Bangiya Sahitya Parishad, Kolkata
Nibedita
Front matter
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
নিবেদিতা।
No text on this page.
৫২।
প্রবাসেতে মাের স্মৃতি জাগতে অাৰাৰ
ইদহের ব্যথা-গুলি
ভাবের ভুলিতে ভুলি,
সাজানু তোমার তরে ক্ষুদ্র উপহার।
ধর ধর নিবেদিতা” সাধের মামার ।
নিবেদিকা-
गाना
No text on this page.
বেদন- সদয় সমাজে প্রকৃত প্রতিভা-প্ৰস্তুত কৰিঙার ধাড়াইবার জন্য স্থান প্রার্থনা করিবার প্রয়োজন হয় না। তাহা গাপনায় আসন আপনি প্রতিষ্ঠা করিয়া লয়। কিন্তু পাশ্চাত্য সভ্যতা লোকোঙাসিত আনাদিগের বর্তমান বঙ্গসমাজে যেরূপ ছােট বড় সকলেই এক কামিজ-রূপ পরিচ্ছদ পরিয়া ভদ্র লােক সাজিঙ্গা- এছন, প্রকৃত ভদ্র কে কাহর বিশেষ পরিচঃ দানাভাবে ৰাছিয়া ওয়া কঠিন,সেইরূপ মুদ্রাংশের সুলভ এবং বহুল সিঙুতর সঙ্গে সঙ্গে কল-মাহাত্ম্যে বর্তমান সাহিত্য-সমাঙ্গে ও এত ‘কাব খদোতিকার’ ভিড় হইয়া পড়িয়াছে- যে সেখামেও বাস্তবিক কবিত্বের একটু খানি বিশেষ পরিচয় প্রয়ােজন হইয়া দাড়াইয়াছে। তাই প্রারম্ভেই পাঠক-পাঠিকাগণের ধৈর্যের দ্বারে নিবদিতা সম্বন্ধে দুএকটি কথা নিবেদন করিতে বাধ্য হইলাম। ইহাতে স্পর্ধার কথা কিছু নাই বা শক্তির আস্ফালন নাই; কি আলােচ্য পুস্তিকা-খানিতে আদ্যন্ত একমাত্র প্রতিভার স্ফুরণই হইয়াছে এরূপ আভাসও নাই। বর্তমান সাহিত্য-যুগের পূর্বে সাহিত্যাকাশে এক সঙ্গে অনেক গুলি কবির যুগপৎ অভ্যুদয় দৃষ্ট না হইলে * যিনিই যখন কবি এশিয়া পরিচিত হইয়াছেন, তিনি তাঁহার সমস্ত প্রতিভা একমাত্র খণ্ড-কবিতা বা প্রণয়সঙ্গীত লিখিয়া পৰ্যবান না করিয়া বৃহৎ বৃহৎ কাব্য-নাটকাদি লিথিয়া সাধণের চিত্তাকর্ষণ করিয়াছেন। কিন্তু দেশ এখন অসংখ্য জণ্য কবি-মণ্ডলীতে ছাইয়া গিয়াছে। সকলেই সমস্বরে এক ঘেয়ে নিশ.এম কাবী বা ভাবীঃ সামান্য বক্তব্য সৰল দুলে থি তা ছ করিয়া গীতিকাব্যের প্রতি সাধারণকে বীতশ্রদ্ধ করিয়া তুলিয়াছেন। কোন গুরুতর বিষয় লইয়া কবিতা রচনা করিবার বড় কাহার অবসর নাই, ক্ষমতাও নাই। সুতরাং গীতিকাব্য লইয়া পুনরায় আর তাহ- দিগের সমক্ষে অগ্রসর হইতে ভরসা হয় না। কিন্তু তথাপি সত্যের অনুরােধে অগ্রসর না হইয়াও পারিলাম না। সকাল সমাজ কবিতার নাম মাত্রেই একেবারে খড়-হস্ত না হইয়া নিবেদিতার যতটুকু প্রাপ্য নিরপেক্ষভাবে বিচার করিয়া সেই সহানুভূতিটুকু প্রদান করিলেই আমাদিগের আশা সফল জ্ঞান ৫ ‘নিবেদিতার লেখিকা এক জন স্বীকবি। ইনি শ্ৰীযুক্ত যােগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ মহাশয়ের প্রথম কন্যা এবং পণ্ডিত মদন- মােহন তর্কালঙ্কার মহাশয়ের দৌহিত্রী। অতি অল্প বয়স হইতেই ইহঁর কবিতা লিখিবার সুন্দর স্বভাব-দত্ত ক্ষমতা আছে। ইহার কবিতা পাঠে আমরা অনেক সময়ে মুগ্ধ হইয়াছি। মানব-চিত্তের ভাবগুলি লইয়া সংসারের ঘাত-প্রতিঘাতে হৃদয়ে স্বতঃই যে বঙ্গ-সকল উথিত কয়, সেই গুলি লইয়াই কবি-কল্পনার মান ক্ষেত্র হইতে যে সকল কবিতা-স্রোত নিঃসৃত হয় সাধারণত তাহাই গীতিকবিতা। এই গীতি-কবিতা-প্রণয়নে পুৰুষ অপেক্ষা রমণী কবিকেই বিশেষ রূপে সিদ্ধহস্ত। দেখিতে পাই। কবিতার বিষয় অতি সামান্য, ভাব ও অতি সাধারণ, কিন্তু তাই লইয়া রমণীণ কেমন একটু অভাব; বিশেষত্ব দেখাইয়া থাকেন, ২. এরা অনেক সময়ে পুরুষের কবিতায় খতিয় পাই না। নিলয়' সেই 'হি কৈ সৰ ইমান ।
জন্যই এবং নিবেদিতা লেখিকাকে কিঞ্চিৎ, উৎসাহ ও কবি
বার নিমিত্তই নিবেদিতাকে সাধারণের সমক্ষে ধরিতে, সাদী
হইলাম। জী-জন-সুলভ সঙ্কোচ বশতঃ গ্ৰষ্টকৰ্ত্তী তাহার কবিতা-
গুলি প্রকাশ করিতে নিতান্ত অনিচ্ছুক ছিলেন। কিন্তু তাহার
অবদত্ত ক্ষমতাটি নিতান্ত নিরুৎসাহে গৃহকোণে মরিচা ধরিয়া
নষ্ট না হইয়া যায়-বরং সাধারণের নিকট উৎসাহ লাভ করিয়া
তিনি যাহাতে ৰে তুলিকায় নিবেদিত অঙ্কিত করিয়াছেন তাহ।
অপেক্ষা উচ্চ এবং উচ্চতর তুলিকায় বিভিন্ন ছবি অতি করিয়া
সাধারণকে উত্তরােত্তর উপহার দিতে প্রােৎসাহিত হন, এই
জন্যই নিবেদিত প্রকাশিত করিতে প্রয়াস পাইলাম। এক্ষণে
সকলে ইহাকে আহবান করিয়া লইলেই সুখী হইব। নিবেদিতার
নামকরণ স্বয়ং লেখিকা-ককই হইয়াছে--তাহার এই প্রথৰ
উদামে তিনি সফলমনােরথ হউন—ইহাই আমাদিগের প্রার্থনা। •
সহৃদয় পাঠক-পাঠিকাগণ মুদাফ্লুণের এম পদ-খুলি মার্জন
করিয়া লইবেন। ইতি।
ললিতকুমার চট্টোপাধ্যায়
কলিকাতা,
২৫ নং শ্যামপুকুর ইট ।
৭ই বাকি, ১০ পাণ
ৰি-এল।
CALCUTTA,
Printed by G. C, Ghosh, Aryan Press,
25 Shampukur Street,
নিবৈদিত
সরস্বতী বন্দনা।
সরোজ অাসনে কে তুমি ললনে
উর মহাদেবি! আজি মনে মনে
পূজিৰ তােমার ও দুটা পায়।
হব সহচরী এসে সাথে করি
রাখিব দিয়ে কল্পনা সুন্দরী
দিব ফুল হার সে চারু কায় ।
অমল কমল রূপ নিরমল..
পদতলে তব শ্বেত শতদল
শােভিছে কেমন দেখিনু হায়।
তুমি নায়নি, জ্ঞান বুদ্ধি সনে
করিছ বিহার হরষিত মনে
দেখিয়া মানস মােহিয়া যায়।
ব যোগ্য নহে হৃদয় আমার
তথাপি পেতেছি । তোমার
বস সেথা দেৰি লইয়ে বীণা।
২,
নিবেদিতা।
বাঁধিয়া রাগিণী করগো ঝঙ্কার
বহুকপুণকে মম অশ্রুধার
কৃতার্থ তাহলে হবে না দীনা
বাজে ও বীণাতে যে গীত মহান
কত গ্রন্থ তাহে হয় প্রণয়ন
কবিতা লইয়া কর মা খেলা।
তুমি বেদ বিদ্যা বুদ্ধি সাকার
তুমি সৃষ্টি স্থিতি প্রণব আকার
ক্ষুদ্র নারী আমি কি বুঝি লীলা
বক্ষ রক্ষ নর কে বােঝে তোমায়
তােমারি কৃপায় সবে জ্ঞান পায়
গন্ধর্বে তােমার চরণ সেবে।
ছয় রাগ আর ছত্রিশ রাগিণী
সদা করে স্তুতি ওগগা বীণাপাণি
আছে যােড় করে দাড়ায়ে দেবে
দেহ পছায়া মহেশ নয়।
দাও বরাভয় ওমা মহামায়া
এই দীনহীনা করে প্রণতি।
আমি মুঢ়মতি অতি জ্ঞানহীন
কেমনে তরিব মাগাে তােমাবিনা
খাগো চরণে এই মিনতি।
উপহার
এক দুই তিন করি,
কত দিবা বিভাবরী,
চলে গেছে কত বর্ষ বুকে লয়ে তার।
প্রতিদিন যত তার,--
হিয়াছে অশ্রুধার,
তাই লয়ে গাথিয়াছি এই ফুলহার।
সে মাল। তোমার গলে,
আদরে দোলাব বলে ;
তাই সুখে আনিয়াছি নেবে নাকি আজ দু
যে ফুল আমার মনে
ফুটে ছিলো সংগােপনে
সেই ফুলে গাঁথা মালা ওহে হৃদিরাজ ।
কি রুদ্ধ বাসনা ভার,
করে শুধু হাহাকার,
অবরুদ্ধ হৃদি পরে করে আনাগােনা।
দেখাতে পারিনে সে যে,
নয় পায় হৃদে বেসে
কত আশা কত সাধ নাহি যায় জানা।
তবু তার গুটী দুই,
তুলে মালা গাঁথি এই,
দেখিয়া তােমার গলে জুড়া’ব জীবন।
নিবেদিত।
দেখি ছিন্ন ফুল
রাশি।
হেসােনা কুটী হাসি।
এয়ো মনে ছিল কত আশা আফিঞ্চন।
৭ই জুলাই।
বিদায়ে।
n
সেত গেছে চ'লে,
মোর কাছে ফেলে,
তার আঁখি জল।
হেরি তাহারে
হয় বারে বারে
পরীণ বিকল।
রুদ্ধবাসনার
তপ্ত অশ্রুধার
বিধিছে পরাণে।
ছল ছল চোখে,
চেয়ে মাের দিকে
কঁদিত গােপনে।
কত নিশি তারে
আমি
নয়নেতে ফেরে,
ভুলেছি আপন।
বিদায়ে।
আমারে দেখিয়া :
কাঁদিয়া কঁদিয়া
হত আনমনা।
যেন বলিবার
কত ছিল তার
. বল্লভ হলোনা।
দিন চলে গেল
সকলি ফুরাল
সে শুধু এলাল ও
গেছে কতদূর
বেদনা বিধুর
হৃদি খানি ল'য়ে
কেন সে তাহার
ব্যথা অশ্রুধার
গেলনা মুছিয়ে ।
গগনের গায়
শােভে নীলিমায়
যত তারাবালা
মাধুরী ছড়ায়ে
ধরা পানে চেয়ে
করে কত খেলা।
নিবেদিত।
তাই
গে।
আমি ভাবি মনে
বুঝি সংগােপনে
তার দুটী আঁখি।
নিরাশায় মরি
ঢালে আঁখি বারি
আমাপরে রাখি।
তাই বিশ্ববাসী
পোহাইলে নিশি
দেখে যে নীহার।
দুর্বাদল পরে
গাঁথা থরে থরে
মুকুতার হার
সেযে তার-অধার ।
কেন সে বাজায় ?
সে কেন অমন করে বাঁশরীবাজায় ?
বিপিনে বাজায় বাঁশী পশে হৃদি মূলে আসি
যাশী কেন নিতি নিহি আমারে কাদায়
কেনরে গমন করে বঁশরী বাজায় ।
কেন সে বাজায়।
কেন বাশী থেকে থেকে করে আলাপন
যবে আমি আনমনে, বসে থাকি বাতায়নে
ধ্বনিয়া মধুর সুরে করে আবাহন
সে কেন বাঁশীতে সখি করে আলাপন ।
ত্যেজেছি সকল সখি বাঁশী তরে তার
কুলশীল লাজ ভয় ত্যাজিয়াছি সমুদয়
সদা গুরুজন ভয় নাহিলো আমার
সকলি ত্যেজিছি সখি বাঁশী তরে তার।
৪
কেন সে অমন করে বাঁশরী বাজায় ।
এত করে বাঁধি মনে রাখি প্রেম,সযতনে
তবু বাঁশী কেন সখি আমারে কাদায় ?
সে কেন অমন করে বাঁশরী বাজায় ?
৫
**
সে যেন সজনী বাঁশী আর না বাজায়
যাও সখি বলাে তারে আর যেন বারে বারে
পাগল করিয়ে মেরে বাঁশী না বাজায় ?
কেন যে অমন করে বাঁশরী বাজায়-
রামচন্দ্র।
.
শ্যামল সুন্দর,
রাম রঘুবর,
লক্ষণ পূর্বজ রাবণারি।
দশরথ তায়,
সরল হৃদয়,
মহারাজ হে নৃপকেশরি ।
সীতাপতিরাম,
সুতনু সুঠাম,
দেব হরধনু ভঙ্গ করি ।
কৌশল্যানন্দন, বন্দে জগজন,
গাহে সদা মহিমা তোমারি।
পিতৃ সত্য তরে দ্বাদশ বৎসরে
করিলা দারুণ বনবাস।
পঞ্চবটী বনে
নিশাচরগণে
সীতা হরি করিল উল্লাস।
দ্বাদশ যােজন,
সমুদ্র বন্ধন,
করেছিলে তুমি অনায়াসে ! ·
স্বর্ণলঙ্কাপুরী, ছারখার করি,
সীতা উদ্ধারিলে কত ক্লেশে
সহচর সনে,
রাবণ নিধনে,
পুৱালে দেবের মনােরথ।
জয় জয় রাম,
গাহি অবিরাম,
চলে কপিগণ জব সাথ ॥
রামচন্দ্র।
অনল জ্বালিয়ে, সীতা পরিক্ষীয়ে,
লয়ে গেলে দেবী নিজ ঘরে।
পুন বনে দিলে, অসতী ভাবিলে,
নিল বাল্মিকী তারে আদরে।
গর্ভবতী সতী, বনে দিলে পতি,
জনমিল তনয় আশ্রমে।
শিখাইল গান,
গাথা রামায়ণ,
মুনিবর তারে কত প্রেমে।
সত্য রঞ্জমে রাজা, পুত্রসম প্রজা,
পালিলে সদা অতি যতনে।
যজ্ঞ আরম্ভিলা, বাল্মিকী আসিল,
লয়ে জানকীরে পূত মনে।
শুনি হরষিত, ,
আদরে কোলেতে তুলে নিলে।
জনমদুঃখিনী, জনক-নন্দিনী;
তারে দেখে নাহি সম্ভাষিলে ।
সীতা মনটদুঃখে, রহে অধােমুখে,
ডাকে ধরণী সওমা কোলে।
মেদিনী ফাটিল, রাণী চলে গেল,
কেশে টানি তুমি রাখিলে।
প্রতিমা সােণার, গঠিলে সীতার,
ব্রহ্মচর্য কর অবশেষে।
লবকুশ গীত,
নিবেদিতা।
শ্য মলদের,
তনু মনােহর,
পুন শােভিল গৈরিকবেশে।
নীলোৎপল দল, নয়ন যুগল।
জয় জয় রাম রঘুবর।
গাহি তৰু গাথা,
ঘুচে হৃদি ব্যাথা,
দয়ার সাগর গুণ ধর।
বৃন্দাবন দর্শনে।
এই কুঞ্জবনে মধুপ গুঞ্জনে
কত কথা আজি জাগিছে স্মরণে।
আছে সে মাধবী লতিকা তমাল,
আছে নিধুবন প্রেমলীলা স্থল
কোথা বনমালী রাধিকা রমণ।
কোথা ব্ৰজসখা চরা’ত গােধন ?
কোথা সে মানিনী রাধা প্রেমময়ী
কোথা পিতানন্দ সে যশােদা মায়ী ?
কোথা ব্রজবালা গাথি বনমালা
পরীত শ্যামেরে নাচিত সে কালা।
দেখি শ্যামৰ্চাদে কত শুকসারী
আনন্দে নাচিত ময়ুর ময়ুরী।
বৃন্দাবন দর্শন।
কোথা সে যমুনা স্বচ্ছ নীলিমায়,
বুকে তুলে তার নিত শ্যামরায় ?
আছে দেহ তার প্রাণ শূন্যকায়
দিতেছে কদম্ব সুশীতল ছায়া।
আছে সে শ্যামল নব দুর্বাদল
যাহাতে চরিত কৃষ্ণ-ধেনু দল।
সকলি সে আছে শােভা নাহি শুধু।
আছে বৃন্দাবন আছে গােপবধু।
শ্যামহারা হয়ে মরমে মরিয়ে
সবে আছে সখি স্মৃতি বুকে লয়ে।
৭ই জুলাই ১৮৯৯
দময়ন্তী।
বিশাল গভীর বন ঘন অন্ধকার,
নীরবতা মহাবিশ্বে করিছে প্রচার।
তাল, শাল, আদি করি দীর্ঘ তরুচয়
মহাশূন্যে উর্ধমুখে দাঁড়াইয়া রয়।
ভয়াল ভীষণ কিন্তু শান্ত বনস্থলী
যেথা গেছে নলরাজা বৈদভীরে ফেলি।
পবিত্র দাম্পত্য ভাব সরলতা মনে
সুপ্তিমগ্ন, জানে দেবী আছে পতিসনে।
১২
নিবেদিতা।
*
হেনকালে কাল নিদ্রা ভাঙিল তাহার
চমকি চাহিয়া বালা হেরে চারিধার।
বিস্ময়ে ব্যাকুল মন না হেরি নরেশে,
এখনি আসিবে রাজা কৰ্ম্ম অবশেষে
ভাবে মনে; বুঝি সন্ধ্যা-সূৰ্য্য অস্তগামী
নিত্য ক্রিয়া সমাধানে গিয়াছেন স্বামী
নানা, এত নহে সান্ধ্য সমীর হিল্লোল,
এ যে গভীর রজনী ঘন বনস্থল।
কোথা যাব তরুপত্র বিহঙ্গ নিকর
বােলো দাও মােরে কোথা মম প্রাণেশ্বর?
পথশ্রমে শ্রান্ত হৃদে মাগিতে আশ্রয়
রাজ্য ধন হারা স্বামী গিয়াছে কোথায় ?
ওমা বনদেবী তুমি বলগাে আমারে
কোন পথে গেলে আমি পাইব পতিয়ে ?
কাদিল কাতরে কত দময়ন্তী সতী
তবু না আসিল ফিরে নল মহামতি।
হাসিল কিট হাসি উচ্চ প্রতিধনী,
গণিল প্রদি মনে নলের কামিনী।
কত কষ্ট বে রাজা আমার বিহনে।
সকাতরে কর ডাকে ভগবানে।
দেখাে দেব শুন আজি মম এ মিনতি
কোন মতে যেন তার না ঘটে দুর্গতি।
দময়ন্তী।
মহারাজ হয়ে প্রভু বনবাসী শেষে
এই কি লিখেছু ভালে বিধি অবশেষে।
চরণ সেৰিব বলি আসিলাম বনে
তাহাতেও বাদী দেব হলে কি কারণে?
কে তঁারে তুলিয়া দিলে ক্ষুধা পেলে ফল
বুঝি রাজা তৃষ্ণা পেলে নাহি পিবে জল ও
হে ঈশ্বর দেগো তুমি পাতৱে আমাৰ
রসে ভরা ফুল মুখে দিও তঁার ।
* উৎস খুলে দিও পিসীর বাব
খি ও প্রার্থনা ময় : 'মি সতী নারী।
* লি মহান: কহিল ডাকিয়?
"দখলে দুর্গতি কত নলেরে বরিয়:
সুয়র কালে কৈলি যত অপমান
ও সব শোধ দিব করি দুত মান।
যে এনে গতিনার ধর কভ বা
২াৰ কেনে খ পুণ্যশ্নেক নই :
৫ই জুই
••
সখীর প্রতি
১
সখিরে ! নিতুর বােলোনা তায়।
সে সদি নির হবে অত প্রেম কর তবে
আমার হৃদয় তন্ত্রী সেই শ্যামরায়।
: বঁশ তাহার মুখে
সে বাঁশী আমার বুকে
নিয়া মধুর সুরে মরমে লুকায়
সখিরে বোলােন নিঠুর তায়।
২
সখিরে বলােনা কপট খায় ?
হে কপটকাল।
জানেনা কথার ছল।
লবাসে তাই আসে দেখিতে আমায় ।
যন্ত যেতে ফিরে চায়, বাঁশী কাদে উভয়
লোক লাজ ভয়ে সখি কিবা আসে যায় ?
কপট বােলােনা সখিরে তায়।
সখিরে সে নহে লম্পট শ্যাম
* যে মন প্রাণধার রাধা গায় বাঁশী তার
হৃদে তার লেখা আছে শুধু রাধা নাম
বধারে পাগল কর : সে ফেরে যমুনা তীরে
দাঁড়ায় কদম্ব মূলে খুলি কেশ দাম !
সখীর প্রতি।
৮।
৪ ;
সখি, জানেনা চাতুরী ছলা
গালিঙ্গিতে শ্যামকায় যমুনা বহিয়ে যায়
নীরবে প্রণয় গীতি গায় কত বালা।
দিতে শ্যামে উপহার শিরে পুষ্প অর্ঘ্য ভার
কেতকী, কদম্ব হের শােয় উজলা
সেযে জানেনা চাতুরী ছলা।
৫
।
শ্যাম মম নীরদ বরণ
বিজলী তাহার আশে লুকায়ে নীর পাশে
রূপ তার ক্ষণভা করে দরশন
হের সখি শ্যামে হেরি নাচে ময়ুর মধুর
কি কারণে আমােদিত করে কুঞ্জবন,
শ্যাম মম নীরদ বরণ।
৬
সখি সেযে বিশ্বের জীবন
দেখলো শ্যামেরে তুষি তমাল ডালেতে বাস
কুহু স্বরে পিকবধূ গায় কত গান
নব দুর্বাদল দল
অংছে হয়ে সচঞ্চল
কবে শ্যাম তার পরে করিবে শয়ন
সে শুধু আমার নয় বিশ্বের জীবন ।
নিবেদিত।? -
৭
সখি সে নহে গােপিনী রমণ
কুঞ্জবনে বাঁশী যবে বাজে রাধা রাধা রবে
গােপবধূ সবে মিলি করে আগমন
বিব কূলের বালা
সহিতে পারে না জ্বালা
অাদরে কালারে হৃদে করেছে বরণ
তাইলে আমার শ্যাম গােপিনী রঞ্জন।
৪ঠা জুলাই ১৮৯৯।
মিছে।
সবি কি গাে গেছে
তবে কেন মিছে
এত মায়াপাশ।
বুচেছে কি আশা
দারুণ নিরাশা
হাসে অট্টহাস ।
বৃথা এ প্রমােদ
পরার অামােদ
সার গজল
এত স্নেহ দয়া
এত প্রেমময়া
সকলি বিফল।
মিছে ।
প্রহেলিকা প্রায়
সবি মিশে যায়
রয় শুধু স্মৃতি
সারাটা জীবনে
কার অন্বেষণে
কে আমার সার্থ
এত হাহাকার
কিছু নাহি রয়
হ্নিতে নিতে খালি
শয় পিছে ফেজি
এ দীর্ঘ সময়
মিছে এ কামনা।
কা। এ ব স ,
সব দরে কি
তামারি মূরতি
হাক চির সাথী
প্রাণভরে থাক :
প্রার্থনা।
ওহে রমানাথ করি প্রণিপাত ।
যুক্ত ন রইে আত্ম। তবু সাহ
নিবেদিতা।
জীবনে মরণে।
যবে কৰ্ম্ম মাের হবে অবসান
তুমি পদপ্রান্তে দিও দেব স্থান।
আমা হতে তুমি ভাব মাের তরে
অধিক কি আর কহিব তােমারে ?
তুমি চন্দ্র সূৰ্য্য হতে জ্যোতিষ্মান
কেমনে গাহিব তব প্রেম গান ?
হে বাল গােপাল । বংশীধর হরি।
কর জ্ঞান দান তব নাম স্মরি।
জানিনাত দেব ভজন পূজন
করিবা কি করে তব আরাধন?
প্রাণ চায় তোম। জানি বারে বারে
কলােনা বিচ্ছেদ তােমা হতে মােরে
হে অনাদি শ্রেষ্ঠ সব হতে তুমি
পুরুষ! পুরাণ! জ্ঞান লীলা ভূমি।
জাশী লক্ষ বার করিয়ে ভ্রমণ
পেয়েছি বাঞ্ছিত মানব জীবন।
আনন্দেতে হরি তব নাম করি
য় দয়াময় বলে যেন মরি
এই নিবেদন চরণে।
বিশ্বেশ্বরের আরতি।
মঙ্গল আরতি ধ্বনি অন্নপূর্ণাধামে
জাগা’য়ে পাতকী নরে কহে ঘণ্টা কি গভীরে
ক্ষান্ত হয়ে মূঢ় মন দেখ হর বামে
বিরাজেন রাজ্যেশ্বরী, কত রূপ আহামরি,
ক্ষণ মাথা নত করি করে প্রণাম
হেম থালে অন্ন লয়ে মহাকালে ভিক্ষা দিয়ে
দেখান জগৎ এনে ধৰ্ম্ম-অর্থ-কাম।
মাগাে তুমি মহামায়া গিরিসুত অবজ্ঞায়
ক্ষুধায় কাতর নরে কর অন্ন দান
শিব যে মানব তরে লয়ে ভিক্ষা পাত্র রে
দাঁড়ায়ে তােমার দ্বারে হের মূর্তিমান্ ।
শিব শক্তি তুমি দেবী কোটী চন্দ্র তারা রকি
তােমারি মঙ্গল গীত গাহে অবিরাম
পুণ্য বারাণসী ক্ষেত্রে এসেছি অশান্ত চিতে
জুড়াল হৃদয় মম হেরি শান্তি ধাম।
অলি বরুণায় মিশি হেথা গাহে দিবানিশি
হেথায় মহান্ সৃষ্টি নাহি ভেদাভেদ,
হেথায় প্রকৃতি লীলা ব্ৰহ্মাণ্ড লইয়ে খেলা
শিখিছে অনন্ত শিক্ষা কত মহাবে।
নিবেদিতা।
#য় জয় বিশ্বেশ্বর
গাহিছে সুষুপ্ত নয়
বাজিছে মঙ্গল শঙ্খ ভেদিয়া গগন !
শিখাও মা ক্ষমা ভক্তি দাও গো জীবের মুক্তি
তােমারি করুণ কণা কর বিতৰণ।
: ৮১
সন্তান।
কোথা হতে কেন তোর
এসেছিস পথহারা
দেব শিশুগ
তাসিয়া আমার দ্বারে
কেন চা মুখ পরে
অযাচিত ধন?
কোন স্বর্গে ছিলি তাের।
তনু মায়া ঘেরা
. ওরে তােরা কার
উজলি বিমান পথে
সিলি কনক রথে
শিশু কুমার।
সন্তান।
=
কে সেই অমর কলা
যার কোল করি আল
ফুটে ছিলি ফুল
ত্রিদিব নন্দন বনে
দেব পারিজাত সনে
শোভায় কাল
বুঝি সেই দেব নারী
পিয়াতে পীযূষ বারি
স্নেহে টলটল,
হয়ে গেল কক্ষচ্যুত
ক্ষুদ্র দেহে বল কত,
-রে শিশু চপল,
দীপ্ত দিনমণি ভায়
স্বর্গ পথ মেঘ ছায়।
এলি তাই ধরে
মমতা অমিয়া মপি
মেই পক্ষে সদা ঢাকি
রাখিব আদরে
পাকু মাের ঘরে।
M
আক্ষেপ। আলি সেই সেযে ছিল এই শুভদিনে জাগিছে স্মরণে সে দিনের কথা। আকুল চঞ্চল বেদনা বিরল হৃদয়ের ব্যাথা। কত দিন ধরে বলেছিল মােরে তার সে কাহিনী অমৃতের ধারা সে আপন হার জীবন সঙ্গিনী। বুঝি পথ ভুলে এসেছিলো চলে স্বরগের রাণী কাজ সমাপিয়ে গিয়াছে চলিয়ে সুষমার খনি । সে দিন (ও) এমনি মাধবী যামিনী ওগো তাই হায় উজলি ভুবন, অাই আমি ল’য়ে তার স্মৃতি সে মাধবী রাতি স্বপন মগন। তারে বুকে রেখে তার মুখ দেখে ভাবেতে বিভাের, একা রেখে মােরে গেছে কতদূরে মম মনােচোর? আজ
শনি
১
সুম বরণ
নীল বসন
নীল বিমানচাৰী ।
ছায়ানন্দন
নীল রতন
অতি প্রিয় তােমারি।
নীল হয় বিহারি ।
তুমি ক্র গ্রহ অতি ভয়ঙ্কর
উরে নিরন্তর
তৰ ভয়ে তারা কাপে থর থর।
ওহে শনৈশ্চর মহাভয়হারী।
কোটা কোটী তােমা নমস্কার করি।
তোমারি কোপেতে শ্রীবৎস রাজ।
ব্ল্যধন হারা, পেটে কত সাজা।
চিন্তা পত্নী সনে যায় ঘের বনে
হাহাকার রাজ্যে কাদে যত প্রজা :
৪
মুখ হতে তুমি অন্ন কেড়ে নিলে
দগ্ধ মীন তার পালা’ল সলিলে।
নিবেদিতা ।
আরাে কত কষ্ট দিলে অবশেষ
পত্নীহার রাজা পেলে কত ক্লেশ।
মানব জীবনে উল্কাপিণ্ড প্রায়
তােমার উদয় যখনি হে হয় ।
কোপ দৃষ্টে যদি চাহ একবার
কোথায় সকল লয় পায় তার।
রক্ষা কর মােরে ওহে ভয়হারী
আমি মহাভাত আশ্রিত তােমারি
আহ্বান।
চঞ্চল নুপুর ও চারু চরণে
বাজিছে রাগিণী নব নব তানে
এস গীতময়ি। এ মনাে ভবনে
যাক পুলকে ভরিয়ে হৃদয় ?
আমি তোেমা দেখি হয়ে আত্মহারা
দেখেছ কি তুমি মোর অশ্রুধারা
কি মহা স্বপনে আমিলে। বিভাের।
দেখিতেছি তােম সারা বিশ্বনয়
আহবান।
এই যে উঠিছে মধুর ঝঙ্কার
শুনি দূরে যায় হৃদয়ের ভার
পরাণেতে হয় প্রীতির সঞ্চার
কোথা, পেলে দেবি.এন.তান?
কত যুগ তুমি করেছ সাধনা
তাই এ. বাজিছে করুণ মূচ্ছন
কার হাতে গড়া তব, ওই বীণা
বলে দাও মােরে , সন্ধান।
আমি জন্ম জন্ম করি আরাধন
ধুঞ্জে লব কোথা আছে সেই জন
কোন্ শিল্পী তব করেছে গঠন
মােহ মদিরায় ভরা:ও সুর।
আমি শান্তি হারা এসেছি এ পথে
তুলে,লও মােরে ওই পুষ্প,রখে
চিরদিন বুৰ উৰ সাথে সাথে
দেখাও মােরে কোথা ভর পু!
পুর
.
একাকিনী।
রাখ বহু দূরে
রেখে যারে তোরা মােরে একাকিনী
হৃদি হতে মােরে
হেথায় কঁদিব দিবস যামিনী।
আমি একাকিনী ।
চলে যারে তােরা আনন্দ ভবনে
মাের আঁখিখার। দেখি না তাের
ঘুচাব বেদনা কাদিয়া নির্জনে।
চির নিশিদিনে।
এই যে নির্জন প্রকৃতি সুন্দরি।
আমি দিবানিশি
হেথা রব বসি
মুছিব এ অঞ তার রূপ হেরি।
দেখ চেয়ে বহে বসন্ত পবন
মাের ব্যাথা নিয়ে স্বর্গ মাঝে গিয়ে
কহিবে সে কত দেবের সদন।
মাের বিবরণ।
নিয়েছি বিদায় তোমাদের কাছে
ফিরে যারে তোর
মগতে মরা
আমি শাস্তি হীন কেন মাের পিছে।
মোর গরু কাছে।
একাকিনী।
চিরদিন কাদি অল নয়ন
যবে এ হবে
বিদায় লইবে
এই আঁখি জল নিভিৰে তখন।
ঘুমে অচেতন।
যবে স্বর্গ দূত আসিবে হেথায়
এই দেহ মাের
স্বপনে বিভোর
নিয়ে যাবে তুলে কোন অমরায়।
যাসে কোথায়?
দেরে পুন দেরে বিদায় আমায়
চিরদিন তরে
রেখে যারে মোর
হলে দেহ লীন আসিস হেখায় ।
এই নিরাশায় ।
#
দেবতা।
খ্যানে গড়া দেবতা আমার!
কি দিয়ে পূজিব বল চরণ তােমার ?
পর পৃজিতে গেলে ভাসে আঁখি আঁখি জলে
কত টা হয় প্রভু ক্ষম বারবার
নিবেদিতা।
।
মানসের প্রতিমা সাকার
অখিল ব্রহ্মাণ্ড মাঝে জ্যোতির আকার
নয়ন মুদিয়া যাবে গড়ি তোমা মনে ভেবে
তব রূপে আলােকিত বিশ্ব চরাচর।
আরাধ্য দেবত সাধনার
হে মলিন মুখখানি মুর্তি সুষমার
মানস কলমা ছবি
সত্যের তরুণ রবি
কি দিয়ে চিত্রিব তব মুরতি অপার?
৪
তুমি প্রিয় দেবতা আমার
সাধ হয় লুটারে চরণে তােমার
* চারু সৌন্দর্য। মাখা ললিত লাবণ্য ঢাকা
সরলতা প্রতিমূর্তি আনন তােমার।
ওই মুখ নিত্য ভালবাসি
হে ময় হৃদয় রাজ্যে কিশাের সন্ন্যাসি।
কি ৰখা হৃদয়ে ঢাকা চোখে তা রয়েছে অক?
কে গাে গােপন মােরে মনােবন বাসি।
দুঃখ সঙ্গিনী ।
এ পদে ইনু স্মরণ
প্রাণের অতৃপ্ত আশা মিটেছে এখন
খি জল মুচিয়াছি ভালবাসা ভুলে গেছি
ভিখারীর পূজা এযে করিবে গ্রহণ ?
১৯৫২ ৫ই জুলাই।
দুঃখ সঙ্গিনী।
জীবন সঙ্গিনী
মম আদরিণী
রেখেছি হৃদয়ে মোর।
এ টির জীবন তােমারে দেখিতে
পরাণ হয়েছে ভোর
অঞ্চলের নিধি মাণিক মুকুত
ছেড়ে দিতে প্রাণ ফাটে ।
গামারি লাগিয়া কাদিয়া কাদিয়া
নিশিদিন দুঃখে কাটে।
আমারি মুরতি
স্বপনে দেখিয়া
হৃদয়ে একেছে বতনে।
আমারি লাগিয়া বাসর রচিয়া
মগন গামারি ধোনে।
নিবেদিত।
নিপুণ করেতে গাঁথিয়া মালিক
আমারে পরাতে আসিছে।
সুনীল বসনে তনুটা ঢুকিয়ে
নব অভিসারে সেজেছে।
জাস্টার মতন
মম সহচরী
আমি যে তার ধারণা।
অন্তরের মাঝে আমারে পৃজিছে
আমি যে তাহার কামনা।
মম অন্তঃপুরে আমারি আসন
আমি তার প্রিয় সাথী।
বাসনার সনে লালসা খেলিখে
নয়নে জ্বালাবে জ্যোতি।
জুন অন্ধকারে ঢকিৰে মেদিন।
হিমানী ঢাকিবে তুহিনে।
বিশ্ব চরাচরে রবেনা প্রভেজ
সলিল তপন গহনে ।
ব্যোমের, উপরে
মহাব্যোম, ৬৪
মিশিবে অনন্ত নিখিলে।
খাৱনা কামনা এ ক হয়ে যাবে
আমিত্ব রবেনা ভূতলে।
তখনো গরুনি
? পলকে পুলক
| খেলি প্রেমের খেলা।
দোষ কার
লাথি জনমিষে তােমারে দেখতে
কাটিবে মরণ খেলা # '
দোষ কার?
নাগ' দোষ কাবো না
দোষ শুধু অদৃষ্টের
আপন অদৃষ্ট ভেবে
ফলি জল নয়া নব
মহ দোষী রাম বিধি
নহি দোষ। প্রভু অনি।
কে জানে কে শুধু দোষী
মানগাে অন্তরযামী।
ফলে দিন অবসান
পশ্চিমে ডুবলে ববি।
কেন আসে আঁখি বা ন
(রি সে রক্তিম ছবি
একে একে দিন।
বুঝি হ'ল আয়ু শে।
পুন কি দেখতে ।
বেলা ।
নিবেদিত।
কিছুই দিলেন প্রভু
এবি বাকি রয়ে গেল।
কোন সাধ না মিটারে
বুঝি জীবন ফুরাল।
দিয়াছ কাদিতে শুধু
আর কিছু দাও নাই।
আপন ক্ষুদ্রতাহেরি
সঙ্গা প্রাণ কাদে তাই ।
সুপ্তি।
নীরব মধুর বীণা । নীরব মাধুরী
লুমন্ত মুখের পরে পড়িছে লুটিয়ে।
চুমিছে উম্মুক্ত বায় সৌন্দৰ্য লহরী
কে তুমি গাে সুপ্তি মগ্ন বীণা কোলে কয়ে
ভগ্ন বীণা ছিম তার করেনা ঝঙ্কার
মৌন মুখে দীনভাবে ধূলিতে পড়িয়া।
শাপন অবশ দেহ রাখিতে তাহার
পারেনি বক্ষেতে তব নীরবে কায়া
আধােমুখে তাই আছে। কাতর। তার
আছে কি না কে রিকে বুঝিয়ে
সুপ্তি।
প্রাণহীন দুঃখ শােক নীরব ভাষার
বুকে তারে তুলে লয়ে আপন করিতে?
হে পথিক সারানিশি গেয়েছ কাতরে
কি গান আপমহারা আপনা মোহিয়া
মরণ কাতর এই ধরণী মাঝারে'?
নিশি শেষে শ্রান্ত মনে বিশ্রাম মাগিয়া
তাই কি শুয়েছ এই অনন্ত শয্যায়
জীবােদ সাগর মাঝে যথা নারায়ণ ?
আপনি অম্বুজা বসি রূপের প্রায়
আলোকিয়া দশদিশি প্রেমেতে মগন
করেছিল পদসেবা। কোথা’রমা তব,
সংসার নীলঘু মাঝে তুমি কি একেলা?
গেয়েছ বিজনে বসি যত গান সব
সমাপন হল আজি তাই এই বেলা ?
ভাবের কৌমুদী দীপ্ত সুধাংশু কিরণ
খেলিছে মুখেতে তব থাকছে বিভাের
নয়নে জ্বালায়ে জ্যোতি জাগ্রিত স্বপন
এ জনমে ভাঙ্গি ওঁনা চিরসুপ্তিঘাের।
তুমিও ঘুমাও বীণা চির অন্ধকারে
অনন্ত আহ্বানৰ হের চারিধারে।
**
পিতা।
.
কেমনে শুধিব ঋণ নক তোমার ?
যে দিন সংসার মাঝে
জন্মিলাম নব সাজে
সেই দিন হতে নিত্য বাড়ে তব ধাঃ
তার পর তব কোলে
আদর দোলাতে দুলে
সােহাগ লহর তুলে বাড়িনু আবার
সংসারে তাপিত কায়া:::.
তুমি না-করিলে মায়া
বল বুদ্ধি বিবেচনা কোথা যেত তার ? -
আশৈশব তব সনে
.. যে শিক্ষা লভিনু মনে
কিশােরে সে মনােবৃত্তি পরিণতি পায়।
যার বলে এত দিন :
ধূলিতে হইনি লীন
সে শুধু নিশ্চয় পিতা তোমারি কৃপায় ।
সংসার সমুদ্র শিরে
গজ্জিতেছে ঘনঘরে
দাড়ায়ে অচল সম নাহি কোন ভয় ।
পিতা। নির্দেশিলে লক্ষ্য স্থলে চলিনু তােমার বলে হাত ধরে চলিলাম ধীরে পায় পায় । তুমি যদি এ সুপথে মােরে আজ না দেখাতে ঐ এই মন বুদ্ধি কোথা যেত ভেসে। করিয়ে জীবের সৃষ্টি প্রকৃতির পরিপুষ্টি শিখলে সন্তানে কত ধৰ্ম্ম অবশেষে। প্রদান স্নেহের ছায়া কই তারে কর দয়া সাপ কি মানব শােধে কণামাত্র তার কভু যদি দেখ তার : : লেশ মাত্র দুঃখ ভার কত না যাতনা পাও হৃদয়ে তোমার তুমি প্রতিমূৰ্ত্তি দেব বিশ্ব বিধাতার । বিস্ময়ে বিমুগ্ধনেত্রে করি নমস্কার- ধত অপরাধ পিতঃ করিয়াছি পায়। দুখিনী তনয়া তব আজ ক্ষমা চায় । . --
ভ্রমর।
লে। লো মানিনী বধু তাের বুকে এত ম
কা}ে মেয়ে বলে সবে কুরে অপমান।
হোক কালো কিবা ক্ষতি তুই যে সরল। ত
কোমল হৃদয়ে তোর বড় অভিমান।
কাল মান কাল হল
সুধা হল হল
সাধের প্রেমেতে পােব আনিল বিষাদ ।
এক মানেরে ছাডি না গেলে “বাপের বাড়ী।
তা হলে ঘটিত কিরে এত পরমাদ।
ও কালে সুখল ফুল শুধু ক্ষণেকের ভুল
ধাহারে করিয়ে দিল আর ফুটিল না
৬.য়গাে গোবিন্দলাল না মানিলে কাকা
চরণে দলিলে যারে সেতো একবল না।
ইখাবার নহ তুমি তাই ত্যজি মরুভূমি
গিয়াছ দ্যুলােকে চলি সরল কৃষ্ণ।
শশীষ করছেন। সতি শিখি মােরা পুণকে
আমরণ তিভক্তি যেন তব সমt
দরিদ্র।
১
পূর, সূক্ষ, অচঞ্চল, পাষাণ মূতি।
শায়রে ধরি আয় জীবনের সাথী।
দরিদ্র ।
•স্বয়ে সকলে মোরে গেছে শবে ছেড়ে রে
কাদি আমি এ প্রান্তরে একা চিরক্তি ।
২
বিকট ভনিস মূর্তি অস্থিচর্মসার
হে দারিদ্র্য দুর্ভিক্ষের নিত্য-সহচর,
'তে কস্কল-মালা নয়নে অন-হা'
কাদয় পুড়িয়ে গিয়ে হয়েছে অঙ্গার
তোর ভীম ঝঞা- ববি যখন
কহিবে সকলে শুধু দীন অাজ।
* বিদ্রুপ হে ফেলে ধৰে । ব শে?
শৰ-সম হে করি হায়রে জীবন
৪
হে দারিদ্র্য কিশােরেতে অঙ্কুর-উদয়
যৌবনেতে র সনে নিত্য পৰিচয়
সম্মুখে সুখের রবি 'হ্মশা যে দেখায় ছা;
ভাগ্য সে হীন এাণ শুধু চেয়ে রয় ।
প্রাণে ভায় কং) সাধ কত আকিঞ্চ
কে বুঝিবে বল তার যাতনা বেদন।
সাধ না মিটাতে পেয়ে, শুধুই নয়ন স্বে,
ক্ষুণা লাঞ্ছনায় 'ফরে অঙ্গের ক্ষুষ .
নিবেদিতা।
একবার তুমি যারে কর আলিঙ্গন
ডাকে সেই দিবানিশি কোথায় মরণ?
* কেহ এ সংসারে নাহি তারে সমাদৰে
হোক সে মানীর শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী গুণী জন ।
৭।
যে জন অভাগ্য হেয় ঘৃণিত জগতে,
বু সে যে তাৰ প্রিয়, আছ তার সাথে।
এই শান্তি তার মনে,
কাছ চেয়ে অানমনে,
শক্তি কম্পিত হদে তার আশপথে ।
তোমার কঠোর করে তারে পরাশয়
* ক শান্ত কর জর্জরিত হিয়া
অনাদরে অপমানে
যে জ্বালা তাহার প্রাণে
র সেই জাখি বার দাও মুছাইয়া।
মাতা।
মাগো কত ভালবাসা ধর ও অন্তর,
সীমাহীন সংখ্যাহীন নিশিদিন ধরে।
তা অনন্ত দিন,
ক্ষুদ্র নর, জ্ঞানহীন
চায় তোমা অন্বেযিতে না পায় সন্ধান
(গ সে গো অবাধ নর, তাই ভাবে নিরস্তু,
সীমাবদ্ধ মাতৃপ্রেম আছে মা তুলন।
তুমি বেঁধে না রাখিলে, দিয়া প্রেম কত ,
(ফ রাখিত বল দেৰি। উন্মত্ত মানবে।
ও ৭ প্রেমময়ী মুক্তি মােহিনী জীবের পাত্র।
স্নহ, দয়া, প্রেম, পুষ্টি কে দেখাত ভবে ?
*র জড়পিণ্ড-প্রায়
ববে তার জন্ম ।
পিয়ায়ে পীযুষ-ধারা কর মা সবল।
ৰৰ দিন মাস ধরে মানৰ আকারে তা
পরিণত করি দাও জ্ঞান বুদ্ধি বল।
জননী ভগিনী জায়া
কতরূপে মহামায়
কর লীলা মাতৃরূপা মানবে তুষিয়া ।
সন্তান কল্যাণ লাগি হয়ে মাগো সর্বত।
এক মনে এক ধ্যানে সে মুখে চাহিয়া।
ম । পাপিষ্ঠ অতি
৩াই গো তােমার স্নেহ পারিনা বুঝিতে
জ্ঞানহীন মুশি।”
নিবেদিতা।
এসেছি তোমার কোলে পুন যাবে যাব চাস
পারি যেন তব কোলে এ আঁখি মুদিতে ?
তােমার আদর্শ মাতা কিবা আছে আয়,
সর্বংসহা ধরুণীই তুলনা তােমার।
কোথা
যাবে ?
কাখা যাবে কোথা যাবে তুমি প্রিয়তম
ভালবাসা ঘেরা এই হৃদি হ'তে মম ?
বাহিরে ছুর্দিন বড় দাড়ায়ে শিয়রে
দুঃখের অনন্ত ছায়া কাপে ধীরে ধীরে।
সেথা যেতে নাহি দিব থাক হেথা মোহ
এ ক্ষুদ্র হৃদয় লয়ে প্রেমে হোয়ে ভাের।
হে অশান্তি। হে ব্যথিত! হে প্রিঃ অাম:
যে ওনা ছলনা-মাখা সংসার মাঝায়।
জানকি ধরার খেলা শুকঠিন কত ,
পারিবে কি উদযাপিতে সে মহন্ত ।
অতি সুকুমার তব কোমল হৃদয়
অচল অটলভাবে বিশ্ব করি জয়
রহিৰে আজন্ম ধরি হিমগিরি মত ।
শাশন কলিময় শােক দুঃখ ,
কোথা যাবে।
দূরে যাবে তােম। হেনি। শুধু হাস্য মুখে
আনন্দেরে আলিঙ্গিয়া লবে তব বুকে ?
এ বিশ্ব বেদনা-গড়া, ক্রন্দনের রোলে,
গর্ভ জন্ম-সাধ সব কোথা যায় চলে।
স্মৃতি শুধু চিতা সম জ্বলে আমরণ।
ফর পন্থি সে পথেতে করোনা গমন।
স্বহস্তে রচেছি হেথা পুষ্পবীথি তলে
নবীন বাসর-শয্যা দিয়ে দুর্বাদলে।
নিত্য নিত। মালা গাঁথি সাজাব তোমায়,
রুণ অরুণ রূপে বিশ্ব-শোভাময়।
হবে যৰে সুপ্ত সবে যাৰ নদীতীরে
শুৰ সান হেতু নিজে বারিআনিৰারে ।
শ্যামা মোদীর পরে করিয়া শয়ন,
তন্দ্রাতুর আঁখি মেলি দেখিবে স্বপন।
সিত পূর্ণিমার নিশি ঢালিছে কেমন
রজত কি রণ-ধার! শান্তি-নিমগন
বিশ্ব ! ছায়া সম বসয় নীরবে
অঞ্চলেতে করিব ব্যজন ধীরে।
স্বপন-খটিত মুখে হেরিব কেমন,
কৌমুদী লুটায়ে পড়ি করিছে চুম্বন।
নীল চন্দ্রাতপ চারু শাভি শিরপার
চালিবে তুহিন-কণাস্নেহপূত বারি
নিবেদিতা।
এ হৃদয়ে যত কিছু শুধু তােমা তরে
সাজায়ে রেখেছি সবি যেওনাকো দরে
৭ই জুলাই •
প্রত্যাগমন।
ওরে পথহারা শ্রান্ত শিশুটী
ফিরে কি এসেছ ধরে?
খায়েছে মূখ আর কোলে আমি
গিয়াছিলি
কতদূরে ?
গুয়েরে অশান্ত অবোধ বালক
ছুটে আয় ত্বরা আয়,
কি দেখেছ সেথা বলনা আমায়
পেয়েছিস কেন ভয় ?
কতবার মােরা করেছিনু মান।
করুণ রোদন করে।
না শুনে সে মানা গিয়েছিলি পালায়
বড় অভিমান-ভরে।
কোন সুরলোকে দেবতার কাছে
গিয়াছিলি তুই চলে।
এ দুঃখ বেদনে ধরার ভবনে
আমাদের একা ফেলে ।
স্মৃতি।
এত দিন পরে পড়িল কি মনে
ওরে অঞ্চলের নিধি :
পুন ক্রোধ ভরে যাসনে চলিয়ে
ফিরে, এসেছিস যদি ।
স্মৃতি।
কবে কোন্ অতৃপ্ত চুম্বনে
জীবনের প্রথম মিলনে
অনিদ্রায় কেটেছে যামিনী ?
লুকানাে সে প্রাণের বাসনা, বাহিরিতে করি আনাগোনা
সরমেতে ফুটেও ফোটেনি।
প্রথম-প্রণয় পুষ্পরাশি সবে মাত্র উঠিল বিক।
প্রাণে জাগে কত সুখ সাধ।
কেঁপে ছিলো পুলকে হৃদয় এত কিগো তারে বলী শস্য
লজ্জা আসি সাধিলরে বাদ।
নয়নেতে ছিল ঘুম ঘাের, সুখ নিশা হয় হয় ভোর,
বলি বলি বলত হ’লনা
দিকে অরুণ কিরণ, জানাইল উধা আগমন,
নিশি গেল আরুত এলোনা।
দোয়েল গাহিল মধুস্বরে,
“জাগ জাগ নববধূ রে’
সলজেতে শিরে দিমু বাস।
নিবেদিত ।
# রাতি গেল পুন এলো, কিন্তু হায় আর কি মিষ্টি
* দিনের সেই সে পিয়াস।
আর কখ{ক দিলে মম, ফিরে পাব সেদিন সন
মিলনের মধুর রজনী।
ই আজ জাগিছে স্মরণে, কেবা দিয়ে কাটিকে ম' ন.
ফুলশয্যা” স্বপন-কাহিনী ৪
জুগন্নাথ।
১
এসেছি হে বহুদূর হতে
আনিয়াছি এই ফুলমালা,
অতিক্ষুমি বহুদুর পথে
দীন মনে দীদ সারা বেলা
সারানিশি। এসেছি কারে
তামারি মন্দির দ্বারে আজ।
লয়ে অর্থ তোমারি দুয়ারে
ভাকিতেছি কোথা রাজ-রাজ।
দেখা দ! ও জগও ঈশ্বর
দেখা দাও রাজ-রাজেশ্বর।
२
অাসিয়াছে কত লােক গো,
আনিয়াছে কত উপহার;
হক্তিভরে হৃদয়ের ব্যথা
জানতেছে চরণে তোমার,
কহু দেয় কত রঙ্গ বন,
কেহ দেয় ফুল সচন্দন ;
ধূপ দেয় করি সযতন,
গলা কেহ করিল সুপণ।
সকলেরি পূর্ণ মনস্কাম
করিলে হে কৃষ্ণ বলরাম ?
হেথা আসিয়াছি আমি দীন।
পূজা হেতু নাহি আয়োজন
প্রমাঞ্জলি ভক্তি অর্থ বিষয়
জানিনাকো ভজন পূজন্ম
শ্র মাের সঞ্চিত যতনে,
তাই দিয়ে গাথিয়ছি মাল ;
সায়াহ্লােতে বসিয়া বিজনে,
ভূলে গিয়ে যত ধূল খেলা।
দান-খা তুমি নারায়ণ
রাখ পায় আশ্রিত যে জন
দর্শন-লালসা
কত দিন ধরে দেখিনি তোমারে
উঠিছে হৃদয়ে সাধ।
বহুদিন পরে -এত অাশা ক’
কে হেন সাধি বাদ ?
ইন্দ্রধনু গড়া . মুরতি তোমার
গিছে যমুন’র ...
যধি বাঁধি করি মনেরে নিবার
রাখিতে নারিনু ধরে।
ব্যাকুল বাসনা পড়িছে লুটায়ে
সুখ-আশ মনে জাগে
কার পরাণে সঞ্জল শনি
ডাকি কত অনুরাগে।
হৃদয়-গগনে,
পূর্ণ শশধর
আমি.তব ধ্রুব তারা,
শভ নীলাকাশে দেখি দূরে থেকে
হইয়ে আপনা-হারা।
জান্তর মাঝারে অমানিশি কেন
নাহিক চাদের আলো
মাধবী যামিনী মেঘে থাকে ঘের
লাগে কি কাহারো ভালো।
ম
ভূমি
যা
অভিষেক
জয় মহারাজ, ভারত ঈশ্বর
শুৰ অভিষেকে মেরা ক্ষুদ্র নর
করিতেছি আজ মঙ্গল কামনা।
; শত্রু । তব সবে পরজিত
সম্মুখ সংগ্রামে হাে নিপতিত।
খােক সকলে বিজয় ঘোষণা
* মহারাজ। বৃটশ্বর
এৰ যশ গাহি মো ক্ষুদ্র নয়
মাহিক মোদের সম্পদ কায় ।
সিন্ধু কুমাহিকা অসমুদ্র ক্ষিতি
এক রাজ্য হােক চিরদিন স্থিতি
মােরা যেন রহি নির্ভয় হৃদয়।
তব পুত্রগণ অটল হৃদয়ে
শাশুক মেদিনী বিশ্ব করি জয়
চিরদিন থােক সংগ্রামে অচল।
ছিলে যুবরাজ আজিকে সম্রাট
জয় জয় তুমি ধন্য এওয়ার্ড
অঙ্গে অমেয় হােতব বল ।
মাতৃশোনল ফেল মুছে আজ
ক. যার জছে পুণ্য কাজ
স্বর্ণ হতে তিনি দেখিছেন সব।
নিবেদিতা।
তার আশীর্বাদ হবে না বিফল
ম ফজলে তার লভিৰে মঙ্গল
ধরা মাঝে পাবে অতুল বেৰৰ ।
$ে মহারাজ জয় জয় ধ্বনি
কম্পিত করুক আকাশ মেদিনী
লক্ষ লক্ষ কষ্ট তোমারি জয় ।
কে তোমার ভারত সাৰ
সূল গিয়ে ব ছেষ্ণ অভিমান
ভ্রাতৃপ্রেম-সূত্রে যেন বাধা রষ ।
প্র.: মহারাজ করুশ নয়নে,
(খে চেয়ে তব দীল প্রজাগকে
বিজিত এ জাতি হে জগতের
ছিল হেন দিন এরও ভূতলে,
মহাবীৰ্যশালী বধি শক্রদলে,
সর্বশ্রেষ্ঠ মণি ছিল মহত্ত্বের ও
সভ্যতা-সোপান ভানের ভাণ্ডার
দিয়া মায়া ছিল হৃদয় মাঝার
লভেছিল। কীৰ্ত্তি সুচারু শিল্পে
দর্শ জননী ভারত-রমণী
পত্নীরূপে ছিল শক্তি-স্বরূপিণী
এবে সেই জাতি দলিত পদেতে
শৈশষ কাল ?
তুমি রাজ্যের অতি গুনবান্
রাখে। দয়া করে মানীর সম্মান
পরমেশ তব কর মঙ্গল ।
রাণী কুলমণি জননী তোমার,
তুমি নরপতি তনয় তাহার
দীন প্রজাদের মোছ সকল
শৈশব কাল
জায়রে শৈশৰ-কাল গভীত জীবন ।
'স খুসি নৃত্য গীত, আয় পুলকিত চি
আয়রে সোহাগে লা প্রফুল্ল বদন!
ঘোচ। এ মলিন মুখ মােছ রে নয়ন
এস রে শৈশব মম জুড়ান জীবন,
বন মধ্যাকালে, খর রবির জলে,
পরিশ্রান্ত ক্লান্ত আমি অতি অভাজন,
: ক দিলে পাইৰ আজি তব শব্দ :
ও নিবেদিতা
মায়ামৃগ ! কতদূরে করিলি গমন ?
স্মৃতিতে মাধুরী মাখা, সুখ-ছবি-চোখে অংক,
বিনােদ হাসিতে ঢাকা সজল নয়ন
সাধের শৈশব মাের আকাঙ্খর ধন ।
৪
কত তৃপ্তি কত সুখ ছিল এ বুকেতে :
ছিল ন! গরলময়,
বেদনা বিষাদ ভয়,
নিতুই নূতন আশা জাগিত প্রাণেতে
অমূল্য রতন তুই আয় এ বুকেতে ?
জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সুখের স্মরণ
•ধের শৈশবকাল,
ভরিয়ে হৃদয় -থা,
প্রেম-প্রীতি-পুষ্পদল সন্তোষ-চন্দন,
সাজারে সাজারে পুনঃ মন নিকেভন ;
আঁধারের আলাে তুই অমূল্য রতন
.. পোড়া অশান্ত চিতে, সংসার-মরুর ক্ষে,
বিদ-হৃদয় যবে হইৰ দহন।
একমাত্র শান্তি-সুখ তােমারে স্মরণ।
মনে পড়ে।
৭
সাধের শৈশবকাল আকাঙক্ষার ধন।
আয়রে প্রমােদ-হাসি, আকুল উচ্ছাসে ভাসি,
লক্ষ্যহীন সুখ-ছবি জীবন-রঞ্জন।
এ বুকে সদাই থাক্ আনন্দে মগন।
চারু সরলতা ছবি মুরতি তোমার
প্রেমের প্রতিমা তুমি, আনন্দের লীলাভূমি,
স্নেহের শৈশবকাল বিগত এবার
জন্মান্তরে দরশনে পাব না কি তার ।
মনে পড়ে।
স্তব্ধ নীশিথে বসি বাতায়নে,
কার মুখ খানি পড়ে আজি মনে
কোন দুঃখ গাগা উদাস পরাণে,
কার এলোচুল সুৰঙ্কিম গ্রীবা ?
বিমল-মাধুরী-মহিমা-জড়িত
ক্লান্ত আঁখি পাতা স্বপনে খচিত
মি চন্দ্রালােক হয়ে উজলিই
লিত পরনে কোন দিব্য বিভ?
নিবেদিতা।
যন স্বপ্নঘোরে কোন ছায়া-বাল।
এসেছিল হেথা রূপে করি আলো
-ছে সে নিয়ে আপনার জ্বালা
ফেলে গেছে শুধু স্মৃতি খানি তার
কি করিলি চুরি ওলাে মন-চোর
কি বিষাদে তুই এত না সুন্দর
হে বিমানচারী তনু মনােহর
বন্ধু বন্ধু তাের হৃদয়ের ভার ।
মাপনার ব্যাথা আপনি সুকায়ে
নিঠুর বেদনে মরমে মরিয়ে
ৰাখিলি গোপনে কত লাজে ভয়ে
মরি হৃদয় কত না সুন্দর ?
কে লাে রি রূপসী রমণী--
কার তুই ছিলি মরকত মণি
কর শিরশোভা প্রণয়ের খলি
কিবা বিনিময়ে ভিসি অন্তর ।
কবি ।
বময় কবি ভাবেতে বিভাের প্রাণ
কি আলো নয়নে জেলে করিছ সঙ্কন ?
যেন ও উদাস মুখে
কি ছবি তুলিতে একে
মনের দর্পণ খুলি কর দরশন
ওই যে আলোকপ'রে
রবি-রশ্মি খেলা করে
সারাদিন মেষে ভানু শেভিছে বিমান
তুমি কবি তাই ল’য়ে
ভাবতে বিভাের হয়ে
পাশাপাশি কর খেলা ছায়ার সানি।
নিশীথে চঁাদিনী ওঠে
অম্বরে তারকা ফোটে
অমনি বুকেতে জাগে সােণর স্বপন
সায়াহ্লাে গোধূলি রাগে
বসাইয়ে অগ্ৰ ভাগে
জারি সনে কত কথা কত অালাপন।
যখন মেঘের কোলে
চমকি চপলা খেলে
আনন্দেতে মুহুর্মুহু কর দরশন,
নিবেদিতা।
কল্পনা-বিভোর কবি
দেখগো বিশ্বের ছবি
মহা স্বপ্নে অচেতন নয়ন মুদিয়া
কুঞ্চিত অলক-রাশি
কপােলে লুটিছে আসি
পগল পবন হাসি খেলে তাই নিয়া
ভারতে বিভোর কবি ভাবমর প্রাণ
সার; খানি প্রাণ বিশ্বে করিয়াছ দৰ।
সে কোথা?
সেই বর দ্বার রয়েছে সাজান
সেই ছবি খানি দেয়ালে টাঙান
আজ সে বুঝিয়ে সুরেতে নাই।
যত কিছু তার তুতে রাখা
:: সবি দেখি কেন ধূলিমাখা
হেন অনাদর হয়েছে তাই ?
বড় আদর বিড়াল শিশুটা
বস ম্লান মুখে চায় মিটিমিটি
সে কেন এখনো এগোন। ফিরে।
মালা ।
বেলা সব গেছে হল অন্ধকার
উদাশ বাতাস করে হাহাকার
সে কি গেছে আজ অনেক দূরে।
অামি যে রহেছি বসিয়ে হেথায়
কতক্ষণ ধরে তারি অপেক্ষায়
একবার এসে দিয়ে যা দেখা।
প্রতিধ্বনি বলে ঘোর অন্ধকারে
জনমের মত ফিরে যারে ঘরে
বুকে লয়ে তার শেষ স্মৃতি রেখ।
মালা।
গে। নবরাণি এনেছি মালিক।
তুলে কি লইবে করে ?
তোমার পরশে কুম-কলিকা
ফুটিবে হরফ-ভরে !
এ যে বন-ফুল নহে স্মৃতি জাতি
সুগন্ধ ছড়ায় কায়
সেফালিকা বেল গােলাপ মালতী
পুলকে ফুটিয়ে চায়।
সৌরভ-বিহীন শুধু বনফুল
নেবে কি গাে তুমি এলে
ক
নিবেদিতা।
.
আপনার মনে আপনি আকুল
এনেছি তােমার দ্বারে।
বেলা গেল সব যাব বহুদূরে
মাথায় লইয়ে ডালা
কর অনুমতি চাইলে নয়নে
নেবে কি না বল বালা
সুখ।
হে সুখ কনককান্তি স্নিগ্ধ সুকুমার
আনন্দের নিকেতন মূরতি তােমার?
তোমার চরণ-স্পর্শে উঠিছে বাজিয়া
বিশ্বের রাগিণী যত দিগন্ত ব্যাপিয়া
তব সৌম্য রূপ-রাশি হেরিলে নয়নে
দুঃখ শােক মলিনতা নাহি রয় মনে।
তব স্পর্শে জগতের যত অভাজন
জড় দেহ ত্যাগ করি লভয়ে চেতন।
কোথা সুখ কোথা তব প্রিয় নিকেতন
কোন্ ছায়াপথে তুমি কর বিচরণ?
অদৃশ্য আলােক আনি নয়নে নরের
দেখাও অপূর্ব ছবি বিশ্ব জগতের।
প্রথম চুম্বন।
ইঙ্গ করি নিখিলের যত নীরবতা
প্রকাশে স্বর্গের দূত তোমার বারত।
হীরক-কিরীট শিরে শান্তিতে খচিত
স্নেহ দয়া ভালবাসা রতনে মণ্ডিত।
প্রেমের মুকুতা গাঁথা মালকা গলায়
সুজ্জাবাসে ঢাকা তনু অত শোভাময় ।
তুমি যদি না থাকিতে অাঙ্গি এ ধরায়
নর-নাম পৃথী হতে লইত বিদায়।
শােক তাপ দুঃখময়-জগত-মাঝারে
রাখে আশা একদিন দেখিবে তোমারে
প্রথম চুম্বন
১
জীবনের প্রথম চুম্বন
তোমাতে মিশিয়া আছে কত অকিঞ্চন
কত সাধ অাশা মাখা কত প্রেম আছে টাক।
কত ভূল কহ ভ্রান্তি কত না দেন।
২
আদরের প্রথম চুম্বন!
হে নব জীবন কুঞ্জে নবীন স্বপন
নিবেদিতা।
সোহাগে সরমভরে সে যবে চুম্বন করে
তনু রাগে ফুল হয় মলিন বদন।
চিরদিন থাক মম সাথী
মম হে সংসার-কূলে প্রথম অতিথি
অতীতের সেই দিনে অাজিও জাগিলে মনে
জাগে হৃদে ভালবাসা কত প্রেম প্রীতি।
৪
ওরে প্রিয় চুম্বন আমার
দেখিনু প্রথম যবে মুরতি তােমায়
খেলা ধূলে ভূলে গিয়ে কিশাের জীবন লয়ে
সসঙ্কোচে প্রবেশিনু সংসার-মাঝার
তুমিত সুখের মুখ দেখালে আবার।
রে চুম্বন প্রাণের পুলক
জীবন গহন বনে পুষ্পিত অশােক
ল। তয় ফেলি দূরে হাত ধরে ধীরে ধী
আশার প্রদীপ জ্বালি দেখালে আলোক।
প্রণয়ের পবিত্র চুম্বন
একমাত্র তুমি শুধু প্রেম-নিদর্শন।
দম্পতি গরব করে মহে যবে মন ভরে
মিলনের সাক্ষ্যস্থল তব পরশন।
পূজা।
৭
অাজ তাই মধ্যাহ্ জীবনে
তােমার মধুর মূর্তি উঠিছে স্মরণে
* প্রিয় মনেতে রেখে বারেক অণ। খ
অবহেলা করে নাকো মােরে অরাণ।
স্পশার প্রতিমা গড়ি মানস-মন্দির
পৃজিলাম বহুদিন অতি ভক্তিভরে ।
চিন্তা ক্লান্ত দিন আর বিনিদ্র রজনী
পদ প্রান্ত কাটায়েছি জানতাে জননী।
হবুত হলেন দেবি ভক্তের সদয়
নাহি দিলে বরমাল্য নাহি বরাভয়।
আজন্মের রুদ্ধ অশ্রু সঞ্চিত আমার
"আনিয়াছি তব তরে পূজা-উপহার।
দীনের এ ভক্তি-ভার করিয়া গ্রহণ
অাশববাদী পুপ শিরে কর বরিষণ।
যদি নাহি নাও তুলে বুঝিব নিশ্চয়
পাষাণী, পাষাণে গড়া তোমার হৃদয় ।
স্বর্ণবণে চিত্র করা মাটির প্রতিমা
দেবতার সনে তার হয় কি উপম ?
মরণের আবাহন।
* মরণ-ভূয়া
ব্যাপিয়া দিবস * }
করে আবাহন।
* কোথায় আয় ছুটে কৰ্ম্ম-বন্ধ যায় টুটে
করিছে গর্জন।
দ। দুরে ক্ষণেক তরে যাব দুটে। কাজ সেরে
আয় তােরা আয় ।
। ধরি সারি সারি আয় সব নর রী
পলকে প্রায়।
দাড়ায়ে শিয়রে পরে
ঘোষিছে বিকট ।
মরণ-বারতা।
মুহুও হইবে লীন মিছে এই দুটে: +
মুথা আকুলত!
+
মৃত্যু।
ওরে মৃত্যু ধরা মাঝে সত্য সুমহান
একমাত্র নিশ্চিতের জ্বলন্ত প্রমাণ।
চরম সময় এলে সবাই পলাবে ফেলে ।
তুমি ধীরে তুলে নেবে করি আলিঙ্গন
মৃত্যু।
পৃ। গ্লা অন্ধকারে জীব যে সহ ঠে-
কন্তু কি ভাবে গাে মিথ্যা ধরার স্বপন ।
কল গুটি কলটি কায়া দেখায় স্বরূপ ছাগু।
বিচিত্র বরণ ঘটা জব পায়াবায়ে,
একটী মুহুৰ্ত্ত পরে
জান মা কি হতে পা
কিন্তু মৃত্যু ধ্রুব সত্য বিশ্ব চরাচরে।
বিশাল বিশ্বের কায়া দুর্ভেদ্য পাক না
নিমেষে বিলীন হবে মরণের কোলে
মরণ অবিনাশী নিজমুত্তি সক
লােক ছবি খানি চোখে ধর তুলে।
রহের সাধ আশা
এদেহ মাটার সুম
‘সলস প্রমোদ প্রেম সবি রবে পড়ে
চেতনা জড়তে মিশে
মাটীতে লুটিবেশে
সাধের ধরণী তোরে যেতে হবে ছেড়ে ?
সূক্ষ সূত্তে ঝুলিতেছে মানব নিয়তি
* সূত্র হিঁড়িবে যবে তোমার উদয় হ'
তবু তোমা ভূলে থাকেন মূঢ়মতি
কৃষক পুত্র।
নতা গাতী গুলি গােয়ালে বাঁধিয়া চলে যেত ক্ষে
আঁখি ছল ছল ন দিকে চায়
কি গুরু বেদনা মরমে লুকায়
তার শুধু এক খানিতপত নিঃশ্বাস আসিত ভেসে :
২
কে তারে দেখি কে তারে খুজিত দরিদ্র জন ।
সান্ধ্য আঁধারে গােধূলি আকাশ
ধীরে মিশে যেত বহিত বাতাস
এমনি সময়ে মাঠ হতে ফিরে গাহিত গান ।
মা তারে আদরে ডাকিতেন ধরে রাখল। শােন
খেটেছিস খুব শুকায়েছে মুখ
থাও কিছু বাছা দূরে যাবে দুঃখ
বাড়ীতে তােমার কেবা আছে আর কী ভাই যেন।
৪
লঞ্জল নয়নে চাহি ভূমি পানে কহিত বাণী
বরেতে আমার কেহ নাই আর
ছােট বােন ছাড়া মেহের আধার
মারি লাগিয়া প্রদীপ জালিয়া আছে সে মণী ।
সেই কি আমায়।
ওগো ছােট মেয়ে পথ পানে চেয়ে আছে মা গো
দুটা তাই যােনে দিন অবসানে
সাঁতের আকাশে দেখি তারাগণে
সেই তারা মাঝে আছে কি না আছে মােদের মত
সেই কি আমার ?
ওগো তুমি সেই কি আমার ?
একি নব রূপ সখা আগত দাওনি দেখ
এ মুরতি প্রেমের আধার!
এ হাসি ছিল গাে কোথা প্রাণভরা মধু,
ছিল কোথা এ নব প্রণয় ?
সেই তো আমার তুমি অনিমিষে দেখি অামি
ভুলে যাই যতেক যাতনা।
প্রতি অবয়বে তব
কি ছবি একেই নৰ
টাল প্রাণে কি মহা সান্ত্বনা !
বল বল প্রিয়তম
আছ তুমি সেই মন
হৃদি সখা আঁখির রঞ্জন।
হে রে ও নয়ন দুটী চরণে পড়েছি লুনি
জীবনের জাগ্রত স্বপন।
(কন তবে বল সাজ
ধরেছ নূতন ঃ
হৃদি ধরা এই নব ফাদ ।
নিবেদিত।
গত দিয়েছি ধরা হয়েছি আপন হর
আশ তব মেটেনি কি চাদ ?
কি নেবে নূতন করে
সবিতো দিয়েছি ও
কিছু নাই কিছু নাই আর
ন তবে এই সাজ কি হাসি অধ কাজ
ল তুমি সেই কি আমার?
প্রেমের জগৎ।
১
মময় প্রেমে বাধা জগত তোমার
মেতে-জগত ছোটে প্রেমেতে সোদাটে
প্রেমেতে তরঙ্গ ওঠে মােহ মদিরার
হামিও প্রেমেতে নাথ জাকি বার বার।
২
অদ্ভুত এ প্রেম তব অনন্ত অব্যয়
: হীন সীমাহীন ধুজে খুজে নিশ:
গজিয়ে মহাসিন্ধু কাঁদিয়া বেড়ায়।
আমিও খুজিয়ে সারা দেখাও আমায়
মহাশক্তি সনে প্রেম মিশিয়ে চায়
• প্রেমে চঁদিনী ওঠে আকাশে তার :
মলয় আকুলি লেটে সারা বিশ্বময়
কৌমুদী কিরণ মাখি তােমাতে মিশঃ
প্রমের জগং।
প্রমময় কোথা তব সীমা এ প্রেমের
ওলী প্রেমের আশে
লুকায় জল পাশে
গালাপ গরবে হাসে প্রেমেতে তোমার
কুল মল্লিকা রাণী রূপে আপনার।
পথিবী মানবে টানে প্রেমেতে তাহার
কাটী গ্রহ রবি তারা প্রেমেতে রচিছে 'ৰ
*ব বিশ্ব নব রূপ নবীন আকার
প্রমময় তুমি শুধু তার মুলাধার !
কেয়াম! ধরা মাঝে সবি প্রেমে ভর,
'ব, প্রেমেতে গায়
তটিনী প্রেমে: * *
টম। সে প্রেমেতে চায় রূপে আত্মহারা
প্রম কেমনে পাব আমি ভেবে সার।
জে এ বিশ্বেতে সখা সব প্রেমময়
পূর্ণ প্রেম : .
হয়। বিভােল মাের তােম। পানে চা
‘বন্দু প্রেম তব প্রদান কমায়
বালি-বিন্দু।
সংসার জলধি তটে
দাড়াইয়া করপুটে
কাতরে ডাকিহে কত কোখা দয়াময়
তুমি প্রভু কর্ণধার ভবার্ণবে কর পর
অগতির গতি সখা দেহ পদাশ্রয়।
সম্মুখে বিশাল সিন্ধু তীয়ে আমি বালি বিনু
কেমনে থােধিব এই তরঙ্গ দুর্বার,
গও বল দাও শক্তি দাও গো অচলা ভকি
যে বলে রােধিতে পারি মহা পারাবার,
উৰ্ম্মি পরে উৰ্ম্মি ছােটে আছাড়িয়া কূলে ললাটে
ভীষণ বাসনা বায়ু গর্জে চারিধার।
ক্ষুদ্র রেনু নিরাশ্রয়
অতি ক্ষুদ্র অসহায়
শক্তি নাই দাড়াইতে বলে আপনার।
কযােড়ে তাই আজ ডাকি কোখী রাজ কাজ
এ ঘাের অকূল নীরে রাখ দয়াময়,
নয়ত আসুক ঢেউ নিকটে এস না কেউ
যাক সে অতল তলে তুলোনাকো তায়।
ভীর জলধি গর্ভে লােক সে আশ্রয়।
কোথা যাও ?
শূন্য করি মাতৃ ক্রোড়
কি আনন্দে হয়ে তোর
চলেছিস অভাগা সন্তান
ফের ফের
নিরাশ্রয়
একা যেতে নাহি ভয়
বহুদূর অজানা সন্ধান ?
কি ছবি নয়নে জাগে
গুন প্রাণ অনুরাগে
তাই আজি অসীম সাহস।
মরতের ধূলাে খেলা
রিলিরে এই নেশা
কচি প্রাণে কত নব আশ।
সুদূর মরতে এসে
কেঁদে ছিলি তার আশে
বাধা প্রাণ তার মমতায়।
( সেকি । সন্ধ্যার প্রদীপ জ্বালি।
দুয়ারে অর্গল খুলি
আছে সেখ? তাের প্রতীক্ষায় ?
সৃণ লীলা শেষ করি
যবে এ ধরপরি
বলে ছিল বুকি হাতে ধরে
নিবেদিতা।
জাগিলে বিয়ােগ ব্যথা
কনে করো মোর কথা
বহুদিন থেকোনাকে দু ?
৭ ড়িয়াছে তাই মনে
রাগের সে স্বপনে
চলেছিস অধীর পরাণ
* * শেষে ক্লান্ত দেহে
:: টছে আপন গেহে
জাগে প্রাণে কার প্রেম!
ক্ষমা ভিক্ষা ।
১ । ন ছিল হেলা ফেল
খি মিলে দেখিনি তাহাবে
* হজ শত বাধা দিয়ে
‘য়ছে বুঝি সে আমাণে।
: ৫০ হাসি অধরের কোলে
ও ৩ সে দুটী নয়নে
এ : ২া। সে বুকে লু কান
* * চুল কি মহা ধেয়ানে।
* ' ই ছিল কিছু নয়
তাই ওঠে ।
আম প্রাণ।
এত দিন দেখিনি হাহারে
োধিল শত বাধা দিয়ে।
পর্ন প্রাণ ঢেলেছে চরণে
পূর্ণ প্রাণে সেধেছে কতনা
চাহি নাই মুখ তুলে হায়
বুঝি নাই তার সে যাতনা
পলক নলিন নয়নে।
মুখ পরে রহিত চাহিয়ে
নীরব সে হাদয় বেদন।
দুটী বিন্দু দিত জানাইয়ে।
কত দিন-কত দিন-পয়ে
সে মাধুরী জাগিছে স্মরণে
ভো ভো বাল অপমান
আজ আমি ভিখারী করণে।
অন্নপ্রাশন।
বগের শিশু পবিত্র কুমার
কি আনন্দ আজি হৃদয়ে আমার
কেমনে না বল*
৪ চাদ যান সুধার রাশি
ড়িছে লুটিয়ে হাসি হাসি হাসি
সুষমার কোথা তুলল নাই
নিবেদিতা।
৪
বীণা বিনিন্দিত মধুর কাকলি
অফুট উছাসে উঠিছে উথলি
দুই বাহু মেলি কিছু করে।
দেব অবতার প্রেমের কুমার
অবগের শিশু তুই আমার
নেহ আশীর্বাদ ভুলিয়ে নেরে
আজি ততদিনে অন্ধ পেয় পেয়ে
দেহলতা তব উঠুক বাড়িয়ে
শত বর্ষ আয়ু হউক তােমার।
শোধ্য বীর্যে ভরা হৃদয় তোমার
হক পবিত্র দয়ায় আধার
জ্ঞান গরিমায় রহক মণ্ডিত।
হৃদি শত দলে বের হরী
প্রেমের আবেশে উঠুক শিহরি
কয়োনাকে ঘৃণা যে জন পতিত
স্নেহ-ছায়া তলে প্রাণী শত শত
তব আলিঙ্গনে হউক জীবিত
লভুক তাহাৱা নবীন জীবন
বিপদের দিনে ভুলি আত্মপর
রেখো সবাকারে বুকের ভিতর
সমাদরে রেখে আশ্রিত যে জন
পিতামহ পিতা যত গুরুজন
সবাকার হও অনিল বয়
তোমা হতে চষে লভুক সান্ত্বনা
ঊদ্ধে পরমে অনন্ত ঈশ্বর
প্রেম পুষ্প দিয়ে হৃদয় ভিতর
করো সর্বক্ষণ চরণ বন্দন।
স্বার কপালে পেয়েই জীবন
মাতৃ সুধা রসে লছে চেতন
দেই পুষ্ট হবে হার কৃপায়
কড় দেই ত্যজি নূতন জনমে
অভিষিক্ত হবে নূতন করমে
সদা মনে রেখো সেই দয়াময় ,
শেষ।
ক্লান্ত দেহ ক্লান্ত মন উদাস পাশে
ভৰি সদা কত দূর শেষ কোন্ খানে
দিবস ফুরায় যায়
দিগন্ত আধারে ছায়
সম্মুখে সােনার মৰি যায় অন্ত পানে
সীমাহীন শূন্য পরে যাবে কোন স্থানে ?
নিবেদিত।
52 ঠ এরা ফেটে অরুণ উয়
বড় জ্যোৎস্না কভু তম নীলাকাশ গা
fa সাত সমভাবে
মিয়ত উদয় ।
কং এর শেষ কোথা কে করে নির্ণয়
৭। 'দি কোথা অন্ত কোথা পায় ন*
“যুই পুঝিও নারি নিয়ম ধরায়
শক্তি মন লয়ে মহিমা তাহার
"শ আকুল খোলে
ছুটিছে মরণ '
'ad রাত ব্যাপি শুধু দীর্থ হাহাকার
৫। । কি নাহিক শেষ অনন্ত অপার ,
নমা হীন অাশা লয়ে দুটায় বেড়ায়
কত দিনে হবে শেষ ভাবি শুধু তাই
না না নামাতে পেয়ে
শুধুই নয়ন ।
কৃপা প্রীতি কোথা সুখ কোথা যাও -
পবন ঋন শেষ তব কাছে যাই।
ক
: সম্পূর্ণ
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.
No text on this page.