্রকরণ উত্তরণ। ১৯ বােধ হয়; সেইরূপ ঐ ব্রহ্মা আত্মসঙ্কলকে সত্য বলিয়া অনুভব লােকসমূহ যেমন মিলিত হইয়া কাৰ্য ব্যবহার করে, সেইরূপ করিয়াছিলেন। তিনি নিজে চিন্ময় আকাশস্বরূপ, তাহার সে উহাদের মধ্যেও কোন কোন পিশাচ পরস্পর মিলিত হইয় সঙ্কলও চিদাকাশ যুং নিখিল জগৎ ও তাহার উৎপত্তি আহার বিহার দেখা সাক্ষাৎ জ্বাবধারণ প্রভৃতি কৰ্ম কৰিয়া বিনাশকে স্বপ্ন ব্যতীত আর কি বলা যাইতে পারে? তােমার থাকে। কেহ কেহ তিন কিন্তু ব্যক্তি স্বল্প লােকের হয় নানাস্থানে ঐ মন যেমন সত্য, এবং তােমার মনের বৃওি সকণ যেমন সত্য, দূরদেশে অবস্থিত, এ পরস্পর দেখা সাক্ষাৎও প্রাপ্ত হয় না। উক্ত ব্ৰহ্মার নির্মিত প্রভৃতিও সেইরূপ সত্য বলিয়া ৬১-৭৮। জগতে পিশাচ প্রভৃতি কুৎসিং অতিও যেমন অনেক জানিবে । ৪৭–৬০। সিদ্ধান্তে যখন এইরূপই প্রতিপন্ন হইল, আছে, তেমনি কুষ্মাণ্ড, যক্ষ, প্রেত প্রভৃতি জাতিও যথেষ্ট আছে। এখন এই অগপ্রপঞ্চকে মনেরাজ্য ভিন্ন আর কি বলা যাইতে যেখানেই নিম্নভূমি, সেইখানেই জল থাকে, সেইরূপ যেখানেই পারে, সে মনােরাজাও আর কিছুই নহে, চৈতঙ্গে শু নিরালম্বন এই পিশাচজাতি সেইখানেই সঙ্গে সঙ্গে তফ অবস্থিত থাকে। মকাণের স্বয়ংপ্রকাশ। স্বপ্নপুরীও যেমন আকাশ, সঙ্কলষ্ট মধ্যাহ্নকালে প্রখর রৌদ্রের সময় প্রাঙ্গণে যদি পিশাচ আসিয়া পপতও যেমন আকাশ, উক্ত ব্রহ্মার কল্পিত জগৎও ভদ্রু। উপস্থিত হয়, অমনি সঙ্গে সঙ্গে ধাের অন্ধকারও সেইস্থানে নিরাকার স্বচ্ছ আকাশই নির্মল চিদাকাশই এইরূপ জগদী- আসিয়া উপস্থিত হয় ,সে অন্ধকার সূর্যদেবের অবিনাশ্য, অপর কারে প্রতিভাত হইতেছে, ফলতঃ এই জগতের উ পত্তি, স্থিতি কহ তাহা দেখিতে পায়না , কেবল সেই পিশাই তাই ও বিনাশও মিথ্যা ভ্রান্তিাত্র। হে অনষ। এইপে ত্বানু- দখিতে পায়। দেখ একবার কি অদ্ভুত মায়া। চন্দ্রমণ্ডল, সূৰ্য্য সন্ধান করিলে বুঝিতে পারা যায় যে এই চিদাকাশ তুমি, আমি মণ্ডল ও অগ্নি যেমন তেজোময় দেইরূপ ঐ পিশাচাদির মণ্ডল বা অগং কাহারই কিছুই জাত বা বিনষ্ট হইতেছে না। অতএব আবাস) তেজোময়। পেচকাতি আলােকে যেমন অন্ধকার অনর্থের হেতু খাে রাগন্বেষ ভাদি কি আস্ত তােমাৰ মনােমধ্যে দেখে, অন্ধকার যেমন আলোক প্রাপ্ত হয়, উক্ত পিশাচগণও উদিত হইল, তাহা বল। হে রাম। বাস্তবিকই সৃষ্টির কারণ, আলােকে অন্ধকার দেখে , অন্ধকারেই প্রবল হইয়া উঠে। হে সৃষ্টি বা সৃষ্টির অভাব কিছুই নাই। আছে কেবল একমাত্র রাম। আমি সেই সুরপুরে পিশাচের ন্যয় হইয়া বিচরণ করিতে সর্বদা প্রকাশময় চিদাকাশ, তাহাই ঈশভাবে প্রকাশিত লাগিলাম, এই কথার প্রসঙ্গে তুমি আমাকে যে পিশাচভিন্ন হইতেছে। অনন্ত বিশালশূন্য চৈতন্যজলপূর্ণ চিদাকাশক্ষে কথা জিজ্ঞাসা করিয়াছিলে, তােমাকে তাহা সমস্তই বলিলাম। অজ্ঞানকল্পনারূপ কমে পঙ্কিল হইলে তাহাতে আকাশরূপ বীজ এক্ষণে আমার নিজের কথা বলিতেছি শ্রবণ কর। ৭১-৫। হইতেই নিৰ্ম্মল হৃষ্টিরূপ শিলাসমুহের উৎপত্তি হইতেছে, চতুৰতিভমসর্গ সমাপ্ত। ১৪। হইবে ও হইয়াছে। অথচ (কল্পনাপঙ্কের নিরসে ক্ষেত্রও কোথাও নাই, বপন করাও কিছুই কোথাও হইতেছে না, বীজও কুত্রাপি নাই)। চিদাকাশই সর্বদা একভাবেই অবস্থিতি করি- পঞ্চনবতিতম সর্গ। তেছে। কল্পনাপময় ঐ চিদাকাশক্ষেত্রে যে সকল ভূপ শেলা উৎপন্ন হয়, তাহাদের মধ্যে যে গুলি উজ্জ্বলকান্তি বশিষ্ঠ কহিলেন,—“অনন্তর আমি সেই আকাশে পঞ্চভূত বরূপ, তাহারা প্রবুদ্ধমতি দেবতা ও ঋষিজাতি। তাহাদের বর্জিত চিকাণ শরীরে পিশাচের স্যায় বিচরণ করিতে লাগি মধ্যে যে সকল প্ররে অর্ধ উজ্জ্বল, তাহারা ন হন্তী প্রভৃতি লাম। সেই সময়ে চন্দ্র, সূর্য, ই, হরি, হর, সিদ্ধ, গন্ধ, জাতীয়। যেগুলি ধূলিমাখা ও মজিন, তাহারা কৃমি ও স্থাবর- কিন্নর, অরােগণকেহই আমাকে দেখিতে পাইলেন না। জাতীয়। যেগুলি দেখিতে বৃহৎ উজ্জ্বলতা কিছুই নাই, শৃঙ্গাকায় আমি তাঁহাদের আক্রমণ করিলেও তাঁহারা আমাকে আক্রমণ জীর্ণ ক্ষত অর্ধমুর্কি যা মূৰ্ত্তিহীন, তাহাই পিশাচজাতীয়। করিতে পারিলেন না। আমার কথাও কেহ শুনিতে পাইলেন না। সঙ্গকর্তার ইচ্ছাও সকল সময়ে স্বাধীন নহে, সৃষ্ট জীবগণের এইরূপে আমি অপরের নিকটে বিক্রীত সাধুর ন্যায় কিংকর্তব্য- প্রাক্তন কর্মানুসারেই হইয়া থাকে, এইজন্য ব্রহ্মর ইচ্ছ। ঐ বিমূঢ় হইয়া বিচরণ করিতে লাগিলাম। পরে আমি চিন্তা মানব দেব পিশাচাদি উম মধ্যম অধম সকল প্রকার জীবের করিলাম,-আমি সত্যসঙ্কল, আমার সত্যসঙ্কতাবলে এই সৃজন করিয়াছিল। নতুবা ইচ্ছা করিলে তিনি কেবল উত্তম দেবগণ আমাকে দর্শন করুন।” আমার ঈশ ভাবনায় পরক্ষণই জীবেরই সৃষ্টি করিতে পারিতেন। কথিত সমস্ত ভূতই চিনা সেই দেশগণ সকলেই আমাকে দেখিতে এত্ত হইলেন। ই- কাশরূপী আতিবাহিক দেহে অবস্থিত পৃথ্যাদিভাবে কিছুমাত্র জলক্রীড়ায় প্রকাশিত বক্ষের ন্যায় হঠাৎ আমি তাহাদের সম্মুখে উহাতে নাই। দীর্ঘকালের অনুভবে স্বপ্ন যেমন সময়ে সময়ে আবির্ভূত হইলাম তৎপরে সেই দেবতবনে আমি একজন জাগ্ৰদ্দশ প্রাপ্ত হয়, স্বেইরূপ উক্ত অতিবাহিক দেহী ভূতগণ লােকব্যবহারসম্পন্ন পুরুষ হইয়া লিঙ্কভাবে অবস্থিতি করিতে চিরন্তন অভ্যাসবলে আধিভৌতিক স্থানাপ্রাপ্ত হয়। ঐ পি- লাগিলাম। ১৭। সঁহারা প্রথমে আস্থাকে চত্বর হইতে উখিত চালি অধম ভূতজাতি আধিভৌক ভাবাপন্ন হইয়া আপন মনে দেখিলেন, তারা আমার পূর্বাপর ঘটনা কিছুই জানেন না। সন্তোষ সহকারে সংসারে বিহার করিয়া থাকে, অপর উত্তম পরন্তু তাহারা আমাকে পৃথিবীপভূত বশিষ্ঠ বলিয়া সিদ্ধান্ত জবের নিকট তাহালের অব কষ্টপ্রদ কুৎসিত বলিয়া বিবেচিত করিলেন। গগনচর যে সমস্ত ব্যক্তিগণ আমাকে আকাশে সূর্য- হইলেও তাহাদের নিকট উত্তম বলিয়া বােধ হয়, এইজন্য তাহারা রশ্মি হইতে গর্শন করিলেন, তাঁহারা আমাকে তৈজস রাশি উহাতেই সন্তুষ্ট থাকে। এক গ্রামবাসী ব্যক্তিগণ যেমন পরস্পর সিদ্ধান্ত করিলেন। গগনচর সিদ্ধগণ দেখিলেন, আমি বায়ু হইতে মিলিত হইয়া তাহার ব্যবহার করে, একজনের স্বপ্নে প্রতীয়মান উৎপন হইতেছি, তাহাদের সিদ্ধান্তে বায়ুগত (বয়ুময়) বশিত ।
যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ বলিয়া নিরীকৃত হইলাম। যে সমূদয় মুনীশ্বরগণ আমাকে জল তাহা বুবিয়া অন্তঃকরণের শীতলতা লাভ করিতে চেষ্টা করে না। হইতে দর্শন কৰিলে, তাহারা আমাকে এম বি করিলেন। এই যে এগ স্বভাবদোষে বিষাকৃষ্ট হইয়া পরস্পর কাড়াকাড়ি সেই সময় হইতে আমি কোথাও পার্থি, কোথাও অসময়, কৱিষ ধনসম্পত্তি অর্জনে বহু করিতেছে, যদি ইহারা এই কোথাও জেলাশয়, কোথাও বায়ুময় বলিয়া বিখাত হইলাম। মােক্ষশাস্ত্র যােগবাণিষ্ঠের মর্যগ্ৰহণ করিয়া তত্ত্বজ্ঞানলাভ করিতে অনন্তর কালক্রমে আমার সেই আবািহিক দেহেই আধিভৌতিক পারে, তাহা হইলে আর ঐরূপ মারামারি কাটাকাটি করিয়া মরে ভাবসিদ্ধ হইয়া গেল। ৮-১২। ফলতঃ কি অভিহিক, কি না, চিরদিনের ভরে মুখশান্তি লাভ করিয়া নিশ্চিন্তভাবে আধিভৌভিক দুইই এক আকাশ, দুইই এক বস্তু; একমাত্র কালাতিপাত করিতে পারে। বাল্মীকি কহিলেন,-মুনিবর বশিষ্ঠের চিতিই এই দ্বিবিধভাবে বিকাশ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। কোন কোন এই পৰ্যন্ত কথাশেষ হইলেই দিবাবসান হইল; সূর্যদেব সাফ লে অাকাশদি ভূতরূপে অবস্থিত হইলেও আমি পরম চিদা কৃত্য সমাধান অস্তাচলে গমন করিলেন। সস্থ সকলে কাশরূপে অবস্থিত, আমার কোনরূপই আকার নাই, তবে সায়ংকাল উপস্থিত দেখিয়া পর পর অভিবাসন করিয়া, সাং- যােমাদিগকে উপদেশ দিবার জন্য সাকার হইয়া থাকি। ব্যবহারী কৃত্য-সমাধানার্থ গাত্রোখান করিলেন। রাত্রিকাল অতিবাহিত জীবন্মুক্তও যেমন প্রকাশস্বরূপ, বিদেহমুক্তও তেমন ব্রহ্মাকাশ করিয়া পরদিন প্রভাতে আবার সূর্যকিরণের সহিত সভায় স্বরূপ। ফলকথা সেইরূপ ভৌতিক ব্যবহারেও আমার ব্রহ্মভাব আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ২৫-৩১। অব্যাহতই ছিল, আমাতে উক্ত ব্ৰহ্মভাবের অপ্রকার একান্ত পঞ্চনতিঅ সর্গ সমাপ্ত। ১। অসন্তৰ তােমাদিগকে উপদেশ দিবার জন্যই আমি (ব্রহ্ম) আমি (বশিষ্ট) হই। অজ্ঞব্যক্তির যেমন অজাতনিরাকার স্বপ্ন মানবে আধিভৌতিকতাবুদ্ধি হইয়া থাকে। আমাদেরও সেইরূপ আধিভৌতিকবুদ্ধি হইয়া থাকে, (আমি ভূজয় ইত্যাকার বুদ্ধি যবতিতম সর্গ। হইয়া থাকে। এইরূপ ব্ৰহ্মাদিশরীরও অপরের চক্ষে আধি বশিষ্ঠ কহিলেন,-“হে কর্তব্যপর। কর্তবিজ্ঞ। তােমার ভৌতিক বলিয়া প্রতীয়মান হয়, স্ব স্ব দৃষ্টিতে তাহারা জাত নহে, নিকটে পাষাণােপাখ্যান সম্পূর্ণরূপে কীৰ্ত্তন করিলাম। এই উপা- (আজ কারও কাহারও জন্ম হয় মাত্র)। ১৩-১৮। খ্যানের মর্মার্থ অবগত হইলে সন্তই চিন্ময় বলিয়া দৃঢ় প্রতীতি সেই আকাশবশিষ্ঠ আজ তােমাদের নিকটে, তােমাদের বুদ্ধির হয়, এই সৃষ্টিগ্রপঞ্চ তখন চিদা গাশে অবস্থিত হইবে। কোন অনুবর্তী ভৌতিক শরীরপ্রাপ্ত হইয়া পরিপুষ্ট হইয়াছে। স্বল্প কালেই কোথাও কিছুই নাই, আনন্দ ব্ৰঙ্গে ব্ৰহ্মই কেবল যথা- ব্ৰহ্মার নিখিল সৃষ্টিই পৰ্যালােচনায় মনােমাত্ৰ বলিয়াই সিদ্ধান্তিত স্থিতভাবে অবস্থিত। উক্ত ব্ৰহ্মকে চিমাত্র বলিয়া জানিও, ঐ হয়। এই আমি তুমি প্রভৃতি সৃষ্টি, অজ্ঞনদোষেই বালকের চৈত্যই প্রদর্শনকালে নগর হইয়া থাকে, পরন্তু উহা নিজ নিকটে বেতালের স্থায়, তােমালের নিকটে বজ্রের অচণ অটল, অরূপ হইতে কখনই পৃথক হয় না। ঐ চিদাকাশ ব্ৰহ্ম কি জীব- নর, কঠিন বলিয়া বধ হইয়াছে। অজ্ঞানলাভ করিলে, সমষ্টিরূপ স্বল্পভাবপ্রাপ্তি, কি ভুল দৃভাবপ্রাপ্তি, সকল বাসনাক্ষীণ হইলে, অল্পকলমধ্যেই ইহা চিরপ্রবাসী বন্ধুর প্রতি অবস্থাতেই নিজৰূপ পরিত্যাগ করেন না, নিজে যে আজ চিদা- মেহের স্যার ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। স্বপ্নে দৃষ্টনিধির প্রতি উপাদেয়তা কাশ, তাহা থাকেনই, অণুমাত্রও তাহার ব্যতিক্রম হয় না। কি বুদ্ধি যেমন স্বপ্নভঙ্গ হইলে আর থাকে না। সেইরূপ মােহ উপ কি জগৎ কি স্বপ্নপুরী এ সকল কিছুই নাই। পরমার্থ- শান্ত হইলেই এই অহাৱাদি স্থূলভাবও উপশান্ত হইয়া যায়। দৃষ্টিতে একমাত্র চিময় ব্ৰহ্মই বিরাজ করিতেছেন। ১-৫। মরুভূমিতে জবুদ্ধি যেমন, যে মরুভূমি বলিয়া জানিতে পারে, অখণ্ডভাবে অবস্থিত চৈতন্যই সৃষ্টি প্রান্ত হইতে মহাপ্রলয় তাহার নিকট থাকে না, সেইরূপ পরিজ্ঞাত হইলে, এই নিখিল পর্যন্ত তােমার স্বপ্নে অনুমান নগরীর স্যায় জগদ্ধপে অবস্থিত * নিবৃত হইয়া যায়। ১১৪। এই মহামায়ণের সদৃশ করিয়া থাকে। সুবর্ণ ও সুৰন্তরে, স্বপ্ননগর ও চেতনের পারে আলোচনামাত্রেই এই তত্ত্বজ্ঞান প্রাপ্ত হওয়া যায় , এই যেমন পার্থক্য একেবারেই সবে না, চৈতন্য ও সৃষ্টপ্রপঞ্চেরও জ্ঞান লাভ ত অতি সহজ। সংসার-বাসনাবণে বাহার বুতি সেইরূপ কোন পার্থক্য নাই। ফলতঃ একমাত্র চৈতন্যই সত্য, এভারূপ (যাহা বাস্তৰিক নাই তাদৃশ ), দেহাদিতে আসক্ত দৃষ্টিপ্রপঞ্চ অলীক; সুবর্ণই যথার্থ, অঙ্গুরীয়ক একটা আরােপিত মােক্ষবিষয়ে কিছুমাত্র স্পৃহা নাই। সে ব্যক্তি অপবিত্র কুকুর বা ভ্রান্তিমাত্র। স্বপ্নে যে পরে প্রীতি হয় তাগতেও এক সামান্য কীটম্বরূপ জনিবে। হে রাম। তুমি একবার বিচার করিয়া মাত্র চৈতই সত্যরুশে বিদ্যমান থাকে, পৰ্বতৰ হাতে দেখবে,জীবন্মুক্ত ব্যক্তি কিরূপ ভােগ্যবস্তুর উপভােগ করেন, কিছুমাত্র নাই। নির্বিকার চৈতন্য যেমন স্বপ্নে শৈলের স্থায় আর মূব্যক্তিই বাকিরূপ ভােগ্য উপভােগ করে। মুখলােক প্রতীয়মান, সেইরুপ নিরাকার ব্ৰহ্মই মূরিপে প্রতিভাত হন, যাহা অপৰিত্ৰ, তাহাই ভোগ করে, জীবন্মুক্ত ব্যক্তি বিশুদ্ধ চিদানন্দ অন্য কিছুই নহে। এই যে অনন্ত অজ অক্ষয় চিনাকাশ, সহ উপভোগ করিয়া থাকেন। যাহারা অজ্ঞ, তাহাদের ভােগ্যবস্তুতে কগেও ইহার ক্ষয় বা উদয় নাই। চিকাশই পুরুষ, তুমিও বির ন্যায় প্রখর তৃষ্ণাদি সালের উ হয়, আর হারা এই চিলাকাশ, আমিও অজয় চিদাকাণ, এই ব্রিজগৎও চিদাকাণ, মহারায়ণের সদৃশ শাস্ত্র চর্চা করিয়া থাকেন, তাহাদের সে চিদাকাশ পরিত্যাগ করিলে এই শরীর শব নির্জীব হইয়া যায়, সভাপ কে না; তাঁহাদের অন্তঃকরণ কাল হয়। চিজের ঐ চিকাশকে দগ্ধ করা যায় না, ছিন্ন করা যায় না, ঢিাকাশ তলতাই মােক চিজের সন্তাপই বন। জনগণের কি মত কখনও নষ্ট হয় না। ৬-১২। অতএব সমস্তই যখন চিন্ময়, তখন মােহ, যেহেতু অয়লের অনায়াসে ইহা বুঝিবার শক্তি থাকিলেও, কিছুই মরে না, কিছুই আগ্নে না, কেবল চিৎকাশই জগৎ নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরাগ। ১। চৈতন্যের মৃত্যু ইত্যাকারে অনুভূত হয় মাত্র। চিন্ময় পুরুষের (আত্মার) মৃত্যুই বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। হে মহামূঢ় অনগণ। তােরা চেত যদি হইত, তাহা হইলে পিতার মৃত্যুতে পুত্রেরও নিশ্চিত মৃত্যুই চিকাশ ব্যতীত আর কিছু কি কোথাও পাইছ? যদি পাইয়া হইত, (কারণ পুত্র পিতার আত্মা) ভিভে আত্মাকে এক বলা থাকত বল ? আমি বােধ করিতেছি, কিছুই প্রান্ত হও নাই, হইয়াছে, সুতরাং আত্মার মৃত্যু হয় বলিলে একজনের মৃত্যুতে বৃথাই আত্মার অপলাপ করিতেছ। ২৬-৩৪। চৈ যদি সকল লােকই মরিয়া যাইত, ভূমণ্ডল একেবারে শূন্য হইয়া যাইত। মৃত হয়, তাহা হইলে ত সকল শােক প্রত্যহই মরিয়া যায়; হে রাম! অাপি কাহারও ৩ চৈতন্যকে মারিতে দেখা যায় চত মরিলে তােমারাও কি হয় না? নাই, ভূমিও ও শূন্য থাকে নাই , চিন্ময় পুরুষ অক্ষয় অবিনাশই স্বীকার করিলে, তােমাদিগের নিতই মৃত্যু স্বীকার করিতে হয়। দেখিয়া আসা যাইতেছে। উক্ত অবিনশ্বর চিত্ৰই আমি, চৈতন্য সবই ত এক ; মৃত্যু প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও আমার এ শরীরাদি আমি নাই” এইরূপ তানুসন্ধান করিতে হইতেছে। অতএব বাস্তবিক কিছুই মৃত হইতেছে না, কিছুই পারিলে আবার জন্ম মৃত্যু কোথায় ? যাহারা “নির্মল চতই জীবিত হইতেছে না, “আমি জীবিত, আমি মৃত” ইহা চৈতন্য আমি,” ইত্যাকার আত্ম-অনুভবকে নষ্ট অর্থাৎ কুতর্ক করিয়া খণ্ডন অনুভব করিতেছেন মাত্র। বাস্তবিক তিনি মৃত বা জীবিত করে, তাহারা আত্মঘাতী, তাহারা বিপদসাগরে মগ হয়। হইতেছেন না। চতঃ যাহা অনুভব করেন, তাহাই ঝটিতি আমি আকাশ অপেক্ষা নিৰ্ম্মল অনন্ত নির্বিকার নিত্য চৈতন্য- দর্শন করেন, আবালবৃদ্ধ সকলেরই ইহা অনুভবসিদ্ধ , পরন্তু স্বরূপ, আমার জীবনই বা কি মরণই বা কি? সুখই বা কি? চৈতন্য নিজে কুত্রাপি বিনষ্ট হইতেছেন না। তিনি সংসার দুঃখই বা কি? আমি চিদাকাশস্বরূপ, আমার আবার শরীরালি (বন্ধন) দেখিতেছেন, মুক্তি দেখিতেছেন, সুখ দুঃখও জানিতে কি? ইত্যাকার অজানীর অনুভবকে যে ব্যক্তি অপলাপ ছেন, কিন্তু নিজজ্ঞানস্বরূপ হইতে কদাপি বিচ্যুত হইতেছেন না করে, সে আত্মঘাতী, তাহাকে ধিক্। ১৩২। আমি তিনি যখন নিস্বরূপ অজ্ঞত হন, তখনই নিজে মােহনাম ধারণ নির্মল চিদাকাশ” ইত্যাকার স্পষ্ট অনুভব যাহার হৃদয় করেন , যখন নিজস্বরূপ পরিজ্ঞাত হন, তখন মুক্তিনামে অভিহিত হইতে অন্তমিত, সেই মুঞ্জীবকে পণ্ডিতগণ শব বলিয়া জ্ঞান হন। সমস্তই যখন আক শবৎ স্বচ্ছ চৈতঙ্গ, তখন অক্টোবর করেন। “আমি জ্ঞানস্বরূপ, আমার আবার দেহই বা কি? কাহারও নে নাই, ইহা জুবই স্বীকার করিতে হইবে । ইন্দ্রিয়ই বা কি ? এইরূপ জ্ঞানলাভ করিয়া যে আত্মাসাক্ষৎকার এই চিকাময় জগতে এমন কিছুই নাই, যাহা সত্য হইতে করিয়াছে, সেই নির্মলাত্মা ব্যক্তিকে বিপদে কিছুই করতে পারে পারে না। আবার এমন কিছুই নাই যাহা মিথ্যা হইতে পারে , না। যে ব্যক্তি বিশুদ্ধ চিন্ময় আত্মাকে দৃঢ়রূপে অবলম্বন করিয়া সত্য মিশা ইহা ভাৰনাৰলেই হইয়া থাকে। যে বাহা যেরূপে স্থিরভাবে অবস্থিতি করে, কঠিন পাষাণে যেমন বলবিদ্ধ হয় না, ভাবনা করিবে, তাহার নিকটে তাহা সেইরূপই হইবে। চিত্র সেইরূপ মনােবদনা আসিয়া তাহ কে বিদ্ধ অর্থাৎ আক্রমণ ঘেরূপে যাহা ভাবনা করেন, তাহা অপেই অনুভব করিয়া করিতে পারে না। যুহারা নিজের চিন্ময়তা ভুলিয়া গিয়া থাকেন, ইহা সকলেরই অনুভসিদ্ধ। যেমন অমৃভজ্ঞানে বিষও শরীরের প্রতি আস্থা করে, শরীরকে আত্মবােধে পালন করে, অমৃত হয়, বিজ্ঞানে অমৃতও বিষ হয়, সেইরূপ জগতের সমস্ত ৰস্তুতই তাহার সুবর্ণ ফেলিয়া দিয়া ভষ্ম কুড়াইয়া লয়। “এই পদার্থ ই দেশকাল-পাত্রভেদে ভাবনার অনুসারে বিভিন্ন হইয়া দেহই আমি” ইত্যাকার ভাবনায় বল, বুদ্ধি, তেজঃ সবই নষ্ট থাকে। অতএব ভাবনা অর্থাৎ জ্ঞানের অনুসারী নহে, এমন হয় , 'আমি চৈতন্য ইত্যাকার ভাবনায় ঐ সমস্ত আবার কোন বই এগতে নাই। ৩৫–৪২। পুনরুদিত হইয়া থাকে। ১২৫। আমি বিশুদ্ধ চিদাকাশ বণবতিতম সর্গ সমাপ্ত। ১৬ | আমার বাবার জন্ম মৃত্যু কি? এইরূপ তত্ত্বজ্ঞান হইলে লােভ মােহালি আর কোথায় থাকিবে। যে ব্যক্তি চিদাকান পরিত্যাগ করিয়া থেকেই সারাত্মা বলিয়া জ্ঞান করে, সেই মুঢ় ব্যক্তিকেই সগুনবতিতম সর্গ। লােভ মােহদির আধার বলা যাইতে পারে। আমি কিছুতেই বশিষ্ঠ কহিলেন,-“হে রাম। পরমাত্মার স্বপ্নভূত এই ছিন্ন হই না, দগ্ধ হই না, আমি হজ্ঞের ত্ম কঠিন চিৎস্বরূপ, জগৎকে পরমার্থ সত্য ব্ৰহ্মাকাশরূপে জ্ঞান কৰিলে এই সমস্ত আমি দেহধারী ইত্যাকার ধারণা যাহার বলবতী হইয়াছে, মৃত্যু জগৎপ্রপঞ্চই ব্ৰহ্ম; সুতরাং সকলেই এই জগৎকে সত্যরূপে তাহার নিকট তৃণ বলিয়া বােধ হয়। কি আশ্চর্য্য। জ্ঞানী পণ্ডিত অনুভব করিতে পারে। যদি বল, ব্রহ্মরূপে ইহার সত্যতা হইতে দিগের মােহ দেখা যায়। যেহেতু তাঁহাদের মধ্যেও অনেকে এই পারে; কিন্তু ভাগ্ৰতীতিক্ষপে ইহার সত্যতা হয় কিরূপে? কারণ শরীর খণ্ডের নাশে নষ্ট হইলাম বলিয়া ভীত হইয়া থাকেন। আমি জুসভ্রাভিস্থলে জুত সত্য ,সেই রজুতে অথ্যন্ত সর্পত চিলাকাশই এইরূপ সত্য ধারণা অমূঢ় হইলে বজ্রপাত, প্রণয়নল, আর সত্য নয়, তাহার উত্তরে বলি, রসালে সর্প সত্য না দাই পুস্পবৃষ্টির গায় প্রতীয়মান হয়। আমষ্ট হইলেও আমি হইতে পারে, কারণ ও দৃবস্তু, সর্পও বস্তু , কিন্তু অমর চৈতন্য লবি, আমি গেৎ, আমি কি হইলাম” এইরূপ উভয়ের ন ত আর এককালে হইবে না; অন একটিই চিন্তা করিয়া যে নােগন করে, বিবেকীদিগের দৃষ্টিতে তাহা নটেয় মাত্র হইবে, যখন রঞ্জুদর্শন হইবে (জু বলিয়া জ্ঞান হইবে,) বােদনবৎ পরিহাস ক্রীড়া প্রতীয়মান হইয়া থাকে। এই তখন আর পানি অর্থাৎ অজ্ঞান হইবে না; এজন্য উহাকে চৈ আমি,দেহাদি আমি নহি” যাহার অন্তরে ঈ নিশ্চয় মিথ্যা বলতে পারে, কিন্তু অগত্ৰম স্কুলে ভ্রমই কেবল দৃষ্ণ হইয়াছে, সে কখনই মােন হয় না। আমি চিলাকাণস্বরূপ, দেখা যায়; মহাচিতি ত আর দৃষ্ণ নয়; যে মহাচিতি ঐ কৃষ্ণ আমার বিশ নাই ,এই জগৎ কেবল চিলাকাশেই পরিপূর্ণ, এ জগমের কারণ বলিয়া ঐ কাৰ্য দ্বারা উহার সত্তার অনুমান । । • ষােগাষ্ঠ-রামায়ণ পারে হইতেছে, এই চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ মহাচিতির কার্য এই জগদ- কৃষকের সাহায্য ব্যতিরেকেই গদির উৎপত্তি, ইত্যাদি কাব্যের এমকে সত্য বলাও যুক্তিযুক্ত হইতে পারে , স্কুলকথা এই যে, কর্তা অন্বেষণ করিয়াও ত পাওয়া যায় না। যাহারা বলে ক্ষিতি আপন আপন অনুভবের উপর নিম করিয়া সত্য ও মিথ্যার অঙ্কুর প্রভৃতি যাবতীয় কাধের কর্তা এৰু তাহাদের মতও সত্য, ব্যবহার হইয়া থাকে, এইরূপে অনুভবের উপর নির্ভর কারণ তাহারাও তাদৃশ মত সত্যজ্ঞানে সর্বকর্তা ঈশ্বরের উপাসনা করিয়া জগদমকে সত্য বলিলে পরমার্থ সত্য বস্তু আকেও কবিৰ অভীষ্ট দিব্ধি করিয়া থাকে। বাহাৱা আস্তিক, তাহাৱা অসত্য বলা যাইতে পারে, বন্ধদশায় নিখিল দৃপক্ষের ইহলােক ও পরলােক দুইই মানে, এই পরলােকপ্রার্থী হইয়া বিনাশরুপ মােল হয়না, মােক্ষ না হইলে আবার আত্মার প্রতীত হারাবে তীর্থনানাদি করে, তাহাও নিল হয় না, অতএব সম্ভব হয়না, মােক্ষ হইলেও প্রতীতি কুর্তা জীবের অভাব হয় তাহাদের আশ ভাবনাও সত্য,সমস্তই শুন্য ইত্যাকার বৌদ্ধমতও আত্মার অনুভব ( চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ) কি বন্ধ, কি মােক্ষ কোন কলেই সত্য , কেন না তাহারাও বিচার করিয়া দেখিয়া কিছুই না পাইয়াই যটি উঠে না। এই সমস্ত কারণে পরমার্থ সত্য বস্তুকে শু ত সব শূন্য বলিয়াছে। হে রাম! আমি এই যে সকল সম্প্রদায়ের বলাও যুক্ত হইয়া পড়ে। এইরূপে স্ব স্ব অনুভব অনুসারে মতকেই সত্য বলিয়াছি, তাহার প্রধান যুক্তি এই যে, চিতি সত্য অসভ্য নিরূপ। করিলে সকল সম্প্রদায়ের মতই সত্য হইতে কল্পবৃক্ষের ন্যায়-চিন্তামণির ন্যায়, আপনার খাই। ঈন্দিত, তাহাই কপিল মুনির মা ‘সুখদুঃসঙ্কুল এই জগৎ, গুণত্রয়ের ঝটিতি সম্পাদন করিতে পারে। অথচ চিতি নিজে আকাশমন্ত্রী। সাম্যাবস্থারূপ প্রকৃতি হইতে মহৎ অহঙ্কার ইত্যাদিক্রমে যারা বলে এই এ জগৎ শূন্যও নয়, অশুন্যও নয়, তাহাদের আবির্ভূত। পুরুষ চৈতন্যস্বরূপ, তাঁহার কোনরূপ কর্তৃত্ব নাই, মতও অসত্য নহে। কারণ সর্বশক্তিমান ব্ৰহ্মার মায়া অতি তিনি সাফি-স্বরুণ ? কপিলমুনির এই মতও তঁাহার অনুভব অদ্ভুত অনির্বচনীয় ,সেই মার শক্তি শুন্যও নহে অশূন্যও নহে। অনুসারে সত্য হইতে পারে। “জগৎ ব্রহ্মেরই বিবর্ত” ইত্যকার সর্বশক্তিমান ব্রহ্মের বিচিত্র মায়াবলে যে যেরুপ অনুভবের উপর বেদান্তা সম্প্রদায়ের মতও সত্য। কারণ পৰ্যালে চনায় এইরূপই নির্ভর করিয়া কাৰ্য করে, সেই তাহা হইতেই ফললাভ করে। অনুতন সিদ্ধন্ত হইয়া যায়। আর এক সম্প্রদায়ের মতে পরমাণু যদি মুঢ়তা বশতঃ চেষ্টা হইতে বিরত না হয় (১, তাহাই বলিয়া সমষ্টি জগৎ এইরূপ কল্পনাও তাহাদের অনুভবে সত্য। ১-৬। যে সে লােকের সিদ্ধান্তে কাৰ্য্যে প্রবৃত্ত হওয়াও ভাল নহে; এই জগৎ কি ইহলোকে কি পরলোকে যেরূপ দুষ্ট হইতেছে, ইহা বুদ্ধিমান লােকে পণ্ডিতদিগের সহিত বিচার করিয়া যেরূপ সেইকাই , ইহা ন। সং, ন অসং ইত্যাকার দৃষ্ট সৃষ্টিবাদীর সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়া থাকেন, তাহাই গ্রহণী, তদনুসারেই কল্পনা তাহাদের অনুভবে সত্য। আর যাহা (চার্বাকেৱা) বলে কাৰ্য করা উচিত। যিনি ভালরূপে শাস্ত্রাধ্যয়ন করিয়া সদাচার ‘এই বাহ প্রত্যক্ষগোচর পৃথিব্যাদি ভূতচতুষ্টয়ই সত্য, এভিন্ন প্রতিপালন করেন, তিনিই প্রকৃত পণ্ডিত, সেইরূপ পণ্ডিত্রেই আর কিছুই নাই।” তাহারাও সত্যবাদী, কারণ তারা আপন আশ্রয়ে থাকা উচিত।১১-২০। যিনি শাস্ত্ৰাৰ্থ লইয়া বাদ- শরীরমধ্যে ইন্দ্ৰিতীত কোন বস্তুই প্রাপ্ত হয় না। প্রতিকণেই বিতণ্ডাকারী শাস্ত্রের মর্মানভিজ্ঞ ব্যক্তিদিগকে শার্থের মর্ম পদার্থসমূহের পরিবর্তন দেখিয়া বাহার। বলে সমস্তই ক্ষণিক বুঝাইয়া দিয়া জানন্দ উৎপাদন করেন ও নিজে শানিষিদ্ধ ক্ষণভঙ্গুর, সেই ক্ষণিকবাদীদিগের মতও সত্য, সভ্য হওয়া গর্হিত আচরণ করে না, তিনিই শ্রেষ্ট পণ্ডিত, তাঁহার সংসর্গে মণবও নহে, কারণ সেই পরমপদ সৰ্বশক্তিমান, তাগতে থাকা উচিত। জল যেমন নিম্নদিকেই ধাবিত হয়, সেইরূপ সবই সত্তৰে । যেমন ঘটের মধ্যে অবরুদ্ধ চটক পক্ষী ঘটের সকল জীবই নিজ নিজ অভিলষিত বিষয়ের দিকে ধাবিত হয়। মুখের আচ্ছাদন খুলিয়া দিলে বাহিরে উড়িয়া যায়, সেইরূপ অর্থাৎ তাহারা বিভিন্ন পথে ধাবিত হইয়া আপন আপন কুচি ও দেহ-ধ্যে পরিস্থি' জীব কর্মপি আবরণের অপসারণ করে সিদ্ধান্ত অনুসারে সেই সেই পথকে হিতকর ও যথার্থ বলিয়া উড়ি পরলােকে য—ইত্যাকার অতিদিনের কল্পনাও সত্য। জ্ঞন করে সেই সমস্ত বিভিন্ন উপায়ের মধ্যে কোন উপায়ে এইরূপ মেচ্ছ যবনদিগের মতে ঈশ্বরের উৎপাদিত দেখাকার গরৰ পুরুষাৰ্থ লাভ হয়, তাহা জানিবার জঙ্গ সশস্ত্র ও গুরুর সংসারসাগরের তরমালায় ভাসি জীব, ঐ জীব যে মৃত্যুর পরে যেহলে দেহ নিখাত করা যায়, সেই আশ্রয় করিতে হয়। খানেই থাকে, তাহার পরে ঈশ্বর ৩,হাদের আপন ইচ্ছামত ভাসিয়া জনগণ তৃণাগ্রসংলগ জৰিয় স্থায় অলক্ষিত ভাবে মোচন, উচ্ছেসাধন, স্বর্গ নরকে প্রেরণ করিয়া থাকেন” ইত্যাকার দিবসসকল অতিবাহিত করিতেছে। রাম জিজ্ঞাসিলেন- কল্পনাও তাহাদের অনুভবে সত্য হতে পারে। ভগবন। আপনি যেরূপ পণ্ডিতের কথা বলিলেন, সেরূপ পণ্ডিত মৃত্যু, যুব, পরশ প্রভৃতি পদার্থ পরস্পর বিরুদ্ধ ও ভিন্নকালজাত এখন ৬ অতি দুর্লভ, এখন সকলের ভােগ-তৃষ্ণল ব্ৰহ্মাকাণের হইলেও যাহারা সর্বত্র সমদৃষ্টি, একমাত্র সত্যবস্তুতেই সৃষ্টিকারী জগদ্ধপরূক্ষে শাখা প্রশাখা বিস্তার করিয়া লতার স্যায় বর্ধিত (সবই মত দেখে যাহারা) তত্ত্বজ্ঞদিগের নিকট সমান সৰ্বল হইয়া উঠিয়াছে। এখন, পূর্বাপর বিচারে সার অসারের পার্থক্য সত্য বশিষ ঘে প্রতীতি হয়, হাও মিথ্যা নহে, কারণ ব্ৰহ্মই বুঝিয়া প্রকৃত পরমার্থ বুঝিয়া লয়, এমন লোক আছে কি? সর্বশক্তিসম্পন্ন ও সর্বময় । যাহারা স্বভাববাদী অর্থাৎ এই সমস্ত ৰষ্ঠ কহিলেন, রাম। সেরুপ পণ্ডিত লােক যে অতি তুলত, জগৎ স্বভাব হইতেই সংই উৎপন্ন এবং স্বভাবতঃই (স্বয়ংই) তাহার সন্দেহ কি? তবে একেবারে যে পাওয়া যায় না, এমন বিনষ্ট হয়, ইহার উৎপত্তি বিনাশের কওঁ। আর কেহই নাই, এইরূপ মত প্রচার করিয়া থাকে, তাশ বা চার্বাক (১) তাৎপৰ্য এইদিন আজান না হয়, অতদিনই দিগের মতও মুক্তিযুক্ত। ঘট পটাদির সচেতন কৰ্ত্তা দেখা যায় কথিত বিভিন্ন মত সকল সত্য বলিয়া গ্রহণ করা যাইতে পারে, বটে, কিন্তু সকলৰপ্তর কর্তা ত দেখা যায় না, অকালবৃষ্টি, ক্ষেত্রে আত্মজ্ঞান হইলে বােধ হবে আত্মই সত্য, আর সব মিথ্যা।
নির্বাণপ্রকরণ উত্তরভাগ । নহে, দেব, গন্ধর্ব, মনুষালি অ িভিতরে দু'এক জনকে কর্কেটক, মহাল প্রতি নাগগণ মুক্তভাৰ বিবেকী জীবন্মুক্ত সেরুপ পণ্ডিতপাদ্য করা যাইতে পারে। সূৰ্যদেবের স্যায় বলিয়া বিখ্যাত। ব্রহ্মলােকে, বিষ্ণুলােকে ইসলাকে এইরূপ তেজোময় দৃণ মহাত্মা দু'এক জন আছেন বলিয়াই তাহাদের গন্তও জীব মহাত্মা আছেন। হে রঘুম। সিজ সা লােকে জানালােকেই) দিন চলিতেছে। তাদৃশ দু'একজন মহাত্মা মনুষ্যলােকের মধ্যে জীবন্মুক্ত রাজা, ব্রাক্ষ্মণ ও মুনি আয়ও ছাড়া আর সকলেই মােহসাগরে তৃণের স্থায় ভাসিতেছে। দুএকজন আছে; কিন্তু অহা অতি বিরল। হে রূম। চতুর্দিকে দেবাদি সকল জাতিতেই মােহময় অজেরই সংবা অধিক। যথেষ্ট সীৰ ৰাস করে বটে, কিন্তু ইহার মধ্যে অজ্ঞানসম্পন্ন স্বর্গে দেবতাদের মধ্যেও এমন সৰ অজ্ঞ আছে, যাহাদের জীব অতি বিরল। ফলপল্পবযুক্ত বঙ্গ অনেক আছে বটে কিছুমাত্র আত্মজ্ঞান নাই, দাবানলে পর্বত, বৃক্ষরাজির ন্যায় কিন্তু কলক্ষ খুব কমই থাকে। ৪১-৫০। কেবল ভােগবহ্নিতেই প্রজ্জ্বলিত হইতেই। দৈত্য জাতির সগুনবতিতম সর্গ সমাপ্ত। ১৭। মধ্যেও এখন সকল অজ আছে, যাহাদের কোন কাজ্ঞান নাই, উদ্ধত ধাের অত্যাচারী, তাহারা আননবিহীন বগলের ন্যায় গরে ঘাের অত্যাচার করিবার অঙ্গ উৎপন্ন , দেবতাগণ অষ্টনবতিতম সর্গ। তাহাদিগকে নিহত করিবার জন্য নারায়ণ—রূপ গ প 'ত করিয়া থাকেন। জগন্ধবগণ বিবেকের গন্ধও দেখা যায় না, বশিষ্ঠ কহিলেন,—“হারা বিবেকবলে সংসার-বিরক্ত হইয়া তাহারা হরিণের খায় কেবল গানরসে মত্ত হইয়া বেড়ায়। পরমপদ বিভ্রান্তিলাভ করিয়াছেন, তাঁহাদের লােভ মোদি বিদ্যাধরগণ আপনাদিগকে বিদ্যার আধার বলিয়া জ্ঞান করেন; বিপুসকল ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। তাহারা কুপিত হন না, হৃষ্ট হন না, সেই গর্বে বিমােহিত হইয়া তবিদ্যার আলােচনায় হতাদর, কোন বিষয়ে আসক্ত হননা, ভােগ্যর সঞ্চয় করেন না, কোন তাহার। কেবল ভােগবিদ্যাতেই রত থাকেন। অজ্ঞ বক্ষসকল লােকের নিকট জয় প্রাপ্ত হন, বা কাহাকেও উদ্বিগ্ন করেন না। অত্যাচারে ভূমণ্ডল বিক্ষুব্ধ করতঃ নিজেরা চিরকালই অক্ষত নাস্তিক্যবুদ্ধিতে কোন নিষিদ্ধ কৰ্ম্মেরও অনুষ্ঠান করেন না, আন্তিক থাকিব ভাবিয়া অসহায় বালক, বৃদ্ধ, আতুর ব্যক্তির নিকটেই বুদ্ধিতে অতি ক্লেশসাধ্য কোন কম্মেও ব্যাপৃত হননা। সর্বথা আধিপত্য দেখাইয়া থাকে। হে রাম। fংহ যেমন মদমত্ত উদাসীনভাবেই অবস্থান করেন, তাহাদের ব্যবহার অতি মধুর, হন্তী বধ করে, সেইরূপ তুমিও অনেক উদ্ভূত রাক্ষস বধ সকলেরই সহিত কোমল মধুরভাবে আলাপ করেন। চকিরণের কমিয়াছ এবং পরেও অনেক রাক্ষস বধ করিবে। অগ্নিতে আয় শীতল আলাদকর তাদৃশ মহাত্মার সংসর্গে মনের বড়ই প্রণিপ্ত ঘৃতাহুতি যেমন সধূম বহ্নিশিখায় মগ্ন হয়, সেইরূপ আনন্দ হয়। তাঁহাদের সংসর্গে কোন উদ্বেগের আশঙ্কা নাই, পিশাচগণ কেবল প্রাণিভােজন চিন্তায় দক্ষ হইতে থাকে কোন কর্মে সন্দেহ উপস্থিত হইলে তাঁহার। সুচতুর বন্ধুর স্যায় তাদৃশ অজ্ঞজীবের বিবেক লাভের আশা একেবারেই নাই ক্ষণকাল মধ্যেই কর্তব্য যথারণ করিয়া দিয়া থাকেন। বাহিরে নাগসমূহ মৃণালের ন্যায় ভূগর্ভে নিমগ্ন হইয়া বৃক্ষনে তঁাহারা সমস্ত লােকব্যবহার পালন করেন, অন্তরে সর্বদা শীতল- স্যায় জড়ভাবেই কাল অবিহিত করে। বিবরনী ক্ষুদ্র কী শান্ত ভাবে অবস্থান করেন।১-৫। তাহারা শাব্বার্থের অভিজ্ঞ, ন্যায় বিবরই যাহাদের আশ্রয়, (পাতলবাসী) সেই অঃ- | শাম্রার্থের রসাস্বাদনে লােলুপ, পূর্বাপর লােকান্ত জানিয়াছেন, দিগের বিবেকলাভের ত কথাই হইতে পারেনা। মর্ত্যলােকবাসী কোটী হেয়, কোনটা উপাদেয়, তদ্বিষয়ে অভিজ্ঞ ; যথাপ্রাপ্ত মনবগণের কথা আর কি বলিব ; তাহারা পিপীলিকার ন্যায় কর্শ্বের অসুবী, ইচ্ছায় কোন কই করেন না। শাস্ত্রবিরুদ্ধ কোন সামান্য আহার করিবার জন্য রাত্রিদিন ইতস্ততঃ ঘুরিয়া বেড়ায়। কৰ্মই করেন না, সদাচারে সুরসিক। উৎফুঞ্জ পদ্ম যেমন সৌরভ ও এইরূপ সমস্ত জীব জাতিই বৃথা দুরাশায় ব্যর্থ হইয়া উম্মভের কথায় রসদনে ভ্রমরকে অভিনন্দিত করে, সেইরূপ তাঁহারা সর্বদাই ঘূবিয়া বেড়ায়। এইরূপেই তাহারা দিনপাত করে। ২১-৩৭। আনন্দে উৎফুল্ল থাকি সমাগত ব্যক্তিকে উপদেশ দ্বারা জ্ঞান- অগাধ জলে নিমগ্ন ব্যক্তির গাত্রে যেমন ধূলি লাগে না, সেইরূপ দানে আশ্রয়দানে অনুদানে আপ্যায়িত করেন। গুণগ্রামে লােক নির্মল বিবেক প্রায় কোন লােককেই স্পর্শ করিতে পান যেমন সমুহকে বাধ্য রাখেন, লােকসমূহের সন্তাপ দূর করেন। তঁাহারা কৃষকদিগের শূর্পবাতাসে অসার ধান্য সকল ধাধার হইতে শীতল স্থানের ন্যায় নি। বর্ষাকালের মেঘের স্যায় তাহারা রাজ্য- অপসারিত হয়, সেইরূপ দেহাত্মাভিমানরূপ বায়ুদ্বারা চালিত বিপ্লব ও দেশবিপ্লবের হেতুভূত দুর্ভিক মহামারী প্রভৃতি বিপদ হইয়া জীবগণ অক্রোধাদি নিয়ম পরিত্যাগপূৰ্ব্বক ক্রোণিরিপুর অপোৰণে নিবারণ করিয়া দেন। পরে স্থায় ভূকম্প নিবারণ বশীভূত হইয়া পড়ে। তান্ত্রিক যােগিনীগণ সুরারক্তমাংস দিরূপ করিয়া দেশ, বিপদের সময়ে উৎসাহিত করেন, সম্পদের সময়ে কর্দষপূর্ণ দুর্গন্ধ পন্থলে নিপতিত হইয়া অপবিত্র রক্ত মাংসাদি সুখী করেন। ৬-১০। তাহারা চন্দ্রমণ্ডলের স্যায় ভুমি পতি- ভােঙ্গন করিয়া পিশাচের ন্যায় জীবনাতিপাত কর। ৩৮-৪০। ব্ৰতা রমণীর ন্যায় মাধুৰ্য প্রেমাণিগুণের আকর। ৩াদৃশ সাধুগণ কেবল ব্ৰহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, ই, চ, কুবের, বরুণ, গম, বসন্ত ঋতু স্যায় ঘশকুসুমে চতুর্দিক সুশােভিত (নির্মল) চৰ্য, বৃহস্পতি, শুক্র, অগ্নি প্রভৃতি দেৰগণ দক্ষ কশ্যপ প্রভৃতি করেন। পুংস্কোকিলের গায় মধুর আলাপ করেন, আঁহারা ভাৰী প্রজাপতিগণ, নারদ সনকাদি ঋষিগণ, কার্তিকেয় প্রভৃতি দেব- সফলের হেতু (অর্থাৎ বসন্তকালে যেমন নানা রুশতাকু- 'কুমারগণ, দৈত্যজতির মধ্যে হিরণ্যাক্ষ, বলি, প্রহলাল, ময় মিত হইয়া ভাবী ফলের সূত্রপাত করে, সেইরুপ সাধুগণ অপাে- বৃ, অঞ্জ, নমুচি, কেশিপুত্র, মূর, প্রভৃতি দৈত্যগণ, বিভীষণ, বলেই হউক, উপদেশ-গানেই হউক, লােককে সুফল প্রদান ইন্দ্রজিং, প্রহস্ত, প্রভৃতি মাস নাগজাতির যে শেয়, নগজাতির মধ্যে শেষ, ক্ষক করুন)। তাঁহারা ভটপর্ষজ্ঞে , মােইরূপ অলর আকর ৭০০ যােগব-রামায়ণ। দুঃখরূপ আবৰ্ততরসল ক্রোধরুপ পনহিল্লোলে তীরবর্তী আস্থা অতিম, এ আমাদের পরমার্থ লাভে বিয়ও অজ্ঞ, জলাশয়-সমূহের আলােড়নকারী ( উদ্বেগকর) লােকচিত্তরূপ কীট পতাদির ভেগাস্থা বড় বেশ, এজন্য তাহাদের পরমার্থ মহাসাগরকে নিরু করিতে (যাহাতে বেলাজিম ন করে সারনে বিপ্নও প্রচুর। বিরাটুনেই হিরণ্যগর্ভও যেমন আপন অর্থাৎ উচ্ছল না হয় তাহা করিতে সমর্থ হইয়া থাকেন। অধিকার নির্বাহের জ স্বীয় ভােগে প্রবৃত্ত হন, কেশাগ্রর ন্যায় বুদ্ধিভ্রংশ ঘটিলে, বিষম সঙ্কট ও দারুণ বিপত্তি হইলে তাদৃশ মূল্পদেহ কীটাসিও সেইরূপ নিজ নিজ ভােগে প্রবৃত্ত হইতেছে, সাধুগণই গতি। সংসারপথে বিচরণ করিয়া পরিশ্রান্ত জীবকে তাহারা কেমুষ্টির ছিদ্রের ন্যায় অতি ক্ষুদ্র স্থানেই আপন আপন কথিত ঐ সমস্ত লক্ষণ দ্বারা অবগত হইয়া বিশ্রাম লাভের নিমিত্ত ভােগবাসনা চরিতার্থ করিবার নিমিত্ত যত্নবান হইতেছে , দেখ তা মহাত্মা সাধুর আশ্রয়ে অবস্থান করিতে হয়, কারণ, একবার অহঙ্কারের প্রভাব কতদূর। ঐ গগনবিহারী কত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সাগর হইতে উত্তীর্ণ হইতে পারা যায় না, অত্যন্ত বিষয় সংসার কীট নিরাধার আকাশে অমিতেছে ও মরিতেছে, তাহাদের শুই- সাগর উক্ত সাধুসঙ্গ ব্যতীত অন্য কোন পােভে সাহায্যে “বিচার প্রদেশে অবস্থান। ক্ষণকালের নিমিত্তও তাহাদের চেষ্টার বিচ্ছেদ ক মিয়া আর কি হইবে যাহা হইবার তাহা হইবে” এইরূপ ধারণ হয় না, সর্বদাই গুহার আপন ভােগসিদ্ধির প্রয়াস পাইতেছে। করিয়া গমধ্যগত কীটের ন্যায় অনবহিত হইয়া থাকা কোনক্রমে ১-*। সামান্য পিপীলিকা নিজ নিজ আত্মবর্গের সমভিব্যাহারে সঙ্গত নহে। সাধুর যে সমস্ত সদগুণের কথা তােমার নিকটে সামান্য আহার করিবার জন্য ব্যস্ত হয়, তাহা দেখিয়া বােধ হয় নির্দেশ করিলাম, উহার একটা গুণও বাহার আছে, অন্য কর্ম যে, আমাদের একদিনেও তাহাদেৱ সে অভীষ্টসিন্ধির সময় সঙ্কুশন পরিহার করিয়া তাহার আশ্রয়ে থাকা উচিত, সাধুর সম্পূর্ণ হয় না, ঐরূপ কাৰ্যে আমাদের দিবস তাহাদের এক রুণের ন্যায় গুণ তাহাতে নাই, কিছুতেই হার অনাদর করা উচিত নয়। বােধ হয়। তিমি নামে এসরে প্রমাণ একপ্রকার ক্ষুদ্র কীট বাল্যকাল হইতেই যাহাতে গুণদোষ বিচার করিবার ক্ষমতা হয়, আছে, দেখা যায়, তাহারা গরুড়ের স্থায় দ্রুতগতিতে আকাশে তাহার জন্য যথাসতব শাস্ত্রচর্চা ও সজ্জন সহবাস করিয়া বুদ্ধিবৃত্তি গতাগত করিয়া বেড়ায়, তাহা তাহাদের ভােগবাসনায় পরিতৃপ্তির উত্তেজিক করা আবশ্যক। সামান্য দোয থাকিলেও তাহা উপেক্ষা জন্যই বলিতে হইবে। জগদ্বাসী মগণ যেমন আমি এই করিয়া সদা সাধুজনের সেবা করিবে, বিষয়াসক্ত ঘােমােহ- আমার গৃহ, এই আমার পুত্র পরিবার” এইরূপ আমার আমার গ্রস্ত পরিজনের সঙ্গ ক্রমে ক্রমে একবারে ত্যাগ করিবে। কারণ কল্পনায় দিনপাত করে, সামান্য কুমিকটিও সেইরূপ করি। তাদৃশ মােহগ্রস্ত লোকের সংসর্গে রমণীর বস্তু অরমণীয় হইয়া থাকে। ক্ষতস্থানের উপরে ।য সমস্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কীট জশে, যায় , স্থায়ী বস্তু অস্থায়ী হইয়া যায়, সাধুও অসাধু হইয়া যায় তাহারও আমাদের ন্যায় দেশ, কাল, বিবেচনা করিয়া এ আমার আমি ইহা অনেকবার প্রত্যক্ষ করছি। সাধুর দুষ্টভাব প্রাপ্তি বাসস্থান, এই সমস্ত এই করিতেছি, এইরূপ দান করিয়া কাৰ্য্যে ( অসাধু হওয়া) বিষয় অনর্থকর। এমন কি, দেশুদ্ধ লােকের ব্যগ্র হইয়া জীবনাতিপাত করিয়া থাকে। ৭-১০। স্থাবর বক্ষসক- অর্থ হইতে পারে, দেশ কালবশে ঈদৃশ অসাধু সঙ্গেই বিষম লেরও কিঞ্চিৎ বোধ এবং, জীবনাশক্তি আছে। পাষাণাদির তাহা বিপত্তি হইতে দেখা গিয়া থাকে। অতএব সর্ব কৰ্ম পরিত্যাগ একেবারেই নাই, তাহারা একেবারে অচেন কমি কাটাদি জন্তু করিয়া কেবল সাধুসংসর্গে বাস করিবে , সাধুসংসর্গে কোন মনুষ্যের ন্যায় নিজ নিজ কাৰ্যকরণে শক্তিসম্পন্ন, তাহাদের অনিষ্টের আশঙ্কা নাই, অথচ উভয় লােকের হিত সাধন হয়। মনুষ্যের ন্যায় স্বপ্ন ও জাগরণ আছে, জাগ্ৰদ্দশায় বাৰ্য করে, কখনই সাধুসঙ্গ হইতে বিচ্যুত হইবে না, বিনীতভাবে সাধুজনের স্বপ্নদশায় নিশ্চেষ্ট হইয়া থাকে। এই কটাদি জন্তুর যতক্ষণ শরীর সেবা করিবে। সাধুদিগের শমদমাদি গুণৰূপ পুষ্পপরাগ, স্থিতি, ততক্ষণই শখ, আমাদের ন্যায় শরীরনাশে অহাৱা দুঃখ যাহারা তঁাহাদের সমীপগত হয়, হাদিগকে স্পর্শ করে অনুভব করিয়া থাকে। আমাদের ন্যায় তাহারা যতদিন জীবিত অর্সং সাধু-সংসর্গে থাকিলে সাধুর গুণাভ করা অনায়াসেই থাকে, ততদিনই সুখী। দ্বীপান্তরে নির্বাসিত ব্যক্তি যেমন হইয়া থাকে।১১-২৪। তথায় উপস্থিত হইবামাত্র বিশিত হইয়া থাকার সকল অষ্টনবতিতম সর্গ সমাপ্ত। ১৮। উদাসীনভাবে দর্শন করে, ভয়ে ভয়ে চারিদিকে কেবল দেখিতে থাকে , যতক্ষণ না কাহারও সহিত পরিচয় হয়, ক্ষণ নিজস্ব করিতে পারে না। পশু পক্ষী প্রভৃতি তির্যজাতিও আমাদের ভোগ্য দ্রব্যসকল সেইরূপ দেখিতে থাকে। এই নবনবতিতম সর্গ। সংসারে আমাদেরও যেমন সুখ দুঃখ উভয়ই ভােগ করিতে হয়, রাম কহিলেন—“ভগব। আমরা মনুষ্যজাতি, আমাদের উহাদেরও সেইরূপ সুখ দুখ দুইই ভােগ করিতে হয়, তবে ঐহিক আমূষ্মিক দুঃখনাশের জন্য শাস্ত্র সৎসঙ্গ, মঞ্চ, ঔষধি, আমাদের ভাল মন্দ fচারশক্তি আছে, উহাদে তাহা নাই। ভপ, তীর্থযাত্রা প্রভৃতি যথেষ্ট উপায় আছে, কীট পতঙ্গ দেশান্তরে বিক্রীত মানব যেমন আত্মীয় স্বজন ও রক্ষাকর্তার প্রভৃতি গি ও স্থাবর আলি দু নাশের উপায় কি? কাছে নিজের দুধ দূর করিতে বা নিজের অবস্থা কাহাকেও আর দুখনাশ না হইলেই বা কাহারা কিরুপে জীবিত থাকে, বলিতে পারে না, সেইরূপ বলীবর্দ প্রভৃতি পশুগণ কৃষকগণকর্তৃক তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, এই জগতে আর আম নাসারন্ধে বহু দ্বারা আকৃষ্ট হইলে নিজেরা আহার কোন নিখিল ভূতই ভােগোচিত মুখে পরিতৃপ্ত হইয়া অবস্থিতি প্রতীকার করিতে বা কাহাকেও নিজ জানাইতে সমর্থ হয় করিতেছে। সামান্য অণু প্রমাণ কীট পজাদিরও আমাদের স্থায় শ, পরদেশে বিক্রীত মানবের গায় ঠিক পজাতি। কোমলত্বক ভােগবাসনা বিমান রহিয়াছে, তবে আমাদের ভোগবালায় আমাদের যেমন নিদ্রাবস্থাতে শত গ্রন্থাদি ও মশা ছায়- নির্বা-করণ-উত্তরভাগ । ৭০ পোকাপি দংশনকে অনুভব হ, বক্ষ-গুল্ম-কীট-পতঙ্গাদিরও বন্ধা-পুত্রের প্রতি আবার সেই কি? স্বপ্নের সময়ে এই জগৎ সেইরূপ দুঃখানুভব হইয়া থাকে। দেশবিপ্লব উপস্থিত হইলে স্বপ্ন প্রত্যেক পরমাণুতেই হইতে পারে? আশায় ইহার আমরা যেমন কণ্টকাকীর্ণ বন, খাত, উষালুকা প্রভৃতি শঙ্কা-। কিছুই থাকে না, সুতরাং ইহার প্রতি আবার আস্থা কি? যদি সঙ্কুল স্থান লক্ষ্য না করিয়া বিশৃঙ্খলগতিতে, যে দিকে সত্বর যাওয়া আপত্তি কর যে, প্রবোধকালে এই জগৎস্বপ্ন অসৎ হউক, স্বপ্ন- যায়, সেই দিকেই পলায়ন করি, পলায়ন করিবার পথ অপৰ কালে সত্য হইতে ক্ষতি কি? তাহার উত্তরে বলি, স্বপ্ন ও বিবেচনা করিবার অবসর পাই না; সৰ্ণ-প্যাদিও সেইরূপ এবােধ উভয়ই নাই, স্বল্পসময়ে এই অগভাৰগৰ্শনকে অজ্ঞতা ভয়াল হইলে পথ পথ একা না করিয়া উচ্ছল-গতিতে ভিন্ন আর কি বলা যাইবে, অৎপৰ্য এই স্বপ্ন ও প্রৰােখ গমন করে। এই বিক্ষেপৰিমুক্ত সামান্য কীটও যে, দেবরাজ এইরূপ প্রভেদই যখন মিথ্যা, তখন স্বপ্নদশায় সত্য ও প্রবােথ- ইও সে-অর্থাৎ স্বরূপানন্দ উভয়েরই সমান। বাহবিষয়েও কালে মিথ্যা আবার কি? সবই সমান একমাত্র চিকাশ। আহার, নিদ্রা ও মৈথুন-সুখ ইয়েও যেরূপ, কীটেরও অপ। যেমন তরঙ্গে ভরঙ্গে আঘাত লাগিয়া অঙ্গ জাঙ্গিয়া গেলে কিন্তু বাহবিক্ষেপ বিকল্প অতিক্রম করিবার আশক্তি উভয়ের জলের কোনই ক্ষতি হয় না, সেইরূপ, দেহে দেহে আঘাত সমান। ১১-১৮। আহার, লিজা, ভয়, মথুন, আসক্তি, দ্বেষ- লাগিয়া দেহ নষ্ট হইলে (অর্থাৎ শত্রু দ্বারা দেহ নষ্ট হইলে) জনিত সুখ-দুঃখ, জন্ম-মৃত্যুকেশ দেবরাজ ইরেও যেমন, সামান্য চিদাঝার কোনই ক্ষতিই নাই। ২৪-৩৫। চিমাকাশে ‘আমি’ তিগৃজাতিরও তেমনি, কিছুমাত্র পার্থক্য নাই। শাস্তুবােধ্য ইত্যাকার ভ্রমজ্ঞানেই দেহ, এই মজ্ঞানরূপ দেহের বিনাশে পুণ্যপাপ ব্ৰহ্মতাজি ও অতীত ভবিষ্যৎ ঘটনার জ্ঞান ছাড়া চিতি কি নষ্ট হইবে? প্রবুদ্ধ ব্যক্তির নিকটে এই জগৎ অন্য জ্ঞান শৃগাল, সর্প, নকুল প্রভৃতি জীব ও মনুষ্য সকলেরই চিনাকশেরই স্বপ্ন , ইহাতে বাস্তবিক পৃথ্যাদিভূত কিছুই একরূপ। পাষাণাদি স্থাবর জীবসকল মুপ্তিদশায় অবস্থিত বৃক্ষের নাই, সুতরাং এই জগতকে তুমি স্বপ্ন বলিয়াই স্থির কর। সতা ও নিজের সামাত্র অনুভব করিয়া থাকে, অর্থাৎ তদুপরি সৃষ্টিপ্রান্তে পূর্ব পূর্ব বাসনাক্রান্ত চিৎ স্ব স্ব এস্কার বাসনা অবস্থিত পাপের সত্তা নিয়ে অনুভব করিয়া থাকে। হিমালয় অনুসারে পৃথ্যাদি বর জ্ঞান করিয়া থাকে, সে জ্ঞান স্বপ্নের স্যায় সুমেরু প্রভৃতি তত্ত্বজ্ঞ পর্বতসকল অখণ্ডিত চিলাকাশের তরাং পৃথ্যাপিব ও স্বপ্নপদার্থ ইহাতে সত্যভ্রান্তি কেবল অনূভব কর সমাধিতেই অবস্থান করিতেছে। এইরূপ কল্পনাব্যতীত আর কিছুই বলা যাইতে পারে না। এই যে অনাদি পৰ্যালোচনায় বুঝিতে পারা যায় যে, বৃক্ষাদি জীবের দৃষ্টিতে এই প্রবাহ জগৎস্বপ্ন চলিয়াছে, ইহা সম্পূর্ণরূপে অসত্য হইহেও মূঢ় জগৎকল্পনা অনুভূত হয় না, তাহার কারণ তাহারা গাঢনিদ্রিত , ব্যক্তিগণ ইহাকে সত্য বলিয়া বুঝিয়াছে। ঐ অং স্বরূপ প্রম অনুভব শক্তি উহাদের কিছুমাত্র নাই। পদি জীবজাতির মিথ্যা হইলেও অজ্ঞদিগের কে অত্যন্ত সত্য হইয়া উঠিয়াছে। দৃষ্টিতে জগৎজনা অনুভূত হয় না, কারণ তাহাৱা নিজ সামাত্রই যাহা যথার্থ সত্য, তাহা অতি নিল, তাহা জডতায় কলুষিত অনুভব করে, অন্য কিছু অনুভব করিতে পায় না, অঙ্গম-জীব- নহে। ৩৬ - ৪। বতই বিস্তৃত চিত্ৰহ্মই বিদ্যমান রহিয়াছেন। জাতির মধ্যে হার তত্ত্বজ্ঞ, তাহাদের দৃষ্টিতে ত অগৎকল্পনার পৃধাদিনামক সত্য বস্তু কোন কালেই বখন ছিল না, তখন অনুভব হয়ই না, কারণ, তাঁহারা মাত্র চিদাকারেই অনুভব তাহার স্মরণকর্তা বা বিশ্বশর্তা কিরূপ হইবে? বিশুদ্ধ করিয়া থাকেন। কেবল কতিপয় অ অক্ষম-জীব দ্বারাই এই চিংস্বরূপ অপরিজ্ঞাত থাকাতেই জগতের উপরে সত্যতান জগৎকল্পনার অনুভব হয় বটে, কিন্তু এই ধারা জগৎসা দৃঢ়ীভূত হয়, যখন চিৎস্বরূপের জ্ঞান হয়, তখন এই ভাতিজপ যথার্থরূপে প্রমাণিত করা যাইতে পারে না। অতএব পৰ্বতাদির কপাটের উদঘাটন (উমােচন) হইয়া যায়। অনের বাধ সত্তা, বৃক্ষাদির সত্তা ও অগতের সত্তা সমই একমাত্র অখণ্ড হইলে চিত্ৰই পরিশেষিত হয়, তখন আর পৃধাদির সত্তা চিলাকাশ। ইহাতে তৈভাব কিছুই নাই। ১৯৭৩। যতক্ষণ কোনরূপেই সন্তৰপন্ন হয় না, তখন স্রষ্টা বা ধূ সমস্তই নিজ তত্ত্ব পরিজাত না হওয়া যায়, ততক্ষণই এই জগৎ , নিজ একমাত্র শিব হইয়া যায় । বাহ বন্ধ থাকিলেই দর্পণে প্রতিৰি ভ জ্ঞাত হইলে তুমি, আমি, সত্তা, অসত্তা কিছুই আর প্রভে পড়ে, কিন্তু এই জগৎ চিম্বৰ্গণে বই প্রতিবিম্বরূপে পতিত হয়, থাকে না। পাষাণের স্নায় কঠিন সৎ চিনাকাশই অজ্ঞ লােকের যেহেতু ইহাতে আর কোন বা বস্তু নাই। দর্পণের প্রতিবিম্ব যেমন নিকটে স্বপ্নের স্যার জগদরূপ চিপে কল্পিত হয়। চিলা- উটিত করিয়া দেখিতে গেলে কিছুই থাকে না, চিদাকাশগত কাশের কিছুই পরিবর্তন হইতেছে না, চিদাকাশ সৃষ্টির পূর্বেও প্রতিবিম্ব এই বিখও সেইরূপ দেখিতে গেলে কিছুই থাকে না। যেমন ছিল, এখনও তেমনি রহিয়াছে, পরেও সেইরূপ থাকিবে। ১৪৫। শাস্ত্রীয় বিচার প্রমাণ করিয়া দেখিতে গেলে একমাত্র আত্মত্ব, পরত্ব, অগ, শুত্ব, মৌনিত্ব, মৌনত্ব, কিছুই ইহাতে চিৎপরমাস যদি প্রতিপন্ন হয়। অভির এই যে ভাত নাই। তুমি যেরূপ আছ, সেইরূপই থাক, আমিও যেরূপ আছি, এভীতি জগৎ, ইহা কোন কালেই হয় নাই, সত্যং ইহা সৎ সেইরূপই থাকি; কারণ, শান্ত পরমাকাশে মুখ বা অনুখ কিছুই হইবে কিরূপে? তৰে বে তে আমাদের ব্যবহার চলিতেছে, লাই। বল দেখি, অগ্নাবস্থায় যে নগর দর্শন করিয়া থাক, তার কারণ এই যে, এক কাও কোন কোন স্কুলে প্রকৃত অহা পরমাকাশক ছাড়া আর কি আছে? গেমার সেই কার্যকারী হইয়া থাকে যেমন স্বপ্নে কামিনীসগ, তাহা বাও- এখন নির্মল আনাময় পরকাশই। অগই ঈশ ভ্রান্তি যিক মিতা হইলেও প্রতিযেখাখ ৩৫ণাদির হেতু হয়। একাই থক; পরকাশস্বরূপ জাত হইলে আর এ ভি হৈাই আমি ইত্যাতি এই প্রতীক্ষিত্র , এই প্রতীক থাকিবে না। এই অবগ্ন পত্রিকালে যখন কি কভি আত্মগের এক ভীত অন্য কিছুই সভ্যতার উপায় না, তখন ইহার প্রতি এত আগ্রহ কেন তুমি আমি' কৃশা বাস্তবিক কিছুই নহে। হে রাম! কথিত ৭০, বােগবাণিষ্ঠ-কামায়ণ ভৱানকুক্তিতে তুৰি স্বৈরূপ; তখন তুমি মরিয়া আবার উৎপন্ন না থাকুক, তাহাতে কোন ক্ষতি নাই—অর্থাৎ চার্বাকের অভিমত হইলেও (এক সেনাশের পর দেহান্তর উৎপন্ন হলেও) দেহাত্মবান বিষয়ে দৃণ বুট নিশ্চয়ত্মক অনুভবই কারণ; দেহ তােমার কোনই ক্ষতি নাই; যদি একেবারেই মুক্তিলাভ কর, কারণ নহে। এই অই আত্মা আনন্দময় হইলেও তা দৃঢ় তাহা হইলে ত একেবারেই শান্তি। ফল কথা, কোন পক্ষেই নিচত্মক অনুবলে পুরুষ দুঃখ অনুভব করিয়া থাকে; জীব তােমার দুঃখের কোন কারণই নাই। তবে যে মূলােকে জন্ম- বানালে আয় হওয়াতেই আত্মঘভাবের বিরােধী দুঃখাদি মৃত্যুতে দুঃখ অনুভব করে, তাহার কাৰণ তাহারাই জানে, আমরা জ্ঞান হইয়া থাকে। তাদৃশ বেহাত্মবাণীলিগেরও উদ্ধার সিজি তাহায় কিছুই জানি না (দেখিনা)। যে ব্যক্তি মরীচিকাসলিলের হইতে পারে, যদি তাহারা এই দুঃখময় অকে নিরতিশয় আনন্দ- মৎ হয়, সেই জনে, মরীচিকানদীর রঙ্গমালার আন্দোলন ময় চিপে ভাবনা করিতে পারে। কৃট অন্বয় চিকাশ ভাবনা কিরূপ। তত্ত্ববিদ জানেন, চিকাশই অন্তরে বাহিরে চিকাশ করিতে করিতে তাহারা যখন চিকাৰ হইয়া যাইবে, তখন হইয়া, “তুমি’ ‘আমি’ ‘জগৎ' ইত্যাদি সর্বাত্মক হইয়া একপেই তাহাদের আর দুঃখানুভব হইবে কিরূপে ? তাহাৱা ও তখন ফুরিত হইতেছে। চিলাকাশময় আত্মাই যেমন সফলকল্পিত আনন্দময়ই হইয়া যাইবে। যাহারা একাগ্রভাৰলায় একমাত্র শাখাপত্রফলপুষ্পময় দেহবৃক্ষ হইয়া মনােরাজে ফুরিত হয়, চিকাশকে নিয়ে অনুজ করিতেছেন, আকাশে ধূলি- তুমি’ ‘আমি’ জগৎ' ইত্যাদিও তদ্রুপ জানিবে। ৪৬-৫১। জালের স্থায় তাঁহাদিগেতে সুখ দুঃখ কিছুই সংলগ্ন হয় না। অনুভব মনবতিতম স সমাপ্ত। ১১। সত্য হউক বা মিথ্যাহউক না কেন, আপাততঃ একটা নিশ্চয় ত সত্য মিথ্যা দুইয়েরই অনুভবের কারণ হইয় থাকে। নিজের অনুভবের বিরুদ্ধ অবলম্বন করিয়া অনুভ। আপনার করা ৩ যুক্তিযুক্ত হয় না। যে, যে পথে যাউক না কেন, অনুভব শততম সর্গ। সকলেরই হইয়া থাকে। চার্বাকদিগের ৰ্বাকদিগের অভিমত দেহ, সাংখ্যমনুমােদিত পুরুষ, মীমাংসকলিগের অভিমত ভােক্তা রাম কহিলেন,-“ব্ৰহ্ম। আমার আর একটা প্রশ্ন আছে, জীব উক্ত অনুভব হইতে পৃথক করিতে গেলে কিছুই থাকে না, শুনিয়া আপনি তাহার মীমাংসা করিয়া দিন। তাহারা বলে, এইজন্য অনুভবই সকলের কল্পনাস্থল, অনুবই সব; অনুজ যতদিন বাঁচিবে, সুখে-স্বচ্ছন্দে কালাতিপাত করিবে, মৃত্যু ত (চৈই) এই জগৎ অনুভব করিতেছে। ৬—১৩। যে অনুভব আর কেই চক্ষে দেখিতে পায় না, সুতরাং তাহা ভাবিয়া আর কারা জগতের সা স্থিরীকৃত হয়, সে অনুভব সত্যই হউক আর কষ্ট পাওয়া কে? মৃত্যু হইলেই সব ফুরাইল, আর যে মিথ্যাই হউক, সেই অনুভব আরাই স্বপ্নে, আকাশে, পাতালে, আসিতে হইবে, তাহার সম্ভাবনা নাই। দেহ ভস্মীভূত হইয়া জলে, স্বর্গে সৰ্ব্বত্রই নিজকল্পনার অনুরূপ দেহেরও প্রতীতি গেলে আবার তাহা কোথা হইতে আসিবে, এইরূপ যাহাদের মত হইয়া থাকে। সেই জ্ঞান সত্যই হউক, মিখাই হউক, তাহাদের দুঃখ-শান্তির উপায় কি? আর তাহাদের এই মত ত ফলে পুরুষও সেই জ্ঞানমাত্রস্বরূপ, সেই জ্ঞানের নিসভা সমগ্র আতিক-সমাজের বিরােধী, কিন্তু আপনি ইহাকে সত্য হইয়া গেলে, তাহা (কলিত বস্তু) সত্য বলিয়াই নিশ্চয় হয়। বলিলেন কিরূপে?। বশিষ্ঠ কহিলেন,—“ঐরূপ মত সত্য হওয়া এই অনুভবের নিশ্চয়তার উপর নির্ভর করিয়াই আমি সকল আশ্চৰ্য্য নহে, কেননা সংবিৎ অসুরে যেরূপ নিশ্চয় প্রাপ্ত হইবে, মতকে সত্য বলিয়াছি, একমাত্র অনুভব জ্ঞানকেই আমি অনুভবও ঠিক সেইরূপই করিবে, ইহা সর্বত্রই প্রত্যক্ষ হইয়া নিখিল সিদ্ধান্তের সার বলিয়া মনে করি। চৈতন্যে যে অবিদ্যা থাকে। ফলে, এই বহিরাকাশ যেমন সর্বগামী ও শান্ত, চিল- আছে, সেই অবিদ্যা—অর্থাৎ অজ্ঞানই ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায়ের কাশও সেইরূপ সর্বগামী, চার্লাকালি-কলিত দেহাত্মবাদত ও ভিন্ন ভিন্ন অনুভবরূপে পরিণত হয়। যখন উহা (অবিদ্যা) ৰোন্তী পণ্ডিতদিগের এভসিদ্ধ ঐক্যও সেই চিনাকাশ, বিশুদ্ধ অব্ৰহ্মনরূপে পরিণত হয়, তখন উহা বিশুদ্ধ চিনাকার অতিরিক্ত আর কিছুই সম্ভবপর হইতে পারে না। বৃষ্টির পূর্ব হইয়া মােরুফলের পাত্র হয়। পবিত্র দেশে পবিত্ৰকালে স্নান- অবস্থায় অদ্বিতীয় ব্ৰহ্মৰূপ মহাপ্রলয়লাভেও উক্ত চিলাকাল নানাদি ক্রিয়া, মণিমলৌষধাদি ও কর্মশা-প্রতিপালিত বাগাদি- ব্যতীত আর কিছুই ছিল না; তাহার কারণ এই, চিদাকাশের রূপ ক্রিয়ায় উক্ত অবিদ্যার ঘনীভাব হ্রাসপ্রাপ্ত হইতে, যে কোন কারণ নাই, চিনাকাশ বিশাল ব্ৰহ্মৰূপে সর্বকালেই বিশুদ্ধ সংৰিলের উদয় হয়, তাহা কদাপি বিনষ্ট হয় না ঐ অবস্থিত। তবে যাহারা এ সমস্ত মানে না, যেগশাস্ত্রের অব- অবিনা ক্ষীণ হইয়া ক্ষণকালমধ্যে আবার যদি আবির্ভূত হইয়া মাননা করে, মহাপ্রলয়াদির বিষয় স্বীকারই করে না, তাহারা পড়ে, তাহা হইলে চিন্ময় জীবের দুখশান্তি আর কোন অভিমূঢ়, সেই সমস্ত জ্ঞানবিহীন অতিমুঢ়দিকে আমরা প্রকারেই হয় না। মনুষ্যলিশের অবিদ্যাক্ৰান্ত চৈতই জীব, মুত বলিয়া জ্ঞান করি, তাহাদিগকে কোন উপদেশ দিতে ইচ্ছা সেই জীব দৃঢ়-ভাবনাবলে সু হইলে মুখী বা দুখী হইয় করি না, তাহার উপদেশের বােগও নহে। ১-৫। যাহাদের পড়ে, ইহা নিশ্চয়ই। যদি প্রত্যক্ আত্মচৈতন্য ও লত ফল নিখিল ইন্দ্রিয়াদি ব্যবহারে নিয়ােগকারী এভগা চৈত হইলে সংসাৰৰফল বিছিন্ন হইয়া যায়, অঞ্জলিগের দুশ শুদ্ধ ভাবাপর সমস্তই ব্ৰহ্ম” ইত্যাকার সর্বসম্মত থারণায় চৈতন্যের জনই সংসার-উচ্ছেদের একমাত্র উপায়। ঐ জ্ঞান পূর্ণকাম ও কৃতার্থ হয়, তাহাদিগকে উপদেশ দেওয়ায় আমরা না হইলে পুরুষের পাশের খায় এড়ভাব ও অজাটকালই আৰক বধ করি না। এনােয্য গর্বল বা নুরে থাকিয়া যায়। ১৪২১। পুরুষ ঐ প্রকাশ বিও বৈরুপ উদয় হয় পুরুষ ঠিক সেইরূপই হইয়া থাকে। সেই থাকুক বা হইয়াও, নিদ্রা সময়ে যেমন কেবল আড়ভৱ (মেয়) অনুভব ন নিৰ্মাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ ৭০ । হয়, সেইরূপ উক্ত নিজস্বরূপের অজ্ঞান বই এই বাহ- সেইরূপ ধারণাতেই কালাতিপাত করিয়া দেহাবসানের পর একে প্রপঞ্চের উপলব্ধি করে, কাজেই যতদিন তাহার নিজস্বরূপের বারে যুখকর হইয়া যায়; সুখ-দুঃখ কিছুই জান থাকে না। বিকাশ না হয়, ততদিন তাহার উক্ত অজ্ঞান-তাই অবশেষ তাহার পনােক সেই মৃত্যুই তখন শ্রেয়। যাহার বাণী, আত্মা হইয়া থাকে, আর কিছুই থাকে না। কারণ অজ্ঞান ভিন্ন আর নাই, এইরূপ নিশ্চয় যাহাদের মত, তাহাদের বিশুদ্ধ চৈলাভের কিাই তখন সম্বল নাই রাম জিজ্ঞাসিলেন-ভগ। সস্তাবনা নাই ; তাহারা শরীরের অবসানে অভাব হইয়া যে ব্যক্তি এই সংসার অনন্ত, ইহার কপি কয় নাই, ইহা দুর্ভেদ্য অমসে আরত অনূর্যনামক লােকে অবস্থান করে। সর্বদাই স” এইরূপ ভাৰৰলে জগয়ে উপরে মশার-বুদ্ধি যাহার কণিকবিজ্ঞানবাদী, তাহাৱা জগৎকে স্বপ্নের গায় ক্ষণিক একেবারে ত্যাগ করিয়াছে, এই জগৎ যে বিজ্ঞানখন চৈ- জ্ঞান ভান করে; এই জগৎ অপরের নিকটে যেরূপ সুখ- স্বরূপ, তাহা বুঝিতে পারিতেছে না, যখস্থিত এই অংকেই দুকর, তাহার নিকটেও ঠি সেইরূপই হইয়া থাকে। যাহারা কেবল দেখিতেছে, তাদৃশ মােহান্ধ জীবের দুঃখনাশের উপায় কি, জগৎকে চিরস্থায়ী ভান করে, তাহারাও যেমন সুখ-দুখ ভােগ তা আমাকে বলুন। হে ব্ৰক্ষ। আমার এই বিষয়ে মহান্ করে,—ঐ ক্ষণিক বিজ্ঞানবাদীও (সমস্তই ক্ষণভঙ্গুর; প্রতিক্ষণেই সন্দেহ রহিয়াছে, আপনি আমার এ সন্দেহ ভাজন করিয়া দিয়া সকল বস্তুর উৎপত্তি বিনাশ হইতেছে, এইরূপ ধারণা যাহাদের) আমার জ্ঞানবৃদ্ধি করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন,-“হে ৰাম। এইরূপ সেইরূপ সুখ-দুঃখ ভােগ করিয়া থাকে। স্থিরতা ৰা অস্থিরতা- নান্তিক মানবের কথা পুর্বেই আমি বলিয়াছি যে, ইহাদের বিষয়ে জ্ঞানে সুখ-দুঃখের তারতম্য কিছুই হয় না। অজ্ঞানী মহল্লো কিছুই বক্তব্য নাই; ইহার ঘাের পাষণ্ড, ইহাদের কথাই তুলিতে এই পৃথিব্যাদি ভূতসমূহ ক্ষণিক কি অক্ষণিক তাহার বিচার নাই, তবে অনেক আয়াসে ইহাদের মতিগতির পরিবর্তন যদি আদেল করেন না, তাহা করা নিষ্প্রয়োজন ভাবেন, তাহারা ঘটে, তবে ইহাদের উদ্ধার না হইবে এমন নহে, ইহাদিগকে পথে জানেন, অনাবৃত অনন্তু চৈতই এই পৃথিব্যাদি ভূজপে আনিবার উপায়ু আছে, সে উপায় বলিতেছি, শ্রবণ কর। হে প্রতিভাত হইতেছে। চৈতন্য কিছুতেই ক্ষণিক হইতে পারে পুরুষশ্রেষ্ঠ । তুমি যে মানবের দুঃখনাশের কথা জিজ্ঞাসা করিলে,সে না। যাহারা ভ্রাভযুক্তিতে চৈতকে ক্ষণিক করিয়া চত কি দেহাতিরিক্ত চৈতকে আত্মা বলে, না আতিবাহিক দেহকে হইতে পৃথক্ জগতের অঙ্গীকার করে, তাহার মূখ, তাহাদের আত্মা বলে, না সূলদেহকে আত্মা বলে, অথবা বিশুদ্ধ সংবিৎকে সহিত আলাপ করিতে নাই। যাহারা চৈতন্য হইতে মীরের আত্মরূপে দর্শন করে, কিংবা অজ্ঞানাবৃত চিৎকে আত্মা বলে, না উৎপত্তি স্বীকার করেন, তাহারা প্রকৃত জ্ঞানী, থাবিধ সাধুগণ সংবিদের কথা একেবারেই উড়াইয়া দেয় ? যদি দেহাতিরিক্ত সকলের বন্দনীয়। যাহারা বলে, শরীর হইতে চৈত, তাহারা চৈতকে আত্মা বলিয়া দেখে, তাহা হইলে ও সে নিজেই পুরুষাধম, তাহাদের কথায় কাজ নাই। জীবের বীজ চৈত- চৈত, নিজেকেই চৈতন্যরূপে অনুভব করিতে পারিবে। স্বরূপ, সেই চৈতস্বরূপৰীসমূহ হিরণ্যগর্ভ আকাশে উড্ডীয়মান তাহার কারণ, মৃত্যুর পরে সে দেহাদি-উপাধির লয়ে পরমাত্মার মশকাদির স্যায় ভাঙালিতে পূৰ্যমাণ জলের বিলুনিক্ষের ন্যায় সহিত এক হইয়া যাইবে, সে সময়ে অন্ততঃ অনুভব হইবেই। উর্ডে আঘােদেশে এতরাদেশে সর্বত্রই ছড়াইয়া পড়িতে যদি বিনা অনু-রসময় শরীরকে আত্মা বলিয়া জ্ঞান করে, তাহা থাকে। কৃষ্টিপারতে হিরণ্যগর্ভপী চিদাভাস আপনাকে (বীজ- হইলে আপনার বিনাশ-আশঙ্কায় দুঃখ হইবেই; অবিনাশী সমূহুরূপী আত্মাকে) বিভিজ্ঞ (ব্যষ্টিভূত) কারুপে জ্ঞান করেন চৈতঙ্গকে আত্মা বলিলে আর তাহা হইবে না, এইরূপে বুঝাইতে ক্রমে তনভাবে ভাবিত হইয়া স্বীয় হৃদখে নিজেই বিভিন্ন কর্তৃ- পাৱিলে আশ নাস্তিকও আত্মজ্ঞান লাভ করিতে পারিবে। স্বরূপ অনুভব করিয়া বিকীর্ণ হইয়া সংসাররুপে পরিণত হন। যদি স্কুল-রীকে আত্মা বলিয়া জ্ঞান করে, (আমার বােধ হয়, ৩২–৪০। সেই অবধি চরূপ জীব যেরূপ অনুভব করে সুল শরীরের বিনাশ হয়, এইরূপ বিচার না করিয়াই ঐরূপ জ্ঞান ঝটিতি তাহাই প্রাপ্ত হয়, ইহা আবালবৃদ্ধ সর্বত্রই অব্যাহত করে, তাহা হইলে তাহাকে বুঝাইতে হইবে যে, স্থূল-শরীরমাত্রই কুত্রাপি ইহার ব্যাচ্চিার নই। আকাশে যেমন ধুম, মহাসাগরে সাবয়ব, যাহার অবয়ব আছে, তাহার বিনাশ অবশ্যম্ভাবী; কিন্তু যেমন জল, বিচিত্র বর্তাকারে ঘূৰিত হইতে থাকে, চিমাকাশে আত্মার ত বিনাশ নাই। এইরূপ বুঝিতে পারিলে, দেহ হইতে এই সংসারও সেইরূপ বিচিত্র গতিতে পরিবর্তিত হইতেছে। যে ভিন্ন আত্মা আছে, তাহা আপনিই বুঝিতে পারিবে। তুমি স্বপ্নকালে চিকাশই যেমন মুগুমানবের নিকটে পুরী হয়, যাহার কথা বলিলে যে যদি বিশুদ্ধ চৈকে আত্মা বলিয়া জ্ঞান সেইরূপ ঐ চিদাকাশই কুষ্টির আদি হইতে জগৎ হইয়া রহিয়াছে করে, তাহা হইলে সে ত জীবন্মুক্ত, সর্বদা লীলাচ্ছলে জগদ- স্বল্পকালে নগরাদি নির্মাণের যেমন অন্য কোন সহকারী কারণ গর্শন করিলে মৃত্যুর পরে বিদেহমুক্তি লাভ করিবে, সংসার নাই, সেইরূপ সৃষ্টিরন্তে এই জগৎ পৃথিব্যাদি ভূল্পে আর দেখিবে না। আর যদি সে অজ্ঞাত চতকে আত্মা সাহায্য ব্যতিরেকেই উৎপন্ন হইয়াছে। স্বপ্নদর্শনের সম্পূর্ণ বলে, তাহা হইলে সে চিরদিন সংসারী হইয়াই থাকিবে, কারণ বিকাশ যতক্ষণ না হয় (যতক্ষণ অনশন সুস্পষ্ট না হইতে থাকে, অনাবৃত চৈতন্য জ্ঞানরা যেত না হইলে ত আর সংসার ততক্ষণ অঞ্চলগরের অবয়ব সকল অপরিপুষ্ট থাকে, খগুণর্শন বিমুক্তি হইবে না, তবে সংসারে বিচরণ করিতে করিতে বলি যখন ভালরূপে হইতে থাকে, তখন যেমন স্বপ্ননগর সর্বাঙ্গ- কখনও হার জ্ঞানােদয় হয়, তাহা হইলে তাহার মুক্তি হইতে স হইয়া উঠে, জগৎরূপ স্বপনগলের পদার্থনিচয়ও সেই পারে। তােমার কথিত ব্যক্তি যদি সংবিৎ নাই খলিই মনে রূপ এমে পত্রিপুষ্ট হইয়াছে। ৪১-৪৫। ফলতঃ নিখিল করে ফল, তাহা হইলে সে ত মানুষ নহে; সে তেন লােকেই চিগাকাশ,ইতে ত্যৈ এৰুত্ব কিছুই নাই। আকাশে পাষাণাদির জয় এ পাখ। ২৪-৩১। আল মুখ পর্যন্ত আবার মন-লেপন কি? আকাশে যা আছে তাহা আকাশই। ৩ ৭০ যােশবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। সীগ, শীতল, অতএব আফলাফারিণ চিজ্ঞপিণী চত্রিকা চতুর্দিকে দেখ, কোথাও পাইবে না। উক্ত বিদ্ব্যতীত আর নিত্য চৈতালােক বিকিরণ করিতেছে, তদীয় চৈতন্যলােকেই এই বস্তু কি আছে বল দেখি; আর বল দেখি, সেই বিৎ জগৎ প্রকাশিত হইতেছে। সৃষ্টিরম্ভ হইতে এলয় পৰ্যন্ত যদি মৃত হয়, তাহা হইলে অশ্য আমরা জীবিত আছি এযাবৎ শূন্যস্বভাৰ চিনাকাশেই সৃষ্টিদর্শন হইতেছে, ফল তাহা কিরূপে? লােকায়তিক প্রভৃতি, সম্প্রদায়গণ উক্ত চিদাকান বন্ধ হইতে ভিন্ন কোন পদার্থ নহে, অন্ধাকাশই সৰবিলাকা ছাড়িয়া আর কি স্বীকার করিয়া থাকে। তাহা পৱিচ্ছিন্ন জগপে স্বপ্নের ন্যায় উদিত হইতেছে, অপরিচ্ছিন্ন- ফল, (ফলে তাহাদিগকেও সংবিকাশ স্বীকার করিতেই রুপে বিলীন হইয়া অস্তমিত হইতেছে। ঐতি-প্রসিদ্ধ সেই হইবে)। এই বিদাকাশকেই কেহ ব্ৰহ্ম যতে, কেহ জ্ঞান বলে, চৈতন্যরূপ সম্বন্তু যে প্রকার অনুভব করিবেন, কালমধ্যে কেই শুঙ্গ বলে, কেহ গুড়তুলসংযােগে মাশক্তির গায় তাহাই হইবেন, তদৃভিন্ন আর কিছুই নাই , যাহা আছে, তাহা পদার্থের শক্তি বলে, কেহ পুরুষ বলে, কেহ চিলাকাশ বলে, সমস্তই বিশুদ্ধ চৈতন্য, ইহাতে আর কিছুই নাই। পরপদে কেহ শিব আত্মা বলে। এইরূপ ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায় কর্তৃক উহা প্রতিষ্ঠিত বিশুদ্ধ হৃদয় শান্ত চৈতন্যরূপ সাধুগণ আকাশের ন্যায় ভিন্ন ভিন্নরূপে উক্ত হইলেও চিত্ৰই থাকে, কখনই আহার নিন এবং চৈতন্য হইতে পৃথরূপে অসং হইলেও চিৎস্বরূপে অথাব প্রাপ্ত হয় না। সেই চিৎ নিজে আপনাকে একবারেই সর্বদা সৎ হইয়া রহিয়াছেন। সেই সাধুগণ সঙ্গদোষবিবর্জিত জানিভেছেন। ৬-১৩। আমার অঙ্গসকল বিচুতিই হইয়া মানমােহন্য হইয়া বখাপ্রাপ্ত কার্যের অনুষ্ঠান করুত নিরাময় যাউক, অথবা সুমেরুর ন্যায় দৃঢ় হইয়া থাকুক, যাহাই হউক, হইয়া কাষ্টগুণ্ডলিকায় স্থায় অবুদ্ধিপূর্বক লােক-ব্যবহারপরষ্পব। আমার হাতে কোন ক্ষতি নাই; আমি চিদাকাশ শরীর। নির্বাহ করিতেছেন। ৪৬-৫১। পিতামহ প্রভৃতি সকলেই মর্নিয়াছেন, কিন্তু চিং মরেন নাই; শতম সর্গ সমাপ্ত।১০০। যদি মরিতেন তাহা হইলে, আমাদেরও চিং মরিয়া যাইতেন , অহা হইলে আমাদেরও আর জন্ম হইত না। চিদাকাশ অক্ষয়, তিনি মনেও না, জন্ম গ্রহণ করেন না। আকারে কমই বা কি হইবে বল? অগজপে প্রকাশিত ঐ চিং বিনাশ, একাধিকততম সর্গ। কঁহার উদয়াস্ত কিছুই নাই , তিনি জানাতেই কেবলরূপে বশিষ্ঠ কহিলেন, “একম' চৈতন্যই পুরুষ, চতই এই জগৎ অবস্থান করিতেছেন চিদাকাশরূপ স্ফটিকাচল আপনাতে ও পুরুষরুপে অবস্থিতি করিতেন। উক্ত চৈতন্য হইতে পৃথকৃ গভার ধারণ কর, আর আপনিই তাহাকে দগ্ধ করিতেছেন, করিলে আর কিছুই প্রাপ্ত হওয়া যায় না। সেই চেও আর তাহার আদি নাই, অন্ত নই, অবাধ নাই, তিনি স্বচ্ছভাবে রাত্রিকালে কিছুই নহে, বিশুদ্ধ আকাশই ঐ চৈ, এই প্রভাবও ঐ আপনাতেই অবস্থিতি বিবেছেন। ১৪-১৮। চৈতন্যময়, এই জগৎও উক্ত চৈতন্যময়, অতএব ইহাতে হেয় অন্ধকারে যেমন, মেমণ্ডলের স্মায় একা জগতের আবরণ উদেয় জ্ঞান কি হবে? যে ব্যক্তি হস্পতি-মতাবলী- প্রতিভাত হইতে থাকে, প্রভাত হইলে সেই অন্ধকারকৃত অর্থাৎ কণিকবিজ্ঞানবাদী, তাহার মতে ক্ষণিক বিজ্ঞান ব্যতীত আরণ যেমন দেখিতে দেখিতেই নষ্ট হইয়া যায়, সেইরূপ এই আর কিছুই নাই, তাহার মতে আসক্তি বা বিদেশের বিশ্বও আত্মাতে উদিত হইয়া আবার দেখিতে দেখিতে বিলীন বিষয়েও ত কিছুই দেখি না; তাহাকেও চৈতন্য ব্যতীত আর হইয়া যায়। সমুদ্র যেমন নিজেই আবর্ত-জালি ভাব ধারণ কিছুই সায় বলিয়া স্বীকার করা উচিত নহে (স। হে রাম। এই করিয়া থাকেন। ঐ পুরুষও চিমাত্র আকাশের স্যায়, তাহারও যে জগৎ-নামক স্বপ্ন, ইহা ত চিনাকাশয়, ইহাতে ই-অনিষ্ট কখনই নাশ নাই। অতএব নষ্ট হইলাম বলিৱা শােক করা অনুরাগ বা যেষের বিবর কি আছে, তাহা বল, আমি ত বিকল। তবে দেহের পরিবর্তন আছে, সে দেং-পরিবর্তন ত দেখিতেছি সবই সমান। চিদাকাশ কল্পনাশেই আপনাতে ইহা সুখের কথা, সে ত মহােস, কেননা জীর্ণদেহ পরিবর্তন হেয়, ইহাউসে, এইরূপ জ্ঞান করিতেছেন; আমি কিন্তু নিল করিয়া মৃত দেহ পাওয়া যাইতেছে। হে মুগণ! মৃত্যু ত চিলাকাশে নির্মল চিদাকাশই রহিয়াছে, দেখিতেছি, হেয় তােমাদের আনন্দের বিষয়, তাহার জ শােক কর কেন? আর উপাদেয় জ্ঞানের বিষয় হাতে কিছুই নাই।১৫। ক, মরিয়া যদি আর না জন্মিতে হয়, তাহাও ত মহা অ্যুদয়, নর, নাগ, প্রভৃতি স্থাবর-অনাত্মক আকঅভাবসকল পাই তাহাতে বিষাদের কোনই কারণ নাই , ভাব-অভাবনিবন্ধন যে একমাত্র সংবিৎ ; বিসাগরের তরমাগর ন্যায় ভেগশীয় একটা পীড়, তাহা আর থাকে না। অতএব সুখ দুঃখ যখন নিকটে পৃথক বলিয়া প্রতীত হইছে। আমিও ঐ বিকাশ, কিছুতেই নাই, তন জীবন ও মরণ একই কথা। ফলতঃ আমরা কখনই মৃত হই না; বিৎ কি কখন মরিয়া থাকে। তাহাও নাই, কেবল চিকাশই এইরূপে বিবর্তিত হইতেছেন। সংবিদের সবেদ্য কিছুই নাই;, সনি নিজেই গবেদ ১৯-২০। মৃত ব্যক্তি যদি দেহ লাভ হয় তবে তাহা ত ইর থাকেন। হে বিশালাক্ষ। এই এতে সংকি (আন) একটা নূতন উৎসৰ বলিতে হইবে। কারণ, মৃত্যু-শব্দে ত দেহ- হইতে পৃফি দ্বিত্ব একত্ব কোথায় আছে। বিচার করি নাশকেই বলা হইয়াছে, যে মরণ ত পরম সুখ। অত্যন্ত নাশই ফুদি মৃত্যু , অং হইলে আরও ভাল, কার, তাহাতে (১) পুত্র ও অন্যদিগের নাে-উৎপাদন বৃহুশ সংবরূপ কােণ একেবারে আরােগ্য হইয়া যায়। আর যদি তিও কেশা এন করি, ইহামপুরাণে উখিণিত মুছে অজ্ঞ হয়, তা হইলে তাহা # একটা যুৎেসব, হইয়াছে। তাহ পূর্বেই আিছি, সুতরাং মৃত্যুতে ভয়ের কারণ নাই;
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ ৭e যদি কুকৰ্মকারীর মৃত্যুর পরে নরকযন্ত্রণা ভােগ করে” এই জ দেখি প্রশংসা করিতেছে, কিন্তু তিনি মনে করিতেছেন, আমি হইয়া থাকে, তাহা হইলে, সে ভয় ত তােমাদের ইহলােকে কিছুই করিতেছি না, নিশ্চেষ্ট হইয়া আছি। তিনি শোকভয়- আছে? কেন মৃত্যুর পরে কেন? ইহলােকেও হারা কুর্য ক্রেশ হইলেও (অজ্ঞদিগের সুখে অনুশােচনা করায়) করে, রাজা তাহাদিগকে দণ্ড প্রদান করিয়া থাকেন, সেভ যদি শােকাতুর বলিয়া লকিত হন। তাঁহাকে দেখিয়া কে ভয় করে থাকে, তাহা হইলে কুকর্ম করিও না। উভয় লােকেরই মঙ্গল না, তিনিও কাহাকে দেখিয়া ভর করেন না। কিন্তু তিনি হইবে। মরিব মরিব নিশ্চয়ই মরিব, এইরূপ বলিয়া বেড়াইছে, সংসারের ব্যস আস্বাদন করিয়াও (সংসারকে) বড়ই ভয় করেন। কৈ জন্মগ্রহণ করিব জন্মগ্রহণ করিব, মৃত্যুর পরে মৃত দেহ তিন প্রাপ্তবিষয়ে ভিন করেন না, অপ্রাপ্ত বিষয়ের ও ধারণ করিব) ইহা বলিচ্ছে না, ইহা দেখিছে না, মৃত্যুশরে করুন না,কেবল অনুভুমান ( যথাপ্রাপ্ত বর্তমান বিষয়ে ), হ আবার নতন হইবে ইহাও ত দেখা উচিত, তাহাতেও আনন্দের বিষালশুন্য হইয়া অবস্থান করেন। ৫-১০। তিনি সুখ-দুঃখের বিষয় আছে। ২৫-১৮। বস্তুতঃ জন্মমৃত্যু কোথায় ? জন্মমৃত্যুর নিকট অপরাজিত থাকিয়া, (অর্থাৎ সুখদুঃখ সমভাবে সখ করিয়) আধারই বা কোথায় ? সর্বত্রই ত চিলাকাশ, আকাশ আকাশই দুঃখীর দুখে দুঃখী, সুখীর সুখে সুখী হইয়া, সকল অবস্থাতেই রহিয়াছে। হে রাম। তুমি ঐ চিদাকাশরূপী, অতএব এই তুমি ঐ চিদাকাশরূপী, অতএব এই একবে কালাতিপাত করেন। তিনি পূণর্ম ব্যতীত আৰু সংলাবের প্রতি মমতাশ হইয়া পানাহার-শয়ন-ক্রিয়া নির্বাহ কেন কর্ম করিতে ভাল বাসেন না, কারণ অশাস্ত্রীয় (পিপ) কর। সাধু ব্যক্তি সর্বদা দেশ-কাল-নিয়মানুসারে আপনার হইতে বিরত থাকাই মহতের স্বভাব। তিনি কুত্রাপি রসিকতা কর্তব্য পবিত্র নিত্যকসকল সম্পন্দন করিয়া থাকেন। উপস্থিত অবলম্বন করেন না,কোথাও অরসিকতাও করেন না। উপযাচক পবিত্র ভােগ্যবস্তু নির্ভয়ে ভােগ করিয়া থাকেন। দেশকালবশে হইয়া কোন কাৰ্য্য করিতে যান না, তিনি বীতরাগ হইয়াও সরাগ- মধ্যে মধ্যে যে সমস্ত দুর্ঘটনা আসিয়া উপস্থিত হয়, অবজ্ঞা অর্থাৎ আসক্তভাব দেখাইয়া থাকেন। তিনি সাংসারিক মুখেও সহকারে সে সকলের প্রতি দৃপাত না করিয়া স্বচ্ছন্দে অবস্থান দুঃখে অস্পৃষ্ট থাকিয়া,কেবল শাস্ত্রানুমােলিত কাৰ্য্য করিয়া থাকেন। করেন। মৃত্যুতেও দুঃখবােধ কৰুে না, মরণেও মুখবােধ করেন তাহাতেও হর্ষ বা বিষাদভাব কিছুই প্রকাশ করেন না। তিনি সুখের বাসনা বা দুঃখের প্রতি বিদ্বেষ কিছুই করেন না কখন কখন সংসারনাটকের অঙ্গিয় প্রদর্শনব্যপদেশ দুঃখিত বা সর্বদা বাসনাশূন্য হইয়া অবস্থান করেন। অঙ্গনী সাধু ব্যক্তি সুখিত লক্ষিত হন বটে, কিন্তু তাহা আন্তরিক নহে, সাধ করিয়া জন্মমৃত্যুরূপ জীর্ণতণকে তুচ্ছপে গণ্য করত ইচ্ছাবিবর্জিত সংসারীর অনুকরণ করেন মাত্র , ফলে তিনি একই স্বভাবে বাসনানিৰ্ম্মক্ত হইয়া তজ্ঞ হইলেও অষ্মের ন্যায় নির্ভয়ে ও অবাস্তৃত। ১১-১৫। ভদশীরা, মিথ্যা পুত্র-পরিবারালি ও অচলের ন্যায় খিয়ভবে অবস্থিতি করিয়া থাকেন। ২১-৩৪। অন্যান্য তঁাহার ব্যবহ্রিয়মাণ দ্রব্যাদি সমুদয় জলবুহুদের ন্যায় ( একাপিকসতম সর্গ।১০। স্থায়ী) জ্ঞান করিয়া, সে সকলের প্রতি মেহ বা আসক্তি কিছুই দেখান না। ভবিং এইরূপে প্রকৃতপক্ষে) অন্তরের নেহয় হইলেও, বাহিরে গাঢ় স্নেহে আঘঁহৃদয় ব্যক্তির রায় বাৎসল্য- ব্যবহার দেখাইয়া থাকেন। যাহারা , তাহারা আত্মার দৈহিক ধিকততম সর্গ। সওা স্বীকার করা রূপ মােহে আচ্ছন্ন হইয়া ( কামাদিসন্তাপ নিবা- রাম জিজ্ঞাসিলেন,—“ব্রহ্ম। অনাদি অনন্ত পম বস্তু রণার্থ) একেবারে বিয়ের অভ্যন্তরে অবগাহন করে। কিন্তু পরিজ্ঞাত হই জ্ঞানী পুরুষপ্রবর কিরূপ হইয়া থাকেন, তাহা উত্তপ্ত বৈতরণী নদীর প্রবাহমখ্য নারকিগণ যেমন জলের উপরে আমার নিকট বন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন,-“জ্ঞতজ্ঞেয় পুরুষ উন্মগ্নবান হইয়া কিঞ্চিৎ বায়ুশ করে, সেইরূপ তাহারও প্রবর কিরূপ হইয়া থাকেন, যাবৎজীবন কিরূপ আচারে থাকেন, বিষয়ের কিঞ্চিত্র অংশ কথা স্পর্শ করিয়া থাকে। সম্পূর্ণরূপে তাহা বলিতেছি শ্রবণ কর। তাদৃশ জ্ঞানী নির্জন বনমধ্যে বিষয়ভােগ করিয়া বিশ্রান্তিলাভ তাহাদের ভাগ্যে একেবারেই অবস্থান করিয়াও জনপূর্ণ সুরম্যভবনে রহিয়াছেন বলিয়া মনে ঋটে না। তত্ত্বজ্ঞানী বাহিরে সকল ব্যবহার সম্পাদন করিলেও করেন, বনে থাকিয়া তিনি পাষাণকে মিত্র জ্ঞান কতেন। বন অন্তরে সর্বদাশতলভাব থারণ করা, অন্তরে সর্বদা বাহবন্ধুর বুকে বন্ধু জ্ঞান করেন, অরণ্যবাসী মুগশাবকগণকে স্বজন বলিয়া প্রতি আসক্তি হইয়াও বাহিরে আসক্তের প্রায় প্রতীয়মান হল। জ্ঞান করেন। শূন্যস্থান তঁাহার নিকট জনাকীর্ণ বলিয়া বােধ হয়, রাম কহিলেন, “হে মুনিনায়ক। আপনি যে তত্ত্ববিদের লক্ষ। বিপদ অতিসম্পদ বলিয়া বােধ হয়, বৰঞ্জনাদি বিপদ উপস্থিত বলিলেন,-ইহা কি যথার্থ না, শান্তিকাদির কল্পিত সত্য , ইহার হইলে, তিনি মহােৎসব উপস্থিত হইয়াছে বলিয়া মনে করেন। নিরুপণ করিবার উপায় কি? কারণ অজ্ঞ জাতিকও আপনাতে কন্তু তিনি মহারাজ্যে থাকিয়াও যেরূপ, মহারণ্যে থাকিলেও এরূপভাৰ ( ভবৎকথিত জীবন্মুক্ত লক্ষ) বাহক্রিয়া আর সেইরূপ, কিছুতেই তাঁহার ভাবান্তর নাই। তাহার অসমাধিও দেখাইতে পারে। ১৬-২০। হে মুনে! এমন দেখাও গিয়াছে মহাসমাধি, দুই মহাসু, ব্যবহারদশায় থাকাই মৌনাৰলম্বন, যে, শুরা আপনাকে একটা তপস্বিরুপে এড়া করিবার জয় তাঁহার কৰ্ম্মও নিফর্ম। ১-৫। তিনি আগ্ৰৎ হইয়াই সুষুপ্তি, অবিশুদ্ধচিত্ত না হইলেও, অধের জায় ব্রহ্মচর্য অবলম্বন করি। জীবিত থাকিয়াই মুতােপম, তিনি সমূদয় লােক্যবহার সম্পাদন এইরূপ অজ্ঞানীর ভাব দেয়।” বশিষ্ঠ কহিলে,-“হে রাম। করিলেও (বাস্তবপকে) কিছুই করেন না। তিনি যসিক হইলেও আমি গেমার নিকট অঙ্গনীর যে স্বরূপ নির্দেশ করিলাম, ই অরসিক, বন্ধুবৎসল হইলেও স্নেহত, অতিশয় দয়ালু হইলেও দয়ালু হইলেও এই হউক, আর কলিত (কামিল) হউক, এইরূপ নির্দয়, তৃষ্ণাতুর হইলেও বিতৃষ্ণ। সকলে তাহার সাধুহার ভাবই যে সর্ব শ্রেষ্ঠ, তাহার সন্দেহ নাই। ভণ্ডামি করি।
বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। এরূপভাব প্রদান করাও দল, কেননা হয় ত, ক্রমে তা অভ্যাস তৃণ বা খুলিস্বরূপ (মে); তাহার নিকটে কোন্ ব আদরের আরা স্বভাবে দাড়াইতে পারে, ফলে আমি তােক যে লক্ষণ ' হইবে? যিনি জগতের সকল কাৰ্য (লৌকিক ক্রিয়া সকল) নির্দেশ করিলা, উহা ৰিদ্ধিগের তাৰ অৰের উপর নির্বাহ করিয়াছেন, সেই পরিপূর্ণমন মুনি যস্থিতভাবেই অৰ- নির্ভর করিৱা বাহা ঠিক হয়, তাহাই বলিয়াছি(ভণ্ডামির কথা স্থান করেন, যথাপ্রাপ্ত করেই যথাৎ অনুসরণ করিয়া থাকেন। বলি নাই)। জ্ঞানীর সংসারে আসঙ্গি, এখন ক্রিয়াধলেও তঁাহাৰ অন্তঃকরণ সর্বদা শীতল, মন সত্বভাবপন্ন, আকার আগ্রহণু হইলেও (স্থানে স্থানে যথাপ্রাপ্ত ব্যবহারের অনুরােধে পরিপূর্ণ সাগরের ন্যায় পূণভাবাপন্ন, আশয় গভীর-অথচ একট। সংসাকাসক্ত ব্যক্তির ন্যায় লক্ষিত হন। তাঁহারা স্বভাবতই তিনি সর্বদাই মৌনী থাকেন। ৩৫–৪১। অমৃতপূর্ণ হ্রদের স্যা, মাহদ, তাঁহারা সাংসারিক সুখস্বচ্ছতায় হা হইলেও, পূর্ণচন্দ্রের স্যায়, তিনি সর্বদাই আপনাতে আনন্দ ধারণ করেন অজ্ঞজনের ব্যবহারে হাস্ত করিয়া থাকেন। ইহারা চিত্তরূপ দর্পণে এবং অন্যেরও আনন্দ উৎপাদন করেন। কারণ জ্ঞানীলােকে এতিফলিত সমুদয় দৃশ্যবই স্বপ্নে হন্তগত সুবর্ণের ন্যায়, মিথ্যা যেরূপ অপরের আনন্দ উৎপাদন করিতেছে, পারিজমঞ্জরী কল্পনায় সৃষ্ট, সুরম্য অট্টালিকার স্থায় অসং বলা জ্ঞান করেন। নিৰ্মিত রমণীয় দেবতাদিগের কুকানেও ভত সুখ হইতে কেমন চন্দনঞ্জর সৌরভ লোকে দূর হইতেই আম্রাণ দ্বারা পারে না। বিবেক তত্ত্বজ্ঞানী (সারাংশগ্রহণে) নিদাষের আনিতে পারে, সেইরূপ ইহাদের অন্তঃীলতা দূর হইতে চন্দ্রমণ্ডল, সৌরভলী কুমকাননের বস, তিনিই রাখালি দেখিলেই অনুমান করা যায়। স্বহারা জ্ঞাত, ক্ষে, পবিত্রাশয়, দ্বারা অক্ষত বা অদূষিত উদার আয়কেই সাররূপে গ্রহণ তাদৃশ তত্ত্ববিদগণ ত তঁাদের দেখিবামাত্র জানিতে পারিবেই, করেন। এই ইন্দ্রজালময় অসত্য বিশ্ব, ইহা ভ্রান্তি যেমন সপের পদ, সর্পেই জানে। (সাপের পা আছে দেখিতে এইরূপ দৃঢ়ধারণা হওয়ায় তত্ত্বজ্ঞানীর হৃদয় হইতে বিখ-বিষয়ক পায় না, কিন্তু সাপে দেখিতে পায়)। ২১-২৬। প্রান্তিকেরা সঙ্গ দিন দিন অপসৃত হইতে থাকে। ৪২-৪৫। অঙ্গনী আপনার তাদৃশ ভাব লেকের কাছে দেখাইয়া বেড়ায়, কিন্তু অবস্থাসহকারে দেখেন বলিয়া, তঁাহার নিকট নিজ দেহগত একুততত্ত্বজ্ঞানী মহাত্মারা তাহা করেন না, তাঁহারা তাহা গােপন শীতাতপাদি ক্লেশ অপরের শরীরস্থ বলিয়া বােধ করে, অর্থাৎ করিয়া রাখেন ( তঁাহারা নিজের মহত্ব প্রকাশ করিতে ইচ্ছ। নিজে কিছুই তাহা অনুভব করিতে পান না। সংসারবিষয়ে করেন না, যে দ্রব্য গ্রামের সাধারণ লােকের ক্রয় করিবার সাধ্য বিরক্ত তত্ত্ববিং করুণ উদার লতাবৃত্তিতে (লতা যেমন এক নাই, সেই অমূল্য চিন্তামণি কি কখন দোকানদারের দোকানে মাত্র ক্ষ অবলম্বন করিয়া সেই বৃক্ষ হইতে যে জল পায়, পাইয়া রাখে? তত্ত্বজ্ঞানীদিগের আপন ও গােপন করিয়া ত হাতেই সন্তুষ্ট থাকে, সেইরূপ) জীবিকা নির্মাহ করেন। তিনি রাখার তাৎপৰ্য্য এই যে, তাহারা দাতিকের মত অপরের নিকট সাধারণ লােকের ক্ষয় বখাপ্রাপ্ত ব্যবহার সম্পন্ন করিলেও চরাচর খ্যাতিমান প্রভৃত্তি আশা রাখেন না, তাহার কারণ তাহাদের নিখিল ভূতের উপরে অবস্থিত। তিনি বুদ্ধিরূপ প্রাসাদে বিষয়স নাই। রাম! তঁাহারা অপরের অজ্ঞা, অপূজা আরেহণ করিয়াছেন, এজন্য তাহার পক্ষে অনুশােচনার বিষয় ও নিজের দারিদয় যেমন সুখী হন, মহাসম্পত্তি লাভ বা কিছুই নাই , তিনিই কেবল লােকের জন্য অনুশােচনা করেন লােকের নিকট মহাসম্মানালিতেও তেমন সুখী হন না। তাহ- শৈলস্থ ব্যক্তি ভূলস্থ ব্যক্তিবর্গকে যেরূপ দর্শন করে, তিনিও েিশর শানুভবরূপ যে জ্ঞাতজ্ঞেয়া তাহা অপরকে দেখাইতে সকল লােককে সেইরূপ (আপন অপেক্ষা অনেক অধোবী) চান না, এমন কি তত্ত্ববিং নিজেও তাহা দেখিতে পান না। দেখিয়া থাকেন। তিনি সংসারভ্রমরূপ সাগরের পরপারে অগয়ে আমার গুণ জানুক, আমার পুজা করুক, এরূপ ইচ্ছা উপস্থিত হইয়া ভাষাত হইতে মুক্ত হইয়াছেন, পরম বিভ্রান্তি অহঙ্কারীদিগেরই হইয়া থাকে, মুক্তচেতা যােগীলিগের নহে। লাভ করিয়াছেন। ৪৬—•। তিনি শান্ত-মনে জগতের পূর্ব- হে রাখব! আকাশগদি ফলসাধন (খেচরী প্রভৃতি সিভি) ন (অজ্ঞদশ যেরূপ ব্যবহার করিছিলেন, তাহা) অবস্থা যাবধিবলে অলদাকেও করতে পারে। কি প্রবুদ্ধ, কি সদৰ্শন করিয়া উপহাস করেন। তিনি ভ্ৰমান্ধ অনবর্গকেও অজ্ঞ, যে যেরূপ আয়াস করিতে পারে, সে অবই সেই অন্তরে উপহাস করিয়া থাকেন। তিনি দিগ্ভ্রমের সঙ্গে উপমিত ফললাভে সমর্থ হইয়া থাকে। চন্দনের সৌরভ যেমন চন্দন, অসতী এই সংসারদৃষ্টি পুর্বে আমাকে মােহিত করিয়াছিল, এই কষ্টের সহিত নিজ সফ, সেইরূপ স্পন্দনের অর্থাৎ বিহিত ভাবিয়া অন্তরে বিশ্বকাপ হন। অষ্টগুণ ঐ এক্ষণে আমার নিষিদ্ধ কর্মের ফল সকলেরই হৃদরে (অপূর্বকালে বিদ্যমান নিকটে তৃণােপম” এইরূপ জ্ঞান করিয়া বা ঐশ্বর্যের প্রতি কে; কালে তাহা প্রকাশিত হইয়া পড়ে। দৃশ্যবস্তুতে যাহার উপহাস করিলেও উপশান্তরতি বলিয়া অন্তরে কিছুমাত্র গর্বভাব হত, বাসনা, দ্বৈততা এবং বাস্তববুদ্ধি আছে, সেই ব্যক্তিই ধারণ করেন না। ইহাদের অস্থিত্রি একটা নিয়ম নাই। কাশ-গমণি ক্রিফল সাধন করিতে পারে। ২৭৩৫। হার বেরূপ ইচ্ছ। তিনি সেইরূপভাবেই কালযাপন করেন। যিনি জনে এসকল কিছুই নয়, ভ্রান্তি বা শত, সেই বাসনা কেহ ভিক্ষুকের বেশে, কেহ নিন পখীর বেশে, কেং মৌন- জানা কিরূপে ক্রিফল সাধন করিতে সমর্থ হইলে। ব্ৰথায়ী হইয়া, কেই ধ্যান-পরায়ণ হইয়া, কেহ পণ্ডিতের কােণে, কোন কাৰ্য করা না করা কিছুতেই এয়ােজন দেখেন কে ভিত্তি শ্রোতালে, কে জাবেশে, কেহ এহ্মণ- না। তিনি নিখিল ভূতের কোন ভূতের সহিতই সম্পর্ক রাখেন বেশে,কে বেশে, এবান করেন, কেহৰা গুটিকাদি সিদ্ধ ল। অবনীয় দায় মন যাহাতে লুং, এমন কোন বস্তু, ব্যক্তি চায় আকাশগামী হইয়া, কেহ বা শিল্পকলানিপুণ হইয়া, কি পৃথিবী কি স্বর্গ, কি দেকলের নিকটে কোন স্থানেই কেহ পায় সে, কেহ বা শ্রেত্রিয়,ব্রাহ্মণেৱ নে অবস্থান সখিতে পাওয়া যায় না। যাহার নিকটে এই সমগ্ৰ অগই করে, কেহ বাজার হইয়া যথেচ্ছাচরণ করিয়া থাকেন।
নিকাণ-প্রকরণ-উতরভাগ ৭০। বনি , কেহ বা উম্মতের ন্যায় ভ্রমণ করিয়া বেড়ন, কেহ বা পরিব্রাজকে বল, পিচ জন ধৰি নিকৃষ্ট জীবের, আহাতে বলি, ধনি বেশে বিচরণ করেন। ৫১-৫৫। পুরুষ, শরীয়াৰিও নহেন, তাহাই হয়, তাহা হইলে নিকৃষ্ট জীব সর্বদাই পিশাচ ও চিদি কোন পদার্থই নহেন, তিনি চৈতন্যরূপী, কদাপি দেখে না কেন? বন্ধুর মৃত্যুর পরে দেখে কেন। তাহার নাশ নাই। তিনি অচ্ছেদ্য, অদাহু, অল্যে, অশাে, জীবধৰ্মমাত্রই যে পিশাচ দর্শন করা, তাহা নহে, বন্দুমন্ত্রণ নিত্য পদার্থ, তিনি সর্বগত স্থাণুর ন্যায়, অচল সনাতন বস্তু। জ্ঞানবিশিষ্ঠ বে জীৰ অহারই পিশাচ শন হয়, তাও যে ব্যক্তি এইরূপ বােধ প্রবুদ্ধ হইয়াছেন, তিনি যেখানে যেরূপ বলিতে পায় না। কেন না, দেশান্তরে যা মরিয়াছে, এ কথা ভাবে ইচ্ছা, সেইরূপ ভাবে থাকিতে পারেন, তাঁহায় অবস্থিতি যদি কে মিথ্যা করিয়া বলে, সে হলেও আমার বন্ধুর মরণজ্ঞান কোন নিয়মই নাই। তিনি পাতালে প্রবেশ করুন, আকাশ হইয়াছে, সে হুলেও ত পিশাচ দর্শন হইতে পারে, তাহা হয় না লম্বন করিয়া গমন করুন, নিগুলে ভ্রমণ করুন অথবা শিল- কেন ? অব এই চৈতন্য সর্বময়; এই চিৎ বকত পরিচ্ছিন- সংপিষ্ট হউন না কেন, কিছুতেই হার অন্যথা ভাব নাই, তিনি ভাবে নিয়ন্ত্রিত নহে,-ফলতঃ তিনি ( চৈ) যথায় যে যে এর চৈতন্যরূপী, কুত্রাপি তাহার বিনাশ নাই। তিনি আকাশ-বস্তু জ্ঞান কলে, তাহাতে আমাকেই সেই সেই স্বরূপে কে যে স্থায় শান্তি শিব অজ নিত্যন্ত। ৫৬-৬। জ্ঞান করে ,(নতুৰ জ্ঞেয় বস্তু পৃথক নহে)। ৭-১০। অবা- দকিশততম সর্গ সাপ্ত ১০২। বিত একাকারে ঘনীভুত চিৎ (শঙ্কৰণে) যে প্রকার হইয়া পড়েন, অনুভবও ঠিক ভৎকারে হইয়া থাকে। তঁাহার স্বভাবই সৃষ্টি বিষয়ে কারণ, ভিন্ন আর কোনই কারণ দেখা যায় না। যদি বল, ভগ্নি অন্য কারণ আছে, তাহা হইলে ত্যধিকততম সগ। বল, সে কারণ কি? ও কি প্রকার কি রূপেই বা হইল ? ফলতঃ বশিষ্ঠ কহিলেন,-“ঐ যে চতরূপী পুরুষের কথা বলিলা। এই জগদাকার বিকল্প কল্পনা, ইহান সৃষ্টির পূর্বে উৎপন্ন বা উনি প্রত্যগাত্মার প্রকাশরূপ বিষয়ের প্রকাশরূপে সকলােতেই বিদ্যমান ছিল না, কেবল চিকাশই এভলকারে আভাসমান ভাসমান হইতেছেন। উক্ত অনাদি অনন্ত চিতির কিরূপে না হইতেছে। কথিত এই দৃ আকারে হা বন্ধ হইতেছে, তাহা হইতে পারে ? আমি ঐ চিত্রকে পুরুষশব্দে নির্দেশ করিয়াছি, চতন্যেরই বিবৰ্ত্ত, বস্তুতঃ “ দৃশ্য ইত্যাকার বোধ না থাকিলে উক্ত পুরুষের কলাপি বিলাশ নাই। যদি বল তাহার বিনাশ আছে দৃশ্যভাবও থাকিতে পারে না—অর্থাৎ চিদাকাশ নিজ চমৎকার তাহা হইলে আর জন্ম (সৃষ্টি) হইতে পারে না, (সৃষ্টির একজন চাতুরীকেই দৃশ্যইত্যাকার জাগ্ৰং স্বপ্নবেধে বােধ করিয়া থাকে ত সাক্ষী চাই)? যদি বল একটা চৈতন্যের জন্ম হয়, তাহার। সুষুপ্তিকালে সে বােধ ( দৃশ্য বােধ ) থাকে না বলিয়া, উক্ত দৃশ্য পরে সৃষ্টি হয়, তাহাও বলিতে পারি না। কেননা চিং একট। তৎকালে বুদ্ধ হয় না। ১৯১৫। অতএব উক্ত বােধ ও অবােধ ব্যতীত দ্বিতীয় চিৎ আর নাই, চিতির ভিন্নতা কেহই স্বীকার ! ইহা চিনাকাশেরই স্বরূপ, চিলাকাশরূপে অহা একই , এ বিষয়ে করে না, চিতিজ্ঞান বা অনুভব পদার্থ সকলেরই এক। হিম কোন পার্থক্য নাই, পার্থক্য কেবল কথার। অতএব দৃষ্ণভাব শীতল, অগ্নি উষ্ণ, আল মধুর, ইহা সকলেই স্বীকার করে, তেমনি নাই। জ্ঞানীদিগের (তত্ত্বজ্ঞানের আগে) যে দৃভাব, তাহা 1ষশুদ্ধ চিত্রের একতা সকলেই স্বীকার করিয়া থাকে। ইহার। আর কিছুই নহে, তাহা অবিচারণা, ইছাই জানিও। সেই আবার ভিন্নতা কি প্রকার ? যদি শরীরের নাশে চিত্রের লাশ অবিচারণা তাহাদের এক্ষণে বিচারলে বিনষ্ট হইয়াছে, অতএব হইয়া যায়, এই বল (১) তাহা হইলে ত আনন্দের বিষয়, কোথায় তাহা হইৰে। এই আত্মজ্ঞান-বিচার-বিষয়ে বুদ্ধির সংসার-কয়রূপ যে মরণ, হাতে দুঃখের বিষয় কি? ফলতঃ যে চেষ্টা, সেই চেষ্টাতেই আত্মজ্ঞানের পর অভ্যাস হয়, শরীরের নাশে চিদাকাশের নশ হয় না, কেননা শরীর নষ্ট সেই অভ্যাসলেই উভয়-লােকের সিদ্ধি হইয়া থাকে। হে সাবধা। হইয়া গেলে শরীরাধিষ্ঠাতার পিশাচভাবপ্রাপ্তি তদীয় বন্ধু তােমাদের অবিদ্যার উপশম হইয়া গেলেও অভ্যাস ব্যতিত্বেকে অনেকেই প্রত্যক্ষ করিয়াছেন। ১৫। শরীর নাশে চিরি তাহা দৃরূপে সিদ্ধ (জীবকিরূপে প্রতিষ্ঠিত) হইতে পারিবে নাশ, ইহা নিতান্তই অবৌক্তিক কথা। কারণ, মৃত্যুর পরে শরীর না। মদমালি সানসম্পন্ন পুরুষ আলাদি উয়ে পরিত্যাগ যতক্ষণ অখণ্ড থাকে, ততক্ষণ শব স্পন্দিত হয় না কেন? করিয়া প্রতিদিন প্রতিক্ষণে উল লােকহিতকর এই অধ্যাত্মক তবেই বল, চৈতন্য থাকে না বশিই শক্ষিত হয় না, যদি বিচার করুক। ১৬-২০। শহুসৌভাগ্যশালী ভােৱ যদি মিলিলা মিশিয়া আত্মজ্ঞান বিচার অভ্যাস না করিতে পার, (১) তাৎপর্য,চার্বাক বৈশেষিকাদির মতে সুখদুঃখের তাহা হইলে এই আত্মজ্ঞান বিজ্ঞাত হইলেও বিজ্ঞ হইয়া অনুভবরূপ বিশেষজ্ঞান ব্যতীত, আর স্ব চিত্র বা চিৎসায় যায়। যে, যে বিষয়ের প্রার্থনা করে এবং তাহার নিমিত্ত যত্নবান স্বীকার করে না। তাহাদের মতে ঐ বিশেষ জ্ঞানের প্রতি অব হয়, সে অবশ্যই তাহা প্রাপ্ত হয়, নতুবা পরিশ্রান্ত হইয়া না ছেদকতা সম্বন্ধে শরীর কারণ, সুতরাং তাহারা জ্ঞানের কারণীভূত পাইলে) নিবৃত্ত হয়। অতএব তােমরা অসং-শাস্ত্রের চর্চ শরীর নামে আর জ্ঞানের অস্তিত্ব স্বীকার করেনা, সেইমত হইতে বিরত ও পায়ে চর্চা কর; তাহা হইলে নিশ্চয়ই স্বীকার করিলেও মৃত্যুতে দুঃখের কারণ নাই; বরং আনন্দেই সংগ্রাম হইতে জয়লক্ষ্মীর গায় শান্তি প্রাপ্ত হইবে। এই মনাে- বিষয়; কারণ মুহুখেজ্ঞানকেই আমরা সৎসার বণি; সেখ রূপিণ ননী বিবেক ও বিবেক দুই দিকেইছিতে, বহুপূর্বক দু-জন যদি মৃত্যুতেইলও , তাহা হইতে সহজেই যে দিকে বহু নিয়মিত করিয়া নেয়া হবে, সেই দিকেই মুক্তি, ইবর শেলের বিকি। বিরলপ্ত হইয়া থাকিবে। এই এখায় না। যাহা বলি- ;
৭০ না। অতএব পরম বোৰ শত করিবার অঙ্গ এইই চির মুরস (মধু)। ইহাতে তিলতি বিষয় নিই: যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। তেছি, ইহা অপেক্ষা কৰক আর কিছুই হয় নাই , হইবেও সহজে আত্মজ্ঞান লাভ করা যায়, অথচ ই ন নহে, বেশ নাই, যাহা আছে, কর। ২১-২৫। নিজে বিচার করিয়া দেখিলেই সংসারমার্গের তাহা ভগ্ননি-সম্প্রদায়ের মধ্যে যাহা যাহা ঘটিয়া থাকে, ঠিক পরিশ্রমী পরম বােধ অনুভব করিয়া দেখা যায়, নতুবা বর তাহাই যথাযথ ভাবে উল্লিখিত হইয়াছে। যে ব্যক্তি চিত্ত বা শাপের গায় এ বােধ সহসা উৎপন্ন হয় না। তােমার বিনােদনচ্ছলে এই গ্রন্থের অন্তর্গত বিচিত্র উপাখ্যানভাগ বুৰিায় পিতা, মাতাৰ তােমার যে পূণ্য কৰ্ম, তােমাদের যে কল্যাণ- পাঠ করে, সে পরমাত্মজ্ঞান লাভ করে, এ বিষয়ে কোন সংশয় সাধন করিতে সমর্থ হয় নাই, এই অধ্যাত্মশাস্ত্রের আলােচনায় নাই। সৰ্ব্বশাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিতগণ অদ্যাপি যে তৰােখ লাভ ভাই সাধিত হইতে পারে। হে সাবাে। সংসারবনময়ী এই করিতে সমর্থ হন নাই, সে তত্ত্বৰােধ এই গ্রন্থের মর্মার্থবিচারে দীর্ঘ বিচিকা, ইহা বড় বিষম, আত্মজ্ঞান ব্যতিরেকে ইহা সুবর্ণাকরস্থিত সৈকভূমির জালনে সুবর্ণ-লাভের স্থায় অবশ্যই কোনরূপেই শান্ত হয় না। “আমি” ইত্যাকার মহামােহময়ী প্রাপ্ত হওয়া যায়। যদি বল, এই গ্রন্থের রচয়িতা যেরূপে মিথ্যা মায়া হইতে যে দারুণ লােচনীয় দশা উপস্থিত হয় , জ্ঞানােপার্জন করিয়াছে, আমরাও সেইরূপে করিব, এই শাস্ত্রা-ভাবনা দ্বারা (শান্তুে যাহা বলে তাহা করিয়া) সে গ্রন্থের সাহায্যে প্রয়ােজন কি ? তাহাতে বলা যায় এই, যখন শােচনীয় দশা হইতে সত্বর মুক্ত হও। হে সাধুগণ। ক্ষুধিত সর্প যুক্তিসহপূর্ণ এই শাস্ত্রের সাহায্যে জ্ঞানােদয় স্পষ্টই দেখা যেমন নীরস বায়ু ভক্ষণ করে, সেইরূপ তোমরা আপাতমধুর শূন্য বাইতেছে—অর্থাৎ ইহার সাহায্যে জ্ঞানলাভ অপরে করিয়াছে বিষয় সকল আস্বাদন করিয়া আকাশরূপিণী সংসার-মায়ায় আবদ্ধ এবং করিবার সম্ভাবনাও আছে, তখন এতং-শাস্ত্ৰকৰ্তার জ্ঞান হইও না। ২৬-৩০। কি কষ্ট। এই দিন সকল তােমাদের কিসে হইল ? তাহার অনুসন্ধানে প্রয়ােজন কি? সে পথে অজ্ঞাতসারেই চলিয়া যাইতেছে, অতএব একশ হইতে যতদিন যাইবার আবশ্যক কি? ইহারই মর্মার্থ বুঝিয়া অনুসারে কাৰ্য্য কর না কেন? মৃত্যু না হয়, ততদিন শুভকর্শে থাকিয়া তাহার প্রতীক্ষা কর। ৪১-৪৫। যাহারা অান, যেৰ বা মােহ হে সংসারতীক সাধুগণ। ততদিন শাস্ত্রালােচনাদি উপায়ে আশ্বস্ত 'বশতঃ বিচার না করিয়া এতংশাস্ত্রের অবজ্ঞা করে, তাহাৱা হইবার সুবিধা আছে মৃত্যুকাল আসিয়া পড়িলে আর কিছুই আত্মহত্যাকারী, তাহারা আত্মজ্ঞান লাভ করিতে পারে না, করিতে পারিবে না। মৃত্যু আনিয়া পড়িলে কষ্টের অবশেষে তাদৃশ ব্যক্তির সংসর্গে থাকা কদাচ উচিত নহে। হে রাম। পড়িবে, তখন তােমাকে নিজ অঙ্গনক্লেশ গাত্রে চন্দনলেপন- এই শ্রোইবর্গ কিরূপ গুণসম্পন্ন, তুমি কিরূপ গুণসম্পন্ন এবং ৰং অনায়াসে সহ্ন করিতে হইবে। গাছ মাঙ্গ মুখ লােকেরা প্রাণ আমিই বা কিরুপ গুণসম্পন্ন, তাহা সমস্তই আমি বুঝি, দিয়াও ধন-মানাদি ক্রয় করিতে যায় ( যুদ্ধাদিস্থলে ১, ভাঙ্গার (অর্থাৎ তত্ত্বজ্ঞান-বিহীন ব্যক্তির সংসর্গে থাকা উচিত নয় (নিতান্ত মূঢ়তাবশতঃই) শাস্ত্রোক্ত বিবেক-বৈরাগ্যাদির অভ্যাসে এই শ্লেবর্গ এখনও তত্ত্বজ্ঞান লাভ করে নাই, সুং আমার ত্ববােধবতী পবিত্র বুদ্ধি দ্বারা (অনায়াসল) অজর পদক্রয় এ সঙ্গ ত্যাগ করা উচিত, তাহা বুঝি, তথাপি তােমাদের প্রতি করে না। যাহারা চেষ্টা করিলে চিদাকাশে পদক্ষেপ করতে কৃপাবশতঃ আমি তােমাদিগকে উপদেশ দিতেই আসিয়াছি। পারে, তাহার কি জন্য নিজ মন্তকোপরি অজ্ঞানশক্রর পদক্ষেপ আমার স্বভাবই এই রকম (তােমাদের দিতের চেষ্টা করাই তোমরা মান, মোহ আমার স্বভাব)। অথবা আমি যে তােমাদের নিকটে আসিয়াছি, পরিত্যাগ করিয়া দৃঢ় বিবেক অবলম্বনপূৰ্ব্বক মুক্তিমার্গের পথিক | সে আমি আর কিছুই নছি, সে আমি তােমাদেরই বিশুদ্ধ হও, অধম সংসারগতি প্রাপ্ত হইও না। বিকেলে স্বাত্মবোধ ' সৎি আত্মা, তােমাদিগকে উপদেশ দিবার জন্য প্রবৃত্ত হইতেছি। লাভ করিতে পারিলেই সমস্ত বিপদের সমূলে বিনাশ সাধিত হয়। তাহা ছাড়া আমি আর কিছুই নহি, আমি না নর, না গন্ধ, এই দেখ, আমি তােমাদের জন্যই রাত্রিদিন বকিয়া মরিতেছি না দেব, না রাক্ষস। আমি তােমাদেরই জ্ঞানস্বরূপ, তােমরাও একবার দয়া করিয়া আমি যাহা বলিতেছি, তাহা শ্রবণ করিয়া বিলম্বিরূপ, তােমাদেরই বিশুদ্ধ নিৰ্ম্মল আত্মজ্জান দেহাদি পরিশ্ন আত্মব পরিত্যাগপূর্বক ব্রহ্মভাব প্রাপ্ত হও। তােমাদের পূর্ণাবলে এই বশিষ্ঠ-রূপে অবস্থান করিতেছি, যে মূঢ় এখনি মৃত্যুরূপ আপদের চিকিৎসা করিতে পারিল না , আমি অন্য কিছুই নহি। অতএব আমি তােমাদেরই পরম সে মৃত্যু উপস্থিত হইলে কি করিবে, তিলের দ্বারাও যেমন | প্রেশিদ আত্মা, আমি যাহা বলিতেছি শ্রবণ কর , যে পর্যন্ত তেলাথী লােকের অভিলষিত বিষয় পূরণ হয়, সেইরূপ, এই তােমাদের মলিন মৃত্যুদিন আসিয়া উপস্থিত না হয়, তন্মধ্যে গ্রন্থের দ্বারা আত্মজ্ঞানার্থীর অভিলাষ পূর্ণ হইয়া থাকে, এই যাতর প্রতি বৈরাগ্যরূপ সার সঞ্চয় কর। ৪৬। যে ব্যক্তি গ্রন্থ অপেক্ষা(যােগবাশিষ্ঠ) আত্মজ্ঞানের উপােযােগী গ্রন্থ আর এই স্থানেই ঔষধ থাকিতে নরকব্যাধির চিকিৎসা করিয়া উঠিতে নাই। প্রদীপ যেমন, বহু প্রকাশ করিয়া দেয়, সেইরূপ এই পারিল না, সে ঔষধবিহীন স্থানে পীড়িত হইয়া গিয়াই ৰা শাস্ত্র আজ্ঞান বিকাশ করিয়া দেয়। এই শাস্ত্র, পিতার স্থায় কি করিবে? যতদিন সমুন বা বন্ধুতে বৈরাগ্য উপস্থিত না লােককে জ্ঞান শিক্ষা প্রদান করে, কান্তার দায় মনোরঞ্জন করিতে হয়, ততদিন এই সংসার-ভাবনা ক্ষীণভাৰ ধারণ করিবে না। হে ৪। ৩৬। আত্মরূপ জ্ঞান নিত্য প্রাপ্ত হইলেও মহাযুদ্ধে! বাসনা ক্ষীণ না করিতে পারিলে আর উলের নােৰ ৰণত আচ্ছন্ন , অতএব অপ্রাপ্ত থাকাতে শাস্ত্রানুলের আর কোন উপায় নাই, কদাচ পাইবে না। যদি এই বাহু সহাতে পাওয়া যাইতেছে না, এই গ্রন্থের সাহায্যে সেই দুর্বোধ বসকল ধর্থ সত্য হইভ, অহা হইলে ইহাতে বাস রাখিতে জ্ঞান অনায়াসে লব্ধ হয়। জ্ঞানের উপযােগী যত উৎকৃষ্ট পারিতে, কিন্তু ইহা ত স নহে, ইহা শশঙ্গারি ন্যায় • গ্রন্থ আছে,তন্মধ্যে এই গ্রন্থই সর্বোৎকৃষ্ট, এই গ্রন্থের সাহায্যে অলীক। এবিচারবশই এই বাহ বন্ধুসকল সত্য ও মনেহয় সহ করে। ৩১-৩৫। হে জনগণ।
নির্বাণ-প্রকরণউত্তরভাগ। ৭০৯ হইয়া উঠিয়াছে, বিচারভৃষ্টিতে দেখিলে ইহা কিছুমাত্র সত্তা জড়পদার্থ, জড়পদার্থের ঈদৃশ সামর্থ্য সবে না। ফলত হে উপলব্ধি হইবে না, অলীক হইয়া যাইবে, প্রমাণসহকারে বিচার রাম। বুদ্ধিপূর্বক কাহারই এ কাৰ্য করা সম্ভব না, এমন কে করিয়া দেখিলে এই জগদূতাব বাস্তবিক নাই বন্যা প্রতিপন্ন উন্মত্ত আছে যে, বুদ্ধিপূর্বক (জানিয়া শুনিয়া) বৃথা কাৰ্য কৰিৰে ? হইবে। যদি উহার সত্তা স্বীকার কর, তবে কিরূপ উহার স্বরূপ? বায়ু দ্বারাও একাৰ্য করা সম্ভব না, কারণ বায়ু জড়—তাহারও বল দেখি ' আমরা ত দেখিতেছি, এই নিখিল জগদূভাব আদৌ বুদ্ধিপূর্বক চেষ্টা নই। বুদ্ধিপূৰ্ব্বক চেষ্টা ব্যতীরেকেও পরমাণু উৎপন্ন নহে, তাহার কারণ, ইহার উৎপত্তির কারণভাব। যাহা সংঘােগ হইতে পারে ন, এতদ্ভিন্ন অঙ্গ কাও আর দেখি না। কিছু প্রতিভাত হইতেছে, সমস্তই সেই এক মাত্র পরমপদ। সেই ৬১-৭০। আমরা সকলেই একমাত্র চিদাত্মা, যাহা কিছু দেখি- পরমপদ নিখিল ইন্দ্রিয়ের অতীত, মনােৰূপ যষ্ঠ ইন্দ্রিয়েরও (তচ্ছ, মস্তই চিনাকাল, তথাপি স্বপ্নে যেমন তোমরা লােকজন অতীত। অতএব তিনি ইহার কারণ হইতে পারেন না, মনােরূপ নিরীশ করিয়া থাক, সেইরূপ এই সল ভিন্ন দেখিতেছ, স্বপ্ন- ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ও এই ভাৰসকলের কারণ নহে, কেননা এ ভাষসকল মানবের ন্যায় পৃথক্ একটা বন্ধুরূপে প্রতীয়মান হইতেছি। বাস্তু- মনােরূপ ষষ্ঠ ইন্দ্ৰিয়াত্মক, আর সেই আত্মবস্তু অনখ্য, তঁাহার বিক বিষ উৎপন্ন হইতেছ না, যিদ মানও নহে, একমাত্র নির্মল কোন আখ্যা বা নাম নাই, এই ভাবসমূহ বিবিধ আখ্যায় চিদাকাশই আপনাতে আপনি প্রকাশমান হইতেছে। আখ্যাত, সুতরাং আখ্যাযুক্তের কারণ কিছু আখ্যাহীন বস্তু যেমন স্পন্দ, জলে যেমন দুৰত্ব, আকাণে যেমন শূন্যতা, সেইরূপ কাৰ্য কারণে সাদৃশ্য থাকা চাই, কারণ একরূপ একমাত্র চিদাক শেই এই বিশ্বাকাশ বিস্ত রহিয়াছে। কাৰ্য অন্যরূপ হইতে পারে না। বস্তুতে অবতা, আকাশে নিমেষমধ্যে এক দেশ হইতে অতিদূর দেশ স্তরে যাইতে হইলে, আকাশভিন্নতা হইতে পারে বি। সাকার বস্তুর কারণ সাকারই মধ্যে সংবিদের যে আকার প্রতীয়মান হয়, তাহাকেই চিদা- হইতে পারে, যেমন বটবীজ। নতুবা নিরাকার হইতে কাশের শরীর বলিয়া জালিও। বস্তুত চিদাকানই সকল পদার্থের উৎপয় বন্ধু কিরূপে সাকার হইবে । যাহাতে কিঞ্চিত্রও স্বরূপ, সকল পদার্থই চিদাকাশময়, অতএব এই বিখও আকাশ- আকৃতিবিশিষ্ট বীজ নাই, তাহা হইতে সাকার বিশ্বের রূপ। ৭১-৭৫। ঐ চিদাকাশ প্রকৃত স্বভাব হইতে বিভিন্ন উৎপত্তি, ইহা বা নিতান্ত অসঙ্গত। ৫-৬০। সেই পরমপদে না হইয়া যে বিবর্তিত হইতেছে, সেই বিবর্তিতই জগৎ। অতএব কাৰ্যকারণভাব প্রভৃতি কিছুই নাই। তবে যে লােকে তঁাহার জগৎ ও চিদাশর কিছুমাত্র পার্থক্য নাই। উভয়ের রূপ, নাম কল্পনা করে, তহ। মুখতানিবন্ধন বাচালতামাত্র। সহ পবন ও তদীয় স্পন্দেরই রূপের ন্যায় একই, কিছুমাত্র ভিন্ন নহে। কারী ও নিমিত্ত কারণ না থাকিলে কেবল সমবায়ী কারণে মনোমধ্যে এক দেশের অনুভবের পর অন্য দেশের অনুভবের যে কোন প্রকারে কাৰ্য নিহই হয় না, ইহা বালকেরাও উদয়ের মধ্যে জ্ঞানের যে আকার ভাসমান হয়, সেই আকার বুঝিয়া থকে। জগতের জ্ঞান সৰূপ বলিয়াও চিতি জগতের যাহাতে কোনরূপ বিশেষ নই, তাহাকেই চিতির মুখ্য স্বরূপ কারণ হইতে পারে না (খটক্সন কি কখন ফটর কারণ হয় ?), বলিয়া জানিও। তাহাই নিখিল ভূর স্বভাব , পণ্ডিতগণ ফলত চৈতন্যে তদিভর অগৎ থাকিতেই পারে না, বল দেখি, বাহাতেই অবস্থিত, হরিহরাদি প্রধান যােগিগণ সর্বদা হারই আতপে কি ছায়া থাকে? কেহ কেহ বলে পরমাণুসমষ্টি একত্র ধ্যান করিতেছেন , সেই নিত্য থ্যময় চিতিস্বরূপ হইতে তাঁহার হইয়া জগৎ হয় , তাহাও যথার্থ নহে। কারণ পরমাণু অতি মৃন্ম অণুমাত্র বিচলিত হন না। এই বিশ চির প্রতি অতীন্দ্রিয় , তাহা হইতে ইশ্রিয়গ্রাহ্ন বস্তুর উৎপত্তি কিরূপে বিম্বিত আকাশই এই বিশেষ প্রকাশ ও উক্ত ভিক্ষণের প্রকাশ অনবণতঃ আকাশে ধনুরাকারে প্রভাৱমান আভামাত্র জনিবে, ফল অৱজ্ঞানীরা জানেন, এই জগতের কান্তিকে লােকে শনশৃঙ্গ বলিয়া থাকে , উক্ত শশশৃঙ্গ যেমন কোনই আকার নাই। ইহা অব্যয় চিৎভাবই, অভিন্ন অন্য কিছুই অলীক, এই জগৎও সেইরূপ অলীক। আর যদি পরমাণু নহে। ৭৬। ফলতঃ কিছুই জম্মিতেছে না বা মরিতেছে সমূহই মিলিত হইয়া জগৎ নিৰ্মাণ করিত, তাহা হইলে ঐ না, অথবা হইয়া আবার কুত্রাপি পুনঃ হইতেছে না। তা যেমন পরমাণুসকল আবার যদৃচ্ছাক্রমে তখন আকাশে আকাশ হইতে ভিন্ন নহে, সেইরূপ এই অগও ছিদকাশ হইতে বিশণ হইয়া যাইত, এবং এই জগঞ্জে অঙ্গভূত সূক্ষ্ম সূলিকণা অন্য নহে। বিশ্ব বাস্তবিক নাই, ছিল না, পরেও হইতেছে না; প্রতিদেশে, প্রতিগৃহে, প্রতিদিন একটু একটু করিয়া উঠিতে যাহা কিছু আভাসমান হইতেছে, তাহা আর কিছুই নহে, খাকিলে তাহা কোন স্থানে রাশীকৃত হইয়া হয়ত স্তুপাকার হইয়া চিলাকাশই পরমাত্মায় প্রতিভাত হইতেছে। চিমাত্র স্বপ্নে যাইত, কোন স্থানে বা খুলি উড়িয়া উড়িয়া খাত হইয়া যাইত। যেমন নগরীভাব ধারণ করেন, সেইরূপ এই জাগ্রৎনামক স্বপ্নেও সমান কনই থাকিত না। নিৱৰয়ৰ পরমাণুও কুত্রাপি দৃষ্ট হয় না, অগভব ধারণ করিয়াছেন। সৃষ্টির আদিতে এই বাহব সকলের স্বীকার করিলেও তাহা দ্রব হইতে পারে না, কেননা সংযে- সতাছিল না, সূত্রং শরর কোথায়? এ শরীর চাকাশের স্বপ্ন, গাহ ভাঙ্গাতে নাই, দ্রব্য মাত্রই সংযোেগ , অববহীনের সংযােগ ভিন্ন আর কিছুই নহে। “স্বা” নামক শরীর, উক্ত মহাচিতির সবে না, কারণ সংযোগ একদেশবৃত্তি। অপিচ অতীন্দ্রিয় পর প্রথম স্বপ্ন, তাহার পরে এক স্বপ্ন হইতে, অগ্নান্তরের স্যায় সেই মানু সকলের সংঘােগে যে জগৎরচনা, ইহার কর্তা কে ? সংসারী স্বয়য়ীর হইতেই আমরা উখিত হইয়ছি। ৮১-৮৫। আমরা অসংসারী ? সংসারী বলিতে পার না, কেননা তাহার সে গলগণ্ডের উপরে উৎপয় বিস্ফোটকরূপ, আমাদের ভ্রম বড় সামর্থ্য নাই, অসংসারী ঈশ্বরের হাতে কোন প্রয়ােজন নাই। বেশী, আমাদের চিত্ত সাতির চেষ্টাতেও হঠাৎ পহ্মে লয় তিনি নিত্য মুক্ত, কি অন্য তিনি অগৎ রচনা করিবেন, তবে হইতেছে না। (গলগণ্ড, শিক্ষাটকের স্যায়)ৰহ্মই অসত্য পুরুষ পরমানু নিজে কত্তা, ইহাও বলিতে পায় না। কেননা পরমাণু হইয়া তদ্রুপ সত্যের ন্যায় অনুভূত হন; বপৰ্যন্ত ব্ৰক্ষ এই সৰে ? ৩ ১ বােগবাশিষ্ঠ-ৰামায়ণ । ভাব ধারণ করিয়াছেন, সেই সময় হইতেই এই অলীক জগৎ | নিরাকার আকাশ হইতে এই মুর্তি (পৃথিব্যন্ত আকার ) কিরূপে বিশাল বিস্তৃত হইয় রহিয়াছে। আব্ৰহ্ম-পৰ্যন্ত এই জং উৎপন্ন হইল? যদি বল, অনূভববলে কল্পনা করিলাম ; মিথ্যা , স্বপ্নে প্রতীয়মান মিথ্যাব যেমন স্বপ্নভঙ্গ বিলীন হইয়া অনুভবত্মিক ভগবতী জ্ঞপ্তিদেবীই আমাদের সমুদয় বিরােধ যায়, সেইরূপ এই অংও আশুবিনাণ। চিদাকাশই যেমন করিয়া দিতেছে অনুতৰলেই নীরূপ আকাশ হইতে স্বপ্নে অগাব প্রাপ্ত হইয়া (স্বপ্ন ভঙ্গে) বিনষ্ট হন, সেইরূপ ৰাষাদিক্রমে রূপাদির উৎপত্তি, তাহা হইলে বলি, যদি বহুদূর জাগ্রং-নামক স্বপ্নে জগতৰ প্রাপ্ত না হইয়াই অভাবে প্রকটিত গমন করিয়া শেষে জ্ঞপ্তিদেবীরই (অনুভবেরই) শরণাপন্ন হইতেছেন। আচৈতন্য যেমন স্বপ্নে মিথ্যা নগরাদিরূপে উদিত হইতে হয়, তাহা হইলে ঐ জ্ঞপ্তিসেবী স্বপ্নসম্ভমের স্থায় হয়, সেই মিথ্যা এই জগং অলীক (মিখ্যা) হইলেও অগদাকারে বিবর্তিত হইতেছেন, ইহা বলিতে দোষ কি? নিখিল অনুভুত এই সত্যের আয় অবস্থিত হইতেছে। ৮৬-১০। দোষনিম্মুক্ত নিৰ্ম্মল হ্মেই এই সকল বিবৰ্ত্ত এইরূপ সিদ্ধান্ত উক্ত চৈতন্য পরমাণুর স্যায় আকাশ অপেক্ষা সৃন্ম হলেও করাই ত ভাল হয়। অতিনিৰ্মলা জ্ঞপিই আত্মরূপে প্রতি (নিরাকার হইলেও) অগংভাব প্রাপ্ত হয়া যেন সাকার হইয়া ভাত হইতেছেন, ঈদৃশভাণই জগৎ, পরমার্থ মুক্তিতে সমস্তই উঠিয়াছেন। ফলতঃ আকাশ অপেক্ষা সূতাৰূপ ধৰ্ম্মও তাহাতে একমাত্র ব্রহ্ম; ইহাই সিদ্ধান্তের গঢ় রহস্য। বাস্তবিকই আকাশ- নাই তবে যে তাঁহাকে আকাশ অপেক্ষা সূক্ষ্ম বলা হইয়াছে নগরীবং পঞ্চভূত কুত্রাপি নাই, উহা একান্ত অসং , তবে যে ইহা কেবল “জগতের মুল আকার তাহাতে থাকিতে পারে না অনুভূত হইতেছে, এ অনুভব স্বপ্নদশার ন্যায় অনুভব বলিতে ইহাই বুঝাইবার নিমিত্ত। “ইষ্টকা হইতে বাড়ীর উৎপত্তির ইবে। ১-৫। নিৰ্ম্মল স্বভাবই জাগ্রন্থ অবস্থাতেই স্বপ্নপুরীর গা” জগৎ হইতে জগতের উৎপত্তিও বলা যাইতে পারে ন্যায় জগতের ন্যায় প্রতিভাত হইতেছে , বস্তুতঃ তাহা আকাশ না, কেন না, সৃষ্টির অগ্রে দগদাদি কিছুই ছিল না; সুতরাং জগং ব্যতীত আর কিছুই নহে (১'। একমাত্র চিদাকাশই আমি, এবং হইতে অগৎ, ইহাও হইতে পারে না। কি স্বপ্ন যেমন জগৎ আকারে অবস্থিতি করিতেছে , সুতাং ‘আমি ও জগৎ” ইষ্টকাদি ব্যতিরেকেও পূর্বদিনিৰ্মাণ হয়, সেইরূপ নামক ইহা এক শিলাষন আকাশই , তদ্ভিন্ন ইহাতে আর কিছুই নাই। স্বপ্নে চিমাকাশে ইহা উৎপন্ন হইয়াচ্ছে। যেমন শূন্য ও অকাশের জগতের উৎপত্তি, স্থিতি ও লয় সমস্তই একমাত্র নিরাকার কোন ভেদ নাই, সেইরূপ স্বপ্নষ্ট পর্বত ও চিলাকাশের আকাশ, সমভাবে অবস্থান করিতেছে, এত পরিবর্তন অনুভূত কোনই ভেদ নাই। চিলাকাশও যাহা, স্বপ্নপুরীও তাহা, হইলেও চিদাকাশ সমভাবেই বিরাজ করিতেছে। নির্মুল আত্ম- উভয়ের যেমন কোন পার্থক্য নাই, স্পদ-অস্পন্দরূপী বায়ু যেমন স্বভাব জ্ঞাত হইতে পারিলে, দুঃখবর্জিত যে সুখময় অবস্থা ঠিক আকাশের ব্য, (আকাশ হইতে ভিন্ন নহে, সেইরূপ হয়, তাহাই মােক্ষ , তাদৃশ মোক্ষ (দেহ থাক, বা কু—সব চিদাকাশই এই অগাকারে লক্ষিত হইতেছে, সবই শুঙ্গ, সময়েই। সমান, তুমি ঈ মােক্ষ-অর্থপূর্ণ বিশ্রান্তি লাভ সবই আলম্বনশূন্য চিৎসূর্যেরই প্রভা। ১১-১৫। (তদৃষ্টিতে) কর এবং তাহাতেই চরিতার্থ হইয়া থাক। ৬-১। এই জগদাদি সমস্তই শান্ত-অন্ত উদয় কিছুই নাই, আছেন চতুরধিশততম সর্গ সমাপ্ত। ১০৪ কেবল পাষাণের স্নার দৃঢ় অল অনন্ত অনাময় চিবিকাস। তাহাতে এই বাৰু ভাৰ সফল কিরুপে কোথা হইতে উৎপন্ন হইবে? ভাববুদ্ধিই বা কোথায় ? দ্বৈত্যই বা কোথায়? একত্বই পাধিশততম সগ। বা কোথায় ? ভাবই বা কোথায় ? ভাই বা কোথ' ? কলত কিছুই নাই। হে রাম। তুমি ব্যবহারী হইলেও একত্ব বশিষ্ঠ কহিলেন,-“চৈতন্যস্বভাৰ আত্মা স্বতঃ নিজ স্বভাবকে ধিত্ব-সংখ্যাননির্মুক্ত সিতা উদিত নির্বিকার অন্তরে অভিীতল সপ্লে স্যায় জগদাকারে অনুভব করিতে থাকেন, ফলতঃ কল্পনা- নিরাময় বিশুদ্ধ বােনর সহিত একতাপ্রাপ্ত হইয়া নির্বাহ নামক এই জগৎ তাহা হইতে ভিন্ন পথ বন্ধ নহে। এই জাগ্রহ ভাবে অবস্থিত হও; দেখিবে, বাস্তবিকই এ সকল ভব দশা অগম্ভাবে ভাবিত থাকিয়াই সুপ্ত—অর্থাৎ অজ্ঞান, ইহার নাই (অলীক)। ১-১০। মূলভাগ শিলার ন্যায় কঠিন, অধিষ্ঠানাংশে ইহা শৃঙ্গ আকাশ। ইহা ঠিক স্বপ্নদৃষ্ট একটা উজ্জ্বল পুরী, এই জগৎ কিছুই না ধিকতম সর্গ সমাপ্ত। ১৩। হইলেও স্বপ্নদৃষ্ট বস্তুর ন্যায় সৎ হইয়া দাঁড়াইয়াছে। সপ্নদৃষ্ট জগৎ যেমন অলীক , সেইরূপ অগ্র-পশায় প্রতীয়মান এই জগৎ অলীক জানিবে, ইহাতে অমাত্র সতাংশ নাই। কি জাৎ, চতুৱধিকততম সর্গ। কি স্বপ্ন -কোন দশাতেই জগৎ শব্দার্থ সন্তৰপর নহে, বস্তুত বশিষ্ট কহিলেন,—“ শস্মাক্ত আকাশ, স্পর্শমাত্র বায়ু, চিলাকাশের ভাবই এপে প্রতীয়মান হইতেছে ।১-৫। এতদুভয়ের সাতিশয় সংঘর্ষে উৎপন্ন যে রূপতত্র, আহাকে তেজ স্বয়ম্ভু চিনাকাশই তমােবত আত্মাকাশে পবিরূপ ধারণ করিয়া ফলা হয়; ঐ তেজের শান্তি অর্থাৎ উষ্ণত, রুক্ষতার উপশমম্বারা অপূৰ্ব আত্মবিবর্ত তমঃকেই আগ্রংগে অগৎকাণে জ্ঞান শৈত প্রাপ্তি, তাহাকে বসত বা জল বলা হয়। এই করিতেছেন। এই জগৎ কিছুই নহে, টিভির রূপও কিছুই নাই। সকলের সম্মিলনে যে গন্ধতন্মাত্র উদিত হয়, তাহাকে পৃথিবী বলা হয়, এইরণে চৈতন্য হইতেই জগলকারের ভাণ হইতেছে, (১) (৩) শ্লেকের মুলের শেষ চরণে “বস্তু তৎকাম” পাঠ নি এই যে, আকাশের ও মৃতি নাই, অতএব অশুদ্ধ , “তত খ” এইরূপ পাঠ হইবে। ? ।
নির্বাণ প্রকরণ-উৎরভাগ এই যে চিলাৰাণ ও অগৎ ইহা কথাই আভাসমান হইতেছে, হইতে যুগান্তরে উপস্থিত হইলে পূৰ্বশ্বগ্নও জাগ্রডের স্থায় সত জাগ্ৰদ্দশায় আভাসমান এই ত্রৈলােক্য স্বপ্নদশায় যেমন কিছুই বলিয়া ৰােখ করে। মুখবুভি-মানব এইরূপে স্বপ্নে আগ্রবুদ্ধি থাকে না, শূন্য হইয়া যায়, সেইরূপ আশ্ৰশতেও নিরাকার স্থাপন করিয়া তাহাতেও আবার স্বপ্নার সন্দর্শন করে। পূন হই রহিয়াছে, কিছুই ইহার স্বরূপ নাই। হে মহাতে। শান্তর ঘটিলে সেকেও জাগ্ৰংরুপে অনুভব করে। এই নানা-নিৰ্মাণ-শালা স্বপ্নাবস্থায় আরসকল অনারম্ভ ও অসৎ, গ্রৎ, স্বপ্ন উত্তর অবস্থায় জীব বাস্তবিকই মৃত বা জাত হইতেছে সৎ হইয়া যায়। বাহা আকাশ নহে, তাহাই অনন্ত বিল না কেবল তৎ দেহাভিমানের তাগ ও গ্রহণে মৃত ও জাজপে আকাশরূপে পরিণত হয়। আকাশ বিবিধ পুরীসম্পন্ন পৰ্বত ব্যবহৃত হইছে। স্বপ্নদ্রষ্টা আগে মৃত হইলে-অর্থাৎ স্বপ্ন শ্ৰেণীরূপে পরিণত হয় । ১০। অপিচ স্বল্পবস্থায় মেঘগর্জন, হইলে তাহাকে বুক বলা হয়; আয় জাগ্রৎ-অবস্থায় মৃত হইলে সাগরের কলকলনিনাদ মৌন হইয়া যায় , এমন কি পাশ্বৰ নিদ্রিত স্বপ্নে ভাঙ্গকে বুদ্ধ বলা হয়; এইরূপে জাগ্ৰৎ সপ্ন উভয়েই ব্যক্তি জাগরিত হইয়াও তাহা জানিতে পারে না, মেঘগর্জনাদি সমতা রহিয়াছে।)। এক স্বপ্ন হইতে স্বল্পান্তরে উপনীত হইলে হইয়াছিল কি না, কেহ না বলিলে আপনি কিছুতেই আনিতে দ্বিতীয় স্বপ্ন পূৰ্ব্বাপেক্ষ বর্তমান বলিয়া তাহা প্রকৃষ্ট দর্শন এবং পত না। অজাত বন্ধ্যাসন্তান স্বপ্নাবস্থায় হইয়া থাকে (স্বপ্নে জাগ্রৎশব্দে অভিহিত কর হয়, এইরূপে গ্ৰৎ অবস্থার মৃত্যুর এমনও দেখা যায় যে, কোন বন্ধ্যানারীর সন্তান হইল ।। এইরূপ পর স্বপ্নে জাতের মধ্যে প্রবুদ্ধ ব্যক্তির পূর্ব জগতের স্বপ্ন মরিয়া জন্মিলেও পুরুষ আপনার মরণ বিম্মুত হওয়ায় মনে করে, অবশ্যই হইয়া থাকে। জাগ্রং ও স্বপ্ন দুইই পূর্বতন ঘটনার আমি জাত হই নাই, আমি সেই একই আছি। কালে কীনাত্মক (অর্থাৎ যে ঘটনা ঘটিয়াছে, প্রায়ই তাহারই নস্থান যেমন অনুভূত হয় (আমি কিসের উপর শুইয়া আলােচনায় (২)। এবং পরস্পর উপমান উপমেয়ভাৰাত্মক। আছি, তাহা বোধ হয় না? সেইরূপ সৎও অসৎ হইয়া যায়। ২৬-৩৫। এইরূপে স্বপ্ন জাতের গায়, জাগ্রন্থ ও প্লে যায় রাত্রি, দিন হইয়া যায়, দিন, রাত্রি হইয়া যায়, যই অসম্ভব, তাহা হইয়া থাকে, ফলতঃ আগ্ৰৎ ও স্বপ্ন এই দুইটাই অসৎ মিখা; সম্ভব হয় , এইরূপ স্বপ্নদশায় সব বিপরীত হইয়া যায়। এমন একমাত্র চিদাকাশই সত্য বিকাসমান রহিয়াছে। স্থাবর-অঙ্গাত্মক কি অতি অসন্তৰ যে নিজ মৃত্যু দর্শন, স্বপ্নে তাহাও সম্ভব হইয়া নিখিল ভূতগণের মধ্যে চিত্র ব্যতিরেকে আর কিছুই উপলব্ধি যায়। আকাশে জগতের ভাণবং অসম্ভবও সন্তৰ হইয়া যায়। হয় না। মৃন্ময় ভাও যেমন মৃওিকাশূন্য হইলে কিছুই থাকে না, যাহারা দিতে নিদ্রা যায় (পেচক), তাহাদের নিকট আলােকই সেইরূপ চিদ্বৈচিত্ৰাত্মক কাষ্ঠ-পাষাণাদি চিত হইলে অন্ধকার, অন্ধকারই মহান্ আলোক। স্বল্পকালে যখন গর্ভপত কিছুই থাকে না। এই নিখিল বস্তু সপ্নাবস্থাতেও যেমন, জাগ্রত নাদির অনুভব হয় (আমি গর্তে পড়িতেছি অনুভব করে। তখন অবস্থাতেও তেমনি দৃষ্ট হয়, জাগ্রতে যেরূপ পাষাণ দেখিয়া পৃথিবীই তাহার নিকট গৰ্ত্ত-আকাশ বোধ হয়। ১১-১৬। স্বগে থাক রে কখন কি তাহর অঞ্চথা দেখিয়াছ। হে আজ্ঞ। ঘেগন জগতের ন্যায় কেবল অসত্য-বিষয়ই প্রতিভাত হয়, জাগ্রও। এ বিষয়ে তুমি বিধানের সহিত মুক্তি করিয়া একবার বিচার সেইরূপে প্রতিভাত হইতেছে, এ বিষয়ে অণুমাত্রও প্রভেজ করি দেখ যে, চিখৈচি পরিত্যাগ করিলে এই সকলের যেমন পূর্বদিনের সূৰ্য্য ও অদ্যকার সূৰ্য ভিন্ন নহে, ফি থাকে। চিলি ইহাকে কি বলিয়া নির্দেশ করিতে পার। একই, যেমন দুইটি মনুষ্য দেখিতে একই (উভয়েরই হন্ত বিচারে এই প্রতিপন্ন করিবে যে, চিৎই কেবল থাকে, আর পাদি একরূপ, সেইরূপ জাগ্ৰৎ ও স্বপ্ন একই, ইহাতে কিছুই নাই, স্বপ্নে যাদৃশ আকার দেখ, জাতেও ঠিক সেইরুল অণুমাত্রও পার্থক্য নাই। রাম কহিলেন আপনি যে জৎ বা ভাই অখণ্ড দেখিতে পাও। অতএব চিন্ময় এই ও স্বপ্নকে একরূপ বলিলেন, কিন্তু আমার ভ উহা ভিএই বােধ গলাকারে বিভক্ত হইয়াছেন, ইহা অধ্যাপে, অপবাদে হইতেছে, কারণ স্বপ্নে যাহা অনুভূত হয়, পরক্ষণেই স্বাগত জানা যাধ যে, সমস্তই চিন্মাত্র ব্রহ্ম। মৃন্ময় ভাও যেমন মৃত্তিকায় তাহার বাধ হইয়া যায়, মুন্নাৎ তাহা অলীক, এবিষয়ে কোন পাওয়া যায় না, সেইরূপ চিন্ময় চেত্য চিৎশ পাওয়া যায় না। সন্দেহ নাই। কিন্তু জাগ্রদশায় অনুভূত বিষয়ের বাধ কখন হয় না, পাষাণময় ভাণ্ড যেমন পাষাণশূন্য পাওয়া যায় না,সেইরূপ চিন্ময়চে অতএব তাহা জাতের সমান হয় কিরুপে? বশিষ্ঠ কহিলেন, চিৎশূন্ত পাওয়া যায় না। বরূপ জল যেমন বহু পয়া যায় হে রাঘব ! স্বপ্নদ্রষ্টা স্বপ্নজগতে স্বপ্নভৃষ্ট ৰত্ৰজনের সহিত মৃত্যুণ্ড! না, সেইরূপ চিন্ময় চেত্য চিৰিত্র পাওয়া যায় না। ৩। উষ্ণ স্বপ্নজগতে মৃত হইলে স্বপ্নজন্তুর বিরহে দুঃখিত রূপ বহি যেমন উষ্ণতা পাওয়া যায় না, চিন্ময় এই চেত্য জগৎ হয়, তাহার পরে প্রবুদ্ধ হলে কে নিম্ৰামুক বলা হয়। চিৎ হইলে কিছুই থাকে না। স্পন্দময় বায়ু বেশন স্পতি দ্রষ্টা এইরূপে স্বল্পজগতে দিবারাত্রির বিপর্যয়ে কত সুখ দুখ পাওয়া যায় না, সেইরূপ চিময় চে চিন্তিন্ন পাওয়া যায় না। যে দশার অনুভব করিয়া মৃত হয়, তাহার পরে নিদ্রাভজে সে নৎ বহু মৃন্ময় সে ব্যতীত কিরুপে লব্ধ হইবে, অন্য আকাশ হইতে মুক্ত হয়। তখন তাহার জ্ঞান হয় যে, এ অঞ্চলশৎ কোথায় পাওয়া যায়। মুক্তিহীন পৃথিবী কোথায় পাওয়া যায়। সত্য নহে। ১৭২৫। এইরূপে স্বপ্নদ্রষ্ট স্বপ্নময় সংসারে যেমন এই টপটালি নিখিল পদার্থই চিকাময়, সুতরাং কি পথ- মৃত্যু হইল, সেইরূপ অয় আগ্রৎস্বপ্ন দেখিবার এ আবার গ্রহণ করে, তারপর আরষ্টা অগ্রসারে মৃত (১)গৰ মৃত্যু স্বাগ-শরীরখ্যাগ, আগ্ৰৎ অবস্থায় মৃত্যু হইয়া আবার অষ্ঠ জাগ্ৰন্সৱ স্বপ্ন দেখিবার জয় জন্মগ্রহণ করে। এরীর=অর্থাৎ স্বপ্ন। আগ্রন্থ অবস্থায় মরিয়া অঙ্গ অবস্থায় গ্রহণপূর্বক ‘পূর্ব (১) ৩১ শ্লোবের ১ম চরণের পাঠ টীকাকার বলেন, আগ্রশান্ত” দৃষ্টবষয় সত্য বলিয়া মনে করে, সেইরুপ এক স্বপ্ন “ইতহাসদেব ইতি পাঠঃ সধু।” নাই। হইয়া থাকে।
৭১২ বােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ এগদাদি যাহা কিছু প্রতীয়মান হইতেছে, ইহা পরমাত্মার যায়, তাঁহাকে চিনাকাল বলা হয়। যাহার উন্মেষ (প্রকাশ কি স্বপ্ন, কি জগৎ সকল অবস্থাতেই নিখিল পদার্থ লোকাণাত্মক হইলে এই জগৎসভার ল য় এবং সঁহার নিমেষ (ভিরােবান) প্রতিপন্ন হইবে। হে ভগ। এই নগরপর্বতলি নিখিল পদার্থ এটিলে এই অগংসস্তার উদয় হয়, আপনার অন্তরে আপনি থেও যেমন চিলাকাশ, জাগ্রতেও সেইরূপ চিদাকাশময়। স্বপ্ন ও অবস্থিত স্বানুভবাত্মক সেই দেবকে চিকাশ বলিয়া আনিও। জাগ্রৎ, এ কল্পনার প্রশান্ত হইলে একমাত্র চিৎই পরিশিষ্ট “ইহা তিনি নহে, ইহা তিনি হেন” ইত্যাকার বিচারে যখন থাকেন। ইহাতে বিবাদের বিষয় কিছুই থাকে না। ৪১-৫। সমস্তই কিছুই না হইয়া পড়ে, তখন যাহা অবশিষ্ট থাকে, তাহা- পথিকশতম সর্গ সমাপ্ত।১৫। কেইচিকাশ বলা হয়। এক দেশ হইতে মনের অন্য দেশ গমন হইলে সেই সময়ের মধ্যে সংবিরে যে আকার লক্ষিত হয়, সেই ষডধিকততম সগ। অনিমেষমধ্যে লক্ষিত সম্বিদকারকে চিন্মাত্র শরীর বলা হয়। রাম কহিলেন,—“হে ব্ৰহ্ম। আপনি যে চিদাকানের কথা ১৯-২। এই বিশ্ব যেরূপে যে প্রকারে অবস্থিত থাকুক না (নিলেন এবং যাহা পরব্রহ্ম হয়, ঐ চিদাকাশ কি প্রকার, তাহা কেন, ইহা সর্বদাই সময় অর্থাৎ চিন্ময়। রূপ, আলােক ও আবার বলুন , আপনার অমৃতময় উপদেশবাক্য বারংবার শুনিয়াও মনােতাবে ভাবিত থাকিলেও ইহা ঐ চিনাকারময়। কিন্তু এই পরিতৃপ্ত হইতে পারিতেছি না। বশিষ্ঠ কহিলেন,—যেমন যমজ বিচিত্র বিশ্ব চিদাকানের ঈষদুন্মেষেই অন্য রূপ না হইলেও যেন সন্তানয়ের নাম লােক্যবহারার্থ ভিন্ন দুইটী রাখা হয়, সেইরূপ অভাব বরণ করে, তখন নিৰ্ম্মল সত্য চিলকাশই অবশিষ্ট অখণ্ড চিন্ময় টিক-শিলালের প্রতিবিপ্ৰায় এই স্বপ্ন ও থাকে। এই জগতের ভিন্নতাভ্রান্তি বাসনাবশেই হয়। অতএব জৎ নামদ্বয়ও ভিন্ন করা হইয়াছে। বঙ্কত পিত্রকায়স্থত দুগ্ধ তুমি বাসন পরিত্যাগপূর্বক ইক্রিয় দ্বারা বাহবন্ধুর দ্রষ্টা হইয়াও যেমন একই পদার্থ, সেইরূপ এই আগ্ৰৎ ও স্বপ্ন একই পদার্থ, নিশ্চয়ই প্রবুদ্ধ চিকেন হইবে, অতএব তুমি বাসনানিশূক্ত ইয়ার কিছুমাত্র পার্থক্য নাই। এই দুইটাই একমাত্ৰ নিৰ্ম্মল হইয়া তাদৃশ সুপ্তিদশায় অবস্থান কর। তুমি নির্বাসন চিলাকাশ। নিমেষমধ্যে একদেশ হইতে অঙ্গ দূরদেশে গমন- শান্তচিত্ত হইয়া গমন, আহরণ বা কথােপকথন যাহা ইচ্ছা তাহাই কালীন সখিদের যে আকার প্রতীয়মান হয়, তাহাকেই চিদাকাশ কর, তাহাতে তােমার কোনই ক্ষতি হইবে না, তুমি সর্বদা বলা হয়। মূল-দেশ দ্বার পার্থিব রস আকৰ্ষণকারী সেইরূপ চিকেন মৌনী হইয়া পাষাণের ন্যায় অচলভাবে অবস্থান পাদপের বাশ হ্রাসরদ্ধিশূন্য অহলাল ) ভব হয় , চিলাকাশও করিবে। তুমি সম্মুখে যে দৃশ্য দর্শন করিতেছ, বাস্তবিক ইহা স্বচ্ছভাবাপন্ন জানি। যাহার নিখিল ইচ্ছা নিবৃত্ত হইয়াছে, মরীচিকা-সলিলের ন্যায় দ্বিতীয় চলের ন্যায় একান্ত অসম্ভব। আশ শান্ততে পুরুষের যে প্রকার ভাৰ হয়, চিলাকাশও সেই কারণ নাই বলিয়া ইহা প্রথমেই উৎপন্ন নহে, কারণ ব্যতিরেকে রূপ আমিও। ১-৫। নিদ্রার প্রান্তে বিষয়সমূহ হইতে বিরত কাৰ্য্য ত কখনই হইতে পারে না। ২১-২৬। যাহা কিছু দৃষ্ট মনের যে স্বভাব, তাহাকেই চিদাকাশ বলে। বর্যা বা শর’কালে হইতেছে, সমস্তই সেই অকারণ ব্রহ্মেরই বিবর্ষ। ফলতঃ সেই রব্ধিপ্রাপ্ত লতাগুদির যে আনন্দভাব তাহাতেই চিনাকাল ব্ৰহ্ম যথাস্থিতভাবেই আছেন, তাহার অভাব নাই, তবে যে এই লে। বাপের মননশূন্য নিৰ্ম্মনা হইয়া জীবিত পুরুষের সমুদয় লক্ষিত হইতেছে, ইহা বাস্তবিক নহে, ভাবিশে কেবল শরণাকশের ন্যায় যে বিশদভাব, তাহাই চিদাকাশ। পর্গত। উৎপন্ন বলিয়া লক্ষিত হইতেছে। ফলত ইহা যথান্বিতভাবে শিলাকাষ্ঠ প্রভৃতির যে নিষ্ক্রিয়তাৰে অৰস্থিতি, সেই স্বাভাবিক একরুপেই অবস্থান করিতেছে, যেমন চন্দ্রমণ্ডল এক হইলেও অবস্থিতি যদি সচেতন জীবের সত্তারূপে পরিণত হয়, সেই ভ্রান্তিবশত দুই বলিয়া বোধ হয়, সেইরূপ ইহাও একমাত্র চিদা- স্বরূপ স্থিতিকে চিকাশ বলা হয়। ৬। দ্রষ্টা দৃশ্য ও দর্শন কাশপী হইলেও প্রমক্রমে তদ্ভিন্নরূপে লক্ষিত হইতেছে। এই তিনটা যাহা হইতে উদিত হইয়া আবার হাতেই লীন ইহাতে যে ইসৎপ্রত্যয় “এই জগং” বলিয়া জুন রূট হইতে, হইতেছে, তাহাকেই তুমি অনাময় চিদাকান বলি আনিও। ইহা ঠিক্ স্বপ্নদৃষ্ট রমণীর স্যায় অলীক, তথাপি (স্বল্পদুই রমণীয় এই নিখিল বিচিত্র পদার্থের অনুভব আঁাহা হইতে উদিত হইয়া যায়) কাৰ্যকর হইতেছে, অতএব প্রকৃতপক্ষে দূত উৎপন্ন যাহাতেই পরিণত হইয়া যাইতেছে, তঁাহাকেই চিকাণ বলা হয় নাই, হইতেছে না, হবেও না। নষ্ট হইতেছে না, যাহা হয়। যাঁহাতে সমুদয়, যাহা হইতে সমুদয়, যিনি সমুদয় একেবারেই নাই, তাহায় আবার কি নষ্ট হবে। ২৭-৩০। এবং সমুদয় হইতে যিনি, সেই সদা সর্বময় দেশকে চিনাকাল ফলতঃ সেই পরম শান্ত চিদাকাশই স্বরূপ হইতে অচ্যুত হইয়া বলা য়। যিনি সনাৰ অৰ্গে, মর্তে, সলের অন্তরে অভাবে স্বরূপে অবস্থান করিয়া যেন জগপে (ভ্রান্ত চক্ষে বাহিরে সত্ৰক বিভাত হইতেছেন, সেই প্রকাশময় দেবকে অপে) উদিত হইতেছে। সম্মুখে যাহা দেখা যা তেছে, এই চিকাশ বলা হয়। সুত্রে মাল্যের ন্যায় যে নিত্যবস্তুতে ধূ বাস্তবিক সৎ নহে, ইহার দ্রষ্টাও নাই, দৃষ্টাৰ্বেই যখন এই সংসাত্মক বিশ্ব প্রতি রহিয়াছে এবং এই বিশ্ব সঁহার অভাব, তখন ভ্রষ্টত্ব কিরূপে হইবে । রাম কহিলেন, হে , তাঁহাকে চিদাকান বলা হয়। এই নিখিল সৃষ্টি, বাশ্মিপ্রবর। হে ব্ৰহ্ম। আপনি যাহা বলিলেন, যদি তাহা সূতি, লয়, ক্রিয়া শাহা হইতে উৎপন্ন হইতেছে এবং যথার্থ হয়, তাহা হইলে এটাও ভূগর প্রতীতি হয় কেন? হাতেই লয়প্রাপ্ত হইতেছে, এবং এই নিলি প্রপঞ্চ যন্ত, আর সম্মুখেই ৰা এ কি প্রতিভাত হইতেছে? ইহা আমার নিট তাহাকেই চিদাকাশ বলা হয়। বিক্ষেপশক্তিশে সুষুপ্তি- আবার বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন—“কাণের অভাৰ হেতু এই অসভ্য এলয়রূপ নিদ্রার অবসানে যাহা হইতে এই অগ্র-স্বরূপ বি টু একেবারে অসম্ভব, তবে যে ইহাকে বলিয়া নির্দেশ কর, আবির্ভূত হয়, এবং বিক্ষেপশক্তির শান্তিতে তিরােহিত হইয়া তাহাও প্রৌঢেক্তি, অতঃসৰী নহে। এই যে এত ভ্রমাত্মক নির্বাণ-এর-উত্তরণ ৭১ = পরমরূপ বলিয়া জানিও। স্বপ্নে যেমন আত্মতৈয়েই আকাশ- ভূত হয়। স্বপ্নে যেমন মিথ্যা পরী পর্বতাদি সত্যরূপে অনুভূত কাল অবস্থান করে—অর্থাৎ প্রতীয়মান হয়,সেইরূপ চিত্ৰই হয়, সেইরূপ এই অদলব অসত্য হইলেও চিদাকাশ বা সত আপনাতে জগদ্ধপে প্রতিভাত হয়। ৩১-৩৫। সৃষ্টির আদি সাবগ্নবরূপে অনুভূত হয়। চিং স্বপ্নে যেমন পৰ্বত-গদির হইতে এপর্যন্ত তুপি জগতে কোনই উপাদান কারণ দেখা- অনুভব করেন, সেইরূপ আৰু আমি পৰ্বত, আমি সমুদ্র, যাইতেছে না, কেবল ব্ৰহ্মই এইরূণ প্রতিভাত হইতেছেন। আমি বিই, আমি ঐ ইজাকার অনুভব করিয়া থাকেন। আত্মতে আপনা আপনি যে চিমাকাশের ফুরণ হইতেছে ইহাই মূর্ব কোন কারণ না থাকায় বাস্তবিক কোন কার্যাই উৎপন্ন হই- জগদাকার ধারণ করিতেছে। যেমন ভাবে ভবন্তু শূন্যের ছে না। ফলতঃ মহাপ্রলয়ৰূপ চিদাকানে চিংই এইরূপে শূন্যত্ব ও যে আকাশনের আকারব, সেইরূপ চিলাকাশের বিনা কারণে চিগাত্মায় এই অনুষশূন্য চিন্ময় আকাশকে জগৎ। তুমি জানি, সৈন্ধবং একরসীভূত পংমাথন চিদ- জগদ্রুপে অনুভব করিতেছে। ৫১-৫। দর্পণ জগণ যেমন কানই মায়াবশে স্বয়ং এইরূপ ত্রিপটা (দ্রষ্টা, দৃশ্য ও দর্শন। আপনার অভ্যন্তরে বৰিৰ চেতনমূর্তি (প্রতিবিম্ব। ধারণ হইয়া অবস্থান করিতেছে। ৩৬-৪০। বস্তুত (মায়াকাগ করিলেও আপনার জড়ত্ব ঘুচ ইতে পারে না, আপা করিলে) দ্বয়ের অভাব হইয়া যায়, দ্বিতীয় প্রতীতি আর থাকে না, যে জড়, সেই জড়ই থাকে, সেইরূপ নিখিল জন্তই বিচারাভাবে তখন তাহা সৎ কি এং তাহা কেহই বুঝিতে পারেনা। নি আপনার স্বরূপ নিরূপণ করিতে না পারায় জড় হইয়া রথ জীর্ণ ঙ্গে একমাত্র পরম বই বিদ্যমান থাকে। রাম কহিলেন- হইয়া যায়। তবে যে বিচার করিতে সমর্থ, চিন্ময় প্রত্যগায়া ব্ৰহ্মন। যদি এইরূপই হয়, তাহা হইলে এই কাৰ্যকরণাদি ভেদ তাহার করস্থ। অতএব তদবিভিন্ন স্বরূপ পরিত্যাগ করিয়া কিরূপে হইল? কিরূপেই যা সত্য হইয়া উঠিল ? বশিষ্ঠ কহি জগংকে মাত্র চিদাকাশপে ভাবনা করিয়া চিকেন হইয়া লেন, চৈতন্যময় সুরূপী ঈশ্বর প্রাণীদিগের কৰ্ম্ম বা বাসনার পাষাণের স্নায় অচলাবে অবস্থান করিবে। মাম্বিক দেহানির উদ্বোধনানুসারে সত্য সঙ্গতালে যেরূপ ভাবনা করেন, তুমিও প্রতি আস্থা করা একেবারে উচিত নয়। জল যেমন আপনাকে সেইরূপই দেখিয়া থাক, সেইরূপই অনুভব করিয়া থাক। বর্ণাদি ব্যাপয়ে ব্যাপরে স্পন্দিত করিয়া আবর্ত-তরঙ্গালিরূপে এই যে কাৰ্য্যকরণভাব যাহার বিষয় তুমি জিজ্ঞাসা করিলে) অবস্থান করে, এই চিও সেইরূপ আপনাতে চেতনকর্তৃত্বালি ইহাও সেই চিদাকাশ, বটের উপাদান যেমন মৃত্তিকা, ইহার ব্যাপার কল্পনা করিয়া জগদ্ধপে অবস্থান করেন। কল্পবৃক্ষ এবং উপলান তেমনি চিদাকান। মােহ ইহার নিমিত্ত কারণ। এই চিন্তামণি যেমন ভাবলামত অভীষ্ট পূরণ করিয়া দেয়, এই চিদাকাশ যখন অ| আকাশে পরিজ্ঞাত হন, তখন আর মোহময় চিৎও অন্তরে যেরূপ ভাবনা , অকালমথ্যে তাহার পূরণ থাকেন না। লোক যেমন নিদ্রিত হইলে মােইমগ্ন হয়, আবার করেন। আকাশ রূপি চিলি চিন্তামণির ন্যায় করলের আয় নিদ্বাঙ্গে মােহত্যাগ করে, ইনিও সেইরূপ প্রবুদ্ধ হইলে মােহ- নটিত আর অতীষ্ট সম্পাদন করেন। মনের এক দেশ ত্যাগ করেন। এবিষয়ে ইহার নিকটে অনুযােগই বা ওরে কে হইতে দেশান্তরে গমনকালে মধ্যে চিত্রি যাদৃশ আকার অবশিষ্ট যে, “আপনি এইরুপ মােহমগ্ন হন কেন ?” একাৰ হইতে অ- থাকে, এই দৃশ্যও তলকারময়। সুত্রাৎ যিত্ব, একত্ব-ভ্রান্তি ভাব প্রাপ্তির মধ্যসময়ে সম্বিদের যে অকার থাকে, তাকে কোথায়? অনন্ত উজ্জ্বল নিল চিৎকান্তিই আকাশের নীলিমায় চিলাকাশ বলা হয়, সেই চিনাকাশই নিখিল বন্ধুরূপে বিভাবিত স্থায় শূন্যময়ী হইলেও অগপে প্রতীয়মান হয়। ফলিতার্থ হন (১)। ৪১–৫। ঈশ্বর যেমন জীবভাবের কল্পনা করি- এই যে, সহকারী কাণের অভাবনিবন্ধন, চিতির বিসদৃশ অর্থাৎ লেন, এইরূপ এই জীবও আপনার অবিদ্যাৰলে কাৰ্যকরণাদি জড় কাৰ্য্যের অনুভবই হইতে পারে না, তবে যে এই দৃঙ্গ দেখা ভাবের কল্পনা করিয়াছে, এ কল্পনাকারী আত্মার প্রতি কে যায়, ইহা আদা চিংই স্বপ্নের ব্যয় ধৃত হইতেছেন। ৫৬–৬৩। অনুযোগ করিবে যে, তুমি এইরূপ কর কেন? এ বিষয়ের কর্তা, দ্রষ্টা বা ভােক্তা যদি অপরে কেহ হইত, তাহা হইলে এই বৃ ষড়ধিকততম সর্গ সমাপ্ত ।। কেন কি প্রকারে উৎপন্ন হইল? তাহার অনুযােগ করা যাইত ; ফলে তাহা ত নয়, আঙ্গই এতং সমূদয়ের কল্পনাকারী। প্রত- পক্ষে যেখানে স্বপ্নে আভাস বিজ এক হইয়াই ও অনেক সপ্তাধিকততম সর্গ সৰূপ চিদাকাশই বিরাজমান, অন্য কিছুই নাই, সে স্বলে কোথায় বশিষ্ঠ কহিলেন, এই বিশ্ব চেত্য নহে, চিন্ময় , চতুর্দিকে অনুযােগ করা যাইবে? স্বয়ম্ভু ব্ৰহ্মা হইতে আরম্ভ করিয়া যাব আর কিছুই নাই, কেবল চিকাণই প্রতিভাত হইতেছে। তীয় সৃষ্টি সমস্যাই চিত্রে প্রতয়মান হইতেছে, ইহার তত্ত্বা- চেতয়িতা, চেত, চেস (জ্ঞতা, জ্ঞে, জ্ঞান) এ সকলই সন্ধান করিতে ঘাইলে ইহা তৎক্ষণাৎ ব্রহ্ম হইয়া যায়। অপরি- (ত্রিপুটা চিন্ময় সমস্তই ) বিশুদ্ধ চিংস্বরূপ। অতএব জীবিত ভাত খালি ইহা ভ্রান্তি, মায়া, জগৎ, বিদ্যা, ইত্যাদি নামে থাকিলে সকলে মৃত-অর্থাৎ নাই। আমি, তুমি, উনি সকলেই বণিত হয়। ৪৬-৫০। বালক যেমন মিথ্যা বেতালকে সত্য জীবিত থাকিয়াও মৃত। ব্যবহারণায় অবস্থিত হইয়াও বলিয়া জ্ঞান করে, সেইরূপ চিংশভাব চিদাকাশ হইতে অপৃথকু (বাপার হইয়া) সকলে কাষ্ঠ-পাৰাবৎ নিৰ্বাপরি হইলেও চিমাকাশের প্রকাশে অহা পূণ দৃশ পিশাচরুপে অনু- নিশ্চেষ্ট, তাহার কোন সন্দেহ নাই। অথবা স্থাবর-অমাত্মক সকল পদার্থ আকাশের গায় মুক্তিহীন (নিরাকার)। এই (১) টীকাকারমতে মূল পাঠ “সৰ্বংৰাতি নেতৎ” যাহা কিছু বিস্তৃতভাবে বিদ্যমান রহিয়াছে, সমস্তই আকাশে, আমরাও তাহারই অনুসরণ করিলম, মুলের পাঠসংলগ। কাচের ও কেশের নীলিমার স্থায় , ফল তাহা কিছুই নহে ৭১৪ বােগবাশিষ্ঠ-আমাণ অনিবে, চিদাশেই বা কিরুপে কি বস্তু থাকা সবে।। ঠিক এই জগতে বৰামত অবস্থিত আছে। তাহার মধ্যে যে ফল যহা প্রতীয়মান হয়, তাহা আকাশে প্রতীয়মান কেশগুচ্ছ, দীপাখ্য ভূগ, তাহার উপরি তাহার অলঙ্কারস্বরুপে অবস্থিত নদী, ধূম বা মুক্তাদির ন্যায় অলী জানিৰে। যা প্রতীয়মান নানাজীব নিচয়পূর্ণ এক সমতল ভূভাগে তমিতি নামী এক হইতেছে, তাহা প্রকৃতপক্ষে আকাশই; ইহুতে অল্প কিছুরই পুৰী আছে। ১-৫। সেই পুরীতে বিপশ্চিৎ নামে এক রাজা যালৰ অনুভব হইতেছে না।১৫। যাহা অনুভূত হইতেছে, বাস করে, নানাশাস্ত্রে অভিজ্ঞতা থাকায় তাহার নাম বিপশ্চিৎ। তাহা জগন্নামক চিদাকশ ভাষাও শূন্য, ইহাতে আস্থা করি- সর্বশাস্ত্রে বিশারদ বলিয়া তিনি সভ্য, সভায় উপস্থিত হইলে বার বিষয়ই বা কি আছে। ভাবশে আকাশে উদীয়মান এই সমধিক শােভা ধারণ করেন (ললাকে তাঁহাকে বড়ই সম্মান যে পৃথ্যাদি, ইহা ত ‘চং শক্তির (অনারত চৈতন্যের কল্পনা, করে)। সভামধ্যে তিনি সকমল-সরােবরে রাজহংসের বাস্তবপকে ইহা শূন্য নিরর্থক কিছুই নহে। হে বালকবৃন্দ। ন্যায়, নক্ষত্ৰচক্রের মধ্যভাগে চন্দ্রের ন্যায় ও শৈল-সমূহের মধ্যে তোমরা এই নির 'ক মিথ্যা বিষ লইয়া আমি আমার করিয়া সুমেরুর স্থায় শোভিত হন। তিনি এতগুণসম্পন্ন যে, কবিরা আস্থাস্থাপন করিতেছ কেন? তাহা বল। অহো বুঝিতে পারি- তাহার গুণবর্ণন করিতে গিয়া তাঁহার অনন্ত গুণ বর্ণন করিতে ঋছি, ৬ামরা অদ্যাপি বালক আছ, তাই এরূপ আস্থা অসমর্থ হইয়া বিরত হয়েন, তথাপি তিনি কবিগণের সম্মান করিতেছ, বালকের সঙ্কলিত বিষয় লইয়া বালকেই ক্রীড়া রক্ষণ ও যশােবর্ধন করেন বলিয়া কবিরা তাহার সঙ্গ পরিত্যাগ করে। ওহে মূঢ়গণ। এই পৃথ্যাদি অসৎ বস্তু লইয়া থাকিলে কনে না, যা সাধ্য তাহার গুণবর্ণন করিয়া থাকেন। যেমন তােমাদের জীবন বৃথাই অতিবাহিত হইবে। আকাক্ষালনের প্রতিদিন প্রাতঃকালে বিকসিত চতুর্দি-সমুজ্জ্বলকারী কমল ঝায় বৃথা অসম্ভৰ কৰ্ম্মে কালক্ষেপ করিবে, প্রকৃত বিষয়ের কিছুই হইতে প্রতাপজনিত অর্থাৎ সৌরাতপসম্পর্ক-জনিত শােভা আনিতে পারিবে না। সহকারী প্রভৃতি কারণের অভাব হেতু সমুদিত হইয়া থাকে, সেইরূপ দিন দিন বিকাশপ্রাপ্ত প্রতাপ- যাহা কখন উৎপন্ন হয় না, আজ তাহা কিরুপে উৎপন্ন হইবে। বলে চতুদ্দিকৃ-উজ্জ্বলকারী সেই রাজার প্রতাপজনিত —অর্থাৎ ১০। যাহা আজ ত অসত্য বস্তু আকাশকে লইয়া কাৰ্য্য সম্পং সৰ্ব্বদাই সমুদিত থাকে। ব্রাক্ষণদিগের হিতকারী সেই করে, সেই মৃতের অগাত অথবা জন্মের পর মৃত সন্তানের মানী নরপতি একমাত্র বহ্নিকেই দেবতাজ্ঞানে ভর্তি পূৰ্ব্বক প্রতিপালন করে,—অর্থাৎ অতি অসন্তৰ কাৰ্য করে। এই পূজা করিতেন, অন্য কোন দেবতা মানিতেন না। পৃথ্যাদি কি ? কোথা হইতে কাহার দ্বারা কি করে উৎপন্ন যেমন চারিদিকে চারিটা মহাসাগর, সেইরূপ তাহার মন্ত্রিবর্গের হইল ? ফলতঃ ইহ কিছুই নয়, একমাত্র চিদাকাশ আপনিই মধ্যে চারজন প্রধান মন্ত্রী, সেই প্রধান মন্ত্রিগণ সর্বদা মহা- আপনাতে এইরূপে প্রকাশ পাইতেছেন। যহারা কা, কারণ, সাগরের ন্যায় মগু, মকরহ ও আবর্ত-চক্র-ব্যহ সমন্বিত, কাল ইত্যাদি কল্পনায় আকুলচিত, সেই বালকদিগের নিকটে, গজবাজিগণে বেষ্টিত, সৈতরঙ্গে ভীষণ, রণক্ষেত্রে অচল সৈন্য- এই পথ্যাদি সত্য হইয়া ড়ায়, তাশ অজ্ঞ বালকের আমাদের সামন্তের দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং মাদ-র নিরত অর্থাৎ কোন প্রয়ােজন নাই। স্বপ্নে সৃষ্ট পৃধাদিত জগৎ আর জাগ্রং কদাপি অঙ্গায় যুদ্ধ করেন না, লােকের সম্মান রক্ষণ করিয়া থাকেন। অবস্থার পৃদিম জগৎ সমস্তই চিনাকাশাত্মক , স্বপ্নদশার এতাদৃশ মধ্যিবর্গবেষ্টিত নরপতি অখিল দিণ্ডলের (দিগুলস্থ স্থায় চিন্মই আকাশ হইতে এইকপ প্রতীয়মান হন। আত্ম মুভব লােকের) আশ্রয় এবং সুদর্শনচক্রের ন্যায় শত্রুগণের অজেয় ( নিজের অনুভবই। যার অস্তিত্ব সমান করিতেছে সেই ও নিজে সকল বিজয়ী ছিলেন। একদা পূৰ্বদিক্ হইতে একটা চিদাকানের আকার অধ, তাহাই এই প্যারিপে চতুর চর আসিয়া কাললেরে কায় দ্রুত ও বিকটম্বরে কহিল, ব্যে নমে (তৃৰপে) প্রতীয়মান হইতেছে। ১ ১৫। “হে দেব। আপনি পৃথিবীরপিণী ভিকে নিজ ভুজপাদপে বন্ধন মধাবিকতম সর্গ সমাপ্ত।১০৭। করিয়া রাখিয়াছে, আপনি ভগবান্ বিষ্ণুর গায় লোক-বিজেতা। এণে আমি যাহা বলিতেছি, তাহা শ্রবণ করিয়া যাহা কর্তব্য হয় করুন। ১০-১৫। আপনি পূৰ্ব্বদিক রক্ষা করিবার জন্য যে অষ্টাধিক শততম সর্গ। মন্ত্রীকে নিয়ােগ করিয়াছেন, তিনি লেগে মরিয়াছেন, আমার বােধ হয়, বিজয়ী আপনাক দিৰিজাৰ্থ নিমুক্ত হইয়া বাম কহিলেন-হে মুনে। এই চিকাশের স্বপ্ননগর- যিনি যমরাজকে জয় করিবার নিমিত্ত যমলােকে গমন রূপিণী বিদ্যা শূরুপিণী হইলেও যে পুরুষের নিকটে অন্যরুপে করিয়াছেন। তাঁহার মৃত্যুর পর আপনার দক্ষিণাথে নিযুক্ত বিদ্যমান থাকে, ঐ অবিার স্বরূপ কি? পরিমাণ কত? কত মন্ত্রী পূর্ব-দক্ষিণদিক জয় করিতেছিলেন, এমন সময়ে পূর্ব-দক্ষিণ- কালই বা তাহার নিকট এইরূপভাবে থাকে? ইহা আমার দিক হইতে শত্রু আসিয়া সৰতে তাঁহাকে কুতা-ভবনের অভিখি নিকটে পুনরণি কীর্তন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন,-রাম করিয়াছে। দক্ষিণদিক মন্ত্রীর মৃত্যুর পরে পশ্চিমদিকের নিযুক্ত পরে যেমন দেশভ বা কালভ পরিখে নাই, মন্ত্রী সদলবলে যেমন পুৰ্ব্বদখিদি আক্রমণ করিতে সেইপ যাহাদেব নিকটে এই বিদ্যা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাইবেন, এমনি পূর্বদিকের গণ পণিদিকের ক্রিণের সেই অরাে ইহাকে দেণতঃ কালও অপরিচ্ছিন্ন বলিয়াই সহিত মিলিত হইয়া পথিমধ্যেই যুদ্ধ করিয়া তাহাকে নিহত আনে, তা এনে, বিদ্যা দিন এই বিষয়ে একটা করিয়াছে।” ৰঠি কহিলেন,—সেই চর এইরূপ বলিতেছে, উলাতান কী করিতেছি, এৰণ কর। চিলাকাশের এক এমন সময়ে একটা স্ব এলয়কালের প্রবাহের মত অতি কোণের কোন এক এদেশে এই জগতের আর একটা বিশেষ স্বরায় সেই খানে আসি কহিল “দেব। আপনার উর্দিকের নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তর। ৭১৫ সেনাপতি শত্রুগণ কর্তৃক বিতাড়িত হইয়া সেতুলে জলপ্রবাহের ' বিচরণ কত প্রবল বায়ুবেগে কলকল্লোলিনাবী সাগরের রায় ফায় অতিবেগে সালে এই দিকে আসিতেছেন। বশিষ্ঠ কহি গভীর রেব করিতেছে। কেনউদিগরণকারী আবর্তের চায় শেন,দূতবাক্য শ্রবণ করিয়া রাজা কালক্ষেপ করা উচিত নহে মণ্ডলাকার গতিবিশিষ্ট অগণ লবণসমুদ্রের অঙ্গবৎ গভীর শক ভাবিয়া সেই শাে গৃহ হইতে বহির্গত হইয়া কহিলেন,-ওহে করিতেছে।২৬। আকাশের ন্যায় নির্মল কান্তিবিশিষ্ট বর্ষ কৰ্ম্মচারিগণ। রাজগণ, সামগণ ও মল্লিগণকে যুদ্ধে সজ্জিত করিয়া ও অস্ত্রজালে সুসজ্জিত সঙ্গগণ চতুর্দিকে প্রলয়কালীন সাগর- আনয়ন কর। অস্ত্রগৃহের দ্বার উদঘাটন কর, ভীষণ অসমূহ প্রবাহের স্যায় ক্রমে উদ্বেল হইয়া উঠিতেছে। ইহাদিগের অস্ত্র- তথা হইতে আনয়ন করিয়া আমাকে দাও, যােদ্ধবর্গ সকলে গাত্রে শস্ত্র ও মুকুট প্রভৃতি অলঙ্কারনিচয়ের কান্তিপুঞ্জ যেন আপনার বৰ্ম্ম পরিধান কর, পাতিগণ আসিয়া উপস্থিত হউক, কতগুলি প্রতাপানলের শিশর গায় দীপ্তি পাইতেছে। মৎস্যমকরছ- সৈন্ত আছে, তাহা গণনা করিয়া তাহাদিগকে সজ্জিত কর, সমন্বিত চক্ৰাৰ্তাকার গতিবিশিষ্ট সৈন্যসকল সাগরতরঙ্গের স্নায়ু সৈন্যাধ্যক্ষগণকে সজ্জিত হইতে বল। যুদ্ধের উদযােগ কর, কমে যেন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়া উঠিতেছে। ইহাদের কুপ্রভৃতি চতুর্দিকে প্রেরণ কর। ১৬-২৫। বশিষ্ঠ কহিলেন,—“রাজা অস্ত্ৰজাল পরস্পর সংঘর্বে আঘাত প্রাপ্ত হইয়া ঝিকিমিকি ও ক্রুদ্ধ হইয়া ত্বরিতঙ্গরে এইরূপ আদেশ করিতেছেন, এমন সময় ঝন্ঝন্ কবুত যেন ক্রোধে জ্বলিত হইয়া হুঙ্কার বাড়িতে। হে প্রতীহারী সসমে আগমন করিয়া প্রণত হইয়া কহিল,-“দেব। দেব। আমার প্রভু (আপনার রাষ্ট্রসীমারক বলাধ্যক্ষ) আমাকে আপনি উত্তরদিকে যে সেনাপতিকে নিয়োগ করিয়াছিলেন, তিনি আপনার নিকট এই ব্যাপার জানাইবার অন্য পাঠাইয়াছেন, আসিয়া দ্বারদেশে দণ্ডায়মান। তিনি দণ্ডায়মান থাকিয়া পদ্ম যেমন তিনি এক্ষণে রাষ্ট্রসীমা হইতে যুদ্ধ করিবার ও সৈঙ্গদলের সূৰ্য্যদর্শনের আকাঙ্ক্ষা করে, সেইরূপ দেব-দেবের দর্শন আকাক্ষা সম্মুখীন হইয়াছেন। হে দেব। আমিও অস্ত্র-শাদি ইয়া করিতেছেন।” রাজা কহিলেন,—“অবিলম্বে গমন করিয়া ইহাকে হার নিকট গমন করি। আমি আপনার নিকট সমস্তই লইয়া আইস, চতুর্দিকে কি কি ব্যাপার ঘটিল, তাহা ইহার জালাইলাম, এক্ষণে যাহা কর্তব্য, তাহা আপনিই জানেন। নিকট শ্রবণ করিয়া জানিতে পারি।” বশিষ্ঠ কহিলেন, রাজার ৪-৪৫। বশিষ্ঠ কহিলেন,—“এই বলিয়া সেই পুরুষ রাজাকে এই আদেশ পাইয়া প্রতিহারী উত্তরদিকের সেনাপতিকে ঝটিতি প্রণাম করিয়া তাড়াতাড়ি প্রস্থান করিল, বােধ হইল বেন সাগর- রাজসমীপে উপস্থিত করিল , সেনাপতি উপস্থিত হইয়া রাজাকে তরঙ্গ কিয়ংক্ষণ গুদু গুলু রব করিয়া শান্ত হইল। তখন রাজ- এণাম করিল। রাজা দেখিলেন,-তাহার সর্বাঙ্গ ক্ষত বিক্ষত গৃহে কি রাজা, কি মন্ত্রী, কি যােদ্ধা, কি ভূভ্য, কি হতী, কি অখ, সকল অঙ্গ শাবি রহিয়াছে, মুখে রক্ত উঠিতেছে, দীর্ঘ নিশ্বাস সকলেই ভয়-সম্ভ্রান্ত , দলে দলে সৈন্যগণ অস্ত্রশস্ত্র লইয়া সজ্জিত বহিতেছে। তৎপরে সেনাপতি বৈৰ্য্যৰলে আপন গাত্রবেদনা হইতে লাগিল তৎকালে রাজভবন প্রবল মারুত-চালিত মহা- সঙ্ক করিয়া (অর্থাৎ গাত্রবেদনাজনিত আক্ৰন্দন থামাইয়া) দীর্ঘ কাননের ন্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। ৪৬–৪৮। উচ্ছ্বাস পরিত্যাগ করত প্রণাম করিয়া ত্বরিতস্বরে কহিল, অষ্টাধিক ভম সর্গ সমাপ্ত ॥১৮ | দেব। তিন দিকের অধ্যক্ষই বহু-সৈন্য সমভিব্যাহারে যেন যমরাজকে জয় করিবার নিমিত্ত এককালে যমপুরীতে গমন করিয়াছে। আমি একী তাহাদের স্থানসকল রক্ষা করিতে নবাধিকততম সর্গ। পারিলাম না, আর ঐ দেখুন, বহু শত্রু-ভূপতি আমাকে বলপূৰ্ব্বক আক্রমণ করিবার জঙ্গ আমার সঙ্গে সঙ্গে এইখানেই আসিয়া বশিষ্ঠ কহিলেন,—“দৈত্যগণ নভােমণ্ডল আক্রমণ করিলে উপস্থিত হইয়াছে। আপনার রাজ্যমধ্যে অসংখ্য শত্রুসৈন্য গগনচারী মুনিগণ যেমন ইন্দ্রের নিকটে উপস্থিত হন, সেইরূপ এই আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে। এক্ষণে আপনি ইহাদিগকে নিয়ন্ত ব্যাপার শুনিয়া মন্ত্রিগণ রাহ্মান্ত নিকটে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। করিয়া দিন। আপনার নিকট দুর্জেয় ত কিছুই নাই। বশিষ্ঠ মঞ্জিগণ কহিলেন, “হে দেব। আমরা বিচার করিয়া দেখি- কহিলেন,-যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষতাঙ্গ কাতর সেই বাধ্যক্ষ এইরূপ লাম, এই শত্রুগণকে সাম, দান, ভেল এই ত্রিবিধ উপায়ে দমন বলিতেছ, এমত সময়ে আর একটা পুরুষ হঠাৎ উপস্থিত হইয়া করা যাইবে না। ইহাদের উপরে প্রয়ােণ করাই আবশ্যক কহিল—“হে নরের। ঐ দেখুন অসংখ্য লোক আপনার রাষ্ট্র হইয়াছে। ইহাদের সহিত সম্ভব করা বা নিপী লােক মধ্যে প্রবেশ করিয়া হত্যাকার্তি-সঞ্চালনে সামান্য বায়ুবেগে অশ্বখ- দিগকে ইহাদের অত্যর শরণাগত হইলাম” এই ছলে প্রবেশ পত্রের স্থায় ফুর ফুর করিতেছে। আপনার রাজধানীর চতুর্দিকে করাইয়া প্রচ্ছন্নভাবে বিশের চেষ্টা কখনই করা হয় না, সুতরাং অসংখ্য শত্রুসৈন্ত আসিয়া আক্রমণ করিয়াছে। রাজপুরীর এক্ষণেও সেরূপ উপায় অবলম্বন করা কখনই বিধেয় নহে। বাহিরের স্থানসকল লােকালােকাচলের টদেশের ন্যায় বিপুল পাপাচারী নাট্য নানাদেশী বহুশ মিলিত হই। মঞ্জ পাইয়া শত্রুসৈতে আকীর্ণ হইয়াছে, তাহাদিগের চক্র, গদা, কুত প্রভৃতি আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে, সুতরং সামাল উপায়ে কোন অৰে প্ৰভাৱ চতুর্দিক আলোকিত। ঐ দেখুন, বাহিরে অন্তু, কাজই হইবে না। অতএব এক্ষণে সাহসের উপর ভর দিয়া পতাকা ও যােঙ্কুর্গে পরিপূর্ণ রখ সকল উজ্জীৱমান ত্রিপুসমূহের রণক্ষেত্রে অবণ ব্যতীত আর কোন প্রতীকার দেখি না, গায় অন্তরীক্ষে ধাবমান হইতেছে ঐ, দেখুন, হস্তিবৃন্দ ও অতএব শীঘ্রই রণের উদযোগ করা হউক। ১। বীরদিগকে উন্মীলিত করত আকাশে যেন মাংস-কালের কন করিয়া তুলি যুদ্ধের আদেশ দেওয়া হউক, অভীষ্ট দেবতার পূজা করিয়া সামন্ত- নেই, আর বর্ষাকালে মেঝন্দের জায় গভীর কৃতিধ্বনি বর্গকে আহবান করা হউক, রণতি বদিত করা হউক, অসমতল ভূভাগে অ অসম গতিতে যোদ্ধবর্গ সুসজ্জিত হইয়া রণভূমিতে গমন করুক। প্রলয়মেকে T = করিতেছে।
৭১১ যােগবশিষ্ঠ-রামায়ণ। স্যায় গাঢ় কালবর্ণ মত্ত গসৈতে চতুদ্দিক আচ্ছন্ন করুফ। বলবান আমার দেহ চতুষ্টয় উখিত হউক। আমি সেই দেহ- ধনুক সকল আস্থালিত হউক, জানিনাদে গগন ফাটিয়া যাউক, চতুষ্টয়ে চতুর্দিকে গমন করিয়া নিৰ্বি শক্রবর্গ নিপাত করি। চতুর্দি অসলার খমুকে মেঘের স্থায় মৰণ হইয়া হে বিভে। আপনার মন লাভের জন্য আমি আপনাকে উক। বীরগণরূপ মেঘজাল জা-রূপ বিদ্যুতের আলােকে স্মরণ করিতেছি , আপনি আমাকে দেখা দিন। বশিষ্ট কহিলেন, চতুর্দি আলােকিত করিয়া গভীরগর্জন করত নারাচ-অস্বরূপ সেই মহীপাল এই বলিয়া খড় লইয়া বালকে যেমন বারিধারা বর্ষণ করিতে থাকুক। রাজা কহিলেন, শীঘ্র সকলে অবলীলাক্রমে কম দ্বিখণ্ড করে, সেইরূপ আপনার মস্তক যুদ্ধক্ষেত্রে যাত্রা কর, উপস্থিত সময়ে যাহা যাহা কর্ত্য, তাহা বিখণ্ড করিয়া ফেলিলেন। তাহার পরে ছিন্নমস্তক যেন সকলে সম্পাদন কর। আমি আনান্তে অগ্নিদেবের পুজা করিয়া অগিতে আহুতি দিবেন, অমনি আপনার শরীরসহ অগ্নিতে গিয়া রণক্ষেত্রে অবতীর্ণ হইতেছি।৬—১০। এই বলিয়া নরপতি মনে পড়িলেন। অনন্তর বহি তাহার আহুত সেই দেহ ভােজন করিয়া মনে যেন কোন মহৎকাৰ্য্য সাধন করিবার অভিপ্রায়ে ক্ষণকাল- চতুগুণ প্রদান করিলেন, মহৎ ব্যক্তি স্বাহা লইয়া থাকেন, মধ্যে ঘটে করিয়া গঙ্গাজলে স্নান করিয়া লইলেন, মানান্তে তিনি তাহা সদ্য বাড়িয়া থাকে, (মহরে স্বভাবই এই যে অপরের বর্ষসলিলসিক্ত নৃতন উদ্যানের ন্যায় শােভিত হইলেন। অনন্তর দ্রব্য লইয়া তাহা বাড়াইয়া দিয়া থাকেন)। ১১-৩০। অনন্তর রাজা অগ্নিগৃহে প্রবেশপূর্বক ভক্তিসহকারে যথাবিধি অগ্নিদেবের রাজা তেজপুঞ্জে জাজ্বল্যমান চারি মূর্তিতে সাগর হইতে নারায়- পূজা করিয়া মনে মনে চিন্তা করিতে লাগিলেন। “আমি অনায়াসে শের স্থায় অগ্নি হইতে উখিত হইলেন। উত্মলকান্তি তদীয় বিবিধ ভােগবিলাসে কাল কাটাইলাম, প্রজাবৰ্গকে অভয় দেহচতুষ্টয় অপুর্ব শােভাধারণ করিল, সেই দেহের সঙ্গে সঙ্গে দিলাম, আসমুদ্রপৃখিৰী শাসিত করিলাম , ভূমণ্ডল আক্রমণকারী পরিহিত বসন, উত্তম শিরােভূষণ ও অস্ত্র লইয়া উঠিলেন। দেহের প্রবল শবর্গকে চরণতলে বিদলিত করিয়াছি (তাহাদের সঙ্গে সঙ্গেই বৰ্ম্ম, শিরস্ত্রাণ, শিরোর, কটক, অঙ্গদ, হার, কুণ্ডল মাথায় পা দিয়াছি), আমার শাসনে দশদিকৃস্থিত লােক ফল- প্রভৃতি ভূষণসত্তার উথিত হইল। চারিটা দেহই ঠিক একরূপ, ভরে লতার ন্যায় নত হইয়া আছে। প্রজাস্বরূপ চন্দ্রমণ্ডলে এক অববন। এবং চারিটা দেহই উচ্চৈঃশ্রবার ন্যায় ধবল বশঃ অঙ্কিত করিয়া দিয়াছি (প্রজাগণ সর্বদা আমার চপল চাৰিটী হয়-রত্বে আরুট। চারিটী মুর্তিই দুবর্ণময় তুণীরে যশােনান যশােধ্যান করিতেছে), ভূতলে কীর্তিরূপিণী ত্রিপথ- সুবর্ণময় শর ধারণ করিতেছেন, সকলের ধনুর্বাণ ঠিক এক গমিনী গঙ্গা সংস্থাপিত করিয়াছি। সুস্থ, মিত্র, বন্ধু ও অপরাপর সকলেই মহাশয়। ৩১-৩৫। ঐ মূর্তিচতুষ্টয়ের সানকে কোষাগানের গায় রাশিতে ভরিত করিয়াছি। আর একটা অসাধারণ গুণ এই যে, তঁাহারা কি নরবান, দিনজয় করিয়া সমূদ্বতীরে বসিয়া নারিকেল ফলের রসমধু পান কি অ, কি হস্তী, কি রথ যাহাতেই আরােহণ করেন, করিয়াছি। তেকের কণ্ঠকের ন্যায় শবর্গের প্রাণ পাইয়া তাহাদের অধিষ্ঠিত সেই বাহন, শত্ররা কিছুতেই নষ্ট করিতে তুলিয়াছি। দ্বীপান্তরস্থ কুলাচলসমূহ মদীয় শাসনমুদ্রায় অঙ্কিত পারে না। অল্প হইতে দেহচতুষ্টয় উখিত হওয়াতে বােধ হইয়াছে। দিকপ্রান্তের প্রসিদ্ধ প্রসিদ্ধ স্থানে সিদ্ধসেনগণের হয় যেন, বাড়বানল চতুঃসাগর পান করিয়া তাহা ধারণ- সহিত বিহার করিয়াছি, অনেক সময়ে লোকালোক পত্রে পূর্ব পুরুষাকারে পরিণত করিয়াছিল, পরে অগ্নিকুণ্ডে শিখরে মেঘের ন্যায় বিশ্রাম করিয়াছি। তখন বােধ হইয়াছে, অনিয়া অহা প্ৰক্ষেপ করিল। চারিটা অঙ্গে অরূট সেই কুম- যেন একান্ত সমাহিত জ্ঞানপূর্ণ বুদ্ধিতে পরন্ধে বিশ্রাম করি- মালালােভী মূৰ্ত্তিতুষ্টয় ই-কিরণােম সুহান্তে চতুর্দি উদ- তেছি। প্রজাবর্গের হিতকারী হই। অক্ষতভাবে কত রাজ্য ভাসিত করত আতত সেই অনল হইতে যেন চারিটা বিষ্ণুমুত্তি, হন্তা করিয়াছি, দুর্বিনীত দুর্বিনীত রাক্ষসদিগকে ধন-( কঠিন) চারিটী মূর্তিমান সাগর অথবা যেন মূর্তিমান চতুর্বেদ উখিত শৃঙ্খলে আবদ্ধ করিয়াছি। হ্রাসরদ্ধিৰিবজি অখণ্ডিত ধৰ্ম, অর্থ, হইল। ৩৬-৩৮। কমের সেবায় (সমানভাবে সম্পূর্ণরূপে র্যাদি ত্ৰিৰ্গ সেবা নবাধিকতম সর্গ সমাপ্ত ১০১ করিয়া) বয়ঃক্রম অতিবাহিত করছি। এক্ষণে আমি খেতৰণ যশপালন করিয়াই বেরাখব হইয়া পড়িয়াছি , এক্ষণে আমার কেশকলাপে শপেরি হিমবির ন্যায় বলিয়া আসিয়া উপস্থিত দাধিক শততম সঙ্গ। হইয়াছে। নিল ভােগবালনার ভ্রামকারী বার্ধক্য আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে। তাহার উপরে আবার চতুর্দি হইতে বশিষ্ঠ কহিলেন,এ িনবের নিকট চতুকে শত্র- এলশবর্গ আসিয়া প্রার্থনা করিতেছে। বিজয়লাভও গণের সহিত দারুশ যুদ্ধ হইতে লাগিল। গ্রাম নগর পুষ্টি এক্ষণে সন্দেহের বিষয়, অতএব আমি এক্ষণে উদ্যমসহকারে হইতে লাগিল, প্রল মহাকুল হইয়া উঠিল, শত্রুত জয়প্রদ এই অগ্নিদেবকে আমার মন্তকাহতি প্রদান করি। অগ্বিদাহে এদের গৃহলকল এশিত হইতে লাগিল, ধুমটল পরে রাজা অগিকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন,-“হে দেব। মেঘের স্থায় উখত হইয়া নভেল আচ্ছন্ন করিল। শরণ- নাে। পুর্বে যেমন অাপনাতে বঙ্গীয় পুরােভাগ আহুতি রূপ মহামে আদিত্যমণ্ডল আচ্ছন্ন হওয়ায় চতুর্দিকে ঘাের অন্ধ- প্রদান করিয়াছি, তেমনি এক্ষণে আমার এই মন্তক আহুতি কার হইল, বুমও ক্রমে অ হইয়া গেল। বহিলাই- প্রদান করিতেছি; হে দেবেশ! যদি আমার এই কর্মে সন্তুষ্ট জনিত কারণ উলেবনের লতাপত্র দি সব উত্তপ্ত হইয়া উঠিল, হইয়া থাকেন, তাহা হইলে, হে ভগৰ! আপনি (বর প্রদান আমেয়াদ্যের শতকর অক্ষর, শূন্য, মুসল, পাষণ প্রভৃতিতে করুন যে আপনার কুণ্ড হইতে নারায়ণভুলের ন্যায় সুন্দর ও আকাশদে পরিপূর্ণ হইয়া গেল। এফলিত বহির প্রতিবিম্ব নির্বাণ-এর-উত্তরভাগ - পড়ায় নিক্ষিপ্ত খচ্ছ অন্ত্রসমূহের কান্তি আরও সমধিক উজল সকল গহিীন হইয়া ভূমিতলে বিলুষ্ঠিত হইতে লাগিল। হইয়া উঠিল। যুদ্ধমৃত মহীধৱগণ স্বর্গে গমন করিয়া অগয়ে কোথাও কৰন্ধ নৃত্য করিতেছে, কোথাও বেল বেড়াইতে দিগের অবসুধা পান করিতে লাগিল।১৫। যুদ্ধলােপ কোথাও ক্রল আন্দালন করিতেছে কোথায় বা বেতাল বীরগণ মদমত্ত হস্তিনি শ্রবণ করিয়া হৃষ্ট হইতে লাগিল। আসিয়া দেহের হৃদয়পদ্ম হইতে মাংস তুলিয়া লইয়া যাই- চতুর্দিক হইতে ভূষুণ্ডী, এস, শু, তােময় প্রভৃতি অম্বুজাল তেছে, এই সমস্ত ব্যাপারে সেই রণভূমি একেবারে দুরগাহ হইয়া বৃষ্টি হইতে লাগিল। দুর্বল বীরগণ প্রবল মহাবীরের স্কারধ্বনি উঠিল। ১৬-২০। বীরগণ শত্রুবর্গের শিরাঙ্ক মন্তক, হ, নখ, শ্ৰৰণ করিয়া হৃদয় বিদীর্ণ হওয়ায় মরিয়া যাইতে লাগিল। বুলি উরু, শীর্ণ করিয়া দিতেছে। কবন্ধদিগের বাহুৰু গগন এদেশে। পটলরূপ শুভ্র মেঘ উঠিয়া স্বর্গপথ রোধ করিয়া দিল। আহত ঘূর্ণিত হইতে থাকায় সেই গগযেন অরণ্য বলিয়া বােধ হইতে সামগণ মরণভয়ে ব্যাকুল হইয়া চীংকার করিতে করিতে লাগিল। বতলগণ শবরাশি দেখিতে পাইয়া আনন্দে - পলাইতে লাগিল। চতুর্দি হইতে বাগ্নি নিপতিত হইয়া প্রদান করিয়া মুখ নাড়িতে নাড়িতে আপন পেটিকা মধ্যে (পেটি- প্রতুল বিনষ্ট করিতে আরম্ভ করিল। অগ্নিদগ্ধ গৃহসকল স্নার ভিতর শবরাখি পূরিতে লাগিল। স্থানে স্থানে বর্ষধায়ী ভীম ভূপতিত হইতে থাকিলে তথা হইতে অগ্নিকণবধী ধূমাল মেঘের যােদ্ধাগণ সগর্বে ভঙ্গি করিতে লাগিল। শূরগণ ময় মারি” ন্যায় নির্গত হইতে লাগিল। অসংখ্য শরধারারূপ মেঘ উখিত “না হয় মরিব’ এইরূপ প্রতিজ্ঞা করিয়া যুদ্ধ করিতে প্রবৃত্ত হইল। হইয়া বিপক্ষপক্ষের মৃত্যু ঘটাইয়া দিয়া স্বপক্ষের আনন্দ উৎ. | যাহারা প্রহার করিতে বা অপরের প্রহার সহ করিতে অসমর্থ, পান করিতে লাগিল। তুরঙ্গসকল তরঙ্গের ষ্ঠায় চলিত হইয়া তাহাদের যপ রানাপ্তি নিন্দা করিতে লাগিল। কোন কোন শর সাগরতরঙ্গকেও পরাজিত করিল। অতিদন্তের পরস্পর সম্পর্ষণ বীর ও মহন্তীর মদবারি (মদগন্ধ পাকারে হস্তীর গাত্ৰক্ষতি জলিত বিকট উচ্চ নিনাদে সেই স্থান অতি কর্কশ হইয়া উঠিল। নির্যাস ) বিশুদ্ধ হইয়া গেল (যুদ্ধ করিয়া বিষ হইয়া পড়িল), ৬—১০। বড় বড় যে,দ্ধগণ দুর্গে পাৰ কুটারের ভিত্তিতে কোন কোন বীর অসংখ্য সৈন্য সংক্ষ করিয়া কুতন্তের আনন্দবন্ধন কণ্টকের ন্যায় শরবিদ্ধ করিতে লাগিল। বহ্নিদগ্ধ অতএব চটচটায় করিতে লাগিল। যাহারা মুখে আত্মশ্লাঘা করিতেছে না, অথচ মান এবং সঙ্গেচতাৰপন্ন গৃহসমুদের শিখরদেশে বহ্নিশিখা | কাৰ্যে শৌৰ্যপ্রকাশ করিতেছে, এতাদৃশ মহাবীরগণের জন্বেষণা প্রদীপ্ত হইতে লাগিল। যােবর্গের নিক্ষিপ্ত পট্টিশ অস্ত্র সকল হইতে লাগিল। আর যারা ভয়ে পলায়ন করিতে লাগিল, তহুরে পথিমধ্যে গতায়াত করত লােক চলাচল বন্ধ করিয়া অপরে সেই দুর্বলদিগের অশৌর্যের কথা তাহাদের প্রভুর কাছে দিল। উপরি উথাপিত ধ্বজ পটসমূহ পার্শ্ববর্তী অট্টালিকার বলিয়া দিতে লাগিল। যাহারা প্রভূত ৰাহুবলশালী এবং দুৰ্ব্বল ছাদে সংলগ্ন হইয়া পায়ুভরে পট পট শব্দ করিতে লাগিল। লােকের আশ্রয় ,সেই গুণ বা বীরগণের বাহুবল সম্যক্ দর্শিত হীদিগের পশুকান্তিবিকাসে অসমূহের পাষাণের উপরি হওয়াতে তাহারা অতিশয় প্রীলিভ করিতে লাগিল গজারােহী সর্ষণে এবং বীরবর্গের উচ্চ হারে বােধ হইতে লাগিল যেন, ও রথারােহীলিগের পরস্পর যুদ্ধ গজাননাহাদিগের গজের দিক্হস্তিগণ যুগ্ধকরণােৎসাহে উৎসালিত হইয়া সংগ্রামস্থলে গণ্ডদেশ রথারােহীদিগের শরাতে বিদীর্ণ হতে লাগিল, আসিয়া উপস্থিত হইতেছে। আকাশরূপ মহাসাগর প্রবাহিত এমন কি, নিখিল ম গন্ধইভীর মরি একেবারে শুস্ক হইয়া শরনদীতে পরিপূর্ণ হইল। চক্র, কুন্ত ও তরবারিসমূহ তথায় গেল। প্রহারভীত মহস্তিগণ আরােহীকে পৃষ্ঠে করিয়া লইয়াই মকরের ন্যায় বিচলিত হইতে লাগিল। উচ্চনিনাদী যোধবর্গের জলমধ্যে প্রবেশ করিতে থাকিলে আরােহিগন সারসপক্ষীয় স্থায় গাত্ৰসক্ষণহেতু গাত্রসংলগ্ন বৰ্ম্মনিচয়ের ঝন্ ঝন ?বে সমুদয় চীৎকার করিয়া অহাদের পৃষ্ঠদেশ পরিত্যাগপূৰ্ব্বক পলায়ন দ্বীপমণ্ডল পরিপূর্ণ হইয়া গেল। ১১-১৫। রক্তাক্ত শরসমূহ করিতে লাগিল। কোন কোন যুনিপুণ বীর বৃদ্ধ হইয়াও আপনার ভূতলে নিপতিত, তাহাতে আবার সেই আস্থান পদদলিত হও- যুদ্ধকৌশল দেখাইতে ক্রটি করিল না। কোন কোন স্থলে প্রবল যায় কর্দমময় হইয়া গেল। স্থানে স্থানে রক্তনদীর প্রবাহ ছুটিতে বীরগণ অসংখ্য সে মৃতপ্রায় করিয়া চলিয়া গিয়াছে, থাপি লাগিল, তাহাতে হস্তী ও সকল ভাসিতে লাগিল। পটু, সেই মৃতপ্রায় মানবগণ তাহাদের আগমন সম্ভাবনা করিয়াপলায়ন- পটিশ প্রভৃতি অন্ত্রনচর পক্ষিকাজ গড়ের ন্যায় পতিত উৎপতিত পর হওয়ায় পরস্পর পদাঘাতে পিষিয়া যাইতে লাগিল। অভি- হইতে লাগিল। এ পক্ষের অস্ত্ররূপ জলজসকল অপর পক্ষের মানরূপ উমায়ুতে উন্মত্ত বীরগণ পদানত ভীরুদিগকেও প্রহার বাণরূপ ভরাঘাতে ভগ্ন হইয়া গেল। হেতি-অস্ত্রসমুহের পর কঠিতে লাগিল। সেইস্থানটা যেন প্রাণক্রিয়ের দোকান হইয়া স্পর সম্বৰ্ষণে বহ্নিশিখা উখিত হইয়া আকাশে উজ্জ্বল উঠিল। বস্ত্রখণ্ডসম্বন্ধ পতাকাসমূহ জঙ্গম বাহকক্ষের ন্যায় করিয়া তুলিল। যুদ্ধনিহত বীরগণ আপনার বার্ধক্যতাৰ পরি- প্রতীয়মান হইতে লাগিল। সেই সমস্ত পতাকা রক্তপ্রবাহে ত্যাগপূৰ্ব্বক স্থির যৌবন দেবভাব প্রাপ্ত হইয়া স্বর্গে উঠিতে লােহিতৰর্ণ হওয়ায় ত্রৈলােক্যলক্ষ্মীর প্রৰালভূষণের স্যায় প্রতীয় লাগিল। আকাশে উড়ডীয়মান পাণ্ডুবর্ণ ধূলিজালরূপ মেঘের মান হইতে লাগিল। মন্থনকালে মন্দরাদি সঞ্চালনে ফেলায়মান উপরে উজ চক্রান্ত্ররূপ বিদ্যুৎ খেলিতে লাগিল। হেভি-অস্ত্র কীােেলসলিলের স্থায় সুন্দর ছত্ৰসমূহে আচ্ছাদিত ইতিমন্ত্র সমুহে পরিব্যাপ্ত নভােমণ্ডলে এক বিন্দু স্থান থাকিল না, অস্ত্র সমূহ গগনাঙ্গণে ঠিক কুমকাশির স্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। সমূহে পরিপূর্ণ মূদ্ধভূমিও পরস্পর যুদ্ধ করণের অনুপযুক্ত হইয়া দেব, গন্ধর্ব ও প্রমথগণ আকাশমার্গে অবস্থান করিয়া যুদক্ষেত্রে উঠিল শরবী প্রবল যৌবর্গের সগর্ব আক্রোশে ক্রুদ্ধ প্রতি প্রবল বীরগণের যুদ্ধকৌশলের প্রশংসা করিতে লাগিল। ঘােধগণ যােদ্ধারা বিকট চীৎকারে সেই স্থান ভীষণ করিয়া তুলিল। কোন গগনচরী গন্ধৰ্বাদির গাত্রপ্রভা ও হেভিপ্রভৃতি অন্ত্রের প্রভায় কোন স্থানে শবণের যে রথচক্র পিষিয়া যাওয়ায় রথ- ঠিক বলরামের স্থায় বের্ণ ও আন্মেত্ত হইল। যুদ্ধক্ষেত্রে = যােমাহি-মায়: অসংখ্য রাক্ষস আসিয়া অর্থমৃত ঘােষগণকে মারিয়া ফেলিয়া ঘােরতর চীৎকার শব্দে থাকার জনগণের কবিবর একেবারে নিঃশব্দে ভােজন কৰিষ নিজ উদরপূর্তির পর অবশিষ্ট যাহা বধির হইয়া গেল; বােধ হইল, কে যেন সকলের কর্ণবিবর থাকিতেছে, তাহা লইয়া গিয়া পৰ্বতকররূপ গৃহসী বিষবৃক্ষ পাষাণখণ্ড দিয়া বুজাইয়া দিয়াছে। ৩৮-৪৭। প্রায় অন্যান্য আত্মীয়বর্গকে আহার করাইতে লাগিল। কুন্তধারী শাধকততম সর্গ সমাপ্ত। ১১০ বীরগণ নিশি কুন্তা দ্বারা বিপঙ্কলিগের মস্তক ও ইন্তু ছেন করিয়া ভিন্ন মন্তকাদি দ্বারা আকাশ ঢাকিয়া ফেলিল। কোন কোন বীর ক্ষেপণচক্র দ্বারা অসংখ্য পাষাণপণ্ড নিক্ষেপ করিয়া চতুর্দিক ভীষণ করিয়া তুলিল। যখগণের যেখগণের ভূজাালনে চটাচট একাদশাধিক শততম সর্গ। শব্দে বােধ হইতে লাগিল যেন, বড় বড় বৃক্ষ বহ্নি হইয়া চটচট শব্দে স্ফুটিত হইয়া যাইতেছে। যাহাদের স্বামী যুদ্ধে বশিষ্ঠ কহিলেন,-এইরূপে প্রলয়কালের ন্যায় ভীষণ সংগ্রাম প্রাণত্যাগ করিতেছে, সেই বিধবা রমণীদিগের করুণ ক্রন্দন- চলিতে লাগিল। সমরাঙ্গণে সৈগণ পতিত উৎপতিত হইতে ধ্বনিতে নগর-মন্দির তুমুল হইয়া উঠিল।২১-৩৭। নিক্ষিপ্ত শাণিত লাগিল। ভেরী, ভুরী ও মহাশথের ধ্বনি ও খঙ্গের কচকচ অসমূ আকাশে উড্ডীয়মান হইয়া প্রজ্বলিত অনলের ন্যায় শব্দ আকাশ ভেদ করিয়া উন্ধে উখিত হাতে লাগিল, ধনুকের শােভা পাইতে লাগিল। প্রজাবর্গ ভয়ে ধন, জন, গৃহ, সব জ্যাশক বীরবলের উচ্চ হুঙ্কারের ন্যায় তৎসতে উখিত হইতে পরিত্যাগ করিয়া দূরে পলায়ন করিতে লাগিল। চারিদিকে লাগিল, ঘােধগ। কটকট শব্দে বিপক্ষদিগের বর্মভেদ করিতে হেতি উৎক্ষিপ্ত হওয়ায় দর্শকল ভয়ে সে স্থান ত্যাগ লাগিল। তাদের সে কঠোরতর আ'লন দেখিলে মনে করিয়া পলায়ন করিতে লাগিল। সর্প যেমন গরুডের সন্নিকটে ভীন্দ্র সঞ্চার হয়। বিপশ্চিংপক্ষীয় সেনাগণ বশে আহত আসে না, সেইরূপ ভীরুগণ একেবারে সে স্থানে আগমন করা হইন্না ছিন্ন লতার ন্যায় মুচ্ছিত হইয়া পড়িতে লাগিল। এমন ত্যাগ করিল। হতাৰশিষ্ট যে সকল যােধগণ তথায় ছিল, সময়ে বিপশ্চিৎ এদিকে যুদ্ধে যাত্রা করিলেন, তাহার প্রয়াণ- তাহাদিগকে হস্তিগণ গগুৈর ভিতর ফেলিয়া দন্ত দ্বারা দুন্দুভি বিকটনিনাদে চতুর্দিক পরিপূর্ণ করিল। চারিগ্রন্থ দুন্দুভি পেষিত করিতে লাগিল, সে সময়ে অস্থিগ-বােধ হইতে বাজিয়া উঠিল, সে দুন্দুভিনিনাদ এত ভীষণ হইল যে, সর্বত্র লাগিল যেন, যমরাজের মনুষ্যরূপ এ ফল পেষণ করিবার যন্ত। প্রলয়-মেঘমালার গীর নিনাদের সহিত তাহার তুলনা করা কোন কোন বীর পাষাণবস্তু নিক্ষেপ করা বিপক্ষনিক্ষিপ্ত যাইতে পারে। ১৫। বােধইল যেন, এককালে সমুদয় নভােগত অসুজাল পিষ্ট করিয়া দিতে লাগিল। যােধগণের কুলপর্বত বিদীর্ণ হইয়া যাইতে লাগিল। সেই দুন্দুভির চটচটা সিংহনাদে হস্তিযুখও বিকট চীৎকার করিতে লাগিল, তাহাতে শক চতুর্দি স্তম্ভিত করিয়া ফেলিল। মহীপতি বিপশ্চিৎ লােক, গিরিখ পর্যন্ত বিদীর্ণ হইয়া যাইতে লাগিল। সেই সমস্ত পাগলগণের ন্যায় নারায়ণের বাহুচতুষ্টয়ের স্যায় চারি মুক্তিতে চীৎকার শব্দ গিরিগুহায় প্রতিধ্বনি হইয়া আরও ভীষণ হইয়া চতুর্দি হইতে বহির্গত হইলেন। তিনি চতুরঙ্গ সৈন্য পরিবেষ্টিত উঠিল! শােধগণ এত কষ্টে অর্জিত প্রাণসর্বস্ব ব্যয় করিয়া হইয়া অট্টালিকামগুল হইতে অতিকষ্টে বাহিরে নির্গত হইলেন। যুদ্ধ করিতে লাগিল। হেতিজস্ত্রে আগ্নেয়াস্ত্রে যােধগণ লজ্জিত বাহিরে নির্গত হইয়া দেখিলেন,-আপনার সন্ত শুন্য, নাই প্রায় হইয়া গেল, দ্বন্দ্বযুদ্ধ ও অন্যান্য বহুবিধ যুদ্ধে অসংখ্য বলিলেই হয়, প্রবল শমণ্ডল ভয়ানক যুদ্ধে উদ্ধত অর্ণবের স্থায় জীবক্ষয় হইতে লাগিল। হতাবশিষ্ট সাধুপ্রতি যেথগণ, ভীষণ গর্জন করিতেছে। শত্ৰুগ-কেহ কেহ মকরসূহ, কেহ যাহারা কৈলাস-পর্বতের ন্যায় বিশুদ্ধ ও ঈশ্বরের আহার (১) হন্তিব্যুহ, কেহ অব্যুহকেই চক্রব্যুহ, কেহ বা আবক্তব্যুহ করিয়া তাহার প্রভুর হিতার্থে প্রাণপণে যুদ্ধ করিতে লাগিল। যাহারা যুদ্ধ করিতেছে, শরধারা বর্ষণ করিয়া চতুর্দি আচ্ছন্ন করিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে মরণকে জীবন বলিয়া বোধ করে, জীবিত থাকাকে দিয়েছে। আরও দেখিলেন, সেই সাগরের মধ্যভাগ রক্ষা মরিয়া যাওয়া বােধ করে; যাহাৱা মৃত্যুরও মৃত্যু, সেই সমস্ত খ্রিত, রথসমূহ আৰৰ্তের স্যায় চলিয়াছে, হত্ৰসমূহ ফোরজির উদার-চেতা বােগ মৰিয়া হইয়া যুদ্ধ করিতে লাগিল। সারস ন্যায় শােভা পাইতেছে। অষের ধারৰ যেন সমুদ্র পক্ষীরা যেমন কমল ভাঙ্গিয়া সরােবরে উদ্দামভাবে বিহার চী কারধ্বনি বলিয়া বােধ হইতেছে। হেতিজসমূহ সেই করে, সেইরূপ এবল পরাক্রান্ত যােবগণ বড় বড় স্ত্রীকে সমুদ্রের জলধারা বলিয়া অমিত হইতেছে। চঞ্চল মাজ ও (কুষ্মাণ্ডবং) কর্তন করিয়া বীরদর্পে শােভিত হইতে লাগিল। তুরজনিচয় ভয়ঙ্গমালার স্থায় ছুটিতেছে; অরূপ সলিলে পাপিষ্ট পাষাণযন্ত্রের নিক্ষেপ শব্দে, সদ্যছি আকাশে উড্ডীয়মান মেহেরা ফসর্পের গা ভাসিয়া বেড়াইতেছে। মধ্যে মধ্যে মকরাশির ফুংকার শবে, শরাবী সৈন্যগণের সিংহলদে বিড়দেয় যােধগণ গুলুগুলরবে কথাবার্তা কহিতেছে। - ৩। আকাশে ভ্রম্যমাণ অস্ত্রশস্ত্রের ঝন ঝন শব্দে, হস্তী অ প্রভৃতি সেখানে পৰ্বত-বিরণকারী প্রলয় বাতা ঘুঘু শব্দে বহিয়া যাচ্ছে, বড় বড় হসিল কথন নত, কখন উন্নত হইভেদ্রে। সেই সকল হাতীৰ আকাৰ দেখিলে অনুমান হয় যে-ইর (১) বােপকে বিশুদ্ধ,প্রভুকে যহায়া বঞ্চনা করে না, ইচ্ছা করিলে, বড় বড় পৰ্ব্বতকেও ডুবাইতে ও উঠাইতে সমর্থ ঈয়ে খায়, অর্থাৎ যাহারা প্রভুগভপ্রাণ ; সর্বদা হয়। তার সংগ্রামক্ষেত্রে অবতীর্ণ, মাতঙ্গ ও দুগগণ বিপৰু এছুতেই গান করে, কৈলাস পক্ষে বিত্ত পবিত্র, ঈশ্বন্ধের নিমিত্ত সর্বতসমূহকেও অবলীলাক্রমে একেবারে চুণ বিচু করিয়া মেরে রম। দিতেছে। থাকার জন্য জৈরাণি রওজামান এলবি ।
নির্ব-এক-উত্তরভাগ আয় প্রতীয়মান হইতেছে। সেই ভীষণ গণ যেন অসময়ে উপরে ভ্রমরকুলেয় ফায় বলিয়া বোধ হইতে লাগিল। তুরঙ্গ-নিচ এলমুকালিক অবস্থায় তা হইয়া উঠিয়াছে, একমত্ৰ ৰূক্তের ঠিক নীজের আয়শষ করিতে লাগিল। শিলাইত যোগ মহাসাগর দ্বাৰাপৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ আক্রমণ করিয়া চলিয়াছে। ও রখালি সমূহের চীৎকার ধ্বনি ঠিক বর্ষাকালের ভেক বিহগাদির উজ্জ্বল অসমূহ চতুর্দিকে রত্নরাজির স্যায় উখিত হইয়া চীৎকারের মত প্রতীয়মান হইতে লাগিল। স্থানে স্থানে মৃত সংগ্রাম-মধ্যভূমি আবৃত করিতেছে, চলিত সৈন্যব্যুহমধ্যে পদ্ধতি, হন্তী, অখ, রং, শিল প্রভৃতি রাণীভূত হইয়া পড়িয়া যন্ত্র পাষাণ চলিত ও কেপ-পষণ নিক্ষিপ্ত হইতে। যেখ- যাকাতে সেস্থান প্রতি দুর্গম হইয়া উঠিল। ধনুকের কটুটঙ্কারে, গণের গাত্ৰ বৰ্ম ও রন্থের প্রকাপুর মিলিত হইয়া স্থানে স্থান আহত লােকগণের টীংকারে, অগজালির ক্রেঙ্কারে এবং মরি- ঠিক সন্ধিজিলদের ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে, কোথাও বা বুলিৰূপ লাম, মরিলাম ইত্যাকার করুণ আক্রন্দনে সেই সংগ্রাভূমি ভীষণ মেজালে অসলিল পান করিয়া ফেলিতেছে—অর্থাৎ নিক্ষিপ্ত হইয়া উঠিল। স্থানে স্থানে পলায়মান সৈন্যসাগরের মধ্য গিরূপ অমূহ কিয়া ফেলিতেছে। এইরূপ সংগ্রামসাগর অবলােকন মহাবর্ত হইতে গুলুলুধ্বনি উখিত হইতে লাগিল। নভােমণ্ডলে করিয়া রাজা মনে মনে ভাবিলেন, “আমি এই সাগণের অগস্ত্যমুনি জবি নীহারের দায় পতিত হওয়াতে আকাশ যেন সান্ধবে- হইয়া (এই সংগ্রামসাগর পান করিয়া ফেলি?” এই স্থির করিয়া বগনে মণ্ডিত বােধ হইতে লাগিল। আকাশমার্গে নতভাবে তিনি সেই বণ সাগর পন কৰিষর জন্য বারব্য অসুস্মরণ করি- চলিত অঞ্চল ঠিক এলভারনত মেয়দের স্কয় প্রতীয়মান হইতে লেন, ত্রিপুরবথের সময়ে ভাবা পিনাকপাণি যেমন সু রু লাগিল। সৈন্যগা স্থানে স্থানে রক্তপঙ্কিল ভূভাগের উপরে বালু- পর্বতরূপ ধনুতে শরসন্ধ ন করিয়াছিলেন, সেইরূপ তিনি কাদি প্রদান করিয়া পথ করিতে লাগিল। কুন্ত, শূল, গলা, প্রাস, চতুর্দিব্যাপী সেই বায়ব্যাস্ত্র হতে যােজনা করিলেন। ১৪-২০ প্রভৃতি অস্ত্রধারী সৈন্যগণ বেগে পলায়ন করিতে লাগিল , বোধ সেই রণসাগর প্রশান্ত করিয়া আত্মীয় সৈন্য বর নিমিত্ত িিন হইল যেন, কালবৃক্ষের বন চলিয়াছে। ভীরুজনগণ হরিণীতির অগিদেকে, নমস্কার ও তদীয়মন্ত্রজপ করিয়া সেই ভীষণ ব্যয়ব্যাস্ত্র স্যায় করুণ চীৎকার করিতে আরম্ভ করিল। ৩১-৪০। মৃত ত্যাগ করিলেন। তৎপরক্ষণেই শত্ৰুৰূপ আতপ নিবারণাৰ্থ হস্তী খ ও ঘােধগণ স্থানে স্থানে জীর্ণ পর্ণরাশির ন্যায় পড়ি। সেই বাগব্য অন্ধের সাহায্য করিতে মহাস্ত্র মেধা ত্যাগ মহিল। অক্ষত দেহসমূহ হতে নির্গত , মাৎসরূপ করিলেন চতুর্দিকে দুইটা দুইটা করিয়া অস্ত্রধারী, অতএব পঙ্কে স্থানে স্থানে কর্দম ইয়া গেল। মৃতকঙ্কালসমুহের অস্থি অষ্টমূৰ্ত্তি তদীয় ভীষণ ধনুঃ হইতে দিখাগুলব্যাপী অনদী সমূহ চূর্ণীকৃত ও অশাদি খুয়ে পিষ্ট হইয়া বালুকারাশির ন্যায় প্রবাহিত হইতে লাগিল। মুর্তিচতুষ্টয়বারী তাঁহার সেই ধনুক প্রতীয়মান হইতে লাগিল। সেই সংগ্রামসাগরে ভাসমান শিলা- হইতে বাণ, ত্রিশূল, শক্তি, ডুমুণ্ডি, মুদগর, প্রা, তােমর, ক্রে পুঞ্জ ও কণ্ঠশিয় পরস্পর সমবর্ণে কট কট ইত্যাকার পরও, ভিজিপাল প্রভৃতি অস্ত্রসমূহের নদী বহিতে লাগিল। এক নির্গত হইতে লাগল। প্রলয়কালের ন্যায় মেগঞ্জন, প্রচণ্ড বায়ু বহিয়া জনগণের হৃদয়ে প্রকারের আশঙ্কা উৎপাদন প্রলয়কালের ন্যায় বায়ুর বহন, প্রলয়কালের স্থায় জলধারা বর্ষণ এবং করিয়া দিতে লাগিল। চতুর্দি হইতে বজ্র, বিদ্যুৎ, ৩ জলধারাব প্রলয়কালের মত ভীষণ বনিন হইতে লাগিল। সমস্ত সংগ্রাম- নদী বহিতে লাগিল। খঙ্গ বর্বণ হইতে লাগিল। সেই ভূমি কর্দময়, আলময় হইয়া গেল, চতুর্দিকে শীতল জলধারা মহাবায়ুরে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত বড় বড় সর্পও সেই সঙ্গে নির্গত হইতে বিকাশ হইতে লাগিল। সমগ্ৰ নগরে গ্রামে, গৃহে, বহি অলিতে লাগিল, সেই সমূদয় ভীষণ সর্প দেখিলে বােধ হয় যে, ইহারা লাগিল, হস্তী, অধ, পদাতি ও অন্যান্য জনগণ ভয়ে ঘােভর বড় বড় পর্বত হইতে উৎপন্ন হইয়াছে। সেই অন্ধবৃষ্টিবেগে চীৎকার করিতে লাগিল। ভূলে রথের ঘড়ঘড়ানি ও আকাশে সেই শত্রুসৈন্যসাগর ক্ষণকাল মধ্যে ধূলিরাশির ন্যায় হইয়া মেঘের গভীরগর্জনে বিপণিতের চারিটা মুক্তির চারিটা ধনুকের চতুর্দিকে ছড়াইয়া পড়িল। প্রচণ্ড মারুতের বেগে এবং বন্ধু ও উচ্চটঙ্কারে চতুর্দিক ভীষণ হইয়া উঠিল। ৪১-৪৬। সলিনাক্সের বর্ষণে সেই সৈন্যসল সেতুভগ্ন জলপ্রবাহের পরস্পর সর্বপ্রাপ্ত হইয়া গভীর গর্জন করিতে লাগিল, বিদ্যুৎ- স্যার ইতঃ দুটিতে লাগিল।২১-৩০। সেই চতুরঙ্গ শত্রু- পুঞ্জে লােকের চক্ষু ঝলসিয়া যাইতে লাগিল। চতুর্দি হইতে সৈন্য বিপশ্চিৎ রাজার অবেগে পরাহত হইয়া বর্ষাকালীন শর, শক্ত, গলা, প্ৰাস ও ভিপিল প্রভৃতি অন্যের বৃষ্টি হইতে গিরিণীপ্রবাহের ন্যায় চতুর্দিকে ছুটিয়া যাইতে লাগিল। বৃহৎ গিল। বিপশ্চিতের এইরূপ ঘােরতর সংগ্রামে প্রবল পরাক্রান্ত বৃহৎ ধ্বজপতাকাসমূহ বায়ুবেগে ছিন্ন হইয়া ছিন্ন পাদগের ন্যায় বিপক্ষ ভূপতিদিগের অসংখ্য সৈন্য কেহ কেহ পলায়ন করিল সেই শৈত্যপ্রবাহে ভাসিতে লাগিল। চঞ্চল অসিগান মীচ- কেহ কেহ মশকশিয় জায় বিনষ্ট হইয়া গেল। বিপক্ষভুপার পূল্পের ন্যায় বিচিত্রবর্ণে গতি হওয়ায় পরম শােভা ধাৰণ করিল। সৈন্যসকল উদ্দাম বহিসংযুক্ত বনের স্যায় ভীষণ অসমূহের বাহারা পলায়ন করিতে অসমর্থ, তাহারা ভয় পাষাণখণ্ডের গায় আঘাতে বিদ্যুতালের লােকবিধ্বংসকারী বস্ত্রপতনে অতি ভূ-িলুষ্ঠিত হইতে লাগিল, তাদের রক্তে সেই ঘন জঙিভীষ আকুল হইয়া বড়বানলের সমান অলর স্থায় প্রতীয়মান হইয়া উঠিল। সেইনে শাহত হইয়া যাহারা মূৰ্জিত হইয়া হইতে লাগিল। ৭-৪১। পড়িয়াছে, তাহাদের গােয় পুরাণ শুনিয়া অ অ একাদশাধিকমলা সমাপ্ত।১১। ভীরু নেয় হৃদয় যেন বিলীণ হইয়া যাইতে শনিল। সেই সৈঞ্জসাগরে ভাসমান বুকার হলিয়ে গৰি বােধ হইতে লাগিল যে, জীবন যেগন হতে। এ সমুহের শিলালিত শব্দ যেন শিশির কুম যােগবাশি-রামায়ণ --- নিলীপদেয় যােব বিপণিতের ভয়ে পলায়ন কমি পথনালে বাদশাধিকততম গম। কষ্টকে যায় কোন ক্ষময় হইয়া (মিশিয়া গিয়া) অবস্থান বশিষ্ঠ কহিলেন, মণীয় হাররূপ সর্পজালে বেষ্টিত চেদী করিতে লাগিল। বিপশ্চিতের দূরগামী শনিপাতে চতুর্দিক দেশীয় যোধগণরুণ চন্দনকানন পরশু-অথরা ছিন্নাঙ্গ হইয়া মৃগপক্ষীর বিহারভূমি শৈলকানন পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ হইয়া গেল। আশিসাগরের জলে গিয়া পড়িতে লাগিল। পারতীক নেীয় কষ্টকের স্যায় কর্কশ কন্টকদেশীয় বােগণ ভয়ে স্যদিগের যথগণ অগ্রবাহে পত্রের ন্যায় ভাসিতে ভাসিতে মােহবশত আবাসভূমি অতি নিভৃত করগহনে গিয়া পলায়নপুৰ্ব্বক প্রাণ পরস্পরকে প্রহার করিয়া বলাবনে গিয়া পড়িয়া মনিকা গেল। রক্ষা করিতে লাগিল। ভীত পিরসীগণ লয়কালে প্রচণ্ড জয়দেশীয় যারা এইরূপ যুদ্ধে প্রহার খইয়া দৰ্দর পর্ব- বায়ুনিপতিত নক্ষত্ররাজির স্যায় সবেগে ছুটিয়া গিয়া সন্তরণ দ্বারা ভের দুরন্তপরীবিবরে পলায়ন করিল, ভয়ে তাহাদের হৃদয়ের সg পার হইতে লাগিল। প্রলয়কালের ন্যায় প্রচণ্ড পবন ভিতর যেন বিদীর্ণ হইয়া যাইতে লাগিল। শর, প্রস, অসি, ও সেই সময়ে শিলাসমূহের উৎপাটনে পর্বতসমূহ পৰ্য্যন্ত বিধ্বস্ত, পধারায় বিচূর্ণিত পাষাণ বৰ্মাদিরূপ নীহারবিন্দুবাহী সমীরণ চতুদিকের বনভূমি চূর্ণ-বিচুর্ণ, সাগরসমূহকে উদ্বেল করত বহিতে প্রবাহিত হইতে লাগিল , বিদ্যুৎবেষ্টিত বারুণাস্ত্র-বিনির্গত মেখ- লাগিল। ১৯২২। দশ দিক্ প্রচণ্ড বায়ুবিক্ষিপ্ত অজলে ও সকল আকাশে উড়িতে লাগিল। সেই সময়ে হস্তিসকল পরস্পর সারে পলি জলময় হইয়া যেন অদৃশ্য হইয়া গেল। শব্দকারী এহারে ভগ্নদন্ত রক্তাক্তদেহ যমরাজের উদরপুরণকারী রাশি রাশি বায়ুবেগে ছপ ছপ শব্দে নীহারপাত হইতে লাগিল , বােধ হইল গ্রাস পিণ্ডের স্থায় প্রতীয়মান হইতে লাগিল। ১-৫। দরদ- যেন, সমুদ্রপ্রবাহ আসিয়া ভূতলে উঠিতেছে। দূরদেশস্থিত থা- দেশীয় কতকগুলি সৈন্য ভীষণ তেময় অস্ত্রে বিতাড়িত হইয়া রোহিগণ প্রবল বতাহত হইয়া তরঙ্গের ন্যায় চীার করত পদ্ম প্রাণরক্ষাথ রৈবতক পর্বতমধ্যে লুক্কায়িত হইয়াছিল, কিন্তু রাত্রি হইতে ষটুপপে খায় রখ হইতে সলােবর সলিলে পড়িতে লাগিল। কাল উপস্থিত হইলে খায় আর তাহাদের অবস্থান করিতে হইল সেই রােহলিগের পদাতিসৈন্য অস্ত্রশস্ত্র থাকিতেও বিপশ্চিভের না, মায়াবিনী পিশাচীগণ আসিয়া তাহাদের অঙ্গবিকত্তনপূর্ধক চক্রান্ত্রের আঘাতে এমনি কাতর হইয়া পড়িল যে, জলধারপতনে ভাগ করিয়া খাইয়া ফেলিল দশাদেশীয় বীরগণ জীর্ণ জঙ্গলমধ্যে ; ধূলিজালের খায় পলায়ন করিতে সমর্থ হইল না। কেবল অশ্রু তমালতালীবনে পলায়ন করিল বটে, কিন্তু তথায় অধিকক্ষণ | ধারা বর্ষণ করিতে লাগিল। হনদেশীয় বীরগণ ভয়ে উত্তরসাগরের থাকিতে হইল না, অমনি সিংহ আসিয়া গলদেশে পদার্পণপূৰ্ব্বক সৈকতময়প্রদেশে আমস্তক নিমগ্ন ও পঙ্ক-কর্দমে ক্লিন্ন হইয়া চড়িয়া মারিয়া ফেলিল। যষনেরা পশ্চিমসমুদ্রের তীরস্থ নারি- | পঙ্কনিমগ্ন পোহশূলের ন্যায় কর্দমাক্তকলেবরে মলিনভাবে অবস্থান কেল বনে পলায়ন করিলে সমুদ্র হইতে মকরসমুহ উঠিয়া তাহা- | করিতে লাগিল। বিপশ্চিৎ রাজা শকদেশীয় যোদ্ধাদিগকে পূর্ব- দিগকে গিলিয়া খাইয়া ফেলিল। শকদেশীয় যােঙ্কগণ একনিমেও সাগরের তীরস্থিত এলাবনে লইয়া একদিন বন্ধ করিয়া রাখিয়া কৃষ্ণবর্ণ নারাচ-অস্ত্রের আঘাত সহ্ন করিতে পারিল না, তাহার পরে দয়া করিয়া ছাড়িয়া দিলেন , একারণে আর তাহাদিগকে নারাচর আহত হইয়া বজ্রাহত কমলকাননের ন্যায় ক্ষাকাল যমের বাড়ীতে যাইতে হইল না । মদ্রদেশীয় ভটগণ মহেন্দ্ৰপৰ্বরে মধ্যেই চূর্ণ বিচুর্ণ হইয়া প্রাণত্যাগ করিল। শ্রবণানক্ষত্রের ন্যায় উন্নত শিখরে গিয়া তথা হইতে পতিত হইলে থাকার মুনিগণ বিশাল শৃঙ্গত্ৰষশােত মহেন্দ্ৰাচল আকাশপথে পলায়মান নীলবর্ণ আসিয়া তাহাদিগকে আশ্ৰমমৃগের ন্যায় সানা (সুস্থ ) করিতে যখগণে পরিপূর্ণ হইয়ামেঘজালবেষ্টিতের ন্যায় প্রতীয়মান হইতে লাগিলেন। কতকগুলি যােদ্ধা সপৰ্বতে আরােহণ করিয়া লাগিল। ৬-১০। নানাস্বর্ণালঙ্কারভূষিত তরুণ দেশীয় দােগণ দৈবাৎ তাহার শিখরমধ্যে সুরবিনামক এক ভীষণ গর্তে রণে ভঙ্গলিয়া পলায়ন করত পথিমধ্যে চোর কর্তৃক অপসৰ্বস্ব প্রবেশ করিয়া (অত্ৰত্য মূষিকাৰায়ী দেবীর নিকট প্রার্থনা হইয়া এমন কি বস্ত্র পর্যন্ত পরিশূন্য হইয়া পরিশেষে বিজনকাননে করিয়) দুইটা বর লাভ করিল, ভাগ্য সুপ্রসন্ন হইলে কাক- রাক্ষসের কবলে পড়িয়া প্রাণত্যাগ করিল। সেই সময়ে সংগ্রাম- | তালীয় ব্যায় ক্ষতি অনর্থ হইতেও ইষ্টলাভ টিয়া থকে। গণ- ভূমি অমিয় অকালে নক্ষত্রজালে আকাশের ন্যায় শােভিত দেশীয় বীরগণ পৰ্বল্পে অরণ্যমধ্যে প্রবেশ করিয়া না আনিতে হইয়া উঠিয়াছিল। সেই সময়ে অন্তরীক্ষপ্রদেশ দুগুলে পারিয়া বিষফল খাইয়া সেই স্থানেই প্রাণত্যাগ করিল। হৈহয়- মেয়ের প্রতিলিগদেশে যেন মৃদঙ্গ দ্য করিয়া বিপণ্ডিতের দেশীয় বােধগণ হিমায়ে গমনপূর্বক বিশল্যকরণী খাইয়া বির ঘােষণা করিতে লাগিল। যেমন মংগের বিরল কাকতলীয় যােগে বিদ্যাধর হইয়া বাড়ীতে গমন করিল। শৈলপাল আলহীন হইলে মং ছটফট করিয়া প্রাণত্যাগ করে, দেশীয় বীরের পৃষ্ঠদেশে মান কুসুমের মালা ধারণ করিয়া সেইরূপ দ্বীপান্তরবাসী অনেক বীরপুৰ চক্রান্ত্রের আঘাতে জর্জ কেবল ধনু লইয়া (ৰণ সৰল ফুরাইয়া গিয়াছে) আপন গৃহে গিয় ইয়া প্রাণত্যাগ করিল। যবদ্বীপবাসী যােবক্ষণ অাহত হইয়া প্রবেশ করি, অবধি তাহারা আর বাহিরে নির্গত হইল না। হইতে পলায়ন করিয়া সহপতে থভাবে সরাত্রি অব পিশাচের আয় একেবারে অধু হইয়া গেল। এদের দান করিয়া চিকিৎসা দ্বারা সুস্থ হইয়া ধীরে ধীরে স্বস্থানে প্রবাস ভটশ সৌভাগ্যক্রমে এমন এক বফল হন করিল যে, গান্ধারী বীরপুষগণ প্রাণভয়ে গন্ধমাদন পর্বতে তাহাতে নিথর পদ এণ্ড হইয়া অ্যাপি ঋগে বিদ্যাখ পূজা বদণ্যে পলায়নপূর্বক বিদ্যাধরীদিগের আশ্রয় প্রাণ সহিত ক্রীড়া করিতেছে। পারুলীকগণ তালীমালনে না করিল। এদিকে বিপশ্চিৎ কর্তৃক পরিত্যক্ত চক্ৰাস্ত্রসমূহ এৰেণ করিবামাত্রই গণের দ্বারা চুর্নিভাল হইয়া মােগ্রাথ অনুকুল বায়ুরে সবেগে গমন করিয়া, চীন ও কিরাতদেশী হইল, সেই মােহঞপ্তির পর হইতে তাহাৱা বিমানচারীর দিগের মামও কমলকিরের গায় খণ্ড করিয়া ফেলিল। সর্ব “দুরিতেছে” মনে কৱিতে লাগিল। ২৩৩৫। হেয়াম!
নি-এর-ওরাগ। ২১ সাগলের কলিলিগের চতুরঙ্গসৈঙ্গ পথিমধ্যে অঙ্গনেশীয়দিগের স্বাৱা আহত রজোৰিহিত (আকাশপক্ষে ধূলিশ, মপক্ষে যােণ ) হইয়া বেগে ছুটিয়া ভৰেীয়দিগের বাটার অনে গিয়া এ প্রকাশ-শতীর কাকিমুক্ত বিশাল স্বাভাবিক অবস্থা খারণ করিল। হইল। সাঙ্গদেশীয়গণ যাইতে যাইতে শত্রুগণ আসিয়া পথিমধ্যে তাহার পরে তাহার বিস্তীর্ণ নির্মাকবি অখিলখিভটব্যাগ, আক্ৰমণ করিলে আপনাদিগের প্রভুর সহিত শর-নামক এক আকাশের ছোট ছােট ভাইগুলির ন্যায় সমুদ্ৰশ্রেণী দেখিতে পর্বতের মধ্যবর্তী এক এলায়ে গিয়া প্রবেশপূর্বক ভরে লাগিলেন। সাগরণী কােলমালার গুলু গু গলনে আনু, পাষাণ-প্রতিমার ন্যায় নিশ্চল হইয়া রহিল। এইরূপে অসং নীহাৰিবাহী জলদমাল কিরণ করিতে থাকায় সেই গল্পশ্রেণী মানব চতুর্দিকে পলায়ন করত উত্তালতরঙ্গ সাগরমধ্যে প্রবিষ্ট অতি সুন্দর দর্শনীয় হইয়া উঠিয়াছে; সেই সাগশ্রেণী যেন হইয়া প্রাণত্যাগ করিতে লাগিল। এইরূপে ভীষণ সৈগ। বাধিতাপে অণিত হওয়াতেই, ভূতলে নিজেই প্রসারণ করি- সাগর, নদী, পর্বত, অটবী, ক্ষেত্র, নদীট, এপাত, নগর, দেশ, তেছে,সলবায়ুতে কাত হইতেছে, দেপন্দিত থাকায় যেন গ্রাম, কুপ, ভগ, পর্বত, গুহা, লােকাশ প্রভৃতি কত স্থানে বে বারংবার পাখপরিবর্তন করিতেছে, অরূপ মহাবাহ উৎক্ষেপ পলায়ন করিতে লাগিল, কাহার সাধ্য, তাহার সংখ্যা করিয়া করিতেছে। ১৯১৫। সেই সাগরশ্রেণী সারের ব্যয় বিস্তৃত উঠে। ৩৬-০১। আবরূপ পরিবর্তনে বিল, কােলমালায় কুটিল ভাবাপন্ন বাদশাধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১১২। এবং জড় হইলেও স্পন্দময়। তাহাদের অটস্থিত ত্বরারি কিরণপুঞ্জে উদঘকালীন সূর্যদেবের কান্তিপু আরও বঙ্কিত হয়; তীরপতি শিশির ভিতরে বায়ু প্রবেহেতুক হয়, কেন তা তর্জন গর্জন করিতেছ। উত্তালঅঙ্গমালার মেঘবৎ গভীর এখােদধিকততম সর্গ। গর্জনে নভােমণ্ডল পৰ্য্য ভীষণ হইতেছে। প্রবালবৃক্ষস বশিষ্ঠ কহিলেন—“সেই চারিজন বিপশ্চিতও এইরূপে পলায়- বর্তুলাকার আবৰ্তমণ্ডলে পতিত হইয়া ঘুরিতেছে। মান শত্রুসৈন্যদিগের পশ্চাৎ পশ্চাৎ অনুধাবন করিতে করিতে ভিতর হইতে মকরসমূহের গভীর গর্শন উখিত হইছে। বহুদূরে গিয়া পড়িলেন। সকলেই (বিপশ্চিতের চারিটা মূর্তিই) বড় বড় মৎস্যের পচ্ছঘাতে অনেক তরণী জলমগ্ন হইয়া যাই- এইরূপ সর্বশক্তিময় , সকলের হৃদয়ে অবস্থিত চিন্ময় ঈশ্বরের তেছে ,ত্ৰত্য আমােহিগণ সেই সঙ্গে করুশ চীৎকার করিতেছে। নিয়ােগ অনুসারেই একরূপ আশয়ে দিণিজয় করিতে লাগিলেন। মকর কুৰ্ম্ম প্রভৃতি জলজ গ্রীবা উতােলনপূর্বক সেই সমস্ত তহাৱা সমুদ্রের তীর পর্যন্ত নদীপ্রবাহের ন্যায় বিপক্ষৰলের অসু- জলমগ্ন আরোহীদিগকে ক্ষণ করিতেছে। বিমল অঙ্গমালার গমন করিলেন। সমুদ্রের তীরে গিয়াই এতদূর অবিশ্রান্তভাবে গমন উপরে সূর্যের ও তলীয় ঋশের প্রতিবিম্ব পড়ায় রঙ্গশালা যেন করিয়া আসায় তাহারাও পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িলেন, স্বকীয় এবং আকাশের স্থায় প্রতীয়মান হইতেছে। মধ্যে মধ্যে প্রবল ভ্যা পরকীয় সৈন্যসামন্ত সমস্ত কুনদীর (ক্ষুদ্র স্বল্পসলিনণীর) উঠিয়া বড় বড় মহাজনী নৌকা জলসাৎ করিয়া দিতেছে। জলের স্নায়ু ক্ষীণ হইয়া আসিল (নদী পক্ষে ক্ষীণ, কমিয়া তরঙ্গের উপরে ভাসমান মণিরত্নসমূহ অসাঘাতে ভীরে গিয়া যাওয়া, সৈন্যসামন্তপক্ষে ক্ষীণ দুর্বণ, ফলতাৰ্থ পরিশ্রান্ত)। এত উৎক্ষিপ্ত হইতেছে, উৎক্ষেপকাল ত্বরাশির বনু শক উখিত দূর বেগে দৌড়িয়া আসাতে স্বকীয় এবং পরকীয় সৈন্যসমূ হইতেছে। স্থানে স্থানে রশ্মি-যিকিরণকারী মণিমাণিক্যসমূহ মুমু পাপপুণ্যের ন্যায় ক্ষীণ হইয়া পড়িয়াছে দেখিয়া এবং ভাসিয়া উঠিতেছে এবং আবার ডুবিয়া যাইতেছে। কোথাও আপনাদিগের ককৃত্য অস্ত্রসমূহ দাহ বস্তুর অভাবে বহ্নিজালার বাকেনময় আবিবর্তে মকসমূহ ভাসিয়া উঠিতেছে, কোথাও স্যায় নিজেই শান্তভাব প্রাপ্ত হইয়াছে বিবেচনা করিয়া বিপক্ষ বা অলমগ করিসমূহের অলি উপরে উন্নত হইয়া উঠিয় দিগের প্রতি আক্রমণ হইতে বিরত হইলেন। ১৫। বিহুগণ ঠিক বংশবনের স্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। ফরীদিগের পুচ্ছ যেমন দিনের বেলায় চড়িয়া বেড়ায়, দিবাবসান হইলে আপন সমূহ তরঙ্গমালার উপরে লতার গল্প প্রতীয়মান হইতে। আপন কুলায়ে আসিয়া নিদ্রা যায়, সেইরূপ তাঁহাদের অস্ত্রসমূহ, তাহাদের নীলবর্ণ পৃষ্ঠদেশরূপ ভূ-নিচয়ে যেন কুমের ন্যায় সুখ, অখ, হস্তী প্রভৃতির উপরে আপন আপন তুণীরাজিতে নিদ্রিত সংলগ্ন থাকায় বােধ হইতে যেন, মারে (ফতকালের) অাৎ নিশ্চেষ্ট হইয়া রহিল। আর যেমন জলে, নীহার যেমন অবির্ভাব হইয়াছে; কোথাও (খেতাপাদিতে)জলের ভিতরে অলদে, জলদ যেমন বায়ুতে এবং সৌরভ যেমন আকাশে বিলীন মাধব (কৃষ্ণ) নিজ পরিচ্ছদ ধারণপূর্বক বিশ্রাম করিতেছেন। হইয়া থাকে, সেইরূপ অসমূহ স্ব স্ব আধারে বিলীন হইয়া কোথাও অসংখ্য দৈত্য বাস করিতেছে, কোথাও বা বেল বাস রহিল। তখন আকাশরূপ অনন্ত জলধি নির্মল শূন্যতারূপ করিতেছেন। কোথাও বা ফেনপুরূপ ভায়ানিকমণ্ডিত অঙ্গ- আলময় ও প্রশান্ত হইয়া গেল; নিক্ষিপ্ত রূপ চর অঞ্জ মালা আরাণেজিত গগনমণ্ডলকে উপহাস করিতেছে। ১৬-২৫। সকল তখন শান্তভাব থারণ করিয়া জলধারা বর্ষণ জনিত পঙ্কলে কোথাও বা পক্ষপৰ্বতবৃন্দ পঙ্কনভয়ে ভীত হইয়া - সীন হইয়া রহিল। আকাশসাগরে আর নারাচীহার বর্ষণ মধ্যে প্রবেশপুৰ্ব্বক ওহামধ্যে মশরে অবস্থান করিতেছে। নাই, শতশত চক্রবর্তে বিকর্তন নাই, কেবল নিৰ্ম্মল বৃহৎ বৃহৎ অঙ্গমালার আখাতে ভীমপর্বতসফল অতি খর্ব সৌম্যভাব বিরাজমান। মেষসংর, উত্তাল তরঙ্গে জলধারা বর্ষণ হইয়া যাইতেছে। বত্র সামুত্বের অখিলমূহ উখিত হইয়া কিছুই নাই; নক্ষত্ররূপ রত্নরাত্রি অন্তরে লীন হইয়া রহিয়াছে; আকাশক্ষেত্রে আঙ্গুরের রায় প্রতীয়মান হইতেছে। কোথাও সূবরূপ বাড়বালি আকাশসাগরের এক কোণে অবস্থান কৰিতে ৰ সৈকতল্লাশিৱ যি শুক্তিমুখলিল মুকারাশি পড়ি লাগিলেন। ৫-১০। আকাশমণ্ডল তখন মহতের মনের আয় বহিয়াছে। কোন কোন কালে সমূসকল তৰায়ের দিতে ઉપર যােগছিলাম। যন্ত্রের রায় প্রতীয়মান হইতে; বিবিধ রফের কিরণমাল ঐ সোঁৱাহী মন্দ মন্দ সমীরণ প্রবাহিত হইতেছে। ঐ দেখুন, বস্ত্রের কোশে সূত্রের ন্যায় বােথ হইতেছে, নদী সকল তুরী- সমুদ্ররূপ ত্রয়ৱা ভীতি পর্বতের উপত্যকা, শিলাসমূহ বেমান ভর চাষ প্রতীয়মান হইছে, দিকসমূহ ঐ এবং মূ-পর্যন্ত যাবে পরিব্যাপ্ত ধনসমূহ ছেদন করিয়া যন্ত্রের গা বলিয়া বােধ হইতেছে। কোথাও বা মুক্তাক্তিসমূহে দিতেছে। আর ঐ দেখুন, বালক বেন নিজ গৃহ-মধ্যবর্তী ধূমপুর বিশােভিত ইন্দ্রনীলমণিময় তটসকল শচক্রের আয় শােভামান বাস দিয়া চালিত করে, সেইরূপ সমুদ্র, পবনকশিত তরুলতা নখণংক্তি ব্যয় প্রতীয়মান হইতেছে। কোথাও বা কুনুমিত বাহু প্রভৃত্রি অভিনয়ে নৃত্যকারী পর্বতসমূহের অধিতাকায় তীরস্থ আশীক অঙ্গের উপরে প্রতিক্ষিত হওয়ায় বহুবাজির বিশ্রান্ত মেষসমূহ বিকুনি করিতেছে। ঐ সাগরতটস্থ বক্ষসকল কিরণমাল বণিয়া ভ্রম হইতেছে। ২৩। কোথও বা জলজ পূর্ণিমার সাগরের জলদ্ধিতে সেই জলপ্রবাহের সহিত আগত গণ এলাকন হইতে এলাদি ফল ইবায় অন্য ভীয়ে উঠিতেছে। শসমূহ অ্যাপি শাখায় সংলগ্ন থাকাতে বােধ হইতেছে যে, কোথাও বা তীর আম্র, কাষ, প্রভৃতি বৃক্ষবাসী পক্ষিকলের চবিষের গায় নুধাময় ফানুশােভী কতসকল শােভা প্রতিবিম্ব জলে পতিত হওয়ায় জলজগণ বাস্তবভ্রমে তাহা পাইতেছে। ঐ দেখ তরুগণ লৱণসমন্বিত হইয়া বক্তপল্লব খাইতে আসিয়া প্রতারিত হইতেছে। কোথাও জলজন্তুগণ পালিতে রঙ্গপুষ্পরাশি লইয়া যেন আপনাকে পূজা করিতেছে। খেচর কোন বৃহৎ অস্তুর প্রবিষ দেখিতে পাইয়া ভয়ে ইতস্তত ঐ দেখুন, ঋক পৰ্বত ঠিক ঋক্ষের (ভলুকের) স্থায় ঘুরষর ধাবিত হইয়া সেতুঙ্গবৎ বিকট শব্দ উৎপাদন করিতেছে। আকা- ধ্বনি করিতেছে; উহার পাষাণদশল গুহামুখ, তরঙ্গের সঙ্গে শের ন্যায় নির্মল চত্রিদিকের চাৰিটী সাগর চমখে জগন্দ্রয়ের কোন সামূদ্র জন্তু মকরাদি উপরে উঠিলে তাহা প্ৰাস করিয়া এভিবিৰ ধারণ করায় উরমধ্যে অগয়ারী মূর্তিহীন নারাত্ব- ফেলে,অর্থাৎ মকরাদি জলজন্তু ভীরস্থিত ঐ পর্বতের গুহামুখে চতুষের ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। অতি গান্ধী, নির্মূলত উখিত ভরঙ্গের সঙ্গে উঠিয়া ঐ গুহামধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া যায়। ও বিস্তারণে বােধ হইতেছে যেন, সাগরচতুষ্টয় হদয়ধ্যে এই মহেন্দ্ৰ পৰ্বত, উপরে গর্জনকারী মেঘসমূহকে গভীর আকাশ থারণ করিয়া রহিয়াছে। পদ্ম যেমন আপন কোষমধ্যে গর্জন দ্বারা তিরস্কার করিতেছে, বােধ হইতেছে যেন কোন অমরধারণ করে, সেইরূপ ঐ সাগরচতুষ্টয় আপনার হৃদয়মথ্যে বলা যােদ্ধা তাহার বিপক্ষকে লক্ষ্য করিয়া পাের তর্জন- আকাশও জলচৰ বিহুদিগের প্রতিবিম্ব ধারণ করিতেছে। গর্জন করিতেছে। ঐ দেখুন, চন্দনচর্চিত মান্ মলয়পর্বত ঐ সমূদ্ৰসকলের অন্তর্গত গিরিকরে বায়ুর প্রবেশ নির্গমরূপ রূপ যােদ্ধা-প্রতিযােদ্ধা সমুদ্রের অঙ্গ-ভুজাস্ফালন পরাভব করি- উলগারে করে অনন্ত গাভীৰ্য অনুমিত হওয়াতে বােধ হয়, বার জন্যই নে উদ্যত হইতেছে। ১-১০। চারিদিকে রযুক্ত উহার মধ্যে প্রলয়কালে মেঘমালা লুক্কায়িত থাকে। সমুদ্রের তরঙ্গমালায় শােভিত এই সাগরকে গগনবিহারী জনগণ ধরিত্রী- কোন কোন স্থান অমধ্যবর্তী পর্বতের মধ্য হইতে দেবীর বলয় বলিয়া মনে করে। ঐ বনসমূহপূর্ণ ক্ষুঞ্জ মুদ্র আবর্ত-নিচয়ের গভীর গুলুগুল ধ্বনি উখিত হওয়ায় বস্ত্রের পর্বতগুলি বায়ুবেগে সর্পের স্যায় উন্নত-নতভাবে স্পন্দিত হই- জায় ভীষণ বলি বােধ হইতেছে। আরও বােধ হইতেছে, তেছে। সর্পের মস্তকে যেমন রত্ব আছে, ঐ পর্বতগুলির যেন বাড়বানলও অগস্ত্য মুনিয়ে গ্রাস করিয়া ফেলিতেছে। শিংয়েও তেমন রত্ন আছে , সর্পের ন্যায় ঐ পর্বতগুলিও অরূপ কানন যেন আকাশে উঠিয়াছে, বহু জলকণা ঐ কাননের বায়ুভুৰু-সৰ্ব্বদা বায়ুচালিত)। রঙ্গরূপ শৃঙ্গের উপরে পুপ, অঙ্গসমূহ উহার অরু, হরী উহার মঞ্জরী। উডডীয়মান ভাসমান মকর ও জলহস্তিসমূহ, উজ্জ্বলিত ভয়ঙ্গরূপ শৃঙ্গ ধরিবার মাদি প্রাণিসমন্বিত মালা যেন আকাশে উঠিয়াই অন্য মুখ বহিষ্কৃত করিয়া থাবিত হইতেছে, বােধ হইতেছে যেন, আকাশ খণ্ড খণ্ড বলিয়া তাহাতে থাকতে না পারিয়া আবার জাবৰী মেষের পশ্চাৎ পশ্চাৎ মেঘমালা দৌড়িয়াছে। আর অপজিত হচ্ছে। ঐ বিপশ্চিৎ সঙ্গ এই বর্ণিপ্রকার ঐ দেখুন, আর একটা হস্তী অগাধ জলমধ্যে দৈবাৎ পতিত সাগরের তীরে উপস্থিত হইয়া দীর্ঘতীয়-ভূমিস্থিত গগনস্পী হইয়া বিলুষ্ঠিত হইতেছে; একেবারে জলমগ্ন হইয়া পড়িয়াছে শৈলশিখরে এল, সবল, বকুল, আমলকী, তমাল, হিলি, তল বলিয়া আর মঙ্গক উত্তােলন করিতে না পারিয়া, শুণ্ড উন্নত বলের ভ্রমভুল গুম শােভা সন্দর্শন করিতে লাগিল। ৩১-১। করিয়া মরিয়া যাইতেছে। এই সাগরসমূহ যেমন জলপূর্ণ, মধ্যে আয়েশাধকততম সর্গ সমাপ্ত। ১১৩। মধ্যে পর্বত থাকায় বিষ এবং নানাবিধ অপূর্ণ দেখিতেছেন, অন্যান্য জীপপুঞ্জও এইরূপ জানিবেন। ব্ৰহ্ম যেমন আপনার অভ্যন্তরে আপনা হইতে অপৃথক্ হইলেও যেন পৃথকু গ্রহণ চতুর্দশাধিকততম সর্গ । করিতে গেলে এসপ এও জ্বঙ্গের ফায় ৬ পরিমান শান্ত হইলেও অনন্ত অগসমূহ ধারণ করেন, সেইরূপ এই বশিষ্ঠ কহিলেন—নন্তর পাশ্ববর্তী লােকে ? স্ত্রী প্রভৃতি সাগর আপনা হইতে পৃথকু হইলেও পৃথরুপে প্রতীয়মান। গণ) বিপণিৎ বাজাকে সেই সেই বিচিত্র , বক্ষ, সাগর, গ্রহণ করিতে গেলে প্রাপ্য অসং তরঙ্গের গায় চঞ্চল, শান্ত শৈল, মেষ প্রভৃতি মণীয় বিষয় দেখাইতে লাগিল। দেব। হলেও অনন্ত পরিদৃশ্যমান আৰমাল ধারণ করিত্রে। দেখু, এই পাতের শিখরভূমি কেমন উচ্চ, যেন গগনভো এই যে সাগর দেখিতেছেন, ইহাতে পূর্বের সে সমস্ত সারবস্তু করিয়া উঠিয়াছে, এই গর্বতমধ্যদেশ হইতে ক্রমে ৱেগুরে আর কিছুই নাই, মনকালে দেবানুমগণ সন্তই অপহরণ এর উত হইয়াছে। এই লেখুন, কশ্রেণীমধ্যে কেমন করিল লইয়াছে, কেবল অনুদিগের নিকট হইতে ইন্দ্রের চায় ছ, নারিকেল, পাগ প্রভৃতি ভয়শ্রেণ রহিয়াছে; বিবিধ দেবতাদিগের নিকট হইতে কতকগুলি সূৰ্য্যকান্তমণি গােপন নির্বাণ-এর-উত্তরভাগ। ৩ করিয়া রাখিয়াছিল; তাহাই অন্তরে ধারণ করিতেছে। সেই , এই দিকে আসিতেছে। মহারাজ। কুন্দ ও মারকুসুমের মধু মণিসকল তেজোময় (সূৰ্য) বলিয়া পাতালতল হইতে স্পষ্ট সৌরতে মন্থর অত্ৰত্য বায়ু কিরূপ তুষারকবাহী শীতল, তাহা সৃষ্ট হয়, কিন্তু এই সাগর উক্ত মণিসমূহ প্রতিবিম্বচ্ছলে স্পর্শ করিয়া দেখুন। ঐ দেখুন, নারিকেল রক্ষে বেষ্টিত মঞ্জিকালি লােকের নিকট অসত্য এই প্রতীতি জন্মাইয়া দিয়া অন্তরে লতাসমুহ নাচাইয়া তদীয় সৌরভে সুরভিত মৃদু-মন্দ-বায়ু গগাপনে ধারণ করিতেছে, অসত্যপ্রতীতি জন্মাইবার হেতু পাছে পারসীক নগরীর দিকে বহিয়া যাইতেছে। মহাদেবের কুমিত কেহ চুরি করিয়া লয়। সেই মণিসকলের মধ্যে প্রতিদিন একটা প্রষদ-কাননে কুসুমকপূর-সৌরভে আমােমিত জলদজাল বিক- একটী করিয়া পশ্চিমপাগরে নিক্ষেপ করিয়া রাখা হয়, আমার পিত করিয়া, কৈলাস পর্বতের কমলাকৰ বিহুনিত করিয়া কেমন বােধ হয়, তাহাই প্রতিদিন পূৰ্বসাগর দিয় আকাশে উখিত সুমধুর বাতাস বহিতেছে। বড় বড় হন্তীর কুহুনির্গতমদে মন্থর হওয়ার দিন হয় ( ১১১২। যেমন কোন উৎসব হইলে মূর্তি, এই বিশ্ব কমরের বায়ু কেমন ? পুৰু শব্দে শহিয়া চারিদিক্ হইতে কল কল এলে নানালােক সমাগম হয়, যাইতেছে। এই মলয়পর্বতের শ্রেণী নগরীর খায় প্রতীয়মান সেইরূপ, এই সাগরে নানাদি ও নানাদেশ হইতে জলরাণি হইতেছে, এই কমধ্যে ব্যাথগণ সপরিবারে বাস করে, আসিয়া কল কল শব্দে মিলিত হইতেছে। আমাদের বােধ হয়, বক্ষপত্র পরিধান করিয়া লজ্জা নিবারণ করে, এই বনে ব্যাধের যুজোৎসাহীদিগের মধ্যে জলচর জন্তুই শ্রেষ্ঠ, কেননা, সাগরদ্বয়ের কুপায় মৃগপক্ষ বড় একটা নাই , চতুর্দিকে নারচ অস্ত্র বিকীর্ণ মিলনস্থলে ভেতরে প্রতিকূল জলজন্তুগণ গমনহেতু স্রোতাে- রহিয়াছে। মহারাজ। সাগর, নদী, পর্বত, কানন ও মেজালে বেগে পরস্পর আহত হওয়ায় তাহাদের যুদ্ধ কখনই নিবৃত্ত হয় পূর্ণ এই দিকপ্রান্ত সূর্যরশ্মিরঞ্জিত হওয়ায় বােধ হইতেছে যে, না। ঐ দেখুন, যে সকল তিমিপ্রভৃতি মংশগণ তরঙ্গের উপরে আপনার অসীম প্রতাপসন্দর্শনে আনন্দে হাম্ভ করিতেছে। অভিম-সহকারে নৃত্য করতঃ পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িতেছে, এই প্রদেশের শৈলপার্শ্ব এই প্রদেশের শৈলপাৰ বনবীথিতে বিদ্যাধমিথুনের পবনদেব উহাদিগকে জলবিন্দুরূপ মুক্তা পারিতােষিক প্রদান বিহাশয্যার দুই পা অলক্তচিহ্নিত দেখিয়া অনুমান হই কবুতঃ এই দিকে আসিতেছেন। ঐ দেখুন, নদীরূপ মুক্তাহারের তেছে যে, সুন্দরী কামিনীগণ এই স্থানে পুরুষায়িত ব্যবহার মধ্যস্থিত মেঘরূপ নায়কমণি সাগরের কণ্ঠদেশে লম্বমান হইয়া করিয়াছে। ২১-০৭। (পরস্পরের আঘাতে) ধনু নু শক করিতেছে। ঐ দেখুন, চতুর্দশাধিকশততম সর্গ সমাপ্ত। ১৯৪। সিদ্ধ, সাধ্য প্রভৃতি দেবযােনিগণ গুরূপগৃহে সমুদ্রতল প্রবেশ করায় তাহা পরিত্যাগ করিয়া মহেন্দ্রপর্বতের উত্তী বায়ুভরে ভাঙা শকারীর উন্মুক্ত তটপ্রদেশে গিয়া মুখে বাস করিতেছে। পঞ্চদশাধিশততম সর্গ ঐ মন্দরপৰ্বত নিজ কন্দর হইতে উথিত বায়ুবেগে কম্পিত বনভােগ হইয়া আকাশের উপরে পুষ্পরূপ মেঘ বিস্তর পার্শ্ববর্তী অগণ কহিল-হে উত্তমাশয়। ঐ দেখুন, ঐ করিতেছে (চারিদিকে পুষ্পকর্ণ হওয়ায় বােধ হইতেছে যেন পর্বতের উপরে কিন্নরগণ ক্রীড়াসক্ত স্ব স্ব বনিতা সমভিব্যাহাবে মেঘ উঠিয়াছে), বিদ্যুৎরূপ চঞ্চলনয়নশালী মেম্বরূপ হরিণকুল পরমানন্দে বিহার করত দিনাত্য কখন হইয়া যাইতেছে, তাহা আম, কলস্বরুক্ষে পরিপুর্ণ গন্ধমাদনপর্বতের কন্দরে প্রবেশ নিতে পারিতেছে না, উহার মধ্যে মধ্যে মেন মধুর গান করিতেছে। হিমালয় কন্দর হইতে নির্গত মৃদু মৃদু বায়ু ল গাইতেছে এবং প্রিয়তমাদিগের নিকট শ্ৰবণও করিতেছে। সমুহকে নৰ্ত্তিত করত উপরিস্থ মেঘমালা ও সাগরের মালা ঐ শ্বেতবর্ণ মেঘবসনে আবৃত হিমালয়, মলয়, বিন্ধ্য, সহ, ভেদ করিয়া চলিয়াছে। আম্র ও কদম্বকুসুমের স্পর্শে সুরভিত ক্রৌঞ্চ, মহেন্দ্র, দর, মশর, মধুপ্রভৃতি গিরিশ্রণী বহুদূর হইতে গন্ধমাদনপর্বতের বায়ু সমূদ্রকল্লোল আলােড়িত করিয়া দর্শকবৃন্দের নিকট শুষ্ক পাতুৰণ পত্রে আচ্ছাদিত লেখ্রসমূহের চলিয়াছে। (যা) অলকাপুরীর অলকস্থানীয় জলজালকে ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। শ্রেণীবদ্ধতাবে অবস্থিত ঐ কুল- কূিনিত এবং বনভূমির আকাশমার্গে পুষ্পমেষ বিস্তার করিয়া পৰ্বতসমূহের অন্তরাল পথ (মাঝের ফাক) দূর হইতে দেখিতে পাওয়ায় (অর্থাৎ সংলগ্ন বেথ হওয়ায়) ঠিক যেন বড় একটা (১) টীকাকার ‘পুনঃ কীশাে বায়ুরিতি” পূর্বশ্লোকালপু পুরীর প্রাচীর বলিয়া অনুমান হইতেছে। আর দেখুন না পরিতশ্লোকৰায়ুপদমাক্ষ্য কষ্টকল্পনা ব্যাখ্যাত ভাস্কারিণ্য সকল সমূদ্রমধ্যে প্রবেশ করিতেছে, প্রবেশকালে বিশীর্ণভাব অতিকারিণী। বিভক্তিব্যত্যয়চ্ছান্দসঃ ভুবঃ প্রাপ্য তত্ৰাচ্যা প্রাপ্ত হওয়ায় বোধ হইতেছে যেন, বস্ত্রের মধ্যে সূত্র নিশ্চিত গুহাগেহে রত্যর্থং পরাণবাধা সিদ্ধানাং সাধ্যানাঞ্চ সাদা পাড় বসান রহিয়াছে। হে রাজন! পর্বতের উপরিভাগে রতিশ্ৰমাপনােদেন সুখাবহুঃ” ইতি, অভিন্তু তদসমীচীনং দৃষ্টি করিয়া গখুন, দশদিকু কেমন শােভা পাইতেছে, মমানৈঃ “গুহাগহপরাবৃতাবিধ্বনাং গুহাগেহে পরার জাঙ দিকে ৫ ল আবৃত, তাহাতে গাঢ় শ্যামবর্ণ হইয়া গিয়াছে, গতঃ অর্ণবাধা সমূদ্রকালপ্রবেশমার্গঃ যে থােকনাৎ গুহা- পক্ষী সকল কলরব করিতেছে, শঙ্ক্ষিত পূষ্পসমূহে পার- রূপগৃহে সমুদ্রজলপ্রবেশবং হিং সিসাধ্যানাং মহে শােভিত, রমণীয় শ্রেণ ঐ মিশ্রেণীর বহুলতার ন্যায় প্রতীয়মান দ্রে ভাস্কারিণঃ বায়ুৰৎ আরণিত রমণ। উপরিন হইতেছে, পক্ষীর কলরব উহার আলাপস্বরূপ হইতেছে, বােধ ভুবঃ সুখাবহ অতিপ্রীতিকারিশ্যা ভবন্তি ইতি ঘবং শখ হইতেছে, যেন সুন্দরী দিক্ষণগণ নিজদৌধ্যে আপনার অন্তঃ আবহভীতি বিজ মুখাবহ ইত্য প্রথমাবহুরনেরূপম, পূরবণবর্গকে উপহাস করিতেছে। সাগরের তীরস্থিত তমাল, ইত্যেকর্থো নিরুপি। আলী, বকুল প্রভৃতি বালচয়ে আকীর্ণ বিভিন্ন পর্বতশৃঙ্গতি ৭০ রোমায়ণ। T কানন দূর হইতে একাকার বোধ হইতেছে, ঐকানন জীৱাতি নির্মল চন্দ্র দীরসাগরে প্রতিবিম্ব-পাতলে যেন পিতৃক্রোড়ে মূখী বিলােল অলখিত আহত হওয়ায় ভীয়সংলগ অন ক্রীড়া করিতেছে ঐ দেখুন, মলয়পভেৱ নিৰ্ম্মল সানুদেশ শৈবালরাশির ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। ঐ সমুদ্রে একদিকে অভিনৰ লতা-সুন্দরীগণ মত্ত কোকিলের কলকূঞ্জনচ্ছলে কাকলী কেবি শয়ন করিয়া আছেন, অপরদিকে তাহার বর্গ বাস করত নৃত্য করিতেছে, ঐ যে বিলােল জমা দেখিতেছে, করিতেছে, অন্যদিকে পক্ষবান্ পর্বতনি গরুচ্ছেদয়ে তাহার উহা ভূমালা নহে, উহু লাশীর নয়নপংক্তি; ঐ লতা- শরণাগত হইয়া একদিকে অবস্থান করিতেছে; এদিকে বাড়বা- সুন্দরীদিগের পত্তরুপ পাণিতলে নানাবিধ সুমরাজি শশাভা পাই- নল, আবার আর একদিকে পূর্ববর্তক প্রভৃতি মেসমূহ জেছে। উহারা সকলেই যেন বসন্তোৎসবের বাহার দিয়া বাহির- আসিয় ইতেছে। এই সিন্ধুর কি অদ্ভুত ক্ষমতা। হইয়াছে। পর্বতের উপরে বাঁশের ছিদ্রে, সমুদ্রমখ্যে জলাকাজী একেবারে এত ভার সহ করিতেছে। (যে বিপশ্চিৎ উত্তরদিকে শুক্তির (ঝিনুকের মধ্যে স্বাতীক্ষত্রের দিনে যে সকল বর্ষবিন্দু গিয়াছিলেন, তাহাকে কেহ সুমেরুপৰ্বতের নদীট দেখাই- নিপতিত হয়, তাহা মুক্তা হইয়া থাকে এবং এখানকার গন্ধহস্তীর তেছে)। রাজ। এই নদীট লুকিরণ পরিব্যাপ্ত হইয়া কুন্তেও মুক্তা হইয়া থাকে, এইরুপে এইখানে তিন প্রকার মুক্তা কেমন শােভা পাইতেছে, এই নদীর ভটস্থিত যত গ্রাম, উৎপন্ন হইয়া থাকে। হে প্রভতা। এই স্থানে শৈল, সাগর, অবণী পরী, গিরি, তরু, স্থাণু ( মুড়াগাছ) দেশ আছে, সমস্তই কানন, ভেক, শিলা ও গ হইতে নানাবিধ মণিও উৎপন্ন হইয়া সুবর্ণময়। ঐ সকল স্থান হইতে চতুর্দিকে কাতিপুঞ্জ ফুটিয়া থাকে, এই সমস্ত মণি দ্বারা তাপশান্তি, শত্ৰুদিগের উজ্জট, বাহির হওয়ায় বােধ হইতেছে যে, নভােমণ্ডল অনলশিখায় মারণ জ্বর, ভয় ও ভ্রান্তির উৎপাদন এবং দূগমনশক্তি, আকাশ- পরিব্যপ্ত হইতেছে হে ভূপতে। ঈদৃশ রমণীয় স্থান দেব গমনশক্তি, ভূতভবিষ্যৎ দর্শনশক্তি, ব্যাভিদুর্তিকাদি বিনাশশক্তি গশ্রেই ভোগ্য, মানবের নহে। এই সুমেরু পর্বতের সূৰ্য- প্রভৃতি নানাকা থিত হইয়া থাকে। চন্দ্রোদয়ে এই স্থানের পথগামী অধিকাসকল মেসদৃশ কদম্বকাননে আকীণ থাকাৰ পুৰীসকল খরগবাক্ষবিবরূপ মুখ দ্বারা, মন্দর পর্বত নিজ কন্দয়- কেমন শােভা পাইতেছে। এই অধিত্যকা সকল আপনার যেন সমুদ্ভূত বেগুছিদ্র দ্বারা অমুতসিন্ধু শশাঙ্কদেবের যেন স্তুতি করিয়া সূর্যাপথরোধকারী আকাশস্থিত মেঘজাল বলিয়া ভ্রম হয় না। থাকে। এই হিমাচল হইতে যখন মেঘমালা উঠিতে থাকে পবিীর স্যায় ইহাও একটা ফলপ্রদেশ বলিয়া জানিবেন। তখন অল্পবুদ্ধি সিদ্ধমণীগণ, বায়ুতে গিরিশৃঙ্গ উড়াইয়া লইয়া ( দক্ষিণ দিকৃত বিপশ্চিকে মলয়পর্বত দেখাইয়া কেহ দেখাইয়া (কই যাইতেছে কি? এইরূপ আশা করিয়া উন্মুখনয়নে চকিত ভাবে মলিতেছে' এই যে সমুখে একটী পৰ্কত দেখা যাইছে, মেঘগতি নিরীক্ষণ করিতে থাকে। কে রাজ। ঐ দেখন, মহেন্দ্র- ইহার নাম নয়, এই পর্বতস্থিত রমণীয় লবলীলতায় ক্ষতি পর্বতের টদেশে কেমন কাম ফুটিয়া আছে , বিদ্যাধরগণ ঐ চরুর তীব্র সৌরভে অত্ৰত্য অপরাপর তরুগণও চন্দন মনােহর শিপাতনে উপবেশন করিয়া রহিয়াছে , গঙ্গাতবে হইয়া যায় , এবং দেব, আনু, মানব—ত্রিবিধ জাতিতেই তাহার, শীতল জলকণা আসিয়া ঐ স্থান কেমন শীতল করিয়া দিতেছে। তিলক করিয়া থাকে। এই চন্দনের সৌরভেই মহাদেবের ১৯-২০। এই সমস্ত পুণ্যক্ষেত্রের বিশাল বনরাজি, কুমকানন, নৃত্যকালীন সেবি কামিনীর রতিশ্ৰমজাত ধর্ষবিন্দুর স্যায় উপবন, নগর, জগৎপবন পুণ্যসলিল সন্দর্শন করিলে দুর্ভাগ্য শীতল হইয়া যায়। এই পর্বতের সমুরঙ্গ -বিধৌত সুবর্ণ একেবারে ভয়ে পলায়ন করে—অর্থাৎ সমস্ত পাপ দূর হয়। এই এটপ্রদেশে এই চন্দনক্ষসকল অধিষ্ঠিত রহিয়াছে হং সর্প স্থানের পর্বতশৃঙ্গ পবিত্র সাধুজনের আবাসভূমি, যেমণ্ডিত এই চমকে বেষ্টন করিয়া রহিয়াছে। এই পর্বতের নিখিল হিমালয় কন্দর, তত্তস্থ কুঞ্জ এবং আকাশের স্থায় নির্মল সলিল শিলাট বিদ্যাধরীলিগের মুখমলের কান্তিপুজে যেন সুবর্ণময় সেবাদি পুণ্যতীর্থ দর্শন করিলে গুরুতর পাপসকল বিদূরিত হইয়াছে। ঐ ক্রৌঞ্চপর্বতের উপরিভাগে বংশস্তম্ভের (শ | হয়। হে নূপ। মলয়পর্বতে রমণীয় চন্দনকানন, বিন্ধ্যপর্বতে ঝড়ের কেমন কচকচ এক হইতেছে, তাহার উপরে আবার মদমত্ত হস্তী, কৈলাসপতে উৎকৃষ্ট সুবর্ণ, মহেপর্বতে অন্যান্য নদী হবর শিলা কুঞ্জ প্রভৃতি শব্দ হইতেছে, এই চত্র নামক খাতুবিশেষ ও হিমালয়ে অতি উপাদেয় রত্নসমুদয় শব্দসমতি ঐ বংশধ্বনি শুনিলয়-সমেত গীতধ্বনি শুন করত থাকিতেও ভাগ্যহীন মানৰ তাহা দেখিতে না পাইযা অন্ধ একুশবাসী ভ্রমরগণ নিঃশব্দে অবস্থান করিতেছে। এই পর্বতে মূষিকের ন্যায় জীর্ণগৃহেই বৃথা অবসন্ন হয়। জলদৰূপ তিমিরে উপরে নৃত্যদারী ময়ূরদিগের কেকারষে ভীত হইয়া বড় বড় আবৃত দিক সকল প্রলয়কালে অগং কেন জলায় এক ভড়াগ- অগস র্প পরাজ বৃক্ষসকলে জড়িত থাকিয়াই ঘুরিতেছে। ভাবাপন্ন হইয়া শোভা পাইতেছে। মধ্যে মধ্যে চল তড়িং ঐ হে রাজন। ঐ শুনুন, ক্রৌঞ্চপৰ্বতের তটদেশে, কোমল কনক ডাগের শফী মৎক্ষের স্থায় শােভা পাইতেছে। চতুর্দিকে নিশ্চিত কুঞ্জমধ্যে কান্তের সহিত ক্রীড়ারত বমণীগণের কেমন ভাল নীহার-পারাবী মেঘমালাকে মাতাইয়া সশব্দে বর্ষাবায়ু মধুর বলশিঞ্জিত (মালায় বনাদি শব্দ) হইতেছে, অনুরক্ত বহিতেছে, ঐ শীতল বাতাসে গাত্র রােমাঞ্চিত হইয়া যাই- গমিগণ ঐ সশস শব্দকে কর্ণের সুধা জ্ঞান কলে। ঐ দেখুন, তেছে। ২১-২৫। উঃ কি শীতল বায়ু চতুর্দিকে পূষ্প, পাৰ সারােখিত জলকণা হবিগুৰিত মারার সহিত মিশ্রিত বিকীরণ করিয়া সুনীল অলপমালার সঙ্গে সঙ্গে ছুটিয়াছে। হইয়া পরে, আবার বিলােলতরঙ্গ রূপ ভ্রমর দ্বারা চর্বিত ও কুষমকাল হইতে সঞ্চারিত হওয়ায় অতি সৌগ্য বিস্তার বিরক্তৗকৃত হইয়া যেন মােন করিতেছে-অর্থাৎ স স শবে, করিতেছে, চতুর্দিকে শীতল জলবিন্দু বিকীরণ করায় এই বায়ু অল উঠিয়া আবার পড়িতেছে।১-১০। ঐ দেখুন, মহারাজ! এসপ্ত ব্যক্তিবর্গের নিকট অতি মনােহর বােধ হইছে অমৃত-মনোভূত ননীডে খায় কোমল তারা পরিবেষ্টিত এই বায়ু দুয়তপীড়িত কামিনীর নিযৰ বুলিও নির্বাশা-করণ-উত্তরগ। ৭৫ জে এবং স্বর্গভ্রষ্ট জীবের প্রাক্তন-বাসনার এশিষ্ট অংশ সৃজাগ্রে আহত হওয়া উহার সখিবন্ধনশিথিল হইয়া যাইতেছে। প্রাপ্তির স্থায় কিঞ্চিৎ সৌগন্ধও প্রাপ্ত হইতেছে। মৃদুমন্দ বায়ু চক্রবরফির উচ্চ শব্দ হইতেছে, পরিশেষে রথ নিম্নদেশে কুবলয়কানন বিকসিত করিয়া, উপবন বাপাইয়া কেমন বহিয়া পতিত হইয়া যাইতেছে। জগংরূপ গৃহের প্রাচীরস্বরূপ ঐ বাইতে, এই বায়ুসঞ্চালনে মেঘবসন ছিন্ন ভিন্ন হইয়া যাইতেছে, উলশিৱিশিখরে চমা ভেরুক নামক একরূপ বুজের বুকে কুসুমসকল বৃত হইতেছে। যেমন বিচিত্র কুমণি স্যায় প্রতীয়মান হইতেছে, বােধ হইতেছে যেন, মাময় ভেরুক বিশীর্ণ রাজভবনপ্রাঙ্গণে, ভৃত্যগণ, পতিত বুমরণি হাতে কু অমঙ্গল মালিভয়ে ভীত হইয়া তন্নিরাকরণার্থ চতুর্দিকে পদদলিত না হয়, এইরূপভাবে ধীরে ধীরে সঞ্চরণ করে, সেই প্রভা বিস্তার করিয়া রহিয়াছে, তথাপি বিধির বশে কলঙ্করূপ রূপ আকাশ-গ্রাঙ্গণের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সান্ধ্য মেঘগুলি হাতে ছিন্ন জুমর আসিয়া উহার উপরে বসিয়াছে; এই জগতে এমন কোন ভিন্ন না হয়, এইরূপভাবে বন্ধু ধীরে ধীরে সঞ্চরণ করিতেছে। রমণীয় বস্তু নাই, হত বিধাতা যাহা কলঙ্কিত করেন নাই। এই পর্বতশিখরবায়ু কোথাও কুসুমগন্ধ, কোথাও কমলগ বিস্তার গগলসাগরের চন্দ্রালােক যেন সদ্য-সময়ে নৃত্যকামী জৈলােক করিতেছে, কোথাও সুন্দর বকুলফুল বর্ষণ করিতেছে, কোথাও সংহারী রুদেবের অট্টহা, কিংবা অগৎরূপ গৃহের সুধবণতা অপরাপর নানা জাতীয় কুসুম ছড়াইতেছে, কোথাও হিমসংঘােগে অথবা ক্ষীরসাগরের সলিলরাণি বলিয়া বােধ হইতেছে। ঐ পাণ্ডুবর্ণ, কোথাও বা গৈরিকাদি বিভিন্ন ধাতু দ্রব্য সংযােগে দেখুন, সন্ধ্যারূপ গৈরিকাদি ধাতুরাগে বিশােভিত পদোষরূপ হরিত, পীত ও শ্যামলবর্ণ হইতেছে এবং কাকলিগের সুরত- মরাচলের দ্বারা মধ্যমান চলরূপ সাগলের দুধ-ভৱষর প্রভা- জনিত ঘর্ষ বিদূরিত করিয়া দিতেছে। ২৬-৩০ । কোথাও বা পটলে দিল যেন গঙ্গাপ্রবাহে পরিপূর্ণ হইয়া যাইতেছে। যে সূলে, কিবের ন্যায় আজ্ঞাকারী করসম্পর্কে গহমান সূৰ্য্য অলােক-সামা-গুণ-ভূষিত মহারাজ । ঐ দেখুন, এহকগণ রাত্রি- কান্ত মণি হইতে আঙ্গারনিচয় বিকিরণ করিতেছেন। বােধ হই- কালে বেতাল-শিশু সমভিব্যাহারে শক্তি-স্বস্ত্যয়নালি মাঙ্গলিক- তেছে যেন মুখ-সহবাসে যাকাতেই সূর্যদেব ঈদৃশ মলিন কৰ্ম্ম কাৰ্য-বিবর্জিত ভবদীয় দুদেশীয় শত্রুনগর গ্রাস করিবার অ ( অঙ্গারবর্ষণ) করিতেছেন। কোথাও বা যুবতি পুরুষরূপ রস- সেইদিকে গমন করিতেছে। ৪১-৪৫। যতক্ষণ বধূৰদনমা ঋণ সম্ভোগে পরিতৃপ্ত না হওয়াতে কাৰ্যান্তর-বাপদেশে গমনাে- গৃহের বহির্ভূত না হয়, ততক্ষণই গগনে পূর্ণ চন্দ্রের শােভা দাত সন্তোগপ্ত পুরুষের বিদায় প্রর্থনা-বাক্য বিষবং অসহনীয় প্রাণাকাশে কামিনীর মূখ উদিত হইলে চল আর শুভ্র- জ্ঞান করিতেছে। কমলসংস্পর্শে মুগন্ধি, চণিসম্পর্কে মেখণ্ডের পার্থক্য কি?—অর্থাৎ মেখণ্ডের ন্যায় চন্দ্র তুই সুশীল মৃদুমন্দ বন-বায়ু বিরহিণীদিগের নিকট অগ্নিময় উত্তপ্ত বস্তু হইয়া যায়। ঐ দেখুন, বিশাল তুষারময় হিমাচল চন্দ্র বোধ হইতেছে। রাজ। ঐ দেখুন, পূৰ্ব্ব সাগরের নিম্নভটে কিরণরূপ নববস্ত্র পরিধান করিয়াছে, গঙ্গাপ্রবাহে উহার শিলাতল কংকটকধারিণী অপরিষ্কারপৰ্ণ-বসনপরিহিতা যৌবনদোন্মা প্রকাশিত হইতেছে, ঐ শৃঙ্গোপরি সঞ্জাত দীর্ঘ দীর্ঘ লতাগুলি দিনী শবরকামিনীগণ কিকপ ভঙ্গীতে সঞ্চরণ করিতেছে। উহার জটার ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। ঐ দেখুন, ময়- ঐ দেখুন, একটী কামিনী প্ৰাণকান্তের সহিত নব নব অনুরাগে পরে মন্দারকাননে অপ্সরাগণ দোলায় বসিয়া গান করিতেছে, সম্ভোগনিরত হইয়া পাছে সুখনিশা ফুরাইয়া যায়, এই আশ- পবনদেব উহালের গীতধ্বনি দূরে প্রসারিত করিয়া দিতেছেন। ঐ কায় চন্দনলতা যেমন আপনার অঙ্গে সর্পালিঙ্গন কদাপি ত্যাগ মনৰপৰ্বতের স্থানে স্থানে বিবি মণির কিরণপুঞ্জ বিবিধ চিত্রের করে না, সেইরূপ কান্তকে ক্ষণকালের জন্যও ত্যাগ করিতেছে স্যায় প্রতীয়মান হইছে। ঐ পর্বত এত উচ্চ যে, বোধ হই । ৩১-৩৫। ঐ ‘দখুন, আর এক নারী প্রভাত তুনিনা তেছে উহা যেন আকাশের উপরেই রহিয়াছে। বিকসিত পুষ্প ব্যপদেশে যেন দিবস কর্তৃক অর্জিত হওয়াতেই স্বামীর বঙ্গের রাশি সমাচ্ছন্ন শিলী অরুনিচররূপ সপুষ্প অর্থপ ধারণ উপরে লীন হইয়া রহিয়াছে, ভয়ে উঠিতেছে না, বােধ হইভেঁছে করিয়া ঐ যে বিশাল পর্বতশ্রেণী রহিয়াছে, উহার মেঘগর্জন যেন, তাহার হৃদয় বিদীর্ণ হইয়া গিয়াছে। দক্ষিণসাগরের তট, গভীর তটদেশ, ঠিক নক্ষত্রনিচরে সমাকীর্ণ আকাশের শােভা স্থিত বনশ্রেণমধ্যে কিংশুক কুসুম বিকসিত হওয়ায় বােধ হই থাৱণ করিতেছে। এইদিকে দেখুন, কৈলাসগিরি কেমন শােভা তেছে, যেন কনভাগ জ্বলিয়া উঠিতেছে এবং জলিত হওয়াতেই পাইতেছে, এই কৈলাসগিন্ধির শুভ্র কান্তিপুজ চতুর্দিকে আকাশ- যেন উহা সাগর কর্তৃক জল ভর দ্বারা সিক্ত হইতেছে। বাতা- মণ্ডলে পরিব্যাপ্ত হওয়ায় নভােমণ্ডল স্কুল কার্তিকেয়ের মুখ- এতে ঐ কিংশুকতরু হইতে কুমনিকর যেন জ্বলন্ত অারের খবলিত ক্রীড়াভৰণৰৎ প্রতীয়মান হইতেছে। দুপরি চন্দ্রমা কেন স্যায় নিপতিত হইতেছে। ঐ কানন হইতে কৃষ্ণবর্ণ মেঘগুলি কীরসাগরের মধ্যে রহিয়াছেন ৰােখ হইতেছে। যেন পূমের ন্যায় নিঃসৃত হইতেছে, কৃষ্ণবর্ণ ভূপক্ষিগণ যেন ঐ লেখুন মহারাজ। ছিন্ন শাল্মলীবৃনকাণ্ড ও মৃগয় ভিত্তি এভূতি নির্বাণ অঙ্গারের ন্যায় ইতস্ততঃ বিকীর্ণ হইয়া পড়িতেছে। ঐ নিম্ন স্থানসকল পরম্পর দূরবর্তী হইলেও বৃষ্টিপাত হেতু দেখুন, উত্তরদিকের গিরিশৃঙ্গ বনভুমি বাস্তবিকই বহিসংযোগে বৃক্ষকাওনি ভিত্তি প্রভৃতিতে তৃণাদি অভি হইয়া বন্ধু- জ্বলিত হইয়া উঠিয়াছে, পবন দেব আবার আহা দূর হইতে সম্পর্কে পরপর মিলিত হওয়ায় বােষ হইছে নে, মেরাজ সঞ্চালিত করিয়া দিতেছে। ঐ দেখুন, মহারাজ। ক্রৌঞ্চ কৌতুকপরবশ হইয়া উহাদিগকে সংযুক্ত করিয়া দিতেছেন, পর্বতে তটদেশে মন্থরগতি মেঘর গল্পীর গর্জন শুনি ঐ বাকাগুলি কেন আপন আপন শিখা উন্মােচন করি। ময়ুনিচয় নৃত্য করিতেছে। ফল, পূষ্পসমন্বিত কানন ভূমি বর্যা রাখিয়াছে। কদ, কুল সৌৱাহী এই বায়ু মরুল ও বাত্যায় বিধূনিত হওয়ায় তুমুল বিধ্বস্ত হইয়া উঠিয়াছে। পরিপুষ্ট হওয়ায় ভমরনীল মেঘাকার ধারণ করিয়া, মেষগুলে ৩৪। ঐ দেখুন, সূর্যদেবের রথ অস্তাচলের বিষয় স্বর্ণময় গমন যেন নেপিয়া থাকে, সেইরূপ সকলের নায়িকা । এ -- ৭s যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ বিষয়ে সৌরত লেপন করিয়া দিতেছে। হাতে কুমকোরক করিবার অন্য উৎসাহ করিতেছেন, তাহা একবার অবলােকন বিকাসােখ, তাদৃশ বনস্থলীতে, শম্পশ্যামল সুচ্ছায় অমধ্যে করুন। আরও দেখুন, এই সমূদয় বীরেরা রণভূমিতে শর, শক্তি, এবং ফলবান বৃক্ষসমূহসমাকীর্ণ গ্রামমধ্যে লক্ষ্মীদেবী বাস গদা, তুমুগু, শূল, অসি, কুত, তোমর, চক্র প্রভৃতি অজালে করিবার অঙ্গ স্বয়ং গিয়া অবস্থিতি করিতেছেন। এই গ্রামের পরিবৃত থাকিয়া শুরু তৃণগুৱত পর্বতশৃঙ্গে দাবানলের জয় ভশনমথ্যে বাতায়নপথ দ্বারা অন্তঃপ্রবিষ্ট কোশাকী লতায় বিচরণ করায় গণের নিকট সংগ্রামসমুদ্রে ভাসমান বিষধর প্রকৃত সৌধের মধ্যে নিপতিত কোলাতকী কুকিজম্ববাহী ফণিশশের ন্যায় বিবেচিত হইতেছেন। হে মহাশয়। এক্ষণে বায়ু দ্বারা আগুফপ্রমণ মুকুলনিচয় বিকীর্ণ রহিয়াছে। হাতে একবার আকাশের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন, যেমন উহা কোন এই গ্রামটা ঠিক বনদেবতার নগর বলিয়া প্রতীয়মান হইতেছে। দিকে সজল জলধরূপ সুনীল সার পরপূর্ণ হইয়াছে, অপর এই পৰ্ব্বসমূহের উপরে রমণীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যে সকল গ্রাম দিকে চঞ্চল রক্যৰাজি উদ্ধার স্কুল মুক্তাগরের স্থান পাইয়াছে। রহিয়াছে,ঐ গ্রামগুলির মধ্যে কুসুমপূর্ণ চম্পক বুকের শাখায় কোনদিকে বা মাত্র নীলবর্ণ থাকায় সজল জলদোপম শ্যামল দোলা নিৰ্মাণ করিয়া রমণীগণ ক্রীড়া করিতেছ, নিঝর হইতে অন্ধকারের সহিত উপমিত হইতেছে, অদিকে চকিরণে ঝম ঝম শব্দে জল নির্গত হইতেছে, চতুঃপাশে বিশাল তালবৃক্ষ পর্যাপ্ত থাকায় আকাশের কি অনির্বচনীয় সৌন্দৰ্য্যই হই- সকল খাড়া হইয়া রহিয়াছে, বিকসিত লতামঞ্জরী দ্বারা অলঙ্কত বিহারায় যিমন সমুদয়ই তারকপে পরিগণিত হইতেছে এবং আছে, তাহা বর্ণনাতীত। যে আকাশে মুয়ারদিগের নিত্য তংগৃহমধ্যে ময়ুরেরা আনন্দে উল্লাস করিতেছে, চারি পার্শ্বের অশ্বিনী প্রভৃতি নক্ষত্র-নিচয়ের ও সর্দোন্নত চন্দ্ৰসূৰ্য্যাদি গ্রহগণের উন্নত তালকুলে মেঘমালা বিলম্বিত রহিয়াছে। ঐ গ্রামের শম্পশ্যামল কনস্থলী স্থানে স্থানে বায়ূচঞ্চল পল্লবপত্রণালী লতা- যে আকাশই নিত্য বিশ্রামস্থান, সেই সৰ্ব্ব পরিপূর্ণ থাকলেও মণ্ডপে আকীর্ণ, স্থানে স্থানে কুকুট, চক্রবাক, লাবক প্রভৃতি অকাশে অজ্ঞদিগের শূন্য বলিয়া জান আজিও লুপ্ত হয় নাই বিহঙ্গমকুল অক্ষুট ধ্বনি করিতেছে, কোথাও বা শবর-সীমন্তিনী ইহাতে বুঝিলাম, যখন আকাশ অসীম হইয়াও অদিগের প্রদত্ত গান কবিতেছে, কোথাও বা গোপসন্তানগণ স্বচ্ছন্দ গােবংস অপৰা মার্জনা করিতে অপারক, তখন সংসারে আর কে? রক্ষা করিতেছে, কোথাও বা ক্ষীর, দধি, মধু, দ্বত প্রভৃতি পুষ্টিকর অলিগের প্রদত্ত লোকাপবাগ খাইতে পারে না। এই খাদ্য আহার করিয়া সুপুষ্ট শিশুগণ ক্রীড়া করিতেছে। এতাদৃশ নক্ষত্রসঙ্গসম্পর্ক, ও অনুরের সংগ্রাম সমৃদয়ে সম্পাদিত অাকাশে অনিত মেঘসংঘর্ব, প্রলয়বহ্নি, পর্বতপক্ষাঘাত, রমণীয় গিরিগ্রামসকল বিধাতার অনুতপুর্ণ বিশ্রামমন্দির বলিয়া ক্ষত্রসভসম্পর্ক, ও সুরাসুরের সংগ্রাম সময়ে সম্পাদিত প্রতীয়মান হইতেছে। ৫০-৫৬। সংক্ষোভ বহুবার হইলেও ঐ মহাকাশ কিছুমাত্র স্বভাবচ্যুত হয় নাই, ইহাতে জানিলাম যে, মহাশয় গুণী ব্যপ্তির মহিমার পদশধিকততম সর্গ সমাপ্ত ॥১১৫। অন্ত পাওয়া যায় না। হে সাধূবর। আকাশ। তুমি নিরন্তর তেজোময় সূৰ্য, চন্দ্র ও বিষ্ণুকে এবং নিরন্তর দপ্যমান বিদু্যদাদি অপরজনকে নিজ অমধ্যে ভ্রমণ করাইয়াও যে নীল-লক্ষণ সােড়শাধিকশততম সর্গ। আন্তরিক অন্ধকারকে ত্যাগ কর নাই, ইহা অপেক্ষা আশ্চর্য অনুচরেরা কহিল,-হে মহাশয়। অবলােকন করুন, এখানে কি আছে। ৬-১৯। আকাশ। মালিন্যাদি নানাদোষে দূষিত এই সকল যুদ্ধল্যাপৃত রাজগণের সেনানিচয় মেন যুদ্ধোন্মত্ত হইলেও সর্বদা একরূপী থাকায় নির্বিকার তত্ত্বজ্ঞানীর সর্ব বিষয় হইয়াছে ও তাদের পরস্পর অস্ত্রপ্রহারের তুমুল শব্দ গগন, শুত্ব লক্ষণ সুখের স্যায় তােমারও শূন্যতরূপ অসাধারণ গুণ শশী হইতেছে, এবং এই রণক্ষেত্রে যে সকল বীরের রহিয়াছে। হে উদারমতে। আকাশ। তুমি প্রণয়কালীন কেল, প্রতিপক্ষ বীরের প্রহারে প্রাণ হারাইতেছেন, অপ্সরাগণ সেই পানিচয় ও লতা প্রভৃতির অবকাশ প্রদানপূর্বক উন্নতি বিধান মুহূর্তেই তাহাদিগকে বিমানে লইয়া স্বর্গভিমূখে ধৰিমাণ করিতেছ এবং চন্দ্র সূৰ্য্য মেষ কিন্নর দেবতা ও গানদিগকে হইতেছে। আর এই যে পরস্পর বিজিগীষু বােন্ধগণের তুমুল তুমিই ধারণ করিচ্ছে, নির্মল স্বভাবসম্পন্ন বলিয়া তােমার সকল সংগ্রাম দেখিয়েছে, এই যুদ্ধ জীবের যৌবনকালীন মুন্নত কৰ্মই অতি বর্ষণীয়, কিন্তু সূৰ্য প্রভৃতি তেজীদিগকে আশ্রয় ক্রীড়ার রায় নিতান্ত সম্মত হওয়ায় সমধিক প্রশংসনীয় দিয়া তুমি যে জগতের সভাপক হইয়াছ, ইহা আমাদিগের নিতান্ত হইতেছে; যেহেতু সংসারে সদুপায়ে অর্জিত সম্পদ, সম্প- খেদক হইতেছে জানিবে। হে আকাশ। তুমি অতি নির্মল যুক্ত আরােগ ও পরের নিমিত্ত ধর্মযুদ্ধ এই কটাই জীবনের ও ভাস্বর এবং স্বয়ং উন্নত বলিয়া দেবতাদিগেরও উৎকৃষ্ট আধার সার্থক্যসম্পাদক শ্রেষ্ঠ ফল বলিয়া নির্দিষ্ট আছে। যে ধীর হইয়ছ, কিন্তু এই শিলাষী মে যে তোমাকে আশ্রয় করিয়া যুদ্ধকালে প্রতিবােজকে সম্মুখে পাইয়া সর্বপ্রকারে সাধারণকে পীড়া দেয়, এই দোষেই তুমি অতি অপকৃষ্ট হইতেছ। বুঝিয়াই ধৰ্ম্মানুসারে (অর্থাৎ এভঙ্গীর সহিত গজ আরা) তাহার হে আকাশ। তােমাতে স্বর্ণের গুণ থাকায় উহার স্যায় তােমারও সহিত যুদ্ধ করেন, তিনিই কাৰ্যত স্বর্গবাসী দেবতা বলিয়া নিকষপাষাণেই ঘর্ষণ নিতান্ত উচিত হয়, অন্য কিছুই পরীক্ষাস্থান সম্মলিত হন।১৫। হে মহাশয়। এই রণস্থল এখালির নাই, যেহেতু তুমি শূন্য হইলেও মেষ, নক্ষত্র-নিচয়, বিমান খুনোখালিত ধূলিপটলে স্তনী আরত হওয়ায় নিশাগম প্রতীত সমূহ, চন্দ্র, সূৰ্য ও বায়ুকে বহন করিছে, অথচ মােজনবিহীন হইতেছে। দেবী জয়লক্ষ্মী বরােচিত সময় বুৰিয়াই ৰীয়ের হইছে না; সুভাৰ তােমাও গুণপরীক্ষা স্থন উচিত হই অসি রূপ নীলকমল করে ধারণ করুত ঐ পুনরাবর্তী সমূল্যত ভেছে। হে আকাশ। ভূমি দিবসে অতি স্বরবর্ণ ধারণ কর, সন্ধ্যা শএরূপ ভূলে বিভূষিত সাহসী বীরকে কেমন সুখের সময়ে বক্তবপুঃ হইয়া থাক, রাত্রিকালে ক্লান্তি হও অথ ';
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ। ৭৭ কখনই কোন সন্ত্র বহন কর না বলিয়াই তুমি অখিল পদার্থেই আমি আনিতেছি। এবং এই পুন্নেবর্তী গিরিশৃঙ্গে কনভূমিতে অসংম্পৃষ্ট আছ , সুতরাং তজ্ঞের ব্যবহারের ন্যায় তােমারও মনোরম পাশ্রেণমধ্যে কাশী হইয়া বন সুন্দর গান করি- মায়া কেহই বুঝিতে পারে না। যেমন তত্ত্বজ্ঞানী সর্বশত সেছে এবং উহার অধােভাগে বিরোগী পথিক ঐ গান এবং হইয়াও সমুদয় কাৰ্যই সাধন করেন, তেমনি আকাশ! তুমি করিয়া নিতান্ত সচল হইয়া গায়কের প্রতি বারংবার দৃষ্টি অন্তঃশূন্য হইলেও সমুদয় উন্নত বার উন্নত্রি কারণ হচ্ছে। নিক্ষেপ করতেছে; আরও আশ্চর্যের বিষয় দেখুন, ঐ উচ্চশূলের এই আকাশপথে পথিকের মনাশক তৃণ বা সলিল নাই গ্রাম উন্নত বনালিকে বিগিনী বিদ্যাধরী প্রিয়তমের উদ্দেশ তো নাই, রাজগৃহ বা নগরেরও কোন সম্ভাবনা নাই। নিবিড় উৎকণ্ঠিত হইয়া অকুট মধুর যে গান করিতেছে, উহার অশো- পল্লবসঙ্কুল পাও নাই, একটী পানীয়পালাও নাই, তথাপি ভাগে ভ্রমণকারী পথিক সেই গান শ্রবণ করিয়া দোলায় দোদুল্য- সূৰ্য্যদেব প্রত্যহ ঐ পথে যে একই ভাবে ভ্রমণ করিয়া থাকেন, মারে স্যায় চঞ্চলবুড়ি হইয়া সম্মুখে গমন করিতেছে না ও অ- তার ক'র সত্ত্বগুণসম্পন্ন মারা যাহা করিতে উদ্যত হন, চরেরাও তাহাকে খাইতে বলিতেছে না। ২-৩৭। ঐ গিরি- তাহা নিজ-সামর্থ্যে অৰই গলালন করিয়া থাকেন। এই স্থানে শিখরে তরুতলে বসিয়া সেই বিরােগিনী বিদ্যাধরী কাতরতা দিবস সূর্যের আলােকরূপ নজ শুভ্র বস্ত্র দ্বারা আপনাকে ভূষিত বশত নয়নবারি মােচন করিয়া দীর্ঘ নিঃস সহকারে বক্ষ্যমাণ করিতেছে, রাত্রি অন্ধকাররূপ বসনে আরা হইতেছে, চমা বাক্যে গান করিতেছে, হে নাথ। আমি তােমার অঙ্কশায়িনী নিও কিরণরূপ কররাশি দ্বারা আপনাকে ভূষিত করিতেছে। হইয়া তােমার সহাস্যমুখের চুম্বনরূপ মহৌষধি কতবার যে আস্থা- অন্তরীক্ষ নিশাকালীন নক্ষত্রবন্দরূপ পূষ্পনিচয়ে আপনাকে দান করিয়াছি, এক্ষণে হাই কেবল স্মরণ করিয়া এই সংবৎসর অলঙ্কত করিতেছে, ঋতুগণ জলধরের ও তুষারের সলিলরূপ কাল অতিবাহন করিলাম, এক্ষণে সদয় হও। ঐ বিদ্যাধীর পুষ্পরাশি দ্বারা আপনাদিগকে ভূষিত করিতেছে ও ইহারা সকলে পূর্ব যুব পতি নি অপরাধেই কোন মুনির অভিশাপে দ্বাদশ মিলিয়া কালের অংশরূপী ত্রিভুবননাথ সূৰ্য্য ও চন্দের ক্রীড়াস্থান বর্ষের জন্য বৃক্ষদশা পাইয়াছে। বিদ্যাধরী সেই বৃক্ষের তলে এই আকাশকে ভূষিত করিতেছেন। ১২-২০। ধুম, মেঘ, থাকিয়া ঐরূপে বসর গণনা করতঃ বৃক্ষকে নিজ গতি বিবেচনায় ধূলি, অন্ধকার, সূৰ্য্য চন্দ্র, সন্ধ্যা নক্ষত্র, বিমান, গরুড, পর্বত, গালিদি সহকারে গান করিতেছে। হে মহাৱা! আমি দেবতা ও দানদিগের নিয়ত সম্পর্কেও এই আকাশ কিছুমাত্র পথিমধ্যে পথিকলিগের মুখে ইহাও শুনিলাম যে, সেই মুনির বিহূত হয় না ও পূর্ণাবস্থা পরিত্যাগ করে না, যেহেতু মহাশয়- বিদ্যাধরকে আমার দর্শনমাত্রই শপের অন্তকাল বলিয়াছেন। দিগের অবস্থান নিতান্ত বিস্ময়কর হইয়া থাকে। এই ত্রিভুবন অনন্তর আমি তখয়ে উপস্থিত হইয়া বৃক্ষকে দেখিবামাত্র সেই একটা পুরাতন গৃহ , দিসমুদয় ইহার ভিত্তি, অন্তরীক্ষ ইহার বৃক্ষরূপী বিদ্যাধর যেন বক্ষভাব পরিত্যাগপূর্বক শাখাচ্ছলে বাহু উপরিতল ভবন, (ছাত) পৃথিবী নিমতল-স্বরূপিণী বিশালনগর ও বিস্তার করিয়া পুষ্পপ্রকাশস্থলে হাসিয়া কণ্ঠভাগে প্রণয়িনী পর্বনিচয় ইহার ভাণ্ডালি গৃহসামগ্রীর স্থান পাইয়াছে এবং বিদ্যাধরীকে আলিঙ্গন করিতেছে-লে, আরও দেখ, পর্বতের বিদ্যাধর ও নাগ দৈত্যাদি সকলে ঐ গৃহের জালকারী উর্ণনাভি শৃঙ্গরূপ গজদিগের পাপরাজিরূপ রােমরাজিতে ঐ কুসুমরাশি কীটপরূপ হইয়াছে ও ভূরাদি চতুর্দশ লােকলণ পিপীলিকা কেমন বসন্তকালীন হিমের স্যায় শােভমান আকাশপতিত নক্ষত্র সমুদয়ে পরিপূর্ণ আছে, এই প্রকার সংসাররূপ গৃহে কাল ও নিকরের স্নায় বিরাজ করিতেছে। এ দিকে দেখ, কাস্ত্রেী নদী ক্রিয়া এই দম্পতী রম্য উদ্যানে ভােগিদম্পতীর ন্যায় বহুকাল কেমন কুসুমরাণিরূপ শুভ্রবসন পরিধান করিয়া শােভা পাই- বাস করিতেছেন। কিন্তু প্রত্যহ এই গৃহের ধ্বংসাশঙ্কা থাকিলেও সেছে এবং মৎস্যদি জলদিগের সঙ্গে উল্লম্ফনে ইহার যে যে নষ্ট হইতেছে না অর্থাৎ (প্রবাহরূপে রহিয়াছে। ইহা বড়ই তরঙ্গ উঠিতেছে, তাহাতে মৃগীদের সানক্রীড়নে নদী নিতান্ত আচৰ্য্য ইন্দ্রজাল ব্যাপার বলিতে হইবে। আমি বিবেচনা করি, দুবেশ্যা হইয়াছে ও উহার কুল ও সমিতি অল্প সলিল-যুক্ত এই কাশই বৃক্ষাদি উন্নত যন্তু সমুদয়ের অধিক উন্নতিকে রােধ স্থানসমূদয়ে অসংখ্য মৃগ বিশ্বমনে বিচরণ করিতেছে।৩১-৩৫। করিতেছে, যৰ্ণিও উহাতে নিৰােকর ব্যাপার নাই সত্য; হে মহারাজ। এদিকে দেখ, মুলে পরে মধ্যপ্রদেশে সমু- তথাপি মহথ্যক্তিরা কিছু না করিলেও মহিমাবলে কর্তা হইয়া অলকান্তি সুৰক্ষয়ী ভূমি সূর্যকিরণসম্পর্কে কেমন শােভাধারণ থাকেন। এবং যে আকাশে লক্ষ লক্ষ জগৎ উৎপন্ন হইতেছে ও করিতেছে, যেন সমুদ্রের রাশিতে ভৈঃ বিস্তারী বাড়বা- লৱ পাইতেছে, তাহাকে আবার শূন্য বলিয়া যে নির্দেশ করে, নলের অসংখস্ফুলিঙ্গ প্রকাশ পাইতেছে। এবং এদিকে ঘোষ- সেই পাণ্ডিতাকে শতধি। যেহেই সংসার সমুদয় আকাশেই পীস্থিত গৃহসমুলম্বের অপুর্ব শােভা একবার অবলােকন কর, লয় পাইতেছে ও আকাশ হইতেই উৎপন্ন হইতেছ, সুতরাং ঐ সমস্ত গৃহ পর্বতের সন্নিহিত বলিয়া বিশাল মেঘনিয়ে সতত যাহারা আকাশকে ঈশ্বর হইতে পৃথকরূপে নির্দেশ করে, তাহারা আবৃত ও উহাদের সীমা-স্থানে নরােপিত অসমূহ কুহুমবিকাশে নিতান্ত উন্মত্ত। এবং যে আকাশে এগিলিজের স্থায় সৃষ্টিব্যাপার। নিতান্ত শােভমান আছে এবং গৃহের উপরিভাগ পলাশ বলে সমুদয় নিয়ত গমনাগমন করিতেছে ওউৎপতিত নিপতিত হই শাখপাবে আচ্ছাদিত আছে। পুরাে পর্ষসন্সিহিত গ্রাম- তেছে, সেই আদিমধ্যবিহীন কেবল আকাশকেই এই ব্যাপারে সমুদয়ও বড়ই শােভা পাইছে; কারণ উহাদের পুষ্পে- কারণরূপেই বিবেচনা করি, ইহার ঈশ্বর-নামক অন্য কারণ নাই। থ্যানসকল পূকিাণে অতিশুভ্র হইয়াছে। পারিজাত বৃক্ষরূপ যিনি ত্রিভুবনের যাবৎ শ্রেষ্ঠ বস্তুর আবার হইয়া নিজাঙ্গে সমূয় অসংখ্য পুশাখার (জি) বিরাজ পাইতেছে, উহার প্রায় বন্ত ধারণ করিয়াছেন ও যাহাতেই এই অগমের উদয় ও স্থানসমূদয়ে শিৰীয়া নৃত করিয়া থাকে বলিয়া জলপ্রপাশে- হইতেছে, সেই চিন্ময় ব্যোমলক্ষণ পরম ব্রহ্মরূপে আমাকেই' রূপ বদলি গুহাকে শজিত করিয়া সেই নৃত্যের অনুসরণ ৮ যােগণিত-মায়ণ। করিতেছে ও গায়কেরা ঐ সকল স্থানে স্বর্গ বিবেচনায় সানন্দে নাশিনী, উতা ও গভীর। হে জলধর। তুমি পৰ্বজগে গান করিয়া অপূর্ব সুখের অনুভব কৰিছে। এই সকল মকের দূৰণ ও ভূমির প্রধান সম্পত্তিরূপ সলিলেও তুমি পার্বত্য গ্রামসমুদয়ে কালো ঘোষণস্পীরা বিকসিত পুষ্পের একমাত্র আশ্রয়; এবম্বিৰ অসংখ্যখণশালী হইয়াও ৰে পৰমানন্দ অভ্যরে মধুপানও কুনকারী মধুপগণকর্তৃক অবলােকিত বর্ষণসময়ে উষক্ষেত্র ও পলাদি নির্ণকানেও ক্ষেত্রের প্রায় দুই ক্রীড়া করতঃ যেরূপ আনন্দ পাইতেচ্ছে, আমি বিবেচনা করি, অলাদি প্রদান করিয়া থাক, ইহাতেই মহতেরা তােমার সদসবিচার- নন্দনকাননে ক্রীড়া করিয়া দেবতাদিগেরও তাদৃশ আমােক হয় না। শূন্যতা দেখি অন্তরে বড়ই দুঃখ প্রাপ্ত হন। হে অর! তুমি এবং অত কালনসমুদয়ের লতাসকল ভূদিগের ক্রীড়াসাধন প্রত্যহ গাণিতীর্থসমূহের সনিলে স্নান করিয়া থাক ও পর্বতাদি দেলালীয় ইতেছে দেখিয়া ব্যাঘবনিতাগণ সানন্দে গান করি- রূপ উচ্চস্থানে বসিয়া সকলকে গলদান করিয়া থাক ও বনভূমিতে তেছে। মৃগীগণ সেই গানে মুগ্ধ হইয়া উহাদের সুন্দর নয়নে নিজ মৌনব্রত ধরিয়া বাস কর এবং বার অতিশয় দানের পর শরৎ- নন মিশাইয়া আছে,ইহা দেখিয়া বাধের সেই মুগ্ধ হরিণীদিগকে সময়ে সর্বস্বহীন হইলেও তােমার দেহের অপূর্ব কান্তি দেখা নিজ-রমণীদের নয়ন শােভাপহারিণী বুঝিয়া কেমন শক্রর ন্যায় বা সত্য, কিন্তু তখন তুমি যে গানের জন্য উঠিয়াও বকাশ অকারণ বিনাশ করিতেছে অবলােকন কর। ৩৬-৪। এই গ্রাম পুরসর কটুধ্বনি করিয়া থাক, এই ক্ষুদ্ৰজন ব্যবহার তোমার পক্ষে সমুদয়ে নানা জাতীয় পুষ্পে আমােদে নিতান্ত সুরতি বায়ু মৃদু নিতান্ত অনুচিত হইতেছে। সংসারে উত্তম বস্তুও দুঃস্থানে মৃদুলতানিচয় কম্পিত কৰিা পৰিকলিগের শ্রান্তি দূর করত অই পড়িলে মন্দ হইয়া থাকে,ঐরূপ অপকৃষ্টবস্তু উত্তম আশ্রয়ে থাকিলে সকল শীতল করিতেছে ও অঙ্গসম্পর্কে অলবিন্দু সম্পৃক্ত হইয়া উত্তমই হয়, সুতাং আজি নির্মুল শুভ্রসলিলে যেরূপ মণ প্রবাহিত হইতেছে, ইহাতে গ্রামসকল সৌরভ শৈত্য প্রভৃতিগুণে আধারে যাইয়া কৃষ্ণকান্তি স্থায়ু লক্ষিত হইতেছে। ঐ মেঘেরা চাপো উৎকৃষ্ট হইতেছে। এবং অত্ৰত্য নিবর সমুদয়ের এলবর্ষণ করিলেই সেই জলে ভূভাগ পরিপূর্ণ হয় ও তাহাতেই জলরাণি শব্দিত হইতেছে, অত্যুন্নত ভাল ভরুসকল ক্লিাজ করি ভূমিতে মুন শসমুদয় সরস ও পরিশােবিত হয়, যেমন ধনী ধন- তেছে, বিকসিত কুনুমাকীর্ণ লতাসমূদয় শােভা পাইতেছে, অন্ত দানে দরিদ্ৰবন্ধুকে পােষণ করে। এক্ষণে মুখদিগের বর্ণনা করি- রীক্ষ ইহাদের চন্দ্রাতপস্বরূপ হইয়াছে এবং সীমান্তে অলদগণ থেছে। মুখদিগের এই যে সকল নির্ঘণতা অস্থিরতা অপবিত্রভাব নিতান্ত লম্বমান আছে, সুত্রাং এই অভিরমণীয় গ্রামসমুদয় চন্দ্র সব ভ্রমণকারিতা ও নিন্দনীয়তালি দোষ দেখা যায়, আমি লােকস্থিত উদ্যানের ন্যায় লােভমান হইয়া নালাগুণে ব্ৰহ্ম- এখনও জানিতে পারি নাই যে, মূর্খেরা ঐ দোষ সমুদয় কুকুর- লােকের স্থানকেও পরাজয় করিতেছে। এবং ইহারা ময়ূরগণের দিগের নিকটে গ্রহণ করিয়াছে কিংবা উহারাই মুখলিগের নিকট কোমল পূখণ্ডের সম্পর্কে চন্দ্রকান্তমণিময়ের ন্যায় ব্রিজ করি- হইতে শিখিয়াছে। ৪১-৪৫। ঐ সকল কুকুরসদৃশ মূখেরা বহু তেছে। ঐ পুচ্ছ সকলকে বিদ্যুদযুক্ত জলধদিগের ঘর্ঘর নিষাদ- সােষে দূষিত থাকিলেও শৌর্য সন্তোষ ও ভক্তি প্রভৃতি কয়েকটা শ্রবণে নর্তনকারী ময়ুরের নব তাণ্ডবকালে ইতস্তত বিক্ষেপ করি। গুণের আধার বলিয়াই কোন কোন ব্যক্তির আদরণীয় হইয়া ছিল। যাহাদের একপার্শ্বে সুন্দর চন্দ্র-মণ্ডলরূপ ভূষণ বহি থাকে। যাহাৱা উম্মত ও ক্রোধৰণে কৃপাদিতে পতনোন্মুখ, আছে, অপর পার্শ্বে জলভারাক্রান্ত মল মেরূপ জেরা বিভ্রাম মদিরাদিপানে মত্ত, ভূবেশে সতত ধাবমান ও জ্ঞানৰশে করিছে, সেই সকল শিরিটে বর্তমান গ্রামসমুহের যে চরমদশায় উপনীত, সেই ব্যক্তিদিগকে নিতান্তভােগী বিষয়লম্পট শােভা হইয়াছে, উহা নানাগুণসম্পন্ন ব্ৰহ্মলােকেও নিতান্ত দুর্লভ মুখেরা যে ভুণের মত বিবেচনা করে, হে ক্ষুদ্রণ! তুমিই এ আনিবে। এই গিরিগহবৰসমুদয় অভিমরতি নক্ষনৰনের আয় বিষয় বিশেষ পৰ্যবেক্ষণপূর্বক বিচার কর যে, ঐ মুখের ঐ বিবে- রমণীয়, অত্রত হুনিচয় কল্পপাপসমূহকেও পরাভূত করি- না স্বাভাবিক অথবা মুখ নিন, প্রখমকলে উহারা কুকুরতুল্য তেছে এবং মধুপস বিকসিত নিষ সমুদয়ে পরিবৃত আছে, দ্বিতীয় সিক্ত হইলে উন্মাদি হইতেও তুচ্ছজনিবে। সিংহের সুভং এই সকল স্থানে আমার থাকিতে বাসনা হয়। এই কুকুরের পশুভাৰ সমান হইলেও মেঘ গর্জনাদি অন্য কোল- পার্বত্য গ্রাসূল মৃগীদের কর্ণসুখকর নিনাদে রমণয় ও হল সিংহের মুদ্রিয়নে অবজ্ঞা করে, কুকুরেরা কিন্তু ভয়ে নয়ন মনােজ্ঞ হরীশকিল থাকায় কাষগৃহে জীরে ঘশ প্রতি মেলিয়া শুনিয়া থাকে বলিয়া উভয়ে পার্থক্য আছে, পণ্ডিতে ও হয়, এখানে মানবিগে আঘৃশ অনুরাগই দেখা যাইতেছে। মুখে অপ অনিৰে, হে কুকুর। তুমি সর্বদা অপবিত্র। তুমি এবং এই গ্রামসমুদয়ের গহবরে পর্বত হইতে টিকমণিময় অকারণ সমস্ত সময় পথভ্রমণে অভিবাহন করিয়া থাক। আমি অল্পের ব্যয় সু নিরীর পলি পড়িতেছে দেখিয়া ময়ুবী মুখে তােমার চিরুত্ত দেখিয় বিবেচনা করি যে, তােমাকে কেন পরমানন্দে নৃত্য করিভে ও উহাদের নৃত্য দেখিয়া কোন মূৰ্থই নিত্যাশুচিতাধি মিজগুণরাশির অভ্যাস শিখাইয়াছে। পূপভাৱনত এজরাও কিলাসিনী হইয়াই ঐ নির্বত্র সজি- অরুণ সদৃশ অসদৃশ অগাপালের নির্মাতা বিধাতা একত্র এক হিত কুঞ্জে থাকিয়া কেমন বায়ুনলে নৃত্য করিতেছে। জাতীয় বহুবিষয় দেখিবার জন্যই নিহিত দেবীর পূত্ৰভূত এই গ্রামসমূদয়ের উপবর্ণনচরে হরিতাল পক্ষীরা সুখে এই কুকুরের স্বনিতি গধ্যে বাস, বিষ্ঠা পুদি ভ্যজ্য বস্তুর বাস করিত্রে। অত্ৰত ৰাসৰ সসারসাজির মধুর শব্দে ভোজ অতি প্রকাশ রাজপথে মৈথুনেচ্ছা এবং সকলের নিন্দনীয় শবিত হইতেছে, আমি বিবেচনা করি, পর্বতহা-সজ্জিবিত এই এই কুৎসিত হে প্রদান করিয়াছেন। কোন সময় কুকুরকে আৰসমূদন কামদেব নিয়ে বিস্তারপূর্বক পরমানলে বা নেই বিজ্ঞাসা করে, তেমা অপেক্ষা অথম কে তখন কুকুর করিতেন। যে মেষ। তােষর চরিত্র মভের স্যায় যায় সেই প্রশ্নকারীকে সহাবে বলিয়াছিল, যে আমার অপেক্ষা ও ২ জনক ৰলিয়া মহাশয় ভােমার আকৃতি আতপ অজ্ঞানকে, অপবিত্র দেহকে ও বিচারশতাকে যে আশ্রয় করি- - । আজ বিবেচনায় পােষণ কৰিছে, তুমি কি বুঝিতে পার না যে, নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরঙ্গ। মাছ, সেই আম হইতে অধিক অধম, কিন্তু বিক্রম, ভক্তি ও নিজরূপ জ্ঞাত হয় ন, তথাপি সভায় পণ্ডিতের আয় ঐ কোকিল ধে এই গুণরাশি মুখ ব্যক্তিতে বহু অনুসন্ধানেও মিলে না, কথা কহিলেই ব্যক্ত হইয়া থাকে। আর মেলা বুমশালি সুতরাং আমা অপেক্ষা মুখও অধম।৫৫-৬। কুকুর সর্বদা বিষ্ঠাদি লতা কোকিলকৃত নিজ কোমল পুদির গলন অনাকালে সহিতে অতিজৰ বস্তু নিতান্ত স্পৃহা হইয়া ভক্ষণ করে, জীবিত পারে, কিন্তু বক কাক শৃগাল কুকুটালির স্পকেও সহে না, নকুল ইংরাজি পাইলে বিনা দোষেই তাহাদের ভােজন করে ও যেমন সাধুর অপরাধ অনায়াসে সহ যায়, খলের ব্যবহার কিছুতেই দুর্বল ছাগলিকেও নিরপরাৰেই কামড়াইয়া থাকে। যে সময়ে সহ যায় না। ৬১-৭৪। হে কোকিল। তােমার মধুররব কুকুৱীর সহিত মৈথুনে প্ৰৱন্ত হয়, তখন সকলেই লেনিক্ষেপে দম্পতীর প্রণয়কাই দূরীকরণে নিপুণ হইলেও কেহই তােমার তাড়া করে, দেখিতেছি বিধাতা ঐ যে কুকুরাকার ক্ষুদ্র জীবের শব্দ শুনিতেছে না; যেহেতু ঐ কুমধ্যে কাকেরা পপকদিগের হৃষ্টি করিয়াছেন, উহাৱা আজীবন কৌতুকেই কাল কাটাইতেছে। সহিত সর্বদা বিবাদ করিতে থাকি যে খাের শব্দ করিতেছে, অতঃপর কাক নির্মাল্য ভক্ষণাশায় শিবলিঙ্গোপরি বসিয়া শৰু আহাতেই শ্রোতাদিগের কর্ণ বধির হইতেছে, যেন মুখদিগের করিতে থাকিলে কোন ভাবুক ভীয় শব্দের তাৎপৰ্য বলিতেছেন। বিবক্ষেত্রে সাধুর মধুর বাক্য কেহ শুনিতে পারে না। এই কাক, বিসর্জিত শিবলিঙ্গের উপরে থাকিয়া আপনাকে এই দেশ, ঐ কোকিল-শিশু সাগরে নিজশষ শ্রোতাদিগের নিকট বলিয়া দেখাইতেছে যে, আজি আমি পাপসমুদয়ের মধ্যে শিৰদ্ৰব্য কোমল বাক্য দ্বারা অতি চমৎকাররূপে মনােরঞ্জন করিতে যেমন ভক্ষণরূপ চরম পাপে আসক্ত হইয়াছি, তোমরা অবলােকন কর। উদ্যোগী হইতেছে, সেই সময়েই হঠাৎ এই দুই কাক আসিয়া হে কুৎসিত কাক! তুমি কটুনিনাদে হংসারসাজির কর্ণসুখ- যে, এই আমার পুত্র আমি পােষণ করিয়াছি আমি বাঁচাইয়াছি, কর ধ্বনিকে গ্রাস করিয়া এই সলােবরের কর্দমে ভ্রমণ করতঃ এইরূপ ভয়ঙ্কর শব্দ করিয়া সমূদয় শ্রোতাদের উৎসাহ ভঙ্গ এমরগুঞ্জনকে যে অন্তর্হিত করিতেছ, সুরাং তুমি আমার শিরো- করিতেছে, ইহা অতি দুষ্টের কাৰ্য। হে কোকিল! তুমি কেন বেদনাকর বলিয়া শল্যস্বরূপ হইছে। দেখ মিত্রবর। এই কাক এত আনন্দে বারংবার অতি শব্দ কৰিচ্ছে, ঐ শব্দ সমূহকে মৃণালখণ্ড ছাড়িয়া ঘৃণিত বিষ্ঠাজি যে ভক্ষণ করে, তাহাতে বিস্মিত বসনামখ্যে পুনরায় প্রবেশ করাও। তােৰায় এরূপ ভ্রম যেন আর হইও না, কারণ যাহার যেরূপ অভ্যাস হয়, সে অনুরূপই ব্যবহার না হয়, কারণ এ সময় বিবিধ পুষ্পসল ঋতুরাজ বসন্তের করে, তাহাতে আশ্চৰ্য্য নাই। বিবিধ পুষ্পের অাগে কাকের রাজ্য নহে, ইহা হেমন্ত ঋতুর প্রকাশ, তাহাতেই হিমরাজি শরীর ধবল হওয়ায় উহা প্রথমে হংসের ন্যায়, বিবেচিত হইয়া- সম্পর্কে বুলসমুদয় শুষ্ক হইয়াছে জানিবে। সুতরাং তোমাৰ ছিল, পরে যখন দেখি, ঐ কক, গলিত কৃমিকুল খাইতেছে, তখন বাক্য এ সময় নিস্ফল হইতেছে, নবােব্দগত কোমলায়সম্পন্ন বুঝিলাম, উহা হংস নহে কাকই। বিশেষতঃ যখন শক নিজের চৈত্রমাসে কোন বিরহিণ বলিতেছে যে, হে নিত্যসুন্দর শব্দাষ- সদৃশ পক্ষ ও রূপসম্পন্ন কোকিলের সহিত মিলিত হয়, তখন মান কোকিল। এই চৈত্রমাস কাহার, এই আমার প্রশ্নে তুমি যদি শব্দ না করে, তবে কোনরূপেই উহাকে কাক বলিয়া বুক। যে নিজ মধুকে পাদপশিখরে বসিয়া তােমার তােমার বলিয়া শব্দ যায় না। নিশীতকালে সমুদয় লােক নিদ্রিত হইলে চতুপথের করিতেছ, এ প্রকার দুঃখপ্রদ মিখ্যা বাক্য তুমি কার নিকট উন্নতপাদপে আরূট চৌরের ন্যায় ঐ কাক কাননমধ্যে পুরাতন শিক্ষা করিয়াছ, উহা তোমার নিতান্ত , কারণ মধুমাস মাদৃশ মৃত্তিকায়ূপে বসিয়া আহরান্বেষী হইয়া চতুর্দিকে অবলোকন বিরহিণীর নহে, স্বাদৃশ প্ৰিয়াসহচর ব্যক্তিরই জানিবে। করিয়া থাকে। এই কাকের দেহ সারসখণ্ডিত পদ্মের মধুসক্ত মহারাজ। কোকিল কাকলিগের সহিত মিশিয়া নিঃশব্দে হওয়ায় বড়ই সুন্দর হইয়াছে এবং ঐ কাক ধূলিধূসরিত হইয়া অবস্থান অবস্থান করে, উহার বর্ণ ও পক্ষাদি-সঞ্চালন কাদিগের কেমন বিহার করিতেছে দেখ। হে মহারাজ। দেখুন একবার মান হইলেও ঐ মনীয়-মূর্তি কোকিলকে দূর হইতেও না যাহার মুখ শিলা প্রহারের উপযুক্ত, সেই দুষ্ট কাক আজি এই যায়। যেমন মুখসমাজে পণ্ডিতকে সহজেই অবগত হওয়া যায় , পুৱেবৰ্ত্তী-সমােবরে পদ্মালমধ্যে রাজহংসলিগের সহিত উপবেশন কারণ যাহাদের আকারদর্শনে কাৰ্য অনুমান হয়, সেই সকল করিয়া নানাভীতে, রাজহংসদিগের অনুকরণ করিতেছে, এ উৎকৃষ্ট ব্যক্তিরা সমানরূপ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন থাকিলেও অপেক্ষা কষ্টকর আর কি আছে। হে কাক। তুম কর্কশ নিজ মহিমায় বিখ্যাত হইয়া থাকেন। হে ভ্রাতঃ। কোকিল। ধ্বনিরূপ ক্ৰচে (করাতে) চিহ্নিত থাক, তােমার সেই সর্বদা এই যে উন্নততরুনিচয়ের কোটরষধ্যে থাকিয়া কাকেরা শব্দ শঙ্কিতভাব কোথায় গেল আৰু কেন রখা এই কোকিল-শিশুকে করিতেছে, ইহাদিগকে দেখিয়া তুমি কেন শব্দ কৰিচ্ছে, সম্প্রতি তুমি ঐ কাৰ্য্যে নিতান্ত উপহাসাই হইবে। হে দুষ্ট-কাক। গুই প্রকাশ পাইতেছে না, সুত্রাং পত্রনিচয়ে সমাচ্ছ পাল- তুমি পদ্মনে কলঙ্কের ন্যায় যে কর্কশ শক করিতেছ, উহা আমার কোটরে মুখে নিঃশব্দে অবস্থান কর। হে মহাশয়। এই সমুষের বড়ই অসৎ হইতেছে; সুতরাং তােমার শব্দ শুনিয়া যাহার মধ্যে প্রথম আশ্চর্য্য এই যে, কোকিলশৰক মা কাকীকে ত্যাগ চত লােপ না হয়, তাহাকেই তুমি নিজ কঠোর শব্দরূপ ক্রকট করিয়া যাইতেছে, দ্বিতীয় সেই কাকীই উহাকে চষ্ণুচরণ স্পর্শ দ্বারা বিদারণ কর, তাহাতে ক্ষতি নাই। এই পুৱাৰী অলাশ করিতেছে, এইরূপে আমি যেমন চিন্তাকুল হইতেছি, সেই অণই বহু হিং এ বিচরণ করে, বৰু-কাকাদি সততই অবস্থান ঐ কোকিল-শিত উৎসাহ করিয়া মাতার স্থায় বাড়িতে উদ্যোগী করিতেছে, এক্ষণে পেচকেরা যদি এখানে আসিয়া কাকদিগের হইতেছে, ইহাতেই জানিলাম যে, ভাগ্যবান ব্যক্তি যে দিকেই সহিত মিলিত হয়, তবেই সভায় পূর্ণতা হইবে বিবেচনা করি। যায়, সেই দিকই তাহার মহিমা বিস্তায় করিয়া থাকে। ৭৫৮৯। যদিও কোকিল কাকের দলে মিলিত থাকিলে সমানপ বলিয়া বােড়খিকভত সর্গ সমাপ্ত। ১১।
বােগ-িরামায়ণ ; পদ্ধ সমূদয়কে ধারণ করিতেছে ওমিষ্ট সচিলে ব্যাপ্ত রহিয়াছে। সপ্তদধিকততম সগ। সৌম্য! এই সলােবর মরুদেশের ন্যায় নির্জল শরণাকাশকে সচরেরা কহিতে লাগিল, হে মহারাজ। পুনরাবর্তী পর্বত, প্রতিবিম্বরূপে গ্রহণ করিয়া ব্রহ্মের সাক্ষাৎকার প্রতিবিম্বগ্রাহী ভটে বিচিত্র-সরােবর দর্শন করুন, উহাতে পদ্ম-কুমুদ প্রভৃতি নানা- আনীদিগের মানসের গল্প শােভা পাইতেছে। ৮-২০ জাতীয় পুষ্পে বিবিধ পক্ষিরা মধুর শব্দ করিতেছে; দেখিলে এই সারস-সহুল সরােবর হেমন্ত সময়ে হিমরিত থাকিবে বলিয়া নক্ষত্ৰমণ্ডিত আকাশের প্রতিবিম্ব বলিয়াই বিবেচনা হয়, কিঞ্চিৎমাত্র লক্ষ্য হইবে ও ইহার শ্যামলতা দুর হইবে। তখন বিশেষতঃ অতি রমণীয় ঐ সমােবর দর্শকের কামােদ্দীপক হিমারত মেঘের মত দেখা যাইবে, যেমন দৃশ্য সমুদয় ব্রহ্মের কোন বলিয়াই কালের প্রধানভৃত্যের ন্যায় বিরাজ করিতেছে। উহাতে রূপ বিকার নহে, সকলই ব্ৰহ্মস্বরূপ, তেমনি ইহার জলে তরঙ্গ বিকসিত নানাজাতীয় পদ্বসমুহের কোষমধ্যে রাজহংস সমৃদয় প্রভৃতি পৃথক্ কিছুই নহে, সমুদয়ই একমাত্র জল। হে মহারাজ। অতি সুন্দরভাবে অবস্থিত আছে এ উহা ইন্দ্রনীলমণিময় সলিল যাহাদিগকে বহন করিতেছে ও উহাই যাহাদের চক্র পীঠের ন্যায় শােভমান ভ্রমরপংক্তি ও ব্রাহ্মণেরা বিরাজ আৰম্ভ প্রভৃতি আকার কল্পনা করিতেছে, সেই জলাশয়সমুদয়ের করিতেছেন বলিয়া মর্ত্যলোকে প্রজাপতি ব্রহ্মার দ্বিতীয়গহের আবার তরঙ্গাদি পৃথকৃরূপে নির্ধারণ নিতান্ত আশ্চর্য্যকর জানি- স্যায় শােভা পাইতেছে। এই সরােবর নিজ বিন্দু বিকেপে চতুর্দিক কেন ।যেমন কৃপাপী সরােবর সমুদ্র ইহাদের বন্ধু পার্থক্য নাই, হিমযুক্ত করিয়াছে, প্রফুল্ল কমলের পরাগসম্পর্কে স্বয়ং গৌরবর্ণ ও কেবল আকার ভেদ মাত্র , তেমনি সংসারে স্ত্রীপুরুষালি সব সৰ্বল মধুলাভে আনন্দিত মধুকরদিগের ও ব্রাহ্মণদিগের সুমধুর সমুদয়ের আকার ভেদ থাকলেও বস্তুত পার্থক্য নাই। যেমন গানে মুখরিত আছে। এই সমােবরের কোন ভাগে বিশাল তরঙ্গ বারংবার নানাযােনি ভ্রমণে নিতান্ত জী জীবের চিত্তের অসংখ্য নিচ বিলাস পাইতেছে, কোথাও বা মদমত্ত হওয়ায় পরস্পর ইচ্ছান্বেষাদি ভাবের পরিবর্তন কেহই নির্ধারণ করিতে পারে বিদ্বেষী ভ্রমরেরা নিরন্তর ঝঙ্কার করিতেছে, কোন স্থানে বা অতি- না, তেমনি নানা পুষ্পলতাদির নিরন্তর সম্পর্কে জীর্ণ দশাপন্ন গভীর স্বচ্ছ সলিল থাকায় নিদ্রিতের ন্যায় আছে, কোথাও বা পদু- এই সরােবরের বল কমলনিচয়কেও কেহই সংখ্যা করিতে কুমুদাদি পুষ্পসমুদয়ে সমসাচ্ছন্ন রহিয়াছে। এই সরােবর মুক্তা পারিতেছে না। হে মহারাজ। মুখসমাগমের ন্যায় জল সদৃশ জল-বিন্দু দ্বারা সাধারণের ভাপ দূর করিতেছে ও সিংহ সম্বন্ধের বড়ই আশ্চৰ্যকর বিলাস দেখিতেছি। যেহেতু এই পদ্ম উচার তীরে আসিয়া জল নিজ প্রতিবিম্ব দেখিয়া অন্য সিংহের গয়ং অশেষ গুণালয় বলিয়া প্রসিদ্ধ হইলেও বিজ্ঞকুত দোষ উপস্থিতি বােধে জলপানে বিরত আছে এবং উহার তরঙ্গ-সম্পর্কে গােপনের স্থায় নিজ সৌরভ্যাদি গুরুকে অন্তরে মুকুলাবস্থায় অলপ্রায় দেশসমূদয় ধৌত হইয়াছে, উহার বিস্তৃত কচ্ছ দর্শনে কণ্ঠভাগে গােপন করিয়া বাহিরে সাধারণের নিকট নিন্দনীয় উহাকে ভূলে অন্তরীক্ষের ন্যায় বিবেচনা হইতেছে। এই সরাে- কণ্টক রাশিকে প্রকাশ করিতেছে। বিশেষত পদ্বদিগের গুণ বরের মধ্যভাগ পবনােখাপিত পদ্বপরাগসম্পর্কে বিলিসিতের অসংখ্য হইলেও মূখর ন্যায় ছিদ্রযুক্ত, অতিসূক্ষ্ম, সতত গােপিত স্থায় না পাইতেছে এবং উহার কেন স্থান জলবিন্দুময় কোন ও সারশূন্য, সুতরাং উহারা নিতান্ত উপেক্ষার পাত্র। যাহার স্থান অন্ধকারময় হওয়ায় সন্ধ্যাকালীন আকাশের ন্যায় চতুর্দিকে বংশের মুখপাত্র, তাহাদিগের স্যায় অশেষগুণাকর ও সৌ- প্রকাশ পাইতেছে। মূলরূপ গ্ৰাসৰ সংগ্ৰহ করিয়া তাহার শালী এ কুলসন্নিহিত পন্যদিগের সমুদয় প্রভাৰ বৰ্ণন করিতে ভারে অবনত হওয়ায় যেন একত্র সঞ্চিত চন্দ্রবিন্সের আয় সহস্রমুখ বাকিও সক্ষম হন না। বিশেষত ভগবান নায়ণের শােভমান হংস শ্রেণীতে পরিবাাপ্ত এই সরােবর বায়ু বিচ্ছিন্ন বক্ষস্থলস্থিত ভগবতী কমলা নিজের পােয় বৃদ্ধির জন্য যে খণ্ডখণ্ড মেঘমুক্ত শারদাকাশের ন্যায় দীপ্তি পাইতেছে। ১-৭। কমলকে ধারণ করিয়া থাকেন, সেই কমলের এ অপেক্ষা অন্য এবং মধুরসাপ্লুত বায়ুর সম্পর্কে ভঙ্গনিচয় সজলপঙ্কস্থানকে আহত প্রশংসার নিতান্ত নিষ্প্রয়ােজন হে মহারাজ। এই সরােবরস্থি করায় পটপটা শব্দ হইতেছে এবং সেই ধ্বনি শ্রবণে ক্ষুভিত কমল ও কুমুদের আন্তরিক যথাক্রমে চন্দ্র ও সূর্যের প্রতি ঘেষ- বিহগকুলের স্পর্শে তীর হইতে অত্র পুষ্পবৃষ্টি হইতেছে। ভাব তুল্য হইলে উভয়ের আকারগত পার্থক্য দর্শনেই পৃথক তাতে বিবেচনা হয় যেন, ভঙ্গের সরােবরের বস্তবয়ন কাৰ্য্যে বলিয়া সহজে প্রতীতি হইতেছে। এই পুৱােৰী প্ৰফুল কমল- নিযুক্ত রহিয়াছে। এবং এই সরোবর বাজার মত শােভা পাই- কাননের অপুর্ব শােভা বিকসিত কাননের সহিত বা সরােবরের তেছে, যেহেতু চঞ্চল কমলরূপ লন্ত উহার ব্যজন হইতেছে, সহিত কিংবা নক্ষত্রতারাসঙ্কুল আকাশের সহিত কিংবা অসংখ্য মনােহর ফেনা উহার চায়-কাৰ্য্য করিতেছে। এবং মনােহর চক্রের সহিও তুল্যা হয় না, একমাত্র নৃত্যকারিণীদের বর্তুলাকুতি বলিয়া সদর ঐ সলােবরকে ভ্রমর কোকিলাদিরূপ সহাস্য আননের শােভার সহিতই তুলনা না হইয়া থাকে। যে বন্দীরাব করিতেছে ও উহা পদ্মলতারূপ সুন্দরীজনে সতত বেষ্টিত সমস্ত ভ্রমর একাগ্ৰমনে কুয়রসের আস্বাদন করিয়া সুদীর্ঘ আছে এবং ইহার নিকটে ভ্রমররূপ শ্রেষ্ঠ পাত্রদিগের সুন্দর গীত আয়ু অতিবাহিত করে, সেই ভ্রমরগণই পরম সৌভাগ্যশালী। হইতেছে, উহা পদ্ময়ের (রণ) অর্থাৎ বিমর্দনরূপ (শে) অর্থাৎ যে সমস্ত ভ্রমর রসাল পূল্পের সৌরভ ও অঙ্কুররস আস্বাম যুজে পরিব্যাপ্ত থাকায় পীতবর্ণ সলিল হইয়াছে। কপূররাশির মত করিয়া বেড়ায়, তাহারাই থ প্রশংসনীয়, তদ্ভিন্ন অপর মধুকরগণ ধলপুস্পধতে ভূষিত, সুতরাং ইহা এই অলভাগের ভূষণস্বরূপ কেবল জাতির সংখ্যাবর্ধনকারী মাত্র। ঐ যে সকল মধুকর মধু হইয়াছে। এই সরোবর সংসঙ্গমের ন্যায় শােভা পাইতেছে, মদে মত্ত হইয়া কমলের উপরে খুন করিয়া বেড়াইতেছে, কারণ সাধুসঙ্গে দুদয় কমল বিমল হইয়া আণিত হয় ও স্বাদু দেখিয়া বােধ হইতেছে, তাহাৱা কেন অ মধুরসাস্বাদে পরিতুষ্ট রসে আপ্লুত হয়, ইহাও নিজ মধ্যভাগে সাধারণ আলাদক, অপর ভূলগণকে উপহাস করিতেছে। (অর্থাৎ তাহাদিগের = নির্বাণ-প্রকরণ-উভয়ঙ্গগ। । নিকটে আমরাই বড় বলিয়া গর্ব করিতেৰে ভ্ৰমৰ এখন সরসী রূপিণ রমণী চারুংসকযুগলে(হংসক নপু, সােবর শশির্ভের ন্যায় কোমল কমলােরে উল্লাসসহকারে স্বচ্ছলভাবে পকেহংস) কেমন শােভা পাইতেছে, উড্ডীয়মান ভ্রমর উহার শয়ন উপবেশন করিয়া গুঞ্জন করিল, হায়। সেই ভ্রমর শিশিরত্ন বিলেল অলকাবলী; সারসপক্ষীর কুজন উহার নুপুরধ্বনি; উপস্থিত হইলে নীরস বকুমে গিয়া মধুর আশায় বিচরণ আবর্ত উহার নাভী; চঞ্চল ভরঙ্গ উহার নয়ন, বিশীর্ণ সলিলবি করিবে। ঐ দেখুন, অপ্রস্ফুটিত মল্লিকা-মুকুলের অগ্রে যে মধুকর উহার হারু মুক্ত, ঐ সরসীরমণ কুমু, কলার উৎপাণি বসিয়া আছে, উহাকে সংর্তা রুদ্রদেব যেন শূলেপরি আরূঢ় কুসুমে বিভূষিতা। কেহ হংসকে সম্বােধন করিয়া বলিতেছে। করিয়া রাখিয়াছেন বলিয়া বোধ হইতেছে। ২১-২৮। কেহ হে হংস। তুমি মগু (জলকাক)বক, কাকপহিংএক পঙ্কিপূর্ণ তৃঙ্গকে সম্বােধন করিয়া বগিতেছে-হে ভূল! তুমি নিখিল সরোবরে সর্বদা একাকী বাস করিও না, গবৎ বিপদে পতিত শৈলস্থ লাভবনে ভ্রমণ করতঃ সৰ্ব্বদা পূপমধু আস্বাদন করিয়া হইয়াও কেহ এরূপ দুৰ্শনের সহিত বাস করিতে ইচ্ছা করে বেড়াইতেছ। অথাপি তােমার আশা মিটিতেছে না, তুমি কেন না, তােমার সমানবয়স্ক, সমানস্বভাব, সমানতাবী আত্মীয়বর্গের এরূপ দুরাশাগ্রস্ত হইলে, অথবা বােধ হয়, ঘুরিয়া ঘুরিয়া এখনও (হংসের সহিত বাস করাই সৰ্ব্বতােভাবে খেয়) এই যে তােমার মনের মত জিনিষ পাও নাই। তাই এত ঘুরিতেছ, ভূত এক্ষণে বড় বড় হন্তীর মন্তকে পদার্পণ করিতেছে, কেবল আর কেহ বলিতেছে, হে কমলাসাগনিপুণ মধুকর। তুমি পদ্মকরেই বাস করিতেছে, পরমানন্দে কার, উৎপল, ফুল, সরোবরে যাও, বদরীকুঞ্জে ঘুরিয়া কমলরসপুষ্ট নিস্বশরীরকে চম্পকালি বিবিধ কুসুমের রসাস্বাদ করিয়া নিজ সৌভাগ্যের কেন বুখা কণ্টকে ক্ষতবিক্ষত করিতেছ। যেমন পণ্ডিত ব্যক্তি। পরিচয় দিতেছে। এই ভ্রমর দৈববশে শীতকাল উপস্থিত হইলে আপনার উপযুক্ত অনুকূল ধনাঢ্য সমাজ না পাইলে বিদ্বান। নীরস লােষ্ট্র ও তৃণ আস্বাদন করিয়া করিয়া জীর্ণ শৰ্ণ বকের ন্যায় ব্যক্তির সংসর্গে থাকিবার আশায় অগত্যা প্রতিকূল ধনঢ্যের' বিচরণ করিবে, হায় কি আশ্চর্য্য। বিপদে পড়িলে মহৎ সন্নিখানে গিয়া অবস্থিতি করেন। সেইরূপ হে মধুকর। তুমি ব্যক্তিরাও অতিদ্বীন ব্যক্তির ন্যায় বিচরণ করিয়া থাকেন। হে হেমন্ত বা শিশির কালে যখন কমল-সংসর্গ না পাইবে, তখন রাজন। হংসপক্ষসঞ্চালনে বিখ্যাত পদ্মনালরূপ গহনে প্রবেশ অগতা অসীপূল্পে, কুবলয়-বনে, বা বিকসিত অমলকুসুমে গিয়া করিয়া, আমি কমলােলরে অবস্থিত হংস শিশুর উচ্চৈঃস্বরে কালযাপন করিবে। হংসশ্রেণী দেখিয়া কোন ভাবুক অনুচর কুজন গুনিয়া মনে করিলাম,-“হংসশিশু বুঝি পিতাকে বলি- রাজাকে সম্বোধন করিয়া কহিতেছে, হে । ঐ দেখুন, হংস- | লেছে যে, হে পিত। তেছে যে, হে পিতঃ। ঐ দেখুন, পদ্মিনী কেমন মূকাবৃষ্টির শ্ৰেী সামগানের ন্যায় মধুর কজন করিতে করিতে সুন্দর লতা- { ন্যায় বারিবিবৰ্ষণ করিতেছে, মধ্যাহ্নকলেও আমার মস্তকোপরি পঙক্তির সন্নিধানে চলিয়াছে, কমলকিন্তু ভােজন করিয়া উহা- তুষারবিন্দু রহিয়াছে, আতপে শুদ্ধ হইয়া যায় নাই। হে রাজন। দের গাভ্রকান্তিও ঠিক কমলকিক্ষের ন্যায় দর্শনীয়া হইয়াছে। (১) এই সরােবরে চন্দ্রের ন্যায় নির্মূলসলিলে নিঃশব্দে যে হংস ঐ দেখুন, কোন হংস প্রিয়তমা পত্নী হংসীকে হারাইয়া আকাশে বিচরণ করিতেছে, ঐ হংসের পক্ষপুটাতে পদ্মিনীনাল তাহার অনুসন্ধান করিতে করিতে কমলদলে অবস্থিত প্রিয়তমার বিকম্পিত হওয়ায় ঐ পদ্মিনীর ব্রহ্মার কমলাসনের ন্যায় সুন্দর প্রতিবিন্স দেখিয়া পাছে প্রিয়তমা জলে পড়িয়া ডুবিয়া যায়, এই প্রফুল্ল কমল হইতে যে মধুময় জবি ইতস্ততঃ বিকীর্ণ হই- আশঙ্কায় দুঃখে মুচ্ছিত হইয়া পড়িতেছে। মহারাজ। এইরূপ তেছে, জলচর বিহ-মীনাদিগণ তাহা তখনই পান করিয়া স্বৈণতা যেন কোন পুরুষের না হয়, দেখুন, ঐ স্ত্রৈণ হংস পাছে ফেলিতেছে। ৩৫-৪৫। প্রিয়তমা ডুবিয়া মরে, এই আশঙ্কায় মুচ্ছিত হইয়া নিজেই জলে সপ্তণশাধিকশত সর্গ সমাপ্ত। ১৯৭ ডুবিয় মরিয়া গেল। ২৯-৩৪। অপর কেহ বলিতেছেন, রাজন। ঐ দেখুন, রাজহংস অবলীলাক্রমে যে কল কূন করিল, বঞ্চ তাহা অষ্টাদশাধিকশততম সর্গ। শতবর্ষেও শিক্ষা করিয়া উঠিতে পারে না। জন্ম, স্থান, আকার, সহচর সহচরগণ যথাক্রমে বলিতে লাগিল। মহারাজ। জাতি, আহার, ব্যবহার সব সমান হইলেও রাজহংসে ও ধংসে দেখুন, এই মিশ্রণ বকপক্ষীর একটামাত্র গুণ এই যে ইহারা পার্থক্য অনেক। ঐ দেখুন, শুক্লপক্ষ কুমুদ কুসুমের ন্যায় ঘোষণা লােককে “প্রাট” “প্রবুট” এই কথা বলিয়া বর্ষাকাল স্মরণ করা- হংস শুক্লপক্ষের উচিত (পূর্ণ ) কুমুদবিকাসী চন্দ্রের ন্যায় ইয়া দেয়। কেহ বককে সম্বোধন করিয়া বলিতেছ, হে লােকের মনােরঞ্জন করিতেছে। ঐ দেখুন, সরােবরে কমলনাল ৰক। তুমি দেখিতে ঠিক হংসের মত, অতএব তুমি মণ্ডর জল ছাড়া হইয়া উপরে উঠিতেছে। কমলনচয় প্রস্ফুটিত সহিত সভাৰ, নৃশংস ব্যবহার ও কর্কশ বাক্য পরিত্যাগ করিয়া রহিয়াছে, এই কমলিনীনিচয়ের নানারূপ ক স্পষ্টই হংস হও। আর কেহ বলিতেছে, হে সুচতুর। যে কমল-সরােবরে যে সমস্ত হংস ক্রীড়া করিতেছে, কোন পক্ষী সকল মৎস্য-ৰধদক্ষ মত, যেখানে মস্তাদি এলচর প্রাণী অধিক উহার সহিত শোভায় তুলনীয় হইতে পারে (২)? ঐ দেখুন, আছে, তাদৃশ জলের মধ্যে পুনঃপুনঃ অবগাহন করিয়া চকু দ্বারা (১) ভগবান নারায়ণের নাভিকমলের কিভােজী স্বয়ং লক্ষ্মীকর্তৃক প্রতিপালিত ব্রহ্মার বাহন হংসশ্রেণ সর্বদা ব্রহ্মার প্রাণায়ামের অভ্যাসে হপদ্বিনী বিকসিত। এবং হৃৎপদুত্রয় কাছে থাকিয়া সামগান কহিতে করিতে বদর লভপংক্তি জয় কালীক্ষের ন্যায় পূর্ণ হইয়াছে, তাদৃশ হয় পদ্মরূপবনে ত্রিতাপত হইয়া পরমানন্দে অবস্থিত পরমহংসদিগের জীবমুক্তি- (২) ঘূঢ়ার্থ-যােগৰলে যাহাদের হৃদয়-পদ্মিনীর লাল উদ্ধীকৃত, সুখরূপ সাম্রাজ্য দেবতাদিগের মধ্যেই বা কে প্রাপ্ত হয়। . চলিয়াছে।
যােগৰাশিৰামায়ণ এছু মৎস্য ধরিয়া ভক্ষণ করিয়াছিল, আজ সেই মনিচয় | ভেচ্ছ, মলিনের পুত্র মলিনই হইয়াছে, জলধর মলিন, ময়ুরও দৈববশতঃ মৃত তিমি মৎস খাইতে গিয়া গলা চিরিয়া যাওয়ায় মরকতমণি-শ্যামল, সুতরাং ময়ুৱকে তাহার পুত্র বলিয়া যােব কুশায় কার হইয়াও তীরে নিশ্চেষ্ট হইয়া বসিয়া আছে, হইবারই কথা। কোন পথিক হরিণ দেখিয়া দয়িতার নয়ন সম্মুখগত অনায়াসল মংস্যও ধরিতে সমর্থ হইতেছে চিন্তা করুত কাষ্ঠপুত্তলিকার জয় নিশ্চল হই বহিয়াছে, বাহু না। এ দিকে আহাদের চরণও ভগ্ন হইয়াছে। দুর্কন পদার্থের দিকে তাহার একেবারে দৃষ্টি নাই। ময়ূর এদিকে ব্যক্তিরা আপনার স্বার্থ সাধনের জন্য কিরুপে পােকহিংসা ভূল হইতে জল পর্যন্তও গ্রহণ করিতেছে না, কিন্তু সর্পগুলিকে করিতে হয়। সে বিষয়ে মদই মগুরু, আমার গুরু) বলপূর্বক ধরিয়া ভােঙন করিতেছে, ইহাতে সর্পের দৌরাত্ম্য এই বলিয়া গণ্ডর প্রশংসা করিতেছে। ১৫। এই বকপক্ষী কি ময়ুরের দৌরাত্ম্য, তাহা আমি বুঝিতে পারি নাই। ময়ুর উদগ্রীব হইয়া নির্মল মনােহর পক্ষ বিস্তার করিয়া বসিয়া আছে, সরােবরের নিকট নত হইয়া এল লইতে হয়, এই আশঙ্কায় দূর হইতে দেখিয়া ইহাকে লােকে হংস বলিয়াই মনে করিতেছে; সঞ্জনের চিত্তের ন্যায় নির্মল অগাধ সমােবর পরিত্যাগ করিয়া যখন এই পক্ষী অৱস হতে শফী ধরিয়া লইয়া উড়িব, মেখনিঃসৃত সলিল পান করিতেছে। ৬-২। মহারা। ঐ তখনই ইহাকে লোকে বক বলিয়া জানিতে পারিবে। এই সরো- দেখুন, ময়ুরগণ পুচ্ছরূপ মেঘজাল বিস্তার করিয়া পুচ্ছান্তিরূপ বরের তটস্থিত বনিতাগণ, এতাবৎ মৎস্য ধরিবার জন্য ব্যস্ত ও সত্বর চন্দ্র বিকশিত করিয়া বর্ষাঋতুর পুত্রের ক্ষায় নৃত্য করিতেছে। বকদিগকে নিশ্চল মৌনব্রত দেখিয়া রাত্রিকাশে কুকৰ্মকারী, এইস্থানে সমুদ্রই তরঙ্গমালা সঞ্চালনে তীরােপরি মুক্তাঙ্গন দিবাভাগে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুনিব্রতধারী ধূর্তদিগের চরিত্র অমণ করিয়া উংক্ষিপ্ত করিয়া চঞ্চলপুচ্ছ ময়ূরদিগকে নৃত্য করাইতেছে।অর্থাৎ বিস্মিত হইতেছে। কোন পৰিকবন্ধু স্বীয় কান্তকে জল হইতে তরঙ্গমালা ও তীরোৎক্ষিপ্ত মুক্তাজাল সন্দর্শন করিয়া ত্ৰত্য বন- পদ্মপূষ্প-চয়নকারিণী গ্রাম কামিনীদিগের দিকে দৃষ্টিপাত করিতে ময়ুরগণ পুচ্ছতরঙ্গ বিস্তার করিয়া নৃত্য করিতেছে। হে চকিত দেখিয়া কহিলেন,—“হে ক্যন্ত। এই যে রমণীগণ কমলচয়ন চাতক। তুমি কেন এরূপ নিদাবসন্তপ্ত হইয়া শুষ্ক কোটরে অতি- করিয়া লইয়া যাইতেছে, তুমি যদি ইহাদিগের সহিত যাইতে ইচ্ছা মান করিয়া বলিয়া আছ, উঠ, তৃণাঙ্কুর ভক্ষণ কর, পঞ্জলে গিয়া কর, তাহা হইলে আমি আর তােমার প্রিয় নই, সুতরাং আমি অলপান কর, কশীকাননে গিয়া বিশ্রাম কর। কেহ ময়ুরকে আর থাকিয়া কি করি, আমি যাই।” হে নরদেব। ঐ দেখুন, সম্বোধন করিয়া বলিতেছে, হে ময়ুর। ঐ যে আকাশে একটা পখিক কুপিত কান্তার এবংবিং কথা শ্রবণ করিয়া, তাহাকে প্রসন্ন পদার্থ উঠিতেছে দেখিতেছ, উহাকে সমুদ্র-সণিপুর্ণ জলধর করিবার নিমিত্ত পথিমধ্যে কুমণভাৱত কেলিনে বিশ্রামার্থ বলিয়া মনে করিও না, উহাকে এই দাবানলদগ্ধ-কানন হইতে প্রার্থনা করিতেছে। ঐ দেখুন, মহারাজ! এক বরবন্দিনী হাব উখিত ধূমরাশি বলিয় জানিও না। যে মেঘ শরৎকালেও ময়ুরকে ভাষ সকোপদৃষ্টি ও হাতপ্রদর্শনপূর্বক পথিককে কি বলিতেছে। জলদান করিয়া পরিতৃপ্ত করিয়াছিল, সে মেষ বর্ষাকালেও বক, মদণ্ড প্রভৃতি হিংস্র জলচর প্রাণীদিগের মুখপণ্ডিতদিগের সরােবরও পুরণ করিতে সমর্থ হয় না, ইহা কখনই সম্ভব নহে ন্যায় কাহারও সহিত কাহারও সম্ভাব নাই। খঞ্জন পক্ষীর চর ক্ষুদ্র লােকেই এইরূপ করিয়া থাকে। ২১-৫। অগ্রে দুর্ভাগ্যপতাকার চায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কীট, কিট কিট করি- উদারচরিত্র মেঘের দৈবাৎ জলদানে বিমুখতা দেখিয়া দুর্জনে তেছে। পক্সলের তীরস্থিত বৃক্ষে বসিয়া ফল বক পক্ষী যেমন পরিহাস করিলে সজ্জন তাহাতে দুঃখিত হন, এইরূপ চিন্তা কৃজন করিয়া উঠিল, অমনি শফী কর্দমকলুষিত অঙ্গজলে করিয়া ময়ূর তৃষ্ণাতুর থাকিয়াই সমস্ত সময় অতিবাহিত ভয়ে স্বামীর বক্ষে নিপতিত হইয়া প্রাণত্যাগ করিয়া বুকের গ্রাস করিতেছে। পূর্বে মেষের টিকনিল সলিল পান করিয়াছে হইতে নিজ হে রক্ষা করিল। যখন প্রাণহানিকর মহাবিপত্তি বলিয়া ময়ুর তৃষ্ণায় কাতর হইয়াও অষ্ণ জল পান করিতে ইচ্ছা ভখুন প্রাণত্যাগ ব্যতীত আর উপায় কি করে না। কেবল জলধরে স্মরণ করিয়া প্রাণধারণ করে, বক, অজগর, মদ প্রভৃতি মাংসাশী জন্তুগণ যে সমস্ত প্রাণীকে একেবারে মরিয়া যায় না, যাহারা গুণবানের নিকটে আশা চর্বণ না করিয়াই গিলিয়া ফেলিতেছে, সেই প্রাণিগণ উহাদিগের করে, তাহাদের পরিশ্রম বা কষ্টও সুখজনক-অর্থাৎ অহারা ভাবী উদরে যেন নিদ্রিত হইয়া রহিয়াছে। আসন্নচর মত, বক, নিশ্চিত আশায় জীবিত থাকে। মুর্থ লােকগণ যেমন গল্প করিয়া বিড়াল, গৃঞ্জ ও সর্প দেখিলে জলচর মংস্যালি প্রাণীদিগের দিন কাটায়, সেইরূপ এই বর্ষাকালে পথিমধ্যে পথিকগণ পরস্পর মনে যে ভয়ের সঞ্চার হয়, সে ভয়ের নিকটে বজ্রপাত-ভও কথাবার্তায় পথম দূর করিতেছে। রান! ঐ দেখুন, কতক- অতি তুচ্ছ; ইহা আমাকে কোন জাতিস্মর পণ্ডিত মৎ অক্ষ গুলি বালিকা সনােৰ হইতে কমল, উৎপল, কুমুদ, মৃণাল, গ্রহণ করিয়া নিয়ে অনুল করিয়া বলিয়াছিলেন। কে পদ্মপত্র ও শীতল সলিল লইয়া যাইতেছে, তাহা দেখিয়া কোন কাহাকে বলিতেছে, ঐ দেখ, সরোবরের তীরস্থ বৃক্ষের তলে পথিক জিজ্ঞাসা করিতেছে, তােমরা কি ইহা লইয়া বাইচ্ছে ? কুমাকীর্ণ হলে যে সকল হরিশ উপবিষ্ট থাৰি চতুর্দিকে উৎপল- তাহাৱা উত্তর দিতেছে, হে পথিক। আমরা বিরহুজুরতা কোন কেতকাদি কুসুম বিকীরণ করিতেছে, তুমি এখন ভূলে শােভা রমণীর সখী, তাহার বিৱহজ্জ্বরের চিকিৎসার জন্যই এ সমস্ত বন রাখিয়া দিয়া ভােমার প্রিয়জনকে ঐ হরিণশােভা দর্শন লইয়া যাইতেছি। সেই বালিকাদিগের উক্ত বাক্য শ্রবণ করিয়া কাও। ময়ুর, উন্নত হয় বলিয়া ইন্দ্রের নিকট অল প্রার্থনা পথিকদিগের স্ব রিক্তা ভাবনা বিলাসবতী কাব্যগণ কৰিছে; মহাত্মাইও ময়ুরের প্রার্থনা পূরণ করিতে বসিয়া স্মৃতিপৰে উদিত হইল। তাহাদের মধ্যে কেহ কে ভাবিতে একেবারে নিখিল মহীকে পূর্ণ করিতেছেন, এই ময়ুরলি লাগিল, হায়! আমাদের সেই কাতাও এই বর্ষাকালে জলধরের স্তনপায়ী শাবকের ন্যায় পশ্চাৎ পচাৎ অনুসরণ করি- বনশ্যামল আকাশ ও অন্ধকার গহন দর্শন করিয়া বিহাল ৬ উপস্থিত হয়, নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তর । উদ্দীপ্ত হওয়ায় নির্মই এইরূপে সখীগণ দ্বারা সেবিত হইতেছে নৌভাৰপ্ৰকাশক শানে উপস্থিত করিয়াছিল। হে কমল- এবং বিলাপ করিতেছে। হায় হায়! কি শীতল বায়ু মধুকপূর্ণ বলে। আমি সেই শ্মশানে, চেরুমান, কতিপয় পান্থকর্তৃক কমলরূপ পাত্রে করিয়া নলিনীর মধু পান করত যেন মত্ত হইয়া চিতায়নে নিক্ষিপ্ত হইয়াছিলাম। পরে উত্ৰ অসমূহের ন্যায় আসিতেছে, তীরস্থিত পাপরাজির পল্লবদলের নৃত্যের সহিত লেখাৰিশিষ্ট, ধূমােলাজটিল, মওমুত্যুর মন্তকস্থিত এসি মুহু মুহু শব্দ করিতে করিতে আমাদের দিকে বহিতেছে; মৃদু চূড়ামণির প্রায় অগ্নিরূপ সুবর্ণের কণামাত্র সৃষ্টিগােচর হইতে, গভীর সাঁ সাঁ শকে যেন নিজের শৈত্য মাস্থ্য ও সৌরভগুণ কুবলয়ভাবৎ কোমল, মূখী, উষ্ণ, কৃষ্ণবর্ণ, দৈৰ্ঘসঙ্কোচ হেতুক কীৰ্ত্তন করিতে করিতে চলিছে। ২৬-৩৭। কুল, ধূষলেখা, মভ বালসলীর ব্যায় আমায় কও নালা- অষ্টাদশাধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১১৮ ছিদ্ররূপ ক্ষুদ্র মহীরজে প্রবেশ করিয়াছিল। হে প্রিয়ে। যেমন বজ্রকায় অজ, ধূপতিত কুশ্রেণী কর্তৃক ছিন্ন হয় না, আমিও সেইরূপ তােমার আকাররূপ অমৃভচ্ছাদিত হইয়া সেই ধূমলেখায় একোনবিংশাধিশততম সর্গ। পীড়িত হই নাই। আর ধূমের কথা কি, ই-গৃহস্থিত তােমায় মুক্তিরূপ মনতরঙ্গিণীতে অবগাহননিবন্ধন আমাকে সেই মৰ্শ- সচরণ কহিল,মহারাজ। ঐ দেখুন, এক পথিক বহু চ্ছেদী দারুণ অখিরাশিও কিছুমাত্র ভাপ দিতে পারে নাই। দিনের পর প্রিয়াকে পাইয়া প্রিয়াব নিকটে নিজের বিরহকালীন হে তৰি। আমি সেই মুচ্ছাকালে ভােমার সহিত, মুচির কাল অবস্থা কীর্তন করিতেছে, পথিক বলিতেছে, হে প্রিয়। তােমার | ব্যাপিয়া এক অনির্বচনীয় লীলাল আনন্দ অনুভব করিয়া বিরহ অবস্থায় আমার এক আশ্চর্য্য ঘটনা আজি তােমার নিকটে ছিলাম, অমৃত হ্রদে বারবার উন্মজন দ্বারা অনুভূত সেই সুখের বলিতেছি, শ্রবণ কর। আমি একদিন তােমার নিকটে দূত সহিত তুলনা করিলে এই বিশাল রাজ্যখকেও মৰ্ম্ম পীড়ার পাঠাইবার নিমিত্ত “কাহাকে দূত করিয়া পাঠাই” তাহা চিন্তা ন্যায় তুচ্ছ বলিয়া বােধ হয়। হে প্রিয়ে। তৎকালানুভূত তােমার করিতে করিতে বলিয়াছিলাম। এই প্রলয়কালসম বিরহ- সেই সম্মিত মধুর বচন, সেই কটাক্ষ, লেই মণিময় একাবলী, সময়ে, মৎপ্রিয়ার নিকট বার্তা প্রদান করিবার জন্ধ আমার নখকতদিচেষ্টা, সেই অতিকালীন মধুশক, সেই চালনাবেগ গৃহে গমন করে, এমন কে আছে ? অথবা এরূপ ব্যক্তিই হেতুক চিত্তধিক্ষেপ সকল স্মরণ করিয়া অ্যাপি আমার অন্তঃ- জগতে দুল্লভ, যিনি সরলতার সহিত পরদুঃখ শান্তির জঙ্গ করণ অমৃতরসালাদে নিমগ্ন হইতেছে। ৬-১৪। হে বালে। নিরন্তর চেষ্টা করিয়া থাকেন। অ,—এই পর্বতশিখরে মদনখের তদনন্তর তোমার সঙ্গমে সুরসু-রসায়ন দ্বারা অত্যন্ত তৃপ্তি ত্যাধু শামী, পরােপকার-রস মে, বিদ্যুৎকাস্তা কর্তৃক নিবন্ধন শ্ৰমাৰ্ত্ত হইয়া আমি শরৎকালীন সুশীতল নিৰ্ম্মল চন্দ্রিকা- আলিঙ্গিত হইয়া অবস্থান করিতেছে। হে ভ্রাত। নভসঞ্চারিন সম্পন্ন শশাঙ্কবিম্বের ন্যায় কোমল শয্যায় শয়ন করিয়াছিলাম। মেষ' তুমি স্বীয় উচিত গুণশালী অস্ত্র, মহেন্দ্ৰচাপ গ্রহণ করিয়া ইত্যবসরে, আমি পক্ষচন্দন শীল-দীর্ঘ শশাঙ্ক হইতে উৎপন্ন মংপত্নীসমীপে গমনন্তর প্রথমতঃ যথারাসিক্ত মন্দ বায়ু দ্বারা অশনির দায় অসম্ভাব্য ও কাল্কিস্থিত বড়বানলের ন্যায় নিজ তাহাকে আশ্বাসিত কর, মুহূর্তের জন্য দয়াপরবশ হইয়া বীর শয্যায় ভীষণ চিতাগ্নি নিরীক্ষণ করিলাম। সহচরগণ কহিতেছে, শব্দে বার্তা প্রদান করিও। যেহেতু মছিরহে অবিরল বাম্পসন্ততি- স্বামীর এই কথা শ্রবণ করি, সেই মূখারমণী হাধ্বনি পুর্ণনয়না বালমৃণাল-কোমল-ত ভঙ্গী, সেই বালিকা তােমর উচ্চারণপূর্বক, গাঢ়ৰৰ্তে মূৰ্জিত হইয়া পতিতা হইল। অনন্তর কঠোর শব্দ শ্রবণ সহ্য করিতে পারি না। হে পয়োধর। সেই সুন্দরীকে তদবপন্না দেখিয়া তাহার স্বামী তাহাকে আমি সদাকাশে চিত্ততুলিকা দ্বারা সেই সুন্দরীর আকৃতি লেখন শীল নলিনল-ভালৱন্ত দ্বারা আশ্বস্ত করিয়া কণ্ঠদেশ ধারণ- করিয়া আলিঙ্গন করিয়াছিলাম, কিন্তু জানিনা এক্ষণে তথা হইতে পূর্বক এই মন্দাগিরিতে অবস্থান করিয়াছিলেন। পুনৰ্ব্বার সেই আমার প্রিয়া কোখায় পলায়ন করিয়াছে। হা প্রিয়ে। মেঘকে ব্যক্তি, সুপ্রিয়ার চিবুক ধারণ করিয়া বে কথা শেষ প্রকাশ এইরূপ বলিতে বলিতে তোমার চিন্তাবশত আমার মতি অত্যন্ত করিয়াছিল, তাহা শ্রবণ করুন। হে প্রিয়ে। আমি কিঞ্চিৎ অস্থির হইয়াছিল এবং মনঃসর অনুপ্রবিষ্ট হওয়ায়, পূর্বাপর যুক্ত হইয়া, যাবৎ “হাহা অগ্নি” এই কথা মাত্র বলিয়াছিলাম , সন্ধানসম্পন্ন আমার সেই স্মৃতিও নষ্ট হইয়াছিল। এবং আমার সেই সময়ের মধ্যে সেই প্রথষ্ট পান্থগণ ঝটিতি খরতর শব্দে শরীর তৎকালে কাষ্ঠকুডেভন্ন মত নিস্পন্দ হইয়াছিল। হায়। সেই চিতা নষ্ট করিয়া দিয়াছিল। তদনন্তর সেই পান্থগণ, দৃসিহ বিরহযন্ত্রণা কি দুঃখজনক, এ জগতে কেহই তাহা সহ্য আমার পুনর্জীবনে হৃষ্ট হইয়, আনন্দে চঞ্চল ভালবাদ্যের করিতে পারে না। ১-৫। জনস্তর আমাকে অবস্থায় পতিত সহিত আমাকে চিত হইতে উত্তোলন করিল, আমার অঙ্গে দেখিয়া পান্থসকল সেই স্কুলে মিলিত হইলে মার্গগামিনী পৰিক মাঙ্গলিক রুমাৰী প্ৰথানপূর্বক গাঢলিঙ্গন করিয়াছিল ও যনি স্বীয় বক্ষস্থলে করাঘাতপূৰ্ব্বক, হা কই”, পৰিক মৃত সকলে আনন্দের সহিত, কলশকে গর্জন, হাম, নৃত্য ও উল্লম্ফন হইল বলিয়া হাহাকার শব্দে ক্রন্দন করিয়াছিল। সেই পথিক যারা সেই স্থান পরিপূর্ণ করিল। অনন্তর, আমি সংহারকারী মণ্ডলের মধ্যে কেহ কেহ মেঘকেও রিস্কার করিয়াছিল। রুজের শরীর বিষমবিনায়কগণাভিমত, ভ, হি ও শব- তদনৰ সেই সকল পান্থগণ, আমার মৃত্যুনি করিয়া জন পরিপূর্ণ শথিল কপালস, সেই শশান সন্দর্শন করিলাম। করিতে করিতে শৰৰচিত গন্তু, পুষ্প, মা প্রভৃতি বচন ১৫২। যে সকল বায়ু, পাৰিকীরণপূর্বক, পাখ বনরাজি করিতে লাগিল এবং কাই সঞ্চয়পূর্বক আমাকে প্রশ্ন করিবার ও সকলে হরিৎকান্তি নষ্ট করিয়াছে ও যে বায়ুর সঞ্চালন দ্বারা অতি ভকিম, অলচিচতাসকলের পট পট শবে শনাল কাগ সাল পর্বত পরিত্যাক্ত হইবে, যে বন্ধু মিলিত = বােগাশি-মায় নীহায় সকলকে ইস্তত বিক্ষিপ্ত করিতেছে এ যে সকল কণিকার বিশিষ্ট হইলেও ইহা সকলের বিকার-ভাজন বায়ু সকলের কেশ বিননপূর্বক আকাশকোষ শশি ঐ পূপ সকল নির্গন্ধ , দূতরাং নির্গুণ অন্তর স্যায় ইহার গণিত শাকার খাবণ করিছে এবং করের ণযোগ্য অস্থি- জা৷ কোন প্রয়ােজন সাধিত হয় না।১-১৯। সকলের অভিঘাত শ কর্তৃক যে সকল বায়ু যোৱব প্রাপ্ত এই অসিত মালক্ষে বিলােল-মঞ্জরীসকল তড়িদাকারে হইতেছে। সেই সকল প্রবল ভীষণ বায়ু সেই শ্মশানে অনবরত শােভিত হওয়ায় চাকদিগের বৃথা অপভ্রান্তি উৎপাদন করি- প্রবাহিত হইতেছিল। আর সেই শ্মশানভূমিতে অনলসংযুক্ত তেছে। এই উন্নত বংশ সকল পত্ৰভূষিত ও দুর্ভেদ্য শ্রেণীবিশিষ্ট চিত। হইতে প্রবাহরূপে নির্গত ধূম ফুলিঙ্গযুক্ত পৰন কর্তৃক, হুইয়া, স্বকান্তি দ্বারা পৰ্বত সকলকে আবৃত করায়, গুণবিশিষ্ট বৃক্ষ সকলের পত্র সকল শুষ্ক হওয়ায়, সেই স্থান অখি, পবন ও মংঘংশের ন্যায় অবস্থিত রহিয়াছে। হেমসানুরূপ আসনেপবিষ্ট ভাস্করের পুত্র সকলের রমণগহর অনুকরণ করিতেছে। যে বাত্যাথিগ্রস্ত, উ অ সকল, হরির ন্যায় তড়িদাচ্ছাদিত স্থান প্রমত্ত শিবা-ৰস প্রভৃতি শকে অতি ভীষণ আর অন্ধ অম্বর ধারণ করিতেছে। আর যে সকল কিংকে প্রবেশ ও কঙ্কালসম্পন্ন শবপরিপূর্ণহওয়ায়, যে স্থান অতিশয় দুর্গন্ধময় নির্গমে ব্যাগ্র পকিসকলের ন্যায়, অমর বাণসকল উপবিষ্ট হইয়াছে, আরও দাহনার্থ আনীত শৰসমূহের বগণের ক্রন্দন রহিয়াছে, সেই কিংশুক যােদ্ধার গায় রক্তাক্ত কলেবর হইয়া শব্দে যে স্থানের দিগন্ত সকল প্রতিধ্বনিত হইতেছে এবং পক্ষি- অবস্থিত রহিয়াছে। মন্দারমঞ্জীর কর্তৃক অরুণিত অন্তোসম্পন্ন সকল কর্তৃক অবরুষ্ট অন্যত্র নিবন্ধ লতাজাল, যে মূলে ভয়ঙ্কর মহে পর্বতের মন্তকে, প্রমত্ত কামী গন্ধর্ব সুপ্ত রহিয়াছে। হে আকাশ ধারণ করিয়াছে, আমি সেই ভীষণ শ্মশান সন্দর্শন রাজ' দেখুন, এই পান্থ সিদ্ধবিদ্যাধরসকল কল্পদ্রুম তরুচ্ছায়ায় করিলাম। সেই শ্মশানের কোনও স্থান চিসঞ্চালিত শিখা বিশ্রাম করণান্তর বীণা প্রভৃতি যন্ত্রের দ্বারা মধুরন্সরে গান করি- কর্তৃক বিস্পষ্ট রূপে প্রকাশিত হইয়াছে, কোন স্থানে মহাকে তেছে। দেখুন, ঐ কল্পবৃক্ষনে প্রতিপল্লবে বিশ্রান্ত, সুর-সুন্দরী সমূহ মহামমযেয় ন্যায় দেখাইতেছে। কোন স্থান রাত্রিকালীন অন্ত সকল গীত ও হা করিতেছে। এই মৃদুমন্দির মন্দরে সেই শৈলবং পৃথিবীর বিরুপ অবস্থিত রহিয়াছে।২৩-২৭। উদার মুনি মদপালের বাস, যে মুনর সেই প্রসিদ্ধ পক্ষিণী একোনবিং ভিকিম সর্গ সমাপ্ত। ১১৯ ভা হইয়া ছিল। আরও সৰ্ব্বঋতুতে কুমালদায়ী বক্ষ- সম্পন্ন মুনিসকলের আশ্রমশ্রেণী দর্শন করুন, যে স্থলে সিংহ, হস্তী, নকুল, সর্প প্রভৃতি পরস্পরবিরােধী সকল স্বভাবসিদ্ধ বিংশত্যধিক পততম সর্গ। ধ্যে অগ করিয়া সুণঃ বাস করিতেছে। সমুদ্রতটস্থ বিক্রমক্রম সংযুক্ত সকলের পল্লব জলবিন্দুকলে সূৰ্যসেব সহচরগণ কহিল -হে কমললােচন। এই হং মিথুন এই প্রতিবিম্বিত হওয়ায় সে লতাসকল অতিশয়রূপে শােভিত রূপ কালাপানন্তর উত্তমাসব পান করিতে প্রবৃত্ত হইল। এই হইয়াছে। যেমন বিলাসিগণের বক্ষস্থলে তরুণীসকল সবিলাসে স্থানে পুষ্পকেশরভূষিত বিবিধ বায়ুসকল, কদলী ও কদলী বৃক্ষ- বিচরণ করে, সেইরূপ রমাণিক্য সকলের আকর স্থানে ভঙ্গ সকলের স্বচ্ছ পুষ্পগুচ্ছসমূহের বিকাস কণানন্তর প্রবাহিত সকল, আবৰ্তমালা দ্বারা পুনঃপুনঃ ক্রীড়া করিতেছে। ১২-২২। হইতেছে। আরও ঐ বায়ুসকল, কান্ত বিক্ষিপ্ত ললনাশকের হে রাজন। নাগলােক স্ত্রী সকলের গমনাগমন হেতুক বিলাসক হইয়া বিবিধ আমােদপরিপূর্ণ হইয়াছে, এবং (ললনা- উৎপন্ন, দিব্যভূষণ-ঝঙ্কারশক ত হইতেছে, শ্রবণ করুন। গণের ) ঘর্ষবিন্দুসকলের শােধনপূর্বক প্রবাহিত হইতেছে। এই স্থান সকল কলিগগুবিভ্রষ্ট মদোন্মত্ত ভ্রমরীর শব্দ পরিপূর্ণ দেখুন, লবণাৰ্ণৰ ৰায়ুসকল কুলাচলসকলের গুহাগৃহে প্রবেশ বলিয়া, ঐরাবতের মানভূমি বলিয়া স্পষ্ট বোধ হইতেছে। করিয়া, ভ্রমণ হেতুক উদ্যত সিংহসমূহের ন্যায়, অসুসংরতে চলের হ্রাসকারী পয়ােনিধির কৃষ্ণান্ত রেখারূপ কৃষ্ণপক্ষে পঙিক্ত মেরু শেখর আক্রমণপূর্বক প্রবাহিত হইতেছে। তমাল ও সকল, বেলাভটে নিবাসভূমির ন্যায়, দেখা যাইতেছে। এই ভাল বক্ষসকলে ভরল শিশুবং দোলায়মান জলকলোলেখিত বনরূপা রমণীই ধা। ইহার পরিমল গন্ধই নিশ্বাসের স্বরূপ, যে সকল বায়ু বাগ্ৰসকলে অবলম্বন করিয়াছে, চঞ্চল ন ছাই শীতকালের স্বরূপ, আর একান্ত সশিত তুষ নয়াস্বরূপ, নভােগীর্ণ পুলি ধূসরবণ সেই মন্দ মারুত উদ্যানে এবং এই রমণী নানাম শােভাসম্পন্ন আর তাহার নবিাস নুপতির ন্যায় বিহুৱ করিতেছে। আর এই বংশবন বিভ্রান্ত সকল ইহাদের অস্ত্রস্বরূপ, নিঝর সফল অমলহান্তের স্বরূপ বন বায়ু, হস্তিনানগর স্ত্রীলােক দ্বারা শিক্ষিত হইয়াই যেন গান এবং আস্তীর্ণ পূপসকল আস্তরণস্বরূপ হইয়াছে। উদাৰুবুদ্ধি করিতে প্রবৃত্ত হইয়াছিল। কণিকার বৃক্ষসকল পনকে ভিজ্ঞ মনুষ্য সকল নন্দনবনে যেরূপ আনন্দ প্রাপ্ত হন, এই নিঃশব্দ র করিয়াছিল বলিয়াই যেন ভর সকল দূর হইতে তাহাকে শুদ্ধ বনভূমিতেও তাহারা সেইরূপ আনন্দ প্রাপ্ত হইয়া পরিত্যাগ করিতেছে। আর এই তাল অম্বের আয় অবস্থিত থাকেন। ২৩৯। রম্য ভূমি সকল, মুনিদিগের বিষয়বিরক্তি বলিয়া যাচকগণকে ফল ওপৰ প্রদানে অক্ষম হইয়াছে। (সেই চিত্ত ও বিবাগির সুরক্তাত্ত এ উভয়কেই হরণ করিতে হেতুক ইহার এই ঔন্নত বৰা) কেন, উন্নত আকুতি' হইলেও পারে। অবিল যে সকল পর্বতের সকল, সলিল যাচকাভিলাষপুরণে সেই উচ্চ বিশ্ব হইয়া থাকে। হে কর্তৃক ধৌত হইয়াছে, সেই সকল পর্বতের পাদপর্বত মান। নিও। অড়াসকলের কেৰল রাগই শােভার সক নূপুৰৰং রসল কর্তৃক শােভিত হইয়া শবিত হই- হইয়া থাকে। দেখুন, ঐ কিংশুক বৃক্ষ কেবল রাগে দ্বারা নৃপ তেছে। পাগ নগবিশ্রান্ত কান্তকালকান্তি-হেমচুড় পলিসকল ডির মত শােভিত হইতেছে। ঐ কলের পুষ্পসকল আচ্ছ নভােমলে দেৰত সকলের ন্যায়, শােভিত হইতেছে। - নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ ৭৫ আরও দেখুন, ভ্রমর এবং যেরূপ ধুময় ফুচম্পক-কাননযুক্ত গম মর্গে ম দের মনই গমন করুক। বশিষ্ঠ কহিলেন- পর্বত জলিত ৰয় স্থায় বায়ুভরে কম্পিত হইতেছে। লােলা অগ্নি তথা বলিয়া সর ঔরূপ সমুদ্রগমন করিবার জন্য খা কোকিলা, করবীরের উৎরূপ দেকম্পক কোকিলকে হইতে প্রস্থান করিলেন, অগ্নি গমন করিলে রজনী উপস্থিত আলিঙ্গন করিয়া গীতালাপ করাইতেছে লৰণসিন্ধুর তটভূমি হইল, কিয়ৎকাল পরে সেই রজনীও অতিবাহিত হই, তদনন্তর সকল উপানপালি রাজসকলের কলকলশব্দে পরিপুর্ণ হইয়া সুর্যদেব উদিত হইলেন এবং তাহাদেরও ধীরার্ণব লক্ষনে হে রাজ। লৰণৰলনিধির পূর্ব, পশ্চিম, উপস্থিত হইল। ১-১৭। উত্তর ও দক্ষিণ দিক হইতে রণভূমিতে আগত নৃপতিসকলকে একবিংশত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১২১। পরাজিত করিয়া স্বৰলে অন করুন। घन भवानब প্রতিদিকে, রক্ষার নিমিত কান্তিপূর্বক অস্ত্র, ও চিরকাল অতুল বিক্রমের সহিত শান্তিপূর্বক শাসন সকল বিস্তার দ্বাবিংশত্যধিকততম সর্গ। বশিষ্ঠ কহিলেন—তাহারা প্রভাতে পৃথিবীর যথাশাস্ত্র বিংশবিকততম সর্গ সমাপ্ত।১২। সমস্ত ব্যবস্থা করিয়া আবিষ্ট দেহের ক্ষয় সামুরাগে শফিমুখ্য- গণকর্তৃক নিষিদ্ধ হইয়া স্বকল হইতে বিরত হইলেন। পরে শোকবদনে এরারুদ্যমান পরিবার সকলকে নিবারণ একবিংশত্যধিকতম সর্গ। করিয়া, দেহহীনতা বশতঃ অভিমন, মাংস, লােভ, ইচ্ছা, বশিষ্ঠ কহিলেন,—অনন্তর এই সকল বিপশ্চিৎ অর্ণবট অভিভব প্রভৃতি পরিত্যাগপূৰ্মক ‘আমরা দিগন্ত দর্শন করিয়া ভূমিতে উপবিষ্ট হইয়া, এই অখিল রাজ্য প্রয়ােজনসম্পন্ন সমুদ্রপার দর্শন হইলে ফিরিয়া আসিব” এই কথা বণিতে করিয়াছিলেন। সে সময়ে তাঁহারা এই স্থানেই যথাক্রমে বলিতে স্বীয় স্বীয় মন্ত্রশক্তি দ্বারা ঈমাতা প্রাপ্ত হইলেও বাসভূমি করিয়া অবস্থান করিয়াছিলেন ও অক্ষতমণ্ডল পাচারণ দ্বারাই সমুদ্রে প্রবিষ্ট হইলেন। সেই বিপশ্চিৎসকল মৰ্যদা সংস্থাপন করিয়াছিলেন। অনন্তর তাঁহাদের অর্থ প্রতিদিকে সমুদ্র-প্রবেশকারী কতিপয় ভৃত্য কর্তৃক অনুগম্যমান প্রতাপবর্ণনা করিবার জন্যই যেন, দেব সমুদ্রমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া পদ দ্বারা সমুদ্রতলে গমন করিতে আরম্ভ করিলেন। হইয়া পাতালে গমন করিলেন। তদনন্তর মেম্বলেখার তাঁহার তরঙ্গজলে ও জলমধ্যে পাবিদ্যাসপুর্বক অমধ্যে চারি স্যায় শ্যামা-খামিনীর বিস্তার দর্শন করিয়া তাঁহারা অব্যাপার চারি জন একৈকতারূপে অবস্থিত ও বিমুক্ত হইয়া গমন করিয়া- সমাপন করিয়া নিজ শয়নে শয়ন করিয়াছিলেন। তাঁহার ছিলেন। শুটস্থিত ভৃত্যগণ তাহাদিগকে সেই সময় পর্যন্ত দর্শন নদীপ্রবাহসমূহের ন্যায় সমুদ্র পর্য্যন্ত আগত হইয়া বিস্ময়- করিতেছিল, যাবৎ তাহারা পাচারুণ সমুদ্রপ্রবেশ করিয়াছিলেন। পচিতে নিমােক্তরূপ চিন্তা করিয়াছিলেন। অহহ। আমরা দেখিতে দেখিতে আঁহারা শরন্মেষের ন্যায় অদৃশ্যতা প্রাপ্ত হইয়া দেবদেব বহ্নির প্রসাদে ও স্বকীয় দিব্যবহনসকলের সাহায্য ও ছিলেন। গনরতনিশ্চয় হন্তিপক কর্তৃক প্রেরিত হইয়া যেমন যত্নে এতদূর পর্য্যন্ত আগত হইয়াছি। এই আয়াদৃশ্য শ্ৰী গজসকল দ্রুত গয়ুন করে, সেইরূপ তাহারাও সমুদ্রে পদ- কি পরিমাণ বিস্তীর্ণা। এই দিকে সমূক্ষকল, তৎপরে দ্বীপভূমি চালন পূর্বক সেই পথে গমন করিয়াছিলেন। আরােহণ ও ও তদনন্তর সর্বসমূদ্রাধিপতি অসুধি বিদ্যমান রহিয়াছে। এই অবরােহণ নিবন্ধন পৰ্ব্বত সমান উন্নতাবনত বরিতরঙ্গ সকলের দিকে দ্বীপ, তদনন্তর অনিধি কি অমীমায় অবস্থিত, না তৎ- শােভা হরণ করায় সে সময় তাহারা ভগৰং মূর্তির মত বিজিত পরেও আবার আছে। এক মায়া কি পরিমাণে কিরূপ ইহা হইয়াছিলেন। তাঁহারা চিরচঞ্চল অভ্রমণ্ডলে প্রবিষ্ট ছত্রের বলিতে পারা যায় না। অতএব আমরা দেবহুতাশনকে প্রাথনা স্যায় শােভমান আর্তসকল মধ্যে তৃণমণ্ডলের স্থায় অনেকক্ষণ করি, তাহার প্রসাদে অক্লেশে দিকুলকলের সীমাভাগও দর্শন ভ্রমণ করিয়াছিলেন। ১৯। বলপ্রভাবে দুর্জয় শাস্ত্রপাণি করিতে পারি। এই চিন্তা করিয়া তাহারা সকলে মিলিত হইয়া সেই বিপশ্চিৎসকল কোনও স্থানে প্রমত্ত করগ্রস্ত হইয়া যথাস্থানে উপবেশনপূর্বক সমস্বরে ভগবান্ হুতাশনকে আহ্বান পুনরায় দেহ প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। তাঁহাৱা জল-কল্লোলবিশ্রান্ত করিয়াছিলেন। অনন্তর ভগবান্ মূর্তিমান অগ্নি দৃষ্টিগোচর হইয়, বায়ুচালিত হইয়া, ক্ষণকালের মধ্যে শত শত যােজন গমন হে পুত্র সকল। অভীষ্ট যন্ত্র প্রার্থনা কর,” এই কাৰশিয়াছিনে। করিয়াছিলেন। উহারা সকলেরূপ মাজে আরােহ। বিপশ্চিৎসকল কহিলেন,-হ নুরের। আমরা এই স্কুলদেহ, করিয়া নিজ রাজ্যস্থ হস্তিসকলের পৃষ্ঠে আরােহণ-ঐ প্রাপ্ত মন্ত্ৰদেহ ও মনের অগষ্য ও পঞ্চভূতাত্মক দৃশ্যের অভযহাতে হইয়াছিলেন। উৰ্ম্মিরূপ শিলাপট সকলের বিঘারণ ও অভিকরণ গমন করিতে পারি ও প্রত্যক্ষবােগ্য, অনুমানযোগ্য ও ভিযােগ্য বিষয়ে পটুতা হেতুক জলাভেদ হইতে তাহাদের নিজামণ বিষয় সকল যাহাতে দর্শন করিতে পারি, আমাদিগকে সেই উত্তম- মরুদ্দীপিত বিহুদ্দীপ্তির দ্যায় বােধ হইয়াছিল। অল রূপ বর প্রদান করিয় কৃতার্থ করুন। আর যে সকল পন্থা মাজৰৎ উর্মিমালা বিখটিত দুইয়া তাহারা বেলাটসমূহের যােগিগম ও যে সকল স্থান কেবল মনােনা , আমার স্কুল স্যায় স্বীয় ধৈৰ্য্য পরিত্যাগ করেন নাই। মক্তবস্থিত মুক্ত- দেহেই বাহাতে সেই সকল স্থানে গমন করিতে পারি তাহা মলিক সফলে তাহাদের মূর্তিসকল প্রতিবিম্বিত হওয়ায়, একটা করুন। আরও যােগগ মার্গমন কালে মৃত্যু আমাদিগকে হইয়াও তাঁহারা পূরুকাত বলিয়া প্রতীয়মান হইয়াছিলেন। আক্রমণ না করে, তাহাও করুন। আর দক্ষিণদিকে সুলশীরা তাঁহারা খেত ফেনপিও সকলের মধ্যে আরোহণ করিয়া বেতপত্ম- - যােবাষ্ঠ-আষায় স্থিত রাজহংসের ন্যায় সম্পন্ন হইয়াছিলেন। ন বিদ্যুতের বিপশ্চিৎ, অনেক মহৎ ও নদী উত্তীর্ণ হইয়া, মহাণ স্থায় ভীষণ বেলালনভূতি অর্ণবর গভীর নিখাসে সেই পর্বত সুবর্ণভূমিতে, সিপাশে শলাকার প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। সমান বিপচিৎসকল কিঞ্চিত্র প্রাপ্ত হয় নাই। অভ্রংলিহ অনন্তর, তিনি শত বৎসর পরে অগির প্রসাদে স্বেই সিদ্ধ কর্তৃক জলময় পড়ে সকলো পতন ও উৎপাতন হেক হারা কখন মুক্ত ইয়া অত্যন্ত আনন্দ প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। পূর্ব বিপশ্চিৎ পাতাল ও কখনসূৰ্যমণ্ডল গমন করিয়াছিলেন। আশঙ্কিতরূপে আট বৎসর কাল নালিকের নিবাসিগণের অধিপতি হইয়াছিলেন। উৎপাতিত বারিবাহপতনৰূপ পটদ্বারা আবৃত হইয়া তাহারা তার কোনও সময়ে পূর্ব স্মৃতি প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। উৎপাত নিধন নিপতিত মেধ-বিতানরে আয় লক্ষিত আর তিনি মেরুর উত্তর করা যানে অনােগণের সহিত হইয়াছিলেন। অকপ কর্তৃক প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত ফল বৎসর কাল বাস করিয়াছিলেন। বিহ সকলের অংশুজালসম্পন্ন মাণিক্য-মুক্তাসমূহ কর্তৃক ও অন্তরাল সলিল- বশীকরণ বিষয়ে তত্ত্ববিৎ পশ্চিম বিপশ্চিৎ পক্ষিকুলারে এক ময় অঙ্গসকলের শুভজলবিন্দু দ্বারা তাঁহাদের শরীরকান্তি পুষ্পের পক্ষিশীর সহিত দশ বর্ষকাল বাস করিয়াছিলেন। স্যায় ভূষিত হইয়াছিল। নব্ৰু-কুলী-ককটাদিব্যাপ্ত আমধ্যে মন্দরী নাম্নী কিন্নরী মন্দরাদ্রির মুহুলতাবিশিষ্ট, মন্দার শুরু সমস্যা বিভ্রান্ত, মকরসমুদায় তাঁহাদের সহচর স্বরূপ হইয়াছিল। নিৰ্ম্মিত গৃহে সেই পলিম বিপশ্চিৎকে একদিন সেবা করিয়াছিল। এইরূপে হারা সমুদ্রে গমন করিয়াছিলেন।১০-২০। আর পূর্ব বিপশ্চিৎ, নারিকেল বন হইতে ক্ষীরােদসমুদ্রের বাবিংশত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১২২। বেলাভূমিতে গমন করিয়া আক্রস্থ কলরবলিনিবাসিনী নন্দনদেবতা অপরাগণের সহিত কামাতুলিত ভাবে বিহার করিয়াছিলেন। ১৮। ত্রয়ােবিংশত্যধিশততম সর্গ। অয়ােৰিংশত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৯৩। বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই সমুদ্রগামী বিপশ্চিৎসকল এইরূপে পাচারণ দ্বারা, দুরূপা অবিদ্যা নিবারণে প্রবৃত্ত হইয়াছিলেন। তাহারা সমুদ্র হইতে দ্বীপ, দ্বীপ ‘ইতে সমুদ্র, গিরিষন সকল চতুর্বিংশত্যধিকশততম সর্গ। ছেদ-ভেদশূন্য হইয়া, লঘুতাহেতুক লঙ্গন করিয়াছিলেন। তদনন্তর, রামচন্দ্র কহিলেন,হে ব্ৰহ্ম। এক চৈবিশিষ্ট, এ শরীর পশ্চিমদিগন্থ দর্শনপ্রান্ত বিপশ্চিং অমরাভিমানী, বিষ্ণুমীন- বিশিষ্ট সেই বিপশ্চিৎচতুষ্টয় পরস্পর একাত্ম হইয়াও কি অন্য কুলোদ্ভব, বিতস্থানদার বাহনরূপ অতিবেগশালী কোনও মীনকর্তৃক নানেচ্ছাসম্পন্ন হইয়াছিলেন। অর্থাৎ জীবাভেদে ইচ্ছাভেদ ভক্ষিত হইয়াছিলেন। সেই বিপশ্চিং ক্ষীরােদগমন করিয়া কিরূপ সম্ভব হয় ? বশিষ্ঠ কহিলেন—একমাত্র সম্বিরূপ তাঁহাকে গ্রাস করিয়াছিল। কিন্তু জীর্ণ করিতে পারে নাই, সেই নাকাশ, অবসৰ্বগ হইলেও স্বয়ংই বিবিধ প্রাপ্ত হইয়া থাকে। হেতুক সে ক্ষীরোদ পরিত্যাগপূর্বক দুদিগন্ত গমন করিয়াছিল, যেমন আত্মা নুপ্ত হইলে অবিদ্যাবশতঃ চিত্ত বিধিত্ব প্রাপ্ত হইয়া আর দ্বিতীয় বিপশ্চিৎ, ইন্দু বার্ণবস্থিত বক্ষনগরে বশীকরণপট থাকে অর্থাৎ এক জীবের অবিদ্যাবশতঃ স্বপ্নে যেরূপ নালা- কোনও এক যক্ষিণ কর্তৃক বশীভূত হইয়া কামুকতা প্রাপ্ত হইয়া দেহাদি কল্পনা হয় ও সেই কলিতদেহে শমিত্র উদাসীনভাব ছিলেন। তৃতীয় বিপণ্ডি, পূদিগগমনে এত হইয়া, গঙ্গার কসনানিবন্ধন নামেচ্ছ। দেখা যায়, সেইরূপ সৃষ্টির প্রথমে ব্ৰহ্মাভিন্ন সমুখের ভেশনকালে গ্ৰসাৰ্থ আগত কোনও মককে, জীব জাগরিত থাকিলেও তাদৃশকৰ্ম্মসত্বে সমন্তই সন্তষ হইতে বলপূৰ্শক ধারণ করিয়া তাহার উদ্ধাদের জন্য গঙ্গায় আনয়ন পারে যেমন দর্পণোদরাকাশে গিরি-ন্যাতি সহিত নিল করিলেন ও সেইস্থানে তাহাকে বিদারণ করিলেন। সেই সময়ে মহাকাশের প্রতিবিম্ব পতিত হয়, সেইরূপ সম্বিনের স্বচ্ছতা তিনি সেই মককে গঙ্গায় পাবৰ্ত্তিত করিয়া কাকুনগরে হেতু নানাত্বতার ন্যায় প্রতীয়মান আত্মা স্বকীয় আত্মার প্রতিবিম্বিত পরিত্যাগ করিয়াছিলেন । আর চতুর্থ বিপশ্চিৎ, উক্ত হইয়া থাকে, যেমন একজাতীয় লৌহময় আশসকল পরস্পর কুরুদেশে দেবীর সহিত ক্রীমান ঈশ্বরের আরাধনা করিয়া। প্রতিবিম্বিত হয়, সেইরূপ মায়ােপাধির বৈচিত্র্য বশত পারমার্থিক অণিমাদি ঐৰ্য্য প্রাপ্ত হইয়া ছিলেন। তিনি সেই ঐশ্বৰ্য চিৎপদার্থ সকল পরস্পর প্রতিবিম্বিত হইয়া থাকে। প্রাপ্তির বলে দিগন্তগ্রস্ত মণ বিষয়ে ভয়শূক্ত হইয়াছিলেন। ভােগ্যপদার্থ যে সময়ে যে চিতের—অর্থাৎ অন্তঃকরণােপহিত এবং সেই ঐশ্বৰ্য্যবলে তিনি মকর প্রভৃতি কর্তৃক গ্রন্ত হইয়াও চৈতন্যের সন্নিষ্ট হয়, তখন সেই বস্তু দ্বারা সেই চিৎই স্বীয় পূনঃপুনঃ সুদেহ প্রাপ্ত অনেক দ্বীপান্তস্থিত কুলাকৃল সকল ভােগ কাৰ্য্য সম্পাদন করিয়া থাকেন, ইহা চিনের স্বভাবসিদ্ধ, অতিক্রম করিয়াছিলেন। সেই পশ্চিম বিপশ্চিংকে হেমচুড় অর্থাৎ যদি কোনও বস্তু বুড়িতে প্রতিবিম্ব না হয়, তবে ভােগই গরুড়পক্ষী স্বীয় পৃষ্ঠে আরােহণ করাইয়া কুণীপে লইয়া সম্পন্ন হয় না। যদি না মিষিদ্ধ হয়, তবে নিয়ত একরূপই গিয়াছিল ও সেই সময়ে তিনি স্বর্ণময় কুশের ন্যায় কান্তি হইয়া থাকে, আর অনানত্ব খনিৰে হেতুক, নাদের সব প্রাপ্ত হইয়া শাপ হইতে মুক্ত হইয়াছিলেন। সেই পূর্ব হইতে পারে না। সুতরাং বা নালা না হইলে ব্যাবহারিক বিপশ্চিৎ ক্রৌঞ্চদ্বীপের কোনও বনহু রাক্ষ কর্তৃক ভকিত বশতঃ নানা বলিয়া প্রতিয়মান হয়, অতএব ব্যাবহারিক ও পারমা- হইয়া তাহার হয় বিদারণপূর্বক পুনরপি বহির্গত হইয়া কিভেদে বর উভয়ক বিরুদ্ধ নহে। এই হেতুক সেই ছিলেন। আর দক্ষিণ বিপশ্চিৎ, কীপে একের শাপে যত বিপশ্চিৎ সকলের মধ্যে যে যে বা যাহার সমানভাবে প্রাপ্ত হইয়া, শতবর্ষের পর মােলখাপ্ত হইয়াছিলেন। উত্তর পূর্বেগত হইয়াছিল, তিনি তখন সেই সেই বিষয় যারা বিশ্ব নির্বা--একৱণ-উত্তরগ। প্রাপ্ত হইয়া তাহাতে আসক্তচিত্ত হইয়াছিলেন। এইরূপ পঞ্চবিংশত্যধিকততম সর্গ। এক দেশ যােগিগণ সমাৎ ব্যাপিয়া সমস্ত কর্মসম্পাদন করেন এবং কালয়ের সকল বিষাই অনুভব করেন। সেই বিপশ্চিৎ বশিষ্ঠ কহিলেন-শান্ত আখ্যবর্ষে প্রাপক্ত জলধায় মহা- গণও ভদ্রপ হইয়া উক্ত কার্য সম্পাদনের সমর্থ হইয়াছিলেন। পর্বতে হরীতকী বনে হরীতকী বুলাকার প্রাপ্ত সেই পূর্ণবিপশ্চিৎ যেমন গৰ্মাৰ্তগণের ফ্রেশনাশক মেঘ মহহেতুক, নানানগরে কী যন্ত্র সদৃশ ভূমিমধ্যগত, শিলাসম্বন্ধি পানীয় পান করিতে গিরি প্রভৃতি ব্যাপিয়া অবস্থানপূর্বক স্বকীয় অংশের যারা করিতে, শাকীপে অবস্থান করিয়াছিলেন। তদনন্তর পাশ্চাত্য সমকালে সৌক্ষালন পটভেন জলবন্ধন শবর্জন প্রভৃতি পূখ বিপশ্চিৎ তদূবৃত্তান্ত শ্রবণান্তর সেই স্কুলে আগমনপূর্বক, শাপল পৃথক্ ক্রিয়া করে ও তলভিমানী জীবও “আমাক সমুদায় মুনিকে প্রসন্ন করিয়াছিলেন ও নিজ বিদ্যারূপ ক্রয় কর্তৃক অনুষ্ঠিত হইতেছে বলিয়া” অনুভব করে, সেইরূপ এস্থলেও অলীয় করুত্ব নষ্ট করিয়া তাহাকে মুক্তিদান করিলেন। এবং উপপত্তি হইতে পারে। অণিমাদি ঐৰ্যশালী ব্যক্তিগণ, সমকাণে পাশ্চাত্য বিপশ্চিৎ শিশিরাধ্য বর্ষে পাষাণত্ব প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। অসংখ্য জগজ্জাত কৰ্মসকল সম্পাদন ও অনুভব করিয়া থাকেন। পরে দক্ষিণ বিপ িগােমাৎসাদি প্রয়ােগ যারা শাপদ পিশা- দেখ, একমাত্র ভগবান্ বি, স্বীয় বাহুচতুষ্টয় ও শরীর দ্বারা চকে প্রসন্ন করিয়া তাহাকে অবিলম্বে মুক্তিদান করিয়াছিলেন। পৃথক্ পৃথক কর্মসম্পাদনপূর্বক জগৎ পালন ও বরাঙ্গনা-সততা পুনরায় পশ্চিম বিপশ্চিং অস্তাচলপার, শিখবে, এক বৎসর করিয়া থাকেন। বহুবহুব্যক্তি যে সময় দুই বাহু দ্বারা অর্থ কাল গােরপিণী পিশাচী কর্তৃক বৃক্ষাকার প্রাপ্ত হইলে দলিশ সংগ্রহ করিয়া থাকেন, সম্ভাবনা হইলে মিলিত সকল বাহ দ্বারা বিপশ্চিং আঁহাকে মুক্ত করিয়া দিলেন। এই স্থানেই কেমক সতত সংগ্রাম করেন। সেইরূপ সেই বিপশ্চিৎ সকল সংবিদায় অর্ধে, আশিকের গিরি বুকে, দক্ষিণ বিপৎি যক্ষতা প্রাপ্ত হইয়াও সেইরূপ সৰ্ব্বদিকে অবস্থিত হইয়া সেই সেই পৃথক হয়ে পুনরায় সেই যক্ষ কর্তৃকই মুক্ত হইয়াছিলেন। এই পথ ব্যবহার সম্পাদন করিয়াছিলেন। তাহারা ভূমিশয্যায় ধাঁনের বৃষকৰে কেশৱাখ্য পর্বতে পূর্ব বিপশ্চিৎ সিংহাকার শয়ন, দ্বীপান্তরে ভেজন, বনরাজিমধ্যে বিহার ও মরুভূমিতে প্রাপ্ত হইয়া পশ্চিম বিপশ্চিং কর্তৃক মুক্ত হইয়াছিলেন। রামচন্দ্র বিচরণ করিয়াছিলেন। আরও গিরি সকলে বাস, সাগর কুক্ষিতে কহিলেন-হে ভগব৷ যােগিগণ একদেশস্থ হইয়াও কালয়ে ভ্রমণ, দ্বীপরাজি সকলে বিশ্রাম ও মেধসমূহে লয় প্রাপ্ত হইয়- সর্বত্র ব্যাপি কিরূপে সকল কার্য সম্পাদন করিয়া থাকেন। ছিলেন। হারা অর্ণমালা, বাত্যা ও জলবীচি সকলের । আমার বোধের জন্য সবিস্তার বর্ণন করুন।১৭। উপরে আবাহণ করিয়াছিলেন এবং পর্বত ও সমুদ্রের তটস্থ বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম। এই জগতে অপ্রবুদ্ধগণের চকে যখন নগরে ক্রীড়া করিয়াছিলেন। পুর্ব বিপশ্চিৎ, যক্ষসম্মােহিত হইয়া ভূতভোভিকারি স্কুলৰন্ত বিদ্যমান রহিয়াছে, তখন বুদ্ধগণের শাকগীপােদর, গিরিটে সপ্তবর্ণকাল বাস করিয়াছিলেন। এই চক্ষে মনোেমাত্র বন্ধু, সর্বত্র সার্থক্রিয়া সম্পন্ন হইবে, তাহাতে ব্যক্তি সাতিশয় পাষাণী পানলার পাষাণত্ব প্রাপ্ত হইয়া সপ্ত- আশ্চর্য্য কি? দৃশ্যের লাশে ভাৰবােৰ সৰ্গাসস্থলে ও প্রলয়কালে জাত্য ভূমির মধ্যে সপ্তম বিকাল যাপন করিয়াছিলেন। ভবিৎ যােগিগণের চলে চিত্র বিদ্যমানতা সামান্য ব্যতিরেকে পশ্চিম বিপশ্চিৎ, পাকবীপস্থ অ-গিরিশিখরস্থ অভ্র-গুহাগৃহে, অনাত্মস্বরূপ জগৎ প্রতিভাসিত হয় না।—অর্থাৎ তাঁহারা সমুদয়ই পিশাচার কর্তৃক একমাস কামুকতা প্রাপ্ত হইয়া বাস করিয়া- চৈময় অবলােকন করিয়া থাকেন। নিরন্তর ত্রি সত্ত্বা ছিলেন। তৎপর, তিনি শান্তভয়াশ্য বর্ষে ভূমিকে কোন সমান্তে অবস্থিত, সর্বের ব্যক্তির পক্ষে, এই জগৎ সর্ব মনির শাপে হরীতকী বৃক্ষাকার প্রাপ্ত হইয়া অৰ্ধাবস্থায় সৰ্ব্বত্ব ও সর্বস্বত্ব বােধ হইয়া থাকে। সর্ব সর্বাঙ্গ ব্যক্তি অবস্থান করিয়াছিলেন। পূৰ্ব বিপশ্চিৎ, এই রৈবতকশৈলে যেখানে যেরুপে যে সময়ে প্রকাশপ্রাপ্ত হন, হে রাম। বল, শিশির নামক বর্বে যক্ষ বশীভূত হইয়া দশরাত্রি সিংহাকার প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কোন সময়ে কোথায় কি প্রকার তঁাহাদের হইয়াছিলেন। তিনি এই পিশাচমায়া শেষ পর্যন্ত এই সেই প্রকাশের বাধ করিতে পারে। যে নাম। অতীত, কাঞ্চনদরীস্থ ভেকের আকার প্রাপ্ত হইয়া দশ বৎসরকাল বাস বর্তমান, ভবিষ্যৎ, স্কুল ও অণুপ্রপঞ্চ তৎকালে তৎকালে করিয়াছিলেন। তিনি হিমাদ্রির উত্তর তটস্থ কৌমার প্রাপ্ত প্রকাশিত আছে। কিন্তু সে সকল কি আমাদের সর্বাত্ময় হইয়া শাকীপন্থ অন্ধ মণ্ডুকাকার হইয়া এক বৎসর কাল বাস মান নাই। সেইরূপ দৃ, অদূর, নিমে, কল ও সেই করিয়াছিলেন। পশ্চিম বিপশ্চিৎ মীচকৰে বিদ্যাধর- মরীচকবর্ষে বিদ্যার অতীতাদি প্রপঞ্চসকল সামান্যস্বরূপ পরিত্যাগ করেন। মায়ামমাহিত হই বিদ্যারত্ব প্রাপ্ত হইয়া বাস করিয়াছিলেন। দেখ, অজাত, অনিষ্ট যথাস্থানস্থত মায়া এপঞ্চপল, সেই সৰ্বাস আর সুরতক্লিষ্ট মহাদেবের শেভাতিশয় সহকারে চঞ্চল অঙ্গ স্বরূপেই অবস্থান করিতেছে। সেই হেতু এই অগত্ৰয় বিজ্ঞান লেখার ক্রমােত শীকরসংসৃষ্ট এলালত সঞ্চরণনিবন্ধন অতি ধনস্বরূপ, সর্বাত্মা ব্ৰহ্ম আকাশত্ব বাসনা করিয়া—অর্থাৎ নিজসন্তু সুরভি, বেলাবনস্থ সমীরণই সেই কালে তাহার আশ্রয়স্বরূপ দ্বারা তাহাকে অনুগৃহীত করিয়া, আকাশস্থিত হইয়াছেন। হইয়াছিল।১১২৪। মায়াখল শাত্মা, এই জগতে এইভাবাপন্ন হইয়া জগৎ- রূপে উদিত হইয়াছেন। তিনি এই বিশ্বের আজ, দৃ ও চতুর্বিংশত্যধিক শততম সর্গ সমাপ্ত। ২৪। বপুস্বরূপ;এ নিমিত্ত কোনও স্থানে কোল্যক্তি যারা তাহার জ্ঞান নিলে (ইতে পারে না।—১৬। হে অজ্ঞ। সায় আসারূপ ব্যক্তি কি স আছে, অর্থাৎ কিই অসাধ্য নাই। সেই হেতু, এক ঈর ভৈঙ্গের উপাধির নানার '।
বােগণিষ্ঠ-রামায়ণ ভঃ একভাবাপন্ন টিতে এভাবে সেই বিশষি সকলের সকল আর অাস না আমি, হােলিতে আত্মাভিমান যাও, বিষয়ে সর্বার্থ সিদ্ধি হইয়াছিল। এবােধাদুগামিনী শাএাপ্ত রূপান্তর গত চার্বাকু নৈয়ায়িক, সাস্থ্য, বৌদ্ধ, কাল প্রভৃতি ঈর চিতি এক হইবে, তাহাতে সকল বিষয়ে সর্বকার্যে পতিগণ, বেতিগণ কক পরাজয় প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। সংযােগ হইতে পারে অর্থাৎ বােধণবল অঞ্চলে কিছুই অসাধ্য জীবন্মুক্তগণের সেবাদি কথন স্বভাব বশতঃ হয় না, তাহাদের উক্ত নাই। পরম বােগ্রাপ্ত ঈশ্বৰচিত্রি পদার্থালত বুই বটে। দেহাদি মৃত হইয়াও মৃত হয় না এবং ক্রন্দন করিলেও ব্রন্দন কিঞ্চিৎ বােমএবি সেই চিভিন্ন সে সিদ্ধতাও উচিত, এইরূপে করে না। জীবন্মুক্ত মহােদয় হা করিলেও হা করেন না, সেই সেই বিলকিৎসকল সৰ্বদিক্ গত হইয়াও, সকলেই স্পরের প্রশিকল বীতরাগ হইয়াও সরাগ, কোণ হইলেও ক্রুদ্ধ ব্যাপাৱসৰল অবগত হইয়াছিলেন ও পরস্পর গলি, অনুভব, হইয়া থাকে, মােহশূন্য হইয়াও মুগ্ধ হইয়া থাকেন। যেমন সটে চিকিৎসা প্রভৃতি সম্পন্ন করিয়াছিলেন। যদি বাে- ভােমার্গ হইতে পণ অত্যন্ত দূরে অবস্থান করে, সেইরূপ কাসকীয় রূপ হইতে বিদ্যুৎহ, তবে যথান্বিত ভাবে সুস্থিত তাঁহাদের নিকট “এই সুখ এই দুখ” ইত্যাদিরূপ কল্পনা দূরে ব্যক্তি স্বভাব প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। রামচ কহিলেন,-হে অবস্থান করে। যাহাদের অগদা জাস্বরূপ ও অজনবিহীন ব্ৰহ্মন। দিকসকলের ঈধ্যে সেই বিপশ্চিৎসকল প্রবুদ্ধ হইয়াও, এবং সর্বত্র একরস ব্ৰহ্মমাত্রে বিদ্যামান, সেই সকল জীবমুক্তের কেন সিংহ-বৃষাণিরূপ প্রাপ্ত হইয়াছিলেন, তাহা কােষের জন্য সুখদুঃখের অন্তি আকাশবিটপি-বিটপের ব্যায় অসম্ভব। যথাযথ বর্ণন করুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, হে রাম! আমি প্রসঙ্গ- ৩৬-৪৩। অম্বিত জীবন্মুক্তসকল শােক হইয়াও শােক ক্রমে, বিপশ্চিৎসকলের প্রবুদ্ধত্ব কীৰ্ত্তন করিছি, কিন্তু বাস্ত প্রাপ্ত হইয়া থাকে, সেই তফশিগণের কেবল অচ্ছিন্ন, অদ্বিতীয় বিক তাহারা প্রবুদ্ধ ছিলেন না। হে মহাবাহহ! সেই বিপশ্চিৎ- আতাবত্র দেখিতে পাওয়া যায়। মহাদেব, স্বীয় নখ-হারে সকল নিপূণরূপে প্রবুদ্ধ হন নই, তাঁহারা বােধ দর্শনয়ের প্রজাপতি ব্রহ্মার অমুজের স্যার মনােহর, উচ্চৈঃস্বরে সামগান- মধ্যে দোলায়িতভাবে অবস্থিত ছিলেন,মােরুচি ও বন্ধচিহ্ন এল একটা মস্তক, অবলীলাক্রমে ছেদন করিয়াছিলেন। আর উই ধারণ করিয়াছিলেন এবং সেই নিত্য প্রবুদ্ধ তাহা- ব্রহ্মা সেই মন্তকের পুনর্যেজনক্ষম হইয়াও তাহার আর দের লােলায়িত চিত্ততা বশত এর দ্বারা যােগিত্ব প্রাপ্ত উৎপাদন করেন নাই। প্রজাপতি ব্রহ্মা, আকাশবং মিথ্যাভূত হইয়াছিলেন; কিন্তু ব্ৰহ্ম প্রাপ্ত হন নাই। ১৭-২৬। তাঁহারা অজয় মস্তকের প্রয়ােজনশূন্যতা দেখিয়াই তদ্বিষয়ে বিব্রত হইয়া কারণ আরা যোগিত্ব প্রাপ্ত হইয়াছিলেন, কিন্তু অবিদ্যাবিহীন ছিলেন। যে বিষয় যে একান্তে সম্পন্ন হয়, তাহা সেই প্রকারেই প্রকৃত যােগি প্রাপ্ত হন নাই। হে নলিনয়ন রাম। সেই সম্পন্ন হউক, ই সাধনে প্রয়ােজন কি? যেমন দুগ্ধ সমু-নুপ্ত বােগিগণ কি কখন বি এন করেন? ইছারা কেবল অমৃতকলা ধারণ করে, সেইরূপ মহাদেব অনুগৃহীত মদন হইতে ধারণাৰােগী ; অগ্নির কয়ে, সিএিাও হইয়াছিলেন, কিন্তু অবিদ্যা হরিণশাবাক্ষী দুর্গাকে অর্ধাঙ্গে ধারণ করেন ও নিগৃহীত মান সংগক্ত ছিলেন বলি আত্মজ্ঞান লাভ করিতে সমর্থ হন নাই। হইতে সমাধিকালীন অশ্রু ধারণ করেন। এই উত্তমাশয় মহাদেব হে রাম! জীবন্মুক্ত প্রাণিসকলের অপর প্রকার প্রবণকারী সমর্থ হইলেও রাগিতা পরিত্যাগ করেন নাই। মদনদহন-সময়ে সাধির পর বুখ্যানকালেই আঁহায়ের পদার্থান্তরের জ্ঞান হয় হাতে নারীগত গুণ পরিদৃষ্ট হইয়াছিল। (ইহারা জীবন্মুক্ত আর চোেধর্ম নাে, সর্বদা তাহাদের সমাহিঙচিত্তে অবস্থান সুং উক্ত জীবমুক্তির ব্যাপারসকল অধ্যাপভাবে সম্পাদন রে, কিন্তু সেই মােক্ষ দেহভাবাপন্ন বুখানকালে অবস্থিত হয় করেন) জীবন্মুক্ত ব্যক্তির ইহকালে কৃত ও অকৃত বিষয়ে কোনও ন। দেহভাবাপন্ন ব্যবহারে জীবন্মুক্ত শরীর কখনও বিবর্তিত প্রয়ােজন নাই। আরও সপ্রাণিগণ মধ্যেও তাঁহাদের কোনও হয় না। (এই নিমিত্ত বুখানে পদার্থান্তর জ্ঞান হয়); কিন্তু রূপ এয়ােজন লাভ নাই। এই জীবন্মুক্তগণ, রাগিতা ও অগিতা তাদের সেই নির্মুক্তচিত্ত পুনরায় আর বন্ধ হয় না। দেখ, এই দুই বিষয়েই কোনরূপ প্রয়ােজন বােধ করেন না। যাই যে বুচুত ফলকে পুল্লায় কে বদ্ধ করিতে পারে। জীবন্মুক্ত ব্যক্তি একান্তে সম্পন্ন হয়, সে বিষয় সে প্রকারই সম্পন্ন করেন। জনার্দন গয়ে দেই, দে ধরা গৃহীত হয়, কিন্তু আঁহাদের চিত্ত জীবন্ধুত, স্বয়ং কার্য করেন, অপরকে কাৰ্য সম্পাদন করান। পৰ্বতৰং নিশ্চল হইয়া অবস্থান করে। নােক, থারণাদির তার লীলাসরণের এ অপরের নিকট মৃত হন ও অত্র এন্মগ্রহণ পায়ে নহে, মাদি আস্বাদ সৌধ্যে আয়, কেবল আত্ম ও বুপ্তি হইয়া থাকেন। এই জীবন্মুক্ত সমর্থ হইলেও সৰদ। স্বানুভূতি আ, মনােথ সুখ-দুঃখাদি সংযুক্ত প্রাণিকৰ্ম্মৰণােগগত আজব ও বীভাব ত্যাগ করেন না। আর হইয়া, স্বয়ং ৰহ্মানুভুতিমান হন ও সেই মনের মুক্তিতে মুনি এই সকল বিষয়ত্যাগ করিলেই বা তাহার অতি বৃদ্ধি কি ? সেই বলিয়া উক্ত ইয়া কেন। অচিন্ত ব্যক্তিই মূর্তিমান হেতু নিরন্তন হইয়া অবস্থান করেন। দেখ, ভগবান্ শুদ্ধ বলিয়া উক্ত হন; সপ্তটিভেই বন্ধ অবস্থান করে। ২৭৩৫। চিত্রকল্প হরি ইচ্ছা হইয়াও অবস্থান করেন। সূৰ্য- শরীর খশঃ ছেদ কৰিলে অথবা রাজ্যে নিয়ােজিত সেই বক্স দেখা দেয়, অগগৃহের নভােজনে কালকরূপ হইয়া আপনাকে যায় না—অর্থৎ বন্ধ চিত্তগত, বেংগত নহে। এই জগতে জীবন্মুক্ত অ নিতা আন্দোলিত করিতেছেন। সেই আদিত্যদেব, মভি অন বা হাত কৰিলে দেহপ্রযুক্ত সুখ তাঁহালের নিবিচ্ছ ও জীবন্মুক্ত হইয়াও স্বকীয়সহ নিয়ােধ করিতে না অন্তর্গত হয় না। অনেক সয়ে দেবে গুছতি গ্রহণ পারিয়া যথাবিবে অবস্থিত আছেন। চত্র কলস্তাবধি করিও, ই সকলে, আমি ধী, আমি দুী, এই মা বিন লাগে আক্রান্ত রহিয়াছেন। তিনি কেবল স্বকীয় আত্মীয় পৰসিত হয় বলিয়া উক্ত ব্যাপারুসমূহ, সেই জীবনূহেতুক ঘখিতভাবে অবস্থিত আছেন। জীবন্মুক্ত আঘাতে ঐরুপ করিয়া থাকে, হােলিতে হয় না। এ অগিও স্থায়িত হইয়াৰঞ্জীয় হ্য, শিৰী শ্ৰাস প্রভৃতি নির্বাণ-এৱণ উলঙ্গ ৭১ খেদজাল বহন করিতেছেন। লােকরু শুক্র ও বৃহস্পতি পরিপূর্ণ সমুদ্র প্রভৃতি ভ্রমণ করিয়া তাহার কি করিয়া- জীবন্মুক্ত হইয়াও বহুশ বিজগিয়া অবলম্বনপূর্বক কণবৎ অবস্থান নিলেন, ভবণ কর। এক বিপশ্চিৎ ক্রোফীপ পর্বতের পশ্চিম করিতেছেন। মহামুলি জীবমুক্ত জনক রাজকার্য সম্পাগলপূর্বক, ভটে কট কর্তৃক, এভ্রিতটে হভিললিত মালায় স্থায় পিষ্ট হইয়া এই জগতে অনেক উগ্র যুদ্ধক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত হইতেছেন। ছিলেন। দ্বিতীয় বিপশ্চিৎ, রাক্ষসকর্তৃক শুনে নীত হইয়া ৪৪-৫৯। নল, মান্ধাতা, সাগর, দিলীপ ও নহৰ প্রভৃতি রাজল কত বিক্ষত হইয়াছিলেন। অন্তর তিনি বাড়বামিতে পতিত হইয়া জীবন্মুক্ত হইয়াও তুলিয়ে স্থায় বহাল রাজত্ব করিয়াছেন। ভস্মীভূত হইয়াছিলেন। তৃতীয় বিপশ্চিমকে বিদ্যাধর ই- অঙ্ক ও পণ্ডিত এ উভয়ের ব্যবহার সমান, তবে বাসনা ও নির্বা- সভায় লইয়া গিয়াছিল, তিনি সেলে গমনান ইত্যকে প্রণাম সনাই ইহাদের বন্ধমোক্ষের কারণ হইয়া থাকে। বলি, প্রলাপ, না করায়, তাহার শাপে ভস্মীভূত হইয়াছিলেন। চতুর্থ বিপশ্চিৎ নমুচি, পুত্র ও অন্ধক প্রভৃতি অসুরগণ জীবন্মুক্ত ও বীতরাগ কুশীপ-গিরিভটে গমনকালে নীভটখিত এক মকর কর্তৃক হইও, সরাগের ন্যায় ব্যবহার করিয়াছিলেন। অতএব জীব দেহ হইয়াছিলেন। এইরূপ বেন লান্তকালে চকুপ্রকায় মুক্তের চিদাকাশের প্রতি লক্ষ্যস্থাপনপূর্বক রাগকােষের ক্ষয়- লােকপাল সকল বিনাশ প্রাপ্ত হন, সেইরূপ সেই আকুলার উদয়ে অথবা সচ্চরিত্রত্ব ও অসচ্চরিত্রত্ব হইলেও আবির্ভূত স্বরূপ চারিজন নৃপতি বিপশ্চিৎ পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। অনন্তর সেই মােক ভবিষয়ে কোনও সংশ্রব থাকে না। যে সকল মুক্ত বিপচিৎগণের সংবিৎ প্রাক্তন সংস্কার বা কোমরূপা হইয়া ব্ৰহ্মকাশৰৎ শুদ্ধ জ্ঞান দ্বারা জীবসকলকে (স্বগত চিদাভাসকে, পূর্ববং অবনীমণ্ডল দর্শন করিয়াছিলেন। যে অবনীমণ্ডলের সঞ্চ অয় ব্ৰহ্মাকাশ তুল্য করিয়া লাভ করেন, সেই সকল জীবন্মুক্তের দ্বীপ ও সমুদ্র বলয়রূপ হইয়াছে ও পক্তসকল ভুণের ন্যায় ভেদবুদ্ধি কেন উদিত হইবে। যেমন ভাস্বর আভাসমাত্র ইন্দ্রধনু হইয়াছে। সুশলের শিলেশ আঁহার আপনশ্বরূপ, আয়তাকার হইয়া নানামিয় দেখা যায়, সেইরূপ এই দৃশ্যজগতও ব্ৰহ্মলোেক আঁহার শিরােমণির স্বরূপ, চন্দ্র ও অবিশ্ব ধাহার জীবমুক্তের ভ্রমমাত্র বলিয়া প্রতীতি হইয়া থাকে। যেমন নভো নয়নস্বরূপ হইয়াছে, নকল হার মুক্তাকলাপম্বরূপ, জনস্থ শত্রুপে মিথ্যা নানা বর্ণময় দেখা যায়, সেইরূপ ব্ৰহ্মাণ্ডরূপ চঞ্চমমধ যাহার বসনম্বরূপ, এবং নানান যাহার অবলম্বরূপ পরমাণসকল মিথ্যা হইলেও প্রকাশ পাইতেছে। যেমন আকা- হইয়াছে, সেই চিদাজা সেই ভূমণ্ডল দর্শন করিলেন। এইরূপে শের শুন্যত্ব অজাত ও অনিরুদ্ধ হইলেও প্রকাশ পাইতেছে, সেই- ভ্রমণ করিতে করিতে সেই সকল বিপশ্চিতের সংবিৎ সেই চতুর্থ রূপ এই জগৎ অসং হইয়াও সম্বর ন্যায় প্রতীয়মান হইতেছে। দেহকে দেখিতে পাইয়াছিলেন। যেমন সর্গান্তকালে, হলােক এই জগৎ আন্তবিশিষ্ট হইলেও আদ্যন্তবিহীন, অণু হইলেও বিস্তৃত দিও সকলকে দর্শন করেন, সেই বোনের স্থায় জাভ হইলেও অজাত ও অনষ্ট হইলেও বস্তুত নই। এই চিদাম্বার, আকাণাত্মক বিপশ্চিৎ সকল, মানস-প্রতিভাত্রের জগতের জন্ম ও বিনাশ হউক, কিন্তু ইহা সুচির প্রকাশমান ব্ৰহ্মা- বিষয়ে প্রতিভাসিক দেহের, আধিভৌতিক দেহজনিত স্বেীল্যভাব- কাশ ব্যতীত অতিরিক্ত নহে, যেমন পারুময় ভণ্ড হইতে ভৱিৰ্ষিত সকল, অগ্রে দেখিতে পাইয়াছিল; সেই বিপশ্চিৎ চতুষ্টয় এইরূপ পূলিকা অতিরিক্ত নহে। সমাধিকর্তৃক সমন্ত কলনােক্ত হইয়া নিশ্চিত দেহের অজ্ঞাত আত্মভাব হইলে পর এই দৃশ্য পৃথ্যিাদি নিদ্রাবিহীন আত্মতত্বে অবস্থিত হইলে যেরূপ একান্ত চিতাস রূপা, বিদ্যা কি পরিম, তাহা জানিৰায় অন্য পুরপ্রবৃত্ত হইল। দৃষ্ট হয়, তাহাই জগতের স্বরূপ; এবং অসমাধিকালেও শাখাচল তাহারা দৃশ্য ও দর্শনের মধ্যে উৎকীর্ণমগুলরূপ অনুভবাকৃতি দর্শনকালে বুদ্ধিবৃত্তির শাখানো হইতে চন্দ্ৰদেশ প্রাপ্তির মধ্যে অবিদ্যার অস্থিতি জনির জীপান্তরসকল ভ্রমণ করিতে নির্বিষয়স্থান-প্রকাশিত চে-স্যের স্বরূপই জগৎ। সেইরূপ লাগিলেন। পশ্চিম বিঞ্চিৎ স মহাসমুজের সহিত সন্তীপ চিদাত্মায় যে মৈতবিশেষরূপ ঐক্য ও সামান্যরূপ ঐক্য প্রকাশ উলঙ্গনপূর্বক ধনভুমিতে একে এপ্ত হইয়াছিলেন। তিনি পায়, তাহা সেই চিমাকাশের স্বভাবতঃ অভাব বলিয়া বিবেচনা সেই দিগন্তরে সেই পুরুষ হতে অনুপম জ্ঞানলাভ করিও করি, এবং কেবল তাহা শূন্য ইহাও নয়, যেহেতু পূর্ণানকৈরলে সেই সমাধানেই পঞ্চ বর্ষায় স্বচিত্তে বা প্রাপ্ত হইলেন সূত্বও থাকিতে পারে না। এই জগদাকাশ আত্মীয় স্বরূপ, অথবা তিনি দেহভাৰ পরিত্যাগপূর্বক চিত্তে সমাএরূপ প্রাপ্তনন্তর আত্মতে অবস্থিত—যেমন ভবিষ্যংপুর কৃষ্ট লইলেও প্রকাশিত ও পরম নিৰ্বাণলাভ করিলেন। যেমন তাঁহার প্রাণবায়ু অপূর্ব অপ্রকাশিত হইলেও দৃষ্ট হইয়া থাকে। হে আকাশকোষসদৃশ আকাশ প্রাপ্ত হইয়াছিল। পুৰ্ব্ব বিপশ্চিৎ, স্বীয় শরীরকে পার্বণ বিশুদ্ধাশয় রামচন্দ্র। এই ৰে দৃশ্যজাত শিলাখনের আয়, ব্রহ্মম্বরূপ চন্দ্রমণ্ডলপান্বিত বলিয়া চিন্তা করিতে করিতে, বহুদিনের হইয়া মৌন রহিয়াছে, তাহার স্বকীয় আত্মাই জগং এই পর দেহত্যাগপূর্বক চন্দ্রপুরে অবস্থান করিয়াছিলেন। দক্ষিণ অভিথান বিধান করিয়া এই সকল জীবণ মােহিভের আয় বিপশ্চিৎ শাল্মলিখীপে, সমস্ত শক্রমণ্ডল ধ্বংসানন্ত, অদ্যাপি অবস্থিত রহিয়াছে। অহহ মামার কি আশ্চর্য প্রভাব। ৭৪। কাজ করিতেন। তিনি পরমা লাভ করিলেও বা পঞ্চবিংশত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১২৫। ব্যাপারসকল বিষ্মত হন নাই।১১-১৯। উত্তর বিপশ্চিৎ, তরক্ষালিত কলাপৰ সৰ সমুদ্রের মধ্যে দিত এক একরের ঙে সত্ৰ ৰস ৰাঙ্গ কমিছিলেন, তিনি বড়বিংশত্যধিকততম সর্গ। একরের উর এবিষ্ট হইয়া তাহার মাংসভ করিয়াছিলেন এমন কহিলেন- মুনিশ্রেষ্ঠ। সেই সকল বিপশ্চিৎ বলি, সেই মকশ্রেষ্ঠ ২ হইয়াছিল। তৎপরে তিনি সেই শীপসমূ-খন-পর্বতবিশিষ্ট সেই দিগন্তে কি করিতে করিতে মরগর্ভ হইতে অব্ধিনির্গত মকরের আয় বহির্গত হইয়াছিলেন। অবস্থান করিয়াছিলেন। বণিঠ কহিলেন-আল-মালমালা- ভগনস্তর হিমক এলবিশিষ্ট, স্বাদুসমুদ্রের অবশিষ্ট অশীতি ৭৪০ মােগঠি-রামায়ণ। । বােজন উল্লঙ্গনপূর্বক বিশালােদরী নারণ্য সম্পন্ন শসহ দিবা-রাত্রি অপ্রতিহত, তাহাদের দৃষ্টিতে সর্বদাই প্রকাশ, যােজশান্তস্থিত সুবর্ণনির্মিত দেবগম মহামহী প্রাপ্ত এবং জাত্যগণের দৃষ্টিতে সর্বদাই অপ্রকাশ স্বরূপ হইয়া বুদ্ধ- হইয়া লােকালেক পর্বতে গমন করিয়াছিলেন। যেমন অগ্নি- বচ্ছিন্ন চৈতন্য অবস্থান করিতেছে। সদসং ৰাদিগণের চিন্তুাণ- মধ্যস্থ কাষ্ঠ তৎক্ষণাৎ উত্তমাখিতা লাভ করে, সেইরূপ তিনিও নুসারে অবিখণ্ডিত তারাচক্র ও মহী সৎ-অসংরুপে ভাণ পায়, সেই ভূমিতে উপস্থিত হইয়া দেবত্ব প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। তিনি এই মহী লোকালেক পৰ্যন্ত ব্যপিয়া রহিয়াছে। প্রধান দেবতা হইয়া ভূমণ্ডলরূপ বৃক্ষের আলবালস্বরুপ লােকা- কেপ গর্ত আছে, সেই স্থান একাৰ্ণৰাকার মহত্তম ব্যপ্ত, কিন্তু লােক পর্নতে গমন করিয়াছিলেন। এই লােফালােক পর্বতের লােকালোকের শৃঙ্গয়ন্তরালপ্রদেশে ঈষৎ' গৌরালােকের প্রবণও প্রথমভাগ পঞ্চাশৎযোজন বিস্তৃত এবং সূর্যালােকও মনুষ্য- আছে। নক্ষত্ৰচক্র অত্যন্ত দূরে আছে এবং মহাগিরিও করা- সকলের আচার-ব্যবহার কর্তৃক সম্পন্ন, ইতর নহে। সেই লাকার , সুতরাং একভাগে তমঃ ও অধিত্যকা পর্যন্ত কোন দেশে বিপশ্চিৎ লােকালােক পর্বতের শিখরদেশ প্রাপ্ত হইয়া, তারকা- তেজও আছে, এই জন্যই ইহার লোকালেক নাম হইয়াছে। মার্গে অবস্থিত হইলে, অধঃস্থিত জনসকলের উচ্চক্ষত্র বলিয়া লােকালােক পর্বতের পারে স্থিত আকাশমণ্ডল হইতে দশদিকেই ভ্রান্তি হইয়াছিল। হে রাম! সেই মহাগিরির পরাগ অন্ধকার সুদরে ঋক্ষচক্র পরিভ্রমণ করিতেছে। সেই মহাথরে পাল পরিপূর্ণ আর চতুর্দিকে পরিখাকার গর্ত বিশিষ্ট ও আকাশের হইতে দৌপৰ্যন্ত ঋজচক্র রহিয়াছে। সৰ্বোর্থ ধ্রুব ব্যতিরিক্ত ন্যায় প্রাণিশূন্য এবং যােজবিস্তৃত। তৎপরে এই তৎপরে এই অন্য সমস্তই ভ্রমণ করিতেছে। এই নক্ষত্রমণ্ডল পাতাল সহিত বর্তুলাকুতি ভূলোক সমাপ্ত হইযাছে, আর তৎপরস্থান কেবল সমুনয় ভূলোক প্রদক্ষিণ করিতেছে। সেই প্রদক্ষিণও চিৎকল্পনা পরিখাবিশিষ্ট অন্ধকারময় ও আকাশবং শূন্য। হে রামচন্দ্র । হইতে অদ্য নহে। লােকালােক ও ভূর্ণে'কের দ্বিগুণ আকাশ মেইলে এরকল তমাল বৃক্ষের ন্যায় নােন্তরালে কেবল পথে অনন্তর পৰু আৰেট ফলের বীজ সাবাবণভাগের স্মাৰ নীলবর্ণ অন্ধকারই রহিয়াছে। তথায় মহীও নাই, জঙ্গমাদি নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থান করিতেছে। বিস্তত্ব সদৃশ স্থিতিমা দশ প্রাণিজাতও নাই, কোনরূপ আশ্রয়ও নাই এবং কখনও কোনও দিকে ঋক্ষচক্রের পুষ্টতা—জর্থাৎ অলবিস্কার ভূলোক দ্বিগুণ পদার্থ উৎপন্ন হয় না, ইহা বােধ কর। ২০-৩০। নভাে হইতে দ্বিগুণ হইবে। এতাদৃশ সন্নিবেশবিশিষ্ট ব্রহ্মাণ্ডপে ডবিংশত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১২৬। । যে জগতীস্থিতি হইয়াছে, তাহা শবল ব্রহ্মের সত্যসঙ্কল্পাত্মক যাশ কবচকন হয়, তাহাই। নক্ষত্রচক্র হইতে দ্বিগুণ অঙ্গন | আছে , তাহারও কোন স্থান প্রকাশ, কোন স্থান নিবিড় তমােব্যাপ্ত। সেই নভঃপ্রদেশ পর্যন্ত ব্রহ্মাণ্ড খর্পর সহিয়াছে, সপ্তবিংশত্যধিকততম সর্গ। একটা উর্ধে, অপরটা অধোভাগি, মণ্যম স্থানে গগন আছে। রামচন্দ্র কহিলেন-হে ভগবন। এই পৃথিবী কিরুপে শতকোটিযােন" বিস্তীর্ণ বব ও সংবেদনময়—অর্থাৎ কল্পন;- অবস্থিত আছে, কিরূপে নক্ষত্ৰসকল গমন করিতেছে? আর মারুপ। পরমার্থতঃ ব্যোম নিকাব পর্গীকৃত ভূতকাৰ্য, ভূত- লােকালােক পর্বতই বা কি? ইহা আমাকে সবিশেষ বন। ব্যোম চিদাকাশই মহাগোলাকার নােদেশে সমস্ত দিকেই বশিষ্ঠ কহিলেন, যেমন বালকসকলের কল্পিত কৰ আকাশে সৰ্য্য নক্ষত্রজ্ঞ্যাতিক্ত অবস্থান কবিতেছে। ঐ জ্যোতিশ্চত্রে অবস্থান করে, সেইরূপ চিত্ৰ বালক কর্তৃক কল্পিত এই ভূমি উর্দই বা কি অধঃই বা কি, যদি হয়, সমস্তই উদ্ধ, সমস্তই , সেইরূপে অবস্থান করিতেছে। তিমিরক রােগাক্রান্ত-লয়ন- সমস্তই উত্তর, সমস্তই দক্ষিণ, সমকাই পশ্চিম, সমস্তই ব্যক্তির কেশ চন্দ্রাদিন যেরূপে নিষ্পন্ন হয়, সেইরূপ সৃষ্টির পূ। সমস্ত বর পতৎপতন, তিগমন, একত্রাবস্থান প্রথমে চিদাকাশেরও পৃথিব্যাদি দর্শন সম্পন্ন হইয়াছিল। যেমন প্রভৃতি যাহা ভাণ পায়, তাহা প্রখ্যগাত্মার স্ফুরণ—অর্থাৎ কোনও সঙ্কলনগর কোনও আধার কর্তৃক ধৃত বলিয়া দৃষ্ট হয় না, প্রতিভাণমাল , বন্ধুতঃ পতন বা উপভন গমন বা আগমন সেইরূপ চৈতন্যের উষ্ণভাব কোনও আধার কর্তৃক প্রত বলিয়া অবস্থান কিছুই নয়। ১—১৩ দেখা যায় না। চেলা স্বভাবতঃ চৈতন্যহেতুক, বখন যে প্রকারে সপ্তবিংশত্যধিক শততমসর্গ সমাপ্ত। ২৭। যে পরিমাণ প্রকাশিত হয়, সেই সেই সময়ে চেনাত্মক পদার্থও সেই সেই রূপে সেই পরিমাণ প্রকাশ পাইয়া থাকে। তিমিরা- ক্রামুনেত্র ব্যক্তির অম্বরে কেশােক যেরূপ অনুভূত হয়, চিন্মাত্রে যে মহগােলক প্রকাশিত হইয়াছে, তাহা সেইরূপই অবস্থিত অষ্টাবিংশত্যধিকততম সর্গ। আছে। স্বর্গাদিকালে যদি, চৈয়ে গরিং সকলের উগামিতা, বশিষ্ঠ কহিলেন-লােকালােক ও জ্যোতিক্রাদি সংস্থান, ও হতাশনের অধােমুখত্ব কল্পিত হইত; তাহা বিপরীত প্ৰভীতি অস্মাদিযােগিগণের প্রত্যক্ষ; আনুমানিক নহে। আমরাও হইলেও ইদানীন্তন কালে সেইভাবে থাকিত, অসম্ভব হইত না। যােগালাভ্যাসজনিত অবােধরূপ সর্বজগত সাক্ষাৎকার- অতএব বালিগণের ভূমির অজ পজ, চলন, ভ্রমণ, পতনাদি প্রধান অতিবাহিক শরীরেই প্রত্যক্ষ করিয়াছি; আধিভৌতিক কল্পনা অল্পবুদ্ধবচ্ছিন্ন চৈত সভা কারা সত্য হইয়া থাকে, অর্থাৎ স্কুল শরীরে নহে। অম্মদৃষ্ট জগৎ স্বপ্নেই লােকালােকাদি স্বৰূপতঃ কিছুই সত্য নহে। সুতরাং বাদিগণের স্ব স্ব বুদ্ধবচ্ছিন্ন কথিত হইয়াছে; অন্যত্র নহে। অম্মতৃষ্টভিন্ন ব্রহ্মাণ্ডারলক্ষণ চৈতন্যভাণানুসারে বিরুদ্ধ নানাত্মকতাও এটিয়া থাকে। ১-৮। জগৎ স্বগেতেও সামান্য লােকালােকালি সংস্থান একই প্রকার , মরী নিলণবিশিষ্ট বলিয়া স্তব্ধ ও যে সমস্ত প্রাণিগণের দৃষ্টি কুত্রচিং এ প্রকার আছে। কিন্তু তাহা বলা নিষ্প্রয়ােজন। T নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ ৭ কারণ, মাগণ অনুপযােগী কথা বলেন না। হে পণ্ডিতগণ। কহে। কানপ্রভাবে আভিবাহিক দেহাতিমান বিষ্মত হইলে সামান্যতঃ সকল ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যেই সমুদয়খীপ ও সমুদ্রের উত্তরে আধিভৌতিক বুদ্ধির উদয় হয়। যেমন জুসর্পভ্রমে বিচার মেরু ও দক্ষিণে লােকালােক আছে। এই প্রকারে অশেষ ভূতেৰে করিলে জুমাত্র অবশিষ্ট থাকে, সেইরূপ আধিভৌভিক দেহও যাহাদের জিজ্ঞাসা, তাহাদের অনুমান দূরে থাকুক, অবান্তর বিচারানন্তর আধিভৌতিক ভ্রম অাহত হইলে আভিবাহিক বিশেষ অত্রত জগণেরই প্রত্যক্ষ। সকলের উত্তরে মেরু দেহই অবশিষ্ট থাকে, এই অতিবাহিক দেহও নিপুণভাবে বিচার ও দক্ষিণে লােকালােক, ইহা সগুণীপনিবাসিগণের পক্ষে, কর, দেখিবে ইহাও চিত্র ব্যতিরেকে কিছুই নহে। দেশ হইতে ব্ৰহ্মাণ্ড বহির্মভের পক্ষে নহে, ইহা নিশ্চয়। হে রামচন্দ্র। এখন দেশান্তর প্রাপ্তি হইলে অন্তরালেও এই চিত্র অনন্ত একরূপী প্রকৃত শ্রবণ কর, ব্ৰহ্মাণ্ড কপাটক-অর্থাৎ প্রাগুক্তরদ্বয় সংৰিলেরই রূপ। মুং কোথায়ই বা থৈত, কোথায়ই বা (প্রাগুক্ত শতকোটিযোজন প্রমাণ) যে প্রমাণ তাহার বাহ্নে দেশ,কোথায় বা রাগাদি থাকিবে বল? সমস্তই আন্তহীন দশগুণ জলাবরণ অবস্থিত রহিয়াছে। যেমন তৃণমণি স্বশক্তি নিত্যবােধাক শিবম্বরূপ। নিগত মৰমননই নির্মল উত্তম যােব, প্রভাবে তৃণকে ধারণ করে, অথবা কল্পতরু যেমন অথিগণের অতিবাহিক দেহাভিমানী বিপশ্চিৎ তাদৃশ বােথ পাইল না। বাঞ্ছিত রত্নাদি ধারণ কনে, সেইরূপ ব্ৰহ্মাণ্ডকপাট স্বকীয় প্রত্যুত দ্বিপরীত অতিবাহিকদেহমাত্ৰাত্মবােখবা হইল। আকর্ষণী শক্তিপ্রভাবে নরাধার জলরাশিকে ধারণ করিয়া আছে। এইজন্য গর্ভবসােপম প্রদেশে গমনকারি মনকে দেখিয়াছিল। জলের স্বাভাবিক আকর্ষণী শক্তি না থাকিলেও সর্বত্র পার্থি, তাতে কোটিযােনবিস্তীর্ণ হহমময় ব্রহ্মাণ্ডের কপাটসদৃশ বসার- বাংশের বিদ্যমানতাহেতুক মেনিন্মুক্ত জলকরকান্দি সমূদ্রাদিতেও খণ্ডভূতল অর্থাৎ সম্পুটৰিভাগ সন্ধিভূত স্থান দেখি। দুর পড়িয়া থাকে। ব্রহ্মাণ্ডারণ জলরাশিয় বাদেশে আকাশসদৃশ ব্ৰহ্মাণ্ডকপাট হইতে অষ্টগুণ সলিলরাশি প্রাপ্ত হইল। আর নিৰ্ম্মল ও স্বান্তঃস্তব্ধজালােদনােপম নিরিন্ধন তেলোরাশি বিদ্যমান সেই সলিলরাশি কপাট-ভূমির তুল্য বলিয়া দ্বীপান্তে অৰ্ণৰপৃষ্ঠের রহিয়াছে।১—১০। সেই তেজোয়ারি বাদেশে বিস্তীর্ণ স্থায় স্থিত রহিয়াছে অর্থাৎ নিথর অরে অবস্থান সম্ভাবনা সুরাশি সংস্থিত রহিয়াছে। সেই বার বাহুদেশে দশগুণ হয় না বলিয়া অকপাল এগুকে আশ্রয় করিয়া তাহারই গায় পরিমিত নিৰ্ম্মল ব্যোম অবস্থান করিতেছে। তাহার পর অনন্ত বিভক্তভাবে স্থিত রহিয়াছে। সেই অলরাশি অতিক্রম করিয়া অবিদ্যোপহিত ব্রহ্মাকাশ বিদ্যমান রহিয়াছে। সেই অনন্ত অগণ ভীষণ প্ৰলয়ায়ি ঘন অলপিও কোটসদৃশ ভাস্বর ব্ৰহ্মাকাশে প্রকাশও নাই, তমও নই, তাই মহাচিন অব্যয়, অজসাবরণ প্রাপ্ত হইল। গাইশােকাদি মুক্ত মনেময় শরীর সেই আদিমধ্যান্তশুন্য সর্বাত্মম্বরূপ লৌহনিচ্ছিদ্র নির্বাণরূপ দ্বারা সেই তৈজসাবরণ উত্তীর্ণ হইয়া পূর্ববাসিত বাঘাবরণে বহন মহাচিৎসংক্ষক ব্ৰহ্মমহাব মধ্যে পূর্বোক্ত ব্রহ্মাণ্ডের দূরে লক্ষ অনুভব করিল, সেই বাত্মাণে উহমান হইয়া আভিবাহিক লক্ষ ব্রহ্মাণ্ডের উৎপত্তি ও লয় পুনঃপুনঃ হইতেছে। বস্তুতঃ সর্বদা আত্মাকেই আনিয়াছিল , চিত্তমাত্রা নিয়ে যেন কিছু উহমান অধিকারী সেই ব্ৰহ্মমহাম্বরে কিছুই হইতেছে না। সেই ব্ৰহ্মই হইতেছে, ইহাও জানিয়াছিল। এইপ্রকার বােধের দ্বারা সেই কেবল অবিদ্যা কৰ্তৃক জগদাকারে কল্পিত হইতেছে মাত্র। ধীরাত্মা বিপশ্চিৎ অনিল সাগর তীণ হইয়াছিল। তদনন্তর এই তােমার নিকট দৃশ্যের অনুভবক্ৰম কথিত হইল। এখন অনিলার্ণব হইতে দশগুণ বিস্তীর্ণ কোমল পাইয়াছিল। অনন্তর লােক'লোকপতে বিপণ্ডিতের কি বা বটিয়াছিল শ্রবণ কর। ব্যোমমণ্ডলকে অতিক্রম করিয়া অনন্ত অবিদ্যাবল ব্রহ্মাকা সেই বিপশ্চিং পুর্ধাভ্যন্তদিগন্তদর্শনেদূযােগ-সংস্কারজনিত নিশ্চয় প্রাপ্ত হইল, যাহা হইতে সমন্তের উৎপত্তি হয় ও যাহা হইতে প্রেরিত হইয়া লােকালােক পর্বতের শিখরদেশ হইতে পূৰ্বাক্ত সমস্তস্থিত ও যাহা অনির্বচনীয়, সেই ব্ৰহ্মাকাণে মনেময় শরীর তমােবিষবে পতিত হইল, তদনন্তর পর্বতশিখর প্রমাণ বিহগ কর্তৃক দ্বারা ভ্রমণ করিতে করিতে দূর এদেশে গমন করিল। সংস্কার তহার স্বকীয় দেবশরীর বিবর্তনপূর্বক ভক্ষিত হইল। তদনন্তর বণতঃ সেই বিপশ্চিৎকর্তৃক ক্ষিতি, অপ, জ্ঞে, বায়ু ও জগৎ দৃষ্ট সুচিন্তিতদিগন্তু দর্শনে তাহার মনােময় দেহ প্রবৃত্ত হইল। সেই হইল; পূনর্বার সংসাররচনা, পুনর্বার স্বর্গ, পুনৰ্মার দিকসমূদয় দেশের পুণ্যৱহেতুক তাহার আভিবাহিকদেহে আধিভৌতিকতাবােধ পূনর্বার মহীধর সমুদয়, পুনর্বার ব্যোমপুনর্বার মনুষ্য সমুদয় দৃষ্ট অর্থাৎ স্থূলদেহ-শােচর সংস্কারের উদ্বােধ হইল না, কিন্তু হইল, পূনর্বার পঞ্চমহাভূত পর্যন্ত ব্ৰহ্মনির্যন, তাহাতে জগৎ তাবন্মাত্র প্রবােধশালী বিপশ্চিৎ দেহত্ৰয়াতিরিক্ত শুদ্ধ চিত্রাক্ষ্ম-সমুদ, পুনৰ্মার স্বর্ণ দিক্ সমুদয়, পূনর্ধার অবিদ্যাচ্ছন্ন ব্ৰক্ষাকাশ, গােচর বোধও পাইল না। এইরূপে হার দিগন্তন লক্ষণ ! পুনর্বার স্বর্গ, পুনর অব্যবহিত পদার্থ দেখিল। ২১৪০। কাৰ্য অসিতে পৰ্যবসান দেখিয়াও স্বকীয় উপসৰ্পণস্বভাৰ এক । এইরূপে দীর্ঘকাল বিচরণ করিয়াও অ্যাপি সংস্থিত রহিয়াছে। তির অনুকূল হইল—অর্থাৎ কাৰ্য হইতে তখনও নিবৃত্ত হইল তাহার জগঞ্জে চিরাভ্যন্তু সত্যতা লিঙ্গ হেতু অ্যাপি বিরতি না। ১৯-২০। রামচন্দ্ৰ কহিলেন, হে মহর্ষে। দেহশূন্য চিত্তের লাভ হয় নাই। এই কারণেই অবিদ্যার অন্ত নাই। সত্যস্বভাব প্রসার কি প্রকারে হইতে পারে, আর তাহার পূর্ব দেহ হইতে অবিদ্যা ব্ৰহ্মই বটে। বস্তুতঃ অবিক্রিয়-স্বভাব ব্রহ্মে বিদ্যা নাই। আতিবাহিক দেহের বিশেষই বা কি প্রকার ? বশিষ্ঠ কহিলেন, এই বৃ পদার্থই বিষা। স্বভাবই আস্থা প্রকাশভাব ; যেমন সঙ্কময়পথে অন্তঃপুরবাসীর মন প্রসূত হয়; সেইরূপ কি জাগ্ৰলাব, কি স্বপ্নাবস্থায় ব্রহ্ম পূর্বে যে ভাবে সৃষ্ট হইয়া বিপশিতেরও মন সঙ্কলপথে এত হইয়াছিল। অমাবস্থায় ছিলেন। সম্প্রতি যুষ্ট হইতেছেন ও পরে কৃষ্ট হইবেন, ব্রহ্ম মনােরাজ্যে, স্বপ্নাবস্থায় মিখাজ্ঞানে এবং কথাৰণে যে প্রকারে। সেই ভাবেই নিত্য ছিলেন, আচ্ছন এবং থাকিবেন। ছিল, মনের প্রসার হয়, সেই প্রকারে তাহারও মন প্রসূত হইয়াছিল। আছে ও থাকিবে ইত্যাদি ক্রমযুক্ত খতের প্রতি, নিমীলিত যে দেহেতে ভ্রম স্বপ্ন প্রভৃতি হয়, তাহাকেই আভিবাহিক দেহ লােচনায় সম্বন্ধে তৈমিরিক চক্রের ন্যায় আভাত হইভেচ্ছ, ৭৪ যােশবাঙি-মা। সৈই ভাণ মিয়াতিতে সৎ নহে, অদৃষ্টিতে এলাকৃতিও কথিত ন। এর পরিজ্ঞাত হইলেই শান্তব্ৰহ্ম বলিয়া কথিত হন। নহে, অতএব উভয় দৃষ্টি আমাশ্যে সৎ-অসৎ-বিল অর্থাৎ এই ভেদ, জেদেই নয়; যেহেতুক ভেদই অবিদ্যাময়। আর সেই অনির্বচনীয় হইল। হে রাখব। বনমখে বহুনামৰু মৃগ বিশেষের ব্রহ্মই চিলতা, আরতিও বিদ্রুপ অর্থাৎ চি-অতিরিক্ত স্যায় সেই বিপশ্চিৎ অংবিদিত পৱনিবন্ধন সুন্দ্র বৈশ্বান এই ব্রহ্মাণ্ডমণ্ডলের ভ্রমত্বজ্ঞান বিপশ্চিৎ শতযুগেও অবিদ্যার সােলরমধ্যে পূর্বষ্টও সদৃশ অন্যবিধ জগতে পুনঃপুনঃ ভ্রমণ অন্তলাভ করিতে পারে না। ১১-১৯। রামচন্দ্ৰ কহিলেন; করিতেছে। ৪২৬। সেই বিপশ্চিং ব্ৰহ্মাণ্ডকপাট কি পাইয়াছিলেন ? হে বদস্বর। অভাবিত্যধিকতসর্গ সখ। ১২৮। আপনিই ত বলিয়াছেন, সে ব্ৰহ্মাণ্ডকপাট ভে করিয়া বহির্গত হইয়াছিল। বশিষ্ঠ কহিলেন,-পূর্বকালে বিরিঞ্চি উৎপন্ন হইয়াই প্রবিজারিত ব্রহ্মাণ্ডমণ্ডলকে দুই হস্তের ঘর। উর্ষ ও অধােদেশে একোনত্ৰিৎপদধিক শততমসর্গ। বিভক্ত করিলেন, সেই হেতুক উগগ ও অধােভাগ অত্যন্ত দূরে থাকিল। আদি-বরণ সেই ভাগমের গায় বিভক্ত হইয়াই রামচন্দ্ৰ কহিলেন,-হে মুনিশ্রেষ্ঠ। এক বিপশ্চিৎ বিএসাদে ভাগাকে আশ্রয় করিয়া অবস্থান করিতেছে। তাহারা নিজেই মুক্তিলাভ করিয়াছেও অপর অবিদ্যাবশবর্তী হইয়া পূনঃপুন তাহাদের আধার। এই দুই অকপাটের মধ্যে আকাশ, যাহা ভ্রমণ করিতেছে, ইহাও শুনিলাম , এক্ষণে চলােকে শালি এই অপারাবার অনীল বলিয়া লক্ষিত হয়। ভলাদি আবরণ দ্বীপজ্যে ভােগে নিবদ্ধ বিপশ্চিংয়ের দিগন্ত-গর্শনরূপে দেবর- তাহাতে লগ্নও হয় না, তাহাতে থকেও না। নির্মল শুন্যময় সেই সম্বন্ধে কি হইয়াছিল, তাহা আমাকে কল। বশিষ্ঠ কহিলেন- আকাশ ই ভূতগণের আধাররূপে প্রলয় পৰ্য্যন্ত কলিত হই- তাহার মধ্যে একজন অর্থাৎ দক্ষিণ বিপশ্চিৎ চিরাভ্যন্ত বাসনা আছে। গৃহীদীফের স্যায় অবিদ্যার পরীক্ষার্থে বিপশ্চিৎ বিবশীকৃত হইয়া নানাদেহে দ্বীপসমূহে ভ্রমণরূপ উত্তর বিপশ্চিতের মােক্ষপৰ্য্যন্ত সেই আকাশমার্গে ঋক্ষচক্রের ন্যায় গমন করিয়াছিল। পদবীলাভ করিয়াছিল। উত্তর বিপশ্চিতের তাই ব্ৰহ্মাণ্ডাবণ এই অনন্তরূপা অবিদ্যা ব্ৰহ্ম হইতেও অতিরিক্ত পদার্থ নহে, ত্যাগ করিয়া পরমাকাকোটরে অনত্মসংসাৱ দেখিতে দেখিতে যেহেতুক অবিদ্যাই ব্ৰহ্মময়। অপরিজ্ঞাত হইলে তাহার অস্তিতা ও অ্যাপি সংস্থিত রহিয়াছে। দ্বিতীয় অর্থাৎ পূৰ্ববিপশ্চি পরিজ্ঞাত হইলে অস্তিতা থাকে না। এই হেতুকই বিপশ্চিদগণ চন্দ্ৰসন্নিধিতে অভ্যন্তু চমৃগস্নেহাতিশয়ল সঙ্গনিবন্ধন ভ্রাণযুক্ত পরাঘরে দূর হইতে দূরতর প্রদেশে অবিদ্যার জগৎরূপে ভ্রমণ দেহােপলক্ষিত মৃগ হইয়া অদ্য শৈলে অবস্থিত করিতেছে করিতেছে। কেহ মুক্ত হইয়াছে, কেহ মৃগ হইয়াছে, কাহারা বা রামচন্দ্র কহিলেন, হে ব্ৰহ্ম। বিপশ্চিং চতুষ্টয়ের সদা একই জন্মান্তরীণ বহুসংস্কার বশত অদ্যাপি ভ্রমণ করিতেছে। ২০৯। বাসনা উদিত হইয়াছিল। কেন তাহারা হীনােত্তম ফললাভ রামচন্দ্ৰ কহিলেন,হে মুনে। যদি আপনার আমার প্রতি কৃপা করিল ? বশিষ্ঠ কহিলেন, জগণের, স্বকীয় অভ্যস্ত বাসনা হইয়া থাকে, তবে কি প্রকার জগতে কতদূরে কোথায় কোন দেশ-কাল-ক্রি-বশতঃ কমল হইলে অন্যত্ব প্রাপ্ত হয় ও সেই জগতে সেই বিপশ্চিংগণ ভ্রমণ করিতেছে, বলুন। সেই সংসার কি বাসনা টীভূত হইলে অষ্ণতাপ্রাপ্ত হয় না। এই দেশকাল- পরিমাণ পথে আছে, যে সংসারে তাহার। জন্মগ্রহণ করিয়াছে। ক্রিয়াদির একতা ও বাসনায় একতা,-এই উভয়ের মধ্যে যে মহকু-আশ্চর্য কথা আপনি আমালিগকে বলিয়াছেন। স্বপ্নদৃষ্ট বলবতী হয়, সেই জয়লাভ করে। এই বিভাগ হেতুক বিপশ্চিৎ অপূর্বগ্রাম এইস্থান হইতে কতদূরে আছে, এই প্রশ্নের স্থায় চতুষ্টয় ভিন্নরূপে সমবস্থিত হইয়াছিল। দুইজন অবিদ্যাকুষ্ট হইয়া- রামের প্রশ্ন যােজনসংখ্যাকখনের দ্বারা সমাধানের যােগ্য নয় ছিল। একজন মুক্ত হইয়াছিল, আর একজন মৃগ হইয়াছিল। বিবেচনা করিয়া বশিষ্ঠ কহিলেন,-হে রাম। সেই বিপশ্চিদ্বয় সেই ভক্তি-বুক্তিবিশিষ্ট তিনজন অধ্যাপি অবিদ্যার অন্তলাভ বেজগতে রহিয়াছে, তাহা যত্ন করিলেও আমাদের বুদ্ধির বিষয় করে নাই। ভ্রান্তিসহুলের ব্যারা বর্ধিতা এই অৰিদন অনন্ত। হইবে না। তৃতীয় বিপশ্চিৎ মৃগযোনি লাভ করিয়া যে স্থানে অব- যেমন সূর্যোদয়ে ভিষিশ্রী নিঃশেষ নষ্ট হয়, সেইরূপ বিজ্ঞানী স্থিত রহিয়াছে, অন্তর্গত সায়ের সহিত সে ব্ৰহ্মাণ্ড বুড়িগােচরে লােক, আগত হইলে বিদ্যা সিএই উপশমিত হয়। ১-১০। আইসে না। রাম কহিলেন,-বিপশ্চিৎ মৃত্ব লাভ করিয়া যে ইদানীং পশ্চিম বিপশ্চিরে স্বৰাসকলিত জগতে যে ঘটনা ঘটিয়া জগতে রহিয়াছে, হে মহাবুদ্ধে। সেই অগং কোথায়, হা আপনি ছিল, তাহা শ্রবণ কর,সংস্কৃতিমে সেই স্বাদূলথিপরপান্থ কানী আমাকে বলুন। ৰণিষ্ঠ কহিলেন,-পরমব্রহ্ম মহাম্বরে মৃগরূপী ভূমিতে ব্রহ্ম মহাৰৰামাখ্যন্ত ধূমণ্ডলে বস্তুতঃ ব্রহ্মরূপে তা বিপশ্চিৎ যে জগতে সংস্থিত রহিয়াছেন, তাহা শ্রবণ কর। এই প্রাপ্ত হইলে সেই পশ্চিম বিপশ্চিৎ' শমমভগবক্তিপ্রভৃতি বিজগৎ, ইহাতেই ঐ মৃগ তি রহিয়াছে। এই সেই পরম ব্রহ্ম অশৌথসঙ্গভিৰশতঃ জীবন্মুক্তগণের মধ্যে গণ্য হইয়া জড়বস্তু মহাকাশ, ইহাতেই পূৰিপশ্চিৎদেশ হইতে দূরে ব্যবস্থিত। সমূহ যথাৎ জানিয়া ব্ৰহ্ম অভ করিল। মৃগতৃষ্ণা-জলের স্থায় রাম কহিলেন—বিপশ্চিৎ এই জগৎ হইতেই সেই গতিলাভ বিদ্যা ও সেই বেহ পরিজন হেতুক বাথ প্রান্ত হইল; যেহেতু করিয়াছিল। আবার এই এতেই মৃগ হইয়া জন্ময়াছে, কি অহারা রাগন্ত্রিত। এই ভােমার নিকট বিপশ্চিৎ চেষ্টিত একরে ইহার সামগ্র হইতে পারে ? ৩০-৩৭। বশিষ্ঠ সশষ্টজলে কথিত হইল। এই আবিষ্যা হ্মের ন্যায় না' কহিলেন—যেমন অবয়বী অবিল অবয়বকে নিত্যই আনিতে যেহেতুকবি ৰহ্মময়ী।যে স্থানে লক্ষ লক্ষ অিিহত হয়, পাতে, সেইরূপ আমিও ব্রহ্মাআতে অবস্থিত সমুদয় ব্রহ্মাণ্ডকেই সেই সেই স্থান অৰিা চৈবের কিছু লক্ষিত হইয়াই আনি; যাহা সম্প্রতি অসভ, যাহা পূর্বকালে নিপন্ন ও সংহার থাকে। সেই পরিজ্ঞাত হইলেই মিখা বিদ্যা বলি ' সহিত বিচিত্র ও পয়ষ্পর অদৃশ্য এবং অভিন্নচৈতন্যে অতি - নির্বাণ-এর-উত্তরণ। ঃ অধ্যাসহেতু পরস্পর প্রোভ পৃথিবীবিকাৱভূত টবস্ত্রাদি রুপে অপ্রিবেশে নির্মলতা লাভকরে, সেইরূপ এই মৃগ প্রিবেশ অবস্থিত, সে সমূদয়কেই আমি জানি। এতে স্ব কোন করিয়া পদ লাভ করিবে। আমি এই সমস্ত করিখেরি মার্গে অবস্থানকালে বটিয়াছিল, সে সময় এই ৰক্ষাতে ভােমরা নে। আমি তােমাদিগনে গর্শন করাইতেছি, খুবই অটিলে যেরূপ হয়, সেইভাবেই আমি আপনাকে বলিছি। হরিণ প্রিবেশ করিতেছে। বাল্মীকি কহিলেন। চেষ্টিত বিপশ্চিংগন স্বম্ববাসনালিত অন্যান্যসংসারে তাম্বুশদেহের খারা | বর্ণিমূনি এই কথা বলি। যথায়ে কয়লু এলে আটক দিগন্তয় ভ্রমণ করিয়াছিল। পূৰ্ব্ববিপশ্চিং অনন্ত অৱে তাবৎ | করিয়া অনিল আলাপমেয়াত্মক বহিকে তান করিতে কালে অখিী থাকিয়া কাকতালীযােগের রায় (অর্থাৎ ' লাগিলেন। তাঁর ধ্যানহেতু সমধ্য হইতে জালাল কাৰ্যকারণভাবশূন্যে ভূরি জগৎ ভ্রমণ করিয়া এই জগতেই | সমুখিত হইল। সেই আমি এজাররহিত ইন্ধন-বর্জিত কোন গিরি করে হরিণ হইয়া জন্ময়াছে। সে দূরে বহুগৎ ভ্রমণ | স্বচ্ছ এবং ব ব শকারী খুত ও কল রহিত। সেই করার পর যে সর্গে মৃগ হয়, সে সর্গ এই ব্রহ্মাকাশে কাকতালীয় | অগ্নি অন্ধি প্রদীপ্তকান্তি হেমমন্দিরের ব্যায়, সুন্দর উৎফুর বং স্থিত রহিয়াছে। রাম কহিলেন, হে ব্ৰহ্মন। এরূপ যদি হয়, কিংতকাকার সন্ধাদের স্থায় উখিত হইতেছে। সেই তবে কোন দিকে, কোন মণ্ডলে, কোন শৈলে, কোন নে থাকিয়া' প্রজ্বলিত ৰহ্নিদর্শন কৰিয়া সভ্যগণ দূরে অগস্ত হইলেন। মুগ কি করিতেছে, কি প্রকারেই বা শযুক্ত ভূমিস্থ দূৰ্গা চর্বণ কিন্তু ক্ষীণপাপ মৃগ গভীয় ভক্তিভাবে অখিকে দেখিয়া করিতেছে? শিখিলজ্ঞানী মৃগ কৰেই বা তাহার সে প্রাক্তন হর্ষান্বিত হইল। এবং সেই শহিদনানন্তর তাহাতে প্রবেশ জাতি স্মরণ করিবে। ৩৮-৪৫। বশিষ্ঠ কহিলেন,—ত্রিগর্ভাখি- করিতে ইচ্ছা করিয়া অগির পশ্চিমদিকে দূরে উৎপতি পতি তােমাকে যে ক্রীড়ামৃগ দিয়াছেন, সে মৃগ এখন তােমার সিংহের স্যায় উপস্থিত হইল। ১-০। ইহার মধ্যে মুনি- ক্রীড়াগাগারে বহিয়াছে, তাহাকেই তুমি বিপশ্চিৎ বলিয়া জন। পুরুষ বশিষ্ঠ ধ্যানে মৃগবিষয়ক বিচার করণানন্তর বিলােনার বাল্মীকি কহিলেন, সভামধ্যে রামচন্দ্র এইপ্রকার শ্রবণ করিয়া তাহাকে ক্ষীণপাপ করিয়া বহ্নিকে বলিলেন, হে ভণ- বিস্ময়খিত হইয়া বালকগণকে মুগ আনয়নের জন্য প্রেরণ বন হ্যবাহন। ইহার প্রাক্তনী ভক্তি স্মরণ করিয়া করুণাপূর্বক করিলেন। অনন্তর পুষ্টিমা তুষ্টিমান মৃগ আনীত হইয়া বিস্তীর্ণ এই কমনীয় মৃগকে বিপশ্চিৎ করুন। মুনি এই কথা বলিতে সভামধ্যে প্রবেশ করিল ও সমস্ত সভ্যগণকর্তৃক দৃষ্ট হইল।| বলিতে বেগলিৰ্ম্মাণ যেমন লক্ষ্যে প্রবেশ করে, সেইরুপ সেই সেই মৃগদেহ বিষ্ণু দ্বারা তারাৰিজিগগনমণ্ডলকে বিড়ম্বিত মৃগয়াজ সভামধ্যে দূর হইতে ধাবিত হইয়া অগ্নিতে প্রবেশ করিতেছে। দৃষ্টিপাত-উৎপলারের দ্বারা যেন সুন্দরীগণকে করিল। সেই মৃগ অগ্নিবিষ্ট হইলে অালী প্রতিবিম্বের আয় পরির্জন করিতেছে। শোভাদর্শনে আদর ও অনাদাচক সভায় সন্ধ্যাকালে মেয়ের স্থায় বিশ্রান্ত-শরীর স্পষ্ট দৃষ্ট হইতে লাগিল। কটাক্ষ করিতেছে। যেন সভাস্তাৰিখচিত মরকত দীপ্তিতে আকাশে অভ্রলবের স্থায় ঐ মৃগ দেখিতে দেখিতে নরত্ব লাভ হরিণ ভ্রান্তিপ্রযুক্ত তাহা আদান করিতে ধাবিত হইতেছে, করিল। অনন্তর বহ্নি মধ্যে কনককান্তি কমনীয়াবয়ব সুন্দর এবং উদ্দীকত-নয়নগ্ৰীৰ সেই মগ বেগবশ অস্থির ও অৰািৰ্য। পাবনাকার অর্কবিম্বে আদিত্যের গয়, চন্দ্রমণ্ডলে উপভিন্ন আয়, অবস্থানের দ্বারা সভ্যগণকে দর্শনােক ও আস্কন্দাশঙ্কায় মহাসাগর মধ্যে বরুণের ন্যায়, সন্ধ্যাত্রে শশীর ন্যায়, চক্ষুঃ কনীনিকা আকুল করিতেছে। তাশগকে দর্শন করিয়া রাজা, মুনি ও মন্ত্রী কোষে মুকুরে সলিলে মণিতে প্রতিবিম্বের স্যায়, ভক্তিমান অাও এবং অন্যান্য সভাস্থলােক সমুদয়, আহা। অনন্তয়া এই বলিয়া পুরুষ দৃষ্ট হইল। অনন্তর সভা মধ্য হইতে সেই বহ্নি প্রকার- সকলেই বিম্ময়াকুল হইলেন! সমুগের অবলােকন লক্ষ লে সন্ধ্যাকালীন মেয়ের জায়, বাভাহত প্রদীপের আয়, উপ- নিবিড উৎপলবর্ষণে নীলীতের ন্যায় স্থিত ও রত্নীংকালের আৱা মিত হইল। গেল কুটীর হইলে তথ্য দেবপ্রতিমার পরিষ্কৃত সেই মৃগকে দেখিয়া অদ্ভুত রসাস্বাদনজনিত- বিড়ীকৃত গায়, পঠাভোনান্তর অটের আয় এক পুরুষ সেই স্থানে সর্দলােকাৰিতা সেই সভা চিত্রলিখিতকমলিনীয় হইয়া রহিয়াছেন।১৯। তিনি অক্ষমালারী খাস্ত ও স্বর্ণ বঙ্গোপ ছিল।৪৬-৫৩। বী ও অগ্নিশৌচবসনাচ্ছন্ন সদ্য চক্রের ন্যায় উনিত। একোনত্রিকাধিক সর্গ সমাপ্ত। ১২১। হার বেশসম্বন্ধে সভ্যগণ কর্তৃক অহােজ উক্তি হেতুক ভাদা- নের ন্যায় বিশালাত সেইপুরুষ ভাসামে শন্দিত হইলে সেই মূর্তিমান আভাস সদৃশ পুরুষ ভাসনামে খ্যাত হইবে,এই কথা সভা কতকগুলি লােকে বলিয়াছিল, সে এ তিনি ভাল বুনিয়া ত্রিংশধিকততম সর্গ। কথিত হন। অনর খ্যাতি সেই ভাষণতি পুরুষ বাল্মীকি কহিতেছেন-অনন্তর রামচ কহিলেন, হে সেই স্থানে উপবেশন করি। আত্মরকান্ত অশেষরূপে অল্প। শুনে। কি উপায়ে এই বিপশ্চিতের প্রাক্তন দেহলাভ ও বতৰ করিতে লাগিলেন। ভৎকালে রাজস্থানসমূহ নিতান্ত আত্মবির্ভব হইয়া দুখান্ত হইবে? বশিষ্ঠ কহিলেন, যে বিস্ময়াবিষ্ট হই, নিকভাবে অবস্থান করিতেছে। পুরুষের চিরপাসিত মৈত ব্যায়ায় পুনঃপুনঃ অলিবিত সিদ্ধি সময়ে ভাস মূহুৰ্তকাল মধ্যে অন্ত অঞ্চত নিয়া খান হইতে হইয়াছে। সেই পুরুষের সেই দৈবভভিন্ন অভিষিত সিদ্ধি হয় না, নিবৃত্ত নেন এবং উখিত হইয়া যথাক্রমে সসলনি করিলেন। হইলেও শােভিত হয় না, শােভিত হইলেও পরিণামে সুখ অনন্তর হে জ্ঞান-প্রাণ । আপনাকে নস্কা—এই কথা হয় না, কঞ্চিৎ সুখী হইলেও পরলােকে কল হিতকারী বলিয়া শহৰে বশিষ্ঠ বিকে প্রণাম করিলেন। বশিষ্ঠ কী হয় না। বিপশ্চিত্রে অগিই অর্থাৎ রক্ষিতা, কনক যেমন হয়মের যারা তাহার মস্তক স্পর্শ করত বলিলেন, হে রাজ। সেই ৭১৪ যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ চিন্মাই । তােমার চিরামান অবিদ্যা আয় হউক। অনন্তর কাষের প্রতি হে মাজ। পূর্বকালে সেই ভূগোলােকের এক দেশে কোন জােহ” এই কথা বলিয়া নত হইলে রাজা দশরথ আসন হইতে স্থানে ঘটনাভিন দেশে বাতধীখর ক্ষত্রিয় বিদ্যমান ছিলেন। কিঞ্চিদুখিত হইয়া হাসিতে হাসিতে বলিলেন, ভােঃ রাজন। সেই বংশে তিনটা রাজপুত্র জন্মিয়াছিলেন। সেই রাজ- আপনার স্বগত ? এই আসনে উপবেশন করুন। হে অনেক জন্ম পুত্রগণ এই বিপশ্চিতের ন্যায় “এই ভূম্যালি জগতের অন্ত সংভারভ্রান্ত। এই স্থানে বিশ্রাম করুন। ২১-৩০। বাল্মীকি কোথায়, তাহা দেখিব” এইরূপ দৃঢ়সঙ্কল্প করিয়া নির্গমন করিয়া- কহিলেন, রাজা দশরথ পূর্বোক্ত বাক্য বলিলে ভাসনামধারী ছিলেন। দ্বীপ সমুদ্রভেদে পুনঃপুনঃ বারি পুনঃপুনঃ ভূমি ইত্যাদি বিপশ্চিৎ বিশ্বামিত্র প্রভৃতি মুনিগণকে প্রণাম করিয়া আসনে ক্রমে আক্রমণ ও মধ্যে মধ্যে মরণের দ্বারা নব শরীর লাগে উপবেশন করিলেন। দশরখ কহিলেন, কি আশ্চর্য! আলান তাহাদের দীর্ঘকাল অতিবাহিত হইয়া গেল। বন্ধ বদন্তীর ন্যায় বিপশ্চিৎ অবিদ্যা হেতুক বহুকাল দুঃখ অনুভব সংলগ্ন কীটের স্থায় অনবরত ভ্রমণ করিয়া তাহারা ভূমির অল্প করিয়াছেন। আহা! তত্ত্বজ্ঞানহীনের কি বিষমগতি। অঙ্গন পাইলেন না। দেশান্তর মাত্র জানিতে পারিলেন। ব্যোম- নির্মল আকাশে সৰ্গাড়ম্বরসম দেখাইতেছে। কি আশ্চর্য্য। ককভ্রাপিপীলিকার ন্যায় অ্যাপি সংস্থিত রহিয়াছেন। হে বিততাত্মতে সম্ভত এই জগৎসমূদয়ে বিপশ্চিং দীর্ঘকাল ভ্রান্ত কাজ। তাহারা খিমও হন নাই। এই ভূগােলােকের অবস্থান হইয়াছেন। চিদাত্মরতিস্বভাষ বিভবশালী বস্তুতঃ শূন্যাত্মমায়ার বা পার্শগত যে যে ঋন তাহারা পাইয়াছিলেন, সেই সেই স্থানেই কি মহিমা। ইহাই আশ্চৰ্য, যে নিজে মহিমাশুন্য হইয়াও অম্বর- এই লােকের ন্যায় অনন্ত অথ ও উর্ধদিসমূ দেখিয়াছিলেন। বং অসঙ্গ ব্ৰহ্মচিলনে প্রাগুক্ত বিচিত্র জগদাকারে প্রকাশ মহারাজ। আমরাও যদি এই স্থান হইতে প্রাপ্তোদ্যোগ হইয়া প। ১৩। অন্তসম্প্রাপ্ত হইলাম না, তথাপি অতঃপর সন্ধারণ করিব, ইহা ত্রিংশলধিশততম সর্গ সমাপ্ত ১৩০ তাহারা বলিয়াছেন, এই প্রকারে ব্রহ্ম সঞ্চগডম্ব, ইহা কিছুই নয় ইহা স্বপ্নদৃশ্যের ন্যায় অনন্ত। চিদধিষ্ঠানে অজ্ঞান-কল্পিত সঙ্কল্পের সে সঙ্কল্পও ব্রহ্মাধিষ্ঠানক, চিপই ব্রহ্ম। একত্রিংশধিকততম সর্গ। কল্পনা ভিন্ন সূত্বাকাশের ন্যায় এ দুইয়েরও ভেদ নাই। ১২। ওলপ্রবাহ আবৰ্তত বুদবুদাদি যেমন জল দশরথ কহিলেন-এই বিপশ্চিং অবিদ্যার উদ্দেশে যে ক্লেশানু হইতে অতিরিক্ত নয়, সেইরূপ চিত্ৰকভিও চিৎ হইতে অতি- ভব করিয়াছে, সে সমূদয় আমি অবিপশ্চিতের চেষ্টা বলিয়া বিক্ত নহে। তাহার সদৃশ বারি সদৃশ অন্যের অত্যভাসম্ভব হেতু বিবেচনা করি, যেহেতু মিথ্যাবঘতে, অবশ্যই সাধন করিব যাহা যে প্রকারে আভাত হয়, তাহা চিদাই, অন্যাভ নহে। এই ইকার বাদুরাগ্রহ কেশপ্রদ হয়। বাল্মীকি কহিতেছেন, নামরূপ প্রকটিত জগং সর্গের আদিতে ছিল না, শুৎ শূন্য , এই অবসরে রাজার পার্গে উপবিষ্ট মহামুনি বিশ্বামিত্র এসঙ্গপতিত সেই শূন্য ব্ৰহ্মাকাশ, সেই ব্ৰহ্মই স্বয়ং ইদানীং জগদাকরে বাক্য বলিতে লাগিলেন, মহারাজ। আপনি যাহা বলিয়াছেন, আভাত হইতেছেন। এইরূপই প্রলয় সর্গ সৃষ্ট হইতেছে। সেই তাহা সত্য, অপ্রাপ্ততত্ত্বজ্ঞান ব্যক্তিগণের এই প্রকার বিলক্ষণ চিদ্রুপ কামবাসনানুসারে যে ভাবে যে যে কল্পনাকে আলিঙ্গন ভ্রান্তিরূপ বসনা হইয়া থাকে। অদ্য সপ্তদশ লক্ষ বর্ষ হইল, রিবেন, তাহাতে সেইরূপেই আসক্ত হন। জড় ও চিপের বটধানরাজপুত্রগণ, এই অবিদ্যাতেই অক্ষীণ-নিশ্চয় হেতুক অল্পোঙ্গাব্যস্ত স্বসংসার যেন পুর্বেও চিরকাল ছিল, সেইরূপ ভ্রমণ করিতেছে। যেমন প্রবহণ হইতে সরিৎ নিবৃত্ত হয় না, অগ্রে চিরকাল থাকিবে। তাহা দৃশ্যাত্মক একরূপ ও অক্ষয়। সেইরূপ ভূমির অদ্যাবলােকনাথ প্রবৃত্ত হইয়া অদ্যাপি অনুখি- সেই অজ অক্ষরূপ স্বয়ংপ্রকাশ ও অপ্রকাশের ন্যায়ও আভা- ভাবে অনিবর্তিত যহিয়াছেন। এই প্রসিদ্ধ পাতালদি-লােক- পায়। সেই চিন্মধ্যে তত্তাকার বাসনাবচ্ছিন্ন জগৎবাণু ঘটিত ভুলসমষ্টি আকাণে বর্তুলাকারে সংস্থিত আছে, ইহা সমুদয় অবস্থান করিতেছে, যেমন শৈলােদয়ে শিলা ও আকাশে হিরণ্যগর্ভসঞ্চলনিশ্চেতন্য অঙ্গের নিরূপণাই নহে। ইহাও স্বচ্ছ আকাশ অবস্থান করে , স্বভাষ্ঠিগণই অব্যাকুত আত্মো- বালস অব তায় অবস্থিত, আকাশে সরু কলুক পিপ পরে অবস্থান করে, নিরবদ্য পরম চৈতন্যে অবস্থান করে না, বিকাগণ যেমন দশদিকে পরিভ্রমণ করে, সেইরূপ ভূতগণ তাহার যে হেতু তাহাতে ব্যাবর্ত্যরূপান্তর নাই। হে নিপুণাশয়গণ। সেই আবারভুনে নিত্যকাল ভ্রমণ করিতেছে। এই ভুগােলকের ব্রহ্ম হইতে অব্যাবৃত্ত যাহা, তাহাই জগৎ, যে হেতু আতত জগৎ আধােভাগে ও উপরিভাগে যে যেখানে বাস করিতেছে, সে স্থানেই ব্রহ্মরূপী, ইহা পূর্বাপর পরামর্শক কথিত হইল। জীব ভ্রমণ করিতেছে। এরীবাহিনী মন্দাকিনী প্রভৃতি সরিৎ ও সেই পরমসন হইতে পয়ৎ বস্তুতঃ অচ্যুত হইয়াও নাল- চাদি ক্ষমণ্ডল অর্থাৎ জ্যোতিচক্র বায়ুবানবশতঃ দূর হইতে বুদ্ধি বা জীবােহহং' এই প্রকারে গ্লানি লাভ করে, ইহাই ভূলোক আশ্রয় করিয়া পরস্পর স্পর্শভাৰে ভ্ৰমণ করিতেছে। আশ্চর্য্য। হে বিপশ্চিমপাখ্য। হে ভাল। হে রাজন! সেই জ্যোতিক্রকে আৰেন কৰিয়া গুলােক এই ভুবনেই তুমি কি দৃ দেখিয়াছ? কোথায় বা ভ্রমণ করিয়াছিলে? যদি ব্যথিত রহিয়াছে। ১-১০। সমস্ত দিনেই উ আকাশ ও স্মরণ থাকে সংক্ষেপ করিয়া ব। ২১-৩০। ভাস কহিল- ধ্যেভাগে মহীউল রহিয়াছে। সেই মহীতলের আঘােদেশে আমি বহু দৃশ্য দেখিয়াছি, অখিচিত্তে বহু ভ্ৰমণ করিয়াছি। যে সমস্ত পথ সঞ্চরণ , তাহারা তাহাদের অবয়ৰ বহুধা অনুভূত ই ব এখন আমার স্মরণও হইতেছে। হে ভিজে সংগে করিয়া সঞ্চরণ করে। যে আাণে রাজন! সুদুর বিবিধ শরীরে অনন্তজগতে এ্যাক্ত আকাশে পলিশ উৎপনপূর্বক গমন করে, তাহাকেই উ কহে। গমন করে, তাহাকেই উ কহে। অনত্ম সুখ দুখ অনুভব করিয়াছি। হে মহাত্মন। আমি কুণ- নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ ৭১৫ বরে দূকৈচিত্ত হইয়া বিচিত্র দেহে জন্মান্তরবর্তে বিবর্তন ও সুদর্পণে প্রতিবিম্বিতের ন্যায় আকাশ-শৈলাদি সহিত দি কাল ও অন দৃষ্ট অনুভব করিয়াছি। আমি প্রতি ব্রহ্মাণ্ডে প্রতি জগতে প্রাণিগণযুক্ত ত্রিজগৎ প্রকাশ হইতেছে। ৪২-৪৬। নানা দেহে ভ্রমণ করিয়া প্রাক্তন দৃঢ় নিশ্চয় স্মরণ অঙ্গ দৃশ্যাত্মক সেই বনিতাকে আমি জিজ্ঞাসা করিলাম। হে বত্রি?তুমি পৃথিব্যাদি স্বরূপ অবিদ্যার অন্ত পরীক্ষার্থ অতিশয় যত্নবান হইয়া- কে ? তােমার এই শরীর ত্রিজগং ঘটিত কি? তাহার পর ছিলাম। আমি সব বিটপ হইয়াছিলাম, তাহাতে বহিঃ তিনি আমাকে বলিলেন, হে অঙ্গ। এই বস্তুসমূহে সৰ্বাবভসিকা প্রশূিন্য ও বক্ষদেহাভিমানী জীবকর্তৃক সুখদুঃখ ভােগ করি- যে শুদ্ধচিং তাহাই আমি। আর এই মুর্তামূৰ্তাৱক মহাজগৎ তাম। পূর্বাপর পরামর্শ হেতু চিত্ত না থাকায় পুষ্পমালাদি জনন আমার শরীর। হে অঙ্গ। যে একারে আমি বিস্ময়কশরী, বিস্তারে কন্দবিশেষের ন্যায় ভোমরসকালাদিত হইয়াছিলাম। সেই প্রকারে সমস্তই সেইরূপ, ইহা বিচিত্র নহে। জনগণ প্রতি শতবর্ষ ব্যাপিয়া আমি মেরুমৃগ হইয়াছিলাম। আহাতে আমার বস্তু এই প্রকারে যখন নিতে পারে, তখন এ ভাব দর্শন করে সুবৰ্ণ বর্ণ ও পর্ণকর্ণ হইয়াছিল। দুর্বার আস্বাদনে ও গানে না। আর যখন প্রতি বস্তুর স্বভাব অবিদিত থাকে, তখন এই অত্যন্ত আসক্তি ছিল। বনজাভ মূণের মধ্যে আমি সর্বাপেক্ষা ভাবে দর্শন করে , প্রাণিসমূদয় এই দেহান্তৰ্গত জগতে স্বদেহা কনিষ্ঠ অর্থাৎ অল্প দেহ ও অল্পবল, সুতরাং কাহাকেও হিংসা লয় ভিতিভাগে অং স্ব স্ব কর্ণশঙুলি প্রদেশে নিত্যই সৰ্ব্ববেদ করিতাম ন। (মেরু নির্গত করকান্ত নিমিত্ত মরণ প্রসঙ্গ হইলে শব্দ শাহ্মাদি শব্দ সামান্যরূপ নম্বক অনাহত ধ্বনি এবং গিরিশিখর হইতে উৎপন নিবন্ধন আত্মত্যু হইলে) ক্রৌঞ্চ! • 'করিয়া থাকে। সেই স্বসিদ্ধ ধ্বনি নিত্যনৈমিত্তিক কর্ম ও রুলে কাঞ্চনকন্দরে প্রতার্থ বৎসর শরভ হইয়াছিলাম। তাহাতে শমমাদি জ্ঞানসাধন অবশ্য অনুষ্ঠেয় ইত্যাদি সৰিধিগঙ ও পাদষ্টকবলিত আত্মপৃষ্ঠ ছিল। কিন্তু করক দিপা নিবন্ধন অতি কলঞ্জ ভক্ষণ করিবে না ইত্যাদি সর্ব নিষেধগও বটে। ক্লেশকর আত্মমৃত্যু ঘটিয়াছিল। তাহার পর বিদ্যার যোনি সেই ধ্বনি শ্রবণে দৰ্গতবিধিনিষেধশাস্ত্রের স্যায় তাহার বাচ্য- লাভ করিয়া মলয় ও মন্দর পর্বতে মন্দারচন্দনকালভাগৃহে রূপ অগংও দেহে আছে, এইরূপ সম্ভাবনা কর। সর্বপদার্থে ক'লাগুমলতাবলিত অনিলের সহিত বিদ্যাধরসুন্দরীগণের অনুগতত্তা যেরূপ শব্দ সামান্যস্বভাৰ অনাহত ধ্বনিও সেইরূপ। সুতণকলামত পান করিয়াছি, আর বিরিঞ্চিবাহন হংসের এই জগপ্রসিদ্ধভিত্তি অচ প্রভৃতি ব্ৰহ্মপত্তা যে হেতু পুত্রত্ব লাভ করিয়া পর্ষদশশতবর্ষ মেরুপতে মন্দাকিনীর স্বপ্নাদি, প্রসিদ্ধ মায়াবস্থার ন্যায় এখনও হারা আমার অগ্রে তীরান্তরে রমণ বরত হেমারবিন্দমকরন্দপিশঙ্গিতপয় পান বাক্য বলিতেছে। এইরূপে অত্যন্ত জড় বলিয়া প্রসিদ্ধ যে করিয়াছি, আর শত ব্যাপিয়া ক্ষীরােদ লেলা বন গন্ধবহন বুদ্ধাদি তাহাতেও জগৎঘটিত চেতনত্বের যদি অসমগ না হয়, বিলোলালালকারী মাধবসুন্দরীগণের শোকঘরাপহারী গীত তবে চেঙনপ্রায় তােমাদের শরীরে সুতরাং অসমঞ্জস হইবে না। শ্রষণ করিয়াছি। কালগিরিতে মঞ্জরিত করঞ্জগুবনে জন্ধুক আমি কোনও দেশে কোনও কালে স্ত্রীবিহীন জগৎ গত হইয়াও লাভ করিয়া গজপিষ্ট হইয়া স্বদেহ সর্ণিত হইলে অর্ধ মৃত অন্যকাম দৃষ্টি করিয়াছি। সেখানে বহুভুত নির্গত হইতেছে ও অবস্থায় সেই হস্তীকেই সিংহকর্তৃক হত হইতে দেখিলাম। ভূতে প্রবেশ করিতেছে। উৎপাতাদি নিমিত্ত নিরপেক্ষ আকাশে সিন্ধশাপবশতঃ সন্তানকপ্রকরহাসী সহসানুদেশে ইন্দমুখী শুরন্ত্রী অভ্র দেখিয়াছি। তাহাতে শসংঘটন ধ্বনিদৃশ কন্ ঝন্ ধ্বনি হইয়া কাষস্তবকগৃহে কুতযুদ্ধে একাকিনী বাস করিয়াছিলাম। হইতেছে। সেই মেঘ হইতে বৃষ্টির কান্না যে বিদাদি জলের ৩১-৪১। তাহার পর অন্দ্রের সন্নিধানে জলপ্রাদেশে | ায় নিপতিত হয়, তাহার খণ্ডের দ্বারা ময্যের আয়ুধ হয়। প্রকাবীলতালয়ে সদা রমণশীল বাল্মীক নামক পক্ষিবােনি আর এই জগতে যত গ্রাম গৃহাদি আছে, সমস্ত আকাশষার্গে লাভ করিয়া অশঙ্কচিত্তে শতবর্ষ অতিবাহিত করিয়াছি। পরে গমন করিতেছে। দূরে দিগন্তে প্রবেশ করিতেছে , সেইভােমা- ভাৰ্য। পুত্রাদি বিনষ্ট হইলে দূরস্থ জগতে মহেন্দ্ৰপৰ্বতে অত্যন্ত দের গ্রাম এই স্থানেই আছে। কিন্তু সেই গ্রামই আমি অত্র শােকার্ত হইয়া একাকী শেষ আয়ু অতিবাহিত করিয়াছি। এই দেখিয়াছি, এই আশ্চর্য, এই জগতে যত গ্রাম গৃহ আছে, রূপে জয়ে সিদ্ধপমােক্ষের অনন্ত সিদ্ধ হইয়া মহেন্দ্রগিরি আমি তিমিরাপহসৃষ্টি হইয়া দেখিতেছি। ৪৭-৫৩। এই সাদেশে সচ্ছায় চন্দনবনাবলিতে লতাসমূহে পরিলমান স্ত্রী- নবগণ এই অমরগণ এই হিসমুদয় ইত্যাদি লোকবাসির গণকে দেখিয়াছিলাম। তাহারা যেন সেই লতার ফলের ন্যায় যে অবান্তর বিভাগ, সে সমস্তই শ, অতএব সকল ভূতই পরিলম্বনাবিলাস অবলিত ছিল। তাহাদিগকে সিদ্ধ পান্থের সমান। আকাশ হইতে সমস্ত ভূত উৎপন্ন হইতেছে, আর ঘরা অপহরণ করিলাম ও ভােগ করিলাম। অবিদ্যা-দর্শ নৈক কালেতে সেই আকাশেই সমস্ত ভূত লম্বু পাইবে। চন্দ্র লক্ষণ কিচিকা ও চিত, গামতি অবিবেকী আমি এইরূপে তারা অন্ধকার স্বয়ংপ্রকাধিলভ্যালােয়ভ দিনরাত্র অত্যন্ত নির্বেদ পাইয়া পর্বজনিতম্বককচ্ছে অপস হইয়া মুক্ত অনির্বচনীয় জগতে এক বিপতিকে মরণ করিতেছি। দিনাতিবাহিত করিয়াছিলাম। হে মূনে। অন্য একটা অতি আর অপূর্ব দৈভাহিনরাময়াদি ভুলমুল অপুৰ্ব্ব ক্রমপভন- আশ্চর্য বস্তু আছে, তাহা শ্রবণ কর, যাহা অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডের সমুদয় অপূর্ব লােকাভরযুক্ত অনন্ত মহাঅং স্মরণ করিতেছি। দ্বারা সম্পূন্বিত, জলসমূহের স্যায় অশেষ দিগন্তস্থিত, ভূতগণ বাল্যেনাগং। এমন কি নাই, যাহাতে আমার গতি হয় নাই। যাহাতে আছে। এর সন্দিগ্ধতে, অস্বাভাখ্য মহাভূমের এমন দেশ নাই, যাহা আমি দেখি নাই। এমন কৌতুক নাই, সত্তা বাহাতে আছে। জলে প্রতিষিৰ ভূতাকৃতি মাত্র ভূমি আছে যাহা আমি অনুভব করি নাই। মমীয় অনুভবরূপ সাক্ষা সেই ঈষৎ ফারুত নাম রূপান্থ ব্রহ্মই এতি আচ। আমি হইতে ত্মিাধিষ্ঠান আর কিছুই নাই। ক্ষীরসমুদ্রে মম্বনার্থ যে কোনও এক স্থানে একটা বনিতা দেখিয়াছিলাম। তার শরীরে মন্দাগিরি ভ্রমিত হইয়াছিল, তদীয় রময় শৃঙ্গের ভীক্ষা- ৭১ লােগণি-রামায়ণ শক্ষিত হয়। সমন নন।২২। নির্মলনে মম গনশঙ্কিত ভগবান উপেলের ভুর সিঞ্জিত পুনঃপুনঃ ধূকে পাইয়াছিলাম। এই প্রকারে অগ্রৎবাবস্থায় জনসমূহ কর্তৃক ত হইয়াছিল। সেই আত শব্দ ও অভিমাৰ অ এমন বিষয় উদ্দেশ করিয়া গম ও স্মরণ করিতেহি। ৫। অগম্য দেশবেগে লঙ্গন করিলেও বংব অভিহিত হইয়াছিল। একত্রিংশবিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৩১। যেমন বালক হৃদয়ট পিশাচরি মিস্তাত্ব বুঝিতে পারে না; সেই রূপ দৃশ্য আঙ্গ্যিার অন্ত আমি পাইলাম না। যদিও আমি ইহা সৎ নয়, ইহা সৎ নয় ইত্যাদি বিচারানুল করিয়াছি, তথাপি বাত্রিংশদধিকততম সর্গ। চিত্যন্ত মৈত সংস্কার প্রবণতাশ এইটা সত্য এইটা সত্য এইরূপ প্রতি বিষয় সুদৃষ্টি নিবর্তিত হয় নাই। দুদৃষ্টি বিচারের ভাস কহিলেন,-মদনপত মৃদুমদারমলিনে মন্দরা দ্বারা নিয়ন্ত হইলেও প্রতিশেই মোকাভেদে ইষ্টানি অন ভিধা অঙ্গরাকে আলিঙ্গন করিয়া লুপ্ত ছিলাম, এমন সময়ে একটা সরিৎ স্বপ্ৰবাহপতিত তৃণের স্থায় আমাদিগকে ভাসাইয়া লইয়া সমাগমে প্রসক্ত সুখ দুঃখের দ্বারা নদীজলের স্যায় মূল আসি চলিল, তখন জলব্যাকুল। সেই অঙ্গরাকে আখাস প্রদানপূর্বক বাজধসমন্বিত শৃঙ্গ স্মরণ করিতেছি। সেই শৃঙ্গ সূৰ্য্যাশিত তেছে। আমি এক আশ্চর্য্য তালীমালকুলাতুলতু উন্মাদ জিজ্ঞাসা করিলাম, হে বালে। আমাদিগের এই আকস্মিক নদী হইয়াও স্বকীয় কান্তির বার ভাসমান হন। এই স্থাবর অঙ্গমা- প্রবাহে পতনের কারণ কি? তখন সেই পনর অপরা আমাকে বলিল, হে কান্ত। এই প্রদেশে চন্দ্রোদয় হইলে চন্দ্রকান্ত কই সেই আশ্চৰ্য্য শৃঙ্গ। সেই শৃঙ্গ তত্ত্ববিদগণের মন হরণ ত্মক বিশ্বসংসার সেই শৃঙ্গের সানুস্থানীয়মাত্র অর্থাৎ সর্বাধিষ্ঠান শীলাময় অফিটকের সন্তানভুত নদীসকল এলষণ জলের দ্বারা যেমন নিশাগমে প্রিয়তম সমাগম হইলে বনিতা করে, এবং স্বচ্ছ অদ্বিতীয় অখচ অসিত এবং সমস্ত বিকার সকল কামমত্ত হয়। কিন্তু আমাদের নিদ্রাগমের পূর্কে তােমার শঙ্কারহিত সেই ত্রিবিধ পরিচ্ছে শূন্য—অর্থাৎ দেশকাল ও বস্তুতঃ সঙ্গমরবেশ বশত এই কথা বলিতে আমি বিস্মৃত হইয়া পরিচ্ছেদশূন্য পদার্থ কোন চারু জগতে—অর্থাৰ ব্ৰহ্মবিমণ্ডলীতে ছিলাম, এই কথা বলিয়া গঙ্গা-কনকপঙ্কজে স্থিত বিহণী যেমন অনুভব করিয়াছিলাম। আর অমর রাজলক্ষ্মীও আহার তুলায় আকাশে উড্ডীন হয়, সেইরূপ সেই অলরা আমাকে লইয়া উডডীন হইল। আর সেই অলক্লিন্ন আমি নির্মল মন্দরশঙ্গে দ্বাত্রিংশবিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৩২। সাত বৎসর সেই অঙ্গার সহিত বাস করিয়াছিলাম। অন্য জন্মে যেতিচক্ৰ বিৰলিত কণীত্বকের স্যায় গর্ভের গর্ভে এক জাতীয় স্বপ্রকাশ করত প দেখিয়াছিলাম। সে স্থানে এক্সিংশদধিকততম সর্গ। দিঘিভাগ নাই, দিন রাত্রি নাই, পাত্র নাই, বেদবাদ নাই, দৈত্যেও বিপশ্চিৎ কহিলেন, অন্যত্র কোন অপূর্ব জগতে আমি এক আদিত্যের ভেদ নাই। সেই জগৎ আত্মার কারা প্রকাশমান। আশ্চৰ্য্য পদার্থ দর্শন করিয়াছি শ্রবণ কর , যাহা ৰহ্মহত্যাদি অপর জন্মে সমুদ্রতটে মেঘস্পশী পর্বনিত-কদম্বকচ্ছে ফলভূত রৌরবাদি নরকবৃত্তান্ত দশার সমান—অর্থাৎ অতি বীভৎস বিদ্যাধরামরবিহারবিমানভূমিতে অমর সােমনামে বিদ্যাধর সােমনামে বিদ্যাধর ইলেও বহ্নির বরপ্রভাবে অবিদ্যা আমার খারা বলপূর্বকই হইয়া চতুর্দশবর্ষ তপস্বী হইয়াছিলাম। অন্ধির বরপ্রভাবে এই অনুভূত হইয়াছিল। আপনাদিগের অগম্য কোন আকাশে জ্বলন্ত জগতে আবিদ দর্শন করিতে ইচ্ছুক হইয়া কখন পবনের ন্যায় চন্দ্র সূৰ্য্যালি সমন্বিত বিচিত্র জগৎ আছে। সেই জগৎ সন্নি- সন্নিবেশ-বিশিষ্ট সুন্দর জাতীয় অখ এবং মেঘের স্যায় দেহ বেশতঃ এই ব্রহ্মাণ্ড সদৃশ হইলেও শূন্যত্ব হেতুক ইহা হইতে অন্য যাহাদের খাবিধ জন এবং গ হৰিণ মৃগেন্দ্ৰ বক্ষবা ও অন্যান্য প্রকার। যেমন স্বকালীন দৃষ্ট নাগরাদি জাগ্রদবদৃষ্ট নগৰ মৃগনগপৰত পক্ষগপক্ষীসফুল অনন্ত কোষগগনে উপস্থিত হইয়া সদৃশ হইলেও জাগ্রৎকালে তাহার অভাব হেতু অন্য প্রকার বলি- গরুড়ের ব্যয় বেগে অগ্রে প্রসূত হইয়াছিলাম। সেই জলং য়াও মনে হয়। সেই জগতে নিবাসকালীন আমার হৃদয়স্থ অর্থ হইতে পরিনির্গত হইয়া মহার্ণব বিস্তৃত এক নড়ােদেশে পতিত অনুসন্ধানের জয় যেমন দিলুখে দৃষ্টি নিহিত করিলাম, অমনি হইলাম। ১—১১। সে স্থানে উদ্দেশনিশাসি নভােনক্ষত্রগণে দেখিলাম, রাতে এক অলিজালমশিন অচলপ্রতিমা মহতীচ্ছায়া বন্ধ হইয়া দিন রাত্রি মাস ঋতু আদি সময় অনুভব করিয়াছিলাম অত্যৰ্থ ভ্রমণ করিতেছে। এই মহভীচ্ছায়াকর আশ্চৰ্য্য বস্তু কি এবং দিকসমূদয়ে গমনানুভব করিয়াছিলাম। পূর্বোক্তপ্রকারে হইবে, ইহা ভাবিতে ভাবিতে যেন জগতের উজগে সৃষ্টি আকাশে কোষপনানুগুবৈকৰি আমার পরিশ্রান্তি হওয়ায় প্রেরণ করিম, অবনি দেখিলাম আকাশেও ত্রিপরিমাণ অন্তঃকরণে মিত্ৰা আসিয়া উপস্থিত হইল। আমি তাদৃশ সুষুপ্ত ঘূর্ণমাণ এক পুরুষাকৃতি পতিত হইতেছে। এই বিক্ষিপ্ত পর্ব- শরীরে স্বপ্নাত্মক আগ্রন্থ অবস্থাতে স্বকীয় আয়াতেই বিশের উপ- জে স্যায় পর্তমান গিরিতুল্য । সকালপুরক শরীর ব্রহ্মা ? লব্ধি করিয়াছিলাম। পুনর্বার আকীণবাভৰঞ্জীর আর সূ না ব্ৰহ্মাণ্ডারীর বিরাটু? যাহা দ্বারা পরমার—অর্থাৎ প্রসিদ্ধ পী যেমন পরিচালিত হয়, আমিও সেইরুপ দিগন্তভুবনালি সূৰ্য্য আচ্ছাদিত অখিলবাসরঞ্জ ইয়া প্রকাশ পাইছে না সংসার চঞ্চলতা-নিবন পরিচাল্যমান হইয়া পূর্বসঙ্কলিত আমি এই প্রকার চিন্তা করিতে করিতে কতবাত পরিবর্তিত পরিজে এ অগংগুহাতে পতিত হইলাম। চক্ষু যাবৎ এহ্মাণ্ডেক পালাবপারে যায় নিষােষযুক্তকেশে আকাশ পর্যন্ত, বিষয় নিশা প্রসূত হয়, তখন পর্যন্ত আমি হইতে বিশ্ব পতিত হইলেন, সেই অপরাবার দেহাভীমরূপ কণমাত্রেই গমন করিয়াছিলাম। পূনর্বার সেই প্রকার শনি করিয়া পূরুষকার বস্তু নিপতিত হইলেই কণমাত্রেই সীপা বসুমতী, ।
নির্বা-করণ-উত্তরভাগ ৪। পরিপূর্ণ হইয়া যাইবে; সুতরাং সীপভুবলের সহিত আমার অন্তর ভগবান বহি এইরূপ বলিলে দিয়ে হতে অবশ্যই নাশ হইবে, এই বিবেচনা করিয় অগিতে এৰিষ্ট অগালজাতীয় গগন ভূষণমল্যাণিসম্প, নগণ হইলাম। আমা কর্তৃক অন্তরশতাড়িত ভগবান জাবেদা সমগত হইলেন। সিঙ, সাপ্ত, অঙ্গ, দৈত্য, গন্ধর্ব, উর, ইন্দুবৎ সুশীতল হইয়া আমাকে বলিলেন, ভয় নাই। কিন্নর, ঋষি, মুনি, য, পিতৃ-মাতৃ এবং অষয়গণ প্রভৃতি সেই ১। আমিও বলিলাম, হে আবে। আপনি প্রতি জমেই নগণ সকলে ভর্তিমণিকায় হইয়া শরণা সর্বেরী আমার পরম গতি, এখন অকালে কক্স উপস্থিত। প্রভাে। দেবী কালরাত্রিকে সুৰ করিতে লাগিলেন। নগণ কহিলেন; আমাকে রক্ষা করুন, এই কথা বলিলে অগ্নি পুনরায় বলিলেন ; যে দেবী মহাকান্তে সংহত পদ্মঘােনির কপিল উরুটামণ্ডল হে অন' তােমার ভ নাই, উৰিষ্ঠ, চল, আমরা অগ্নিলােকে খগাজশৃঙ্গে বন্ধ করেন; দৈত্যগণের মন্তক দ্বারা বিনি অকালে যাই, এই কথা বলিয়া ভগবান অন্ধি তাহার বাহন শুকপুষ্ঠে একুৰিধান করেন , সংহতযৈনতেমের পক্ষ যারা যিনি শিমােবতংস আমাকে আমােহণ করাইয়া সেই পতন শ দেহের একদেশ করেন। যে দেৰী বিশ্বসংসার সংহার করিয়া থাকেন, তিনি সাত্রি দাহ করিয়া—অর্থাৎ ছিদ্র করিয়া আকাশে উখিত হইলেন। ভূপীঠভূত এই জগৎ সংহার করিতেছেন। অগং সংহার করি- জন নভােদেশ পাইয়া ভদ ভুতসমধ্যে পাত লেখিতে লেও যিনি নিষ্কলঙ্ক অর্থাৎ শুদ্ধ চিত্রস্বভাৰা। তিনি আমাদের লাগিলাম। সেই মহাশৰ ৰেগে পতিত হইলে সাতােধি-শৈল অনুগ্রহের জন্য শরীয় গ্রহণপূর্বক অবশ্য পালনীয় আমাদিগকে বনপনজঙ্গলৌ বনু চঞ্চল হইলেন। অবন্তী নদীসমুদয় রক্ষা করুন। ২৬-৩। নিকােদকপ্রবাহ হওয়ায় গিরিনদীর গিলিনদীর তুলয়ে মার্গান্তর দ্বারা ত্রয়তিদধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৩৩ | প্লাল হেতুক ভৃগু অলপ্রপাতষয় হইল, সেই পভজ্জল রাশি ভয়ঙ্গরাকার ম্যাদি দেহকৃত ভূৰিদারণ অন্য বাপীকুপাদি- বিলক্ষণ গত্ত সকল করিল। (বিধুর দেহ বিভেদকর্তা নীতিপাঠ থাকিলে বসুধাবিসংদুল স্বদেহ বিভেদদ্বারা বদি কৰ্ত্তন করিল) চতুস্ত্রিৎশধিকশতম সর্গ । পৃথিবী পূৰ্ব্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ দিকে এবং আকাশ শৈল ও বিপশ্চিৎ কহিলেন,—যে কালে দেবগণ মহাদেবী কালরাত্রিকে অন্য ভূতগণের সহিত সমস্ত জগৎ প্রলয়সম অন্য ভীত স্তব করিতেছিলেন সেইকালে আমি দেখিলাম, পূর্ববৰিত সেই এস্ত হইয়া যেন উচ্চৈঃধ্বনি ও রােদন করিতে লাগিল। পৃথিবী পতনােমুখ পুরুষ অখিল ভূ আচ্ছাদন করিয়া ফেলিয়া-ছন ও সেই পতিত শবের ধারণজনিত বিবরহ সংরকার ! উহা শবরূপ অর্থাৎ সিজীব। হে সৌম্য। শবের যে ভাগ আৱা সমস্ত দিগন্তরকে অর্জিত করিনে। আকাশ ও নাগরিক সপ্তদ্বীপ পৃথিবী আচ্ছা রহিছে; সাকল্যে অপরিমেয় ভয়ৰিদ্ৰৰৰলপ্রচণ্ডনিৰ্জিতা-খিল শব্দ ঘুং ঘুম ধ্বনি করিতে সেই শবের পর্বতােপম মহা কুক্ষিসংজ্ঞক ভাগ আমাকর্তৃক দুষ্ট লাগিল। ৯—১৬। ভূরদরী দৃঢ় বিদীর্ণ হওয়ায় নির্ঘাত শব্দ হইয়াছিল। আমি বহর নিকট জ্ঞাত হইয়াছিলাম ; সেই উৎপন্ন হইল। তাহাতে শোৱঙ্গয়ার্দি যেন বিদীর্ণ হইতে শবের বহু উরুশিলােদশ লোকালােক পর্বতের পরপারে পতিত লাগিল। উৎপাত কর্তৃক ভীমজবে জলবণাকর্ষি যুগান্তপবন হইয়াছে, সে স্থান মনুষ্যের অগম্য। সেই ব্যবাসী সিদ্ধগণ সংবন্ধ প্রলয়াম্মুদধ্বনি দ্বারা যেন অর্জন করিতেছে বলিয়া বােধ সাদরে দেবীকে ব করিয়াছিলেন। তিনি তোমপ্রদেশেই প্রক হইল। বেগে সেই শব ভূলে পতিত হইলে পৃথিবী ধ্বনি টিত হইয়াছিলেন। এবং তিনি স্বয়ংঙ্কা অর্থাৎ নীরক্ত হইয়া- করিতে লাগিল। ধ্বনি দিমুখে যাওয়ায় শতগুণে অভিঘাত ছিলেন। প্রেতবৃন্দ তাহার অনুগমন করিতেছিল। মাতৃমণ্ডল- পাইল। তাহাতে কুলাচল ৩টপ্রদেশ ও হিমাচল শৃঙ্গসমূদয় লালিত স্কুণ্ড, যক্ষ, বেতালা, তারকিকাম্বা শিয়াল দীর্ঘ- পাতলদেশে প্রবেশ করিল। সেই মেরুশৈল শিলাকুতি বের দোর্দণ্ড কনৗকৃতস্থল। সেই দেবী কর্ণাদগাহরূপ দৃষ্টিপাত দ্বারা পভন শৈলশৃঙ্গের দলনকর ও পৃথিবীর বিদারণকর ও অলরাশির দিবাকরকে যেন বিক্ষিপ্ত করিতেছিলেন। যেন ব্যোমকোটরে ক্ষোভ-মকর অদ্রিগণের ভূতল সমীকরণ সাধন ও সর্বভূতের ঝনি বিশিষ্ট খুলনায়ুখের দ্বারা পজিগণকে শত খণ্ড পীড়াকর ও এলখিরুদ্রগণের ক্রীড়র হইয়াছিল। তার করিতে লাগিলেন। দেহখানা ও ত্রাখি বিশিষ্ট শরীঝবয়ব ভূতলে পঙন দ্বীপপদ্ধতির আচ্ছাদন, আদ্রগণের চূর্ণীকরণ, সমূদয়ের আয় হায় দেখা দীর্ঘ-বেণুকায়ে কোটিবােজন অবনীমণ্ডলের দলন, দ্বিতীয় ভূপীঠের স্থায় অপর ব্রহ্মাণ্ডোর্জের বিস্তীর্ণ হইতেছে। একান্তীবিদাতে দিম্মুখসমুদয় দুখ- * রে পতিত শূয়ে যায় নভশ্চরগণ দেখিয়াছিলেন। এগিতের ভয় শুভ্রবর্ণ হই। তঁাহার ফল ও দীর্ঘ বিস্তীর্ণ আমি দেখিলাম, মাংসময় এল পতিত হইতেছে। তাহার শরীর খারা ঘর যেন পররিত হইতেছে। সন্ধ্যাকালীন একটা সখীপ পৃথিব৩ ধরিবে না, তাহা দেখিয়া আপনার অমালিকায় স্থায় তিনি সন্ধাস্পদ। প্রেতাসনসরু হইয়া প্রসাদে সমুপস্থিত হইয়াছি। হে প্রভে। ভগ যজ্ঞে! একি। পরম পদে অর্থাৎ পরমৰন্ধে প্রাদুর্ভূত হইয়াছিলেন।১-১০। মাংসমরদেহ কেন পতিত হইছে। তাহার সহিত আকাশ সজলধারণের ন্যায় ক্ষুৎকাল-রূখারিণী সেই মহানবী হইতে সিদ্ধ সূৰ্য্যই বা কেন পতিত হইছেন। এই ফেন গনমহাসাগরে বাড়ায় এ ধারণ করিয়াছেন। শষণবাঙ্গ পতিত মাংসয় দেহের স্থান সপৰ্বত বনাবি ভূপঠে হইবে মুষল কুলতােনর সুর আসন উহুল প্রভৃতি ঘন্স কেন চঞ্চল । ১৭-২৫। অগ্নি কহিলেন; হে পুত্র! তুমি স্বরা শ্ৰয় বিক্ষেপ করিতেছেন। যেমন গাৰ্বতীয় নদী প্রবুটকালে হইয়া কামাত্র প্রতীক্ষা কর, যাবৎকাল এই পৰণ দোষ উপলও সমূহকে স্বৰে অচলের ই বহন করিয়া থাকে, সাকল্যে প্রশমিত হয়, তাহার পর আমি তােমাকে দিব। সেইরূপ সেই মহাদেৰী কইমইফে পলি করতঃ অনশরীর- । যােগবাশিষ্ঠ-আমায়ণ মালা গগনাঙ্গনে বহন করিতেছেন। দেবগণ কহিলেন-হে পদাদি অবয়ব ব্রহ্মাণ্ডের বাহিরেও পড়ছিল, তাদৃশ মহাশবের দেবি। অম্বিকে। এই শৰ আমরা আপনাকে উপহার দিতেছি, বার লােকালােৰু পৰ্বত কেল আচ্ছাদিত হয় নাই। (রাম এই আপনি স্বপরিবারের সহিত ইহাকে শীঘ্ন আহার করুন। সুরগণ প্রশ্ন সর্বজ্ঞ বশিষ্ঠের নিকটই করিয়াছিলেন। ভাসের নিকট এই কথা বলিলে, সবা-শক্তিময়ী দেবী প্রাণবায়ু দ্বারা সেই করেন নাই। কারণ তাহার দৃষ্টি লােকালোক পৰ্য্যন্ত প্রসূত ছিল দেহ হইতে রক্তসার আকর্ষণে প্রবৃত্ত হইলেন, যেমন সন্ধ্যাকালীন না। এই জন্যই বশিষ্ঠ উত্তর করিতেছেন)। ৩১-৩৮। বশিষ্ঠ মেধ পর্বল্পে গুহাভ্যন্তরে প্রবষ্ট হয়, সেইরূপ প্ৰাণবায়ু দ্বারা কহিলেন, হে রাম। সেই বের উপলােপলক্ষিত মধ্য শরীর আকৃষ্যমাণ রক্তসমূদয় ভগবতীর মূখে প্রবিষ্ট হইল। তিনি আকা- দ্বীপসপ্তকের মধ্যেই ছিল। মস্তক ও খুনােপলক্ষিত পায় শস্থ থাকিয়াই প্রাণাকৃষ্ট সমূদয় রক্ত পান করিলেন। পূর্বে তিনি এবং ভূজাদি অঙ্গসমুদয় ব্রহ্মাণ্ডেঃ বহির্গত হইয়াছিল; এই ছিলেন, ইদানীং রক্তপানে থ হইয়া পীনা হইলে। যেমন ভাসেক্তি সত্য বটে। শবের পায় উত্ন মধ্য কটি পায় ও বর্ষাকালে তড়িৎতরললোচনা মক্তবর্ণা অভ্রমলাে অবস্থান করে, শিরােহংশদ্বয় মধ্য দ্বারা লোকালােকের শৃঙ্গসমূহ আচ্ছন্ন হয় সেইরূপ তিনি পরিপীনশরীরি হইয়া অবস্থান করিলেন। নাই। সুতরাং লােকালােক উর্কে লক্ষিত হইয়াছিল। তপ- বিষমাহিবিভূষণারতসবমদোন্মত্তা সমস্যায়ুধধারিণী হেতুক অজল-অলদের ন্যায় সুকান্তি, লােকালোক-শৃঙ্গ- ভগবতী শরীয়ার্ধপুরিত আকাশ এদেশে নৃত্য আর করিলেন । মস্তকে উপবিষ্ট দেবগণ লক্ষিত হইয়াছিলেন। মাতৃগণের নৃত্য- লােকালােক-গিরিশিখস্থিত অমরগণ তাহা নিরীক্ষণ করিতে কালীন প্রসারিতা অধেব পতিত শবভূতসমূহকর্তৃক ভক্ষিত লাগিলেন। ১১-২০। তদনন্তর যেমন মেঘসমুদয় মহাচল আব- হইতে অন্ত হইল। অসুপ্রবাহ প্রবাহিত হইল। মেলোগন্ধ রণ করে, সেইরূপ পিশাচন্তাগুরূপকাদি মহাগণ সমুদৱ শৰ বিভূতি হইল। তদানীং দুঃখিত দেবগণ প্রত্যেকেই বক্ষমাণ- আচ্ছাদন করিয়া ফেলিল। ঐ শব শৈলের কটিভাগ কুন্তাগণ রূপ চিন্তা করিতে লাগিলেন । হা কষ্ট। পৃথিবা কোথায় গেল, গ্রহণ করিল, উদরপিকার ও যক্ষগণ দবিক্ষত-পা-পৃষ্ঠ জলরাশিই কোথায় গেল , জলসঙ্গতই বা কোথায়, ধরণী- ভাগ গ্রহণ করিল। আর সেই শবের ভুজ উরু করাদি অন্য ধরই বা কোথায় , তাদৃ-চন্দন-কদম-মন্দার-বনমণ্ডিত পুষ্প অবযুবসমুদয় ব্ৰহ্মাণ্ড-খর্ণরের পরপর অর্থাৎ জলাদ্যাবরণ-দেশে রসের মগুপসদৃশ মলয় কোথায় তেল। উচ্চ সুবর্ণ বিপুল পড়িয়াছিল। সেইজন্য ভূতসমুদয় দূরে দিগন্তরে স্থিত সেই হিমবমি শুবিষয়ে ক্ৰোধ করিয়াই যেন রুধিরতৃক স্বীয় সমুল অবয়ব পায় নাই, তাহা কালে স্বয়ং কলিত হইয়াছিল। কদমভাব প্রাপ্ত হইয়াছে। ক্রৌঞ্চল্পীপে সৌগিবিতে যে মহা চণ্ডিকা আকাশে নৃত্য করিতে আরম্ভ করিলে ভূতগণ শবের জন্য কম ছিল, যাহা শশীকান্তি বহ্মাল'কে বিস্তীর্ণ হইয়া- ব্যাকুল হইলে দেবগণ অদ্রিপৃষ্ঠে অবস্থান করিলে তৎকালে ছিল, সেও চুর্ণ হইয়াছে। হে পাৰিজাতকোমচামৃতপতে। পিণ্ডাকারে ভক্ষমাণ ও নীয়মান আম এবং দুর্গন্ধি বসা মাংস ক্ষীরােদার্ণব। হে নবনীতভরিশিখবিগ্রোবেলাবনদধার্ণব। প্রভৃতি দ্বারা ভূবন ব্যাপ্ত হইয়াছিল। মাংস চর্বণ সংন্তে নালিকের প্রধান গিরিকে। যোগেশ্বসেবি মধ্বণব। তােমরা শবশবরূপ ধ্বনি হইতেছিল। তার ন্যায় শিরা ও অস্থির খণ্ডনে এখন কোথায় , দেব ও দিক্সমুদয়ের দর্পণকাৰ্য্যকারী আকাশে হং কটকটা রব উথিত হইতেছিল। ভূভলট স্বাটিকাদি রশিলা এখন কোথায় ? ৩৯ হে বিরিধি বিশ্লেষবশতঃ ভীষণ নিন হইতেছিল। আর হিমবং বিন্ধ্য- হংসনলিনী-নিবিড়তদিজালবন। কল্পদ্রুমকাঞ্চনমাললতা-নিরু- শৈলপ্রাণ অস্থিময় অচলে ভুবন আত হইতে ছিল। দেবীর পাধিক-সগবন্ধীচক্রৌঞ্চলীপ। কদম্বকাননাদরীর্বিশ্রান্ত-বিদ্যাধরী- মুখানল-জ্বালা মাংসক্তি ভূভল হইতেছিল। রক্তশীকর নীহার- ক্রীড়-কোবিদগরাম-গৃহপুকধীপক। তােমরা কোথায় . বর্ধণে দিসমূদয় সিরিত হইতেছি। সল্প প্রেক্ষক দেবগণ স্বাদূদক-সমুদ্রের উদগ্রতাপনিলােষক মচ্ছন্ন মহীপন কর্তৃক বরুণৰেষ্টিতে স্যায় দিগন্তৰ হইয়ছিল। সখীপ বসুন্ধরা সমুদয় গােমেদ্বীপ তদীয় কল্পবৃক্ষ তত্রত কনকলত ভাষার সুধিরৈকার্ণবীভূত হইয়াছিল। ২১-৩০। সমস্ত অচলমণ্ডল দ্বারা সুন্দর দরীসমুদয় কল্পবৃক্ষবন-কধুকিত-তৎপুরুষের দ্বারা শুভ্রবর্ণ শিখরে সহিত অত্যন্ত অন্তর্হিত হইল। যেন দিগঙ্গনা রক্ত ক্রৌঞ্চদ্বীপ সহিত তং অচলমমূদয় এই সমুদয় পদার্থের স্মরণ প্রভাসতার-বস্ত্রাবৃত হইলেন। তঃস্থল দেবী ও গণগণের দ্বারা সানগণের স্বর্গসুখন পণ্যের উদয় হয়। মানিলালিত- বালােলভুভ্রান্ত আয়ুধচ্ছ হইল। পুরপত্তনমণ্ডল স্মৃতি পল্লববাবল্লীসংযুক্ত-সন্তানক্ষের দ্বারা সমস্ত দিগন্তু ভাসিত পথাৰূমাত্র রহিল। স্থাবর-জামাত্মক সমুদয় অগং অত্যন্ত- হইত, এমন সমুদয় বনই ধ্বস্ত হইয়াছে। কি কষ্ট। অশ্ব- সবরূপ-বিশিষ্ট হইয়া অন-কুত্তান্তরূপিকদিগণের সমাজৰূপে আদি জনসমূহ কি প্রকারে চিত্তসমাধান লাভ করিতেছে। পরিণত হইল। যে ভূতগণ নৃত্যে প্রদত্ত হইয়াছিল, তাহাদের জানি না কোন সময়ে ইক্ষুসাগরতীরে শিলীভুত শর্করাময় অচল অভিনয়করাকার খগগণের বন্ধনাথ আকাশে প্রসারিত জালকের ভূষিত ভূমিতে প্রসিদ্ধমাধুৰ্য্য ওড়মােদক সমুদয় দৈখিব এবং স্যায় অ-অগং-রচয়িতা বিধাতার মানসূত্রেয় গা ভূমি হইতে কবেই বা আর ক্রীড়ার্থ শর্করাপত্ৰিকা দেখিব, কবেই বা তালী- সৌরমার্গ পৰ্যন্তস্থিত আন-বিতানবন্ত অগণ আরা মালী-সলাচলের কম্বকজক্র-শীতল-কনকালয়ে উপবিষ্ট হইয়া পিশাচগণ কর্তৃক ত্রৈলােক্য যেন ম্রিয়মাণ হইতে লাগিল। সেই চন্দননি অপরাগণের নৃ দেখিব; অক্ষের গজপ্রমাণ শবে কুৎসিতাঙ্গ দ্বারা অনাক্রান্ত দিবসকের পৰ্যন্তস্থিত লােক- অমৃত সম্পদ জায়ূন স্বর্ণের হেতু প্রসিদ্ধ ফলসমুদয় স্মৃতি শােক গিষির মূদেশে অবস্থিত মুগণ, ভূতপূর্বমহীপীঠে স্থিত মাত্র পর্যবসিত হইয়াছে; কি কষ্ট। যে ফলের রসালু যারা দ্বীপ- রক্ত দ্বারা আবীকৃত জগৎ উপগত উপল্লবে আল্পত দেখিয়া থিভয় সমুদ্রমেখলা অমুখীপরূপা মহী নদী প্রবাহিত করাইভ, মুন্না- হইলো। রাম কহিলেন ,হে ব্ৰহ্ম। যে শবের অত্যন্ত দীর্ঘ হন্ত- সমুদ্রতীরে শিলীজ নিরঞ্জ মহীপ্রগুহাতে মধুমভামরসুন্দরীগণের ৮ নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ। ৭৪৯ T নৃত্যগীত স্মরণ করিয়া প্রকালীন পদ্মের গায় অধুনান পৃথি- হুতাশন! এই বেশৰ দেখিলাম, এ পর্বে কি ছিল, কি নিমিত্তই যার স্থায় আমার হয় বিদীর্ণ হইতেছে। হে মিত্র! তুমি ৰাশৰ হইল, ফলুন। বহ্নি কহিলেন, হে রাজন। ত্রৈলােক্য দেখ; রক্তময় জলরাশিপূর্ণ অভিনব সমুদ্রের উপরিভাগে সূৰ্যো- ভাসুর অনন্ত অক্ষত শৰবৃত্তান্ত আমি যাবৎ বন করিতেছি, তুমি দয়াময় সন্নিহিত ভূমিতে দিমুখে সন্ধ্যারুণ সুবর্ণময় মেরু শৃঙ্গ - শ্রবণ কর। জৰিতীয় অনন্ত নিরাকার চিন্ময় পরমবোম আছে। তোকোদিত ইন্দুকলার স্থায় দীপ্তি পাইতেছে। সাগরবারি- যে চিমাক শে অসংখ্য জগৎ পরমাণু অধ্যস্ত হইয়াছে। রাশিয়া দ্বীপসমুদায়লস্কৃত ভূষিত নদী অল-কানন উগ্র সেই সৰ্বগত চিত্ৰ সৰ্বাত্মক আকাশে কোন কারণবশতঃ নগর গ্রাম ব্রাহ্মণগ্রামারা তরুপল্প ক্ষুরাদিভুষণবতী মহী সম্প্রতি (সুমানগ্রাণি-কৰ্ম্মৰশ) স্বয়ংবেদনময়ী সংবিৎ উৎপন্ন কোথায় গিয়াছে জানি না। ৪১-৫৭। হইল। যেমন তুমি কোন পথিককে চিন্তা করিয়া সুপ্ত হইলে চতুস্ত্রিংশদধিকতক সর্গ সমাপ্ত। ১৩৪ | নিজেরই পাতা দেখিয়া থাক, সেইরূপ তিনি স্বল্প বশতঃ বিষয় তজসপরমাণুত্বানুভৱ করিলেন। অজ্ঞানাবৃত চিহেতুক সেই সূক্ষ্মপদার্থ পদ্মজাজহুল্য সঙ্কত্মিকা অণতা অনুষ পঞ্চত্রিংশধিকততম পর্ণ করিল। আর সেই ভাসমানা অনূভা সােচ্ছনতা ভাবনা করিয়া বশিষ্ঠ কহিলেন,-মত ভুগণ কর্তৃক ভক্ষিত শবের কিঞ্চিৎ স্বকীয় চক্ষুরাণীত্রিয় অনুভব করিলেন। অনন্তর তাহা স্বতঃ অবশিষ্ট থাকিতে লােকালােক গিরিস্থিত সেন্দ্র দেববৃন্দ পুনরায় শরীরে লগ্ন হইল অনুভব করিলেন। স্বপ্ন পুরের ন্যায় চক্ষুলিও কহিলেন, বিদ্যাধরামরমিনিসঞ্চার ভূমি আকাশে যেন উষ্ণ স্বভাববশতঃ অগ্রে শম্পাদি গুণাধারাষেৎ ভূত মরজগৎ করিবার জন্য ভূতগণ কর্তৃক পবনচালিতামলারঞ্জিতকাশসদৃশ দেখিলেন। বেদনাদি বিষয় অারােপরূপ কাৰ্যকারণ সলাত মেলেমিয়াল আস্তৃত হইয়াছে। দেখ, সপ্তপীপেই ভূতগণ মধ্যে জাতিবিশেষ অনুরনামে কোন প্রাণী ছিল। সে স্বভাবত কর্তৃক মেলােজাল বিসরিত হইয়াছে। মাংসভুক্ত হইয়াছে। অত্যন্ত অভিমাণ হইয়াছিল। বিদূরপিত্রাদির ন্যায় তাহার ও রুধির পীত হইয়াছে। সম্প্রতি পৃথী কিঞ্চিদ্দশযােগ হইয়াছে। অসত্য প্রতিভাসাত্ম পিতৃমাতৃপিতামহ ছিল। দপান্বিত হইয়া সৰ্ব্বপ্রাণিপ্রমােদরী পূৰ্বী ইদানীং মেদারূপ-পটাবৃতাখিলাঙ্গী সে কোন মহামুনিম সুখাদ আশ্রয় ভয় করিয়াছিল। তখন হইয়া রহিয়াছে, কি দুঃখের বিষয় ? বন সমুদয় মেদোময় শারদ মুনি তাহাকে শাপ দিয়াছিলেন। ১–১২। ভূমি মহাকায় হইয়া মেষ দ্বারা আপুত হওয়ায় পূসর-কমল-সঙ্গীত বলিয়া বােধ হই, আমার আশ্রম নষ্ট করিয়াছ, অতএব এদেহ ত্যাগপূৰ্ব্বক অতিক্ষুদ্র তেছে। সেই শনের অস্থিতে মহাদ্রিসকল সাত হইয়াছে। মশক হও। যেমন বাড়বানল সমুদ্রজল লক্ষ করে, সেইরূপ সেই বােধ হইতেছে, হিমাদ্রিশিবরের স্থায় দিকৃতট আবরণ করিয়া শাপাগি তৎক্ষণাৎ অসুরকে ভস্মসাৎ করিল। আনুর চেতন রশিহে। ১-৫। বশিষ্ঠ কহিলেন, দেবগণ যখন এই তখন নিরাকার নিরাপার আকাশবলমােপম হইয়াছিল। চিত্তপ্ত সমুদয় অপি করিতেছিলেন, তখন ভূতগণ পীতাবশিষ্ট মেদোজাল তখন ভূতগণ পীবশিষ্ট মেদোজাল মুজ্জিতের ন্যায় হইয়াছিল। অনন্তর সেই অব্যারুরূপ চেতন দু’বা রাকে মেদোলিপ্ত করিয়া মতাবস্থায় আকাশে নৃত্য করিতে ভূভাকাশে মিলিত হইল। ভূকাশও পদ বায়ুর সহিত লাগিল , ভুত নৃত্যাসক্ত হইলে তাহাদের পীবশিষ্ট রক্ত, একত্ব লাভ করিল। দেহলভ হইলে ভবিষ্যতে যাহার প্রাণি সঙ্গল প্ৰস্ত একটা প্রবাহ দ্বারা দেবতারা এক সমুদ্রে নিক্ষেপ নাম হইবে, সেই চেত-(বায়ু) বা আত্মা অপঞ্চীকৃত পৃথিব্যাদি করিলেন। সেই সমুদ্রকেই দেবগণ সঙ্কলপুৰ্ব্বক সুরাণব করি- ভূতচতুষ্টয়ব্যাপ্ত হইল। যেমন আকাশে ৰয়ৰীয় অণু স্বভাবতঃ লেন। অদ্যাপিও সেই সাগর মণিরাণব হইয়া আছে। ভূত- স্পন্দিত হয়, সেইরূপ পঞ্চতন্মাত্র ব্যাপ্ত চিত্ৰাণু স্বভাবতঃ অনন্তর বর্ষাদিকাল প্রাচ্যবায়ু বর্ষাদি গণ আকাশে নৃত্য করিয়া ত্ৰত্য সুরাপান করুত আনন্দ মন্দির শনযুক্ত হইল। আকাশে নৃত্য করিতে থাকিল, সেই ভূতগণের স্থায় ইদানীন্তন জলসহকারে ভূমিস্থ বীজ যেমন অঙ্কুরিত হয়, সেইরূপ সেই ভূতগণও অদ্যাপি যােগেশ্বরীগণের সহিত মদিরার্ণব হইতে মদিরা অনিল চেল স্থূলভাবে প্রকটিত হইল। শুদ্ধ মুনির শাপ- পান করে ও আকাশে নৃত্য করে, সেই ভূতগণকর্তৃক বিস্তৃত বিষমুক জ্ঞানবান ও প্রাণাগুস্থিত স্বকীয় মশক জনবান্ সেই মেসেজাল ভূতলে শুষ্ক হইয়া থাকাতেই মহী মেদিনীরপে প্রসিদ্ধ অনুসন্ধিছিলাভাস উৎসংস্কার বশতমশকাঙ্গ পক্ষপাটি হইল। উক্তক্রমে শবদেহ ক্ষয় হইলে সূৰ্য্য স্বস্থানে আরােপিত যুক্ত হইয়া স্বয়ংই মশক হইল। নিশ্বাসমাত্রে যে নিপতিত হইলেন, মেরু প্রভৃতি পর্বতও উদ্ধৃত হইলেন। সুতরাং দিন- হইয়া উড্ডীন হয়, এতাদৃশ অল্প শরীরবিশিষ্ট স্বেজ মশকের যামিনী ক্ৰমে প্রবৃত্ত হইল। অনন্তর প্রজাপতি নতুন প্রজাষ্টি দুই দিন মাত্র জীবিতকাল হইল। রাম কহিলেন, হে প্রভা। করিলেন। এই ভূতলে সেই সৃষ্টি পুর্বের ন্যায় হইল। ৬-১২। তের সমস্ত শরই কি যােন্যর উৎপত্তি না কারও আছে। ১৩-২৩। বশিষ্ঠ কছিলেন, ব্ৰহ্মাদি ভূল পৰ্যতের পঞ্চব্রিধিকতম সর্গ সমাপ্ত। ১৩৫। প্রকারে সম্ভব হয়, এক ব্ৰহ্মময়, অ ভ্রান্তি; সেই দুই একারই এ । পূর্বে যােত রূহ অন্যান্য দৃঢ় টত্রিংশধিকততম সঙ্গ। ভ্রান্তিমূলক ততখাত্রে অত্যন্ত আসক্তি হওয়ায় আকারে প্রাণীগণের ৰে সৰ হয়, তাহাকে ভক্তি কহে। নিত্যমুক্ত ভাস কহিলেন, পৃথিবীতে দরখ। আমি অগির বাহন রে কাচ এবভ্রান্তি হয় না, বর্গানিকালে জিন স্বয়ং বি- শুকের পক্ষকোণে অবস্থান করিয়া সেই মহাদেব পাবককে ভাবে প্রকাশিত হয়, তাকেই এর সব কহে। উহা যােব জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম। হে গুণৰল। সর্বশ্বের বাণি নহে। নাম। সেই ৰম্য সৰ আসি। কপিলারি বােগঞ্জি-রামায়ণ ঋষিগণ অভব করিতে পারে। এই মুখকের তাহা বা দেখা যায় এবং অন্তরে ও বাহিরে স্থিত স্বল্প প্রপঞ্চ কি সন্তৰ নহে। সুং মশক ভ্রান্তি বই উখি হইছি একাই বা দেখা যায়, প্রপক্ষই যদি খপ্ত হয়, তাহা হইলে ব্রহ্মসঙ্গ তাহার হয় নাই। ইদানীং তাহার চেষ্টায় এ অন্তর্বহির্ভেলে দুইপ্রকার কেন দেখা যায়। মুল কহিলেন, হে কর। পৃথিবীতে স্কুলে বাতৃণে সমগণ অত্যক্ত সাধাের যেমন অকস্মাৎ অম্বরে অভ্রের উদয় হয়, সেইরূপ আমার নি করিয়া থাকে। সেই মশকও তাহার মধ্যে অব্যক্তনি চির প্রথমাবস্থায় এই পৱিতর্ক উপৰিত হইয়াছিল। অবধি করতঃ ক্রীড়া করতে করিতে স্বীয় পরমায়ুর অর্থ একনি সম্পূর্ণ আমি বন্ধপদ্মাসনে দিকা পরকায় এৰেনুকুল বহিঃকুন্তক- ভােগ করিল। দ্বিতীয় দিনে মণিকা গর সহিত দালােলর ধারণপরায়ণ হইয়া সর্বাত্মত্বরূপে প্রসিদ্ধ সংবিৎস্বরূপে বির দেলাতে বললীলাক্রমে দোলন আর করিল। কিছুকাল পরে হইলাম। যেমন সায়ংকালে রবি স্বকীয় মলকান্তি দ্বারা দোলমার্ত হইয়া যেমন বিভ্রাম করিল, অমনি মকদৃষ্টিতে আতপকে প্রত্যাহ্নত করেন, সেইপ আমিও সংবিধাপে স্থির পর্বতমায় হরিণাদগ্র কারা চুণিত হইল। সে মরণকালে হইয়া দূরবিক্ষিপ্ত চিত্তকে সংবিৎ দ্বারা স্বজয়ে প্রত্যাহৃত করিয়া- হরিশাল ভাবিতে ভাবিতে প্রাণত্যাগ করিয়াছিল। সুত্রা ছিলাম। ১৮। যেমন কুম হইতে সৌরভ বাহে বহির্গত মশকদেহ মেতেই হরিণ হইয়া জন্মিল। পরে হরিণরূপে হয়, সেইরূপ প্রাণের সহিত জীবের বহির্গমনামুকুল যােগশাস্ত্র অরণে বিহার করিতে করিতে এ বকর্তৃক নুর জাৱা হত প্রসিদ্ধ প্রষঙ্গের দ্বারা জীবােপাধি চিন্বিত প্রাণকে শয়রের হইল। তদানীং ব্যাথাননগ-বৃষ্টি হইয়া দেহত্যাগ করায় জন্মান্তরে বহির্দেশে নিঃসারিত করিয়াছিলাম। অনন্তর বা ব্যোমস্থ জীবাে- ব্যাধ হইল। বাধ্য হইয়াৰনে বিচরণ করতে করিতে এক মুনির পাধি চিত্তসম্বলিত প্রাণবায়ুকে আমার পুরােভাগে স্থিত কোন জন্তুর কানে উপস্থিত হইল। সেই স্থানে সে বিশ্রাম করিল ও সৎসঙ্গ প্রাণের সহিত মিলাইলাম। যেমন ভকগণ শর্তমধ্যে মুখ প্রবেশ লাভহেতু মুনিকর্তৃক প্রবােখিত হইল। হে ভ্রান্ত। দীর্ঘ দুঃখের করাইয়া আকর্ষণলক্ষণ মুখ-বায়ু দ্বারা স্বকীয় চেষ্টানুসারে নিজের অতনু দ্বারা মৃগ সকলকে বধ করিচ্ছে, একি? ক্ষণভঙ্গুর আহারভূত সর্গকে স্বমুখে প্রবেশ করাইয়া হিংসা করতঃ ভক্ষণ জগতে মহাফল অহিংসা, এভালানাদি শাস্ত্র কেন রক্ষা করে, সেইরূপ আমিও আমার প্রাণৰনিত যে অন্তু হইয়াছিল, করিজে না? ব্যাধ কুলাচারপ্রাপ্ত জীবিকা মৃগবথ আহার ত্যাগে তাহার প্রাণ অবলম্বনে তদীয় স্থায়ে নীত হইলাম। অনন্তর তাহার কি প্রকারে জীবন রক্ষা করা হয় ও কি প্রকায় লেগসিক হয়। হৃদয়ে তদীয় প্রাণশ্বরােহণপূর্বক প্রবিষ্ট হইয়া প্রণয়কে অনু- আয়ু বায়ুবিঘটিত পটল চঞ্চল এলবির ন্যায় ক্ষণভঙ্গু, ' সরণ করতঃ স্বকীয় বুদ্ধিবশতঃ সঙ্কটে পতিত হইলাম। যেমন ভােগ সমূহ মেখৰিতান মধ্যে বিসৎ-সৌদামিনীর ন্যায় চঞ্চল। অখিল বাদেশ স্কুল-সূক্ষ্ম বহুকুল্যা-পরিবৃত , সেইরূপ সেস্থানও ভােগ্য যৌবলবিলাস জলের যেগের জয় অস্থির। ভােগায়তন লেগায়তন চতুর্দিকে সঞ্চরমাণ রসপুর্ণ বহু নাড়ীপরিবৃত। ভাণ্ডেীপঙ্করণের শরীয় প্রতিক্ষণেই সম্ভাবিত পায়যুক্ত। হে পুত্র । এই হেতুই স্যায় পার্শস্থিরূপ পঞ্জরে প্লীহা ধং রাদি পিণ্ডের দ্বারা জীবগৃহ- পারলৌকিক ভাবনর্থ-পরশরাশ সংস্কৃতি বশতঃ এন্ত ভূত শরীর সঙ্কটময়। নিদ-সন্তপ্ত উর্শ্বিজালে অর্ণব যেরূপ ব্যাপ্ত হইয়া অভয়দান ও অহিংসাদি উপায় আর জাতন্তিক অনর্থ থাকে, সেইরূপ জঠরাখি-সম্ভত শলশলা ধ্বনিৰিশি উষ্ণ অবয়ব নিবৃত্তি উপলক্ষিত নিত্য নিয়তিশয় আনন্দরূপ নিৰ্বাণব্রহ্ম - কাপ্ত। অনবরত সচি প্রণবায়ুকর্তৃক নাসাদেশ হইতে সল কর। ২। জীবনার্থ বহিঃশৈত্যবিশিষ্ট চেতনাত্মক বায়ু উন্নীত হইতেছে। ত্রিৎশবিকততমসর্গ সমাপ্ত।১৩৬ | ১-১৬। সে স্থান রক্তকুটু অসম্মেবসানিৰিজনিত-পিচ্ছিল ও নান্ধকারময় এবং উফ, মুজ্জং নরকোপম সঙ্কটময় হইয়াছে। আসতি-সং-নাড়ী মধ্যে কোন স্থানে উনয় ও কোন স্থানে সপ্তত্রিংশধিকততম সর্গ। অবয়বশ্লেষ নিমিত্ত স্পষ্ট ও অস্পষ্টরূপে প্রাণাদি মরুগণ ক্রীড়া করিতেছ। তাহাতে সপ্তধাতুর স্থিতি ও অন্তের বৈষম্যহতুক বাধ কহিল-হিংসাদি ব্যবহার যদি দুঃখের কারণ হয়, তাহা আগামি গেদি সূচনা হয়। বিদৗ পানাদি ছিদ্রমাগে বাত- হইলে দুখলয়ের প্রতি কর্কশ নয়, মৃদুও নয়, এমন ব্যবহাৱা নিৰ্গজনিত শব্দ হইতেছে। অর্ণবাড়বের ন্যায় হৃদয় পদ্মনাল- কি হইতে পারে। মুনি কহিলে এখনি সায়কের সহিত খৰু ডিমধ্যে জঠরাখি গুলিতেছে। মিলিত যাসনাময় পদার্থ দ্বারা পরিত্যাগ করিয়া যৌন আচার থাৎ যমনিয়ম বিচাচার নিৰ্বিতিত সবায়ু ইন্দ্রিয়বদ্ধজীব সাক্ষী আস্বরূপে নির্মল ও আশ্রয়পূর্বক এই আনে বাস কর। বশিষ্ঠ কহিলেন, সেই যেমন রাত্রিতে পুরীসমুল তােরকর্তৃক স্থান বিশেষে ক্ষুব্ধ ও অক্ষুব্ধ ব্যাধ মুনি কর্তৃক প্রবুদ্ধ হইয়া বন্ধু সায়ক পরিত্যাগপূর্বক মুনি একে, সেইরূপ চিত্তরক্তিম্ভে ও প্রদেশভেদে কোথাও সৌম্য, সমাচাৰ অযাচিতাস হইয়া সেই আশ্রমেই বাস করিল। এনে কোথাও ক্ষুব্ধ। গাং-বাধৱসদৃশ কোষ্ঠগত এর নাম- কিছুলি অতীত হইলে, যেমন মুকুল পরিপাক বিকাখাবি পরায় অর্ধমাত্র গতিবিশিষ্ট সঞ্চরমাণ বাতসমুহ আবৃত। যেমন জমজনিত নামােজ রুইয়ে প্রবেশ করে, সেইরূপ সৎসর শ্রেষ্ঠ মানব বনৱৰয়কৰাধ নিরৰকাণে নয়র মধ্যে প্রবেশ ২শ শাসিজ সারাবিবেক অর্থ হয়ে প্রবেশ করে, সেইরূপ বিমার সেই আর হয় নামি প্রবেশ করিয়- করিল। জেমিম দরখ ! কোন সময়ে সেই ব্যাধ মুমিশ্রেষ্ঠের ছিলাম। যেমন রাত্রিতে সূৰ্যজীতি ইমধ্যে প্রবেশ করে, নিকট আসা করিল, ভগব। প্রাণিখের অসতি স্বপ্ন সেইরূপ আমিও লাভয়ে দূর কােথাতু বাধ হইয়া- আশ্রমে বাহিরে কেন যে বাত, বমিতি এলঞ্চ ঘ ছিলাম। ১৭-২৩। জিনের ভাণ হেতু বা আদর্শ ভূত হইলে আইৰে নো প্রাণীরগত স্বপ্ন কি উপায়েই ত্রৈলোক্য বিষয়ে হাঁপবৎ একাশক সৰ পদার্থের সাপ T নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তর। পরমাত্ৰাজীৰ যাহাতে বাস কনে। যপি সর্বগত জীব রূপে এখন। বেফ রােণি সূৰ্য্য অবিসংহ হইয়া শরীর-মন্যে আনখাবি, খালি জাখাতেই তাহার দীপ্তির দ্বারা এনে বখান কৰিছে, সেইরূপ অগ বিকেপে অবন। যেমন সূৰ্য-একণিত কুখ্য জীবও বাহিরে অন কল করিনে। অন্তরে স্বপ্ন ও সর্বগত সৌগন্ধ ও শৈত্য বিক্ষেপিলক্ষিত মূখভাগেই আধিক্যে বাহিৰে আগ্ৰৎ এ চিনাক আমি ইত্যাকার যথার্থ জ্ঞান অবস্থিতি করে। সেই জীববার ওজোযাতু-মধ্যে অলক্ষিপে হইলে ভূমিকাভেলপৰিণামনে বসনাসমূদয় ধ্বংস হইলে প্রবিষ্ট হইলাম। সে স্থান চক্ষুধারে করণাভিমানী দেবগণক মুক্তি হয়। জীব এক্ষ্যে ও অদাহ, যৈতসবশতঃই অথবা রক্ষিত হইতেছে। যেমন টালি প্ৰচ্ছাদিত-নীল-জ্যোতি বিবেচনা করতঃ শিশুরায় মুগ্ধ হয়। যকীয়ার অগণে টচ্ছি-প্রবিষ্ট বায়ু আর বুদিত হয়। তদনন্তর আমি সাক্ষাৎ দর্শন স্বপ্ন ও বহির্জগপেনি অগ্রৎ। অতএব স্বপ্ন জাগ্রৎ জীবােগাধিভূত মনােময় বিজ্ঞান কোষ সম্বলিত আনন্দময় উভয়ই তাহার স্বরূপ এইরূপ আগ্রন্থ ঋগের জ চিন্তা করিতে কোৰে এবিষ্ট হইলাম । সুগন্ধ যেমন বায়ুতে ব্যাপ্ত হয়, সূৰ্য্য করিতে লুপ্তির রূপ নিতে বুদ্ধি লিওনুসারে সুষুপ্তির কিরণ যেমন চন্দ্রমণ্ডলে প্রবেশ করে, জল যেমন মৃৎপাত্রে প্রবেশ অংশ অনুসন্ধানে উদ্যত হইলাম। ৪। দৃষ্টিতে করে, দ্বিতীয় ইনুসন্ধান তালবপেলব নবনীতগুড়গ্রখ্য আমার কি ফল হইবে, নিশ্চিন্ত হইয়া চিরকাল তুফাবে ক্ষীরবুদবুদ সুন্দর সেই স্থানে বিশ্রাম করতঃ স্বকীয় ওভাের অবস্থান করিব, এই প্রকার সমরূপা সংৰিঙিই সুষুপ্তি তা নয়। মধ্যে বসতির ন্যায় সুস্থ হইয়া স্বকীয় স্বপ্নের স্থায় চলীয় রূপ যেন এই দেহে নখকেশালি বিনিত অবিদিত, সেইরূপ সুষুপ্তি অখণ্ডিত বিশ্ব দর্শন করিলাম। ২৪২১। সূৰ্য, পর্বত, সমুদ্র, চেতে অড়ও নয় অথচ জড় এমন ভাবে ফুর্তি পায়। হর, অনুব, মানব, পতন, আভােগ, লােকান্তর, দীপ, সাগর, জাগ্ৰৎ স্বপ্নভ্রমণে মার্ত হইয়াছি, বিশেষ সংবিত্তিতে কি প্রয়াে- অন্তোধি, কাল, করণ, গ্রাম, কল, ক্ষ, সমুদয় ঋতুর সহিত স্থা- জন, কিছুকাল শান্তভাবে থাকি, এতাদৃশ সঙ্কজনিত গাঢনিদ্রা- অত্মক বিশ্বরূপ স্বল্প অনাদি প্রবাহ-স্থিত এসি বলেই কারৈকপরিণাই সুষুপ্তি। জগৎ পুরুষের চিন্তা পরিত্যাগ স্থায় দেখিলাম। আমি জাগৱ অবস্থায় অতিশয় বাস করিলাম, দশাতে এতাদৃশ নিশ্লাগলাত্মক সুষুপ্তি সন্তাখনা হয়। এই অবস্থান যেহেতুক জাগ্ৰৎ অবসানে নিদ্রা আসিল না। অনিদ্র অবস্থায়ই ঘনতা প্রাপ্ত হইলে নিদ্রাশকে কথিত হয়। ঈষঘিপােকারে কি স্বপ্ন দেখিতেছি, এইরূপ চিন্তা করিতে করিতে জ্ঞাত হইলাম। কিঞ্চিৎ শিথিল হইলে স্বপ্ন দে কথিত হয়। এইরূপে সুযুখি এই সমস্তই চিনার ঐশ্বৰিক রূপ, তিনি আকাশাত্মক স্বাক্সকে নিল করিয়া পরমবুদ্ধিবৃত্তিারা তুরীয় পদার্থান্বেষণে প্রবৃত্ত ঘট, পট, ঠ, জগং রাজীব ঘাম-রূপে ব্যপদেশ করেন, হইলাম। সম্যক অবােধ ব্যতিরেকে দুৱীয়ের পূর্ণরূপ লাভ সে স্বয়ংই উত্তমরূপে প্রসিদ্ধ হয়। যে যে স্থানে চিদ্ধাতু হয় না। যেমন তম হইতে প্রকাশ লাভ হয় না। সম্যক্ বােধই অবস্থান করেন, সেই সেই নে জগৎরূপেই নিজের শরীর তিনি তুরীয় দর্শনের উপায় । পরিদৃশ্যমান এই বিশ্ব সম্যক্ বােধে বিলীন দর্শন করেন। শূন্যতা আর থাকে না। ওহহা পরিমনি হয়, স্বরূপে অবস্থিত হয়, সুং আত্যন্তিক বিলীন হয় না। জগতের তত্ত্ব আজ এই প্রকারে বুঝিলাম। ইহাকেই লােকে অগজ্ঞেসহিত স্বপ্ন জাগরণ ও সুষুপ্তি তুরীয়তেই অ্যাছে, স্বপ্ন বা থাকে, ইহা ত চিৰিবৰ্তিতত্র। স্বপ্নও চিবিত্ত, পৰিমানরূপে নাই। কারণ হইতে অগৎ উৎপন্ন হয় নাই, অগ্রভও চিবিত্ত , আং বস্তুত স্বপ্ন অগ্র দুই প্রকার নহে। কিন্তু সৎ অজ ব্ৰহ্মাই পরিমান অংশে কলিত হইয়াছেন। জাগ্রৎকালে স্বপ্ন স্বপ্ন অর্থাৎ মিথ্যা, কিন্তু জাগরণও স্বল্পকালে এতাদৃশ নিত্যবােধই তুত। জন্ম ও তৎকারণ সমষ্টির আয় স্বপ্ন, স্বপ্নও দৃষ্টিতে জাগ্রতই যটে। জাগ্রও অষ্টিতে জাগ্রত ব্রহ্মে সম্ভাবনা নাই। সুৎ বিতীয় স্বর্গাত্মক দ্বৈত কিছুই বটে, এই একাই বিছা হইয়াছে। ৩০-৩৮। মরণ নামে মে না, কিন্তু টিতেই অগাকার চেতনাকক লক্টিসংবিৎ কাৰ কোন পদার্থ ই নাই। যেহেতুক পুরুষ চিত্র। হে মহাযুদ্ধে। গৃহীত হয়, যেমন অন্তু নিজেই তাকে গ্রহণ করে। ৫১–১। অনেক শত শরীর মৃত হইলেও কোন পুরুষের কোন কালে কোন অতিৰিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৩৭। প্রকারে মৃত্যু সড়বে না। সেই চেতন আকাশকারে অবস্থিত আছে, তিনি দেহাকারে বিবর্তিত হন। তিনি অনন্ত জবি স্বভাব মূর্ত ও অমূর্তাকারে কতি হন মাত্র। (পুর্ব শ্লোকে শরীর স্বীকার করিয়া মরণ বলা ইয়াছে। বস্তুতঃ শরীরও নই অষ্টত্রিশধিকততম সর্গ। মরণ নাই। স্বভাব অমূর্ত নিত অনন্ত প্রকাশস্বরূপ চিৎ ভাস কহিলেনএইরূপে আগ্রাদি , তুৰ্যান্ত অবস্থায় সংজ্ঞিত সূন্ন পদার্থের সারই জগৎ, অর্থাৎ ভ্রান্তিবশত অগৎপে বিচাষের পর সেই প্রাণীর চিদাভাস লক্ষণ জীবের সহিত কলিত হইছে। চিদাকাশ-মধ্যে জগৎ ভ্রান্তভবলক্ষণ অণু একীভূত হইতে প্রবৃত্ত হইলাম। যেমন পুষ্পিত সহকারসন্ধি- প্রকাশ হয়। ৩১-৪৩। বৰা অৰয়ৰীতে বিচিত্র অবয়বাণু প্রকাশ সৌরভ বায়ুর আর পদ্ধকরে নীত হইয়া পড়ে বায়ু সৌরভের জীব বাহুভােগ হইতে বিরক্ত হইয়া জীবাধার সহিত মিলিত । আমি যেমন চিবাসে এৰেনাথ ওমাে- হৃদয়ে স্থান কৰিলে বহুঙ্কার জােণিকীরূপই স্বপ্ন স্বর্গ, ধাতু পরিত্যাগ করিলাম, এমনি সমস্ত ইন্দ্রিয় সংবিৎ বহির্মুখ ইহাকে চিৰিবৰ্ত বলিয়া জানিতে হয়। আর যখন চিত্ত বাহােত্ম ব্যাপারে বলপূর্বক এর হইল। অনন্তর আমি সেই বাহপ্রবৃত্ত হয়, তখন স্বকীয় রূপই জাগ্রৎশক্ষিত হয়। যখন চিত্ত ইসিবিং সমূদয়কে অন্তৰণ প্ৰত্বৰভের দ্বারা বল হয়, অন এই জীবই স্বকীয় রূপকে স্বপ্ন দেখেন। একাত্মক জীবই পূর্বক নিগ্রহ করিয়ারে এত হইলাম; যেমন তৈলবিল্ল- বাহিরে ও ভিতরে স্বর্ণ, পৃথিবী, বায়ু, আকাশ, নদী, দিনমূল মধ্যে হয়। যেমন আমি উপৰিাপ্তি বা অবিতে পায়।
বােগবাশি-রামায়ণ } পরিণত হইতে লাগিলাম, অমনি তাহার ও আমার উভবাসনার সভার কারা সকলই সাবৎ হয়। ইহার ভিতর প্রাণ হইতে অন্তঃপ্রতিভাসহেতুক বিণিত বিশ্বসংসার দেখিতে লাগিলমি। পৃথক্ করিলে একমাত্র মন খাকে না। ইহাত অল্প আশঙ্কা ফি সমূদয় যিগুণিত হইয়াছে। সূর্যাদ্বয় তাপ দিতেছে। ভূমণ্ডল- এই অভিপ্রায়ে বশিষ্ঠ কহিলেন—স্বপ্নগিরির খায় মন কান আয় হইয়াছে। দুই অন্তরীক্ষ লোক দেখা যাইতেছে, দর্পণ- মাত্রই শরীর মন হইতে পৃথক্ করিলে এই স্বাভুত নিজ দেহও এতিবিম্বিত বদন প্রতিবিম্বয় যেরূপ দেখা যায়; চিং দ্বপাে- খাকে না। চৈত্যার্থাভাবে সে চিন্তও থাকে না, অর্গাদিকালে পচিত জগৎও সেইরূপ মিশ্রিত দেখা যাইতেছে। তিলদ্বয়ে কারণভাবে দৃশ্যের উৎপত্তি হয় না। এই হেতুক এই পরিদৃশ্য- তৈলের ন্যায় বুদ্ধিকোষস্থ চৈ প্রকাশ পাইতেছে। তৎসম্বন্ধ মাল সমুদয়ই ব্ৰহ্ম৷ ব্ৰহ্ম ও সর্বাত্মা, সুতরাং এই বিশ্বও যথাস্থিত লিত উপাখি চিলাভস হয়ে দ্বিগুণীভূত জগৎ নিঃসৃত হইন্না আছে। ব্ৰহ্মবিদ্গণের নিকট সাশ্রয় চিত দেহাদি সমুদয় প্রকাশ পাইতেছে। সংবিদ্ধৃিতকোষস্থ উভয় জগৎ মিশ্রিত ব্ৰহ্ম , অব্ৰহ্মবিদগণের নিকট এই চিৰ নেহাদি যেরূপ, আমাদের হইলেও, বাসনার অমিশ্রণ জীৱজলের স্থায় প্রকাশ পাই নিকটে সেরূপ নহে। হে রাজপুত্র! এই বিবিথাকায় ত্রিজগৎ তেছে। নিমেসকাল-মধ্যে দর্শনমাত্রেই সেই প্রাণীর চিদাভাস বহ্ন মাত্র, তাহা বর্ণন করিতেছি, শ্রবণ কর। ২৩-২৮। সংবিং সংবিতের দ্বারা পরিচ্ছিন্ন করত অর্থাৎ উপাধিমের ঐক্য- অমল অনন্ত আকাশরূপরূপী এক চিত্র পদার্থ আছে; তাহা সম্পাদন দ্বারা একীভূত কৰিলাম। যেমন ঋতু ঋত্বস্তরের সহিত সর্বদা সৰ্বরূপাত্মক জগও নয়, দৃশ্যও নয়। আদিবিবর্জিত এক হয়, অল্পজলাশয় বৃহৎ জলাশয়ের সহিত এক হয়, আমােদ- অবুদ্ধরূপ ত্যাগ না করিয়া, সর্বজ্ঞ চিত্রকর্তৃক মনস্তই প্রথম লেখা বায়ুর সহিত মিলিত হয়, ধূমলেখা মেঘের সহিত মিলিত অধ্যারােপিত হইয়াছে। সেই মনের দ্বারা আত্মার যে সঞ্চরণ হয়। শীই বাসনার একীকরণ দ্বারা সংবিয়ের আত্যন্তিক একতা কলিত হইয়াছে, হে বেদ্যবিদার! তাহাকেই প্রাণবাহু বলিয়া সম্পাদিত হইলে পূর্বানুভূত দ্বিগুণীভূত জগৎও এক হইয়া জানিবে । এইরূপ প্রাণত। যেমন মন দ্বারা কল্পিত হইয়া অনুভূত গেল। ১-১০। দুষ্টি পুরুষের দৃষ্ট চখয় সুদৃষ্টি হইলে যেমন হয়, সেইরূপ ইন্দ্ৰদেহাদি ফিকাল কলনদিও মনঃকল্পিত হইয়া এক হয়। অনন্তর তচ্চিতি আমার স্বকীয় বিবেক তগ না অনুভূত হয়। এই প্রকারেই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড অখণ্ডিত চিত্তমাত্র। করায়, সঙ্কল্প অল্পীভূত হইয়া তদীয় সঙ্কলনুসারিণী স্থিতি প্রাপ্ত চিডও চিত্র , যেহেতু পরিদৃশ্যমান সমুদয়ই ব্ৰহ্মকলিত, সুতরাং হইল। আমিও তাহার চিত্তবৃত্তির দ্বারা তাহারই কােগ্য বাহ্য জগৎ নিরাকার, অনাদি, অনন্ত, অনাময়, অনাভাস, শান্ত, শব্দাদি বিষয় আলােচন করতঃ তাহার হয় ত্যাগ না করিয়াই চিমাত্র সন্মাত্র ব্রহ্ম হইতে অতিরিক্ত নহে। সর্বশক্তিম জাগ্ৰৎ ব্যবহার লক্ষণ দিনাচার অনুভব করিতে থাকিলাম। অন পর প্রাথমিক মনঃ-শক্তিদ্বারা পূর্বসিদ্ধানুবাহিত হইয়া ওর সেই প্রাণ অল্প জল উপভোগ করিয়া এমধুক্ত হইয়া যদৃচ্ছা- , যেরূপ সঙ্কলিত হইয়াছিলেন, সেইক্ষপেই সর্বত্র স্বপ্নজাগরে স্বরূপ ক্রমে সায়ৎকালীন পদ্মের ন্যায় নিদ্রাকুল হইল। সায়ংকালে রবি ভূত জগৎ অনুভব করেন। সঞ্চঙ্গাত্মক মনই কাৰ্যব্রহ্ম , যেমন স্বকীয় রুচির উপহার করেন, সেইরূপ দিগনিকুঞ্জে যেরুপে ভুরাদি লােক ও অন্যান্য বিষয়সঙ্কল্প করেন, সেইরূপেই প্রস্তরূপালােকক্রিয়াকর চিত্ত উপসংহত হইল। চিন্তাপ অনুভব করে। ইহা এইরুপেই আবালিক প্রসিদ্ধ আছে। হে সংজত হওয়ায় সমস্ত ইন্দ্রিয়বৃত্তিও চিত্তের সহিত ছন্ন হইয়া রমশুন্যাত্মক চেতনাত্মা পুরুষ প্রথমে চিত্তের দ্বারা প্রণবান হৃৎকোষে প্রবেশ করিল। যেমন কূৰ্মাজ কর্মে প্রবেশ করে। হুইলেন, অনন্তর দেহী হইলেন, অনন্তর গিরীকৃত হইলেন, চক্ষুরানি মুদ্রিত হইয়া হৃদস্বাকর হইল। কিঞ্চিৎ মূল্পে স্যায় অনন্তর ত্রিভূবনীকৃত হইলেন। এ সমস্তই স্বল্পকালে স্বদেহে লােষ্টরূপ লিপিকাৰ্পিত অর্থাৎ নিৰ্যাপার হইল। আমিও কল্পিত পুরীমধ্যে সকলেই অনুভব করিয়া থাকেন। ২৯–৩৭। তচিত্তা বিধায়িত্বহেতুক তদীয় চিত্তবৃত্তির সহিত ইলিয়- অষ্টত্রিং দধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৩৮ | গােলক পরিত্যাগ করিয়া নাড়ীমার্গারা তদীয় হৃদয়ে প্রবেশ করিলাম। শয্যা সমৃণ কোমল ভেজেও আনন্দময় কোষে বাহানুভব সংহারপুর্বক ক্ষণকাল শৃঙ্গাত্মক মুখ্য করি- একোনচত্বারিংশধিকততম সগ। লাম। যে সময়ে সচ্ছিদ্র নাড়ী সমুদয়ে অনুপানবিকার নিরু সমান বায়ু বাহিরে নির্গমন করে না, সূক্ষ্মতর গতিতে অন্তরে বশিষ্ঠ কহিলেন,চিত্তই জগতে কী, তিনি যাহা যেরূপে সঞ্চরণ করে, সেই সময়ে প্রাণ তদাত্মক অদ্বৈত সম্প্রসাস্থ সঙ্কল্পিত করেন, তাহা সেইরূপ হয়, কোন বিষয় অলীক, কোন মাত্ৰপর হইয়া হৃদয়াভারে পুরীতি প্রবেশ করতঃ প্রত্যগাস্বরূপ বিষয় ব্যাবহারিক, কোন বিষয় প্রতিভাসিক, চিতের সঙ্কল্পবশতই পরমপুরুষার্থ স্বভাবহেতুক চিত্তকে আয়ত্ত করেন। নিরতিশয় হইয়া থাকে। প্রাণ ও চিত্ত সঙ্কলিত প্রাণই আমার গতি—অর্থাৎ আনন্দরূপ পার্থসারূপ যুগিতে নিয়তির আনন্দ বপু লােভ সর্বব্যহানিৰ্বাহক প্রাণ ব্যতিরেকে আমি থাকিতে পারি না। গন বিক্ষেপদেষলেও থাকে না। ১১-২২। রাম কহি, এ সমুদও কলিত, এই অই চিতকে প্রাণের অধীন বলা বে, হে মহামুলে। মন প্রাণায়া হইয়াই মননানি করেন। হইয়াছে। আমি কতিপয় কাল প্রাণ ব্যতিরেকে থাকিতেও পারি শিমুপ্তিকালে এলাকান্ত বলিয়াই মন করেন না? তাহা না বা থাকিতে পারি, ইহাও দিত। যে স্থানে শন সংযুক্ত এই গ্রাগ্রৎকালেই বা কি প্রকারে মনন করেন ? যেহেতু প্রাণের দ্বারা শরীর কলিত'; সে স্থানে বিস্তীর্ণ মায়াপুরের এণ হইতে পৃথকৃত মনের স্বরূপ নাই; প্রাণখনির্মুক্ত মন ত চায় ক্ষণকাল মধ্যে শরীরের উদয় হয়। এই প্রাণ দেহ কি। অধিষ্ঠান সন্মাত্র হইতে পৃথ করিলে দেহ আদি কনানন্তর আমি কোনকালে যেন এাণ ও দেশ হই না, এপ কিছুই থাকে না। অহার সহিত পৃথক্ করুণ অহার ইজাকার দৃঢ় নিশ্চয় জীবের হয়, বিভাৰ আয় আশ নির্বাণ-গগ ৭৫। নিশা হয় না। সন্দেহজনিত সােলাতি চির দুঃখ লাভ করে। স সব জও এ উপগৃহের সহিত সেইএল বিপরীত নিয়ে যথার্থ নিশ্চ ব্যতিরেকে সিভি হয় না। একক এবি ইলাম। সেই নগর সেই গৃহ ২জনে ফুটতর ভাতিজন জনজনিত অৰিকজে নষ্ট হয় না। এলৰি কৰু গহনা ছিল। এ বাকার শক্ত বাহার অত্যন্ত আছে, তাহার ভাতিজান নষ্ট হয় না। আy কর্তৃক লিত এ বিশাল কর্তৃক পৰিপুৰিত ইয়নি। বিন ব্যতিরিক্ত কোন উপাৰে ভৰি ন ন। এ সে মনে যে এক আধিত হলাম । মােদোলায়বিচরণ ব্যতিরেকে অনও হয় না। ১-১। সমুকে লি কৰি এর হইয়াছে। অত লােৰু অতএব যত্মবক মােলাপায় বিচরণ কর। অহং-ইগজেটে দুই সকল অভিনয় কুম্ভিত হইয়াছিল। এবং তথাকার কানের পুত্র- প্রকার অৰিলা আছে, দেলোপর ব্যক্তিবিক্তি কোন কালেই সকল অপেক্ষিত হয় নাই। নগর ও গৃহ চঞ্চল আবর্তসম্প ইহা নষ্ট হয় না। এণই আমার জীবিত অর্থাৎ পরম প্রেম বিষ, অল প্রতি কর্তৃক প্রবাহিত হওয়ায় খুলিত হইয়াছিল। এ এই একার অভ্যাস থাকায় এাণাধীন হইয়া মন মহিয়াছে, অয় অলসল বলে কপুক কলায়মান কর্তৃক এইরূপ নেতাও মনে আছে। সুখদেহে প্রাণ স্থির অভিীষণাকারে পরিণত হইছিল। ২০০১। এবং এই থাকিলে মন মনন করিতে পারে, কিন্তু দেহ ক্ষুব্ধ হইলে নগরস্বগৃহের বিদীর্ণ ভিত্তি শিথিল কাঠের খিল) সকল সেই ক্ষোভ প্রাণাগত করিয়া মন আত্মত-বিবেক দর্শন করিতে কঠোর শব্দে শব্দ করিতেছিল। এবং সেই নর এ গৃহের পারে না। যে সময়ে স্ব-স্পন্দ-নিমিত্ত মন এ হন তখন ছাদন বের গৰাখে না সকলের মুখ সকল অবস্থিত । চিত্তস্থিত ব্যর্থ মন আত্মজ্ঞান উন্মুখ হয় না। এই প্রাণ ও মন আমি উত্তৰ প্রাপ্ত হইয়া সেই সকল অকাল মনিপুৰক শীল পরস্পর রথ ও সারথিন্সরূপ। যেমন রথ ও সারথি পরস্পর ভাবে যখন লােদন করিতে লাগিলাম, সেই সকল এমধ্যস্থ অর্জন করে। রথ ও সারথি কে কাহার অনুবর্তন না করিয়া বন্ধ বালা এবং অঙ্গনপরিপূর্ণ সেই সকল গৃহ শীলাগামী নির্নরের থাকে। এইরূপ স্পর অনুবৃত্তিস্বভাব প্রাণ ও মন কর্তৃক ন্যায় চারিভাগে বিদীর্ণ হইয়া শতধা বিভক্ত হইল। অনন্তর পরমাত্মা আদি সর্গে সঙ্গজিত হন সেই হেতু অদ্যাপি অনুষগণের আমি সমস্ত কলত্রাদি চিত্ত পর্যন্ত পরিত্যাগ করিয়া কেবল প্রাণ- নিয়তি নিত্তি হয় না। পরমপদ অরূঢ় অর্থাৎ অবুৎপন্ন মাত্ৰ-সহায় হইয়া সেই প্রশস্ত্র বাড়িতে প্রমাণ হইতে লাগিলাম। মনপ্রাণ শরীরীগণের দেশকাল ক্রিয় দ্রব্য ব্যবহার প্রতি হয়। সেই সময় আমি বােজ হইতে যােনান্তর গমনসময়ে অল প্রাণ ও মন দাবৎকাল সাম্যাবস্থায় স্বকৰ্ম্ম করত অবস্থান করেন, মালাকর্তৃক প্রক্ষিপ্ত হইয়াছিলাম। আর প্রবাহতি দেখপ্রলয় তাবৎকাল জাগ্রতাগ্য সমব্যবহার প্রবর্তিত হয়। যে সময় প্রাণ বহ্নিশিখার মধ্যে গমন শক্ত আমার দেহ অত্যন্ত জর্জরিত ইন্দ্রিয় প্রবর্তন হইতে উপত হইয়া বৈষম্য ভজনা করেন, তখন হইয়াছিল। এবং সেই স্থানের কাষ্ঠসকলের সর্বণ কর্তৃক বিষম ব্যবহার অর্থাৎ স্বপ্নখ্য মানস ব্যবহার প্রবর্তিত হয়, মন আমি আন্দালিত হইয়াছিলাম এবং আর্তে ভ্রমণকালে পাতাল শম্ভ হইলে সর্ববিক্ষেপ শায়োপলক্ষিত যুগুতা প্রবর্তিত হয়, যে গমনপূর্বক বহুকালের পর উখিত হইয়াছিলাম। এবং চলাচল সময় ভুক্ত-অনুরসাদি দ্বারা নাড়ীমার্গ রুদ্ধ হয়, তখন পিণ্ডিত প্রাণ আগম পায়ের আয়া উখিত অব্যক্ত ৯ বিশিষ্ট অধিক জড় অর্থাৎ মন্দ সঞ্চরণ হন। এখন মনের শান্তি হয় ও সুষুপ্তির লোলসম্পন্ন সেই এলে আমি বারংবার মল এবং উন্মগ্ন হইয়- উদয় হয়। নাড়ীমার্গ অন্নাদিপূর্ণ না থাকিয়া ক্ষীণ হইলেও এম- কোনও সময়ে বা পরস্পর বর্ষণে ভয় শল কর্তৃক বশতঃ প্রাণনিঃস্পল ভাবে অবস্থিত কর ন তখনও সুষুপ্তির উদয় পঙ্কিল সংশলে পৰমথ বরণের ন্যায় মগ্ন হইয়া -লবৎ আগত হয়। মর্দনাদিজনিত নাড়ী মৃদু হইলে এবং শর ব্রণে রুনিয়াদি কোন জলরাশি+কর্তৃক পুনরায় উখিত হইয়াছিলাম। আমি পূর্ণ হইলে প্রাণ লীন অবস্থায় অবস্থান করিলে নিল সুধুগুর ধবং পুজা অদ্রিখণ্ডের উপরি আনােহণ করিয়া বিশ্রাম উদয় হয়। ১—১৯। তাপস কহিলেন,-আমি যাহায় হয়ে করিতেছিলাম, অমনি শাৎ কলবারিরণ আসিয়া আমার প্রবিষ্ট হইয়াছিলাম, সে আহার-পরিতৃপ্ত হইয়া রাত্রিতে পুকুও ঘন উপর পতিত হইছিল। অধিক কি বিবিধসঞ্চারী কলেজ নিদ্রালু হইয়াছিল। আমার চিত্ত কাহার চি-র সহিত একতা জলৰাশি আশ্রয় করিয়া এমন কোন দুঃই নাই যে, আমি প্রাপ্ত হওয়ায় আমি ত্যক্তদাত্ম্য হইয়া যুগ বিভ্রা অনুভব তাহাকে অনুভব করি নাই। অং তৎকালে অতি দুঃখিত করিয়াছিলাম। অনন্তর সেই প্রাণীর উদয়স্থ এলাদি জীর্ণ হইলে আমাকে সকল সুখেই আক্র করিয়াছিল। ৩-১। হে নৈসর্গিক নাড়ী মাটি হইলে প্রাণও শলমান হইল। সুতরাং আমাসেরুণ! আমি তৎকালে সেই স্কুলে অবসরে যাবজ্জীবন সুষুপ্তও তনু পাইল। সুষুপ্ত অদু পালে হামােৎপলের অভ্য, চিভের বিষয় নিবন্ধন পূর্বকালীন স্বকীয় সমাধিমত রূপ য় ভাগি-যুক্ত ভুষন সর্শন করিলাম। সেই ভুলও প্রলয়- শৰণ ৰুঝিয়াছিলাম যে, খছে। আমি অরূপ আগ পুর্বে এক কালীন ক্ষুব্ধ অর্ণব-উখিত মহাজগণি পর্যমাণ দেখিলাম। সেই তাপস ছিলাম। অনন্তর কোন ব্যক্তি স্বল্প পৱিদন করি জলরাশিও ব্যক্ত মূল-প্রমাণ এরাবিশিষ্ট ও শিক্ষিপ্রমাণ ব্যয় নিমিতহে এৰি হই। এই সকল এমনি করিনি। ভরবাহবিটি আয় সঞ্চালিত বদলায়া সমূযুক্ত বর্তমান মঞ্চে আসক্ত স্বকীয় যে মিলন পর্ষতা এবং বনপতউলনকারী ঋ এবং বহিখি হইতেলের লাল-কর্তৃক এহিত হই সুরণ কর্তৃক গন্ধ ত্রিলােকৰ আকাশ সেন এবং সুরগির - অন কলিক্সছিলাম। আর যে কন এ বিলে শম খণ্ড কর্তৃক পরিপূর্ণ। আমি যে সে স্থানে কোনও পড়ি নয়, এ, উলীখণ্ড, পপ, , , , নারী কোনস্থানে নয় কোনও গৃহে নিৰ পৰীয় মতি ন, লােশাল গৃৰ এতিই নহছি, সেই সব ইছি, দেখিতে লালিলাম। দেখি আমিফক এলয় বিবকেমিচিকর মন দিয়া ছিলাম।
৭৫ বােগৰামায়ণ শনি করিয়াছিলাম। অনন্তর আমি অভ্রিমিশ্রিত কল দেবগণ পােপটলালিত বির হইয়া প্রাণত্যাগ করিতেন। কর্তৃক পৰ্ব্বসকলে বিনা সকলকে বারংৰায় পরিননি রণ ব্রহ্মেত্রাদি পয়েখগুলাে যারা গরুটা অমূলষ্টনে টু- নয় এই জগতে বিনাশ বি চিন্তা করিয়াছিলাম। আশ্চ কুটনশিখেলিতে ঝাৰ অধিগণ প্রশান্তু জড় ব্যের বিষয় যে এই দিনে মহাদেশও অণক আর কােন উহমান লেখিকা শখের আয় বহন করিতেছেন রায় উবমান হইতেন; সুতরাং এ বিভায় বিকিছুই (সুত্রাং তাহাদের সেই দেহেয় হাঙ্গোভিতজনিত দুখ নাই। যেমন প্রতিকালে অমধ্যে সূর্যের প্রভাসল বিফ শই। পৃথিবীতে এতিমুখ বলিয়া এসি এই শ্রীগণকে শিত পদ্মশৰে প্ৰদন করিয়াই থাকে, সেইরূপ গৃহসকল প্রাণ করিতে কেই সম নন। ইহার অপরিণি হইয়া চভূপ্রকার ভিত্তি বিদারণপূর্বক অষ্য শে এলি করাই এই স্থানেই কষ্ট পাইতেছে। একের শনে ভিচৰ্যমাণ গেছে। আর আর্ঘ্যের বিষয় ভামগুলের মধ্যে গর্ব লির এই জনসমূহ স্পর ফলে সমর্থনহে। পর্বতৰিাৰী সৰ্পৰৎ নুষ অমর মাপ নারীসকল সলসিত হইতেছে, আরও সর্পণকারী বিপুল জলরের কল্লোল হইতে। সেই ফলোল- অনেক ভ্রময়ও আৰওঁ-কর্তৃক উপলকিত পরাশধবল শাপড় মধ্যে দেবপনসমূদয় নৌকার স্থায় শরীয় উমিত করিয়া কির স্বরূপ হারবাহিনী পশােভিতা এসি নদী সকল অপর নত শীঘ্রই এখােথ হইতে। এিভুবন কালে লিখুন নী হইতে সম্পূর্ণরূপ যিলশ। সেই হেতু এই অ-ক্রোড়ে হইয়া বারিবিলােড়িত জীপ অস্ত্রী সুননুরােগগণ নরনাগ- আপে শােভিত হইভে। ৪২-৫১। বিদ্যাখৱীসক অপরু-চারণাপ্ত হইয়াছে এবং ছিন্নমূল সয়সিজাগু একাৰ্ণবের লের ভুলভলিও ইনুকান্তমণি সকলের কন্যা বিভাগে স্যায় যায় হইয়াছে। কি কষ্ট, মহৰিভসম্পন্ন জগন্নায়ক ইলি ভাসমান মণিজাল নির্মিত বানােলন যে-গ- দেবগণকোথায় গি।ছেন। ৫১-৬৭। লােকের মহাগৃহ সকলের ভিত্তিভঙ্গ সকল সুবর্ণলিখিত নৌকা একোনচারিখিক শতমসর্গ সমাপ্ত ॥১৩৯। সমূহের ন্যায় এই সমধ্যে পরিমণ করিতেছে। আর শব- মাণ মণিনিশ্রিত গৃহগত এই প্রলয় ভরে খ ই কম- টিহিত মত হবিসকলের তের গল্প বিবিটি পৌল- শীর পয়ােথরযুগলে বুভিযুক্ত খেল বশতঃ শ্রান্ত হইয়া প- চত্বারিংশবিকততম সগ নয়নের জন্যই কেন ক্রীড়া-মুখ উলেল অঙ্গসােলা সকল ব্যাধ কহিলেন-ভগ। আপনার মত ক নগগসিপ সম্পন্ন করিতেছেন। হায়! অন্তরীক্ষ পৰ্যন্ত বালিবোন আৰ- ব্যক্তি পূর্ববণিত বই প্রকার প্রলয়জলপ্লবনাদি নানা ভ্রান্তিময় লিত হইয়াছে। বায়ু প্রকল্পের ব্যয় কশিত নক্ষত্রমণ্ডল অন্যায় অতীতানগত সর্বনােপাষ ধ্যানল বেগা ঘরোপ যিখি করিছে। বিমুখ বিমানসমূ বঙ্গানু মেরুনেশে থারা সমস্ত ভ্রান্তির উপশম কেন না হইল? মুনি কহিলেন, পতিত হইতেছে। ল্যান কোটপ্রবিষ্ট বায়ু সাত কুসুম কল্পকালে অধিষ্ঠান চলছে ভাতিরূপ জভের নানাপ্রকারে বর্বণরা যেন মঙ্গলাচরণ করিতেছে। আকাশে পূৱাদ্রি ভীম নাশ হইয়া থাকে। কোন কান্তে ক্রমিক না হয়, কোন কান্তে জলীচি-শি-প্রেরিত মজ্যোংকিও হেম দৃষরূপ আৰু ব্ৰহ্ম সব সমুজের একতাবাদি-বিকায়হেতু যুগপৎ নাশ হয়। লােকে পত্রাবৃত কণিকা ধ্যানৈকনিষ্ঠ পরমেতির আসন যখন অকস্মাৎ বারিবিকার উপস্থিত হয়, তখন হিরণ্যগর্ভের নিকট সরােজ পৰ্য্যন্ত পরবর্তিত হইতেছে। গ-গে- নিবেদন সুরগণ বেশ গমনেহা কমে, তখনই মারা বালি-কান-হীতুল্য যে, তিন দুৰ মােৰজনিত নীত হন। বেলায় লুৱৰেও প্রমাণ হয়, তখন আমাদের হয়নক, কনকয় নেবার পণরূপ দ্যুিৎ বিশিষ্ট এই ৰীচি কথা কি বলিব। অথবা হেৱিগিনাল ব্যাং। যে করে এই কাল মেরে স্থায় আকাশে ভ্রমণ করিতেছে। আলী মণ দশে থাৎ সর্বনাশ হন, তখন এৰি যাহা আছে, বিশিষ্ট প্রশাখীটিমধ্যে যম ও বারিপুর যায় যায় শীত তাহা হইবেই, কাল উপস্থিত হইলে সর্বত্রই মুক্তিগণের হইতেছেন বলি ললিত হইভেচ্ছ! নিকর গভয় ৰা বুনি তেরে বিশাল হয়। বাহে বাধ! আমি বারিপুর বার্তা গুড়গুড় শফাভিলপূরণ না ও নগর কােষার নিকট যাহা বর্ণনা করিয়াছিলই অগ্নকৃষ্ট, স্বপ্নে কিছুই সহিত অখিল লােকশাল ও মাগণ -দিন হইছে। পহে। যাৰ কৰি যে ফ্যালকবিলি! বর্ণিত ৫। নাভান ভূল নল দি তটসমূন ৰাৰ বৰি বজাত যদি গোপন সং, অৰে অহা ৰণনে কি এনজন। না পরিপুয়ওয়ায় গ্রাম পত্তন বিশাল নগর গহিত, মুনি কহিলেন, হে বুলি। এ বিষয়ে তােমার বােনাত্মক ব, ওনুয়াহুরগণমায় ভ্রমণ করিতেন। সে সৎ কাজ। ত এলঞ্চলমান প্রপঞ্চও ভ্রমাত্মক কালে গাে বংশের মাতৃতা যেন এক সেই আনিবে। পরিসিভ্য আর নিকট এবণ কর। নরম নাম কফে অনুগি দু বন হইল। আহ! এমধ্যে সেই আর স্থিত ভ্রান্ত আমি রে ওবষ্ট সান্ত বলনকারী যানবগয়ে শ্রী লাহলি ও সবকলিতাৰ। বিভূতি সপ গিলশের কায় বুড়া র ফ ইঞ্জে। গেলা নব পুৱীয় খাবৎকাল আবর্তজালালির সহিত সেই ৰারি কোন স্থানে তেজনিত বিলু পটলীবলিত লল লিগ। আৰিসেইবলিভিমান হয়, বৈশতঃ ফেয়জুটফুডৰন সংলাতে। র কষ্ট কোনশিয়াসমি পাইলাম। আর সেই ডটনে আয় এই দুষ্ট আকৃতি পরিবর্তন আপ কলি আমি বস করিলাম। ১-১২। শকালের মধ্যে ২ শনি। এই স্কুলে, না, নাম ণ গলিনি বিগত গেল। তিনি - অগ-বক মসিম উ , - গরা বিত হইয়াছিলাম। এই প্রকারে আমার জীবণে । বিৰা-এ-উতরাল। ৭৫৫ কণকার গ্রহ-নক্ষত্রাদি দেবগণ কর্তৃক ভারতিয় পাতালগত কয়, এইটা আমার নিমিত্ত এই একায় বিধিৰিখতে চলি গেল। অদ্বি-কর্তৃক আবর্তষ্যে একটি পোেপম গীৰ্মাণপুর- অভিহিত হইলে, দূর হইতে আত্মবান তাপস অতিথি উপৰিত মন্দির-বাণ্ড, এমৎ স্বােঙ্গলীম-নলিনী-জল-মালিত, মতো হইলেন। তিনি পূজিত হইয়া মনপূর্বক আমার গৃহে বিশ্রাম মান কলাভ্রনীল শৈবাল আল বিদ্যুৎ গোয়োচঙ্কো নীল করিলেন এবং রাত্রিতে আহারের পর আরােহণপূর্বক नौवयामिनिट সক নীহার মেট্রিকৃত দিকৃত, উজেল নানা কার অবতারণা করিলেন। নানাবিথরসাশ্রয় না দিলে বীচি-সশিখ বৃহৎ ক্রমসমূহ সলিলরাশি, মধ্যে কোথায় | শৈল উকী ব্যবহার অনােহর কোন কথাপ্রসঙ্গে বলিলেন, পার্ক নার একার্ণব খাত ও কোট হইল। দৃশ্যন সমস্ত বই অনভু ৰিকৰী চিন্ময়; চিত্ৰই জগৎকালে কোথায়ও সত্ৰি গলিত হইতেছে। কোথায়ও শীর্ণমন্দির | কল্পিত হইয়াছে। যতঃ পুর্বেও যাহা ছিল, এখনও আহাই পর্বত রহিয়াছে। কোথায়ও বা পনিময় ই য বাস আছে। এই কথা শুনিয়া আমি বাের্ষিত হইলাম ও বােপৰু পড়ি আয়। কোথাও বা পঙ্কনিমগ্ন অঞ্চখ হইলে ধারণবশত পূর্বত্তান্ত ব্যতিৰে উদিত হইল, আঙ্গ কম, কোথাও বা কমৎকাণ লােকপালকির, বৃত্তান্ত স্মরণ হইল। বাহার উপরে ছিলাম, তাহার বিটরুপ কোথাও বা পক্ষ-বিভ্রান্ত-রুধির-হ্রদ-পাটল, কোথায়ও ৰা আকণ্ঠ- আশঙ্কা করিয়া, হা হইতে নির্গমনের উদ্যোগ করিলাম। নিমগ-বিদ্যাধরীগণ, কোথাও বা স্বপ্নের স্যায় মুভ হস্তিসদৃশ যে প্রাণীর উদয়ে তুমি, অব্ধি, অদ্রি ও সন্ধিকৃত বিস্তীর্ণ মাহন মহিষাকৃত, কোথাও বা অমরপবসন্ন মহাকায় গরু, ভুবনে ভ্রমণ করিয়া, নির্গমন পাইলাম না, তখন বন্ধুজনাবৃত কোথাও বা ভূমিপতিত ধমণ্ডসদৃশ জল-নিরােধক্ষম সেই স্থান পরিত্যাগ না করিয়া, বহিনির্গমনার্থ তাহার এ মহাসেতু। কোথাও বা এতবিরিঞ্চিবাহন-হংস-সমন্বিত, পবনাভ্যন্তরে প্রবিষ্ট হইলাম। ৩৭-৭। এ বিরাটের পঙ্কিল ভূমি, কোথায়ও অমরগণের দেহার্জ পঙ্কনিমগ্ন রহিয়াছে। বাড়িয়েৎপন্ন আভ্যন্তর সমূদয় দর্শন করি। এ অনন্তর কোন পরে প্রান্তদেশ পাইয়া কোন মুনির আশ্রমে গলপূর্বক ভদকুল তৎপ্রাণ অহতাব থারণাবদ্ধ হই যখন বিগতম হইলাম, এখন অত্যন্ত নিদ্ৰা আসিয়া উপস্থিত স্বস্থানে থাকিয়া কুনুম হইতে গরে গায় তাহার প্রাণ হইল। এর পুর্বোক্ত বাসনান্বিত হইয়া সুষুধের কাল- পৰনের সহিত নির্গমন করিলাম। পঙ্কজ অবলম্বনপূর্বক প্রাপ্ত নিদ্রা পাইলাম। তখন স্বকীয় ওখােধাতুতে স্থির হইয়া তাহার মুখকেট পাইয়া বালক ব্রণ রােহণপূর্বক বহিনির্গত দৃশই কান্ত দর্শন করিলাম ও দ্বিগুণ দুখে আকুল হইলাম। একটা পুরী দেখিলাম। বাহে কোন গিৱিকরে একটা মুনির প্রবুদ্ধ হইয়া সেই প্রাণীর হৃদয়ে স্থিত সেই স্বপ্ন দর্শন করিলাম। আশ্রম আছে। সেই আশ্রম এখন শিষ্য পালিত ই- দ্বিতীয় দিনে ভাস্করেজয় হে সুন্দর লােক, আকাশ, পৃথিবী, শৈল বেছে। সেই স্থানে আমার দেহ লাগবৎ বদ্ধপদ্মাসনে এ ভুবন দেখিলাম। যেমন বল হইতে পত্রাদি উৎপন্ন হয়, স্থিত রহিয়াছে। আমার গ্রপে স্থিত মংসংরক্ষণ কর্ম- সেইরূপ চিত্ত হইতে স্বর্গ, পৃথিবী, বায়ু, আকাশ, পর্বত, সরিৎ পরায়ণ অন্তেসিগণের মুহূর্ত, কাল অতীত হইল। আমি দিসমুদয় উৎপন্ন হইল। অনন্তর সেই সমস্ত পদার্থ দেখিয়া ' হায় হায় এবিষ্ট ছিলাম, সে তেবাসীও কোন গ্রামে পূর্বানুভূত বিষয়ে কিঞ্চিৎ বিষ্মতী হওয়ায় সেই পদার্থ উৎসবল অল্প দ্বারা তৃপ্ত হইয়া উনভাবে শয়ন কৰিল। জার ব্যবহার করিতে প্রবৃত্ত হইলাম। ১১-৩০। অদ্য বােড় আমি সে আশ্চৰ্য্য দেখিয়া কাকে কিছু লিলাম । কৌতুক বর্য হইল জন্মিয়াছি, ইনিই আমার পিতা, ইনিই আমার মা, বশতঃ পুনৰ্বায় তাহার হলে প্রবেশ করিলাম। অহায় এই আমার গৃহ ইত্যাদি প্রকার অপূর্ব ব্যবহার-প্রতিভার হৃদ্যন্তরে প্রদেশ—অর্থাৎ আমলি কোষত্র যেমন উদয় হইল। কোন গ্রামে ব্রাহ্মণের আশ্রম দেখিলাম, কোন পাইলাম, অলি আৰুণ যুগান্তকাল এর্তিত হইল। ধর্মাধর্ম গৃহে কেহ আমার বন্ধু হইয়াছিল, সেই বন্ধুগণের সহিত ব্যবস্থার সহিত ভুবনের বিপাস হইল। দেখিলাম, সেখানে সেই গ্রামমন্দিরে বাস করুত অগ্ৰদাদি এল করিতে এ অচল, দুধা, সি ও এত একার ভুতি। করিতে বহু আহােরাত্রি এভিহিত হইল। আর সেই গ্রামাদিও আমার সেই পূর্ববহুগণ, সেই গ্রাম,সেই ভূভাগ ও সেই নিভট মরে যায় হইল। অনন্তর কারণ আমার প্রাক্তন বুলি মুদয় কোথায় গিছে, জানিতে পারিলাম না। বােধ হইল, নষ্টহইল, পূর্বোক্ত মৎগ প্রাপ্তির আয় গ্রাম বাস্তবতা-সম্পন্ন বাতাসে যেন সমস্ত উড়াইয়া লইয়া গিয়াছে। ১৮-৫৮। অপু হইল। এই একায়ে গ্রামবাসী ব্রাহ্মণ হল, দেমাত্ৰে আৰাৰ সন্নিবেশবিশিষ্ট ভাবে অবহিত বন যেন সেদিতেছি, হই, বিবেকুনি দূরীত হইল। শৰীৰ আত্মবুদ্ধি হইল, অমনি অন্য ভাবের উষয় হল। আশ আদিত্য তাপ দিতে লাৱমাত্রে অনুরাগ থাকিল, বাসলামাত্র সার, ধনমাকৈৎপর লাগিল। দশমিক অলিতে আরম্ভ করিল। সেনিত লীভূত হলাম, নেয় ভিতর অগােত্র কিল। গৃহনে নিলা- অপুর গা শৈল-মৰ গলিতে আল্পত করিল। এতিগত পাণি লতার কান্না বুভি গােপন করিলাম। আমি, গোপযুক্ত প্রতিদিকে নতিক অলিতে লাগিল। সময় মত হই ভূমি,পাদি প্রাণী ও কমলু উপান কঞ্জিলাম। ৩১। কেবল স্মৃতিশষে ছিল। সমস্ত গজ অকালে। নি চলৎ মূত্রকে ৰজাৰ হইলাৰণােকাচারে সাত কিলাম। সয় হতে প্রচণ্ড যা উখিত হইল। ও ভূপ গৃহপাখগত নীল শাবললীতে উপবেশন করি, শাক ও লাস হইল। এ ভাল হইতে, না ভূত একমায়াম কম করত বাস অবিহিত করিতাম। সম্বিৎ, পরে নি সয় হইতে আলা বর্ণিত হতে বিল। + ফ্র,নী ও কােকারে মানতঃপর হইয়াছিলাম। এই আমায় কালয়ে মূল বিষ এক আল হইল। শর ৭ বােগবাশি-রামায়ণ । আয় আরক্ত বর্ণ হল। সেই আষয় সময়ে বেশ ভত্ব কি, ইহা নিৰ পৰকাৰ এপেক পরের অগ্ন কোষে এর ম আমি এবিষ্ট ছিলাম। কিরে দেখিতেছিলেন। এখন স্বগজ নিরূপণ কৰিছেন। পরে জায় এসক্ত মাহদি বিকা। পাই নাই। অলি থানার হয়ে মহান প্রভৃতি দেখলে একি? এর কাবাত, এখন আর অলিলা এখি এ আমি আলাময় মহা-অনুহে কানল, কি প্রকারে সম্ভব? স্বর্গ, মর্ত, আকাশ, বাবু, বিদ্যুতের আয় ভ্রমণ করিতেছিলাম। আপৰিলে শরীর পর্বত, শরীয়, দিসমূদয় কি করে সম্ভব? হায় স্বল্প বিলােল হইতেছিল। লাজ খণ্ডে কাল্পী ভ্রমরসদৃশ ঐ আমাকে বলুন। মুনি কহিলেন, হুষ্টির কারণ সত্তাৰনা নাই, হইয়াছিল। ১৫। কাহারও উৎপত্তি হয় না, সুত্রা সর্গ শব্দ ও শর্থ জ্ঞান বিষয় বরিশদধিকততম সর্গ সমাপ্ত ১৪ || মাত্র, বস্তুতঃ সৰ্গ শক ও অর্থে কিছুমাত্র তাৎপৰ্য নাই। ना শক ও অর্থ পরমাত্মবিষয়ান হইলেই টিএভিৰি সমন্বিত হওলন্ত প্রসিদ্ধ হইয়াছে। হে ভগণ। তোমার অভিমত একচত্বারিংশতাধিক তম । স্বপ্নাদি জগৎ-৩ বােধ হইলে, মূর্খতার শাস্তি হয়। অনাদি অনন্ত পরমপদ খাকিয়া বস্তুতঃ সৰ্গ শব্দ অর্থ নাই, এই কথা মুনি কহিলেন,-আমি স্বস্থানে সর্বতােন ব্যাপ্ত হইয়াও বলিয়াছি। মূঢ় সংবিত্তিতে যে শয্যাৰ ভাল পায়, তাহা অত্যন্ত দুঃখগী হই নাই। অগিচ্যুত হয় ইহাকে স্বপ্ন নিয়াই অসম্ভব। সুতরাং আমি তাহা জানি না। বােধমাত্র বস্তু অবা- দুঃখভাগী হই নাই, নব উড্ডীয়মান জ্বালাভালমগুল অবলম্বন করে আভাত হয়। তাহাতেই এই পরিমান বিশ্ব দেখাই করিয়া অলাতচক্রের ন্যায় অখিল নভঃপ্রদেশ ভ্রমণ করিয়াছিলাম, তেছে। বতঃ কোথায় বা শীর, কোথায় বা হৃদয়, কোথায় বা তত্ত্ববিদ অখিখী আমি অগ্নির তত্ত্ব বিচার করিতে করিতে মারুৎ অপু, কোথায় বা জলাপি, কোথায় বা বােধ, কোথায় বা অবােধ, উপস্থিত হইলেন। সেই পবনে মেঘরবােপম অতি গম্ভীর বিচ্ছিত্তি, কোথায় বা জন্ম, কোথায় বা মরণাদি। ১-১০। এক চীৎকার ধ্বনি হইতে লাগিল। সেই বায়ু উমান শিলা উত্মক মাত্র স্বচ্ছ চিত্র বই আছেন। তাহা অতি সূক্ষ্ম, যাহা হইতে রঞ্জ ভস্মাদি জগৎ পদার্থে ব্যাপ্ত হইয়াছিল। বৃহৎ ঘুমাবেগবশতঃ আকাশও মূল বলিয়া গণ্য হয়। যেমন অণুর নিকটে অদ্রি স্থূল, অগুণিত অম্বুলপ্রায় হইয়াছিল। এবং পরিবর্তমান বাদশাদিত্যের সেই সচ্চিাকাশ, শুভাৰ কিঞ্চিৎ সম্বল করেন এবং জগৎবে সহিত মিশ্রিত এলাতচক্রের ন্যায় হইয়াছিল। শুঙ্গ বলিয়া তত্ববিদগণ জানিতে পারেন। যেমন স্বপ্নপুরে অদ্বিতীয় স্যানিবহ দ্বারা বৃহৎ অগ্নিময় শত শত নদী প্রবর্তিত হইতে চিং ভাণ পায়, বন্ধু কোন পুরালি থাকে না, সেইরূপ আকাশে ছিল। শৈলসমুদয় হইতে দ্বিগুণ ভূখণ্ড দালবামর-পত্তন সমুদয় চিত্ৰই জগদ্ৰপে ভাণ পায়, এই পার্থ শান্ত, অভাত ও অরকুক্ষিতে ভ্রান্ত ভূত কর্তৃক বিণ পালো হইয়াছিল। অতিশয় ল ও অর্ধগ্ধ পতন শুরন্ত্রী কর্তৃক অগ্নিশিখাল দ্বিগুণ গুইলে আকাশে চঐকানি দেখা যায়, সেইরূপ অজ্ঞান বশতঃ অন্যা, ইহাতে অন্য কিছুই নাই। যেমন চক্ষু তিমিলােপহত হইতেছিল। পতঙ্গার লক্ষণ তদীয় জলধারাসমুদয় ও অগ্নিবাণ চিৎপদার্থে ননকার দেখা যায়। আমাদিগের নিকট অভাণও লক্ষণ সীসমুদয় উন্নত দন্তের স্যায় বোধ হইতেছিল। অলাত নাই, প্রতিভাসিকও নাই, ব্যবহারিকও নাই, শৃঙ্গও নাই। অনা- বিদ্যুৎ পূত অাৰমণ্ডলীকে কাত করিতেছি। ধূমান্ধকারে কার অনাদি অনন্ত অদ্বিতীয় চিধামই কেবল ভাণ পাইতেছে । উদিখান ও আচ্ছাদিত হইতেছিল। ভূমি হইতে ব্যোম সঙ্গে যে অকারণকের ন্যায় ভাণ পাইতেছে, সে কেবল ত্রিপুটাশূন্য ও সিন্মুখ হইতে বালা-লক্ষণ সন্ধ্যাবারিস নির্গত হইতেছিল। যে বারিদের দ্বারা সেবালির সহিত সপ্তলােক আল-শেল সংপিও 'দ্ধ দ্রষ্টা, এই নির্ণয় হেতুকই জাগ্ৰদবস্থায় কারণভাব পূৰ্ব্বে বল। জাগ্ৰন্দশাতেও দ্রষ্টাদর্শনাদি ত্রিপুটী নাই, নির্মল মাত্র হইয়াছিলেন। সেই প্রাগবর্ণিত প্রচণ্ড পফন কালাগির চায় নৃত্যক্রীড়া করিতে প্রবৃত্ত হইয়াছিল। কোথাও উর্দদেশে কোন পার্থ ভাণ পায়, তাহার অনুভূতি অত্যন্ত ক্ষুট হইলেও অনির্ণনীয় ও আদ্যহীন এবং অদ্বিতীয় ও ৈৈত্যক বিবর্জিত। উল-নিকাকীর্ণনলক কপিলবর্ণ মুআকারে পরিণত হইয়াছিল। কোথাও থােভাগে পালাঘাতে কুত সমূল লেডীন যেমন এক কাল প্রলয় ও সর্গ উভয়ক, যথা বা একই বীজ হইয়াছিল। সেই পন দুঃসহ বটনে পটু হইয়াছিল। তাহার অঙ্কুর কাণ্ড বৃক্ষশাখ পল্লব ফল পূপান্ত পর্যন্ত স্বয়ংই অবস্থান করে, সেইরূপ ব্ৰক্ষা সর্বাত্মক হন। বাহা এক ব্যক্তির নিকট অঙ্গ সমূ সাত হইয়াছিল। কোথাও মধ্যভাগে মহৎ কুড্য বলি বােধ হইতেছে, তাহাকেই এ ব্যক্তি নির্মল সম্পৎ আপট লগ্রহ করা পরিহিত ঝর গল্প নভঃ বঙ্খিা বিবেচনা করিতেছে। ইহা রি স্বপ্ন সঙ্কল্প ভ্রম দেখাইতেছিল।১-১১। ভূমিতে দেখা গিয়াছে। যেমন আত্মা চিমাত্র স্বপ্নেও ভাতের একালিংকিনসর্গ সমান্ত। ১৪১। কায় এ গান,সেইরূপ এ। অনেও ভাণ পায়। মাত্র অল্প হইতে আগ্রন্থে এ ভাণ হয় না। সেইরূপ নীং অন্য ভাইতেছে না, এষ আত্মা অৰিতীয়। চরিত্রিয়া- চিরিংধিক শত মণ। গ্রা পনে যেরূপ দৃশ মেয়ত অবদিতি করে, তাই ঘ্রাণ নিখিলেন, সেই সম্রান্ত কঠে এযুত অনুল্পে যারা নির্ণয় করিতে, সেইরূপ অমূর্ব চিত্র মূর্ত কং ডিম এ চিন্তাও করিলাম যে, শখের হয় এবং নিতি করিতেছে। ও লব পুরুষের এ ম কি দেখেছি। এ সময় পরিত্যাগগুক হইও পুরাতন হয় থাকে। হতে না থাকে। সমস্ত মন ত্যাগ করি এ গলিত লাভ কৰিব। আধ কছিলেন, বলে যে তুমি অবশিষ্ট থাকবে, সেই নিরাময় বহিঃৎ অনন্ত আত্মা হইয়াছে।
নির্ধারণভাগ। ৭৫। নিরন্তরই সুন্ধিত রহিবেন। ব্যাখ কহিল-হে ভগ। এই পতিত হইতে হয়না, নতুবা ত তাৰিপাণ্ডিত্য পাণ্ডিত্য নহে। *সারে কাহাদিগের প্রাক্তন কর্ম থাকে? কাহাদিগের বা এ বি এলাশ্বক জ্ঞান আর পারি এতি বন্ধ থাকে না? কৰ্ম্ম না থাকিলেই বা মনন ও তাহার আগ কি প্রকারে করিবে। এ উপায়ে দু শাস্তি হয় না। ৩৬-৪৬। হয়। ১১৩। মুনি কহিলেন, স্বর্গাছি কালে স্বল্প ব্ৰহ্মাদি বিচারিণবিকততম স সমাপ্ত।১৪২। দেবগণ আবির্ভূত হন তাঁহাদের বিজ্ঞানমাত্র দেহ, জন্ম ও কর্ম নাই এবং সংসার নাই, দ্বৈত নাই, দ্বৈত কল্পনা নাই। বিশুদ্ধ জ্ঞানময় দেহে সর্বাস্বরূপ সর্বদা অবস্থান করিতেছেন। সৰ্গালিতে প্রাক্তন কর্ম কাহারও থাকে না, সদিতে ব্রহ্মই সৰ্গৰূপে বিচরণবিকততম সর্গ। বিস্থিত হন। যেমন ব্ৰহ্মরূপে ব্ৰহ্মাদি সৰ্গাদিতে প্রকাশ পান, মুনি কহিলেন,সকল ধর্ম ও থাকি শৌকিক ধৰ্ম্ম এবং সেইরূপ অন্য শত সহস্র জীবও প্রকাশ পায়। কিন্তু জীব তদুভম্বের ফলভূত ঐহিক আশ্বিক সুখের তারতম্য নির্ণয়ে অজ্ঞনাবৃত হইয়া স্বকীয় ব্ৰহ্মত্ব জানিতে পারে না। প্রত্যুত সন্দেহগ্রন্থি তে যারা শ্রোতৃণের বুদ্ধিবিকাশন পণ্ডিতই সভায় আমি ব্ৰহ্ম নই, এই প্রকারে ব্রহ্মান্ধত্বই বুঝিয়া থাকে। এই মঞ্চন। যেমন পূরীকের বিকালে মৰ্তিও নভোমণ্ডল, গতি প্রকারে যে অসাত্ত্বিক অর্থাৎ কেবল সৰ পরিণাম বিলক্ষণ কোবিদ আবৎ পণ্ডিত যে গতি লাভ করে, শত্রু রজন্তমােমিশ্র সত্ব পরিণাম-উদ্ভূত জীব অচিদাখ্য এই দ্বৈতে সত্য | তাহার নিকট অরণের গায় লঘু। পাতালে, দুজলে এবং বুদ্ধিপূর্বক তত্বাসনা বাসিত হইয়া পরলোক গমন করে, তাই- 'স্বর্গে এমন শুৎ ও ঐশ নাই, যাহা পাণ্ডিত্যজনিত মুখ হইতে দিগেরই উত্তরকালে কম্মের সহিত জন্ম দেখা যায়। যেহেতু অতিরিক্ত হইতে পারে। যে শরৎ পূর্ণচন্দ্র চক্ষুর ব্যায়, তাহারা স্বয়ং অচিদ্দেদি আত্মজ্ঞান বশতঃ পরমার্থ বস্তু বিস্মৃত সচ্ছাস্ত্র বিচারজনত আনৰ পণ্ডিতের পথ বহুরূপা সৃষ্টি হইয়া অবস্তুকে আশ্রয় করে। যাহাদের কোন কালেও ব্রহ্মাস্তত্ব স্বকীয় আজতে প্রসন্ন হয়। পণ্ডিত ব্যক্তি ব্ৰহ্মসম্পন্ন হন ও বোধ হয় নাই, সেই ব্রহ্মা-বিষ্ণু-হরদি নিরবদ্য—অর্থাং কৰ্ম্মবন্ধ শমাত্র অঙ্গাৰ কৰি সৰ্গদের ভয় দেশিয় সমুদায়ে বহিত। সৰ্বাত্মজ্ঞানের নির্মলত্ব স্বাভাবিক ব্ৰহ্মস্বভারেই অৰ- সত্যবুদ্ধি নিবৃত্তি হয়। ব্ৰহ্মসভ্য আল হইলে, ব্ৰহ্মভাবে হিত করেন। কোথাও মলিন উপাধিতে জীবের ন্যায় ভণ পাল। অবস্থিত হন , সেই ব্ৰহ্ম, প স্বতবৈকাত্মিকামে স্বৰ্গয়ালি যে স্থানে জীব হইয়াছে, সেই খানেই অবিদ্যা অবস্থান করি- সংজ্ঞসততা, বস্তুতঃ এই স্বর্গ যে ব্ৰহ্ম নাই, তাহার ধর্ম ও কর্ম তেছে। সে স্থানে আত্মা সংসার নাম রূপ ধারণ করিয়াছে। অঘােধক পদণক্যাদি রূপাক্ষরমালিকাই বা কি প্রকারে সম্ভব কালেতে স্বয়ংই আত্মঘরূপ জ্ঞান হইলে স্বয়ংই স্বরূপাভিন্ন ব্ৰহ্ম | হইবে? পৃথী প্রভৃতি দূতের সম্ভাবনা থাকিলে কারণ কিত। ভাব প্রাপ্ত হইবেন। যেমন জলে দ্রবধহেতুক অন্তরে আবর্ত কিন্তু যাহা রূ৬ নাই, তাহার কারণ কি প্রকারে গবে ? হয়, সেইরূপ অজ্ঞাত ব্রহ্মের সদা ভ্ৰান্তিৰঙাব হয়। পুরুষাৰ্থত বৃক্ষের প্রতিভাসই এই জগৎ ৰলিয়া থাকে। প্রতিজসিক সর্গ নাই। সগই ব্ৰহ্মণ স্বপও নয়, জাগরও নয়, ব্রহ্মের সাত বলিয়াই পৃথী প্রভৃতি মিথ্যাও হাৰ কাৰণ নাই। যেমন স্বপ্ন বা অন্যত্র কর্ম কি প্রকারে সগুবে। ২৪-৩৫। যত কৰ্ম্ম অষ্টার নগণের পিত্রাদি কারণ কাল্পনিক হয়, যৰিক থাকে নাই, অবিদ্যা নাই, সর্গও নাই, সম্বেপন বশতঃ সমস্তই সপে না, সেইরূপ অগ্ৰৎপে ও স্বপ্নে সমুলে বাস্তবিক প্রতীতি হয়। ব্ৰহ্মই সর্গভূজা কৰ্মজ ইতাদি কল্পনা স্বয়ং কারণ নাই। যাই। কারণ বলিয়া প্রতীতি , আহা কাল করেন ও ভদ্রুপেই ভণ পান। তিনি বিষ্ণু ও সত্যসঙ্কল, নিক। ১-১০। স্বল্পকালীন পুরুষের পুঙ্খভাবে বেশ শাওন সুতরাৎ কলিতার্থের আশ্রয় হন, সাদিকালে কোন জীবেরই ক ক ক নহে, সেইরূপ অগ্রৎও খৰে ভাসমান : সম্ভাবনা নাই। পশ্চাৎ অবিদ্যা করনা হেতুক দেহাদি আৱা পরেও প্রাক্তন কর্মকাণ। জীবগণ সমুদায় স্বর্গে পর কৰ্ম্ম সম্পাদন করত ভােগ করে। বল দেখি, জলাৱৰ্ত্তের দেহই নিখিল অর্থন করে। এ স্বর্গেও বাশনা অনুসারে যে মিথ্যাভূত বা কি, কই বাকি? যেমন জলাবর্ত ঘুমাৰ, সেইরূপ জগৎও সর্বাধ্যবহারসন্ন হয়, তাহাতে প্রায় সত্তা ও বাস ব্ৰহ্মমাত্র। স্বপ্ন বৃষ্ট নরগণের জনক থাকে না। সেইরূপ সান্তই মিখ্যা। জীবগণ ভৗতিকষ্টির অন্তর লােভ চিত্ৰ জীবের আলি সর্গে ভজ সার্বিক দেহ কৰ্ম্ম সবে না। করিলে সংসারে অগণ্য ে সবি অনুসারে যেহেতুক তাহাদিগের স্বর্গ বুদ্ধিই হয় না। স্বর্গে সবুদ্ধি রূঢ় ভাল পায়, সেই হেতুক স্বপ্ন পদার্থের আয় সংবেশে সং ও হইলে ক ক এনা হয়। পশ্চাৎ কপাশে কত জীব ভ্রমণ ইজ অল অসৎ। অকালে বাসার আশ পায় করিতে থাকে। সাইড শপত সৰ্গনয়। সৰ্গাকারেই ব্রহ্মা ও এতে আত্মভোল করে। আপৰে । বস্থান করেন। সুজা কোথায়ই বা কৰ্ম্ম, কাহারই বা কর্ম,কর্মের পরস্পর খক্রিয়া সম হ যেন আমার ঘরে বারে স্বরূপই বাকি হইবে। স্বল্প পরমার পরিজ্ঞানমাত্রই ক এভাবে জেদি সবি পাবদি সব নে অগ্রন্থ বন্ধের কারণ। জ্ঞানী ব্যক্তি জ্ঞাপ কর্ম বন্ধ থাকে না। এলাদি বলিষ্ঠ হয় সেইরূপেই তৃদি ফল পায়। এই যখনই পণ্ডিত্রে বিজ্ঞান প্রবর্তিত হয়, তখনই রূপ কী নষ্ট জগৎ সত বিৎ ও অক্রিয়া সময়, তাহার মধ্যে স্বল্প হয়। রূপঃ যাহা সা নাই, আমার শান্তির অ কি কানা কুট আগ্রৎ কুট। অথৰ ঘৰত সংৰিং ৰাষ্ট করিবে? পণ ব্যতিরেকে রূপ কিঞ্চিত্র বা নই। যে একই অব পা, সেই ভাল । এ যাবৎ পণ্ডিত হয় না, তাই মায়া বকরী একে। লৌকি হয় থাকে। অর্সেডিতে হােতে যে বেশ পাণ্ডিত্যুও তাহাকে বলে, তাহা হইলে পুনর্বার সংসাক্রে যে একাৰে গণ পাল, মােক পর্যন্ত বাংকাপে সেই যে সে - ৭৮ যােগৰাশিৰামায়ণ রূপেই থাকে, ইহাকেই স্বর্গ কহে। জাগ্রহ ও স্বপ্ন অবস্থাতে যে রাশি কলিত হয় মাত্র, যা এভেদ নাই। দৃহেদি প্রপক্ষ যে পদার্থ এসি আছে, তাদেরও অমূর্ত তৎসংবিদের সহিত আছে। ইত্যাদি চিত্ত কলিত, চিলাভাসরূপী জব কর্তৃক চিত:- পার্থক্য নাই, কোন প্রকাশ ও আলােকের ভিন্নতা নাই। যেমন স্বরূপ আত্মাতেই ধর্ম ও অর্থ এবং তাহার ফলভূত সুখদুঃখাদি অগ্নি ও উষ্ণতায়, বাত ও শনে, জব ও জলে, সত্য ও অনিলে নাম কৃত হয়। সঙ্কল্প ও স্বপ্নে মেন অসৎক সংবলি জ্ঞান হয়, ভিজ্ঞতা নাই। সমূদয় এগজাত অপ্রতি, শান্ত ও অসময়, কিন্তু সেইরূপ সংবিদাত্মাও বিজাতীয় মনঃসংযােগ বংসের পর অসৎ অধিষ্ঠান চিৎস্বরুপে সন্ময়। প্রতিযােগিতাৰে অর্থ সংযুক্ত নহে। কেই সৎ বলিয়া বােধ করেন। বস্তুত তিনি স্বয়ং চিৎপদার্থ, ১১-২০। ব্রহ্ম জগদত্মপ্রকারে উৎপন্ন ও প্রত্মপ্রকারে মৃত, এই হেতুক শুতে শূন্যাত্মক দেহ বলিয়াই জানেন। মৃতের পর সুতরাং জবরূপ, কিন্তু পারমার্থিক অজয়, শান্ত, অমল লােকবুদ্ধি স্বপ্নের স্যায়ই ভাণ পায়, তাহাকেই সে পরলােকের অদ্বিতীয় চিত্ররূপে সংস্থিত। যেমন নগরমথ্যে মৃত্তিকা-কুলি গায় দেখে। বস্তুত তাহাতে সভ্যতা নাই। মৃতকে পুনর্ধায় গাধের কার্যকারণভাব পুরুষ কর্তৃক কত্রিত হয়, সেইরূপ গগন অন্য কেহ নিৰ্মাণ করিলে কি প্রকারে স্মৃতি হইতে পারে? আর শবনাজি পদার্থেরও কার্যকারণভাৰ কল্পিত হয় ও তাহাই আছে কি প্রকারেই বা সে এই ইত্যার প্রত্যভিজ্ঞান হয়। পূর্ব- যে তােমার হৃদয়ে স্বপ্নপুরীর কল্পনা, সেইরূপ ব্রহ্মের হৃদয়ে এই সিদ্ধ আত্মাশ্রয়পূর্বক জাতচৈত শূন্যমাত্র। মরিয়া এলাভ স্বর্গ কল্পনা, যেমন স্বপ্নে কার্যকারণভা, সেইরূপ সেখানেও কাৰ্য্য করে না, কিন্তু চিত্তই কেবল অমাদি বিক্রিয়া। আত্মাতে কারণ। সংবিৎ-নােদর স্বর্গাদিতে কার্যকারণ যে প্রকারে এখানে এই প্রকারে কাত হইয়াছি ইত্যাকার মিথ্যা কল্পনা কল্পিত হয়, তাহা এখনও আছে। তােষাকর্তৃক যেমন কল্পনাপুরী করে। অভ্যস্ত স্বভাবই চিরকাল অনুভব করে এবং তাহাতে সঙ্কলিত হয়, তােমার স্বকীয় সঙ্কলপত্তনে স্বেচ্ছানুসারে কাৰ্য- ফুট প্রত্যয়ন হয়। এবং বৃথা সত্য বলিয়া বিবেচনা করে। কারণজণি ব্যবস্থা যেমন সুস্থাপিত, সেইরূপ চিৎকর্তৃক ও আকাশ। আকাশেই স্বপ্নভঙ্গ অখ্যাস করত পুনঃপুনঃ স্বকীয় সঙ্কল্পরূপা স্বর্গে কাৰ্যকারণরূপিণী ব্যবস্থা সংস্থাপিত হয়। মরণ ও জন্ম এবং জগৎ অনুভব করে। বৃষ্টিভাব অবলম্বনপূর্বক সঙ্কলনগরও অন্তর্গত ব্যবস্থা চিনাকাশমাত্র কল্পিত স্বাক্ষুসিদ্ধ জাগ্র স্বসকালে স্বসন্নিধিত্রে বিষয় দর্শন করে ও আধ্যস্থকাৰ্য্য এই দৃশ্যমান সর্গও হিরণ্যগর্ভসঙ্কল্পজনিত, সুভং সঙ্কল্পসর্গেই কারণকে বিয়ে প্রবর্তিত করে এবং সুষুপ্তি, প্রলয় ও মােক্রাবস্থায় অন্তর্গত বলিয়া কখিত হয়। ভােমার হৃদয় সঙ্কলপত্তনে চিনা- সমুদয় অভ্যবরণ করে। বরমার্থ কেহই কাহার আলনীয় দিত্যের প্রকাশক অবস্থা সদাই আছে। সেই অবস্থাও নয়, কেহই কাহার অভা নয়। ইত্যাকার কোটি কোটি জগৎ এই কাৰ্যকারণজনিত স্বভাৰ সংসিদ্ধ, তাহা হইতে অনুমাত্র আছে, সেই সমুদয় পরিজ্ঞাত হইলে ব্ৰহ্মও অপরিজ্ঞাত হইলে অঞ্চ নহে। সারকালে হিরণ্যগর্ভস্থণয় চিৎপদ র্থে পৃথি- দৃশ্যমাত্র। ৩৫-৪৬। বস্তুতঃ সেই সমস্ত জগতে দ্বারা কাহারও ব্যাদি পদার্থে গন্ধকাঠিন্যাদি প্রকারে চিত্তের যে ক্ষুরণ হইয়াছিল কিছু আবৃত নয় ও সে জগৎ স্বরূপতঃ অসৎ। তাহার মধ্যে এক তাহা এখনও আছে। এবং পৃথিবীর গন্ধকাঠিন্য নিয়তি, জলের একটা জীব এই গুগং। একমাত্র অন্য নাই বলিয়া জানেন। দুৰত্ব নিয়তি, ভেজঃ পদার্থে উষ্ণগ্রকাশ নিয়তি, বায়ুর স্পন্দ- সেই জগং-কোটি মধ্যে পৃথিব্যাদি পঞ্চভূত ও চতুর্বিধ ভুগ্রাম সৌন্মনিষতি, ইত্যালিরূপে অতীতানাগতাদি কালরূপে এবং তং জীবাভিমত হইয়াই অবস্থান করে, বিসদৃশ ভাবে অবস্থান প্রাচী-প্রতিচ্যাদি দেশরূপে যিত, তাহারাই ভৎকার অভিধা করে না। আর সেই ভূতসমুদয়ও ব্যবহারদৃষ্টিতে সত্য, পরমার্থ- হইয়াছে। চেতনাকাশ যে নামে ও যে প্রকারে ফুর্তি দৃষ্টিতে ব্ৰহ্মপদ। বিদিত-বেদ্যের দৃষ্টিতে যাহা সৎ, অজ্ঞের দৃষ্টিতে পাইয়াছেন, সেই প্রকারে সেই বন্ধুতেই কাৰ্যকারণভাব আশ্রিত অহা অসং। সংগ্রন্ধের দৃষ্টিতে যাহা সং, অজ্ঞের দৃষ্টিতে হইয়াছে। ভাবনারূপী এই চিৎচমকাবমাত্র স্বগতে, পুঝে ভাহা অসৎ। অথবা চৈতন্যের যতপ্রকারে জণ হয়, সমুদয়ই সকল প্রবর্তিত হয় ও পশ্চাৎ সৰ্গাভিধা হয়। যেমন পবনের সত্য, সুতরাং সমগ্র ভূতগ্রামও সজ্রপ। জগৎরূপ সত্য সভা পনাতিরিক্ত স্বরূপ ও পবনানন্যা, সেইরূপ চিদকাশে কিংবা অসভ্য ইহা সত্যসম্বিদের স্বাৱাই নির্ণয়ের যােগ্য। সেই জিগদ্ধপি-শূন্যতাও, যেমন আকাশে শুষিরতা ও নিবিড় ভগবতী সম্মিদ সত্যই নিরূপণ করেন, তাহার বৈপরীত্য কেহই এবং নীলৰণীৰত আছে, সেইরূপ চিৎপদার্থে চি ও করিতে পারে না, যেহেতু সেই সেই বিনির্ণেয়রূপ প্রতিখাসহ নিবিড়তা এবং স্বর্গ উপৰিহণাৎ চিলখন'ই ভা- সখিদমাত্র যিনির্ণেয় বতে অথত্ব ও তত্বের কি করা আছে। দশিদের নিকট অগাকারে ভূষিত হন। এই সাধনাভ্যাস নে যসমূহ সম্বিদানুসারে ভাণ পায়, আহাতে একত্ব ফিদের বশতঃ ত্রিবিধ পরিশূেন্য চিত্র প্রভাবে ফুক্তি পাইলে বিগ কি কথা আছে? এই য়ে সেই জ্ঞালমাত্র এই একারে জ্ঞান হয়। যেমন ভুনে বুজুরূপ পুনর্বার ফুর্তি পায়। মৃত ভিজে বশতঃ দৃশ্যমান সমুয়ই জামাত্র হইতেছে, ইহার ব্যক্তি স্বপ্নবৎ পৃথক জগৎ জন করে, তাহাও তা পার- আৱাই সৰ্গ দৃশ্যের গ্রাম হেতু চিৎ অদ্বৈতে সিজি হইল। লৌকিক সমুদয় এবং ইহাও এল ঐহিক সমুদয় মূর্ত চিদম্বর ঘজি জ্ঞপ্তি অসতী হইত, তাহা হইলে সেই জ্ঞান এই জ্ঞেয়মাত্র মাত্ৰ-ৰাং ইলােকর ন্যায় পারলৌকিক সৰ্গও খোপ। এই প্রকারে ভূ পরিশেষ হইত; কিন্তু তাহা হয় না, সেহেতুক ২১es ব্যাথ কহিল,—এই দেহ পর সে কি প্রকার অপ্তি সত্যরূপা অক্সবা নিশি সিভি হতে পারে না। শানিত, তাহার উপাদান কি, নিমিত্তই বা কি, সহকারীই জ্ঞানই যদি অর্থ হইল, তবে এই প্রপঞ্চ প্তি হইতে পৃথতি বাকি দেব অনুষ্ঠিত কৰ্ম অতি নিত্য নােকাখ্য নয়, এই প্রকার সমু অাকারে তি কিলো ক্লাসশান করে, ইসস হয়, কারণ আত্রই অনিত্য। এজ্ঞান হেতুক স্বকীয় ঘৰ হইতে অচ্যুত হন। বস্তুত মুনি কৰি, ধৰ্ম্ম অর্থ বাস কৰ্মাত্মাজীৰ ইত্যাদি পৰ্য্যায় শক- অপ্তি নষ্ট হয় না। যাহা চান, তাহাই লে; পৃথক জ্ঞের বিব-এ-উত্তরঙ্গ । ৭১ T সানা নাই, এখন ভালই তাে ল বিতার ক্ষে। যদি পায় না, কে না, ঐরূপ গান ৪৭-৫। পৃগৰে অসৎও খিভাবে সৎ, এভাল মৃত ব্যক্তি সই হইয়া থাকে, বিশেগত জীবিত ব্যক্তি নিফারী অখিলের দর্শণাদি সাখন চরাদি সর্গ ও রূপালি সম্বন্ধে কখন হতে দেখা যায় না। ৫। আর একটা সর্গ গুপ্তি ব্যতিরিক্ত নহে। মুখের কানের বিষয়ীভূত সৰ্গ আমি কথা বলি, যদি দুগে দৃশ আন, ভ্রমই বলা যায়, নি না। প্রবােৰুতর নিকট যাহা এক চিমাত্র, আহা আহা হইলে, উহা জীবিত ও মৃত উভয় সম্বন্ধে একপ চিড়ীবের অনেক সৰিত্তিতে সহ। আর একই চিত্র হওয়াই উচিত হয়। কার, জীবিত সম্বন্ধে যেরূপ অনুভব আগে লক্ষভাবে অবস্থান কলেন। পুনরায় সুপ্তিকালে সেই মৃত সফওে ঠিক সেইরূপ এত হইয়া থাকে। পের নাই একমাত্র হন। চিমাকাশে যাহা বয় সম্মিতি, তাহাতেই যায় এই অং একাশ পাইতেছে, এইরূপ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ জগৎ বলিয়া কথিত হয়, আর সুযুপ্তকে এল কহে। স্বপ্ন ভ্রাত, কেন এই বিষয় সমূদয় আর্থশারে একবাৰু সঙ্কল্পের ব্যায় একই সম্বিৎ ভোেগাত্মরূপে লক্ষ প্রাপ্ত হয়। বৃহয়। বিশ্বলােকনকারী জনসমূহের দৃষ্টিনিচয় যেমন সেইরূপ অর্থ ও প্রাপ্ত হন। সমূদয়ই অপ্রতি শুদ্ধ বেদ- পরস্পর এতিমাতত, সেইরূপ অগংকে ও অসংরুপে এ- মাত্র, যে অবস্থায় যে প্রকারে আণ পান, তখন তৎসংজ্ঞা বিশিষ্ট লােকনকামীদিগের মত পরস্পর প্রতিঘাত। চিৎশক্তি হন। স্বর্গসিদ্ধির জন্য সর্গানিকালে একই সবিদ আকাশ, পবন, কেবল সবভেদের এহক, বিশুদ্ধ রূপে প্রকাশমান অগ্নি, অধু ও পৃথ্বী প্রভৃতি ভাষৎ পদার্থাকারে ভাণ পাল, এবং সৎ অ-এ উদাসীন হইয়াও সকল পদার্থরূপে যেহেতুক এক আকাশরূপা সম্বিই পৃথিব্যাদি নামে ভাল পান, ফুরিত হয়। চীৎরূপ আকাণে যেমন সমুদয় জগৎ এতি, সেই হেতুকই জগৎ শূন্য। সম্বিৎ নখর ও অনগররূপে ভাণ নিশ্রুি, শান্ত, এক এবং অপ্রকাশ অবস্থায় অবস্থিত, আত্মার পান, বস্তুত সম্বিদের নাশ নাই। যাহা নয়, তাহান্তে অনুধ্যানে নিরত হইয়া সেইরূপ ভাবে অবস্থান কর। অচল বিনষ্ট হইয়া সম্বিরূপে পরিণত হয়। তুমি মনে মনে পূর্ব বা সংৰিং যেমন মনকে স্থির করিয়া প্রাদুর্ভূত হইতে থাকে, তেমনি পশ্চিম দিকে চিরকালই গমন করিয়া থাক। আর তৎনো কোন বস্তু সৎ, কোন বস্তু অসৎ এইরূপ নেয় এ দষ্ট ক্ষত এবং অমিত অর্থ সমুদয়কে জানিয়া খাক। সম্বি প্রকাশ হইতে থাকে। মীর, ক, দুঃখ এবং মুখ ইহা অষ্ট রূপেই তােমার কোন স্থানে প্রতিঘাত হয় না, অজ্ঞৰ সংবিণ. যশে যেরূপ স্থিরীকৃত হইয়াছে, সেইরূপে হউক বা থাকি, তাহাতে সতিত্ব নয় ৫৬৬৫। যে ব্যক্তি তৃষ্ট এবং সঙ্কলিত অর্থ এক- কাহার কি ক্ষতি ? এইরূপ সমুদয় অগৎ সই হউক বা অসৎ কালীন অভ্যাস করে, সেই ব্যক্তি যদি পরিশ্রান্ত হইয়া ফিরিয়া হউক, তা তােমার হৃদয়ে কোনরূপ সংৰ উৎপন্ন হয় না আইসে, তাহা হইলে অবশ্যই তাহা প্রাপ্ত হয়। আমি উচিত নয়। তুমি সম্যক্ প্রবোধ প্রাপ্ত হইয়াছ, অতএব অকি- পর্ক এবং পশ্চিম দিকে যাইব, ইহা ভাবিয়া যে ব্যক্তি যির- ঞ্চিৎকর ফল।ভবিষয়ে যত্ন পারিত্যাগ কর। আর বা পরিশ্রম নিশ্চয় হয়, সেই ব্যক্তিই সেই দিকে যাইয়া থাকে; অপর করিও না। ৭৭-৮৩। ব্যক্তি কিন্তু ইতরগি ত্যাগ করিয়া যায় না। আমার দৃষ্ট এবং বিচালিকম সর্গ সমান্ত ॥১৪ | সঞ্জিত অর্থ সিদ্ধ হইবে বলি যে ব্যক্তির সংবিৎ অচলভাবে রহিয়াছে, তাহার দুইটাই হয়, কিন্তু এত অলংগের দুইটা নষ্ট হইয়া যায় এবং পক্ষিণ দিকে অথবা উত্তর দিকে যাই বলি। যাহার সংৰিং স্থির হইয়াছে, তাহার দুইটা হয়, কিন্তু অপর চতুগাৱিংশদাধিকশততম সর্গ। অচলসংবিং ব্যক্তির দুইটা নষ্ট হয়। আকাশে পুররূপ ধারণ মুনি বলিকে সর্বপ্রকার ভাব ও অস্বরূপ, শাক- করিব এবং পৃথিবীতে পশুরূপ ধারণ করি, এইরূপ দৃঢ় সম্বলশালী এক নিত্য ও এভিঘাত সমূদয় জগতে বন্ধই বা কে এবং মুই ব্যক্তির দুই হয় এবং দুই বিনষ্ট হয়, এবেথ উৎপন্ন হইলে ৰাকে। একাণে তা যেমন অনাবিধ গবাদি সকল বস্তুই আকাশৰ সৰ্যাপী চিত্র আত্মস্বরুপে প্রতীয়মান অপেকুরিত হয়, এই জগৎ সেইরূপ। ইহা অনবৰ বিপৰ্যয় হ। আর যে পৰ্যন্ত প্রবােহ না এলে, সেই অবধি সেই এক না করিলেনিৰ দ্বিয় বলিয়া অতীত হইয়া থাকে। বই নানা সংবিংশালী সহ সহ অচৈ মিশ্রিত জীব- যেমন কাননগর্জির রূপ পরিবর্তিত হইয়া থাকে, ঋলে প্রতীয়মান হয়। সবের শরীর অনখরই হউক । অৰ্যাবর্তে যেমন সময়ে সময়ে নানাবিধ পরিবর্তন ঘটিয়াছে; এই নাই হউক, উহার পক্ষে এই সংসার সর্বাবস্থায়ই স্বপ্ন স্বপ। এ সেলাই পৰিৱতি প্রাপ্ত হইতেছে। সে সময় ভূমি, শরীয় নষ্ট হইলেও জীব যে পূণভাবে অবস্থান করে ইহা এল, আকাশ এক শৈলালিপসৎ জগৎ উৎপন্ন হয়, সেই সময় ছেলে মৃত্যু হেতু পিশাচত প্রাপ্ত হয় এ-ভূমিতে এইইে লােকস, জটিভতি বাব এরা ফুলকলির আগত শত সেই ব্যক্তি জীবাত্মার মুখে স্মরণপণক পুর্ণগৃহ- যে গণনা করিয়াছেন। এই অং সৎ হইলে শখের পায়াদিয় বিষয় শ্রবণ করিয়া ভূত ব্যক্তিগণ প্রত্যক্ষ মানুষ। বালে জগতের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হইবে, করিয়াছেন। যাহারা মেসেবে মৃত এবং শশানালে সেই সময় বিকেই জালিয় অতীত হবে। আমরা জন্মসাৎ হইয়াছে, তাহারাও আগমনপূর্বক নিজ নিজ র যেমন এ একটা একুৰ , আকাশে এইরূপ পর এ্যাপন করিয়া জীবাত্মার অনত্ব এড়িপালন করে। ফল বিশবলিরেও শত সহস্র বৎ যিমান আছে, কিন্তু উত্তর ব, ভূত-পিশাচাদির কথা সকলই ফলন; ভূঋক্তি পণশকে জব করিতে পারে না। সােয়, সমূ পিশাচাদি দর্শণরূপ এটা এম কান উৎপন্ন হয় । এ এক কুপ এভৃতি এলাশ ভিন্ন ভিন্নরূপ কালে কাল বােগা-খামায়ণ সৃষ্টি হয়। কিন্তু ঐ সকল অলগ কন নিজ নিজ বাস- তাহাকেই আগ্ৰৎ বলা হয়। সুবুণ্ডি এলয় নামে উক্ত হইয়ছ, স্থানের অতিরিক্ত জলাশয়ের সভা বুঝিতে পারে না। এক গৃহে অতএব পরই যে সভ, এ বিষয়ে সংশয় নাই। এক চিং শরুন কত শত ব্যক্তি স্বয়ে যেমন শত প্রকায় নগর নিকলে, রূপকাণ, নিজের স্বরূপ পরিগ না করিয়াই যে সুখের এক আকাশে সেইরূপ অসংখ্য জগৎ বিমা। উহা স্ব স্ব | অনেক সাকররূপ ধারণ করে, উহার নামই গ্রৎ। এইরূপ আশ্রিত ব্যক্তি অৱ অনুভূত হয় বলিয়া সৎ এবং এ যারা পরমাণুৎ খরূপ চিভিন্ন অভ্যন্তরে এই সমুদয় জগৎপর্য অনুভূত হয় না বলা অসং। যেরূপ এক গৃহে শন অবস্থিত। বেহ্মপ স্বপ্নাবস্থায় অথবা পৰমধ্যে নদ নদী বন শত মনুষ্য যারা স্বপ্নে দৃষ্ট শত প্রকার নগর শােভা পায়, পর্বতাদি নানা বস্তু প্রতিভাত হয়,সেইরূপ চিতির মধ্যে জগৎও কিন্তু অহাদের নাম প্রকাশিত ২ না, সেইরূপ সৎ ও সৎরূপ সেইরূপ , ইহা স্বয়ং অপরিণামিনী এবং পরিপূর্ণ এই চিতি জগৎও আকাশে শোভা পায়। অা। চিৎ-এর্থাৎ চেনাশক্তি আকাশের স্থায় আতঅর্থাৎ সর্বব্যাপী। পরমাণুৰং - কেবল প্রকাশ স্বরূপ, দৃশ্য—অর্থাৎ জগৎ আত্মার অবয়বশ্বরূপ এবং | অর্থাৎ ইন্দ্রিয়ের অগােচর, ইহা জ্ঞানম্বরূপ এবং আদি, মধ্য ও উহা তে অভিন্ন, জগৎ রূপবান আত্মা রূপহীন; জগৎ কারণের পরহিত, ইহাই অগং নামে অভিহিত হয়। অতএব এই সহিত বর্তমান এবং আত্মার কোন কারণ নাই। তৎ সৃষ্ঠাকারে অনন্ত সর্বব্যাপী চিলাকাশের সহিতই জগতের ভাগ সৰ্ব্বতােভাবে পরিণত এবং চিদাভাস ব্যক্তি দ্বারা চিৎকাৰ প্রাপ্ত বুদ্ধিরই | সম্বন্ধ, সুরাং এই অঞ্চৎ উহা হইতে ভিন্ন নয়। সমুদয় ভুবন সংস্কাশদি কথিত হইয়াছে। বুদ্ধিপ্রভাবে ক্রিয়শলিনী অড়বরূপ | চিস্বরূপ এবং তুমি, আমি প্রভৃতি নিখিল জাগতিক পদার্থও দেহের কোন পৃথক সংস্কার হয় না। সঙ্কত তীর্থের অনুতাৰ চিৎ হইতে অভিন্ন, এইরূপ গুরু ও শাস্ত্রের উপদেশ অনুসারে বিষয়ে স্মৃতিই অপূৰ্বৰপে উদ্ধ হওয়ায় স্বপ্ন হয়। পূর্বজন্মান্তরে | এই জগংকে অজ এবং পরমাণুর উপরে প্রবিষ্ট অর্থাৎ অতি সূ অনুকু সংকর শেই নিজ মৃত্যু প্রভৃতির অনুত হইয়া থাকে। বলিয়া আনা যায়। অতএব আমি (আত্মা) পরমাণস্বরূপ এবং এই জাগ্ৰৎ সৰ্গাত্মক অপও সৃষ্টির আদিতে অপ্রতিভার নয়। নিখিল জালাকারে পরিণত। সর্বত্র, এমন কি, পরমাণুর উদরেও বিষ্ঠিত হয়। চি’ কেবল প্রকাশস্বরূপা এবং নির্মলা, তাহার অবস্থান করি। চিতিস্বরূপ আমি পরম বন্ধু অতি সূক্ষ্ম হইলেও আর কোন নামাজি নাই। শাস্ত্রে ব্রহ্মই সঙ্গে প্রকাশিত হন আকাশের গায় নিখিল অ্যাপী। অএব আমি সকল কব- ইহা উক্ত টয়ছে; এই উক্তি দ্বারা ইহা স্থির হইতেছে যে, এই স্থাতেই ত্রিভুবনের দ্রষ্টা বা সাক্ষীস্বরূপ। যেমন দুই স্থানের জল অং সতনম্বরূপে প্রতিভাত হয় না অর্থাৎ পূর্বেও এতিত একত্র করিলে উঙ্গ এক হইয়া যায়, সেইরূপ ব্ৰহ্মজ্ঞান পরমাণু- ছিল, সুতরাৎ ইহা ব্ৰহ্ম হইতে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেই রূপী চিৎ পদার্থ অহং পরিশুদ্ধ পরমাণুকপী চিৎস্বরূপ এক্ষ এই পরমা শই কারণ এবং কার্যকপে উক্ত হইয়াছেন, তিনিই | উতই একত্ব প্রাপ্ত হয়—অর্থাৎ ব্রহ্মজ্ঞান লাভ হইলে আমি তুমি প্রথমে কারণরূপে বর্তমান থাকেন এবং পরিশেষে কাৰ্যসকপে ইত্যাদি সমুদয় পদার্থ একমাত্র ব্রহ্মস্বরূপে প্রতিহত হয়। - পরিণত হন। কার্যের সংস্কার থায়াই কারণপে কাৰ্যসম্পদন 'কালে অঙ্গুর অবস্থায় অবস্থিত পদ্মের মধ্যে যেরূপ বীজ অবস্থান করে, এইজন্য সেই পরমাত্মাই কাৰ্যানুকূল বম্বরূপ সংস্কারস্বরূপে করে, আমিও সেই তেজোয় ব্রহ্মধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া তাঁহার অভিহিত হন। ১-১৫। সেই স্বপ্নের আদিতে যে অপুর্ব অর্থাৎ অনুভবভূত ত্রিগংরূপে অবস্থান করি। ২১-৩১। কালে জাগ্রত পদার্থ বিলক্ষণ অদৃষ্টান্ধরূপে প্রতিভাত হয়, সেই সূ{ আমি জিংকগে সেই পরমাত্মার অভ্যন্তরেই অবস্থান করি, অর্থই সংস্কার নামে উক্ত হয়, তদ্ভিন্ন আর কোন বা অর্থ চিত্তে তাহার বহিঃখিত কোন কোন পদার্থের সহিত আমার কোন বিদ্যমান নাই। সেই স্বপ্ন অবস্থায় সৃষ্ট সংস্কাররূপ বস্তু জগৎ কালেই সম্পর্ক থাকে না। স্বপ্ন বা জাগ্ৰং, যে যে অবস্থায় যে যে অবস্থায় আকৃষ্ট হয় বলিয়াই যে, উহার অভাব আনা উচিত নয়, বাক বা অন্তরীণ ধূ এভিভাত হয় ঐ সকল স্বকীয় চিতি কারণ উহা চিত্তাকাশে চেতনায় স্থায় সর্বদাই বিদ্যমান। সেই ভাণ জি আর কিছুই নহে। অগ্নাবস্থায় ওর যে আতত আকাশবৎ নিরাকার আত্মাও স্বপ্নে সাক্ষী স্বরূপে বিদ্যমান থাকে আনন্দময় জগৎ এতিভাত হয় উহা স্বপ্নাবস্থায় পরিণত অণুস্বরূপ এবং জাগ্রং অবস্থায় দুষ্টপদার্থের স্থায় বিভূতি হয়। সেই চৈতনয় আত্মারই সেইভাবে প্রকাশ মাত্র। বধ বলিল, যদি রোন্ত প্রসিদ্ধ অভিীর সৎস্বরূপ পা পুলি মৈতজ্ঞৰ- এই অং আকার হয়, তাহা হইলে উহা সা কিরূপে হইল? বিহিত হইয়া যখতি গন্ধ ভাবে বর্তমান হন। এই পণ্ডিত (কারণ কখনই অকারণ শৃঙ্গালির সত্তা দৃষ্ট হয়। আর যদি গণ পুরুষার্থসিরি নিমিত্ত শিষ্যদিকে এইরূপ শিক্ষা দান উৎকারণ হয়, বে অষয় ও কারণের অভাবেও করেন যে, পুর্ব অত পয়ই সংসার এবং বিভ ব্ৰহ্মই সৃষ্ট্যাণিবিষয়ক জ্ঞানের উদয় হয় কেন? মুনি বলিলেন, প্রথমে মােক্ষ স্বাবস্থায় যে জাগ্ৰৎ সংস্কার লতি হয়, উহা আগ্রহ বিনা কারণেই সৃষ্টি শক্তি হইয়া থাকে, কারণ তৎকালে সৃষ্টিতে বকৃত একটা অপূর্ব ব, এই এ পণ্ডিতগণ উনাকে পরিণত চিনাকাল লি আর কোন কারণই বিদ্যমান থাকে না। অজং অথচ অগ্ৰদালস বলিয়াই দিলেন কেন। কিন্তু ইহসংসারে কারণ ব্যতীত তাৰ পদার্থসমূহের অভ্যন্ত এসব এক ঠিক নহে, কারণ বায়ুতে যেমন নির্গত বেগের সভা বলিয়া কাচ কোনরূপ প্রতি সর্গও সব নয়। আজ, সেই চি ৰ সকল স্বতাৰ এখিত। তাহারা বৰ ভাৰ ডিম এই এই জগৎপে আভাত হন। অবস্থায় নিজে নিজেই প্রবৃত্ত হয়, এ বিষয়ে স্কারের কর্তৃত্ব তিনি আদি ও অন্ত হিত হইলেও ষ্ট্যাদি নামে অভিহিত আবার বীকার করিব কেন? ১৬-২০। একৰিই ে হন। এই একত্রে কারণ এ কাপে পরিণত হইল, এই বলে বর্তমান হয়, আগে লয়প হইও সুমি আবার মায়ায় জগৎ সেই নিত্য শান্তি বয়ণে এতিত হলে এখপে এহিত হয়। চি আৰু যে স্বপন, এ এক অন্ধ না এলে বিজ্ঞাত ইলে, সেই কষ্ট নির্বাণ- প্রতঙ্গ। ৭১ নকার মাকাররূপে প্রকট হইলে, যেই চিন্ময় রূপ হেক থাকে। তখন জগৎ অতি সূয় যাসনাস্বরূপ প্রাপ্ত হয় এবং প্রকাশ নিরাকার এই সাকার বস্তুর স্থায় প্রত্যক্ষ গােসরত জীবের ও ভবিষয়ে অতি স্পষ্টরা অনুভব হইয়া থাকে। ৰাই প্রাপ্ত হইয়া স্থাবর, ম, দেব, খুন্তি ও মুনি রূপে প্রকাশিত হন বা আভ্যন্তর কোন জগৎ কখন স্কুলরূপে অবস্থিত হয় না, জীর এবং যথাক্রমে নিয়তি, বিধি, নিষেধ, দেশ, কাল ও ক্রিয়াদির জনের কারণ ইন্দ্রিমদিকের সুতা কল্পনাহেতু যে স্কুল সৃষ্টি করেন। ৩৯-৪২। ভাব ও অভাব রূপে জ্ঞাত ও অজ্ঞাত হয়, অহাতেই জগঞ্জে স্কুল প্রতীত হয়। জবের নেত্রস্বরূপ- স্কুল-সূন্মরূপ স্থাৰ-অনাত্মক পদার্থচি সৰ্ব্বদাই ব্যভিচার অর্থাৎ জ্ঞানের করণ ইন্দ্রিয় সকল যখন বহির্মুখ। প্রান্ত হয়, কিন্তু যাৰ নিখিল বর অন্ত না হয়, তাৰং নিয়তি প্রাপ্ত হয় তখন জীবতৰাপ চিতি, স্থূলকার বা জজ্ঞে কখনই ব্যভিচার প্রাপ্ত হয় না। যে পর্যন্ত এতাদৃশ নিয়তি কলিত অনুভব করে। ১-৫। শ্রোত্র, ত্বক, চলু, নাসিকা, জিহবা হইয়াছে, তদবধি যেমন সৈকত হইতে তৈলােৎপত্তি অসম্ভব , এই পঞ্চজ্ঞানেন্দ্রিয়, বাগাছি পঞ্চকৰ্ম্মেলিয়, প্রাণাৰি পৰয়ু, সেইরূপ কারণ ব্যতীত কাৰ্যসমূহের উৎপত্তিও এসব বলিয়া জহিতাত্মক—অর্থাৎ ইচ্ছ৷প্রধান অন্তঃকরণ এবং চিদাভস ইহাৱা নির্ণীত হয়ছে। নিয়তি এবং নায়ক—অর্থাৎ কটক শো সম্মিলিত হইয়া আনামে অভিহিত হয়। আকাশৰৎ সর্ব- জীব ইহা ব্রহ্মের দুইটা অংশ স্বরূপ স্বয়ং ব্রহ্ম হইতে প্রবৃত্ত ব্যাপ চিতির আভাস জীব সর্বদা সর্বেষি ব্যাপিরা অবস্থান হইয়াছে ! যেরূপ একটা হন্তু ধরা অপর হস্তকে নিয়মিত করা করায়ু সকল সময়ই বাহ ও অভ্যন্তর পকপ্রকার জগত হয়, ব্ৰহ্মও সেইরূপ ইহাদের একটা দ্বারা অপরকে নিয়মিত অনুভব করিতে সমর্থ হন। বকালে জীব অতি সুন্ম নাড়ীর করেন। যেমন জলে যাব সকল আপনা আপনি উৎপন্ন হয় অন্তর্গত হইয়া শ্লেষ্মাক অন দ্বারা আপৱিত হন, তখন সেইরূপ জীবের জাগ্রপ্তাদিরূপ ব্যাপনিয় কাকতালীফের সেই সেই সূক্ষ্ম নাড়ীর অভ্যন্তরেই নানাবিধ বিচিত্র ভ্রমের যায় অবুদ্ধিপূর্বক এবং অনিচ্ছায় রক্ত হয়। নিয়তির সন্নিবেশ অনুভব করেন। তখন জীৰ বিবেচনা করেন, নিজে যেন কী- অর্থাৎ যোজক নিয়ম সরূপ, ঐ নিয়তি না থাকিলে কার্যের প্রতি সমুদ্রে উডীন হইতেছেন, আকাশে চন্দ্রের উদয় হইয়াছে, যাত হইয়া পড়ে। ঐ নিরতি ব্যতীত ব্ৰহ্মও কণকালের জন্যও সরোবরসকল প্রফুলপদ্ম এবং কলারে পরিশােভিত হইয়াছে। অবস্থান করিতে সমর্থ হন না এবং নিখিল পদার্থের ক্ষয় উপস্থিত ঐসবের সকল যেন পুষ্পময় মেয়ের প্রতিনিধিরূপে শােভিত হয়। ই হেতু সমুদয় দৃপদার্থ সর্বদাই স্ব স্ব কারণের সহিত এবং ষটপদসমূহে উপনীত বসন্তরাজের অন্তঃপুরসদৃশ জীবাকাশে বৰ্তমান। যে কাল হইতেই যাহার সৃষ্টিতে নিতির কল্পনা হই উদিত হইয়াছে। ৬-১০। তিনি নানাবিধ অভােজ্য অল্প ও আছে, সেই কাল হইতেই নিয়তি তাহার প্রতি প্রভুতা করিতেছে। পেয়সমূহে গৃহাঙ্গণের পেয়ৰন্থসমূহে গৃহাঙ্গণের শোভাবর্ধক ক্রীড়ারত অন্ধ নীল ব্ৰহ্মসূষ্টি সরূপ হইলেও অজ্ঞ ব্যক্তির নিকট কারণ শূন্যরুপে প্রভাত দ্বারা অনুষ্ঠিত অজ্ঞানময় উৎসব সকল অবলােকন করেন। তিনি হন। তাদৃশ অঙ্গের নিকট এই কার্যকারণসম্বন্ধন জন বলিয়াই আরও দেখেন, নানাবিধ জলজপুষ্পে ভূষিত কেনরূপ হাযুক্ত প্রতিপন্ন হয়। ৪১–৪৯। জগৎ সৃষ্টি কাকতালীয়ের ব্যয় হইলেও চঞ্চল শফীরূপ নেত্রশালিনী যৌধন মদমত্ত ঘূৰতীয় স্নায় ইহা বরবর এইভাবে চলিয়া আসিত ইহাসেরূপ বরাবর চলিয়া তরঙ্গিণীগ বিলাসে সরিপতির উদ্দেশে গমন করিতেছ। আসিতেছে না, এইরূপ ধারণাকেই নিয়তি বলা হয়। এ তিনি আরও হিমালয়সদৃশ ধবলশিখরবিশিষ্ট অতিশয় শীল, পদার্থনিচরে পৌৰ্ব্বাপৰ্যক্রম দেখিয়াই উহাদিগকে অব অতএব যেন চন্দ্রময় কুটুম পরম্পরায় নির্মিত নুধাবধৌত সৌধ কারণ বলিয়া স্বীকার করতে হয়। আগ্রপ্তাদি জ্ঞান কখন সকল অৰণােকন করেন। তিনি আরও নিরাসার, হেমন্ত অকারণ হওয়া সম্ভব নয়। স্বপ্নে সমস্ত পৃথিবী ব্যাপিয়া জলের এবং কালীন মেঘাচ্ছন্ন, নীলনলিন। এতা ও দূর্বাদল- সংক্ষোভ দেখিলে যে প্রলয়ৰ উৎপন্ন হয়, তদ্বিষয়ে কারণ শ্যামল ক্ষেত্র সকল অংলােকন করেন। তিনি নানাবিধ পু শ্রবণ ও অনুভব কর। বুদ্ধিমাদিগের নিখিল বস্তুতেই বন্ধ ও স্বাৱ আকীর্ণরূপ হৰিণরূপ পথিকগণের বিভ্রান্তভূমি, সুখি প জগংগ্রাঞ্চের ঐক্য সম্পাদক খুক্তিসকল টিকমণি ও শুক্তির যুক্ত তরুণের ছায়া দ্বারা শীতল, নগরের উপবনভূমি অতএব সকল প্রমাণের জীবিতস্বরূপ, সকল পন করেন। কাকু এবং মন্দারের চবৎ প্রবল নির্ণয়সমর্থ শাস্ত্রানুসারি যুক্তির ভাবনুভবই শ্রেষ্ঠ বলিয়া স্বীকৃত মকরন্দ যারা ভাসমান অতএব চিত্রবর্ণ আসনের দ্যা শােভমান হইয়াছে পূষ্পলী সবল দর্শন করেন। নলিনীসমূহ শােভিত পুষ্পধন চত্বারিংশধিক শততমসর্গ সমাপ্ত।১৪। বহুল মেষ স্বচ্ছ আকাশবৎ নীলাভৰশালী, কালী, কণী, কুল এবং কখকে পরিবেষ্টিত শেখর এবং সুচাৰু লৰ মিত পর্বতশ্রেণ মৃত্বপনে দোদুল্যমান থালিনী; অতএব পচকাবিংশদাধিক শততম পর্গ। নৃত্যকাণী যুবতী সদৃশ কালী মালতীলত সমূহ সুন্দর চার সৃজলার চন্দ্রাতপাত্রে পরিশােভিত উৎফুর শেলিনীসদৃশ মুনি বলিলেন,-এই জীব হিহিত ইন্দ্রিয় সকল আরা বাস সকল, লতাৰলয়ের সৰিলাল বিন্যাসে শােভিতাজী বাকস্বপ্ন এবং অত্যর ইন্দ্রিয়সমূহ এয়া আন্তরখখের অনুভব বি লাল ফুলৰিহারি-জলপক্ষিগণের কালীপূর্ণ বনশ্রেণী সকল কয়েন। এবং উভয় প্রতি তীব্র সংবেগশালী ইলিকি থাৱা এবং সনমালা-পর্বতরাৰি বিরাজিত সীকল- বৎকাল ইসি খসিমাকু মহাপলিনী শনি অলােক কয়েন। ১২১। ভাবে অবস্থান করে, তখন সংকলিতাৰ্থ সকল কিঞ্চিৎ কুই কালের পূর্বোক্ত রীতিতে পিত্ত রস দ্বারা আপ্লুত হ ভাবে অনুভূত হয়। বৎকালে ইসি অন্য বৎকালে ইত্রিসকল অগুখি হয় লখতেন রুপে ভাগ লিভধান হয় শিরার অধ্য স্বতই ফুয়িত হয়। উভয়ের সুর করেন।
বেগবশিষ্ঠ-রামায়ণ ৰামাণ সকল বলােকন করেন। পবনকশনে গুরু শিষ্যগে নিবিড় নালীর ভ্রমণে উৎকট মেলা মিলেছে কিংশুক সদৃশ শােভন এবং উজ্জল পলল তুল্য নির্ধ বলিয়া সন্দেহ হইতেছে। আলী, আল, হিন্তালমাল এনে নিশিখাসমূহ ধুধু করিয়া জ্বলিতেছে। নিলুখ সকল সন্তপ্ত আবৃত সেই বিখ্যভাগে ধু-ধু ভা-া এবং ঘর ঘর বি বালুকারাশিতে সেক নিবন্ধন বাপসমূহে আচ্ছা নদীরূপ হইতে। করী সকল পললসময়ে অনিবার্য পরস্পরের শিরাজালে পরিকৃত এবং বনলনিরেয় শিখা হইতে সমুখি সংঘটনে ঘটিত হইয়া সমমন্থনসময়ে মন্থনকারী মলয়- আমবর্ণ ধূমরাশিতে গামলতা প্রাপ্ত হইয়াছে। অসিন কর্কশ পর্বতে তার গুরুগম্ভীর শব্দ কৰিছে। পর্বতশৃঙ্গ- শাণিত চঞথায়ের স্থায় তারুপ্রভাসম্পন্ন প্রভামণ্ডলসকল এলাশয় য়ের সংঘটুসদৃশ ভীষণ অশালিনী, কাজি বিগমের নিচয়কে দাবদাহ বিষয়ের যারা বিশেষরূপে আবৃত করিতেছে, কোৱৰে কৰ্কৰ নলীসকল মুজাসদৃশ সীকাসার মায়া ন- ত্রৈলোক্যমণ্ডল অন্তস্থিত উষ্মা বা স্বয়ং ভিন্ন হইয়া সমূদ্র নলকে যেন পুলমালায় ভূষিত কৰিছে। ৪১-৪৫। প্রলয়- দিগকে উষ্ণ করিয়াছে। এবং বৃক্ষগুলির নিবিড়তায় গহন কালে উ েমহাৰ্ণৰ শিলাখণ্ডপুর্ণ অলরাশি যারা অতল অরণ্য সকল হইতে যেন ক্ষীর ক্ষরিত হইতেছে, ৰহমাণ পরিপূর্ণকল্পিতেছে এবং প্রবাহে প্রবহণ বন ও মেঘমালা দ্বারা মৃগতৃষ্ণিকার এলে সাবসসকল সতরণ করিতেছে। বনস্থলী ব্ৰহ্মাণ্ড সংঘটিত করিতেছে। পরস্পর নিধৌত জলিকে দর্শনে সকল বৃক্ষহীন হইয়া অদৃষ্টপূর্বের ন্যায় লখিত হইতেছে। দূর গন্ত বাহির করিয়া হাকাৱীৰ শ্ৰায় অবস্থিত, দিগন্তপূরক চটচটা হইতে পথমধ্যস্থ গিপ্ত ছায়াযুক্ত ক্ষকে অমৃতে মত সম্ভাবনা রবে পৰ্বত কটক সকল স্ফুটিত হওয়ায় যেন টঙ্কাখানি দ্বারা করিয়া পখিক সবেগে গমন করত উথ ধূলি দ্বারা ধূসরিত আকুলিত আকাশপথে প্রবহমণ বায়ু দ্বারা কম্পিত বনে বাতানু হইতেছে। ভুবন অগ্নি পরিবৃত, উত্তপ্ত এবং উত্তাপে জর্জরিত সারিণী লতাসমূহে সঙ্কুলিত, সশকে স্বয়ং আগত প্রস্তর চূর্ণ দ্বারা কলেবর হইয়াছে, দি ও আকাশ মণ্ডলের প্রদেশসকল ধূলিরাণি বিচিত্রবর্ণ পদ্ধসহ বিশিষ্ট জগল, যেন সমুদ্র মন্থনের পূর্বে দ্বারা আচ্ছন্ন হইয়াছে। ২২-৩০। চারিদিকেই গৃহ, গ্রাম, পরস্পর বিমর্দনকারী দেবাসুর বীরগণের গভীর গর্জনের মত অৰ্ণৰ, পৰ্ব্বত, সাগর, ক এবং আকাশ অগ্নিময় আকার ধারণ গােরর নিলালে পরিপূর্ণ হইতেছে। ব্রিধাতু পূর্ণ নাড়ীতে করিয়াছে, এবং আকাশে অগিব অনন্ত মেঘমালা উদিত পূর্বোক্ত একার কাষ্ঠ, পাষাণ এবং মৃত্তিকাযুক্ত বায়ু দ্বারা স্বপ্নে হইয়াছে, শরৎ, গ্রীষ্ম এবং বসন্ত ঋতু সূৰ্য্যের উত্তাপকে প্রখর এড়ীকৃত জীব পরিপীড়িতভাবে অবস্থিতি করেন। ৪৬-৫০। করিয়াছে। এবং বনভূমি সকল তৃণ, পত্র, লনিকর, পদ্মরাশি মৃত্তিকার মধ্যস্থিত ক্ষুদ্র কীটের ব্যায়, শিলান্তৰ্গত ভেকের স্যায় এবং উষ্ম দ্বারা ব্যপ্ত হইয়াছে। অম্বতল সুবর্ণময় হইয়াছে। গর্ভস্থ অপরিপক ক্রুণের স্থায়, কলমধ্যস্থিত বীজের ন্যায়, বীজ ভূল, দিন্থগুণ এবং বহু সরােববপুর্ণ হিমালয়ের প্রদেশ সকলও মধ্যস্থিত অঙ্কুরের ন্যায়, দ্রব্য-পিণ্ডস্থিত পরমানুর ন্যায় এবং উত্তপ্ত হইয়াছে। বংকালে জীব পূর্বোক্ত শ্লেষ্মা ও পিত্তরস অশ্রান্ত স্তব কোষস্থিত কাষ্ঠ পুত্তলিকার ন্যয় ধংকালে এই জীব বিরহিত নাড়ীপ্রদেশে প্রবিষ্ট হইয়া বায়ু দ্বারা আপুরিত হন, পুৱীততী নাড়ীপঞ্জরে অবকাভাবে প্রাণবায়ুজনিত স্পন্দহীন তৎকালে দৃশ সূন্মরূপ জীব সেই টলাস পূ নাড়ার মধ্যে হইয়া অবস্থান করেন এবং প্রকৃষ্টরূপে উন্নতি প্রাপ্ত পাখস্থিত বক্ষ্যমাণ দৃশ্য সকল অবলােকন করেন। বায়ু দ্বারা চেতনাৰ গ্ৰন্থিরূপ শিলাখণ্ড বায়া নিষ্পেষিত হইয়া বিলমধ্যে আবন্ধের বিক্ষোভ হওয়ায় বসুল যেন অদৃষ্ট বলিয়া বােধ হয়। নগর, রায় সর্বপ্রকার ব্যাপার শূন্য হইয়া স্থিত হন, তৎকালে সেই গ্রাম, শৈল্য, অব্ধি এবং বন-ভূমিসকলও অদৃষ্টপূৰ্বশ্বকাপ নিবিড় তেজোমধ্যে অন্ধকূপের অভ্যন্তরসদৃশ গভীর গিরিগুহার ধারণ করে। আপনি যেন উড়িতেছে এবং সেই সঙ্গে শিলাসমূহ উদয় তুল্য সুষুপ্তির অনুভব করেন। যৎকালে ভুক্ত-অন্ন পরিপাক এবং পার্শত্যপ্রদেশ সকল উড়িয়া বেড়াইতেছে। সকল স্থান প্রাপ্ত হয় এবং এর দ্বারা প্রবেশমার্গের নিলােধাভাবে পূনর্বার বেন গভীর মেঘগর্জনে পূরিত হইয়াছে এবং বিনাচক্রে ভ্রমণ অবকাশ উৎপন্ন হয়, তৎকালে জীব নির্গম বিষয়ে যত্ন পাইয় করিতেছে। আপনি কখন বাড়ার উপর, কখন উর উপর, এবং এণ বােথিত হইয়া স্বপ্নের অনুভব করে। কখন গরুড়ের উপন, কখন মেয়ের উপর, কখন হংসের উপর ৫১-৫৫।কালে সেই আম দেহে পরিণত হইয়া জীবের চড়িয়া বেড়াইতে বেড়াইতে অবতরণ করিতেছি। এবং যক্ষ ও সহিত এক নাড়ীশ্রদেশ হইতে অনাড়ীপ্রদেশে পতিত হয়, বিদ্যার প্রভৃতির রায় গমনাগমন করিয়া বেড়াতে। অকালে পর্বতবর্ষণের অনুভব হয়। বহুতর আঠারাগ্যিাপ্ত সমূজে যেমন বুদুদ সকল ঝাপিয়া উঠে সেইরূপ পর্বত আকাশ, বাতপিদিয় যােগে ৰাখিয়ে এবং অন্তরে বহুবিধ সম অব- পৃথিবী, সমুদ্র, বক্ষ, গ্রাম, নগর, দিগুন এবং অন্য প্রাণি লােকন করে এবং জল ঠাৱান্ধি ব্যাপ্ত বাতপিত্ত সংযােগে এর গণের অনবরত বল হইতেছে। আপনাকে কখন অকুপে, সম অবলােকন করে। এই বাতপিত্রাদি যারা চালিত জীব ফল বা বিপুল সঙ্কটে পতিত আর কখন বা অত্যুচ্চ নগ্রদেশে অসের ব্যৱা বীভূত হইয়া অন্তরে যেরূপ অলােকন করে, কর অগ্রভাগে অমরা পর্বত শিরে অক্ষত অবলােকন করে। বাহিরেও উপরে সেইরুপ জ্ঞান এবং প্রবৃত্তি হয়। বাপিজি বকাশে বাতপিত্তশ্লেষযুক্ত জীব বায়ুৰশশু শ্লেয়ারিসভা হারা ক্ষুব্ধ রসের পরিমাণ এর হইলে অন্তর এবং বাহিয়ে এল ঘর পুরিত হয়, তখন সে বিকৃতি প্রাপ্ত হইয়া এইরূপ দৃষ্ণ ভ্রান্তিজ্ঞান হয় এবং বাতপিত্তকালিৰ সহিত আত্নসের পরিমাণ সফল অবলােকন করে। ৩১-৪০। আকাশ হইতে পর্যন্ত সমান হইলে দৃষ্টিরও সমতা হয়। এই জীব কুপিত বাতপিত্যাদি বৃষ্টি হয়েছে, এবং শিলাবৃষ্টিজনিত সট নিবন্ধন ফসল আৱা রত হইলে ভূমি, অত্রি এবং আকাশের পথবা এখি- এত টালিকা ৰ গিৰিকটকের ন্যায় ভীৰ শৰু কয় ভ্রমণবাবির অন অবলােকন করে। ৫৬–৬। নিজের কা” কমি সি হস্তী এবং বর্ষাকালীন মেষসমূহে পরিত্যাক্ত ভ্রমণ, চলোয়, হিমাচল শ্রেণী, শৈলের গহন এবং ক নিশ-এর-উত্তরভাগ রাশি আরা আকাশজুলর আপ্লব লােকন করে। অন্য প্রলয়সম উপস্থিত হইলে, প্রলয়কালীন বায়ু বাৱা অতি প্রকাণ্ড অনুভব করে যেন সমুদ্রে মনও উন্মন কৰিলে, সুরলােকে শৈলেন্দ্র সকল ভূরে মত সঞ্চালিত হইলে এবং আমি সেই সুতসদ্যোগ করিতেছে এবং শৈলশিখৱস্থিত উপবনে তেজোথাতুর মধ্যে বর্তমান হইলে, কোথা হইতে সহলা গৰ্ব্বত শুভ্রমে নির্শিত পঠোপরি উপৰেন করিতেন। কখন কখন বর্ষণ আসিয়া উপস্থিত হইল। মেষের মত বিশাল পর্বতশিখর বৃহৎ ক্রকট দ্বারা নিষ্পেষণ এবং নৱক ফণা অনুভূত হয়, সকল গ্রাম ও পতনের সহিত উড়িয়া আসিয়া পড়িতে লাগিল। কখন বা অম্বতলে আলী, তমাল ও হিত্তাল বনের সঞ্চলন বৎকালে আমি সেই ওজোগাতুর মধ্যে অতি মূহ্মরূপে নিবম দর্শন হয়। কখন চক্রের মত ঘুরে ঘুরে পড়িতেছে, আর কখন তাহার জীবাত্মার সহিত একতা প্রাপ্ত হইয়াছিলাম, তৎকালে বা ঝক্ করে আকাশে উঠিতেছে এইরূপ বোধ হয় ,শুতে ও তাদৃশ পর্বতবর্ষণ অবলােকন করিয়াছিলাম। ১-৫। সেই সূক্ষ্ম জন সম্মর্দ এবং স্থানে সমুদ্রমন অনুভূত হয়। নানাবিধ নাড়ীমধ্যস্থিত অল্পসের অন্তর্গত অলপ উচ্চ শলসমূহে বিচিত্র ও বিপরীত ব্যবহার অনুভূত হয়, মহানিশায় দিবার আমার দেহ পিঞ্জীত এবং আমি নিচেষ্ট হইলে পর, আমি সূৰ্যদর্শন এবং দিবাভাগে রাত্রির আয় অন্ধকার গলি হয়। অজ্ঞানরূপ অন্ধতা আর সম্বলিত এগা-সুষুপ্ত মুক্ত করিয়া- ৬১-৬৫। আকাশতলে অদ্রির সহিত পৃথিবী, নিবিড় প্রাচীরা ছিলাম। কিছুকাল এইরূপ সুষুপ্তির অনুভব করিয়া উষাকালে বৃত স্থানে নিরাবরণ ৰূল, গগনতলে কুড্যবদ্ধ এবং শত্রুতে ত্রি- পদ্মাকর যেমন প্রবােহােম্মুখ হয়, আমিও ক্রমে ক্রমে সেইরূপ ভাব অনুভূত হয়। স্বজনে পরতা বুদ্ধি, দুর্জনে সুজন প্রম, বােধধামুখ হইয়াছিলাম। যেরূপ অন্ধকারে দৃষ্টি দীর্ঘকাল নিমীলিত গর্ভে সমতলতা এবং সমল ভূমিতে গর্ত দর্শন হয়। উদ্গীতা থাকিলে, তেলোয় চক্ৰাভাসরূপে পরিণত হয়, সেইরূপ কালে লাপে সুমি, সুবাধৌত অতি বিচিত্র নবনীত নিশ্মিরে যায় সেই সুষুপ্তি স্বল্পকালে পরিণত হইয়াছিল, এইরূপে মুষুপ্তির খেত স্ফটিক বা রজতময় অদ্রি সকল দৃষ্ট হয়। পদ্ধে ভ্রমরের বিশ্রান্তি হইতে আমি স্বপ্ননিদ্রায় প্রবেশ করিলাম এবং সমুদ্র ন্যায় কদ, নীপ এবং জীর পত্ৰন্তবকে রচিত গৃহমধ্যে স্ত্রীগণের যেমন তরঙ্গ-সহতে সঙ্কুল স্বীয় মূর্তি অবজেকন করে, আমিও সহিত সুখ-বিশ্রাম অনুভূত হয়। শরীরন্থ রস-খাতুর বৈষম্য সেই ওজোমধ্যে সেইরূপ বিক্ষেপসহ অবলােকন করিয়াছিলাম। নিবন্ধন ইন্দ্রিয়রক্তিসকল অন্তরে নিদ্রা-নিমীলিত হইয়, এই যেরূপ স্থির বায়ুর মধ্যে স্বসিদ্ধ স্পন্দন সন্নিবিষ্ট, সেইরূল জগৎ সকল ভ্রান্তি অবলােকন করে, আগ্ৰদবস্থায় উন্মীলিত হইয়া আমার জ্ঞানকোষাত্মক হইয়া আমার অন্তরে উপস্থিত হইল। বাহিরেও তাদৃশ ভ্রম এমুভব করে। ৬-৭০। ধাতুর বৈষম্য ১০। যেমন জঙ্গি প্রভৃতি উষ্ণতা, এলাদিতে ভবতা, মরিচ নিবন্ধন স্বপ্ন ও জাগ্ৰস্থায় এইরূপ নানাবিধ দর্শন এবং অনুভব প্রভৃতিতে তীব্ৰাহ্মণ স্বপ্রবিষ্ট, চিনাকাশমধ্যে জগৎও সেইরূপ। হয়। ধাতুর অসমতুে জীবসকল অন্তর এবং বাহিরে নানা- | তৎকালে সুষুপ্তাঙ্ক হইতে বালপুত্রের ন্যায় প্রসূত অগংরূপ বিধ বিপরীত ও ভীষণ কাৰ্যকলাপ দর্শন করে, খাতুসকল সাম্য | দৃশ্য চিভির স্বভাবের সহিত একরুপ আতত হইয়াছিল। ব্যাণ বস্থায় অবস্থিত হইলে, এই জীব স্বয়ং তৈজস নাড়ীর অন্তর্গত। বলিল, হে বাতায়। আপনি যে সুযুধ্যাত্মক দৃশ্য বলিয়া নির্দেশ হইয়', এই লােকপ্রসঙ্গ অবকৃত ব্যবহারস্থিতি অনুভব করে। করিলেন, সেই সুযুগুত্ব কিরূপ, তাহা আমাকে বলুন। সেই পুর, গ্রাম, পত্তন ও অরণ্যসমূহ এবং সুন্দর বারি, বৃক্ষচ্ছায়া, দেশ, যুগ্ধত্মক দৃশ্য বা সুষুপ্তি হইতে ভিন্নবিধ ৰক্ত উৎপন্ন হয়। অথবা পথ ও গতাগতি যখস্থিত অবলােকন করিয়া থাকে। সুখকর অন্য একটা সুষুপ্তি উৎপন্ন হয়। মুনি বলিলেন, জাগ্রত অবস্থায় আতপযুক্ত অর্ক, ইন্দু, নক্ষত্র এবং কাহােরাত্রে ভুষিত এই অসম্ভুত ঘটাদি ও জগদি এভীত ও ক্ষুমিত হয়, ইহা বৈদিগণের বিশ্বমল যেন সস্তৃত বলিয়া বিবেচিত হয়। চিত্ত দৃষ্ণ কল্পনাত্মক প্রলাপমাত্র। জাত এই শব্দটা সং—অর্থাৎ বিদ্যমান বস্তুর উপলব্ধিরূপে পরিণত হইলে, পবনে যেমন স্পন্দনের মত্রের পৰ্যায়, যদি বল কেন, তাহাও বলিতেছি। জনি। ) অনুভব হয়, সেইরূপ অসং সল্পে ব্যয় এবং ভিন্ন অভিন্ত্রের ব্যায় ধাতুর অর্থ যে প্রাদুর্ভাব, ইহা পাণিনি প্রভৃতি বৈয়াকরণগণ স্পষ্ট অনুভূত হয়। নিম্প্রপঞ্চ ব্ৰহ্ম হইতেই সকল জগৎ উদিত হয়, করিয়া বলিয়াছেন, “প্রাদুর্ভাব” এই কথানীয় প্রকৃতি ভূ ধাতু। এ জি আর কোন বস্তুই নিপঞ্চস্বরূপ নয়। অবস্তু সং দু ধাতুর অর্থ সা—অর্থাৎ বিদ্যমানতা, সুতরাং বিদ্যমান বই রূপে এভীত হলেও বাস্তবিক সং নয়। অতএব এন চিত্তি অব অনন্ত চিড়ি জাত বলিয়, অভিহিত হয়, সৃষ্টি হইতে এত এইরূপ বাক্য দ্বারা আকাশক শরীরে নানারূপ জগৎমাত্র প্রতিভাসরূপে বিভাত সৃষ্টিকেও একাররে সংৰম্ভ বলা হইতেছে। আম্মৎসদৃশ পণ্ডিত হইতেছে। ৭১-৭৭। গণের দৃষ্টিতে কোন বস্তুহ উৎপন্ন বা বিনষ্ট হয় না, সকল বই পকচারিখিকশততম সর্গ সমাপ্ত। ১৪৫। শান্ত, সকল বই অল (জন্ম রহিত) এবং সকল বস্তুই সৎ। ব্ৰহ্ম সর্বপ্রকার সভাস্বরূপ, এবং জগৎও সর্বসত্বাত্মক, এরূপ ৰূলে ব্রহ্মে বলিগের ‘অস্তি’ এই বিধানের এবং নাতি এই নিষেরে অবকাশ কিরুপে হইতে পারে বল ? এ নি ষটচত্বারিংশধিকততম সর্গ। জিজ্ঞাসা কর, তবে অতি’ ও ‘তিহাদিগের ব্যবহার কোথায় ব্যাধ বলিল,-হে মুমিশ্রেষ্ঠ। অনন্তর সেই ভ্রান্তিরূপ ওছের হইৰে? ইহার উত্তরে এই কথা বলিতেছি যে, মায়াম যে মধ্যে আপনি নামমাত্র তি হইলে, কিপ অগণজিহ আছে, তাহাতেই অধি’ ও ‘মানির ব্যবহার হইয়া থাকে। কারণ ছিল। মুনি বলিলেন,-৫ ব্যাখ! আমি তেজধাতুর মধ্যে অজ্ঞ পুরুষদিগের সেই মায়াশক্তিকেই ব্ৰহ্ম বলিয়া ভাল হয়, নিষ এবং তাহার জীৰ দ্বারা আমাৰ নিৰ নেংমিশ্রিত হইলে পর মায়ার এৰলহেতু ব্ৰহ্মরূপ সর্বশক্তি টিত বলিয়াই তাহানের যেরূপ স্বপ্ন দর্শনাদি হইনি, আহা এবণ কর। সেই হাের সংস্কার। ১১-২০। এরমার্থতত্ত্বজ্ঞ পণ্ডিলিগের নিকট আৎ, ৪ যােগা-মার -- স্বপ্ন, সুষুপ্তাদি যেরূপ লােকপ্রসিদ্ধ আছে, তাহার কিছুই নাই, অসাধারণ নৈপূণ্য প্রকাশ করিতেছে। এই অং মহার যেরূপ সৃষ্টির আদিতে জাতের কোনরূপই থাকে না , সেইরূপ এবং স্থির হইলেও, শেও কালের ইয়ত্তা বর্জিত, নানাবিধ অনুভবষয়ে অবস্থিত স্বপ্ন এবং সঙ্কলপ্রবাহের বস্তুতঃ কিছুই হতে পরিপূর্ণ হইলেও অদ্বৈত এবং নানাস্বরূপ হইলেও কিই নাই। প্রাণাদিবিশিষ্ট জীব এই স্বপ্নদৃষ্টির দর্শক হইতে পারেন, নয়৷ ৬-১০। এই জগৎ বলি ইহাতে গন্ধর্বনগরের দৃষ্টান্ত কিন্তু সৃষ্টির আদিতে—অর্থাৎ প্রাণাদি উৎপত্তির পূর্বে গগন অপে প্রণিত হয় এবং মিথ্যা হইলেও আগর অবস্থাতে ইহার কাও নিল তদ্ধ চিন্মাত্রই অবস্থিত থাকেন। এই জগতে উপলব্ধি হয়। ইহা চিত্তে ফুরণমাত্র এবং অনারব্ধ হইলেও বাস্তবিক দ্রষ্টা বা ভোক্তা কেহই নাই , কারণ এই জগতের সকল দেশ কাল ক্রিয়া বা সৃষ্টি সংস্থার সংযুত আর বন্ধুর গায় বই চিংগৰূপ, যাহা কিছুই নয়, অথচ কিছু এবং বাক্যের অবস্থিত। কদলীলের শরীরে যেমন খােদর ভিন্ন খােল। অগােচর হইয়ও স্বয়ং নিৰ্ব্বা। সৃষ্টির আদিতে কারণের অভাব- জড়িত হইয়' অদ্ভুত দৃশ্য উৎপন্ন হয়, সেইরূপ ইহাও সুর সেই চিন্ময়, স্বপ্নাবস্থায় কক্ষিত নারীর স্থায় যে বস্তু যেরূপে আলুর দি উপলক্ষ এলােকের গর্ভ এবং তাহার গর্ভে জড়িত স্ফুরিত হইয়াছিল, সৃষ্টির পর প্রলয় পৰ্যও সেই বন্ধু সেইরূপেই আকার অভিষিচিত্রকল্পে প্রতীমান হয় এবং দাড়ি যেমন ভিন্ন বিদ্যমান থাকে। বালক যেমন স্বকীয় অবস্থিত ব্যাদির ভিন্ন কোষ সহিত বীজ দ্বারা পরিপুর্ণ, ইহাও সেইরূপ। অনন্তর চিত্র দেখি ভীত হয়, কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক উহাতে ভীত আমি, নদী, শৈ, বন-অদি কি আকাশস্থ নক্ষত্র ও মেঘ- হয় না, সেই অজ্ঞে উক্তরূপ চেনাত্মক থৈত হইতে ভীত মণ্ডলে সঙ্কুল, শীত সমুদ্র গর্জন-ণ-বাদ্য এবং বেদপাঠ ধ্বনিতে হয় , কিন্তু জ্ঞানীদিগের ভয় নয় না। বস্তুতঃ সেই আদি, পরিপূর্ণ পবনের মর্যর শব্দে মুখরিত এই সমুদয় দৃশ্যমণ্ড মধ্য ও অন্তরহিত, অদ্বিতীয় শুদ্ধস্বভাব প্রকাশ স্বরূপ অধিকারী! অবলোকন করিলাম। এই সকল দেখিতে দেখিতে আমার ব্ৰহ্মই মায়াৰণে যখন অনন্ত নানা স্বৰূপে অবস্থিত, তখন এই ' সেই প্রাক্তন আবাদ ক্রমে দৃষ্টি গােচর হইল। ১১-১৫। সমুদয় জগৎ অশান্তি দ্বারা পূর্ণ হইলেও শান্তিময়। ২১-২৭। পূর্বানুভূত বয়ােবস্থাসম্পন্ন বন্ধুসকল, সেই সকল অপত্য, সেই যচরংশধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৪৬। ' ভাৰ্য্যা, সেই গৃহ সকলই অৰিকল দৃষ্ট হইল। মহার্ণবে তরঙ্গ উখিত হইয়া তটস্থ ব্যক্তিকে যেরূপ ভাসাইয়া লইয়া যায়, সেইরূপ সেই পূর্বজশের গ্রাম্য স্বজাতি দর্শনে উহার বলপূর্বক প্রাক্তন বাসনাকে আকৃষ্ট করিল। অনন্তর আম সপ্তচত্বারিংশদধিকততম সর্গ। সেই অবস্থায় সেই বাসনার সম্পর্কে সুখী হইলাম, কারণ ঐ মুনি কহিলেন, মহাৰাহে। আমার সুষুপ্তাবস্থা পর্যবসিত বাসনার ১ম্পর্কে পূজশ্বর স্মৃতি সকল একেবারেই বিস্তৃত হুইলে, স্বপ্ন বস্থায় এই দৃশ্যগং সহসা যেন সাগর হইতে হইলাম, দর্পণ থেৰূপ সম্মুখস্থ বস্তুর প্রতিবিম্ব গ্রহণ করে নির্গত হইল আকাশের অবয়ব হইতে খােদিত হইল, অবনিতল চিত্তরূপ আদর্শ সভাৰতঃ সেইরূপ। যে ব্যক্তি সকল বস্তুকেই হইতে উৎকীর্ণ হইল, কক্ষ হইতে যেমন পুষ্প নির্গত হয়, চিত্র গণনজপে জ্ঞান করে, তাহার আর দ্বৈজ্ঞান কে না, সেইরূপ চিত হইতে বিকশিত অথবা দৃষ্টি হইতে নির্গত হইল, সে কেবল একাই অবস্থান করে। ১৬-১। যাহার নির্মল এইরূপ আমার বোধ হইল। ইহা পূর্বে বর্তমান থাকিলেও বোধশালিনী স্মৃতি বিনষ্ট না হয়, তাহাকে এই দ্বৈতরূপ পিশাচ তৎকালে উৎপন্ন বলিয়া প্রতিভাত হইলমাত্র, অথবা প্রবহমাণ, অঙ্গমাত্রও পীড়িত করিতে পারে না। যাহাদিগের অভ্যাসবােগ অলরাণি হইতে যেমন তরঙ্গমালা উখিত, ইহাও দৃষ্টি অথবিধ । এবং সাধু ও সংশা-সঙ্গমে প্রবােখের উদয় হয়, সেই প্রবোধ ভঙ্গস্বরূপ। ইহা যেন সহসা আকাশ হইতে পতিত হইল, প্রাপ্ত বুদ্ধি আপনার উদয়কে কখন বিস্মৃত হয় না। আমার চতুর্দি হইতে নির্গত হইল, পর্বতলিগের অবয়ব হইতে খােদি তদানীং সেই প্রবে।প্রাপ্ত বুদ্ধি অগীটাবস্থায় ছিল, এই জন্য হইল অথবা ভূমি হইতে উখিত হইল। অথবা আকাশে যেমন উহা বাসনা জাৱা হত হইয়াছিল, কিন্তু এক্ষণে আর দুষ্ট বাসনা- মেঘ হয়, বক্ষ হইতে যেমন ফল হয় এবং ক্ষেত্র হইতে যেমন নিচয় আমার এই প্রবোধপ্রাপ্ত বুদ্ধির বিলোপসাধনে সমর্থ শয় হয়, সেইরূপ আমার হৃদয় হইতে নির্গত হইল। ১৫। নহে। হে ব্যাথ! তুমি ইহা জানি যে, তােমার বুদ্ধি সৎ- যেন আমারই অবয়ব হইতে নিষ্ক্রান্ত হইল, অথবা আমারই সর্জিত, অতএব অতি কষ্টেই এই ক্লেশকর দ্বৈতজ্ঞাল হইতে ইন্দ্রিয়গণ দ্বারা চতুর্দিকে উৎকীর্ণ হইল অথবা পট হইতে যেমন শান্তিলাভ করিবে। ব্যাথ বলিল,- মুনে। আপনি যাহ। চিত্র প্রকটিত হয়, মন্দির হইতে যেমন প্রতি নির্গত হয়, বলিলেন, তাহা সত্য, কারণ আপনার ঈশ পৰিত্ৰ প্ৰবােধ- সেইরূপ কোন অশান হইতে আকাশপথে উড়িয়া আসিয়া এক্যেও আমার বুদ্ধি সৎপদে বিশ্রাম করিতেছে না। নিজের পড়িল, কিংবা ইংলােকসতি পূণ যেমন পরলােকে উপস্থিত অনুভূত বিষয়েও ইহা এইরূপ,কি এইরূপ নয় এই সন্দেহজলের হয়, তদ্রুপ আসিয়া উপস্থিত হইল। সমুদ্রের অঙ্গের স্যায় অ্যাপি নিবৃত্ত হইছে না। অহ এই অভ্যাস দ্বারা ইহা ব্ৰহ্মরূপ রূক্ষের একটী পূষ্প স্বরূপ বিকশিত হইল অথবা সুদৃঢ়ীকৃত অবিদ্যা বড়ই দুরন্ত, কারণ ইহা শান্ত হইয়াও শান্ত হয় চিপস্ততে খােদকারী ব্যতিত এক পুলিকা খাদিত হইল। না। শাস্ত্র পুলিশের অতিৰিগৰরূপ মনােহর অঙ্গপন্ন ইহা আকাশরূপ মৃত্তিকা নির্মিত সংখ্যকুড দ্বারা বেষ্টিত সময় সকা একা। যাহাদিগের বুদ্ধি বােধপ্রাপ্ত হইয়াছে, তাহাদিগের প, ইহাতে মন মাতঙ্গের কাজ বিলাল কৰিছে, জীবের অভ্যাস ৰণ এই অশাম নিবৃত্তি পায়, অতি উহার নিবৃত্তি জীবনই মিথ্যা। এই জগৎ শূন্যোপরি ভিত্তি, মত একটা আর কোন উপায় নাই। ইহাই আমার নিশ্চয়। ২২ অত শিক্ষপে বিরাজমান হইয়া অৰিদারূপ ঐন্দ্রজালিকের সলিলবিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১০।
নির্বাণ-এ-উত্তরকাল। আয় আম্মাকে যে আকাশের সহিত পান করে, উহাই এই অষ্টচারিণধিকততম সর্গ। ৎ। যেমন স্বপ্ননের পর মযুরি অবয়সেইরূপ ব্যাখ বলিল,-হে মুনিশ্রেষ্ঠ। যদি এইরূপই হয়—অর্থাৎ অনি স্বপ্ন ভূত হয়। অতএব হে মহামতে! তুমি সকলই স্বপ্নময় হয়, তাহা হইলে, কোন স্বপ্নের সত্য এবং আগ্রকে স্বপ্ন এবং ধ্বকে জাগ্ৰং ৰলিয়া জানিও। এক অজই কোন স্বপ্নের অসত্যতা হয় কেন? অগ্নদর্শন সম্বন্ধে ইহাই এই দুইরুপে পরিণত হইয়াছেন। অবিদ্যাবৃত্ত চিত্ররূপ এক এক আমার প্রবল সংশয় রহিয়াছে। মুনি বলিলেন,- দেশ, বোনই জাগ্ৰৎ স্বপ্ন, সুযুখিনামক নামরূপভেদে বিভক্ত হইয়াছে। কাল, ক্রিয়া এবং দ্রব্য অনুসারে শাদি প্রমাণ দ্বারা সফল এই সংসারে নিয়তি নামে কিছুই নাই, অনিমেও কিছুই বলিয়া নির্ধারিত যে স্বপ্নজ্ঞান কাকতালীয়ের ন্যায় ফলমুক্ত হয়, ই, স্বল্পজ্ঞানে নিয়তি বা অনিয়তি কিরুপে থাকিতে পারে। তাহাকেই সত্য স্বপ্ন বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে। (১)। যে যাবৎকাল স্বপ্নে নানা বস্তুর ভাণ হয়, তাকাল বা বল গগন মণিমাধি প্রভৃতি প্রভাবে উৎপন্ন হইয়া পুরুষ হইতে চিত্তে নিশ্রণা হয়, অতএব যিন সেই স্বপ্নভাণেরও বিশেষে নির্দিষ্ট ফলদক্ষিনী এবং পুরুষবিশেষে বিফলাও হয় নিয়ম করিতে প্রবৃত্ত, জহাকেই মুনি বলা যায়। হে অঙ্গ। হাও সত্য স্বনামে অভিহিত হয়। লােকে সত্য স্বপ্নের বাতলের আয় অকারণ স্বভাবে লােকে সত্য স্বপ্নের বাসলের ন্যায় অকারণ স্বভাবে ফুরণকারিশ সংবিদের যখন এইরূপই প্রকৃতি, তখন উহার সফলতার প্রতি কাকতালীয় নিয়ম কাহাকে বলে এবং কি প্রকার। অপিচ আকাৱালি ন্যায় ভিন্ন আর কিছুই কারণ নির্দেশ করা যাইতে পারে যে সংষিদের কারণরূপে কলিত হয়, তাহা কারণ নয়, যেহেতু প্রাক্তন উপাসনাপ্রভাবে আপনাতে ছিনিশ্চণালিনী সৃষ্টির প্রতি চিরি ফল আর কোন কারণই নাই। তবে কি হিরণ্যগর্তাদির সংবিং যেরূপ নিশ্চয় আশ্রয় করে, প্রাক্তন নিতি নাই, তাহা নহে, কারণ প্রত্যেক বস্তু যাবৎকাল জ্ঞানে উপাসনা ফল দ্বারা স্বভাবত প্রেরিত হই, উহা সেই সেই প্রস্ফুরিত হয়, তাবৎ এক স্বরূপে প্রস্ফুরিত হয়, ভিন্নরূপে যে আকারে পরিণত হয়। যদি বল, হিরণ্যগর্ভাদির সংবিং যে নিশ্চয় হয় না, তাহার নামই নিয়তি। স্বপ্নে যে কখন কখন সত্যতা করিল উহা তাদৃশ অপর সিদ্ধপুরুষের বিরুব্ধ সত্যসঙ্কল্প দ্বারা এবং কখন কখন অসত্যতা ঘটিয়া থাকে, নিয়তির প্রভাবই ব্যাঘাত প্রাপ্ত না হয় কেন? ইহার উত্তরে আমি বলিব, যদি উহার কারণ এবং উহাকেই কাকতালীয় বলে ।১১-২৫। হিরণ্যগভীয় সংবিতের' সেই নিশ্চয়কে অপরে ব্যাহত করিতে মণি-মন্ত্ৰেীষণের প্রভাবের সত্যতা স্বপ্নেও যেরূপ দৃষ্ট হয়, আগ্র পরিত, তাহা হইলে সেই সৃষ্টির আর্জিতে “আমি জগতের সৃষ্টি অবস্থাতেও সেইরূপ দৃষ্ট হয় ,সুরাং এ স্থলে নিয়তি অবশ্য করি”, বলি, তাহার যে নিশ্চয় হইয়াছিল, তিনি কখন সেই স্বীকার্য। আগ্রহ এবং স্বপ্ন উছমই চিতির তাদৃশ বিকাশ ভিন্ন নিশ্চয়ানুগত লতাগী হইতে পারিতেন না—অর্থাৎ জগতের সৃষ্টি করিতে সমর্থ হইতেন না। অন্তরে বা বাহিরে, কোথাও আর কিছুই নহে। জাগ্রত অবস্থায় যেরূপ অনুতৰ হয়, ক্ষয়ে করতে সমর্থ হইতেন না। অন্তরে বা বাহিরে, কোথাও বাস্তবিক তৎসদৃশ অনুভব হইয়া থাকে। নিদ্রাশূন্য আর যাহা আগ্রন্থ কোন পদার্থ নাই, একমাত্র সংবিৎ যেরূপ যেরূপ ইচ্ছা করিতেছে, অবস্থা বলিয়া সিদ্ধ, তাহাকে কিরূপে জাগ্ৰৎ বলা যাইতে পারে জগনন্তর্গত সেই সেই পদার্থরূপে বিরাজমান হইতেছে। এই এবং আগ্রংকেই বা কিরূপে স্বল্প বলা যাইতে পারে। যাহা স্বপ্ন পর স্য, অন্তরে এইরূপ নিশ্চয় হইলে, সংবিং ও সেইরূপ হইয়া বলিয়া প্রসিদ্ধ তাহাকেই বা কিরূপে স্বল্প বলা যায়, স্বপ্ন এবং থাকে এবং সংশয় হলে সংশয়ত্মিকা সংবিৎ হয়। স্বপ্নের জাগ্রৎ উভয় অবস্থাতেই একরূপ হ্রমের বােধই সরূপ। আত্মার সত্য কজনা বশতঃ অন্য উপায়ে প্রাপ্ত ফলকেও স্বপ্ন দ্বারা কখন জাগ্রৎস্বপ্ন-আদি কোন অবস্থাই হয় না, সজ্জপা চিতি ভ্রান্ত চিত বলিয়া জ্ঞান হয়। এই লিঙ্গগং-মধ্যে স্বকীয় সংবিৎ দ্বারা স্মৃতিজ্ঞানের অনন্তর দৃশ্য অবলােকন করে। ২৬-৩০। অতিশয় স্থিরীকৃত বস্তু সমুদায়ও কাল, দেশ এবং যত্নবলে বিলম্বে অনন্তকাল ব্যাপিয়া যে সকল অনবরত কলোসিক উখি বা অবিলঙ্গে ব্যভিচারী হয়। ১-১০। সৃষ্টির আদিতে চিলা, হইছে, আকাশপথে ভ্রমণকারী একই মেষ যেমন অন্য বলিয়া কাশেই অব্যভিচাৰী জগৎ প্রতিভাত হয়। অতএব চিতিই প্রর্তত হয় এবং দিগভমে একই দি অ্যাপে মিলিত হয়, স্বেচ্ছাসায়ে ঘর সভা বিস্তার করে। একমাত্র চিৎস্বরূপ ভিন্ন সেইরূপ অহারাও ভিন্ন ভিন্নরূপে প্রতীত হইতেছে। শিল- ব্রহ্মের আর সকল প্রকার রূপই সত্য ও অসত্য, নিয়ত এবং অনিয়ত ভাবে অবস্থিত। এক্ষণে এইরূপ জিজ্ঞাসা হইতে পারে কোষের অন্তরােপার স্যায় অঙ্কুরিত হইলেও একই সৃষ্টি নানারূপে যে, একমাত্র সৎ এই সৰ্বস্বরূপ। তদ্ভিন্ন আর কিছুই সৎ নাই। স্ফুরিত হইতেছে; ইহাতে আগ্রৎস্বপ্নালির কথা আবার কি ? তখন সত্যই বা কি? আর অসত্যই বা কি ? অতএব অগ্রবুদ্ধ শরীর, উহা সর্বকাৱ হইলেও নিরাকার কাল দ্বারা অপরিচ্ছি, আগ্রৎ, স্বপ্ন, ময়ুপ্তি, তুরীয় এই ছুখি অবস্থাই আত্মার ব্যক্তিলিগের নিকটই স্বপ্ন কোন স্থলে সত্য এবং কন কন সৃষ্টিরূপ শরীরবিশিষ্ট হইয়াও এই আত্মা চিপশু দৃশ্যরূপে অসত্যরূপে প্রতীত হয়। এ ব্যক্তিবিগের নিকট অলপ স্বপ্ন কখন সৎ বলিয়া প্রতীত হয় না। এমনই সাকার হইয়া আকাশরূপ অবকাশ ব্যাপিয়া অবস্থান করিতেন এবং স্বয়ং চিত্র আকাশস্বরূপ, আকাশ হইতে কোনরূপে বিভিন্ন নন। অগৎ নামে প্রতিভাত হয়। সে যখন নিজেই আপনাকে ভ্ৰম আকাশ, বায়, বহ্নি, জল, পৃথিবী, স্বর্গাদিনােৰু এবং অযেয়ের বলিয়া পরিচয় দিয়েছে, তখন হাতে আষায় কিরণ নিল সহিত বর্তমান এই দৃৎ সৃষ্টির আদিতে কারণের অনুভব হইতে পারে। টিভি চিত্তরূপে পরিণত গলিতে বুরে হেতু কেবল টিস্বরূপে বর্তমান ছিল, তখন উর কিছুই (১) দে-বোনে স্বাধিষ্ঠাত্রী দেবীর সান্নিধ্য হয়। কা-- ছিল না। অনঙ্গর মনের সাক্ষীভূত জ্ঞানময় আর সহিত প্রত্যুষাদি সময়। ক্রিয়া-দেবতার আরাধন, পশ্চা এবং ব্রত যুক্ত হইয়া মনে লয় হইলে বিতর জ্ঞানরূপে অস্থিতি হয়, এভৃতি। এব্যহৰিষায় এবং তুমি এভৃতি। সুরাং ইহা একটা ভিন্ন বস্তু নয়। ৩১-৩৪।
যােবা-আমাণ এবং যাহা অবিলী। এইহেতু যুগপৎ প্রজাসমূহের উপর দুর্ভিক্ষ, একোনপঞ্চাশবিক শম তন্স। অনাবৃষ্টি এবং এল অবা শাৰি উপস্থিত হয়। কারণ এক ব্যাধ বলিল, হে মূলে! আপনি প্রাণি-দেহে এলি নানাবিধ বিরাটের অন্তর্গত ঘৰতীয় জীবের এক প্রকার নিয়তিই হই মহৎ মহং ঘটনার সহিত নির্মাণ সংস্কৃতির অনুভব করিয়াছেন, থাকে। হেসাবাে। এমনও হইতে পারে যে, কাকতালীয় ঘরে সংসারি-অবস্থায় আধা ও বহু প্রভৃত্রি সহিত সংবাগানস্তর কি সেই সকল প্রকাশের দুই যুগপৎ ফলােমুখ হওয়ায়, যেরূপ শটিয়াছিল তাহা বলুন। মুনি বলিলেন, হে বৃত্তজিজ্ঞ সাথ! এককালে কতকগুলি করে উপর ত্রপাত হয়, সেইরূপ অহামের এন সেই প্রাণীর জয়জষধে বে অপু বঙা টিয়াছিল, উপরও এককালে দুভিক্ষাদি পতিত হয়। যাহার কর্মের তহা শ্রবণ কর। আমি সেইরূপে ঐ আত্মচমৎকৃতি বিস্মৃত কল্পনা করে, তাহাদের মতে সংবিৎ নিজকর্মের ফলভাগিনী হয়, হইলে ঋতু এবং সংবৎসরাত্মক সময় বর্তমান হইয়াছিল। আমি যে সংবিৎ কৰ্ম্ম কল্পনা হইতে উন্মুক্ত, তাহা কৰ্ম্মফল ভাগিনী হয় আধ্যানুরাগে আকৃষ্ট হইয়া আত্মমননশূন্য হইলে গৃহস্থাশ্রমে না। যাদৃশ ধাশ কল্পনা ও বাধিক পরিমাণে সহেতুক বা যােড়শব অতীত হইল। এইরূপে গৃহস্থাশ্রমে সময় অতিবাহিত অহেতু যে যে বিষয়ে উদিত, সেই সেই বিষয়ে সেই ভাবেই করিতেছি, এমন সময় কোন দিন মাননীয় মহাৰােধসম্পন্ন পণ্ডিত অবস্থান করে। সেই স্বপ্নময় নগরে কারণ বা সহকারি-কারণালি শ্রেষ্ঠ উগ্রতপা নামে এক মুনি অতিথিভাবে আমার গৃহে আগমন কিছুই নাই, অতএব সেই পরব্রহ্ম এনালি, এর, চৈতন্যরূপ করিয়াছিলেন। হে ৰাখ। সেই মূনি মংকু সৎকারে তুই হই এবং মঙ্গলময়। এই স্বপ্নময় , কখন অকরণ, কখন বা ভােজন ও শয়ন করি বিভ্রান্ত হইলে আমি তাঁহাকে জনসমূহের কারণরূপে প্রতিভাত হয় যেহেতু উহা সদসাত্মক, অতএব সুখ-দুঃখের ক্রম এইরূপে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম। হে ভগবন। উহা অর্থাৎ মিথ্যভূত। সকলপ্রকার স্বপ্ন জ্ঞান কাকতালীয়ের আপনি প্রজ্ঞানসম্পন্ন এবং জগতের গতিবিষয়ে অভিজ্ঞ, এই গায় প্রকাশ পায়। উহাদের সহিত সমানরূপে প্রতীয়মানত্ব নিমিত্ত আপনার ক্রোধ দৃষ্ট হয় না এবং সুখেও আসক্তি নাই। হেতু এই জাতিও উহাদের হইতে পৃথকৃত নয়। যাহা -শরৎকালে ফলাকাদিগের গৃহে যেরূপ সকল আগত হয়, কারণরূপে প্রসিদ্ধ, তাহাকেই সকারণ বলা যায় সেইরূপ কর্মপরায়ণ ব্যক্তিদিগের শুভাশুভ প্রভাবেই মুখ কারণ বলিয়া প্রসিদ্ধ, তাহাই অকারণ নামে খ্যাত। স্বয়ে দুঃখ আসিয়া উপস্থিত হয়। এক্ষণে জিজ্ঞায় এই যে, এই প্রজাগণ যাহা কাৰ্যকারণ জমে উদিত হয়, তৎসমুদয়ই চিভিন্ন তথাবিধ সকল মিলিত হইয়া একমাসে কি অশুভকর্মের অনুষ্ঠান করে ভাণমাত্র এবং জগৎ নামে প্রসিদ্ধ মৎ—অর্থাৎ ভুল প্রপণের যে, ইহাদের সকলেরই উপরে ভিকাদি আধি এককালে আসিয়া স্বভাৰ ও চিভিন্ন ভণমাত্র। এই হেতু ব্ৰহ্মবিদগণ ঐ সমুদয়কে উপস্থিত হয়। সকল জনসমূহের উপরই দুর্ভিক ও অনাবৃষ্টি । শান্তস্বতাৰ পৰত্ৰ বলিয়াই নির্দেশ কলেন। হে মহামতে। প্রভৃতি উৎপাত সমকালে পতিত হইতে দেখা যায়, তারা সৰু I তুমি যে আশঙ্কা করিয়াছ, যদি সত্যস্বরূপ পহ্ম সকল পদার্থের লেই কি সমান দুঙ্ককারী। তিনি এই কথা শুনিয়া একবার। কারণ, অই। হইলে সমুদয় পদার্থ সত্য না হয় কেন এবং সকল চাহিয়া দেখিলে তাহার পর অমনকের স্থায় ঈষা করত । পদার্থই ব্রহ্মের সহিত অভিন্ন কেন? ইহরে উভয় বলিতেছি, অমৃতনিদের ন্যায় মনােহর গভীরার্থযুক্ত বাক্য বহিলেন। সেই একন কর। তুমি কোন কোন পদার্থকে সত্য কারণ বলিয়া ক্ষিপ্ত আগন্তুক মুনি বলিলেন, হে সাদে। চিবিকেবিশিষ্ট অস্তঃ করিয়াছ, সত্যকারণ বস্তু সকল কীভূ-স্বভাবসম্প, আকাশ নামক করণে এই দৃশ্যের যে কারণ, তাহা সৎ বা অসৎ বলিয়া যে উত্তর পার্যের কারণই বা কি? ১-৩০। পৃথিবী প্রভৃতির পিণ্ডের কাপে জানিভেচ্ছ, তাহা কিরূপে জলি,ে তাহা আমায় বল। নানি সৃষ্টির কারণ কি? অফিলার কারণ কি এবং স্বয়ং সম্পূর্ণ আত্মাকে স্মরণ কর, তুমি কে? এই কোন স্থানে অবস্থান ব্রহ্মেরই কারণ কি? সৃষ্টির আদিতে বায়ু, তেজ এবং সলিল কনিচ্ছে। আমি কোথা রহিয়াছি, এই বৃ কি এবং ইহার যখন কেবল আনরুপে বর্তমান ছিল, তখন উহাদের কাকন কি মুখে গাইবাকি। এই সকল বিষয় কেবার ভাবি খে। কেবল না আর কোন পদার্থ? পঞ্চভূতদিগের পিওরূপ গ্রহণ ইহানে কেক মাত্র প্রতিভাত হইতেছে, তা তুমি কেন এ গেহলা বিষয়ে কারণ কি? প্রথম সমুদয় সৃষ্ট পদার্থ আনিতে না যেহেতু আমি তােমার নিকট একটা স্বপ্ননয় এবং এইরূপেই এর হয়। অকাণে রাশিচক্রাজির হায় এগতে তুমিও স্বপ্ন পুরুষতুল্য। এই জগৎ নিরাকার, নির্বচনীয় নালি সমুদয় পাটিরাঙৰ এযুক্ত স্তি নিন এইরুপেই এর হয় এবং কলিত চিডিপ কাজের চাকচিক্যের আয় অবতি। এs এইলেই আর্তিত । এ এইই কাপ সর্বব্যাপী চিলি ইহাই স্বরূপ যে, ইহা বল বাহা কল্পনা করে, প্রবৃত্ত হইয়া পশ্চাৎ স্বকীয় গল্পেই পৃথিবআদি সংজ্ঞা করিয়া- তখন সেইরুপই পরিণত হয়। কারণ কল্পনাকারীর নিকট সকল নে। ৩১৩৫। সূষ্টি (পদা) সকল বায়ুতে শলেয় যতই সকালণ, অরণীর নিকট সকলই কায়ণ। আয়া যায় প্রথমে চিমাকাশে আসিত হয়। অনন্ত আপনারাই গােপীয় হয়ে অভি, জিলি আমাদের এবং সমুর এজার এ দেরে কারণ না করে। এতে যে যে বা যাণকাপে এই বিশাল বিয়াই । সেই ব্রিাট আষায় আমাণে ফলিত হয়, নিয়তি - শরীরই ধারণ করে। যেহেতু উহা সিলিকনাশেই কলিত। ইলি সেনাদের বিয়াই আগ পে কলিত চিতিই নিৰ জীৱ। ডিতি এথনে ঘণ তেল ১ এজারে , ছু, শশা, বিপদ-আলির কার। যাণ লকগের জৰ আখল উ করিম, অ একবিই আত্মা অবিতে হইতে পারে। সেই বিলাই সেই সকল অ্যাপি চিতে সেইগই অবস্থিত আত্র। সেই এ ধান বিকৃতি অথবা জলীয় শরীরাবাবের বিভাবে চিতিই আবার এবিধ উৎকৃষ্ট মহল । উহাশিকে এ দি বেকু গুগত অসমূহের একালে বিশ্ব একাষে পঞ্জিত করিতে সমর্থ। যে বি ফায়ণ কল্পিত নির্বাণ-প্রক-রকাশ । হয়, সেই বিষয়েই কাৱণের প্রধানতাও দৃষ্ট হয়। আলিপুরুষ ফলানী হইয়া যেমন মৃগতৃষ্ণিকায় ধাবিত হয়; আমিও সেইরূপ যাহাতে কারণের কল্পনা করেন না, তাহার নামই অকারণ। ভােলা হয় এইখা আইটি। হায় কি কই এই অজ্ঞ আঃ এম বাত্যার আত্রেয় গন্ত অত হইয়াছিল এক যেন বেতাল কর্তৃক প্রতারিত হয়, জাতি কাপ এবং ইহা প্রথমে বশ সংরুপে অজ্ঞাত হইয়াছিল, আকাণ এতে জ্ঞান আর আমি এও হইয়াও দুলিত হয়। সেইরুপেই আছে। কোন কোন জীষ এক সঙ্গে মিলিত হইয়া আছি। কি কাৰ্য। সৰ্ব্ব অর্থ এই এক্ষুৎ যিশ্যালন শুভ বা অশুভকর্মের অনুষ্ঠান করে, অহাৱা এক সঙ্গেই কস আর আমি এই এক কি শােচনীয় পদবীতে নীত হইয়াছি। ফল প্রাপ্ত হয়। আবার গিরির শিখরুদিত শিলা যেমন বিনা অথবা এই বে “সােহব” সেই আমি ইত্যাকার প্রত্যভিজ্ঞ দোষে পাতে উৎপীড়িত হয়, সেইরূপ অপর সহস্র সহস্র জীব হইতেছে, ইহাও মাত্র, সৎ নয়। অহা হইলেও অসপে অসৎকর্মের অনুষ্ঠান না করিয়াও অকারণ দুধ প্রাপ্ত হয়।৩৫— যে বিড়ম্বিত হইছে, ইহাও কম বিচিত্র শিল্প নহে। আমি বলি কোন পদার্থ নাই, আমার এই ভ্রাভিও নাই, এই একোনপঞ্চাশবিকতৰ সৰ্গ সমাপ্ত।১০১। জগৎ নাই এবং এতধিক এমও নাই। কিন্তু কি কাৰ্য। সকলিই মিথ্যা হইয়াও সম্পর ব্যয় অবস্থিত মহিছ। আমি এলে কি করি? আমার অন্তরে যে যভেদকারী আর উগত পঞ্চাশবিকততম সর্গ। হইয়াছে, উহাও ছেদনীয়; অতএব উহাকেও পরিত্যাগ করি। এ মুলি বলিলেন—ভানীং আমি সেই আগন্তুক মুনি কর্তৃক কথা এখল থাকুক, এই অবিদ্যা বার্থরূপা, আমার এই ভ্রামিয়া উক্ত প্রকার যুক্তি দ্বারা সেই প্রকারে বােধিত হইয়াছিলাম, অবিদ্যার কোন প্রয়ােজন নাই, কারণ আমি অসদ্ধ ভ্রান্তিকে যাহাতে আমার জ্ঞান লাভ হইয়াছন—অর্থাৎ আর পরিত্যাগ করিয়াছি। ১৫-২০। এই মুনি এই স্থানে আসিয়া কিছুই অজ্ঞেয় ছিল না। তাহার পর আমি আর তঁাহাকে উপদেশ সিলেছেন, এইরূপ বােধ ভ্রান্তির বিলাসমাত্র। দিবা- পরিত্যাগ করি নাই। তিনি আমার বহু প্রার্থনায়, তিনি পুর্বে লােকে বেরুপ অপুরুষ দৃষ্ট হয়, সেইরূপ ব্ৰহ্মই উপদেশক মুনি প্রায় হইয়াছিলাম যে আমি, আমার সেই গৃহে বাস করিয়া এ শিষ্যত মীয়স্বজপে আত হইতেছেন। অতএব ছিলেন। যে মুনি কর্তৃক এই চন্দ্রোদয় সদৃশ শুভ বাক্য উক্ত যাহার নিকট হইতে আমার জ্ঞানের উদয় হইয়াছে, সেই মহা- হইয়াছিল। দেখ, এক্ষণে সেই মুনিশ্রেষ্ট তােমার পার্গে অবস্থান | মুনির নিকট আমার বক্ষ্যমাণ অভিপ্রায় প্রকাশ করি। এই করিতেছেন। জগতের পূর্ষাপরজ্ঞ, মূর্তিমান যজ্ঞাদি শুকাৰ্য- | রূপ চিন্তা করিয়া আমি সেই মুনিকে এই কথা বললাম। হে জনিত সুকতের ন্যায়, আমার মােহবিসাশক এই মুনিই অপ্রাথিত মুনিশ্রেষ্ঠ। আমি সেই নি। শরীরে শমন করি এবং বাহা হইয়া আমার নিকট এই সকল কথা বলিয়াছিলেন। আমি দেখিবার নিমিত্ত প্রবৃত্ত হইয়াছি, সেই রীয় কমিতে গমন বলিলেন, সেই মূলির এইকথা শ্রবণ করিয়া ব্যাখ তৎকালে সেই করি। ইহা শ্রবণ করিয়া সেই মুনিবর তখন হাসিতে হাসিতে স্বপ্ন স্বর্গের উপদেষ্টা মুনি, সত্য সত্যই কি আমার প্রত্যক্ষগাের আমায় বলিলেন, তােমার সে দেহঘ এক্ষণে কোথায়? তাহারা হইলেন? এই বিদ্যা বিস্ময়ে শকুল হইল। যা বলিল, হে এক্ষণে অতিদূরে গমন করিছে। হেইজিসজ। অথবা ভূমি মুনে। ভবপাপহারী আপনি আজ আমার নিকট যাহা বলিলেন, নিজে গমন করিয়া স্বচক্ষে রায় অলােকন কর। যাহা এটি তাহা আমার হৃদয়ে অতিশয় বিচিত্র বলিয়া প্রতীত হইতেছে। যাহে, তাহা দর্শন কর, দেখিয়া নিজেই শেবে নিতে পারিবে। স্বপ্নে উপদেষ্টারূপে কখিত মুনির জগৎ অবস্থায় যে প্রত্যক্ষ ২১-২৫। তিনি এই কথা বলিলে আমি সেই প্রাণ দেহের বলিতেছেন এবং আমিও সেই প্রত্যক্ষতার অনুভব করিতেছি। বিষয় চিন্তা করিয়া ওকালে যে পার্থিব শরীরকে আপনা হইতে ইহা আমার অতি বিচিত্র বলিয়া বােধ হইতেছে। হে মুনীর। অভিজ্ঞ বােধ ছিল, সেই সংৰিং পরিত্যাগপূর্বক এক জীকে বালকেরা যেমন ভুতবােনির প্রত্যক্ষ করে, সেইরূপ সেই মহান প্রাণ যারা পঙ্কন্ধে সংযােজিত কৰিলাম। এবং তাহাকে, হে স্বখপুরুষ কিরূপে জাগ্রত অবস্থাও স্থিরীভূত হইলেন। এই মুনে। যে পর্যন্ত আনি প্রাক্তন যেই বৰ লাৱন কৰিম না কি অত ইতিকুরে বিষয় আমার নিকট যথাক্রমে বর্ণনা করুন। কি আছি, সেই পর্যন্ত আপনি এই স্থানে থাকিলে, এই কথা কারণে এই স্বপ্নে পুরুষের দর্শন হইল এবং কাহায়ই ঐ গলি বণিয়া বায়ুষধ্যে প্রবিষ্ট হইলাম। অনন্তর বায়ুরূপ রথে আয়াত বলি, ইহা আমার নিকট অতি অদ্ভুত বলিয়া বােধ হইতে। হইয়া পুষ্পের সৌরভের যায় অতি ত্বরিত গতি অচিরকাল মুনি বলিলেন, হে মহাভাগ। ইহার পর আমার যে কিরূপ বিচির মধ্যে অন্তু গগন ভ্রমণ করিলাম। চিরকাল এইরূপ ভ্রমণ করত বু ঘটিয়াছি, আমি তাহা সংক্ষেপে বলিতেছি এবণ কর, য্যন্ত ধন তাহার (যাহার উপরে প্রবেশ করিয়াছিলাম) গলার ছিদ্র হইও । ১-১০। সেই সময় ইমিই আমার বােধের নিমিত্ত বা নির্গমনাথ কোন বার দেখিতে পাইলাম না, তখন অহায় সেই বুকের বর্ণনা করিয়াছিলেন এবং এই মহাপুরুষের সেই বাক্যে সেই বাতা মধ্যে থাকি অতি যে প্রাপ্ত হইলাম এবং আমিও শীয় প্রবুদ্ধ হইয়াছিলাম। আমাসের বসানে নির্মল পুনর্বার নিজের বন্ধন- অরুপ এই গলেসিয়া পড়ি আকাশে যেমন স্বকীয় নির্মলভাৰ এপ্ত হয়, তাঁহার এই যাকে নাম। ২৬। তখন আমার সেই দিন গৃহে আসি আমারও স্বকীয় পূর্বনির্মল স্বভাব সুপিয়ে আজ হইয়াছিল। সমুখে সেইসর্বোল মুনিকে প্রাপ্ত হইলাম এবং একাগ্রচিতে অহে! তৎকালে পূৰ্ব্বারের উদয় হওয়াতে এনে যে তাঁহাকে এই লিসা করিলাম। হে ভূত-ভবিষ্য-শা- মুনি ছিলাম, সেইরূপ মুলি হইলাম এবং আমার হাত দিয়েছে। আপনি উক্ত জলময় চক্ষু খারাপই লােক বিরলে আত্রী হইল। পনে কাতর এ পৰিক করিজে অব আপনি আমার এই অন করুন।
৭ অর্থs কর্ণিকারভুত তুমিই প্রকৃত অর্থাৎ তুমি জীৰ সমভূত চিতিরূপ আকাশে, টিতিরূপ আকাশের শোভাই দর্শন করেন। যােশবাণিষ্ঠ-নামায়ণ আমি যাহার দেহে প্রবিষ্ট হইয়াছিলাম, তাহার এবং আমার কাৰী কৰি স উনকারী সেই বাবছি আর তােক শরীর এক্ষণে কোথায় গিয়, কি হেতু আমি সেউভয় শরীর আম দ হইয়াছিল। বৰ বলিল, হে খুনে! সেইনে সেই লাভ করিতে পারিতেছি না। আমি আত্মা হইতে স্থায় পর্যন্ত রূপ এগিহের গ্রাফ হেতু কি সেই কল এবং জন্ধ টুক্ষণ অতি বিশাল সংসার ও বহুকাল ধরা ভ্রমণ কৰিলাম, অধ্যাপি সকলে কেন এককালে ম হই। গনি বলিলেন, যেরূপ সঙ্ক- কি নিমিত্ত ইহার নির্গমন বারা প্রাপ্ত হইলাম না। আমাকর্তৃক কায়ী পুরুষের নেয় মন সলিল এ এবং উমর প্রতি এইরূপে জিজ্ঞাসিত হইয়া সেই মগঞ্জ মুনি আমাকে বলিলে, সেইরূপ ব্রিজ সংলাকরী বিজয় চিরফকশনই ব্রিজ হে পদ্মাক্ষ! তুমি এ রহস্য নিজে নিজে কিরুপে জালিতে সমর্থ গং এবং ঐ মনের স্পন্দন ডিজগতের ক্ষয় ও উদয় বিষয়ে হেতু। হইবে। ৩১৩৫। যােগ একাগ্রচিত্তে যদি এই সকল বিষয় যেরূপ হৃদয়ে ভয়াদিজনিত ক্ষোভ বা অক্ষোতের প্রতি স্পন্দই অং মান কর, তা হইলেই করতলগত পদ্মের মত সমুদয় হেতু। সেইরূপ সেই ব্রিগতের ফনান্তে কোত | আক্ষোভের নিঃশেষ কপে জনিতে পারিবে । তথাপি তােমার যদি জানার কথা প্রতি অচিরজাত ই হেতু। এই জগৎ বিধাতার একটা শুনিতে ইচ্ছা হইয়া থাকে, তাহাতে আমি সমুদয় যথাযথ বৰ্ণন সঙ্কল্পনগর—অর্থাৎ মনােরাজ এবং তাহার মনের স্পন্দনই করিতেছি শ্রবণ কর। এই তুমি বলিয়া একটা স্বতন্ত্র—অর্থাৎ ব্যষ্টি প্রজাদিগের উদ, ক্ষয়, ক্ষোভ, বা এবং অবর্ষাণির কারণ। ভাব নাই, কিন্তু সকল জীবের গরুপ পদ্ধের সূৰ্যস্বরূপ (অর্থাৎ ব্রহ্মাদিরূপ মানস-র্থাৎ মনঃসমষ্টিও এই জগতে হেতু, সকল প্রকার মুতের ফণদাতা) কল্যাণরূপ কমলের আকর ব্রহ্মাদিরূপ মনঃসমষ্টিও অন্য চিৎরূপ অম্বরে কবিত, শান্ত স্বৰূপ (অর্থাৎ সমুদয় সুখের আশার) জ্ঞানময় পদুম্বরূপ হরির নাভি অদ্বিতীয় চিতিরূপ আকাশে এইরূপ অবিশ্রান্তগতি। পণ্ডিতেরা L - = হিরণ্যগর্ভ স্বরূপ। সত্য বটে, কদাচিৎতুমি ব্যক্তিবরূপ স্বপ্ন দর্শনে- মুখেরা যেরূপ দর্শন করে, তাহাই সত্য বিবেচনা করে, বাস্তবিক ছায় মনােরাপ আলোচনে অবস্থিত হইয়া সেই অবস্থায় পরি- এ জগৎ সংনয়। ৫১৫*। পৃষ্ট ব্যষ্টিকাৰ সংবিদ অপরের শরীর মধ্যে স্বপ্নাশি কৌতুক কিরুপ পঞ্চদধিশততম সর্গ সমাপ্ত। ১৫০ হয়, তাহা দেখিবার জন্য অন্য জীবের শরীরে প্রবেশ করিয়াছিলে। তুমি যে হৃদয়ে প্রবিষ্ট হইয়াছিলে, সেই স্থানেই বিস্তীর্ণ ত্রিভুবন আকাশ ও পৃথিবীর বিপুল অন্তরাল দর্শন করিয়াছিলে । ৩৮-৪•। এইরূপে তুমি পরশরীরাত্তৰ্গত স্বপ্ন দর্শনে বহুকাল একপাশধিকততম সর্গ। ব্যাপিয়া ব্যয় হইলে যেখানে তোমার দেহ, তুমি যাহ'র শরীর অষ্ট মুনি বলিলেন,-সেই অখিতে নগর, গৃহ এবং বৃক্ষ সকল মধ্যে প্রবেশ করিয়াছিলে, সেই প্রাণীর দেহ এবং তােমার আশ্রম শুষ্ক তৃণের ন্যায় ক্ষণকালের মধ্যে ভস্মীভূত হইল। যখন অবস্থিত ছিল, সেই মহবনে মেঘাচ্ছন্ন অম্বর সদৃশ মরাশিতে তােমার আশ্রমে অতিশয় উত্তাপে বৃহৎ বৃহৎ শিলা অবধি ফাটিয়া বুবর্ণ হইয়া আমি লাগিয়াছিল, যাহা সূৰ্য্য ও চন্দ্রমণ্ডল কৃশ গেল, কাজেই মােদিগের দুজনের সেই দুই প্রলুপ্ত শরীর ভন্ন চক্রাকারে ভ্রমণ করিতে করিতে সবেগে স্কুলি সকল উখি সং হইল । সেই অগ্নি সমূদয় কাননকে নিঃশেষে দ করিয়া হইয়াছিল। নীলবর্ণ আকাশ ও দিৱগুলের আবরক দাকাশস্থিত ক্রমে আপনিই শান্ত হইয়া সমুদ্রপানকারী অগস্ত্য ঋষির স্থায় ভশ্বপূর্ণ ধুমরাশিরূপ কৃষ্ণবর্ণ কম্বন দ্বারা অম্বরল অচ্ছাদিত অদৃশ্য হইল। সেই বহ্নি নিৰ্মাণ হইলে তাহার ভন্মও শীতল হইয়াছিল। পরীক্ষপ গৃহ হইতে নিষ্ক্রান্ত সিংহদিগের ভর্জন , হইল। তখন বস্তু পুষ্পরাশির ন্যায় ঐ ভকে বিন্দু বিন্দু করিয়া গর্জনে এবং ভীষণ চটচটা শব্দে ‘দকের মধ্যভাগ সকল ৰে ভয়ে , চারিদিকে বিকীর্ণ করিল। শাহ এক্ষণে সেই আশ্রম এবং জীভূত হইয়াছিল। অগ্নিময় বৃক্ষরূপতা প্রাপ্ত তল ও তমাল- সেই শরীরদ্বয় কোথায় ছিল, আর বহনের আশ্রয় সেই নগৱই শ্রেণীর উৎপাত ৰছি ও মেঘের ন্যায় পতনের ভীষণ কড়কড় শব্দে বা কোথায় ছিল, কিছুই জানা যাইতেছে না। আগ্রহ অবস্থায় সেই অত্যুৎপাত অতিশয় গহন হইয়াছিল , ৪১–৫। ঐ অগ্নি স্বপ্ননগরী যেরূপ অন্তহিত হয়, উহারাও এক্ষণে সেইরূপ হইয়াছে। দূরস্থি ব্যক্তিগণ কর্তৃক স্থির সৌদামিনীরূপে দৃষ্ট হইয়াছিল ‘বং ১. ৫। তােমাদিগের সেই দুইটা শরীর যেমন অভাব প্রাপ্ত বোতলকে ভূত তপ্তকাঞ্চননির্মিত কুটিমহলের ন্যায় দেখা হইয়াছে। এক্ষণে ভাবশে তুমি নিদ্রিত হইলে তোমার তদ্বিষয়ে ইতেছিল। উহা স্কুলিঙ্গ এরা আকাশস্থিত তারাগণকে দ্বিগুণ সংবিং মাত্র বর্তমান রহিয়াছে। সুতরাং এক্ষণে আর তাহার করিয়াছিল, এবং যক্ষঃস্থিত জ্বালরূপ বলবনিতায় কটাক্ষ যারা চলাচল কোথায়? সে এক্ষণে বিরাট আত্মরূপে বিরাজ করি- দর্শকের আনন্দ বুদ্ধি করিয়াছিল। মালার মধমা শব্দে গগননা তেছে। সেই ওদের সহিত বর্তমান সুপ্ত পুরুষের কাছে তাহার দর পরিপৱিত হইয়াছিল এবং নেচর সকল উন্নি হইয়া দ্বী- ওজােযুক্ত দেহও দক্ষ হইয়াছে। হে মূলে। সেই হেতুই দেহ- গৃহ হইতে নিষ্ক্রান্ত হইয়া চতুরুকে ভ্রমণ করিতে আরম্ভ করিয়া আয় দেখিতে পাও নাই। তুমি এক্ষণে অনন্ত স্বপ্নময় সংসারে ছিল। হি, মৃগ, ব্যাধ এবং বিজষগণ বর্ষদগ্ধ শরীরে দৌড়া- জাগ্ৰৎ অবস্থায় স্থিতি করিতেছ। অতএব স্বপ্নেই এক্ষণে আগ্রৎ ইতে আরম্ভ করিয়াছিল। সবােবর, সরিৎ এবং স্রোতের জল গম ভাব প্রাপ্ত হইছি। হে সুব্রত ! আমরা সকলেই তােমার হয় জীবণ বনেচরদিগকে পােয় করিয়াছিল। প্রবল আলা স্বপ্নময় পুরুষরূপ। আমাদের তুমি যেমন স্বপ্নপুরুষ, সেইরূপ আরা বাবগণের কাল চুলচুর ফরিয়া আসিতে আরম্ভ করি। আমিও তােমার স্বপ্ন। এই চিদাকাশপ আত্মা সকল ছিল। এই বহমান কাস্থ পালিগের মেদোগঙ্কে মেঘমালা। অবস্থাতেই স্বরূপে অবস্থান করে। ১০। ভূমি একটা ইলি। ৪১-৫০। সর্পের জায় কুটিলগতিতে প্রণব মরুষ ইলেও সেই 'থি আপুরুষ হয় গাইলে ।
নির্বাক নিময় হিয়াছে। যাহা ঘটিয়ছিল, তা তােমার নিকট শ অ আমি মােরে সহিত এই স্থানে নিয়ে বাস করি। রুপে বর্ণন করিলাম। যার অনুছু, তুমিও এই ৪ হে আয়। আর এই স্থানেই আমার কতিপয় বৎসর ভীত খ্যাল যাৱা দেখিতে পাইবে। আকাশে যেরূপ কাঞ্চন আজ হইল, কিশাের গল করে বিনাশ হবে। সেই কালেই সৃষ্টি হয়, সেইরূপ নিল আবির্ভাৰকাৰণ শক্তির প্রাদুর্ভাবে শখও সিঙ্গতি নিয়ে পরস্পর বিগ্রহ নিবন্ধন চঞ্চল সেই আদিমধ্যহিত অনন্ত এবং বিন সেই প্রিয় ভাটি এলসী নিখিল এণিবর্ণ নিজ নিজ গৃহ হইতে বা আপনাতেই আনারূপে বিকসিত মুখিপে বিরাজ করিতে পলায়ন করে। ফলে আমরা মনে কি দুবােধ না ১৩। করত টিকাল বালি পর শয়কে অসিত কত একপঞ্চাশখিকততম স সমাপ্ত। ১৫১। জ্ঞানের উপায় অৰে, সমভাবে সকল বিষয়ে স্পৃহা * এবং ভূত আচাৰিশিষ্ট হইয়া আকাশমণ্ডলে চন্দ্র এবং দূর্ঘ্য যেমন স্থান করেন, সেইরুপ এই নেই কোন একটা বিপঞ্চাশধিকততম সর্গ। ক্ষুদ্র করে যে বাস করিব। ১১-১৫। কিছুকাল গত হইলে মুনি বলিলেন,-আমাকে এই কথা বলিয়া সেই মুনি নিজ এই অৱগেলেই শাল, তলতলে নিখিল ভূতল আচ্ছাদিত শষ্যায় তুলন্তাবে রাত্রিযাপন করিতে লাগিলেন। আমিও করি। একটা উত্তম বন উৎপন্ন হইবে। সেই অভিনব মনের বিঘসাগরে ভাসমান হইয়া রহিলাম। এইরূপে বহুক্ষণ অতীত আলী ও আলাল বায়ুরে আন্দোলিত হইয়া দিগুলের হইলে আমি তাহাকে বললাম। হে মুন। হে বিভে। শােভা সফল করিবে, জলভাগে প্রচুর পদ্মবনের অবস্থানে এবং এইরূপ সকল প্রকার স্বপ্ন আমার নিকট সং বলিয়া প্রতীত প্ৰধু পুচকে পতনে, বড় সকল বেন আচিত হইয়াছে বলিয়া হইতেছে। অন্য মুনি বলিলেন,- যদি জাগ্রৎ-বন্ধুকে সৎ বলিয়া যােণ হইবে এবং প্রতি নিকুঞ্জে কোরদিগের চারুকুন ত সম্ভাবনা করা যাইত, তাহা হইলে স্বপ্নকেও সৎ বলিয়া স্থির হইবে, ঐউন্ডাসিন দেখিয়া বােধ হইবে, যেন সর্গ হইতে করিয়া বিস্ময়ান্বিত হওয়া যুক্তিযুক্ত হইত। কিন্তু যখন জগতের নন্দনবনই স্বয়ং ভূতলে আগত হইয়াছে। ১৬-১৮। সত্তা সন্দেহ, তখন স্বপ্ন যে মিথ্যা, আহা কি আর বলিতে বিপঞ্চাশবিকতঅ সর্গ সমাপ্ত।১৫২ | হইবে ? যেরূপ স্বপ্ন, সেইরূপ প্রথমে এই সৃষ্টিও পৃথিবী আদিরহিত হইয়াও পৃথিবী আদি সহিতই প্রতিভাসিত হই- ছিল। ইরূপ দৃশ্যমান মদায় অতন স্বপ্ন অপেক্ষা আগ্রং বিশদধিকততম সর্গ। সৃষ্টিরূপ স্বপ্ন যে চৈস্যাত্মক তদ্বিষয় : ব্যাংগুরে। পদ্মপত্রা অ মুনি বলিলেন,-আমরা দুজনে সেই বনে বহুকাল মুনিবর শ্রবণ কর। ১-৫। এক্ষণে আগ্রহ অবস্থা যে পদ ও যাপিয়া উপাশে নিরত থাকিলে একটা ব্যাধ মৃগানুসরণে পরি- তাহার অভিধেয় প্রত্যক্ষ করিতেছ, রাত্রিকালে নিদিত হইলে শ্রান্ত হইয়া সেই স্থানে উপস্থিত হইবে। তাহাকে স্বভাবতঃ পবিত্র তােমর সেই পদ ও তাহার অর্থই স্বপ্নে অনুভূত হয়। এই বচন-পরম্পরা যারা প্রবােধিত করিবে এবং সেও সংসারে বিরক্ত সৃষ্টিরূপ স্বপ্ন সৃষ্টির প্রথমে চিমাকাশে অনুভূত হইয়াই বিরাজমান হইয়া সেই স্থানেই তপশ্চরণে প্রবৃত্ত হইবে। অনন্তর তপশ্বিচ্যা কে এইরূপে আগ্রপ্রপঞ্চের যখন অতি মিখ্যা প্রতি সমূহের অভ্যাসে শমমাদি-সাধনসম্পন্ন হইয়া আত্মজ্ঞান- পালন করা হইল, তখন স্বপ্নকে সং বলিয়া সন্দেহ হরিতেছ লাভেছু হইয়া সেই ব্যাধি তােমায়ই কথার মধ্যে স্বপ্ন জিজ্ঞা কেন? যখন তুমি তােমর গৃহাদিকে সং বলিয়া স্পষ্ট অনুভব হইয়া স্বপ্নকথা সম্বন্ধে প্রশ্ন করিবে। তুমিও স্বপ্নকথ-প্রসঙ্গে করিতেছ, তখন স্বপ্নের মত চিন্তা করিতে উদ্যম করিলে কেন ?- তাহাকে সম্পূর্ণ আত্মজ্ঞানের উপদেশ দিষা, সেও তাহাতে অর্থাৎ কোন স্বপ্নদশী স্বপ্নাবস্থায় আপনার স্বপ্নকে মিথ্যা বলিয়া যােগ লাভ করিবে। এইরূপ প্রকারে তুমি তাহার শুরু বিবেচনা করে না। হে মুনে। যখন স্বপ্নময় জগংকে ইহয়া হইবে, এই নিমিত্তই আমি তােমাকে বাথ-এ বলিয়া সম্বােধন এইরূপ বিশাল ইত্যাদি প্রকারে স্পষ্ট সংরূপে অনুভব করিচ্ছে, করিয়াছি।। এই সংসারভ্রম যেরূপ আমি যেরূপ, তুমি তখন আবার সন্দেহের উদয় হইল কিরূপে? তিনি এইরূপ যে প্রকার এবং যারা তােমার এখানে সংঘটিত হইবে - বলিতেছিলেন, আমি মধ্যে তাঁহার বাক্যের ব্যাঘাত করিয়া সমূয়ই অমিতােমায় নিকট লিলাম। তাহা কর্তৃক এইরূপে জিজ্ঞাসা করিলাম, আপনি যে, ব্যাধক বলিয়া নির্দেশ করিলেন, উক্ত হইয়া বিয়ালচিতে, আঁৱই সহিত এই দৃজাত সে গুরুতা কিরূপ, তাহা ব্যক্ত করুন। অঞ্জ মুনি বলিলেন,- বিয়ে আলােচনা করত আরও বিস্ময় প্রাপ্ত হইলাম। অনন্ত হে মহাখা। এক্ষণে এই আর একটা গজ সংক্ষেপে বলিতেছি রাত্রি এভীত হইলে প্রজতে আমি সেই মুনিকে তাদৃশ ভক্তি- শ্রবণ কর, কারণ আমার বিস্তারের অন্ত নাই—অর্থাৎ আমি ইচ্ছা সহকারে পূজা করিলাম, এতে তাহার সেই স্থানেই অধিক করিলে এত বাড়াইয়া বলিতে পারি যে, কথার শেষই হয় না। প্রতি উৎপন্ন হইল। অনন্তর আমরা দুজনে সেই কনস্থ গৃহে এবং ১। আমি দীর্ঘভপা, তুমিও অতি থাকি, তুমি যে পৰ্যন্ত গ্রাম গৃহে যিচিতে এ পরস্পরের প্রতি খেযুক্ত হইয়া ব্যাধের গুরু না হইৰে, আৰুকাল আমি এই স্থানেই অবস্থিতি অবস্থান করিতে লাগিলাম। এইরুপ রুহু, ও যৎসৱষয় সময় করিতেছি। তুমিও আমাৱ সত্যবাক্য শ্রবণ করিয়া এই গৃহেই তলিতে লাগিল। আমিও এই স্থানে গৰ্ব্বতে চায় অচল অটল প্রীতিপ্রাপ্ত হইবে । আমি যাবৎকাল এই স্থানে বিতি করি, তাৰে দুখময় নােকাপ ও বেলে যেমন আসিতে ভাবৎকাল, তুমিও আমার এৰা হইতে বিরত হবে না। বয়ানের মুখে কাহাকে পরিত্যাগ এর কাছাকে না ৭৭০ Cam-बार पारश का पान कति मानिनाव মি এ গলি। পৃথিবী, বায়ু, আকাশ, পভ, কী কামনা করি না, মনে করি না; শ परेमा पनि निकाला पटो। पावि बाल কে হইয়া ফলিতেছি। ৬-১০। আমি খাবি, সিবিএ কে মুখের অবাক করছে। সেই স্থানেই এই পরিমাণ বিখমণ্ডলের বি রিলিতে আর কে এ বিধি ৰা সি বি না, আমার হাত বিৰ হাৈর কারণ কি? এক পদার্থ এই আরও নাই। ১-৫। এইরূপ এইখানে জন্মুক্ত সমূহ কিছু কি মনে মনে নিতে পারে? মনে নিতে পারে। আমি তো এখনকারী আয় সমূলে তুৰি কাকালীয়ে গত এপ চিনি এই অঞ্চলে এতিত পলাশ কি হয়ছ। হে বাধ। আমরা যেরূপ, স্বপ্ন যেরুপ, জগৎ যেরূপ এবং ইহার নিমিত্তই ব্যকি? বা, পৃথিবী, বায়ু, আকাশ, ভূমি যেরূপ এবং এই অগৎকে বেপ মনি করি, তাহা সকলই পর্বত, নদী এবং দিল এই সফল এতে অবস্থিত তােষর নিকট বললাম। তুমি অষ্টা যেরূপ, তােমার অন্তর এবং নিঃস্বরূপ। টিভিরূপ চন্দ্রিকা চিকাশে চতুগ্যিাপী বা বেক্ষণ, ঐ সকল দৃঙর প্রতি যেরূপ আসক্তি যোলি যে এভা বিস্তার করে, তাহাই এই বিচিত্র ৱ পে মানসিকতা, ব্রহ্ম যেরূপ, এবং এই সতিনসমূহ যেরূপ, তত হয়।১১ এই পর্বত সকল, এই পৃবি, এই তাহা সফলই তােমার নিকট বর্ণন করিলাম। হে প্রিয়াজক। আকাশমণ্ডল এবং এই আমি, এই সকল বাস্তবিক কিনুই এহে। তুমি এই সকশকে মিথ্যা আনিয়া শান্ত হও। যেহেতু চিত্র এই সকল চিন্ময় আকাশের লিসন মাত্র। এই পথসমূহের কোমরুপি আসা স্বয়ং শান্তভাবা নির্বাণ অথবা অকিঞ্চন- কি কারণ হতে পারে? অববসমূহের এক শফিন বিষয়ে রূপে অজ্ঞাত হন। ব্যাধ বলিল,আদি এইরূপ হয়, তা হলে হেতু না থাকিলে পদার্থের উৎপত্তি বা কিপে হইতে পারে। আপনি, আমি এবং দেবতাদি অপর জ্ঞানবানু প্রাণিগণ ইহার যদিই মাত্রই হয়, তবে সেই অমেয় কারণ কি? ভ্রান্তির সকলে কি পরস্পরের পক্ষে সদসণাত্মক স্বপ্ন পুরুষ? মুনি এক বা বিজ্ঞতা কে? এবং কি কারণেই তাদের ভ্রান্তি বলিলেন, তাহাই বটে, ইহারা সকলে পরস্পরের পৰুে গল্প দন যা জান ঘটে। আমি যাহার দেবে এবং এই তাহার পুরুষরপে অবস্থিত। ইহাদের পরস্পরের আপনাতে সৎ এবং কয়স্থানে সংবিৎকাপে বাস করিতেছিলাম; সে আমার সহিত পরে সংবুদ্ধির উদয় হয়। যাহার যেরূপ নােদ্রেক হইছে, সম্পূর্ণরূপে ভস্মসাৎ হইয়াছে। অতএব এই সমূদয় বাত সে এই অগংকে সেইরূপই বুঝি একে। একটা ঘটকপ অনাদি, অনন্ত, কর্তা, কর্ম এবং কারণ, ক্রমবিবতি, বকে কেই কেন টপে দেখিছে, কেই বা কপাল কপালি জ্ঞানশনস্বরূপ চিলাকাশ কি আর সি নয়। ১৬। কালি অবয়বভেদে নানারূপে দেখিতে। যে একবল্প বলিয়া এক্ষণে এই কথা জিজ্ঞাষ হইভে যে, ট-পটাদি সমস্ত বস্তু- দেখিতেছ, তাহার নিকট নানা অসং, আর যে নানাব আতই যদি চিমাকাশে বিশাল মাত্র হয়, তাহা হইলে ঐ দেখিছে, আহার নিকট এক অসৎ, সুতরাং এখঃ নানাও এট-লাদি কিরূপে স্পষ্ট আকারবিকিউ (ইল। চিত্রের না, এক নয়, সৎও নয়, অসৎও নয় এবং সদসৎরূপও নয়। এইরূপ বিবিধ আকারে বিলসন হয় এসব, কারণ চিতি আৎ অবস্থায় স্বপ্ন নামের ব্যয় উহা কেবল মাত্র এই ব্যোমস্বরূপ মাত্র, তাহার বাবার স্কুল কি কি কার এবং জৎ দূরে দৃমন অদৃষ্টপূর্ব নগরের সদৃশ। এই তােমাকে কিক প সংঘটিত হয়। আকাশ কখন ফুরণ করে না। ইহা সংক্ষেপে সকলই বলিলাম, তুমি এক্ষণে সম্পূর্ণরুপে বােণিত চিতিকপে সমুদ্রে শনি স্বরূপ, উহার রা একটা নৃঙ্গ কথা ইলে। ভূৰি ঘৰ আলী, সকলই জানিতে, তােমার যেরূপ কি? এই ত 'চিল ৰঙৰই ফুল। গ্যাপ ইচ্ছা হয় তাহা কম। হে ব্যাব। তুমি এইরূপে প্রবােধিত দিন ব্ৰহ্ম চিন্মাত্রেয় বিক্ষুর মাত্র এবং এই অঞ্চলে মাও সে সলে বুদ্ধি করিতে বেশ। ১৬-৫। ভাত হয়, যা জা কিই নাই; আদি অন্তত তেমার বুদ্ধি এইরূপে এবােধ হইতে বিরক্ত হইলেও পত্র মে, এশি, কারণভাবিরতি সর্বাল ভি তেতি। যেরূপ বিক্রিয়া জা কমণ্ডলু দিলে ৪ই এই গল ভুল, শৈল, দিদি নানাজল পরিণত না হলে কাউ অল ধারণে সমর্থ হয় না, সেইরূপ আসত নােখ না, মনে মধ্যে অবকাশলাজ করিতে লিমিয়া। পারে না। অভ্যাস আনা যে মনােময্যে ফু ই এবং = স মত এত শলেয় শান্তি হলে কি নিকাশ এখ। অার ও মােত, পদোষ ভি আল বির, নিকা, এ কলের কুকিল । নিই সেরা। ১-১৮। মুনি কহিলে-এই পরিমাণ এ এল নিল পঞ্চাশবিজন সমাপ্ত।১৫৪। पनिमा भाषियोता निक पर পাবনায়বিয়ছি। আমি এ , এ ওবিহীন, , আল হইতে পারি, পশফিশতম । শকার বলে এমন। ची-मानीलन करे मका কমিয়া থাকি। কী কেন কাবণ কৰি চলি যায় নি এর বুদি। খলি।' যদি আকাশৰ যি হয় আর আসে এ জন্য কি ঘরে তি করতে বিএয়াগ। পামিল না। সে সবে মানে যাত্রা। আমার সেপ অন হয়, সেই এলান করুন। আমার এই জায় বােণ হইতে লাগিল যে, কোন কোন সিলেগে শৰীয় নােগশ বৎ ইচ্ছামৃত্যুক্ত হউক এক পাড়ের মত বলে ঘূর্ণিবায়ু উত্তাবিত করিয়া তাহাকে ঘুরাইছে, অথবা বেশ বিস্তৃত আকাশে করিতে সমর্থ হউক। এজিণেই এক্র এয়া এলে আক্রান্ত হইলে যে, এর আগে ইহা এক নােম করিয়া রশ্ৰিাপ্ত হউক এবং জন অবসর নাই। মূখ খুব যেরূপ শান্তিলতেন, সেই ব্যাও অন্ত্রে বাহিরে খাইয়া আল বিরাজ করুক। হে - নির্মাণ কি, এইরুপই বা রূপ এই প্রকার শ য় শের! আমি এই আকার ভিত বর্তমান জগতের হয় শান্তিলাভ করিতে পামিল না। এই জগৎ আবিষ্য, অন্ত যাহাতে এত হই, হাই আমার শ্রেষ্ট । ১৬। এইরূপ চিন্তা করত অইযে বিন্যা, তাই সে মনের মধ্যে যে সাধ্যে। তুমি এইরুপ স্ব এল করি সেই স্বর্ণাধিপতি ভালরূপে ধারণ করিতে পারিল না। ১-৫। আমি তােবলে দেব এ দেশের সহিত বর্ধিত হইলে উপগ দ্বারা শরীরবিশেষ লাভ করিয়া এই পৃথিবী কয় উযাইয়া এই শীভূত তােমায় শরীরত্রের মত কাভিনালী হইবে। অনন্তর দৃশ্যের অবসান হইয়াছে, তাহা দেখিব। এই ললনাক ফুয়ে সেইক্ষণে নমস্কারপূর্বক আমাকে সম্ভব করিলে তোমার সেই অন্তে যাইয়া আমি নিশ্চয়ই নিত্যমুখে অবস্থান করিব। অতএব শরীর মননগত বস্তুর সনেমায় আকাশে উডয়ন করিতে যেখানে আকাশও নাই, সেইানেই আমি যাইব। কালয়ে এইরূপ আরম্ভ করিবে। কালে তোমার সেই শরীর ফেল পুষ্ট সিদ্ধান্ত করিয়া সে একটা মুখরূপে পরিণত হইল। অভ্যাসের মা ও সূর্যের প্রতি স্পর্ধা করিয়া দ্বিতীয় চক্রের ন্যায়, বিভীয় অভাবহেতু তাহাকে যে সকল জ্ঞানগর্ভ কথা বলা হইয়াছিল, সেই সূৰ্য্যের স্থায় অথবা অপর একটা বাড়বানলের আয় আকাশে সকল ভম্মে ঢালা হইল। তত প্রভৃতি সেই ব্যাধ আপনার উখিত হইয়া শােভা পাইবে অতঃপর দৃণ ও আকাশ- ব্যাবভাব পরিত্যাগপূর্বক সেই বনে মুনিগণের সহিত তপশ্চরণ মণ্ডলের লাখ গরুড়বেশের করত নদীসমূহের আয় এই করিতে উদ্যত হইয়াছিল। সেইখানে সেই মুনিগণের ভাবে সেই, ত্রৈলােকের অন্তে তােমায় শরীয় অনবরত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইবে এবং মুনিগণের সহিত নিবাস করত বহু সংবৎসর পর্যন্ত অতি মহৎ | কামভ অরে স্থায় অপার অম্বল বাপিয়া অবস্থান অপার অনুষ্ঠান করিয়াছিল। এইরূপে গণ্ডরণ করিতে | করিবে। ২৬-৩১। এনভর সেই মহাকাশে বুজি করত করিতে সেই বা কাচিৎ সেই মুনিকে জিজ্ঞাসা করিয়াছি! সৃষ্ট বস্তু হইতে অভিবক্ত প্রবাহে প্ৰমাণ অনগগন আক্রমণ বে, আমার আত্ম-বিভ্রান্তি হইবে? তখন সেই মুনি তাহাকে করিয়া অবস্থিত স্বকীয় বৃহৎ শরীর শন করিবে। এবং সেই বলিষ্মাচ্ছিলেন। জীর্ণকাষ্ঠে অল্প পরিমিত অগির স্যায় তােমাকে সঙ্গে পরমাণ মহাকাণের তাগিবজন উৎপন্ন যাত্যা-সমুহের যে জ্ঞান উপদিষ্ট হইয়াছে, তাহা তােমায় হৃদয়ে অবস্থান করি- ষ নৈসর্গিক দ্রবতা হেছু উক্তি চিৎমূলের অঙ্গ সংলও তেছে বটে, কিন্তু উহা একেবারে প্রজ্জ্বলিত হইতে পারতেছে দর্শন করিবে। সংবিখন স্বপ্নান্যায় একাণাত্মক মুরালি বেরুপ । কারণ অভ্যাস ব্যতীত তুমি শুভশকে স্থির করিতে আভাত হয়, সেইরূপ তােমায় বৃষ্টিপথে নিয়গল হুষ্টিসমূহ আপ- পারিতেছ না। অভ্যাস দ্বারা কালশে তুমি অত্যন্ত বিভ্রান্তিলা ভিত হইবে। মহাকাণে ফুভি বায়ু বা সমূহ যেরূপ করিবে। এক্ষণে আমি তােমার ভাৰী নিশ্চিত ঘটনার বিষয় বর্ণন বিষ্ণুরিত হয়, বিনিশ্চয় হইয়া ভূমিও সেক্ষপে বিনিত অনন্ত করিতেছি। সেই ভিমধুর এবং এই পৃথিবীতে অশ্রুতপূর্বক | ব্ৰহ্মাণ্ড ন করিবে। যেরূপ গাৰ্গ দিল সভাতি সত্যর রক্তাক্ত শ্রবণ কর। সেই পণ্ডিতগ্রসি অনলার নিবন; দর্শনকারি অন্তঃপুবাসিনীদিগের পালক আল কামৰ প্ৰত হইলেও তােমার আত্মা অন, অতএব চিহ্ন প্রভৃতি) থাকিয়া না থাকার মত, সেইরূপ লিগের তােমার জ্ঞান দোলায়মান (চঞ্চল)হওয়াতে তোমাকে মুগ্ধ ; অশদাত্মক বৈচিত্র্য সেই চিলাকালে খাকিও না থাকার মত। যায় না। ৬-১১। এই অষিজাম্বরূপ বিশাল জগৎ কি এ পৃথিবী যাবতীয় লােকে চালের ধুনীহাৰি ভয় সমূহ হইবে, এইরূপ নিয়ে মনে মনে তর্ক করিয়া কলিত গবগলে ফেলিও শর নিকট ওহ আৰু উদ্যত হইবে। তুৰি যুগত পর্যন্ত এই দীর্ঘ গঙ্গার অসৎ বলিয়া এতীয়মান হয়, সেইরুপ লিগের শিফট আচরণ কৰিৰে। হাতে একা তুই হইয়া এরণের সহিত আত্মরি অপর ভিন্নর মা থাকায় মুল দাৎ তােমার নিকট উপত হবে। ৫ অভিব। সেই অত্যন্ত অসৎ বলিই এভীত । এ বিমলের পর ব্রহ্মা করুন এবৃত হইলে, তুমি দোয়া হেতু আপনার বিস্তৃত নাভােষওল, তাহার পর আবার বিল, অল্প প সমৰ খিী এস এল কবি। হে ! আবার নভােমণ্ডল, এই যেতে যেতে তােমার কান এই বারি সকাৎ পরিমান বিন্যাসের মতে এভিষি গত হইবে। এই লাখ শিক্ষা ও প্রসারে রূপ এ পরি বিশ কি কোন স্থানে না। পরিও নং বিশাল আকাশের দিন নিই আমি দেখিয়ে, পরাণুণ হলেও এই চিনাকাশ গণ উণে প্রাপ্ত হইবে। এখন পর নু কত যেখানে সেখানে অবস্থিত, সেখানে সেখানেই এই এক্তি উগ এও হবে এবং অল আয় থেকে এ আকাশের যিখিত হইয়াছে। অতএব এই একি পরিমাণ পুকমাত্র বা বুৰিতে পারিবে। -। তা মনে মনে নয় এবং এই সোনার বাহিরেই চিকাৰ বিপ বিবেচনা করিবে, আমার এই জাতীয় বিমান করি বিষৎ পৰিমাণে কী? হৈ এৰি নেভি ডেইএরূপ বিস্তৃত , ল রুমেরু এভি ইচ্ছা করি। যে নেবে। আপনি শ্রবণ করুন আমি এই ইহার নিকট তৃণবৎ প্রতীয়মান। আর এই প্রীর পরি- না আনিবার ব র ল করিতেছি, যাতে তিনি যিত বলায় আমি খুব আকাশমন যালি বেআিছি, ৭২ বােগবাণি-মা। = = = এখনও আকাশমণ্ডল পুরণ করিতেছি, ইহার পর যে কি হবে, তুমি কেমন ৰখায় নি কর, সেইরূপ দর্শন করিবে। অনন্তর তাহা বুঝিতে পারিতেছি না। হায়, এই অবিনা থােকা এবং চিরুতি ম হেতু তােমারগীব সঙ্কলিত অঙ্গী হয়। অনন্তরূপে অনুভূত হইতে, কিন্তু অদ্যাপি কেহই ব্রহ্মানের ভূপৃষ্ঠে আমি আজ হইছি এইরূপ বিবেচনা করিবে ।। রূপ বা পৰিমাণ নির্ণয় করিতে পারেন নাই। অতএব আমি এই সেই অবস্থাতেই তােমার মনে হল এইরূপ জ্ঞানের উ আকাশমণ্ডবিচরণকারী দেহকে পরিত্যাগ করি, যেহেতু ইহা হইবে যে, আমি এম সিন্ধুনমে অতি সম্মানিত রাজা হইয়াছি তারা কোন প্রকার সাধু এবং সচ্ছাত্মের সঙ্গতি অথবা অন্য কোন! আমার আট বৎসর বয়ঃক্রম, পিতা বনে যাইবার সময় সমূদ্র- প্রকার মোশাধন বস্তুর লাভ ঘটে না। আমার এই শরীর পরিবেষ্টিত পৃথিবীরাজ্য আমাকে প্রদান করায় আমি উহা প্রাপ্ত অনন্তের পার পর্যন্ত ব্যাপক লিয়াল অম্বতন আশ্রয় করিয়া হইয়াছি। কিন্তু সীমান্তপ্রদেশে বিদূল নামে বিখ্যাত নৃপতি রহিয়াছে, আমার এই শরীর দ্বারা অর্জিত জ্ঞানীলিগের আমার শত্রু হইয়াছে, অতিশয় প্রষত্ব ব্যতীত তাহাকে জয় কৰিতে সহিত সঙ্গম হইবে। ০১-০৫। এইরূপ চিন্তা করিয়া প্রাণ- পারা যাইবে না। এই রাজ্য প্রতিপালন করিতে করিতে আমার নির্গমকারিনী ধারণা করত পকী যেরূপ ফলের সরসভা ভােগ' একশত বৎসর গত হইয়াছে। এই কাল পর্যন্ত আমি পুত্র ও করিয়া শুক—অর্থাৎ নীরসভাগকে পরিত্যাগ করে, সেইরূপ তুমিও। কবর্গের সহিত সুখেতেই রাজ্য ভােগ করিয়া আসিতেছি। সেই শরীর ত্যাগ করিবে। দেহ পরিত্যাগ করিয়া প্রাসমতি। কিন্তু ইহা বড় দুঃখের কথা যে, এক্ষণে ঐ সীমান্তপ্রদেশের রাজা জীবনরূপে স্কুলবায়ু হইতেও সূশ্বকারে বায়ুরূপে সেই আকাশ- 'বাড়িয়া উঠিয়াছে, তাহার সহিত আমার দারুণ সংগ্রাম এক্ষণে মগুলে অবস্থান করিবে। এবং তােমার সেই দেহ তৎক্ষণাৎ ' অপরিহার্য হইয়া উঠিল। ৬-১০ | এইরূপ চিন্তা করিতে করিতে ছিন্নপক্ষ মহামের স্থায় পতিত হইবে এবং তাহাতে সমুদয় ; তােমার সেই বিখ রাজার সহিত চতুরঙ্গলের ক্ষয়কারী মহৎ ভূলোক ও পলি চুর্ণ হইয়া যাইবে। তৎকালে সেই শুরু। যুদ্ধ সঙ্গটিত হইবে। সেই মহাযুদ্ধে তুমি বিরং হইয়াও সেই মৎস। ভগবতী কালী মাতৃমণ্ডলের সহিত তােমার সেই দেহ ভক্ষণ বিদূথ রাজার করবাল দ্বারা জঙ্গচ্ছেদ করিয়া তাহাকে ধমলনে করিবেন, তাহাতে পৃথিবী নির্দোষ হইবে। হে সুব্রত। এক্ষণে | প্রেরণ করিবে। তাহার পর তুমি চতুঃসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ভূমি- তুমি নিখিল আত্মবৃত্তান্ত শ্রবণ করিলে। অতঃপর আজীবন হলে এইরূপ প্রবল রাজা হইব যে, দিলগণও তোমার ভয়ে পশুরণ করিয়া তমার যেরূপ ইচ্ছা হয়, তাহা কর। ৪৬-৫৩। ভীত হইয়া আদরের সহিত তেমার আজ্ঞা প্রতিপালন করিবে। ব্যাণ বলিল, হে ভগবন,কি কষ্ট, আমার অক্ষয় দুঃখ ভোগ করিতে এই তুমি সিন্ধুনামে নরপতিরূপে নিখিল ভমণ্ডলের অধীর হইবে। আমি রথা অর্থ ভাবিয়া অনর্থ হেতু দুরাকাক্ষা করিয়াছি। প্রাপ্ত হইয়া পণ্ডিত মন্ত্রিগণের সহিত এইরূপ কথা কহিতে হে শ্রেষ্ঠ মুনীর। এ বিষয়ে উদ্ধার হইবার কোন উপায় আছে কিবে —মন্ত্রী বলিবে হে মহারাজ। আপনি সেই বিদূথ নৃপতিকে কি? যদি ইহা অন্যথা না হয়, তাই আমাকে বলুন । মুনি এইরূপে পরাজিত করিয়৷ যমদনে প্ৰেৰণ ক রয়াছেন, ইবডই বলিলেন, অবশহাবী অর্থ কখনও কাহাকর্তৃক অথ হইবার অস্কৃত বলি, প্রতী হইতেছে। ১১-১৫। তুমি বলিবে- নয়। উহা বহুবধেও করিত হয় না। বম, দক্ষিণ শিরঃ এবং অমি অনিধনশ লা এবং কল্পকালীন অবের ব্যয় অমর পদ ইহাদিগেৰ বিপৰ্যয় বিধানে—অর্থাৎ বামকে দক্ষিণ করিতে বাহুবল বলবেণসম্পন্ন, আমার নিকট বিরথ রাজা কি নিমিত্ত কক্ষণকে বাম করিতে, শিৱকে পরদিকে করিতে এবং পাকে সুদুঃসহ শত্রুপে পরিগণিত হইবে। মন্ত্রী বলিবে,—ঐ কিং শিরের দিকে করিতে যেমন কোন পুরুষের শক্তি নাই, সেইরূপ রাজার শীলানী একটা সতী ভার্চ। অছে, সে অতি দুঃসঙ্গ অত্যাৰী বৰ অন্যথা কবিতেও কাহার শক্তি নাই তপর আচরণ করিয়' নিরঞ্জনা জগন্ধাত্রী সরস্বতী দেবীকে জোতিঃশাস্ত্র বুৎপতি দ্বারা ভবিষ্যৎ অর্থের জ্ঞান হইতে পারে মাতৃরুপে আপনার আয় করিয়াছে। সেই ভুবনভাষিনী সরস্বতী বটে, কিন্তু ভিন্ন আর কোন অপূর্ব ঘটনা হয় না। যে সকল দেবী ঐ রাজপস্ত্রীকে স্বকীয় কন্যারূপে গ্রহণ করিয়া তাহর জন্য পু-শশ্রেষ্টগণ প্রকৃত সুভদ্বারা অতন মদমাদিসাধন প্রাপ্ত মােক প্রভৃতি অতি দুরকাও অবলীলাক্রমে সাধন করিয়া হইয়াব্রহ্মভাবে প্রাপ্ত হয়, সেই সকল মহাত্মাই প্রাক্তন কথাকেন। তিনি কালের মধ্যে এক কথা বরদান করি। এই বেলা সকলকে সমূলে হেন পুর্বক জয় কয়ে অগংকে জগৎপে পরিণত করিতে সমর্থ, সুভাষ আপনার পঞ্চপঞ্চাশধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৫৫। বিনাশসাধনে তাহার শক্তি বা প্রত্ব কি? সিন্ধু লিৰে, তুমি ঠিকই বলিয়াছ, যদি এইরূপ হয়, তবে সেই বিদূরখকে এক প্রকার অজেয় জানিতে হইবে, সুতরাং যুদ্ধক্ষেত্রে তাহার বধসাধন ঘটুপাশবিকততম সর্গ আশ্চৰ্য বটে। ১৬২০। যদি সেই রাজা 'এইরূপই ভাৰতীয় অনুগ্রহপাত্র ছিল, তবে আমার সহিত যুদ্ধে কেন জয়লাভ করিতে ব্যাধ বলিল,-হে ! অনন্তর মনীয় দেহ অধােবত্তি- | সমর্থ হইল না। মন্ত্রী বলিবে, হে পদ্মপলশদের। সেই রাজা কিতিলে পতিত হইলে আকাশস্থিত আমার কি দশা হইবে। অচিতে সর্বদা সেই দেবীর নিকট এই বলিয়া প্রার্থনা করিত মুনি বলিলেন, হে ভব্য। ভােমার সেই দেহ পতিত হইলে পর যে, সংসার হইতে আমার মােক হউক। 'হে বিছো! সেহেতু সেই মহাকাশে তোমার কি দশা হইবে, তাহা অবহিত হইয়া সেই সকল সংবিংশালিনী দেবী, তাহার সেই অভিলষিত অর্থ শ্রবণ কর। তােমার দেহ পরিভ্রষ্ট হইলে, প্রাণের সহিত তোমার সম্পালন করিলেন এ সেই হেই যুদ্ধে হার পল্পজয় হইল। জীৰ সেই বিতত আকাশে বায়ুকণারপে অবস্থান করিবে। সিন্ধু বলিবে, যদি এইরূপ হয়, তবে আমি ত সেই দেবীকে সেই বায়ুশাকৃত শরীরের অন্তঃকরণত্তিবাসময় বিশাল জগও দুবাই পুৱ কক্কিা খাকি, সেই পরমেরী আমাকে কি নির্মিত - নির্বাণ-প্রকরণ-ভরাগ ৭৭৩ -৩২। মােক প্রদান করিতেছেন না? মন্ত্রী বলিবে,—সেই জ্ঞপ্তিস্বরুপাদেরী প্রতীয়মান হইয়া অবস্থিত। এই জগৎকে নিরাকাচিত বলিয়াই সর্বদা সকলের হৃদয়ে বাস করেন। সেই চৈতরূপিন্দর নিকট জ্ঞান করিবে, বাস্তবিক ইহা একটা স্বাজ্জ্য পদার্থ নয়। সৃষ্টির যে যেরূপ প্রার্থনা করে, তিনি তাহাই সম্পাদন করেন। সেই প্রারম্ভে পক্ষ হইতে কেবল সময় বই উৎপন্ন হইয়াছিল, আত্মহৃদয়বাসিনীয় বিকট যে যে যেমন যেমন প্রার্থনা করে, তিনি সেই সত্ত্বৰূপ ব ক্রমশঃ পৰিণতিপ্রাপ্ত হইবে, অন্য মস অবিলম্বে তাহাদিগকে সেই সেই রূপ ফলই প্রদান করেন, তাহা- তমরূপে পরিণত হইয়াছে। ১ ১০ সিছু বলিবে, হে মহাভাগ তেই চিৎশক্তির অস্তিত্ব অনুভূত হয়। হে বিমর্দন। তুমি অমস তামস এই শব্দ দ্বারা কি বলিতেছেন, তাহা বলুন ? কোন কখন তাঁহার নিকট মােক্ষ প্রার্থনা কর নাই, তুমি সেই স্বকীয় ব্যক্তিই বা পূর্ব হইতেই ভাবী বস্তুতে এইরূপ সংজ্ঞাসকল নির্দেশ চৈতন্যশক্তির নিকট কেবল মর্দনে নিমিতই প্রার্থনা করিয়াছ। করিয়াছে। মন্ত্রী বলিবে, সাবয়ব জয় হস্তাদি অবধৰ যেরূপ, নির সিহু বলিবে,—আমি সেই বিশুদ্ধ সংবিৎরূপা সরস্বতীর নিকট! বয়ৰ আত্মার আভিবাহিকতাও সেইরূপ। পরে স্বকীয় অতি- কখনই মুক্তি প্রার্থনা করি নাই কেন ? হে মন্ত্রি। সেই সৎ-বহিকদেহ আধিভৌতিক নামে পরিণত হইলে, সেই অস্ত্র স্বরূপিণী সরস্বতী দেবী আমায় আত্মভূত হইয়াও আমাকে মুক্তি নিজেই পৃথিবী আদি নানারূপ নাম করিবে। স্বপ্নবৎ এই জগতের বিষয়ক ইচ্ছাপ্রদান করিয়া কেনই বা আমার মুক্তির জন্য চেষ্টা ভাণ হইলে পর, আত্মা সম্বল্পকল্পিত নানারূপে নানাবিধ সংজ্ঞার করিতেছেন না ? মন্ত্রী বলিবে,—হে বিভো। আপনার পুর্থ- আপনার পুর্ব- ২রা ব্যবহার করিবে। যেহেতু সেই সময় বিবিধ্যষ্টি-সৃষ্টিকন জন্মের শুভসংস্থার প্রবল থাকাতেই আপনি শত্রুবিনাশেই ইচ্ছা নিয়ে অভিনবরূপে আবির্ভূত, তােমাকে উদ্দেশ করিয়া সেই করিয়াছিলেন, আপনি সেই দেবীকে নমস্কার করিয়া মুক্তির নিমিত্ত পূর্ব বির্ভূত সময় আত্মাই লােকে মহামস্ক বলিয়া প্রীত প্রার্থনা করেন নাই। সৃষ্টির প্রারম্ভ হইতেই জন্তু সকল নিজ নিজ হইবে ,সেই জই তােমার সেই অতিবাহিক জাতিই তামস- ব’সনার অনুরূপ সুভ'সম্পন্ন হয়। বাল্যকাল হইতে যেরূপ তামসাঁ নামে অভিহিত হইবে। হে প্রভাে। স্বভাবত নিৰিকাৰ সংস্কার দৃট হয, তাহা কে অন্যথা করিতে পারে? যে পুরুষ নিল। ব্ৰহ্ম বিকারিকপে প্রতীয়মান হইলে, জীবভাবের আবির্ভাব নিবন্ধন, জ্ঞপ্তি দ্বারা স্বকীয় অন্তঃকরণে আমলা—অর্থাৎ নির্মূলস্বরূপ মােঙ্গ অতিসকলের বহুবিধ--অর্থাৎ সাত্বিকালি ক্রয়ােদশ একার সংজ' অথবা অভ্যাসানুরুপ অঙ্গ যাহা কিছু চিন্তা করে, তাহা সত্যই করা আদিকল্পের প্রথমেই সেই ব্ৰহ্ম প্রথম জীবরূপে হউক বা অসত্যই হউক, অন্যবিষয়ক অন্য বসনা বিমর্দন করিয়া | উৎপ্রেক্ষিত হইলে, সেই জন্মে ঔপত্তিক জ্ঞানেশ্বযুক্তবিষয়- সে নির্বিঘ্নে সেইরূপই প্রাপ্ত হয় ভোগকারী সেই জন্মেই মুক্তিপ্রাপ্ত হইয়াছিল বলিয়া সেই জাতিকে টুপণ শব্দধিবশতম সর্গ সমাপ্ত। ১৫৬। নাকি সার্বিক বলিয়া অভিহিত করা হয়। হে মানল। পরে কিছুকাল অবধি সংসরহেতু অজ্ঞান বর্তমান হইলে,সেই জন্মেই জান্যৈ প্রভৃতি সাংসারিকগুণবিশিষ্ট জীবদিগের মুক্তি হইত বলিয়া জাতিবিং পণ্ডিতগণ কর্তৃক ঐ সকল জীবজাতি কেবল সপ্তপঞ্চাশদধিকততম সর্গ। সাত্ত্বিক নামে অভিহিত হইয়াছে। সেই আদিকল্পে যে সকল সিন্ধু বলিৰে,হে অব। আমি পুর্বে কিরূপ কুৎসিতমতি- জীবজাতি অভিনবরূপে অভিব্যক্ত হইয়াও যজম ব্যাপিয়া বিষয়- সম্পন্ন এবং অন্য শরীর হইছিলাম। যহার প্রভাবে আমার ভোগের পর মোক্ষপথের পথিক হইয়াছিল, জাতি পণ্ডিত কর্তৃক সংসার প্রবর্তক প্রাক্তন কুসংস্কার রহিয়া গিয়াছে। মা বলিবে, তাহারা রাজস রাজস বলিয়া অভিহিত হইয়াছে। হে মানদ। হে রাজন! ক্ষণকাল সাবধানচিত্ত হইয়া বহু শ্রবণ কর এবং এইরূপে সংসারে হেতুভূত অজ্ঞান ক্রমশঃ এর হইলে, বিবে- আমার অনুরােধে আমার সেই অজ্ঞানবিনাশন বাক্য সুদয়ে কাদিভাব্য গুণহিত যে সকল জীবজাতি কল পাঁচ জন্মের পর ধারণ কর। আদ্যন্তরহিত সদসংস্বরূপ তুমি আমি ইত্যাদি মুক্তিলাভ করিয়াছে, তাহারা কেবল রাজস নামে উক্ত হইয়াছে। নানা আকারে বর্তমান ব্ৰক্ষনামে অভিহিত একটা অনির্বচনীয় বস্তু ১১-২০। যে সকল জীবজাতি সেই আদিক হইতে, স্থাবর- আছে। সেই ব্ৰহ্ম অহংচিং ,অতএব সকল জানিতে পারি, এই কীটাদি অসংখ্য অসংখ্য জন্মের পর শােভাগিনী হইয়াছিল; রূপ সঙ্কল্পাত্বক সংবিংপ্রাপ্ত হইয়া অসংখ্য চিত্তরূপে পরিণত হইয়া তাহারা জাতিজ্ঞ পণ্ডিত কর্তৃক তামস তামস নামে অভিহিত হই সেই সেই চিত্তের উপাধিতে যেন জীবত্ব লাভ করিয়া বিদ্যমান হন আছে। বক্ষপিশাচ দ্রাজি বহুনিকই আন্মের পর যে সকল জীৰ এবং উপাধি পরিত্যাগ করেন। চিত্ত গগনবং নিৰ্ম্মলকুতি, উহাকে জাতি যেভাগী হইয়াছিল, জাতিবিদ পণ্ডিতগণ তাহা- আতিবাহিক বলিয়া গান। ঐ চিত্তই বাস্তবিক সং, আধিভৌতি- দিগকে কেবল তামস বলিয়া অভিহিত করিয়াছেন। হে মান। কাদি আর কিছুই সং নহে। এই চিত্ত নিরাকার হইলেও, পর এইরূপ ক্রমেই জাতিসকলে নানবিধ ভেদ করা হইয়াছে। উহ- লেক, ইহলােক, স্বপ্ন, জাগ্রং, মরণ, ভােগ, মােক ইত্যাদি দিগের মধ্যে আপনি অনসভামলী জাভিতে উৎপন্ন হইয়াছেন। নানাবিধ সঙ্কলহেতু সং এবং সাকার জগতের ন্যায় অবস্থিত। চে যায়। আপনার নানাবিধ বিচিত্র বহু অভীত হইয়াছে; যেমন পবন এবং স্পন্দন অভিন্ন, সেইরূপ চিত্ত নিরাকার হইলেও, আমি সে সকল জ্ঞাত আছি। কিন্তু আপনি তাহার কিছুই এই বিশাল সাকার জগতের সহিত অভিন্ন বলিয়া পণ্ডিজ্ঞে স্থির; জানেন না। বিশেষ, আপনার এই অনন্ত আকাশগামী মহাব করিয়াছেন। গলন এবং দ্য যেমন একই বস্তু, জগৎ ও চিত্তও শরীর দ্বারা অনেককাল বৃথা অতিবাহিত হইয়াছে। আপনি যখন সেইরূপ অভিন্ন। জগদাকার কল্পনায় নিরঙ্কুশ সামর্থযুক্ত, এই, এইরূপ তামস তামস জাতিতে উৎপন্ন হইয়াছেন, তখন সংসার- চিন্তেও জগতে আলমাত্রও ভেদ নাই। এই জগৎ কিছুই না, | কুহর হইতে মােক্ষলাভ আপনার দু। সিন্ধু বলিবে -হে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বাসনাস্বরূপ মাত্ৰ , তথাপি বহিঃকিঞ্চিৎকাপে আৰ্য! আপনি বলুন, কিরপে এই পর্বতন অধমজাতিকে পরাভৰ ৭৭৪ খােবাটি-খামায়ণ করিতে সমর্থ হইব? যদি ইহা সংশােধনের কোন পত্রি উপায় পথ রােধ করিতে করিতে বহু সময় লিখিত হইল। থাকে, তাহা আপনি উপ কর; আমি তাহায় অনুষ্ঠান অনন্ত বৰকালেও সেই বাথ যখন অবিাজনিত ভযে’ অত- কৱিব। মন্ত্রী বলিবে,—এমবুজে। এই ব্রিজগতের মধ্যে এমন প্রাপ্ত হইল না, তখন তাহার মনে মনে উদ্বেগ হইল। ৬-১০। কোন বস্তুই নাই, বাহারি পুরুষপ্রথঙ্গে লাভ করা না যায়। অতঃপর উগেলে সে এণ পরিত্যাগকৰ এষত্ব বিশেষ ৰাৱা আমরা দেখিতে পাই, পূর্বদিনের নিক্ষিত কাৰ্য পদিনের সাধু- আকাশেই প্রাণ পরিত্যাগ করিল। আহা সেই শরীর শবরূপ কাৰ্য্য আরা আচ্ছাদিত হইয়া শােভা পাইয়া থাকে। অতএব হইয়া নীচে পড়িল। সেই আকাশমার্গেই তার চিত্ত বিদূবথের আপনি পূর্বতন অংক্রিয়াকে জয় করিয়া সৎকাৰ্যপরায়ণ হউন। প্রতিমন্ত্রী অখিল পৃথিবীর পালক সিন্ধুরূপত্ব প্রাপ্ত হইল। শত যে মনুষ্য খাদৃশ বন্ধুর কামনা করে এবং তাহার লাভের জন্য যত্নও সুমেরু সমষ্টি তাহার সেই দেহ মহাবৰূপে পরিণত হইল। করে, সে যদি পরিশ্রান্ত হইয়া নিরত্ত না হয়, তাহা হইলে সে দ্বিতীয় পৃথিবীর তুল্য বিশাল সেই দেহ আকাশ হইতে বজ্রের মত বই তাহা প্রাপ্ত হয়। ২১-৩০। পুরুষ বেরূপ যত্ন করে, পতিত হইল। ব্রহ্মার কোণােণ্ডুকের ন্যায় আভাত কোন অগ- সন্ময় হইয়া যেরূণ চিন্তা করে এবং যেরূপ হইতে ইচ্ছা করে, ভমে সেই দেহ পঙ্গসময়ে পৃথিবীর অবতৰণমার্গের ন্যায় এবং সেইরূপই হইয়া থাকে, অন্য প্রকার হয় না। মুনি বলিলেন, সেই পতিত হইয়া পৃথিবীর স্বচ্ছাদনের স্যায় শােভা পাইয়াছিল। হে মন্ত্রী কর্তৃক সিন্দু এইরূপে কথিত হইয়া রাভার পরিত্যাগের পণ্ডিতশ্রেষ্ঠ। তাহার আকারে সমস্ত বখামণ্ডলে পরিপূরিত নিমিত্ত বুদ্ধি করিয়া সে তৎক্ষণাৎ সমুদয় রাজ্য পরিত্যাগ করিবে। হইয়াছিল, আমি তােমার নিকট, সেই মহাশবের বিষয় কীৰ্ত্তন তাহার পরে সেই সিন্ধু দূষনে গমন করিবে, মন্ত্রিগণ কর্তৃক প্রার্থিত করিলাম। জগতের মধ্যে যে অবনীমণ্ডলে সেই শব পতিত হইয়াও সেই শত রাজ্য আর গ্রহণ করিবে না। মন্ত্রীর সেই হইয়াছিল, সেই জগৎ আমাদের নিকট অনারীর ন্যায় প্রতীয়মান বিবেকবাক্যের প্রভাবে সাধুপুরুষদিগের মধ্যে বাস করিতে করিতে হইয়াছিল। সেই শব প্রাপ্ত হইয়া সেই রক্তযুক্ত অন্যভূষিত তাহার পপসম্পর্কে গব্দের স্থায় বিবেক উদিত হইবে। তাহার উচ্চমাংসা মহােদৱী চণ্ডিালেৰী খুব পরিতৃপ্ত হইয়া আহার পর এই প্রশ্ন কিরুপে হইল, এই সংসার কোথা হইতে আসিল, করিয়াছিলেন। হিমালয় গিরিতুল্য সেই শবের অপূর্ণ মেদ দ্বারা এইরূপ চিন্তা অনৰয়ত করিতে করিতে মুক্তিপ্রাপ্ত হইবে। পরিপূর্ণ হইয়া মেদিনীর মেশিনী নম সার্থক হইয়াছিল। এইরূপে সেই সিন্ধু নিত এইরূপ বিচাৱপৱাষণ হইয়া সংসদশে পবিত্র সেই মহামেদ মৃত্তিকারূপে পরিণত হইল। এবং সময়ে পৃথিবী পদপ্রাপ্ত হইবে। যে মােপদের নিকট বলােক প্রাপ্তবধি মৃত্ব প্রাপ্ত হইল। পুনর্বার এই পৃথিবীতে বন সকল উৎপন্ন যাবং সম্পং বায়ু আরা মিন শুদ্ধপত্রের স্থায় অতি তুচ্ছরূপে হইল, নানাবিধ পানের সহিত গ্রাম সবল নিৰ্মিত হইল, পাতাল প্রতীয়মান হয়। ৩১-৩৬। হইতে পর্বত সকল উথিত হইল এবং পুনর্বার বাণিজ্য সম্বন্ধি পঞ্চাশখিকশঅ সর্গ সমাপ্ত। ১৫৭। বৃদ্ধি পাইল।১১-২০। অষ্টপঞ্চাশবিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৫৮। অষ্টপঞ্চাশধিকততম সর্গ। একোনষষ্ট্যধিকততম সর্গ। মুনি বলিলেন-এই আমি তােমার নিকট ভাবীটনাসক। অতীতের রায় কীর্তন করিলাম। হে ব্যাখ। এলে তােমার অগ্নি বলিলেন-হে পণ্ডিতশ্রেষ্ঠ সাধে।। তুমি আপনার যাহা ভাল বিৰেচলা হয়, তাহাই কর। জগি বলিলেন,-সেই অভিমত দিকে গমন কর। এই ভূমণ্ডল স্থির হওয়ায় ইহাতে মূরি এই বাক্য শ্রবণ কৰি, সেই ব্যাধ বিস্ময়াকুলচিত্তে কিছু পুনর্বার পূর্বের মত ব্যবহার চলিতেছে। ভাস লিলেন,—এই কাল চিন্তা করিয়া সেই মুনির সহিত ঘন করিতে গমন করিল। কথা বলিয়া ভগবান্ অগ্নি সেই স্থানেই অন্তর্ধান হইলেন, এবং এইরূপে কৰি মিত্ৰতাপ্রাপ্ত সেই ব্যাণ ও মহামুনি তপশী তৈ অনলের স্লায় নিল গগনপথে প্রস্থান করিলেন। এবং বির মুনিবুশের সহিত বিণ করিতে লাগিলেন। অনন্তর আমিও নিচিতে স্বয়ং প্রাক্তন সংস্কার সকল বহন করত পূনর্বার সেই মুনি অল্পকালের মধ্যেই পর নির্দিষ্ট আয়ু অন্তে দেহ, নিজের কর্মনির্ণয় করিবার নিমিত্ত বোমমার্গে অবস্থান করিতে ত্যাগ করিয়া নির্মাণ ইয়া পরব্রহ্মে লীন হইলে। লাগিলাম। পূনর্বার আকাশে আমিও নানাবিধ গতিতে ভ্রমণ- অনায় আয় একশতখপরিমিত বকাল ভীত হইলে ঝাখের কাবী নানাবিধ আকারবিশিষ্ট খমণ্ডল সকল দর্শন করিলাম। এভিলষিত ৰৱন করিবার বিৰি পথৰােনি ব্রহ্ম জগত ১-৫। হে নূপ। দেখলাম কোনস্থলে ছত্রাকার পার্থ পৱশর হইলেন। ১। ব্যাৰ নিৰেমনায় আৰে নিবারণ কষিতে সংলগ্ন হইয়া শােভা পাইতেছে, তৈযুক্ত হইয়া ইভ ভ্রমণ এম হইয়া পর্শে আনিকা শুনি সে মুনি কর্তৃক পূর্ববর্ণনা করিতেছে এবং হয় হরণ করিতেছে। হে রাখৰ। কোলে সুক্ষণ যন্ত্র প্রার্থনা কৰিল। এহ্মাও থা” বলিয়া আপনার মৃন্ময় শরীরৰিছি পর্বতপ্রমাণ ভূতসকল শােভা পাইতেছে, ভিকদিকে গমন করিলেন। ব্যাধও অপর ফলভােগ কোনস্থলে কাষ্ঠময় শরীরবিশিষ্ট প্রাণিসকল শােভা পাইছে, করিবা নিৰিত পর স্থায় আকাশে উডডন করিতে প্রায় কোন্দলে অন্তরময় দেহবিশিষ্ট ভূরি ভূরি প্রাণিগণ অবস্থান করি। সেই যাও পর্বতে বসান নেই এৱা এতে করিতেছে। আকাশে কোনস্থলে দেখিলাম, একীভূত উপল- পাৱস্থিত মহান পৰিমিতকাল বিয়া পূরণ করিতে লাণিলেন। ওময় দেহবিশিষ্ট প্রাণিসকল বাস করিতেছে, তাহাদিগের বাৰু মহাগরুর মগতি উ এবং এ চারিদিকে আকাশ- শক্তি জি আর কিছুই নাই। মনােম শরীরবিশিই আমি, নি-এর ৭৭৫ সুচির কাল এইরূণ লেখিতে লাগিলাম, কিন্তু বিদ্যার অন্ত না হইয়া কে শাপ দিয়াছিলেন। অনেরে শক্র। ব্ৰহ্মাণ্ড তু দেখিতে পাইয়া সেই সকল ঘূৰি আর অভিরুতি রহিল না। যিশাল যে শবদেহ অচিরকাল মধ্যেই তােমার একা অনন্তর আমি কোন নিলিনে মােলসিথির নিমিত্ত তা চূর্ণ করিবে। এই আমাকে এ বিবেচনা করিয়া ৰেহেতু তুমি করিতে উদযুক্তইলে ই আকাশে আমার এই মৃযোলি অমাদিত করিয়া, সেই আমার শাপে তুমি শীল পৃথিবী প্রাণ প্রাপ্তির কথা বলিবেন। আমি আকাণে নগরকাননে পরিভ্রমণ হইবে। সেই মুনি ই মৃগবকলনখক বাক্য এবং খাদে করত পূর্ব সংস্কারের বশীভূত হইয়া স্বৰ্গভোগ এ মােহ প্রবৃত্ত মৃগচ” ইত্যাদি চন দ্বারা যেরূপ ফলনা ব্যক্ত করিয়াছিকে, হইলাম। তিনি এই কথা বলিলে আমি বলিলাম, হে লেব। সেই কল্পনা সেই পেসৎ-অর্থাৎ বহিএকুটলে বর্তমান হইয়া আমি সাৱ হইতে বড়ই খেযুক্ত হইয়াছি, আমি কিসে শীঘ্র সেই মুনির কথানুসারেই আপনাদিগের সৃষ্টির বিষয় হইয়াছে। মুক্তিলাম করিতে পারি ? এই কথা শুনিয়া তিনি আমাকে বাস্তবিক ব্যাবহারিক সৎ এ আক্ষরিক জগৎ অসং,এরুপ বলিলেন। আমি অজ্ঞান লাভ করিয়া অরূপ এবং বিশুদ্ধান্য হইতে পারে না, কারণ, কি সৎ, কি অসৎ, উভয় বিষয়ে তুরূপ হইব ইহা ত পুর্বেই অখির নিকট হইতে ক্ষত হইয়াছিলাম, প্রতিভা উদিত হয়। এপিচ হে রাখব। এই ঘূক্তিপূর্ণ সন্দর্ভের এই কথা বলিয়া ই আমাকে অবর গ্রহণ করিতে বলিলেন। অতিক্ষুট প্রতিপত্তি লাভ কৱিষার নিমিত্ত তুমি অপর আর একটা আমিও ইন্দ্রের নিকট হইতে একা ৰৱ গ্ৰহণ করিলাম। ই যুক্তি এষণ কর। ২৬—৩৫। বাহাতে সফল, যাহা হইতে গফল, বলিলেন, তােমার চিত্ত মুগযনিমধ্যে প্রবেশ করিবার নিমিত্ত যাহা সর্বময় এবং সর্বব্যাপী, হে মহাভাগ। এ ব্ৰহ্মপক্ষা বহুকাল ধরিয়া উন্মুখ রহিয়াছে, হে অন! এইজন্য আমি ইহাকে কি নাসতাৰিত হইতে পারে। সেই সর্বশক্তিমান ব্ৰহ্মপলাৰে অবগ ভবিতব্য বলিয়া বিবেচনা করি।৬-১৫। মৃগ হইয়া সেই গল্পসমূহ পরস্পর মিলিত না হওয়া যেরূপ সম্ভব এ আইনের পৰিত্ৰ মহাসভা প্রাপ্ত হইবে। এবং সেইস্থানে আমাকক সেই! পরস্পর মিলিত হওয়াও সেইরূপ সন্তুষ। সঙ্কল্পসমূহ যে পরপর অপ্রতিহত জ্ঞান উদ্ধ হইবে, অতএব মনােঙ্গুখে পীড়িত তুমি মিলিত হয়, ইহা মৃগদর্শনাদি দ্বারা প্রত্যক্ষ অবগত হওয়া সংসারকােত্রে মুগ হইয়া জন্মগ্রহণ কর, সেইন্যানে তুমি নিখিল যাইতেছে, কাৰণ যাহা সর্ব", তাহাতে ছায়া এবং আতপ এই আত্মরত্তান্ত স্মরণ করিবে। উহা তােমার স্বপ্নের মত, মের ন্যায়। উভয়ই বিদ্যমান। যদি বিয়ৰ সকলের পরস্পর সম্মিলন অশেষ কল্পনা-এতস এবং কথাপ্রসঙ্গে পরলােকে অত না হয়, তাহা হইলে ব্রহ্মের সর্বগন্ধপত্য কিরুপে সিদ্ধ হয়, কেনই বল্পর স্মৃতির জন্য প্রতীত হইবে। যৎকালে ভূমি মৃগত হইতে বা সময় নগর সকল পরস্পর মিলিত হয়? এইরূপ বাক্য সকল উন্মুখ হইয়া মনুষত্ব প্রাপ্ত হইবে। অনাথি বাৱা বস্তু দেহের সৎ বলিয়া প্রসিদ্ধ, সৎ এক সর্লস্বরূপ ব্রহ্মে বিরুদ্ধ স্বভাব অবসানে তােমার হয়নিত সমুদয় স্কুরিত হইবে। তাহাতে সশস্ত্র বহু সকল পরস্পর নিশ্চয়ই মিলিত হইয়া থাকে, তাঁহার তুমি অবিদ্যানামে প্রসিদ্ধ চিস্থিত ভ্রান্তি পরিত্যাগ করিয়া নিকট এমন কিছুই নাই, যা মিথ্যা নয়। ৩৬–৪০। যিনি শূন্য বায়ুর তুল্য নির্ধাণপ্রাপ্ত হইবে। সেই দেব এই কথা সর্বত্র সর্বপ্রকারে সর্বদা সর্বশ্বরূপে বিরাজমান, কি আশ্চর্য। নিলে তরুণাৎ আমি বনে হরিণ হইয়াছি, এইরূপ নিশ্চিত এক মায়া তাঁর মােহ বিধান করে। যাহাতে বিধি এবং প্রতি আমার মনে উদিত হইল। সেই সময় হইতে সেই নিষেধ মিলিত হইয়া অবস্থান করিতেছে, সেই ব্ৰহ্মপদার্থ আপনা মন্দরবনের প্রদেশবিশেষতি পর্বতে ওভারকােণী হরিণ দ্বারা আপনি ব্যাপিকা রহিয়াছেন। সেই ব্ৰহ্মপদার্থের সহেতুকই ইয়া রহিলাম। অনন্তর একদা আমি মৃগয়ার্থ সমাগত সীমা- আদি সালি এবং অলি উডল্পরূপেই অনুভূত হইয়া থাকে। প্রদেশের অধিপতিকে সমাগত দেখিয়া ভীত হইয়া পলায়নপর এবং ত্রিভুবনের যাবৎ বিদ্যমান থাকে, তাৰৎকাল তাহা কেবল হইলাম। তাহার পর হে রঘুষ্ঠে। সেই সীমান্ত নৃপতি আমাকে বিশুদ্ধ জ্ঞানপে কুরিত হয় না। তাঁহার সত্তা না থাকিলে বরিয়া গৃহে লইয়া গিয়। ছিনত্ৰয় রাখিয়া আপনার ক্রীড়ার জন্য মহাকলে বিনষ্ট সকলের তৎক্ষণাৎ কিরূপে সৃষ্টি হয়, কি এইস্থানে আনয়ন করিয়াছে। হে নয়। এই আমি সংসারিক একালেই বাণি, বায়ু এবং ভূমির উৎপত্তি হয়। ইন্দ্রজাল সদৃশ নানাবিধ আশ্চর্য্য-সাৰিত নিজের বৃত্তান্ত সমুদয় হায় অবস্ফুরণ ভিন্ন এ জগৎ আর কিছুই নহে। যে সকল আপনার নিকট কীর্তন করলাম। ১৮-২৫। এই বিদ্যা শাখা- প্রতিবাণীরা বোলিশ এবং বিনে অনুসিদ্ধ দৃষ্টান্ত প্রশাখালিনী অনরূপা, অঞ্জন ব্যতীত আর কোন উপা সকল খণপে এই না করিয়া এক পৰ্যত বিষাদ করি যেই ইহা শান্তি হয় না। বাল্মীকি বলিলেন,-ৎকালে আসিতেছে, সেই সকল অশান্ত ব্যক্তির সহিত সাধু পুরুষলিগের বিপশ্চিৎ এই কথা বলিয়া গণকালের ভূতাব অবলম্বন ব্যবহার করাই অনুচিত। কারণ, চিংডির এদৃশ বিলাসের করিলেন। তখন অনিন্দমিতি বাম তাহাকে ক্ষমাণ বাক্য মর্ম বুঝিতে পারিলেই ক্ষণকালের মধ্যে সবই প্রমাণ হবে। বলিলেন। হে এতাে! যদি অন্য সঙ্কলপ মৃগ আমাদের ৪-৪৬। বসা বিজ্ঞানের স্বরূপ, এবং আমিই ৰিকা সৃষ্টির গােচর হইল, তাহা হইল, সফলহান পুরুষও এ সঙ্ক- এইরূপ জ্ঞান জি এৰি জনে কিছু প্রমাণ হয় না, পণ্ডিত খিত বস্তুসমূহও আত্মাতে দর্শন করিয়া থাকে, তাহা কিরূপে গণ ইহা সার বুঝিয়াছেন। পল আর বোন বায়ুর নী সম্পন্ন হয়, আপনি তাহা ব্যক্ত করিয়া প্রকাশ করুন। শােভা পায়, সেইরুল সেই সপ্তাই জগৎপে কুবিত হয়, বিপশ্চিৰ বলিলেন,-পুর্বকথিত মহানব পতিত হইয়াছিল। সংসারে কেহই উৎপা অথবা মৃত হয় না। আমি মৃত এক কোন সময় ইন্দ্র বঙ্গর্বে সেই ভুলে যাইতে যাইতে আল ইখবিমান, এ সকলই চৈতন্যের প্রতিষ্ঠান। যদি এ পথে খাস্থিত দুর্বাসা মুনিকে গলা বিবেচনা করিয়া না নাশৱ নাম মৃত্যু হয়, তবে তাহাও নিদ্রাসুখ সদৃশ। পুনর্বার আনিয়া পাত করিয়াছিলেন, তাতে ঐ দুর্বাসা মুপিত যদি উহা দৃষ্টিগােচর হয়, যে উহাকে জীবিত বলা হয়। এ মােগা মা এই সংসারে মরণও কিছুই নাই, জীবনও কিছুই নাই। অতএব এই গল কৃশান্ত ব্ৰহ্ম হইতে অলি ইহাই সি একের মাত্র পূরণ হয়, দুই বিদ্যমানও বটে, অৰিলমানও হইল। কী কী ফলে বিনিত অনন্ত বিতৰস জগৎ বটে চেতনার বিলাস হইলে দুইএরই বিদ্যমানতা এটে, চেলার সমূহ আমা কর্তৃক দৃষ্ট ও পরিভুক্ত ইয়াছে, আমি কত যু বিলাস ব্যতীত দুই বিদ্যমান। একমাত্র চিতিই গা যুগান্তর পিল দশদি ভ্রমণ করিতেছি, অজ্ঞান ব্যতীত চেতিত , অতএব তাহা অনন্ত ক্ষেম হউক। চৈতিরেকে এই নৃ-দোষের আর কোন উপায়ে নিবৃত্তি হইবার সম্ভাবন জীবন আর কি পদাবল লেখি? সেই চিত্র জীবন স্বভাৰতঃ নাই। ৭। অক্ষয় এরৎ দুঃখতি; অতএব কাহায় কোথায় দুঃখ! এই জগতে একোনট্যধিকতম সর্গ সমাপ্ত ১৫১। প্রকার নামৰূপ দৃষ্ট হয় ঐ সকল চিলাকাণের বিলাসমাত্র। ইহা একটা পদার্থ, ইহা আর একটা পা, এইরূপে এক দ্বিত্বাদির উল্লেখ করা হয়, একত্ব দ্বিত্বালি কি? এলে যেরূপ আবাদি হইয়া থাকে, পত্ৰহ্মৰূপ চিতিতেও শরীরদি সেইপ। শষ্ট্যধিকততম সণ। সেই চিতির সভার সন্নিবেশ কারণ ভিন্ন হু কারণ না থাকায় বাল্মীকি বলিলেন,-বিপশ্চিং এইরূপ বলিতেছেন, এমন সকলই আকাশস্বরূপ। এই অখন অৎ চিতির বিলাসমাত্র সময় ভগবান সূৰ্য্য যেন সেই বৃত্তান্ত প্রত্যক্ষ করিবার আশয়ে এবং অবগ্র (অব)। ৫৪ ৫৫। যে দ্রব্য সুখন বগ্র এবং স্বকীয় পাদ-কিরণ ও সংসল দূরে বিকীর্ণ করত লােক- প্রতিঘরূপে অবস্থিত, তাহাই আশ্চৰ্য্য। এই জগতে অতীতের অৱে গমন করিলেন। দিগন্ত প্রতিধ্বনিত করিয়া দিবালান- বিষয়ও কিছুই নাই, বর্তমান প্রমুভবের বিষয়ও কিছুই নাই। সূচক দুভি বাদ্বিয়া উঠিল তাহাতে বােধ হইল দি সকলই এই বর্তমান অনুভূতিতে শূন্যরূপ আত্মাই জগৎপিশাচকপে যেন তুষ্ট হইয়া জয় জয় না করিয়া উঠিল। রাজা দশরথ সেই প্রতিভাত হইতেছে, ইহা জানিও। চিলাকাশ যেমন শূহ স্বরূপ, বিপশ্চিতের নিমিত্ত রাজানুরূপ বিভব গৃহদা ও ধনাদির ব্যবস্থা এই পরিমান জগৎও তাদৃশ + স্বরূপ, কারণ আমরা সমস্যাৎ করিয়া সভা হইতে উথিত হইলেন। রাম, বশিষ্ঠ প্রভৃতি ও যে আকাশ দেখিতে পাই, উদ্যা চিদাকাশেই ঘুরণমাত্র' এক পরস্পরকে ঘথাক্রমে যথাযােগ্য জুনায়ে বিদায় দিয়া নিজ নিজ স্থানে তুমি, অন্যস্থানে বায়ু আকাশ প্রভৃতি অপর ভূত সকল স্থানে গমন করিলেন। সভ্যগণ সুন-ভজন করিয়া নিজ নিজ কিন্তু সকলই আকাশ ভিন্ন আর কিছুই নহে। চিত্তের ভাণই গৃহে রাত্রি যাপন করিয়া প্রভ'তে পুনর্বার সমবেত হইলেন । জগৎ, ইহাদের মধ্যে ঐক্য নাই, ভেও নাই। এই জগতে পূৰ্বদিনের মত আবার সেই সভার অধিবেশন হইল। ১৫। প্রতিষতাও নাই, বা অপ্রতিদ্বতাও নই। জ্ঞানীয় নিকট পুনর্বার মুনি, নিজ মুখণীপ্তি হারা, চ যেমন অমৃত উগিরণ সমুদয় দৃশ্যই অপ্রতিরূপে স্কুরিত হয়। এই সংসারে জত্ব এবং করেন, সেইরূপ নিজ আভ্যন্তৰীণ আহলাল উদ্দিারণ করত সেই অজ্ঞ এই উভয়কে সৎ বলিয়াও নির্দেশ করা যাইতে পারে না, পূর্বপ্রস্তুত কথা বলিতে আরম্ভ করিলেন। হে রাজনু। দেখুন, অসং বলিয়া নির্দেশ করা যাইতে পারে না, কারণ পূর্ণ জ্ঞানের এই অবিদ্যা অসৎ হইলেও সংরূপে অবস্থান করিতেছেন, আরও উদয় হইলে সৎ এবং অসং এই দুইই এক হইয়া যায়, অতএব দেখুন, এই বিপশ্চিৎ এত যত্ন করিয়াও ইহার স্বরূপ নির্ণয় করিতে যাবই কামৌন সদৃশ। ৫৬০। এই অনন্ত ভূত ব্ৰহ্ম সমর্থন নাই। যাবৎকাল পর্যন্ত এই অবিদাৰ স্বৰূপ না জানা স্বরূপ, এবং ব্ৰহ্মই পরমপদ। অত্র এই সমুদয় অগৎ পৰু যায়, তাবৎকাল পৰ্য্য উহা অনন্ত ও চিরস্থায়িনী বলিয়া প্রতীত বন্ধের বিশাল, ইহই সিদ্ধ হইল। এই চিৎপদার্থের স্বরূপ হয়, কিন্তু পরিজ্ঞাত হইলে উহা মৃগতৃষ্ণাসত নলীর মত সঙ্গ উক্ত হল এসৎ উহা আপনাতেই স্কুরিত হয়। যে চিনাকাশের বিলােপ প্রাপ্ত হয়। হে মহাযুদ্ধে' এই বিপশ্চিং ভাসের ইভিন্ন পূরণই অপ্রতি জগতে স্বরূপ। মুসিক্স এখন কি প্রত্যেক আপনি স্বয়ং এবং আপনার মল্লিগণ জন করিয়াছেন। অতপর অলিপরিমিত মানেই অসংখ্য সর্গ এবং অসংখ্য মৃত জীব এই সকল কথা দ্বারা তত্ত্বজ্ঞানের উদয়ে অবিদ্যার শাস্তি হইলে, পরস্পর অংশ এবং অপ্রতিরুপে অবস্থান করিতেছে। উক্ত আপনাদের সশ এই ব্যক্তিও জীবন্মুক্ত হইবে । ৬-১০। ব্রহ্ম রােতর স্বরূপ সেই সকল সিদ্ধ লোক স্বীয় স্বীয় রূপ আপনাতেই অবিদ্যা ঙ্গানকে সৎকপে ধারণ করিয়াছেন, এই প্রাপ্ত হইয়া বে স্থানে পরস্পর গত হইয়াছে, সেই ব্ৰক্ষপণার্থে ভযেই অবিদ্যার রূপ অসৎ হইলেও সংরূপে শক্ষিত হয়। যাৰ তাহার প্রোভপে অতি হইয়াও তাহারা পরস্পরকে দেখিতে এই বিদ্যাকেই ব্ৰহ্ম মুনিয়া জ্ঞান হয়, ততক্ষণ ইহা অপরজ্ঞত পায় না। এই গগনস্বরূপা গ্ৰ আকাশেই প্রকাশিত হয়। থাকে, কিন্তু পরিজ্ঞাত হইলেই আর ইহার স থাকে না। ইহ: অনন্যদৃষ্টা চিপা এবং আপনি আপনার স্রষ্টা। ৬১-৬৫। এই মােহরূপ মাধবজরী অবিল্যা অনন্ত নানাবিধ ফলশলিশী নিশাবসান্দ্রে অন্ধকার-স্বরূপ এই সৰু পরিজ্ঞাত হই অরূপা, মনােহারিণী এবং সমী। এই অবিদ্যা, বনজাত সেও যথাস্থত অবস্থান করে আমাত্রে পরিণত হয়। বেলায় স্থায় অন্তঃসারশূ, গ্রন্থিী কোমল স্পর্শযুক্ত, জ্ঞানের উদয়ে অশেষবিথ বিশেষ বিশেষ নের নিরুত্তি যারা কন্টকম, অনুপর্ণা, অড়ব, সময় এবং বিস্তৃত। ইহাতে এত অ স্থিরীকৃত হইলে এগ সংই হওক বা অসৎ বুখা ফলের আশা হইয়া থাকে, বস্তুতই নি অথচ মনো- হউক অর্জিত হয়। সমুদ্রে জলবিন্দুসমূহের বোন প্রতিশে হাৰিণ, এবং এসময়জাত পুষ্পমালা চায় ইহা অশুভাঙ্গিনী বিশ্লষ ও সম দৃষ্ট হষ্ট হয়, ব্রহ্মরূপ সমূত্রে জীবণের পর বলিয়া পরিগণিত হইয়া থাকে। ধীথ মােয়ী রনীয় সেইরূপ বিশ্লেষ কে সম হইয়া থাকে। সৃষ্টির বিলাস ঋগের চায় অকিঞ্চৎরূপিণ হইয়াও নানাভুষনব্যাপিনী অনস্বরূপা দু- মত এভিজ্ঞত হয়, আদিতে চিৎ কেবল আকাশময় ছিল। কুল এবং শালােক। এই অৰিা কেনাে জাতির নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তর। ৭৭৭ - - । = স্যায় নানাবিথ গ্রন্থিসতু, ৰা দৃশ্যমান দৃশ্যমান হইয়াও , হা হইলে একান্ত মিথ্যা হইয়া যায়। ফলতঃ জগৎ একান্ত অকিঞ্চিৎস্বরূপা। ইহা চিমাকাশে বিচিত্ৰৰণ, গুণ বিতত ; মিথ্যা , কেবল সঙ্কল্পবলেই উহা ব্ৰহ্মচৈতন্যে আকাশ-কুনুমানির কুতি এবং উৎপাতসূচক ইন্দ্রধনু স্থায় বিরাজমান। ১১-১৮। কায় প্রতিভাত হইতেছে। সঙ্কলবলে সব প্রতিভাত হইতে ঐ অবিদ্যা বর্ষাকালের নদীর খায় বহু জড়-তরজয়ী (নদীপকে' পারে, ইহাতে বিশ্বষের বিষয় কিছুই নাই। ২৮=৩৫। যে জড জল, অবিদ্যাপকে মোহ) কলুষিত ফেনযুক্ত চক্রের স্থায় যদি বল, আমারা সঙ্কৰলে ইচ্ছামত দেখিতে ৰা কাণ্ড অবর্তসহুল ও বিল। উহাতে অনন্নত ও শত অগপ করিতে পাই না কেন? তাহার উত্তরে বলি, তােমাদের সেরূপ শূন্য মরীচিকা নদী বহিয়া যাইতেছে। ঐ অবিদ্যা শ্মশানভূমির তীব্র বাসনা নাই, তাই সঙ্কল্পবলে ইচ্ছামত কাৰ্য করিতে পার জী রূষ শুষ্ক ধূলিয়াশিমী। সুপ্ত ব্যক্তি যেমন স্বপ্ন । হে মাথো! সঙ্কলের তীব্ৰবাসনাৰে থাকিলে, এক্ষণে তুমি নগরে ভ্রমণ করিয়া তাহার অন্ত পার না, সেইরূপ এই যন্ত্র বা অয় যে কেহ ইছামত আকাশেই নগৰ নিৰ্মাণ করিতে পার। নামক স্বপ্ননগরেও জগতে) চিরকাল বিচরণ করিয়া কেহই এবং এই বর্তমান শরীর পরিত্যাগ করিয়া অচিরে সেই কলিত ইহার সীমা প্রাপ্ত হয় না। যে সকল জীব এক দৃশ্যজগতের নগরের অধিবাসী আর এক দেহী হইয়া তাহা ভােগ করিতে দেহ পরিত্যাগ করিয়া সেই অগদাকার ভাবনা সুদৃঢ় করিয়া ' পায়। যে ব্যক্তি দৃঢ়সঙ্কলবলে পূর্বোক্ত সিদ্ধনগর ও আপনার রাখে, মৃত্যুর পরে নিরাকার হইয়া অবস্থিত সেই জীবগণের কল্পনায় পুরাদি এই দুইয়েরই অস্তিত্ব স্বীকার করি তহু সল্পজালই আবার অন্য জগৎ ও অৱস্থ দেহাকারে প্রতিষ্ঠিত অনুগামী হয়, মৃত্যুর পরে সে ঐ কল্পিত সিজনগরে বাস ও হয়। চিলাকাশের কোষস্বরূপ তাহাদের সেই সঙ্কল্প-পরম্পরাই স্বর্গদি-সুখভােগ অৰই প্রাপ্ত হয়, শরবলে সে হাই সত্য যমনপুরী ইত্যাদি আকারে নভােমণ্ডলে সিদ্ধলোকরূপে পরিণত বলিয়া সুদৃঢ় আশা করিয়া রাখে, তাহাই প্রাপ্ত হয়। স্বৰ্গও হয় , ফল ঐ সকল সম্বন্স বিবর্তকপ সিদ্ধনগরাদি (তত্ত্ব তথায় সিন্ধগল যেরূপ কল্পনাবলে জীবের অন্তরে প্রতিভাত জ্ঞ নীর চক্ষে দুষ্ট না হইলেও (অতত্ত্বজ্ঞানীর চক্ষে) সৎ এবং হয়, নরকালি দুঃখভােগও সেইরূপ কল্পনাবলে প্রতীয়মান হইতে ( অজ্ঞানীর চকে) সম্যক্ দৃষ্ট হইলেও (তত্ত্বজ্ঞানীর চক্ষে থাকে । খাকে। সবলে মনােমধ্যে যাহা কিছু অঙ্কিত করা যাইবে, অসং হইয়া থাকে। মৃত জীবের সঙ্গবিব ঐ সিদ্ধনগর , দেহ থকুক বা নাই থাকুক, ভাই অনুভূত হইবে, কারণ দেহ ক্রমে সুষণ, মণি, মাণিক্য, মুক্তাদি বিভবে পুর্ণ হইয়া উঠে, । মনময়, মনের কল্পনায় দেহ আপনা হইতেই উৎপন্ন হয়। ক্রমে উহা ভক্ষ, ভােজ্য, অন্ন-পানাদি, সুধাময় সরােবর, মধু, ! ৩৬-৪০। জীব সকলে যেমন এক দেহ ভাবনা পরিত্যাগ ম্য, দধি ক্ষীর, ঘৃত প্রভৃতির নদী, চৰং সুন্দরী কামিনীবর্গ, করে, সঙ্কল্পকালে আবার পই অন্য আর এক দেহ তখনই সকল ঋতুর ফল, পল্লব, পুষ্প ও সুন্দরীদিগের হাবভাববিলসে দর্শন করে , আকাশময়ী ভাবনা শুভ হইলে আকাশকেই ভক্ত পরিপূর্ণ হইয়া উঠে। সেই মৃত জীবের সঙ্কল্পমাত্রেই আকাশেই 'লোকরুপে গর্শন ও অনুভব করে, এবং অশুভ হইলে ঐ সকল প্রকার বিবের সমাবেশ হইয়া থাকে। ১৯-২৭। আকাশকেই অশুভ-লােকরূপে দর্শন ও অনুভব করিতে থাকে। সঙ্কলে কোন কোন সিদ্ধনগর সহস্র চনুমণ্ডলে পুণ, কোন বিন্ধা চি সিদ্ধনগর দর্শন করে ও তথায় অবস্থিতি করিতেছ কোনটী শত সূৰ্যে শােভমান, কোনটা সুবর্ণময়, কোনটা অমৃত- বলিয়া বোধ করে এবং অশুদ্ধা চিৎ অশুভ নরক-দুঃখভােগ করিতে ময়, কোনট বা জলষয় , কোনটা মােন, কোনটা প্রকাশময়, থাকে। যাহায় অতজা চিং সে মৃত হইয়া মনে করিতে থাকে, কোনটা নিত্য আনন্দময়, কোন কোনটা বা তুলশির ন্যায় আমি বণায়মান পাষাণচক্রবুগলের মধ্যে পড়িয়া পিষ্ট হইতেছি, অতিলঘু, বায়ুবেগে স্বেচ্ছামত স্থানে নীত হইতে পারে। কল্পনা, অন্ধকূপে পতিত হইতেছি, আমার আর উদ্ধার নাই। দারুণ যশে কোন কোন নগর উৎপন্ন হইয়া আবার ক্ষমাত্রেই । শীতে আমার শরীর পাষাণ (বরফ) হইয়া গিয়াছে। পিট যিনা-প্রাপ্ত হয়। কোন কোনটা বা দেবগণের আবাসভূমি ' সঙ্কুল অঙ্গাররাশিসমাকার্ণ মরুহুলীতে আমি বিচরণ করিতেছি। হইয়া চিরস্থায়ী হয়, তাহাতে অন্নপানীয় বস্তুর প্রচুর সমাবেশ আমার গাত্রে ভ জ্বলন্ত অক্ষরময় মেষ হইতে জ্বল হইয়া পড়ে। সে সকল দেবপুরী বিচিত্র সন্নিবেশে বিচিত্ৰবিভবে অঙ্গারনিচ বর্ষণ হইতেছে। আমার গাত্রে উত্তপ্ত নাচ এ পূর্ণ, সকল ঋতুর গুণনিচয়ে সদাই সুশােভিত, সকল প্রকার। বৃষ্টি হইতেছে, পাষাণ, চক্র ও অন্ত্রসমূহ নদীর স্থায় যহিয়া কামনায় ফলপ্রদ হইয়া উঠে। শাৰিহিত সংক করিয়া যাইতেছে, এমত দুর্গম গগনে আমি সঞ্চয় করিতেছি। আমার তাহার ফলাকারে—অর্থাৎ তৎভংগ্যে কলাকালে পরিণত হইয়া , বলোপরি যেতি তুঠারের আঘাতে আমার বাল বিলী। সুদৃঢ়ভাবে অবস্থিত মৃতজীবের চিত্ত কিরূপে পূর্বোক্ত মুলভাবে | হইয়া যাইতেছে। উত্তপ্ত লৌহপাত্রে আমি ম শকে পরিণত হইৰে অহা বল দেখি। মনের মানােরখকলিত হতে, নিপতিত হইয়া অর্জিত হইতেছি। বিশাল এ পড়ি যেমন চিত্র সাইকেল ললিত হয়, সেইপ জগৎ কেবল কটকট শব্দে নিশীড়িত হইতেছি। আমার শরীরে চক্র, ব ব্ৰহ্মচৈতন্যম হইলে আমি যাহা বলিতেছি, তাহা সঙ্গত হইতে গদা, এস, শূল, খড়গ ও থাকা বর্ষণ হইতেছে। শাল্মলী পারে, অর্থাৎ ব্রহ্মচৈতই সঙ্কল ভ্রমনে যে জগপে বুকের কন্টকাৰ গাত্রে ঘৃষ্ট এইতেছি; পান অন্ত্রে বন্ধ হই বিবৰ্ত্ত হইতেছে, ইহাই যুক্তিযুক্ত বলিয়া বোধ হইবে। তন্তি | লেছি। শত শত কুৎসিত শক্তি অন্ত্রে ও বিঞ্চিত হইয়া যদি প্রকারান্তর থাকে ত বল দেখি জগৎ কি প্রকার ? সৃষ্টির | যাইতেছি। ৪১-৪১। উত্তপ্ত বালুকারাশিতে পড়িতেছি, প্রাক্কালে ত এ জগৎ কিছুই ছিল না এবং তাহার কারণও 'পাতালে ভূখিতেছি, দীপবেশধারী উস্কাননে দগ্ধ হইতেছি। কিছুই ছিল না, সৎ জগৎকে ব্রহ্মচৈত হইতে পৃথক ভীষণ অলঙ্ক অজাঙ্গাশিমখে নিপতিত হইয়া তথা হইতে আয় বলিয়া স্বীকার করিয়া আর কি বলিতে চাও? আমার যুক্তিতে নির্গত হইতে পারিতেছি না। এর, শক্তি, গণা, এসি, দুতী -- নে তাহা সেই ভাবেই। ক'লে ঈ। বিচি আৰ এতিম ও তেমনি এই ভি ভিসার এই অতি হইতে থাকে। ইহা আগৎ, ৭৭৮ চক্রান্ত্রে সিদ্ধ হইতেছি। আমি প্রেত ইয়াছি, অ স্থিতি কম। সাগর হত যেন জমালা উখিত ই সক গেতের সহিত মিলিত হইয়া মূখার আবেগে পরস্পর গত চরণ দেীপ্যমান এই আত্মা হইতেই জেনি এই বাথরূপী বিবিধ করিতেছি। জলবৃক্ষ অপেক্ষা তিউক্ত প্রণে হইতে কঠিন বিচার প্রতিজ্ঞ হই কাৰ্যকারণ আৰপন্ন হইয়াছে। বাস্তবিক শিলাভলে নিপতিত হইতেছি। এপত্তি কৰিৰ পৰশ নদীতে কার্যকারণ আৰাপ না হইলেও কাকশাৰে এভিজাত পড়ি পড়িতেছি; শিলাময়, অশ্বময়, অ ও হীর পদতলে হইতেছে। স্বকীয় স্বৰ্গলে আকাশই যেমন স্বস্তিকালে প্রতিভাত পিষ্ট হইতেছি। আমি জলময় অন্ধকার গর্তপ্রদেশে নিপতিত, হয়, সেইরূপ পরম সঙ্করণে আপনাকে অগক্রপে জ্ঞান পেচক আসিয়া আমার গামাংস হিড়িয়া খাইতেছে। যমদূত করে; ফলজ্ঞ ইহাতে ৰাৰ পৃথালি পদার্থ আবার কি? পর- ও আমার গাত্রে মূষলাশ্বত কম্বিতেছে। শকুকূিল আসিয়া নখে এই ভ্রম (জগৎ প্রতিত) এভিজত হইতেছে, অথচ আমার মস্তক, কর, চরণালি ভিন্ন ভিন্ন করিয়া খাইবার ও ব্যস্ত কি হইছে না, ব্রহ্মে ব্ৰহ্মই রহিয়াছেন, তিনি নিজেই অবিদ্যা ইতেছে। আপনার পাপ কর্ণ সকল ঋণ করিয়া, সে আরও আধ্যা প্রাইভেনে। এই পরব্রহ্ম চিনবনরূপেই নীৰ ভাবিতে থাকে যে, আমি এই কুকর্ণ করিয়াছিলাম বলিয়া অস্ত্র কোন প্রকারে (পৃথ্যালিরূপে) ঘনীভাব নাই, এই নিখিল এই ফল প্রাপ্ত হইয়াছি; পূণেও অনেকবার আমি এইরূপ ; জগং চিকাশই, ইত্যাকার জ্ঞানই পরম জ্ঞান, এইরূপ জ্ঞান ফৰ্ম্মের গলপ্রাপ্ত হইয়াছি। চিত্তাকাশে এইরূপ সচেতন দেহালি ধারাবাহিক হইলেই মুক্তি । ১৩। ১৩। চিদাকাশ শুরূপী বা অভূতপূর্ব আর যাহা কিছু এভিভাত হইয়াছে বা হয় নাই, আকাশের নীলিমায়পের গায় অজ্ঞানরূপ অবলম্বন করিয়াই সমস্তই কল্পনার মহিমায় মন হইতেই হইয়াছে, সময়ই মনােময়, বিশাল ভাখিপে পরিণত হয় জগৎ ইত্যাকারে প্রতিভাত সঙ্গলবলে যাহা অনুভূত হয় ইচ্ছা করিলে সঙ্কল্পলে তাহাকে হইয়া থাকেন, তিনি পৰিষ্য শায়। যিনি নিকি একেবারে চিরস্থায়ী কৰা যাইতে পারে। ৫০-৫৬। সমাধিমগ্ন হইয়া দেহ পৰের উচ্ছেদ করিয়া সাক্ষী চিল যাথিকশততম সর্গ সমাপ্ত। ১৬• ভানা করিতেছেন , তঁাহার চিৎকারূপ ব্যতীত এ গন্তৰ- দর্শনে শক্তি থাকিতে পারে কি । অহা আমাকে বল। আকাশ- রূপ চিংপশাখের আকাশভাগ বােধ এবং বেশ স্বভাববশতঃ যেখানে বেতাৰে এজিত হয়, এফষ্ট্যধিকততম সর্গ। প্রতীত হ-অর্থাৎ অজ্ঞান প্রভাবে অক্ষপে ও নষভাবে রাম জিজ্ঞাসিলেন-প্রকা। আপনি এই যে শত শত মুখ' চিপে প্রতিভাত হয়। অবধি তিমির-রােগগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষে দুঃখ-শাসছুল মুলি- ব্যৱস্থ কীৰ্ত্তন করিলেন, ইহা কি প্রত্যহ চন্দযুগল প্রতীভিন্ন স্থায় এই দৃশ্যপ্রাপ্তি আকাশময়ী হইলেও পরিমান স্বপ্নাদি বৃত্তান্তের স্থায় স্বতঃসঙ্গটিভ, না অন্য কোন অবিবেকীর নিকটে কিছুতেই প্রশমিত হইবার নহে, (প্রশমিত কারণ বশত সলটিত হইয়াছে। বশিষ্ঠ কহিলেন, আকাশময় হইবেই বা কি?), যাহা কিছু দৃশ্য হইতেছে, সমস্তই যখন ঈ প্রতিভারূপ অন পরমাত্মহাসাগরে সর্বদা স্বতই প্রব- একমাত্র নিরাময় অন্যদি অনও চিকাশ, তখন প্রশমিতই বা ভিত হইতেই। যেপ শুরূপ হইতে অবিরত শলকণা কি হইবে। ১৪-১৮। নিজ জনপ পরিত্যাগ না করি- উদিত হইতেছে, সেইরূপ চিলাকাশের ৎিসায় ঈদৃশ এভীতি আই আত্মার স্বপ্নবং সারে প্রতিষ্ঠা, তাহাই এই জগৎ। অবিরত হইতেছে। নিখিল পদখেই যা পৰ্য্যন্ত কারান্তরে, অধ্যাত্মণপ্রতিপাদ্য বিষয়ের বিচার করা বুদ্ধিকে তা করিয়া গণিত না হয়, ততক্ষণই স্বীয় আকারে প্রতিভাত হয়, যেন সেই তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবলে আত্মাকে সুপ্তৰৎ নিশ্চল বিকাশ করিতে মৃত্তিকা ও। মৃত্তিকা যতক্ষণ ঘটভাব ধারণ না করে, ততক্ষণ পাৰিলেই প্রকৃত চিপ বুঝিতে পারা যায়। অ্যভিচারিণী (বিকার- উহা মৃৎপিণ্ডাকারে পরিভাত হইতে থাকে , যখন ঘট হয়, তখন শা নিতা) যে সম্বি মােদের নিকটে অৰিা ৰা আশা- এর উহা মৃৎপিণ্ড বলিয়া পরিণত হয় না। একমাত্র অবয়বী { কারে নিরূত হইয়াছে, আমাদের নিকট তাহার ভাল এভিভাণ যেমন বিবিধ আকাৰ ৰা অবয়স হয় , চিন্ময় ই প শীতে খুশিরাশিয় ব্যয় একবায়েই নাই। ৯-২১। অগ্নভূমি এক আকাশময় হইয়াই বিবি আকারে প্রতিভাত হইতেছেন। যেমন স্বপ্নাকালে নিজের অনুভূত হইলেও কুত্রাপি নাই, এই ১-৫। এই বিষ আকৃ িমধ্যে কোনটা কোনটা স্থির কোটা ও মেনি বাফুত হইলেও পা, কুত্রাপি ইহা ৰা অস্থির বা স্বামী অভিজাত ইলেছে, ফল সমস্তই নাই। । স্বপ্নে যেমৰ চিনাকাই বাহপ্রকায় প্রতার আকাশ আর জল ঐ এলেই অবস্থিতি করিতেছে। এ দমান থাকে, এএৎকাও তেমনি দাৎ সাক্ষী কশে ঈদৃশ বিচিত্র ভাব প্রতিভাত হয়; ফলত ইহাতে সারই। যা অল্প, ভ্যাকার যে এভীতি; তাহা প্রতীতি অশে কি? এর অসায়ই বা কি সই বা কি, আর এগৎই | একই, সুতরাং সত্যনখরণে উহা (তেতি) নাই কি হইবে? কারণ এই নিশি বৎ যৰ্থৱপে পৰিজাত অল্পকালের ঘটনা যেমন অগ্রণায় প্রতীয়মান হয় না বলিয়া ব, চিনাকাশরূপে পবসিত হইয়া যায়, সুতাং ইহাকে মিথ্যা যশি বােধ , সেই জাতির প্রবুদ্ধ মােগী মৃত্যুর সবা বলি কিরূপে, আর অসৎই বা বলি কিরূপে? হ ক পরে এগর্তে গ্রহণ করিলে তাহার পূর্বজগে টিনা সকল লি। এই সংসার একমাত্র শান্তিময় এল, ইহা শাল কালে বিদ্যমান না থাকায় এত্য মিথ্যা মা খালা লিনাকাপেই এতি হইতেছে। ইহাতে আস্থা না হইয়া যায়। ২২। কে কালের অলতা ও দীর্ঘ কি? ভােলা ইহার যথার্থ স্বরূপ অবলম্বন করিয়া জেলেই স্বপ্ন ও ভ্যাকার বুদ্ধি জেইে, দুৰ T ১ ও নির্বাণ-এ-উsuগ। েউঅই সমান। অগ্রদূতাব দিয়ে ও স্বপ্ন এলে, অগ্রভাব বাড়িয়ে ও স্বপ্ন এতে, কিন্তু সন্তই একমাত্র বন্ধ। তাই বলিয়া অঙ্গকে মৈতদ্বৈত এইরূপে স্বপ্ন ও আগ্রডে পার্থক্য বলা বাইতে পারে না; সশক্ষিণে ভান করা উচিত নয়, ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করিতে হইলে কারণ ৰাজত্ব ও আভ্যন্তর আগ্ৰৎ ও খ উভ অবস্থাতেই প্রথমে তৈমৈত নিখিল এক ৰূপে লিগ কৰিৰে আছে, জাগ্র স্বপ্ন ইহাৱা দুইটা যেন যমজ, ঠিক একই পরে ‘ই নয় ইহা লয়” এইরুপে নিবিল গৈতের মাল এর প্রকার। ফল জাং আহা, গল্পও আহা , স্বপ্নও বাথ, বি সি এগারূপে চিদাকানে এললিত সৈবের জাগ্রও তাহাই। কালক্রমে জগ্রও স্বপ্ন এই দুরেই বাথ তার একীভাব প্রাপ্ত হইয়া সেই আনন্দঘন চিনাকাশেই হইয়া যায়, কিছুই থাকে না। ২৬৮। যতদিন জীবন থাকে পাষাণৰং নিলভাবে অবস্থিতি কৰিৰে। হে ! এইরূপ ততদিন যেমন শত শত স্বপ্ন মশন টিয়া থাকে, তদ্রুপ মুক্ত চিন্ময় ব্রহ্মে পাষাণবৎ নিশ্চলীয় প্রাপ্ত সঞ্চল ও অনুশ্চেষ্টা জীবের মহতী অনিদ্রায় শত শত আগ্রৎ ॥টনা ঘটিতে শূন্য হইয়া তুমি ঘনিয়মে ঈীয় বর্ণানােচিত কর্ম করত আপনার থাকে। জাগরিত ব্যক্তি যেমন নিদ্রাবস্থায় উৎপন্ন হইয়া ধ্বংস- অষ্টদেশে গমন, পান, ভােনাদি বাহা কর্তব্য, সমস্তই করিতে প্রাপ্ত বহু স্বপ্ন স্মরণ করিয়া থাকে, সেই সিন্ধ যােগিগল আপনার থাক। ৪-৪৬। শত শত পূর্বজন্ম স্মরণ করিতে থাকেন। এইরূপে অনুভব একষ্যধিকশত সর্গ সমাপ্ত। ১৬১। রূপী আত্মা যখন সর্বাংশে সমতাপ্রাপ্ত, তখন বষম্য আবার কোথায়, সবই এক আগ্ৰৎ স্বপ্নের ব্যায় প্রতিভাত হয়। বিশষ্ট্যধিক শততম গর্গ। অর্থ যেমন এক , জাগ্রও স্বপ্ন এই দুই শব্দের অর্থও তেমনি বশিষ্ঠ কহিলেন,যখন সকল দৃশ্য পদার্থের স্ফুরণ বিষয়ে এক। বিশাল স্বপ্নপুরী যেমন একমাত্র চিন্ময় আকাশ, এই চিদাকাশই হেতু, তখন এই যথাৰন্থিত আগৎ বাহরূপ দর্শনে ও অগও প চিময় আকাশ। অতএব বিদ্যা আবার কোথায়? অন্তর জ্ঞামে বাহাস্থ্যন্তরস্থ সমূহ লইয়া সেই চিনাকাশই যদি সেই আকাশরূপী ব্ৰহ্মকেই অবিদ্যা বলিয়া নির্দেশ করিতে মাত্র, এত কিছুই নহে। স্বপ্নদৃষ্ট পুরের প্রতি উপভোগ- ইচ্ছা কর ত কর, আহাতে আমরা বিবাদ করিতে ইচ্ছা করি কারীর তত পুররূপ ধারণ করে, তথ্যতীত অন্য কি থাকে না, আমরা বলি, নিখিল ভ্রান্তি নিবৃত্ত হইলে যাহা থাকে, তাহাই না, তদ্রুপ এই জাগ্ৰদৰস্থায় পরিমান অগৎপ্রপঞ্চও আকা- আমি, এবং পূর্বে আমাদের নিকট যে কল্পনা ছিল, তাহাই শের আয় শূন্য মাত্র জানবে, (ক্ষতিও তাহা উক্তি ঘ) এ বন্ধন , এক্ষণে সে সব গিয়াছে। ফলতঃ আত্ম নিত্যমুক্ত কপি সংসার নানা (অর্থাৎ দ্বৈত) কিছুই নাই। স্বপ্ন পুরু, আকাশ- তিনি বন্ধ নহেন, অতএব তাহাকে বৃথা বদ্ধ বলিয়া ভাবিও না, পুর, গবনগরের ন্যায় এই মান নানা স্বরূপ নাই- নিরাকার নির্মল চিন্ময় আকাশের আবার বন্ধন কি? ২৯-৩৫। বাস্তবিক উহার কিছুই স্বরূপ নাই, কেবল স্বীয় সাঞ্জিভূত আত্ম- এই যে দৃশ্য নামক অবিদ্যা, ইহা সেই স্মিয় আকাশই প্রতি- নিবন্ধনই তাহার আত্ম-অর্থাৎ স্বরূপ পরিলক্ষিত হও, সুতরাং ভাত হইতেছে, অতএব ইহার আবার বন্ধই বা কি আর একমাত্র ঐ চিদাভাসই নানা না হইয়াও নানাস্বরূপে পরিকৃষ্ট মোক্ষই বা কি? এবং কোথা হইতেই বা তাহা হইবে ? বাস্তবিক হইভেনে। সৃষ্টির আদিতে—অর্থাং প্রলয়সময়ের ব্যয় এখনও অবিদ্যা নামে কিছুই নাই, বন্ধু বা মোক্ষও কাহারই নাই। বিদ্যা এই জগৎ স্বপ্নকাণ পুরের গায় আ হইতেছে, বাস্তবিকই বা অবিদ্যা কিছুই নাই। একমাত্র আজ চিই প্রতিভাত অসং, কিন্তু তোর গায় অবস্থিত রহিয়াছে। কেবল স্বরাজ হইতেছেন। স্বপ্নে যেমন আকাশই নগরাদিয়পে প্রতীয়মান অর্থাৎ অন্তদশী প্রাজ্ঞ, তাঁহাদিগের যাহা ঈষৎ ত, মূর্খলিগের হয়; সেইরূপ চিৎই সৃষ্টিরূপে প্রতিভাত হইতেছে। একদেশ তাহা অজ্ঞাত এবং বহুষ্টি অক্ষিগের যাহা ঈৎ জাত, অহা হইতে অন্যদেশ প্রান্তিকাল মধ্যে যে সন্সিলের আকৃতি (নির্বিষ আবার প্রাজ্ঞলিগের অৰিচিত, এইরূপ আজ্ঞ অরে অনুভব জ্ঞান) লক্ষিত হয়, তাহাই আগ্ৰৎ ও স্বরূপে নূর স্বরুপ, বিসংৰাগ প্রযুক্ত এই অগণগেও বিবাদ এবং এই সর্গ- ইহাই স্থির। বাহ ও আভ্যন্তর দৃশসমূহের প্রকাশের নিমিত্ত শব্দার্থ সত্যাসত্যসময় স্বরুপে বর্তমান (এই অত্যই কি এ কি সর্বদা জাগরুক স্বয়ংজ্যোতি আত্মার যে আকৃতি (রূপ) হাই অক্স, কাহাদিগেরও অসুস্থৰ অনুসারে এই প্রপঞ্চের কিছু ব্যবস্থা ৎ, স্বপ্ন অবস্থার ব্যথার্থ রূপ।৩-৪০। অতএব আগ্রৎ- হইতে পারে না। কারণ ভার্মিগের উন্নয়ের পরস্পরের সূত্র স্বপ্ন ভেদজ্ঞানকেই ও উভয়ের সাক্ষী চৈতন্যস্বরূপ বলিয়া আলিও , বিসংবাদ এক্ত বাস্তৰিকত্ব কাহারও বিদিত নহে)। কেন না, কারণ আগ্রহ, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি এই অবস্থায় অনুগত সাক্ষী চৈতন্য পূর্বেই বলা হইয়াছে, তা কেবল অন্তর্ভূক্তি ও বর্ণ বীত আর কে আছে যে, এইরূপ চিতির পার্থক্য দর্শন করিবে কেবল বাহসিশন, ঐ উভয়ের বুবত্তির অন্তরালে যাহা সুতরাং ভেদজ্ঞান, অভােগন, দ্বৈত, অনৈত সমস্তই সেই শান্ত অবস্থিত, তাহা তাহাৱা ৰাং বুঝিতে ৰা ভােলাকে বুঝাইতেও অখও একমাত্র চিদাকান। সচ্চিানন্দরূপ বক্ষের সদংশ যেমন সমর্থ নহে। সর্গশকাৰ্থৰ বুলিতে থাকিয়াই কুরিত হয়, বোধ ও বােগ্রা-(বে) রূপে একই ;সেইরূপ দ্বৈত ও দ্বৈত অবাহে, ভাতে মত্ত অমতে ভয় প্রান্তে পৰম্পলের আন একই পদার্থ , চিলশ (জ্ঞানংশে ) কিছুমাত্র পার্থক্য অতবুদ্ধিগ প্রযুক্ত ঐ এপরুপ, ইহাই যৌক্তিক প্রসিদ্ধি নাই। কারণ যাহা দৃষ্ট (অজ্ঞানবিষয় )হইবে, তাকেই বলা হার মধ্যে বিমানের বুদ্ধি সর্বদাই বিজয় জাক, এই বা; নি । তিনি সহি যে ব্যক্তি যির-বিলি বি যিয় ও লােক বলে, আর অজ্ঞানের বুনি বও কেহ নিরুপণ করিতে পারি না। একমাত্র সম্বন্তু এই অলি আগৱক ৰলিয়া অস্থির এ বি এলাে করি। যখন দ্বৈতরূপে এভিজাত হইতেছে, তখন থৈ অতৈ ঘাহা কিন্তু বুদ্ধি গত যে এপঞ্চবরূপ অহা অত্যন্ত অঞ্চলেও ৭। যােগবাণিষ্টামায়। নহে বা বাহিরেও নহে, এই অ তাহা জ্ঞানী অজ্ঞানী উভয়েরই কি হইবে? কারণ ইহাদিগের আত্মা মােপকে মগ্ন হইলেও অগােচরে স্থিত, জমিবে। যেমন জল ভ্ৰৰ বলিয়া ভাল নদী- তাহারা উদ্ধারের উপায় (চিন্তা করে না। যেরূপ আচতুর জলে অবস্থিত, তদ্রুপ চেতন প্রযুক্ত—অর্থাৎ আসানি- গ্রাম্য ব্যক্তি মৃন্ময় বেলস এলােফন কবুত তাহার মৃত্ব বন্ধনই এই লালহরী চিৎকাপে (অন্তরালে) অবস্থিতি করিতেছে। না বুঝিতে পারিয়া ভ্রমে পতিত হয় এবং তাহারই যেরূপ ঐ মৃন্ময় অতএব জগৎ চিৎচমৎকার ব্যতীত অন্য কিছুই নহে; যাহা বেতানসভা ভয়-অনাদি দুঃখের কারণ হয়, কিন্তু যাহার যথার্থ বগত্যা কিছুই নহে, ঐ চিংস্বরূপ বলিয়া তাহা সত্যস্বরূপে জ্ঞান—অর্থাং উহা মৃন্ময় মাত্র, বাস্তবিক বেতাল নহে, এই জ্ঞান অর্থাৎ কিছু বলিয়া উপলব্ধ হয়, যেমন স্বপ্নপুৱাদিতে বহুবিক হইয়াছে বা যদি ঐ গ্রাম্য ব্যক্তিই সেই জ্ঞান হয়, তাহা হইলে, অদৃশ্য ও দৃরূপে প্রতিভাত হয়, সেইরূপ ঐ চিংস্বরূপ প্রভাবে তাহার আর ঐ মৃন্ময় বেতালসভা ভয়ছরাদির কারণ হয় না, বাস্তবিক অদৃশ্য ও দৃশ্য—অর্থাৎ দৃষ্টিগােচর হইয়া থাকে। কিংবা সেইরূপ এই ব্রহ্মময়ী দৃষ্ণলক্ষ্মী অজ্ঞেরই দুঃখাদি ভঙ্গের কারণ, মায়তে পতিত চিং প্রতিবিম্বই জীব জগৎ নামে কথিত । আর ইহার যথাযথ জ্ঞান হইলে একমাত্র ব্রহ্মই অবশিষ্ট থাকেন। ঘট-পটাদি দ্রব্যের প্রতিবিম্বের যেমন মূর্তি না থাকিলেও মুক্তির জ্ঞান তখন আর দুঃখাদি ভঙ্গ কিছুই থাকে না। কারণ যথাণ উপলব্ধি হয়, তদ্রুপ ঐ চিং প্রতিবিম্বরূপ জীব-জগদাদি বাস্তবিক জান জমিলে যাহার নিবৃত্তি ছিল না, সেই এই সমস্ত দুঃখানি অনু—অর্থাৎ বস্তুত মূর্তিবিহিত হইলেও মূর্তিমান বলিয়া বোধ হেতু বিষয়াদি নিবৃত্ত হয়, যাহার সত সর্বদা অনুভূত, বর্তমান হয়। ১০। তন্মধ্যে পিশাচ দর্শনের ন্যায় ভ্রান্তিময় মিথ্যাভূত থাকিলেও তাহার বিজয় ঘটে, বাস্তবিক অজ্ঞান হইলে আর দৃশ্য এই দেহাত্মতা ভ্রান্তিই প্রবল ক্লেশনিশান। যাহা মনােরাজ্যে পদার্থ দৃষ্টি পথে থাকিলেও দৃষ্ট হয় না। যেমন স্বপ্নাবস্থায় স্পষ্ট ন্যায় অসত্য যাহালমান জলবিগের ন্যায় চঞ্চল, ও বহা জ্ঞানী অনুভূত হইলেও স্বাগং জাগরণ অবস্থায় অসত্যতাই নাই অজ্ঞানীর অনুভাব বিবেচিত হইয়া অসত্তায় উপনীত, হাতে করে, সেইরূপ অনুভবে সত্যতা প্রাপ্ত হইলে ও এই সৃষ্টি আবার আত্মতা প্রসক্তি কিরূপ ? যেমন পৃথিবীতে স্থূল বংশ বিদ- সংবেদনা ভবিজ্ঞান জন্মিলে চিন্ময় অন্ধরে শম্বরূপেই পরিণত রণ কালে বােধ হয় যে, তাহার অভ্যন্তরস্থিত শব্দ বহির্গত হই- হয়। জন্ম জরভূত কামক্রোধাদিরূপ দাবাগ্নিদগ্ধ জীবন-জঙ্গলে জেছে, বাস্তৰিক হাতে শব্দ ও থাকে না বা নির্গত হয় না ও বাগের তৃণ-পর্ণাদি আহরণের কখন প্রাপ্তি ও কখন বা যেমন জলে ভরণ-নিবহ হইতে বা অখিতে শিখালি হইতে অপ্রাপ্তিরূপ ক্রমে এই যে ইন্দ্রিয় সকল জীর্ণ হইয়া পড়িয়াছে আকাশে প্রতিধ্বনি শব্দ এবং বায়ু হইতে কণ্ঠতাল প্রভৃতি প্রদেশে সেই সকল ইন্দ্রিয়সমুহকে মত্ত মন ও প্রাণলি বায়ুর বহিঃসঞ্চারের বর্ণ, পদ ও বাক্যের ক্ষোট নির্গত হইতেছে বলিয়া বােধ হয়, কিন্তু সহিত জয় করিয়া জ্ঞানদ্বারা বিদ্যা জয় লাভ কর, তাহা হইলেই লেই সমস্ত শব্দ তাহার পুর্বে তাহাতে থাকে না সেইরূপ বাসনা মুক্ত হইয়া পুনর্জন্ম নিবারণ করিতে পারবে, অতএব তৎসাধনে ময় অর্থও আমি বিস্ফুলিঙ্গ প্রভৃতির স্থায় জাগ্রং ও অবস্থায় প্রত্নত্ত হও। ১৯-২১। আত্মা হইতে নিতি হইতেৰে বলিয়া বোধ হয়, বাস্তবিক কিন্তু দিষষ্ট্যধিক শসম সর্গ সমাপ্ত। ১৬২। আত্মাতে সে সমস্ত অর্থ থাকে না। সাদিতে আত্মচিৎই স্বপ্ন- শৈলবৎ প্রতিভাত হন, বস্তুত কিন্তু তাহাতে শব্দ অর্থ বা বৃত কিছুই নাই। যাহা এই বর্তমান রহিয়াছে বা প্রতিভাত হইতেছে ত্রিষ্যধিকততম সর্গ। সে সমস্তই পরমালভ্য, আর সতিরিক্ত যাহা কিছু সে সন্ত সৃষ্টির আদিতে কারণ প্রযুক্ত উৎপন্ন হন নাই। অতএব রম কহিলেন-ইন্দ্রিয়জয় ব্যতিরেকে অজ্ঞতার উপশম নাই, শব্দ-ভাবিহিত এখিলা একক সন্ধ্যোম স্বরুপ পরম অতএব সেই ইন্দ্রিয়জয় কিরূপে সাধিত হয়, হে মুনে। তাহা শান্তা বন্ধনিৰ্ব্বতি হইয়াছ, এইরূপ আপনাকে অনুভব আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন,—যেমন মন্দদৃষ্টি ব্যক্তির প্রজ্জ্বলিত কর। শুদ্ধবােবৈকরূপী আত্মবিশ্রান্তি লাভ করিয়া জীব প্রসিদ্ধ প্রদীপ সূক্ষ্মবস্তু মনের উপযােগী হয় না, তদ্রুপ যে ব্যক্তি প্রভূত শত উৎপন্ন অসং মনােৰিৰেপে পরিগর কর। কারণ আত্মাই ভােগে আসক্ত, বা স্বীয় পুরুষত্ব প্রদর্শনে অর্থাৎ উৎকর্ষ সাধনে আত্মার বন্ধু, ওই আত্মার বিপ; যদি আত্মার আর আত্মার নিরত কিংবা জীবনােপায় ধনাদি অর্জনে ব্যসনা, তাহার পক্ষে উদ্ধার না হইল, তাহা হইলে আর উপায়ন্তর নাই। ১১-১৮। শাস্ত্রাদি সাধন ব্ৰহ্মদর্শনের উপযােগী হয় না এবং ইন্দ্রিয় জয়ো- যে পৰ্যন্ত তারুণ্য আছে, তাহার মধ্যে বিশুদ্ধ বুদ্ধিরুপ নৌকার মুক্তিতেও অনুকূল হয় না। অতত্রব আমি তােমাকে ইন্দ্রিয়জয় অবলম্বনে সংসাৰ-পারাবারের অপর পারে গমন কর। যাহা শ্রেয় বিষয়ে অবিকল যুক্তি বলিতেছি, শ্রবণ কর। এই মৎকথিত অঙ্গ এখনই কর। বৃদ্ধ হইয়া আর কি করিবে। কারণ বার্ধক্যে যুক্তি অবলম্বন করিলে খরও সাফন সম্পত্তি মােফল সিদ্ধিলাভ নিজেরই পাত্ৰ পৰ্য্য আর বলিয়া বােধ হইয়া থাকে। শৈশব করে। পুরুষ চিত্ৰ আনিবে, সেই পুরুষ ঢিাধীন হইয়া জীৰ আর যে বর্ধক্য, ইহা পশুবাবা বা মৃত্যু বলিলেই হয় -অর্থাৎ নামে এভিহিত হয়, অতএব সেই জীবনামক-অর্থাৎ চিন্তাধীন আহার জায় জ্ঞান সাধনে অসমর্থ আর জীবের যে তারুণ্য, তাহা পুরুষ চিত্তবৃত্তি যাহা প্রথিত করে, ক্ষণকালয্যে তন্ময় হইয়া যদি বিবেকশালী হয়—অর্থাৎ তদবস্থায় বিবেক থাকে, তবেই তাহা তাহাতে আসক্ত হয়। সুজা মালৰ চিত্তবৃত্তি প্রত্যাহার আনসাধক ও হাই জীবের জীবন। বিদ্যুৎসপাতাল প্রয়াসে বাহাকার রুদ্ধ করিয়া ব্রহ্মাকার বােনরূপ সুখী এই সংসারে সিজীব সংণাস্ত্র ও মা মারা কর্মম হইতে অংশ প্রয়ােগে মন্ত মনােখাকে এ কলিয়া ইক্রিয়ী হইতে শৱ গ্ৰহয় তা মােকদ্দম হইতে সেই পারভূত আত্মার উদ্ধার পালে, নচেৎ নহে। চিত্তই ইলিয়গণের নায়ক, সেই চিভের অই সাধন করিবে। হয় মানবগণ কি কুর। ইহাদিগের গতিই বা জয়, দেখ, চর্মপকায় চৰণ আত করিলে সমস্ত পৃথিবীই চর্ম- নিবারতাম। = বু হয়, তখন যেমন চ র একমাত্র পা আবরণ করিয়া সমস্ত বগিগ্ন শা, হার কায়শ বা অনুকু তাহাও অসম্ম। কন্টষ্ণ জয় করিতে পাৱা যায়, সেইরূপ কেবল চিত্তকেই আবরণ হে রাম'। লগ্নেয় সংবিডি ও মাত্রই স্বরূপ; সুতরাং সেই স্বপ্ন করিলে সর্বজয়ই সিদ্ধ । হায় চিতাবচ্ছিন্ন সংৰিংরূপ জীবকে যে যে রাজা-বিজ্ঞপিরূপ বহুমত হয়, সে সব চিতিই রুপ, আকাণে—অর্থাৎ নিৰ্ম্মল হ্মে রােপিত করত একাকারে পরিণত কারণ সেইরূপ কর্তা কর্ম কারণ কিই অপেক্ষা করে না, জাৎ কৰিয়া অবস্থান করিতে পারিলে মন শরৎকালীন তুষারের রায় জগৎও—অর্থাৎ আগ্রণবস্থায় সমান জগৎও ঐরূপ আনিবে। এই নিবৃত্ত হয়। উক্তরূপ সংবিৎ যত্ব সংলােথ খারা—এখাৎ বাহা যাহা কর্তৃ কৰ্ম করণ নিরপেক্ষ, তাহাই চিনঘন মাক অহং যত্নহারা জীববিতে ব্রহ্মসংবিদে সরোধ করিতে পারিলে যেরূপ স্বরূপ, এই গবেদ লক্ষণ জগতেরও সৃষ্টির আদিতে কর্তৃক চিত্ত শান্ত হয়, তা তীর্থপৰ্যটন, বিদ্যাস ও যজ্ঞাদিক্রিয়া কারণ ছিল, তাহা নির্দেশ করিতে পারা যায় না, তাহা পূর্বেই সমুহ দ্বারা সেরূপ হয় না। যাহা যাহা স্মরণ করা যায়, সে সমস্ত | প্রতিপাদিত হইয়াছে, অতএব তুমি অহং প্রকাশ আত্মস্বরূপ তদধিষ্ঠানভূত ব্ৰহ্মদবিতে বিলীন কারণরূপ সবি যারা নিশ্চয়ই হও' যেমন স্বপ্নাবস্থায় মৃত্যু অনুভূত হইলেও তাহার অস্তিত্ব বিস্মৃত হইতে পারা যায়, অর্থাৎ সেই সেই সংস্কারের উচ্ছেদ দ্বারা নাই কিংবা যেরুপ মরুভূমিতে ভ্রান্তিবিলােকিত এল ভদন তাহা আর স্মরণ পখে উদিতই হয় না। অতএব উক্ত উপায়ে বিদ্যমান বলিয়া বােধ হইলেও বাস্তবিক তাহার অস্তিত্ব নাই এইরূপেই ভােগের জয় হইয়া থাকে। এইরূপে প্ৰসংবেদন যত্নে ভদ্রুপ ঐ অবিদ্যা প্রতীতি দ্বারা বিদ্যমান আছে বলিয়া বােধ বিষয়কপ আমিষ হইতে সংবিংকে অহােরাত্র রোধ করিতে হইলেও জ্ঞানতঃ বাস্তবিক তাহার অস্তিত্ব নাই। চিদাকাশ নিজ পারিলে, তবেই সেই উপায় দ্বারা তত্ত্ববিদ বিলুধগণের অনুভব | শূন্য স্বরূপেই যে এই প্রতিভাস বিস্তার করিয়াছেন, তাহই জগৎ সিদ্ধ রাজাপদলাভ ঘটিল জানিবে । এইরূপ স্বধৰ্ম্মনিষ্ঠা ঘর | বলিয়া কখিত সুতরাং উহা কাকতালীয়বং মূল ভিত্তি, এ যাহা স্বতঃ আসিতেছে, তাহা আমার কচিকর, এইরূপ পদে | অর্থাৎ কিছুই উহার অস্তিত্ব নাই। এই নির্মূল (ভিত্তি শৃষ্ণ) বক্সের ন্যায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। তাহা হইলেই বতৃষ্ণ-সিদ্ধি অগং বাস্তবিক প্রতিভাত না হইলেও প্রতিভাত বলি। বোধ হই- যারা ইন্দ্রিয়জয় ঘটিবে। যেব্যক্তি স্বধর্মবিরুদ্ধ দেহ ত্ৰা সাধন তেছে, যে চিং প্রকাশ হেতু অপরােক্ষভাবে প্রখিত হইয়াছে, সেই অম্লাদিতে ইচ্ছা পরিহার করিয়া শম ও সন্তোষ অর্জন করিতে নিত্য অপনােক্ষ যই পরমপদ বলিয়া কখিত। এবং এই যে পারিয়াছে, এজগতে সেই ব্যক্তিই জিতেন্দ্রিয়। ১-১২। যাহার, জীবাদি বিকাশ প্রতিভাত হইতেছে, তাহাও সেই পরমপদ, মন সংবিং, অন্তরে সংবিং, রসিকতায় ও বাহিরে নীরসতায় বিরক্ত যেমন আত্ত-অঙ্গাদি বৃত্তিসকল জলই, তদ্রুপ ঐ আকাশ হয় না, তাহারই মনঃশান্তি হইয়া থাকে। সংবিং এযত্বের (প্রভৃতি সমস্তই) শূন্যময় জানিবে। যেমন অবয়বীর রূপ এক নিরােধ করিতে পারিলে মন বিষণের অনুধাবনরূপ দুৰ্বসন সাবয়ব হইয়া থাকে, তদ্রপ জীবাদিরও অবয়ব সেই এক ব্ৰক্ষ, পরিত্যাগ করে ঐ বিষয়ানুধাবন দুসনই মনের চপলত, চিত্ত আর তাহার কিন্তু অবব নাই। অথবা বালি সেই ব্রহ্মের সেই চপলতা হইতে মুক্ত হইতে পারিলে বিবেকের অনুসরণ অবয়ব, আর সেই এক ব্ৰহ্ম, তিনিই নিবয়ব। যেমন স্ফটিক- করে। বিবেকশালী উদাত্মাই জিতেছি বলিয়া কথিত। তাদৃশ শিলার অন্তরে গিরি নদী বদির প্রতিবিদ দ্বারা আভাস দৃষ্ট ব্যক্তিই এই ভৰসমুছে বলনারুপ তরঙ্গের বেগে চালিত হয় না। হয়, তদ্রুপ এই দুজলেও প্রাভাস মাত্র, সুতরাং তাহাও সেই নিরন্থ সাধুসঙ্গ ও সংশাস্ত্র অকলােকনে এইরূপ জিতেন্দ্রিয় শান্ত স্বচ্ছ অব্য চিত্ৰ ব্ৰক্ষ, উহাতে অবস্থাই বা কি? আর হইতে পারিলে জগতের যাহা সত্যবন্ধ, কেবল সেই ব্ৰহ্মবরই যখন চিক্ষের স্বভাবই জগদ্ধপ ভাসমান, ওখন স্বল্পবে আর সাংক’র লাভ হয়। এইরূপ সত্যসাক্ষাৎকার ঘটিলে, মরু- বিচার কি ? ২২-৩১। পরমপদে আদিৰ মধ্য কিছুই কল্পনা সৃষিতে মিথ্যাবস্তু লক করিয়া দ্রুতগমন দুধদায়ুি-মজ্ঞান নাই, এই অবিদ্যা স্বরূপ মাত্র। এই অবিদ্যা বলিয়া অবস্তু যেরূপ সত্যজ্ঞান হইলে বিদূরিত হয়, সেইরূপ সংসার সন্ত্ৰমেরও কিছুই এ জগতে নাই। জাঁৰ স্বপ্নাবস্থা হইতে আগ্রাবস্থাই নিরতি ঘটে। এই জগৎ অচেত্য, চিত্রই অবস্থিত, যাহার এরূপ । প্রাপ্ত হউক আর জাগ্ৰদবস্থা হইতে স্বপ্নাবস্থায়ই উপনীত হউক, সত্যবোধ জন্মিয়াছে, তার আর বল মােক্ষদৃষ্টি কোথায় ? | যেমন সেই একই জীব ও একইরূপে অবস্থিত থকেপ জগও যেন অশুদ্ধ হইয়া মূত্রকার বিরহিত হইলে প্রাপ্ত হয়, যে ভাবাপন্নই হউক, সমস্ত চিত জগৎ সেই একই ব্ৰহ্ম , ভদ্রুপ এই অকারণ দৃশ্য জ্ঞানরূপ অসি দ্বারা ছিন্ন হইলে আর , এইরুপে গড় অবগত হওয়া উচিত। সুধুৰ-অর্থাৎ পুনরুংপন্ন হয় না। কারণ, শুমাত্রেই বেদন স্বীয় অবিদ্যা বশত | অজ্ঞানাবৃত হইয়া আত্মায় স্থিতি ও তুাষা শুদ্ধাত্মতা এই তুমি আমি ইত্যাদি রূপ ধারণ করে, অতএব সাধ্যন্ত আমি তুমি আবার ভ্রান্তিকৃত সর্পের অন্তরে অজ্ঞানরজুও কেবল জয় ইত্যাদিরূপ এই অগংকে জ্ঞানবলে পরিহার করিয়া অথ্যস্ত ন্যায় স্বপ্ন জাগ্রং এই অবস্থার মধ্যে যার বুদ্ধি বুদ্ধ, সে বিলক্ষণ অধিষ্ঠান মাত্র হইবে। মুং অবিল্যামাত্ৰ পৰ্য্যবসিত ব্যক্তি আগ্ৰৎ ও স্বাস্থাকে একই সে তুর্থ বলিয়া জানেন, এই আমি তুমি ইত্যাদি জগৎ মিখাযুক্ত স্বতঃই শান্ত হইয়া (তুর্যতাৰ বুদ্ধধীরই পরিজ্ঞাত)। অীের নিকট জাগ্রৎ, শমাত্র স্বরূপে চিনাকাশরূপ তাত্ত্বিকরপে অবস্থিত জানিবে। মুধুপ্ত এই অবস্থায়ই তুষস্থায় বর্তমান, কারণ অবােধর ১৩-২১। চিলাকালে চিজামাই জলে ভাসমান , অবিদ্যার অভাব, সুতরাং তােৰী মন্থ হইলেও অদ, বেননা, ঐ চিৎই যখন অস, তখন জগৎ খরূপ, তাহার কারণ, যাহাৱা অবিদ্যার পরে বর্তমান, তাহাদের খৈত অর্পিত কি, তুমি দি পৃশ্য বলিয়া জগৎও শূন্য, এইরূপে উ ,ইহাই সিদ্ধান্ত আমি ইতালিয় কানাই বা কোথায়? হলিগের বোধের এই উভয় গত বিৰলশনই দৃষ্টান্ত; কারণ, অল্প সময় | উদয় হয় নাই, সেই সকল শিমতিগণই যে অদ্বৈত জাদি ভেদ অর্থাৎ মিখা হইলেও অনুভূত, অসময় বলিয়া শূয় ও অনুভূত ধ্যাপক বাক্য সন্দর্ভ বিভ্রম লইয়া ক্রীড়া করে, আর কােণী ৩ এবীগণ তাহাদিগকে দেখা যায় কয়েন। তবে যে এবু নিগম রে দুই এক লেয় মাত্র অশে পা মহাত্মগণ শালিতে মৈত বিবাদ পরিত্যাগ করেন নাই, তাহার করে না; আর যে বুভি, তা ত এবংবি। বিকৃত উপ- প্রতি ইহাই গুৈৰিহা লয়কাণ নিহিত ময়ীরূপি, বাক্যেও এই দুয়ই অত সুয়ে স্থান পায় না। যদি কে শিষ্য এবােধই আমায় ফল, বিল বৈবিবাদেয় কখন এবােধ- এই দু মােস আবৃতি করি লিকার আশ্বাস রূপ আকারে এল একাশ পায় না। ৩৭-। এই করে এবং ইহার শ্রবণ ও মােলক আর চাষা) অই আমি খুলবে তােমার নিকট উপস্থিত হই তর্ক করে, তাহা হইলে সে ব্যক্তি এ ইলেও যে বিষাক জৈত বিচরণ করিয়াছি, গৃহের নানীর ন্যায় ইহাও , ভহা নিলেহ। আয় যে ব্যক্তি বা একবার লেখিকাই তুলমণিলয় (বিদ্যারূপ) জম্ম মানা করিবে, আনিবে। “দেহইয়াছে” বা পরিত্যাগ করে, আম (গ) এইপে অবিদ্যা-গুম খালিত হইলে অধিকারী হইতে পারা শানিচয় হইতে ও অধিগত হয় না। এই পুরুষার্থ ফলপ্রদ যায়, তখন ব্রহ্মময় চিত্ত ও ব্রহ্মগত প্রাণ হইয়া পাকে বােধ আUান রে র স অধ্যয়ন করিবে এবং ব্যাখা ও পূজা এলান করত নিরঙ্কর সেই ব্ৰহ্মীর কথােপকথন করিতে করিবে। - বাহা বাহা পাও , সে সকল কে করিতে পরম পরিতোষলাভ বটে ও সর্বদাই ব্রহ্মাণে রমণ হইচ্ছে লন্ধ হইয়া থাকে, কিন্তু এই শাস্ত্র ভাত হইতে পারিলে হইয়া থাকে। এইরূপ ভাবে প্রতিপূর্বক ভলাকারী ও সতত বেদের পূর্ণক্রিয়াকাণ্ডাৰ্থ ও উত্তরনকাণ্ড বিচারপণ ব্যক্তিগণেরই কালক্রমে ঐ মদুর্দিষ্ট বুদ্ধিযােগ আত্যধিক অশুরি নিবারণ ফলপ্র হয়। বেদান্তে যে বৃঢ় হইয়া উদিত হয় সেই বুদ্ধিযোগ উদিত হইলেই তাহাদিগের তাৎপৰ্য নির্ণমানুফুল হক সিদ্ধান্ত বষস্থাপিত আছে, তাহা মােক্সনামক পরমপদ লাভ হইয়া থাকে। দেখ, সামান্য ভুণেরও এই গানেই উপলব্ধ হইয়া থাকে, বলিতে কি, এই আখ্যানই অগ্নি, জল, পশু আলি হইতে রক্ষা কইতে হইলে, শ- শাই গ্যে উত্তম বলিয়া অখ্যাত। আমি ইহা কপটতা সাধিত উপায় অপেক্ষা করে, আর এই ত্রৈলােকাসমূহের করিয়া তােমাদিগের নিকট বলিতেছি না, ফারুণ্যবতই আমার ব্ৰহ্মীতাৰ সম্পাদন দ্বারা অত্যকি বারূপ তত্ত্বজ্ঞান বিনা ইহা উক্তি, আর ভােমরাও এই দৃশ্যমূহ যে মিথ্যা মায়া, যত্নে কিরূপে সিদ্ধ হইতে পারে? যে নিরতিশয় আনন্দলশ তাহা জগত আছি। তাহা অবগত আছি। অতএব তােমরা এই শা, বিচার কর। উত্তম স্থিতি নিকট-মামুন হইতে আরম্ভ করিয়া হিরণ্য- এই শাস্ত্র প্রধান হইতে যে জ্ঞান উৎপন্ন হয়, তাহলে অন্যান্য গর্ভানন্দ পর্যন্ত উত্তর শত শত এ উৎকৃষ্ট সুখভােগ লাল শাস্ত্ৰ পৰ্যন্ত লবণদানে বনের ন্যায় রুচির হইয়া থাকে। সায় চতুর্দশ ভুবনজে বিস্তীণ, অৱগত এম এ অসমর্থ লােগাসলুজি জনে এই আখ্যানকে কাব্য বলিয়া আদরণীয় অধ্যাত্মব্যসন (আসক্ত) বিরহিত অখিল গীবসমূহ তুচ্ছ যে, কত পুনঃ মৃত্যুপরম্পরা ভােগ করিয়া আত্মাকে ভােগে আসক্ত উপস্থাশ, সেই সর্বোত্তম খ্রিতি কোন মােহগর্ভে পাভিত করত আত্মহা না হউক এবং পুনঃপুন ত্ব পাইবে? এ বিষবই যত্ন করা উচিত। গেৎ আমগা তেল না করুক। কাৰণ যেন মনের অস্বরূপ এই যে আদি সুখ, ইহার ত কথা কি? দুরভিমান করত সন্নিহিত গজল ত্যাগ কলিজা, “আমার অন লাভকাপ সর্বোৎকৃষ্ট চরম বিশ্রামের নিকট দোজও বিজয় কুপ থাকিতে এ গান কবি” এই অভিমানে সেই তৃতুল্য। বেন অলড্রিাভিভূত দৃষ্ণবিষয়ভেগে য ও কৃপের ক্ষার পান করে, তথাপি সলিহিত গজল পান করে তাহাতেই সৰল বুলসএই দৃঙ্গল,নেই মগ্ন থাকে না, দ্রুপ আমাদিগের কুলে পিতৃপুরুষগণ কর্মাদি নিষ্ঠাই তদ্রুপ - সাধুগণ বিষয়ে অনাসক্ত অনুপ্ত প্রায় অরুন করিয়াছেন, আমাদের পূর্বপুরুষগণ মীমাংসক, আমাদের থাকি সেই নিভি আনন্দকে প্রলুদ্ধাবস্থায় অন করত | পূর্বপুরুগণ ভৰিক নিলেন, এব আমরা সেই বংশদূত তাহাই দেখিয়ে কে, ফলে নিগণ যাহাতে - সেই বই অবলম্বন করি, ব্যাস্থ শাম তাহালা যখন সুরে যায় কি-মুখ, অজ্ঞানী জগতে এক আয় করুন নাই, তখন আমরা কেন করি? আদি বিচার বলল অঞ্জলী বিৰী যাতে মু. জ্ঞানি সেই ব্ৰহ্মপনে সই করি না, হাতে খুন জায়রা লাভ করিয়া মুখই অগনিত থাকিয়া দিনশে মত্ত থাকেন আনিবে (ক)। লাভ করিবে; অতএব মূখভালা ॥ যেন পূর্বোক্তচ্চিার একি (সই গাের) সিভিলপ যারা এই কয় ভাগ করিও না। ৪৫-৫৬। দেশ বাতিল না ; সিয় না; পরল হন ৱিষ্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১৩। অজ্ঞাস করল। আমি জোনিয়ে আল ফজর - मनापान या मल लिया सानि शासनासावयास मिहिर, सिया অনেক বলি বা সব পু এক্স বিলি কলম চতুঃষষ্ট্যধিশততম সর্গ। তারে কি লেন? লক্ষন पछि परिनन- मर्म मhिone তাে এব; ক খ গ ন , নে এ অ দূত হিয়া গিয়াতে জীবগুণ এখৰ সেই দিন সকাল বিলব বাশ গবে ( embeपालिागणार समान, बऐ बारे or mamm वनिता PRIMARो। परिणनिमाविला नवल नगा me বিতা , পা না, অন এর নির্ধারণ ৭-০ জীবের তে , কলকা-শিখি - যধিকততম । জলজ , সেই ডে বা এমনি উলাফি তেল সনই পরম খণ্ডকাৰ ফালে এ কার টি কহিলেন, স্বপ্ন, ও সুষুপ্তি হয়। আবার প্রাপ্ত হইলে নিজের উপাধি স্ব জে পরিভাগ করিয়া পরস্পর পরুশয়ে প্রবেশ দ্বারা প্রত্যেকই ত্রিবিধ, যথা জe. খাকে। এ পীবের বিশিষন পরলয় বিলৰ আগ্ৰ, আগ্রৎ-স্বল্প, অগ্ৰৎ-মুক্তি, বা আগ্র, স্বপ্ন স্বপ্ন, স্বল্প প্রকাশিত এই ব্রহ্মকতায় বিহের ছেলে মে সুষুপ্তি, সুষুপ্তি জাগ্রৎ, সুষুপ্তি স্বগ, ও সুষুধি সুষুপ্তি,) তাহার স্যায় ও এসি বি আর অবিন্যা-নিন্মলে মধ্যে আগ্রন্থগুগে মােরাজ্যে ইন্দ্রিয় ব্যাপার নিরপেক্ষতা এক বিরুন ধৰিাক আর পুরাত কৈবাক্যতা সব সমগ্র পদার্থ কেবল মনােৰ বলিয়া স্বপ্ন খুলনায় স্বপ্নই আগ্র- হইলে আৰু অৰ এবাৰী দি তাৰ বার ভেদক আয় ভব প্রাপ্ত হয়; স্বপ্নেও এবংকাল আমি নিশ্রিত ছিলাম, এখন এপ কি হইবে। বৈতে তােদর এ আশা যেন না হয় যে, আমি জাগরিত হলাম, এইরূপ প্রতীতি দেখা যায় বলি অবিল্যান্তঃকরণে দেহভোলি বহুতে পূর্বে এ ভিই প্রসিদ্ধ। জাগ্রত বানুবলি আগ্রই বন্ধত্ব প্রাপ্ত হয়। থাকে। পরে বিদ্যা বালান গাৱা বৈজাৰ , যেরূপ স্বল্প আগ্রতে প্রবেশ করে, অপ আর স্বপ্ন হইতে কারণ ব্ৰহ্ম তবেই বিষয়, তাহা সৰ্থ অবস্থায়ই জেলদি প্রবুদ্ধ হয় এবং স্বরূপ আগ্রহ হইতে প্রবৃত্ত হইয়া জাগ্ররূপ মত একই কখনও তাহাতে তৈরূপ মল নাই। স্বপ্নে প্রবেশ করে, এইরুপ পরস্পর অনুপ্রবেশের গায় পরর অতলের বিষয় না, আমরা তাহা অবগত নহি। নিমিতাও দেখা যায়। আগ্রপ্তৰন সর্বদা স্বপ্ন এই- কারণ আমি, তুমি ইত্যাণি রূপ মণিবন্ত তত্ত্বজ্ঞান বিষয়ীভূত রূপ বলিয়া থাকে এবং স্বপ্ন জাগ্রবান ও জগৎ জাগ্ৰৎ এইরুল নাই এবং উহা কোন বস্তুও নহে। কারণ ক্ষের নিকট এই অভিহিত করে, ফলে উভয়ের যশে সঙ্কও পরিদৃষ্ট হয়। সেই আমি এই অ, ইহা সভ ইত্যাদি বুদ্ধি সম্ভবপর হয় সেই স্বপ্নাবস্থায় যে জাগ্রৎ, তাহা এই সাধারণ জাগ্ৰনবহার গায় না। দেখ, পিপাসিতেই মৃগতৃষ্ণিক প্রসিদ্ধি। আর স্বভূতে অনুল হয় বলিয়া তাহা জাগ্ৰৎই, স্বপ্ন নহে এবং এখথে সুমেরুতে পিপাসা এমনি নাই, তথায় তার মৃগতৃষ্ণিকা কোথায় ? মনােরাজ্যে অনুভবকারীর (জৎ) বই, জাগ্ৰৎ কদাচ নহে। যেমন ইহা স্থাণুই, ইহা শুক্তিই ইত্যাদি একরূপ অব্যর্থ বিপরীত এবথারণ করে, অর্থাৎ আগ্রতে সর্বদাই লঘু কালা- যেমন ইহা দ্বাণুই, ইহা শুক্তিই ইত্যাদি একরূপ জব্য (স্বপ্নের অল কাল ও আগ্ৰত্রে দীর্ঘকাল পরস্পর অনুপ্রবেশ নিশ্চয় যাহার হে, তাহার যেরূপ ভলিউহা ব্যাণু বা পুরুষ ইত্যাদি সংশয় বা ইহা শুক্তি নয় বুলত ইতাদি দ্রাভিজান মুক স্বপ্ন, ও স্বল্পকাল সাই লঘুকালাত্মক আগ্ৰৎ এবম্বিত) ১৫। এইরূপ পরস্পর সাধ্য কারা হাই বুঝা যায় যে, আরে না, তক্ষপ পরম ও নিশ্চিত হইলে আর লেমন থাকে না। ১-৬। এই অং ছিলও না বা উৎপন্ন হয় নাই, জাগ্র ও স্বপ্ন ইহাদিগেয় কখন কোন জে নাই, উভয়ই একে ইহা মানও নাই বা হইবে না, অৰে যে এই অগৎ সৃষ্ট আর বেশ থাকায় পরস্পরালুপ্রবেশ ঘহিয়া, সুষ যুক্তি হইতেছে, ইহা সপ একাই এইরূপে অতি; এই আয়া দেখিলে উভয়ই অসন্ময়। তুমি ইহা বুৰিতে পায় না, অগত্ৰহ্মই অবস্থিত জলিবে)। এইরূপ না আর গৃহীত স্বপ্নের নিবুভি আগরণে ও স্বল্প দৃষ্ট অর্থ জাগ্রন্থায় মাত্র। চিকাৰ এতিম ও এভাবেই অস্থিতি করি, কত জাগ্রত্নেও স্বপ্নের ন্যায় নির্বক্তি নাই বা নয় দুই পা তদশায় জীবন্ত সেই শুদ্ধ ব্ৰহ্মই অগ, এই সেই ব্রহ্মা র্থের অসাও কোন কালে নাই, অতএব যখহইতে আগ্রন্থ এরা অবগত হন, তখন এত কিছু তালিশের জােতর বৈশষ্ট প্রতীয়মান, আহার কারণ এই যে, আগ্রহ হয়। যেমন রে ও যশােকরি না এক সেই ঘর, তাহাও মৃত্যুকালে যে পরমােক এবােধ ওভি he এল চিলাকাল ব্যতিরেকে এ কিছু নাই, এর নাম লক্ষণে জ এখােথ তৎকালে তাহাৰ নিবৃতি আছে, এবং সম্প্রতি এই গ্ৰহ্ ও চি ভিলেকে কি এই স্বাবল স্বার্থ বােঘকালে ও বিকালে ঐ উপধি নাই, ইয়ণ উপা এপ এলেও জাগ্র-- ভাবেরই হইয়া অবস্থান বয়ে; এ দই গেন রূপায় নাই। খায় কি পূর্ব কি উপাদান কাল, আছে, বৈধ নাই। আর তুমি ইহাও বলিতে পায় না ও কি মিমিত করুণ, কি নই, আয় আয় ৫ ব কি গ্রনহা সৃষ্ট আগামী ফল আগ্ৰৎসাওয়ান কার বয় সৃষ্ট অর্থের আগামী দিবসে ঘরে এভাৰ কৈ, বর্তমানে তার মা কি? অত ফি ২ য় ; আর যাহা উড়তে চায় এতিত হচ্ছে, অনাদি থাকিতে বৈধ জানি। কারণ, জি নিয়ে সেই ব্ৰহ্মাণই বিভাৰ-এলশযুক্ত যা এত পরে মুক্তি নাই, খ, জীবিতাবস্থায় এ সময়ে- ইনে। অতএব কে কোন অগই ইংলাক নাই; ; এলেইলে অন্যকার হয়ে একাধিক গুণ বােথােয় তিনি পরলােক এ কি কি बाब बरे बालबिवापि समोर লেগ ইন; কিসে এল ঐ ইলেও ভ্রান্তিবশনাল হইয়া ৰিত কাজ ব্রাশত ও দি সিন কাল (লে আশা খে বিনা। লােক এও সেই পলকে কেলি পৰি এইলে बानियानी लन শও সর্গ সমান্ত।১৬৪। पराधियाना, ज्या पार ঐ চিত্রিতল মিতি (এ এম ৭৪ যােগশয্যায়। মৎকুতিমাত্রস্থলে) এভিত রহিয়াছে। আগ্রাবস্থাতেও অত্যন্ত বিহিত খ্যাতি শৰ সেই আঘাতে এক ই পারে দৃশ্যমান উঘাদির আকার প্রকৃত প্রকাশ পাইলেও স্বপ্নদৃষ্ট , (অব চিত্ররূপ লগে এখন কথিত অতি প্রভৃতি উৰীৰ স্যায় অসতরণে বর্তমান জালিৰে। তেঃপদার্থের শব্দের ও গতি আহার কারণ দেশ, খ্যাথার অর্থ এখা- আলােকের স্থায় এই যে অগদাকানে পূর্ণকালে প্রকাশমান রহি- | ভা, এতমের অর্থ গ, তাহা হইলে খালিকা শখ যাই আছে, উহা চিগাকারেই স্বভাব। কি গগনে, কি ভিত্তিতে কুেডে), ' খ্যাতি যে অর্থ হইল; আহা হইলে আগ বাতিই বা কি কি স্বলে, কি অলে, সৰ্ব্বত্রই সেই চিভিন্ন স্বাভাবিক জগন্ধী হইলেন, তদ্বিপরীত অর্থ সমর্থিত “অ্যাতি এই বাক্যের যুক্তি চমৎকৃতি সাতিশ দীপ্তি পাইতেছে। অতএব যখন কেবল এই হাতে বী। আর বিচ ভ্যস্থ করিয়া খ্যাতি অখ্যাতি মাত্র অরূপ অসত্যরূপা ভ্রান্তিই সত্য ৰবং বর্তমান তখন করিয়া খ্যাপন অর্থ কৰিলেও সেই বকাশ স্বরূপ আকার এই ভ্রান্তিতে আর আগ্রহ কি গ্রহীতা, গ্রাহু ও গ্রহণ এই (গীপের বায়া দীপান্তরের পনের আয়) আর খ্যাপন অখ্যা- ত্রিপুটা অগংরূপ অসত্যই, এই জগৎ অধিষ্ঠান সত্তায় সই হউক, পন কি সম্ভব হইতে পারে। এইরূপে ইহা গৱা অসৎখ্যাতি আর অসৎই হউক, এ বিষয়ে সত্যাসত্যের এক নিম্নরূপ হুরা-1 ও অন্যথাখ্যাভিও নিরব হইবে। যদি স্বল্প মনােরাজাকি গ্রহে কি প্রয়োজন ? ইহা এইরূপ হউক আর অপ্রকারই তরে সমান অখ্যাতি, অন্য অখ্যাতি ও অসংখ্যতি চিত্ররুপ হউক অথবা নাই হউক এ বিষয় মোদিগের ইতর পক্ষাতিমান চিত্ত চমংকুতিই ভাসমান (ইহা স্বীকার কর, তাহা হইলে সম আবার কি? কারণ অজ্ঞান বশতই একতর পাতিমান। আমাদিগের কোন ক্ষতি নাই)। ঐ চিত্র ব্যোম ভাস্করের হইয়া থাকে, আর যখন তোমরা তত্ত্বতঃ সমস্ত বুঝিতে পারিয়ছ, (অয়ি বিস্ফুলিঙ্গবৎ কলিত) চিমৎশুনিচয় যখন যেরূপ যেরূপ- তখন তােমাদিগের এতদন্তৰ্গত ভোগলক্ষণ ও ইহার সত্যতা । ভাবে প্রতীয়মান হয়, তখন সেই সেই রূপই প্রকাশ পাইয়া এতিষ্টাকরারূপ ইতর লক্ষণ তুচ্ছ অসা, ফলে ফল গ্রহ অনু- থাকে। (তাহা হইলে) ঐ আখ্যাতি, অসৎখ্যাতি ও অন্যা- চিত। | খ্যাতি এ সকল চিৎচমংকতি আরা (মদীয়) আত্মখ্যাতি পঞ্চমষ্টাধিকশততম সর্গ সমাপ্ত। ১৮৫ | বিভূতি। আত্মখ্যাতি এই পদের অর্থ আত্মখ্যাতি যতি, তাহা আদ্যন্ত বিহীন, নিরুল্লেখ (বর্ণনাতীত ) ও এক ঘনারে অবস্থিত। ঐ বিষয় এক অিধুনােপাখ্যান বলিতেছি, শ্ৰব- ষষস্ট্যধিকততম সর্গ। কর। তাই দ্বৈতদৃষ্টির দূষণ ও বােথ ভাস্করের প্রকাশ-শাধন বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম! বােধ হয়, তোমার ইহা সন্দেহ ১-১১। এৰু সহজকোটিয়ােজন পরিমিত নীল গগনকুডে হইতে পারে, এই যে চিচ্চমৎকুতি জগন্নাথে বিখ্যাত, তন্মধ্যে তার কঠিন বিমল ও বিশাল এক শিলা আছে। সেই শিল অখ্যাতি, অসৎখ্যাতি, অথখাতি ও আত্মখ্যাতি, এই চারি সন্ধিবন্ধাদি অবয়ষ সংৰে ঘটনা-বিহীন আকাশের ন্যায় নি প্রকার যে বাৰিলে খ্যাতি তাহার মধ্যে কোন খ্যাতিতে নিবিড় বসা ও বিশ্বাণ, তাহার গর্ভ অতিপষ্ট ও কঠিন। এই চিমৎকৃতি প্রতিভাত রহিয়াছেন ?” তাহা বলিতেছি শ্রবণ অসংখ্য কনিচয়েও তাহার বিনাশ নাই, দেখিতে ধন, কর। এই যে বাদিভোসম্মত ভেদচতুষ্টয় সেই সমস্থ ভেদই মনােহর এবং নিলতায় গগনের ন্যায় ভাসমান । উহার সঞ্জয় বিশ্বদৃষ্টিতে শ-শৃঙ্গপ্রায় অলীক, আর যে পঞ্চমী অলৌকিকী বল্পের অগ্রসিদ্ধি বশত বিশিষ্ট অর্থাৎ বিজাতীয় ব্যাবৃত আত্মখ্যাতি তাহাই সার্থক। সেই বাচ্যর্থসহিতা, অখ্যাতি শব্দ- জাতি কাহারও জ্ঞান গােচর হয় না, এবং কোথায় কি প্রকারে বিৱহিতা, অখণ্ডক পদদ্বয়লক্ষ্য আত্মখ্যাতি বক্ষ্যমাণ শিলো- অবস্থিত বা উৎপন্ন, এইরূপ দেশ কাল প্রকারও তাহার অত্যন্ত অরৎ নিরন্তরমনা আনিবে। “আত্মাই খ্যাতি” এই পদ্বয়ের অপ্রসিদ্ধ, উহা সা একইভাবে অবস্থিত। ঐ যে নিবিড় সামানাধিকরণ দ্বারা অন্বয় করিলে আত্মাই কি আর খ্যাতিই অনন্ত কঠিন বসার অবিনাশী শিলা, উদ্ধার যে ভূক্তভূষ্টয় বা কাহার? এইরূপ আশঙ্কাও তুমি করিতে পার না, কারণ,- (ত্যিকােমরুং) বিবতি অর্গর্ভ, তাহাতে চিত্রয় আদি সৃষ্টি হইতেই চিনাকাশ এইরূপৰে বিহীন আছে,সুতরাং, টিকা শিলা গর্ত চিত্রবৎ, অঙ্গভূত পদ্ম জাল শঙ্খচক্র গদা ও জাই আত্মতে চৈ শ এই স্বর্গর খ্যাপিত করিয়াছেন খাখালি বর্তমান। ১২-১৭। সেই শিলাজঠরে আকাশ বলিগ্রাই ঐ আই সগৰিষয়িণী খ্যাতি ইহা সিদ্ধ হইল।, বায়ু ইত্যাদি কিছুই ছিল , কিন্তু সেই শিলাই কাদৃশ মান এ এগতে নলীও প্রবাহিত হয় না, এবং এ গতে উন্মক্ষন নিম- অগগত চিত্রসমূহের আকাশ, বায়ু, এল, তে ভ্যাদি নম জনও নাই, (অন্য অর্থে চিবোমই ও ব্যোম জর্থে শূন্যতা | করেন এবং দেহ না থাকাতে নিজের জীর এই নাম অর্পণ করেন। অতএব প্রপঞ্চ ও তাহার খাতিই আত্ম),সেই নিষ্ক্রিয় বিদ্রুপ- | কাম কহিলেন,-উহা ও শিলা, অৰে উহাতে চেজ, ইহা ত বােম ব্যোমথরূপেই ঢাতি প্রাপ্ত হইয়াছেন। এই যে আত্ম | লােফ-এসিড়ি, তাহার আবার চেজ কিরুপে সম্ভব বলুন, খ্যাতি ইহা কখন ৰ কে খ্যাতি শক বিরহিত ও সম্পূর্ণভাব অএব যদি চেই হইল, নে কিরুপে গর্ভগত চিত্রের জানি উহার উত্তর পদ খ্যাতি শব্দ ও তাহার অর্থ আকাশ বায়ুকাদি নাম রিতে সমর্থ হইল? বউ বলিলেন, বতিকে প্রকাশ আত্মকেই স্বাত্মক সৃষ্টি প্রখ্যাত্মক , সেই শিলা চেতনওহে ৰা আৰু নহে, জয় দেখিতে বিপুল ও ৰতি আখ্যাতি বলিয়া থাকেন। যখন এই সমস্ত জগৎ | উজ্জ্বল আর এ কেই বা আছে। যে উহার অতি অবগত আত্রাই, হে আচ্ছ। স্বপ্ৰকাশআই, সেই স্বপ্ৰকাঙ্খা আত্মা। এছন। রাম কহিলেন, যদি এ কেহ না থাকে, তবে তাহার কল এতিরিক্ত খাতি দ্বারা খ্যাপিত , এইরূপে অখ্যাত গর্ভস্থ ভব-কথিত আকাশ বায়ু প্রভৃতি লেখাকে অবলােকন এই বাক্যেরই প্রয়ােগ যুক্তিসঙ্গত হইতে পারে, কিন্তু ভাবে কি করে? এর কেই বা সেই শিলায় টঙ্কা থাকা চিরেখা অফিত ।
নির্বাণ-করব-উত্তরভাগ ৭৮৫ ১৮ করিল, তাহা আমাকে বকুল। पनि कश्मिन, नई बिना সপ্তধিক শততম সঙ্গ। অতি দৃঢ়,তাহা ভেল্য এবং তাহার বেতাও কেহ নাই সেই শিলাই নিজ দেহ ধারা সমস্ত ব্যাপি আছে। তাহার কোট কণিষ্ঠ কহিলেন-আখ্যাতি, অসৎখাতি, অ্যাতি ও তথা চিত্রময় অনন্ত বৃক্ষ, পর্বতসমূহ ও শত শত নগর পুর বর্তমান খ্যাতি এই সকল,শা-বৃষ্টি তত্বজ্ঞানীর নিকট শশশৃঙ্গের ন্যায় রহিয়াছে। প্রতিমার চার তাহাতে চিত্রাকারে দেব দানব, সূর (অলীকভাবে) বর্তমান। হে নাম। অগখ্যাতি সত্ত্বেই তাহা অসূক্ষ্ম ও সাকার নিরাকার ক্লিাজ করিতেছ। তাহাতে অনন্ত- কিমাত্মক খ্যাতি কি অসৎখ্যাতি ইত্যাদি বিকল হইতে পারে, বিস্তীর্ণ এক আকাশনামে চিত্র আছে এবং তাহার মধ্যে চন্দ্র বখন তাহাই নাই, তখন হার চাতুৰিখ্য হইবে বল? আর্নিও সূৰ্য্যাদিনামে বহু উপলেখাও বর্তমান রহিয়াছে। তাহা শুনিয়া কখন কোন খ্যাতির সম্ভাবনা নাই, সকলই শান্ত, একমাত্র গদে। রামচন্দ্র বলিলেন-হে ব্ৰহ্মন। বলুন, সেই শিলাঞ্চিত লেখাসমূহ বিবর্জিতাত্মক খ্যাতি আদি কল্পনামূল চিত্ত চেষ্টা জ্ঞানময় কে দেখিছে ও সেই দৃষ্টলেখা বা কি প্রকার ? এবং সেই অতি আত্মাই বর্তমান। এই যে সকল আত্মণ্যাভ্যালি ভ্রান্তি, ইহা শিলাকোষবর্তী লেখাসমূহ কি করিয়া বা দৃষ্টিগােচর হয় ? বশিষ্ঠ চিত্র হইতেই উদিত হইয়া থাকে, কিন্তু সেই চিত্র পােত বলিলেন, হে রাঘব। আমিই ত ভাশলেখা নয়নগােচর শুদ্ধতর (সকল) ব্যোমস্বরূপ, আমি সকল কল্পনাই করিয়াছি, তােমার যদি দেখিবার ইচ্ছা থাকে; তাহা হইলে, চিন্ময়ী দেখিতেছি। ঐ চিংস্বরূপে এই আত্মা এই খ্যাতি ইত্য তুমিও (সমাধিবলে) দেখিতে পাইবে। রাম কহিলেন, কল্পনা ভমসন্তুষ পর নহে, এব এই সকল শব্দত্যাগ করিয়া (আপনিই ত বলিলেন) তাদৃশ সেই শিলাখণ্ড বময় কঠিন, পরমার্থ হও। অতএব এই জগংগমন স্থিতি ও ভক্ষণ কাহারও সাধ্য নাই যে, তাহা ভগ্ন করে, তথাপি আপনি তাহার ক্রিয়াশালী হইলেও উহা সর্ম প্রবৃত্তিশূন্য, আকাশৰৎ নিস্তব্ধ, গর্ভে অঙ্কিত লেখা কিরূপে দেখিতে পাইলেন ? বশিষ্ঠ বলিলেন নির্মল ও অখণ্ড। উহা নানা মহাশময় হইলেও শিলার স্থায় হে রাম। আমি বশিষ্ঠই রেখারূপে ঐ শিলগর্ভে বর্তমান রহি- শোনভাবে অবস্থিত, নিরন্তর গমনাগমন করিলেও আকাশের ন্যায় ছি, সেই জন্যই আমি অন্তর্বর্তী সেই অক্ষত লেখাজালে ও শৈলের ন্যায় অচলভাবে বর্তমান , নানাবিধ আরন্তণালী দেখিতে সমর্থ হইয়াছি। বাস্তবিকই বটে, কাহার সাধ্য আছে হইলেও মহাশূ ও নিরঙ্ক, পঞ্চভূতময় হইলেও আকাশের গায় যে, সেই শিলাকে ভয় করে, আমি তাহার অভ্যন্তরে অবস্থান শূন্য ও পঞ্চভূতবিবর্জিত সঙ্কলনগরের ন্যায় উহা সচেষ্ট হইলেও করিয়া তাহার অন্তরস্থিত সেই সমস্ত দেখিতে পাইয়াছি। নিশ্চেষ্ট, আকাশের ন্যায় অতি অল্প স্ত্রীসঙ্গমের গল্প ভান্তিময়। রাম বলিলেন, হে গুরাে । ঐ শিলাই বা কি, আর উহা প্রতিবিম্বগত রমণীর ন্যায় অনুভূত হইলেও ব্যর্থ, এবং উহা আপনিই বা কে ? এবং কোথায়ই বা আপনি বর্তমান নানাবিধ অনুভব ও নির্মাণের আপদ হইলেও বস্তুতঃ উহা ব- রহিয়াছেন ? আমি আপনার কথা কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না শূন্য। ১-১০। রাম কহিলেন, আমার বোধ হয়, এই জাগ্রৎ- আপনি এই শিলার কথা কি বলিতেছেন, বলুন, আপনি কি স্বপ্নাত্মক জগৎ প্রতিভানের প্রতি স্মৃতিই কারণ, ভ্রান্তি নহে, কারণ ঐ শিলাই দেখিয়াছেন ? বশিষ্ঠদেব কহিলেন,হে রাম। আমি ঐ স্মৃতি অধিষ্ঠানদোষে বা সাদৃসম্প্রয়ােগাদি কারণে উৎপন্ন ঐ বাগ ভঙ্গীতে তােমাকে পরমাত্মমহাসত্তা বলিয়াছি, উহা হয় না, উহা অবিদ্যমান অর্থাত্ৰগােচা (অর্থাৎ যে সৎবম্ভর বিপুল। শিলা নহে, জানিবে। পরমাত্মমহাসভারূপ শিলার তদানীং স্থিতি নাই, তাহারই মরণ হইয়া থাকে। অতএব নীর গর্ভে এই সকল সেই শিলায় মাংসের ন্যায় মাংসরূপ স্মৃতিবশতই এই অগং দৃষ্ট হইতেছে। বশিষ্ঠ বলিলেন- হইয়া অবস্থিত করিতেছি। অকাশ, বায়ু (বায়ু প্রভৃতিভুত (অবিদ্যা নিদ্রাদি দোষ হইতে উৎপন্ন বলিয়াও প্রকাশ চিৎ চতুষ্টয়) সেই শিলার অঙ্গ। এবং ক্রিয়, শব্দ, (প্রভৃতি বায়ু স্বরূপে সম্প্রয়ােগ অনুপ্ৰয়োগ নিবন্ধনই এই সেই চিৎ অধিষ্ঠান আকাশ আদি সর্বভূত ও ভৌতিক ধৰ্ম্ম) বসনা, (প্রভৃতি মূলক ভ্রান্তি, উহা স্মৃতি নহে। আরও দেখ, পূর্ব পূর্ব অনুভব মনােধ), কাল ও কল্পনাও সেই শিলার কক্ষ। ফলে কি ভূমি, পরম্পরার তুল্য প্রতিকৃতি দর্শনে স্মৃতি হয়, এই জগতের পুর্বে কি অল, কি অখি, কি ৰায়ু,কি আকাশ এবং মন,বুদ্ধি ও অহঙ্কার অনুভৰ ত জপ্রসিদ্ধ।) যে ঐ বোমাসামাত্র চিৎকাচচিক সকলই শিলার অঙ্গ। এই আমরা সকলে সেই পরমাত্ম (ফুরণ) নিবন্ধন ভিক্তি কাকতালীয়ায় শরীর প্রতিভা মহাসত্যরূপ শিলার মাংসস্বরূপ বর্তমান, আমরা ভাল হইতে হয়, তাহাই এই জগৎ। এই নির্নিমিত স্বরূপাত্মক সেই জগৎই ভিন্ন নহে, তবে ভিন্ন বলিয়া আমরা যে বুঝি, তাহা কেবল ভ্রান্তি সর্বাত্ম হইলেও মহা নিৰ্মাণ, বোমা হইলেও শাহ আত্ম- বশতঃই। এই যে চিত্রাত্মিকা মহতী শিলা, ইহা ব্যতিরিক্ত যদি হিীন, তাদৃশ পরাঅরূপ অধিষ্ঠানে বর্তমান। যাহা যে কোন কিছু থাকে, তাহা হইলে কি আছে, তাই আমাকে বল। এই যে সময়ে, যে কোন প্রকারে ও ৫ে কোলাপে অসিয়ত সময়ে ও বট-ট-পটালি, ইহাও শুদ্ধ বেল মাত্র ; অল যেমন উর্মিরূপে অনিয়ত স্থানে প্রতিভাত হয় অথচ যাহার ডান বস্তুগত্যা কিছুই পুখ, সেইরূপ এ সকল অবৎ প্রতীয়মান হইয়া থাকে মাত্র। নহে, সেই স্বভাব ব্ৰহ্মভানেত্রই সেই স্বভাৰ পরিহারহিত এই সমস্তই ধন, সমস্তই চিত্ৰখন হইয়া বিন্তীর্ণ, সকল পরমাত্মব্ৰহ্মই নিজ চপ্রযুক্ত এই জাগ্ৰৎ, ঐ স্বপ্ন, এই মই পরমার্থান ও মলই এক খনাকার। সমকাই সেই মহ. সুযু, ঐ দুধ এবং ঐ ব্ৰহ্ম ও আত্মা ইত্যাদি নাম গজাতে চিৎ শিলার নীয় উমর, উহার আদি অন্ত মথ কিছুই নাই, স্বয়ংই করিয়াছেন। বস্তুতঃ অথও নাই, জাৎও নাই, ৰা এ ব্ৰহ্মাত্মাই অস্বরূপ দ্বারা এই জগৎ ভুন ইত্যাদি পৰ্যায় মুমু তু, কি ভুখ্যাতীত কিছুই নাই; সকলই শান্ত গরম নামে এসি নামক কল্পনা দ্বীকার করিয়াছেন:১-৪। খে।১-৮। অথবা উহা সকই, উহা সর্বদাই ষ্ট্যধিকততম সমাখ। ১৬। আগ্রপ(কারণ চিংৰক্ষপের কখনও নাইএবং সর্বদাই যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। স্বপন (কারণ যাহা সৃষ্ট এই ভাতিমাত্র) ও উহা সর্বদাই সৰিল চিনাকারে মন, এখন যখন যেভাবে প্রকাশ পায়, সুষুপ্ত(কারণ উহা বিচাৰ মাত্র কিংবা সর্বদাই উহা তুৰ্যা, তখনই বনােপালে উহার উদয় ও অপ্রকাশে (কারণ সর্বদাই উ আগ্রাদি অবস্থায় আমি করিয়া কলিত হইয়া থাকে, যত বিচার করিলে উয় নিভোজিত। বর্তমান) উহাতীত, কারণ নির্বিকাবস্থায় সেই শান্তরূপীয় ২৮৩৫। যখন ঐশূন্তেই অজব্যক্তি অলীক পৃথিবী-আদিরূপে ভাই এই কিনা” এবং শূন্যতারূপ জলময় চিকাপ মহাবের অবগত হয়, তখনই এই বীর ভালেই পৃথীশিকল মংগর্তে ইয়াফেন কি কিছুইনহে, বুদবুদ কি কিছুই নহেইতা ধারণ করেন। ঐ মহটিভির স্বীয় জ্ঞান আকাশমাত্রই, তবে পরে বিজে কিছুই আমরা বুঝিতে পারি না। দুং এই সকলই সেই অজা মহাচিতি ঐ মুম্বরূপ তানকেই পৃথী-আদি বপনে। সর্বদা আগ্রাদি সকল কারণে বিভি। কনজ্ঞান বৃষ্টিতে ে(নামে) ব্যবহারপৰে নীত করেন। নয় এরা বাহা জ্ঞানগােচর করে, সে দ্রুপই অনুভব করিয়া থাকে, পুরের গল্প ঐ অব্যয় চিত্ৰই আকাশনিত নিজ আত্মতে ইং। আকাশের ন্যায় স্বপ্নে সৎ বা অসৎ বাহা প্রতীয়মান হয়, তাহা পৃথ্বী” এইরূপ অসংবিধূ অবলম্বন করেন। “তদীয় চিত্ৰই যদি সেইরূপ সৎ বা অসৎ হইয়া থাকে। এই সমস্তই সংবিৎকচন জগদাকা জন হইল, তাহা হইভােন কি? ইহার বিকল্প (অর্থাৎ সংবিদের পূরণমাত্র) বিস্তৃতাত্মা, চিপ গগনে চিজ্যোম করিতেছি না কেন” এরূপ আশঙ্কা তােমার হইতে পারে বটে, যেরূপ ন হয়, সেইভাবেই বিভাসিত হন। আহাতেই ঐ কিন্তু এ বিকল্প করা অনুচিত, কারন ঐ ভাণ ও অভান আকাশে সংবিৎকন ভানসারে ভাসমান হইয়া থাকে। ঐ সংবিদ আর বায়ুর স্যায় প্রাণশক্তিতে স্বভাব ও চিৎশক্তিতে অস্পস্বাৰ কিছুই নহে, তাহা চিতোমসম্বন্ধীয় সামতি, সেই সংবিৎ সর্বদা আনিবে। ঐ চিলাকাল বাসনৰ উয়ে যেমন যেমন ফুরিত হয়, এইভাৰে ৰওঁমান, সেই সংবিদেরই ই এই জগৎ; অএব সেই সেই রূপই এই জগৎ” ইহা ভাসমান হইয়া থাকে, ফলে যখন কবিই এই অগং, তখন উহার উদয়াস্ত কিছুই নাই। এই পৃথী-আদির কোন প্রকার নাই, ইহা শুয়ে শৃঙ্গ বর্তমান, মহাপ্রলয় সৃষ্টি আদি বে কালবিভাগ, তাহার মধ্যে মহাপ্রলয়রূপ এবং উহার সভাও নাই। উহা যেভাবে প্রতিভাত হইতেছে যে রাত্রিসমূহ ও সৃষ্টিলৰ যে চিননিচয়, তাহা সেই সংবিদেরই হউক, উহা চিদাকাশস্বরূপ বলিয়া সৎও নহে অসৎও নহে এবং কেনলিবৎ অবয়ব। তাহার ভান ও অতান এবং ভাস্বর চিপ ঐ প্রপঞ্চৰূপ কিছুই নহে, কিন্তু উহা অনির্বাচনীয়স্বরূপই। ইহা মায়া (১),এসকল কিছুই নহে, ইহা স্বভাবৎ বায়ুর স্যায় এই প্রকার বাইহা এই একার নহে, ইহা সৎ বা অসৎ, যে ভাবে মহাচিতির স্পন্দননা। অতএব জাগ্রৎই বা কি হইবে? আর অবস্থিত, তাহা জ্ঞই জানেন, কারণ লােকপৰ্যায় বৃত্তান্ত স্বপ্ন সুষুপ্তিই বা কি হেইবে, এবং ভূইবা কি, স্মৃতিই বা প্রাজ্ঞই অবগত আছেন, অপরে নহে। কারণ সেই প্রাজ্ঞই সক- কি আর ইচ্ছাই বা কি? এ সমস্ত কিছুই নহে, কেবল লের হৃদয়াকাণে আত্মরূপে অবস্থান করিতেছেন, অব পেই কুষ্টিমাত্র। ১৯-২৭। যখন চিৎস্বভাবের অন্তঃসংবেদনই স্কুরিত এই নৃ-সংবিৎ-নিবন্ধন এই আন্তর শরীর ও এই বাহু যাহারুপে প্রতিভাত হইতেছে, তখন দ্বৈতই বা কোথায়, আর ব্রহ্মাণ্ড ইত্যাদি ভেদকঙ্গনার নিষ্প্রয়ােজন। (এ জগতে ঐ অর্থই বা কোথায় ও এইরূপ হইতে স্মৃতিও কোথায়? তবে মহাচিতে বাহই বা কি আর অন্তরই এ কি, এবং দৃই বা যে এই অখণ্ডস্বরুপে জগৎভাসমান, ইহা ভূতাত্মক নহে, উহা কি ও ঐ মহাচিতের দৃশ্যই বা কি? সকলই শিব শান্ত স্বভাব-অর্থাৎ চিতির স্বাত্মক ভানমাত্র, উহ অভিন্ন নহে। দেশ, ওকারস্বরূপ, এইরূপ অভেল কল্পনায় সকল বিলীন করিয়া শান্তি নিরাশ্রয় নভােমনে সূর্যের ভূতক্রিত দীপ্তিরূপই ভান, ঐ লাভ কর। বিচারে সকল অসৎ হইলেও বাচ্যবাচক দৃষ্টি ব্যভি- ভান ভাব অপেক্ষা করে না। যদি বাহপদার্থ কোন সদ্ধপ থেকে বিচার সম্পন্ন হয় না; সেই বিচার বিকল্পময় ধরা থাকে-অর্থাৎ যদি বাস্তবিক ৰাহপদার্থের সস্ত থাকে, তাহা অর্থাৎ বিষয়াদি প্রসিদ্ধ পঞ্চাঙ্গ থাৱা সাধিত হইলেই সিদ্ধির উপ- হইলেই তাহার সভূত স্মৃতিই এই জগতের সৃষ্টির আদি বােগী হয়; যেমন রাত্রিকালে দীপ ব্যতিরেকে চাক্ষুষপ্রত্যক্ষ কালীন বিড়ি কারণ হইতে পারে, কিন্তু কোন বাহাপদার্থেরই হয় না, তাহার ন্যায় বিনা অদৃশবিচারে কখনই সিদ্ধি লাভ হয় অস্তিত্ব নাই, কারণ পঞ্চভূরে সৃষ্টির আদিতে কারণ না থাকায় না। এতএব সৰু বিচার দ্বারা বুজি নির্মল করিয়া তৎসহায়ে তাহার অতি অত্যন্ত এসব। যেমন শশকের শৃঙ্গ নাই, অন্তর্বর্তসরকল্পনারূপ অনঙ্গ (গুরু) বিকল জালের অপ- যেমন আকাশে () নাই, যেমন বন্ধ্যার পুত্র নাই ও নােন কর এবং সেই সকল শাস্ত্রের নিসিদ্ধ মহাথ যে যেমন কৃষ্ণবর্ণ চনাই-মাং শলশৃঙ্গালি বেরূপ একান্ত প্রস- সদিচদানন্দস্বরূপ, তাহাতে মনকে নগ্ন কত দেকনিষ্ঠতা নুষ, অপ সৃষ্টির আদিতে অজ্ঞর নিকট প্রতিভাত এই লাভপূৰ্ব্বক সংসার হইতে জ্ঞান হইয়া উত্তম মােঙ্গ পদ আহমানিক অর্থ অদৃষ্টিতে না দেখিলেই আছে আর অ- লাভ কর। ৩৬-৪৬। দৃষ্টিতে দেখিলে কিছুই নাই, (সকলই অতি অসম্ভব বােধ সষ্ট্যধিকতসর্গ সমপ্ত।১৭। হয়)। হে রাম। যেমন (অষ্টিসমক্ষে) এই আশং মহা- কার পরিদৃষ্ট হইতেছে, সেইরূপ তত্ত্ব বিষয় হইলে ইহার মূর্ত- অমূর্ত কোনরূপই থাকে না, সেই গণসমীপে ইছামাত্র অষ্যধিকততম সগ। অ৩ ডিকেনই অখণ্ডিতভাবে বর্তমান রহিয়াছে। ঐ বশিষ্ঠ কহিলেন-বেরুপ কি অবুদ্ধিপূর্বক—অর্থাৎ আমি শাৰিচিত্ৰতা করিতেছি-এই বুঝিভিৱেকেই বিচিত্রতা (১) আ সেই বিয়ের অনই চিপও এই ফলে, তাহার স্থায় সেই অলিৰিকাল্পরিহিত পরমাত্মাই এবুৰি পুর্বকই আকাক স্বাক্ষাতে আত্মক বিচিত্র সাস-কথাৎ নির্ব-এ-উত্তয়াল। । এপঞ্চাখ্যান করিয়া থাকেন। যেমন সমূত্র অবুদ্ধিপূর্বক ধীর পৃথক নহে, শন মুহইতে পৃথকৃহে, উষ্ণতা এম্বি হইতে জলেই অথর্তাদি করিয়া থাকে, সেইরূপ শূন্য সর্বেও নি। পৃথকৃহে ও শৈখ হিম হইতে বভিন্নিক্ত নহে, তাহার চায় ব্যোমদেহে অগৎ এসি করিয়া থাকে। আর সেই এই জগৎও সেই খচ্ছ ঢিাকাশমাত্ররূপ ঈর হইতে পৃং সর্বেশ্বর সৃষ্টির আপিতে অদকারপ্রাপ্ত সবিদের মনেবুলি নহে। ১২২। সৃষ্টির আদিতে চিনাকাণে ও স্বপ্নে হয়ে অহঙ্কার ইত্যাদি বিবিধ নাম শয়খই করিয়াছেন। সমুজের যাহা পরিকৃষ্ট হয়, তাহার কোন কারণ নাই, সুতরাং তাহা তরঙ্গাদির ন্যায় টিভির বুলি সিদ্ধি পৰ্যন্ত দুরূপ আর চিদাকান হইতে কিরূপে এক হইবে, আর কারণ ব্যতিরেকে অবুদ্ধি পূর্বকই, আর বুজিসিদ্ধি অনন্তর সঙ্কল্যমান যে আর, কুটস্থ চিৎ কিরূপেই বা এত হইবে ফল। এ বিষয় নিত্য- তাহা বুদ্ধিপূর্বকই আনিবে। যেমন সমুদ্র হইতে আবর্ত, দৃষ্ট স্বপ্নই দৃষ্টান্ত, হাই বিচার কর না কেন? তাহাতে কা, কােল (মহাভয়ঙ্গ) ও বীচি ( সাধারণ ) উৎপন্ন চিত্র ব্যতিরেকে কি সার আছে বল? তুমি যদি বল হয়, সেইরূপ চিত্র হইতে মনােবুদ্ধি-আদি উৎপন্ন হইয়া স্বপ্ন ত স্মৃতিই, তাহাতে আমি বলি, স্বপ্ন স্মৃতিই বটে, কিন্তু থাকে। যেরূপ চিত্রলিখিত জগৎ ভিতিমাত্র, তদ্রুপ চিৎ- ইহাই বৈলশ্য নয়, সংস্কারজাত বিষয়ক ইভ-স্মৃতিতে স্বৰূপে এই আভাসমাত্ৰক এই আকাশ চিদাকাশমাত্ৰাত্মকই তা অর্থাৎ সেই বস্তু ইহা প্রতিভাত হয়, কিন্তু এই স্বপ্ন স্মৃতিতে আনিবে ! পূর্বোক্ত বৃক্ষসমুদ্ৰাদি ব্যাপারে যেমন অবুদ্ধিপূর্বক নিদ্রাদোষণে ইদন্তা-গােছরত্বাংশে অর্থাৎ—এই বস্তু অনুভব প্রবৃত্ত হইলেও শাখা-আবাদি আরতনিয়তিনিবন্ধন তুল্য করিতেছি এরূপ স্থলে) অংশের (অর্থাৎ সেই বস্তু এই ইহার সন্নিবেশ ধারণ করে, অদ্রুপ চিৎস্বরূপেও সৰ্গাত্মক আন্তেরও লােগ হইয়া ইন্তারই সুরণ হয়) অতএব এই বুজি যে তুল্য সন্নিবেশ হইবে, তাহাতেও বুদ্ধিপূর্বকতায় অপেক্ষা নাই। সংস্কার দৃ উভয় (অর্থাৎ স্বপ্নে ও স্মৃতিতে) এক বহু ইত্যাদি যেমন অপরেই রক্ষে গুচ্ছ-আদির নামান্তর করিয়া থাকে, তাহার শঙ্কা সব পর হইতে পারে না। কারণ তা কিপেইন। স্থায় এই সমষ্টি বুদ্ধি আদির উত্তরালিক যে চিক্ষের পূপাদি- প্রাপ্ত হইবে?—অর্থাৰ অহা কখন ইহা হইতে পারে না। প্রান্ত পৃগী-আদি, ইহা বুদ্ধি সমষ্টি-আত্মক ব্ৰহ্মাদিরূপ অকর্তৃক (স্বপ্নে অপরােকে ইন্তার প্রসিদ্ধি আছে, কিন্তু স্মৃতিতে প্রদত্ত নাম হইয়াছে বুঝিবে। যেমন মহারণের পুষ্পপত্রাদি অসন্নিহিত বস্তু পনােক্ষই) অতএব ইহা কিরূপে হয়, বল। লৰ নামভঃ ভিন্ন হইলেও ভিন্ন নহে, সেইরূপ পরমাত্মা চিলা- আর তুমি ইহাও বলিতে পার না যে, “স্বপ্ন স্মৃতিকালে তা কাশের এই পৃথী-আদি ভিন্ন নহে জনিবে। রকের অবয়বে ইস্তাহইলে সেই জ্যাজিতে দৃষ্টি কাম্ৰাদি এই স্বল্পপ্রদেশে অন্য ব্যক্তিই বিবিধ নাম প্রদান করে, ঐরূপ সেই চিত্মাই অ নিদ্রায় আনীত হইল, তাহা হইলে সেই অরণ্যে ব্যাঘ্ৰাদিকে ব্যক্তি জীবের দ্যায় হইয়া চিলাকাশে আকাশৰূপ অপুত্ৰাদি তৎকালে অপরে দেখিতে পায় না, সুং একই ব্যাকে দুইটা ও বৃক্ষাদি সকলেতেই ভিন্ন ভিন্ন বিবিধ নাম করিয়া থাকেন। ব্যাঘ্র উভয়স্থলে স্থাপন করিতে হয়, কারণ সেই অরণ্যাদিতে চিৎগুরু সৰ্গরূপ পল্লবচিপযুক্তই অস্তিত্ববিহীন , ঐ চিৎতই দৃষ্ট ব্যাদি যদি স্বাপ্ত স্মৃতিকালে উদিত, হয়, তাহা কিন্তু ২ স্বল্পবং স্বয়ং কার্য-কারণের ন্যায় প্রতিভাত হইতেছেন।১-১১। কালে অভূত হয় না, অতএব কাহায় দ্বিধাস্থিতি হইবে, হে রাম। যদি তুমি আপত্তি কর যে যদি সাদিই নাই, তবে বল। অতএব তিস্বরূপে এই জগৎ আবত্তিতে কাকতালীয়ের পরলােকও চিংকর্তৃক সেই সৰ্গানি ব্যর্থ অনুভূত হইতে পারে, ন্যায় প্রতিভাত, তাহাতেই পরে (অর্থাৎ জাগ্ৰৎ স্বপ্নানুভব সিন্ধির ই আসিয়া পড়ে, তাহা হইলে তাহা যুক্তিসঙ্গত হয় না, কারণ অনন্তর) এই স্বল্পদি কল্পনা ইয়াছে। ঐ অবুদ্ধিপূর্বক তাহা হইলে বিহিত নিষিদ্ধ কৰ্ম্মফলের প্রতি অযুক্তি প্রসঙ্গ সম্পন্ন সৃষ্টিতে ভঙ্গাদির ন্যায় এই স্বিত সন্নিবেশ পরে স্বল্পই হইয়া পড়ে, অতএব সৰ্গালি মিথ্যা কিরূপে হয়? এরূপ বদি মম্পন্ন হয়। ২১-২৫। যাহা বিনা কারণে উৎপন্ন, তাহা উৎ- বল, তাহা হইলে ভ্রান্তি আসতে প্রসিদ্ধ রস মৃগতৃষ্ণিকাদি পন্ন হইলেও অনুৎপন্ন , অতএব যাহা এজাত—অর্থাৎ যাহার অনুতৰ মধ্যে কাহার ব্যর্থতারূপ অপবাদ—অর্থাৎ অব হয়? উৎপত্তিই নাই, তাহাই আচ্ছ, তাহাই সম ও ফাই এক ভাবে কারণ সেই অনুভবেরও স্বপ্নে ভোগ কৰ্ম্মফলত্ব নিবন্ধন স্থিত বা তাহাই নষ্ট-অর্থাৎ উৎপত্তি রহিত বলিয়া মৃত। যেমন কোন বিশেষ নাই। (আর যদি ভােলাভাসৰিভবনে তাহাতে কৰ্ম্ম অবুদ্ধিপূর্ব-অর্থাৎ অজ্ঞাতসারে স্বতই রত্নাদির দ্যুতি উৎপন্ন সাফল্য বল, তাহা হইলে প্রকৃত বিষয়েরও তদ্রুপ জানিবে)। হইয়াছে, সেইরূপ ব্ৰহ্মসত্তাই এই জগৎপদার্থের সন্নিবেশৰেণে সাকারাধ্যাসে গুরু-দি হইতে চিতির ইহাই বিশেষ বে, সাকার স্কুরিত আছেন জানিবে। যেমন প্রথমতঃ কোন অনির্বচনীয় শুরুতে সাকারকজনারূপ অধ্যাস কলিত হইয়াছে। কিন্তু কোন মায়া কারণবলে এই জগৎ সম্পন্ন হয়, সেইরূপও আবার নিরাকার চিৎস্বরূপে এই জগলধ্যাস কল্পনা-কল্পিত হইয়াছে। সমুদ্রে আবর্তের ন্যায় তাহা আত্মাতে অর্থ-ক্রিয়াৰিয়ডিলক্ষণ যেমন পুষ্পে গদি, যেমন গগনে শুদি ও যেমন বায়ু•ে সত্যতা গ্রহণ করে। এই যে স্বপ্নজালকা চিজগৎ, ইহা স্পন্দালি, দ্রুপ ঐ পরম চিৎকাপে বুদ্ধাদি কল্পিত জানিবে। চিমাকাশে কারণ বিনাই প্রবৃত্ত হয় এবং ইহা শুন্য শুন্যাত্মক এবং ঐরূপ পূলে গহ্মাদির স্থায়, গগনে শূন্যতালির স্তায় ও বায়ুতে হইলেও কারণ বিনাই নিবৃত্ত হইয়া থাকে। যে সকল চিরকাল শান্দির স্থায় চিত্মায় এই পৃথী-আদি সৃষ্টি কল্পিত আকাশের পরস্পর কারণ হইয়া থাকে, তাহাদিগের পদার্থশূন্যাত্মকই শূদূ বায়ুর শন্দা ও পুষ্পের গন্ধ যেমন অনুভূত ও ঈশ্বরানিই সেই পদার্থ, কারণ ঈশ্বরেরও মায়া সাপেক্ষ হইলেও অতিরিক্ত শূন্যতাস্বরূপ, সেইরূপ চিৎখরূপেও সর্গ- রূপ। এই অগং শুময় হইয়াই উৎপন্ন, শূহ স্বরূপেই বৃদ্ধি পায় স্থিতিও ভাস্বরূপ মাত্র জানিবে এবং যেরূপ শুন্যতা আকাশ এবং অত্যন্ত শূন্যতাস্বরূপে অবিদ্যামান হইয়াই বিনষ্ট হয়। হইতে পৃথক্ নহে, বত্ব আল হইতে পৃথক নহে, গন্ধ কুহুম হইতে অবৎ ক্ষুরিত হয়, এই অসতের কচনে (সুরণে , দৃষ্টান্তকৃত যােগৰাশিৰামায়ণ বানুভূত স্বপ্নের যে অপলাপ করে, সে ব্যক্তি কুবুদ্ধি বেষপালক এগাত্মক দৃজল (অক্ষুটভাবে) বর্তমান জানিবে। রকে হইয়া মহামেৰে নিজ সাক্ষাতে রক-কর্তৃক গ্রহণের অপলাপ যেমন কারুকাৰ্যবিৎ কখন ইচ্ছামত আৱণ কাষ্ঠাৰৰ কাটি করিয়া থাকে। এই জগৎ অসৎই, ইহা ভাভিমাত্র ও অতি- শালভজিকা (পুত্তলিকা মূর্তি) প্রকাশ করে, সেইরূপ স্বয়ং কৃত্রিম ,আর স্বরূপ মায়াবিনী চিতির আত্মা যাহার স্বরূপ, তাহাই চি ভিন্ন কোনজন ঐ অদ্বিতীয়—অর্থাৎ “কর্তা” প্রভৃতি কারক অকৃত্রিম সখা, অগৎ নহে। চিরস্থ সাত্মক এই প্রপঞ্চ চিৎক্ততে অগং শলভজিক উৎকীর্ণ করে, মুরাং ইহা ধাতুই সৃষ্টি প্রলয়ৰিভ্ৰম, অন্তে নহে ও তাহার তাত্ত্বিক স্বভাৰ বৃক্ষাদির ন্যায় কারকের অধীন নহে, অতএব কুপ্রতিমার চায় ফুরণই অজ্ঞান এবং ভ্রান্তি আকারে বিণই অজ্ঞান। এই জগৎশালিকার প্রকাশ নহে জনিবে। তবে কি করিয়া দেখ যায় যে, মাযােপবৃত ব্ৰহ্মাত্মই ঝটিতি দৃকার ধারণ হইল, তাহা বলিতেছি শ্রবণ কর। তত জড় বলিয়া তাহাতে করত বিনা কারণে উদিত হন। যেরূপ দৃশ্য আত্মাতে দোদিত না করিলে ঐ শালছঞ্জিকার প্রকাশ পায় না, কিন্তু জগৎ সুষুপ্তির পর স্বপ্ন সৃষ্ট হয়, সেইরূপ ঐ দৃশ্য কায়থারি-ব্ৰহ্মাত্মা শালভঞ্জিকার অধিষ্ঠান চিৎস্বরূপে আবরণের নিবৃত্তি ঘটিলেই পরে অর্থক্রিয়াব্যবস্থার কার্যকারণভাবাদি নিয়তিপ্রাপ্ত হইয়া সেই নিৰৱণ চিনেই শের অন্তর্গত বাহুর ন্যায় এই অগৎ- থাকেন। ২৫-৩৪। যেমন সমুদ্রে আবাদি ঋই উৎপন্ন শালপঞ্জিকা চিত্মতে অন্তর্গতভনে স্পষ্টরূপে অভিব্যক্ত হয়। হয়, সেইরূপ চিত্ৰপ্ৰমুক্ত কাকতালীয়ের ন্যায় এই দৃশ্য স্বয়ংই তাহা হইলে প্রলয় ও সুষুপ্তিকালে কেন তার প্রকাশ নাই” এ চিৎস্বরূপে প্রকাশ পায়, অষ্ণ নিমিত্তাপেক্ষা করে না, চিৎ- আপত্তিও তুমি করিতে পার না, কারণ তখনও তাহার প্রকাশ সভাৰমাত্রই উহার নিবন্ধন। ঐ আকাশমাত্ৰক চিল্কাভুর এমনই আছে, তবে ইহাই বিশেষ যে, তখন ঐ জগৎ-শালভর্তিকা স্বভাব যে, ঐ চিপূঃ এইরূপ জগংরূপে অকস্মাৎই প্রস্ফুরিত হয় অনুংকীর্ণ অবস্থায় শূন্যস্বরুপে চিন্মা স্বরূপ হইতে অচ্যুত হইয়া সেই চিপীই প্রথমত অবুদ্ধিপূর্বক দৃশ্যকারের প্রতিভাস হইলে সামান্যাত্মায় থাকি ঐ চিত্মাতেই অবস্থান করে। সৃষ্টির স্বরূপ হইয়া পরে অতীতের ভান হইলে স্মৃতি-আদি কল্পনা আদিতে সেই চিং প্রথমতঃ পূর্বোক্ত নির্বিবঙ্গ কলনাময়ী হইয়া অক সংজ্জাকল্পনা করেন এবং বর্তমান” ইহা প্রতিভাত হইলে পরে তােক অদৃষ্টের অনুসারে নিজ শময় আত্মাতেই উদ্ভূত পৃধী-আদি ও তহুজি-আদি সংজ্ঞা কল্পনা করেন, ফলে সেই বিবিধ মনােবিক বিচিত্র সৃষ্টি কল্পনা করিয়া থাকেন এবং সেই অবিভক্ত তাৎকালিক প্রতিভাদে ঐ সমস্ত বিভাগই কঙ্গনামাত্র। পরকাশরূপিণ চিৎ স্বীয় আত্মরুপ হৃদয়কাশে স্বপ্নবং অদ্যে - রাম কহিলেন-হে ভগন! যদি স্মৃতি অর্থাৎ প্রত্যভি সংবুদ্ধা দিত কল্পনার ন্যায় স্বয়ংই এই শলভত্তিক সঙ্কল্প করেন। এই অর্থাৎ পূৰ্বানুভূতবিষয়সম্বন্ধীয় না স্বীকার করেন তাহা হইলেও সত্তাসামান্যরূপ জগদ্বীজভূত ব্ৰহ্মকলা ঐ স্বরূপ ব্ৰহ্মকলতেই ভবৎকথিত রীতি অনুসারে জগৎ তাৎকালিক কল্পনামাত্র সিদ্ধান্তে চিন্মাত্র কল্পনা হইয়া সদ। অনাবৃতভাবপ্রযুক্ত প্রতিবিম্ব চিতি- পৰ্যবসিত হইলে “পুর্বোৎপন্ন বুদ্ধির প্রামাণিক অনুভবজাত রূপে বিরাজ করেন, তাহাই প্রাণাদিসম্বলিত হইয়া জীব হন ও সংস্কারেই স্মৃতি—অর্থাৎ প্রত্যভিজ্ঞ হয়” এই নিখিলশিষ্টগণের তাহাই অভিমান বৃত্তি প্রধান হইয়া অহঙ্কার নামে অভিহিত হন। অসুতসিদ্ধ নিয়ম কিরূপে প্রাপ্ত হওয়া যায়, বলুন। আহা পরে অধ্যবসায়প্রধান হইয়া বুদ্ধি ও ঐরূপ নিয়মে চিত্ত, কাল, শুনিয়া মুনিবর বশিষ্ঠ বলিলেন, হে রাম। তুমি যে প্রশ্নে আপত্তি আকাশ, এই সেই আমি, ক্রিয়া, তমাত্ৰপপক ইলিয়ন্দ, পূৰ্য্যষ্টক করিয়াছ, আমি এমনই, সিংহ যেন করীকে খণ্ড খণ্ড ফরে, আতিবাহিক ও পঞ্চীকৃত ভূতময় আধিভৌতিক দেহ, ব্রহ্মা, শঙ্গর, তদ্রুপ তােমার আপত্তির খণ্ডন করিতেছি, শ্রবণ কর, ভাস্কর উপেন্দ্র, রবি, এই বাঘ , এই অন্তর, এই সৃষ্টি, এই জগৎ ইত্যাদি জগতে অন্ধকাৰণি দূর করিয়া যেমন নিজের আলােকের প্রতিষ্ঠা বিশেষ বিভাগ সৰ্গাদিতে সঙ্গভিত করেন। সুতরাং এই সমস্তই করে, তাহার ন্যায় আমিও আজ (সকল গৈতভ্রান্তিরূপ চিমি- কলনাজাল যে অতি নিৰ্মল চিদ্যোম, হাতে অণুমাত্র সন্দেহ রাশির মধ্যে অদ্বৈত আত্মতত্ব স্থাপন করিতেছি। ৩৫-৩১। নাই, অতএব এই অজ্ঞকল্পিত এই জড়পদার্থরাশিই বা কোথায়, হে রাম। তােমার কথিত বিষয়ে দোষ থাকিতে পারে বটে, যদি স্মৃতিই বা কোথায় ? আর দ্বৈত একত্বই বা কোথায় ? এইরূপে আমি বলি যে, পূর্বে অগৎ ছিল না, বা থাকে না, জগৎ ক্ষণিক কারণকিনাই জগৎপ্রপঞ্চখণ্ড সৃষ্টির আদিতে স্বপ্নবং ভাসমান প্রেিসই উৎপন্ন হইয়া থাকে, কিন্তু আমি তাহা বলিতেছি না, আনিবে, উহা শূন্যে শূন্যাত্মাই বিকারি-বস্তুর ন্যায় প্রতিভাত তবে ইহাই বলিতেছি যে, এই জগৎ নিত্য ব্রহ্মসাত্মকই ইহা হইতেছে। অতএব শুই শূন্যে প্রস্ফুরিত হয়, যখন চিন্ময়স্বরূপ নিত্য চিত্মক এতিতাসে সদ্য প্রকাশযোগ্য হইলেও অবিদ্যারূপ চিন্ময়ষপেই প্রতিভাত, তখন তাহা তৎকর্তৃকই বিদিত, অর্থাৎ কারণ বিক্ষেপশক্তি বৈচিত্র্য চমংক'রনিবন্ধন কখন বা এই জগৎও যখন চিন্ময় ও চিন্ময়স্বৰূপেই স্বয়ং ইহা অবস্থিত, আবির্ভূতের ন্যায় কখন ৰা তিরােভূভবৎ, কখন বা ঘট-পটাদি তখন সেই চিন্ময়স্বরূপই আত্মচিন্ময়ম্বরূপ এই জগৎকে আকারবিশেষের স্থায় ছিন্ন ভিন্ন ও কারণ দ্বারা নিরিৎ, আনেন, সুং এই জগতের প্রকৃত জ্ঞান হইলে আর জগৎ কখন বা অপােেব, কখন বা একৎ, কখন বা নানাৎ, কোথায় থাকে ? ৩৫-৫২। যদি এক চিলাকাই স্কুরিত, তাহা কখন বা ছিন্নভিন্ন, কখন ৰাণিক, কখন বা আৱিষৎ, কখন বা হইলে স্মৃতিই বা কোথায়, আর স্বপ্নই বা কোথায় এবং কাল ও অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যদূবং ইতাদি নানাপ্রকার নিম্নত-অনিয়ত কল্পনাই বা কোথায় ? ইহা কেবল একমাত্র শান্ত চিদানই সমূ-বিসদৃশ, বৈচিত্র্য-চমৎকৃতি দ্বারা অবভাসমান, তাতে চিলরে অসমান। চিদবনম্বরূপে অন্তঃসত্তই বাহিক ভূতাকার স্মৃতি এতভিজ্ঞানাদি সকলই সম্ভব, সেই জন্যই বলিতেছি, ধারণ করিয়াছে, বাস্তবিক উহা চিনের অন্তঃসত্ত্যতিরেকে নহু বরজীতে অনন্ত শালজিকা যেমন অনুৎকীর্ণ (জেদিত বা কিছুই নহে। হে অবাদিগণ। যাহা নিরব-আখ্যা- ইরাও অবস্থান করে জাল ভিজিকোটরে এই অনন্ত দ্রুপ চিত্ৰকোটরে এই অনন্ত বিরহিত শান্তশ্বরূপ হইতে এর হয়। সেই অকারণ কুল । = নির্বাণ-প্রকরণউত্তরভাগ ৮ ১ কিরূপে সৰিকার হইতে পারে, অতএব যেরূপ পরব্রহ্ম, এই ব্যবহার পথে থাকিয়াও যাহার কোন বিষয়ে কখনই আসক্তি দৃশ্য ও সেইরূপ পরম জাভরিহিত চিত্র স্বভাব , দেখ, যাহা নাই, সে ব্যক্তিই পরম পদে বিশ্রান্ত জানিবে। যে ব্যক্তির সফল স্বপ্নে চিলাকাশ, তাহাই আবার স্বপ্নপুর হইয়া থাকে। কিছু আৱই অভিলাষ-সঙ্কল্পৰিষতি এবং তাদৃশ কাম-গৰতি কিছুই নহে, অল্পমাত্রও এই দৃশ্য নাই , পূর্ণ জলধিতে আর অনার্জ হইয়াই যিনি যথালাগুৰিষয়পথে বিহার করিয়া যান, সেই রজঃ কোথায়? তদ্রুপ এই জগতেও চিল এরা অনার্দ অণু পুরুষই প্রকৃত পক্ষে বিশ্রান্তি লাভ করিয়াছেন। এই বিভ্রান্তি মাত্রও নাই এবং পরমাকাশে দৃশ্যই বা কোথায় ? (অর্থান্তর, বিহীন অবলম্বন দীর্ঘ সংসারগণে আত্মতে চিত্ৰতা দর্শনে অথবা সেই চিত্ৰই এই কিঞ্চিৎস্বরূপে প্রতিভাত, অতএব এই যাহার আত্মবিশ্রান্তি ঘটিয়াছে, সেই ব্যক্তিই প্রকৃত বী। যে কিঞ্চিৎস্বরুপে প্রতিভাত হইতেছে, তাহা অচেঅ চিত্র , যাহরা চিরকাল বিষয়পৰে ভ্ৰমণ করিয়া ও বিশ্রাম লাভ করি। সুতরাং যাহা অচেত্য, অর্থাৎ বিরহিত, অগরের প্রকাশনীয় ছেন, তাঁহারা ব্যবহারপরায়ণ হইলেও মুখের ব্যায় পরিলক্ষিত অনভষনীয়, তাহা অচেত্য বলিয়া কিছু প্রকাশ না করিলেও হন। ফলে বিষয়পখে অবধানই মূলে। আশ পুরুষ স্বমাত্র প্রকাশ হইয়া অবস্থিত। এই যে পূর্ণরূপে দৃজাল বিহিত ধচিত্তাকাণে নিত্য উদিত ভায়—অর্থাৎ শুদ্ধ ভাসমান, ইহা পূর্ণ ব্ৰহ্ম হইতে অনুষ্কত না হইলেও উছুতের চিপ ভাস্করস্বরূপে বিরাজ করেন, আর তাহার এই সংসারপথে ন্যায় প্রতিভাত হইতেছে, বাৰিক এই অভানরূপ-( প্রকাশ- কখন থাকেন না। সেই সকল লহ্মোৎকর্ষ উত্তমগণ দেহ ধারণ স্বরূপ) ও পরমাত্মাই। বড়ই দুঃখের বিষয়, আমি নিজে অনু- করত ব্যবহারপথে থাকিলেও সুরে ন্যায় বিদেহের ন্যায় সৃষ্ট ভব করিয়া যে আত্মত। এইরূপ ভাবে বিবাদ করত পুনঃপুন হন, দেখিতে তাঁহারা জড় সদৃ—অর্থাৎ মুঢ়বৎ বটে, কিন্তু উচ্চৈঃস্বরে প্রকটিত করিলেও মন্দাধিকারী জনের মূতা স্বপ্নপ্রায় বাস্তবিক তাঁহারা জড় নহেন। ১০। ব্যাতে সুপ্ত ব্যক্তির এ অগং শরীরে জাগ্ৰং সত প্রতীতি অদ্যাপি ভ্যাগ করিতেছে স্যায় আঁহারা স্বপ্ননগরে বর্তমান থাকেন, তাঁহারা সু কিয় না, আর যাহারা অধিকারী, তাহারাও হঠাৎ অহা ত্যাগ করিতে কখিত, আঁহারা নিদ্রার অধীন নহেন ; যে পুরুষ দীর্ঘ পথ চাহেন না। হায়। এমনই মােহের একত। (বিষয় পথ) পরিভ্রমণ হইতে নিবৃত্ত হইয়া বিশ্রাম না করত অষ্টষষ্ট্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত ১৮ বহির্মুখে বাক্য উচ্চারণ করেন না, সেই পুরুষ সুখ-মৌন বলিয়া কথিত হন, সে পুরুষ আড়াকতি নহেন ও যাহারা জড়াকৃতি, তাহার সুখমৌন হইতে পারে না, অতএব বিশ্রান্তি মোৰ হারাই একোনসপ্তত্যধিকশততম সর্গ । লুপ্তের 'সহিত সাদৃশ্য। (পেচক প্রায়) অবিদ্যার ব্যবহার- কারী সকল ভূতগণের সেই অবিদ্যা (সূৰ্যেৰ) অষয়াত্মিকা যাহা বশিষ্ঠ কহিলেন,-মন্দাধিকারীর অববাধের কথা ভােমাকে নিশা, তাহাই পরম বােধ ও তাহাই পরম শান্তি, তাহাতেই ঐ ইতি পর্ব বলিলাম, ঐ মন্দাধিকারীর অবােধনাশ কিরুপে জানা মুক্ত সুপ্ত পুরুষ একস অন করিয়া অবস্থিত। আর যাহাতে যায় তাহা বলিতেছি শ্রবণ কর। যাহার মুখসাধনবিষয় জাত- ভূতগণ সর্বদা জাগরিত এই সেই দুঃখসাতে ঐ মুক্ত পুরুষই সুখের জন্য নহে এবং দুঃখস'ধনবিষয় দুঃখের কারণ নহে ও সপ্ত, ঐ সুখী পুরুষ তাহা দেখেন না, (এই না দেখাই সুপ্তের যাহার মতি অমুখীন—অর্থাৎ প্রত্যগাত্মাতে আসক্ত , তাহাকেই বিবরণ। হে রঘূহ। যে পুরুষ কর্মসমূহ অনাদর করিয়া আত্মাতে মুক্ত বলা যায়। যে ব্যক্তির চিলাকাশে অচপস্থিতি জন্মিয়াছে অবস্থান করেন, সেই পুরুষ আত্মারাম বলিয় কথিত, ঐ পুরুষ জড় এবং বৃদ্ধি অঙ্কের ন্যায় এই বিস্তৃত ভােগসমূহে আসক্ত ও অবি- নহেন, সেই পুরুষই দুঃখ অতিক্রম করিতে পারিয়াছেন, তিনিই চলিত নহে বা ভােগদর্শন-লালসায় চঞ্চল হয় না, সেই পুরুষই ভবপারাবারের পারে গমন করিয়াছেন ও তিনিই ভব্য হইয়া মুক্ত বলিয়া কথিত। ফলে যাহার চির অচঞ্চল হইয়া চিত্রাআতে আত্মতে বিশ্রামমুখ অসুখ করত বৰ্তমান রহিয়াছেন (এদৃশ বিশ্রাম লাভ করিয়াছে ও তাহাতেই অতিপ্রাপ্ত হইয়াছে, তাদৃশ সর্ব কৰ্ম্মসন্ন্যাসও সেই মুগুত্বের লক্ষ)। হায়! এই জন্ম- মহাত্মাই বন্মুক্ত বলিয়া প্রকীর্তিত।অর্থাৎ যাহার চিত জঙ্গলের (জীব ) মৃগ খাই ব্যর্থতার সহিত বিহার করিতেছে। শেখ পরমাত্মাতে এরূপ বিশ্রান্ত লাভ করিয়াছে যে জয় দুইবার এ দৃশ্য না চিরকাল বঞ্চনচতুর বিষয়ের প্রলােভনে দীর্ঘপথে আনীত হইয়া আলে প্রত্যাবৃত্ত হইয়া রমণ ঝবে না, সেই জনই জীবমুক্ত। পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িয়াছে ও পড়িতেছে, অবশেষে ভােগাভৰ ১-৫। রাম কহিলেন,-যাহার সুখসাধন বিষয়সুখের কারণ আতুর হইয়া পথিমধ্যে তুর দশাবিরূপ ভােসামগ্রী লুণ্ঠনে ও দুঃখ দুঃখের কারণ নহে, হে মুনে! সেই মানব ত অচেতন, পলায়নপরায়ণ হইয়া পড়িয়াছে এবং কি না জানারূপ হিমানি তাহাকে ত জড়ই বলা যায়, অর্থাৎ জড় উন্মত্ত মূৰ্জিতেরও ত পাতে জড় কাম হইয়া পড়িয়াছে। যে পথ দুঃখরূপ কটকে তাদৃশ ভাব হয়, তবে তাহারাও ত জীবন্মুক্ত হইতে পারে। দুর্গম ও যথায় সুখরুপ ছায়া একান্ত দুর্লভ, সারপথে ঐ বশিষ্ঠ বলিলেন, “অথমতি” এই কথা বলিয়াই ত তােমার শর্থিক অসহায় হইয়া গিয়ই সাহায্যে নিয়ন্ত চলিছে, ঐ আপত্তি খণ্ডন করিয়াছি, কারণ) যে ব্যক্তি শুদ্ধ বােক্স পাগই তাহার সেই পথের পাথেয়, সুতরাং প্রতিপক্ষপে কী হইয়া চিন্ধোনে একান্ত নিষ্ঠতা প্রযুক্ত প্রযত্নব্যতিরেকেই সুখ হইয়া পড়িতেছে ও ভূতলে পতিত হইয়া লুষ্ঠিতলের হই অবগত হয় না, সে ব্যক্তিই বিশ্রান্ত বা মুক্ত ৰলি কবিত। তেছে। এইরূপে অর্থানীয় সঙ্কটপথে ঐ পান্থ একেবারেই অজ্ঞানই সন্দেহের মূল, সেই অজ্ঞান বিনাশ সহকারে বিবেকের বিবশ হইয়া পড়িয়াছেও পড়িতেছে। এইরূপে পরিশ্রান্ত হই, উদরে বাস্তবিক যাহার সকল সন্দেহই বিদূরিত হইয়াছে, যাও যদি ঐ পথিক সাধনপতি দ্বারা বা সৎশাস্ত্রীলােচনা সেই ব্যক্তিই প্রকৃতি পরম পদে বিশ্রান্তি লাভ করিয়াছে। কিংবা সদগুরুপ্রসাদে সাক্ষাৎকারলাডে এবুদ্ধ হইতে পারে, অহা হইলে সংসারসমুদ্রের পাৰে, গমন করত আত্মবান হইয়া আচ্ছা বলিয়া আবরম্বরূপ জগৎকেও (মশারী এলা) শয্যাবিহীন হইলেও শেয়ন করিতে সক্ষম হয়। ১৯২৪। আচ্ছাদিত করত ধুবুর ও খাস জহিত হইয়া পল করে, হাই আশ্চর্য যে, অন সেই আত্মবান্ পখিক পর্যাঙ্কনি রহিত আত্মবান জনই সপে সকল জগৎপদার্থের আগমনে সন্তা- হইলেও এনিচোৱহিত অবস্থায় এখলে জাগরূক সামাৰ শ্ৰাপ্ত হইয়া আকাশ অপেক্ষা অধিককালক- থাৰি ৰাবিক নিজাম ৰতররহিতভাৰে অযুক্তি অতিক্রম ধারণ করত সুখে শায়িত থাকেন। যেমন লােকে সভায় অর- কত সুখে শন করে। এবং ইহাই বিস্ময়কর যে, এখন সেই অর্থাৎ আভরণ যন্ত্র অজাচ্ছা—অর্থাৎ অতি পরিষ্কার করিয়া এই আত্মবানু এ সংসারে জাতিবিহীন হইলেও জাভখবৎ কি লােক- আচ্ছা বুলিয়া পারস্বরূপ জগৎকেও(মশারী আয়া) আচ্ছা- মধ্যে কি মহারণ্যে সর্বত্র কি অশনে কি সনে (খাসপ্রশ্বাস দিত করত ঘুরশক ও শ্বাস রহিত হইয়া শয়ন করে, দ্রুপ ভাগ করে ) কি গমনে, কি কথনে সর্বত্রই মুখ সুপ্ত থাকেন। আত্মবান পুরুষও জগৎকে গ্ৰে বিলীন করত আকাশময় করিয়া ও নে গমনে অবস্থানে সর্বদাই ড্রিাম, কেক সময়েই ও তাহারা অব্যাকৃত আকাশ অপেক্ষা নিলচিরতা সম্পাদনে জাগরিত থাকে। অশীদিগের সেইন নিত্রা অলৌকিকী, তাহা শান্ত প্রশ্বাস অবস্থায় সুখে শয়ন করেন। আত্মবান পুরুষ প্রলয় বারিলগনে ৰা হকিনেও অপগত হয় না। ঐ ভক্ত- এই এম্মদীয় জগৎকে প্রত্যগাস্বস্বরূপ চিমাকাশের এক কোণে দর্শিগণের সেই ফন নিদ্রা এমনই অলৌকিক যে, চিত্রশনে (স্বপ্ন আকাশ কোণকে এই পাঠে স্বাভাববং) নিরীক্ষণ করিয়া প্রবুদ্ধগণের বাহ-ইন্থি সকলকে নিমীলিত করে, কিংবা ব্যবহারে স্বয়ং নিৰ্ম্মল গগন-গৰ্ভৰ নিৰ্মলাত্মভাব ধারণ করত সুখে নিদ্রাগত এবুদ্ধদিগেরও ছেণিকে স্বপ্নাদি দর্শনে নিমীলিত—অর্থাৎ হন। ৩৩-৪০। এবং প্রবাহপতি ব্যবহাররূপ মনােরম তৃণ- আবৃত করে)। এনিমীলিত নেত্রাবস্থায় যাহার বি বিলয় বটে, বিনিৰ্মিত কটরূপ আস্তরণে বিশ্রাক্সিলাভ করত আত্মবান পুরুষই সেই আত্মবান পরমার্মদে মত্ত হইয়া মুখে শয়ন করে, তাহার মুখে সুপ্ত থাকেন। যেমন জাগরিত হইয়া নিদ্রাবস্থায় অনুভূত আর মদমত্ততা বা বিষয়ও বটে না। সেই আত্মবান পুরুষ স্বপ্ন পরম ৰত্ব সহকারে অনুসন্ধান করিলে স্মৃতিযোগ্য হয়, তাহার নিখিল জগৎ আত্মসাৎ করে ও পরমপূর্ণতাব প্রাপ্ত হইয়া তৃপ্তি | ন্যায় ঐ আত্মবানের অতি কষ্টে স্বীয় পৰম প্ৰষত্নে বা পরবন্ধে চিত্ত গৰ্য্যন্ত অমৃত—অর্থাৎ অপরিচি-আনসপানে সুখে শয়ন ঈষৎ বহির্মুখীন হইতে বাহ-ব্যবহার-পরিজ্ঞানই দেহাদি ক্ষণিক করিয়া থাকেন। যে পুরুষ নিরানন্দ (অর্থাৎ অলীক বিয়ান স্বরূপ ধারণ করে, তখন সেই দেহাদি দ্বারা ঐ আত্মবান জীবন বিহীন) হইলেও মহানন্দ অনুভব করেন (কিংবা যে পুরুষ ধারণ কলেন। যেরূপ আকাশ নিরবকাশে থাকিতে অসমর্থ হইয়া নিরানন্দে—অর্থাৎ যাহা বিষয়ানন্দের বহির্ভূত, তাহাতেই মহানন্দ দ্বিতীয় বস্তুর ন্যায় কল্পিত নিজ আকাশ স্বরূপেই অবকাশ লাভ অনুভব করেন) যাহার অদ্বৈত মুখ সতত বিরাজমান, এবং যাহা করিয়া সেই আকাশ স্বকপেই সত্তা লাভ করে, ঐ আত্মনের আলােকাস্থ জারা অপ্রকা, সেই স্বাত্মভেই ঘঁহার প্রকাশ, পূর্বোক্ত দেহাদি দ্বারা জীবন ধারণও তথ্য জানিবে। ঐ আত্ম- তাদৃশ আত্মনই মুখে শয়ন করিয়া থাকেন। সঁহার লােভঙ্ক- জ্ঞানবান আকাশকল্পস্বরূপ জ্ঞান দ্বারা অত্যন্তাসতানিবন্ধন গগন- কাষের শান্তি খুটিয়াছে, যিনি লােকলস্পটতা প্রাপ্ত হইয়াছেন সদৃশ জীব জগৎলক্ষণ ধৰ্ম্মসমূহকে প্রযত্বসম্পাদিত স্বীয় জ্ঞাত অর্থাৎ যাহার অথও পরমলােকে লালসা জন্মিয়াছে, (কিংবা ভাবে সমারূপে অবগত থাকেন, প্রবুদ্ধ ও পুরুষ এইরূপ সংসারে আসক্ত থাকিলেও যাহার লােভান্ধকারের শান্তি হইয়াছে। এ বিষয়ে সর্বদা অনুপ্ত থাকিলেও লােকপ্রসিদ্ধ স্বপ্ন জাগরণে এবং যাহার মূর্ব আনন্দবসের মূল ফল আস্বাদন ঘটিয়াছে, সেই সুপ্ত প্রবুদ্ধ থাকিয়া জাগ্র স্বার্থে ভােগে সহায়ভুত বক্ষ্যমাণ আত্মবন্ িমুখও আবিবে। ২৫=৩২। এতাদৃশ আত্মবান সুহৃদের সহিত নিরন্তর বমণ নিরণ করে এবং সুষুপ্তাবন্যায় ও পুরুষ চারিদি হইতে অনুদুখানুভব হইতে বিরত থাকি সেই মুহৃদের সহিত সুষুপ্ত থাকেন। সেই জীবন্মুক্ত পুরুষ (অথচ বর্ণাশ্রমমাচিত লােক্যবহারে লোকসংগ্রহ করিতে নিবৃত্ত অন্তৰে জন্মজন্মান্তরে চিলসহবাস প্রমুক্ত স্নেহাশিমেই যেন হইয়াই) বাহ বিয়ে আসক্তি পরিত্যাগপূর্বক আন্তরিক সর্ঘশ্বপ্রতিকুল ভাৰ পরিহারী সচিত্ত , অতৰ (বিচি) শম- মুখভােগ কত সুখে শয়ন করিয়া থাকেন। ঐ অন দম-তিতিক্ষাবৈরাগ্য-সন্তোষাণি চিত্তানুবতি আৱা মধুর সেই পুরুষই আত্মাকে ও অপেক্ষা গুম ও খুল হইতে পুলওম বক্ষ্যমাণ ঢিয়ন মিত্রের সহিত বক্ষ্যমাণ রমণ দ্বারা অখিল করত চিলাকাণাধ্যায় আমাকে খায়িত করত সুখে নিদ্রা যান। আয়ুঃ শেষ দিন যাপিত করিয়া পরম নিরতিশয়ান লক্ষণ বিদেহ তা আত্মবান্ জন বৃদ্ধ বলিয়া অণুকলও বিভু বলিয়া লাকার কৈবল্যপদে বিশ্রান্তিলাভ করেন। ৪১-৪৫। চিলেহে প্রতি পরমাণ্ডুতে অনন্ত জগদ্ধাৰণৰে শয়ন থাকেন। একোনসপুত্যধিক সৰ্গ সমাপ্ত। ১৬১। ঐ আত্মবান পুরুষ সৃষ্টিসহাৱসমূহ কম্বিয়াও কিছু করেন না। কেবল পরমালােক বন্যায় যে মন করিয়া থাকেন। এবংবিধ আত্ম পুরুষ সংসারনিচয়কে স্বৰৎ আল কবিয়া (বা সংসার সত্যধিকততম সর্গ। নিয়ের স্বপ্ন অবগত হয়)মুপ্তিকে পূর্ব প্রকাশে একটি বিগবৎ গীব—অর্থাৎ অপরিচ্ছিন্ন করিয়া সুখে শয়ান থাকেন। রাম কহিলেন-হে এক ঐ জীবপুরুষে সুহৃদের সহিত আসুন এই সপ সকল পদার্থের অনুগমনে সজ- রণ করেন, সেই বৎ কে, তাই বলুন এবং ঐ জীবযুক্তের যে সামাভাব প্রাপ্ত হইয়া আকাণ অপেক্ষা অধিক ব্যাপকতাব- সেই দেয় সহিত বম, তাহাই বা কি? উহা কি বাথরুণে ধারণ করত সুখে শায়িত থাকেন। বেন লােকে শয্যায় - অবাতি বা অন্যকােন স্থানে বিহার এযুক্ত প্ৰীতিই হায় স্বরূপ। অর্থাৎ আর অর্থাৎ অতি পরিষ্কার করিয়া এই বশিষ্ঠ বলিল—এবাহে হিতকর সহকৰ্ম লােকসান এর নির্বাণ-গ্রক-উত্তর ৭১১ হিতকর শাস্ত্রীয় কর্ম, অথত শাজা, মম ভিজি, ঐ জীবন্মুক্ত সহ বুভিতেই রমণ করেন, কাহারও প্রেরণায় পরশীচ, সন্তোষ, ঈশ্বরণিধান, সংদি স্বক, এই যে যে করেন, তাহা নহে।১১। আম কহিলেন, হে অলিন্দলীয় নিষিদ্ধ ত্রিবিধ কর্ম, তাহাই ঐ জীবজের অরুত্রিম মুনীশ্বর। ঐ এপলিপােয্যবর্গসমেত মিত্রের শ্রীপুত্রাদি যি, উপাধিভেদে ঐ কন্মের তিন নামে বগলে, ৰাৰিক উহ কাহাল ও তাহার কিপ?—অর্থাৎ অহাদের কি ? তাহ একই, সুজাং উহা একমাত্র অকৃত্রিম মিত্র। উহা পিতার স্থায় আমাকে সংক্ষেপে বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, হে মহামছে। আশ্বাস প্রদান করে, কত্রের গায় দুরন্ত সঙ্কটেও এচ্চিারী ও গান দান ঃ ধ্যান না মহাত্মা পুত্রগণ বর্তমান, অলিগের একাৰ্যবিষয়ে জানিয়ন্ত্রিত কতে। অঙ্কিতভাবে উত্তর উপা, গুণে অলি প্রজাবর্গ একান্ত অনুরক্ত। আর আহাৰ ভাৰ্যা সন্তোষ বিধানে ইহার সবিশেষ নিপুণতা এবং ঐ মিত্র ক্রোধ চলেখার ন্যায় বৃষ্টিতেই লােকের আনায়িনী, কখনই আহার প্রকাশ করিলেও ক্রুদ্ধ না হইয়া সামগ্ৰয়ােগে ক্ৰোধ কাৰণের সহিত বিলুক্তা হয় না, সবাই সন্তুষ্ট (১) ও উহার একান্ত নিষ্পত্তি করত বিষোধ ভাজনরূপ অযুত প্রদান করে। দুর্গে দুম- অনুরাগিণ। সেই অ্যভিচারিণ বয়স্কভু আনখাম্বিনী, পথে বা দুর্বার বৈরকশহাদি দোষে আসক্তি দেখিলে ঐমিই হরিণ অবশে চারিদিকে খন বিকিরণ করিয়া থাকে। তাহা হইতে উদ্ধারসানে ৎপন্ন হয়। অনেক বলিয়া ঐ উহার সেই অভিমত ছল্ল ভার নাম সমতা, সেই মিত্ৰই সকল বিশ্বাস-অঙ্গের কোষ এবং ঐ মিত্র অনেক জল্প মুখার্জিনী ভাৰ্য্যা সর্বদাই গ্ৰ বিলীণে বারপালিকা হইয়া পরম্পরায় অভ্যাস নিবন্ধন অনুবৃত্ত হইতেছে বলিয়া আশৈশব সম্মুখে থাকে। হে সাদা। ধৈর্য্যে ও ধর্মে যে বুদ্ধিগলিত হয়, পােষিত, ঐ আবাল্যসঙ্গিমিত্র, এমন কি একসঙ্গে ধূলিক্রীড়া সেই বুদ্ধি ঐ ধুরন্ধর বঙ্গ বীর মিত্রে অগ্রে সদাই থামান। পর্যন্ত করিয়াছে, সকল দুশ্চেষ্টা নিবারণ করিয়াছে, এবং পিতার ঐ মহাল রাজার বিষয় ও অরিয়ে মন্ত্রণাদায়িনী মৈত্রয়ী শায় সর্বদাই রক্ষণোন্মুখ রহিয়াছে। বহ্নির উষ্ণতার ন্যায়, পুপের অপরাপন্থী সমর সহিত সর্বদাইঙ্কে বেষ্টন করিয়া আছে। সৌগজের ব্যায়, সূর্যের দিবসের ন্যায় ঐ বিমল মিত্র কখনই যাহার মৰ্যাদা প্রশংসনীয়, সেই চাতুশালিনী কাৰ্যবিষয়ে বিমুক্ত হয় না। ঐ মিত্র লোকপালনে একপরায়ণ ও সর্ব সঙ্কট, উপদেষ্টা সত্যতা ঐ মা মিত্রের নাখ্যা। এবংবিধপােন্ডবর্গ- সংঘর্ষণে একমাত্র রক্ষণােদ্যত। অশুচি-শর্শনাদি সকল এক পরিবেষ্টিত মন্ত্রণায়ী সুভূত কর্ম দ্বারা সর্বত্র ব্যবহারপর- স্থাতেই লুণের অগির ন্যায় শুদ্ধিপ্ৰদ, এবং ইহা হেয়, উহা উপা- ঋ থাকিয়া ঐ জীবন্মুক্ত লাভে অলাতে কখন আনন্দিতও হন না দেয় ইহা বিবেচনা করিয়া দর্শনে তৎপর। ঐ মিত্র নাগরের ন্যায় বা পিতও হন না।২১১। সেই নির্বাণা জুলি নিরন্তর (চতুর নগরান্ডিজনের ন্যায় অনিন্দনীয় কথা যারা আহলালক ও লৌকিক ব্যবহারে ব্যাপৃত থাকিলেও চিত্রলিখিত যােজদির সচেষ্টারূপ মণিমাণিক্যের ভাণ্ডার। সূৰ্য যেমন অন্ধকার বিদূরিত যেমন যুদ্ধাদি ব্যবহারপায়ণ অঙ্কিত থাকিলেও তাহা এক করেন, সেইরূপ ঐ মিত্রও অপ্রিয় বিদূরিত করিয়া থাকে, এবং ভাবেই অবস্থিত থাকে,দ্রুপ যথান্বিত ভাবে বর্তমান থাকেন। অনুরক্ত মহিলার ন্যায় সর্বদাই ঐ মিত্র প্রিয়-প্রদর্শন করে। ঐ জীবমুক্ত পুরুষ ৰ ৰাষাবাদে শিল-এরিত্যায় মুক ১১০। সকল লােককেই ঐ মিত্র প্রিবল করিয়া থাকেও হইয়া অবস্থিতি করেন, নিরর্থক শব্দে একান্ত বধিরভাবে থাকে, সদা সকলের প্রিয়ানুষ্ঠানে নিরত , ঐ মিত্র কোমলষয়, মধুর লোকাচাৱৰি নিখিল কর্ষে মৃতকৰ হইয়া থাকেন, কিন্তু আর্য মিঞ্চ, অপ্রমাদি ও কিছুতেই তাহার কোড নাই; সঙ্গত সজনের আচার-বিচারে বাকি বা স্পতি হইয়া থাকেন। পুণ্য-কথায় শুশ্রুষা সর্বদা করিয়া থাকে, সর্বদাই স্মিতপূর্বক বাক্যালাপ যৌন পরিত্যাগ করত তালাপে রত থাকেন, অপরকৌটিল্যাদি করিয়া থাকে, সর্বকাম হইতে বিরত বলিয়া সতের রূপের আয় দোষের উন্মেষ করিয়া কেন, সিনেমখেই দুরূহসন্দেহ পদের তদীয় রূপ, পরমার্থই তাহার (অর্থাৎ লাভেএকমাত্ৰকারণও নির্ণয় করিয়া তরুন করিয়া থাকেন ও এই বিষয় নি ঐ ত্ৰি সকলেরই পুজ। অজ্ঞান জন হইতে সমুদ্ভুত রশে করিয়া বলিতে সক্ষম এবং সেই নির্বাণশলাঃ মুনি সর্বত্র সমদৃষ্টি, পূর্বেই প্রহারে উদ্যত ; এবং লােকোত্তর ক্রীড়া-হাসি কৌতুহল উদার, বাত, পেল, (অর্থাৎ কোমল প্রকৃতি ৰা , অন দ্বারা ও ক্রীড়াবিলাসাদি আরা বিলাসােপালক। ঐ মিত্র মিষ, মধুর—অৎ মিষ্টভাষী, সুন্দর, পুণ্যশ্লোক (বা পূণ্য- সংখভাবে আয় ও কুলের রক্ষক, এবং আধিব্যাধিসমান্ত নিরত) ও বিভাগ (অর্থাৎ সবিচারলিপুখ)। এই চিত্তের উজীবন অমৃত ও মােগর ঔষণ। বিশেষ ঐ মিত্র বর্ণিত গুণগণ এবুখীগণের স্বৰই এনিতে, এ মায়া বিশিষ্টপাণ্ডিত্য দ্বারা উৎকৃষ্ট প্রভুরুঙ্গাদির কৌতুকাৰহ, এবিধ গুণপুর হইতে পারে না; যে, চন্দ্র সুৰ্য ৰা আখি কোথায় কখন বা সমান কুশলতা প্রযুক্ত বিভাগ বা বািভা েপনের প্রেরণায় বাদে একাণৰ গণ বলেন না, কিন্তু অবস্থিত। নৃপ প্রভৃতিকে অনুরক্ত করিয়া সর্বদা সাধুও বদহ তাঁহাদিগের স্বভাবই তাশ। ৩০-৩৫। করাই তীর নিত কা ও সন-তপাতলটনে সত্যধিকততম সর্গ সমা। ১৭০। গায়কাৰ্য অনুষ্ঠানে ব্যাপৃত করিতে সর্বদাই উন্মুখ। পুত্র পর ব্রাহ্মণাদি বি রমণী ভূতওবা বন্ধুজন সকলের সহিতই ঐ মিত্র পানভােজনা, ঐ মিতু উত্তম ও মহতের সহিত সঙ্গ ঘটে,ঐ মিত্র সহায় থাকিলে দুঃনিনজা বন্ধ । আর থাকে না, বুদ্ধি আলাপে উহার উনার পরিকুট এক ঐ খাস প্রদানের এক উত্তম আশন। শ্রীপুত্রপিৰিবাৰু (১)চাকমতে উহা বিশেষণ ; কি যে বর্গ-সমৰিত এবংবিধ স্বকৰ্মনামা মিত্রের সহিত মিলিত হইয়া এখশ্রী, সমতা দ্বিতীয়, হাই গ্রন্থে উতে ভা। T ২ । এই বুগণের নিকট আমার এক দে মা, খৰিক কেবল এক হ ভাস্কর নাই। মােগা-মায়ণ একসত্যধিকততম সগ। ভাশ, কার-পঞ্চভূত ব্যতিরিক্ত অন্য কিছুই নাই, অর্থাৎ স্বাতিরিক্ত কাৰ্য শূন্যতাই উহায় ব্রহ্মাদৃশ্য। যাহেত্রি অঙ্গ বশিষ্ঠ কহিলেন,-গবিদ আকাশের কনই (ফুরাই) বিষাভাসভূত রূপ, আলােক ও মনস্কার অর্থাৎ অভ্যন্তর মমনাধীন জগপে প্রতিভাত, বস্তুতঃ জগৎও নাই, এগতের আভানও বিষাভাস সমস্তই ঐ পরম পল, এ সকল ঐ পদরূপ মহাসমুত্রের নাই, শূক্ত নাই, বারত্তিসংবিও নাই। এই যে চিনাম জগৎ এবভ-(ও উৎ) সভূত আনিচ। এবং দেশ হইতে অ নামে প্রতিভাত হইতেছেন, তাহা শূন্যত্ব যেন আকাশ হইতে দেশ প্রাপ্তিতে মধ্যে যে সংবিঘপূঃ বর্তমান থাকে, তাহাই জগৎ, অন্য নহে, দ্রুপ অদৃষ্টিতে স্বরুপে অবস্থিত হইলে এতথ্যতিরিক্ত কখনও গন্তৰ বৰ্তমান নাই (অতএব নিবিষয় চিলাকাল হইতে অন্য নহে। নিবিষয় চৈতন্যের এক বিষয় চিন্মাত্র ব্যতিরেকে এগা নাই জানিবে)। রাগ যেযাদি ভাবও হইতে অপর বিষয়-এপ্তিকালে অন্তরালে যে সংবিৎ শরীর যে ভাষাৰ পদার্থ, এ সকলই ঐ পদের সদ্ধপ, এ সকলেই ঐ প্রসিদ্ধ, তাহাই দৃরুপে প্রতিভাত, অন্য দৃষ্ণ কিছুই নাই। পূর্বে পদের সদ্রুপ ও ভালরুপে অপরিহারী অবয়বই বর্তমান। (শাখা- সন্মাত্র পরিশেষলক্ষণ মহাপ্রলয়সম্পন্ন হইয়া যাইলে পরে চক্রদর্শনে) পূর্ব কোটি ও অপর কোটি ত্যাগ করিয়া মধ্যে যে পুনরায় আদি সৃষ্টি হয়, ইহাই তসম্মত প্রসিদ্ধি; জানীং সৎই সবিলের নিৰ্দিষয় শরীর প্রসিদ্ধ, তাহাই স্বভাব ও তাহাই অগৎ- মাত্র থাকে, ইহা (সদেব সৌম্যেমগ্ন আসী ইত্যাদি শ্রুতি রূপ মকুমরীচিকা জলে অধিষ্ঠান সংজ্ঞা খায়ণ করিয়াছে। (এই দ্বারা) অবধারিত , আং অধিকাৰু সেই পর অপেক্ষা অন্য কার অভিপ্রায় করিই আমি পুনঃপুনঃ জন সাধারণ প্রসিদ্ধি তােমার শান্তরের অভাব থাকায় কি করিয়া দৃশ্যের সম্ভব হইতে পারে। নিকট উদেবাষিত করিতেছি যে,) জাগ্ৰৎ দেশ হইতে স্বপ্ন দেশ (শ্রুতিবিরোেধ প্রযুক্ত) তখন এমন অণুমাত্রও দৃশ্যবীজ ছিল না, প্রাপ্তিতে মধ্যে লুপ্তি দশায় যে সংবিদের দেহ, সৃষ্টি দেশ হইতে যাহা হইতে পুনরায় এই সমূহ প্রবর্তিত বা স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়। অপর সৃষ্টি লক্ষণ দেশ প্রাপ্তিতে মধ্যে প্রলয়েতে যে সংবিপু অতএব এই দৃশ্যঅগৎ উৎপনই নহে (ও ভিও তাহা তাৎ ইহলােক লক্ষণ দেশ হইতে পরলােক দেশ এপ্তিতে মধ্যে মূচ্ছ- খ) মুরাং এই দৃষ্ণবুৰি বন্ধ্যাত্রের ন্যায় একান্তই নাই বস্থায় যে সংবি-শরীর বর্তমান, তাহা সর্বদা সেই ভাবেই থাকে, জানিবে। তবে যে এই চারিদিকে দৃশ্যজাল বর্তমান রহিয়াছে কূটস্থত্বপ্রযুক্ত স্বরূপ হইতে অপ্রত্যয় জগৎ এই যে অপর বলিয়া বােধ হইতেছে, তাহা নিৰ্মল চিত্র আকাশস্বরূপ পরম নাম, তাহা অজ্ঞকৃজিত মাত্র। প্রথম সৃষ্টি হইতে দৃশ্য জাল উৎ. পদই, ইহাই ঐতিতাৎপৰ্য্যগণের উক্তি। ৭। সেই পন্ন হয় নাই, তৰে যে ইহা রহিয়াছে বলিয়া বােধ হইতেছে, তাহা চিত্র পরমপ কখন স্বীয় স্বচ্ছ অনাময় অরূপ পরিত্যাগ করেন কেবল অগাস্বরূপ ঐন্দ্রজালিকের আড়ম্বর মাত্র। বড়ই , তবে যেমন সুষুপ্ত হইতে স্বপ্নাবস্থায় উপনীত হইয়া যেমন কষ্টের বিষয় যে, দৃঙ্গ বাস্তবিকই নাই, তাহারই অস্তিত্ব রহিয়াছে, (ঐচিৎ ) আত্মবৎ অবস্থিতিপ্রাপ্ত হন, সেইরূপ সৃষ্টির আদিতে আর যে পরব্রহ্ম বাস্তবিক রহিয়াছেন, তাহারই অস্তিত্বের অভাব, ঐ আত্মা অাত্মই ছিলেন, পরে সেই ব্যোমাত্মাই স্বীয় আত্মতে (ইহা কেবল মূঢের অভাব বশতঃ মণিতে মণি নহে, কাচ স্বয়ই এই কৃষরূপে অবভাসমান হন। যেমন মন সলমন্থর কহিয়াছে, এই ভাবৎ উহা বৈরীত্য-মমাত্র। আমি কিন্তু হইয়াপুর-রূপে প্রকাশ পায়, তদ্রপ সৃষ্টির আদিতে ঐ পরম চিদা- ব্রহ্মভাব, অতএব বিপরীত জগৎ কোথাও পাই না। আর কালাই রূপে প্রতিভাত হন। যেরূপ বায়ু স্পন্দিত হইয়া মূঢ়োও যে অসৎ বৃক্ষকে সৎ বলিয়া থাকে, তাহাতেও চক্রবর্তৎ (যাভ্যাৰ) বেষ্টিত হয়, তাহার ন্যায় ঐ চিত্মা হারা ঐরুপে ব্রহ্মকেই প্রাপ্ত হয়, কারণ অসতে উপলব্ধি সৃষ্টির আদিতে আকাশস্বরূপ থাকিয়া পরে ঐ চিদাকাশ অত এসব) (১) ব্ৰহ্মবং লাবগম্যতে'—এই পাঠের অর্থ যথা—শূন্যে সারেই আত্মাতে স্বরূপে অবস্থান করেন। অতএব জ্ঞাত অসৎ দৃশ্যকে সৎ ৰলয়া এই ব্ৰহ্মকে জানিতে পারে না।৮-২৬। হইল এই মাত্র আর আভাত হয় না, তখন পরব্রহ্মই কোথায় কোন দৃশই উৎপন্ন নহে এবং কোথায় অভাত হয় প্রতিভা হন, এবং তিনিই যে স্বাত্মতে এই ভাবে অবস্থান না। তবে যে এই প্রতিভাত হইতেছে, তাহা কেবল আকাশ করিতেছেন, তাহার ভাল হয়। মূর্ত পৃধী আদি কিছুই কখন স্বরূপ ৰহ্মই স্বয়ং কুরিত হইতেছেন ও হইয়া আছেন। যেমন নাই, অথবা সৃষ্টিতে বা প্রাকৃষ্টিতে মূর্ত বা অমূর্ত বাহাই মণি স্ব অব্যতিরিক্ত স্বকীয় জীপ্তিতে স্কুরিত হয়, ডিমও হউক না, এক ব্ৰহ্মাই সেই ভাবে বিরাজমান, ইহাই চরম নির্ব। সেইরূপ আত্মাভিন্ন সৃষ্টি দ্বারা ফুরিত হইতেছেন। এই যে অদৃষ্টপর্বত যেমন অকালে আকারবিহীন আকাশেই পরি- দিবাকর সমস্ত প্রকাশিত ও তাপদান করিতেছেন তাহা সেই শত হয়, তাহার ব্যায় এবােৰ হইলে এই অগয় শান্ত চিত্ৰ পদে অধিষ্ঠিত থাকিয়াই আনিবে। ঐ দিবাকর সেই সং- বিভাগবিহীন পরর, এই অবােধ যে কি ও কিরূপ, তাহা ঐ সূৰ্য হাতে থাকিয়াও তাহা প্রকাশ করেন না বা নিশাকরও আমরা চিন্তা করিয়াও জানিতে পারি না। এক দেশ হইতে করিতে সমর্থ নহেন, ঐ নেই অাদিকে প্রকাশিত করেন, অর্ক এ দেশে গমনকালে মধ্যে যেময়)সংবিৎবপঃ কৃষ্ট হয়, (প্রভৃতি) তাঁহাকে প্রকাশ করিতে সক্ষম নহেন। আঁহারই তাহাই ভূতগণের অভাব ও তাহাই পরম পদ। ঐ দেন দীপ্তিতে সমস্ত দুশমণ্ডল ভাসমান, চন্দ্র সূৰ্য্য বহি প্রভৃতি সফল হইতে দেশান্তর প্রাপ্তিতে অন্তরালে যে বিপুঃ প্রকাশ পায়, জ্যোতি-পলারেই সেই চিৎ সেই দীপক (দীপ্তি-লক) তাহাই সেই প্রকাশ ও তাহাতেই সকল প্রতিষ্টিত রহিয়াছে। তিনি লাকায় নিরাকার এই শার্থ কল্পনা বিষয়ের অসামুক্ত অতএব সকল অধিষ্ঠানও নির্বিৰ চিত্ৰই (অধিভাল স্বরূপ। ঐ পদও যাতৃণ, আৰু এ (অ্যাস ভূত) সাত্মক জগৎও লেবং ম গমতে এই পাঠ নর্থ এরূপ নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তর। ৭১ আকাশকুহমবৎ অন্ধ্রপ ব্ৰহ্মক্ষের নিকট তাহা সম্ভব হইতে অদ্ভুত আচ্ছ, সে সকল সুখ-সুখই। অবােধ জনজী- পারে না। বেরূপ জীবভূত জগষ্টা সূর্যের তেলে গবাক্ষ মধ্যে কার কৰিলে দুঃখিত যাহা বাহা অনুভূত হয়, জন্ম মরণ এরাদি এক অণু ভাত হয়, দ্রুপ সেই অপরিচ্ছিন্ন চিৎকাশ ব্ৰহ্মে ঐ তৎসমন্ত দুষই হয়। অতএব যে পুরুষ , তাহার গমন সূৰ্য্যাদি প্রতিভাত, আর প্রতিভাত না হইলেই বা কি ক্ষতি ? অবস্থান শন আগরণই সর্বাবস্থাতেই দুঃখনিক্ষেপের অভাব- চিমাত্রাকাশের ত্বভূত সেই ব্রহ্মের সূৰ্য্যালিসমন্বিত সৃষ্টিরূপ যে নিবন্ধন এক নিত্য সমাধান মুখই বর্তমান থাকে। যে ব্যক্তি এল, তাহা অতিরিক্ত কিরূপে হইবে কল। ঐ পদ চিত্রের ভেদেও অত্যনিষ্ঠা বর্তমান, যাহার দুঃখে সুখের স্থিতি এবং ব্রিহিত শব্দের বিবর্জিত সর্বাত্মরিক্ত-অখচ সৰ্বার্থসমন্বিত। বহিঃসংসারে থাকিলে অমুক্ত বলিয়া যে পুরুষ আর সংসারে তাহাতে পন্থী আদি সকল আছে অথচ তাহাতে কিছুই নাই নাই, তাদৃশ আজ্ঞের আর অন্য কিই বা সাধ্য আর কি বা পরি- আর তাহাতে কোন জীবও নাই অথচ তাহাতে কোন্ জীবগণই হাৰ্য থাকে। বাহির কাৰ্যে বাপৃত থাকিলেও সে পুরুষ কিছুই বা না আছে। অল্পবয়ঘটনযুক্ত স্থূলতাকে না ত্যাগ করি- ত্যাগ বা গ্রহণ করে না, কেবল হৃদয় একার্থব্রহ্মেই অবস্থান যাই তাহাতে এই সকল সূৰ্যাদি পরমাণু অর্থাৎ নিরবয়ব অনুরূপে ব্রেন। ঐ প্রাজ্ঞ পুরুষের এবংবিৎ স্থিতি হিমের শৈত্যের বর্তমান। সত্তারূপ স্বরূপ অভ্যাগি হইলেও দ্বৈত বা ঐক্য কিছুই ন্যায় ও অগ্নির উষ্ণতার প্রায় স্বাধই জানিবে, উহা ষত্ব- উহাতে নাই “কিছুই” ইহা উহাতে কিছুই নহে, আর যাহা কিছু সম্পাদ্য গুণ নহে। যাহার এরূপ স্বভাব নাই, সে ব্যক্তি নহে, তাহাতে কিছুই নাই, ফলে “কিছু” বা “কিছুই নহে ত্ববিং নহে, আত্মাভিৱিক্তবিষক্ষিণী যে ইচ্ছা, তাহাই অজ্ঞতার ইত্যাদি কলনা উহার নিকট অতিদূরে বর্তমান। একা চিহ্ন। যে ব্যক্তি নিরাবরণ বিঘা, তাহার অন্তঃকরণ খ ও নিরন্তর অর্থাৎ অবিচ্ছিন্ন সনাতনী যে চিত্র ব্যোমসত্তা, হইয়াছে—অর্থাৎ তাহার সমাহিত চিতা লাভ ঘটিয়াছে, তাহাই আত্মাতে অতিবিস্তৃত অগৎরূপে বর্তমান। এক চেত- শত্রু-মিত্রাদি বিকল্প দূর হইয়াছে, এবং সে ব্যক্তি স্বাক্সমুখ- দৃশ্যাদি ত্যাগ করিয়া অপর চেত্য না পাওয়া পর্যন্ত যে চিত্রে সারময় হইয়া পরমশান্তি পরিতৃপ্তি লাভ করতঃ অবস্থান রূপ নানাস্থা (হইলেও) এই জগন্ত্রেও তাহাই রূপ জানিবে । করিতেছে। ৪৭-৫৬। ২৭-০১। এই যে জগৎ নানার ন্যায় দৃশ্যমান, উহা অনানাই একসপ্ততধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৭১ অর্থাং উহা নানা নহে। চিখোমই এই বিস্তীর্ণ জগৎ, যেমন স্বপ্নে জীব চৈতন্য নানাভাব ধারণ করে, তদ্রুপে ঐ চিৰ্যোম ভূত- পঞ্চকরূপে অবস্থিত। সুষুপ্তি হইতে স্বপ্নাবস্থা লাকালে যেমন জীব চৈতন্য সুষুপ্তিতেই থাকিয়া যখস্থিত অবস্থায় স্বপ্ন আশ্রয় দিলপ্ততাধিক শততম পর্ব। করে, ঐরূপ চিংও প্রলয় হইতে এই সৰ্গতাকে প্রাপ্ত হন অর্থা বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রাম। তেময় অস্কা হইতে পারে সৃষ্টিরূপে প্রতিভাত হন। সুষুপ্তি ও যেরূপ স্বপ্নও সেইরূপ এবং যে সূৰ্যাচমসে থাকা ইত্যাজি-তি-অনুসারে এই জগৎ জাগ্রং তুর্যও তদ্রুপ, অতএব জগৎ আকাশসদৃশ। জগ্রৎস্বপ্ন সৃষ্ট জ্ঞাত হওয়া যায়, তবে তপনি রিপে ইহা স্বপ্নৰ চিত্র সুষুপ্তি এই সমস্ত তুর্যাস্বরূপে অবস্থিত, তত্ত্বজ্ঞগণের গােত্র অর্থাৎ কমাত্র এরূপ বলিলেন, কিন্তু তুমি এ আশঙ্কা করিতে পার না , ব্ৰহ্মবিদ্যাসম্প্রদায়বিষয়ে মুঢ় পামর যাহ জ্ঞাত হয়, তাহা আমার কারণ, এইরূপ অনাদি জীবন্মুক্ত বলিয়া প্রজাপতি বিরাটু হইলেও অবিদিত। যে ঈশ্বর জড় জগতর ও অজড় জীবসমুহের অন্তরে নিরাবরণ চিদাকাশই তাঁহাকে আমি মনঃসমষ্টি হিরণ্যগর্ভমাত্র থাকিয়া অ্যাবে অগং পরিণত করিতেছেন, অথচ যিনি মন বিবেচনা করি, আর মনঃসঙ্কল্পবৃক্ষের স্নায় চিৎকালমাত্র প্রসিদ্ধ, বুজি-আদি-বিবর্জিত, তিনিই শুদ্ধ জীবচিতের পারমার্থিকরূপ, এইরূপে ব্রহ্মার চিত্র সিদ্ধি হইল। মননকারকনার পূর্বে জগৎ-পদার্থ-সকল তন্মই, বাস্তবিক যেসকল জগৎ পদার্থ সৎপে ভিমাত্রই ছিল ও থাকে, পরে মনকারকল্পনান, জলে যে নাই, সেই সকলের পামৰ্থিক রূপভূত ঈশ্বরই জগকারে বর্ত আবৰ্তবিবৰ্ত্তাকারে জলের উখানে বিবর্তকনা, সেইরূপ মন মান ইহাই চরম নিষ্কর্য। ৪২-৪৬। হে নিস্পাপ রাম! (তুমি এই নামে আখ্যাস ঐ চিৎকর্তৃক স্বয়ংই কল্পিত হইয়াছে। সত্ত বলিতে পার না যে “দি পৃথিবী আদি পদার্থ জাত চিপই হয়, মাত্র বাহার আত্মা, তাদৃশ সত্তাষাত্মতায় বুদ্ধি আদি কোথায় ? ও অহা হইতে পৃথিব্যাদি পৃথক্ নাই, তাহা হইলে অন্তর্যামিরূপে পৃথী আদি না থাকিলে অনন্ত আকাশের আর ধুলির সম্ভাবনা চিতের জগতের পরিণামকারিতা কিরূপে হইতে পারে। কারণ কোথায় ?(অতএব লীয় বুদ্ধি আমিও চিত্র ৰতিরিক্ত কিছুই পূর্বোক্ত সিদ্ধান্তানুসারে—এ জগতে যাহার পরিণামাদি নহে)। সেই সত্তমাত্রায় চিত্তলিও নাই বা বাসনাও নাই, শব্দার্থদণ, তাহাদিগেরই উপদেশের জন্য প্রবৃত্ত উক্তির ব্যবহায়াভ্যাস নির্বাহের অ আপাততঃ সৎ হইলেও পরমার্থ বান্তৰিক এতে গন্ধও নাই, (অর্থাৎ সে সকল উক্তি লৌকিক কিছুই নাই। হে প্রাজ্ঞ রাম! সৃষ্টির জমিতে কায়ণের অভাব- পৰিগৰ অঙ্গীকার করিয়া পরমাখত তাহার পরিণামার্থপরতা বশতঃ ঐ সকল কিছু নাই, আর প্রাক্তন প্রজাপতিও পরবর্তীর নাই)। এখন সৃষ্টি হইতে এক চিত্র পরাকাশ মহাসভাস্বরূপে এতি কারণ হইতে পারেন নাই, কারণ সেই প্রাক্তন প্রজাপতি আত্মাতে বর্তমান, মহাত্মা তজ্ঞের পূর্ণাঙ্গতে অনুভব তাহার (অলীয় পিরা কাল অবসানে মুক্তি হয়। অতএব অভিনব প্রমাণ। (হাই) সেই চিতি সর্ব্যাপিনীৰূপে বর্তমান এবং প্রজাপতির জৎ রচনায় অনুকুল স্মৃতি সৰখা অসম্ভব, কেন না, সেই চিডিই জ্ঞের জন্য নিজ আত্মাতে অরে “এ” ইত্যাদি সেই (খান) এর উৎপত্তিরই সন্তান নাই। ১-৫। নাম স্থাপন করিয়াছেন। স্বপ্ন এবোধ প্রবােঘবৎ লাশ আত্মা সংসারে বর্তমান আবৃতিপয়-জীবের স্থায় বিদেহমুক্তগণের পরিশিষ্ট হয়, তাহজীকাৰ কৰিলে যাহা যাহা জগৎ কৌতুক সংসার স্মৃতি ও পুনরায় দেহৎপত্তি হয় না এবং দেশজ ১৪ যােগণি-ৰামায়ণ •• বাকালান্তরেও তাঁহাদিগের পুনরাবৃত্তি নাই। যদি বসেই নিজের জগৎশরীর জল, সেই ভাবশতঃ উপাসনা ফল প্রজাপতির পূর্বক বাসনায় হিরণ্যগর্ভ হংভাৰণােচর সিরি আ “আমি জগৎীৰাত্মক” ইকার স্মৃতি তাঁহার সংস্কারবলে সেই প্রকার স্মৃতিতে দেহাদি কিছু সৰলা হয়, অবাৰীও হইতে পারে, আর যে লৌকিক স্মৃতি—অর্থাৎ সেই আহা কেবল উপিসলাত্মক মনঃ-কল্পনার সংস্কারসস্কৃত বলিয়া আমার মা, সেই আমার দুহিত্য ইত্যাদি ঋষি অর্থ- কেবল মানস ভৌতিক অতি তুচ্ছ সঙ্কলনগরপ্রায় মিখাভূতই প্রমালা স্মৃতি, তাহা তাহার নাই, অতীয় অর্থাৎ লৌকিক হইয়া থাকে, তাহার সত্যতা কেবল আমাদিগের সিন্ধান্তে স্মৃত্যৰ্থ মা-দুহি-আদিও গৃহাদি বর্তমান থাকে। আর উপাসনা হইয়া থাকে)। অবশ্য তুমি বলতে পার যে, এই ব্রহ্মাণ্ডাত্মক বিষয় স্মৃত্যখ মনােরজবং অস্তিত্ব, ইহাই বৈষম্য, কেন নাই বিদেহে ভৌতিক বলিয়াই দৃষ্টিগােচর হইতেছে, তাহার আহা বলিতেছি শুরণ কর। অতীত পদার্থের সংস্কারবশত যে ভৌতিকতা অভাষ কি করিয় হয় ? (ওয় বলিতেছি, শুন) স্মরণ, তাহাই স্মৃতি বলিয়া কখিত, কিন্তু প্রজাপতির পদার্থ কল- যেমন সঙ্কলপর্বতের রূপ দৃষ্টিগোচর হইলেও সেইরূপ পৃথ্বী দিতে বর্তমান থাকিলেও, আহা কাৰ্য্যক্ষেত্রে নাই, ছিল না বা আলি ভূতসম্পর্ক শূন্য, বিরাট শরীরেও তদ্রুপ নিবে। যদিও হইবেও না যে, স্মৃতি হইবে। এইরূপে এই সমস্তই আধিসমাপ্ত “পূৰ্বমিত্যাদি ও দিবঞ্চ পৃথিবী ইত্যাদি শ্রুতি অনুসারে রহিত, কুটন্তু, পরব্রহ্ম, অতএব আর মৃত্যাদির সম্ভাবনা সর্বাত্ম পৃথ্বী আদি ঘটিততা ও পূর্বতন স্মৃতির আভাস পাওয়া যায়, বলিয়া ব্ৰহ্ম শ্বাত্মকও হউন, ইহা যদি সৰ্বাদশী বলেন; তাহ। কিন্তু ঐ প্রজাপতির প্রথমসূষ্টিতে পূর্বানুভব অভাব নিবন্ধন, হউক নাকেন।এই অভিপ্রায় আমিও যদি বাপি তাবৎ কিঞ্চিৎ” কখন কোন স্মৃতির সম্ভবপর হইতে পারে না। তবে যে ক্ষতি ইত্যাদি পূর্বকথিত বাক্যে যে সকল পদার্থষকপে ঝিয়োম করুন, বাক্য বুঝা যায়, তাহা কেবল জগৎসত্যদণী লৌকিক অজ্ঞগণের যাহা ব্যবহারে উপযােগী হইলেও একান্ত শান্ত, তাহাও স্মৃতি বৃদ্ধিই, খততে কেবল অনাদি সি-কৰ্ম্ম-পথে প্রবর্তিত করি- বলিয়া বলিয়াছি। অজ্ঞাত ব্ৰহ্মস্বভাবের অপরােক্ষভাবে যে কল, বার জন্য পরবুদ্ধি অনুসারেই উপদেশ দেওয়া হইয়াছে। কিন্তু অহাই স্মরণ, ঐ ব্ৰহ্মাত্মাই উপাসনত্মরূপে পুনঃপুনঃ অভ্যন্ত সেই তত্ত্বজ্ঞ প্রজাপতির বুদ্ধি অনুসারে পূর্বোক্ত স্মৃতি নাই। হে হইয়া উপাস ফণীভূত বা অর্থের ন্যায় উপাসনা করে, সাদৃশ্যে স্মৃতিশালিধান! তাঁহাদিগের স্মৃতি কেন না সম্ভবপর হয় ? অবভাসমান হন। অজ্ঞানোপহিত ব্রহ্মরূপ জীবকর্তৃক ভ্রান্তিবশতঃ (কারণ ঐ প্রজাপতির পূর্বকঙ্গে উপিসকতা অবস্থায় পৃথ্বী-আদির স্মৃতি দ্বারা পরস্পর যাহা যাহা অঞ্জনােপহিতভাবে স্বীয় জ্ঞান- অনুভব আছেই, তাহার অভাব হইলে আমি; পৃথী-আদি ঘটিত গােচরীকৃত বা প্রকাশিত হয়, সে সমস্ত স্বভাবই অবলম্বন করতঃ বিরাটুরীরখারী" এরূপ কি করিয়া উপাসনা হয়। তার পর স্বভাবপ্রাপ্ত হইয়া সেই আকারে কালারে যে তত্তাবাশ্লিষ্ট ঐ ব্ৰহ্ম স্বীয় উপাসনাৰলেই রচনার সামর্থ পাই কাদিতে ভাসমান হয়, তাহারই স্মৃতি এই নাম স্বৰূপে স্বতঃই প্রদত্ত হই- পৃথী-আদিস্মৃতিনিবন্ধন পৃথী-আদিযুটিত বিরাই-শরীর তাহার গাছে। যেমন ভ্রান্তানুভবে অবিদ্যমান দৃশ্যও প্রতিভাত হয় সেইরূপ স্মরণ যারা নিৰ্মাণ করিতে পারেন?) সেই স্মৃতির অভাবে বিনা স্মৃতিতেও স্থিতিসকল মৃগতৃষ্ণায় প্রকাশ পাইয়া অবিদ্যমান হইলেও ব্যতিতে নির্মাণ করিলে, পুকন্দ্রীয় সমস্ত ব্ৰহ্মাণ্ডগুণ কিরূপে সিদ্ধ প্রতিত হয়। ১৫-২২। সত্যস্বরূপ সর্বাত্মতে অবস্থিত যে হয়, হে গুণগণাকর। তাহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, (আমি সকল সংবিং ক্ষুরিত হয়, তাহাই ভ্রান্ত অভ্যাস দ্বারা সত্যস্বরূপে কল্পনা ভ্রান্তিংস্কারসত নিরর্থক স্মৃতির কথা বলিতেছি না, কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হইয়া ভাবে সমানবিষয়ত্বরূপসাঙ্গপ্রযুক্ত স্মৃতি সত্যার্থ অনুভব স্মৃতির কথা বলিতেছি)। পূৰ্ব্বকীয় পৃথী আদি বলিয় কথিত হয়। সেই সর্বাত্মাতে কাকতালীয়বৎ আকস্মিক দূরে বস্তুতঃ সত্তা থাকিলে, তবে তাহার ভাবভাব-অর্থাৎ অস্বর উদ্বোধকৰশে যে সকল স’বি প্রকাশ পায়, সেই যে চিতের ব্যতিরেকবশ সম্পন্ন মূরিভূত এই লৌকিক ন্যায় প্রসিদ্ধ অঙ্গীভূতৰ বিষয়তঃ পরােক্ষভাববশতঃ বিরুত হইলেও স্বতঃ অপ- কাৰ্যকাৰণতা সম্ভবপর হইতে পারে, কিন্তু সেই কাৰ্যকারণভার ব্রেক্ষতানিবন্ধন অবিকৃতষৎ প্রতীয়মান সংবিৎসকল, তাহাই স্মৃতি দ্বারভূত মুভিরই সন্তান নাই। কারণ, যখন আব্রহ্মান্ত পৰ্যন্ত বলিয়া কথিত। সেই সর্বাত্ময় সং (চিৎ)রূপ তবে ষৎ বৎ• কোন ধূই যথার্থ নাই, তখন কিপে কোথায় কিরূপ স্মৃতি স্বরুপে স্বতঃস্ফুরিত হয়, তাহাকেই সেই অভ্যস্ত অর্থের সহিত সন্তান হইতে পারে?(মুত্ত্বাং সহজতঃই ত সেই বিরাট সম্মানকারিতার সাবশতঃ স্মৃতি” বলিয়া জানিগণ বলিয়া পুরুষের তজ্জন ব্যথিত হইয়া সকল প্রপঞ্চই মিথ্যাই হইল। থাকেন। যেমন পবনস্পন্দন ব্যঞ্জনাদিহেতু পাইলেও হয়, আয় অতএব সেই মিথ্যাপ্রপঞ্চ হার যথার্থ স্মৃতি এখাইভে যা সেই না পাইলেও তদ্রুপ উঘােথক হেতু পাইলেও লব্ধ হউক আর নাই স্মৃতি ব্যারা সত্য সর্গের প্রতি কারণ হইতে সমর্থ নহে। বৃন্তর হউক, সংবিৎ সকলের ফুরণ হইয়া থাকে, সেই অনুব্বতি পরমার্থ উৎপত্তি হইয়া বিদ্যমান থাকিলেই প্রমাণ দ্বারা তাহা উপলক্ষিতই সংবিং কালান্তরে স্মৃতি বলিয়া কৰিত হইয়া থাকে। অসুল করিয়া কালান্তরে যদি স্মরণ করা যায়, অত্যকেই “স্মৃতি” যেরুপ তােমার এই অবয়ব সকল মন প্রাণ হইলেই কুরিত বলিয়া শাস্ত্রগণ বলিয়া থাকেন। আর যেখানে ই নাই, তখন হয়, আর মন অন্তপ্রবণ হইতে ক্ষুরিত হয় না, সেইরুল উয়াধ- এসকল কলা কোথায় ? (ফলে যাহা সৎ ভ্রান্তি কল্পিত ও কে কদাচিৎ অৰধান বলির কাকতালীয়ব ঐ অবযভূত বিৎ জ্ঞানে ৰাণিত হয়, তাহার স্মৃতি হইতে পারে না। সকল খুবই সকল কাকতালীয়বৎ প্রতিভাত হয়। সুতরাং উহার সর্বনাশ সর্বদা অগৰ, “সকলই অন্ধ” ইহাই মত, অথ, অতএব নাই, সুধীগণ অহালিমেই সুতি নাম লিখতেন। যেমন স্বপ্ন মুভির কল্পনা কিরুপে সন্তবে। ৬-১৪। অতএব প্রজাপতির ইজালাদিতে মিখান, টপটাদি বর্তমান অহয় তা স্মৃতি কখনই সভবপর হইতে পারে না; আর ঐ শুভ আত্মাতে সৰ্বাত্মিকা সকল সংবিৎ বর্তমান আছে ঐশ্ব ঐ- আমার আন্ধাৰৰভাই বা কোথায়? পূর্ব উপাসনাত্মতা যে এলালিতে যেরূপ খটপটাদি মিখাদ্যালয়, চুশ ভ্রমাত্মক ঝুড়ি- নির্বাণ-প্রক-উতরভাগ পদার্থের আর কি চিৱিত হইবে? এতএব ভূ অভাব- এমা-কাপনগয়ও অস্বরূপ অপরিহারী চিমাকাশের গর্ভস্থ ঐ নিবন, সেই অভ্রান্ত কাজ এপতির স্মৃতি নাই আনিৰে। ভিযোমেরই রূপ। দেখ, আহাতে পৃথী-আদির অভাবই বা ২৩-২৯। সেই ভবিৎ স্বীয় দৃষ্টিতে এই জগৎশিতি এক খন কোথায়। আর পৃথী আদিই বা কোথায় ? তাহা কেবল শান্ত চিয়েমমাত্র অবলােকন করেন, পূজা সেই অৰিৎ নিলেও চিকাশই আমাতে বর্তমান। “গালে” পাঠ সকলের এক খন ৰক্সি একই নির্বিকারভাবে অবস্থান করেন। আর আদিতে, আর গ”ে পাঠ সৃষ্টির আদিতে ও স্বল্পকালে অজ্ঞের নিকটে এই দৃশ্য এখন যেমন দেখা যাইতেছে, অদ্ভাবেই পৃথী আণির সম্ভাবনা কোথায়? ব্ৰহ্মসা অগশ্বরূপ হইতে অবস্থিত। আমি সেই তত্বগণের স্থিতি বা মােৰ উপায় উৎপন্ন হইয়াই যেন নিজেই নিস্বললে পৃথী আদি নাম করিয়া কখন কিছুই জানি না, অতএব সেই অজ্ঞ যদি দৈবাৎ সাধন- খাকেন, পরে তাহাই সত্যার্থ বলিয়া ৰােধ হয়, কিন্তু চতুষ্টয় প্রাপ্ত হইয়া সন্দেহৰণ(যাব) হিমু স্যায় হয়, বাস্তবিক তাহা নহে, উহা স্মৃত্যাত্মকও হে বা সাকারও নহে, আহা হইলে যে পৰ্যন্ত না উহার দৃষ্ণ, স্মৃতি, সংস্মৃতি নিৱন্ত হয়, কারণ পৃথ্বী-আদি একান্তই অসম্ভব। অতএব উহা ভ্রান্তি বা সে পর্যন্ত গুরু মােক বলিবেন ও বলিয়া থাকেন, অজ্ঞগণ বিবর্তাদি কিছুই নহে, ঐ জগৎ কেবল ব্ৰক্ষাই জানিবে। এই যেন গণের স্থিতি বিষয়ে কিছুই অবগত নহে, সেইরূপ ব্ৰহ্মই সুন্দর স্বরূপে স্কুরিত, সেই জগৎরূপগ্ৰাহি-ব্ৰহ্ম সৃষ্টি ও তজ্ঞ হইলেও আমরা অবিদ্যা, মূর্খত ও মােহের অত্যন্ত এলয়ে আত্মতে অধিকৃত স্বভাৰনিষ্ঠ একই, এই ব্ৰহ্ম গভ অসম্ভবভাএযুক্ত অজ্ঞ নিশ্চয় জ্ঞাত নহি ,কারণ যাহা বাহার হইয়া প্রতিভাত ও গোচরীভূত হইলেও উহা নিল নাই, বিষয়ে নাই, তাহা তাহার অনুভূত হয় ল, সূর্যের রাত্রি অনুভব অজ্ঞান বই উহা অনাদিকাল হইতে সৃষ্টি-প্ৰলয়ৰয়াত্মক কি করিয়া হইতে পারে, বল। স্মৃতির হেতু সংস্কার, এখন হইয়া উদিত জানিৰে। ৪২-৪৮। তাহারই স্বরূপ কি, তাহা প্রথমতঃ অধারণ করা উচিত। বিসত্যধিকশতম সর্গ সমাপ্তাৰ। অন্তকরণােপহিত চিত্রে বাহ্নবস্তু স্বরূপাত্মক যাহা কিছু প্রতিফলিত দুইবে, তাহা যদি পুনঃপুনঃ ব্যবহার দ্বারা অত্যন্ত হয়, তাদৃশ অর্থ সাদৃশ্য হেতু যে বাসিত-অর্থাৎ বাসনাময় চিত্ত, ত্রিসপ্তত্যধিকততম সগ। তাহাই সংস্কার বলিয়া কখিত। হাতে পরিকল্পনায় নিখিল বাহপদার্থ জ্ঞান দ্বারা আত্মস্বস্থানে পরিণত হইলে বাধিত্রে রাম কহিলেন-যদি স্বপ্রকাণ চিৎচমকাই জগৎ, তাহা হইলে অনুবুৰি যারা পটায়ে স্বাভাসমান হইলেও বস্তুতঃ আহার সেই সৰ্বানুৰস্বরূপ অনন্ত সর্বাত্মা আত্মতত্ত্বের সর্বত্রই অহং- অবস্থিতি থাকে না, সুতরাং তত্ত্বগণের চিত্তে তাহার সংস্কার ভাবে আগ্রহ হওন্না উচিত, সেহেজেই অহংভাবে কেন অতিশয় মার্জিত হওয়ায় আর স্থান পায় না, অতএব তাহার সংস্কার অভিনিবেশ আর অন্যত্রই বা কেন নহে, ইহার নিয়ম কিরূপ? আর তত্ত্বজ্ঞগণের সম্ভবপর হয় না। এইরূপে কখনই জগৎ পদার্থ যখন চিৎরূপ নিজের চিন্তাৰ পরিত্যাগ করিতে পারেন না ও কিছুই সম্ভবপর নহে। এতৎ সমস্তই মৃগফায় বলে অয় যখন চিস্তিরূপ স্বীকার করা যায় না, তখন কিরূপে চিপের দৃষ্ট হইয়া থাকে, পরমার্থতঃ নহে, যখন এই অর্থ সিদ্ধান্তসিদ্ধ স্বালিতে চিদির পাষাণ-কাষ্ঠাদিভাব গ্রহণ বা তদ্বিষ হইল, তখন স্বপ্নেও সৰ্গাদিতে সেই স্বাস্বভাবস্থ পরম চিদাকাশই আগ্রহ হইল? আরও যখন চিপ সর্বাত্মক, তখন এই পাষাণ পিৰ্যায়গত হইয়া এই অপরূপে অৰভাসমান হয়। এক্সং কাষ্ঠদিতে কিরূপ অস্তিত্বভাৰ উৎপন্ন হইল। কারণ, চিতের সেই চিহ্যোমই এই জগৎরূপে আভাত; তাহা কখনই সৎস্বরূপ অপহুৰ সত্তপর নহে, আর তাহাতে অস্তিত্ব স্বীকার করিলে হইতে বিচ্যুত নহে। উগ নিজ নিজ স্বরূপেই এইরূপে সেই সর্বাত্মক চিভের বিরুদ্ধ অচিপ (জড়প) পাষাণাদি আঙ্গত, অথবা সৰ্গাদি কুরিত হইলে মিথ্যা স্কুরিত হইলেও অস্তিত্ব গ্রহণই বা কিরূপে করিতে সক্ষম হয় ? তদ্বিরুদ্ধ স্বীকার এই জগৎ অসৎরূপ, উহা ব্ৰহ্ম হইয়া অবস্থিত। (অন্তর), করিলে ত আর ঐ চিপের সত্যতা থাকে না। বশিষ্ঠ সর্গাদি ফুরিত হইলে উহা মিথ্যা স্কুরিতবৎ হইয়া অসৎরূপে বলিলেন- শরীরীর সর্বশরীরে অহংতা প্রথা সমান হইলেও সস্থিত হইলে উহা সেই সংখরূপই। অতএব কোথায় হন্তেই হস্ত ও পাদেই পাব থাকে, অত্র কখন জাতি কৰ্ম্ম ব হেয়াহদিপ্রতিভাস কিরূপে বা কি কারণে হইবে। এই জগৎ সংস্থাদির ব্যবস্থাগ্রহ হয় না। ইহা কেবল অনাদি তত্তকার- পদার্থ কিছুই সাকার নহে ৰা স্মৃত্যাত্মক কখন নহে। কারণভাৰ সংস্কারব্যবস্থাতেই হইয়া থাকে, অ কোন কারণ নাই। যেমন নিবনই ইহা পরমাত্মার অক্ষপেই প্রতিভাত, স্মৃত্মকতার শরীরীর হতে হন্তই আগ্রহ, সেইরূপ সেই সর্বাত্মার দেহ প্রত্যাখ্যান এই এই করিতেছি যে, এর আকার থাকিলে যে মেহজাৰ দেহাবছি-হংতার আগ্রহ আনিবে। কেবল ইন, মরণেও তাহা হইয়া থাকে; (খ্রী পুত্রাদিয় মৃত্যু স্মরণেও যে প্রাণীর, তাহা নহে; কানাকান্দিতেও একাশি-জীব দুঃখ দেখা যায়)। ৩০-৪১। যখন এই উভয়ই অসৎ, অঞ্চল বলে সনিবজন বুজের পত্র পাের আগ্রহ, সেইরূপ সেই নাইই জানিৰে; পঞ্চভূতের অন্যতম আকাশসভি শূন্যস্বরূপ সন্ধাআয়ও বক্ষতার—অর্থাৎ বৃহন্তার আগ্রহ আনিবে। চিলাকাশে ভুবন এক অনাদি অম্বরূপ পৰিত্যাগ না করিয়াই আকাশের যেমন শুতে শূন্যতার আগ্রহ, অস্থায় চায় সেই যখান্বিতভাবে—অর্থাৎ জীবন্মুক্তগণের ব্যবহারক্ষম হইয়া অবস্থিত। সর্শায় মণিমুক্ত-স্বর্ণালি (ধন) ব্যে এব্যতা অর্থাৎ প্রযত্নে এবং এই ঘাস্থিত উগ্র দিককালসমন্বিত অগৎ অস্বরূপ উপানীত শব্যতাতে আগ্রহ বর্তমান। ১৫। উপা পরিত্যাগ না করিয়া ঐ চিকাণে অবস্থিত। স্বপ্নগ্রপঞ্চ দৃষ্টান্তও শালীভূত অরুণ চিত্ত হইতে উৎপন্ন বলিয়া অরূপ হওয়া উচিত এ বিষয়ে সুসদৃশ। দেখ, এক স্বাভৰ মাত্রই যাহার স্বরূপ, সেই হইলেও পুরে লাকায় যেমন স্বপ্নভােজর আগ্রহ, ঐ যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। -- সর্বাত্ময়ও সেইরূপ স্বপ্ন-জাগ্ৰালি অবস্থানের আগ্রহ। গিরি- এই হিরণ্যগর্ত এপিতামহ। এই আদ্যবিহীন সৃষ্টি এল রাজপুরে প্রস্তরদিতে প্রসিদ্ধ গ্রহের স্যায় ঐ সর্বাত্মীয় তদভি- বিভ্রম অঙ্গৰং সেইরূপে সর্বদাই ছুরিত হইতেছে। ১৩-২০। মানিত অবস্থায় অতিষও পুৰুতার আগ্রহ নিবে। যেমন চিলাকালের সে কমনীয় কচন, তাহাই বিরাট নামে অভিহিত, চেপে অভিমত শরীরের কোন আদিতে যেমন অচেলত্ব সেই বিরাটের মনুঃ স্বরূপ হিরণ্যগর্তও যে ভুবন ভূত গ্রামাদি আগ্রহ, সেইরূপ চিপেরও সর্বাত্ম হইলেও কাষ্ঠদিতে করিবেন, তাও স্বপ্ননগৰব জানিবে। সেই বিটুই অচেতনত্ব আগ্রহ , (চিৎ কখন চিত্র পরিত্যাগ করিতে পারে সৃষ্টি ও সেই বিরাটই স্বপ্ন, এবং সেই স্বপ্নই জাগ্রত ব্যক্তি- , সুতরাং চিতের অচি পরিগ্রহ অসম্ভব বটে, কিন্তু মায়াগত সমষ্টি দেহ। যেমন অন অনুপ্তই নিদ্রাতিপয় লক্ষণ তিমির- আবরণ ও বিকেপ শক্তিদ্বারা অটিতেরও ঘটনা হইয়া থাকে, ভাবে স্বপ্ন সংৰেন (স্বপ্ন জ্ঞান) হয়, সেইরূপ প্রলয় তিমির- অতএব আর অসহুবতা থাকে না)। স্বপ্নে যেরূপ চিক্তের নিকট বুত আত্মাই স্বর্গ সংবেদন হইয়া থাকেন। অবান্তর প্রলারূপ হইতে কাঠপ্রস্তরদিভাব ঘটে, সৃষ্টির আদিতেও সেইরূপ যে চতুর্মুখের রজনী, প্রথম বলিয়া তাহাই সেই বিরাটবেশধারা চিদাকাশের অবয়বাঙ্গিভাব হইয়া থাকে। আরও মাশবল পরমাত্মার কেশরূপে উদিত, প্রকাশ ও অ-অর্থাৎ দিন ও রাত্রি পুরুষের একই বস্তু, চেজ, অচেতন, এই উভত্মিক বলিয়াই ও কাল ক্রিয়া তাহার অঙ্গসন্ধি। অগ্নি তঁহার আনন, স্বর্গ তদীয় পৃথক পৃথক ধৰ্মাক্রান্ত দেহ আকার ভাস্বর ও নখ কেশ কঁাহার মন্তক, আকাশ তঁহার নাতি, পৃখিবা তঁাহার চরণ, জল আকাশাদি পৃথক পৃথক ধৰ্ম্মাক্রান্ত হইয়া উভয় ব্যবহারেই চন্দ্র সূর্য হার দৃষ্টিযুগল ও পূর্ব পশ্চিম দিক তঁাহার কর্ণদ্বয়। প্রবর্তক হইয়া থাকে। অতএব তাহাতে যেমন কোন বিরােধ এই রীতিতে মনঃকল্পনাই বিরাট আকারে বিক্তিত হইয়াছে নাই, তাহা যেমন একই, সেইরূপ সেই সর্বাত্মার একই শরীর— এইরূপে সেই বিস্তৃতাকুতি বিরাট পুরুষ সমাকুরূপে দৃষ্ট হইলে চেতনাচেতনাত্মক হইয়া ম-স্থাব্যময় হইয়াছে, কিন্তু তাহা আমাদিগের সঙ্কজ শলসন্নিত স্বপ্নাতিত অবস্থিত বামা- নিত্য একই ও কোন কালেই তাহার আকার নাই। বেকপ আতেই পর্যবসিত হন (সুতরাং প্রপঞ্চশূন্যতাই পরমার্থ স্বপ্নদৃষ্ট, অর্থ সংভ্রম সপ্ন জ্ঞান হইলে তাহা আর পুরুষের থাকে জানিবে ।। চিলাকাশে যাহা চেতনাত্মক জীবভাবাপন্ন হইয়া না। তাহার ন্যায় সম্যক জ্ঞানবানের এই যখস্থিত জগৎ শান্ত স্বভঃ দেদীপ্যমান হয়, তাহাই এই জগৎ, সুতরাং আত্মাই অনু- হয়, আর তাহার নিকট এই বিরুদ্ধণাত্মক জগৎ খাকে না। ভূত হইয়া থাকেন। বিস্তীর্ণ চিন্ময় আকাশই এইরূপে বিরাট ৬—১২। স্বপ্নদ্রষ্টার এত প্রসিদ্ধ যে প্রবােখ, তাহাই “পৃথক্ আর স্বরূপে প্রতিভাত হইতেছেন (যা এইরূপে দেখিলে ব্রিটুরূপ দ্রষ্টা বা দৃশ্যতা নাই, সমস্তই মৌন চিত্রাকাশই” এই নির্ণয়ে চিন্ময় আকাশই প্রতিভাত হইতেছেন), আর এই যে নগনাগময়া- সমর্থ। সহস্র সহস্র কোটি কল্প সৃষ্টি গমনাগমন করিতেছে, কিন্তু অক জগৎ, উহা নগনাগময়াত্মক প্রভাব স্বপ্ননগরমাত্র। স্বপ্ন যে সকল চিনাকাশে সমুদ্রে এলার্তের ন্যায়-অর্থাৎ এইরূপ সহ প্রাপ্ত নট যেমন স্বীয় আত্মকেই ঋতিরিক্ত নাট্য দর্শক সমাজে কোটি অধ্যায়ে অথিষ্ঠানের এক রূপভায় হানি হয় না। সমুদ্রে পরিপূর্ণ স্বপ দেশ কল্পনা করিয়া তাহাতে নিজের নাট্য নিজেই জল যেরূপ তরঙ্গাদিতে নিজ শরীর নানাবৈচিত্র ফুরণময় করিয়া অনুভব করে, সেইরূপ অনুকারী চিদাত্মাই স্বীয় স্বরূপকে অনু- থাকে, সেইরূপ চিংস্বৰূপ স্বীয় মায়াশবলই চেতনে এই সৃষ্টি ভবৈকরস সত্য স্বাক্সকেও মায়াবরণে অস্তিত্ববিহীন সত্যের আদি নানা সংক্ষা করিয়া থাকেন। যাহার তত্ত্ব নহে, সেই স্যায় করিয়া সেই পাত্মাকেই ইয়তার পরিচ্ছিন্ন প্রপভাবে অনু- সকল জন নিশ্চ ব্যতিরেকে তজ্ঞের প্রতি এই যথাস্থিত বিশ ভৰ করেন। শুদ্ধ ব্ৰহ্মপর সঙ্গেরপর ও উপিনকপর বৈলা- সর্বদাই অনায় ব্রহ্ম। তরঙ্গ যদি যুক্তি দ্বারা বুঝিতে পারে যে, ভিকগণ, দিগম্বর আহতগণ, কাপিলখােপি-সাঙ্গ, ও সৌতান্ত্রি- “আমি অঙ্গ নহি আমি জলই" তার আর তরঙ্গতা কেথায় ? কালি সৌতগণ ইহাদিগের আঁহারা গুরু ব্যাস, অর্হৎ, কপিল, যখন ব্রহ্মেরই রঙ্গবং—অর্থাৎ তরঙ্গ সদৃশ জগৎ সদৃশ আভান, পতঞ্জলি, বুদ্ধ ও পশুপতি বা আগমশাস্ত্রনির্মাতা স্ত্রৈ এবং তখন কি তরঙ্গতা আর কি অসঙ্গত উভয়ই ব্ৰাহ্মী শক্তি স্থিরতা বৈষ্ণৰ হিরণ্যগর্ভীদি আগৰ নিৰ্মাতা বিষ্ণু প্রভৃতি কর্তৃক হা- লাভে অবস্থিত জনিবে। সম্বক অপরিহারী চিমাকাশের দিগের প শ আগমে প্রতিপাদিত যে বে , তৎসমন্তরূপে অৰ্ম্ম- অন্যান্য ধর্ম বিনিময়ে চেতভাব ব্যতিক্রমে যেমনঃ সমষ্টি উপ অভিমত ব্ৰহ্মই আত্মকলায় তত বাসনা লক্ষণ ভদত্মকরুপে নিত্য হিত রূপ প্রকাশ পায়, হেরাম। তাহাই মন, ব্রহ্মা, ইভ্যাল স্কুরিত হইয়াছেন। আর সেই সকল বালিগণের স্ব স্ব নামে উক্ত হইয়া থাকে, ইহাই পিতামহের নাম। এই রূপ সেই নিশানুরূপ স্বর্গ পারলৌকিমুখরূপ এবং অখিল ঐখিক মুখ প্রজাপতি আল নিরাকার নিরাময় চিত্র স্বরূপ সঙ্ক নগরবৎ সকল ফলই তত্ত্ববিদের নিকট ব্ৰহ্মই হইতেছেন। কারণ তালা- কারণ বিবর্জিত জানিবে। যে হেমাঙ্গ (সুর্ণ কেয়ুর) নিজের রূগেই সেই সেই ফল হয় ইহা সেই বালিগণের অভিপ্রেত, অঙ্গদত্ব নাই” ইহা বুঝিতে পারে, তাহার এঙ্গল কোথায়? শুদ্ধ ঐক্রহ্মের এইরূপই মহিমা প্রসিদ্ধ, কেন না, ব্ৰহ্ম এইরূপ মায়শবল- হেমতাই (সুৰণত্ব)বর্তমান থাকে। সেই অঞ্জ চিত্র দেহে স্বরূপ সর্বাত্মক। ২৫-৩৪। সে সমমাত্ৰাত্মক আহত ২ আদি প্ৰতিভাত, সেই ব্যক্তি স্মাণি সমষ্টিৰ চিত্ৰতা নিবন্ধন চিত্রই; ইহাও সিই খ্রিসত্যধিকশতম সর্গ সমাপ্ত। ১৭৩। আছে। টিলাকালে যে সকল চিচ্চমৎকৃতি প্রতিভাত হয়, অন্য শুন্যতাই এবং সেই সকলই এই সৃষ্টি সংস্থার স্থিতি ব্যাপার বিং (জ্ঞান)আবিবে। ত্রিশগনের যে বৎ নিল কল ক্ষু, তাহাই গ্রাঞ্জ ইহা চিত্তাত্র এবং তাহাই t নিৰ্কাৰ-প্রকরণ-উত্তরভাগ নিবারণ করিতে পারিতেন এবং আকস্মিক দূও দেখিতেন না, চতু সত্যধিকততম সর্গ। অতএব ঐ বিবিধ লক্ষণের অন্যথা উপপৰি যখন হয় না, বশিষ্ট কহিলেন,—যখন সৃষ্টির আদিতে কেবল চিই স্বপ্ন- এখন ইহা স্বল্পশৈল অন্তর্ভাত্মকই সিদ্ধ হইল। (অতএব বিং সংবিত্তিতে এই অবভাস—অর্থাৎ মিথ্যা জ্ঞানেই সত্যের জগৎবাধিত না করিয়া নির্বিকল্পসমাধি পর্যন্ত ধ্যান মাৱেই স্যায় ভান হইতেছে, ইহা সাধিত হইয়াছে, তখন জগলু ব্ৰহ্মই যাহাৱা শিন্তার হইবে মানেন, সেই সকল যােগিগণও নির এই প্রবােধে কৈবল্যসিদ্ধ হইলে সৃষ্টি ব্ৰহ্মার ভর, আর হইলেন, কারণ যােগগণের আত্মা আনন্দ চিপ শৃঙ্গাবস্থায় সংবেসন তাহাতে অর্থাৎ অজ্ঞপ্রসিদ্ধ দুঃখাত্মক সৰ্গ-বােধে থাকে, সাক্ষাৎ অনুভূত হইলেও পুরুষার্থবিহীন, অতএব তাহার তাহা প্রমার্জিত হয়, তবে যে তাহার পরেও জীবন্মুক্তদিগের সাক্ষাৎকার কানে প্রয়ােজনের অভাবপ্রযুক্ত নিত্যানুমেয় সেই ব্যবহারের জন্য জগৎ প্রসিদ্ধ, তাহা কেবল আনন্দ সচ্চিদের নিত্যপনােঙ্গ ভ্রান্তিজ্ঞানকল্পে জড়তাই অবশিষ্ট থাকে, তাহাতে বলিয়া অন্য সর্গ, তাহা সুখাদিময়, তাহাতে ঐক্য আজি চিত্তে নির্বিকল্পসমাধি-সম্পন্ন হইলেও তাহা পরম জড়তা অঙ্গ অন্য অনুরূপ কি কারণ হইতে রে? যেমন স্বপ্নে মাত্রই, আর সবিকল্প-সমাধিসম্পন্ন হইলেও তাহা ত সংসা- সুষুপ্তি স্বপ্ন ইত্যাদি ভেদাভাস থাকলেও তাহাতে নিদ্রৈক বই। সুজাং সেই ধ্যান ও তাহাতে সম্পন্ন সমাধি কোন বসতার হানি নাই, উভয়ই একই নিদ্রাণময়,–তদ্রুপ বিদেই পুরুষার্থরূপই নহে। সত্য ( সাকার) ধ্যান সংসার, আর মুক্তি জীবমুক্তি ভেদ-প্রতিভাস হইলেও তাহাতে সুধৈকরস অচেত্য (নিরাকার খান। অড় শিলার স্থায় স্থিতিপ্রদ বলি, জানি নাই, দৃশ্য-অদৃশ্যাংশ সমস্তই চিদাকাণের একাত্মরূপ। পাষাণস্থিতি (পাষাদােপম) আর অন্যের (বৈশেষিকাদির) আম্মদস্থায় অদৃষ্ট-নগর যেরূপ বাধিত হয় তাহার ন্যায় এই অভিমত মােক্ষপৰ্যবসায়ী যে জ্ঞান, আহা ত মােক্ষ অর্থাৎ পুরুষার্থ জগৎ বিবেকি-কর্তৃক পরিজ্ঞাত হইয়া বাধিত হইলে আর সেই নহে, বিকল্পাত্মক সচেতা জ্ঞান অপেক্ষা মােক্ষেত, হতে বিবেকীর ইহাতে কি অস্থা থাকিবে ? সুতরাং বিধানের বাধিত আর বন্ধনে কিছুই বিশেষ নাই। জড়পিলাসভি নির্বিক বিষয়ে আস্থা নাথাকাই দুঃখভাবের হেতু। জাগ্ৰদষস্থায় যেমন সমাধি দ্বারা সাঙ্গাভিমত ভিন্ন অন্য কিছুই অম্মদমিলব্ধ বিবিধ স্বপ্নগর-বাসনা সত্যভাৰে জাগরূক থাকিলেও তাহা হয় না, তাহাতে যদি লাভ করা যায়, তাহা হইলে নিদ্রা দ্বারাও অসত। সেইরূপ এই জাগ্ৰদবস্যায় ভে'গভােগর অন্ত আবির্ভূত লাভ করা যাইতে পারে, কারণ ঐ উভয় অবস্থাতেই চিত্তচাঞ্চল্য শাসনও সত্য হইলেও অসত্য,অর্থাৎ দগন্ত্রের ন্যায় বাসনা- নিবৃত্তি ও অজ্ঞানাবরণ নিবৃত্তি হইয়া থাকে। অতএব সম্যক মানে অবস্থিত ভােগালি কখন দুঃখের নিমিত্ত হইতে পারে না। পরিজ্ঞান সকল সৃষ্টি আদিই ভ্রান্তিমাত্র, কারণ জ্ঞানসম্পন্ন আর তুমি যদি বল যে, “জগতের ভ্রাভিমাত্র স্বরূপ হইলেই তত্ত্ব বিৰেকীর পক্ষে সৃষ্টিঅত্যন্ত অসন্তুষ, সেই জ্ঞানে ভ্রান্তিহg অনে সেই ভ্রান্তিমূল অজ্ঞানের উচ্ছেদে তাহার বাধা হইতে অজ্ঞান নাশসহকারে উক্ত বিবেকীর যে জীবমুক্তার উদয় হয়, পারে কিন্তু প্রকৃতি পরমাণু-আদি কারণার স্বীকার দ্বারা অঙ্গ তাহাই নির্বিকল-সমাধি, তাহাই অনন্ত নির্বাণ, অহাই র উপপত্তি কৰিলেও ভ্রান্তিময়তার কল্পনা না করিলে ত যথাৰস্থিত অবিক্ষুব্ধ সর্বভাসন আসল, তাহাই অনন্ত সুপ্ত, "জ্ঞান জারা জগৎ বাধিত হইতে পারে না, তাহা হইলে দুধ তাহাই তুরীয়, তাহাই নিৰ্বাণ ও তাহাই মােক, ফলে ইষেই” কিন্তু তাহা আমি বলিতে পারি না, করণ,) যদি তুমি তাহাই সকলের স্মরণ)। ঐ যে সম্যক্ বােধৈকঘনতা, তাহাই ঐ প্রকার অন্যখা উপপতি দ্বারাই কারণ কল্পনা কর, তাহা হইলে ধ্যান বলিয়া কথিত এবং ঐ বোধই “ নাপতি ইতাদি ক্ষতি সাহা সপ্নজগতে প্রসিদ্ধ ও যাহা লাঘব এবং “বাচারণ” সম্মত দৃশ্যব্রিহিত (আদৃত) পরম পদ। আহা গৌতম-কণাদালি ইত্যাদি কতিপ্ৰসিদ্ধ, সেই শীঘ্রই উপস্থিত হয় বলিয়া অতি স্বীকৃত মুক্তির ব্যয় শিলাবৎ জড়তা নহে বা হিরণ্যগর্ভ-আদি সন্নিহিত জগতের ভ্রান্তিমত্ৰতাই কেল কলনা করিছে।১। সম্মত প্রকৃপ্রিলয়বৎ সুষুপ্ত সদৃশ নহে। কিংবা পাত আরও “চারণ” ইত্যাদি দিণিত স্থায় পালােচনা লাদি-কথিত নির্বিকমাত্র নহে, অথবা পঞ্চরাত্র পাশুপতাদির করিলে, মৃত্তিকা ত্রাদির ব্যতিরেকে বট-পটালি দেখা যায় না। অভিমত মুক্তিৎ সবিকল্প নহে বা বৌদ্ধগণমিত অসৎ—অর্থাৎ সুতরাং স্বপ্নজগতের ন্যায় তদ্বিষয়ে “স্বকীয় এই ভ্রান্তি”, ইহা নিরাত্মতা লক্ষণ শূন্যও নহে। ৮-১১ | তবে তাহা কি, তাহা বলি- প্রত্যক্ষ অনুভত হইয়াই থাকে। কারণ কিন্তু অনুমান সাধ্য, তেছি শ্রবণ কর। যাহাতে দৃশ্যের অত্যন্ত অসৰ, উহা তালাক প্রত্যক্ষ অনুতব অপেক্ষা অনুমান বলবত্তর কোথায় দেখা গিয়া আদ্য বেদন, এবং উহাই “স্মাৎ ও সর্বমতবৎ”এই ক্ষতিসম্মত থাকে , যে অনুমানের বলে প্রতি পরমাণু-অদির সিদ্ধ হইবে। সন্ত। আবার উহাই ‘নাৎ পশ্যতি ইত্যাদি ভিকথিত আরও জগৎ যে স্বপ্নশৈলবৎ অন্তর্ভাগময়, এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদৃষ্ট অকিঞ্চিৎ—অর্থাৎ কিছুই নহে। হে রাম। তাহা তই বিদিত কারণীভুত লক্ষণও আছে, কেননা এই জন (শ্ৰষ্টা) আত্মতে আছে, সম্যক্ প্রবােধে তাহা পরম নির্বাণ, আবার হাতেই অভিলষিত-পদার্থের সৃষ্টিতে বা অনিষ্টের সৃষ্টি-নিবারণে প্রভু এই বস্থিত বিশ্ব বিলীন হইয়া থাকে। সুজাং তাহাই সর্ব ও দেখাইতে পারেন না। তিনি ‘আমি সমর্থ নহি” ইহাও তাহাই অকিঞ্চিৎ—অর্থাৎ কিছুই নহে, তাহাতে এই নানা-বৈচিত্র্য অনুভব করেন এবং তিনি পুর্বে যাহা নির্ণয় করেন, তাহা রহিয়াছে। অথচ হাতে এই ল-বৈচিত্র কিছুই নাই, তাহা তিনি যে নিশ্চিতই দেখেন, তাহা নহে, কারণ অকস্মাৎ কিছুই নহে, অথচ তাহাই কঞ্চিৎ—অর্থাৎ তাহা কিঞ্চিৎ বলিয়া যাহা কিছু আবিভূত হয় দেখিতে পান, সৃষ্টি যদি কারন্তরের এই জগৎও কিঞ্চিৎ বলিয়া বােধ হয়। সেই বস্তুসমগ্র সদস- অধীন হইত, তাহা হইলে সকলে তা কারণসম্পত্তিমধ্যে বের রম সীমায় পর্যবসিত। (একখানি বই তাহার দৃষ্টান্ত) দেখ, আপনার অভিলষিতই সৃজন করিতে সক্ষম হইতে, অনিষ্টেরও সৎ কি অসং এইরূপ নির্ণয় করিতে যাইলে সূত্র জাহান ৭১ যােগবাতিঘামায়। চরমসীমা হয়, আবার সূত্রের সদসম্ভাৰ অনুসন্ধানে কার্পাস পারে না; অর্থাৎ অভিরূপেই জীবজাৰ সমকালে বৃষ্টিআলির আসিয়া পড়ে। এইরূপ শৰী, পৃথিবী, ল, তে, বায়ু, সিজি, এ নিমিত্তে নহে। আরও চিমাকাশের শবিক জীবজাৰ আকাশ, অন্তত করিতে করিতে সেই চিত্মাই চলীয় পর্ব অগভাৰ নাই,(যাহাতে ও ভীষ শরীর হইবে); অনুভবে বসিত হন। হাতে জল অত্যন্ত সবার এবং বাহা করস চিলা এই প্রকার অসৎ অং দুইখী বিদ্যায় - নির্বাণ—অর্থাৎ পবিক্ষোপ-বিরহিত তাদৃশ ও বােলােদশলী মান হইয়া থাকেন, উহা অঙ্গনাসঙ্গবৎ শান্তস্বরূপ কিছুই নহে, ( ৩ বােধােপ) শান্ত নিরতিশয় আনম্বরূপে অবস্থানই পরম- কেবল চিয়ামমাত্র। যাহা অসৎকাপে প্রতিভা সেই অগপী পদ—অর্থাৎ পৱমপুরুষার্থ জানিবে। হে পদার্থ! এই মাত্র শূন্যত্মাই, তাহা অনাদি-নিধন নির্মল চিদ্ধাতুই এইক্ষণে বর্ত- হইতে যাহার যুক্তি উৎপন্ন হইয়াছে, তা বােধশালী-পুরুষই মান (অতএব অনুভব এসৎ নহে)। এই পৱষাত্মাই যে গৰ্যন্ত সর্বোত্তম জনস্বরূপ শুদ্ধবােধ প্রাপ্ত হন; “বােছেন এই পাঠে। অজ্ঞাত থাকেন, সে পর্যন্ত বিদ্যাই মলস্বরূপ, সেই অবস্থাতে এই শাস্ত্র হইতে বােধ যারা উৎপনবুদ্ধি পুরুষ এই শাস্ত্র হইতে সন্ত্রণ করত জাবের ন্যায় পৃথগবৎ হইয়া থাকেন। আর পরিজ্ঞাত ইত্যাদি। সর্বদা এই মোক্ষেপাখ্য শাস্ত্র কীর্তন বা শ্রবণ হইলে নির্মল ব্রহ্মেই পৰ্যবসিত হন, কারণ অনালিনিধন পর করাইলে অধ্যাত্মশাস্ত্রজ্ঞানরূপ উপায় লাভ টে, তাহাতেই আকাশে আর মল কোথাও কিরূপে সন্তবে? যাহা এই তত্ত্ব সর্বোত্তম ব্যানরূপ শুবােধ সাত ব অন্য কোন উপায়ান্তরে বেদন, তাহাই স্বপ্ননগর ও তাহাই সৰ্গাদিতে জগৎ। কায়সা- তৎপ্রাপ্তি ঘটে না। তাই কি তীৰ্থপৰ্যটনে কি জানে, কি আনে, দিতে আর পৃথীবির উৎপত্তি কোথায় বা কিরূপে সন্তপর, কি ব্রহ্মবিদ্যাতিরিক্ত বিদ্যা, কি খানে, কি বােগে, কি অপমাৰ কাৰণের অসস্তবতা-নিবন্ধনই জগতের স্বপ্নের সহিত সমতা। কি যজ্ঞ কিছুতেই লাভ করা যায় না। কারণ, এই সমস্ত যে সৎ আকাশস্বরূপ ঘিামাঘার অবস্থাসেরই এই সৃষ্টিরূপিণী পৃথী- বলিয়া জ্ঞাত হয়, তাহা ভাতিমা, ভ্রান্তিবশতঃই অসৎ ও সৎরূপে আদি কলনা ও মনােবুদ্ধি আদিভাব বিহিত আনিৰে। জলের পরিলক্ষিত হইতেছে। অনিদ্র চিদম্বরে শূন্যই জগলাকার স্বপ্ন, অবর্তের ন্যায় ও বায়ুর স্পন্দনের ন্যায় চিলাকাশে অবুদ্ধিবশতঃ সুতরাং ঐ সকল স্বপ্নকল তপস্যা-তীর্থাদি আর এটি কখন নিও যাহা প্রতিভাত হইতেছে, তাহাই জগদলন, উহার কোনই হয় না, অপঙ্গা-ভাজি এর অর্গালিলাভই খটে, মুক্তি নহে। ভিতি নাই। ঐ জগৎভনের পর জীষভাবে তাহার মধ্যে প্রবেশ এ সংসারে মােক্ষপায়ভুত আত্মজ্ঞানময় শাস্ত্রাৰ্থ সমকবুদ্ধি দ্বারা করত আমি হিরণ্যগর্ত জগৎষ্টা এইরূপ ঐশ্বংসী হইয়া অবলােকিত হইলেই, ভ্রান্তি দূর হয়, অন্য কিছুতেই হয় বুদ্ধি-আদিও পৃথ্বী-আদি নামৰূপ বিভাগৰূপ মুর্ত-মুবহুল সত্য- । আলােককারী (প্রকৃত তপ্রদর্শক) অমল এই মিথ্যাসমবেত কল্পনা করেন। ১-১। যা নিৰ্ম্মল অপেক্ষা অখিল ভ্রান্তিয় একেবারে শান্তি বটে, সূর্যোদয়েই কৃষ্ণপক্ষের নির্মলত, সেই মহাচিতি স্বয়ংই জগৎরূপে ভাসমান হন, তামসীরাত্রির বিনাশ ঘটে। স্পন্দন যেমন বায়ুতে অবস্থিত এবং উহারই নাম সর্গ , অতএব জগৎ চিনাকাই, এ নহে। হে দ্রবত্ব যেমন জলে বর্তমান, তদ্রুপ চিমাকাশে সৃষ্টি-স্থিতি-সংহারের রাম। এইরূপ পৰ্যালােচনায় বুঝা যায় যে, পৃথক অন্য কিছুই প্রতিভাস প্রতিজত জানিবে। বটবীজাদি দ্রব্যের অন্তরে যেরূপ স্কুরিত হয় না, সেই মহাচিতি সদাই নিৰ্মলা, এক চিত্ররূপ বটরক্ষাকার-ধারণ-চমৎকুতি অবস্থিত এবং বায়ুর অন্তরে যেরূপ যে এক বস্তু, তাহারই কলন স্বাত্ময় স্বতই বিস্তৃত। চিমাকাশে স্পন্দন-চমৎকুতি বর্তমান, বাযেরূপ কটবীজাদি দ্রব্যের অন্তরে চিনাক। ই বিরাজিত, তবে যে এই দৃশ্যের ন্যায় ও চিত্রে ন্যায় বটবৃক্ষাকায় ধারণ চমৎকুতি, বায়ুর স্পন্দন চমৎক্ততির ন্যায় অবস্থিত প্রতিভাত হইতেছে, উহা তদীয় পূস্বরূপই, কেবল স্বল্পৰং চিত্ত থাকে, ভদ্রুপ মাশকল চিকাশের অন্তরে, এই বখস্থিত দৃশ্যাদির ন্যায় অবস্থিত। (অর্থান্তর) চিলাকাশে চিদাকাশই জগতের সৃষ্টি ও অস্তিত্ব অর্থাৎ-স্থিতিও অনঙ্গরূপিণী হইয়া বিরাজমান, তাহা অত হইলেই তদীয় স্ত্রী স্বমল শরীর বােধ বর্তমান রহিয়াছে, এবং তাহাতেই লয়প্রাপ্ত হইবে। ১৮২। হয়, ৰ অতিৰ্মিল বপু অজ্ঞাত হইলেই চিত্ত দৃঙ্গালির ন্যায় চতুসপ্তত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৭৪। যােধ হয়, উহা নগ্নবৎ অবস্থিত অনিবে। যখন কোন বাণীই প্রকারান্তরে সৃষ্টির উপপাদনে অসমর্থ, ইহা যখন চরম নিষ্কর্য হইল ও যখন সত্যপদার্থ বা কারান্তরের সত্তা নাই, তখন সৰ্গাদিতে চিলাকা স্বীয় আত্মাকেই স্বপ্নং দৃরূপে শােকন করেন। পঞ্চসত্যধিকশততম সর্গ। তাহা স্বপ্নবৎ,ইহা কোন ধৰ্মাক্তাতই নহে, এবং উহা চিৎস্বরূপ বশিষ্ঠ কহিলেন,-“এই দৃষ্টিস্থিতি অনন্যরূপিণ” এই কথা হইতে ঈষৎ গ্রিও নহে। অতএব নিশ্চয়ই চিন্তামগগনাদি- পূর্বে বলায় সৃষ্টি চিতেৰ ৰিীয়ই, এ আশঙ্কা তুমি করিতে পার বৎ শূন্যতা মাত্র। বাহা এইরূপ, তাহাই সর্বপৰিবজিত না। কারণ, অদ্য চিলাকাশ স্বীয় জ্ববিদ্যাৰলে প্ৰকল্প হইয়া জীব- পর, তাহাই এক এবং হাই এই দৃরূপ, সুজাং তাহা তবে সংসরণ করত আমি দেখ, আমি মনুষ্য” ইত্যাদি; দেহ সর্বভাবে অবস্থিত এবং তাহা একরূপ হইলেও এই সর্বকাপে আদাধ্যাসের কাম, কৰ্ম্ম, বালি গাৱা কারণ আনিবে। আর অবস্থিত। এই যে গে অনুভবগম্য বিষয়, তাহাতে আত্মাই জীবােপাথিসিদ্ধির পুর্বে পুর্বে মহাপ্রলয়ে স্বাভ-তিবিষয়ে স্বরূপে অসমান; এই যে নন।ৰোধময় বলিয়া বােণ হয়, অন্য দৃশ্যে সৰতাপ্রযুক্ত নিমিত্তে এসিছি। সুতরাং সেই তাহা নানাই, তাহা নির্মল ব্রহ্মই। এই জীয় চিব ফৈজ সৃষ্টিরুল বুখ সেই চিতোমের শরীর কি নিমিত্তে হইতে পারে। হে এযুক্ত আত্মাতে জীবভাবের ন্যায় কল্পনাকর ও নিজ নিরূপ পাপসম্পর্ক-বিরহিত নাম! বলিতে সকল গল্প সংভিরূপ পরিত্যাগ না করিয়াই মনস্তাকে যেন প্রাপ্ত হন। এবং সেই ব্যতিরেকে সৃষ্টি বা এগুলােক দৃষ্টিগােচর হইলেও সিদ্ধ হইতে মনসমষ্টিরূপে এই সমস্ত প্রপঞ্চ বিস্তার করেন, তাহা শাক নির্বাণ-প্রকরণগুগ শুগকেই বিস্তার করেন। এবং অধিকারী হলেও যিকারি- একমাত্র টি ঘরে স্বয়ং চমৎতি করিতেন। এই যে অকাপের স্থায় হন। সেই মনঃসমষ্টিই স্বয়ং হিরণ্যগর্ভ ব্ৰহ্ম” গম্বিকা মহা চিৎক্সল মণির দীপ্তি, ইহা স্বীয় কারমণি হইতে বলিয়া প্রসিদ্ধ, তিনিই সর্গৱ জগয়ে অবস্থান করুত অবিরত সুজন জি না হইলেও ভানুবিল হইতে উষ্ণতার ব্যয় ভিন্ন বলিয়া করেন এক অজ সংহারও করেন। ১০ -১৯। পৃথানি- বােধ হইতেছে। সুষুপ্তিই স্বপ্নষৎ ভাসমান হয়, সেইরূপ এই রহিত সেই মনােরূপ ব্রহ্মা স্বীয় অঙ্গতি হয়তেই বেগৎ সৃষ্টিবৎ প্রতিভাত হন, সকলই একই শান্তস্বরূপ, সেই একই হৃদয়ে অবস্থান করেন, স্বপ্নে বেরূপ আত্মায় অঙ্গভাৰ গ্ৰহণ হয়, বস্তু নানার ন্যায় কুরিত রহিয়াছেন। ৩০-৩৮। সৎই হউক, তাহারায় জিনও সেই হৃদয়স্থ জগৎ হইতে অন্য ব্রিজগৎভাব আর সই হউক, যাহা যখন চিৎ-কর্তৃক প্রকাশিত হয়, চিনা- গ্রহণ করত স্বয়ংই প্রতিভাত হন, তাহা বাস্তবিক নিরাকার। ভাল তাহাই দুত করিয়া থাকে। আর অগঞ্জে জড়তার নিজ অবিদ্যায় পরাভূত হইয়া সেই একই নিরাকার মন “অহং” অখার অনুপপত্তি দ্বারা ধদি ভানুরূপ প্রকৃতি-পরমাণু-আলি আকারে দেহ জগৎরূপে অনাত্মক হইয়া বােবােধরূপে অৰ- কারণ কল্পিত হয়, তাহা হইলে স্বপ্নে অভাত যে প্রপঞ্চ, তাহার স্থান করেন, এবং অবস্থান স্বয়ং অনুভব করেন। এ সংসারে পৃথী- প্রকৃতি-পরমাণু-দি দ্বারা নির্বাহ হইতে পারে না, সুতরাং আদিও নাই, দেহও নাই আর দৃষ্ণভাবও নাই, কেবল সেই আত্মারই জগদৃভাৰ ব্যতিরেকে কিছুতেই অন্যরূপে উপপৰি হইতে একই শুস্বরূপ মন জগৎপে দেদীপ্যমান , বিচারপূর্বক পারে না, (এইরূপে আত্মারই অগভাষ স্বীকারে জ্ঞান সৃষ্টির দেখিলে এ সকল কিছুই নাই, কেবল একমাত্র অতিন চিত্ৰই আদিতে ব্ৰক্ষই জগৎ-বেশ করিয়া থাকেন, আর প্রধান পরমাণু আত্মতে আপনিই প্রতিভাত হইতেছেন ও হইয়া আছেন। আদি কল্পনা কিন্তু মাত্র)। যখন এই বিশ্ব মাতীত পরশ্বরূপ বাহা হইতে বাক নিবৃত্ত হয়, কেবল সেই বাসের অগােচর হইতেই অপৃথভাবে উদিত হইয়াছে, তখন ইহাই এমাতীত আনন্দ লাভে নিশ্চলতাই অবশিষ্ট থাকে, সেই নিশ্চলতা ব্যবহার ও তখন কিছুই উলিত নহে,(এইরূপে অাতের অনির্বচ কালে তথৎ শূন্যস্বরূপে মুকবৎ বর্তমান থাকে। অনন্ত পার নীয়তা সিদ্ধ হইতেছে, ও অদ্বৈতভাবে কোন বিরােধই ঘটিতেছে পরিহিত চিত্ররূপ পরম প্রেমাস্পদীভূত নিরতিশয় না)। যাহার চিত্ত যাহায় বসে মগ্ন থাকে, তাহার সেই বস্তু আনন্দঘনতা স্বয়ংই হইয়া থাকে, এবং এই প্রবুদ্ধ পুরুষােম সেই ভাবই প্রাপ্ত হয়, যে চিৎ এক ব্ৰহ্মরসে রসিক হইয়াছে, বিনা কারণে নিঃশব্দভাবে অকস্মাৎ আবির্ভূত হইয়া থাকেন। সে চিত্ত সমস্তই ব্ৰহ্মতা প্রাপ্ত হইয়া থাকে। লােকে সর্বদা অবিদ্যাবৃত ব্ৰহ্মচৈতন্য যেরূপ অম্লান যশই বজলাদি ভাব স্বাতচিত্ত ও যশপ্রাণ হয়, সেই বস্তুকেই বস্তু বলিন্না অবগত প্রাপ্ত হইয়া আবাদি বিকাল করিয়া থাকেন, তদ্রুপ সেই ব্ৰহ্ম হয় এবং তাহাই সম্যক জানিয়া থাকে। যেমন ব্রিক্ষৈকরসিক চৈতঙ্গই জন বশতঃ জড় চিত্তবুদ্ধি-আদি করেন। যেমন হইতে পারে, অকাল মধ্যে সেই বন সেই ব্ৰহ্মই হইয়া যায়, অব্যয় স্পন্দন বায়ুরূপী আত্মা হইতে পৃথক্ নহে, সেইরূপ চিদ- কারণ যাহার চিত্ত যাহার রসে রসিক হয়, তার সেই চিত্ত সেই ভাসলক্ষণ জীবসমূহ ও প্রত্যরূপ পরমাত্মা হইতে ভিন্ন নহে। বস্তুকেই সৎ বুলি জানিয়া থাকে। যে প্রাণীর চিত্ত দৃঢনিশ্চয় হে জ্ঞানি-শ্রেষ্ঠ। অতএব চিজ্যোম, ব্ৰহ্ম, চিমা, আত্মা, এরা যে বক্ততে উপনীত হইয়া বিশ্রান্ত হয়, তাহার সেই বই চিতি, মান্ পরমাত্মা, এই যে ব্ৰহ্মপৰ্যায়, ইহা জীবেরও পরমার্থ সং হইয়া থাকে, অতএব ব্রহ্মজ্ঞ নাস্তিক স্বনিশ্চিত পৰ্যা বলিয়া জানিবে। ২০২১। অবিদ্যাবৃত ব্ৰ চমু ব্যতিরিক্ত যে যাগ-নাদি কাৰ্য করে, তাহা কেবল লােকসংগ্রহ স্যায় উমেষ-নিমেষাত্মক বা বাহুর ন্যায় স্পন্দস্পন্দাত্মক। যেরূপ অs ব্যবহার নিমিত্তই অনিচ্ছুক হইয়া যেন বলপূৰ্ব্বকই করিয়া ঐ ব্রহ্মের প্রলয়াত্মক নিমেষ সেইরূপই তাঁহার সৃষ্টি আত্মক থাকে। আর এই মছুক্ত উপায়ে যদি এই অগৎ সম্যক্রুপে উন্মেষই জগৎ জানিবে। সুতাং দৃশ্যই তজীয় উন্মেষ আর দৃশ্য- (সর্ববলা) অবলােকন করা যায়, তাহা হইলে এই সমস্তই ভাবই নিমেষ , যেমন উন্মেষ-নিমেষের সাধারণ চক্ষুগোলক একই সমা, ইহাই দিত্ব, এ জগতে দ্বিত্ব-এক-কল্পনা কিছুই নাই অর্থাৎ নিমেষেও যে চক্ষুগোলক, উন্মেষেও সেই চক্ষুর্গোলক ৩১-৪৬। অদৃশ্য (ব্ৰহ্ম) ঘৃশ্য, সৎ অসৎ, মূর্ত অমূর্ত, এই থাকে, সেইরূপ এই উন্মেষনিমেষের ক্ষয় হইলে এক সেই যাহাদিগের দুক, তাহাদিগের এ জগতে কৰ্ত্তা বা ভোক্তা জীব ক্লিাকার মাত্রই বর্তমান থাকেন। অতএব নিমেষ-উন্মেষের কেহই কোথায় নাই। আর যে নাই, তাহা ও নহে, কারণ সেই একই পরমরূপ। চিতি হইতেই দৃশ্যের অস্তিত্ব নাস্তিত্বের স্ফুরণ হয় কর্তা ভােক্তাই ও এষ। ঐ অনাদিনিন-ব্রহ্মই স্বীয় আত্মায় বলিয়া দৃষ্ণ সদসাত্মক, চিতি কিন্তু সর্বদাই একরূপে অবস্থিত। এইরূপ জগৎপৰ্য্যায় গ্রহণ করত বর্তমান। যেমন অজ্ঞ পথিকের নিমেষ-উন্মেষরূপী সৃষ্টিদেহাত্মক ব্ৰহ্ম হইতে ভিন্ন নহে বলিয়া ও চোরসন্দেহভ্রান্তি-আদির যােগ্য পথে স্থাণু বৰ্তমান থাকে, সেই সেই ব্রহ্মাত্মক বলিয়া নিয়ে উত্মে হইতে ভি নহৈ বা উন্মেষও রূপ একন শান্ত ব্ৰহ্মই ঐ স্থাণুর আয় আত্মাতে বর্তমান। যাহা নিমেষ হইতে ভিন্ন নহে। অতএব এই যথাস্থিত অগৎ সম্পূর্ণ এই বুদ্ধিসমষ্টি হিরণ্যগর্তাদি জগৎ, হাই এই নিরঞ্জন ব্ৰহ্ম, শান্তরূপ (নীরূপ ) আনিবে। ইহার জন্মও নাই বা জরাও নাই। যাহা এই গগন, তাহাই এই শান্ত শত জানিবে। নভােমণ্ডলে ইহা আকাশৰ সৌম্য এবং ইহা নিমেষ-উন্বেষ সাধারণ ব্ৰহ্মরূপে যেমন কোেকালি সংসাত্মক হইয়া বর্তমান, সেইরূপ একরস। যেরূপ আকাশ স্ব স্বরূপে অধ্যন্ত নীলরূপে ভাসমান সেই পস্বরূপে বুজি-আদি দ্বৈতভাৰ প্রাপ্ত হইয়া প্রতিভাত হয়, সেইরূপ এই যযামরূপ চিৎও অচিমকের ন্যায় দেদীপ্যমান হইতেছে। আকাশে শূন্যতার স্থায় সেই সামান্যাত্মক খে হইয়া থাকেন, সেই চিই এই জগৎ নামে প্রতিভাত, সূৎ বুড়ি-আদি দেহাদি বেদনাদি ও পটাদির অভাব সম এই অগৎ সেই চিপেরই দেহ। উহার নাশও নাই বা অনেক হইলেও এনভাবে বর্তমান জানিবে। এক নিদ্রা উৎপত্তিও নাই, ৰা এই কৃষ্ণের অনুভব ও নাই। কেবল সেই ব্যক্তি যখন সুষুপ্তি হইতে স্বয়ে গমন করে, তখন সে ব্যক্তি যােগবাণিষ্ঠ-ৰামায়ণ | | স্বল্পে সর্গ হইলেও তার বোন কিন্তু হয় না, অথচ একত্বও অথচ একত্বও, তরঙ্গ পুনঃপুনঃ উদিত হয়, সেই জলে সেইরূপই হয় খকে। থাকে না, ভদ্রুপ ব্রহ্মেরও আলিৰে। হে রাম। এইরূপে মহা- অর্থাৎ সাদৃশ্যবশত সেই এই অজ ইত্যাদি প্রত্যভিজ্ঞান ভ্রম চিরি এই কান্তি (বা অবিদ্যা । প্রকাশ পাইয়া থাকেন ও লােকে প্রসিদ্ধ আছে, কিন্তু বাস্তবিক ঐ তরঙ্গ অধিন জল পইছেন, অথচ কিছুই প্রকাশ পাইতেছে না (বা স্ফুরিত হইতে ভিন্ন নহে , সালিতে ঐ পরম চিকাশ ও জগৎরূপকল্পনা ইতেছেন না) সঙ্গ একই নিৰ্ম্মলবে অবস্থিত বুহিয়াছেন। তাহার ন্যায় আনিবে, উহা কল্পনাবিষয়ে ভিন্ন বটে, কিন্তু কল্পনায় চিনাকাশে ধীয় নির্মল বহু চিদাকাশ স্বপ্নের ন্যায় যথাস্থিত এবং অধিষ্ঠান চিদাকান বিষয় ভিন্ন নহে। কল্পনামাত্রত্ব-প্রযুক্তই চেতা-দৃশ্যরূপে প্রতীয়মান হইতেছেন। সহবালিগণেরও , ঐ পরব্রহ্মে ‘সদাখার পৃথবী’ ইত্যাদি জগৎ বিধি আর নেই যখন সম্বন্তু অতিরিক্ত বস্তুর উপপাদনে শক্তি নাই, আর যন! নানাতি কিঞ্চন” ইত্যাদি ভগং প্রতিষেধ সকলই সর্বদা সভাপদার্থও কারণও নাই, তখন চিথোম স্বতঃই আত্মাকে সৰ্গা- বিভক্ত হইয়াও মিলিত হইয়া আবিরােধে বর্তমান রহিয়াছে। দিতে ঢুকপে অবলােকন করেন (ইহা সখা সিদ্ধ হইল)। 'অতএব সেই সংব্ৰহ্মই সাত্মক, কারণ ঐ ব্ৰহ্মরূপে কিই বা ৪৭-৭৫। সাদিতে সেই শূন্যাত্মাই দৃশ্যরূপে প্রতিভাত হন, বর্তমন না আছে, সেই সত্তাই সর্বাত্মিকা, অতএব সকল বই উ বাস্তবিক নিরাকার অর্থাৎ মূর্ত আকার ও তদ্বিশেষ শূন্য, । এতদাত্মক -অর্থাৎ সাত্মক ও সর্বাত্মক। যেরূপ ক্রীড়ার নিমিত্ত সেই ভান স্বল্পসংকল্প মিখ্যা-জ্ঞানাদির ন্যায় সর্বতোভাবে সম্যক ভ্রমণকারী বালকের নিকট বৃক্ষ নদীগিরি-মাদি সমবস্তুরই সহিত এম মাত্র। সেই দৃশ্য স্বপ্নৰ সৰ্বধৰ্ম্মবিরহিত চিন্ধোমই কারণ, পৃথিবী বর্ণিত হয়, কিন্তু অন্যের নিকট পৃথিবী যেমন তেমনই তাইতে মাত্ৰও ধৰ্ম্ম নাই (ভিদতে পাঠে তাহা ধৰ্ম্মাক্রান্ত থাকে, ঘণিত বলিয়া বােধ হয় ন', (এই উভই সাত্মক) সেই বিকারী হইলেও সেই নির্মূল হইতে অণুমাত্রও পৃথক্ নহে)। ভ্রমণকালে পৃথিবী ঘুরিতেছে না’ বালক ইহা জানিতে পারি- পরমাবন্ধু চিলাকাশের বিকারী ও ধর্ষাক্রান্ত-আকার অবিদ্যা- {লেও তাহার যেমন সেই পূর্বাভাস ব্যতিরেকে পৃথিবীর সেই মাই প্রতীয়মান হইয়া থাকে। তাই স্বপনগরসদৃশ প্রতী- ভ্রমণপশন নিবৃত্ত হয় না, অগভ্রান্ত দর্শনও ঐরূপ জানিবে। ভিতে ধৰ্ম্মাক্রান্ত হইলেও আহার কোন ধই নাই, অথচ তাহার ৬৩ ৬৭। এক্ষণে দৃশ্যভ্রান্তি উপযুক্ত কোন অভ্যাস অলনীয়, অধিষ্ঠান যখন সংমাত্র, তখন তাহা অনন্য অর্থ সৎস্বরূপ হইতে | তাহা বলিতেছি, তত্ত্বজ্ঞ গুরুকে সেনা দ্বারা প্রস ও বশীভূত করিয়া পৃথক্ নহে, কেবল অজ্ঞদৃষ্টিতে এইরূপ অগদাকারে নিরন্তর তাহার দ্বারা এই মােক্ষের উপায়ভূত শাস্ত্রের ব্যাখ্যা করাইবে, অবস্থিত। এই দৃশ্যস্বপ্ন গিবিবং সচ্ছ মাত্র ইহা স্বীয় তা শুনিতে শুনতে যে অভ্যাস বদ্ধমুল হইবে ও হইয়া অধিষ্ঠান হইতে ঋণাত্রও বিভিন্ন নহে বা হয় না, অএব এক থাকে, সেই অভ্যাস ব্যতিরেকে অপর কোন অভ্যাসই শান্তির চিলাকাশমাত্রে পরিশিষ্ট চিমাকাশের গগন (ভূতাকাশ) হইতে উপযােগী হইতে পারে না বা হয়ও নাই। যােগশাস্ত্রে প্রসিদ্ধ সূক্ষ্ম অর্থাৎ অতি সূক্ষ্মতাই সিদ্ধ। যে পরব্রহ্ম সৰ্বরূপ বিব- চিত্তনিরােধই দৃশ্য-অদর্শনকপ ইষ্টসিদ্ধি হইতে পারে, এ শাস্ত্র জ্জিত সেই পরব্রহ্মই এই সর্গরূপে অবস্থিত হইলেও সেই | অভ্যাসের অবশ্যক কি? এ কথা বলিতে পারি না, কারণ, সরূপ বিল্পিতভাবেই স্থিত,(বা সেই এই পরমব্রহ্ম তাদৃশ 'যোগানুশাসনে চিত্তনিরােধ হইতে পারে বটে কিন্তু সেই চিত্ত সরূপ বির্জিতভাবেই এই সর্গরূপে অবস্থিত)। অথ সথান | সংসার হইতে পৃথক্ হয় না বলিয়াই জাগ্ৰস্বপ্ন যারা জীবিতই রদোগান” ইত্যাদি - অনুসারে স্বপ্নাবস্থাতেই জীব-কর্তৃক সত্য ; (অর্থ উন্মুখই) থাকুক বা মুপ্তি অবস্থায় বিলীন হইয়া { অস্থিত্ববিশিষ্ট) পরাদি বিচিত হউক না কেন” একথাও তুমি মই থাকুক, তাহা পুক রােধ করিলে ও নিরুদ্ধ হয় না, এই বলিতে পার না, কারণ এগ্নে যে এই পুরাণ অনুভূত হয়, তাহলে এই শ্যভ্যাধীন বােধে বাধিত হইলে আর এ সংসার অল- আত্মাই ঐ প্রাপ্ত পরিপে সমান হইয়া থাকেন, তৎকালে লােকন করে না, অত এই শস্যাভ্যাসই একমাত্র উপায় আকর্তৃক সংপুরালি রচিত হয় না; (“ন ত্র রথা রখযােগাঃ যখন চিত্ত সংস্কৃতি হইতে পৃথক হয় না, এইরূপ দৃশ্যরূপ সংসারও পনাে ভষতি, মায়ামাত্র দুকাংগেন ইত্যাদি ভিসূত্রে স্বপ্নে চিত্ত-শরীর হইতে সর্বদাই অবিযুক্ত হয় না; সূরাং চিত্ত দৃশ্য ও সৃষ্টির প্রতিষেধই করিয়াছেন ও মায়ামাত্রই প্রতিপাদিত হই- | শরীর হইতে সৰ্ব্বদাই অবিমুক্ত থাকে, সেই শরীর এই শাস্ত্র আছে। আর সেই এই দেবদ” এই সেই পূৰ্ব্ব দৃষ্ট”আমার গৃহ অভ্যাসে প্রতিবন্ধক না খকিলে ইহজমেই বােথে প্রশস্ত হয়, ইত্যাদি অবাধিত প্রত্যভিঞ্জন বারাও স্বপ্ন সৃষ্টপদার্থ সত্য হইতে আর প্রতিবাদ থাকিলে পরজন্মে প্রতিবাদ ক্ষয় হইলে বােধের পারে না, কারণ স্বপ্নে 'ইহাই সেই, এই প্রত্যভিজ্ঞানের বিষয়ীভূত উদয়ে প্রশান্ত হইয়া থাকে। পবনস্পন্দন ও সংযুক্ত মেঘ- অগের সেই গল্পকালে হয়নাড়ীছিদ্রার্দিদেশে অত্যন্ত সৈন্য যেমন তৎ প্রয়ােজক শুক্রের উষ্ণপ্রস্তাদিরূপ কারণের জবপ্রযুক্ত সেই অথকালে প্রত্যভিজ্ঞানও অসম্ভব, আর অভাৰে নিবৃত্ত হয়, তাহার স্থায় চিত্ত, দৃশ্য ও শরীর এই তিনই সেই পদার্থের অসততা-নিবন্ধ তদূগােচর সংস্কারস্মৃতিও যে বােধের উদয় হইলে শান্তি পাইয়া থাকে। ব্ৰহ্মাত্মাৰােথিকা অবি- অসব হুইবে, তাহাত শটই বুঝা যাইতেছে, সুত্রাৎ স্বল্পকালে যাই ঐ চিদি ওয়ের কারণ, তাং যাহাদিগের এই শাস্ত্র বাল প্রতভিজ্ঞান, সংস্কার বা স্মৃতি কাহারও সন্ত নাই, সকলই হয় কিঞ্চিত্ৰও বুদ্ধি সংস্কার ঘটিয়াছে বাটে, তাহাদিগেরই অস। ৫৬-৬২। এসৰ বলিয়াই প্রসিদ্ধ স্মৃতি আদি ত্রিয় ঐচিদি কারণ অবিদ্যায় নাশ হইয়া থাকে। যদি বাচন শ্রবণ পরিত্যাগ করিয়া নিদ্রা-দোষশজ্ঞ ব্ৰহ্মাংবিদেয় যে অন্যথাভা, হইতে নিবৃত হয় না, তাহা হইলে বাচনমাত্রেই পদ-পদার্থ মুগণ তাহাই জগদ্ৰবস্থায় সৃষ্ট অর্থের সহিত সাদৃশ্য ও অনুভব জ্ঞান হয়ে এবং উক্ত গ্রন্থ হইতেই পূর্ব পূৰ্ব গ্রন্থ বােণশ বৰষরভাসের স্যায় স্মৃত্যাদি সখ কল্পনা করিয়া স্মৃত্যাদিৰ হইয়া থাকে। ৮। অতএব এই শাস্ত্রেই এমনাশবিষয়ে আরােপ করিয়াছে ও করিয়া থাকে। যেমন যে জলে যেরূপ উপায় জ্বলিবে, এবং এ বিষয় এই ইচ্ছেধারণ, নির্বাণ-এর- উল। । তাহা অনুভূত হয়। এভাবে এই মহাশাস্ত্র হইতে দুইভাগই হউক না, অঙৰ খন তােমার এরূপ আলেপও আর উখিত হইবে (অর্থাৎ সম্পূর্ণই হউক) বা এক ভাগ—এাং অর্ধাংশই হউক, না, সেই এইবিতেছি) যখন তুমি বিলবে হইয়া ত্রিকাল- যথাশক্তি তাহা বিচার করিয়ে তাহাতেই দুখ ক্ষয় হইবে। এই মলনি কৰিবে, তখন তুমিও সেই সকল দেখিতে পাইবে (১)। স্মৃতিরূপ গ্রন্থ ঋষিকৃত, অতএব ইহার মূল ভিই বিচার করা অতীত অনাগত সর্বসাবিতে আর চিত্ৰই স্বয়ং স্বপ্নবৎ এগৎ বাউক। যদি এই বুদ্ধিতে এমাজ বশত এই শাস্ত্র রুচিকর না হয়, রূপে এতি হইয়া থাকেন এই অংশমাত্রই অহাতে উপযােগী তাহা হইলে অতিরূপ উপনিষদ্ ভাষাণিরূপ কেবল আত্ম হয়, অন্য বৈচিত্র্য একতােপযােজিপে তাহাতে উপপন্ন হইতে জ্ঞান মাত্রেই বিচার করিবে, ইহাইে যে রত থাকিবে, এমন পারে না। তাহার কারণ স্বরূপ প্রতি অণুতে অসংখ্য জগৎ কোন আগ্রহ নাই, ফলে আত্মশ বিমুখ হইবে না। অনর্থ বর্তমান, তাহাদিগের ব্যবহারসমূহ কে সংখ্যা করিতে পারে? বিচার করিয়া পরমায়ুকে উম্মে নিক্ষেপ করিও না, শ্রবণাদিউপায়ে এ বিষয়ে অর্থাৎ প্রতি অণুতে যে অসংখ্য জগৎ বর্তমান, ভদ্বি- বা জ্ঞানসার তত্ত্ববােণ মারা সমস্ত দৃষ্ণ বাধমুখে আত্মসাৎ ষয়ে আমি আমার পদ্বপরাগাকর্ণদেহ পদ্মযােনি পিতার নিকট এক ( আগ্রহ ) করিবে। স্বর্ণাশি সহিত অখিল রত্ব দিয়াও আখ্যানে শ্রবণ করিয়াছি, তা বলিতেছি এবণ কর। ১৭। আয়ুর এক ক্ষণকালও পাওয়া যায় না, এতাদৃশ আয়ুকাল যে বৃথা পূর্বে আমি আমার পিতা ব্রহ্মাকে জিজ্ঞাসা করি, এই জগজ্জাল অতিবাহিত করে, তাহার না জানি কি নিশ্চয়ই এমাদ। এই দৃশ্য- কিয়ৎপরিমাণ এবং কোথায়ই ৰা ইহা ভাসমান, হে পি। জাল প্রত্যক্ষ অনুভূত হইলেও এবং অষ্টা—অর্থাৎ অন্তঃকরণােপ- আহা আমাকে বলুন; তখন পিল ব্ৰহ্মা আমাকে বলিলেন। হিত জীবসমন্বিত থাকিলেও স্বপ্নে দৈবাৎকৃষ্ট নিজ মন্ত্রণে বান্ধব হে মুনে। ব্রহ্মই এই অখিল জগৎরূপে অবভাসমান, এই ঋণের চারিদিকে লােগনের স্থায় সৎরূপে স্কুরিত হইলেও ইহ জগৎসমূহ অগভাৰ—অর্থাৎ গহরতাযুক্ত অসৎ হইলেও সেই ং নহে,কেবল মিথ্যামাত্র। ৭৪-৭১। সৎস্বরূপের সায় ইহার অন্ত নাই। আমার এই আখ্যান পঞ্চসপ্তত্যধিকশততম সর্গ সমাপ্ত। ১৭৫। অতি শুভ ও ক্ষতিকর। ইহার দুই না, এক ব্ৰহ্মা-পিণ্ড, ও অপর ব্রহ্মাণ্ডাখ্যান। আকাশে সূরূণের আয়, অনিলে শুদ্ধ স্পন্দনের ন্যায় চিমাকাশে সেই চিনাকাল হইতে পৃথ- স্বরূপ চিহ্যোম পরমাণু বর্তমান আছে, যেমন বস্তুভূত হইয়াও ঘটলত্যধিকততম সর্গ আকাশ আত্মাকে অসৎ শূন্যরূপ দেখে ও বায়ু দ্বারা যেরুপ রাম কহিলেন—দৃশ্য অসৎ বলিয়া বাধে চিন্মাত্র পরি- আপনাকে স্পন্দনরূপ দেখে, তাহার প্রায় সেই চিন্তায় পরমাণু শেষই পুরুষার্থ হইল, তাহা হইলে বর্তমান সমূল দৃশ্য জগই স্বতন্ত্র-অনিরূপ নিদ্রাবণে স্বপ্নের স্যায় আত্মায় সমষ্টিজীবতাষ বালনের হেতু হইতে পারে, আর যাহা অতীত বা অনাগত, তাহা অৱলােকন করেন। উহা পৰিণামী নহে, স্বীয় আকাশপ—অর্থাৎ বাদনের কেতু হইতে পারে না, কারণ তাহাদিগের প্রতীতি যখন অধিকারিতা অসঙ্গতা পূর্ণতা ও সূক্ষ্মতা স্বভাৰত্যাগ না করিয়াই হয় না, তখন তাহা বাদনের হেতু হইতে পারে না। এরূপ অসংখ্য সেই জীব-সমষ্টিবাবস্থাতে আকাএতিম অহং আমি জীব অগং আছে, যাহা অতীত হইয়াছে বা এখনও হয় নাই, পরে এইরূপে আকাশনি স্বীয়রূপ অবলােকন করেন, সেই অহঙ্কাররূপী হইবে হে ব্ৰহ্মন। ভাদৃশ অতীত অনাগত জগৎ কথায় কেন অহং জীব আত্মাতে বুদ্ধি এইরূপ অবলােকন করেন ও সেই বুড়ি আমাকে যেন দিতেছেন ? বশিষ্ঠ কহিলেন,—তােমার এক নিশ্চয় নির্মাণময়ী হইয়া অসদর্থ-ভ্ৰমদায়িতা-যুক্ত মাত্রা আশঙ্কায় ইহাই নি যে বর্তমান দৃশ্যই উল্লেখযােগ্য হইতে রূপি হয়। অনতর সেই বুদ্ধি বিকলস আরোপণে নিয়ে পারে, অতীত বা ভবিষ্যত নহে, কিন্তু তাহা কি কবিয়া হইতে নিজ অবিকল্প আতে নীত করিয়া স্বপ্নে আমিই মন” এই পারে দেখ! পদপদার্থ সম্বব্যাপ্তিগ্রহ ও দৃষ্টাভসিজি-আদিত অসন্মরূপ অবলােকন করে। অবুদ্ধি যেমন স্বপ্নে নিরাকার অতীত ব্যবহারের অধীন, সুজা অতীতােল্লেখ ব্যতিরেকে হইলেও খনাকার স্বপ্নে বাত মনি করি, তাহার ন্যায় সেই বিচারাত্মক শারভিই হইতে পারে না। অতএব অভীত পরে স্বপ্নে দেহে ঐরূপ আকাৰ্বহীন আট ঘনকার পঞ্চেলি অনাগত ব্ৰহ্মাণ্ড ও বর্তমান অন্যান্য ব্রহ্মাণ্ড যদি শব্দার্থ-সম্ব- নিরীক্ষণ করে। এইরুপে সেই চিয়াম পরমাণু অনােমই গ্রহালিতে অনুপযােগী বলিয়া উল্লেখের ঘােগ্য, এইরূপে বদি সমষ্টাত্মক হইয়া নিজে শাহ্মা হইয়াই স্বীয় স্বরূপ ত্রিভুবন- তুমি অতীতানাগত বিষয়ে আর্থ-সম্বন্ধ বুৰিজাই অতীত অনা- অক বিরাট দেহ দেখিতে পাইলেন, সেই ভিত্তি হইলেও গতের উলেখ ব্যর্থ বলিয়া আপত্তি করিয়া থাক, তাহা হইলে এই ভিভিভাস্বর ও বিত্তীর্ণ, তাহাতে অনেক ভূত বেষ্টন করিয়া আছে, শাস্ত্ৰ শ্ৰষণাথিকৃতজনের, তাহা বল ব্যর্থ নহে কি? বই, ও বিৰিখি বাবর-অম তাহাতে অধিষ্ঠিত মহিয়াছে, জয় কানা- তাহা ব্যর্থই হউক। কিন্তু শক-রে বাচ্যবাচকভাৰ নিশ্চিত কলকলিত ও আহাতে অন্যান্য সমও কলিত বহিয়াম। হইলে তাহা যাত্রা বে কৰা উক্ত হয়, তাহাই বোধগম্য হইয়া ঐ বিরাটদেং সমষ্টি-জীৰ খদ্ধে ব্যক্তিজীব হইয় স্বর্গের আয় থাকে ও তাহাই ব্যবহানােপযুক্ত হয়, অন্য নহে। আর কেবল প্রত্যেকই বিল্লাই দেইে দর্পণ-এতিবিম্বিতৰৎ বিত এই লৌকিক বুদ্ধি অনুসারে পর্যালােচনা করিলে ভােমার আপত্তি ৰখা হইয়াছে। (-প্রসিদ্ধ খ্রিকালামনি প্যালােচনা (১) রামচক্রে অববৃষ্টি থাকিলেও তাহার পর্যালােচনায় , তাহা হইলে সর্বত্র নিজেরই এত্ব অনুভব করিতে এভাবেই মিতা আপাদন করত ৰণিৰ পৰিহাসপূর্বক পারিবে, তখন আর অতীত অনাগত ব্যাহত দূরবর্তী গন্ত অর্জনের অভাব দেখাইয়া বলিলে, যখন তুৰি শী ব্রহ্মাণ্ডের ও বর্তমান ব্রহ্মাণ্ডের অনুমাও বিশেষ দেখিতে পাইতে হইবে। বস্তবিক রামচ বে অব তিনি আনিলে।
যােগবাণিত। * দৃষ্টি ভেজা ভােগ জে কা কা ক্রিয়া এই নববিধ নদি অচেন তত এভীতিগন্য হয়, সেইজ এই জগৎ ত্রিপুরঙ্গ মনােহর নৈগর বৎ লােকন করিয়া ফসল এই ঘটিক, হয়ে ছিল। খাকে। এর এই জগতে প্রত্যেকে এইনাল মনােহর এক আর চিৎ একলাত্মক, আর সেই রেশ কলাত্মক তিগং শীষ আপনে এতিবিম্বিত (কখরে) তা হয়ে এ- আহা কেহ্মসভাৰ বশতই। এব গত হইয়া থাকে।৮২০। এইরূপ জীবভেদে চিৎপরমাণুর ইহার অকাৰণপাতা আর কল্পনাৰণীর দৃষ্টিতে একাৰ পদ- সকলেরই অতিশয় গর্ভে এইরূপে কলিত বিশাল জগৎসমূহ এ, এইরূপে সশজাত্মক বলিয়া কে ঐ উভয়ই এবি বর্তমান রহিয়াছে, সে সকল জীব অন এরা ও পৃথীদি গােবে বর্তমান। ব্ৰ গণি উভয়ই, তাহা হইলে আমি থাৱা নব প্রতীয়মান। এই সময় স্বতত্বের অনলক্ষা, অকারণ-পক্ষেই কেন প্রতিষ্ঠা করিতেছি, ইহা তুমি আপত্তি অযাই, উহা অবিদ্যাত্ব কর্তৃক চেভিত—অর্থাৎ উসিভ, উহা কৱিতে পার; কিন্তু দেশ; যে ব্ৰক্ষ হইতে কোথাও অস্ত কিছু জান নিবারিত হইয়া ব্ৰহ্মতে পরিজ্ঞাত হইলে নির্মল ব্ৰহ্মই কখন উৎপন্ন হয়, তাহার কারণ বিকল্প আর সৰোগ, সেই পর্যবসিত হয়। এইরূপ ব্ৰহ্মত্বে পরিকৃত এইরূপ অক্ষধে পরিদৃষ্ট হইলে জগৎ- হ্মের উৎপন্ন হইতে পারে। আর যাহাতে এই সকল জালের যে দ্রষ্টা, তাহাও “এক্টা কিছুই হে” এইরূপ ভাব নানাত্মক (বিবিধ বৈচিত্র্যাক) এগৎ-বি ও অর্থাৎ তাহার অস্তিত্ব নাই, ইহাই আসিয়া পড়ে। তখন এজগতে ভাসমান, যাহা একাক শান্ত, নানা হইয়াও নানা অনাদি- অষ্টাই বা কে আর দৃই বা কোথায়, যৈতই বা কোথায়, আর নিধন এখ, তাহাতে আর কে কাহার কারণ হইবে। (তত্ত্ব কারণই বা কোথায়? ইহাই পরিণত হয়। সুয়াং এই সমস্ত দৃষ্টিতে দেখিলে) এ জগতে কিছুই প্রবৃত্ত হয় না, বা কিছুই আত ফজাল শান্তস্বরূপ ভিত্তি গাত্মক, উহা একমাত্র নিবৃত্ত হয় না, কেবল একমাত্র ব্রহ্ম ব্যোমাত্মক আন্তবিহীন নির্ভে (অখণ্ড) ব্ৰহ্মা স্বরূপে অবস্থিত। সুতরাং সকলই ব্রহ্মাই বর্তমান। ফলে তত্ত্বজ্ঞানেরই একােজন ব (তদৃষ্টি- স্বচ্ছ ও আদি-অন্তৰ্বিজিত। যেরূপ সমূদ্রে অবারিত বিলারি- | মাত্র পক্ষপাতে একাৰণকত্ব পক্ষ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি)। ১-১ অঙ্গৰেগে জল চঞ্চল হইলে তাহার পরমাণচয় অসংখ্য হইয়া বস্তুতঃ দেখিলে কি কাহার কারণ, আর কি অশ্যই কোথায় কি অবস্থান করে, সেইরূপ পরমাত্মাতে যে পৰ্যন্ত অজ্ঞান নিদ্রা বা কাহার দ্বারা উৎপন্ন হইবে এবং কল্পনা দৃষ্টিতে দেখিলে বর্তমান, সে পৰ্য, পরমাত্মাতে লক্ষ ব্রহ্মাণ্ডসমুহ পূর্ব বর্ণিত কিই বা কারণ নহে, আর কোথায় কি এতই বা কোন বস্তু প্রকারে অন হইলেও নিপুণভাবে অবং অবস্থান করিয়া কাহার দ্বারা না হইবে? এ জগতে শূণ্ঠ কিছুই নাই আর থাকে ও অবন্ধিত রহিয়াছে।২১-২৫। অঙ্গও কিছুই নাই, কোন দ্রব্য সৎও নহে, আর কোন দ্রব্য অসৎও নহে, আর কাহার মধ্যতাও নাই, কাল কিছুই বিমান টুসপ্তত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত।১৭৬। নাই, সকলই শূন্য অণু এই উভয়বিধ মাত্ৰ-নিবন্ধন মা- শুঙ্গস্বপ, অভাবের অভাব ওঅভাবের অভাবের অভাব, সই শক্ত। ইহা কিছুই না হউক, আর কিছুই হউক, বর্তমান থাকুক : সত্যধিকততম সর্গ। আর নাই থাকুক, এতৎ সমস্তই ব্ৰহ্ম জানিবে, কারণ সেই ব্রহ্ম রাম কহিলেন-স্বপ্ন-সঙ্কলির ন্যায় যদি এই জগৎ সেই অধ্যায়ােপে সর্বানুগত আর অপবাদে সর্ব দৃাদি হইতে ব্যাপৃত পরমপদ ব্ৰহ্ম হইতে বিনা কারণেই উৎপন্ন হয়, তাহা হইলে ভাং সকলই সেই ব্ৰহ্ম। রাম কহিলেন-হে ব্ৰহ্ম। তত্ত্ব অন্য শস্যাদি বস্তু ও কষীৰলের কণ বীজবপনাদি কুত্রাপি যেমন অধীনােপ অপবাদ অতজ্ঞের বিষয় বলিয়া তাহা বুঝা কারণ বিল কেননা উৎপন্ন হইবে? সকল বস্তু সর্বদা সর্বত্র না ইবার জন্য স্বীকার করেন, সেইরূপ প্রধান পরমাণু-আদি-প্রযুক্ত হউক, কোথায় কোন এক বও কখন কেন না হয়। বশিষ্ঠ কাৰ্যকারণ সম্ভব কেননা স্বীকার করিয়া থাকেন। সুতরাং বলিলেন, (আমি এ স্থলে বীজছুন্নানির ব্যবহার ব্যবস্থাপক কাজ পৃথিবী-আদি কাৰ্য্য আর অবয়ব পরস্পরের সূক্ষ্মতার অধীভূত নিক কাৰ্য-কারণভাবে অপনয়ন বা তাহার নিরাকরণ করিতেছি পরমাণু ও সাদি-খণরূপ কারণের সম্ভাবনা হইলে কিরূপে না, তবে যাহার জগতের সত্যতা প্রতিপালন দ্বারা জ্ঞানের জন্য দ্রব্য কারণ শূন্য হয়, আর কেমন করিয়াই ৰা আছি- বৈথের উপস্থাপক ভিৰিদ্ধ পরমাণু আদি কারণ কল্পনা করেন, তীয় ব্ৰহ্মই পর্যবসিত হন ? হে প্রভাে! আহা বলুন। বশিষ্ঠ তাহাদিগের মত নিমাস করিতেছি) অনাদি ব্যবহারে যে বাহা বলিলেন, এইরূপ হইতে পারে, যদি ব্ৰহ্মাতিরিক্ত প্রধান পরমাণু যেরূপ দৃঢ় অধ্যাসে কানা করিয়া থাকে, সে সেইরূপ কাৰ্যকার আদির কল্পক অজ্ঞ প্রসিদ্ধ থাকিত, কিন্তু অজ্ঞানের ভাব দেখিয়া থাকে, অথা—অর্থাৎ বরপ্রসিদ্ধ থাকিলেও নিকট অতজ্ঞের নামই নাই, যাহার অস্তিত্বই নাই, তাদৃশ ব্যাবহারিক নিয়মের পাপ করিবেন, তা কারণের অভাব- আকাশ-কুরে আর বিচার কিরূপ বল? না থাকিবার ইহাই নিবন্ধন আর কোন কল্পনা থাকে না, এইরূপে অভ্যাস পরিহারেই কারণ যে, তাঁহারা , তাহারা এক বােধময় শান্ত যুক্তি প্রসক্তি (ফলতঃ জগৎ যখন ব্ৰহ্ম বিবৰ্তমাত্র, তখন তত্ত্বজ্ঞানে বিজ্ঞানমনরূপী, সুতরাং তাহাদিগের অসদ্ধপ-আলাের বিচার তাহা বাধিত করিলে কি কৈবল্য সিদ্ধি হইয়া থাকে)।. অঙএব কিরূপে হইবে। ১০-১৫। “ব্ৰহ্ম অতিরিক্ত ওজু নাই যে কল্পনাকারী, তাহারই বুদ্ধি অনুসারে ব্যবস্থিত যে বস্তু, আহ ইহা কি করিয়া সন্তাবিত হয়। কারণ তার্কিক ও গামাগণ হইয়া থাকে, তাহাডেই এই দৃশ্য যে যেরূপ মনে কল্পনা “আমি অন্ধ নহি ও আমি ব্রহ্মজ্ঞ নহি" এইপে এতত্ব করিয়া থাকে, সে সেইরূপই জ্ঞাত হয় এবং অন্তেও যেরূপ কল্পনা ব্ৰহ্মত্বের প্রত্যক্ষ অনুভব করিয়া থাকে। হে রাম! এরূপ করে, দ্রুপও ত হইয়া থাকে। যেমন চেতনপুরুষ কে আকাঙ্ক্ষাও তুমি করিতে পার না; কারণ, স্বপ্ন ও নুযুতি নির্বাণ-এর-উত্তরাগ নিদ্রায় অরে নিত৷ এ কেফল নিই, তাহানের যেরূপ (শবিয়েচনাপূর্বক অভিনিবেশ) নিবজন আহা কিছু অনুব নিদ্রা ব্যতিরিক্ত অরূপ নাই, সেইরূপ ও বােধপূর্বক বহির্ভূত কারণ ফলিত হয়, তাহাকে মূর্তিশিলেশমাত্র। বিকেলা করিলে অন্তরে সেই ব্রহ্মাজত্বপই এভিভাত হয়। সে ১৬। রিউফ, এর শৈ, এখিল ভেবের আমি অজ্ঞ এই অনুভবকারি-ভর্কিক আত্মভেও ব্ৰহ্মত্ব নিবা, প্রকাশ শক্তি এ সকলের একান্ত কারণপেক্ষাই হয়, অজ্ঞান- কারণ তা এবােপ আত্মাতেই অবগত , ইত্যাদি কাজক পখিত আয় অজ্ঞাত ভাই কারণ, অলি আর কি বলেও ব্রহ্মত্ব-আত্মকেও এত্ব অনু; আরও দেখ, হইতে পারে। মনােথ-কলিত নগরবৎ শতশত ধ্যানে ভিন্ন জ্ঞান স্বভাব আমাতে স্বভাববিরুদ্ধ অজ্ঞান আবােপশ্যতিরেকে ত্রি আকার যবন্ধিত আকার এক যে যে, বড়, আহার - হইতে পারে না, এইপেনালি জগৎ আরােপের অধিষ্ঠান- সাধারণ এক কারণই বা কিপে হইতে পারে যে, ভূতৰহ্মত্বের এই অনুভাবেই সিদ্ধি, এই অই অজ্ঞানাদি সব ঐ গল্পনগর, স্বপ্নপূর ও ভিদিতে আর কাহাই বা জগৎ আলােপর অধিষ্ঠান চিত্ৰই ৰখা । ফায়? পরলােকে দিও এই দেহারি কারন হইতে ইহাতে তুমি বলিতে পার না যে, অজ্ঞানাদি সৰ্বজগৎ পারে না, কারণ সেই র্যাদি অমূর্ত, তাহা কখন মূর্তদেয়ণির আরােপের অধিষ্ঠাত্বকাপে সর্বাভাই ব্ৰহ্মণ” হৈ যদি কারণ হইতে পারে না; তাহাতে (তাহা হইলে) সৰ্গালিলােগ- জ্ঞানেই সিঙ্ক, তাহা হইলে এনে ত সমস্তই অব্ৰহ্ম” কারণ কারী দেহের কারণ কি হইবে বল? (তাহাতে এই মূৰ্থ-বােণর জন্যই মূর্ধ-বুদ্ধির অনুসরণ করত শুদ্ধ ব্ৰহ্ম ব্যুৎপাদন সৰ্গাদিই বা এই ভােগী দেহের কি কারণ হইৰে কলআর নিমিত্ত এই প্রকার সর্বাত্মতা প্রতিপাদনে ভট লক্ষণরূপ বিজ্ঞানবাদি-মতসিদ্ধ ক্ষণিক বিজ্ঞানও এই মূর্তদেহের মুর্থ নি বলিয়াছি, সেই ব্রহ্মের স্বরূপল শুদ্ধ নিরাময় কারণ হইতে পারে না। যাহা অনন্ত যাহা বাহার ভিত্তিওএভিতি আনকৈরসতাই; তাহা অজ্ঞগণের অনুপথে আসে না। অর্থাৎ ভিত্তি বিলক্ষণ পরমাণুই রূপ, ও যাহা মুহুর্মুহু উৎপন্ন (অর্থান্তরে তাহা স্বীকার করিয়াও এখন মুর্থ নি বলিতেছি, হইছে, ধ্বংসও পাইছে, কৃশ একণিক অনন্ত বস্তুর প্রতি ব্ৰহ্ম যখন শুদ্ধ নিরাময়, তখন এই অণই সর্বাত্মক)। অজ্ঞ- এক ক্ষণিক বিজ্ঞান কারণ কিরূপে হইবে। “অহুরাদি স্বভাবের বুদ্ধি অনুসারে কলিত জগতের কারণ স্বীকারে মিথ্যাভূত কাল কােত্রে জলদি সহিত বীজাফি-স্বভাবই কারণ, এইরূপে প্রপঞ্চেব মাই কারণ ও সেই কারণ স্বীকারে বাস্তব অমৈত চার্বাকগণের মতে যে স্বভাবেরই কারণ, তাহাও বীজ স্বভাব ; তার কোনই নি নাই, এ জগতে ওজি, রজত, মরু, নদী, এই পদক্সের অর্থভেদেয় নিরূপণ হয় না ও ভাৰ” এই পত্র জু, সাদি কারণত ভাবও আছে, আবার অনেক কারণ ষষ্ঠীর অর্থ যে সম্ব, তাহার দুর্লভতা এবং নানাক হইলে ভাবও বর্তমান আছে, ফলে সংবিৎ যেরূপ কল্পিত হয়, ইি পারবনিবন্ধনসহ এনােগের আপত্তি থাকে না, সেইরূপই লব্ধ হইয়া থাকে, অর্থাৎ সংবিং হেতুক কারণরূপে ইত্যাদি কারণে তাহা পায়োক্তি কানামাত্র, ঐ উক্তির কোন কজিই সকারণভাব হয়, আর তদ্বিপরীত কথিত হইলেই সার্থকতাই নাই। অতএব সকল ভাব পদার্থও ভৎকারণ সমগ্রই অকারণ হয়। (ইহা কেবল মুময় গৌরী ও গণপভি-মূর্তিতে অরে নিকট অকারণ ভাতিই, আর আনীর নিকট সেই সমস্ত মাতৃভাৰ ওপুত্ৰভাব-কল্পনাবৎ ব্যবস্থা মাত্র)। আর যে সকল কার্ধ সন্মাত্রস্বরূপে বর্তমান এবং তাহাদিগের নিকট সেই সন্মাত্র দশী ব্যক্তি, তাহাদিগের দৃষ্টিতে অখণ্ড অন্বয় চিত্ৰই সর্বদা কারণেই চিচ্চমৎকাররূপে আবির্ভূত তিরােভূত হইয়া থাকে, বর্তমান, অণুমাত্রও কখন বিপরীতভাব নাই, সুতরাং তাহাদিগের তাঁহাদিগের নিকট তথ্যতিরিক্ত অণুমাত্রও নাই। হরে অনুভূত সকল কারণ নিরতিনিবন্ধন আর সৃষ্টির কারণ কিছুই নাই বা অক্ষরের সম্পত্তি অপহরণ ও বঞ্চন ভাড়ন প্রভৃতি প্রবুদ্ধ হইলে কেহ নিরূপণ করিতেও পারে না , অতএব সর্গ (সৃষ্টি) অকারণই। লােকের যেমন তাহাতে অলীক উপলব্ধিতে আর যেমন ক্লেশকর এই স্বপ্ননগর মরুষরীচিকানিয় জগতে সত্যতা-সাধনে অভি হয় না, তদ্রুপ নীরও তদনের পর আর এই জীবন দুঃখকর নিবিষ্ট হইয়া বৈশেষিকান্দিগণ গ্রিসিদ্ধ মায়ােপহিত বন্ধ হয় না (এবং অরুত কোটি পীড়ন-অপরাধেও দুঃখ হয় না। অতিরিক্ত তটস্থ ঈশ্বরপ্রধান পরমাণু-আদি কোন কারণ কল্পনা সৰ্গাদিতে এই দৃশ্যদি কিছুই উৎপন্ন হয় নাই, চিদৃশণই এই করিয়া থাকেন, তাহা ক্ষতিবিদগণের অনুতবিরুদ্ধ বলিয়া দৃশ্যম্বরূপে স্বল্পবৎ প্রতিভাত, অতত্রব ইহাতে কিছুই দুঃখনিমিত্ত যুক্তিপরাহত বলিয়াও তিক্ত এবং অষ্টা ঈশ্বরেরও ভােলা জীবেরও হইতে পারে না। এই যুক্তিবভিষিক্ত অন্য কোন যুক্তিতেই পুরুষার্থ-পৰ্যবসানের প্রতিবন্ধক বলিয়া ব্যর্থ, অতএব তাই বাদিগণের অন্য প্রকার কোন কল্পনাই উপপতিগৰ্ভরূপে দৃষ্ট হয় অভিজ্ঞগণের হৃদয়ঙ্গম নহে, বৃথা কােষক বাঙ্গালমাত্র না, মূত্রাং এই জগৎকানার অনুৰ ব্ৰহ্মানুভব হইতেই এবং তাহা যে প্রবােথে বাধিত হয়, ইহার অন্যথা উপপত্তি হয় না উৎপন্ন। ২৫-৩০। যেরূপ গুগল ফন সমূদ্রে অঙ্গ-আবর্ত- সূতরাং জগৎ স্বপ্নই, ঐ স্বপ্ন-কল্পনা ব্যতিরেকে দৃশ্যের স্কুল এবআদি, সেইরূপ (চিকেন) এই স্যায় জলবৎ ব্রহ্মই কারাত্মিক কোন দৃশ্যতই নাই, অতএব ইহার অন্য আর কারণ এই সমস্তরূপে ভাসমান। নির্মূল গনে যেমন স্পন্দন ও আবর্ত- কল্পনার অবকাশ বা প্রয়ােজন কি? অবুদ্ধ ব্যক্তির স্বপ্ন পৃথী বিবর্তাদি, সেইরূপ ব্ৰহ্মগন এই সম্পদ অবভাসমা। যেমন আদি অনুভবেই আর কারণ কি? চিৎকাভাব ব্যতিরিক্ত স্বার্থ মহাকাশে নয়, ছিদ্র, শুআদি বর্তমান, সেইরূপ ব্রঙ্গ আর কিরূপ ও কি আছেই বা বল? যেমন স্বপ্নদৃষ্ট পদার্থ যাবৎ চিদাকাশও আসন্ন-বােগাত্মক হইয়া এই পরাপর সর্গ হইয়াছেন, কাল ও পরিজ্ঞাত থাকে, তাবৎকাল মহামােহের আলি (উহাতে বহুবিক অস্তত্ব-আদি বর্তমান এক) উহা বাস্তবিকই বিস্তার করে, আর বন্ধুতঃ অন্তত হইলে তাহা আর মােহের হেতু সেই এসিসৎখরূপ আকাশই, (নাসমবােহাত্ম এই পাঠ হয় না, এই সর্গও তাদৃশ জানিবে। শুস্কতকে বা হঠাৰে সেইরূপ অনাসিমন্বিত চিনাকাই, যাহাতে সৎও নহে, যােগবাণিষ্ঠ-রামায়ণ। অসৎও নহে, তাহাই বোথাবিনি হইয়া এই পরাপর সর্গ, চর্শকই অনুভব করিয়া থাকে। আমার প্রশ্ন শুনিয়া আপনি উহা সৎও নহে, অসৎও নহেৰাবােৰাত্মকও নহে)। নিত্রাদিতে ' বলিতে পারেন যে, আমার এই আক্ষেপ-সৃষ্টিতে কি অবুও সম্যক্ উপলব্ধি হইলেও এই সমস্ত স্বলভাব অসন্মই, কারণ দৃষ্টিতে, কারণ প্রবু-দৃষ্টিতে ত মূর্তই অপ্রসিদ্ধ। আর আবু তাহা নিদ্রাভিন্নাত্মক নহে, ঢাকা-সম্মত অর্থান্তর,-নিদ্রাদিতে দৃষ্টিতে প্রবুদ্ধ চিংদেদি প্রবর্তিত করেন, ইহাও প্রসিদ্ধ রীতিমত শষ্ট উপলব্ধি হইলেও সেই সকল নিত্ৰাদি লক্কভাব কারণ লৌকিকগণ দেহাদি হস্কাৱান্ত সমষ্টিকেই আত্মা বলি যেরূপ অসন্ময়, তাহার স্থায় এই সকল ভাবও সৎ, আকাশময়, অনুভব করিয়া থাকে। আমি কিন্তু যাঁহারা অর্থশবুদ্ধ হইয়া তৃতীয়- কারণ ইহা সৎস্বরূপ হইতে ক্লিক নহে। শুদ্ধ সৌম্য নিদ্রাঘন চতুর্থভূমিকার অন্তরালে বর্তমান, তাহাদিগেরই সঙ্কল-বিকল স্বপ্ন সুষুপ্তবৎ সেই চিদন সৌম্য আত্মাতে সৰ্গ-প্রলয়সংস্থানও দ্বৈতকরিত এই জগৎ স্বীকার করিয়া এই প্রশ্ন করিতেছি, বােধ- আনি। মানব যেমন নিদ্রাবস্থায় স্বপ্ন হইতে স্বপ্নার প্রাপ্ত দৃষ্টিতে স্থিত চিল স্বীকার কত এরূপ প্রশ্ন করিতেছি না। হইয়া তদাত্মকাবস্থায় অবস্থান করে, তাহার ন্যায় জন্মদি শৃঙ্গ যদি বা মূর্তদেহাভ্যন্তরস্থ প্রাণবায়ুই প্রবেশনির্গম-বৃতিভেদে ক্ষুব্ধ পরমাত্মা স্বয়ং এক সৃষ্টি হইতে অদ্যঙ্গ সৃষ্টিতে তদাত্মক হইয়া হইয়া দেহকে প্রবর্তিত করে, তাহা হইলে কেই বা প্রাণমতের বিরাজ করেন। ৩৪-৩১। সেরূপ স্বপ্নানুভবে যাহা বলিশিষ্ট ক্ষোভ উৎপাদন করে ও কিপেই বা তাহা সিদ্ধ হয়? হে নহে, তাহাও ছিশিষ্টরূপে অনুভূত হয়, শুদ্ধগ এই নিরাময় এভাে৷ তাহা বলুন, আর যদি বলেন, জীবাত্মক চিদাভাসই সেই পৃথী-আদি-বিহিত ব্ৰহ্মাকাশ সেই পৃথী-আদি-বিশিষ্ট না হইলেও ক্ষোভের হেতু, তাহা বা কি করিয়া হয়? কাৰণ, ভারবাহী যেমন তবিশিষ্টরূপে প্রতিভাত হইয়া থাকেন। যেমন এই সাম্প্রতিক ভার একস্থান হইতে স্থানান্তরে লইয়া যায়,তাহার স্যায় ঐ সর্বদর্শনাঙ্খাতে টপটাদি শব্দ বর্তমান, তাহার ন্যায় মহা- অপ্রতিদ্ব বেদনই বা কিরূপে এই প্রতিদ্বাত্মক দেহকে চালিত চিত্মাতে এই ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমান সৃষ্টিশ্চিয় বর্তমান। করিবে। যদি অপ্রতিদাত্মকও সংবিভিমাত্র প্রাণপিদেহান্ত প্রতি যেমন পী—অর্থাৎ সাম্প্রতিক সর্বদনািত্মাতে অভিন্ন হইলেও ঘাতককে চালিত করিতে পারে, তাহা হইলে পুরুষের পর্বত ভােলাপচারে পন্তী—অর্থাৎ সর্বনর্ণনাত্মা বর্তমান, সেইরূপ অন্য গমন করুক” এইরূপ সঙ্কলমাত্রে পর্বত কেন চালিত না হয় ? ব্রহ্মচৈতন্যে এই শব্দও সেই পদার্থভূত সৃষ্টি ও চিৎভাবশতই ১-~~। বশিষ্ট বলিলেন, যেমন, বাহৰায়ুর ভাতে প্রবেশ-নির্গম বর্তমান, এই আধ্যরাধেয়ভাব ভেদোপচার ঔপচারিকমাত্র। যারা তাহার চালকশক্তি, সেইরূপ প্ৰাণবায়ুরও কালিনালী যখন শব্দ ও সর্গ সমস্তই চিন্ময়, তখন (সত যখন শব্দ ও সর্গ লিকাকার সঙ্কোচ-বিকাশ ঘর অনুমিত, প্রবেশ-নিৰ্গম দ্বারা সমস্তই চিময়, তখন)(সাম্যাবনিবন্ধন) তদ্বিষয়ে আর শাস্ত্রই তাহার দেহাদি চালকতা প্রত্যক্ষ হইয়া থাকে। হৃদয়াদি প্রবেশ আৰু তাহাতে কথাবিচারেই বা কি প্রমােন? এইরূপ জানিবে, এখন তাহাই বিস্তার করিয়া বলিতেছি, শ্রবণ কারণ বাসনাশূহ জীবনই মােন্দ, ইহাই শাস্ত্রের ফল, তাহা কর। বখন হৃদয়স্থিত নালী বিকাশ ও সঙ্কোচ প্রাপ্ত হয় তখন উহাতেই সিন্ধ হইয়াছে, উক্ত প্রকার কারণ নাই বলিয়া সাও প্রাণবায়ু ছিদ্র দ্বারা গমনাগমন করে, অর্থাৎ বিকাশকালে গমন যখন নাই, তখন এই নানা প্রপঞ্চরচনা প্রত্যক্ষ সৎ বলিয়া বােধ করে ও সঙ্কোচকালে নির্গত হয়। ছিদ্রায় সর্বদ্রষ্যান্তঃসঞ্চার- হইলেও কোন রচনাই নাই। আর এই যে বাসালা যাহা এ জগতে স্বভাব বাফবায়ু যেমন বা লৌহকার-ভাস্রায় প্রবেশ করে এবং প্রপঞ্চ-বীরূপে প্রতিভাত আছে, তাহা স্বপ্নে যেমন এক চিৎই নির্গতও হয়, হৃদয়ে যে স্পন্দন হয়, তাহাও ঐরূপ আনিবে। পুরুষাদিরূপে প্রতিভাত হয়, তাহার ন্যায় নানারূপে প্রতিভাত রাম কহিলেন, সত্য বটে, বায়ু চালনা করে, কিন্তু লৌহকারই হইলেও ঐ বাসনা নানা-রহিতা একই যােগসই প্রতিভাত বা ভাকে সঙ্কোচন-প্রসারণ দ্বারা বায়ু যােজনা করিয়া থাকে- অনিৰে। ৪০-৪০। অর্থাৎ লৌহকারাদি চেতনাথিষ্ঠিত তাতেই বায়ু সেইরূপ চালক সপ্তধিকতসর্গ সমাপ্ত।৭৭ হইয়া থাকে। অতএব চেসই অচেতনের নিয়ত ব্যবহার-চেষ্টার নিমিত্ত বলিতে হইবে; তাহা হইলে এই আশুরু-চালনাৰিষয়ে কোন্ চেতনচালক অন্তরে প্রবেশ করিয়া নাড়ীকে চালিত করে? ঐতিতে কথিত আছে, এক শত নাড়া চারিদিকে প্রসূত আছে, অষ্টসপ্তত্যধিকততম সর্গ। আবার সেই এক শত নাড়ীর এতি শাখায় বিসতি বিসতি রাম কহিলেন,—ব্রিজগতে মূর্ত অমূর্ত পদার্থ বিধি বর্তমান, করিয়া নাড়ী, এইরূপে সং সহ নাড়ী; তাহাতে বান-বায়ুর কতক সম্প্রতি—অর্থাৎ এৰ্তিত এওকতক প্রতি—অর্থাৎ সঞ্চার। তাহাতে সকল নাড়াতে ব্যাল-বায়ু-সগর দেহাদি চাল- প্রতিবারে অযোগ্য। যাহারা পরস্পর সংশ্লিষ্ট হয় না, সেই নের নিমিত্ত হইলে সৰ্বা বিচলিত হয়, তাহা হইলে এক হস্ত- কল পদার্থ অপ্রতি বলি। কথিত, আর আমার পরম্পর পাদাদির উদ্যম ব্যবস্থা থাকে না। আর এই বাহা কথিত আছে, শ্লিষ্ট হয়, তাহারা সত্যি বলিয়া উক্ত। সারে সত্যি যে এক অঙ্গের উদ্যমকালে শত নাড়ী এক হয়, আর সর্বাঙ্গ- পদার্থেই অত্যন্ত সবে দেখা গিয়া থাকে, আর যে সকল লনকালে এক নাড়ীশত হয়। তাহাতে আমার জিজ্ঞাস এই এজি পদার্থ, তাহাদিগের মধ্যে কাহারও কোন শেষ হয় যে, শত কি করিয়া এক হয়, আর এক কি করিয়া নত হয়। না। তাতে আবেদন নামে এই যে এসি, তাহা এতি, আরও চৈত মুখ, তাহার সংশ্লেষ দেহেও নাই বাহ। কারণ এনিকালে পুরুৰে এই এদেশ হইতে নয়নবন্মির অ আখ্যাত্মিক সম্বন্ধ আছে, তাহা কাষ্ঠ-লাই-এলিতেও আছে, সারি-ডিতের সহিত জমি সজেন চমলে শ্লেষ, অত এব তাহাদিগকেও সচেতন বলিতে হয়, অই বা কিরুপে হইয়াই পতিত হয়। অগবেন যে মূর্ত, তাহা সকল হয়? এইরূপে ৰাবৰ বতা-কাঠ-পাষাণাদি বহু ঋদি সচেতনই ।
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরণ boch হয়, তবে ইহারা স্পন্দনশীল কেন নহে ও দেহের ন্যায় ভােগােপ- পুনরুক্তি হইলে বর্তমান কথিত বর্তমান প্রশ্নের উত্তর বুঝিবার বগে চমৎক্ততই বা কেন নহে, আর উহারা কি চালক সূত্র নিমিত্ত অহা শ্রবণ কর, তাহাতে তুমি এই পৰ্বভাদি যে মূর্ত কাৱাদি কর্তৃক অধিষ্ঠিত চক্রাদির স্থায় নিয়তকালস্পন্দী অম চিই, তাহা তুমি বুঝিতে পারিবে। উৎপত্তি-প্রকরণবর্ণিত ব? তাহা বলুন। রামচন্দ্রের এই প্রশ্ন শুনিয়া বশিষ্ঠদেব “কাৰ্য্য- প্রকার কোন এক অশষজলে অপােবব-ক্রিয়ার মাথার ইন্দু কারণ-নিষশ্রী ভােক্ৰী জীবসংৰিলের হাতে অনাদিপ্রবাহে উপ- নামে এক ব্রাহ্মণ ছিলেন, ব্রহ্মাণ্ডের আকাশের যেমন দশদিক, স্থাপিত কামকৰ্ম-বাসনাপ্রযুক্ত অন্যের অধ্যাস আছে, তাহার সেইরূপ তাহার দশটা পুত্র ছিল, তাহারা সকলেই মহাত্মা, চলনে আধ্যাসিক স্বাত্মশালী প্রাণসংশ্লেষ যারা জীববিদের মহাশয় ও মহৎ ও সত্যের সম্পদ ছিলেন। একন যেন স্বজ্জত। আর “অত্র পভা ইহাই ব্যবস্থা” এই গৃঢ় প্রতি একাদশ-রুদ্রের মধ্যে ২ জনকে রাখিয়া এক একাদশরুদ্রই সন্ধিতে প্রত্যুত্বরে বলিলেন, যেমন লৌহকার বাহিরে তাকে অন্তহিত হন, ক্রপ সেই দশ পুত্রের পিতা ছিল ইন্দু কালশে চালিত করে, সেইরূপ দেহাভ্যন্তরে সংবেদনই নাড়ীসমূহকে তিরােহিত হইলেন। দিনের সকার স্যায় ভঁহার একতারা- চালিত করিয়া থাকে, অনুসারেই এ জগতে সকলে বাহিরে মিলােনা অনুরকা পত্নী বৈধব্যয়ে ভীত হইয়া অনুগমন কাৰ্যাদি করত চেষ্টশীল থাকে। ১-১৪। রাম কহিলেন, করিলেন। পরলােকগত সেই দম্পতির শােকার্তপুত্রগণ তাহা- হ মুনে। শরীরস্থ বায়ু-আত্ম-আদি সকল সম্প্রতি, সেই দিগের ঔদিহিক ক্রিয়া সমাপনান্তে সমস্ত সংসার-ব্যবহার সম্প্রতি বন্ধুকে প্রতিহাসংবিং কিরূপে চালিত করে, তাহা বিসর্জন দিয়া সমাধির জয় বনে গমন করিল। বনে যাইয়া আমাকে বলুন। যদি প্রতিদ্বারা সংবিৎ সপ্রতিস্বিককে তাহারা এই চিন্তাগণ হইল যে, বিষয়াকুষ্টচিত্তের স্থিরতা চালিত করিতে পারি, তাহা হইলে তৃষিত পথিকের ইচ্ছায় সম্পাদন-হেতু ধারণার মধ্যে কোন ধারণা উত্তমসিদ্ধি, দূরবর্তী জলও স্বয়ং নিকটে আসিতে পারি এবং হইতেও পারে। যাহাতে আমরা তাহা হইয়া হিরণ্যগর্ভ তুল্য হইতে পারি। যদি সপ্রতি অতি পদার্থের পরস্পর সংশ্লেষ হয়, তাহা হইলে এইরূপ চিন্তা করত সেই দশ ভ্রাতই কায় এক খাপদোপদ্রব ইচ্ছাই বাহিরে বাপ্রয়ােগ ও গ্রহ-বিহারদি করিতে সক্ষম হয়, শূন্ত গুহা-গর্ভে বদ্ধপদ্মাসন হইয়া এইরুপ ভাবিতে লাগিল যে, এইরূপে যদি বাহু ব্যবহারে সর্বপ্রাণীর ইচ্ছাতেই সৰ্ব্বকার্যসিদ্ধি এই যে পদ্মবােনি ব্ৰহ্মাধিষ্ঠিত অখিলগণ্ড, তাহাই আমার হয়, তাহা হইলে (টাদি উপকরণ আর কর্তা-কর্মেন্দ্রিয়াগির এইরূপ ধারণায় নিশ্চল হইয়া আস্থা করিতে পারিলে আমরা আবশ্যক কি? যেরূপ সপ্রতি-অপ্রতিঘের বাহিরে সংশ্লেষ নির্বিঘ্নে পদ্মসমন্বিত জগৎস্বরূপ হইয়া পড়িব ।২৭—৩৫। নাই, ইহা আমি বিবেচনা করি, অতএব অযুক্তি বসুন, কারণ এইরূপ চিন্তা করত তাহার ব্রহ্মার সহিত সকল জগৎকে ধারণ- আপনার পূর্ণ সমাধান যুক্তি ত ঐরূপে নিরন্তই হইতেছে। পথে আনীত করিয়া চিত্র-লিখিতে স্যায় নির্যাতিতনেত্রে বহুকাল অথবা যােগী আপনি যেমন স্বয়ং এই অমূত্তের মূর্ত-সংশ্লেষে অবস্থান করিয়া থাকিল। এইরূপ ধারণা হইতে তাহাৱা চুতি অত্যন্ত অপ্রসিদ্ধ হইলেও ঘােগৰলে যে উপায়ে অন্তরে অনুভব না হইয়া বচিতাবস্থায় এক বৎসর ছমাস কাল পর্য্যন্ত অবস্থান কৰিা কেন, তাহা আমাকে শত্র বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন- কৰিছিল, তখন তাহাদিগের দেহ শুদ্ধ কঙ্কলত-প্রাপ্ত দেহ- হেরাম। এক্ষণে ক্ষতিসুখকর সকল সন্দেই কক্ষের মূলকে ৰৎ পড়িয়াছিল, মাংসাশী রাক্ষসগণ তাহাদিগের দেহের মাংস আমার এই ব্যক্ষমাণ বাক্য শ্রবণ কর, তত্ত্বজ্ঞানই সর্বসন্দেহ- ভক্ষণ করায় রৌদ্রে যেমন ছায়ার বিনাশ ঘটে, তাহার খায় তাহা- কক্ষের মূল, আমার এই বাক্য বণে সকলের একানুভবরুপ লিগের দেহের বিনাশ হইয়া পড়িল। হারা তখন দেখিতে সাক্ষাৎকারের অমূৰ হইবে, তাহার জন্য তােমাকে আমার লাগিল ‘অহত্ৰহ্মা’ আমরাই ব্রহ্মা, এই জগৎও আমরা এবং বাক্যশ্রবণে অনুরোধ করিতেছি। এজগতে কোথাও কোন ভুৰিত সৰ্গও আমরা, এইরূপে সর্বত্রই ঐক্য দর্শন করিতে সপ্রতিভ নাই, সকলই সর্বদা শান্ত প্রতি বিস্তৃত রহিয়াছে। করিতে দীর্ঘকাল অজ্ঞান হইল। ঐরূপ এখানে তাহার পর এই যে পৃথ্বী-আদি পদার্থসমূহ, এসকল স্বপ্নসঙ্কঙ্গের পদার্থের তাহাদিগের সেই দশ-চিত্ত ধ্যান-পরিপাক-নিবন্ধন পৃথক দশ জায় শান্তশুদ্ধ সংবিস্ময় ও অপ্রতিদ্বতিক। ইহাদিগের কারণ ব্ৰহ্মাগুরূপ জগৎ ও পৃথক্ দশ দেহ ধারণ কৰিল। চিৎ নাই বলিয়া এই অখিল পদার্থনিয় কি আদিতে কি অতে কোন ভাহাদিগের ইজারূপিণ হইয়া জগতে পরিণত হইয়াছিল। কালেই নাই, বাস্তবিক( স্ব স্বভাবে ) বর্তমান থাকিলেও স্বয়ং চিৎ তুমি বলিতে পার যে, তাহাতে চিত্রে কিছু স্বভাবের হানি স্বপ্নাবস্থাপ্রাপ্তির ভ্রাতা হইয়া জগৎরূপে প্রতিভাত হন। এত হইয়াছিল তাহা নহে, চিংকেই নিজ স্বভাবে অন্তস্বরূপা এব তত্ত্বজ্ঞগণ ধীয় বিবেক-বৈরাগ্য ত্যাগ শ্রবণমনন-নিজ্যিাসন- আকা-বর্জিতাই ছিলেন। অতএব সকল জগৎইযখন সংবিৎ আদি প্রসাধ্য করণসমূহ দ্বারা বাসাময় মুত্তাকার মার্জিত ময়, তখন সেই জগৎসমূহের ভূমিগিরি প্রভৃতি সকলই চিনাক করিয়া স্বর্গ, কামা, বায়ু, আকাশ, পর্বত, নদী, দি ইত্যাদি জানিৰে, আহা যদি না হইবে, তবে অঙ্গ কি হইবে বল? আহা অখিল জগৎকে অপ্রতি বােধ আনিয়া থাকেন। অন্তঃকরণ যদি না হয়, তবে সেই নগণের সেই ব্রিজাল ভূতানি মৃৎ-কাষ্ঠ-গ্রস্তরাদি সকলই শূ অথচ অত সমস্তই কিমাত্মক, তাহা তুমি বল? অতএব তাহা ৰিদাকাশমাত্রই, অন্য চেল- বেথ) মাত্র, অন্য কিছুই নহে। এ বিষয়ে তােমাকে এ বিষয়ে তােমাকে কিছুইনহে। অ যেমন ব্যতিরেকে কিছুই নহে । ঐতিমনােহর ঐশব-উপাখ্যান বলিতেছি, শ্রবণ কর, ঐ উপাখ্যান বর্তমানও নাই, সেইরূপ সংবিৎ ভিন্ন চদি কিছুই নাই। তােমাকে পূর্বেই বলিয়াছি, কিন্তু পুর্বে “মনােমাত্র অগৎ” ইহা যেমন ঐ ইভনয়গণের জগৎ কেবল শূত চিন্ময়মাত্রই, সেইরূপ উৎপতি-প্রণনের জন্য বলিয়াছি, এখানে কিন্তু অল্প চিত্ৰই এই জগৎসমূহ-মধ্যেও কাষ্ঠলােষ্ট-শিলাদি সময়ই চিন্ময়। জৎ” এইরূপ নির্বাণ- নির্যর হাই ডেটি। ১৫-২। ৩৫। যেন ঐ গল্পে সই এই এগাপ্রাপ্ত a যােগণিত-মায়ণ হইয়াছিল, তাহার স্থায় পােনির সকলই এই গম্ভাৰ লীলাই অনুপে প্রকাশ পাইছিল, সেই চিত্র ব্রহ্ম প্রাপ্ত হইয়াছে। অতএব এই সকল পর্বত, পৃথিবী, নিবিড় কৃষ্ণ হইতেই এই জগৎজাল বকাশমান, সুতরাং সেই ব্ৰিহ্ম হইতে (বা সেখ)ও মহাভূতসকল সমস্তই চিন্ময়মাত্রই বিস্তীর্ণ রহি, ইহা অণুমাত্রও ভিন্ন হ। অতএষ ধর এ অগসমূহ সেই ব্র আছে। এই সকল মান বৃক্ষ ও চিৎ, পৃথিবী ও চিৎ, স্বর্গও হইতে ভিন্নই না হই, তাহা হইলে এই জগৎ আজ নি, চিৎ, আকাশও চিৎ এবং এই পৰ্বতনিও চিৎ,ঐ ইয়- চিত্র, শাত্বক ব্রহ্ম, এবং ভাবাভাৱে নিরাকরণ ৰা ৰা- পণের জগতে হয় কোথাও চিতিরিক্ততার সম্ভাবনা নাই। ভাবমধ্যবর্তী চিৎপ্রভাত্রেই পর্যবসিত হইল। সুতরাং এই টিমাত্রাকাশক্ষিপ কুলাল স্বীর দেহরূপ ঘূণিত চক্রোপরি নিশরীর- সঙ্কল্পজগতে স্থিত সংবিষয় পৰ্বদিকে যাহারা অবিস্ময়-অর্থাৎ রূপ মুভিকা উপাদানে সর্বদাই এই সর্গ নির্মাণ করিতেছেন, এই অচেতন বলে, সেই সকল মুগণ বির্গের নিকট উপহাস। সর্গাদি আর কোথায় ফল (সকলই মিখ্যা অসম্ভব জানিবে)। যখন এই জগৎ চমুখ বার সঙ্কল হইতে উৎপন্ন, অন ইহা সঙ্কলবিনির্মিত দৃষ্টিতে প্রস্তৱালি যদি চেজ না হয়, তাহইলে মনােরাজ্যের ন্যায় চিত্ৰই এই সকল জগৎই স্বয়ং ব্রহ্মার রায় তাহাতে এই সকল লােষ্ট-শৈলাদি আর কি বল ? ৪৬-৫০। অবস্থিত, ইহা শূঙ্গে শূন্যাত্মক সলাত্মক বলিয়া জ্ঞাত। এই অনুভব, স্মৃতি ও স্মৃতি সংস্কার এবং ইচ্ছাকৃত সংস্কার এই প্রপঞ্চদৃষ্টি যখন যখন ঘভীঘ্র সম্ভৰ চিদৃষ্টিতে অবলােকিত হয়, সকল সংবিৎ বিশেষ অর্ধগােচর—অর্থাৎ ইহাদিগের অন্তরে অর্থ তখন খনই এই দুঃখেরও আশু লয় হইয়া থাকে। ৫১-৫১। প্ৰখিত হয় এবং ইহা নিজ অভ্যন্তরে অভিব্যক্ত চিত্ৰকেই আর যংবৎকালেই এই অগসৃষ্টি চিষ্টিতে ফিলম্বেও দৃষ্ট হয়, ধারণ করিয়া থাকে, অড় অর্থকে নহে , অতএব সকল অই তৎকালেই এই যন হইতে ধনতর হইতে থাকে। বাহার এই চিপ, কারণ পুর্বই বিচারের সিদ্ধান্ত হইয়াছে যে, অর্থশূন্য দৃষ্টিতে না দেখে, সেই সকল লােক চিরকালের পাপে বিজড়িত কল্পনাদির অন প্রকার স্থিতি, আর অর্থকলাবিশিষ্ট তত্ত্বাবগাহন মুর্থ, তাহাদিগের নিকট এই সংসার বসার দৃঢ় বলিয়া চমৎকারশালীর অন্য প্রকার সংস্কৃতি। (অন্তর) লােষ্ট- অবস্থিত, কখনও এবং সংসারশান্তি তাহাদিগের ঘটে না। আর্মির অনুভব স্মৃসিংস্কারের একরূপতায় লােক্টাদি চিপ ভিন্নই অএব মহাফলঙ্গ বলিয়া এই দৃষ্টিই দৃঢ় করা উচিত। এ নিশ্চিত হইয়াছে, তবে কেন আমি সচেতন বলিতেছি, একথা জগতে জাকৃতি বা ভৰাব এলশ-আদি বিকল্প কিছুই নাই, তুমি বলিতে পারি না, কারণ ঐ অনুভৰবাদি লােষ্টশৈলাদির তত্ত্ব সত্তা—অর্থাৎ দ্বিতীয়ভাৰবিকার বা তাহার অভা, তাহাও নাই, ভূত চিত্রকেই অন্তরে ধারণ করে, কিন্তু চিশ্মত্রে অবগাহন— কেবল পরম শান্ত ব্ৰহ্মই স্বীয় পরমার্থ চিংস্বাৰে এইরূপে অর্থাৎ তাহার অন্তরে প্রবেশ করিতে পারে না, কারণ সেই প্রকাশিত রহিয়াছে অথবা ক্ষাতিরিক্ত কল—অর্থাৎ একাই চিত্ৰ অৰ্থকলাশালি-কাদির উদয়ের পূর্বেই বর্তমান, ইহ অর্থাৎ কচ-ধাতুন্ন প্রবৃত্তি নিবৃত্তই একেবারে নাই। কেবল সেই পূর্বে বিচারিত হইয়াছে, অজ্ঞাত বিষয়েই চক্ষুরাদি দ্বারা অনুভব ব্ৰহ্ম ফটিকস্তবং অন্তরে আকাশসৃষ্টিবিহিত পুত্তলিকাসমূহ হইয়া থাকে, আর জ্ঞাত বিষয়ে স্মৃতি ও সংস্কারই কানের সমান, থাকিলেও ইহা অদ্যবর্জিত জন্মনাশবিরহিত অতিস্বচ্ছ অনন্ত অএব তাহাদিগের পূর্বে অজ্ঞাত বিষয় সিদ্ধি বলিতেই হইবে, চিনকৈথনরুপে নিত্যই অবস্থিত, উহাতে এই অণলতিকা বা- আর অচিপ হইলে তৃণ-কাষ্ঠাদি অজ্ঞাত-অজ্ঞানাবৃত) ও বলা তাহাৰ অগ্ৰ কি মূল, কি নির্মাণ কি সেই লমূলের মূল ভূমিতে যায় না, কারণ জড়ে অজ্ঞানাবরণের প্রয়োজন, অতএব জড় হইতে প্রবেশ কিছুই নাই। যখন উহা দুরূপ, তখন উহার অন্ত অন্য ব্ৰষ্ণভাই তৃণালির তত্ব ও সেই ব্ৰহ্মসভাই অবােধ স্মৃতি রহিত—অর্থাৎ অসংখ্য বিশ্বব্যাপ হস্তসমূহ ও চারিধারে অসংখ্য সংস্কার না ভ্রান্তিবশ অড়রুপে বিতারিত হইয়া থাকেন। আরও ত্রে, কর্ণ, মস্তক, কঠ, উদর ও পদাদি-অ বর্তমান, আর যখন এই বক্ষ্যমাণ কারণেও কাষ্ঠলােঠলি চেতল বলিতে হইবে, মুরূপ, তখন উহা আকাণাত্মক উৎকৃষ্ট অনুরূপ সন্মাত্র আজ কারণ সেই পরম চিতেই সর্বাত্মক সংবিংনিলয়ভূত (১) মৌলভি ফটিকস্তান্তরূপ “ইমহৎ” এই আমি ইহাতে পৰ্য- সমব্যিতিতে মণিমাণিতে মণির রায় দেদীপ্যমান হইয়া বসিত আর পুনরায় অর্কে নিলেন। ৩০—৪। অন্তরে অবস্থান করত কোন এক তৃ-কাল-শৈলদি পার্থরূপে অষ্টমধত্যধিকততম সর্গসমাপ্ত। ১৭৮ (তৃণালি পদার্থের আয়) স্পষ্ট প্রকাশমান হন। এবং এই কারণেও কাঙালি লেলিতে হইবে যে, ঐ সকল তৃণ কাষ্ঠাদি কা-কারণবিহিত সেই এগেই গতি, আং কোথায় একোনাণীত্যধিকততম সর্গ। বা কখনও সেই ব্রহ্ম হইতে ঐজি ভিন্ন নহে; সূর্যের এই যেমন সূৰ্য্যের স্বভাব প্রকাশ নহে; সেইরূপ চেতনই ব্রহ্মের বশিষ্ঠ কহিলেন,-অতএব এই অত্রর একমাত্র শুরু সভায় অচেনতা নহে, অতএব সকলই চেল ব্ৰহ্মই ইহা চিত্ৰই, ইহাতে সপ্রতিমরূপে মূখজনবুদ্ধভূত সমূহাদি কিছুরই দিয়ে নিশ্চয়। যেরূপ নিম্নভূমিতে এবংমাণ আল কাণান্তর সম্ভাবনা নাই। সুতরাৰ শল্পীরালিই বা কোথায় আর সম্প্রতি ব্যতিরেকে স্বতই আবর্ত-অঙ্গাদি-বৈচিত্রে বর্তমান থাকে, তাহার যন্তই বা কোথায়? এই যাহা কিছু দৃষ্ট হইতেছে, ইহা অতি ন্যায় এই চিরিও নানা বৈচিত্র্যে স্বতই বর্তমান, ইহাতে ব্রহ্মই বিস্তৃত রহিয়াছে। শান্ত চিলাকাশে বেষম্যলিক শান্ত পরে গা নাই। যেমন পদ্মকজে গুণলের লাতিপকা চিকাশই বর্তমান, আকাশেই আকাশ বর্তমান থাকে ও প্তিতে জানই, জ্ঞপ্তিই (জ্ঞানই) বিভূতি হয়। স্বপ্নের জায় (১) টাকায় ঘমি পাঠ করিয়াছেন, কিন্তু খুলে “লামি” আছে আগ্রাবস্থাতেও সকলই বিস্ময় শান্ত হইয়া আআিকারে আহলে সংশের খামার গঞ্জি টি একই। স্থিতি, কথিত অতিস্থিতি কোথায়?
নির্বাণ-করণ-উত্তরভাগ। ০৭ T জােবাব কোথায় জায় নাড়ী বেটী বা অসেই কোণায় ইয়া থাকে। গৃহার অনেকীপের এজ যেমন একের সকলই এতি, মেথরূপ। এই যে কে খেতে, বা স্নায়ই এতি, হারায় সর্বতির একই যায়নি সম্প্রতি স্বয়-বেহােগর (ইহা এর কঞ্চিৎ বলিতে পায়)। হার অনেক প্রকার জন্য থাকে। জাভিতে যেন আকাশ করা, বিখই মাক আর সবি এই ইঞিাসমূহ, বক্ষসমূহেয় হয়, তা শিৰনামক সমুদ্রে যে জলকণা-সুর, সকলেই শান্ত অপ্রতি, কিছুই সত্যি নাই। ১। জগৎ- অহাই সৃষ্টি, কিন্তু ইহাই বিশেষ ৰে, আকাশে বৃক্ষরাজি আকাশের স্থিতি সম্বন্ধে ব্ৰহ্মাকাশের স্বপ্নপ প্রভাবযুক্ত। এই ধর্ম বেত, মুষিদ্ধ হইয়া কুরিত হয় না বলিয়া তাহা সমস্তই প্রশসিদ্ধ হইলেও আমাণ, আর সকারণ হইলেও হইতে ব্যতিরিক্তস্বরূপ, কি সুবিতে জুৰিত সৰ্গবি অকারণ। কারণ বিনা কাধের উৎপত্তি হয় না। দু ব্ৰহ্মাধি হইতে ঈৎ ব্যতিরিক্তবরূপ। ১৯৭২। তদৃষ্টিতে ব্ৰহ্ম নির্বিকার অ বলিয়া কারান্তরের অভাৰপ্রযুক্ত একোনাপত্যধিক ত স আ১৭১। উৎপত্তির অভাবে এই অপলাপই উপপন্ন হয়; আর ভ্রান্তিদৃষ্টিতে ব্যক্তি অনাদি শিল্প কারণ-পরম্পরার সম্ভাবল থাকায় ও ব্রহ্মের আমিনিবন্ধন উৎপত্তি-আজি সকলই উপপন্ন হয়, এইরূপে অশীধিকততম সর্গ। বগনির্ণয়লারে উভয়ের উৎপত্তি হইয়া থাকে ও হইতে পারে; ফলে সে যাহা নির্ণয় করে, সে তাহাই দেখিয়া থাকে। লৌকিক কাম কহিলেন-হে ভগব। পূৰ্যতে যেন অরে দৃষ্টিতে কিন্তু কারণ-ব্যতিরেকে উৎপন্ন—অাৎ সংবিাত্মক বলিয়া নিখিল ভাবপদার্থে সরূপে অনুষঙ্গ অন্ধকার নাশ করে, লব্ধ এই এই জগৎ একেবারে অসংও নহে এবং সৎও নহে, তদ্রুপ আপনিও আমার স্বার্থবােধ হয় এই রােচ্ছে কিন্তু সতে স্থায় ইহা উগপন্ন হয়, কারণ সংবিৎ কর্তৃক করুন। কোন সময় আমি যখন বিদ্যালয়ে বিদ্বৎসমিতিতে ভাবিত (অর্থাৎ চিন্তিত অনুসারেই সকল পাই নিঃসন্দেহে অবস্থান করিতেছিলাম, অন এক অপশী খায় বিনে শব্ধ হইয়া থাকে)। স্বপ্নে যেমন সকল বই সর্বত্র সর্বপ্রকারে দেশ হইতে উপনীত হইলেন। সেই জিবল্প যেমন বিন লব্ধ হয়, সেইরূপ চিয়ত্বপ্রযুক্ত জাগ্ৰস্থাতে সর্বাত্মরূপ হইয় সেইরূপ শ্রীমা ছিলেন এবং তিনি মহাভপা, কাতিমান গাকে। আর মায়াবাদে (অনানক হইলেও) সর্বাত্মক ব্ৰহ্ম ও দেখতে দুর্বাসার ন্যায় সহ ছিলেন। তিনি আমায় পদে নাশস্বরূপ নানাত্মতে অবস্থিত, এবং কাৰ্যকারণ ব্যতীত প্রবেশ করিয়া সেই গেীশ্যমান বিজ-সভাকে নমস্কা- বিরহিতেও কারণজাসত্তা আছে। ঐ পূর্বোক্ত ইন্দুনন্দনগণের পূর্বক আসনে উপবেশন করিলে আমরা তাঁহাকে অভিবাদন সঙ্কল্পজগতের গাৰ এক সই হয় এবং সফলজগৎসমূহের করিলাম। তখন আমি সেই খানে নিক্ষের বেদান্ত-সাংখ্য- সহিত লক্ষভূতভাৰ প্ৰাপ্তি ঘটে। আবার সংবিৎ সইও এক হয়, সিদ্ধান্তৰালপাঠ উপসংহার করিয়া সেই অপসকে মুথালীন দেখ,—বি, ব্ৰহ্মা, রুদ্রাদির সাযুজ্য পুর্বোক্ত বিপশ্চিদুপাখ্যান বিভ্রান্ত দেখিয়া এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলাম, “হে বাগ্বিশ্রেষ্ঠ। নির্ষে কথিত; সিন্ধান্তানুসারে উপাখিমেলন দ্বারা ঐক্যাপত্তিতে বােধ হইতেছে আপনি অনেক পথ আগমনে পরিশ্রান্ত হইয়াছেন সৃষ্টির সহিত সমস্তই এক হইয়া যায়। ভিন্নভাবে বর্তমানের যে এক কোন বিষয় জানিবার অন্ত যত্নবান হইয়া এত ক্লে স্বীকার একীভাব তাহা শেকেও প্রসিদ্ধ। দেখ শত শত নদী ধারায় ভিন্ন করিয়া এখানে আসিয়াছেন, বলুন আপনি আজ কোথা হইতে হইলেও একই সমুদ্র, ঋতু সংবৎসরসমূহে ভিন্ন হইলেও একই আসিয়াছেন ?১-৫। আমার প্রশ্ন শুনিয়া সেই ব্রাহ্মণ বলি- কাল। একই বিকাশ স্বপ্নবৎ নানা সেইরূপে উদিত, উহা লেন-হে মহাভাগ। সত্যই বটে, আমি কোন বিষয় জানিবার অনূভবে স্পষ্ট প্রতীত্বশান হইলেও স্বপ্নগিরিবং নিরাকার।৭-১৫। অন্য যত্নবান , আমি যে অঙ্গ আসিয়াছি তাহা বলিয়া তােমার সন্দেহ সেই অননুতবাম্বিকা সংবিত্তিই ই- বৃষ্টিরূপে প্রতিভাত হইয়া দূর করিতেছি, শ্রবণ কর। সৌভাগ্যসম্পন্ন বৈদেহ নামে থাকেন, অতএব অগং এক নিকাশকেই আনিবে। যেমন একই একদেশ আছে, বলিতে কি, তাহা টিকভূমিতে স্বর্গের প্রতি নিদ্রা স্বপ্নাবস্থায় বেগন্নিকা (অ-ভত্মিকা) আবার ঘুপ্তি বিশ্বের স্থায় ক্লিাজমান। সেই দেশে আমার জন্ম, এবং তথাই অবস্থায় বেদনাত্মিক, সেইরূপ জগৎও বেদনাবেদনাক একই বিদ্যাভ্যাস করিয়াছি; কুকুমের অভ গন্ত বুনিয়া আমি জানিবে। বায়ুও তাহার স্পন্দের স্থায় চিংবিৎ ও অগৎ অভিনই, কুল নামে বিখ্যাত। অনন্য আমার গৈ উপস্থিত অতএব জগৎ এক চিৰাই, উহা একই বস্তু। দ্রষ্টা, ৮, গর্শন হওয়ায় পৰ্যটন করিতে আরম্ভ করিলাম, গন-সন্ত্ৰৰে খাতি রূপ ত্রিপুটা এসকল চিৎস্বরূপের ভানই মাত্র, ঐ সকল পরামর্থ বােধ হইলে তাহার শান্তিয় অষ্ণ দেব-বিত-মুনীগণের নিকেতনে আকাশস্বরূপ মাত্র; স্বপ্নের ব্যায় ঐ ত্রিপুটা মাত্র প্রতিভাত, আশ্রয় গ্রহণ কৱিতাৰ। এইরূপে ভ্রমণ কল্পিতে কৃঞ্জিতে এক অতএব এই জগৎ এক চিমেই আনিবে। পরমেশ চিহ্মে জগতে উপস্থিত হইয়া পড়ি, আয় দীর্ঘকালব্য অত্যুত্র এই জগৰ অসৎই, ইহা এখৰ সৃষ্টি হইতেই গ্নে যন্ত্রাজিত পাকৰত বহুকাল বাস করি। আর এক দিন বৎ ভাই, পুং অপ ব্যাঞ্জাভিয়ের আয় বধার্থ জ্ঞান অরুণ আছে, সেই অরণ্যে তে কি অন্ধকার কিমে, কিছুই হইলেই নিতে হয়। স্বপ্নে যেমন একই সবিদের অনেক প্রকারে নাই, এমনই তাহা যেন ভূল নল। তার মধ্যে এক ভাল হয়, ক্রপ সৰ্গাক্ষিতে ক্ষেও নানাপাথরুপে আন কোমলাসিয়শাণী শাখ-ব এমন; তাহা যে বৃহৎ, তাহা নহে,ঐ বনগোষলে মাখি-জলবৎ অবধি। * এ ব্ৰয় আৰ এ স্বপ্না এই ভিবাক্যই ই সেই কথায় এক পঞ্জিকৃতি পুব লম্বমান রহিয়াছেন, মণ। খার চর নাভারতে অব হি এলে যেন না তাহার শরীর সেই বুকে চারিদিকে রজতে বদ্ধ পােষ হইতেছ তুমি অপােযভাবে এই দেহে সপ্তাহ-বৎসর সপ্তসমূত্র- যেন, সূধ নিজমিথ্যে বিয়া করিতেছেন। ৭-১৪। তাহার বীপপরিত্ব পৃথিবীর পালক থাকিৰে। এইরূপ অভীষ্টান মস্তক নিমণিকে, আর পায় যৌনাম-নিবন্ধৰ উৰে রহিম করিয়া সেই দ্বিতীয় দিবাকর যে সূৰ্যমণ্ডল হইতে আবির্ভূত আছে; বােব হইতে লাকি যেন, সেই মহাগগ্রন্থিাশীশলী হইয়াছিলেন, সেই রূপ সমুদ্রেই এবেশ করত ভিনরাহিত বুকের মান পন্থি রহিয়াছে। কোন সময় আমি সেই হইলেন। এইরূপে তিনি এমন করিতে পারে যাহার কথা বৃক্ষের নিকট গমন করিয়া নিকট হইতে সেই বৃক্ষ কৃতাঞ্জলিপুট- শুনিয়াছিলেন, আজ সেই শ্রেষ্ঠ আদিত্য-পুকে যিনি প্রত্য বিকে দেখিয়া মনে মনে বিচার করিলাম, এই বিঞ্জ যাবজ্জীবন দেখিতে পাইলেন এবং বরানব্যবহারে অবও করিলেন, এই বৃক্ষে থাকিয়া অক্ষতশরীরে জীবিত রহিয়াছেন, কারণ এখনও সেই বিবেক খাবলম্বি-তপস্বীকে আমি বলিলাম,-হে ইহার খাস-প্রশ্বাস হইতেছে, ইনি বােণ হয় কালসম্প্রাপ্ত কি ব্ৰহ্ম। আপনার শাখাবলশুনরূপ ভাবলে অভীষ্টৰ- শীত, কি আতপ সই সই করিয়া আছে। এইরূপে লম্বমান লাভ করিতেছেন, অঙৰ এখন ইহা ত্যাগ করিয়া উপস্থিতমত সেই পুরুষকে আমি বহুদিন ধরিয়া রৌদ্রভােগণে সহ কত গৃহে গমনাদি-ব্যবহার অনুষ্ঠান করুন। আমি বলিষমাত্র তিনি সেবা করিয়া আমার প্রতি তাহার বিশ্বাস উৎপাদন করিলাম। হে তাহা অঙ্গীকার করিলে তাহার পর আমি বন্ধন হইতে ভগব। আপনি কে, এবং কি জন্যই বা দারুণ তপস্যা করিতে করিশাবকের চরণবৎ তদীয় চরণযুগল সেই বক্ষ হইতে বলমুক্ত দেন? হে বিশালা! দেখিতেছি আপনি দীর্ঘকাল জীবিত করিলাম । অনন্তর জিনি স্নান করিয়া পৰিত্ৰহৰে অধর্ষণ থাকিয়া লক্ষ্যালক্ষ্যা-জীবন হইয়া পড়িয়াছেন। অনম্বর তিনি সমাপন করত সিদ্ধিবললব্ধকাল অমর সহিত ব্ৰতে আমাকে বলিলেন, হে তাপস। আমার এ সকল বিষয় জানিয়া পাৱণকাৰ্য্য সমাধান করিলেন। সেই পুণ্যাবধিগত ফলসমূহ তােমার কি হইবে? শরীরিগণের ইচ্ছা একপ্রকার নহে, সকলেরই দ্বারা আমরা উভয়ে খায় বিনয় নিরুদ্দেগে অনায়াসে বিশ্রাম ইচ্ছা অতি বৈচিত্র্যময়ী। সেই তাপস যখন এইরূপ বলিলেন, করিলাম। এইরূপে সেই ব্রাহ্মণ সখীপসমূহ মুদ্রিতলিশ অন আমি অতি নিৰ্বেসহকারে তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলে সমগ্র খরা লােগলালসে বুকে মানায় ও উপদ হইয়া, তিনি এই উত্তর প্রদান করিলেন, আমার জন্ম মথুরায়, পৃত্ব অপকরত নূ-পুরুষের নিকট অভিমত-বরলাভ করিলেন। গৃহেই আমি বর্ধিত হই, বাল্য-যৌবনের মধাবস্থাতেই আমি অনন্তর তরুতলে তিদিন বিশ্রাম করিয়া পদে পীড়া নিবৃত্তি হইলে শশাস্ত্রে ও অর্থশাস্ত্রে পারদর্শিতা লাভ করি। নবযৌন সুহৃৎ আমার সহিত স্বীয় মথুরাস্থ ভবনাভিমূখে গমন করিতে উপস্থিতিতে ভােগাখী হইয়া আমি শুনিলাম, রাই সমগ্রভােগ- প্রবৃত্ত হইলেন। ৩০—৪১। • সামগ্রীর আশ্রয়, পরে সপ্তমহাখীপৰিীণা ধরার অধীখর ও অত্যধিকতম সর্গ সমাপ্ত। ১৮। উদারা হইয়া সকল অধী-মনােরথ পূরণ করিতে পারি, ইহাই চিন্তা করিতে লাগিলাম। এই প্রয়ােজনেই আমি এই স্থানে আসিয়া অবস্থান করিতেছি।হে মানদ। এইখানে আমার দ্বাদশ বৎসর অতীত হইয়া গিয়াছে। ১৫৫। হে অকারণমিত্র। একাত্যধিকততম সর্গ। এই আমি তােমার প্রশ্নের উত্তর করিলাম,সুতরাং তুমি এখন তুলন্ত বলিলেন,-যেরূপ চন্দ্র-সূৰ্য সায়ংকালে নিজ নিলয়- সত্বগতিতে নিজ অভীষ্টস্থানে গমন কর, আর আমিও যে গমন-মানসে ইন্দ্রপুরীপূর্বদিকে গমন করিতে প্রবৃত্ত হন, তাহার পৰ্যন্ত না স্বীয় অভিলষিত লাভ করি, সে পর্যন্ত এই ভাবেই দ্বায় আমরাও সারৎকাল পৰ্যন্ত গমন করিয়া আবাসাভিমুখে গমন দৃঢ়স্থিতি অবলম্বনে অবদান করি। তিনি এইরুপে আমাকে করিতে হইলাম। পরে বােধনামক গ্রামে উপস্থিত হইয়া বলিলে আমি তাহাকে যাহা বলিলাম, তাহা শ্রবণ কর। আমার আত্মন মনােহর অচলে বিশ্রাম করত সেই নগরে দুই দিন বাস বােধ হয়, তুমি ইহা শ্রবণে ক্লাভিৰােধ করিবে না, কারণ ধীম- করিলাম। পরে আমরা পুলকিতচিত্তে গমন করিতে করিত নেয়া আচৰ্য্যকৰণে কষ্টবােধ করেন না। আমি বলিলাম, অনেক পথ অতিক্রম করিলাম। অনন্তর দ্বিতীয় দিবসে বহুতর হে লাখে! যে পর্যন্ত না আপনি স্বীয় অভিলষিত প্রাপ্ত হই- ভূমিভাগ প্রাপ্ত হইলাম, সেই সকল ভূমিতে শীতল জল, বিন্ধ- তেছেন, সে পর্যন্ত আমিও আপনার অভীষ্টরক্ষা ও সেবার জন্য স্থায় ও কারুনিচ বর্তমান, নদীতীর লতা হইতে কুসুম- এখানে প্রস্থান করি। আমি এইরূপ বলিলে সেই সাম্যাবলম্বী রাজি পতিত হইয়া সেই ভূমিসমুহকে পাণ্ডুবর্ণ করিয়াছে, ইতন্ত পুরুষ পাষাণমৌন হইলেন, তঁাহার চক্ষু মুদ্রিত হইল, চঞ্চল অঙ্গের ঝঙ্কারগানে পথিকগণ আনন্দিত হইতে, মিয়া বাহিরে এর হার কোনরূপ ক্রিয়া-কলন দেখিলাম না, সুষ অনায় মৃগ-বিহঙ্গমগণ র করিতেছে ও পাম-প্রদেশে ভঁহার হে মৃৎ রহিল। আমিও সেই কাষ্ঠমৌনীর সম্মুখে তৃণমাজিায় হুলস্থুল শাখাত্রে (লে) হিমশীকল্পসমুহ মূজার ন্যায় মাস কালকৃত শীতােষ্ণালি সন্থ করিয়া নিমেগে অবস্থান শােভ পাইতেছে। সেই সকল ভূভাগ কোথাও বা অরণ্য প্রায়, করিতে লাগিলাম। অনন্তর একলিন দেখিলাম, এক পূৰ্যবৎ কোথাও পর্বতসল, কোথায়ও নগরগ্রামবৎ শােভমান, কোথাও বেশ্যমান পুরুষ মূহইতে নিত হইয়া সেই এজেন বা বিবাকারে বর্তমান এবং কোথাও বা জলপ্রায়। সেই ভূভাগ আগমন করিলেন, আমরা উভয়েই কামনােৰাৱা তাহার পূজা অতিক্রম করিয়া ক্রম জােত ও সমােবসমূহ অতিক্রম করিলাম, তখন তিনি সুখানিনাহয় এই বাক্য বলিলেন। করিলাম, অনন্তর নিবিড় কাশীকানে উপনীত হইলাম,পরিশ্রান্ত ৩২। হে শখালম্বি জীবগ ব্ৰক্ষ। ভূমি অপার হইয়াছিল বলিয়া, ভয় তুষারশীতল কললীপত্রের শকা উপহার কয়, এই অতি মনােহর অভিমত- গ্রহণ কর। করিয়া দুপরি শয়ন কবুত রাত্রি অতিবাহিত করিলাম। পরে নির্বা-এ-উতরণ। ১ তৃতীয় দিনে এক কমলগুসমূহমণ্ডিত বনে উদিত হইলাম, বৃত্তান্তই দেখিতে পাইলেন এবং মুহর্তমাত্রেই ধ্যানপ্রবুদ্ধ হইয়া সেই কন মেধাবিহেবিভক্ত আকাশের তায় তৃণাঙালি সঞ্চয় বলিলেন, তােমরা এই আশ্চর্য বৃত্তান্ত শ্রবণ কর; কারণ কাজিনগণ কর্তৃক বিভাগে বিভক্ত রহিয়াছে। সেই স্থলে সেই আনন্ম অেমরাই এই কাৰ্যজ্ঞ। হে সাধুর। এই মহাক্ত ব্রাহ্মণ প্রকৃত পথ পরিত্যাগ করিয়া বনে প্রবেশ করিবার যে স্ত্রীলােকের কেশবেলবৎ গুপালঙ্কৃত কাশ্ব দেখিচ্ছে, সময় আমাকে এই প্রকৃত গৃহগমনকাৰ্য্যের বিৰাতক বাক্য উহাই আমার আবাসভূত বলিয়া পুত্রবৎ নয়ায় পাত্র। কোল বলিলেন, আমরা আট ভাই, আমাদিগের সকলেরই ঐ পূর্বোক্ত কারণে সতী গারী বাগীশ্বরী সরস্বতীরূপে সমন্ত ঋতুর সেবায় রাজভােগেন্দ্রীয় নে মনােরথ হওয়ায় সকলেই অপম সেবিত হইয়া এই বনে যশ বৎসর বাস করেন। এই জন্যই নিমিত্ত এক সংবিস্ময় ও একরূপ সঙ্কলে নিশ্চয় হইয়াছি। এই নিবিড় কানন তখন হইতে কুমথান ঋতু-কর্তৃক অদ্ভুত সেই জন্যই আমার অপর সাত ভাতাও সেই নিশ্চয় অবলম্বনে হই গৌরীবন নামে বিখ্যাত হইয়াছে। এবং সেই অবধিই এই গৌরী-আশ্রমে আগমন করত বিবিধ তলায় নিস্পাপ নিস্পাপ এই কাননে ভ্রমরীগণের মনােহর গীতাবলী চঞ্চল হইয়া কোকিল- হইয়া অবস্থান করিতেছেন। আমিও পুর্বে তাহাদিগের সহিত কুল মধুর নিনাদ করিয়া থাকে, পুষ্পবষী মেঘকল অজি দ্বারা এই গৌরী-আশ্রমে বাস করিয়াছিলাম, অতএব যে আশ্রম পূর্বে গগনরূপ বিতান (চাপ) শতশালিবৎ শােভা পাই- দেখিয়াছি, আজ এই সেই আশ্রমই অগ্রে দেখিতে পাইতেছি থাকে ও পদ্মপরাগকণে দিগন্তরাল পরিব্যাপ্ত হইয়া অপূর্ব ও ইছাই যে সেই আশ্রম, তাহা নিশ্চয়। ঐ যে, ঐ আশ্রমে শােল বারণ করিয়া থাকে। ২৫-২। সেই অবধিই এই পুষ্পশােভিত বলে মুগ্ধমৃগশাবক শয়ন করিয়া আছে এবং বন মারকুসকুসুমমলে দিসমূহ সুগন্ধিত করিয়াছে, ঐ দেখ, ঐ আশ্রমের পর্ণশালাপ্রান্তে শুকগন্ধিগণ বিশ্রাম চারিদিকে বিকসিত কুমরাশিরূপ চন্দ্রবিন্থসমূহে শােভার করিতেছে ও তাহাৱা নানাপ্রকার শাকথা উচ্চারণ করিতেছে; পৰ্যাতি দেখা যায়। সন্তান নামক সুরতরুর স্তুকের ই- সুরাং ইহাই যে সেই আশ্রম, তাহাতে সন্দেহ নাই, বিকাশে এই বন মনােহর হইয়াছে, আমােদিত বায়ুতে অতএব এস, এই ব্ৰহ্মলোকপ্রতিম আশ্রমে শ্রীলাভের নিমিত্ত সমস্ত লতারূপ অনাসমূহ শােভা পাইতে থাকে (বা ঐ বনে গমন করি, ঐ খুলে আমাদিগের চিত পূণ্যপ্রভাবে সর্ব- সুরভিত দেবতারূপ অনাসমূহ বিরাজ করে। সেই অবধিই পাপক্ষয়ে অতি নিৰ্ম্মল হইবে। গাঁহারা অজ্ঞানে পূর্ণমনা, এই পুষ্পকর বসন্তের নগর সদাই ভ্রমরগণের অঙ্গিীতে মুখ- ভঁহাদিগের দর্শন করিতে ধীরমতি বিন্ধা তত্ত্ববিদেরও মন রিত, ভ্রমন্ত্রীসমর্থিত কুমাকর (পুষ্পরাশি বিরচিত) মণ্ডপ ত্বরান্বিত হয়। ১-১৬। তিনি এইরূপ বলিলে আমরা সেই সমূহে বিরাজিত এবং সেই অবধিই এই বনে চকিরণমাল আশ্রমে উপস্থিত হইয়া দেখিলাম, সেই তাপসের মহারণ্যে কোমল পূষ্পদোলায় সুসিবধূপণ দেশক্রীড়া করিয়া থাকে। সংহাররূপে শূন্যরূপ ধারণ করিয়াছে। সেখানে বৃক্ষ নাই, পর্ণশালা সেই অধিই এই বনে হারীত, হংস, শুক, কোকিল, কোক, কাক, নাই, গুম নাই, মনুষ্য নাই এবং কিমুনি, কি বালক, কি বেদী, চক্ৰকাক, গৃ, ভাসণক্ষী ও চটক (দুই) এভৃতি পনি বা কি ব্রাহ্মণ কিছুই নাই। কেবল সেই অরণ্য অনন্ত গুমাত্র, শােভাবর্ধন করে। ভয়ানক কুকুটকপিঞ্জল (চাতক বা গৌরবর্ণ চারিদিক ভাপে উত্তপ্ত, এমনই শূন্য যেন ভূলে আকাশ রহি. তিব্রিরি) ময়ুর, বক প্রভৃতি ক্রীড়া করত রমণীয় করিয়া রাখি- গাছে। তাহা দেখিয়া সেই ব্রাহ্মণ, হায় কি কষ্ট। এ কি এ কি আছে। দেখা যায় সেই অবধিই দেব, গন্ধর্ব, যক্ষ ৩ সিগ দেখিতেছি। এইরূপ বলিতে লাগিলেন। অনন্তর আমরা উভয়ে আসিয়া ঐ কসরস্বতীর চর-কমল-কণিকায় প্রণামকালে বহুক্ষণ ভ্রমণ করি। এক বিশ্বচ্ছবি বনচ্ছায় মেধােপম-শীতল কিরীট বর্ষণ করিয়া থাকেন, সর্বদাই বায়ু হন করিয়া থাকে বৃক্ষ দেখিতে পাইলাম। এবং দেখিলাম—তাহার হলে এক বলিয়া নক্ষত্র-শােক ও মেঘলােক কনককোমল চকসমূহ বৃআপস সমাধি-অবলম্বনে উপবিষ্ট রহিয়াছেন। আমরা হইতে গন্ধ গ্রহণ করিয়া থাকে। (অর্থাৎ বায়ুভরে নক্ষত্রলােক উভয়ে সেই বৃক্ষচ্ছায়ায় শাঘল-ক্ষেত্রে মুনির সম্মুখে বহুক্ষণ ও মেলােক পর্যন্ত চশগ গমন করে, সেই অবধিই মুছম উপবেশন করিয়া থাকিলেও তাঁহার ধ্যান হইল না তাঁহার ধ্যানভঙ্গ হইল না বায়ুতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শতারাতি হইতে লেমন কি পতিত তাহার পর বহুক্ষণ পরেও তার ব্যান হইল না দেখিয়া হইয়া থাকে ও সেই লতাজি বিস্তীর্ণ হইয়া ফুসকল আরও আমি উৎকণ্ঠিত হইয়া পড়িলাম এবং চলস্বভাবপ্রযুক্ত উচ্চৈঃ- আবৃত ও মুকিত করিয়া রাখিয়াছে তাহাতে সূৰ্য্যববিৎ নিরুদ্ধ স্বরে বলিলাম, “হে মুনে। আপনি ব্যান করিয়া চক্ষু উন্মীলন হওয়ায় অভ্যন্তরে ঐ ধন অতি শীল। ক, করবী, নারিকেল, করুন। আমার সেই উচ্চৈঃস্বর শ্রবণে মুনির খ্যালগু হইল, ভাল, মাল এভৃতি বৃক্ষনিৰহেয় পুষ্পপরাগপুরে সর্বদাই এই তখন তিনি মেৰধ্বনি শ্রবণে সিংহের স্থায় আমার সেই শকে কল পীতবর্ণ। সেই অবধিই এই বনে পরে সতি তুমুলোৎপল সৃণ করত (হাই তুলিয়া) বলিলেন। ১৭৭৪। মেৱা পরিশােভিত গদ্যকয়ে চকোর-চক্রবাকসমূহ ও হংসশ্রেণী গত দুই জন সাধু কে? পূর্বের গৌাম কোথায়? কেই বা গতিতে গমন করিয়া থাকে এবং সেই অবধিই এই বনে তাল, আমাকে এই অরণ্যে আনায়ন করিল ? এই কোন কালই গল, চন্দন পারিজাত, কাষৰু প্রভৃতি উৎকৃষ্ট বৃক্ষান্তরে বা বর্তমান। তিনি এইরূপ বলিলে আমি বলিলাম, ৪ বিচিত্র সর্বাভিলাষপুরণশক্তি বিধান রহিয়াছে। হয়ে আপনি যাহা জিজ্ঞাসা করিলেন, আহ। আপনিই অর্ধাঙ্গীগৌরীকোন অনির্বচনীয় কারণ বশ নিৰ্ম্মলচন্দ্রবিমুখী জলে, আমরা জানি না, বােগবলে সর্ব হইলেও কেন কল-সরস্বতীয়প শিবমকে শশিকলার স্থায় এই বনে - আপনি স্বয়ং আনেন না। আমার এই বাক্য বলে তিনি কল বা কমেন। ৩৩-৩৯। পুনরায় ব্যালয় হইলেন ও নিজের ও মাদিগের সকল একাত্যধিক খতম পর্গ গমও।১১।
ত্যধিকততম সর্গ। তােমারি আট তারও আনে সমাগম হবে। সেই বন্ধ পল এইরূপ বলিলেবণঃ আমি এই অদ্ভুত বিষয় বুঝতাপস কহিলেন,-একৰিখ বনে গৌরী স্বেচ্ছামে ফল বিজ্ঞাসা করিলাম, যে এত্য সভ্যগণ। * আয় দিতে বৎসর কক্ষে অবস্থান করিয়া আবার দেব-দেব মহাদেবের শ্রবণ করুন। হে ভগবন। এতে একই সখীপা পৃথি বাম-দেহরূপ নিজ মন্দিরে আশ্রয়গ্রহণ করেন, তাহারই আছে, এব তাহাৱা এক সময়ে কি কৰিয়া প্রত্যেক সপ্তৰীপে শষিখায় সিক্ত হইয়া এই পূত্ৰ কাষবৃক্ষ, ক্রোড়ে স্থিত হইতে সক্ষম হইল? কতাপস কহিলেন, ইহা অন্য বালকের ন্যায় জীর্ণ হয় না। দেবী গৌৱী এই বন পরিত্যাগ নয়, কারণ ইহা অপেক্ষা আরও এক এক জপো অসম্বন্ধ করিয়া যাইতে তাদৃশ এই মহৎ অৱশ্য সাধারণ-জনের ফপূষ্প ঘটনা আছে, তাহা বলিতেছি এবণ কর। ( অ-যে পৰ্যন্ত কাষ্ঠাদি জীবিকার আশ্রয় হইয়া সাধারণ কন হইয়া পড়িল। আমি ইহার অন্তু কিছু বলিতেছি সে পর্যন্ত ইহার সামগ্র শাবলামে এক দেশ আছে, আমি ত্ৰত্য রাজা, কোন সময় নাই, এখন আর এক গপেক্ষা অধিকতর অকস্মাৎ ঘটনা রাজ্য পরিত্যাগ করিয়া আশ্রমসমূহে ভ্ৰমণ করিতে করিতে বলিতেছি শ্রবণ কর)। এই অপী অষ্টভ্রাত দেহ হইলে এই স্থানে উপনীত হই, এখানেও আশ্রমবাসিগণ কর্তৃক সৎকৃত সকলেই গৃহমধ্যে সপ্তদীপের হইবে। এই আট জনই মহাপীট- হইয়া এই কদম্বতলে খাননিষ্ঠ হইয়া অবস্থান করিয়া থাকি। গৃহে সপ্তৰীপেখৰ বেরুপে হইবে, তাহা পরে বলিতেছি, শ্রবণ কিয়ৎকাল পরে ভূমি স্বীয় সপ্ত ভাতার সহিত তপক্ষা করিবার কর। ইহাদিগের আট জনেরই অনিন্দিতা জষ্ট ভাৰ্যা পুৰ্বাদি- এই আশ্রমে আগমন কর। তােমরা সেই আট অন সেইরূপ দিকের অষ্টতারার আয় সর্বদাই বর্তমান। তাহারা অপার জন্য ভপখী হইয়ছিলে, যাহাতে অন্য তপস্বিগণেরও পুজ হই- গমন করিলে উহাদিশের ঐ আট ভাৰ্যাই অতি দুঃখিত হইলে, ছিলে। ১৭। অনন্তর কোন সময় হাদিগের মধ্যে তুমি কারণ স্ত্রীলােকের গতিৰিৱহ সনৎ অসৎ হইয়া থাকে। একাই পর্বতে গমন করিয়াছিলে, দ্বিতীয় জন তপস্যার জন্য পতির পুনঃপুনঃ স্মরণে সেই সকল ভাঙা শত চাত্রায়ণরূপ দারুণ স্বামী কার্তিকেয়ের নিকট গমন করেন, তৃতীয় বারাণসীতে ও তপস্যা করিলেন, তাহাতে পার্বতী সন্তুষ্ট হন। পূজাকসানে চতুর্থ তপস্যার জন্য হিমালয়ে গমন করেন। আর তােমার অপর দেবী পরমেশ্বরী অন্তঃপুরগৃহে অদৃশ্য হইয়া সকলকে ধীর ভ্রাতৃচতুষ্টয় এই স্বলেই অতিমাত্র তপস্যা করেন। সকল পৃথক পৃথক এই বাক্য বলিলেন, হে বালিকে। স্বামীর ভ্রাতারই একই মনাের যে, কেন সমস্ত দ্বীপ-সমর্থিতা পৃথিবীর জন্য বা নিজের জন্য বর প্রার্থনা কর, অহহ! গ্রীষ্মতাপে মঞ্জরীর অধীর হই। অনন্তর দেবতাগণ দুষ্ট হইয়া বরের উপর আয় বহুকাল তপস্যার ক্রেশ পাইয়াছ। দেবীর এই বাক্যৰণে যদানে (বরশ্রেষ্ঠ বাদানে) তাহাদিগের অভী-পুরণ করেন। রিটকা দেবীর পাদপদ্মে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করত নিজ বাসা- ব্রহ্মা যেমন ধৰ্ম্মণবান কযুগ ভূতলে ভােগ করিয়া ব্ৰহ্মলােকে সারে দেবীর স্তব করিতে করিতে আনলমরা হইয়া ময়ুরী যেমন গমন করেন, তাহায় ব্যায় তােমায় ভ্রাতৃবর্গ ও তুমি অপা মেঘমালাকে লক্ষ্য করিয়া কেকাধ্বনি করে, তাহার ন্যায় আকাশ- করিতে থাকিলেও তােমার অপেক্ষা না করিয়া তাহার নিজভবনে স্থিতা দেবীকে মারবাক্যে বলিলেন। ২৫-৩৪। প্রিন্টিক গমন করিল। হে সাধা। তােমার সেই ভ্রাতৃগণ স্বেষ্টদেবতাকে কহিলেন,-হে দেবি' আপনার বোন দেবাদিদেব শব্দুর সহিত বরদানে উদ্যত দেখিয়া ত্বপূর্বক এই বর প্রার্থনা কল্পি- প্রেম, আমার নিজ ভর্তার সহিত সেইরূপ প্রেম হউক এবং দেন। হে দেৰি। আমাদিগের সগুণীপের যাবৎ থাকিবে, আমার গতি যেন অমর হইয়া চিরজীবী থাকেন। দেবী বলি- তাবৎ সকল প্রজাবর্গ সত্যবাদী হইবে এবং সকল সপ্তবীপ- কেন—আণিষ্টি হইতে ঈশ্বরীকা-রূপ নিয়ন্ত্রি দৃঢ়ত—অর্থাৎ বাসীই স্বস্থ আশ্রমধর্মে থাকিবে। সেই ইষ্টদেবতা পরমেশৱী দুরপনেতা-নিব পা-নাদি দ্বারা অমরতা লাভ ঘটে না; তাহাদিগের সেই অভিলষিত অঙ্গীকার করিয়া তাহাদিগের অতএব হে নূতছে। তুমি অঙ্গ কোন বর প্রার্থনা কর। তাহা সমুখ হইতে অন্তর্হিত হইলেন। ৮-১৫। তাহার পর ভারা শুনিয়া চিরন্টিক বলিলেন, যদি এই বর আমার একান্তই সকলেই এবং তাহাদিগের শ্রমবাসিগণও গৃহে গমন করিল। অলভ্য হয়, তাহা হইলে আমার পতির মৃত্যু ঘটিলে যেন একা আমিই কেবল যাই নাই। আমি কেক এক নির্জনবদেশে উঁাহার জীবাত্মা গৃহমধ্য হইতে কালও বাহিরে না গমন যালগতমনা হইয়া ৰাগীর কবলে শৈলবৎ অবস্থান করি করে, যখন আমার পত্তি দেহপাভ হইবে, তখনই যে ইহা আছি। অনন্তর এই অসবৎসৱত্মককালপ্রবাহ চলিতে ট, হে জন্ধিকে। অন্তত এই বরও আমাকে প্রদান করুন। কাকিলে, এই বাণীনের কে ছিড়ি করিয়া ৰেী কহিলেন, ইহাই হউক, আরও দেখান্তে তােমার পতি ফেলিয়া। কিন্তু এই কাজের মানৰ নাই, ইহা একই সখীপাখিপত্য-লাভ করিবেন এবং তুমি তাহার পত্নী হইবে, ইহা ভাবে অবস্থিত, সকল নেই “মাগীরীগৃহ” বলিয়া ইহাৱা নিসন্দেহ। যেখধ্বনির গায় গণত সাদরে পূজা করে এবং আমাকেও এই বৃক্ষতলে এক সমাখি- নিমিত সমূহূত সেই গৌরীৰাক্য এরূপ উক্তির পরেই অবরে গত হইয়া ৰেস্থিতি করিতে দেখিয়া পূজা করিয়া বিব্রত হইল। দেশী গমন করিলে পর, কোন সময় আত্মদিগের থাকে। এর পর সেরা দুই জন দীৰ পম এখানে প্রতিবর্গওহার লাভ করিয় দিগন্ত তে সমাগত হইলেন। আসিলাম; এই সমস্তই আমি গানে দেখিয়া তােমাদিগকে ৩৫—১। আজ এনিতে পতি স্ত্রীর নিকট গমন করুক, আল বলিলাম। অতএব হে সাখুন। তােমরা এখুল হইতে উখিত জাতৃণেরও বন্ধুবর্গের পরশম সমাগমও হইতে থাকুক। এ হইয়া গৃহে গমন কর, তােমার ভ্রাতৃবর্গও পুর্বেই কল-বর্গের সহিত সাত ইয়াছে। সেলােকে অষ্টবসুর স্থায় মহাত্মা রামস সােধন। I - নির্বাণ-এফ-উতরাগ দিকে ইলিয়ে আর এক সাবিহিত সৎকর্মল হইলে তাদের পাশ খী বীরের আশ্রিত হতে পারে ব্যাক ঘটনা বাহা ঘটিছিল, তাহা বলিতেছিল শ্রবণ কর। না; কারণ, আবার কিসে আপনাতে আধেয়ভাৰ অশান ইহাৱা পাকরিতে কিনে দিগের জনক-নলী পুত্রবধূ করিবে? গৌৰ্যা অপস কহিলেন, হে সাধ্যে। ইহাদিগের গণকে লইয়া দুখাবিতচিত্তে তীর ও মূর্ণিগণের আগ্রহ দেখিবার কেন আসাম দেখি; এর পর যাহা ইয়ছিল, গহ জয় গান কৰিলে। শারীরিক দুভাগের অপেক্ষা না রাখিয়া শ্রবণ কর, তাহাতেই তােমার প্রশ্নের সমাধান হবে। তােমরা পুত্রগণের হিতাম তাহারা কলাগ্রাম নামক উর্থে এমন উ আ হইতে অষ্টম দিবস এইরেই সেই ভােলা বন্ধু করতে উদ্যত হইলেন। যাইতে গাইতে তাহারা নিয়ে পরে বাসমতি মথুর-গনে উপৰূিত হইবে। এবং সেই খানে এক কপিলবণ উকিল মুলিকায় কপিলবণ সস্ত্রীক পুরুষকে বহুবর্গের সহিত কিছুকাল মুখে অবস্থান করিবে। তার পর দেখিতে পাইলেন। তাঁহাকে দেখিয়া বুদ্ধ পথিক বিবেচনায় সেই অষ্ট তাই গৃহে ক্রমশ মৃত্যুগ্রত হইবে। পরে বন্ধুগণও সেই মূনিৰ পূজাদি আদর না কত বরং সত্বরগমনে ধূলিকণা তাহাদিগের স্থাপিত অখিতে সাহ-সংস্কার কন্নিবে। তাহাদিগের উৎক্ষিপ্ত করিয়াই গমন করিতে লাগিলেন, তাহা দেখিয়া সেই সেই সংৰিদাকাশ-জীব পৃথক পৃথক এন্ধিত হইয়া মুহুৰ্তমাত্র কুদ্ধ হইয়া বলিলেন-হে মহামূখ। তুই স্ত্রীর সহিত সুযুগ আড়ের ন্যায় অবস্থান করিবে। এই সময়ে তাহাদিগের পুত্রবধূকে সঙ্গে লইয়া তীর্থ করিতে যাইতেছিল, আর আমি বর পাত্মক কর্মনিচ ফলের অবত্তাৰ গৰযুক্ত একত্র- দুর্বাসা এখানে বর্তমান, আমাকে নমস্কার না করত অতিক্রম চিত্তাবছি-আকাশে গুটিত হইবে। ১-১০। সেই করিয়া যাইতেছিস। তুই যেমন গমন করিতেছিস, সেইরূপ সকল কর্ম তৎফলপ্রদ অধিষ্ঠাতৃদেবরূপ হইয়া স্বৰ অনু- তোের পুত্রবধূ ও পুত্রগণের উপার্জিত মহাবর লব্ধ হইলেও কুলসমূহঘটিত সপুট পৃথক পৃথক করিবে এবং সেই সংপুটীভূত বিপরীত—অর্থাৎ দুঃখফল হইবে। মুনিকে এইরূপ বলিতে বর ও শাপ পৃথক পৃথক্ শরীর ধারণ করিবে। তখন সেই সকল দেখিয়া সেই অষ্টাতায় পিতা, স্ত্রী ও পুত্রবধূর সহিত যৎকালে বর সুন্দর পদ্মহন্ত, ব্ৰায়ুধ, চখবলগ ও চতু সৎকার করিতে প্রবৃত্ত হইল, তখনই সেই মুনি ভহিত হই হইবে, আর শাপ সকল ক্রিত্রে, শূলপাণি, ভীষণ কৃষ্ণমেম্বনিত লেন। অনন্তর তাহারা উভয়ে নিজ পুত্রবধূগণসই হতাশতা বশতঃ বিভু ও জটমুখ হইবে। তখন বর সকল বলিবে, হে শাপ- দুৰ্বল হইয়া দুঃখিতহৃদয়ে মানবদনে গৃহে প্রত্যাগত হইলেন। নিব। তােমরা দূরে অপহৃত হও, বসন্তদি ঋতুসময়ের স্নায় এই জন্যই বলিতেছি যে, তাহাদের কোন ব্যাপারই সামঞ্জস্য | আমাদিগেরও সময় উপস্থিত। অতএব আমাদিগকে অতিক্রম বিরহিত নহে, কিন্তু গৃহমধ্যে সখীপরাজ্য কল্পনায় অন্তর্গত | করিতে কাহার সামর্থ্য ? তাহা শুনিয়া পাপসমূহও বলিবে, গিরি প্রভৃতি অসামান্য লক্ষের কমলার অন্তর্গত নহে বলিনা হে বরগণ। তােমারা দূরে গমন কর, আমাদিগেরও ঋতুর রায় অসাঞ্জ লক্ষেরও প্রসক্তি হইতে পারে, কিন্তু গলে গণ্ড, সময় উপস্থিত হইয়াছে, অতএব কাহার সামর্থ্য আমাদিগকেও তাহার উপর স্টোটক ও তাহা যদি আবার ফুটিত হয়, তাহাতে অতিক্রম করে ? তখন বরগণ পূনায় বলিবে মােদিগের যেরূপ অনিষ্টের উপর অনিষ্ট , আবার তাহার উপর এক অনিট আবার তাহার উপর এক অনিষ্ট উৎপত্তি মুনি হইতে, আর আমাদিগের দিবাকর সূৰ্য্যদেব হইতে, হয়, ইহাও সেইরূপ জানিবে। যেরূপ একমাত্র শূন্যস্বরূপ মুনিগণ অপেক্ষা দেবগণ শ্রেষ্ঠ,কারণ বিধাতা মুনিগণের পূর্বে আকাশে উৎপাশে গন্ধর্বনগয় ধূমকেতু উস্কালিদৃশ্য অত দেবগণকে সৃজন করিয়াছেন। দেশকে স্বজন করিয়াছেন। বরগণ এইরূপ বলিলে, শাপল সন্তপপর হয়, তাহার স্থায় শূন্যমাত্ৰ-স্বরূপ এই চিথোম সঙ্কজ ক্রুদ্ধ হইয়া বরগণকে কলিৰে তােমাদিগের সূৰ্য্য হইতে উৎপতি, রচিত মহাপুরে এইরূপ বিচিত্র কোটি কোটি অসামঞ্জস্যের আর আমাদিগের ফাংশ হইতে জন্ম; রুদ্র দেবগণ অপেক্ষা সবাহইয়া থাকে। ৪২-৪৩। অধিক, সেই মুনি রুদ্রাংশভূত। ইহা বলিয়াই শাপণ Uণীত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত ১৮২। পর্বত্রে শৃঙ্গ উৎক্ষেপের স্যায় ত্রিশলা উত্তােলন করিল। শাপ- গণ ব্রি উত্তোলন কৰিলে সেই সকল বয় হায় কৰি ক্রগণকে অন্তরে প্রমাণপূর্বক সৰু বিচারে অধ্যবসিত স্বার্থ নিম স্থির করিয়া ৰে। ১৫। শাপগণ! আয়- শীত্যধিকততম সর্গ। সণ পরিত্যাগ করিয়া কাৰ্য্য পরিণশ বিচার , কহে কুন্ত কহিলেন,তাহার পর আমি সেই গৌৰ্যাশ্রম শেৰে যাহা কর্তব্য তাহাই অগ্রে কর্তব্য, ইহাই বিচার করি অগসকে জিজ্ঞাসা করিলাম, তৎকালে সেই তপস্বীর কেশরাজি দেখ। দেখিতেছি, বিবাগবানে গিন্যমহব্রহ্মধাম গমন করিয়াই পলিত হইয়া পশু কুশাগ্ৰৰৎ আর হইয়া পড়িয়াছিল। একটা সিদ্ধান্ত (নিষ্পত্তি) করিতে হইবে; অহা কেন গ্রে না জিজ্ঞাসা কৰিলাম, শোনে একই সীনা পৃথিবী আ, বিহিত হয়? শাপগণ ৰসমূহের এই বাক্য শুনিয়া হাত সেখানে তারা অট এনই বিলে সমীপের হইলেন, অজীকার করিবে, মুখ হইলেও কেনা যুক্তিযুক্ত বাক্য গ্রহণ করে। আর যে জীব গৃহ হইতে বহির্গত হয় না, তারাই বা কিপে তাহার পর শাপগণ বরগমজিবহারে ব্রহ্মপুরে গান কবি, সখীপেখরণে দিঘিজ করিতে সক্ষম, আর বগণও সন্দেদূরকালে মহানুভবগাই একমাত্র গতি, পরে আহারাণাম- সকলই কেন শাস্ত্র দ্বারা অরিতাব প্রাপ্ত। নীতল পূর্বক পরে যাহা ঘটিছি, সমস্তই বলিবে, তখন ব্রক্ষ্ম কিশে গ্রীষ্মকালে অলপ পাইয়া থাকে। বি বললেন-হে বৱশাপাপ। তােমারিখের মধ্যে বাগে শাগফলতাৰহ্নেক শুভ অশুভত্ব এক থশিতে কি করিয়া শাস্ত্রানুসরণ ও দৃঢ় অভস এই উচ্চস্বকৃত (বি দৃঢ়তাকালে) একৰিতি লাভ করে, আর এক বীতে বিভি এসব আবার স্মৃঢ়তা আছে, অহাদিগেই অন্তসার আছে, তাহারই বােগবাণিষ্ঠান জয় হইবে। এখন তোমাদিগের মধ্যে কাহারা অন্তলায়খালী, আমরা শীই স্বস্থানে চলিতেছি। ইহা বলিয়া সেই শাপলা বং তাহা তােমরা আপনারাই পরস্পর পর্যালােচনা কর। ইহা আপনাদিগকে বৃথাসকারী ও নিমুখখ্যাপক বলিয়া শুনিয়া তাহারা পরস্পর পরস্পরের সারবত্তা দেখিবার জন্য ধিক্কার গান করত চক্ষু তিমিরােগ দূর হইলে পুৰ্ব্বল আকাশে পরস্পর পরস্পরে প্রবেশ করিবে, শাপসমূহ বর-হৃদয়ে প্রবেশ ভাস্তিকৃত কেশােক যেমন আর থাকে না, তাহার তা করিবে ও বরগণও পদয়ে প্রবেশ কৰিৰে—অর্থাৎ পরস্পরের কোথায় চলিয়া যাইবে। ২৬–৪০। তাহাদিগের বর শাপও অন্ত পর্যালােচনা করিবে। ১৬। তাহারা পরস্পর পর- সেইরূপ করিয়াছিল এবং শপও ঐভাবে অহিত হইয়াছিল। স্পরের হৃদয়সার পৰ্যালােচনা করত জাত হইয়া সকলেই এক বেরুপ ব্যাকরণ প্রক্রিয়াতে আদেশ স্থানে স্থানকে পূর্ণ করে- মত হইর পিতামহ এশাকে বলিবে। শাপগণ বলিবে, হে অর্থাৎ অধিকার করে, তাহার স্থায় দুর্বলের শাপ অন্তর্হিত প্রজাপতে। আমরা পরাজিত হইয়াছি, কারণ আমাদিগের অন্তঃ- হইলে ঐ শাপের ন্যায় এক সময়ে বিরুদ্ধফলপ্রদ সপ্তপাধিপত্য- সার নাই, আর এই এই বরকল বন্ত পর্বতের ন্যায় বিরুদ্ধ তাহাদিগের ভাৰ্যাগণকে যে সকল বিরুদ্ধ তাহাদিগের ভাৰ্যাশণকে যে সকল বর স্বয়ং দেবী গৌরী অন্তঃসারসম্পন্ন ও বজ্ৰৰ স্থির। হে ভগব। এই আর তাহাদিগের গৃহ হইতে নির্গমনেয় নিবারণ অন্য হাদিগের শাপ ও বরগণ সর্বদাই সংবিস্ময়, আমাদিগের স্বরূপ কিছুই নাই। ভাৰ্যাগণকে দিয়াছিলেন, সেই সকল গৌরীপ্রদত্ত বর আসিয়া দান করা হইয়াছে, এই বরদাতার সংবিৎ বৰ্তমান ; তাহাই ঐ এপস্থান পূর্ণ করিল,অর্থাৎ অধিকার করিল। তখন সেই যাচকের নিকট-"আমি বরলাভ করিয়াছি” এই জ্ঞানরূপে বৰ্ত্ত- সকল শপস্থান নিবিষ্ট বয় ব্রহ্মার নিকট আসিয়া প্রত্যুত্তর দান মালা থাকে। আর সেই অমের কল সুখভাগের আয়তন করিতে পারিল, হে দেবেশ। শত কৃপ হুইতে জলের স্থায় স্বরূপ, আহা জ্ঞানমাত্রের কলনাত্মক কচল অর্থাৎ কুণমাত্র, সফল ভাবি সপ্তৰীসেররূপে অভিমত জীবগণের শবগৃহ হইতে তাহার পর নিমিত্ত সংবিৎই(জ্ঞানই) দেহাকারে পরিণত হইয়া বহির্গমন কি করিয়া হইবে, তাহা আমরা জানি না, কারণ দেশকালাদি কল্পনাশত ভ্রমর সেই সেই ভােগাৰ্থ অবলােকন আমরাই তাহার নােয়ক। এই সকল বীর ও শ্রেষ্ঠবরগণই করিয়া থাকে, অনুভব করিয়া থাকে, এবং সেই সংবিৎই সখীপেরগণকে গৃহে ও সপ্তাপে সংগ্রামে দিবিজয় আহাতে ঘাহা খাদ্যরূপে প্রাপ্ত হয়, তাহা ভক্ষণ করিয়া থাকে, করাইবে। অতএব ইহাতে বিরােধ অনিবাৰ্য, সূত্রাং যাহা তাহাতে শাস্ত্রীয় উপকালীন দৃঢ় সঙ্কলরা বীত সংবিদা আমাদিগের কর্তব্য হয়, হে সুরেশ্বর। আমাদিগের মঙ্গলের হইতে গৃহীত হইয়া বরকল্পনাবিং কালান্তরে—অর্থাৎ ফুলকালে জন্য তাহা আদেশ করুন। ব্রহ্মা কহিলেন, হে সপ্তদ্বীপের যখন পুষ্ট হয়, তখনই তাহাৱা অন্তঃসারসম্পন্ন হইয়া দুর্জয় হইয়া | বরগণ ও হে গৃহােথরগণতােমাদিগের উভয় পক্ষেরই থাকে, পাপজা সংবিৎ তা নহে। ১১-২৫। বরদগণ ! অভিলাষ-সিদ্ধ হইয়াছে। কারণ তােমরা এ বিষয়ে পরস্পরা- হইতে যাহা বরপ্রার্থী, তারা যখন বরদগণের বরপ্রদান পেক্ষী হও। কেন না, তােমাদিগের বহুকাল পরস্পর ইচ্ছাবিরােধ সকাল এরিয়া অভ্যাস করে তখনই বর অন্তঃসার-সম্পন্ন হয়।{ ও অভিলষিতের অভাব ঘটিলেও তাহার। অষ্ট ভ্রাতাই মৃত্যু তাহার কারণ-বিং যাহা বহুকাল ধরিয়া অভ্যাস করে, | পরক্ষণ হইতেই নিজগৃহেই বহুকাল ধরিয়া সপ্তণীপের হইয়া তাহাই সবিদের সারাকাররূপে পরিণত এবং শীই সংবিৎ, বিরাজ করিতেছে। তাহারা সেহপাতপরক্ষণেই নিজগৃহেই তন্ময়ী হইয়া পড়ে। শাস্ত্রীয় বলিয়া যে সকল শুদ্ধ সংবিৎ, সপ্তদ্বীপেখর হইয়াছে, অতএব সকল বই সিদ্ধ হইয়াছে। তাহাদিগের মধ্যে যে সংকিং অতি ও তাহাই সমধিক প্রবল | অহা শুনিয়া বগণ সকলেই বলিল, যদি তাহার সঞ্চখাঁপে- হইয়া আবার অশাস্ত্রীয় অশুদ্ধ সংবিং মধ্যে অশুদ্ধা সংবিৎই | এই হইয়াছে, তাহা হইলে অষ্টভূমণ্ডলই বা কোথায়, আর তাহাদিগের মধ্যে কালে বলা হয়, অতএব ফলে সমতা নাই। সপ্তমীপাষ্টক ও সম্পতিই বা কোথায় ? কারণ এ জগতে একই ক্ষণাংশেও যাহা জ্যেষ্ঠ, তাহাই ব্যাপক-অর্থাৎ তাহারই ভূপীঠ শ্রুতিতেও প্রসিদ্ধ এবং লােকেও প্রসিদ্ধি ও ভাহাই প্রাবল্য, এই অঙ্গ জ্যেষ্ঠত্ব নিবন্ধন যন্ত্র সংবিদেরই প্রাবল্য, অন্যায় দেখা যায়। আর যদিই বা থাকে, তাহা হইলে ক্ষুদ্র গৃহমধ্যে কা-বিষয়ে শাপের কোন অংশেই প্রাবল্য সম্পাদনে সমর্থনহ। কিরূপে ঐ সকল কিরূপেই বা থাকতে পারে, শূন্য পদ্মাকোষে অএব যখন বিরুদ্ধ বরশাপের প্রমাণাভ্যাসলি সাম্য হইবে, কিরুপে হস্তী অবস্থিত থাকিতে পারে ? বলুন। ৪১-৯। শুন বরনাপবিলাস যারা দুর্গমিশ্রিত জলের ন্যায় শুভাশুভ এন্ধা কহিলেন,-তােমরা আমরা এই সকল ব্যক্তি-সমষ্টিসমর্থিত উভয় কোটিতে বর্তমামি-ফলই হইবে, যেমন স্বপ্নে পুরাত্মিক সমস্ত জগং-বোমাসুক হইয়া চিৎপরমাণুমথ্যে বর্তমান, অন্তরে চিৎ পূর্ববাসিজনের দেহভে যেন বিক্ত রহিয়াছে বলিয়া বই অনুভূত হইয়া থাকে, তএব ঐ সকলও সেই পরমাণুর বোধ হয়, হার যায় এককালে ভিনদেশভােগ্য সম ৰাশাপও অন্তর্বর্তী স্বগৃহষধ্যে প্রতিভাত হইয়া থাকে। অতএব যাহা বিপশ্চিৎ উপাখ্যানে কথিত এ উপাধির বিভাগে একই জীব- পরমাণুর অসুস্থ স্বগৃহমধ্যে পরিমিত হয়, তাহা যদি কুক্ষিত চিং যুগপং দেহলে যারা বিবিরূপ ধারণ করে ও তাহা খাই হয়, তাহা আর অপুর্বই বা কি, আর তাহাতে বিস্মৱই বা অঙৰ কৰিা থাকে। এইরূপ প্রকাশ করিয়া শাপগণ ব্রহ্মার কি? মৃত্যুর পরে থাৎই এই যথান্বিত জগৎ থাকার নিকট গ্যাখ্যান অনুচিত ও তদবিষয়ে নিজের এলত হইয়া প্রতিভাত হইয়া থাকে, ইহা চিৎরূপের শূন্যময় অত্যই জনিবার এক বলিবে, হে এতে। যাহা আপনার নিকটেই অণুর অন্তর্বর্তী গৃংমধ্যে এ এই আগ পর্যন্ত পরিমিত শিা পাইলাম, ভাই আপনার নিকট পুনায় উচ্চারণ করা হইয়া থাকে, আর এই সখীপা বসু যে ফুরিত হবে, যালুচক; আং প্রতিকুলই বলিতে হইবে। অতএব এই তাহাতে আর আশ্চর্য কি? যাহা এই অগত্বরূপে ভিজাত ঘটডা-অপরাধ ক্ষমা করুন, আপনাকে নমস্কার করিতেছি, এইতেছে, সেই জগত্ব ছিই আকাশ যেন পূর্বে প্রতিভাত, - নির্বাণ গরু-ভাগ। শেপ স্মিাত এই অংণে প্রতিভাত, এখন কোথাও এই এগং মূর্তরূপে নাই, যাহা দেহে পরিমিত হইবে না। চতুরশীত্যধিক শততম সর্গ। এ ব্ৰহ্মা এইরূপ নিলে সেই বনিচ মেই পূর্বকলিত কুরন্ত কহিলেন,কাতলাপ এইরূপ বলিলে আমি অভিৗতিক ভ্রান্তিময় দেহসমূহকে অবিচারে পরিহার কল্পি। তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করিলাম, কি করিয়া সেই সকল গৃহ- ভিবাহিক দেহ ধারণ করত ব্রহ্মাকে প্রণামপূর্বক যেখানে অন মধ্যে অল্প অবকাশে প্রত্যেক পঞ্চাশৎকোটি যােজন-বিস্তীর্ণ সকল ক্ষুৰিত দিন, তথা হইতে জবিরােধে সকলে মিলিত হইয়া ডুমগুল ভাত হইল ? তাহতে সেই কাস্বতাপস বলিলেন- এককালেই ভ্রাতৃবর্গের সেই সেই মনঃকল্পিত সপ্তমীপে ততং সর্বব্যাপী চিদ্ধাতু এইরূপই যে উহা প্রশণ বযামরূপী দেবতার গৃহকোষে গমন করিল। সেই অষ্ট ভ্রাতা সকলেই সেই হইলেও নিজ সৰ্বগ-নিবন্ধন যেখানে যেখানে অধিষ্ঠান করেন, গৃহে অধিষ্ঠিত যদি সৎকর্ম ও বন্ধুর্গে পরিপুষ্ট জগদষ্টকভেদে সেই সেই স্থানেই আত্মতে স্বয়ংই আত্মাকে নিজ শূন্যাত্মক এহ্মদিনাষ্টকে আজি মহীভূজ স্বায়ম্ভুব মন’ণর কূলে সপ্ত- স্বরুপের অপরিহারেই সেই সেই কৈলােকরূপে ৰা অষ্ট মুষুপ্ত দ্বীপাধিনায়ক হইল। তাহারা পরস্পর পরস্পরেরই অজ্ঞাত তুৰ্যরূপে অবলােকন করিয়া থাকেন। তাহা শুনিয়া কুন্দলন্ত রহিল, প্রত্যেকেই ভ্রাতৃ-সহিতত্ব কল্পনা দ্বারা পরস্পর বন্ধুভাবে কহিলেন—যাহা বিফল শান্ত শিষরূপ পরম কারণ একমাত্র থাকিল, রাজভেনিবন্ধন সকলে আধিপত্য বিষয়ে অজ্ঞ বস্তু, সেই এক বস্তুতে কি করিয়া স্বভাবসিদ্ধ বাস্তবিকরূপে থাকিল, পরস্পর পরস্পরের ভূমণ্ডলে গমন করিতে লাগিল এবং প্রতীয়মান এই নানাভাব বর্তমান ? কদম্বতাপস বলিলেন, এই পরস্পর-হিতে পরস্পর পরস্পরের অভিমত থাকিলেও কেহ নানাত্ব বাস্তব নহে। কিন্তু ভ্রান্তি সকলই শান্ত চিদাকাশ- কাহারও বিরুদ্ধচেষ্টায় থাকিল না। তাহাদিগের মধ্যে কেহ গৃহ- মা, এ জগতে নানাত্ব কিছুই নাই, জলে আবর্তের খায় উহা মধ্যে যৌনসুল হইয়া মহানগরী উজ্জয়িনী রাজধানীতে সুণে স্পষ্ট বিস্তৃরূপে পরিদৃশ্যমান হইলে উহা কিছুই নহে ও নাই। অবস্থান করিতে লাগিল। কেহ বা শাকবীপবাসী হইয়া পাতাল এই সকল অসং পদার্থে যাহা পদার্থ এই নামে ও স্বরূপে জয় করিবার বাদনায় সর্বদিজিয়ে উদ্যত হইল এবং সমুদ্রগর্ভে প্রতিভাত, তাহা চিন্তাকাই স্বপ্ন যুবৎ বিস্মৃত নিজ যথার্থ বিচরণ করিতে লাগিল। কেহ বা প্ৰজাদিগের সহিত দিগ্বিজয় স্বভাৰাত্মক হইয়া বর্তমান, সেই চিলাকাশের স্বীয় অজ্ঞাত স্ব- করিয়া কুশদীপ রাজধানীতে নিরুৱেগে কাণ্ডবিলম্বিত হইয়া মুখে পই। স্বপ্নেতে যেমন চিত্ত সম্পশ হইলেও নিস্পন্দ থাকে এবং শয়ন করিয়া বিরাজ করিতে লাগিল। কেহ বা শানিীপের পতাকার প্রাপ্ত বা পর্বং অচল, হইলে পর্বতাকার ও গিরিরাজ-শিখরস্থ নগরীর ক্রীড়াসরােবলে বিদ্যাধরীগণসহ অ- বা পর্বতবং অচল থাকে না, সেইরূপ সন্মাত্রা চিন্তাও কতি ক্রীড়ারত থাকিল। কেহ বা ক্রৌঞ্চঘীগে সপ্তৰীপ সম্পত্তি অর্থান্তৰ্গত হইলেও, সেই একই সত্ৰাত্মরূপে অবস্থিত, উহা বর্জিত সুবর্ণপুরে আট দিন অশ্বমেধ যজ্ঞ করিতে লাগিল। স্পন্দ হইলেও নিস্পন্দ, পৰ্ববং অচল হইলেও পৰ্ববং ৫০-৬৩। কেহ বা দিগগজগণের উৎপাটিত দন্ত দ্বারা কুলাচল অচল নহে। সর্বাত্মক চিংস্বভাবের বান্তবরূপে সৰ্গাদিস্বভাবও অকণ করিয়া থাপাচারী রাজার সহিত যুদ্ধ করিতে উদ্যত নাই বা সাদিত পদার্থও নাই, তবে সৰ্গাদিতে যাহা প্রতিভা হইয়াছে। যে পূর্বে ভাতৃগণের মধ্যে অষ্টম—অর্থাৎ সর্বকনিষ্ঠ মান হয়, তাই সেই ভাবে অবস্থিতি করে। এই কচন বা ছিল, সেই ভ্রাতা গােমমদঘীপবাসী হইয়া কামৰণে পুষ্কর- কচনাভাব পরমরূপ নহে কিংবা এ্যাকও পরমরূপ নহে, দ্বীপাধিপতির কন্যাকে সেই রাজাকে পরাজিত করত তাহার বা এই চিব্যতিরিক্তাত্মাও পরমরূপ নহে, কোন চিবোমই পাণিগ্রহণ করিবার জন্য সৈন্ত শক্রদেশ উৎপীড়িত করিতে এই ভাবে অবস্থিতি ও তাহা একই ভাবে অবস্থিত। করিতে গমন করিতে প্রবৃত্ত হইয়াছে। অন্য একজন পুরীগ- স্বপ্ন-দৃষ্ট সেনাতে একই নির্মলচিৎ যেমন লক্ষনভাব প্রাপ্তির বা হইয়া নােকালােক পর্বতের আধিপত্য করত নিধির আকার ন্যায় প্রকাশ পায়, সেইরূপ এই চিৎস্বরুপের ও পাণভব দেখিবার জন্য দূতসহ যাত্ৰা করিয়াছে। ইহাদিগকে এইকপ আদিবে। চিলাকাশ আত্মাতে স্বল্পংই যে ফুরিত হন, সেই গৃহকোষে স্ব স্ব প্রতিভাবিত দ্বীপাধিপত্য করিতে দেখিয়া স্কুণেই ঐ চিনাকাশ জরুপে অনুভূত হইয়া থাকেন। যেরূপ সেই দ্বিবিধ বর সমূহই সেই আভিবাহিকদেছেও আভিমানিক স্বপ্নে অগ্নি না থাকিলেও উষ্ণত্ব ভাসমান হয়, সেইরূপ সংৰিং- আকার পরিত্যাগ করিয়া সেই অষ্টভ্রাতার অষ্টজীব সংবিনের মাত্ৰাত্মক আকাণে এই পদ্মাৰাজি না থাকিলেও ই সহিতই আকাশের সহিত আকাশের প্রায় মিলিত হইবে আপনা আপনি প্রকাশিত হইয়া থাকে। স্বল্পাকাশে হত না (ও হইয়াছিল। এবং সেই অষ্ট ভ্রাতও আনন্দময় রাজ্যলাভ থাকিলেও কেমন জ্ঞান হইয়া থাকে, সেইরূপ ঐ চিৎও করিয়া অভিমত বন্ধুপ্রাপ্তিনিবন্ধন বহুকাল পরিতুষ্ট হইবে বা নানাভাবে না থাকিলেও নানারূপ প্রতীয়মান হইয়া থাকেন। হইয়াছিল। এইরূপে সেই এইক্ষণে সেই আতার বরভনিবন তার বরলাভনিবন ঐ নানাত্ব চিদ িনা হইলেও জ্ঞিযৎ প্রতীয়মান হইয়া থাকে। তাহার ফলস্বরূপ কাৰ্যার্থ বিকাশ হওয়ায় তাহাৱা উক্তপ্রায় প্রক্রিয়া নিয়তির ইহাই কারণ যে, আদি সৃষ্টিতে স্বভাব নিল সখীপাথিপত লাভ করিতে সমর্থ হইবে (হইয়াছে); ফলে সেই চিকাশই পদার্থণে প্রতিভাত হইয়াছেন; (বা আদি প্রত্যক-চৈতন্যের অন্তরে ফু নিরূপে যাহা স্কুরিত হয়, সৃষ্টিতে যে পদার্থ, তাহা স্বভাৰ-নিৰ্মল চিকাই) সেই আদ্য তাহাই বাহিরে প্রকাশ পাইয়া থাকে, ইহাই প্রসিদ্ধ, অতএব সৃষ্টিতে ঢিাকা কর্তৃক বাহা যেরূপ বিদিত হইয়া থাকে, তাহা জুটিত পৰপাৰি কৰ দ্বারা কে না এপ্ত হইয়াছে ও অ্যাপিও সেইলে শব্ধ হইয়া থাকে, যেমন, কি পুলে কি ইয়া কে। ৩৪ পর কি ফলে সর্বত্র একই রাকারে ব্যস্ত থাকে, তাহার অত্যধিকতম সর্গ সমাপ্ত। আর এই সকল অং সেই সব পৰ চিনাকা ই বিত ১৪ বােসবাবিষ্ঠা আনিবে। পাকা রূপ সমুদ্ধে সর্গপরই অল, ঘিমার্থ সঙ্কলনগয়ে যেমন যে শত শসমূহের বিভি, তে প মহাকাশে তাই সতিস আনিৰে। একৃতকােষে সেই সবগলের ভিতি থাকে, তাহা গায় এই অগভাঙি পরমার্থওইয়া ওরে একেরই পৰ্যায়, আর জবােব প্রকৃত অসদা হইলেও অনুভবপর বাকি গরম এই দ্বৈত, তাহা কেবল দুঃখেরই কারণ। অগত্র বর্তমান থাকে। তাই বিধাতার সরূপ নিয়তি নিন্ম- বেথে পরমার্থ ও অসৎ যে একই, ইহা নিশ্চয় হইয়া থাকে, শুভূভাৱিনী হইয়া অ্যাপি এহন এবং এও এৰাহিত সেই নিশ্চয়ই মুক্তি। ১০-১৮। সফরকারী চিমাকৃতির সঙ্কলের ছিল ও হইবে; অনুসারেই স্থাবরালি-গাণিসমূহ যথাক্রমে নিন্ম- শরীর এই, আহাই জগতের রূপ, সুতরাং জগৎ এত্মক। বদ্ধ হইয়া সবাই বর্তমল হিয়াছে।২৬-৩৪। আশ নিয়তি বাকাতীত ৰলিয়া যাহা হইতে বাক্য নিরুত্তি হয়, আষার শব্দমাত্ৰই বলেই ফুটজীবন অমীৰ হইতে আম উৎপন্ন হইয়া থাকে, তনিষ্ঠ বলিয় নিযুক্ত হয় না, বাহা হইতে কি বিধি, কি প্রতি আর হইতে আর উৎপর হইয়া থাকে, এল নিয়ে গান করে, বেথ বা কি ভাষাভাব (পদার্থ) দৃষ্টি সকলই নিবৃত্ত; যাহা মৌন এবং অগ্নি উগমন করিয়া থাকে। সেই নিয়তি বলেই দেহ মৌন জীবাত্ম-স্বরুপ, যাহা পাষাণবৎ অস্থিতিস্বরূপ, যাহা বহন করে, জ্যোতিপদার্থ অপ জন করে, বানিবহ সাগতি সৎ হইয়াও অসদাভাস স্বরূপ, তাহাই ব্ৰহ্ম। সৰুতেই যাহা হইয়াছে, ও শৈলাদি স্থিরভাবে অবস্থিত। সেই নিয়তি একমাত্র অতিন, সেই সর্বশয় নিরাময় এক ব্রহ্মে ভাবাভাদি সারেই আমি কালচক্র দক্ষিণায়ণরুপে পরার হইয়া বর সৃষ্টিরূপা প্রবৃত্তিই বা কি, আর এরূপা নিরতিই বা বর্ষাকালে গগগুল থারাসার ব্যাও করিয়া থাকে, ঐ কাশচক্র কি? যেমন একমাত্র অবিচিত্র নিদ্রাতে চিত্রের স্থায় নিরন্তর ফুসংবৎসরাদি-আত্মকওয়া নিরন্তর ঘূর্ণিত হইভেছ। সেই বিবিধ সৃষ্টি প্রলয়-বিভ্রম প্রতিভাত হয়, সেইরূপ অবিচিত্রা এক নিয়তিশেই ভূতলে দ্বীপভেদ বিভিন্ন সমুদ্রসমূহের ও পর্বতের চিনাকাশ-সত্ততে এই বহুতর বীভূত প্রলয় সৃষ্টিপরম্পরা সন্নিবেশ স্থিরবৎ প্রজয়মান হইতেছে এবং তাৰাভাব, গ্রহণ চিত্রের ন্যায় নিরন্তর ভাসমান। যেমন বি-আদি অব্য কয়াদি পরিত্যাগপ শক্তি অবস্থিত রহিয়াছে। কুল কহিলেন, বান্তর মিলিত হইলে প্রত্যেক কাৰ্যাপেক্ষা রুটি পুষ্টি অমাদি সর্বজন ব্যবস্থায় বিধায় সঙ্কলরূপ নিম্নতিতে ব্যবস্থিত পিপেশমাদি গুণান্তর ক্ষিপ্ত করে, (সংঘটিত করে, তাহার না হয় হউক, কিন্তু যখন পূর্বানুভ-জত সংস্কারাতিরিক্ত হেতু স্যায় প্রাণিগণের অন্তঃকরণে অভিব্যক্ত প্রমাতৃ-চিৎসার বা সস্তা নাই, তখন বিধাতার পূর্বানুভবের এএসিদ্ধিনিবন্ধন বিষয়ে চক্ষুলি দ্বারা নির্গত হইয়া ঘটালি আকার-বৃত্তি সংশ্লিষ্ট তাহার সঙ্কল্পব্যবস্থা কিরূপে সিক্ত হয়, কারণ, পূর্ববৃষ্টই স্মৃতি হইয়া ঘটপটাদি তত্ত-বিষয়ে অন্তরে অধিষ্ঠান চির-বিনাশে পথে উদিত হয়, তাহাই তাহার পর তদনুসারিখসঙ্কল হইয়া পরস্পর অভ্যন্তরে ত্রিপুট ফুণ আক্ষিপ্ত করে (পর্যবসিত করে) থাকে, ঐ সকল খসল হইতে নিয়মবন্ধ সৃষ্টি হইয়া থাকে, অতএব ঘটাদি পদার্থও স্বাধিষ্ঠান চিধীন-সত্তায় স্কুরিত হয় বলিয়া ইহা দ্বিতীয়াদি কল্পসৃষ্ঠিতে হইতে পারে, কিন্তু প্রথম কল্পষ্টিতে ঐ সকল পদার্থও চিৎসার মাত্র ৩ সদ'ই অতি, চিত্ৰই কাহার প্রথম সৃষ্টিপ্রকাশ এসি আছে, যাহা বিধাতা জিজ্ঞাসা উহার একমাত্র আত্মা বলিয়া ঐ সকল ঘটাদি পদার্থ সৰ্গাদিতেও করিকেন বা স্মরণ করিবেন? আপস কহিলেন,—বিধাঅর সঙ্কল যেরূপ প্রকাশমান, এখনও দ্রুপ জানিবে। স্মরণাধীন নহে, কিন্তু জীয় দিব্যজ্ঞানে যে অতীতনাগত সন্তু চিত্রকলার বলিয়া সেই সকল পদার্থের বিডিও সংবেদনা দর্শন, তাহারই অধীন, সেই প্রথম ক্ষিণে সকল অতীত মুসারে জানিবে। সকল ব্যক্তিরও নিস্পল চিৎ একমাত্র অনাগত জগৎ পূর্বে না থাকিলেও বিতাবিজ দিব্যজ্ঞানৰণে অধিষ্ঠান বলিয়া তাহারা আশ্রয় হইতে চলিত হয় না, বা হ্রাস লেবিয়া থাকেন, সেই সৃষ্টির অনুসারিণী যে চিং, ভর্তিরূপা পায় না, আহাৱা কেবল মানস দ্বৈতাকার গ্রহৰিৱহিত হইয়া সান্ধন্ধিকী সৃষ্টি এবং হইয়া থাকে; তাহাতেই “ইহা আমি পূর্বে স্কুরিত হয় মাত্র। এই অগং যাহা দৃষ্টিগােচর ও অনুভূত হই দেখিয়াছি” এইরূপ খাস হইয়া থাকে, তাহার অভ্যাসেই স্মৃতি তেছে; ব্রহ্মা, বিষ্ণু, রুদ্র সহিত এই সমস্ত জগৎই স্বপ্নবৎ, হইয়া থাকে। চিথযুক্তই চিনাকাণে অগৎরূপ সঙ্কলনগর- ইহার বিমানতা একেবারে নাই জানিৰে; কারণ স্বল্পবৎই প্রাণ পাইয়া থাকে, উহা সৎও নহে, অসৎও নয়, কারণ উহা এই স্থাবর-অঙ্গাত্মক ঢিলে হর্ষামর্শ বিদোৎপন্ন বিচিত্র চিনিবন্ধন ঢিাকা কখন স্বতঃ প্রতিভাত হয় এবং কখন হয় স্পরীতি দৃষ্ট হইয়া থাকে। হায়। স্বভাৰ অর্থাৎ—অজ্ঞাত না। ৩৫—১। যখন প্রসঙ্গতালিবল স্বপ্নক মাত্রেই যে চিৎ স্বরূপনি যে বিক্ষেপশক্তি, অপ বায়ু বিকল্পিত (বিচালিত) অনুভূত হয়, সেই শুদ্ধ চিনাকাশ সঙ্কলনগর কেননা স্মৃত অগালরূপ চমৎকৃতিশাণী চিল্পক্ষণ সগুণাত্মক প্রকাশ হইবে, (অর্থায়) স্বীয় প্রাণে চিৎকর্তৃক স্বপ্নে বলা কিরণমালীর, রজোগুণাত্মকতায় ধূলিপটলের ও মােনাত্মক মাত্রেই বাহা আজ অনুভূত হয়; সেই শুদ্ধ চিনাকাশ সঙ্কলনগর জাভ্যাঙ্গে মেঘনীহারে স্বরূপাকাশে বিস্তারখালিতা কীশ কেননা স্মৃত হইবে। অতএব দোষৰ অস্বা নিবন্ধন অননমরণাদি অনর্থ সহ কোটিপে সম্পন্ন হইয়াছে। হামর্যবিহিত কুলাল-বৎ মুখখাৰু (একৃত) যাহা চকু দোষ আছে, তাহারই দৃষ্টিতে যেমন আকাশে এরপথে ভ্রমণ করিয়া থাকেন। নিদ্রাপগমে আগনগর বিষয় কেশেরুক শােভা পায়। সেই অজ্ঞানাকৃত চিষ্টির স্বাত্মকাণে অরণে যেমন অধিষ্ঠানভূত চিনাকাশকতা মাত্রই পরিশেষে এই অংক্তি প্রতিভাত হইয়া থাকে। সেই ভতি যে পৰ্যন্ত পর্যবসিত হয়, তাহার আয় ত্রিশভম আনিবে। সংবিৎ স, সেই পর্যন্তই থাকে এবং যেরূপ ভাবে সঙ্কলিত হ, আভাস মাত্রেই এই জগৎ নামে কথিত, অতএব ঐ অৎ কেবল সেইরূপ অনুসারেই ঐ ভ্রান্তিরূপ, ফলে সনর যেরূপ প্রকাশ সংৰাত বিৎ ব্যোমই, অন্য নহে নিৰে। কারণ চিৎকাগেই পা ও সেইরুল সঙ্কলনুসারে একা পাইয়া থাকে।। নবপদার্থই অবস্থিত এবং ঐচিৎ হইতে সৰ উৎপ, চিতই নির্ব-এরশতাগ। গর্ব, সর্বগরে চিৎ অধিষ্ঠিত, সর্বশৰ সভাত লাগিলেন। এই সেই তুলন্ত মিশ্রেষ্ঠ আমার নিকট কিয়া এই সক সুতরাং সেই সশান্তু চিলাকাশই সর্ব । সৰ্বল মােজোময় সহিত শ্রবণ করিয়াছেন। এখন আর সংশয় এতি। অতএব এই ফলশ্বরীর সংসার জেপ ও যাহা রইছ কি না, আপনি জিজ্ঞাসা করুন। ১১-১৮। বাল্মীকি হইবে এবং এ বেঙ্গল , সমকাই তােমাকে দিলাম। বলিলেন-বুভিৰু নাম এইরূপ বলিলে সেই ৰাখিব অতএব হে ব্রাকার। ভােমর উখিত হও, ভযযুগল যেমন মুনিশ্রেষ্ঠ বশিষ্ঠ ঝুলাকে অবলােকন করিয়া বলিলেন, হে পা প্রাকালে পদ্ম আশ্রয় করে, তােদরও ক্রপ নিজগৃহে গমন বিহিত জিবর কুত। আমি যে সব ব্য পরম মােক্ষ কর, এ খায় নি অভিম কাধ কর। এদিকে আমিও পাউণদে দিলাম, তাহা তুমি কি বুবিলে, বল?কুন্দা বলি এখন সমাধি অতি দুঃখে অবস্থিত করিতেছি; সুৎ কেন,এখন আমার চিত্ত সর্বসংৰবিচ্ছেীহইয়া সর্বজয়ে সৰ্থ সেই দুঃখ দূর করিবার ও পুরায় সমাথিম হই। ৪২-৪৮হইয়াছে, যখন জ্ঞাতব্য প্রত্যভেলক্ষণখণ্ডিত ব্ৰহ্মতত্ত্ব চতুরত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৮৪। আনিতে পারিয়াছি, তখন আমাৰ নিখিল জে হইয়াছে। নিখিত জব আিছি। সুতরাং আমার মার মাই নাই, এখন আর আমার কিছুই ভ্রষ্টব্য বা এখয্য অবশিষ্ট নাই। আমার পঞ্চাশত্যধিকততম সর্গ। সমগ্র দ্রষ্টব্য দৃষ্টিগােচর হইয়াছে, বাহা পাইবার সমস্তই আমি পাইয়াছি, এখন আমি পরপদ বিশ্রাম করিতেছি। আপনার ফুল কহিলেন, সেই অরাতুর মুনিও খ্যামিত প্রসাদে আমি আত্মচিৎ কি, তাহা জানিতে পারিয়াছি, লােন হইলে, তখন তিনি চিত্রের স্থায় নিস্পন্দ প্রানী সমদ্যই সেই পার্থখন বলিয়া ঘন, সেই পয়শার্থই স্বীয় হইয়া অবস্থান করিতে লাগিলেন। আমরা প্রণদেৱবচনে অভিন্ন রূপে আকাশে বিভূতি! ঐ সর্বব্যাপী সর্ববরূপীর পুনঃপুনঃ প্রর্থনা করিলেও তিনি উত্তর প্রদান করিলেন না সর্বাত্মতাপ্রযুক্ত সকলের দ্বারা সকলই সর্বত্র সর্বদা সন্ত্রবৎ, কারণ তখন তাহার খাতি শান্ত হওয়ায় সংসারবিষয়ের তাহা নিঃসন্দেহ। খেত সর্বপকলার অন্তর্বর্তীকালেও অধিষ্ঠান অনুসন্ধান ছিল না। অনন্তর আমরা সেই মুনির বিয়ােগে চিত্তের সর্বকল্পনাশক্তি পরিপূর্ণভাবে সস্তানিন মায়াদৃষ্টিতে উৎকণ্ঠিত হইয়া তৰা হইতে প্রস্থান করিলাম, কওপর দিবস- তাহার অন্তরে অগজাল সম্ভবপর হয়, আর পরমার্থকৃষ্টিতে মধ্যেই গৃহে উপনীত হইলাম, আমাদের দর্শনেই বন্ধুগণ পুলকিত কোথায়ও সম্ভবপর হয় না? ইত্যাদি সম্পূর্ণরূপে আমি আনিতে হইলেন। অনন্তর তথায় কুলদেবতার আরাধন ব্রাহ্মণডােজনাদি পারিয়াছি। আর ইহাও জানিয়াছি যে, গৃহের মধ্যে সপ্তৰীপা উৎসব করিয়া প্রাচীন কথাদি কহিয়া বহুকাল অবস্থান করিলাম, বুনুঙ্করাও সম্ভবপর হয়, আবার ৩ষ্টিতে গৃহ যে শূন্তেই পৰ্যৰ- অনন্তর ক্রমশঃ (যাবৎ ) সেই সৎভ্রাতা প্রলয়কালে কাদশাদিত্য- সিত হয়, হাওসত্য ও নিসন্দেহ। যে যে বস্তু যে সময় যেরূপ- তাপে সঞ্চসমুদ্রের ন্যায় লয় প্রাপ্ত হইলেন, অষ্টভ্রাতা একাকী ভাবে উদিরূপে প্রতিভাত হয়, এ জগতে তাহাই সাধারণের আমার সেই সই মুক্ত রহিলেন। তাহারপর সেই সখা অনুভবগম্য হইয়া থাকে, কারণ ভবন্তু তৎকালে সর্বন দিনাবসানে অর্থে ব্যয় অন্ত যাইলেন, তখন বন্ধুৰিমােগে আত্মাই সর্বজনসম্বন্ধীয় সার্বকালিক বোধবিষয় সর্বভাবে বর্তমান অত্যন্ত দুখাভিভূত হইয়া অধীর হইয়া পরিলাম। পরে দুঃখিত, থকে, অণুমাত্রও তদ্ভিন্ন কেহ কখন অনুভব করে না। ১৯২৭। চিতে পুনরায় সেই করুতাপসের নিকট নিজ দুঃখ দূর করি- পঞ্চাত্যধিকততমসর্গ সমাপ্ত। ১৮৫। যার মানসে তৎকর্তৃক পূর্বকথিত আত্মজ্ঞান জিজ্ঞাসা করিবার জঙ্গ গমন করিলাম। তিনমাস পরে তাহার সমাধি হই, তখন আমি এণত হইয়া গিয়াসা করিলে, তিনি বলি- যভশীত্যধিকততম সর্গ। লেন, আমি সমাধিবিরত হইয়া ক্ষণকালও অবস্থান করিতে পারি না, অতএব আমি সল্প করিয়া পুনরায় সমাধিনিষ্ঠ বামীকি কহিলেন-কুদস্ত এইরূপ বলিলে পর অনি হই, আরও অভ্যাসব্যতিরেকে পরমার্থ উপদেশ তােমাতে সাত্মা ভগবান বশিষ্ঠমুনি এই পরমার্থোচিত বাক্য লি- সংক্রান্ত হইবে না, অতএব এ নিস্পাপ! আমি এই পয়ষ লেন-বড়ই আনন্দের বিষয় এই মহাত্মার শাশুশ্রবণ যুক্তি বলিতেছি, শ্রবণ কর। ১-১০। অবােধ্যা নামে এক অঙ্গ জ্ঞানের পূর্ণতা ঘটিছে, এখন এই মহা কস্থিত নগরী আছে, তথায় দশরথ নামে এক রাজা আছে, তদীয় পুত্র আমলকীর স্থায় এই বিশ্বকে ব্রহ্মময় দেখিতেছেন। রানামে বিখ্যাত। তাহার নিকট গন কর, তাহাকে তদীয় গ্ৰহরূপ ভাতিমাত্ৰাত্মক বিশ্ব ব্রহ্মই” ইহাই এই মহাজার কুলগুরু বশিষ্ট নামক মুনিশ্রেষ্ঠ সভায় আসীন হইয়া দিয্য নিকট প্রতিভাত হইতেছে। কারণ, ভ্রান্তিও যে ব্রহ্ম ও মােকোপায় কথা বলিবেন, হে বিল। তুমি তাহা শ্রবণ ব্ৰহ্ম যে একমাত্র শান্ত নিরাময় স্বরূপ, ইহাই প্রতিভাত হই- করিয়া আমার আয় পবিত্র পরম বিলাত্তি লাভ করিবে। ভেছ। সকল ব্ৰহ্ম নিকদৃষ্টিতে বাহা ইনি বর্ণণা করিয়াছেন ইহা বলিয়াই সেই গুনি সমাধিরূপ অমৃতরসায়নসমুদ্রে মগ্ন যে, যাহার দ্বারা যেরূপ, যাহা যখায় যাহা হইতে যৎকালে যেরূপ হইলেন, আমি আপনার নিকট উপনীত হইয়াছি। এই বর্তমান, তাহা দ্বারা দ্রুপ, তাহা তথায় তাহা হইতে তৎকালেই আমি যেমন শুনিয়াছি, যেমন দেখিয়াছি ও যেমন বটিয়াহ গেই বর্তমান থাকে, ও তাহা যে মায়াৰিকাৰ ব্যতিরেকে সমস্তই যথাৰখ বলিলাম। রুম কহিলেন,-বাগী সেই কুম্ভ বৈচিখকটনযুক্ত শুদ্ধ হইতে বিরুদ্ধ শিষ, গত, এ এইরূপ বাক্য বলিয়া অবধি আমার নিকট অবস্থান করিতে যেন ও অমৌন অজয় সুশৃঙ্গ অন্তর, এলাদিলিফন বই বােগাষ্ঠ-ামায়। বিস্ত, ইহাও বে বর্ণনা করিয়াছে, তাহাও সমক। সংবিৎ- এখিত লাই ৰা ছিলাম না কিছুই ছিল না, তখন কলি অর্থাং মায়াণবল চিৎকর্তৃক যে যে অবস্থায় সফলতি কৃত কিছুই এখিত নহে, এই জ্ঞানই হিতকর। বেলন সঞ্চয় প্রণখের হয়, সেই সেই অবস্থাই অণক লতার ন্যায় সখি সুষুস্তালি প্রবােহাতত নিদ্রকোষ্ঠ মধ্যেই কল্পিত হয়, এবং প্রাপ্ত হয়। ব্ৰহ্মাই পৰা, কারণ তাহা চিমাকাশের অন্তরে কোষ্ঠ মধ্যে নহে, তাহার ন্যায় চিদন নিদ্ৰাৱ সুষুপ্তকোষ্ঠেই বর্তমান আর পরমাণুই ব্রহ্মাণ্ড, কারণ তাহারই অন্তরে অগৎ সৃষ্টির এই আদি এই এত ইত্যাকার মিথ্যা জ্ঞানের প্রকাশ অবস্থিত থাকে। অতএব যদি এতৎসমস্তই আদিমধ্যবিহীন হইয়া থাকে, বান্ধবি লুষ্টির ত্ৰিকালেই সত্তা নাই, সুন্না অখণ্ডিত, সৌম্য নিৰ্বাণস্বরূপ চিদাকাশই হইল; বন ভূমি অখণ্ড কল্পনা মিখাই; যখন এক পরমার্থ মনই আদ্যন্তবিহীন শরীয়াদি বৈচিত্ররূপ বন্ধনবিহীন ও নিরাময়াত্মা হইয়া যখস্থিত হইয়া বৰ্তমাল, তখন মা বুদ্ধের নিকট সৃষ্টিস্থিতি এলমের ব্ৰহ্ম হইয়া অবস্থান কর। ১৮। ব্যবহারদৃষ্টিতে ব্ৰহ্ম স্বয়ংই যাম পর্যন্তও নাই, সত্তার কথা ত দুরে থাকুক, যথার্থ দৃষ্টিতে দৃষ্ট ও স্বয়ংই দ্রষ্টা, স্বয়ংই চিত্ত ও অংই জড, স্বয়ংই কিঞ্চিৎ হইলে সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়াদি কিছুই নাই, চিত্রাঙ্কিত চিত্রবধূ যেমন ও স্বয়ংই অকিঞ্চিংঅর্থাৎ কিছুই নহে, আর পৰমাৰ দৃষ্টিতে | চিত্র হইতে ভিন্ন নহে, দ্রুপ সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়াদি আত্মা হইতে * অদ্বিতীয় প্রকাশ আনন্দের স্বরূপে অবস্থিত। ' ভিন্ন নহে যেরূপ চিত্ৰকারকত্তব্য চিত্রসেনা সেই চিত্রকারের শান্ত ব্ৰহ্মাকাশ এ জগতে যেখানে যাসনায় ঘদাকার হন, বুদ্ধিতি কর্তব্য চিত্র হইতে ভিন্ন নহে, তদ্রুপ এই মূর্তা ও সেখানে তিনি স্বস্বরূপ পরিত্যাগ না করিয়াই অক্সাতেই স্বয়ং সর্গভ্রষ্টার চিত্তত্ব নিবন নানা হইলে উহা নানা অর্থাৎ সেইরূপেই অবস্থিত থাকেন, মনে তাহাতে তাহার আত্মাতে একই। ১৫। বিভাগ রহিত হইলেও চিন নিদ্রা অবিদ্যা স্বরূপ পরিহার ঘটে না। ব্ৰহ্ম, মায়ায় জগৎ হইয়াছেন বাস্তৰ স্বরূপভূত মােক্ষ এই ভাগ তাহারও অপলাপ করিয়া থাকে, বলিয়া ইহাতে তাহার দ্বৈতভাব মন্তব্য নহে, কারণ ব্ৰহ্ম সর্বদাই আর বৈপরীত্যে চিত্তরূপে জাগ্রতাবও স্বপ্নকে প্রদশিত করিয়া বস্থিত অবিকৃতভাবে বর্তমান, শূন্যত্ব আকাশত্বের ন্যায় ব্রহ্ম থাকে। এই প্রলয়, এই সৃষ্টি, এই স্বপ্ন, এই জাগ্রদূতাব, ইহা দৃশ্যের একত্বই জানিবে। দৃশ্যই পরব্রহ্ম, আর পরব্রহ্মই দৃশ্যত্ব, জ্ঞানখনতারূপ সুষুপ্তিসম্পন্ন প্রতিস্বরূপ চিৎসহস্র রুচি আত্ম- পরব্রহ্ম শান্ত নহে, আর অশাভও নহেন, তঁাহার নানাকারময়তাও সূর্যের এবম্প্রকার প্রকাণতে অধ্য চিনিদ্রায় উদ্ভুত বাসনাত্মক বটে, আর তিহার কোন আকারও নাই বটে। দেহাদি যে স্বপ্নভাগ, তাহাই উপাধি অংশ প্রাধান্যে চিত্ত বলিয়া কথিত প্রতীয়মান হইলেও জাগরিত হইলে স্বপ্নাদি যেমন কিছুই নহে, চিদংশ প্রাধান্যে তাহাই জীব ও সেই জীবই দেব অনুরে মনুষ্যাদি দ্রুপ ঐ দেহাদিও কোন প্রকার অস্তিত্ব নাই , ঐ হােজি অধিকারিগণের শরীর পরিগ্রহ করিয়া তত্ত্বজ্ঞানে নিদ্রার অপনােদন সংবিন্যাত্ৰাত্মক অপ্রতি অনুভবগম্য হইলেও উহা অসময়। করত মুক্ত হইয়া থাকে। ইহাই চতুর্থ পঞ্চম ভূমিকায় পরিজ্ঞাত যাবতীয় পদার্থ সংবিষয়ই যদি হইল, তৰে চেই সকল হইলে ষষ্ঠভূমিকায় সুষুপ্তি হইয়া থাকে, আর সপ্তমভূমিকার হইতে পারে; ড় স্থায় কিরূপে হই, তাহা বলিতেছি, শ্রবণ তাহাই মােঙ্গাথিগণ কর্তৃক মােঙ্গ বলিয়া কথিত হয়। রামচ কর। যেমন প্রাণ নিদ্রিত হইলে আড়াব ধারণ করে, তাহার জিজ্ঞাসা করিলেন-হে ভগন। চিত্ত দেবারাদিভেদে কিয়ৎ- ন্যায় সংবিৎ অড়ীভূত হইয়া স্থাবর নাম ধারণ করিয়া থাকে। প্রমাণ ও কিমাকার , চিনি ও চিতেদরস্থিত জগং কিয়ৎ প্রমাণ যেরূপ সুপ্তা জীব শতশত জগৎ কল্পনা দ্বারা স্বপ্ন জাগ্রদভাব কিরূপ এবং কিয়ৎকালই বা থকে, আর আত্মদর্শনই বাকিরূপ? প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ চিৎও অড় ব্যবভাব হইতে মাত্মক চিত্ত- বশিষ্ঠ কহিলেন-সুয়াৱনরনারী ব্যবৱসৰ্পালি পর্বতশালি অর্থাৎ চৈতন্য প্রাপ্ত হইয়া থাকে অর্থাৎ চিল্পে স্থাবরভাবের পর পক্ষিকাটালি ও রাক্ষস সমস্তই চিত্ত জানিবে। অহর এমন জমভাবে চিত্রে অভিব্যক্তি হইয়া থাকে। যে পৰ্য্য না মােক অনন্ত জানিবে, হাতে এই পরমাণু অবধি করিয়া আশ্বস্ত হয়, সে পর্যন্ত জীবের পৃথিবীতে, জলে, বায়ুতে, অনলে ও পৰ্যন্ত সহস্র সহস্র জগৎ সহস্র সহস্র বার গমন করিতে। আকাণে স্বপ্নকল্প শুন্যাত্মক জগংলঞ্চ ঘাৱা এইরূপ স্থিতি প্রকাশ- ঊর্কে দৃষ্টি নিক্ষেপ করিলে যাহা এই আদিত্যপথ হইতে উ মানা থাকে, মনুষ্যের নিদ্রা স্থিতি অবস্থায় তাবৎ চিত্তে যে বান্ধকারাদিদেশে চাক্ষুষজ্ঞান-গােচর হয়, ইয়ৎ পৰিমাণভূই জড়তা, অ্যাসত্র; আহা হইলেও চিজ্ঞে চিন্তুাব অনুগ্ন চিত্ত, তাহার সীমা নাই, ও তাহাই অমলাকৃতি, ইহা সর্বানুল থাকে, ঐরূপ অধ্যন্ত এড়ত হয় বলিয়া ডিজ্ঞে চিন্তাৰ জড়তাকে। সিদ্ধ। এই চিরূপ দুসহ সংসার দুখবহুল বলিয়া উগ্র, এই যে গ্রহণ করে, অহা নহে, চিৎ যেমন আড্যবোন বো জীবের। সমষ্টাত্মার অন্তরে ভুবন খছি সকল যখন ব্রহ্মাণ্ড কলনায় উপ- প্রতি স্থাবর শরীর করিয়া থাকেন, সেইরূপ অমবেদনবের প্রতি নীত হয়, তখনই সৃষ্টি হইয়া থাকে, তাহাই আমরা চিত্ত হইতে মশরীর করিয়া থাকেন। এইরূপ হইলেও পুরুষের নখ-পালি জগত” বলিয়া থাকি। বিধাতার ইচ্ছায় আদ্যন্তরিহিত বিহু অঙ্গভেদ যেমন একই মীর, সেইরূপ ঐ স্থা-জামাদি-শরীর বলিয়াই চিত সর্বদেহে বিরাজমান, আর ব্যক্তিরুপে দেহ চিরে একই প্রতিষ শরীর, মহাচিতে স্বরুপে অন্য চেজ (ইতে নির্গত হইলে কোন দেহেই বর্তমান নহে। হে রাম। চেতনদি সমস্তই ঐ নখপনি অবয়ববৎ অবয়ব নিবে। বেমন নদীগ্রবাহ নিয়ােত ভূগ আয়ও করে, আবার পরি হির্তের খৰিক সূষ্টিহেতু সকালে যে বর যেরূপ সি ত্যাগও করে, সেই একার মনও দেই আশ্রয় কেমন করে, পাইয়াছে তাহা এখনও সেইভাবে ছি; অতএব সেকালে সেইরূপ ত্যাগ করিয়া থাকে। যেমন ভয় দূর হইয়া অচিরেই রূপ, এইরূপে চিরকাল অঞ্চলে থাকিলেও ঐ একৃত জ্ঞান উপস্থিত হইলে মরুভূমিতে ৰারিত দূর হয় চিপতি শান্ত ও যথাশিতভাবেই অবস্থিত, তার অপ- সেইরূপ ভিজেও আত্মজ্ঞান অখিলে এই সেদিন অচিরে বসেই ৰিত কথিত হইয় থাকে, ফলে জগতে কিছু নিবৃত হয়। এইরূপে জগৎ গর্ভিত মনের পরমাণুই রূপ নেয়।
নির্বাণ-এক-উতরাগ। যে গবাবিষ্ট সূৰ্য-কিরণাদিতে চারিদিকে মূল এ দেখা প্রকাশমাত্রৈকা হােদেব-( জ্ঞান) বিবর্জিত চিত্ররূপিণী যায়, তাহাই এই প্রসিদ্ধ চিল্পে পরিমাণও তাহাই (সেই সই হয়। সেই ঐ নিয়ন্ত্রণ বিজ্ঞান পুরুষ যে সমস্ত সরুপক্ষপে জীব, অতএব জীবসমূহের অন্তরেই অসৎ এটি। অগভূমি- অবলােকন করেন, সে সমস্তই পরমাতঃ দৃষ্টিগােচর হয়, তাহার গভবৎ এই সেখিল , আহা চিতই ও সেই চিতই জীব, যথা হয় না, কারণ, তাহা (সেই নিরাবরণ বিজ্ঞানের মত অতএব ং আত্মার এতে কি? যখন জীব এবং গতে লে সবচ্ছিন্ন) শান্ত প্রতিভাস মা, (অর্থাৎ শীত সত নাই, তখন এই পদার্থ সমূহ চিংই , চিলি স্বীকার করিলে সঙ্কবচ্ছিন্ন চিৎই তৎসঙ্কলিত মুরসাদিশৰীরে বিবর্তিত আহাতে তাকুণের অলাতে অলীকভাপতি হইয়া পড়ে, )। এবংবিৎ হিরণ্যগর্ভ পুরুষের সঙ্কল কলিত নলের গায় তাহা হইলে সুণে কটকৰিবৎ ব্যতিরিক্ত পদার্ভই নাই, বারই মহাপুয়ের রায় এই অগৎ সংলমাত্র অনিবে। ইহা সিঙ্গ হয়, সুন্নাহ সুবর্ণে কটকতাদির আয় ব্যতিরিক্ত ৪৮-৫৪। এইরুল ও সফলবর নিরাবরণ আম্বাই, অতএব পদাৰত, তাহা অলীকমাত্র , তাহা নাই আনিবে। যেমন সমুদ্ররূপ হিরণ্যগর্ভ ব্যতীত অন্যান্য নিরাকণাত্মক পুরুষও যেরূপ সঙ্কল একদেশে রাশি আকারে এক হইয়া অবস্থিত জল পৃথক আকারে কয়েন, দ্রুপই হইয়া থাকে। বালক যেমন সঙ্কলনগরে শিলার ফুরিত হয়, তাহার স্যায় ব্রহ্মে চিং কৃত্মিক হইয়া পৃথকভাবে উড্ডয়ন অনুভব করিয়া সত্য বলিয়া ৰোধ করে ও সত্বরই স্বেচ্ছা- ফুরিত হন মাত্র তাহা অত নহে, একই জ্বন্ধে নিত্যাবস্থিত। ক্রমে তাহার নিরােধ করে, তদ্রুপ এই হিরগঙালি লিরা। যেরূপ দ্রবত্বই সমুদ্রে তদূগর্ভগত জল, উহা ভিন্ন বস্তু নহে, বিজ্ঞান পুরুষের সঞ্চভূত এই ত্রিজগতে যে বরণাপাণি, তাহা সেইরূপ পরহ্মে সংবিদই পদার্থসমূহুরূপে ফুন্বিত পদার্থনিচয় সেই হিরণ্যগর্ভাদি আম্বাই, আত্মা ভিন্ন সত্য অবলােকন করেন। তরিক্ত অন্য কিছুই নহে। এইরূপে যস্থিত জগৎলক্ষণ বালক যেন নি সঙ্কলনগরে সিকতা হইতে তৈল উৎপাঙ্গন শাভঞ্জিকায় যে আকাশরূপ আভন্তিক শূন্যতা, তদ্রুপধারী করে, তাহার স্মায় এ হিরণ্যগর্ভালি পুরুষেরৰৱশলাদি অর্থ আন্তবর্জিত চিৎ-ই নিস্পন্দ অচল হইয়া অবস্থিত। স্ব- নিরুপাদান হইলেও অৎ ভদীয় সঙ্কলাত্মক বলিয়া সিদ্ধ হইয়া ভূমিগতবং এই অখিল বিশ্ব সংবিকাশে অবস্থিত শান্ত ও' থাকে (তাহার অন্যথা হয় না)। আর নিরাবর+জ্ঞান-বিরহিত বন্ধনসরূপ পরিহার করে না। ঐ অখিল বি যে শান্ত, তাহা অজ্ঞ পুরুষের ভেদবুদ্ধি শান্ত নহে বলিয়াই তৈ সঙ্কল্প হইতে বিশ্ব ও সংবিদের পরস্পর সমতা, সত্য, সত্তা, একতা ও দি সিদ্ধ হয় না। বিবরণজ্ঞানসম্পন্নগণের যে কোন অধিকারিতা এই পাঁচ প্রকার ভেদবিভবনার অভাবেই, আর একবার বদ্ধমূল হইয়াছে, তাহা যে পর্যন্ত না অন্য করুন আধা-আধেয়-ভাব নিবন্ধন তন্ত শালভজিকাবৎ আবির্ভূত হইয়া তাহার পরিবর্তন করে, সে পর্যন্ত একই ভাবে ব্যবহারে ঈষৎভেলপ্রতিভাসযুক্ত অর্থাৎ প্রতিভাসিক ঈষৎ থাকে এবং অদ্যাপিও আহা বর্তমান। যেমন - ভেদ বলিয়াই স্বরূপ পরিত্যাগ করে না, (এইরূপে) বিশ ও সংবিৎ বিচিত্র অবয়বের ক্রমও বর্তমান থাকে, ক্রপ সেই নিরব এই উভয়ের পরস্পর সমতা, সভ্যতা, সত্তা, একতা, নির্বি নিরাবরণ জ্ঞানাত্মক ব্রহ্মে মিতু-এক স্থিরভাবে অবস্থিত ; কার ও পরস্পর আধার-আযেভাব। অল্প সঙ্কল্প সংসারবৎ (সুং সেই নিরবয়ব নিরাবরণ জ্ঞানাত্মক ঐক্ষেও বিরল বরশান্স যারা প্রতিভাসিক নদীর দেবভব ও নহুষের সর্পভাবের বরণাপালি থাকিবার কোন আপত্তি নাই)। ৫৫-৬৬। ग्राम স্যায় জগঞ্জে বরণ পানির সরোবর সমুদ্র নদী জলবৎ ব্যবহার কহিলেন—তাহা হইলে নিরাবরণ জ্ঞান-বিহিত উগ্রপন্সচারী সমর্থভেদ, পরমার্থ বিচার করিতে প্রাতিষ্ঠাসিক জেল বস্তুতঃ তাপসগণের শাপাদি মিথ্যা হইতে পারে, অতএব , কিরূপে ভে নহে। রাম কহিলেন, যদি নদীর মনুষ্য দেবশরীরের উপ- সেই নিরাবরণ-জ্ঞান-বিরহিত কেবল ধৰ্মচারিগণ পাণি প্রদান দানত চন্দ্রাত ভোগ নাই এবং চমত পৰিণামেপর নহুষের করেন। বাষ্ঠ কহিলেন-শাদিতে খাতা ৰহ্মা নিজ ব্ৰহ্ম- দেশীরে সর্প শরীরের উপাদানভূত তাহার অন্তালিবও নাই, স্বরুপে যেরূপ যেরূপ সঙ্কজ কলেন, সেই সেইরুপই অনুভব করেন তাহা হইলে পার্থ সংবিতিতে কাৰ্য কারণ কিরূপে হইল? বলিয়া তাহার ব্যথা হয় না, যেীয় পাদি সত্য হউক-এই- কারণ, উপাদান বিন কোথায়ও কার্য হয় না, তবে কিরূপে রূপ ষ্ট্যালিতে ব্রহ্মার সফল বশতই তাহার অখা হয় না)। ঐ ঐ উভয়ে গোলরীর সিন্ধি হইল, তাহা বলুন। প্রজাপতি ব্রহ্মার সঞ্চল সে মিথ্যা হয় না, তাহার প্রতি কারন যে, ৩৭-৪৭। বশিষ্ঠ কহিলেন,-যেমন সমুদ্রে জলের ফুর হইলে সেই প্রজাপতি নিজ আত্মাকে ব্ৰহ্মরূপে অবগত হন বলিয়াই আত্তাকার হইয়া থাকে, সেইরূপ অজ্ঞানবিষ্ট অতি নিৰ্ম্মল জল হইতে দ্রবভাবের ন্যায় তিনিও ব্ৰহ্ম হইতে প্পি নহেন। চিলাকাশের সভ্য সঙ্কজের অনুসারি কচন অর্থাৎ ফুরণই জগৎ সুতরাং প্রথম সেই প্রজাপতি বেনাশের গন্ধ বলেন, সব বলি এস, ইহা আমি বারবার বলিতেছি। সমূদ্র-জলের আশু সি সেইই এই জগৎ-কনাও তাহার সিদ্ধ হইয়াছে। শবের গ্রাম বিধাতার আ-চিৎষপে এই যে এগভাবে চিৎস্বরূপে এই যে অগভবের সেই কল্পনৰ আধার বলন কিছুই নাই, উ শােক, বিকাশ, তা চিত্মকভাই ভান , ঐ ভালেৱৰ মনীষিগণ দৃষ্টি-নধিত ব্যক্তির নিকট কেশােক যেমন মুজাবণীর মা “সােকা-ইভি কভিতে সক্ষণাদি নাম দিছেন। এতিত হয়, দ্রুপ উদ্যোগেই বর্তমান। সেই প্রজাপতিই কালশে এব্যাসবােণে অবিচার অক্সা শত্রু-মিত্র-সীনে , দান, অপ, ৰে , ভূতসমষ্টি ও ব্রয়ী, সাংখভােগ, সমষ্টি জান্নালি দেবাদি নাভির সাধকতা নিবন্ধন বা সাৰিক পাপতি ও বৈষম এই পৰি ৰা চতুর্বেদ ও স্মৃতি এই নিতি হেঙুস নােয়ই সেই জ্ঞানবান ব্যক্তি আনেপদেশনের কানা ফলে। নজর কল কল্লেন যে, কো- একতরঞ্জিট, হাতে সেইভালবানের বুড়ি চিত্ররূপা বিৎ পথিগণ সহজ ব্যক্তিতে কি আৱা যাহা বলিকে, সে মৈত-বিদিত, শিল্পায়ন (নিম) বিজ্ঞানময়ী সংবিৎ সবই হইবে ।। না সেই প্রজাপতি ফান বগমণ। করেন যে, ব্ৰহ্ম চিৎস্বভাব, আকাশ ছিজাৰ, বায়ু চোখভাৰ, সত্তাও ঠিক অঞ্জ জানিবে -অর্থাৎ পরমায় সায় মন-বুদ্ধি অগ্নি উকতাৰভাৰ, জল, প্রভাব, ভূমি কাঠিন্যথভাৰ। এই প্রভৃতি কিছুই নাই। যেমন একমাত্র নিদ্রাতে সুষুপ্তি ও স্বভাব সকল কল্পনাই প্রজাপতিবেশধারী চিতুই কল্পনা, শূন্যত্মা বিদ্যমান রহিয়াছে, সেইরূপ পরহ্মে সৃষ্টি ও সংহার বিমান হইলেও এবংবিধ ঐ চিকাভু যাহা যাহা জ্ঞাত হল, (কল্পনা রহিয়াছে। যেমন একই নিদ্রাতে সুষুপ্তি ও স্বপ্ন এবং তাহাতে করেন, সত্যসঙ্কল্প বলিয়া তুমি আমি প্রভৃত্তি চায় সকলই থামে প্রকাশ ও ত অনুভূত হইয়া থাকে, পরব্রহ্মেও অনুভব করিয়া থাকেন। স্বপ্নে যেরূপ তুমি আমি এভৃতি সদা- সৃষ্টি ও প্রলয়কে সেইরূপ জানিবে। নিদ্রাবস্থায় মনুষ্য যেমন এক হইলেও সত্য ও অসাত্মক ও সত্যা বলি (কথন) পাষাণের সভা অনুভব করে, পরমাত্মাও সেইরূপ কড়সা অনু- প্রতীয়মান হয়, ক্রপ ঐ চিলাকাল বাহা যাহা অবগত হন, ব করিয়া থাকেন। যে ব্যক্তি এমন হইয়া বসিয়া থাকে, তাই তাহাই হইয়া থাকে। যেমন সঙ্কলনগরে শিলানৃত্যও সত্য তাহার অকুষ্ঠ কিংবা অঙ্গুলিতে বায়ু আতপ বা ধূলি স্পর্শ করিলে হয়, সেইপ সঙ্কল্পনগরে প্রজাপতি ব্রহ্মার অধিকারভোগের সেই স্পর্শের যে প্রকার অনুভব হয়, পরমাত্মার পাষাণসত্তার এ অভিপ্রেত অর্থও সত্য হইয়া থাকে। উচিৎভাব দ্বারা অনুভবও ঠিক সেইরূপ হইয়া থাকে অর্থাৎ অমনস্ক ব্যক্তির যাহা বুদ্ধ হয় ও তন্নিবন্ধন যাহা যেরূপ ভাব ধারণ করে, অশুদ্ধচিৎ অনুভব হইলেও হয় নাই বলিয়া বােধ হয়, পাষাণসত্তার অনুভবও অভাব ব্যক্তি কীটের ন্যায় তাহার অন্যথা করিতে সমর্থ হয় না। ঠিক সেইরূপ জানিবে। আকাশ, পাষাণ ও সলিলাদির দেহান্ত- আরও কারণ অশুদ্ধচিংগতাৰ ব্যক্তির স্বতন্ত্র কল্পনাভ্যাসে দৃঢ়তায় ভূতি যে প্রকার হইয়া থাকে, প্রণয়ের পরে চিত্তভাবশূন্য আম- অনিন্ধনও সেই শুদ্ধচিৎস্বভাৰকৰ্তৃক কল্পিত অর্থের বিরুদ্ধ দিগের সৃষ্টিকালে চিন্তভাবপ্রাপ্ত হইয়া ঠিক সেইরূপ অনুভব কল্পনে স্বতা নাই, কারণ অধিকতর অভ্যন্তর অন্যথাবলােকন হইয়া থাকে। অখণ্ড কালপ্রবাহে ব্ৰহ্মার দিনরূপ কল্পদশাধ সবিদের অল্পই বটিয়া পাক, দেখ, জাগ্রপবস্থায় “আমি পৃঙ্খলা- আমাদের দিন-রাত্রির পার্থক্য-অনুভব কেপ হইয়া থাকে, পর- বন্ধ” এইরূপ দৃঢ়তর সংস্কারবানের স্বপ্নেও শৃঙ্খলাবদ্ধাবস্থা অনুভূত মাত্মা, এইরূপ অসংখ্য সৃষ্টিসংহার সংবিদ ( অনুভব প্রতিভা হইয়া থাকে। এইকপে সেই চিদাকাশ নিজস্বরূপ চিমাকাশে হইতেছে। যেমন জলময় সমুদে স্বভাবতই আবত্ত, তরঙ্গ সর্বদা এই এক নিজ দৃষ্টদৃশ্যাদি ত্রিপুট-আত্মককপ প্রকাশিত | সুখ ইত্যাদি নানাপ্রকার প্রভেদ প্রতীয়মান হয়। দর্শন, ধূ, করিয়াও চিৎস্বরূপের ঔদাসিন্যস্বভাবপ্রযুক্ত সাক্ষিভবে সদা বিষয়ক সঙ্কল, তাহার ভােগরূপ অনুভব, তাহাতে অনুরক্তি ও অলােকন করিতেছেন,ইহাই প্রতীয়মান হইতেছে; তাহার 'হা প্রভৃতি কিছুই যাহাতে নই, সেই শান্ত-পরমাত্মাতেও বিপরীত পরিলক্ষিত হইতেছে না। ৬৯-৭৫। দৃষ্টা ও দৃশ্য সেইরূপ স্বভাবতই সৃষ্টি-সংহাবাদি বিভেদ প্রতীয়মান হইয় একই বস্তু; চিদাকাশ যখন সর্বগামী সর্বত্র অবস্থিত, তখন থাকে। ৬-১০। যেখানে যাহা দেখা যায়, সমস্তই সৎ হইতে পারে, এ চিদা- সড়শীত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৮%। কাশের সত্তায় সকল পদার্থেরই সত্য হইতে পারে)। শব্দ যেমন বায়ুর অক্ষণে অবস্থিত, দ্রবত্ব যেমন জলের অঙ্গ- রূপে অবস্থিত, এন্ধে যেমন ব্ৰহ্মত্ব রহিয়াছে, সেইরুপ এই জগৎ সপ্তাশীত্যধিক শততম সগ। অন বিরাট ব্রহ্মের অঙ্গরূপে অবস্থিত। আমিই সেই ব্লিটু দেহ ব্ৰহ্মা; এই জগৎ ও সেই বিরাটদেহ। শূন্যত্ব ও আকাশের রাম কহিলেন,—“প্রভাে। আপনি জাগতিক পদার্থবিষয়ে যেমন কোন পার্থক্য নাই, সেইরূপ ব্ৰহ্ম জগতের কোন যেরূপ মীমাংসা করিলেন, তাহাতে জগতের কোন পদার্থে কাৰ্য- পার্থক্য নাই। যেমন পৰ্বত হইতে নিয়ে জলস্রোত পতিত কারণভাব নিয়মিত আছে বলিয়া স্বীকার করা যায় না, অথচ হইতে থাকিলে চারিদিকে জলকণা এড়াইয়া পড়ে, সেইরূপ ব্ৰহ্ম দেখিতেছি, সকল বই কার্য-কারণভাষ-নিয়মিত, এ আমার হইতে এই বিচিত্র দেশকাল প্রপঞ্চণায় নিপতিত ও উৎপতিত সন্দেহ হইয়াছে যে, কাৰ্যকার+ভাবনিয়ম কোথা হইতে থাকিল । হইতেছে। যেমন উগ্ধ হইতে জলৰাহ পতিত হইয়া প্রথমে কিরপেই বা প্রত্যেক পদার্থের এক এক প্রকার স্বভাব (গুণ) সহস্র সহ কর্ণরূপে বিভক্ত হয়, পরে ভূতলে পতিত হইয়া নিয়মিত হইল? (যেমন এগ্নির উষ্ণতা, অলের শীতলতা ইত্যাদি। আবার সব একীভূত হইয়া প্রবাহাকারে বহিতে থাকে; সেইরূপ অসংখ্য দেবতার মধ্যে এক সূৰ্য্যই বা কেন এত উগ্রভেজ ব্ৰহ্ম হইতে চৈতন্যের কলাসমূহ নির্গত হইয়া সেই ব্রহ্মাকারে হইলেন, এবৎ দিন সকল করন দীর্ঘ, কখন যা ক্ষুদ্র হইল কেন ? প্রতিভাত হয় ; প্রথমে যখন ঐ চৈতকা সমূহ নির্গত হয়, তখন তাহা আমাকে বলুন।” বশিষ্ঠ কহিলেন—“সৃষ্টি সময়ে কাক তাহাতে মন বুদ্ধি প্রভৃতি থাকে না, ঐ চৈস্যাকাণসমূহৰ তালীয়ে বিধাতার সরস্বতই বেৰূপ নিয়মে বন্ধ হইয়াছিল, শরীরে মনবুদ্ধি প্রভৃতি কল্পনা করিয়া সৃষ্টিকে লেম্যরূপে পরে তাহা ঠিক সেইরুপে ভিমান হইয়া সেইরূপেই কার্যকারী অঙ্গীকার করে। এই অজ্ঞানভাবেই এই অগং উৎপন্ন হইয়াছিল; অর্থাৎ তাহাই কাকালণরূপ নিয়মবদ্ধ হইয়া জগৎ হইয়াছে। আমি যে জ্ঞান আঃ মহি, একারণে আমার পদচ্য হইয়াছে। সেই কাৰ্য-কারণজৰ নিশকেই নিয়তি নিকটে জগতের কোন কারণই নাই; খাবিক জগৎনামে কোন ফলে; সেই নিম্নভি ববর্তী সকলেই। সর্বশক্তিমান সেই কম উৎপন্ন হয় নাই। একমাত্র যেত ব্ৰহ্মই সর্বত্র বিমান ঈশ্বরের বাতৃসল যেরূপ প্রতিই তাও সেইরূপেই সত্য রহিয়াছেন। এই শরীরের মৃত (খ) অবস্থায় বুদ্ধিপ্রভৃতি হইয়া পড়ে। বিগের মনােরুলতবিদ (ভাবনা) কিছুই থাকে না। শরীরের শপ অব যেরূপ অনুঙৰ ফরিখা অপেক্ষা হালকাধিক গান ঝন্ন প্রেকারেই ক, পারিসা যেরূপসুল ফরিয়া আক, আর ‘হায় হয়না পর শেষভা তে সুখ হইয়া নির্বাণ-প্রকরণ-উতরণ। যেরূপ নিয়মবদ্ধ হইয়া যেরূপে প্রতিভাত হন; তাহার সেই w্যিাদিপে বিকাশ প্রাপ্ত হইয়াছে। এক্ষণে অসংখ্য দেবতার প্রতিভান যখন তিনি মায়ার ক্রোড়স্থ হইয়া সৃষ্টি করিতে থাকেন, মধ্যে সূৰ্যই উতেজাঃ কেন, তাহা বােধ হয় এখন বুঝিতে পারি- তখনই হইয়া থাকে। মায়া-বিচ্যুত হইলে তাহার তাদৃশ প্রতি গছ; সংৰি বা চিৎ সর্বজ্ঞ ও সরূপিণী ও সর্বগামিনী, এই- ভান আর থাকে না। তাঁহার সেই নিয়ম প্রতিভাকেই অই তিনি প্রকাশরূপ নিজ মহিমা বলেই সর্বত্র সর্বস্বভাব- নিয়তি বলা হয়। ১৫। ব্ৰহ্ম নিজেই “ইহা এইরূপ, ইহা ময়ী নিয়তিরূপে বিকাশপ্রাপ্ত হইয়া থাকেন, ইহা অভিজ্ঞ মাত্রই এইরূপ” ইত্যাকার যে নিয়মে প্রকাশিত হন , তাঁহার সেই বুঝিতে পারেন।১৬২। এই চতুর্মুখ ব্ৰহ্মারূণ বালকও সৃষ্টি-সংহাররূপী নিয়মকেই নিয়তি বলে। এইরূপ নিয়ম অব্যভি নিজে আকাশময় থাকিয়া আপনার চিংশের বিকাশরূপ পট্টবস্ত্র চারী হওয়াও আশ্চৰ্য্য নহে, চিপী ব্রহ্মে জাগ্ৰং স্বল্প ও মুয়ুপ্তি দ্বারা আবৃত পৃখিবীরূপ আকৃতি বিস্তার করিয়া থাকেন। যখন নামে যে প্রতিভান স্বই হইয়া থাকে, ঐ নিল চিদ্রুপ বন্ধ সেই মায়াশবলিত সংবি চতুর্মুখ ব্ৰহ্মসংবিদের সহিত স্থূল মৃন্ম জলের দ্রবত্বের ন্যায় উহা হইতে লি নহে। যেমন আকাশে সমস্ত প্রপঞ্চের উপসংহার করিয়া থাকেন, তখন, ঐ পর্বজ্ঞ অধি শূন্যতা, কপূরে সৌরভ ও আতপে উষ্ণতা অপূখগভাবে অবস্থিত, দের অঙ্গীভূত চতুলে সংবিদ ও ভলীয় অঙ্গীভূত সূৰ্যাদির ভ্রমণ সেইকপ এই অগ্ৰদাদি প্রপঞ্চ চৈতন্যে অপৃথগ ভাবে রহিয়াছে। স্বভাব ক্ষমাত্রেই বিধ্বস্ত হইয়া যায়, আর উৎপন্ন হয় না। যাহার সৃষ্টি-প্রবণ-প্রবাহ অনাবি , সেই জগৎপ্রপঞ্চ চিদাকাশাত্মক সূত-(মাকড়শা) নির্শ্বিত মশকবন্ধনকালের স্যায় বিধাতা সঙ্কল্প- ব্রহ্মেই অপৃথগভাবে (এক সত্তায় অবস্থিত রহিয়াছে। এই বলে যে জ্যোতিশ্চক্ৰ নিৰ্মাণ করিয়াছেন, সেই জ্যোতিশ্চ উক্ত সৃষ্টি—ইত্যাকার যে জ্ঞান, তাহাও ঐ চিন্ময় ব্রহ্মের ক্ষণিক ফুরণ রায়ণ ও দক্ষিণায়নপথে সূর্যের আবগতিতে দিবসে জীর্ঘতা ও আর এই প্রলয়—ইত্যাকার জ্ঞানও ঐ চৈতন্যের ক্ষণিক ক্ষুণ- হ্রস্বতা সম্পাদন করিয়া থাকে। ঐ জ্যোতিশ্চক্রে যে সমুদয় মাত্র। চিতির স্ফুরণ যেকপ হইবে, কাৰ্যপ্রপঞ্চও ঠিক তনু- পদার্থ বিদ্যমান রহিয়াছে, ঐ পদার্থ সকল একরূপ নহে, বিচিত্র যায়ী হইবে। ৬-১০। চিবি স্বপ্নং স্বভাবতই যে বিকাশ প্রকার,উহার মধ্যে কতক উজ্জ্বল, কতক অত উজ্জল, কতক বা (কলনা) উপস্থিত হয়, কাল বল, ক্রিয়া বল, আকাশদেশ বা একেবারে উজ্জ্বল নহে। এই যে পদার্থসমূহ ( যাহাদের বিষয় দ্রব্যাদি বল—সমস্যই সেই কল্পনা চিল।কাশে অকারশূন্য চিদ- বলিতেছি। এ সকল বাস্তবিক অগৎ নহে, দৃশ্যও নহে। যিনি ভাবের যে বিকাশ হইয়া থাকে, সেই বিকাশই কাপ, আলােক, তত্ত্ববিৎ, তিনি জানেন, ইহা জগৎ নহে, স্বল্পকালীন দৃশ্যবন্ধুর মন, দেশ, কাল ক্রিয়া ইত্যাদিরূপে প্রকাশিত হয়। মূলত ন্যায় অলীক , প্রকৃতপক্ষে ইহা চিলাকা। চিন্ময় সর্বের পরব্রহ্মে যে কোন কল্পনা যেরুপভাবে প্রবর্তিত হয়, তাহাকেই আত্মাই তুমি আমি ইত্যাকার অখিল দৃশ্যরূপে প্রতিভাত হইয়া এই নিয়তি বলে ফলতঃ সমস্ত কল্পনাই আকাশরূপিণী। থাকেন, পুরুষ যখন মৃত হয়, তখন এ সকল কিছুই থাকে না, জগতের সৃষ্টি হইতে আরম্ভ করিয়া প্রলয়পৰ্যন্ত নিখিল পদার্থের কিছুই প্রতীয়মান হয় না; বােথ হয় যেন সব নষ্ট হইয়া যে একরূপ বিকাশ ভাবতত্ত্ববিদ পণ্ডিতগণ তাহাকে বস্তু, গিয়াছে। তখন সব স্বপ্নদর্শনের ন্যায় বােধ হয়, তখন একমাত্র স্বভাব বলিয়া থাকেন। যেমন একই অগ্নি দেশ, কালভেদে চিদাকানে চিদাকানই প্রতিভাত হইতে থাকে, বাস্তবিকও বিভিন্নরূপ হইলেও তাহার নিজের যে উষ্ণতা-স্বভাব, তাহা চিদাকাশত ব্যতীত জগত্রে আবার রূপ কি? ২১-২৮। চিন্ময় একই থাকে, সেইরূপ চিদংশ জীবের সর্বানুগত একমাত্র ব্রহ্মে ঘটাদি নবস্তু যে পর্যন্ত পারমার্থিক সংস্বরূপে বিদ্যমান চিৎস্বরূপই হইতেছে স্বভাব। ১১। চিন্ময় বৃত্তিসমূহেও থাকে, ততদিন পর্যন্ত ঐ ঘটালি চিলাকাশে সহিত অঙ্খিরূপে যে সকল চিদাভাস সংবিদের বিকাশ হইয়া থাকে, তৎসমুদয়ও বিকশিত হয়, সেই বিকাশই স্বভাব, নিয়তি ইত্যাদি শব্দে স্বভাব। ক্ষিতি সলিল প্রভৃতি বিষয়ে সেই সকল আভাস অভিহিত হইয়া থাকে। সেই ক্ষমতা আকাশরূপ প্রথমজাত সংবিদ দ্বারা তাহাদের দেহ প্রায় বিভিন্নবৃত্তির মধ্যে যে যে অবয়বের মধ্যে শব্দ-অৱক্ষণে অবস্থিতি করত কুলের মথ- বৃত্তির যে যে আকুতি কল্পনা হইয়া থাকে, তাহাও সেই স্থিত ধাত্যাদি বীজের মধ্যে ভাবী অনুবশক্তি যেমন ভাবে চিদাশের স্বভাব। পৃথিবী, জল, তেজ, স্পন্দ, শৃক্তত্ব, সমস্তই অবস্থিতি করে, সেইরূপ বায়ু প্রভৃতি জগঞ্জে বীজ শক্তিরূপে চিং, এবং এ সমস্তই আপন আপন কাৰ্য্যের আকর—অর্থাৎ অনাবির্ভূত হইয়া অবস্থিতি করে, তাহার পর সেই ব্ৰহ্মসভা পাবিপদার্থ যত কিছু আছে পৃথিবী তৎসমুদয়ে অনুগত (তৎ• হইতে বায়ু, তেজ, জল ও পৃথিাত্মক-জগৎ জমে উৎপন্ন সমুদয়েরই স্বভাব ঐ পৃথিবী)। এইরূপ জলীয় পদার্থ যত কিছু হয়; এই যে কল্পনা ইহা কেবল অল্পদিগের তত্ত্বজ্ঞানৰ্ণমাত্র, আছে; জল তৎসমুদয় পদার্থেই সম্বন্ধ রহিয়াছে। আবার এই শাস্ত্রেও কেবল এই জন্যই এই সৃষ্টিকল্পনায় উল্লেখ হইয়াছে; কিতালি পদার্থের আকর, সেই চিকাশ (মায়া-শবলিত ব্রহ্ম) সৃষ্টি কল্পনা সত্য, ইহা প্রতীতি করাইবার জন্য ইহা শাস্ত্রে অর্থাৎ দিদি যাবৎপন্দহে চিকাশসমৃদ্ধ রহিয়াছে। উল্লিখিত নহে। তাহার কারণ, যথার্থ ব্ৰহ্মত্বের উদয় বা অধ্যে কঠিনভাব পাখিব পদার্থের আকার এই লােকসমূহের নাই, তাহা সর্বদাই শিলার্ভের আর কঠিন আবাসভূমি বিশাল ভূমণ্ডল; এই অঞ্চ এই ভূমণ্ডল সকল অবকাশত ও শান্ত এবং নিত। এই জগৎ ঐ ব্ৰহ্মতকের পদার্থের রাজার আয় শােভ পাইতেছে। গঙ্গালি প্রধান সভায় সভ্য হইলেও নিজের পৃথক সভায় অসৎ। বাস্তবিকও প্রধান যত সলিময় পদার্থ, সমুদ্র তৎসমুদয়ের আকরণীয় এই জগয়ে পৃথক সত্তা একবারেই নাই, আমাদের এই তেজপদার্থ যত আছে, এই সূৰ্যবে সে সকলের আকরস্বরূপ, আকাশ যেমন আকাশ, তেমনি ব্রাকাণে এই এলাকা; বায়ু স্পণের আক, আকাশ শতার আকার, এইরূপ নিয়ে এতএব ইহার উদয় অল্প কিরণে হইবে? সেই এল কিভ্যাদি পঞ্চ মহাভূতও সেই ব্ৰহ্মচৈহ্ন, কারণ ব্ৰহ্মচৈতাই প্রকাশরূপ বিভত ভৈরূপ মণি সরুপের বই এতি ০ বেইমারণ। লিত যে বিকাশ, সেই বিকাশই যে পৰ্যন্ত অগৃহীরূপ প্রক্রিয়ায় (এবহাজি বায়ুচক্র) ঐ চৈতন্য হইতে থাকে; সে পর্যন্ত কল্পনার সূচনাকারী হইয়া নিজেই যেন উৎপন্ন, ঐ ব্রহ্মচৈতন্যের যে প্রকাশবিষয়ক অনূভব, তাহাই চেত্যভাব প্রাপ্ত হইয়া থাকে। ৩২-৩৬। কলকপলাপ্ত রূপতত্র , কারণও রূপমত্র , ঐ রূপতত্র ভবিষ্যৎবগুনামের কারণ। আকাশের সূক্ষ্ম সেই পক্ষের সাৰিকা আৰী অপ্রপঞ্চের চৈতরে যে কাশবিষয়ক ভাবনা, তাহাই তেত্তি ভেজা- পালােচনা করিয়া সর্বত্র তাহারও উদ্বোধক (সূচনাকারী) নামে আর কোন পদার্থ নাই। উহার যে শ বিষয়ক ভাবনা; হয়। পরে সেই বিকাএাপ্ত পরম সত্তা ব্ৰুৰে পৰ্যা- তাহাই স্পর্শ এবং শব্দবিষয়ক ভাৰনাই শব্দ , সেই শব্দ আকাশে লােহিতবিরের চেতনার অনুভব) বিষয়ে মুখ হইয়া যে চে আকাশ যেমন স্বই অবস্থিত, সেইরূপ অই অনুভূত, তদভিন্ন অনুভব করে সে চিৎ এই ব্যুৎপত্তিসভ্য) চিৎ নামের শব্দকর্তা আর কেহই নাই। ৫২-৫৬। সে অবস্থায় শব্দ কৰ্তাই বােস হইয়া পড়ে। পৰ্যালােচিত বিষয়ের অনুভব ক্রমে ঘনীভূত বা আর কে হইবে? কারণ, তখন সংবিদ ভিন্ন আর কিছুই ছিল (সুকুট) হইলে ঐ কল্পনারূপিণ ব্ৰহ্মসভা ভাবী জীবাদি নামে না, সেই বি নিজেই বাদি হইয়। স্বয়ংই যে ভত্তাকারে পরিচিত হয়, পরে আবার অধিকারী জন্ম লাভ করিতে পারিলে অনুভূত হইয়াছিল, ইহা সকলকেই স্বীকার করিতে হইবে; পরমপদ হইবার অধিকারী হয় (পরম পদ হয়)। সেই কল্পনা নতুবা উপায় নাই, কারণ শালির অবিদরুপে সংৰিলের একতা- জীৰভাবে অবহিতকালে কী চিকাভাবের আবরণকারিণী রূপ আদা কোন ক্রমে আজও সবপর হয় নাই। এইরূপ অবিদ্যার গর্ভে নিপতিত থাকে বলিয়া তাহার পরমপদ স্বভাব বদভমাত্র বা পঞ্চতত্র সমস্তই উক্ত ব্ৰহ্মচৈতন্যরূপ সবিদের অস্ফুট থাকে। সম্প্রতি তােমার ঐ কল্পনা বিশুদ্ধ পরমপদে সহিত অভেদজ্ঞানে বিষয় নাম ধারণ করিয়াছে, সে অভেদ- পরিণত হইয়াছে, একাণে অখণ্ড এক হইয়া গিয়াছে। ৩৭—৪০ জ্ঞানও ভ্ৰমমাত্র, ফল ইহা মিখাই, স্বল্পকালে স্বপ্নকৃষ্ট বন্ধুর এবিদ্যা দ্বারা আবৃতদশায় সেই কল্পনাপিণ ক্ষমতা আপন ঘটনার ব্যায় ভ্রান্তিচক্ষে কেবল সত্যরূপে জ্ঞান হয় মাত্র। হইতে ভিন্নরূপে সেহ-ইন্দ্রিয়াদি ভাবলায় উন্মুখ হইয়া আপনার পুর্বে যে ভেজের কথা বলিয়াছি, ঐ তেজ আশােকরক্ষের বীজ- স্বরূপ বিস্মৃত হইয়া পড়ে এবং কথা সংসারাভিমানে বন্ধ হয়। স্বরূপ, ঐ তেজঃ হইতেই সূৰ্য্যাদি জ্যোতিষ্কমণ্ডলের বিকাশ, শতরূপিণী ঐ সত্তা শাবিগুণযুক্ত হইয়া সবিকল চিভিন্ন ভাবনা- ঐ তেজ হইতেই রূপ প্রকাশ হইয়া সংসার হয়। আকাশের রূপ ভ্রমে ভাবী আকাণাদি পঞ্চভূতের উৎপত্তি কারণ-অর্থাৎ স্যায় বিকার ঐ ব্ৰহ্মচৈতন্য হইতে, ভবিষ্যৎ বিষয়সমূহের যে সূক্ষ্ম পথভূতরূপে অবস্থিতি করে। তাহার পরে লিঙ্গশরীরের মাধুৰ্যজ্ঞানস্বরূপ আস্বাদ জমে, তাহাকেই বসতন্মাত্র বলা হয়। উৎপাদক প্রাণস্পনিত কাল সার সহিত অহতাবের উদয় ৫৭০ ভবিষ্যৎপ্রপঞ্চের সম্বরূপ ঐ সমষ্টিভূত-জীব হয় ,সেই অহভাবেও কালসা ভাবী জগতের প্রধান বীজ (ব্রহ্মচৈত্য) সঙ্কলরূপে গন্ধাদি-ভন্মাত্ৰ অনুভব করিয়া থাকে । স্বরূপে অবস্থিত হয়,পরমা চিতিশক্তির যে আত্মবিষয়ক অনুভব ঐ সঙ্কল্পরূপ সমষ্টিভূত-জীবই ভবিষ্যৎ ভুগােলকরূপে পরিণত তাহাই জগৎ; বাস্তবিক সত্য নহে, তবে তাহাতে চৈতন্যের হয় বলিয়া উহা সকলের আধার এবং ঐ আকৃতিরূপ বক্ষের বিকাশ থাকাতে ( জীব-চৈতন্যের বােগ থাকাতে) সত্য হইয়া বীজস্বরূপ জীব হইতেই সংসার উৎপন্ন হয়। ঐ যে গন্ধাদি উঠিয়াছে। ঈদুশ ভাবনাত্মিকা যে চিৎ, তাহাই সঙ্কল ক্ষের অমাত্রগণ, উহা বাস্তৰিক উৎপন্ন না হইলেও কজনাবশে উৎপন্ন বীজ; সেই চিৎই কামধ্যে আপনার অন্তরে অহব এবং নিরাকার হইলেও (কঙ্গনাবশে) সাকার বলিয়া বােধ হয় । ভাবনা করিয়া থাকে। ৪৪৫। সেই অহাবে ভাবিত চিৎ এই আনিচয় কাকতায়ায়ে নিজেই যে স্থান দিয়া রূপের জীব নামে অভিহিত হইয়া জল যেমন অঙ্গরূপে জলে লীলা জ্ঞান করে, তাহা চক্ষু নামে অভিহিত হয় ও যে স্থান দিয়া করে, সেইরূপ অত ভাব ও অভাবরূপ ভমে পতিত হইয়া আত্ম- শব্দ জ্ঞান করে, তাহাকে কর্ণ বলে, যে স্থান দিয়া স্পঞ্জন প(মায়াশলিত ৰক্ষ) ভ্রমণ করিতেছে। ঈদৃশ ভাবনাবতী করে, তাহাকে গিলি বলে, যে স্থান দিয়া রসজ্ঞান করে, চিৎ আকাণতত্র ভাবনাকে আপন অপেক্ষা ঘনীভূত করিয়া তাহাকে বসনেন্দ্রিয় বলে এবং যে স্থান দিয়া জ্ঞান করে, ক্রমে আকাশভআত্ৰ অনুভব করিতে থাকে। সেই অনুভূত তাহাকে ঘ্রাণেন্দ্রিয় বলে। ঐ জীব এইরূপে সৰ্বাৰয়বসম্পন্ন আকাশ তন্মাত্রই শসমূহরূপ বুজের বীজস্বরূপ হইয়া ক্রমে আকৃতিপ্রাপ্ত হইয়া যিক ও কাল কল্পনা করিয়া থাকে। এইরূপ ভবিষ্যৎ অৱলে এবং পবাক্যরূপ প্রমাণপূর্ণ বোর্থরূপে ক্রমে এমনই পরিচ্ছিন্নভাব ধারণ করিয়া অসৰ্বশ্বরূপ হইয়া পরিণত হয়—অর্থাৎ তৎ অর্থের বাচক হইয়া থাকে। সেই যায় যে, সকলে ইন্দ্রিয় দ্বারা সমুদয় রস-গন্ধাদি জ্ঞান করিতে আকাশ-রূপ শব্দ হইতেই নিখিল জগৎ উৎপন্ন হয়, পারে না; এমন কি, ব্যষ্টিভূত হইয়া সমস্ত শরীর দ্বারাও সমত যে জগৎ এনে বিভিন্ন শসমূহপ্রতিপালিত বিভিন্ন অর্থসমূহে ভােগ্য অনুভব করিতে সমর্থ হয় না। এই যে অনন্ত জগৎ পরিণত হইপড়ে। ঈ বিচিত্র সঙ্কলবিশিষ্ট ব্ৰহ্মচৈতই কল্পনা, ইহা আত্মা হতে পৃথক; আত্মারই অন্তর্গত অস্ব জীব নামে অভিহিত ; এবং ভবিষ্যৎশব্দার্থরূপে পরিণত স্বরূপেই অনুমেয়। বাস্তবিক ইহার অন্ত বা উদয় কিছুই নাই; হত্যায় প্রথমে নিখিল ভূতরূপে কৃনে বীজস্বরূপ বিকাশ পায়। ইহা পাষাণের মধ্যভাগের গায় ঘন, কঠিন ও নিভাবেই সেই ব্রহ্মচৈতন্য হইতেই চতুর্দশ প্রকার জীৰ জাতির উৎপত্তি অবস্থিত। ১৮। হয়। ৪-৫১। ঐ এতে যদি শাল-বহার (নাম) সপ্তাভবিকশম সর্গ সমাপ্ত।১৮। শরীর রূপ ন এ হ, সে পশু দিলেই যতি সি কাতার আপন গনি শা মুকরিতেকে। কি খাল নিখিল ভূ ৩।
নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ । a বাহিক দেহের আয় চেতিত হয়, সেই আহিবি কেহই মৎ অষ্টাপত্যধিকততম সর্গ। কথিত জীব, উহা আত্মার শনিরূপ আলােকে প্রতিজত হয় বশিষ্ঠ কহিলেন-এই সে চিভাসাত্মক জীবের কথা শাস্ত্রে ঐ অভিহিক দেহের কোন শ বিরাই, কোন অংশ বলিলাম, ইহাই আদিম ;-অর্থাৎ সর্বপ্রথমে যে চিলভাসাত্মক সনাল, কোন অংশ নারায় কোন অংশ ঈশা এবং কোন অংশ জীবের উৎপত্তি হয়, তাহাই বলিলাম। কেবল তােমাকে প্রজাপতি বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে। ১৫-১৮। কাকতালীয় বুঝাইবার নিমিত্তই এই চিদাভসাত্মক জীবকে পরব্রহ্ম হইতে গায়ে ঐ দেহের যে যে ভাগে যখন পঞ্চ ইন্দ্রিয়-বি প্রতিভাত পৃথকরূপে নির্দেশ করিলাম, যত ইহ পরব্রহ্ম হইতে হয়, তখনই তাহা বখা হয়। এইকালে এই ভিবিন্তীর্ণ . অভিন্ন। কারণ, ইহা পরহ্মেই ঔপাধিক অকৃত্রিম অঙ্গ- প্রপঞ্চ সম্পন্ন হইলেও বাস্তবপকে কিছুই হয় নাই, এক বিশেষ অর্থাৎ তার চেতভাবে উন্মুখ যে আভাসচৈত, মাত্র শত আত্মই কেবল সদা বিরাজমাল আছেন। ১৯২০। তাহাকেই জীৰ বলে। হে রঘুনন্দন। চেতভাবােম্মুখ চিভাস অনাদি পরব্রহ্মের আবির্ভাব বা তিরােভাব কিছুই নই, যেহেতু এই জয়ে কতকগুলি বিচিত্র আখ্যা হইয়া গিয়াছে, তােমার তিনিই অজ্ঞান—অর্থাৎ স্বরূপ-সাক্ষাৎকার-বিজিত হইয়া সৎ নিকটে সেই আখ্যাগুলির উল্লেখ করিতেছি, শ্রবণ কর। অসৎ উভয়কারে অবস্থিত হন। সর্বদা কামিনীচিকা-ময় জীবন-অৰাং প্রাণ ও কর্মেন্দ্রিয়সমূহের ধারণ এবং চেতন অর্থাৎ বিরহী ব্যক্তির স্বপ্নকান্তাও যেমন যথার্থ কান্তার ন্যায় কাৰ্যকারিণী জ্ঞানেন্দ্রিয়সমূহের ধারণ হেতু ঐ চেতত্যান্মুখ চিলভসকে জীব হয়, সেইরূপ এই জগৎপ্রপঞ্চও ঐ অতিবাহিক দেহের স্বীয় বলা হয়, অতীত ও ভবিষ্যৎ চেতবিষয়ে উন্মুখ হয় বলিয়া অনুবে যথার্থ হইয়া যায়। স্বপ্নে বা সঙ্কনে শূন্য ক্লিাকায় স্থান উহাকে চিত্ত এবং বর্তমান সন্নিহিত চেত্যবিষয়ে উন্মুখ হয় যেমন টাকারে অনুভূত হয়, ঐ ৰাতিৰাহিক-দেহও জগৎ বলিয়া চিৎ বলা হয়। “ইহা এই প্রকারই” ইত্যাকার নিশ্চাত্মক সেইরূপ জানিবে। ঐ আভিবাহিক-মেই আকাশৰূপহইলেও ধারণ (জ্ঞান) করাতে উহাকে বুদ্ধি বলে। কল্পনাও তর্ক, কঠিন পদার্থের স্থায় প্রতীয়মান হইয়া স্বপ্নবস্তুজায় কার্যকারী বিতর্ক-বিষমুক জ্ঞানের আধার বলিয়া উহাকে মন বলে। হইয়া থাকে। ঐ অতিবাহিক-সেই স্বপ্নের স্যায় গৃহ নিরাকার অন্তরে আমি-ইত্যাকার অভিমান হওয়াতে উহাকে অহঙ্কার ও অসৎ হইলেও সে আপনা আপনি অনুভব করিতে থাকে। বলা হয়। সাধারণ অলােকের ব্যবহার অনুসারে উহাকে এই আমার স্কুল অস্থি, এই আমার করাদি অবয়ব, এই আমার চিত্ত বলিয়াছি , কিন্তু অজ্ঞানী পণ্ডিতগণ শাতবিচার করিয়া পৃষ্ঠের শিরা, আয়ু, লােখ, যথাস্থানে সংযজিত রহিয়াছে। এই জ্ঞানময় সত্য পরব্রহ্মকেই চিত্ত বলিয়াছেন, চিং ধাতুর অর্থ আমি অশ্বিলাম, এই আমি কাধ করিতেছি, আমার এত বয়স জ্ঞান, সুতরাং ব্যুৎপত্তি অনুসারে (আত্মাই চিত)।১৬। হইল, এই স্থানে এত কাল আমি থাকিলাম , এই বিষয়সমূহ ঐ জীব ক্রমে বিবিধ সঙ্কল্পঞ্জালে জড়িত হইয়া পূৰ্যষ্টক নামে ভােগ করিলাম, এই আমি জরাগ্রস্ত হইলাম, এই আমি অভিহিত হয়। সৃষ্টির বা সংসারের মূলীভূত প্রথম কাব্বণ মরিলাম, আমার এত গুণ, আমি এই দশদিকে ভ্রমণ করিতেছি বলিয়া কেহ কেহ উহাকে প্রকৃতি বলেন। পরব্রহ্মের স্বৰূপঙ্গন ত্যাদি নানাপ্রকার অনুভব করে। ঐ আবািহিক দেহভূত হইলে উহা থাকে না বলিয়া পণ্ডিতগণ উহাকে অবিদ্যা বলিয়া পুরাণ পুরুষ আপনার কল্পিত উক্তরূপ সু-শরীরে দিতি, অল চিদাভাসাত্মক জীবের এই সকল নাম তােমার আকাশ, সূৰ্য, লােকব্যবহার মনুষ, পর্বতশিখর ইত্যাদি বিবি- নিকটে কীৰ্ত্তন করিলাম। এই জীবের আদি অন্ত সবই নিরাকার রূপে ফিত্যাদিকে নিজের আয় করিয়া এবং নিজে হাতে অনাময় পরব্রহ্ম। বুধগণ ইহাকে আতিবাহিক-দেহ বলিয়া জাধে হইয়া সৰ্বল জ্ঞাতৃ-জ্ঞান-জােভাষাত্মক সংসারস্বপ্ন দলি উল্লেখ করিয়া থাকেন। এইরুপে এই জীব হইতেই স্বগ্নদৃষ্ট করিতে থাকেন। ২১২। বা সঙ্কজকল্পিত পুরীর স্থায় এই ত্রৈলােকপি ভ্রান্তি উৎপন্ন অষ্টভধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৮৮। হইয়াছে, এই ভ্রান্তি লােগ-মােণরূপ কাৰ্য্যকারী হইলেও নিরাকার স্বরূপ, কুত্রাপি ইহার ঘাত প্রতিঘাত হইতেছে না। ৭-১০। হে দেখিদিগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। এই যে অতিবাহিক দেহের কথা বলিলাম, এই দেহ চিত্ত , ইহা আকাশ অপেক্ষাও শক্ত। একেনিষতধিকততম সর্গ । যতদিন মুক্তিজ্ঞান না হয়, ততদিন ইহা জগতে আন্তোবিহীন বশিষ্ঠ কহিলেন,—“সেই আদ্য প্ৰাপতির ঐ অভিহিক হইয়া অৰস্থিতি করে। এই আতিাহিক দেহই চতুর্ক প্রকার দেহ চিন্মনিবন্ধন কাকতালীয়ায়ে নে যে প্রকারে চেতি জীবজাতির একমাত্র উৎপত্তিনিদান। এই দেহেই লক্ষ লক্ষ হয়, সেইরূপেই কাৰ্যে পরিণত হয়; হায়! একমাত্র সভ্য সংসার কালনিয়মে (যথাকানে) ফলের স্থায় উৎপন্ন হইতেছে, সঙ্কল বশতই এই বিষ প্রতিভাত হইতেছে। পরন্তু ইহা সর্ব পয়েও হইবে। এই চিত্তময় শরীরই অপএতিবিম্বের আয় মিথ্যা, ইহাতে গর্ব করিবার কিছুই নাই। দ্রষ্টা, দৃশ্য ও মন অন্তরে বাহিরে অগৎলাম ধানুশ করিতেছে, অথচ ইহা শত আকাশ সমস্তই অসভ্য, অথবা সভায় (এ সবই ব্ৰহ্মইআকার ব্যতীত আর কিছুই নহে। ১১-১৪। মহাপ্রলয়কালে যখন নেই) সবই সত। রাম জিজ্ঞাসিলেন—বা। সেই সমস্ত বস্তু এককালে লয়প্রাপ্ত হয়, তখন নিরাময় ব্রহ্ম মহা আন্য প্রজাপতির অতিবাহিক নন কিরুপে মৃঢ় (সত্য) পদে প্রতিষ্ঠিত হইয়া থাকেন; সেই সময়ে চিন্ময়ন্ধে টিবক হইল, স্বপ্ন সত হয় কিরুপে অহা আমাকে বলুন।” অজ্ঞান বা স্বতই যে আর চিৎকারূপের বিকাশের শিত কহিলেন—প্রজাপতির আভিবাহিক নিজৰ স্বৰ একটা ঘনীভারে বিকাশ হয়; ভাই পুর্বোক নিয়মে শক্তি সর্বদাই অনুভূত হইছে, এই কারণে এই আভিবাহিক বােগাষ্ঠ-রামায়ণ দেহ পরিবৎ (রূপে) অতীত হইতেছে। স্বপ্ন যেমন নবধিকততম । বহুক্ষণ অনুভূত হইলে পরিপুষ্ট হইয়া অত্যন্ত সত্য বলিয়া প্রতীত হয়, সেইরূপ অতিবাহিক ভাবও স্থায়ী সুবে বশিষ্ঠ কহিলেন—“জ্ঞানের কােয়ভাব প্রাপ্তির” নাম বলে। স্থিরভাৰ খাৰণ করিয়-থাকে। ঐ অভিবাহিক দেহবিষয়ক আর সেই জ্ঞেয়ভাবের নির্বুভির নাম মুক্তি।” রাম জিজ্ঞাসিলেন, তব চিরখিত হইয়া সুদৃঢ় হইলে তাহাতে মরীচিকাসলিলের ব্ৰহ্ম। জ্ঞানের দ্যোভাব শান্তি কিরূপে হয়? দৃঢ়রূপে অভ্যন্ত স্যায় আধিভৌতিকতা-বুদ্ধি আসিয়া উদিত হয়। এই জগৎ সেই জ্ঞেয়ভাব-অর্থাৎ বন্ধনবুদ্ধি কিরূপেই বা নিবৃত্ত হয়, তাহা সত্য বলিয়া প্রত্যয় জন্মাইয়া দিলেও স্বল্পভমের আয়, আমাকে বলুন।” বশিষ্ঠ কহিলেন,—“সমগজ্ঞানরূপ প্রাপ্ত হইলেই মরীচিকাসলিলের ন্যায় অসৎ তাহাতে আর সন্দেহ নাই। জ্ঞানের ভাব প্রাপ্তিরূপ ভ্রান্তি নিবৃত্ত হইয়া যায়, তখনই আবািহিক দেহেই স্বয়ং আধিভৌতিক-বুদ্ধি হয়, সে আধি- নিরাকার শান্তমুক্তি আসিয়া উপস্থিত হয়।” রাম জিজ্ঞাসিলেন, ভৌতিকতা একান্ত অসভ্য হইলেও অবিবেগিণ উহা সত্য। বোধ ত কেবলীভাৰ, তাহাতে সমগজ্ঞান আবার কি? যে বলিয়া ধাঁকার করিয়াছে। এই সেই আমি, ইহা আমার, এই সমজ্ঞান দ্বারা নিখিল জীব বন্ধন হইতে মুক্ত হইবে, (অর্থাৎ পৰ্বত, আকাশ ও দি সকল বিদ্যমান রহিয়াছে। ইত্যাকার যদি বিশেষ অনক থাকে, তবে কতকগুলি বিশেষ জানা হইয়াছে, বিশাল মিথ্যা ভ্রম স্বৰ্গলৈনের স্থায় প্রতিভাত হইতেছে। আমি দুই একটা বাকী আছে, সেখানে সমপূজ্ঞান দ্বারা সেই সকল সৃষ্টিকর্নার ঐ আভিবাহিক দেহ ভাবলেই আধিলেকিতাব জানা যাইতে পারে, কিন্তু বিশেষ যেখানে সবই এক, সেখানে ও পৃথিবী-দেহাদিরূপ পিণ্ডাকার দর্শন করিয়া থাকে।.১-১১। সমজ্ঞান আবার কি? বশিষ্ঠ কহিলেন, জ্ঞানের জ্ঞেয়ভাব নাই, চাকার “আমি ক্ষ”—ইত্যাকার যথার্থ জ্ঞান পরিত্যাগ করিয়া একমাত্র অনির্বচনীয় অক্ষয়জ্ঞানই বিদ্যমান আছে—অন্তরে “এই দেহই আমি, এই পৃথ্যাদি আমার আধার এইরুপ ইত্যাকার যে বােধ হয়, তাহাকেই সমগজ্ঞান কহে। রাম বিপরীতভাব দর্শন করিয়া তাহাতেই আস্থাবান হয়। অসত্য জিজ্ঞাসিলেন, মুনে! চিকেরসরূপ জ্ঞানের অভ্যন্তরে চিৎস্বরূপ বিষয়কে সত্য বলিয়া ধারণ করিয়া জানালে তাহাতেই বন্ধ হইতে পৃথক জ্ঞেয়তা আবার কি? আর এক কথা জিজ্ঞাসা হইয়া পড়েন, বারংবার ঐ সত্য বিষয়ের ভাবনা করিয়া অন্তরে করি, আপনি যে জ্ঞানের কথা বলিলেন, ঐ জ্ঞানশষ কোন বাচ্যে নানাত্ব অনুধাবন করেন। প্রথমে বৈদিক ও লৌকিক শব্দ সৃজন নিষ্পন্ন ? ভাববাচ্যে না করণবাচ্যে। বশিষ্ঠ কহিলেন, বােধমাত্র- করেন, পরে সেই শব্দের অর্থবিষয়ে সঙ্কেত ও শংঙ্কা কার কেই জ্ঞান বলে, সে জ্ঞানশব্দ ভাববাচ্যে নিষ্পন্ন, ( ভাবে- দেন, প্রথমে ওঙ্কারধ্বনি করিয়া ৰেদরূপ শব্দরাশিয় সৃজন অন) পবন ও স্পন্দের যেমন কোন পার্থক্য নাই, সেইরূপ সে করেন। তাহার পরে সেই শব্দরাশি ধরলােকব্যবহার কল্পনা জ্ঞান ও জ্ঞেয়পদার্থ জ্ঞানেরই মায়িক বিকল। রাম কহিলেন, যদি করেন। উনি মনঃস্বরূপে যাহা কল্পনা করেন, তাহাই অনুভব এইরূপ হয় তবে ত এই জ্ঞানজ্ঞেয়াদিবিকল্প শৃঙ্গের ন্যায় করেন। যে যে বি আসক্ত, সে তাহা দেখিবে না কেন? একান্ত অলক , ভূত, ভবিষ্যৎ, বর্তমান কোন কালেই ইহা ব্যব- (অবশ্যই সর্বদা তাহাই দেখিবে)। অসত্য জগৎভ্রম এইরূপ হারঘােগ্য হয় না। বশিষ্ঠ কহিলেন, বঙ্গবন্ধুরূপ ভ্রান্তি বশতঃই প্রসিদ্ধ সত্য হইয়া পড়িয়াছে। ১২-১৬। এইরূপ আব্রহ্মা এইরূপ ভ্ৰমবুদ্ধি হইয়াছে'—অর্থাৎ “ইহা ব্যবহার-বােগ্য” (এই- পর্যন্ত সর্বত্রই অতিবাহিক দেহই চিরস্বল্প ও ইলিয়কালের ব্যায় রূপ ভ্রম হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বাহ ও আভ্যন্তর কোন পথই আধিভৌতিকভাবে প্রতিভাত হইতেছে। বশতঃ আধিভৌতিক নাই। রাম জিজ্ঞাসিলেন,—“হে মুনিবর। এই যে, “তুমি আমি নামে পৃথক একটা পদার্থ কুত্রাপি নাই। আভিবাহিক সুদৃঢ় ইত্যাদি পদার্থনিচয়, ইহা ত সকলেরই প্রত্যক্ষসিদ্ধ, তবে অভ্যাস বলে, আধিভৌতিক ভাবনা ধারণ করে। সকলের মূলীভূত আপনি ইহাতে নাই বলিলেন কিরূপে? (লৌকিক প্ৰত্যাদি সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্ম হইতেই এইরূপ মােহ (মিথ্যাজ্ঞান) উৎপন্ন প্ৰমাণসি পদার্থের একেবারে অপলাপ করেন কিরূপে?) তাহা হইয়াছে, এই জন্য এই জগণিরূপ ভয় জ্জানীদিগেরও যে আমাকে বলুন। ১-১০। বশিষ্ঠ কহিলেন-হে অনুষ। সৃষ্টির পর্যন্ত প্রান্ত কা না হয়, সে পর্যন্ত থাকিয়া যায়। হে রাম! প্রান্তেই যখন বিরাড়াত্মা (হিরণ্যগর্ভ) প্রভৃতি কোন পদার্থই চিত্মার ঈশ দুর্দশা পিভূত হইয়া কোথায় আছে? বঙ্গত আমে নই, তখন জ্ঞেয়পদার্থের সত্যতা কিরূপ সম্ভবপর হইবে, ইহা কুত্রাপি নাই; বয় জাতি। অথবা পৰশ্নই ঈশ (অর্থাৎ সৃষ্টি সময়েই মায় ভিন্ন আর কিছুই ছিলনা, সূত্রাং আকারে প্রতিভাত হইতেছেন। এই জগতের কারণ অন্বেষণ অগৎকে এমই বলিতে হইবে, অপ্রদর্শিনী শ্রুতিই এবিষয়ে করিতে গেলে একমাত্র শত এক ভিন্ন আর কাহাকে কারণ এমাণ; লৌকিক এত্যাদি প্রমাণ নহে। রাম জিজ্ঞাসা বলিবে? যদি ব্ৰহ্মকেই কারণ, তাহাহইলে ব্রহ্মের কারণ কি, করিলেন-হে মুনিবর এই ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমানকায়ে তাহা বল, আগে নিজে কাহারও কা না হইয়া পরে আমরা অগৎকে নিত্যই এক অমুল করিতেছি, আপনি কারণ হইতে পারে না (কার্যকারণভাৱে নিয়মই এই ফল ইহাকে একেবারে অলীক বলেন কিরূপে? বণিষ্ঠ কহিলেন, কথা অনাময় পরব্রহ্মে কাৰ্যকৰণৰ কিছুই সম্ভবে না; তুমি আমি জগৎ স্বগষ্টৰঙর স্য, মরীচিকা-বরির গায়, সুজা কে জাতি ব্যতীত আর কি বলিব।১৭২১। দ্বিতীয় চলে , সঙ্কলকলিত বর আয়, আকাশে চঞ্জ কোলনত্যধিকতসর্গ সমাপ্ত। ১৮৯। দোষে মান ফোচ্ছের চায় মিস্তাই প্রতিভাত (প্রত্যক্ষ গােচর হয়। বাম কহিলেন, অবন! তুমি আমি ইত্যাদি প্রকার এ যখন শষ্ট অনুভূত হইতেছে, তখন ইহাকে সৃষ্টির এতে উৎপন্ন বলিতে দোষ কি? বশিষ্ঠ কহিলেন- নিৰ্বাভাগ। T কারণ হইতেই কাৰ্য্যের উৎপত্তি, কারণ না থাকলে ত আর কহিলেন, "কারণ নাই বলিয়াই কিছুই উৎপন্ন হয় নাই, অতএব কাৰ্য্য হইতে পারে না; ইহা নিশ্চয়ই। জগতের উৎপত্তিতে তাে চেত্যষ্টি মাত্র, ইহা কিছুই নহে। রাম কহিলে, বাকা- কোন কারণ নাই; যখন মহাপ্রলয় হয় তখন ত সবই যায়, তীত প্রকাশ নিত্য মুক্ত নির্মল পরহ্মে ভ্রমই বা কাহার কিছুই থাকে না; সূক্ষ্ম জগৎকে উৎপন্ন বলিলে তাহার কারণ কিরূপ হইয়া থাকে, তাহা আমাকে বলুন।২৬-৩০। বশিষ্ঠ কহি- হইবে কে? ১১-১৫। রাম কহিলেন,-মুনে। মহাপ্রলয়ের লেন-“হে রাম। কারণ না থাকায় পরব্রহ্ম ভ্রমও বাস্তবিক নাই, পরে যে এক অঞ্জ অব্য ব্ৰহ্ম অবশিষ্ট থাকেন, তিনিই কেন সৃজির “তুমি আমি ইত্যাদি সমস্তই শান্ত, একমাত্র অনায় ব্রহ্মই কারণ হউন না? বশিষ্ঠ কহিলেন, কারণ হইবে? সত্য। রাম কহিলেন, ব্ৰহ্মণ। থাণি যেন ভ্রমে পতিত হই কাৰ্যও তাহাতে সূক্ষ্মভাবে থাকিবে,পরে তাহা যথাকালে প্রকাশ তেছি, আপনাকে অধিক জিজ্ঞাসা করিতে পারিতেছি না, সম্পূর্ণ হয় মাত্র। কিন্তু রাম। ব্রহ্মে = কাৰ্য ভাবেও নাই, রূপ প্রবুদ্ধও হই নাই; এক্ষণে আর কি জিজ্ঞাসা করি। বশিষ্ঠ আর এক কখা ব্ৰহ্ম সং, জং অসং, অসৎ বস্তু কোথাও কহিলেন, হে রাম। যত তােমার হৃদয় হইতে সন্দেহ দূর না উৎপন্ন হয় না, বিসদৃশ হইতে বিসদৃশব কার কি কখন হয়, ততক্ষণ তুমি আমাকে বেশ করিয়া জিজ্ঞাসা কর, আহার উৎপত্তি হয়। ঘট হইতে কি পট জন্মে। রাম কহিলেন, পরে যখন তেহার সমস্ত সন্দেহ দূর হইয়া যাইবে, তখন তুমি মহাপ্রলয় হইয়া গেলে জগৎ স্মরূপে বন্ধে অবস্থিতি করে অনির্বচনীয় পরমপৰে খং বিশ্রামত করিবে। রাম কহিলেন, পরে আবার সৃষ্টিকাল উপস্থিত হইলে তাহাই প্রকাশিত কারণ না থাকাতে পূর্বেই সৃষ্টি নাই; আপনার এ সিদ্ধান্ত বেশ ইয়া পড়ে, ইহা বলিলে দোষ কি? বশিষ্ঠ কহিলেন, বুঝিতে পারিতেছি , তথাপি আমার এই চেত্যচেতন বিভ্রম হে অন! হে Rগতে। মহাপ্রলয়ের পর সৃষ্টির অস্তিত্ব কাহার? এ সংশয় দূরীভূত হইতেছে না; ইহার কারণ কি কে কোথায় অনুভব করিয়াছে ? আর তাহাতে আস্থাই বা বশিষ্ঠ কহিলেন, কারণ না থাকায় সবই শান্ত, অগৰম কুত্রাপি কিরূপ? রাম কহিলেন,—তবে যদি বলি, মহাপ্রলয়ের পরে যে নাই, যদি ইহা বুঝিছে, থাপি অনাস বশতঃ এখন নময় ব্ৰহ্ম থাকেন, এই সৃষ্টিও সেই জ্ঞানময়ে মিশিয়া এ বােধ চূঢ় হয় নাই , এজন্য পরমপদে বিশ্রান্তি লাভ করিতে জ্ঞানশ্বরূপে স্থিতি করে, একেবারে শূন্য হইয়া যায় না, কারণ পার নাই। ৩০-৩৫। রাম কহিলেন, এভাে। অনভ্যাস কেন হয়, যই একেবারে শূন্য অসং, তাহা কখন সং হয় না, ইহা বলায় অভ্যাসই বা কোথা হইতে হয়। যেখানে জাগ্রদূভ্রমেরও কারণ দোষ কি? ১৬-২০। বশিষ্ঠ কহিলেন,হে মহাবাহো নাই, সেখানে অভ্যাসরূপভ্রান্তিই বা কি কারণে উপস্থিত হয়, যদি এইরূপ বল, তবে ত ানই জগৎ হয়, বিশুদ্ধ জ্ঞানই তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, অনন্ত ব্রহ্মে কোন জগৎপ্রপঞ্চ ও তগত জীবের দেহ হইয়া পড়ে, তাহা হইলে প্রকার ভ্রান্তি নাই সত্য; তথাপি জীবন্মুক্ত যােগীলিগের যেমন এন্ম মৃত্যু আবার কি? কারণ সবই নিত্য বস্তু। রাম রাম সমন্তু বহুতেই চিহ্মজ্ঞানে ব্যবহারকৃতি দেখা যায়, তােমারও কহিলেন, হে ভগব। তবে এই সৃষ্টি আগে ছিল না, সেইরূপ অভ্যাসবৃত্তি থাকিতে দোষ কি? রাম কহিলেন, এখন কোথা হইতে আসিল। ভাস্তিই বা কিরূপে হইল। ব্ৰহ্মন। আপনারা জীবমুক্ত, আপনাদের সমুদয় অগসূত্ৰম দূরীভূত তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন-“বাস্তবিক যখন কাৰ্য্য হইয়াছে, তথাপি এই অধ্যাত্মন্ত্রের উপদেশ দেওয়ায় এবং কারণ ভাৰ নাই, তখন ভাব বা অভাব নামে কোন পদাৰই নাই , পশরীর-প্রবেশাদি যারা অপরকে এবুদ্ধ করার কারণ কি, তবে এই যে জ্ঞান, জ্ঞেয় ও জাতা লক্ষিত হইতেছে, ইহা তাহা আমাকে বুঝাইয়া বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, উপদেশের সেই অক্সাই (জ্ঞানময় ব্রহ্মই)। রাম কহিলেন, “তাহা পত্র, উপদেশ ইত্যাদি সর্ববিধ ব্যবহারস্বরূপে ব্ৰহ্মই বন্ধে হইলে ত বিপরীত হইল, যিনিই দ্রষ্টা, তিনিই ধূ, চেতনরূপী অবস্থিতি করিতেছেন। যিনি বােধস্বরূপ হইয়াছে, ধাহার ঈশ্বর নিজেই জড় হইলেন। ইহা কি কখন সম্ভবপর হয়? কোনরূপ ভ্রান্তি নাই, তাহার বন্ধন বা মুক্তি কিছুই নাই, ইহা বহ্নি ত দাহকর্তা, কাষ্ঠ তাহার দাহ, ইহাই নিয়ম, কাষ্ঠ কোন নিশ্চয়। কাম কহিলেন, দেশ, কাল, ক্রিয়া, ভ্রব্য ইত্যাদি জেল রূগেই মাহকর্তা হইয়া বহ্নিকে দাহ করিয়া বন্ধ করিতে পারে না। যখন একান্তই অসম্ভব, তখন জগৎসা কোথা হইতে আসিল। বশিষ্ঠ কহিলেন-‘বাস্তবিক দ্রষ্টা দৃভাৰ প্রাপ্ত হয় না, কারণ বশিষ্ঠ কহিলেন, দেশ, কাল, ফ্রি, জ্যাদি তোমাদিগের দৃশ্যৰ বারেই সম্ভবপর নহে। কেবল দ্রষ্টাই প্রতিভাত অজ্ঞানেই জগৎসভা প্রতীতি হয়, অভিজ্ঞ জগৎসভা কখনই নাই। হইতেছেন সৰ্বশ্বরূপে; ইহাতে বৈপরীত্য ত কিছু দেখি না। রাম কহিলেন, হ্ম। কারণ না থাকায় বিত্ব একত্বও যখন ২১-২৫। রাম কহিলেন,—সৃষ্টির প্ররতে অনলকূত জগতের অস, খন বােধ্য-বােধক ভাৰও নাই; তবে অবােধকে বেশ প্রকাশ কোনরূপেই সিদ্ধ হয় না, সুতরাং বিশুদ্ধ চৈত তখন বলেন কিরূপে? বােধ ত আর অকর্মক হয় না। বশিষ্ঠ কহিলেন, জগৎকে চেত্যরূপে অনুভব করেন, ইহা অবই বলিতে হইবে, অবুজ ব্ৰহ্ম নিজের অবােধ অজ্ঞানক্ষয়-ফলের আগলে বােধের নতুবা হয়ে প্রতীতি হয় না, অতএব চেত্য অসম্ভব কিরূপে, কর্ম হইয়া থাকে (অর্থাৎ ব্ৰহ্মগত জ্ঞানই বােধ্য হয়) আহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, কারণ না থাকাতেই চেত সেই কারণেই বােধশক গৰ্মক হয়, ইহাত তােমাদের পকে; অসম্ভব পর হইয়াছে, চেত্য যখন চেন নাই তখন চেতন ব্রহ্ম আমাদের পক্ষে নই, কেননা আমরা জীবনূত, আমাদের জ্ঞান সর্বদাই মুক্ত ও অনির্বচনীয়। নাম যি করিলেন, আত্মদি নাই; তা আমাদের নিকট বােতে কর্ম নাই। যাৰ সদাই মুক্ত হন, তাহা হইলে এই ভাবাদি আবার কি কহিলেন, আমাদিগের পক্ষে নহে; এই কথা আৱা আপনা কোথা হইতে কিরূপেই বা ইহা উৎপন্ন হয়, জগতে আন জীমুক্ত হইলেও আপনালিগকে অহাৰ দেখাইলেন, সেই শাদি জ্ঞানই বা কিরুপে হয়? তাহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ ভাষকেও অজ্ঞানের কার্ধ লা যায় না, অতএব একবােও •• ২৪ নােগশউরায়। এভাবে পৰ্যসত হয়, ইহা স্পষ্ট দেখা যাইতেছে; কারণ পুৰ্ব্বাপর বিচারে সঁহার সু জগৎভাষনা কী হইয়াছে, সেই তখন বােধ জ্জি আর কিছুই থাকে না, এক্ষণে আমার সন্দেহ জীবন্মুক্ত বােগী অগৎকে কি প্রকার অন করেন। বশিষ্ঠ এই যে, আপনি অনন্ত নির্মল চিৎস্বরূপ, আপনাতে এ অহাৰ কহিলেন, যাহার ভাবনা বা বাদী হইয়াছে, সৈ একে কোথা হইতে আসিল। বশিষ্ঠ কহিলেন-“যােথরূপ আমা- গন্ধর্বনগরের আয় বাসেকে প্রতি আলেখ্য পটের কায় দের যে বােধ, তাহাকেই আমরা অনিলকে ধাের গায় - অসৎপে প্রতীয়মান দেখে। বাম জিজ্ঞাসিলেবাসনা তাৰ বলিয়া থাকি, আজ্ঞে ন্যায় অহঙ্কা-ভিমানে বলি না হইলে বাহৰস্তুর পিণ্ডকার জননিকৃত্ত হইলে অগংকে স্বপ্নের রাম কহিলে, গভীর জলথিমধ্যে যে ভাদি উখিত হয়, সেই স্যায় অসত্য বলিয়া ধারণা হইয়া গেলে সেই যােগীর অবস্থা অজাণি ওসলিল যেমন একই পদার্থ, জীবমুক্তদিগের বােধ ও কিরূপ হয়। বশিষ্ঠ কহিলেন-“ক্রমে তাহার সঙ্কল্পরূপ অগ- বােশ্য অহজাবাদি কি সেইরূপ একই পদার্থ? বশিষ্ঠ কহিলেন, বিয়ের বাসনাও ক্রমে বিলীন হইয়া যায়, তখন সেই যােগী একই পদার্থ বটে, ইহার সিদ্ধান্তও এই বটে, এইরূপ সিদ্ধান্তে বাসনা হইয়া টতি নির্বাণ প্রাপ্ত হইয়া যায়। রাম যদি উপনীত হও, তাহা হইলে তুর্কি যে বিত্বাদি-প্রসক্তি-নিবন্ধন কহিলেন—অনেক জন্ম হইতে সুভাবাপন্ন শাখা-পলবাজি অদ্বৈতহারূিপ দােষের আপত্তি করিয়াছিলে, তাহা আর থাকিবে শালিনী সংসাত্মবন্ধনকরী খাের বাসনা কিরূপে শান্ত হয়। না। তুমি এইরূপ জ্ঞানকে সুদৃঢ় করিয়া অনন্ত শান্ত পূর্ণ পরম -৩০। বশিষ্ঠ কহিলেন,-ভ্রান্তিময় এই দৃশ্যপঞ্চ যথার্থ পদে অবস্থান কর। রাম বিজ্ঞাসিলেন, ব্ৰহ্ম। এই বিশুদ্ধ পরমার্থ বজ্ঞানে মিথ্যা হইয়া গেলে প্রায় শেষ হওয়ায় অদ্বৈত পক্ষে যে অনিল শন্দের ন্যায় “তুমি”আমি” ভাব উথিত ক্রমে বাসনায় হইয়া থাকে। রাম কহিলেন হে মুনে। হয়, ইহার কল্পনাকারী ও ভােগকারীই বা কে? সেরূপ কল্পনা এই দৃশ্যচক্র ক্রমে পিণ্ডভাবমুক্ত হইয়া মিখ্যারূপে অতীত স্বীকার করিলে আবার অনন্ত অগত্ৰম প্রকাশিত হইয়া পড়ে, হইলে আর কি হয় ? তখন শান্তিই বা কি প্রকারে সঙ্গটিত বন্ধমােলকল্পনাও আসিয়া পড়ে। বশিষ্ঠ কহিলেন, জ্ঞেয়বস্তু হয় ? তাহা বলুন। বশষ্ঠ কহিলেন, জগতের সত্যতাম শান্ত সত্য বলিয়া ধারণা করিলেই আবার বন্ধন-প্রসক্তি হইয়া পড়ে , হইয়া ক্রমে চিত্রে পরিণত হইলে যােগীর সংসারের প্রতি আর কিন্তু অজ্ঞানীর নিকট জ্ঞেয় ত সত্য নহে, অজ্ঞান দ্বারা থাকে না। রাম কহিলেন, বালকের সঙ্কল্পরূপ অবিনশ্বর এই বাধিত হওয়ায় তাহা অসত্য বলিয়াই বােধ হয়, প্রাররে সম্পূর্ণ জগতেই আস্থাই বা কি, আর তাহার শান্তিই বা কি? আর সেই রূপে ক্ষ না হওয়ায় একমাত্র বােথই তাহাদের সর্ব পদার্থাকারে আস্থাই যদি দুঃখের কারণ হয়, তাহা হইলে, অস্থিসঙ্ক- প্রতিভাত হয় , জাং তাহাদের বন্ধু মােক আবার কি? রাম বালক দুঃখ অনুভব করে কেন? তাহার ত কোন বিষয়ে আস্থা কহিলেন, তাঁহাদের জ্ঞান কিরূপ সৰ্বৰস্তুরূপে প্রতিভাত হইবে? জন্মে নাই। বশিষ্ঠ কহিলেন, যাহা সঙ্কমাত্রে সম্পন্ন হয়, যেমন দীপালােক নীলপীতাদি বর্ণ প্রত্যক্ষ হয়, সেইরূপ তাহা- তাহা নষ্ট হইলে দুঃখ হইবে কেন? বিচার করিয়া দেখিলে ত সে জানতে বা টপটাদি প্রকাশিত হয় মাত্র , অতএব দুঃখ না হইবারই কথা। বালক বিচার করিতে জানে না বলিয়াই প্রত্যকালি-প্রমাণসি বাহুবহু তাঁহাদের জ্ঞানবলে ত সত্যই দুখ পায়, অতএব সঙ্কজই চিত্ত, ইহা তুমি বিচার করিয়া হইবে, আপনি তাহার অপলাপ করিকেন কিরূপে? বশিষ্ঠ দেখ । রাম কহিলেন,—“ভগব । চিত্ত কি প্রকার, কি কহিলেন—বিনা কারণে উৎপন্ন বাহু বহুরূপ কাৰ্যেৰ যে উপায়েই বা তাহার বিচার হয়। আর সে বিচারে কি হয়, সভ্যতা, হাত ভ্রান্তি, তাহা ও হথার্থ নহে; সেই ভ্রান্তির অহা আমাকে বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, চিতির যে চেতােম্মুখী মূীভূত অজ্ঞান জ্ঞানীদিগের নাই, সুতরাং তাঁহাদের নিকট ভাং, তাহাকেই চিত্ত বলে, আমার নিকটে যাহা শুনিতেছে, তাহা অসত্যরূপেই এজত হইৰে। রাম কহিলেন, স্বল্প ইহাই ইহার বিচার, এই বিচারে বাসনাক্ষর হয়। খ সত্যই হউক, আর অসত্যই হউক; তৎকালে(দর্শনকালে) কহিলেন, ব্ৰহ্ম। চিত্তের জীবদ্দশায় চিত্তের নিরােগসাধ্য যে ত দুখ প্রদান করে, সেইরূপ এই অগভম সত্যই হউক চিতির অচেতভাবে উন্মুখীভাব, তাহা কতদিন স্থায়ী হয় ? আর মিখাই হউক; ইহার দুঃখগানশক্তি যাইবে কোথায় ? চিত্তে নির্বাপকারী এচিভাবই বা কিরূপে উৎপন্ন হয় ? ইহার দুখায়িকা শক্তি লােপ কি উপায়ে হয়, তাহা বলুন। অর্থাৎ চিত্তনশ কিরূপে হয়? তাহা বলুন। বশিষ্ঠ কহিলেন, বশিষ্ঠ কহিলেন-এইই বটে, গল্প ও জগৎ একরুপই বটে, চেত একেবারে সম্ভবপরই নয়, চিৎ কি অন্য কাহার অনুভব ইয়াকে পূর্বাপর ত একটা ঘটনা বলিয়া—অর্থাৎ পিণ্ডাকারে করিবেন? এ চেত্য যখন নাই, তখন চিত্তও নাই। রাম বােধ কাই ভ্রান্তি, অন আ সেই ভ্রান্তি নিবারণ করিতে কহিলেন, বাহা অনুভূত হইতেছে, সেই চেত্যকে আপনি পারিলেই সর্বপ্রকার দুঃখের শক্তি হয়। রাম কহিলেন, সন্তৰ বলিলেন কিরূপে? সুবে আপনি অপলাপ করেন এইরূপ হইলে , ভাল আর কি হইল? গালি কালে কি একাৰে? ৬১-৭। বশিষ্ঠ কহিলেন, তুমি যে অনুভবে প্রতীয়মান বগুসমূহের পিওরূপ (সত একটা বর্ণ ঘটনা কথা বলিলে, তাহা ত অজ্ঞ ব্যক্তি, অ ব্যক্তির অনুভূত বলিয়া জ্ঞান) কিরুলেই বনিবৃত হয়? তাহা আমাকে বলুন। এগৎকে আমরা সত্য বলি না' অবজ্ঞানীর বাহাবি, সেই ঠি কহিলেন, পূর্বাপর বিচার কৱিষা দেখিলে পদার্থসমূহের যে নাখ অথয় ৰূপাই সত্য। রাম কহিলেন, অষ্ট ব্যক্তির লিভাৰাং টার পূর্বাপরসতি ও জনিত সত্যতা নিকটে এই ব্রিজগৎ কি একা ? তাহা সত্যই বা হয় না গল, তাহা নিবৃত্তি হইয়া যায়। এইরুপ পূর্বাপর বিচার কেন? তত্ত্বজ্ঞানীর নিকটে জগৎ যেরূপ প্রভীত হয়, তাহা কি করাতেই স্বপ্নারে ফু মাতি হয়—এখাৎ বুব্ধ হইলেই কথায় প্রকাশ করিতে পারা যায় না। বশিষ্ঠ কহিলেন, মিথ এশিয়া বাে হয়। ১৫। রাম জিজ্ঞাসিলেন, দেশকালপৰিচ্ছি যতগত পরিচ্ছযুক্ত আৎ অজ্ঞ ব্যক্তির = नशाण-शव-माणमा নিকটেই প্রতীত হয়, যিনি না, তাঁহার নিকটে তাহা দেখিলে বুনিতে পারিবে জগৎ আদৌ উৎপন্ন নহে। বাহা এলে নহে, তাহার নিকটে জগৎ একেৰামে মূলেই উৎপন্ন নহে। উৎপা নহে, তাহা কল্পনা করিয়া জাতিৰ স্বীকার করিবার রাম জিজ্ঞাসা করিলেন, যাহা মূলেই উৎপন্ন নহে, আহা আৰক কি? অতএব এ এর শান্ত এ ব্ৰহ্মই সৰ, কখনই সম্ভবপর হইতে পারে না, যাহা অসভ্য, যাহা প্রকাশ আর কিছুই নাই। ঘাম কহিলেন,—ৰে বােধ হয়, জ্ব নাই, তাহা অনুভূত হইবে কেন ? বশিষ্ট কহিলেন, এই জগৎ ভােতৃত্ব সহিত এই যে এপ, পরমগনে ইহা কাকতালীয় জাগ্ৰদ্দশায় স্বপ্নের ব্যায়, কারণ অনুৎপন্ন অসৎ হইলেও উৎ. গা ভ্রান্তি। বশিষ্ঠ কছিলেন,ত্রিবিধ দৃষ্টি প্রসিদ্ধ, অজ্ঞ পন্ন ও সর্বদা প্রতিভাত ও কার্যকারী বলিয়া অনুভূত হইতেছে। সাধারণের সৃষ্টি, ঘূক্তিদৃষ্টি আর অদৃষ্টি, তন্মধ্যে সাধাৰণ সৃষ্টির গ্রাম কহিলেন—“স্বপ্নাদি ও কানাদি মূলে যে কৃত অনুভূত হয়, কথা উল্লেখযােগ্য নহে, যৌক্তিককৃষ্টি ও দৃষ্টিই উল্লেখযােগ্য, আমার বােধ হয়, তাহা গ্রৎ-ব্যবহারের অভাবে জাগ্ৰৎ সংস্কা- অধ্যে যৌক্তিকদৃষ্টি যাহা বস কবিদিগের অভিনব সূক্ষ্মদৃষ্টি রেই হইয়া থাকে। বশিষ্ঠ করিলেন,—“হে রাব। স্বপ্নে, আর দৃষ্টি ভৰি পণ্ডিতগণের পরমার্থবিৰিণ যে দৃষ্টি , এই সঙ্কঙ্গে ও মনোরালে যে দৃশ্য অনুভব হয়, তাহা কি জাগ্ৰপ, দৃষ্টি অবলম্বন করিয়া আমি তােমার নিকটে কিয় এই না অন্য কোন প্রকার অর্থাৎ স্বপ্নে সংস্কার বশঃ যে দৃষ্যনুভব, অবিল বিশ্ব বর্ণন করিলাম ; ঐ দৃষ্টি ও খৃষ্টা কালয়েই আহা কি আগ্রন্দনায় প্রসিদ্ধ যে দৃশ্য, তাহাই অনুভূত হয় না নাই বলিয়া এভীতি না হয়, জগঞ্জে শয়তাও ভ্রান্তি ও না অন্য কোন প্রকার ? ইহা আমাকে বল।” রাম কহিলেন,স্বপ্নে সিদ্ধাভিত হইয়াছে, নিত্য এত্য পরমপদে বিভ্রান্তিও যে ও কল্পনালি মনোরাজ্যে বা ভ্রান্তিতে জাগ্ৰপ্ৰসিদ্ধ যে অর্থ, পৰ্যন্ত না হইয়াছে (এক্ষণে বােধ হয় আর কিছুই বলির তাহাই সংস্কাররূপে প্রতীয়মান হয়। বশিষ্ঠ কহিলেন,-জাগ্রই নাই)। ৮৬-৮৯। যদি সংস্কারবশতঃ স্বরূপে প্রতিভাত হয়, তাহা হইলে স্বপ্নে নত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৯০। দেখিলে তােমার গৃহ ভন্ন হইয়াছে, অথচ প্রাকালে উঠিয়া তাহা অভয় দেখ কেন ? রাম কহিলেন প্রভাে। আপ- নার উপদেশে এই বুঝিলাম যে, স্বপ্নে যাহা প্রতিভাত হয়, তাহা জাগ্রন্থ নহে, পরব্রহ্মই স্বপ্নে দৃশ্যরূপে প্রতিভাত হন, তথাপি একনবত্যধিকততম সর্গ। আমার এখনও সন্দেহ হইতেছে যে, স্বপ্নে পরব্রহ্ম কি অপুর্ব রাম কহিলেন,—নির। এইরূপ জগৎ যদি পরমাত্মমন্বই এক জগৎ দৃশ্যরূপে প্রতিভাত হন, না জাতের মত হন? হয়, তবে ইহাত সর্বদাই সৰ্বভাৰস্বরূপ , ইহার উদয় বা অন্য ৭১-৮। বশিষ্ঠ কহিলেন,-স্বপ্নে পরব্রহ্ম অপূৰ্ব্ববৎ প্রতি কিছুই নাই, যৌক্তিক দৃষ্টিতে ভ্রান্তিই জগলাকারে প্রতিভাত ভাত হইবে, ইহাই নিয়ম নহে, তবে যেখানে অননুছত বহু বলি বোধ হয়, অদৃষ্টিতে তাহাও বােধ হয় না, তত্ত্ব দৃষ্টিতে অনুভূত হয়, সেইখানে অপূর্ব বলিয়া বোধ হয়, যেখানে পূর্বানু কেবল ব্ৰহ্মসত্তাই দেদীপ্যমান। বশিষ্ঠ বলিলেন,-“ব্ৰহ্ম কাক ভূত বিষয় অনুভূত হয়, সেখানে আর অপূর্ব বলিয়া বােৰ হয় না, তালীয়ায়ে আপনাতে আপনিই নেন বিকাশ প্রাপ্ত হন; সেই ঐ অনুভৰ সৃষ্টির আদি, মধ্য অবসান পৰ্যন্ত যে যে আকারে বিকাশ হইতে অনির্বচনীয় অবিদ্যাৰণে জীবভাবাপন্ন হইয়া ঐ অত্যন্ত করিবে, তত্তাকারেই প্রতিভাত হইবে। ঐ অনুভব যদি ব্ৰহ্ম আপনাকেই জগপে অনুভব করেন। রাম কহিলেন, ব্ৰহ্মাকারে অভ্যস্ত করিতে পার, তাহা হইলে উহা ব্রহ্মরূপেই “মহাপ্রলয়কালে, সৃষ্টির পূর্বে বা মােসময়ে বিগবিভাগরূপ প্রতিভাত হইবে। বাম কহিলেন, হে ব্ৰক্ষণ। এক্ষণে আপ অবলম্বনব্যতিরেকে দীপপ্ৰভাৱ প্ৰকাশ কিরূপে হইতে পারে, নার উপদেশ বুঝিলাম যে, জাগং জগৎও স্বল্পৰূপে প্রতিভাত তাহা আপনিই বলুন দেখি? অবলম্বন ব্যতিরেকে দীপাদি প্রভার হয়। তথাপি এই জগৎ-য অতীব ভীষণ দুষ্টগ্রহের স্থায় যন্ত্রণ- বিকাশ যেমন অসম্ভব, সেইরূপ চিত্মার সত্তা অসম্ভব বলিয়া দায়ক; কিরুপে ইহার চিকিৎসা করা যায়, তাহা বলুন। বশিষ্ট অতি জর্ঘ্য বােধ হই।ে বশিষ্ঠ কহিলেন,—“রাম। ইহা কহিলেন-এই যে সংসার-স্বপ্ন, ইহার কারণ কি? সংসার- অতি আশ্চর্য্য বটে; তুমি একবার ভালরূপে বিচার করিয়া স্বপ্নকে কাৰ্য বলিলে ইহার কারণ অবশ্যই ইহাতে সংলগ্ন খাকিবে, দেখ, অসম্ভব মনে করিও না, সূৰ্য্যাবিপ্রভা যেমন অন্ধকার- কীৰ্য হইতে কারণ ভিন্ন নহে, ইহা তুমি জান , এক্ষণে বিচার সময়ে আপনা আপনিই আপনাতে প্রকাশ পায়, সেইরূপ এই করিয়া দেখ, ইহার কারণ কি। রাম কহিলেন—চিন্তই স্বপ্ন- চিতি এল আপনা আপনিই প্রকাশ পাইতেছে। সূৰ্যাদির শনের হেতু, সেই চিত্তই বিশ্বকারে প্রতীয়মান হয়। বিচার- এভাও অবলম্বন ব্যতিরেকেই প্রকাশ পায়, অৰে বােধ হয় বটে দৃষ্টিতে বুঝিতেছি, সেই চিতই অনাদি অনন্ত অনাময় ব্রহ্ম। ভিত্তি অবলম্বন পাইয়াই প্রকাশ প্রাপ্ত, বহু হা নহে। বশিষ্ঠ কহিলেন,-“হে মহামতে। তুমি যাহা বুকিয়াছ, তাহা পর ভিত্তি ও জলীয় প্রভা অপ্ৰকাশৰলেই সম্পন্ন হয়। ভিক্তি- ঠিক, চিত্তই যে মগচৈ, তাহার কোন সন্দেহ নাই, তবে প্রকাশও তাহার স্বপ্ৰকাশৰলেই হইয়া থাকে। যখন ভিত্তা- স্বখানি অন্য কিছুই নাই। ৮৬৮৫। রাম কহিলেন-স্বপ্নাদি দি সহিক সম্বন্ধের পুর্বেও আকাশে সূৰ্যপ্রভার বিকাশ হয়, অত কিছুই একেবারে নাই বলিবার একক কি? বুক ও সেইরূপ সৃষ্টির পূর্বে বা এলরে এই বক্তা শ্রোতা আত্মাকে অলীয় শাখা যেমন এক হইলেও জালিভাবে ভিন্ন, সেইরূপ নিবিৰঞ্জপে বনি করিও। ফলতঃ দ্রষ্টা কিছুই নাই, আছেন পরব্রহ্ম ও জগদি সমষ্টি ও চিত্ত ও স্বপ্নাদি বহুগা এক কেলমাত্র অষয় । সেই ব্ৰহ্মচেতনের এ আপনিই হইলেও বাজিভাবে জি ইহা বলিলে মােৰ কি। বশিষ্ট ভিৰি এৰলম্বন করিয়া আপনিই প্রকাশ পায়। খালিতে যেমন কহিলেন—এইরূপ কল্পনা সম্ভবপর নহে; কারণ বিবেচনা করিয়া চিএভাবই অষ্টা ও দৃশ্যরূপে প্রতিভাত হয়, সেইরূপ একমাত্র যােবা। - চৈতভাই -পে আপনা আপনিই বিরাজ করেন। । এভাৰকা এই নির্য পরমাকাই আমার নিকট অতএব সৃষ্টির পূর্কে চিৎ প্রতিভাত হইয়া থাকেন, তাহার পরে অনিৰ্মল হইয়া এই মৈত, এই শােকনি, এই পর্বতসমূহ বলিয়া তিনিই সৃষ্টির মত হইয়া প্রতিভাত হন। স্বয়ং প্রকাশ চৈ প্রতীয়মান হইয়াছিল। কি সৃষ্টি, কি পালাক, কি স্বপ্ন, সৃষ্টিসময়ে নিজেই একা (জপ) ও একাণ উক্তরূপে প্রকাশ সর্বত্রই চিৎই চেত্যৎ এতিভাত হন; মুলাৎ ইহাতে পান। সৃষ্টি প্রারম্ভে চিং একাই চেতা, চেতয়িতা ও চেতনরূপ বাস্তব বুদ্ধি কোথা হইতে হইবে । আমি স্বর্গে বা হইয়া সৃষ্টিরূপে প্রতিভাত হন। এই চিত্রি স্বভাবই এই ৫, নরকে রহিয়াছি” ইত্যাকার বুদ্ধি হইলে পুরুষের স্বর্গে বাসজনিত সং প্রতিভাত হয়। স্বপ্ন বা সঙ্কলনগরে ইহা স্পষ্টই অনুনুত সুখ, নরকবন্ধন-শেও এমনি সঙ্গেই অনুভূত হইয়া থাকে। হয়। এই চিৎপ্রভা প্রথমে উদিত হইয়া এইরূপেই প্রকাশ কারণ, মাত্রেই নয়, যেরূপ জ্ঞান হইবে, দৃশ্যও ঠিক তা- পায়। ১-১১। এই যে জগৎ প্রতিভাত হইতেছে, ইহা আর রূপ হইবে। দৃশ্য কিছুই নাই, কেহই নাই, অগৎ৩ কিছুই কিছুই নহে, আকাশপিণী চিং আকাশেই প্রকাশ পাইতেছেন নাই, জাগ্রৎ-স্বপ্নাদিসিদ্ধ যাহা কিছু, তৎসমন্তই অসং। হে সেই চিতির সৃষ্টিরূপে বিকাশই সৃষ্টি, তাঁহার পুষ্টিরূপে বিকাশের মুনে। যদি আলােচনা করা যায় যে, এই ভ্রান্তি কোথা হইতে আদিও নাই, অন্তও নাই, চিরকালই হইয়া আসিতেছে। আসিল, তাহা হইলে ভ্রান্তির অভাবই অনুভূত হইবে (অর্থাৎ যাহারা অজ্ঞ, তাহাদিগেরই ইহা আশ্চর্য বলিয়া বােধ ভ্রান্তি যে একেবারেই নাই, তাহাই বােধ হইবে, দৃপ্রপঞ্চ একে হয়, আমাদের ইহা স্বভাবের উপর দাঁড়াইয়া গিয়াছে। ভাস্ক- বারে অস্তিত্ব হইয়া পড়িবে। নির্বিকার পরমপদ ভ্রান্তি ভাসকঙ্গন রূঢ় হইয়া গেলে তত্ত্বানুসন্ধানে শীঘ্রই বিনষ্ট হয়। একেবারেই সম্ভবপর নয়। তবে এই যে ভাভিজ্ঞান, ইহা জ্ঞানই সৃষ্টির পূর্বে ভা (প্রকাশ্য) বা ভাসক (প্রকাশক কিছুই মাত্র। ফলে কিছুই নয়। অন্তরাল অনাদি অনন্ত আকাশে, ছিল না। অন্ধকার রাত্রিতে স্থাণুতে (মুড়া গাছ) যেমন পুরুষ পর্বতমথ্যে বা নির্বিকার পরমপদে অন্যবিধ কল্পনা কোথা হইতেই বলিয়া এম হয়, সেইরূপ আত্মায় দ্বৈতের ভান হয় বলিয়া বা আসিবে? স্বপ্নে আপনার মৃত্যু অনুভবের স্যায় ভ্রম অনুভব চিতেও দ্বৈততান হয়। কলতঃ সৃষ্টির পূর্বে ভাগও নাই, একেবারে মিথ্যা , আর যে পরতকর অনন, ইহা দর্শন হইলেই ভাসকও নাই, কারণ নাই বলিয়া দ্বৈতও নাই। কেবল শান্ত হইয়া যায়। ১—১২। মরীচিকা-সলিল, গন্ধর্বনগর, চক্ষুর চিদাকানে দ্বৈতভানের বাস্তবিক কি কারণ থাকিবে বল দেখি? দােষে প্রতীয়মান চযুগল এবং এই বিদ্যাভ্রম ইহা বিচার করিয়া বা পদার্থ সৃষ্টি একেবারে নাই; চিংই এইরূপে প্রকাশ দেখিলে পাওয়া যায় না। বালকের নিকট যেমন যেতাশভ্রম হয়, পাইতেছেন। এই যে জগদান, ইহ, জাগ্রৎ, না সুষুপ্তি, না, সেইরুপ এই অগভ্রান্তি জাগ্ৰদ্দশায় প্রত্যক্ষ হইলেও ইহাকে স্বপ্ন, ফল কথা কিছুই নয়, দৃশ্য একেবারে সেই অসম্ভব কেবল যথার্থ বলা যাইতে পারে না। এই ভ্রান্তি বিচার বশতই সত্য ব্ৰহ্মই প্রতিভাত হইতেছেন। সৃষ্টির পূর্বে চিলাকাল এইরূপেই বলিয়া রূঢ় হইয়া যায়, কিন্তু বিচার করলেই শান্ত হইয়া যায়। দেদীপ্যমান থাকেন। ১২-১৮। আপনার শরীরকেই তিনি হে মুনে। এই ভ্রান্তি কেন হইল, এইরূপ প্রশ্ন সঙ্গত হয় না, জগৎ বলিয়া জানেন, ফলতঃ তাহা অগং নহে। সৃষ্টির পূর্বে কারণ, বিচার করিয়া দেখিবার জন্যই এ প্রশ্ন, কিন্তু সে প্রশ্ন মাত্র চিদাকাশই বিদ্যমান থাকেন। এই যে অগং প্রতিভাত এখানে নিষ্প্রয়োজন, এই ভক্তির মূলীভূত অজ্ঞান ও বিচার হইতেছে, ইহা আকাশের তার স্থায় জানিবে। আমার এই করিয়া দেখা যায় না, কারণ তাহা অসং, বিচার দ্বারা অসতের ত উপদেশ অনুসারে পরম তত্ব অবগত হইয়া, ক্রমে এই তত্ব লাভ হয় না, সতেই বিচারে নির্ণয় হইয়া থাকে। প্রামাণিক মুফু ও অনায়াসে অনুভূয়মান হইলে, বিকল্পবিহীন ও পাষাণের বিচারে দেখিতে গােল যাহা পাওয়া যায় না, সেই জগতে মূলীভূত জায় নিলভাব নির্বিকল্প সমাধিতে মগ্ন হইয়া থাকিবে, অজ্ঞান ই এবং সেই অজ্ঞানের অনুভবও ভ্রান্তি বলিতে অজ্ঞ লােকে যাহা পুনঃপুনঃ ভােগ করিয়া বৈরাগ্যের উদয় হইলে হইৰে। প্ৰমাণ প্রদর্শনপূর্বক বিচারে যাহা নাই বলিয়া সিদ্ধান্ত পরিত্যাগ করে, দুষ্ট লােকের পরামর্শে সেই বায়ে বিষয়াল হইয়া গিয়াছে, সেই আকাশকুসুম ও শৃঙ্গের সহিত তুলনীয় গ্রহণ করা উচিত নয়। ১৯—২১। অজ্ঞান কিরূপেলভ্য হইবে, বলুন। চারিদিকে অনুসন্ধান করি। একনৰত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৯১। দেখিয়াও ধাহাকে কুত্রাপি পাওয়া যায় না, সেই ব্যাপ - বের অস্তিত্ব আবার কি প্রকার ? অতএব ভ্রান্তি কখনই কোপে সবে না, আবরণ বিজ্ঞানধন্য এই অনন্ত আত্মাই কেবল বিরাজমান রহিয়াছেন। আজ আমি এগং নামে যাহা কিছু নিত্যধিকততম সগ। এভিভাত দেখিতেছি, ইহা সেই পর। নিবনিরি আপ রাম কহিলেন,-“কি আশ্চৰ্য। এতকাল আমি আত না সেই পরব্রহ্মে কেবল পূর্ণঝই অস্থিতি করিতেছে। ইহাতে জানিতে পারিয়া কেবলসংসারকাশে ঘুরিয়া বেড়াইছি। কখনই কিছুই প্রতিভাত হয় না। এই শত স্বচ্ছ এই এক্ষণে আত্মত্ব অবগত হইয়াছি; এখলে আয় আমার গভম মতে আকারে প্রতিজ্ঞাত হইলেন। এতে আমি অপরের নই, পুর্বেও ছিল না, এ জম পয়েও আর কখনও হইবে না। এ সুধীগণসেৰিত নিৰয় বিশুদ্ধ আর সলৰিকাণ সেই এসে আমার নিকট সব শান্ত; এলন একমাত্র বিজ্ঞানই পৱত্ৰহ্মই হইয়াছি; মা হব বিদূরিত হইয়াছে।১৩-২২। কেবল পরিণিত হইয়াছে। মনাকনা কেবল মাত্র লিখিতভমসর্প দপ্ত। অনন্ত চিকাশই পরিশেষ হইয়াছে কি না। জানাতেই এই পাশেই শর নিকট সার বলিয়া প্রতীয়মান হই নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরভাগ নিখিল বাহু বও আমার নিকটে অস্তমিত হইয়াছে। যেখানে ত্রিনবত্যধিকশততম শর্গ । উদশকের নামও নাই, সেই প্রকাশ বােধ এসে আমার উদিত হইয়াছে। ১৩-১৭। কাম কহিলেন-আদি-অন্ত-শ্য বিহীন যে পরম পদকে নিত্যধিকততম সর্গ সমাপ্ত। ১৯৩। কি দেবগণ, কি ঋষিগণকেহই অবগত নহেন, সেই পরম পদ আমার সমক্ষে প্রতিভাত হইতেছে। এখন জগৎ কোথায়? সব গিয়াছে। এক্ষণে আমাদের দ্বৈত অদ্বৈতের ভেদ লইয়া বা বিতণ্ডার কিছু প্রয়োজন নাই, আমার সব সন্দেহ দূর হইয়াছে। চতুনত্যধিক সর্গ। এক্ষণে আদি এনাময় শান্তিময় রূপ আমার পরিস্ফুট হইয়াছে। রাম কহিলেন,প্রকাণ চিত্র নিখিল জীবের নিখিল আকাশে যেমন কেশগুচ্ছ, গন্ধর্বনগয়াদির ভান হয়, চিলাকাশে মনােবৃত্তিতে যখন যে ভাবে বিবর্তিত হন, নিলেই তাহা সেই বিশাল ত্রিজগদাকাশের ভানও ঠিক সেইরূপ হইতেছে। ভাবে অনুভব করেন। অনন্ত ব্ৰহ্মাণ্ড একমাত্র পরম ব্রহ্ম- আকাশে যেমন আকাশ, পাষাণে যেমন পাষাণাত্ব, জলে যেমন স্বভাবেই সম্মিলিত হইয়া রহিয়াছে। যেমন, বিবিধ সত্বের কির। জলত্ব, চিলাকাশেও সেইরূপ অগত্ব রহিয়াছে। অহাৰাদি এক গৃহের মধ্যে অসঙ্কীর্ণভাবে অবস্থিতি করে, সেইরূপে এই দৃশ্য-জগৎপ্রপঞ্চ দিগন্ত গগনব্যাপী হইলেও ইহাকে মহাচৈতন্যের ব্ৰহ্মাণ্ড-সকল পরমব্রহ্মে অসঙ্কীর্ণভাবেই বিরাজ করিতেছে। মধ্যেই জানা উচিৎ, ইহা অসংখ্যেয় রূপে বিস্তৃত হইলেও ইহা জগৎসমূহ পরােক্ষ (দেশকাল ব্যবধান থাকায়) ও অনােক শভাবে উদিত আকাশ। যাহার উদয়ের পরিধি নাই, সেই (সন্নিহিত থাকা) ভাবে পরমাত্মায় বিবিধ রত্নরাজির কিরণপক্ষের পরম ব্ৰহ্ম দৃষ্টমাত্রেই জীবের সংসারপিশাচ অহিত হয়। তখন স্যার অবাধে প্রবেশ করিয়া সঞ্চরণ করিতেছে। প্রদীপের গায় জীব ব্যবহায়দশায় অবস্থান করত জড় হইয়া থাকিলে ও অজড প্রজ্বলিত বিবিধ সৃষ্টির মধ্যে কোন সৃষ্টিতে জীবসমূহের অনুভব (জ্ঞানময়) হইয়া যায়, জলে তরঙ্গের ন্যায় ভেদাল তিরােহিত পরস্পর সমান হইতেছে ,কোন সৃষ্টিতে বা তাহা হইতেছে না । হইয়া যায়। ত্ৰিতাপদাষী অজ্ঞান সূর্য অস্তমিত হইলে সঙ্গে আবর্তের ক্রমি সাগরের প্রক্যেক সলিলবিন্দুতে যেমন বস সঙ্গে সংসারদিবারও অবসান হয় , মােক সুখ বিভ্রান্তিরূপ আছে, সেইরূপ প্রত্যেক সৃষ্টির প্রত্যেক পরমাণুতে আবার সৃষ্টি রজনী আসিয়া উপস্থিত হয়। তখন জীব পরমতত্ব অবগত রহিয়াছে। সলিলপরমাণুর মধ্যে রসের ন্যায় চিখন ব্রহ্মে হওয়ায় ভাব-অভাবরূপ কাৰ্য, জ, অরা, নৃত্য ও ব্যবহার সর্বাঙ্গে কত রে জুষ্টি রহিয়াছে, কে তাহা সংখ্যা করিয়া উঠিতে দশাতে থাকিলেও থাকে না। ১১। তখন বোধ হয়, অবিদ্যাই পারে অঙ্গীর অস্থিত্ব যেমন কুত্রাপিই যজী হইতে জি ভ্রান্তি, সুখদুঃখ কিছুই নাই, বিদ্যা বা অবিদ্যায় বাহা সুখ, ব্যবহার হয় না, সেইরূপ ব্ৰহ্ম ও সৃষ্টি এই শব্দভেন ব্যতীত প্রকৃত পক্ষে তাহা সুখ নহে, দুঃখ। একমাত্র নির্মল ব্রহ্মই সুখ- পর ব্রহ্ম ও সৃষ্টিতে আর্থিক কোন প্রকার ভেদ (পার্থক্য ) স্বরূপ। এক্ষণে নিৰ্ম্মল সং ব্ৰহ্ম পরিজ্জত হইয়াছি , এক্ষণে বেশ নাই। এক আত্মারই মায়ায় অনন্তরূপ এই জগতের অধিষ্ঠানভূত বােধ হইতেছে যে, আমাদের অজ্ঞাত ব্রহ্মের কিছুই নাই। যে ব্রহ্ম, তাছায় অন্তও নাই, উফয়ও নাই। সূর্যের কিরণ আমি এক্ষণে প্রবুদ্ধ হইয়াছি, আমার সমস্ত কুদৃষ্টি তিরােহিত টসটাদি প্রকাশ করিলেও যেমন তাহার প্রকাশের কর্তা নহে, হইয়াছে। সেই আমি এক্ষণে জগতকে শান্ত স্বরূপ সেইরূপ এই চিতি এই অখণ্ড জ্ঞেয়ব সৃষ্টি কৰিলেও তাহার বৈষম্যবিবর্জিত আকাশরূপে গর্শন করিতেছি। ১০-১২। কানহে-অর্থাৎ অকর্তা থাকিয়াই ইহা করেন। অজ্ঞান বেক্ষণ হইতে আমার সমাগৃজ্ঞান হইয়াছে, সেক্ষণ হইতে দ্বারা নিখিলভাবের বাধ হইলে পরব্রহ্ম যখন নিজে দেহাদির আমার নিকটে এই জগঃ কেবল ব্ৰহ্মরূপে প্রতিভাত হইতেছে প্রতি তদাত্মাখ্যাস হইতে মুক্ত হন, তখন তাহার যে নির্মল যত দিল আমি আত্মজ্ঞান লাভ করিতে পারি নাই, ততদিন স্বরূপ অৰষ্টি থাকে, তাহাকেই সমাধান বা নির্বাণ বলে। আমি অন্যপ্রকার ছিলাম, এক্ষণে আত্মজ্ঞান লাভ করায় আমি- ১-১০। যদি বলেন, ঐ অবশিষ্ট ব্ৰহ্মস্বরূপ পরম পুরুষার্থ হয় আমি যে ব্রহ্মরূপ, তাহা বুঝিতে পারিয়াছি। যেমন একমাত্র কিরূপে? যাহা বুঝিতে অনুভূয়মান, তাহাকেই পুরুষার্থ বলা আকাশই শুত্ব ও নীলত্ব ও একরূপে অবস্থিত হয়, সেইরূপ যাইতে পারে, যাহার অনুভব হয় না, তাহাকে পুরুষার্থ বলি একমাত্র অলর ব্রহ্মই আমার নিকট জ্ঞান-জ্ঞান-প্রভৃতি সর্ব- কি প্রকারে, ইহার উত্তরে বলি, যে বােপকে পম পুরুষাঙ্গ রূপে প্রতিভাত হইতেছেন; অথচ ইহাতে ইহার স্বরূপাতিরিক্ত বলিয়া জানিয়াছি, তাহা চরম সাক্ষাৎকারক্তি-বুদ্ধি আর জ্ঞানাঙ্গনের বিকাশ নাই। আমি এক্ষণে নিৰ্মাণস্বরূপ লাভ বুদ্ধ হইতে পারে না, কারণ সে সাক্ষাৎকারবৃত্তি এড়; তাহার করিয়া নিঃশঙ্ক নিরীহ হই পরম সুখে অবদিতি করিতেছি, বােধশক্তি নাই; আর এক কথা, বােথ কিছু বুরি বিষয় এক্ষণে যথান্বিত নিত্য অনন্তরূপে অবস্থিতি করিতেছি; প্রবুদ্ধ হইতে পারে না। তবে যদি বলেন, নিদ্রিত রাজাকে বন্দির হইয়াছি, সুতরাং এক্ষণে আমার ব্রহ্মরূপে অবস্থিত হইবার যেরূপে প্রবৃদ্ধ করে, সেই বােধশক্তিমান পরমাত্মাকে প্রবুদ্ধ বাধা কি? আমি সর্বদাই সর্বশ্বরূপ অথবা আমি অতি করুক না কেন? হাতে কি, বােধের ত বুনিনাই যে, তাকে আমাতে কিছুই নাই; আমি একমাত্র ব্রহ্মরূপেই অবস্থিত বুদ্ধ কৰি; আমাকে হাকে পরমপুর্থ পরমাত্মা বলি, তিনি অথবা আমি কুত্রাণি নাই; এহে। আবার নির্বাণাৰক ৷ং গেস্বরূপ; তিনি যেহেয় কর্ম হইতে পারেন না। কারণ অত্যাশ্চর্য শক্তিলাভ হইয়াছে। এক্ষণে আমি বাহা প্রাপ্য, তিনি বিক্রি নির্বিকার। আত্মা স্বয়ংই বােধরূপ, তিনি তাহা পাইয়াছি; অপরে যাহা পায় নাই; তাহাও পাইয়াছি; এচ্ছি থাকি বৎ হইলে ঐ জৰিকাৰ এখানে ৩ লােগণিত-মায়ণ এবুদ্ধ হইয়া মধ্যাহেদৌ আপের ব্যায় স্বয়ংই প্রকাশমান হন। কিছুই হয় না। এই যে দৃশ্য দেখা যাইতেছে, সমস্তই সেই শান্ত তাঁহার সেই নিয়তিশয় আনন্দস্বরুপের অভিব্যক্তি পরম পুরুষ। শিব, অন্তরে ঈশ ভাবনার উদয় হইলে আবার ভাতি কি? খাহারা জ্ঞানলাভ করিয়া ঐহিক পারত্রিক কর্মফলে বিফ জাগরিত হইলে স্বপ্নদৃষ্ট বিয়ের প্রতি কেন আস্থা থাকে না, ওইহা হইয়াছে, শনিসত্বেও তাহাদের নির্বাণ আপনা সেইরূপ জ্ঞান লাভ হইলে এই ভৌতিক দেহভােগ বিয়ে আপনিই হইয়া যায়। যিনি যুদ্ধ হইয়া ধ্যানমায় কেবল স্বভাবে প্রতি আর আস্থা থাকে না, পরন্ত বিতৃষ্ণাই উপস্থিত হয়। বিক অবস্থিত, তিনি কোন বিষয়ে আগ্রহ করেন না, কোন বিষয়েই ফায় বােধের বৃদ্ধি, আর বােখে বিকৃষ্ণার বুদ্ধি বােধ আর বিতৃষ্ণা, অবহেলা করেন না। তিনি মনের ক্রিমসম্পাদন করিলেও এই দুইটা ভিতিও দীপার রায় পরস্পরের সাহায্যে প্রকা- বাহবিষয়ে অনাশক্তিনিবন্ধন যেন মনের ক্রিয়া, অতএব জীপের শিত হয়, অধিক কি, বােধ যে দিকেই হইবে, তাহারই বৃদ্ধি; কায় প্রকাশকারী হইলেও নিক্তি। তিনি যেরূপ অবস্থায় থাকুন অর্থাৎ স্ত্রীপুত্রাদির প্রতি আসক্তিবােধ যদি বর্ধিত করা যায়, তাহা কেন, সকল সময়েই তাহার একব। তিনি বুখানদশায় হইলে তাহাই বর্ধিত হইবে, আর বিতৃষ্ণার প্রতি আগ্রহবুদ্ধি যদি বিশ্বরূপ এক সমাধিসশয় পরব্রহ্মরূপ হইয়া অবস্থিতি করেন, বাড়ান যায়, তাহাও বাড়িয়া উঠিবে; জড়তাও ঐ বােখের অসু- সৃষ্টিরূপেই থাকুন আর অষ্টিরূপেই থাকুনতাঁহার সভ্য সারী, বা জড়বস্তুর প্রতি আগ্রহবুদ্ধি বাড়াইলে জড়তাও বাড়িৰে। চিপতা সর্বত্রই দেদীপ্যমান। যিনি বুখিত হইয়াও সমাধি অৰে যাহাতে বিতৃষ্ণা হয়, শ্রীপুত্রাদির প্রতি আসক্তি না থাকে, দ্বারা আকৃষ্ট হইয়া এক আ সত্যজ্ঞানস্বরুপে অবস্থিতি করিয়া তাহাই প্রকৃতবােধ। যাহার সাংসারিক বিষয়ে বিতৃষ্ণা জন্মে নাই, সমাধি ও বুখানকে এভাবে দর্শন করেন, তিনিই এই সংসা অহাৰ পাণ্ডিত্যও মুখতার মখে গণনীয়। বিতৃষ্ণা ও বােধ বন্ধন হইতে মুক্ত হন। আকাশের যেমন শূন্যতাব্যতীত অন্য পরস্পর ৰতি হইলেও ইহা অসত্য চিত্ৰিত অনলের স্থায় কাৰ্য- কোন সত্তা নাই, সেইরূপ জগতের যাবতীয় পদার্থের এক কম নহে; ইহা মনে করা উচিত নয়। বােধ ও বিজ্ঞা অম- জ্ঞানপরিনিষ্ঠা ব্যতীত আর কোন সত্তা নাই। যাহাদের অজ্ঞান সীমায় উপনীত হইলেও তাহ। মােক্ষ বলিয়া পরিগণিত হয়। বন্ধিত হইয়াছে, তাঁহাদের কেবল অনন্ত বােধরূপতাই প্রকাশ সেই বােধ ও বিতৃষ্ণার চরমসীমারূপ অনন্ত পরমপদে অবস্থিত পায়, ক্রমে সেই বােধরূপও পূর্ণভাবে পরিণত হইয়া হইতে পারিলে আর শােক করিতে হয় না। এক্ষণে আমি অনির্বচনীয় ইইয়া উঠে। সেই বােধস্বরূপে বিশ্রান্ত হইলে কেবল যেখানে যাইর (বাওয়া উচিত) গিয়াছি , যাহা করিবার ( করা- পরমাসতাই অবশিষ্ট থাকে অথবা তাহাও থাকে না। যাহার উচিত)শহা করিয়াছি , যাহা দেখিবার ভাগ সবই দেখিয়াছি। একেবারে শান্তিলাভ করিছেন, তাদের যে সত্তা তাহা শান্ত শিষ অনাময় একমাত্র ব্রহ্মপদে অবস্থিত হইয়াছি। আমি অবিনশ্বরগােচর। ১১। সামান্যের যে পরাকাষ্ঠা—অর্থাৎ এক্ষণে বিতৃষ্ণ অহঙ্কারশূন্য আত্মারাম হইয়াছি; আমার স্থিতি মসি” বাক্যেৰ শোধিত “ভং” পদার্থ, তাহাই যােধের স, এক্ষণে সঙ্কশূন্য এবং আকাশের ন্যায় নির্মলা। সহস্র সহস্র (“” পদের শােধিত অর্থ) সৃষ্টি তাহাই—অর্থাৎ “আছে ব্যক্তির মধ্যে বীৰ্যশালী দুএকজন লােকমাত্র সিংহের লৌহ- দীপ্তি পাইতেছে” এইরূপে সত্তার অনুৰ সকলেৱই হইতেছে, পিঞ্জর লে করিয়া বহির্গত হওয়ার স্যায়, বসনাজাল ভেদ করিতে অতএব সে অনুভবও সবােধময়। সুতরাং একমাত্র অব্যয় পারে। বাসনাজাল ভেদ করিয়া বিশুদ্ধ জ্ঞানজ্যোতি লাভ করত শান্ত ব্ৰহ্মই সর্বপরিশােধিত দাড়াইতেছে। ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও অরে একাশময় হইয়া শরৎকালের শিশিরবিন্দুর স্থায় সবাই মহেশ্বরও বিকৃষ্ণ হইয়া স্বচ্ছ শীতল বােধরূপ নির্বাণ লাভ উপশান্ত হয়। ২৭-৪। তিনি জ্ঞাতব্য পরজ্ঞাত হইয়া করিবার জন্য সর্বদাই সত্তান্তই স্পৃহা করিতেছেন, অপরের ত বাসনাশূন্য ও সপরিবর্জিত হইয়াছেন, তিনি সঙ্কলভীতমনা কথাই নাই। সকলেরই শৃহণীয় সকল সময়ে সকল দেশে হইয়া বায়ুর ন্যায় ব্যবহারদর্শী থাকিতেও পারেন বা না সকল বন্ধুরূপে উলিত যিশু চৈতন্যই সর্বদাই দেদীপ্যমান, থাকিতেও পারেন। নিখিল বন্ধুকে এক পরম জ্ঞান কালের এই ইহায় নাশ নাই। সংসার অতিশয় উত্তপ্ত, করিয়া তলিত সমস্তই ভ্রান্তি নিশ্চয় করিয়া আকাশের ন্যায় যে নির্বাণ অতিশয় শীতল; এফলে আমার নিকটে যাই। অতি শীতল, অবস্থান, তাহাকেই নির্বাসনঙ্গবে অবস্থান কহে। যাহার অন্তঃ- তাহাই রহিয়াছে, যাহা বতি তপ্ত, আহা আর নাই। এখােদিত করণ বিশুদ্ধ হইয়াছে, নির্বাসনভাৰ উণিত হইয়াছে, নিখিল অবস্থায় গলায় মধ্যে শালজিকা (পুত্তলিকা) যেন যথেচ্ছ দৃশ্য একমাত্র ব্রহ্ম—এইরূপ জ্ঞান হইয়াছে, সেই স্থির-নির্বাণ ভাৰে ফুরিত হয়, সেইরূপ ব্ৰহ্ম অপরিচ্ছিা ও অখণ্ডভাবে থাকি অতি পুরুষেরই অনন্ত মােফনামে শান্তি (সায়) উদিত যাই এই গল্পে আকারে ফুরিত হইতেছেন। নিবাত নিকম্প হয়। ৪১-৪৩। প্রবাহ যখন বায়ুপযােগে ভরপে ফুরিত হয়, চতুৰত্যধিকতম সর্গ সমাপ্ত।১৯৪। সেইরূপ পঞ্চকোষস্থিত মহাচৈত, স্বয়ংই চেত্য হইয়া জুৰিত হন। ১৯২৬। অনাবৃত বলি জড়ায়, পার্থ সার কৃত্রিম বেশধারী পরিচ্ছিন্নভাবে অবস্থিত অসংখ্য জীবগণ স্বীয় আমাকে যেভাবে ভাৰন করে, এও সহদের ভােগ বা পখনত্যধিকততম সর্গ। মােক চেষ্টায় সেইরূপভাবেই চিরদিনের মত একাণগান। গ্নে বশিষ্ট কৰিৰে। আর তুমি সমকৃরুপে প্রবুদ্ধ বন্ধুর মৃত্যু দেখিলে, হা স ভাবিয়া যেমন শােক , কিন্তু ইয়াছ; তুমি এক্ষণে এরূপৰে উপদেশ প্রদান করিতে শিখি জাগরিত হইলে মিচা ৰােখ আয় শোক হয় , সেইপ জ- আছ যে, ইহা শ্রবণ করিলে বুদ্ধ ব্যক্তিরাও নিস্পাপ হইয়া নীয় বিষয়ে সভা-বুদ্ধি হয় ভগ্নিমিত্ত শেৰু-হাদি বুদ্ধ, আর যারা প্রবুদ্ধ তাহারা ইহা অষণ করিয়া পর- নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরণ নদ প্রাপ্ত হন, এই জগৎ অসৎ সঙ্কল বিনাশেই ইহার শান্তি গর্ভ) মিখাভূত সূষ্টিপ কাৰ্য করুত পৰিষতি হইতে থাকে। হয়, এই শান্তিই নিৰ্বাণ, এই নির্বাণই পৰমার্থ। শব্দ ও তিনি আপনার কল্পিত জগতের ভিতরে বষ্টিভূত জীবরূপে পাপ- অস্পন্দ যেমন বায়ুর রূপ, কল্পনা (বন)ও অকল্পনা (মােক্ষ। ফলে কখন উহইতে যােদেশ বা, কখন পূণ্যফলে অনে- ও ক্রপ ( যথাক্রমে যুদ্ধ ও বুদ্ধ) ব্রহ্মেরই রূপ, অপরের দেশ হইতে উদেশে উথান করেন। এইরূপে তিনি অনন্ত নহে, ইহাতে যিত্ব-একও কিছুই নাই। প্রবুদ্ধ পুরুষের কি অপদার্থনচয় ভ্রান্তিরূপ কল্পনায় জড়িত হইয়া পড়েন। তাঁহার ব্যবহারশায় কি সমাধি-অবস্থায় উভয় অবস্থাতেই যে পারে সেই সঙ্কল্প কাকতালী স্যায়ে পূর্বেও যেমন হইয়াছিল, এখনও কায় নিশ্চলভাবে অবশিতি, তাহাকেই নির্মলা মুক্তি কহে। ঠিক সেইরূপ হইতেছে।-অর্থাৎ পূর্ববজনিত ভ্রান্তিতে সেই- হে রাখব। আমরা এই পাপবিনাশক পমপদে অৰস্থিতি রূপই জগৎস্থিতি সম্পাদন করিতেছেন। ফল পাম করিয়া সমাধি ও ব্যবহার উভয় দশাতেই একভাবে অবস্থিত নিজ স্বামী বাপুত্রের দুঃখে আকাশে চুর্ণ লেপন করিয়া দিতেছে আছি।১৫। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর প্রভৃতি দেব- ইত্যাদি বাক্যের অর্থ যেমন মিথ্যা, এই জগৎও দ্রুপ মিথ্যা। গণ ব্যবহারদশায় থাকিয়াও সর্বদা প্রবুদ্ধ ও শান্ত হইয়া এই যদি বলেন ইহা সত্যই, মিথ্যা কোথা হইতে হইবে? তাহাতে পরমপদেই অবস্থিতি করিতেছেন। হে রাম! তুমি পাশের বলি, এই জগৎ সত্যও নহে, মিখ্যাও নহে, পরন্তু ইহা সেই মধ্যভাগের ন্যায় নিশ্চল নিস্পলভাবে অবস্থিত এ প্রবুদ্ধ অনন্ত জন্মবিরহিত ব্ৰহ্ম। অপিচ এই অগৎ আকাশকোষের হইয়া আমাদের এই অনাময় পদ অবলম্বন করিয়া জীবন্মুক্ত হইয়া যায় স্বচ্ছ, পাষাণগর্ভের ন্যায় খন, নি, শান্ত এবং অক্ষ অবস্থিতি কর। রাম কহিলেন,-“এক্ষণে আমি বুঝিয়াছি, ব্রহ্মই। ১৬-২৪। চিত্মার মায়াসক্তৃত সঙ্কল্পরূপ যে বিরাট যে, পহ্মে এই জগৎ অসৎ অনুৎপন্ন অনার নিরাকাররূপে আভিবাহিক দেহ, তাহাতে যে সম্বিরূপ আকাশ, তাহাই অগঙ্গা- প্রতিভাত হইতেছে,—অর্থাৎ পরব্রহ্ম হইতে পৃথকৃরূপে প্রতিভাত কারে ভাসমান হয়। অতএব যাহা কিছু প্রতিভাত হইতেছে, হইতেছে না। ইহা একাণে আমার নিকটে মরীচিকাসলিলের সমস্তই ব্ৰহ্ম মহাকাশ, জগয়ে কথাও কোথাও নাই, সবই সম, কায়, রঙ্গাকারে পরিণত সলিলের ন্যায়, বর্ণে কটকান্দির শান্ত, অনাদি, অনন্ত এক অয় ব্ৰহ্ম। যেমন আনে তরঙ্গমালার ন্যায় এবং স্বথষ্ট বা সঙ্কল্পকল্পিত পর্বতের ন্যায় প্রতীয়মান উৎক্ষেপণ বা সঞ্চলনে জলের ভাবান্তর হয় না, সেইরূপ এই হইতেছে। বশিষ্ঠ কহিলেন, রাম। যদি তুমি প্রবুদ্ধ হইয়া ভাষঅভবাত্মক জগৎপ্রপঞ্চের আবির্ভাব তিলােভবে পরব্রহ্মের খাক, তাহা হইলে আমি তােমার নিকটে সন্দেহনিরামসছু ভাবান্তর হয় না। জলবিন্দু, বেমন জলে মিশিয়া যায়, সেইরূপ হইয়া জিজ্ঞাসা করিতেছি, তুমি আমার সন্দেহ দূর কর এবং কোন কোন ভবিৎ এই বিও পরম পদেই মিশিয়া থাকেন। সেই সঙ্গে তােমার বােখও বর্ধিত হইবে। এই যে জগৎ নামে পর ব্রহ্মে এই যে জগৎ ও জীব (সাধারণের চকে) অপবৎ আভাস সকলের মন্তকের উপরে দেদীপ্যমান হইতেছে, প্রতীয়মান হইতেছে, বাস্তবপক্ষে ইহা পরহ্মেরই পর স্বভাব , সকলেই সর্বদা ইহা অনুভব করিতেছে, অতএব ইহা নাই নির্মল শান্ত পরব্রহ্মে জগৎ বা জগঞ্জে ব্যবহার কিছুতেই সম্ভবপর কিপে ?(ইহার অস্তিত্বলােপ স্বীকার কর কি বলিয়া ?) নহে। ২৫-২৯। স্বপ্নকে স্বপ্ন বলিয়া, দৃশ্যকে ব্ৰ বলিয়া রাম কহিলেন,—পূর্বেই যখন ইহা কোন কালেই উৎপন্ন হয় এবং মরীচিকা-সলিলকে সামান্য মরুভূমি বলিয়া জানিতে নাই, তখন এই অগৎ ও বন্ধ্যানাৰীৰ পুত্রের স্লায় একান্তই পাৰিলে কে আর তাহাতে সত্যতা-বুদ্ধি স্থাপন করে। (অর্থাৎ অলীক কল্পনা (ভম) ব্যতীত ইহার সত্তা ত আর দেখি না। স্বপ্নাদিকে সত্য বলিয়া জ্ঞান করে)? ব্রাহ্মণ যেমন মন্দির এই জগৎভ্রমের কারণই বা এমন কি হইতে পারে, যাহা হইতে আস্বাদ অবগত নহেন, প্রবুদ্ধ ব্যক্তি সেইরূপ অশুচিভােগ্য এই ভ্রম উৎপন্ন হইবে, আর কারণ ব্যতীতও ত কাৰ্য কোথাও প্রপঞ্চের রসাস্বাদ অবগত নহেন। এইরূপ প্রবুদ্ধ ব্যক্তি সম্ভবপর হয় নাই। নির্বিকার অজর ব্রহ্মও ইহার কারণ হইতে পরমার্থ ব্ৰহ্মান-স্বাদ অবগত নহেন অর্থাৎ নিজের পারেন না; কারণ, বিকারী পদার্থত্রই পূর্বাবস্থায় ক্ষয় ব্যতিরেকে অনুভ্র না হইলে কিছুতেই আস্থা অবগত হওয়া যায় না। সস্তাবিত হয় না। অতএব বাস্তবিক এই জগতের কোন কারণই এই নিজ আত্মাকে বাহ বন্ধ হইতে পরাবৃত করিয়া নাই। যদি বলেন, নির্বিকার ব্রহ্মই এই প্রপঞ্চের কাৰণস্বরূপ চেতোমুখীভাব ছাড়াইয়া সমাহিত করত চরম সাক্ষাৎকার বৃত্তি হইয়া মায়াবশে জগদাকায়ে বিবর্তিত হয়, তাহা হইলে এগৎ (ব্ৰহ্মাকাৱাকারিতা বৃত্তি) দ্বারা দেখিবে এই আত্মা নিত্যমুক্ত শদের যথার্থ ব্যুৎপত্তি থাকে কই? অগং এই শব্দের অর্থ তাহা শান্তভাবে আপনিই অবস্থিত হন। বশিষ্ঠ কহিলেন- হইলে মিথ্যা হইয়া যায়, একমাত্র ব্রহ্মই সত্য হইয়া পড়ে। যেমন বীজমধ্যে অক্ষভাবে র থাকে, সেইরূপ এখৰূপ ৬—১৫। অতএব অনাখ সেই পরমপদ প্রথম স্কুরিত কারণমধ্যে ও অলক্ষিতভাবে বিদ্যমান থাকে, কালে হিরণ্যগর্ভ নামক আংশিক চৈতন্য কলকাল (বিপাৰ্ধকাল) একা। গাই, এইরূপে সৃষ্টির সত্তা উপপন্ন হয় না কেন? আম বিবৰ্তরূপ হইয়া যেন আভিবাহিক সেহরী হন, সেই কারণে কহিলেন, অনুরের উদয়ের পূর্নে বীজমধ্যে যে অফুর ; তিনিই অশান্তির কারণ হইয়া পড়েন। স্বপ্নে যেমন আপনি তাহাকে অক্ষপে উপলব্ধি হয় না; বীজের অভ্যন্তরে পরিমিত কালকে বৎসর বলিয়া জ্ঞান করেন, সেইরূপ তিনি যে সন্তা, আহাতেও বীতেই হইবে। এইরূপ পরহ্মের কাকে বৎসর বলিয়া জন করেন। কাকতালীয়ে তাহাতেও অভ্যন্তরে অভাবের উপলব্ধি হইলেও তাকে অগজে সত্তা আবার চাৰিগৰ কলেন। সেই হিগর্তের তলিতে পারি না, যশিতে গেলে তাকে সত্তাই নিতে নিকটে এই নশকাল-খ্রিতি সৎ মই এতিভাত হয়। হয়। এলাকালে ফের অভ্যন্তরে যদি সেই অগগষের এইরূপে নিয়া আৎ সম্পন্ন হলে সেই মিথ্যা পুরুষ (হিরণ্য স্বীকার করেন, তাহইলে তাহাকে নিৰিকাৰ ব্ৰয় ব্যতীত আৰু গেণি-রামায়ণ কি বলবেন?-যেহেতু তখন তাহা লক্ষ্য হয় না। আর এক কথা, মূক্ত, বাঘবিষয় হইতে বিরত শান্ত হইয়া আকাশে আকাশ যাহা নির্বিকার নিরাকার, তাহা হইতে বিকার সাকার পদার্থের ভাবের য়ায় অবস্থিতি করিতেছেন। আর এই বগাদি ইব্রিয়ৰেদ্য- আবির্ভাব ত আমরা কোথায় দর্শনও করি নাই, শ্রবণও করি অগৎ আকাশভিত্তিতে কতাপৰ চিত্রের ন্যায়, সঙ্কল্পকল্পিত মনাে- নাই। পরমাণুর মধ্যে সুমেরুর স্থিতি যেমন অতি অসন্তব; রাজ্যের গায় শৈল হইতে সহসা উৎকীর্ণ প্রতিমাদির ব্যায়, কথায় সেই নিরাকার পদার্থের ভিতরে সাকার পদার্থ থাকাও ত কোন- বর্ণিত বিষয়ের স্থায়, ঐন্দ্রজালিককৃত ঘটনার ন্যায় এবং স্বপ্নের ন্যায় ক্রমে সবে না। পেটিকার মধ্যে রত্ন থাকার স্যায় পরব্রহ্মের প্রতীয়মান হইতেছে। আমার এক্ষণে বেশ বােধ হইতেছে যে, ভিতরে জগৎ রহিয়াছে, নিরাকার পদার্থের মধ্যে বৃহদাকার বস্তু এই জগৎ সৃষ্টিকাল হইতেই ভিত্তিহীন এবং স্বপ্নের ন্যায় প্রতিভাত রহিয়াছে, ইহা ত উন্মত্তের কথা। শান্ত পৰ ব্ৰহ্ম সাকার জগতের হইতেছে, সুতাং ইহার আবার সত্যতা কি? এই জগৎ অজ্ঞ, আধার,ইহা বলা কোনক্রমে সঙ্গত হয় না, সাকার বস্তুর বিনাশ লােকের দৃষ্টিতে সত্য, বিবেকীর দৃষ্টিতে মিথ্যা; যিনি সব ব্ৰহ্মময় আছে, সাকার বস্তু অবিনশ্বর হইয়া রহিয়াছে, ইহা কি কোথাও দেখেন, তাহার দৃষ্টিতে ব্ৰহ্ম, এবং যিনি মােক্ষ ভূমিকায় আরােহণ দেখিয়াছেন ? অপুর্ব স্বপ্নের ব্যয় প্রতীয়মান আকার বােধই করিতে করিতে পরব্রহ্মে মিশিয়া শান্ত হইয়াছেন, তঁাহার নিকটে ক্ষণকালের জন্য সাকার হয়, এইরূপ কল্পনাও যুক্তিসঙ্গত নহে। শান্ত পরমাকাশরূপে প্রতীয়মান হয়। ৫১-৬০। আমি, তুমি, কারণ অন্য স্বপ্নে জাগ্ৰদ্দশায় অনুভব ধরা যাহা সংস্কারে পরিণত ঘট, পট, ইত্যাদি স্থাবর-অঙ্গাত্মক নিখিল জগই তত্ত্বজ্ঞানীর হইয়াছে, তাহাই স্বপ্নে দৃষ্ট হয়, কিন্তু এ স্বপ্ন অপূৰ্ব্ব, পূর্বে দৃষ্টিতে আকাশই। আমি আকাশ, আপনি আকাশ, চিং- অননুভূতবিষয়ই ইহাতে অনুভূত হয়, সুতরাং স্বপ্নের স্যায় আকাশ, জগৎ আকাশ, আকাশ ত আকাশই, এইরূপ 'ন বােধকে সাকার বলিয়া বৌদ্ধদিগের কল্পনাও সঙ্গত নহে। ৩০-৪১। করিয়া চিমাকাশের সহিত একতাপ্রাপ্ত হইয়া সকলেই আকাশ- যাহাই আগ্রহ, তাহাই স্বপ্ন, এইরূপ বৌদ্ধদিগের জাগ্রৎ-স্বপ্নের রূপী হও। হে গুরে। আপনি আকাশভাবে অবস্থিত দ্বিপদ- অভেদকল্পনাও সঙ্গত নহে। কারণ স্বপ্নে যে পুরুষ দ হইয়াছে, শ্রেষ্ট, আমি আপনাকে আকাশরূপঙ্কন পূর্ণানন্দময়ব্রহ্মের সহিত (জাগ্ৰদ্দশায়) তাহা প্রাতঃকালে দেখা যায় কেন? অশরীরের অভেদানে নমস্কার করি। এই জগং চিংম্বরূপ হইতেই স্বল্প হয় না, অর্থাৎ যাহার স্থুলশরীর নাই, তাহার স্বপ্ন হয় না, এ উদিত হইয়া আবার তাহাতেই বিলীন হয়। কিন্তু ইহার কোন কথাও সঙ্গত নয়, কারণ স্থূল শরীরবিহীন পিশাচাদি স্বপ্নের ন্যায় কারণ নাই , অতএব ইহা সর্বদাই নিৰ্ম্মল পরমকাণ। হ অবস্থিতি করে। অতএব এই জগৎপ্রপঞ্চ জ্ঞানময় আত্ময় গুরাে। আপনি এই সর্বপদাতীত নিখিল শাস্ত্রযুক্তির অতীত সপ্নের ন্যায় অবস্থিতি করিতেছে। নিরাকার পরমাত্মাই এই দ্বন্দহীন ব্ৰহ্মপদপ্রাপ্ত হইয়া আকাশময় হইয়াছেন। ৬১৬*। বিবৰ্ত্তাকারে অবস্থিতি করিতেছেন, ইহাই চরম সিদ্ধান্ত। স্বপ্নে আমি আমার হস্তপদাদি অঙ্গ, টপটাদি নামে প্রসিদ্ধ ও আত্মচৈতই পৰ্বদিরূপে অবস্থিতি করে। আমাদের এই কিছুই নাই; সমস্তই আকাশ নিৰ্ম্মল সূক্ষ চলাকাশ। আমি আত্মা নিখিলবন্ধন হইতে মুক্ত ব্ৰক্ষই, আর এই জগৎপ্রপঞ্চ এই যে আপনার নিকটে বাহবন্ধুর অস্তিত্বলােপ কলিম অজ্ঞান কর্তৃক স্বপ্নের ন্যায় উদ্ভাবিত, এইরূপ সিদ্ধান্ত দ্বারা আপ তার্কিকেরা ইহা তর্ক দ্বারা দূষিতে যাইতে পারে, তা যাক, হাতে নার ব্রহ্মভাব উপলব্ধি করিতে পারিলে এই প্রপঞ্চে অস্তিত্ব আমার দুঃখ নাই , যাহারা আত্মজ্ঞানী , তাহারা আমার এই কিছুই অনুভূত হয় না, অনুভবকর্তৃকও অনুভব কিছুই কথা অবশ্যই সমাদর করিবে। এই যে বাহবন্ধুর অপহৰ করিয়া থাকে না, কেবল এক অনির্বচনীয় সত্তাত্রে উদীয়মান বানু- কাষ্ঠবং নিশ্চলীৰ লাভ করা, ইহা তর্কে হয় না, তর্কে অস্ত্র ভববেদ্য ব্রহ্মই পরিশিষ্ট থাকেন। ৪২-৪৭। অভাবরূপ ভাব জ্ঞান কখনই হয় না। যিনি প্রত্যাদি প্রমাণের অগােচর, শাহার পদার্থ ও ভাবরণী অভাব পদার্থ সমস্তই তখন পরব্রহ্মরূপে প্রতি কোনরূপ লক্ষণ, চ্ছি বা উপাধি) নাই, যিনি স্বানুভববেদ্য, ভাত হয়। ব্রহ্মে ব্ৰহ্ম, আকাশে আকাশ বৃদ্ধি প্রাপ্ত হইতে সেই ব্ৰহ্ম কি কখন তারা উপলব্ধ হইতে পারেন। নিখিল পারে, কিন্তু ব্ৰহ্মাকাশে জগদাকারে বৃদ্ধি কোনক্রমেই সঙ্গত হয় শাম্রার্থের অতীত অচিহ্ন নির্মল নামরূপবিবর্জিত আজ বিশুদ্ধ । শান্ত চিদাকাশে এই দ্রষ্ট-দৃশ্য-দৃষ্টিরূপ অহাব ও সৃষ্টি একমাত্র চিত্মক ব্ৰহ্মই বিদ্যমান আছেন, আপনার অনুভূতিই প্রভৃতির বিস্তার কোনরূপেই উপপন্ন হয় না। ৪৮-৫০। যেমন তার অস্তিত্বপক্ষে প্রমাণ , হাতে এই সংসাররুপের অস্তিত্ব আপনার সঙ্কল্প কল্পিত পুরী ও ত্রস্থ গৃহভিত্তি সত্য নহে, মিথ্যা, সম্ভাবনা কোন ক্রমেই বিধেয় নহে। ৬-৭। সেইরূপ এই অগংও মিখ্যা , একমাত্র অনাম ব্ৰহ্মই সত্য। আমি পঞ্চনৰঙধিক ম স সমাপ্ত। ১৯। এক্ষণে এই পুর্ণ শান্ত অখণ্ড অনাদি অনন্ত অ অ অবিনশ্বর অনুপাখি নিরাকার স্বপদ (ৰহ্মপদ) অবগত হইয়াছি।—অর্থাৎ আমিই এণে এই জ্ঞানার ব হইয়ছি। আমি ইহা শুল বতিতম পর্গ। কথায় বলিতেছি না, স্পষ্ট অনুভব করিয়া বলিতেছি; অন্তরে যে কার অনুভব ক্ষুরিত হয়, তাহাই বাক্যরূপে পরিণত হয়; বাকী কহিলেন, হে মহামতি উজ! কমলােচন পৃথিবীতে যে বীজ লীন হইয়া থাকে, তাহাই অভাব থারণ মাৰ এই বলিয়া মুহুৰ্তকাল গৰমপদে অবস্থিত হইয় বিশ্রাম করে। আমি এক্ষণে শুদ্ধ জ্ঞানময় পৃথয় আত্মা হইয়াছি, আমাতে করিতে লাগিলেন; পর বিশ্রাম লাভ করিয়া সাতিশয় বিভ-কৰ একেবারে নাই; আমি দ্বৈত একরে লেশমাত্রও তৃপ্তিলাভ করিলেন; পরে তিনি সন্ত জ্ঞাত থাকিলেও মুল করিতেছি না। সভায় এই লােকসকল স্বীয় অঙ্গনে পুনরপি কৌতুহল হয় মুনিবর শিকে জিজ্ঞাসিলেন,- জী ইলও অজ্ঞানে আমি দেখিতে হয় সকলেই হে ভগ। হে মুবার। আপনি রূপ মেষের পক্ষে নির্বাণ-প্রকরণ-উরভাগ। 2 শরৎকাল (শরৎকালে যেমন মে থাকে না, সেইরূপ অাপনায় স্থানে চিন্তামণি নামে মণি প্রাপ্ত হইল। সেই চিন্তামণি পাই কাছে কোন সন্দেহ ভিঠিতে পারে না, অর্থাৎ আপনি সন্দেহ অহায় অতুল ঐশ্বর্যের অধীশ্বর হইয়া পরমাণে খায় অব- ওজন করিয়াছেন, সম্প্রতি আমার মনে আর একটা ক্ষুদ্রসন্দেহ স্থিতি করিতে লাগিল। কাঠসংগ্রহের জন্য প্রকৃত হইয়া তাহারা উপস্থিত হইয়াছে (আপনি তাহা অন করিয়া বিন )। এই সৰ্বাভীষ্টপ্রদ চিন্তামণি পাইয়া স্বর্গে দেবগণের স্থায় পরম কপে এই মহাজ্ঞান সারসাগর হইতে উত্তীর্ণ করিয়া থাকেন। মুখে কালযাপন করিতে লাগিল। দেখ একবার, কিরূপ এই মহাজ্ঞান নিখিল বাকৃপ্রপঞ্চ অতিক্রম করিয়া রহিয়াছে। সৌভাগ্য আসিল, তাহারা কাষ্ঠ সংগ্রহ করিত কিন্তু সৌভাগ হে মানদ। আতবেদ্য এই যে পরব্রহ্ম, ইনি মহৎদিগের বশতঃ চিমণি পাইয়া বড় মানুষ হইয়া গেল। তাহাদের বাক্যাতীত। এইরূপ হইলে পরে নিখিল সঙ্কল্পবিবর্জিত তখন ভয়, মােহ, বিষাদ, দুঃখ সযন্ত দুরে গেল। পরমানন্দে স্বসংবিপ অবস্থাদ্যতীত (তুরীয়) যে স্বপ্রকাশ বস্তু, যাহা অতি মােহিত হইয়া তাহারা সৰ্বত্ৰ সমাপ্রাপ্ত হইয়া অস্থিতি করিতে দুর্গম (গুরূপদেশ ও শাস্ত্রার্চিরূপ উপায়ে যাহা অগম্য), সেই লাগিল। ১০২৬। পরব্রহ্ম প্রতিযােগীর ব্যবচ্ছেদ ও সংখ্যাভেদের অনুসন্ধানকারী- যমুবত্যধিকতম সর্গ সমাপ্ত। ১৯৬। দিগের তুচ্ছ শাস্ত্র দ্বারা (সেই পরব্রহ্ম) কিরূপে পাওয়া যাইতে পারে, তাহা বলুন। আমার বিশাল যে, কল্পনাই যাহার সার, তাদৃশ শাড়ম্বরপূর্ণ শাস্ত্র দ্বারা পরম জ্ঞান কিছুতেই উপলব্ধ হয় না, অতএব অনর্থক গুৰূপদেশ ও শাস্ত্রাদি কল্পনার আবশ্যক সপ্তনবত্যধিকশততম সর্গ। কি ? হে ক্ষ। হে বাগিপ্রবর। এক্ষণে জিজ্ঞাসা করি, রাম কহিলেন,-“হে মুনির! হে মনদ। আপনি যে তজ্ঞা লাভ করিতে গেলে গুৰূপদেশ ও শাস্ত্রাদির অবশ্য- বিধবাহী কীরকজারি বৃত্তান্ত বলিলেন, আমি উহার কিছুই কতা আছে কি না, তাহা আমাকে নিশ্চয় করিয়া বলুন। ১-১। বুঝিতে পারি নাই। আপনি ঐ উপাখ্যানের মর্মার্থ প্রকাশ বশিষ্ঠ কহিলেন, হে মহাবাহো। তুমি সঁহার প্রস্তাব করিয়াছ, করিয়া বলুন, যাহাতে আমি নিঃসন্দেহে ভালরূপে বুঝিতে তাহা ঠিক , জ্ঞানের জন্য শায়ের আবশ্যকতা নাই, ইহা সত্য পারি। বশিষ্ঠ কহিলেন, রাম। আমি ঐ যে বিবধবাহীর কথা কারণ শাস্ত্র নানাবিধ শব্দাড়ম্বরে পূর্ণ , পরব্রহ্মে শব্দাড়ম্বর দূরে বলিয়াছি, উহারা এই পৃথিবীস্থ মানব , আর যে উহাদের থাকুক, তাহার নাম পৰ্যন্ত নাই , তিনি নামরূপবিহীন। হে রঘু- দারিদুঃখের কথা বলিয়াছি, সে দরিদুঃখ তাহাদের অজ্ঞান কলধুরন্ধর। তথাপি এই শাস্ত্র ও গুরূপদেশাদি যেরূপে তত্ত্বজ্ঞানের জনিত সংসারতাপ। আর যে মহাৰনের কথা বললাম, সে কারণ হইয়াছে, তাহা সংক্ষেপে বলিতেছি, শ্রবণ কর। কোথাও মহাবন গুরুপদেশ ও শাচৰ্চালি। তাহারা জীবিকা নির্বাহের চিরহতভাগ্য বিবধবাহী (বাকবহনকারী ) কতকগুলি কীরজাতি অন্য চেষ্টিত হইল যে বলিয়াছি, তাহার তাৎপর্ধ মানব “আমার বাস করে, তাহারা বিষম দারিদ্র্যদুঃখে, গ্রীষ্মকালে জীর্ণ রক্ষের ভােগসমূহ সিদ্ধ হউক” এই ইচ্ছা করিয়া অপর কাহারও ন্যায় বিশুষ্ক হইয়া গিয়াছে। দুরন্ত দারিদ্যে জীর্ণ কৰাই কেবল অপেক্ষা না রাখিয়া দিবিহিত কাৰ্যে প্রত্নত্ত হইল। ভােগ- তাহাদের সম্বল, দারিদ্র্যপীড়িত হইয়া ভাইয়া শুষ্ক সমােবরে বাসনা চরিতার্থ করিবার নিমিত্ত শাস্ত্রালােচনাপূর্বক শাস্ত্রবিহিত কমল যেমন স্নান ও শুদ্ধ হইয়া যায় সেইরূপ মলিনবদনে কর্মে প্রত্ত হইয়া শাস্ত্রনির্দিষ্ট সাধনের অভ্যাসবশে শাস্ত্র জীবিকানির্বাহের উপায় চিন্তা করিতে লাগিল , এ সময়ে আমরা প্রতিপাদ্য পরমপদ প্রাপ্ত হইল। আর যে বলিয়াছি, সার- কি উপায়ে উদরপুরণ করি। তাহার পরে তাহার সিদ্ধান্ত করিল, অসার-বিচারনিপুণ ভারবাহী কাষ্ঠ সংগ্রহ করিতে প্রবৃত্ত হইয়া আমরা প্রতিদিন বনে গিয়া কাষ্ঠভার সংগ্রহ করিয়া তাহাই বিক্রয় মশলাভ করিল, তাহার তাৎপৰ্য, মানব গেসিদ্ধির জন্য করত জীবিকানির্ধাহ করি , এইরূপ স্থির করিয়া তাহারা কাষ্ঠ শাস্ত্রালােচনায় প্রবৃত্ত হইয়া পরমপদ লাভ করিল। সংগ্রহ করিবার নিমিত্ত নিবিড় কাননমথ্যে গমন করিল, বিপদ শাস্ত্রালােচনায় কি হয় (একবার দেখিই না কেন ?) এইরূপ সময়ে যে কোন উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করিতে পারিলেই সন্দেহপ্রযুক্ত কৌতুহলে কেহ কেহ শাস্ত্রালােচনে প্রবৃত্ত হয়, মঙ্গল। এইরূপে তাহাৱা কাননে গিয়া কাভার সঞ্চপূর্বক তাহা পরে উত্তম পদ পাইয়া বসে। মানৰ পৰত না দেখিতে বিক্রয় করিয়া যাহা পাইত, তারা দেহধারণ করিতে লাগিল। পাওয়ায় সন্দেহ কফি পাঞ্জালোচিতকর্যে লাভের জন্য এর তাহারা যে বনে কাষ্ঠ সংগ্রহ করিতে যায়, সে বনে কাষ্ঠ ছাড়া হয়, পরে কিন্তু সেই পরমতত্বই প্রাপ্ত হয়। মূঢ় মানবগণ গুপ্ত অথও নুবর্ণরদিও যথেষ্ট থাকিত। সেই কানন যুইতে বানাশে অন্যভাবে শাস্ত্রালােচিত কর্মে প্রবৃত্ত হয়, কিন্তু ফলে সেই ভারবাহীর মধ্যে কে কেহ সুবর্ণ ও রত্ন পাইত। হে বিধৰাহী মণিপ্রাপ্তির ন্যায় অন্য আর এক আদ্য পরমপদ লাভ মান। সেই কীরকজাতির মধ্যে কেহ চন্দন কাষ্ঠ, কেহ পুষ্প ও করিয়া সে। যিনি স্বভাবতই সর্বদা পরের উপকারে প্রবৃত্ত কেহ ফল বিক্রয় করিয়া জীবিকা নির্বাহ করিত। কোন কোন হন, তিনি সাধু, তাহার প্রমাণ তাঁহার সাধুব্যবহার। ৭-১০। হতভাগা জায় কিছু না পাইয়া কেবল কাষ্ঠ লইয়া আসিয়া তাহাই সেইরূপ সাধু ব্যবহার বশত লােভােগসিদ্ধির জন্য শাস্ত্রা- ক্রি করিয়ালবিকা নির্বাহ করিত। তাহারা সকলেই কাষ্ঠ লােচনায় প্রবৃত্ত হইয়া পাত্রের প্রকৃত অভিপ্রেতবিষয় প্রাপ্ত হয়, সংগ্রহ করিবার নিমিত্ত সেই নিবিড় নেবেশ ৰ; কিন্তু অভবিৎ মানৰ শাস্ত্রের ফলে সন্দিহান হইয়াও ভােগসিদ্ধির সৌভাগ্য বশ কেহ কেহ খয় সুবর্ণাদি রয়, এ শালােচনায় প্রবৃত হয়; কাষ্টাখী ভারবাহী যেমন কেবল লরিকেল হতে মুক্ত ,,এইরূপে অহাৱা অৱত কাঠের আশায় বনে গিন্ধ চিন্তামণি লাভ করিল, সেইরূপ ভােগের সেই মহাকানগতায়ত কলিতে, আৈগে একদিন অল্প এক অচেনায় এব ই ভােগ ও মােক্ষ দুইই এ ।
বাবা-মা হইল। এনে কাই আহিল কৱিতে গিৱা যেন কেহ উমম ই কম। শাস্ত্রাদি হইতে এইপে আত্মজ্ঞান লাভ কলা ঘৰতে লাভ করিল, কেহ সমাহ ক্ষ পাইন, কে বা চিমণি লাভ পারে, অব সকশনে শাদির অভ্যাস কৱিৰে। করিল। সেইরূপ চর্চা ও প্রতিপাদিত কৰ্ম্ম করিতে গিয়া হে রাম, এইরণে শাালােচনা পদেশ, সৎসঙ্গ, নিয়ম ও কেহ কাম, কেহ অর্থ, কে , কেহ কামালিখ্রিগ, কেহ মােক, শম দ্বারা সেই সমস্ত বিশদের অতীত সর্থের অনাদি অথচ কেহ বা একেবারে কাদি-চতুগ প্রাপ্ত হইল। ৯-১৪। আদ্য পানুখস্বরূপ এ প্রাপ্ত হওয়া যায়। ২৬-৩। হে রাঘব। ধর্ম, অর্থ কামের উল্লেখ সফল শাইশষ্ট আছে সত্যধিকতসর্গ সমাপ্ত।১৯৭। পরব্রহ্ম শাবির বিষয় অাশাস্ত্রেও শষ্ট করিয়া বা নাই, অহায় কারণ, ব্ৰ অনির্বাচ; পল ও ব্যক্যের মুখ্য বৃত্তির তরিক উল্লেখ এক প্রকার অস, যেরূপ ফল পুরি। বলভাদি ঋতুর আবির্ভাব সূচিত হয় সেইপ, শশ্রের সফল অস্টনবত্যধিকততম সর্গ। বাক্যার্থ দ্বারা সূচিত পৱৰহ্ম কেবল সুজব যারা অবগত হওয়া যায়। বৰণীত্বের লাবণ্য যেমন মণিপণচন্দ্র প্রভৃতি রমণীয় বশিষ্ঠ কহিলেন-হে রঘুম। তােমার বােধ দৃঢ় করিবার ব্যসমূহ হইতেও স্বচ্ছ। সেইরূপ অধ্যাত্মশাস্ত্রে ব্রহ্মজ্ঞানকে জন্য আরও কিছু বলিতেছি, শ্রবণ কর। যে বিষয় ভােমাকে বলিব, নিখিল বন্ধ হইতে উৎকৃষ্ট ঘলিয়া উল্লেখ আছে। এই সকল ইহা পূর্বেও অনেকবার বলিয়াছি, তথাপি বর্ণিত প্রবুদ্ধ ব্যক্তির পলাতীত ব্রহ্মজ্ঞান, কি শান্ত, কি রূপদেশ, কি গান, কি ঈশ্বর অবস্থা প্রবুদ্ধ ব্যক্তিতেও লক্ষিত হয় বলিয়া তােমকে উহ না কিছুতেই পাওয়া যায় না। হে রাষৰ ! এই শাদি পর ভালরূপে বুঝাইবার নিমিত্ত পুনরপি বলিতেছি। রাঘব। পূর্বে মাত্মবিশ্রান্তিলাভের প্রতি কারণ না হইলেও যে তাহার প্রতি তােমার নিকটে আমি স্থিতি-প্রকরণ বলিয়াছি,সে দ্বিতি-প্রক- কারণ হইতেছে, তাহা বলিতেছি, শ্রবণ কর। শাস্ত্রলােচনায় রণে উৎপর এই জগৎ ভ্রান্তি বলিয়াই প্রতিপাদিত হইয়াছে ; অভ্যাস চিত্ত বিশুদ্ধ হয়, চিত্ত বিশুদ্ধ হইলে অনিচ্ছাসত্ত্বেও সর সেই স্থিতি-প্রকরণের পরে উপশম-প্রকরণ বলিয়াছি, সেই উপ- পত্রি পরমপন ফর্শন হয়। ১৫-২। এই অধ্যাত্মন্ত্রের শম-করণে বলা হইয়াছে, যে এই জগতে উৎপন্ন হইয়া পরম আলােচনায় বিদ্যার সাত্ত্বিকভাগের পুষ্টি (উৎকর্ষ হয়। শান্ত হইবে, এ বিষয়ে যথেষ্ট যুক্তিও দেওয়া হইয়াছে। সেই সাকিঙাগের পুষ্টিতে তামসিকভাগ প্রাপ্ত হয়। শারূপ উপশম-প্রকরণে উপশম-বিষয়ে যে সকল যুক্তি দেওয়া হইয়াছে, সলিল দ্বারা মলান করিয়া পূরুষ অচিন্ত্য প্রভাবে পর হাতে পরম উপশান্তি প্রাপ্ত হইয়া বিজরভাবে অস্থিতি বিশুদ্ধি লাভ করে। যেমন সূৰ্য্য সমুদ্রের সন্নিহিত হইলে করিবে, ইহা বিশেষ করিয়াই বলা আছে, ভদ্বিষয়ে আর অধিক সমুদ্রসলিলের স্বচ্ছতাবৰণঃ সূৰ্যও সমুদ্রের অনিচ্ছাসত্ত্বেও বলিবার আবশ্যকতা নাই। এক্ষণে প্রাপ্য হইয়া ত্ববিৎ স্বচ্ছ কাশভাষণে সকলের অবসিদ্ধ বিশাল এক প্রতি সাংসারিক-ঘটায় কিরূপে চলিতে হইবে, ভবিষয়ে আমার বিশ্ব পড়ে। সে প্রতিৰিৰ পুৰ্ব্বে আশ্ন ছিল, সেইরূপ মুমও নিকটে তােমার যৎসামান্য শ্রোতব্য আছে, তাহাই এখণে বলি- শ—এতদুভয়ের পরস্পর সম্বন্ধ ঘটিলেই সমস্ত জ্ঞানপদের তেছি শ্রবণ কর। ১৫। প্রথম এই অগতে জন্মগ্রহণ করিয়া অতীত সংবেদ্য আত্মত্মান হইয়া থাকে। ১২৫। যেমন তােমার মত শৈশবকালেই এই জগতে স্থিতি সম্বন্ধে প্রকৃত যাহা, সূৰ্যও সমুদ্রকে দেখিলেই বিবেচনা দ্বারা সিদ্ধ হয়, উহারা তাহার পন্যে, হে অনুষ। যাহাতে সকলের সঙ্গে সৌহার্দ্য অত্যন্ত বিধৰ্মী। উহার কাহারও সহিত কাহারও কোন সম্বন্ধ করিয়া থাকিতে প্রবৃত্তি হয়, সকলকে আশ্বাস প্রদান করিতে নাই, শাম্রালােচনাজনিত স্বভাবতই দেহ হইতে আত্মা বে সম্পূর্ণ ইচ্ছা হয়, এইরূপ সমল আশ্রয় করিয়া সংসারে চলিতে হয়। পৃথক, আত্মার সহিত দেহের কোন সম্বন্ধই নাই। বালকে কারণ, সমতারূপসুলতার ফল অতি পবিত্র, সকল সম্পদের যেমন লােষ্টে লােট ঘৰণ করিয়া এলে খুইতে গিয়া লােষ্ট আকর, সকল সৌভাগ্যের বর্ধনকারী। হে রাখব। যাহার করিয়া হন্তেরই কেবল নিল সাধন করে, সেইরূপ পায় সমতা সর্বক্সে দিচেষ্টায় রত থাকিয়া আপনার কাৰ্য পণ্ডিত স্বীয় বিবেকৰণ আত্মত্ব আলােচনা করত শাস্ত্রবিক করেন, সমস্ত গৎ তাঁহার ভূতত্যর ন্যায় বাধ্য হয়। সমতা দ্বারা বিকল্পসমূহ জালন করিয়া পরম বিশুদ্ধি লাভ করেন। যেমন যে নিৰ্ব্বচনীয় অক্ষয় আনন্দ লাভ হয়, সে অনশ রাজ্যলাকে ইর হইতে আপনার অসুল দ্বারা মধুর আস্বাদন হয়, হয় না, কামিনীসলেগেও সে আনন্দ হয় না। ৫-১০ | সেইরূপ সেই শালজির সাহায্যে “মদি” প্রভৃতি বাক্যের হে রাখব। তুমি জানিবে, সমতা নিখিল দুঃখরূপ আপের সাররসম্বরূপ জ্ঞান স্বানুৰে উপলব্ধ হইয়া থাকে। অপর পক্ষে মেষ,দুঃখশান্তির চরমসীমা ও ক্লোজপ অন্ত্রের পরম তিতি উভয়ের সংবােগে মেনন এলােক অনুভুত হয়, সেইরূপ ঔষধ। যে ব্যক্তি সমতাজপ মুখা-মাখা, নিখিল শক্ত তাহার শাস্ত্র ও শাস্ত্রজ্ঞানের সন্নিকৰে অজ্ঞান হইয়া থাকে। যে না মিত্র হয়, সে যথার্থ ব (খ) দেখিতে পায় সেরূপ লােক আৱা কামাদি বিমান হয়, সে শাস্ত্র মােক্ষ উপযােগী নয়, এর মধ্যে দুর্লভ। সৰু প্রভৃতি নিৰিল মহাবুবুদ্ধ বহু শাস্ত্র বশীর উপদেই সর্বাপেক্ষা শ্ৰেষ্ট, তাহার বীন্ন চিত্রপলের ভাপা নিরুপ মত এখান কাছ নিয়ে শাচর্চা করা কিছুই নয়, সে শাস্ত্র যারা পাশ কৰিাই জীবিত আছেন। যে ব্যক্তি সময় প্রায় করি- জ্ঞান লাভ না ধষ, আহাই প্রকৃত না, এ পরশজন যে, তাহার কার হার ছিল নােমও রে , আয় সমতা লাক্ত হয়, তাই প্রকৃত জ্ঞান। সে সময় আর দুখও (গ) খ গ হয়, ময়ও জীবনের আয়। জগতে মুক্তি ব্যয় নিতি , এই এক েব ম ল সেই মা আজ ৰি- এলগ। মৈত্রী প্রভৃতি কামিনীগণ নুিরজায়গায় ইয়া আসিয়া সেই আমােক অর্গে গিয়া দেবতা হইয়ছিল। এ মহাজকে আলিঙ্গন করে ১১-১৫। যনি গলা, এক আলচু সমতা অভ্যাস কবিয়ালিটি তিনি সর্বদাই অ্যুত করিয়া আছেন; যিনি সম, নিখিলবে রী রাশীরত্তি পরিত্যাগ করিয়ানি। তাহার কোন চিন্তা নাই। এমন কোন সম্পদ নাই, যাহা উমা খুশীয় র ড়ভ সাবুজিৰ গুণে সমতলাও ব্যক্তি হয় না; যিনি সকল কাব্যে সমান, অ পাত্রে ভিকাব্যের সহিত আগত এগিকে আমােক তা খারী ব্যক্তিতেও মাখল, আগ-নরগণ, দেবগণ সেই করিয়াছিলেন। নিন এক ঝাথ এতে প্রকৃত কারী ব্যক্তিকে চিন্তামণির ন্যায় বাধ্য করেন। হে জুলি, পরে সবুজি তে সে দেখভাগে পরে বাম। যে ব্যক্তি সদাচারণায়, সর্বজনের হিতকারী, সর্বত্র, পরম প্রাণ ইয়াছিল। নন্দনকাননে অবস্থিত কপর্দন নামে সচেতা হইয়া সাই আমােণী; সে ব্যক্তি মুখিতেও অন্ধ হয় না, একজন রাজর্ষি অনাত্মীগণ-অকাল ই হয় সমীপে আলেও ভিত না। বিনি, যাহা বেরূপে করা উচিত, তাহা উপস্থিত হইলেও এ নিয়ে তিনি তাহাদের সঙ্গে সেইরূপই করেন এবং যাহা বলেন, তাহা হবিষাদ হইয়া হইলেও সমবুভিগুণে ভাহাদিগের প্রতি লােভ করেন নাই। সমভাবে দর্শন করেন, কে তাহার তুলনা দিতে পারে। যিনি সেই কপর্দন সবুদ্ধিতাবশতঃ নিজ পরিত্যাগ করিয়াবি- কথিত কর্তব্যকর্ম বৰাৰখলবে পালন করেন এবং পরমার্থত পর্বতে দুর্গন কবজকামধ্যে সময় হইয়ামিবাসী হইয়- অবগত আছেন, কি , কি আত্মীয় বন্ধু-বান্ধব, কি মিত্র, কি ছিলেন। এই গান কষ্টতপা সুরজিত মুলি, কবি ও রাজা, কি ব্যবহার, কি মহাজ্ঞানী সকলেই তাহাকে বিশ্বাস করে। সিগণ অপাজেশে বিভাগে সমষ্টিৰশতঃ কোনপ্রকার ১৬-২০। যাহারা সমদর্শীতজ্ঞ, তাহারা অনিষ্টভয়ে পলায়ন কষ্ট অনুভব কয়েন না। এইরূপ অরপাপৰ বাগণ ও র্যা করেন না, ইষ্টলাতেও তুষ্ট হন না এবং আপনার কর্তব্য প্রভৃতি নীচ জাভি সমদৃজিত অভ্যাস করিয়াই মহৎ ব্যক্তি যথানিয়মে করিয়া যান। হে রাম! যাহারা অনিন্দিত উপাদেয় পূজনীয় হইয়াছে। জি ব্যক্তি ঐহিক পত্রিক সি সমস্ত গৃহক্ষেত্রাদি পরিত্যাগ করিয়া অদুখকর সমভাবলে নির্লোভ লাভের পরমপুরুষার্থ সিদ্ধির নিমিত্ত প্রবৃত্ত হইয়া সৰল সন্তোষরূপণপ্রাপ্ত হইয়াছেন, সেই নিরাময় মহাত্মগণ সমস্ত সমসৃষ্টিতেই বিচরণকলেন। সী কাহারও হিংসাকলেন না; অগৎ উপহাস করেন, এবং সকল জগদ্বাসীকে সদুপদেশ নারী মৃত্যুও স্থাকলেন না, জীবনও বাছা করেন না, কে এ উজীবিত রাখেন। সময় মানৰ যদি পরের হিরে কর্তব্যের সম্পাদ্য ব্যবহার মাত্র সান করিয়া চলে। যিনি সম অনুরােধে বদনে কোপচিহ্ন ধারণ করেন, তথাপি তিনি সমতা- গুণে দোষ উভকেই সমান বলি করে, মুখ, , , সুধায় মাখা থাকেন,-র্থাৎ কাহারও উলেগকর হন না। , সৰ সৰান ৰ বৰ, আৰ অপমানকে সমান কি সমলণী ব্যক্তি যাহা করেন, যাহা আহার করেন, বাহার প্রতি বোধ করেন, নিজের কর্শে অনাসক্ততাৰে কলহরণ করে, আক্রমণ করুন এবং অনুচিত বক্সি যে কর্মের নিন্দা করেন, তিনি জীবন্মুক্ত পৰিমুত্তি, তিনি সাধুজে শ্রেষ্ঠ-আসন সকলেই তাঁহার তৎ কর্মের প্রশংসা করে। ২১২৫। সমদৃষ্টি- অধিকার করেন। ৩৯-৪৪। ব্যক্তি যে কর্ম করিয়াছেন, তাহা শুভই হউক, আর অশুভই নবধিকতসর্গ সমাপ্ত। ১৯৮। হউক, বহুদিন পূর্বেই হউক, আর সদ্যই হউক, সকলেই সে করে প্রশংসা করে। সমগণী ব্যক্তিগণ কি সুখে, কি দুঃখে, কি ভীষণ স্থানে, কি সঙ্কটে, কিছুতেই অমাত্র রিসভাৰ ধারণ নৰনবত্যধিশততম পর্গ। করেন না, শিৰি রাজা এই সমষ্টিগুণেই কপােভকে মানন্দে আপনার পাত্র হইতে মাংস কর্তন করিয়া দিয়াছিলেন। সমাশয় মুম কহিলেন-হে মুনে। আঁহাৱা সর্বদা আননিষ্ঠ ৩ ভূপতি ( যুধিষ্ঠির) আপনার প্রাণ অপেক্ষা প্রিয়তমা কান্তাকে পরমাত্ময় বিশ্রান্ত হইয়া মুক্ত হইয়ান, তাহাৱা কৰ্ম্ম পরিত্যাগ (দ্রৌপদীকে) (সভামখে) আপনার সঙ্গে ক্রণ কর্তৃক করেন না কেন? বশিষ্ঠ কহিলেন, বাহার হেয় উপাদের দৃষ্টি অপমানিত দেখিয়া মােহগাপ্ত হন নাই। ব্রিগওঁদেশের কণ হইয়াছে, তাহার ত্যাগেই কি আর কর্ম সম্পাজনেই এপতি ঐ সমবুয়ি গুণেই আপনার বহুকালাম লন্ধ পুত্রকে বা কি?—অর্থাৎ কিতেই তাহার প্রয়ােজন নাই। এমন কোন ক্রীড়ায় হারিয়া গিয়া বাজসে হতে সমর্পণ করেন। কর্ম নাই, যাহা অনীর উগের বলিয়া পরিত্যাজ্য হইবে। রাজশ্রেষ্ঠ জনকভূপতি কি অলঙ্কত নগরী মাই, আর এমন কোন উপায়ে কর্ম নাই, যাহা অজ্ঞনীর এয়ণ কি কোন উৎসব, সকল অবস্থাতেই সমভাবাপন্ন রহিয়াছে। হইৰে। অনীর কর্মত্যাগে কর্মকাণে কিছুতেই এমন সমদৃষ্টি সাখরাজ ব্রাহ্মণের নিকট ঃ (আপনার ইচ্ছামত নাই; সে আপনার বর্ণাশ্রষােচিত যে যে কী হয় গশিদিয় এইরূপ অভিজা করিয়া সেই প্রতিজ্ঞা ৰক্ষার্থ) কাজসিয়া উপাত হয়, তিনি তাহা পান কৱিকা চলেন। বিত আপনার মুককে পদ্মপুর গা ঝটিতি কন করিয়া শরীফেসিল জীন থাকিবে, ততদিন অব ছিলেন। মহাৱাসেবী সমবুৰিতাৰণই বহাকার ও লিত জাহাতে ও ফিশগ কমিবাই যা বলি কৈলাসপয়েশিয় (ইকে পাকষি (কি। যেমন আপনার গৃহেবিডি করিতে লজ, ঐরাবতীকে খুজ্ঞে ঋত্রিশটিশের কথা ণ তৃণের কোন প্রতিরকম কিল অপর আনে কিবার প্রয়োজন যায় তুই জ্ঞান করিয়া প্রত্যর্পণ করিয়াছিলেন। কুশ মানে না, সেই খামার নিকটে শাস্ত্রীয় মন্ত্রী কর্ম দুই কোন মাল সবুলিতে আপনার কর্তব্য কাজেই বিমান বন সমান, তখন আপনার লি পশাগত হিতসাচি ৩০।
যােশবাশি-রায়ণ পবিত্যাগ করিবার এক কি? ম! শ অ স ক সৎ হইতে তীর্ণ হওয়ার কারন, সৎকর্ষ নির্বিকার বুলিতে যায় কইবে, তাহা নই সেরে কর অনিঙ পণ্যশিয়ে সংসাৰু হইতে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না, হই না। হে মহাৰাহে। এই ভূলে ৰহণী সা কেবল স্বভাবই (আত্মমর যথার্থ নই) গসারদের দিল সমর্ণিত যা অনেক দেবে ও করি। প্রতি কারণ। অভাব-এঞ্জিও (আত্মজও) জে । তাহাতে আঁহাদের পাপ শ ম না। আঁকার বিষয়ে একেবারে আসক্তি না হইলে হয় ; অতএব যাহার আল-বুতি বখাপ্ত ব্যয়ে বিলাই বৃহৎ ব্যক্তির মূল বিষয়ে অনাসক্ত, সেই ব্যক্তিই সাৱসাগর হইতে উত্তীর্ণ। সদাচরই পালন করিয়া থাকেন। হে আমাদের ভাগ বাহার মন একেবারে বিষয়াসক্তি,সেই মুনি শুভ বা অশুভ অসতবুদ্ধি অব্যাঙ্গ জী কাজৰিল। বিগত হইয়াই অর্ষের পরিহার করুন আর অনুষ্ঠানই করুণ, সংসারে আক্স রাত পান করিতেছে।—১০। আঁহাদের যে কেহ কেহ তিনি কখনই আসিবেন না। যাহার মন বিষয়ে আসক্ত, সেই দৈনিক-বিধি অনুসারে যশোভােজী সর্বদা অখি- দুতি, শুশু-ক্রিয়া সকল পৰিহাৰ কৰিলেও পরে ছােত্রর সুষ্ঠান করিতেছেন। কেহ এ বর্ণাশ্রমমাচিত মগ্ন হইয়া থাকে, কখন উত্তীর্ণ হইতে পারে না। মন একবার ও বাের্ডলা খান প্রভৃতি বিধি কর্ম করিয়া থাকেন। বিয়ের আশ্বাস পালে মকুন্তের প্রতি থামান মক্ষিকার চায় কোন কোন জ্ঞানী মহা সুরে সর্বক পরিত্যাগ করিয়া উহাকে নিবাৰণ করিতে পারা যায় না, মারিতেও পারা যায় বাহিরে সদা সর্বপরায়ণ হইয়া ব্যতিত অন্য কালাতি না, সে বিষয়স আস্বাদন করি দুঃখপ্রদান করিবেই করিবে। পাত করিতেনে। কেহ কেহ বা খয়েও সে লােগনি ২৮-৩৫। নিজ মনের আননে একৃতি কাকতালীয়ভায়ে হয় না, মুগ্ধ মৃগকুল যেখানে বিচরণ করে, অল ৰাণীতে কদাচিৎ সৌভাগ্যৰলে আপনা আপনিই বটিয়া থাকে। প্রথমে খ্যালয় ইয়া লাতিপাত কেন। কোন কোন অঙ্গনী, নির্মাতাপ্রাপ্ত চিত্ত আত্মদর্শনে লাভ করিয়া বহুঃখবর্তিত যেখানে পু্যাগ। সর্বদা স্থিতি দে, নেকার লােক অনাসক্ত নিরাময় ব্ৰহ্ম হইয়া যায়। স্বাম! চিকে এচিত করিল হয় কেবল শান্তিময়, এখন পত্ৰি তীৰ ৰা মুক্তিপােবলে সরূপে পরিণত করত সম হইয়া পরাণরুপে মুখে অস্থিতি থাকিয়া কালাতিপাত করুন।১-১৫। কােন কোন সমবুছি কর। হে মহাত্মা ঘুনন্দন! তুমি বিষয়সিঙ্গাদি-মােয-পরিবর্জন মহা খায় পরিত্যাগ করিবার প্রথমে আম করিয়া করিয়া পার্থ লাভ করিয়া, সমবুড়ি হইয়া আত্মস্বরূপে উদিত এ গিয়া গৰমপদ অবলপূর্বক গতি বলেন। কোন হইয়াছ, এক্ষণে বীতশােক হই। নিক্ষিভাবে অবস্থান কর, পণ্ডিত গলায় ছেয়ে এ এক এৰ, সেখা, একা তুমিই সেই অজযুক্ত পন্ধি পরশপ। অপিচ এই এবান কে এপর্বত সেশৰত ঘূরিজ বেড়াল। যে বাম। এ নিল ব্রহ্মপ,ইহাতে প্রকৃতপ মল, বিকাররূপ উপাধি, বারালারী, পবিত্র মা-কে, আক, সিপুরী, বদরিকা ও ভবিষ-বােধরূপ ইচ্ছাদি নাই; একমাত্র একমাত্র পত্রিম শ, মহাপরি শালগ্রাম, কলাগাৰ, পৰিত্ৰ খুৱা, ব্রহ্মই স্পষ্ট বিদ্যমান রহিয়াছেন, হে রাম! তুমি আমি নিজেই কাণার গর্বত, মহেন্দ্রপর্বতের কনস্ব, গাদনাতে সাদু, সেই ব্ৰহ্ম” এইরূপ অন করিয়া নিরুভাবে এক হইয়া অবস্থান রাতে টমেণ, বিয়পর্বতের ময়পর্বতের মধ্য, কর। ৩৬-৪০। হে রাম! গেমার জানােগমের নিমিত্ত আর কৈলাসকালে, ৰা পৰ্যতের ৩, ইভণি একান্ত বিবিধ অধিক উপদেশ করিবার কিছুই নাই। তােমার সে আর গৰিত্ৰক্ষেত্রে পত্রিকামানে অহী পৰিশ স্থিতি করিয়া জ্ঞান সভ্য সই হইয়াছে;হে রাখৰ! সম্প্রতি কুৰি নিখিল থাকেন। ১৮-২২। তাহাদের কে নিজ ফুলার পরিত্যাগ এতই ভ ইয়ছে। অশীকি কহিলেন-শিষ্ঠের এই করিয়াছেন কেহ কৌশিক আয়া প্রতিপালন করি- উপৰেশ বৰণ করিয়া রামচন্দ্র বিশ্ব বুড়িতে বাৰিষয়কজন তেন;কোন কোন প্রতি সকল উন্মৰ ঘূৰিয়া বেড়াই হইয়া ব্ৰহ্মপণ প্রাপ্ত হইলে, সভায় সকলে যেন ধ্যানমগ্ন হইয়া তেছেন। কেহ ভোগ করিয়াছে একেবারে শ্রম লিশ হইয়া রহিল, প্রথমে কালশিচলের উপরে কান পরিত্যাগপূর্বক এদিকে ও কেনিকে ছুরি বেড়াতেন। করিয়া ভার বোন নিশ্চল হইয়া মপান করিতে থাকে, কেহ য একানে স্থিতি কৰিছেন। নে তে! এই সেইপ ও এখন মৌলন কবি শাখা হালির মধ্যে এ গামী কালী গৈ করি নিলেন। ১০। বিলিলে যে কোন কোন এক লােকাচা অবগত নৰনৰত্যধিক দাও।১১১। আছে, তা সময় দেখি এক গালি (জনি) হে প্রিয় হইয়া বলিতি কৰিলে। মতে এ কোন কেন ধূ - নাল তিত । जाना कर लिए गांजासारखा গিনে। আলু কোন কোন নিশি বাকি কবি-গুবি ভি এ বিষণবিক শনিকা কবি জয়। ২৩। স সে হইলে এল মোশন করিলেন, এদিকে এম। ই নিৰিল লােগ এই এল ক ন সলেই নিজে ই ম নে এক কলি জায়গা হয়নি য়ে দিল্পিক তে ওসমগ্র রে। এতে উলাই । না কেন; তালি চিলতি জল। সেখানে বা ল , ন গনি , আ খ ম জােয় আ লখিন নির্বাণ-এক-ভয়ঙ্গ। ৫ সমাজের চরমসীমায় উপনীত হইয়া পাম পন্ত্রি হইল। সিটি নূতন হইল বলিয়া বােধ করিতেছি, বােধ হইভে তৎকালে তথায় সমাগত গগনবিহারী পূর্বেই মুক্তবুদ্ধি সিজর নৃতল সিজিতে যেরূপ এ ভাৰ হয়, সেইরূপগ্রহই গগনতো উচ্চ সাধুবাদে এবং সম্বিত মিমিত্র প্রভৃতি অ গুছি। ১৬। এইরুপ অলক্ষ্য শ্রবণ করিয়াস বিৎ মুলিশের উচ্চ সাধুবাদশৰে সেই খানে লিগ্যাপী মহা সকলে বিয়ে উৎফুনেত্র হইয়া কমলকুমে সমাকী সেই কোলাহল হইয়া উঠিল। মারুতসংঘােগে বংশের যেমন সুমধুর সভায় চতুর্দিকে নিৱী করিতে লাগিল। সেই সভায় শব্দ হয়, সেইরূপ সেই সকলেরই সাংসা-বাক্যজনিত আন্তরণগুলি মাৰ-এস্কৃতি স্বর্গীয় মনােহরপুলে আকীর্ণ কোলাহল সকলেরই অতিমধুর লাগিল। ১- আহার পরে ছিল। এণভূমি পারিভলভলে আচ্ছাদিত রহিয়াছিল আকাশে সেই সিমের সাধুদের সহিত হঠাৎ দেদুন্দুভি। সভাগৃহের ভূতলে পারিজাত কুষমে সমাকীর্ণ হইয়া গােজা বাজিয়া উঠিল। সেই দুন্দুভিসির প্রতিধ্বনি চতুর্দিকে ' পাইতেছিল, সভ্যদিগের করে ও মন্থকে সন্তানককুসুম সমগ্র পৃথিবী ও পৰ্বত পূরিত করিয়া তুলিল। যেমন দুটি বিশাল মেখণ্ডের গায় প্রতীয়মান হইতেছিল। ২১-২৫। বাজিয়া উঠিল, অমনি সঙ্গে সঙ্গে চতুর্দিক হইতে তুষারঝটির স্থায় সভাস্থ ধনিরুদ্দের মৌলিরদের উপরে হরিনশােভা পাইতে পুষ্পবৃষ্টি হইতে লাগিল। পূষ্পরাশিতে সকল স্থান পূর্ণ ছিল, বিকীর্ণ পুষ্পভরে আনত সভার চাপ অলরে লন হইয়া গেল। কোলাহলশব্দে গিরিকর পুর্ণ হইয়া উঠিল, পুষ্প, মেঘমালার স্থায় বুলিয়া পড়িয়াছিল। এইরূপ সভার দিকে দৃষ্টি পরাগে আকাশ আরক্তবর্ণ ধারণ করিল। সমীরণ পুষ্পসৌরভে পাত করিয়া, সভাস্থ লােক সকল সাধুবাদ প্রদান করত তৎসম- সুরভিত হইয়া চতুর্দিকে সুগন্ধ বিস্তার করিতে লাগিল। সেই যে উচিত প্রশংসাকে অতিৰিনিতভাবে একাগ্ৰমনে বশি সাধুবাদশ, সেই দেদুন্দুভি ও সেই পুষ্টিশব্দ একত্র দেবের পূজা করিতে লাগিল। পূজলি প্রদান করিয়া এলাম মিশিয়া এতিমধুর হইয়া উঠিল। সভ্যগণ উবদন হইয়া করিল। এইরূপে রাজগণ ও অন্যান্য সভ্যগণের প্রণাম করা দেখিতে লাগিলেন, তাহাদিগের নেত্ররশ্মিতে নভােমণ্ডল মল কিছু নিবৃত্ত হইয়া আসিলে রাজা দশরথ অধপাত্রহতে মুনিকে হইয়া উঠিল। হন্তী, এ, মৃগ এভৃতি পশুগণ ও বিহুমগণ অর্চনা করিতে করিতে কহিলেন। হে অরন্ধতীপতে। আপনার উৎকর্ণ হইয়া সেই কোলাহল শুনিতে লাগিল। বালকগণ ও অনুগ্রহে আজি আমাদের করণ একেবারে গরম রমণীগণ সেই অপূর্ব কোলাহল শুনিয়া ভয়ে বিস্ময়ে উদ্বেজ আনময় পরমার্থে পরিপূর্ণ হইয়াছে। ২৬-৩০। এই লে হইয়া দেখিতে লাগিল। উপস্থিত অপরাপর রাজগণও বিস্ময়ে ও স্বর্গে দেবতাদিগের কাছে এমন কোন ভাব উপকরণ নাই, চতুর্দিকে দৃষ্টিসঞ্চালন করিতে লাগিলেন। জলধারার রায় সেই যাৱা পানীয় আপনার পুজা করি, অবাপি আমায় - কুমালিবণের সুমধুশষে স্যা-পৃথিবীর অন্তরাল-দেশ কর্তব্য গুরুজনরূপ সমাচার সফল করিবার পর আপনাকে কিছু | অতি অপূৰ্ব্বাব ধারণ কৰিল। ১০। সেই সভার সন্নিহিত বলিব; আপনি হাতে ক্রোব করিবেন না। আমি সপৰীক আকাশও পপবৃষ্টিরূপ সুধায় কালিত এবং সাধুবানকারী আত্মা, উভয় লােকে ভােগ করিবার এ উপার্জি মুরু, রাজ্য ভূতগণের পাত্র রবে পুরিত হইয়া সেই সভাগৃহের সমান ও ভূতবর্গ আপনাকে প্রদান করিয়া আপনার পূজা করিতেছি। হইল। সেই সময়ে সেই সভাগৃহে শতশখ ধ্বনিত হইয়া- হে বিলে। এই সমূদ (আদি) আপনার নিজ আশ্রমের ছিল। সমস্ত ভুবন গোলাহলশৰে ভৰিত, কুমনিকরে ব্যয়ই আপনার আয়। এক্ষণে আপনি আমাকে যেরূপ ইচ্ছা, মণ্ডিত, সুরগিলে বেষ্টিত হইয়া মহােদবময় বলিয়া প্রতীয়মান সেইরূপ কর্মে নিযুক্ত করুন। বণিষ্ঠ কহিলেন- জাপ। হইতে লাগিল। প্রবণবনসঞ্চালিত সমুদ্রের তরঙ্গমালা যেমন আমরা প্রণামমাত্র সউ, ব্রাহ্মণ আখি এখন পাই আমরা সমুদ্রতীমােগরি পর্বতে গিয়া লাগে, সেইরূপ, দুশি, সন্তষ্ট হই, সে প্রণাম ত আপনি করিয়াছেন আর এক কথা, সিগণের সাধুবাদশব্দ ও পূপপভনশব্দ এককালে আস্তে র ইয়া আমরা কি করি, রায় কাত করিতে পানি আন্তে ভূত ও আকাশের দিগন্তে গিয়া উপস্থিত হইল। সেই অপলি রাজ্যরক্ষা করিতে জানেন, রাজ্য অপলালেই শােভা দেবকুলের পূর্বকোলাহল কালের মধ্যে শান্ত হইলে, পায়, আজ অপনাই , কে কোথাও রাজ ইভে আকাণে সিকুলের এই কথা গুলি সকলের শ্রবণগােচর হইতে দেখিলে কি? ৩১-৩৫। হয় কহিলেন, আপনি আম- লা। ১১-১৫। সিজাগ কহিলেন, আমরা জগতের আদি বিগের যে পরপুরুষার্থরূপ নােক এলান কৰিলে, ইহার হইতে আরম্ভ করিয়া মেজোলায়-কথা অনেকবার শুনিছি কাছে কাজ অতি তুচ্ছ; আপনার এমন উপকালে লি- নিজেও লােকের কাছে তার বর্ণন করিয়াছি, কিন্তু কৈ ময়ে এই রূম এভর্পণে লাতিনটি; ঈশ। এরূপ উপলে আমরা কোথাও শুনি নাই। মুনিবর বশিষ্ঠেয় এই আপনার কীল, আপনি যাকে আইন। এই মধুর উপদেশ শুনিয়া খাল, শ্রী,পী ও হিং-অগণও কাশ্মীকিছিলেন, যা পরখ এই ক লা মৌললল পরম তৃপ্তি বােধ করিতেছে। ইহাতে কোন সন্দেহ নাই। কলি, কাষত্র সেই বর যজ্ঞে লে নির ভগবান্ বশিষ্ঠ দৃষ্টান্ত, যুক্তি প্রভূতি নেয় উপদেশ দিলা এ পূজলি এণপূর্বক এত হইয়াকে কহিলেন। রামের প্রতি যেরূপ যে মেইলেন, আপনার প্ৰিল প্ৰ! আপনি মহারাজ সিংকে নিয়ে কলিম, সহধরিতীয় উপর নেইলপমেনে নিন। আগে। কিন্তু আপনার সােরে একে লালন এই মেনোপদে বাক্য এক কলিয়া ভিজলিও মুক্ত করি অ ল এম ফিি এই লিঙ্কান निवारण मनास्वामी मारमा परे मामा नि म सकि, HिA লামৃত অবজলি আম গান কৰিা আৰে নে কা বেল দিলে কাল দুধ ; সেই ;
বােগবাশিষ্ঠ-খামায়ণ তাঁহার চরণকমলে পূজলি প্রদান করিলেন। নয় রাম কাগৱ করি। তাহার পরে যিনি মুনিলৈজের অধিপতি বাজা আনন্দাপূর্ণননে পাকিসংকারে পূনঃপু একনেকে সেই ত তেৰী দূষল বশিষ্ঠকে এবং তাঁহার নিকটস্থত প্রণাম করিতে লাগিলেন। লক্ষণ, শক্র এ লদির সমান পেনিধি বিবিকে প্রণাম করি। ইহাদের এভাবে আজ পর যে যে কাছে ছিলেন, সকলেই সেই মূলিয়কে প্রণাম এশিয়া সকলে সালমনিকারিণী জগত-উপদেশবাণী শ্রবণ করিতে লাগিলেন। দূস্থিত রাজা, রাজপুত্র ও অপরাপর করিয়া খত হইলাম। বাল্মীকি কহিলেন, এই বলিয়া সিজাগ মুনিগণ যখনে কিয়াই শাম ও পলি প্রদান করিতে আকাশ হইতে আবার পুশ করিলেন। অনন্তর সকলে সেই লাগিলেন। হিমালয়পর্বত কেমন ভূয়াশিতে আচ্ছা থাকে সভায় আনন্দিতচিতে মৌলবলম্বন করিয়া ছিলেন। আকাশচারী সেই নিদেৰ সেই সময়ে চারিণি হইতে নিপতিত পুষ্প- সিগণ বেরূপ সেই সভ্যবর্গের এসা করিলেন, সঙ্গও আণিতে আবৃত হইয়া হইয়া পড়িলেন। ৪০-৪৫। অন- তেমনি তাঁহাদিগকে বহু এশংসা করি সমাদর করিলেন। নত র সকলের প্রণব্যাপার নিরঙ হইলে সঙ্গ কিঞ্চিৎ শান্তভাব এ মহর্বি ও দেবগণ, ভূলবাগী, ঘি, রাজ ও মুনীগণ ধারণ করিলে সুনির যশিষ্ট, উপদিষ্ট বিষয়কে কিরূপ বুঝিল, এইরূপে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান ও সাধুবাদ যারা পরস্পর সকলের আহাতে কেহ অসন্তুষ্ট হইয়াছে কি না? কাহারও রুচিবিরুদ্ধ সমাদর ও পূজা করিলেন। ৫৩-৬৬ | হইয়াছে কি না, তাহা জনিবার এ যাযুগল ৷ সেই কুনু- বিশতমসর্গ সমাপ্ত। ২•• | রাণি সাইয়া, শুভ্রবর্ণ মেখমণ্ডলের মধ্য হইতে চশের ন্যায় নিজের মুখ দেখাইলেন। সিদ্ধবৃন্দের প্রশংসাবাগ, দুশি, কুৱাৰিৰ ও সভা-কোলাহল শান্ত হইলে, প্রণাম করিয়া সভা সকলে ও মাদি স্ব স্ব স্থানে উপবেশন করিলে, বায়ু- একাধিকধিশততম পর্গ। সঞ্চালন থামিলে মেঘের ন্যয় জনগণ নিভাব ধারণ করিলে, বাল্মীকি কহিলেন-“ভা। অন্য সকলের সাধুবাদব্যাপার নিশাত্মা মুনিবর বশিষ্ঠ, সভা জনগণের সাধু শ্রবণ করিয়া ক্ৰমেশান্ত হইল, রাজগণ জ্ঞানগর্ভ উপদেশ পাইয়া পরম উল্লাস গাধিনশন বিশ্বামিত্র প্রভৃতি মুনিগণকে মৃদুস্বরে সম্বােধিয়া (আনন্দ) প্রাপ্ত হইলেন। জনগণ সংসারত্ৰৰ বিদূরিত হওয়ায় কহিতে লাগিলেন। ৪৫–৪১। হে গাধিকুল-কমল। হে বাম- সত্যৰহ্মের প্রতি অনুধাবিভচিত্তে নিজ নিজ (পূর্ব অজ্ঞশার) দেব। হে নিমে! হে তাে! হে ভারাজ। হে পুলস্ত্য। আচরণের নিন্দা করিতে লাগিলেন। সভা বিবেকা জনগণ হে আয়ে! হে ষ্টে। হে নার! হে শান্যি! হে ভাস। প্রকৃতিতে চিদানন্দ-সাস্বাদন করত যেন ধ্যানস্থ হইয়া রহি- হে ভূগে। হে ভারও। হে ৰংস। আপনারা আমার তুচ্ছ দেল। রামচন্দ্র গুরুদেবের সম্মুখে এতৃবর্গের সহিত পদ্মাসনে বাক্যগুলি শ্রবণ করিলেন কি? আমি যাহা বলিলাম, ইহার যে সমাসীন হইয়া কৃতাঞ্জলিপুটে তেজস্বী গুরুদেবের মুখের দিকে স্থান অন্যায় সঙ্গত বা কযুক্ত হইয়াছে, আপনারা অনুগ্রহ | দৃষ্টিপাত করিয়া অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। রা দশরথ বেন করিয়া আমাকে তাহা বলুন। ৫০-৫২। সভ্যগণ কহিলেন, ধ্যানমগ্ন হইয়া জীবনে যায় অতিপবিব্রভাবে অবস্থিতি করিতে ব্ৰহ্ম। বশিষ্ঠদেবের পরমার্থযুক্তবাক্যে কম থাকিবে ইহা লাগিলেন। ১-৫। এমন সময়ে নানা মুনি ৰশিষ্ট আজ নূতন কথা শুনিলাম। জন্মে জমে আমাদের যে মল' পূজাগ্ৰহণ করিবার নিমিত্ত অশাল কীভাবে অবস্থিতি করিয়া লিত হয় নাই, অন্য আপনার উপদেশে আমাদের সেই : বিশদনে আবার কহিলেন,হে নিবংশগগনের চল, রাজীব- মল অনলসংঘােগে স্বর্ণমলের যায় মার্জিত হইয়া গেল। হে লােচন বাম! এরণে আর কি শুনিবার ইচ্ছা আছে তাহা ফল? জি। চন্দ্রের চত্রিকাসম্পর্কে যেমন কুমুদহুনুম ফুটিয়া উঠে, আজ তুমি কিরূপভাবে অবস্থিতি কৰিচ্ছে, আর এই ভাসভূত সেইরূপ মুখীতল ভবণীয় পত্ৰহ্ম সুমধুর বাক্যে (ভ্রান্তিতে)ংকে কিরূপ দেখিছে, তাহা । মুনিবর আমাদের আকুম ফুটিয়া উঠিল। হে মুনি। আপনি বণিষ্ঠ এই কথা বলিলে পর রাজকুমার রায় শুরুদেরে মুখমণ্ডল সর্বসত্তারূপ মহাজ্ঞান দিয়া আমাদিগের একমাত্র শুরু হইলেন, নিরীক্ষা করুত শষ্ট ও মৃদুস্বরে ব্যাকুলতাৰে কহিলেন, এলে। আমরা সকলে আপনাকে প্রণাম করি। বাল্মীকি কহিলেন, এই আপনার প্রসঙ্গে আমি শারদকাশের নয় সাতিশয় নিব বলিয়া তাহারা সকলেই মুৎ ৰেষের ন্যায় গভীর ও ভারঘরে ধারণ করিয়াছি, আমার নিখিল মল কালিত হইয়াছে। নান্তে লিন্না না করিলেন। সেই সময়ে আকাশ হইতে আমার এমদাদ নিৰিভ্ৰম বিদূরিত হইয়াছে। আমি লিগ আর পূবালীৰ কৰিলেন, যে সকল বেঞ্চন বিস্বরূপ নিল আকাশের গায় অবস্থিতি করিতেছি। আমার তুষাররাণিজয়া হিমালয় পর্বতকে ঢাফিয়া ফেলে, সেইরূপ ৰশিক- সংসারগ্রন্থি বিগলিত হইয়াছে; আমার সমস্ত বিশেষণ (উপাধি) সেই আকাশ হইতে পতিত পুশিতে আৱত হইয়া লয়প্রাপ্ত হইয়া আমি নটকময় গৃহের মন্বিত টিক-মণির পড়িল। লু হায় রামকে ভগবান নাম্বার অবতার স্যায় নির্মল হইয়াছি। আমার এখলে পরম শাকিলাভ করত ৰশিয়া অবগত আছে, তাহারা প্রথমে রাজ শয়নে এ সুমুখের স্থায় বিতিচ্ছে, আর কিছুই শুনিতে করিতে কলিমা পরে চতুষেখারী নারায়ণ রামের এৎসা করি- ইচ্ছা করিতেন না। যে মুনে। আমার মন এখলে শান্ত হইয়া কে। পরে সিদ্ধ কহিলেন, আমরা জীবন্মুক্ত বাংলায় লিখিত সকল পরিত্যাগ করিয়াছে। জেকৌতুহল গিয়াছে, বিষয়- মালকে গেৱ সহিঁত শ্ৰণাম করি যিনি মুক্তির তাণ, মুতিও বিনু হইয়াছে। আমি এক্ষণে সর্বতােভাবে নির্বাণা থে বিতায় অন্যায়। দিলি সসাগরা পৃথিন পান করিতেছে, ওশান্ত ইলেছি। আমি এই জগৎস্থিতিতে থাকিয়া ফেল যাহার কুকীর্তি কাচ দি হইবে না, সেই রাজা নরকে 'অমুণ্ড, একাগ্র হইয়া নিরাময় হয় না বাইতেছিএখাৎ - - নির্বাণ-এর-উত্তর। ৮৭ আমার কি মনে মনে, কি বাহেলিয়র বিবরীলােচনা রহিত হইয়া ও বর্তমান বংশপরম্পরাকে পৰি কৰিলে। হে রাঘব! এ গিয়াছে। ১২-১৫। আমি এক্ষণে আমার পূর্বতন শাৰিকশিত মুনিবর বিশ্বামিত্রের আলি পূরণ, পিতৃসমভিব্যাহারে এই পৃথিবী শরীরস্থিতিই মনে মনে উপাস করিতেছি; এবং আপনার সুমধুর পালন করিতে থাক। ৫ । আজি তােমার সাহায্যে উপদেশৰণ মনেমধ্যে সতত উদিত হয় স্বভাবে কাগং ভােমার বন্ধুবান্ধব, ভূত, পদাতি, র, হস্তী, এ সকলেই করিতেছি। আমার এক্ষণে উপদেশ, অর্থ, বন্ধুজন বা শাস্ত্র বা নিরাময় নির্ভয় হিরপদ ও সব আয় প্রাপ্ত হইয়া এ সকলের পরিবর্তন কিছুতেই প্রয়ােজন নাই। আমার এই খাৰু। ৩১-৩৬। প্রত্যৎমুখী অক্ষ জীবে অবস্থিতিকে অনুৰােপন্দ্রয় একাধিকশিম স সান্ত। ২১। নির্বিয় স্বর্গরাজ্যের গায় অনুকরিতেছি। বাষ্টিতে আমি নয়নাদি অষয়বঃ হইয়াও অণকে আকাশ অপেক্ষাও অভিনিল টিমাত্র বলিয়া দর্শন করিতেছি। এগৎ একমাত্র ধ্যধিকশিততম সর্গ। চিলাকাশই” এইরূপ নিশ্চয় এসে আমার সুদৃঢ় হইয়াছে। এই বাল্মীকি কহিলেন,—ষ্ঠিবের এই কথা শ্রবণ করিয়া দৃত নামক জগৎ এক্ষণে আমার নিকটে ক্ষয় হইয়া আকশে সস্থিত রাজণ। অঞ্জরে যেন অমৃতধারায় সিক্ত হইয়া ও পরিণত হইয়াছে , আমি এই আকাশে অক্ষয় হইয়া জাগ্রহ হইলেন (অর্থাৎ সকলের অন্তঃকরণ জুড়াইল)। পদ্মপলাশ- আছি। ১৬-২• | আপনি আমাকে বিষ্যৎ-কার্য-বিষয়ে যেরূপ ইচ্ছা হইবে, সেইমত কাৰ্য করিতে এবং বর্তমান-বিষয়ে থা- লোকুর) বানচনমায় শােভ পাইতে লাগিলেন। ভঙ্গল- লােল রাম, পূর্ণচক্রের উদয় হােসাগরের ন্যায় (কান প্রাপ্ত-কাৰ্য্য করিতে এবং অতীত বিষয়ে যাহা ঘটিয়াছে, তাহাই বিশাল বামদেব প্রভৃতি ঋষিগণ সকলে একবাক্য হইয়া পরমারে করিতে যেরূপ উপদেশ দিলেন, আমি ইচ্ছাশূন্য হইয়া নিৰ্বিয়ে ভৰা বশিষ্ঠ কি অপূর্ব জ্ঞানোপণে করিলেন”—এই প্রকার তাছাই করিতেছি, আমি এক্ষণে তুষ্ট হই না, অষ্ট হই না, বাক্য বলিতে লাগিলেন। রাজা দশরখের অন্তঃকরণ প্রশান্ত পুষ্ট হই না, রোদনও করি না, অবশ্যকর্তব্য লৌকিক বা বেদোক্ত হইল, তিনি পরমানন্দে রােমাঞ্চিতদেহ হইয়া গম শােভা ধারণ কর্ম সকল সম্পাদন করি, আমার সমস্ত ভ্রান্তি দূর হইয়াছে। করিলেন। তখন ভলানী লোকগণ বশিষ্ঠদেশকে বহু সাধুবাদ এই সৃষ্টি অন্য প্রকার হইয়া যাউক, বা প্রলয়পক বহিতে থাকুক দিতে লাগিলেন। গ্রামের সমস্ত অজ্ঞান বিদূরিত হইয়াছে, কিংবা সব শূন্য হইয়া যাক, কিছুতেই আমার ক্ষতি নাই; আমি তিনি পুনরায় বশিষ্ঠদেবকে বলিতে লাগিলেন। ১-৫। হে স্বস্থ হইয়া আমাতেই অবস্থিতি করিব। হে মুনে। আমি এক্ষণে ভগব' হে ভুতভব্যেৱ। বদ্বিারা যেমন সূর্ণের ফল বিশ্রান্ত , বহরিন্দ্রিয় দ্বারা অলক্ষা, মনের স্বাৰাও দুর্লক্ষ্য ও নিরা- মার্জিত হয়, সেইরূপ আপনি আমার নিখিল অজ্ঞামল মাটিতে ময় হইয়াছি। আকাশকে যেমন মুষ্টিদ্বারা বন্ধন করা যায় না, সেই করিলেন। এতে! এলে পূর্বে আমি নিজ দেহকে আত্মা রূপ এক্ষণে আশা আমাকে বন্ধন করিতে পারে না। যেমন ব বলিয়া জানিতাম, আজ কিন্তু সমস্ত বিশ্বকে আত্মা বলিয়া দর্শন স্থিত কুনুম হইতে গন্ধ উড়িয়া গিয়া আকাণে অবস্থিতি করে, করিতেছি, আমি এক্ষণে সর্ব ও সম্পূর্ণ হইয়াছি, নিরাময় সেইরূপ আমি দেহ হইতে অতীত হইয়া সমভাবে অবস্থিতি হইয়াছি, যীশ হইয়াছি, আমি এণে ভঙ্গনী হইয়া জাগ্র করিতেছি। যেমন রাজার কি অগ্রবুদ্ধ কি প্রবুদ্ধ সকলেই স্বস্ব আছি। আমি একেবারে চিরদিনের মত আনন্দিত ও সুখী রাজকার্যে মুখে বিহার করেন, সেইরূপ আমি আশা-হ-বিষাগ- শূন্ত হির ও সমদশী হইয়া নিঃশঙ্কভাবে আত্মভে বিহার করি হইয়াছি , আর কখনই থিত হই না। আমার একাণে শাখত জেছি। হে প্রভাে৷ আমি এক্ষণে সকল প্রকার মুখাপেক্ষা পরমার্থের আবির্ভাব হইয়াছে, তিদিন এভাবে বমিতি উচ্চ সুখে সুখী হইয়াছি, আর কোন সুখের ইচ্ছা আমার করিব, আৰু ৰিত হব না। কি আল! আজ আপনি নাই, আমি এক্ষণে সকলের প্রতি সমভাবে অবস্থিত আছি; পবিত্র শীত আনারি আন্তা আমাকে অভিষিক্ত করিলেন। আপনি যথেচ্ছভাবে আমাকে ( আপনার সেবাদি কর্মে নিযুক্ত আমি কমলের ন্যায় শুয়ে উৎফুল হইলাম। ১০। আজি করুন। হে সাবাে। বালকে যেমন নিশঙ্কভাবে খেলা করে, আমি আপনার সাথে সেই পৰী(ৰক্ষ্যৈ) লাভ করি- জেল আমি নির্মল একমাত্র জ্ঞানস্বরূপ হইয়া যাবজ্জীবন আছি, যাহাতে অবস্থিত হইয়া সমস্ত কে অমৃতময় বােধ নিঃশক্ষভাবে এই সংসাৱস্থিতি পালন করিয়া দিতেছি। হে মুনী- করিতেছি। আমার বুদ্ধি আলি এল হইয়া। সমস্ত শােক র! এক্ষণে আমি আপনার প্রসারে আশঙ্কায় পান-ভােজন- অপগত হইয়াছে, অজ্ঞান কিংবা আমি নির্যয় আত্ম- নিজ কর্ম পালন ও বিশ্রাম করিতে থাকি। ৬-৩০। বশিষ্ঠ নন্দলাভ করিয়া পরম শােভা যাণ ফরিয়াদি, আপনা আপনিই কহিলেন, আজ বড়ই আনন্দের দিন। যেহেতু বাহার আদি নির্মলতা লাভ করিলাম ; আমাকে আমি নমস্কার করি।১১-১২ মধ্য ও সীমা নাই যেখানে গিয়া উপস্থিত হইলে আর শােক শিকলি সস ২২। করিতে হয় না, সেই মহাপত্তি পরমপদ এহছ। এক- রে আয় নির্মল শত গম পােলায় বিশ্রান্তি করি। সৌভাগ্যক্রমে আজ তুমি বীতশােক, সৌভাগ্যক্রনে আজ তুমি এ্যধিকততম সর্গ। সকলে অবদিত; আজি তােমার সৌভাগ্যক্রনেই ওপর বাকি কহিলেন, মুবির কঠিও না এইরুপে আত্মবি লােকের অনিষ্টা বিদূরিত হইয়াছে। আজ তুমি সৌভাগ্য- কমিতেছেন, এমন সময়ে দেব তাহানের সেই বিচার গুলিবার ক্ৰমে বধূতন নাম ধারণ করিয়া জানা অতীত ভবিষ্যৎ এই যেন আকারে মঙ্গলে উঠিলেন। তুলিকে সৌয়াল যােগবাণিষ্ঠামায়ণ । পদার্থসমূহ বিকাসের (আমেয় মপিকে পরিস্ফুট দর্শন, । মধ্যবর্তী আকাশে যেন নৃতল মেখে উদয় হইল। এর মধ্যাহ্ন আতপক্ষে একাশ) নিমিত্ত রামের মহতী বুরি গল্প এখয়- | কালীন তুবলিল, সভা-গৃহভিত্তিতে অভিঘাত প্রাপ্ত হইয়া ও ভাৰ ধারণ করিল। সেই সম্ভার সম্মুখে শােভাসনাির্থ যে বভি হইলে বাগ্মী মুলিশ্রেষ্ঠ বণিষ্ঠ রামকে বলিলেন-হে রাখ। সল কমল-সলােবর কলিত হইয়াছিল, কমল সকল বিকাশিত! তুমি যাহা করি, তাহা সমই শুনি, যা অনিবার, তাহা হইয়া থাকায় সেই সরােবর সকল, সেই সভায় সমাসীন উৎফুল্ল। সমস্তই নিয়াছ, তােমার জ্ঞাতব্য আর কিছুই নাই। তুমি হৃদয় রাজাদের আয় শােভা পাইয়াছিল। সেই সভাগৃহের ! আমায় উপদেশ যেরূপ শুনিছে, শাস্ত্রানুসারে দর্শন যেরূপ ফটিকময় বাতায়নে মুক্তাকলাপ বিলম্বিত রহিয়াছিল ; তাহার করিচ্ছে, সর্বোত্তম আনন্দ যেরূপ অনুভব করিচ্ছে, সেইরূপ উপরে সূর্যের প্রতিবিম্ব পড়িয়াছিল, সেই স্ফটিক বাতায়ন আমার একটা কথা রাখ। আমি ভােমাকে বলিতেছি, হে মহাতে। সূর্যের প্রতিবিম্বে ঝকমকামিত হওয়ায় বশিষ্ঠদেবের জ্ঞানগর্ভ | তুমি এক্ষণে গাত্রোখান কয়, আপনার কর্তব্য নিজ কর্ম সম্পাদন উপদেশ শ্রবণ করিয়া যেন আনন্দে আকাশে লক্ষ প্রদানপূর্বক ! কর, এখন আমাদের মধ্যাহ্নকাল অতিক্রান্ত হইয়া যায়, আর নৃত্য করিতে আরম্ভ কৰিছিল। সূর্যের প্রখর দীপ্তি সেই বসিয়া থাকা উচিৎ নহে, এস এখন যাই। হে ভদ্র। যদি সভাগৃহের পদ্মাগমণিময়-প্রমেশে নিপতিত হইয়া নির্মল বুদ্ধিতে তােমার এখনও শুনিবার আকালা থাকে এবং আরও যদি পতিত (প্রতিফলিত) জ্ঞানগর্ভ উপদেশের ন্যায় আরও সমুজ্জ্বল। কিছু জিজ্ঞাস থাকে, তাহা আগামী কল্য জিজ্ঞাসা হইয়াছিল। উক্তপ্রকারে পরমানন্দিত নিবংশের কৈরস্বরূপ করিও। ১৪-২৩। বাল্মীকি কহিলেন, মুনিনাথ বশিষ্ঠ এই রাম মুনিবর বশিষ্ঠের বদনচত্রের আলােকে (দশনে) যেন বিকাস কথা বলিলে পর রাজা দশরথ নিজে সস্থিত সমস্ত সাধু- প্রাপ্ত হইতে লাগিলেন-অর্থাৎ বশিষ্ঠের আননখলে দৃষ্টিপাত | গণকে যথাবিধি পূজা করিলেন। অনিন্দিত থাকি দশরথ কত পরম উল্লাস প্রাপ্ত হইতে থাকিলেন। ১। সূৰ্য্যদেব। বশিষ্ঠদেবের উপদেশানুসারে রামের সমভিব্যহারে সহিত বাড়বানলের ন্যায় আকাশসাগরের মধ্যভাগে অবস্থিত হইয়া মুনি, বি ও রাগণ এবং গগনচারী সিদ্ধগণ সকলকেই বহ্নিশিখার ন্যায় প্রখর তাপ প্রদান করত (পৃথিবীর) সমগ্র মণি, মুক্তা, দিব্য কুসুম, রত্ন ও মুক্তাহার প্রদান করিয়া আসল, বস পান করিতে লাগিলেন। আকাশ তখন রজঃ-(ধূলি, পক্ষ বসন, অন্ন-পানীয় ও স্থান দিয়া গন্ধ ধূপ ও মাল্য প্রদান করিয়া অরে পরাগ) শু নীলােৎপলের ন্যায় শােভা পাইতে লাগিল, প্রণাম কবিয়া, যথানিয়মে পূজা করিলেন। ২৪-২৮। অনন্তৰ সূর্যদেব সেই নীলােৎপলের কলিকার ন্যায় প্রতীয়মান হইতে সৎকালে আকাশ হইতে যেমন চন্দ্রোদয় হয়, সেইরূপ সেই লাগিলেন এবং তদীয় কিরণ ঐ আকাশরূপ নীলােৎপলের মানল বশিষ্ঠাদি দেশ-গণ সমধ্য হইতে গাত্রোখান করিলেন। কেশরের আয় বােধ হইতে লাগিল। আরও মনে হইতে সভা হইতে গাত্রোখান-কাল যেন স্বরাগ্রস্ত বলিয়া বােধ হইতে লাগিল, ঐ আকাশরূপ নীলােৎপল যেন জগৎমীর শিরােভূষণ, লাগিল। সুরগণ কর্তৃক বিকীর্ণ পুষ্পরাশির মকরন্দরসে অনুপ্রমাণ যেন স্ত্রীলােকীর কর্ণকুণ্ড, উহার মধ্যে (ঐ কর্ণকুলের মধ্যে) কর্দম সঞ্চিত হইল; কর্দম সথিত হইল; সকলের ত্বরিত গমনৰেণে গন্তবে বিবিধ নক্ষত্ররূপ রত্নরাণি দ্বারা বিজিত, তখন বিশ্বগণ বিশাল | কেরস্থিত রত্ব সকল চুর্ণ হইতে লাগিল, সেই বই-চুর্ণ পড়িয়া পর্বতশৃঙ্গরূপ কর কারা দশে সূর্যকিরণ প্রতিফলিত জলশূন্য ভূমিতল অরুণবর্ণ হইয়া গেল। পরস্পর সর্থে সকলের হার মেঘমালা ধারণ কৰিছিল। সেই ম্যাক্ত-সময়ে সূর্যকান্ত ছিন্ন হইয়া তাহা হইতে মুক্তাসমূহ ভূলে ছড়াইয়া পড়ি, সেই মণিমষ ভবনের সমিতি-আকাশ সূৰ্যসন্নিহিত না হইলেও সূৰ্য- মুক্তাসমাকীর্ণ ভূতল নিশাকালীন সমক্ষত্র গগনতকে পরাজিত কামণি হইতে নির্গত বহিলা যিগুণভাবে প্রজ্জলিত হইতে করিল। পথসকল দেবর্ষি, মুনি, ব্রাহ্মণ ও রাজগণের গমনাগমনে লাগিল। সেই সময়ে মধ্যাহ্ন-শখ কান্ত-ৰায়ু দ্বারা আড়ােলিত সঙ্কীর্ণ হইয়া উঠিল। পরিচারিকা ও ভৃত্যগণ ব্যগ্রভাবে পখি- সাগরের ন্যায় গলিয়া উঠিয়াছিল। সেই প্রচণ্ড রৌদ্রসময়ে মধ্যে প্রতি ভূপালগণকে চামর দ্বারা ব্যঞ্জন করিতে লাগিল। সভ্যগণের বনমণ্ডলে কমলে যাৰবিন্দুর স্যায় বিন্দু এক সে সময়ে স্বৰ কাৰ্যরাতেই যে সকল লােক ঠেলাঠেলি করিয়া একটা বিশুদ্ধ মূল ব্যায় শােভা পাইতে লাগিল। ৭-১৩। গিয়াছিল, তাহা নহে, বশিষ্ঠের উপদিষ্ট জ্ঞান-চিন্তাতেই বৃষ্টি ও নদীর বেসন সাগরকে পূর্ণ করে, সেইরূপ সেই সকলে মগ, জ্ঞান কাহারও ছিল না, কেবল অভ্যাসবশত উচ্চ শখধ্বনি সেই সাগৃহের ভিত্তিতে প্রতিহত হইয়া তাড়াতাড়ি যাওয়াতেই এইরূপ পরস্পর গাত্রসন্স এটিয়াছি। প্রতিধ্বনিরূপে পরাবৃত্ত হইয়া সকলের সন্ত্ৰৰে গাত্রোখান- কিন্তু পথিমধ্যে সকলেই কাহার পাত্রে পাত্ৰসৰ ঘটিলে পর- জনিত কোলাহলশব্দের সহিত মিশিয়া গিয়া আর উচ্চহইয়া অশেই এমনি কৃতাঞ্জলিপুটে ক্ষমা প্রার্থনা করিয়াছিলেন, এবং সভ্যগণের কর্ণকু আপৱিত করিল। সেই সময়ে পুজী যাহাতে আর মাত্রা নাটে, গাত্রের সম্পর্কে দুর্বল লেকের গ্রীষ্মপন্তির একপূৰ-ৰারি সিঞ্চন করিতে আরম্ভ করি- কষ্ট না হয়, এই সকলেই চতুর্দিকে দৃষ্টিপাত করিতে করিতে লেন, বােধ হইতে লাগিল যেন মেয়ে বৃষ্টি ঝরিতেছে। সেই গিয়ছিলেন। যার প্রভৃতি রাজগণ ও মুনিগণ সকলেই সময়ে রাজা দশরথ, বশিষ্ঠদে, রাম, পরাপর রাজগণ, মুনিগণ সভূমি ত্যাগ করিয়া যাইবায় সময়ে পথিমধ্যে পরস্পর মধুর ও সভাসদগণ সকলেই সভাতে গাত্রোখান করিলেন। সত্তাষণ করিতে করিতে গমন করিলেন। স-লােকবাসী দেব- রাজপুত্রগণ মুনিগণ, ও মুনিগণ ইহাৱা সকলেই পরস্পর এক্তি গণ যেমন ইসত হইতে পরস্পর মধুর সম্ভাষণ করিতে করিতে আলাদি কৱি আনন্দিতলে স্ব খানে গমন করিলেন। লােকে গমন কলেন, তেমনি সাধুগণ সটিতে পরপর খুব এদিকে অন্তপগুহের মধ্যে ক ভালবৃন্ত ব্যজন হইতে আলাপ করিতে করিতে আপন আপন আশ্রমে গমন করিলেন। লাগিল। সেই অরুন্তর পবনে উড়াল করিণিতে গৃহ সেই স হইতে বশিষ্ঠদেবের নিকট বিদায় প্রাপ্ত হইয়া নির্বাণ-প্রকরণ-উত্তরকাল। সকলেই পরস্পর রাত্রি সন্তান কি করি বনে গমনপূর্বক দিবস পালন করিলেন। ১৯৩৬। এর চতুরখিকশিততম সর্গ। বশি প্রভৃতি মুনিগণ, শরৎ এভৃতি রাজগণ সকলেই আপন বশিষ্ঠ কহিলেনহে আহাৰাহে। আমার যুক্তিপূর্ণ বা আপন দৈনিক কর্তব্য সমাধা করিলেন। সকলে নিলা- পূনপি এ ; পুরু মার্জনা কৱিলে দর্শন সকি কুও সম্পন্ন করিয়া উঠিলেন। এদিকে একমার্সের পথিক পরিত হইয়া থাকে। বিবিধ, রূপ ও নাম , রুপ- ভাস্করলেও অত্যাচলে গমন করিলেন। মহামতি রামের নকশার নাম—শব্দ, শব্দের অর্থও আবার আভি, , ক্রিয় ও সে আলােচনা করুত জাগরিত হইয়াই সকলে সেই রাত্রি তিশীল ছুখি। কাজা নামে গরু, সে চঞ্চল, ভাহার বর্ণনীল, গরু অতিবাহিত করিলেন। প্রাতঃকালে দিবাকর একাকাররূপ ধূলি ও শব্দের অর্থ জাতি, দ্রা শব্দের অর্থ এৰ, চঞ্চল শব্দের অর্থ তারকাতুহুম অপসারিত করিয়া, জগদরুপ গৃহকে পরিত করিয়া আহার প্রিয়া এবং নীলবর্ণ বলিতে তাহার । এখলে এই সমাগত হইলেন। ৩৭-৪৩। দুধদেব প্রথমে উদিত হইয়াই জোসনা একই গরুতে হইচ্ছে, কারণ এখানে বাৰিক করবীর ও ফুফুমের স্যায় লােহির্ণ কিরণপুর থানা চতুর্দিক ও চারি বন্ড লাই; সুতরাৎ শব্দের অর্থ আর কিছুই নয়, জ্ঞানের বর্ণ করিয়া গগনগয়ে ঝাঁপ দিলেন। রাজা, রাজপুত্র, মন্ত্রীও (জানিবার) সঙ্কেতমাত্র; সে জ্ঞানও ভ্রান্তিমূলক, অতএব বশিইমুখ মুনিগণ সকলেই পুনরায় দশরথের সভায় আসিয়া অর্থ প্রকৃতপক্ষে কিছুই নহে, অর্থ কি কিছুই না হয়, তাহা উপস্থিত হইলেন। প্রতিদিন আকাশে যেমন যথাস্থানে রীতি হইলে ও সলিলগশব্দের ব্যয় নিরর্থক হইয়া একইৰতে গ্রহনক্ষত্রনিচয় উদিত হইয়া থাকে, সেইরূপ সকলেই সেই পরিণত হইয়া যায়। এইরূপ বিচাৱে শৰার্থরূপী নারূপ মার্জিত সভার স্থানে যথারীতি আমন পরিগ্রহ করিলেন। অনন্তর হইলে এই পৃ অংও চিদাভাসে পরিণত হইয়া, সন্মভূত বশিষ্ঠদেব আপন আসনে উপবেশন করিয়াছেন, দশরথ প্রভৃতি হইয়া যায়। এইরূপে জাগ্ৰৎ যখন মিথ্যা হইছে, এখন রাজগণ ও সুমন্ত প্রভৃতি মন্ত্রিগণ বশিষ্ঠদেবের প্রশংসা করিতেন, তাহাকে স্বপ্নভৃষ্টবিষয়ই বলিতে হইবে,-অর্থাৎ স্বগ্নে যাহা সৃষ্ট এমন সময়ে কমলােচন ধীমান রাম, বশিষ্ঠদেব ও পিতলের হইয়াছিল, স স্কারমূখে হাই স্মৃতিরুপে সম্মুখে উপন্বিত হয়; সম্মুখে উপবেশন করিয়া মৃদুস্বরে বলিতে লাগিলেন। ৪১-৪৫। বাস্তবিক তাহা ভিন্নাকায়ে এতীয়মান হইলেও একমাত্র জান ভগবন। আপনি সর্বজ্ঞ আপনি নিখিল জ্ঞানের মহাসাগর, স্বরূপই। নিন চিনাকাশ স্বপ্নপুরীরূপে প্রতীয়মান হইয়া সাপ আপনি সর্বপ্রকারসন্দেহছেনে কুঠার, আপনি শত্ৰুদিগেরও হইলেও, প্রকৃতপক্ষে পৰিীন; এই ব্রিজগৎও সেইরূপ জ্ঞান শােকয় নাশ করিয়া থাকেন,আপনাকে অধিক আর কি বলি; কাৰে। রাম কহিলেন,এতে। এই পৃথিবী কি প্রকারে আমার স্রোব্য বা জ্ঞাতব্য বিষন্ত্র আর কি আছে? আমি তাহা হইল? পর্বত কিরূপে সম্পন্ন হইল + এল কিরূপে সম্পন্ন হই। বুঝিয়া উঠিতে পারিতেছি না, যদি কিছু শ্রোতব্য থাকে ত আগ- পাষাণ কিরূপে সম্পন্ন হইল ?জে কিরূপে সম্পন্ন হইল? ক্রি নাকে অনুগ্ৰহ করিয়া কীৰ্ত্তন করিতে হইবে। বশিষ্ঠ কিরুপে স হইল? বাৰু কিরুপে স হইল ? কিরুপে কহিলেন,-াম। তুমি জ্ঞান লাভ করিয়াছ, তােমার শ্রোতব্য সম্পন্ন হইল। চিকা কিরূপে সম্পন্ন হইল ? তাহা আমি আর কিছুই নাই। তােমার বুদ্ধি এক্ষণে প্রাপ্তব্য বিষয় প্রাপ্ত সমই বুবিয়াছি; তথাপি পূনপি আমাকে বুঝাইবার নিমিত হইয়া ফর্থ হইয়াছে, আত্মস্বরূপে অবস্থিতি করিতেছ। তুমিই তাহার পূরুলখ করুনবশিষ্ঠ কহিলেন-হে বাষৰ। গত নিজে বুদ্ধিপূর্বক বিচার করিয়া বল দেখি, তুমি অন্য আপনাকে বলে কল দেখি, ভূমি স্বপ্নে ৰে পুরী দেখিয়া থাক, তাহাতে পৃথিবী কি প্রকার অনুভৰ কৰিছে। আর তােমার অবশিষ্ট শ্রোতথ্যই কিরূপে উৎপন্ন হয়? আকাশ কিপে উৎপন্ন হয়? জল কিনে ৰা কি আছে? রাম কহিলেন, ব্ৰহ্ম' আমি বােধ করিতেছি, উৎপন্ন হয়।পাষাণ কিরূপে উৎপন্ন হয় ? সে কিরূপে উৎপল আমি কৃতার্থ হইয়াছি, নির্বাণ ও প্রশান্ত হইয়াছি, আমার আর হয়? বিৰুও কাল কিরণে উৎপন্ন হয় ও ক্রিয়া কিশে উৎপ কোন বিষয়ে আকাক্ষা নাই, যাহা বক্তব্য, তাহা আপনি সই ?স্বখপুরীতে এ সকলবিকাপে সম্পন্ন ? তাহার কালই কীৰ্ত্তন করিয়াছেন, যাহা জ্ঞাতব্য, তাহা সমন্যই আমি আনিয়াছি, বা কি ল, দেখি। কেই বা তাহা নির্মাণ করে, অন্ধ করে, তপনার বাণী, সফল হইয়াছেন, এ আপনি বিশ্রাম লাভ আফন করে, কেই বা ভাই। উৎপাদন করে, একাশ করে, তাহার করুন। বাহা পাইবার, তাহা পাইয়াছি, যাহা জানিবার তাহা স্বরূপ কি, কাৰ্যই নাকি?তাহা বল দেখি। রাম কহিলেন- জালিয়াছি জীবহ্মের পার্থক্য-বােধ অপসৃত হইয়াছে, সমস্তই এই জগতের স্বরূপ কেকল আকাশই, এই জগতে ভূমি-পর্বতালি এক ব্ৰহ্ম বলিয়া জ্ঞান হইয়াছে, দৃঙ্গভেদে এভীতি বিগলিত হই- এ সকল সৎ নহে; এই অপরূপ, ইহার আকারও নাই, গাছে; সমগ্রূপে বিচার করিয়া সংসারের প্রতি আস্থাভ্যাগ হার আকার বা এখার কিছুই নাই; নিরাকার আকাশের আম্পদও নাই। এই যথার্থ স্বল হইতে আকাশ, কৰিছি। ১৬৫। আধাৱেই বা প্রয়োজন কি? ৰাবিক এ নানে কিছুই ত্যখিকশিতম স সমাপ্ত। ০৩। সম্পন্ন হয় নাই; এই যে অাকারে যাহা কিছু এভিভাত হয়ে, খিই শখের মনােপে অবস্থিত হইতেছে। নী মহাগল কে, এই কি কাল এভৃতি, পলি, এলাদি ও গলদি সময়ই চিলাকাশ। অল যেমন - হইতে কবিরুপে পরিণত হইয়া পাষাণকাপে (ফরূপে ) বিত সেকস ৰিং আকাশৰ প্ৰাখহইয়া অকাল যােগ-রাম অবস্থিত রহিয়াছে। বতঃ পৃথিবী প্রভৃতি কিছুই নাই, নহে, এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। নিখিল ৰঙর কারণ তাৰেও কুত্রাণি নাই, এমনই একমাত্র অনন্ত চিল। পরমে সুতির এতেই কোন ভূজ্ঞে (কিতাদির) সন্তান। ১২-১৬। এশাত-সাগরে ভ্রময় সলিল বোন একইয়াও নাইন। দেহ ত পৃথ্যাদি পঞ্চগঠিত হইবে, পৃথ্যাদি আবর্ত, ভগ, ফেনাদিরুলে না হয়; পরমাত্মাৰ চিকানও পক্ষই এখন অলীক একেবারে নাই, তখন দেহও নাই। তেমনি এক হইয়াও নানাকারে প্রতিভাত হয়। চিৎ আপনাকে চিনাকাশের স্বরূপই কেবল প্রতিভাত হইতেছে। চিলাকালে গঠনে পতভাব প্রাপ্ত হইয়া কঠিনৰ থারণ করেন, স্বরূপৰিকাশই স্বপ্নের ব্লায় এই আকাৰাগ গৰ্শন করিয়া থাকে। আবার অজানে আপনাকে শু আকাশ বলিয়াই আনি তাহাতেই যেন সাকার ও আকুল (মায়াণে বিক্ষুদ্ধ হইয়া বঙ্গনে আপনাকে কল লিলা জ্ঞান করেন পড়ে। চিকাশের যে বিকাশ, তাহাই স্বপ্নান, তাহাই গঙ্গা- জালে আপনাকে বায়ু বলিয়া আত কক্ষে, উষ্ণতাজ্ঞানে কার ,ফলতঃ তাহা চিলকাশই, চিলাকাণৰূপেই তাহাকে স্বপ্ন- একে বহ্ন বলি জ্ঞান করেন, কিন্তু উক্ত প্রকার বিভিন্ন বিবর্ত অগং বলা হইয়া থাকে। চিলাকাশের মধ্যে আকাশের একার জানের সময় আপনার চিপ পরিত্যাগ করেন না। যার নির্মল যে জ্ঞানস্বরূপ, তাহারই মধ্যে স্বপ্ন ও সৎ ইত্যাকার ১-২০। গরূপী এই চিৎপর্থের অভাবই এই যে, ইনি রূপ বিদ্যমান রহিয়াছে। রূপভে-কল্পনাকারী চিত্মাই আপনার বিনা কারণেই ঈদৃরূপে একটিত হন। আকাণে যেমন এই অনন্ত স্বভাব-বিকাশে ক্ষিতি প্রভৃতি পৃথক্ সংজ্ঞা ( নাম) গতিরেকে আর কিছুই নাই, সমুদ্রে যেমন - কল্পনা করিতেছেন। চিতানকেই স্বপ্ন ও জগৎলে অভিহিত ব্যতিরেকে আর কিছুই নাই, তেমনি চিনা ব্যতিরেকে করা যায় , চিতির ভাবও আর কিছুই নয়, চিতির স্বরূপই চিদ- জগতের কিছুই সার নাই। চিনাকাণ ব্যতীত “তুমি” “আমি” গন, আহা আকাশস্বরূপ, কালি তাহার নশ নাই। আকাশে ইতালি খাৰ কোনরূপেই সম্ভবপর নহে; অতএব শান্তভাবে যেন তার অবধি নাই, সেইরূপ ব্ৰহ্মকাণে বিভিন্ন সৃষ্টি- অবস্থান করাই বিধেয়। আপনি যেমন এই গৃহমষে অব- পরম্পরাও কত যে আয় ও লর পাইতেছে হার সংখ্যা করা যিতি করিয়া সঙ্কৰলে বা স্বল্পবলে পর্বত ও এণি প্রভৃতি যায় না, ফলতঃ ঐ সৃষ্টিপরম্পরা ব্রহ্ম হইতে পৃথক নহে, ব্ৰহ্মই। দূর বস্তুর প্রত্যজ্ঞান করিতে পারেন (ফরিয়া থাকেন), ১-১১। রাম কহিলেন, জগবন্আপনি এ অসংখ্য সৃষ্টির সেইরূপ নিরাকার চিমাকাশও সঙ্কৰলে আকায় গর্শন করিয়া কথা পূর্বেও বলিয়াছেন, তখন বিশেষ করিয়া কোন কোন থাকেন। সৃষ্টিতে চিদাকাশ মেহাকারে এভীমশাল হইয়া সৃষ্টি ক্ষাতকাশের মধ্যে অবস্থিত, কোন কোন সৃষ্টির থাকেন। বাস্তবিক যখন দেহ নাই, তখন চিংই বিনা কারণে অg নাই, কোন কোন সৃষ্টি ভূগর্ভের ভিতয়ে বুকিয়াছে, অসত্য নকশে (ভ্রাবিশে) দেহকারে উদিত হইয়া কোন কোন সৃষ্টি আকাশের উপরে অবস্থিত, কোন কোনটা কেন, ইহা বিচার কম্বিয়া দেখা উচিত। ২১-২৫। , ভেনােমণ্ডলের মধ্যে রহিয়াছে, কোনগুলি বা বাতঙ্কন্ধে অবyি, বুদ্ধি অহঙ্কার, ভূত, পৰ্ব্ব, দি এ সষই একমাত্র চিদাকান, কোন কোন সৃষ্টির দুমণ্ডল আকাশের উপর অবস্থিত এবং ই'চিকাশ পাষাণের ভিতরের আয় নিপল। এইরূণ পিপীলিকার তা সংলগ্ন উ ওখােবৱী দেব--ৈমানবালি চ্চিায় করিয়া দেখিলে প্রতীয়মান হয় যে, কিছুই উৎপন্ন বা প্রাণিগণ-সকলেই “আমরা উপরে আছি”, আমরা উপরে নহে, চৈতরূপ এই বঞ্চিত জগদ্দলে অন্য রূপে আছি” এইরূপ জ্ঞান করিতেছে, কারণ সে সকল সৃষ্টির ফিতি করিতেন। চিতিতে যে বিকাশ—অর্থাৎ যরূপ প্রকাশ, ভূগের নিগ্রভাগ উপরের দিকে ও উপরিভাগ নীচের দিকে, এই তাহাকেই জগৎ বলা হইয়াছে, যেমন ভ্রকে সলিল বলা হয়। অন্য দেখিলে বােধ হয়, তথাকার প্রাণিগণ উপদ ওখােমস্তক ফল এই গান, ইহা ভানই নয়, পরমা-বিচারে ইহা হইয়া রহিয়াছে, ক ও গত সকল অধYমুখে বুলিতেছে। সূ চিলাকা। এ ব্যক্তির কথা কহিতেছি না, যিনি স্থানী কোন কোন ব্রহ্মাণ্ডের প্রাণিগণ বান্ধবীয় দেহধারী, কোন কোন তাহার সিন্ধান্তের কখই বলিতেছি অলী জানেন, ইহা সৃষ্টিতে নেল অন্ধকার আর কিছুই নাই। কোন কোন ব্ৰক্ষা- ও চিনাকাল। ২৬-১১। খে দেহ আকাশ, কোন কোন ব্রহ্মাণ্ড কেবল কুমিকুলে রবিকশিত সর্গ সমাপ্ত।। পৰ্বপূর্ণ, কোন কোন সৃষ্টি আকাশ-কোষের মধ্যে অবস্থিত, কোন কোটা পাবণিকোষের ভিতরে স্থিত, কোন কোনটা গৃহপালিকোষের মধ্যে অবস্থিত বলিয়াছেন, কোন কোনটাকে অকালে পীর হায় অবস্থিত বলিয়াছেন। সেই সমস্ত বাপের পার্থিকৰিশামসর্গ। মধ্যে আমাদের এই ব্রহ্মাণ্ড যে একান্ত, হে ভগ। হে যা কহিলেন, ভগ। এথে যেমন এই পাকাই - ডালিব। আপনি তাহার সৰিশষ কীর্তন করুন। শিষ্ট শে প্রতিভাত হন, আগ্রডে সে পাকই যে কহিলেন, আম। যাহা কখন হয় নাই, যাহা কখন দেখা যায় নাই রূপে প্রতিভাত হন, ভৰি ত্ৰি নং নাই; কিন্তু হে বা কোথায় শ্রবণ করা যায় নাই, তাহাই বলা কষিতে হয়, দেহাং জগৎ ও ঋয়ে কে হন কি করে? তাহাই ফুটাত আর বুঝাইতে; শ্রোতাকেও তাহাই গুলিতে এই বি অনার মহান সম রুহিয়া, আপনি আগ্রহ হয়। কিন্তু স্বাম। এই ব্রহ্মাণ্ডের বিষয় শাস্ত্রে কে মুলিগণ করিয়া আমায় এই সন্দেহ ভাজন করিয়া দিল। বণি কহিলেন, শত শত বার বর্ণনা করিয়া গিয়াছে, তুমি ভাসাইত কি আৎ, কি , সকল কাজেই আকাশ কাল আছ। তুমিও যাহা জল, শাস্ত্রেও তাহাই বর্ণিত আছে, অভজত হইত উৎপন্ন, আকাশই ইহার আবার, অভি এ কি অধিক আয় কিছুই নই, সুতাং ইহা অয় কি বর্ণনা কৰিখ ? ।
নি-এ-উত্তরভাগ ২১ । রাম কহিলেন, ন! ৷ কিরুপে ব্ৰহ্মাণ্ডকারে সম্পন্ন আছে; তাহার দুইপাশে দুই সমুদ্র (সমুহ ও মুত্র) হইলেন? কত কাল বা এইরুপে থাকিবেন, ইহার পরিমাণই ৰা এৰাতি। সেই বীপের পূর্বোক্স-কোণে ইলাবতী নামে এক কত? আহা আমাকে বলুন। ১২। বশিষ্ঠ কহিলেন, সুবর্ণময়ী পুৱী আছে: সেই সুবর্ণময়ী পুৱীয় দূভাগ হইতে রাম। ব্রহ্মের আদিও না, অন্তও নই, তিনি অন্যায়, তিনি দিকে যে গুণ নির্গত হইয়া শােভা পাইতে থাকে, দূর সর্বদাই আছে। সেই পরমাকাণে (ব্ৰহ্মে) আলি, ম্য, অন্ত হইতে তাহা দেখিলে বোধ হয় যেন, লুবর্ণ গগনলে করিম বা আকার কিছুই নাই। এই যে অনাদি অনন্ত এ পরি- উঠিয়াছে। সেই পুরীজ পূর্ণতা এজ্ঞপ্তি নামে তাত এক ছিঃ ৰহ্মাকাশ, ইহাই বিৰক্ত এই বি, এইজন্য বিশ্বের আদি র ছিলেন, নিখিল শীলােক সেই রাজার প্রতি নুর অয় নাই। এই পৱন চিমাকাশের স্বরূপেই যে বিকা, অধিক কি, তিনি যেন স্বর্গে বিতীয় ইন্দ্র ছিলেন। ১৫। তাহাকেই এই বিষ বলা হয়। মুজাং তিনি নিজেই বিখ, প্রলয়কালে আকাশ হইতে বিচ্যুত হইয়া পূৰ্য্যদেব যেমন ভূতলে এ কথা বলা ভ্রম। স্বপ্নে পুরুষের যেমন নগর বনি ঘটে, সেই পতিত হন, সেইরূপ আমি কোন কারণে আকাশ হইতে সেই রূপ সেই চিকাশে যে নগরবং ভান হয়, সেই জনকেই বিষ রাজার সমীপে গিয় উপস্থিত হইলাম। তিনি পাদ, এ, বলা হয়। এই চিন্ময় বন্ধে কঠিন পাষাণাত্মক পৰ্বত, দ্রবময় আচমনীয় ও পল যারা আমার পূজা করিয়া উপবেশনপূর্বক সলিল, শস্যময় আকাশ এবং কল্পনাত্মক কাল, এ সকলের কিছুই কথাপ্রসঙ্গে আমাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, গণ! যখন সব নাই। এই অব্যয় বৃক্ষ নিজ চিৎস্বভাবযুক্ত যে প্রকারে চেতিত সংহার হয়, নিখিল কারণ প্রাপ্ত হইয়া যায়, একমাত্র অনির্ব- হন তাহাই পর্বতাদির ন্যায় হইয়া প্রতীয়মান হয়। স্বপ্নে যেমন চলীয় শুন্য পরকাশ পৰ্যবসিত হইয়া যায়, তখন পুনঃস্থা অশিলাই শিলা বণিয়া প্রতিভাত হয়, অনাকাশই আকাশ বলিয়া হইবার এমন কি মূলীভূত কারণ বিদ্যমান থাকিতে পাতে, এ বোধ হয়, চিন্ময় ব্রহ্মে দৃশ্যপণের অস্থিতিও উদ্ধপ আনিবে। আহার সহকারী কারণই বা কোথায় কি প্রকারে কি কি থাকিতে নিরাকার শান্ত চিং স্বপ্নং আপনার যে চিৎখরুপের অনুভব পারে, তাহা আমাকে কলুন। আর এই জগৎটাই বা কি, করেন, সেই অনুভবকেই অগং বলা হয়, ফলতঃ তাহা নির- আর ইহার সৃষ্টিশলিই বা কি? এই গল্পে মধ্যে কোন কার। বায়ুর অভ্যন্তরে স্পন্দ যেমন বায়ুরূপেই অবস্থিত, তেমনি প্রদেশ অন্ধকারময়, কোন কোন স্থান আকাশময় আকাশের ব্রহ্মে এই জগ ব্ৰহ্মরূপেই অবস্থিত, ইহার ক্ষয় বা উলয় কিছুই উপরে সাগর। কোন কোন স্থান কৃমিকীটে পরিপূর্ণ কোন নাই। ২২-৩০। জলের যেমন ভ্র, নাকাণের যেমন শুঙ্গ, কোন প্রবেশ আকাশকোষের মধ্যে অবস্থিত, কোন কোন প্রদেশ বস্তুর যেমন বন্ধুত্ব, ব্রহ্মেও তেমনি এই জগৎ। কারণ নাই পাষাণের অন্তরে নিহিত ,ইত্যাদি বৈচিত্রেরই বা কারণ কি? বলিয়া ব্রহ্মে জগতের আবির্ভাব বা তিরোভাব কিছুই নাই, অথচ ফিত্যাদি পঞ্চভূত ও অময় চতুৰিধ জীবজাতিই বাস্তবিক কি? এহ্মপদে এই জগৎ নাই বলাও যায় না, অাছে বলাও যায় না। ১১। আর তাহলে অাখ্যাত্মিক বুদ্ধি প্রভৃতিই বা কেন হয়? ব্ৰক্ষ এন নিরাকার অভাস চিদাকাশ, ইনি কখনই এই সমুদয়ের কর্তা কে? ভ্রষ্টা কে? ইহাদের মধ্যে এখায়- সৃষ্টির কারণ হইতে পারেন না। অএব অববীর অবয়ব যেমন আধেয়তাই কি প্রকার ? কর্মকাণ্ড জ্ঞানকাণ্ড এই উভয়কাত্মক অবয়বী হইতে পৃথক নহে, অবয়বীর অাত্মস্বরূপই। নিরবয়ব বেদশাস্ত্রের মতানুসারে গরে মহানা (প্রায়) কখনই হয় অন্ধাকাশেও তেমনি এই জগৎ আকাশরূপেই অবস্থিত। এই না; পর তৎ প্রাণিবর্গের পূর্বকৃতকর্মানুসারে সর্বদাই জ্য- একমাত্র নিরালম্ব অনাময় এ জ্ঞানস্বরূপ। ইহাতে সভা, বহার এবর্তিত হইছে, এইরূপই যদি নিশ্চয় করা যায়, তাহা অসত্তা ও নানা কিছুই নাই। ৩১-৩৫। এই জগদি অনন্ত হইলে ত প্রাক্তনকৰ্মসংস্থার (এই ৰে কৰ্ম্ম করিলাম, ইহার অজ অব্যয় শান্ত ব্ৰহ্মকাণই সরকল্পিত ও অগ্নদৃষ্ট নগরের ফল এইরূপ হইৰে ইত্যাকার ভাবনা। যেরূপ হয়, অনুষও চায় সর্বপে অবস্থিত। নির্মুল কমনীয় পান চিলাকাশের সেইরূপ হইবে, আং সংস্কারকেই (ভাষাকেই সহালিকার সারভূত স্বরূপই চিংজব হইতে ভ্ৰান্তিৰণে বে যে আকারে এলিৰে, না, অন্য কাহাকেও হােসির কারণ বলিয়া স্বীকাৰ কৰি এতিত হন, তাহাকেই আপনার কতি মাৰ মহাপ্রলয় কেন? যদি ভাবনাকেই কারণ বলেন, তাহলে সেই তাকে চ্যন্ত জগদ্ধপে জ্ঞান করেন। ৩৬-৩৭। (নকে)শর নিত্য বলিনে, না, নখর বলিৰে? ৰি পঞ্চাবিতিতম সর্গ সমাপ্ত। ২৫। অনৱ ৰনিয়া স্বীকার কফেল, আহা হইলে তাহা কুট হৈ- ই হইয়া পড়ে, সেলিবিার বার হাতে ঘটিইে পারে না। যদি না কেন, তাহা ই ভাষার উৎপত্তি স্বীকার করিতে হ উৎপত্তি বীকাৰ কৰিলে সে উৎপত্তির কারণ কি? ষড়বিকশিততম সর্গ। আহাও ত কিছুই দেখা যায় না। অন্য কিছুকে (মাতাপিগদিকে) ৰাষ্ঠ কহিলেন- অৰ। বিনা কারণে যে সব যদি নেয়নি। কারণ এশিয়া স্বীকার করেন, অহা হইলে যে হইলে, বাবপকে ভাহা কিছুই নহে;ফল অন্ধ গল্প মুনিবর! এই ৰূপে যে সকল প্রাণী দেহত্যাগ করিল । ব্রহ্মাণে অতি আনে। হে ময়মতে। কোন অজানী এলি বা মৃত হল, তালের লক বা স্বর্গভােগ করিবার আপনার কাকে পরিপুষ্ট কৰিবর নিমিত্ত(অর্থাৎ বিশপ এ দেহ বিক্ষপে উৎপন্ন হইবে। মৃত্যুর পরে নরক যা অবগত হইবার এই বিষয়ে আমাকে যে গুরুত্ব প্রশ্ন জেগের যে দেহ হয়, অই স্বীকার করিতে হইবে। করিয়াছিলেন, তাই তাের নিজেছি,শ্ৰৰণ ৰূর। ভূ কি হ ত মালিকি হে; সুতরাং তারা যে অল ভ্রিলােকবিখ্যাত খুশীপ এক হীপ বলাকায় অবস্থিত হইতে আসিবে? আবার উলাল বা নিমিতকারই বা কাকে ও মূর্তিহীন রাজা প্রভৃতি ধরা বন্ধ ও এও, পারে না , এদেশের ৰা এ কালের শরীর ভিন্ন দেশে ভিন্ন। ২ যােগছি আমার। বলিকে? যদি বলেন, ওই ছােদি আকারে পরিণত যদি সি হয়, তাহা হইলে একই গৃহের যে সখীপের রাজ- ,অহা কিছু সঙ্গত মনে করিতে পারি না, কার, ধর্ম ভােগ কিরূপে সম্ভবপর হয়, তাহা আমাকে পুন। গন, থ, মূর্তিহীল, তাহা কিরুপে মুক্তি দেহ হইবে? অদ্রব্য অব্য অপা, ঔদহিক খাদি কর্মের ফল অষ্ট, সেই আকৃষ্ট যদি (পাবিলি) দ্বারা হােলিনির্মাণ করে, এইরূপ যুক্তিও একান্ত ওম এদেশে উৎপন্ন হইবে, এইরূপ যদি নিয়ম হয়, তাহা কলায়। মাতাপিত্রদি নিমিত্তের অভাব বলিয়াই কি স্বর্গ-নরক হইলে জিজ্ঞাসা করি, ইহলােকে ঐ সমস্ত, দল-বালি করিয়া জেগের দেহের প্রতি ধর্মকে কারণ বলিকে, না, এ কোন পরকালে (শুপ্রদেশে) হার ফল পায় কিরূপে? আর এক কারণ বলিবেন ? যদি বলেন, মাতাপিত্রাদিই দেহের কারণ, জলি কথা, অদৃষ্টত মূর্তশরীরেই ফলপ্রদান করিবে । ইহলােকের মূর্ব- মেই উৎপন । না, একথা বলিলোখালি কর্তার পলােক নাই, ইহাই সিদ্ধান্ত হইয়া পড়ে। আমি বলি সে সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত দেখা যায় না, যদি বলেন, ব্যবহাৰী জীব ও অদৃষ্ট উভয়েই বেখানে শীর পরকালে কিছু যায় না, অথচ ইহলােকেও কোন ফল নছে। কারণ, বর্তমান জন্মই পূর্বজন্মের নিকটে পরলােক বলিয়া | সমবেত হয়, সেই খানেই তাহার ফল হয়। ইহকালে ও কর্ম গণ্য হইবে। ১২-২৩। নতুবা পরলােক নাই বলিলে সমস্ত যে- এই পরকালে আসিয়া ব্যবহারী জীবে সমবেত হয়, সেই জন্যই শাস্ত্রের সহিত বিরােধ হইয়া পড়ে। আরও দেখুন, এক দেশের প্রজা অন্য দূরদেশে অবস্থিত নিজের ইচ্ছা ও চেষ্টার অবিষয়ীভূত সেখানে ফলভােগ হয়; তাহাতে বলি, যে তাহা হইতে পারে না, কারণ এই মূর্তি ব্যবহারী জীব ইহ ওপর উভয় লােকে থাকিতে হইতেছে, ইহাতেই বা যুক্তি কি, দেবতাদিগের যরে পাষাণময়। কত শালিমধ্যে সুবর্ণময় হইয়া পড়ে ,ইহাতেই বা যুক্তি কি? কালে থাকিবে কিরূপে? অতএব ইহকালের মূর্তজীবের কর্ম আর এই যে অচেজ বিধি-নিষেধ সকল প্রয়ােজন-সিদ্ধরূপ নিমিত্ত । উনা সজত হয় কিরুপে? হে মুনিবর। চন্দ্রমা যেমন কিরণ দ্বারা ব্যতিরেকেই প্রবর্তিত হইয়া কতক প্রচারিত কতক প্রচারিত হইয়া রহিয়াছে, ইহারই বা কারণ কি ?তহা আমাকে বলুন। সান্ধ্য অন্ধকার দূর করেন, সেইরূপ আপনি শান্তিপূর্ণ স্বচ্ছ উপদেশ ব্রন। এই জগৎ পূর্বে অসৎ ছিল, তাহার পরে ইহা সম্পন্ন প্রদান করিয়া আমার উক্ত সংশয়জাল অন কৰি দিন। হইয়াছে, ইত্যাদি এবােথিকা তিই বা কিরূপে সঙ্গত হয়। হে হে ভগ। পরমাত্মবিষয়ক সন্দেহ সকল বিদূরিত হইলে উভয় মহামুনে। সৃষ্টিগ্রান্তে শুন্য আকাশ হইতে কিরূপে ব্রহ্মার করিয়া লিল;আমি জানি, আসমাগম কাহারই বিফল হয় না, সেই লােকের হিতসাধন করা হয়, আপনি আমার সেই হিতসাধন উৎপত্তি হয়। যদি বলেন আকাশের ঈদৃশ শক্ত আছে, তাহা কারণে আপনার সমাগমে আমি প্রচুর আশা করিতেছি ।৩০-৩৪ ইলে সকল আকাশ হইতে আরও ব্রহ্মা উৎপন্ন হন না কেন? ওষধি সকলের বীজ অননশক্তি, অগ্নি প্রভৃতির যজ্ঞাদি বড়খিকখিতম সর্গ সমাপ্ত। ২৬ || ভাবই বা কোথা হইতে উৎপন্ন হইল ? ২৪-১। মুনীর। আমার এই ভি বিষয়লি আপনি বাহা নেই, তাই আমার নিকট কীর্তন করুন, আর আমার কতক- সপ্তাধিকধিশততম সর্গ। অলি জি আছে, বলিতেছি শ্রবণ করুন—একই ব্যক্তির বশিষ্ঠ কহিলেন, আপনি যাহা কহিলেন, তৎসমু- শক্র বাসনা-ফলপ্রদ এগাদি পুরে গিয়া তাহার মৃত্যু দলের মুখৰৰ উকর প্রদান করিতেছি, শ্রবণ করুন। হাতে কামনা করিয়া প্রাণত্যাগ কৰিল, আর সেই সময়েই তাহার আপনার সমস্ত সংশয় দূিরিত হয়, সেইরূপ ভাবেই দুই বহু উক্ত পুণ্যত্রে গিয়া তাহার জীবন প্রার্থনা করিয়া প্রাণ করিয়া উক্ত এলন করিতেছি। তারা বলে এই জগতের নিখিল ভাগ করিল। এ স্কুলে উক্ত শত্রু ও মিত্র, উভয়েরই উপরে বই সর্বদা সৎ ও অসৎ হইয়া থাকে, অর্থাৎ সত্য ভাবনা যথাক্রমে এককালে একধক্তির মৃত্যু ও জীবন প্রার্থনা সফল সং, অসত্য ভাবনায় সৎ। “ইহা এইরূপ” ইত্যাকার ভাবনা হয় কিরূপে, তাহা আমাকে বলুন। আমি আকাশের যেখানে প্রতিফলিত হইবে, তাহা সৎ হউক, আর অসৎই হউক, পূর্ণচন্দ্র হই” এইরূপ কামনা করিয়া বহু ব্যক্তি এককালে তপস্যা তাই। সেই ভাবনার অনুরূপ হইবেই। ভাবনার (সবিদ বা কৰিতে আরম্ভ করিল, এবং সকলেই অপার ফলে চত্ৰৰ জ্ঞানের অভাবই এইরূপ, এই ভাবনা থাৱাই দেহ ভৰিত হয় প্রাপ্ত হইল, সেই স্কুলে আকাশ এককালে বহু যুক্ত হয় এই ভাবনালেই ভেজা শরীয়স হইয়া থাকে। উক্ত না কেন? আরও দেখুন, অনেক কি একটা রমণকে যদি ভাবনা বা সংবিং দেহকে আকাপেই ভাবনা করে, তাহার নিজ পীরুপে’ বান করে, তাহা হইলে খাফলে সেই মণ পরে সেই দেহ সংৰিলের অভিব্যক্তি অনুভব করে অর্থাৎ নিজে হাদিগের সকলেরই পত্নী হইবে? কিন্তু সেই বম একাধারে আত্মা হইয়া ৰিংকে (ভাবনাকে আপনার ধর্ম করিয়া ফেলে। নিন স্বামীর গৃহে নিজ উপায় ব্রহ্মচারিণী, তপা ফলে সেই এই কারণেই জনগণ স্বপ্ন ও আদ্দশায় মীরকেই তা বা ঢাগির সকলেরই এত পত্নী হওয়ায় সাধ্বী ও ব্যক্তির চেরিল বলি কেন এবং ত্রি অন্য এক সংৰিকে উক্ত তো বলি অসাধ্বী কিরূপে হইবে, একাকিনী কিরূপে জি চেলা-কৰ্তাৰ বলি কল্পনা করে, অতএব বুঝা যাইতে যে, কেন ভিন্ন লিগৃহে তাহাদের পলাইয়া অবস্থিতি করিবে? ভাতিপিণী সবই দেখভাৰ, গুলি আর দেহভাব নাই। কোন এ সব খনি না স্বীকার কলে ত ানের ফল হয় না, তার কারণ নাকাতে এর গবে কোন বৰ উৎপ মিয়া বলিতে হয়। আমি গৃহ হইতে নির্গত হইয়ই সপ্ত হয় নাই, যা চিন্ময় জগদ্ধপে এভিজাত অর্থাৎ বীপের কাজা হব” এইরূপ বিল বাসনা বর বা সাপের ফলে এগৎ-অল্প কি করে। ফল এই নং ৰ ৰস ;
নির্বাণ-এ-উত্তরভাগ 5 আর কিছুই নহে। এইরূপ সূক্ষ্মবিচারে ভিন্ন হয় যে, ব্ৰহ্ম বিমুক্ত হইয়া খান, তাহার স্মৃতি পৰ্যন্তও বিলুপ্ত হইয়া যায়, নামক ৰে নিৰ্ম্মল জন, জবাই জগপে এতিত হয়, অভিন্ন তাহার পরে অব্যহীন একা কোথায় অব্য পাইন্দা অং- আর কিছুই নয়। এইরূপে অধিকারী এই যে অঙ্গে তিনি করেন। এই আপনার প্রশ্ন। আমাদের সিজাতে কিন্তু ইহা বেদনান্তে, পণ্ডিতমানে ও অপরাপর অধ্যাত্মজ্ঞানবিষয়ক আপনায় এ প্রশ্ন আমাদের অনুকুলই হইয়াছে, কারণ আমরা মহাগ্রন্থে প্রমাণিত ও আমাদের সকলেরই অসুসিদ্ধ হইয়া বলি, বকাশ পরব্রহ্মই জগং ইতাকারে প্রতিভাত হন, গিছে। যারা, নিখিলএণর অকুতসি মহাত্মদিনে যারা অভিন্ন ব্যরূপ অগৎ আর কিছুই নাই। ২৫। অতএব কথিত আগভে নিত্যজ্ঞান অপলাপ করিয়া বর্তমান প্রত্যক্ষ- আকাশরূপী অন্ধ নিয়েই প্রথমে হিরণ্যগর্ভরূপে প্রতিভাত বিষয়ের অব ও তাহাকে প্রমাণ করত “সংবিৎ () হইয়া নিৰ আকাশৰূপকে রূপে সঙ্কলনগর জ্ঞান করেন। নিজ নহে, ডালড়ীর হইতে উৎপ, সুৱাৎ শরীরেই যেমন কেবল পিই সঙ্কলনগররূপে প্রতিভাত হন, সেইরূপ বর্ষ" এইরূপ সিদ্ধান্ত করিয়া মােহ রহিয়াছে। তাহারা চিপের বিকাশই বিনা কারণে অগক্রপে প্রতিভাত হয়। অন্ধকূপমণ্ডুকে স্যায় অ ও উম্মত, তাহাদিগের সঙ্গে শরীর থাকুক বা না থাকুক, যে যে স্থানেই চিকাশ বিদ্যমান, আমাদের আলাপ করা উচিত নহে। কারণ তাহারা উন্মত্ত, সেই সেই স্থানেই ঐ চিদাকাশ আপনার স্বরূপকে তৈ-ৈ জ্ঞানী ব্যক্তি উন্মত্ত নহেন , উন্মত্ত ও অশ্বতের আবার কথােপ ময় জগৎরূপে জ্ঞান করেন। সেই কারণে চিকণ মৃত্যু পরে কখন কি ? যে তত্ত্ববিদের উপদেশে নিখিল সন্দেহ নিরাস হয় , স্বপ্নপুরীর ন্যায়, সঙ্কলনগরের স্যায় জগৎ দর্শন করিয়া থাকেন। তাহার সঙ্গে কি কখন মূর্ধশেকে কথাবার্তা কহিতে পারে। সৃষ্টিরম্ভ হইতে কি জীবিত, কি মৃত সকলের নিকটেই এই ১-১২। যে মূঢ়বুদ্ধি কেবল প্রত্যক্ষ-বিষয়েই স্বীকার করে জগৎ পৃথ্যাদিময় না হইলেও পৃথ্যাদিময়ৰং প্রতিভাত হইতেছে। আর বলে প্রত্যক্ষই প্রমাণ, অপ্রত্যক্ষবিষয় প্রমাণ হইতে ২৬৩। প্রবুক (জাগরিত ব্যক্তির প্রত্যক্ষ আন্দশায় পারে না, সুতরাং বেদোক্ত প্রমাণ গ্ৰাহ নহে” সেই ব্যক্তির স্বপ্নদৃষ্ট দেশকালের যেমন প্রতীতি হয় না, সেইরূপ পরলােকগত কথা অভিজ্ঞজলের নিকটে অত্যন্ত কর্কশ ও হেয়, এবং নিতান্ত ব্যক্তির নিকটে ইহলােকের দেশকাল কিছুই প্রতীয়মান হয় না। যুক্তি বলিয়া প্রতিপন্ন হয় , নিখিল ভদশী তৃণ মূঢ়বুদ্ধিকে আকাশের যেমন কোনই কারণ নাই, সেইরূপ শষ্ট অনুভূত অন্ধকূপমণ্ডুক বলিয়া থাকেন। কারণ, সে পূর্বাপর বিচারবুদ্ধি হইলেও এই জগৎ এবুদ্ধ ব্যক্তির নিকটে অপ্রতীয়মান (নাই পরিত্যাগ করিয়া কেবল বর্তমান প্রত্যক্ষ-বিষয় লইয়াই থাকে, বলিয়া সিদ্ধান্ত হয়। সুপ্ত ব্যক্তির নিকটে অবিদ্যমান বস্তু ভয় আর কিছুই আনিতে পায় না। বেল ও অজ্ঞানী যেমন বিদ্যমান বলিয়া প্রতীয়মান হয়, সেইরূপ পরলােকগত লােকদিগের নিকটে জিজ্ঞাসা করিয়া দেখিবেন, ঠাহারাও ব্যক্তির নিকটে চিদাকানই সৃষ্টিরূপে প্রতিভাত হয়। লােগ আমার মত এই আনুভবেদ্য জ্ঞান বলিয়া দিবেন , যাহাতে ব্যক্তির নিকট আকাশ পর্বত বিত্যাশিশ না হইলেও যেন পূর্ব সকল সহ এককালে বিদূরিত হইয়া যায়। আদি আত্ম হইতে ফিত্যাদি হইয়া রহিয়াছে বলিয়া বােধ হয়। মৃত্যুর চৈতই শরীরে পরিণত হয়, তাহা হইলে শবদেহ চেলা পরে জীৰ “আমি মৃত হইয়া নরকাদিভেজা শরীরীরূপে উৎপন্ন হয় না কেন ?” এইরূপ আশঙ্কা বাহার, সেই মুটবুদ্ধিকে উদ্দেশ হইলা, এই যমলােকে আসিয়া এক্ষণে শুভ অশুভ কৰ্ম্মফল করিয়া কিছু বলিতেছি, শ্রবণ করুন। যেমন আপনি গল্পে নগয় ভােগ করিতেছি” ইত্যাকার ভ্রমে পতিত হয়। ৩১-৩৫। দর্শন করিয়া থাকেন, সেইরূপ হিরণ্যগর্ভ ব্ৰহ্মার বেশধারী পরব্রহ্ম যারা মুক্তির উপায় দেখে না, পরন্তু সে দিকে অবহেলা করিয়া সবলে যে নগর দর্শন করিয়া থাকেন, তাহাই এই জগৎ, কালাতিপাত করে, তাহাগিগের এ মােহ বিদূরিত হয় না, যাহারা ফলত এই জগৎ সর্বদাই সত্য চিৎস্বরূপে অবস্থিত, আপনার তত্ত্বজ্ঞান লাভ করিয়া বাসনাশূন্য হইয়াছেন , এই মােহ তাঁহাদের স্বপ্নদৃষ্ট নগরে যেমন চেতনভ্রান্তি নাই, তেমনি শবাদি জড়, নিবৃত্ত হইয়া যা। অজ্ঞ ব্যক্তির বিহিত নিষিদ্ধ বিষয়ে যে বতেও চেতনভ্রান্তি হইতে পারে না। আপনার স্বপ্ননগরেও অনুভব, তাহাই ধর্মাধর্ম বানা, ফলতঃ তাহা আকাশেই আকাশ যেমন দিক, শৈল ও পৃথ্যাদি অনুতগােচর হয়, ফলতঃ তাহা রূপে অবস্থিত, তাহাই আবার জগদ্ধপে প্রতীয়মান হয়। এই সমস্তই চিন্ময় আকাশ, তেমনি বিশুদ্ধ চিন্ময় ব্রহ্মার সঙ্কলপুরী জগৎস্বরূপ শূন্যরূপী হইলেও অসৎরূপ নহে , পরন্তু ব্ৰহ্মনাশক এই বিশাল জগৎ, যতইহাও সেই চিন্ময় পরমাকা ব্যতীত চৈতন্যরূপেই প্রতীয়মান , অজ্ঞান বশতই কেবল ইহা অন- আর কিছুই নহে। ১৩-২০। আপনি যেমন আপনার সঙ্কল্প- লুপে পরিণত হয় , যিনি ইহার ভত্ব জানিতে পারিয়াছেন, কলিত পুরীতে যাহা যাহা সফর করে, তাহাই অনুভব করেন, নিকটেইহা পরম কল্যাণমৰ ব্ৰহ্ম। ৩৬-২৮। গেনি হিরণ্যগর্ভ ব্রহ্মা আপনার সঙ্গিত গতে বাহা সঙ্কল্প করেন, তাহাই ভঁহার অনুভবগােচর হয়; আপনার সঙ্ক- সপ্তাধিকশিততম সর্গ সমাপ্ত।২০৭। পুরীতে আপনি যাহা সঙ্কল্প করেন, তাহাই কেমন তামান হ, অহ্মর সমনগর এই অভেও ক্রপ হইয়া থাকে। সেই কারণে বিগির্ভ জীব ও দেহের শপ ও মৃতদেহের মাধিৰিণতম সর্গ। অশ এইরুপ নিয়মে স্পেল ও অপশ কল্পনা করিয়াছেন, অতি কহিলেন-রা। এ প্রজা দূষিত অমূর্ত বও ঠিক সেইরূপ কৰিছেন। হিরাগত সঙ্কলিত অসঙ্গত রজনিলেন শুভ অশুভ ফলে ভাগ হয় কিরূপে গং মহাপ্রলয় পৰ্য্যন্ত চলিতে থাকে, তাহার পরে নিন আপনার এই গ্নের উত্তর দিতেছি, এবণ করুন। এখন এই কায়ণের লয় হওয়ায় দ্রব্য পতও থাকে না। প্রজাপতি এ কােষে কৃত ও ব্রহ্মবােধে বন্ধ হইয়া থাকেন, তখন এগও সেই ৪; যােগবাণিরামার রূপ বেধে বন্ধের সঙ্কল্পনগর হইতে পারে। সঙ্কলনগয়ে যখন পরকালে(আনুসারে) তাহা ফলপ্রদ হইয়া থাকে। আহা যেরূপ সঙ্কলিত হইবে, তবও তখন ঠিক সেইরূপ চিন্ময় রে বাউল কনিই নাই। চৈ সবাই ইবে, আপনার এই সময় গৃহের প্রজাও যেমন আপনার পরিঙ্কুরিত হইয়া। ১৬। ঐ চির কলাই এটা ও সঙ্কজানুসারে সন হইতে, অল্পের সঙ্কলস-এতেও তাৰ প্রাপ্ত হইয়া সঙ্কলনগরে পরিণত হও যখন একপে এজা সেইরূপ ৰহ্মার সল-অনুসারে সম্পন্ন হইয়া থাকে। প্রতিভাত হয়, তখনই উহাকে অগৎ বলা হইয়া থাকে। আবার অর্থাৎ আপনার এই সফলপুরীতে আপনি যেরূপ সকল কম্নিতে যখন ঐৰহ্মচৈ আপনার ঐ জগঙৰ-দূরণে সংহার করিয়া ছে, সেই একালেই তাহা দেখিতেছেন। ১। অপােৰলে আত্মজলে বর্ণিত করেন, তখন ঐ চিলাকালে অবস্থিত নিদিগের যেমন বি সংবিদ বর ও অভিপাত দানে সক্ষম ব্রহ্মতৈকে শান্ত করা হয়। যেমন বায়ুর স্বৰ শল ও হয়—অর্থাং বর ও শাপন সঙ্কলে সিদ্ধ হয়, ব্ৰহ্ম সংবিও অশ, জেলি জগৰে ফুরণ ও অক্ষুণ এ দুই ঐ আত্মার ঠিক সেইরূপ হইয়া থাকে। কক্ষের সাজ-অনুসারেই অপশী অক্ষ নির্মল স্বভাব, আপনার নাময় পূৰীতে যেমন জরা- দিগের বরও পাপ সঙ্কলসি হয়। ব্রহ্মের কল্পনা (সঞ্চ) বলেই মৃত্যু নিবারক ওষধি সকল পৃথক পৃথক ভাবিশিষ্ট কম্বিয়া প্রজাগণ বিহিত নিষিদ্ধকর্মের ফল প্রাপ্ত হয়। জগৎ পুর্বে কল্পনা করেন, সেইরুপ ব্রহ্মের সঙ্কলনগর ত্রৈলােকের মধ্যেও দেহীদিগের উপলব্ধিগোচ, ছিল না বলিয়াই পুর্বে অসৎ ছিল, ব্ৰহ্ম সঙ্কৰলে ওষধি প্রভৃতি পদার্থনিচয়ের পৃথক পৃথক ভাৰ পরে উপলব্ধিগোচর হইয়া সং হইয়া উঠিয়াছে। চিপ নিয়মিত রহিয়াছে। ২১-২৬। হে রাম। বালকে যেমন এক ব্রহ্মের সঙ্কল্প-মেই এই জগৎ সং হইয়াছে, চিড্রপ ব্রহ্মের একটা ক্রীড়াব্য একই প্রকারে কল্পনায় স্থির করিয়া রাখে, বিকাশই সৃষ্টি এবং নিষেধই এলয়। ৬-১। রাজা কহিলেন, (ইহাতে এইরূপ ক্রীড়া হয় ইত্যাদি প্রকার ), নিত্য নৃল নৃত ব্ৰহ্ম এই জগৎ ব্ৰহ্ম-সঙ্কজেই যদি সং হয়, তাহা হইলে করিয়া কিছু কল্পনা করে না, যাহা সঙ্কল্প করিবার, তাহা একবারই ইহা সুষুপ্তি ও প্রলয়কালে উপলব্ধ হয় না কেন? জাগ্রৎও সৃষ্টি সঙ্কল করিয়া রাখে, প্রতিদিন ক্রীড়াকালে তাহাই ৰা জাতীয় কালেই বা উপলব্ধি হয় কেন, আর সর্বদা অস্থির বিকারী জগৎ অন্য ক্রীড়াদ্রব্য লইয়া ক্রীড়া করে ,সেইরূপ সঙ্কলনগরের সঙ্ক- সর্বদা সুস্থির হইয়া এভীত হয় কেন ? তাহা আমাকে বলুন।। কাও যাহা সল্প করিয়া রাখেন, সেই সঞ্চলে তাহা একে বশিষ্ঠ কহিলেন, মায়াময় চিলাকাশের সঙ্কলপুরীয় স্বভাবই এই যে, বারে চিরখিত হইয়া যায়। চিদম্বন ব্রহ্মের স্বভাবই এই যে, ইহা স্বপ্ন ও অগ্রণায় দেখা দিয়া প্রলয়, সুষুপ্তি বা মােকালে যাহা বাহা সঙ্কল করিবেন, শীঘ্র তাহাই তদ্রুপে এতিত উপস্থিত হইলে অকালমধ্যে অনু হয়। চিত্মায় এই সৃষ্টি হইবে। এই সঙ্কল্পকল্পিত পদার্থনিচয় এক চৈতন্যময় হইলেও পরম্পরা বালকে সফলকলি পুরীর ন্যায় নীল নলে প্রতীয় বিভিন্নপ্রকারে বিভিন্ন আকৃতি ও স্বভাৰপ্ৰা হইয়া থাকেন। মন কেশগুচ্ছালির রায় •ৎ ও অসপে প্রতীয়মান হয়। সকল্পিত নিখিলপদার্থেই ব্রহ্মচৈতন্য বিদ্যমান রহিয়ানে আপনি যেন মনপুরী নিৰ্মাণ করিয়া রুশকালমথ্যে তাহার সেই সর্বাত্মক ব্ৰহ্মচৈতন্য যেখানে যে ভাবে সিমান বিনাশ করেন এং আপনার স্বভাব খন সেই সঙ্কলপুরীর প্রলয় থাকেন তাহা সেই ভাবেই প্রতিভাত হয়। এই আদিম ও সঙ্কল্পে ল অন্যবিধ সঙ্কটে পরিনত হইতে থাকে। সেইরূপ বিহীন অনন্তৰীৰ ব্ৰ কিছুই না হইলেও কিছু এবং অসত চিদাকাশের কল্পনায় পুরীর উন্মেষ ও নিৰে তাহাকেই চিন্ময় হইলেও সদ্ধপে অবস্থিত। সর্বস্বরূপ ৰন্ধ নিখিল প্রাণী এবং ব্রহ্মের স্বভাব-বিকাশ বলিয়া জানিকেন। এই কারণে এই নিখিল বঙে-বেখানে ধপে অবস্থিতি করেন, সেই ত্রিভুাকাশ বিদমনমাত্র হইলেও অনাদি অনন্ত ব্ৰহ্মাকা-ই প্রকাশিত হন। ২৭৩। হইয়া থাকে। কারণ, সেই ব্ৰহ্মকাণ্ড নিজেই অগং হইয়াছেন। এবিকশিতম সর্গ সমাপ্ত।২০৮। সেই কারণে ঐ সঙ্কমকর্তা বা সঙ্কন করেন, তাহাই অনুভব করেন। ১০-১৫। সেই কারণ চিত্মার শত যােখন দূরে শতযুগ পূর্বে যে সঙ্কল্প হইয়াছিল, তাহা অদ্যাপি ঋগের আর যে বর্তমানের এত কাৰ্যকারী হইতেছে। চিত্মা নবাধিকশিততম পর্গ। আবরণ ও এক আয় বলিয় ভিন্ন দেশের বা অতীত কালের ঘটনা সফল এক অনুভব করেন। যেমন স্বচ্ছ বশিষ্ট কহিলেন—একই পুকুরে এ প্রশ্নগাড়ি মণিতে অপৱথি প্রভার সমিপন্ন বা ভিনােথান স্পষ্ট অনুভূত পূণ্যক্ষেত্রে তাহার মৃত্যু বা জীবন-কামনা বেগ করিয়া হয়—অর্থাৎ মণির সম্মুখে কোন বস্তু অনিয়া ধরিলে সে বর কিপে তাহার ফললাভ করে, আয় এর একণে দিকে দৃষ্টিপাত না কৰিাই মণিরদিকে দৃষ্টিপাত কৰিলে সম্মুখে এবণ করুন। হিরণ্যগর্ভ ব্রহ্মা সৃষ্টি এই অপর সন্তু কোন বস্তু রহিয়াছে বলিয়া বােধ হয়, এবং সম্মু বহু স্থান- নগরে অধিকারী জীবণের প্রগদি পুণত্র মৃত্যু বা ভরে সরাইলেও সে দিকে দৃষ্টিপাত কৰিলেই জানিতে পারা যায়। অন্য নিয়মিত পূণ্যকর্মের ফলস্বরুপ করিয়া রাখিয়াছেন, যেখানে কোন বস্তু নাই, লেইপ চিপ মণিতে এই অঙ্গে সেই ছ ন ক্ষেপ কামনায় কর্ম করে ফু ঠিক সেইরূপ আবির্ভাব ও বিবােজব অনুভূত হয়। পাত্রে যে বিধি ও নিষেধ পাইয়া থাকে। ব্রহ্মা আপনার সঙ্কলনধিকারী জীবের যা করা হইয়াছে, সুনিম গাৱ সমাজবন কনাই ভাষায় এটশাফন কৱিষায় উমেশে য় য়াদি পূরে মূখ্য উলে, কষ্টের এই ফল, এই কক্ষের এই ফল ইতালি প্রাঙ্গ মানালদি পূরণ করিয়াছে; বলি নি সকল জীবয়ে বনায় প্রতি বয়া খাকায় মৃত্যুর পরে অধিকারী পুরুষ তার কি আয় করিয়া কে ডি-এ-উত্তরভাগ ; আর সেই ফল পাই কে। সেই কারণে যে মাপাপ, অন ইহার কারিক টলাতে আবার বিরােধই বা কি, আর সে ৰিম হয় এশাদি পুণ্যত্র , ভয় হইলে সতিই বা কি? এইখন , তখন ইহার বিরোধী কি না অহার সেইসুত্রে মৃত্যু পুত্রের মাহালে সঞ্চিত হইতে পারে যে, উপরে আরও কত ভ্রম আছ। সঞ্চয় বা পাপ সই কলিয়া সিনিয়মইয়া যায় না অধিকারী অগশা বেনগান্তি অনুভূত হয়, আগ্ৰগের এই ভ্রান্তি নিপাপ ও পুনর্বি হইয়া যায়। আর যদি তাহার পুর্বকৃত (পদ) অহা অপেক্ষা নূতন নহে, বরং অধিকই হইবে। পাপের ভাগ এর পূণক্ষেত্রে কৃতকর্মের ফল অধিক হয়, তাহা রাজা কহিলেন, ক্ষ। ও কিরুপে শেহজ্ঞানের প্রতি হইলে তাহার সেই পণ্য, পাপ নাশ করিয়া নিয়ে যটুকু অবশিষ্ট কারণ য়। কারণ, ধর্ম ও অর্মের মূর্তি নাই, সেই মূর্ত, থাকে, তাহাতেই সুফল প্রদান করে। ১। হে মহীতে। এতএব অমূর্ত ধর্মাধর্ম কিরুপে মূর্ত-শীরভাৰ প্রাপ্ত হয়, তাহা যেখানে শাসনীয় পাপীর সঞ্চিত পাপ ও পুণ্যক্ষেত্রে ক্রিয়মাণ আমাকে বলুন। ১৫-২০। বণিষ্ঠ কহিলেন, হে মহামতে। বর্ষের ফল পুণ্য সমান সমান হয়, সেখানে পাপ ও পূণ্য উৎই এর সঙ্কলনগর এই জগতে এমন কি আছে, যাহা সঙ্গত বা ভুল হওয়ায়, কেহ কাহাকেও নষ্ট কৰিতে সমর্থ হয় না, সুতরাং সত্য হয় না, সঙ্কলনগরে যেমন অসম্ভব কিছুই নাই, ব্ৰহ্মায় পাপ ও পুণ্য উভয়েরই ভােগের অন্ত সেই অধিকারীর দুই কল্পনাপুরী এই জগতেও তেমনি সব কিছুই নাই। সফল বা শরীর এবং দুই শরীরের দুই চিদাভাস ভ্রাভিজ্ঞানে স্নায় স্বপ্নপুরীতে এক যন্তই লঞ্চ বন্ধ হইয়া পড়ে, নচেৎ একাই স্বপ্নে স্কুরিত হইতে থাকে। এইরূপে ব্রহ্মের সঙ্কৰণেই পাপ ও সৈনিকতাষ প্রাপ্ত হয়; তাহাই সহ হইয়া গৰায় এক হয়- পূণ্যের কলসকল উৎপন্ন হইয়া আসিতেছে। আমি ঐচিং সেই স্বপ্নসেনাই পরে আবার এক সুষুপ্ত হইয়া যায়, সংবিদা- পদার্থকেই ব্রহ্মবলিতেছি, ঐ ব্ৰহ্মাই পযােনি ব্রহ্মা, তুমি, আমি কাশময় অনুভবরূপ এই জগতে সঙ্ক বা স্বল্পকালে যে ইত্যাদি বিবিধ-আকারে প্রতীয়মান হইয়া থাকেন। সেই ব্রহ্মা সঙ্কলিত বা স্বপ্নদৃষ্ট-সনিক অনুভুত হইয়া থাকে, ইহা গল্প ৰা ব্ৰহ্ম যেরূপ অবস্থিত হইবেন,তাহার সঙ্কলিত এই জগৎও বা স্বপ্নভঙ্গের পরেও কেনা অনুভব করিয়া থাকে ? ২১-২৫। ঠিক সেইরূপ হইবে। পুণ্যের বিপরীত পাপ বাহার আছে, অতএব চিমাকাশের সঙ্কল্পভূত এই জগতেও সমপরই বা কি, তাহার যেমন নরকাফি-কেণভাবনা উপস্থিত হয়—অর্থাৎ মরকাদি- আর অসম্ভবপরই বা কি? সবই সম্ভবপর হইতে পারে; আবার ক্লেশ অনুভব করিতে থাকে, সেইরূপ বিধাতার (ব্ৰহ্মার) কিছুই সবপর না হইতেও পারে। ফলতঃ যাহা কিছু দেখিতেতি, সম্মানুযায়ী পুণ্যক্ষেত্ৰত পূণ্যকর্মের ফলভােগও স্বপ্নের স্যায় বা অনুভব করিতেছি, সমস্তই শক্তি, সমই একমাত্র উদঞ্ছত হইয়া থাকে অর্থাৎ জনগণ পূণ্যফল অনুভব করিতে উল আকাশময়। ইহাতে অসৎও কিছুই নাই, সৎও কিছুই থাকে। যে পাপী, সে ভাবিতে খাকে ,এই আমি মৃত হইলাম নাই। ইহাতে যে প্রকারে যাহা যাহা অনুভূত হইতেছে, আমার এই বন্ধুগণ রেজিন করিতেছে , আমি এই একাকী ত্বশী প্রবুদ্ধ-ব্যক্তির নিকটে তাহা তগেই প্রতিভাত হতে পরলে। অসি উপস্থিত হইলাম। তাহাদের বন্ধুবৰ্গও পারে , কাদশীর নিকটে আবার অসঙ্গত কি ? ইহলােকে বিকার রােগীর স্যার সেইরূপই ভাবতে থাকে। যখন ধৰ্মকৰ্ম্ম করিলে স্বর্গে গিয়া সুধাপূর্ণ পৰ্বত প্রাপ্ত হয় ,—অর্থাৎ অত্যুংকট পাপ বা পূণ্য সঞ্চিত হইয়া পড়ে, তখন অধিকারিগণ অসীম সুসম ভােগসুখ প্রাপ্ত হয়, এইরূপ শাস্ত্র নিয়মের উপরে টিংকলনাবশে অপরের অলক্ষিতলে মহাত্মাবিগের নিগ্রহ বা আস্থা করিয়া ঐরূপ ফলবাসনায় যে এক করে, সে অবশ্যই অনুগ্রহষ্টিতে সৃষ্ট ফল যা সুফলপ্রাপ্ত হয়। অত্যুৎকৃট পুণ্য ও খর্গে গিয়া সুধাপূর্ণ পৰ্বত প্রাপ্ত হইবে। যদি প্রপঞ্চ মিথ্যা পাপশে যে আপনাকে মৃত ভাবিতেছে, তাহার বন্ধুবৰ্গও বলিয়া অসঙ্গত মনে কর, তাহা হইলে ইহলােকে যে কৰ্ম্ম করা তাহাকে সেইরূপ মৃত অচেতন হইয়া পতিত শবরূপে নিয়া যায়, পরলােকে তার ফলভােগ ইত্যাদি নিয়মও অসঙ্গত ও করিয়া থাকে; এবং তাহার অন্য নােদন করে ও বন্ধু-বান্ধবকে মিথ্যা হইয়া যায়।-অর্থাৎ দৃণ ভাবনা করিবে, সিজিও ঠিক সঙ্গে লইয়া তাহার হাদি কাৰ্য্য সম্পন্ন করে। আর একই অনুরূপ হইবে। ২৬-৩০। যদি জগতের নিখিল বস্তু সত্য ব্যক্তির মেহনারূপ বন্ধু তাহার দীর্ঘজীবন প্রার্থনা করিতে হয়, এবং হাতে বিনােথ দেখা যায়, তাহা হইলেই ইহা সে আপনাকে অয়াবিহীন অদুঃখিত অনুভব করে, সেই ত, ইহা অসঙ্গত, এইরূপ বলা যাইতে পারে, কিন্তু নিখিল উপস্থিত দেহেই আপনার জীবসত্তা অনুভব করে। আবার জ্বাই যখন গলশে চিকাৰ হইতে প্রকাশিত হইয়া সেই ক্ষণেই তাহার শত্রু যদি প্রয়াগে গিয়া তাহার মৃত্যুকামনা কল্পনায় দৃষ্ণ হইতেছে, গুম আর সঙ্গই বা কি, আর করিয়া মরে, তাহা হইলে অনি তখনই সে পুণ্যক্ষেত্রে কতই বা কি? এই এই অসঙ্গতি দূর করিবার অই) তাহার কত পুণ্যের বলে আখ অপর এক শরীরে আপনার আমরা স্বপ্ন ও সঙ্কসি অন্তর অনুসারেই এই জগতের মৃত্যু অনুভব করে। তখন সে ক্রিকৃত অচ্চিার-ক্রিয়ার প্রতী- অনুৰে কৰা বুলিছি কারণ এগও একাণে অবস্থিত কার জানা না করিয়া মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির গল্প আপনার টিভিরই সঙ্কল। তােমার সংলগয়ে যেমন ৰ কিছুই মৃত্যুই ভাবিতে থাকে। সে ব্যক্তি অরগাত্রে বিভাবে নাই, 'চিহ্ন একের লঙ্কলনগমও সেইরূপ কোন এশ বসিয়া আছে, নিজে কটুকারীর হইয়া থাকিলে তাহাকে অসম্ভব সাই। এগসফলত শতের বেঙ্গপে কল্পিত মাঝিতে আর কোকি? সেই মৃত্যুভাকাকাৰী ব্যক্তির বন্ধুগণ হইবে, তাহা অবতই সেইকালে উপস্থিত হইবে। সুত কিনে উহাকে ঘী এৰিত লিয়াই দেখিতে থাকে; এ কার্যক্ত ব্যবহার ঠিক সেই হইবে,” হায় থা এইক্ষণে একই ব্যক্তি এককালে আপনার জীবিত ও মৃত দ্বিবিধ হইবে , কারণ, যতরি করা (ৰা ভালাইপস্থিত বস্থাই শান্ত হইয়া থাকে। ফলত এই গইন ভ্রান্তিম, গা হয়, কলিজৰ পূৰ্বকালই বিদ্যমান থাকে।
বাগবা-িরাণ । এই কারণেই যে পর্যন্ত মহাশয় না হয় সে পশু জগৎ ফল অব পাব এই পাষণ সূষ্টি-প্রারতে ব্রহ্মার সঙ্গে যেরূপ হইয়াছিল, সেইরূপই থাকে। থাকায় মৃত্যুর পরে আকার হইয়াও চি মহাপ্রলয়ের পরে আবার অন্য প্রকার সঙ্গে অ একাৱ হইয়া করিয়া ব্যয়ে মা মূর্ত কর্মফল শনি যায়। প্রতি স্বপ্নে প্রত্যেক জীবের চৈতে যেমন লি তাহা কিছুই নহে। মন ও নেয়। ভিন্ন স্বপ্ননগর ই প্রতীয়মান হয়, এইরূপ প্রভিয়ে ভ্রান্তিশে চৈত মনের সহযােণ কাৰ্য সঅরুণী জগৎ এই প্রতিভাত হয়। এই আড্রপ স যুক্ত হইয়া নওশপ হয় ; লগয়ে অসম্ভবপর কিছুই নাই এই অংও সরকারী আজ পর- যায়, তখন নির্মল তৈই মাত্র অবশিষ্ট অরূপ চিম অক্ষ হইতে পৃথকু নহে, অতএব রান। জীব ইহলোকে অনুষ্ঠিত দাদি কর্মক নিখিল গংকে আপনি বন্ধ বলিয়াই আনিলে। ১-৩৮। প্রতিভাসকেই তাহার ফলপে এপ্ত নবাধিকধিতম সর্গ সমাপ্ত।২৯। এই সিদ্ধ হয়, ইহার অন্যথা হইবার কল্পনাত্মক সংসারে অকৃত্রিম সঙ্করূপ সালমনি) বা অনফল (দুভােগদি) পরলােকে নেই, এতে বিনােথও ত কিছু দেখি না। হে মহা আপনি । দশাধিকশিততম দর্গ। জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, আমি তৎসমুদউদিলাম, পুলি বশিষ্ঠ কহিলেন,-রাজ। “অক্ষয় পূর্ণচন্দ্র হইবে”—এই সংক্ষেপে বলিয়া রাখি যে, এই নিখিল জগৎ জেরই কম কামনায় ধ্যান করিয়া শত লােকে পূর্ণচন্দ্ৰতাৰ প্রাপ্ত হইলে মাত্র, ইহাতে প্রতি প্রতিবন্ধক) কিছুই নাই।জাজিলি আকাশ শত চক্র হয় না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর একাণে লেন, ভগব। দেহবিহীন চৈ কর্তৃক কৃত এ কে প্রদান করিতেছি, শ্রবণ করুন। তাহারা “আমি চন্দ্র” এইপে কিরুপে প্রতিভাত হয় ? সেই ব্যতিরেকে চৈ এস চত্রবিষয়ক ন করিতে থাকে, তাহারা খানলে অভাব অসন্তৰ, ৰে ভংগিত দেহের প্রতীতি হয়গে। আরিনিকে এপ্তিতে জাৰ বিষ্ণুত হইয়া সুস্থির হয়। এই আকাশে ত আর জিতি না থাকিলে দীপভার একাৰ ২ কিল- প্রাপ্ত হয় না বা আকাশের এই চক্রেও প্রবিষ্ট হয় না। সঙ্কলে ভিভিসাহায্য ব্যতিরেকে দ্বীপগ্রভা প্রকাশের চিলি আপনাকে চত্ৰ বলিয়া জ্ঞান করে মাত্র। সঙ্কলনগরে অভীষ্টলাভ প্রতিস আমার নিকটে সন্তৰ বলি বেই। যে সঙ্ককারী, সেই করিয়া থাকে, অপর নহে; বলুন দেখি, কহিলেন, হে মহামতে। আপনি দেশকে যে র সঙ্কলপুরীতে এতে কখন কোথায় প্রবেশ করিয়াছে কি? অক্ষব্যক্তির নিকটে সে অর্থ আকাশে পাশের স্বন আসর স্ব সমিত সকল সেই সঙ্কলকর্তারই সঙ্ক- অলীক।—অর্থাৎ জ্ঞানী উহার ও বুকে কলিত গদাকানে ও পূর্ণ হইয়া কিরণ প্রদান করিতে থাকে, ব্ৰহ্মকের যে অর্থ, দেশষেও সেই ; পরে তাহা দেখিৰে কিরূপে? যদি ধ্যানকর্তা এইরূপ সঙ্কজ দুই শব্দের যেমন অর্থগত কোন পার্থক্য নাই, সে করিবা ধ্যান করে যে, “আমি এই আকাশের চত্রে এৰিহই” সেশব্দের অর্থগত কোন পার্থক্য নাই। ঋগের স্থায় এতীয়জন তাহা হইলে সে জাহেদুবলিত হইয়া এই চক্রেই বিষ্ট ঐ নেই, বস্তুতঃ সে ভক্ষ, সেই ব্রহ্মই কেবল আপনাকে বুঝা হয়।“আমি চমলে এবিষ্ট হইয়ামে অবস্থিতিরি এইরূপ নিমিত্ত স্বল্পবৎ প্রতীয়মান দেহ বলিয়া নির্দেশ করি ৷ সঙ্কল্প করিয়া যে ধ্যান করে, সে অবশ্যই চমলে প্রবিষ্ট হইয়া তাহা স্বপ্ন নহে, স্বপ্ন আপনার অনুভূবিষয়, এই তাশ মুখভাগী ইয়া থাকে, এতে কোন সন্দেহ নাই। অসম দিয়া আপনাকে বুঝাইলাম, বান্ধুবিক এই সংবিৎ যা ঘয়ে বর্তন করে, দৃঢনি থাকে ঠিক প্রতিভাত খের সহিত ইহার মাত্র সা সেইরূপই অলর। শর্তাদিগের স-শারে এই দেহই বা কি? পদার্থ বা স্বল্পবুভিই চক্র মেরুপ পথ এতিত হয়, সকালে কাশিনী- কি জানেন, স্বপ্ন ভাতিমাত্র, কে বুঝা লাভ ঠিক সেই হইয়া থাকে। আর যে গান্ধী মণীশ এই ভ্রান্তিষ্টাজের এককতা, চিপত্র অ তালার ললে ভাবা হয়, সেই কনস্যুত ভাৰ্যাপে সুষুপ্তি কিছুই নাই। যাহা কিছু প্রতিভাত ও ঐরুল আহাদের অপােপডি সাকিলৈই আকাশ, সমস্তই এণৱে দুৰীয়াংশে পৰ্যৰসি ইয়াকে। নিগৃহ হইতে বহির্গত না হইয়া দীৰ নেম (ভে) এগিতাত হইছে, ব কপের বাজার, সেই সখীপের কাজলাভও ভাহার সেই নিজ হ এবং পূর্বে বাছা এজি (ইয়াছি গৃহক কলংমাকে। ১০। যা এই নিখিল বিয়ে, গ্রৎশয় প্রকৃতি কি रेल बानि जब व सामागछ परेका 1220 सबक सिख এতি শান্ত, অন কৰিত উলাসৰুমিগে কলি কি বলে পূর্ণ বিষয় পরিণ প্রবি কখন জপ হইতে প? য় এল কলা; সুতরাং এর মধ্যে আন্মে নেয় ऐशबादि का कि, बज माहिद का किस - बटेष पारा विश्वणिपण्यममा লােকচিত্র আয়ল, তির পােকে আলপ। শীত কি লৈ ন কারণ তার কারণ কি এত বলিনি ওই wি শশীর দিকে করুন। ইহলােকে শনি র কলি মী, সেই সহিহ ইহ উন্ম নেওয়া কে।
নিৱাগুৰুতৰভাগ। ৭ E । এভা, ভৈ, ঐ, সৎ, অসৎ এ মশই পরুন চিলাকা। একাধিৰিতত পণ। পূর্ণ পেলও বই সর্বত্র প্রতিভাত; ই জং পূর্ণব্রহ্ম অকালেই বমি কমণির নিবিড় মধ্যভাগের যায় না বশিষ্ঠ কহিলেন,---“ক্ষাম। আমি সেই ইলাবতী বশবাণীতে এভিজাত না তিত। চিবিকাশই গৎ, এই কারণে সেই এপ্তি রাজার বাড়ীতে বলি এইরূপ এখশীল চিলাকাশ অভি, যেখানে যেখালে চিলাকাশের বিদ্যমান, কৱিলে পর, সেই কাজ আমাকে যথাযোগ্য পূজা করিলেন; জৎও সেইন। ডিমাণ সর্বত্রই বিমানএই কারণে তার পর আমি আমার একানসাধন করিয়া স্বর্গে বইবার সমস্তই অপ। আলিয়া বাহাকে নির্দেশ করা যাইতে, নিমিত্ত আকাশবর্গে চলিলাম। হে বুদিমাদিগে অবি। সেই শান্ত ব্ৰহ্মই। এই কারণে এই বিশ্ব বেপেশ্চিত, অধ্য এইখানে বসিয়া সেই কথিত উত্তরগুলি তােমার নিকটে সেইলেই অনাময় এই চিরস্থিতি করিতে পারে , কেননা পুরায় কীৰ্ত্তন করিলাম। তুমি এই যুক্তিপূর্ণ উপদে বাক্যে অনিশষরূণ ব্ৰহ্মই চিৎসঙ্কজ পুরাকারে প্রতিভাত হইতেছেন। অনুসারে কাৰ্য্য করিলে শান্তচিত্ত আকাশময় হইতে পারিবে। ইহাতে এ প্রকার যুক্তি সম্ভবপর নহে, ইহাই সমীচীন মুক্তি। এই অখিল দৃশ্য একমাত্র এখ, আখ্যা একমাত্র পুরুষার্থলাভেছু শ্রোতৃবর্গের সমক্ষে যুক্তি ও অনুভবের বিরুদ্ধ আকাশ। ইহা এজ শান্তিময়, ইহার আদি নাই, অন্ত নাই, বল বল কোন সাই নহে। লােকে এবং বেদাদি মখও নাই। ইহা চিরি বিকাশমাত্র , ইহা ॥ প্রকার কোন শাস্ত্রে যাহা প্রসিদ্ধ হইয়াছে, তাহাই প্রকৃত যুক্তিযুক্ত ও সুসিদ্ধ নাম নাই, কেবল কল্পনাতেই ইহার পরাৎপর ব্রহ্ম এইরূপ লাশ লিতে হইবে। বেণি শাস্ত্রে ব্রহ্মকেই সৎ বলিয়াছে, আর করা হইয়াছে, কারণ চিৎ নিজে কুটৰ নিৰ্বিক, এই দ্বৈতকে অসৎ বছি, আমিও তাই বলিতেছি, ব্রহ্মের ব্যুৎপত্তিলভ্য বুদ্ধিশীল অসিতই হইতে পারে না। সুজা এমাণ-যুক্তিসিদ্ধ মগীয় বাক্য কোনমতেই হেয় হইতে এইজন্য তাহাকে নামবিহীন পরমপ যা হয়। ১- ৪। পারে না। পূর্বে যাঁহাকে বন্ধ বলিয়া আধাৰণ করিয়াছেন, রাম কহিলেন,হে ব্ৰহ্ম। সিড, সাথ্য, যম, এ, আনিতে পারলে তাঁহাকে ব্ৰহ্ম বলিয়াই অবধারণ করিবেন। বিদ্যাধর ও দেবগণের লােক-গল ভবে কিরুপে শােকের তখন এই বি বিলীন হইয়া ব্ৰহ্মরূপেই পাবলিত হইবে। আর হইল। বশিষ্ঠ কহিলেন-“সি, সখ্য, যশ, খ, ২৬-৩৫। আপনার নিকটে অন্য যে যুক্তি প্রদর্শন করিলাম, বিদ্যাধর, দেবতা এবং অন্যান্য অপুৰ মহাবিগেরও নিয়ে, এই যুক্তিতে জীবন্মুক্ত হওয়া যায় এবং ইহাতে লােক-যোধি সমুখে ও পশ্চাতে লােৰুসকল বিদ্যমান রহিয়াছে; যদি তুমি সৰ গং যে ব্ৰহ্ম ইহা নিশ্চিত হইয়া যায়, এইরূপ মুক্তি চূড়ালােলাখ্যানে মংকথিত ধারণা-বিশেষের সাহাতে দেখিতে পরম পুরুষার্থের উপায় বলিয়া সকলেরই উপাদেয় জানিতে পার ত ভৎসনই দেখিতে পাইৰে। শিলােক বিবিধ, মধ্যে আশারাতেই এই সংসার-পাপ এতিকাত হইতেছে। জানিতে জন, জল, সত্যনামক লেক-সকল অতিদূরে অবস্থিত, আর এই পানিতে চিলাকাশ হইয়া যাইবে , সেই অপরিজ্ঞাত ও সঙ্কল সিদ্ধ লােক-সকল বিখ্যা, সর্বত্রই ইহা বহিছে। পরি চাকাশই আমি, বিজগৎ, বন্ধন ও মুক্তি এইরুপে খারাভ্যাস করিলে তুমি যিৰিব লােকই দেখিতে পায়, ধার- বিভিন্ন নাম প্রাপ্ত হইয়াছেন। অপরিজ্ঞাত অবস্থাতেই ঈশ ভ্যাস নাই বলিয়াই এখন দেখতে পাচ্ছে না। ধারণাভ্যাস আম ভেদ হয়; পরিজ্ঞাত চিম্বাকাশের কোনই নাম নাই। করিয়া দেখিবার প্রয়ােজনও কিই নাই। কারণ আমাদের এই খস্থিত বৃ পরিত হইলে শান্ত কিছুই থাকে কল্পনাসক্ত লােকও যেমন, সিগণের সঙ্ক-লােকও ঠিক তদ্রুপ, না। যিনি আলী, তাঁহার নিকটে এ ঢু নাই; তাহার সঙ্কলসকৃত বায়ু যেন সর্বত্রই অবস্থিত, সঙ্কল্পলোক- অরূপ পণবং নিশ্চল নিল টিপেই পলিত হইয়া সকলও তেমনি সর্বত্রই অবস্থিত। তােমার গরু ল অল্পসত থাকে। এক ব্যক্তির নিকটে ৰা যোলি অধ্যাত্ম লােক-সকল যেরূপ আর্জিলি এতীয়মান হয়, অল সেই সিদ্ধ যাহা সিজাতি ইয়াছে, তাহাই এত, তাহাই আবে, সফলােক ভাণ অষ্টা লোক-সফলও স্থিরীকৃত হইয়া সর্বদা এবং প্রায়ই পরম পুরুষাধক্ষণে ফলিত । এ সকল বিষয় এজিত হইতে পারে। ৫-১০। ভূমি যদি লেখায় নি। পরিভাগ কৰি ঐ খানুভৱৰে চিলাকালে এ একমাত্র গঙ্কলপ্ত লোক-সকলকে এ-মিত বলে মুনির বলে ইহা হওয়া যায়। সর্বত্রই বিরান্তর করতে পার, তাহা হইলে তােমার কবিতােকসফলও দিবি রিজাল কৰি একমনে বাহার এ চেষ্টা করি, তাহা বির(থায়ী) ইৰে। এইরূপ সাকারী খনন কাশে এই দুশি হয়। ৩৬। এ গল লেকিক ক সিমের গল্প আপনার সংকেত বিস্তৃত এত ; মােস এইঞ্জলে মােক লৌকিক কে হল ইচ্ছামত সম্পদপূর্ণ করিতে পারে। মিজ অর্গাধিশাখী পাক খালি গাযােগ ও রে -বি কি এভিন গুলশানে অনায়াসেই অপলিগের গলােক যা ফিকে কোনও পা পই পই সল। রির ‘কাত পাকেন; অন্য লােকে গলােক বিৱৰ ব! ত! গলায় মানে এই উ কলিতে হইলে কানে আসে এমন। অর্থাৎ ধারণভন কলিম, শাম শি; আৰ এ আর এই না করিতে কি কি শিখতে পারা যায় না; এইমাত্র আসত প শ ত আমি নিয়া ও ডেন বিণ। কি অ স ও অলি চিপে শফিউল। ১-২। ত। ফেলে দিল রাইয়ে ইনি লই मानिलिज्ममामलामा0.1 এদিকে; মনে। সক কি এত ল, জন ও নাত, এই তে | --- T । লােগনি। বিষয় কিছুই থাকে না; সবই -মােক প্রতি শুকাশ- অ পক্ষই পর্মের কাম যভিভাবে কি পে এতিত । ১১-১৫। কৃ সঙ্গে যারা প্রতি বেশ বেগৰ প্ৰতি , বাস্তবিক আহা চিৎফলেই ফুরণ। স ল কৰিলে | যাত, এ তাহা মরীচিকাসলিনের চিত্রে স্কুৱ কুপি নাই। যদি বল, কাৰ্যকাৰণৰে | হইলে অসৎ। অতএব এই জগৎ কিভাবে স্কুল হউক না কেন? তার উত্তরে বলি, যে ভ্রান্তি, অথবা ভ্রান্তও নহে; আজিই কার্যকারণভাবে কথাই ইহাতে নাই। কেবল অনন্ত আকাশ হইবে? যাহা প্রতিভাত হইতেছে, তা সর্বত্র দীপ্যম, ইহাতে কিরূপে আর কি উৎপন্ন হইৰে। উবে যেমন এ ও আৰওঁ, তেমনি গং ও বাহা উৎপাবৎ এতিভাত হয়, তাহা আর কিছুই নহে, তাহা ইংতে কি আবার কি? একই বা আকাশেই আকাশ প্রতিভাত হইতেছে। আহাতে বাস্তবিক কেন! আবার কি কোথায় ? কি (পাক) একাৰণ নাই। মুজাং একত্ব কি কল্পনা আর কি প্রকারে ' একত্বই বা কোথায়? আকাশের আয় বিশ হইবে? সেই বিকার আকাণ যে প্রকার ছিল, সেইরূপই ' ব্ৰহ্মই চিন্মনিবন্ধন আপনার অন্তরে অবশি আছে। স্বপ্নে আকাশই অচলের তার প্রতিভাত হয়। সঙ্গে বলিয়া জ্ঞান করিতেছে। ১। বায়ু যেমন যেমন চিত্ৰই পৰ্ব্বতের কাৰে উদিত হয়, বাস্তবিক তাহা করে, অগ্নি যেমন আপন উষ্ণতা অনুভৰ প গত নহে, আকাশও নহে। ব্ৰহ্মও ঠিক সেইরূপ অগজব। আপন শৈত্য অনুভব করেন, সেইরূপ আপনিই বারণ করেন। মহাজ্ঞানী জীবমুক্তগণ ব্যবহারী ব্যক্তির গায় ' সত্তা অনুভব করিয়েছেন। রাম কহিছে । এতীয়মান হইলেও কাষ্ঠপুত্তলিকার ন্যায় নিশ্চলভাবে অবস্থিত ' মুনে। এই অনাদি অনন্ত নিতে এসে অাৎ তাহারা আনেন, আমরা কিছুই কলিভেছি না। এতে যেমন ইত্যাকায়ে আপন সত্তা কি?পূর্বে অনুভব করে নাই ব, আবর্ত প্রভৃতি নানাপ্রকার বিবর্ত প্রতিভাত হয়, লহ্মে ' সম্প্রতি অনুভব করিতেছেন কি? ইহা আশালৈ বুঝাই সৃষ্টিসকল সেইরূপই (ব্রহ্মা হইতে অপৃথরুপেই) প্রতিভত বশিষ্ঠ কহিলেন, বাম। ব্ৰহ্মচৈতন্য সদাই ” হয়। বায়ুর স্পন, আকাশের শূদ্যতা যেমন আকাশ হইতে প্রকার অনুভব করিতেছেন বটে, কিন্তু এই অলি অপৃথক্ এবং মূর্ব, সৃষ্টিও সেইরূপ পরব্রহ্ম হইতে অপৃথক্ এবং ' ঈশ আমি ইত্যাদি বা শুদ্ধ চেয়ে কি নিয়কার। সঙ্কলনগর যেমন দৃশ্য নিরাকার হইলেও সাকারবৎ ; কাহারও অপেক্ষা নাই। সৃষ্টি, অষ্টি এতিভাত হয়, ব্রহ্মে এই অংও সেইরূপ জানিবে । এই ত্রৈলোক্য সর্বত্র অবস্থিত, কি অষ্ট, কি তত্ত্বজ্ঞজি চিরদিনের অনুভূত এবং কার্যকারী হইলেও বাস্তবিক ইহা সঙ্ক- সত্য ও সনিরুল ঐ ব্ৰহ্মাকাশে পায়, নগরের ন্যায় শূন্য ও নিরাকার। ১৬৫। যেরূপ চিত্ৰসঙ্কল্প ও কলনাবশে অজ্ঞানী অভয়ানী উভয়ের নগর একই পদার্থ, সেইরূপ নিৰ্ম্মলব্ৰহ্ম ও জগৎ একই কথা। প্রতিভাসিত হয়, কম পৰিহাৰ কৰিলে শাহাকে ব্ৰহ্ম বলা হয়, তাহাকেই জগৎ বলা হয়। এই জগৎ- ' না । ৬-১০। পবন, শ, চন্দ ও পদার্থ সৰ্ব্বনা অনুভূত হলেও স্বপ্নে আপনার মৃত্যুদন করার যেমন এক, সেইরূপ ব্ৰহ্ম ও এহস্তাব মিগ্র ন্যায় কিছুই নহে। ঋগে যেমন লােকে মরিয়া আপনার শবদেহ অন এই উভয় অবস্থার সৃসিম্মিলনে জাহ দর্শন করে , ফলতঃ সে দাহদর্শন যেমন অলীক, পরলে হইয়া থাকে। এইপে অহাৰ স পরিদৃশ্যমান অগৎও সেইরূপ অলীক পদার্থ। অগভাৰ ৰা ইহার ব্যতিক্রম কখনই হয় না, কারণ জল অগম্ভব ইহা পরব্রহ্মেরই নির্মল আকার। বাকি অগং পদার্থ ব্ৰহ্মই অগৎ। হে রাম। তুমি অয় পর জুতে সর্পজ্ঞানের স্থায় অনীক। হে রাম! এই সিদ্ধ লােকেও আমাৰ এই উপদেশৰণরুপ ব্যবহারসি। ত্ৰত্য ভোগাদি ফল আমাৱ বর্ণিতা দাৱে কানামাত্রই এই মিষ্টি অর্থাৎ ব্রহ্মকে যদি জগৎ ও হউক, অথবা সত্যই হউক কিংবা কিছুই না হউক, জীবন্মুক্ত অঙ্গীকার করিতে ইচ্ছা কর ও কৃতি নাই , যােগ কিন্তু ইহাৱ প্ৰতি আদর করেন না, জীব জানেন ইহা দৃষ্টি অবলম্বন কৱিতে পাই, কিন্তু দেখি অসা; এব তুমি ইহাকে অসায় জ্ঞান কৱিইয়াৰ কৰিও না। মিশ্রভৃষ্টি অবলম্বন করিলে রুবি প্রতি আগ্রহ (পুর্থ শিল্প খায়) পরিত্যাগ কর, এই সকল বস্তুর অভ্যন্তরে যে জীব অনুভব কষ্ট সকল ক্ষেত্রে বা শনি করিও না।২৬-৩ এই সেই বীজ অব করিতেছে, একাকি গর্গ সও।১১। সব কৃ অমূৰ কৰিলে; বি. বুঝিতে, কেইল কিই জুন ফেল বোলে বিদ্যমান। অ ৰ ি দ্বাদশবিকশিততম সর্গ। ছ, এই লিকারে সাতি এ বলব, এ কবি, কাল নিয়েই এই সিলভাৰ এই বিমান। ১১ সেনা হইতে আপনাকে আমি বলি নে করেন, জনই পর্বত আয়, সেই হিগড়;, অশ, কানের মধ্যেই এই গৰ। ই না, ইহা আলিয়ুপ হইলে গুদ্ধে এক নং বিষ্ণু ৰান্তৰিক বিমান নাই। সম্পূর্ণরূপে লতি T = নির্বাণ-কণাগ। করিতে পারি না, সে পর্যন্ত আমার উপদেশ শুনির নিমিত পরিমান দৃশ্যও সেইরূপ মহাপ্রলয়কালে কিট হইয়া যায় তুমি দৃেষ্টি জীকার কেিত পায়। গুহার পৱে যখন তুমি কিছুই থাকে না। পৃথিবী, পৰ্ব্ব, দশদিক ক্রিয়া, কাল, সমস্তই প্রকৃত জ্ঞানলাভ করিবে, আৰু কোন বিষয়েই সন্দেহ করে না, বিনষ্ট হয়, কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। নিখিল ভূত নষ্ট হইয়া যায়, মন তােমার নিকটে শা, উপদেশ, ভেদজ্ঞান কিছুই থাকিবে এমন কি আকাশও থাকে না, মহাপ্রলয়কালে এ সকল না। এই জেন সৰুপ প্রজাপতি হইতেই হইয়াছে। প্রপঞ্চের ভােক্তাই যখন থাকে না, তখন এ ভোগ্যপঞ্চ থাকিবে ১৬-১৮। রাম কহিলেন, ব্রহ্ম। আমি ইহা বুঝিলাম, কিরূপে। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, ইন্দ্র প্রভৃতি ঘঁহাৱা নিখিল এলোপনি আমার নিকটে যাহা বলিতে আরম্ভ করিয়াছেন , কাৰণের কারণ, মহানগর পরে তাহাদেরও নাম পর্যন্ত অর্থাৎ অহঙ্কার সমষ্টিনিরূপণ করিবার নিমিত্ত যাহা বলিতেছি, । চিৰন্ত অক্ষয়, এই দৃশ্যপ্রপঞ্চ সেই অক্ষয় চির বিৰ আষকে বুঝাইবার মিত্ত পুনরায় তাহার কার্জন করুন। সেই লিয়া তখন কেবল চিদাকাশই অবশিষ্ট আছেন—এই বলি পরুষগণ ব্ৰহ্মকে হতাৰে ভাষন। করিলে প্রথমে কি সম্পন্ন হয়। অনুমান হয়। আপনার অধ্যন্ত সৃষ্টিপ্রপঞ্চের অনুভবের হে আপনি সুস্থ, সুঝাৎ আপনি তাহা অবশ্যই জ্ঞাত আছেন। চাত্মারই অশেষ তখন অই স্বীকার করতে হইবে, কারণ আমিও আপনার বনামৃত পান করিয়া পরিতৃপ্ত হইয়া উঠিতে আহারও নাশ হয় বলিলে প্রলয় বে হইল তাহার সাক্ষী কে? পারিলেছি না, এ আমার নিতান্ত শ্রবণাভিলাষ রহিয়াছে, সাক্ষি-শত প্রলয়ই হইতে পারে না।৭-১। শিষ্য কহিল- আপনি অনুগ্ৰহ করিয়া তাহা বলিতে আরম্ভ করল। বশিষ্ঠ প্রতে। যাহা অসৎ, তাহার সন্তা, এবং যাহা সং, অহা অসত্তা কহিলেন,-“পহ্মে মহন্তাভাবনার পরে প্রথমে আকাশসা, ইহাত কোন মতেই সম্ভব না। অতএব এই বিশাল বিদ্যমাজ পরে দিসন্ত কালসা ও ভেলসত্তা উৎপন্ন হইতে থাকে। এই প্রত্যক্ষ পরিমান সৎ) জগৎ যায় কোথায় ? গুরু কহিলেন, দেলির উপরে যখন আমি ইত্যাকার প্রতীতি হয়, তখন বংস। অসক্সে সত্তা ও সতে অত্তা হয় না বটে, কিন্তু তুমি ছােনিলে “আমি এখানে নাই” ইহা অবশ্যই প্রতীয়মান যাহাকে সং বলিয়া বুঝিয়াছ, তাহা (সেই জং) ভ সং নহে। হয়; এইরূপে দেশ, কাল ও বস্তুকুত পরিচ্ছিন্নভাব উদিত হইলে কারণ ইহার বিনাশ দেখা যাইতেছে। হে রাম! যাহা বাস্তবিক এনে আত্মাই দ্বৈতভাৰ ধারণ কৱিষ্য সমুদিত হন। এই আকাশময় কখনই নাই, এমন অভাবরূপ বস্তু কিছুই ন্যই। সুতরাং সানিচয়ের যখন নামরূপাদি-ভেদ করা হয়, তখনও উৎ। তাহার আবার বিশ কি ? মরীচিকাসলিল কোথায় আছে? 'আকাশরূপেই অবস্থিত থাকে। এইরূপে দিককালকল্পনাময় দ্বিতীয় চন্দ্ৰই বা কোথায় স্থির হইয়া আছে। আকাশে কে নিরাকার আকাশ মাত্ররূপী অহাব-সম্পন্ন হইলে পরব্রহ্মই গুচ্ছই বা কোথায় যথার্থ আছে, ভ্রান্তি অনুভবই বা কোথায় এই পরিমান দৃশ্যধশক্ষণে প্রতিভাত হও, যেন সে ব্ৰহ্ম হইয়াছে। বংস। এই নিখিল দৃশ্যই অলীক ভ্রান্তি, স্বপ্নে নগর হেন, এইরূপ হইয়া পড়ে। এনাদিমধ্য শান্ত এর একমাত্র দর্শনের ব্যায় অলীক প্রতিভাত হয়, অতএব ইহা বিনষ্ট না ব্রাশ হইয়া আপনাকে জীবৰে ভাষনা করিয়া হইবে কেন। ১২-১৫। যেমন আগ্রাবস্থায় স্বপ্ন ঘটনায় কিছুই আবরণত আকাশেই আপনার স্বরূপকে বিস্তৃত দৃশ্যরূপে দর্শন থাকে না এবং স্বপ্ন অবস্থাতেও যেরূপ জাগ্রন্থার কিছুই থাকে করেন। এবং পুনরায় যে পৰ্য্যন্ত তত্ত্বজ্ঞান না হয়, সে পর্যন্ত না সেইরূপ এই নিখিল দৃষ্ণ সদা সর্বত্র শান্ত রহিয়াছে। অর্থৎ কুত্রাপি কিছুই নাই। যথপুরী যেমন স্বপ্নভঙ্গের পরে কোথায় আপনাকে যেন রূপ দর্শন করিয়া কেন। চলিয়া যায়, জানিতে পারি না, সেইরূপ এই জগ শান্ত হইলে একাধিকধিতম সর্গ সমাপ্ত।২১৯। কোথায় চলিয়া যায়, আহা জানি না। শিষ্য কবি-গল। দৃ যদি না ঋকে, তবে কোন বস্তু বেশে কিছুকাল প্রতি ভাত হয়। আর জ্ঞানলাভের পর তাহা পে প্রতি মােশাধকততম সঙ্গ। কেন? এই কোন বস্তুর রূপ? বিশাল চিনাকারে না বশিষ্ঠ কহিলেন-হে অরিগল। আজ তুমি আমাকে যে বিষয় অন্ত কোন বস্তুর ? শুরু কহিলেন,-বৎস! নিল চিকাশ -যেরূপ জিজ্ঞাসা করিলে পূর্বে আর একজন্মে তুমি আমার শিষ শুক্তিফারজন্নে জায় দূষিত হইতেন, তাহার ভাশ সুরণই হইয়া আমাকে এই বিষয়ই জিজ্ঞাসা করিয়াছিলে। পূর্বে আর এই জগৎ; ভজি অগৎ নামে আর কোন পদার্থ নাই। এই একজে, তুমি রাম হইয়াছিলে, আমি বশিষ্ঠ হইয়াছিলাম, অনন্ত চিলাকাশের যে নিরূপ স্বীয় স্বভাৰ পৰিত্যাগ না করিয়া ভূমি সংসারে নির্মেদ খাও হইয়া আমার নিকটে জালিয়া গ্রন্থ ঈশভাবে প্রতিভাত হইতেছে, সেই প্রতিভানই সৃষ্টি, আর কৰিছিলে, কোন কানমধ্যে শিষ্যরুপে তােযাতে আমাতে ভাল এডিভানের অভাবকেই ক্ষয় বা প্রলয় বলা হয়। যেমন এরূপ কথাবার্তা হইয়াছিল। সেই সময়ে সেইখানে আমি অববীর আকার এবষয়ে জিবং প্রতিভাত হয়, সেইরূপ গােমাত্র গুরু হইয়া উত্তর দিতেছিলাম, আর তুমি আমার ফুরফুরণাত্মক দৃষ্টি কামরূপী আকাশ চিলাকারে বিৰং উদারমতি শিয়া সম্মুখে উপবেল রত জিজ্ঞাসা করিয়া প্রতিভাত হইতে থাকে। ১৬। তুমি যেন স্বচ্ছ সরে- লি। শিষ্য কহিল, হে । আপনি আমার এই মহাসংশয় যন্ত্রের মধ্যে প্রবিষ্ট হইলে বিশ্বপ্রতিৰিজেনে পৃথক হও না, ফেলিয়া দিল। এই মহান ( প্রপঞ্চে)কে কোন মেরে এৰি হবার পূর্বে যেমন একই ছিলে, তখন তেমনি যন্ত বিনষ্ট হয়, আর কোন কোন বস্তু বিনষ্ট হয় না। এই ক; পরেও একই কিনে নিলক্ষণ মও নি। বলা যখননের পর নুখুণিয় উপনীত হইলে সেই সুতায় বহু শত সকল সই যখন সেলফি হইয়া যায়, আর কিছুই থাকে না, এই প্রতি ই এল ক্লিাজ কৰিছেন। যেমন খুখে ।
লব-নামায়ণ f যুগুলশায় একমাত্র নিদ্রাই এভাবে বিদ্যমান, সেইরূপ কি হইতে পারে। পট একাই কৰা, গো সৃষ্টি কি প্রল, সকল অবস্থাতেই একমাত্র অব্যয় চিপ বই পারে। দর্শনই কলা, ডােকা ও গবে। ক্লিাজ করিতেছেন। বইগং যেমন আগ্রৎ ও দিশায় পই কর্তা, তােক্তা ও সর্বের ইতে প্রশান্ত হইলে আর কিছুই থাকে না, সেইরূপ আমাদের কর্তা, ভোক্তা ও সর্বের হইতে পারে অজ্ঞানশায় মান এই গৎ (জ্ঞানদশায় ) শান্ত হইলে কি, এত্যেক বই হা হইলে কর্তা, আর কিছুই থাকে না। আমাদের স্বল্প জগৎ যথিত হইয়া হইতে পারে। কারণ, মিলি পা। আকাশ হইয়া গেলে তারা যে অন্যত্র আর বিদ্যমান থাকে না, থাকা ব্ৰহ্মস্বরূপ। সেই বিভু পাখা তবে জ্ঞান দৃষ্টিতে তাহা আমরা বুঝিতে পারি না। আমাদের , খট, পটভূতি পদার্থরূপে প্রতিভাত বয় জগৎ অল্পের জনাকাশে গিয়া বিদ্যমান থাকাও অসম্ভব ঐ বিভূতাবলেই ক্ষয় উদয় প্রতিভাত হইতে বলিয়া বের হয়, কারণ আমি দের বাসনাময় জগৎ আমাদের নাতিরিক্ত বা পদার্থ স্বীকার করে, তাহলে চিদাকাশে থাকিতে পারে, অঙ্গুত্ৰ থাকিবে কি জন্য। আমাদের এই কর্তা, ভােক্তা , বাহাৱা নে একমাত্র নি , অজ্ঞান-দশ অয়মান জগৎ আমাদের জ্ঞানায় যদি দেয় মতে বিজ্ঞানই কৰ্ত্তা ও তােক। খাবার, অপরের চিলাকাশে প্রবেশ করে, তাহা হইলে সেই ব্যক্তির দের মতে কর্তা, ভােক্তা কেহই নাই। এ পাশ জুন-দশায় বিশুদ্ধ চিদাকাশের ফুণ হয় না বলিয়া কল্পনা বলখী, তাহারা কোন অনির্দিষ্টনামা ঈশয় ও করিতে হয়, সেইরূপ কল্পনা করায় প্রমাণ কি? যি কহিল, বলিয়া স্বীকার করে। ফলত সেই সৰে এইরূপে যদি চ আমাদের চিনাকাশগত বিষয় পর চিমাকাশে গম্ভবপর হয়, তাহাতে বিধিই বা কি, নিযেগকি? আয় প্রতিভাত হয় না, তথাপি আমার বোধ হয়, স্বপ্নদ্রষ্টা ভিন্ন অন্য | যা কি? ৪১-৪৫। চিলাকাশ আপনার বিলেই জাগ্রত ব্যক্তিও যেরূপ দৃশ্যজ্ঞানসম্পন্ন হয়, সেইরূপ অন্যত্র প্রলয় বাসনানুসারে দৃভাবের প্রকাশ করতঃ নিজেই এটা হয় কালেও অন্য পুরুষে জগদাদি জ্ঞান আছে নিশ্চয়ই। গুরু | স্বরূপকে জগদ্ধপে দর্শন করিতে থাকিলেও ৰাখক লি কহিলেন, হে মহামতে। তুমি যাহা কহিলে, তাহা সত্য বটে, | ময়রূপে অবস্থিতি করিতে পারেন। হে রাম। গত এলে কিন্তু এশ- চিতির স্বরুপ নহে বলিয়া সকলের নিকটে একরূপ | অনুভবসিন্ধ পদার্থ দৃষ্টি ও বিধি নিষেধ দৃষ্টি তাহাদের নিজ নিজ নহে। চিৎকাপ যেরুপে প্রতিভাত, চিলখ্যন্ত জগৎ সেরূপে | সঙ্কল্প, ভাবনা, বাসনা ও কামনা অনুসারে সম্পন্ন হইয়া রে এভিত হয় না, তবে চিৎ প্রতিভাত যেরূপ হয়, সেইরূপ | স্ব স্ব ব্যবহারে উত্তং কার্যকারী হয়, এই সমু ব্যবস্থানুসারেই জগৎ-স্বরূপ প্রতিভাত হইতেছে। জগৎ সকলের নিকটে সত্য বলিয়া বোধ হয়, অপরের নিকটে অসমু নিকটে সমানরুপে প্রতিভাত হয় না, এত উহা কিছুই নহে। ' মান হয় না, এইজন্য -শৃঙ্গের মত অলীক বলি এ পর তাহা অতিতুচ্ছ, কিছুতেই তাহা লং নহে, যশঃ তাহা কারণ প্রত্যগাত্মা যেরূপ অনুভব হয়, তাই এ জীৰ চিলাশেই বিকাশমাত্র, তাহা সৎ বা অষৎ কিছুই করেন। হে রম। পূৰ্বলে তুমি আমায় বিষয় হ বলিয়া অজ্ঞান হয় না। চিদাকাশকপে জগতে অস্তিত্ব স্বীকার নিকটে ইহা শ্রবণ করিয়াছিলে, কিন্তু তখন তায় বুদ্ধি করিলে জগৎ সর্শত সর্বদা সৰ্বরূপে বিদ্যমান জগৎ দৃস্থরূপে নাই, সেই কারণে তুমি আবার অন্য অত েত্রে চিঙ্গাকাশ কিন্তু কোথাও বিদ্যমান নহে। সেই ব্ৰহ্ম সদসপ, জন্মগ্রহণ করিয়াছ এবং আমার নিকটে আমার এইজন্য জগৎও সদসদ্ধপী চিদাকাশ অবিনশ্বর। এই করিতেছ। ৪৬৮। এক্ষণে আমার উপনি এই চিনাকাশমষ ; অবিনশ্বর। ২১-৩৫। যাহা সচ্চিদাকাশ, যাহা সাররূপ রজনীর অন্ধকার-বিনাশী চক্র, স্বল্প তাহাই সৃষ্টি প্রলয়রূপ, যতদিন তাহা অপরিজ্ঞাত থাকে । সমস্তই শ্রবণ করিয়াছ, অতএব তুমি অজান। ততদিনই তহ, দুখের হেতু হয়; পরিজ্ঞাত হইলে তাহা | রূপ অয় লাভ করতঃ নির্মল জ্ঞানস্বরূপ পরম শান্তিতে পর্যবসিত হয়। ভজ্ঞানীর নিকটে অহা এক্ষণে তুমি যপ্রাপ্তব্যবহারকল এ সর্বদাই সৰ্বরূপে বিদ্যমান, অব্যক্তির নিকটে তাহা কখনই কাল-পালনাদি যাই। যাই। ভােমার নিকট বিদ্যমান বলিয়া বােধ হয় না। এই চিদাকাশ দেবই ঘট, পট, হইবে, অহা অবাধে সম্পন্ন কর। হে ॥ পত, নী, গর্ত, তৃণ, আখি, অধিক কি, স্থাবর অসম নিখিল পার্থ হইতে মুক্ত হইয়া বিমল পদার্থই। ইনিই অস্তি, নাস্তি, শূ, ক্রিয়া, কাল, আকাশ, পরমাত্মীয় স্থানপূর্বক নিরতিশয় আনতে পৃথিবী, ভাব, অভাব, জন্ম, মৃত্যু, সম্পদ, বিপদ, ও শুভাক কোষের স্নায়ু কান্ত (মুন্সয়) ও কৃষ্ণ শাশরুপে বিদ্যমান। এই আচৰ বিবে এমন কোন পদার্থ নাই, রাজ্যপালন কর। ৪১৫। যাহা এই চিকাশ নহে; চ ইনি আলি, মধ্য ও এন্তে, মালবিকাশ গণ । বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যৎ কাল, অন্তরে বাহিরে সর্বত্রই এইরূপে বিদ্যমান, অথচ কুপি বিমান নহেন। হেরাম। বঙ্গতাৰে শৰ কৰিলে, কাশীল বৎ যেন নরপে পরিণত হয়, সেইরুপ সময় বন্ধ করল সংবিঠাল বলি এতী হন। তাহা হইলে এক ই কণা, ভোজাও বিছু হইতে পরে'; এট একাই কৰা, ভেজা সর্বের নির্ব-এর-উত্তরভাগ - - -- সেইপ প্রদ। আমি কৃতকৃত্য ও শান্ত হলেও আপনার চক্ষাধিকশিততম সর্গ। হষপুর উপদেশ বারবার স্মরণ করি। অধিক আন- ৰাহ্মীকি কবি-মূনিব যশিষ্ঠেয় উক্ত কথা শেষ হইতে লাভ করিতেছি। আজ আমার কাধ করাতেও কোন প্রয়ে পরে, নলােমওনে মৃতপুর্ণ অলংয়ে মায় অমরজি শতি | অন লাই না করাতেও কোন প্রয়ােজন নাই। ব্যবহার জয় হইয়া উঠিল; সেই সম্ভাভূমিতে তুষারধারার ন্যায় পূপরষ্টি পূর্বে যেমন ছিলাম, আজও তেমনিই আছি, বিৱ হইয়া হইতে লাগিল। সেই গুলবর্ষণকালে বিকৃসকল সহঙ্গা শুক্লবর্ণ সেইরূপেই অবস্থান করিতেছি। আপনার উপদেশে আমি হইয়া গেল। আকাশ হইতে পূপরাশি পনকালে মনে হইতে! যেরূপ বিশ্রামের উপায় লাভ করিয়াছি, এমন উপায় অল্প কোথায় লাগিল, পুণ্যলক্ষ্মী বেল উৎসব দর্শন করিবার অত সন্ধ্যার স্থায় পাইব না অন্যকার দর্শনই বা আর কি আছে? আছে। আরক্তিম কিরূপ অয়াগ ধারণ করিয়া বায়ুচালিত অভ্র | আজ আমি বিশ্রামসুখের অপরিচ্ছিন্ন অনন্ত সৃন প্রাপ্ত হই কোমরূপ হার পরিয়া পপশি-মধ্য হইতে ঝরিত মকররসে আছি, হায় এই জন্ম-মরণাদি বিবিধ অমসছুল সংসার-প্রাণি শীল হইয়া আকাশ হইতে ভূতলে অবতীর্ণ হইলেন। আরও । বিগের কি কষ্টকর হইয়া থাকে। এতে আমার নিকটে শক্ত, বোধ হইল, প্রলয়কালরূপ বানর দ্বারা বিকশিত কোষরূপ কয়- মিত্র মুন, দুর্জন কিছুই নাই। এক্ষণে আমি বুঝিয়াছি, এই পাপ হইতে পতিত উজ্জ্বল নক্ষত্রনিচয় যেন সংহাররুদ্র-কর্তৃক আত্ম-চৈতন্যই যতক্ষণ দুর্জেয় থাকেন, ততক্ষণ দুঃখপ্রদ গংরুপে চতুর্দিকে নিক্ষিপ্ত হইতেছে। দুন্দুভিধ্বনি ব্যপদেশে কিন্ধপুরু অনুভূত হইয়া থাকেন। এক্ষণে অচৈতন্য আমার নিকটে রূপ মেঘগর্জনের সহিত সেই পুষ্পবৃষ্টি হিমের ন্যায় সুন্দর পুপ। সুজ্জেয় হওয়াতে শান্ত ও সৰ্বার্থ হইয়াছেন। ভগবন। রাশিৱ নিখিল সভাভূমি আচ্ছাদিত করিয়া ফেলিল, দর্শকগণ | আপনার অনুগ্রহ ব্যতিরেকে এই আত্মচৈতন্য কে বুঝিতে পারে। সেই পুষ্পবৃষ্টি দর্শনে পরমানন্দিতহইলেন, ক্রমে পুষ্পবৃষ্টি হওয়া সেতু বা নৌকা ব্যতিরেকে বালকে কিরুপে সাগর পার হইবে? নিত হইল। ১৪। সেই সভায় সর্বোচ্চ স্থানে বশিষ্ঠদেব । লক্ষণ কহিলেন,—“মুনিবর বশিষ্ঠদেবের উপদেশাবলি শ্রবণ করিয়া বলিয়াছেন, তাহার সন্নিকটে মুনিগণ, মুনিগণের সন্নিকটে দশরথ, অদ্য আমার বহু জন্মের সংশয় সকল বিদূরিত হইল, শত জন্মের মাগিণ, ৬২পয়ে মন্ত্রী সামগণ, এইরূপ পশ্চাৰ্তী সভ্যগণ পুণ্যকাশি এককালে লব্ধ হইল। আজ আমার ব্যয়ে বিচার- সেই দিব্য কুসুম লইয়া বশিষ্ঠচরণে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান-পুৰক শক্তির উদয় হইয়াছে, বশিষ্ঠদেবের উপদেশে প্রবুদ্ধ হইয়া বশিষ্ঠদেরকে নমস্থার করিয়া শোক-দুঃখ-বিবর্জিত হইল । (কুমআমার হৃদয় এতই শান্ত ও নির্মল হইয়াছে যে, বােধ রাণির শৈত্য সৌগ্যালিগুণে তাহাদের ক্ষুধা-তৃষ্ণা-ক্লেশ বিদূরিত হইছে যেন থমধ্যে চন্দ্রোদয় হইয়াছে। হে মুনিবর! হইল এবং বশিষ্ঠদেশের জ্ঞানেপদেশে জন্মমরণদি-ক্লেশ বিদূ, আপনার উপদেশ নিরতিশয় পূর্ণানন্দরূপ ব্ৰহ্ম (আত্মদর্শন )। ত হইল)। দশরথ কহিলেন, “মুনিবর আজ বড়ই আশ্চৰ্য্য সর্বদ, প্রত্যক্ষ পরিদৃশ্যমান হইতেছে, কি আশ্চৰ্য। তথাপি যােব হট, শরৎকালে মেঘনিচ যেমন পর্বতের উপরে হতাগ্য মানবগণ মহতের সেবা পরিত্যাগ করিয়া সর্বদা কেবল গিয়া বি করে, সেইরূপ আজ আমি সংসাররূপ সুদীর্ঘ কান্তার রাগ, যে, জন্ম, মৃত্যু প্রভৃতি দু দশায় দগ্ধ হইতেছে। বিশ্বামিত্র হইতে বিশ্বালাত করিলাম, এত দিন আমি এই জীর্ণকান্তারে কহিলেন,আহাআজি আমাদের কি সৌভাগ্যের দিন। শ্রান্ত হইয়া পড়িয়াছিলাম। আজ আমি অবশ্যকর্তব্য কৰ্ম্ম- মুনিবর বশিষ্ঠ দেবের মুখে জানােপদেশ শ্রবণ করিয়া মহং পুণ্য সমূহের চরমসীমায় উপনীত হইলাম, অর্থাৎ সম্পূর্ণরুপে কৃতকৃত্য | সঞ্চয় করিলম, বােধ হইতেছে যেন আমরা আজি সহ গঙ্গায় হইলাম। আপদের অবধি কতদূর, তাহাও দেখিলাম জ্ঞাতব্য স্নান করিয়া উঠিলাম। রাম কহিলেন,-“আজ আমি সম্প বিষয় সমকাই জানিলাম। পমপদে বিশ্রান্তিলাভ করিলাম। বিপদ, শা, সদুপদেশ ও দেশকাল প্রভৃতির চরমসীমা দর্শন যে জগন। ধ্যান-বলে কল্পিত অ আকাশে চিরবিহুদি করিলাম। নারদ কহিলেন,-'ভূতলে স্বর্গে, এমন কি ব্ৰহ্মা অনুরূপ ভ্রান্তি, ধারণালে সর্বাধার ব্রহ্মে বিশ্রান্ত হইয়া সেই লােকেও যাহা কখন শুনে নাই, মুনির। আপনার মুখে সেই পৰিাগ, সঙ্কল্পবল পুরীনিৰ্মাণ, স্বপ্নে জগৎ দর্শন করিয়া সেই জ্ঞান শ্রবণ করিয়া অদ্য আমার কর্ণযুগল সাতিয় পবিত্র এতে কষ্ট অনুভব করিয়া, শুক্তিকে রৌপ্য বলিয়া অনুভব, স্বপ্নে! হইল। ১৪-২৫। লক্ষ কহিলেন, মুনির। অদ্য আমা- পিনার মৃত্যু, পবন ও স্পন্দের এক-এতিপালন, সলিল ও দিগের হৃদয়গত ও বহির্গত বিবিধ তমঃ দূর করিয়া দিয়৷ আপনি দ্রবের অভেদ প্রতিপালন, ইন্দ্রজালক্রিয়ার পুরীসন্দর্শন, গন্ধর্ব- আমাদের নিকট মহাসূর্যারূপে প্রকাশ পাইতেছেন। এর দশ, মায়াবলে অপূর্ণ স্থান সন্দর্শন, দ্বিতীয়চশ্রোদণ, কহিলেন,-“আজ আমি পরম পদ প্রাপ্ত হইয়াছি, নির্বত মতাৰণে বিবেক না হওয়ায় পরীম্প অনুভব, বিনাকারণে হইয়াছি; কেবল সুখরুপে অবস্থিতি করিতেছি।” ভূকম্পৰ্শন, আকাশে কেশগুচ্ছ সর্শন ইত্যাদি সকলেরই এ কহিলেন,—আজি আমাদের জন্মের পূণ্যফলে এই বীর জল মােগ্য নানাবিধ দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করিয়া আপনি আমার দৃজি মুনিবয় বশিষ্ঠ নে মােশাস্ত্র কীৰ্ত্তন কবিয়া আমাদিগকে পবিত্র মাতি করিয়া দিলেন। ৫-১৩। বাম কহিলেন, হে মুনীর। করিলেন।” ৰীকি কহিলেন—রাজার সহিত সত্যগণ এই আপনার প্রসাদে আমার মােহ দূর হইয়াছে, পরমপদ প্রাপ্ত কথা বলিলে বশিষ্ট অতি পবিত্র এই বাক্যসমূহ বলিতে লাশি হইয়াছি, আমি এক্ষণে বিশুবুজি হইয়া লত্য ব্ৰহ্মপ হইয়াছি। কেন। হে রাজন হে রঘুকুল। আমি যাহা বলিতেছি, তুমি আমার সমস্ত সহে দূর হইয়াছে; আমি ব্ৰহ্মস্বৰে তাহার অনুষ্ঠান কর, ইতিহাস কথা সৎ হইলে ব্রাহ্মণদিগের অবস্থিত হইয়াছি, আবরণ-শুন্য বিজ্ঞানরূপে ভিটিত হইয়াছি। পূজা করা কর্তব্য, এব তুমি আর ব্রাহ্মণগণেরুজা কৰি আরে এখালেকে যেরূপ সুখ হয় আপনার সুমধুর বাক্যও ঠিক তাহাদের অভিলাষ পূর্ণ কর। তুমি ইহা নিপয় মিলে এ যােগ-িরামায়ণ P ফল প্রাপ্ত হইবে। সামান্য পবিত্র ব্যক্তিও শানুসারে মুক্তি প্রাঙ্গণে আসিয়া নৃত্য করিতে লাগিল। দানি কথার সমাপন হইলে বিগণের পূজা করা উচিত, আর ব্রহ্মপদ প্রাপ্ত হওয়াতে তাহার সংসার- আপনি ও একজন পৃখিৰীয়। আপনার ত সর্বতােভাবেই এবং সেই উৎসবে সপ্ত রাত্রি হয়ে ব্রাহ্মণ পুজা করা উচিত। রাজা মুনিরের এই সমস্ত বাক্য প্রদান করিয়া মহানন্দে অতিবাহিত কৰিলে এবণ করিয়া দূত যারা দশ সং বেদবিৎ ব্রাহ্মণের আহবান চতুর্দশাধিকধিশততম সর্গ সমা কইলেন। যে সকল ব্রাহ্মণগণ, মথুরা, স্বরাষ্ট্র, গৌড়, প্রদেশে বাস করেন, তাহাদের দশ সহস্র কুলশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকেও পূজাপূর্বক আনয়ন করিয়া ভােজন করাইয়াছিলেন। তিনি অত্যধিক জ্ঞানী এ অল্পজ্ঞানী ব্যক্তিকেও ব্রাহ্মণের অভিমত ভােগ্যালান ও পঞ্চদখিৰিতত কিনা দ্বারা পূজা করিয়াছিলেন এবং শ্রাদ্ধাদি দ্বারা পি- বাল্মীকি কহিলেন, “হে মহামতে ভরা। মণীয় এক পুরুষের, যদিঘার দেবগণের ও নানাবিধ রত্নাদি দ্বারা সমবেত শিষ্য। রামাদিগণ এইরূপে জ্ঞা েহ শােক হইয়া- নৃপসমূহের তৃপ্তি সাধন করিলেন এবং মন্ত্রী, ভৃত্য, দরিদ্র অন্ধ ও ছিল। তুমিও এইরুপ পূর্ণব্রহ্ম দৃষ্টি অবল মিয়া, ফিতি কৃপণ সকলকেই ভােজনাদি দ্বারা সন্তুষ্ট করিলেন। সেইদিনে শূন্য প্রশান্তবুদ্ধি জীবন্মুক্ত হইয়া নিঃশঙ্কীনখে অবাক সংসারের শেষ সীমায় উপনীত দশরথ রাজা সমস্ত বাবগণের কর। হে অনঘ। গাঢমমগ্ন বিমূঢ় আমি সহিত মহােৎসব করিয়াছিলেন সুমেরু পর্বতের ন্যায় শো এইরূপ জ্ঞানোপদেশে বিষয়াসক্তি অভ্যাস হইলে আর কথাই শালী সেই অষোখানগর সেই কৌষেয় মণিকাঞ্চন ভূষিত - মােহমগ্ন হয় না। রামাদি রাজপুত্রগণ এবং শৱৰ এভূতি ব্যক এসাদে বিলাসিনী প্রমােদম কামিনীগণ গৃহে গৃহে নৃত্যগীত গণ এইরূপে মহাস ও জীবন্মুক্ত হইয়াছেন। বৎস ? করিতে লাগিল। কোথাও অনগণ চিকুরবঞ্চনাদি অলঙ্কার, তুমি নিজেই মুক্তবুদ্ধি হইয়াছ, অন্য এই মােস শ্রবণ ঋষি বিশেষ দ্বারা ভূষিত হইয়া কেহ মুরলী, কেহ বশি, কেহ বীণা, আরও বিশিষ্টরূপে মুক্ত হইলে। ১। এই পৰিত্র যে কেহ বা মুর, মালল বাজাইতে লাগিল। নতকালে কামিনীগণ পূর্ণব্রহ্ম প্রত্যক্ষ অনুভব করাইয়া দেয়, এ পত্রিশ নানাবিধ অঙ্গভঙ্গীতে ইভন্তত চালিত কর যারা শূন্যে পল্পবশ্রেণীর করিলে বালকেও তদ্বানী হয়। নীলােকের ত কথাই নাই। শােভাবন এবং সুন্দর এটহাস্যকালে বিকসিত দন্ত কিরণ দ্বারা হে সাধ্যে। মহাপ্রভাবশ লা রঘুবংশীয়গণ বণিদেবের উপদে চএভাকে লজ্জা প্রদান করিতে লাগিল। বীররসের অভিনয়- যেরূপে পবিত্র পরমপদ প্রাপ্ত হইয়া গতশােক হইয়াছেন, তুমিও কালে মত্তভাবে উচ্চরব, ককশাদির অভিনয় কালে আদরসে এইরূপ পরমপদ প্রাপ্ত হইযা বীতশােক ইৰে। ৰশিষ্টদের অভিভূত কম্পিতম্বরে এবং শৃঙ্গাদির অভিনয়কালে ভূতলে সঙ্গলাভ করিয়া রাষগণ যেরুপ জাত লাখ রুপি মলমল ‘পদ বিক্ষেপ করিতে লাগিল। ২৬। অনিয় সুধীগণ এইকৰ সাধুসমাগম লাভ করিয়া প্রম কালীন বিবিধ অঙ্গজীবশে কাহারও কাহারও পুষ্পমাল্য হইতে দের সেবা ও তঁহাদিগের নিকটে অনেপদেশে জ্ঞাতব আকাশচ্যুত নক্ষত্ররাজির স্যায় পূষ্পনিকর সর্বাঙ্গে নিপতিত হওয়ায় লাভ করিয়া থাকেন। ৬-৮। বালিকা রমণী যেমন ক্রীড়া শরীর পাণ্ডুবর্ণ হইতে লাগিল। কাহারও বা নৃত্যবেগে বিচ্ছিন্ন ' দিতে আসক্তিনিবন্ধন অরসিকা খাকিয়া কালে যৌনে পা হারুলতা হইতে মুক্তানিকর অলধারার ন্যায় ভূতলে নিপতিত করিয়া রসিকা হইয়া স্বামীর সহিত এসবতী হয়, . হইতে লাগিল এবং বিচ্ছিন্ন হারন্থত্রে পদস্খলিত হইতে লাগিল অজ্ঞব্যক্তির হৃদরে তৃষ্ণারূপ জু দ্বারা দূপে বন্ধ পুলি কোন কোন সুন্দরী নর্তকী নৃত্যকালে বিলােল বিবিধ অলর প্রতি আসক্তিরূপ অস্থিসকল এই মােস আল সৌন্দৰ্য বিস্তার করিয়া সেই সভাৰূলে যেন মূর্তিমান কামদেবকে পূর্ণব্রহ্মানন্দরসে মিশিয়া যায়। যে তজ্জর শ্রেষ্ঠ আনিয়া উপস্থিত করি—অর্থাৎ তাহাদের বিবিধ ৰাভাৰ মহিমান্বিত এই মােঙ্কশাস্ত্রের অর্থ অবগত কতে ঋ# বিলাসমন্বিত নৃত্য ক্রিয়া সম্পশন দর্শক যুবকগণ মদনাতুর হইতে তাঁহারা আর কখনই সংসারে আগমন ক ন, লাগিল। সুয়াপায়ীগণ সুরাপানে উম্মত হইয়া বিবিধ নৃত্য করিতে এ বিষয়ে এধিক কথা বলিবার প্রয়োজন নাই। লাগিল। যাহারা ভেজনপ্রয়াসী, তাহারা সন্ত্রাদি দ্বারা ভূষিত গর্শী যে সকল সাধু পণ্ডিত এই মােসর হইয়া শিবিধ ভােব যারা অভিলাষ পূরণ করিতে লাগিল। করিয়া উপদেশাদি দ্বারা অপরের নিকটে নিয়ে, গৃহভিত্তি সকল সেই উৎসবে সুধা (চু) বলি, পুষ্পমালা- আর পুনর্জন্ম লাভ করিবেন না, একেবারে শােভিত এবং সুগন্ধি ধূম পরিব্যাপ্ত হইল এবং রামচন্দ্রের “রূপ গুরুপরম্পরায় অধ্যয়ন না করিলে ইহাতে লাবণ্যে ইলুকিণােদ্ভাসিত হইয়াছিল। পরিচায়ক ও পরি অর্থ না বুবিয়া হায়া মাত্র আর এ চায়িকাগণ বিচিত্র বসন পূণালঙ্কার ও সুগন্ধদ্রব্যৰিভূষিত হইয়া করাইয়া লিখাইয়া প্রচার করিবে, অথবা রুবি চতুর্দিক গন্ধে আমােদিত কর বিচরণ করিতে লাগিল। নৰ্তকীগণ ভদ্রসমাজে ইহার বক্তা বা ব্যাখ্যাত। স্থাপন ৰ দেহঘষ্টি যক্ষকদমে (১) লিপ্ত করিয়া সুশােভিত সেই সভা যদি কামনা করিয়া ঐ কর্ম করে, তাহলে মশলা কষিয়া পুনঃপুনঃ স্বর্গে গমন করি ঐ কর্মের অনুষ্ঠান করে, তবে বার জীকি (১)কৰ, অগুরু, কন্ধুরী ও কোল এই কয়েকটা জবের তৃতীয় আয়ে একেবারে নির্ধাণমুক্তি প্রাণ হতে সহিত মিশ্রিত করিয়া খৰিত চন্দকে যক্ষকম বলে। এচিভাস্বরূপ ভগবান্ অহ্মা এই মােস নির্বাণ-প্রকরণ-ভাগ। ১৭। 'বিচার করিয়া সারে সাক্ষে যাহা বলিয়াছেন, তা কখনই এশে অনুমতি করুন, আমি দেবরাজ বনে গমন করি। অল্প সত্য হইবে না, তিনি বলিয়াছেন, সত্যবাদী বাল্মীকি, (টি) কহিলেন। হে মহাভাগ! দেবদূত। আপনাকে বশিষ্ট এবং এর এক কন মিথ্যা হয় না। যে মুখী এই নমস্কার , আপনার নিকটে এই পরমার্থ অজ্ঞান কথা শ্রবণ মােশাস্ত্র অধ্যক্ষ করিবেন, তিনি পাঠসমাপ্তির পরে যপুক করিয়া সাতিশয় আনন্দলষ্ট করিয়াছি, চরিতার্থ ৰীতশােক উস গৃহন এবং অতি অল্প পানাদি প্রদানপূর্বক ব্রা হইয়াছি, এরণে বিদ্ধ হইয়া অবস্থিতি কৰিব। আপনার গণের পুল করিবেন। এবং সেই ব্রাহ্মণগণকে তাঁহাদের মঙ্গল হউক, আপনি সেক্সলর সন্নিধানে ইচ্ছামত পান করুন। ইচ্ছানুসারে অথবা আপনার সাধ্যানুসারে দক্ষিণাদি প্রদান ৬-১১। অখিবে কছিলেন,-অনন্তর সেই উতৰা সুরুচি করিতে হইবে। এই সাধু কর্ম খিনি শ্রাজাপুৱক সম্পন্ন করিবেন সেই উপবিষ্ট ব্ৰহ্মজ্ঞান বিষয় মনে মনে চিন্তা করিতে লাগিলেন; তিনি নিশ্চয়ই এই শাস্ত্রানুযায়ী ফল প্রাপ্ত হইবেল, মহুৰ এবং হিমালয়ের উপৰিস্থিত সেই গন্ধমাদন পর্বতে অনিতি সন্দেহ নাই। হে অজ। ভােমাকে জানােপদে। মন করিতে লাগিলেন। ব্যস। এক্ষণে বশিষ্ঠের উপদেশ শ্রবণ করবার জন্য বিবিধ উপাখ্যানপূর্ণ দৃষ্টান্ত-যুক্তি-সমন্বিত করিলে ত? এক্ষণে মুক্তির কারণ কেবল জ্ঞান কি কৰ্ম অথবা এতিপালক এই মােগা তোমার নিকট কীন নিলাম। আকৰ্ম্ম উভয়, তাহা বুঝিতে পারিয়াছ, এক্ষণে তােমার যাহা ইহা শ্রবণ করিয়া তুমি জীবন্মুক্ত হইয়া কেবল লােকের অনু, ইচ্ছা হয়, তাহাই কর। কারণ্য কহিলেন, পিত। তত্ত্বজ্ঞান লাভ গ্রহের নিমিত্ত জ্ঞান ও তপার কলসুক আৰূ সৎকর্শের করায় অতীত বিষয়ের সুরণ এবং বর্মন বিষয়ের প্রত্যক্ষ মশন, ফভূত অক্ষয় নৈশ্বৰ্য্য সম্পদ লাভ করত আপাতত কিছুদিন এক্ষণে আমার নিকটে জাগ্রংকালে স্বপ্নদৃষ্ট বিষয়ের স্মরণ এবং দেহধারী হইয় খাক এবং অন্তিমে একেবাত্ৰ পূৰ্ণানন্দ লাভ বাপুত্রের দর্শনের ত বােধ হইতেছে। এক্ষণে আমার নিকট সাংসারিক স্থিতি মরুভূমিতে মরীচিকাসলিলের ন্যায় প্রতিপন্ন পঞ্চদশালিকৰিশততম সর্গ সমাপ্ত।২১৫ ॥ হইতেছে। এক্ষণে আমার কর্ম করাতেও প্রয়ােজন নাই, ফর্ম পরিত্যাগ করাতেও কোন প্রয়ােজন দেখিতেছি না। আমি এক্ষণ হইতে রামাদির ন্যায় ইচ্ছাশ হইয়া যথাপ্রাপ্ত ব্যৰ- হার সম্পন্ন করিতে থাকি , ইচ্ছাপূর্বক কৰ্ম্মত্যাগ করিবার যােডণাধিকাদ্বশততম সর্গ। প্রয়োজন কি। ১২-১৭। অগৰি কহিলেন, “কুতী জন্মিবে বাল্মীকি কহিলেন,হে রাজন! বশিষ্ঠ রমাদির নিকটে নন কারণ্য এই বলিয়া যখাকালে বখাপ্রাপ্ত কৰ্ম্মসকল (আন, থে সুমধুর মেক্ষিশাস্ত্র কীৰ্ত্তন করেন, অগস্ত্যমুনি সুতীক্ষের নিকটে দান, যজ্ঞাদি ক্রিয়া সম্পন্ন করিতে লাগিলেন। হে সুতীক্ষ। ৫। প্রকাশ করেন, আমি সেই মোকান্ত আপনার নিকটে তত্ত্বজ্ঞান লাভের কৰ্ম্ম করিলে আবার সংসার বন্ধন হয়, এইরূপ কীন বনি। আপনি উপদেশানুযায়ী তমার্গে খাকিয়া সন্দেহ করা কোন মতেই উচিত নহে, এই সন্দেহ করিয়া লােক নিশ্চয়ই পদ প্রাপ্ত হইবেন। রাজা কহিলেন, ভগব। স্বার্থভ্রষ্ট হয়, সংশয়াকুল হইয়া লােক বিনষ্ট হয়। সূতা, মুনিবর আপনার কােকট জীবের সংসারন্ধনছেদন করিতে সমর্থ , অগস্তির নিকটে নিখিল সাংসারিক বিষয়ের এক প্রতিপালক আপনি ঐ কুকটাক্ষ আমার উপরে অপণ করিয়াছেন, এই জ্ঞানেপিদেশ শ্রবণ করিয়া তাহাকে নমস্কারপূর্বক বিষয় সহকারে কারণে আমি ভবসাগর হইতে উত্তীর্ণ হইয়াছি। দেবদূত কহি, বলিতে লাগিলেন মুনিবর। এক্ষণে আমার অজ্ঞান ও অজ্ঞানের লেন, রাজা এই কথা বলিয়া বিস্ময্যেংযুনয়নে আমার দিকে কাৰ্য্য নষ্ট হইয়াছে, সর্বোত্তম জ্ঞানলাভ করিয়াছি। যেমন দৃষ্টিপাত করিয়া মধুৰচনে আমাকে কহিলেন, হে দেবদূত! নাট্যশালায় দীপের আলোক সাহায্যেই নট ও নর্তকাদির কাৰ্যা- হে প্রভাে। আপনাকে নমস্কার, আপনার মঙ্গল হউক। সাধুগণ বলী প্রবর্তিত হয়, অন্ধকারে কিছুই হয় না, সেইরূপ থে বলিয়া থাকেন, যে, বন্ধুতা সাতটামাত্র কথাই সম্পন্ন সৰ্বসাক্ষী নিত্যপ্রকাশ নিস্ক্রিয় পরমাত্মায় প্রকাশ আশ্রয় করিয়া হয়, আপনি আজ তাহা যথার্থ করিলেন,—অর্থাৎ পরস্পর নিখিল ক্রিয়া প্রবর্তিত হয়, সুষর্ণ যেমন কটককুলাদিবিবিধ শােপকথনেই আমার সহিত মিত্ৰতা করিলেন। এক্ষণে আপনি আকারে পরিবর্তিত হয়, সেইরূপ যাহা হইতে দৃশ্যপ্রপঞ্চ জলে সরাজ উবনে গমন করুন। আপনার মঙ্গল হউক, মােন আবৰ্ত্ত কাদির ন্যায় ক্ষুরিত হয় ,সেই পরমাত্মাই এই নিখিল শ, শ্রবণ করিয়া আজ আমি পরম সুখী ও পরমানন্দিত জগৎ কোন বই তাহা হইতে পৃথক নহে। নিখিল দৃষ্ণ সেই হইলাম।১৫। আমি এই ক্ষত বিষয়ের ভাবনা করত এই- পূর্ণব্রহ্মে পূর্ণস্বরূপেই অবস্থিত। ১৮-২০। আমি এখন হইতে খানে বিঘর হইয়া অবস্থিতি করিব। হে ভদ্রে। রাজার নিকট আপনার উপদেশ অনুসারে যথাপ্রাপ্ত কর্মের অনুবর্তন করি, এ কথা শুনিয়া এবং রাজার বিয়াদি নিচ গর্শন করিয়া সাধুবাক্য কে লন করিতে পারে ? ভগ। আপনার আগ্রহ আমি সাতিশয় বিস্মিত হইলাম। আমি এই অপূর্ব জ্ঞানসার লমি নিখিলজ্ঞাতব্য জ্ঞাত হইয়াছি, ভূতলে অবৎ পতিত আর কখন শ্রবণ করি নাই, সৌভাগ্যক্রমে সৎসঙ্গ লাভ করিয়া হইয়া আপনাকে নমস্কার করি। শিষ্য কোন কলিম ও ভাহা শ্রবণ করিলাম; সেই কারণে আমি এসে যেন সুধাপান নিকট মুক্ত হইতে পারে ? অর্থাৎ অন্য কোন কায়ার কবি পরিতৃপ্ত হইলাম বলিয়া বােধ হইতেছে। তাহার পরে হইতে মুক্ত হওয়া শিষ্যের পক্ষে নিতান্ত অসম্ভব , অতএব , আমি বাৰীবির সহিত বিদায় সম্ভাষণ করিয়া আপনার নিকট নিকটে শিষ্যের কায়মনােবাক্যে আত্মনিবেদন করাই কওঁ, তায় সই উপনিত হইলাম; হে এনষে! আপনি যা জিজ্ঞাসা করি- গুরুর ঋণমুক্তি, অজ্ঞ কোন কর্ম দ্বারা গুরুষ ঋণ হইতে মুক্ত হওয়া বিলে, এ সমস্তই আপনার নিকটে কীর্তন করিলাম। যায় না, একারণে আমি আপনার নিকটে কামনােৰকে অ-
বােগণি।
জিতেছি, আমি আপনার চিরদাস হইয়া থাকিলাম; | সাকিরুণ; সেই ভাষাতীত সমি
মণি আর কি করিবে। হে স্বামি। আমি আপনার বুরি নিত্য এল নিল কাপ,
আছে সা-সাগর হইতে উত্তীর্ণ হইয়া নিখিল গ্যাপ পূর্ণ নমস্কার করি) (১):
রুলে িিত করিতেছি, আমার নিখিল সংশয় বিজরিত
ষােড় বিকল সম
{নি পানের ‘
সজিদ অঙ্গ’ ইত্যাদি যার অধিকারী
মারির করত অপনো বস্তুরূপে নিরূপিত হই
হয়, চিলানখন ব্ৰহ্মকে নমস্কার করি।(বিনি পয়ম (১) এইগ্নেকী এই গ্রন্থের নয়
সুপ্রল আকাশপথ “অমসি” ইত্যাদি বাক্যের লক্ষ্য সংসারিক। এছাত্মরে প্রসিদ্ধ এই শ্লোকটিকে কিলি
সুদি অন্দের অতীত, কেবল জ্ঞানমূর্তি, এবং যিনি । এনে সন্নিবেশিত করিয়াছেন।
।
GIA RWA
1
সম্পূর্ণ।
*
Ren
der Act,
।।
১৪।
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.