Bangiya Sahitya Parishad, Kolkata
Swastika
Front matter
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
*
*
হিতৈষণ-লী-১৭
স্বস্তিকা।
এক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
•• পান না।
প্রকাশতিথি।
‘স্বস্তিকা' গ্রন্থ ৫০, কলিগদে ১৯৭৬ সম্বতে ১৯২৭
খৃষ্টাব্দে ১৮৪১ শকে ১৩৬ সালে ৯৫ ব্রাহ্মসম্বতে মকর রাশি।
ভাস্করে মাষমাসে উনবিংশ দিবসে গুরুবাসরে কৃষ্ণপক্ষে শুত
অষ্টমী তিথিতে প্রকাশিত হইল।
কলিকাতা,
৫নং অপার চিৎপুর রোড, আদিব্রাহ্মসমাক্ত যন্ত
করুণগােপাল চক্রবর্ত্তী যারা মুক্তি ও প্রকাশিত।
ও
সকল বিপদের মধ্যে সকল দুঃখশােকের মধ্যে
সঁহার স্নেহহস্ত অহর্নিশি স্বস্তি ও শাস্তি
বিধান করিতেছে, তাহারই চরণে
এই কয়েকটী পত্র নিবে-
দিত হইল।
- ভূমিকা। সংসারে থাকিতে গেলেই সুখদুঃখ বিপদসম্প- দের ভিতর দিয়াই চলিতে হয়—সুখদুঃখ সহচর অনুচর হইরা সঙ্গে সঙ্গেই চলিতে থাকে। সেই সমস্ত সুখদুঃখে ডুবিয়া থাকিলে জীবনে সােয়াস্তি পাওয়া যায় কি না সন্দেহ। সুখদুঃখের মধ্যে কম্ম- ক্ষেত্রের অবিশ্রাম কৰ্ম্মস্রোতের মধ্যে সেই সােয়াস্তি পাইবাৰ উপায়ম্বরূপে অবসরমত এই কবিতাগুলি লিখিয়াছিলাম। ভাই ইহার নাম স্বস্তিকা রাখি মাছি। কবিতাগুলির একটীও যদি কাহারও হৃদয়ে সােয়াস্তি দিতে পারে তবেই আমার কামনা সফল ও আশা পূর্ণ। ভগবদাশ্রিত শ্ৰক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
No text on this page.
অনুক্রমণিকা।
পৃষ্ঠা।
এ
বিষয়।
আখ্যাপত্র
প্রকাশতিথি
নিবেদন
ভূমিকা
অনুক্রমণিকা
নীৰে।
৩
০০০
১। শরি গুণগান
২। নূতন বারতা
৩। আছি পড়ে
৪। করেই ক্ষমা
৫। বিজয় ঘােষণা
৬। দাও ভক্তি
৭। তােমার গান
৮। গাও, বীণা গাও (১)
৯। গাও, বীণা গাও (২)
১০। ডাকা
১১। দিয়েছ ধরা
১২। কৈন বসে
১৩। তবুও ঐন্দন
১৮
•
#
১৪। নীরবে ৩১ ••• ৩৮ ৪০ ৪২ ৪৬ ৪৭ ৫২ ৫৪ ১৫। আলাে ও ছায়া ১৬। করে যাব ১৭। কলঙ্ক ১৮। অপেক্ষায় ১৯। থাক্ পাছে ২০। প্রাণের দেবতা ২১। হিতেন্দ্রনাথের প্রতি ২২। ওপারের সুরে ২৩। প্রাণ গেল ২৪। শারদ প্রাতে ২৫। বেলা যায় ২৬। সন্ধ্যায় ২৭। কাতর আহ্বান ২৮। আমায় রাখাে ২৯। বিশ্বপাতা ৩০। আকুলি-বিকুলি ৩১। পরিত্রাতা ৩২। শান্তিদাতা প্রসাদী পদচ্ছায়া। ৩৩। ভুলতে কি পারি ৩৪। ভুলিসনেকো আর ••• ৫৭ ৪০ ) ••• ১৯
৭৮
৮২
?
৮৪
০ ০
৮৫
৩৫। প্রাণের মাঝে আয়
৩৬। পিতা-মাতা
৩৭। ও মুর
৩৮। মায়ের মার
৩৯। ঘানির বলদ
৪। জমীদারি
৪১। জমীদার
৪২। মায়ের রূপে
পপুষ্প।
৪৩। ভারত মাতা
৪৪। সংগ্রামে আধান
৪৫। বিবাহ-মঙ্গল
৪৬। সংগ্রামের ভেরী
৪৭। স্বাধীনতা
নমস্কৃতি।
৪৮। প্রণাম
৪১। মা আমার
৯
১৭
•••
৫০
No text on this page.
নীরবে।
No text on this page.
ওঁফাও।
জাল্লিকা।
তঁারি গুণগান।
সবে মিলে আজি একপ্রাণ হয়ে
করহ সবলে রি গুণগান।
কোটী কোটী তার চন্দ্র সূৰ্য্য সৰে
আমাদের গানে কর যােগদান ।
আকাশের মত সুরে সুরে সুয়ে
উক গভীর হৃদয়ের তান।
কোথা হে জলধি কোথা হে ধৰি
থেকো না নীরব—গাও খুলে প্রাণ
অতিকা কোথা অভ্রভেদী হিমালয় তুমি দাড়ায়ে উন্নত আসনের পরে সুগম্ভীর স্বরে গাও তুমি গান- হউক ধ্বনিত শতেক কন্দরে কোথারে জ্বলন্ত তুমি দাবানল দীপ্তশিরা সদা কর যে প্রার্থনা, কোটী কণ্ঠে গাও দেবনর সাথে- পাবে সবে তাঁর আশীষের কণা। ontvan
মূতন বারতা।
রাগিণী-বাহার।
সাগরের ভাঙ্গা তরঙ্গের মত
ভাবনার মাঝে অবিরাম শত,
স্বরগ হইতে বারতা নুতন
তালগা হৃদয়ে নূতন কিরণ।
সন্দেহ আঁধার ভয় দুঃখ শােক
ঘুচে যাক পেয়ে বিমল আলােক ;
চলুক ফিরিয়া মােদের নয়ন
ভােমা পানে দেব তপনবরণ।
স্বস্তিকা-
নদী যথা নেমে উচ্চাসন হতে
নব প্রাণ দেয় জীবজন্তু শতে,
জাগে তারি যথা কোমল পরশে
শুষ্ক লতাপাতা নুতন হরষে,
সেই মত তুমি কিরণে নূতন
দাওগো জাগায়ে মম প্রাণমন।
con guan
আছি পড়ে ।
বাগেশ্রী—আড়াঠেকা।
তােমারি চরণতলে
আছি পড়ে—আছি পড়ে।
আমারে লহগাে তুলে
তােমারি কোমল কোলে,
মুছায়ে নয়ন জলে-
ভয় যত যাক দুরে ।
ক
অভয় বাণী
শুনি যে কানে
আনন্দ রস
বহে যে প্রাণে,
বহে প্রাণে-বহে প্রাণে।
অকূলের লভি কূলে,
পাপােপ ব্যথা ভুলে
সদাই আনন্দমূলে
পরাণ রাখিব খুলে।
orčico
স্বস্তিকা-
করেছ ক্ষমা ।
আজিকে নির্মল নূতন শারদ প্রাতে
করিয়াছ ক্ষমা জেনেছি জেনেছি আমি
যতেক ক্ষুদ্রতা, পাপতাপ যাহা কিছু।
প্রণতি করিগাে তােমারি চরণে স্বামি ।
দুঃখ মাের আজি—আশীর্বাদ করি তারে-
ধন্য হােক সে-ও-গভীর দুধের মাঝে
তােমারে পেয়েছি—তুমি যে তখনি দেখা
মাতৃ-রূপ ধরে দিয়েছ সকালে সাঁঝে ।
স্বস্তিকা
সুদীর্ঘ সুদীর্ঘ দুঃখপাপতাপে ভরা
অতীতের পরে তােমারি করুণাধারা
অবিরল ধারে নামিয়া দিয়াছে ধুয়ে
শত স্রোতে ঝর কৃষির রক্তিমধারা ।
দিয়াছি তােমারি অতল প্রেমের মাঝে
হে.মাের দয়িত আকুল প্রামে ঝাঁপ
সুখ দুখ যাহা দিতে হয় দিও তুমি-
দিও নাকো সুধু তােমারি বিরহ-শাপ।
গুগগা প্রিয়তম ক্ষমা তত করেছ তুমি-
অপরাধ যত সবি তত লয়েছ মম
তব নিজ হাতে; ভিন্ন আর নাহি কিছু
জীবনে মরণে-সকলি অমৃত-সম।
স্বস্তিকা
আমি ক্ষুদ্র কীট-মােরেও করেছ ক্ষমা ;
তুমি যে মহান শিব সত্য সুন্দর হে
তােমারি সমান কে গাে মম প্রিয়তম
শান্তি কোথা ছাড়ি তােমা প্রাণবঁধু হেন
লভি তব ক্ষমা প্রাণের পাষাণ-আর
গিয়াছে নামিয়া-প্রেমের আশ্রয়ে তব
রয়েছি নির্ভয়ে ; জেনেছি জেনেছি আমি
তুমি মাের স্বামী, প্রাণের কাঙ্ক্ষিত সৰ
;
এক
বন্তি
বিজয় ঘােষণা।
ঈশ্বরের বিশ্বচরাচর মাঝে
সকলের কাজ নহেকো সমান
জনে জনে ভিন্ন কাজের বিভাগ
দিয়াছেন রাখি দেব ভগবান।
ভাল যদি বাস তামে, করে যাও
কাজ যাহা তিনি রেখেছেন স্থির
তােমারি লাগিয়া, হরষিত মনে--
ফলাফল-তরে হয়ােনা অস্থির।
১০
উঠে পড় জৈগে, থেকোনা ঘুমারে
আলস বালিশে—ডেকেছেন প্রভু
ভারি শুভ কাজে-যে যেমন পার,
করে যাও কাজ-পিছায়া না কভু ।
বলী হয়ে তার অতুলন বলে
বিজয় ঘােষণা কর তার নামে।
মরণে বিপদে করিও না ভয়-
সকলেই যাবে আননেরি ধামে।
শুনি সে বারতা যে যেথায় আছে,
সবারি পরাণ উঠিবে মাতিয়া
বৃদ্ধ নারী যুব মলিন বা যারা
সবারি জীবন উঠিবে ভরিয়া ।
স্বস্তিকা
নিরাশ হৃদয়ে জীর্ণ কুড়ে ঘরে
সারাদিন যারা ফেলে তপ্তশ্বাস,
শােনে নাকো বিশ্বে বাজিছে যে গান,
তারাও জাগিবে পেয়ে নব আশ ।
সাধিলে তাহার যত শুভ কাজে,
রাজরাজেশ্বর নিজ হাতে তবে
পরাবেন শিরে মুকুট উজ্জ্বল
বিশ্ব তব পদে নতশির হবে।
১২
ঋন্তিকা
দাও ভক্তি।
সত্যের আলােক তুমি, ঋতের আকরভূমি।
তােমারি মহিমালােকে কেটে যায় মেষ শত।
কি আশ্চৰ্য্য মহিমায় ঘিরিয়া আছে তােমায়
বুঝিতে পারি না তাহা, ভাষায় বলিব কত ।
তুমি যে জগতপাতা, তুমি যে আমার ধাতা
জ্যোতির্ময় তব জ্যোতি ফেল গাে প্রাণে আমার।
ভবের এ পারাবার মিথ্যা কেবলি অসার
তােমারি ধরিয়া হাত অবহেলে হব পার।
কি আমার প্রাণের কথা-তুমি তাে জান সে ব্যথা দূরিও, দেখায়ে তব মহিমার পূর্ণ আলাে। পৃথিবীর যাহা কিছু রেখে যেতে দাও পিছু সে সকল আবর্জনা লাগেনাকো মাের ভালাে । তব পুণ্য নাম যাতে গাহি দেবগণ সাথে অনন্ত জীবন ভাের, সেই মত দাও শক্তি। প্রতীক্ষা করিব কত আশায় হইয়া হত- তােমারে যাহাতে পাই, সেই মত দাও ভক্তি। - ওe
তােমার গান।
আকাশ ভরিয়া তব উঠিয়াছে গান
স্ত হয়ে শুনি তাহা কম্পিত হৃদয়ে।
থরে থরে থরে:উঠে কত তার তান
রবি চন্দ্র হতে শত গ্রহে উপগ্রহে।
সারা বিশ্বচরাচরে ভরি নিজ তানে
ঝঙ্কার সে অনাহত ফিরে ধরণীতে।
কতনা জাগায়ে তুলে জগতের প্রাণে,
আনন্দ বসন্ত হাসি নব নব গীতে ।
১৫.
বন্তিকা
আতুর শয়ান যেথা জীর্ণ কুড়ে ঘরে
তােমার সে গান যায় লয়ে সে শান্তি।
তােমার নামে যে দেব। শান্তিসুধা ঝরে
রােগ শােক দূরে যায়, ফুটে কত কান্তি।
দেবমন্দির হতে আরতির গান
শুকতের কণ্ঠে যবে উঠে উচ্ছসিয়া,
শুনি’ তাহে তােমারি যে সঙ্গীতের প্রাণ,
:ভক্তসনে তব সাথে যাই যে মিলিয়া ॥
মধ্যাহ্নে প্রকৃতি স্তব্ধ-বালু কাপে দূরে,
তারি মাঝে জাগে দেখি তব রুদ্রভাব।
জীবনের ধারা নামে দীপকের সুরে
আঁধার পলায়ে যায় মলিন-প্রভাব।
স্বস্তিকা
সন্ধ্যা যবে নামে তব নিসিয়া গান
তারকাখচিত নব ধূপছায়া পরি’
অতি ধীরে তারি সাথে ভেসে যায় প্রাণ
নিন্তক স্রোতের পরে যখ মুক্ত তরী।
জোছনা শিশির আর যত কিছু আছে
সকলে বনিত শুনি তব পুণ্য নাম।
তােমারে পাইয়া আজ ঈদে বড় কাছে-
ধরে আনন্দ-লেছি সফলকাম ॥
জীবন ভরিয়া দাও গাহিবারে শক্তি
তােমার পবিত্র নাম মধু হতে মধু।
হৃদয় ভরিয়া দাও তােমা পরে ভক্তি
চরমে চরণ পাই যেন প্রাণধু
কওer
স্বস্তিক গাও, বীণা গাও। একে একে ধীরে দুথের চিন্তার শত ভাঙ্গা ভাঙ্গা ঢেউগুলি লাগিছে আসিয়া হৃদয়ের বেলা-পরে-চিরসঙ্গী মম। কাতর হয়ে না তায়—গাও বীণা গাও, তারি মাঝে নিয়ে এসে আনন্দেরি তান- যে গান বিহগে গাহে বসন্তের প্রাতে প্রভাত-তপনে উঠে ফুটিমা যে গান, ঊষার শিশিরে প্রতি ফুলে প্রতি পাতে স্বস্তিকা বে আনন্দ শুভ্র-হাসি লুটোপুটি খায়, গাও বীণা গাও তুমি সে আনন্দগান- আকাশ হইতে নীরব সন্ধ্যার মত চুপে অতি চুপে দেবতার আশীর্বাদ ঝরুক তাহার পরে। ঘুচে যাক যত দুঃখশােকৃতাপ মলিন হৃদয় হতে। নির্জন আঁধারতলে পশেনাকো যে একটী আলােক-রেখা, গাও সেথা গাও বীণাটী আমার ; তােমার সুতান গান আশার আলােক ধরে তুলুক জাগায়ে দীনহীন যত আঁধায় কুটীরবাসী। মরুভূর অগ্নিময় বালুরাশি যেথা ১১
ত্তি-
ধূ ধূ করে দিবানিশি, তারি মাঝে যবে
দু’একটী তৃণগাছি তৃষাতুর কণ্ঠে
দু'ফোঁটা জলের তরে চাহে উর্ধমুখে,
গাও বীণা গাও সেথা-তৰ হর্ষবাণী
ফ নদী যথা আনন্দের স্রোত ঢালি
নিরাশ হৃদয়ে সেথা দিয়ে যাক আশা।
শুনে তব গান যত পথিকের প্রাণ
ভগবৎ-প্রেম-বলে যােক বলীয়ান।
আওe
২
ভাকা।
তােমারি দুয়ারে আসিয়াছি প্রভু
বিরহের জ্বালা লয়ে।
ভুলি মােরে কোলে দাও দেব শাস্তি
দগধ তপ্ত হৃদয়ে
জানি না কেমনে ডাকিবার মত
তােমারে ডাকিব হায়
প্রাণের মাঝারে ডাকা আসে, তাই
প্রাণ সদা ডেকে যায় ॥
ডাকের ভিতর অবােধের মত
বলে যাই কত কথা।
তুমি ছাড়া আর কে বুঝিবে তাহে
কত জাগে মৰ্ম্মব্যথা।
ডাকিবার মত শিখাও হে ডাকা,
কাদিতে শিখাও আর।
তব পদে যাহে পারি গাে নামাতে
পাষাণ হৃদয়ভার
onion
স্বস্তিকা
দিয়েছ ধরা।
আপনার নহ তুমি তুমি যে আমার
আপনি দিয়েছ ধরা স্বেচ্ছায় তােমার।
যাহা কিছু ছিল মম, সবি দিয়া আমি
বেঁধেছি আমার সাথে, ওগাে মাের স্বামী।
মূল্য যার নাহি কোন-ভক্তিধন দিয়া
আটক করেছি তােমা’ দরিদ্রের হিয়া।
মুক্তি ভুক্তি কোন কিছু নাহি চাহি আমি-
তােমা সনে বাঁধা রবচাহি দিনযামি।
,
স্বস্তিকা আপনার নহ তুমি—তুমি যে আমার আপনি দিয়েছ ধরা স্বেচ্ছায় তােমার। তুমি মাের প্রাণসখা, এই অধিকারে বঁধিয়া প্রাণের মাঝে রাখিব তােমারে। দুরু দুরু মৃদুধ্বনি শুনিতে শুনিতে চিরতরে রবে হৃদেরিবে ছাড়িতে। নীরবে চরণ প্রভু পূজি’ হব ধন্য- সফল কর এ কাম-নাহি কাম অন্য। আপনার নহ তুমি—তুমি যে আমার আপনি দিয়েছ ধরা স্বেচ্ছায় তােমার। তুমি মাের জরাজ, আমি প্রজাতক- প্রতিদিন গাৰ আমি জয়গীত নৰ।
খস্তিকা
যে যেথায় আছে সারা জগতের প্রাণী
আসিবে সম্মুখে তব শুনিবারে বাণী ।
তােমার গৌরবে মম আনন্দ-সাগরে
উঠিরে তরঙ্গ কত থরে থরে থরে ।
'
আপনার নহ তুমি—তুমি যে আমার
আপনি দিয়েছ ধরা স্বেচ্ছায় তােমার।
আমারাে জীবন সব, যত ভালবাসা
সঁপেছি তােমারি পদে যত সুখ আশা।
আমার বলিয়া কিছু না চাহি রাখিতে
সহ সহ সবি মম, থাক মম চিতে।
লাগাও সেবায় তব জীবন আমার
উকি সেথায় তব নিত্য জয়কার।
see
স্বস্তিকা
কেন বসে ?
কেন তুমি বসে আছ মলিন হৃদয়ে
অন্ধকার গৃহকোণে যেন কত ভয়ে ?
চারিদিকে দেখ চেয়ে ফুটে ফুলশ
হাসি হাসি বিহারিছে মােহন সুবাস ;
তুমি কেন নিরানন্দ কাঁদিছ ফুকারি-
হানিছে কিসের দুঃখ বুকেতে তােমারি ?
ঘাসের পাতায় প্রতি প্রভাত-শিশির
বিশুভ্র হাসির মত দোলে ঝিরঝির
ঘাসের সুগন্ধ কিবা মােহিছে পরাণ
তােমারি পরাণে কেন নাহি জাগে গান ?
স্বস্তিকা গােলাপ কুসুম যত নিজ রক্ত দিয়া রঞ্জিছে সুরাগে কত জগতের হিয়া ; আনন্দের মহাগান সাগর ভেদিয়া উঠিতেছে অবিরাম শােন কান দিয়া ; তুমি কেন ফেল একা প্রতপ্ত নিশ্বাস কল্পনায় পুষ্ট শুধু প্রাণের হুতাশ ? তােমারি হৃদয়বীণা উঠেনাকে কেন ঝঙ্কারি বিশ্বের গানে—সাড়াহীন যেন? ছেড়ে দাও মলিনতা, ফেলিওনা শ্বাস- অানন্দ ছেয়েছে বিশ্ব-হয়াে না হতাশ। রবির কিরণ শত আনন্দ পুলকে নাচে খেলে পাতে ফুলে পলকে পলকে ; বনের ভিতর দিয়ে উকি ঝুকি মেরে লুকোচুরি খেলা করে—কবি মুগ্ধ হেরে।
স্বস্তিকা । তুমি কেন বসে যেন শ্রান্ত প্রাণ লয়ে চিন্তার পাষাণ ভাবে অবনত হয়ে ? সাগরের উপকূলে কত মেয়ে ছেলে আনন্দে তরঙ্গ সাথে ফুটে ছুটে খেলে । সিন্ধুপৃষ্ঠ হতে আসে হুহু করে বায়— আনন্দে ফেনিল ঢেয়ে লুটোপুটি খায়। তুমি কেন নাহি শুধু ভুলিয়া আপন বিশ্বের আনন্দ মাঝে হও নিগমন ? এই প্রেম আনন্দের তুফানের মাঝে কেন না হৃদয় তব দিবানিশি বাজে? আনন্দের মূল যিনি তাঁরে হৃদে ঘর- পরাণে জলিছে যাহা আন প্রথম, পরশমণির স্পর্শে করগাে নিৰ্বাণ - লভিয়া জীৱনী সুধা, কর বিশ্বে দান। witan স্বস্তিকা তবুও ক্রন্দন। তােমা বড় অলবাসি ওগাে প্রাণসখা- তুমি এসে দেখে যাও মরমের মাঝে তােমার প্রেমের দীপ ধ্রুবতারা যেন নয়নের আগে মাের সদা জেগে আছে- তবুও ক্রন্দন কেন অন্তরেতে লাগে ? চিন্তা তবু কেন ঘুরে তােমা হতে দূরে? তােমারে জানিতে চাহি আরাে আরাে আরাে সাধিয়া তােমারি প্রিয়—আশা নাহি পূরে। মুহুর্তের তরে তােমা দেখিবারে চাই- কেঁদে কেঁদে অন্ধ হ—তবু নাহি পাই।
স্বস্তিকা-
তবে কি তােমারে ভাল নাহি বাসি আমি ?-
ভাবিতেও নারি যে তা’ হে জীবনস্বামি।
কবে মম পূর্ণ প্রেম তােমারি চরণে
নিবেদি’ সার্থক হব, সদা ভাবি মনে।
মুহুর্তের তরে দেব ভেঙ্গে দাও ভয়
সংশয় দুরিয়া দাও করগাে অভয়।
নির্ভর তােমারি পরে শিখাও করিতে
তােমারি মহান প্রেমে শিখাও মিলিতে।
সকল সংসার মাঝে কেবা আছে বল।
হৃদয়ে ধরিয়া যারে হইব সবল ।
জানায়ে যাহারে সব সুখদুঃখ-কথা
জুড়াব তপত প্রাণ ঘুচাইব ব্যথা ?
ওঁ৮
স্বস্তিকা,
নীরবে।
নীরবে তােমায় স্বামী, কত ভাল বাসি আমি,
আমার চিরিয়া বুক দেখে যাও আসি।
তব সাথে দিবানিশি, চাহি যে রহিতে মিশি,
দাওনা তেমন ধরা-আঁখি জলে ভাসি।
তােমায় আমায় মধু, কত কথা প্রাণবঁধু,
সবার অজানা চাহি নীরবে কহিতে।
তুমি কেন সরে যাও, পরাণ ভাঙ্গিয়া দাও,
আপনার প্রাণ চাহি আছাড়ি বধিতে।
বর্তিকা
জগতে আনন্দ আলাে, কিছুই না লাগে ভালাে,
প্রাণের হতাশ জাগে আগুনের মত।
মরিতেও সুখ তায়, তােমারে যদি গাে পাই,
বারেক হৃদয় পুরে আমার মত।
দুরু দুরু কাঁপে হিয়া, শােন তুমি কান দিয়া,
বুঝিবে আমার প্রাণে কি গভীর ব্যথা।
থাকিতে নারিবে কভু, ওগাে মাের প্রাণপ্রভু,
আনিলে বেদনা মম না কহিয়া কথা।
দুপুর বেলায় যবে, আঁধার ধনের মাঝে,
* চলে যাই একা একা আর ক্লান্ত মৰে।
সহসা জাগিয়া উঠে, হৃদয়কশ ফুটে,
কহিতে শতেক কা তব মধুনে।
বস্তিক- এস মাের চিত্তধন, তুমি এক প্রিয়জন, তােমারে ছাড়িয়া মম নাহি আর কেহ। চাহিনা কিছুই আর, শুধু তুমি একবার, ভালবেসে দাও মাের ঢালি ত নেই। ও
স্বস্তিকা
আলাে ও ছায়া।
জগতের যাহা কিছু হাসি আর ভালাে।
সকলের পরিচয় বুঝি তুমি আলাে |
তবু কেন থাকে তাহে আঁধারের ছায়া।
কিছুই বুঝিতে নারি কি যে তার মায়া ॥
শুধু জ্যোতি কেবা পারে সুদীর্ঘ সহিতে।
তাই বুঝি দেখি তায় আঁধারে ঢাকিতে।
নিদাঘের তাপ যবে দধিয়া মারে।
আঁধার জলদ ঢালে মধু বারিধারে ॥
গােলাপ কুসুম নাই কণ্টকবিহীন।
প্রেম জাগে কোথা বিনা বিরহ-মলিন ?
স্বস্তিকা--
সুখ দেন যিনি, পাছে রহি তারে ভুলে।
তাই বুঝি সুখ-মাঝে দুঃখচ্ছায় দুলে ।
গভীর আনন্দ যবে চিত্তে পরকাশে
দুখের আঘাতকম্প কোথা হতে আসে।
কেনই বা আসে আর আসে কোথা হতে
কিছুই না জানি বুঝি, ভাসি সংশয়েতে।
আলাে আঁধা মিলে আনে বিয়ে প্রেমগান
সন্ধ্যার রাগিণী নিতি ঢালে নব প্রাণ
তারি মাঝে জেগে ওঠে দয়াময় নাম।
তাহারে প্রণমি সবে, ছাড়ি’ অন্য কাম।
meron
বস্তিক- করে যাব। করে যাব কাজ আছে করিবার যাহা। বলিবার থাকে যদি বলে যাও তাহা। অনন্তের মহাশক্তি নিত্য দেয় বগ-- দৌর্বল্য দৈন্যের যত ঘুচায়ে গরল। নিরানন্দ মলিনতা কোথা যায় চলে। তাদের দলেছি দেখ এই পদতলে । তােমরা ঘুমাও কেন অচেতন-প্রায় নিশার আঁধার যৰে আবরে ধরায়। নাহিক ঘুমের লেশ আমার নয়নে দিন রাত খেটে যাৰ শকতি অর্জনে ।
স্বস্তিকা
পিছনে চাব না কভু, চলিব এগিয়ে।
মায়ামরীচিকা সব থাক না পড়িয়ে
আঁধারের মাঝে দেখি প্রেমের আলােক।
ভুলায়ে দেয় যে তার শাস্তি ক্লান্তি শােক।
অভয় হয়েছি আমি ধরিয়া অভয়ে।
বাহির হয়েছি তাই পৃথিবীর জয়ে।
এধরার কাজ যবে হয়ে যাবে সারা।
অনায়াসে যাব চলি ছাড়ি এই কারা।
সংসারের ওপারেতে সাথে দেবগণ।
ধন্য হব তার নাম শাহি অনুক্ষণ।
Bion
ক
(কীৰ্ত্তনী ঢপের সুর)
কাদিলাম যদি জনম অবধি
কলঙ্ক রটিবে তব নামে।
তব অপযশ উঠি দিকে দশ
বক্তর হানিবে মম প্রাণে
শুনিবার আগে দীন হীন মাগে
করিতে করিতে তব নামে।
চলে যাই যেন দেহ ছাড়ি’ হেন
মরণে বাধিয়া বঁধুমানে।
চরণের পরে চিরদিন তরে
বাঁধা রহি যেন ভুলি’ আনে।
সকলি ছাড়িয়া আকুলিত হিয়া
ধায় সেখাবাধা নাহি মানে।
যাহা কিছু করি, চলি আর বলি
আঁখি থাকে যেন তত্ব পানে।
তুমি ধ্রুবতারা নয়নের তারা
আললা তুমি আঁধার যেখানে।
কেন আর মােয়ে রাখ মােহ-ঘােরে ?
আছাড়ি পড়িছি দুখবাণে।
কবে পাব বল মুকতি উজল—
হাসিয়া চলিব তােমা পানে।
ওঁo
স্বস্তিকা
অপেক্ষায়।
জীবনের লতা গিয়াছে শুকায়ে
পাতাগুলি গেছে ঝরে একে একে।
শুধু কাছে ডাল শ্মশানের মাঝে
সাক্ষী দাঁড়াইয়া অষ্ট অঙ্গে বেঁকে
মরমের পরে বহেনাকো আর
মৃদুল হিল্লোলের বসন্তের বায়।
ফোটেনাকো আর কুসুম সুগন্ধ,
গন্ধ মধু নাহি প্রাণেরে জুড়ায়।
স্বস্তিক
কোথায় বা আর বনের সে হাসি,
প্রভাতের সেই লুকোচুরি খেলা?
সন্ধ্যা-সমীরণে নব ভাব আর
করে না আঘাত হৃদয়ের বেলা।
মরণের খাস লেগে আছে যেন
গায়ে গায়ে গায়ে-আনকল্লোল
কোথারে লুকাল—অপেখিয়া আছি
কবে পাব না’র শীতল সে কোল ৪
san
ও
স্বস্তিকা
থাক্ পাছে।
(কীৰ্ত্তনী ঢপের সুর।
সুখদুপকথা মরমের ব্যথা
পড়ে থাক্ যত সবি পাছে।
বাসনা কামনা সকলি ছলনা
প্রাণপ্রিয় ! তােমা মন যাচে।
জীবনের পরে সুধার নিঝরে
তােমা বিনা কেবা দিতে পারে।
বিনা প্রাণধন কে আছে এমন
প্রাণ খুলি কথা বলি যারে।
82
বস্তি
ধন রাশি রাশি, আশারি বা হাসি
বৃথা কেন প্রাণে আসি লাগে ।
তারে মন মম ঝাড়ি’ ধূলি-সম
চলে চল প্রাণ যেথা জাগে ।
কেন গাে বসিয়া দুধবিষ পিয়া
আঁখি তুলি’ মলিন বয়ানে।
বিধানে যাহার জনম সবার
তারি আছ তুমিও নয়ানে।
সংশয় মলিন জমে দিন দিন
নাহি যদি প্রাণে ডাক তারে।
সকলি ছাড়িয়া পড় আছাড়িয়া
সঁপি’ তারি পদে চিতভারে ॥
আঁধার আসিছে মরণ শাসিছে-
চল আগে নাহি ডরি’ কারে।
তারি নাম লয়ে চল নিরভয়ে
মৃত্যু রাখি’ মরতের পারে ।
শান্তি শান্তি করি’ ঘুরে ফিরে মরি
লভি শুধু প্রান্ত ক্লান্ত দেহ।
দেখা পাব কবে আঁধার এ ভবে
চাহে মােরে না বলিতে কেহ।
তব প্রেম জাগে নয়নের আগে
ধ্রুবতারা আকুল পরাণে।
তুমি প্রাণবঁধু মধু হতে মধু
গেয়ে যাৰ তাই কলতানে।
বস্তিক
তব প্রেমে ফুল ফুটে দুল দুল
জাগে শত গ্রহ চন্দ্র রবি।
(তব) প্ৰেম লাগি কাদে খেলে নানা ছাদে
গাহে গান শত শত কবি।
অতি দীন আমি, তুমি ধনী স্বামী
নাহি যদি দাও প্রেম, তবে
প্রাণের আগুন জ্বলুক দ্বিগুণ
নিৰাইবে কেবা তাহা ভবে।
করিয়া প্রণতি করিহে মিনতি
প্রেম দিয়া জুড়াও হে প্রাণ।
সারা দিবানিশি আঁখি অনিমিষি
তৰ মধু দেখিব বয়ান।
ejg
স্বস্তিকা
প্রাণের দেবতা।
ইমন-মধ্যমান।
হে প্রাণের দেবতা
তােমারি চরণে
প্রাণ যেতে চায়।
অনেক পেয়েছি দুখ
ভেঙ্গেছে আঘাতে বুক।
লহ লহ তুলে
তােমারি কোলে।
sonra
হিতেন্দ্রনাথের প্রতি।
বষের পর বর্ষ গিয়াছে চলিয়া।
ধরণীর সুখদুখ গেছ এড়াইয়া ৪
কত চেষ্টা করেছি রাখিবারে ধরি।
নিরাশের আশা গেলে সুনিষ্ফল করি।
গেছ ভাল স্বরগের পেয়ে দিব্য বলে-
অবিশ্রাম ফেলি মােরা নিতি অশ্রুজলে ॥
ছিলে যবে হেথা, কত করিতে উৎসব
যত্ন কিসে ভাল থাকে ভাইবােন সব।
কোথা সে আনন্দোৎসব আজিকার দিন।
বিষয় কুটিল লয়ে রয়েছি মলিন।
ও
স্বস্তিকা
এক দুই করি হেথা গণি গাে বৎসর।
কালের যায় না সেথা গর্বপদভর।
কিবা মাস কিবা বর্ষ বুঝি তব কাছে।
কালের জটিল ভাগ ঘুচে সব গেছে।
তােমা বিনা কৰি হেথা মত গীত গান।
সকলি নিৰন্তু যেন-নাহি পাই প্রাণ।
যে গান শুনিছ তুমি সংসারের পানে,
বন্ধু দেবগণ হতে অনাহত তারে,
তেমন সঙ্গীত বল কোথা পাৰ হেথা
অন্ধ পথে থেমে যায় তুলি মর্মব্যথা।
যৌবন-মাখানাে ত সরল সে মুখ,
ঢাকিতে পারেনি কভু শত কষ্ট দুখ ।
স্বচ্ছ অতি স্বচ্ছ তব নিষ্কলঙ্ক চিত্ত।
তুচ্ছ ছিল তব কাছে রাশি রাশি বিত্ত।
মমর পরে তুমি অটল নির্ভর
মেখেছিলে চিরকাল—আনন্দনিৰ্বর
বহিত তােমার প্রাণে বারেকের ভয়ে
নামেনি আঁর বজীনের পরে।
বিভুরে জানাই মােয় প্রাণের এ কথা।
“তুমি যেনাহি পায় কােন ক্ষ।
খাল যেন হয় ফেলিত হয়।
মৃত্যু কষ্ট কাছ ফেল ঘেঁসিতে এ প্লক্স।
এতদিন সে তুমি ক্লিাহু ঋরে,
সার্থক জীবন ত—পাইয়াছ ভরে।
কালের পরদা ছিন্ন করি দুই ভাগে,
অনিমেষ দেখিতেছামি আঁখি জাগে
তাহারি মহিমা গান কমিছ চলি।
নিস্তক শূন্যে তাঁর আহরিছ বলি।
স্বস্তিকা
ওপারের সুরে।
ভুলাে না দেখিয়া ধরণীর মিছা মসি
মিছা যত আশা, ক্ষণিকের ভালবাসা।
মেতাে না ধনের শুনি উন্মাদনী বাশি
উপরে বাজিছে শ মহা হিতভাষা।
এদিকে ওদিকে আর ছুটো না ঘুরিয়া
ডুবায়ে রেখাে না চিত্ত অশান্তি-মাঝার।
অন্তরে তাহার বাণী শােন কাণ দিয়া,
মরাে না বিষয়-বিষ পান করি’ আর।
- দুখের সাগরে তুমি রহিওনা ডুবি’ বিষাদ-কাহিনী ছাড় নিরানন্দ শত । তঁাহারি চরণে কর নিবেদন সবি- লবেন স্বহস্তে তত্ত্ব দুর্থভায় যত । সংশয় আশঙ্কা দূরে ফেলে দাও সব ; করে থাক পাপ যদি, পড়ে থাক পাছে-- তাঁহার করুণাবারি ধুয়ে দেবে সব অমৃত পাইবে তুমি মরণের মাঝে । রহিও নির্ভয়, যদি আসে বা আঁধার ; মায়ামরীচিকা-পাছে বেড়ায়াে না ঘুরে ; জ্যোতির্ময় সুরধাম সমুখে ভােমার- মিলাও হৃদয়তার সেথাকার সুয়ে। convon প্রাণ গে । বাউলের সুর। প্রাণ গেল প্রাণ গেল- (ওমা) প্রাণ গেল, প্রাণ গেল। সুখের আগুণ চাইনাকো আর দুখের জলই ভালো (মা.) প্রাণ গেল প্রাণ গেল। মুখের দুখের দুলিয়ে দোলা কি যে ভেলুকী খে (যবে) সুখের নেশায় তুলি মা তােমা, মরণ পরশে আপনে হারাই, (তখন) অসাড় জীবন করতে চেতন প্রাণের মন ভালাে ! প্রাণ গেল প্রাণ খে { ওমা। প্রাথ গেল প্রাণ গেল । সুখে দুধের দুলিয়ে দোলা কি যে ভেলকী খেল- (যৰে দুখের মা এক বা পাশ্বত্ব হয়ে বেড়াই থেকে (তখন) অাপন কোলে লইয়ে স্কুলে শল্পি গলে! এলে গেল (মা) শ্রাণ গেল প্রাণ গেল ।
শারদ প্রাতে।
গান্ধারী তােড়ী-খাঁপতাল।
আজিকে মধুর সুবিমল প্রাতে
মরম বাঁশরী উঠিল বাজি।
আজি নামে তব ওহে প্রিয়তম
শত নব গান উঠিছে ফুটিয়া
তােমারি মধুয়ে সকলি মধুর,
তব পুণ্য গন্ধ পড়িছে ঝরিয়া।
সুগন্ধ বাতাগ তােমারি নিশ্বাস
দিতেছে আমারে পাগল করি ।
স্বস্তিকা
বেলা যায় ।
পুরবী-ঝাঁপতাল।
বেলা চলে যায় তােমা পানে চেয়ে
দিবানিশি একা বসি
আঁধার ঘরে
শূন্য হিয়ে।
কবে হবে পূর্ণ আশা
সার্থ হবে ভালবাসা
ভেসে যাবে উছল প্রেমে
হৃদয়-তীরে
জননি হে।
কত লােক তাে যাম মা চলে,
চায় নাকে কেউ বাকে ফিরে
পথের ধারে কে কোথা পড়ে।
মর+হোম কে ছেলে-
তারেও তুমি যাও ন ভুলে;
তারেও তুমি লও মা অলে
আদর করে
অলনিহে।
ও
ক্তি-
সন্ধ্যায় ।
শান্ত সন্ধ্যা নেমে এল, ডুবে গেল রবি-
আঁধার ছাইল ধরা যেন এক ছবি।
পথপ্রান্তে বৃক্ষছায়া দীর্ঘ হয়ে উঠে,
সাদা সাদা ফুলগুলি একে একে ফুটে।
জীবজন্তু যত সব নিজ ঘরে গেল,
অবিশ্রান্ত কোলাহল ধীরে থেমে গেল।
নিবিড় গাছেতে দূরে গায় সান্ধ্য তান
'শত পক্ষী শত মুরে রসে ভরা প্রাণ।
নীরবতা যেন তাহে জাগে গাঢ় হয়ে,
আমি বাঁচি সন্ধ্যা সাথে কত কথা করে।
স্বস্তিকা
ধীরে ধীরে থেমে যায় পক্ষী-কলতান,
শান্তিসুধা মধু ঝরে জুড়াইয়া প্রাণ।
তারাগুলি একে একে ফুটে শূন্যভূমে,
ছন্দে প্রেমে গাহে গান এনে দেয় ঘুমে।
প্রাণের ভিতরে এক জাগে মহাগান,
দুঃখের আনন্দধারা-অনাহত তান।
যারা সবে শােকহত শুনে পাবে বল,
ঝঞ্চাবায় থেমে যাবে, পাবে শান্তিজল।
ওe
স্বস্তিকা
কাতর আহ্বান।
হাম্বীর—একতালা।
আমার পরাণ ধায়
ধায় তােমারি পানে।
গােপনে মরমব্যথা
লয়ে আছি একা হেথা
আকুল পরাণে।
তুমি আছ কোন্ দূরে
জ্যোতির্ময় কোন্ পুরে
আমার কাতর ডাক
পশে না কি কাণে
স্বস্তিকা
বিরহে প্রভু তােমার
আঁথি ঝরে শতধার
বাধা নাহি মানে।
কবে অলি জিবে দেখা
মধুরূপে প্রাণসধা
চৌদিকে উঠিবে ভরি’
স্বস্তিকা
আমায় রাখাে।
বেহাগ।
আমায় রাখা আমায় রাখে।
তুমি গো জননী দিবস রজনী
হৃদয়ে জাগাে
হৃদয়ে জায়গা।
তােমারে ছাড়িয়া আকুলিত হিয়া
ভ্ৰমি যে কোথা জানি নাকো
তবু যে মা শুনি তােমারি মধু বাণী-
করুণ মেহসুরে তুমি ডাকো
তুমি ডাকো।
.
স্বস্তিকা
বিরহ তােমার সহে নাকো আর
প্রাণ চাহে সদা কাছে থাকো
কাছে থাকো।
আর কিবা চাহি বল,
চাহি শুধু ক্ষমা কর
অপরাধ মম লাখাে লাখাে;
তােমারি শীতল কোলে
লহগাে আমায় তুলে
বারেক মা গাে
আমার মা গাে ।
očan
শন্তিকা
বিশ্বপাতা।
হে মম জীবনদাতা
তুমি এক বিশ্বপাতা
তােমারে ছাড়িয়া বল কোথা যাব আর।
কোথায় আনন্দ আলাে
আঁধারে সকলি কালাে
সুখশান্তি কোথা, কেবা সহায় আমার ।
চিত্তের ভরসা মম
আলেয়ার আলাে সম
মিলাইয়া যায় যবে হারাই তােমারে।
ব্যাকুল আমার প্রাণ
নিবিয়া গিয়াছে গান
তােমারি প্রেমের তরে মরি হাহাকারে ।
বিকা
মরুভূর যেন পান্থ
তৃষায় আতুর আর
সম্মুখে মৃত্যুরে দেখি আর অন্তরে।
দয়া করে বারিবিন্দু
দাও হে প্রেমের সি
নহিলে দেখিয়া যাও ভক্ত তর মরে।
সংসারে সুখ যত
দংশিছে বৃশ্চিক শত
অলিয়া পুড়িয়া মরি তাহার জ্বলনে।
তােমার বিহনে প্রেম
নাহি শ্রেয় নাহি ক্ষেম
তৃষার আগুন বাড়ে মুখের চুলনে।
otron
স্বস্তিকা
আকুলি-বিকুলি।
{ কীৰ্ত্তনী ঢপের সুর)
মরিব মরিব
নিচয় মরি।
মরণে বরিণু মম স্বামী ;-
মরণেরি সাথে খেলি দিনেরাতে—
পরাণের সাথী দিনযামী।
জীবন-আশায় কত কাল হায়
ভাসিয়া চলিয়া কাটি গেল ;
কত আশা গয়ে পুষি হৃদয়ে
সকলি নিরাশা দেখি ভেল।
স্বস্তিকা সাগরের তীরে দেখি বসি’ ধীরে জলরাশি আসে ফিরে যায় ; জল টলটল সে তাে হলাহল জলতৃষা নাহি মরে যায়। নাহি প্রাণে সুখ ভরা দেখি দুখ- বাচিব কিসের বলাে তরে? মরণের পায় দিব মনকায় মােরে আর কেবা রাখে ধরে। পাষাণ ভেদিয়া মরম বাহিয়া মরণ-কামনা জাগে ফুটে ; মরণের পারে বুঝি হাহাকারে গিয়াছে সকলি টুটেপুটে। costum
স্বস্তিকা-
পরিত্রাতা।
হে মম জীবনদাতা,
তুমি এক পরিত্রাতা
জীবন ভােমারে ছাড়ি’ দুর্বিষহ তার।
আমােদ হাসির গান
জ্বলিত মধুর ভান
স্বায়ুর তরঙ্গে ভাসি’ বহে শতবার।
স্বস্তিকা
তবুও না পাই শান্তি
যদাই ঘিরিছে শান্তি-
জেগে ওঠে পুনঃ পুনঃ হতাশ পরাণে ।
পাপতাপ শতমুখ
ঢালিছে সদাই দুখ
অগ্নিময় বায়ুসম মৃত্যুরেই আনে।
মৃত্যুর বাঁধন যাহা
মৃত্যুই খুলিবে তা
আশ্চৰ্য্য নিয়ম একি দেখি গাে তােমার।
শত প্রিয় পরিজন
অগাধ অসীম ধন
বাঁধন খুলিতে সাধ্য নাহি কারাে আর ।
শান্তিদাতা।
হে মম জীবনদাতা
তুমি এক শান্তিদাত
যা হেরিলে তােমা দেখি সকলি আঁধার।
অনাহত বাণী স্তব্ধ
আহ্বানের স্মৃদু শব্দ
শত কোলাহল ভেদি আসে গাে তােমার।
স্বস্তিকা
.
সংসারে কর্মের মাঝে
কত যে বেসুরা বাজে
তােমার আহবানে কতু বাজে না ৰে
গিরি বন উপবন
নদী সিন্ধু ভক্তজন
বাজিছে সবারি মাঝে মধুর সে সুর ।
সে সুর না নিলে প্রাণে
চিত্ত মম নাহি মানে-
পথভ্রান্ত পান্থ যেন মৰি ঘুরে ঘুরে।
যেথায় যে হিংসাকােষ
মলিন ধূসর বেশ
স্বরণ করায়ে দেয় কেবলি মৃত্যুর।
স্বস্তিকা-
পাপতাপ প্রলােভন
চিত্ত মম অনুখন
ঘিরে রেখে নাহি দেয় তােমারে দেখিতে।
কি হবে আমার গতি
উদ্ধার না কয় যদি,
নাহি চাহ যদি মন প্রাণ মন নিতে।
সহায় না হলে তুমি
দাড়াবার কোথা ভূমি
আলোেক ধরিবে কেবা পথে অন্ধকার।
জীবনে মরণে যবে
মহান সংগ্রাম হবে
চাইবে কোলে নিয়ে কেবা বল আর ।
বর্তিা-
একে একে যায় দিন
শরীর হতেছে ক্ষীণ
সভয়ে আহান শুনি মৃত্যুর ভীষণ।
নাহিক মৃত্যুর পারে
বন্ধু বলি ধরি যারে—
দিতে পার তুমি এক অনন্ত জীবন।
তুমি মম পিতামাতা
তুমি মম জয়দাতা
সংসারের কঠোর এ আহব-অনলে।
তােমা ছেড়ে যাব কোথা
প্রাণে মনে বড় ব্যথা ;
মৃত্যুব্যথা দূর হবে তব শান্তিজলে।
ontwi
প্রসাদীপদ চ্ছায়া।
No text on this page.
বন্তিকা
ভুলতে কি পারি ?
তােরে মা কি আৰু আমি ভুলতে পারি ?
এবান্ ভুলে চিরজনম্ করি আড়ি। (ধুয়া)
প্রাণের ভিত যেনি ডাকা
অমনি মা তুই দেছি দেখা
আমা প্রাণে তাে মা প্রাণে
বেজে উঠছে এই নাড়ী।
কে বলে মা গেছিস ছেড়ে
আমায়, মা তুই সদাই ঘিরে ;
ইচ্ছা হয়, মা জুড়াই পরাণ,
দিবানিশি তাে কোলে পড়ি।
*
আবাৰু অনেক্ কালে পরে
ভরেছি প্রাণ, স্নেহে ষােরে;
বারেকও মা নেকো আৰু
কোলে ছেলে পথে ছাড়ি।
স্বস্তি
ভুলিসনেকো আর।
(ম) ভুলিনেকে আবু আপন্ মায়ে।
আমায়ূ যে মা বিশ্ব সারা আছেন্ ছেয়ে। (ধুয়া)
দেখরে চেয়ে হৃদয়, খুলে
প্রেম্ খেলে মরু ভুবন্ জুড়ে
তারায় তারায়, গ্রহে গ্রহে
মাথা নােয়া মায়ে পায়ে।
দুখে আঁধার যাবে ঘুচে,
নয়নে জ যাবে মুছে,
বারে যদি হৃদয়,পদ্মে
ধরে রাখিস্ আপ মারে।
ছুটে চলরে মায়ে কোলে,
দুলবিনেকে ভবে দোলে;
সকল আৰু জালা মাঝে
(দুই) বসে রইবি নিরাময়ে ।
o৪৮
স্বস্তিকা প্রাণের মাঝে আয়। (না) প্রাণের মাঝে আয়, দেখি পরাণ ভরে ॥(ধুয়া) দেখতে না গাে পেয়ে তােরে প্রাণ, যে যায়, মা জ্বলেপুড়ে (সেই পােড় প্রাণে উৎস হতে কত অশ্রু-নদী ঝরে। রাশি রাশি দেছি মা দুখ, বজ্রাঘাতে ভেঙ্গেছে বুক্ ; এধন্ তাে এক তুই মা গাে বল- তবু কেন আ দাঁড়া সরে। আমি জানি তাে অধম্ ছেলে- তাই বলে হয়, দিতে ফেলে ? তাে কাছে প্রাণ, চায়, মা যেতে ডুকে একবাৰু নে মা কোলে । আওe ।
স্বস্তিকা
পিতামাতা।
(ওমা) তুই মা আমাৰু পিতা মাতা। (ধুয়া)
তুই মা আমার পরাণ বঁধু,
কৃপাসিন্ধু মা তুই মধু;
স্বামী তুই মা, তুই মা বহি,
আমার তুই মা এই ভ্রাতা।
জানিনে মা তুই কি যে আমার,
( দেখি) নাটী মায়ে সবার সাম্ ;
প্রাণে ভিত ডাকলে তােরে
ঘুচে যায়, মা সকল ব্যথা।
৫
স্বস্তিকা
সক ব্যথা ঘুচিয়ে দিয়ে,
(আমায়,তাের সাথে মা মিলিয়ে নিয়ে,
নী আমায় করে দিয়ে
চোখে চক্ষু রাথতে দে না।
তােৰু সাথে মা এম বাঁধ
কে দেখেছে কোথায়, কখ?
কথা মুখে নাহি সরে—
অবাক হয়ে ভবি সদা।
nein
আমায়, কেন মা তুই শােনাস ও সুৰ ? (ধুয়া)
ও সু মা শুনলে কাণে
বদন্ জমাট, আগে প্রাণে ;
(তখন) নেমে আসে অশ্রু হয়ে
ভাঙ্গা পরাণ, ভাঙ্গিয়া চু ।
দাপাদাপি আন্ থাকেনা গাে
সুখদুখ সব ভুলি মা গাে ;
ওপারে মা বাণী শুনি
ভয়ে আৰু তােত হইনে আকু।
এপা ওপা জুড়ে যে তাের
আছে দেখি মা একই সে কোল;
সেই কোলেতে বসলে ভাল
কঠোর ব্যথা লাগে মধুরূ ।
cončia
মায়ের মার।
( ওমা) এতদিন্ কেন তুই মােরে দিনি দেখা ?
বাবু এ মা দিতে হবে—
শান্তি নইলে কেবা দেবে?
সেই যদি তুই কোলে নিবি,
আগে কেন রাথলি একা।
G
বুঝতে নামি মা কি তােৰু ধাঁচা,-
মা খেয়ে হাড় ভাজা ভাজা ;
তােরে শান্তির আলে ধরে শেষে
পে শুধু মারে ঝাঁকা।
*
--
-
মারিস্ ফেলি দিস বা তেড়ে
রইব চরণ তলে পড়ে ।
(আ) পূজব মা তাের মূর্তিখানি-
প্রাণে মাঝে আছে আঁকা।
išven
ঘানির বলদ।
( ওমা) আমায় কলি তুই কেন ঘানি বলদ (ধুয়া)
একই পথে যে ঘুরে মরি—
চোখে ঠুলি মা-অন্ধ চলি ;
শান্ত হয়ে থামতে গেলে
ছোঁয়া চাবুক-চলি জল।
জানিনাকো তুই মা কেম—
শাস্তি দিস্ মা আমায়, বিষম্ ;
আমায়, দুই ল কলে ক্ষমা
পদে পরে মাের কাছেই বিপদ।
এবানূ আমায় দে মা ছুট—
আনন্দে খাই লুটেপুটী
(তাের) আলােহাসিরু বন্যা নেমে
ভেঙ্গে দিক এ অন্ধ গার।
re
স্বস্তিকা
জমীদারি।
{ ওমা) জমীদারি মা আমি চাইলে পেতে (ধুয়া)
কাঙ্গালদুখী প্রজা ঘরে
আহাৰু নাই এক্ বেলা তরে;
লরেনাকে প্রাণ ঠো বিধা
তাদের কাছে কড়ি নিতে।
কাপড়খানি নাইক ঘরে-
লাজ-নিবারণ হয় কি করে?
প্রাণ, ভেঙ্গে যায়ু, জুলুম করে
ভাদে) মুখে গেরা কেড়ে নিতে।
প্রাণ, গুটী গাে দিতে নারি--
কাড়বার বেলা খুবই পারি;
ভেবে ভেবে তাই সরে যেতে চাই
কোথাও দূরে ধল্প হতে।
জমীদার।
আমার মা আমি চাইনে হতে (ধুয়া)
সাধু সন্ত বসে যথা
কইতে থাকে তােরি কথা,
গাছের ছায়ায় খােলা হাওয়া,
সেইখানে প্রাণ চায়, মা যেতে।
যা ঢিবি তুই মুখে কাছে
খেয়ে র’ব তাই সুখে মাঝে ;
ভােগবিলাসে ছাই দিয়ে মা
ত) চরণতলে চাই মা শুতে।
কারাে কেড়ে মুখের গেরা
আবো নাকো বুকে তরাশ,
ভ, ভাবনা নিৰেদিব
তােরি ওই মা চরণেতে।
অতিকা
মায়ের রূপে।
তােৰু মা রূপে আজ, ভরেছে ভুবন্। (ধুয়া)
তাের) জোছনা মেখে আকাশ, সারা
হাছে দেখ, মা আপ-হারা ।
সেই হাসি মা পরশ পেয়ে
পাগল হয়, মােৰু পরাণ মন্।
ভুবন্ ভরে আজ উঠছে যে গা-
সুরেন্থ পরে সুবৃ উঠে যে তা-
তৃপ্তিতে অতৃপ্ত হয়ে
শানে গিরি সাগর বন।
•
(আমি) হাসি ফঁাদি কি যে করি
আকুল হই মা, ভেবেই মরি ;
(তাের) আলাে আঁধাৰু অন্ধ করে
সুখে অশ্রু ভাসায় নয়।
(আমার) মিটে যায়, মা সকল আশ,
পরাণে মা স্কুচে তিয়াশ,
(যবে) তােরে দেখি, তত বাণ শুনি
পড়ে রই তােৰু ধরে চরণ।
cončion
পঞ্চপুষ্প।
No text on this page.
ভারতমাতা।
মা তােমার নহে এ তাে সেই বেশ
যে বেশে শাসিতে তুমি
রাণী হয়ে বসি গিরিরাজ পরে
শ্যামল ভারত-ভূমি ।
কত যে দেশের
মুকুট তখন
লুটায়ে পড়িত পায়
জগতের জ্ঞানী
চাহিত আশ্রয়
তােমারি জ্ঞানের ছায়।
/
বস্তিক- কোথা কুরুকুল যদুকুল কোথা শুন্য তব পান করে বিচরিত যারা দেবতার মত জয়ের পতাকা ধরে? আর কি তােমার বসিবে না শিরে জ্ঞানের মুকুটমণি ? কবে তব মাত ঘুচিবে এ বেশ চলেছি দিবস গণি। সুনীল আকাশ আজিও তােমার মাথায় আশ্রয় ধরে। রবির কিরণ শুভ্র ন্তু তব লজ্জা নিবারণ করে ।
স্বস্তিকা
দখিনে বাতাস :
তব দুথে দুর্থী
আজিও করিছে সেবা।
গাছেদের কাছে গাহে কত গাথা
সে গান শুনিবে কে ?
ঘােষে ক্ষিতি আজো রাণী তুমি মাতঃ-
অজানা তােমার পায়
কোটী গ্রহ তারা প্রতিদিন আসি
প্রণতি করিয়া যায় ।
নয্যরত ভাদ্র ১২
ওe
;
স্বস্তিকা-
-
সংগ্রামে আহ্বান।
(ইংরাজদিগের প্রতি লর্ড কীচনার)
জাগাও সবারে বাজারে দামামা-
যুদ্ধে আজ যেতে হবে।
পাহাড়ে পাহাড়ে আলায়ে আগুন
আন গাে ডাকিয়া সবে।
ক
খেলুক বাতাসে
শতেক পতাকা
দাড়াও তাদের তলে।
দেশের নাবিক দেশের জাহাজ
১২
বন্তি- - . দেশের সন্তান যে যেথায় আছি মেলাে যদি একপ্রাণে কি অসীম ৰল উঠিবে জাগিয়া কেহ নাহি তাহা জানে। চল চল সবে যুদ্ধসাজ পরি’ বিষম সমর মাঝে। রাখাে তব ক্ষেত- চল গাে সংগ্রাম-সাজে। বলিষ্ঠ কৃষক - ঢ়িষ্ঠ বলিষ্ঠ মায়ের সন্তান দুঃখশােক রাখাে পাছে, টুও অগ্রসর, ঝাপাইয়া পড় অরিগণ যেথা আছে। * খন্তিকা মুছ অশ্রুজল- ঘুচে যাক শােক- ঘুচুক প্রভেদ স্বত। দেশের চরণে আজবলি দিলে পাবে নব বলকত। জননি তােমার যদি বা সন্তান যুদ্ধেতে মরণ কাছে। দেব নর যত পুজিবে তাহারে- বীরগাথা গাৰে সবে সন্মিলনী ৫ই শ্রাবণ ১৩২৬ ওe
অস্তিকা
বিবাহ-মঙ্গল।
( রাগিণীসান)
তােমারি আঘাত্রে আজ
পরিয়া মিলনসাজ
এসেছে আশীষ তরে
শুভ মিলনের পরে।
দীরঘ জীবন-পথে
ধরি’ যেন তব হতে
তােমারি করুণা পরে
চলে নিরভরকরে—
তব এ আশীষ শিরে
ঘরে বয়ে যেন ফিরে।
সন্ততি ফেলুক ছেয়ে শত কমে গেহ;. তব পুণ্য নাম গেয়ে ধন্য হােক প্রাণ দেহ; জানেতে উজ্জ্বল হােক, স্কুচে যাক দুথ শােক; আনল হউক নিত্য অনুচর সদা সত্য- তব এ আশীষু শিরে ঘরে য়ে যেন ফিরে। otion সংগ্রামের ভেরী। { জনগণ ভারতে পদার্পণ করিবার জনরবে। সংগ্রামের জের উঠেছে বাজি, ভরােল ধর হাতে। যেথায় যে আছ ভারত-সন্তান মিলে চল এক সাথে ঋলসি উইক মরি কিশে তরােয়াল শত শত। শত্রুগণ পরে আমিয়া বলে * করুক শতেক ক্ষত। ঘরের সম্মুখে করে দেবে খাল-থান। পতাকা উড়ায়ে সিংহ- য্যামত ছুটে চল তার পান।
ধর সবে অসি
রক্ত খেয়ে তৃপ্ত হােক।
শত্রুর বুকেতে
যাইয়া সবলে-
ভারতের জয় হােক।
কোথা গাে তােমরা..
ক্ষত্রবীর যত
কামান বন্দুক লয়ে।
করগাে নির্মূল শত্রুগণে শত
কাপুক তাহারা ভয়ে।
কামান বন্দুক
উঠুক গরজি
উগারি’ অনলরাশি।
শর ঘরেতে
যতেক মহিলা
মক্কক অকতে ভাসি।
আমোদ প্রমােদ ছেড়ে দাও সব
নৃত্য গীত যাক দুরে।
সুখের স্বপন ভেঙ্গে ফেলে দাও
ঘর দোর ধাক পড়ে।
*
বাজিয়াছে ভেরী সংগ্রামের তরে
শত্রুরা বসিয়া দ্বারে।
হুহুঙ্কারে পড়ে
ভাসাও ধরণ
তাদের রক্তের ধারে +
স্কুরু-পাণ্ডবের
কাহিনী যেমন
ঘঘাষিত সবার মুখে।
তােমাদের তথা বীরত্ব-কাহিনী
গাহিবে সকলে সুখে ।
স্বস্তিকা
জননি তােমায় করিগাে মিনতি
সন্তানে রেখােনা ধরে
আশ সেজে চলুক সংগ্রামে
স্বদেশ রক্ষার করে।
জন্মিলনী ২ আষাঢ় ১৭৬
স্বস্তিক- স্বাধীনতা। (ফরাসীদিগের প্রতি মাৰ্যাল ফ) স্বাধীনতা-স্বাধীনতা- কেবা চাহে হারাবারে ? মুহর্তেনে স্বাধীনতা কে না চাহে লতিবারে ? শােন ওই বাজে শিঙ্গা অৰ পাম চড় মা- পতাকা উড়িছে হাসি। যুদ্ধের বার শােন বায়ু সাথে আসে ভাসি ১০১
জন্মভূমি মৃতপ্রায়
ছুটে চল, চল বেগে।
ওকত সন্তান যত
ওঠ ওঠ—সবে জেগে।
আবাল-বনিত-বৃদ্ধ
তরবারি শী খােল।
মরুক বিপক্ষ সেনা-
স্বদেশের জয় বল ।
স্বাধীন মানব মােরা
শজরে নােয়ব মাথা ?
কুকুর-সমান গাব
ভয়ে যত চাটুগাথা ?
১০২
আনুক মরণ দেশে
হাইয়া ধন্যার মত।
নাহি ডরি—যদি হয় ..
স্বাধীনতা হস্তগত।
শক্ত যদি দলে দলে
লুণ্ঠন করিতে আসে,
মােদের সুখের দেশ
যদি রক্তস্রোতে ভাসে
বিদায়-বিদায় তবে
আত্মীয় বান্ধব হতে।
কোমল বন্ধন স্বত
বিদায় সফল হতে।
প্রতিক
মন্ত্রের সাধনে যদি
ফুদ্ধে মৃত্যু লভি শেষে।
নূতন জীবনস্রোত
ছাইয়া ফেলিবে দেশে।
ধর্মের-গৃহের ভরে
যুদ্ধে যদি যায় প্রাণ,
হতাশ হমােনা কেহ
প্রাণ দিয়া পাবে প্রাণ।
-
মরণেরে আলিঙ্গন
শতবার ভাল, তবু
শহন্তে আপনারে
সঁপিয়া দিওনা কভু।
বর্তিকা
অশ্বপরি চড় ত্বরা
তরােয়াল মুক্ত করি।
দেখি তার ঝলমল
ডক যতেক অরি।
কাপাইয়া শত্ৰুবুহ
ঝাপাইয়া পড় মাঝে।
স্বাধীন করিয়া দেশে
সাজাও নূতন সাজে।
সন্মিলনী, ২৫শে আষাঢ় ১৩২৬
ওঁo
No text on this page.
নমস্কৃতি।
No text on this page.
স্বস্তিকা
প্রণাম।
কত যে করুণা-কণা দিতেছ ছড়ায়ে
মলিন মানবপরে হে দেব হে পিতা,
কেমনে বলিব বল কথা নাহি পাই।
যতই হােক না ছােট, প্রতি পাতা ফুল,
বনের প্রত্যেক জীব গাহে তব প্রেম
ঘােষেগগা শকতি তব-ধারণে অক্ষম।
ছােট বড় নাহি কিছু তব প্রেম-কাছে।
নিজ ধ্যানে আছ নিজে—নারিগগা বুঝিতে
মহাশূন্য তৃব কাছে বালুকা-সমান
মহাকাল পড়ে আছে সিন্ধুবীচি এক।
প্তিফা
সংসারের চারিধারে মারামারি শুধু
তব প্রেম তবুজয়ী জানি গাে নিশ্চয়।
একটা নিশ্বাস মম পড়েনাকো হেথা
মানি’ আদেশ তব-ভয় নাহি কোন
যাহা কিছু ঘটে হেথা, সুখ দুঃখ কিবা---
জড়িত রয়েছে দেখি প্রেমেতে সকলি।
নিশায় ঘুমাই যবে, তুমি নিয়ে চল
আলােকের পথে চির-অবিশ্রাম স্নেহে।
তােমারে প্রণাম করি, তােমারে প্রণাম--
হৃদিপরে কর দেব তব নিত্যধাম ।
contos
স্বস্তিকা
মা আমার।
রাগিণী ভৈরবী--তাল খাপতাল।
আমরি মরি—কি রূপ ধরি
এসেছ মামা আমার।
হৃদয় উজল করি’,
জ্যোতি অপরূপে ভরি,
বারেক দাড়াও
প্রণমি গাে মা আমার।
তােমারি ভালে তপন জ্বলে,
তােমারি হাসি ফুটে কমলে,
তােমারি প্রভা জগতীতলে—
প্রণমি গাে মা-
মা আমার।
eo
No text on this page.
শ্ৰীযুক্ত ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কয়েকটা গ্রন্থের পরিচয়। মা।-স্বদেশী, এন্টিক কাগজে বেশ পরিষ্কার পরিস্কৃত ৰূপে মুদ্রিত মূল্য । আট আনা। ৫৫ নং আপার চিৎপুর রোডস্থ আদিব্ৰামাজ পুস্তকালয়ে পাওয়া যায়। এই সঙ্গীত পুস্তকখানিতে ৫৬টি গান আছে। সঙ্গীতগুলি রামপ্রসাদী সুরে লেখা হইয়াছে। প্রত্যেকটি গানে কাজের প্রাণের কণা অতি সহজে সরলভাবে বাক্ত হইয়াছে। একেয় ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাশয় একজন অসীম প্রতিভাসম্পন্ন সুলেখক এবং সুপণ্ডিত লাফি। বল হিত্যের ইনি যথেষ্ট সেবা করিয়াকে এবং কার- চেন। ইহার এই ভক্তিরস পূর্ণ প্রাণের সঙ্গীতসমূহে তাহার সাধনের উচ্চ’বস্থার বেশ পরিচয় পরিস্ফুট হইয়া উঠিয়াছে। ১১ বৎসর বয়সের পুর ব্রতীন্দ্রনাথের স্মৃতিতে এই পুস্তক দেখা হইয়াছে। মা আঘাত দিয়া নীরব সাধকের এবার কথা কুরাইযাছেন ক্ষিতীন্দ্ৰনা। ইহাতে যে শুধু নিজেই সান্তনা পাইয়াছেন তাহা নহে, অামাদের বিশ্বাস ইহা পাঠে অনেক সাধক ভক্তও যথেষ্ট শাস্তি পাইয়াছেন। মা-হারা হইয়া যায়। ব্যাকুল প্রাণে মাকে খুঁজিতেছেন- তাহাদিগকে আমরা ইহা পাঠ করিতে অনুরােধ কম্বি। সম্মিলনী-২• বৈশাখ, ১৩১৫। মায়ে-পােয়ে।ইহা তববােধিনী-সম্পাদক ও দার্শ নিক শ্ৰীযুক্ত পণ্ডিত ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর তনিধি বি-এ প্রণীত একখানি গদ্য কাব্য। আমরা একখণ্ড প্রাপ্ত হইয়াছি। ধন্য- বাদ! যে কারণে মহসি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বিস্তর পাহাড়-পর্ব অতিক্রম করিয়া, বেদ-বেদান্তের সহিত সংগ্রাম বয়া, শেৰে ভাগবত-রচনায় প্রবৃত্ত হইয়াছিলেন, ঠিক সেই কারণে, মনে
আমাদের এই তনিধি ঠাকুর এই মালীল-প্রকটনে প্রবৃত্ত
হইয়াছেন। তাঁহাকে কৃতকাৰ্থ দেখি আমরা নিরতিশয়
আনন্দলাভ করিলাম। লীলৱসমসী গগন্মাতা তাঁহার ভক্ত
শিশু-সন্তানের সহিত কিরূপে ক্রীড়া করেন, ইহার সর শিশুকে
কি ভাবে কখন হালাইতে, কখন কাইতে থাকেন, তাহা
আমরা ইতঃপূর্বে রামপ্রসাদ-প্রমুখ মাতৃভক্তগণের জীবনে প্রত্যক্ষ
করিলাম। যে ভাবে ও ভাষায় ডাকিলে মায়ের সাড়া পাওয়া
যায়, ইনি সেই ভাবে ও সেই ভাষায় তাঁহাকে ডাকিছেন ও
তাহার সহিত আলাপ করিয়াছেন। যাহার মাতৃহারা হইয়
শশাকে মগ্ন, বিবাদে জর্জরিত ও নৈরাশ্যে মুহ্যমান এই গ্রন্থখানি
তাহাদের নিত্যসঙ্গী ও পথ-প্রদর্শক হউক। আমরা ইহার ভুল
প্রচার কামনা করি। ইহা সকলেরই পঠনীয়।
ডায়মন্ডহারবার হিতৈষী ১২ আগষ্ট ১৯১৯।
শিক্ষা সমস্যা ও কৃষিশিক্ষা। মূলা। আট আনা
মাত্র। আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে এই পুস্তকখানির প্রাপ্তি হকার করি
তেছি। পুস্তকের ভূমিকা লিখিয়াছেন শ্রীযুক্ত হীরেন্দ্রনাথ দত্ত
হীরেন্দ্রবাবুর লিখিত ভূমিকা যেমন আশা করা যায়, তেমনি সরস,
হইয়াছে। এই বইখানি যখন আমরা পাইয়াছি তখনই পড়িতে
বসিয়াছি এবং শেষ না করিয়া উঠিতে পারি নাই। “ব্যথার বাণী
না হইলে এমন বই নিখা কয় না। দেশের কথার খাটি ভাবুক
ইলে এমন বই লিখার কল্পনা অাইসে না। মায়তের যায়।
শােচনায় বিষয়, তাহার একটা মত দিক ধরিয়া প্রজের লেখক
দেখিতেছি আগে হইতেই কথা পাড়িয়াছেন। বইখানি কিছু
লেখ। অামরা আলাধা কলাম চাপাইলাম। পাঠকগণ জম:
করে লেখা এই কথাগুলি ভাবিয়া দেখিবেন। একার অঙ্ক
।
J.. জমীদার। তিনি নামধন্য বারকানাথ ঠাকুরের প্রপৌত্র। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের পৌত্র। বড় বুনিয়াদি অমীক্ষার ঘরে ওয়ারীশ এই ফন্থকার। ম্যাঙ্গায় এমন কয়টা জমীদার ধর বাংলায় আছ যে ইহাদের-কাছে ঘেঁষিতে পারে? ইহাদের কথা শোন।. শােন এবং শিখা জায় কি বুলিব ? আজ বই লেখকের সমালােচনাই বেশীরজাগ করিলাম- বইখানির সম- লোচনা আর এক দিন করিব ।.. রায়ত—শনিবার, ২০ আষাঢ় ১২। তােমরা আর আমরা । মূল্য ১০ আনা মাত্র। এই পুস্তিকাখানিতে ভারতের বর্তমান রাজনীতিক অবস্থার অালোচনা করা হছে। সরল ভাষায় এই রাজনীতিক প্রব টী সাধারণের উপযোগী করিয়া লিখিত হইয়াছে। হিতবাদী-শুক্রবার, ২৬শে অগ্রহায়ণ ১২৬। আমাদের সম্বন্ধে ইংরাজদিগের এবং ইংরাজদিগের সম্বন্ধে আমাদের কথার আলােচনা। গ্রন্থখানির মনের কথায় ভাল । " তােহার শেষাংশ টুকু উদ্ধৃত করা গেল। এডুকেশন গেজেট-২৮শে কার্তিক ৩২৬। এই ১৫ পৃষ্ঠার ক্ষুদ্র বইবানি লিখিয়াছেন-আমাদের শ্ৰীতি- ভাজন ও রয়জনের হিতৈষী বন্ধু যুক্ত ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ক্ষিতিবাবু অবশ্য স্বনামধন্য ব্যক্তি, কিন্তু আমরা রাতে পাঠকবর্গের নিকট যে তাহাকে পরিচিত করিয়াছি, তা শুধু ভার রায়ত-হিতৈষণার জন্য এবং বাতজনপ্রীতির দিক হইতে তাঁহার কোন কোন উক্তি আমরা বায়তে উন্নত করিল। দেখাইয়াছি, বাংলার সকল জমিদার এক ধাতুতে গঠিত নয়-এবং বুকের পাটা অতটা দৰজ কিলে সত্ম প্রচারে
অকুণ্ঠ ও নিম্ভীক হইতে পারা যায়, ক্ষিত্তিবাবুর ৩া পূৰা-
পুরী জাছে। ক্ষিতিবাবুর এই ‘তােমরা আমরা তার
বুকের পাটার আর এক পরিচয়। বইখানি পুত্র বটে,
কিন্তু কথাগুলি মোটেই ক্ষুদ্র নয়। ক্ষুদ্র ত নয়ই, বরং
কোন কথা এতটা ভারী যে তা ঠিক করিয়া ছােড়ায়
যেখানে যেটি উড়িয়া পড়িয়াছে তা বক্সের মতই পড়ি-
ছে। এই ধরণের বই বাংলায় বেশী নাই; অথচ এমন
পুথির আবশ্যকতা এই অধঃপতিত্ব বাংলার পক্ষে খুবই বেশী
বইখানির অনেক কথা আমরা রাতের পাঠকবর্গকে ক্রমে
নাই। এই বইয়ের মূল্য জানা মাত্র। ছাপা কাগজ ভাল
রায়,শনিবার, ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৩
।
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.