Garh Bhawanipur R.p. Institute, Howrah
Chandanjali
Front matter
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
இயூரான்னா
No text on this page.
ছন্দাঞ্জলি
'13"}}
/
UR. HJAN
শ্ৰীলালকৃষ্ণ সাতরা
মূল্য ১ টা
একাক- দুলালকৃষ্ণ সাঁতরা স্বত্ব সংরক্ষিত। প্রিন্টার কিরন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় লেখা প্রেস ৩১নং আশুতােষ মুখার্জি নােড়
উৎসর্গ
RA
Itik Hi W
অগ্রজ প্রতি সা কার শিকৰৰুে-
ide
মাের প্রাদ্ধে জাগায়েছে গীতি
তব অর-প্রীতি
তব প্রেরণার উৎসাহ
বার বার বলেছে মােরে “গাহে, গাহাে,–
ই এ মাের প্রথম প্রচেষ্টাখানি
তব শ্রীহস্তে দিলাম আনি;
জানি, হােকনা সে যত অসম্পূর্ণ
তৰ আপন গুণে করে নেবে তারে পূর্ণ।
ভবানীপুর।
মহালয়া।
১৮ই আশ্বিন ১৩৫২।
এীতি
দুলালকৃষ্ণ সাত
No text on this page.
HITRASENPUR, HOWRA
,
পরিচয়
!1B1A7Y
1g9
*
কাব্যজগতে প্রমান কবি দুলালকৃষ্ণ অপরিচিত হলেও
তার এই প্রথম কাব্য তাকে সহজেই টেনে আনবে পরিচয়ের
সরণীতে। কবিতাগুলির গুটিকয়েকের ভেতরে পেয়েছি
সত্যকার কবিতার অভাব। বলতে বাধা নেই যে তার
রচনার অনেক জায়গায় রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি’র ছাপ পরি-
লক্ষিত হলেও তা নিছক অনুকরণ না হয়ে বরং হয়ে
উঠেছে অননুকরণ, আর এতেই ফুটে উঠেছে কবির
বাহাদুরী। স্থানে স্থানে ছন্দ ও অন্যান্য কাব্যিক গুণের
বিচ্যুতি ঘটলেও সে-সব ত্রুটি ঘুচে গেছে একটি সহজ কৰি
মনের স্বচ্ছন্দ গতিতে। পরিশেষে কামনা করি যে সাহিত্য
জগতে দুলালকৃষ্ণের এই আগমন যেন কালে আবিভাব রূপে
old
২০শে অখন ১৩৫২
১৪৩বি, বলরাম
ভবানীপুর।
ঘাট রােড,
৭
ব্যোমকে হালদার
No text on this page.
•3
১
f,
'। ' LIBRARY
• ৫
O, CHITH
1c39
VHOWRAH
যাদের একান্তিক সদিচ্ছা ও পরিশ্রম আমার এই
প্রথম প্রচেষ্টাকে প্রকাশের পথে এগিয়ে দিয়েছে তাদের প্রতি
আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। বন্ধুবর বিমান বিহারী
ঘােষ সূচী প্রণয়নে ও কাব্য-সংকলনে আমাকে অগাধ সাহায্য
করেছেন সেজন্য তাঁকে হৃদয় নিবেদন করে দিলাম। সহকর্মী
হমেন্দ্রনাথ রক্ষিত ও কালীচরণ ভট্টাচাৰ্য্য অক্লান্ত উৎসাহ ও
আনুকুল্য জুগিয়েছেন বলে তারাও আমার ধন্যবাদের পাত্র
ভবানীপুর।
মহালয়া।
১৮ই আশ্বিন ৩৫২।
No text on this page.
WHITRASENPUR, HOWRAH
।
i LIBRARY
;
1c39
মনের পাখী
উড়তে চায়
সাজের বেলায়
আলো ছায়ায়
মনের সুখে
নিজের চোখে
গকে সে
দেখতে চায়।
অণেক দেখা
হৃদয় পটে
পড়বে রেখা,
পরাণ কবি
আঁকবে ছবি
নিশিদিন কল্পনায় ।
২
উঠেছে তুফান
ছুটেছে বান,
পাখীর বাসায়
জেগেছে গান ;
কতদিন•••
পূজাঙ্গীন•••
আছ তুমি
আমার ভগবান ।
রাতের শেষে জাগাও ভােরে
ফুলগুলির গানের সুরে,
সেই সুরে
জাগাও মােরে•••
তােমার সেবায় ঢেলে দেব প্রাণ!
৩
তােমার ছবি
কল্পনাতে
আঁকবাে আমি
=
হৃদয়েতে
রসের ভুলি
তন্ত্রগুলি
ঝঙ্কারিবে বেদনাতে।
তােমার ছবি
আমার আঁকা
মনের মাঝে
থাকবে ঢাকা
নীরব রাতে
তারার সাথে
কইবাে কথা
ইসারাতে
১
তােমায় যদি নাহি পাই
এ জীবনে মুক্তি আমার নাই
কোথায় গেলে তােমায় পাব?
সেথায় আমি চলে যাব।
ধন-রত্বে মিছে আশায়
থাকতে নাহি চাই ।
ছিন্ন করি সকল আশা
ভয় করি বাঁধা বাসা
তােমার পানে ধাক আমার
সকল ভালবাসা ।
মন আমার উদাস হয়ে
দখিন হাওয়ায় যা বয়ে
প্রাণ আমার তােমার প্রেমে
মিশিয়ে দিতে চাই।
৫
সাথীহারা পাখীর মত
আমিও তোমায় খুঁজি কত
আকাশ বাতাস এহতারা
সবাই তারা নিদ্রাহারা
তােমায় খুঁজে হয় যে সারা,
আমার মত ।
সাগরজল পাগল হয়ে
স্রোতে সে যায় বয়ে
তােমার খােজে হিমালয়ে।
তরুশাখা খোঁপার ফুল
খুলে ফেলে এলিয়ে চুল,
তােমার তরে হয়েছে আকুল,
আমার মত
৬
কথা মাের
গান হয়
দখিন হাওয়ায়
যা বয়ে।
প'ড়ক গিয়ে
তােমার পায়ে,
সেই গান
মালা হয়ে।
যেথায় তুমি
আছ আমি
কেমন করে
যাব অমি ?
ইত’ প্রাণ কেঁদে মরে
আকুল করা গানের সুরে,
গান আমার ফিরে আসুক
তােমার চরণ ছুঁয়ে ।
তােমায় যেদিন
পাবাে আমি,
স্য সেদিন
হব আমি
সকল চাওয়া
সকল পাওয়া
মিটুৰে আমার
সেদিন জানি।
আসবে তুমি
চুপে চুপে
আমার ঘরে
ছায়া রূপে,
আঁধার ঘরে সেদিন জানি
উঠবে জলে প্রদীপ খানি,
দখিন হাতের পরশ দিয়ে
জাগাও আমায় তুমি!
ভদিনে ক্ষণে
তােমায় ডাকি
মনে প্রাণে,
ওগাে আমি
এসো তুমি
আমার এই ভরা ভূবনে।
কত ফুল আমার ঘরে
সাজানাে আছে তোমার তরে,
ঐ যে আকাশ
কত রূঙে,
রাঙে সে গােধূলি লগনে,
ঐ রঙ ছড়াও আমার হৃগগনে।
তোমার প্রেম
আমার ঘরে
আলাের মত
ছড়িয়ে পড়ে,
এবার আমি
আমায় তুমি
তােমার করে
লও আমারে!
তুমি আমার
চন্দ্র-সূৰ্য-তাব ,
তুমি বিনা আমি হারা ।
এ জীবনে কেহ আমার
তােমা সম নাহি আর;
তােমার প্রেম ভালাে করুক
আমার চারিধার।
তােমার গান আমি
গাই বারে বারে,
তারে বাঁধবাে বলে
হৃদয়-বীণার তারে।
যেদিন আমি ঠিক অরে
বাঁধবাে গান বীণার তারে,
আপনি তখন উঠবে বেজে
নীরব অন্ধকারে!
সেদিন আমার ধন্য হবে
সকল গান গাওয়া,
এতদিনে যা চেয়েছি
কিছু হবে পাওয়া;
তখন আমার নানা ভাষায়
ছুটবে গান পাখীর বাসায়
সেই গান লুটবে আমার
বিচরাচরে।
১১
তােমার ডাক
পড়বে যবে
সব ছেড়ে মাের
যেতেই হবে।
যাবে হেসে
দিনের শেষে
যােগ দিতে সেই
মহােৎসবে
সেথায় তোমার
নিত্য মেলা,
র-রসে
হচ্ছে খেলা,
পৌছাব সেই নীরব রাতে
হৃদয় বীণা নিয়ে সাথে
চিত্ত আমার যেথায় গিয়ে
রবে নীরযেতে
তােমার কথা
রাত্র দিনে
ভাবতে আমি
আর পারিনে।
দূরের পানে মেলে আঁখি
কেবল আমি চেয়ে থাকি
পরাণ আমার কেঁদে বেড়ায়
দখিন পবনে।
কেমন করে
একলা আমি
তোমায় ছেডে
থাকবাে আমি
কুণে ক্ষণে মনের কোণে
কে যেন সে বলছে গানে
তােমার সাথে হবে মিলন
নিখিল ভুবনে।
t! AlP07 { }, {S.
CHIHASENFUR HOWEH
দিনের দুরালা
রাতের ভাষা,
তাই নিয়ে কল্পনা
বেঁধেছে বাসা।
IC! LIBRARY
19
স্থান কোথা নাহি পায়,
তবু প্রাণ যেতে চায়
ভাঙ্গিয়া বঁধনের কারা
মিটাতে প্রাণের আশা
উতল যখন হয়েছে প্রাণ
কিসের আঁধার কিসের পাষাণ?
নিতুর এ হেন কারাগারে
আর কতদিন রাখবে ধরে ?
মিটাতে দেবে না মাের
প্রাণের তিয়াসা !
১৪
জীবনে মরণে স্বামি ;
তােমারে যে ভালবেসেছি আমি।
আমার পূজার ফুল
নিজ হাতে তুলে লও তুমি !
তােমায় দিয়ে পূজার ডালি
মুছুক আমার মনের কালি
চলার পথে তােমার সাথে
নিত্য অনুগামী।
এই আশাটি পূরণ কর
আমার জীবনে,
তােমার সাথে চলবাে রাতে
বিশ্ব-ভূবনে।
প্রাণ তােমার প্রেমে ভরা
আমার মনে দিও ধরা,
দয়া যদি চাইতে না জানি
দয়া করে চরণে নিও টানি।
১৫
পতি রূপে সাথী কপে
চাই তােমারে !
এই ইচ্ছা পুরণ করে
তুমি আমারে।
ফুল জাগান ফাগুন রাতে
জেগে আছি তারার সাথে
এবার তুমি চুপে চুপে
এসাে আমার ঘরে!
দখিন হাত বাড়াও নাথ
আর পারিনা জাগতে রাত!
আলস ভারে দুটি আঁখি
আঁধার করে আসছে ঢাকি
নিশি-জেরে পরশ করে
রাঙিৰে বাও মাের!
be
১৬
তােমার রূপে রং ফলাতে
হবে আমার কল্পনাতে।
দিন চলে যায়
আঁধার হয়,
আঁকবাে ছবি
তারার আলােতে।
কত রঙে ঢালি কালি
বুলাই তাতে রসের তুলি
তুলি হাতে
নীরব রাতে
কাদে প্রাণ উৎসুক বেদনাতে
১৭
ঐ যে পাখী
পালকে ঢাকি
এনেছে বার্তা
যেতেছে ডাকি।
‘ওরে। আর নাই রাত
আকাশ বাড়িয়েছে হাত ,
দুয়ার খুলে তাের
মেলে দেখ আঁখি।
গাছের ডালে বসে পাখী
প্রেমের গান গায়,
ফুলগুলি ঐ ঘােমটা খুলে
উলুনি দেয় ;
পূর্বগগন খুলছে তােণ
অনন্ত ভূবন করছে বরণ,
আকাশ বাতাস
মেলেছে আঁখি
কি বার্তা এনেছে পাখী।
১৮
বুলের মুখে
ফুটাও হাসি
মেষের পাশে
সুকাও বসি।
বাতাস সে
আকাণ হাসে,
ফোটে তারা
খাশি রাশি।
গানের সুরে
আছে ভৰা
মত সৰ ফুল তারা,
দাওনা ধরা
পাগল পারা
তােমায় খােজে
রবি শণ।
মিছে ভাবনায়
দিন চলে যায়।
pla
ঐ যে দূরে
বাঁশীর সুরে
Map
.0 ,
p
কে যেন
ডাকছে আমায়
* }
চারিদিকে চাই
দেখিতে না পাই,
পরাণ কাঁদিয়া মরে
অজানারে জানিবার তরে
আকাকা মােন
বন্যা বেগে খায়।
আমার সাধন কামনা
কিছুই ব্যর্থ বাৰে না।
আমি জানি
তােমায় আমি
তােমার হাতে
বাজবে আমার প্রাণের বীণা ।
সে আশাতে
দিনে রাতে
তার বীণাতে
রাখি পেতে।
কবে তুমি
আসবে শুনি
বাজাতে আমার প্রাণের বীণা !
ওঠো তুমি নাথ
রজনী হয়েছে প্রভাত।
ফুল-তার সাথে
নীরবে জেগেছি রাতে
প্রাতে তাদের সাথে
বাড়ায়েছি হাত।
তােমার ক্ষণিকের
ককণা মাগি
গত নিশি
গেছে জাগি,
মিটাতে মনের দাবী
খুলেছি আঁধারের চাবি
এবার কর তুমি
করুণ আঁখি পাত
২২
ফুল ফাগুন সম
এস হৃদয়ে মম,
এই ভ লগনে
আমার হৃদগগনে
ফোট গানে গানে
ধ্রুবতারা সম।
মিলন রাতে
ঝরঝরি ঝরে জল
দুটি আঁখিতে।
অঞ্চল দিয়ে
দিও মুছায়ে
নয়নের জল
তুমি প্রিয়তম!
ভালবাসায় প্রাণটি ভ'রে
এলে যদি আমার ঘরে,
দখিন হাত
বাও নাথ
আমায় তুমি বসাও ধরে।
তােমার পাশে যেদিন জানি
আপনি মােরে বসাবে তুমি
সেদিন আমি
তােমায় আমি
প্রাশটি দেৰ হাতে ধরে।
२४
নিত্য নুতন রূপে আমি
তােমায় যে দেখি আমি
দূর গগনে
আপন মনে
ৰূপের আলােয়
বসে আছ তুমি।
তােমার রূপে
নাই যে ছায়া
মনের মাঝে
পায় যে কায়া
গন্ধে গানে
এস প্রাণে
ফুটাবে ফুল
আমার মনভূমি।
'
।
৮
.
২৫
{{ } , ic
MI LIBRARY
দিনের আলো আঁধার হলে
পাড়ি দেব তরী ঐ কূলে
ASENPUR
HOWREE!
।
উঠবে তখন সন্ধ্যাতারা ।
পড়বে তাহার আলাের ধান
ভাসিয়ে তখন দেব তরী
মাভৈঃ বলে।
মাঝি হয়ে থাকবে বসি
পালের রসি ধৰে কসি,
স্রোতের টানে আপন মনে
চলবে তরী গানে গানে
নিশির শেষে ঠেকবে এসে
তােমার স্কুলে।
ফুলের আমি
শয়ন পাতি
তােমায় ডেকে
আনবাে সাথী।
প্রাণের মুখে
তােমার মুখে
চেয়ে আমার
কাটবে নাতি।
তোমার ছায়ায়
আমার চাওয়া
মিটিয়ে দেবে
সকল পাণ্ড
তােমার পাশে
একলা বসে
তােমার পূজাই
করবে পতি।
২৭
আজি বুঝি অভাগীর কথা
পড়েছে মনে!
তাই বুঝি এলে নাথ
সােধূলি লগনে !
কতদিন কত রাতে,
কত সন্ধ্যা কত প্রাতে,
কেটেছে বিরহে আমার
তােমা বিহনে।
তপ্ত অ ঝরেছে
নিশিদিন
পূজার ফুল একে একে
হয়েছে মলিন।
কিছু নাহি বাকী রবে
আবার সাজাতে হবে
বরণ ডালায় নব
ফুল-আভরণে।
২৫
বা আছে তোমার
জানিতে চায়,
কল্পনায় পরাণ
কাঁদিছে তাই।
কত বার বার
পিছু পিছু তােমার
ৰত দূর যাই
ধরা নাহি পাই।
চোখে চোখে ও
কথা নাহি কও
শুধু অলক দুলিয়ে
যাও মােরে ভুলিয়ে
এ ধরায় তােমার কিছু
ধরা নাহি পাই।
২৯
আকা মাের
বাবেগের মত
निषि पिन
ঘােট অবিরত।
সম্মুখ পানে ধায়
পশ্চাতে নাহি চায়
পাহাড় পর্বত ভেদ
করিছে শত।
যত সে যায়
তত বাধা পায়,
প্রাণ আকাময়
অজানারে জানিতে চায়
যত জানা যায়
তত মনে হয়
এখনাে জানার
বাকী আছে কত !
ঐ যে আকাশ সকাল বেলা
খেলে যে কত রঙের খেলা।
আলাের বরণ
অরুণ কিরণ
ঝরা ফুলে গাণে মালা
মেঘ ছুটেছে গানে গানে,
খেলতে খেলা ওদের সনে !
দিনের শেষে
আঁধার আসে
শশীভাঙ্গার ৰে লীলা ?
কী গান গাইল প্রাণ
ভরা ভূবনে।
প্রিয়তম আসবে আমার
শুভ নগনে।
বরণ মালা হাতে করে
দাড়িয়ে থাকি পথের ধারে
করে ধরে লৰওরে
কতই গানে গানে!
আঁধার ঘিরে আসছে রাতি
জ্বলবে তখন তারা বাতি,
একটি শুভ দৃষ্টিপাতে
মিলন হবে বন্ধুর সাথে
বধূবেশে চলবে হেন্তে
জীবন-মরণে।
জীবন পথে
এগিয়ে যাব
পাতে আর
ফিরে নাহি চাৰ।
যা এসেছি ফেলে
ধূলার 'পরে অবহেলে,
তাও মুখপানে আর
ফিরে নাহি চাব’!
অতীতের মর্মকথা
প্রাণের পায়
আছে গাঁথা।
কোনদিনও ভুলে
তারে দেখিব না খুলে
জীবন পথে প্রতিদিন
এগিয়ে যাব।
যতদিন বাঁচবাে ভবে
গেমার আঘাত সইতে হবে।
আমার ব্যথা
কইৰে ,
সাথী হয়ে
সাথে অরে।
দিন ফুরালে
দুয়ার খুলে
সেদিন একা
যাবো চলে।
নিশীথ রাতে
যাত্রা পথে
কিছুই আমার
সাথে নাহি রবে।
অমর ঘরে
তােমায় ঢেকে
নাম চেয়েছি
লােকের মুখে।
কত নামে ডেকেছ তুমি
সে ডাক শুনিনি আমি,
তাই ত বঞ্চিত আজ
আত্ম সুখে !
গাইনি ভুলে
তোমার গান
বাইরে শুধুই
চেয়েছি নাম ,
সে চাওয়া যে মিছে চাওয়া
সে ত নয় আসল পাওয়া,
এতদিনে ভাঙ্গলাে ভুল
মনের দুখে।
৩৫
তুমি চেয়ে চেয়ে
ফিরে গেছ মাের কাছে।
আমার প্রাণের পাতায় তা
ঢাকা আছে।
তােমার পরশ পাতে
পারেনি তা প্রকাশিতে
ফুটিতে এখনাে তার
বাকী আছে।
অহরহ সকাল সাঝে
মরি মরি প্রাণে বাজে,
প্রেম সে পবিত্র জানি
দিতে তা পারিনি আমি
পাত্র ভরিয়া তা
তোমার কাছে।
যেতে হবে আমার
সকল ব্যথার বে অবসান ,
যন কণ্ঠ আমার সুর হারায়ে
পাইবে না আর গান।
নিমেষ হারা দুটি আঁখি
আঁখির জলে যাবে ঢাকি
মৃত্যু মাঝে ঢাকা আছে
অন্তহীন প্রাণ।
তুন গগন ভরা অন্ধকারে
বাজারে না গান বীণার তারে।
হৃদয় বীণা তােমায় দিয়ে
এ-মরা প্রাণ বাঁচবে গিয়ে
ক) ভরে দিলে আমার
সেই অতনুর গান!
১৭
বিশ্বব্যাপী বঙ্গ তােমার
হানছ বারে বারে,
তােমার আঘাত লাগে নাকো
লাগে নাকো হায়!
হৃদয় মাের পাষাণ গম,
যতই তুমি বন্ত্র হান
পুডেও সে যে গলবে নাকো
গলবে নাকো ঘর।
জানি আমি তােমায় স্বামী-
আমার এই দেহ খানি
অন-দানে পূর্ণ করে
বজ্রে তােমায় বাজবে বাণী!
সেদিন আনি ধন্য হৰ
তোমার সাথে সাথে বৰ
দুধ মুখে মালা আমি
গাঁথবে নাকো আর!
তােমার আঘাত সইতে আমি
আর পারিনে ;
এবার শেষ করে নাও আমার
থাকতে দিনে দিনে।
এনেছি ফুল সাজি ভরি
তোমায় যা’ দিতে পারি
যাবার সময় দিয়ে যাই
তােমার চরণে!
কত দিন কত রাতে
কত সন্ধ্যা কত প্রাতে
আঘাত তােমার
সয়েছি প্রাণ পেতে
মুখে বলি নাই কিছু
নয় করিয়া নীচু
পূজা শেষ করেছি
থাকতে দিনে দিনে।
খান যদি নাহি পাই
তাতে কিছু ক্ষতি নাই ?
শত অপমান ;
সইবাে আপন মনে,
চেয়ে তব মুখ পানে
কত গান গাই।
সবার আঘাত সইতে হবে
কইতে হবে কথা ,
নইলে আমার এ জীবনে
সব আমােজন হবে বিফলতা।
হে জননি, জন্মভূমি।
যা দিয়েছ মােরে তুমি
তাই নিয়ে ভেসে যাই,
আর কিছু নাহি চাই আমি।
s
আমার জীবনের যত কথা
প্রাণের পাতায় আছে গাঁথা
ফুলের মতন ফুটে;
ধূলাতে পড়ে লুটে;
তবু সে আমার কাছে
পায়না মলিনতা।
দিনের পূজা,
রাতের আরতি,
তাই দিয়ে
করি প্রণতি।
যেদিন রবনা আমি
তােমার চরণে স্বামী,
জীবনের সকল সম্বল
নেৰে বাৰে ।
GAR BHAWANIPURI
p [0
ܕܕܐܝ
তােমার সাথে
আবার স্বামি
হবে আমার
জানা-ানি।
bin 'IBRA?!
মধু-রাতে
আনবে হাতে
পরাতে তােমার মালাখানি।
একটি শুভ দৃষ্টিপাতে
মিলন হবে তােমার সাথে
বধু বেশে
চলবাে হেসে
টেনে দেবাে
ঘােমটাখানি।
৪২
আহকাছে
আমার কাছে
পরাণ মাৰে
ঢাকা আছে।
যেথায় তােমার নিত্য মেলা
হয় যে কত রসের খেলা
তুমি সেথায় আমার হয়ে
আছ আমার কাছে।
দিবস রাতে আমার হাতে
বাজে তােমার বীণা
তাইতো তোমার মনের কথা
আছে আমার জানা।
যেদিন বীণায় গান ফুরাবে
কণ্ঠ আমার সুর হারাবে
সেদিন মরণকে প্রাণ
বরণ করে বাঁচে।
৪৩
জানি জানি
তােমায় জানি,
শিশুর মত
সরল তুমি ।
কাছে আছ
ভালবাস,
ভুলে এই
আছি আমি।
# খেলা
দিনে রাতে
২ যে আমার
তােমার সাথে;
আমার মনে
তােমার প্রেম
রঙিন ফয়ে
থাকবে জানি।
33
প্রতিদিন প্রিয় তােমার কাছে
যত গান হয়েছে শেখা;
প্রাণের পাতায় সব থরে থরে
আছে মাের লেখা।
জীবনের পূর্ণ অবকাশে
বসন্ত বাতাসে বসে
একমনে যবে গাহি গান,
তুমি দাও দেখা।
ওরের ঘােরে বারে বারে
আপনারে ভুলে যাই ;
মনে হয়, চাওয়ার মত
আমার আর কিছুই নাই।
তােমার মুখে চেয়ে দেখি,
দুঃ দৈন্য ভুলে থাকি ;
এমনি করে বারে বারে
জ্বলুক তােমার শিখা।
৪৫
মরণ আমার
আঁধার ঘিরে
দিনের শেষে
আসবে ধীরে ,
আলাের রেখা
পড়বে ঢাকা
অন্ধকারের সেই গভীবে ।
গগন আমার
হলাে হারা
জ্বলে না আর
নয়ন তারা;
রাতের শেষে
চলে ভেসে
কোন সুদূরের সাগর পারে।
KG
তােমার কাছে
কাজ কবে যাই,
মূল্য তাহার
কিছুই না চাই।
যদি তুমি দয়া করে
আপনি আমার হাতে ধরে
কিছু দিয়ে যাও তো
তাই নিয়ে যাই।
এীন যখন
নিশার স্বপন,
তােমার কাছে নাইকো গােপন,
ইতাে আমি
তােমায় জানি
‘সীমার মাঝে অসীম তুমি
এ জীবনে তােমার আমি
সীমা নাহি পাই।
৪৭
ওগো আমার
ব্যথার ব্যর্থ,
এলে যদি
আঁধার রাতি
চলার পথে
তােমার সাথে
কর তুমি আমায় সাথী
তার আলাে
কে জ্বালাগাে
তােমার পথে করলাে আলাে,
কাটাও আমার মনের আঁখার
ধর তােমার
অরূপ ক্যাতি।
৪৮
তােমার কাছে আমার চাওয়া
মিটবে নাকো আর,
আমার বলে তােমায় চাই
কতই বারে বার।
যেদিন তুমি আমার হবে
সকল চাওয়া মিটে যাবে
তোমার কাণে ওনাবাে গান
সেদিন অনিবার।
শিথিল রাতে অলক খুলে
বাৰ তােমায় আমার কোলে
রাতের পরে রাত
থাকবে তুমি নাথ
যুগে যুগে আমার
হয়ে কণ্ঠ-হার
৫১
তােমার প্রেম
সবার বাড়া
বিশ্ব মাঝে
ভাঙা-গড়া
Wd
nir
দিনে দিনে
তুণে তৃণে
আপন হাতে
লাগাও কােড়া।
a
আপন
১f
অসীম তুমি
নাইকো সীমা
কিছুই তােমার
যায় না জানা।
এই ভৰে
যুগে যুগে
যে মে
ও গড়া।
তুমি আমায় চুরি করে
কেমন করে রাখবে ধরে ।
বলে রাখি
বনের পাখী
পােষ মানে না রাখলে ধরে।
উড়ে বেড়ায় কতই সুখে
তােমায় দেখে মনের চোখে,
রৌদ্র-জলে
আঁখি মেলে
বেড়াই আমি সীমার সাগর পারে।
O, CHITHA
..IPUR R. P. IN81 71), 1
*•. ic
D GOYS* 0.10'1 LIBRARY
।
প্রেম আমার চুপে চুপে
ফুটে ওঠে বহু রূপে;
আকাশ তলে
লে হলে
তােমার পূজার গন্ধকূপে।
ঢাকা দিয়ে রাখা তারে
যায়ন| আর প্রাণের ঘরে ;
সকাল সাজে
সবার মাঝে
ফলাও আমায় তােমার দীপে।
আজ এই সকাল বেলা
পাবে প্রাণ ফুলের মালা !
ভােরের বেলা এসে তপন
দিয়ে গেছে মােরে স্বপন
পরাণ-সখা আসবে আমার
সাজের বেলা ।
যার খুলে
এবীপ কােলে
বসবাে আমি এলােচুলে ;
আসার লাগি
থাকবে জাগি,
তার গলে
পরাতে মালা।
তােমার সাথে
আমি নাথ,
ব, পারিনে
জাগতে রাত।
এমন করে
আমায় ধরে
রাখবে তুমি
আর কত রাত
অলস ভারে
দুটি আঁখি
আখির পাতায়
আসছে ঢাকি, -
ভােরের পাথ
যাচ্ছে ডাকি,
এবার তুমি
ছাড়ে নয়।
সকাল বেলায় বকুল তলায়
শিশির ভেজা ঘাসে,
যে গান তুমি শিখিয়েছিলে
বসে আমার পাশে।
সে গান আজ পাখীর মুখে
ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে
আকাশ থেকে সে গান আজ
মেঘে ভেসে আসে।
এখন তুমি কাছে আমার নাই,
ভেবে না পাই কোথায় তােমার ঠাই ,
দুটি আঁখি ছলছলিয়ে
উঠল জল কলকলিয়ে,
একলা আমি বসে আছি
হেথায় তােমার আগলে
৫
মনের গােপনে প্রেম
আর নাহি রয়
আপনার গন্ধ আপনি
বিলাতে চায়।
(ভাই) নিশীথে চুপে চুপে
ফুটেছে বহুরূপে
দোষ আলোতে করে
খুজিয়া বেড়ায়।
যেদিকে ফিরাই আঁখি
আলো ছায়ামাখামাখি,
চোখে দেখে তাই
কাকে ছেড়ে কাকে চাই,
অরুণ আলাে উষার দুয়ার
ভাঙিবারে গয়
ফাগুন মাসে
ফুলের বাসে
তোমার খবর
আপনি আসে।
দখিন হাওয়ায়
আলো ছায়ায়
বিজন ঘরের
বাণে পণে।
আমার মনের
পাতায় পাতায়
লেখা হলাে
কথায় কথায়
;
তােমার কথা
ভাববে সেথা
একা বসে
মনের পাশে!
বাহ কত গানে গানে
কে এম এল প্রাণে।
জানি না কেন হয়
দখিন হাওয়া কয়
অজানারে হবে
আজ শুভশনে।
তাই বুঝি প্রেম আমার
এসেছে প্রাণ।
তাই আধাে হাসি
আধাে ল
দুটি আঁখি অবিরল
করে টলমল।
পরাণ উতলা হয়
(তাই) *ণে ক্ষণে মনে হয়
আসিবে প্রিয় মােঝ
গােধূলি লগনে;
তাই বুঝি প্রেম আমার
এসেছে এণে।
সকাল বেলা বকুল তলায়
গাঁথবাে বসে মালা
বিনা কাজে বাজিয়ে বাণী
কাটাই বেলা।
বৰ ধুতে নাহি পাই
আনমনে বাজিয়ে যাই,
নীল আকাশে কে ভাসালে
সাদা মেঘের ভেলা।
মন যে আমার উড়তে চায়
ডানা মেলে,
মীমার বাঁধন দেবাে আজ
ছিন্ন করে ফেলে;
উলার আলােয় মন মেতেছে
গাছে গাছে ফুল ফুটেছে,
পূর্ব গগন তােণ খুলে
সাজায় বরণ ডাল
BHAWANIPUR A F, INSTIU, U E. পাগল হাওয়া ভােরের বেলা {s 'r: ts OLD BOYS' U-104 LIBRARY আমার সাথে খেলে খেলা ** ha ১ যাবার বেলা বংল গেল- চুল বাঁধিতে সন্ধ্যাবেলা করিস না তুই হেলা। দিনের যত ফুটবে ফুল তাই দিয়ে তুই বাঁধিস চুল, সকল কথা গানে গানে ৰলে গেলাে গুণগুণিয়ে, মিলন আজিকে তাের গােধূলি বেলা।
আমার জীবন বীণার তারে
গণ তোমার লগে বারে বারে।
আলাে ছায়ায়
দখিন হওয়ার
অরলি তাই বাজে বারে বারে।
দপুরে কতই সুরে
আনল নাের উঠছে ভ'রে
পরশ পাই দেখা নাই
পথ পানে শুধু চাই,
পরাণ আমার দে ভাই মিছে বারে বারে।
তোমার খাওয়া
লাগলে প্রাণে,
ধুম ভেঙ্গে যায়
গানে গানে !
মেলে আঁখি
চেয়ে থাকি
শুনি গান
প্রাণের কন!
এমনি করে তুমি মােরে
দেখা দাও আলো-আঁধানে;
লাগে ভালাে
মাণের কালে
আমার দুটি
চােখের কোণে।
র ফুলের ঝরা পাতা
তাতে হয় আমার মিলন মালা গাঁথা।
ঐ যে দিন ফুরিয়ে যায়
তার আসার সময় হ
খিনের শীতল বায়
ঝরা ফুল পাতা,
তাতে হয়না আমার মিলন মালা গাঁ।
সারাদিন আঁখির জলে
আমার গেছে বিফলে,
এখার রাতে একা একা
তাহার নাইকো দেখা,
দিনের বেলা হয়নি আমার
মিলন মালা গাঁথা।
ভােরের পাখীর গানে গানে
বালবাসা এলাে প্রাণে
.
রঙ ধারা
পাগল পালা
নাচে সকল মনে প্রাণে।
রুণের কাচা আলো
দুটি চোখে লাগলাে ভালো,
বিকে বিকে
চারিদিকে
ছড়িয়ে দিল ধরার প্রাণে।
সখি, আজ তো আমায় ভাল করে সাজা,
অাসতে যে আমার সে রাখাল ঘরের রাজা।
ফেলে দে তােরা ধুলাখেলা
গেঁথে নে সৰ বকুল মাল
এখন সখি, আমায় তােরা ভাল করে সাজা।
যতই বেলা বয়ে যায়
ততই আমার মনে হয়
হলাে বুঝি এবার তার আসার সময়।
মিছে দেরী করিস না আর
সময় যে লাে এবার
যকল কাজ ফেলে দিয়ে বাজা শঙ্খ বাজা
এলাে বুঝি এলো রে ঐ আমার রাখাল রাজা।
1 Old
idiot"
0 শ
৪
নিই তােমার মাকে আমি
ভয় করি না বলে ,
তাই বুঝি আড়াল করে
লুকিয়ে গেলে চলে!
বজ্র থেকেও শক্ত এ বুক
ভরা আছে দুঃখ সুখ
মিছে কী হবে আমার
চোখের জল ফেলে।
এপারেতে বাস করে
মৃত পুবালী
চোখের কোণে লেগে আছে
মিছে কান্না হাসি ;
ওসৰ বালাই নাই আমার
একলা আছি সাগর পার
বলে আমার কী হবে আর
সে সব কথা বলে!
পরাণে কা পরশ লেগে
স্বপন ভেজে উঠলাে জেগে ;
মেলে আখি
চেয়ে দেখি
দখিন হাওয়া বইছে বেগে।
আকাশ আছে মেঘে ঢাকা
গভীর রবির মৃদু রেখা,
পাখীর বাসায়
নানা ষায়
কাগলাে গান অরুণ আভা লেগে
৬৭
দাড়ায়েছ আজ ফিরায়ে বদৰ
হাসিতেছ তুমি মেলিয়া নয়ন।
মাের কথা বুঝি পড়েছে মনে
তাই বুঝি এলে গােধূলি ক্ষণে
সজল সন্ধ্যায় দখিনের বায় চুমিতে বদন
বুঝিতে না পারি কি জানি কী
আছে তােমার মনে ;
কোন টানে নিয়ে যাও মােরে
ভৰ রহস্য ভবনে।
পিছু পিছু ছুটি কত
পলাতক বালকের মত
মাের পানে চেয়ে হাসিতেছ তুমি
তুলিয়া নয়ন
ফাগুণ আজ তরুর বুকে
ব্যথায় দিল ভরে
ক্ষণিক পরে ফুটবে ফুল
গন্ধে আকুল করে
রাতে ঢাকা তরুশাখা
চারিদিকে মসী মাখা
আকাণ আছে মেঘে ঢাকা
আঁখি-জল ভরে।
যখন ফুটবে ফুল
কইবে কথা,
তখন সকল ব্যথা
হবে সফলতা
রাত্রি যায় প্রভাত হয়
আলাে ছায়ায় দেখা যায়,
বিশ্ব জুড়ে ফুটছে ফুল
ভুবন আকুল করে।
আকাশ আজ উড়বে বলে
দাড়িয়ে আছে রঙীন পাখা মেলে।
ঐ দেখে
তক বুকে
ফোটায়ে ফুল
আঁখির জল ফেলে
দখিণ হওয়ায় সাগর জল
করছে টল মল।
মেঘ যে ঐ থাকে থাকে
দাড়িয়ে থাকে আকাশ ঢেকে
রূপের ছায়া পড়েছে তার
সীমার সাগর জলে।
৭০
আঁধার মাঝে চাদের আলো
হলে প্রাণ নাচিয়ে তোেললা ;
আলাে-ছায়া আমার চাওয়া
এই ভালাে এই ভালাে।
সাগর মাঝে ঢেউ উঠে
ফুলের বুকে গন্ধ ছুটে
দখিন হাওয়ায় উন্মাদনায়
পরাণ মাঝে প্রেমের দীপ জ্বালে
BHAWANIPUR F
GAN
ft
৭১
-~~-~-
s,
তােমার ছবি আমার আঁকা
শেষ হবে না আর
বিশ্বজুড়ে তােমার খেলা
চলছে বারে বার।
Roy
1 . *০
"C' (IBPA IY
*।
রঙে রঙে রঙ, যে গুলি
বুলিয়ে যাই রসের তুলি
তবু যেন মনে হয়
শেষ নাহি তার।
এমনি করে দিন
চিত্ত-কবি বিরামহীন
অরূপ তােমার রূপের ছবি
শেষ হয় না আর।
৭২
নতুন নামে
কৰে মােরে
বাঁধবে দুটি
বাহ ডােরে
কবে থেকে
স্বপন দেখে
আছি নিশি
ঘুম ঘােরে।
তুমি আছ আমার মাঝে
জানতে চাই সকল কাজে,
তুমি প্রিয়
আমায় নিয়ে
বিরহে বাঁধিয়া
নবীন জীবন ভােরে
৭৩
আঁধার ঘরে কালৰে আলাে
অজানারে বাসবাে ভালাে ;
মনের সুখে
রাখবাে বুকে
সেই ভালাে সেই ভালাে ।
ঐ যে আকাশ বুকের পরে,
ফুটায় ফুল নিশি ভরে,
মেঘের কোলে
শশী দোলে,
সেই ভালাে সেই ভালো।
৭s
আজ আমার গাছে
যে ফুল ফুটিয়াছে,
জানি স্বামী
আসবে তুমি
গ নিতে আমার কাছে
'প্রহর শেষে
কাছে পাব
মুখে মুখে
পরশ লব
সকল ব্যথা ভুলে
দেবাে চুল খুলে
এমনি করে পাই যেন গাে-
নিত্য তােমার কাছে
৭৫
তােমার প্রেম
সবার বড়
ত বাড়িয়ে
যায় না ।
মনে করি
রাখবাে ধরি
ওগাে আমার
পাগল-পারা
ধরতে তােমায় যাই যত
আঘাত তুমি হান’ তত’
আঘাত খাই
এগিয়ে যাই
তবু তুমি দেও না ধরা।
তােমার বাতাস
তোমার আলাে,
আমার কাছে
সবই ভালো।
তােমার পণ
অমৃত সরস
কাটে আমার
আঁধার কালাে।
দুটি আঁখি
যেথায় রাখি,
তােমার ছবি
সেথায় দেখি!
ঝরে তোমার
পের আলাে।
৭৭
भिवन बोल्ड
কথার মালা
গেমে গেছে,
তােমায় আমি
ডাকছি আমি
ধূলার পরে
আচ পেতে।
তুমি এসে বস হেথা
ধন্য হােক মালা গাঁথা,
কত আশা
ভালবাসা
পাৰ মালা
তােমার হাতে।
৭
পন মাঝে আসা-যাওয়া
তােমার বারে বার
জেগে দেখা তােমায় আমি
পাইনে কেন আর ?
তাইতো ভাবি মনে মনে
কী করেছি এ জীবনে
তােমার দ্বারে হয়নি খাওয়া
নিয়ে ফুল-হার!
সমস্ত দিন করি আমি
শুধুই মিছে খেলা
পূজার ফুল হয়নি আমার
সাজি ভ'রে তােলা।
বেলা দিনের ফুরিয়ে এলাে
রাতের আঁধার ঘনিয়ে এলাে
নিবিড় কালাে হয়ে ঐ
ঢাকে চারিধার।
৭
তুলি নাই ফুল আমি
গাখি নাই মালা
আমি আলসেতে বসেছি
সারা সকাল বেলা
দিনের শেষে ক্লান্ত রবি
সাগর জলে ছায়ার ছবি ;
পূজার ঘরে হয়নি আমার
সন্ধা প্রদীপ জ্বালা।
রাদিন বিফলে যায়
শুধু আমার তােমার ভাবনায় ।
তুমি আছ আমার মাঝে
এ কথা যে জানি না যে
ভাল করে জানিয়ে তুমি
জুড়িয়ে দাও জ্বালা।
যেদিন যায়
সেদিন ভালাে!
আঁধার মাঝে
তারার আলাে,
নীরব রাতে
ফুলের সাথে
জাগতে আমার লাগে ভালাে ।
রাত্র-দিনের যাওয়া-আসা
আমার মাঝে,
হৃদয়-বীণার তার গুলিতে
কী সুর বাজে।
এমনি করে বীণার তারে
আঘাত তােমার লাগে ভালাে!
দিনে দিনে আঘাত হেনে যেনে
মরার মুখে এনেছ টেনে।
আর কী চাও।
শেষ করে নাও
এবার তােমার আপন জন জেনে।
তােমায় ছেড়ে থাকতে স্বামী।
আর কতদিন রইবাে আমি?
নয়ন তারা
করে হারা
ওগাে থাকতে দিনে দিনে।
২
প্রিয় চেয়ে দেখ মাের পানে
চিনতে পারে কিনা!
ফেলে দিছি বাণী আমি
হাতে নিছি বীণা ।
বসন ভূষণ ফেলে
এসেছি এলােচুলে
দেখ তুমি আঁখি তুলে
চিনতে পারাে কিনা।
1
কেমন করে চিনৰে তুমি
চেনার মতন নইগাে আমি
আবার কতদিন পরে
এসেছি তােমার ঘরে
(আজ) আপন হাতে বাজিয়ে যাবাে
তােমার বীণা!
ফুটিয়ে তােল
নিশি ভােরে
তুমি মােরে
গােলাপ করে।
প্রাণের আশা
এই যে নেশা,
মিটিয়ে দাও
গ ভরে।
অনেক দিনের
আকাশ চাওয়া
আসবে ছুটে
দখিন হাওয়া-
লুটিয়ে দেবে
ফুটিয়ে নেবে
গন্ধ সুধা
আকুল করে।
৮
যা আছে তাের
ভােগ করে নে,
কাল যে আর
সময় পাবিনে।
জীবন দিন
হচ্ছে ক্ষীণ
আপন মনে দিনে দিনে।
যা আছে তাের
বাসনাতে
ছরে দিস দিবস রাতে
জীবন মম
স্বপন এম
ছােটে সে
কাহার পানে
GAR
৫
BHAWANIFUA
tu0 80' ( ২৫
~~ •১।
ওই যে শিশুর খেলা আমি
বড়াে ভালবাসি,
ক্ষণে ক্ষণে কাম তাহার
ক্ষণে ক্ষণে হাসি।
দিনের আলাে নিভে এলো
ধূলা-খেলা সাঙ্গ হলো,
আপন মনে ঘুমিয়ে গেলে
রইলো পড়ে বাঁশী।
দিনের বাঁধা খেলা ঘর
সেথায় নামে অন্ধকার,
নাইক’ সাথী নীরব রাতি
আকাশ যেতে
উছলে ধরায় শণী!
৬
মনের সুখে চেয়েছি
তােমার মুখে
তুমি হানলে বজ্র
আমার বুকে।
আর কি চাও
শেষ করে নাও
দিনের আলাে
থাকতে আমার চোখে
যা ছিলাে মােন
কেড়ে নিলে
ঘর থেকে আজ
তাড়িয়ে দিলে,
এখন আমি
মুক্ত পাখী
যাবার সময়
বলছি ডাকি
কোন খবর রাখবাে না আর
মুখের দুখে!
৭
এ জীবনে চিনিনা জানিনা যারে
তবে কেন হয়?
স্বপ্নের বেদনায় প্রাণ কেঁদে কেঁদে কয়
আমি তােমা ছাড়া আর কারাে নয়
যুগে যুগে অনিবার
শতরূপে শতবার
আমি ভালবেসে তােমারে
করেছি আপনার।
আমার চিত্ত-গগন-পটে
নিত্য কত ফুল ফোটে
ভুবন ব্যাপী গন্ধ ছােটে তার।
অচেতনে তােমারে আমি পেয়েছি
সেথায় কত কথা কয়েছি,
জেগে মনে হয় এর কী
কিছুই সত্য নয়।
৮৮
তােমার পূজা
দেওয়ার তরে
মন যে আমার
রয় না ঘরে।
বাইরে এসে
একলা বসে
ডাকি তােমায়
নীরব অন্ধকারে
নাইকো আমার
কোন আয়ােজন
তােমার পূজায়
আছে শুধুই মন
ওগাে স্বামি
এসাে তুমি
আমার পূজার
লওয়ার ভয়ে
আমি তােমার আমার লাগি
নাইকো ছিঃ জাগি।
তোমার সাথে হলাে না দেখা
আমি এমন হতভাগী ;
নীরব রাতে বৃনের পথে
এসেছিলে গভীর রাতে
স্বপ্নে তােমায় দেখেছি
উঠিনিক’ জাগি ।
আলসেতে পড়েছি
মনের ছায়াতলে,
তখন তােমায় দেখিনি আমি
দুটি নয়ান মেলে।
নিশার স্বপন ভাঙলাে যখন
হেথায় তুমি নাইকো তখন
কতই দুঃখ বাজলাে আমায়
তখন তােমার লাগি।
দিনের আলাে
যেখানেতে পড়বে ঢাকা,
সেইখানেতে তােমার ছবি
যাবে দেখ।
বিশ্বব্যাপী চারিধার
গহন-গভীর অন্ধকার
সেখানেও এলে তােমার
সরূপ-শিখা।
অসীম আকাশ ভরা
চন্দ্র-সূর্য-তারা
আছে আলােয় ভরা ;
সেথায় তুমি জগৎ-কবি
কতই রঙে আঁকো ছবি
এক মনে রাত্র-দিন
বসে এক-একা।
শ্রাবণ ঘন বাদল দিনে
তােমা বিনা থাকি কেমনে!
একা একা
ছবি আঁকা
দিন চলে যায় আপন মনে
অলস আঁধার
চনায় আসে
ধীরে ধীরে
চারি পাশে,
ডাকছে আলাে
নিবিড় কালাে
খেয়ে ধেয়ে নিখিল ভুবনে।
শ্রাবণের এই সকাল বেলা
রৌদ্র-জলে কতই খেলা ,
জোয়ার জলে
নদীর কুলে
বসেছে কতই চখাচীর মেলা
আমার শুধু একা একা
ঘরের মাঝে বসে থাকা;
নীল আকাশে
চাদের পাশে
ভেসে বেড়ায় শাদা মেঘের ভেলা
এতদিন যা করেছি
সবই আমার মিছে।
আজ চলছি আমি
তােমার পিছে পিছে।
তােমার গানের 'পরে
বীণাধানি নে ধরে
সভায় গিয়ে বাবাে
আমি সবার নীচে।
বে আসনের মূল্য না হয় দিতে
সেই খুলাতে বসবাে আঁচল পেতে
তােমার মুখের পানে চেয়ে
একটি গান যাবে গেয়ে
সভার তােমার অন দিয়ে
ভরে সবার নীচে।
মঃ
রাতের পরে রাত কেটে যায়
নাইকো তােমার দেখা
কেমন করে কাটে আমার
এমন একা একা ।
দূরের পানে মেলে আঁখি
কেবল আমি চেয়ে থাকি
দেখা যায় ঐ মেঘের ফাকে
রবির মৃদু রেখা।
আমার দিন চলে যায়
চোখের জলে,
তােমায় ডাকবাে ওগো
আর কী বলে?
ভাষাহারা নয়নতারা
তােমায় খুজে যু যে সারা,
দিনের আলাে
আঁধার হলাে
যায় না আর দেখা!
১৫
বিশ্বব্যাপী বজ্ৰ তােমায়
হানছে বারংবার,
ভেঙ্গে গেছে বীণা আমার
ছিড়ে গেছে তার
তােমার তরে আমার আশা
আকাঙাময় ভালােবাসা
মিটে গেছে আজ আমার
হলে অবসর।
ধুলায় লুটায় ছিন্ন বীণা
নাহি তার কোন কামনা
আমার বীণা তােমার কাণে
নিয়েছে গান গানে গানে
সাধ মিটিয়ে নিয়েছে প্রাণে
আর কী চাই তার।
রাতের পরে
কাটছে রাত,
তােমার দেখা
নাইকো না !
একলা ঘরে
এমন করে
আর পারিলে
জাগতে রাত!
আমি যদি হতে তুমি
এমনি ব্যথা বাজতাে জানি।
স হলে
চোখের জলে
কাটতাে তােমার
দুধের স্বাভ!
আমার লেয় গন্ধনে
ঘুমাও তুমি নিরজনে ;
থাকবে গণি
তােমার লাগি
চেয়ে তােমার মুখে পৰে।
নয়ন মেলে যতই দেখি
ততই জাগে আ,
মনে হয় তােমার প্রাণে
আছে আমার ভালবাসা।
এ জীবনে তুমি আমার সব
তবে কেন মিছে কলরব ;
এতদিন ভুল করেছি
এখন বুৰি মনে!
আমার এই জীবনের ক্ষেতে
আজও পারিনি ফসল ফলাতে;
তাই বার বার
ভাবনা আমার
আজ কী দেব তােমার হাতে।
মুখ পানে শুধু চাও
কাছে এসে ফিরে যাও,
ধূধূ করে মক
নাই মাের হায়াত
কোথায় দেব আমি তােমারে বসি
0 c!!.
WANIPU.?
i
দিনের শেষে
ঘােমটা টাৰি
এলে তুমি
স্যা-রাণী!
"!
41 ? BOYS' UCI LIBRA?Y
, ১1'10:10
635
•UWRAH
ভুবন ভরে
আধার ঘিরে
জ্বলবে তোমার
প্রদীপ খানি।
আলাের শিখায়
যাবে দেখা
তােমার রূপের
অরূপ শিখা ;
সেই শিখাতে নীরব রাতে
পাণ কবি কল্পনাতে
একে নেবে তােমার
ছবি খানি।
সখির নয় ছবি
একে নাও কবি।
উলার আলাে
লাগবে ভালাে,
মৃদু আজ
হাহে বৰি।
মুখের পানে
এক মনে চেও,
ঙে নwেs
ফলায়ে বেও;
মনের কোণে
কতই গানে
উঠছে জেগে
পরাণ কৰি।
তােমায় সবি
সামনে রেখে
নে আমি
ছবি একে।
बाडिन बान
বাঁকা নয়ান
টানৰাে তুলি
• যে সে
এলিয়ে তুমি
দেবে ,
বুঝবে তােমার
মাণের লক;
সেই আলােকে
তােমায় দেখে
লৰে পৰণ হবি একে
এসাে সখি वाम पाकि আজ দুজনে মুখখামুখী। ভাষা-ভরা নয়ন- খির পাতায় বাে ঢাকি ? মুখের পানে মুখটি রেখে দোহে দোহা যাবে দেখে ;- সেই যে দেখা পড়বে রেখা রাবাে এণে হবি: একে
আসিবে প্রিয়ে তুমি
আমার ঘরে,
আনিবে ফুল ওগাে
আঁচল ভরে।
ফুলে ফুলে অনিবার
প্রাণের লতার 'পর
গাঁথিবে মালা তার
পাতে মােরে
চোখে চোখে চাওয়া,
ক্ষণিক আলাে-ছাওয়া,
অলক দুলিয়ে শুধু
হেসে চলে যাও।
এমনি করে আস যাও
কোন কথা নাহি কও,
ধরিতে গেলে
চলিয়া যাও
দূর হতে দূরে।
১•
দিনের শেষে অন্ত রবি
আলােটুকু এষে
স্নান হেসে দাড়ালাে
আলো-আঁধারের পাশে,
শােনার প্রদীপে সন্ধ্যার আয়োজন
আকাশ বষিয়া একমনে
ধ্যানের মন্ত্র জপিতেছে
এলায়ে কেশরাশি।
আঁধার নাসিতেছে ধীরে
বিশের মন্দির ঘিরে ;
হতে লয়ে দীপশিখা
এলে তুমি কোন মালবিকা,
মালি ভরে নিয়ে এলে
ফুলভারী শিলাশি।
প্রিয়ে তােমার মুখে চেয়ে আমি
পাইনে খুঁজে কুল,
দিনের শেষে এলিয়ে পড়ে
তােমার এলােচুল।
অসীম সমুদ্র রাশি
তার মাঝে আছ বসি
ক্ষণে ক্ষণে ফুটিয়ে তেল
in
কতই তারা ফুল।
রহস্যের খেলছো খেলা
আমার মাঝে তােমার লীলা।
রাত্র দিন কত
হয় যে অবিরত
সৌরভে ছুটিয়ে দাও
নিজের বনের ফুল।
১৬
সখি তােমার স্বর্ণপদ্মদুটি
আবরণে ঢেকে রেখ নাক আর ;
লাগাও আলাে লাগাও বাতাস
ওগাে তুমি কাটাও অন্ধকার।
চন্দ্ৰসূৰ্য্য একাধারে
নিশিদিন বিরাজ করে,
ভুবন ভরে আলাে করে
ওরা চলছে বারে বার।
প্রকৃতি-ধু প্রদোষ আলাের
পরশ পেয়ে
বাসর ঘরের দুয়ার খুলে
এলো বাহিরে।
ধরণী অবগুণ্ঠন দিয়েছে খুলে
দেখিতেছে আকাশে আঁখি তুলে
কণিক পরে বাজবে চারিধারে
রবিরশি তার!
১৭
সখি তুমি
সন্ধ্যা ললাকে
দেখা দিলে
কবির চোখে।
পরাণ কৰি
তােমার ছবি
হৃদয় পটে
নেছে একে।
শীতে কল্পনাতে
রূপে তােমার রঙ ফলাবে
তারার আলােতে।
রাত্র যখন প্রভাত হবে
ববির আলো দেখা দেবে
তখন দেহে সেঁহ ভাল করে
লৰ দেখে।
১০
রঙে রঙে রঙ ফরায়ে
প্রেমের বসন পরাই প্রিয়ে,
তােমার ছবি
পরাণ কৰি
আঁকছে কত রসের তুলি দিয়ে।
যা আছে তার বানাতে
নীরব রাতে কল্পনাতে
ৰূপে রঙ ফুটিয়ে তােলে
তারার আলােতে
ঐ যে আলাে লাগে ভালাে
আঁখি দুটি নিটোল কালাে
তােমার সাথে
কৰ কথা
চোখে চোখ দিয়ে।
১০১
আজি নব বসন্তের দিনে
বকুল গন্ধ এনেছে বনে
এস ফুল কুড়াই সখি
মাে৷ দুজনে।
শত কাজ ফেলে দিয়ে
অতীত দিন ভুলে গিয়ে
বকুলের মালা গাঁত আজ
উৎসুক বেদনাতে।
কস এনেছে তার
সঞ্চিত সম্বল,
যত পায় লও সখি
ভরিয়া অঞ্চল!
এই ফুলে হৰে মােদের
নব প্রেমের নব বিরহের
রচিতে হবে বাসর সেই
চৈত্র জোছনা রাতে।
উড়িয়ে সােণার
আঁচলখানি
কোথায় যাও
নাহি জানি।
জানতে চাই
জানতে না পাই
বারে বারে
তােমায় আমি
তােমার ছায়ায়
আমার চাওয়া,
কিছুই তােমার
যায় না পাওয়া ;
এমন করে
আলো আধারে
আর কত কাল
চলবে তুমি।
১১)
আজি এই জোছনা রাতে
প্রেম করি তােমার সাথে!
তােমার দিকে দুটি আঁখি
মেলে আমি চেয়ে থাকি,
আমায় দেখে ঐ চাদ
হাসছে তার সাথে।
লজ্জা আমার
নাইকো কিছু
সব দিয়েছি
প্রেমের পিছু;
ওগাে চাঁদ আমায় দেখে
প্রেম তুমি যাও শিখে
বাড়বে তখন গরৰ তােমার
অসীম আকাশেতে।
যখনই চুমিতে
গিয়াছি আমি
বদন ফিরায়ে
নিয়েছ তুমি।
হেসে চলে যাও
কথা নাহি ও
কাল কেশে নীল
মেখল টানি।
দূর হতে ডাক’
হাসিতে বাণীতে
পিছু পিছু ধাই
পাৰি ধরিতে
চেয়ে মাের চোখে
নিয়ে যাও ডেকে
তােমার কোন কমলােকে
কবিরে টানি।
১১
আজ বিদায়ের বেলা
আনমনে যাই চলে
চানা চোখে মাের
আঁখি-জল পাবে বলে
ঝরা ফুলমালা দিয়ে
বিদায় দিয়েছ প্রিয়ে,
নার কেন চাও ফিরে
মাের চরণ-মুলে
আমি সুদূর পরবাসী
মিছে ক’দিনের
ভালাে বাসা-বাসি ;
যে আছে তােমার ঘরে
ভালোবাসা দিও তারে,
তুমি আজ হ'তে প্রিয়ে
যাও আমারে ভুলে।
১১৪
हि बाब
ডেকে ডেকে কয়,
ওগাে কবি,
তুমিও এসাে হেথায়।
আছে মাের তরে
এনেছি আঁচল-ভরে
স্বর্গ হতে সেই
দখিনের বায়
কস মার ছায়াতলে
প্রাণের কল্পনা-বলে
বা আসে তােমার মনে
গেয়ে যাও তা গানে গানে
সময় ফুরায়ে গেলে
কৰিৰে হায় হায়
তরুর বুকের মাঝে
সৃষ্টির ব্যথা লুকায়ে আছে।
অব্যক্ত ভাষায়
বলিতে পারে না তায়
তাই এ পরাণ কেঁদে মৰিছে।
গত ফাগুনের বসন্ত নিশীথে
কত ফুল সে ফুটায়ে গেছে।
তবু কেন হয়,
সৃষ্টির ব্যথায়
আজও তার
পরাণ কাঁদিছে
১৬
হে বিপুল বিশ্বভূমি।
তােমার কতটুকু জানি?
তােমার কোলে
চােখের জলে
আসি যাই
চিরশিশু আমি ।
কত চাওয়া
কত পাওয়া
পাবার ক্ষণেক পরে
ভুলিয়ে দেওয়া
জীবন মম
পন সম
তােমার রহস্যের
আমি কী জানি।
১১৭
ভাবাে আজ পাষাণ কারা
আনবাে হেথায় নূতন ধারা;
তুমি কবি সেকালের
আমি কবি একালের,
হয়তো মােরে মানবে না
আছে এখন যারা।
তাতে কিছু খেদ নাই।
কারার বাঁধন ভেঙে যাই,
অামার পরে
আসবে যারা ;
হয়তাে তখন
চিনাৰ না!
১১:
সখি তােমার রূপ সাগরে
প্রেমের তরী ভাসাই বারে বারে।
মেলে খি
চেয়ে কি
কুল খুজে তাে পাইনা রে।
তােমার রূপের রূপধারা
ঢেউয়ের মতন বাঁধনহারা,
দিনে রাতে
চলছে স্রোতে
কোন অজানার আলাে-আঁধারে।
কী আছে হােথায়
জানিতে চাই
তাই দিনে দিনে এগিয়ে যাই
অজানার ঐ বাঁশীর সুরে।
চলেছি দূর হতে দূরে
অতীতের পানে ফিরে চাহিবার
সময় যে নাই ।
জীবনের খরস্রোতে ভাসি যে সদাই
এর কোন কূল খুজে নাহি পাই,
ঐ হে আকাশ আগে পাছে
মনে হয় অতি কাছে
ধরিতে গেলে
তারও ধরা নাহি পাই।
বেঁধে তোমায়
রাখবাে প্রিয়ে
এই পরাণের
ভালবাসা দিয়ে
আকাশ ভরা
চ-তারা
থাকবে তােমার
গলার মালা হয়ে।
পরশ তোমায়
যায় না করা
সকল দেহে
দাও যে ধরা ,
সবার মাঝে
নানা কাজে
জাগাও মােরে
আঁচল হাওয়া দিয়ে
মন ভােলানাে শিশুর মসি আমি বড় ভালােবাসি শিশুর সাথে খেলতে খেল- আকাশ চায় সকালবেলা অৰুণ-কিরণ ছড়ায় তার রূপের রাশি। আকাশ-বাতাস সবাই তাকে, বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখে , শিশু তার মাকে অকারণে ডাকে মায়ের কোলে বসে ফোটে নূতন হাসি।
१२२
আজ শারদ প্রাতে
=
তােমাতে আমাতে
চল যাই প্রিয়
ফুল কুড়াতে।
বকুলের ছায়াতলে
বলিৰে এলােচুলে
গাণিবদা মালা আমি
সিতে হাসিতে
.
ধূলার পরে আঁচল পাতি
পাশে তােমায় বসাবাে সাথী
সেই নির্জন কমাঝে
ভরুর লহরী বাজে
সেণয় হবে মােদের
বাসর সাজাতে
১২৩
শৈশবে মিলে মাের
খেলার সাথী ;
এসেছ মধু-রাতি
ওগাে প্রাণপতি।
এ তনু-মনন
আজ কৰি নিবেদন,
নিশিদিন তােমার পূজায়
যােক আরতি ।
কণ্ঠে আমার যে গান আছে
আমি গাইবাে তােমার কাছে,
দিয়ে তুমি মন
শােন কিছুক্ষণ;
তােমার কাছে আমার
এই মিনতি।
১২০
আজ এতে প্রাণ মাের
হয়েছে আকুল।
এস সখি, কুড়াতে যাই
কাণ্ডের বকুল।
আঁধার না ফুরাতে,
উষার আলােতে,
হবে যে কুড়াতে,
সেই ঝরা ফুল।
সেই ফুল তােমার আঁচলে
আলােয় আলাে করে,
থাকবে আমার সারাটি
দিন-মান ভরে।
সেদিন না ফুরাতে
হবে মাের আশা পূরাতে;
পড়বে ঢাকা সারাতে
তােমার এলােচুল।
শিথিল কেশে পরে মালিক,
স্বর্গ হতে নেমে এলে
শুভ্র সনে কে তুমি বালিকা।
চারিধারে উষার আলো
কেটে যায় আঁধার কালো
সীমন্তে তােমার দেখা গেল
সিন্দুরের রেখা।
তধন আধ-আধ হাসি
ফেলে দিলে ফুল তুমি
তুল নিলে বাণী।
সেই বাণীর সুরে
তুমি ডাকিলে মােরে
এখন কৰাে প্রিয়
মাের সাথে দেখা!
১২৬ তুমি কার প্রতীক্ষায় রয়েছ বালা হাতে নিয়ে মালা গােধুলি বেলা ; চেয়ে চকিত হরিণীর মত কাঁপিতেই ওর থর কত, গরমে রয়ে শত- বলে একেলা। দিনের শেষে স্তরবির শেষ আলােটুকু এসে ঝিকিমিকি করে তােমার কালাে কেশের পাশে। তুমি বনের আড়াল থেকে দূর পথে নিছে দেখে আনমনে হলাে সার ল দীপ-জালা।
খেলা ঘরে
মনে আছে সবি
গােয় হাতে
বেঁধেছিলে না।
আজ কবির কবিতারূপে
এলে তুমি চুপে চুপে
হাসির উৎস অঞ্চলে কেন
রেখেই ঢাকি!
তুমি বায়েক
ফিরাও মান
আমি মেলিয়া
রেখেছি নয়ান ।
সেই মিলনের চার চোখে
দোহা দেহে লব’ দেখে
চলে যাবাে দুজনে দুপথে
স্মৃতিখানি রেখে।
১২
তােমার নয়ানে
নয়ন দিয়া
কেমনে জাগিয়া
রবিব প্রিয়।
দুটি ভাখি মাের
ধরে যদি ঘুম ঘাের
ঐ হাসি পানে কেমনে
রৰ চাহিয়া।
যদি আলস ভরে
ঘুমায়ে পডি
তােমার বুকের পরে,
নিশি ঘন অন্ধকারে
ধৰিয়ে বাহু ডােরে,
কিয়া রেখে মােরে
শিথিল কৰী দিয়া।
ফাগুনের এই সকাল বেলা
দোলা দিয়ে তােমার চলা,
আচল হাওয়ায়
ঘুম ভেঙে যায়,
তোমার কথা আমার সাথে
কানে কানে বলা।
যুথীর বনে ফুটছে ফুল
এলিয়ে তােমার পডছে চুল,
প্রাণের পাতায়
গন্ধে মাতায়
তোমার সাথে ভাসতে চায়
শাদা মেঘের ভেলা।
বিরহী মনের বাঁধ ভেঙেছে
উছলে পড়ে জল,
কুলে কুলে কলরােদন
করছে বল বল।
কুল ছাপিয়ে জীবন নদী
বইতে সে চায় নিরবধি
সীমার মাঝে অসীম আকাশ
করছে'টলমল।
বরষার মেঘ ধরেছে
নিবিড় ঘন কালো,
বিজলী ঐ হানছে আভা
তীব্র তার আলাে ;
নিখিল ভুবন মেলছে পাখা
আকাশ মাঝে উড়বে একা,
বিরহী মনের বাঁধ ভেঙেছে
লাগে না আর ভালাে ।
১৩১
কাজল আঁকা সিদুর মাখা
সীথির পরে ঘােমটা ঢাকা
বধূবেশে
দিনের শেষে
হেসে হেসে দিলে দেখা।
স্বচ্ছ দুটি আঁখি তার
আঁধার রাতে জলবে তা
দাওনা ধরা
পাগল পারা
তােমায় আমায় চোখে চোখে দেখা
old
alpur
নিয়ে যা গেছে আমার
পাবে না আর,
মিছে কেন ভাবি বলো
তার ভয়ে আর।
যতদিন ছিলাে কাছে
হারিয়ে সে যায় পাছে
আঁকড়ে ধরে
ছিলাম তারে
বলেছিলাম আমার ।
গেছে যখন আপদ গেছে চুকে
পেলেও তাকে দেখবাে না আর চােখে,
মিছে মায়ার
ঐ যে ছায়া
কিছু ওর যায় না পাওয়া
আমি অকারণে
ঘুরবাে না আর
মিছে বারে বার!
জানি জানি তােমায় জানি
ভাল করে জানি।
তােমার সাথে কত খেলা
খেলেছি আমি।
সেই নদীর পারে বলুচরে
ঘর বাঁধিতাম প্রাণের পরে
সেথায় তােমার বন্ধু আমি
তুমি ছিলে স্বামী।
তােমায় ভালবেসেছিল
আমার এ মন,
তাইতাে তােমার সহেছি
কতই জ্বালাতন
আবার তােমার লুকোচুরি
সইতে আর নাহি পানি,
এমনি ক'রে জালাবে তুমি
আর কত দিন শুনি
১৩
প্রহর শেষে চৈত্র এসে
প্রাণের পাশে দাড়ায় হেসে,
উদাস কা দখিন-হাওয়া,
মিটিয়ে দেবে সকল পাওয়া ;
দিনের শেষে
ফুলের গন্ধ এসে।
ভােরে কোকিল
গেয়েছে গান,
৫
পেয়েছে প্রাণ,
বসন্ত আজ হয়েছে দাতা,
তায় প্রা-ভরা কত কথা,
সবার সাথে কইছে সে
শুধুই হেসে হেসে।
১৩৫
প্রিয়ে। সারাদিন হেসে হেসে
দিনের প্রান্তে এসে
গগন ভেদিয়া নয়ন মুদিয়া
দাতালে স্নান হেঁসে।
সােণা বরণ আঁচলখানি
আধার বক্ষমাঝে নিতেছে টানি;
বিরহে তােমার কাদে বিভাবরী
গগনে নাহিক ফুলের রেশ।
সুন্দরি, বক্ষের নিচলবাস
যায় গড়াগড়ি
৩জিয়া যুগল স্বগ
কাঁদিছে চরণে ধরি।
তবু কিগাে প্রিয়ে চাহিবেনা ফিরে ?
কতকাল রহিবে আঁধারের বক্ষ ভ'রে।
আবার কোন শুভক্ষণে পূর্বগগনে
দেখিব তােমার নূতন বেশ
দিনের আলাে
গধার হলে
অলক সখি
এলিয়ে চলে।
কোন বেদনায়
বুঝিনা হয়।
বুক ভেসে যায়
চোখের জলে।
সারা দিনের গাঁথা মালা
লাগে তাতে কত ধূলা ;
আলস ভরে
ঝরে পড়ে,
ফুল গুলি সব
চরণ তলে।
১৩৭
প্রিয়, আমার বয়ানে
নয়ন দিয়ে,
ওগাে তুমি আসিতেছ
রহিয়ে রহিয়ে ;
তখন ছিল উবার আধ-আলাে,
আমারে কী তােমার লেগেছিলো ভালাে?
তবে অতিথিনীর সকল সমর্পণ
যাও তুমি নিয়ে।
আজ আমার বলিতে
আছে যাহা কিছু
মনে-প্রাণে সুন্দর
অর্পিনু তােমা পিছু।
আবার যখন দিনের শেষে
তােমার প্রাণ এসে আঁধারে মেশে।
সেথায় বাসর রচিব আমি
মাধুরী দিয়ে।
১৩
এই ধরণীর অন্তরের বেদনা যত
নিতেছে আকাশ করিয়া মাথা নত !
ঐ যে দূরে অন্ধকারের ধারে
নীরব নিস্তব্ধতার ভিতরে
কী কথা ওদের অন্তরে অন্তরে
হতেছে অবিরত।
বুঝিতে না পারি হায়।
রহস্য-ধরণীর কোন বেদনায়
প্রতিদিন এমনি করে
প্রেম করে আকাশের গলা ধরে!
লায় ফুল তার যত
নয়ন করেছে নত।
দিনের শেষে নামছে নশার
নিকষ ঘন কালাে
প্রিয়ে তুমি পরাণ দিয়ে
প্রেমের প্রদীপ জ্বালাে
বিশ্ব ঘিরে
ধীরে ধীরে
নামছে নিশার নিকৰ ঘন কালাে।
ঘুমায় ধরা নয় বেশে
এলিয়ে পড়া শিখিল কেশে
আকাশ এসে
বুকের পাশে
জ্বালায় তাহার আঁখি তারার আলাে
১৪০ স্যার সাগরজলে ঝিলিমিলি রূপখানি তােমার! ও-রূপ দেখি যতবার- আশা মেটে নাক’ আর। এলে তুমি ভরা পূর্ণিমা রাতে, শত শতদল লয়ে হাতে, লুকোচুরি খেল মেঘের সাথে অধরে হাসি ধরেনা আর। কণ্ঠে তােমার করবীর মালা, শিখরের মেখলা খােলা, অসীম আকাশে বসন্ত বাতাসে চলেছে অফুরন্ত লীলা ! প্রিয়ে। শুভ্র বসন ঘিরে কী হাসি হাসিতে ধীরে। বাসর-ঘরে ছিলে ক্ষণিকের তরে, ভেঙ্গে দিয়ে চললে আবার।
১৪১
যাহা পাই তাই
শেষ কোরে যাই।
মিছে তাৰে
রাখিনা ধরে ;
আজ আছি
কাল নাই
খেলা মাের শেষ করে
ফেলে দিই ধূলার পরে।
জালের শেষে
আধার আসে
কেই কারও
তরে নাই।
১২
পৰণ কৰি
দিবস রাতে
তােমার প্রেমে
আছে মেতে!
এস সখি,
চোখে চোখি
বসি মােরা
আচর পেতে।
৫
যুগল নয়ন
রাঙা বয়ান
কৰি তােমায় করবে চয়ন ;
করিও বাদ
মিটাও মনের সাধ ;
নীরব রাতে
তরুণ কবির সাথে ।
১৪৩ অনন্ত প্রেমের তাজমহল, যেন পূর্ণিমার আলো ঝলমল যুগ যুগান্তর ধরে তাজমহলের মর্মরে গাধা আছে কত কবির কাজল। চির-মিলনের চির-বিরহের ছবি একে গেছ তুমি সম্রাট কবি। আজ আমি কবি যতদূর যাই- অসীম তুমি সীমা নাহি পাই, তােমার প্রেম-যমুনায় ভেসে যাই । নাহি হেরি কুল।
১৪৪
বঞ্চিত ছিল যারা
তারা আজ বঞ্চিত নয়,
গতের কাছে আজ
তারাও মাথা তুলিয়া দাড়ায়।
বলে তারা,- “এসাে ভাই
হাতে হাত মিলাই ;
মানুষের মত আমরাও
বাঁচিতে চাই।”
ৰাদেৱ সৰ অধিকারে
বঞ্চিত করে
এতদিন ঘৃণাভরে
রেখেছিলে দূরে; তারাও আজ
উন্নত শিরে চলে
বিশ্বের দরবারে, বাহু বলে
আপনার অধিকার
কেড়ে নিতে চায়!
১৪৫
ধূলায় লুটায়ে যায়
সখি তব অঞ্চল
বি দুটি কেন
আজি এত চল।
কুন্তল গেছে খুলে
ফুলতারা নাই চুলে
আলু-ফালু বেশ কেন
খুলে মােরে বল।
এখনও উষার আলো
ফোটেনি করিয়া ভালাে,
ছায়া আধ-আলাে;
মন কথা খুলে বলে।
ওগাে কার প্রেমে তুমি
গণি হয়েছ পাগল।
১৬
চলেছি আমি
নীর রাতে
তার সাথে
বিজন পরে।
যেথায় প্রিয়ে এলিয়ে চুল
নিত্য নূতন ফুটায় বকুল,
সেথায় গিয়ে গাঁথবাে মাল
তরুণ প্রভাতে।
দশিনেতে থাকবে হাওয়া
গানখানি মাের হবে গাওয়া,
তােমার মুখে চেয়ে প্রিয়া
মিটবে আমার সকল পাওয়া।
বলবাে তােমার হাতলে
ভাসবে আঁখি শুধুই জলে,
আমার বুকে ফুটবে তার
তােমার চাহনিতে
১০৭. কল্পনা চলিতে চায় সুদূরের পানে নিখিলের গানে গানে ; on পশ্চাতে আর ফিরে নাহিয় অতীতের পানে । । যতদূরে যাই- পেয়েও না পাই, ভাষা আর নাই আমার মনে! নিমেষহারা দুটি আখি, অনিমেষে চেয়ে থাকি। হঠাৎ আকাশ-আখির আলােকে ভাষা এনে দিল পলকে পলকে আবার চলেছি কোন কল্পলােকে অজানার টানে টানে।
১৪৮
ওগাে নােম নিশিথিনী প্রিয়ে,
সির চিলে কী ফুল দিয়ে।
কণ্ঠে তােমার ফুলতার
কে কুসুম ধরে নাক কান ;
শান্ত চরণে কণ নয়ানে
কোথা যাও ধীরে ধীরে ?
অচন্ত্রের মুকুট পরেছ' শিরে
ভুবন আধ-আলাে ক'রে ;
শান্ত সৌম্য মুখে কেন ভাষা নাহি সরে ?
মিছে লয় যেতে মরে।
বুঝিতে না পারি যায়।
তােমার বংশ কোথায় !
অধু চেয়ে আছ মাের
নয়নে নয়ন দিয়ে।
मानाब बाटना
নিভে গেল;
এবাৰ কৰি
बांत्रवि
সেন
গেন অলে।
কিহৰে একে আর
রূপের ছবি তােমার ?
যদি না থাকে এ
কিহৰে নে গান।
নীবনে আশার আলো
বলে কে নিভালো।
.CHITRASENYUK
GAR DHAMANIPU.
কবি তােমার কল্পনারে
জাগিয়ে রাখ গরিধারে ;
গৎ কবি
আকছে ছবি
রাত্র-দিন আলাে-আঁধারে।
কত রঙে রঙ যে মেলায়
অরূপ ঐ রূপের নেশায়,
সুখে দুধে
করলােকে
সৃষ্টি ছড়ায় বিশ্ব চরাচরে।
'০'ব
CIT EOS
:3 : '.3]
১৫১
তােমার প্রেম প্রিয়ে
বিফল নাহি হবে।
পরাণ-কবি যতদিন
জাগিয়া রহিবে ভবে!
সে নিত্য নতুন চোখে-
তােমায় কল্পনায় লৰে একে
চির পুরাতন মাঝে তুমি
নিত্য নতুন হবে!
কবির কল্পনা মাঝে
তুমি লভিয়াছ ঠাঁই,
যেদিকে ফিরাই আঁখি
তােমারে দেখিতে পাই।
যুগ-যুগান্তর ধরে
তনুদেহে যৌবন রহিবে ভরে,
অধর-কিশলয় হাসি তৰ
উরিয়া হবে।
([ [0':': ! 187":
!! -
:)
سمسميه
GAR BM WA of 1
CHITHASENFUE '
১৪৩ 1 ২৭ ૪૨ ৫২ ৭০ সুচ। অনন্ত প্রেমের তাজমহল আমার সাধনা কাম আজ বুঝি অভাগীর কথা আকাথা মাের বন্যা বেগের মত আমার জীবনের যত কথা আছে আছে আমার কাছে আজ এই সকাল বেলা আজ কত গানে গানে আমার জীবন বীণার তারে আকাশ আজ উড়বে বলে আঁধার মাঝে চাদের আলাে আঁধার ঘরে জ্বালবাে অলে আজ আমার গাছে আমি তােমায় আসার লাগি আমার ফুলের গন্ধ বনে আমার এই জীবনের ক্ষেতে আসিবে প্রিয়ে তুমি আজি নব বসন্তের দিনে আজি এই জ্যোছনা রাতে আজ বিদায়ের বেলা আজ শারদ প্রাতে আজ এতে প্রাণ মােৰ আশার আলাে নিভে গেল উঠেছে তুফান ছুটেছে বান ৭৪ ১১১ ১২৮ ১৪ ১১০ ১১৬ ১৮ = ১৭ ৮৫ ২১ ৫৭ ১৪ উড়িয়ে সােনার আঁচল খানি এজীবনে চিনিনা জানিনা যারে এতদিন যা করেছি এস সখী বসে থাকি এ বিপুল বিষ ভূমি এই ধরনীর অন্তরের বেদনা যত ঐ যে পাখী পালকে ঢাকি ঐ যে আকাশ সকাল বেলা ঐ যে শিশুর খেলা আমি ওঠ তুমি নাথ ওগাে আমার ব্যথার ব্যথী ওগগা মাের নিশীথিনী প্রিয়ে কথা মাের গান হয়ে কী গান গাহিল প্রাণ কী আছে হােথায় কাজল আঁকা সিঁদুর মাখা কল্পনা চলিতে চায় সুদূরের পানে কবি তােমার কল্পনারে খেলাঘরে মনে আছে সখী চলেছি আমি নীরব রাতে জীবনে মরণে স্বামী জীবনের পথে এগিয়ে যাব জানি জানি তােমায় জানি জানি জানি তােমায় জানি ঝরা ফুলের ঝরা পাতা তােমার হৰি কল্পনাতে ১০৭ ১৫০ ১৭ ১৪৬ ১৪ ১৩৩ v ১) = ১২ ৩ ৪৮ ১ তােমার দয়া যদি নাহি পাই তােমায় যেদিন পাব স্বামি তােমার প্রেম আমার ঘরে তােমার গান আমি গাই বারে বারে তােমার ডাক পড়বে যবে তোমার কথা মাত্র দিনে তােমার কাপে রঙ ফলাতে তুমি চেয়ে চেয়ে ফিরে গেছ তােমার আঘাত সইতে আমি তােমার সাথে আবার স্বামী তােমার কাছে কাজ করে যাই তােমার কাছে আমার চাওয়া তোমার প্রেম সবার বাড়া তুমি আমায় চুরি করে তােমার সাথে আমি নাথ তােমার হাওয়া লাগলে প্রাণে তােমার ছবি আমার আঁকা তোমার প্রেম সবার বাড়া তােমার বাতাস তােমার আলাে তুলি নাই ফুল আমি তােমার পূজা দেওয়ার তরে তােমায় সখী সামনে রেখে তরুর বুকের মাঝে তুমি কার প্রতীক্ষায় রয়েছ বালা তােমার নয়নে নয়ন দিয়া তােমার প্রেম প্রিয়ে বিফল নাহি হবে ৭১ ৭৫ ৭৯ ১১৫ ১ ১৫১ ৭। ১ ఎవ ১০৪ ১৪৫ ২৪ ৬ দিনের দুরাশা রাতের ভাষা দিনের আলো আঁধার হলো দাড়ায়েছ আজ ফিরায়ে বদন দিবস রাতে কথার মালা দিনে দিনে আঘাত হেনে হেনে দিনের আলো যেখানেতে দিনের শেষে ঘােমটা টানি দিনের শেষে অস্ত রবির দিনের আলাে আঁধার হলে দিনের শেষে নামছে নিশার ধুলায় লুটায়ে যায় সখি তব অঞ্চল নিত্য নূতন রূপে আমি নিঠুর তােমার মাকে আমি নতুন নামে ডাকবে মােরে পতি রূপে সার্থী রূপে চাই তােমারে প্রতি দিন প্রিয় তােমার কাছে প্রেম আ রি চুপে চুপে পাগল হাওয়া ভোরের বেলা পরাণে কার পরশ লেগে প্রিয়ে চেয়ে দেখ মাের পানে প্রিয়ে তােমার মুখে চেয়ে চেয়ে প্রহর শেষে চৈত্র এসে প্রিয়ে সারা দিন হেসে হেসে প্রিয়ে আমার বয়ানে নয়ন দিয়ে পরাণ কৰি দিবস রাতে ফুলের মুখে ফুটাও হাসি ৭২ ৪৪ ২ ১৩৬ ১৩৭ ১ • ৫ ও ২৯ ১১৭ ১১ ৩; ০৫ ফুল ফাগুণ সম ফাগুণ মাসে ফুলের বাসে ফুলের আমি শয়ন পাতি ফাগুন আজ তরুর বুকে ফুটিয়ে তােল নিশি ভ'রে ফাগুনের এই সকাল বেলা ভালবাসায় প্রানটিভ'রে ভাঙবাে আখ পাষাণ করা ভােরের পাণীর গানে গানে মনের পাখী উড়তে চায় মিছে ভাবনায় মনের ঘরে তােমায় ঢেকে মরণ আমার আঁধার ঘিরে মনের গোপনে প্রেম মনের সুখে চেয়েছি মন ভোলান শিশুর হাসি যা আছে তােমার জানিতে চায় যত দিন বাঁচবাে ভবে যে দিন যায় সেদিন ভালো যা আছে তাের ভােগ করে নে যখনি চুমিতে গিয়াছি আমি বাহা পাই তাই শেষ করে যাই রাতের পরে রাত কেটে যায় বাতের পরে কাটছে রাত রঙে রঙে রঙ ফলাতে বিগব্যাপ বন্ধু তােমার ১২১ ২ ৮১ ১১২ ৪১ ৯ ? ?
১২০ ১৪৪ P ৯১ সন্ধ্যার সাগর জলে', বিশ্বব্যাপী বস্ত্র তােমার বেঁধে তােমায় রাখবাে প্রিয়ে বিরহী মনের বাঁধ ভেঙেছে বঞ্চিত ছিল যারা এত দিনে ভক্ষণে শ্রাবণ ঘন বাদল দিনে শ্রাবণের এই সকাল বেলা শৈশবে ছিল মাের শিথিল কেশে পরে মালিক। সাথী হারা পাখীর মত আন যদি নাহি পাই সকাল বেলা বকুল তলায় সকাল বেলা বকুল তলায় সখী আজ তােরা আমায় স্বপন মাঝে আসা যাওয়া সখীর নগ্ন ছবি সখী তােমার স্বর্ণ পদ্ম দুটি সখী তুমি সন্ধ্যা লােকে সৃষ্টি আজ ডেকে ডেকে কয় সখী তোমার রূপ সাগরে হবে হবে হবে আম হারিয়ে বা গেছে ৫ ১২৫ ৫৪ ৫৮ ৬৪ ৭৮ ১০৭ ১১৪ ১১৮ ১৪ news ১৩২ mdiu ৫ এ এ সংশােধন। পরিচয় র্থ লাইনের ৩৪ শব্দ ‘অভাষমূলে অঙ্গ ১নং কবিতার ৩ মাজের সালের ১Fs কু ১৭e ১০ নয় ১৮৭ ২ ke . ১০নং M ১০০% ১৩ ks I 'নয়ন পূজার সরূপ' 'রূপ ‘খি।' 'আঁখির ‘ক’ 'श' ‘মখল } ‘মেখলা 'অন্তর 'চেখে চোখে বলুচয়ে বালুচরে ‘নার ‘নিশার ১২নং ke ১২৬ং ২য় T; ১৩২২ শেষ ১ন :וכפל ম শেষ
BH'WAB
GAR
.
L
3783
0,0....
BH WA.lft
GAR
*HM 7:
(!
ECHI
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.