Garh Bhawanipur R.p. Institute, Howrah

Sadharan Gyan Ed.8

Sarkar,sudhir Chandra · 2010/05/3

PDF Proofread

Front matter

No text on this page.

No text on this page.

No text on this page.

No text on this page.

No text on this page.

সাধারণ জ্ঞান
সুধীরচ সরকার সম্পা
পরিবর্ধিত অষ্টম সংস্কৰণ
সি, সরকার অ্যাণ্ড সন্স লিঃ
১৫, কলেজ স্কোয়ার, কলিকাতা

১৯৩
কলিকাতা ১৫ কলেজ স্কোয়ার এ, সি, সরকার জাত সল টি
সরকার কি প্রকাশিত এবং কলিকাতা ১১৪১এ হাট,
হইতে ক্ষিতীশ ভট্টাচাৰ্য কর্তৃক মুত্রিত

ভূমিক্স এম সংকন ‘সাধাৰণ জ্ঞান ছেলেদের কর করা হল। এই "বণের বাংলা বই এই প্রথম। সকলেরই ধারণা আমাদের ছেলেমেয়েদের সাধারণ জ্ঞান বড়ই কম। এইজন্যে দেখা যায় বড় বড় প্রতিযােগিতা পরীক্ষায় অন্যান্য বিষয়ে খুব ভাল নম্বর পেলেও বাঙ্গালী ছেলেরা সাধারণ জ্ঞানের পৰীক্ষায় বড়ই পিছিয়ে পড়ে। কেবলমাত্র জ্ঞানের দিক দিয়ে দেখলেও এই ধরণের বইয়ের খুব আবশ্যকতা আছে। এই সব সামান্ত ও সাধারণ জ্ঞান পদে পদে দরকার হয়। এই সব অত্যন্ত সাধারণ জিনিষের জ্ঞান জানা না থাকলে পৃথিবীব কোন বিষয়ই ভাল কোরে বােপগম্য হয় না। আশা করি এই ধরণের বই ছেলেমেয়েদের নানা বকম শিক্ষার সহায়তা কোরবে। অইমসংকরণ এই সংস্করণে বইখানিকে অনেক বাডান হয়েছে। ছেলেমেয়েদের সাধারণ জ্ঞান বলতে যেটুকু বােঝায় সেটুকুই বা তার কিছু এই বই দেবার চেষ্টা হয়েছে—তাব অতিরিক্ত কিছু না দেবার চেষ্টা করা হয়েছে। ঠকানো প্রশ্ন বা বিশেষজ্ঞের জানবাব মত জ্ঞান বাদ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারেব জিনিষপ, পৃথিবীব নানা দেশের লােকন, আচার-ব্যবহার, জ্ঞািন, পশুপাখী গাছপালা, খেলাধুলা প্রভৃতি বিবিধ বিষয়ে বাছা বাছা মবেই', সঙ্কলন করা হযেছে। শ •রি এই সংস্করণের বইখানি ছেলেমেয়েদের পক্ষে আরাে উপযােয় নে হবে।

No text on this page.

No text on this page.

মেৰিকাব Sk! Srappen. পৃথিবীব অত্যুচ্চ পৰ্ব্বতশৃঙ্গ --- এভাবেষ্ট

সাধারণ জ্ঞান
বিবিধ প্রশ্ন
১। লিপ ইয়ারে কত দিন আছে?
২। চিড়িয়াখানা কি?
৩। পৃথিবীর সব চেয়ে বড় পাহাড় কোনটা?
৪। ঝান্স এণ্ডারসেন কে ?
৫। কি থেকে মাখন তৈরী হয় ?
৬। L. B, W. মানে কি?
৭। বয় স্কাউট দলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
৮। wolf cubs কাদের বলা হয় ?
৯। তােমাদের হৃদয় (heart) শরীরের কোন দিকে
আছে ?
১০। সূৰ্য কোন দিকে ওঠে?
১১। পিরামিড কি?
১২। কাত কাটে কি জিনিষ দিয়ে?
১৩। ‘দূরবীক্ষণ’ কি?
১৪। 'Boxing day কোন দিনকে বলে?
১৫। কি থেকে রেশম হয় ?
১৬। চুণীর রং কি?
১৭। ক্যালেঞ্জার কাকে বলে?

সাধারণ জ্ঞান
১৮। ক্রিকেট খেলায় ‘Maiden over মানে কি ?
Barometer কি কাজে লাগে ?
২০। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সহর কোনটি ?
২১। মরুভূমির জাহাজ’ (Ship of the desert)
কাকে বলা হয় ?
২২। মেহগনী কি জিনিষ ?
২৩। ডুবাে জাহাজ (Submarine) কি?
২৪।
মিকাতাে কে ?
২৫। মানুষ কখন সাবালক হয় ?
২৬। ঈশপ, কোন ধরণের গল্প লিখতেন ?
২৭। কোন তারা আমাদের উত্তর দিক দেখিয়ে দেয় ?
২৮। Amen’ মানে কি ?
২৯। Machine sun' মানে কি?
৩০। Stop watch কাকে বলে?
৩১। Hour glass কি জিনিষ ?
৩২। আলেয়া মানে কি ?
৩৩। হীরা কোথায় পাওয়া যায় ?
৩৪। সব চেয়ে বড় দিন কবে ?
সব চেয়ে হােট দিন কবে ?
O, H. M, S.এ কি বােঝায় ?
৩৭। Opal কি?
৩৮। Summer time মানে কি?

বিবি এন
D
৩৯। Mascot কি?
৪০। সূৰ্য-গ্রহণ কেন হয়?
৪১। Pairie কাকে বলে?
৪২। “রিম’ হিসাবে কোন জিনিষ খণা হয় ?
801 Totem pole' for?
881 Parachute for?
৪৫। সমুদ্রে জাহাজের দিক ঠিক করবার জন্য কোন যন্ত্রের
দরকার হয় ?
৪৬। Yankee' মানে কি?
৪৭। First Aid মানে কি?
৪৮। ওডি-কলােন কি জিনিষ ?
৪৯। কে সর্বপ্রথমে রেলওয়ে এঞ্জিন তৈরী করেন?
৫। কোন খাল প্রশান্ত ও এট্টলান্টিক মহাসাগরকে যােগ
করেছে।
৫১। টেনিস-ব্যাটের জালিদার অংশ কি দিয়ে তৈরী হয় ?
৫২। ক্রিকেট খেলায় Bump Ball' কাকে বলে ?
৫৩। চীনেরা কি দিয়ে ভাত খায় ?
৫৪। বাতাসে প্রধান কোন কোন গ্যাস আছে ?
৫৫। কি থেকে কয়লার উৎপত্তি হয়েছে ?
৫৬। কে বেতার আবিষ্কার করেছিলেন?
৫৭। Tommy Atkin কাদের বলা হয়।
৫। পিং পং কি?

সাধারণ ডন
৫৯। ফ্যাসিষ্ট কাদের বলা হয় ?
৬। প্রবাল দ্বীপ কেমন করে তৈরী হয় ?
৬১। কে প্রথমে উত্তর মেরু পেীছেছিল?
৬২। শরীরে কি রকম গতিতে রক্ত চলাচল করে ।
৬৩। Blue' কাদের বলা হয় ?
৬৪। Marathon Race কাকে বলা হয় ।
৬৫। Davis Cup' কি?
৬৬। M. C. Cর পুরাে নাম কি ?
৬৭। Ashes কি জিনিষ ?
৬৮। পৃথিবীর চারটি প্রধান জিনিষ কি?
৬৯। জিনিষের ওজন থাকে কেন?
৭। মানুষ জলে ভাসে কেন?
৭১। পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘােরে কেন ?
৭২। একমাত্র স্বাধীন হিন্দু রাজা কে?
৭৩। এয়ারােপ্লেন ও এয়ারশিপে তফাৎ কি ?
৭৪। আমেরিকার জাতীয় খেলা কোনটি ?
৭৫। বজ্রের আওয়াজ শােনবার আগে আমরা বিদ্যুৎ চমকানাে
দেখি কেন?
৭৬। কে অন্ধদের পড়ার উপায় আবিষ্কার করেছেন।
৭৭। আকাশের রং নীল কেন?
৭৮। মানুষের কয়বার দাঁত উঠে?
৭৯। হাজী বলে কাদের।

বিবিধ প্রন
•
৮। কত বৎসর অন্তর দেশের নােক-গণনা হয় ?
৮১। ননাবেল প্রাইজ কি ?
৮২। অজন্তা গুহা কি ?
৮৩। ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় নদী কোনটি ?
৮৪। হলিউড কিসের জন্য বিখ্যাত ?
৮৫। ভারতবর্ষের সবচেয়ে লম্বা রেলপথ কোনটি ?
৮৬। রবার জিনিষটা কি ?
৮৭। আমরা চোখে শর্ষে ফুল দেখি কেন?
৮৮। আমাদের নাক ডাকে কেন?
৮৯। ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় মিউজিয়ন কোনটি ?
১। প্রাচীন ভারতে কোন্ ছাত্র গুৰু-ভক্তি দেখাবার জন্যে
নিজে কৃষিক্ষেত্রে শুয়ে জল বন্ধ করেছিলেন?
৯১। কোন শিষ্য নিজে আঙ্গুল কেটে গুরুদক্ষিণা দিয়ে
ছিলেন ?
৯২। ভারতবর্ষের সবচেয়ে গরম জায়গা কোনটি ?
৯৩। ভারতবর্ষের কোন জায়গায় সবচেয়ে বেশী বৃষ্টি হয় ?
৯৪। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে উচ্চ মালভূমি কোনটি ?
৯৫। ছাপা কোথায় প্রথম আবিষ্কৃত হয় ?
৯৬। চোরাবালি কি?
১৭। ভিক্টোরিয়া ক্রস কি ?
৯৮। Refrigerator কি?
৯৯। A. M ও P. M, মানে কি?

সাধারণ জন
১০০। ক্রিকেটের Pitch কত লম্বা ?
১০১। জজ কখন কালাে টুপী পরেন ?
১২। S. O, S, মানে কি?
১০৩। পােলাে খেলার চকর (Chukker) কি ?
১০৪। স্পেনের জাতীয় খেলা কি ?
১০৫। ভারতবর্ষের Standard Time কি ?
১০৬। সবচেয়ে বড় ঘাস কি ?
১০৭। অনুবীক্ষণ কি?
১০৮। নাট সি (Nazi) কাদের বলে ?
১০৯। জোয়ার-ভাটা কেন হয় ?
১১। সাগরের জল ললনা কেন?
১১১। চা-এর ব্যবহার প্রথমে কোন দেশে হয় ?
১১২। লবঙ্গ কি জিনিষ ?
১১৩। দাচিনি কি জিনিষ ?
১১৪। কাপড়ের টানা’ আর ‘পড়েন কাকে বলে ?
১১৫। পেটে নেওয়া কাকে বলে?
১১৬। গালা কি জিনিষ ?
১১৭। কাগজ কোন্ দেশে প্রথম তৈয়ারী হয় ?
১১৮। এ দেশের সবচেয়ে বড় তীর্থ কি?
১১৯। লেড পেন্সিল কেন বলা হয় ?
১২। চুল পাকে কেন?
১২১। রেড ইণ্ডিয়ান কাদের বলে?

বিবিধ প্রশ্ন
১২২। 'তাজমহল' কি?
১২৩। কুমেলা’ কোন্ তীর্থে হয়।
১২৪। রথযাত্রার জন্য কোন্ তীর্থ প্রসিদ্ধ ?
১২৫। পারস্যের বর্তমান নাম কি ?
১২৬। ভারতের কোন্ সহরকে দাক্ষিণাত্যের রাণী বলা হয় ?
১২৭। এদেশের কোন্ অংশে আজও সিংহ দেখা যায় ?
১২৮। ভারতের কোথায় লবণের খনি আছে।
sai Olympic Games for?
১৩। গরম দেশের লােক কালাে কেন?
১৩১। কোন্ দেশে বেড়ালকে পূজা করা হতাে?
১৩২। কে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে পৌছেছিল ?
১৩৩। যুদ্ধের ফলে ইউনােপে কয়টি নূতন রাজ্য হয়েছিল?
১৩৪। আবিসিনিয়ার আর এক নাম কি?
১৩৫। ভারতবর্ষে কয়টি ভাষা প্রচলিত আছে?
১৩৬। প্রাকৃত ভাষা কাকে বলে?
১৩৭। বাতাসের গতিবিধি কি দেখা যায় ?
১৩৮। নেপােলিয়ন কোন স্থানে বন্দী হয়েছিলেন?
১৩১। গভর্ণমেন্টের বছর কোন সময় আরম্ভ হয় ?
১৪। নদীর ডানদিক কোনটা?
১০১। পচা ডিম জলে ভাসে কেন?
১৪২। কোরাণ কি?
১৪৩। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান টিকিট কোনটি ?

সাধারণ কান
১৪৪। সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপের কাচ কোনটি ?
১৪৫। সমুদ্রের কত নীচে মানুষ যেতে পেরেছে।
১৪৬। সবচেয়ে বড় রেলওয়ে সেতু কোনটি ?
১৪৭। ইউনিয়ন জ্যাক কাকে বলে?
১৪৮। কত ডিক্রি তাপে জল ফোটে।
১৪৯। বড়লাটের মাহিনা কত ?
১৫০। কলকাতায় কার মােটর গাড়ীর নম্বর নাই ?
১৫১। নারীর দ্বারা কি বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার হয়েছিল?
১৫২। কে সর্বপ্রথমে পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরেছিলেন।
১৫৩। দক্ষিণ মেরুতে দিনের পরিমাণ কত?
১৫৪। সবচেয়ে হালকা মৌলিক পদার্থ কি ?
১৫৫। জলে কি কি মৌলিক পদার্থ আছে?
১৫৬। গরুর কটা পাকস্থলী আছে?
১৫৭। কুইনিন কি থেকে হয় ?
১৫৮। মানুষের দেহের সাধারণ উত্তাপ কত ?
১৫৯। মৌসুমী বায়ু কি?
১৬। ডাইনামাইটের আবিষ্কারক কে?
১৬১। ইংরাজীতে কোন সংখ্যা অপয়া ?
১৬২। কোন্ বিখ্যাত সাহিত্যিক কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রথম গ্রাজুয়েট ?
১৬৩। এমন মহাদেশের নাম কর যার একটি মাত্র রাজধানী।
১৬৪। Good Bye এর মানে কি?

বিবিধ এন ১৩ ১৬৫। জনবুল কাকে বলা হয়? ১৬৬। বয়স্কাউটের motto কি? ১৬৭। কোন ভারতবাসী প্রথম Victoria Cross পান? ১৬। Test matchএ ইংল্যাণ্ডের হােয়ে কোন্ কোন্ ভারত- বাসী ক্রিকেট খেলেছিলেন। ১৬৯। ওলিম্পিক gamesএর কোন্ খেলায় ভারতবাসী প্রথম স্থান অধিকার করেছে ? ১৭। শুভঙ্কর’ কে ছিলেন? ১৭১। জুজুৎ কি? ১৭২। ভারতবর্ষের ইতিহাস-প্রসিদ্ধ গিরিপথ কোনটি ? ১৭৩। হারাকিরি’ কি? ১৭৪। ভূমিকম্পের কম্পন মাপার যন্ত্রের ইংরাজী নাম কি? ১৭৫। মেরুজ্যোতি (Aurora Borialis) কাকে বলে? ১৭৬। বাঙ্গালা দেশে কয়টি জেলা? ১৭৭। সুন্দর বনের নাম কোথা থেকে হােল? ১৭৮। অমৃত সহর কিসের জন্য প্রসিদ্ধ ? ১৭৯। কামাল আতাতুর্ক কে? ১৮। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কোন্ সালে স্থাপিত হয়েছে? ১৮১। কোন্ কোন ভারতবাসী ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সভ্য হয়েছিলেন? ১৮২। কোন দেশের শাসনকর্তা একজন ধর্মযাজক ? ১৩। কোন জাত মৃতদেহের সৎকার করে পাখী দিয়ে। *

১০
সাধারণ গান
১৯১।
১৮৪। কোন্ জাতের দেহে সব সময় পাচটি জিনিষ রাখতে হয়।
১৮৫। গড়ে মােরকারের আয়ু কত দিন?
১৮৬। সব চেয়ে বড় জাত কোনটি (Largest single nation)।
১৮৭। কোন্ মহিলা দুইবার নােবেল প্রাইজ পেয়েছেন?
১৮৮। পিতল কি কি ধাতু মিলিয়ে তৈরী করা হয় ?
১৮৯। কাঁসা কি কি ধাতু মিলিয়ে তৈরী করা হয় ?
১৯০। ইস্পাত কি ?
‘রাং কি?
১৯২। সিকি, দুয়ানী কোন্ ধাতুর তৈয়ারী?
১৯৩। টাকা, আধুলি কোন ধাতুর তৈয়ারী ?
১৯৪। তামা কোন্ কাজে সব চেয়ে বেশী ব্যবহার করা হয়?
১৯৫। ছাপার অক্ষর প্রধানতঃ কোন্ ধাতুর তৈয়ারী ?
১৯৬। লােহার চাদর গ্যালভানাইজ’ করা হয় কেমন করে।
১৯৭। ইলেকট্রোপ্লেট' কি?
১৯৮। ফোটোগ্রাফের প্লেট ও কাগজে কোন্ খাতু সব চেয়ে
বেশী লাগে?
১৯৯। ধাতুর চাদর বা পাত কেমন করে তৈয়াৰী হয়?
২০০। বৈদ্যুতিক বাতির সূক্ষ তার কোন্ ধাতুর তৈয়ারী
২০১। আলকাতা কি?
২২। আলকাতরা কি কাজে লাগে ?
২০৩। পেট্রল কোথায় পাওয়া যায় ?
২৪। পেট্রলের সঙ্গে আর কোনও জিনিষ পাওয়া যায় কি?

বিবিধ প্রশ্ন
২৫। তারপিন তেল কি থেকে পাওয়ায়
২০৬। রজন কি থেকে পাওয়া যায় ?
২৭। ফিনাইল’ কি?
২০৮। ন্যাপথেলিন কি থেকে তৈয়ারী হয়।
২০৯। সিরিষ কি থেকে তৈরী হয় ?
২১০। সাবান কি দিয়ে তৈয়ারী হয় ?
২১১। এনামেলের বাসনের এনামেল জিনিষটি কি ?
২১২। ছাপার কালী কি দিয়ে তৈরী হয় ?
২১৩। ‘পুটি কি দিয়ে তৈয়ারী হয় ?
২১৪। তেল রংএর প্রধান উপাদান কি?
২১৫। কাঠের পালিশ কি দিয়ে তৈরী হয় ?
২১৬। খুনখারাপ’ রং কি জিনিষ ?
২১৭। “সিমেন্ট’ বা ‘বিলাতি মাটি কি থেকে তৈরী হয় ?
২১৮। মােম কোথায় পাওয়া যায় ?
২১৯। কোকো’ কি জিনিষ ?
২২। কফি কি জিনিষ ?
২২১। কাগজ কি দিয়ে তৈয়ারী হয় ?
২২২। কলকাগজতৈয়ারী হয়ে প্রথম কিঅবস্থায় থাকে?
২২৩। হাতে কাগজ তৈয়ারী হয়ে প্রথম কি অবস্থায় থাকে?
২২৪। পিচবাের্ড’ কি থেকে তৈরী হয়।
২২৫। কাগজের চওড়া লম্বা ধান কোন্ কাজে লাগে।
২২৬। নকল রেশম কি থেকে তৈয়াৰী হয় ?

সাধারণ জ্ঞান
?
২২৭। পশম কি থেকে তৈরী হয় ?
২২৮। বর্ষাকালে শুন খুব ভিজে যায় কেন?
২২৯। ধাতুর তার কি করে তৈয়ারী হয় ?
২৩০। হরা-গুলি কি করে তৈয়ারী করা হয় ?
২৩১। কাপড়-বােনা কলের নাম কি?
২৩২। সুতা-কাটা কলের নাম কি?
২৩। কল ছাড়া আর কোনও উপায়ে সুতা কাটা হয় কি ?
২৩। ভারতবর্ষের কোন্ অঞ্চলে তুলার চাষ বেশী হয়।
২৩৫। খাটি সােনা জানার উপায় কি ?
২৩৬। বাংলা দেশের কোন কাপড় ইতিহাস প্রসিদ্ধ
২৩৭। মুক্তা কোথায় পাওয়া যায় ?
২৮। কাচ কি থেকে তৈরী হয় ?
২৩৯। কাচের ফুকা’ শিশি কেন বলে ?
২৪। তিমির তেল কোন্ কাজে লাগে।
২৪১। ছবি আঁকার তুলির লােম কি থেকে পাওয়া যায়?
২৪২। শুশুকের তেল কোন্ কাজে লাগে ?
২৪৩। ঘােড়র লেজের নােম কোন্ কাজে লাগে ?
২৪৪। নারিকেলের ছােবড়া কোন্ কাজে লাগে ?
২৪৫। হােট শামুক, গুগলি কোন্ কাজে লাগে ?
২৪৬। লােহার ঢালাই
জিনিষ তৈয়ারীর জন্য কাঠ লাগে
কিসে?
২৪৭। কাঠের গুড়া কি কাজে লাগে ?

বিবিধ গুন
২৪৮। কাঠের লাঠির মাথা বাঁকায় কেমন করে?
২৪৯। ব্লটিং বা চুষ-কাগজ কালী শােষে কেন?
২৫। বাড়ী তৈয়ারীর ইট সাধারণতঃ কত বড় হয়।
২৫১। ইট কি দিয়ে গাঁথা হয় ?
২৫২। পাথরী চূণ আর কলিচুণে তফাৎ কি এবং কোষ্টা
কোন্ কাজে লাগে।
২৫৩। চীনামাটি কেন বলি ?
২৫৪। কর্ক কি জিনিষ ?
২৫৫। জৈত্রী আর জায়ফল কি?
২৫৬। কিসমিস, মানা কি থেকে হয় ?
২৫৭। শীত বেশী হলে মাহিরা কোথায় যায়?
২৫৮। পাথুরে-ঝামা কোথা থেকে আসে।
২৫৯। মৃগনাভি কি জিনিষ ?
২৬। মখমল কি
২৬১। বনাত কি এবং কি করে তৈরী হয়।
২৬২। কলম প্রথমে কি থেকে তৈরী করা হতাে?
২৬৩। নেবার কালী কবে প্রথম তৈয়াৰী হয় ?
২৬৪। কালাে কালী কি দিয়ে তৈরী হয় ?
২৬৫। এবার প্রধানতঃ কোন্ কোন্ দেশে জন্মায় ।
২৬৬। রবারের প্রধান ব্যবহার কি কি?
২৬৭। কপূর কি ?
২। | Duce কে বলে ?
?

১
লাশন
২৬৯। দিয়াশলাইএর কাঠি, বালের পাশে না ঘষলে জলে
না কেন?
২৭। Nesus কাকে বলে?
২৭১। গায়কৰাড় কে?
২৭২। সিন্ধিয়া কে?
২৭৩। হােলকার কে?
২৭৪। নিজাম কে ?
২৭৫। কোথাকার রাজাকে ‘জাম সাহেব বলে।
২৭৬। সূৰ্য্য পূর্ব দিকে ওঠে কেন?
২৭৭। ইয়াণের (পারস্যের) মজাকে কি বলে?
২৭৮। আফগানিস্থানের রাজাকে কি বলে?
২৭৯। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ কোনটি?
২৮। পৃথিবীর তিনটি বড় সমুদ্রের নাম কি ?
২৮১। সাধারণতঃ সমুদ্রের গভীরতা কত?
২২। আলাে কত দ্রুতবেগে যায় ?
২৮৩। সূর্য থেকে পৃথিবী কত দূর?
২৪। শব্দ কত দ্রুত বেগে যায়।
২৮৫। পৃথিবীর ছয়টা বড় জাতের নাম কী?
২৬। পৃথিবীর সব চেয়ে বড় সুড়ঙ্গের নাম কি ও কোথায়?
২৭। কলিকাতা কে স্থাপন করেছিল?
২৮। GrandTrunk Road কে প্রথমে নির্মাণ করেন।
২৯। বাংলায় কুলীন প্রথা কে প্রথমে স্থাপন করেন।

বিবিধ প্রম
১৯
২৯। দালাই লামা কে?
২৯১। ভারতবর্ষের কোন কোন্ সহরে ট্রাম আছে।
২৯২। ভারতবর্ষের সব চেয়ে ছােট প্রদেশ (Province)
কোনটি?
২৯৩। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় জুতার কারখানা কোথায় ও
কোনটি?
২৯৪। অক্টোপাস কি?
২৯৫। এপ্রিলফুল’ কাকে বলে ?
২৯৬। পাসপাের্ট (Passport) মানে কি?
২৯৭। কত টাকা নিলে রসিদ ষ্টাপ দিতে হয়।
২৯৮। মুসলমানদের শাল ‘হিজরী কোন সময় থেকে আরম্ভ
২৯৯। বর্ধমান মহাবীর কে?
৩০০। প্রথম বাংলা ছাপা বই কি।
৩১। উড়াে জাহাজ (Airship) চালানাের জন্যে কোন গ্যাস
ব্যবহার করা হয়?
৩২। লঞ্চের বর্তমান রাজবংশের নাম কি?
৩৩। কংগ্রেসের দুইজন মহিলা সভাপতি কে কে?
৩৪। নিজামের বড় ছেলের উপাধি কি ?
৩৫। বাংলা দেশে কয়টি দেশীয় রাজ্য আছে।
৩৬। কোন দেশকে ইউরােপের খেলার মাঠ” বলে।
৩৭। কোনকে Roof of the world' বলা হয় ?

২০
সাধারণ জ্ঞান
৩৮। তানসেন কে ছিলেন?
৩৯। খেলায় dead heat মানে কি?
৩১০ | Dark Continent কোন মহাদেশকে বলা হয় ?
৩১। কোন দুইটি স্থান ভারত শাসন হতে বিচ্ছিন্ন
হয়েছে?
৩১২। সুয়েজখাল কে তৈরী করেন?
৩১৩। Philatelists কাদের বলা হয় ?
৩১৪। ডিমের কোন অংশ থেকে বাচ্চা হয় ?
৩১৫। রাজা কখনও মরে না (King never dies) এর মানে
কি?
?
৩১৬। আমেরিকার জাতীয় খেলা কোনটি
0991 'Armistice Day' for?
৩১৮। Coneete কাকে বলে?
৩১৯। খালসা কি ?
৩২। Uncle san কাকে বলা হয় ?

জীব-জন্তু ও গাছপালার প্রশ্ন
১। কোন্ জন্তু সবচেয়ে বেশী দৌড়তে পারে।
২। বাদুড় কি পাণী?
৩। সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ কি ?
৪। ময়ুরের লেজে কটা পালক আছে?
৫। মৌমাছিরা গুন্ গুন্ শব্দ করে কেন?
৬। আফ্রিকার হাতী আর ভারতের হাতীতে তফাৎ কি?
৭। কোন্ জন্তু খুব বেশী দিন বাঁচে।
৮। সবচেয়ে সাহসী জন্তু কোনটি ?
৯। কোন্ জন্তু তার শিশুকে থলের মধ্যে রাখে?
১০। বেড়ালের পায়ে কটা নখ আছে?
১১। মাকড়সার কটা পা ?
১২। বাতির আলাের দিকে পােকারা উড়ে যায় কেন?
১৩। কোন সামুদ্রিক জন্তু সামনের দিকে সাঁতার দিতে পারে
ন?
১৪। গােরা নিচের দিকের চেয়ে উচু দিকে বেশ জোরে
দৌড়তে পারে কেন
১৫। কোন্ জন্তুকে ছুঁলেই ল্যাজ খসে পড়ে।
১৬। কোন্ অন্তু বহরের বেশী সময় না খেয়ে ও নিশ্বাস না
ফেলেচে থাকতে পারে।

২২
কারণন
১৭। ক্যাঙ্গারু কোন্ দেশের জীব?
১৮। ইয়াক’ কি?
১৯। জীব-জন্তু আর গাছপালায় মিল কিসে?
২০। বানর, বনমানুষ আর বেবুনে তফাৎ কি?
২১। বাদুড়, জন্তু না পাণী?
২২। কোন্ জন্তুর দাত নেই?
২৩। সরীসৃপ কারা?
২৪। কুকুর, বিড়াল, গরু, ঘােড়া প্রভৃতি পশুর সঙ্গে সরীস্থপের
প্রধান তফাৎ কি?
২৫। পােকারা নিশ্বাস নেয় কেমন করে?
২৬। মাকড়সা জাল বােনে কেন ?
২৭। বিড়াল জলকে এত ভয় করে কেন?
২৮। উট কেমন করে বহু দিন অনাহারে থাকতে পারে?
২১। উট কেমন করে বহুদিন জল না খেয়ে থাকতে পারে?
৩০। হাতীর শুড় কিসের জন্য?
৩১। ঝিঝি পােকারা কি কি শব্দ কেমন করে করে।
২। ঝিবিপােকার কান কোথায় থাকে।
৩৩। শুক কি না?
৩৪। গাহেরা খায় কেমন করে?
৩৫। গাহ নিশ্বাস নেয় কেমন করে?
৩৬। গাছ কেমন করে বাতাস বিও করে।
৩৭। গাছের বয়স বলা যায় কেমন করে?

জীবিকা ও গাছপালার এন
২৩
৮। আবলুষ কাঠ কি এবং কোথায় পাওয়া যায় ?
৩৯। নীলগাই কি?
৪। লেমুর কি ?
৪১। ওকাপি কি?
৪২। পুমা কি ?
৪৩। আম্মাডিলাে কি?
৪৪। কোন পাখী অন্য পাখীর বাসায় ডিম পাড়ে।
৪৫। বাচ্চা হবার আগে মুরগী কতদিন ডিমে বসে
৪৬। এমু (Emu) কি?
৪৭। ব্যাঙ্গাচি কি ?
৪৮। হাঁস জলে ভিজে যায় না কেন?
৪৯। সাপ৷ শীতকালে কোথায় থাকে?
৫০। এক বছরে মুরগী গড়ে কয়টি ডিম পাড়ে।
৫১। তিমি মাছ কত বৎসর পর্যন্ত বাঁচে।
৫২। পােকাদের দিয়ে জমির কি উপকার হয়?
৫৩। সরচেয়ে বড় চতুষ্পদ জন্তু কোনটি?
৫৪। কোন জন্তু চোখ ও নাক দিয়ে নিঃশ্বাস ফেলে?
৫৫। সবচেয়ে দ্রুতগামী মাছ কি?
৫৬। সবচেয়ে লম্বা জন্তু কোনটি ?
৫৭। শামুকের চােখ কোথায় থাকে।
৫৮। তিনি কি মাছ।

২৪
সাধারণ জ্ঞান
৫১। আহ কি কখনও চোখ বেয়ে
৬০। স্পঞ্জ জিনিষটা কি ?
৬১। জার’-কাটা কাকে বলে?
৬৪। বেড়াল কি খুব অন্ধকারে দেখতে পায়।
৬৩। হাতী কি তড় দিয়ে জল খায়?
৬৪। কোন জন্তু বেশীর ভাগ সময় মাথা নীচের দিকে রেখে
ঝুলে থাকে।
৬৫। এমন একমাত্র জন্তুর নাম কর, যে কোন শব্দ করতে
পারে না।
বিজ্ঞানের
প্রশ্ন
১। মেরে এ কেমন করে হয় ?
২। বৃষ্টি কেমন করে হয় ?
৩। মরুভূমির জন্ম কেমন করে হয় ?
৪। বড় কেন করে হয়?
৫। মরীচিকা কি ?
৬। চাষের মণ্ডল’ কখন দেখা যায় ?
৭। বাতাস চলে কেন?
৮। কুয়াশা কেমন করে হয়?

বিনের এ
• ৯। তাপ কি?
১০। তাপ লাগলে জিনিসের কি পরিবর্তন হয় ?
১১। তাপ মাপা যন্ত্রের নাম কি ?
১২। মানুষের শরীরের স্বাভাবিক উত্তাপ কত ?
১৩। পৃথিবীর চারিদিকে কত পুৰু বাতাসের স্তর আছে?
১৪। বাতাসের চাপ মাপার যন্ত্রের নাম কি?
১৫। মাধ্যাকর্ষণ কি?
১৬। মাধ্যাকর্ষণের নিয়ম কে প্রথম আবিষ্কার করেন?
১৭। আমরা কেন বেশী উচু লাফাতে পারি না।
১৮। জিনিষ জলে ভাসার নিয়ম কি?
১৯। নােনা হলে সহজে ভাসা যায় কেন?
২০। চলন্ত গাড়ী থেকে নামলে কেন পড়ে যাই।
২১। পৃথিবীর সমস্ত অংশই কি ঘুরছে।
২২। “বিষুব-রেখা কাকে বলে?
২৩। পৃথিবী ঘােরার ফল কি?
২৪। পৃথিবীর সব দেশের ঘড়িতে কি একই সময় ।
২৫। ঋতু হয় কেন?
২৬। দিন হােট-বড় হয় কেন?
২৭। মেরুতে দিনের পরিমাণ কি রকমের।
২৮। বিষুব-লেখার দিনের পরিমাণ কি রকমের?
২৯। পৃথিবীর মাটির নীচে কি আছে?
৩। মাটিতে খুব বেশী গভীর গর্ত খোঁড়া যায় না কেন?

সাধারন
।
৩১। “উষ্ণপ্রস্রবণ (গরম জলের ঝরণা) কেমন করে হয় ?
৩২। ভূমিকম্পের কারণ কি?
৩৩। পাথর কি তরল (গান)হতে পারে।
৩৪। পাথরের প্রধান দুটি শ্রেণী কি?
৩৫। বালি আর কান কোথা থেকে আসে?
৩৬। পাথরের চশমা’ কোন্ পাথরের তৈয়ারী।
৩৭। 'টে’ পাথর কি থেকে জন্মায়।
৩৮। খড়ি কি জিনিষ ?
৩৯। খড়ির জন্ম জলের নীচে, কেমন করে জানা যায়?
৪। রূপার জিনিষ সহজে কালাে হয়ে যায় কেন?
৪১। পালা কি জিনিষ ।
৪২। নােনা জলের বরফের স্বাদ কি রকম?
৪৩। কোনও কোনও দিনে ভিজা কাপড় কেন তাড়াতাড়ি
৪৪। মুখের তাপ কখন ধোঁয়ার আকারে দেখা যায়?
৪৫। মে কেন উচুতে থাকে।
৬। কোথায় মেধ বেশী দেখা যায় ?
৪৭। দুপুরে রামধনু দেখা যায় না কেন?
৪৮। শিশির কি এবং কেন হয়?
৪৯। নদীর জন্ম কেমন করে হয় ?
৫। শিলাবৃষ্টি কেমন করে হয়?
৫১। শীতের দেশে বরফ পড়ে কেমন করে?

বিনের এন
৫২। বরফ জলে ভাসে কেন?
৫৩। বাতাসকে কি তরল (লের মত) করা যায়?
৫৪। বাতাসের চাপ থেকে আবহাওয়ার আন্দাজ হয় কি?
৫৫। বাতাসে কেমন করে জমি উর্বরা করে।
৫৬। শব্দ কি করে শােনা যায়।
৫৭। শব্দ কত তাড়াতাড়ি চলে ।
৫৮। প্রতিধ্বনি কি?
৫১। সেকালের নােক কেমন করে আগুন জ্বালত।
৬০। আলাে কি?
৬১। নিম্নলিখিত কোন জিনিষের ভিতর দিয়ে শব্দ বেশী
দ্রুতগতিতে যায়-বাতাস, জল, লােহা।
৬২। সূৰ্যে কয় রকম রং আছে।
৬৩। এক্সরে কি জিনিষ
৬৪। Steam Engineএর আবিষ্কারক কে?

জগৎ
আকাশে চন্দ্র সূৰ্য্য ছাড়া আমরা অনেক উজ্জ্বল বস্তু বা
জ্যোতিষ্ক দেখিতে পাই। এগুলি সাধারণত দুই শ্রেণীতে ভাগ
করা যেতে পারে ;-১) গ্রহ, (২) নক্ষত্র। গ্রহরা আমাদের
পৃথিবীর জাত ভাই, এরা পৃথিবীর মতই সূর্যের চারিদিকে
যােরে। এদের কথা পরে বলছি (সৌরজগৎ দেখা নক্ষত্ররা
আমাদের সূৰ্যের জাত ভাই। সূর্যের বহু কোটি কোটি মাইল
দূরে রয়েছে বলে এদের এত ঘােট দেখায়। এদের কারও
আবার গ্রহ আছে।
রবি, শনি, ইত্যাদি জ্যোতি ছাড়া আকাশে আমরা আরও
চার রকমের জিনিষ দেখি;-) ছায়াপথ, (২) নীহারিকা,
(৩) ধূমকেতু (৪) উল্কা।
ঘপথ পরিষ্কার রাত্রে আকাশের গায়ে পাতলা সাদা
মেঘের একটা চওড়া হােপের মতন দেখা যায়। বড় দূরবীণ
দিয়ে দেখলে এর মধ্যে ছােট ছােট তারার সমষ্টি দেখতে
পাওয়া যায়।
নীহারিকা বা হােট জিনিষ—তারার চেয়ে অনেক
বড়। এইগুলি বাপের মত জিনিষের তৈয়ারী, হয়ত পরে
জমাট বেঁধে সূর্যের মত হবে।
‘ধূমকেতু মাঝে মাঝে আকাশে দেখা যায়। নীহারিকার

সৌরগজৎ শত এগুলিও বাস্পীয় জিনিষে তৈরী। হ্যালির ধূমকেতু (Halley Comet) ১৯১০ খৃষ্টাব্দে একবার দেখা দিয়েছিল। তার একটি প্রকাশ লম্বা ঝাঁটার মত লেজ ছিল। উকা তােমরা আকাশে দেখেছ। উজল তারার মত জিনিষ। অত্যন্ত বেগে আকাশ পথে কিছু দূর গিয়ে শেষে অন্ধকারে মিলিয়ে যায়; কোন কোন সময় পৃথিবীর গায়ে এসেও পড়ে। তাকে তারাখসা বলে-বাস্তবিক তা উল্কাপাত ছাড়া কিছুই না। উল্কাপিণ্ডগুলি পাথরের মতন হােট জিনিষ ; শূন্য- পথে ছুটে বেড়ায়; পৃথিবীর আকর্ষণ সীমার মধ্যে তারা বায়ু মণ্ডলে এসে পড়লে বাতাসের ঘষায় জ্বলে ওঠে। সৌর জগৎ সুৰ্যসূৰ্য্য পৃথিবী থেকে ৯২৯ মিলিয়ন মাইল দূর এবং সূর্যের ব্যাস ৮৬৪১০০ মাইল। পৃথিবীর চেয়ে সুৰ্য ৩৩৩৪৩২ গুণ বড়। একটা রেলগাড়ী ৬০ মাইল গতিতে দৌড়ে ১৭৫ বৎসরে সূৰ্যে পৌঁছতে পারে, কিম্বা একটা এয়ােপ্লেন ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে গেলে ১০৫ বৎসরে সূৰ্যে পৌছতে পারবে। সূর্যের আলাে ৪৯৯ সেকেণ্ডে পৃথিবীতে এসে পৌঁছয়।

সাধারণ জন
যা পৃথিবীর উপগ্রহ; পৃথিবী থেকে ২৩৯০০
মাইল দূরে অবস্থিত, এবং ব্যাস ২১৬ মাইল।
হ—এরা সূর্যের চারিদিকে ঘােরে, এদের নাম হচ্ছে
Mercury, (TV) Venus, ( o ) Earth, (177) Mars
(মঙ্গল) Jupiter, (বৃহস্পতি), Satun (শনি), Uranus,
Neptune. এ ছাড়া ১৩০৯ সালে দুটো নামে আর একটা মুতন
গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে। জুপিটার সব চেয়ে বড় গ্রহ। পৃথিবী
অপেক্ষা ৯৮৩ গুণ বড়। মার্কারী সব চেয়ে ছােট গ্রহ।
পৃথিবীপৃথিবীর ক্ষেত্র ১৯৬৫৫০০০০ বর্গ মাইল।
পৃথিবীতে ৫৫৫০০০০০ বর্গ মাইল জমি এবং ১৪১০৫০০০ বর্গ
মাইল জল আছে। ইহা সূর্যের চারিদিকে গড়ে সেকেণ্ডে ১৮২
মাইল বেগে ঘােরে।
উপই—এ গুলাে গ্রহের চারিদিকে ঘােরে; যেমন
চন্দ্র। খালি চোখে ঈদ ছাড়া এদের খুব বড়টাকেও দেখা যায়
। এদের ব্যাস সাধারণত ৫০০ মাইলের বেণী নয়।

0 0
।
আমাদের পৃথিবী
বিষুব রেখা (tor) পৃথিবীর ব্যাস ৭৯২৬২ মাইল
এবং মেরুর দিক দিয়ে ( Pole) ৭৯০০ মাইল। পৃথিবীর জমির
মধ্যে এশিয়া ও অংশ এবং ইউরােপ অংশ দখল করে আছে।
তিনটে বড় মহাসাগর হচ্ছে, এটলান্টিক ৪১৩২১০০০ বর্গ মাইল,
প্রশান্ত মহাসাগর ৬৮৬৩৪০০০ বর্গ মাইল এবং ভারত মহাসাগর
২৯৩৪০০০ বর্গ মাইল। নদী ও হ্র পৃথিবীর গায়ে ১০০০০০০
বর্গ মাইল দখল করে আছে। আর সমুদ্রের ১৯১০০০০ বর্গ মাল
দখল করে আছে দ্বীপগুলি। জমির উচ্চতা গড়ে ২৮০০ ফিট,
আর সমুদ্রের গভীরতা গড়ে ১২৫০০ ফিট।
পৃথিবীর উর্বরা ভূমি ৩৩০০০০০০ বর্গ মাইল ; তেল
(Steppe) ভূমি ১৯০০০০০০ বর্গ মাইল, মরুভূমি ৫০০০০০০
বর্গ মাইল।
সমুদ্রের সবচেয়ে গভীর স্থান ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ ও
জাপানের মধ্যে মিডিয়ানাে নামক জায়গায় অবতি।
এখানকার সমুদ্রের গভীরতা ৩৪,২১০ ফিট আর পৃথিবীর উচ্চতম
বান হচ্ছে ২৯০০১ ফিট (এভারেস্টের শীর্ব)। তা হলে গভীর
সমুদ্রের তলদেশ থেকে উচ্চ পাহাড়ের চূড়া দূরত্বে ৬৩২১২ ফিট
অর্থাৎ ১১ মাইলেরও বেশী।

•দেশের কথা । লোেকসংখ্যায় ভারতবর্ষের সব প্রদেশের মধ্যে বাংলা দেশ সবচেয়ে বড়। ভারতে হিন্দু ধর্মই সবচেয়ে অধিক সংখ্যক লােকের ধর্ম- গড়পড়তা ১০,০০০ হাজারে, ৬,৮২৪ জন লােক হিন্দু। ভারতবর্ষে ২৩১৬টি শহর ও ৬৮৫৬৬৫টি গ্রাম আছে। মাজাজের ভিজিগাপত্তম সব চেয়ে বড় জেলা। বর্ষায় লেখাপড়া জানার সংখ্যা সব চেয়ে বেশীবাজারে ৩৬৮ জন লোেক লেখাপড়া জানে। সবচেয়ে বড় দেশীয় রাজ্য হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর-এর পরে হায়াবা। সব প্রদেশের মধ্যে পালাবে মেয়ে মানুষের সংখ্যা সব চেয়ে কম, এক হাজার পুরুষের তুলনায় ৮৩১ জন মেয়ে মানুষ আছে। মধ্য প্রদেশের মৃত্যুসংখ্যা সবচেয়ে বেশী, বার্ষিক হাজার করা ৩৩৫। মাজে মেয়েদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী, ১০০০ পুরুষের তুলনায় •২৫ মেয়েমানুষ আছে। ভারতের নরনারীর সংখ্যা ৩৫ কোটি, পৃথিবীর জনসংখ্যার , তার মধ্যে শতকরা ৮জন লেখাপড়া জানে-ইংলণ্ডে শতকরা ১৯৬৬ জন ও জাপানে শতকরা ৯৯১২ জন লেখাপড়া জানে।

বের কথা
বাংলা দেশে বিধবাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী-বাংলায় এক
হাজার মেয়ের মধ্যে ২২৬ জন বিধবা।
মহীশূর রাজ্যের অন্তর্গত কোলার নামক স্থানে সােনা পাওয়া
যায়।
আসামে মৃত্যুসংখ্যা সবচেয়ে কমবার্ষিক মাত্র ২৩৮।
পৃথিবীর অর্ধেক চা ভারতবর্ষে জমে।
তুলার চাষে ভারতবর্ষ পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার
করে।
বাংলাদেশের লােকসংখ্যা প্রতি বর্গ মাইলে ৫৭৯ ভারতবর্ষের
মধ্যে সবচেয়ে বেশী ।
ভারতবর্ষের উত্তর থেকে দক্ষিণ (অর্থাৎ কাশ্মরি থেকে কুমারিকা
অন্তরীপ) ২০০০ মাইল, আর পূর্ব থেকে পশ্চিম ২৫০০
মাইল। সমগ্র ভারতবর্ষ বৃটিশ দ্বীপপুঞ্জের প্রায় ২২ গুণ বড়।
বৃটিশ ভারতে প্রত্যেক বর্গ মাইলে ১৯৬ জন লােবাস করে।
ভারতবর্ষে শতকরা ৭০ জন লােকের কৃষিকাৰ্য একমাত্র
উপজীবিকা।
জেলা হিসাবে মৈমনসিংহের লােকসংখ্যা সবচেয়ে বেশী।
ভারতবর্ষে প্রায় শতকরা ৯০ জন পল্লীগ্রামে বাস করে।
বােম্বাই থেকে পেশােয়র প্রায় ১৫০০ মাইল আর পেশােয়ার
থেকে কলিকাতা প্রায় এত মাইলেরই তফাৎ। কলিকাতা
থেকে দিল্লী ৯০০ মাইল আর বােম্বাই থেকে দিল্লী ৯৫০
মাইল। কলিকাতা থেকে বােম্বাই হচ্ছে প্রায় ১২০০ মাইল।

৩
সাধারণ জ্ঞান
প্রায় সমস্ত দেশটার আবহাওয়া সাধারণত গরম। ভাবে
পাহাড়ের দিকের অংশ ঠাণ্ডা।
এদেশের বৃষ্টি সম্পূর্ণরূপে মৌসুমী বায়ুর (monsoon) উপর
নির্ভর করে। এই মৌসুমী বায়ু দুই রকম—দক্ষিণ-পশ্চিম
মৌসুমী বায়ু ও উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু। এই মৌসুমী
বায়ু থাকা সত্বেও সব স্থানে বৃষ্টির সমতা নাই, চেরাপুঞ্জিতে
বছরে গড়ে ৪৫০ ইঞ্চি এবং সিন্ধু প্রদেশে মাত্র ৬৫ ইঞ্চি
বৃষ্টি হয়।
ভারতবর্ষের জমীর পরিমাণ হচ্ছে ১৮,৯,০০০ বর্গ মাইল।
লােকসংখ্যা হচ্ছে ৩৫২০,৮৬৮৭৬ জন অর্থাৎ সমস্ত পৃথিবীর
। লােক ভারতবর্ষে বাস করে।
ভারতবর্ষের বড় বড় সহর ও লােকসংখ্যা :-
मरन
লােকসংখ্যা
কলিকাতা (হাওয়া সমেত) ১৪,১৯,৩২১
বােম্বাই
১১৫৭,৫১
মাজ
৬,৪৭২২
मिनी
৪,৪৭,৪৪২
লাহাের
৪,২৮৭৪৭
ভারতবর্ষে ৩৫টা সহরের লােকসংখ্যা ১০,০০,০০০ উপর।
ভারতবর্ষে ৭০০ দেশীয় রাজ্য আছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে
বড় হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর। সবচেয়ে ছােট হচ্ছে রাজ
পুতনার লাওয়া’ রাজ্য-লােকসংখ্যা মাত্র ২৭০০।

দেশের কথা
ভারতবর্ষে প্রচলিত ভাষার সংখ্যা হচ্ছে ১২৫ রকম। এর মধ্যে
নিম্নলিখিত ভাষাগুলি বেণী প্রচলিত
বাংলা
৫,৪,৬৯,০০০
हिन्दी
৭৪,১৪,০০০
মারহাটি
২,৮,৯০,০০০
মিল
২,৪,১২,০০০
২,৬৩৭৪,০০০
ভারতবর্ষে সহরের সংখ্যা হচ্ছে ২৫৭৫ ; পাঁচ হাজার লােক
বাস করিলে স্থানকে সহর বলে গণ্য করা হয়।
ভারতবর্ষ সমস্ত বৃটিশ সাম্রাজ্যের এক ষষ্ঠাংশ এবং বৃটিশ
দ্বীপপুঞ্জের প্রায় তের গুণ।
ভারতের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০০ মাইল।
সিন্ধু প্রদেশের জেকবাবা পৃথিবীর উষ্মতম স্থানের মধ্যে
অন্যতম। গ্রীষ্মকালে এই স্থানের তাপ ২৭ ডিগ্রি পর্যন্ত
ওঠে।
সিন্ধু প্রদেশের সমস্ত বৎসরের বারিপাতের পরিমাণ ৫ ইঞ্চির
বেণী নয়।
ভারতবর্ষে শত করা মাত্র ১১ জন লােক সহরে বাস করে।
ভারতবর্ষে প্রত্যেক লােকের গড়পড়তা প্রায় এক একর (তিন
বিধা) করে জমি আছে।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা অন্য যে কোন প্রদেশের চেয়ে বেশী
৫,১,১৪,০২।

সাধারণ জ্ঞান ভারতের জন্ম ও মৃত্যুহার পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বেশী। ভারতবর্ষে স্ত্রীলােকের সংখ্যা একহাজার পুরুষপ্রতি ৯৪ জন। বােম্বাইর প্রধান জিনিষ তুলা, পাঞ্জাবের গম ও বাংলার পাট। পৃথিবীর নিরক্ষর লােকের একতৃতীয়াংশ ভারতবর্ষে। ১৯২১ হইতে ১৯৩১ পর্যন্ত দশ বৎসরে শিক্ষিতের সংখ্যা শতকরা একজন মাত্র ডিয়াছে। ভারতের কৃষি, জীবজন্তু ও খনিজদ্রব্য খাদ্যশস্য (১) ধান—ভারতবর্ষের প্রধান খাদ্য শস্য। বাংলা, ব্ৰহ্মদেশ, মাদ্রাজ, যুক্তপ্রদেশ, সিন্ধুর ব-দ্বীপ, পশ্চিম উপকূল ও সাক্ষিণাত্যের ব-দ্বীপে ধান বেশী হয়। এক বাংলাতে সমগ্র ভারতে যা ধান হয় তার এক তৃতীয়াংশ উৎপন্ন হয়। (২) গম—যুক্তপ্রদেশ, পাঞ্জাব, সিন্ধু ও মধ্যপ্রদেশের স্থানে স্থানে গম হয়। গম রবিশস্য। (৩) বার্লি—যুক্তপ্রদেশ, বাংলা ও বিহারের উচ্চ স্থান- গুলিতে উৎপন্ন হয়।

ভারতের কৃষি, জীবজন্তু ও খনিজদ্রব্য (৪) ভুট্টা—উত্তর ভারতে, প্রধানত বিহার ও যুক্তপ্রদেশে ভুট্টা উৎপন্ন হয়। (৫) ডাল—বাংলা, যুক্তপ্রদেশ, পাঞ্জাব, বােম্বাই ও মধ্যপ্রদেশে উৎপন্ন হয়। (৬) শজী-শশা, তরমুজ, বেগুন, কপি, কড়াইশুটি ইত্যাদি সর্বত্র উৎপন্ন হয়। (৭) ফল—আম, কলা, আনারস, পেয়ারা, কাঁঠাল, কমলা, পেঁপে, লেবু, নারিকেল প্রভৃতি উৎপন্ন হয়। (৮) মসলা-হলুদ ও লঙ্কা সর্বত্র উৎপন্ন হয়। মালাবার ও ত্রিবাঙ্কুরে দারুচিনি ও আদা হয়। (৯) কফি-মহীশূর, কুর্গ, ত্রিবাঙ্কুর, কোচিন ও নীলগিরিতে কফি হয়। (১০) চা-বাংলা, আসাম, দেরাদূন, কাংড়া উপত্যকা ও নীলগিরিতে চা হয়। চীনকে বাদ দিলে ভারতবর্ষেই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী চা উৎপন্ন হয়। অ শত (১) তুলাকাথিয়াবাড়, গুজরাট, উত্তর বােম্বাই, মধ্য- প্রদেশ, যুক্তপ্রদেশ, পাঞ্জাব, সিন্ধু ও উত্তর মাদ্রাজে তুলা উৎপন্ন হয়। দাক্ষিণাত্য ও বেরারের কালাে জমি তুলা উৎপাদনের পক্ষে সবচেয়ে ভাল। তুলা উৎপাদনে আমেরিকার পরেই ভারতবর্ষের স্থান। ভারতে উৎপন্ন তুলার শতকরা ৬০ ভাগ বিদেশে রপ্তানী হয়।

সাধারণ ন (২) পাটবাংলা ও আসামে পাট উৎপন্ন হয়। পৃথিবীর আর কোথাও পাট হয় না। পাট উৎপাদনে বাংলারই একচেটিয়া অধিকার । (৩) তৈলবীজ-তিসি, তিল, সরিষা, তুলাবীজ, ভেরেণ্ডাবীজ, ও চীনা বাদাম হইতে তৈল বাহির করা হয়। খাওয়া, মাখা ও বাতি জ্বালানাে এই তিন কাজের জন্যই তেল ব্যবহৃত হয়। (৪) তামাক—বাংলা, যুক্তপ্রদেশ, মাদ্রাজ, ত্রিবাঙ্কুর, বিহার, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব ও ব্রহ্মদেশে উৎপন্ন হয়। (৫) রবার-মাদ্রাজ, কুর্গ; মহীশূর, ত্রিবাঙ্কুর ও ব্রহ্মদেশে উৎপন্ন হয়। বনজঙ্গল বৃটিশ ভারতের প্রায় একপঞ্চমাংশ জঙ্গল গবর্ণমেন্টের বন- বিভাগের অধীনে। ১৮৬৪-তে প্রথম বড় বড় প্রদেশে বন- বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬তে দেরাদুনে প্রথম বন সম্বন্ধে গবেষণাগার প্রতিষ্ঠিত হয়। (১) পশ্চিমঘাটের যেসব স্থানে বেশী বৃষ্টি হয়। (২) হিমালয়, (৩) আসাম, (৪) সুন্দরবন ও (৫) তরাই অঞ্চলে জঙ্গল বেশী। পশ্চিম ঘাট, আসাম ও ব্ৰহ্মদেশে সেগুনকাঠ পাওয়া যায়। পূর্বব হিমালয়, মধ্য- প্রদেশের পাহাড় ও পূর্বঘাটে লালকাঠ, মহীশূরে চন্দনকাঠ, ও পশ্চিম ঘাটে আবলুষকাঠ পাওয়া যায়।

ভারতের কৃষি, জীবজন্তু ও খনিজদ্রব্য ৩৯ হিমালয় উপত্যকাতেই বেশী জীবজন্তু দেখা যায়। (১) বন্যজন্তু-সিংহ আজকাল প্রায় নাই বলিলেই চলে। গুজরাটে দুই একটা এখনও পাওয়া যায়। বাঘ, ভালুক, চিতাবাঘ, নেকড়েবাঘ, হায়না শৃগাল, বনবিড়াল প্রভৃতি যে কোন জঙ্গলে দেখা যায়। হিমালয়, ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা, উত্তর ব্রহ্মদেশ, ত্রিবাঙ্কুর ও মহীশূরে হাতী পাওয়া যায়। হরিণ সমতল- ভূমিতে অনেক স্থানে পাওয়া যায়। আসাম, ব্ৰহ্মদেশ, উত্তরবঙ্গ ও নেপালের জলা জায়গায় ডাঙ্গায় বাস করে। বানর, সজাক, গােস, শূকর সর্বত্র দেখা যায়। (২) গৃহপালিত জন্তু-ছাগল, ভেড়া, ঘােডা, খচ্চর, গাধা, গরু ও মহিষ সর্বত্র দেখা যায়। রাজপুতানা, সিন্ধু ও পাঞ্জাবের মরুভূমিতে উট পাওয়া যায়। (৩) পাখী শকুন, চিল, হাঁস, রাজহাঁস, ঘুঘু, পায়রা, টিয়া, সারস, ময়না, ময়ুর সর্বত্র দেখা যায়। (৪) সরীসৃপকুমীর সর্বত্র দেখা যায়। সাপের মধ্যে উটে, ভাইপার ও কিরাইত সর্বাপেক্ষা বিষাক্ত। খনি ও খনিজ্য সােনা—মহীশূরের কোলার খনিতে সমস্ত ভারতে যা সােনা উৎপন্ন হয় তার শতকরা ৯৫ ভাগ উৎপন্ন হয়। পৃথিবীর মােট উৎপন্ন সােনার শতকরা তিন ভাগ ভারতে হয়। কয়লা বাংলা, বিহার, আসাম, পাঞ্জাব ও মধ্যপ্রদেশে

সাধারণ জ্ঞান
কয়লার খনি আছে। ইংলণ্ড ছাড়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের যে কোন
দেশ অপেক্ষা ভারতবর্ষ বেশী কয়লা উৎপাদন করে। ভারতের
প্রধান কয়লার খনি ঝরিয়া দেশে ; মােট কয়লা উৎপাদনের
শতকরা ৪৩৯ ভাগ ঝরিয়া হইতে আসে। ঝরিয়া কয়লার
খনির আয়তন ১৭৫ বর্গ মাইল।
লােহাবাংলা ও মাদ্রাজে লােহার খনি আছে।
লবণ-ভারতের মােট লবণের চাহিদার তিন চতুর্থাংশ
দেশেই প্রস্তুত হয়। পাঞ্জাবের লবণের খনি, রাজপুতার সম্বর
হ্রদ ও সমুদ্রের জল হইতে লবণ পাওয়া যায়।
পেট্রল-আসামে ও ব্রহ্মদেশে পেট্রল পাওয়া যায় ও এই
দুই স্থান হইতেই মােট উৎপাদনের শতকরা ৯৫ ভাগ আসে।
পাঞ্জাবেও কিছুটা পাওয়া যায়।
অ-বাংলা, বিহার ও মাদ্রাজে পাওয়া যায়। পৃথিবীর
নােট উৎপন্ন অভের শতকরা ৭ ভাগ ভারতবর্ষ হইতে আসে।
বিদ্যুৎশিল্পে অভ্রের প্রয়ােজন বেশী হয়।
ম্যাঙ্গানিজ—মধ্যপ্রদেশ, মাদ্রাজ, বােম্বাই ও মহীশূরে পাওয়া
যায়। ইস্পাত তৈরিতে ম্যাঙ্গানিজ প্রয়ােজন হয়।
সােরা-বিহার, যুক্তপ্রদেশ ও পাঞ্জাবে পাওয়া যায়।
পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারেই খনিজ সম্পদ বেশী। কয়লা, লৌহ
তামা, চুনাপাথর, ও অ-সম্পদে বিহার পৃথিবীর যে কোন
দেশের চেয়ে বেশী সমৃদ্ধ।

তিন রাজ্যের ওপর কখনওসূর্য অস্ত যায় না
ইংরাজীতে কথা আছে “Sun never sets on the British
Empire। হিসাব করে দেখা গিয়েছে যে, তিনটী রাজ্যের
উপর সূৰ্য্য কখনও অস্ত যায় না। এই তিন রাজ্যের নাম
ব্রিটিশ-সাম্রাজ্য, ফরাসী-সাম্রাজ্য ও ডাচ-সাম্রাজ্য।
২,৪১৫ ফিট
২,৩৫০
১
২২৫০
পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা রেলওয়ে প্লাটফর্ম
শােণপুর (বি, এন, ডবলু, আর)
খড়গপুর (বি, এন, আর)
বুলাওয়েও (রােডেশিয়া)
লক্সে স্টেসন (ই, আই, আর)
ম্যানচেস্টার ভিক্টোরিয়া এক্সচেঞ্জ (এল, এম,
২,১৬৪
বেজওয়াদা (এম, এস, এম)
বালী (জি, আই পি)
৩২৫
কোটুলী (এন, ডবলু, আর)
মান্দালয় (বৰ্ম্মা)
১৭৮৮
বর্ণমাউথ (ইংলণ্ড)
১৭৪৮
১
এস, আর)
১৯৬৯

উচু বাড়ী
সব চেয়ে বড়-লম্বা—বেশী
পর্বত শৃঙ্গ এভারেষ্ট (২৯,০০১ ফিট)
লাইব্রেরী বিবলিওধিক ন্যাশন্যাল (ফ্রান্স)
মরুভূমি সাহারা (আফ্রিকা)
এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং (আমেরিকা, ১২৫০ ফিট উচু)
প্রাসাদ ভ্যাটিক্যান (নােম)
সেতু
সানফ্রানসিসকো ওকল্যাণ্ড ব্রিজ (সাডে
চার মাইল লম্বা ও দ্বিতল)
ক্যানাল হােয়াইটলি বলটিক ক্যানাল (কষিয়া)
Explorer II.
পাহাড় হিমালয়
बाराख নরম্যাণ্ডি (৮২, ৭৭৯ টন)
मश्व
লন
মূর্তি
Statue of Liberty(আমেরিকা, ১৫১ ফিট)
লম্বা গির্জা
উম্ ক্যাথিড্রাল (৫৩২ ফিট)
হীরক
কুলিন
গভীর ও বড় সমুদ্র প্রশান্ত মহাসাগর
সেন্ট পিটার্স গির্জা (নােম)
Beresford-Hope মুক্তা(১৮০০ গ্রাম ওজন)
বড় গির্জা

সব চেয়েড-বেণী
টেলিস্কোপ উইলসন Observatoryতে (আমেরিকা)
২০০ ইঞ্চি লম্বা কাঁচ
যাদুঘর ব্রিটিশ মিউজিয়াম
নদী (লম্বা) মিসসারী-মিসিসিপি (৪,৫০২ মাইল)
বড় রেলওয়ে স্টেসন Grand Central Terminal (নিউইয়র্ক)
৪৭টী প্লাটফর্ম।
গম্বুজ গােল গম্বুজ (বিজাপুর), ১১৪ ফিট ব্যাস
প্রাচীর (লম্বা) চীনের প্রাচীর (১৫০০ মাইল লম্বা)
দ্বীপ
গ্রীণল্যাণ্ড
ঘণ্টা মঝাের ঘণ্টা (৪৩২,০০০ পাউণ্ড ভারী)
পার্ক
Yellowstone National Park (আমেরিকা,
0920 Sg. miles )
মহাদেশ এসিয়া
টানেল সিমপ্লন (১২ মাইল)
আগ্নেয়গিরি হাওয়াই দ্বীপের মৌনালােয়া
টাওয়ার ইফেল টাওয়ার, প্যারী (৯৮৪ ফিট উঁচু)
২ ve,

ভারতে প্রথম সবচেয়ে বড় নদী সিন্ধু না সবচেয়ে বড় হ্রদ কাশ্মীরের উলার হ্র সবচেয়ে বড় পাহাড় হিমালয় সবচেয়ে লম্বা রাস্তা গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রােড (১,৫০০ মাইলের বেশী) সবচেয়ে বড় গম্বুজ বিজাপুরের গােল গম্বুজ সবচেয়ে উঁচু স্তম্ভ কুতুব মিনার সবচেয়ে বেশী বৃষ্টি হওয়ার জায়গা আসামের চেরাপুঞ্জি সবচেয়ে বেশী লােকের প্রদেশ বঙ্গণে সবচেয়ে দীর্ঘ রেল পথ নর্থ ওয়েস্টার্ণ রেলওয়ে সবচেয়ে বড় শহর কলিকাতা সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত মহীশূরের গাসােপ্পা জল- প্রপাত (৯৬০ ফিট উচ্চ) সবচেয়ে সুন্দর বাড়ী তাজমহল সবচেয়ে বড় মসজিদ জুম্মা মসজিদ (দিল্লী) সবচেয়ে গরম সহ জাকোবাদ সবচেয়ে বড় বাধ Lloyd dam সবচেয়ে বেশী শিক্ষিত রাজ্য ত্রিবাঙ্কুর রাজ্য সবচেয়ে বড় সেতু শােণ নদীর সেতু আবিষ্কার ও প্রথম প্রচলন ৪৫ এইবার গিরিপথ বুলান্দরজা (ফতেপুর সিক্রি) সবচেয়ে প্রসিদ্ধ গিরিপথ সবচেয়ে বড় গেট বা দরজা সবচেয়ে বড় দেশীয় রাজ্য সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে লম্বা Corridor জম্মু ও কাশ্মীর কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় রামেশ্বর মন্দিরের Corridor (৪০০০ ফিট লম্বা) আবিষ্কার ও প্রথম প্রচলন কোল্ট (আমেরিকা) बद्रम् (ঐ) গ্ৰেহাম বেল (ঐ) এডিসন (ঐ) এডিসন (ঐ) রাইট ভ্রাতৃদ্বয় (ঐ) ওয়াট (ইংলও) ষ্টিফেনসন (”) থিমনিয়ার (ফ্রান্স) নােবেশ (সুইডেন) মার্কশী(ইতালি) রিভলভার (১৮৩৫ ) বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ (১৮৩৫) টেলিফোন (১৮৭৬) ফনােগ্রাফ (১৮৭৭) Incandescent ল্যাম্প (১৮৭৮) এয়ারােপ্লেন (১৯০৩) বাষ্পচালিত এঞ্জিন (১৭৯৩) রেলের এঞ্জিন (১৮১৪) সেলাইয়ের কল (১৮৩৩) ডাইনামাইট (১৮৬৭) বেতার (১৮৯৬)

সাধারণ জন
ইষ্টম্যান (আমেরিকা) ফটো ফিল্ম (১৮৮৩)
গুটেনবার্গ (জার্মানী) ধাতু নির্মিত ছাপার অক্ষর (১৯৫০)
ম্যাদাম কুরী (ফ্রান্স) রেডিয়ম (১৯০৩)
বেয়ার্ড (ইংলণ্ড) টেলিভিশন (১৯২৬)
রষ্টগেন (জার্মানী) এক্স-রে(১৮৯৫)
মার্জেনথালার (আমেরিকা) লিনােটাইপ (১৮৮৫)
ক(জার্মানী)
কলেরা বীজাণু (১৮৪)
ল্যাভার্ণ (জার্মানী) ম্যালেরিয়া বীজাণু (১৮৪০ )
এবার্থ (ঐ) টাইফয়েডের বীজাণু (১৮৮০ )
জেনার (ঐ)
টীকা দেওয়া (১৮৯৬)
ফারেনহাইট (ফ্রান্স) বাৰ্গমিটার (১৭২১)
ড্যাগার ও ন্যাপ (ঐ) ফোটোগ্রাফী (১৮৩৯)
কুনিগ (জার্মানী) বাষ্পচালিত ছাপাকল (১৮১০)
টৰিচেলি (ইটালী) ব্যানােমিটার ১৬৪৩)
ওয়াটারম্যান (আমেরিকা) ফাউন্টেন পেন (১৮৬৪)
জিলেট (আমেরিকা) সেফটি রেজার (১৯০৪)

পাহাড়
ফিট
সব চেয়ে উঁচু পাহাড়ের চূড়া (পৃথিবীর ) এভারেষ্ট (২৯,০০১)
ইউরােপের
মন্ট ব্ল্যাঙ্ক (১৫,৭৪০)
অষ্ট্রেলিয়ার
(১৩,৯৫৩)
আফ্রিকার কিলিমানজারাে (১৯৩২৪)
আমেরিকার একাগুয়া (এসি) (২৩,৮১)
এন্টারটিকার ঈরিবাস (১২,৭৬০ )
মউনা কেয়া
नौ
৩৪০০ মাইল
এশিয়ার সবচেয়ে লম্বা নদী ইয়াংসি
ইউরােপের
ভলগা
২,৪০০
অষ্ট্রেলিয়ার
মারে
আফ্রিকার
নাইল
৩৬০
আমেরিকার
মিসসারী-মিসিসিপি ৪,৫০২

১০০ মাইল ৬১ ৪ D খাল (ইজিপ্ট) (জার্মানী) (আমেরিকা) (জার্মানী) (ইংল্যাণ্ড) (কানাডা) पान কিয়েল পানামা এলব ম্যানচেষ্টার ওয়েল্যাণ্ড ১৩ ৪ ৩৫ ১৬৫,৫২০ বর্গ মাইল ৬,৯৬০ হ্রদ এশিয়ার সবচেয়ে বড় হ্রদ কাশপিয়ান ইউরােপের ল্যাডােগা আমার আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া আমেরিকার সুপিরিয়ার ৬ অষ্ট্রেলিয়ার ৩,৬৭০ ২৬,৩৫০ ৩১,২০০ দ্বীপ গ্রীণল্যাণ্ড নিউগিনি ৮২৭,৩০০ বর্গ মাইল ৩৩০,০০০

14
চীনের প্রাচীর
এম্পায়ার ষ্টেট বিল্ডিং
(পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বাড়ী)

No text on this page.

কয়েকটি মরণীয় নিখ
১
বর্ণিও
বেফিনল্যাণ্ড
ম্যাডাগাস্কার
সুমাত্রা
গ্রেট ব্রিটেন
২৯০,০০০ বর্গ মাইল
৩৭,০০০
২২৮,০০০
১৬২,০০০
৮ ০০
৮,৭৪৫
কয়েকটি স্মরণীয় তারিখ
মহাত্মা গান্ধীর জন্ম, ২রা অক্টোবর ১৮৬৯।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম, ৬ই মে ১৮৬১।
কংগ্রেস স্থাপনের বৎসর ১৭৮৫।
রাজা রামমােহন রায়ের মৃত্যু, ২৭শে সেপ্টেম্বর ১৮৩৫
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের মৃত্যু, ১৬ই জুন ১৯২৫।
আমেরিকার স্বাধীনতা ঘােষণা, ৪ঠা জুলাই ১৭৭৬।
রাশিয়ার বিপ্লব আন্দোলন, ১২ই মার্চ ১৯১৭।
সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ স্থাপিত, ১৫ই মে ১৮৭৮।
ইউরােপের মহাযুদ্ধ আরম্ভ, ৪ঠা আগষ্ট ১৯১৪।
শেষ, ১১ই নবেম্বর ১৯১৯।
নেপােলিয়নের মৃত্যু, ৯ই মে ১৮২১।
সেক্সপিয়রের জন্ম, ২৩শে এপ্রিল ১৫৬৪।
*

সাধারণ জ্ঞান
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত, ১৮৫৭।
সিপাহী বিদ্রোহ, ১৮৫৭।
প্রথম এনােপ্লেন ওড়া, ১৭ই ডিসেম্বর, ১৯০৩।
আমসনের প্রথম দক্ষিণমেক পেীছান, ১৬ই ডিসেম্বর ১৯১১।
পিয়ারীর প্রথম উত্তরমে পৌছান, ৬ই এপ্রিল ১৯০৯।
ল্যাভার কর্তৃক প্রথম ম্যালেরিয়া বীজাণু আবিষ্কার ১৮৮৩।
রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম, ১৮৬।
চৈতন্যের মৃত্যু, ১৫২৭।
মার্কণীর প্রথম বেতার সংবাদ পাঠান, ১৯০২।
প্রথম বাংলা বই ছাপা, ১৭৭,
ভারতবর্ষে প্রথম রেল চলা, (বম্বে থেকে থানা) ১৮৫৩।
শিখ ধর্ম প্রতিষ্ঠাতা নানকের জন্ম, ১৪০৯।
বসন্তের টীকা দেওয়ার প্রথম প্রচলন, ১৭মে ১৭৯৬।
সমুদ্র পথে প্রথম ভারতবর্ষে আগমন, ভাস্কো ডা গামা, ১৪৯৮।
স্যার আশুতােষ মুখােপাধ্যায়ের মৃত্যু, ১৯২৪।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৃত্যু, ১৮৯৯।
বঙ্কিমচন্দ্রের জন্ম, ১৮৩৬; মৃত্যু ৮ এপ্রিল ১৮৯৪।
লিগ অফ নেসন পিত, ১৫ নভেম্বর ১৯২০।
কোয়েটার ভীষণ ভূমিকম্প, ৩০ মে ১৯৩৫।
জব চার্নক কর্তৃক কলিকাতা স্থাপিত, ১৬৬০।

ভারতবর্ষের বিশ্ববিদ্যালয়
কলিকাতা (১৮৫৭)
বােম্বাই (১৮৫৭)
মাদ্রাজ (১৮৫৭)
এলাহাবাদ (১৮৮৭)
পাঞ্জাব (১৮৮২)
লক্ষ্ণৌ (১৯২০)
নাগপুর (১৯২৩)
ঢাকা (১৯২০)
পাটনা (১৯১৭)
ত্রিবাঙ্কুর (১৯৩৭)
আলিগড় মুসলিম (১৯২০
দিল্লী (১৯২২)
আগা (১৯২৭)
বেনারস হিন্দু (১৯১৫)
অঞ্জ (১৯২৬)
আন্নমালাই (১৯২৯)
সেন (১৯২০)
মহীশূর (১৯১৬)
ওসমানিয়া (হায়দ্রাবাদ, ১৯১৮)
থার্মোমিটার (তাপ মাপার যন্ত্র)
পৃথিবীতে তিন রকম স্কেলের থার্মোমিটার প্রচলিত আছে।
১মফারেনহাইট (Fahrenheit) থার্মোমিটার,—এই
থার্মোমিটার বৃটিশ সাম্রাজ্যে এবং আমেরিকায় প্রচলিত। এর
Boiling point ( জল ফোটার তাপ) হচ্ছে ২১২ ডিগ্রি এবং
Freezing point ( জল জমার তাপ) হচ্ছে ৩২ ডিগ্রি।

সাধারণ জ্ঞান
২য়—সেন্টিগ্রেড (Centigrade) থার্মোমিটার—এই থার্মো-
মিটার সাধারণত ফরাসীদেশে ও বৈজ্ঞানিক কাজে পৃথিবীর
সর্বত্র চলে, Boiling point হচ্ছে ১০০ ডিগ্রি এবং Freezing
poinfচ্ছ ০ ডিগ্রি।
৩য়-জার্মানদের রমার (Reaume) থার্মোমিটার প্রচলিত
এর Boiling point হচ্ছে ৮০ ডিগ্রি এবং Freezing point
০ ডিগ্রি।
নদী
মাইল
০ ০ ০
৪,৫২
মিসােরী-মিসিসিপি
আমাজন
নাইল
ইয়াংসি
ইনিসি
৩৬০ ০
৩৪০০
•
২,৯৫০
...
লেনা
নাইজার
বি
২,৭০০

नमो •• হােয়াংহে আমুর পারানা ২,৬০০ ২,৫০০ as a ২,৪৫০ ২,৪০০ ০ ০ ০ ম্যাকেঞ্জি ••• লা প্লাটা ২,৩০০ ইউকন আরকানসাস মেডিরা ২,০০০ সেন্ট লরেন্স ১৮০০ ১৮০০ ১,৭২৫ ১,৭০০ বায়াে ডেল নট ডানিয়ুব ইউফ্রেটিস সিন্ধু ব্ৰহ্মপুত্র জাম্বেসি ১,৭০০ ১,৬৮০ ১,৬০০ ১,৫৮০ ইরাবতী ১৫৮০ ভারতের লােকসংখ্যা ৩৫,২৯,৮৬, ৮৭৬ শতকরা ৬৮২ ১২ ভারতবর্ষ (মােট জন সংখ্যা) হিন্দু ২৩৯১,৯৫,০০০ मिथ ৪৩৬,০০০ জৈন ১২,৫২,০০০ বৌদ্ধ ১,২৭,৮৭,০০০ भानी ১১০,০০০ মুসলমান ৭,৭৬,৭৮,০০০ খৃষ্টান ৬২,৯৭,০০০ এনিমিষ্ট ৮২,৮০,০০০ ২২১৬ ১৮ স ২৮ অত্যুচ্চ বাড়ী এম্পায়ার স্টেট বিল্ডং (আমেরিকা) ১২৫০ ফুট কাইলার বিল্ডিং ব্যাঙ্ক অফ ম্যানহাটান ১০৪৮ ১৮ D ক্রেন টাওয়ার স ওডার রেকর্ড (আমেরিকা) ৭৯২ ফুট ৭০৮ ৭০০ ০ D ৩৮ স উওয়ার্থ বিল্ডিং টার্মিনাল টাওয়ার মেট্রোপলিটান বিল্ডিং চ্যানিন টাওয়ার লিঙ্গন বিল্ডিং ইফেল টাওয়ার উলম ক্যাথিড্রাল কোলােন ক্যাথিড্রাল স্ট্রাসবার্গ ক্যাথিড্রাল পিরামিড সেন্টপিটার্স গির্জা ৯৮৪ (ফ্রান্স) ( জার্মানী) ৪৬ ৪৮১ (ইজিপ্ট ) (নােম) ৪৪৮ ওড়ার রেকর্ড ওড়ােজাহাজ বেশীদূর-গ্রাফ, জেপলিনের জার্মানী থেকে টোকিও গমন। ১৫-১৯শে আগষ্ট, ৭৫০০ মাইল। এয়ারােপ্লেন এয়বােপ্লেন আবিষ্কারক-রাইট ভ্রাতৃদ্ধয়—১৭ই ডিসেম্বর ১৯০৩, প্রথম ওড়া। মাত্র ৮৫০ ফিট।

সাধারণ জ্ঞান
থেমে দূরের পাড়ি (Non-stop light)
ফরাসীদেশের কৈাভােস ও রসি নিউইয়র্ক থেকে সিরিয়ার
Rayak সহরে যাওয়া। ৫৪ ঘন্টা, ৪৫ মিনিটে ৫,৯১২ মাইল
যেতে পেরেছিল।
এয়ারােপ্লেনে মেক্যাত্রা
১৯২৬ সালে কমাণ্ডার বেয়ার্ড সর্বপ্রথম এয়ারােপ্লেনে দক্ষিণ
মেরুতে পেীছেন।
পৃথিবী পরিক্রমা
আমেরিকাবাসী উইলি পােস্ট সবচেয়ে কম সময়ে এয়ারে-
প্লেনে পৃথিবী পরিক্রমা করেছিলেন। তাঁর সময় লেগেছিল
৭ দিন ১৮ ঘন্টা ৪৯ মিনিট এবং ১৬,৫০০ মাইল উড়তে
হয়েছিল।
এয়ারােপ্লেনে উঁচুতে ওঠা
১৯৩৭ সালে ইংরেজ বৈমানিক এডাম ৫৩,৯৩৭ ফিট উঁচুতে
উঠতে পেরেছিলেন।
বেলুনে উঁচুতে ওঠা
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বেলুন Explorer ll ১৯৩৫ সালে
আমেরিকায় ৬০ হাজার ফিট উপরে উঠতে পেরেছিল।
দ্রুতগতি
ইতালীর সৈনিক কর্মচারী Agello ১৯৩৩ সালে ঘণ্টায়
৪৪০ মাইল গতিতে এয়ারােপ্লেন চালাতে পেরেছিলেন।

প্রথম ভারতবাসী
লণ্ডন থেকে অষ্ট্রেলিয়া
স্পষ্ট ও ব্ল্যাক ২ দিন ২৩ ঘন্টা ১৮ মিনিটে ১১,৩০০ মাইল
পথ ঘণ্টায় ১১৯ মাইল গতিতে উঠে লণ্ডন থেকে অষ্ট্রেলিয়া
পৌছতে পেরেছিলেন।
বহুক্ষণ শূন্যে থাকা
আমেরিকার দুই ভাই ফ্রেন্ড কেজ ও অ্যাল কেজ ১৯৩৫
সালে আকাশে এয়ারােপ্লেনে ২০ দিন থাকতে পেরেছিলেন।
প্রথম ভারতবাসী
প্রথম ভারতীয় ব্যারিষ্টার জ্ঞানেন্দ্রমােহন ঠাকুর
প্রথম ভারতীয় আই, সি, এস সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রথম ভারতীয় গভর্ণার
লর্ড সিংহ
Executive Councilএর প্রথম
ভারতীয় সভ্য
স্থার সত্যেন্দ্রপ্রসন্ন সিংহ
হাইকোর্টের প্রথম চিফ, জাষ্টিস্ স্যার রমেশচন্দ্র মিত্র
প্রথম নােবেল প্রাইজ পান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
পালামেন্টের প্রথম সভ্য দাদাভাই নওরােজী
প্রথম বিলাতী লর্ড
লর্ড সিংহ
প্রথম ভারতীয় v. c.
খােলদা খান

সাধারণ জ্ঞান
প্রথম প্রিভি কাউন্সিলের সভ্য আমীর আলী
ক্যাম্বিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম
বাংলার
আনন্দমােহন বস্তু
ইংল্যাণ্ড হইতে ভারতবর্ষে প্রথম
ভারতীয় কর্তৃক এয়ারােপ্লেনে
উডে আসা
চাওলা
আই, সি, এস্ পরীক্ষায় প্রথম স্থান
অধিকার
স্থার অতুলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
লিগ অফ নেশনের সভাপতি আগা খা
দ্রুতগতির রেকর্ড
মােটর বােটের গতি-আমেরিকার গার উড ঘন্টায় ১২৪৯১
মাইল বেগে মােটর বােট চালাতে পেরেছেন।
মােটরকার—বিলাতের স্যার মালকম ক্যাম্পবেলরু, বার্ড’ নামক
মােটরকার ঘন্টায় ২৭৬ মাইল বেগে চালিয়ে ছিলেন।
গভীর সমুদ্রে ডুব—আমেরিকার অধ্যাপক বিব Bathyshered
সমুদ্রতলে ৩২৮ ফিট নীচে নেমেছিলেন।

বিবিধ রেকর্ড
মােটর সাই-হাঙ্গেরীর আরনেস্ট হিন্ ঘন্টায় ১৫৭°১২ মাইল
বেগে মােটর সাইজ চালিয়েছিলেন।
মানুষের দৌড়-কানিংহাম এক মাইল ৪ মিনিট ৬ সেকেণ্ডে
দৌডেছিলেন।
মানুষের সাতার-মেডিকা এক মাইল ২০ মিনিট ৫৭ সেকেণ্ডে
সাঁতার দিয়েছিলেন।
মানুষের হাঁটা—G. N, Goulding এক মাইল ৬২৫ মিনিটে
হেঁটেছিলেন।
বিবিধ রেকর্ড
বেশীক্ষণ সাঁতার-এলাহাবাদের রবীন চাটাচ্ছী ৮৮ ঘন্টা
১২ মিনিট ।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মুষ্টি যােঙ্গা-জো লুইস (আমেরিকা)
ক্রিকেটে সব চেয়ে বেশী রাণ—অষ্ট্রেলিয়ার ডন ব্রাডম্যান ৪৫২
রাণ not out,
শ্রেষ্ঠ দাবা খেলােয়াড-ডাক্তার ইউই (হল্যান্ড)

পৃথিবীর সাতটি আশ্চৰ্য্য
প্রালীনযুগের আশ্চর্য্য
১। ইজিপ্টের পিরামিড
২। হালিকারনেসাসে রাজা মওসলামের সমাধিস্তম্ভ
(Halicarnassus )
৩। ব্যবিলনের ঝুলন্ত বাগান
৪। ওলিম্পিয়ায় জুপিটারের মূর্তি
৫। ডায়নার মন্দির
৬। নােডসের কোলােসা
৭। আলেকজেন্দ্রিয়ার লাইট হাউস
অন্যান্য মুগৰ আৰ্য
১। রােমের কলােসিয়াম
২। আলেকজেন্দ্রিয়ার কাটাকম্বস (catacombs )
৩। চীনের প্রাচীর
৪। ইংল্যাণ্ডের Stonehenge
৫। পিসার হেলানাে মিনার (Tower)
৬। স্যাকিনের চিনামাটির মিনার (Tower )
৭। কষ্টান্টিনোেপলের সেন্ট সােফিয়ার মসজিদ

৬১
পৃথিবীর দশটি বড় শহর
বমানযুগের আশ্চর্য্য
১। বেতার টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন
২। মােটর ও রেল এঞ্জিন
৩। এয়ারােপ্লেন
৪। রেডিয়াম
৫। Anesthetics (বেদনা নাশক) ও Antitoxins ( বিষের
প্রতিষেধক) আবিষ্কার
৬। Spectrum Analysis
৭। এক্স-রে ও Ultra violet-ray (অতিবেগুলি আলাে)
আবিষ্কার
পৃথিবীর দশটি বড় শহর
লণ্ডন
নিউইয়র্ক
টোকিও
সিকাগ
বার্লি
বুয়েনােস আয়ারস
প্যারী
ভিয়ানা
ওসাল

পশুপাখীর আয়ু
বৎসর
ভালুক
বিড়াল
:: : : :
১০-১৫
১০০-২০০
১০০
১২-১৫
৭-১২
১৫=৩৫
হাতী
ছাগল
হাঁস
গিনিপিগ,
খরগােস
ঘােড়া
সিংহ
পেঁচা
টিয়াপাখী
ইদুর
ব্যাঙ,
বাঘ
১২-২৫
২০-৫০
-৪
৫-১০
১৫-২০
নেকড়ে বাঘ
কচ্ছপ

উত্তর
১। ৩৬৬ দিন
২। পশুশালা’ অর্থাৎ যেখানে বন্য জন্ধুদের রাখা হয়
৩। হিমালয়
৪। ডেনমার্ক দেশীয় ছেলেমেয়েদের রূপকথা লেখক
৫। দুধ কিংবা দুধের সর থেকে
☺ Leg before wicket
৭। লর্ড বেডেন-পাওয়েল
৮। হােট বয় স্কাউটদের wolf cub বলা হয়
৯। বাঁ দিকে
১০। পূর্ব দিকে
১১। তিন কোণা আকারের প্রকাণ্ড প্রাচীন স্তম্ভ প্রাচীন
মিশরবাসীরা তৈরী করেছিল
১২। হীরা
১৩। দূরের জিনিষ কাছে ও বড় দেখাবার যন্ত্র
১৪। খৃষ্টমাস ডে’র পরের দিন
১৫। গুটি পােকার লালা থেকে
১৬। লাল
১৭। তারিখের হিসাব
১৮। যে overএ কোন ‘রাণ হয় না
১৯। বাতাসের চাপ মাপার যন্ত্র
se.
১
*:

৩
সাধারণ জ্ঞান
২। লণ্ডন
২১। উট
২২। এক রকম মূল্যবান কাঠ
২৩। জলের নীচে এক রকম জাহাজ
২৪। জাপানের রাজা
২৫। ২১ বৎসর বয়সে
২৬। তিনি উপদেশপূর্ণ উপকথা লিখেছিলেন
২৭। ধ্রুবতারা (Pole Star)
২৮। খৃষ্টানদের প্রার্থনার শেষ কথা—মানে ‘ইহাই হউক
২৯। একপ্রকার বন্দুক, যা থেকে কলের সাহায্যে পর পর
খুব দ্রুত গুলি বেরিয়ে আসে
৩০। দৌডের নানা রকম প্রতিযােগিতার সময় সূক্ষভাবে
হিসাব করার এক রকম ঘডি
৩১। কাচের পাত্র, যাতে বালি দিয়ে নির্দিষ্ট সময় মাপা হয়
— নল দিয়ে বালি আস্তে আস্তে উপর থেকে নীচে
প’ডে সময় নির্দেশ করে
৩। জলার পচা জিনিষের গ্যাস থেকে ওঠা এক রকম আলো
৩৩। বালির মধ্যে, কাঁকডের মধ্যে, অথবা মাটির মধ্যে,
পাহাড়ের ফাটালে ( প্রধানতঃ আফ্রিকায়)
৩৪। ২১শে জুন
৩৫। ২৩শে ডিসেম্বর
৩৬। On His Majesty's Service,

৩৫
৩৭। মূল্যবান্ পাথর, আলােকে যার নানা রং দেখায়
৩৮। কোনও কোনও স্থানে গ্রীষ্মকালে ঘড়ি এক ঘণ্টা এগিয়ে
দেওয়া হয়—তাকে Summer Time' বলে
৩৯। কোন জিনিষ যা অধিকারীর সৌভাগ্য আনে বলে
বিশ্বাস
৪০। পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে চন্দ্র এসে পড়লে সূৰ্য দৃষ্টির
আড়াল হয়, তখন সূর্যগ্রহণ হয়
৪১। অনেক মাইল ব্যাপী ঘাসের বন
৪২। কাগজ
৪৩। কাঠের তৈরী দেবতা যা আফ্রিকার অসভ্য লােকেরা
পূজা করে
৪৪। ছাতার মত জিনিষ, যার সাহায্যে আকাশে এয়ারােপ্লেন
কিম্বা বেলুন থেকে মাটিতে নামা যায়
৪৫। কম্পাস
৪৬। আমেরিকার যুক্তরাজ্যের অধিবাসীদের বলা হয়
৪৭। ডাক্তার আসার আগে আহত লােকের প্রাথমিক
চিকিৎসা ও সেবা
৪৮। এক রকম জলীয় সুগন্ধি (কথাটির মানে কােন
সহরের জল’) ।
৪। জর্জ ষ্টিফেনসন
-৫। পানামা খাল
৫। নাড়ি ভুড়ি দিয়ে

সাধারণ জ্ঞান
৫২। ব্যাটসম্যান জোরে বল মারার পর বল একবার মাটিতে
লেগে শূন্যে উঠলে Bump ball হয়
৫৩। কাঠি দিয়ে
৫৪। অক্সিজেন ও নাট্রোজেন
৫৫। ক্ষয়প্রাপ্ত অতীত যুগের গাছপালা
৫৬। মার্কণী
৫৭। ইংরাজ সৈন্যদের
৫৮। এক রকম ঘরের ভিতরের খেলা টেবিলের উপর
খেলে; এই খেলার অন্য নাম Table Tennis.
৫৯। ইতালীর জাতীয় দল
৬০। খুব হােট ঘােট সামুদ্রিক পােকার মৃতদেহ জমা হয়ে
৬১। পিয়ারী (Peary)
২। ঘন্টায় ৭ মাইল বেগে
৬৩। অক্সফোর্ড, কিম্বা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত
খেলােয়াড়দের
৬৪। ২৬ মাইল দৌড়-সর্বপ্রথম গ্রীসে আরম্ভ হয়। পিড়ি-
পিডিস নামক একজন সৈন্য ২৬ মাইল দৌড়ে মারাথন
যুদ্ধ জয়ের খবর রাজধানীতে আনে—সেই থেকে
ম্যারাথন দৌডের সূচনা
৬৫। টেনিসের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিযােগিতায় পুরস্কার
৬৬। Mareylebone Cricket Club,
৬৭। ইংল্যান্ড ও অষ্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট খেলায় জয়লার পুরস্কার

উত্তর
৬৮। মাটি, জল, বাতাস, আগুন
৬৯। সব জিনিষকে পৃথিবী নিজের কেন্দ্রের দিকে টানছে,
এই জন্যে তারা ভারী হয়
৭০। জ্যান্ত দেহের ভিতরে হাওয়া থাকে বলে জলের চেয়ে
হাল্কা ; তাই জলে ভাসে।
৭১। পৃথিবী নিজের গতির বেগে ছুটে বেরিয়ে যেতে চাইছে,
কিন্তু সূৰ্য্য পৃথিবীর চেয়ে ঢের বেশী বড় বলে তাকে এত
জোরে টানছে যে সে বেরিয়ে যেতে না পেরে সূর্বের
চারিদিকে ঘুরছে।
৭২। নেপালের মহারাজা
৭৩। এয়ারােপ্লেন বাতাসের চেয়ে ভারী; Airship বাতাসের
চেয়ে হা
৭৪। Baseball,
৭৫। মেঘের গর্জন ও বিদ্যুৎ চমকানাে এক মুহুর্তেই হয়,
কিন্তু আমরা আলে কয়েক সেকেণ্ড আগে দেখি। এর
কারণ এই যে আলাে প্রতি সেকেন্ডে ১৮৬,০০০ মাইল
বেগ আসে, আর শব্দ আসে এর চেয়ে অনেক কম
বেগে—সেকেণ্ডে ১১০০ ফিট বেগে
৭৬। ফ্রান্স দেশবাসী লুই ব্রেইল প্রথমে অন্ধদের পড়ার উপায়
আবিষ্কার করেন। কয়েকটি উচু ফুটকির উপর হাত
বুলিয়ে পড়া হয়
সূর্যের আলাে থেকে আকাশ নীল রং পায়। এই

সাধারণ জ্ঞান
আলােতে সব রকম রং আছে। এই সব রং মিশে
সূর্যের আলাে সাদা হয়। কিন্তু সমস্ত আকাশে অসংখ্য
ধূলাের কণা উড়ে বেড়ায়—এই সব ধূলাে নীল রং ছাড
সূর্যের অন্য সব রং হজম করে ফেলে—এই নীল রং
আমাদের চোখে প্রতিফলিত হয়
৭৮। দুইবার—ছেলে বেলায় মাত্র ২০টা দাঁত হয়, তাকে
দুধের দাত বলে। বড় হলে ওঠে ৩২টা দাঁত
৭৯। যে সব মুসলমান মক্কায় তীর্থ করে এসেছে
৮০। দশ বৎসর অন্তর
৮১। সুইডেনের বিখ্যাত ডাইনামাইট আবিষ্কারক আলফ্রেড
নােবল অনেক লক্ষ টাকা ছয়টি পুরস্কারের জন্য দান
করে দিয়েছেন
৮২। হায়দ্রাবাদ রাজ্যের বৌদ্ধ গিরিগুহা-এর গায়ে হাজার
বৎসর পূর্বে আঁকাসুন্দর চিত্র আছে—ইহা পৃথিবী বিখ্যাত
৮৩। সিন্ধু নদী
৮৪। আমেরিকার যুক্তরাজ্যের লস্ এঞ্জেলস শহরের অংশ
বায়ােস্কোপের জন্য বিখ্যাত
৮৫। নর্থ ওয়েষ্টার্ণ রেলওয়ে
৬। এক রকম গাছের রস
৮৭। চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের যােগ কতকগুলাে খুব সরু স্নায়ু
দিয়ে, মাথায় হঠাৎ কোন আঘাত পেলে এই স্নায়ু চঞ্চল
হয়ে ওঠে; তখন আমরা চোখে শর্ষে ফুল দেখি,

উত্তর
৮৮। নাক দিয়ে নিশ্বাস না টেনে মুখ দিয়ে নিশ্বাস টানলে
আমাদের নাক ডাকে
৮৯। কলিকাতার যাদুঘর
৯০। আকণি
৯১।
একলব্য
৯২। সিন্ধু প্রদেশের জাকোবাদ সহ
৯৩। চেরাপুঞ্জি
৯৪। পামীর
মালভূমি
৯৫। চীন দেশে
৯৬। যে বালীর মধ্যে অতি সহজেই পা বসে যায়
৯৭। বুদ্ধক্ষেত্রে সাহস ও বীরত্বের জন্য ব্রিটিশ রাজ্যের
সৈন্যদের জন্য শ্রেষ্ঠ পুরস্কার—মেডাল ও পেন্সন
এক রকম যন্ত্র, যার মধ্যে খাবার রাখলে বরফের মত
ঠাণ্ডা থাকে
৯৯। রাত ১২টার পর থেকে দুপুরে ১২টা পর্যন্ত A, M.;
বিকেল বেলা ১২টার পর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত P.M.
১০০। ২২গজ
১০১। কোনও আসামীকে ফাসীর হুকুম দেওয়ার সময়
১০২। সমুদ্রে হঠাৎ কোনও বিপদ উপস্থিত হলে জাহাজের
বিপাদ জানাবার সঙ্কেত
১০৩। পােলাে খেলার সময়ে এক একটা ভাগ
১০৪। Bull Fighting (ষাড়ের সঙ্গে তলােয়ার নিয়ে লড়াই)
•

সাধারণ জ্ঞান
১০৫। বাংলাদেশ ছাড়া ভারতের সব প্রদেশে এই সময়
প্রচলিতকলকাতার সময় থেকে ২৪ মিনিট পশ্চাতে
১০৬। বাঁশ( উদ্ভিদ বিজ্ঞান অনুসারে বাঁশ ঘাস জাতীয়)
১০৭। ছোট জিনিষ বড় দেখাবার যন্ত্র
১৮। জাৰ্মাণীর আধুনিক জাতীয় দল
১০৯। চাঁদের আকর্ষণে
১১। পৃথিবীর নােনা মাটি ধুয়ে ধুয়ে নদী থেকে সাগরে পড়ে
ক্রমশঃ সাগরের জল নােনা হয়েছে
১১১। চীন দেশে
১২। এক রকম ফুলের কুঁডি
১১৩। এক জাতীয় গাছের ছাল
১১৪। কাপড়ের লম্বালম্বি সূতাকে “টানা’ আর চওভা-ভাবের
সূতাকে পডেন’ বলে
এক জনের আবিষ্কৃত কোনও জিনিষ অন্যে যাতে তৈরী
কতে না পারে সে জন্য সরকারী পেটেন্ট অফিস
থেকে দলিল লিখে নিজের দাবী মঞ্জুর করিয়ে নেওয়া
এক রকম গাছের আঠাল রস , তার ভিতরে এক রকম
পােকার শরীরের লাল রং মিশান থাকে
১১৭। চীন দেশে
১১৮। কাশী (হিন্দুদের)
১১৯। প্রথম পেন্সিলের সীস সীসা দিয়ে তৈরী হতাে
বলে।
১১৫।

৭১
০
এখন গ্রাফাইট নামে কয়লা জাতীয় এক রকম জিনিষ
দিয়ে তৈরী হয়
১২। চুলের গােড়ায় একরকম রং থাকে; সেই রং কোনও
কারণে ফুরিয়ে গেলে চুল পাকে
১২১। আমেরিকার আদিম অধিবাসীদের ‘রেড ইণ্ডিয়ান
বলে। কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করার সময় মনে
করেছিলেন ভারতবর্ষে এসেছেন; তাই সেখানকার
লাল-চামডওয়ালা (তামাটে রংএর) অধিবাসীদের
তিনি ঐ নাম দিয়েছিলেন
১২২। আঞা সহরে মােগল বেগম মমতাজমহলের কবরে
উপর মার্বেল পাথরের চমৎকার গম্বুজওয়ালা
মন্দি; অনেকের মতে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর
স্মৃতিস্তম্ভ।
১২৩। প্রয়াগ (বা এলাহাবাদ)
১২৪। পুরী
১২৫। ইরাণ
১২৬। পুণ
১২৭। রাজপুতানার মরুভূমিতে আর কাথিওয়াড় প্রদেশে
১২৮। পাঞ্জাবের উত্তর-পশ্চিমাংশে
১২৯। পৃথিবীর সব জাতির মধ্যে খেলাধূলার বিরাট
প্রতিযােগিতা। প্রাচীন গ্রীসে zeus দেবতার সম্মানের
জন্যে প্রথম এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়—প্রতি পঞ্চম বৎসরে

সাধারণ জ্ঞান
এই খেলা হােত। অনেক শত বৎসর পরে ১৯৯৬
খৃষ্টাব্দে আবার অনুষ্ঠিত হয়
১৩০। গায়ের চামড়ার মধ্যে ঘােট ঘােট কোষ আছে, যার
মধ্যে রং থাকে; এই রং থেকেই আমাদের গায়ের
রং। সূর্যের আলাে আর তাপ পেলে এই রং গাঢ় হয়,
তাই গরম দেশের লােক কালাে
১৩১। ইজিপ্টে; হাজার বৎসর আগে
১৩২। আগুন
১৩৩। ১১টি নূতন রাজ্য
১৩। Ethiopia
১৫। ২২৫টি
১৩৬। সংস্কৃত ভাষার চলিত বা মৌখিক ভাষার নাম
১৩৭। সময় সময় দেখা যায়—যখন বাতাস আগুনে গরম হয়।
গরম স্টোভের উপর কিংবা জমির উপর বাতাস দেখা
যায়
১৩৮। অ্যাটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলানা নামক ক্ষুদ্র দ্বীপে
১৩৯। ১লা এপ্রিল থেকে
১৪। নদীর ধারে দাঁড়িয়ে মােহানার দিকে তাকালে ডান
হাত যে দিকে থাকে, সেই দিক হচ্ছে নদীর ডান দিক
১৪১। গ্যাস খােলার গা দিয়ে বেরিয়ে যায়—এতেছিম হালকা
হয়, ডিম পচলে তার ভিতরের কত অংশ গ্যাস হয়
১৪২। মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ
t

৭
১৪৩। ব্রিটিশ গায়নার ১৮৫৬ সালের এক সেন্ট দামের
টিকিট, বর্তমানে দাম ১০,০০০ পাউণ্ড
১৪৪। মাউন্ট উইলসনের (আমেরিকা) ২০০ ইঞ্চির কাচ
১৪৫। অধ্যাপক বিব—৩০২৮ ফিট নীচে নামতে পেরেছিলেন
১৪৬। আফ্রিকার জাম্বেসী নদীর উপরের সেতু, লম্বায়
১১,৬৫০ ফিট
১৪৭। ইংরাজের জাতীয় পতাকা—ইংল্যাণ্ড, স্কটল্যান্ড ও
ওয়েলসের জাতীয় পতাকা থেকে গঠিত
১৪৮। ২১২ ডিগ্রি
১৪৯। বৎসর ২,৫৮,০০০ টাকা
১৫। লাট সাহেবের গাড়ী
১৫১। মাদাম কুরী—রেডিয়াম ধাতু আবিষ্কার করেন
১৫২ জুন সেবেষ্টিয়ান ডেল কানন
১৫৩। ছয় মাস
১৫৪। হাইড্রোজেন
১৫৫। অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
৫৬। দুইটি
১৫৭। সিনকোনা গাছের ছাল থেকে
১৫৮ ৯৮৪ ডিগ্রী কাঃ
১৫৯। ভারতবর্ষের একরকম বায়ু প্রবাহ যা বর্ষাকালে আসে
১৬০। আলফ্রেড নােবেল
১৬। ১৩

৭৪
সাধাৰণ জ্ঞান
১৬২। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৬৩। অষ্ট্রেলিয়া
9481 God be with you
১৬৫। ইংৱাজদের
১৬৬। Be prepared
১৬৭। খােদাদাদ খান
১৬৮। রণজিৎ সিংজী, দলীপ সিংজী, পাউডীর নবাব
১৬৯। হকি খেলায়
১৭। বাঙ্গালী গণিতজ্ঞ। অঙ্ক কষিবার সহজ উপায় ছড়ায়
তৈরী করেছিলেন
১৭১। জাপানী কুন্তী
১৭২। খাইবার গিরিপথ
১৭৩। দেশের জন্য আত্নহত্যা করা-জাপানে প্রচলিত
১৭৪। Seismograph
১৭৫। মেকপ্রদেশে বরফের উপর সূর্যের আলো প্রতিফলিত
হওয়ায় এক রকম আলাের সৃষ্টি
১৭৬। ৩৭টি
১৭৭। সুন্দরী গাছের বন বলে
১৭৮। শিশুদের স্বর্ণমন্দিরের জন্য
১৭৯। তুর্কীদেশের জননেতা ও প্রেসিডেন্ট
১৮। ১৮৫৭
১৮১। দাদাভাই নওরােজী, ভবনাগরী ও সাকলাৎওয়ালা

৭৫
১৮২। তিববতের
১৮৩। পাণী
১৮৪। শিখ-কৃপাণ, কেশ, লােহার বালা (কাঁচা) চিকণী
(ই) ও ল্যাঙ্গোট (কুঞ্চি) এই পাচটীকে সব
সময় ধারণ করতে হয়
১৮৫। সাড়ে সাত বৎসর
১৮৬। ব্রেজিল
১৮৭। মাদাম কুরী
১৮৮। মা আর দস্তা
১৯। তামা, দস্তা, অল্প ৰূপা
১৯০। এক রকমের লােহা; সামান্য অঙ্গার এবং দু একটি
ধাতু মিলিয়ে খুব মজবুত ইস্পাত’ লােহা থেকে তৈরী হয়
১৯১। টিন’ ধাতু
১৯২। নিকেলের সঙ্গে অল্প তামা মিশিয়ে
১৯৩। রূপার সঙ্গে অল্প তামা মিশিয়ে
১৯৪। বৈদ্যুতিক তার এবং বৈদ্যুতিক অন্যান্য সরঞ্জামের কাজে
১৯৫। লীলা
১৯৬। গলান দস্তায় চাদর ডুবিয়ে
১৯৭। বিদ্যুত প্রবাহের (Electric Current) সাহায্যে এক
ধাতুর উপর অন্য ধাতুর কলাই করাকে ইলেক্টে_প্লেট
বলে। চলিত কথায় আমরা গিটি' বলি
১৯। রুপা

সাধারণ জ্ঞান
১৯৯। নরম অবস্থায় ধাতুকে বােলারের চাপে, দুটা মােলারের
ভিতর দিয়ে টেনে
২০। অসমিয়াম (Osmium) ও টাংস্টেন (Tungsten)
২০১। কয়লা থেকে, তাপের সাহায্যে চোয়ান এক রকম গাড়
কালাে, দুর্গন্ধি আঠাল জিনিষ
২০২। আলকাতরা অনেক রকমের কাজে লাগে। আলকাতরা
প্রলেপ দিয়ে কাঠ রং দিলে উই প্রভৃতি পােকা কাঠ
নষ্ট করে না, আলকাতরা থেকে কার্বলিক এসিড, নানা
রকমের ঔষধ, ফটোগ্রাফের ডেভেলাপার, বহু রকমের
রং, সুগন্ধি হয়, বেকলাইট নামে একরকম কঠিন জিনিস
হয়, যাকে ঘঁচে ঢেলে নানা রকমের জিনিষ তৈয়ারী
করা যায়
২৩। মাটির নীচে, খনির মধ্যে
২০৪। পেট্রলের সঙ্গে কেনােসিন থাকে; সাদা মােমজাতীয়
প্যারাফিন থাকে।
২০৫। পাইন গাছের গা চিরে পিণ বের করা হয়
১০৬। পাইন গাছ থেকে পাওয়া আঠাল জিনিষ ; জম কঠিন
হয়ে মন হয়।
২০৭। আলকাতরা থেকে তৈয়ারী জীবাণুনাশক তরল জিনিষ
২০৮T ‘পিচ' জাতীয় জিনিষ (কয়লা থেকে পাওয়া)
২৯। হাড়, শিং প্রভৃতিকে গরমের সাহায্যে, জলের সঙ্গে
গলিয়ে সিরিশ তৈয়ারী হয়

তৈয়ার করে
২১। তার মতে তেল বা চর্বিশিয়ে
২১১। কী জাতীয় জিনিষ।
২১২। রজন,
মিশিয়ে বার্ণিশ
তার সঙ্গে-ভূষাে কালী বা অন্য কোন রং মিশিয়ে।
২১৩। তিসির তেল আর খড়ি দিয়ে
২১৪। রজন আর তিসির তেলে তৈয়ারী বার্ণিশ
বার্ণিশ আর কোন
রকমের রং।
২১৫। স্পিরিটের সঙ্গে গালা মিশিয়ে
২১৬। এক রকম গাছের আঠাল রস; জমে কঠিন হয়ে যায়
২১। পাখরী চুণ আর এক জাতীয় কাদা, আগুনের সাহায্যে
মিলিয়ে
২১৮। মৌচাকের মধ্যে
২১৯। একজাতীয় শক্ত-ঘােসাওয়ালা ফলের ভিতরের অংশ,
গুড়া করা আর ভাজা
২২। একজাতীয় শক্ত ফল ও ডাক’রে, ভেজে কফি তৈরী হয়
২২১। ঘাস, তুলার কাপড়, কাঠের মণ্ড প্রভৃতি
২২২। লম্বা ফিতার মত থান
২২৩। ঘােট ঘােট তা
২২৪, ধড় থেকে
খবরের কাগজ ছাপায়
। কাঠ থেকে
২২৭ ভেড়ার ললাম থেকে
১২৫

৭৮
সাধারণ জ্ঞান
২২৮। বর্ষাকালে বায়ুতে খুব বেশী বাষ্প আসে, সুন
চারিদিকে জলীয় বাষ্প হতে খুব বেশী জল টানে
সেই জন্য শুন বর্ষাকালে বেশী ভেজা থাকে
২২৯। সরু গর্তের ভিতর দিয়ে গরম, নরম খাতুকে টেনে
২৩০। উচু বাড়ীর উপর থেকে গলান সীসা ঝাঝরি দিয়ে
তুলে ফেলে দেওয়া হয়। সীসার হােট গুলি ঝাঝরি
থেকে বেরিয়ে জলে পড়ে ছররা গুলি হয়
২৩১। গত
২৩২। চরকা
২৩৩। হাত তকলি’ বা ‘টেকোর সাহায্যও সূতা কাটা হয়
২৩৪। বােশ্বই আর মধ্যপ্রদেশে
২৫। নাইট্রিক এসিডে খাটি সােনা ফেললে কোন প্রকার
দাগ হয় না।
২৩৬। ঢাকাই মসলিন (খুব পাতলা কাপড়)
২৩৭। জলের নীচে শুক্তি নামে ঝিনুকের মধ্যে
২৮। বালি আর ক্ষার,—আগুনের সাহায্যে গলিয়ে
২৩৯। গলান কাঁচ একটি নলের আগায় লাগিয়ে ফু দিয়ে
শিশি তৈরী করে বলে
২৪০। মােমবাতিতৈয়ারীর জন্য। মুখেমার জীমেও দেয়া হয়
২৪১। বেঁজি-জাতীয় জন্তু থেকে, উট থেকে আর শুওর ক্ষে
২৪২। কলের তেল হিসাবে

উত্তর
L
২৪। বেহালা প্রভৃতির ছড়এ লাগাবার জন্য, গদিতে ঠাসার
জন্য, নেকটাইএর ভিতরে,ভাজ-পড়া নিবারণ করার জন্য
২৪৪। গদির ভিতরে ঠাসার জন্য, দড়ির জন্য
২৪৫। পুড়িয়ে কলিচূণ করার জন্য
২৪৬। প্রথমে একটি নমুনা কাঠ দিয়ে তৈরী করতে হয়।
তারই ছাচ নিয়ে লােহ ঢালাই করতে হয়
২৪৭। জিনিষপত্র প্যাক করার সময় তােত কাজে লাগেই ;
তা ছাড়া,আজকালৰকল রেশম,গরু-ঘােডার খাদ্য, নানা
ওষুধ,
বার্ণিশ প্রভৃতিও কাঠের গুড়াে থেকে তৈরী হচ্ছে
২৮। বাষ্পে ভাপিয়ে নরম করে, লােহার ছাঁচের সাহায্যে
জোর করে
২৪৯। ব্লটিং কাগজের মধ্যে কোনও মাড় থাকে না; কাগজের
ভিতরটা বেশ ফাপা; কাজেই চট্ করে কালী শুষে
নেয় (যেমন থােয়া কাপড় ও কোরা কাপড়ে তফাৎ)
২৫। ১০ ইঞ্চি লম্বা, ৫ ইঞ্চি চওড়া আর ২২ ইঞ্চি পুৰু
২৫১। মসল্লা দিয়ে। ইটের ডাে, চূণ আর বালি মিশিয়ে
জল দিয়ে মেখে ( কখনও ‘সিমেন্টও দেওয়া হয়। এই
সুকি তৈয়ারী করা হয়
২৫ পাথরী চূণ পাথর-জাতীয় জিনিষ থেকে আর কলি
চূণ শামুক, ঝিনুক থেকে তৈরী হয়। পাথরী চুণ
গাঁথার কাজে লাগে ; কলি চূণ দেয়ালে রংয়ের কাজে
লাগে
;

সাধারণ জ্ঞান
২৫৩। যে-মাটি দিয়ে এই বাসন তৈয়ারী হয়, প্রথমে সেই
বাসন চীন্ত থেকে এসেছিল বলে মাটির নামও
‘চীনামাটি—যদিও অন্যান্য দেশেও সে মাটি পাওয়া যায়
২৫৪। কোনও কোনও গাছের ছালের ঐ রকম পরিবর্তন
হয়ে কর্ক হয়ে যায়
২৫৫। এক রকম ফলের বীচি হলাে জায়ফল আর তার খােসা
ইলে জৈত্রী
;
২৫৬। আঙ্গুর শুকিয়ে। বীচিওয়ালা আঙ্গুর মনাকা; বেদানা
আঙ্গুর কিসমিসু।
২৫৭। মাছির আয়ু বড় কম।• শতের আগের মাছির মরে
গেলে, শীতের সময় মাছির ডিম কোটেনা বলে আর
মাছিও দেখা যায় না
২৫৮। আগ্নেয়গিরি থেকে
২৫৯। একজাতীয় হােট হরিণের পেটে, একটি ছােট গুলি:
মধ্যে থেকে পাওয়া একজাতীয় মূল্যবান সুগন্ধি
২৬। রেশমের সূতাকে গালিচার মত করে কাপড়ের উপর
বুনে মখমল তৈয়ারী করা হয়
২৬১। পশমের সূতাকে পিটিয়ে এক সঙ্গে জমিয়ে বনাত
তৈরী করা হয়
২৬২। প্রথমে খাগের কলম ব্যবহার করা হতাে
২৬৩। নােম রাজ্যের প্রথম যুগে—তখন লাল কালীর চল হক
৬৪। প্রধানতঃ মাজুফলের রস আর হিরাক মিশিয়ে

উত্তর
২৬৫। দক্ষিণ আমেরিকায়, ভারতবর্ষে, সিংহলে, আফ্রিকার
পশ্চিম উপকূলে, কঙ্গো দেশে, মালয় দেশে
২৬। মােটরের টায়ারে, বৈদ্যুতিক কাজে, ডাক্তারী ও
বৈজ্ঞানিক কাজে
২৬৭। কৰ্পর এক জাতীয় গাছের কাঠ থেকে পাওয়া
সাদা, সুগন্ধি জিনিষ , জাপানে বেশী পাওয়া
যায়
২৬৮। ইটালীর প্রধান মন্ত্রী মুসােলিনিকে
২৬৯। বাক্সের গায়ে ফসফরাস আছে, কাঠির ঘষায় সেই
ফসফরা একটু জ্বলে ওঠে, সেই আগুনের সাহায্যেই
কাঠি জলে ,নইলে কাঠি জ্বলে না।
২৭০। আবিসিনিয়ার সম্রাটকে
২৭৮ বরােদার রাজা
২৭২। গােয়ালিয়রের রাজা
২৭৩। ইন্দোরের রাজা
২৭৪। হায়দ্রাবাদের রাজা
২৭৫। জামনগরের রাজাকে
২৭৬। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘুছে, সেই জন্য মনে হয়
সুৰ্য পূর্ব দিকে উঠে
শা
গ্রীনল্যাণ্ড

৮২
সাধারণ জ্ঞান
২৮। প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত
মহাসাগর
২৮১। দুই থেকে আড়াই মাইল
২৮২। 'প্রতি সেকেণ্ডে ১৮৬,০০০ মাইল
২৮৩। ৯৩ মিলিয়ন মাইল
২৮৪। প্রতি সেকেণ্ডে প্রায় ১১৫ মাইল
২৮৫। ককেশিয়ান, মােঙ্গোলিয়ান, নিগ্রো, মালায়ান, সেমিটিক
ও রেড ইণ্ডিয়ান
২৮৬। সিমপ্লন টানেল-ইতালী ও সুইজারল্যাণ্ডের মধ্যে-
১২ মাইল ৪৫০ গজ লম্বা
২৮৭। জব চার্ণক
২৮৮। শের সাহ
২৮৯। বল্লাল সেন
২৯০। তিব্বতের প্রধান ধর্মযাজক ও শাসনকর্তা
২৯১। কলিকাতা, বােম্বাই, মান্দ্রাজ, দিল্লী
২৯২। দিল্লী
স
২৯৩। হাঙ্গেরী, Bata Sroe Factory.
২৯৪। এক রকম জলজন্তু, এর আটটি শুড় আছে, এই শুড
দিয়ে রক্ত শােষণ করতে পারে, আর
শত্রুদের জড়িয়ে ধরে মেরে ফেলে।
২৯৫। ১লা এপ্রিল ইউরােপে লােক ঠকানাে প্রথা ; যাঁকে
এই দিনে ঠকানাে হয় তাকে April fool বলা হয়
এর সাহায্যে

উত্তৰ
২৯৬। স্বদেশ থেকে বিদেশে যেতে হলে পুলিসের কাছ
থেকে ছাড় পত্র’ অর্থাৎ পাসপাের্ট নিতে হয়—এই
Passport না থাকলে বিদেশে প্রবেশ করা যায় না।
২৯৭। কুড়ি টাকার উপর
২৯৮। যে বৎসরে হজরত মহম্মদ মক্কা থেকে মদিনায় যান,
৬২২ খৃষ্টাব্দ
২৯৯। জৈনধৰ্ম্ম স্থাপন করেন
৩০০। হেলহেডের রচিত বাংলা ব্যাকরণ
৩১। হিলিয়াম গ্যাস
vozi House of Windsor
৩০৩। অ্যানি বেসান্ট ও সরােজিনী নাইডু
৩৪। Prince of Berar
৩০৫*দুইটি, কুচবিহার ও ত্রিপুরা
৩০৬। সুইজারল্যান্ড
৩০৭। পামির মালভূমি
৩০৮। আকবরের সভাসদ, তিনি বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন
৩০৯। যে খেলার প্রতিযােগিতায় দুইজনই একসঙ্গে প্রথম হয়
৩১০। আফ্রিকা
৩১১। এডেন ও বৰ্মা
৩১২: ফার্দিন্যাণ্ড দ্য লেন্স
৩১৩। টিকিট সংগ্রাহকদের বলা হয়
৩১৪। সাল অংশ

৮৪
সাধারণ জ্ঞান
৩১৫। রাজার মৃত্যুর মুহুর্তেই আইনতঃ অন্য রাজা সিংহাসন
অধিকার করেন
৩১৬। Base ball
৩১৭। ১৯১৪ই সালের মহাযুদ্ধ বিরতি দিবস। ১৯১৮ সালের
১১ নভেম্বর মহাযুদ্ধ বন্ধ হয়—প্রতি বৎসর ঐ দিন
বেলা ১১টার সময় ঐ দিনকে স্মরণীয় করবার জন্য
দুই মিনিট সমস্ত কাজ বন্ধ থাকে
৩১৮। রাস্তা বাড়ী ইত্যাদি তৈরীর জন্য জমাট বাঁধাবার মসলা।
চুণ, বাণী, সিমেন্ট ও লােহা মিশাইয়া ইহা প্রস্তুত হয়
৩১৯। শিখদের এক অস্ত্রধারী সম্প্রদায়-দশম গুরু গােবিন্দ
সিং প্রবর্তিত।
৩২০। আমেরিকার যুক্তরাজ্যের অধিবাসীকে বলা হয়
জীব-জন্তু গাছপালার উত্তর
১। চিতা বাঘ
২। না, স্তন্যপায়ী জীব
৩। কোবরা
৪। ১৮টা পালক
৫। গুন্ গুন শব্দ হয়, খুব তাড়াতাড়ি ডানা নাড়ার জন্যে
৬। আফ্রিকার হাতী ভারতের হাতীর চেয়ে লম্বা, দাত বৌ
বড়, কান বেশী লম্বা, এবং গুড়ের ডগায় আঙ্গুলের

জীব-জন্তু গাছপালার উত্তর
৮৫
আকার দুইটি ছুঁচলে মাংস আছে, ভারতের হাতীর
ডগায় মাত্র একটি আছে।
৭। হাতীরা, সময় সময় ২০০ বৎসর, কচ্ছপ ৩০০ বৎসর
বাঁচে শােনা গেছে। কুমীর আর তিমি মাছ এদের চেয়ে
বেশী বৎসর বাঁচে।
৮। বন্য শূকর
৯। ক্যাঙারুর পেটের নীচে থলে আছে
১০। ১৮টা
১১। ৮টা
১২। আলাের তেজে তাদের চোখ ধাঁধিয়ে যায়, দৃষ্টিশক্তি
এলােমেলাে হয়ে পড়ে।
১৩। আক্টোপাস—এই জন্তু সব সমযে পিছনের দিকে
তার দেয়
৪। কারণ এদের পিছনের পা সামনের চেয়ে বড়
১৫। টিকটিকি
১৬। কচ্ছপ
১৭। অষ্ট্রেলিয়ার
১৮। তিববতের ভারবাহী লােমশ জন্তু
১৯। জীবজন্তু, গাছপালা দুজনেই খায়, বাডে, হজম করে, আর
নিশ্বাস নেয়।
২০। বনমানুষের লেজ নাই, বেবুনের ছােট লেজ আছে,
বানরের লম্বা লেজ আছে

৬
সাধাৰণ জ্ঞান
;
২১। বাদুড জন্তু; যদিও পাখীর মত ওড়ে
২২। শ্লখ আর পিপীলিকাভুক
২৩। সাপ, টিকটিকি, কচ্ছপ, কুমীর, গােসাপ
২৪। সরীসৃপ ডিম পাডে, অন্য পশুর মত তাদের রক্ত
গরম নয়—তাদের রক্ত ঠাণ্ডা
২৫। পােকারা নাক দিয়ে নিশ্বাস নেয় না; তাদের শরীরের
দুই পাশে নিশ্বাসের যন্ত্র আছে
২৬। মাকড়সা প্রধানতঃ খাবার ধার জন্য জাল বােনে; কোন
কোন জাতের মাকড়সা থাবার জন্যও জাল বােনে
২৭। বিডালের ললামে কোনও তেল জিনিষ নাই , কাজেই
ভিজে গেলে একেবারে চামড়া পর্যন্ত ভিজে কাবু হয়।
সে জন্যই জলকে ভয় করে
২৮। উঠের পিঠে যে কুঁজ আজে, তার ভিতরে চর্বিভরা।
অনাহারে থাকলে এই চর্বি শরীরে হজম হয়ে উঠ বাঁ
২৯। উঠের পেটের কাছে থলি থাকে; তার মধ্যে সে জল
জমিয়ে রাখে। জলাভাবের সময় থলির জল সে
অঙ্গে অঙ্গে পেটে পূবতে থাকে
৩০। হাতীর ড তার নাক বটে, কিন্তু এই গুড় দিয়ে তার
হাত পায়ের কাজ হয়, আবার শুভ দিয়ে জল শুষে মুখে
পুরে দেয়; গরমের সময় শুড়ে জল নিয়ে পিঠে ঢালে
৩১। ডানায় ডানায় ঘষে
;
৩২। সামের পায়ে

জীবজন্তু গাছপালাব উদ্ভব
৮৭
৩৩। শুশুক তিমি জাতীয় জন্তু-মাছ নয়
৩৪। মাটি থেকে, শিকডের সাহায্যে জলীয় খাবার টেনে নিয়ে
৩৫। পাতার মধ্যে সূক্ষম সকল শিরার সারি আছে, তার
সাহায্যে বাতাস টেনে নেয়
৩৬। আমরা যে বাতাস নিশ্বাসে টানি, গাছ প্রশ্বাসে সেই
বাতাস ছেড়ে দেয়, আমরা প্রশ্বাসে যে বাতাস ছেড়ে
দিই, গাছ সেই বাতাস নিশ্বাসে টেনে নেয়। কাজেই,
আমাদের পক্ষে বিশুদ্ধ বাতাস গাছ প্রশ্বাসে ছেড়ে দিয়ে
বাতাস বিশুদ্ধ করে
৩৭. গাছের গুডি কাটলে দেখা যায়, সারি সারি গােল গােল
দাগ একটার পর একটা রয়েছে। এগুলি গুণে
দেখলেই গাছের বয়স জানা যায়
একরকম কুচকুচে কালো কাঠ , প্রধানতঃ সিংহল আর
জামাইকাতে পাওয়া যায়
৩৯। এক রকমের হরিণ জাতীয় জন্তু, ভারতবর্যে পাওয়া যায়
৪০। বানর জাতীয় ছােট জন্তু
৪১। আফ্রিকার দুষ্প্রাপ্য জন্তু; জিরাফ জাতীয়
৪২। আমেরিকার বাঘ জাতীয় জন্তু ; দেখতে প্রায় সিংহীর মত
* ৪৩। একরকমের জন্তু; তার পিঠে মজবুত খােলা আছে। ভয়
পেলে গােল বলের মত হয়ে খােলায় সারা শরীর ঢেকে
৪৪। কোকিল

সাধারণ জন
৪৫। তিন সপ্তাহ
৪৬। অষ্ট্রেলিয়া দেশের একরকম পাখী
৪৭। ব্যাঙের জন্মের প্রথম অবস্থা
৪৮। কারণ হাঁসের পালকে একরকম তেল জাতীয় জিনিয়
আছে
৪৯। গর্তের ভিতরে লুকিয়ে থাকে
৫০। সাধারণতঃ ১৩০টা
৫০০ বৎসর
৫২। পােকারা গর্তে মাটির মধ্যে জল ও বাতাস ঢুকিয়ে জমি
উর্বরা করার সাহায্য করে
৫৩। হাতী
৫৪। হরিণ
৫৫। হাঙ্গর
৫৬। জিরা,
৫৭। তার দুইটি লম্বা শিংএর শেষে
৫৮। তিমি মাছ মাছ’ না, কারণ ডিম পাড়ে না, ফুসফুস দিয়ে
নিশ্বাস-প্রশ্বাস ফেলে রক্ত গরম। মাছ ডিম পাড়ে,
কাণকো দিয়ে নিশ্বাস ফেলে, রক্ত ঠাণ্ডা
৫৯।, মাছরা চোখের পাতা বুজতে পারে না, কারণ তাদের
চোখের পাতা নাই।
৬০। এক রকম জম্বুর হাড় সমুদ্রের তলায় থাকে
৬১। খুর-ওয়ালা জন্তুরা তাদের খাবার আধ-খাওয়া অবস্থায়

বিজ্ঞানের উত্তর
৮৯
গালে রেখে দেয় ; আবার সেগুলি চিবিয়ে খায়। এর
নাম জাবর-কাটা
৬২। না, যদিও অন্ধকারে তার চোখ জ্বলজ্বল করে
৬৩। না, শুড দিয়ে
এর মধ্যে জল পুরে দেয়
৬৪। মুখ
৬৫। জিবা
।
সাগরের আর নদীর জল বাষ্প হয়ে উড়ে আকাশে গিয়ে
জলকণাকপে জমে মেঘ হয়
মেঘের জলকণার সমষ্টির ভার যখন বেশী হয়, তখন আর
বাতাসে ভাসতে না পেরে মাটিতে পড়ে
সাগরের কাছে বড় পাহাড় থাকলে অনেক সময় মেঘ
পাহাড়ের ধারে জমে আর বৃষ্টি হয়ে পাহাড়ের কাছেই
তার আয়ু শেষ হয়। পাহাডের অপর পাশের জমিতে
আর বৃষ্টিপাত হয় না এবং সেই জায়গাই ক্রমে মরুভূমি
হয়ে যায়
৪। কোনও জায়গার বাতাস গরম হলে সেই বাতাস হাল্কা
হয়ে শূন্যে উঠে আর-পাশের ঠাণ্ডা বাতাস ঝড়ের
আকারে এসে সেই গরম বাতাসের জায়গা অধিকার করে

সাধারণ জ্ঞান
৫। মরুভূমির উপরের বাতাস গরম হলে মরীচিকা' দেখা
দেয়। শূন্যে দূরের জিনিষের ছায়ার মত দেখা যায়,
—হঠাৎ মনে হয় যেন জলের ছায়া। এই ছায়াকে
মরীচিকা' বলে। মরুভূমির উপরে গরম বাতাসের
উপরে ক্রমে ঠাণ্ডা বাতাসের স্তর থাকে বলে এই
রকমের ছায়া দেখা যায়।
৬। বর্ষাকালে বাতাসে যখন বেশী জলীয় বাষ্প থাকে আর
চাদের কলা যখন পূর্ণ হয় তখন অনেক সময় চাদের
চারিদিকে গােল মণ্ডল’ দেখা যায়
৭। পৃথিবীর সব জায়গা সমান গরম থাকে না কোনও
জায়গা বেশী গরম, কোনও জায়গা ঠাণ্ডা। সে জন্য
ঠাণ্ডা জায়গা থেকে গরম জায়গায় ক্রমাগত বাস
চলাচল কবতে থাকে
৮। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশী হলে কুয়াসার সৃষ্টি হয়
৯। তাপ ইথার’ নামে অদৃশ্য জিনিষের ঢেউ বা কঁপুনী;
এই ইথার চোখে দেখা যায় না, ধরা যায় না, ছোয়া
যায় না; কিন্তু তাপ, আলাে, রেডিওর ঢেউ প্রভৃতি
বিভিন্ন আকারে এর প্রকাশ হয়
১০। প্রথমে জিনিষ আকারে বেড়ে যায়
১১। থার্মোমিটার
২। ৮৯°৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট
১৩। প্রায় ২৫০ মাইল

বিজ্ঞানের উত্তর
১১
১৪
১৫
১৬
১৭
ব্যারােমিটার
পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহের পরস্পরকে এবং অন্যান্য
জিনিষকে নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করছে
এই আকর্ষণের নাম মাধ্যাকর্ষণ
সার আইজ্যাক নিউটন
পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আমাদের ক্রমাগতঃ পৃথিবীর
কেন্দ্রের দিকে টানতে থাকে বলে
১৮। জিনিষটি আয়তনে যতখানি, সেই আয়তনের জলের
চেয়ে ওজনে হালা হলেই জলে ভাসে
১৯। নােনা জল বেশী গাঢ় বলে
২০। চলন্ত গাড়ী থেকে নামলে আমাদের পা মাটিতে ঠেকে
বাধা পেয়ে থেমে যায় কিন্ত শরীর আর মাথার গতি তখন
থামেনা; কাজেই মুখ থুবড়ে পড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে
২১। উত্তর আর দক্ষিণের দুই প্রান্ত (মেক) ছাড়া সমস্ত
অংশই ঘুরছে
২২। পৃথিবীর ঠিক মাঝখান (পেট) দিয়ে একটি লাইন
টেনে গেলে সেইটি বিষুব রেখা হবে
২৩। পৃথিবী ঘােরার জন্য দিন আর রাত হয়—যে দিক সূর্সের
দিকে ফিরে থাকে সেদিকে দিন , অন্য দিকে রাত
২৪। না; ঘড়ির সময় বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। লণ্ডনে
যখন রাত ১২টা, জাপানে তখন সকাল ৯টা ২০ মিনিট ,
ক্যানাডার অঠাওয়া সহরে তখন সন্ধ্যা ৭টা

১২ সাধারণ জ্ঞান ২৫। পৃথিবী ঘুরতে ঘুরতে আবার একটু টলতেও থাকে (যেমন লাষ্ট্র টলে); কাজেই, কখনও তার দক্ষিণ অংশ সূর্যের দিকে বেশ হেলে থাকে, উত্তর অংশ একটু দূরে থাকে, আবার কিছুকাল দক্ষিণ অংশ একটু দূরে থাকে, উত্তর অংশ সূর্যের দিকে হেলে থাকে। এরই ফলে ঋতু পরিবর্তন হয়। যখন যে অংশ সূর্যের দিকে বেশী হেলে থাকে সে অংশে গ্রীষ্ম হয় , অপর অংশে শীত হয় ২৬। পৃথিবীর টলার দকণ দিন ছােট-বড় হয় ২৭। মেরুতে ছয় মাস দিন, ছয় মাস রাত। পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ সূর্যের দিকে থালে দক্ষিণ মেরুতে দিন; উত্তর মেরুতে রাত; আবার উত্তর অংশ সূর্যের দি: থাকলে উত্তর মেরুতে দিন, দক্ষিণ মেরুতে রাত ২৮। বিষুবরেখার (অর্থাৎ, পৃথিবীর মাঝখানটায়) দিন- রাত সমান ২৯। পৃথিবীর মাটির নীচে পাথর আছে ৩০। মাটিতে খুব বেশী গভীর গর্ত খোঁড়া যায় না, কারণ মাটির নীচে ক্রমশঃ গরম বেড়ে চলতে থাকে ৩১। যে ঝরণা মাটির অনেক নীচে পৰ্যন্ত চলে যায়, সে ঝরণা বাইরে এলে তার জল গরম থাকে কোনও কোনও সময় ফুটন্ত জলও দেখা যায় ৩২। মাটির নীচে ভীষণ বিস্ফোরণ (অর্থাং কটাকিন্তু

বিভ্রানের উত্তর
১৩
বিরাট পর্বতের মাঝে চৌচির ফাটার হঠাৎ চাপে
পৃথিবীর গা বেঁপে ওঠায়
৩৩। হাঁ, তরল পাথরও হয়। ভীষণ তাপে কোন কোন
পাথর গলা অবস্থা পায়
৩৪। আগ্নেয়’ পাথর এবং তদান পাথর। তাপে গলিয়ে
বা পরবর্তিত হয়ে যে পাথরের ম সেগুলি
প্রথম শ্রেণীর , জলে বা তরল পদার্থে পলি পডে
বা ধুয়ে যে পাথরের জন্ম সেগুলি দ্বিতীয় শ্রেণীর
। পাহাড়ের পাথর ধুয়ে বালি আর কাদার সৃষ্টি হয়
। স্ফটিক পাথর থেকে
। নদীর কাদার স্তর জমে, সেই স্তর শুকিয়ে শ্লেট হয়
। খুব ছােট হােট (চোখে দেখা যায় না। শামুক
গুগলির সমষ্টি-দেখতে পাথরের মত
খড়ির যেশামুক গুগলি থেকে জন্ম সেগুলি জলের জীব বলে
৩। সহরের বাতাসে এবং আমাদের গায়ের ঘামে গন্ধক
থাকে , এই গন্ধকের সংস্পর্শে এসে কপা কালাে হয়ে যায়
৪। এক রকম তরল ধাতু
সাধারণ বরফেরই মত
-একটু নােনা নয়।
জমার সময় নূন আলগা হয়ে যায়
৪৩। যেদিন বাতাসে জলীয় বাষ্প কম থাকে সেদিন ভিজা
কাপড়ের জল তাড়াতাড়ি বাষ্প হয়ে বাতাসে মিলায়,
আপড়ও তাড়াতাড়ি শুকায়

সাধারণ জ্ঞান
৪৪। ঠাণ্ডা দিনে, মুখের ভাপের জলীয় বাষ্প বাতাসে এসেই
জমে যায়
৪৫। উপরের বাতাস ঠাণ্ডা থাকে বলে সেখানেই মেঘ জড় হয়
৪৬। উঁচু পাহাড়ের পায় এবং কাছাকাছি
৪৭। সূৰ্যের আলাে বৃষ্টির মেঘের গায়ে পড়ে রামধনু হয় ;
কাজেই, একদিকে মেঘ, অন্যদিকে সূৰ্য্য না হলে রামধনু
দেখা যাবে না। দুপুরে সে অবস্থা হওয়া অসম্ভব
৪৮। রাত্রে ঠাণ্ডা পাতা এবং ঘাসের গায়ে বাতাস লাগলে
বাতাসের জলীয় বাষ্প শিশিরের আকারে বাস পাতায়
জমে
৪৯। বৃষ্টির জল পাহাড় পর্বতের উপর পড়ে, গড়িয়ে নীচে
এসে মাটির উপর জমে। তারপর সেই জল না
জায়গা থেকে এসে একত্র জমে, ক্রমশ বড় হয়ে
নদীর সৃষ্টি হয়
৫০। খুব উচুতে মেঘ হঠাৎ খুব বেশী ঠাণ্ডা হয়ে গেলে তা
জল একেবারে বরফ হয়ে শিলাবৃষ্টি হয়
৫১। শীতের দেশে, অতিরিক্ত শীতের সময়ে বৃষ্টিপাতের জল
ঠাণ্ডা হাওয়ায় জমে বরফ হয়ে
৫২। বরফ জলের চেয়ে হাল্কা বলৈ
৫৩। হাঁ; খুব ঠাণ্ডা করলে আর খুব চাপ দিলে বাতাস
তরুণ হয়ে যায়
৫৪। হা মােটামুটি আন্দাজ করা যায়। গপের সময়
।

বিজ্ঞানের উত্তর
প্রায়ই পরিষ্কার দিন হয় ; চাপ খুব কমে গেলে বৃষ্টির
পুড প্রভৃতির সম্ভাবনা হয়
৫৫। বাতাসে নাইট্রোজেন আর অক্সিজেন বায়ু থাকে।
বৃষ্টির সময় বিদ্যুতের ঝলকে এই দুই বায়ু মিলে জলের
সঙ্গে মিশে মাটিতে পড়ে, তার ফলে সেই মাটি
উর্বরা হয়। গাছপালা নাইট্রোজেন না পেলে পুষ্ট
৩। বাতাসের সাহায্যে শব্দের ঢেউ আমাদের কাণের
পটহে এসে লাগলে আমরা শুনি
৫৭। এক সেকেণ্ডে প্রায় সিকি মাইল
৭৮। আলো যেমন প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে, শব্দও
তেমন প্রতিফলিত হয়ে ফিরে এসে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি
সেলে দেশলাই ছিল না। তখন চমকি পাথর
-কে আগুনের ফিকি শুকনাে কাঠ বা পাতায় ফেলে
আগুন জ্বালানাে হতাে
আলাে ইথারের ঢেউ। এই ঢেউ অত্যন্ত হােট।
'ভিন্ন রঙের আলাের বিভিন্ন আকারের
লােহার ভিত দিয়ে সব দ্রুত গতিতে শব্দ
যায়।
সাত রক
হল লাল, সবুজ, নীল,
সাই

সাধারণ জন ৬৩। এই আলাের সাহায্যে মানুষের শরীরের ভিতর হাড় দেখতে পাওয়া যায়। চামড়া, মাংস ইত্যাদিরের সাহায্যে স্বচ্ছ হয়ে যায়। ৬৪। ওয়াট শষ-

No text on this page.

No text on this page.

No text on this page.

No text on this page.

Sadharan Gyan Ed.8

Author
Sarkar,sudhir Chandra
Title
Sadharan Gyan Ed.8
File name
Sadharan Gyan Ed.8
Text
OCR done
Citation
1938
Published
2010/05/3
Publisher
M.c. Sarkar And Sons, Kolkata
Language
Sanskrit
Pages
109
Library
Garh Bhawanipur R.p. Institute, Howrah
Classification
General Knowledge
Keywords
Sarkar,Sudhir Chandra
DLI number
515188
Barcode
4990010016820.00
Scanning centre
C-DAK, Kolkata
Digital publisher
Digital Library Of India
Rights
In Public Domain
VMLT id
qD2JWRxhO98
Download PDF

Sadharan Gyan Ed.8