Bharatiya Vidya Bhavan Library, Mumbai
Sankhyatatvalok
Front matter
পাপুর শালন
नाति
मातियोगसम बलम
যৌনাৰায়-স্মীমন-মিনমি-
सांख्यतत्त्वालोकः
तत्त्वनिदिध्यासनगाथा-महायोगेशरत्तोबादि-समेतः
বিধাযুগান্ বিষখাই
শ্ৰীমন্ ঙালি-মুনি-আলে সামিন।
কে উপহৃত হইল।
সাংখ্যযােগাচাৰ্য-মৎ-হরিহবানন্দ-মি-বিরচিত
সানুবাদ সাংখ্যালোক
তত্ত্বনিদিধ্যানগাথা, মহাযােগেশৰত্তোত্র, সংক্ষিপ্ত তত্ত্ব
সাক্ষাৎকার, স্বাধনের সমবায ও বিশ্লেষণ
প্রণালী, কর্মতত্ত্ব প্রভৃতি সমেত
সুনী-সমাজে বিতৰণাৰ্থ কাপিলাম হইতে
শ্ৰীমৎ স্বামী সচ্চিদানন্দ অরণ্য কর্তৃক প্রকাশিত
{কাপিপাশ্রম, নয়সবাই পােষ্ট, গলি }}
কলিকাতা
(২৪, গিলিশ বিদ্যাবল লেন্, গিৰিশ বিদ্যাব যন্ত্রে
শ্ৰীশশিভূষণ কৃতিৰ ভট্টাচাৰ্য্য দ্বাবা মুদ্রিত।
সংবং ১৯৬০, ইং ১৯০৩।
147
সূচী। পৃষ্ঠ ১০-/ ৭৯- ৮২ ৮৩-৮৭ J; ৮৮ উপমকি। সাংখ্যহালোক তধনিদিধ্যাসন মহাযোগেশতােত্রম্ পারিভাষিক শব্দার্থ সংক্ষিপ্ত তত্ত্বসাক্ষাৎকার তত্ত্বাধনের বিশ্লেষ ও সমবায় প্রাণী অপরপক্ষ-বিচার সাংখ্যের ঈশ্বর সােসংস্থান ৮১-১১ ১১৩+১৩3 ১৩৩-১৩ ১৩৯—১৫২ ১৪২ ১৪৪ প ি বু सबसक्यो কারবর্গে বিষয়শ্বকাপ . ২১ । n ২৬ ২ २२ ২২ বাস্তবতা খিত্তালন । শ্রয়দ্রব মাথৰ প্রহধ বিশ্বাস: ভাষা করণবর্গে বিষাসপ ‘হমান বাহুববিসি चिदानम আশ্রয়দ্রা । সঞ্জাম প্রকাশধৰ্ম্ম ধুলা সুনসুটি বা চিতাববিশেষ হ্য। ১২ ২১ লাল, জগতের হইয়াছে ১৪ { ২৪ म इन ৪ ৯ १२४ ১১ ৭ সংহতি অৰ্যক্তের ব্যক্তির শ্ৰেণীযের ১২• পৃষ্ঠ শব্যাংহাে मतिसिव्या সংহতি धनाम बदापरून ব্যক্তি শ্রেণীচতুষ্টসের ১০৩ পৃষ্ঠ শয্যাসনহাে গল্পঘি-ঘিসিদ্য ৫। १५५ ২ { মুমিনবিয়া ২৪ ৪ উপক্রমণিকা। যাহারা সংস্কৃত শবে বাবা দার্শনিক বিষয় চিন্তা করেন, তাহাদের এই পুস্তকস্থ পদার্থ বুঝা কঠিন হইবে না। কিন্তু আমাদের পাঠকবর্গের মধ্যে অনেকেই ইংৰাজী শব্দেৰ দ্বাৰা ভাল বুঝেন। তাঁহাদেব জন্য এই স্থলে আমবা প্রধান প্রধান পদার্থ ইংৰাজী প্রণালীতে বুঝাইয়া দেখাইব। গুণত্র সাংখ্যেৰ সন্ধাপেক্ষা গুৰুতর পদার্থ। তাহাদেৰ স্বরূপ পাঠবে মনে শুট বপে ধাৰণা না হইলে, সাংখ্যশাস্ত্র প্রবেশভ কৰা দুৰূহ হইবে। অতএব তাহাই প্রথমে ধরা যাক। কোন প্রকান্ড ক্রিয়া না হইলে আমাদে কিছুই বােধগম্য হয় না। শব্দাদি সমস্ত এক একপ্রকার ক্রিয, তাহা হইতে আমাদেব চিন্তে একপ্রকার ক্রিয়া হয়, তাহাতেই আমাদের বােধ হয় । অবস্থাব পৰ আৰ এক অবস্থায় যাওয়ার নাম ক্রিয়া, এই লক্ষণে বাহ ও অব সর্ব সিনাই পড়িবে। Prof Begelow 100 Popular Astronomy69 af 1727 09, Force, Mass, Surfice, Electricity, Vagnetz-nos 13 "are npprebended only during instantancous transfer of cncilsy." T4179600, Energy is the great unlı nown cntity, and its existence 14 recognized only during its state of changa." সংখ্যাতত্ত্বকৌমুদীকাৰ ইহাকে বলেন, “রজা উদাটিতঃ”, সুজঃ বা ত্রি- শীলতাৰ দ্বাৰ উদঘাটিত হইলে আমাদের বােধ । পাঠক প্রশম: ‘ঙ পদার্থকে পnknown Entity' বিবেচনা কবিয়া তাহাব সম্বন্ধে সমস্ত ‘পূর্ণ- সংস্কীল ত্যাগ করিয়া বিচাৰ কবিতে প্রবৃত্ত হউন। প্রথমতঃ সৰ্ব্ববােধে হেতুত বাহু ও আপ্তব এক ক্রিশালতা পাওয়া গেল। উহাই সাহেব । ইবাজীতে উহাকে Autative Principle বলা যাইতে পারে। সমস্ত ক্রির একটী পুৰ্ব্ব ও পব স্থিতিশীল ভাব থাকে, তাহাকে Conscryed বা Potential State বলে। বােধে শেষ ক্রিয়া মস্তিষ্কে , সুতরাং মস্তিঘে (বা জড়পদার্থে) বােধ হেতু ক্লিাব Potential State বা স্থিতিশীল ভাব পাওয়া গেল। উহাই সাংখ্যেৰ তম। (সাধ্যমতে মস্তিষ্ক ও মন মূলতঃ একজাতীয) সুতরাং তমকে Insentient বা Conservative Principle বলা উচিত। সেই মস্তিনামক 'Fac=174*1077 Potoutil Energy 7 Conservntive Principiant ** পবিণাম বা 'Iratisfer of tnregy বা Chango হা, তখনই আমাদের ব্যে হব। অতএব এoa8cxvation এব” butation নামক অবস্থান শেষ ।
C4 Ti Sentient State. জড়তা ক্রিয়ার দ্বারা উদ্ভুিক্ত হইলে পব এই যে বুভব হয়, তাহাই লাখ্যের প্রকাশশীল সত্ত্ব। তাহাকে Sentent Principle বলা যাইতে পারে। অতএব যাহাকে ‘জড’ পদার্থ বা অনামভাব বলা যায়, তাহাতে আমরা Sentent, Muttive ও Conservative এই তিনপ্রকার Principle বা তত্ব পাইলাম। অজ্ঞ অনুবাদকগণ সত্ব, বঃ ও তমকে Good, Indifferent, Bad প্রভৃতি শব্দে অনুবাদ করাতে শাস্ত্রের ইবাজী অনুবাদ সকল এইরূপ হাস্যাস্পদ হয়। বিষয় ও ইন্দ্রিয়াদি সমস্তেই এই তিন তত্ত্ব পাইবে। বসায়নেব Elementএব শ্যাষ উহা সখ্যের মূল অনানুসনীয় Elerment. ঐ বিভাগ অতীব সবল এবং উহা খাটাইয়া সমস্ত অনাত্মভাব বিচাৰ কৰিলে এরূপ সুন্দর সঙ্গতি হয়, যে তাহা দেখিলে আশ্চর্য হইবে। সত্ব, রজঃ ও তমঃ অবিচ্ছেদে মিলিত। কারণ যাহা Potential বা Conservative State , stop, Mutative State 4 (Kinetic afaca stro বা বাহক্রিয়া মাত্র বুঝায়, কালব্যাপী মানক্রিয়া বুঝায় না, তাই Mutative শ প্রযােজ্য) আসিয়া Sentient Stateএ যায়। Potential State দুই একার, সলিঙ্গ ও অলিঙ্গ (১১৮পৃ.) বা Differentiable ও Indifferentiable TATT Absolutely indifferentiable Potential state of Non self exist ences, তাহাই সখ্যীয় প্রকৃতি। উহাব নামান্তর অব্যক্ত বা Unknewable Entity. তাহার ব্যাবস্থা হইলে তাহা তিন প্রকারে উপলব্ধ হয়, যথা- Sentent, afutable, ও Conservative পাশ্চাত্যশণ Mutable ও Conservative এই দুই অবস্থা বুঝেন, কিন্তু সাধ্যগণ Scntient অবস্থাও ধবেন। বিষয় বা Knowable পদার্থ বিচার করিয়া দেখিলে দেখা যায় যে, তন্মধ্যে শ, ৰূপ ও শশ প্রধান জ্ঞেয় বিষয়। শব্দে জ্ঞেয়তা বা Sentent 7 প্রধান, পে Mutative P প্রধান এব” গন্ধে Conservative T. প্রধান (৬ পৃঃ)। স্পর্শ, শব্দ ও রূপের মধ্যস্থ, এবং রস, রূপ ও গন্ধের মধ্যস্থ। যেন না, হদ্রিা ও নীল এই তিন বর্ণ প্রধান এবং সবুজ ও কমলার র’ শস্থ ও মিলনাত, তদ্রুপ। কণশক্তি বিভাগে দেখা যায় যে, জানেন্দ্রিয়ে ১nticnt T প্রধান, কর্মেন্দ্রিয়ে futatiyo T. প্রধাম এব প্রাণে Con servative F. প্রধান, কারণ শৰীৰ বস্তুত প্রাণিত্বের Totential Energy হেঃ শাহ্ পোদি বিশ্লষণ বা Autation হইল সোধ ঠোদ হয়।
{ } } চিত্ত বিচাবে দেখা যায়, প্রমাণ, চেষ্টা ও সৃতি বা Cognition, Actor and Retention প্রধান এব তাহা যখানে , শতঃ ও তমঃ এৰি বৃত্তি । অনুভব করণীত ভাববােধ (কতবট, Teling) ৰ বিকল্প বা Vague Ideation মধ্যস্থ বৃত্তি। প্রমাণাদিৰ 'অবান্তর ভেদ ও ঐপ্রকার। প্রমাণ == প্রত বা Perception), অনুমান বা Inference এবং গম বা 'Trans ference (Transferred cogition) (২৬ পৃষ্ঠ)। অনুভব= জ্ঞানসহশত, যেমন Recollection, চেষ্টাসহশত বা ১futocstactic বা King asthetic অনুভব এবং শরীর বা General Scnsibility চেষ্টা =সহঙ্কা বা Volution, কল্পনা বা Imagination এবং অবধান বা Attcition বিকল্প = বস্তুবিবর, ক্রিয়াবিকল্প 9 অভাববিকল্প , Positive, Fredicative ও Negative Terms হইতে যে অবস্তুবিষয়ক (Inconccivabe) চিত্তভাব বা Vague Ideation হ, তাহাই তিন। তিবাধ্যহি, চেষ্টাপতি ও বদ্ধ ভাবধৃতি অথাৎ Retention of Objective Sensations, Actions and Insentient States (যেমন নিদ্ৰাদিব)। ৪ দিতেও ঐরূপ দেখা যায়। যে ঘটনায় বােধ ফুট, বিস্তু বােধজনক ক্রিয়া বা Stimulation বেশ নহে অর্থাৎ অপহজ নহে, তাহাতে সুখ হয়। 0ver-stimulation বা ক্রিয়ভাব বেশী থাকিলে তাহাতে দুঃখ হয়। মনে কৃ শারীর পীড বা Pin , *ীরের যে General Sensibility আছে, তাহ কোন আগন্তুক কারণে (যেমন েব মধ্য Uxic acid অথবা Blicrobe) over-stimulated state Nerves of General Sepsibility সকলের অতিক্রিয়া বা অসহজ ক্রিয়া হইলে পীজ হয়। সহজ Stimulation পাইলে সুখ । ওজ্জ সুখে সত্ত্ব বা Sentient . প্রধান এব’ futatiye 1. কম। আর দুঃখে Afatative » প্রধান এবং ততুলনায় Sentient P.PH $: 71 Insentient & Conservative Puincirlo cada অবস্থা, ওহাব নাম মােহ বা Insentence মূলঃকরুণত্রয়ের মধ্যে বুদ্ধি বা মহৎ ecognizor of Non-self Existcnces. তাহাতে অবশ্য Sentient 7. বা সা সৰ্ব্বাপেক্ষা অধিক। তৎপরে 2267 L'aculty wuch indentifies Self with Non Sell 47% পন্দে তাতে এক প্রকাশ ছাপ, যাহাতে আতা ‘অনাঋেৰ জ্ঞাতা হয়। এই ( 90 ] } অনাত্মের ছাপ আমাতে লওযা Afferent Impulse নামক ক্রিয়াশীলতার মূল। ইহা হইতে “আমি জ্ঞাতা” এইপ অভিমান হয়। আমি বৰ্ত্তা” এইরূপ অভিমানে আমভাব কোন Conserved অনাভাবকে (যেমন ক্রিয়া স স্কাব, uscle প্রভৃতি) উক্তি করে, তাহাই Efferent Impulseএব মূল। জয় অহঙ্কারে রজঃ অধিক। মনঃ -- অশেষস স্কাবাধাৰ অর্থাৎ General conservator of all Energies অপবাপৰ সমস্ত জৈব শক্তি মনােনামক সামান্য শক্তির বিশেষ। সমস্ত চিত্তক্রিয়া আবাব বিচার কবিয়া দেখিলে দেখা যায় যে,তাহাবাও তিনজাতীয় , যথা সদ্ব্যবসায় বা Reception, অনুব্যবসায় বা Reflection এবং রন্ধব্যবসায় বা Retentive Action অনাত্মভাব দুইপ্রকাব, 8159 7 Subjective 47° st 1 Objective তন্মধ্যে গ্রহণে তিন গুণ ERCS 0271 (Sensibility), egre (Activity) e feft (Retentiveness) হয় এবং গ্রাহে বােধ্যত্ব (Knowbility), ক্রিয়াত্ব (Mobility) ও জাড্যত্ব (Inertia) হয়। যখন পূব্বোক্ত সত্ত্ব, রজঃ ও তবে সাম্য বা Equilibrium হয়, তখনকোন আনক্রিয়াদি থাকে না, সুতবা তখন বাহ ভাতৃত্বাব থাকে না, তখন ভাতা নিজেকেই নিজে জানে। দৃশ নিজেকেই নিজে জানা ভাব বা Pure Self বা Self-cognitive Principle সাধ্যে পু। প্রতি ও পুরুষ আর বিশ্লেষ বােশ্য নহে বলিয়া তাহারা নিশব অনাদিসিন্ধ পদার্থ বা Self existent স্থানাভাবে এই প্রণালীব দ্বাবা বিস্তৃতভাবে বুঝান গেল না, কিন্তু ইহাতেই চিন্তাশীল পাঠকের গুণত্রয় সম্বন্ধে ফুট ধাৰণা সুর্য হইবে আশা করা যায়। রসায়নের Element সকল দ্বাৰা অঙ্কপ্রণালীতে যেপ রাসায়নিক দ্রব্যের তত্ব বুঝান হয়,সেইপ সত্ব, বজঃ ও তমঃ গুণের দ্বারাও বৰ্তীয় অনাত্ম পার্থ বুঝান যাইতে পারে। যা-পুরুষ+স+, +ত, বুচ্ছি, পু+শ, +8+ত, = অহঙ্কা ইত্যাদি। অন্তকৰণত্রয়কে Ba১স্বরূপ লইয়া চিত্ত ও ইতিয় সকলকেও ঐপে বুকা যাইতে পারে। অদিসিদ্ধ পুষ্প্রকৃতির সংঘােগা আমরাও (কণযুক্ত) অমাণি বর্তমান, “নিত্যান্তেনি সৌম্নেণ হীন্দ্রিয়াণি ; সর্বশ। তোেণ তৈৰপচয়, কৈালে বিধীয়তে । অনাদি বৰ্তমান হইলেও ব বা ফ্রি মা ল ভাবের দ্বারা এভিনিত আমাদের ধরা বংশ রিত হইয়া ইতেছে। বশে গা দেব সেই পণি" শাম; কার সামর্থ্য আছে , তাহা করি - মান্না বা বাড়া, ৰ Tা এ শত শিবি। पात्र गशन राउ "তে। পেশ্লিাঘল যদি সাং কrি পায়, * { , প শ ১ শ -বি।
सांख्यतत्त्वालोकः।
यथा कलावशिष्टोऽपि गशी राजत्युपतः ।
নান্ধাভিয়ে দ্বীনলয় নীঃবঃ ।
জালায়মানময়ি নমিনি হন।
সুলনীঘ আনৰহ্মাৰ কাবিল নমঃ ॥
तत्त्वानि कुसमानीव धीरधीमधुमन्सुदम् ।
ঘনি মহিমেল বায়ার্ন ম্বি জামি ।
विभतियुक्तियोलत्रिगुणसूत्रेष यो मया ।
বল্পসমূনাৰী অম্বিন: নান্সল্য।
ললাম ন যন্ত্র স্বামীদাহ যীমিত।
महामोह विजेतुं यः प्रस्थिती योगवर्मनि ।
সাংখ্যতত্ত্বালােক।
অনুবাদ।
যেমন উমােহপহ শশধর রাহুগ্রস্ত হইয়া কলমাত্র অবশিষ্ট থাকিলেও সমস্ত
ভরব অপেক্ষা সম্যৎ প্রজ্জলরূপে বিভাত হন, সেইরূপ কালরাহুৰ দ্বারা
সমাক্রান্ত হইয়াও যে শাস্ত্র অন্য সৰ্ব্বশাস্ত্রাপো বিশিষ্টরূপে প্ৰভাসিত হইতেছে,
সেই সাংখ্যশাস্ত্রবক্তা কপিল ঋষিকে স্তুতি করি ।
ধীরগণেৰ চিত্তরূপ মধুকবের আনন্দ বিধানপূর্বক তত্বৰূপ কুসুম সকল
কপিলধিকৃত সংখ্যাদ্যানে পরিশােভিত হইতেছে।
সংযােগবিতণী ত্রিপুর্ণ সুত্রের দ্বারা (সত্ত্ব, বু ও তমঃ গুরূপ সূত্র, পক্ষে
তিনবযুক্ত সুত্র) আমি সংযতাত্মা হইয়া এই ভধপুষ্পহার গ্রথিত কবিয়াছি।
মহামােহ ভয় করিতে যে ধীৰ্য্যশীল যােগী যােগপথে যাত্রা করিয়াছেন,
তাঁহার ইহা বলাক বা মস্তবভূষণ মাণ্যম্বরূপ হউক।
साख्यतखालोक। माल्यन्यस्तप्रबाला हि शोभास दिहेतव । मन्यस्तावान्तरा भेदा येऽस्तु तेषा तथा गति ॥ असवेद्यचक्षुरादिकरणैरस्मत्पदार्थ । सोऽर्थ अस्मीति भावे नैवावबुध्यते । तादृगात्मनेवामावबोध स्वप्रकाश । स्त्र प्रकाशी वैषयिकप्रकाशति विविध प्रकाश । तत्र वैषयिकप्रकाशो ঞ্জিয়ী মানাননিময়। সন্ধায় কামাননিময় बुझेरपि प्रकाशकत्वात् । यथा हुश्चेतनावदिव लिङ्गमिति ॥ १ ॥ व्युत्थाने चित्तस्य क्षिप्रपरिणामित्वाञ्चञ्चलाभीगतसूर्यविम्बस्य মালেতে বিন্যস্ত নবপল্লব সকল (পুষ্পহাবেব) শশাভা বৃদ্ধি করে। সকলের মধ্যে আমার দ্বারা যে অবাস্তব Cেদ সকল বিস্ত হইয়াছে, তাহাদেবও সেইরূপ গতি হউক, অর্থাৎ তাহারাও তত্বহারের শােভা বৃদ্ধি করুক। অশ্ম বা আমি পদের যাহা অর্থ তাহা চক্ষুরাদি করণবর্গের দ্বারা জানা যায় না। সেই অর্থ আমি এইপ্রকার আন্তর ভাবেব দ্বারা অবগত হওয়া যায়। তাদৃশ আপনার দ্বারা আপনাকে জানার নাম প্রকাশ। প্রকাশ দ্বিবিধ প্রকাশ ও বৈষয়িক প্রকাশ। তন্মধ্যে বুদ্ধিনামক বৈষয়িক প্রকাশ জ্ঞাসাজ্ঞাতবিষয় আর স্বপ্রকাশ সাজ্ঞাতবিষয় * যেহেতু তাহা প্রকাশশীল বুদ্ধিরও সদাপ্রকাশক। যথা উক্ত হইয়াছে, “বুদ্ধি পৌরষচৈতন্ত্রের সম্পর্কে চেতনের ন্যায় হয় | ১ বুখান বা বিক্ষেপাবস্থায় চিত্তেব প্রিপরিণাম হইতে থাকে বলিয়া প্রকাশভাবে অবস্থান হয় না। যেমন চঞ্চল বা তরঙ্গযুক্ত জলে সূৰ্যবিম্বের স্বরূপ লক্ষিত হয় না, তক্রপ। অর্থাৎ এক বৃত্তির পর আর এক বৃত্তি • যুদ্ধয় এক বিষয় পাৰি ফ'কাত ও কফ ইন্না কিন্তু পুরুষ বাচষ্টায় বৃত যিয় যে বুদ্ধি তাহা সৰা ত অর্থ বুদ্ধির সাথে প্রকার পরিণাম বাবু ও হক মা ফেন নাই তাহা কেবল প্রকাশ বা চিঙ্গিস এi নিকট এ । ই এ উদ ই'।
৫ सांग्यतत्वान्नीकः । देशावस्थानभेदादाकारभेदास्यपरिणामः लाक्षणिकः ॥ ३ ॥ असंयोगजलात् खचैतन्यस्य नास्योपादानिकपरिणामः। असीमलाच नास्ति लाचणिकपरिणामो गत्याकारभेदादिरूपः । अतभानात्मकलात् सचेतन्यमसोमम् । যথাঃ “বিনিমনি: शडा चानन्ता चापरिणामिनी चेति'। अपरिणामित्वात् कालेनाव्यपदिष्टः पुरुषः। बोधस्वरूपत्वाच नासौ देशव्यापी। মমি নাম: নৱম্মানৰ্ম: ২মাসয়দায়ী: স্বাণ- সকল পুৰ্ব্বাবস্থিতিস্থান হইতে ভিন্ন স্থানে স্থিতি করিলে আকারভেদ-নামক যে পৰিণাম হয়, তাহা লাক্ষণিক সেইরূপ কালাবস্থানভেদে নব ও পুরাণ বলিয়া যে পরিণাম বা ভেদ ব্যবহৃত হয়, তাহাও লাক্ষণিক ॥ ৩॥ অসংযােগ বলিয়া স্বচৈতন্যের ঔপাদানিক পরিণাম নাই। আর অসীমত্ব- হেতু গতি ও আকাৰ ভেদ-রূপ লাক্ষণিক পরিণাম চৈতন্যের নাই। স্বচৈতন্য কেন অসীম ?-না, অদ্বৈতভানস্বরূপ বলিয়া। অর্থাৎ একাধিক পদার্থের জ্ঞানকালে সেই জ্ঞেয় বিষয় সসীম বলিয়া প্রতিভাত হয় । অচৈতন্য- ভাবে অবস্থানকালে যখন আগ্রাতিরিক্ত কোন পদার্থের বােধ থাকিতে পারে না, তখন সেই আত্মবােধ কিসের দ্বারা সীমাবদ্ধ হইবে? এবিষয়ে (যােগভাষে)- উক্ত হইয়াছে, “চিতিশক্তি, শুদ্ধা, অনন্তা ও অপরিণামিনী”। উক্ত দ্বিবিধপরিণামশূন্য বলিয়া পুরুষ কালের দ্বারা অব্যপদিষ্ট। পরিণম্য- মান অন্তঃকরণ-বৃত্তির দ্বারা কালের জ্ঞান হয়। এইক্ষণে এক বৃত্তি আছে, পরক্ষণে আৰু এক বৃত্তি উঠিল, পরক্ষণে আর এক, এইরূপে ক্ষণ সকলের আনন্তরূপ কাল চিত্তপরিণামের দ্বারা (সেই পরিণাম স্বগত হইতে পাৰে, (বা বাহকৃত হইতেও পারেঅনুভূত হয়। আত্মাববােধের কোন পরিণাম নাই বলিয়া তাহা কালব্যপদে নহে। আর বােধস্বরূপ বলিয়া তাহা দেশব্যাপী নহে। কারণ, দেশব্যাপিত্ব বাহপদার্থের ধৰ্ম্ম, অধ্যাত্মভাবের ধৰ্ম্ম নহে । (সুতরাং তাহা:আত্মপদার্থে থাকিতেই পারে না। কিঞ্চ দেশায় পদার্থ • গতিও লাক্ষণিক পরিণাম,কারণ তাহাতে পুৰুৱেশ হইতে দেশান্তরে স্থিতি হতে থাকে। 1 রুপাদি বাহ বিষয়ই দেশাহিত বা বিকাৱাদিযুক্ত। ইচ্ছাক্রোধাদি অন্তর ভাব सास्थतत्त्वालाक । बहुखे ससोमत्वमित्युत्सर्गो निरपवाद. देशायिते वाह्य- पदार्थे । अदेशायिते जपदार्थे तदुत्सर्गस्यापवाद । नपदार्थ- थोत्तरोत्तरकालभाविभि परिणामै ससीमो भवति। अपरि- पामित्वाद्वैतभानशून्यत्वाच्च पौरुषबीधे सीमाकारकहेत्वभाव ॥५॥ एतस्मादेतसिध्यति । परमार्थशि देशव्यापिरवाभावात्, व्यव हारदृशि व्यापीत्युक्त ग्राद्यवहेशाययदापप्रसद्भात, तथा च बहुवे ऽपि जपदार्थस्य ससीमलदोपाभावात, सर्वतस्तुल्यो बहुपुरुष (বলিতে পাব বহু বস্তু থাকিলে তাহারা সকলেই সীম হইবে, সুতরাং বহু পুরুষ থাকিলে তাহারা প্রত্যেকে কখনও অসীম হইতে পাবে না। তাহার উত্তর এই।) “বহু হইলে সসীম হইবে” এই নিয়া দেশাশ্রিত বাহপদার্থের পক্ষে সর্বথা খাটে। কারণ, বাহপদার্থ দেখিয়াই ঐ নিয়ম হয়। দেশাশ্রয়শূন্য পদার্থে ঐ নিয়মের অপলাপ হয়। পদার্থ উওরোত্তর কালজাত পরিণামের দ্বারা সসীম হয় , অর্থাৎ বাহপদার্থ যেমন ভিন ভিন্ন স্থানে থাকাতে সসীম হয় বােধপদার্থ অদেশি৩ বলিয়া সেরূপ হয় না। তাহা ভিন্ন ভিন্ন কালে অবস্থিত হইলে অর্থাৎ এক জ্ঞানের পর আর এক, তৎপরে আর এক, এইরূপ ক্রমশ পরিণম্যমান হইয়া উদিত হইলে, সেই এক একটা জ্ঞানকে সসীম বলা যায়। তাদৃশ পরিণাম নাই বলিয়া, এবং দ্বৈতভানশুত্বহেতু (অর্থাৎ “আমি ও উহা” এই বােধশূন্যত্বহেতু), পৌরুষবােধ সীমাকারক কোন হেতু নাই । ৫। ইহা হইতে এই সিদ্ধান্ত হয় যে-পরমার্থদৃষ্টিতে বা কৈবল্যভাবে পুরুষের দেশব্যাপিত্ব নাই বলিয়া, * আর ব্যাপী বলিলে ব্যবহারদৃষ্টিতে পুরুষে রূপাদিব ন্যায় দেশীয় দোষের প্রসঙ্গ হয় বলিয়া, । আর বহু হইলেও পদার্থের সসীম হয় না বলিয়া, সৰ্ব্বথা তুল্য বহু পুরুষ বিদ্যমান আছে এই * কারণ, বোধপরাধ অদেখালিত। । দেশ বা বিজ্ঞান এবং রুপাদিবিজ্ঞান অবিনাবী। রূপাদির সহিত ব্যাপ্তি জ্ঞান এর ব্যাপ্তি বা প্রজ্ঞানের সহিত রূপাদির জ্ঞান অবশ্যম্ভাবী। রূপাধি ত্যাগ করলে প্রদান থাকে না।
ত মৃত্বাবধা। নি যুদ্ধঃ দৰাক বুনি। সুনিদ্বাৰ “স্বর্নালীছিসয়াঙ্কা বী: : সলা: ভানা বসা। অল্পী ধ্বন্ধী সুষমাতীর্মেন সানা মীমামীঃ ॥” নি । । ननु "एकमेवाद्वितीय"मित्यादिश्रुतिष्वात्मन एकसंख्यकल. নীখিনিনি , না আনি দ্বনানন্য মান্ধ- জানিবৰ বন্ধ ন ময়ল। নয়া ৰ সুৰ-“নাৱননি- লিখিী আনিয়াহিনি।” “জী আৰী’গ্রাস্থিনিৰীৰী- पाधिकस्यात्मनः प्रशंसा उपासनार्थमेवीता। न ताः श्रुतय স্বাম: বঘাবাঃ। যযাম্বু,-“না: সমা প্রবাদ বা সুসিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত। এবিষয়ে শ্রুতি যথা—“বহু প্রজা সৃজমকাবিণী সবস্তমােগুণময়ী এক অজা। প্রকৃতিকে কোন এক পুরষ তদ্বাৰা সেব্যমান হইয়া অনুশয়ন (উপভােগ) কবেন, আর অন্য কোন পুরুষ ভােগ শেষ কবি তাহাকে ত্যাগ কখেন” । ৬। যদি বল “একমেবাদ্বিতীয়” প্রভৃতি শ্রুতিতে আত্মার একসংখ্যকত্ব উপদিষ্ট হইয়াছে, তাহা নহে। সেই সব শ্রুতিতে অাত্মাতে দ্বৈতভানশূন্যত্ব অথবা পুৰষ সকালব একজাতিপৰ উক্ত হইয়াছে, সংথ্যৈকর উক্ত হয় নাই। সাংথ্যসূত্র যথা—-“অদ্বৈত শ্রুতির সহিত বিবােধ নাই, যেহেতু তাহাতে পুরষ সকলের একজাপিৰত্ব উক্ত হইয়াছে”। যদি বল, “একব্যাপী” ইত্যাদি এতিইে একত্ব ও সদেশব্যাপিত্ব আত্মস্বরূপ বলিব উক্ত হইয়াছে, তাহা নহে, সেই সৰু শতিতে ঈশ্ববকােণাধিক আয়াব উপাসনাথ প্রশংসা উক্ত হইয়াছে। সেই সব শ্রুতি আত্মাব স্বরূপনির্ণরূপবা নহে, ঐশ্বৰ্য্যপ্রশসা- পবা মাত্র। বস্তুতঃ আয়ত; ঈশ্ববতৰ অতিৰিক্ত বলিযা শ্রুতিতে কথিত হইয়াছে। সাংখ্য স্থা-“তাদৃর্শী শ্ৰতি) মুক্তাব প্রশংসা বা সিদ্ধদের सांग्यतत्वालोकः। तथा च-- युपासा वा सिद्धस्येति ।" ईश्वरविलक्षणस्य पुरुपतत्त्वस्य মহাবধাঘবসুনিয়া—“অমঘষার্যময়মঘঘ- मचित्यमव्यपदेश्यमेकाममत्ययसारं प्रपञ्चोपशम शान्तं शिवमदत বঘে মন ও গলা ও যিময় দুনি। "यिमे कर्णा यतो विमे चक्षुर्यो इट ज्योतिर्दृदय आहितं यत् । विमे मनथरति दूर आधीः লিবিয়ামি জিন ও মনিঘ।” দুনি। अत आमनो विस्तारादिसर्वग्राधधम्मशून्यता बहुता च सिद्धा ॥ ७॥ উপাসনপরা” *। ঈশ্বৰবিলক্ষণ পুরুষতত্বের স্বরূপাবধারণপরা শুতি যথা- “যিনি অদৃষ্ট (বুন্ধীন্দ্রিয়াতীত), অব্যবহাৰ্য্য (কম্মেন্দ্ৰিয়াতীত), অগ্রাহ, অলক্ষণ, অচিন্ত্য, অব্যপদেশ (দৈশিক ও কালিক ব্যপদেশশূন্য), একমাত্র আত্মপ্রত্যয় গম্য, প্রপঞ্চের অতীত, শান্ত, শিব, অদ্বৈত, চতুর্থ বিশ্ব, বৈশ্বানর ও প্রাজ্ঞ বা ঈশ্বরত এই তিনেব অতীত) বলিয়া সম্মত হন, তিনিই আত্মা বলিয়া বিজ্ঞেয়”। অন্য শ্রুতি যথা-~“হৃদয়ে যে জ্যোতি আহিত রহিয়াছে, আমার কর্ণ ও চক্ষু (অর্থাৎ জ্ঞানেন্দ্রিয়গণ) তাহার বিপৰীত, অর্থাৎ তাহাকে জানিতে পাবে না, আমার মন তাহার বিপরীত দিকে দূবে বিচরণ করে, অতএব তদ্বিষয়ে কি বা বলিব, আর কি বা মনে কৰিব ?” অতএব আত্মাব বা পুরুষ- তত্ত্বের বিস্তারাদি সৰ্ব্বপ্রকার গ্রাহধশূণ্ঠতা এবং বহু সিদ্ধ হইল । ৭। * সাংখাসক অনাদি, মুক্ত গদ্বাপীর বড় ঈশ্ব বা মোক্ষ ৩ অথবা সাল্মি সমাধিদ্ধি মহাত্মাক্ষ করপরায়ণ, প্রকৃতিবী, নৰ্কঃ সৰ্বভাৰধিষ্ঠাতৃত্ব যু, ব্ৰহ্ম’শাকস্থ ঈশ্বরগণের উপাসনাৰ্থ পিত্বাদ-ঐশষ্য যােগ কয়িা শ্রুতি প্র* সা কয়িাছেন। ভাল ঈশরােপাসনা আশু সমাধি বলিয়া সাংখ্যশাস্ত্রে কথিত আছে। যথা—“সমাধিসিদ্ধিরীশ্বপ্রণিধান {দ্যোগত।
पुरुपतत्त्वम्। व्युत्थितायां निरुद्धायां वा चित्तावस्थायां पुरुष एकरूपेणा- वतिष्ठते । इन्द्रियवाहितं विषयज्ञानहेतचाञ्चल्यं पुरुपसन्निधौ बुद्धौ प्राकाम्यपर्यवसान लभते। भेदविकाराविन्द्रियादिस्थिती, শান্দি নয়: অনলানীযঃ। অগ্ন--“দ্ধৰিগিঃ- পুরষতত্ব আপও সূশ্ন ৰূপে বিচাবিত হইতেছে। ব্যখিত কিংবা নি ধা এই উভয় চিত্তাবস্থাতেই পুরুষ একভাবে অবস্থান ববেন , অর্থাৎ মনে হইতে পাবে, নিবোধাবস্থাতেই পুব অপবিণামী থাকিতে পাবেন, কিন্তু বিক্ষেপাবস্থায় পরিণামী হইবেন। তাহা নহে, বেন না, ইন্দ্রিয়বাহিত যে চাঞ্চল্য বা উদ্রেক বিষাজ্ঞান উৎপাদন কবে, তাহা পুরষেব সান্নিধ্যে বা বুদ্ধিতে যাইয়া প্রকাশ্য- পৰ্য্যবসান লাভ কৰে , অর্থাৎ বুদ্ধিতে পৌছিলেই ঐন্দ্রিয়ক উদ্রেক প্রকাশিত হইয়া শেষ হয়। ভেদ ও বিকাৰ কবণবর্গে সংস্থিত, তাহাদেব পুষতকে পৌছিবার উপায় নাই । যথা উক্ত হইয়াছে—“ফল অবিশিষ্ট চিত্তবৃত্তি t। বুন্ধিতবে যাইয়া বিষয় প্রকাশিত হয়, বা যেখানে বিষয় প্রকাশিত হয় তাহাই বুদ্ধি- তত্ব। সহপান্তই বিকাৰ বা পরিণাম থাকে। তদতিরিক্ত সচৈতন্য বুদ্ধির প্রকাশক, তাহাতে সৈঠিক চাঞ্চল যাইতে পারে না। বুদ্ধিতে পরিণাম থাকলেও তাহা এবরূপ অর্থাৎ অপ্রকাশিতকে প্রকাশ করার প্রবাহৰূপ, যাহা বুদ্ধিসমীপে যায় তাহাই প্রকাশিত হয়। সেই 'ব্যাহ।” “হ” বুস্ক ত থাকে না তাহাব। ইন্দ্রিয়াধিতে থাকে। মনে কর, হস্তে সূঃ বিঃ হইল , ধচি সে পীড়া মনি # যা যা প্রকাশিত হয়। কারণ হস্ত ও মস্তিষ্কের বিক সংযোগ ছেদ করিলে পডাব বোধ রহিত হয়, কিন্তু মপ্তি বা বুদ্ধিস্থানে পীড হয় স} ই পড়া ই৮। সেইপ চক্ষু কাদিতে পাচ্ছি জ্ঞান বলে উপসন্ধি হয়, নৃস্থি যুক্তি বা প্রকাশের মুল স্থানে কাহ) উপবন্ধ হয় না। নানাপ্রকৃতি বিভেদ বুদ্ধির নিম্ন কারণ গই অবস্থিত। আনিকপ স্বরুপবুদ্ধি একজাতীয় প্রজাল বৃত্তি সকই উ ঠ। বুদ্ধির প্রকাশপণিনি একজাতীয়ত্ব কেতু পুৰুষ পরিণামী হন না। কি বিষয়ায় চাঞ্চল্যের শেষবা বিষয়শোধরূপ প্রকাশ সেই প্রকাশ বুদ্ধি ওই শো ও সুহব। পুক ধ তাহা যাইতে পাবে না। দীপ, আলোক ও আলোকিত স্রব্যের দৃষ্টান্ত (পাঠক মনে রাখবেন ইহা উদাহরণ নয়, দৃষ্টাওমতি) এস্থ ল দেওয়া যাইতে পারে। দীপ পুরুষসদৃশ, আলােক বুদ্ধি সদৃশ ও নীল “তাদি দ্রব্য বিষয়স্বরূপ।
सांग्यतत्त्वालोकः । ঘিনঘিঃ” দুনি। यथा विभिने वर्तितले दीपशिखा- मासाद्येकत्वं प्राप्नुतः तथेन्द्रियेषु भित्ररूपेणावम्यिता विपयाः बुद्धी निर्विरीय प्राकाम्नपर्यवमानरूपमैक्यतामाप्नुयुः। तस्मात् पुरुषस्य साचिद्रष्टुत्वं बौद्द विषयस्य च निर्विगेपदृश्यत्वमिति স্বলন্ত: ষি: ৪ | निरोधसमाध्यभ्यासाञ्चित्तेन्द्रियाणां प्रविलयेऽस्मत्प्रत्ययस्य स्वचैतन्यभावेन निर्विप्लवावस्थानदर्शनात्तदेवास्मत्प्रत्ययस्यावितथ. स्वरूपम् । तदा लोनानि चित्तेन्द्रियाण्यव्यक्तभावनावतिष्ठन्ते । স্বীকাৰ সলনি:। যথাঃ- “স্বনী বলি না সমন্বয়ম্। দয়া হয় লীন বিনামি সূযীমি ৭ ॥” বুনি। বােধ,” অর্থাৎ ফল বা মানস ব্যাপারের শেষ, চিত্তবৃত্তি সকলের বিশেষত বােধ বা একইপ্রকার প্রকাশাবসায় । যেমন বিভিন্ন বৰ্তি ও তৈল দীপশিখায় যাইয়া একত্ব প্রাপ্ত হয়, সেইরূপ ইন্দ্রিয় সকলে ভিন্নরূপে অবস্থিত বিষয় সকল, বুদ্ধিতে নিৰ্বিশেষ প্রকাশ্যপৰ্যবসান রূপ একত্ব প্রাপ্ত হয়। অতএব পুষের সাক্ষিদ্রত্ব এবং বৌদ্ধবিষয়ের (বুদ্ধিপ্রকাশ্য বিষয়ের) নিৰ্বিশেষদৃশ্যত্বরূপ সম্বন্ধ সিন্ধ হইল ॥ ৮ | নিরােধসমাধির অভ্যাস হইতে (যোগসূত্র ১১৮ দ্রষ্টব্য) চিত্তেন্দ্রিয় প্রবিলীন হইলে অস্ম প্রত্যয় স্বচৈতন্যভাবে নিবিপ্লব বা অভগ্নরূপে অবস্থান করে বলিয়া, স্বচৈতন্যই অম্মদ প্রত্যয়ের প্রকৃত স্বরূপ । সেই চিত্তেন্দ্রিয়গণ লীন হইয়া অব্যক্তভাবে থাকে। সেই অব্যক্তভাবের নাম প্রকৃতিতত্ত্ব। যথা উক্ত হইয়াছে (ভারতে), ক্ষেত্র বা উপাধির চবম গুণ সকলের প্রভাব ও লয়- স্বরূপ অব্যক্তকে আমি সৰ্ব্বদা লীন বলিয়া দেখি, জানি ও শ্রবণ করি”। পুনশ্চ-“শুণ সকলেরপরম রূপ কখনও দৃষ্টিপথ প্রাপ্ত হয় না, অর্থাৎ লীনা- * প্রশ্ন প্রত্যয় বা বুদ্ধি ও দুষ্টায় প্রতিবেদিত্ব থাকাতে তাহা অদূ-প্রত্যয়) বিরূপ ষ্টা বা ব্যবহারিক গ্রহীতা (অগ্রে ইহা উষ্ণ হইয়াছে), করব। বিগীন হইলে ‘ার অপে মানন। नासत “নাম জায্যেলয় ” ৪নি নিয়ন্না দ্বিনন্ডিয়া নামঘালয় বিল্যানানা মূলাখা। सविप्लवे निरीधे लीनाना चित्तादोना पुनर्व्य शतामिदर्शनाद- व्यवहारट्टशि सतस्वरूपमव्यक्तम्, দুজ্জায়ন নি নিয়- না। মােঘমি স্ব বিন্যারালালউনাননিঙ্গাল- रसद्रूपा प्रवति.. यथाहु -“নি মাল নি মুহম্ব নিৰম্ভ মিনি।” নাঘসি মান্নান্য বিশ্বম্। प्रधानविपयाः श्रुतयो यथा-- “ঠিন্য যা স্থায়ী স্মঘgয় যৰ মন। - বস্থাই চবন রূপ {যােগভাষ্য)। স্বকরণেতে বই নাশ, এই নিয়ম। আর অব্যক্তে চিত্তেন্দ্রিযাদিৰ বিলয় দেখা যায় , অতএব অব্যক্ত চিত্তেন্দ্রিযাদির মূল কাবণ। সবিপ্লব নিরােধে, অর্থাৎ যে নিরােধ ভগ্ন হয় তাহাতে, অবত্তাবস্থা হইতে চিত্তেন্দ্রিয়াদিৰ পুনশ্চ বড় প্রাপ্তি দৃষ্ট হয় বশি ব্যবহাবটিতে অধ্যকে সংস্বরূপ বলিতে হইবে , কাৰণ অসৎ হইতে সৎ উৎপন্ন হইতে পাবে না। আর চিত্তাদিব লয় হইলে দ্ৰষ্টাৰ চিত্ৰস্বপে অবস্থান হয়, সুতবা পবার্থদৃষ্টিতে চিত্তদিবা কনও অব্যক্ততা অতিক্রম কবে না, তজ্জনা পৰমাৰ্থ বৃষ্টিতে অব্যক্তকে অসৎ বলা যাইতে পাবে। যথা উক্ত হইয়াছে-“অব্যক্ত সত্তা ও অসন্তাশূন্য, সদস, নহে, এব’ অসং নহে,” অর্থাৎ পবার্থবৃষ্টিতে চরিতার্থ হইলে সৎ নহে এব” ব্যবহালদৃষ্টতে অs নাহে। অতএব ব্যবহারদৃষ্টিতে অব্যক্ত ভাবৰূপে বিচা। *। প্রধানবিষয়ক শ্রুতি যথা~-“অ সকল ইন্দ্রিয়েব পৰ, মন অর্থের পব, অবস্থান হ* শোগসুত্র তাই স্বপগ্রহীত। পুরুষ বুদ্ধিব সবগ (সদৃশ) ন এব প্রায় বিরূপও নাই (যোগভাষ্য ২২ )। বুদ্ধিধ পুকধারূপ অথবা স্রষ্টার বৃষিণারূপ্য ব্যবহারিক গ্রহীতা বলিয়া উক্ত হইয়াছে। * এই বিষয় গুলে ক ধারণা করতে না পারি। ব্যবহাষ্টিতে প্রকৃতিকে অসঙ্কপ পিয়া বাতুপ প্রকাশ করে।
सांस्यतत्त्वालोकः । मनसस्तु परा वुर्बुिदरामा महान् परः । महतः परमव्यक्तमव्यक्तात् पुरुषः परः ॥” इति । महतः परस्याव्यक्तस्य स्वरूपं यथाह शुति:- "अशब्दमस्पर्शमरूपमव्ययं तथारसं नित्यमगन्धवञ्च यत् । अनाद्यनन्तं महतः परं ध्रुवं निचाय्य त मृत्युमुखात् प्रमुच्यते ॥” इति । तथाच-"तबेद तदव्याकृतमासी"दिति। "तमी वा इद- मेवाग्र आसीत् तत्परेणेरितं विषमत्वं प्रयाती"ति च । परीण पुरुषार्थेनेत्यर्थः ॥ ८ ॥ व्युत्थाने सकियेषु चित्तेन्द्रियेषु अस्मिभावस्य यो विकारभाव: प्रतीयते स तस्य विरूपो व्यवहारिको ग्रहीता । उक्तञ्च-“सा चात्मना ग्रहोत्रा सह बुद्धेरैकामिका संविदिति तस्याञ्च. ग्रहीतु. মনের পর বুদ্ধি, বুদ্ধির পর মহান্ আত্মা, মহতের পর অব্যক্ত, অব্যক্তের পর পুরুষ”। মহতের পর পদার্থের স্বরূপ সেই শ্রুতিই (ক) অর্থে বলিয়াছেন। यथा-"पाक, बलौ, यकी, यवान, पद्म, यशक, निला, पनानि, मनड, द, মহতের পর পদার্থকে জানিয়া মৃত্যুমুখ হইতে মুক্ত হয়,অর্থাৎ পুরুষ সাক্ষাৎকার नाड श्र। यया अति यथा-"परे ममष्ठ पदाल छिन”। “अथ यः श्नि, তাহ পরের দ্বারা ঈরিত হইয়া বিষমত্ব প্রাপ্ত হয়। পরের দ্বারা অর্থাৎ अपारर्थत पनि । ব্যথানদশায় যখন চিত্তেন্দ্রিয় সক্রিয় হয়, তখন অশ্ব-প্রত্যয়ের যে সক্রিয় বা পরিণামী ভাব প্রতীত হয়, তাহা অশ্ব-প্রত্যয়ের বিরূপ, ব্যবহারিক बरोजा যথা উক্ত হইয়াছে—“সেই অশ্নিতা, গ্রহীতা আত্মার সহিত বুদ্ধির একাত্মবােধ। তাহার মধ্যে (অগিতার মধ্যে) গ্রহীতার অন্তর্ভাব হওয়াতে নয়। লিমাৰা স্বীহুনিময় সন্সয়ান: দুনি। ব্যাক্সিন । যন ৰৱালনল স্বীয়মান অধ্যায়ঃ লিয়ন অধাৰিী ঘীনা ॥ ৫০ | विक्रियमाणास्मत्प्रत्ययः बयाणां भावानां समाहारः। ते यथा, अस्मीत्येतदन्तर्गतः प्रकाशशीलो भावः, तस्य च विकार- উ: ক্লিয়ামী মাঃ, সামাৰ: বিনিমীলমানি। इमे भयो भावाः सत्त्वरजस्तमाख्याः सर्वेषां विकाराणां নীলিজা:) तत्र प्रकाशशीलं सत्त्व, ক্লিয়ামী ল, स्थिति- गोलञ्च तमः इति। कैवल्यावस्थायां वैकारिकप्रकाशामकप्रख्या- মুন হয় সনিমু ৰজন্মনিৰীঘা খিনিসুল জ্বাল: গনিত্ৰীৰৰনি। अव्यतावादमूः सत्वरजस्तम.. স্থানিক্য; সনিয়িন: মলদহল। নাকা:- তদ্বিষকে সমাধি গ্রহীবিষয়ক সম্প্রজ্ঞা”। বুদ্ধিব অন্তভূ যে গুহীভাবে দ্বারা জ্ঞাতৃত্বাদি ব্যবহার হয়, তাহাই ব্যবহাবিক গ্রহীতা ১০ | বিক্রিষমাণ অশ্বদ-প্রত্যয় তিনপ্রকার ভাবে সমাহার , অর্থাৎ তাহা বিশ্লেষ কৃবিলে তিনপ্ৰকাৰ মূলভাব পাওয়া যায়। তাহাবা যথা—“আমি এই- প্রকার প্রত্যয়ের অন্তর্গত প্রকাশশীল ভাব, তাহাব পরিণামকাৰক ক্রিয়াশীল ভাব, এবং প্রকাশেব আববক স্থিতিশীল ভাব। এই তিনপ্রকার ভাবেব নাম স, রজঃ ও তমঃ, তাহা সৰ্ববিবাবেব মৌলিক রূপ। তন্মধ্যে যাহা প্রকাশশীল তাহা সত্ত, যাহা ত্রি শ্বশীল তাহা রজঃ, এবং যাহা স্থিতিশীল হা তমঃ। বৈকাৰিক প্রকাশক যে প্ৰখ্যা তদ্রহিত, পববৈরাগ্যের দ্বারা প্রবৃত্তিশুন্য, এবং দগ্ধবীয় নিবােধসমাধিহেতু স্থিতিশুন্য, কৈবল্যাবস্থায় এই ত্রিভাবশূন্য হওয়াতে অন্তঃকরণ প্রকৃতির্লীন হয়। সত্ব, বজঃ ও তমাে গুণাত্মক ঐ প্ৰখ্যা (সৰ্ব্ববিষয়বােধ), প্রবৃত্তি এবং স্থিতি অব্যক্ততারূপ একত্ব প্রাপ্ত হয়।
सांख्यतत्त्वालोकः । = “ভমৰা বাৰা সন্ধনিঃ” দুনিং। व्यक्तावस्थायां चित्तेन्द्रियेषु गुणानां वैषम्यम् । एकत्रैकस्य प्राधान्यमन्ययोयोपसर्जनीभावः। ते हि गुणा: नित्यसहचरा: ভানিয়া: সন্ত্র নানা:। অধ্যাঙ্ক:--“শা: এম্বী- লেসবিষা: গ্রীনিমঘাঘ দুননস্বীকালিন- মুময়ঃ” দুনি। নখ—“গীমিনা: মল বল সুল নামিলঃ” দুনি। দলন মন্ত্ৰাৰবি ৰূৰ যযন্ত্র प्रधानभावात् सात्त्विको राजसस्तामसोति व्यवहारः । तथाच তজ্জন্য বলিয়াছেন, “সত্ত্ব, রজঃ ও তমােগুণের সাম্যাবস্থা * প্রকৃতি” । ১১। ব্যাবস্থায় চিত্তেন্দ্রিয়াদিতে গুণের বৈষমাভাব। এক হলে এক গুণের প্রাধান্ত এবং অন্য গুণদ্বয়েব অপ্রধানভাব থাকে। সেই গুণ সকল নিত্যসহচব, জাতি ও ব্যক্তি প্রত্যেকে বর্তমান থাকে। যথা উক্ত হইয়াছে-“গুণ সকল পরস্পরােপরক্ত-প্রবিভাগ, সংযােগবিভাগধৰ্ম্মা, পরস্পরের আশ্রয়ে পরস্পর মূৰ্ত্তি বা মহাদিব্যক্তিতা লাভ করে” (যােগভাষ)। অন্যত্র যথা—“গুণ সকল অন্যোন্থমিথুন এবং সকলেই সৰ্বত্ৰ বা সকল দ্রব্যে অবস্থিত। বস্তুতে গুণত্রয় বর্তমান থাকিলেও, এক এক গুণের প্রাধান্যহেতু সাত্ত্বিক, রাজস ও তামস এইরূপ ব্যবহার হয়। সাংখ্যসূত্র যথা-“গুণপ্রধানভাব সকল * অন্তঃকরণের যে সাধনজ বা উপপ্রত্যয় প্রশীনভাব, তাহাই বন্যপণ। অন্তঃকরণ মূল কারণ প্রকৃতিতে লয় হয়। প্রকৃতি সত্ব, রজঃ ও তমোগুণের সাম্যাবস্থা। অতএব অন্তু- করণগত সত্ব, রজঃ ও তমােণ সামা করিতে পারিলে তবে অন্তঃকরণ লীন হইবে। তজ্জন্ম সাত্বিক, রাজ ও তামস বৃত্তির লন্য করা প্রজেন । বিবেকখ্যাতি, পরবৈরাগ্য ও নিরােধ- সমাধি এই তিন ভাবের দ্বারা গুণসামা হয়। কারণ উহারা তিন সম বা এক। যথা, জ্ঞান- শ্চৈব পরা কাষ্ঠ বৈরাগ্য (যােগাধা), তন্ত বিবেকখাতিরূপ চরমহ্লান ও চরবৈরাগ্য একই হইল, আর চরমবৈরাগ্যে বিষয়েপশমে চিত্ত নিরুদ্ধ থাকিবে। তজ্জন্য প্রবাশশীল সার্বিক বিবেকখ্যাতি, বিরাম প্ৰধ ফলস্বরূপ রাজস পরবৈরাগী এবং তত্তপনায় হানস নিয়োধ সমাধি একই হইল। এইপ্রকার গুদামে অন্তঃকরণ প্রকৃতিলীন হয়।
गुणानां मिलकारणम् । মুম্ --“স্বামিজী যুদঘামায”নি। নয়া -বশ- নিই অন্যান্য নিয়মা” নি । ২। भोगापवर्गों दाववाया पुरुपस्य । अस्मिप्रत्ययमाथित्य দ্বাৰনাৰাবাহিনী মন । যথাঃ-“নবনিযুশকা- वधारणमविभागापन्न भोगः, भोक्तः स्वरूपावधारणमपवर्ग इति দ্বীনিৰিনছন আমিন” নি। যুবায়ালখাল্লাহু ন্যাৰহায. এমৃত্যু নিমিনন্ধাৰ । অরূস্ব ঘর- भावस्योपादानम् । तस्यैव व्यतत्वपरिगतिदर्शनात् । यथाडु “লি অালয়িজাৰ প্ৰম ল মনি নু নীনি। স্মৃন: দুধাল ধাকা বিনিময় গ্রান” বুনি । विकारजातस्य আপেক্ষিক”। অত্র (যােগভাষ্যে) উক্ত হইয়াছে। এই সমস্তই গুণ সকলেব সন্নিবেশ বা সংস্থানভেদ মাত্র ১২ পুষের ভোগ ও অপবৰ্গৰূপ দুই অর্থ। অশ্ম প্রত্যয় আশ্রয় কবি এই দুই অর্থ আচরিত হয। যা উক্ত হইযাছে-“তন্মধ্যে ইষ্ট ও অনিষ্ট গুণাবধাব--যাহাতে বৃত্তিৰ সহিত একতপত্তি হয়-তাহ ভােগ এব ভােব স্বৰূপাবধাণ অপবর্গ , এই দুইয়ের অতিরিক্ত অন্য দর্শন নাই” (যােগভাষ্য)। ব্যবস্থা পুৰষার্থচিবণাত্মক , তজেন্য পুরুষ বক্তাবাব নিশি কাবণ। আব অব্য প্রতি ব্যাৰ সকলের উপাদান কাবণ , যেহেতু তাহাই ব্যক্তত্ব পৰিাতি দৃষ্ট হয়। যথা উক্ত হইযাছে—“লিঙ্গ বা বুদ্ধির পুৱষ উপাদান কাৰণ নহেন, হেতু বা নিমিত্ত কাৰণ হন। এই প্রকৃতিতেই ব্যক্তভাবে চৰমসূক্ষ্মতা ব্যাখ্যাত হইয়াছে” * (যােগভায্য)। “অঃতন প্রধা1 জগতের স্বস্ত্র কা' এইপ সিদ্ধান্ত সাথী বলিযা যঁ হাবা ও খা পক্ষে দোষ দেন ঐ হাপের ইহা দুষ্ট। সখ্যত কওঁ কেহ নাই। কারণ ক্যাব মোলিক নং উহা চিঃ উসমাত্র। প্রধান বা ন হ কিন্তু একমাত্র মূল উপ দা।। উপাদান হইলেও প্রধা; জগবিশের প ক্ষ সমর্থ মহ। জগবিকাশের জন্য পৌঘচতনা রুপ নিমিত্তের ক প অাছে। পুৰুষাৰ্থ বা চিদবস বা অচেতনকে চেতন করা না হইলে কখন গুণবৈষম্য হতে পারে না। চিবভাস হইহই অর্থাচরণ বা জগন্ধ হয়। , साख्यतत्वालोक। स्वरूप सदाव्यता, निमित्तान्वयिनोहयो कारणयोर्मध्ये निमित्त पुरुष वचैतन्य- प्रधानन्त्वचेतनमव्यक्तखरूपम् । । विरह- कारणहयसझावाद व्यक्तावस्थाया प्रत्येक व्यक्तभावेयु य एव भावा उपलभ्यन्ते । ते यथा--पुरुपाभिमुख चेतनावद्भाव , अव्यक्ताभिमुख प्रावरितभावस्तथाच तयो सम्बन्धभूतथञ्चल- भावो येनाहत प्रकाशाभिमुख क्रियते प्रकाशित भाव श्राव. रणाभिमख क्रियते इति । ते हि यथाक्रम प्रकाशशील सत्त्व, स्थितिशील तम , क्रियाशीलञ्च रज इति ॥ १३ ॥ व्यहाावस्थायामाद्या व्यक्तिरस्मीतिप्रत्ययात्मको महान्, यमा चित्य सचे ज्ञानचेष्टादय सिध्यन्ति । कैवल्यावस्थाया प्रख्या प्रवृत्तिस्थित्यभावात् नास्ति व्यता सम्बन्धिन महत स एव महान् व्यवहारिको ग्रहोता। व्यतावस्थाया मस्मोति प्रत्ययमभिमुखीकृत्य समाहित चित्ते यस्मिन्नान्तरमावे सद्भावाव- काश । বিকার সকলেব নিমিত্ত এব উপাদানরূপ কারণদ্বয়ের মধ্যে নিমিত্ত পুষ স্বচৈতরূপে সদাব্যক্ত এব প্রধান অচেতন ও অব্যক্তস্বরূপ। ব্যাবস্থার এই বিবদ্ধ কাৰণদ্বয় থাকাতে প্রত্যেক ব্যক্তভাবে তিনপ্রকার তাব উপলব্ধ হয় । তাহারা যথা (১ম) পুরুষভিমুখ চেতনাবৎ ভাব (২য়) অব্যক্তভিমুখ আবরিত ভব (৩) ঐ দুই ভাবেব সম্বব ৩ চঞ্চল ভাব—যাহা আবৃত ভাবকে প্রবাশাসিমুখ করে এব প্রকাশিত ভাবকে আববণ বা স্থিতিব অভিমুখ কবে। তাহারাই যথাক্র7ে প্রকাশশীপ ও স্থিতিশীলম ও ক্রিয়াশীল বজ ॥ ১৩ | ব্যাবস্থায় আদি বাক্তি আমি এইরূপ প্রয়াগুক মহান্। তাহাকে আশ্রয় করিয়া সমস্ত জ্ঞান চেষ্টাদি সিদ্ধ হয়। কৈবল্যাবগতে প্ৰখ্যা প্রবৃওি ও স্থিতির অভাবে ব্যক্তসম্বী হবে সে অবগয় অবস্থিতি থাকিতে পাবে না। সেই মহানই ব্যবহারিক গ্রহী। বক্তাবায় আমি এইরূপ প্রত্যয়ের আভিমুখ্যে চিত্ত সমাহিত হইলে যে আন্তরভাববিশেষে অবস্থা হয়, महरस्वरूपम् । ১ৰ নগৰনি ও যন্ত্র নয়। বিজাৰসামীলী স্বাৰামা, সুম নিজাৰী, বিড়ুয়: ২৪। बुझिय लिङ्गमात्रक्षेति महत: संज्ञाभेदः। कचिच म्वरूपे- पाटहोतो महान् करकायं कुर्वन् अद्धिरित्यभिधीयते । অয়ীরূ-“ঘিমাইন রানন ব মানি”। মাননা ক্মীনি-সন্মাষঘানায়। যথাঃ-“নমন্তনামানন- विद्यास्मोति तावत् सम्मजानोते” इति । अणमात्र सूक्ष्मम् । তাহাই মহত্ত্ব *। মহাত্মা সবিকার প্রকাশণীল, আর পুরুষ অবিকারী চিপ ১৪ বুদ্ধি ও লিঙ্গমাত্র মহত্তবে সংজ্ঞাভেদ । কোথাও বুদ্ধি ও মহান ভিন্ন করিয়া উক্ত হইয়াছে, সেইস্থলে মহান্ যখন স্বরূপে গৃহীত না হইয়া করণকাৰ্য্য করে, তখন তাহা বুদ্ধিনামে অভিহিত হইয়াছে ।। যথা উক্ত হইয়াছে—“বুদ্ধি অধ্যবসায় লক্ষণ । দ্বারা এবং মহান্ জ্ঞানের দ্বারা বিবেক্তব্য” (ভারত)। এখানে জ্ঞান অর্থে ‘আমি’ এইরূপ প্রত্যয়ধারা , তাহাব অবধানের দ্বারা মহা সাক্ষাৎক্ত হন। যথা উক্ত হইয়াছে--সেই অণুমাত্র আমাকে অনুবেদন- পূৰ্ব্বক কেবল ‘আমি’ এইরূপে সম্প্ররীত হওয়া যায়,” (যােগভাষ্য, পঞ্চশিখা- * ইহাকে সাতি সমাধি বলে। সখীয়ত সকল কেবল অনুমেয় মহে, তাহা, সাক্ষাৎকা। যোগশাস্ত্রে সাক্ষাৎকারের উপায় ও সরুপ কথিত আছে, তাহা অনুশীলন করিলে মহত্বের স্বরূপ যথার্থরুপে নিশ্চিত হয়। বুৎসুগণের নিজের ভিতর তত্ব সফল রিপে আছে, তাই চিন্তা করা উচিত। । এই জাতৃভাব যখন সার্বরে জ্ঞাতা হয় তখন মহং, এবং যখন অজ্ঞানের জ্ঞাত। তখন বুদ্ধি। বুদ্ধিত প্ৰকাশপরিণাম জলধারাবং, মহতে তৈলধারাবং একতান। মহ কাকে সার্বজ্ঞাহেতু তাহাকে বিভু বলা হইছে, প্রতি যথা--“মহঃ বিষ্ণুমায়ান”। [পরি- শিা মহত্ত সাক্ষাৎকার দ্রষ্টব্য] । অধ্যবসায়--অধিকৃত বিষয়ের অবসা বা প্রকাশ হওয়ারূপ অবসান । R सांग्यतत्वालोकः । . -- महत्तत्त्वं साक्षात्कुयतो' योगिन एवं विधा संयित् सम्प्रजायत- মুনি মাত্র। {{ पुरुपाभिमुखत्वाद युधिसत्त्वमतिप्रकागगोलं सात्त्विकम् । যথা: "द्रव्यमावमभूसत्वं पुरुपस्येति निधयः" इति । तथाच “अव्यहासत्त्वमुद्रितममृतत्वाय कल्पते । सत्वात् परतरं नान्यत् प्रशंसन्तीह पण्डिताः । अनुमानाहिजानीम: पुरुपं सत्त्वसंथयम् ॥” इति ॥ १६ ॥ अस्य महदात्मनो यः क्रियाशीली भावो येनानात्मभावन सहारमसम्बन्धः जायते ৰ ৰাৰাবাৰীমি- मानात्मक: ममताहन्तयोर्मूलं क्रियाशीलवादाजसिकः येनानात्मभावा पारमना सह विधतास्तिष्ठन्ति तदेव स्थिति- জা। চার্য-বচন)। অণুমাত্র সর্থে সূক্ষ্ম । মহত্ত সাক্ষাৎকারী যােগীর ঐরূপ খ্যাতি হয়। ইহাতে এই বুঝিতে হইবে--যেখানে বুদ্ধি ও মহান্ পৃথক্ উক্ত হইয়াছে, তথায় একই অপ্রত্যয়াত্মক মহান্ স্বরূপভাবে সাক্ষাৎকৃত হইলে মহা, এবং যখন ক্ষি পরিণামী করণকাৰ্য করে তখন বুদ্ধি ॥ ১৫ । পুরুষাভিমুখ বলিযা বুদ্ধিসত্ত্ব অতি প্ৰকাশশীল, সার্বিক । যথা উক্ত হই আছে—“বুদ্ধিসত্ত্ব পুরষেব দ্রব্যমাত্র বা পুরুষাশিত ভাব ইহা নিশ্চয় হয়” (ভারত)। অন্যত্র যথা-~‘অব্যক্ত হইতে বুদ্ধিস উদ্ৰিক্ত হয়। তাহ অমৃত বলিয়া জানা যায়। বুদ্ধিসত্ত্ব হইতে শ্রেষ্ঠ (বিকাবের মধ্যে অন্য কিছু নাই বলিয়া পণ্ডিতেরা প্রশংসা কবেন। অনুমান হইতে জানা যায় যে, পুরুষ সৰ্বসংশয় বা বুদ্ধিতে উপহিত ১৬ | সেই মহাত্মাৰ যে ক্রিয়াশীল ভাব—যাহা দ্বারা অনাত্মভাবে সহিত আত্ম- সম্বন্ধ হয়, তাহার নাম অহঙ্কার। সেই অহঙ্কাব অভিমানস্বলপ, মমতা (ইহা অমাব’ এইরূপ ভাব) এবং অহস্তাব (আমি এইরূপ এবপ্রকার প্রত্যয়, অর্থাৎ অনি দ্রঃ, শ্রোতা ইত্যাদি) মূল ॥ ১৭ ॥ যে শক্তির দ্বারা অনাভাব সকল আত্মাৰ সহিত বিধৃত হইয়া অবস্থান ।
অন, প্রয় নায়ি। না। মীৰ মন। নবি নামমদা :হ্মন্যা। হলিবিয়ায় মুনি দুয়াশামলা:ৰঘৰ্মা ন অ ত্রিনিয়ন *নামাধাৰা”কিনি सूनेऽपि तीया- ন:শথ মন; হিনিীলকম্ ?? নম্বজোসনাৰি দলৰযমুনমল:কাশ। যথা: ঘন্ধিয়া; মাষজনমানালি কমিমির্ষীয়া। যা এৰিাপনাঃ স্মঘালয়ঃ শব্দ। ৰয়মাব- আয- যুহীয়সুনােল বলিয়ন্সিী महदादयः যন্ত । { }} प्रात्मवाद्येन हेतुना बौद्धचेतनताया इट्रेके यमादुद्रेकस्य प्रकाशभाषस्तदेव प्राकाश्यपर्यवसानं प्रयास्वरूपम् । यो বা সন্ধ্যয়মীন বৃত্তিয় স্থান সুন্দর গান। ঋমিমাননয়াইল্পজামান। বামিন- করে, তাহাই স্থিতিশ্রুজল মন *। আহা তমস অন্তঃকৰণাঙ্গ। প্রখ্যা, প্রবৃত্তি ও স্থিতি রূপ তিন মূল অন্তঃকবণধৰ্ম্মেৰ মধ্যে যাহা স্থিতিধৰ্ম্মেৰ , তাহাই মন। “অশেষসংস্কাবাধারহেতু মন বাহেন্দ্রিয়ের প্রধান,” এই সাংখ্যসূত্রে ও তৃতীয়ান্তঃকণ মনের স্থিতিশীলত্ব উক্ত হইয়াছে। ১৮। মহৎ অহাব ও মন, সৰ্ব্ব করণের মূল অন্তঃকৰণ। পুবযাখাচরণ ক্রিয়াক সাধকতমহেতু তাহাবা কবণ বলিয়া অভিহিত হয ৷ ১৯। এক্ষণে প্রখ্যা, প্রবৃত্তি ও স্থিতি এই তিন মুল অন্তঃকৰণধৰ্ম্মের স্বপ উক্ত হইতেছে। আত্মবায় কোন কাবণব দাবা বৌদ্ধচেতনতা উক্তি হইল, সেই উদ্রেকে যে প্রকাশভব, তাহাই প্রাকাহপৰ্য্যবান বা জ্ঞানের স্বরপ- অথবা এরূপও বলা যাইতে পাবে যে, প্রকাশশীল বুদ্ধিসবে যে গ্রাহ- কত উদ্রেক, তাহাই জ্ঞান। ক্রিয়াশীল অভিমানে দাবা সেই উদ্রেক অস্ম” . মম শব্দ কমে অর্থে প্রযুক্ত হয় এই পু? পাঠ কেবণ পরিভাবিত মই গ্রহণ কষিবেন। বুঝি সত্বিক, রাজন,এবং অন্তঃকরণে মণে যাহহামা অঙ্গ তাহা নন।
গান্তৰালী,। আন্ধাৰামৰামষিয়: শায়। অমিমাঃী সন্তী শ্মশন , স্বল্য মমনা বনি। নাৰী মমশা, गरोरेन्द्रियेषु দ্বাধন। यथा नटे ममतास्पदे धनेऽहमुञ्चटिती भवामीति मत्यय तथा चाहन्तास इन्द्रिये गदादिवाइयक्रिययोति मति उदितस्तहताभिमान प्रकागगीतमम्मदावमुद्रित करोति । মামীৱমাালয় গান। অগ্রামিমালালা মান্ত আলম্বিী নীয়ম নগ্নীতি মনমাৰৰ ধন্থ স্বর। মুমিননামায় স্বামী মনি- কম্। तथा च तस्य खामोशतभावस्य ससृष्टस्यावस्थान स्थितिस्वरूपम् ॥२०॥ उक्त गुणाना नित्यसाहचर्यम् । ते सर्वत्रव परस्परमहा निलेन तमाचिगुणामकमन्त करणाझवयमपि লন। প্রকাশেতে পৌছায়। সেই অভিমান আয় ও অনাত্ম ভাবের সম্বন্ধোপায়। অভিমান হইতে দুই প্রকার প্রত্যয় উদ্ভূত হয়, অইন্তা ও মম। ধনাদিতে মমতা ও শরীরেন্দ্রয়ে অহঙ। যেমন মমতাস্পদ ধন নষ্ট হইলে “আমি উচ্চটিত হই” এইরূপ বােধ হয় সেইরূপ অহাম্মদ ইন্দ্রিয় শাদি বাহ ক্রিয়ার দ্বারা উদ্ৰিক্ত হইলে সেই ইন্দ্রিয়গত অভিমান উক্তি হইয়া, প্রকাশ শীল অদ্ভাবকে উক্তি কবে! প্রকাশশীল পদার্থের উদ্রেক হইলেই তাহার ফলে প্রকাশিভাৰ ভাব বা জ্ঞান হয়। যেমন অভিমানের দ্বারা অমাত্মভাব আত্মসান্নিধ্যে নীত হয় সেইরূপ অত্মিপ্রত্যয়ও অনাত্মতাবের সহিত সম্বদ্ধ হয়। অভিমানের দ্বারা অনাত্মভাবের স্বাত্মীকরণই প্রবৃত্তি বা চেষ্টার স্বরূপ। আর সেই স্বাৰ্মীকৃতভাবের অৰিভাগাপন্ন হইয়া অন্ত করুণ অবস্থান করাই স্থিতি স্বরূপ ২০। গুণ সকলের নিত্য সাহচর্য উক্ত হইয়াছে। তাহার সর্বত্র পরস্পর অঙ্গাঙ্গিরূপে বৰ্তমান থাকে। তুচ্ছ ত্রিগুণাত্মক অনুকরণে অত্রয় जानादिए गुणसंयोगः । २१ अन्योन्यव्यतिपत परिणमते । অন্ধ নৰ বীশি, মল্পিক্ষ ধুনগ্রাহী । ২২। जाने स्थिति क्रियाभ्यां प्रकाशगुणस्याधिक्याज्ञानं सात्वि- জস্। বায়ান্ধৰ সাধা, মন: স্তা ৰলৰী । स्थित्यां यापरिदृष्टा किया सावरितस्वरूपा, ततः स्थितिम्तामसी । আনছাল্লিনয়: মানিমিয়া বনি স্বয়ং সমী- गुणान्वयिनः मूलभाया वक्ष्यमाणास प्रमाणादिवत्तिय साधा- ; ! ২২ ॥ चित्तेन्द्रियरूपेण परिणतान्त:करणामस्मितेत्याख्यायते । যৱ--“যেমনয়ক্ষীকান্তনষানিনি”। জ্যমন: অমিমাননানাব্বির:। নয়া নাই ट्रष्टेत्यादिकरणाम प्रत्ययसम्भवः । নান্থঃ-“গাবিয়ী: भाताना सह (বুদ্ধি, অহঙ্কার ও নন) পম্পর মিলিত হইয়া পরিণত হন্ত। যথায় এক,তথায় তিন , এক উক্ত হইলে, অপব দুই উষ্য থাকে। অর্থাৎ প্রত্যেক অন্তঃকরণ- পৰিণামেই বুদ্ধি, অহং ও মন এই তিন থাকে, বুঝিতে হইবে । ২১ জ্ঞানেতে স্থিতি ও ক্রিয়া অপেক্ষা প্রকাশ গুণের আধিক্যবশতঃ জ্ঞান সাত্ত্বিক। চেষ্টাতে উদ্রেকের আধিক্যবশতঃ তাহা জসী। আর স্থিতিতে যে অপবিদৃষ্ট ক্রিয়া তাহা আবৰিতস্বরূপ, তজ্জন্ত স্থিতি তামসী। শ্রান চেষ্টা ও স্থিতি, বা প্ৰখ্যা প্রবৃত্তি ও স্থিতি, সত্ব রজঃ ও তমঃ গুণানুসারী এই তিন মূল- ভাৰ বক্ষ্যমাণ প্রমাণাদি-বৃত্তির মধ্যে সাধারণ ২২ চিত্ত ও ইন্দ্রিয়-রূপে পরিণত অন্তঃকরণকে অন্মিতা বলা যায়। অর্থাৎ চিত্তেন্দ্রিয়ের উপাদানরূপে বৰ্তমান অন্তঃকরণয়ের নাম অস্মিতা। হইয়াছে,-“দৃকশক্তি ও দর্শনশক্তির যে একাত্মত, তাহা অস্মিত।” অর্থাৎ আয়াব সহিত করণশক্তির যে অভিমানকৃত একাত্মতা, তাহাই অস্মিতা। তাহা দ্বাৰাই ‘আমি শ্রোতা, ‘আমি দ্রষ্টা ইত্যাদি প্রকার পূরণের সহিত একাত্মতা- প্রত্যয় হয়। তথা উক্ত হইয়াছে,-“যষ্ঠ অবিশেষ (প্রকৃতি বিকৃতি) অস্মিতা যথ উক্ত सास्यतवान्नाकः। ऽस्मितामात्र एते मत्तामावस्यारमन महत पडविशेषपरिणामा: দুনি। ধীৰেী অষ্টীয়বিচার, বিনান্ধিবীরানমিয়ৰ যালয়। ২২ । अस्मिताया विविध परिणामप्रवाहो जात्यन्तरपरिणाम- कारक | प्रकाशाभिमुख अईस्रोतो विद्यापरिणाम' प्रा. वरणाभिमुखोऽर्वासोतसाविद्यापरिणाम । यनान्तरप्रकाण- गुणस्योत्कर्ष सात्त्विककारणप्रत्यापूरच, सा विद्या। यत्र पानामभावेन सह सम्बन्ध पुष्कलो भवति, सा अविद्या । যগ্রন্থ—“দ্মনীন দুৰ্ত্তন মৰি নাম ” দুনি। तमसि अविद्यायामित्यर्थ । अविद्यया प्रकाशक्रिये रुध्यमाने ষন, || ২৪ । মাত্র, ইহার। (অর্থাৎ অপরপঞ্চ সহ) সামাত্র মহাত্মাব ছয় অবিশ্যে পবিান,” সেই অস্মিতাখ্য ষষ্ঠ অবিশেষই চিত্তেন্দ্রিয়াদির উপাদান বলিয়া জ্ঞাতব্য । ২৩। অস্মিতার জাত্যন্তৰপবিণামকাবক দুইপ্রকার পবিণাম প্রবাহ আছে। অর্থা- চিত্তেন্দ্রিয়ে সদাই পৰিণম্যমান হইতেছে, সেই পরিণাম হইতে তাহাদের প্রকৃতিব ভেদ হইয়া যায়। সেই প্রকৃতি বা জাতির ভেদ দুই প্রকার, প্রকাশাভিমুখ বিদ্যাপৰিণাম এব আবরণাভিমুৰ অবিদ্যাপরিণাম। যাহাতে আস্তর প্রবাশগুণের উৎকর্য এব তজ্জনিত সাৰিক করণপ্রকৃতির আপূরণ হয়, তাহাই বিদ্যা। আব যাহাতে অনাত্মভাবের সহিত সম্বব পুল হয়, তাহা অবিদ্যা। যথা উক্ত হইয়াছে,-“এই তমতে বা অবিদ্যাতে মগ্ন তামসেরা অধ স্রোত। অবিদ্যার দ্বারা প্রকাশ ও ক্রিয়া রুধ্যমান হয় * | ২৪ একটু অনুধাবন করিলেই দেখা য ই ব যে যোগসূত্রো অবিবার সহিত অত্রাক্ত অবিবার বস্তুগত পার্থক্য নাই। তথাকার লক্ষণ সাধনের দিক হই, আর এখানকার লক্ষণ তত্ত্বের দিক হইতে। অগিতা ও অভিমান শব্দ প্রায়ই নিবিশেষে ব্যবহৃত হয়, তাহা পাঠক শরণ রাখিবেন।
२४ सांस्यतावालीकः। भय कर्य पध भेदायित्तस्य मम्भवन्तीति, उद्यते । भानमन्त:- करणम्। तस्य परस्परविरुई। सात्विकतामसकोटी। तस्मा. दन्तःकरणं परिणम्यमानं पश्वधा परिणामनिठां प्राप्नोति । तबाद्यपरिणाम प्राधाबुरनुगतः प्रकागाधिकः, मध्यस्वाभि- मान प्रधान: कियाधिकः, अन्त्यय मनोऽनुगतः स्थितिप्रधानः । भासां परिणामनिष्ठानां मध्ये हे परिणामनिठे वत्तेयाताम् । तयारका पाद्यमध्ययोः सम्बन्धभूता, अन्या व मध्यान्त्ययोः सम्वन्धभूता। एवं प्राडालहता परिगम्यमानादन्तःकरणात् पविधाः परिणतयतायः सम्भवन्तीति । ततस्तु चित्तगर्वाध. करणगतीनाञ्च पच पच भेदा अभवन् ॥ २७ ॥ चित्तवृत्तिषु प्रमाण प्रकागाधिक्यात् सात्त्विकम् । वाद्य- निययः प्रमाणलक्षणम् । प्रत्यक्षानुमानागमाः प्रमाणानि । जानन्द्रियप्रणाडिकया यत्तिको बोधस्तत् प्रत्यक्षम्। जाने- চিত্তের কিরূপে পঞ্চবৃত্তি হয়, তাহা উক্ত হইতেছে। অন্তঃকরণ ব্যঙ্গ। সেই এ্যঙ্গ অন্তঃকরণে সাকি ও তামস কোটি পরস্পর বিরুদ্ধ। তন্ত পরিাম্যমান অন্তঃকরণ পঞ্চধা পরিণাম-নিষ্ঠা প্রাপ্ত হয়। তন্মধ্যে আদ্য- পরিণাম, আদ্যঙ্গ যে বুদ্ধি তাহার অনুগত, প্রকাশাধিক, মধ্যপরিণান অভিমানপ্রধান, ক্রিয়াধিক, আর অধ্য মনােহনুগত, স্থিতি প্রধান। এই তিন পাব্ৰণামানস্থার মধ্যে আরও দুই পামণমিনিষ্ঠা থাকে, তন্মধ্যে একটা আদ্য ও মধ্যের সবকভুত এবং অটী মধ্য ও অরি সম্বভূত। এই পে ८२४ मानसीन खरा २८८ তশক্তি উৎপন্ন হয়। (मर-1b811 शिका लन बार ॥२१॥ চিত্তবৃত্তি করে भा । दानिय প্রমাণের সাধারণ ল, জ্ঞানেন্দ্রিয় প্রণালীর 4 সন্তানষানমিম। যিমান্তাবনায় স্নান মিখনি। ভস্থ “अस्ति घालोचनं ज्ञान प्रथम निर्विकल्पकम् । ভালমুজাহিনিষম স্বৰল । तत पर पुनर्वस्तु धर्मोत्यादिभियंया । वुझावसीयते सा हि प्रत्यक्षवेन सम्मता" इति। आलोचन हि एगेनैवेन्द्रियेणेकदा रह्यमाणविषयख्यात्या- মন্। ননমুন জানিধাভিষিমি স্নান বলি- प्रत्यक्षम् । यथा वृक्षदर्शने अक्षणा हरिहर्याकारविशेषमात्र গ্লন , না স্ব ছায়াবিলিনী শ্রীধনুন্নী ध्यमिति यनान भवति तदेव चैत्तिकप्रत्यक्षमिति ॥ २८ ॥ স্বৰমাৰি দাৰি মূলমন্ত্র বাছ-মান মৰ- मानम् । अत्रापि प्रमेयो वाद्यवेन निधीयते । प्राप्तवचनाच्छोत- ন্দ্রিয়ের দ্বারা আলােচন নামক জ্ঞান সিদ্ধ হয়। যথা উক্ত হইয়াছে, প্রথমে নিঝিকল্পক আলােচন জ্ঞান হয়। তাহা বালক বা মূক ব্যক্তির বা মােহকর বস্তুজাত জ্ঞানের সদৃশ। পবে জাত্যাদিধম্মের দ্বারা বস্তু যে বুদ্ধিকর্তৃক নিশ্চিত হয় হাই প্রত্যক্ষ। একই ইন্দ্রিয়ের দ্বারা এক সময়ে গৃহমাণ বিষয়ব প্রকাশরূপ জ্ঞানই আলােচন নি। তদনন্তর জাতিধম্মাদিবিশিষ্ট জানই চৈত্তিক প্রত্যক্ষ। যেমন বৃক্ষের দর্শনজ্ঞানে চক্ষের দ্বারা হবিদ্বর্ণ আকারবিশেষমাত্র গৃহীত হয়, পরক্ষণেই যে “ইহা ছায়াপ্রদত্বদিগুণযুক্ত গ্রেধিবৃক্ষ” এইরূপ জ্ঞান হয় হা চৈত্তিক প্রত্য* * ২৮৫ অসহভাবী (অসবে সর ও সত্ত্বে অসত্ব এব সহভাবী (সত্বে সত্ত্ব ও অসত্বে অগত্ব-রূপ সম্বন্ধ জ্ঞানপূর্বক অপ্রত্যক্ষ পদার্থ নিশ্চয় কবা অনুমান। ইহাতেও বাহনিশ্চয় রূপ প্রমাণ লক্ষণ বৰ্তমান দেখা যায়, কারণ, অগ্মাণত্বহেতু অনু মানে প্রমেয়ুপদা বাহরূপে নিশ্চিত হয়। আপ্ত পুরুষের বচন হইতে শ্রোতাৰ ২ যায়। যীষিব্যাধি নিয়ঃ য খাম:। যহুৱষাধিনম-ি पिपादभिभूतविवेकस्य योतुम्तहाफ्यानिशयो भयति स तस्य স্বাম: । पाठजनिया नागमप्रमाणम् । মাললঃ ঘলা মা ন নিথয়: । ঘামস ন খ্রীষ- মঙ্গানিজাময় শ্রীবিজামিমছক্কিনী মু: স্বীয় বাধন রানীায়। যগ্রন্থ:--হ্মামন মিমী वार्थः परव बयोधकान्तवे गम्देनोपदिश्यते शब्दात्तदर्थविपया- মুনি: স্মাৰাম,”নি। নান্স দ্বাৰমানষির সমাখা करणम् पागम इति सिद्धम् ॥ २८ ॥ যে অবিচারমিল্ক নিশ্চ হয়, তাহার নাম আগম। যাহার বাক্যবহিত শক্তি- বিশেষে খোলার বিচারশক্তি অভিভূত হইয়া সেই বাক্যের অর্থনিশ্চয় হয়, সেই পুরুষ সেই শ্রোতার মাপ্ত। পাঠদ নিম্নের নাম আগম নহে; তাহাতে হয় অনুমানজাত, নও শব্দার্থস্মরণজাত নিশ্চয় হয়। আগম প্রমাণের এই দুই সাধক থাকা চাই, যথা-(১) নিজবােধ লােগতে সংক্রান্ত হউক, এইরূপ ইচ্ছাকারী ও শ্রোতার বিবেকাভিভাবকারি শক্তিশালী বক্তা এবং (২) লােতা। যথা উক্ত হইয়াছে,“আপ্ত পুষের দ্বারা সৃষ্ট বা অনুমিত যে বিষয়, সেই বিষয় অপর ব্যক্তিতে স্ববােধসংক্রান্তিকামী আপ্ত বক্তা শব্দের দ্বারা উপদেশ করিলে সেই উপদিষ্ট শব্দ হইতে শ্রোতার যে সেই শব্দার্থবিষয়ক বােধ হত্ব, তাহা আগম” (যােগভাষ্য)। তথ্য প্রত্যক্ষ ও অনুমান হইতে বিক্ষণ আগম, একপ্রকার প্রমার করণ হইল | ২৯ ॥ . শুদ্ধ শ ক হইতে শব্দার্থের জ্ঞান হত, কিন্তু সেই অর্থের অবাধিত সন্ত্রা নিশ্চয় সকল খুলে হয় না। কোন স্কুলে না বিষয়ে সশষ হয়, কোথাও বা অনুমানেঃ ধারা সশয় নিরা- কুত হইয়া নিচ হয়। যথা অমুক ব্যক্তি বিশ্বাস .সে বলতেছে, তবে সত্য এইরূপ। পাঠনিত এহরূপ নিশ্চ হয়। ডহা অনুমান প্রমাণ হইল। হহাতে অনেকে মনে করেন, অগৰ এক তন্ত্র প্রমর কল বা প্রমাণ নহে, তাহা যথার্থ নয়। আগম নামে একপ্রকার স্বত্ত্ব প্রমাণ আছে। কতকগুলি লোকের স্বভাবতঃ এরূপ ক্ষমতা দেখা যায় যে, তাহ মাপরের মুৰে ক খ গনিতে পারে। তাহাদিগকেই রাজি Thought reader বলে।
বিমান বানুমান। অম্বল বিমােন। সুনিদ্মনাঘষিযু নিম:। ৪াহীৰা ৰিমঘহুমাযী মুর্শি: অন- ঘিা। স্বাৰা আমাৰম্ । বৰ্বি প্ৰদা- A প্রত্যক্ষ জন বিশেষজ্ঞান। মূর্তি ও গৃহাণ-ব্যবধি-ধৰ্ম্ম-যুক্ত দ্রব্য বিশেষ ঘটাদিৰ স্বকীয় যে বিশেষ প্রকার শব্দ-স্পর্শাদি গুণ, যাহা কেবলমাত্র প্রত্যক্ষের দ্বারাই তো করিয়া জানা যায়, তাহার নাম মুক্তি। ব্যবধি অর্থে আকার, প্রত্যক্ষকালীন যেরূপ আকার গৃহীত হয়, তাহই গৃহমাণ ব্যবধি। অনুমান ও আগম হইতে সামান্য-ম্লান হয়, যেহেতু তাহারা শব্দজ (শব্দ দিয়া চিন্তা করা যায় বলিয়া অনুমানও জন্য)। শব্দের দ্বারা কখনও তুমি তাহালেই নিকট মনে কর, অমুক স্থানে পুস্তক ব্যাহ, অমনি তাহার মনে উহ উঠিবে, অর্থাৎ তাহার সেই স্থানে পুস্তকের সন্তান বা প্রমাণ হইবে। তাদৃশ পরচিত্ত ব্যক্তির ঐ প্রমাণ কিরূপ হয় । প্রতাক্ষের দ্বারাও নয়, অনুমানের দ্বারাও নয়। একজনের মনে মনে উচ্চারিত শব্দ এবং তাহার অর্থভূত নিশ্চয়জ্ঞান আর একজনের মনে সক্রান্ত হইল, তাহাতে সেই ব্যক্তিরও নিশ্চয়জ্ঞান হইল। ইহাই আশম প্রমাণ। সাধারণ মানুষের পরজ্ঞতা না থাকাতে টরূপে শব্দ উচ্চারিত না হইলে তাহাদের সেই নিশ্চয়ান হয় না। আমরা মনোভাব সপ্ত শব্দের বই প্রকাশ করি, সুতরাং একজনের মনােভাব আর একজনে সকাস্ত করিতে হইলে শব্দ (প ও বাক্য দ্বারাই করতে হয়। এমন অনেক লোক অাছে তাহারা স্বকীয় কোন প্রত্যক্ষীকৃত বা অনুমিত নিশ্চয়জ্ঞান তোমাকে বললে তোমার প্রত্যয় বা তৎসদৃশ নিশ্চয় হয় না। আবার এমন অনেক লোক আছে, যাহারা তোমাকে নিশ্চয় করাইবার জন্য কোন কথা বলিল, তৎক্ষণাৎ তোমার নিশ্চয় হয়। তাহাদের বাক্যের এমনি শাস্ত্র আছে যে, তোমার মনে তাহাদের মনোভাব একবার বলিয়া যায়। पमिक বক্তারা এই প্রকার। যাহাদের কথায় ঐরূপ অবিচাৱলি নিশ্চয় হয়, তাহারাই তোমার প্রাপ্ত। অৰে বাক্য শুনিয়া যে তাহার নিশ্চয়তান এর যাইয়া তোমার মনেও স্বসদৃশ নিশ্চান উৎপাদন কর, তাহাই অাগম-প্রমাণ। শাস্ত্র সকল আদিতে ত্ব" সাক্ষাৎকামী গাধপুরুষগণের দ্বারা উপদিষ্ট হইয়াছিল বুলি অন নামে কথিত হয়। শাস্ত্র প্রান চেঞ্জন অগৰ ৰয়া কথিত হয়। কিন্তু উহু প্রকৃত ভাগ প্রমাণ নহে। অগিমে । ও শ্রোতা আবশ্যক। অনুমান ও প্রতাঃ যেমন কখন কখন সদোষ হয়, নেইরুপ আপ্তের নিশ্চয়র দোকলে সেই আগন দুষ্ট হয়। শুদ্ধ শব্দার্থ জ্ঞান অন নহে। স্বপ্তে-শব্দার্থ-সহাসে কোন অনিশ্চিত সত্তার নিশ্চয় করা অপমান।
२८ सांस्यतत्त्वालोकः । মানিযঃ। মানমুন্তাঘিম: বা না বিমিন। অস্ত্র मालिकं सहिपयत्वात् । अनुमान प्रयनविशेषसाध्यत्वाद्राज- দি। तथा धाभिभवसिदत्वादागमतामस इति ॥ ३० ॥ करणगतभाववोधोऽनुभवः । ঘা শীন লিন্নান সন্ত प्रमाणं, सुखबोधस्वनुभवः। गन्दादिविषयकं प्रत्यवं; गन्दादि- ग्रहण काले ग्रहणात्मकक्रियायाः करणगताया अपि योऽन्तर्बोध: ঘাষৰ ধুনয় সত্ৰৱনী সঃ। किश्चानुभवस्य वाह्य- कारणपरम्पराजन्य वेऽपि न तहिषयस्य स्फुटो वाधाभिविधिः प्रत्यक्षवदिति। तथा च घमाणविपयत्वादनुभवोऽयममाण- সমস্ত বিশেষ প্রকাশ করা যায় না। মনে কর, একখণ্ড ইটের ডেলা তাহার যথার্থ আকার যদি বর্ণনা কৰিতে যাও, তবে শতসহস্র শব্দের দ্বারাও পারিবে না । তেমনি যে কথনও ইটের বর্ণ দেখে নাই, তাহাকে শব্দের দ্বারা ঠিক ইটের বর্ণ জানাইতে পারিবে না। তন্ত শব্দজন্য জ্ঞান সামান্যজ্ঞান ও প্রত্যক্ষ জ্ঞান বিশেষজ্ঞান। সামান্যজ্ঞানে পূৰ্ব্বের অজ্ঞাত কোন মূর্তির জ্ঞান হয় , কেবল সামাত্র নিশ্চয় হয়। সেই সত্তা পুৰ্ব্বজ্ঞাত ধম্মের (মূর্তাদি} দ্বারা বিশিষ্ট হয়। বহুল সদ্বিষয়ত্ব হেতু প্রত্যক্ষ সাত্ত্বিক। প্রযত্নৰ্বিশেষবাধ্যত্ব- হেতু অনুমান রাজস। আর (বিচারবুদ্ধির) অভিভাবসিদ্ধত্ব-হেতু আগম তামস! ৩ ‘করণের অভ্যন্তরস্থ ভাববােধ অনুভবের লক্ষণ। যেমন সঙ্গীতে ধ্বনি- জ্ঞান প্রত্যক্ষ প্রমাণ, আর সুখবােধ অনুভব। প্রত্যঙ্গের সহিত অনুভবের ভেদ এই যে, প্রত্যক্ষ শাদিবিষয়ক , আর শব্দাদিগ্রহণকালে করণগত সেই গ্ৰহণৰূপ ক্রিয়ারও আবার অন্তরে যে বােধ হয়, তাহা অনুভব, এইহেতু প্রত্যক্ষ হইতে অনুভব (জ্ঞানগত ভিন্ন। করণগত সেই গ্রহণক্রিয়া যদি অসাধারণ হয় (যেমন গীতাদিতে), তবেই স্ফুট অনুভব হয়। কিঞ্চ অনু- ভব যদিও বাহকারণপরম্পরা হইতে হয়, তথাপি তাহাতে স্যুট বাহব্যাপ্তি থাকে না। অনুমান ও আগম হইতে অনুভবের প্রভেদ এই যে, অনুভব অশনিসা:। विषयाभ्यामनुमानागमाभ्यां भिद्यते। अनुभवोऽपि गुणानु- আনল্পিনিষী যথা ৰীসম্বনয়ান: গ্লিনিয়মননি। ते चापि वाहाभ्यन्तरभेदाद्विविधाः । निविधवाह्यकरणगतभाव- বৗদ্ধঃ অগ্নিাংশ, দ্বিানপাষীধ: ঋন। মীধৰং- নামৰ যথা রীনবিষ্যনিৰিনি, যাবিলায়ঘনি। चेष्टासहगतो यथा चेष्टास्मृतिरिति, कम्मानुभव इति, कोन्द्रिय- নক্ষবস্থায় বিদ্ধ বস্নগৰীঘান: মীনীমাব- বিশ্বব্য: জন্ডিয়াক্কমুন বুনি ৰ। গ্রিনিধানমন্ত্রী যথা গৃহাণবিষয়, কিন্তু প্রত্যক্ষ ও আগমের বিষয় অগৃহমাণ। এইজন্য প্রমাণ হইতে অনুভব স্বতন্ত্রবৃত্তি হইল। অনুভবও ত্রিগুণানুসাবে ত্রিবিধ ; যথা, (১) (সাত্ত্বিক বোধসহগত, (২) (বাজ} চেষ্টাসহগত, (৩) (মম) স্থিতিসহগত। তাহারা আবার বাহ ও আভ্যন্তর ভেদে দ্বিবিধ। ত্রিবিধ বাহকবণগত ভাব বােধ বাহানুভব, আর চিত্তগত ভাববােধ আন্তর, সুখ দুঃখাদি অনুভব বহ ও আন্তৰ উভয়-সাধারণ। বোধহগত অনুভব যথা--জ্ঞাতবিষয়-স্মরণ (আন্তর) , শব্দাদিসহজাত মুখাদি (বাহ) * { চেষ্টাসহগত অনুভব যথা- চেষ্টাস্মৃতি (অন্তর); কৰ্ম্মানুভব (বাহ, কস্মেন্দ্রিয়গত উপশ্লেষবােধ, যাহা কয়ৰহাম, সুখাদিকুর। শীতােষ্ণ ছাড়া ত্বকে স্থিত যে বােধ, যাহা কম্মে- ন্দ্রিয়ের অঙ্গভূত, তাহাই উপশ্লেষবােধ। (সাংথীর প্রাণতত্ত্ব ৫৬ পৃষ্ঠ দ্রষ্টব্য) স্থিতিসহগত অনুভব যথা---নিদ্রাদি রুদ্ধভাবের স্মরণ (আর) , প্রাণ- । অর্থাৎ, জ্ঞানেন্দ্রিয়গত। ফ্রানেন্দ্রিয়গত দিগবোধ বা স্থানবোধ যাহাকে Sense of location বলে তাহাও জ্ঞানগত অনুভব। কর্ণ অংশবিশেষ (Membraneous Babyrinth) কাটিয়া বিলে স্থানবোধের বিধখ গােল হয়, সেইরূপ চক্ষু বুজিলে, বিশেষত পতলের কু শৈতে জমাইয়া দিয়া চক্ষু বুজিয়া দাড়াইলে স্থানবােধ লুপ্ত হইয়া ঘুরি} পড়ে। রসন ও নাস্থি বিগবোধ তত ক্ষুট নহে, কিন্তু তীব্র গন্ধ ও স্বাদ বিশেষে ঘূর্ণাভাব দেখা যায়। এই দিগবােধ জ্ঞানেন্দ্রিয়াত অনুভব। এ বিষয় সমকু জানিতে হহলে পাঠক ফিয়িলজি (Physiology প্তি Sense of totaton এবপাঠ করবেন ।
सांवतलान्तीका निद्रादीनां स्मृतिः, यथा वा प्राणप्रणालिक: कान्तिपीडाद्यः गारीरानुभवः । “अनुभूतविषयासम्प्रमोपः स्मृति"रिति सूत्रात प्रमाणादिगृहीतविषयस्य प्रतिहत्त्वा विरतस्य चित्तगतस्य बोध: स्मृत्याम्चानुभव इत्येवावगम्यते। तस्मादनुभवः करणगत. भावबोधः इति सिंहम्। प्रमाणात् प्रकाशाल्पत्वात् तस्मात्र कहनादिप्रयत्नवाहुत्यसाध्यत्वादनुभवस्य हितीये सात्विकराजस- वर्गऽन्तर्भावः ॥ ३१ ॥ हतीया तित्तियटा राजसी क्रियाबहुला, तस्याः सइल्प- कल्पनावधानानीति त्रयो भेदास्त्रिगुणानुसारिणः । तत्र चेतस्यनु- भाव्यमानक्रियायामभिमानप्रयोगः सङ्कल्पखरूपम् । यथा गमिष्यामीत्यत्र गमनक्रियाऽनागता, तदनुभावपूर्वके तहत आत्मनो भावन सङ्घल्पम्वरूपम् । गमिष्याम्यनागतगमनक्रियावान् भविथामीत्यर्थः । क्रियानुस्मृत्वा सद्दामसम्बन्धोऽभिमानकातः । প্রণালিক ক্লান্তি পীড়াদি শাবীরমুভব (বাস্থ)। অনুভুত বিষয়ের অসম্প্রমােৰ স্কৃতি” এই যােগসূত্রানুসারে প্রমাণাদিগৃহীত বিষয়--যাহা ধৃতিবৃত্তির দ্বারা চিত্তগত হইয়া অবস্থান করে, তাহার বােধই স্মৃত্যনুভব হইল। ইহার দ্বারা অনুভবের ‘করণগত ভাববােধ’ এই লক্ষণ সিদ্ধ হইল। প্রমাণ হইতে প্রকাশগুণের অল্পতা নিবন্ধন এবং তাহা অপেক্ষা উনাদি-প্রথ(উহন লবণ করিবার চেষ্টা) সাপেক্ষ বলিয়া অনুভব দ্বিতীয় সাবিকরাজসবর্গের অন্তর্গত ॥৩১ তৃতীয়া বা রাজী শক্তিবৃত্তি ক্রিয়াবহুলা চেষ্টা। তাহার সঞ্চল্প, কল্পন ও অবধান এই ত্রিগুণাসাবী হিন ভেদ। তমধ্যে চিত্তেতে অনুভূত (স্মৃত অথবা কল্পিত) ক্রিয়াতে অভিমান{ন্সম্মিতা প্রয়ােগ সঙ্কল্পস্বৰূপ। যেমন “যাইব’ এই সঞ্চলে গমনক্রিয়া অনাগত, তাহার অনুভাবপুৰ্ব্বক নিজকে তদযুক্তৰূপে ভাবন (হওয়ান) সঙ্কল্প। অর্থাৎ যাইব’ বা অনাগত গমনক্রিয়াবান্ হইব। ক্রিয়ার অনুস্মৃতির সহিত যে আত্মসম্বন্ধ, তাহা অভিমানকৃত।
:} * या चित्तचेष्टाहितविपयानितरेतरवारोपयति तत् कल्पनम् । অস্থিমসিৰিখল। বিদ্যবিননেত্মিনিমূল Uনার নিমাৰী মিষ্টি: কান্তান। यया च चित्तचेष्टयेन्द्रियादितत्ती चित्तावधानं क्रियते साव- धानचेष्टा। गमियामीति मनोरथमात्रेणेव न गमन भवति तत्सङ्ग पानन्तर यया चित्तचेष्टया पादौ चलो क्रियते तत् कमावधानम् । तथा जानायधान, प्राणावधानं, तथा चोहनास्था स्मृतिहेतुचेष्टा। जानसनिलष्टिहतो: प्राधान्याञ्च सङ्कल्पपेष्टास মুজি:। कल्पनं राजस, चाञ्चल्यवाहुल्यात् प्रवधानञ्च । যে চিত্তচেষ্টা আহিত বিষয় সকাকে পরস্পরের উপর আবােপিত করে, তাহা করুন। সঙ্কল্প ও কল্পন পরস্পরের যোগে কল্পিত-সঙ্কল্প ও সঙ্কল্পিত কল্পনা হয়। স্বপ্ন ও তৎসদৃশ অবস্থায় স্বতঃকল্পন বা অভাবিশুৰ্ত্তব্য চেষ্টা। হয়। কল্পনের উদাহরণ যথা, “হিমগিরি কল্পনা, চিত্তস্থিত পৰ্ব্বত ও ভুহিনেব অনুস্মৃতিপূৰ্ব্বক পৰ্ব্বগ্নে তুহিন আরােপিত করিয়া হিমাদ্রিকল্পনা করা যায়। যে চিত্তচেষ্টা দ্বারা ইন্দ্রিয়াদির বৃত্তিতে চিত্তাবধান করা যায়, তাহার নাম অবধান-চেষ্টা। শুব্ধ ‘বাইব’ এইরূপ মনােরথের দ্বারাই গমন হয় না । সেইরূপ সঙ্কল্পনানন্তর যে চিত্তচেষ্টা দ্বারা পাদদ্বয় সচল হয়, তাহা কা- বধান । জ্ঞানাবধান, প্রাণাবধান, * উহনরূপ স্মৃতিহেতু চেষ্টা, ইহারাও এরূপ অর্থাং কশ্মাবধানের ন্যায়। জ্ঞানের সান্নিকৰ্য হেতু আর প্রাধান্ত-হেতু চেষ্টা সকলের মধ্যে সঙ্কল্প সাবিক। চাঞ্চল্যবাহুল্য হেতু কল্পন রাম। আর অপরিদৃষ্টৰহেতু অবধান * প্রাণবর্গ তার বলি। তাহাতে তামস অবনবৃত্তির অত্র প্রবিলা। প্রাণাবধান প্রাণায়াম রুপ আঁৰে স্বাৱা প্ৰত্যাহ্ন হতে পারে বা প্রবল শোকাদি বুস্তিতে চিত্ত অবহিত হইলে, তাহা অপত হইতে পারে। তাহাতে শীৰ মৃতবং হয়। সাধাণত হই। নিয়তই মান। নমস্ক ব্যক্তি শ্ৰণাদি করিবার জন্য যে কর্ণ{ধিতে চিত্তাকধান করে, তাহা জ্ঞানবধন-চেষ্টা।
सास्यरात्वालाकः । । तामममपरिदृष्टत्वात् । मइल्पवत् कल्पनावधाने अपि अभिमान- प्रधान-चलनात्मके । सत्यः कम्मे मानसमिति स्मृतः सइल्पादि- वृत्तीनां मियाबहुलता ततय चेष्टान्तर्गतत्वमवगम्यत इति ॥३२॥ चेष्टायामभिमानोट्रेकस्यावकटप्रवाहः। यतोऽसावन्तः प्रजा- यते ततस्तु वद्धिः कर्मेन्द्रियादावागच्छति। बोधे चान्तःप्रवा- हाभिमानोट्रेकः विषयस्य वाद्यत्वात् ॥ ३३ ॥ चतुतत्तिर्विकल्प स्तसनणं ययाहु:-“गम्दमानानुपाती वस्तुशून्यो विकल्पः” इति । “वस्तुशून्यत्वेऽपि गम्दन्नानमाहात्म्ब- निबन्धनो व्यवहारो दृश्यते।" वान्तवार्यशून्यवाक्यस्य यज्ञानं तदनुपातिनी या चित्तपरिणतिर्जायते स विकल्पः । भापायां विकल्पहरुपकारिता। विषिधी विकल्पो यथा सात्विको वस्तुविकल्पः, राजसः क्रियाविकल्प स्तामसवाभावविकल्पः । भाद्यस्योदाहरणं यथा, “चैतन्यं पुरुषस्य म्वरूप"मिति, "राहो: वन। नकबर कनन पवा परहान पनियान शान जननायक ॥ ७ ॥ চেষ্টাতে আভিমানিক উদ্রেকের নিম্ন বা বাহাভিমুখ প্রবাহ হয়। যেহেতু অগ্রে উহা অন্তরে জন্মে, তৎপবে বাহিরে কম্মেন্দ্রিয়াদিতে আসে। বােধেতে অভিমানে{দ্রেক অন্তঃপ্রবাহ, কারণ বোধোপ্ৰেকজনক বিষন্থ বাহে অৰ- विड धारक ।। ७७॥ চতুর্থ বৃত্তি বিকল্প। তাহার লক্ষণ যা উক্ত হইয়াছে,--শব্দজ্ঞানের অনুপাতী বস্তুশূন্য বৃত্তি বিকল্প । বাস্তব বিষয় না থাকিলে শব্দজ্ঞানমাহাত্ম্য- নিবন্ধন বৈকল্পিক ভাবের ব্যবহার হয়। বাস্তবার্থশূন্য যে সকল বাবা, তাহাদের অনুপাতী যে চিত্তপরিণতি হয়, তাহাই বিকল্প। ভাষাতে বিকল্পবৃত্তির অনেক উপকারিতা আছে, যেহেতু ঐরূপ বাস্তবার্থশূন্য অনেক বাক্যের দ্বারা আমরা সদ্বিষয় বুঝি ও বুঝাইয়া থাকি। বিকল্প বিবিধ, যথা—সাত্ত্বিক বস্তু- বিকল্প, রাজম ক্রিয়াবিক ও তাম অভাবিক। আদেব উদাহরণ যথা, বিপি: বিজলী । মি” বুনি । अब पस्तुनोरकत्वेऽपि व्यवहारार्थ तयोर्मेंद- वचनं वैकल्पिकम् । अकत्ती यत्र व्यवहारसियर्थ कर्तृवत् ঘড়িযন ব ক্লিয়াৰি । যথা, “নিঃনি বাঘ, নন- নিম্ননিনি ধালঘ: মনিনিনিন্ধিযাযঃ নুরুয যাযা সৰক্লিযন, অধুনধু ৰা নাৰি নৰ য়িন্ধিলিনি। অমাৰাবাঘিনা বিলৰনিৰনালজিঃ। যয়, “স্বৰ त्यत्तिधमा पुरुष" इति। "उत्पत्तिधमस्याभावमात्रमवगम्य ते न पुरुषान्वयी धम्मस्तस्मात् विकल्पितः स धर्मस्तेन चास्ति অৱৰি দুনি। वैकल्पिको नित्यव्यवहार्यों दिकालौ । यथाडु:--"स खलयं কাৰী ৰী ৰুত্ত্বিনিন্মাষ: মনানী বীন্ধিাবা বিনমন অনুভঙ্কর দুলাৰমান দুনি। মুনমাৰিলী कालौ शब्दमात्री भवर्तमानपदार्थों । तथाच रूपादिधम्म- “চৈতন্য পুরুষের স্বরূপ, “রাহুর শির”। এই সকল স্থলে বস্তুদ্বয়ের একতা থাকিলেও বাবহারসিদ্ধির জন্য তাহাদের ভেদবচন বৈকল্পিক। অকৰ্ত্তা যেখানে ব্যবহারবিদ্ধির জন্য কার ন্যায় ব্যবত হয়, তাহা ক্রিয়াৰিকল্প। যেমন ‘বাণঃ তিষ্ঠতি, স্থাধাতুর অর্থ গতিনিবৃত্তি; সেই গতিনিবৃত্তিক্রিয়ার কর্তারূপে বাণ ব্যবহৃত হয়, বস্তুতঃ কিন্তু বাণে কোন গতিনিবৃত্তির অনুকূল কর্তৃত্ব নাই। অভাবার্থ যে সব পদ ও বাক্য, ভদাশ্রিত চিত্তবৃত্তি অভাববিকল্প। যেমন “পুরুষ উৎপত্তিধৰ্ম্মশূন্য”। শূন্যতা অবাস্তব পদার্থ, তাহার দ্বারা কোন ভাব- পদার্থের স্বরূপ উপলব্ধি হয় না, উজ্জন্য ঐবাক্যাতি চিত্তবৃত্তির বাস্তবতা নাই। নিত্য ব্যবহার্য দিক ও কাল বৈকলিক। যথা উক্ত হইয়াছে,~-“সেই কাল বস্তুপুত, বুদ্ধিনিৰ্ম্মিত, শব্দজ্ঞানানুপাতী ; ব্যথিতদর্শন লৌকিকগণেরই নিকট তাহা বস্তস্বরূপে অবভাসিত হয়”। ভুত ও ভাবী কাল,অবর্তমান পদার্থ। ৪ স্বাসনালী: शून्यः न कशिदवकाशास्यो वाह्यः प्रमेयो भावपदार्थोऽवशिष्यते, रूपादिशून्यस्य वाद्यस्याकल्पनीयलात्। तस्मात् सांस्खनवे বিস্ত্রালী ইস্তিনৰ মুৰ্ম্মনী। अवास्तवलेऽपि वैकल्पिक- বিষয় ভিৰ ঘৰঙ্গিয়ন। বস্তানিৱনিলয় মায়াধিক বিজয় মগ্ন সনামধনলাধ এমী মল্লিখিনি। বৃত্মঘৰীয়াঘাহিয়া धारणहत्तेमौलिकत्वमवगम्यते । यया वाद्येन्द्रियापितविषयाः নয়াছিনাৰিঃনি ভ ধানি: ঋব্ধি স্বীয় बोध्यविषयः, स्मरणबोधस्याप्यम्ति विषयः, न विधते, तस्मादन्तर एवास्ति भर्यविषय इत्यनुमीयते। ययासो বিষয় ঋল বিৰদ্বিনি, সু ধানি। দ্বিয় বাঃ- करणार्पितविषयोपजीवित्वात् विषयाधानपरा चित्तस्य ति. সেইরূপ রূপাদিধৰ্ম্মপুত করিলে, অবকাশনামক কোন বাহ ভাৰপদার্থ অবশিষ্ট থাকে না, কারণ রূপাদি বাহপদার্থ কল্পনীয় নহে। সেইজন্য সাংখ্যশাস্ত্রে দিক্ ও কাল বৈকল্পিক বলিয়া সম্মত হইয়াছে। বৈকল্পিক বিষয় অবাস্তব হইলেও তাহা সিদ্ধ ব্যবহৃত হয়। বক্ষ্যমাণ ধূতিবৃত্তির তুলনায় প্রকাশ ধিক্য হেতু বিকল্প চতুর্থ রাজন তানা বর্গে স্থাপয়িতব্য ৩৪ পঞ্চশী শক্তিবৃত্তি ধৃতি । “গ্রহণ, ধারণ, উহ, অপপাহ” ইত্যাদি শাক হইতে ধারণবৃত্তির মৌলিকত্ব জানা যায়। যাহাদ্বারা বাকরণাপিত বিষয় অন্তরে আহিত থাকে, সেই শক্তির নাম ধৃতিবৃত্তি। ধৃতিশক্তি এইরূপে অনুমিত হয়। অর্থ—সমস্ত বোধেরই বােধ্য বিষয় আছে , ভজ স্মণবােধেরও শােধ্য বিষয় আছে , কিন্তু সেই বিষুর বাহিরে থাকে না, অতএব তাহা অন্তরে থাকে। যাহাদ্বারা সেই বিষয় অন্তরে বিধৃত থাকে, তাহাই ধূতি। ধূতিনামক চিত্ত- * “সংখ্যায় প্রাণৰে এই পৰধুকে স্মৃতি নামে অভিহিত করা হইয়াছে। স্মৃতি লক্ষণ যোগসুত্ৰ অসুৰ ও ধারণ উভয় অর্থেই ব্যাখ্যাত হইতে পারে। এখানে অর্থ ধৃতি ন মই গৃহীত হই ।
মুনি, সন্তু কমেনিসা মগিৰিনি নিন। মুৰ तु प्राहितभावा संस्कार इत्यभिधीयन्ते । विविधा चित्तस्य धारपत्ति, साविको बोध्यधतिः राजसी चेष्टाधतिस्तामसी মাষgনিখিনি। तवाद्या बुद्धविषयाधान, বলবgথান मध्या, भल्या च निद्रादिरुद्धभावसस्कार । तिहत्त्याहित- विषयाणामपरिदृष्टभावेन चेतस्थरस्थानात् तस्था. स्थितिस्वरूप. বা খুনিনি এম্বী নামযিনি ২৪ {{ ৰাৱা লৰধা বিনয়াবান মুলনিৰাধাৰ। तासा तिस्रो बोध्यगतास्तिनयेष्टागतास्तिथ धाय॑गता । शनिवृत्तिवदवस्थात्तिमिथित्तस्थ जानादिक्रियासिद्धि, मानादिक्रियाकाले चित्तस्य यशद्भावनावस्थानम्भवति ता ৰাৰঘালয়, । ২ । বৃত্তি বিষয়ধারণপরা, কারণ বাহকরুণাৰ্পিত বিষয়েপজীবিত চিত্তের লক্ষণ বলিয়া উক্ত হইয়াছে। আর স্থিতিধৰ্মা মন করণীশক্তিধারণপর, ইহা বিবেচ্য। অর্থাৎ করণশক্তি সকল অঃ করণের সহিত সম্বন্ধ , সেই সম্ব স্থানে মন অবস্থিত। তাহাতে অশেষপ্রকার করণপ্রকৃতি আহিত থাকে। সমস্ত আহিত ভাবের সাধাৰণ নাম স স্কার। ধারণবৃত্তি ত্রিগুণানুসারে ত্রিবিধা, যথা, বােধ্যধতি, চেষ্টাধূতি ও রুদ্ধভাৰভৃতি। প্রথমটী বুদ্ধবিষয় ধারণ করা, দ্বিতীয়টা সৰ্ব্বচেষ্টা ধারণ করা, আর তৃতীয়টা নিদ্রাদি বদ্ধভাবের স স্কার। ধৃতিবৃত্তির বিষয় সকল অপরিদৃষ্টভাবে চিত্তে অবস্থান করে বলি, আর তাহার স্থিতিস্বরূপ হেতু, তাহা পঞ্চম তামসবর্গীয়া। ৩৫ সুধাদি নয় প্রকার চিত্তের অবস্থবৃত্তি, তাহারা প্রমাণাদি সর্ল্ড বৃত্তি সাধারণ। তাহাদের মধ্যে তিনটা বােধ্যগত, তিনটী চেষ্টাগত ও তিনটী ধার্য্যগত। শক্তিবৃত্তির তার অবস্থাবৃত্তির দ্বারা চিত্তের জানাদি কাৰ্য্য সিদ্ধ হয় না। জ্ঞানাদি কাৰ্যকালে চিবে যে যে ভাবে অবস্থান হয়, তাহার নাম অবধাত্তি। ৩৬ सांस्यतत्त्वातीकः। तत्र सुखदुःखमोहाः सत्वरजस्तमःप्रधाना वोध्यगता पवस्वा. इत्तयः । सन्चे बोधाः सुखावहा वा दुःखावहा वा मोडाबहाः মূলবনা। স্কুল বিষযঞ্জনীকান স্বত্ত, মনিমিয়া दुःखम्। मोहः पुनः सुखस्य दुःखस्य वातिभोगात् सुखदुःख- विवेकशून्योऽनिटो नड़भावः, यथा भयम् ॥ ३७॥ रागहेपाभिनिवेशायेष्टागतावस्याहत्तयस्त्रिगुणानुसारिखः । रतां दिष्टं वामिनिविष्ट हि चित्तं चेष्टते। सुखानुभयो रागः, ওভায়ী, স্বল্পকাহিনী নাক ৰাৰপিলিমঃ । ঘোষনার্ষিনিম:। নগ্নয়াঃ মাঘবিলি- रूपाया अभिनिविष्टचेष्टाया नागाराइव मरणभयामिति বিশ্বমিনি ॥ ২৪ | । তাহার মধ্যে সুখ, দুঃখ ও মােহ যথাক্রমে সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ-প্রধান এই তিন ভাব বােধ্যগত অবস্থাবৃত্তি। সমস্ত বােধই হয় সুখাবহ, নয় দুঃথাবহ, নয় মােহাবহ হয়। অনুকূলবিষয়কৃত উদ্রেক হইতে সুখ ও প্রতিকুল বিষয় হইতে দু:খ হয়। আর সুখ বা দুঃখের অতিভােগে সুখদুঃখত অনিষ্ট যে ডভাব হয়, তাহা মােহ, যথা ভধয় ৩৭ রাগ, দ্বেষ ও অভিনিবেশ যথাক্রমে সত্ব, রজঃ ও তমােগুণ-প্রধান চেষ্টাগত অবস্থাবৃত্তি। রাগযুক্ত, দ্বিষ্ট বা অভিনিবিষ্ট হইয়া চিত্ত চেষ্টা করে। সুখ- স্মৃতিপূৰ্ব্বক যে চেষ্টা হয়, তাহাই দুক্ত চেষ্টা। সেইরূপ দুঃখানুশয়ী দ্বেষ। আর যে চেষ্টাবস্থা স্বাসবাহিনী বা স্বতঃবহনশীল, সেই প্রথারূঢ় বা সমার চেষ্টাবস্থা অভিনিবেশ। মরণাস অভিনিবেশস্বরূপ নহে। প্রাণদিবৃত্তিরূপ তথাটা অভিনিবিষ্ট-চেষ্টার শাশঙ্কাই মরণত্রাসের স্বরূপ,ইহাবিবেক্তব্য ৩৮ # অভিনিবেশ ব্যাখ্যা কানে বোম্বাইকার মত্রাস-ব্যাখা করাতে অভিনিবেশকে শোক মুণত্রাসই মনে করে। কিন্তু ভাষ্যকার অভিনিবেশের ফল-ব্যাখর করিয়াছেন, অপ-ব্যাখ্যা করেন নাই, তাহার পরুপ সুয়ে স্পষ্ট উক্ত হইয়াছে।
जाग्रदाद्या वृत्तयः।
তাম্বৰষয়ী যানমাৰঘাষায়। স্ত্রী মী,
নমাৱনাৰায়নি। জানা নিদী,
खपावस्था राजसी, निद्रावस्था तामसी। নয়া ॥
"सत्त्वाज्जागरण विद्याद्रजसा खप्रमादिशेत् ।
মায়ন সমধা, নীয় নি স্বলন ।” খুনি।
তাৰ ঘিননুিয়াধিঞ্চানাজানি না। জানা
जानकर्मेन्द्रियेषु तदनियतस्य अनुव्यवसायाधिष्ठानस्य यदा चेष्टा
तदवस्था स्वप्रः । বঃ ন মূলায়না কাহিঘিানা-
না। মুমিলু যয়:-~-“স্মাষসয়ালনা লি-
নিনি। না বিনবিহাখিষ্টাব্যতা স্বজাৰ।
उता च---"सुपुत्रिकाले सकले विलीने
तमोऽभिभूतः सुखरूपमेति ।" इति ।
गुणानामभिभाव्याभिभावक खभावावस्थाहत्तीनामस्थेमा-
বর্নননি ব£ &
জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি ধাৰ্যগত অবস্থাবৃত্তি। ধার্য্য শরীর, তাহার সম্পর্কে
চিত্তেৰ ধার্যগত অবস্থাবৃত্তি হয়। জাগ্ৰদবস্থা সাত্ত্বিকী, স্বপ্নাবস্থা রাজনী ও
নিদ্রাবস্থা তামসী। শাস্ত্র যথা--“সত্ব হইতে জাগরণ, রজোদ্বারা স্বপ্ন ও তমাে-
গুণের দ্বারা সুবুপ্তি হয় জানিবে, তুরীয় অবস্থা তিনেতে সদা বিদ্যমান”। জাগরণে
চিঃ ও ইন্দ্রিয়ের অধিষ্ঠান সকল অজড়ভাবে থাকে। জ্ঞান ও কস্মেন্দ্রিয় জাড্যতা
প্রাপ্ত হইলে, তাহাদের দ্বারা অনিয়ত যে অনুব্যবসায়ের অধিষ্ঠান (অর্থাৎ চিন্তা-
স্থান), তাহার যে চেষ্টা, সেই অবস্থার নাম স্বপ্ন। উৎস্বপ্ন অবস্থায় ঘুমিয়ে চলা
ফেরা করা) কম্মেল্লিগণের অজাড়তি থাকে। সুষুধিলক্ষণ যথা,-“জাগ্ৰৎ ও
স্বপ্নের অভাবকারণ যে তমঃ, তদবলম্বনা বৃত্তি নিদ্রা। সেই সময় চিত্ত ও
ইন্দ্রিয়ের অধিষ্ঠানের সম্যক্ জাড় হয়। যথা উক্ত হইয়াছে,-“সুপ্তিকালে
সমস্ত বিলীন হইলে, উমােভিভূত সুখরূপ প্রাপ্ত হয়। গুণ সকলের অভি-
ভব্যাভিভাবক-ভাৰ হেতু অবস্থাবৃত্তি সকলের অস্থিরতা এবং আবর্তন হয় ৩৯
३६ सांख्यतत्वालोकः। विविधचित्तव्यवसायः। सहावसायोऽनुव्यवसायोऽपरिदृष्ट व्यवसायथेति । कतिपयगती अधिसत्य कटेव यचित्तचेष्टित स व्यवसायः। सहावसायो ग्रहणमनुव्यवसायचिन्तनमपरिदृष्ट- व्यवसायो धारणम् । ज्ञानेन्द्रियादीनधिसत्य वर्तमानविषयो व्यवसायः सदाख्यः । अतीतानागतविषयोऽनुव्यवसाय: स्मृत- विषयालोड़नात्मकः । येन चावेद्यमनिन व्यवसायेन निट्रादावपि सदा चित्तपरिणामो जायने, सस्काराच येनानुजीवन्ति, सो- ऽपरिदृष्टव्यवसायः । यथाहः-- "निरोधधम्मसंखारा: परिणामोऽथ जीवनम् । चेष्टा शक्तिय चित्तस्य धम्मा दर्शनवर्जिताः ॥” इति । निरोधः समाधिविशयः, धम्मसंस्कारा पाहितभावाः, परि- सामोऽपरिदृष्टव्यवसायः, जीवन प्राणाः कार्य कारणयोरभेद- विवक्षया जीवन स्वकारणस्थान्तःकरणस्य धम्मत्वेनोधा, चेष्टा भव- धानरूपा, शसियेष्टाजननी सर्वशतयात्मक तौयान्तःकरणं मन চিত্তের ব্যবসায় তিনপ্রকাব। সদ্ব্যবসায়, অনুব্যবসায় ও অপরিদৃষ্টবাব- কতক গুলি শক্তিকে অধিকার করিয়া যেন একই সময়ে যে চিত্তচেষ্টা व, शेन नाम बावनात्र। সদ্ব্যবসায় = গ্রহণ, অনুব্যবসায়=চিন্তন ও অপরিদৃষ্টব্যবসায়=ধারণ। জ্ঞানেন্দ্রিয়াদিকে অধিকার করিয়া যে বর্তমান বিষয়ক ব্যবসায় হয়, তাহাই সদাখ্য। অনুব্যবসায় স্মৃবিষয়ে আলােড়নাত্মক, তাহা অতীত ও অনাগত বিষয়ক। যে অবিদিত ব্যবসায়ের দ্বারা নিদ্রা- দিতেও চিত্তের পরিণাম হস্ত, আর যাহা দ্বারা সংস্কার এক অজীবিত থাকে, তাহা অপরিদৃষ্টব্যবসায়। যথা, উক্ত হইয়াছে,—“নিরােধ, ধম্মসংস্কার, পরিণান, জীবন চেষ্টা ও শক্তি, ইহার চিত্তের দর্শনবজ্জিত ধৰ্ম্ম*। নিরোধ- সমাধিবিশেষ , ধসংস্কার = আহিতভাব, भद्धिमान = অপরিদৃষ্টব্যবসায় , জীবন== প্রাণ, কাৰ্য্য ও কারণে অভেদবিবক্ষায় প্রাণ স্বকারণ অন্তঃকরণের ধর্ম 1 বলিয়া উক্ত হইয়াছে, চেষ্টা = অবধামরূপা, শক্তি চেষ্টার জননী, অর্থাৎ সৰ্ব্ব- मात्र ।
सांस्यतत्वालोकः। "मनी बुखिरहद्वारो भूतानि विषयाय सः । एवं वि स सन्बन प्राणेन परिचास्यते।" इत्यादिस्मृतिभ्यश धानेन्द्रियादिगतयायोगवविषय विज्ञानस्रोतः प्राणशत्तिरित्ययगम्यते। , चत्वारः खलु वायोडवयोधाः । ते यथा चैत्तिकममाणं, बुद्धीन्द्रियमाध्यालोचनं जानं, कौन्द्रियस्थोप- शेषनोधः, तथा चाजिहीर्याबोधः इति । वातपेयानरूपस्या- हार्य्यस्य विध्यार विविध प्राजिहीर्पाबोधः, खासेच्छावोधः पिपासा च सुधा चेति। माहार्य्यस्य वानवादाजिहीर्पावोधः वायोद्भयः । तब खामेच्छादिबोधाधिष्ठाने प्राणस्य मुख्यसत्तिः। यथाम्नायः-"माणो हृदयं,” “हदि प्राण: प्रतिष्ठितः,” “प्रायो अत्ता इत्यादि। उताच- "मास्यनासिकयोमध्ये हुन्मध्ये नाभिमध्यगे। प्राणालय इति मोतः॥” इति। . অহঙ্কার, দুত ও বিষয় সকল প্রাণের দ্বারা সর্বত্র পচিালিত হয় ইত্যাদি স্মৃতি হইতে, জ্ঞানেন্দ্রিয়াদিগত বাহােদ্ভব বিষয়ের যে বিজ্ঞান, তাহার স্রোতঃ বা মার্গ সকলে প্রাণের স্থান, ইহা জানা যায়। বাহােদ্ভব বােধ চাৱিপ্রকার, यथा-(0) दाक्थिमा, (२) वृक्षौम्तिमाया पाटलानिटवाय, (७) कालिग्रह উপশ্লেষবােধ, (৪) আজিহষাবােধ। আজিহীর্ষাবােধ পুনশ্চ ত্রিবিধ, যথা- খসেচ্ছাবােধ, পিপাসা ও ক্ষুধা। ইহাদের ত্রৈবিধ্যের কারণ এই যে, আহাৰ্য্য विविए, यथा-वाड, भय ७ पम । আব আহাৰ্য্য বাহ বলিয়া আজিহীর্ষাবােধ বাহােন্তববােধ। উপরি-উক্ত চতুর্বিধ বাহেববােধের অধিষ্ঠানের মধ্যে আজিহীৰ্যা-বােধাধিষ্ঠানে অর্থাৎ সেচ্ছ-পিপাসা-ক্ষুধা-বােধের অধিষ্ঠানে) প্রাণেব মুখ্যবৃত্তি, অন্যত্র গৌণবৃত্তি। শ্রুতি যথা—“প্রাণ হৃদয়,” “হৃদয়ে প্রাণ पनिष्ठिक," Metr पारागनी हेजामि। अब उस शेाटर-"मूथ- নাসিকার মধ্যে, হৃদয়মধ্যে ও নাভিমধ্যে (ক্ষুধাস্থানে) প্রাণের আলয়”। চিত্ত ভান। নামিগ্রী প্রীঘিষ্ঠান ইত্মঘ:। বিনয়িকি- অমৰ সাৱগা বাপ্পীরমৗঘাধিঞ্চালাম নিশ্মিনীন । ৪। 'মাৰীৰমানুশনীখিষ্টালাযহালায়। “দুল ব্ৰয় বীজ লয়নি, আল মাম”মিনি সুন: “হালয়াল- पलकण्टकादिवसङ्ग उत्क्रान्ति"ति योगसूत्रात् “उदान उत्- कान्तिहेतु"रिति वचनाक्ष अपनीयमानादुदानान्मरणव्यापार- शप प्रति प्राप्तम्। মযান্য স্থাী ভাষ্ঠীছানিলি:। --“যুদ্ধাৰ দীৰ্ঘৰিলি: স্ব স্বয়য়া সাঘাষ- নিন”। নৱা আৰীৰামনায় যখনি, যয় মাম: মৰীয়াামি:। নাৱাল আৰীঘোনুনলীঃ ঘন --“ৰীৰ ভন ভবিষ্যন পদ্ম” নি। মৃন্ম আৰীৰদ্বানুনাঘাষিানবিষয়। "अथैकयोई 1} এবং জ্ঞান ও কর্মেন্দ্রিয়-শক্তির শর্গ হইয়া প্রাণ তাহাদের বাহেব- বােধাধিষ্ঠাংশ ধারণ করে। ৪৫ | শারীর-ধাতু-ত-বােধাধিষ্ঠান-ধাৰণ কৰা উদানের কাৰ্য। “পুণ্যের দ্বারা পুণ্যলােকে, পাপের দ্বারা পাপলােকে উদান নষন কৰে,” এই তি হইতে, “উদাজয়ে অল-পঙ্ক-কণ্টকাদির সহিত অসঙ্গ অর্থাৎ শবীর লঘু হয় এবং ইচ্ছা- মু-ক্ষমতা হয়, এই যােগসূত্র হইতে, এবং “উদান শরীরত্যাগের হেতু, এই শাস্ত্ৰবাক্য হইতে অপনীয়মান উদান হইতে মরণব্যাপার শেষ হয়, ইহা প্রাপ্ত হওয়া গেল। মবশকালে অগ্রে বাহ্যজ্ঞান ও চেষ্টার নিবৃত্তি হয়। উক্ত হইয়াছে যথা-“মৰণকালে ইন্দ্রিয়বৃত্তি ক্ষীণ হইয়া মুখ্য প্রাণবৃত্তিতে অবস্থান তখন (বাহন ও কৰ্ম্মনিবৃত্তি হইলে) শাৱীর-ধাতুগত বােপই অবশিষ্ট থাকে, যাহা ক্রমশঃ শরীরঙ্গ সকল ত্যাগ করিলে মৃত্যু হয়। স্মৃতি যথা-“মৰ্ম্ম সকল ছিদ্যমান হইলে জন্তু শরীরত্যাগ করে। মৰ্ম্ম অর্থাৎ শারীরধাণত বােধাধিষ্ঠান। তাহাদের (নাড়ীর মধ্যে একের দ্বারা উদান ४६ सास्यतत्वानोक.। उदान" इत्यादिश्रुतिभ्य. “सुषुमा चोईगामिनी"ति, "जाननाडी भवेवि योगिना सिदिदायिनी' चेति गास्ताभ्यामूह स्रोतम्विन्या सुयुनानाद्यां मेरुदण्डमध्यगतायामान्तरवोधस्य मुख्यस्रोतो भूतायामुदानस्य मुख्या वृत्ति , सर्वध तु सामान्यहत्तिरिति । उत्तञ्च-"तयैकयोरूई सनुदानो वायुरापादतलमस्तकहत्ति'. रिति। चित्तेन्द्रियशक्तियणगा उदानशक्तिस्तपा धातगतबोधा- धिष्ठानाश विधियते ॥ ४६॥ चालनशत्यधिष्ठानधारण व्यानकार्यम् । “अथ यान्यन्यानि घीयंवन्ति कम्माणि यथाग्नेर्मथनमाजे सरण दृढस्य धनुष पाय- मन मिति, “यो व्यान सा वाक्" इत्यादिवृतिभ्य खेच्छाचानन- शक्त्यधिष्ठानधारण व्यानकार्यमिति गम्यते । "अवैतदेकशत भाडोना तासा शत तमेकीकस्या हासप्ततिर्दासप्तति प्रतिशाखा नाडीसहस्राणि भवन्त्यास व्यानथरती'ति श्रुत हृदयाप्रस्थितासु উৰ্দ্ধগত হয়” ইত্যাদি শ্রুতি হইতে, এব “সুষুমা উদ্ধগামিনী, “সুষুম্না জান নাড়ী, তাহা যােগিদের সিদ্ধিদায়িনী” এই সকল শান্তবাক্য হইতে, মেরুদণ্ড মধ্যগত উৰ্দ্ধস্রোতস্বিনী সুষুম্না নাডী যাহা আন্তববােধে মুখ্যস্রোত, হাতে উদানের মুখ্যবৃত্তি, আর সর্বত্র সামান্যবৃত্তি। যথা উক্ত হইয়াছে—“উর্দ্ধগত উদা আপাদতল মস্তকবৃত্তি” (প্রশ্নোপনিষদভাষ)। চিত্ত ও ইন্দ্রিয়শক্তির বশগ হইয়া উদান তাহাদের ধাতুগত বােধাধিষ্ঠানা শ বিধারণ কবে ॥ ৪৬ | চালনশক্তিব যাহা অধিষ্ঠান, তাহা ধাবণ কবা ব্যানেব কাৰ্য। অগ্নিমথন, ধাবম, দৃঢ়ধনুর আযমন প্রভৃতি যে সকল অত বীৰ্য্যবৎ কাৰ্য্য সাহাবা ব্যানেব, “যাহা ব্যান, তাহ বাগিন্দ্রিত্ব ইত্যাদি শ্রুতি হইতে স্বেচ্ছাচালনশক্তির যাহা অধিষ্ঠান, তাহা ধাবণ করা ব্যানের কাৰ্য বলিয়া জানা যায়। “হৃদয়ে ১০১ নাডী আছে, তাহাদের প্রত্যেকর ৭২••• প্রতিশাখা নাডী আছে, তাহাতে ব্যান সঞ্চরণ করে এই শ্রুতির দ্বারা হৃদয় হইতে প্রস্থিত নাড়ী সকলেও प
আনায়নী।
নাড়ী আনলিবিয়সি ও ঘন। ना हि इम्मूला नाघी
रसरकादीन् सञ्चालयन्ति । तथाच स्मृतिः-
“য়িনা ধ্বয়ান : নিম্মনগাথা।
অৱৰো কথাৰীৰিনা: ” দুনি।
ঋন: ভাষাল বন,ধন্বাৰী ৰ অৰীৰাম আপনি-
বিনি ধিৱ। ঘনীৰ নহ মূয়নি: বুনৰব্দষমানি-
অয়ন নন নস্ত্রাদাম; বিম্নিয়ন নি। ৫৩।
মাঘলহলমগ্নবদ্যিালঘামলা । “
নিমা
निर्गमनं मलानाञ्च पृथक् पृथ"गिति स्मृतेरोजोहीनानां
ধর্মানুসন্ধানী স্থথ যানবাহানায়। নয় বিন্দুৰী-
মক্কা ময় যথুয়া । “বায়ুচােননিন
श्रुतैः मूवादिमलपृथकारके शरीराशे पायादौ तस्य मुख्यत्तिः,
নাৰ ল ব্যালিখিনি ॥ s |
ব্যানের স্থান বলিয়া জানা যায়। সেই হৃদয়মূলা নাড়ী সবল রসবক্তাদিকে
সঞ্চালিত কবে। স্মৃতি যখ—-“হৃদয় হইতে বক্রভাবে উদ্ধে এ অধোদিকে
নাড়ীশণ প্ৰস্থিত হইয়াছে। তাহাবা দশ প্রাণ প্রবিত হইহ্মা অয়েব বস
সকল বহন কৰে। এই হেতু স্বেচ্ছাসঞ্চালক এবং স্বতসঞ্চালক এই উভয়
শরীরাংশেই ধ্যানের স্থান, ইহা সিদ্ধ হইল । এন্মধ্যে শেষ বা স্বতঃসঞ্চালক
শরীরাংশেই ব্যানের মুখাবৃত্তি। অায় করণশক্তির বশগ হইয়া খান
তাহাদের সঞ্চালক অংশ বিধারণ করে ॥ ৪৭
মলাপনয়নশক্তির অধিষ্ঠান ধাৰণ কৰা অপানেৰ কাৰ্য। “নিবােজ মল
সকলেব পৃথক পৃথক্ নিৰ্গমন ক, এই স্মৃতি হইতে জীবনহীন সৰ্ব্বধাতুগত
মণকে পৃথক করাই অপানের কাৰ্য। বিগ্ত্রোৎসর্গ অপানের কার্য্য নহে,
কারণ তাহারা পাযুনামক ধৰ্ম্মেন্দ্রিয়ের স্বেচ্ছামূলক কাৰ্য। “পায়ু ও উপস্থে
অপান’ এই শ্রুতি হইতে জানা যায়, মূত্রাদি মল পৃথককারক বৃদি
পরীবাংশে সপালের মুক্তি এবং সর্বশরীরে তাহার সামাবৃত্তি ৮ !
নামালী। देहोपादाननिम्मागगत्यधिष्ठानधारणं समानकार्यम् । तथा- ত্ব স্বনি –“র নমুনমর সুমনি নক্সানা মান্বিী भवन्ती'ति, “यदुशासनिवासावतायाहुती सम नयतीति स মান’ ছুনি । प्रत विविधाहार्थस्य देहोपादानलेन परि- सामन समानकार्यमिति सिदम् । প্ৰক ধ্ব- “মীন মগিনমান্নান ৰবিন্ধানিলা। ও ননি মাঙ্গাশি মালী নাম মান ॥” দুনি। "मध्ये तु समान" इति श्रुतेनाभिदेशस्ये प्रामागयपकाश यादो मुख्या समानहत्ति । सर्वगात्रेषु च तस्य सामान्यत्ति বিনি। যয়ী যান—“মাৰ ঘিননিনি। ৪৫ वायोद्भवबोधाधिष्ठान धातुगतवीधाधिष्ठान चालकत्त्य धिष्ठान मलायनयनशत्यधिष्ठानदेहीपादाननिम्माणशत्यधिष्ठान चैति पञ्चैतेपामधिष्ठानाना सवात शरीरम् । एभ्योऽतिरिता' দেহের উপাদান (বস রক্ত মাসাদি নির্মাণ করিবাৰ যে শক্তি, তাহাব যাহা অধিষ্ঠান, তাহা ধাবণ করা মানে কাৰ্য। শতি যথা---এই সমান দুত অন্নকে সমনয়ন কবে,তাহতে অন্ন সপ্তাচ্চি হয়। অন্য গ্রুতি যথা-“উচ্ছাস ও নিশ্বাস রূপ এই দুই আহুতিকে যে সমনয়ন কবে সে সমান। অতএব ত্রিবিধ আহাৰ্যেৰ (বায পেয় ও অয়) দেহােপাদানৰপে পৰিণাম কবাই সমানের কাৰ্য ইহা সিদ্ধ হইল। যথা উক্ত হইয়াছে - পীড ভুক্ত ও আড্রাত অহাবকে রক্ত, পিত্ত কফ ও বাযু হইতে সমনয়ন করা (শীবরূপে) সমান বায়ুৰ কাৰ্য্য । “মধ্যে সমান” এই শ্রুতি হইতে জানা যায়, নাভিদেশ আমাশয় ও পা শয়াদিতে সমানের মুখ্যবৃত্তি আর সর্বত্র তাহার সামান্য বৃত্তি। যথা যােগাৰে উক্ত হইয়াছে—“সমান সৰ্ব্বগাত্রে ব্যবস্থিত”। ৪৯ বাহােঙব বােধের অধিষ্ঠান ধাতুগত বােধের অধিষ্ঠান, চালক শক্তির অধি ঠান মলাপনয়ন শক্তির অধিষ্ঠান, আৰ দেহােপাদাননিৰ্ম্মাণ-শক্তির অধিষ্ঠান, এই পথ অধিষ্ঠানের সলাত শরীব। ইহাদের অতিরিক্ত আর শরীরা শ प्राणेषु गुणसंयोगः। লা: মুীয়। সামাঙিয়া মা: বি:, গান- বৰৰোৱাল: দাবি, যিঘিাত্যেন লয়, মান: কলম্বনামঃ, ঘিয়াধিক মানৱ নামঃ ॥ ৪০} স্নানন্ধৰ্ম্মবি মান্য সিনান্ধা:। স্থবিষাণ- “স্বাণ হর গাযী আয়ন” দুনি। স্মৃঘািমিলাম্বিয়ান। ঋনীঝিনায় ঘুম:। "सत्त्वात् समानो व्यानच इति यन्नविदो विदुः । রাখলামী নয়ীম নামল ” গুনি পূন্যাহ্মঘাল্লাহীলনি: শিৱ। নাৰ ধাঁয়া- মিছিঃ~-“কামৰূঘনি: মাযাঘা ৰাযষঃ এম্বনি। ঋন:জয়ন্সয়াঘ মাযী নি; অবিস্মর বুনি সাব: ৪। बाह्यकरणानां जानेन्द्रियेपु प्रकाशगुणस्याधिक्यं জিয়া- स्थित्योचाप्राधान्यं, तत: साविक ज्ञानेन्द्रियम् । कमेन्द्रिये নাই। প্রাণ সকলের মধ্যে আস্থা প্রাণে প্রকাধিক হেতু তাহা সাত্বিক তাহা হইতে আবৃততরহ-হেতু উদান সাকিব রাজশ , ক্রিযাধিক্য হেতু ব্যান রাজস , অপান রাজস তামস ; আর স্থিত্যাধিক্য হেতু সনান তামস ৫• | জ্ঞান ও কর্মেন্দ্রিয়ের ন্যায় প্রাণও অস্মিতত্মক। এ বিষয়ে শ্রুতি যথা- *আত্মা হইতে এই প্রাণ প্রজাহ হয়, অর্থাৎ আত্মা হইত যাহা হইবে, তাহা অভিমানাত্মক হইবে। “বুদ্ধি সত্ত্ব হইতে সমান, অপান, প্রাণ, ব্যান ও হাদেব মধ্যস্থ হতাশনলপ উদান উৎপন্ন হয়, এই স্মৃতিৰ দ্বাৰা অন্তঃক্বণ হইতে প্রাণেব উৎপত্তি সিদ্ধ হয়। সাংখ্যীয় উপদেশ যথা—-“অন্তঃকৰণৰাষের সামান্যবৃত্তি প্রাণাদি পথ বাযু”। অর্থাৎ অন্তঃকরণযেব প্রাণ বৃত্তি পা পবিণাম ॥ ৫১ এক্ষণে প্রানেন্দ্রিয়, কৰ্ম্মেন্দ্রিয় ও প্রাণ, এই তিনপ্ৰকাৰ বাহকৰণৰ একত্র তুলনা হইতেছে। বাহরণের মধ্যে জ্ঞানেন্দ্রিয়ে প্রকাশগুণের আধিক্য এবং ক্রিয়া ও স্থিতিগুণের প্রাধান্ত, তজ্জন্ত জ্ঞানেন্দ্রিয় সাবিক। কৰ্ম্মেন্দ্রিয় } , सांवतत्वालोकः। क्रियागुणस्य प्राधान्यं प्रकास्थित्योरस्पता, ततः राजर्स कमे- न्द्रियम् । प्राणपु 'च म्पितिगुणस्य प्राधान्यं प्रकाशगुणस्यास्फुटता राया खेमानधीनत्वारा कोन्द्रियेभ्यः क्रियागुणस्याप्यपकप स्तमात् प्राणाम्तामसाः ॥ ५२ ॥ * গৰি ৰনালানি খানি? ग्राधाथितास्ते पां যিময়া। মন মাগী যথা চিন, ন যিয়। ग्रहणयोर्व्यतिपङ्ग फलं विषयः। ग्राह्यो विषयहारेण रहाते, तस्मादविषयः सम्पर्कफलोऽपि ग्राधाथित धावभासते । यथा মহুনিময় গ্লানি ঘুষ সনীয়ন, অনুন লাদি খাচ্ছে शम्दः, तत्र घातजन्यो वेपथुरैया स्ति। विपया ग्राह्याथितधर्म- रूपेण · ग्राह्याच धम्माश्रयरूपेण व्यवड़ियन्ते। तस्मानास्ति ग्राह्यस्य वास्तवमूलस्वरूपसाचाकारोपायः । गौणेनानुमानादि- हेतुना तत्स्वरूपमवगम्यते । विषयान्तु साक्षात्कृतस्वरूपाः । ক্রিয়াগুণের প্রাধান্য, প্রকাশ ও স্থিতির অল্পতা, তজ্জন্য তাহারা রাজস। প্রাণ সকলে স্থিতিগুণের প্রাধান্ত, প্রকাশগুণের অস্ফুটতা, আর স্বেচ্ছার অধীন বলিযা ক্রিয়াগুণের কস্ট্রেলিয়াপেক্ষা অপকর্য, তজ্জন্য প্রাণ তামস। ৫২। বুদ্ধি হইতে সমান পর্যন্ত সমস্ত শক্তিই করণ । তাহাদের বিষয় বাহ- দ্রব্যাশ্রিত। গ্রহণশক্তির দ্বাৰা গ্ৰাহ যেরূপে ব্যবহৃত হয়, তাহাই বিষয়। বাহবিষয় ত্রিবিধ ; জ্ঞানেন্দ্রিয়ের বিষয় প্রকাশ্য, কৰ্ম্মেন্দ্রিয়ের বিষয় কাৰ্য্য, ও প্রাণের বিষয় ধার্য বিষয় গ্রাহ ও গ্রহণের সম্পর্কফল। গ্রাহ বিষয়রূপে গৃহীত হয়, তজ্জন্য সম্পর্কফল হইলেও বিষয় গ্রাহাশ্রিতের ন্যায় প্রর্তীত হয়। শব্দবিষয় গ্রাহাশ্ৰিত ধৰ্ম্মরূপে প্রতীত হয়; কিন্তু গ্রাহদ্রব্যে শব্দ নাই, তাহাতে আঘাতজন্য কম্পমাত্র আছে। বিষয় সকল যেমন গ্রাহাতি, গ্রাহও তেমনি বিষয়েব আশ্রয়রূপে ব্যবহৃত হয়। তনা বিষয়ের বাস্তব-মুল- সাক্ষাৎকারের উপায় নাই ; অনুমানাদি গৌণ হেতুর দ্বারা তাহার " সেই মূল- স্বরূপ জানা যায়। বিষয় স্বয়ং সাক্ষাৎকৃতস্বরূপ। কবশের নৈৰ্ম্মল্যবিশেষ যেমন बोध्यत्वकियात्वजाड्यत्वधम्माः । करणप्रसादविशेषात् विषयस्यैव सूक्ष्मावस्था सामाफियते न मूलग्राह्यमिति ॥ ५३॥ वाघधम्माययो ग्राहोऽधुना विधार्यते। बोध्यत्वं क्रियावं আন্তৰি কাষ। ন লিমস্য: মত্তমাশা বুনি বন্ধু সাদা, স্ম লীগ্রনিয়াঃ খানিস্থান, মৃন্ম:। মানহানিৰীয় ক্লিয়াৰঘৰ্ম ঘন্। রূৰ্ম- ঠি: অৰীৰ মুম্বায় নয়া সামনিথষমহিবনি কয়লানি- स्वावलोक्य क्रियाबधम्मा उपलभ्यन्ते । मियारोधका जाड्यत्व- ঘ। আমীয়া ৰা না জাৱৰাৰ অৰীবান कम्मशतिव्ययच बुद्धा, तथाच प्रकाश्यविषयावरणमवलोक्य অর্থ্যৎ, সমাধি হইতে বিধায়ই সুপ্তাবস্থা ভুইতন্মাত্ৰৰূপ) সাক্ষাত হয়, এহমূলেব হয় না। ৫৩ বাহধম্মে আয়ম্বরূপ গ্রাহ অধুনা বিচারিত হইতেছে। বােধ্য, ক্রিয়া ও জাভা ইহারা গ্রাহধম্ম, অর্থাৎ সমস্ত গ্রাহধৰ্ম্ম মূলতঃ এই ত্রিবিধ। তন্মধ্যে স্বগতবৈচিত্র্য সৃহিত শব্দ, স্পশ, রূপ, বস ও গং এই পঞ্চ প্রকাশ্যধর্ম এবং অন্য বােধ্যবিষয গ্রাহাশ্রিত বােধ্যত্বধৰ্ম্ম অর্থাৎ জ্ঞানেন্দ্রিয়ের দ্বাৰা এবং বৰ্ম্মেন্দ্রিয় ও প্রাগত অনুভবশক্তির দ্বাৰা যাহা বােধণম্য হ, তাহাই বােধ্যত্বধৰ্ম্ম। দেশান্তবগতি বাহেব ক্রিযাত্বধৰ্ম্মেৰ লক্ষণ। ক্রিয়াত্বধম্ম তিন- প্ৰকাৰে উপলব্ধ হয়, যথা--(১)কৰ্ম্মেন্দ্রিয় বা স্বকীয় চাণশক্তির দ্বারা ইহাতে শরীরে গতি অনুভব হয়) , (২) প্রকাশ্যবিষয় বা শাদির পরিণাম দেখিয়া জানা যায় যে, তাহারা ক্রিয়াযুক্ত , (৩) বাহদ্রব্যের দেশান্ততি দেখিয়াও ক্রিয়াহধর্ম জানা যায়। ক্রিয়াব বােধক ধম্মের নাম জাড়ধধর্ম। জাড্যত্ব ধৰ্ম্মও তিন প্রকারে বােধগম্য হয়, যথা-(১) শরীরের বাধাবােব শরিয। অর্থাৎ গতিশীল দ্রব্যের শরীরে লাগিয়া বােধ অথবা গতিশীল শবীবে কোন প্রব্যের দ্বারা বােধ, এই ক্ৰিবোধ বুঝিয়া, (২) শরিচালন জাড্যৰে অপগম- জপ , তাহাতে ক'শক্তি ব্যয় করিয়া (ইহাতে শৰীবের জামাত্র বোধ- सांख्यतत्त्वालोकः। जायलधर्ममा अवगम्यन्ते । জঠিলনা-না-মিষ দায়- যীনায়ঃ লালুনুলা বী: ॥ ধুধ ॥ সন্তকা মায় মীখন্ধিয়ালাঘলঘশ্মা শানি- पयविशेषधमा वर्तन्ते । तादृशि त्रिविशेषधम्माययद्रव्याणि भौतिकमित्युच्यन्ते। यथा घटपटधातुपापाणादयः। क्रियाव. जायलयोरपि बोध्यत्वात् तयोर्योध्यत्वधमें उपसर्जनीभावः । विष्टो हि वायत्रोष्यवधम्मः, प्रकाग्यविषयो वायोड़वानुभाव्य. विषयथेति। तत्र प्रकाश्यधम्मायामेव वाद्याभिविधिः विस्तार- युक्त. वाद्यवस्तुप्रतीतिरूपः। बायजन्य त्वेऽपि नानुभान्यविषयस्य গম্য হয়)। (৩) প্রকাশ্যবিষয় যে শাদি, তাহার আবরণ শােচর করিয়া, অর্থাৎ ব্যবধানদুরত্রাদির দ্বারা জ্ঞানবােধ বােধ করিয়া কঠিন, তরলতা, বায়বীয়তা, বশ্মিতা প্রভৃতি বােধ সকল জাড্যত্বধৰ্ম্মমূলক ৫৪ | প্রত্যেক বাহদ্রব্যে বােধ্যত্ব, ক্রিয়াত্ব ও জাড্যত্ব ধৰ্ম্মেৰ কতিপয় বিশেষ ধর্ম বর্তমান থাকে। সেইরূপ লিবিশেষ ধর্মাশ্রয় দ্রকে ভৌতিক দ্রব্য বলে। যেমন ঘট, পট, ধাতু, পাষাণ প্রভৃতি। ত্রিবিশেষ ধৰ্ম্মেব উদাহরণ বখা-স্বর্ণ একটী ভৌতিক দ্রব্য, উহাতে স্ববিশেষ হবিদ্রাবর্ণরূপ বােধধৰ্ম্মেব বিশেষ ধৰ্ম আছে, সেইরূপ স্ববিশেষ শব্দাদিও আছে। ভাব বা পৃথিবীর অভিমুখে গমনরূপ বিশেষ ক্রিয়াধৰ্ম্ম এবং অন্যান্য বিশেষ ক্রিয়াও আছে। সেইরূপ বিশেষ প্রকারের কঠিনতা এবং অন্যান্য বিশেষ প্রকার জাড্যত্বধৰ্ম্ম আছে। এইরূপে সমস্ত ভৌতিক দ্রব্যই বিশেষ বিশেষ কতকগুলি বােধ্যত্ব, ক্রিয়াত্ব ও ত্ব ধম্মের আশ্রয়। ত্রিয়াত্ব ও জাড্যত্ব ধর্মও বোধ্য নচেৎ কিরূপে গােচর হইবে ?}। সেই বােধ্যত্বধৰ্ম্মেই তাহাদেব উপসর্জনভাব বা বিশেষণভাব থাকে। সেই বাহ বােধধর্ম দ্বিবিধ, প্রকাশ্য বিষয় (শব্দ স্পর্শাদি) এবং বাহােব অনুভবে বিষয়। তন্মধ্যে প্রকাশ্যধষ্য সকলেরই বাহবস্তু প্রতীতিরূপ বিস্তাবযুক্ত বাহ, ব্যাপ্তি আছে। বাহজত হইলেও অনুভাব্য বিষয়ের (সুখকরাদি),বাহব্যাপ্তি { সুনন। सुखकरत्वादेः वाधाभिविधिः । নমা লীএলক্ষিয়াল- সান্মন্তু সুৰীনিন সন্ধাৱঘর্ষ:1' না उपलभ्यन्ते। तस्मात् प्रकाश्यधमानुभारत एव स्थूलविषयान् सूक्ष्म विषयेषु विभज्य साचाकरणीयम् । সলিবিয়া प्रकाश्यग्माणां गब्दस्पर्शरूपरसगन्धा इति पञ्च भेदाः। तस्मात् অম্বু ৰি নমগ্নাঘয়াযি শাবান্ধায়াগ্রাৰি মনিষীয়- জালালি মুনাভাবি। ক্ষিয়ালগাল এঘিনা- रूपाभ्यां सामान्यतः भूतेषु समन्वागते ॥ ५५ ॥ पाकाशवायुतेजोऽग्नितयो মুনালি। तब शब्दमयं অৰিন্যৰিসমাজায়। নয় स्पर्शादिमया यथाक्रम वायादयः। प्रकाश्यधम्ममूल विभागवान भूतानि हस्तादिभिः पृथक्करणीयानि। हस्तादिभिर्विभक्तास्य भौतिकस्य भौतिकान्त. ফুট নহে। তজ্জন্য সমস্ত বােধ্য, ক্রিয়া ও জাড্যত্ব ধম্মের মধ্যে পুৰােবা। প্রকাশ্য ধৰ্ম্ম। তাহাদের অগ্রবর্তী কবিয়া অন্য সব ধর্ম উপলব্ধ হয়। প্রকাশ্যধৰ্ম্মানুসারেই বাহৎ স্থূলবিষয় সুশ্নবিষয়ে বিভাগ কবিয়া সাক্ষাৎকার করা কর্তব্য। প্রত্যক্ষবিষয় যে প্রকাশ্যধৰ্ম্ম, তাহার শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস ও গন্ধ নামক পঞ্চ ভেদ আছে। তজেনা সেই পঞ্চপ্রকাব ধৰ্ম্মেব আশ্রয়স্বরূপ সাক্ষাৎকাবযােগ্য ভৌতিকোপাদান পঞ্চপ্রকার দ্রব্য আছে, তাহাদেব নাম ভূততত্ত্ব। ক্রিয়া ও জাড্যত্ব ধৰ্ম্ম, পরিণাম ও রােধকত্বৰূপে ভূতেতে সামান্যতাবে অনুগত আছে। ৫৫ {} আকাশ, বাবু, তেজ, অপূ ও ক্ষিতি, এই পাঁচটী পঞ্চভুতের নাম (কেই যেন ঐ শব্দের দ্বাৰা সাধাৰণ ৰূণ, বাতাস, মাটী না বুঝেন)। তন্মধ্যে শব্দময় জড় পরিণামী দ্রব্য আকাশের ক্ষণ। সেইরূপ স্পর্শাদিময় জডপরিণামী দ্রব্য সকল যথাক্রমে বাযু তোদি। প্রকাশ্য(প্রত্যক্ষ-ধৰ্ম্মমূণবিভাগ বলিয়া ভূত সকল হুস্তাদির দ্বাৰা পৃথকরণের যােগ্য নহে। হাদিব (অর্থাৎ হস্ত ও তৎসহায় মদি) দ্বারা বিভাগ কৰিলে ভৌতিক দ্রব্যের অপক আর এক ৪৪ सांस्यतत्वालोकः। रेषु अतत्वानुमारी विभाग: स्यात् । निमहापरेषु एककेन মন্তিযা মুনানি খান। বিনন্ধাবানাধী निरुद्दे पु स्वगादियु अनिरुक्षेन थोत्रमानेगा यदाच्यं शब्दमयं বীনি মন্তবীনি নাজায়। হর্নল মাথা दीनामपि स्वरूपमुक्तम् । केचिदन्ति, न सन्ति शब्दादोकेक गुणाथयाणि पृथग्भूतानि द्रव्याणि, ,हम्तादिभिः पृथकृतानां ताशामलाभादिति ।, लौकिकानामाग्दृशां पक्षे तत् सत्य, नतु योगिनां समाधिबलयुक्तानामिति व्यास्यातम् । तैः पुनरिद- एकस्यैव जड़वाह्यद्रव्यस्य क्रियाभेदाः शब्दादयः, किं অম্মন, == মনে 7. । ভৌতিকে অতত্ত্বানুসারী বিভাগ হয়। কর, হিঙ্গুলকে পারদ ও গন্ধকে বিভাগ করিলে, তাহা ভৌতিককে ভৌতিকে বিভাগ করা হইল, তবে বিভাগ হইল না। তবে ভূত সকল কিরূপে পৃথগভাবে উপলব্ধ হয় ? অপর সমস্ত জ্ঞানেন্দ্রিয় নিরুদ্ধ করিয়া কেবল একমাত্র অনিৰুদ্ধ জ্ঞানেন্দ্রিয়ের দ্বারা ভূত, সকল পৃথক্ উপলব্ধ হয়। বিতর্কনুগত সমাধিতে ত্বগাদি নিরুদ্ধ করিয়া কেবল একমাত্র অনিরুদ্ধ শ্রবণেন্দ্রিয়ের দ্বারা যে বাহ “শয় বস্তু আছে” বলিয়া প্রতীতি হয়, তাহাই আকাশের স্বরূপ *। ইহাব দ্বাবা বায়ুতোদির স্বরূপও ঐপ্রকার বলিয়া বুঝিতে হইবে। কেহ কেহ বলেন, শব্দাদি এক একটী গুণের আশ্রয় স্বরূপ পঞ্চ পৃথক দ্রব্য নাই, হস্তাদির দ্বারা পৃথক কবিয়া তাদৃশ দ্রব্য প্রাপ্ত হওয়া যায় না। স্থূলদৃষ্টি লৌকিক পুরুষের পক্ষে তাহা সত্য, কিন্তু সমাধিবলযুক্ত যােগিদের পক্ষে তাহা সত্য নয়, ইহা ব্যাখ্যাত হই- যাছে। অর্থাৎ হস্তাদির দ্বারা পৃথক্করণযোগ্য না হইলেও তাহাবা সমাধি- স্থৈর্যবলে ঐ পাঁচটী ভাব পৃথক করিয়া উপলব্ধি করিতে পারেন। তাহারা পুনরায় বলে, একই ভড় বাহদ্রব্যের ক্রিয়া-ভেদই শব্দস্পশাদি; অতএব * পরিশিষ্ট ১২ দ্রষ্টব্য। *, ৰিমনৰয়ল। স্বজনননি। মহাবীনা পিঁয়াজ ন দ যা- द्याययस्य वाद्यव्यस्य यस्य क्रियाग्यः शब्दादय उत्पद्यन्ते, तस्यास्ति प्रत्यक्षयोग्यता। वाह्यस्यानुमेयमप्रत्यक्षयोग्यं मूल- मस्मितात्मकमुपरिष्टात् সনিয়িাম। वाह्यमूलाया अस्या पम्मिताया: परिणामभेदा एध शब्दादीनामाश्रयदच्याणि। येपामस्मितामक बाहामूलमननुमतं, तेषां शब्दाद्याययद्रव्य সন্সয়ানা। অলকানন্ধ বনি ল বিশ্বাস। किञ्च प्रत्यक्षधमानुसारत एव भूतविभागः । सूक्ष्मातिसूक्ष्ममपि वाभावं প্রাকুল সঘন আমলমিঃ শ্বান্ ॥ ওঁ । लौकिकस्विविशेषधम्माथयाणि भौतिकद्रव्यागि सन्तीति निथीयते, तथा योगिभिरपि भूततत्त्वं साक्षात्कुष्वद्भिः যথা পধ দ্রব্য বলনা করিয়া কায কি? তাহাদের সংশয়ের উত্তর এই-শাদি ক্রিয়জিন্য , অতএব শকাদিব আশ্রয় যে বাহদ্রব্য, বাহাব ক্রিয়া হইতে শাবিজ্ঞান উৎপন্ন হয়, তাহাশ প্রত্যযােগ্যতা নাই। বাহের অপ্রত্য- যােগ্য অনুমেয় অতিস্বরূপ মূল আনবা পবে প্রতিপাদিত কবিব। সেই অতিস্বরূপ বাহমূলেব পরিণাম ভেদই শব্দাদি অাশ্রয়দ্রব্য। যাহারা অস্মিতায়ক বাহমুল স্বীকার কবেন না, তাঁহাদের পক্ষে শব্দাদির আশ্রয়দ্রব সথা অপ্রমেয় হইবে। সেই অপ্রমেয়দ্রব্য এক কি অনেক, তাহা বিচাৰ্য্য নহে। অর্থাৎ তাহাবা নিশ্চয় করিয়া বলিতে পারেন না যে, সেই বাহ মুলদ্রব্য একই হইবে, পঞ্চ হইবে না। বিঞ্চ প্রত্যর্ণীভূতধৰ্ম্মানুসারে ভুতবিভাগ কৰা হয়। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বাহ্যদ্রব্য সাক্ষাৎকাবকালেও পঞ্চপ্রকাবেই বাহেব অর্থাৎ যতক্ষণ বাহ্যজ্ঞান থাকে, ততণ তাহা পঞ্চভাবেই এক বলিয়া কখনও হয় না, তজনা ভূতরূপ প্রত্যক্ষ পঞ্চ বলাই সঙ্গত ৪ ৫৬ ॥ লৌকিকগণ বােধ্যদি তিন প্রকার ধৰ্ম্মেব কতকগুলি বিশেষ ধর্মের আশ্রয়স্বৰূপ ভৌতিক পদার্থ আছে বলিয়া প্রত্যক্ষ নিশ্চয় কবে , সেইরূপ উপস্থি হয় , প্ৰত্য হয়, सांस्यतत्त्वालोकः । यथावा রাঙ্গাব্দঘাযিশী মায়া পিয়ন। लौकियो: हाटकरूपकादिषु मोतिकानि विभज्य गिम्यादी प्रयु.. ज्यन्ते, तथा योगिभिरपि सर्वभौतिकेषु गप्दमयादीनि भूतास्यानि ঘাণি মাথারিত্তিকাহনা নানি মন্ত্রী। মুনলঘাঁ যথাঃ- “থামাকা যায় না। ज्योतिपां लक्षणं रूपमापय रमलक्षणाः। धारिगी सर्वभूतानां पृथिवी गन्धनतगा" इति ॥ ५७ ॥ ঘানম্যনালিল্লাহ্ জিয়ান্সন্ধা: গায়ে গুনি মা থাস্থান: নগ্ন সম্মাননা নিৱনঃসষার্থনা নর্থ- तरतुलनया च पुष्कालग्राह्यता, तत: गदाययमाकाशं सावि-' 'कम् । तापादेः गग्दादमसायंतादर्शनादवायुः सात्त्विकराजसः । যােগিগণ ভূত সাক্ষাৎকারকালে শব্দাদি এক একপ্রকার ধৰ্ম্মের আশ্রয়- ভূত বাহভাব প্রতক্ষনিশ্চয় করেন। আর যেমন লৌকিকগণ স্বর্ণরৌপ্যাদিতে ভৌতিক পদার্থ বিভাগ করিয়া শিল্পাদিতে,প্রয়ােগ করে, সেইরূপ যােগিগণও ভৌতিকের ভিতর শাদি এক এক গুণময় ভূতনামক পঞ্চ ভিন্ন দ্রব্য সাক্ষাৎ করিয়া তাহা ত্রিকালদর্শনাদিতে প্রয়ােগ কবেন *। ভূতলক্ষণ স্মৃতিতে এইরূপ উক্ত হইয়াছে—“আকাশ শব্দলক্ষণ, বায়ু স্পর্শলগণ, তেজ রূপলষণ, অপ বসলক্ষণ এবং সৰ্ব্বভূতের ধারিণী পৃথ্বী গন্ধলক্ষণা ॥ ৫৭ ॥ ঘাত-মন্থনাদি-জন্য বলিয়া শাদিবা ক্রিয়াত্মক, ইহা পূর্বে ব্যাখ্যাত হইয়াছে। তন্মধ্যে শব্দগুণের চতুর্দিকে প্রসার, অব্যাহততা এবং অপর সকলের তুলনায় অধিকতম গ্রাহতা দেখা যায়, তজ্জন্য শব্দাশ্রয় আকাশ সাত্ত্বিক। তাপাদির শব্দাপেক্ষা অপ্ৰসাৰ্য্যতা দেখা যায় বলিয়া বাযু সাত্ত্বিক = } + - * পরিশিষ্ট ৫ ষ্ট্য।
तन्मात्रतत्त्वम् । ৩ মহুয়াখা কয় অনিন: মদ: নয়া স্বাম্বি নয় ক্লিয়াঘি, ননম্বলী । ৰষা ৰাণ লুঙ্গিয়াস स्तस्मात् अभूतं राजसतामसम् । स्थूलकियात्मकत्वाद्गन्धस्य বিনিমুন মানুষ। ক্ষন ব–“ব্বীনিয়া পিন্থা বস্তু খান:” দুনি। জন্ধু বানৰ: এ মুনানী: মুন | অভূম-লীহীন-মমূৰায়: অকিয়বানা নির্মা'। सोमादयत्र पड़जादयः भेदाः प्रत्य प्तमिता भवन्ति, तदविशेष- शन्दादिमावाश्रयं वाह्यद्रव्यं तन्मात्रम्। स्थूलस्य सूक्ष्मसद्धात ভলা নন্মান্ধ মুনা। মুনমন্ নাম িসল- तत्व, नानुमेयम् । प्रत्यक्षेण यस्य तत्त्वमुपलभ्यते तत्प्रत्यक्ष- নম্। उतमिन्द्रियाणां विषयात्मककियावाहकत्वम् । समाधिना स्वैय्यकाठामापु इन्द्रियेषु तेषां विपयात्मचाञ्चल्य- আনামান । সম্বনযন বিন্নান। সামনা- বাস। তদুভয় হইতে রূপে প্রসাব আবও বাধনযােগ্য (অর্থাৎ শব্দ ও তাপ যাহার দ্বাৰা বাধিত হয় না, রূপ তাহাৰ দ্বারাও বাধিত হয়, এবং তাহা আশু- সাবা বা ক্রিয়াধিক বলি তেজঃ রাঙ্গণ। গন্ধ হইতে রস সুক্রিয়াত্মক, জন্য অপূ বাজল-তামস। আর গন্ধেব পুলক্রিয়াত্মকত্ব হেতু গিতিত তামস। এ বিষয়ে স্মৃতি যথা—“তিন গুণ পরস্পর মিলিত হইয়া পঞ্চভূত উৎপাদন কবে” (ভারত)। ৫৮ ॥ ধডজ, ঋষভ ; নীল, পীত, মধুর, অস্ত্র প্রভৃতি শব্যাদি গুণ সকলের বিশেষ। সুমতাবশতঃ যেখানে যড জাবিভেদ একীভূত হইয়া যায়, সেই অবিশেষ শাদিত্রের আশ্রয়ভূত বাহ্যদ্রব্য তন্মাত্র। স্থূল সকল সুশ্নের সতত জন্য বলিয়া তস্মাত্র স্থলভুতেব কারণ। ভূতের ন্যায় তন্মাত্রও প্রত্যক্ষত, অনুমেয়- মাত্র নহে। প্রত্যক্ষের দ্বাৰা যাহাব তত্ত্ব উপলব্ধ হয়, তাহা প্রত্যক্ষতত্ব। ইন্দ্রিয়গণ যে বিস্মিক ক্রিয়ার বাহক, তাহা পূৰ্ব্বে উক্ত হইয়াছে। সমাধিধায়। ইন্দ্রিয় সকল সম্পূর্ণরূপে অচঞ্চল হইলে বিজ্ঞান প্রত্যন্তমিত হয়। বিষয়- सांस्यतत्वानोक 1 दतिबिरयेन्द्रियपालिकया उहामानातिसूक्ष्मवैपायको की यट्या माजानमुत्पादयति तत् तन्मात्रम्वरूपम् । तदाति- स्यध्यत्वादिन्द्रियाण स्थूलशियामानी विगेपविषयाः सूक्ष्मया एकयेय दिशा ग्रान्से। तस्मात् 'तमात्राणि अविशेषा इत्यु- घ्यन्ते। ययोजन- "तम्मिंस्तम्मिंस्तु तन्मात्रा तेन तन्मात्रता स्मृता । न गान्ता नापि धोराम्रो न भूटाचाविगेपिणः ॥” इति । विशेषाः पड़ जादयस्तहिता अविशेषा इत्यर्थः । ययोक्तम् । "विषयाः पड जगान्धारादयः गीतोष्णादयः नीनपीतादय. कपायमधुरादय. सुरभ्यादयः” इति । विपरहितत्वातानि भान्ततादिशून्यानि । शान्त सुखकर घोर. दुखकरः मूढी मोहकर पति। वाद्यस्य नोनपीतादिविशेषगुणेभ्य एव सुखादि- करत्वं, तद्रहितस्याविशेषस्यै करसस्य तन्मात्रस्य नास्ति सुखादि- ভান বিলুপ্ত হইবার অব্যবহিত পূৰ্ব্বে, অতিস্থির ইন্দ্রিয়ের প্রণালীদ্বারা সূক্ষ্ম বৈষয়িক ক্রিয়া গৃহীত হইয়া যাইয়া যে হজ্ঞান উৎপাদন করে, তাহাই তন্মত্রের স্বরূপ। তখন ইন্দ্রিয়াণের অতিস্থৈর্যহেতু স্কুলচাঞ্চল্যায়ক বিশেষ বিষয়গণ, সকলেই একমাত্র সূক্ষ্ম প্রকারে গৃহীত হয়, তজ্জন্য তন্মাত্রগণকে অবিশেষ ব যায়। বখা উক্ত হইয়াছে-“লেই সেই গুণের মধ্যে তাহা মাত্র বলিয়া (অর্থাৎ শব্দমাত্র, স্পর্শমাত্র ইত্যাদি) তন্মাত্র নাম হইয়াছে। তাহারা শান্ত, ঘাের বা মুঢ় নহে, অবিশেষ মাত্র”। অবিশেষ বা বিশেষ হিত, বিশেষ ষডজাদি। যথা উক্ত হইয়াছে--“বিশেষ ষডজগাকাবাদি, শীতোষ্ণাদি, নীলপীতাদি, কষারমধুরাদি, সুরভ্যাদি”। শান্ত সুখকব, ঘাের দুঃখকর, মূঢ় মােহঁকর। বাহদ্রব্যের নীলপীতাদি বিশেষ গুণ হইতেই সুখদুঃখাদিকরত্ব হয়, নীলাদি বিশেবরহিত একরস তন্মাত্র জন্য সুধাদিকব নহে। তন্মাত্র- স্মাণকাৰ। s 1. জনমিনি। নাখাশি যয়া-শুনাৰ নাৰ - নাৰ নাৰ আশ্বনমিনি। নালি অাপমাজামা- হীনা জ্বালানি । অজায়িযান আনিসুঝাল্লা নাঘর্ষ द्रव्यमेव तन्मात्रम्। यथोक्तं भास्कराचार्येण वासनाभाप्ये-- “মুয়ানিন্মান নাম্বমনীন” দুনি। সুয়াবিলম্মে দুর্নীৰয়ৰ অৰ্যায়:। মুন নাখাথি মুনয়িদাষাশি। লিবাববন্ধন মানয়ি দ্বিাৰানুানমাধিৰি মাৰানি সানি पृथगुपलभ्यन्ते ॥ ५४ না, এ কী দ্বাস্থী মাষী ন ত্রয়ী। भूततन्मात्रयोः स्वरूपप्रत्यक्षं तत्त्वसाक्षालारे समासत उपपादयि- तन्मात्रकारणं न वायलेन प्रत्यचीभवति। तत्तु অনুমান নিশ্বীয়ব। যানিলা এসোলন্ধ িনব- অাম:। শণ যথা—শব্দতন্মাত্র, স্পর্শ, রূপতত্র, তন্মাত্র ও গন্ধ তন্মাত্র। গহাবা যথাক্রমে আবাশাদি বাবণ। শাদি গুণ সকলেব যে অতি সূক্ষ্মা- বস্থা, তাহাব আশ্রয়ই তন্মাত্র। ভাস্কবাচাৰ্যকক বানাভাষ্যে যথা উক্ত হইযাছে-“ণে অতি সূক্ষকপে অবস্থানই তন্মাত্র শব্দে দ্বাৰা উক্ত হই- আছে। তাদৃশ সূক্ষ্ম গুণাশ্রয় অবিশপ দ্রব্যে একাধবই পরমাণু ভূতে দ্যায় তন্মাত্রগণও জ্ঞানেন্দ্রিয়ের দ্বাৰা গ্ৰাহ। চাবিটী জ্ঞানেন্দ্রিয় নিকৃদ্ধ করিয়া একাত্ৰ অনিব প্লানেন্দ্রিযুকে বিছানায়ুগত সমাধি দ্বারা স্থির কৃত্তি গ্রহণ করিলে তন্মাত্রগণ পৃথক পৃথক্ উপলব্ধ হয়। ৫৯। ভস্ম হইতে পৰ মূল্প বাহ্যভাব আর প্রত্যযােগ্য নহে। ভূত ও ভগ্নাস্ত্রের স্বৰূপ প্ৰত্য ত-সাদাংকাৰ গ্ৰন্থ সম্যক্রূপে বিবৃত করিব। তন্মত্রের কাবণ পদার্থ ধাপে প্রত্যত হয় না, তাহা অনুমানের দ্বারা নিশ্চিত হয়। যােগিদে পবন প্রত্যক্ষপুব সেই অনুমান হয়। তন্মাত্র সাক্ষাৎ सांख्यतत्वालोकाः। 'तस्य यदभिमानं मानम्। तग्माषसाक्षात्कारे विषयस्य सूत्मचाचस्यामकल मनुभूयते, तत इन्द्रियाणामपि भभिमानात्मकत्वमुपलभ्यते । चाभिमानस्य , प्राकृतोद्रेकाज्ञानम् । चालयति तदभिमानसजातीयं स्यादिति । तस्माद्ग्राह्यमभि. मानात्मकमित्यनया दिशा ग्राह्यमूलयहणयोः सजातीयत्वं. निशीयते सतः विषयाययद्रव्यस्य वाह्यमूलस्य गत्यन्तराभावादपि अभिमानात्मकत्वकल्पनं युक्तम् । सधुद्धिः प्रत्यक्षे भावे यद्यमाण- धर्मः विशिष्टा सम्प्रजायते, अप्रत्यक्षे च भावे पूर्वज्ञातधमे विशिष्टा } কারকালে বিয়ের সূক্ষ্ম চাঞ্চল্য স্বশপতা উপলব্ধি হয় (সমাধির দ্বারা ইন্দ্রিয়- শক্তিকে সম্পূর্ণ হিব করিলে বিষয়জ্ঞান লােপ হয়, কিন্তু কিঞ্চিৎ স্থৈর্যকে শ্লথ কবিলে তন্মাত্ৰজ্ঞান হয় , এইপ অনুভব কবিয়া বিষয়ে চাঞ্চল্যাত্মকত্ব অনুভূত হয়)। আব ত মাত্র সাৎকারেব পর ইন্দ্রিয়গণও যে অভিমানাত্মক, তাহা উপলব্ধি হয়। সেই অভিমানের গ্রাহকৃত উদ্রেক হইতে জ্ঞান হয়। যাহা অভিমানকে চালিত করে, তাহা অভিমান সজাতীয় হইবে। গ্রাহ অভিমানাত্মক। এইপ্রকাবে গ্রাহ মূল যে অভিমানাত্মক, তাহা যােশি গণ পরম প্রত্যক্ষপূৰ্ব্বক অনুমান কবেন (লৌকিকশণের পর প্রত্যক্ষ না থাকিলেও ঐপ্রকারের যুক্তির দ্বারা নিশ্চয় হয় ॥৬ | সৎ, বাহমূল, বিষয়াশ্রয় দ্রব্যকে গত্যন্তভাবেও অভিমানাত্মক বলিয়া কল্পনা করা যুক্ত, অর্থাৎ তাহা আছে’ বলিযা জানা যায়, কিন্তু অভিমানস্বরূপ ব্যতীত অন্য কোনরূপে কল্পনা করা যুক্ত হয় না। তাহার কারণ এই, স,দ্ধি প্রত্যক্ষ দ্রব্য গৃহমাণ শব্দাদিধম্বেৰ দ্বারা বিশিষ্ট হইয়া উৎপন্ন হয়, যেমন-“কৃষ্ণবর্ণ, শব্দকারী মেঘ আছে”। আর অপ্রত্যক্ষ অর্থাৎ অনুমান ও আগমের দ্বারা নিশ্চেয় বিষয়ে পুৰ্ব্বজ্ঞাত ধম্মের দ্বারা বিশিষ্ট হইয়া উৎপন্ন হয়। যেমন দুরস্থ ধূমদণ্ডের নীচে “অগ্নি আছে,” এইরূপ সদবুদ্ধিতে অগ্নি পূৰ্ব্বজ্ঞাত ধর্মসমষ্টি, তাহার দ্বারা বিশিষ্ট হইয়া সদবুদ্ধি উৎপন্ন হইল। সদবুদ্ধি কখনও মাসিমান। ভবন, বানিমিয়া ৱিঃ জানুন। অাসল বাপ্পা- মূলয় না দালালশীঘনিষ্টন, বা ধৰি জৰৱ ঘন্ম: বিমিং জ্বলনীয় ঘা। ন বাঘিাগ কমনীয্য, वाद्यमूले तदभावात् । तस्माद्गत्यन्तराभावादान्तरट्रव्यधम्मा एव तत्र कल्पनीया। यतः वाद्यस्य रूपादेरान्तरस्य चाभि- . मानादेरतिरिक्तो वन्नुधम्मो नास्माभिर्जायते । सर्वाऽप्रत्यक्षनेय- पदार्थसत्ता वाान्तिर्वा धम्मैरव विशिष्टा कल्पनीया ॥ ६१ ॥ अत: मिदं वाहामूनस्याभिमानात्मकत्वम् । यस्य तदभि- मानः, स विराटसरुप इत्यभिधीयते। अस्मत्तुलनया तस्य निरतिशयहत्त्वम् । तथाच शास्त्रम्--- অবিশিষ্ট হইয়া উৎপন্ন হইতে পারে না, অর্থাৎ শুধু “আছে” এরূপ ম্লান হয় না, “কিছু আছে” এইরূপ হয়। আছে' বলিলে তাহাব সঙ্গে কিছু’ও কল্প- নীয়। অপ্রত্যক্ষ যে ৰাহমুল (তন্মত্রে বাবণ), তাহাব সত্তা মাহাত্ম্যেই উপ- স্থিত হয়। অর্থাৎ আমাৰ ইন্দ্রিকে যাহা উদ্ৰিক্ত কবিতেছে, সেইপ কিছু অবশ্যই বৰ্তমান আছে। সেই সবুদ্ধিকে কোন্ ধৰ্ম্ম সকলেব দ্বাৰা বিশিষ্ট বরিয়া কল্পনা কৰা উচিত? পাদি ধৰ্ম্ম হাতে কল্পনীয় নহে, বারণ বাহমূলে তাহা নাই। তয় গত্যন্তভাবে তাহাকে আন্তরদ্রব্যেৰ সন্মক বলিয়া কল্পনা করা উচিত, কাবা বাই রূপালি এবং আন্তৰ অভিমানাদির অতি- বিক্ত বস্তুধর্ম আর আমবা জানি না। সমস্ত প্রত্যক্ষ রেয় পদার্থেব সত্তা হয় আস্তর, নয় বাহ, এই উভযপ্ৰকাৰ ধৰ্ম্মেব একজাতীয় পর্শ্বেব দ্বা বিশিষ্ট কবিষা কল্পনা কবাই যুক্ত কল্পনা। (সকল সন্তাই বাহ ও আন্তৰ দুই প্রকাৰ ধৰ্ম্মেব দ্বারা বিশিষ্ট করিয়া কর্মী। ভন্মধ্যে যখন বাহসূলে রূপাদি ধৰ্ম্ম নাই ইহা নিশ্চয়, তখন তাহাকে আন্তবধর্মযুক্ত বলিয়া কল্পনা করাই যুক্ত) ঃ ৬১ এই সকল হেতু বশতঃ বাহুমূলেব অভিমানাত্মকত্ব সিদ্ধ হইল যে পুরুষের সেই অভিমান, তঁাহার নাম বিরাট পুরুষ। আমাদের তুলনায় তাহার सांस्यतत्वालोकः । “यदा प्रबुद्धो भगवान्, प्रबुद्धमखिलं जगत् ।। तस्मिन् सुप्से जगत् सुप्त, तन्मयञ्च चराचरम् ॥” इति । सुप्तिजागराभ्यां चेज्जगत: लयाभिव्यक्ती, तदा तयोराश्रयभूतं विराटपुरुपस्यान्त.करणमेव जगदात्मकमिति सिद्धम् ॥ ६२ ॥ येषान्तु पुरुषविशेषस्येच्छासम्भूतमिदं जगत्, तत्रापि जगतः अभिमानात्मकत्व स्यात् । इच्छाया अन्तःकरणहत्तिता प्राग्वद्या- না, বা বলন: হর্ষন , না অমলন: অন- करणात्मक स्यादिति । ग्राह्यात्मकं वैराजाभिमानं भूतादीति आख्यायते । ग्रहणे यः प्रकाश्यधम्मः ग्राह्यतापवायामस्मितायां स बोध्यत्वधम्मत्वेन भासते। तथा ग्रहणे यः प्रवृत्तिधम्मः पाहां तकियालम् । ग्रहणे च यदावरणं ग्राह्ये तज्जाडालम् । নিবতিশর বৃহত্ব। শাস্ত্র যথা—“যখন ভগবান্ প্রবুদ্ধ হন, তখন অখিল জগৎ প্রবুদ্ধ হয়, আর যখন তিনি সুপ্ত হন, তখন সমস্ত জীৎ সুপ্ত হয়, এই চরাচৰ তন্ময়”। সুপ্তি এবং জাগৰণ হইতে যদি জগতের লয় ও অভিব্যক্তি হয়, তাহা হইলে সেই দুই বৃত্তির আশ্রয়ভূত বিবাট পুরুষেব অন্তঃক্বণ বা অস্মিতাই যে জগদাত্মক, ইহা সিদ্ধ হইল ॥ ৬২ | যাহাদেব মতে এই জগৎ কোন পুরুষ-বিশেষের ইচ্ছা অদ্ভুত, তাহাদের মতেও জগতের অভিমানায়কত্ব হইবে। তাহার কাৰণ এই, ইচ্ছা যে অন্তঃ- কৰণধৰ্ম্ম, তাহা পূৰ্ব্বে ব্যাখ্যাত হইয়াছে, তাহা যদি জগতের একমাত্র কাবণ হয় (নিমিত্ত ও উপাদান), তবে জগৎ মুলতঃ অন্তঃকরণাত্মক হইবে। গ্রাহের আয়ভুত বৈরাজাভিমানকে ভূতাদি বলে। গ্রহণের দিকে যাহা প্রকাশ্যধর্ম, অস্মিতা গ্ৰাহতাপন্ন হইলে তাহা বােধহধম্মরূপে প্রতিভাসিত হয়। সেইরূপ গ্রহণে যাহা প্রবৃত্তি বা চেষ্টা ধম্ম, গ্রহে তাহা ক্রিয়াধৰ্ম্ম। আর গ্রহণে যাহা আবরণ, গ্রহ তাহা জাড্যত্ব। বিরাট পুরুষের সক্রিয় অন্মিতার দ্বারা আমাদের অতি ক্রিয়াশীল হইলে বায়ানােদ্রেক হয়। বিরাটের অs. নান চাঞ্চল্যের মধ্যে যাহা প্রকাশাকি, তাহা হইতে বােধ্য'ধর্ম-প্রীতি ;
दिवापाला मातिपाव । ६२ ग्रहणभावस्थाधिकरणं कालः, पाहाभावस्य दिक् । परिणाम- स्थानन्त्यात् कालावकाशयोरनन्तता प्रतीयते । অন; দু- ন্ধিহাঘিযমুনী হসফালী স্বনির্য। ग्रहणाग्मिकाया अस्मिताया याः पञ्चधा परिणतयः ग्राह्यतापन्नास्ता एव पक्ष भूततन्माररूपा वाघभावाः । यथा ग्रहण गुणविभागस्तथैव আচ্ছা । ২ । न भूतात् तत्त्वान्तरं भोतिकम्। प्रकाग्यकार्यधार्थ- धागा सकीर्णग्रहणमेव भौतिकम्वरूपम् । ৰাজ্বল্যান্য ফুল- য়িকা ময় অন্যান্য। ময়মঘনালা খুনি সত্ব সেইলপ ক্রিযাধিক ও আবষণাধিক চাঞ্চল্য হইতে ক্রিয়াত্ব ও জাভ্যত্ব ধন্ম প্রীতি হয। গ্রহণবের অধিকৰণ কাল এবং গ্রাহভাবে অধিকরণ দিক। পবিণামে অনন্ত অর্থাৎ এপৰিমাণ পৰিণাম হইবে, আর হইতে পারে না, এইরূপ নিয়ম বা সঙ্কোচ হেতু না থাবাতে, দিক ও কালের অনন্ত প্রতীতি হয়। তন্দ্রয় সত্ত্বক্রিয়ার অধিকৰণ দিক ও কাল অপরি মেয়। গ্ৰহণাত্মিকা অস্মিতাৰ যে পঞ্চধা পৰিণতি, গ্রাহাতপন্ন হইয়া সেই পঞ্চ প্ৰকাৰ পৰিণতিই ভূত ও তন্মাত্র স্বরূপ বাহভাব হয়। যেমন গ্রহণে গুণের বিভাগ, তেমনি গ্রাহেও গুণ বিভাগ # ৬৩ | ভুত হইতে ভােতিক তত্ত্বান্তব নহে, অর্থাৎ ভূতেও যেমন নীলপীয়াদি গুণ, ভৌতিকেও তদ্রুপ। প্রকাশ্য কাৰ্য্য এবং ধার্য্য ধম্মের সঙ্কীর্ণ গ্রহণই ভৌতিবেব স্বরূপ। * লেলিয়ে চাঞ্চল্য হেতু সেইরূপ গ্রহণ হয়। শব্দ, সাধারণ চিত্তে চাঞ্চল্ হেতু বহুবিধ শব্দাদি বিষয় যায় যুগপ তার স্যায় গৃহীত হয়, তাহাই ভৌতিক দ্ৰবা। ভূত ও খাদি ভেহিকের ইহাই প্রভেদ, গুণের বোন পার্থক্য নাই। বট যকৃত প্রস্তাব কতকগুলি বিশেষ বিশেষ শব্দ।-ধম্মের সমষ্টি কিন্তু সেই ধৰ্ম্ম সকল ঘট জ্ঞান কালে চিত্ত চঞ্চলা হেতু সঙ্কীর্ণতাব উদিত হয়। তাহাই ঘট নামক তেতিক। স্থির চিতের দ্বারা ঘটে। রূপাদি ধৰ্ম্ম পৃথক উপলব্ধি করিতে থাকিলে ঘট রূপ ভৌতিক ভাব অপগত হইয়া খায় তেজাৰি পুতের প্রীতি হয়।
सांख्यतत्त्वालोकः । कार्य प्रकाश्यविषयाः, वाक्य शिल्पगम्यसय॑जन्यानीति पञ्च विषयाः, तथाच वाह्योद्भवबोधाधिष्ठानं धातुगतबोधाधिष्ठानं चाल नग त्यधिष्ठान अपनयनशक्त्यधिष्ठान समनयनशत्यधिष्ठान সিনি ও খনি, যা স্বান: মৰীনিনি। এ8 ॥ व्याख्यातानि तत्त्वानि । सर्गप्रतिसर्गावुच्यते । अनादी प्रधानपुरुषो उपादाननिमित्तभूतो करणानाम् । विद्यमाने कारणे प्रतिबन्धाभावे च कार्य्यस्यापि विद्यमानता स्यादिति नियमात् करणान्यनादीनि। यथाः-धम्मिणामनादि सयोगा- धम्ममात्राणामप्यनादिसंयोगः” इति । तथाच-'अनादिरर्थकृतः মীম,” দুনি। নঘাৰ নীৰনস্বনি,—“লিী মনীংলাবি खात्, न ह्यमना पुमास्तिष्ठती"ति । अग्निवेश्मश्रुतियात्र- স্পর্শ, রূপ, বস ও গন্ধ, এই পঞ্চ প্রকাশ্যবিষ্য। বাক্য, শিল্প, গম, সর্জ ও জন্য এই পঞ্চ কাৰ্যবিষয। আব বাহ্যোঙববােধ, ধাতুগতবােধ, চালনশক্তি, অপনয়নশক্তি ও সমননশক্তি, এই পঞ্চ শক্তিব অধিষ্ঠানই ধার্য্যবিষ্য। তাহাদেব সঘাতই শবীর। ৬৪ | তত্ত্ব সকল ব্যাখ্যাত হইয়াছে। এণে সর্গ ও প্রতিসর্গ কথিত হই- তেছে। উহাব বিশেষজ্ঞান অনুমেয় নহে বলিয়া শাস্ত্র হইতে যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্ত কথিত হইতেছে। অনাদি পুৰষ ও প্রধান কৰণ সকলের নিমিত্ত ও উপাদান বার। বিদ্যমান থাকিলে এবং কোন প্রতিবন্ধক না থাকিলে কাৰ্য্যও বিদ্যমান থাকিবে, এই নিয়ম হেতু করণ সকলও অনাদি। যখন পুরুষ ও প্রধান করা সকলেব কেবলমাত্র কাবণ, এবং তাহারা যখন অনাদি বিদ্যমান আছে, আর কাৰ্য্যেৎপত্তির প্রতিবন্ধক স্বরূপ তৃীয় পদার্থ যখন বর্তমান নাই, তখন তাহাদেব কাৰ্য্য সকলও অনাদি বৰ্তমান বলিতে হইবে। যখ উক্ত হইয়াছে—“ধৰ্ম্মী সকলের অনাদিস’যােগ হেতু ধৰ্ম্ম সকলেও অনাদি সযােণ দেখা যায়। “পুষ্প্রকৃতির অনাদি অর্থঘটিত সংবােগ” (যােভাষ্য)। গোপবন- শতি যথা—“মন নিত্য, অনাদি হেতু; পুরুষ কখনও অনা থাকে না।
অনালি, গল, আয়ত্ব। “ৰীলাহিলা যন্ত্রন আর্থন : নিম্মনীনলায় कल्पते" इत्यादि शास्त्रशतेभ्योऽपि' पुरुषस्थानादिकरणवत्ता দিনি। ন্যানি লিল্লসীমিখল। লিমীযা- मसस्थलदर्शनादमख्याताः पुरुषाः । कस्मादसंख्यानि लिङ्ग- আৰীৰশ্বি, যারানর্মঘলাহিনি। অমনিয়ন্ত্রন परिमितकार्यायसंख्यानि स्युः । गुणसंयोगमैदानामानल्या. বয়ানঃ হ্মমন্ধনয়। নঃ মাঃ লীষীন। ভয়- হালয়ালালীলিকা বান্ধা স্মঘনাঘা বালা- বিলিনা:। যয়ীন- “ন ঘন ন অয়লি : মপ্তিমৗলব। নবাহনলাহিনি ঈ ন্নিৱি মান।” দুনি। अतस्ते यासंख्येया जीवाः कदाचिल्लीनकरणाः कदाचिद्- অগ্নিবেশ ক্ষতি যথা---“অনাদি পুণ্য ও পাপের দ্বারা অনুবন্ধ সেই পুরুষ পরমজানের দ্বারা নিমুক্ত হইয়া অনন্তকাল থাকে”। ইত্যাদি শত শত শাস্ত্র হইতে, পুরুষের অনাদি-করণবা সিদ্ধ হয়। কবশ সকলকে লিঙ্গ শবীব বলা যায়। লিঙ্গ শরীর সকল অসংখ্য বলিয়া পুরুষও অসংখ্য। কেন লিঙ্গ শীব সকল অসংখ্য ?-তাহাদেব উপাদান অমেয় বলিয়া। এপল্লিমের উপাদানে পবিমিত কাৰ্য্য সকল অসংখ্য হইবে। কারণ পবিমিতের সমষ্টি পরিমিত হয়, অপবিমিত হয় না। এই অপবিমিত বিশ্বের উপাদান যে প্রধান, তাহ কিমি। গুণের সংযােগভৈদ অনন্তপ্রকাবেব হইতে পারে। ঔয় করণ সকলের প্রকৃতিও অনন্ত, সুতরাং জীবেব জাতিও অনন্তপ্রকারের। আব উপাদানের অমেয়-হেতু জীবর্নিবাস পােক সকল অনন্ত বৈচিত্রম্প এবং অসংখ্য। শাস্ত্রে আছে—‘দুর্গমত্ব ও অনস্তত্ব হেতু দেবতারাও এই নভেমণ্ডলের আন্য উপলব্ধি করিতে পারেন না। অতএব সেই অসংখ্য জীব সকল কখনও গান- সাম্রনালীঃ तष योगेन F व्याकरणा वाऽसंख्या योनी: पापद्यमाना या त्यजन्तो वा. ऽसंख्येषु लोकेषु वर्तन्ते ॥ ६५ ॥ ৱিৰিঃ ৰূল, কাঘিম: নাৰিৱিন্ধস্থ। কাধিন: লিঙ্গমীয:, খাদ্যামলিয়ান্ন सासिद्धिकः । ग्राह्याभावे करणकार्याभाव', कार्याभावे शक्तिलय इति निय- मात् ग्राहलये लयः करण शक्तीनाम् । যথা:- "चियं यथाश्रयमृते स्थाण्यादिभ्यो विना यथा च्छाया। নধিলা ষিমন নিছনি নিস্বর্য লিম্ ॥” বুনি। বীন আন্ধু কন্যানি লীলাদ্বিগুনি । न च तेषामत्यन्त- বামী, * নামানী বিশ্ব স্বষ বুনি নিয়ম। খামিনী নানি ৪নমিলল। স্বনিম্বা—“নি হন নিলীয়ন, অনিনা হন ওলল” নি; “মুমম্বা, স র্যমুলা ধুলা प्रलीयत” इति चात्र स्मृतिः ॥ ६६ ॥ করণ, কখনও বা ব্যক্তকরণ হইয়া অসংখ্য বােনিতে উৎপন্ন হওত বা ত্যাগ করত অসংখ্য লােকেতে বর্তমান আছে ৬৫ বুদ্ধাদি করলয় দ্বিবিধ, সাধিত বা উপায় প্রত্যয় এবং সাংসিদ্ধিক। তম্মধ্যে যােগেৰ দ্বারা লিঙ্গুশবীরের সাধিত লয় হয় , আর গ্রাহদ্রব্য লয় হইলে যে লিঙ্গদেহ শয় হয়, তাহা সাংসিদ্দিক। গ্রহের অভাবে করণের কার্যাব হয় আর কাৰ্যাভাবে শক্তির হয় , এই নিয়মে শ্রাহীভাবে করণশক্তি সকলেব লয় হয়। যথা উক্ত হইয়াছে—“চিত্র যেমন আশ্রয় ব্যতিরেকে অথবা ছায়া যেমন স্থগ্নিাদি ব্যতিরেকে থাকিতে পারে না, সেইরূপ বিশেষ বা ভাব শবীর বিনা লিঙ্গ নিরাশ্রয় হইয়া থাকিতে পারে না। তাহাদের অত্যন্ত নাশ হয় না, কারণ বিদ্যমান পদার্থের অভাব অসম্ভব। গ্রাহের অভিব্যক্তি হইলে তাহারা পুনরায় অভিব্যক্ত হয়। এবিষয়ে শুতি যথা-তাহারা (জীবগা) অবনষ্ট হইয় শীল হয়, এংং অবিনষ্ট থাকি উৎপন্ন হয়। ৬৮।
वैराजाभिमानः, करणसगंध । ভক্স লন; লামিয়ানাক্ষৰূল। নিল যথা- “অমিমান দুরি জানঃ ইনামুন। লঙ্কা ন মামল্য য ন ম্ব খান। মলাৱাৰিমা নবী না নথিলী ॥” দুনি। तदन्तःकरणस्य च सप्तिजागराभ्यां जगत: लयाभिव्यक्ती। सुप्ती जाधता क्रियाशून्यता वा भवति। विषयाणां क्रियात्मक- ব্রাল্লাম আপ্নমুল মালিন মিয়া স্বীয় । নব:, গল্পকাহীঘি লি লয়। বৰ ২ দিঘামীর মালামিনি রিয়া মুন্সিয়ান। নন; দলামীয়তান দ্বাৰাবাঝহীনা জানি নানায়ন। यथा सुप्तः पुरुषवाल्यमान उबिद्रो भवति तहत्। स्वमूलस्थ शिया- বিলান আৰীনী শিা। ঘন স্ব- মুম্বন্ধাবান ঘানি মুনানি লন সু মুন। জগতেৰ বৈবাজাভিমানায়কত্ব উক্ত হইয়াছে। স্মৃতিপ্রমাণ যথা— কৰ্ত্তা সৰ্ব্বভূতের আত্মস্বরূপ ব্রহ্মা (বিরাট ব্ৰহ্ম) অভিমান বলিয়া খ্যাত। তাহাতেই পঞ্চভূত অবস্থিত। পর্বত সুকল তাহার অস্থি-স্বৰূপ এবং মেদিনী তাহাব মেদ-মাংস-স্বৰূপ”। সেই অন্তঃকৰণের সুষুপ্তি ও অগণ হইতে জগতের লয় ও অভিব্যক্তি হয়। সুপ্তিতে আড্যতা বা ক্রিয়াশতা হয়। বিধ সকল ক্রিয়াত্মক বলিয়া তাহাদের মূল বৈরাজাভিমান জাড্যপন্ন হইলে বিষয় সকল ও লীন হয়। তাহা হইতে অশুদাদিরও করণ সকল লীন হয়। আর এদবস্থায় ধৈবাগড়িমান ক্রিয়াপন্ন হইলে বিষয়গণ অভিব্যক্ত হয়। তখন সন্নাতীয়ত্ব হেতু বিষয়াত্মক ক্রিয়ার দ্বারা চাল্যমান হইযা আমাদের কবণ সকল অভিব্য হয়। যেমন সুপ্ত পুরু চাল- মান হইলে জাগবিত হয়, তদ্রপ । ধমূল বৈরামান্দ্বিতাৰ ক্ৰিয়া বৈচিত্র্য হইতে শব্দদির বিচিত্রা হয়। এবিষয়ে - • শাস্ত্র প্রমাণ যথা-“ভূত , ৭ सांख्यतखालोकः। জাৰিজ: সন্সিং বিবরন । বনসা মন ভায়া ॥” ঘুমি। কা মুনমুনাহিঙ্গাবিন্ধীস্থা: স্বশিক্ষানল মাল शम्दादिगुणानाहरते विचेष्टते च। विचेष्टश्च जगदिदं तेजसा ৰক্ষার্থী বিষয়াবানীঘ: ২৩। স্বমী এখলাবিয়ি লামিনান নরনাথজিয়া- স্কানী বলিদান্সনিষ্টাভিয়া বিলীন লীয়ন। तदाऽप्रतय स्तिमितं वाचम्भवति । यथाहु:- “না দ্বিমিনাকামনাৰীবন । নবান্ধনে সমরিব মমী।” তুমি। निद्राजापतोरन्तराल स्वप्नावस्था । বাঘালা, নষধ ৰছা। वाधकरणानियमितस्य सूक्ष्म- নয় নিমিমান পিঁয়া নাযা জাম্বিয় } स्वप्नावस्थाया जाता ভূতাদি অহঙ্কার অভিমানের দ্বারা বিশেষরূপে চেষ্টা করে ও শব্দাদি ভূতগুণ সকল সৃন কবে এব” নিজের তেজের দ্বারা জগৎ অনুঞ্জিত করে, অর্থাৎ এই জগতে দ্রব্য, শব্দাদিগুণ এবং ক্রিয়া, সমস্তই ভূতাদি নামক বৈজাভি, মানের ক্রিয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত” (ভারত)। ৬৭ । সুপ্তিকালে জাড্যত্ব হেতু বৈরাজাভিমান নিক্রিয় হইলে, সেই অস্মিতাগ অশেষপ্রকার ক্রিয়াত্মক যে অশেষপ্রকার বিশেষ, হাতে প্রতিষ্ঠিত বিষয় সকল নিলৈ দীপের মত লীন হয়। তখন বাহ স্তিমিত ও অপ্রতর্ক হয়। যথ। উক্ত হইয়াছে-“সেই সময় আকাশ স্তিমিত, অনন্ত, অচল, চন্দ্র সূর্য পবন শুন্য প্রস্তুপ্তের মত হয়”। নিদ্রা ও জাগরণ, ইহাদের অন্তরালভূত। অবস্থা স্বপ্ন। স্বপ্নে বাহকরণ সকল জও হয়, এবং চিত্তের চেষ্টা থাকে। সেই অবস্থায় বাহকরণের দাবা অনিয়ত, সুতরাং সূক্ষ্মতর চিত্তাভিমানের ক্রিয়া গ্রাহকপন্ন হইয়া কারণ সলিল-রূপ তন্মাত্র সর্গ উৎপাদন করে। স্মৃতি যথা— জাঙিয়াৰীসা মুসল। तग्मावसर्गमुत्पादयति । तथाच स्मृति:--"ततः सलिलमुत्पन्न বাধীনা বন:” নি। নন: মামিনিনাহালাল- মিশ্রয়। সম্মা প্লান এন, ছিৰিনি স্বনি- स्मृतिप्रवादः ॥ ६८॥ जागरे तु स्थूल क्रियामालिनोऽभिमानाद्गाधतापत्रात् জঠিলনা-জীবনা- প্লিনা--ায়নীনা-তিনাহি যায়- তুঘান্ধ: মীনিন স্মাৰিমৰনি। নখ কালিনানিবন क्रियायाः। विपरीतक्रिययैव क्रियारोधदर्शनात् कठिने द्रव्ये নাদিয়ানীয়ন। ছিমনা র স্বত্ত্বনা ক্লিয়া। ন ব ন তামামা, যামিনা মিস ৰিাৰম্বাৰা । यथाहु:-"ततस्तूर्णनाभितन्तुमात्रे विहत्य रश्मिपु विहर- নী”নি। জানা স্বায়ালিকা। বালা- “তৎপরে তমের ভিতর দ্বিতীয় তনের ন্যায় সলিল উৎপন্ন হইল। তৎপরে অর্থাৎ প্রাগুক্ত স্তিমিত অবস্থানের পবে। লক্ষ্য নামক স্থানে যে জগতে সৃষ্টি হইয়াছে, তাহা শ্রুতি স্মৃতিতে প্রসিদ্ধ আছে ? ৬৮ | বৈরাজাভিমানেব জাগবণে স্থূলক্রিশাণী অভিমান গ্রাহকপন্ন হইলে কঠিন, কোমলতা, তরল, বায়বীযুতা, রমিতা প্রভৃতি ধম্মের আশ্রয়দ্রব্য- স্বপ ভৌতিক সৰ্গ আবিভূত হয়। তন্মধ্যে কঠিনতা ক্রিয়ার অতিরুভাব। বিপরীত ক্রিয়া দ্বারা একটী ক্রিয়া রুদ্ধ হব, এই নিয়ম-বশতঃ, এবং কঠিন প্রব্যের দ্বারা অধিক পরিমাণে গতিক্রিয়া রুদ্ধ হয় দেখা যায় বলি, কঠিন দ্রব্যে স্বগত রুদ্ধক্রিয়া আছে, ইহা অসুমিত হয়। রশ্মি বাহক্ৰিয়াৰ অতি- মাত্র অরুন্ধতা। তাহাতে যে জাভাৰ অভাব আছে এরূপ নহে, যেহেতু যােগীরা রশ্মি অবলম্বন করিয়া বিহার করেন। যথা উক্ত হইয়াছে---“তাহাব পর উর্ণনাভিৰ মাত্ৰ বিচৰণ করিষা শেষে রশ্মিতে বিহাব করেন। কাঠিন্যা- পেক্ষা বােমনদিরা অল্প জাভ্যতা সম্পন্ন। বৈরাভিমানের ক্রিয়াভেদ
साखतवालोकः।
মিলন জিয়াহুয়া হ্মাঠিন্যান্সি। মূত্র
নমিনাল জিহাষী গাঙ্গুত্ব অনুষিলতান।
तटभिमानस्य ग्रहणामकस्य योगपदिकमिव परिणामबाहुस
याध्यतापन विस्तारवोधमारोपयति, तस्य च परिणामप्रवाह
ৰিম আঃমুনী নানিনি। এe |
स्थूलोत्पत्ती भाख्यानमा मृतिर्यथा-
'पुरा स्तिमितमाकाशमनन्तमचलोपम् ।
नरचन्द्रार्कपवन प्रसप्तमिव सबभौ ॥
মন বিলম্ব নষীৰাঘৰ নাম।
না লিলীনীভাৱকনিমুন দাৰ ।
यथा भाजनमच्छिद्र नि शब्दमिव लक्ष्यते ।
নাৰা দূৰাব মম জুলিল ॥
i
হইতে গ্রাহে কাঠাদি ভেদ হয়। ভূতাদি নামক সেই অভিমানের যে
ক্রিয়াব তাহা গ্রাহের ব্যবধি হেতু, যেমন জলাবৰ্ত স্বগত জলকে অবশিষ্ট
বল হইতে ব্যবচ্ছিন্ন করে তর্জপ। আর গ্রহণাত্মক সেই অভিমানের যে
এককালীন বহু পরি ম তাহা গ্রাহ্যতাপ্রাপ্ত হইয়া বিস্তাব জ্ঞান আরােপিত
করে এব তাহার বিশেষ প্রকার পরিণাম প্রবাহ গ্রাহভূত হইয়া বাহের দেশা
ত্তর গতি বােধ জন্মায়। ৬৯
স্থূলােৎপওি বিষয়ে সা ধ্যসন্মত স্মৃতি যথা--“পুরাকালে চার্ক পবন শক্ত
আকাশ, অনন্ত অচল ও সুপ্তব হইয়াছিল। * তৎপরে গুমের ভিতর আব
এক তমের মত সলিল উৎপন্ন হইল। সেই সলিলের উ,পীড হইতে মারুত
উপন্ন হইল ।
যেমন কোন পাত্র জলের দ্বাৰা পূর্ণ করিতে গেলে তন্মধ্যস্থ
সেই সমস্বর বাহাবের কোন কল্পনা হইতে পারে না, এই বিবণ হইতে বি-
মীনিলাম। तथा सलिलसंरुई नभसोऽन्ते निरन्तरे । भित्त्वायतलं वायु समुत्पतति घोपवान् ॥ सम्मिन् वायुम्बुसव दीतिजा महायलः । মামুনু মি: : জানো নিরিমি নমঃ । अग्निपवनसयुक्त ख समाधिपत जलम् । सोऽग्निर्मारुतसंयोगाधनलमुपपाते ।। নাজাম নিবনন: দিনি শীuৰ। ও নিমাৰী মূৰিলৰৰচুনি । বালা শ্রাবালা স্থানা সাবিলা নয়া। মুভিযাঁলিৰিঃ স্নয়া যয়ী অন্ধ অনুন ।” দুনি। নিৰনালয় জানলিয় দ্রীয়াৰিষাৰ বিভিন্ন বীনিকান্ধী নগাওঁ নমুন। নয়া লৰায়ুনাল- रालं ज्योति:पिण्डमयं जगदासीत् । घनत्वापद्यमानात् काठिन्या- বনিন্মান্ধা সুন সুনৰান্মি গয়নীয় িয়- বায়ু সশব্দে বুদবুদাকাবে নির্গত হয়, সেইরূপ সেই সর্বব্যাপী নিরস্তুবাল সলিল বাশির মধ্য হইতে বাযু সমুৎপন্ন হইল। সেই বায়ু ও সলিলের সর্ব হইতে দীপ্ততেজা মহাবল অগ্নি আকাশকে নিঝিমির করিয়া প্রাভূত হইল। সেই জল, অগ্নি ও পবন সংযুক্ত হইয়া নিজকে সমাপ্তি কবে। মার সংযোগে সেই অগ্নি ঘনত্ব প্রাপ্ত হয়। সেই ঘনত্বপ্রাপ্ত অগিব যে রেহাংশ থাকে, তাহা সঘাতত্ব প্রাপ্ত হইয়া শেষে ভূনিত্ব প্রাপ্ত হয়। ভূমি সমস্ত গল্ক, বস, প্রাণী ও মেহের আশ্রয়, তাহাতে সমস্ত প্রসূত হয়” (শান্তিপ, ভৃগু ভাবধাজ- সংবাদ)। নিরন্তরীণ কারণ সলিলের ল্যে পরিণাম হইলে জগৎ পবিচ্ছিন্ন ভৌতিক দ্রব্য প্ৰকীর্ণ হইয়াছিল। তখন স্কুল এবং সূক্ষ্মনঃস্থিত সূক্ষ্ম জডদ্রব্য) বায়ু দ্বারা কৃত অন্তরালযুক্ত ব্ৰহ্মাণ্ড জ্যোতিপিণ্ডময় হইয়াছিল। যখন ঘনত্ব প্রাপ্ত হইতে লাগিল, তখন কাঠিন্যাদি-সূধৰ্মধুক্ত পাষাণাদি দ্রব্য এবং সুস্থত অন্ত্রনালীজ। বা:। সাকা:—“ মিনি। স্বলন্তামিলনিনম্বষা ভাগৗরনী বলীলমানি মুলমীনিন্ধানি জীনিত্রিশান্ধাবাসি অন্ত:। নন আন্ত:-“নন্দিন বাহুম্বন দুনি। ময়না ज्योतिःपिगडानां खे विचरतां मध्ये केचिदवायुयोगत: निम्ताप- त्वमापद्यमाना: स्नेहत्वमथ सातत्वमापद्यन्ते, केचिच्च बहत्त्वात् स्वयंप्रभज्योतिकरूपेणाद्यापि वर्तन्ते । “ভয়ৰিীৰিা সৰলক্লি: ভয়ম:। নিবনাময় ববি।” বুনি। নক্সা:—“মীলিমায়াবিনি। ৩০ । } ভন স্ব- বায়বীয় দ্রব্য সকল পৃথক্ হইতে লাগিল। সেইজন্য বলিয়াছেন-“জলরাশির মধ্য হইতে বাযু সমুৎপন্ন হইল”। আর ঘনত্ব-প্রাপ্তি সঘ হইতে উত্তাপ উদ্ভূত হয়, তাহার দ্বারা উত্তপ্ত হইয়া স্থূল ভৌতিক দ্রব্য সকল জ্যোতিপিণ্ডা- কাৰ হইয়াছিল। তজ্জন্য বলিয়াছেন—“সেই বায়ু ও জলেব সঘর্ষে দীপ্ততেজা” ইত্যাদি। অনন্তর আকাশে বিচরণকাৰী সেই জ্যোতিপিণ্ডের মধ্যে কত গুলি বাযুযােগে নিস্তাপত্ব প্রাপ্ত হইয়া তবলতা এবং তৎপরে কঠিনতা প্রাপ্ত হয়। আব কেহ কেহ বৃহত্ত্ব হেতু বা অন্য কাবণে অদ্যাপিও জ্যোতিপিণ্ডরূপে বৰ্তমান অাছে। যথা উক্ত হইয়াছে--এই আকাশ উপধুপরি প্রােজ্জ্বল স্বয়ংপ্রভ জ্যোতিষ্কনিচয়ের দ্বারা নিরুদ্ধ, ইহা সুষগণের অপ্রতর্ক”। বলিয়াছেন-“সেই জল, অগ্নি ও পবন সংযােগে” ইত্যাদি | ৭• ! * ইহা লোকাশেক রূপ ভৌহিক সর্গ । তবের ফিক্ হহতে আকাশ বায়ুৰ গো- ’ে ইত্যাদিম ভুৎপত্তি বিবেচনা করা হইবে। ঐরূপ ক্রমের প্রমাণ সখা-শব্দ কম্পনাত্মক, তাহার শোবস্থা কাপ, ত্যপ অধিক হইলে গােপন করে, রূপ (তাপ-সহ) লালি রাসায়নিক নিন উৎপাদন করে। কিঞ্চ সূৰ্য্যালোক সমস্ত রস ব্যর উৎপাদয়িতা। সেই রস নিক ক্রিয়া সস ৰি উৎপাদন করে, এবং রাসায়নিক বা গন্ধস্নান উৎপাদন করে। অন্য কথায়, শক্রিয়া বুদ হংসে তাপ হয় কাপ কুদ্ধ বা পুঞ্জীকৃত হলে রুপ হয়। রূপ যা লােক মুগ্ধ হইপে রস হয় (এইজন্য উজ্জিাদ সুখ সুর্যাসোক ফল খাম)।
বান্ধা, শাখায়। আমি য; সয়লজিয়াম, আমি মা মল- লামি: মির্জা। “ য়ায় মিঠা সুমালি খিীন- দূর্ন ৰিী”নি সুনয়না বান্ধা; আমাঈ, সুষ: सूक्ष्माय लोकास्तिपाद तेषु येष्ठतमी महत्तमय सत्यलोकः । ৰ ৰ স্বাভৱান্ধনিষ্টিন: । অমি বলা; ঘঙ্গিয়া: নানি নিৱনা যায়ি ব্যস্তলীৰ নিৰৱা: ল্প স্থূলকান্ধা: অল্প নাসিমান; খিনি, যা নমিয়ানমনিষ্টা সড়ঘামা নানুষী গন্ধিলাজধান কঁহু। রূস্তু- "मध्ये ममन्तादगदम्य भूगोलो व्योंमि तिष्ठति । গ্রহণ দৃষ্টিতে যাহা এককালীন প্রবল ক্রিয়ার উদ্রেক, তাহা গ্রাহদৃষ্টিতে ঘনতা প্রাপ্তি বা স্থূলতা। এই বিশ্ব ও ভূত সকল স্তহার চতুর্থাংশ মাত্র এবং অমৃত দিব্যলােক তিন-চতুর্থাংশ”—এই শ্রুতি হইতে জানা যায় যে, দৃশ্যমান লোক সকল চতুর্থাংশ এবং ভুবঃ স্বরাদি লােক সকল অবশিষ্ট ত্রিপাদ। তাহা- দের (দিবালােকর মধ্যে মহত্তম ও শ্রেষ্ঠতম লােকের নাম সত্যলােক। তাহা বিট পুরষের বুদ্ধিতবে প্রতিষ্ঠিত, কাবণ বুদ্ধিতক সাক্ষাৎকারীরা সত্যলােকে প্রতিষ্টিত থাকে। গ্রহণ দৃষ্টিতে দেখা যায়, সমস্ত গ্রহণক্রিয়া বুদ্ধিতৰুে নিবন্ধ, গাং তাহাই মূল আশ্রয় , তজ্জন্য গ্রাহ-দৃষ্টিতে সমস্ত স্কুল ও সুক্ষ্ম তােক সকল নিল সত্যলোকাভ্যন্তরে নিবদ্ধ। গ্রহণে মসভিমানই স্থিতিৰ হেতু, তজ্জন্ম প্রাপ্তদৃষ্টিতে বিবাট পুরুষের তামসাভিমানে প্রতিষ্ঠিত সঙ্কণ নামক ভামী ধাবণশক্তি লােক ধারণের হেতু। পা উক্ত হইয়াছে-“ব্রহ্মাণ্ডে মধ্যে ভূগােল, মুস বা রাসায়নিক দ্রব্য নাসাকে ঋদ্ধ হইলে গখ হয়। উদ্ভূত শান্ত হতে এইরুপ কমদা পায়, যথা-প্রথম কারণ-ললিত হইতে সবাই প্রবল ,তৎপরে স্পর্শ । - মৰ অযু, পার তেমঃ তপন সেই যা এয়াদি খায়নিক দ্রব্য ওয়ণ অষ, পর াি সাত ৰা যাহা বাহ' গলায় পাশ।
নাননাৰী:। যিময: দা মুন্নি নবী খালিজা” খুনি। নগ্রাধ--“য়য়ী: বন্ধুযামিমিমানলয”মিনি। নয়া যায়মিয়া দলীয্যায়ন বিভা: যুল- लोका विचरन्ति वर्तन्ते च ७१ ॥ स्थूलसूक्ष्मलोकसर्गानन्तरं धार्यप्राप्ती लीनकरणा जीवाः অজয: সুনীল: সাৱৰমুৰ:। জম্মামৰবিলা- = ব্রহ্মের পরম ধাবণশক্তি দ্বারা বিধৃত হইয়া আকাশে অবস্থান করিতেছে”, অন্যত্র যথা—“ভ্রষ্টা ও দৃশ্যের সঙ্কর্যণ, ‘আমি’ এইরূপ অভিমান-লক্ষণ”। এই সন্ধষণ, শেষ নাগ বা অনন্ত নামক তামস ধাবণশক্তি দ্বারা সূক্ষ্ম সত্যলােকা- ভ্যন্তরে নিবন্ধ হইয়া স্থললােক সকল বর্তমান আছে ও বিচরণ করিতেছে ৪৭৯ মূল ও সুক্ষ লােক সকলের অভিব্যক্তির পর ধার্য্যপ্রাপ্ত হওয়াতে লীন করুণ জীব সকল ব্যক্তকৰণ হইয়া প্রথমে সূবীজৰূপ (দেহগ্রহণের পূৰ্ব্বা- বস্থা •) হইয়া প্রাদুভূত হইল। সেই সূক্ষ্মবীজজীব সকল কর্মাশয়ের * মূল বা সুক্ষ্ম দেহ গ্রহণের পুৰ্ব্বে জীব যেভাবে থাকে, তাহাই বীজতার। মৃত্যুর পর সুন্ন অতিবাহিক শ গ্রহণের অব্যবহিত পূৰ্ব্ব যেপ অবস্থা হয়, তাহা বুঝিলে এ বিয়ের ধারা হইতে পারে। যোগাযো আছে যে, এক জীবনে কৃত কর্মের অধি- কাংশ সংস্কার পূর্ব পুব ভার্জিত উপযুক্ত কর্মসংস্কারের সহিত মিলিত হইয়া ঠিক মৃত্যু কালে ধেন যুগপৎ এক যত্ন মিলিত হই।" উদিত হয়। সেই পিঞ্জীভূত সংস্কারের নাম ফাশয়, তাহা হইতে যথােপযুক্ত শরীর গ্রহ হয়, অর্থাৎ করণ সকল বিকশিত হয়। সেই পিওভূত সন্তাভাবই বী। স্কুলশীর হার সময়ও সেইরূপ সুধীজপ পূর্বাবস্থা হয়। প্রেতসীর সকল চিপ্রধান। তাহাদের ভোগকাল জাগরণস্বরুপ। কম দৰ- শণের এক নাম অস্বপ্ন। সেই জাগরণের পর যখন গুণবৃত্তির পর্যাক্রমে নিদ্রা আসে, তখন চিণ্ডে জাভা সহ তাহাদের শরীরও লীন ই (কারণ তাহাদের শমীর চিত্তপ্রধান। নিদ্রার পূর্কে স্বপ্নবৎ তাহাদেরও কর্মসংস্থার পিওীভূত হইয়া উদিত হয়। সেই পিওীভূত- স্কাৰপুৰ্ব্বক মোহভূত, লীনকরণ, প্রেতশরিগণ যেভাবে থাকে, তাহাও প্রস্থো পুন্নবীজ। তাদৃশ মোহভূত, সুগীজ লীগণ প্রকৃতি অনুসারে আকৃষ্ট হইয়া যখােপখাে লােকে যায়। খায় পুন আকৃষ্ট হইয়া প্রধান জনকের হৃদয়ে অাখ্যাত্মিক ম) যাক, পলোপযোগি ফেত্ব (নক ৰা জনক জননীর শরীরংপত) বক আৰু पाएयुत्पत्तिः। কাল- অন্যঅনিয়ন্ত্রিাজাবিনবিজিশ:: সলিনা দুস্মথীলীগ অনিন্যান্সি। এৱা মীজীৰ লক্ষ্ম ये खोपपादिकदेहवीजा जीवास्ते सहमा प्रादुर्बभूवुः । पायादुन्जिदेहवीजा जीवा अत्युवरभूमियोमात् स्वत एवं অৰীযি অলিকন্তু নির্য মনি- “বিলা নু খুথিৱী আনি প্রায়ন হ্মালমশ্রয়া। उद्भिजानि च तान्याहुतानि हिजसत्तमाः ॥” इति ! -“ভক্লিজ্য অৰী ঃ মীৰা যথা যা। অলিবিনা সনি ।” দুনি। तथाच বৈচিত্র্য-হেতু দৈব, মানুষ, তির্যক্ ও উদ্ভিদ জাতীয় প্রাণীর করণ প্রকৃতির দ্বারা আপুরিত (সুবাং বিচিত্র-রশ-বীজ-যুক্ত হইয়া অভিব্যক্ত হইয়াছিল। সেই অসুস্থ্য বীজ-জীবেধ মধ্যে যাহাৱা ঔপপাদিক-দেহৰীজ (পিতামাতার সংযােগ ব্যতিরেকে যাহাবা হঠাৎ প্রাদুর্ভূত হয়, তাহাৱা ঔপপাদিক জীব, সেই জীব সকল সহসা প্রাদুর্ভূত হইয়াছিল। কালক্রমে পৃথিব্যাদি লোক সকল উপযােগী হইলে উদ্ভি-দেহের বীরভূত খ্রীব সকল অত্যুর ভূমি সংযােগে স্বতই শরীর পৰিগ্ৰহ করিয়াছিল। এ বিষয়ে স্মৃতি যথা-~-“যাহার কালপর্যায়ে পৃথিবী ভেদ করিয়া উথিত হয়, হে দ্বিজসত্তমগণ ! তাহাদের অত্র যথা-“উদ্বিগণ, শুর জীবগণ যেমন অকারণে জন্মায় হই, তাহার মধিকার করত পুর্ণ স্বশরীরিক্ষপে বিকশিত হয়। সেই সুবীজ জীবগণ এক বিপক কর্মসংস্কারের বৈচিwহতু বিচিত্র প্রকৃতির, সুতরাং বিচিত্রবীর- এছাপযোগী হয়। পর্গদিহে জীবগণ প্রথমে উক্তকাৰ সূৰীকভাবে সত্যিক্ত হয়। পরে সূক্ষ লোক ঔপপাদক শরীগণ প্রাদুর্ভূক্ত হয়। পুল লোকের উচ্ছিাদি প্রাপিণণ যৰি সাধাৰণত উপপাদক নহে, বীচ আদি নিমিত্ত উপাদানের প্রাচুর্য ও তাপানি সকলের পয়োগিক)-হেতু ঔপাদিকরূপে প্রতি হয়। পরে আদিম নিমিত্ত সলেক উপযােগিতা হ্রাস করে তা কেবলমাত্র কনকদুষ্ট বীই উৎপন্ন হইতে থাকে কে, কেং বা প্রক্রুিশ নিশিপে লুইয়া বাৰ।
স্বামবাধা। i অত্যন্ত মথিল হলয়ল। দঘি সয়া নিয়ম নম্বন্ধাবনতম্বিনা জননীমরি भवति। स्फुटवरकरणमाणिषु प्राणशोर प्रावल्याद्विधा विमता জননীমঙ্গিনন। সস্না দ্বীমে ঘুমি ॥ ৩২ ॥ इति सास्थयोगि योहरिहरयति विरचित माख्यतखालाक समाप्त । ইত্যাদি”। অনন্তর অন্ত প্রাণিগণ উৎপন্ন হইয়াছিল। প্রাঃ সকলের মধ্যে যাহাদের ববকরণ বা সাত্বিক দিকের করণ অস্ফুট এব অববকরণ বা তামস দিকের করণ প্রবল তাহাদের জননীশক্তি একদেহস্থিত। আর যাহাদের বরকরণ সকল ফুট, তাহাদের প্রাণশক্তির অপ্রাবল্য হেতু জননীশক্তি দ্বিধা বিভক্ত হইয়া অবস্থান কবে। তাহা হইতে স্ত্রী ও পুরুষ ভেদ হয় * ৭২ ইতি সাধ্যযযাগি হরিহরতি কৃত সা খ্যতত্ত্বালােক সমাপ্ত। উদ্ধও সুষ্টিবিষয়ক সা খাম্বা হতে পাঠক দেখিবেন যে পুঝে অগ্নের ভাব পরে তারল্য ও পরে কাঠিন্য প্র ও হইয়া তুলোক পুলপ্রীর নিব সস্থল হইয়াছে। পাষ্টা ভূবিদ্যারও মত ইহার অনুরূপ ভূলােকের প্র শিধ রণের উপ যা হা হইলে আদিতে ঔপ পাদিক জন্ম কমে প্রান্ট সকল প্রাদুভূত হত্ব। পাশ্চ গুগণের Evolution বা অভিব্যক্তি বদের সহিত এবিষয় যে ভেদ ও সাম্য আছে ৩াহার বিচার করিয়া দেখান যাইতে দু। শাস্ত্রমতে যেমন এ এঁর জন্ম দুই প্রকার অর্থ ও ঔপপাদিক ও ম তাপিতৃজব প্রাপির পাশ্চ স্ত ॥ ৩৪ ত হ স্বীকৃত প্রমের নাম Abogeness ও দ্বিতীয় নাম Bogeness যদিও পাশ্চাত্ত্য পতিগণ বলেন বর্তমানে ঔপপাৰিক জন্ম বা Ab ogenes sএর উদাহরণ পাওয়া যায় না তথাপি আদিতে তাহা স্বীকাৰ ব লন। Huxley বলিয়া ছন- If the hypothes s of e olution s true Iv ng matter must have ansen from non ly ng matter for by the hypothes s the condit on of the globe was at one 1 mc such that I ving matter could not have existed at living matter once ong nated there is no necess ty for further origina 1757 * 1 B ogenes s 13 99217 Agamogenes s 71 4727*+ But I on প্রাচ্য ও প্রতীচ্য অভিব্যক্তিবাদ। সব ঋ এ Gamcgenesis বা উতজনক(প শ্রীপঞ্চব জন্ম। নিশ্ৰীয় উদ্ভিাসি এ Agamogenesis সাধারণ নিয়ম এয উচ্চত্রের প্রাণতে ৫amogenesis সাধারণ নিয়ম বলা যাইতে পারে। শান্তা ভিক্তিবাদের মতে দিতে ঔপপাদক এ মে এককোষাত্মক বা Protozoa শ্রেণীর প্রাণ প্রাদুভুত হইয়া কোটি কোটি বৎসরে বিকাশরুমে মানবুলাতি উৎপাদন করে। ডাবটইন প্রবর্তিত এই মতের প্রমাণস্বরূপ পরিগণ বলেন, পৃথিবীর লুপ্ত ও অনুপ্ত প্রাণিগলে যে ক্রম দেখা য য়, তাহা নিম হইতে উচ্চ পর্যন্ত পর পর শল্প # দে-সম্পন্ন অর্থাৎ সকল প্রাণী প্রথমে উদ্ভূত হয়। বানিমিত্ত শ কিছু পরি- বত এক উন্নত হি উপনীত হয়, এই কুপে ক্রমশঃ ব৯ে মামবাতি হইয়াছে। প্রাণি * শশ্ন প্রকার কষ দেখিয়া ঐকাশি ঐ নিয়ম গ্রহণ ক নি। শুদ্ধ পৃথিবীর স্থিতিকাল শুইয়া বিচার করিলে ই বা কত সঙ্গই বোধ হয় বটে, কিন্তু পাশনিকগণ, যারা নাপি সিদ্ধ কাধ কাৰণ লইয়া বিচার করুন তাহাদিগকে আরও উচ্চকের বিচার করতে হয়। বস্তুতঃ অভিব্যক্তিদের এপর্যন্ত কোনও না পাওয়া যায় নাই, অৰ্থাএকাতীয় প্রার্থ থে বানিমিত্তবশ অঞ্চ জাতীয় হইয়াছে, তাহায় কোনও প্রমাণ এপর্যন্ত পাওয়া যায় নাই, বরং Paigeontology বা প্রত্ব প্রাণিবিদ্যা হইতে এমন প্রমাণও পাওয়া যায় যে একজায়ী প্রা লক্ষ লক্ষ বৎসবেও পরিষহ হয় নাই। Prof Owen ১৮৫৮ সালে Geological ১acietyতে এক প্রকার Petrodactyle (অর্থাৎ পাদুলি এইগাতীয় প্রাণ কতক সরীসৃপ ও কতক পক্ষীর মত, ইহাদের পক্ষ বাদুড়ের প্রায় এক উপরে বা সামনে কতকগুলি অঙ্গুলি খাকি বিবৃত করিতে যাইয়া বলছেন যে, ঐ প্রবিন্যার Lias কাল হইৰুে Chaik কাল পর্যন্ত অপরিবর্ত্তিত ছিল, অর্থাৎ ঐ দুই স্তরে প্রাপ্ত Fossil Petrodactyle একই গ্রাম্য পশুগণ লক্ষ লক্ষ বৎসর মানব সহবাসে উন্নতির নিমিত্ত প্রাপ্ত হইলেও ধে ত্যন্ত প্রাপ্ত হইয়াছে তাহাও বেহ সেপাহতে পারেন মা। কি অতগণ স্ব) শৃগাল কুকুরuাত সন্তানগণ কখনও বিভিন্ন এক জাতি উৎপাদন করে না। তাহারা হয় বন্ধ হয়, নয কত পুরুষে আমি শৃগাল কুকুয়াঙ্গি জাতিতে প্রত্যাবর্ষণ করে। যদিও সাখসিদ্ধান্তে একজাতীয় প্রাণিশরীর পরিবও হই। ভিজাতীয়তা প্রাপ্ত হইতে পারে, কিন্তু পৃথিবীর বা সকল যে সেইরুপই উৎপন্ন হইছে, তাহা সিদ্ধ নই। বস্তুত প্রাণীর জাতি সকল স্ব, সংক্ষেপে বিমল পণ। প্রকাশের স্যালু প্র ঝলের গুদখা দে ও ঐশ হয়। শরীরধাপের মুণ হেতু শরীর নহে, জীবেই শী গ্রহণর মূশী বর্তমান। বৈক বিকাশের তারতনানুসারে জীত্বের সমস্ত প্রকার শহণ হইতে পারে। উচ্চবিকাশের হেতু থাকিলে, গোগশীষী জীব (পাখী প্রাণ ত’ ইব) খোক্ষয়ে উজাতিতে জন্মগ্রহণ করি। ক্রমশ: উন্নত হয়। সেইপ শব- নতও হইতে পারে। ইহাই তত্ত্বের অভিব্যক্তিবর্গ। এক জাতীয় প্রায় শরীর পর ৰা হয়। অন্যান্ন পর উৎপনি কোন কোন ইশে সব হইলেও, তা সাধারণ নাননালী: হে। ঔপপদিকল্প ক্রমে সর্বনিম্নের ন্যায় উজাতীয় শরীরও দিতে প্রাদু হইতে পারে । তাহাতে অবশ্য অাদৌ উদ্ভিজ্যাতি, পরে উল্লিীষী ও পরে পামিষাশী জাতি উব স্বীকার্য। প্রজাপতির মানস সম্বন্ধীর জন্ম শাস্ত্র ও যুক্তি সঙ্গত, তারাও মানবজাতির অংশবিশেষ উৎপন্ন হইতে পারে। পৃথিবীর প্রাচীন অবস্থায় এরূপ উপযােগিতা ছিল, যাহ তে মৃত্তিকাদি জৈব পদার্থ হইতে উদ্ভিজ্জ প্রাণী সস্তৃত হইয়াছিল। তাহা সম্ভবপর হইলে, তদ্বী গ্রহণ করিয়া ন মাজার উচ্চতা যে একদা সত হইতে পারে, তাহাও অসম্ভব নহে। ঔপপাদিক জন্ম পিতামাতার যােগ ব্যতিরেকে অকস্মাৎ এন্ম। তাহা ঠিক Abic genesis নহে, তবে Abiogenesis wহৰু অন্তর্গত। সাংখীর প্রাণতত্ত্বে (২৬ পৃষ্ঠ) দেখা হইয়াছে যে, উদ্ভিদে প্রাণের অতিপ্রাবল্য, গ- জাতিতে নিম্ন নেপ্রিয় ও কোন কোন বান্দ্রিয়ের প্রবল বিকাশ। আরও, ভােগীয় জাতির এক ক্ষণ এই যে, তাহাদের কতকগুলি করণের অতিবিকাশ এবং কতকগুলি মোটেই বিকাশ থাকে না। প্রণদের মধ্যে যাহাদের প্রাণ ও নিমদিকের কর্মেশ্রিয়ে। জননেন্দ্রিয়র) অবিকাশ, তাহারা একাকীই সন্তান উৎপাদন করিতে পারে। যেমৰ Gemmaparous, Fyssiparous eft afat মধুমক্ষিকার রাষ্ট্র গড়ে ঘন্টার vী ও প্রসব ঋরে। অতএব তাহার জননেন্দ্রিয় খুব বিকশিত বলিতে হইবে। তন। মধুকর রাঞ্জী পুবীজ ব্যতিরেকেও সন্তান উৎপাদন করিতে পারে (হহারা - অতীর হয়)। এই জনকে Parthenogeness বলে। এরুপ অনেক নিম্ন প্রাণ আছে, যাহাদের সমুদীয় করণশক্তি দেহধারপাহি নিকার্সোই পর্যবসিত, তাহায় একাকী বা সঙ্গত হইয়া, উভয় প্রকারে সস্তান উৎপাদন করে। উচ্চপ্রাণ জাতিতে উচ্চ উচ্চ কর সকল অনেক বিকশিত, তাহাদের সমস্ত শক্তি দেখামারে পর্যবসিত নহে, তা তাহার একাকী সান উগম করিতে পারে না, দুই ব্যক্তির প্রয়োজন হয়। কাধে উভয় যাক। ধাৰ্য্যশবির সমাৰ ধৰিলেও, পুজেই সমধিক গুরুত্ব বোধ হয়। কারণ মাতাকে গর্ত ধন করিতে যে শক্তি ব্যয় করতে হয়, তাহা পিতার যী-ননকার সমতুল, সুত পিতৃধীই প্রধান ও গুরুতর। মাতার ভ পােষাধ্য দেখিয়া অনুমান, সতুর প্রকৃত শনি বীর মহ, তা প্রকৃত ধীরে পােষ মাত্র। ওজন বোধ হয় স্ত্রী বা ০rum ডিম্বৰুমের ন্যায় বাহাপুণ শকে। পুরুখে। প্রফেশ করি ভা। এ মাতুলন্তু অন্য মা পোবণের ধারা পুষ্ট হইয়া পূর্ণ হয়। শারে ‘ন। গ্রীব দুখৰ পিতৃয়ে থাকে, পরে বীজ সহ গর্ভে যায়” খনি উপ ইয়াছে। সে বা বিলে বনিবার ইহুলি। -- ননিহিত্যানুলাম। === . विमोहमैग्यविदुष्टि- ददर्श दारदविणादिमायाम् । गदम्पृशारूपरसाथ.गन्ध इत्येव वायं खलु धम्ममात्रम् ॥ १ ॥ অন্যাশ্রী য ৰূৱৱমী- स्तदात्मरवाहमही निबषः । ছিল্লা বিশ্ব বাড়ায় पश्यामि वाद्यं विशेषमात्रम् ॥ २ ॥ তত্ত্বনিদিধ্যাসনগাথা। ভৌতিক দুৰ্য সকল ব্যবহাবকল্পিত ; তাহাবা প্রকৃতপক্ষে শাদিগুণ- শালী পঞ্চভূতমাত্র। অতএব ভূত-সাক্ষাৎকাবেঞ্জু যােগী ভৌতিক ভাব ত্যাগ কবিয়া ভূতবে জগৎকে দেখিতে শিখেন। তাহা যথা-~পূর্বে আমি বিমােহরূপ সুবাৰ দ্বারা দুষিতদৃষ্টি থাকাতে দাৰ-ধনাদি অশেষ ভৌতিক ব্যরূপ মায়া দর্শন কবিতাম, এক্ষণে ধ্যানপ্রসন্ন দৃষ্টিতে বাহজগৎ কেবল শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস ও গন্ধ, এই পঞ্চপ্রকার গুণের (নীল-পীতাদি) সমষ্টি বলিয়া প্রতিভাত হইতেছে ॥ ১। সুখ, দুঃখ ও মােহ-রূপ যে তিন গুণ বা গুণবৃত্তি (পক্ষে তিন তার), তদা- অক বন্দু দ্বারা আমি নিবদ্ধ রহিয়াছি। বৈবাগ্যের দ্বারা সেই গুণসস্তুত পাশ ছেদন কবি বাহকে অবিশেষমাত্র দেখিতেছি। ভাৰতত্ব সুখাদিশূন্য ; অতএব তােত প্রণিধান করিতে হইলে বাহজগৎ আমাকে সুখ, দুঃখ ও মােহ দিতে পারে না, এইরূপ ধ্যানভাস করিতে হইবে। ২ सांव्यतत्त्वालोक। सनातनीलरतादिकुहकं प्रविलीयते । तन्मात्रतत्त्वबुद्ध्या तु यथावश्या खरांशुना ॥ ३ ॥. হিঘি ৰূৰব্বানি : স্বশিক্ষালয় । যমনি যানি নায়ালি ধৰা বিষয়লিগ্লা: ৪৫ खालान हास्मितारज्वा बदस्य प्रतिभाति मे. वाह्यसञ्चालनात् सर्बो विषयस्तापदायकः ॥ ५ ॥ निविष्टमाने करणस्वरूपे अन्त.स्थसत्वाधिगते च चित्ते । दिग्देशभानं समपेयते हि মহাবিষুব্ধ মূৰ্জিৰ ॥ ॥ সঘাত (কাঠিন্য), নীল, লাল প্রভৃতি অসংখ্য স্কুল গুণাত্মক যে কুহক, তাহা তন্মাত্ৰত জ্ঞানের দ্বারা প্রবিলীন হয়। যেমন সূর্যের দ্বারা কুঘটিক। নাশ হয়, উপ ॥ ৩ 1 তন্মত্রের পর ইন্দ্রিয় অভিধ্যেয় , তা যথা-আমার অভিমানরূপ গৃহের করণ সকল ছিদ্র স্বরূপ, তাহার ভিতর দিয়া ভীষণ বিষয়কপ জিহ্মগ সকল নিয়ত আসা যাওয়া করিতেছে। মিগ অর্থে কুটিলগতি সর্প ; ক্রিয়া- ত্মক বিষয় সকলও সেইরূপ। তন্মধ্যে কার্যবিষয় অন্তর হইতে বাহিবে যায়, এবং বােধ্যবিষয় বাহির হইতে অন্তরে আসে । ৪ | ইন্দ্রিয়রূপ আলান বা বন্ধনকাষ্ঠে অশ্বিরূপ রচুর দ্বারা আমি বুদ্ধ। বাহবিষয়ের দ্বারা সঞ্চালিত হওয়াতে আমার যে বেদনা হয়, তাহাই তাল- সাত্মক বিষ। এইরূপে ইন্দ্রিয়কে অভিমানস্বরূপ খােধ করিয়া ইন্দ্রিয় অনুধ্যান করিতে হয় ৪ ৫ | চিত্তাধিকরণের স্বরূপতকে নিবিষ্টহইলে এবং আন্ত-সত্তার ধারণক্ষম হইলে, ঘাদিযুক্ত যে বাহ দিশে বােষ, তাহা মৃগতৃষ্ণিকায় স্যায় সমা অপগত হয়। যত দিন খায়ভাবে অবস্থান কৰিবার সামর্থ্য না জন্মে, তত দিন বিস্তারাদি. যুক্ত হসৱাই যথার্থ বােধ হয়, এবং বিস্তাদিশ পায়চাব অনীক বলিয়া বােধ হয়। ইতিকে অবগম ইণে ইায় বিপী ।।
तत्त्वनिदिध्यासनगाथा | =? কানাবাল্মি নয়া স্ব স্বনা অনুিয়াশাময় নিষ্টা। मदाधितिष्ठानि तदस्मिभावं নম্নলিয়ান: স্নান ॥ ৩ {} ননামাঘিমলান- महो सुखं स्वास्मविभासमुत्यम् । सुधावसित हि मदीयमर्व- मानन्दनायूसमिम तनोति ॥ ८ ॥ স্বীনি-রুনিলাল-ঝাল-মন-কালীই। দয়া নিষ্টানি দলীন-বিন-নবন্ধ ॥ ॥ ইন্দ্রিয়তত্ত্বের পব অন্তঃকরণতত্ত্ব অনুধধ্যয়। তাহা যথা--আমি জ্ঞাতা, আমি কর্তা, সমস্ত ইন্দ্রিয়াণে আমি নিষ্ঠা, অর্থাৎ আমি এই ভাবেব উপর সমস্ত প্রতিষ্ঠিত রহিয়াছে। ইন্দ্রিয়ান ত্যাগ করিয়া সেই “আমি”-রূপ করণ প্রধান বুদ্ধিতে সদা অবস্থিত রহিলাম। ৭। অহহ! আমিরূপ বুদ্ধিতত্বের অনুভবে, স্বতন্ত্র, আত্মাধিগন-প্রজাত, খায় প্রকাশ-মুখ সুখ উত্থিত হয়। তাহা দ্বারা আমার সমস্ত (অর্থাৎ অধ্যাভাব সকল) সুধার দ্বারা অবসিক্ত হইয়া এই আনন্দাশ্রুর উৎস সঞ্জাত করিতেছে ॥৮ “আমি” এই প্রকার ভাৰাত্মক স্মৃতি-সুৰ্যেৰ দ্বারা হৃদয়াকাশ প্রকাশমান হস, এবং বিতর্করূপ গ্রহ ও তারকা বিলীন হয়। তাদৃশ প্রকাশ ও নৈর্মল্য- যুক্ত হৃদয়াকাশে সদা অধিষ্ঠান কবিয়া রহিলাম। আমিত্ব-প্রত্যযের একৃতান বণের ধাবা অন্যচিন্তাশূন্য মন আকাশবৎ শূন্য হয়, এবং বােধের দাবা প্রকাশিত হয়। সূর্য্যপ্রকাশে যেমন গ্রহ ও ভাববা বিলীন হয়, সেইরূপ আত্মস্মৃতির দ্বাৰা মনােরূপ আকাশে বিত্যাদি বিলীন হয়, এবং বিষন্স সাত্বিক- বরূপ আলােকে হৃদকাশ পূর্ণ হয়। 1.
साम्यतत्त्वालोक । स्मार स्मार सदास्मीतिमात्र रुडाखिलञ्च खम् । कदाभिनिविशे यश्चिन्मात्र केवल पदम् ॥ १० ॥ श्रोम्मित्येतन्महामन्त्र सर्वतत्त्वार्थवाचकम । सहयोकारतो दृश्य म्म्मकार दृशि योजयेत् ॥ ११ ॥ इति साग्व्ययोगि श्रीहरिहरयति विरचिता तत्त्वनिदिध्यासनगाथा समाप्ता । “আমি” এইরূপ প্রত্যমাত্ৰ স্মবণ করিতে কবিতে 7Tস্ত ইন্দ্রিয় বৃদ্ধ কবিয়া কবে পবম শ্ৰেয় স্বরূপ চিমাত্ৰ কৈবল্য পদে অভিনিবিষ্ট হইব?। ওমম এই মহামন্ত্র সাত্ত ভার্থের বাচক। ওবারে দ্বাৰা দৃশ্য স হৃত করিয়া অর্থাৎ দৃশ্য ইতে অবধানবৃত্তিকে উঠাই মনকাব দৃশক্তিতে যােজিত করিবে * | ১ [ • এই শ্লোব সকলের অর্থভূত ধ্যানের ক্ষর েপ উক্ত হতেছে। প্রথন ভুত ভধান যথা—ব্রাগ দ্বধাবির স্বাদ যে দায়। বিণাদি তাহা কেবল শক র স র গদ্ধমাত্র ইহা ধ্যান করিবে। ৩ৎপকে লাত্ৰধান থা—ব কবি বৈশ্য স্বয়ক প্লাবিত করিয়া ভাবিবে যে একাদি কেবল আমার ইনিয়ে উদেককারী না, খাং শাহা তাহাদের স্বরুপ। তৎপরে ইন্দ্রিয় ধান যথা-ধ্যান বহিবে সে সন্তু হন্দ্রিয়গণ অার অভিমানের বাহিদে মা অর্থাৎ শাহ জ্ঞান হা কেবল ইলিস্থিত ভিমনের উকেম ত্র। তৎপরে অন্ত করণ তথ্যান যথা--সমস্ত করণের অধিষ্ঠা যে আমি এপ এ ত হয় অনুসন্ধান করবে। বেধ পার্ধ উপলব্ধ করিবার জন্য বা স্মৃতির প্রভাস করিবে। তিধারা আয়ত্ত হইলে নি লন বা অনুষ্টি ঘর। দি দশনা বােধ পর্বের উপলব্ধি হয়। কারণ স্মৃতি একপ্রকার অনুভব, তাশয় কিছুকাসষা ধর। চিত্তে উদিত রতি পারি প অমুস বা বােধ পপে স্থিতি হয়। তারা শ ন প • হইল দু খের উপর স্থা হয়। প্রণব ক ল এব গোগ কার্যঃ উন্নই বাচক মানল গেপূর্ণ ক'ৰ কে সমাহিত কৰি অৰ্থ ও প্রণবশৰে স্বাৱা অ ও প ত চিঃ সমাধান প্র য়ই পুন পুন কত কবি। অস্বাৰা খান না হইলে সাক্ষাৎকার হয়।
নামঃ।। শ ঐ লাগায় দ্বিীনলি, সাল্লালাহল। স্বনাবিলা ৱৰ নাৰা मुतोऽम्यनाटि: मुरुयोऽस्ति स त्वम् ॥ १ ॥ प्रत्यचं गरलं दुःखं सुखं मध्वाहितो गरः । নীঘানা নিমী বা স্ত্র বাহীন্নি যায় ॥ ২॥ নাহিদ-দৰিণাৰজাল্ট ঘ ও মিমান। ध्यात्वा प्रभो वा परिशान्तिमैमि #গুনৰে নিৰিলাৰামৰি ? ৪। মহাযোগেশ্ববস্তোত্র। যিনি প্রীনােপাবি, অক্রিয় ও আম্মাতেই আত্মাকে অবলােকন করেন, তাহাকে নমস্কার । বস্তুৰ জাতি অনাদি ধিহমান বলিয়া অর্থাৎ বিলে কারণ অনাদি বলিয়া, সেই বাবণ হইতে যতপ্রকার কাৰ্য্য হইতে পারে, সেই প্রবার সবলও অনাদি বিদ্যমান। অতএব বদ্ধ জাতীয় চিত্ত যেমন অনাদি, মুক্ত- জাতীর চিত্তও সেইরূপ অনাদি বিদ্যমান আছে। সেই অনাদি বিদ্যমান যে মুক্ত পুষ, তিনিই তুমি। ততঃ অনাদি মুক্ত ঈশ্বর মুক্তিতস্বরূপ , নিৰ্বাণ- কানিই তাহার উপাসনায় সাহসী হন। সাধাৰণে পশু ঈশ্বল বা হিবণ-- গর্ভকেই উপাসনা কবিতে সমর্থ }} ১ দুঃখ প্ৰত্য শৱশ স্বরূপ, এব’ সুখ (বাহ) মধুমিশ্রিত শরণ স্বরূপ। এব হে কৃপাময় দেব। তুমি সুখ ও দুঃখে দাতা, সুতরাং গবদ নও ( ২৫ হে প্রভো! 'অনাদি কর্মের বিপৰি জন্য যে সুখ ও দুঃখ, তাহাব দা: শভিঘাত প্রাপ্ত হত, আমি তোমাকে ধ্যান কবিয়া সতঃ শন্তি পাই। প্রভো! 3 ভূমি সমস্ত জগৎ অপেক্ষা আমার প্রিয়তম } ৩ महायोगैम्बरस्तोत्रम् । ५ इच्छक साधन ते हि क्रियाप्तिसमयः क्षण । सोऽबोधकल्पितो यस्ते नानोपायपरिग्रहः ॥ ७ ॥ किं कामये त्वन्ननु सम्प्रमोच স্বক, জিলামিনিবনীয়। लिङ्गन मे लाययसि प्रभो खं লাব্বান, মানসিক যন; যা । । ইচ্ছাই তোমার একমাত্র কাৰ্যেৰ সাধন এবং শাবচ্ছিন্ন কাল ক্রিয়া- সিদ্ধিৰ সময়। অতএব তুমি নানা উপায় পরিগ্রহ কবিয়া কাৰ্য্য সিদ্ধ কর, ইহা অবােধ কল্পিত, কারণ তাহাতে তােমার ঐশ্বর্যে দোষারােপ করা হয়। (যত্রকাযাবসায়িত্ব রূপ ঐশ্বর্যের দ্বারা ইচ্ছাত্রেই তৎকণাও প্রকৃতি ও বিকৃতি অভীষ্টরূপে পরিণত করা যায় , তন্তু দীর্ঘকালব্যাপী নানাবিধ উপায়ের দ্বারা তুমি কাৰ্য্য সিদ্ধ কুব, ইহা তোমাৰ ঔষয্যে দোষারোপ ব্যতীত আৰ কি হইতে পারে ? ৭। হে প্রভাে। তােমার নিকট কি কামনা কৰিব ? তােমার নিকট কি বিমুক্তি কামনা কৰিব ? না,তাহাও করিতে পারি না, কেননা তাহা নিজের দ্বাৰা অভিনিবনীয়। তােমার প্রকৃতি বশিত্বৰূপ ঐশ্বৰ্য্য বলে তুমি যদি আনার বুদ্ধাদি লিঙ্গশরীব লা কর, তবে ত আমি মুক্ত হইতে পারি। ,তাহা হইলেও শাশ্বত শােস্ট হয় না, কারণ লিঙ্গলয় নিকৃত না হইলে তাহা শাশ্বতি বা নিত্য হয় না তজ্জন্য তুমি শক্ত হইলেও আমাৰ লিঙ্গণ কর না। (বিষােপম বাহ সুখ ত তােমার নিকট কামনা কৰিতেই পাবি না, কিঞ্চ মুক্তি কামনা করিতে পারি না। কাৰণ মুক্তি পৰ বৈণমুলক, অর্থাৎ স্বেচ্ছামুলক বাহ ও আভ্যন্তর সমস্ত বিষয ত্যা বরিশা যে নিব ভাবে স্থিতি, তাহাই মুক্তি , অতএব মুক্তি পবেচ্ছাকৃত হইতে পারে না। শুন্য তােমার নিকট তাহা প্রার্থনা করিলে, “সৎ অব দাও” এইরূপ নিখক কথা বলা হয়। আর পুস্তবের ঐশ্বর্যের দ্বারা যদি উপাধি লয় হয়, তাহা হইলে তাহা নিত্য হ মা , যেহেতু সেই পুসত্য ঐশ্বর্য হরণ করিল অবাৰ উপাধি ব্যক্ত হইবে। এ দোস বীজ খাকি 11 বলি ঈশ্বৰ সজীবের উপি সূয় করেন না । ৮ मांग्यतत्त्वानोफः। । चिन्मानमित्येव भयान् हि गीत: स्वस्थो यतस्त्वच नुतं शुतो ते । লিঙ্গ নযম যি বৰা যব यः परं किन्विति दर्शयन् त्वम् nel ঘাষত্ননিদ্রাৰি নিৰনাল खप्रावतिहन्त तु बाधते माम् । प्राप्यात्मनि खां समनुप्रविष्टं বিব িয়িয় মাথনীম ॥ ৫০ खबामकीर्तने चेतो वाचि चापि प्रवर्तते परानुरक्तिमेवेमि त्यता तदप्यहो कदा ॥ ११ ॥ তুমি আত্মস্থ বলিয়া এতিতে চিত্ররূপে গত হইয়াছ। আর তােমা সকৈশ্বৰ্য্যমুক্ত উপাধিও শ্রুতিতে পুত হইয়াছে। অর্থাৎ ঈশ্বব যখন সর্বদাই আত্মস্থ, তখন তাঁহাকে চতুর্থতত্ব বা আত্মা এবং ঈশ্বব উভয়ই বলা যায়। সর্বেশ্বরতা অপেক্ষাও পরমশ্রেয়ঃ কি, তাহা প্রদর্শন করিবার জন্য তুমি সেই ঐশ উপাধিও কুদ্ধ করিয়া বিরাজমান আছ ৯ | তােমার সহিত অন্তরাণশূন্য মিলন ইচ্ছা করি, কিন্তু হায়! তখন ইন্দ্রিয়রূপ প্রবৃতি বা বেড়া আমাকে বাধা দেয়। হে ঈশ। প্রিয়তমা তােমাকে আত্ম- মধ্যে অনুপ্রবিষ্টরূপে প্রাপ্ত হইলে বিচ্ছেদ রূপ বহ্নি নিৰ্ব্বাণ হয়। (ইন্দ্রিয়- গ্রহ বা বাহ্য রূপে তোমাকে প্রাপ্ত হইলে অত্যন্ত সন্নিকষের সম্ভাবনা নাই, কারণ আমি ও তুমি উভয়ের মধ্যে ইন্দ্রিয়গণ থাকিয়া যায় , সুতরাং বিচ্ছেদ- অালাও সমা উপশান্ত হয় না। আত্ম মধ্যে তােমাকে পাইলেই পূর্ণ মিশন হস ও বিশ্বস্থ দল শমিত হয় ১৮ (যখন সম্যকরূপে তােমাতে মন ন্যস্ত কবিয়া পবাহুবক্তি করিতে চাই, তখন তােমাৰ নাম উচ্চারাও বন্ধ হইয়া যান , কারণ তােমাতেই যদি সম্যক রূপে মন থাকে, তাহা হইলে বাণিন্দ্রিয়ে উহা যাইতে পারে না। হে প্রভো! তােমার নাম কীর্তনে মন বাগিলিয়েও প্রবর্তিত হয়। অতএব তাহাও ত্যাগ করিয়া করে তােমাতে অনয়চিত্তরূপ পদ্মা অনুরক্তি লাভ করিব ? # ১১ ॥ | ক महायोगैम्बरम्तोत्रम् । वा बनिवेदितामाई कदा स्मृतिसुधापुतः । আসুহ্মন্ স্ব স্মৃঘিনিষ্টামি বানিম্॥২॥ प्रणिधानात् ममानोमि कवल्य परमं पदम् । গলব্দিাৰ জৰিকাৰ য়ন | ই। प्रोम्ममित्येतन्महामन्त्रं महायोगेशवाचकम् । নিশ্বাষ স্বীকা নিৰ্মানন1 (8 इति साख्ययोगियोहरिहरयति विरचितं মধাশ্রীনদীর নাম। হে নাথ। তােমাতেই অাত্মনিবেদনপূর্বক, তােমার স্মৃতিৰূপ সুধার দ্বারা আপ্লাবিত হইয়া, কবে আনন্দাশ্রুকণা ত্যাগ ববিতে ববিতে নিবযুব তােমাতেই অবস্থান কৰিব ? ১২ অনবচ্ছিন্ন কাল হইতে তুমি নে মােগদে অধিবাজমান আছ, তােমাতে প্রণিধান কবিয়া কবে আমি সেই কৈৰণ্যরূপ পবম পদ প্রাপ্ত হইব ? ॥ ১৩ ওম এই মহামন্ত্র মহাযােগেশ্বলের বাচক। তন্মধ্যে ওকাবেৰ দ্বারা তঁাহাব শ্বতি অর্থাৎ তৎসম্বন্ধে মনে যাহা পাবণা কবিতে পাব সেই ভাব উত্তোলিত কবিবে , আর একতান কাবেব দ্বাবা সেই ভাবে অবস্থান কৰিব + | ১৪ | * মমশর্ণের উপাস্য মহাযাশেবেব প্রণবান প্রণালী কথিত হইতেছে । প্রথম যোগ পুষের উপযু, অপর অতৃপিবাগুক, প্রসন্ন ঈৰাস যুক্ত বর এ নস্ক ব ব্যঞ্জক, উম্মব নিমেষশুন্য নন এক ভগবানের মূর্তি অনু চন ববে। অস্থর ও শাহ সকল ভাব ব্যাপি' হেতু মহেশ্বরকে নেই মুখিত অভিব্যক্ত নিশ্চয় করিয়া উহা : নিজকে তনু প্রবিষ্ট করবে। এইরূপে গ্ন ধা অাপনা বা ত্মশখে? উইকে প্রভাব (স্থত কৰ শাকন করত তাহার নিবাস্থিত দীপৰ মায় নিশ্চল চি জব সহ আয়ুও সিপাহয় পরমানুরাগপুৰ্ব্বক কামনাদি সব্বদেশূন্য হাতেই অবস্থান করবে। এ ক প ঐক্য - তাবনা অভ্যাস করতে করিতে, “যেমন এই পুৰুষ পুষ্টি সামও সেই রূপ হতবার খ্যাতিক্রমে আত্মচেতার অধিগম হইয়া কৈবল্য হয় । যা হারা ধরে উপণেশ কামনাপুর্বক গুণ ঈশ্বরের সাক্ষাৎকার কামনা করেন, তাহাণিক ভগবান হিপাগ, ঐকান্তিক ভ র দ্বারা শাবতি হত সেই ধ্যেয় মুর্তিতে অভিব্য শুইয়া, পীষ্ট উপদেশ প্রদান করেন। সর্ব কানের বিগ্রহ ধারণ করিয়া সাকা হা ঈষৎকর বা পারিভাষিক-শব্দার্থ। 3?” এই গ্রন্থ পাঠান পাঠশণ নিম্নলিখিত শব্দগুলি সুৱণ রাখিবেন। পদার্থ পদে দ্বারা যায় অভিহিত হ। (ভাৰ এবং অভাব। বস্তু 'ভাব পদার্থ (লা ও }==াপ। দ্রব্য " শুশের আঃ (মান্তব ও বাহ)। গুণ (ব, ছ: ওম: ব্যতিরি) = দুধ যাহা শাশুরূপে প্রতীত হ =ব্যের ভাব = ধর্ম (বাহ এবং শাব)। মূল বাহণবোধ, ক্রিয়া এবং ত্ব। মূল আন্তবর্ণ = প্রখ্য, প্রবৃত্তি ও স্থিতি। বিষয় =বাহ ও স্নায়ুর কবণের ব্যাপার (বােধ্যবিষয়, কাৰ্যবিবস্ত্র ও পার্ক বিষয়)। বােধ্য = প্রমেয় এবং অনুভাব্য। কাৰ্য্য-স্বেচ্ছ এবং স্বতঃ। ধার্ব=দ্রব্য (শীরাদি) এবং শক্তি। প্রমেয়=গৃহমা (প্রকাশ্য বা শাদি) এবং অণহমাণ (অনুমেয় ও আধ)। স্বেচ্ছ- বিষয কর্মেন্দ্রিয়াদির কাৰ্য। সুতঃক্রিয়াবিষয়= প্রাণাদির কাৰ্য। [সমস্ত বিষয় নাই এবং আভ্যন্তর।] বোধ = জানামাত্র আয়বোধ বা প্রকাশ, প্রমাণ এবং অনুভব। প্রমাণ করণবাহ ভাবে বােধ। অনুভব করণগত ভাবের বােধ। করণ = বুলি হইতে সমান পৰ্য্যন্ত যে সকল আত্মশক্তি পুকুবের ভােগ এবং পর্গ ক্রিয়ার সাধকতম, তাহারা। শক্তি= ক্রিয়ার পূর্ব এবং পর অবস্থা। আন্তশক্তি সংস্কার বা তদার শন। বাহশক্তি =ড্যত্ব, অর্থাৎ ক্রিয়ার উপশনাবস্থা। ক্রিয়া=শক্তির ব্যাবহা=বাহক্রিয়া (দেপাশ) এবং আস্তরক্রিয়া (কালাশ)। = তল্পায়ালপাখা। বিন হামাই কত মহান্ ব্যাপার সাধন করিতে পারেন, হিনিবে বিগ্রহ ধারণ । ঐকাধিক স্তস্কের সাক্ষাৎ হতে পারেন না, ইহা বশ 6ি । এইজন্য সাক্ষা-নিকা'-নামক কোনও ব'ৰ দন্দ্রে পাগই । তবে বর্ধক ও রোষৰ পুরুষ অবশ্য সার প্রতি কলাপের শুন্য ক করিম। জ্ঞান ও প্লে পরমই প্রকৃত কাণ, ভগবানের নিকট কেবলমাত্র স্বিধাই শা করা যাইতে পারে, নচেৎ (ছার উপাসনা? তোশ বিদ্ধ হইলেও) 'হাকে উপাপের বিনা বলা সোয়াপ মা , যেহতু 'নীর প্রপার না করা এবং কোন বা উপতাে সিদ্ধ হয় না। পা দু'ভাঃ সবতি বেলা)।
পরিশিষ্ট। সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার। ১। সাংখ্যীয় র সকল কিরূপে সাক্ষাৎকৃত হয়, তাহা এই গ্রন্থের প্রতিপাদ্য বিষয় না হইলেও, কয়েক হল বিশদ কবিবার জন্য তাহা বলা আব- ক। চিত্তকে কোন এক অভীষ্ট বিষয়ে ধারণ করার নাম ধারণা। পুনঃ পুনঃ ধারণা করিতে করিতে চিত্তের এইরূপ স্বভাব হয় যে, তখন এক বৃত্তি একতান- ভাবে উদিত হয়। সাধারণ অবস্থায় এক ক্ষণে যে বৃত্তি উঠে, পর ক্ষণে তাহা হইতে তিয় আর এক বৃত্তি উঠে, এইরূপে ভিন্ন ভিন্ন বৃত্তির প্রবাহ চলে। ধারণা অবস্থায় ক্ষণস্থায়ী বৃত্তি সকলের প্রবাহ চলে বটে, কিন্তু সেই বৃত্তিগুলি একরূপ। পূৰ্ব্ব ক্ষণে যে বৃত্তি, পৰু ক্ষণে ঠিক তদ্রুপ আর এক বৃত্তি। ধ্যান- বস্থায় একই বৃত্তি বহুক্ষণস্থায়ী বলিয়া প্রতীত হয়; তাহাব নাম একতানতা। বিন্দু বিন্দু জলের ধারার ন্যায় ধারণা, আর তৈল বা মধুর ধারার ন্যায় ধ্যান। ইহার ভিতর অসম্ভব কিছুই নাই; সকলেই অভ্যাস করিলে বুঝিতে পারেন। প্রথম অতি অল্প সময়ের জন্য চিত্ত একতান হয়, কিন্তু পুনঃ পুনঃ যদি অভ্যাস করা যায়, তবে ক্রমশঃ অধিকাধিক কাল চিত্তকে একতান বা অভীষ্ট এক মাত্র ভাবে নিবিষ্ট রাখা যায়। ইহা মনস্তত্বের প্রসিদ্ধ নিয়ম। যত অধিক কাল চিত্ত একতান হয়, ততই তাহা (একতান) প্রগাঢ় হয়, অর্থাৎ অন্য সকল বিষয়ের বিম্বতি হইয়া কেবল ধ্যেয় বিষয় জালামানরূপে প্রতিভাত হইতে থাকে। অভ্যাস-বৃদ্ধি হইতে সেই একতান যখন এত প্রগাঢ় হয় যে, শরীরদি-সহ নিজেকেও বিশ্বত হইয়া সেই জাজলমান ধ্যেয় বিষয়েই যেন তন্ময় হইয়া যাওয়া যায়, তখন সেই অবস্থাকে সমাধি বলা যায়। সুবুদ্ধি পাঠক ইহাতে কিছুই অযুক্ততা দেখিতে পাইবেন না। এই সমাধি- সিদ্ধি অতীব দুরূহ, কদাচিৎ কোন মনুষ্য ইহাতে সিদ্ধ হয়, কারণ সর্বপ্রকার বিষয়-কামনা শূন্যতা এবং অসাধারণ ধীশক্তি ও প্রযঃ সমাধি-সিদ্ধির পক্ষে প্রয়ােজন। বাহ বা আভ্যন্তর যে কোন ভাবকে সমাধি-বলে অনুভব- গোচর করিয়া রাধার নাম সাক্ষাৎকাৰ, ইহা পাঠক স্মরণ রাখিবেন।
{ অস্তিনালীজ —পবিশিষ্ট। ২। সাধির সায় ধ্যেয়াতিরিক্ত গর্ব বিষয়েব সাক, বিস্তৃতি হেতু সমস্ত শারীর ভাবেরও বিস্তৃতি হয় , তজ্জন্য শরীর জড়ব, হইয়া অবস্থান করে। এই হেতু শরীরের প্রযত্নশূন্যতা (আসন প্রাণায়ামাদি দ্বারা) সমাধি সিদ্ধির জন্য একান্ত আবশ্যক। শৱীর সর্বপ্রকারে জড়বং হইলে, শীরস্থ শক্তি বা করণ সকল শরীর নিরপেক্ষ হইয়া কাৰ্য্য করিতে সমর্থ হয়। সাধারণ কেয়ার ভয়ান্স অবস্থায় দেখা যায় যে, আবেশক ব্যক্তির শক্তিবিশেষের দ্বারা আবিষ্ট ব্যক্তির চক্ষুরাদি ইন্দ্রিয় জডবৎ হইলে দশনাদি শক্তি লেন্দ্রিয় নিবপেক্ষ হইয়া বিষয় গ্রহণ করে। সমাধি সিদ্ধি হইলে যে সেই শরীব হইতে স্বতন্ত্রভাব সম্যক ও সিদ্ধ ব্যক্তিৰ স্বায়ত্ত হইবে এব উৎফলস্বরূপ অলৌকিক প্রত্যক্ষ যে অব্যভিচার্বী হইবে, তাহা আর অধিক না বলিলেও বুঝা যাইবে। সাধারণ অবস্থায় কোন সূন্ন বিষয় বুঝিতে গেলে আমরা মন স্থির কবি, সূক্ষ্ম দ্রব্য দেখিতে গেলে সেইরূপ চক্ষু স্থির করি ৩জন্য সমাধি নামক চরম স্থিরতা যখন হয়, তখন সেই স্থির চিত্তের দ্বারা জ্ঞেয় বিষয়েব চরম জ্ঞান হয়। 'যােগসূত্রকার বলিয়াছেন— জয়াৎ প্রজ্ঞালোক । শুধু যে রূপাদি বাহ বিষয়ে চিত্ত আহিত করিয়া রাখা যায়, তাহা নহে , চিত্তের যে কোন ভাব 'বা (করণরূপ) যে কোন আধ্যাত্মিক বিষয়ও, অভীষ্ট কাল পর্যন্ত একভাবে অনুভব গােচর করিয়া রাখা যায়। তাহাতে সেই বিষয় অন্য সকল হইতে পৃথক কবিয়া সম্যকরূপে প্রজ্ঞাত হওয়া যায়। এইরূপে মন বুদ্ধি ও ইন্দ্রিয়াদিব তত্ত্ব বিজ্ঞাত হওয়া যায়। ইন্দ্রিয়াদির তত্ত্ব বিজ্ঞাত হইলে মূল হইতে তাহাদের প্রকৃতি পরিবর্তন করিয়া তাহাদের চবমােৎকর্ষ করা যায়। তাহাতে ক্রমশ সর্বজ্ঞতাও লাভ হয়। ৩। এক্ষণে সমাধি বলে কিরূপে তত্ত্ব সকলের সাক্ষাৎকাব হয় দেখা যাউক। প্রথমত ভূত সাক্ষাৎকাব কবিতে হয় । মনে কর তেজোভূত সাক্ষাৎ করিতে হইবে। কোন একটী দ্রব্যে রূপে (মনে কব একটী ফুলের লাল রূপে) দর্শনশক্তি নিবি কবিন্তে হয়। সাধারণ অবস্থার চিত্ত ক্ষণে ক্ষণে পরিণত হইয়া যায় তজ্জন্য সেই লাল রূপে চক্ষু থাকিলেও হয় ত ৫ মিনিটে পাঁচ শত বৃত্তি চিত্তে উঠিবে। তাহাতে রূপের সঙ্গে সঙ্গে ফুলের অন্য গুণেবও জ্ঞান সঙ্কীর্ণ হইয়া উঠিবে। যাহাতে এইরূপ সঙ্কীর্ণ ভাবে বহু ধর্ম একত্র জানা যায়, তাহাকে ভৌতিক দ্রব্য বলে। কিন্তু সমাধিবলে কেবল ভূত ও তন্মাত্ৰ-তত্ত্ব-সাক্ষাৎকার। ? মাত্র সেই লাল রূপে চিত্ত নিবিষ্ট করিলে শাদি সমস্ত ধর্ম বিশ্বত হইয়া কেবলমাত্র জগতে লালৰূপ আছে, এইরূপ প্রত্যক্ষ হইবে। ফুল অর্থাৎ তদর্থ ভূত বহু ধর্মের সঙ্কীর্ণ জ্ঞান তখন থাকিবে না, অর্থাৎ ভৌতিক স্নান যাইয়া ভূতসাক্ষাৎকার হইবে। শব্দসাক্ষাৎকাবকালে বাহে ধাৰাবাহিক শব্দ পাওয়া যায় না বলিয়া অনাহতনাদ নামক শব্দকে প্রথমতঃ বিষয় কবিতে হয়। বাহ শব্দেব দ্বাৰা কৰ্ণ যখন উক্তি না হয়, তখন স্বপতক্রিয়ামুলক যে বহু প্ৰকাৰ ধ্বনি স্থিরচিত্তে শুনিলে শুনা যায়, তাহাকে অনাহতনাদ বলে। অবশ্য সমাধি-সিদ্ধ হইলে আব ধাৰাবাহিক বাহ্য বিষয়ের প্রয়ােজন হয় না। তখন ক্ষণমাত্র যে বিষয় গোচর হয়, তদাকার চিত্তবৃত্তিকে স্থিৰ নিশ্চল রাখিয়া, তাহাতে সমাহিত হওয়া যায়। যেমন অনেক লোক একবার আলােকের দিকে চাহিলে, চক্ষু বুজিয়াও কুইকক্ষপ 'আলােক দেখিতে পায়, তদ্রুপ। বায়ু, অপু ও ক্ষিতি, 'ভূহ সকল এইপ্ৰকাৰে সাক্ষাৎকৃত হয়। যখন যেটা সাক্ষাৎ করা যায়, তখন বাহজগৎ তন্ময় বলিয়া প্রতীত হইতে থাকে। সাধারণ বা ভৌতিক জ্ঞান অপেক্ষা তাহা উৎকৃষ্ট ; কেননা সাধারণ জ্ঞান অস্থির চিত্তের; তাহা স্থির চিত্তে। সাধাৰণ জ্ঞানে এক ধর্ম ক্ষণমাত্র জ্ঞানগােচর থাকে, ভাহাতে দীকাল অতিস্ফুটপে থাকে। তৎপবে তন্মাত্র সাক্ষাৎ করিতে হই , তাহাব প্রণালী লিপিত হই- তেছে । মনে কর, রূপতন্মাত্র সাক্ষাৎ করিতে হইবে। এক ক্ষুদ্র দ্রব্যও যদি বিচিত্তে দেখা যায়, এবং অন্য সকল পদার্থ ছাডিয়া কেবলমাত্র তাহাই যদি জ্ঞানে ভাসমান থাকে,তবে তাহা জাম্ব্যাপী(অর্থাৎ Fied of vision-পূর্ণ বলিয়া বােধ হইবে। কারণ তখন অন্য কোন পদার্থেব জ্ঞান থাকে না। মেসমেরাই কবিবার সময় অাবে ব্যক্তি যখন আবেশকের চক্ষুর দিকে চাহিয়া থাকে, তখন যতই সে মুগ্ধ হয়, ততই সে আবেশকের চক্ষু বড দেখে। শেষে অতিমুগ্ধ হইলে প্রায়শঃ সেই চক্ষু যেন জগদ্বা বলিয়া বােধ করে। সমাধিতেও তদ্রুপ। মনে কর, একটী সরিষায় চিত্ত স্থির করা গেল। প্রথমতঃ তাহার আকৃষ্ণ রূপ- ময় তেজোত সাক্ষাৎকৃত হইবে। প্রথম অতিস্ফুটরূপে এবং জগদ্ব্যার্থ বলিয়া সেই মর্যপের রূপ জ্ঞানে ভাসমান হইবে। পবে পুনশ্চ চিত্তকে অধিকতব স্থির করিয়া সেই ব্যাপী রূপের ক্ষুদ্র একাংশমাত্রে গর্শনশক্তিকে পর্যবসিত কঙ্গিতে হইবে। তাহাতে সেই একাংশ পাবৎ ব্যাপক রূপে প্রতিভাত হইবে। } ८२ আমাৰীৰূপবিশিষ্ট। | এই প্রক্রিয়া যতবার করা যাইবে, ততই দর্শনশক্তি অধিকতর স্থির হইতে থাকিবে। স্থিরতা সম্যক হইলে অর্থাৎ কিছুমাত্রও চাঞ্চল্য না থাকিলে, দর্শনজ্ঞান বিলুপ্ত হয়। কেননা রূপ ক্রিয়াত্মক, সেই ক্রিয়া দর্শনশক্তিকে ক্ৰিয়াবতী করিলে তবে রূপান হয় , আর দর্শনশক্তি স্থৈর্যহেতু যদি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ক্রিয়ার দ্বারাও ক্রিয়াবতী হইতে না পারে, তবে কিরূপে দর্শন জ্ঞান হইবে? সুষুপ্তি বা স্বপ্নহীন নিদ্রার সময় ইন্দ্রিয়গণ জড হওয়াতে, এই জন্য বিষয়ঞ্জান বিলুপ্ত হয়। সমাধি স্থৈৰ্য্যের দ্বারা বিষয়জ্ঞান বিলুপ্ত হইবার অব্যবহিত পূৰ্বে যখন ইন্দ্রিয়ের অতিমাত্র সূক্ষ্ম চাঞ্চল্য বাহকতা বা গ্রাহক। থাকে, তৎকালীন যে বাহন হয়, তাহাই তন্মাত্র। পূর্বোক্ত প্রণালীতে রূপান বিলুপ্ত হইবার পূর্বে অতিস্থির দর্শনশক্তির দ্বারা যে সেই সর্ষপরূপের সূক্ষ্মভাব গৃহীত হইবে, তাহাই ৰূপতন্মাত্ৰ-সাক্ষাৎকার। সাধারণ আপােক এরূপে দেখিতে গেলে প্রথমেই নীলাদি সপ্ত বা ততােধিক দ্রষ্টব্য রশ্মিতে বিভক্ত হইবে। পরে নীল পীতাদির আর ভেদ থাকিবে না, কারণ তখন অতিস্থৈর্য হেতু নীল পীতাদি কৃত সমস্ত উদ্রেক, এক ও সুক্ষ্ম ভাবে গৃহীত হইবে। নীল পীতাদির মধ্যে যাহাতে অধিক ক্রিয়াভাব আছে, তাহা অধিক ক্ষণব্যাপী তন্মাত্ৰজ্ঞান উৎপাদন করিবে মাত্র, কিন্তু সমস্ত হইতে সেই এক- প্রকারের জ্ঞান হইবে। সম্মক্রিয়ার সমাহার ক্রিয়া, তজ্জন্য তন্মাত্র নীল পীতাদি ধৰ্ম্মায় স্থূলভূতের কারণ। আর নীল-পীতাদি শূন্য বলিয়া তন্মাত্রের নাম অবিশেষ। রূপমাত্রা আলােকস্বরূপ নহে, অন্ধকাৰস্বরূপও নহে। দৃষ্টিরােধশূন্য অন্ধকার বা উলখেতাশূন্য আলােক কল্পনা করিতে পারিলে, তাম্মাত্রিক রূপের কতক ধারণা হইবে। শাদি তন্মাত্রও ঐরূপে সাগাংকৃত হয়। রূপাদিগুণে সেই সূশ্নাবস্থাই সতীয় পরমাণু। ৫। তন্মত্রের পর ইন্দ্রিয়তৰসাক্ষাৎকার হয়। ভূততর সাাৎ করিয়া পরে কৌশলমে ইন্দ্রিয়গণকে অধিকতর স্থির করিলে যেমন তােত সাহাং হয়, তেমনি তন্মাতােক্ষাৎকালে ইন্দ্রিয়গণকে শ্লথ করিলে, তমাত্তের প্লব বা ভূতত পুনশ্চ গৃহমাণ হ। তার সাঙ্গাকারাণীন যে আর মাত্র ইন্দ্রিয়চাঞ্চল্য থাকে, তাহাও স্থিৰ কৰিলে বাহ্যজ্ঞান বিলুপ্ত হয়। যখন বাহরান বিলোপ করিবার ও ইন্দ্রিয়াভিমান থ করিয়া তন্মাত্র ও ভূতবিজ্ঞান উদিত করিবার পলতা হয়, তখন ইঙ্গি সাক্ষা করিবার সামর্ধা হয়ে।
করণতত্ত্ব-শাক্ষাৎকার। দুত-তন্মাত্ৰত সাক্ষাৎ করিলে স্থূল ব্যবহার-মূঢ় লৌকিকগণের নায় গো-খট- পাষাণাদিরূপ ভ্রান্তিল্লান থাকে না, তখন বাহজগৎ কেবল গ্রাহমাত্রযােগ সৰ্ববিশেষশূন্য বলিয়া প্রতিভাত হয়। বাহেব সেই গ্রাহতা ইন্দ্রিয়ের চাঞ্চল্য বলিয়া বিজ্ঞান হয়। তখন চিত্তকে অন্তমুখ বা আমিত্বাভিমুখ করিলে, বিষয়- আন যে প্রকাশণীল ‘আমিত্বের উপব প্রতিষ্ঠিত এবং আমিত্বের সহিত সম্বন্ধ- ইন্দ্রিয়স্থিত অস্মিতা চালমান হইয়া যে বিষয়জ্ঞান উৎপাদন করে, তাহা প্রফুরূপে বিজ্ঞানারূঢ় হয়। ইন্দ্রিয়াদি যখন সম্যক ক্রিয়াশূন্য হয়, তখন তাহা হইতে অভিমান উঠিয়া যায় সমাকহৈ বা ক্রিয়াশূন্য রাখিবার প্রয় শ্লথ করিলেই ইন্দ্রিয়াভিমান ও তৎসঙ্গে বাহন আসে, ইহা খ্যায়িগণ যখন অনুভব কবিতে পাবেন, তখন ইন্দ্রিয়গণ যে অভিমানাত্মক এবং জ্ঞান যে অতি মানের চাঞ্চল্যবিশেষ, তাহা সাক্ষাৎ প্রজ্ঞাত হন। ইন্দ্রিয়তত্ব সাক্ষাৎ করিয়া আহা অনুধ্যান করিলে সমস্ত ইন্দ্রিয়গণ যে আমিত্বপ্রতিষ্ঠিত অভিমানাত্মক সুতরাং একরূপ, আর শব্দ-স্পশাদি ভেদ যে কেবল অভিমানে চাঞ্চল্য-ভেদ- মাত্র, তাহা বিজ্ঞাত হওয়া যায়। এই সৰ্বেদ্রি-সাধাৰণ অভিমানের নাম যষ্ঠ অবিশেষ বা অস্মিমাত্র। কৰ্ম্মেন্দ্রিয় ও প্রাণও যে অস্মিতাত্মক, তাহাও ঐ প্রণালীতে সাক্ষাৎকৃত হয়। অর্থাৎ (সমাধি-কালে) শরীরকে সমগঞ্জ কবিলে তাহা হইতে অভিমান উঠিয়া যায় এবং জাভ্যতা শ্লথ করিলে অভিমান আসে, ইহা অভ্যন্তরে সাক্ষাৎ অনুভব করিলে কৰ্ম্মেন্দ্রিয় ও প্রাণের অস্মিতা- অকত্ব বিজ্ঞাত হওয়া যায়। ইন্দ্রিয়তত্ব-সাক্ষাৎকাৰবান সমাধির নাম সানন্দ। তাহাতে অতীব আনন্দ লাভ হয়। কাবণ শক্তিলাভ করিলেই আমাদের আনন্দ হয় ; ইতিক সাক্ষাৎ করিলে যখন তাহাদেব উপাদানের উপর আধিপত্য হয়, তখন এহাদের চরমােক, সুতরাং জ্ঞানশক্তি ও কার্যশক্তির এবংৰিপ্ত অবস্থায় সাচি বিকাশিনী ব্যাকিয়া হইতে যে বিজ্ঞান হয়, তাহাও শুরংস হরপাত্মক, অর্থাৎ ক্ষণিক কুত্তি সকলের প্রবাহ বা সন্তান স্বরুপ। এতাবা যাহারা নিশ্চয় করিতে পারিয়াছিলেন, তাহারা ক্ষণিক বিমি বা বেনাশিক-মাল সুজন করিয়া গিয়াছেন। পরবর্তী কোন কোন যেসম্প্রদায় ও মহাবলম্বী ছিল। কিয়ামাত্রই সঙ্কো বিকাশিনী । puisative ধে, তাহা পরে উক্ত হইবে। নিক বিজ্ঞান অবস্থা বিশেষ ক্ষণিক সন্তান যধিঃ প্রীত হয়।
বাহনলালী,-পবিশিষ্ট। পরম উৎকর্ষ, সুতরাং পবমানন্দ লাভ হয়। কর্ণ বা প্রাণাদি সমস্ত কষণগণ অস্মিতার এক একপ্রকার বিশেষ বিশেষ বাহন বলিয়া সাক্ষাৎকার হয়, তাহাই প্রকৃতপক্ষে ইন্দ্রিয়তত্ত্ব। যখন তাহাতে কুশলতাবশতঃ সকলের মধ্যে সামষ্টি এক অস্মিতাব অবধাৰণ হয়, তখন তাহা ইন্দ্রিয়ের কারণ অন্তঃকরবে। সাক্ষাৎকাব। পূর্বেই উক্ত হইয়াছে, সমাধি বলে যেমন বাহবিষয় জনি স্থির রাখিয়া বােধ করা যায়, সেইরূপ যে কোন আন্তর ভাবও স্থির রাখা যায়। ইন্দ্রিয়তত্বের পর যে অন্তর ভাব, তাহা স্থির রাখাই অন্তঃকরণ সাক্ষাৎকার। ইহা বিবেচ্য, কারণ মনে হইতে পারে অন্তঃকরণের দ্বারা কিরূপে অন্তঃকরণ সাক্ষাৎকার হইতে পারে ? ইন্দ্রিয়কারণ সেই অস্মিতার যে চঞ্চল ও স্থিতি ভাব, তাহাই অহংতত্ত্ব ও মনস্তত্ত্ব, বা দ্বিতীয় ও তৃতীয় অন্তঃকরুণ। তাহার প্রকাশশীল ভাবই বুদ্ধিতত্ব। তাহা জ্ঞাতা, কৰ্ত্তা ও ধৰ্ত্তা ‘আমি’-স্বরূপ। অর্থাৎ বিষয় ব্যবহারকারী যে আমিত্ব, তাহাই বুদ্ধিতত্ব। কেবলমাত্র “আমি” এইরূপ প্রত্যয়ানুসন্ধান কৰিলে বুদ্ধিতত্বে যাওয়া যায়। ব্যাসােত পঞ্চশিখাচার্য্যেব বচন যথা—“সেই অণুমাত্র দুধিগম্য) আত্মাকে অনুচিস্তন করিয়া কেবল ‘আমি’ এইরূপে সম্প্ৰজ্ঞাত হওয়া যায়।” ইন্দ্রিয় সাক্ষাৎ হইলে অনুভূতি হয় যে, আমিত্বের সহিত ইন্দ্রিয়গণ অভিমানের দ্বারা সম্বদ্ধ। ইন্দ্রিয়গত চাঞ্চল্য হইতে প্রতিনিয়ত জ্ঞান হইতেছে, অর্থাৎ ‘আমি’কে, প্রতি নিয়ত জাত করিতেছে। জ্ঞেয় হইতে অবধানকে উঠাইয়া সেই প্রাতৃত্বে সমাহিত করিলেই বুদ্ধিতত্ব বা মহত্তত্ত্ব সাক্ষাৎকৃত হয়। শুদ্ধ জ্ঞাতৃভাক অতীব প্রকাশশীল, তাহা ইন্দ্রিয়াদি সব্ব-প্রকাশের মুল , সুতরাং সেই ভাবে সমাহিত হইয়া আয়ত্ত করিতে পারিলে জ্ঞাতৃত্বের বা জ্ঞানের অবধি থাকে না। সাধারণ অবস্থায় যেমন জ্ঞান সঙ্কীণ ইন্দ্রিয়পথমাত্র অবলম্বন করিয়া উদ্ভূত হয়, সে অবস্থায় তাহা হয় না । উড়ন্ত ভগবান্ পতঞ্জলি বলিয়াছেন—*ধন সমস্ত আবরব মল অপগত হইয়া জ্ঞানের অনন্তত হয় বলিয়া জ্ঞেয় অল্পবং হইয়া যায়, অর্থাৎ সাধাৱা অবস্থায় যেমন জ্ঞেয় অসীম এবং জ্ঞান অব প্রতীত হয়, তখন তাহার বিপরীত হয়। এই মহত্তত্ব-সাক্ষাৎকারের স্বরূপ সম্যকরূপে না জানিলে সাংখ্যীয় অনেক গুরু বিষয়ের যথাযথ জ্ঞান হইতে পারে না। মইদায়। যদিও আমিভাবরূপ, তথাপি সেই আমিত্ব ‘জাত অর্থাৎ জ্ঞেয়ভাবের অাভাসের দ্বারা গবিদ্ধ। তাহা সম্যক্ দ্বৈতভানপুন্য বােধাত্মক } পুরুষ ও প্রকৃতি-তত্ত্ব-সাক্ষাৎকার। 28 যেহেতু উ নহে। সেইজন্য মহদা-সাক্ষাৎকাৰে সৰ্বব্যাপিব থাকে, সাৰ্ব্ববে সহিত অবিনা ভাবী। ভাকাৰ বেদব্যাস তাহাব এইরূপ স্বরূপ বর্ণন কবিয়াছেন, যথা--*ভাস্বর, 'আকাশক, নিস্তবঙ্গ মহার্ণববৎ শান্ত, অনন্ত, অমিমাত্র। এই মহাত্ম সাক্ষাৎকাবিগণকে জয় ঈশ্বব বলে , শিব- বিষ্ণাদি লােকাধীশগণ এইরূপ। বৈদিক সর্বোচ্চ লোকের নাম সত্যশােক, মহান্য সাক্ষাৎকারিগণ তথায় প্রতিষ্ঠিত হইয়া থাকেন। অনীসম্পৰ্কীয় সর্বা- বস্থার মধ্যে ইহাতে পৰমানন্দ-লাভ হয়। ইহার নাম বিপােক। সাস্মিত সমাধিও ইহাকে বলে। সমাধিজন্য পরিপুর্ণ সাক্ষাৎকাবে পূর্কে, এই মহাত্ম- ভাবে ধারণা ও ধ্যান প্রবর্তিত করিলেও, সেইপরিমাণ আনন্দেৰ পূৰ্ব্বাভাস माया। মহাত্মভাবও পরিণামী, যেহেতু তাহা বিষয়েব (সৰ্ব্বজ্ঞতা ও অল্প- তা-জ্ঞানের বিষয়ের জ্ঞাতা। অর্থাৎ তদাত্মক প্রকাশ 'অনাত্মভাবকৃত উদ্রেকের দ্বারা অনুবিদ্ধ, সুতং পরিণামী। ব্যুথানে সেই পরিণাম অতীব স্থূল, ৰা যেন যুগপৎ অনেকাক। সমাধিদ্বাৰা মহদা সাক্ষাৎ কবিলে, তাহা সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম হইলেও বৰ্তমান থাকে, অভাব হয় না। সেই পৰিণামের দ্বাৰা প্রকাশে বা আত্মচেতনায় বিচ্ছেদ আরোপিত হয়। যখন যােগী শ্বযুভাবে পুসমাহিত হইয়া ইন্দ্রিয়াদি-সম্পর্ক জ্য, সার্বজ্ঞখ্যাতি হেতু উত্ত্বেককেও সম্যকরূপে নিৰুদ্ধ করেন, তখন অনাত্মভানশূন্য, সুতরাং অপরি চ্ছিন্ন, সুতরাং অপরিণামী বে বাত্মচেতনায় অবস্থান হয়, তাহাই পুরুষতত্ত্ব- সাক্ষাৎকা। অপরিণানী স্বপ্রকাশ আব পবিণামী বুদ্ধিরূপ বৈষয়িক প্রকাশ, এই উভম্বের ভেদ জ্ঞানেব নাম বিবেকখ্যাতি, উহা সগুণবৃত্তি বা জ্ঞানের চরম। সর্বপ্রকার অনায়ুসম্পর্ককে নিৱন্ধ কৰাৰ নাম পর বৈবাগ্য, উহা চেষ্টা বা বঙ্গোগুণবৃত্তিব চরম। এবং কবর্গের সম্যক্ নিরােধভাবে অবস্থানের নাম নিবােধ সমাধি, উহা স্থিতি বা তমােগুণবৃত্তিৰ চবন। বিবেক- খ্যাতি, পববৈরাণ ও নিরােধ, এই তিনই অবিনাভাবী এ এক বা তুল্যবল। অতএব কণবর্গের সেই লীনাবস্থাতে সত্ব, বুদ্ধঃ ও তমােগুণ একতা বা সান্য প্রাপ্ত হয়। সেই গুণসাম্যশক্ষিত ব্যাবস্থাকে সূক্ষ্মদশী সাংখ্যগণ অনাত্ম- ভাবের চরম অবস্থা বা প্রকৃতি বলেন। কাবণবর্গকে প্রর্লীন করা বা দৃশ্য পদার্থকে না জানাই প্রকৃতিতত্ত্ব-সাক্ষাৎকাব। অতএব পুরুষ ও প্রকৃতি t ৰামলারী’-পবিশিষ্ট। সাক্ষাৎকার অৰিনাভাবী হইল। এইজন্য পৰমাৰ্থ দৃষ্টিতে পুরুষই একমাত্র সৎ, প্রধান অসৎ। ‘গুণানাং পরমং রূপং ন দৃষ্টিপখমৃচ্ছতি। যঞ্জু দৃষ্টিপথং প্রাপ্ত তন্মায়ৈব সুতুচ্ছক ॥” যােগভাষােক্ত এই সাংখ্যসিদ্ধান্ত, এব’-~- “অবকক্ষেত্ৰলিঙ্গইং গুণাং প্রভপায়। সদা পশ্যাম্যহং লীনং বিঙ্গানামি শুণােমি চ ॥” ইত্যাদি সাংখ্যস্মৃতি হইতে জানা যায় যে, প্রকৃতি ভাবরূপে সাক্ষাৎকারযোগ্য নহে। প্রকৃতি সাক্ষাৎকার অর্থে জ্ঞান ও বৈরাগ্যের দ্বাৰা করণ ও বিধয় ব্যয় করিয়া কেলী হওয়া। অতএব সাম্প্রদায়িকগণ সংখ্যা প্রকৃতি সাক্ষাতের ভিন্ন অর্থ করিয়া সাংখ্যপক্ষে যে দোষারোপ করেন, তাহা সৰ্ব্বথা ভিত্তিশূন্য। ৭। অন্তঃকরণের লীনাবস্থা হইলেই যে কৈবল্য যুক্তি হয়, তাহা নহে। অন্য অবস্থাতেও অন্তঃকরণ লীন হইতে পারে। তন্মধ্যে সা’সিদ্ধিক লয়ের কারণ গ্রন্থমধ্যে এ পৃষ্ঠে উক্ত হইয়াছে। তদ্ব্যতীত প্রকৃতিলয় ও বিদেহ- লয় নামক অবস্থাতেও ঐরূপ হয়। যাহারা সাম্মিত সমাধি সিদ্ধ মহাত্মাকেই চরম শু বলিয়া নিশ্চয় করিয়া সেই আনন্দময় আয়ভাবেই পর্যবসিত- বুদ্ধি, তাহারা কল্পপ্রলয়ে যখন অনায় বিষয় সম্যক্ লীন হয়, তখন প্ৰলীনাত্তঃ কবণত্রয় হইয়া কৈবল্যবদবস্থায় থাকেন। কাৰণ অনাত্ম বিষয়কৃত সূক্ষ্মতম উদ্রেক না থাকিলে মহতের অভিব্যক্তি থাকিতে পারে না। পুনঃসকালে উহারা পুৰ্বরূপে অভিব্যক্ত হন। তাঁহারাই হিরণ্যগর্ভ। বুদ্ধি ও পুরুষের বিৰেকখ্যাতি না থাকাতেই তাহাদের পুনরুথান হয়। কৈবল্য মুক্তিতে বিবেক খ্যাতি পূর্বক লয় হয় বলিয়া আর পুনরুত্থান হয় না। যেমন তুল্য শক্তির দ্বারা বিপরীত দিকে আকৃষ্ট দ্রব্য স্থির থাকে, সেইরূপ বিবেকধ্যাতি ও পরবৈরাগ্যের দ্বারা চিত্তের উথান রহিত হইয়া যায়। বস্তুতঃ বিবেকুখ্যাতি ও পৰবৈরাগ্যের দ্বারা চিত্তের উথান খােধ করিতে করিতে যখন নিরােধ চিত্তের স্বভাব বা ভূমিকা হইয়া দাঁড়ায়, সেই অবস্থার নামই কৈবল্য-মুক্তি বা শাশ্বতী শান্তি । সাধারণ লােকে ইহার উৎকর্ষের মর্ম মােটেই অবধারণ করিতে পারে না। তাহাদেয় ভাবা উচিত যে, সর্বজ্ঞাতৃত্ব ও সৰ্বভাবাধিষ্ঠাতৃত্ব রূপ ঐশ্বৰ্য্য হইতেও উহ ই অবস্থা। বিদেহলানগণও পূৰ্ষোক্ত প্রকৃতি ।
" ত্রিকালজ্ঞান। 226৭ তাহা সাক্ষাৎ করিতে হইবে। পবে কতক ক্ষণ ব্যাপিয়া সেই ক্রিয়া-প্রবাহের প্রকৃতি সাক্ষাৎ বিদ্যাত হইয়া, একটা বিশেষ কালে অর্থাৎ কতকগুলি নির্দিষ্ট পরিণাম একত্রিত হইলে কিরূপ হইবে তাহাব অনুধাবন কবিলে, মানচিত্রে তাহা সম্যক্ দেখা যাইবে। এইরূপে দুই দিন, দশ দিন, বা দশ বৎসর পরে সেই লৌহের কি পরিণাম হইবে, তায় বিজ্ঞাত হওয়া যায়। ইহা একটা সহজ ভবিষ্যৎ-জ্ঞানের উদাহরণ? মনে কর, ১০ বৎসর পরে সেই লৌহখণ্ড লইয়া একজন লােক ছুরি নির্মাণ করিবে। বর্তমানে তাহা জানিতে হইলে বাহতা-সাক্ষাৎকারের সঙ্গে পরচিত্তের পরিণামও সাক্ষাৎ করিতে হইবে। বাহদ্রব্যের স্যায় চিত্তও প্রতিনিয়ত পরিণত হইয়া যাইতেছে। এক একটা। চিত্ত-পরিণামের নাম বৃত্তি। বৃত্তির মধ্যে যা সমুক্তি বা প্রক্রিয়াবতী হয়, তাহাই আমাদের অনুভব-গগাচর হয়। যাহা সূক্ষ্মক্রিয়াবতী, তাহা চিত্তে অজ্ঞাতভাবে বিধৃত হইয়া থাকে। সাধারণ পরচিত্ত (Thought-reader) ব্যক্তিরা প্রায়ই তােমার জীবনের এমন অতীত ঘটনা বলিবে যে, হয় ত তােমার তাহা মনে নাই, এবং তুমি মনে যাহা না ভাবিতেছ, এরূপ ঘটনাও অনেক বলিয়া দিবে। ইহাতে অতীত-বৃত্তি সকল যে যুম্নরূপে ক্রিবর্তী হইয়া (কারণ কিন্না-ব্যতীত বৃত্তি অনুজীবিত থাকিতে পারে না) চিত্তে থাকে, তাহা প্রমাণিত হয়। সমাধি-বলে জনশক্তি অখ্যাহত হইলে পরচিত্তের সমস্ত অতীতাদি ভাব বিজ্ঞাত হওয়া যায়। যেমন চক্ষু কতকপরিমাণ দৃশ্যকে যুগপৎ দেখিতে পায়, অধিক পায় না; সমাধি-নির্মল জ্ঞানের জ্ঞেয় পদার্থের সেরূপ সঙ্কীর্ণ পরিমিত বিস্তার নাই, তদ্বারা যেন যুগপৎ জগৎ যাবতীয় লোকের চিত্ত বিজ্ঞাত হওয়া যাইতে পারে। বাহদ্রব্যের যেমন বর্তমান ধৰ্ম্মের সুম্মাবস্থা সম্যক্ বিজ্ঞাত হইয়া ভবিষ্যদ্ধৰ্ম্মের জ্ঞান হয়, সেইরূপ চিত্তেরও বৰ্তমান ধর্ম বিজ্ঞাত হইয়া তাহার অবশ্যম্ভাবী পরিণাম-পৰম্পৰাক্ৰমে ভবিষ্যৎ যে কোন ধৰ্ম্ম বিজ্ঞাত হওয়া যায়। এখন এই কয়টা নিয়ম খাটাইয়া দেখিলে পূর্বোক উদাহরণ খুঝা যাইবে । মনে কর, সেই লৌহখও লইয়া ১ বৎসর পরে এক ব্যক্তি ছুরি গড়িবে। সাক্ষাৎকারেষ্টুকে সেই ভবিষাদঘটনাকে বর্তমানে সাক্ষাৎ করিতে গেলে সৰ্বখা ও সর্বতঃ খ্যাতিমৎ প্রজ্ঞাচক্ষুৰ দ্বার সেই নৌহের পরিণাম-কম এবং দশব্যাপী পার্থিব সমস্ত মানবেৰ চিত্ত- পবিণাম-ম সাক্ষাৎ করিতে হইবে। তন্মধ্যে দেশ, কাল ও নিমিত্ত ব্য- } } ২২ রায়ন বালা; -পবিশিষ্ট। দেশে যাহার সহিত সেই লৌহখণ্ডেৰ সম্বন্ধ প্রতিপন্ন হইবে, তাহাকে লগ কৰিলেই সেই লৌহপণ্ডের চুবিকা-পৰিণাম-দৃশ্য চিত্তপটে উদিত হইবে। ইহা দার্শনিক- শিশুহ সাধারণ পাঠকের নিকট স্বপ্নৰ বােধ হইবে, কিন্তু ইহা ব্যতীত চিত্তের ভবিষ্যংজ্ঞানের আর যুক্তিযুক্ত উপায়-ব্যাখ্যা লই। নি। সাবিকানি ভেদে তিনপ্রকার বােশষে বিস্তৃত বিবরণ দ্রষ্টব্য) ,স্ময় সাধিক নিদ্রার সময় অল্প সময়ের জন্য চিত্ত কথন কখন স্বচ্ছ হয়। স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ দ্রব্যের ন্যায় সমাধিব ও নিদ্রার ভেদ। তমোগুণবৃত্তি নিদ্রা জব্দ বটে, কিন্তু সমাধিব স্যায় হির। আর জাগ্র স্বচ্ছ হইলেও অস্থির। অব্যৈ ও অস্বচ্ছতা হেতু জাহৎ ও নিদ্রাবস্থায় মহদায়ভাবে যাহা প্রকাশ্যবিষয়, প্রকাশিত হয় না। তবে সার্বিক নিদ্রায় চিং অল্প সময়ের জন্য (১ বা চিত্তবৃত্তি উঠিতে যে সময় লাগে, ততশ) স্বচ্ছ, স্থির ও প্রকাশল ভর আসিতে পাবে। সেই চিত্ত দ্বাবা সেই কালেই ভবিষ্যংজ্ঞান হয়। পুঝেই বুঝান হইয়াছে যে, চিত্তেৰ এক স্থলবৃত্তি হইতে যে সময় লাগে (অর্থাৎ স্কুল তিন ঘণ), সেই সময়ে কোটি কোটি সূশ্নবিষয়িণী বৃত্তি উঠিতে পারে। স্কুল স্বভাব হেতু ভবিষ্যংজ্ঞানের পূর্বোক্ত ক্রম সাধারণ চিত্ত ধার করিতে পারে , শেষ দৃশ্যটাই শােচর বরিতে পাবে। এইপে স্বল্পকালে কখন কখন ভবিষ্যংজ্ঞান হয়, এবং সমস্ত ভবিষ্যৎজ্ঞানই এই উপায়ে হয়। ১০। অতীতজ্ঞানেৰ জন্যও ঐপ্রকার নিশ্বল চিত্তের প্রয়ােজন। বিদ্য- মান দ্রব্যের অভাব ও অবিদ্যমান দ্রব্যের ভাব হয় না, এই নিয়ম প্রত্যেক অবচেতা ব্যক্তিই বুঝিতে পারেন। ভবিষ্যদ্ধস্ম যেমন বর্তমানের অবস্থা; বিশে, তেমনি বর্তমান ধৰ্ম্মও অতীতের অবস্থা-বিশেষ। যেমন বর্তমানের পব পর অবস্থা সাক্ষাৎ করিলে ভবিষ্যৎকে উদিতরূপে জানা যায়, সেইরূপ বৰ্তমানৰ পূৰ্ব্ব পূৰ্ব্ব পরিণাম ক্রম সাক্ষাৎ করিলে অতীতে উপনীত হওয়া যায়। ভগবান্ পতঞ্জলি বলিয়াছেন—“বস্তুতঃ অতীত ও ভবিষ্যৎ বিদ্যমান আছে, কেবল ধম্ম সকলের পথ ভেদে ঐরূপ ব্যবহার হয়। সাধারণ অবস্থায় আমরা যেন ক্ষুদ্র গবাবে সম্মুখে গম্যমান দ্রব্যের ন্যায় অল্পে অল্পে দ্রব্যের ধয়কে দেখি। আর একটা সুন্দর দৃষ্টান্তেৰ দ্বারা ইহা বিশদ হইতে পারে। নদীতীরে উপবিষ্ট ব্যক্তি যেমন একটা বানের তরঙ্গ দেখিয়া তাহাতে আকৃষ্ট দৃষ্টি হইয়া «াক, সেইপ গানপাও বৈবাঙ্গাভিমানে, “বমান” নামক এক * ব্রিকলিস্তান। লে ক্রিম তরঙ্গে। ৰিা রুষ্টবুদ্ধি হইযা বহিছি। তাহাতে আমাদেরও ঠে তৎসদৃশ এক “বৰ্তমান' বা বৃত্তি উদিত বহিয়াছে। সেই তরঙ্গে তিতে যেমন জলের গতি হয় না, তেমনি অতীত ও ভবিষ্যৎ বৰ্তমানই আছে, {গ নাই। স্কুলেৰ দ্বাৰা অনাকষ্টটি যোণিণ। অতগিত বা দৃশ্য উভয় iশ্বিই (অতীতনাগত) বিজ্ঞাত হন। তসঠ চলশানে অনাগত মােহ মনেক বিদুলিত হইয়া যায়। আবা এমন অনেক ঘটনা জানি, যাহাতে কেহ কেহ দূৰন্থ আত্মীরে মৃত্যু শপে জ্ঞাত হইয়াছেন (গটনা অতীত ইলে}। তাহা পুৰ্ম্মোন্ত প্রণালীতে প্রত্যক্ষ কয়। জিজ্ঞাস্য হইতে পাবে, ঐরূপ ঘটনার কিছু পরেই যে নিদিত ব্যক্তিত্ব সাধিত্ব নিদা হইবে, তাহার মুম্ভব কি? ইহা বুঝিতে হইলে আৰও কয়েকটা নিয়ম বুঝা উচিত। আমা দেব ভালবাসার পাত্রে সহিত বা যাহাকে চিন্তা করা যায, তাহার সহিত একটা সম্বন্ধ স্থাপিত হয়। উহাকে Trdpport বা '1cleynth; বলে। ইহাই দুবহু পুত্ৰ কাষ্ট পড়িল বা বগ হইলে নাহার দেন অথবা নিঃসাড়ে অশ্রুপাত হয়। যেহেতু কোনপ্রকাশ সংস্ক ব্যতীত জ্ঞানােদ্রেক কল্পনীয় নহে। নিদ্রাকালে যখন অজ্ঞাত অতীত ঘটনা যধাবং প্রত্যশ হন, তখন ঐ সম্বন্ধেৰ দ্বাৰা উক্তি হইয়া নিদ্রাতে জাভ্যতা যাইয়া সাতিকতা আইল। নিজেব মঙ্গলামপুলের জও উদ্ৰিক্ত হই। কখনও কখনও সার্বিক স্বপ হয়। যারা এপ ঘটনা নিস’শয়ে জানিতে চান, তঁাহাবা Night Side of Nature নামক এন্থ পাঠ করিবেন। ১৯। ত্রিকাল জ্ঞানের কৃপায় কয়েকটা সত্যি। 'আসিয়া পড়ে। তাহা অনেকের মাথা ঘুরাইয়া দেয়। “যদি ভবিষ্যতে আমি কি হইব তাহা স্থিব আছে, তবে আমার কোন কম্মের জঠ আমি দাযী নহি,” এইরূপ ধাধা অনেকে হয়। অবধা পাথদেব নিকট ইহা স্বধা নহে। যাহাব্য ঈশ্ববকে নিজের সৃষ্টিকর্তা এবং ভবিষ্যদ বিধাতা বলেন, তাহাদেব পাইহা গােলক- ধাঁধা বটে। তাহাবা ভবিষ্যৎ বি নাই এরূপ বলিতেও পাবেন না, কাবণ তাহা হইলে তাহাদেব ঈশ্বর অসৰ্ব্বজ্ঞ (ভবিষ্যংস্থানাভাবে) হন। প্রায় সমস্ত আৰ্য্যশাস্ত্রের উহা মত নহে, তাহাদের মতে জীব সৃষ্ট নহে,অনাদি, এব” অনাদি- কবশে জীবনের সমস্ত ঘটনা ঘটে। ইহাতে ঐ ধাধা অনেক কাটে বটে, কিন্তু যাব। ঈশ্ববকে কম্বলবিধাত} ও কব ণাম বলেন, তাহাদে আপদ স্বাভনালী-পরিশিষ্ট। মে দূর হয় না। কারণ যে জীব দুঃসহ নরক-যন্ত্রণা ভােগ করিতেছে, সে কয়ি “যে সৰ্ব্বজ্ঞ ঈশ্বর বহু পূৰ্ব্ব হইতেই যদি জানিতেন যে আমি এই কষ্ট লে করিব, তবে এতদিন কণামাত্র করুণার দ্বারা স্বীয় সৰ্ব্ব-শক্তি-প্ৰয়ােগে লি প্রতিবিধান করিলেন না কেন? এতদুত্তরে কৰ্ম্মফলদাতা ঈশ্বরে। অশক্ত, নম করুণাশূন্য বলিতে হয়। শঙ্করাচার্য্য ইহার দোষ এইরূপে ॥ করিতে প্রয়াস পাইয়াছেন। তিনি বলেন, “ঈশ্বর মেঘের মত ; সর্বত্র সমভাবে বর্ষণ করে, ঈশ্বরও তেমনি যে যেমন কর্ম করিয়াছে, জয় তেমনি ফল দেন ; যে ভাল করিয়াছে, তাহাকে ভাল ফল দেন ওযে। মাছে, তাহাকে কষ্টকর ফল দেন। তাহা না করিয়া, যে ভাল কবি তাহাকে মন্দ ফল দিলে, বা যে মন্দ করিয়াছে, তাহাকে ভাল ফল তাহার বৈষম্য-দোষ হইত। ইহা হইতেও করুণাময়ত্ব সিদ্ধ হয় না; কারণ ভাল করিয়াছে, তাহার ভাল করিলে করুণা বলা যায় না, বরঞ্চ ভাল । বার সামর্থ্য থাকিলেও যদি কাহারও ভাল না করা যায়, তবে নিষ্করুণ ৰতি হইবে। অতএব “হঃ নিষ্করুণ, নয় সামর্থ্যহীন” এ দোষ খণ্ডিত হই। তবে ঐ সিন্ধান্ত হইতে ঈশ্বর যে ভাল ও মন্দ উভয়ের পক্ষপাতশূন্য, * সিদ্ধ হয়। কিন্তু তাহাতে কৰ্ম্মই প্রভু হইল, ঈশ্বর কৰ্ম্মফল-দানের । হইলেন। যিনি স্বতন্ত্র ইচ্ছা দ্বারা করুণা-প্রণােদিত হইয়া দুর্থীর কষ্ট করিলেন, তিনি কি রূপে করুণাময় প্রভু হইবেন। অতএব ক বিধাতা ঈশ্বর স্বীকারেও উক্ত ধাঁধা মেটে না। সাংখ্যগণের ঈশ্বর কণা দাতা নহেন। “নেশ্বরধিষ্টিতে ফুলনিষ্পত্তি, কৰ্ম্মণ তৎসিদ্ধে' (সংখা তিনি মুক্ত পুরুষবিশেষ। তাঁহার সাৰ্ব্বজ্ঞ ও সর্বশক্তি থাকিলেও নি জনতা-বিধায় তিনি নিস্ক্রিয়। কাৰ্য-কারণ-পরম্পরায় জগতের সমস্ত তেছে। পুতি মূলকারণ; তাহাদের সংযােগ হইতে অনাদি ১ বর্তমান। যেমন হাত-কাটা-রূপ কৰ্ম্ম করিলে তাহার দুঃখরূপ ফলতে কর, তেমনি সমুদয় ঘটনাই কৰ্ম্মসংস্কারের বিপাক হইতে হইতেছে। বিপাকের জন্য তােমার আয়গত কারণই যথেষ্ট ; পুরুষারের সাহা প্রয়ােজন নাই। তােমার বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ, সমস্তই কাব্য কারণ। স্পরার ফল। এই কার্য-কারণ-পরম্পরার জ্ঞানই বিকালজ্ঞান। অবস্থায় আমরা কাণের সন্নমাত্র জানি ঘলিয়া কাৰ্য্য সম্যক্ আনি বিকালনি। } “বি না। সমাধি-সজিতে তাহাৰ বিপৰীত হয়। ইচ্ছা, পুরুষ, সমস্তই সই কাব্য-কাবণের অন্তর্গত। অতএব প্রাগুক্ত ধাধা হইতে সাংখ্যগণের ব্য-মােহ বা সিন্ধান্ত হানির সম্ভাবনা মােটেই নাই। তাহারা ভূত- বিষ্যতের স্থিরতা জানিয়া, হয় নিম হইয়া নৈশ্যসিদ্ধি লাভ কবেন, না ২য় তোক্তনীত্যনুযাযী অতীতনাগত-ঘটনায় অনাক্ত হন। আব একটা ধাধা এই, এক ব্যক্তি কোন ত্রিকাল কে ঠকাইবাৰ জন্য জজ্ঞাসা কৰিল, “বল দেখি, আমি এই গৃহে প্রবেশ কবিব কি না?” তাহা ইচ্ছ, ত্রিকালজ্ঞ যাহা বলিবে, মাহাব বিপৰীত কবিবে। সেই ক্ষেত্রে ত্রি- চাণ কিপে ঘটনা স্থিৰ কবিয়া বলিবে । ত্রিকালজ কার্য-কারণ-পরম্পরা প্রত্যক্ষ কবিয়া হানিল যে, তাহাকে তাহা দ্রুত করাইলে সেই কাবণ-বশে সে তাহার বিপরীত কবিবে; অতএব ত্রিকালজ্ঞকে সে স্থলে ঘটনা না বলিয়া বলিতে হইবে যে, “আমি যা বলিব, তাহার বিপরীত কবিবে”। সে সে যে অকাল ৯ ঘটনা বলিতে পারিবে না, তাহার কারণ এই যে, সেই কায়- কারণের শেষ কাৰণ ত্রিকালজ্ঞৰ নিজ কর্ম অর্থাৎ “যাবে” কি “যাবে না” এইরূপ বলা। যে কৰ্ম্ম আমি কবিতে পাৰি বা ইচ্ছা করিলে না কবিতে পাবি, তাহা কৰিব কি না, ইহা কাৰ্যকারণ-জ্ঞান-দ্ভুত ভবিষ জ্ঞানের বিষয় নহে, অবশ্য নিজেব পকে। অতএব উপরােক্ত শুলে ঘূটন। যখন স্বেচ্ছকর্থেব উপর নির্ভর কবিতেছে, তখন তাহা ভবিষ্যৎরূপে জ্ঞেয় নহে। অর্থাৎ “আমি (পাঁচ মিনিট পরে) হাত তুলিব কি না” এরূপ কৰ্ম্ম ভবিষ্যৎজ্ঞেয় বিষয় ১৪, বর্তমানে স্থিৰ কৰ্তব্য-বিষয়, অবশ্য নিজেব কাছে। সুতরাং যে ঘটনা নকেৰ্ম্মেৰ উপর নির্ভর কবে, সে স্থলে সেই ব্যক্তির কাছে ঐরূপ প্ৰকাৰে ত্রকালজ্ঞানের নিয়মের ব্যত্যয় হয়। তথ্য স্বেচ্ছসাধ্য কৈবল্য মােক্ষ কোন পুরষেব নিজের কাছে ভবিষ্যরূপে প্রমিত হইতে পারে না। অন্য পুষ • অবশ্য নিশ্চয় কবি- ৰে। ভাৰকাৰণ হইতে ভাব-কাৰ্য্য হইবে, তন্য কার্য-কাৰ-পৰম্পৰাক্ৰমে অতীত সাক্ষাৎ কবিতে যাইয়া যােগিগণ কখনও সংসারে অভাব বা আদিতে যাইতে পারেন না। তসন্য সব ১২। সমাধি সিদ্ধির ধাবা জ্ঞান যেমন অব্যাহত হয়, ক্রিয়াশক্তি ও সেই কাপ অব্যাহত হয় । সাধাৰণ অবস্থায় দেখা যায়, তুমি ইচ্ছা কবিলে, আর ২৪ অয়নালজি পরিশিষ্ট। অমনি তোমার হাত উঠিল। ইহা যদি স্থিরচিত্তে পৰ্য্যালোচনা বক, হইলে আশ্চর্য্য হইবে যে, ইচ্ছা কিপে তােমার ৩ সের ভারী হাত তুলিল। একটু দূপে দেপিল জানিতে পারা যায় যে, হস্ত উত্তে যন্ত্রেৰ মৰ্ম্মদেশে থাকিয়া ইচ্ছা কোন অজ্ঞাতপ্রকারে হস্তকে তােলে। হ দের জড়তান ভাববাদি সাধারণ ধৰ্ম্ম যুক্ত মাত্র অথবা অজ্ঞেয়, হে নিকট ইহা অসাধ্য সমস্যা। আমরা সংখ্যসিদ্ধান্তে দে ইয়াছির হঙ্গা যে জাতীয়,বাহ ‘জড় ও সেই জাতীয় , একপ্রকার দ্রব্যের একটী ভাং এই ৪ একটী গ্রাহ। কঠিন কোমল প্রভৃতি সমস্ত জড়ধষ্ম এক একপ্রকার শাে শর্ম, বােবগণ আমিত্বের এক একপ্রকার বাহকৃত উদ্রেক মাত্র , অতএব বাই। প্রকাব উদ্ৰিক্ত অভিমান আছে, যাহা আমাৰ অভিমানকে উদ্ভিক্ত করে। সুতবা সেই বাহ অভিমান-দ্রব্যের ভিন্ন ভিন্ন প্রকার উদ্রেক হইতে কঠিন কোমলাদি ধর্ম উদ্ভূত হয়। বাহ বা ভূতানি অভিনেব ভিন্ন ভিন্ন প্রকার চাঞ্চল্যই নানাপ্রকার বাধৰ্ম্মের স্বরূপ । আমাদের কবণশক্তিরূপ অতি আধুনিক বৈজ্ঞানিকগণ ধীরে ধীরে সুশ প্রাচীন মার্শনিকগণ কর্তৃক বিবৃত বই তত্ত্বের নিকটবর্তী হয়েছেন। Nicola Testa নামক প্রশিদ্ধ বৈজ্ঞানিকের নিয়োত উ হইতে উহা স্পষ্ট বুঝা যায়। Accord ng to the adopted theory first clearly formnlated by Lord helsin all matter is composed of a primary sabstance of inconce vable tenuity vaguely designated by the word ether The atom of an elementary body is differentiated from the rest of the substance, wh ch wills all space by movement as a small whirl of water would be in a calm lahe All matter then is merely whirling ether By being set in movern nt ether becomes matter perceptible to our sen the movement arrested the primary substance reverts to its normal state and becomes imi erceptible *Ths theory of the constitution of matter is not merely a beaut ful concept on, wh ch in its essence is contamed in the old philosophy of the Vedas but a physical truth Then, if ether whirl be shattered by impact or slowed down and arrested by cold, any matenal whatever it be would van sh into seeming Bothing ness and conversely of the ether be set is movement by some force, matter would agaia for Thug by te help of a refngcrating mach oe ses ঘানালী-পরিশিষ্ট। দ্বারা অভিহত হইয়া বােধ উংপাদন, কবে , এবং যাহা প্রবর্তক, তাহা নিয়তই সেই বাহ চাঞ্চল্যে উপসংক্রান্ত বা মিলিত হইতেছে। সেই মিলিত বা উপসংক্রান্ত অবস্থাই ধারক অভিমান। ইহারাই প্রখ্যা, প্রবৃত্তি ও স্থিতি নানক অন্তঃকরণের মূল ধূস্ময়। সাধারণ অবস্থায় আমাদের শরীরে- ত্মিক অভিমান সঙ্কীর্ণ এক ভাবে বাহের সহিত মিলিত। অর্থা; আমাদের শরীবকে ধারণ, চালন ও শরীর সন্নিকৃষ্ট বিষয়ের গ্রহণ, এই কয়- প্রকারের সঙ্কীর্ণ ভবমাত্রেই অবস্থিত। মেস্মেরিজ, প্লেয়ার্ডয়ান্স, পরচিত্তজ্ঞতা (Thought reading) নামক ক্ষুদ্র সিদ্ধিতে অপবের শরীর স্বেচ্ছাপূর্বক চালন ও অসাধারণ গ্রহণ প্রভৃতি হয় । মহাভারতের বিপুললঃ- পাখ্যানে আছে, বিপুল স্বীয় গুরুপত্নীকে আবিষ্ট করিয়া তাহার মুখ দিয়া নিজ কথা বলাইয়াছিলেন। পূর্বে দেখান হইয়াছে, সমাধি-বলে ইন্দ্রিয়, শক্তি সকলকে সম্পূর্ণরূপে স্থূল-শরীর নিরপেক্ষ করা যায় এবং যথেচ্ছ নিয়ােজিত করা যায়। এখন যেমন কেবলমাত্র শবীরের চালক যন্ত্রকে চালন করিতে পারা যায়, তখন সমস্ত দ্রব্যকেই সেইরূপে চালিত করা যাইবে। এই সিদ্ধি বাহসম্বনে প্রধানতঃ দুইপ্রকার, ভূতবশিত্ব ও তমাত্রবশি। নীল-পীতাদি ভূতগুণের উপর আধিপত্য, যদ্বাৰা দ্রব্যের আকারাদি ও কাঠিন্যাদি ধৰ্ম্ম পবিবর্তিত করা যায়, তাহা মহাভূতশিত্ব (এবং ভৌতিক- বশিত্ব। আর যাহা দ্বারা নীলকে পীত বা পীতকে রক্ত ইত্যাদিরূপে পরিবর্তন করা যায়, তাহা তমাত্রবশি। অলৌকিক শক্তির চরম প্রকৃতিবশিই , তারা ভূত ও ইন্দ্রিয়কে যথেচ্ছরূপ-প্রকৃতি করিয়া নির্মাণ করা যায়। একটা উদাহরণ প্রদর্শন করা যাউক। যােণসুত্রে আছে, {সমাধির দ্বারা) উদান দুর করিলে শরীর লঘু হয়। গ্রন্থমধাে ও সাংখীয় প্রাণভবে প্রদর্শিত এক্ষণে . Miss Chandos Leigh Ifunt 5 cts Animat Magnetism-77071113 নিখিঃ পিং হন যে, Taron Da rotet নামক অসাধারণ সেমেৰিশক্তি * এমন ফল কখন +খন একপ শফি প্রদুত হই যে, তিনি কোন কা পুৰি কৰিণে দৰা গাপনি লুলিয়া যাইত। একন মাধী এক্ষণ ইচ্ছাপ বড় গোফ করিয়া দিব য় বা কোন ব্ৰব্যকে ৰাতি করি ক্ষন। এ । ২। এখন না। লিপি + fi৫। এ যায়। এ { কখন নিন শীরে। ৰা পয়- '২০ খাৰীৰ খায়।
অলৌকিক শক্তি। } হইয়াছে যে, উনান শরীরেব ধাতুমব্যস্থ বােধজনক। বোধ সকল শরীরে সস্থান হইতে উথিত হইয়া উর্কে মস্তিষ্কস্থ বোধ-স্থানে যাইতেছে। অতএব উদান ধ্যান করিতে হইলে সর্বশীরের অন্তঃস্থল হইতে এক ধারা উর্দ্ধে যাইতেছে, এইরূপ বােধ করিতে হয় । সৰ্বশৰীরব্যাপী সেই উৰ্দ্ধারা ভাবনাতে সমাহিত হইলে অভিযান শক্তি শবীর-ধাতুতে উপ- সংক্রান্ত হইয়া তাহাদের (পূর্ব প্রকৃতি অভিভূত কবিয়া) প্রকৃতি পরিবর্তন করি শরীবকে উত্থান-প্রকৃতি বা লঘু করে। অর্থাৎ শৰীর ধাতুব পৃথিবীর অভিমুখে গমনরূপ যে ক্রিয়া আছে, উৰ্দ্ধাভিমুখ-ক্রিয়াশীল অভিমানে উপনংক্ৰান্তিৰ দ্বারা তাহা অভিভূত ও অধীনীকৃত হয় , তাহাতেই শরীব ঘু হয় । জগতের সমস্ত ধম্মই অলৌকিক জ্ঞান ও শক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। সনাতন ধর্মের ত কথাই নাই। বৌদ্ধধবে প্রসারও অলৌকিক শক্তি প্রদর্শনে সাধিত হইয়াছিল। জটিল-কাপ, বিধসার-রাজা প্রভৃতির পরিবর্তন অলৌকিক শক্তি-প্ৰদৰ্শন করিয়া সাধিত হইয়াছিল। খৃষ্টান মুসলমানাদি ধম্মের প্রবর্তকগণ অলৌকিক শক্তি প্রদর্শন করিয়া অনুচর- সংগ্রহ করিয়াছেন। মধপ্রসিদ্ধ সেই অলৌকিক শক্তি কিরূপে হয় ও কেন হয়, তাহা যােগশাস্ত্রে ভণবান্ পতঞ্জলি সম্যক যুক্তিপূৰ্কক বলিয়া গিয়াছেন। সেই বিস্তৃত বিষয়ের সমস্ত তত্ব এই ক্ষুদ্র-ই মধ্যে বলা সম্ভবপর নহে। ইহা পাঠ করিয়া পাঠকের জিজ্ঞাসা উদ্দীপিত হইলে তিনি যদি যোগশাস্ত্রের সুণীর আলােচনা করেন, তবে তাহার সমস্ত তই বিদিও হইবে। • যাহরা বেক্ত Eddic in ether'পর্যন্ত ব্যাহত করন করত পারেন, তাহাদের এ বিষয় বু তত কঠিন হইবে না। শরীরের মাংসদে সমস্তই বিশেষ বিশেষ "Elic৯ ০ cer, তাহার। বর্তমানে আমাদের শক্তি বিশেষ ধারা বিবৃত হইয়া বহিছে। সেই নিরণ-শকি সাধারণ অবস্থায় এক মাতাবে সেই "rldies in cher" উপর প্রযুক্ত রহিয়াছে। Etherএর ক্রিয়া বা কষ্ট করতে যাহা প্রমুশ হইয়া যাইবে, বা নেই ক্রিয়া বিশেপারে ফু অথবা উত্ত কমিশ ঔষ ল বা শুধু বা পরবর্ধিত হইয়া যাইবে। অতএব শান্ত ও অব্যাহত শক্তির এষাৰ মাংসপি “Edles in other”কে ল ভাবনা-পুক আরাম করলে শীয় লঘু হতে পারে। এ নিতেও এই কাষ, কখন কখন শী। যু হয়।
{{২ ভাষাভাষী:-পবিশিষ্ট। মানবের ইতিহাস পর্যালোচনা করিলে দেখা যায় যে, সৰ্ব্বাপেক্ষা প্রাচীন সাংখ্যন হইতে সৰ্ব্ব জগৎ শ্রেষ্ঠ ধৰ্ম্মনীতি প্রাপ্ত হইয়াছে। অসাধারণ শক্তি- শালী পুরুষে বিশ্বাস অতি প্রাচীন কাল হইতে মানব-সমাজে প্রচলিত আছে। তাহার স্বরূপতত্ত্ব-নির্ণয়ের জন্য আদৌ সাংখ্যগণ সুমার্জিত যুক্তি অবলম্বন কবেন। সাধারণ লােকে ঈশ্বরের ও জগৎকারণেৰ প্ৰকৃত। তবে কিছুই ধার ধারে না। কেবল সত্তায় বিশ্বাস ও অস্ফুট জ্ঞান পূর্বক কতকগুলি ধৰ্ম্মনীতির আচরণ করে। সার্বজনীন মৈত্রী, করুণা, মুদিতা এবং অপকৃত হইয়াও দ্রোহত্যাণ (উপেক্ষা) প্রভৃতি শ্রেষ্ঠনীতি সকল আদৌ সাংখ্য- গণ বা মুমুক্ষু ঋষিগণ আচৰণ কবিতেন। কিন্তু তাদৃশ নীতিব পূর্ণাচরণ না করিলে কৈবল্যর সম্ভাবনা মােটেই থাকে না। পরবর্তী বৌদ্ধধর্ম সাংখ্যের উপর স্থাপিত। ত্রিপিটকের আদিম ধৰ্ম্মনীতি পৰ্যালােচনা করিবে সাংখ্যীয় কৈবল্য সাধনেয় সহিত কোনও পার্থক্য লক্ষিত হয় না। ঘােষাদি পরাচীন গ্রন্থকারগণ বােধিসত্ত্বের মুখে অবশ্য নিজ নিজ মতই বলাইয়াছেন। বুদ্ধদেব প্রধানতঃ কিরূপে শান্তি হয়, তাহারই উপদেশ কবিয়া গিয়াছিলেন , আম্বীক্ষিকী বা Actaphysics সম্বন্ধে কিছুই বলেন বস্তুতঃ বুদ্ধদেব সাংখ্যমতুকে সাধারণ গােছর কবিয়া গিয়াছেন। সাধারণের জন্য আৰীক্ষিকী বিদ্যার অবতারণা মােটেই উপযােগী নহে। অধুনান কালে শিষ্যগণ অবতার নিম্মাণ করে ও সর্বাপেক্ষা স্বকীয় গুরুর শ্রেষ্ঠত্ব ও বৈশিষ্ট্য প্রতিপাদন করে, পরবর্তী বৌদ্ধগণও সেইরূপ করিয়া গিয়াছেন ও পৰস্পৰ বিবাদ কৃরিয়া নানা দর্শনের সৃষ্টি করিয়া গিয়াছেন। কাৰ্যকারণ-পরম্পরায় জগতের উদ্ভব-লন, কম, সংহতি, বাহেব দুঃখাধিক, চিত্তনিরোধ (“নির্বিকার। এতে যেমচিত্ততা” প্রা-পারমিতা), কৈবল্য এবং তজ্জন্য নৈত্রাদি সাধন ও সম্পূর্ণ অাত্মসংযম প্রভৃতি মূল বিষয়ে বৌ- ধৰ্ম্ম পূর্বতন সংখ্যের (এবং ঔপনিষদ ধৰ্ম্মের) নিকট ঋণ। গ্রীকাণের ও বৌদ্ধ দূতগণের দ্বারা পাত্তা দেশে শ্রেষ্ঠতম ধর্মনীতি সকল প্রসারিত হয়। মহারাজ অশােকের শিলালিপিতে আছে, তিনি বিয়ােকনামক যােন বা এক নরপতির নিকট (ধর্ম-সম্বন্ধীয়) দূত প্রেরণ করিতেন। অন্তিয়ােক বা Auttochus সিরিয়া দেশের অধিপ ছিলেন। আগে- সাপ্তারের সেনানী সিলিউকস পকেটর সিরিয়ায় রামপন +বেন। তাই নাই । যেমন বিশ্লেষ ও সমবায় প্রণালীর যুক্তি। ११३ বংশধর “অন্তিয়ােক অশােকের সমসাময়িক (খৃঃ পূঃ ২৪৬) ছিলেন। এইরূপে ভারতীয় ধৰ্ম্মনীতি এশিয়া মাইনর দেশে প্রচারিত হয় ও পরে খৃষ্টকর্তৃক সেমেটিক জাতীয়দের প্রাচীন ধৰ্ম্ম সুষংস্কৃত হয়। খৃষ্টকর্তৃক যে সংস্কার হয়, তাহাতে মৈত্রাদি শ্রেষ্ঠ ধৰ্ম্মনীতি এবং ভগবৎপ্রেম বা Devotion এই দুই বিশে। কিন্তু ঐ দুই খুষ্টের নবােদ্ভাবিত নহে, পূৰ্বেই ভাত হইতে গিয়াছিল। বস্তুতঃ ধর্ম প্রবর্তয়িতাগণ প্রায়ই নুতন কিছুর উদ্ভব করিয়া যান না, কিন্তু বর্তমান ধর্মনীতির সনক আচরণ করিয়াই অসাধারণত্ব লাভ করেন । ইহা সম্প্রদায়ান্ধগণের স্মরণ রাখা কর্তব্য। বনাধির অসাধারণ শক্তির বিষয়ও বৃষ্ট অবগত ছিলেন। “যদি তোমার সপের ন্যায় অত্যল্প মাত্রও ‘ফেথ থাকে, তবে তুমি যদি পৰ্ব্বতকে সরিতে বল, তবে তাহা সরিবে,” খৃষ্টের এই উক্তি এবং তাঁহার অলৌকিক-শক্তি প্রদর্শন হইতে ইহা জানা যায়। S. Real চৈনীয় বুদ্ধচরিতের অনুবাদ গ্রন্থে বলিয়াছেন, খ্রীষ্টানগণ যাহাকে ‘কে’ বলে, তাহাকে বৌদ্ধগণ সমাধি বলে। অতএব জগতের সমস্ত প্রধান ধর্মসম্প্রদায় সমস্ত গুরুতর বিষয়ে প্রাচীন পাংখ্য ও যােগের নিকট ঋণী। { তসাধনের বিশ্লেষ ও সমবায় প্রক্রিয়া। (অনুলোম ও বিলোম প্রণালীর বুক্তি। ১৪। সাংখ্যতালােক গ্রন্থে সংক্ষেপে তত্ব সকল প্রতিপাদিত হইয়াছে। তাহাতে বিশ্লেব ও সমবায় প্রণালীর যুক্তি (Analytical and Synthetical Alethod) একত্র মিলাইয়া উপপাদিত হইয়াছে। পাঠকগণের বোধ- সৌৰ্যার্থ এখানে সংক্ষেপে পৃথকরূপে ঐ দুই প্রণালীর দ্বারা তত্ব সকল উপপ তৃপ্তি দেখান যাইতেছে। অনুলােম বা বিশেষ প্রণালী (ANALxsis)। ১৫। ধাতু, পাষাণ, জল, বাতাস প্রভৃতির নাম ভৌতিক ব্য। শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস ও গন্ধ, এই পাচটী গুণপুর, আমরা ভৌতিক দ্রব্য জ্ঞাত হই। যদি ক্রিম ও জাড্য নানক অপর দুইপ্রকারের ধর্থ ভৌতিক দ্রব্যে পাওয়া যায়, তথাপি তাহারা শাপি-ধর্মের অনুগভাবেই বুদ্ধ হয়।
বিশ্লেষপ্রণালী-করণ সকল। ধর্মশূন্য কোন বাহদ্ৰব্য কল্পনীয় হইতে পাবে না। অতএব আপাতত বাহক্রিয়ার আলমীভূত পদার্থকে অজ্ঞেয় বা অকল্পনীয় বলিতে হইবে। পরে উহার স্বরূপ নিরূপণীয় (১৯৭ পৃষ্ঠ দ্রষ্টব্য)। ১৭। যাহার দ্বারা আমরা বাহদ্রব্য ব্যবহার করি, তাহার নাম বাহ- করণ। তাহারা ত্রিবিধ ; জ্ঞানেন্দ্রিয়, কম্মেশ্রিয় ও প্রাণ। জ্ঞানেন্দ্রিয়ের দ্বারা জ্ঞেয়রূপে, কস্মেন্দ্রিয়ের দ্বারা কাব্যরূপে ও প্রাণ সকলের দ্বারা ধার্য রূপে বহদ্রব্য ব্যবহৃত হয়। জ্ঞানেন্দ্রিয় পঞ্চ-কর্ণ, স্বক, চক্ষু, রমনা, নাসা। কস্মেন্দ্রিয় পঞ্চ-বাৰু, পাণি, পাদ, পায়ু, উপস্থ। প্রাণও পঞ্চ, যথা—প্রাণ, উদান, ধ্যান, অপান ও সমান। জ্ঞানেন্দ্রিয়ের শাদি বিষয়ের নাম জ্ঞেয়- বিষয়। বাকাদি বিষয়ের নান কার্য-বিষয়। বাহােত্তৰ বােধাধিষ্ঠানাদি পঞ্চ শারীরাংশগণ প্রাণের ধার্য্যৰষর 4৯ পৃষ্ঠ দ্রষ্টব্য)। ১৮। বাহ করণ ব্যতীত আরও একপ্রকাৰ কৰুণ পাওয়া যায়। তাহা বাহের সহিত সাক্ষাৎভাবে সম্বদ্ধ নহে। তাহা অভ্যন্তরে থাকিয়া বাহ-বরণাপিত বিষয় ব্যবহার করে। যেমন চিন্তা , উহা অন্তরেই কৃত হয়, কিন্তু বাহ-করণাপিত গাে-ঘটাদি বিষয় লইয়াই কৃত হয়। বাহ- বিষয় ব্যবহারকারি সেই আন্তর করণের নাম চিত্ত। চিত্ত নিয়তই পরিণত হইয়া যাইতেছে । সেই এক একটা চিত্ত-পরিণামের নাম বৃত্তি। অতএব চিত্ত বৃদ্ধিসকলের সমষ্টিস্বরূপ হইল। চিত্তের বৃত্তি সকল দুই- প্রকার, শক্তি-বৃত্তি ও অবস্থা-বৃত্তি। যাহার দ্বারা ক্রিয়া হয়, তাহার নাম শক্তি বৃত্তি , আর ক্রিয়াকালে যে ভাবে চিত্তের অবস্থান হয়, তাহার নাম অবস্থা-বৃত্তি। প্রমাণাদি পঞ্চপ্রকাৰ মূল শক্তি-বৃত্তি আছে (তাহাদের ভেদ ও সক্ষণ ২৩৩৫ পৃঃ দ্রষ্টব্য)। অপর সমস্ত বৃত্তিই তাহাদের অন্তর্গত। তাহারা যথা-প্রমাণ, অনুভব, চেষ্টা, বিকল্প ও ধৃতি} অবস্থা-বৃত্তি যথা—সুখ, দুঃখ, মােহ; রাগ, দ্বেষ, অভিনিবেশ, জাগ্রৎ, স্বপ্ন, নিদ্ৰা (৩৬৩৭ পৃষ্ঠ দ্রষ্টব্য)। ১৯। চিত্ত ও সমস্ত বাহ-করণের মধ্যে প্ৰধ্যা, প্রবৃত্তি ও স্থিতি অথবা বােৰ, ক্রিয়া ও সৃতি (রণবৃত্তি) সাধারণরূপে প্রাপ্ত হওয়া যায়। বে কোন বরাবৃত্তি বা চিত্তবৃত্তি দেখ, তাহাতে একরকম না একবকন বােধ, ক্রি ও স্মৃতি পাইবে। অতএব ভিন্ন ভিন্ন করণ ও চিত্তবৃত্তি সকল সেই প্রখ্যা, প্রবৃত্তি ও স্থিতির ভিন্ন ভিন্ন প্রকার সংযােগমাত্র হইল। বােধ, ক্রিয়া ও বিশ্লেষপ্রণালী-তন্মত্ৰেৰ উপাদান। ২৩ ধীরাশক্তি আসে। প্রকাশ, ক্রিয়া ও স্থিতি ছাড়া বুদ্ধি হইতে প্রণি পর্যন্ত সমস্ত করণশক্তিতে আর কিছুই পাওয়া যায় না। ২। অন্তঃকরণের বৃত্তি সকল দেশব্যাপী নহে, তাহারা কালব্যাপী। ইচ্ছা ক্রোধাদির দৈর্ঘ্য প্রস্থাদি নাই , তাহারা কতককাল ব্যাপিয়া চিত্তে থাকে মাত্র। বাহক্রিয়া যেমন দেশান্তর প্রাপ্যমানত, আন্তরক্রিয়া সেই- রূপ কালান্তর-প্রাপামানতা, অর্থাৎ অন্তঃকরণের ক্রিয়াকালে বৃত্তি সকল পর পর কালে অবস্থিত হয়, পর পর দেশে নহে। অতএব কালব্যাপী ক্রিয়া অন্তঃকরণের ধর্ম হইল, দেশব্যাপী ক্রিয়া বাহদ্রব্যে ধৰ্ম্ম হইল। আমরা পূর্বে দেখাইয়াছি যে, বাহ্যদ্রব্য (ভূত ও তন্মাত্ৰ) বিশ্লেষ করিয়া রূপ বসদিশূন্য এক মুলাধার পদার্থের ক্রিয়ামাত্র পাই, যে ক্রিয়া ইন্দ্রিয়গণকে উক্তি করিলে রূপবসাদি জ্ঞান হয়। রূপ রসাদি ব্যতীত বিস্তারজ্ঞান থাকিতে পারে না। বিস্তার ও রূপাদি জ্ঞান অবিভাবী, অর্থাৎ একটা থাকিলে আর একটী থাকিবে, একটী না থাকিলে আর একটী থাকিবে না। বাহদ্রব্যের মূলভাব রূপৱসাদি, সুতরাং বিস্তারশূন্য, কিন্তু তাহা ক্রিয়াশীল। অতএব বাহনুল-দ্রব্য বিস্তার অথচ ক্রিয়াযুক্ত পদার্থ হইল। উপরে সিদ্ধ হইয়াছে যে অন্তঃকরণ দ্রব্যেই বিস্তারত ক্রিয়া সম্ভব হয়। অতএব বাহাের মুলতাৰ অন্তঃকরণজাতীয় পদার্থ হইল। সেই বাহ জগতের মুলাধার অন্তঃকরণ যে পুরুষের, ঔাহাব নাম বিরাট পুরুষ। (৬১ পৃষ্ঠ ও ৬৭১০৯ পৃষ্ঠ ভ্ৰষ্টবা। ইন্দ্রিয়রূপে পরিণত অন্তঃকরণের ক্রিয়া হইতে জ্ঞান হয়। भानि বাহক্রিয়ার দ্বারা ইন্দ্রিয়ক্রিয়া উক্তি হয়। জাতীয় বস্তুই পরস্পরের উপর ক্রিয়া করিতে পাৰে, বহনুল 'অন্তঃকরণজাতীয় হইল। অন্তঃকরণ ত্রিগুণামক, অতএব বহদ্রব্য (যাহা মূলতঃ গ্রাহতাপ বৈরাদ্বান্তঃকরণের উপর বিবর্তিত) এব আর ভাব সফল, সমস্তই মুলতঃ ত্রিগুণাত্মক বলিয়া সিদ্ধ হইল। বুদ্ধাদিতে গুপ সকলের বৈষম্য বা নানাধিকরূপে সংযোগ প্রদর্শিত হইয়াছে। বােৰ অৰ্থে ক্রিয়ার দ্বারা অন্তঃকরণের জাড্যতা বা বিশ্লেষ প্রণালী-প্রকৃতি ও পুরুষ। ২৫ যে অন্তঃকৰণ, তাঁহার এই অব্যাবস্থার নাম প্রকৃতি। গুণের সাম ও উদাত্মক অন্তঃকরণ-লয় দুই প্রকাৰে হম; (১} নিবােধ-সমাধি-বলে ও (২) গ্রাহ-লয়ে ৬৬ পৃঃ দ্রষ্টব্য)। ভাবপদার্থেব অভাব অধ্যায্য বলিয়া এই অব্যক্ত প্রকৃতি অভাবস্বরূপ নহে। অতএব বাহ্ ও অধ্যাত্ম ভাবে অব্যক্তরূপ চরম সূক্ষ্ম অবস্থা সিদ্ধ হইল। ২২। পূর্বে ব্যক্তভাবে নধ্যে আনিত্বভাব যে প্রধান, তাহা উপপাদিত হইয়াছে। অন্তরে প্রতিনিয়ত যে পর পর বােধবৃত্তি সকল উঠিতেছে, তাহাদের সকলের সহিত একস্বরূপ বােদ্ধ প্রত্যয় সমন্বিত থাকে। বোদ্ধা ‘আনি ব্যতীত বিষয়-বোধ অসম্ভব। বােচ্যুত্বভাবেব মধ্যে দুই- প্রকার বোধ পাওয়া যায় , এক অনাত্মবােধ, আর এক আত্মবোধ। অনায়- বৈষয়িক ক্রিয়ার দ্বারা উদ্ৰিক্ত হইয়া বৃত্তিপ্রবাহরূপ যে পরিণম্যমান বােধ বা জ্ঞানবৃওি হয়, তাহা অনাত্মবােধ। আর অনাঘুক্রিয়ার সহিত সংযােগ থাকিলে (গুণসাম্যে) বােধের যে স্বরূপে অবস্থান বা স্বরূপবােধ, তাহাই আনুবােধ, বা, প্রকাশ, বা চৈতন্য, বা চিতি-শক্তি, বা চিৎ। যদি বল, কারণ নে নিম্নলিখিত দুষ্টান্তের দ্বারা সংখ্যীয়-তত্ত্ব বিভাগ-প্রণালী সুন্দররূপে বুঝা যাইবে। কর, একটি পুঃ সুচিন্ত্রিত বস্ত্র । তাহার তত্ত্ব এরূপে বিশ্নেষণীয়, যথা—প্রথমতঃ তাহাতে যে নানাবিধ চিত্র রহিয়াছে, তাহা মূলতঃ ফুল, পুষ্প, অঙ্গুর, পত্র ও লতা স্বরূপ ; তন্মধ্যে কতকগুলিতে কৃষ্ণবর্ণের আধিক্য, কতকগুণিতে মরে, কতকে খেতের আধিক্য। সেইরুপ অামার যতপ্রকার শক্তি আছে, তাহা প্রথমে ব্যাহ্ন হইত বিভাগ করিয়া দেখিলে দেখিতে পাই, তাহারা তিনপ্রকার; জ্ঞানেন্দ্রিয়, কন্দ্রিয় ও প্রাণ-প্রকাশ- ধিক, ক্রিয়াধিক ও স্থিত্যধিক। আবার দেখি, তাহার ফলাদির প্রায় প্রত্যেকে পৰু পঞ্চ- প্রকার। বনে ফল পুষ্পদিকে বিভাগ করিয়া দেখিলে দেখি যে, তাহার। কতকগুলি সূত্রের (টানা ও পড়েন। বিশেষ বিশেষ প্রকার সংস্থান-ভেদ মাত্র। সুত্রগুলিকে বিভাগ করিলে দেখা যায়, তাহারা কতক বেস্ট খেত, কতক বেী রক্ত ও কতক বেশী কৃষ্ণ। পুনশ্চ তাহার আবার তিন তার সেই তিন তার আবার তিন বর্ণের, খে, রক্ত ও কৃষ্ণ। তেকের দিকে দেখিলে দেখা যায়, বায় করণগণ সেইরূপ অন্তঃকরণয়ের বিশেষ বিশেষ পরিণাম বা সংান ডেথ মাত্র। অন্তঃকরণরে আবার বুদ্ধি বিক, অহং রডোষিক এবং নন তােেহখিক। কি বুদ্ধি, অহং ও মনঃ এই তিনে খেত, কৃষ্ণ ও রক্ত এই মু ত্ৰিজাতীয় পুত্রের প্রায় মূলত , রজঃ ও তমোগুণ বহিয়াছে। খে, রক্ত ও বধ সু যেমন নেই চির-বিচিত্র বস্ত্রের মুল উপাদান, সেইরূপ ওপৰশ্নও সমস্ত করণের শুস উপাদান। - সমবাযপ্রণালী -পুস্পতি-সংযােগ। { অতএব শবে একই বোধ বানি-কালে পবিচ্ছিন্ন হয় ও বাহ্যজ্ঞান রহিত হইলে অপরিচ্ছিন্ন হয় , অতএব স্বাগবােধ জগু ও পরিণানী হইল। নিম্নদি হইতে চিতিশক্তিকে দেখিতে গেলে ঐরূপ অর্থাৎ বৃত্তিসাপ্য) দেখা যায় বটে, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তাহা নহে। বৃত্তিৰােধ ও স্বাৰােধ স্বতন্ত্র ভাব। স্বাত্মবোধ বা নিজেকেই নিজে জান কখন পবকে জানা হইতে পাবে না, বা পরকে জানা ভাব কখনও নিজকে জানা হইতে পারে না। স্বাস্থবােধ বা পুরুষ এব বৃত্তিবােধ ব্য বুদ্ধি একরূপে প্রতীয়মান বিভিন্ন পদার্থ (পুরুষ তবে বিশেষ বিবরণ ১০ পৃঃ দ্রষ্টব্য)। এইকপে বাহ ও আন্তর সমস্ত পদার্থ বিশ্লেষ করিয়া দুই চরম পদার্থে উপর্নীত হওয়া যায় , এক— পুৰুষ, যাহা আমিত্বের প্রকৃত স্বরূপ, আব একপ্রকৃতি বা অনানুভাবে বন স্বরূপ। অব্যক্ত ভাব পুনশ্চ বিশ্লেষযােগ্য নহে এব স্বাত্মবােধও নহে, অতএব তাহাদেব আর কাবণ নাই। যাহাৰ কাৰণ নাই, তাহা অনাদি ও নিত্য বৰ্তমান পদার্থ। বিশ্লেষপ্রণালীর দ্বারা এইরূপ দুই নিষ্কাষণ নিত্য পদা সৰ্ব্বভাবের মূলস্বৰূপ বলিয়া সিদ্ধ হইল। বিলাম বা সমবাযপ্রণালী (S1 M THEৎrs) । অতঃপর সমবায় প্রণালী দ্বারা অর্থাৎ পূৰ্ব্বোপপত্ন পুরুষ ও প্রকৃতি ছইতে কিরূপে সমস্ত আন্তব ও বাহ ভাব উৎপন্ন হয়, তাহা বিচারিত হই এই প্রত্য। হইত এর সেই পা ও পৃষ্ঠের অভাবে যা খাটে। অামিত্ব নাশ হইও, তাহা হইল পুর্ব নিয়ম ব্যাধি হই। কাল্পনিক উদাহরণের দ্বারা প্রমিত নিয়মে অপৰাধ হইতে পারে না। এই প শ্বতা কুবর্ণ সকলের অতিরিক্ত, সুর করণের লয়ে তাহা সাহানি হয় শা, ইহা সিদ্ধ হইল। এপেক্ষ। ধনের কি হইতে পুরুষ সিদ্ধ করিয়া বুকা সরল ও নিশ্চয় কাক। চিত্তের ৰ্য্যৈ হইলে যে কোন অস্তির বা বাহ্য বোধ অবলম্বন করিয়া থাকা যায় (৯• পৃষ্ঠ)। তখন ল প সম্বন করিয়া থামি করি কেৰণৰত্র জানান লালপ ঈগ আছে বলিয়া প্রীতি হইতে থাকে। সেইরূপ অরে অরে বিশেপে স্থিরচিত্ত্বের দ্বারা বিচার করিয়া মিত্ব প্রত্যামাত্র অবলম্বন ফরিদ। সমাহিত হইলে কেবল যে জলমান ‘পাৰি একমাত্ৰ থাকি। হাই পৌরুষ বোধ। বলতে পার না, তখন কিছুই একিব না কারণ শূমাবলখন করিম খান প্রার্থত হয় ল ই আমাৰ কবিরাই করা খালি। চিৰ ৰুকিং স্থির করতে শিখিয়া এইরুপ না করিলে ইহা দিয়ে ।
१२२ • মানৱালী:—পরিশিষ্ট। তেছে। প্রত্যেক জীবেই প্রকৃতি ও পুরুষের সংযুক্ত ভাব দেখা যায়, কারণ ত্যতীত জীব হইতেই পারে না। প্রকৃতি ও পুৰুব অনাদি-বিননান পদার্থ বলিয়া সেই সংঘােণভাবও অনানি। পুকুখ্যাতি বা ধাত্মবােধ- ভাবে অবস্থান কৰিলে সংবােItংপন্ন করণাৰি বিলীন হয়। আৰু কৰণ ব্যক্তভাবে ক্রিয়াল, পাকিলে (অর্থাৎ সংঘােগাবস্থায়) পুরুষের বৃত্তিসরূপ- প্রতীতি হয়। পুরুষখ্যাতি হইলে সংযোগের অভাব এবং পুরুষের অখ্যাতি অর্থাৎ বৃত্তিসারূপ্যপ অধ্যাতি থাকিলে সংযােগ ও তৎক্রিয়া দেখা যার বলিয়া সেই পুরুষের অবখ্যাতি বা বিপরীত জ্ঞান বা অবিদ্যাই সং- যােণের হেতু বলিতে হইবে। যােণ যেমন অনালি, সেইরূপ অবিদা* অনাদি। সংযোগ অনাদি বলিয়া তজ্জনিত জীবভাব (কাদি অহবঙ্গের সহিত) অনাদি। “ধৰ্মী সকলের অনাদি সংযােগ হেতু ধম্মমাত্রেরও অনাদি- সংযােগ আছে,” মহামুনি পঞ্চশিখাচাৰ্য এ বিষয়ে এই যুক্তি প্রদর্শন করি- যাছেন। অতএব অনাদি করণ সকলের লর ও উৎপত্তি কেবল অভিভব ও প্রাদুর্ভাব মাত্র। শৌপবন ঐতিতে আছে—“অবিনষ্ট এব বিলীয়ন্তে, অবি- নষ্টা এৰ উপদ্যন্তে”। স্মৃতি যথা—“ভূ ভূ। বিলীয়ন্তে ইত্যাদি (গীত)। ২৪। ব্যাবস্থার পুরুষ ও প্রকৃতিরূপ দুই কারণ। এক অবিকারী । • অবিদ্যা স্বার্থে বিপরীতা, জ্ঞানার নহে। জ্ঞান সকল বৃত্তিপ, অতএব বিপরীতান-বৃত্তি নমুহর মম অবিদ্যা হইল। করণ যেরুপ অবিরা আছে, সেহ- প বিদ্যা বা পক্ষপাতির বীও আছে। বন্ধাবস্থায় অবিদ্যার প্রবণ্য হেতু স্বরুপ- খ্যাতিভাৰ অতি অক্ষু। দুই বৃত্তির অন্তরাল অবস্থার পক্ষপাতি থাকে, কিন্তু অবির প্রাবলাে বৃত্তি সকল এত দ্রুত উঠতে থাকে যে, অন্তরাল অণবং হয়। নিরোধ বলে ৰাতি ৰা বৃত্তান্তলিক প্রবল বাবা করিলে অব মাহুত হয়। কৈবল্য হয়। । পুরুষার্থের দ্বারাহ পুৰুষ' ব্যবস্থার নিমিত্তকারণ হয়। পুৰুৰাৰ্থ কি, তাহা উত্তম- কপে বুৱা আৰক। নাম পুধিঞ্জি ও প্রকৃতি প্রদত্ততে। নেই পুরুষাধিস্থান হইতে প্রকৃতি যে প্রেরণা পাই। এবৰ্তত হয়, তাহাই পুৰুষাৰ্থ। পুরুষাৰ্থ দুইপ্রকার, ভাস ও অপবর্গ। ঐ উভয়ের তো পুণ। “পুরুষান্তি ভাতাবৎ কৈবর্ষ প্রবৃত্ত। পুৰসিদ্ধির এই দুই হেতু বিচাৰ কৰিলে এ বিষয় স্পষ্ট হবে। আমি চিত্তে শ্রয় লীন কালে কেবল অন হই। সেই চিন্তুাবশ্বের যে ফল আমার কৈবল্য। সে কল চিন্তাবিতে পর না, কারণ তাহারা লীন হয়। কাহা “কল অনিজে খাইয়া পব্যবসিত হয়। অ4 'সহ তৎফুলস্য ভোক্তা (বােস । পুরুষকে নাগফলের সমবাযপ্রণালী-পুৰুষাৰ্থ-ব্যক্ততা। १२३ তো স্বীকার না কলি কে তার ভোক্তা হইবে । বুজাদিরা হইতে পারে না, কারণ তাহ}} শীন হয়। বুদ্ধাদির লই যখন না, তখন নিজেদের মায়ের মূলহেতু বৃষ্টির হইতে পারে না। সুরাং কৈবলের জন্য প্রবৃত্তির (এবং সেই কারণে তোগের অন্য প্রবৃত্তির) মূলহেতু পুরুষার্থ। পুরুষকে ভোক্তা না নিলে কাহা। মোক্ষ ? তাহারও কিছু বাবা থাকে না। মুরি সাধনাদি সব বৃথা হয়। তজ্জন্য বাবায় পুরুষকে সুখ দুঃখের পৰাধিক ভোক্তা এব কৈবলাবস্থায় শাশ্বতী শান্তির পারমার্থিক ভোক্তা স্বীকার না করিলে বাতুলতা হয়। এই ভোক্তত্বের জন্যও পুরুষের বহু স্বীকার্য। অর্থাৎ যখন কেহ বন্ধ কেহ মুক্ত ইতাদি বিরুদ্ধ ভাব দেখা যায়, তখন তাহাসে ভোক্তা পুরুষ ও ভিন্ন, ইহা সাগৰত স্বীকার্য। যখন রাম ও স্যান মুক্ত হইবে, তখন রাম ও গ্রামের এরূপ বোধ হইবে না যে, অমর এক হইয়া গেলাম। কারণ রাম শুমাপি মম দ্বৈত পদার্থকে ভুলিয়া কেবল জিকে দেখিলে তবে মুক্ত হইবে, এব’ গানও তদ্রুপ করলে মুক্ত হইবে। যখন তাহাদের পরমর্ধত এক হইয়া যাওয়া বোধ হওয়া অসম্ভব, তখন তাহারা যে এক হইবে এরূপ বলিবার বিন্দুমাত্রও প্রমাণ নাই। বলিতে পায়, তারা যে বহু হবে, এরুপও ভু কোন প্রমাণ নাই। অবশ্য পারমার্থিক দৃষ্টিতে ন মুক্ত পুরুষ অনা বহু যুক্ত পুরুষ সত্তা উপলদ্ধি করবে না বটে কার। যা থামতে সুখৰ বেৰণ নিজেকেই শু বুদ্ধ অনও চিত্র দেখিবে, তবে ব্যবহার বৃষ্টিতে যে বহুত্বের বিশেষ কারণ আছে এব বই না বলিলে যে বিশেষ দোষ হয়, তাহা ও পৃষ্ঠ প্রদশিত হহয়াছে। কেহ বলিবন এ বিষয়ে ক্ষতিই প্রমাণ। কিন্তু শ্রাত কথনও অপ্রয় বিষয় উপদেশ করেন না, আর তাৰ্থ যে মা খাপক্ষে সুত্ব, তাহা ৭ পৃষ্ঠে ভ্রষ্টব্য। অনেকে বহু অনাদি সন্তী অব বলিয়া বিবেচনা কয়েন, কিন্তু কেন অমছু, ৩াহার কোন যুক্তি দেখাইতে পারেন না। কেহ কেহ দৃষ্টাও দেন যে, এক সুৰ্য যেমন বহু জলে তবিম্বিত হয় এক পুকুও তদ্রুপ, ইহা দৃষ্টান্তমাজ সুতর, প্রমাণ নহে। সুর্যের দৃষ্টান্ত সখ্যেরাও বহু-বিষয়ে দেন। উহা বলেন যেন সূর্য মণ্ডল বরশ্মি অথচ একপে প্রতীয়মান, পুরুষও । পৰ্য্য একরূপে প্রীত হইলেও বস্তুতঃ বং বিশ্বের সমাবেশমার। প্রত্যেক স্থান হইতে সেই এক এক বিপ্ন দেখা যায় আর প্রত্যেক স্থান হইতে এক একটা দর্পণ দিয়া যদি এক স্থানে সৰ সূৰ্য্যপ্রতিবিম্বকে উপযুপরি ফেলা যায় তাহা হইলে তথায় এক সূ{ হইবে। অতএব শুধাকে একত্র সমাবিষ্ট বহু বই এক রূপ বিশ্বসমষ্টি বলা যাইতে পারে, পুরুষও তদ্রুপ। অনেকের পক্ষে দুয়া ৰীত বুঝিবার আর উপায় নাই বটে, কিন্তু যাহারা সুরপে তত্ত্ব অবগত হইতে চান তা পাঠকগণের নিকট অনুংরাব ১াহারা যেন এই প্রকার পুল বিষয়ে বা দৃষ্টান্তক প্রমাণস্বরূপ মা.জানিয়া ও তাহা ত্যাগ করিয়া সাক্ষাৎস্যাকে উপলব্ধি করি চেষ্টা করেন। অ৩ এক বিষয় দ্রব্য। সমদশনের পক্ষে অ% মোক্ষ সাধণের পকে পুরুষের বহব বা এইবাৰ ইহার মধ্যে যে কোন বই তুল? উপথেষ্ট। উহার কোন নিমিত্তাপ, অত্র এ বিকারী উপাদানকাপ। এই বিরুদ্ধ কার १२४ বানা-পবিশিষ্ট। থাকাতে বা ৩াবে এৰিধ্য দেখা যা, যা পুরুষাথী প্রকাশল,অবাক শয়ী দিলি এবং উভযুঞ্চমী »িাণ ভীষ (১৫ পৃষ্ঠ দুষ্ট )। এক প্রাথমিক ব্যক্তি কি হইবে, তাহলে গা যাউক। অব্যক্ত অনাত্মভাব, থাক চৈতন্যে সহিত সংযুক্ত হলে অবশ্য হইবে। অনায় ভাব ব্যক্ত হওয়া অর্বে তাহাব বােধ হওয়া যs চে না হওয়া ; অস্মতৈ সেই বোধের অধিকারী হে, সুবা অনামবােধ তাহা শাথোপিত হয় মন্ত্র ইহাতে ‘আমি’ (বোদ্ধা কাদিযু) এইরূপ ভাব অর্থাৎ বুদ্ধি হয়। কি কারণের লিঙ্গ, অতএব বুদ্ধিতেওকীয় হেঃ ও উপাদান উভয়ের লিস্থ থাকি, তন্মধ্যে অচ্চৈপদে আনিত্বৰূপ লিঙ্গ তাহাতে পাওয়া যায় এ ‘বাহবে’ বা ‘অনায়ের বুদ্ধভাব রূপ অধ্যক্তের লিঙ্গও তাহাতে পাওয়া আদিম লিঙ্গ বলিয়া বুদ্ধির নাম লিঙ্গ বা লিঙ্গমাত্র। এবং সত্তা অবিনা বা অবিবে বলিয়া তাহার নাম সামাত্র বা সব। অনাত্মবােধের আশ্নবােধে আরোপের নাম উপচার। চৈতঙ্কের দিক হইতে ইহা বুঝাইলে হহাকে চিচ্ছায়া বা চিদাতাস বলে। বাহুবােধ পকাশ আমিত্বে যাইয়া শেষ হয় , কিন্তু শেষ আমি স্বাত্মবােধস্বরূপ, সুতাং তখন অনাত্মবােধের ল হয়। ও অনাত্মবােধ চঞ্চল বা পৰিণামী। অর্থাৎ যায়। আর বােধ : কেপেক্ষে কাৰ ক্ষতি কর না, কারণ মোক্ষলানে কেবল নিজেকে চিমাত্র শুষ্ক অনন্ত বলিয়া জানিতে হয়, পর বা সমস্ত অনারে প্রান ছাভিতে হবে। এর মইে প্রতীক পীর মাত্র শুদ্ধ অনন্ত, সুতরাং মােক্ষবিষয়ে কোন ব্যাঘাত হয় না। কিন্তু গং তৰু বুঝিবার জন্য পূরুবহুত্ববাদ সমধিক যায্য। এবিষয়ের বহু উদাহৰণ না থাকাৰে উক দৃষ্টারে (উদাহরণ নহে) দ্বারা বুঝান , {নি উপলব্ধি করিতে চান, তাঁহাকে নিজের ভিতর দেখা উচিত। মনে কর, আমি সম জ্ঞানবৃদ্ধি রোধ কলাম। বৃত্তিরোধ হইলে অশ্বকাপে নাশ হয় না, কারণ কোনও ব্যি নিজেই নিজের নাশক হইতে পারে না। তাই তখন আমি কতৃত্বাদিশু হই। এই ভাবে ধারণা করিতে করিতে তবে উপলব্ধ হয়। বিপরীত আর এক প্রকারের দৃষ্টান্তের রাও ইহা বুঝান ত্বা, অবাকটিক বা সরসীব টা। এই দুষ্টারে ভেং লহ। * স্মর্থক গোল করেন। হদ দৃষ্ট উদাহরণ৩৭ বুশ। ।
মানবলী -পবিশিষ্ট। কশন্নি বিষয়ক প্রতিনিসহ অনুভবের গোচর কয়ে। হাতে অগ্নিহ পবিণাম প্রবাহ পর হইতে বাহ আইসে। বাহ্যত্র যার মধ্যে সাহা বোধােপাদক, তাহার সহিত সম্পৃক্ত হইব। অশিত। যে প্রতিনিয়ত তাদৃশ ক্রিয়াবতী হইতে ৩াকে, হাই বােধর অধিষ্ঠান ধারক প্রাণশক্তি। তন্ম’শ্য যা বাহেবটবােধের অধিষ্ঠান ধারণ করে, তা প্রাণ ও হা ধাতুশত অটবােধাধিষ্ঠান ধারণ করে তাহা উন। যাহা দুই. কাঠের হেতুংহ, প্রবলভাবে উত্তম্ভনােমুখ ক্রিয়া ধারণ করে, তাহা ব্যান। প্রত্যেক ক্রিয়াই সাচ বিকাল বা Pulsative (ইহার কাণ ১২৪ পৃষ্ঠ দৃষ্টব্য)। সেই উত্তম্ভিত ক্রিয়ার সঙ্কোচভাব-সম্পৃক্ত অতি পবিণাম অপান । এবং অনুনয্যে ভ্যতাপ্রধান ক্রিয়া সম্পৃক্ত অতি পৰিণাম সমান। এইরূপ বাহক্রিয়া সম্পর্কে পরিণত হইয়া অমিত বাহরণ স্বপ হয়। অত পর প্রতি হইতে চিত্ত নামক আভ্যন্তর করুণ বিরূপে হয়, দেখা যাউক। বাহরণর কোন ব্যাপার বা বিষয় (২৮ পৃষ্ঠ দ্রষ্টব্য) হইলে তাহা ধুদ্ধ হয়, কাকা বােধ সর্বকরণেই অধিক পরিমাণে আছে। সেই বুদ্ধভাব অপ্ত বরণের স্থিতিবৃত্তিৰ দ্বারা বিধৃত হইবে, কারণ ধাবণ কৰাই স্থিতিবৃত্তির কাৰ্য। সেই সৰ্ব্বধারক (কবণ ও বিষয় ধারক) স্থিতি বৃত্তিব বা তাম অবি(মনের বার্পিত বিষয় ধারণরূপ যে পরিণাম হয়, ভাগই চৈত্তিক পতিবৃত্তি। পূৰ্ব্ব ভাবের অনুউর সহযােগে বাহ্যভাষ (গৃহমাণ বা গৃহীষ্যমাশ) নিশ্চয়কারিক অশ্বিপরিণামে নাম প্রােণ বৃত্তি । তদ্রুপ করণগত ভাবের (পূৰ্ব্বত স্থিতি} অথবা ঈমান দুখাদি]) বােধ স্বরূপিণী অস্মিতা অনুভব। পূৰ্বানুভযােগে প্রকাশ্য বাৰ্যাদি বিষশ্বর সহিত আয়স্বৰূকারি অতি যাহাতে শক্তি সক্রিয় হয়, তাহাই চেষ্ট বৃত্তি। ইহাও পূর্ববৃত (Tমন সঙ্কল্পে ও কল্পনা) এব নিষ্যমাণ (যেমন অব ধান চেষ্টা) উভয়বিধ বিষয় ব্যবহারকারী। বন্ধুর ব্যবহাব সিন্ধ্যর্ণ অবাস্তব = विवाहान শীতের পেন্ট প্রভৃতি *প ভাহা স্তম্ভিত হইয়া ক্রিয়া হয় পোৰি ৰিশ্লষ্ট হয় অস্ত এ সেই বিষ্টি দ্ৰবা যাহা হইতে শক্তি ক্রিয়ারূপে কতক রূপগত ইলছে তাহা পোদি ফিয়াশ ক্তর সঙ্কোচাষ। তাহাই অপ ন নামক অনিতার বিষয়। এ এ অপন কুচি ৰ প্রতিক্রিয়া বা অপফিয়শ ফু কাবিন হইল।
সমবাযপ্রণালী---সুখ-দুঃখ-মােহেব তথ্য। ১৫ '। বিষয়ক শব্দানুপাতী অমিতা-পরিণাম বিকল্প । ভাষাতে এইত্তি অবশ্য যাব, ইহা বিদ্যমান ও বিদ্যমান উভয়বিধ বিষয় বাবহার করে যেহেতু বিদ্যমান বিষয় আশ্রয় কবিয়া অবাস্তব বিষয়কে লক্ষ্য কৰে। গৃহ্যমাণ, গৃহীত ও গৃহীষ্যমাণ এবং অগৃহ্যমাণ, এইপ্রকারে বিষয় ত্রিবিধ বুলিয়া চিত্তে ক্রিয়া বা ব্যবসায় মূলতঃ ত্রিবিধ ; যথা, সদ্ব্যবসায় বা বর্তমানবিষয়ক, অব্যবসায় বা অতীতনাগতবিষয়ক এবং অপরিদৃষ্টব্যবসায় বা অহমাণবিষয়ক। श्रम গ্রহণ , দ্বিতীয় চিন্তন , তৃতীয় = ধারণ। ২৭। প্রমাণাদি বৃৰি সকলেব বিষয় ত্রিবিধ , যথা, বােধ্য, প্রবর্তনীয ও ধাৰ্য। সেই বিষয় ব্যাপার কালে চিত্তে যে গুণের প্রাদুর্ভাব হয়, তদ্ভাববহিত চিত্তই অবস্থাবৃত্তি বা গুণবৃত্তি। ক্রিয়া ও জাভ্যতার অল্পতা এবং প্রকাশের আধিক্য পাকিতাব লক্ষণ। অতএব যে বিষয় ব্যাপাৰ স্বক্রিয়া বা স্বল্পাস- সাধ্য অথচ খুব ক্ষুট, তাহাই সাত্ত্বিক হইবে। এইরূপ বিষয়-ব্যাপার হইলেই সুখ হয়। অনুকুল বেদনার তাহাই অর্থ। সেইরূপ রাজস বা ক্রিমাবহুল বিষয় ব্যাপারে চিত্ত অবস্থিত হইলে দুঃখ বা প্রতিকুল বেদনা হয়। আর যে বিষয় ব্যাপার অনায়াস সাধ্য কিন্তু যাহাতে বােধ অস্ফুট, তাহা সুখ দুঃখ- বিবেক শূন্য মােহাবস্থা। এক্ষণে উদাহরণ দিয়া ইহা দেখা যাউক। শনে কর, তােমার পৃষ্ঠে কেহ হাত বুলাইতেছে। প্রথমতঃ তাহাতে বেশ সুখ বােধ হইতে লাগিল , কিন্তু তাহা যদি অনেকক্ষণ ধরিয়া এবভাবে করা হয়, তখন যন্ত্রণা হইতে থাকে। অর্থাৎ প্রথমতঃ বােধ-ব্যাপারে (শেষের শুনায় ক্রিয়া যখন অল্প ছিল, তখনকার স্কুট বোধ সুখময় ছিল। সেই ক্রিয়া বৃদ্ধিতে অর্থাৎ বােধ-ব্যাপাব যখন বহুল ক্ৰিা যুক্ত হইল, তখন দুঃখময় বেদনা হইতে লাগিল। পরে আবও হাত বুলাইতে থাকিলে যন্ত্রণা অত্যধিক হইয়া শেষে নিঃনা হইয়া আর যন্ত্রণা অনুভবেও শক্তি থাকিবে না। তখন সেই বােৰ-ব্যাপাবে গ্রহণক্রিয়াধিক্য ও তজ্জনিত সুখ বা দুঃখের অনু- অব পাকিবে না এজন্য অতিপীড়ার শেলে আর দুঃখ বােধ থাকে না)। সেই ক্রিযাধিক্য ও স্ফুটত-শূন্য (সুখ দুঃখের তুণনায় বােধাবস্থার নাম মোহ। এই জন্য বলা হয়, সত্ত্ব হইতে সুখ, স্বজঃ হইতে দুঃখ এবং তমঃ হইতে মােহ। সাধাৰণ বিষয়-ব্যাপাবে সাধারণ-বিষয়-গ্রহণে) সুখ, দুঃখ ও মোহ এটভাবে থাকে (যেমন সাধারণ খাওয়া শােয়া ইত্যাদিতে)। যখন অসাধাৰণ साग्यात्त्वालोक -পবিশিষ্ট। অর্থসিদ্ধি বা মিষ্টানাদি সযােগ হয়, তখনই আমরা সুখ হইল বলি। সেইপ স্বার্থের সম্যক্ ব্যাঘাত বা শবীরের স্বভাবতঃ (অল্পোদ্রেব সাধ্য যে অনুভব আছে, তাহাব বােপােথ অত্যুদ্রেকজনিত পীড প্রাপ্তিতে আমরা দুঃখ হইল বলি । এবং অতিদুখের শঙ্কাজতি ভয় অথবা গুদ তব শাবীব পীড়ায় বােধ চেষ্টা শােপ হইলে আর মােহ হইয়াছে বলি। সুখাদিরা বােধেরই এক এক প্রকার অবহা বলিয়া তাহাদের নাম বোধগতাবস্থাত্তি। সুখ ইষ্ট বলিয়া তদনুস্মৃতিপূৰ্ব্বক সল্লাতে চেষ্টা কার , সেইরূপ দুখ অনিষ্ট বলিয়া তদ্বিরুদ্ধে চেষ্টা করি , অব মুগ্ধ হইয়া অস্বাধীনভাবে চেষ্টা কবি। এই ত্রিবিধ চেষ্টাবস্থার নাম বাণ, দ্বেষ ও অভিনিবেশ। এতদ্ব্যতীত আৰ একপ্রকার চিত্তাবস্থা হয় , তাহাদের নাম জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও নিদ্রা। জাগ্রৎকালে প্রতি নিয়ত চিত্তেতে বাহ্যকণজ বােধবৃত্তি হইতেছে। যদিচ আমাদের অঙ্গ সকল যুগ্ম এব তাহাদেব এক একটীতে পর্যায়ক্রমে ব্যাপার হয় কিন্তু চিত্তে নিয়তই ব্যাপার চলিয়াছে। গুণের অভিভাব্যাভিভাবক স্বভাবে এই গ্রহণ ব্যাপারেরও অভিভৰ হয় , তখন ইন্দ্রিয়াভিমুখ অবধানবৃত্তি (যাহা গ্রহণের মূল) অভিভূত হইয়া যায়। ইহা হইয়া কেবল চিন ব্যাপার থাকিলে তাহাকে স্বপ্নবস্থা বলে। পরে চিত্তন ক্রিয়াও সমস্ত ক্রুদ্ধ হইলে তাহাকে নিদ্রাবস্থা বলে। জাগ্ৰবস্থায় সমস্ত কৰণীধিষ্ঠানই অজভ থাকিয়া চেষ্টা কবে। স্বপ্নাবস্থায় জ্ঞানেন্দ্রিয় এব কতক পরিমাণে কস্মেন্দ্রিয়ও জড হয় এব অববানবৃওিব অতিরিক্ত যে সকল চিত্তাধিষ্ঠান, তাহারা সক্রিয় থাকে। সুষুপ্তিকালে তাহাবাও জাড্যতা পায়। সেই জাড্যতাবলম্বী বৃত্তির নামই নিদ্রা। নিদ্রাকালেও একপ্রকার অস্ফুট বােধ থাকে, যাহাতে পরে ‘আমি নিদ্রিত ছিলাম এইরূপ স্মৃতি হয়, কারণ অনুভব ব্যতীত স্মৃতি সম্ভব নহে। জ্ঞানেন্দ্রিয়াদিৰ ন্যায় প্রাণেব ওরূপ দীর্ঘকালব্যাপী নিদ্ৰা নাই, যাহা গাছে, তাহা তামসত্ববিধায় আমাদের গােচ হয় না। এক নাসায় এককালে শ্বাসবায়ু প্রবাহিত হয় দেখিয়া জানা যায় যে শরীরের বাম ও দণি অঙ্গদ্বয় পৰ্যায়ক্রমে কায্য করে। সেইজন্য সমানাদির অধিষ্ঠানত অংশ সকল কতক গণ কাৰ্য্য করে ও কতক শ স্থির বা জড় থাকে। অ-পিণ্ড ও শ্বাস যঙ্কের সেই জাভ্য অল্পকালস্থায়ী, অর্থাৎ কতক কালের জয় ক্রিয়া ও পরে মাড্যতা প্রিিনম্ন পর্যায়ক্রমে চলে । ৫ণন ক্রিয়া তামস বা গবায়প্রণালী-গুণসংযোগের পরিলেখ । আনেচ্ছা-নিবপেক্ষ বলিয়া নিদ্রাকালে জানােচ্ছ। দুগ্ধ হইলেও উহার কায্যেব ব্যাঘাত হয় না। আদিম গুণ সকলের অভিব্যাভিভাবক স্বভাব হইতেই শরীবাদির প্রত্যেক ক্রিয়াই সঙ্কোচ-বিকাশী। চিত্তের সঙ্কোচ- বিকাশ (বৃত্তিরূপ) অতিক্রত, সুতরাং জাড্যতাক্রান্ত লেেিয়ব সকোচ- বিকাশ-ক্রিয়ার সহিত তাহা অসমগ্নস। কতকগুলি চিত্ত-ক্রিয়া সম্পাদন কবিতে কৃবিতে স্কুলেন্দ্রিয়ের ক্লান্তি বা অভিভব প্রয়োজন হব, কিন্তু চিবে হয় না। তখন চিত্ত স্কুলেন্দ্রিয়ের একাংশ ত্যাগ করিয়া অগ্নাংশের দ্বারা কাৰ্য্য সম্পাদন কৰায়। এই নিমিত্তেৰ দ্বাৰা উদ্ৰিক্ত হইয়া ইন্দ্রিয় সকল যুগ যুগ্ন কবিয়া উৎপন্ন হইযাছে। চিত্তেৰ সেই দ্রুতক্রিয়া যুমাধিষ্ঠান সকলে। দ্বারা কত সুসম্পন্ন হইলেও, চিত্তাধিষ্ঠানধারণকাৰিণী স্থলাভিমানিনী প্রাণশক্তি ক্লান্ত বা অভিভূত হই পড়ে, তাহতেই স্বপ্ন ও নিদ্রা হয়। এই জন্য যাহাবা বিষাজ্ঞানপ্রবাহ বদ্ধ কৰিয়। চিত্ত স্থিৰ কবিতে থাকেন, তাহাদেব ক্রমশঃ অল্পপৰিমাণ নিদ্ৰাৰ প্ৰযােজন হয়, অথবা মােটেই হয় না। ২৮। বুদ্ধি হইতে সমান পর্যন্ত সমস্ত কৰণশক্তিৰ নাম লিঙ্গ শরীর। বুদ্ধি হইতে সমান পর্যন্ত করুশ সকলের যে জাতি ও ব্যক্তির বিভাগ করা হইয়াছে, তা কেবল সাদি গুণানুসারেই কৃত হইয়াছে ইহা জ্ঞাতব্য। নিম্নস্থ পরিলেখ বা Diagram পারা করব সবলের জাতি ও বাক্তিতে কিরূপ শুণনংযােগ, তাহা সুস্পষ্ট বুঝা যাইবে। চিত্রের শ্বেতাংশ বস্তুগুণ, কৃষ্ণাংশ তগোণ, এবং দুভসঞ্চার শচিহ্ন রজোগুণ নিদর্শন। একটী শর উর্ধস্রোত যা তমঃ হইতে সবাভিমুশত বা অপ্রকাশিত সুখের প্রকাশক, আর একটা অধঃস্রোত বা তমাংভিমুখ বা একাশিতের অবির বা ধারক। এক্ষণে চিত্রীকে অন্তঃকরণের নিদর্শন ধরিলে, স আমিত্বরূপ বু%ি, র অভিমান এবং এ ধারক মন হইবে । অর্থাৎ সৰ্ককরণধারক, শক্তি মন বিষার দ্বারা উক্ত হইশে সেই উদ্রেক স-তে যাইয়া প্রকাশিত হয় , ইহাই প্রখ্যা। সেইরূপ তত আবৃত অবস্থায় সেই প্রথা প্রবর্তন করে, তাহাই স্থিতি। এই এহণে ও ধারণে যে অবারিক পৰিবৰ্তন ভাব হয়, তাহাই প্রবৃদ্ধি বা বৃত্তি সকলের উদয় ও শপ ক্রিয়া- প্রবাহ। তাহার পর, ঐ চিত্তা পাহকৃণতন্যের নিদাৰ্শন ধৰিলে, ত প্রাণ অর্থ প্রদান কঠিন বা স্থিতি অধঃশ্রোত {২২ বায়নলালী:-পবিশিষ্ট। তাহাদের অভিব্যক্তির জন্য বৈষয়িক উদ্রেকের আবশ্যক। বৈষয়িক উদ্রে- কের অভাবে তাহাদের ক্রিয়া থাকে না; ক্রিয়া না থাকিলে শক্তি অলক্ষ্য বা লীনভাব ধারণ করে। জন্য বিষয়ের সহিত সংযােগ লিঙ্গশরীরের অভিব্যক্তির জন্য অহাৰ্যনিমিত্ত। লিঙ্গশরীবের অধিষ্ঠানভূত বৈষয়িক বা ভৌতিক শরীবের নাম ভাবশরীর। ভাবশরীব স্কুল বা পার্থিব এবং পার- লৌকিক হইতে পারে। সাংখ্যশাস্ত্রে আছে- তাষ কর্মেন্দ্রি। অর্থাৎ প্রধানতঃ প্রণপ-শক্তি অবস্থার উদ্রেক বা ক্রিয়া, এবং স জ্ঞানেন্দ্রিয় অর্থাৎ প্রধানতঃ উত্রি শক্তির প্রকাশভাব। এক্ষণে কণজাতি ত্যাগ করিয়া চিত্রটাকে কাব্যক্তির নিদর্শন ধরা বাউক। প্রথমতঃ চিটীকে বুদ্ধির নিশন ধরিলে ব সাকিবুদ্ধি বা ‘ওয়াত। আমি র সবুদ্ধি বা “কা আমি, এবং ত তমসবুদ্ধি বাবা আমি’ হইবে। সেইরূপ অহংকারের নিদর্শন ধরিলে, স বোধগত অভিমান, র চেষ্টাগত এবং ও স্থিতিগত অতিমান হইবে। উহাকে মন রিয়ে, সেই স কানশক্তি, র কর্মশক্তি এবং প্রাণনশকি অর্থাৎ নদ বৈকাক্ষি বা অন্তঃকরণী- তিরিক্ত করণের মুল শক্তি। (শ্রবণাদিশক্তির) 'খা আমি উক্তি হইয়া উর্দুস্রোত হইলে জ্ঞান বা জ্ঞাতা আমি হয় এবং জ্ঞাত আমির আবরিতভাবে প্রত্যাবর্তনই “ধৰ্তা আমি”। অহংকার ও মনের সম্বন্ধেও তদ্রুপ। এক্ষণে চিত্রকে বাহকরণের বর্ণ ব্যক্তির নিদর্শন ধরা যাক। তাহাতে স শব্দ- জ্ঞানস্থান, র জ্ঞানশ্রাত, এবং শু কর্ণগোলক। উর্ধমুখর গ্রহণস্রোত এক অধোমুখ । কর্ণাবধানরূপ । অন্যান্য ব্যাহ্ন করণও এইরূপ বুঝিতে হইবে। কর্মেন্দ্রিয়ে এবং প্রাণে যে চেষ্টা আছে, তাহা অধঃস্রোত এবং তত্তগত আযােধিবো উর্ধ শ্রাত। এক্ষণে উক্ত চিত্র হইতে কিরূপে ব্যক্তি হইতে পঞ্চশক্তি উৎপন্ন হয়, তাহা প্রদর্শিত হইতেছে। চিত্রটীকে পুনশ্চ অন্তঃকরণ ধর, স বুদ্ধি, অঙ্গ ও ত মন। বৈরাকাভিশনের কিয়া ৰ দ্বারা অভিমত হইলে অন্তকরণ বাহকরণে পরিণত হয়, অতএব ধ ১, ২, ৩, ৪, ৫ হইতে ৫টা ক্রিয়াবেগ ঐ চিত্রীকে অভিহত করিতেছে। স ও ত তে প্রকাশ ও জাভ্যতা অত্যধিক, জিয়া খুব কম অর্থাৎ ঐ দুই কোটি অত্যল্প-পরিবর্তনীয় এবং স ও ত হইতে দূর মধ্যস্থল সর্বাপেক্ষা পরিবর্তনীয়, বা ক্রিয়াশীল, বা ক্রিয়াগ্রাহক। অতএব যে কিবাবেগ সতে অভিঘাত কৰিব, তাহা সর্বপেক্ষা রূপে গৃহীত হইবে ,সেইরূপ ত ৫ে সাপেক্ষ। অক্ষুট- রূপে গৃহীত হবে, এবং বৃতে ৰ্ব্বাপেক্ষা ক্রিয়াশীলরূপে অভিহত বেগ গৃহীত হইবে। ২ ও ৪ স্থানে মধ্যমৰূপে অর্থাৎ সাবিক রাজ ও রাক্ষস তামস তাৰে গৃহীত হইবে। এইরুপে জ্ঞানেশ্রিয়াধির গৰু পঞ্চ করিয়া উৎপন্ন হ।
স্বপরপক্ষ-বিচার-শ্রুতির প্রাণ। ‘চিত্রং যথাশ্রমমৃতে খাদিভস্ট বিনা যথা স্থায়। তঘধিনা বিশেধৈর্ম ভিতি নিরাশ্রয়ং লিঙ্গম্ ॥ অর্থাৎ চিত্র যেমন পট ব্যতিরেকে বা হাদি ব্যতিরেকে যেমন ছায়া থাকিতে পাবে না, সেইরূপ বিশেষ (মাত্রিক বা ভৌতিক অধিষ্ঠান) বিনা লিঙ্গ থাকিতে পারে না। অতএব করণশক্তির অভিব্যক্তির জন্য বৈষয়িক ক্রিয়ার যােগ থাকা চাই। আমাদের পঞ্চবিধ জ্ঞানেন্দ্রিয় সেই বাহ বৈষয়িক ক্রিয়াকে পঞ্চভাবে গ্রহণ করে। তন্মধ্যে কর্ণ সর্বাপেক্ষা অব্যাহত ক্রিয়া গ্রহণ করে, অপরে ক্রমশঃ জাড্যতাক্রান্ত ক্রিয়া গ্রহণ করে। এ বিষয় গ্রন্থমধ্যে সবিশেষ প্রদর্শিত হইয়াছে (৪• পৃষ্ট দ্রষ্টব্য)। পুর্বেই প্রমাণিত হইয়াছে যে, বাহক্রিয়া বিরাটনামক পুরুষবিশেষের অস্মিতা-প্রতিষ্ঠিত ; সেই ক্রিয়ার ভেদভাবই পঞ্চ তন্মত্র ও ভূতের স্বরূপতত্ত্ব। ইহাও গ্রন্থমধ্যে প্রদর্শিত হইয়াছে (৬৯ পৃষ্ঠ দ্রষ্টব্য)। বিরাটু পুরুষের নিকট অবশ্য ভূতরূপ বাহধ্যাতি থাকিবে না; কারণ স্বকীয় আভিমানিক ক্রিয়া গ্রহণরূপেই প্রতিভাত হয়, এরূপে নহে। এইরূপে প্রকৃতি-পুরুষ হইতে সমস্ত তত্ত্ব উদ্ভূত হয়। কোন বিষয়ের প্রকৃত মননের জনা বিশ্লেষ ও সমবায় এই উভয় প্রণালীর যুক্তির দ্বার বুঝিতে হয়। এইরূপ মননের পর নিদিধ্যাসন করিলে তবে সাক্ষাৎ কার হইয়া ত্যতা ও ত্ৰিতাপ হইতে একান্ততঃ ও অত্যন্ততঃ মুক্তি হয়। } স্বপর-পক্ষ-বিচার। ২৯। দর্শনশাস্ত্রের মধ্যে কতকগুলি মােক্ষ-প্রতিপাদক। তন্মধ্যে যাহার বেদের প্রামাণ্য স্বীকার কবেন, তাঁহাদের নাম আস্তিক মুক্তি-দর্শন } আস্তিক দর্শনের মধ্যে কেহ কেহ জগতের ঈশ্বকর্তৃকত্ব স্বীকার করেন, এবং সাংখ্যশাস্ত্র জগৎকে প্রকৃতি-পুরুষ-প্রজাত কন্য বলিয়া প্রতিপাদন করেন। সাংখীয় ঈশ্বর মুক্ত-পুৰুষবিশেষ, সুতরাং কর্তৃত্বাভিমানশুন্য। সাংখ্যগণ শ্রুতির প্রামাণ্য-বিষয়ে যে যুক্তি দেন, তাহার সার এই--আম্মা, নিরােধ সমাধি প্রভৃতি অলৌকিক পদার্থ যদিও যুক্তির দাবা সিদ্ধ হয়, কিন্তু সেই যুক্তি-প্ৰবৰ্তনার জন্য অর্থে প্রতিজ্ঞা চাই। অগ্রে প্রতিজ্ঞা না জানিলে { {২৪ মায়নলালী:-পবিশিষ্ট। ওরূপ অলৌকিক পদার্থে যুক্তি প্রবর্তিত করা যায় না। সেই প্রতিজ্ঞা সকল অমৰা পৰম্পৰাগত শাস্ত্র হইতে পা২, পবে যুক্তি দ্বারা সিদ্ধ করিয়া উপপত্তি কবি। কিন্তু যিনি আদিম উপদেষ্টা, যাহার উপদেশক ছিল না, তিনি সেই প্রতিজ্ঞা কোথায় পাইলেন? অতএব স্বীকার করিতে হইবে যে, আদিম উপ দেষ্টা সেই সকল অলৌকিক বিষ। সাক্ষাৎকার করিয়া তবে উপদেশ ববিতে সমর্থ হইয়াছিনে। অতএব শাস্ত্র 'আদিতে সাক্ষাৎকারকাবী বা জীবন মু (জীবন মুক্তশ্চ’–ংখ্যসূত্র) পুরুষ কর্তৃক উপদিষ্ট হইয়াছে। শ্রুতিতেও আছে~~-ইতি গুমাে ধীরাপা দে নস্তদ্ব্যাচচলিবে। যাহাবা আদিতে সাক্ষাৎ কার করিয়াছিলেন, তাহাদের কিরূপে ওরূপ অলৌকিক বিষয়ে প্রবৃত্তি হইল ? ইহার উত্তরে প্রান্তীয় প্রবল সংস্কার বলিতে হইবে। কথিত আছে, কপির্ষি মােসাধনােপাের্গী ফুট ভ্রান সহ জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন , সাক্ষাৎকার কবিয়া আসুরি মুনিকে উপদেশ করেন। পূর্ব সর্গেব জ্ঞান এইরূপে এই সর্গে প্রকাশিত হইতে পাবে। যাহাবা বেদ শব্দার্থ বিদ্যা বলিয়া বুঝেন, তাহারা এইরূপে পূৰ্ব্ব পূৰ্ব্ব কল্প হইতে আগত ব্ৰহ্মবিদ্যাকে অনাদি বলিতে পারেন। প্রচলিত দুই তিন প্রকাবের ভাষাতে রচিত গ্রন্থ সকলকে বেদ বুলিলে নানা গােল হয়। জীবন্মুক্ত পুরুষের লক্ষণ পৰ্যালোচনা কবিলে তাহাদের উপদেশ কিরূপ অনবদ্য হইবে, তাহাব কতক জ্ঞান হইতে পারে। তন্য প্রচলিত শাস্ত্র সকলকে আদিম ধীরগণের উপদেশাবলম্বনে রচিত বলা বাৰ্তীত আর গত্যন্তর থাকে না। ইতি শুশুম এই শ্রুতিতে উহা স্পষ্টই উল্লিখিত হইযাছে। যে সাধনে জীবন্মুক্ত হয়, তাহাতে সমস্ত বাহবিষয়ে চৰমবৈরাগ্য করিতে হয়। তাঁহারা বাহজগৎকে কিরূপ দেখেন, তাহা ভূত তন্মাত্র সাক্ষাৎকারে উক্ত হইয়াছে। এমন কি, তাঁহাদের বাবার্থ সঙ্কীর্ণ চিত্তবৃত্তিও ত্যাগ কবিতে হয়, এবং তাহাদের ব্রহ্মাদিলেকি কবতলগত হয়। অতএব বুঝিতে পাবিবে, এই ক্ষুদ্র পৃথিবী ও মতামত খণ্ডনাদি বিষয়ে তাহাদের কিরূপ অভিরুচি (অভিরুচি বৃত্তি ও তাহার পূর্বেই ত্যাগ করেন) হইতে পারে। তাদৃশ পুরষ প্রায়শঃ জলবুদবুদের ন্যায় বাহজগৎকে শস্য না করিয়া কৈবল্য আয় করেন। কেহ কেহ বা কারণবশতঃ (তাহাৰ পূৰ্ব্বে { কারণ্য মৈত্রাদির দ্বারা চিওের পবিকৰ্ম্ম করেন, চিত্ত অভিব্যক্ত হইলে স্বভাৰত, কারণ্য হইয়াই হয়) শীষণ চিত্ত অথবা নিম্মাণ চিত্ত আশ্রয় পর-পক্ষ-বিচাব-~-সংখ্যের প্রঃীনতাদি । १३५ বসিয়া আয়ােপলব্ধি উপদেশ কবেন । শ্রোতৃপুষগণ তাহা ছন্দোৰণে বিন্যস্ত কবিয়া রাখিয়াছেন। সাংখ্যশাস্ত্ৰ আদিতে এইরূপে উপদিষ্ট হইয়াছিল। সাংখ্যশাস্ত্রের মধ্যে যোগভাষাই সর্বাপেক্ষা প্রাচীন প্রামাণিক গ্রন্থ। উহা ব্যতীত সংখ্যক সম্যৰ বুঝিবাব উপায় নাই। বিজ্ঞানভিক্ষু বলিযাছেন যে, (প্রচলিত) সাংখ্যাদি নানাব অসৈ।বাংশেযু কুৎসুশ'। পঞ্চশিখাচাৰ্যই সাংখ্যের আদিম সূত্ৰগ্ৰন্থ ৰচনা কবেন। সেই এক এক উজ্জল মহা-স্বরূপ সূত্র যােগােয্যকাব স্বগ্রন্থে উদ্ধৃত কবিয়া দােক্তি-সমর্থন কবিয়াছেন। পঞ্চশিখাচার্যোব গ্রন্থ অধুনা লােপ হইয়া গিয়াছে। তাহা হইতে উদ্ধত বচনে আছে-“আদিবিদ্বান্ নিস্মাণচিত্তমধিষ্ঠায কারুণ্যাৎ ভগবান্ পবমষিবাসুরয়ে জিজ্ঞাসমানায় তন্ত্রং প্রোবাচ”। এইরূপে সাংখ্যশাস্ত্র আদিতে কথিত হইয়াছিল। যাহারা প্রচলিত সাংখ্যদর্শন কপিল ‘লিথিয়া- ছেন কি না বলিয়া মস্তক ঘর্মান্বিত কবেন, তাঁহাদেব ইহা অনুচিন্তন করা উচিত। পঞ্চশিখাচাৰ্য্য মিথিলাধিপ জনক-বংশীয় নৃপবিশেষের ‘গুর ছিলেন। তাঁহার কাল জানিতে হইলে মহাভাৰতস্থ প্রাচীন ইতিহাসে শবণ লওয়া বর্তীত গত্যন্ত নাই। তাহাতে জানা যায়, তিনি যুধিষ্ঠিবাদিৰ বহুপূর্কের লোক। বস্তুতঃ পাণ্ডবদের সময় মিথিলা-ৰাজ্য ছিল না। তাহাদের দিগ্বিজয় কোশল, উত্তৰ-কোশল, মল্লদের দেশ প্রভৃতি পাওয়া যায়, কিন্তু মিথিলা পাওা যায় না। পঞ্চশিখ আবির শিষ্য, আসুরি কপিলের শিষ্য। কপিল- বির ও সাংখ্যশাস্ত্রের উল্লেখ উপনিষদেও পাওয়া যায়, যথা-খামিং কপিল প্রসূতং পুৰাণ, তৎকাৰণং সাখ্যযােগাধিগম্য। আত্মজ্ঞান বেদে সংহিতা- ভাগেও দৃষ্ট হয়; যেমন ঋণুসংহিতার বাগাৎণি ঋযি দৃষ্ট সূক্ত, যাহা দেবী- সূক্ত নামে প্রচলিত। অতএব কপিলযিৰ পুৰ্ব্বে ও কোন কোন জীবন্মুক্ত ঋষি ব্ৰহ্মবিদ্যা উপদেশ করিয়া গিয়াছিলেন এবং তাহা যন্ত্রাকারে শুত হইয়া আসি- তেছিল। কিন্তু সেই সকল প্রার্চীন উপদেশ পদার্থোপমা, সযুক্তিক নহে। কপিলধিই প্রথমে সেই চরম পদার্থে উপনীত হইবাব নিম্ন সােপান সহ উপদেশ করিয়া গিয়াছেন। সেই সােপান অবশ্য দ্বিবিধ-যুক্তিমার্গ, যাহা দ্বাৰা শ্ৰত প্রতিজ্ঞার উপপত্তি হয় এবং সাক্ষাৎকাৰমাণ বা যােগ, যাহা দ্বারা সেই উপপন্ন বিষয়ের সাক্ষাৎ হয়। প্রথম মাই সাধারণতঃ সাংখ্যনামে অভিহিত হয়। অঃ শেখা ও অঙ্ক কষাতে যে ভেদ, সাংখ্য ও যােগেতে সেই ভেদ। পরব- !
বায়ালী-পরিশিষ্ট। - এহিণণ ‘গেশ্বর’ ও ‘নিরীশ্বর” বলিয়া যে সাংথ্য ও যােগের ভেদ করেন, তাহ বালকতা মাত্র। বস্তুতঃ উভয়ের তত্বে বিন্দুমাত্রও পার্থক্য নাই এবং হইতে পারে না। প্রাচীন মনীষিগণ, যাহাদের সত্য ও জ্ঞান প্রধান অবলম্বন ছিল, যাহাদে অন্ধ বিশ্বাসের তত আবশ্যকতা ছিল না, তাহারা প্রায়শঃ ঐ সাংখ্যতত্বের দ্বারা জগতের সূতিসুক্ষ্ম ভাব উপলব্ধি করিয়া স্বতকৃত্য হইতেন। ৩০। অন্য সমস্ত প্রাচীন মােক্ষশাস্ত্রে পাংখ্য ও যােগ ভূরি ভূরি স্থানে উল্লিখিত হইছে, এবং মদিশাস্ত্রও তদবলধি দেখা যায়। সাংখ্যশাস্ত্রের দ্বারা জগতের উদ্ভব-লয়ের ও কারণের তত্ত্ব যেরূপ উদ্ভাসিত হইয়াছে, তাহা যে অদ্যাবধি জগতে অতুলনীয় ও গভীরতম, হাতে যে অন্ধ বিশ্বাস ও অজ্ঞেয়বাদের অবকাশ নাই, তাহা বােধ হয় পাঠক মাদৃশ নিম্প্রতি লেখনীব দ্বারাও কতক বুঝিতে পারিবেন। কিন্তু গভীর জ্ঞান জগতেব অল্পসংখ্যক লােকেই রচিকর হয়। পরে স্কুচি বৈচিত্র্যে নানা প্রকারে জগতের ও বুঝাইবার জঙ্গ নানা দর্শন উদ্ভাবিত হইল। তন্মধ্যে উত্তর মীমাংসা মােক্ষ- শাস্ত্র বলিয়া আদৃত। তা অবশ্য বিভিন্নরূপে প্রতীয়মান শ্ৰত্যর্থের সমন্বয়ের জন্য বুচিত হয়। ব্ৰহ্মসূত্র সকল অতি অস্পষ্ট বলিয়া নানা ব্যাখ্যাকার তাহার বিরুদ্ধ বিক্ষুব্ধ অর্থ করিয়া গিয়াছেন। আর তাহার প্রাচীন বাখাও নাই। অধুনাতন ৰাখকারগণের মধ্যে শঙ্কর মায়াবাদের পক্ষে, রামানুজাচাৰ্যাদি বৈষ্ণববাদের পক্ষে ও বিজ্ঞানভিক্ষু কতক সাংখ্য- বাদের পক্ষে, ঐ সকল সূত্রের ব্যাখ্যা করিয়া গিয়াছেন। এতন্মধ্যে মায়াবাদ অথবা মায়াবাদ অপেক্ষা তৎকৰ্তাই সাংখ্যের প্রধান প্রতিপক্ষ। মায়াকে এক মহামা পরমেশ্বর বা ব্রহ্ম জগতের মূলতত্ব। তিনি স্বীয় মায়া বা স্বেচ্ছার দ্বারা এই জগদ্ধ মায়া-প্ৰদৰ্শন করিতেছেন। যেমন ঐন্দ্রজালিক নানা- রূপ মায়া প্রদর্শন করে, তক্রপ। তাহাদের মতে মায়া বা ঐ ইচ্ছা পরব্রহ্ম হইতে স্বতন্ত্র ভ নহে, অতএব জগতের মূলত অদ্বৈত। ইহাতে কয়েকটা জিজ্ঞাস্য হইতে পারে। যথা-১ম} কর্তৃত্বভাবে কৰ্ত্তা ও করণ থাকে, উহাৱা স্বতন্ত্র পদার্থ, অতএব ঐ ঐশী ইচ্ছা কিরূপে পরমেশ্বরের অশুৎপ্রত্যয়ের সহিত অভিন্ন হইবে ? তাহা হইলে চৈতন্য ও অন্তঃকরণ এক হয়। ইহার উত্তরে কোন মায়াবী বলিয়াছিলেন, এ বিষয় অনিকা, অর্থাৎ জানি না। (২য়) স্বপক্ষ-বিচার-~মাযাবাদের অদ্ভুক্ততা। মায়া প্রদর্শন কৰিত হইলে মায়াবী হইতে স্বতন্ত্র দর্শকের প্রয়ােজন। নিজেই নিজেকে মিথ্যা মা দর্শন করাইতে পাবে না। অতএব এই বুদ্ধি হইতে শহাভূক্তরূপ শায়া পরমেশ্বৰ কাহাকে প্রদর্শন কান ? উত্তর—অব জীবকে। সেই জব কে ? তন্মতে স্বৰূপত ব্ৰহ্ম, কিন্তু মায়াব দ্বারা ভিন্ন। অতএব জীব যখন মামা-মূলক হই, তখন গােয় পরমেশ্বব নিজেকেই মায়া- প্রদর্শন কৰাইতেছেন, বলিতে হইবে। কিন্তু তাহা অসম্ভব। অতএব কাহাকে যে মায়া-প্রদর্শন কবাইতেছেন, অর্থাৎ অজ্ঞান কাহার, তাহার উত্তৰ নাই। (৩) কাদি অনাদি, সুবাং জীবরও অনাদি। অতএব বলিতে পার যে জীব পুর্বে পরমেশ্বব ছিল, পবে জীব হইয়াছে। অনাদিকাল হইতে যদি জীব পৰমেশ্ব হইতে স্বতন্ত্র, তবে অনাদি ব্ৰহ্ম ও অনাদি জীব-রূপ স্বতন্ত্র তত্ত্বয় স্বীকার করতে হয় (বৈষ্ণব দার্শনিকে এইপ্রকার প্রকার কাবয়াছেন, কিন্তু মায়াবাদি। তাহা স্বীকার করেন না। এইরূপে মায়াবাদের মুল বহুদোষযুক্ত দেখা যায়। অনাত্মভান যে সমস্তই মাযাস্বরূপ বা বিপর্যয (অর্থাৎ বিপরীতজ্ঞান), ইহাতে সাংখ্যের ও মায়াবাদের ঐকমত্য আছে। কিন্তু সেই বিপৰীতজ্ঞান যে ঘটিয়াছে, তাহা ত সত্য। সেই সত্য ঘটনাৰ মূল কারণ অবশ্য সত্য হইবে। অজ্ঞান দেখিবাৰ সেই মুল কাবা কি? মাযাবাদী বলিবেন, পবমেশ্বরে ইচ্ছা বা মায়া। অতএব মায়া বা পৰমেশ্ববেব ইচ্ছা ‘আছে, সত্য। এখন বিচাৰ্য, ইচ্ছা ও পবনেশ্বৰ কি এক পদার্থ ? পূৰ্ব্বে প্রদর্শিত হইয়াছে যে, ইচ্ছা অন্তঃকরণ-ধৰ্ম্ম ; তাহাৰ দুই মুল কাবণ, এক চিন্মাত্র পুরুধ ও অপর অব্যক্ত; তাহাদেব সংযােগেই ইচ্ছা উৎপন্ন হইতে পাবে, অতএব (ইচ্ছযুক্ত) পরমেশ্ববেও চিৎ ও অব্যক্ত-রূপ দুই মুলভাব পাওয়া গেল। কর্তৃত্বাদি সমস্ত ভাবই ঐ দুই মুলভাবেব সংযােগ হইতে হয়। তন্মধ্যে চিৎ নিস্ক্রিয় স্বরূপ এবং অব্যক্ত ত্রিগুণাত্মক ; তাহাদেব সংবােশই ইচ্ছাদি সকল ভাবে মুল। ইচ্ছা কখনও মুল হইতে পারে না। শ্রুতিতে আছে- *দেবস্য (চিন্মস্য) স্বভাবেহিষমাপ্তকামস্য কা স্পৃহা * ‘নিচ্ছিদকাসে কৰ্ত্তা সন্নিধিমত্ৰতঃ।” “নিবিচ্ছে সংস্থিতে রত্নে যথা লোহ: প্রবর্ততে। সমাণে দেবেন তথা চাষং জগনঃ ॥” ইত্যাদি প্রতিও উকাব প্রতিপাদক।
মাংখ্যের ঈশ্বব-অনাদি মুক্ত কম। সন্ধাদি চিত্তবৃত্তি বাহবিয়ােপজীবী। বাহবিষয়েব স্মতি না হইলে ইচ্ছাদি হইতে পাবে না। অতএব ইচ্ছার দ্বারা কখনও অজ্ঞাত পূর্প পদার্থ সৃষ্ট হইতে পাবে না। আব সৃষ্ট পদার্থ পূজ্ঞাত হইলে তাহারা অনাদি বর্তমান বৃণিতে হয়, সুবাং তাদৃশ ঈশ্বর জগতে একমাত্র বা হইতে পাবেন না। --- { ঈশ্বব। সাংখ্যের ঈশ্বর । ৩২। “বুদ্ধি ও পুরুষের ভেদ জ্ঞান মাত্রে প্রতিঠিত চিত্তেৰ সৰ্ব্বজ্ঞাতৃত্ব এবং সতবাধিষ্ঠাতৃত্ব হয়”-~~এই যােগসূত্র হইতে জানা যায়, চিত্তেব অবস্থা বিশেষে সজীবেবই পাৰ্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমত্তা লাভ হইতে পারে। এই জন্য সমস্ত মুক্ত পুরুষই যে উপাধি কন্ধ কবি মুক্ত হন, সেই উপাধি সার্বজ্ঞাদ্বিযুক্ত হয়। সংসাব যেমন অনাদি, তেমনি মুক্ত পুৰুষও অনাদি- বল হইতে বিদ্যমান থাকিবে ৮৩ পৃষ্ঠ দ্রষ্টব্য)। সেই অনাদি মুক্ত পুষই আমরা পূর্বে দেখাইয়াছি (১৩৭ পৃষ্ঠ) যে, ইচ্ছা বিশ্বের মূল কারণ হইতে পারে না, কাৰণ তাহা সংযােজ দ্রব্য। ঈশ্বৰ হইতে স্তম্ব পর্যন্ত সমস্ত ভাবে মূল কাৰণ চিৎ ও অব্যক্ত। তাহাদেব সংযােগে বিশ্বের সমস্তই হইতে পারে। মনে হইতে পারে, ঈশ্বর বিশ্বেৰ মূল উপাদানের স্রষ্টা না হইতে পারেন, কিন্তু তিনি বিশ্বের রচয়িতা হইতে পাবেন। পাবেন সন্দেহ নাই, কিন্তু তাহা নিষ্প্রয়োজন ; যেহেতু চিৎ ও প্রধানই বিশ্বেৎপাদনে সমর্থ। বিশেষতঃ, এই দুঃখবহুল সংসাৰ উৎপাদন বা কোন মহং পুরুষের উদ্দেশ্য হইতে পাবে না। যদি বল, দুঃখ না হইলে সুখের মাহাত্ম্য বুঝা যায় না, তাই ঈশ্বর দুঃখ সৃজন কবিয়াছেন। তাহা হইলে তুমি বলিতেছ, দুঃখ ব্যতীত সুখ বুঝাইবার ক্ষমতা ঈশ্বরেক নাই, অর্থাৎ তিনি অল্পশক্তি। নচেৎ তিনি ত দুঃখ না দিয়াও কেবল সুখ বুঝাইতে পারিতেন। যদি বল, তিনি যদি আমাদের সী না হইলেন, তবে তাহার দ্বাবী আমাদের কি হইবে? কেন ?-যে স্রষ্টা সর্বশক্তি হেতু তােমাকে কেবল সুখে বাখিতে পারিলেও, নানাপ্রকার দুপ ভোগ কৰাইবাব জনা সৃষ্টি করিয়াছেন, তিনি কি তােমার ভালবাসার পাত্র? যদি সরল যুক্তি অনুসারে চল, তবে সংখ্যানুসারে বলিতে পারিবে, “ছে প্রভো! তুমি আমার এই দুঃখ ভেগে কী নই, কিন্তু তােমাকে উপাসনা কবিশে সমস্ত দুঃখ অপগত হয়, তাই তুমি আমার প্রিয়তম। ঈশ্বৰ যদি নিষ্ক্রিয়, (৪৫ সুনাদী,-পরিশিষ্ট তবে তার উপাসনার ধারা অামাদের প্রীঃ সিদ্ধি হয় কেন? তোমায় যাহা অপিন্ধি, তাহাতে প্রায়ই পার অনিষ্ট সিদ্ধি হয়। তুমি চাবি পাইলে, কিন্তু তাহাতে ৫ হন উমেদার বিল মনােরপ হইল। ঈশ্বর তােমায় ভাল বিয়ে বাইয়া ৫ জনের মন করিলেন, ইহা বিবচনা না করিয়া বরে উপ ফল প্রাপ্তি ন্যস্ত করা কি যুক্ত নহ? বস্তুতঃ ঈশ্বরোপাসনাও এককাপ কর্ম, তদ্বারা সমস্ত ভাই সিদ্ধি হইতে পারে। শাস্ত্রে অবশ্য প্রাচীন মুলশাস্ত্রে) যে বহণে ঈশ্বৰে কৰি আরােপিত হইয়াছে তাহার গতি কি? শাস্ত্রোপদেশ দুই দিক হইতে কত হইয়াছে, তবে দিক্ হইতে ও সাবনেব দিক্ হইতে। ইহা না বুঝিলে শাধের বিষম গােল হইয়া উঠে। মনে ক—“ঈশ্বঃ সৰ্ব্বভূতানা স্বদেশেহন তিষ্ঠতি। ভ্রাম সব ভূতানি বাড়ানি মায়া ৪” ইহা যদি তব হয়, তবে কত গােল। আর সাধনের দিকে তােমাৰ অনাশত ঈশ্বরকে দয়ে চিন্তা করি নিজের মধ্যে যদি ঈশ্বর প্রকৃতির অপূরণ কবিতে চেষ্টা কর এবং তােমার যাবতীয় কর্ম নিজকে অতিমান ধ্যান কর, তবে কত মঙ্গল। ঐ দুই ব্যাখ্যানপ্রণালী বুঝিলে আর কিছুই গােল পাকিবে না, নচেৎ অনেক গােল। ফলতঃ যত আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি হয়, ততই আমরা গ্যাপারে কোন পুরুষের ক্রিয়াল দেখিতে পাই না কেবল প্রাকৃতিক নিয়ম দেখিতে পাই। সাংখ্যশণ বিশ্বের মুশ পৰ্যও সমস্ত নিয়ম আবিষ্কার করাতে, কমলকবং এই বিশ্বকে সমস্তই কার্য- কাবাপরম্পরা দেখেন, কোথাও না বুঝিতে পারিয়া ঈশ্ববেচ্ছাব উপর চাপাইয়া উদ্ধাৰ পাইতে হয় না। কিঞ্চ লােকে যাহা না বুঝে, তাহাই ঈশ্ববোচ্ছা বলিয়া কাটাইয়া দেয়। উহা অজ্ঞানতার তুল্যার্থক। ক্রোধ, প্রতিহিয়া, অশ্চমা প্রভৃতি যাহা মনুষেরই পশে দোষ, তাহাও অভ্রলোকেরা ঈশ্ববে আরোপ করিতে ত্রুটি করে না। তুমি মনে কর, ঈশ্বর তােমার কত উপকাৰ কবিবর উদ্দেশে এই নদী সৃজন করিয়াছেন, কিন্তু পত্রের জল পৃড়াইয়া যাইয়া যখন ঐ নদী হয় তখন তাহাতে যে সকল প্রাণী প্রাণ হাইয়াছিল, তাহা বলিয়াছিল, কোন অসুর আমাদের এই বিষম দুখ দিতেছে”। যাহা হউক, এইরূপে সাখাযােগিগণ ঈশ্বরের নিষ্ক্রিয়মুক্তারূণ স্বরূপতত্ত্ব সুমতি যুক্তি-বলে অবধারণ কবি বাহ সমস্তু ত্যাগ করিয়া তাহাতেই অনন্তচেতা হইয়া পরমা সিদ্ধি লাভ করেন। ইনি মুমুক্ষুসেব্য নি । ঈশ্বৰ সাংখ্যের ঈশ্বর-হিরণ্যগর্ভ। १४१ (সত্ব, রজঃ ও তমােগুণেৰ অংশীভূত)। এতদ্ব্যতীত আমাদের এই প্রহ্মাণ্ডেব অধিষ্ঠাতা হিবণ্যগভরূপ ঈশ্বৰও সাংখ্য-মিস্ক। মুক্তির এক পদ নির সােপানেৰ নাম সাস্মিত সমাধি ; ইহাতে বুদ্ধিতত্ব পর্যন্ত সাত হয় । তাদৃশ পুৰুষ আত্মাভিমুখ হইয়া অবস্থান কৰিলে তাহাকে প্রকৃতির্ণীত বলে। তাহাবা মােক্ষে ন্যায় অবস্থায় থাকেন বটে, কিন্তু তাঁহাদেব চিত্তের পূন- কখন হয়, অর্থাৰ সঁহাদেব অন্তঃকৰণ মুক্ত চিত্তেৰ ন্যায সৰ্ব্বকাল 'অব্যক্ত ভাবে থাকে না, কিন্তু সকালে আদিম ব্যক্তির যে বুদ্ধিতত্ত্ব, তাহাতে অবস্থিত থাকে। সেইপ ব্যক্তভাব খাকিলে যােগােক্ত নিয়মে {৯৪ পৃষ্ঠ} তাহাদেব ব্রহ্মাণ্ডেব সাজ্ঞ থাকে। সাজ্ঞা থাকিলে সৰ্বব্যাপিত্ত্বেও ভাব থাকবে। ব্রহ্মাণ্ডেব উপল তাদৃশ পুৰুষে ঈশিত্ব থাকে। তিনি ব্ৰহ্মাণ্ডের উচ্চতম যে সত্য বা ব্রহ্মলােক, তথায় সম্যক অভিব্যক্ত থাকেন। অবশ্য যে যে পুরুষ সাস্মিত সমাধি আয়ত্ত কবেন, তিনিই তাদৃশ-শক্তিসম্পন্ন হইবা সেই লােকে যান। মনে হইতে পারে, তাদৃশ শক্তিসম্পন্ন বহু পুরুষ থাকিলে কেহ না কেহ ত ব্রহ্মা শুকে বিপয্য কৃবিতে পাবেন। থে সাধনে ঐরূপ পদত হয়, তাহা ভাবিলে আব উহা মনে হইবে না। মৈত্রী- কণীদিৰ দ্বারা চিত্তকে যাহাবা সন্য সুপরিষ্কত কবিয়াছেন, যাহাবা বৈবাগ্যেব দ্বাৰা ইন্দ্রজালকল্প বিষয়কে চিত্ত হইতে বিদুৰিত কবিয়াছেন, যাহাবা নিস্তবঙ্গ মহামুধাব্দিকল্প পরমানন্দময় মহদাভাবেই সদা অনুষক্ত, তাহাবাই সেই পদস্থ হন এবং তাহাবা যে বালােম্মত্তের ন্যায় ব্যবহার করিবেন না, তাহা নিশ্চয়। আমরা পূৰ্বেই দেখাইয়াছি (১০৯ পৃষ্ঠ), ব্রাহ্মণো- পনিষদে প্রজাপতি, শিব, বা বিষ্ণুই এই সংখ্যীয হিৰণ্যশ। হিৰণ্যগর্ভ অর্থে যাহাৰ গৰ্ভ বা সন্তুৰ হিরণ্যন্য বা মহাজ্ঞানময়। এই সগুণ বা সব গুণপ্রধান ভগবানকে উপাসনা করিয়া সাধকগণ তাহাৰ আভিমুখ্য লাভ করিতে পাবেন। নব্য বৈদান্তিকদেব বিশ্ব, বৈশ্বানব ও প্রজ্ঞ, সাংখীয় গ্রহ, গ্রহণ ও গ্রহীতার কৃত তুল্যার্থক। সংখ্যায় ঈশ্বব (অনাদিমুক্ত), হিৰণ্যগর্ভ ও বিরাট পুরুষ, বৈদান্তিকদেব ঈশ্বব, হিৰণ্যগর্ভ ও বিবাটের সহিত কতক ভিন্ন। সাংখ্যমতে ঐ তিনই স্বতন্ত্র পুরুষ। কারণ মুক্ত ঈশ্বর বুদ্ধিতত্ত্ব- সাক্ষাৎকারী মাত্র হইতে পাবেন না, আৰ সূক্ষ্ম সমাধি যুক্ত হিৰণ্যগর্ভ ও সূণ অন্তঃখ এ গা-শালী বিরাট এক হইতে পারেন না। অতএ ৪২ স্বাভনালী:-পরিশিষ্ট। তাহারা বিভিন্ন পুরুষ। নবা বৈদান্তিকগণ হিৰণ্যগর্ভকে সমষ্টিবুদ্ধিব অভিমানী বলেন। সমষ্টিবুঙ্গির কোন বাস্তব অর্থ নাই, কারণ বুদ্ধি আমিত্ব- প্রত্যয-স্বরূপ, তাহাব বৃক্ষসমষ্টির ন্যায় কিরূপে সমষ্টি হইবে? বুদ্ধির অর্থ উনিশক্তি ধরিলেও তাহা প্রত্যাত্ম-বেনীয় জীব করণ হইবে, হিরণ্যগর্ভের করণ হইবে না। বস্তুতঃ বৃক্ষের সমষ্ট বন, এরূপ সমষ্টি বাচনিক মাত্র, বাস্তব একত্ব নাই। শ্রুতির তুরীয় আত্মতত্ব এবং প্রতিতত্ব ঈশ্ববাদি সাপুবে সাধাৰণ। ; লোকসংস্থান। ৩৩। শাস্ত্রমতে আমাদের এই ব্রহ্মাণ্ডের তায় অসংখ্য ব্রহ্মাণ্ড বর্তমান আছে। কারণ ব্রহ্মাণ্ড সসীম। অসীম কারণ-পদার্থকে সমান কার্য্যে দ্বারা ভাগ করিলে ভাগফল অসংখ্য হয়। পূব্দেই উক্ত হইয়াছে ৭৩ পৃষ্ঠ), সত্যলােক ব্রহ্মাণ্ডের মুলায়-স্বরূপ বিরাট পুরুষের বুদ্ধি-প্রতিষ্ঠিত। এই জন্য বুদ্ধিত-সাক্ষাৎকারিগণ মতলােকে অধিষ্ঠিত থাকেন। বুদ্ধি যেমন সকবণের আধার, সত্যলোক সেইরূপ সৰ্ব্বলােকের আধার। বাহ- দৃষ্টিতে দেখা যায়, চন্দ্র পৃথিবীতে নিবন্ধ, পৃথিবী সূর্য্যে নিবন্ধ (সূৰ্য্য যে পৃথিব্যা- দির ধারক, তাহা যজুর্বেদ ২০২৩, ঐতরেয় ব্রাহ্মণ ২ প্রভৃতি শ্রুতির দ্বাৰা জানা যায়), সূৰ্য্যও সচল ; এইরূপে এক মূল কেন্দ্র আশ্রয় করিয়া সমস্ত নিবন্ধ বহিয়াছে। যে শক্তি দ্বারা গ্রহতারকাদি বিধৃত বহিয়াছে, তাহার নাম শেষনাগ বা অনন্ত। নাগ বন্ধনবজুর রূপকমাত্র, যেমন নাশপাশ। “নমস্তে সর্পেভ্যঃ যে কে চ পৃথিবীম।' যে চান্তরীক্ষে যে দিবি” ইত্যাদি শ্রুতিতেও সর্প কি, তাহা জানা যায়। শেষনাগ সেইরূপ ব্রহ্মের ধবণ- শক্তি বলিয়া উক্ত হইয়াছে (৭৪ পৃঃ)। *মণি-ভাজৎ-ফণা-সহস্র বিস্তৃত বিশ্বম্ভব-মণ্ডলানায় নাগরাজায় নমঃ অনন্তেব এই নমস্কার হইতে স্বরূপ উপলব্ধি হয়। বস্তুতঃ তাহার সহস্র সহস্র ফণায় যে ভ্রাং মণি সকল ব্রহিয়াছে, তাহাই পূর্বোক্ত (৭২ পৃষ্ঠ) স্বয়ংপ্রভ জ্যোতিষ্কনিচয়, যাহাব দ্বারা এই আকাশ নিরুদ্ধ। নৃসিংহপনী শ্রুতিতে আছে, নৃকেসরী অর্থাৎ প্রজাপতি হিরণ্যগর্ভ গীবােদার্ণবে বা সত্য- লােকে প্রতিষ্ঠিত আছেন। ভাষ্যকার বলিয়াছেন- ।
লোকসংস্থান-শেষনাগ। १४३ “নাগিবদাসীনং শৈভেগমস্তকপরিবৃত ।” অতএব লােকাশয় কবি যে শক্তি এই সকল লোণ ধাৰণ করিয়া রহিয়াছে, তাহাই অনন্ত। যে প্রাচীন মনীষ প্রত্যক্ষ কবিয়া এই সুম্মতত্ত্ব উপদেশ করিয়াছিলেন, তাহাব সপৰূপক গ্ৰহণ কৰিব আৰও কাণ আছে। সপের গতি বেমন বাতি, তেমনি সমস্ত ক্রিযাই বাতি, অর্থাৎ ক্ষুবসংহবায়ক বা উচ্চাবচ (Pulsati or Saltators) (১২৫ পৃঃ)। সত্যলােক হইতে তবায়িত ক্রিয়া নিয়ত প্রবাহিত হইয়া সৰ্বশ্লোক বিধৃত কবিয়া বাখিয়াছে, এই সর্প তাহাৰ সুন্দৰ কপক । যাহা হউক, সত্যলােকের নিম্নশ্রেণীতে যথাক্রমে অপঃ, জন, মহঃ, স্বঃ, ভুবঃ ও ভূ। পৃথিবীটা ভূলােক নহে, এতৎসংলগ্ন এক মহান সূক্ষ্মলােকও ভূলােক এবং ঐশ্রাতাষ অন্যান্য লােক ও ভূলােব। দিব্যলােক বিরাটের সাত্তিকাভি- নানে এবং স্থূললোক বাজভিমানে প্রতিষ্ঠিত, আৰ তাণসাভিমানে নিবয়- ব অন্তু যদি বিশ্বধরক শক্তি , ওকে এনবিরোধী গরুও তাহার বিরুদ্ধ শক্তি হইবে। এব ট} যপি সাকাত্রিক Centrpetal force ইয়, অট। centrifugal force হইবে। একটা সফভীতিক colleston ও আর একটা Diffusion হবে। প্রতিমানেও দুই- এবার ক্রিয়া-প্রবাহ উক্ত হইয়াছে , এক ট শুধুঃ ও ও অন্যটা বহি:স্রোত। । ভূলোকের সহিত সন্দ্বীপ, সুমেরু পর্বত প্রভৃতি বর্ণিত হয়। হুন্নি সই শোক। অথর্ববেদ পরলোক-বর্ণনায় আছে, “গৃহদা মধুকুলা বোরকা কীকে পূর্ণ। উদনে দর?” ৪াওঃ হাই বোধ হয় পৌরাণিক সমুদ্রেব মূল। কামচার নিয় দেবতাদের অন্ত এতাদৃশ লোক থাকিব, তাই। বিচিত্র নয়। তাই সব পশু পৌরাণিক মও বর্ণনা সঙ্গত না হইতে পাবে , কারণ গামি প্রকৃত অর্থ উপদেশ ষট্স”বাদে পডিয়া এবং কবিত্বের সংযোগে শে ধরলাইয়া যাইবে, তাহাতে আশ্চর্য কি? আমরা 'পাপীৰ প্ৰাণতলে Psychical Research Society. Proceedings t3 Dr Wiltse T *** প্রসিদ্ধ ব্যক্তি, যিনি কতক সময় গৃহব ছিলেন, তাহাব সেই সময়ের অনুভুতির কতক অংশ উদ্ধৃত করিয়াছি (১৪ পৃঃ), এধানেও কতক বলিতেছি। পাঠকগণ ১৮৯৩ সালের ঐ সমিতির পত্রিকায় সবিশেষ দেখিতে পাইবেন। তিনি শরীর হইতে বিযুক্ত হবার পর এক শরীর ধারণ করিয়া আকাশমর্গে যাইতে লাগিলন , হ্যর বোধ হইল যে দুইটী হস্ত তাহার পার্শ্ব ধরিয়া তুলিয়া লইয়া যাইতেছে (হহ বৰ হয় শাস্ত্রে আবাহিক ইহা)। পুব হনি দুন্দল প্রস্তরময় এক বগ পাইলেন এব তৎপরে তিনি দেখিলেন "Three produ,ous rochs blocking the road There were four entrances, onc very duch, the other three led rato cool, quist and beaujiful country" ৪৪ মায়াছনালা-পরিশিষ্ট । এবং যােক প্রতিষ্ঠিত। পৃপিব্যাদির অভ্যন্তরে অথবা যেখানে আভ্যতা অধিক, তথায় দনিয়াদি নিরলােক, বস্তুতঃ এই ব্রহ্মাণ্ডের সব্যাপী যে অতি সূতম মূলভাব, তাহাই সত্যলােক; তন্নিবাস দেবগণের নিকট, অন্য অপর সমস্ত লােকই অনাবৃত। তদপেক্ষা স্থূলতর ব্যাপী লােক তপঃ। অনান্যও সেইপ। নিয়-শােক-নিবাসিশণের উচ্চলােক আবৃত থাকে তদপেণ নিম্নলোকগণ অনাবৃত থাকে। আমাদের এই দৃশ্যমান গ্রহ- কাদি ও তাহাদের ব্যাদিপূর্ণ স্থূললােক অতিস্থল বৈবাভিমানে প্রতিষ্ঠিত। অামাদের ইন্দ্রিয়গণ তদনুরূপ ফুলক্রিয়াত্মক বলিয়া • আমাদের সুন্মলােক সকল অগােচর থাকে। যে অবস্থায় জাড্য অধিক, তাহাই নিয় লােকের অধিষ্ঠান। নিম্নস্থ দেবগণ ইলিয়ে যাভিলষিত তপূর্ণ প্রাপ্তে সুখী, আর উচ্চস্থ দেবগণ ব্যানাহার এবং তাহাবা অতি মহৎ আধ্যাত্মিক সুখে সুখী। ইহাতে বোধ হয় সুম, নন্দন, মিশন প্রভৃতি নিতান্ত কল্পনিক নহে। বস্তুত আমরা তুল দৃষ্টিতে শাহা অন্তুমী বলিয়া দেধি, সুদৃষ্টিতে তাহ। বিচিত্ৰ-লা হইতে পায়ে। শরীর ও শরীরসম্বন্ধীয় ভাবের প্রাবল্য থাকিলে নিরয়যােনি হয়। यशष्ट প্ৰেশরীর গুরুবং বেধ হয়, কিন্তু সুন্ন ৰূহেতু পাৰিব ধাতুর দ্বারা বাধিত না হইয়া পৃথিবী ভ্যন্তরে নিমজ্জিত বা পতিত হইতে থাক। এক সময় আমাদের গুরুতর মানসিক পশ্রিমের প্রতিক্রিয়া-জনিত ক্লাঞ্চিকালে তামসাব অর্থ পুল শীরভাব ঐশ হইয়া শরীর সুল হইতে বিযুক্ত হয়। অামায় স্পষ্ট শুণ হয়, সেই কালেমার নিল যে গুহা ছিল, তাহাও স্বাদেশে আসিয়া পড়িলাম। তখন আমার শরীর বিশেষতঃ হৃদয়প্রদেশ নিম্নাতি- মুখে আকৃষ্ট হহতে লাগিল এবং আমার পদতল যেন অরোধক পদার্থে বা বায়ু বা শূন্যে স্থাপিত বোধ হইতে লাগিল। তখন চিত্তের চাঞ্চল্য কিছু অধিক হইয়াছিল এবং বোধ হইতে লাগিল যেন প্রত্যেক ব্যক্তির সহিত আমার মুখের গঠন পরিবর্তিত হহয়া যাইতেছে। কি ঘটিতেছে, তাহা আমি তখন বেশ লক্ষ্য করিতেছিলাম, এবং যখন বেশ কষ্ট হইতে ব, তখন বলপূর্ষক ফি হির করি। প্রান কানন করলাম। তম্মু আমার শমীর লঘু হইয়া উর্ধে উৎক্ষিপ্ত হল। অতএব পৃথিবীর অভ্যন্তরে যে একপ্রকার সুগ নিমুলক আছে বলিয়া উক্ত হয়, তাহা অযু নহে। ধর্মকর্মের লক্ষণ পীর ও তৎসম্বন্ধীয় অভিমানের বিরোধি কৰ্ম্ম এবং অধম্মের লক্ষণ সেই অভিমানের ককক। তাহা হইতে প্রেহশরীরের গুরুত্ব, ইন্দ্রিয়ের দ্বভাব এবং অধিক অপুরীর কামনা বশত: মানসিক চাঞ্চল্য জনিত মহান বিষাদ কানে।
কর্মতত্ত্ব। ‘গহনা কৰ্ম্মণণা গতি। ‘নেশ্বরীধিষ্ঠিতে ফুলনিস্পত্তি, কণা তৎসিদ্ধে। “ফলং কৰ্ম্মায়ং কিমমগণৈঃ কিঞ্চ বিধিনা, নমন্তং কর্মভো বিধিপি ন যেভ্যঃ প্রভবতি। লক্ষণ। সূত্র ১। অন্তঃকরণ, জ্ঞানেন্দ্রিয়, কম্মন্দ্রিয় ও প্রাণ, ইহাদের যে নিয়ত চেষ্টা হইতেছে, যাহা হইতে তাহাদেব পরিণামান্তর উৎপন্ন হয়, তাহা দুই- প্ৰকাৰ; (১ম) জীব যে চেষ্টা স্বতন্ত্র ইচ্ছাপূর্বক কবে, অথবা কোন করণবৃত্তির প্ররােচনায় করে, (২য়) যে চেষ্টা অবিদিতভাবে হয়, অথবা জীব যে চেষ্টা কোন প্রবল করণে সম্পূর্ণ অধীন হইয়া করে। ২। প্রথমজাতীয় চেষ্টার নাম কৰ্ম্ম বা পুরুষবার। দ্বিতীয়জাতীয় চেষ্টাল নাম অদৃষ্টফল বা ভােগ। যাহা করিলেও করিতে পাবি, না কৰিলেও করিতে পারি, তাহা পুরুষকার , আর যে চেষ্টা স্বরবাহী বা যাহা কবিতেই হইবে, তাহার নাম ভােগ বা অদৃষ্টফল। মানবের অনেক চেষ্টা পুরুষকার, এবং পশুদের অনেক চেষ্টা ভােগ। লােগ শ দুই অর্থে ব্যবহৃত হয় , এক-অগাধীন চেষ্টাসমূহ, আর এক- ও দুঃখ ভোগ। ণত্রয়ের চত্বহেতু ভূত ও কৰণ সমস্তই নিয়ত পরিণত হইয়া যাইতেছে। কৰণ সকল গুণত্রয়ের বিশেষ বিশেষ সংযােগ মাত্র। পরিণাম অর্থে সেই সংযুক্ত ভাগের পরিবর্তন। এই অস্বাধীন স্বাভাবিক পরিণামই ভােগ বা অদৃষ্টফল চেষ্টা। ৪। কৰ্ম্ম বা পুরষকারের দ্বারা সেই স্বাভাবিক পরিণাম দ্রুত হয়, অথবা তিঃ পথে প্রবাহিত হয়। যেমন আলােক ও অন্ধকারের সন্ধিস্থল নির্বিশেষে মিলিত, সেইরূপ পুৰুষকার ও ভােগেরও মধ্যের ব্যবধান অনির্ণেয়; তবে উভয় পার্শ্ব বিভিন্ন বটে। * ৫। কর্ম দুই প্রকার, ধৃষ্টজন্মবেদনীয় ও অদৃষ্টজন্মবদনীয়। এই বিভাগ যলের ননস্থানুযায়ী। যাহা ফুল বর্তমান এন্মে আরূঢ় হয়, তাহা মাননালী -পবিশিষ্ট। ৬ মনী। দৃশ ক বর্তমান না পূপূ ভয়ে স্বত হইতে পাবে। হাব ফশ ভবিষ্যৎ জন্মে আরূঢ় হইবে, তাহা অষ্টমবেদনীয়। এতাদৃশ ক'ৰ্ম্মও বর্তমান বা পুর্কমের হইতে পারেন সূ ৬। সুখ দুঃখ প ফলনুসারে ব চতুধা বিভক্ত , পা—শুরু, কফ, শুরু কফ এব অণ্ডফ। সুধাল কৃষ্ণু গুর, দুঃখল কৰ্ম্ম কৃষ্ণ, মিশ্রফল ক শুরু ঋ এ অশুক্লাক কর্ম সুখ দুঃখ শ শান্তিল। প্রার, ক্রিয়মাণ ও সঞ্চিত, এই তিন প্রকারে কয় বিভক্ত হয়। যাহার ফল আরব্ধ হইয়াছে, তাহা প্রারব্ধ , যাহা বর্তমান জন্মে ত হইতেছে, তাহা ক্রিয়া। এব” যাহাৰ ফল বর্তমানে আরব্ধ হয় নাই, তাহা সঞ্চিত। ২। কশ্মসংস্কার বা বাসনা। প্রতােক স্মই অন্তঃকরণে ধারিণী শক্তির দ্বাৰা বিধৃত হইয়া থাকে। কষ্মের এই আহিত অবস্থার নাম স স্ক্রাব বা বাসনা। মনে কর একটী বৃক্ষ দেখিলে, পরে চক্ষু মুদিয়া সেই বৃ চিন্তা করিতে লাগিলে। ইহাতে প্রমাণ হয় , বৃ” দেখিবার পর অন্তরে সেই বৃক্ষের অনুরূপ ভাব ধৃত হইয়া থাকে। ৮। অন্তর্নিহিত এই সূক্ষ্ম ভাবই বাসনা। সমস্ত অনুভূত বিষয়ই বাসরূপে থাকে। যদি বল, কোন কোন বিষয় স্মরণ হয় না দেখা যায় , ইহা ঐ নিয়মের অপবাদ মাত্র। চিত্তের বৃতিশক্তির দ্বারা সমস্ত বিষয়ই ধূত হয়, বিস্মৃতির কারণ থাকিলে কোন কোন স্থলে সেই ধৃত বিষয়ের স্মরণ হয় না। বিশ্বতির কারণ যথা—(১) অনুভবের অতীব্রতা, (২) দীর্ঘকাল, (৩) * অবস্থান্তর পরিণাম, (৪) বোধের অনিলতা, (৫) উপলক্ষণাভাব। বিশ্বতির কার না থাকিলে, অর্থাৎ তীব্র অনুভব,স্বল্প কাল, সদৃশ চিত্তাবস্থা, সমাধি নিল বােধ এব উপলশ, এই সকলৰা বহু কারণ বিদ্যমান থাকিলে সমস্ত অন্তর্নিহিত বিষয়ের স্মৰণ হইতে পারে (১২ সূত্র দুষ্টব্য)। সূ৯। জীব যেমন অনাদি, তেমনি এই সংস্কার বা বাসনাও অনাদি। সঞ্চার দ্বিবিধ—স্মৃতিফল এব” জাতি, আযু ও ভােঙ যল বা ত্রিবিপাক। যে সস্কার কেবল উত্তরকালে নিজের অনুরূপ স্মৃতি উৎপাদন করে, তাহা স্মৃতিফল , আর যাহা শক্তিস্বরূপ হইয়া বহু চেষ্টা উৎপাদন করে এবং করণবর্গের প্রকৃতি পৰিবৰ্ত্তন করে, তাহাই ত্রিবিপাক।
৩। বার্মাশয় । ১০। অনাদিকাল হইতে জন্মকাল পর্যন্ত এচিত বাসনার মধ্যে যে সকল বামনা কোন একটা জন্মের কারণ, গহ সেই জন্মের কৰ্ম্মাশয়। কম্মাশয় একতবিক অর্থাৎ প্রধানতঃ একজসঞ্চিত। কোন একটা জন্মের আচরিত কস্মের সংস্কাৰসমুহ পূৰ্ব্ব পূৰ্ব্ব-শীয় সংস্কাবাপেক্ষা স্ফুটতা নিবন্ধন প্রধানতঃ প্রায়ই তংপববর্তী জন্মেৰ বীণস্বরূপ হয় , ঐ বীজই কৰ্ম্মশায়। কম্মাশয় এক ভবিক, ইহা স্কুল নিয়ম। বস্তুতঃ পূৰ্ব্বসঞ্চিত মস্কাবে কিছু কিছু কস্মাশয়েয অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন পূর্ব পূর্ব জন্মীয় সংস্কাৰ কৰ্মশা হয়, তেমনি যে জন্ম কশ্মশষে প্রধান জনক, সেই জয়েরও কিছু কিছু সংস্কাৰ কাশকে প্রবেশ করি না , তাহা সঞ্চিত থাকিয়া যায় । * ১১। কৰ্ম্মাশয় পূণ্য, অপুণ্য ও মিশ্র স্নাতীয় বহুসংখ্যক কর্মবাসনার সমষ্টি। সেই বহুসংখ্যক কর্মের মধ্যে কতকগুলি প্রধান ও স্বতকগুলি অপ্রধান বা সহকারী। যে বলবান্ কম্মাশয় প্রথমে ও প্রজ্ঞাপ ফলবান্ হয়, তাহা প্রধান। যে কশ্মাশয় স্বীয় অনুরূপ এক প্রধান কৃশ্নাশয়েক সহকাবি রূপে ফলবান্ হয়, তাহা অপ্রধান। পুনঃ পুনঃ কত কৰ্ম্ম হইতে বা তীব্রকাপে অনুভূত ভাব হইতেই প্রধান কম্মাশয় হয়, অন্যথা অপ্রধান কর্মাশয় হয়। সূ১২। কৰ্ম্মাশয় মৃত্যুব সমরে প্রাদুর্ভূত হয়। মরণের ঠিক্ অব্যবহিত পূর্বে সেই জন্মে অাচবিত কৰ্ম্মেব সংস্কাৰ সকল চিত্তে যুগপৎ উদিত হয়। তখন প্রধান ও অপ্রধান সংস্কার সকল যথাযােগ্যভাবে সজ্জিত হইয়া উঠে, আৰ পূৰ্ব্ব পূর্ব জন্মের বােন কোন অনুরূপ সংস্কার আসিয়া যােগ দেশ, এবং তজ্জন্মের কোন কোন বিসদৃশ সংস্কাৰ অভিভূত হইয়া যায়। বহু সংস্কাৰ যুগপৎ এককালে উদিত হওয়াতে তাহা যেন পিভূিত হইয়া যায় । সেই পিণ্ডীভূত সংস্কাৰ সমষ্টি বা কশ্মাশয় মবণের অব্যবহিত পূর্কে উদিত হইযা নবণ সাধনপূর্বক একটা অনুরূপ শবীর উৎপাদন করে, ইহা একটা জন্ম। এইবাপে কম্মাশয় জােব কারণ হয়। মণকালে প্রমাণবৃত্তি বহির্বিষ হইতে অপহৃত হওয়া হেতু কেবলমাত্র অস্তবিধয়ালম্বিনী হইয়া থাকে। জ্ঞানশক্তি বিষয়ান্তর পরিত্যাগ কবি কেবল মাত্র এক বিষবশখিনী হইলে সেই বিষয়ে ইতি ট ান হয়, বাং মবণ কাল অধিষণ সকলের খুটান হয়। কার্ষিবে কােন অর্থে সংস্থাহি १४८ নাননালী-পবিশিষ্ট। বিষয়ের অভৰ অর্থাৎ পূর্ষাক্ত বিষয়ের 'রণ। অর্থাৎ তীবনকালে জ্ঞান- শক্তি দেহাভিমানের দ্বারা নিয়মিত পাকে, কিন্তু মণের সময় দেহাভিমানের দ্বারা অঙ্কীর্ণ হওয়াতে জ্ঞানশক্তি অতীব বিশদ হয়। সেই বিশদ জ্ঞানশক্তি তখন বাহবিয়ের সহিত সম্পকশূন্য হওয়াতে অন্তর্বিষয় সকল কুপে অনুভূত হয়। মরণকালে আঞ্জীবনের ঘটনা শরণ হইবার ইহাই কারণ। মশকালে যা হয়, অধি” যোগায় বলিয়াছেন--তাৎ প্রায়ণ ইতপুণ্যাপুবাকাশংয়ে। প্রণাভিৰা এসপ্রমুটুনে মিলিত্বা মরণ- শাধ্য সমুচ্ছি এশমে ৪ রোতি প্রাচীন এই বাক্যের ঘটনা প্রমাৎ ওঁৎ Phenomenal proof upgr na es dz etafs ALCE I De Quincey tiz Confessions of an Engbsh Opium Eater a fare, $1913 474177** বালিকা কালে বলে ডুবিলে উত্তোলিত হন। অশ্য সৎ হইলে তাহার অাজীব নয় সমস্ত কার্য প্রকাশের মধ্যে যেন যুপগং শরণ হয় *She sain a moment her whole life, clothed in its forgotten incidents, not successively Tut simullaneoush ) Vight Side of Nature 46F Seeress of Prevorst নামক এক অতি উচ্চদরের চােয়াভরাট, ধিনি মৃত্যু ও সকল েকর চৈষ্টিক টনা পথ দেখিতে পইনে তাহার দর্শন সম্বন্ধে এইরুপ লেখা অাছে যখ—And this senders comprehensible to us what is said by the Seeress of Prevorst and other somnambules of the highest order, namely, that the instant the soul is freed from the body it sees its whole earthly career in a single sign and pronounces its own sentence' (Chap X) 4567 ATS- গশর উক্তির দ্বারা উক্ত আর্দ বাক্যে এরূপ মম পােষণ সবশের দ্রষ্টব্য। সকলের মনে • রাখা উচিত তঁহারা মহা করিতেছেন, তাহা মণকালে যথাযথ উদিত হইৰে, ৰ ধৰি পাশৰ কৰ্ম্মের বাহুল্য সেই কাশল্পে ধাকে, তবে পশুপ্রকৃপিস শাপূরণ হইয়া তিনি পরে পশু হইবেন। যদি দেশ প্রকৃতির উপযােগী করে বাহুল্য থাকে, তবে দৈব এব’ সেইরুপ নাক জন্ম পাইপে। অতএব গীতার য য ৰাপি ইত্যাধি উপদেশ শুণ করিয়া সদা প ভাবিত থাকিতে চেষ্টা করা উচিত যেন মৃত্যুকালে কোন গমভ্রায় প্রকৃষ্টকপে উদিত হয়। প্রতিও আছে-“দে সং সহ কর্মশতি বিঙ্গ মনাে যত্ন নিসরুম। ৪। কর্মফল। * ১৩। কোন কর্মের স স্কার যদি অলক্ষ্য অবস্থা হইতে লম্যাবস্থায় আবদ্ধ হয়, তন্ত শরীবাদিতে যাহা ঘটে, তাহাকে সেই কক্ষের ফল কলা যায়। ওধ্যে স্মৃতিফ, কর্ম কেবলমাত্র স্বসদৃশ মরণববধ উৎপনদ কর্মতত্ত্ব-জাতি। { ৪৫ আর ত্রিবিপাক কর্মের মা আরূঢ় অবস্থায় আসিলে সেই কর্মে যেরূপ প্রকৃতি, তদনুগুণ জাতি, আয়ু ও ভোগ উৎপাদন কৰে। তিন ও ত্রিবিপাক, এই উভয়বিধ সংস্কারের মধ্যে যাহা দৃষ্টজন্যেই আরব্ধ হয়, তাহা সৃষ্টজন্মবেদনীয়, আর যাহা ভবিষ্যজন্মৈ আকট হইবে, তাহা অদৃষ্টাম্মবেদনীয়। চ’ অত্যধিক ঘৃষ্ট হইলে কড়া হয়, বা ঘর্ষণ-কৰে স্বাৱা চবে প্রকৃতি পরি- বৰ্টিত হয়। এতাদৃশ কষ্ম দৃষ্টজন্মবেদনায়। আর বর্তমান মাবব্ধ কৰ্ম্মফলের দ্বাবা বাধা প্রাপ্ত হওয়াতে যে কর্মের ফল ইহজন্মে আট হইতে পারে না, তাহা অদৃষ্টজন্মবেদনীয়। সূ ১৪। কর্মের ফল বা সংস্কারের ব্যক্ত জনিত ঘটনা প্রধানত তিন- প্রকার--জাতি, আয়ু ও ভােণ। সংস্কাৰ হইতে করণ বলে যে বিশেষ বিশেষ প্রকার বিকাশ হয় এবং তৎসঙ্গে শরীবের আকৃতি ও প্রকৃতির যে ভেদ হয়, তাহাই জাতিফল। সংস্কারে বলানুসালে বা অন্য কারণে যত কাল জাতি ও ভােগ আরূঢ় থাকে, তাহার নাম আয়ু। আর সংস্কারের প্রকৃতি অনুসারে যে সুখ বা দুঃখ সম্প্রাপ্তি হয়, তাহার নাম ভােগ। ৫। জাতি। সূ ১৫। করণ সকল গুণত্রয়ের সন্নিবেশ বিশেষ মাত্র। সেই সংযােগের তার এমানুসারে ভিন্ন ভিন্ন করণ উদ্ভূত হয়। অতএব করণে গুণসংযােগে ভেদই জাতিভেদের কারণ। গুণসংযােগের ভেদ অসংখ্যপ্রকারের হইতে পারে বলিয়া জাতি অসংখ্যপ্রকারের, অর্থাৎ বিশ্বে যতপ্রকার জীবযােনি আছে, তাহা সংখ্যাতীত। জাতির অসংখ্যেয়ত্বের আর এক হেতু এই যে, জীবনিবাস লােক সকল অসংখ্য এবং তাহাদের ভৌতিক প্রকৃতিও ভিন্ন ভিন্ন। সেই অসংখ্য ভিন্ন ভিন্ন লােক সকলে অসংখ্যপ্রকার প্রাণী থাকাই সম্ভবপর। জাতি স্থূলতঃ দ্বিবিধ, ইহলৌকিক ও পারলৌকিক। উদ্ভি হইতে মানব পৰ্য্যন্ত প্রাণিগণ ইহলৌকিক। দেবগণ ও নিয়বাসিগণ পারলৌকিক জাতি পার্থিব জাতি তিনপ্রকা, উদ্ভিজ্জাতি,পশুজাতি ও মানবজাতি। উদ্ভিাতিতে তামসিকতাব ও মানবজাতিতে সাবিকতাব সমধিক প্রাদুর্ভাব। পজাতি উদ্ভিদ সদৃশ অবনত রানি হইতে মানবদেশীয় উন্নত যােনি পর্যন্ত বিস্ত। ১১। অন্তঃকরণ ও বিধি * বাহ করণ শক্তির বিকাশের দোহসাবে } কত-~-জাতি। যদি কোন মানব জনপ্রিয় তাধিক কর্ম কার ও আকাকা , মাশরের অধ্যা নিবন্ধন তাহা মনোপ হয়। শরে ত্ব। দলে জননেন্দ্রিয়-বিষয়ক প্রবল ভাব উদিত হইয়া কাশকে প্রলু করে। তাহত ব্যায়ণ অনুরুপ সঞ্চি খাও উদ্বুদ্ধ হয়। অর্থ যে পশিষ অতিত জননেন্দ্রিয়ের অতিপ্রাকুল্য, তাদৃশ প্রকৃতির অপুবশ হইয়া তনুরুপ করণ ব্যক্তি হত নানবে পশুজম হয়। ১৯। সূলশৰীব-ত্যাগের পর প্রায়শঃ জীব এক সুক্ষ্ম ভােগ দেহ ধাৰণ করে। এই ভােগ দেহ দৈব ও নারক-ভেদে দ্বিবিধ। কৰ্ম্মাশযে যদি সাকি বাসনার প্রাবল্য থাকে, তবে জীব যে সুখময়, সূক্ষ ভে-দেহ ধারণ করে, তা দৈব , আর তমােগুণের প্রাবল্য থাকিলে যে কষ্টময় দেহ ধাৰণ কৰে, তাহা নবিক। গেক্ষয়ে জীব পুনবায স্থূলদেহে জন্মগ্রহণ করে। সেইকালেও কৰ্ম্মাশয় হয় (৭৪ পৃষ্ট দ্রষ্টব্য)। তাহাই স্কুলজন্মেব পূর্ধ্বতন ‘জি-জীব’ । দেহ সকল ঔপপাদিক ও মাধবণ-ভেদে দ্বিবিধ। ঔপপাদিক দেহ মাতা- পিতার সংযােগ ব্যতীত "অকস্মাৎ উৎপন্ন হয়। আর সাধাৰণ দেহ নাতা পিতা সংঘােগে উৎপন্ন হয়। ২। পশুজাতি ও পারলৌকিক জাতি ভােগ-শরীরী জাতি, মানবজাতি কৰ্ম্ম-শবীৱী জাতি। ভােগ-শৰীৰ্বী জাতি সকলে অন্তঃকরণ, জ্ঞানেন্দ্রিয, কৰ্ম্মে- ক্রিয় বা প্রাণ, এই শ্রেণী এয়েব কোন এক বা দুই শ্রেণী অতিবিকশিত থাকে, এবং অপর এক বা দুই শ্রেণী অবিকশিত থাকে। অথবা উক্তশ্রেণীস্থ পঞ্চ পঞ্চ ইন্দ্রিযের মধ্যে কতকগুণি অতিবিকশিত থাকে, এবং অবশিষ্টগুলি অবি- কশিত থাকে। ২. শুত্রের এক কাপৰা অাছে। পাবলোবক জাতির মধ্যে সমাধিসিদ্ধ উচ্চশ্রেণী দেবগণ, যাহাদের সমাধি বল থাকাতে পুনরায় সুলশরীর-শ্ৰহণ সম্ভবপর হয় না, তঁাহাব। অবশিষ্ট চিত্তপরিকর্ম শেষ করিয়া বিমুক্ত হল ধণিয়া জাহাদিগকে প্রদ্ধ ভােগ-শরীরী না বলিয়া, ভোগ ও কর্ম উভয় শৰীৰী বল। সঙ্গত। ২১। ঐরূপ করণ-বিকাশের অসামঞ্জস্যই জাতির ভােগ-শরবত্বেব কারণ। যেহেতু কোন শ্রেণীর কতগুণি ইন্দ্রিয় যদি অন্যান্যাপেক্ষা অতি- প্রবল হয়, তবে জীবের কণ-চেষ্টা সেই প্রবল করণের সম্পূর্ণ অধীনভাবে নিষ্পন্ন হয়। সুতরাং ২য় সূত্রানুসারে সেই চেষ্টা ভোগমাত্র হইবে। সুতরাং তাদৃশ অসমঞ্জস-করণ-বিকাশযুক্ত শবীর, ভােগ-শরীব হইবে। দেবণি অষ্ট, কংশল। শাস্ত্রে আছে, ইচ্ছাত্রেই অংশণাধ ও হাদের কার্যা সি २५२ বায়ন লালী -পরিশিষ্ট। হয়। যেমন সঁহারা যদি মনে কনে শ কে শ দুবে যাব, এমনি তাহাদের সুশী তথা উপস্থিত হইবে যেহেতু তাহাদের অন্তঃকরণ ওঁরা হচ্ছে। এ প্রস}। কিন্তু নান বধ সন্ধণ হয় না। তাই দর ইচ্ছামলেই গমন নিগ্ধ হয় না, কারণ তাহাদের গনশক্তি ইচ্ছা মত ডুবিকশিত বলিয়া ইচ্ছার তত অধীন নহে, ৩ বেতাদের শমনশক্তি উঁহি পের প্রবকশিত হচ্ছার অধীন। সুতরাং মানব মনোরধের পরও সে কাৰ্য করা উচিত কি অনুচিত, তাহা বিচার করি। প্রবৃত্ত বা নিবৃত্ত হইতে পারে। কিন্তু দেবগণের মনোরথমাতেই কায্য সিদ্ধ হয় বলিয়া তাহা হইতে নিবৃত্ত হইবার মমতা থাকে না। তাই তাহাদের শুশ চেষ্টা ২য় সূত্রানুসারে ভোগ হহবে, কর্ম হইবে না। তাই তাহার ভাশশরী। তিয়াকু জাবির কাহাতে হয়ত গমনশক্তি অতিৰিকশিত, কাহাতে ননশক্তি অবিকশিত (যেমন পুওিকাদির রাজ্ঞী, তা তাহার সম্পূর্ণ অধীন হইয়া তাহাদের কার্য্য (অর্থাৎ ভােগ) হয়। জন্য তাহাদের স্বাধীন বৰ্থ হত্যল্প বা তাহারা ভোগী। সূ ২২। সর্ব শ্রেণীর ও শ্রেণীস্থ সকল করণের বিকাশের সামঞ্জস্য হেতু মানবশরীর কর্মশরীর। মানব করণ সকলের বিকাশে সামঞ্জস্য দেব ও তির্যকু জাতীয় করণ বিকাশের সহিত তুলনায় জানা যায়। অায়ু। সূ ২৩। জাতি ও ভােগ রূপ কৰ্ম্মফলে অবস্থিতিকালের নাম আয়ু। ফলের কাল যদি আয়ু হইল, তবে উক্ত ফলদ্বয়ের উল্লেখে আয়ুও উক্ত হইবে; অতএব তাহা স্বতন্ত্র ফলরূপে গণনা করিবার প্রয়ােজন কি? ইহার উত্তর এই যে, জাতি ও ভােগের অবস্থিতি-সময়ের হেতুভূত উপযুক্ত শারীরিক উপান জন্মের সঙ্গেই উদ্ভূত হইবার অবশ্য বারণ থাকিবে। যেমন কম্মবিশেষে মানবজাতি ও তদনুযায়ী সুখ-দুঃখ ভােগ প্রাপ্ত হওয়া গেল; কিন্তু সেই জাতি ও ভােগ স্বল্পকাল কি দীর্ঘকাল থাকিবার হেতুভূত স্বরজীবী বা চিরজীবী শরীর যাহা হইতে হয়, তাহাই আয়ু। করে বারা আর সঞ্চিত হয়, তার সঞ্চিত অস্ত্র হইতে ভােগ হয়। অর্থাৎ জাতি হেতু কফলে জাতি, তো হেতু করে ফল ভাগ মাত্র, কিন্তু সেই জাতি ও লোম দীকা বা অকাল থাকিবার যে কারণ, হাহাহ আয়ু হেতু কৰ্ম্মফল। হা কালেই প্রাদু হয়। ২৪। জন্মকালে আয়ুর প্রাদুর্ভাব সাধারণ উৎসর্গ বা নিয়ম। কলত দৃষ্টার্জিত কর্মের ধারা আয়ু পরিবর্তন হইতে পারে। সেইরূপ দাতিয় এবং তোণেরও ভেব হইতে পারে।
৭। ভোগফল। সু ২৫। সুখ ও দুঃখ বােধ, কর্মসংস্কাবেব ভোগফল। যাহা শক্তিমত বিষয়ে অনুকূল, সেইপ ঘটনায় মুখবােধ হয়। যাহা অদৃশ বিষয়ের প্রতি। কুল, তাহা হইস্তে দুঃখবােধ হয়। অভিমত বিষয় দ্বিবিধ, অনির্ণয় ও •শের। অনির্ণের বিষয়--যেমন মাতার নিকট পু কি কি বিশেষ গুণ মাতা অমিত, তাহা অনির্ণের। নির্ণে বিষয় যথা-ক্ষুধারে নিকট অল্প ক্ষুধা শক্তিরূপ বিশেধ ও নির্ণীত গুণের জন্য অভিন্ন। সূ ২৬। সুখই জীবে ই। অতএব ইষ্টপ্রাপ্তি সুখের হেতু। সেইরূপ অনিষ্টের প্রাপ্তি দুঃখের হেতু। প্রাপ্তি অর্থে সংযােগ। ইষ্টেক ও অনিষ্টের প্রাপ্তি দুই প্রকার , (১ম) সাংসিদ্ধিক, (২য) অভিব্যক্তিক। যাহা জন্মকাল হইতে আবির্ভূত থাকে, তাহা সাংসিদ্ধিক , আব যাহা পরে অভিব্যক্ত হয়, তাহা আভিব্যক্তিক। সূ ২৭। উক্ত বিবিধ ইইপ্রাপ্তি ও অনিষ্ট প্রাপ্তি পুনশ্চ দ্বিবিধ , ধহঃ ও পৰতঃ। যাহা নিজের বুদ্ধি, বিবেচন, উদ্যম প্রভৃতিৰ বৈশাবগ্ন এবং অবৈ- শারগ হইতে হয়, তাহা স্বতঃ। যাহা নিজের প্রকৃতিগত ঈশ্বৰত (যে গুণের দ্বাব ইচ্ছা প্রাপ্তি ঘটে), নির্মংসতা, অহিংস্রতা প্রভৃতির দ্বারা, অথবা অনীশ্বরতা, মংসরতা, হিংস্রতা প্রভৃতির দ্বারা,-অপব ব্যক্তিৰ মৈত্রী, উপ- চিকীর্য প্রভৃতি, বা দ্বেষ অপচিকীর্য প্রভৃতি উৎপাদন কবিয়া স্যটিত হয়, তাহা পৰ্বতঃ। সূ ২৮। ইষ্টপ্রাপ্তির প্রধান হেতু উপযুক্ত শক্তি, অতএব শক্তি বৃদ্ধিতে ইষ্টপ্রাপ্তি ও বৃদ্ধি, সুতরাং সুখেও বৃদ্ধি হয়। শক্তি অর্থে সমস্ত কণশক্তি। যথা~-অন্তঃকরণশক্তি, জ্ঞানেন্দ্রিম্নশক্তি, কম্মেন্দ্রিয়শক্তি ও প্রাণশক্তি। শক্তি বৃদ্ধি অর্থে প্রকৃতি ও পৰিমাণ উভযুত উৎকর্ষ। কর্মকে কব-চেষ্ট। বলা হইয়াছে। কৰণ-চেষ্টা হইলে তাহাৰ সংস্কাৰ হয়। চেষ্টা পুনঃ পুনঃ হইবে সেই সঞ্চিত সংস্কার শক্তিষ্কপ হইয়া, সেই চেষ্টাকে কুশলতাৰ সহিত নিষ্পন্ন কবে। যেমন পুনঃ পুনঃ বর্ণমালা লিখন, চেষ্টার সংস্কার সঞ্চিত হইয়া হস্তে লিধনশক্তি জন্মে, অর্থাৎ হস্ত শক্তি লিখন- রূপ অধিকগুণবিশিষ্ট হইয়া পৰিণত হয়। কৰ্ম্মনিত এই করণশক্তিৰ পৰি- শাম সাত্বিক, বাজসিব ও ভামসি-গেদে তিন প্রকাব। সাবিৰ পরিণাম- মানৱালীৰi -পবিশিষ্ট। কাক চেষ্টার নাম সাত্ত্বিক কর্ম , রাসিক ও তামসিক কও তদ্রুপ পরিণামজনক। সু ৩। বাহবর সবলের নিয়ত্ব হেতু ও সার্বিক তার প্রাবল্য হেত্ব, অন্তঃকরণ বাহকৰণ অপেশা শ্রেষ্ঠ। বাহকরণের মধ্যে জ্ঞানেন্দ্রিয়, কর্মেন্দ্রিয় অপেক্ষা, ও কস্মেন্দ্রিয় প্রাণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। যে জাতিতে যত শ্রেষ্ঠ কৰণ সকলের অধিক বিকাশ, সেই জাতি তত উৎকৃষ্ট। উৎকৃষ্ট জাতিতে উৎকৃষ্ট শক্তিব সংযােগ হয়, সুতরাং তাহাই জীবেষ সমধিক উৎকৃষ্ট, সুখকব ও অভীষ্ট। প্রত্যেক জাতিতে কণশক্তি বিকাশের একটা সীমা আছে। যুইরা সেই সকল শকি সুখসাধনে প্রযুক্ত হয়। নির্দিষ্ট পরিমাণে সুপাৎপাদন করিতে পারে। অতএব যদি (সই নির্দিষ্ট পরিমাণের অতিরিক্ত সুথ ইষ্ট হয় তবে সেইজ্ঞাতীয় কণশক্তির অত্যধিক চষ্টাও (বা কর্মের স্বা) প্রাপ্তির সাক্ষাৎ সাধন! নাই। ইহা ২৯শ নিয়মের অপবাদ । ২৯শ নিয়মের আর এক অপবাদ এই গুণ নকলের অভিব্যাভিভাবব স্বভাব হেতু কোন এক বার করে অত্যধিক আচরণ হলে সেই গুণের সবি হইয়া সাক্ষাৎ ফল প্রদান করে না এই I কোন বিয়ের অধিক ও অযু অবাজা বা লোল করিলে তাহার প্রাপ্তি ঘটে না। আকাঙ্ক্ষা করা কেবস ইষ্টপ্রাপ্ত কল্পনা করা মা। কল্পনায় হষ্টপ্রাপ্তি বা অস্বিকার বা তার অতিভোগ ইহলে বাবক হপ্রাপ্তির সময় উপযােগী সাধকতা অভিভব হইয়া প্রাপ্তি ঘটে না। আমাদের জীবন প্রধানতঃ অাকা বহল। সেই আকাঙ্ক্ষাকে দমন করিলে তাহা শক্তি সঞ্চিত হইয়া আবক্ষ সিদ্ধি করে। মেন লাফাইতে হইলে পেছন হই। সরি বেগ সঞ্চয় করতে হয় এ নিয়ম ও তদ্রুপ। ওড়না আমাদের প্রবৃত্তি বল জীবন সংযম (দানাদিও এক প্রকার লম) কামসিদ্ধি বা সুখকর। সূ ৩৯। প্রকাশ ও সত্তাব অনুগত কৰ্ম্ম, সার্বিক কৰ্ম্ম। অতএব যে যুক্তকল্পনাবর্তী ইচ্ছাব প্রাপ্তি ঘটে বা যাহা সতী হয়, তাহা সাত্ত্বিক, সেইরূপ যে বিবেচনা যথার্থ হয়, তাহাও সাবি। সমস্ত চেষ্টা সম্বদে এই নিয়ম। যে ইচ্ছা কল্পনা-বহুল এবং স্বল্পপ্রাপ্তিকী তাহা বাজসিক। কল্পনাবতী, সুতরাং সফল হয় না, তাহা তামসিক। বিবেচনাদি সম্বন্ধেও সেইরূপ। ক, খ ও তিনজন বশক। ক বিবেচনা কৰি যে বা কর কলি, তাহা হইতে পরে প্রভুত লাভ হইল। ক-এর সেই বিবেচনা সান্তিক, অর্থাৎ সেই সময় পুরে ফল শপ সাত্ত্বিকতা তাহার চিত্তে উদিত ছিল এৰণ বিবেচনার বিষ্ট হইয়াছিল। সৰণ প্রবাল বলিয়া তাহার বিনা ধার্থ হই। যে ইচ্ছা অধুক্ত- কম্মতভোগফল। १५५ গ প্রশ্য ক্রয় করিল, তাতে ম শেকপ বিবঃন। বরং, সেরূপ লাভ না হইয়া স্বল্পপৰিমাণ লাভ হইল। অতএব খ এর বিলান। সেই সময়ে পুল রসিকতা ধার্য অনুপ্রবিষ্ট ছিল বলিতে হইবে। তাহার ওম। যত বহুল ছিল, ফল ওত বহু হইল না। * যে সুখ্য বিচেনা করিয়া ক্রয় করিল এবং হাতে যে কপ পাঠ করিবে বিচনা ক. খছিল, ফলে ঠিক তাহার বিপাক্ত হইল। অতএব তোহা। সেই সময়কার বিবেচনা তামসিক ছিল, বলিতে হইব। তমোগুণের কে এহাব বিবেচনা প্রসৎ বা বিপা ইব। সূ ৩২। ইচ্ছাপূর্বক জীব কর্মে প্রবৃত্ত হয়। ইচ্ছা দুই প্রকাবে হষ , (১ম) বিবেচনা বা বিচাৰপুৰ্বক, (২য়) পাবসিক নিশ্চয়পুৰ্ব্বক। বিদিত হে-মুলক নিয়েব নাম বিবেচনা বা বিচাবপুৰ্ব্বক, আৰ যে নিশ্চয় মনে স্বতঃ হয়, যাহাব কোন নির্ণীত হেতু বিদিত হওয়া যায় না, তাহা বসিব নিশ্চয়। সূ ৩৩। পুৰ্কে যেরূপ বিবেচনাব ত্রি গুণত্ব প্রদর্শিত হইয়াছে, স্বাসিক নিশ্চযেব ও সেইরূপ ত্রিগুণত্ব আছে। যে স্বাবদিক নিশ্চয় ফলে যথার্থ হয়, তাহা সাত্ত্বিক , যাহা কতক পরিমাণে যথার্থ হয়, তাহা ৰাজসিক , যাহা বিপৰীত হয়, তা তামসিক। দূর আত্মীয়ের মৃত্যু ঘটিলে যে অনেকে দোন অথবা মৃত্যু ডন দৃষ্ট হয় তাহা পারসিক নিশ্চয়ের উদাহরণ। অনেক ব্যক্তি যে শাকশ্বিক নিশ্চয় হইও নকৰোহণ। কার্য হইতে নিবৃত্ত হই। বিপদাধি হই উত্তীর্ণ হয় দেখা যায়, তাহ। স্বারদিক নিশ্চয়ের মাবিবার উদাহ।। নির্বিপ খাশা করিয়া যে মনে ক বিপদগ্রস্ত হয়, তাহ। স্বারসিক নিয়ে তামসিকতার উদাহরণ (১২ পৃষ্ঠ প্রঃব। [ ৩৪। সুখ ও দুঃখ ত্রিবিধ ,(১) সদ্ব্যবসাযজাত, (২) অনুব্যবসাফাত, (৩) ব্যবসায়জাত। যে সুখ বা দুঃখ প্রত্যশ ও শাবীবানুভব সহগত, তাহা ব্যবসাজাই। যাহা অতীতানাগত বিষযেৰ চি সহগত (শঙ্কা আশাদি- জনিত), তাহা আনুব্যবসায়িক। আব যাহা মিপ্রাদি রুদ্ধাবস্থাব অনুগত এবং অস্ফুট ভাবে অনুভূত হয়, তাহা বুদ্ধব্যবসায়িক , যেমন সাত্ত্বিক নিজাত সুখ। প্রত্যুত সমশু বােবই হয় সুখকব, নয় দুঃৰক, নয় মোহকব (মােহও থের অন্তর্গত)। সূ ৩৫। সদ্যবসায়িক সুখ যাহা শাবীর ও ঐন্দ্রিযুক বােধসহগত, তাহা ঐ ঐ কবণেব সাত্ত্বিক ক্রিয হইতে হয় । সত্ত্বগুণ প্রকাশাধিক, অতএব সে শৰীৰাণি বিৰ ক খু? ফুটপ অথচ শাহ স্বরক্রিয়াস ও অম १५६ লামালী—পবিশিষ্ট। সুখকব ঘটনা জাভ্যতাসম্পন্ন, তাহাই সাত্ত্বিক শারীরাদি কৰ্ম্ম হইবে। পৰ্যালােচনা করিয়া দেখিলে দেখা যায় যে, উক্তলক্ষণ বৰ্ম্ম হইতেই আমাদের সমস্ত সুখ হয়। সকলেই জানে যে, সহজ ক্রিয়া অর্থাৎ যে ক্রিয়া করিতে আমাদেব অধিক শক্তি চালনা করিতে না হয়,তাহা হইতেই সুখ হয়;১২৯ পৃষ্ঠে যে উদাহরণ দেওয়া হইয়াছে, তাহা এস্থলে প্রযােজ্য। যে ব্যাপারে ক্রিয়া অধিক, অর্থাৎ যাহাতে জাড্যতাব অত্যধিক অভিভব কবিতে হয়, তাদৃশ রাজস বা জাড্যতা ও প্রকাশের অল্পতা যুক্ত করণ কার্যের বােধ হইতে দুঃখ হয় । আর যে ক্রিয়াতে জাভ্যতার আধিক্য, প্রকাশ ও ক্রিয়ার অল্পতা, তাদৃশ তামস করণ-কার্য্যেব বােধ হইতে মােহ হয়। ব্যায়াম করিলে যতক্ষণ সহজ করা যায় ততক্ষণ সুখবােধ হয়, পরে ক্রিয়াব আধিক্যে কষ্টবােধ হইতে থাকে , তাহা হইতে নিবৃত্ত হইলে তবে সুখ হয়। আর অত্যধিক ক্রিয়া কবিলে যে জডতাৰ অবির্ভাব হয়, তাহা মােহ। সূ ৩৩। যেমন জাগ্রৎ, স্বপ্ন, নিদ্রা পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়, সেইরূপ সব, বঃ ও তমােগুণে অপর বৃত্তি সকলও প্রতিনিয়ত পৰ্য্যায়ক্রমে আসে যায়। অর্থাৎ প্রতিনিয়ত সাত্ত্বিকত, তৎপরে রাজসিকতা ও তৎপরে তামসিকতা, তৎপরে পুনশ্চ সাত্ত্বিকতা ইত্যাদিক্রমে আবর্তন হইতেছে। তন্য কোন সময় চিত্তেৰ প্ৰসাদদি, কোন সময় বা বিক্ষেপাদি আসে। কখায়ও বলে—চক্রবং পবিবর্তন্তে দুঃখানি চ সুখানি চ'। সাত্ত্বিককম্মের বহুল আচরণে সাত্ত্বিকতার ভােগকাল বাড়াইয়া অধিকতর সুখলাভ হইতে পারে। রাস ও তামস কর্মেরও তদ্রুপ নিয়ম। শুদ্ধ সদ্ব্যবসায়িক নহে, আনুব্যবসায়িক ও র; ব্যবসায়িক সুখ দুঃখেও উপরি উক্ত (৩৫)৩৬ পুত্রস্থ) নিয়ম প্রযােজ্য। সার্বি কতাদির বৃদ্ধি নিয়মিত চেষ্টার দ্বারা করিতে হ, একবারে উহা সাধ্য নহে। ৩৭। দৃষ্টজন্মবেদনীয় ক্রিয়মাণ কৰ্ম্ম হইতে সর্বদাই শরীরেন্দ্রিয় ক্রিয়া- জনিত সুখ দুঃখ হয়। পূৰ্ধাৰ্জিত কৰ্ম্ম হইতেও তাদৃশ সুখ-দুঃখ হয় ; তবে পুৰ্ব্বসংস্কার হইতে প্রায়শঃ গৌণ উপায়ে সুখ দুঃখ হয়। পূৰ্ব সংস্কার হইতে ঐশ্বৰ্য্য (যে শক্তির দ্বারা ইচ্ছার প্রাপ্তি ঘটে তাহা ঐশ্বৰ্য্য। বা অনৈশ্বর্য্য প্রারব্ধ (বা উদিত) হইয়া তমুলক ক্রিয়মাণ কম্ম হইতে সুখ দুঃখ শত বার।
৮। ধর্মাধর্ম-কর্ম। ৩৮। কৃষ্ণ, শুরু, শুর-কুফ এবং অশুক্লাষ, দুঃখ সুখ লাসাৰে বৰ্ম্ম এই চতুর্থ বিভক্ত করা হইয়াছে। কৃষ্ণ কন্মের নাম পাপ বা অধৰ্ম্মকম্ম এবং শুদি ত্রিবিধ কৰ্ম্ম সাধারণতঃ ধৰ্ম্ম বা পুণ্যকৰ্ম্ম বলিয়া আখ্যাত হয়। যাহার ফল অধিক দুঃখ, তাহা কৃষ্ণ কর্ম। যাহার ল সুখ-দুঃখ মিলিত, তাহার নাম শুক্ল কৃষ্ণ, যেমন হিসসাখা যজ্ঞাদি। অার যাহার ফল অধিক পরিমাণে সুখ, তাহা ও ক। যাহার ফল শুদুঃখশু শান্তি, শাহ। গৰিকা বিরােধী, তাহা অশুক্লাব কশ্ম। যু ৩৯। “যাহার দ্বাৰা অ্যুদয় ও নিশ্রেয়স সিদ্ধি হয়, তাহা ধৰ্ম্ম,” ধৰে এই লক্ষণ গ্রাহ্য। তন্মধ্যে যাহা দ্বাৰা অভদ বা ইমুত্রের সুপলাভ হয়, তাহা অপর-সৰ্ম্ম (শুক ও গুরু-কৃষ্ণ)। এবং যাহা দ্বাৰা নিশ্রেয়স-সিদ্ধি হয়, তাহ পবম-ধৰ্ম্ম (অরাকৃষ্ণ), “অন্তু পবমাে ধম্মো খদ্যােগেনাত্মদর্শন”। ৪। পঞ্চপা অবিদ্যা (অবিদ্যা, অস্মিতা [করণে আখ্যাতি}, বাগ, দ্বেষ ও অভিনিবেশ) সমস্ত দুঃখের মূল কাবণ (সাংখ্যশাস্ত্রে দ্রষ্টব্য)। অতএব অবিস্তার বিরােধী কৰ্ম্ম দুঃখনাশক বা ধৰ্মকৰ্ম্ম হইবে। আব অবিদ্যার পােষক কৰ্ম্ম অধৰ্মকৰ্ম্ম হইবে । সময় ধরে প্রশংসনীয় প্রকল্প সকল বিষ করিয়া দেখিলে দেখা যায় যে, তাহারা মশেই এই মুল লক্ষণের অন্তর্গত। সম্মেই এই প্রকার কম্বক প্রধানতঃ ধর্ষক যথা, (১) ঈর বা মহাত্মার উপারমা, (২) পদুঃখমোচন, (৩) অংযম, (৩) ক্রাধাসি ত্যাগ। উপাসনার কল চিৰ্যা ও সদ্ধর্গোৎপাদ। চিক্য = চাঞ্চল্য বা রাজসিকতা নাশক বিষয়গ্রহণবিরোধী = আত্মপ্রকাশকারক = অনায়াভমান সুতর অবিদ্যার বিরােধী। সাপােৰ ই ব মহুয়াকে গুণের আধার স্বরূপে অ চিন্ত} করাতে চিকারীতেও সগুণ বা অনিদ্যাবিরোধী গুণ বর্ষায়। অএব উপা। ধর্মোৎপাদক কর্ণ হইল। পঃখােন অবদা*জনিত শায়খাতা ত্যাগ=(১) পান বা ধনাত অমাত্যাশ, সুতরাং অৰিদাবিরোধী (২) সেবা বা শ্রমদন, মুক দিবিরোধী। নাম ও সেবায় কিরূপে সুখ হয়, তাহা ৩শ সূত্রে দ্রষ্টব্য। আত্মসংযম =বিষব্যবহারবিরোধী, সুতরাং অবিবিয়াধী। ক্রোধাদিরা অবদা, সুতরাং তদ্বিরাধী রুমা শহিপাশি कई देना এইক্ষপে সমস্ত ধর্মই বিদ্য, বিরোবি' সঙ্কুশ পাওয়া যায়। প্রণবান মং মুন প্ন সবল এইরূপ সশমা করিয়াছেন, যা-ধ, ক্ষমা, দম, অয়, নীচ, প্রিনিহ, শী, বিদ্যা, সত্য এব, অ' জাপ। এই দশ — যাহা ও অা, শিনি ধাকি , ঐ সব ধিনি বলা হয়, १५८ सास्यतखालोक —পবিশিষ্ট। নিজে ত আনিব র চেষ্টা করেন তিনি ধৰ্ম্মচারী। ঈশ্ব কাপানাে সাক্ষাৎ ধ 7হে বে উহা ধ সকলকে আত্মস্থ কৰিবাৰ প্ৰষ্ট উপায় তাই মধু উহা শণনা করেন নাই। খন্দুর ‘বপ ৩ কই পাপ ক ছু স্ব বদা পরিপুষ্ট হয়। হি সং, ক্রোধ বিষয়- চিন্তাদি নম দু থকর অধর কই ঐশগণ কান্ত। সূ ৪১। তপঃ, ধ্যান, অহিস, মৈত্রী প্রভৃতি যে সমস্ত ধৰ্ম্ম বাহােপকৰণ নিবপে বা যাহাতে পবেব অপকাবাদির অপেক্ষা নাই তাহা শুরু কশ্ম তাহাব ফল অবিমিশ্র সুখ। আর যদি যে সমস্ত কাম্য পবাপকাৰ অহাৰ্য্য, তাহাতে দুঃখ ফলও মিশ্রিত থাকে। যজ্ঞাদিতে যে সবম দানাদি অঙ্গ। থাকে, তাহা হইতে ধম্ম হয়। যদি হইতে যে বা অদৃষ্ট ফল হয়, তাহা সেই কর্মের স্ব৩ ফলস্বরূপ। তাহার কোন কবিতা পুকষ নাই। পূর্ধ্বমীমা সকগণ মন্ত্রের অতিরিক্ত ইন্দ্রাদি বা স্বীকার করেন না। অতএব মন্ত্রই ঔ হাদের মতে ফলদাতা। মন্ত্র কে সকলের ভাষা মাত্র। অতএব স যত হােতৃমণ্ডলীগণের দৃঢ় অঙ্কল্প হইতে যজ্ঞিয় দৃষ্টকল সকলে হয়। একপ্রকার রাগ আছে তাহাকে ধূ ত পাওয়া বলে । তাহান্তে রোগী নিজে ক এক পন্য (স্বতী ব্যক্তি মনে কর। যাহাদের কিছু মেমেরিক শঞ্জি অাছে তাহাবা নানা প্রক্রিয়া দ্বারা ঐ রোগ অাম করিতে পার। তন্ম ধা এক প্ৰ ক্ৰয়া অনিত অতিপ্রদ ন। একে অ হুতি প্রদানে রোগী দুরে ধাধিসেও) হোতার সঙ্কল্পানুযায়ী বেদনা অনুভব করি ও থাকে লোকে মনে করে যন্ত্রবিশে ধর ধারা ঐরূপ হয় কিন্তু আমরা ঘোড়া গাধা যে কোন শব্দ 'চ্চারণ করিয়া বা না করিয়া কেবল সঙ্কল্পের দ্বারা ঐপ্রকার ফল উৎপাদন করিয়াছি। অতএব হােতর সল্প ও শত ব শ য লর প্রধান জনক । প্রাচীন শস্বী গুষিপণের দ্বারা ঐক্ষপে পাকা ফল উৎপাদিত হই। গুঞ্জন জৈনির গর্শনে কে বিধাতা হাৰি দেবত অস্বীকৃত। যা ল যমাদির দ্বারা যজ্ঞের অদৃষ্টফল উৎপন্ন হয়। শাস্ত্রে সামান্য সামান্য কর্মে অস ধ ফলশ্রুতি আছে যেমন ত্রিকোটিকুল মুরং)। কাশ ফস কার্যকারণঘট হহতে পারে না তন্য কেহ কেহ ইফে কলকাতা স্বীকার করেন। ঐপ ফলশ্রু ত অবাৰ মাত্র *বিঃ বিজ্ঞগণ গ্রহণ করেন, কাণ উহা যথাযথ গ্রহণ করিল সকল শস্ত্র ব্যর্থ হয়। যেমন বি শবে =ান কালে পুনর্জন্ম হয় না, ইহা যদি পর্যাপ বণিয় না ধরা যায়, তবে ঔপনিষদ ধ ব্যর্থ হয়। না প্রকার ফশ উৰাহণ লইঃ ই র পনিৰ ৰা কেন বার কর যাইতে পারে না। ৪২। সপ্র ও অসম্প্রতি গোগ এব তাহাদের সাধক কম সকল অন্না। দ্বারা সর্বণে শ্রেষ্ট শি শাশ্ব শান্তি লাভ হয় এপি। ০াহর নাম রম ।
কত-ধৰ্ম্ম-কর্ম । শুক্লাদি বিবিধ ৰ্ম্মেৰ সংস্কার করণবর্গের পরিপনকারক, এর শুঙ্গ বা সং' চিরে নিহারক। মুমু ব্যগিগণের এই রাও। যোগ দুই প্রকার সম্প্রজ্ঞাত ও সজ্ঞাত। সাধারণত: চিত্ত ক্ষিপ্ত, এ ও সি হু । কিন্তু যদি প্রতিনিয়ত(শয়াসহ পৃথিন ব্যা) এ বিষয়ে সু অভ্যাস করা যায়, তবে চিৰ যে এবিষয় । এছা , রইকে একবি। বাম্প। ভূমিকাতে অনুমান বা সংস্কার করা যে জ্ঞান হয়, তাহান্তের বিক্ষেপাবহতু নাকাল হইতে পারে না। যখন ভ্যান উতে থাকে, ৰ শীৰ তার চরণ , পরে অানে। সুয়ি অার কৰে। কিন্তু একাগ্রভূমিকায় যে তান হয়, তাই চিন্ত্রে সদস্থাী হয়; কারণ তখন চরে এরূপ প্রভাব ইকু যে, তাহা যাহা পরিবে, তাহাতেই অরহ থাকিতে পারিবে। এরূপ ব শ্বত যুক্ত চিত্তের তত্ত্বজ্ঞানের নাম সম্প্রভাত যোগ। তোহাই তুমুলক ক-বাস-মাণকারী প্রজ্ঞা ও জ্ঞান না কম। প্রশ্নাৎ বুরুতে হ}। কিরূপে ইে জ্ঞান নাদি-ব-বাসনা নাশ করে, বা যাইতেছে। ননে যা, তোমার স্রোধের স র গাছে সাধারণ অবস্থায় তুমি কাধ হে বুলি বুলিও সেই সংজ্ঞার বশে সময়ে সময় ক্রোধের উদয় হয়, বিস্তু একাগ্রভু মকায় যদি তুমি (জাদ হেয় জ্ঞান করিয়া অক্রোধভাবকে উপাদের জ্ঞান বর, তবে তাহা তোমার চিত্তে নিয়তই শাকিবে, অথবা ক্রোধের হেতু হইলে তাহা তৎক্ষণাৎ স্মরণা ৮ হহা ক্রোধকে আসিতে দিবে না। অতএব ক্রোধ যদি বধ না উঠিতে পারে, তবে বলিতে হইবে, সেই প্রজ্ঞার বা জ্ঞানের ধারা ক্রোধ বাসনার ক্ষয় হইল। এইরূপে সমস্ত দুষ্ট ও অমিষ্ট ক শাসন সম্প্রতি যোগের ব্যায়াম হয় । সমস্ত প্রকার বাসনা প্রান্তভুমি প্রজ্ঞার দ্বারা) নষ্ট হইল নিরোধ-সমাধি যখন প্রতিনিয়িত চিত্তে উদিত থাকে, তাহাকে নিরোধভুমিকা বা 'অসম্প্র- জ্ঞাত যােগ ব্য, কৈবল্যমুক্তি বলে। চিও যখন পরবৈরাগের দ্বারা জুবাষ্ট্রে বীন হয়, তখন তাকে নিরোধ সমাধি বলে। একবার নিরোধ হইলেই যে তাহা সদাকানের জু থাকবে, তাহা নহে। শিরোধেও সক্ষা প্রচিত হয়। পরে সংস্থায়ী শাসিরাধ ভুমিকা হই। সজ্ঞাত-সক্ষণ যদি একবা নিরাধের ধারা প্রকৃত আত্মস্বরূপ সাক্ষাৎ করতে পাবেন, যে তাঁহাদিগকে বন্ধু বল। * “যনি কাপে শ্বশায়ানংযােগী জনাতি কেশ। প্রশ্নং ঋশি সমরিভাভীবা স্তবত)সৌ” পরে নিরোধ-ভূমিকা আঃ হইলেই তাহাদের বিদেহকৈ বলা হয়। যখন চিনিরাধ সম্যক অযাধীর হয়, তখন সঞ্চিত বাসনার স্থায় ক্রিয়মাণ করে বাসনাও আর লবী হইতে পায় না। বেগুন চক্র খুবাইয়া দিলে তাহা কত নিবেগে যুগে, সেই কপ যে কৰ্ম্মৰ কৃ আৰু হইয়াছে, তাহা কম খাশ হইঘ। * হ। ইহাকে ভোগ ==
অন লালী -পবিশিষ্ট।
।
বাবা কথা বলে। এক গ্রতুকি ও নিরোধ। ৩ বকাৰী খেtীদেরই এরূপ হয় ধারণ
মানবে হয় না।
এই কালী সাধারণ তম নিয় এর দ্বারা কর্মতত্ত্ব পিষ্ট হহল। স্থাভাবে বিস্তৃত
বিচার ও প্রমাণাদি উদ্ধ ত হইল না। কেবল কৰ্ম্মের দ্বারা কিরূপে মনিবের জীবনের ঘটনা
সকল গুটে *হ এই নিয়ম খাটাইয়া রাধাশভাবে বুঝিতে পারা যাইবে। বিশেষ জ্ঞানের
অন্য যোগজ প্রক। অবিক।
॥ ॐ नमः परमपये ॐ॥
सांख्ययोगनिधानस्य श्रीभावाप्रयोगिनः ।
आसीत् परंस्वभारखः शिष्यो योगविदां वरः ॥
ततस्तिपुथ्यरण्यश भूपयामास मेदिनीम् ।
तस्य शिष्यवरोऽभूच थोत्रिलोकी मुनीबरः ।
कार्यनिष्ठां यस्य पुस्यां ज्ञानमाप हातीन्द्रियम् ।
स आमावहितवादि अकुर्वन्नपि सर्वदा ।
भोक्तं पाणिनियोगन्तु विचचार महीतते ॥
व्यानादिभिः समाकोणे वने ध्यानमतीन्द्रियम् ।
महीपृष्ठ गयान: स कारोति सा शुचिस्मितः ॥
श्रीपरमगुरुभ्योऽय त्रिलोकीगुरवे तथा ।
'प्रमानन्दाय दीनस्य चाचार्याय नमोऽस्तु मे ॥
शुभाथमपदं रम्यं कापिलाख्यं सुपावनम् ।
सांख्ययोगतिनानयज्ञशाल्नेव संस्थितम् ॥
नटे सुरतरङ्गिण्या दधाति मनमो सुदम् ।
मुमुक्षुपदसंस्थानां मतां समगा सदा॥